সঠিক উত্তর: A) √মা + তৃচ্/তা
১. কেন সঠিক:
- ‘মাতা’ শব্দটি সাধিত শব্দ যা কৃৎপ্রত্যয় যোগে গঠিত হয়েছে।
- এখানে ‘মা’ ধাতুর সঙ্গে ‘তৃচ্’ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ‘মাতা’ শব্দ গঠিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- কৃৎপ্রত্যয় হলো ধাতু বা ক্রিয়ামূলের সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয়।
- সংস্কৃতে কর্তৃবাচ্যে ধাতুর সঙ্গে তৃচ্ প্রত্যয় যুক্ত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: √গম + তৃচ্ = গন্তা
ব্যাখ্যা: গম ধাতুর সঙ্গে তৃচ্ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গন্তা শব্দ গঠিত হয়।
উদাহরণ ২: √কৃ + তৃচ্ = কর্তা
ব্যাখ্যা: কৃ ধাতুর সঙ্গে তৃচ্ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে কর্তা শব্দ গঠিত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) √মা + তৃচ্/তা — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং নিয়ম অনুযায়ী নির্ভুল।
B) √মাতৃ + আ — ‘মাতৃ’ কোনো মৌলিক ধাতু নয়, তাই এই গঠন ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়।
C) √মাত্ + আ — ‘মাত্’ ধাতু থেকে সরাসরি ‘আ’ প্রত্যয় যোগে ‘মাতা’ হয় না।
D) √মাতা + অ — ‘মাতা’ নিজেই একটি সম্পূর্ণ পদ, এটি ধাতু হতে পারে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মা ধাতুর সঙ্গে তৃচ্ প্রত্যয় যোগ করলে মাতা হয়।
- ধাতুর সঙ্গে তৃচ্ প্রত্যয় সাধনের নিয়মগুলো বারবার চর্চা করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রত্যয় নির্ণয়ের প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
- ধাতু চেনার মাধ্যমে কৃৎপ্রত্যয় সহজে নির্ণয় করা যায়।
সঠিক উত্তর: C) ভবিষ্যত
১. কেন সঠিক:
- ভূত শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে ভবিষ্যত শব্দটি ব্যবহৃত হয় কারণ ভূত নির্দেশ করে অতীতকাল বা যা ঘটে গেছে, আর ভবিষ্যত নির্দেশ করে সামনের সময় বা যা এখনো ঘটেনি।
- কালবাচক বা সময় নির্দেশক শব্দ হিসেবে ভূত এবং ভবিষ্যত পরস্পর বিপরীতার্থক হিসেবে বাংলা ভাষায় প্রতিষ্ঠিত।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দের ক্ষেত্রে শব্দের মূল অর্থ এবং প্রসঙ্গের ওপর নির্ভর করে বিপরীত শব্দ নির্বাচন করতে হয়।
- কাল বা সময়বাচক শব্দের ক্ষেত্রে অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যত একে অপরের পরিপূরক ও বিপরীত হিসেবে কাজ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অতীত
ব্যাখ্যা: অতীত শব্দের বিপরীত শব্দ হিসেবে বর্তমান বা ভবিষ্যত ব্যবহৃত হতে পারে, তবে নির্দিষ্ট সময়বাচক ধারায় এটি ভূতের সমার্থক।
উদাহরণ ২: প্রাচীন
ব্যাখ্যা: প্রাচীন শব্দের বিপরীত শব্দ আধুনিক, যা কালবাচক বিপরীত শব্দের আরেকটি সুন্দর উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রেত — প্রেত শব্দের অর্থ মৃত মানুষের আত্মা বা ভূত নিজেই, তাই এটি বিপরীতার্থক শব্দ নয় বরং সমার্থক শব্দ।
B) বর্তমান — বর্তমান হলো ঠিক এখনকার সময়, যা ভূত ও ভবিষ্যত উভয়ের মধ্যবর্তী কাল এবং এটি ভূতের সরাসরি বিপরীত শব্দ নয়।
D) অতীত — অতীত হলো ভূত শব্দের সমার্থক শব্দ, বিপরীতার্থক শব্দ নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- কালবাচক শব্দ মনে রাখার সহজ উপায় হলো অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যত এই তিনটি সময়কে ক্রমানুসারে মনে রাখা।
- ভূত মানে যা পিছিয়ে গেছে বা অতীত, আর ভবিষ্যত মানে যা সামনে আসছে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কালবাচক শব্দের বিপরীত শব্দ নির্ণয়ের সময় সমার্থক ও বিপরীত শব্দের পার্থক্য ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে।
- অনেক সময় সমার্থক শব্দ অপশনে বিভ্রান্তি সৃষ্টির জন্য দেওয়া হয়, তাই মূল শব্দের সঠিক অর্থ জানা জরুরি।
সঠিক উত্তর: B) মিলন
১. কেন সঠিক:
- সন্ধি শব্দের ব্যাকরণগত ও শাব্দিক অর্থ হলো মিলন। ব্যাকরণে দুটি ধ্বনির মিলনকে সন্ধি বলা হয়।
- পাশাপাশি অবস্থিত দুটি ধ্বনির মিলন বা কাছাকাছি দুটি বর্ণের মিলনের ফলে উচ্চারণের যে সুবিধা হয়, তাকেই সন্ধি বলে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- পাশাপাশি অবস্থিত দুটি ধ্বনির মিলনকে সন্ধি বলে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো উচ্চারণের দ্রুততা রক্ষা করা এবং সহজ উচ্চারণ নিশ্চিত করা।
- সন্ধি প্রধানত দুই প্রকার, যথা বাংলা সন্ধি এবং তৎসম বা সংস্কৃত সন্ধি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হিম + আলয় = হিমালয়
ব্যাখ্যা: এখানে অ এবং আ মিলে আ কার হয়েছে, যা স্বরসন্ধির একটি ধ্রুপদী উদাহরণ।
উদাহরণ ২: উৎ + চারণ = উচ্চারণ
ব্যাখ্যা: এখানে ত এবং চ মিলে চ্চ হয়েছে, যা ব্যঞ্জনসন্ধির একটি সুপরিচিত নিয়ম।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সংক্ষেপণ — সমাস পদের অর্থ হলো সংক্ষেপণ, তাই এটি সন্ধির অর্থ নয়।
B) মিলন — এটি সন্ধি শব্দের সঠিক শাব্দিক ও ব্যাকরণগত অর্থ।
C) একপদীকরণ — একাধিক পদকে এক পদে পরিণত করাকে সমাস বলা হয়।
D) চিহ্ন — এটি শব্দটির অর্থের সঙ্গে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সন্ধি মানেই মেলবন্ধন বা মিলন, আর সমাস মানেই সংক্ষেপ করা।
- মনে রাখতে পারো ধ্বনির মিলন মানেই সন্ধি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সন্ধি শব্দের অর্থ প্রায়ই আসে।
- ধ্বনির মিলন সংক্রান্ত প্রশ্ন আসলে উত্তর সব সময় মিলন বা সন্ধি নির্বাচন করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) সতী + ঈশ
১. কেন সঠিক:
- সতীশ শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো সতী যোগ ঈশ।
- এটি স্বরসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম যেখানে দীর্ঘ ই কার এবং দীর্ঘ ই কার মিলে দীর্ঘ ই কার হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী অ বা আ এর পরে অ বা আ থাকলে উভয়ে মিলে আ হয়।
- ই বা ঈ এর পরে ই বা ঈ থাকলে উভয়ে মিলে দীর্ঘ ঈ হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নদী + ইন্দ্র = ন্দীন্দ্র
ব্যাখ্যা: দীর্ঘ ই কারের সাথে হ্রস্ব ই কার যুক্ত হয়ে দীর্ঘ ই কার গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: পরি + ঈক্ষা = পরীক্ষা
ব্যাখ্যা: হ্রস্ব ই কারের সাথে দীর্ঘ ই কার যুক্ত হয়ে দীর্ঘ ই কার সাধিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সতি + ইশ — এখানে প্রথম শব্দে সতি বানানে হ্রস্ব ই কার ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক নয়।
B) সতি + ঈশ — এখানে প্রথম শব্দে সতি বানানে হ্রস্ব ই কার ব্যবহার করা হয়েছে এবং দ্বিতীয় শব্দে দীর্ঘ ই কার রয়েছে।
C) সতী + ঈশ — এটি সঠিক উত্তর কারণ সতী এবং ঈশ উভয় শব্দেই দীর্ঘ ই কার ব্যবহৃত হয়।
D) সতী + ইশ — এখানে প্রথম শব্দ সঠিক হলেও দ্বিতীয় শব্দে ইশ বানানে হ্রস্ব ই কার ব্যবহার করা হয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সতীশ এবং মহেশ জাতীয় শব্দে সবসময় দীর্ঘ ঈ কারযুক্ত ঈশ শব্দ ব্যবহৃত হয়।
- সন্ধি বিচ্ছেদের সময় শব্দের মূল রূপ ঠিক রাখতে দীর্ঘ ই কার মনে রাখা জরুরি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দীর্ঘ ই কারযুক্ত সন্ধি বিচ্ছেদ প্রায়ই আসে।
- শব্দের মূল রূপ চেনার মাধ্যমে এই ধরনের সন্ধি সহজে সমাধান করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: B) √বুদ্ধি + মান
কেন সঠিক:
- বর্ধমান শব্দটি বুদ্ধ ধাতু বা এর পরিবর্তিত রূপের সাথে মান প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত হয়েছে।
- বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এটি কৃৎ প্রত্যয়ের একটি বিশেষ উদাহরণ।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- কৃৎ প্রত্যয় হলো ধাতু বা ক্রিয়ামূলের সাথে যে প্রত্যয় যুক্ত হয়।
- এখানে √বুদ্ধি হলো মূল ধাতু এবং মান হলো প্রত্যয়।
- অনুরূপভাবে, বুধ যোগ মান সমান বর্ধমান রূপটি ব্যাকরণসিদ্ধ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) √বর্ধ + মান — বর্ধ কোনো মূল ধাতু নয় তাই এই অপশনটি ভুল।
- B) সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে বিবেচিত।
- C) √বৃধ + মান — বৃধ সরাসরি প্রচলিত ধাতু হিসেবে এখানে প্রযোজ্য নয়।
- D) √বর্ধন + মান — বর্ধন একটি পূর্ণাঙ্গ শব্দ, তার সাথে আবার মান প্রত্যয় যুক্ত হতে পারে না।
মনে রাখার টিপস:
- বর্ধমান শব্দটির উৎপত্তি মনে রাখতে বুদ্ধ ধাতু এবং মান প্রত্যয়ের সংযোগের কথা মাথায় রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) আবিল
১. কেন সঠিক:
- অনাবিল শব্দের অর্থ নির্মল, পরিষ্কার, কুঁড়িমুক্ত বা কলুষহীন। এর বিপরীত বা উল্টো অর্থের শব্দটি হলো আবিল।
- আবিল শব্দের অর্থ ঘোলাটে, পঙ্কিল, মলিন, কলুষিত বা আবর্জনাযুক্ত। অর্থগত দিক থেকে নির্মলতার বিপরীত হলো কলুষতা বা মলিনতা।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দের ক্ষেত্রে শব্দের মূল অর্থ এবং তার বিপরীত অর্থের ভাব বিবেচনা করতে হয়। সংস্কৃত উপসর্গ বা প্রত্যয় যোগ করে কিংবা সরাসরি বিপরীতার্থক শব্দ গঠিত হয়।
- এখানে অবিল বা অনাবিল জাতীয় শব্দ গঠনে উপসর্গ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। অ বা অন উপসর্গ অনেক সময় না বোধক বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নির্মল এবং পঙ্কিল
ব্যাখ্যা: নির্মল শব্দের বিপরীত অর্থ পঙ্কিল, যা ঠিক অনাবিল ও আবিলের সম্পর্কের মতো।
উদাহরণ ২: স্বচ্ছ এবং ঘোলা
ব্যাখ্যা: স্বচ্ছ বা পরিষ্কার পানির বিপরীত হলো ঘোলা পানি, যা শব্দের অর্থের দিক থেকে আবিল শব্দের কাছাকাছি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অননাবিল — এটি একটি ভুল বা কৃত্রিম গঠন, বাংলা ব্যাকরণে এ ধরনের শব্দের কোনো প্রমিত ব্যবহার নেই।
C) আবিলতা — এটি বিশেষ্য পদ, কিন্তু প্রশ্নভুক্ত শব্দ বিশেষণ হওয়ায় এর বিপরীত শব্দ হিসেবে বিশেষণ পদই বেশি উপযুক্ত।
D) অনাগত — এর অর্থ যা এখনো আসেনি, যা অনাবিল শব্দের বিপরীত অর্থের সঙ্গে কোনোভাবেই মেলে না।
৫ মনে রাখার টিপস:
অ বা অন উপসর্গ বাদ দিলে বা যুক্ত করলে অনেক শব্দের বিপরীত রূপ পাওয়া যায়। অনাবিল মানে পরিষ্কার, তাই এর বিপরীত আবিল বা ময়লাটে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিপরীতার্থক শব্দ নির্বাচনে পদের রূপ বিশেষ্য বা বিশেষণ মেলানো জরুরি। একই প্রকৃতির পদ উত্তর হিসেবে নির্বাচন করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) অদৃশ্য
১. কেন সঠিক:
- বাক্যে বা প্রশ্নে চাওয়া হয়েছে যা দেখা যায়নি তার এককথায় প্রকাশ এবং এর সঠিক রূপটি হলো অদৃশ্য।
- এখানে দৃশ্য শব্দের পূর্বে নর্থক উপসর্গ বা অবয়ব যুক্ত হয়ে বিপরীতার্থক পদ গঠিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকরণগত অংশ।
- কোনো বড় ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার প্রক্রিয়াকে বাক্য সংকোচন বলা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: যা বলা হয়নি
ব্যাখ্যা: একে এককথায় অব্যক্ত বলা হয়।
উদাহরণ ২: যা পূর্বে দেখা যায়নি
ব্যাখ্যা: একে এককথায় অদৃষ্টপূর্ব বলা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অদৃষ্ট — এই শব্দটির অর্থ যা দেখা যায়নি তা নয়, বরং এর অর্থ ভাগ্য বা যা ঘটে গেছে।
B) অদৃশ্য — এটি প্রশ্নের সঠিক চাহিদা পূরণ করে কারণ এর অর্থ যা দেখা যায় না বা দেখা যায়নি।
C) অদৃষ্টপূর্ব — এই শব্দটির অর্থ যা পূর্বে দেখা যায়নি, যা বর্তমান প্রশ্নের সঙ্গে পুরোপুরি মেলে না।
D) অদেখা — এটি একটি সাধারণ কথ্য রূপ, প্রমিত এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে এর সঠিক প্রাতিষ্ঠানিক রূপ হলো অদৃশ্য।
৫. মনে রাখার টিপস:
- না দেখার বিষয়টি বোঝাতে দৃশ ধাতুর সঙ্গে উপসর্গ যুক্ত করে অদৃশ্য শব্দ গঠন করা হয়।
- পরীক্ষার হলে বাক্যের অর্থের সঙ্গে শব্দের ভাবার্থ মিলিয়ে সঠিক উত্তর নির্ধারণ করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এককথায় প্রকাশ থেকে বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
- পূর্বের সঙ্গে তুলনার বিষয় থাকলে অদৃষ্টপূর্ব এবং সাধারণ না দেখার ক্ষেত্রে অদৃশ্য ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) শুচিস্মিতা
কেন সঠিক:
১. যে নারীর হাসি পবিত্র, তাকে এক কথায় শুচিস্মিতা বলা হয়।
২. এখানে শুচি শব্দের অর্থ পবিত্র এবং স্মিতা শব্দের অর্থ মৃদু হাসি।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১. এটি এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন ব্যাকরণের একটি অংশ।
২. সাধু ও প্রমিত বানানের নিয়ম অনুযায়ী এখানে মূর্ধন্য ষ ব্যবহৃত হয়েছে।
৩. যেমন, পবিত্র হাসি যার, তাকে শুচিস্মিতা বলা ব্যাকরণসম্মত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সুচিস্মিতা — বানানে দন্ত স ব্যবহারের কারণে এই অপশনটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল হয়েছে।
C) সুহাসিনী — এর অর্থ সুন্দর হাসি যার, কিন্তু পবিত্র হাসির ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নয়।
D) সুহাস্য — এর অর্থ সুন্দর হাসি, যা দ্বারা পবিত্র হাসি বোঝায় না।
মনে রাখার টিপস:
১. পবিত্র অর্থে সবসময় 'শুচি' শব্দটি ব্যবহৃত হয়, তাই বানানে মূর্ধন্য ষ মনে রাখতে হবে।
২. স্মিতা মানে মৃদু হাসি, তাই পবিত্র হাসির ক্ষেত্রে শুচিস্মিতা শব্দটি সঠিক।
সঠিক উত্তর: B) অনাথিনী
১. কেন সঠিক:
অনাথ শব্দের সঙ্গে দীর্ঘ ই কার এবং ন দীর্ঘ ই কার যুক্ত হয়ে স্ত্রীলিঙ্গ অনাথিনী গঠিত হয়েছে।
বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী বিশেষ শব্দের ক্ষেত্রে পুংলিঙ্গ শব্দের শেষে বিশেষ প্রত্যয় যোগ করে স্ত্রীলিঙ্গ করতে হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে কিছু পুংলিঙ্গ শব্দের শেষে ইনি প্রত্যয় যোগ করে স্ত্রীলিঙ্গ করা হয়।
অনাথ শব্দের ক্ষেত্রে এই নিয়ম প্রযোজ্য হয়ে অনাথিনী রূপটি গঠিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাগীশ থেকে বাগীশ্বরী।
ব্যাখ্যা: বিশেষ নিয়মে সাধিত স্ত্রীলিঙ্গের একটি পরিচিত উদাহরণ।
উদাহরণ ২: চাকর থেকে চাকরানি।
ব্যাখ্যা: শব্দের অন্তে প্রত্যয় যোগ করে স্ত্রীলিঙ্গ সাধনের আরেকটি নিয়ম।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অনার্থীনি — এই বানানটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল এবং প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম অনুসরণ করে না।
C) অনাথি — এই রূপটি অসম্পূর্ণ এবং এতে সঠিক স্ত্রীবাচক প্রত্যয় যুক্ত হয়নি।
D) নাথবতী — এই শব্দটি অনাথ শব্দের স্ত্রীলিঙ্গ নয়, বরং এটি ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
অনাথ শব্দের শেষে ইনি যুক্ত করে অনাথিনী বানাতে হবে।
বানানের সময় দীর্ঘ ই কারের ব্যবহার মনে রাখা জরুরি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের বিশেষ নিয়মভিত্তিক লিঙ্গ পরিবর্তন প্রায়ই আসে।
নিয়মগুলো বারবার চর্চা করলে পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।
সঠিক উত্তর: D) গুরুচণ্ডালী
১. কেন সঠিক:
- সাধু ও চলিত রীতির শব্দ একই বাক্যে ব্যবহার করলে তাকে গুরুচণ্ডালী দোষ বলা হয়।
- বাংলা বাক্যে রীতির মিশ্রণ ঘটলে ভাষার সৌন্দর্য ও ব্যাকরণগত শৃঙ্খলা নষ্ট হয়, যাকে গুরুচণ্ডালী বলা হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- সাধু রীতিতে ক্রিয়ারূপ ও সর্বনাম পদ একরকম হয় এবং চলিত রীতিতে তা অন্যরকম হয়।
- সাধু ও চলিত রীতির মিশ্রণ ঘটিয়ে বাক্য তৈরি করা ব্যাকরণে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শিন্নী ছড়ানো হইয়াছে
ব্যাখ্যা: শিন্নী চলিত বা কথ্য শব্দ এবং হইয়াছে সাধু ক্রিয়ারূপ, যা গুরুচণ্ডালী দোষ দুষ্ট।
উদাহরণ ২: মরা গরু
ব্যাখ্যা: মরা চলিত শব্দ এবং গরু তৎসম শব্দ হলেও সাধু রীতিতে মৃত বলা হয়, তাই এটি অশুদ্ধ প্রয়োগ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গুরুদোষ — ব্যাকরণে গুরুদোষ নামে কোনো বিশেষ ভাষা বা বাক্যরীতির ত্রুটি নেই।
B) লঘুদোষ — ব্যাকরণে লঘুদোষ বলে কোনো ভাষাগত বা ব্যাকরণগত পরিভাষা নেই।
C) মিশ্রদোষ — মিশ্রদোষ শব্দটি ব্যাকরণে সাধু ও চলিত রীতির মিশ্রণের ক্ষেত্রে প্রমিত শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয় না।
D) গুরুচণ্ডালী — এই অপশনটি সাধু ও চলিত রীতির মিশ্রণজনিত ত্রুটির ক্ষেত্রে সঠিকভাবে প্রযোজ্য।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সাধু ও চলিত একসাথে বসলে তাকে গুরুচণ্ডালী দোষ বলে মনে রাখবে।
- রীতির মিশ্রণ এড়াতে বাক্য সবসময় একরীতিতে লিখতে হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্যশুদ্ধি অংশে এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে।
- সাধু রীতিতে লেখা বাক্য বা চলিত রীতিতে লেখা বাক্য চেনার মাধ্যমে এই দোষ এড়ানো যায়।
সঠিক উত্তর: খ) উপমিত কর্মধারয়
কেন সঠিক:
এখানে কর অর্থাৎ হাত হলো উপমেয় এবং পল্লব অর্থাৎ নতুন পাতা হলো উপমান। সাধারণ ধর্ম অর্থাৎ কোমলতা উহ্য রেখে সাধারণ বস্তুকে বিশেষ বস্তুর সাথে তুলনা করা হয়েছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
উপমিত কর্মধারয় সমাসে সাধারণ ধর্ম উল্লেখ না করে উপমেয় পদের সাথে উপমান পদের তুলনা বোঝানো হয়। এক্ষেত্রে সাধারণ ধর্মটি উহ্য থাকে এবং ব্যাসবাক্যের শেষে ন্যায় পদটি বসে।
কর পল্লবের ন্যায় ব্যাসবাক্যে হাতকে গাছের কচি পাতার সাথে তুলনা করা হলেও কোমলতা শব্দটি গায়ে উহ্য আছে।
অনুরূপভাবে চন্দ্রমুখ, পুরুষ সিংহ ইত্যাদি উপমিত কর্মধারয় সমাসের বিখ্যাত কিছু উদাহরণ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
ক) মধ্যপদলোপী কর্মধারয় — এই সমাসে ব্যাসবাক্যের মাঝের পদ সম্পূর্ণ লোপ পায়, যা এখানে ঘটে নাই।
খ) উপমিত কর্মধারয় — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
গ) উপমান কর্মধারয় — এখানে উপমান পদের সাথে সাধারণ ধর্মের তুলনা করা হয়, কিন্তু এটি সাধারণ ধর্মবাচক পদ নয়।
ঘ) অব্যয়ীভাব সমাস — এই সমাসে পূর্বপদের অর্থ প্রধান হয় এবং অব্যয় যোগে সমাস গঠিত হয়, যা এখানে নেই।
মনে রাখার টিপস:
তুলনা করার সময় যদি সাধারণ ধর্ম উল্লেখ না থাকে এবং ব্যাসবাক্যের শেষে ন্যায় শব্দ বসে তবে চোখ বন্ধ করে তাকে উপমিত কর্মধারয় সমাস বলবে।
সঠিক উত্তর: A) তৎপুরুষ
১. কেন সঠিক:
- জন্ম থেকে অন্ধ, এই অর্থে ব্যাসবাক্য হওয়ায় এটি অপাদান তৎপুরুষ সমাস হয়েছে।
- এখানে পূর্বপদে অপাদান কারকে পঞ্চমী বিভক্তি লোপ পেয়ে সমাস সাধিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে সমাসে পূর্বপদের বিভক্তির লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়, তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে।
- অপাদান তৎপুরুষ সমাসের ক্ষেত্রে পূর্বপদে হতে, থেকে বা চেয়ে অনুসর্গ বা পঞ্চমী বিভক্তি লোপ পায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিলাত ফেরত
ব্যাখ্যা: বিলাত থেকে ফেরত, এটি অপাদান তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ।
উদাহরণ ২: জেল মুক্ত
ব্যাখ্যা: জেল থেকে মুক্ত, এটিও অপাদান তৎপুরুষ সমাসের একটি সঠিক উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তৎপুরুষ — এটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এর মাধ্যমে অপাদান তৎপুরুষ সমাস বোঝানো হয়েছে।
B) বহুব্রীহি — এই সমাসে পদের নিজ অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো পদকে বোঝায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) কর্মধারয় — এখানে বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে নতুন অর্থ প্রকাশ পায় না, তাই এটি ভুল।
D) অব্যয়ীভাব — পূর্বপদের অব্যয়ের অর্থ প্রধান হয় এমন সমাস এটি নয়, তাই এটি ভুল।
৫. মনে রাখার টিপস:
- জন্ম থেকে বা উৎস বোঝালে এবং তা থেকে চ্যুতি বা দূরত্ব বুঝলে অপাদান তৎপুরুষ সমাস হয়।
- জন্মান্ধ শব্দটির ব্যাসবাক্য জন্ম হইতে অন্ধ করে তৎপুরুষ সমাস মনে রাখা সহজ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জন্ম সংক্রান্ত বিভিন্ন শব্দ প্রায়ই সমাস নির্ণয়ের জন্য আসে।
- উৎস বা ত্যাগের অর্থ প্রকাশ পেলে সবসময় অপাদান তৎপুরুষ সমাস বিবেচনা করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) সৎ চরিত্রের লোক সকলের প্রিয়
কেন সঠিক:
- এই বাক্যের প্রতিটি পদের বানান ও গঠন সম্পূর্ণ সঠিক।
- বাক্যটিতে কোনো বাহুল্য দোষ বা পদের প্রয়োগগত ত্রুটি নেই।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী পদবিন্যাস ও অর্থসংগতি এখানে সঠিক রয়েছে।
- সাধু ও চলিত রীতির মিশ্রণ দোষ এই বাক্যে ঘটে নি।
- সৎ চরিত্রের লোক সকলের প্রিয় বাক্যটি ব্যাকরণের দিক থেকে সম্পূর্ণ নির্ভুল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) অশ্রুজলে চোখ ভেসে গেল — অশ্রু মানেই চোখের জল, তাই অশ্রুজল বলা বাহুল্য দোষ দুষ্ট।
- C) অঙ্ক কষিতে ভুল করিওনা — করিওনা বানান ভুল, সঠিক রূপ করিও না বা কোরো না।
- D) আমি ঘটনাটি চাক্ষুষ প্রত্যক্ষ করেছি — চাক্ষুষ এবং প্রত্যক্ষ একই অর্থ প্রকাশ করায় এটি বাহুল্য দোষ।
মনে রাখার টিপস:
- একই অর্থের শব্দ একসাথে ব্যবহার করে বাহুল্য দোষ তৈরি করা থেকে বিরত থাকুন।
- লেখার সময় বানান এবং পদের সঠিক প্রয়োগের দিকে সবসময় বিশেষ নজর দিন।
সঠিক উত্তর: C) পুত্র
১. কেন সঠিক:
- ‘আত্মজা’ একটি লিঙ্গবাচক শব্দ যার অর্থ কন্যা বা মেয়ে।
- প্রশ্নানুসারে কোনটি সমার্থক শব্দ নয় তা জানতে চাওয়া হয়েছে, যেখানে পুত্র একটি পুংলিঙ্গবাচক শব্দ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণে লিঙ্গ পরিবর্তনের মাধ্যমে স্ত্রীবাচক শব্দ থেকে পুংলিঙ্গবাচক শব্দ গঠিত হয়।
- আত্মজ শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ হলো আত্মজা, যার বিপরীত বা ভিন্ন লিঙ্গের শব্দ হলো পুত্র।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তনয়া
ব্যাখ্যা: তনয়া শব্দের অর্থ কন্যা, যা আত্মজা শব্দের সমার্থক।
উদাহরণ ২: পুত্র
ব্যাখ্যা: পুত্র শব্দের অর্থ ছেলে, যা আত্মজা শব্দের বিপরীতার্থক বা পুংলিঙ্গবাচক শব্দ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দুহিতা — এটি আত্মজা শব্দের একটি বহুল ব্যবহৃত সমার্থক শব্দ যার অর্থ মেয়ে।
B) তনয়া — এটি আত্মজা শব্দের সরাসরি সমার্থক শব্দ এবং এর অর্থ কন্যা।
C) পুত্র — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি পুংলিঙ্গবাচক শব্দ এবং আত্মজার সমার্থক নয়।
D) কন্যা — এটি আত্মজা শব্দের সমার্থক শব্দ হিসেবে মেয়ে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- আত্ম শব্দের অর্থ নিজে এবং জা শব্দের অর্থ জন্ম দেওয়া, তাই নিজের দেহ থেকে যার জন্ম অর্থাৎ মেয়ে বা কন্যা।
- পুংলিঙ্গ ও স্ত্রীলিঙ্গবাচক শব্দের পার্থক্য ভালোভাবে খেয়াল করলে এমন প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সমার্থক শব্দ ও লিঙ্গ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে শব্দের মূল অর্থ অনুধাবন করা জরুরি।
- পরীক্ষার হলে প্রশ্ন ভালোভাবে পড়ে দেখতে হবে সমার্থক শব্দ চেয়েছে নাকি বিপরীত বা ভিন্নার্থক শব্দ চেয়েছে।
সঠিক উত্তর: B) কেশ
১. কেন সঠিক:
- কুন্তল শব্দের অর্থ হলো চুল, যা মানুষের মাথার চুল বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
- সমার্থক শব্দের ক্ষেত্রে শব্দটির মূল অর্থ বিবেচনা করে সঠিক উত্তর নির্বাচন করা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যা ভিন্ন রূপের হলেও একই বা প্রায় একই অর্থ প্রকাশ করে।
- বাংলা ভাষায় শব্দের ভাণ্ডার সমৃদ্ধ করতে সমার্থক শব্দের ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চুল
ব্যাখ্যা: এটি কুন্তল শব্দের একটি বহুল ব্যবহৃত সাধারণ সমার্থক শব্দ।
উদাহরণ ২: অলক
ব্যাখ্যা: এটি কুন্তল বা চুলের আরেকটি কাব্যিক ও সুন্দর সমার্থক শব্দ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অংশু — অংশু শব্দের অর্থ হলো রশ্মি বা আলো, যা চুলের সমার্থক নয়।
B) কেশ — এটি সঠিক উত্তর এবং কুন্তলের সমার্থক শব্দ।
C) কুবলয় — কুবলয় শব্দের অর্থ হলো নীল পদ্ম, যা চুলের সমার্থক নয়।
D) কমল — কমল শব্দের অর্থ হলো পদ্মফুল, যা চুলের সমার্থক নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- কুন্তল ও কেশ দুটিই মাথা বা চুলের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।
- চুল সংক্রান্ত শব্দ মনে রাখলে এই প্রশ্নের উত্তর সহজে মেলানো যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শরীরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ও প্রাকৃতির উপাদানের সমার্থক শব্দ প্রায়ই আসে।
- নিয়মিত সমার্থক শব্দ চর্চা করলে এ ধরনের প্রশ্নের উত্তর নির্ভুল দেওয়া সম্ভব।
সঠিক উত্তর: A) অধিকরণে সপ্তমী
কেন সঠিক:
- তিল হলো আধার বা উৎস যার মধ্যে তেল নিহিত থাকে।
- তিলে শব্দের সাথে এ বিভক্তি যুক্ত হয়েছে যা সপ্তমী বিভক্তির রূপ।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ক্রিয়া সম্পাদনের সময়, স্থান বা আধারকে অধিকরণ কারক বলে।
- কোনো বস্তুতে বা বিষয়ে অন্য কোনো কিছুর অবস্থান বুঝালে অধিকরণ কারক হয়।
