সঠিক উত্তর: D) অধিকরণে শূন্য
১. কেন সঠিক:
ক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার স্থান, সময় বা বিষয়কে অধিকরণ কারক বলে।
এখানে 'বাড়ি' শব্দটি দ্বারা বাবা না থাকার স্থান নির্দেশ করায় এটি অধিকরণ কারক এবং এর সাথে কোনো বিভক্তি যুক্ত না থাকায় এটি শূন্য বিভক্তি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
ক্রিয়ার আধার বা স্থানকে অধিকরণ কারক বলে এবং স্থানবাচক শব্দে সাধারণত অধিকরণ কারক হয়।
শব্দের সাথে কোনো বিভক্তি যুক্ত না থাকলে তাকে প্রথমা বা শূন্য বিভক্তি ধরা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বনে বাঘ থাকে।
ব্যাখ্যা: বনে স্থান বোঝানোর কারণে এটি অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি।
উদাহরণ ২: সকালে সূর্য ওঠে।
ব্যাখ্যা: সকালে সময় বোঝানোর কারণে এটি অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কর্তায় শূন্য — বাক্যটিতে বাবা হলো কর্তা, বাড়ি নয়, তাই এটি কর্তাকারক নয়।
B) করণে শূন্য — বাড়ি কোনো মাধ্যম বা উপায় নয়, যার সাহায্যে ক্রিয়া সম্পাদিত হয়।
C) অপাদানে শূন্য — বাড়ি থেকে কিছু বিচ্যুত বা উৎপন্ন হওয়া বোঝাচ্ছে না।
D) অধিকরণে শূন্য — এটি সঠিক কারণ বাড়ি দ্বারা ক্রিয়া সম্পাদনের স্থান বোঝাচ্ছে এবং এতে কোনো বিভক্তি নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
কোথায় বা কখন প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা সাধারণত অধিকরণ কারক হয়।
স্থান বা সময় বোঝালে চোখ বন্ধ করে অধিকরণ কারক দাগাতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
স্থান, কাল বা বিষয় বোঝালেই তা অধিকরণ কারক হবে।
বিভক্তি না থাকলে তা শূন্য বিভক্তি হিসেবে গণ্য করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) শামসুর রাহমান
১. কেন সঠিক:
- ‘বন্দী শিবির থেকে’ কাব্যগ্রন্থটি বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে রচিত এবং এটি কবি শামসুর রাহমানের একটি অমর সৃষ্টি।
- তৎকালীন পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বরতা, অবরুদ্ধ ঢাকার মানুষের দমবন্ধ করা আতঙ্ক এবং মুক্তির আকুতি এই কাব্যগ্রন্থে গভীরভাবে ফুটে উঠেছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- শামসুর রাহমান বিংশ শতাব্দীর তিরিশের দশকের পর আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি এবং তাকে বাংলাদেশের নাগরিক কবি বলা হয়।
- ‘বন্দী শিবির থেকে’ কাব্যগ্রন্থটি ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন অবরুদ্ধ ঢাকায় বসে রচিত হয় এবং ১৯৭২ সালে প্রকাশিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে
ব্যাখ্যা: এটি কবি শামসুর রাহমানের আরেকটি অত্যন্ত বিখ্যাত ও জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ, যা তার কাব্য প্রতিভার অন্যতম নিদর্শন।
উদাহরণ ২: রৌদ্র করোটিতে
ব্যাখ্যা: এটিও শামসুর রাহমানের রচিত প্রখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, যা আধুনিক বাংলা কবিতায় এক বিশেষ স্থান অধিকার করে আছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বাংলাদেশের জাতীয় কবি এবং বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত হলেও ‘বন্দী শিবির থেকে’ কাব্যগ্রন্থটি তার লেখা নয়।
B) শামসুর রাহমান — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই বিশিষ্ট কবি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক এই বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থটি রচনা করেছেন।
C) আহসান হাবীব — তিনি একজন প্রখ্যাত আধুনিক কবি ও সাংবাদিক হলেও ‘বন্দী শিবির থেকে’ কাব্যগ্রন্থটি তার সাহিত্যকর্মের অন্তর্ভুক্ত নয়।
D) আবুল হাসান — তিনি ষাটের দশকের একজন প্রতিভাবান আধুনিক কবি হলেও ‘বন্দী শিবির থেকে’ কাব্যগ্রন্থটি তার রচনা নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- শামসুর রাহমান মানেই অবরুদ্ধ ঢাকার চিত্র এবং তার বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কাব্যগ্রন্থ ‘বন্দী শিবির থেকে’।
- এভাবে মনে রাখতে পারো যে, ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি বন্দিদশা বা শিবিরের মতো অবস্থায় ঢাকায় বসে তিনি এই কাব্যগ্রন্থ রচনা করেন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সাহিত্যকর্ম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- শামসুর রাহমানের অন্যান্য মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক রচনাগুলো যেমন ‘বাংলাদেশ স্বপ্ন দেখে’ ভালোভাবে পড়ে রাখা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
সঠিক উত্তর: B) সাপ্তাহিক বিজলী
১. কেন সঠিক:
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের অমর সৃষ্টি 'বিদ্রোহী' কবিতাটি প্রথম প্রকাশিত হয় এস ওয়াজেদ আলী সম্পাদিত 'সাপ্তাহিক বিজলী' পত্রিকায়।
১৯২২ সালের ৬ জানুয়ারি (বাংলা ১৩২৮ সনের ২২ পৌষ) শুক্রবার বিজলী পত্রিকার প্রথম পাতার দ্বিতীয় পৃষ্ঠায় কবিতাটি প্রথম প্রকাশিত হয় এবং ব্যাপক সাড়া ফেলে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
'বিদ্রোহী' কবিতাটি কাজী নজরুল ইসলামের 'অগ্নিবীণা' কাব্যের প্রথম সংস্করণের দ্বিতীয় কবিতা হিসেবে সংকলিত হয়েছে।
এই কবিতার মাধ্যমেই মূলত কবি বাংলা সাহিত্যে বিদ্রোহী কবি হিসেবে স্থায়ী আসন লাভ করেন এবং এর মধ্য দিয়ে বাংলা কবিতার মোড় ঘুরে যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কাজী নজরুল ইসলামের 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয় ১৯২২ সালের মে মাসে।
ব্যাখ্যা: এই কাব্যগ্রন্থের দ্বিতীয় কবিতা হিসেবে 'বিদ্রোহী' স্থান পেয়েছিল।
উদাহরণ ২: কাজী নজরুল ইসলামের 'প্রলয়ল্লাস' কবিতাটি 'সন্ধ্যা' পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
ব্যাখ্যা: এটি তার 'বিষের বাঁশি' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত একটি বিখ্যাত বিদ্রোহী চেতনার কবিতা।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মাসিক মোহাম্মদী — মাসিক মোহাম্মদী একটি বিখ্যাত প্রগতিশীল পত্রিকা হলেও কাজী নজরুল ইসলামের 'বিদ্রোহী' কবিতাটি এই পত্রিকায় প্রকাশিত হয়নি।
B) সাপ্তাহিক বিজলী — এই অপশনটি সঠিক কারণ এই পত্রিকাতেই 'বিদ্রোহী' কবিতাটি প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল।
C) দৈনিক নবযুগ — দৈনিক নবযুগ কাজী নজরুল ইসলামের সম্পাদিত একটি পত্রিকা যেখানে তার অনেক প্রবন্ধ ও সংবাদ প্রকাশিত হলেও 'বিদ্রোহী' কবিতাটি এখানে ছাপানো হয়নি।
D) ধূমকেতু — ধূমকেতু কাজী নজরুল ইসলামের নিজের সম্পাদিত অর্ধ-সাপ্তাহিক পত্রিকা হলেও 'বিদ্রোহী' কবিতাটি এই পত্রিকায় প্রকাশিত হয়নি।
৫. মনে রাখার টিপস:
বিদ্রোহী কবিতা বিজলী পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল, এটি মনে রাখতে বিজলী শব্দের ব এবং বিদ্রোহী শব্দের ব অক্ষরটি মিলিয়ে নিতে পারো।
এছাড়াও বিজলীর আলো যেমন চারদিক ঝলসে দেয়, তেমনি বিদ্রোহী কবিতার বাণীও পুরো সমাজে আলোড়ন তুলেছিল।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিদ্রোহী কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত এবং এর প্রকাশকাল প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
নজরুলের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ অগ্নিবীণা এবং তার প্রথম প্রকাশিত কবিতা মুক্তি, যা এই প্রশ্নের সঙ্গে গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
সঠিক উত্তর: D) অসম্ভব কল্পনা
১. কেন সঠিক:
'আকাশ কুসুম' একটি অত্যন্ত পরিচিত বাগধারা, যার আক্ষরিক অর্থ আকাশে ফোটা ফুল। আকাশে কোনো ফুল ফোটা সম্ভব নয়, তাই এই বাগধারাটি দিয়ে অবাস্তব বা অসম্ভব কল্পনাকে বোঝানো হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি বাংলা ভাষার একটি বিশেষ বাগধারা বা প্রবাদতুল্য শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থের বাইরে একটি বিশেষ ও গভীর ভাব প্রকাশ করে। ব্যাকরণের দিক থেকে বাগধারাগুলো বাক্যের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং ভাবকে সংক্ষেপে ও সুন্দরভাবে প্রকাশ করতে সাহায্য করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তোমার এই সাত দিনে কোটিপতি হওয়ার প্ল্যানটি আসলে একটি আকাশ কুসুম মাত্র।
ব্যাখ্যা: এখানে সহজে ধনী হওয়ার অবাস্তব পরিকল্পনাকে বোঝাতে আকাশ কুসুম বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: পড়াশোনা না করে পরীক্ষায় প্রথম হওয়ার আশা করা আর আকাশ কুসুম কল্পনা করা একই কথা।
ব্যাখ্যা: পরিশ্রম ছাড়া বড় কোনো সফলতার আশা করা যে অবাস্তব, তা বোঝাতে উদাহরণটি দেওয়া হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আকাঙ্ক্ষিত বস্তু — আকাঙ্ক্ষিত বস্তু বলতে যা পাওয়ার জন্য তীব্র ইচ্ছা বা কামনা থাকে তাকে বোঝায়, কিন্তু আকাশ কুসুমের অর্থ অবাস্তব কল্পনা।
B) অপ্রত্যাশিত — অপ্রত্যাশিত অর্থ যা হঠাৎ বা না ভেবে ঘটে যায়, যা আকাশ কুসুম বা অসম্ভব কল্পনার সমার্থক নয়।
C) প্রচুর ব্যবধান — প্রচুর ব্যবধান বলতে দুটি বিষয়ের মধ্যে বিরাট পার্থক্য বা দূরত্বকে বোঝায়, যা এই বাগধারার সঙ্গে মেলে না।
D) অসম্ভব কল্পনা — এই অপশনটি সঠিক কারণ আকাশ কুসুম বলতে এমন কিছু বোঝায় যা বাস্তবে ঘটা অসম্ভব।
৫. মনে রাখার টিপস:
আকাশে কখনো ফুল ফোটে না, তাই আকাশে কুসুম বা ফুল দেখা মানেই তা একটি অসম্ভব কল্পনা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই অবাস্তব অর্থ প্রকাশ করে এমন বাগধারাগুলো থেকে প্রশ্ন আসে। তাই অসম্ভব অর্থবাচক বাগধারা যেমন আকাশ কুসুম, কাকের থুথু বা কচ্ছপের লোম ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১. কেন সঠিক:
- 'সঞ্চয়িতা' হলো বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতার একটি বিখ্যাত সংকলন গ্রন্থ।
- ১৯৩১ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সত্তর বছর পূর্তি উপলক্ষে এই গ্রন্থটি প্রথম প্রকাশিত হয়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ, কবি, ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার।
- 'সঞ্চয়িতা' গ্রন্থে তাঁর দীর্ঘ সাহিত্যজীবনের সেরা কবিতাগুলো নির্বাচিত ও সংকলিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গীতাঞ্জলি
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিশ্ববিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা ১৯১০ সালে প্রকাশিত হয়।
উদাহরণ ২: সোনালী কাবین
ব্যাখ্যা: এটি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম সেরা কাব্যগ্রন্থ যার রচয়িতা আল মাহমুদ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মাইকেল মধুসুদন দত্ত — তিনি বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক এবং তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ মেঘনাদবধ কাব্য।
B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — এটি সঠিক উত্তর।
C) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি এবং তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ অগ্নিবীণা।
D) জসীমউদ্দীন — তিনি পল্লীকবি নামে পরিচিত এবং তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ নকশী কাথার মাঠ।
৫ মনে রাখার টিপস:
- রবীন্দ্রনাথের সঞ্চয়িতা মানেই কবিতার চয়ন বা সংগ্রহ, যা তাঁর সত্তর বছর পূর্তিতে প্রকাশিত হয়।
- এই ধরনের সংকলন গ্রন্থ মনে রাখতে কবির জন্মবার্ষিকী বা জয়ন্তীর বছরগুলো খেয়াল রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ ও সংকলন থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- লেখকের জন্ম, মৃত্যু ও প্রধান সাহিত্যকর্মের নাম ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১. কেন সঠিক:
ভানুসিংহ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কৈশোর ও প্রথম যৌবনের পদাবলি রচনার একটি বিশেষ ছদ্মনাম। তিনি মৈথিলী ভাষার অনুকরণে ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলি রচনা করেছিলেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ কবি, ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার। তিনি ১৮৬১ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৪১ সালে মৃত্যুবরণ করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলি
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কিশোর বয়সে রচিত বৈষ্ণব পদাবলীর আদ ের লেখা কবিতা সংকলন।
উদাহরণ ২: বনফুল
ব্যাখ্যা: এটি বলাই চাঁদ মুখোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি ভানুসিংহ ছদ্মনামে পদ রচনা করতেন।
B) কাজী নজরুল ইসলাম — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি বাংলাদেশের জাতীয় কবি এবং তাঁর কোনো বিখ্যাত ছদ্মনাম ভানুসিংহ নয়।
C) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি বাংলা সাহিত্যের একজন খ্যাতনামা কথাশিল্পী যাঁর ছদ্মনাম অনিল চট্টোপাধ্যায় ছিল।
D) বলাই চাঁদ মুখোপাধ্যায় — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি মূলত বনফুল ছদ্মনামে সাহিত্য রচনা করতেন।
৫. মনে রাখার টিপস:
রবীন্দ্রনাথের শৈশবের ছদ্মনাম মনে রাখতে ভানুসিংহ শব্দটি মনে রাখুন। ভানু অর্থ সূর্য এবং রবীন্দ্রনাথ বাংলা সাহিত্যের সূর্যের মতো উজ্জ্বল।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ছদ্মনাম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অন্য ছদ্মনাম অক্ষয়চন্দ্র সরকার বা বেদব্যাস ইত্যাদি ভালো করে পড়ে রাখবেন।
সঠিক উত্তর: C) জাপানি
১. কেন সঠিক:
'রিক্সা' শব্দটি জাপানি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। জাপানি শব্দ 'জিনরিকশা' থেকে রিক্সা শব্দের উৎপত্তি হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি শব্দের উৎস বা শব্দের শ্রেণিবিভাগ সংক্রান্ত ব্যাকরণগত প্রশ্ন। বাংলা ভাষায় বিভিন্ন ভাষা থেকে নানা শব্দ প্রবেশ করেছে এবং উৎসের ভিত্তিতে শব্দগুলোকে তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি শব্দে ভাগ করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হারিকিরি
ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল পরিচিত জাপানি শব্দ যা বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: সুনামি
ব্যাখ্যা: এটিও জাপানি ভাষা থেকে আগত একটি শব্দ যা প্রাকৃতিক দুর্যোগ বোঝাতে বাংলায় ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তুর্কি — তুর্কি ভাষার শব্দ হলো দারোগা, চাকু, তোপ ইত্যাদি। রিক্সা তুর্কি শব্দ নয়।
B) কোরিয়ান — কোরিয়ান ভাষা থেকে সাধারণত সাধারণ বাংলা শব্দে তেমন কোনো প্রভাব নেই। তাই এটি ভুল।
D) পর্তুগিজ — পর্তুগিজ ভাষার শব্দ হলো আনারস, চাবি, বালতি ইত্যাদি। রিক্সা পর্তুগিজ শব্দ নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
জাপানি শব্দ মনে রাখার সহজ উপায় হলো জাপানিরা রিক্সা ও সুনামি পছন্দ করে। এভাবে উৎসের মিল করে মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। জাপানি, চীনা ও ওলন্দাজ শব্দগুলো আলাদা করে মুখস্থ রাখা উচিত।
সঠিক উত্তর: C) নিশীথিনী
১. কেন সঠিক:
নিশীথ শব্দের অর্থ মধ্যরাত্রি বা গভীর রাত। এর সঙ্গে ইনী প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নিশীথিনী শব্দটি গঠিত হয়েছে, যার অর্থ রাত বা রাত্রিকাল।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা বানানরীতির নিয়ম অনুযায়ী দীর্ঘ ঈ-কার ও হ্রস্ব ই-কারের সঠিক ব্যবহার জানা আবশ্যক। নিশীথ শব্দের মূল বানানে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহৃত হয় এবং এর সঙ্গে স্ত্রীবাচক প্রত্যয় যোগ করার সময়ও সঠিক বানানরীতি বজায় থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিভাবরী
ব্যাখ্যা: এটি নিশীথিনীর সমার্থক শব্দ যার অর্থ রাত।
উদাহরণ ২: যামিনী
ব্যাখ্যা: এটিও রাত বা নিশীথিনীর সমার্থক একটি বহুল ব্যবহৃত শব্দ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নিশিথিনী — নিশিথ শব্দের বানানে তালব্য শ-এ হ্রস্ব ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল কারণ মূল শব্দে দীর্ঘ ঈ-কার থাকে।
B) নীশিথিনী — নীশিথিনী বানানে প্রথম ন-এ দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক নয় কারণ এখানে হ্রস্ব ই-কার হওয়ার কথা।
D) নিশিথিনি — নিশিথিনি বানানে শেষাংশে হ্রস্ব ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে অথচ বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এখানে দীর্ঘ ঈ-কার হবে।
৫. মনে রাখার টিপস:
নিশীথ শব্দের বানান মনে রাখলে নিশীথিনী বানানটি সহজে আয়ত্ত করা যায়। মনে রাখবে নিশীথ শব্দের শেষে থ-এ দীর্ঘ ঈ-কার থাকে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রাত্রিকালবাচক শব্দগুলোর বানান প্রায়ই আসে। নিশীথ, নিশীথিনী, বিভাবরী এবং যামিনী শব্দগুলোর বানান ও অর্থ ভালো করে অনুশীলন করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
১. কেন সঠিক:
কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের ক্ষেত্রে তাঁর অনন্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সম্মানসূচক ডি-লিট (Doctor of Letters) ডিগ্রি প্রদান করে।
১৯৩৬ সালের ১ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় সমাবর্তনে তাঁকে এই বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের জগতে এক যুগান্তকারী নাম, যিনি সমাজের অবহেলিত মানুষের জীবনচিত্র নিপুণভাবে তুলে ধরেছেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিলিট ডিগ্রি প্রাপ্তির এই ঘটনাটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে লেখকের মর্যাদাকে আরও সুউচ্চ করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৩৬ সালে সম্মানসূচক ডিলিট ডিগ্রি লাভ করেন।
ব্যাখ্যা: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের পাশাপাশি একই বছরে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এই সম্মাননা প্রদান করে।
উদাহরণ ২: কাজী নজরুল ইসলাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৭৪ সালে সম্মানসূচক ডিলিট ডিগ্রি লাভ করেন।
ব্যাখ্যা: বাংলা সাহিত্যের প্রথিতযশা কবি ও লেখকদের বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক সম্মানসূচক ডিগ্রি প্রদানের এটি আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় — কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে এই ডিগ্রি প্রদান করেনি, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়।
B) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় — এটি সঠিক উত্তর কারণ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৩৬ সালে তাঁকে ডিলিট ডিগ্রি প্রদান করে।
C) বিশ্বভারতী — বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে এই সম্মানসূচক ডিগ্রি প্রদান করেনি, তাই এটি ভুল।
D) শান্তিনিকেতন — শান্তিনিকেতন কোনো বিশ্ববিদ্যালয় নয়, বরং এটি একটি শিক্ষাশ্রম ও পরবর্তীতে বিশ্বভারতীর অংশ, তাই এটি সঠিক নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর উভয়কেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় একই বছর অর্থাৎ ১৯৩৬ সালে সম্মানসূচক ডিলিট ডিগ্রি প্রদান করে।
এই তথ্যটি মনে রাখলে পরীক্ষা সংক্রান্ত বিভ্রান্তি এড়ানো সহজ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখক ও কবিদের প্রাপ্ত বিভিন্ন উপাধি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মাননা সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
এ ধরনের ক্ষেত্রে কোন সালে কোন প্রতিষ্ঠান থেকে সম্মাননা দেওয়া হয়েছে, তা ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) সেমিকোলন (;)
১. কেন সঠিক:
- বাক্যে কমা অপেক্ষা বেশি এবং দাড়ির চেয়ে কম বিরতির প্রয়োজন হলে সেমিকোলন বসাতে হয়।
- এটি মূলত দুটি স্বাধীন উপবাক্যের মধ্যে সংযোগ স্থাপনের জন্য ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণে বিরাম চিহ্ন বা যতিচিহ্ন বাক্যের অর্থ পরিষ্কার করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর প্রথম বাংলা লিপিতে বিরাম চিহ্নের সার্থক ব্যবহার করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কাল সকালে সে আসবে; কিন্তু কাজটি শেষ হবে কি না জানি না।
ব্যাখ্যা: এখানে দুটি সম্পূর্ণ ভাবের বাক্যাংশকে যুক্ত করতে কমা অপেক্ষা বেশি বিরতি হিসেবে সেমিকোলন ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: সংসার একটি নাট্যশালা বিশেষ; এখানে সবাইকে নিজ নিজ ভূমিকা পালন করতে হয়।
ব্যাখ্যা: এখানে প্রথম বাক্যাংশের পর গভীর সংযোগ বোঝাতে এবং একটু বেশি সময় থামতে সেমিকোলন বসেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দাড়ি (!) — এটি বাক্যের সমাপ্তি নির্দেশ করে এবং সবচেয়ে বেশি বিরতির প্রয়োজন হলে বসে।
B) কোলন (:) — এটি একটি অপূর্ণ বাক্যের পর অন্য কোনো বাক্যের অবতারণা করতে বা উদাহরণ টানতে ব্যবহৃত হয়।
C) সেমিকোলন (;) — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) ড্যাস (-) — এটি যৌগিক বা মিশ্র বাক্যে পৃথক ভাবের বা বিশদ বিবরণের ইঙ্গিত দিতে ব্যবহৃত হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বিরতির সময় মনে রাখার সহজ ক্রম হলো কমা, সেমিকোলন, দাড়ি।
- কমা মানে থামো সামান্য, সেমিকোলন মানে কমার দ্বিগুণের মতো থামো, দাড়ি মানে বাক্য শেষ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিরাম চিহ্নগুলোর বাংলা নাম ও ইংরেজি নাম ভালো করে পড়তে হবে।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে বাংলা বিরাম চিহ্নের প্রবর্তক বলা হয়।
সঠিক উত্তর: C) অব্যয়
১. কেন সঠিক:
- উপসর্গ হলো এক ধরনের অব্যয় জাতীয় শব্দাংশ, যা স্বাধীন পদ হিসেবে ব্যবহৃত হয় না।
- এগুলো শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে এবং বাক্যের ভাব সম্প্রসারণ করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- উপসর্গ হলো কতগুলো অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা অন্য শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে।
- বাংলা ভাষায় উপসর্গগুলোকে মূলত তিন ভাগে ভাগ করা হয় যেমন বাংলা উপসর্গ, তৎসম উপসর্গ এবং বিদেশি উপসর্গ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: প্র + হার = প্রহার
ব্যাখ্যা: এখানে 'প্র' একটি অব্যয় জাতীয় উপসর্গ যা 'হার' শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থ প্রকাশ করেছে।
উদাহরণ ২: পরি + পূর্ণ = পরিপূর্ণ
ব্যাখ্যা: এখানে 'পরি' উপসর্গটি মূল শব্দের পূর্বে যুক্ত হয়ে শব্দের অর্থকে সম্পূর্ণতা দান করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিশেষ্য — বিশেষ্য হলো কোনো কিছুর নাম পদ, কিন্তু উপসর্গ কোনো নাম বোঝায় না।
B) সর্বনাম — সর্বনাম বিশেষ্যের পরিবর্তে ব্যবহৃত হয়, যা উপসাগরের কাজ নয়।