- যেমন: তিলে তেল আছে, পাতালে পানি আছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) অধিকরণে সপ্তমী — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
- B) অধিকরণে শূন্য — তিলে শব্দটিতে এ বিভক্তি স্পষ্ট থাকায় এটি শূন্য বিভক্তি নয়।
- C) অপাদানে সপ্তমী — তিল থেকে তেল উৎপন্ন হলেও এখানে তিল হলো তেলের আধার, তাই এটি অপাদান নয় অধিকরণ।
- D) অপাদানে শূন্য — তিলে শব্দটিতে এ বিভক্তি আছে এবং এটি অপাদান কারকও নয়।
মনে রাখার টিপস:
- কোনো কিছু থেকে উৎপন্ন হলে অপাদান আর কোনো কিছুর ভেতরে বা আধার বোঝালে অধিকরণ কারক হয়।
সঠিক উত্তর: B) অপাদানে সপ্তমী
১. কেন সঠিক:
- ভয়, ভীতি বা আতঙ্ক বোঝাতে যার থেকে ভয় উৎপন্ন হয়, তাকে অপাদান কারক বলা হয়।
- এখানে রাঘব বা রামচন্দ্রের প্রতি ভয়ের কথা বলা হয়েছে এবং রাঘব শব্দে এ বিভক্তি যুক্ত হওয়ায় এটি অপাদানে সপ্তমী কারক হয়েছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, বিরত, গৃহীত, রক্ষিত বা ভয় পায়, তাকে অপাদান কারক বলে।
- শব্দের শেষে এ, য়, তে ইত্যাদি বিভক্তি যুক্ত হলে এবং তা সপ্তমী বিভক্তি নির্দেশ করলে তাকে অপাদানে সপ্তমী বলা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাঘে ভয় পায় না কে।
ব্যাখ্যা: বাঘ থেকে ভয় পাওয়ার উৎস বোঝাচ্ছে, তাই এটি অপাদানে সপ্তমী।
উদাহরণ ২: গাছ থেকে পাতা পড়ে।
ব্যাখ্যা: গাছ থেকে পাতা বিচ্যুত হওয়া বোঝাচ্ছে, তাই এটি অপাদানে পঞ্চমী।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) করণে সপ্তমী — করণ কারক দ্বারা সাহায্য বা যন্ত্র বোঝায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) অপাদানে সপ্তমী — এই অপশনটি সঠিক এবং বাক্যের অর্থের সঙ্গে সম্পূর্ণ মিলে যায়।
C) কর্মে সপ্তমী — কর্ম কারকে যাকে আশ্রয় করে ক্রিয়া সম্পন্ন হয় তা বোঝায়, কিন্তু এখানে ভয়ের উৎস প্রকাশ পেয়েছে।
D) অপাদানে শূন্য — অপাদান কারক হলেও রাঘবে শব্দটিতে এ বিভক্তি যুক্ত আছে, তাই এটি শূন্য বিভক্তি নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ভীতি, রক্ষা, উৎপন্ন বা দূরত্ব বোঝালে সাধারণত অপাদান কারক হয়।
- বাক্যে ভয় পাওয়া অর্থ প্রকাশ পেলে চোখ বন্ধ করে অপাদান কারক দাগাবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কারক ও বিভক্তি নির্ণয়ের ক্ষেত্রে বাক্যের অন্তর্নিহিত অর্থ বা ভাব সবার আগে বুঝতে হবে।
- ভয় শব্দটির সঙ্গে সাধারণত অপাদান কারকের সম্পর্ক থাকে।
সঠিক উত্তর: C) দ্বন্দ্ব
১. কেন সঠিক:
- দ্বন্দ্ব শব্দটিতে দ, ব, এবং ধ বর্ণগুলোর যুক্তরূপ অত্যন্ত নিখুঁতভাবে ব্যবহৃত হয়েছে।
- বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী দ এর নিচে ব এবং ধ যুক্ত হয়ে এই বিশেষ যুক্তবর্ণটি গঠিত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী কিছু শব্দে ব ফলা ব্যবহারের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নিয়ম মানা হয়।
- দ্বন্দ্ব শব্দের গঠন হলো দ যোগ ব যোগ ধ, যেখানে ব ফলাটি দ এর নিচে বসে ধ এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিদ্বান
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও ব ফলা এবং অন্যান্যবর্ণের সঠিক যুক্তরূপ ব্যবহৃত হয়েছে, যা প্রমিত বানানরীতির অন্তর্ভুক্ত।
উদাহরণ ২: জিলকদ
ব্যাখ্যা: এটি একটি আরবি শব্দ হলেও বাংলা পরিভাষায় এর বানানরীতিতে দ এর ব্যবহার নির্ভুলভাবে রক্ষিত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আশীষ — এই বানানে মূর্ধন্য ষ ব্যবহৃত হয়েছে, কিন্তু সঠিক বানান হবে আশিস যেখানে দন্ত স ব্যবহৃত হয়।
B) শিরচ্ছেদ — এই বানানে চ এর সঙ্গে যুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে নিয়মের ত্রুটি রয়েছে, সঠিক বানান হলো শিরশ্ছেদ যেখানে তালব্য শ এর নিচে চ ছ যুক্ত হয়।
C) দ্বন্দ্ব — এটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ বানান এবং প্রশ্নের চাহিদা পূর্ণ করে।
D) মুমুর্ষু — এই বানানে উ এবং দীর্ঘ উ কারের ব্যবহারে ভুল আছে, সঠিক বানান হলো মুমূর্ষু যেখানে প্রথম উ কার এবং দ্বিতীয়টি দীর্ঘ উ কার হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- যুক্তবর্ণের ক্ষেত্রে দ এর সঙ্গে ব এবং ধ এর অবস্থান ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
- বারবার চর্চা করলে এই জটিল যুক্তবর্ণের বানান সহজেই আয়ত্ত করা সম্ভব।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের মিশ্র যুক্তবর্ণযুক্ত বানানগুলো পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করার জন্য দেওয়া হয়।
- প্রমিত বানান শেখার জন্য বাংলা একাডেমির আধুনিক বানান অভিধান অনুসরণ করা সবচেয়ে নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি।
সঠিক উত্তর: D) ত্রিবিন্দু
১. কেন সঠিক:
লেখার সময় কোনো উদ্ধৃতি, অনুচ্ছেদ বা বাক্যের কোনো অংশ অপ্রয়োজনীয় মনে হলে বা বাদ দিতে চাইলে ত্রিবিন্দু চিহ্ন ব্যবহার করা হয়।
বাংলা punctuation বা বিরামচিহ্নের নিয়ম অনুযায়ী লেখার মাঝে দীর্ঘ ছেদ বা পরিহার বোঝাতে এই চিহ্নটি বসে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণের যতিচিহ্ন বা বিরামচিহ্ন অধ্যায়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো এই ত্রিবিন্দু বা ডট ডট চিহ্ন।
রচনাকর্ম বা বাক্য উদ্ধৃত করার সময় মূল অর্থ ঠিক রেখে অপ্রয়োজনীয় অংশ বাদ দেওয়ার জন্য এই চিহ্ন ব্যবহারের প্রমিত নিয়ম রয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর লিখেছেন, সার্থক জনম আমার জন্মেছি এই দেশে... আমি যেন তোমায় ভালোবেসে মরতে পারি।
ব্যাখ্যা: এখানে কবিতার মাঝের অংশ বাদ দেওয়ার জন্য ত্রিবিন্দু ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: প্রাবন্ধিক উল্লেখ করেছেন, মানুষের জীবন মানেই সংগ্রাম... এবং শেষ পর্যন্ত জয়ের আনন্দ।
ব্যাখ্যা: মূল লেখার কিছু অংশ পরিহার করে সংক্ষিপ্ত করার জন্য এখানে ত্রিবিন্দু ব্যবহার করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কমা — বাক্য পাঠকালে অল্প বিরতির জন্য কমা বসে, অংশ বাদ দিতে নয়।
B) কোলন — একটি অপূর্ণ বাক্যের পর অন্য বাক্যের অবতারণা করতে কোলন বসে।
C) সেমিকোলন — কমার চেয়ে বেশি বিরতির প্রয়োজন হলে সেমিকোলন ব্যবহার করা হয়।
D) ত্রিবিন্দু — লেখার কোনো অংশ বাদ দিতে এই চিহ্নটিই ব্যবহার করা হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
বাক্য বা উদ্ধৃতি ছোট করতে চাইলে তিনটি বিন্দু পরপর বসবে যাকে ত্রিবিন্দু বলা হয়। বাদ দেওয়া মানেই ত্রিবিন্দুর ব্যবহার।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় যতিচিহ্ন বা বিরামচিহ্নের নাম ও কাজ প্রায়ই আসে। কোন চিহ্নের বিরতিকাল কতটুকু এবং কোনটি কী কাজে ব্যবহৃত হয় তা ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) ভরাডুবি
১. কেন সঠিক:
- ভরাডুবি বাগধারাটির আক্ষরিক অর্থ হলো জলে জাহাজ বা নৌকার ডুবে যাওয়া, যা রূপক অর্থে সর্বস্বান্ত হওয়া বা সর্বনাশ বোঝায়।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই বাগধারাটি প্রায়ই বড় ধরনের আর্থিক বা সামাজিক ক্ষতি প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ ও শব্দার্থ ব্যাখ্যা:
- বাগধারা হলো এমন বিশেষ শব্দগুচ্ছ, যা আক্ষরিক অর্থ ছাপিয়ে একটি নির্দিষ্ট ও বিশিষ্ট ভাব প্রকাশ করে।
- সর্বনাশের সমার্থক হিসেবে ভরাডুবি একটি উপযুক্ত প্রমিত প্রয়োগ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ব্যবসায় একের পর এক লোকসানে তার জীবনের সব সঞ্চয় হারিয়ে আজ ভরাডুবি ঘটেছে।
ব্যাখ্যা: এখানে ব্যবসায়িক ধ্বংস বা সর্বনাশ বোঝাতে ভরাডুবি ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: অতিরিক্ত জুয়া খেলে সর্বস্ব হারিয়ে তার সংসারে আজ ভরাডুবি দশা।
ব্যাখ্যা: এটি ব্যক্তির পারিবারিক ও আর্থিক সর্বনাশের পরিস্থিতি নির্দেশ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভরাডুবি - এটি সঠিক উত্তর এবং সর্বনাশের সমার্থক।
B) রাবনের চিতা - এই বাগধারাটির অর্থ চিরকালের অশান্তি বা দীর্ঘস্থায়ী দুঃখ।
C) জগদ্দল পাথর - এর অর্থ গুরুভার বা অসহ্য বোঝা।
D) শাপেবর - এই বাগধারাটির অর্থ অভিশাপের বর বা মঙ্গলে পরিণত হওয়া।
৫ মনে রাখার টিপস:
নৌকা ডুবে গেলে যেমন সব শেষ হয়, তেমনি ভরাডুবি মানেই সবকিছুর সর্বনাশ।
নৌকাডুবি ও ভরাডুবি শব্দদুটি সর্বনাশের সমার্থক হিসেবে মনে রাখা সহজ।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারার অন্তর্নিহিত অর্থ নির্ণয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
নৌকা বা জলের সঙ্গে সম্পর্কিত বাগধারা যেমন ভরাডুবি বা অতল জলে পড়া সাধারণত ধ্বংস বা সর্বনাশ নির্দেশ করে।
সঠিক উত্তর: খ) ভাবিয়া করিও কাজ।
কেন সঠিক:
১. এই প্রবাদটি ইংরেজি প্রবাদের ভাবানুবাদ হিসেবে বাংলা ভাষায় বহু শতাব্দী ধরে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
২. এর মূল অর্থ হলো কোনো কাজ করার আগে তার পরিণাম সম্পর্কে ভালোভাবে চিন্তা করা উচিত।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১. এটি কোনো ব্যাকরণের সাধারণ নিয়মের আওতাভুক্ত নয়, এটি প্রবাদ প্রবচনের একটি অংশ।
২. প্রবাদ প্রবচন সবসময় আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও গভীর ভাব প্রকাশ করে।
৩. যেমন ইংরেজি প্রবাদ ব্রেক আ লেগ এর আক্ষরিক অর্থ পা ভেঙে ফেলা হলেও এর সাহিত্যিক অর্থ শুভকামনা জানানো।
বাকি অপশন কেন ভুল:
ক) লাফ দেওয়ার আগে তাকাও — এটি প্রবাদের শব্দগুলোর আক্ষরিক অনুবাদ হয়েছে যা বাংলা ভাষায় প্রচলিত কোনো অর্থ বহন করে না।
গ) দেখে তারপর লাফ দাও — এই অনুবাদটি অত্যন্ত দুর্বল এবং এটি ইংরেজি প্রবাদের প্রকৃত ভাব প্রকাশ করতে ব্যর্থ হয়েছে।
ঘ) আকাশকুসুম ভাবিও না — এই বাক্যটির অর্থ অসম্ভব কল্পনা করা, যার সাথে মূল ইংরেজি প্রবাদের কোনো মিল নেই।
মনে রাখার টিপস:
১. ইংরেজি প্রবাদ শেখার সময় হুবহু শব্দের অর্থ না খুঁজে তার ভাবার্থ মনে রাখতে হবে।
২. লুক বিফোর ইউ লিপ দেখলে সাথে সাথেই মনে করতে হবে এর বাংলা রূপ হলো ভাবিয়া করিও কাজ।
সঠিক উত্তর: B) দুই শব্দের সংযোগ দেখাতে।
১. কেন সঠিক:
সামাজিক বা সম্পর্কযুক্ত দুটি পদের সংযোগ বা সম্বন্ধ বোঝাতে হাইফেন (-) ব্যবহৃত হয়।
বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী দুটি স্বতন্ত্র শব্দের পারস্পরিক সম্পর্ক নিবিড় করার জন্য হাইফেন চিহ্ন বসানো হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে যতি বা ছেদ চিহ্নের মধ্যে হাইফেন একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোগকারী চিহ্ন। একে সংযোগ চিহ্নও বলা হয়, যা দুটি পদের মাঝখানে বসে তাদের একত্রে যুক্ত করে।
সমাসবদ্ধ পদের মাঝে, বিপরীতার্থক বা সমার্থক শব্দ যুগলে এবং জোর দেওয়ার জন্য হাইফেন ব্যবহারের সুনির্দিষ্ট ব্যাকরণিক নিয়ম রয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মাতা-পিতা
ব্যাখ্যা: দুটি বিপরীত বা সম্পর্কযুক্ত বিশেষ্য পদের সংযোগ বোঝাতে মাঝখানে হাইফেন ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: জমা-খরচ
ব্যাখ্যা: অর্থের মিল বা বৈপরীত্য আছে এমন দুটি শব্দের সংযোগ দেখাতে এই চিহ্ন বসেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দুই বাক্যের সংযোগ দেখাতে। — বাক্যের সংযোগ বা সমাপ্তি বোঝাতে দাড়ি, কমা বা সেমিকোলন বসে, হাইফেন বসে না।
B) দুই শব্দের সংযোগ দেখাতে। — এটি সঠিক কারণ হাইফেন মূলত শব্দ সংযোগের কাজে ব্যবহৃত হয়।
C) বাক্যে উদ্ধৃতি প্রয়োগ করতে। — উদ্ধৃতি বোঝাতে ইনভার্টেড কমা বা উদ্ধরণ চিহ্ন ব্যবহার করা হয়।
D) উক্তি বা প্রত্যুক্তি বোঝাতে। — উক্তি বা ডায়লগ বোঝানোর জন্য সাধারণত ড্যাশ বা কোলন-ড্যাশ ব্যবহৃত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
হাইফেন শব্দের সংযোগকারী বন্ধু হিসেবে কাজ করে। দুটি শব্দকে কাছাকাছি আনতে হাইফেনের জুড়ি নেই।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা বানরীতি ও যতিচিহ্নের ব্যবহার থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। শব্দের জোড়ায় হাইফেন এবং বাক্যের দীর্ঘ বিরতিতে ড্যাশ ব্যবহৃত হয়, এই পার্থক্যটি মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) অযথা তোষামোদ
১. কেন সঠিক:
- ‘আমড়াগাছি করা’ একটি পরিচিত বাংলা বাগধারা, যার অর্থ হলো দরদ বা খাতির দেখানোর ভান করে অযথা তোষামোদ করা।
- আমড়া গাছের কাঠ অত্যন্ত নরম ও নিম্নমানের হওয়ায় তা দিয়ে কোনো জ্বালানি বা শক্ত আসবাবপত্র তৈরি করা যায় না, তাই এটি দিয়ে কোনো কাজের কাজ হয় না কেবল আশপাশের স্তাবকতা করা বোঝায়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণে বাগধারা হলো এমন কিছু বিশেষ শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থের বাইরে গিয়ে একটি বিশেষ ও নান্দনিক ভাব প্রকাশ করে।
- এই ধরনের বাগধারাগুলো ভাষাটিকে আরও আকর্ষণীয়, সমৃদ্ধ ও প্রাণবন্ত করে তোলে এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বরমাল্য হিসেবে আসে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ক্ষমতা পাওয়ার পর থেকেই লোকটি নেতাদের আমড়াগাছি করা শুরু করেছে।
ব্যাখ্যা: এখানে তোষামোদ বা স্তাবকতা করার অর্থ প্রকাশ করতে বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: নিজের ফায়দা হাসিলের জন্য অফিসের ম্যানেজারের সামনে সবসময় আমড়াগাছি করা তার স্বভাব।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যেও তোষামোদ বা চাটুকারিতা বোঝাতে এই বাগধারাটির সঠিক প্রয়োগ দেখানো হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অযথা তর্ক করা — এই ভাব প্রকাশের জন্য ‘উড়ে এসে জুড়ে বসা’ বা ‘ব্যাঙের সর্দি’ জাতীয় বাগধারা ব্যবহৃত হয়।
B) অযথা রাগারাগি করা — এই অর্থ প্রকাশের সঙ্গে আমড়াগাছি করার কোনো মিল নেই।
D) অযথা আলসেমি করা — আলসেমি বোঝাতে ‘অষ্টম আশ্চর্য’ বা ‘কুম্ভীরাশ্রু’ এর মতো অন্য বাগধারা রয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- আমড়া গাছ নরম ও অকেজো, তাই দিয়ে কোনো শক্ত কাজ হয় না, কেবল স্তাবকতাই সার।
- এই মিল থেকেই মনে রাখতে পারো যে আমড়াগাছি করা মানেই হলো কেবল তোষামোদ করা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই অপ্রচলিত বা রূপক অর্থে ব্যবহৃত বাগধারার অর্থ জানতে চাওয়া হয়।
- তাই বাগধারা পড়ার সময় আক্ষরিক অর্থের চেয়ে এর অন্তর্নিহিত ভাবার্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) স্মারকলিপি
১. কেন সঠিক:
Memorandum শব্দের বাংলা পারিভাষিক রূপ হলো স্মারকলিপি। এটি এমন একটি দাপ্তরিক দলিল বা পত্র যা কোনো নির্দিষ্ট বিষয় স্মরণ করিয়ে দেওয়ার জন্য বা কোনো বিশেষ প্রস্তাব পেশ করার উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি পারিভাষিক শব্দ সম্পর্কিত একটি প্রশ্ন। প্রশাসন, আইন ও দাপ্তরিক কাজে ইংরেজি শব্দের সঠিক বাংলা রূপ ব্যবহারের জন্য বাংলা একাডেমি কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম ও শব্দ স্থির করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: Agenda শব্দের পারিভাষিক রূপ হলো কার্যতালিকা।
ব্যাখ্যা: এটি দাপ্তরিক মিটিং বা সভার আলোচ্য বিষয়গুলো বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: Minutes শব্দের পারিভাষিক রূপ হলো কার্যবিবরণী।
ব্যাখ্যা: সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তগুলোর লিখিত রূপ বোঝাতে এটি ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পরীক্ষাগার — এটি ইংরেজি Laboratory শব্দের পারিভাষিক রূপ, যা বিজ্ঞানের পরীক্ষা-নিরীক্ষার স্থান বোঝায়।
B) গণসংযোগ — এটি ইংরেজি Public Relations শব্দের পারিভাষিক রূপ, যা জনগণের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যম।
C) স্মারকলিপি — এটি সঠিক উত্তর এবং Memorandum শব্দের উপযুক্ত বাংলা রূপ।
D) অবতরণ — এটি ইংরেজি Landing শব্দের পারিভাষিক রূপ, যা সাধারণত বিমান বা মহাকাশযানের নিচে নামা বোঝায়।
৫. মনে রাখার টিপস:
Memo বা Memorandum মানে হলো স্মারক বা যা স্মরণ করিয়ে দেয়, তাই এর সঠিক পরিভাষা স্মারকলিপি। দাপ্তরিক পরিভাষাগুলো মনে রাখতে সরকারি চিঠিপত্রের বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দাপ্তরিক ও প্রশাসনিক পারিভাষিক শব্দ থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। তাই ইংরেজি শব্দের বাংলা রূপ মুখস্থ না করে তার মূল অর্থ বুঝে পড়লে উত্তর করা সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: C) সংক্ষিপ্ত
১. কেন সঠিক:
- চলিত রীতিতে সর্বনাম ও ক্রিয়াপদের রূপ সাধু রীতির তুলনায় ছোট বা সংক্ষিপ্ত হয়।
- বাংলা ভাষার প্রমিত রূপ গঠনে চলিত রীতি সর্বনাম ও ক্রিয়ার সংক্ষিপ্ত ও সহজ রূপকে গ্রহণ করেছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ভাষা মূলত দুই প্রকারে লিখিত হয়, সাধু রীতি ও চলিত রীতি।
- চলিত রীতি মুখের ভাষার কাছাকাছি হওয়ায় এতে সর্বনাম ও ক্রিয়া ছোট আকারে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সাধু রীতিতে খাইতেছি চলিত রীতিতে খাচ্ছি
ব্যাখ্যা: সাধু রীতির দীর্ঘ ক্রিয়াপদ চলিত রীতিতে সংক্ষিপ্ত রূপ নিয়েছে।
উদাহরণ ২: সাধু রীতিতে তাহার চলিত রীতিতে তার
ব্যাখ্যা: সাধু রীতির সর্বনাম পদ চলিত রীতিতে সংক্ষিপ্ত হয়ে তার হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দীর্ঘ — দীর্ঘ রূপটি সাধু রীতির বৈশিষ্ট্য, চলিত রীতির নয়।
B) অতিদীর্ঘ — বাংলা ব্যাকরণে সর্বনাম বা ক্রিয়ার অতিদীর্ঘ বলে কোনো প্রমিত রূপ নেই।
C) সংক্ষিপ্ত — এই অপশনটি সঠিক কারণ চলিত রীতি সবসময় সংক্ষিপ্ত রূপ ব্যবহার করে।
D) অপরিবর্তিত — সাধু ও চলিত রীতিতে সর্বনাম ও ক্রিয়া অপরিবর্তিত থাকে না বরং পরিবর্তিত হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- চলিত মানে ছোট বা সংক্ষিপ্ত।
- সাধু মানে বড় বা দীর্ঘ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা লেখার রীতির পার্থক্য থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- সাধু ও চলিত রীতির মূল পার্থক্য পদবিন্যাস, সর্বনাম ও ক্রিয়াপদের রূপের মধ্যে দেখা যায়।
সঠিক উত্তর: B) Reading by a bird’s eye view will not do.
কেন সঠিক:
বাংলা বাক্যের ভাসা ভাসা পড়া বা উপর উপর দেখার সঠিক ইংরেজি ইডিয়ম হলো bird eye view।
কাজ হবে না অর্থে will not do ব্যবহার করা হয়েছে যা বাক্যটিকে সম্পূর্ণ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Reading by fits and starts will not do — fits and starts অর্থ অনিিয়মিতভাবে, যা ভাসা ভাসা পড়ার সঠিক অর্থ প্রকাশ করে না।
B) Reading by a bird’s eye view will not do — এটি সঠিক কারণ bird eye view অর্থ উপর উপর বা ভাসা ভাসা দেখা।
C) Reading at a glance will not do — at a glance অর্থ এক নজরে দেখা, যা ভাসা ভাসা পড়ার সম্পূর্ণ ভাব প্রকাশ করতে পারে না।
D) Reading intermittently will not do — intermittently অর্থ মাঝেমধ্যে বিরতি দিয়ে পড়া, যা মূল বাক্যের অর্থের সাথে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
ভাসা ভাসা বা উপর উপর কোনো কিছু দেখাকে ইংরেজিতে bird eye view বলা হয় এবং এর সাথে will not do যুক্ত করে কাজ হবে না বোঝানো হয়।
সঠিক উত্তর: B) William Wordsworth
কেন সঠিক:
উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ তাঁর কবিতায় প্রকৃতির সৌন্দর্য ও মানুষের সাথে প্রকৃতির নিবিড় সম্পর্কের কথা সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।
প্রকৃতিকে তিনি তাঁর রচনার মূল বিষয়বস্তু হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন।
তিনি রোমান্টিক যুগের একজন প্রধান কবি।
তিনি প্রকৃতির কবি হিসেবে বিশ্বজুড়ে সমাদৃত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) John Keats — জন কিটস হলেন সৌন্দর্যের কবি বা পয়েট অব বিউটি।
B) William Wordsworth — ইনিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং প্রকৃতির কবি।
C) W.B Yeats — ডব্লিউ বি ইয়েটস রহস্যময়তা ও আইরিশ জাতীয়তাবাদের কবি হিসেবে পরিচিত।
D) John Milton — জন মিল্টন মহাকাব্য বা এপিক পোয়েট হিসেবে বিখ্যাত।
মনে রাখার টিপস:
ওয়ার্ডসওয়ার্থ শব্দের শুরুতে ডব্লিউ অক্ষরটি আছে এবং প্রকৃতির ইংরেজি ওয়ার্ড-এর সাথে এর মিল মনে রাখা সহজ।
সঠিক উত্তর: C) try hard
কেন সঠিক:
Tooth and nail একটি জনপ্রিয় ইডিওম বা বাগধারা। এর আক্ষরিক অর্থ দাঁত ও নখ দিয়ে, যা মূলত সর্বশক্তি দিয়ে লড়াই করা বা কোনো কিছুর জন্য কঠোর চেষ্টা করা বোঝায়।
তাই এই বাগধারার সঠিক ভাবার্থ হলো অত্যন্ত কঠোর পরিশ্রম করা বা যথাসাধ্য চেষ্টা করা।
অপশন সি তে থাকা try hard কথাটি এই অর্থকে পুরোপুরি প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) get by heart — এই ইডিওমের অর্থ মুখস্থ করা, যা মূল বাগধারার সাথে মিল নেই।
B) go with heart — এটি কোনো প্রমিত ইংরেজি ইডিওম নয় এবং এর অর্থও মিলছে না।
C) try hard — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) get hard — এর অর্থ শক্ত হয়ে যাওয়া বা কঠিন হওয়া, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি বিষয়।
মনে রাখার টিপস:
দাঁত ও নখ দিয়ে লড়াই করার মতো প্রাণপণ চেষ্টা করাকেই tooth and nail বলা হয়।
সঠিক উত্তর: C) hello
কেন সঠিক:
- 'Adieu' একটি ফরাসি শব্দ, যার অর্থ বিদায় জানানো।
- এর বিপরীত শব্দ হলো কাউকে স্বাগত জানানো বা হ্যালো বলা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Farewell — এটি 'Adieu' শব্দের সমার্থক শব্দ, যার অর্থ বিদায়।
B) Good bye — এটিও বিদায় জানানোর সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
C) hello — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা হয়েছে।
D) valediction — এটি বিদায় সম্ভাষণ বোঝায়, যা 'Adieu' শব্দের সমার্থক।
মনে রাখার টিপস:
বিদায় বোঝাতে Adieu ব্যবহার হয়, আর দেখা হলে hello বলতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) should miss
কেন সঠিক:
- 'Lest' conjunction-টির অর্থ হলো পাছে বা এই আশঙ্কায় যে, এবং এর পরে সবসময় verb-এর বেস ফর্মের পূর্বে 'should' বসে।
- প্রদত্ত বাক্যে 'lest he' থাকার কারণে পরবর্তী verb-এর আগে উপযুক্ত সাহায্যকারী ভার্ব হিসেবে 'should' ব্যবহার করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) miss — 'Lest'-এর পর সরাসরি verb-এর present form বসে না, নিয়ম অনুযায়ী মাঝে 'should' থাকা বাধ্যতামূলক।
B) missed — 'Lest'-এর নিয়ম অনুযায়ী এখানে past form বা past participle ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ভুল।
C) should miss — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এই নিয়ম এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ এটি বাক্যের শূন্যস্থান সঠিকভাবে পূরণ করে।
D) will miss — 'Lest'-যুক্ত clause-এ 'will' বা অন্য কোনো modal auxiliary ব্যবহার করা যায় না, কেবল 'should' বসে।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে 'lest' দেখলেই মনে রাখবে এর পরে subject-এর পর সব সময় 'should' এবং তারপর verb-এর present form বসে।
সঠিক উত্তর: B) Let us respect our teacher.
কেন সঠিক:
প্রদত্ত বাক্যে should থাকলে এবং তা দ্বারা প্রস্তাব বা পরামর্শ বোঝালে Let দিয়ে Imperative sentence শুরু করতে হয়।
এখানে We থাকার কারণে Let এর পরে us ব্যবহার করে বাক্যটি গঠন করা হয়েছে।
মূল verb এর base form বসিয়ে বাক্যটি সম্পন্ন করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Respect our teacher. — এটি সরাসরি মূল verb দিয়ে শুরু হয়েছে এবং এতে প্রথম পুরুষের আত্মিক ভাব বা us অনুপস্থিত।
B) Let us respect our teacher. — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে আলোচনা প্রযোজ্য নয়।
C) We may not hate our teacher. — এটি একটি negative assertive sentence এবং এর অর্থ মূল বাক্যের বিপরীত।
D) Our teacher should be respected. — এটি একটি passive voice কিন্তু প্রশ্নটিতে Imperative sentence করতে বলা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
Weযুক্ত assertive sentence এ should থাকলে Imperative করার সময় Let us দিয়ে বাক্য শুরু করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) Punish
কেন সঠিক:
- 'Bring to book' একটি ইংরেজি idiom যার আক্ষরিক অর্থ কাউকে হিসাবের খাতার সামনে আনা।
- এর মাধ্যমে মূলত অপরাধীকে আইনের আওতায় এনে শাস্তি দেওয়ার বিষয়টি বোঝানো হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Book written by a famous writer — এটি idiomটির আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ করলেও মূল ভাব বা সঠিক অর্থ প্রকাশ করে না।
B) Punish — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়।
C) Valueless person — এটি idiomটির ভাবের সাথে কোনোভাবেই মিলে না এবং এটি একটি অর্থহীন অনুমান।
D) Impose — এর অর্থ কোনো কিছু চাপিয়ে দেওয়া, যা এই প্রবচনটির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
মনে রাখার টিপস:
আদালতে অপরাধীর হিসাবের খাতা বা আইনের বই খোলা হয় শাস্তি দেওয়ার জন্য, তাই 'bring to book' মানে শাস্তি দেওয়া।
সঠিক উত্তর: B) We eat so that we may live.