C) অব্যয় — সঠিক কারণ উপসর্গ নিজে স্বতন্ত্রভাবে ব্যবহৃত না হলেও এর শ্রেণিগত রূপ অব্যয়।
D) বিশেষণ — বিশেষণ দোষ গুণ অবস্থা প্রকাশ করে, কিন্তু উপসর্গ তা করে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- উপসর্গকে মনে রাখার জন্য ভাবুন এটি শব্দের আগে বসে অব্যয়ের মতো নতুন অর্থ তৈরি করে।
- উপসর্গ মানেই শব্দের পূর্বের অব্যয়সূচক শব্দাংশ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই উপসাগরের সংখ্যা ও কাজ সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
- মনে রাখবেন উপসর্গ নিজে স্বাধীন পদ নয়, তবে শব্দ গঠনের ক্ষেত্রে এর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: D) কৃ + তব্য
১. কেন সঠিক:
- ‘কর্তব্য’ শব্দটি সংস্কৃত কৃ ধাতুর সঙ্গে তব্য প্রত্যয় যোগে গঠিত হয়েছে।
- কৃ ধাতুর অর্থ হলো কোনো কিছু করা বা সম্পাদন করা।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ধাতুর সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠনের প্রক্রিয়াকে কৃতপ্রত্যয় বা কৃৎ প্রত্যয় বলা হয়।
- কৃ হলো একটি সংস্কৃত ধাতু এবং তব্য হলো ভবিষ্যৎ ও অবশ্যক অর্থে ব্যবহৃত একটি প্রত্যয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: √দা + তব্য = দাতব্য
ব্যাখ্যা: এটি কৃৎ প্রত্যয় যোগে গঠিত একটি শব্দ যার অর্থ দেওয়ার যোগ্য বা দান সংক্রান্ত।
উদাহরণ ২: √ভী + তব্য = ভিতব্য
ব্যাখ্যা: এটিও ধাতু ও প্রত্যয়ের নিয়মে গঠিত শব্দ যার অর্থ ভয়ের যোগ্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কব + তব্য — কব কোনো সঠিক সংস্কৃত ধাতু নয় তাই এটি ভুল।
B) কব্ + তব্য — কব্ বাংলা বা সংস্কৃত ব্যাকরণে প্রমিত ধাতু হিসেবে স্বীকৃত নয়।
C) কর্তা + অব্য — কর্তা একটি শব্দ বা প্রাতিপদিক এবং অব্য প্রত্যয় ব্যাকরণসম্মত নয়।
D) কৃ + তব্য — এটি সঠিক কারণ কৃ ধাতু ও তব্য প্রত্যয় মিলে কর্তব্য শব্দ গঠিত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- কর্তব্য শব্দ দেখলে প্রথমে কৃ ধাতু মনে রাখবে কারণ এর অর্থ করা।
- তব্য প্রত্যয় যোগে গঠিত শব্দগুলো সাধারণত অবশ্যক বা উচিত অর্থ প্রকাশ করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধাতু ও প্রত্যয় নির্ণয়ের ক্ষেত্রে প্রমিত মূল ধাতু চেনা জরুরি।
- একই নিয়মে কৃ ধাতুর সঙ্গে অন্য প্রত্যয় যোগ করে নতুন শব্দ তৈরি করা যায় যেমন ককার।
সঠিক উত্তর: B) বনঃ + পতি
১. কেন সঠিক:
এটি একটি বিসর্গ সন্ধির উদাহরণ যেখানে পতি শব্দের পূর্বে বিসর্গ রয়েছে।
বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী বিসর্গের পর প বা ফ থাকলে বিসর্গ স্থানে মূর্ধন্য স হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বিসর্গের সাথে স্বরধ্বনি বা ব্যঞ্জনধ্বনির মিলনে যে সন্ধি হয় তাকে বিসর্গ সন্ধি বলে।
এখানে বনঃ পদের বিসর্গের পর প থাকার কারণে বিসর্গ পরিবর্তিত হয়ে মূর্ধন্য স রূপ ধারণ করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাচস্পতি = বাচঃ + পতি
ব্যাখ্যা: বিসর্গের পর প থাকায় বিসর্গ স্থানে স হয়েছে।
উদাহরণ ২: মনঃপীড়া = মনঃ + পীড়া
ব্যাখ্যা: বিসর্গের পর প থাকার কারণে সন্ধির নিয়মে স যুক্ত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বনস + পতি — এটি সন্ধির প্রমিত বা সঠিক নিয়ম মেনে গঠিত হয়নি কারণ এখানে বিসর্গ বাদ দেওয়া হয়েছে।
C) বন + পতি — এটি সাধারণ সংযোগ হলেও সঠিক সন্ধিগত রূপ নয় কারণ বিসর্গ অনুপস্থিত।
D) বনো + পতি — এখানে ওকার যোগ করা হয়েছে যা এই শব্দের সন্ধির ক্ষেত্রে ব্যাকরণসম্মত নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
বিসর্গের পর প বা ফ থাকলে বিসর্গ স এ রূপান্তরিত হয়।
বনস্পতি শব্দের ক্ষেত্রে বনঃ এর সাথে পতি যুক্ত হয়ে বনস্পতি গঠিত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিসর্গ সন্ধি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
প বা ফ যুক্ত শব্দ দেখলে বিসর্গ সন্ধির এই বিশেষ নিয়মটি প্রয়োগ করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) দ্বিগু সমাস
১. কেন সঠিক:
- সমাসের নিয়মানুসারে সংখ্যাবাচক শব্দের সঙ্গে সমাহার বা মিলন অর্থে বিশেষ্য পদের যে সমাস হয়, তাকে দ্বিগু সমাস বলে।
- 'তেপান্তর' শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো তিন প্রান্তের সমাহার, যেখানে 'তিন' একটি সংখ্যাবাচক শব্দ এবং 'প্রান্ত' বিশেষ্য পদ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- দ্বিগু সমাসে সমাসবদ্ধ পদটি সবসময় বিশেষ্য পদ হয় এবং এর অর্থ সমষ্টি বা সমাহার প্রকাশ করে।
- সংখ্যাবাচক শব্দের সাথে বিশেষ্য পদের মিলনে এই সমাস সাধিত হয় এবং উত্তরপদে সমাসবদ্ধ পদের প্রধান্য থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চতুরঙ্গ
ব্যাখ্যা: চার অঙ্গের সমাহার, যা দ্বিগু সমাসের একটি классический উদাহরণ।
উদাহরণ ২: ত্রিভুজ
ব্যাখ্যা: তিন বাহুর সমাহার, যা সংখ্যাবাচক শব্দ ও বিশেষ্য পদের মিলনে দ্বিগু সমাস হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দ্বন্দ্ব সমাস — যে সমাসে উভয় পদের অর্থের সমান প্রাদান্য থাকে এবং ব্যাসবাক্যে 'ও', 'এবং', 'কিংবা' ব্যবহৃত হয়, কিন্তু 'তেপান্তর'-এ তা নেই।
B) অব্যয়ীভাব — পূর্বপদের অর্থ প্রধান হয়ে যে সমাস হয় এবং অব্যয় যোগে গঠিত হয়, কিন্তু 'তেপান্তর' অব্যয় দিয়ে গঠিত নয়।
D) কর্মধারয় — বিশেষণ ও বিশেষ্য পদের মিলনে যে সমাস হয়, কিন্তু সংখ্যাবাচক শব্দের সমাহার বুঝালে তা দ্বিগু সমাসের অন্তর্ভুক্ত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সংখ্যাবাচক শব্দের সাথে সমাহার বা সমষ্টি বোঝালে চোখ বন্ধ করে দ্বিগু সমাস দাগাবে।
- তেপান্তর মানে তিন প্রান্তের সমাহার, তাই এটি দ্বিগু সমাস।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সংখ্যাবাচক সমাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই দ্বিগু ও বহুভ্রীহি সমাসের পার্থক্য ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
- সমাস নির্ণয়ের সময় প্রথমে ব্যাসবাক্য করে অর্থ বুঝতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) অনন্যমনা
১. কেন সঠিক:
- অন্য দিকে মন নেই যার, তাকে এককথায় অনন্যমনা বলা হয়।
- এটি মূলত গভীর মনোযোগ বা একাগ্রতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকরণগত অংশ।
- বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যমেই বাক্যের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অন্য সাধারণ নয় যা = অনন্য
ব্যাখ্যা: সাধারণ থেকে আলাদা বা শ্রেষ্ঠ বোঝাতে এই এককথায় প্রকাশ ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: অন্য উপায় নেই যার = অনন্যোপায়
ব্যাখ্যা: কোনো বিকল্প বা পথ খোলা নেই এমন পরিস্থিতি বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অনন্যমনা — এটি সঠিক উত্তর এবং প্রদত্ত বাক্যের সঙ্গে সরাসরি মিলে যায়।
B) অন্যপক্ষ — এটি অন্য কোনো পক্ষ বা দল বোঝায়, যা মনোযোগহীনতা প্রকাশ করে না।
C) অগত্যা — এর অর্থ নিরুপায় হয়ে বা বাধ্য হয়ে, যা বাক্যটির সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়।
D) অনন্যোপায় — এর অর্থ যার অন্য কোনো উপায় বা বিকল্প নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
- প্রশ্নে অন্য মনে না থাকা বা একাগ্রতা থাকলে উত্তর হবে অনন্যমনা।
- অন্য কোনো উপায় না থাকলে উত্তর হবে অনন্যোপায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
- বাক্যের অর্থ ভালোভাবে অনুধাবন করলে সঠিক অপশন নির্বাচন করা সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: B) ৩ প্রকার
১. কেন সঠিক:
অর্থানুসারে বাংলা শব্দকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়। এই শ্রেণিবিভাগটি শব্দের অর্থপ্রকাশের ক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে করা হয়ে থাকে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
অর্থের দিক থেকে বাংলা শব্দসমূহকে যৌগিক, রুহি বা রূঢ় এবং যোগরূঢ় এই তিন ভাগে ভাগ করা হয়। এই শ্রেণিবিভাগ শব্দতত্ত্বের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গায়ক
ব্যাখ্যা: এটি একটি যৌগিক শব্দ কারণ এর পদের অর্থ প্রকৃতি ও প্রত্যয়ের অর্থের অনুগামী।
উদাহরণ ২: প্রবীণ
ব্যাখ্যা: এটি একটি রূঢ় শব্দ কারণ এর প্রচলিত অর্থ মূল ব্যুৎপত্তিগত অর্থ থেকে আলাদা।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২ প্রকার — শব্দের উৎসমূলক বা রূপগত শ্রেণিবিভাগ দুই প্রকার হতে পারে, কিন্তু অর্থানুসারে এটি ভুল।
B) ৩ প্রকার — এটি সঠিক কারণ অর্থানুসারে শব্দ তিন প্রকার।
C) ৪ প্রকার — বাংলা ব্যাকরণে অর্থানুসারে শব্দের সংখ্যা চার প্রকার নয়।
D) ৫ প্রকার — উৎসের দিক থেকে শব্দ পাঁচ প্রকার, তাই এই অপশনটি এখানে সঠিক নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
অর্থানুসার শব্দ মনে রাখার সহজ কৌশল হলো যৌগিক, রূঢ় ও যোগরূঢ় এই তিনটি নাম মুখস্থ রাখা। এর জন্য জ - র - য সূত্রটি মনে রাখতে পারো।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই শব্দার্থ ও শব্দের শ্রেণিবিভাগ থেকে প্রশ্ন আসে। যৌগিক ও রূঢ় শব্দের পার্থক্য ভালোভাবে আয়ত্ত করা জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) অনুপাত
১. কেন সঠিক:
Ratio শব্দটির বাংলা পারিভাষিক রূপ হলো অনুপাত।
গণিত বা পরিমাপে দুটি সমজাতীয় রাশির তুলনামূলক সম্পর্ক বোঝাতে এই পরিভাষাটি ব্যবহার করা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি পারিভাষিক শব্দ সংক্রান্ত ব্যাকরণগত প্রশ্ন।
প্রমিত বাংলা ভাষার শব্দভান্ডার সমৃদ্ধ করতে ইংরেজি বা ভিনদেশি শব্দের নির্ভুল বাংলা রূপ হিসেবে পারিভাষিক শব্দ ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: Proportion শব্দের পারিভাষিক রূপ সমানুপাত।
ব্যাখ্যা: গণিত ও যুক্তিশাস্ত্রে রাশির পারস্পরিক সম্পর্ক বোঝাতে এই পারিভাষিক শব্দ ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: Fraction শব্দের পারিভাষিক রূপ ভগ্নাংশ।
ব্যাখ্যা: পূর্ণ সংখ্যার অংশ বিশেষ বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নিত্যক্রম — এটি একটি বিশেষ প্রক্রিয়া বা রুটিন বোঝায়, যার ইংরেজি প্রতিশব্দ ভিন্ন।
B) ভগ্নাংশ — এটি Fraction শব্দের পারিভাষিক রূপ, Ratio শব্দের জন্য এটি প্রযোজ্য নয়।
C) অনুপাত — এটি সঠিক পারিভাষিক রূপ।
D) সারি — এটি Row বা Line শব্দের পারিভাষিক রূপ, তাই এটি এখানে ভুল।
৫. মনে রাখার টিপস:
গণিতের অনুপাত ও সমানুপাত অধ্যায় মনে রাখলে Ratio শব্দটির অর্থ সহজে মনে রাখা যায়।
ইংরেজি আর বাংলা আদ্যক্ষরের মিল না থাকলেও গণিত চর্চার মাধ্যমে পারিভাষিক শব্দগুলো আয়ত্ত করা সহজ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ইংরেজি পরিভাষার সঠিক বাংলা রূপ প্রায়ই আসে।
নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে প্রশাসন, আইন ও গণিতের সাধারণ পারিভাষিক শব্দগুলো মুখস্থ রাখা আবশ্যক।
সঠিক উত্তর: A) চর্যাপদ
১. কেন সঠিক:
চর্যাপদ হলো বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন বা আদি নিদর্শন, যা বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের একমাত্র প্রামাণ্য ঐতিহাসিক দলিল।
ভাষাতাত্ত্বিক বিশ্লেשণে প্রমাণিত হয়েছে যে চর্যাপদের ভাষা বাংলা ভাষার আদি রূপ, যার মাধ্যমে বাংলা ভাষার জন্ম ও বিকাশ স্পষ্ট হয়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
চর্যাপদ আবিষ্কার করেন হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে এবং ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে এটি হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় রচিত বৌদ্ধ গান ও দোহা নামে প্রকাশ করেন।
ডক্টর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় তাঁর ওডিবিএল গ্রন্থে বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে প্রমাণ করেন যে চর্যাপদের ভাষা মূলত বাংলা ভাষার প্রাচীন রূপ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সবুজের অভিযান
ব্যাখ্যা: এটি একটি সাহিত্যিক উদাহরণ যা প্রমথ চৌধুরীর প্রবন্ধ এবং আধুনিক বাংলা সাহিত্যের গতিশীলতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: সঞ্চয়িতা
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিভিন্ন কবিতার সংকলন যা বাংলা সাহিত্যের মধ্য ও আধুনিক যুগের বিকাশ বোঝায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চর্যাপদ — এটি বাংলা ভাষার আদি নিদর্শন হওয়ায় সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে।
B) শ্রীকৃষ্ণ কীর্তন কাব্য — এটি বড়ু চণ্ডীদাস রচিত মধ্যযুগের প্রথম নিদর্শন, কিন্তু আদি নিদর্শন নয়।
C) বঙ্গবাণী — এটি আব্দুল হাকিম রচিত মধ্যযুগের একটি বিখ্যাত কবিতা, যা মাতৃভাষার প্রতি প্রীতির নিদর্শন।
D) অন্নদামঙ্গল — এটি ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর রচিত অষ্টাদশ শতকের একটি বিখ্যাত মঙ্গলকাব্য, যা আধুনিক যুগের বহু পরে রচিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
আদি নিদর্শন মানেই চর্যাপদ এবং এটি আবিষ্কার করেন হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে।
মধ্যযুগের প্রথম নিদর্শন শ্রীকৃষ্ণ কীর্তন, এই দুটি গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের একমাত্র নির্দেশনার নাম জানতে চাইলে উত্তর হবে চর্যাপদ।
চর্যাপদের পদের সংখ্যা এবং রচয়িতাদের পদসংখ্যা সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই পরীক্ষণে আসে।
সঠিক উত্তর: D) ভারত চন্দ্র রায় গুণাকর
১. কেন সঠিক:
মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের শেষ কবি হিসেবে ভারতচন্দ্র রায় গুণাকরকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। তিনি অষ্টাদশ শতকের কবি এবং তার বিখ্যাত কাব্য অন্নদামঙ্গল বাংলা মধ্যযুগের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সমাপ্তিমূলক সাহিত্যকর্ম।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর ছিলেন নদীয়া রাজসভার কবি এবং রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের পৃষ্ঠপোষকতা লাভ করেছিলেন। তার সবচেয়ে বিখ্যাত কাব্য অন্নদামঙ্গল তিন ভাগে বিভক্ত যার মধ্যে বিদ্যাসুন্দর অংশটি খুবই জনপ্রিয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অন্নদামঙ্গল কাব্য।
ব্যাখ্যা: এটি ভারতচন্দ্র রায় গুণাকরের সর্বশ্রেষ্ঠ এবং মধ্যযুগের অন্তিম পর্বের বিখ্যাত কাব্য।
উদাহরণ ২: সত্যনারায়ণ কথা।
ব্যাখ্যা: এটিও ভারতচন্দ্র রায় গুণাকরের একটি উল্লেখযোগ্য রচনা যা মধ্যযুগের শেষ ভাগে রচিত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আব্দুল হাকিম — এটি সঠিক নয় কারণ তিনি মধ্যযুগের সপ্তদশ শতকের কবি এবং তার বিখ্যাত কাব্য নূরনামা।
B) বড়ু চণ্ডীদাস — এটি সঠিক নয় কারণ তিনি মধ্যযুগের একদম শুরুর দিকের কবি এবং শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের রচয়িতা।
C) আলাওল — এটি সঠিক নয় কারণ তিনি সপ্তদশ শতকের রোমান্টিক ধারার মধ্যযুগের মধ্যভাগের একজন শ্রেষ্ঠ কবি।
D) ভারত চন্দ্র রায় গুণাকর — এটি সঠিক কারণ তিনি মধ্যযুগের একেবারে শেষভাগে আবির্ভূত হয়েছিলেন এবং তার মৃত্যুর মধ্য দিয়ে মধ্যযুগের সমাপ্তি ঘটে।
৫ মনে রাখার টিপস:
মধ্যযুগের শেষ কবি মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো যে ভারতচন্দ্রই মধ্যযুগের সূর্য অস্ত যাওয়ার ঠিক আগের উজ্জ্বল নক্ষত্র। অন্নদামঙ্গল কাব্য দিয়েই মধ্যযুগের সমাপ্তি ঘটেছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে মধ্যযুগের শেষ কবি কে অথবা অন্নদামঙ্গল কার রচনা। এই প্রশ্নটি ভালোভাবে আয়ত্ত করলে মধ্যযুগের কালপঞ্জি বুঝতে সুবিধা হবে।
সঠিক উত্তর: B) ঈশ্বর চন্দ্র গুপ্ত
১. কেন সঠিক:
বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগ ও আধুনিক যুগের সংযোগস্থল বা সন্ধিক্ষণের কবি হিসেবে ঈশ্বর চন্দ্র গুপ্তকে অভিহিত করা হয়।
তাঁর কাব্যে মধ্যযুগের পয়ার ছন্দের প্রভাব এবং আধুনিক যুগের স্বদেশের প্রতি অনুরাগ ও সমসাময়িক সমাজের সমালোচনা একসঙ্গে প্রকাশ পেয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
ঈশ্বর চন্দ্র গুপ্ত ছিলেন উনিশ শতকের প্রথমার্ধের একজন বিশিষ্ট কবি ও সাংবাদিক এবং তিনি সংবাদ প্রভাকর পত্রিকা সম্পাদনা করতেন।
বাংলা কবিতায় আধুনিকতার সূচনা ঘটলেও তাঁর রচনারীতিতে মধ্যযুগের অবশিষ্টাংশ এবং আধুনিক যুগের চিন্তাধারার এক অপূর্ব সংমিশ্রণ লক্ষ করা যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ঈশ্বর চন্দ্র গুপ্ত সম্পাদিত সংবাদ প্রভাকর পত্রিকাটি ১৮৩১ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।
ব্যাখ্যা: এই পত্রিকার মাধ্যমেই উনিশ শতকের অনেক নবীন লেখক ও কবি সাহিত্যজগতে পরিচিতি লাভ করেছিলেন।
উদাহরণ ২: তাঁর রচিত বিখ্যাত কবিতা হলো কবি জীবন চরিত।
ব্যাখ্যা: এই রচনার মাধ্যমে তিনি প্রাচীন ও মধ্যযুগের কবিদের জীবনী ও সাহিত্যকর্ম সংরক্ষণ করার প্রথম সার্থক উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিহারীলাল চক্রবর্তী — ইনি ভোরের পাখি হিসেবে পরিচিত এবং বাংলা গীতি কবিতার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একজন কবি।
C) ভারত চন্দ্র রায় — ইনি মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের ধারার শেষ এবং অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি যিনি গুণাকর উপাধিতে ভূষিত হন।
D) আলাওল — ইনি সপ্তদশ শতকের রোমান্টিক ধারার মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মুসলমান কবি যিনি পদ্মাবতী কাব্য রচনা করেন।
৫ মনে রাখার টিপস:
মধ্যযুগ ও আধুনিক যুগের মাঝখানে অর্থাৎ সন্ধিক্ষণে সেতু তৈরি করেছিলেন ঈশ্বর চন্দ্র গুপ্ত।
কবি ঈশ্বর চন্দ্র গুপ্তের নাম মনে রাখলেই যুগ সন্ধিক্ষণের কবির নাম সহজেই মনে রাখা সম্ভব।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএসসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি বারবার আসে।
মধ্যযুগের শেষ কবি ভারত চন্দ্র রায় এবং আধুনিক যুগের সূচনার আগের সন্ধিক্ষণের কবি ঈশ্বর চন্দ্র গুপ্ত, এই পার্থক্যটি ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) মাইকেল মধুসুদন দত্ত
১. কেন সঠিক:
- মাইকেল মধুসুদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে প্রথম সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতা প্রবর্তন করেন।
- ইতালীয় কবি পেত্রার্কের সনেট শৈলী থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি বাংলায় এই ধারার সূচনা করেন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মাইকেল মধুসুদন দত্ত বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহাকাব্য মেঘনাদবধ কাব্যের রচয়িতা।
- তিনি বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দেরও প্রবর্তক।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বঙ্গভাষা
ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসুদন দত্তের রচিত একটি বিখ্যাত চতুর্দশপদী কবিতা বা সনেট।
উদাহরণ ২: কব্জি
ব্যাখ্যা: সনেটের গঠনে সাধারণত প্রথম আট লাইনে ভাবের প্রবর্তনা এবং শেষ ছয় লাইনে তার পরিণতি থাকে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মাইকেল মধুসুদন দত্ত — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি বাংলায় সনেট প্রবর্তন করেন।
B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বাংলা সাহিত্যে সনেট রচনা করলেও এর প্রবর্তক নন।
C) অমিয় চক্রবর্তী — তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি হলেও সনেটের প্রবর্তক নন।
D) বিষ্ণু দে — তিনি রবীন্দ্রোত্তর যুগের একজন প্রগতিশীল কবি এবং বুদ্ধদেব বসুর সহযাত্রী ছিলেন।
৫. মনে রাখার টিপস:
- চতুর্দশপদী কবিতা বা সনেটের ক্ষেত্রে মাইকেল মধুসুদন দত্তের নাম সবার আগে মনে রাখতে হবে।
- মনে রাখতে হবে মধুসুদন দত্ত সনেটের পাশাপাশি অমিত্রাক্ষর ছন্দেরও জনক।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- মধুসুদন দত্তের চতুর্দশপদী কবিতা সংকলনটির নাম চতুর্দশপদী কবিতাবলী।
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাহিত্যিকদের প্রথম অবদান সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: A) অগ্নি
১. কেন সঠিক:
- ‘পাবক’ একটি সংস্কৃত শব্দ যার অর্থ আগুন বা অগ্নি।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ হিসেবে ‘অগ্নি’ শব্দের বিভিন্ন প্রতিশব্দ প্রায়ই আসে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দগুলোর সমষ্টি যেগুলোর অর্থ প্রায় একই রকম হয়।
- বাংলা ভাষায় তৎসম, তদ্ভব ও দেশি শব্দের বহু সমার্থক শব্দ রয়েছে যা বাক্যের সৌন্দর্য ও ভাব প্রকাশে সহায়তা করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বহ্নি
ব্যাখ্যা: এটি ‘অগ্নি’ বা ‘পাবক’ শব্দের অপর একটি বহুল ব্যবহৃত সমার্থক শব্দ।
উদাহরণ ২: হুতাশন
ব্যাখ্যা: হুত বা যজ্ঞের আগুন বোঝাতে ‘হুতাশন’ শব্দটি ‘অগ্নি’র সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অগ্নি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি পাবক শব্দের সরাসরি সমার্থক।
B) নয়ন — এই শব্দটির অর্থ চোখ বা চক্ষু, যা আগুন বা পাবক শব্দের সমার্থক নয়।
C) পুত্র — এই শব্দটির অর্থ ছেলে বা তনয়, যা পাবক শব্দের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) অধিপতি — এই শব্দটির অর্থ প্রধান, রাজা বা স্বামী, যা পাবক শব্দের সমার্থক নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- পাবক মানে পবিত্র আগুন, তাই প দিয়ে শুরু পাবক এবং পবিত্র শব্দটি একসঙ্গে মনে রাখতে পারো।
- অগ্নি শব্দের অন্যান্য সমার্থক যেমন অনল, বহ্নি ও হুতাশন একসঙ্গে ছন্দে মনে রাখা সহজ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অগ্নি শব্দের প্রতিশব্দ হিসেবে অনল, পাবক ও বহ্নি খুব বেশি আসে।
- সমার্থক শব্দ মুখস্থ না করে বারবার চর্চা করলে পরীক্ষায় সহজেই সঠিক উত্তর চিহ্নিত করা যায়।
সঠিক উত্তর: B) সত্য
১. কেন সঠিক:
- ‘অলীক’ শব্দের অর্থ হলো যা সত্য নয়, অর্থাৎ মিথ্যা, অবাস্তব, মায়াবী বা কাল্পনিক। এর সরাসরি বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে ‘সত্য’ শব্দটি।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ ও বিপরীতার্থক শব্দ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে শব্দের মূল ভাব বুঝতে হয়। এখানে অলীক মানে কল্পিত বা অসত্য, তাই এর বিপরীতে বাস্তব বা সত্য হবে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা ব্যাকরণের শব্দভান্ডার অংশের সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দ বিষয়ক একটি প্রশ্ন। ভাষার সমৃদ্ধি এবং সঠিক ভাব প্রকাশের জন্য বিপরীত শব্দের ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- বাংলা ভাষায় বিপরীত শব্দ গঠনের সময় তৎসম শব্দের বিপরীতে তৎসম শব্দ এবং দেশি বা বিদেশি শব্দের বিপরীতে সমজাতীয় শব্দ ব্যবহারের নিয়ম সাধারণভাবে অনুসৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আকাশ − পাতাল
ব্যাখ্যা: আকাশ একটি ঊর্ধ্বমুখী বা উচু স্থান বোঝায় এবং এর বিপরীত শব্দ পাতাল নিম্নদেশ বোঝায়।
উদাহরণ ২: অনুরাগ − বিরাগ
ব্যাখ্যা: অনুরাগ শব্দের অর্থ গভীর ভালোবাসা বা আসক্তি, যার বিপরীত শব্দ বিরাগ বা অনাসক্তি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মিথ্যা — ‘মিথ্যা’ এবং ‘অলীক’ প্রায় সমার্থক শব্দ, কারণ দুটির অর্থই অসত্য, তাই এটি বিপরীত শব্দ হতে পারে না।
B) সত্য — এটি সঠিক উত্তর।
C) সচল — ‘সচল’ শব্দের অর্থ যা গতিশীল বা চলে, এর বিপরীত শব্দ হলো অচল বা স্থবির।
D) হিংসা — ‘হিংসা’ শব্দের অর্থ অসূয়া বা শত্রুভাব, এর বিপরীত শব্দ হলো প্রীতি বা ভালোবাসা।
৫ মনে রাখার টিপস:
- অলীক মানে মিথ্যা বা অবাস্তব কল্পনা। কল্পনা সবসময় সত্যের উল্টো হয়, তাই অলীক এর বিপরীত সত্য।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ প্রায়ই আসে। তাই সংস্কৃত বা তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দগুলো আলাদা করে চর্চা করা উচিত।
সঠিক উত্তর: A) উপন্যাস
কেন সঠিক:
- সুলতানার স্বপ্ন মূলত একটি নারীবাদী কল্পবিজ্ঞানমূলক কাহিনী।
- সাহিত্যিক বিন্যাস ও বর্ণনার ধরনে এটি একটি সফল উপন্যাস হিসেবে পরিগণিত।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বেগম রোকেয়া সাখাওয়াতের প্রথম ইংরেজি রচনা সুলতস ড্রিম এর বাংলা রূপান্তর।
- এই সাহিত্যে পুরুষতান্ত্রিক সমাজের বিপরীত চিত্র বা লাডল্যাণ্ড নামক একটি কাল্পনিক নারীদের রাজ্যের বর্ণনা রয়েছে।
- এটি মূলত নারী মুক্তি ও প্রগতির পক্ষে রচিত একটি রূপকধর্মী গদ্য সাহিত্য।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) উপন্যাস — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি একটি পূর্ণাঙ্গ কাল্পনিক কাহিনীমূলক গদ্য গ্রন্থ।
- B) কাব্যগ্রন্থ — এটি কোনো পদ্য বা কবিতার সংকলন নয়, তাই এই অপশন ভুল।
- C) প্রবন্ধ গ্রন্থ — যদিও এতে জোরালো সামাজিক বার্তা আছে, তবে এর মূল কাঠামো প্রবন্ধের মতো তথ্যমূলক নয় বরং একটি কাল্পনিক কাহিনীর উপন্যাস।
- D) নাটক — এতে কোনো সংলাপভিত্তিক দৃশ্যপট বা নাট্যরূপের বিন্যাস নেই, তাই এটি নাটক নয়।
মনে রাখার টিপস:
- বেগম রোকেয়ার বিখ্যাত কল্পবিজ্ঞান মূলক নারীবাদী উপন্যাস হলো সুলতানার স্বপ্ন।
সঠিক উত্তর: C) yielded
কেন সঠিক:
বাক্যের প্রেক্ষাপটে শত্রু পক্ষের আত্মসমর্পণ করার বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছে।
Give in একটি ফ্রেজাল ভার্ব যার অর্থ হার স্বীকার করা বা নতি স্বীকার করা।
Yielded শব্দের অর্থও আত্মসমর্পণ করা বা বশ্যতা স্বীকার করা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Friday — এটি একটি দিনের নাম এবং প্রদত্ত ফ্রেজাল ভার্বের অর্থের সাথে এর কোনো মিল নেই।
B) fainted — এর অর্থ জ্ঞান হারিয়ে ফেলা, যা এখানে শত্রু পক্ষের পরাজয়ের অর্থের সাথে সংগতিপূর্ণ নয়।
C) yielded — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না।
D) Moved back — এর অর্থ পিছনে সরে যাওয়া, যা সরাসরি আত্মসমর্পণ করার পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করে না।
মনে রাখার টিপস:
Give in ফ্রেজাল ভার্ব দেখলে মনে রাখবে এর অর্থ হলো মাথা নত করা বা হেরে যাওয়া যার সমার্থক শব্দ yielded।
সঠিক উত্তর: B) By moving you will die
কেন সঠিক:
প্রদত্ত প্রশ্নটিতে Imperative sentence-এ 'and' যুক্ত হয়ে দুটি বিপরীত বা পরিণতির কাজ বোঝাচ্ছে। তাই Simple sentence করার সময় 'By + verb + ing' গঠন ব্যবহার করতে হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) If you move, you will die — এটি একটি Complex sentence, যা প্রশ্ন অনুযায়ী Simple নয়।
B) By moving you will die — এটি সঠিক উত্তর।
C) Without moving you will die — এটি অর্থের দিক থেকে বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
D) If you do not move, you will die — এটি Negative অর্থ প্রকাশ করে Complex sentence হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
Imperative sentence-এ and থাকলে Simple করার সময় By + verb + ing এবং or থাকলে Without + verb + ing ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) criterion
কেন সঠিক:
'Criteria' শব্দটি একটি গ্রিক মূলের বহুবচন রূপ।
এর একবচন বা singular রূপ হিসেবে 'criterion' ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) criterium — এটি সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি শব্দ যার অর্থ সাইকেল প্রতিযোগিতা।
B) criterion — এটি সঠিক হওয়ায় এই অপশনটি ভুল।
C) criteri — এটি ইংরেজি ব্যাকরণ অনুযায়ী কোনো সঠিক শব্দ নয়।
D) criterius — এটি একটি কাল্পনিক শব্দ যার কোনো ভিত্তি নেই।
মনে রাখার টিপস:
যেকোনো শব্দের শেষে on থাকলে তা singular এবং a থাকলে তা plural হয়, যেমন criterion থেকে criteria।
সঠিক উত্তর: D) frighten
কেন সঠিক:
Intimidate শব্দটির অর্থ কাউকে ভয় দেখানো বা ত্রাস সৃষ্টি করা।
Frighten শব্দটির অর্থও একই রকম অর্থাৎ কাউকে ভয় পাইয়ে দেওয়া।
তাই এই দুটি শব্দের অর্থ পুরোপুরি মিলে যায়।
এটি এই প্রশ্নের সবচেয়ে সঠিক সমার্থক শব্দ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) weaken — এই শব্দটির অর্থ দুর্বল করা, যা মূল শব্দের সাথে মেলে না।
B) depress — এই শব্দটির অর্থ মন খারাপ করা বা হতাশ করা, যা সঠিক সমার্থক নয়।
C) encourage — এই শব্দটির অর্থ উৎসাহ দেওয়া, যা ভীতি প্রদর্শনের সম্পূর্ণ বিপরীত।
D) frighten — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
Intimidate শব্দটি দেখলে মনে রাখবে এটি frighten বা ভয়ের সাথে সম্পর্কিত।
সঠিক উত্তর: B) A few number of students was present.
কেন সঠিক:
এখানে subject হিসেবে A few number of students ব্যবহৃত হয়েছে।
তাই নিয়ম অনুযায়ী এখানে verb singular হবে এবং was সঠিক হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) A few number of students were present — এখানে plural verb were ব্যবহার করা হয়েছে যা নিয়ম অনুযায়ী ভুল।
B) A few number of students was present — এটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং এখানে কোনো ব্যাকরণগত ভুল নেই।
C) A few number of student were present — এখানে student singular রাখা হয়েছে এবং verb plural দেওয়া হয়েছে।
D) A small number of students were present — এখানে a small number ব্যবহার করায় plural verb হয়েছে যা সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
A number of এর পরে plural verb বসে কিন্তু A few number of থাকলে singular verb বসে।
সঠিক উত্তর: C) insert
কেন সঠিক:
- Delete শব্দের অর্থ মুছে ফেলা বা বাদ দেওয়া, যার সরাসরি বিপরীতার্থক বা অ্যান্টনিম হলো কোনো কিছু যুক্ত করা।
- Insert শব্দের অর্থ কোনো কিছু প্রবেশ করানো বা সংযুক্ত করা, যা delete শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) start — Start শব্দের অর্থ শুরু করা, যা delete শব্দের বিপরীত নয় বরং এটি finish শব্দের বিপরীত।
B) delay — Delay শব্দের অর্থ দেরি করা বা বিলম্ব করা, যা delete শব্দের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ বা বিপরীতার্থক নয়।
C) insert — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) hide — Hide শব্দের অর্থ লুকিয়ে রাখা, যা delete বা মুছে ফেলার সমার্থক হতে পারে কিন্তু বিপরীতার্থক নয়।
মনে রাখার টিপস:
কম্পিউটার কিবোর্ডে যেমন কোনো লেখা মুছে ফেলতে Delete কি ব্যবহার করা হয় এবং নতুন লেখা যুক্ত করতে Insert কি ব্যবহার করা হয়, এভাবে সহজে মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: C) wasn’t she
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বাক্যটি হাবোধক (Affirmative) হওয়ায় এর ট্যাগ কোশ্চেনটি না-বোধক (Negative) হবে।
- মূল বাক্যের Subject হলো The spectator (lady হওয়ায় feminine) এবং Verb হলো was, তাই ট্যাগ কোশ্চেনে wasn’t she ব্যবহৃত হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) isn’t she — মূল বাক্যের verb 'was' থাকায় এখানে 'isn't' ব্যবহার করা grammatically সঠিক নয়।
B) was she — মূল বাক্যটি হাবোধক হওয়ায় ট্যাগ কোশ্চেনটি না-বোধক হওয়া বাধ্যতামূলক, তাই এটি ভুল।
C) wasn’t she — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং নিয়ম অনুযায়ী সম্পূর্ণ সঠিক।
D) was she not — ট্যাগ কোশ্চেনের সংক্ষিপ্ত রূপে সবসময় not-এর সংক্ষিপ্ত রূপ (n't) ব্যবহার করতে হয়, তাই এটি ব্যাকরণগতভাবে গ্রহণযোগ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
বাক্য হাবোধক হলে ট্যাগ কোশ্চেন না-বোধক হবে এবং মূল বাক্যের verb ও subject অনুযায়ী ট্যাগ গঠন করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) outside
কেন সঠিক:
বাক্যের অর্থ পূর্ণ করতে এখানে একটি উপযুক্ত স্থানবাচক শব্দ দরকার।
outside home বলতে ঘরের বাইরে বোঝায়, যা পুরুষের পাশাপাশি নারীদের কাজের পরিবেশকে সঠিকভাবে প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) out — এটি preposition হিসেবে একা বসে বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ করতে পারে না।
B) off — এটি সাধারণত কোনো কিছু থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া বা বন্ধ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
C) staying out — এটি একটি verb phrase যা এই শূন্যস্থানের জন্য ব্যাকরণগতভাবে বেমানান।
D) outside — এটি সঠিক কারণ এটি ঘরের বাইরে কাজ করার সঠিক অর্থ প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
তুলনামূলক বা সমকক্ষ কাজ বোঝাতে ঘরের বাইরে অর্থে outside ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) deceive
কেন সঠিক:
‘Deceit’ শব্দটির নাউন রূপের ভার্ব হলো ‘deceive’।
যার অর্থ হলো কাউকে প্রতারণা করা বা ঠকানো।
এটি বাক্যে মূল কাজের বা কাজের ভাব প্রকাশ করে।
এই ভার্ব থেকে বিভিন্ন রূপ তৈরি করা সম্ভব হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) deceive — এটি সঠিক উত্তর এবং প্রদত্ত নাউন শব্দটির মূল ভার্ব রূপ।
B) decisive — এটি একটি এডজেক্টিভ যার অর্থ হলো চূড়ান্ত বা সিদ্ধান্তমূলক।
C) deceiving — এটি ভার্বের সাথে ing যুক্ত রূপ বা এডজেক্টিভ হতে পারে।
D) deceitful — এটি একটি এডজেক্টিভ যার অর্থ হলো প্রতারকপূর্ণ।
মনে রাখার টিপস:
শব্দটির শেষে t থাকলে সাধারণত সেটি নাউন হয় এবং তার ভার্ব রূপে সাধারণত ve যুক্ত হয়।
সঠিক উত্তর: B) lost the job
কেন সঠিক:
এই ইডিয়মটির আক্ষরিক অর্থ হলো কুড়ুল বা কোদাল পাওয়া, কিন্তু ইংরেজি সাহিত্যে এটি একটি রূপক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
এর মানে হলো কোনো কাজ বা চাকরি থেকে হঠাৎ করে বরখাস্ত হওয়া বা ছাঁটাই করা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) get a new job — নতুন চাকরি পাওয়ার অর্থ বোঝায়, যা এই ইডিয়মটির বিপরীত।
B) lost the job — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) cut off relationship — সম্পর্ক ছিন্ন করার সাথে এই ইডিয়মটির কোনো সরাসরি মিল নেই।
D) get an opportunity — নতুন কোনো সুযোগ পাওয়ার কথা এটি প্রকাশ করে না।
মনে রাখার টিপস:
চাকরি কাটার জন্য যেমন কুড়ুল ব্যবহার করা হয়, তেমনি get the axe শুনলে চাকরি হারানোর কথা মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: B) Smoking is telling upon health.
কেন সঠিক:
- Tell upon একটি বহুল ব্যবহৃত ইংরেজি ইডিয়ম বা ফ্রেজ, যার অর্থ ধীরে ধীরে ক্ষতি করা বা স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটানো।
- ধূমপান শরীরকে ধীরে ধীরে ক্ষয় করে বা ক্ষতি করে, তাই বাংলা এই বাক্যটির সঠিক ইংরেজি রূপ গঠনে tell upon ফ্রেজটি ব্যবহার করা সবচেয়ে উপযোগী।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Smoking is bad for health. — এটি সাধারণ একটি অনুবাদ হলেও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ক্ষতিকর অর্থে tell upon ফ্রেজের ব্যবহারকে স্ট্যান্ডার্ড ধরা হয়।
B) Smoking is telling upon health. — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং ইডিয়মের সঠিক প্রয়োগ।
C) Smoking was a bad habit. — এটি অতীতের অভ্যাস বোঝাচ্ছে, যা বর্তমান বাক্যের কাল বা টেন্সের সাথে মেলে না।
D) Smoking is dangerous for health. — এটি ভয়ানক বা বিপজ্জনক অর্থে ব্যবহৃত হয়, যা ধীরে ধীরে ক্ষতি করার ইডিয়মের সমার্থক নয়।
মনে রাখার টিপস:
ধীরে ধীরে ক্ষতি করা বোঝালে bad for health না বলে tell upon ফ্রেজটি ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) I am going to write a letter
কেন সঠিক:
প্রশ্নোক্ত বাক্যটিতে "is going to be written" গঠন থাকায় এটি Passive voice-এ আছে।
Active করার সময় Subject হিসেবে "I" বসে এবং am going to-র পরে মূল Verb-এর Base form বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) এটি সঠিক উত্তর কারণ এর গঠন নিয়মানুযায়ী সঠিক হয়েছে।
B) এখানে "will write to letter" দেওয়া আছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
C) এখানে Continuous টেন্স ব্যবহার করা হয়েছে যা প্রশ্নগত কাঠামোর সাথে মেলে না।
D) এখানে অতিরিক্ত "be going to" ব্যবহার করায় বাক্যটি অর্থহীন হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
Passive বাক্যে am/is/are going to be + V3 থাকলে, Active করার সময় am/is/are going to + V1 হয়।
সঠিক উত্তর: A) অথই সাগরে ভাসা
কেন সঠিক:
Beat about the bush একটি জনপ্রিয় ইংরেজি প্রবচন বা ইডিওম।
এর শাব্দিক অর্থ ঝোপের চারপাশে আঘাত করা হলেও ভাবার্থ হলো কাজের কথায় না গিয়ে অপ্রাসঙ্গিক কথায় সময় নষ্ট করা বা অথই সাগরে ভাসা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অথই সাগরে ভাসা — এই অপশনটি মূল ইডিওমের সঠিক ভাবার্থ প্রকাশ করে।
B) অন্ধের কিবা রাত্রি কিবা দিন — এই প্রবচনটির ইংরেজি অর্থ হলো 'Night is as good as day to a blind man'।
C) যেখানে দেখিয়ে ছাই উড়াইয়া দেখ তাই — এই প্রবচনের কোনো মিল নেই।
D) তন্ন তন্ন করে খোঁজা — এই অর্থ প্রকাশ করতে 'Search high and low' বা 'Leave no stone unturned' ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
ঝোপঝাড়ের চারপাশে ঘুরে মূল বিষয়ে না পৌঁছানো মানেই হলো কোনো কিছু নিয়ে অথই সাগরে ভাসা বা গোলকধাঁধায় পড়া।
সঠিক উত্তর: C) by
কেন সঠিক:
- ঘড়ির মাধ্যমে সময় জানার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নিয়ম বা প্রিপজিশন হিসেবে by ব্যবহৃত হয়।
- What is the time by your watch বাক্যটি একটি প্রমিত ইংরেজি প্রবাদপ্রতিম বা বহুল ব্যবহৃত কাঠামো।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) in — ঘড়ির ভেতরে সময় বোঝাতে in বসে না, তাই এটি ভুল।
B) at — নির্দিষ্ট সময় বা মুহূর্ত বোঝাতে at বসে, কিন্তু ঘড়ির ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নয়।
C) by — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
D) to — সময় বাক্যে বাজতে বা বাকি অর্থে to ব্যবহৃত হয়, যা এই শূন্যস্থানে বসে না।
মনে রাখার টিপস:
ঘড়ির সময় জানতে চাইলে সর্বদা by প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) has entered
কেন সঠিক:
বাক্যের প্রথম অংশে I have left present perfect tense-এ আছে।
তাই ঠিক পরের ঘটনা বোঝাতে এবং তার ফলাফল বর্তমানে বিদ্যমান থাকায় সঠিক উত্তর C হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) enters — এটি Present Indefinite Tense, যা অতীত ঘটনার সাথে বর্তমানের ফল প্রকাশের নিয়মের সাথে মেলে না।
B) entered — এটি Past Indefinite Tense, যা বাক্যের গঠন এবং বর্তমানের সাথে সংযোগ স্থাপনের নিয়মের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
C) has entered — এটিই সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়।
D) is entering — এটি Present Continuous Tense, যা এই বিশেষ প্রেক্ষাপটে ব্যবহারের নিয়ম অনুযায়ী সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
Present perfect tense-এর সাথে যুক্ত বাক्याংশে বর্তমানের ফল বোঝাতে পরবর্তী অংশেও সাধারণত present perfect tense ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) occasionally
কেন সঠিক:
- "Off and on" একটি প্রবাদ বা ইডিওম যার বাংলা অর্থ মাঝে মাঝে বা অনিয়মিতভাবে।
- অপশন ডি এর "occasionally" শব্দটির অর্থও মাঝে মাঝে বোঝায়।
- তাই এই দুটি অর্থ সম্পূর্ণভাবে মিলে যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) regularly — এই শব্দটির অর্থ নিয়মিত, যা "off and on" এর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
B) frequently — এর অর্থ ঘন ঘন বা প্রায়ই, যা অনিয়মিত কাজের সাথে মিলে না।
C) never at all — এর অর্থ মোটেও না, যা বাক্যটির মূল অর্থের সম্পূর্ণ উল্টো।
D) occasionally — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
"Off and on" মানে সুইচ অন ও অফ করার মতো মাঝে মাঝে কাজ করা, যা "occasionally" শব্দটিকে নির্দেশ করে।
সঠিক উত্তর: A) contributative
কেন সঠিক:
- Noun শব্দ contribution-এর সঠিক Adjective রূপ হলো contributative বা contributory।
- প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে contributative শব্দটি Adjective হিসেবে সঠিকভাবে গঠিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) contributative — এটি Noun শব্দ contribution-এর একটি সঠিক Adjective রূপ।
B) contribute — এটি Noun বা Adjective নয়, বরং এটি একটি Verb যার অর্থ অবদান রাখা।
C) contributional — ইংরেজী ব্যাকরণে এই ধরনের কোনো আদর্শ শব্দ বা Adjective রূপ সাধারণত প্রচলিত নেই।
D) contributed — এটি কোনো শব্দের Adjective রূপ নয়, বরং এটি contribute শব্দের Past Tense বা Past Participle রূপ।
মনে রাখার টিপস:
Noun-এর শেষে tion থাকলে তার Adjective রূপ সাধারণত tive বা tory যুক্ত করে তৈরি করা হয়।
সঠিক উত্তর: C) To grasp the hidden meaning
কেন সঠিক:
"Read between the lines" একটি ইংরেজি প্রবাদ বা ইডিয়ম। এর শাব্দিক অর্থ লাইনের মাঝখানে পড়া হলেও ভাবার্থ হলো কোনো লেখার ভেতরের আসল উদ্দেশ্য বা গভীর অর্থ বুঝতে পারা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) To Concrete — এই অপশনটি সম্পূর্ণ অর্থহীন এবং প্রদত্ত ইডিয়মের সাথে এর কোনো মিল নেই।
B) To read leaving space — এটি ইডিয়মটির আক্ষরিক বা ভুল অর্থ প্রকাশ করে যা বিভ্রান্তিকর।
C) To grasp the hidden meaning — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) To read quickly — এটি দ্রুত পড়ার কথা বলে যা এই প্রবাদের আসল অর্থের সাথে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
লাইন বা অক্ষরের মাঝে ফাঁকা জায়গা পড়ার কথা না ভেবে সবসময় লেখার আড়ালে থাকা গোপন অর্থ খোঁজার বিষয়টি মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: A) the
কেন সঠিক:
noun যখন abstract গুণ প্রকাশ করে তখন তার পূর্বে নির্দিষ্ট করে বোঝাতে the বসে।
এখানে mother শব্দটি সাধারণ মা না বুঝিয়ে মাতৃত্বের গুণ বুঝিয়েছে।
তাই এর পূর্বে নির্দিষ্ট article হিসেবে the বসবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) the — সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়।
B) a — অনির্দিষ্ট কোনো সাধারণ বস্তু বা ব্যক্তিকে বোঝাতে a বসে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) an — vowel sound এর পূর্বে an বসে, কিন্তু এখানে নির্দিষ্ট মাতৃত্ব বোঝানো হয়েছে।
D) no article — গুণবাচক noun যখন বিশেষ অর্থে ব্যবহৃত হয় তখন article ছাড়া রাখা যায় না।
মনে রাখার টিপস:
noun যখন abstract বা গুণের অর্থে বসে তখন তার আগে the বসে।
সঠিক উত্তর: B) If Rana had seen me
কেন সঠিক:
বাক্যের পরের অংশে would have + verb এর পাস্ট পার্টিসিপল আছে।
তাই শর্তমূলক অংশটি পাস্ট পারফেক্ট টেন্সের হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) If I saw him — এটি সেকেন্ড কন্ডিশনাল, যার পরের অংশে would + verb হওয়ার কথা ছিল।
B) If Rana had seen me — এটি সঠিক অপশন এবং থার্ড কন্ডিশনালের নিয়ম মেনে চলেছে।
C) If Rana sees me — এটি ফার্স্ট কন্ডিশনাল, যার পরের অংশে will + verb হওয়ার কথা ছিল।
D) If Rana would see me — নিয়মের বাইরে গিয়ে একই বাক্যে দুইবার would have ও would ব্যবহার করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
would have দেখলে বাক্যের অন্য অংশে had + V3 বসাবে।
সঠিক উত্তর: C) Gerund
কেন সঠিক:
এখানে teaching শব্দটি enjoy ভার্বের অবজেক্ট হিসেবে বসেছে এবং এটি noun এর কাজ করেছে।
verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে যখন noun এর কাজ করে, তখন তাকে gerund বলে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Noun — সরাসরি noun না হয়ে এটি verb থেকে উৎপন্ন হয়েছে।
B) Participle — এটি adjective এর কাজ করছে না, তাই এটি participle নয়।
C) Gerund — এটি সঠিক উত্তর।
D) pronoun — এটি কোনো pronoun নয় কারণ এটি নামের পরিবর্তে বসে না।
মনে রাখার টিপস:
verb প্লাস ing যদি noun এর মতো কাজ করে এবং বাক্যে অবজেক্ট হয়, তবে সেটি gerund।
সঠিক উত্তর: C) is spoken
কেন সঠিক:
এখানে ইংরেজি ভাষা নিজে নিজে কথা বলে না, বরং মানুষের দ্বারা বলা হয়। তাই বাক্যটি প্যাসিভ ভয়েসে আছে এবং প্রেজেন্ট ইনডেফিনিট টেন্সের প্যাসিভ গঠন ব্যবহার করতে হয়েছে।
ইংরেজি সারা বিশ্বে বলা হয় এটি একটি চিরন্তন সত্য বা সাধারণ অভ্যাস।
তাই সাবজেক্টের পর বি ভার্ব এবং মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Speaks — এটি একটি অ্যাক্টিভ ভার্ব যা ভুল কারণ ভাষা নিজে বলতে পারে না।
B) is speaking — এটি কন্টিনউয়াস টেন্স যা এখানে অর্থের সাথে মেলে না।
C) is spoken — এটি সঠিক উত্তর।
D) has been spoken — এটি প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্স যা বর্তমানের সাধারণ সত্য প্রকাশ করে না।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যের সাবজেক্ট যদি নিজে কাজ না করে অন্য কারও দ্বারা কাজ সম্পন্ন হয়, তবে সবসময় প্যাসিভ ভয়েস এবং ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম ব্যবহার করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) By whom will you be helped?