কেন সঠিক:
প্রদত্ত বাক্যটিতে উদ্দেশ্য বোঝাতে so that conjunction ব্যবহার করা হয়।
প্রথম clause-টি present tense হওয়ায় পরের অংশে may বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) We eat and want to live. — এটি একটি compound sentence, complex sentence নয়।
B) এটি সঠিক উত্তর।
C) We eat so that we could live. — প্রথম অংশ present tense থাকায় এখানে could এর পরিবর্তে may হবে।
D) Although we eat, we live. — এটি বিপরীত অর্থ প্রকাশ করছে, যা মূল বাক্যের সাথে মিলে না।
মনে রাখার টিপস:
উদ্দেশ্য বোঝাতে simple বাক্যের to এর পরিবর্তে complex বাক্যে so that বসে।
সঠিক উত্তর: B) knew
কেন সঠিক:
বাক্যে as though বা as if এর আগের অংশ present tense হলে পরের অংশে past indefinite tense হয়।
এখানে behaved হলো past tense, তাই পরের অংশে past indefinite tense হিসেবে knew ব্যবহৃত হয়েছে।
অবাস্তব বা কল্পনা বোঝাতে এই নিয়মের ব্যতিক্রম হয় না।
তাই এখানে সঠিক রূপটি হলো knew।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) knows — এটি present tense হওয়ায় অতীতের নিয়মের সাথে মিলে না।
B) knew — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
C) has known — এটি present perfect tense হওয়ায় এখানে বসে না।
D) had known — এর আগের অংশ past tense হওয়ায় এখানে past perfect এর প্রয়োজন নেই।
মনে রাখার টিপস:
as though বা as if এর আগে present থাকলে পরে past indefinite এবং আগে past থাকলে পরে past perfect tense হয়।
সঠিক উত্তর: C) broth
কেন সঠিক:
এটি একটি জনপ্রিয় ইংরেজি প্রবাদ যার পূর্ণরূপ হলো Too many cooks spoil the broth।
এর অর্থ হলো অতিরিক্ত মানুষের হস্তক্ষেপে একটি ভালো কাজ নষ্ট হয়ে যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) lunch — প্রবাদের ঐতিহ্যগত ও আভিধানিক নিয়মে এখানে lunch শব্দটি ব্যবহার করা হয় না।
B) juice — এটি প্রবাদের সঠিক অংশ নয় এবং এর সাথে প্রসঙ্গের মিল নেই।
C) broth — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে পুনরায় ভুল হিসেবে ধরা হয়নি।
D) food — এটি সাধারণ শব্দ হলেও প্রবাদের নির্দিষ্ট শব্দ হিসেবে এটি গ্রহণযোগ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
রান্নার সাথে জড়িত প্রবাদ মনে রাখতে রান্নার বিশেষ শব্দ broth-এর কথা মাথায় রাখবে।
সঠিক উত্তর: D) He declared his innocence
কেন সঠিক:
জটিল বা কমপ্লেক্স বাক্যটিকে সরল বা সিম্পল বাক্যে রূপান্তর করার সময় অধীন clauses বা উপবাক্যকে ছোট করে একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়াযুক্ত বাক্যে পরিণত করতে হয়।
এখানে said (বলেছিল) verb-টিকে changed করে declared (ঘোষণা করেছিল) লেখা হয়েছে এবং dependent clause-এর innocent adjective-টিকে noun (innocence) এ রূপান্তর করা হয়েছে।
মূল বাক্যের অর্থের কোনো পরিবর্তন না করে একটিমাত্র independent clause বা প্রধান খণ্ডবাক্য তৈরি করা হয়েছে।
এটি সিম্পল বাক্যের নিয়ম পুরোপুরি মেনে চলেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) He said and he was innocent — এই অপশনটি একটি compound sentence বা যৌগিক বাক্য কারণ এখানে and conjunction ব্যবহার করা হয়েছে।
B) He was innocent so he said it — এটিও একটি compound sentence কারণ এখানে so conjunction দিয়ে দুটি খণ্ডবাক্য যুক্ত করা হয়েছে।
C) That he was innocent was said by him — এটি একটি passive voice এবং complex sentence, তাই এটি সঠিক simple sentence নয়।
D) He declared his innocence — এটি সঠিক কারণ এখানে একটিমাত্র subject এবং একটি finite verb আছে যা simple sentence-এর গঠন।
মনে রাখার টিপস:
সিম্পল বাক্যে রূপান্তর করতে হলে complex বাক্যের verb-কে noun বা gerund-এ রূপান্তর করে একটিমাত্র clause তৈরি করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) meeting
কেন সঠিক:
- বাক্যে look forward to একটি গুরুত্বপূর্ণ ফ্রেজ, যার অর্থ আন্তরিকভাবে অপেক্ষা করা।
- এই ফ্রেজটির পর preposition হিসেবে to থাকার পরেও এর সাথে verb-এর সাথে ing যুক্ত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) meet — to একটি preposition হওয়ায় এর পর verb-এর বেস ফর্ম বসে না।
B) meeting — এটি সঠিক উত্তর কারণ look forward to এর পর gerund ব্যবহৃত হয়।
C) met — এটি verb-এর পাস্ট ফর্ম, যা এখানে ব্যাকরণগতভাবে বেমানান।
D) meets — এটি verb-এর প্রেজেন্ট ফর্ম ও সিঙ্গुलर রূপ, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে with a view to, look forward to, accustomed to ইত্যাদি থাকলে এর পরের verb-এর সাথে সর্বদা ing যুক্ত হয়।
সঠিক উত্তর: C) by
কেন সঠিক:
উপায় বা মাধ্যম বোঝাতে ইংরেজি বাক্যে 'by' preposition ব্যবহার করা হয়।
এখানে সৎ উপាយে বেঁচে থাকার কথা বলা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) on — এটি সাধারণত কোনো কিছুর ওপর নির্ভর করা বা নির্দিষ্ট দিন বোঝাতে বসে, তাই এখানে সঠিক নয়।
B) with — এটি সাধারণত কোনো বস্তু বা যন্ত্রের সাহায্যে কিছু করা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
D) for — এটি সাধারণত কারণ, উদ্দেশ্য বা কোনো নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ব্যবহার করা হয়।
মনে রাখার টিপস:
কোনো উপায় বা মাধ্যম দ্বারা কাজ সম্পন্ন হলে তার পূর্বে সবসময় 'by' preposition বসে।
সঠিক উত্তর: B) Tempting
কেন সঠিক:
Alluring শব্দের অর্থ হলো যা অত্যন্ত আকর্ষণীয় বা লোভনীয়। চাকরি বা অফারের ক্ষেত্রে এই শব্দটি লোভনীয় বা প্রলুব্ধকর বোঝাতে ব্যবহার করা হয়।
Tempting শব্দের অর্থও প্রলুব্ধকর বা আকর্ষণীয়।
তাই alluring এর সঠিক সমার্থক শব্দ হলো tempting।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Unexpected — এই শব্দটির অর্থ অপ্রত্যাশিত, যার সাথে alluring শব্দের কোনো মিল নেই।
B) Tempting — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি সঠিক বিকল্প হিসেবে গণ্য হয়েছে।
C) Ordinary — এর অর্থ সাধারণ, যা alluring বা আকর্ষণীয় শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
D) Dreary — এই শব্দটির অর্থ বিষণ্ণ বা নিস্তেজ, যা alluring শব্দের অর্থের সম্পূর্ণ উল্টো।
মনে রাখার টিপস:
Alluring মানে হলো অলংকার দিয়ে কোনো কিছুকে আকর্ষণীয় করা, যা থেকে tempting বা লোভনীয় বিষয়টি মনে রাখা সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: B) to connect
কেন সঠিক:
conjunction শব্দের মূল কাজ হলো একাধিক শব্দ, বাক্যাংশ বা বাক্যকে একে অপরের সাথে যুক্ত করা।
এটি ভাষার সৌন্দর্য ও যোগাযোগের মাধুর্য বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) to separate — এটি আলাদা বা বিচ্ছিন্ন করার কাজ করে না।
B) to connect — এটি সঠিক কারণ এটি সংযোগ স্থাপন করে।
C) to improve — এটি সরাসরি উন্নতির কাজ করে না, শুধু যুক্ত করে।
D) to degrade — এটি অবনতি ঘটানোর সাথে কোনোভাবেই যুক্ত নয়।
মনে রাখার টিপস:
Conjunction শব্দটির ভেতরেই সংযোগের অর্থ লুকিয়ে আছে, তাই এর কাজ যুক্ত করা।
সঠিক উত্তর: B) apologise
কেন সঠিক:
- 'apology' হলো একটি নাউন (Noun) যার অর্থ ক্ষমা প্রার্থনা।
- এর সঠিক ভার্ব (Verb) রূপ হলো 'apologise', যার অর্থ ক্ষমা চাওয়া।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) apological — এটি কোনো মানসম্মত শব্দ নয়, এটি মূলত একটি ভুল অ্যাডজেক্টিভ রূপ।
B) apologise — এটি প্রদত্ত শব্দের সঠিক ভার্ব রূপ।
C) apologify — এই শব্দের কোনো অস্তিত্ব ইংরেজি ব্যাকরণে নেই।
D) enapology — এটি একটি ভুল শব্দ গঠন, যা ইংরেজি অভিধানে পাওয়া যায় না।
মনে রাখার টিপস:
শব্দটি আইএসই (ise) বা আইজেডই (ize) দিয়ে শেষ হলে সাধারণত তা ভার্ব হয়, যেমন apology থেকে apologise।
সঠিক উত্তর: D) deny
কেন সঠিক:
এখানে বাক্যের অর্থ হলো কেউ অস্বীকার করতে পারবে না যে সে চালাক। deny শব্দের অর্থ অস্বীকার করা যা এই বাক্যের শূন্যস্থানে একদম সঠিক অর্থ প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) defy — defy শব্দের অর্থ অমান্য করা, যা এই বাক্যের অর্থের সাথে মেলে না।
B) denounce — denounce শব্দের অর্থ নিন্দা করা, যা এখানে অর্থপূর্ণ নয়।
সি) admire — admire শব্দের অর্থ প্রশংসা করা, কিন্তু এখানে নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ করা প্রয়োজন।
ডি) deny — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
কোনো সত্য বিষয় কেউ মানতে না চাইলে বা অস্বীকার করতে চাইলে deny শব্দটি ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) acme
কেন সঠিক:
acme শব্দের অর্থ হলো কোনো ক্ষেত্রের সর্বোচ্চ শিখা বা চরম উৎকর্ষ বিন্দু।
বাক্যের অর্থ অনুযায়ী তিনি তার সাহিত্য জীবনের সর্বোচ্চ শিখায় পৌঁছান।
তাই এখানে acme শব্দটি সবচেয়ে উপযুক্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) abattoir — এর অর্থ হলো পশু জবাই করার স্থান। এটি সাহিত্য জীবনের সাথে কোনোভাবেই মেলে না।
B) acme — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়।
C) admonish — এর অর্থ হলো কাউকে সতর্ক করা বা তিরস্কার করা। এটি একটি ক্রিয়াপদ, যা শূন্যস্থানে বসে না।
D) penury — এর অর্থ হলো চরম দারিদ্র্য। সাহিত্য জীবনের ক্ষেত্রে এটি অর্থের দিক থেকে সম্পূর্ণ বেমানান।
মনে রাখার টিপস:
Acme শব্দটির সাথে Everest বা সর্বোচ্চ চূড়ার মিল খুঁজে মনে রাখতে পারো।
সঠিক উত্তর: B) a day dreamer
কেন সঠিক:
এই ইডিয়মটির মাধ্যমে এমন একজন মানুষকে বোঝানো হয় যিনি বাস্তবে মনোযোগ না দিয়ে সবসময় কল্পনার জগতে বা আকাশকুসুম ভাবনায় ডুবে থাকেন।
ইংরেজি ভাষাটিতে মেঘে মাথা থাকা বলতে অলীক স্বপ্ন দেখা বা দিবাগত স্বপ্নের রাজ্যে বসবাস করা মানুষকে নির্দেশ করা হয়।
তাই প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে দিনদুপুরে স্বপ্ন দেখেন এমন ব্যক্তি অর্থ প্রকাশকারী উত্তরটি সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) proud — এর অর্থ অহংকারী বা গর্বিত, যা বাস্তববিবর্জিত কল্পনাবিলাসী ব্যক্তির স্বভাবের সাথে কোনোভাবেই মিলে না।
B) a day dreamer — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ এটি এই ইডিয়মের মূল অর্থ বহন করে।
C) an aviator — এর অর্থ বিমানচালক বা বৈমানিক, যা বাস্তব ক্ষেত্রে আকাশে ওড়ার পেশাকে বোঝায় এবং রূপক অর্থ প্রকাশ করে না।
D) a philanthropist — এর অর্থ মানবহিতৈষী বা জনহিতৈষী, যা মানুষের কল্যাণে কাজ করা ব্যক্তিকে নির্দেশ করে।
মনে রাখার টিপস:
মাথা মেঘে থাকা মানে মাটিতে পা না রেখে শুধু কল্পনার আকাশে উড়ে বেড়ানো এবং দিবাগত স্বপ্ন দেখা।
সঠিক উত্তর: B) paid
কেন সঠিক:
Honorary শব্দের অর্থ অবৈতনিক বা সম্মানসূচক পদ, যার জন্য কোনো বেতন বা পারিশ্রমিক দেওয়া হয় না।
এর বিপরীত শব্দ হলো paid, যার অর্থ বেতনভুক্ত বা যার কাজের জন্য পারিশ্রমিক পরিশোধ করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) honour — এটি Honorary শব্দের সমার্থক বা মূল শব্দ, যার অর্থ সম্মান।
B) paid — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ বেতনভুক্ত।
C) monetary — এর অর্থ আর্থিক বা মুদ্রাসংক্রান্ত, যা সরাসরি বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না।
D) respect — এর অর্থ শ্রদ্ধা বা সম্মান, যা একটি বিশেষ্য পদ।
মনে রাখার টিপস:
Honorary মানে যে কাজে টাকা নেই, আর Paid মানে যেখানে টাকা বা বেতন দেওয়া হয়।
সঠিক উত্তর: A) does he
কেন সঠিক:
প্রদত্ত বাক্যে hardly শব্দটি থাকার কারণে এটি একটি না বা সূচক বা নেতিবাচক বাক্য হিসেবে গণ্য হয়।
নিয়ম অনুযায়ী নেতিবাচক বাক্যের ট্যাগ কোশ্চেন সবসময় ইতিবাচক বা হ্যা সূচক হয়।
বাক্যের subject হলো Man এবং verb হলো believes, তাই এর পরিবর্তে singular pronoun হিসেবে he ব্যবহৃত হবে।
মূল verb এর সাথে s যুক্ত থাকায় ট্যাগ কোশ্চেনে does ব্যবহার করতে হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) does he — এটি সঠিক উত্তর কারণ মূল বাক্যটি না বা সূচক হওয়ায় ট্যাগটি হ্যা সূচক হয়েছে।
B) doesn't he — এটি ভুল কারণ মূল বাক্যটি ইতিমধ্যেই নেতিবাচক, তাই ট্যাগে আবার না বা সূচক শব্দ ব্যবহার করা যাবে না।
C) are they — এটি ভুল কারণ বাক্যের subject হলো Man (একবচন) এবং verb হলো believes, যা present indefinite tense এ আছে।
D) aren't they — এটি ভুল কারণ এখানে auxiliary verb হিসেবে are এবং subject হিসেবে they ব্যবহার করা হয়েছে যা বাক্যের সাথে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে hardly, seldom, scarcely, rarely ইত্যাদি নেতিবাচক শব্দ থাকলে ট্যাগ কোশ্চেন সবসময় হ্যা সূচক হয়।
সঠিক উত্তর: A) from
কেন সঠিক:
যখন কোনো উপাদান দিয়ে সম্পূর্ণ নতুন কিছু তৈরি করা হয় এবং মূল উপাদানটিকে আর সহজে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নেওয়া যায় না, তখন সাধারণত from preposition ব্যবহৃত হয়। দুধ থেকে দই তৈরি হলে দুধের আসল রূপ আর থাকে না, তাই এখানে from সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) from — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি এমন পরিবর্তনের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় যেখানে মূল বস্তু চেনা যায় না।
B) in — সাধারণত স্থান বা ক্ষেত্রের ভেতর বোঝাতে in ব্যবহৃত হয়, যা এই শূন্যস্থানের জন্য প্রযোজ্য নয়।
C) by — কোনো কাজ কার দ্বারা সম্পন্ন হয়েছে বা মাধ্যম বোঝাতে by বসে, কিন্তু এখানে উপাদানের পরিবর্তন বোঝানো হয়েছে।
D) with — কোনো যন্ত্র বা উপকরণের সাহায্যে কিছু করা বোঝালে with বসে, তাই এটি এখানে ভুল।
মনে রাখার টিপস:
যে পরিবর্তনে মূল বস্তু আর ফিরে পাওয়া যায় না (যেমন: দুধ থেকে দই), তার আগে সবসময় from বসবে।
সঠিক উত্তর: C) changed
কেন সঠিক:
- বাক্যে It is high time বা It is about time থাকলে পরবর্তী clause-টি Past Indefinite Tense-এ হয়।
- এখানে we-এর পর verb-এর Past Form হিসেবে changed হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) change — এটি Present Indefinite Tense, যা নিয়মের সাথে অসংগত।
B) will change — এটি Future Indefinite Tense, যা এই বিশেষ গঠনে ব্যবহার করা যায় না।
C) changed — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি Past Indefinite Tense নির্দেশ করে।
D) should changed — should-এর পর verb-এর present form হয়, তাই এই গঠনটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
মনে রাখার টিপস:
It is high time দেখলেই চোখ বন্ধ করে Verb-এর Past Form (V2) বসিয়ে দেবে।
সঠিক উত্তর: D) realistic
কেন সঠিক:
ডাউন টু আর্থ একটি ইংরেজি প্রবাদ যার শাব্দিক অর্থ মাটিতে নেমে আসা হলেও এটি মূলত মানুষের বাস্তববাদী স্বভাবকে বোঝায়।
যিনি অহংকার মুক্ত এবং খুব সাধারণ জীবনযাপন করেন তাকেই এই বিশেষ বাগধারা দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) close to nature — এটি প্রবাদটির আক্ষরিক অর্থ বোঝালেও এর আসল রূপক অর্থ প্রকাশ করে না।
B) thrown to ground — এটি সম্পূর্ণ ভিন্ন এবং আক্ষরিক অর্থে মাটিতে ফেলে দেওয়া বোঝায়।
C) hopeful — এটি আশাবাদী বোঝায় যা এই প্রবাদের মূল ভাবের সাথে মিল নেই।
D) realistic — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ বাস্তবসম্মত বা মাটির মানুষ।
মনে রাখার টিপস:
মাটির মানুষ বা বাস্তববাদী বোঝাতে ডাউন টু আর্থ কথাটি ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: A) All his efforts ended in smoke.
কেন সঠিক:
বাক্যটিতে "সব চেষ্টাই ব্যর্থ হলো" বোঝাতে "end in smoke" একটি উপযুক্ত বাগধারা বা Idiom হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
এই বিশেষ বাগধারায় smoke শব্দের পূর্বে কোনো আর্টিকেল বা determiners বসে না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) All his efforts ended in smoke — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং নিয়ম অনুযায়ী এটি সম্পূর্ণ ঠিক আছে।
B) All his efforts ended in the the smoke — এখানে smoke শব্দের পূর্বে নির্দিষ্ট আর্টিকেল the ব্যবহার করা হয়েছে যা গ্রামার অনুযায়ী ভুল।
C) All his efforts ended in a smoke — এখানে smoke শব্দের পূর্বে অনির্দিষ্ট আর্টিকেল a ব্যবহার করা হয়েছে যা Idiom এর নিয়মে গ্রহণযোগ্য নয়।
D) All his efforts ended in smoking — এখানে smoke এর সাথে ing যুক্ত করা হয়েছে যা মূল বাক্যের অর্থের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
মনে রাখার টিপস:
কোনো কাজের ফলাফল ব্যর্থ হওয়া বোঝাতে "end in smoke" মুখস্থ রাখবে এবং এর মাঝে কোনো আর্টিকেল বা অতিরিক্ত শব্দ ব্যবহার করবে না।
সঠিক উত্তর: D) ১৩৫°
প্রদত্ত তথ্য:
একটি কোণের চার গুণ সমান ১৮০°
ধরি,
অজানা কোণটি = ক
কোণের চার গুণ = ৪ × ক
অতএব,
চার গুণ কোণ = ১৮০°
ক = ১৮০° ÷ ৪
সুতরাং,
কোণটির মান = ৪৫°
সম্পূরক কোণ বের করতে হবে
উত্তর: ১৮০° − ৪৫° = ১৩৫°
সঠিক উত্তর: A) ৭
প্রদত্ত তথ্য:
আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = ৩৫ বর্গ সে.মি.
আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য = x সে.মি.
ধরি,
আয়তক্ষেত্রের প্রস্থ = (x − ২) সে.মি.
আমরা জানি, ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ
অতএব,
x × (x − ২) = ৩৫
x এর উপর ২ ঘাত − ২x = ৩৫
x এর উপর ২ ঘাত − ২x − ৩৫ = ০
সুতরাং,
x এর উপর ২ ঘাত − ৭x + ৫x − ৩৫ = ০
x (x − ৭) + ৫ (x − ৭) = ০
উত্তর: x = ৭ (যেহেতু দৈর্ঘ্য ঋণাত্মক হতে পারে না)
সঠিক উত্তর: B) ৯
প্রদত্ত তথ্য:
x + y = ৩
x^২ + y^২ = ৫
ধরি,
x এবং y এর মান নির্ণয় করতে হবে
অতএব,
(x + y)^২ = x^২ + y^২ + ২xy
৩^২ = ৫ + ২xy
সুতরাং,
৯ = ৫ + ২xy
২xy = ৪
xy = ২
উত্তর: x^৩ + y^৩ = (x + y)(x^২ − xy + y^২) = ৩ × (৫ − ২) = ৯
সঠিক উত্তর: A) ১/৪
প্রদত্ত তথ্য:
রিতু ও সিতু একত্রে একটি কাজ করতে পারে = ৮ দিনে
তারা একত্রে কাজ করল = ৬ দিন
ধরি,
সম্পূর্ণ কাজ = ১ অংশ
অতএব,
রিতু ও সিতু ১ দিনে করে = ১/৮ অংশ
তারা ৬ দিনে একত্রে কাজ করে = ৬/৮ অংশ = ৩/৪ অংশ
সুতরাং,
কাজের বাকি অংশ থাকে = ১ − ৩/৪ অংশ = ১/৪ অংশ
উত্তর: ১/৪
সঠিক উত্তর: C) ১২০
প্রদত্ত তথ্য:
দুইটি সংখ্যার অনুপাত = ৫ : ৬
সংখ্যা দুটির গসাগু = ৪
ধরি,
প্রথম সংখ্যাটি = ৫ × ৪ = ২০
দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৬ × ৪ = ২৪
সংখ্যা দুটির গসাগু = ৪
অতএব,
লসাগু নির্ণয়ের সূত্র অনুযায়ী
লসাগু = (সংখ্যার গুণফল) ÷ গসাগু
অথবা লসাগু = অনুপাতদ্বয়ের গুণফল × গসাগু
সুতরাং,
লসাগু = ৫ × ৬ × ৪
লসাগু = ৩০ × ৪ = ১২০
উত্তর: ১২০
সঠিক উত্তর: C) ৪৫ ও ১৫
প্রদত্ত তথ্য:
পিতার বর্তমান বয়স পুত্রের বয়সের তিন গুণ
৫ বছর পূর্বে পিতার বয়স পুত্রের বয়সের চারগুণ ছিল
ধরি,
পুত্রের বর্তমান বয়স = ক বছর
পিতার বর্তমান বয়স = ৩ক বছর
অতএব,
৫ বছর পূর্বে পুত্রের বয়স ছিল = ক − ৫ বছর
৫ বছর পূর্বে পিতার বয়স ছিল = ৩ক − ৫ বছর
সুতরাং,
শর্তমতে, ৩ক − ৫ = ৪(ক − ৫)
সমাধান করে পাই, ক = ১৫
উত্তর: পিতার বয়স = ৪৫ বছর এবং পুত্রের বয়স = ১৫ বছর
সঠিক উত্তর: B) ৫৯
প্রদত্ত তথ্য:
দুটি ক্রমিক সংখ্যার বর্গের অন্তর ১১৯
ধরি,
ছোট সংখ্যাটি = ক
বড় সংখ্যাটি = ক + ১
অতএব,
শর্তমতে, (ক + ১) এর বর্গ − ক এর বর্গ = ১১৯
সুতরাং,
ক এর বর্গ + ২ক + ১ − ক এর বর্গ = ১১৯
২ক + ১ = ১১৯
উত্তর: ৫৯
সঠিক উত্তর: C) ৯ গুণ
প্রদত্ত তথ্য:
একটি রেখাংশ এবং তার এক তৃতীয়াংশ অংশ দেওয়া আছে।
উভয় রেখাংশের উপর বর্গক্ষেত্র অঙ্কন করতে হবে।
ধরি,
মূল রেখাংশের দৈর্ঘ্য = ৩ক
এক তৃতীয়াংশ রেখাংশের দৈর্ঘ্য = (৩ক ÷ ৩) = ক
অতএব,
মূল রেখাংশের উপর অঙ্কিত বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = (৩ক × ৩ক) = ৯(ক × ক)
এক তৃতীয়াংশ রেখাংশের উপর অঙ্কিত বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = (ক × ক)
সুতরাং,
প্রথম ক্ষেত্রফল ÷ দ্বিতীয় ক্ষেত্রফল = ৯(ক × ক) ÷ (ক × ক) = ৯ গুণ
উত্তর: ৯ গুণ
সঠিক উত্তর: A) ০
প্রদত্ত তথ্য:
সমীকরণটি হলো (x ÷ ৫) এর পাওয়ার P = ১
ধরি,
যেকোনো সংখ্যার পাওয়ার শূন্য হলে তার মান এক হয়
অতএব,
যেকোনো অশূণ্য সংখ্যা a এর জন্য a এর পাওয়ার ০ সমান ১ লেখা যায়
সুতরাং,
(x ÷ ৫) এর পাওয়ার P সমান (x ÷ ৫) এর পাওয়ার ০ লেখা যায়
উত্তর: P = ০
সঠিক উত্তর: C) ৫(১ + √২)
প্রদত্ত তথ্য:
খুঁটিটি মাটি থেকে ৫ মিটার উঁচুতে ভাঙে
ভূমির সাথে খুঁটির ভাঙা অংশের দূরত্বের অংশটি ৫ মিটার দূরত্বে স্পর্শ করে
ধরি,
খুঁটির ভাঙা অংশটি অতিভুজ হিসেবে কাজ করে
লম্ব বা মাটির ওপরের অংশ = ৫ মিটার
ভূমি বা মাটির ওপরের দূরত্ব = ৫ মিটার
অতএব,
পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুযায়ী অতিভুজ স্কয়ার = লম্ব স্কয়ার + ভূমি স্কয়ার
অতিভুজ স্কয়ার = ৫ এর স্কয়ার + ৫ এর স্কয়ার
অতিভুজ স্কয়ার = ২৫ + ২৫ = ৫০
সুতরাং,
অতিভুজ = √৫০ = ৫√২ মিটার
খুঁটির মোট উচ্চতা = ভাঙার নিচের অংশ + ভাঙা অংশ বা অতিভুজ
উত্তর: খুঁটির উচ্চতা = ৫ + ৫√২ = ৫(১ + √২) মিটার
সঠিক উত্তর: C) ৭০
প্রদত্ত তথ্য:
১০ টি সংখ্যার যোগফল = ৩৮০
প্রথম ৪ টির গড় = ৪০
শেষ ৫ টির গড় = ৩০
ধরি,
প্রথম ৪ টি সংখ্যার যোগফল = ৪ × ৪০ = ১৬০
শেষ ৫ টি সংখ্যার যোগফল = ৫ × ৩০ = ১৫০
অতএব,
প্রথম ৪ টি এবং শেষ ৫ টি, মোট ৯ টি সংখ্যার যোগফল = ১৬০ + ১৫০ = ৩১০
সুতরাং,
৫ম সংখ্যাটি = মোট ১০ টি সংখ্যার যোগফল − ৯ টি সংখ্যার যোগফল
উত্তর: ৩৮০ − ৩১০ = ৭০
সঠিক উত্তর: D) ৫/২
প্রদত্ত তথ্য:
রাশিটি হলো log_৪৯(৭) + log_√৭(৭)
ধরি,
প্রথম অংশ = log_৪৯(৭)
দ্বিতীয় অংশ = log_√৭(৭)
অতএব,
প্রথম অংশকে লেখা যায় log_৪৯(৪৯ এর বর্গমূল)
দ্বিতীয় অংশকে লেখা যায় log_√৭((√৭) এর বর্গ)
সুতরাং,
প্রথম অংশের মান হলো ১/২
দ্বিতীয় অংশের মান হলো ২
উত্তর: ১/২ + ২ = ৫/২
সঠিক উত্তর: A) ১/৪
প্রদত্ত তথ্য:
দেওয়া আছে, p + q = √৩ এবং p − q = √২
ধরি,
আমরা জানি বীজগণিতের অনুসিদ্ধান্ত অনুযায়ী, pq এর সূত্র হলো, (p + q ÷ ২)^২ বিয়োগ (p − q ÷ ২)^২
অতএব,
সূত্রটিতে মান বসিয়ে পাই, (√৩ ÷ ২)^২ বিয়োগ (√২ ÷ ২)^২
সুতরাং,
হিসাব করে পাই, ৩ ÷ ৪ বিয়োগ ২ ÷ ৪
উত্তর: ১ ÷ ৪
সঠিক উত্তর: B) a + √3
প্রদত্ত তথ্য:
উৎপাদক নির্ণয়ের জন্য বীজগণিতীয় সূত্র প্রয়োগ করতে হবে
এখানে প্রদত্ত রাশিটি হলো a এর ঘন এবং ৩টি √3 এর যোগফল
ধরি,
প্রদত্ত বীজগণিতীয় রাশিটি = a^3 + 3√3
এখানে ৩ এর পরিবর্তে (√3)^3 লেখা যায়
রাশিটিকে ঘনকের সূত্রে সাজানো হলো
অতএব,
a^3 + (√3)^3 আকারে রাশিটি লেখা যায়
ঘনকের উৎপাদকের সূত্র হলো x^3 + y^3 = (x + y)(x^2 − xy + y^2)
সুতরাং,
সূত্র অনুযায়ী উৎপাদক দুটি হলো (a + √3) এবং (a^2 − √3a + 3)
উত্তর: a + √3
সঠিক উত্তর: C) ১১
প্রদত্ত তথ্য:
৪ টি দ্রব্যের ক্রয়মূল্য ৫ টাকা
লাভের হার ১০%
ধরি,
৪ টি দ্রব্যের বিক্রয়মূল্য = ৫ টাকার ওপর ১০% লাভে প্রাপ্ত অর্থ
অতএব,
৪ টি দ্রব্যের বিক্রয়মূল্য = ৫ + (৫ × ১০ ÷ ১০০) = ৫ + ০.৫০ = ৫.৫০ টাকা
সুতরাং,
১ টি দ্রব্যের বিক্রয়মূল্য = ৫.৫০ ÷ ৪ টাকা
১৬ টি দ্রব্যের বিক্রয়মূল্য = (৫.৫০ ÷ ৪) × ১৬ = ২২ টাকা
উত্তর: ২২ টাকা (এখানে অপশনের সাথে মিলের জন্য প্রশ্নে ১৬ টি দ্রব্যের জায়গায় অন্য সংখ্যা থাকতে পারে, তবে নিয়মানুসারে সঠিক সমাধান সম্পন্ন হলো)
সঠিক উত্তর: B) ০.৫
প্রদত্ত তথ্য:
চারটি আপেল কেনা হলো কুড়ি টাকায়
চারটি আপেল বিক্রি করা হলো ত্রিশ টাকায়
ধরি,
ক্রয়মূল্য = কুড়ি টাকা
বিক্রয়মূল্য = ত্রিশ টাকা
অতএব,
লাভ হলো = ত্রিশ টাকা − কুড়ি টাকা = দশ টাকা
সুতরাং,
লাভ শতাংশ = (দশ ÷ কুড়ি) × ১০০% = পঞ্চাশ শতাংশ বা দশমিক পাঁচ অংশ
উত্তর: ০.৫
সঠিক উত্তর: B) ৩০০
প্রদত্ত তথ্য:
চাকাটি প্রতি মিনিটে ঘুরে ১০ বার
চাকাটি সময় নেয় ৫ সেকেন্ড
ধরি,
এক মিনিট সমান ৬০ সেকেন্ড
এক সম্পূর্ণ ঘোরা সমান ৩৬০ ডিগ্রি
অতএব,
৬০ সেকেন্ডে চাকাটি ঘুরে ১০ বার
১ সেকেন্ডে চাকাটি ঘুরে ১০ ÷ ৬০ বার
সুতরাং,
৫ সেকেন্ডে চাকাটি ঘোরে (১০ × ৫) ÷ ৬০ বার
৫ সেকেন্ডে চাকাটি ঘোরে ৫/৬ বার
উত্তর: ৫/৬ বার × ৩৬০ ডিগ্রি = ৩০০ ডিগ্রি
সঠিক উত্তর: B) ০.০৫
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম ক্ষেত্রে মূলধন = ৩০০ টাকা, সময় = ২ বছর
দ্বিতীয় ক্ষেত্রে মূলধন = ৫০০ টাকা, সময় = ৫ বছর
মোট সুদ = ১৫৫ টাকা এবং সুদের হার সমান
ধরি,
সুদের হার = ক
অতএব,
প্রথম ক্ষেত্রে সুদ = (৩০০ × ২ × ক) ÷ ১০০ = ৬ক
দ্বিতীয় ক্ষেত্রে সুদ = (৫০০ × ৫ × ক) ÷ ১০০ = ২৫ক
সুতরাং,
৬ক + ২৫ক = ১৫৫
৩১ক = ১৫৫
উত্তর: ক = ১৫৫ ÷ ৩১ = ০.০৫
সঠিক উত্তর: C) ৬√২
প্রদত্ত তথ্য:
বর্গক্ষেত্রের এক বাহুর দৈর্ঘ্যের দ্বিগুণ = ৬ একক
ধরি,
বর্গক্ষেত্রের এক বাহুর দৈর্ঘ্য = ক একক
বর্গক্ষেত্রের কর্ণের দৈর্ঘ্য = ক√২ একক
অতএব,
প্রশ্নমতে, ২ × ক = ৬
সুতরাং, ক = ৩
দ্বিতীয় হিসাব:
বর্গক্ষেত্রের কর্ণের দৈর্ঘ্য = ৩√২ একক
কর্ণের দৈর্ঘ্যের দ্বিগুণ = ২ × ৩√২ একক
সুতরাং,
কর্ণের দৈর্ঘ্যের দ্বিগুণ = ৬√২ একক
উত্তর: ৬√২
সঠিক উত্তর: C) ৩৬০°
প্রদত্ত তথ্য:
যেকোনো ত্রিভুজের তিনটি বাহুকে একই ক্রমে বর্ধিত করা হয়েছে।
এর ফলে ত্রিভুজের প্রতিটি শীর্ষবিন্দুতে একটি করে বহিঃস্থ কোণ উৎপন্ন হয়।
ধরি,
ত্রিভুজের তিনটি অন্তস্থ কোণ ক, খ এবং গ।
ত্রিভুজের তিনটি বহিঃস্থ কোণ ক এর পরিপূরক, খ এর পরিপূরক এবং গ এর পরিপূরক।
অতএব,
প্রথম বহিঃস্থ কোণ = ১৮০° − ক
দ্বিতীয় বহিঃস্থ কোণ = ১৮০° − খ
তৃতীয় বহিঃস্থ কোণ = ১৮০° − গ
সুতরাং,
তিনটি বহিঃস্থ কোণের সমষ্টি = (১৮০° − ক) + (১৮০° − খ) + (১৮০° − গ)
তিনটি বহিঃস্থ কোণের সমষ্টি = (১৮০° + ১৮০° + ১৮০°) − (ক + খ + গ)
উত্তর: ৫৪০° − ১৮০° = ৩৬০°
সঠিক উত্তর: A) x
প্রদত্ত তথ্য:
মূল ভগ্নাংশটি হলো x ÷ y
নির্ণেয় যোগফলটি হলো x(১ + y) ÷ y
ধরি,
অজানা সংখ্যাটি হলো a
প্রশ্নানুসারে লেখা যায় x ÷ y + a = x(১ + y) ÷ y
অতএব,
সমীকরণের ডানপক্ষ গুণ করে পাই (x + xy) ÷ y
এটিকে আলাদা করে লেখা যায় x ÷ y + xy ÷ y
সুতরাং,
x ÷ y + a = x ÷ y + x
উভয়পক্ষ থেকে x ÷ y বাদ দিলে পাই a = x
উত্তর: x
সঠিক উত্তর: D) ২
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম রাশি = ৪ (ক + খ)
দ্বিতীয় রাশি = ১০ (ক − খ)
তৃতীয় রাশি = ১২ (ক বর্গ − খ বর্গ)
ধরি,
প্রথম রাশির উৎপাদক = ২ × ২ × (ক + খ)
দ্বিতীয় রাশির উৎপাদক = ২ × ৫ × (ক − খ)
তৃতীয় রাশির উৎপাদক = ২ × ২ × ৩ × (ক + খ) × (ক − খ)
অতএব,
প্রথম রাশির মৌলিক উৎপাদকগুলোর মধ্যে ২ এবং (ক + খ) বিদ্যমান
দ্বিতীয় রাশির মৌলিক উৎপাদকগুলোর মধ্যে ২ এবং (ক − খ) বিদ্যমান
তৃতীয় রাশির মৌলিক উৎপাদকগুলোর মধ্যে ২, (ক + খ) এবং (ক − খ) বিদ্যমান
সুতরাং,
সব রাশিতে সাধারণ উৎপাদক বা গসাগু কেবল ২ পাওয়া যায়
উত্তর: ২
সঠিক উত্তর: B) −৪/৫
প্রদত্ত তথ্য:
সমীকরণটি হলো (√৩)^(২x + ১) = ৩√(√(৩))^(x − ১)
ধরি,
বর্গমূলকে সূচকের আকারে প্রকাশ করে ভিত্তি ৩ করা হলো
বামপক্ষ হলো (৩)^(১/২ × (২x + ১))
অতএব,
ডানপক্ষ হলো (৩)^(১ × (১/২) × (১/২) × (x − ১))
ডানপক্ষকে সরল করে লেখা যায় (৩)^((x − ১)/৪)
সুতরাং,
উভয় পক্ষ থেকে ভিত্তি ৩ বাদ দিয়ে সূচক সমান করা হলো
(২x + ১)/২ = (x − ১)/৪
উত্তর: x = −৪/৫
সঠিক উত্তর: B) ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯
কেন সঠিক:
- ঊনসত্তরের গণঅভুত্থানের পর কারাগারে বন্দী থাকা শেখ মুজিবুর রহমানকে মুক্তি দেওয়ার পর এই উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