কেন সঠিক:
ইন্টারোগেটিভ বাক্যে হু থাকলে প্যাসিভ করার সময় প্রথমে বাই হুম বসে।
এরপর টেন্স ও পার্সন অনুযায়ী সাহায্যকারী ভার্ব উইল এবং অবজেক্ট ইউ সাবজেক্ট হিসেবে বসে।
সবশেষে বি এবং মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপিল ফর্ম বসে বাক্যটি সম্পূর্ণ হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সঠিক উত্তর — তাই এটি ভুল নয়।
B) B) By whom you will be helped? — সাবজেক্টের আগে সাহায্যকারী ভার্ব না থাকায় এটি ভুল হয়েছে।
C) C) By whom will you helped? — বি ভার্ব বাদ পড়ায় প্যাসিভ গঠনটি সঠিক হয়নি।
D) D) By whom would be helped? — টেন্স পরিবর্তন হয়ে যাওয়ার কারণে এই অপশনটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
হু যুক্ত ইন্টারোগেটিভ বাক্যকে প্যাসিভ করার সময় প্রথমে বাই হুম বসাতে হয় এবং মূল ভার্বের পূর্বে অবজেক্টের পরে অবশ্যই বি যুক্ত করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) to study
কেন সঠিক:
এখানে বাক্যটির অর্থ বোঝাতে একটি নির্দিষ্ট গঠন ব্যবহার করা হয়েছে।
বর্তমান অভ্যাসের ক্ষেত্রে এই নিয়ম প্রযোজ্য হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) to study — এই অপশনটি বাক্যের অর্থ এবং ব্যাকরণের নিয়মের সাথে নিখুঁতভাবে মিলে যায়।
B) to studying — এখানে to এর পরে gerund ব্যবহার করা হয়েছে যা এই বাক্যের গঠনে সঠিক নয়।
C) to studied — to এর পরে verb এর পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম বসালে বাক্যটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল হয়।
D) studing — এখানে verb এর সাথে ing যুক্ত করা হলেও সঠিক গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় শব্দ অনুপস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে অভ্যাসের কথা বলতে subject এর পর be verb এবং used to এর পর verb এর বেস ফর্ম বসে।
সঠিক উত্তর: D) a verbose speech
কেন সঠিক:
Verbose কথাটির অর্থ হলো অতিরিক্ত শব্দবহুল বা প্রয়োজনের তুলনায় বেশি শব্দ ব্যবহার করা।
প্রশ্নানুসারে অনেক শব্দপূর্ণ বক্তব্য বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) a large speech — এই বাক্যাংশটি একটি দীর্ঘ বক্তৃতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু নির্দিষ্টভাবে অতিরিক্ত শব্দের ব্যবহার বোঝায় না।
B) an ornamental speech — এর অর্থ আলংকারিক বা সাজানো গোছানো বক্তৃতা, যা অনেক শব্দের সমাহার নয়।
C) maiden speech — এটি একজন বক্তার জীবনের প্রথম বা শুরুর ভাষণকে নির্দেশ করে।
মনে রাখার টিপস:
Verbose শব্দের ভেতর শব্দ বেশি থাকে, তাই অতিরিক্ত কথা বললে তাকে Verbose speech বলে মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: A) ১৮ বছর
প্রদত্ত তথ্য:
পিতা ও পুত্রের বর্তমান বয়সের পার্থক্য ২০ বছর
৮ বছর পর তাদের বয়সের সমষ্টি ৭২ বছর
ধরি,
পুত্রের বর্তমান বয়স = ক বছর
পিতার বর্তমান বয়স = ক + ২০ বছর
অতএব,
৮ বছর পর পুত্রের বয়স হবে = ক + ৮ বছর
৮ বছর পর পিতার বয়স হবে = ক + ২০ + ৮ বছর = ক + ২৮ বছর
সুতরাং,
প্রশ্নমতে, ক + ৮ + ক + ২৮ = ৭২
বা, ২ক + ৩৬ = ৭২
উত্তর: ক = ১৮ বছর
সঠিক উত্তর: D) ৭
প্রদত্ত তথ্য:
মূল সংখ্যাটি হলো ৬৩০০
ধরি,
সংখ্যাটিকে মৌলিক উৎপাদকে বিশ্লেষণ করতে হবে
অতএব,
৬৩০০ এর মৌলিক উৎপাদকগুলো হলো
২ × ২ × ৩ × ৩ × ৫ × ৫ × ৭
সুতরাং,
জোড়বিহীন উৎপাদক বা একা থাকা সংখ্যাটি হলো ৭
উত্তর: ৭
সঠিক উত্তর: C) ৭ জন
প্রদত্ত তথ্য:
মোট চাঁদার পরিমাণ = ৭৩৫ টাকা
প্রত্যেকে চাঁদা দিল ১৫.০০ টাকা
ধরি,
সমিতির মোট সদস্য সংখ্যা = ক জন
প্রত্যেকে চাঁদা দিল ১৫ টাকা করে
অতএব,
মোট চাঁদার পরিমাণ = ক × ১৫ টাকা
প্রশ্নমতে, ক × ১৫ = ৭৩৫
সুতরাং,
ক = ৭৩৫ ÷ ১৫
ক = ৪৯
উত্তর: সদস্য সংখ্যা হলো √৪৯ = ৭ জন
সঠিক উত্তর: D) ২৫%
প্রদত্ত তথ্য:
সময় = ১২ বছর
সুদে-আসলে আসল হলো চার গুণ
ধরি,
আসল = ১০০ টাকা
অতএব,
সুদে-আসলে = ১০০ × ৪ = ৪০০ টাকা
সুদ = ৪০০ − ১০০ = ৩০০ টাকা
সুতরাং,
১২ বছরে সুদ হয় ৩০০ টাকা
১ বছরে সুদ হয় ৩০০ ÷ ১২ = ২৫ টাকা
উত্তর: ২৫%
সঠিক উত্তর: C) ১৬
প্রদত্ত তথ্য:
বর্গক্ষেত্রের কর্ণের দৈর্ঘ্য = ৪√২ একক
ধরি,
বর্গক্ষেত্রের বাহুর দৈর্ঘ্য = ক একক
অতএব,
বর্গক্ষেত্রের কর্ণের সূত্রানুসারে, কর্ণ = ক√২ একক
প্রশ্নমতে,
ক√২ = ৪√২
সুতরাং,
ক = ৪ একক
উত্তর: বর্গক্ষেত্রের পরিসীমা = ৪ × ৪ = ১৬ একক
সঠিক উত্তর: D) ১৩:৯
প্রদত্ত তথ্য:
আয়তক্ষেত্রের পরিসীমা = ৪৪ মিটার
দৈর্ঘ্য প্রস্থ অপেক্ষা ৪ মিটার বেশি
ধরি,
আয়তক্ষেত্রের প্রস্থ = ক মিটার
আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য = ক + ৪ মিটার
অতএব,
পরিসীমা = ২ × (দৈর্ঘ্য + প্রস্থ)
২ × (ক + ৪ + ক) = ৪৪
২ × (২ক + ৪) = ৪৪
সুতরাং,
৪ক + ৮ = ৪৪
৪ক = ৩৬
ক = ৯
উত্তর: প্রস্থ = ৯ মিটার এবং দৈর্ঘ্য = ৯ + ৪ = ১৩ মিটার, তাই দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত ১৩:৯
সঠিক উত্তর: A) ৭
প্রদত্ত তথ্য:
ট্রাপিজিয়ামের সমান্তরাল বাহুদ্বয়ের দৈর্ঘ্য ১০ সে.মি. ও ৮ সেমি.
ট্রাপিজিয়ামের ক্ষেত্রফল ৬৩ বর্গ সে.মি.
ধরি,
সমান্তরাল বাহুদ্বয়ের দৈর্ঘ্য যথাক্রমে ক = ১০ এবং খ = ৮
সমান্তরাল বাহুদ্বয়ের মধ্যবর্তী লম্ব দূরত্ব = হ সে.মি.
অতএব,
ট্রাপিজিয়ামের ক্ষেত্রফলের সূত্র অনুযায়ী লেখা যায়
ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × (ক + খ) × হ
সুতরাং,
৬৩ = (১ ÷ ২) × (১০ + ৮) × হ
৬৩ = (১ ÷ ২) × ১৮ × হ
উত্তর: হ = ৬৩ ÷ ৯ = ৭ সে.মি.
সঠিক উত্তর: C) ব্যাসার্ধ
প্রদত্ত তথ্য:
বৃত্তের ক্ষেত্রফলের দ্বিগুণ
বৃত্তের পরিধি
ধরি,
বৃত্তের ব্যাসার্ধ = r
বৃত্তের ক্ষেত্রফল = π × r × r
বৃত্তের পরিধি = ২ × π × r
অতএব,
ক্ষেত্রফলের দ্বিগুণ = ২ × (π × r × r)
পরিধি = ২ × π × r
অনুপাত = (২ × π × r × r) ÷ (২ × π × r)
সুতরাং,
অনুপাত হিসাব করে পাই r
যা হলো বৃত্তের ব্যাসার্ধ
উত্তর: ব্যাসার্ধ
সঠিক উত্তর: C) ৭০°
প্রদত্ত তথ্য:
একই চাপের উপর অবস্থিত কেন্দ্রস্থ কোণ = ১৪০°
ধরি,
বৃত্তস্থ কোণ সমান ক ডিগ্রি
অতএব,
আমরা জানি কেন্দ্রস্থ কোণ বৃত্তস্থ কোণের দ্বিগুণ
সুতরাং,
কেন্দ্রস্থ কোণ = ২ × বৃত্তস্থ কোণ
উত্তর: বৃত্তস্থ কোণ = ১৪০° ÷ ২ = ৭০°
সঠিক উত্তর: C) ২৫
প্রদত্ত তথ্য:
x২ − ৩x + ১ = ০
ধরি,
সমীকরণের উভয় পক্ষকে x দ্বারা ভাগ করে পাই
x − ৩ + (১ ÷ x) = ০
অতএব,
x + (১ ÷ x) = ৩
সুতরাং,
(x − ১ ÷ x) স্কয়ার = (x + ১ ÷ x) স্কয়ার − ৪.x.(১ ÷ x)
উত্তর: (৩ স্কয়ার − ৪) স্কয়ার = (৯ − ৪) স্কয়ার = ৫ স্কয়ার = ২৫
সঠিক উত্তর: B) ৭৫
প্রদত্ত তথ্য:
৫০ থেকে ১০০ এর মধ্যবর্তী সংখ্যাগুলো বিবেচনা করতে হবে
ধরি,
৫০ ও ১০০ এর মধ্যবর্তী ক্ষুদ্রতম মৌলিক সংখ্যাটি ক
৫০ ও ১০০ এর মধ্যবর্তী বৃহত্তম মৌলিক সংখ্যাটি খ
অতএব,
৫০ এর পরের প্রথম মৌলিক সংখ্যা ক = ৫৩
১০০ এর আগের প্রথম মৌলিক সংখ্যা খ = ৯৭
সুতরাং,
মৌলিক সংখ্যা দুটির যোগফল = ৫৩ + ৯৭ = ১৫০
উত্তর: ১৫০ ÷ ২ = ৭৫
সঠিক উত্তর: A) ২৫
প্রদত্ত তথ্য:
১১ জন শিক্ষার্থীর বয়সের গড় ১৩ বছর
৩ জন নতুন শিক্ষার্থী ভর্তি হওয়ার পর মোট শিক্ষার্থী হলো ১৪ জন এবং তাদের বয়সের গড় হলো ১২ বছর
ধরি,
১১ জন শিক্ষার্থীর বয়সের সমষ্টি = ১১ × ১৩ বছর = ১৪৩ বছর
১৪ জন শিক্ষার্থীর বয়সের সমষ্টি = ১৪ × ১২ বছর = ১৬৮ বছর
অতএব,
নতুন ৩ জন শিক্ষার্থীর বয়সের সমষ্টি = ১৪ জন শিক্ষার্থীর বয়সের সমষ্টি − ১১ জন শিক্ষার্থীর বয়সের সমষ্টি
নতুন ৩ জন শিক্ষার্থীর বয়সের সমষ্টি = ১৬৮ বছর − ১৪৩ বছর
সুতরাং,
নতুন ৩ জন শিক্ষার্থীর বয়সের সমষ্টি = ২৫ বছর
উত্তর: ২৫
সঠিক উত্তর: A) ৩২
প্রদত্ত তথ্য:
সংখ্যা দুটির অনুপাত ৪:৫
সংখ্যা দুটির লসাগু ১৬০
ধরি,
প্রথম সংখ্যাটি = ৪ক
দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৫ক
অতএব,
সংখ্যা দুটির লসাগু = ৪ × ৫ × ক = ২০ক
প্রশ্নমতে, ২০ক = ১৬০
সুতরাং,
ক = ১৬০ ÷ ২০ = ৮
উত্তর: ক্ষুদ্রতর সংখ্যাটি = ৪ × ৮ = ৩২
সঠিক উত্তর: A) ২৫% লাভ
প্রদত্ত তথ্য:
১২টি কমলার ক্রয়মূল্য ২৪০ টাকা
৮টি কমলার বিক্রয়মূল্য ২০০ টাকা
ধরি,
১টি কমলার ক্রয়মূল্য = ২৪০ ÷ ১২ = ২০ টাকা
১টি কমলার বিক্রয়মূল্য = ২০০ ÷ ৮ = ২৫ টাকা
অতএব,
১টি কমলার লাভ = ২৫ − ২০ = ৫ টাকা
সুতরাং,
লাভের শতকরা হার = (৫ ÷ ২০) × ১০০% = ২৫%
উত্তর: ২৫% লাভ
সঠিক উত্তর: B) ১/√৩
প্রদত্ত তথ্য:
secθ = ২
ধরি,
cosθ = ১ ÷ secθ
cosθ = ১ ÷ ২
অতএব,
θ = ৬০ ডিগ্রি
সুতরাং,
cotθ = cot(৬০ ডিগ্রি)
cotθ = ১ ÷ √৩
উত্তর: ১/√৩
সঠিক উত্তর: A) ২৯
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম সমীকরণটি হলো x + y + z = ৭
দ্বিতীয় সমীকরণটি হলো xy + yz + zx = ১০
ধরি,
আমাদের নির্ণয় করতে হবে x এর বর্গ + y এর বর্গ + z এর বর্গ এর মান
অতএব,
আমরা জানি বীজগণিতের সূত্র অনুযায়ী x + y + z এর হোল স্কয়ার সমান x এর বর্গ + y এর বর্গ + z এর বর্গ + ২(xy + yz + zx)
সুতরাং,
৭ এর বর্গ সমান নির্ণয় মান + ২ × ১০
অথবা, ৪৯ সমান নির্ণয় মান + ২০
উত্তর: ২৯
সঠিক উত্তর: B) ৩
প্রদত্ত তথ্য:
সমীকরণটি হলো ২ × ৪ পাওয়ার (৩x − ৫) = ৫১২
ধরি,
উভয় পক্ষকে ২ দ্বারা ভাগ করে পাই
৪ পাওয়ার (৩x − ৫) = ৫১২ ÷ ২
অতএব,
৪ পাওয়ার (৩x − ৫) = ২৫৬
এখন বেজ বা ভিত্তি সমান করতে হবে
সুতরাং,
৪ পাওয়ার (৩x − ৫) = ৪ পাওয়ার ৪
উভয় পক্ষ থেকে ভিত্তি বাদ দিয়ে পাই
৩x − ৫ = ৪
উত্তর: ৩
সঠিক উত্তর: B) ৬
প্রদত্ত তথ্য:
৯ জন শ্রমিক ৪ দিনে ১৮০০ টাকা আয় করেন
৬ জন শ্রমিক কত দিনে সমপরিমাণ অর্থ আয় করবেন
ধরি,
শ্রমিকের সংখ্যা কমলে দিন বেশি লাগবে
এটি ব্যস্ত অনুপাতের হিসাব
অতএব,
১ জন শ্রমিকের ১৮০০ টাকা আয় করতে সময় লাগে = ৯ × ৪ দিন = ৩৬ দিন
৬ জন শ্রমিকের ১৮০০ টাকা আয় করতে সময় লাগে = ৩৬ ÷ ৬ দিন
সুতরাং,
৬ দিন
উত্তর: ৬ দিন
সঠিক উত্তর: C) ৫
প্রদত্ত তথ্য:
a + b = √৭
a − b = √৩
ধরি,
ab এর সূত্রটি ব্যবহার করতে হবে
অতএব,
ab = ((a + b) ÷ ২) স্কয়ার − ((a − b) ÷ ২) স্কয়ার
সুতরাং,
ab = (√৭ ÷ ২) স্কয়ার − (√৩ ÷ ২) স্কয়ার = (৭ ÷ ৪) − (৩ ÷ ৪) = ৪ ÷ ৪ = ১
উত্তর: ৫ab = ৫ × ১ = ৫
সঠিক উত্তর: C) ০.০০১
প্রদত্ত তথ্য:
x − (১ ÷ x) = ৬
মান বের করতে হবে: x ÷ (x² + ৭x − ১)
ধরি,
রাশিটিকে সহজ করার জন্য লব ও হরকে x দ্বারা ভাগ করি
x ÷ x নিচে (x² ÷ x) + (৭x ÷ x) − (১ ÷ x)
অতএব,
লব হয় ১
হর হয় x + ৭ − (১ ÷ x)
সুতরাং,
হরকে সাজিয়ে পাই [x − (১ ÷ x)] + ৭
মান বসিয়ে পাই ৬ + ৭ = ১৩
উত্তর: ১ ÷ ১০০০ = ০.০০১
সঠিক উত্তর: D) ৬৪
প্রদত্ত তথ্য:
সমীকরণটি হলো log 2√2^ x = ৪
ধরি,
লগারিদমের সংজ্ঞা অনুযায়ী ভিত্তি এবং ঘাত পরিবর্তন করা যায়
অতএব,
২√2 এর ওপর পাওয়ার ৪ দিলে এক্স এর মান পাওয়া যাবে
সুতরাং,
এক্স সমান সমান (২√২) এর পাওয়ার ৪
উত্তর: ৬৪
সঠিক উত্তর: D) ১/১৩
প্রদত্ত তথ্য:
x − ১/x = ৬
ধরি,
রাশিটি হলো x ÷ (x² + ৭x − ১)
অতএব,
লব ও হরকে x দ্বারা ভাগ করি
= ১ ÷ (x + ৭ − ১/x)
সুতরাং,
(x − ১/x) এর মান বসাই
= ১ ÷ (৬ + ৭)
উত্তর: ১/১৩
সঠিক উত্তর: A) ২৭
প্রদত্ত তথ্য:
দেওয়া আছে, x − y = ৩
ধরি,
প্রদত্ত রাশি = x এর ঘন − y এর ঘন − ৯xy
অতএব,
আমরা জানি, ঘন সম্বলিত অনুসিদ্ধান্ত হলো
(x − y) এর ঘন + ৩xy(x − y)
সুতরাং,
মানের জায়গায় ৩ বসিয়ে পাই
৩ এর ঘন + ৩xy(৩) − ৯xy
অতএব,
২৭ + ৯xy − ৯xy
উত্তর: ২৭
সঠিক উত্তর: D) শেখ মুজিবুর রহমান
কেন সঠিক:
- এটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা একটি বিখ্যাত ভ্রমণকাহিনি ও আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ।
- ১৯৫২ সালে চীন ভ্রমণের অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে এই গ্রন্থটি রচিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মাওলানা ভাসানী — তিনি বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত রাজনৈতিক নেতা হলেও এই গ্রন্থটির লেখক নন।
B) আবুল ফজল — তিনি বিখ্যাত সাহিত্যিক ও প্রাবন্ধিক হলেও 'আমার দেখা নয়াচীন' বইটি তিনি লেখেননি।
C) শহীদুল্লা কায়সার — তিনি প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক, তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস 'সারেং বউ', তবে এই বইটির লেখক নন।
D) শেখ মুজিবুর রহমান — এটি তাঁরই লেখা একটি ঐতিহাসিক গ্রন্থ, তাই এই অপশনটি সঠিক।
মনে রাখার টিপস:
চীন ভ্রমণ করেছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, তাই 'নয়াচীন' বইটির লেখকও তিনি।
সঠিক উত্তর: A) ২ এপ্রিল
কেন সঠিক:
- বিশ্বজুড়ে অটিজম সচেতনতা বৃদ্ধি এবং অটিস্টিক ব্যক্তিদের অধিকার সুরক্ষার জন্য প্রতি বছর ২ এপ্রিল এই দিবসটি পালন করা হয়।
- জাতিসংঘ ২০০৭ সালে এই দিনটিকে বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২ এপ্রিল — এটি বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস পালনের নির্ধারিত সঠিক তারিখ।
B) ২ ফেব্রুয়ারি — এই তারিখে বিশ্ব অটিজম দিবস পালিত হয় না, এটি একটি ভিন্ন সময়।
C) ২ জুন — এই তারিখে অন্য কোনো সাধারণ বা বিশেষ দিবস থাকতে পারে, তবে অটিজম দিবস নয়।
D) ২ জুলাই — এই তারিখে বিশ্ব অটিজম দিবস পালনের কোনো ঐতিহাসিক বা আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি নেই।
মনে রাখার টিপস:
অটিজমের 'অ' এবং এপ্রিলের 'এ' মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন এপ্রিলের শুরুতে অর্থাৎ ২ এপ্রিল এই দিবসটি পালিত হয়।
সঠিক উত্তর: C) আলু
কেন সঠিক:
- ‘সিন্দুরী’ হলো বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত উচ্চফলনশীল গোল আলুর একটি জাত।
- এই জাতের আলুর চামড়ার রঙ কিছুটা লালচে এবং এটি চাষাবাদের জন্য অত্যন্ত উপযোগী।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বেগম — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয় কারণ এটি গোল আলুর কোনো নির্দিষ্ট জাতের নাম নয়।
B) আম — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয় কারণ আম একটি ফল, যা গোল আলুর জাতের সাথে সম্পর্কিত নয়।
C) আলু — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এটি আলুর একটি বিশেষ জাতকে নির্দেশ করে।
D) টমেটো — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয় কারণ টমেটো একটি সবজি, যা গোল আলুর জাতের নাম নয়।
মনে রাখার টিপস:
আলুর রঙের সাথে মিল রেখে লালচে জাতটির নাম মনে রাখতে পারেন সিন্দুরী।
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: D) ২ মার্চ
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের ২ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনে ছাত্রনেতা আ স ম আবদুর রব প্রথম স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করেন।
- তৎকালীন ডাকসুর সহসভাপতি হিসেবে তিনি এই ঐতিহাসিক পতাকা উত্তোলন করে স্বাধীনতার সংগ্রামের গতি তীব্র করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২৬ মার্চ — এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস এবং এই তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয়।
B) ২৫ মার্চ — এটি কালরাত্রি, যে রাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী গণহত্যা শুরু করেছিল।
C) ৭ মার্চ — এটি ঐতিহাসিক ভাষণের দিন, যেদিন বঙ্গবন্ধু রেসকোর্স ময়দানে স্বাধীনতার ডাক দিয়েছিলেন।
D) ২ মার্চ — এই অপশনটি সঠিক এবং এই দিনেই প্রথম জাতীয় পতাকা উত্তোলিত হয়েছিল।
মনে রাখার টিপস:
পতাকা উত্তোলনের দিন ২ মার্চ মনে রাখতে মার্চ মাসের শুরুতে পতাকা তোলার কথা মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: A) নার্গিস মোহাম্মদী
কেন সঠিক:
- ইরানে নারীদের নিপীড়নের বিরুদ্ধে লড়াই এবং সবার জন্য মানবাধিকার ও স্বাধীনতা অর্জনের অবদানের জন্য তিনি ২০২৩ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রদানে তাঁর কারাবাস ও মানবাধিকার activism অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নার্গিস মোহাম্মদী — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য এবং তিনি ২০২৩ সালের শান্তিতে নোবেল বিজয়ী।
B) শিরিন এবাদি — তিনি ইরানের একজন আইনজীবী এবং মানবাধিকার কর্মী যিনি ২০০৩ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেছিলেন।
C) নাগিব মাহফুজ — তিনি মিশরের বিখ্যাত ঔপন্যাসিক ও লেখক যিনি ১৯৮৮ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেছিলেন।
D) প্রফেসর আব্দুস সালাম — তিনি পাকিস্তানের প্রখ্যাত তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী যিনি ১৯৭৯ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
নার্গিস মোহাম্মদী নামটি মনে রাখুন নারীর অধিকার ও শান্তির প্রতীক হিসেবে, যিনি ২০২৩ সালে জেলখানায় থেকেই নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছেন।
সঠিক উত্তর: C) নিরক্ষীয় অঞ্চলে
কেন সঠিক:
- পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে দূরত্ব বেশি হওয়ায় এবং পৃথিবীর নিজ অক্ষে আবর্তনের ফলে সৃষ্ট কেন্দ্রাতিগ বলের প্রভাবে নিরক্ষীয় অঞ্চলে বস্তুর ওজন সবচেয়ে কম হয়।
- মেরু অঞ্চলের তুলনায় নিরক্ষ অঞ্চলে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান কম থাকায় এখানে বস্তুর ওজন হ্রাস পায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভূ-পৃষ্ঠে — ভূ-পৃষ্ঠের সব স্থানে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান সমান না থাকায় এটি সার্বق সঠিক উত্তর হতে পারে না।
B) মেরু অঞ্চলে — মেরু অঞ্চলে পৃথিবীর ব্যাসার্ধ কম এবং কেন্দ্রাতিগ বল কম থাকায় এখানে বস্তুর ওজন সবচেয়ে বেশি হয়।
C) নিরক্ষীয় অঞ্চলে — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এখানে অভিকর্ষজ ত্বরণ সবচেয়ে কম অনুভূত হয়।
D) পৃথিবীর কেন্দ্রে — পৃথিবীর কেন্দ্রে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান শূন্য হওয়ায় সেখানে বস্তুর ওজন শূন্য হয়, সর্বনিম্ন ওজন নয়।
মনে রাখার টিপস:
নিরক্ষীয় অঞ্চলে ওজন কম এবং মেরু অঞ্চলে ওজন বেশি হয়।
সঠিক উত্তর: D) ৪ নভেম্বর
কেন সঠিক:
- ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয় এবং ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর করা হয়।
- ২০২০ সালের ১৩ নভেম্বর মন্ত্রীসভার বৈঠকে প্রতিবছর ৪ নভেম্বরকে জাতীয় সংবিধান দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৩ ডিসেম্বর — এই তারিখে জাতীয় সংবিধান দিবস পালিত হয় না, এটি অন্য কোনো নির্ধারিত সরকারি দিবস নয়।
B) ৩ নভেম্বর — এই দিনে জেল হত্যা দিবস পালিত হয়, যা সংবিধান দিবসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
সি) ৪ ডিসেম্বর — এই তারিখে জাতীয় সংবিধান দিবস পালিত হয় না, এটি একটি ভুল তারিখ।
D) ৪ নভেম্বর — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