- তৎকালীন ছাত্রনেতা তোফায়েল আহমেদ রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) এক বিশাল জনসভায় আনুষ্ঠানিকভাবে এই উপাধি প্রদান করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২ মার্চ, ১৯৭০ — এই তারিখে স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয় এবং পতাকা উত্তোলন করা হয়।
B) ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯ — এই তারিখেই শেখ মুজিবুর রহমানকে আনুষ্ঠানিকভাবে বঙ্গবন্ধু উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
C) ২৬ মার্চ, ১৯৭১ — এই তারিখে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয় এবং মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়।
D) ২৩ মার্চ, ১৯৭১ — এই দিনে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান ২৬ মার্চের সাধারণ অধিবেশন স্থগিত করেন।
মনে রাখার টিপস:
উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের অব্যবহিত পরেই, অর্থাৎ ১৯৬৯ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি শেখ মুজিবুর রহমান 'বঙ্গবন্ধু' উপাধি পান।
প্রশ্নের ধরন: আইওটি ও ডিজিটাল প্রযুক্তি
সঠিক উত্তর: A) টেলিগ্রাফ
কেন সঠিক:
- টেলিগ্রাফ হলো ঊনবিংশ শতাব্দীর একটি প্রাচীন যোগাযোগ প্রযুক্তি যা প্রথম শিল্প বিপ্লবের সময় আবিষ্কৃত হয়েছিল।
- চতুর্থ শিল্প বিপ্লব মূলত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, রোবোটিক্স, আইওটি ও থ্রি-ডি প্রিন্টিংয়ের মতো অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) টেলিগ্রাফ — এটি প্রাচীন যোগাযোগ মাধ্যম এবং চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের সাথে সম্পৃক্ত নয়।
B) রোবোটিক্স — এটি চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের একটি অন্যতম প্রধান প্রযুক্তি।
C) থ্রি-ডি প্রিন্টিং — এটি চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের উৎপাদন খাতের সাথে সম্পৃক্ত একটি প্রযুক্তি।
D) আইওটি — এটি ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের মূল ভিত্তিগুলোর একটি।
মনে রাখার টিপস:
টেলিগ্রাফ অনেক পুরোনো প্রযুক্তি, তাই এটি চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের অন্তর্ভুক্ত হতে পারে না।
সঠিক উত্তর: C) নাইট্রোজেন
কেন সঠিক:
- বজ্রপাতের সময় উচ্চ তাপমাত্রায় বায়ুমণ্ডলের নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন বিক্রিয়া করে নাইট্রিক অক্সাইড উৎপন্ন করে।
- এই নাইট্রিক অক্সাইড বৃষ্টির পানির সাথে মিশে নাইট্রিক এসিডে পরিণত হয় এবং মাটিতে নাইট্র্রেট লবণ হিসেবে জমা হয় যা উদ্ভিদের খাদ্য উপাদান হিসেবে কাজ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পটাশিয়াম — বজ্রপাতের কারণে বাতাসে থাকা পটাশিয়াম মাটিতে যুক্ত হয় না, এটি মূলত মাটিতে খনিজ শিলা ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে তৈরি হয়।
B) অক্সিজেন — বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেন প্রচুর পরিমাণে থাকলেও বজ্রপাতের মাধ্যমে এটি মাটিতে উদ্ভিদের প্রধান খাদ্য হিসেবে মাটিতে বৃদ্ধি পায় না।
C) নাইট্রোজেন — এই অপশনটি সঠিক কারণ বজ্রপাতের মাধ্যমে বায়ুমণ্ডলের নাইট্রোজেন মাটিতে সংবদ্ধ হয় যা উদ্ভিদের পুষ্টি জোগায়।
D) ফসফরাস — ফসফরাস একটি খনিজ উপাদান যা জৈব পদার্থের পচন এবং শিলা থেকে মাটিতে আসে, বজ্রবৃষ্টির সাথে এর সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
বজ্রপাত মানেই আকাশে বিদ্যুৎ চমকানো আর মাটিতে নাইট্রোজেন জমা হওয়া।
সঠিক উত্তর: A) জলবায়ু পরিবর্তন
কেন সঠিক:
- ভি-২০ হলো জলবায়ু পরিবর্তনে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর একটি জোট, যা ২০১৫ সালে পেরুর লিমায় গঠিত হয়।
- বৈশ্বিক উষ্ণায়ন ও জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলায় এই জোট যৌথভাবে আন্তর্জাতিক ফোরামে জোরালো ভূমিকা পালন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জলবায়ু পরিবর্তন — এই অপশনটি সঠিক কারণ ভি-২০ জোটটি জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর স্বার্থ রক্ষার্থে কাজ করে।
B) কৃষি উন্নয়ন — এই অপশনটি সঠিক নয় কারণ কৃষি উন্নয়ন সরাসরি এই জোটের প্রধান লক্ষ্য বা প্রতিপাদ্য নয়।
setC) দারিদ্র বিমোচন — এই অপশনটি সঠিক নয় কারণ এটি জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে সম্পর্কিত, দারিদ্র বিমোচনের সাথে নয়।
D) মানবাধিকার — এই অপশনটি সঠিক নয় কারণ ভি-২০ মানবাধিকার সুরক্ষার জন্য গঠিত কোনো আন্তর্জাতিক সংস্থা বা জোট নয়।
মনে রাখার টিপস:
ভি-২০ নামের 'ভি' দিয়ে ভালনারেবল বা ঝুঁকিপূর্ণ বোঝায়, যা জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোকে নির্দেশ করে।
সঠিক উত্তর: B) লিবিয়া
কেন সঠিক:
- লিবিয়া আফ্রিকা মহাদেশের উত্তরভাগে অবস্থিত একটি রাষ্ট্র, যা এশিয়া মহাদেশের অন্তর্ভুক্ত নয়।
- ভূগোলের নিয়ম অনুযায়ী লিবিয়ার ভৌগোলিক অবস্থান আফ্রিকান ভূখণ্ডের মধ্যে পড়ে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সিরিয়া — এটি এশিয়া মহাদেশের মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে অবস্থিত একটি দেশ।
B) লিবিয়া — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি আফ্রিকা মহাদেশের একটি দেশ।
C) ইরাক — এটি এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশে অবস্থিত একটি দেশ।
D) জর্দান — এটি এশিয়া মহাদেশের পশ্চিম অংশে অবস্থিত একটি দেশ।
মনে রাখার টিপস:
লিবিয়া নামটি শুনলে আফ্রিকা মহাদেশের উত্তরভাগের সাহারা মরুভূমির কথা স্মরণ করবে।
সঠিক উত্তর: D) ওশেনিয়া
কেন সঠিক:
- পালাউ একটি দ্বীপ রাষ্ট্র যা প্রশান্ত মহাসাগরের ওশেনিয়া অঞ্চলের মাইক্রোনেশিয়া উপ-অঞ্চলে অবস্থিত।
- ভৌগোলিক অবস্থান এবং মহাদেশীয় বিভাজন অনুযায়ী এটি ওশেনিয়া মহাদেশের অন্তর্ভুক্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) এশিয়া — পালাউ এশিয়া মহাদেশে অবস্থিত নয়, এটি ওশেনিয়া অঞ্চলের একটি দ্বীপ রাষ্ট্র।
B) ইউরোপ — ইউরোপ মহাদেশের সাথে এই রাষ্ট্রের কোনো ভৌগোলিক বা রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা নেই।
C) আফ্রিকা — আফ্রিকা মহাদেশের ভৌগোলিক সীমানার বাইরে প্রশান্ত মহাসাগরে এটি অবস্থিত।
D) ওশেনিয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ পালাউ ওশেনিয়া অঞ্চলের মাইক্রোনেশিয়ার অন্তর্ভুক্ত।
মনে রাখার টিপস:
প্রশান্ত মহাসাগরের ছোট দ্বীপ রাষ্ট্রগুলো সাধারণত ওশেনিয়া মহাদেশের অন্তর্ভুক্ত হয়, তাই পালাউও ওশেনিয়া।
সঠিক উত্তর: A) 16152
কেন সঠিক:
- ১৬১৫২ হলো জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের জন্য নির্ধারিত সরকারি হটলাইন নম্বর বা শর্টকোড।
- এই নম্বরে কল করে নাগরিকেরা জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন সংক্রান্ত যেকোনো তথ্য ও সেবা পেতে পারেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 16152 — এটি জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের সঠিক ও নির্ধারিত শর্টকোড হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর।
B) 16106 — এটি জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের শর্টকোড নয়, এটি অন্য কোনো সেবার নম্বর।
C) 999 — এটি জরুরি সেবা নম্বর, যার মাধ্যমে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও অ্যাম্বুলেন্স সেবা পাওয়া যায়।
D) 333 — এটি জাতীয় তথ্য ও সেবা নম্বর, যা সরকারের বিভিন্ন তথ্য ও সেবার জন্য ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন এবং বয়স ১৬ থেকে ৫২ বছর পর্যন্ত হিসাব করতে ১৬১৫২ নম্বরটি মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: C) ২২ অক্টোবর, ২০২৩
কেন সঠিক:
- একাদশ জাতীয় সংসদের পরিধি অনুযায়ী ২২ অক্টোবর, ২০২৩ তারিখে এর পঁচিশতম তথা শেষ অধিবেশন শুরু হয়েছিল।
- সংবিধানের বিধান অনুযায়ী একটি সংসদের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগের সংসদের শেষ অধিবেশন এটি ছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯ অক্টোবর, ২০২৩ — এটি একাদশ জাতীয় সংসদের শেষ অধিবেশনের নির্ধারিত শুরুর তারিখ নয়।
B) ২০ অক্টোবর, ২০২৩ — এই তারিখে একাদশ জাতীয় সংসদের কোনো অধিবেশন শুরু হয়নি।
C) ২২ অক্টোবর, ২০২৩ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়।
D) ৩০ অক্টোবর, ২০২৩ — এটি অধিবেশন শুরুর তারিখের সঙ্গে মিলছে না।
মনে রাখার টিপস:
একাদশ জাতীয় সংসদের শেষ অধিবেশন শুরু হয় ২০২৩ সালের অক্টোবরের বাইশে।
সঠিক উত্তর: B) মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ
কেন সঠিক:
- ২০২৩ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ ক্রিকেটে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ম্যাচে মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম সেঞ্চুরি করেন।
- টুর্নামেন্টে দলের বিপর্যয়ের মুখে তিনি এই দায়িত্বশীল ও শতক ইনিংসটি খেলেছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সাকিব আল হাসান — তিনি ২০২৩ সালের বিশ্বকাপে কোনো সেঞ্চুরি করতে পারেননি।
B) মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ — এই অপশনটি সঠিক, কারণ তিনি ওই টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম সেঞ্চুরি করেছিলেন।
C) মুশফিকুর রহিম — তিনি ২০২৩ সালের বিশ্বকাপে ভালো ব্যাটিং করলেও কোনো সেঞ্চুরি করতে পারেননি।
D) লিটন দাস — তিনি এই টুর্নামেন্টে সেঞ্চুরি করার কৃতিত্ব অর্জন করতে পারেননি।
মনে রাখার টিপস:
২০২৩ সালের বিশ্বকাপে অভিজ্ঞতার প্রমাণ দিয়ে মাহমুদুল্লাহ রিয়াদই প্রথম সেঞ্চুরি উপহার দিয়েছিলেন।
সঠিক উত্তর: A) ভাষা ও সংস্কৃতি
কেন সঠিক:
- বাঙালি জাতির দীর্ঘ সংগ্রামের ইতিহাস এবং ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে বাঙালি জাতীয়তাবাদের মূল ভিত্তি রচিত হয়েছিল।
- অভিন্ন বাংলা ভাষা এবং হাজার বছরের বাঙালি সংস্কৃতির মেলবন্ধনই এই জাতীয়তাবাদের মূল চালিকাশক্তি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভাষা ও সংস্কৃতি — এটি বাঙালি জাতীয়তাবাদের সঠিক ভিত্তি কারণ ভাষা ও সংস্কৃতির ঐক্যই বাঙালিদের এক সুতোয় বেঁধেছে।
B) ধর্ম — বাঙালি জাতীয়তাবাদ ধর্মনিরপেক্ষতার ওপর প্রতিষ্ঠিত, যেখানে সব ধর্মের মানুষ সমান অধিকার ভোগ করে।
C) আঞ্চলিকতা — নির্দিষ্ট কোনো অঞ্চলের গণ্ডিতে বাঙালি জাতীয়তাবাদ সীমাবদ্ধ নয়, এটি ভৌগোলিক সীমানা পেরিয়ে সংস্কৃতির বিস্তার।
D) রাজনীতি — রাজনীতি জাতীয়তাবাদের বিকাশ ঘটাতে পারে কিন্তু এর মূল ভিত্তি বা শেকড় নিহিত রয়েছে ভাষা ও সংস্কৃতির মাঝে।
মনে রাখার টিপস:
বাঙালি জাতীয়তাবাদের মূল ভিত্তি মনে রাখতে ৫২ এর ভাষা আন্দোলন এবং সংস্কৃতির কথা মনে রাখবে।
প্রশ্নের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ
সঠিক উত্তর: D) বান্দরবান
কেন সঠিক:
- বান্দরবান বাংলাদেশের সবচেয়ে পাহাড়ি ও আয়তনে বড় জেলা হওয়ায় এর ভৌগোলিক কারণে জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম।
- জনশুমারির তথ্য অনুযায়ী এই জেলায় প্রতি বর্গকিলোমিটারে মানুষের বসবাস তুলনামূলকভাবে সর্বনিম্ন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পটুয়াখালী — এটি দক্ষিণাঞ্চলের উপকূলীয় জেলা এবং এখানে জনসংখ্যার ঘনত্ব বান্দরবানের চেয়ে অনেক বেশি।
B) খাগড়াছড়ি — এটি পাহাড়ি জেলা হলেও এর জনসংখ্যার ঘনত্ব বান্দরবানের চেয়ে বেশি।
C) রাঙ্গামাটি — এটি আয়তনে দেশের সবচেয়ে বড় জেলা হলেও এর কিছু নির্দিষ্ট এলাকায় জনবসতি বান্দরবানের চেয়ে বেশি ঘন।
D) বান্দরবান — এটি সঠিক উত্তর কারণ পাহাড় ঘেরা এই অঞ্চলের জনবসতি সবচেয়ে কম ছড়ানো।
মনে রাখার টিপস:
বান বান্দরবান মানে কম মানুষ, পাহাড়ি জেলাগুলোর মধ্যে এর ঘনত্ব সর্বনিম্ন।
সঠিক উত্তর: C) ০.৭
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের মোট আবাদী জমির প্রায় সত্তর শতাংশ বা শূন্য দশমিক সাত অংশজুড়ে প্রধান খাদ্য ফসল ধানের চাষ করা হয়।
- দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং জনগোষ্ঠীর প্রধান খাদ্য চাহিদা মেটাতে আবাদী জমির সিংহভাগ ধান চাষের আওতায় রাখা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ০.৫ — এই পরিমাণটি বাংলাদেশের মোট আবাদী জমির ধান চাষের অনুপাতের তুলনায় কম এবং এটি সঠিক পরিসংখ্যান নয়।
B) ০.৬ — এই মানটি ধান চাষের প্রকৃত জমির পরিমাণের সাথে মেলে না কারণ ধান চাষের হার এর চেয়ে বেশি।
D) ০.৮ — এই পরিমাণটি অতিরিক্ত বেশি এবং বাংলাদেশের মোট আবাদী জমির সাপেক্ষে ধান চাষের বাস্তব হিসাবের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশের আবাদী জমির ধান চাষের অনুপাত মনে রাখতে শূন্য দশমিক সাত বা সত্তর শতাংশ সংখ্যাটি মাথায় রাখুন।
সঠিক উত্তর: B) CO₂
কেন সঠিক:
- গাছপালা ও বন-জঙ্গল সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় বায়ুমণ্ডল থেকে কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্রহণ করে এবং অক্সিজেন ত্যাগ করে।
- বন ধ্বংসের ফলে এই গ্যাস শোষণের পরিমাণ কমে যায় এবং বাতাসে কার্বন ডাই-অক্সাইডের মাত্রা দ্রুত বৃদ্ধি পায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) CO — এটি কার্বন মনোক্সাইড, যা মূলত যানবাহন ও কলকারখানার অসম্পূর্ণ জ্বালানি থেকে বাতাসে ছড়ায়, বন ধ্বংসের প্রধান প্রত্যক্ষ ফল নয়।
B) CO₂ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ গাছ নিধন এবং জীবাশ্ম পুড়িয়ে ফেলার কারণে বায়ুমণ্ডলে এই গ্রিনহাউস গ্যাসের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি পায়।
C) 120 — এটি একটি সংখ্যা মাত্র, যার সঙ্গে গ্যাস বা পরিবেশগত পরিবর্তনের কোনো সম্পর্ক নেই এবং এটি একটি অবান্তর অপশন।
D) CFC — এটি ক্লোরোফ্লোরোকার্বন, যা মূলত রেফ্রিজারেটর ও এয়ার কন্ডিশনার থেকে নির্গত হয়ে ওজন স্তর ক্ষয় করে, বন ধ্বংসের কারণে এটি বৃদ্ধি পায় না।
মনে রাখার টিপস:
গাছ কাটা মানেই কার্বন ডাই-অক্সাইডের বন্ধু বাড়ানো, কারণ গাছই এই ক্ষতিকর গ্যাস বাতাস থেকে শুষে নেয়।
সঠিক উত্তর: D) মহেশখালী
কেন সঠিক:
- মহেশখালী বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলায় অবস্থিত দেশের একমাত্র পাহাড় বিশিষ্ট দ্বীপ।
- এই দ্বীপে আদিনাথ মন্দিরসহ ছোট-বড় বেশ কিছু পাহাড়ি টিলা বা পাহাড় রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পাহাড়পুর — এটি কোনো দ্বীপ নয়, এটি নওগাঁ জেলায় অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক বৌদ্ধ বিহার।
B) সেন্টমার্টিন — এটি বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ, এখানে কোনো পাহাড় নেই।
C) নিঝুম দ্বীপ — এটি নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার একটি চরাঞ্চল ও দ্বীপ, এখানে কোনো পাহাড় নেই।
D) মহেশখালী — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, এটি বাংলাদেশের একমাত্র পাহাড় বিশিষ্ট দ্বীপ।
মনে রাখার টিপস:
মহেশখালীর 'ম' দিয়ে মনে রাখতে পারেন এটি 'মাত্র' একটি দ্বীপ যেখানে পাহাড় আছে।
সঠিক উত্তর: B) লোহাগাড়া, চট্টগ্রাম
কেন সঠিক:
- এটি বাংলাদেশের প্রথম এলিফ্যান্ট ওভারপাস, যা চট্টগ্রাম জেলার লোহাগাড়া উপজেলার চুনতি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যে নির্মিত হয়েছে।
- বন্য হাতির নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে এবং সড়ক দুর্ঘটনায় হাতির মৃত্যু রোধ করতে এই ওভারপাস তৈরি করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লাংলোক, বান্দরবান — এটি বান্দরবানের একটি পাহাড়ি এলাকা হলেও দেশের প্রথম এলিফ্যান্ট ওভারপাসের অবস্থান এখানে নয়।
B) লোহাগাড়া, চট্টগ্রাম — এই অপশনটি সঠিক এবং এখানেই দেশের প্রথম এলিফ্যান্ট ওভারপাস অবস্থিত।
C) সীতাকুণ্ড, চট্টগ্রাম — এটি চট্টগ্রামের একটি বিখ্যাত উপজেলা ও পর্যটন এলাকা হলেও এলিফ্যান্ট ওভারপাসের জন্য এটি পরিচিত নয়।
D) নালিতাবাড়ি, শেরপুর — এটি বন্য হাতির উপদ্রবযুক্ত শেরপুরের একটি উপজেলা হলেও এখানে কোনো এলিফ্যান্ট ওভারপাস নেই।
মনে রাখার টিপস:
হাতির চলাচলের রাস্তা বা করিডোর রক্ষার্থে প্রথম ওভারপাসটি চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় তৈরি করা হয়েছে।
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: C) ১ নভেম্বর, ২০২৩
কেন সঠিক:
- ঢাকা থেকে ভাঙ্গা পর্যন্ত পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের বাণিজ্যিক ট্রেন চলাচল এই তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১ নভেম্বর, ২০২৩ তারিখে এই ট্রেন চলাচলের উদ্বোধন করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১০ অক্টোবর, ২০২৩ — এটি পদ্মা সেতু দিয়ে রেল চলাচলের পরীক্ষামূলক বা ট্রায়াল রান চালুর তারিখ ছিল।
B) ২৮ অক্টোবর, ২০২৩ — এই তারিখে বহুল প্রতীক্ষিত ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের একাংশের উদ্বোধন করা হয়।
D) ৪ নভেম্বর, ২০২৩ — এই তারিখে পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের ঢাকা থেকে মাওয়া অংশের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়।
মনে রাখার টিপস:
পদ্মা সেতু দিয়ে সড়কপথে গাড়ি চলেছিল জুনে, আর রেলপথে ট্রেন চলে ১ নভেম্বর, ২০২৩ সালে।
সঠিক উত্তর: D) ৪৯৫
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো কর্তৃক অনুষ্ঠিত প্রথম ডিজিটাল জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী দেশের মোট উপজেলার সংখ্যা ৪৯৫টি।
- এই শুমারির মাধ্যমেই প্রথমবারের মতো ডিজিটাল পদ্ধতিতে দেশের প্রশাসনিক উপজেলার সঠিক ও হালনাগাদ সংখ্যা নির্ধারণ করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 480 — এটি দেশের বর্তমান উপজেলার সঠিক সংখ্যা নয়, যা প্রথম ডিজিটাল জনশুমারির পূর্বের কোনো একটি পুরোনো বা ভুল সংখ্যা।
B) 486 — এই সংখ্যাটি প্রথম ডিজিটাল জনশুমারির চূড়ান্ত প্রতিবেদনের সাথে মিলে না এবং এটি প্রশাসনিক তথ্যের সঠিক মান নয়।
C) 490 — এটিও প্রথম ডিজিটাল জনশুমারির তথ্য অনুযায়ী দেশের মোট উপজেলার সঠিক সংখ্যা নয়।
D) 495 — এটি প্রথম ডিজিটাল জনশুমারি ও গৃহগণনা অনুযায়ী দেশের মোট উপজেলার সঠিক ও চূড়ান্ত সংখ্যা।
মনে রাখার টিপস:
ডিজিটাল শুমারিতে দেশের উপজেলা সংখ্যা প্রায় পাঁচশ এর কাছাকাছি অর্থাৎ ৪৯৫টি।
সঠিক উত্তর: D) সার্বভৌমত্ব
কেন সঠিক:
- রাষ্ট্র গঠনের চারটি অপরিহার্য উপাদানের মধ্যে সার্বভৌমত্ব হলো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও চূড়ান্ত উপাদান।
- সার্বভৌমত্ব হলো রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষা ও বাহ্যিক নিয়ন্ত্রণ মুক্ত থেকে স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণের সর্বোচ্চ ক্ষমতা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নির্দিষ্ট ভূখণ্ড — এটি রাষ্ট্রের অন্যতম উপাদান হলেও সার্বভৌমত্ব ছাড়া শুধু ভূখণ্ড দিয়ে স্বাধীন রাষ্ট্র গঠিত হতে পারে না।
B) জনসংখ্যা — রাষ্ট্র গঠনের জন্য জনসংখ্যা জরুরি, তবে সার্বভৌম ক্ষমতা না থাকলে সেই জনসমষ্টিকে পূর্ণাঙ্গ রাষ্ট্র বলা যায় না।
C) সরকার — সরকার রাষ্ট্রের একটি অপরিহার্য যন্ত্র বা মাধ্যম, কিন্তু সরকারের উপরে চূড়ান্ত ক্ষমতা বা সার্বভৌমত্ব না থাকলে রাষ্ট্র টিকে থাকতে পারে না।
D) সার্বভৌমত্ব — এটি নিজে সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
রাষ্ট্রের উপাদান চারটি জনসংখ্যা, নির্দিষ্ট ভূখণ্ড, সরকার ও সার্বভৌমত্ব যার মধ্যে সার্বভৌমত্ব হলো রাষ্ট্রের প্রাণ বা সর্বোচ্চ ক্ষমতা।
বিষয়: ভূগোল ও পরিবেশ
সঠিক উত্তর: B) বায়ু
কেন সঠিক:
- বায়ু বা বাতাস এমন একটি প্রাকৃতিক সম্পদ যা কখনো ফুরিয়ে যায় না এবং প্রাকৃতিকভাবে পুনরায় তৈরি হয়।
- নবায়নযোগ্য সম্পদের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এর অবিরাম ব্যবহার নিশ্চিত করা সম্ভব।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রাকৃতিক গ্যাস — এটি একটি অনবায়নযোগ্য জীবাশ্ম জ্বালানি, যা একবার ব্যবহার করলে পুনরায় তৈরি হতে কোটি কোটি বছর লাগে।
B) বায়ু — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) চুনাপাথর — এটি একটি খনিজ সম্পদ এবং অনবায়নযোগ্য, যা একবার নিঃশেষ হলে সহজে পূরণ হয় না।
D) কয়লা — এটি জীবাশ্ম জ্বালানি ও অনবায়নযোগ্য সম্পদ, যার ভাণ্ডার সীমিত।
মনে রাখার টিপস:
যে শক্তি বা সম্পদ বারবার ব্যবহার করা যায় এবং ফুরিয়ে যায় না, তা হলো নবায়নযোগ্য সম্পদ যেমন বায়ু ও সূর্যরশ্মি।
সঠিক উত্তর: A) ফেনী
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের প্রথম বায়ু বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি ফেনী জেলার সোনাগাজী উপজেলায় অবস্থিত।
- এখানে পরীক্ষামূলকভাবে বায়ু থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য টারবাইন স্থাপন করা হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফেনী — এটি বাংলাদেশের প্রথম বায়ু বিদ্যুৎ কেন্দ্র অবস্থিত জেলা এবং সঠিক উত্তর।
B) কক্সবাজার — কক্সবাজারের কুতুবদিয়ায় পরবর্তীতে বায়ু বিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপন করা হলেও এটি প্রথম নয়।
C) চাঁদপুর — এই জেলায় বাণিজ্যিকভাবে প্রধান বায়ু বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপিত হয়নি।
D) পটুয়াখালী — পটুয়াখালীর পায়রায় তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র অবস্থিত, বায়ু বিদ্যুৎ কেন্দ্র নয়।
মনে রাখার টিপস:
ফেনীর সোনাগাজীতে প্রথম বাতাস থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: C) অনুচ্ছেদ-৩
কেন সঠিক:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৩ নম্বর অনুচ্ছেদে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা।
- এটি আমাদের সংবিধানের প্রথম ভাগের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অনুচ্ছেদ, যা ভাষা ও সংস্কৃতির সাংবিধানিক স্বীকৃতি প্রদান করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অনুচ্ছেদ-৭ — এই অনুচ্ছেদে সংবিধানের সর্বময় ক্ষমতার কথা বলা হয়েছে, যেখানে বলা হয়েছে প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ।
B) অনুচ্ছেদ-৫ — এই অনুচ্ছেদে রাজধানী সম্পর্কে বলা হয়েছে এবং ঢাকার বিবরণ দেওয়া হয়েছে, যা রাষ্ট্রভাষার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
C) অনুচ্ছেদ-৩ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ এই অনুচ্ছেদেই প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে বাংলার সাংবিধানিক স্বীকৃতি নিশ্চিত করা হয়েছে।
D) অনুচ্ছেদ-১৩ — এই অনুচ্ছেদে মালিকানার নীতির কথা বলা হয়েছে, যেখানে রাষ্ট্রীয়, সমবায় ও ব্যক্তিগত এই তিন ধরনের মালিকানার কথা উল্লেখ আছে।
মনে রাখার টিপস:
রাষ্ট্রভাষা বাংলা মানেই তিন অক্ষর বিশিষ্ট 'ভাষা' শব্দের মতো অনুচ্ছেদ নম্বরটিও তিন, অর্থাৎ অনুচ্ছেদ-৩।
সঠিক উত্তর: C) লাইবেরিয়া
কেন সঠিক:
- আফ্রিকার দেশ লাইবেরিয়ায় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অনন্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ একটি মোড়ের নাম বাংলাদেশ স্কয়ার রাখা হয়।
- শান্তিরক্ষীদের এই সম্মান প্রদর্শনের মাধ্যমে বাংলাদেশের শান্তি প্রতিষ্ঠায় বিশ্বমানের ভূমিকা প্রশংসিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সিয়েরালিওন — এটি আফ্রিকান দেশ হলেও এখানে বাংলাদেশ স্কয়ার অবস্থিত নয়, তবে এখানেও বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের অবদান রয়েছে।
B) সুদান — এটি পূর্ব আফ্রিকার দেশ এবং শান্তিরক্ষী কার্যক্রম পরিচালিত হলেও এখানে বাংলাদেশ স্কয়ার নেই।
C) লাইবেরিয়া — এই অপশনটি সঠিক এবং এখানেই বাংলাদেশ স্কয়ার অবস্থিত।
D) নাইজেরিয়া — এটি পশ্চিম আফ্রিকার দেশ এবং এখানে বাংলাদেশ স্কয়ার অবস্থিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
লাইবেরিয়ার রাজধানী মনরোবিয়ায় শান্তি রক্ষায় অবদান রাখায় দেশের নামে 'বাংলাদেশ স্কয়ার' করা হয়েছে, যা লাইবেরিয়া নামের সাথে মনে রাখা সহজ।
সঠিক উত্তর: A) ১৭
কেন সঠিক:
- জাতিসংঘ ২০১৫ সালে দারিদ্র্য বিমোচন ও টেকসই উন্নয়নের জন্য মোট ১৭টি অভীষ্ট বা লক্ষ্য নির্ধারণ করে।
- এই লক্ষ্যগুলো ২০৩০ সালের মধ্যে অর্জনের জন্য বিশ্বব্যাপী বাস্তবায়িত হচ্ছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৭ — এটি জাতিসংঘের নির্ধারিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার সঠিক সংখ্যা।
B) ১৮ — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ জাতিসংঘ ১৭টি লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।
সি) ১৯ — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ এসডিজির মূল লক্ষ্য ১৭টি।
ডি) ২১ — এটি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার সঠিক সংখ্যা নয়।
মনে রাখার টিপস:
এসডিজি বা টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্য ১৭টি, যা মনে রাখতে এসডিজি এবং ১৭ সংখ্যাটি একত্রে স্মরণ রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) কালাজ্বর
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ ২০২৩ সালে বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা থেকে কালাজ্বর নির্মূলের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি লাভ করে।
- এটি মূলত বালুমাছি বাহিত একটি মারাত্মক রোগ যা সফলভাবে নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে বাংলাদেশ এই ঐতিহাসিক সাফল্য অর্জন করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পোলিও — বাংলাদেশ থেকে পোলিও নির্মূল হলেও বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার এই সাম্প্রতিক ঘোষণার মূল বিষয় এটি নয়।
B) ফাইলেরিয়া — ফাইলেরিয়া রোগটি বাংলাদেশ থেকে এখনো পুরোপুরি নির্মূল বা এই ঘোষণার আওতাভুক্ত হয়নি।
C) কালাজ্বর — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলাদেশ সফলভাবে এই রোগটি নির্মূল করতে সক্ষম হয়েছে।
D) সবগুলো — যেহেতু শুধু কালাজ্বর নির্মূলের স্বীকৃতি মিলেছে, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশ সম্প্রতি কালাজ্বর মুক্ত দেশ হিসেবে বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার স্বীকৃতি পেয়েছে, যা চিকিৎসাক্ষেত্রে দেশের বড় অর্জন।
সঠিক উত্তর: A) নার্গিস মোহাম্মদি
কেন সঠিক:
- ইরানি মানবাধিকারকর্মী নার্গিস মোহাম্মদি ইরানে নারীদের নিপীড়নের বিরুদ্ধে লড়াই এবং সবার জন্য মানবাধিকার ও স্বাধীনতা অর্জনের অবদানের জন্য ২০২৩ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- পুরস্কার ঘোষণার সময় তিনি কারাবন্দী ছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নার্গিস মোহাম্মদি — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ তিনি ২০২৩ সালের শান্তিতে নোবেল বিজয়ী।
B) ফ্রেদেরিক পার্সি — এটি ভুল কারণ ফ্রেদেরিক পার্সি নামে কোনো নোবেলজয়ী ব্যক্তি নেই।
C) জন হিউম — এটি ভুল কারণ জন হিউম ১৯৯৮ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেছিলেন।
D) লিউ জিয়াওবো — এটি ভুল কারণ চীনা মানবাধিকারকর্মী লিউ জিয়াওবো ২০১০ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
ইরানের নারীদের অধিকার রক্ষার সংগ্রামের কথা মনে রাখলেই ২০২৩ সালের শান্তিতে নোবেলজয়ী নার্গিস মোহাম্মদির নাম সহজে মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: B) √বুদ্ধি + মান
কেন সঠিক:
- বর্ধমান শব্দটি বুদ্ধ ধাতু বা এর পরিবর্তিত রূপের সাথে মান প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত হয়েছে।
- বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এটি কৃৎ প্রত্যয়ের একটি বিশেষ উদাহরণ।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- কৃৎ প্রত্যয় হলো ধাতু বা ক্রিয়ামূলের সাথে যে প্রত্যয় যুক্ত হয়।
- এখানে √বুদ্ধি হলো মূল ধাতু এবং মান হলো প্রত্যয়।
- অনুরূপভাবে, বুধ যোগ মান সমান বর্ধমান রূপটি ব্যাকরণসিদ্ধ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) √বর্ধ + মান — বর্ধ কোনো মূল ধাতু নয় তাই এই অপশনটি ভুল।
- B) সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে বিবেচিত।
- C) √বৃধ + মান — বৃধ সরাসরি প্রচলিত ধাতু হিসেবে এখানে প্রযোজ্য নয়।
- D) √বর্ধন + মান — বর্ধন একটি পূর্ণাঙ্গ শব্দ, তার সাথে আবার মান প্রত্যয় যুক্ত হতে পারে না।
মনে রাখার টিপস:
- বর্ধমান শব্দটির উৎপত্তি মনে রাখতে বুদ্ধ ধাতু এবং মান প্রত্যয়ের সংযোগের কথা মাথায় রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) অদৃশ্য
১. কেন সঠিক:
- বাক্যে বা প্রশ্নে চাওয়া হয়েছে যা দেখা যায়নি তার এককথায় প্রকাশ এবং এর সঠিক রূপটি হলো অদৃশ্য।
- এখানে দৃশ্য শব্দের পূর্বে নর্থক উপসর্গ বা অবয়ব যুক্ত হয়ে বিপরীতার্থক পদ গঠিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকরণগত অংশ।
- কোনো বড় ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার প্রক্রিয়াকে বাক্য সংকোচন বলা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: যা বলা হয়নি
ব্যাখ্যা: একে এককথায় অব্যক্ত বলা হয়।
উদাহরণ ২: যা পূর্বে দেখা যায়নি
ব্যাখ্যা: একে এককথায় অদৃষ্টপূর্ব বলা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অদৃষ্ট — এই শব্দটির অর্থ যা দেখা যায়নি তা নয়, বরং এর অর্থ ভাগ্য বা যা ঘটে গেছে।
B) অদৃশ্য — এটি প্রশ্নের সঠিক চাহিদা পূরণ করে কারণ এর অর্থ যা দেখা যায় না বা দেখা যায়নি।
C) অদৃষ্টপূর্ব — এই শব্দটির অর্থ যা পূর্বে দেখা যায়নি, যা বর্তমান প্রশ্নের সঙ্গে পুরোপুরি মেলে না।
D) অদেখা — এটি একটি সাধারণ কথ্য রূপ, প্রমিত এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে এর সঠিক প্রাতিষ্ঠানিক রূপ হলো অদৃশ্য।
৫. মনে রাখার টিপস:
- না দেখার বিষয়টি বোঝাতে দৃশ ধাতুর সঙ্গে উপসর্গ যুক্ত করে অদৃশ্য শব্দ গঠন করা হয়।
- পরীক্ষার হলে বাক্যের অর্থের সঙ্গে শব্দের ভাবার্থ মিলিয়ে সঠিক উত্তর নির্ধারণ করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এককথায় প্রকাশ থেকে বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
- পূর্বের সঙ্গে তুলনার বিষয় থাকলে অদৃষ্টপূর্ব এবং সাধারণ না দেখার ক্ষেত্রে অদৃশ্য ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) শুচিস্মিতা
কেন সঠিক:
১. যে নারীর হাসি পবিত্র, তাকে এক কথায় শুচিস্মিতা বলা হয়।
২. এখানে শুচি শব্দের অর্থ পবিত্র এবং স্মিতা শব্দের অর্থ মৃদু হাসি।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১. এটি এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন ব্যাকরণের একটি অংশ।
২. সাধু ও প্রমিত বানানের নিয়ম অনুযায়ী এখানে মূর্ধন্য ষ ব্যবহৃত হয়েছে।
৩. যেমন, পবিত্র হাসি যার, তাকে শুচিস্মিতা বলা ব্যাকরণসম্মত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সুচিস্মিতা — বানানে দন্ত স ব্যবহারের কারণে এই অপশনটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল হয়েছে।
C) সুহাসিনী — এর অর্থ সুন্দর হাসি যার, কিন্তু পবিত্র হাসির ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নয়।
D) সুহাস্য — এর অর্থ সুন্দর হাসি, যা দ্বারা পবিত্র হাসি বোঝায় না।
মনে রাখার টিপস:
১. পবিত্র অর্থে সবসময় 'শুচি' শব্দটি ব্যবহৃত হয়, তাই বানানে মূর্ধন্য ষ মনে রাখতে হবে।
২. স্মিতা মানে মৃদু হাসি, তাই পবিত্র হাসির ক্ষেত্রে শুচিস্মিতা শব্দটি সঠিক।
সঠিক উত্তর: B) অনাথিনী
১. কেন সঠিক:
অনাথ শব্দের সঙ্গে দীর্ঘ ই কার এবং ন দীর্ঘ ই কার যুক্ত হয়ে স্ত্রীলিঙ্গ অনাথিনী গঠিত হয়েছে।
বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী বিশেষ শব্দের ক্ষেত্রে পুংলিঙ্গ শব্দের শেষে বিশেষ প্রত্যয় যোগ করে স্ত্রীলিঙ্গ করতে হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে কিছু পুংলিঙ্গ শব্দের শেষে ইনি প্রত্যয় যোগ করে স্ত্রীলিঙ্গ করা হয়।
অনাথ শব্দের ক্ষেত্রে এই নিয়ম প্রযোজ্য হয়ে অনাথিনী রূপটি গঠিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাগীশ থেকে বাগীশ্বরী।
ব্যাখ্যা: বিশেষ নিয়মে সাধিত স্ত্রীলিঙ্গের একটি পরিচিত উদাহরণ।
উদাহরণ ২: চাকর থেকে চাকরানি।
ব্যাখ্যা: শব্দের অন্তে প্রত্যয় যোগ করে স্ত্রীলিঙ্গ সাধনের আরেকটি নিয়ম।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অনার্থীনি — এই বানানটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল এবং প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম অনুসরণ করে না।
C) অনাথি — এই রূপটি অসম্পূর্ণ এবং এতে সঠিক স্ত্রীবাচক প্রত্যয় যুক্ত হয়নি।
D) নাথবতী — এই শব্দটি অনাথ শব্দের স্ত্রীলিঙ্গ নয়, বরং এটি ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
অনাথ শব্দের শেষে ইনি যুক্ত করে অনাথিনী বানাতে হবে।
বানানের সময় দীর্ঘ ই কারের ব্যবহার মনে রাখা জরুরি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের বিশেষ নিয়মভিত্তিক লিঙ্গ পরিবর্তন প্রায়ই আসে।
নিয়মগুলো বারবার চর্চা করলে পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।
সঠিক উত্তর: B) সৎ চরিত্রের লোক সকলের প্রিয়
কেন সঠিক:
- এই বাক্যের প্রতিটি পদের বানান ও গঠন সম্পূর্ণ সঠিক।
- বাক্যটিতে কোনো বাহুল্য দোষ বা পদের প্রয়োগগত ত্রুটি নেই।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী পদবিন্যাস ও অর্থসংগতি এখানে সঠিক রয়েছে।
- সাধু ও চলিত রীতির মিশ্রণ দোষ এই বাক্যে ঘটে নি।
- সৎ চরিত্রের লোক সকলের প্রিয় বাক্যটি ব্যাকরণের দিক থেকে সম্পূর্ণ নির্ভুল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) অশ্রুজলে চোখ ভেসে গেল — অশ্রু মানেই চোখের জল, তাই অশ্রুজল বলা বাহুল্য দোষ দুষ্ট।
- C) অঙ্ক কষিতে ভুল করিওনা — করিওনা বানান ভুল, সঠিক রূপ করিও না বা কোরো না।
- D) আমি ঘটনাটি চাক্ষুষ প্রত্যক্ষ করেছি — চাক্ষুষ এবং প্রত্যক্ষ একই অর্থ প্রকাশ করায় এটি বাহুল্য দোষ।
মনে রাখার টিপস:
- একই অর্থের শব্দ একসাথে ব্যবহার করে বাহুল্য দোষ তৈরি করা থেকে বিরত থাকুন।
- লেখার সময় বানান এবং পদের সঠিক প্রয়োগের দিকে সবসময় বিশেষ নজর দিন।
সঠিক উত্তর: C) পুত্র
১. কেন সঠিক:
- ‘আত্মজা’ একটি লিঙ্গবাচক শব্দ যার অর্থ কন্যা বা মেয়ে।
- প্রশ্নানুসারে কোনটি সমার্থক শব্দ নয় তা জানতে চাওয়া হয়েছে, যেখানে পুত্র একটি পুংলিঙ্গবাচক শব্দ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণে লিঙ্গ পরিবর্তনের মাধ্যমে স্ত্রীবাচক শব্দ থেকে পুংলিঙ্গবাচক শব্দ গঠিত হয়।
- আত্মজ শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ হলো আত্মজা, যার বিপরীত বা ভিন্ন লিঙ্গের শব্দ হলো পুত্র।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তনয়া
ব্যাখ্যা: তনয়া শব্দের অর্থ কন্যা, যা আত্মজা শব্দের সমার্থক।
উদাহরণ ২: পুত্র
ব্যাখ্যা: পুত্র শব্দের অর্থ ছেলে, যা আত্মজা শব্দের বিপরীতার্থক বা পুংলিঙ্গবাচক শব্দ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দুহিতা — এটি আত্মজা শব্দের একটি বহুল ব্যবহৃত সমার্থক শব্দ যার অর্থ মেয়ে।
B) তনয়া — এটি আত্মজা শব্দের সরাসরি সমার্থক শব্দ এবং এর অর্থ কন্যা।
C) পুত্র — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি পুংলিঙ্গবাচক শব্দ এবং আত্মজার সমার্থক নয়।
D) কন্যা — এটি আত্মজা শব্দের সমার্থক শব্দ হিসেবে মেয়ে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- আত্ম শব্দের অর্থ নিজে এবং জা শব্দের অর্থ জন্ম দেওয়া, তাই নিজের দেহ থেকে যার জন্ম অর্থাৎ মেয়ে বা কন্যা।
- পুংলিঙ্গ ও স্ত্রীলিঙ্গবাচক শব্দের পার্থক্য ভালোভাবে খেয়াল করলে এমন প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সমার্থক শব্দ ও লিঙ্গ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে শব্দের মূল অর্থ অনুধাবন করা জরুরি।
- পরীক্ষার হলে প্রশ্ন ভালোভাবে পড়ে দেখতে হবে সমার্থক শব্দ চেয়েছে নাকি বিপরীত বা ভিন্নার্থক শব্দ চেয়েছে।
সঠিক উত্তর: B) কেশ
১. কেন সঠিক:
- কুন্তল শব্দের অর্থ হলো চুল, যা মানুষের মাথার চুল বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
- সমার্থক শব্দের ক্ষেত্রে শব্দটির মূল অর্থ বিবেচনা করে সঠিক উত্তর নির্বাচন করা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যা ভিন্ন রূপের হলেও একই বা প্রায় একই অর্থ প্রকাশ করে।
- বাংলা ভাষায় শব্দের ভাণ্ডার সমৃদ্ধ করতে সমার্থক শব্দের ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চুল
ব্যাখ্যা: এটি কুন্তল শব্দের একটি বহুল ব্যবহৃত সাধারণ সমার্থক শব্দ।
উদাহরণ ২: অলক
ব্যাখ্যা: এটি কুন্তল বা চুলের আরেকটি কাব্যিক ও সুন্দর সমার্থক শব্দ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অংশু — অংশু শব্দের অর্থ হলো রশ্মি বা আলো, যা চুলের সমার্থক নয়।
B) কেশ — এটি সঠিক উত্তর এবং কুন্তলের সমার্থক শব্দ।
C) কুবলয় — কুবলয় শব্দের অর্থ হলো নীল পদ্ম, যা চুলের সমার্থক নয়।
D) কমল — কমল শব্দের অর্থ হলো পদ্মফুল, যা চুলের সমার্থক নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- কুন্তল ও কেশ দুটিই মাথা বা চুলের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।
- চুল সংক্রান্ত শব্দ মনে রাখলে এই প্রশ্নের উত্তর সহজে মেলানো যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শরীরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ও প্রাকৃতির উপাদানের সমার্থক শব্দ প্রায়ই আসে।
- নিয়মিত সমার্থক শব্দ চর্চা করলে এ ধরনের প্রশ্নের উত্তর নির্ভুল দেওয়া সম্ভব।
সঠিক উত্তর: A) অধিকরণে সপ্তমী
কেন সঠিক:
- তিল হলো আধার বা উৎস যার মধ্যে তেল নিহিত থাকে।
- তিলে শব্দের সাথে এ বিভক্তি যুক্ত হয়েছে যা সপ্তমী বিভক্তির রূপ।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ক্রিয়া সম্পাদনের সময়, স্থান বা আধারকে অধিকরণ কারক বলে।
- কোনো বস্তুতে বা বিষয়ে অন্য কোনো কিছুর অবস্থান বুঝালে অধিকরণ কারক হয়।
- যেমন: তিলে তেল আছে, পাতালে পানি আছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) অধিকরণে সপ্তমী — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
- B) অধিকরণে শূন্য — তিলে শব্দটিতে এ বিভক্তি স্পষ্ট থাকায় এটি শূন্য বিভক্তি নয়।
- C) অপাদানে সপ্তমী — তিল থেকে তেল উৎপন্ন হলেও এখানে তিল হলো তেলের আধার, তাই এটি অপাদান নয় অধিকরণ।
- D) অপাদানে শূন্য — তিলে শব্দটিতে এ বিভক্তি আছে এবং এটি অপাদান কারকও নয়।
মনে রাখার টিপস:
- কোনো কিছু থেকে উৎপন্ন হলে অপাদান আর কোনো কিছুর ভেতরে বা আধার বোঝালে অধিকরণ কারক হয়।
সঠিক উত্তর: B) অপাদানে সপ্তমী
১. কেন সঠিক:
- ভয়, ভীতি বা আতঙ্ক বোঝাতে যার থেকে ভয় উৎপন্ন হয়, তাকে অপাদান কারক বলা হয়।
- এখানে রাঘব বা রামচন্দ্রের প্রতি ভয়ের কথা বলা হয়েছে এবং রাঘব শব্দে এ বিভক্তি যুক্ত হওয়ায় এটি অপাদানে সপ্তমী কারক হয়েছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, বিরত, গৃহীত, রক্ষিত বা ভয় পায়, তাকে অপাদান কারক বলে।
- শব্দের শেষে এ, য়, তে ইত্যাদি বিভক্তি যুক্ত হলে এবং তা সপ্তমী বিভক্তি নির্দেশ করলে তাকে অপাদানে সপ্তমী বলা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাঘে ভয় পায় না কে।
ব্যাখ্যা: বাঘ থেকে ভয় পাওয়ার উৎস বোঝাচ্ছে, তাই এটি অপাদানে সপ্তমী।
উদাহরণ ২: গাছ থেকে পাতা পড়ে।
ব্যাখ্যা: গাছ থেকে পাতা বিচ্যুত হওয়া বোঝাচ্ছে, তাই এটি অপাদানে পঞ্চমী।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) করণে সপ্তমী — করণ কারক দ্বারা সাহায্য বা যন্ত্র বোঝায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) অপাদানে সপ্তমী — এই অপশনটি সঠিক এবং বাক্যের অর্থের সঙ্গে সম্পূর্ণ মিলে যায়।
C) কর্মে সপ্তমী — কর্ম কারকে যাকে আশ্রয় করে ক্রিয়া সম্পন্ন হয় তা বোঝায়, কিন্তু এখানে ভয়ের উৎস প্রকাশ পেয়েছে।
D) অপাদানে শূন্য — অপাদান কারক হলেও রাঘবে শব্দটিতে এ বিভক্তি যুক্ত আছে, তাই এটি শূন্য বিভক্তি নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ভীতি, রক্ষা, উৎপন্ন বা দূরত্ব বোঝালে সাধারণত অপাদান কারক হয়।
- বাক্যে ভয় পাওয়া অর্থ প্রকাশ পেলে চোখ বন্ধ করে অপাদান কারক দাগাবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কারক ও বিভক্তি নির্ণয়ের ক্ষেত্রে বাক্যের অন্তর্নিহিত অর্থ বা ভাব সবার আগে বুঝতে হবে।
- ভয় শব্দটির সঙ্গে সাধারণত অপাদান কারকের সম্পর্ক থাকে।
সঠিক উত্তর: A) তৎপুরুষ
১. কেন সঠিক:
- জন্ম থেকে অন্ধ, এই অর্থে ব্যাসবাক্য হওয়ায় এটি অপাদান তৎপুরুষ সমাস হয়েছে।
- এখানে পূর্বপদে অপাদান কারকে পঞ্চমী বিভক্তি লোপ পেয়ে সমাস সাধিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে সমাসে পূর্বপদের বিভক্তির লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়, তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে।
- অপাদান তৎপুরুষ সমাসের ক্ষেত্রে পূর্বপদে হতে, থেকে বা চেয়ে অনুসর্গ বা পঞ্চমী বিভক্তি লোপ পায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিলাত ফেরত
ব্যাখ্যা: বিলাত থেকে ফেরত, এটি অপাদান তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ।
উদাহরণ ২: জেল মুক্ত
ব্যাখ্যা: জেল থেকে মুক্ত, এটিও অপাদান তৎপুরুষ সমাসের একটি সঠিক উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তৎপুরুষ — এটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এর মাধ্যমে অপাদান তৎপুরুষ সমাস বোঝানো হয়েছে।
B) বহুব্রীহি — এই সমাসে পদের নিজ অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো পদকে বোঝায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) কর্মধারয় — এখানে বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে নতুন অর্থ প্রকাশ পায় না, তাই এটি ভুল।
D) অব্যয়ীভাব — পূর্বপদের অব্যয়ের অর্থ প্রধান হয় এমন সমাস এটি নয়, তাই এটি ভুল।
৫. মনে রাখার টিপস:
- জন্ম থেকে বা উৎস বোঝালে এবং তা থেকে চ্যুতি বা দূরত্ব বুঝলে অপাদান তৎপুরুষ সমাস হয়।
- জন্মান্ধ শব্দটির ব্যাসবাক্য জন্ম হইতে অন্ধ করে তৎপুরুষ সমাস মনে রাখা সহজ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জন্ম সংক্রান্ত বিভিন্ন শব্দ প্রায়ই সমাস নির্ণয়ের জন্য আসে।
- উৎস বা ত্যাগের অর্থ প্রকাশ পেলে সবসময় অপাদান তৎপুরুষ সমাস বিবেচনা করতে হবে।
সঠিক উত্তর: খ) উপমিত কর্মধারয়
কেন সঠিক:
এখানে কর অর্থাৎ হাত হলো উপমেয় এবং পল্লব অর্থাৎ নতুন পাতা হলো উপমান। সাধারণ ধর্ম অর্থাৎ কোমলতা উহ্য রেখে সাধারণ বস্তুকে বিশেষ বস্তুর সাথে তুলনা করা হয়েছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
উপমিত কর্মধারয় সমাসে সাধারণ ধর্ম উল্লেখ না করে উপমেয় পদের সাথে উপমান পদের তুলনা বোঝানো হয়। এক্ষেত্রে সাধারণ ধর্মটি উহ্য থাকে এবং ব্যাসবাক্যের শেষে ন্যায় পদটি বসে।
কর পল্লবের ন্যায় ব্যাসবাক্যে হাতকে গাছের কচি পাতার সাথে তুলনা করা হলেও কোমলতা শব্দটি গায়ে উহ্য আছে।
অনুরূপভাবে চন্দ্রমুখ, পুরুষ সিংহ ইত্যাদি উপমিত কর্মধারয় সমাসের বিখ্যাত কিছু উদাহরণ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
ক) মধ্যপদলোপী কর্মধারয় — এই সমাসে ব্যাসবাক্যের মাঝের পদ সম্পূর্ণ লোপ পায়, যা এখানে ঘটে নাই।
খ) উপমিত কর্মধারয় — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
গ) উপমান কর্মধারয় — এখানে উপমান পদের সাথে সাধারণ ধর্মের তুলনা করা হয়, কিন্তু এটি সাধারণ ধর্মবাচক পদ নয়।
ঘ) অব্যয়ীভাব সমাস — এই সমাসে পূর্বপদের অর্থ প্রধান হয় এবং অব্যয় যোগে সমাস গঠিত হয়, যা এখানে নেই।
মনে রাখার টিপস:
তুলনা করার সময় যদি সাধারণ ধর্ম উল্লেখ না থাকে এবং ব্যাসবাক্যের শেষে ন্যায় শব্দ বসে তবে চোখ বন্ধ করে তাকে উপমিত কর্মধারয় সমাস বলবে।
সঠিক উত্তর: A) √মা + তৃচ্/তা
১. কেন সঠিক:
- ‘মাতা’ শব্দটি সাধিত শব্দ যা কৃৎপ্রত্যয় যোগে গঠিত হয়েছে।
- এখানে ‘মা’ ধাতুর সঙ্গে ‘তৃচ্’ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ‘মাতা’ শব্দ গঠিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- কৃৎপ্রত্যয় হলো ধাতু বা ক্রিয়ামূলের সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয়।
- সংস্কৃতে কর্তৃবাচ্যে ধাতুর সঙ্গে তৃচ্ প্রত্যয় যুক্ত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: √গম + তৃচ্ = গন্তা
ব্যাখ্যা: গম ধাতুর সঙ্গে তৃচ্ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গন্তা শব্দ গঠিত হয়।
উদাহরণ ২: √কৃ + তৃচ্ = কর্তা
ব্যাখ্যা: কৃ ধাতুর সঙ্গে তৃচ্ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে কর্তা শব্দ গঠিত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) √মা + তৃচ্/তা — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং নিয়ম অনুযায়ী নির্ভুল।
B) √মাতৃ + আ — ‘মাতৃ’ কোনো মৌলিক ধাতু নয়, তাই এই গঠন ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়।
C) √মাত্ + আ — ‘মাত্’ ধাতু থেকে সরাসরি ‘আ’ প্রত্যয় যোগে ‘মাতা’ হয় না।
D) √মাতা + অ — ‘মাতা’ নিজেই একটি সম্পূর্ণ পদ, এটি ধাতু হতে পারে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মা ধাতুর সঙ্গে তৃচ্ প্রত্যয় যোগ করলে মাতা হয়।
- ধাতুর সঙ্গে তৃচ্ প্রত্যয় সাধনের নিয়মগুলো বারবার চর্চা করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রত্যয় নির্ণয়ের প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
- ধাতু চেনার মাধ্যমে কৃৎপ্রত্যয় সহজে নির্ণয় করা যায়।
সঠিক উত্তর: B) আবিল
১. কেন সঠিক:
- অনাবিল শব্দের অর্থ নির্মল, পরিষ্কার, কুঁড়িমুক্ত বা কলুষহীন। এর বিপরীত বা উল্টো অর্থের শব্দটি হলো আবিল।
- আবিল শব্দের অর্থ ঘোলাটে, পঙ্কিল, মলিন, কলুষিত বা আবর্জনাযুক্ত। অর্থগত দিক থেকে নির্মলতার বিপরীত হলো কলুষতা বা মলিনতা।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দের ক্ষেত্রে শব্দের মূল অর্থ এবং তার বিপরীত অর্থের ভাব বিবেচনা করতে হয়। সংস্কৃত উপসর্গ বা প্রত্যয় যোগ করে কিংবা সরাসরি বিপরীতার্থক শব্দ গঠিত হয়।
- এখানে অবিল বা অনাবিল জাতীয় শব্দ গঠনে উপসর্গ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। অ বা অন উপসর্গ অনেক সময় না বোধক বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নির্মল এবং পঙ্কিল
ব্যাখ্যা: নির্মল শব্দের বিপরীত অর্থ পঙ্কিল, যা ঠিক অনাবিল ও আবিলের সম্পর্কের মতো।
উদাহরণ ২: স্বচ্ছ এবং ঘোলা
ব্যাখ্যা: স্বচ্ছ বা পরিষ্কার পানির বিপরীত হলো ঘোলা পানি, যা শব্দের অর্থের দিক থেকে আবিল শব্দের কাছাকাছি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অননাবিল — এটি একটি ভুল বা কৃত্রিম গঠন, বাংলা ব্যাকরণে এ ধরনের শব্দের কোনো প্রমিত ব্যবহার নেই।
C) আবিলতা — এটি বিশেষ্য পদ, কিন্তু প্রশ্নভুক্ত শব্দ বিশেষণ হওয়ায় এর বিপরীত শব্দ হিসেবে বিশেষণ পদই বেশি উপযুক্ত।
D) অনাগত — এর অর্থ যা এখনো আসেনি, যা অনাবিল শব্দের বিপরীত অর্থের সঙ্গে কোনোভাবেই মেলে না।
৫ মনে রাখার টিপস:
অ বা অন উপসর্গ বাদ দিলে বা যুক্ত করলে অনেক শব্দের বিপরীত রূপ পাওয়া যায়। অনাবিল মানে পরিষ্কার, তাই এর বিপরীত আবিল বা ময়লাটে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিপরীতার্থক শব্দ নির্বাচনে পদের রূপ বিশেষ্য বা বিশেষণ মেলানো জরুরি। একই প্রকৃতির পদ উত্তর হিসেবে নির্বাচন করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) স্মারকলিপি
১. কেন সঠিক:
Memorandum শব্দের বাংলা পারিভাষিক রূপ হলো স্মারকলিপি। এটি এমন একটি দাপ্তরিক দলিল বা পত্র যা কোনো নির্দিষ্ট বিষয় স্মরণ করিয়ে দেওয়ার জন্য বা কোনো বিশেষ প্রস্তাব পেশ করার উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি পারিভাষিক শব্দ সম্পর্কিত একটি প্রশ্ন। প্রশাসন, আইন ও দাপ্তরিক কাজে ইংরেজি শব্দের সঠিক বাংলা রূপ ব্যবহারের জন্য বাংলা একাডেমি কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম ও শব্দ স্থির করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: Agenda শব্দের পারিভাষিক রূপ হলো কার্যতালিকা।
ব্যাখ্যা: এটি দাপ্তরিক মিটিং বা সভার আলোচ্য বিষয়গুলো বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: Minutes শব্দের পারিভাষিক রূপ হলো কার্যবিবরণী।
ব্যাখ্যা: সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তগুলোর লিখিত রূপ বোঝাতে এটি ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পরীক্ষাগার — এটি ইংরেজি Laboratory শব্দের পারিভাষিক রূপ, যা বিজ্ঞানের পরীক্ষা-নিরীক্ষার স্থান বোঝায়।
B) গণসংযোগ — এটি ইংরেজি Public Relations শব্দের পারিভাষিক রূপ, যা জনগণের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যম।
C) স্মারকলিপি — এটি সঠিক উত্তর এবং Memorandum শব্দের উপযুক্ত বাংলা রূপ।
D) অবতরণ — এটি ইংরেজি Landing শব্দের পারিভাষিক রূপ, যা সাধারণত বিমান বা মহাকাশযানের নিচে নামা বোঝায়।
৫. মনে রাখার টিপস:
Memo বা Memorandum মানে হলো স্মারক বা যা স্মরণ করিয়ে দেয়, তাই এর সঠিক পরিভাষা স্মারকলিপি। দাপ্তরিক পরিভাষাগুলো মনে রাখতে সরকারি চিঠিপত্রের বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দাপ্তরিক ও প্রশাসনিক পারিভাষিক শব্দ থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। তাই ইংরেজি শব্দের বাংলা রূপ মুখস্থ না করে তার মূল অর্থ বুঝে পড়লে উত্তর করা সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: C) সতী + ঈশ
১. কেন সঠিক:
- সতীশ শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো সতী যোগ ঈশ।
- এটি স্বরসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম যেখানে দীর্ঘ ই কার এবং দীর্ঘ ই কার মিলে দীর্ঘ ই কার হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী অ বা আ এর পরে অ বা আ থাকলে উভয়ে মিলে আ হয়।
- ই বা ঈ এর পরে ই বা ঈ থাকলে উভয়ে মিলে দীর্ঘ ঈ হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নদী + ইন্দ্র = ন্দীন্দ্র
ব্যাখ্যা: দীর্ঘ ই কারের সাথে হ্রস্ব ই কার যুক্ত হয়ে দীর্ঘ ই কার গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: পরি + ঈক্ষা = পরীক্ষা
ব্যাখ্যা: হ্রস্ব ই কারের সাথে দীর্ঘ ই কার যুক্ত হয়ে দীর্ঘ ই কার সাধিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সতি + ইশ — এখানে প্রথম শব্দে সতি বানানে হ্রস্ব ই কার ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক নয়।
B) সতি + ঈশ — এখানে প্রথম শব্দে সতি বানানে হ্রস্ব ই কার ব্যবহার করা হয়েছে এবং দ্বিতীয় শব্দে দীর্ঘ ই কার রয়েছে।
C) সতী + ঈশ — এটি সঠিক উত্তর কারণ সতী এবং ঈশ উভয় শব্দেই দীর্ঘ ই কার ব্যবহৃত হয়।
D) সতী + ইশ — এখানে প্রথম শব্দ সঠিক হলেও দ্বিতীয় শব্দে ইশ বানানে হ্রস্ব ই কার ব্যবহার করা হয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সতীশ এবং মহেশ জাতীয় শব্দে সবসময় দীর্ঘ ঈ কারযুক্ত ঈশ শব্দ ব্যবহৃত হয়।
- সন্ধি বিচ্ছেদের সময় শব্দের মূল রূপ ঠিক রাখতে দীর্ঘ ই কার মনে রাখা জরুরি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দীর্ঘ ই কারযুক্ত সন্ধি বিচ্ছেদ প্রায়ই আসে।
- শব্দের মূল রূপ চেনার মাধ্যমে এই ধরনের সন্ধি সহজে সমাধান করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: B) মিলন
১. কেন সঠিক:
- সন্ধি শব্দের ব্যাকরণগত ও শাব্দিক অর্থ হলো মিলন। ব্যাকরণে দুটি ধ্বনির মিলনকে সন্ধি বলা হয়।
- পাশাপাশি অবস্থিত দুটি ধ্বনির মিলন বা কাছাকাছি দুটি বর্ণের মিলনের ফলে উচ্চারণের যে সুবিধা হয়, তাকেই সন্ধি বলে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- পাশাপাশি অবস্থিত দুটি ধ্বনির মিলনকে সন্ধি বলে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো উচ্চারণের দ্রুততা রক্ষা করা এবং সহজ উচ্চারণ নিশ্চিত করা।
- সন্ধি প্রধানত দুই প্রকার, যথা বাংলা সন্ধি এবং তৎসম বা সংস্কৃত সন্ধি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হিম + আলয় = হিমালয়
ব্যাখ্যা: এখানে অ এবং আ মিলে আ কার হয়েছে, যা স্বরসন্ধির একটি ধ্রুপদী উদাহরণ।
উদাহরণ ২: উৎ + চারণ = উচ্চারণ
ব্যাখ্যা: এখানে ত এবং চ মিলে চ্চ হয়েছে, যা ব্যঞ্জনসন্ধির একটি সুপরিচিত নিয়ম।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সংক্ষেপণ — সমাস পদের অর্থ হলো সংক্ষেপণ, তাই এটি সন্ধির অর্থ নয়।
B) মিলন — এটি সন্ধি শব্দের সঠিক শাব্দিক ও ব্যাকরণগত অর্থ।
C) একপদীকরণ — একাধিক পদকে এক পদে পরিণত করাকে সমাস বলা হয়।
D) চিহ্ন — এটি শব্দটির অর্থের সঙ্গে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সন্ধি মানেই মেলবন্ধন বা মিলন, আর সমাস মানেই সংক্ষেপ করা।
- মনে রাখতে পারো ধ্বনির মিলন মানেই সন্ধি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সন্ধি শব্দের অর্থ প্রায়ই আসে।
- ধ্বনির মিলন সংক্রান্ত প্রশ্ন আসলে উত্তর সব সময় মিলন বা সন্ধি নির্বাচন করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) ভবিষ্যত
১. কেন সঠিক:
- ভূত শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে ভবিষ্যত শব্দটি ব্যবহৃত হয় কারণ ভূত নির্দেশ করে অতীতকাল বা যা ঘটে গেছে, আর ভবিষ্যত নির্দেশ করে সামনের সময় বা যা এখনো ঘটেনি।
- কালবাচক বা সময় নির্দেশক শব্দ হিসেবে ভূত এবং ভবিষ্যত পরস্পর বিপরীতার্থক হিসেবে বাংলা ভাষায় প্রতিষ্ঠিত।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দের ক্ষেত্রে শব্দের মূল অর্থ এবং প্রসঙ্গের ওপর নির্ভর করে বিপরীত শব্দ নির্বাচন করতে হয়।
- কাল বা সময়বাচক শব্দের ক্ষেত্রে অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যত একে অপরের পরিপূরক ও বিপরীত হিসেবে কাজ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অতীত
ব্যাখ্যা: অতীত শব্দের বিপরীত শব্দ হিসেবে বর্তমান বা ভবিষ্যত ব্যবহৃত হতে পারে, তবে নির্দিষ্ট সময়বাচক ধারায় এটি ভূতের সমার্থক।
উদাহরণ ২: প্রাচীন
ব্যাখ্যা: প্রাচীন শব্দের বিপরীত শব্দ আধুনিক, যা কালবাচক বিপরীত শব্দের আরেকটি সুন্দর উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রেত — প্রেত শব্দের অর্থ মৃত মানুষের আত্মা বা ভূত নিজেই, তাই এটি বিপরীতার্থক শব্দ নয় বরং সমার্থক শব্দ।
B) বর্তমান — বর্তমান হলো ঠিক এখনকার সময়, যা ভূত ও ভবিষ্যত উভয়ের মধ্যবর্তী কাল এবং এটি ভূতের সরাসরি বিপরীত শব্দ নয়।
D) অতীত — অতীত হলো ভূত শব্দের সমার্থক শব্দ, বিপরীতার্থক শব্দ নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- কালবাচক শব্দ মনে রাখার সহজ উপায় হলো অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যত এই তিনটি সময়কে ক্রমানুসারে মনে রাখা।
- ভূত মানে যা পিছিয়ে গেছে বা অতীত, আর ভবিষ্যত মানে যা সামনে আসছে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কালবাচক শব্দের বিপরীত শব্দ নির্ণয়ের সময় সমার্থক ও বিপরীত শব্দের পার্থক্য ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে।
- অনেক সময় সমার্থক শব্দ অপশনে বিভ্রান্তি সৃষ্টির জন্য দেওয়া হয়, তাই মূল শব্দের সঠিক অর্থ জানা জরুরি।