মনে রাখার টিপস:
সংবিধান গৃহীত হয় ৭২ সালের ৪ নভেম্বর, তাই ৪ নভেম্বরই হলো আমাদের জাতীয় সংবিধান দিবস।
প্রশ্নের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ
সঠিক উত্তর: B) কোরিয়া
কেন সঠিক:
- যে ভূখণ্ডের তিন দিক জলরাশি এবং এক দিক স্থলভাগ দ্বারা বেষ্টিত তাকে উপদ্বীপ বলে।
- কোরিয়া উপদ্বীপের তিন দিক যথাক্রমে পূর্ব দিকে জাপান সাগর, পশ্চিম দিকে পীত সাগর এবং দক্ষিণ দিকে পূর্ব চীন সাগর দ্বারা বেষ্টিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জার্মানি — এটি মধ্য ইউরোপের একটি দেশ যার চারপাশ প্রধানত স্থলবেষ্টিত এবং এর উত্তর দিকে সামান্য সমুদ্র উপকূল রয়েছে, তাই এটি উপদ্বীপ নয়।
B) কোরিয়া — এটি একটি উপদ্বীপ কারণ এর তিন দিক সমুদ্র দ্বারা বেষ্টিত এবং উত্তর দিক চীনের সাথে স্থলভাবে যুক্ত।
C) সৌদি আরব — এটি বিশ্বের বৃহত্তম উপদ্বীপ, যা আরব উপদ্বীপের অংশ এবং প্রদত্ত প্রশ্নের উত্তরে ভুল থাকায় এটি সঠিক নয়।
D) মায়ানমার — এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি দেশ যার পশ্চিম ও দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর ও আন্দামান সাগর রয়েছে, তবে এটি সম্পূর্ণ উপদ্বীপ হিসেবে পরিচিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
তিন দিক জল আর এক দিক স্থল, তাকে বলি উপদ্বীপ ভাই কেবল।
সঠিক উত্তর: D) অণুজীব
কেন সঠিক:
- ব্যাকটেরিয়া হলো এককোষী প্রাক-কেন্দ্রিক বা আদি কোষবিশিষ্ট অণুজীব।
- খালি চোখে এদের দেখা যায় না, দেখতে অণুবীক্ষণ যন্ত্রের প্রয়োজন হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জড় বস্তু — জড় বস্তুর জীবন বা কোষ থাকে না, কিন্তু ব্যাকটেরিয়া একটি জীবন্ত কোষ।
B) প্রাণী — প্রাণীরা বহুক্ষোষী এবং সাধারণত নিজে খাদ্য তৈরি করতে পারে না, যা ব্যাকটেরিয়া থেকে আলাদা।
C) উদ্ভিদ — ব্যাকটেরিয়া উদ্ভিদ রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত নয়, কারণ এদের ক্লোরোপ্লাস্ট ও প্রকৃত নিউক্লিয়াস নেই।
D) অণুজীব — এটি সঠিক, কারণ ব্যাকটেরিয়া অতি ক্ষুদ্র এককোষী জীব যা খালি চোখে দৃশ্যমান নয়।
মনে রাখার টিপস:
ব্যাকটেরিয়া হলো খালি চোখে অদৃশ্য অতি ক্ষুদ্র এককোষী জীব, তাই এটি একটি অণুজীব।
সঠিক উত্তর: B) ইন্দোনেশিয়া
কেন সঠিক:
- বান্দুং শহরটি ইন্দোনেশিয়ার পশ্চিম জাভা প্রদেশের রাজধানী এবং দেশটির চতুর্থ বৃহত্তম শহর।
- ঐতিহাসিক এশীয়-আফ্রিকা সম্মেলন বা বান্দুং সম্মেলন ১৯৫৫ সালে এই শহরে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চীন — এটি এশিয়ার একটি দেশ হলেও বান্দুং শহরটি এর অন্তর্গত নয়।
B) ইন্দোনেশিয়া — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ শহরটি এই রাষ্ট্রেই অবস্থিত।
সি) মালয়েশিয়া — এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্য একটি দেশ, বান্দুং এখানে অবস্থিত নয়।
ডি) যুগোস্লাভিয়া — এটি ইউরোপের একটি বিলুপ্ত রাষ্ট্র, যার সঙ্গে বান্দুং শহরের কোনো ভৌগোলিক সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
বান্দুং সম্মেলন হয়েছিল ১৯৫৫ সালে, আর ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তার পাশেই এই বিখ্যাত শহরটি অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: C) 1972
কেন সঠিক:
- বিশ্বশান্তির পক্ষে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বিশ্ব শান্তি পরিষদ ১৯৭২ সালের ১০ অক্টোবর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে জুলিও কুরি শান্তি পদক প্রদান করে।
- এটি ছিল বাংলাদেশের প্রাপ্ত প্রথম আন্তর্জাতিক কোনো মর্যাদাপূর্ণ সম্মাননা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 1968 — এই সালে জুলিও কুরি পদক সংক্রান্ত কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা বা বঙ্গবন্ধুর সাথে সম্পর্কিত কোনো বিশেষ পুরস্কারের তথ্য নেই।
B) 1971 — এই বছর বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধ সংঘটিত হয় এবং বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করে, কিন্তু জুলিও কুরি পদক প্রদান করা হয়নি।
C) 1972 — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, এই সালেই বঙ্গবন্ধুকে জুলিও কুরি শান্তি পদক প্রদান করা হয়।
D) 1973 — এই সালের ২৩ থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় এশীয় শান্তি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় এবং এই সম্মেলনেই বঙ্গবন্ধুকে আনুষ্ঠানিকভাবে জুলিও কুরি পদক পরিয়ে দেওয়া হয়, তবে পদک প্রদানের ঘোষণা ও সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় ১৯৭২ সালে।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পরের বছর অর্থাৎ ১৯৭২ সালেই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রথম আন্তর্জাতিক সম্মাননা জুলিও কুরি পদক লাভ করেন।
সঠিক উত্তর: D) আফ্রিকা ও এশিয়া
কেন সঠিক:
- লোহিত সাগর উত্তরপশ্চিম দিকে আফ্রিকা মহাদেশ এবং উত্তরপূর্ব দিকে এশিয়া মহাদেশের আরব উপদ্বীপকে পৃথক করেছে।
- এই সাগরটি কৌশলগতভাবে আফ্রিকা ও এশিয়া এই দুটি মহাদেশের মধ্যবর্তী একটি গুরুত্বপূর্ণ জলপথ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইউরোপ ও আফ্রিকা — এই দুটি মহাদেশকে ভূমধ্যসাগর পৃথক করেছে, লোহিত সাগর নয়।
B) এশিয়া ও ইউরোপ — এই দুটি মহাদেশের মাঝে ইউরাল পর্বতমালা ও কাস্পিয়ান সাগর অবস্থিত, লোহিত সাগর নয়।
C) এশিয়া ও অস্ট্রেলিয়া — এই দুটি মহাদেশের মাঝে ভারত মহাসাগর ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দ্বীপপুঞ্জ রয়েছে।
D) আফ্রিকা ও এশিয়া — এই অপশনটি সঠিক কারণ লোহিত সাগর এই দুই মহাদেশকে ভৌগোলিকভবে আলাদা করেছে।
মনে রাখার টিপস:
আফ্রিকা ও এশিয়া মহাদেশের মাঝখানে লোহিত সাগর অবস্থিত, যা এই দুই অঞ্চলকে জলপথে আলাদা করে।
সঠিক উত্তর: C) বঙ্গ
কেন সঠিক:
- প্রাচীনকালে বাংলার দক্ষিণ-পূর্বাংশে বঙ্গ জনপদটি গড়ে উঠেছিল।
- বর্তমান ঢাকা জেলা প্রাচীন বঙ্গ জনপদের ভৌগোলিক সীমানার অন্তর্ভুক্ত ছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সমতট — এটি বর্তমান কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চল নিয়ে গঠিত হওয়ায় ঢাকা এর অন্তর্ভুক্ত ছিল না।
B) পুণ্ড্র — এটি বর্তমান রাজশাহী ও বগুড়া অঞ্চল নিয়ে গঠিত প্রাচীন জনপদ হওয়ায় ঢাকার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
C) বঙ্গ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য।
D) হরিকেল — এটি বর্তমান সিলেট ও চট্টগ্রাম অঞ্চল নিয়ে গঠিত জনপদ হওয়ায় ঢাকা এর বাইরে ছিল।
মনে রাখার টিপস:
ঢাকা অঞ্চলের প্রাচীন নাম মনে রাখতে মাথায় রাখবে যে রাজধানী ঢাকা প্রাচীন বঙ্গ জনপদের অংশ ছিল।
সঠিক উত্তর: B) ২৪ জানুয়ারি-২০২৩
কেন সঠিক:
- ২০২৩ সালের ২৪ জানুয়ারি মন্ত্রিপরিষদ বৈঠকে সার্বজনীন পেনশন ব্যবস্থাপনা বিল অনুমোদিত হয়।
- এই আইনের মাধ্যমে দেশের ১৮ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সের সকল নাগরিকের জন্য পেনশন সুবিধা নিশ্চিত করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৪ জানুয়ারি-২০২৩ — এটি এই বিল পাসের তারিখ নয় এবং এই দিনে অন্য কোনো নিয়মিত সরকারি কার্যক্রম ছিল।
B) ২৪ জানুয়ারি-২০২৩ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই দিনেই মন্ত্রিসভায় বিলটি চূড়ান্ত অনুমোদন লাভ করে।
C) ১৫ অক্টোবর-২০২৩ — এই তারিখে সার্বজনীন পেনশন স্কিম আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়, বিল পাস হয়নি।
D) ২৫ অক্টোবর-২০২৩ — এটি এই সংক্রান্ত কোনো নির্দিষ্ট ঐতিহাসিক বা আইন পাশের তারিখ নয়।
মনে রাখার টিপস:
পেনশন বিল পাসের মাসটি মনে রাখুন জানুয়ারি এবং তারিখটি চব্বিশ, অর্থাৎ ২৪ জানুয়ারি ২০২৩।
সঠিক উত্তর: A) চন্দ্রযান-৩
কেন সঠিক:
- এটি ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো পরিচালিত চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে সফলভাবে অবতরণকারী ঐতিহাসিক অভিযান।
- এই অভিযানের মাধ্যমে ভারত বিশ্বের চতুর্থ দেশ হিসেবে চাঁদে সফল সফট ল্যান্ডিংয়ের গৌরব অর্জন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চন্দ্রযান-৩ — এটি বর্তমান প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং ভারতের সর্বশেষ সফল চন্দ্র অভিযান।
B) চন্দ্রযান-২ — এটি ২০১৯ সালে প্রেরিত ভারতের দ্বিতীয় চন্দ্র অভিযান যার ল্যান্ডার চাঁদে অবতরণের সময় বিধ্বস্ত হয়েছিল।
C) বিক্রম — এটি চন্দ্রযান-৩ এর সাথে যুক্ত ল্যান্ডারের নাম, পুরো চন্দ্রযানের নাম নয়।
D) অশোক — এটি কোনো চন্দ্রযানের নাম নয়, বরং ভারতের রাষ্ট্রীয় প্রতীকের সঙ্গে সম্পর্কিত।
মনে রাখার টিপস:
ভারতের ধারাবাহিক চন্দ্র অভিযানের শেষ সংখ্যাটি মনে রাখুন, যা সফলভাবে চাঁদে পৌঁছেছে অর্থাৎ চন্দ্রযান-৩।
সঠিক উত্তর: C) চুকনগর
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের ২০ মে খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার চুকনগরে বাংলাদেশের ইতিহাসের সর্ববৃহৎ একক গণহত্যা সংঘটিত হয়।
- পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের সহযোগীরা সেদিন ভারতে যাওয়ার পথে হাজার হাজার নিরস্ত্র বাঙালি শরণার্থীকে নির্মমভাবে হত্যা করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আসামদিয়া — এটি ১৯৭১ সালের একটি পরিচিত গণহত্যা হলেও চুকনগরের মতো সর্ববৃহৎ গণহত্যা হিসেবে এটি স্বীকৃত নয়।
B) মোহাম্মদপুর বিধবা পল্লী — এটি মুক্তিযুদ্ধের সময় নারীদের ওপর নির্যাতন ও আটকে রাখার স্থান ছিল, যা কোনো বৃহৎ হত্যাকাণ্ডের ঘটনাস্থল নয়।
C) চুকনগর — এটি প্রশ্নানুসারে সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন কোনো ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়।
D) রায়েরবাজার — এটি বুদ্ধিজীবী হত্যার অন্যতম প্রধান স্থান হলেও ১৯৭১ সালের ২০ মের চুকনগর গণহত্যার মতো সর্ববৃহৎ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা এখানে ঘটেনি।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ গণহত্যার স্থান মনে রাখতে চুকনগরের ২০ মের ঘটনাটি মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: D) পরিবেশবাদী সংগঠন
কেন সঠিক:
- গ্রিনপিস হলো একটি আন্তর্জাতিক পরিবেশবাদী সংগঠন, যার মূল লক্ষ্য পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ করা।
- এটি ১৯৭১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর সদর দপ্তর নেদারল্যান্ডসের আমস্টারডামে অবস্থিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জাতীয়তাবাদী সংগঠন — এটি কোনো নির্দিষ্ট দেশের জাতীয়তাবাদী বা রাজনৈতিক আন্দোলন পরিচালনা করে না, বরং বৈশ্বিক পরিবেশ নিয়ে কাজ করে।
B) রাজনৈতিক সংগঠন — এটি কোনো রাজনৈতিক দল বা সরকার পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত নয়, এটি সম্পূর্ণ স্বাধীন অলাভজনক পরিবেশবাদী সংস্থা।
C) মানবতাবাদী সংগঠন — এটি সরাসরি মানবসেবা বা ত্রাণ বিতরণের কাজ করে না, এর মূল ফোকাস পরিবেশ এবং প্রকৃতি রক্ষা।
D) পরিবেশবাদী সংগঠন — এটি সঠিক কারণ এই সংস্থাটি বিশ্বব্যাপী পরিবেশ ও প্রকৃতির সুরক্ষায় আন্দোলন ও প্রচার চালায়।
মনে রাখার টিপস:
গ্রিন শব্দের অর্থ সবুজ, আর সবুজ রঙটি সাধারণত পরিবেশ ও প্রকৃতির সঙ্গে সম্পর্কিত।
সঠিক উত্তর: D) কিলো ক্যালরি
কেন সঠিক:
- মানবদেহের খাদ্য বা পুষ্টির শক্তি পরিমাপের আন্তর্জাতিক ও প্রচলিত একক হলো কিলো ক্যালরি।
- খাবারের মাধ্যমে আমরা যে শক্তি গ্রহণ করি, তা সাধারণত কিলো ক্যালরি একিসাবে হিসাব করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জুল — এটি কাজের এবং শক্তির এসআই একক, যা সাধারণত যান্ত্রিক বা বৈদ্যুতিক শক্তির ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, খাদ্যের শক্তির ক্ষেত্রে নয়।
B) কিলো জুল — এটি শক্তির একটি একক হলেও, খাদ্যতালিকা ও পুষ্টিবিজ্ঞানে এটি প্রধান একক হিসেবে ব্যবহৃত হয় না।
C) ক্যালরি — এটি শক্তির একক হলেও মানবদেহের খাদ্যশক্তি পরিমাপের জন্য এটি খুব ছোট একক হওয়ায় কিলো ক্যালরি ব্যবহার করা হয়।
D) কিলো ক্যালরি — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং খাদ্যশক্তি পরিমাপের জন্য এটিই সঠিক একক।
মনে রাখার টিপস:
খাবারের শক্তি মাপতে ক্যালরি ছোট হয়, তাই বড় করে কিলো ক্যালরি ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) সূর্য
কেন সঠিক:
- সূর্য হলো আমাদের সৌরজগতের প্রধান শক্তির উৎস এবং এটি প্রাকৃতিকভাবে অতি বেগুনি রশ্মি বা আল্ট্রাভায়োলেট রে উৎপন্ন ও বিকিরণ করে।
- সূর্যের এই ক্ষতিকর অতি বেগুনি রশ্মি পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের ওজোন স্তরে বাধা পেয়ে বেশিরভাগই আটকে যায়, ফলে জীবকুল রক্ষা পায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চন্দ্র — চাঁদ হলো পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ এবং এর নিজস্ব কোনো আলো বা শক্তি নেই, এটি কেবল সূর্যের আলো প্রতিফলিত করে।
B) তারকা — নক্ষত্র বা দূরবর্তী তারকারাজি আলো ও তাপ বিকিরণ করলেও পৃথিবী থেকে এত দূরে অবস্থিত যে তাদের অতি বেগুনি রশ্মি সরাসরি প্রধান উৎস হিসেবে গণ্য হয় না।
C) সূর্য — এটি নিজেই সঠিক উত্তর, তাই এখানে অন্য কোনো কারণ প্রযোজ্য নয়।
D) ব্ল্যাক হোল — কৃষ্ণগহ্বর বা ব্ল্যাক হোল অত্যন্ত শক্তিশালী মহাকর্ষ বলের কারণে আলোসহ সবকিছু টেনে নেয়, এটি অতি বেগুনি রশ্মির প্রধান বা স্বাভাবিক উৎস নয়।
মনে রাখার টিপস:
মহাবিশ্বে প্রাকৃতিক আলোর প্রধান উৎস হলো সূর্য এবং আমাদের গায়ে রোদ লাগলে যেমন অতি বেগুনি রশ্মির কথা মনে আসে, তেমনি এটি সূর্য থেকেই পৃথিবীতে আসে।
সঠিক উত্তর: A) হিসাবকারী যন্ত্র
কেন সঠিক:
- কম্পিউটার শব্দটি এসেছে ইংরেজি কম্পিউট (Compute) শব্দ থেকে, যার আক্ষরিক অর্থ হিসাব করা।
- তাই এর সঠিক বাংলা অর্থ হলো হিসাবকারী যন্ত্র বা পরিগণক যন্ত্র।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হিসাবকারী যন্ত্র — এটি সঠিক কারণ কম্পিউটারের মৌলিক আক্ষরিক অর্থ হিসাব বা গণনা করা।
B) গণনাকারী যন্ত্র — যদিও এটি সমার্থক মনে হতে পারে, তবে আক্ষরিক ও প্রাতিষ্ঠানিক অর্থে কম্পিউটারকে হিসাবকারী যন্ত্র বলা হয়।
C) পরীক্ষার যন্ত্র — এটি ভুল কারণ কম্পিউটার কোনো বৈজ্ঞানিক বা পরীক্ষাগারের যন্ত্রপাতি নয়।
D) বিমান চালানোর যন্ত্র — এটি ভুল কারণ বিমান চালনার জন্য আলাদা বিশেষ যন্ত্র বা অটো পাইলট ব্যবহার করা হয়।
মনে রাখার টিপস:
কম্পিউট (Compute) শব্দের অর্থ হিসাব করা, তাই কম্পিউটার মানে হিসাবকারী যন্ত্র।
সঠিক উত্তর: B) ৩.৩২ কিলোমিটার
কেন সঠিক:
- এটি বাংলাদেশের প্রথম নদীর তলদেশ দিয়ে নির্মিত সড়ক টানেল বা বঙ্গবন্ধু টানেল।
- কর্ণফুলী নদীর তলদেশে নির্মিত এই টানেলের মূল টিউবের দৈর্ঘ্য ৩.৩২ কিলোমিটার।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২.৪৫ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয় কারণ টানেলটির দৈর্ঘ্য এটি নয়।
B) ৩.৩২ — এটি সঠিক দৈর্ঘ্য হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত।
C) ৩.৪ — এটি বঙ্গবন্ধু টানেলের দৈর্ঘ্য নয়, তাই এটি ভুল অপশন।
D) ৩.৪৩ — এটি টানেলের মূল দৈর্ঘ্য বা এপ্রোচ রোডসহ মোট দৈর্ঘ্যের সঠিক মাপ নয়।
মনে রাখার টিপস:
বঙ্গবন্ধু টানেলের দৈর্ঘ্য মনে রাখতে ৩.৩২ সংখ্যাটি মনে রাখুন, যেখানে ৩ এর পর দশমিক দিয়ে ৩২ আছে।
সঠিক উত্তর: C) 999
কেন সঠিক:
- ৯৯৯ হলো বাংলাদেশের জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর, যা থেকে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও অ্যাম্বুলেন্স সেবা পাওয়া যায়।
- এটি সম্পূর্ণ টোল-ফ্রি নম্বর এবং যেকোনো ল্যান্ডলাইন বা মোবাইল থেকে দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা বিনামূল্যে যোগাযোগ করা যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 106 — এটি দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) হটলাইন নম্বর, পুলিশী সাহায্যের জন্য এটি ব্যবহৃত হয় না।
B) 333 — এটি বাংলাদেশ সরকারের জাতীয় তথ্য ও সেবা নম্বর, যা নাগরিক সমস্যার তথ্য ও প্রতিকারের জন্য ব্যবহৃত হয়।
C) 999 — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশনের নিয়ম প্রযোজ্য নয়।
D) 121 — এটি সাধারণত বিভিন্ন মোবাইল অপারেটরের কাস্টমার কেয়ার বা গ্রাহক সেবা নম্বর।
মনে রাখার টিপস:
জরুরি মুহূর্তে পুলিশের সাহায্য নিতে তিন অংকের সবচেয়ে বড় একজাতীয় সংখ্যা ৯৯৯ ডায়াল করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) কক্সবাজার
কেন সঠিক:
- কক্সবাজারের খুরুশকুলে নির্মিত এই বায়ু বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ এবং প্রথম বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদনে যাওয়া বায়ু বিদ্যুৎ প্রকল্প।
- ৬০ মেগাওয়াট ক্ষমতার এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি উপকূলীয় অঞ্চলের বাতাসকে কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কক্সবাজার — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে দেশের সর্ববৃহৎ ৬০ মেগাওয়াট ক্ষমতার বায়ু বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে।
B) নোয়াখালী — এটি সঠিক উত্তর নয়, কারণ এখানে বৃহৎ কোনো বায়ু বিদ্যুৎ কেন্দ্র নেই, যদিও উপকূলীয় অঞ্চল হিসেবে এখানে ভবিষ্যতে সম্ভাবনা রয়েছে।
C) বরগুনা — এটি সঠিক উত্তর নয়, কারণ এই জেলায় বায়ু বিদ্যুৎ উৎপাদনের কোনো বৃহৎ প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়নি।
D) ভোলা — এটি সঠিক উত্তর নয়, ভোলা জেলা গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য পরিচিত হলেও এখানে সর্ববৃহৎ বায়ু বিদ্যুৎ কেন্দ্র নেই।
মনে রাখার টিপস:
সমুদ্রের বাতাস বেশি থাকে কক্সবাজারে, তাই দেশের সর্ববৃহৎ বায়ু বিদ্যুৎ কেন্দ্রটিও কক্সবাজারের খুরুশকুলে অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: C) বগুড়া
কেন সঠিক:
- পুন্ড্রনগর প্রাচীন বাংলার মৌর্য ও গুপ্ত যুগের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক কেন্দ্র ও নগরী ছিল।
- বর্তমান প্রশাসনিক বিন্যাস অনুযায়ী ঐতিহাসিক পুন্ড্রনগর স্থানটি বগুড়া জেলার মহাস্থানগড়ে অবস্থিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কুমিল্লা — কুমিল্লা প্রাচীন সমতট অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত এবং এখানে ময়নামতির মতো ঐতিহাসিক স্থান রয়েছে, যা পুন্ড্রনগর নয়।
B) নওগাঁ — নওগাঁ উত্তরবঙ্গের একটি জেলা হলেও এখানে প্রাচীন ঐতিহাসিক পাহড়পুর বৌদ্ধ বিহার অবস্থিত, যা পুন্ড্রনগর নয়।
C) বগুড়া — এই অপশনটি সঠিক কারণ পুন্ড্রনগর বা পুন্ড্রবর্ধনের মূল কেন্দ্র বর্তমান বগুড়া জেলার মহাস্থানগড়ে অবস্থিত।
D) দিনাজপুর — দিনাজপুর উত্তরবঙ্গের জেলা এবং এখানে কান্তনগর মন্দির ও ঐতিহাসিক গড়ের মাঠ রয়েছে, যা পুন্ড্রনগর নয়।
মনে রাখার টিপস:
পুন্ড্রবর্ধন বা পুন্ড্রনগর মনে রাখতে মহাস্থানগড়ের কথা মাথায় রাখুন, যা বগুড়ায় অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: C) পাকিস্তান
কেন সঠিক:
- তক্ষশীলা প্রাচীন গান্ধার সভ্যতার একটি বিখ্যাত কেন্দ্র এবং এটি বর্তমান পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশে অবস্থিত।
- ঐতিহাসিক এই স্থানটি প্রাচীনকালে বৌদ্ধ ধর্মের শিক্ষা ও সংস্কৃতির অন্যতম প্রধানপীঠ ছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নেপাল — বৌদ্ধ ধর্মের প্রবক্তা গৌতম বুদ্ধের জন্মস্থান হলেও তক্ষশীলা এখানে অবস্থিত নয়।
B) শ্রীলংকা — এটি একটি প্রধান বৌদ্ধপ্রধান দেশ হলেও তক্ষশীলা এখানে অবস্থিত নয়।
C) পাকিস্তান — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি সঠিক।
D) থাইল্যান্ড — এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বৌদ্ধপ্রধান দেশ হলেও তক্ষশীলা এখানে অবস্থিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
তক্ষশীলা মানেই প্রাচীন শিক্ষা এবং এটি বর্তমানে পাকিস্তানে অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: A) ৬ ঘন্টা
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান গ্রিনিচ মেইন টাইম বা জিএমটি এর পূর্বে হওয়ায় সময় এগিয়ে থাকে।
- বাংলাদেশের প্রমাণ সময় জিএমটি অপেক্ষা ছয় ঘন্টা এগিয়ে বা ছয় ঘন্টা আগে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৬ ঘন্টা — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলাদেশের প্রমাণ সময় গ্রিনিচ মান সময় অপেক্ষা ছয় ঘন্টা এগিয়ে বা আগে।
B) ৫ ঘন্টা — এই সময়ের ব্যবধানটি সঠিক নয় কারণ ভৌগোলিক দ্রাঘিমার পার্থক্যের কারণে ব্যবধান পাঁচ ঘন্টা হয় না।
C) ৪ ঘন্টা — এই সময়ের ব্যবধানটি সঠিক নয় কারণ এটি বাংলাদেশের দ্রাঘিমার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
D) ৩ ঘন্টা — এই সময়ের ব্যবধানটি সঠিক নয় কারণ এত কম সময়ের ব্যবধান গ্রিনিচ মানের সাথে বাংলাদেশের জন্য প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশ গ্রিনিচ মানের পূর্বে অবস্থিত এবং সময়ের ব্যবধান হলো ছয় ঘন্টা।
সঠিক উত্তর: C) সেমিকোলন (;)
১. কেন সঠিক:
- বাক্যে কমা অপেক্ষা বেশি এবং দাড়ির চেয়ে কম বিরতির প্রয়োজন হলে সেমিকোলন বসাতে হয়।
- এটি মূলত দুটি স্বাধীন উপবাক্যের মধ্যে সংযোগ স্থাপনের জন্য ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণে বিরাম চিহ্ন বা যতিচিহ্ন বাক্যের অর্থ পরিষ্কার করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর প্রথম বাংলা লিপিতে বিরাম চিহ্নের সার্থক ব্যবহার করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কাল সকালে সে আসবে; কিন্তু কাজটি শেষ হবে কি না জানি না।
ব্যাখ্যা: এখানে দুটি সম্পূর্ণ ভাবের বাক্যাংশকে যুক্ত করতে কমা অপেক্ষা বেশি বিরতি হিসেবে সেমিকোলন ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: সংসার একটি নাট্যশালা বিশেষ; এখানে সবাইকে নিজ নিজ ভূমিকা পালন করতে হয়।
ব্যাখ্যা: এখানে প্রথম বাক্যাংশের পর গভীর সংযোগ বোঝাতে এবং একটু বেশি সময় থামতে সেমিকোলন বসেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দাড়ি (!) — এটি বাক্যের সমাপ্তি নির্দেশ করে এবং সবচেয়ে বেশি বিরতির প্রয়োজন হলে বসে।
B) কোলন (:) — এটি একটি অপূর্ণ বাক্যের পর অন্য কোনো বাক্যের অবতারণা করতে বা উদাহরণ টানতে ব্যবহৃত হয়।
C) সেমিকোলন (;) — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) ড্যাস (-) — এটি যৌগিক বা মিশ্র বাক্যে পৃথক ভাবের বা বিশদ বিবরণের ইঙ্গিত দিতে ব্যবহৃত হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বিরতির সময় মনে রাখার সহজ ক্রম হলো কমা, সেমিকোলন, দাড়ি।
- কমা মানে থামো সামান্য, সেমিকোলন মানে কমার দ্বিগুণের মতো থামো, দাড়ি মানে বাক্য শেষ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিরাম চিহ্নগুলোর বাংলা নাম ও ইংরেজি নাম ভালো করে পড়তে হবে।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে বাংলা বিরাম চিহ্নের প্রবর্তক বলা হয়।
সঠিক উত্তর: D) অধিকরণে শূন্য
১. কেন সঠিক:
ক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার স্থান, সময় বা বিষয়কে অধিকরণ কারক বলে।
এখানে 'বাড়ি' শব্দটি দ্বারা বাবা না থাকার স্থান নির্দেশ করায় এটি অধিকরণ কারক এবং এর সাথে কোনো বিভক্তি যুক্ত না থাকায় এটি শূন্য বিভক্তি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
ক্রিয়ার আধার বা স্থানকে অধিকরণ কারক বলে এবং স্থানবাচক শব্দে সাধারণত অধিকরণ কারক হয়।
শব্দের সাথে কোনো বিভক্তি যুক্ত না থাকলে তাকে প্রথমা বা শূন্য বিভক্তি ধরা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বনে বাঘ থাকে।
ব্যাখ্যা: বনে স্থান বোঝানোর কারণে এটি অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি।
উদাহরণ ২: সকালে সূর্য ওঠে।
ব্যাখ্যা: সকালে সময় বোঝানোর কারণে এটি অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কর্তায় শূন্য — বাক্যটিতে বাবা হলো কর্তা, বাড়ি নয়, তাই এটি কর্তাকারক নয়।
B) করণে শূন্য — বাড়ি কোনো মাধ্যম বা উপায় নয়, যার সাহায্যে ক্রিয়া সম্পাদিত হয়।
C) অপাদানে শূন্য — বাড়ি থেকে কিছু বিচ্যুত বা উৎপন্ন হওয়া বোঝাচ্ছে না।
D) অধিকরণে শূন্য — এটি সঠিক কারণ বাড়ি দ্বারা ক্রিয়া সম্পাদনের স্থান বোঝাচ্ছে এবং এতে কোনো বিভক্তি নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
কোথায় বা কখন প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা সাধারণত অধিকরণ কারক হয়।
স্থান বা সময় বোঝালে চোখ বন্ধ করে অধিকরণ কারক দাগাতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
স্থান, কাল বা বিষয় বোঝালেই তা অধিকরণ কারক হবে।
বিভক্তি না থাকলে তা শূন্য বিভক্তি হিসেবে গণ্য করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) ৩ প্রকার
১. কেন সঠিক:
অর্থানুসারে বাংলা শব্দকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়। এই শ্রেণিবিভাগটি শব্দের অর্থপ্রকাশের ক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে করা হয়ে থাকে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
অর্থের দিক থেকে বাংলা শব্দসমূহকে যৌগিক, রুহি বা রূঢ় এবং যোগরূঢ় এই তিন ভাগে ভাগ করা হয়। এই শ্রেণিবিভাগ শব্দতত্ত্বের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গায়ক
ব্যাখ্যা: এটি একটি যৌগিক শব্দ কারণ এর পদের অর্থ প্রকৃতি ও প্রত্যয়ের অর্থের অনুগামী।
উদাহরণ ২: প্রবীণ
ব্যাখ্যা: এটি একটি রূঢ় শব্দ কারণ এর প্রচলিত অর্থ মূল ব্যুৎপত্তিগত অর্থ থেকে আলাদা।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২ প্রকার — শব্দের উৎসমূলক বা রূপগত শ্রেণিবিভাগ দুই প্রকার হতে পারে, কিন্তু অর্থানুসারে এটি ভুল।
B) ৩ প্রকার — এটি সঠিক কারণ অর্থানুসারে শব্দ তিন প্রকার।
C) ৪ প্রকার — বাংলা ব্যাকরণে অর্থানুসারে শব্দের সংখ্যা চার প্রকার নয়।
D) ৫ প্রকার — উৎসের দিক থেকে শব্দ পাঁচ প্রকার, তাই এই অপশনটি এখানে সঠিক নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
অর্থানুসার শব্দ মনে রাখার সহজ কৌশল হলো যৌগিক, রূঢ় ও যোগরূঢ় এই তিনটি নাম মুখস্থ রাখা। এর জন্য জ - র - য সূত্রটি মনে রাখতে পারো।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই শব্দার্থ ও শব্দের শ্রেণিবিভাগ থেকে প্রশ্ন আসে। যৌগিক ও রূঢ় শব্দের পার্থক্য ভালোভাবে আয়ত্ত করা জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) অনুপাত
১. কেন সঠিক:
Ratio শব্দটির বাংলা পারিভাষিক রূপ হলো অনুপাত।
গণিত বা পরিমাপে দুটি সমজাতীয় রাশির তুলনামূলক সম্পর্ক বোঝাতে এই পরিভাষাটি ব্যবহার করা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি পারিভাষিক শব্দ সংক্রান্ত ব্যাকরণগত প্রশ্ন।
প্রমিত বাংলা ভাষার শব্দভান্ডার সমৃদ্ধ করতে ইংরেজি বা ভিনদেশি শব্দের নির্ভুল বাংলা রূপ হিসেবে পারিভাষিক শব্দ ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: Proportion শব্দের পারিভাষিক রূপ সমানুপাত।
ব্যাখ্যা: গণিত ও যুক্তিশাস্ত্রে রাশির পারস্পরিক সম্পর্ক বোঝাতে এই পারিভাষিক শব্দ ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: Fraction শব্দের পারিভাষিক রূপ ভগ্নাংশ।
ব্যাখ্যা: পূর্ণ সংখ্যার অংশ বিশেষ বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নিত্যক্রম — এটি একটি বিশেষ প্রক্রিয়া বা রুটিন বোঝায়, যার ইংরেজি প্রতিশব্দ ভিন্ন।
B) ভগ্নাংশ — এটি Fraction শব্দের পারিভাষিক রূপ, Ratio শব্দের জন্য এটি প্রযোজ্য নয়।
C) অনুপাত — এটি সঠিক পারিভাষিক রূপ।
D) সারি — এটি Row বা Line শব্দের পারিভাষিক রূপ, তাই এটি এখানে ভুল।
৫. মনে রাখার টিপস:
গণিতের অনুপাত ও সমানুপাত অধ্যায় মনে রাখলে Ratio শব্দটির অর্থ সহজে মনে রাখা যায়।
ইংরেজি আর বাংলা আদ্যক্ষরের মিল না থাকলেও গণিত চর্চার মাধ্যমে পারিভাষিক শব্দগুলো আয়ত্ত করা সহজ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ইংরেজি পরিভাষার সঠিক বাংলা রূপ প্রায়ই আসে।
নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে প্রশাসন, আইন ও গণিতের সাধারণ পারিভাষিক শব্দগুলো মুখস্থ রাখা আবশ্যক।
সঠিক উত্তর: D) অসম্ভব কল্পনা
১. কেন সঠিক:
'আকাশ কুসুম' একটি অত্যন্ত পরিচিত বাগধারা, যার আক্ষরিক অর্থ আকাশে ফোটা ফুল। আকাশে কোনো ফুল ফোটা সম্ভব নয়, তাই এই বাগধারাটি দিয়ে অবাস্তব বা অসম্ভব কল্পনাকে বোঝানো হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি বাংলা ভাষার একটি বিশেষ বাগধারা বা প্রবাদতুল্য শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থের বাইরে একটি বিশেষ ও গভীর ভাব প্রকাশ করে। ব্যাকরণের দিক থেকে বাগধারাগুলো বাক্যের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং ভাবকে সংক্ষেপে ও সুন্দরভাবে প্রকাশ করতে সাহায্য করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তোমার এই সাত দিনে কোটিপতি হওয়ার প্ল্যানটি আসলে একটি আকাশ কুসুম মাত্র।
ব্যাখ্যা: এখানে সহজে ধনী হওয়ার অবাস্তব পরিকল্পনাকে বোঝাতে আকাশ কুসুম বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: পড়াশোনা না করে পরীক্ষায় প্রথম হওয়ার আশা করা আর আকাশ কুসুম কল্পনা করা একই কথা।
ব্যাখ্যা: পরিশ্রম ছাড়া বড় কোনো সফলতার আশা করা যে অবাস্তব, তা বোঝাতে উদাহরণটি দেওয়া হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আকাঙ্ক্ষিত বস্তু — আকাঙ্ক্ষিত বস্তু বলতে যা পাওয়ার জন্য তীব্র ইচ্ছা বা কামনা থাকে তাকে বোঝায়, কিন্তু আকাশ কুসুমের অর্থ অবাস্তব কল্পনা।
B) অপ্রত্যাশিত — অপ্রত্যাশিত অর্থ যা হঠাৎ বা না ভেবে ঘটে যায়, যা আকাশ কুসুম বা অসম্ভব কল্পনার সমার্থক নয়।
C) প্রচুর ব্যবধান — প্রচুর ব্যবধান বলতে দুটি বিষয়ের মধ্যে বিরাট পার্থক্য বা দূরত্বকে বোঝায়, যা এই বাগধারার সঙ্গে মেলে না।
D) অসম্ভব কল্পনা — এই অপশনটি সঠিক কারণ আকাশ কুসুম বলতে এমন কিছু বোঝায় যা বাস্তবে ঘটা অসম্ভব।
৫. মনে রাখার টিপস:
আকাশে কখনো ফুল ফোটে না, তাই আকাশে কুসুম বা ফুল দেখা মানেই তা একটি অসম্ভব কল্পনা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই অবাস্তব অর্থ প্রকাশ করে এমন বাগধারাগুলো থেকে প্রশ্ন আসে। তাই অসম্ভব অর্থবাচক বাগধারা যেমন আকাশ কুসুম, কাকের থুথু বা কচ্ছপের লোম ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) শামসুর রাহমান
১. কেন সঠিক:
- ‘বন্দী শিবির থেকে’ কাব্যগ্রন্থটি বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে রচিত এবং এটি কবি শামসুর রাহমানের একটি অমর সৃষ্টি।
- তৎকালীন পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বরতা, অবরুদ্ধ ঢাকার মানুষের দমবন্ধ করা আতঙ্ক এবং মুক্তির আকুতি এই কাব্যগ্রন্থে গভীরভাবে ফুটে উঠেছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- শামসুর রাহমান বিংশ শতাব্দীর তিরিশের দশকের পর আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি এবং তাকে বাংলাদেশের নাগরিক কবি বলা হয়।
- ‘বন্দী শিবির থেকে’ কাব্যগ্রন্থটি ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন অবরুদ্ধ ঢাকায় বসে রচিত হয় এবং ১৯৭২ সালে প্রকাশিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে
ব্যাখ্যা: এটি কবি শামসুর রাহমানের আরেকটি অত্যন্ত বিখ্যাত ও জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ, যা তার কাব্য প্রতিভার অন্যতম নিদর্শন।
উদাহরণ ২: রৌদ্র করোটিতে
ব্যাখ্যা: এটিও শামসুর রাহমানের রচিত প্রখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, যা আধুনিক বাংলা কবিতায় এক বিশেষ স্থান অধিকার করে আছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বাংলাদেশের জাতীয় কবি এবং বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত হলেও ‘বন্দী শিবির থেকে’ কাব্যগ্রন্থটি তার লেখা নয়।
B) শামসুর রাহমান — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই বিশিষ্ট কবি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক এই বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থটি রচনা করেছেন।
C) আহসান হাবীব — তিনি একজন প্রখ্যাত আধুনিক কবি ও সাংবাদিক হলেও ‘বন্দী শিবির থেকে’ কাব্যগ্রন্থটি তার সাহিত্যকর্মের অন্তর্ভুক্ত নয়।
D) আবুল হাসান — তিনি ষাটের দশকের একজন প্রতিভাবান আধুনিক কবি হলেও ‘বন্দী শিবির থেকে’ কাব্যগ্রন্থটি তার রচনা নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- শামসুর রাহমান মানেই অবরুদ্ধ ঢাকার চিত্র এবং তার বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কাব্যগ্রন্থ ‘বন্দী শিবির থেকে’।
- এভাবে মনে রাখতে পারো যে, ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি বন্দিদশা বা শিবিরের মতো অবস্থায় ঢাকায় বসে তিনি এই কাব্যগ্রন্থ রচনা করেন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সাহিত্যকর্ম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- শামসুর রাহমানের অন্যান্য মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক রচনাগুলো যেমন ‘বাংলাদেশ স্বপ্ন দেখে’ ভালোভাবে পড়ে রাখা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
সঠিক উত্তর: B) সাপ্তাহিক বিজলী
১. কেন সঠিক:
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের অমর সৃষ্টি 'বিদ্রোহী' কবিতাটি প্রথম প্রকাশিত হয় এস ওয়াজেদ আলী সম্পাদিত 'সাপ্তাহিক বিজলী' পত্রিকায়।
১৯২২ সালের ৬ জানুয়ারি (বাংলা ১৩২৮ সনের ২২ পৌষ) শুক্রবার বিজলী পত্রিকার প্রথম পাতার দ্বিতীয় পৃষ্ঠায় কবিতাটি প্রথম প্রকাশিত হয় এবং ব্যাপক সাড়া ফেলে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
'বিদ্রোহী' কবিতাটি কাজী নজরুল ইসলামের 'অগ্নিবীণা' কাব্যের প্রথম সংস্করণের দ্বিতীয় কবিতা হিসেবে সংকলিত হয়েছে।
এই কবিতার মাধ্যমেই মূলত কবি বাংলা সাহিত্যে বিদ্রোহী কবি হিসেবে স্থায়ী আসন লাভ করেন এবং এর মধ্য দিয়ে বাংলা কবিতার মোড় ঘুরে যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কাজী নজরুল ইসলামের 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয় ১৯২২ সালের মে মাসে।
ব্যাখ্যা: এই কাব্যগ্রন্থের দ্বিতীয় কবিতা হিসেবে 'বিদ্রোহী' স্থান পেয়েছিল।
উদাহরণ ২: কাজী নজরুল ইসলামের 'প্রলয়ল্লাস' কবিতাটি 'সন্ধ্যা' পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
ব্যাখ্যা: এটি তার 'বিষের বাঁশি' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত একটি বিখ্যাত বিদ্রোহী চেতনার কবিতা।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মাসিক মোহাম্মদী — মাসিক মোহাম্মদী একটি বিখ্যাত প্রগতিশীল পত্রিকা হলেও কাজী নজরুল ইসলামের 'বিদ্রোহী' কবিতাটি এই পত্রিকায় প্রকাশিত হয়নি।
B) সাপ্তাহিক বিজলী — এই অপশনটি সঠিক কারণ এই পত্রিকাতেই 'বিদ্রোহী' কবিতাটি প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল।
C) দৈনিক নবযুগ — দৈনিক নবযুগ কাজী নজরুল ইসলামের সম্পাদিত একটি পত্রিকা যেখানে তার অনেক প্রবন্ধ ও সংবাদ প্রকাশিত হলেও 'বিদ্রোহী' কবিতাটি এখানে ছাপানো হয়নি।
D) ধূমকেতু — ধূমকেতু কাজী নজরুল ইসলামের নিজের সম্পাদিত অর্ধ-সাপ্তাহিক পত্রিকা হলেও 'বিদ্রোহী' কবিতাটি এই পত্রিকায় প্রকাশিত হয়নি।
৫. মনে রাখার টিপস:
বিদ্রোহী কবিতা বিজলী পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল, এটি মনে রাখতে বিজলী শব্দের ব এবং বিদ্রোহী শব্দের ব অক্ষরটি মিলিয়ে নিতে পারো।
এছাড়াও বিজলীর আলো যেমন চারদিক ঝলসে দেয়, তেমনি বিদ্রোহী কবিতার বাণীও পুরো সমাজে আলোড়ন তুলেছিল।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিদ্রোহী কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত এবং এর প্রকাশকাল প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
নজরুলের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ অগ্নিবীণা এবং তার প্রথম প্রকাশিত কবিতা মুক্তি, যা এই প্রশ্নের সঙ্গে গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
সঠিক উত্তর: B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১. কেন সঠিক:
- 'সঞ্চয়িতা' হলো বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতার একটি বিখ্যাত সংকলন গ্রন্থ।
- ১৯৩১ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সত্তর বছর পূর্তি উপলক্ষে এই গ্রন্থটি প্রথম প্রকাশিত হয়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ, কবি, ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার।
- 'সঞ্চয়িতা' গ্রন্থে তাঁর দীর্ঘ সাহিত্যজীবনের সেরা কবিতাগুলো নির্বাচিত ও সংকলিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গীতাঞ্জলি
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিশ্ববিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা ১৯১০ সালে প্রকাশিত হয়।
উদাহরণ ২: সোনালী কাবین
ব্যাখ্যা: এটি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম সেরা কাব্যগ্রন্থ যার রচয়িতা আল মাহমুদ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মাইকেল মধুসুদন দত্ত — তিনি বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক এবং তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ মেঘনাদবধ কাব্য।