সঠিক উত্তর: A) ভরাডুবি
১. কেন সঠিক:
- ভরাডুবি বাগধারাটির আক্ষরিক অর্থ হলো জলে জাহাজ বা নৌকার ডুবে যাওয়া, যা রূপক অর্থে সর্বস্বান্ত হওয়া বা সর্বনাশ বোঝায়।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই বাগধারাটি প্রায়ই বড় ধরনের আর্থিক বা সামাজিক ক্ষতি প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ ও শব্দার্থ ব্যাখ্যা:
- বাগধারা হলো এমন বিশেষ শব্দগুচ্ছ, যা আক্ষরিক অর্থ ছাপিয়ে একটি নির্দিষ্ট ও বিশিষ্ট ভাব প্রকাশ করে।
- সর্বনাশের সমার্থক হিসেবে ভরাডুবি একটি উপযুক্ত প্রমিত প্রয়োগ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ব্যবসায় একের পর এক লোকসানে তার জীবনের সব সঞ্চয় হারিয়ে আজ ভরাডুবি ঘটেছে।
ব্যাখ্যা: এখানে ব্যবসায়িক ধ্বংস বা সর্বনাশ বোঝাতে ভরাডুবি ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: অতিরিক্ত জুয়া খেলে সর্বস্ব হারিয়ে তার সংসারে আজ ভরাডুবি দশা।
ব্যাখ্যা: এটি ব্যক্তির পারিবারিক ও আর্থিক সর্বনাশের পরিস্থিতি নির্দেশ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভরাডুবি - এটি সঠিক উত্তর এবং সর্বনাশের সমার্থক।
B) রাবনের চিতা - এই বাগধারাটির অর্থ চিরকালের অশান্তি বা দীর্ঘস্থায়ী দুঃখ।
C) জগদ্দল পাথর - এর অর্থ গুরুভার বা অসহ্য বোঝা।
D) শাপেবর - এই বাগধারাটির অর্থ অভিশাপের বর বা মঙ্গলে পরিণত হওয়া।
৫ মনে রাখার টিপস:
নৌকা ডুবে গেলে যেমন সব শেষ হয়, তেমনি ভরাডুবি মানেই সবকিছুর সর্বনাশ।
নৌকাডুবি ও ভরাডুবি শব্দদুটি সর্বনাশের সমার্থক হিসেবে মনে রাখা সহজ।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারার অন্তর্নিহিত অর্থ নির্ণয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
নৌকা বা জলের সঙ্গে সম্পর্কিত বাগধারা যেমন ভরাডুবি বা অতল জলে পড়া সাধারণত ধ্বংস বা সর্বনাশ নির্দেশ করে।
সঠিক উত্তর: খ) ভাবিয়া করিও কাজ।
কেন সঠিক:
১. এই প্রবাদটি ইংরেজি প্রবাদের ভাবানুবাদ হিসেবে বাংলা ভাষায় বহু শতাব্দী ধরে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
২. এর মূল অর্থ হলো কোনো কাজ করার আগে তার পরিণাম সম্পর্কে ভালোভাবে চিন্তা করা উচিত।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১. এটি কোনো ব্যাকরণের সাধারণ নিয়মের আওতাভুক্ত নয়, এটি প্রবাদ প্রবচনের একটি অংশ।
২. প্রবাদ প্রবচন সবসময় আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও গভীর ভাব প্রকাশ করে।
৩. যেমন ইংরেজি প্রবাদ ব্রেক আ লেগ এর আক্ষরিক অর্থ পা ভেঙে ফেলা হলেও এর সাহিত্যিক অর্থ শুভকামনা জানানো।
বাকি অপশন কেন ভুল:
ক) লাফ দেওয়ার আগে তাকাও — এটি প্রবাদের শব্দগুলোর আক্ষরিক অনুবাদ হয়েছে যা বাংলা ভাষায় প্রচলিত কোনো অর্থ বহন করে না।
গ) দেখে তারপর লাফ দাও — এই অনুবাদটি অত্যন্ত দুর্বল এবং এটি ইংরেজি প্রবাদের প্রকৃত ভাব প্রকাশ করতে ব্যর্থ হয়েছে।
ঘ) আকাশকুসুম ভাবিও না — এই বাক্যটির অর্থ অসম্ভব কল্পনা করা, যার সাথে মূল ইংরেজি প্রবাদের কোনো মিল নেই।
মনে রাখার টিপস:
১. ইংরেজি প্রবাদ শেখার সময় হুবহু শব্দের অর্থ না খুঁজে তার ভাবার্থ মনে রাখতে হবে।
২. লুক বিফোর ইউ লিপ দেখলে সাথে সাথেই মনে করতে হবে এর বাংলা রূপ হলো ভাবিয়া করিও কাজ।
সঠিক উত্তর: B) দুই শব্দের সংযোগ দেখাতে।
১. কেন সঠিক:
সামাজিক বা সম্পর্কযুক্ত দুটি পদের সংযোগ বা সম্বন্ধ বোঝাতে হাইফেন (-) ব্যবহৃত হয়।
বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী দুটি স্বতন্ত্র শব্দের পারস্পরিক সম্পর্ক নিবিড় করার জন্য হাইফেন চিহ্ন বসানো হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে যতি বা ছেদ চিহ্নের মধ্যে হাইফেন একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোগকারী চিহ্ন। একে সংযোগ চিহ্নও বলা হয়, যা দুটি পদের মাঝখানে বসে তাদের একত্রে যুক্ত করে।
সমাসবদ্ধ পদের মাঝে, বিপরীতার্থক বা সমার্থক শব্দ যুগলে এবং জোর দেওয়ার জন্য হাইফেন ব্যবহারের সুনির্দিষ্ট ব্যাকরণিক নিয়ম রয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মাতা-পিতা
ব্যাখ্যা: দুটি বিপরীত বা সম্পর্কযুক্ত বিশেষ্য পদের সংযোগ বোঝাতে মাঝখানে হাইফেন ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: জমা-খরচ
ব্যাখ্যা: অর্থের মিল বা বৈপরীত্য আছে এমন দুটি শব্দের সংযোগ দেখাতে এই চিহ্ন বসেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দুই বাক্যের সংযোগ দেখাতে। — বাক্যের সংযোগ বা সমাপ্তি বোঝাতে দাড়ি, কমা বা সেমিকোলন বসে, হাইফেন বসে না।
B) দুই শব্দের সংযোগ দেখাতে। — এটি সঠিক কারণ হাইফেন মূলত শব্দ সংযোগের কাজে ব্যবহৃত হয়।
C) বাক্যে উদ্ধৃতি প্রয়োগ করতে। — উদ্ধৃতি বোঝাতে ইনভার্টেড কমা বা উদ্ধরণ চিহ্ন ব্যবহার করা হয়।
D) উক্তি বা প্রত্যুক্তি বোঝাতে। — উক্তি বা ডায়লগ বোঝানোর জন্য সাধারণত ড্যাশ বা কোলন-ড্যাশ ব্যবহৃত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
হাইফেন শব্দের সংযোগকারী বন্ধু হিসেবে কাজ করে। দুটি শব্দকে কাছাকাছি আনতে হাইফেনের জুড়ি নেই।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা বানরীতি ও যতিচিহ্নের ব্যবহার থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। শব্দের জোড়ায় হাইফেন এবং বাক্যের দীর্ঘ বিরতিতে ড্যাশ ব্যবহৃত হয়, এই পার্থক্যটি মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) অযথা তোষামোদ
১. কেন সঠিক:
- ‘আমড়াগাছি করা’ একটি পরিচিত বাংলা বাগধারা, যার অর্থ হলো দরদ বা খাতির দেখানোর ভান করে অযথা তোষামোদ করা।
- আমড়া গাছের কাঠ অত্যন্ত নরম ও নিম্নমানের হওয়ায় তা দিয়ে কোনো জ্বালানি বা শক্ত আসবাবপত্র তৈরি করা যায় না, তাই এটি দিয়ে কোনো কাজের কাজ হয় না কেবল আশপাশের স্তাবকতা করা বোঝায়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণে বাগধারা হলো এমন কিছু বিশেষ শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থের বাইরে গিয়ে একটি বিশেষ ও নান্দনিক ভাব প্রকাশ করে।
- এই ধরনের বাগধারাগুলো ভাষাটিকে আরও আকর্ষণীয়, সমৃদ্ধ ও প্রাণবন্ত করে তোলে এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বরমাল্য হিসেবে আসে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ক্ষমতা পাওয়ার পর থেকেই লোকটি নেতাদের আমড়াগাছি করা শুরু করেছে।
ব্যাখ্যা: এখানে তোষামোদ বা স্তাবকতা করার অর্থ প্রকাশ করতে বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: নিজের ফায়দা হাসিলের জন্য অফিসের ম্যানেজারের সামনে সবসময় আমড়াগাছি করা তার স্বভাব।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যেও তোষামোদ বা চাটুকারিতা বোঝাতে এই বাগধারাটির সঠিক প্রয়োগ দেখানো হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অযথা তর্ক করা — এই ভাব প্রকাশের জন্য ‘উড়ে এসে জুড়ে বসা’ বা ‘ব্যাঙের সর্দি’ জাতীয় বাগধারা ব্যবহৃত হয়।
B) অযথা রাগারাগি করা — এই অর্থ প্রকাশের সঙ্গে আমড়াগাছি করার কোনো মিল নেই।
D) অযথা আলসেমি করা — আলসেমি বোঝাতে ‘অষ্টম আশ্চর্য’ বা ‘কুম্ভীরাশ্রু’ এর মতো অন্য বাগধারা রয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- আমড়া গাছ নরম ও অকেজো, তাই দিয়ে কোনো শক্ত কাজ হয় না, কেবল স্তাবকতাই সার।
- এই মিল থেকেই মনে রাখতে পারো যে আমড়াগাছি করা মানেই হলো কেবল তোষামোদ করা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই অপ্রচলিত বা রূপক অর্থে ব্যবহৃত বাগধারার অর্থ জানতে চাওয়া হয়।
- তাই বাগধারা পড়ার সময় আক্ষরিক অর্থের চেয়ে এর অন্তর্নিহিত ভাবার্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) দ্বন্দ্ব
১. কেন সঠিক:
- দ্বন্দ্ব শব্দটিতে দ, ব, এবং ধ বর্ণগুলোর যুক্তরূপ অত্যন্ত নিখুঁতভাবে ব্যবহৃত হয়েছে।
- বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী দ এর নিচে ব এবং ধ যুক্ত হয়ে এই বিশেষ যুক্তবর্ণটি গঠিত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী কিছু শব্দে ব ফলা ব্যবহারের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নিয়ম মানা হয়।
- দ্বন্দ্ব শব্দের গঠন হলো দ যোগ ব যোগ ধ, যেখানে ব ফলাটি দ এর নিচে বসে ধ এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিদ্বান
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও ব ফলা এবং অন্যান্যবর্ণের সঠিক যুক্তরূপ ব্যবহৃত হয়েছে, যা প্রমিত বানানরীতির অন্তর্ভুক্ত।
উদাহরণ ২: জিলকদ
ব্যাখ্যা: এটি একটি আরবি শব্দ হলেও বাংলা পরিভাষায় এর বানানরীতিতে দ এর ব্যবহার নির্ভুলভাবে রক্ষিত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আশীষ — এই বানানে মূর্ধন্য ষ ব্যবহৃত হয়েছে, কিন্তু সঠিক বানান হবে আশিস যেখানে দন্ত স ব্যবহৃত হয়।
B) শিরচ্ছেদ — এই বানানে চ এর সঙ্গে যুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে নিয়মের ত্রুটি রয়েছে, সঠিক বানান হলো শিরশ্ছেদ যেখানে তালব্য শ এর নিচে চ ছ যুক্ত হয়।
C) দ্বন্দ্ব — এটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ বানান এবং প্রশ্নের চাহিদা পূর্ণ করে।
D) মুমুর্ষু — এই বানানে উ এবং দীর্ঘ উ কারের ব্যবহারে ভুল আছে, সঠিক বানান হলো মুমূর্ষু যেখানে প্রথম উ কার এবং দ্বিতীয়টি দীর্ঘ উ কার হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- যুক্তবর্ণের ক্ষেত্রে দ এর সঙ্গে ব এবং ধ এর অবস্থান ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
- বারবার চর্চা করলে এই জটিল যুক্তবর্ণের বানান সহজেই আয়ত্ত করা সম্ভব।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের মিশ্র যুক্তবর্ণযুক্ত বানানগুলো পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করার জন্য দেওয়া হয়।
- প্রমিত বানান শেখার জন্য বাংলা একাডেমির আধুনিক বানান অভিধান অনুসরণ করা সবচেয়ে নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি।
সঠিক উত্তর: D) ত্রিবিন্দু
১. কেন সঠিক:
লেখার সময় কোনো উদ্ধৃতি, অনুচ্ছেদ বা বাক্যের কোনো অংশ অপ্রয়োজনীয় মনে হলে বা বাদ দিতে চাইলে ত্রিবিন্দু চিহ্ন ব্যবহার করা হয়।
বাংলা punctuation বা বিরামচিহ্নের নিয়ম অনুযায়ী লেখার মাঝে দীর্ঘ ছেদ বা পরিহার বোঝাতে এই চিহ্নটি বসে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণের যতিচিহ্ন বা বিরামচিহ্ন অধ্যায়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো এই ত্রিবিন্দু বা ডট ডট চিহ্ন।
রচনাকর্ম বা বাক্য উদ্ধৃত করার সময় মূল অর্থ ঠিক রেখে অপ্রয়োজনীয় অংশ বাদ দেওয়ার জন্য এই চিহ্ন ব্যবহারের প্রমিত নিয়ম রয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর লিখেছেন, সার্থক জনম আমার জন্মেছি এই দেশে... আমি যেন তোমায় ভালোবেসে মরতে পারি।
ব্যাখ্যা: এখানে কবিতার মাঝের অংশ বাদ দেওয়ার জন্য ত্রিবিন্দু ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: প্রাবন্ধিক উল্লেখ করেছেন, মানুষের জীবন মানেই সংগ্রাম... এবং শেষ পর্যন্ত জয়ের আনন্দ।
ব্যাখ্যা: মূল লেখার কিছু অংশ পরিহার করে সংক্ষিপ্ত করার জন্য এখানে ত্রিবিন্দু ব্যবহার করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কমা — বাক্য পাঠকালে অল্প বিরতির জন্য কমা বসে, অংশ বাদ দিতে নয়।
B) কোলন — একটি অপূর্ণ বাক্যের পর অন্য বাক্যের অবতারণা করতে কোলন বসে।
C) সেমিকোলন — কমার চেয়ে বেশি বিরতির প্রয়োজন হলে সেমিকোলন ব্যবহার করা হয়।
D) ত্রিবিন্দু — লেখার কোনো অংশ বাদ দিতে এই চিহ্নটিই ব্যবহার করা হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
বাক্য বা উদ্ধৃতি ছোট করতে চাইলে তিনটি বিন্দু পরপর বসবে যাকে ত্রিবিন্দু বলা হয়। বাদ দেওয়া মানেই ত্রিবিন্দুর ব্যবহার।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় যতিচিহ্ন বা বিরামচিহ্নের নাম ও কাজ প্রায়ই আসে। কোন চিহ্নের বিরতিকাল কতটুকু এবং কোনটি কী কাজে ব্যবহৃত হয় তা ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) সংক্ষিপ্ত
১. কেন সঠিক:
- চলিত রীতিতে সর্বনাম ও ক্রিয়াপদের রূপ সাধু রীতির তুলনায় ছোট বা সংক্ষিপ্ত হয়।
- বাংলা ভাষার প্রমিত রূপ গঠনে চলিত রীতি সর্বনাম ও ক্রিয়ার সংক্ষিপ্ত ও সহজ রূপকে গ্রহণ করেছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ভাষা মূলত দুই প্রকারে লিখিত হয়, সাধু রীতি ও চলিত রীতি।
- চলিত রীতি মুখের ভাষার কাছাকাছি হওয়ায় এতে সর্বনাম ও ক্রিয়া ছোট আকারে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সাধু রীতিতে খাইতেছি চলিত রীতিতে খাচ্ছি
ব্যাখ্যা: সাধু রীতির দীর্ঘ ক্রিয়াপদ চলিত রীতিতে সংক্ষিপ্ত রূপ নিয়েছে।
উদাহরণ ২: সাধু রীতিতে তাহার চলিত রীতিতে তার
ব্যাখ্যা: সাধু রীতির সর্বনাম পদ চলিত রীতিতে সংক্ষিপ্ত হয়ে তার হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দীর্ঘ — দীর্ঘ রূপটি সাধু রীতির বৈশিষ্ট্য, চলিত রীতির নয়।
B) অতিদীর্ঘ — বাংলা ব্যাকরণে সর্বনাম বা ক্রিয়ার অতিদীর্ঘ বলে কোনো প্রমিত রূপ নেই।
C) সংক্ষিপ্ত — এই অপশনটি সঠিক কারণ চলিত রীতি সবসময় সংক্ষিপ্ত রূপ ব্যবহার করে।
D) অপরিবর্তিত — সাধু ও চলিত রীতিতে সর্বনাম ও ক্রিয়া অপরিবর্তিত থাকে না বরং পরিবর্তিত হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- চলিত মানে ছোট বা সংক্ষিপ্ত।
- সাধু মানে বড় বা দীর্ঘ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা লেখার রীতির পার্থক্য থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- সাধু ও চলিত রীতির মূল পার্থক্য পদবিন্যাস, সর্বনাম ও ক্রিয়াপদের রূপের মধ্যে দেখা যায়।
সঠিক উত্তর: D) গুরুচণ্ডালী
১. কেন সঠিক:
- সাধু ও চলিত রীতির শব্দ একই বাক্যে ব্যবহার করলে তাকে গুরুচণ্ডালী দোষ বলা হয়।
- বাংলা বাক্যে রীতির মিশ্রণ ঘটলে ভাষার সৌন্দর্য ও ব্যাকরণগত শৃঙ্খলা নষ্ট হয়, যাকে গুরুচণ্ডালী বলা হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- সাধু রীতিতে ক্রিয়ারূপ ও সর্বনাম পদ একরকম হয় এবং চলিত রীতিতে তা অন্যরকম হয়।
- সাধু ও চলিত রীতির মিশ্রণ ঘটিয়ে বাক্য তৈরি করা ব্যাকরণে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শিন্নী ছড়ানো হইয়াছে
ব্যাখ্যা: শিন্নী চলিত বা কথ্য শব্দ এবং হইয়াছে সাধু ক্রিয়ারূপ, যা গুরুচণ্ডালী দোষ দুষ্ট।
উদাহরণ ২: মরা গরু
ব্যাখ্যা: মরা চলিত শব্দ এবং গরু তৎসম শব্দ হলেও সাধু রীতিতে মৃত বলা হয়, তাই এটি অশুদ্ধ প্রয়োগ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গুরুদোষ — ব্যাকরণে গুরুদোষ নামে কোনো বিশেষ ভাষা বা বাক্যরীতির ত্রুটি নেই।
B) লঘুদোষ — ব্যাকরণে লঘুদোষ বলে কোনো ভাষাগত বা ব্যাকরণগত পরিভাষা নেই।
C) মিশ্রদোষ — মিশ্রদোষ শব্দটি ব্যাকরণে সাধু ও চলিত রীতির মিশ্রণের ক্ষেত্রে প্রমিত শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয় না।
D) গুরুচণ্ডালী — এই অপশনটি সাধু ও চলিত রীতির মিশ্রণজনিত ত্রুটির ক্ষেত্রে সঠিকভাবে প্রযোজ্য।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সাধু ও চলিত একসাথে বসলে তাকে গুরুচণ্ডালী দোষ বলে মনে রাখবে।
- রীতির মিশ্রণ এড়াতে বাক্য সবসময় একরীতিতে লিখতে হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্যশুদ্ধি অংশে এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে।
- সাধু রীতিতে লেখা বাক্য বা চলিত রীতিতে লেখা বাক্য চেনার মাধ্যমে এই দোষ এড়ানো যায়।
সঠিক উত্তর: C) try hard
কেন সঠিক:
Tooth and nail একটি জনপ্রিয় ইডিওম বা বাগধারা। এর আক্ষরিক অর্থ দাঁত ও নখ দিয়ে, যা মূলত সর্বশক্তি দিয়ে লড়াই করা বা কোনো কিছুর জন্য কঠোর চেষ্টা করা বোঝায়।
তাই এই বাগধারার সঠিক ভাবার্থ হলো অত্যন্ত কঠোর পরিশ্রম করা বা যথাসাধ্য চেষ্টা করা।
অপশন সি তে থাকা try hard কথাটি এই অর্থকে পুরোপুরি প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) get by heart — এই ইডিওমের অর্থ মুখস্থ করা, যা মূল বাগধারার সাথে মিল নেই।
B) go with heart — এটি কোনো প্রমিত ইংরেজি ইডিওম নয় এবং এর অর্থও মিলছে না।
C) try hard — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) get hard — এর অর্থ শক্ত হয়ে যাওয়া বা কঠিন হওয়া, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি বিষয়।
মনে রাখার টিপস:
দাঁত ও নখ দিয়ে লড়াই করার মতো প্রাণপণ চেষ্টা করাকেই tooth and nail বলা হয়।
সঠিক উত্তর: B) to connect
কেন সঠিক:
conjunction শব্দের মূল কাজ হলো একাধিক শব্দ, বাক্যাংশ বা বাক্যকে একে অপরের সাথে যুক্ত করা।
এটি ভাষার সৌন্দর্য ও যোগাযোগের মাধুর্য বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) to separate — এটি আলাদা বা বিচ্ছিন্ন করার কাজ করে না।
B) to connect — এটি সঠিক কারণ এটি সংযোগ স্থাপন করে।
C) to improve — এটি সরাসরি উন্নতির কাজ করে না, শুধু যুক্ত করে।
D) to degrade — এটি অবনতি ঘটানোর সাথে কোনোভাবেই যুক্ত নয়।
মনে রাখার টিপস:
Conjunction শব্দটির ভেতরেই সংযোগের অর্থ লুকিয়ে আছে, তাই এর কাজ যুক্ত করা।
সঠিক উত্তর: B) Tempting
কেন সঠিক:
Alluring শব্দের অর্থ হলো যা অত্যন্ত আকর্ষণীয় বা লোভনীয়। চাকরি বা অফারের ক্ষেত্রে এই শব্দটি লোভনীয় বা প্রলুব্ধকর বোঝাতে ব্যবহার করা হয়।
Tempting শব্দের অর্থও প্রলুব্ধকর বা আকর্ষণীয়।
তাই alluring এর সঠিক সমার্থক শব্দ হলো tempting।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Unexpected — এই শব্দটির অর্থ অপ্রত্যাশিত, যার সাথে alluring শব্দের কোনো মিল নেই।
B) Tempting — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি সঠিক বিকল্প হিসেবে গণ্য হয়েছে।
C) Ordinary — এর অর্থ সাধারণ, যা alluring বা আকর্ষণীয় শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
D) Dreary — এই শব্দটির অর্থ বিষণ্ণ বা নিস্তেজ, যা alluring শব্দের অর্থের সম্পূর্ণ উল্টো।
মনে রাখার টিপস:
Alluring মানে হলো অলংকার দিয়ে কোনো কিছুকে আকর্ষণীয় করা, যা থেকে tempting বা লোভনীয় বিষয়টি মনে রাখা সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: C) by
কেন সঠিক:
উপায় বা মাধ্যম বোঝাতে ইংরেজি বাক্যে 'by' preposition ব্যবহার করা হয়।
এখানে সৎ উপាយে বেঁচে থাকার কথা বলা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) on — এটি সাধারণত কোনো কিছুর ওপর নির্ভর করা বা নির্দিষ্ট দিন বোঝাতে বসে, তাই এখানে সঠিক নয়।
B) with — এটি সাধারণত কোনো বস্তু বা যন্ত্রের সাহায্যে কিছু করা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
D) for — এটি সাধারণত কারণ, উদ্দেশ্য বা কোনো নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ব্যবহার করা হয়।
মনে রাখার টিপস:
কোনো উপায় বা মাধ্যম দ্বারা কাজ সম্পন্ন হলে তার পূর্বে সবসময় 'by' preposition বসে।
সঠিক উত্তর: B) meeting
কেন সঠিক:
- বাক্যে look forward to একটি গুরুত্বপূর্ণ ফ্রেজ, যার অর্থ আন্তরিকভাবে অপেক্ষা করা।
- এই ফ্রেজটির পর preposition হিসেবে to থাকার পরেও এর সাথে verb-এর সাথে ing যুক্ত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) meet — to একটি preposition হওয়ায় এর পর verb-এর বেস ফর্ম বসে না।
B) meeting — এটি সঠিক উত্তর কারণ look forward to এর পর gerund ব্যবহৃত হয়।
C) met — এটি verb-এর পাস্ট ফর্ম, যা এখানে ব্যাকরণগতভাবে বেমানান।
D) meets — এটি verb-এর প্রেজেন্ট ফর্ম ও সিঙ্গुलर রূপ, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে with a view to, look forward to, accustomed to ইত্যাদি থাকলে এর পরের verb-এর সাথে সর্বদা ing যুক্ত হয়।
সঠিক উত্তর: D) He declared his innocence
কেন সঠিক:
জটিল বা কমপ্লেক্স বাক্যটিকে সরল বা সিম্পল বাক্যে রূপান্তর করার সময় অধীন clauses বা উপবাক্যকে ছোট করে একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়াযুক্ত বাক্যে পরিণত করতে হয়।
এখানে said (বলেছিল) verb-টিকে changed করে declared (ঘোষণা করেছিল) লেখা হয়েছে এবং dependent clause-এর innocent adjective-টিকে noun (innocence) এ রূপান্তর করা হয়েছে।
মূল বাক্যের অর্থের কোনো পরিবর্তন না করে একটিমাত্র independent clause বা প্রধান খণ্ডবাক্য তৈরি করা হয়েছে।
এটি সিম্পল বাক্যের নিয়ম পুরোপুরি মেনে চলেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) He said and he was innocent — এই অপশনটি একটি compound sentence বা যৌগিক বাক্য কারণ এখানে and conjunction ব্যবহার করা হয়েছে।
B) He was innocent so he said it — এটিও একটি compound sentence কারণ এখানে so conjunction দিয়ে দুটি খণ্ডবাক্য যুক্ত করা হয়েছে।
C) That he was innocent was said by him — এটি একটি passive voice এবং complex sentence, তাই এটি সঠিক simple sentence নয়।
D) He declared his innocence — এটি সঠিক কারণ এখানে একটিমাত্র subject এবং একটি finite verb আছে যা simple sentence-এর গঠন।
মনে রাখার টিপস:
সিম্পল বাক্যে রূপান্তর করতে হলে complex বাক্যের verb-কে noun বা gerund-এ রূপান্তর করে একটিমাত্র clause তৈরি করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) broth
কেন সঠিক:
এটি একটি জনপ্রিয় ইংরেজি প্রবাদ যার পূর্ণরূপ হলো Too many cooks spoil the broth।
এর অর্থ হলো অতিরিক্ত মানুষের হস্তক্ষেপে একটি ভালো কাজ নষ্ট হয়ে যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) lunch — প্রবাদের ঐতিহ্যগত ও আভিধানিক নিয়মে এখানে lunch শব্দটি ব্যবহার করা হয় না।
B) juice — এটি প্রবাদের সঠিক অংশ নয় এবং এর সাথে প্রসঙ্গের মিল নেই।
C) broth — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে পুনরায় ভুল হিসেবে ধরা হয়নি।
D) food — এটি সাধারণ শব্দ হলেও প্রবাদের নির্দিষ্ট শব্দ হিসেবে এটি গ্রহণযোগ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
রান্নার সাথে জড়িত প্রবাদ মনে রাখতে রান্নার বিশেষ শব্দ broth-এর কথা মাথায় রাখবে।
সঠিক উত্তর: B) knew
কেন সঠিক:
বাক্যে as though বা as if এর আগের অংশ present tense হলে পরের অংশে past indefinite tense হয়।
এখানে behaved হলো past tense, তাই পরের অংশে past indefinite tense হিসেবে knew ব্যবহৃত হয়েছে।
অবাস্তব বা কল্পনা বোঝাতে এই নিয়মের ব্যতিক্রম হয় না।
তাই এখানে সঠিক রূপটি হলো knew।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) knows — এটি present tense হওয়ায় অতীতের নিয়মের সাথে মিলে না।
B) knew — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
C) has known — এটি present perfect tense হওয়ায় এখানে বসে না।
D) had known — এর আগের অংশ past tense হওয়ায় এখানে past perfect এর প্রয়োজন নেই।
মনে রাখার টিপস:
as though বা as if এর আগে present থাকলে পরে past indefinite এবং আগে past থাকলে পরে past perfect tense হয়।
সঠিক উত্তর: B) We eat so that we may live.
কেন সঠিক:
প্রদত্ত বাক্যটিতে উদ্দেশ্য বোঝাতে so that conjunction ব্যবহার করা হয়।
প্রথম clause-টি present tense হওয়ায় পরের অংশে may বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) We eat and want to live. — এটি একটি compound sentence, complex sentence নয়।
B) এটি সঠিক উত্তর।
C) We eat so that we could live. — প্রথম অংশ present tense থাকায় এখানে could এর পরিবর্তে may হবে।
D) Although we eat, we live. — এটি বিপরীত অর্থ প্রকাশ করছে, যা মূল বাক্যের সাথে মিলে না।
মনে রাখার টিপস:
উদ্দেশ্য বোঝাতে simple বাক্যের to এর পরিবর্তে complex বাক্যে so that বসে।
সঠিক উত্তর: B) Punish
কেন সঠিক:
- 'Bring to book' একটি ইংরেজি idiom যার আক্ষরিক অর্থ কাউকে হিসাবের খাতার সামনে আনা।
- এর মাধ্যমে মূলত অপরাধীকে আইনের আওতায় এনে শাস্তি দেওয়ার বিষয়টি বোঝানো হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Book written by a famous writer — এটি idiomটির আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ করলেও মূল ভাব বা সঠিক অর্থ প্রকাশ করে না।
B) Punish — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়।
C) Valueless person — এটি idiomটির ভাবের সাথে কোনোভাবেই মিলে না এবং এটি একটি অর্থহীন অনুমান।
D) Impose — এর অর্থ কোনো কিছু চাপিয়ে দেওয়া, যা এই প্রবচনটির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
মনে রাখার টিপস:
আদালতে অপরাধীর হিসাবের খাতা বা আইনের বই খোলা হয় শাস্তি দেওয়ার জন্য, তাই 'bring to book' মানে শাস্তি দেওয়া।
সঠিক উত্তর: C) should miss
কেন সঠিক:
- 'Lest' conjunction-টির অর্থ হলো পাছে বা এই আশঙ্কায় যে, এবং এর পরে সবসময় verb-এর বেস ফর্মের পূর্বে 'should' বসে।
- প্রদত্ত বাক্যে 'lest he' থাকার কারণে পরবর্তী verb-এর আগে উপযুক্ত সাহায্যকারী ভার্ব হিসেবে 'should' ব্যবহার করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) miss — 'Lest'-এর পর সরাসরি verb-এর present form বসে না, নিয়ম অনুযায়ী মাঝে 'should' থাকা বাধ্যতামূলক।
B) missed — 'Lest'-এর নিয়ম অনুযায়ী এখানে past form বা past participle ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ভুল।
C) should miss — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এই নিয়ম এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ এটি বাক্যের শূন্যস্থান সঠিকভাবে পূরণ করে।
D) will miss — 'Lest'-যুক্ত clause-এ 'will' বা অন্য কোনো modal auxiliary ব্যবহার করা যায় না, কেবল 'should' বসে।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে 'lest' দেখলেই মনে রাখবে এর পরে subject-এর পর সব সময় 'should' এবং তারপর verb-এর present form বসে।
সঠিক উত্তর: B) William Wordsworth
কেন সঠিক:
উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ তাঁর কবিতায় প্রকৃতির সৌন্দর্য ও মানুষের সাথে প্রকৃতির নিবিড় সম্পর্কের কথা সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।
প্রকৃতিকে তিনি তাঁর রচনার মূল বিষয়বস্তু হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন।
তিনি রোমান্টিক যুগের একজন প্রধান কবি।
তিনি প্রকৃতির কবি হিসেবে বিশ্বজুড়ে সমাদৃত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) John Keats — জন কিটস হলেন সৌন্দর্যের কবি বা পয়েট অব বিউটি।
B) William Wordsworth — ইনিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং প্রকৃতির কবি।
C) W.B Yeats — ডব্লিউ বি ইয়েটস রহস্যময়তা ও আইরিশ জাতীয়তাবাদের কবি হিসেবে পরিচিত।
D) John Milton — জন মিল্টন মহাকাব্য বা এপিক পোয়েট হিসেবে বিখ্যাত।
মনে রাখার টিপস:
ওয়ার্ডসওয়ার্থ শব্দের শুরুতে ডব্লিউ অক্ষরটি আছে এবং প্রকৃতির ইংরেজি ওয়ার্ড-এর সাথে এর মিল মনে রাখা সহজ।
সঠিক উত্তর: C) hello
কেন সঠিক:
- 'Adieu' একটি ফরাসি শব্দ, যার অর্থ বিদায় জানানো।
- এর বিপরীত শব্দ হলো কাউকে স্বাগত জানানো বা হ্যালো বলা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Farewell — এটি 'Adieu' শব্দের সমার্থক শব্দ, যার অর্থ বিদায়।
B) Good bye — এটিও বিদায় জানানোর সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
C) hello — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা হয়েছে।
D) valediction — এটি বিদায় সম্ভাষণ বোঝায়, যা 'Adieu' শব্দের সমার্থক।
মনে রাখার টিপস:
বিদায় বোঝাতে Adieu ব্যবহার হয়, আর দেখা হলে hello বলতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) Let us respect our teacher.