B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — এটি সঠিক উত্তর।
C) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি এবং তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ অগ্নিবীণা।
D) জসীমউদ্দীন — তিনি পল্লীকবি নামে পরিচিত এবং তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ নকশী কাথার মাঠ।
৫ মনে রাখার টিপস:
- রবীন্দ্রনাথের সঞ্চয়িতা মানেই কবিতার চয়ন বা সংগ্রহ, যা তাঁর সত্তর বছর পূর্তিতে প্রকাশিত হয়।
- এই ধরনের সংকলন গ্রন্থ মনে রাখতে কবির জন্মবার্ষিকী বা জয়ন্তীর বছরগুলো খেয়াল রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ ও সংকলন থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- লেখকের জন্ম, মৃত্যু ও প্রধান সাহিত্যকর্মের নাম ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১. কেন সঠিক:
ভানুসিংহ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কৈশোর ও প্রথম যৌবনের পদাবলি রচনার একটি বিশেষ ছদ্মনাম। তিনি মৈথিলী ভাষার অনুকরণে ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলি রচনা করেছিলেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ কবি, ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার। তিনি ১৮৬১ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৪১ সালে মৃত্যুবরণ করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলি
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কিশোর বয়সে রচিত বৈষ্ণব পদাবলীর আদ ের লেখা কবিতা সংকলন।
উদাহরণ ২: বনফুল
ব্যাখ্যা: এটি বলাই চাঁদ মুখোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি ভানুসিংহ ছদ্মনামে পদ রচনা করতেন।
B) কাজী নজরুল ইসলাম — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি বাংলাদেশের জাতীয় কবি এবং তাঁর কোনো বিখ্যাত ছদ্মনাম ভানুসিংহ নয়।
C) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি বাংলা সাহিত্যের একজন খ্যাতনামা কথাশিল্পী যাঁর ছদ্মনাম অনিল চট্টোপাধ্যায় ছিল।
D) বলাই চাঁদ মুখোপাধ্যায় — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি মূলত বনফুল ছদ্মনামে সাহিত্য রচনা করতেন।
৫. মনে রাখার টিপস:
রবীন্দ্রনাথের শৈশবের ছদ্মনাম মনে রাখতে ভানুসিংহ শব্দটি মনে রাখুন। ভানু অর্থ সূর্য এবং রবীন্দ্রনাথ বাংলা সাহিত্যের সূর্যের মতো উজ্জ্বল।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ছদ্মনাম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অন্য ছদ্মনাম অক্ষয়চন্দ্র সরকার বা বেদব্যাস ইত্যাদি ভালো করে পড়ে রাখবেন।
সঠিক উত্তর: C) জাপানি
১. কেন সঠিক:
'রিক্সা' শব্দটি জাপানি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। জাপানি শব্দ 'জিনরিকশা' থেকে রিক্সা শব্দের উৎপত্তি হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি শব্দের উৎস বা শব্দের শ্রেণিবিভাগ সংক্রান্ত ব্যাকরণগত প্রশ্ন। বাংলা ভাষায় বিভিন্ন ভাষা থেকে নানা শব্দ প্রবেশ করেছে এবং উৎসের ভিত্তিতে শব্দগুলোকে তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি শব্দে ভাগ করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হারিকিরি
ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল পরিচিত জাপানি শব্দ যা বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: সুনামি
ব্যাখ্যা: এটিও জাপানি ভাষা থেকে আগত একটি শব্দ যা প্রাকৃতিক দুর্যোগ বোঝাতে বাংলায় ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তুর্কি — তুর্কি ভাষার শব্দ হলো দারোগা, চাকু, তোপ ইত্যাদি। রিক্সা তুর্কি শব্দ নয়।
B) কোরিয়ান — কোরিয়ান ভাষা থেকে সাধারণত সাধারণ বাংলা শব্দে তেমন কোনো প্রভাব নেই। তাই এটি ভুল।
D) পর্তুগিজ — পর্তুগিজ ভাষার শব্দ হলো আনারস, চাবি, বালতি ইত্যাদি। রিক্সা পর্তুগিজ শব্দ নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
জাপানি শব্দ মনে রাখার সহজ উপায় হলো জাপানিরা রিক্সা ও সুনামি পছন্দ করে। এভাবে উৎসের মিল করে মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। জাপানি, চীনা ও ওলন্দাজ শব্দগুলো আলাদা করে মুখস্থ রাখা উচিত।
সঠিক উত্তর: C) নিশীথিনী
১. কেন সঠিক:
নিশীথ শব্দের অর্থ মধ্যরাত্রি বা গভীর রাত। এর সঙ্গে ইনী প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নিশীথিনী শব্দটি গঠিত হয়েছে, যার অর্থ রাত বা রাত্রিকাল।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা বানানরীতির নিয়ম অনুযায়ী দীর্ঘ ঈ-কার ও হ্রস্ব ই-কারের সঠিক ব্যবহার জানা আবশ্যক। নিশীথ শব্দের মূল বানানে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহৃত হয় এবং এর সঙ্গে স্ত্রীবাচক প্রত্যয় যোগ করার সময়ও সঠিক বানানরীতি বজায় থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিভাবরী
ব্যাখ্যা: এটি নিশীথিনীর সমার্থক শব্দ যার অর্থ রাত।
উদাহরণ ২: যামিনী
ব্যাখ্যা: এটিও রাত বা নিশীথিনীর সমার্থক একটি বহুল ব্যবহৃত শব্দ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নিশিথিনী — নিশিথ শব্দের বানানে তালব্য শ-এ হ্রস্ব ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল কারণ মূল শব্দে দীর্ঘ ঈ-কার থাকে।
B) নীশিথিনী — নীশিথিনী বানানে প্রথম ন-এ দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক নয় কারণ এখানে হ্রস্ব ই-কার হওয়ার কথা।
D) নিশিথিনি — নিশিথিনি বানানে শেষাংশে হ্রস্ব ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে অথচ বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এখানে দীর্ঘ ঈ-কার হবে।
৫. মনে রাখার টিপস:
নিশীথ শব্দের বানান মনে রাখলে নিশীথিনী বানানটি সহজে আয়ত্ত করা যায়। মনে রাখবে নিশীথ শব্দের শেষে থ-এ দীর্ঘ ঈ-কার থাকে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রাত্রিকালবাচক শব্দগুলোর বানান প্রায়ই আসে। নিশীথ, নিশীথিনী, বিভাবরী এবং যামিনী শব্দগুলোর বানান ও অর্থ ভালো করে অনুশীলন করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
১. কেন সঠিক:
কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের ক্ষেত্রে তাঁর অনন্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সম্মানসূচক ডি-লিট (Doctor of Letters) ডিগ্রি প্রদান করে।
১৯৩৬ সালের ১ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় সমাবর্তনে তাঁকে এই বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের জগতে এক যুগান্তকারী নাম, যিনি সমাজের অবহেলিত মানুষের জীবনচিত্র নিপুণভাবে তুলে ধরেছেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিলিট ডিগ্রি প্রাপ্তির এই ঘটনাটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে লেখকের মর্যাদাকে আরও সুউচ্চ করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৩৬ সালে সম্মানসূচক ডিলিট ডিগ্রি লাভ করেন।
ব্যাখ্যা: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের পাশাপাশি একই বছরে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এই সম্মাননা প্রদান করে।
উদাহরণ ২: কাজী নজরুল ইসলাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৭৪ সালে সম্মানসূচক ডিলিট ডিগ্রি লাভ করেন।
ব্যাখ্যা: বাংলা সাহিত্যের প্রথিতযশা কবি ও লেখকদের বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক সম্মানসূচক ডিগ্রি প্রদানের এটি আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় — কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে এই ডিগ্রি প্রদান করেনি, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়।
B) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় — এটি সঠিক উত্তর কারণ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৩৬ সালে তাঁকে ডিলিট ডিগ্রি প্রদান করে।
C) বিশ্বভারতী — বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে এই সম্মানসূচক ডিগ্রি প্রদান করেনি, তাই এটি ভুল।
D) শান্তিনিকেতন — শান্তিনিকেতন কোনো বিশ্ববিদ্যালয় নয়, বরং এটি একটি শিক্ষাশ্রম ও পরবর্তীতে বিশ্বভারতীর অংশ, তাই এটি সঠিক নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর উভয়কেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় একই বছর অর্থাৎ ১৯৩৬ সালে সম্মানসূচক ডিলিট ডিগ্রি প্রদান করে।
এই তথ্যটি মনে রাখলে পরীক্ষা সংক্রান্ত বিভ্রান্তি এড়ানো সহজ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখক ও কবিদের প্রাপ্ত বিভিন্ন উপাধি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মাননা সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
এ ধরনের ক্ষেত্রে কোন সালে কোন প্রতিষ্ঠান থেকে সম্মাননা দেওয়া হয়েছে, তা ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) চর্যাপদ
১. কেন সঠিক:
চর্যাপদ হলো বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন বা আদি নিদর্শন, যা বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের একমাত্র প্রামাণ্য ঐতিহাসিক দলিল।
ভাষাতাত্ত্বিক বিশ্লেשণে প্রমাণিত হয়েছে যে চর্যাপদের ভাষা বাংলা ভাষার আদি রূপ, যার মাধ্যমে বাংলা ভাষার জন্ম ও বিকাশ স্পষ্ট হয়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
চর্যাপদ আবিষ্কার করেন হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে এবং ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে এটি হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় রচিত বৌদ্ধ গান ও দোহা নামে প্রকাশ করেন।
ডক্টর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় তাঁর ওডিবিএল গ্রন্থে বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে প্রমাণ করেন যে চর্যাপদের ভাষা মূলত বাংলা ভাষার প্রাচীন রূপ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সবুজের অভিযান
ব্যাখ্যা: এটি একটি সাহিত্যিক উদাহরণ যা প্রমথ চৌধুরীর প্রবন্ধ এবং আধুনিক বাংলা সাহিত্যের গতিশীলতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: সঞ্চয়িতা
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিভিন্ন কবিতার সংকলন যা বাংলা সাহিত্যের মধ্য ও আধুনিক যুগের বিকাশ বোঝায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চর্যাপদ — এটি বাংলা ভাষার আদি নিদর্শন হওয়ায় সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে।
B) শ্রীকৃষ্ণ কীর্তন কাব্য — এটি বড়ু চণ্ডীদাস রচিত মধ্যযুগের প্রথম নিদর্শন, কিন্তু আদি নিদর্শন নয়।
C) বঙ্গবাণী — এটি আব্দুল হাকিম রচিত মধ্যযুগের একটি বিখ্যাত কবিতা, যা মাতৃভাষার প্রতি প্রীতির নিদর্শন।
D) অন্নদামঙ্গল — এটি ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর রচিত অষ্টাদশ শতকের একটি বিখ্যাত মঙ্গলকাব্য, যা আধুনিক যুগের বহু পরে রচিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
আদি নিদর্শন মানেই চর্যাপদ এবং এটি আবিষ্কার করেন হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে।
মধ্যযুগের প্রথম নিদর্শন শ্রীকৃষ্ণ কীর্তন, এই দুটি গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের একমাত্র নির্দেশনার নাম জানতে চাইলে উত্তর হবে চর্যাপদ।
চর্যাপদের পদের সংখ্যা এবং রচয়িতাদের পদসংখ্যা সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই পরীক্ষণে আসে।
সঠিক উত্তর: C) অব্যয়
১. কেন সঠিক:
- উপসর্গ হলো এক ধরনের অব্যয় জাতীয় শব্দাংশ, যা স্বাধীন পদ হিসেবে ব্যবহৃত হয় না।
- এগুলো শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে এবং বাক্যের ভাব সম্প্রসারণ করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- উপসর্গ হলো কতগুলো অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা অন্য শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে।
- বাংলা ভাষায় উপসর্গগুলোকে মূলত তিন ভাগে ভাগ করা হয় যেমন বাংলা উপসর্গ, তৎসম উপসর্গ এবং বিদেশি উপসর্গ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: প্র + হার = প্রহার
ব্যাখ্যা: এখানে 'প্র' একটি অব্যয় জাতীয় উপসর্গ যা 'হার' শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থ প্রকাশ করেছে।
উদাহরণ ২: পরি + পূর্ণ = পরিপূর্ণ
ব্যাখ্যা: এখানে 'পরি' উপসর্গটি মূল শব্দের পূর্বে যুক্ত হয়ে শব্দের অর্থকে সম্পূর্ণতা দান করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিশেষ্য — বিশেষ্য হলো কোনো কিছুর নাম পদ, কিন্তু উপসর্গ কোনো নাম বোঝায় না।
B) সর্বনাম — সর্বনাম বিশেষ্যের পরিবর্তে ব্যবহৃত হয়, যা উপসাগরের কাজ নয়।
C) অব্যয় — সঠিক কারণ উপসর্গ নিজে স্বতন্ত্রভাবে ব্যবহৃত না হলেও এর শ্রেণিগত রূপ অব্যয়।
D) বিশেষণ — বিশেষণ দোষ গুণ অবস্থা প্রকাশ করে, কিন্তু উপসর্গ তা করে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- উপসর্গকে মনে রাখার জন্য ভাবুন এটি শব্দের আগে বসে অব্যয়ের মতো নতুন অর্থ তৈরি করে।
- উপসর্গ মানেই শব্দের পূর্বের অব্যয়সূচক শব্দাংশ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই উপসাগরের সংখ্যা ও কাজ সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
- মনে রাখবেন উপসর্গ নিজে স্বাধীন পদ নয়, তবে শব্দ গঠনের ক্ষেত্রে এর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: D) কৃ + তব্য
১. কেন সঠিক:
- ‘কর্তব্য’ শব্দটি সংস্কৃত কৃ ধাতুর সঙ্গে তব্য প্রত্যয় যোগে গঠিত হয়েছে।
- কৃ ধাতুর অর্থ হলো কোনো কিছু করা বা সম্পাদন করা।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ধাতুর সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠনের প্রক্রিয়াকে কৃতপ্রত্যয় বা কৃৎ প্রত্যয় বলা হয়।
- কৃ হলো একটি সংস্কৃত ধাতু এবং তব্য হলো ভবিষ্যৎ ও অবশ্যক অর্থে ব্যবহৃত একটি প্রত্যয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: √দা + তব্য = দাতব্য
ব্যাখ্যা: এটি কৃৎ প্রত্যয় যোগে গঠিত একটি শব্দ যার অর্থ দেওয়ার যোগ্য বা দান সংক্রান্ত।
উদাহরণ ২: √ভী + তব্য = ভিতব্য
ব্যাখ্যা: এটিও ধাতু ও প্রত্যয়ের নিয়মে গঠিত শব্দ যার অর্থ ভয়ের যোগ্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কব + তব্য — কব কোনো সঠিক সংস্কৃত ধাতু নয় তাই এটি ভুল।
B) কব্ + তব্য — কব্ বাংলা বা সংস্কৃত ব্যাকরণে প্রমিত ধাতু হিসেবে স্বীকৃত নয়।
C) কর্তা + অব্য — কর্তা একটি শব্দ বা প্রাতিপদিক এবং অব্য প্রত্যয় ব্যাকরণসম্মত নয়।
D) কৃ + তব্য — এটি সঠিক কারণ কৃ ধাতু ও তব্য প্রত্যয় মিলে কর্তব্য শব্দ গঠিত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- কর্তব্য শব্দ দেখলে প্রথমে কৃ ধাতু মনে রাখবে কারণ এর অর্থ করা।
- তব্য প্রত্যয় যোগে গঠিত শব্দগুলো সাধারণত অবশ্যক বা উচিত অর্থ প্রকাশ করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধাতু ও প্রত্যয় নির্ণয়ের ক্ষেত্রে প্রমিত মূল ধাতু চেনা জরুরি।
- একই নিয়মে কৃ ধাতুর সঙ্গে অন্য প্রত্যয় যোগ করে নতুন শব্দ তৈরি করা যায় যেমন ককার।
সঠিক উত্তর: B) বনঃ + পতি
১. কেন সঠিক:
এটি একটি বিসর্গ সন্ধির উদাহরণ যেখানে পতি শব্দের পূর্বে বিসর্গ রয়েছে।
বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী বিসর্গের পর প বা ফ থাকলে বিসর্গ স্থানে মূর্ধন্য স হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বিসর্গের সাথে স্বরধ্বনি বা ব্যঞ্জনধ্বনির মিলনে যে সন্ধি হয় তাকে বিসর্গ সন্ধি বলে।
এখানে বনঃ পদের বিসর্গের পর প থাকার কারণে বিসর্গ পরিবর্তিত হয়ে মূর্ধন্য স রূপ ধারণ করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাচস্পতি = বাচঃ + পতি
ব্যাখ্যা: বিসর্গের পর প থাকায় বিসর্গ স্থানে স হয়েছে।
উদাহরণ ২: মনঃপীড়া = মনঃ + পীড়া
ব্যাখ্যা: বিসর্গের পর প থাকার কারণে সন্ধির নিয়মে স যুক্ত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বনস + পতি — এটি সন্ধির প্রমিত বা সঠিক নিয়ম মেনে গঠিত হয়নি কারণ এখানে বিসর্গ বাদ দেওয়া হয়েছে।
C) বন + পতি — এটি সাধারণ সংযোগ হলেও সঠিক সন্ধিগত রূপ নয় কারণ বিসর্গ অনুপস্থিত।
D) বনো + পতি — এখানে ওকার যোগ করা হয়েছে যা এই শব্দের সন্ধির ক্ষেত্রে ব্যাকরণসম্মত নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
বিসর্গের পর প বা ফ থাকলে বিসর্গ স এ রূপান্তরিত হয়।
বনস্পতি শব্দের ক্ষেত্রে বনঃ এর সাথে পতি যুক্ত হয়ে বনস্পতি গঠিত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিসর্গ সন্ধি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
প বা ফ যুক্ত শব্দ দেখলে বিসর্গ সন্ধির এই বিশেষ নিয়মটি প্রয়োগ করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) অনন্যমনা
১. কেন সঠিক:
- অন্য দিকে মন নেই যার, তাকে এককথায় অনন্যমনা বলা হয়।
- এটি মূলত গভীর মনোযোগ বা একাগ্রতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকরণগত অংশ।
- বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যমেই বাক্যের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অন্য সাধারণ নয় যা = অনন্য
ব্যাখ্যা: সাধারণ থেকে আলাদা বা শ্রেষ্ঠ বোঝাতে এই এককথায় প্রকাশ ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: অন্য উপায় নেই যার = অনন্যোপায়
ব্যাখ্যা: কোনো বিকল্প বা পথ খোলা নেই এমন পরিস্থিতি বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অনন্যমনা — এটি সঠিক উত্তর এবং প্রদত্ত বাক্যের সঙ্গে সরাসরি মিলে যায়।
B) অন্যপক্ষ — এটি অন্য কোনো পক্ষ বা দল বোঝায়, যা মনোযোগহীনতা প্রকাশ করে না।
C) অগত্যা — এর অর্থ নিরুপায় হয়ে বা বাধ্য হয়ে, যা বাক্যটির সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়।
D) অনন্যোপায় — এর অর্থ যার অন্য কোনো উপায় বা বিকল্প নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
- প্রশ্নে অন্য মনে না থাকা বা একাগ্রতা থাকলে উত্তর হবে অনন্যমনা।
- অন্য কোনো উপায় না থাকলে উত্তর হবে অনন্যোপায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
- বাক্যের অর্থ ভালোভাবে অনুধাবন করলে সঠিক অপশন নির্বাচন করা সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: C) দ্বিগু সমাস
১. কেন সঠিক:
- সমাসের নিয়মানুসারে সংখ্যাবাচক শব্দের সঙ্গে সমাহার বা মিলন অর্থে বিশেষ্য পদের যে সমাস হয়, তাকে দ্বিগু সমাস বলে।
- 'তেপান্তর' শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো তিন প্রান্তের সমাহার, যেখানে 'তিন' একটি সংখ্যাবাচক শব্দ এবং 'প্রান্ত' বিশেষ্য পদ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- দ্বিগু সমাসে সমাসবদ্ধ পদটি সবসময় বিশেষ্য পদ হয় এবং এর অর্থ সমষ্টি বা সমাহার প্রকাশ করে।