কেন সঠিক:
প্রদত্ত বাক্যে should থাকলে এবং তা দ্বারা প্রস্তাব বা পরামর্শ বোঝালে Let দিয়ে Imperative sentence শুরু করতে হয়।
এখানে We থাকার কারণে Let এর পরে us ব্যবহার করে বাক্যটি গঠন করা হয়েছে।
মূল verb এর base form বসিয়ে বাক্যটি সম্পন্ন করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Respect our teacher. — এটি সরাসরি মূল verb দিয়ে শুরু হয়েছে এবং এতে প্রথম পুরুষের আত্মিক ভাব বা us অনুপস্থিত।
B) Let us respect our teacher. — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে আলোচনা প্রযোজ্য নয়।
C) We may not hate our teacher. — এটি একটি negative assertive sentence এবং এর অর্থ মূল বাক্যের বিপরীত।
D) Our teacher should be respected. — এটি একটি passive voice কিন্তু প্রশ্নটিতে Imperative sentence করতে বলা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
Weযুক্ত assertive sentence এ should থাকলে Imperative করার সময় Let us দিয়ে বাক্য শুরু করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) Reading by a bird’s eye view will not do.
কেন সঠিক:
বাংলা বাক্যের ভাসা ভাসা পড়া বা উপর উপর দেখার সঠিক ইংরেজি ইডিয়ম হলো bird eye view।
কাজ হবে না অর্থে will not do ব্যবহার করা হয়েছে যা বাক্যটিকে সম্পূর্ণ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Reading by fits and starts will not do — fits and starts অর্থ অনিিয়মিতভাবে, যা ভাসা ভাসা পড়ার সঠিক অর্থ প্রকাশ করে না।
B) Reading by a bird’s eye view will not do — এটি সঠিক কারণ bird eye view অর্থ উপর উপর বা ভাসা ভাসা দেখা।
C) Reading at a glance will not do — at a glance অর্থ এক নজরে দেখা, যা ভাসা ভাসা পড়ার সম্পূর্ণ ভাব প্রকাশ করতে পারে না।
D) Reading intermittently will not do — intermittently অর্থ মাঝেমধ্যে বিরতি দিয়ে পড়া, যা মূল বাক্যের অর্থের সাথে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
ভাসা ভাসা বা উপর উপর কোনো কিছু দেখাকে ইংরেজিতে bird eye view বলা হয় এবং এর সাথে will not do যুক্ত করে কাজ হবে না বোঝানো হয়।
সঠিক উত্তর: D) deny
কেন সঠিক:
এখানে বাক্যের অর্থ হলো কেউ অস্বীকার করতে পারবে না যে সে চালাক। deny শব্দের অর্থ অস্বীকার করা যা এই বাক্যের শূন্যস্থানে একদম সঠিক অর্থ প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) defy — defy শব্দের অর্থ অমান্য করা, যা এই বাক্যের অর্থের সাথে মেলে না।
B) denounce — denounce শব্দের অর্থ নিন্দা করা, যা এখানে অর্থপূর্ণ নয়।
সি) admire — admire শব্দের অর্থ প্রশংসা করা, কিন্তু এখানে নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ করা প্রয়োজন।
ডি) deny — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
কোনো সত্য বিষয় কেউ মানতে না চাইলে বা অস্বীকার করতে চাইলে deny শব্দটি ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) acme
কেন সঠিক:
acme শব্দের অর্থ হলো কোনো ক্ষেত্রের সর্বোচ্চ শিখা বা চরম উৎকর্ষ বিন্দু।
বাক্যের অর্থ অনুযায়ী তিনি তার সাহিত্য জীবনের সর্বোচ্চ শিখায় পৌঁছান।
তাই এখানে acme শব্দটি সবচেয়ে উপযুক্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) abattoir — এর অর্থ হলো পশু জবাই করার স্থান। এটি সাহিত্য জীবনের সাথে কোনোভাবেই মেলে না।
B) acme — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়।
C) admonish — এর অর্থ হলো কাউকে সতর্ক করা বা তিরস্কার করা। এটি একটি ক্রিয়াপদ, যা শূন্যস্থানে বসে না।
D) penury — এর অর্থ হলো চরম দারিদ্র্য। সাহিত্য জীবনের ক্ষেত্রে এটি অর্থের দিক থেকে সম্পূর্ণ বেমানান।
মনে রাখার টিপস:
Acme শব্দটির সাথে Everest বা সর্বোচ্চ চূড়ার মিল খুঁজে মনে রাখতে পারো।
সঠিক উত্তর: B) paid
কেন সঠিক:
Honorary শব্দের অর্থ অবৈতনিক বা সম্মানসূচক পদ, যার জন্য কোনো বেতন বা পারিশ্রমিক দেওয়া হয় না।
এর বিপরীত শব্দ হলো paid, যার অর্থ বেতনভুক্ত বা যার কাজের জন্য পারিশ্রমিক পরিশোধ করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) honour — এটি Honorary শব্দের সমার্থক বা মূল শব্দ, যার অর্থ সম্মান।
B) paid — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ বেতনভুক্ত।
C) monetary — এর অর্থ আর্থিক বা মুদ্রাসংক্রান্ত, যা সরাসরি বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না।
D) respect — এর অর্থ শ্রদ্ধা বা সম্মান, যা একটি বিশেষ্য পদ।
মনে রাখার টিপস:
Honorary মানে যে কাজে টাকা নেই, আর Paid মানে যেখানে টাকা বা বেতন দেওয়া হয়।
সঠিক উত্তর: C) changed
কেন সঠিক:
- বাক্যে It is high time বা It is about time থাকলে পরবর্তী clause-টি Past Indefinite Tense-এ হয়।
- এখানে we-এর পর verb-এর Past Form হিসেবে changed হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) change — এটি Present Indefinite Tense, যা নিয়মের সাথে অসংগত।
B) will change — এটি Future Indefinite Tense, যা এই বিশেষ গঠনে ব্যবহার করা যায় না।
C) changed — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি Past Indefinite Tense নির্দেশ করে।
D) should changed — should-এর পর verb-এর present form হয়, তাই এই গঠনটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
মনে রাখার টিপস:
It is high time দেখলেই চোখ বন্ধ করে Verb-এর Past Form (V2) বসিয়ে দেবে।
সঠিক উত্তর: A) from
কেন সঠিক:
যখন কোনো উপাদান দিয়ে সম্পূর্ণ নতুন কিছু তৈরি করা হয় এবং মূল উপাদানটিকে আর সহজে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নেওয়া যায় না, তখন সাধারণত from preposition ব্যবহৃত হয়। দুধ থেকে দই তৈরি হলে দুধের আসল রূপ আর থাকে না, তাই এখানে from সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) from — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি এমন পরিবর্তনের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় যেখানে মূল বস্তু চেনা যায় না।
B) in — সাধারণত স্থান বা ক্ষেত্রের ভেতর বোঝাতে in ব্যবহৃত হয়, যা এই শূন্যস্থানের জন্য প্রযোজ্য নয়।
C) by — কোনো কাজ কার দ্বারা সম্পন্ন হয়েছে বা মাধ্যম বোঝাতে by বসে, কিন্তু এখানে উপাদানের পরিবর্তন বোঝানো হয়েছে।
D) with — কোনো যন্ত্র বা উপকরণের সাহায্যে কিছু করা বোঝালে with বসে, তাই এটি এখানে ভুল।
মনে রাখার টিপস:
যে পরিবর্তনে মূল বস্তু আর ফিরে পাওয়া যায় না (যেমন: দুধ থেকে দই), তার আগে সবসময় from বসবে।
সঠিক উত্তর: B) a day dreamer
কেন সঠিক:
এই ইডিয়মটির মাধ্যমে এমন একজন মানুষকে বোঝানো হয় যিনি বাস্তবে মনোযোগ না দিয়ে সবসময় কল্পনার জগতে বা আকাশকুসুম ভাবনায় ডুবে থাকেন।
ইংরেজি ভাষাটিতে মেঘে মাথা থাকা বলতে অলীক স্বপ্ন দেখা বা দিবাগত স্বপ্নের রাজ্যে বসবাস করা মানুষকে নির্দেশ করা হয়।
তাই প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে দিনদুপুরে স্বপ্ন দেখেন এমন ব্যক্তি অর্থ প্রকাশকারী উত্তরটি সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) proud — এর অর্থ অহংকারী বা গর্বিত, যা বাস্তববিবর্জিত কল্পনাবিলাসী ব্যক্তির স্বভাবের সাথে কোনোভাবেই মিলে না।
B) a day dreamer — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ এটি এই ইডিয়মের মূল অর্থ বহন করে।
C) an aviator — এর অর্থ বিমানচালক বা বৈমানিক, যা বাস্তব ক্ষেত্রে আকাশে ওড়ার পেশাকে বোঝায় এবং রূপক অর্থ প্রকাশ করে না।
D) a philanthropist — এর অর্থ মানবহিতৈষী বা জনহিতৈষী, যা মানুষের কল্যাণে কাজ করা ব্যক্তিকে নির্দেশ করে।
মনে রাখার টিপস:
মাথা মেঘে থাকা মানে মাটিতে পা না রেখে শুধু কল্পনার আকাশে উড়ে বেড়ানো এবং দিবাগত স্বপ্ন দেখা।
সঠিক উত্তর: B) apologise
কেন সঠিক:
- 'apology' হলো একটি নাউন (Noun) যার অর্থ ক্ষমা প্রার্থনা।
- এর সঠিক ভার্ব (Verb) রূপ হলো 'apologise', যার অর্থ ক্ষমা চাওয়া।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) apological — এটি কোনো মানসম্মত শব্দ নয়, এটি মূলত একটি ভুল অ্যাডজেক্টিভ রূপ।
B) apologise — এটি প্রদত্ত শব্দের সঠিক ভার্ব রূপ।
C) apologify — এই শব্দের কোনো অস্তিত্ব ইংরেজি ব্যাকরণে নেই।
D) enapology — এটি একটি ভুল শব্দ গঠন, যা ইংরেজি অভিধানে পাওয়া যায় না।
মনে রাখার টিপস:
শব্দটি আইএসই (ise) বা আইজেডই (ize) দিয়ে শেষ হলে সাধারণত তা ভার্ব হয়, যেমন apology থেকে apologise।
সঠিক উত্তর: D) realistic
কেন সঠিক:
ডাউন টু আর্থ একটি ইংরেজি প্রবাদ যার শাব্দিক অর্থ মাটিতে নেমে আসা হলেও এটি মূলত মানুষের বাস্তববাদী স্বভাবকে বোঝায়।
যিনি অহংকার মুক্ত এবং খুব সাধারণ জীবনযাপন করেন তাকেই এই বিশেষ বাগধারা দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) close to nature — এটি প্রবাদটির আক্ষরিক অর্থ বোঝালেও এর আসল রূপক অর্থ প্রকাশ করে না।
B) thrown to ground — এটি সম্পূর্ণ ভিন্ন এবং আক্ষরিক অর্থে মাটিতে ফেলে দেওয়া বোঝায়।
C) hopeful — এটি আশাবাদী বোঝায় যা এই প্রবাদের মূল ভাবের সাথে মিল নেই।
D) realistic — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ বাস্তবসম্মত বা মাটির মানুষ।
মনে রাখার টিপস:
মাটির মানুষ বা বাস্তববাদী বোঝাতে ডাউন টু আর্থ কথাটি ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: A) All his efforts ended in smoke.
কেন সঠিক:
বাক্যটিতে "সব চেষ্টাই ব্যর্থ হলো" বোঝাতে "end in smoke" একটি উপযুক্ত বাগধারা বা Idiom হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
এই বিশেষ বাগধারায় smoke শব্দের পূর্বে কোনো আর্টিকেল বা determiners বসে না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) All his efforts ended in smoke — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং নিয়ম অনুযায়ী এটি সম্পূর্ণ ঠিক আছে।
B) All his efforts ended in the the smoke — এখানে smoke শব্দের পূর্বে নির্দিষ্ট আর্টিকেল the ব্যবহার করা হয়েছে যা গ্রামার অনুযায়ী ভুল।
C) All his efforts ended in a smoke — এখানে smoke শব্দের পূর্বে অনির্দিষ্ট আর্টিকেল a ব্যবহার করা হয়েছে যা Idiom এর নিয়মে গ্রহণযোগ্য নয়।
D) All his efforts ended in smoking — এখানে smoke এর সাথে ing যুক্ত করা হয়েছে যা মূল বাক্যের অর্থের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
মনে রাখার টিপস:
কোনো কাজের ফলাফল ব্যর্থ হওয়া বোঝাতে "end in smoke" মুখস্থ রাখবে এবং এর মাঝে কোনো আর্টিকেল বা অতিরিক্ত শব্দ ব্যবহার করবে না।
সঠিক উত্তর: A) does he
কেন সঠিক:
প্রদত্ত বাক্যে hardly শব্দটি থাকার কারণে এটি একটি না বা সূচক বা নেতিবাচক বাক্য হিসেবে গণ্য হয়।
নিয়ম অনুযায়ী নেতিবাচক বাক্যের ট্যাগ কোশ্চেন সবসময় ইতিবাচক বা হ্যা সূচক হয়।
বাক্যের subject হলো Man এবং verb হলো believes, তাই এর পরিবর্তে singular pronoun হিসেবে he ব্যবহৃত হবে।
মূল verb এর সাথে s যুক্ত থাকায় ট্যাগ কোশ্চেনে does ব্যবহার করতে হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) does he — এটি সঠিক উত্তর কারণ মূল বাক্যটি না বা সূচক হওয়ায় ট্যাগটি হ্যা সূচক হয়েছে।
B) doesn't he — এটি ভুল কারণ মূল বাক্যটি ইতিমধ্যেই নেতিবাচক, তাই ট্যাগে আবার না বা সূচক শব্দ ব্যবহার করা যাবে না।
C) are they — এটি ভুল কারণ বাক্যের subject হলো Man (একবচন) এবং verb হলো believes, যা present indefinite tense এ আছে।
D) aren't they — এটি ভুল কারণ এখানে auxiliary verb হিসেবে are এবং subject হিসেবে they ব্যবহার করা হয়েছে যা বাক্যের সাথে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে hardly, seldom, scarcely, rarely ইত্যাদি নেতিবাচক শব্দ থাকলে ট্যাগ কোশ্চেন সবসময় হ্যা সূচক হয়।
সঠিক উত্তর: B) ৯
প্রদত্ত তথ্য:
x + y = ৩
x^২ + y^২ = ৫
ধরি,
x এবং y এর মান নির্ণয় করতে হবে
অতএব,
(x + y)^২ = x^২ + y^২ + ২xy
৩^২ = ৫ + ২xy
সুতরাং,
৯ = ৫ + ২xy
২xy = ৪
xy = ২
উত্তর: x^৩ + y^৩ = (x + y)(x^২ − xy + y^২) = ৩ × (৫ − ২) = ৯
সঠিক উত্তর: B) ০.০৫
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম ক্ষেত্রে মূলধন = ৩০০ টাকা, সময় = ২ বছর
দ্বিতীয় ক্ষেত্রে মূলধন = ৫০০ টাকা, সময় = ৫ বছর
মোট সুদ = ১৫৫ টাকা এবং সুদের হার সমান
ধরি,
সুদের হার = ক
অতএব,
প্রথম ক্ষেত্রে সুদ = (৩০০ × ২ × ক) ÷ ১০০ = ৬ক
দ্বিতীয় ক্ষেত্রে সুদ = (৫০০ × ৫ × ক) ÷ ১০০ = ২৫ক
সুতরাং,
৬ক + ২৫ক = ১৫৫
৩১ক = ১৫৫
উত্তর: ক = ১৫৫ ÷ ৩১ = ০.০৫
সঠিক উত্তর: C) ৩৬০°
প্রদত্ত তথ্য:
যেকোনো ত্রিভুজের তিনটি বাহুকে একই ক্রমে বর্ধিত করা হয়েছে।
এর ফলে ত্রিভুজের প্রতিটি শীর্ষবিন্দুতে একটি করে বহিঃস্থ কোণ উৎপন্ন হয়।
ধরি,
ত্রিভুজের তিনটি অন্তস্থ কোণ ক, খ এবং গ।
ত্রিভুজের তিনটি বহিঃস্থ কোণ ক এর পরিপূরক, খ এর পরিপূরক এবং গ এর পরিপূরক।
অতএব,
প্রথম বহিঃস্থ কোণ = ১৮০° − ক
দ্বিতীয় বহিঃস্থ কোণ = ১৮০° − খ
তৃতীয় বহিঃস্থ কোণ = ১৮০° − গ
সুতরাং,
তিনটি বহিঃস্থ কোণের সমষ্টি = (১৮০° − ক) + (১৮০° − খ) + (১৮০° − গ)
তিনটি বহিঃস্থ কোণের সমষ্টি = (১৮০° + ১৮০° + ১৮০°) − (ক + খ + গ)
উত্তর: ৫৪০° − ১৮০° = ৩৬০°
সঠিক উত্তর: C) ৬√২
প্রদত্ত তথ্য:
বর্গক্ষেত্রের এক বাহুর দৈর্ঘ্যের দ্বিগুণ = ৬ একক
ধরি,
বর্গক্ষেত্রের এক বাহুর দৈর্ঘ্য = ক একক
বর্গক্ষেত্রের কর্ণের দৈর্ঘ্য = ক√২ একক
অতএব,
প্রশ্নমতে, ২ × ক = ৬
সুতরাং, ক = ৩
দ্বিতীয় হিসাব:
বর্গক্ষেত্রের কর্ণের দৈর্ঘ্য = ৩√২ একক
কর্ণের দৈর্ঘ্যের দ্বিগুণ = ২ × ৩√২ একক
সুতরাং,
কর্ণের দৈর্ঘ্যের দ্বিগুণ = ৬√২ একক
উত্তর: ৬√২
সঠিক উত্তর: C) ৫(১ + √২)
প্রদত্ত তথ্য:
খুঁটিটি মাটি থেকে ৫ মিটার উঁচুতে ভাঙে
ভূমির সাথে খুঁটির ভাঙা অংশের দূরত্বের অংশটি ৫ মিটার দূরত্বে স্পর্শ করে
ধরি,
খুঁটির ভাঙা অংশটি অতিভুজ হিসেবে কাজ করে
লম্ব বা মাটির ওপরের অংশ = ৫ মিটার
ভূমি বা মাটির ওপরের দূরত্ব = ৫ মিটার
অতএব,
পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুযায়ী অতিভুজ স্কয়ার = লম্ব স্কয়ার + ভূমি স্কয়ার
অতিভুজ স্কয়ার = ৫ এর স্কয়ার + ৫ এর স্কয়ার
অতিভুজ স্কয়ার = ২৫ + ২৫ = ৫০
সুতরাং,
অতিভুজ = √৫০ = ৫√২ মিটার
খুঁটির মোট উচ্চতা = ভাঙার নিচের অংশ + ভাঙা অংশ বা অতিভুজ
উত্তর: খুঁটির উচ্চতা = ৫ + ৫√২ = ৫(১ + √২) মিটার
সঠিক উত্তর: A) ০
প্রদত্ত তথ্য:
সমীকরণটি হলো (x ÷ ৫) এর পাওয়ার P = ১
ধরি,
যেকোনো সংখ্যার পাওয়ার শূন্য হলে তার মান এক হয়
অতএব,
যেকোনো অশূণ্য সংখ্যা a এর জন্য a এর পাওয়ার ০ সমান ১ লেখা যায়
সুতরাং,
(x ÷ ৫) এর পাওয়ার P সমান (x ÷ ৫) এর পাওয়ার ০ লেখা যায়
উত্তর: P = ০
সঠিক উত্তর: C) ৯ গুণ
প্রদত্ত তথ্য:
একটি রেখাংশ এবং তার এক তৃতীয়াংশ অংশ দেওয়া আছে।
উভয় রেখাংশের উপর বর্গক্ষেত্র অঙ্কন করতে হবে।
ধরি,
মূল রেখাংশের দৈর্ঘ্য = ৩ক
এক তৃতীয়াংশ রেখাংশের দৈর্ঘ্য = (৩ক ÷ ৩) = ক
অতএব,
মূল রেখাংশের উপর অঙ্কিত বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = (৩ক × ৩ক) = ৯(ক × ক)
এক তৃতীয়াংশ রেখাংশের উপর অঙ্কিত বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = (ক × ক)
সুতরাং,
প্রথম ক্ষেত্রফল ÷ দ্বিতীয় ক্ষেত্রফল = ৯(ক × ক) ÷ (ক × ক) = ৯ গুণ
উত্তর: ৯ গুণ
সঠিক উত্তর: B) ৫৯
প্রদত্ত তথ্য:
দুটি ক্রমিক সংখ্যার বর্গের অন্তর ১১৯
ধরি,
ছোট সংখ্যাটি = ক
বড় সংখ্যাটি = ক + ১
অতএব,
শর্তমতে, (ক + ১) এর বর্গ − ক এর বর্গ = ১১৯
সুতরাং,
ক এর বর্গ + ২ক + ১ − ক এর বর্গ = ১১৯
২ক + ১ = ১১৯
উত্তর: ৫৯
সঠিক উত্তর: D) ১৩৫°
প্রদত্ত তথ্য:
একটি কোণের চার গুণ সমান ১৮০°
ধরি,
অজানা কোণটি = ক
কোণের চার গুণ = ৪ × ক
অতএব,
চার গুণ কোণ = ১৮০°
ক = ১৮০° ÷ ৪
সুতরাং,
কোণটির মান = ৪৫°
সম্পূরক কোণ বের করতে হবে
উত্তর: ১৮০° − ৪৫° = ১৩৫°
সঠিক উত্তর: A) ৭
প্রদত্ত তথ্য:
আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = ৩৫ বর্গ সে.মি.
আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য = x সে.মি.
ধরি,
আয়তক্ষেত্রের প্রস্থ = (x − ২) সে.মি.
আমরা জানি, ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ
অতএব,
x × (x − ২) = ৩৫
x এর উপর ২ ঘাত − ২x = ৩৫
x এর উপর ২ ঘাত − ২x − ৩৫ = ০
সুতরাং,
x এর উপর ২ ঘাত − ৭x + ৫x − ৩৫ = ০
x (x − ৭) + ৫ (x − ৭) = ০
উত্তর: x = ৭ (যেহেতু দৈর্ঘ্য ঋণাত্মক হতে পারে না)
সঠিক উত্তর: A) ১/৪
প্রদত্ত তথ্য:
দেওয়া আছে, p + q = √৩ এবং p − q = √২
ধরি,
আমরা জানি বীজগণিতের অনুসিদ্ধান্ত অনুযায়ী, pq এর সূত্র হলো, (p + q ÷ ২)^২ বিয়োগ (p − q ÷ ২)^২
অতএব,
সূত্রটিতে মান বসিয়ে পাই, (√৩ ÷ ২)^২ বিয়োগ (√২ ÷ ২)^২
সুতরাং,
হিসাব করে পাই, ৩ ÷ ৪ বিয়োগ ২ ÷ ৪
উত্তর: ১ ÷ ৪
সঠিক উত্তর: C) ১২০
প্রদত্ত তথ্য:
দুইটি সংখ্যার অনুপাত = ৫ : ৬
সংখ্যা দুটির গসাগু = ৪
ধরি,
প্রথম সংখ্যাটি = ৫ × ৪ = ২০
দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৬ × ৪ = ২৪
সংখ্যা দুটির গসাগু = ৪
অতএব,
লসাগু নির্ণয়ের সূত্র অনুযায়ী
লসাগু = (সংখ্যার গুণফল) ÷ গসাগু
অথবা লসাগু = অনুপাতদ্বয়ের গুণফল × গসাগু
সুতরাং,
লসাগু = ৫ × ৬ × ৪
লসাগু = ৩০ × ৪ = ১২০
উত্তর: ১২০
সঠিক উত্তর: B) a + √3
প্রদত্ত তথ্য:
উৎপাদক নির্ণয়ের জন্য বীজগণিতীয় সূত্র প্রয়োগ করতে হবে
এখানে প্রদত্ত রাশিটি হলো a এর ঘন এবং ৩টি √3 এর যোগফল
ধরি,
প্রদত্ত বীজগণিতীয় রাশিটি = a^3 + 3√3
এখানে ৩ এর পরিবর্তে (√3)^3 লেখা যায়
রাশিটিকে ঘনকের সূত্রে সাজানো হলো
অতএব,
a^3 + (√3)^3 আকারে রাশিটি লেখা যায়
ঘনকের উৎপাদকের সূত্র হলো x^3 + y^3 = (x + y)(x^2 − xy + y^2)
সুতরাং,
সূত্র অনুযায়ী উৎপাদক দুটি হলো (a + √3) এবং (a^2 − √3a + 3)
উত্তর: a + √3
সঠিক উত্তর: C) ১১
প্রদত্ত তথ্য:
৪ টি দ্রব্যের ক্রয়মূল্য ৫ টাকা
লাভের হার ১০%
ধরি,
৪ টি দ্রব্যের বিক্রয়মূল্য = ৫ টাকার ওপর ১০% লাভে প্রাপ্ত অর্থ
অতএব,
৪ টি দ্রব্যের বিক্রয়মূল্য = ৫ + (৫ × ১০ ÷ ১০০) = ৫ + ০.৫০ = ৫.৫০ টাকা
সুতরাং,
১ টি দ্রব্যের বিক্রয়মূল্য = ৫.৫০ ÷ ৪ টাকা
১৬ টি দ্রব্যের বিক্রয়মূল্য = (৫.৫০ ÷ ৪) × ১৬ = ২২ টাকা
উত্তর: ২২ টাকা (এখানে অপশনের সাথে মিলের জন্য প্রশ্নে ১৬ টি দ্রব্যের জায়গায় অন্য সংখ্যা থাকতে পারে, তবে নিয়মানুসারে সঠিক সমাধান সম্পন্ন হলো)
সঠিক উত্তর: B) ০.৫
প্রদত্ত তথ্য:
চারটি আপেল কেনা হলো কুড়ি টাকায়
চারটি আপেল বিক্রি করা হলো ত্রিশ টাকায়
ধরি,
ক্রয়মূল্য = কুড়ি টাকা
বিক্রয়মূল্য = ত্রিশ টাকা
অতএব,
লাভ হলো = ত্রিশ টাকা − কুড়ি টাকা = দশ টাকা
সুতরাং,
লাভ শতাংশ = (দশ ÷ কুড়ি) × ১০০% = পঞ্চাশ শতাংশ বা দশমিক পাঁচ অংশ
উত্তর: ০.৫
সঠিক উত্তর: B) ৩০০
প্রদত্ত তথ্য:
চাকাটি প্রতি মিনিটে ঘুরে ১০ বার
চাকাটি সময় নেয় ৫ সেকেন্ড
ধরি,
এক মিনিট সমান ৬০ সেকেন্ড
এক সম্পূর্ণ ঘোরা সমান ৩৬০ ডিগ্রি
অতএব,
৬০ সেকেন্ডে চাকাটি ঘুরে ১০ বার
১ সেকেন্ডে চাকাটি ঘুরে ১০ ÷ ৬০ বার
সুতরাং,
৫ সেকেন্ডে চাকাটি ঘোরে (১০ × ৫) ÷ ৬০ বার
৫ সেকেন্ডে চাকাটি ঘোরে ৫/৬ বার
উত্তর: ৫/৬ বার × ৩৬০ ডিগ্রি = ৩০০ ডিগ্রি
সঠিক উত্তর: D) ২
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম রাশি = ৪ (ক + খ)
দ্বিতীয় রাশি = ১০ (ক − খ)
তৃতীয় রাশি = ১২ (ক বর্গ − খ বর্গ)
ধরি,
প্রথম রাশির উৎপাদক = ২ × ২ × (ক + খ)
দ্বিতীয় রাশির উৎপাদক = ২ × ৫ × (ক − খ)
তৃতীয় রাশির উৎপাদক = ২ × ২ × ৩ × (ক + খ) × (ক − খ)
অতএব,
প্রথম রাশির মৌলিক উৎপাদকগুলোর মধ্যে ২ এবং (ক + খ) বিদ্যমান
দ্বিতীয় রাশির মৌলিক উৎপাদকগুলোর মধ্যে ২ এবং (ক − খ) বিদ্যমান
তৃতীয় রাশির মৌলিক উৎপাদকগুলোর মধ্যে ২, (ক + খ) এবং (ক − খ) বিদ্যমান
সুতরাং,
সব রাশিতে সাধারণ উৎপাদক বা গসাগু কেবল ২ পাওয়া যায়
উত্তর: ২
সঠিক উত্তর: B) −৪/৫
প্রদত্ত তথ্য:
সমীকরণটি হলো (√৩)^(২x + ১) = ৩√(√(৩))^(x − ১)
ধরি,
বর্গমূলকে সূচকের আকারে প্রকাশ করে ভিত্তি ৩ করা হলো
বামপক্ষ হলো (৩)^(১/২ × (২x + ১))
অতএব,
ডানপক্ষ হলো (৩)^(১ × (১/২) × (১/২) × (x − ১))
ডানপক্ষকে সরল করে লেখা যায় (৩)^((x − ১)/৪)
সুতরাং,
উভয় পক্ষ থেকে ভিত্তি ৩ বাদ দিয়ে সূচক সমান করা হলো
(২x + ১)/২ = (x − ১)/৪
উত্তর: x = −৪/৫
সঠিক উত্তর: D) ৫/২
প্রদত্ত তথ্য:
রাশিটি হলো log_৪৯(৭) + log_√৭(৭)
ধরি,
প্রথম অংশ = log_৪৯(৭)
দ্বিতীয় অংশ = log_√৭(৭)
অতএব,
প্রথম অংশকে লেখা যায় log_৪৯(৪৯ এর বর্গমূল)
দ্বিতীয় অংশকে লেখা যায় log_√৭((√৭) এর বর্গ)
সুতরাং,
প্রথম অংশের মান হলো ১/২
দ্বিতীয় অংশের মান হলো ২
উত্তর: ১/২ + ২ = ৫/২
সঠিক উত্তর: A) x
প্রদত্ত তথ্য:
মূল ভগ্নাংশটি হলো x ÷ y
নির্ণেয় যোগফলটি হলো x(১ + y) ÷ y
ধরি,
অজানা সংখ্যাটি হলো a
প্রশ্নানুসারে লেখা যায় x ÷ y + a = x(১ + y) ÷ y
অতএব,
সমীকরণের ডানপক্ষ গুণ করে পাই (x + xy) ÷ y
এটিকে আলাদা করে লেখা যায় x ÷ y + xy ÷ y
সুতরাং,
x ÷ y + a = x ÷ y + x
উভয়পক্ষ থেকে x ÷ y বাদ দিলে পাই a = x
উত্তর: x
সঠিক উত্তর: C) ৪৫ ও ১৫
প্রদত্ত তথ্য:
পিতার বর্তমান বয়স পুত্রের বয়সের তিন গুণ
৫ বছর পূর্বে পিতার বয়স পুত্রের বয়সের চারগুণ ছিল
ধরি,
পুত্রের বর্তমান বয়স = ক বছর
পিতার বর্তমান বয়স = ৩ক বছর
অতএব,
৫ বছর পূর্বে পুত্রের বয়স ছিল = ক − ৫ বছর
৫ বছর পূর্বে পিতার বয়স ছিল = ৩ক − ৫ বছর
সুতরাং,
শর্তমতে, ৩ক − ৫ = ৪(ক − ৫)
সমাধান করে পাই, ক = ১৫
উত্তর: পিতার বয়স = ৪৫ বছর এবং পুত্রের বয়স = ১৫ বছর
সঠিক উত্তর: A) ১/৪
প্রদত্ত তথ্য:
রিতু ও সিতু একত্রে একটি কাজ করতে পারে = ৮ দিনে
তারা একত্রে কাজ করল = ৬ দিন
ধরি,
সম্পূর্ণ কাজ = ১ অংশ
অতএব,
রিতু ও সিতু ১ দিনে করে = ১/৮ অংশ
তারা ৬ দিনে একত্রে কাজ করে = ৬/৮ অংশ = ৩/৪ অংশ
সুতরাং,
কাজের বাকি অংশ থাকে = ১ − ৩/৪ অংশ = ১/৪ অংশ
উত্তর: ১/৪
সঠিক উত্তর: C) ৭০
প্রদত্ত তথ্য:
১০ টি সংখ্যার যোগফল = ৩৮০
প্রথম ৪ টির গড় = ৪০
শেষ ৫ টির গড় = ৩০
ধরি,
প্রথম ৪ টি সংখ্যার যোগফল = ৪ × ৪০ = ১৬০
শেষ ৫ টি সংখ্যার যোগফল = ৫ × ৩০ = ১৫০
অতএব,
প্রথম ৪ টি এবং শেষ ৫ টি, মোট ৯ টি সংখ্যার যোগফল = ১৬০ + ১৫০ = ৩১০
সুতরাং,
৫ম সংখ্যাটি = মোট ১০ টি সংখ্যার যোগফল − ৯ টি সংখ্যার যোগফল
উত্তর: ৩৮০ − ৩১০ = ৭০
সঠিক উত্তর: B) CO₂
কেন সঠিক:
- গাছপালা ও বন-জঙ্গল সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় বায়ুমণ্ডল থেকে কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্রহণ করে এবং অক্সিজেন ত্যাগ করে।
- বন ধ্বংসের ফলে এই গ্যাস শোষণের পরিমাণ কমে যায় এবং বাতাসে কার্বন ডাই-অক্সাইডের মাত্রা দ্রুত বৃদ্ধি পায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) CO — এটি কার্বন মনোক্সাইড, যা মূলত যানবাহন ও কলকারখানার অসম্পূর্ণ জ্বালানি থেকে বাতাসে ছড়ায়, বন ধ্বংসের প্রধান প্রত্যক্ষ ফল নয়।
B) CO₂ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ গাছ নিধন এবং জীবাশ্ম পুড়িয়ে ফেলার কারণে বায়ুমণ্ডলে এই গ্রিনহাউস গ্যাসের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি পায়।
C) 120 — এটি একটি সংখ্যা মাত্র, যার সঙ্গে গ্যাস বা পরিবেশগত পরিবর্তনের কোনো সম্পর্ক নেই এবং এটি একটি অবান্তর অপশন।
D) CFC — এটি ক্লোরোফ্লোরোকার্বন, যা মূলত রেফ্রিজারেটর ও এয়ার কন্ডিশনার থেকে নির্গত হয়ে ওজন স্তর ক্ষয় করে, বন ধ্বংসের কারণে এটি বৃদ্ধি পায় না।
মনে রাখার টিপস:
গাছ কাটা মানেই কার্বন ডাই-অক্সাইডের বন্ধু বাড়ানো, কারণ গাছই এই ক্ষতিকর গ্যাস বাতাস থেকে শুষে নেয়।
সঠিক উত্তর: B) ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯
কেন সঠিক:
- ঊনসত্তরের গণঅভুত্থানের পর কারাগারে বন্দী থাকা শেখ মুজিবুর রহমানকে মুক্তি দেওয়ার পর এই উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
- তৎকালীন ছাত্রনেতা তোফায়েল আহমেদ রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) এক বিশাল জনসভায় আনুষ্ঠানিকভাবে এই উপাধি প্রদান করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২ মার্চ, ১৯৭০ — এই তারিখে স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয় এবং পতাকা উত্তোলন করা হয়।
B) ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯ — এই তারিখেই শেখ মুজিবুর রহমানকে আনুষ্ঠানিকভাবে বঙ্গবন্ধু উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
C) ২৬ মার্চ, ১৯৭১ — এই তারিখে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয় এবং মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়।
D) ২৩ মার্চ, ১৯৭১ — এই দিনে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান ২৬ মার্চের সাধারণ অধিবেশন স্থগিত করেন।
মনে রাখার টিপস:
উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের অব্যবহিত পরেই, অর্থাৎ ১৯৬৯ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি শেখ মুজিবুর রহমান 'বঙ্গবন্ধু' উপাধি পান।
সঠিক উত্তর: A) 16152
কেন সঠিক:
- ১৬১৫২ হলো জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের জন্য নির্ধারিত সরকারি হটলাইন নম্বর বা শর্টকোড।
- এই নম্বরে কল করে নাগরিকেরা জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন সংক্রান্ত যেকোনো তথ্য ও সেবা পেতে পারেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 16152 — এটি জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের সঠিক ও নির্ধারিত শর্টকোড হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর।
B) 16106 — এটি জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের শর্টকোড নয়, এটি অন্য কোনো সেবার নম্বর।
C) 999 — এটি জরুরি সেবা নম্বর, যার মাধ্যমে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও অ্যাম্বুলেন্স সেবা পাওয়া যায়।
D) 333 — এটি জাতীয় তথ্য ও সেবা নম্বর, যা সরকারের বিভিন্ন তথ্য ও সেবার জন্য ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন এবং বয়স ১৬ থেকে ৫২ বছর পর্যন্ত হিসাব করতে ১৬১৫২ নম্বরটি মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: C) ২২ অক্টোবর, ২০২৩
কেন সঠিক:
- একাদশ জাতীয় সংসদের পরিধি অনুযায়ী ২২ অক্টোবর, ২০২৩ তারিখে এর পঁচিশতম তথা শেষ অধিবেশন শুরু হয়েছিল।
- সংবিধানের বিধান অনুযায়ী একটি সংসদের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগের সংসদের শেষ অধিবেশন এটি ছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯ অক্টোবর, ২০২৩ — এটি একাদশ জাতীয় সংসদের শেষ অধিবেশনের নির্ধারিত শুরুর তারিখ নয়।
B) ২০ অক্টোবর, ২০২৩ — এই তারিখে একাদশ জাতীয় সংসদের কোনো অধিবেশন শুরু হয়নি।
C) ২২ অক্টোবর, ২০২৩ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়।
D) ৩০ অক্টোবর, ২০২৩ — এটি অধিবেশন শুরুর তারিখের সঙ্গে মিলছে না।
মনে রাখার টিপস:
একাদশ জাতীয় সংসদের শেষ অধিবেশন শুরু হয় ২০২৩ সালের অক্টোবরের বাইশে।
সঠিক উত্তর: B) মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ
কেন সঠিক:
- ২০২৩ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ ক্রিকেটে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ম্যাচে মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম সেঞ্চুরি করেন।
- টুর্নামেন্টে দলের বিপর্যয়ের মুখে তিনি এই দায়িত্বশীল ও শতক ইনিংসটি খেলেছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সাকিব আল হাসান — তিনি ২০২৩ সালের বিশ্বকাপে কোনো সেঞ্চুরি করতে পারেননি।
B) মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ — এই অপশনটি সঠিক, কারণ তিনি ওই টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম সেঞ্চুরি করেছিলেন।
C) মুশফিকুর রহিম — তিনি ২০২৩ সালের বিশ্বকাপে ভালো ব্যাটিং করলেও কোনো সেঞ্চুরি করতে পারেননি।
D) লিটন দাস — তিনি এই টুর্নামেন্টে সেঞ্চুরি করার কৃতিত্ব অর্জন করতে পারেননি।
মনে রাখার টিপস:
২০২৩ সালের বিশ্বকাপে অভিজ্ঞতার প্রমাণ দিয়ে মাহমুদুল্লাহ রিয়াদই প্রথম সেঞ্চুরি উপহার দিয়েছিলেন।
সঠিক উত্তর: D) ওশেনিয়া
কেন সঠিক:
- পালাউ একটি দ্বীপ রাষ্ট্র যা প্রশান্ত মহাসাগরের ওশেনিয়া অঞ্চলের মাইক্রোনেশিয়া উপ-অঞ্চলে অবস্থিত।
- ভৌগোলিক অবস্থান এবং মহাদেশীয় বিভাজন অনুযায়ী এটি ওশেনিয়া মহাদেশের অন্তর্ভুক্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) এশিয়া — পালাউ এশিয়া মহাদেশে অবস্থিত নয়, এটি ওশেনিয়া অঞ্চলের একটি দ্বীপ রাষ্ট্র।
B) ইউরোপ — ইউরোপ মহাদেশের সাথে এই রাষ্ট্রের কোনো ভৌগোলিক বা রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা নেই।
C) আফ্রিকা — আফ্রিকা মহাদেশের ভৌগোলিক সীমানার বাইরে প্রশান্ত মহাসাগরে এটি অবস্থিত।
D) ওশেনিয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ পালাউ ওশেনিয়া অঞ্চলের মাইক্রোনেশিয়ার অন্তর্ভুক্ত।
মনে রাখার টিপস:
প্রশান্ত মহাসাগরের ছোট দ্বীপ রাষ্ট্রগুলো সাধারণত ওশেনিয়া মহাদেশের অন্তর্ভুক্ত হয়, তাই পালাউও ওশেনিয়া।
সঠিক উত্তর: B) লিবিয়া
কেন সঠিক:
- লিবিয়া আফ্রিকা মহাদেশের উত্তরভাগে অবস্থিত একটি রাষ্ট্র, যা এশিয়া মহাদেশের অন্তর্ভুক্ত নয়।
- ভূগোলের নিয়ম অনুযায়ী লিবিয়ার ভৌগোলিক অবস্থান আফ্রিকান ভূখণ্ডের মধ্যে পড়ে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সিরিয়া — এটি এশিয়া মহাদেশের মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে অবস্থিত একটি দেশ।
B) লিবিয়া — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি আফ্রিকা মহাদেশের একটি দেশ।
C) ইরাক — এটি এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশে অবস্থিত একটি দেশ।
D) জর্দান — এটি এশিয়া মহাদেশের পশ্চিম অংশে অবস্থিত একটি দেশ।
মনে রাখার টিপস:
লিবিয়া নামটি শুনলে আফ্রিকা মহাদেশের উত্তরভাগের সাহারা মরুভূমির কথা স্মরণ করবে।
সঠিক উত্তর: A) জলবায়ু পরিবর্তন
কেন সঠিক:
- ভি-২০ হলো জলবায়ু পরিবর্তনে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর একটি জোট, যা ২০১৫ সালে পেরুর লিমায় গঠিত হয়।
- বৈশ্বিক উষ্ণায়ন ও জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলায় এই জোট যৌথভাবে আন্তর্জাতিক ফোরামে জোরালো ভূমিকা পালন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জলবায়ু পরিবর্তন — এই অপশনটি সঠিক কারণ ভি-২০ জোটটি জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর স্বার্থ রক্ষার্থে কাজ করে।
B) কৃষি উন্নয়ন — এই অপশনটি সঠিক নয় কারণ কৃষি উন্নয়ন সরাসরি এই জোটের প্রধান লক্ষ্য বা প্রতিপাদ্য নয়।
setC) দারিদ্র বিমোচন — এই অপশনটি সঠিক নয় কারণ এটি জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে সম্পর্কিত, দারিদ্র বিমোচনের সাথে নয়।
D) মানবাধিকার — এই অপশনটি সঠিক নয় কারণ ভি-২০ মানবাধিকার সুরক্ষার জন্য গঠিত কোনো আন্তর্জাতিক সংস্থা বা জোট নয়।
মনে রাখার টিপস:
ভি-২০ নামের 'ভি' দিয়ে ভালনারেবল বা ঝুঁকিপূর্ণ বোঝায়, যা জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোকে নির্দেশ করে।
সঠিক উত্তর: C) নাইট্রোজেন
কেন সঠিক:
- বজ্রপাতের সময় উচ্চ তাপমাত্রায় বায়ুমণ্ডলের নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন বিক্রিয়া করে নাইট্রিক অক্সাইড উৎপন্ন করে।
- এই নাইট্রিক অক্সাইড বৃষ্টির পানির সাথে মিশে নাইট্রিক এসিডে পরিণত হয় এবং মাটিতে নাইট্র্রেট লবণ হিসেবে জমা হয় যা উদ্ভিদের খাদ্য উপাদান হিসেবে কাজ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পটাশিয়াম — বজ্রপাতের কারণে বাতাসে থাকা পটাশিয়াম মাটিতে যুক্ত হয় না, এটি মূলত মাটিতে খনিজ শিলা ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে তৈরি হয়।
B) অক্সিজেন — বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেন প্রচুর পরিমাণে থাকলেও বজ্রপাতের মাধ্যমে এটি মাটিতে উদ্ভিদের প্রধান খাদ্য হিসেবে মাটিতে বৃদ্ধি পায় না।
C) নাইট্রোজেন — এই অপশনটি সঠিক কারণ বজ্রপাতের মাধ্যমে বায়ুমণ্ডলের নাইট্রোজেন মাটিতে সংবদ্ধ হয় যা উদ্ভিদের পুষ্টি জোগায়।
D) ফসফরাস — ফসফরাস একটি খনিজ উপাদান যা জৈব পদার্থের পচন এবং শিলা থেকে মাটিতে আসে, বজ্রবৃষ্টির সাথে এর সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
বজ্রপাত মানেই আকাশে বিদ্যুৎ চমকানো আর মাটিতে নাইট্রোজেন জমা হওয়া।
প্রশ্নের ধরন: আইওটি ও ডিজিটাল প্রযুক্তি
সঠিক উত্তর: A) টেলিগ্রাফ
কেন সঠিক:
- টেলিগ্রাফ হলো ঊনবিংশ শতাব্দীর একটি প্রাচীন যোগাযোগ প্রযুক্তি যা প্রথম শিল্প বিপ্লবের সময় আবিষ্কৃত হয়েছিল।
- চতুর্থ শিল্প বিপ্লব মূলত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, রোবোটিক্স, আইওটি ও থ্রি-ডি প্রিন্টিংয়ের মতো অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) টেলিগ্রাফ — এটি প্রাচীন যোগাযোগ মাধ্যম এবং চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের সাথে সম্পৃক্ত নয়।
B) রোবোটিক্স — এটি চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের একটি অন্যতম প্রধান প্রযুক্তি।
C) থ্রি-ডি প্রিন্টিং — এটি চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের উৎপাদন খাতের সাথে সম্পৃক্ত একটি প্রযুক্তি।
D) আইওটি — এটি ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের মূল ভিত্তিগুলোর একটি।
মনে রাখার টিপস:
টেলিগ্রাফ অনেক পুরোনো প্রযুক্তি, তাই এটি চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের অন্তর্ভুক্ত হতে পারে না।
সঠিক উত্তর: A) ভাষা ও সংস্কৃতি
কেন সঠিক:
- বাঙালি জাতির দীর্ঘ সংগ্রামের ইতিহাস এবং ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে বাঙালি জাতীয়তাবাদের মূল ভিত্তি রচিত হয়েছিল।
- অভিন্ন বাংলা ভাষা এবং হাজার বছরের বাঙালি সংস্কৃতির মেলবন্ধনই এই জাতীয়তাবাদের মূল চালিকাশক্তি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভাষা ও সংস্কৃতি — এটি বাঙালি জাতীয়তাবাদের সঠিক ভিত্তি কারণ ভাষা ও সংস্কৃতির ঐক্যই বাঙালিদের এক সুতোয় বেঁধেছে।
B) ধর্ম — বাঙালি জাতীয়তাবাদ ধর্মনিরপেক্ষতার ওপর প্রতিষ্ঠিত, যেখানে সব ধর্মের মানুষ সমান অধিকার ভোগ করে।
C) আঞ্চলিকতা — নির্দিষ্ট কোনো অঞ্চলের গণ্ডিতে বাঙালি জাতীয়তাবাদ সীমাবদ্ধ নয়, এটি ভৌগোলিক সীমানা পেরিয়ে সংস্কৃতির বিস্তার।
D) রাজনীতি — রাজনীতি জাতীয়তাবাদের বিকাশ ঘটাতে পারে কিন্তু এর মূল ভিত্তি বা শেকড় নিহিত রয়েছে ভাষা ও সংস্কৃতির মাঝে।
মনে রাখার টিপস:
বাঙালি জাতীয়তাবাদের মূল ভিত্তি মনে রাখতে ৫২ এর ভাষা আন্দোলন এবং সংস্কৃতির কথা মনে রাখবে।
প্রশ্নের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ
সঠিক উত্তর: D) বান্দরবান
কেন সঠিক:
- বান্দরবান বাংলাদেশের সবচেয়ে পাহাড়ি ও আয়তনে বড় জেলা হওয়ায় এর ভৌগোলিক কারণে জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম।
- জনশুমারির তথ্য অনুযায়ী এই জেলায় প্রতি বর্গকিলোমিটারে মানুষের বসবাস তুলনামূলকভাবে সর্বনিম্ন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পটুয়াখালী — এটি দক্ষিণাঞ্চলের উপকূলীয় জেলা এবং এখানে জনসংখ্যার ঘনত্ব বান্দরবানের চেয়ে অনেক বেশি।
B) খাগড়াছড়ি — এটি পাহাড়ি জেলা হলেও এর জনসংখ্যার ঘনত্ব বান্দরবানের চেয়ে বেশি।
C) রাঙ্গামাটি — এটি আয়তনে দেশের সবচেয়ে বড় জেলা হলেও এর কিছু নির্দিষ্ট এলাকায় জনবসতি বান্দরবানের চেয়ে বেশি ঘন।
D) বান্দরবান — এটি সঠিক উত্তর কারণ পাহাড় ঘেরা এই অঞ্চলের জনবসতি সবচেয়ে কম ছড়ানো।
মনে রাখার টিপস:
বান বান্দরবান মানে কম মানুষ, পাহাড়ি জেলাগুলোর মধ্যে এর ঘনত্ব সর্বনিম্ন।
সঠিক উত্তর: C) ০.৭
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের মোট আবাদী জমির প্রায় সত্তর শতাংশ বা শূন্য দশমিক সাত অংশজুড়ে প্রধান খাদ্য ফসল ধানের চাষ করা হয়।
- দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং জনগোষ্ঠীর প্রধান খাদ্য চাহিদা মেটাতে আবাদী জমির সিংহভাগ ধান চাষের আওতায় রাখা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ০.৫ — এই পরিমাণটি বাংলাদেশের মোট আবাদী জমির ধান চাষের অনুপাতের তুলনায় কম এবং এটি সঠিক পরিসংখ্যান নয়।
B) ০.৬ — এই মানটি ধান চাষের প্রকৃত জমির পরিমাণের সাথে মেলে না কারণ ধান চাষের হার এর চেয়ে বেশি।
D) ০.৮ — এই পরিমাণটি অতিরিক্ত বেশি এবং বাংলাদেশের মোট আবাদী জমির সাপেক্ষে ধান চাষের বাস্তব হিসাবের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশের আবাদী জমির ধান চাষের অনুপাত মনে রাখতে শূন্য দশমিক সাত বা সত্তর শতাংশ সংখ্যাটি মাথায় রাখুন।
সঠিক উত্তর: A) নার্গিস মোহাম্মদি
কেন সঠিক:
- ইরানি মানবাধিকারকর্মী নার্গিস মোহাম্মদি ইরানে নারীদের নিপীড়নের বিরুদ্ধে লড়াই এবং সবার জন্য মানবাধিকার ও স্বাধীনতা অর্জনের অবদানের জন্য ২০২৩ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- পুরস্কার ঘোষণার সময় তিনি কারাবন্দী ছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নার্গিস মোহাম্মদি — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ তিনি ২০২৩ সালের শান্তিতে নোবেল বিজয়ী।
B) ফ্রেদেরিক পার্সি — এটি ভুল কারণ ফ্রেদেরিক পার্সি নামে কোনো নোবেলজয়ী ব্যক্তি নেই।
C) জন হিউম — এটি ভুল কারণ জন হিউম ১৯৯৮ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেছিলেন।
D) লিউ জিয়াওবো — এটি ভুল কারণ চীনা মানবাধিকারকর্মী লিউ জিয়াওবো ২০১০ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
ইরানের নারীদের অধিকার রক্ষার সংগ্রামের কথা মনে রাখলেই ২০২৩ সালের শান্তিতে নোবেলজয়ী নার্গিস মোহাম্মদির নাম সহজে মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: D) মহেশখালী
কেন সঠিক:
- মহেশখালী বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলায় অবস্থিত দেশের একমাত্র পাহাড় বিশিষ্ট দ্বীপ।
- এই দ্বীপে আদিনাথ মন্দিরসহ ছোট-বড় বেশ কিছু পাহাড়ি টিলা বা পাহাড় রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পাহাড়পুর — এটি কোনো দ্বীপ নয়, এটি নওগাঁ জেলায় অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক বৌদ্ধ বিহার।
B) সেন্টমার্টিন — এটি বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ, এখানে কোনো পাহাড় নেই।
C) নিঝুম দ্বীপ — এটি নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার একটি চরাঞ্চল ও দ্বীপ, এখানে কোনো পাহাড় নেই।
D) মহেশখালী — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, এটি বাংলাদেশের একমাত্র পাহাড় বিশিষ্ট দ্বীপ।
মনে রাখার টিপস:
মহেশখালীর 'ম' দিয়ে মনে রাখতে পারেন এটি 'মাত্র' একটি দ্বীপ যেখানে পাহাড় আছে।
সঠিক উত্তর: B) লোহাগাড়া, চট্টগ্রাম
কেন সঠিক:
- এটি বাংলাদেশের প্রথম এলিফ্যান্ট ওভারপাস, যা চট্টগ্রাম জেলার লোহাগাড়া উপজেলার চুনতি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যে নির্মিত হয়েছে।
- বন্য হাতির নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে এবং সড়ক দুর্ঘটনায় হাতির মৃত্যু রোধ করতে এই ওভারপাস তৈরি করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লাংলোক, বান্দরবান — এটি বান্দরবানের একটি পাহাড়ি এলাকা হলেও দেশের প্রথম এলিফ্যান্ট ওভারপাসের অবস্থান এখানে নয়।
B) লোহাগাড়া, চট্টগ্রাম — এই অপশনটি সঠিক এবং এখানেই দেশের প্রথম এলিফ্যান্ট ওভারপাস অবস্থিত।
C) সীতাকুণ্ড, চট্টগ্রাম — এটি চট্টগ্রামের একটি বিখ্যাত উপজেলা ও পর্যটন এলাকা হলেও এলিফ্যান্ট ওভারপাসের জন্য এটি পরিচিত নয়।
D) নালিতাবাড়ি, শেরপুর — এটি বন্য হাতির উপদ্রবযুক্ত শেরপুরের একটি উপজেলা হলেও এখানে কোনো এলিফ্যান্ট ওভারপাস নেই।
মনে রাখার টিপস:
হাতির চলাচলের রাস্তা বা করিডোর রক্ষার্থে প্রথম ওভারপাসটি চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় তৈরি করা হয়েছে।
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: C) ১ নভেম্বর, ২০২৩
কেন সঠিক:
- ঢাকা থেকে ভাঙ্গা পর্যন্ত পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের বাণিজ্যিক ট্রেন চলাচল এই তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১ নভেম্বর, ২০২৩ তারিখে এই ট্রেন চলাচলের উদ্বোধন করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১০ অক্টোবর, ২০২৩ — এটি পদ্মা সেতু দিয়ে রেল চলাচলের পরীক্ষামূলক বা ট্রায়াল রান চালুর তারিখ ছিল।
B) ২৮ অক্টোবর, ২০২৩ — এই তারিখে বহুল প্রতীক্ষিত ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের একাংশের উদ্বোধন করা হয়।
D) ৪ নভেম্বর, ২০২৩ — এই তারিখে পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের ঢাকা থেকে মাওয়া অংশের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়।
মনে রাখার টিপস:
পদ্মা সেতু দিয়ে সড়কপথে গাড়ি চলেছিল জুনে, আর রেলপথে ট্রেন চলে ১ নভেম্বর, ২০২৩ সালে।
সঠিক উত্তর: D) ৪৯৫
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো কর্তৃক অনুষ্ঠিত প্রথম ডিজিটাল জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী দেশের মোট উপজেলার সংখ্যা ৪৯৫টি।
- এই শুমারির মাধ্যমেই প্রথমবারের মতো ডিজিটাল পদ্ধতিতে দেশের প্রশাসনিক উপজেলার সঠিক ও হালনাগাদ সংখ্যা নির্ধারণ করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 480 — এটি দেশের বর্তমান উপজেলার সঠিক সংখ্যা নয়, যা প্রথম ডিজিটাল জনশুমারির পূর্বের কোনো একটি পুরোনো বা ভুল সংখ্যা।
B) 486 — এই সংখ্যাটি প্রথম ডিজিটাল জনশুমারির চূড়ান্ত প্রতিবেদনের সাথে মিলে না এবং এটি প্রশাসনিক তথ্যের সঠিক মান নয়।
C) 490 — এটিও প্রথম ডিজিটাল জনশুমারির তথ্য অনুযায়ী দেশের মোট উপজেলার সঠিক সংখ্যা নয়।
D) 495 — এটি প্রথম ডিজিটাল জনশুমারি ও গৃহগণনা অনুযায়ী দেশের মোট উপজেলার সঠিক ও চূড়ান্ত সংখ্যা।
মনে রাখার টিপস:
ডিজিটাল শুমারিতে দেশের উপজেলা সংখ্যা প্রায় পাঁচশ এর কাছাকাছি অর্থাৎ ৪৯৫টি।
সঠিক উত্তর: D) সার্বভৌমত্ব
কেন সঠিক:
- রাষ্ট্র গঠনের চারটি অপরিহার্য উপাদানের মধ্যে সার্বভৌমত্ব হলো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও চূড়ান্ত উপাদান।
- সার্বভৌমত্ব হলো রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষা ও বাহ্যিক নিয়ন্ত্রণ মুক্ত থেকে স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণের সর্বোচ্চ ক্ষমতা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নির্দিষ্ট ভূখণ্ড — এটি রাষ্ট্রের অন্যতম উপাদান হলেও সার্বভৌমত্ব ছাড়া শুধু ভূখণ্ড দিয়ে স্বাধীন রাষ্ট্র গঠিত হতে পারে না।
B) জনসংখ্যা — রাষ্ট্র গঠনের জন্য জনসংখ্যা জরুরি, তবে সার্বভৌম ক্ষমতা না থাকলে সেই জনসমষ্টিকে পূর্ণাঙ্গ রাষ্ট্র বলা যায় না।
C) সরকার — সরকার রাষ্ট্রের একটি অপরিহার্য যন্ত্র বা মাধ্যম, কিন্তু সরকারের উপরে চূড়ান্ত ক্ষমতা বা সার্বভৌমত্ব না থাকলে রাষ্ট্র টিকে থাকতে পারে না।
D) সার্বভৌমত্ব — এটি নিজে সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
রাষ্ট্রের উপাদান চারটি জনসংখ্যা, নির্দিষ্ট ভূখণ্ড, সরকার ও সার্বভৌমত্ব যার মধ্যে সার্বভৌমত্ব হলো রাষ্ট্রের প্রাণ বা সর্বোচ্চ ক্ষমতা।
বিষয়: ভূগোল ও পরিবেশ
সঠিক উত্তর: B) বায়ু
কেন সঠিক:
- বায়ু বা বাতাস এমন একটি প্রাকৃতিক সম্পদ যা কখনো ফুরিয়ে যায় না এবং প্রাকৃতিকভাবে পুনরায় তৈরি হয়।
- নবায়নযোগ্য সম্পদের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এর অবিরাম ব্যবহার নিশ্চিত করা সম্ভব।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রাকৃতিক গ্যাস — এটি একটি অনবায়নযোগ্য জীবাশ্ম জ্বালানি, যা একবার ব্যবহার করলে পুনরায় তৈরি হতে কোটি কোটি বছর লাগে।
B) বায়ু — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) চুনাপাথর — এটি একটি খনিজ সম্পদ এবং অনবায়নযোগ্য, যা একবার নিঃশেষ হলে সহজে পূরণ হয় না।
D) কয়লা — এটি জীবাশ্ম জ্বালানি ও অনবায়নযোগ্য সম্পদ, যার ভাণ্ডার সীমিত।
মনে রাখার টিপস:
যে শক্তি বা সম্পদ বারবার ব্যবহার করা যায় এবং ফুরিয়ে যায় না, তা হলো নবায়নযোগ্য সম্পদ যেমন বায়ু ও সূর্যরশ্মি।
সঠিক উত্তর: A) ফেনী
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের প্রথম বায়ু বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি ফেনী জেলার সোনাগাজী উপজেলায় অবস্থিত।
- এখানে পরীক্ষামূলকভাবে বায়ু থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য টারবাইন স্থাপন করা হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফেনী — এটি বাংলাদেশের প্রথম বায়ু বিদ্যুৎ কেন্দ্র অবস্থিত জেলা এবং সঠিক উত্তর।
B) কক্সবাজার — কক্সবাজারের কুতুবদিয়ায় পরবর্তীতে বায়ু বিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপন করা হলেও এটি প্রথম নয়।
C) চাঁদপুর — এই জেলায় বাণিজ্যিকভাবে প্রধান বায়ু বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপিত হয়নি।
D) পটুয়াখালী — পটুয়াখালীর পায়রায় তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র অবস্থিত, বায়ু বিদ্যুৎ কেন্দ্র নয়।
মনে রাখার টিপস:
ফেনীর সোনাগাজীতে প্রথম বাতাস থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: C) অনুচ্ছেদ-৩
কেন সঠিক:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৩ নম্বর অনুচ্ছেদে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা।
- এটি আমাদের সংবিধানের প্রথম ভাগের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অনুচ্ছেদ, যা ভাষা ও সংস্কৃতির সাংবিধানিক স্বীকৃতি প্রদান করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অনুচ্ছেদ-৭ — এই অনুচ্ছেদে সংবিধানের সর্বময় ক্ষমতার কথা বলা হয়েছে, যেখানে বলা হয়েছে প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ।
B) অনুচ্ছেদ-৫ — এই অনুচ্ছেদে রাজধানী সম্পর্কে বলা হয়েছে এবং ঢাকার বিবরণ দেওয়া হয়েছে, যা রাষ্ট্রভাষার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
C) অনুচ্ছেদ-৩ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ এই অনুচ্ছেদেই প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে বাংলার সাংবিধানিক স্বীকৃতি নিশ্চিত করা হয়েছে।
D) অনুচ্ছেদ-১৩ — এই অনুচ্ছেদে মালিকানার নীতির কথা বলা হয়েছে, যেখানে রাষ্ট্রীয়, সমবায় ও ব্যক্তিগত এই তিন ধরনের মালিকানার কথা উল্লেখ আছে।
মনে রাখার টিপস:
রাষ্ট্রভাষা বাংলা মানেই তিন অক্ষর বিশিষ্ট 'ভাষা' শব্দের মতো অনুচ্ছেদ নম্বরটিও তিন, অর্থাৎ অনুচ্ছেদ-৩।
সঠিক উত্তর: C) লাইবেরিয়া
কেন সঠিক:
- আফ্রিকার দেশ লাইবেরিয়ায় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অনন্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ একটি মোড়ের নাম বাংলাদেশ স্কয়ার রাখা হয়।
- শান্তিরক্ষীদের এই সম্মান প্রদর্শনের মাধ্যমে বাংলাদেশের শান্তি প্রতিষ্ঠায় বিশ্বমানের ভূমিকা প্রশংসিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সিয়েরালিওন — এটি আফ্রিকান দেশ হলেও এখানে বাংলাদেশ স্কয়ার অবস্থিত নয়, তবে এখানেও বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের অবদান রয়েছে।
B) সুদান — এটি পূর্ব আফ্রিকার দেশ এবং শান্তিরক্ষী কার্যক্রম পরিচালিত হলেও এখানে বাংলাদেশ স্কয়ার নেই।
C) লাইবেরিয়া — এই অপশনটি সঠিক এবং এখানেই বাংলাদেশ স্কয়ার অবস্থিত।
D) নাইজেরিয়া — এটি পশ্চিম আফ্রিকার দেশ এবং এখানে বাংলাদেশ স্কয়ার অবস্থিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
লাইবেরিয়ার রাজধানী মনরোবিয়ায় শান্তি রক্ষায় অবদান রাখায় দেশের নামে 'বাংলাদেশ স্কয়ার' করা হয়েছে, যা লাইবেরিয়া নামের সাথে মনে রাখা সহজ।
সঠিক উত্তর: A) ১৭
কেন সঠিক:
- জাতিসংঘ ২০১৫ সালে দারিদ্র্য বিমোচন ও টেকসই উন্নয়নের জন্য মোট ১৭টি অভীষ্ট বা লক্ষ্য নির্ধারণ করে।
- এই লক্ষ্যগুলো ২০৩০ সালের মধ্যে অর্জনের জন্য বিশ্বব্যাপী বাস্তবায়িত হচ্ছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৭ — এটি জাতিসংঘের নির্ধারিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার সঠিক সংখ্যা।
B) ১৮ — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ জাতিসংঘ ১৭টি লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।
সি) ১৯ — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ এসডিজির মূল লক্ষ্য ১৭টি।
ডি) ২১ — এটি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার সঠিক সংখ্যা নয়।
মনে রাখার টিপস:
এসডিজি বা টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্য ১৭টি, যা মনে রাখতে এসডিজি এবং ১৭ সংখ্যাটি একত্রে স্মরণ রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) কালাজ্বর
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ ২০২৩ সালে বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা থেকে কালাজ্বর নির্মূলের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি লাভ করে।
- এটি মূলত বালুমাছি বাহিত একটি মারাত্মক রোগ যা সফলভাবে নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে বাংলাদেশ এই ঐতিহাসিক সাফল্য অর্জন করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পোলিও — বাংলাদেশ থেকে পোলিও নির্মূল হলেও বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার এই সাম্প্রতিক ঘোষণার মূল বিষয় এটি নয়।
B) ফাইলেরিয়া — ফাইলেরিয়া রোগটি বাংলাদেশ থেকে এখনো পুরোপুরি নির্মূল বা এই ঘোষণার আওতাভুক্ত হয়নি।
C) কালাজ্বর — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলাদেশ সফলভাবে এই রোগটি নির্মূল করতে সক্ষম হয়েছে।
D) সবগুলো — যেহেতু শুধু কালাজ্বর নির্মূলের স্বীকৃতি মিলেছে, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশ সম্প্রতি কালাজ্বর মুক্ত দেশ হিসেবে বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার স্বীকৃতি পেয়েছে, যা চিকিৎসাক্ষেত্রে দেশের বড় অর্জন।
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)