- সংখ্যাবাচক শব্দের সাথে বিশেষ্য পদের মিলনে এই সমাস সাধিত হয় এবং উত্তরপদে সমাসবদ্ধ পদের প্রধান্য থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চতুরঙ্গ
ব্যাখ্যা: চার অঙ্গের সমাহার, যা দ্বিগু সমাসের একটি классический উদাহরণ।
উদাহরণ ২: ত্রিভুজ
ব্যাখ্যা: তিন বাহুর সমাহার, যা সংখ্যাবাচক শব্দ ও বিশেষ্য পদের মিলনে দ্বিগু সমাস হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দ্বন্দ্ব সমাস — যে সমাসে উভয় পদের অর্থের সমান প্রাদান্য থাকে এবং ব্যাসবাক্যে 'ও', 'এবং', 'কিংবা' ব্যবহৃত হয়, কিন্তু 'তেপান্তর'-এ তা নেই।
B) অব্যয়ীভাব — পূর্বপদের অর্থ প্রধান হয়ে যে সমাস হয় এবং অব্যয় যোগে গঠিত হয়, কিন্তু 'তেপান্তর' অব্যয় দিয়ে গঠিত নয়।
D) কর্মধারয় — বিশেষণ ও বিশেষ্য পদের মিলনে যে সমাস হয়, কিন্তু সংখ্যাবাচক শব্দের সমাহার বুঝালে তা দ্বিগু সমাসের অন্তর্ভুক্ত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সংখ্যাবাচক শব্দের সাথে সমাহার বা সমষ্টি বোঝালে চোখ বন্ধ করে দ্বিগু সমাস দাগাবে।
- তেপান্তর মানে তিন প্রান্তের সমাহার, তাই এটি দ্বিগু সমাস।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সংখ্যাবাচক সমাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই দ্বিগু ও বহুভ্রীহি সমাসের পার্থক্য ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
- সমাস নির্ণয়ের সময় প্রথমে ব্যাসবাক্য করে অর্থ বুঝতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) উপন্যাস
কেন সঠিক:
- সুলতানার স্বপ্ন মূলত একটি নারীবাদী কল্পবিজ্ঞানমূলক কাহিনী।
- সাহিত্যিক বিন্যাস ও বর্ণনার ধরনে এটি একটি সফল উপন্যাস হিসেবে পরিগণিত।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বেগম রোকেয়া সাখাওয়াতের প্রথম ইংরেজি রচনা সুলতস ড্রিম এর বাংলা রূপান্তর।
- এই সাহিত্যে পুরুষতান্ত্রিক সমাজের বিপরীত চিত্র বা লাডল্যাণ্ড নামক একটি কাল্পনিক নারীদের রাজ্যের বর্ণনা রয়েছে।
- এটি মূলত নারী মুক্তি ও প্রগতির পক্ষে রচিত একটি রূপকধর্মী গদ্য সাহিত্য।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) উপন্যাস — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি একটি পূর্ণাঙ্গ কাল্পনিক কাহিনীমূলক গদ্য গ্রন্থ।
- B) কাব্যগ্রন্থ — এটি কোনো পদ্য বা কবিতার সংকলন নয়, তাই এই অপশন ভুল।
- C) প্রবন্ধ গ্রন্থ — যদিও এতে জোরালো সামাজিক বার্তা আছে, তবে এর মূল কাঠামো প্রবন্ধের মতো তথ্যমূলক নয় বরং একটি কাল্পনিক কাহিনীর উপন্যাস।
- D) নাটক — এতে কোনো সংলাপভিত্তিক দৃশ্যপট বা নাট্যরূপের বিন্যাস নেই, তাই এটি নাটক নয়।
মনে রাখার টিপস:
- বেগম রোকেয়ার বিখ্যাত কল্পবিজ্ঞান মূলক নারীবাদী উপন্যাস হলো সুলতানার স্বপ্ন।
সঠিক উত্তর: B) সত্য
১. কেন সঠিক:
- ‘অলীক’ শব্দের অর্থ হলো যা সত্য নয়, অর্থাৎ মিথ্যা, অবাস্তব, মায়াবী বা কাল্পনিক। এর সরাসরি বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে ‘সত্য’ শব্দটি।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ ও বিপরীতার্থক শব্দ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে শব্দের মূল ভাব বুঝতে হয়। এখানে অলীক মানে কল্পিত বা অসত্য, তাই এর বিপরীতে বাস্তব বা সত্য হবে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা ব্যাকরণের শব্দভান্ডার অংশের সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দ বিষয়ক একটি প্রশ্ন। ভাষার সমৃদ্ধি এবং সঠিক ভাব প্রকাশের জন্য বিপরীত শব্দের ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- বাংলা ভাষায় বিপরীত শব্দ গঠনের সময় তৎসম শব্দের বিপরীতে তৎসম শব্দ এবং দেশি বা বিদেশি শব্দের বিপরীতে সমজাতীয় শব্দ ব্যবহারের নিয়ম সাধারণভাবে অনুসৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আকাশ − পাতাল
ব্যাখ্যা: আকাশ একটি ঊর্ধ্বমুখী বা উচু স্থান বোঝায় এবং এর বিপরীত শব্দ পাতাল নিম্নদেশ বোঝায়।
উদাহরণ ২: অনুরাগ − বিরাগ
ব্যাখ্যা: অনুরাগ শব্দের অর্থ গভীর ভালোবাসা বা আসক্তি, যার বিপরীত শব্দ বিরাগ বা অনাসক্তি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মিথ্যা — ‘মিথ্যা’ এবং ‘অলীক’ প্রায় সমার্থক শব্দ, কারণ দুটির অর্থই অসত্য, তাই এটি বিপরীত শব্দ হতে পারে না।
B) সত্য — এটি সঠিক উত্তর।
C) সচল — ‘সচল’ শব্দের অর্থ যা গতিশীল বা চলে, এর বিপরীত শব্দ হলো অচল বা স্থবির।
D) হিংসা — ‘হিংসা’ শব্দের অর্থ অসূয়া বা শত্রুভাব, এর বিপরীত শব্দ হলো প্রীতি বা ভালোবাসা।
৫ মনে রাখার টিপস:
- অলীক মানে মিথ্যা বা অবাস্তব কল্পনা। কল্পনা সবসময় সত্যের উল্টো হয়, তাই অলীক এর বিপরীত সত্য।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ প্রায়ই আসে। তাই সংস্কৃত বা তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দগুলো আলাদা করে চর্চা করা উচিত।
সঠিক উত্তর: A) অগ্নি
১. কেন সঠিক:
- ‘পাবক’ একটি সংস্কৃত শব্দ যার অর্থ আগুন বা অগ্নি।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ হিসেবে ‘অগ্নি’ শব্দের বিভিন্ন প্রতিশব্দ প্রায়ই আসে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দগুলোর সমষ্টি যেগুলোর অর্থ প্রায় একই রকম হয়।
- বাংলা ভাষায় তৎসম, তদ্ভব ও দেশি শব্দের বহু সমার্থক শব্দ রয়েছে যা বাক্যের সৌন্দর্য ও ভাব প্রকাশে সহায়তা করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বহ্নি
ব্যাখ্যা: এটি ‘অগ্নি’ বা ‘পাবক’ শব্দের অপর একটি বহুল ব্যবহৃত সমার্থক শব্দ।
উদাহরণ ২: হুতাশন
ব্যাখ্যা: হুত বা যজ্ঞের আগুন বোঝাতে ‘হুতাশন’ শব্দটি ‘অগ্নি’র সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অগ্নি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি পাবক শব্দের সরাসরি সমার্থক।
B) নয়ন — এই শব্দটির অর্থ চোখ বা চক্ষু, যা আগুন বা পাবক শব্দের সমার্থক নয়।
C) পুত্র — এই শব্দটির অর্থ ছেলে বা তনয়, যা পাবক শব্দের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) অধিপতি — এই শব্দটির অর্থ প্রধান, রাজা বা স্বামী, যা পাবক শব্দের সমার্থক নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- পাবক মানে পবিত্র আগুন, তাই প দিয়ে শুরু পাবক এবং পবিত্র শব্দটি একসঙ্গে মনে রাখতে পারো।
- অগ্নি শব্দের অন্যান্য সমার্থক যেমন অনল, বহ্নি ও হুতাশন একসঙ্গে ছন্দে মনে রাখা সহজ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অগ্নি শব্দের প্রতিশব্দ হিসেবে অনল, পাবক ও বহ্নি খুব বেশি আসে।
- সমার্থক শব্দ মুখস্থ না করে বারবার চর্চা করলে পরীক্ষায় সহজেই সঠিক উত্তর চিহ্নিত করা যায়।
সঠিক উত্তর: A) মাইকেল মধুসুদন দত্ত
১. কেন সঠিক:
- মাইকেল মধুসুদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে প্রথম সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতা প্রবর্তন করেন।
- ইতালীয় কবি পেত্রার্কের সনেট শৈলী থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি বাংলায় এই ধারার সূচনা করেন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মাইকেল মধুসুদন দত্ত বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহাকাব্য মেঘনাদবধ কাব্যের রচয়িতা।
- তিনি বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দেরও প্রবর্তক।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বঙ্গভাষা
ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসুদন দত্তের রচিত একটি বিখ্যাত চতুর্দশপদী কবিতা বা সনেট।
উদাহরণ ২: কব্জি
ব্যাখ্যা: সনেটের গঠনে সাধারণত প্রথম আট লাইনে ভাবের প্রবর্তনা এবং শেষ ছয় লাইনে তার পরিণতি থাকে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মাইকেল মধুসুদন দত্ত — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি বাংলায় সনেট প্রবর্তন করেন।
B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বাংলা সাহিত্যে সনেট রচনা করলেও এর প্রবর্তক নন।
C) অমিয় চক্রবর্তী — তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি হলেও সনেটের প্রবর্তক নন।
D) বিষ্ণু দে — তিনি রবীন্দ্রোত্তর যুগের একজন প্রগতিশীল কবি এবং বুদ্ধদেব বসুর সহযাত্রী ছিলেন।
৫. মনে রাখার টিপস:
- চতুর্দশপদী কবিতা বা সনেটের ক্ষেত্রে মাইকেল মধুসুদন দত্তের নাম সবার আগে মনে রাখতে হবে।
- মনে রাখতে হবে মধুসুদন দত্ত সনেটের পাশাপাশি অমিত্রাক্ষর ছন্দেরও জনক।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- মধুসুদন দত্তের চতুর্দশপদী কবিতা সংকলনটির নাম চতুর্দশপদী কবিতাবলী।
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাহিত্যিকদের প্রথম অবদান সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: B) ঈশ্বর চন্দ্র গুপ্ত
১. কেন সঠিক:
বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগ ও আধুনিক যুগের সংযোগস্থল বা সন্ধিক্ষণের কবি হিসেবে ঈশ্বর চন্দ্র গুপ্তকে অভিহিত করা হয়।
তাঁর কাব্যে মধ্যযুগের পয়ার ছন্দের প্রভাব এবং আধুনিক যুগের স্বদেশের প্রতি অনুরাগ ও সমসাময়িক সমাজের সমালোচনা একসঙ্গে প্রকাশ পেয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
ঈশ্বর চন্দ্র গুপ্ত ছিলেন উনিশ শতকের প্রথমার্ধের একজন বিশিষ্ট কবি ও সাংবাদিক এবং তিনি সংবাদ প্রভাকর পত্রিকা সম্পাদনা করতেন।
বাংলা কবিতায় আধুনিকতার সূচনা ঘটলেও তাঁর রচনারীতিতে মধ্যযুগের অবশিষ্টাংশ এবং আধুনিক যুগের চিন্তাধারার এক অপূর্ব সংমিশ্রণ লক্ষ করা যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ঈশ্বর চন্দ্র গুপ্ত সম্পাদিত সংবাদ প্রভাকর পত্রিকাটি ১৮৩১ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।
ব্যাখ্যা: এই পত্রিকার মাধ্যমেই উনিশ শতকের অনেক নবীন লেখক ও কবি সাহিত্যজগতে পরিচিতি লাভ করেছিলেন।
উদাহরণ ২: তাঁর রচিত বিখ্যাত কবিতা হলো কবি জীবন চরিত।
ব্যাখ্যা: এই রচনার মাধ্যমে তিনি প্রাচীন ও মধ্যযুগের কবিদের জীবনী ও সাহিত্যকর্ম সংরক্ষণ করার প্রথম সার্থক উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিহারীলাল চক্রবর্তী — ইনি ভোরের পাখি হিসেবে পরিচিত এবং বাংলা গীতি কবিতার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একজন কবি।
C) ভারত চন্দ্র রায় — ইনি মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের ধারার শেষ এবং অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি যিনি গুণাকর উপাধিতে ভূষিত হন।
D) আলাওল — ইনি সপ্তদশ শতকের রোমান্টিক ধারার মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মুসলমান কবি যিনি পদ্মাবতী কাব্য রচনা করেন।
৫ মনে রাখার টিপস:
মধ্যযুগ ও আধুনিক যুগের মাঝখানে অর্থাৎ সন্ধিক্ষণে সেতু তৈরি করেছিলেন ঈশ্বর চন্দ্র গুপ্ত।
কবি ঈশ্বর চন্দ্র গুপ্তের নাম মনে রাখলেই যুগ সন্ধিক্ষণের কবির নাম সহজেই মনে রাখা সম্ভব।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএসসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি বারবার আসে।
মধ্যযুগের শেষ কবি ভারত চন্দ্র রায় এবং আধুনিক যুগের সূচনার আগের সন্ধিক্ষণের কবি ঈশ্বর চন্দ্র গুপ্ত, এই পার্থক্যটি ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) ভারত চন্দ্র রায় গুণাকর
১. কেন সঠিক:
মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের শেষ কবি হিসেবে ভারতচন্দ্র রায় গুণাকরকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। তিনি অষ্টাদশ শতকের কবি এবং তার বিখ্যাত কাব্য অন্নদামঙ্গল বাংলা মধ্যযুগের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সমাপ্তিমূলক সাহিত্যকর্ম।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর ছিলেন নদীয়া রাজসভার কবি এবং রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের পৃষ্ঠপোষকতা লাভ করেছিলেন। তার সবচেয়ে বিখ্যাত কাব্য অন্নদামঙ্গল তিন ভাগে বিভক্ত যার মধ্যে বিদ্যাসুন্দর অংশটি খুবই জনপ্রিয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অন্নদামঙ্গল কাব্য।
ব্যাখ্যা: এটি ভারতচন্দ্র রায় গুণাকরের সর্বশ্রেষ্ঠ এবং মধ্যযুগের অন্তিম পর্বের বিখ্যাত কাব্য।
উদাহরণ ২: সত্যনারায়ণ কথা।
ব্যাখ্যা: এটিও ভারতচন্দ্র রায় গুণাকরের একটি উল্লেখযোগ্য রচনা যা মধ্যযুগের শেষ ভাগে রচিত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আব্দুল হাকিম — এটি সঠিক নয় কারণ তিনি মধ্যযুগের সপ্তদশ শতকের কবি এবং তার বিখ্যাত কাব্য নূরনামা।
B) বড়ু চণ্ডীদাস — এটি সঠিক নয় কারণ তিনি মধ্যযুগের একদম শুরুর দিকের কবি এবং শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের রচয়িতা।
C) আলাওল — এটি সঠিক নয় কারণ তিনি সপ্তদশ শতকের রোমান্টিক ধারার মধ্যযুগের মধ্যভাগের একজন শ্রেষ্ঠ কবি।
D) ভারত চন্দ্র রায় গুণাকর — এটি সঠিক কারণ তিনি মধ্যযুগের একেবারে শেষভাগে আবির্ভূত হয়েছিলেন এবং তার মৃত্যুর মধ্য দিয়ে মধ্যযুগের সমাপ্তি ঘটে।
৫ মনে রাখার টিপস:
মধ্যযুগের শেষ কবি মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো যে ভারতচন্দ্রই মধ্যযুগের সূর্য অস্ত যাওয়ার ঠিক আগের উজ্জ্বল নক্ষত্র। অন্নদামঙ্গল কাব্য দিয়েই মধ্যযুগের সমাপ্তি ঘটেছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে মধ্যযুগের শেষ কবি কে অথবা অন্নদামঙ্গল কার রচনা। এই প্রশ্নটি ভালোভাবে আয়ত্ত করলে মধ্যযুগের কালপঞ্জি বুঝতে সুবিধা হবে।
সঠিক উত্তর: B) A few number of students was present.
কেন সঠিক:
এখানে subject হিসেবে A few number of students ব্যবহৃত হয়েছে।
তাই নিয়ম অনুযায়ী এখানে verb singular হবে এবং was সঠিক হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) A few number of students were present — এখানে plural verb were ব্যবহার করা হয়েছে যা নিয়ম অনুযায়ী ভুল।
B) A few number of students was present — এটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং এখানে কোনো ব্যাকরণগত ভুল নেই।
C) A few number of student were present — এখানে student singular রাখা হয়েছে এবং verb plural দেওয়া হয়েছে।
D) A small number of students were present — এখানে a small number ব্যবহার করায় plural verb হয়েছে যা সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
A number of এর পরে plural verb বসে কিন্তু A few number of থাকলে singular verb বসে।
সঠিক উত্তর: B) lost the job
কেন সঠিক:
এই ইডিয়মটির আক্ষরিক অর্থ হলো কুড়ুল বা কোদাল পাওয়া, কিন্তু ইংরেজি সাহিত্যে এটি একটি রূপক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
এর মানে হলো কোনো কাজ বা চাকরি থেকে হঠাৎ করে বরখাস্ত হওয়া বা ছাঁটাই করা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) get a new job — নতুন চাকরি পাওয়ার অর্থ বোঝায়, যা এই ইডিয়মটির বিপরীত।
B) lost the job — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) cut off relationship — সম্পর্ক ছিন্ন করার সাথে এই ইডিয়মটির কোনো সরাসরি মিল নেই।
D) get an opportunity — নতুন কোনো সুযোগ পাওয়ার কথা এটি প্রকাশ করে না।
মনে রাখার টিপস:
চাকরি কাটার জন্য যেমন কুড়ুল ব্যবহার করা হয়, তেমনি get the axe শুনলে চাকরি হারানোর কথা মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) yielded
কেন সঠিক:
বাক্যের প্রেক্ষাপটে শত্রু পক্ষের আত্মসমর্পণ করার বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছে।
Give in একটি ফ্রেজাল ভার্ব যার অর্থ হার স্বীকার করা বা নতি স্বীকার করা।
Yielded শব্দের অর্থও আত্মসমর্পণ করা বা বশ্যতা স্বীকার করা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Friday — এটি একটি দিনের নাম এবং প্রদত্ত ফ্রেজাল ভার্বের অর্থের সাথে এর কোনো মিল নেই।
B) fainted — এর অর্থ জ্ঞান হারিয়ে ফেলা, যা এখানে শত্রু পক্ষের পরাজয়ের অর্থের সাথে সংগতিপূর্ণ নয়।
C) yielded — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না।
D) Moved back — এর অর্থ পিছনে সরে যাওয়া, যা সরাসরি আত্মসমর্পণ করার পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করে না।
মনে রাখার টিপস:
Give in ফ্রেজাল ভার্ব দেখলে মনে রাখবে এর অর্থ হলো মাথা নত করা বা হেরে যাওয়া যার সমার্থক শব্দ yielded।
সঠিক উত্তর: C) by
কেন সঠিক:
- ঘড়ির মাধ্যমে সময় জানার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নিয়ম বা প্রিপজিশন হিসেবে by ব্যবহৃত হয়।
- What is the time by your watch বাক্যটি একটি প্রমিত ইংরেজি প্রবাদপ্রতিম বা বহুল ব্যবহৃত কাঠামো।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) in — ঘড়ির ভেতরে সময় বোঝাতে in বসে না, তাই এটি ভুল।
B) at — নির্দিষ্ট সময় বা মুহূর্ত বোঝাতে at বসে, কিন্তু ঘড়ির ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নয়।
C) by — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
D) to — সময় বাক্যে বাজতে বা বাকি অর্থে to ব্যবহৃত হয়, যা এই শূন্যস্থানে বসে না।
মনে রাখার টিপস:
ঘড়ির সময় জানতে চাইলে সর্বদা by প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) has entered
কেন সঠিক:
বাক্যের প্রথম অংশে I have left present perfect tense-এ আছে।
তাই ঠিক পরের ঘটনা বোঝাতে এবং তার ফলাফল বর্তমানে বিদ্যমান থাকায় সঠিক উত্তর C হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) enters — এটি Present Indefinite Tense, যা অতীত ঘটনার সাথে বর্তমানের ফল প্রকাশের নিয়মের সাথে মেলে না।
B) entered — এটি Past Indefinite Tense, যা বাক্যের গঠন এবং বর্তমানের সাথে সংযোগ স্থাপনের নিয়মের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
C) has entered — এটিই সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়।
D) is entering — এটি Present Continuous Tense, যা এই বিশেষ প্রেক্ষাপটে ব্যবহারের নিয়ম অনুযায়ী সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
Present perfect tense-এর সাথে যুক্ত বাক्याংশে বর্তমানের ফল বোঝাতে পরবর্তী অংশেও সাধারণত present perfect tense ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) occasionally
কেন সঠিক:
- "Off and on" একটি প্রবাদ বা ইডিওম যার বাংলা অর্থ মাঝে মাঝে বা অনিয়মিতভাবে।
- অপশন ডি এর "occasionally" শব্দটির অর্থও মাঝে মাঝে বোঝায়।
- তাই এই দুটি অর্থ সম্পূর্ণভাবে মিলে যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) regularly — এই শব্দটির অর্থ নিয়মিত, যা "off and on" এর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
B) frequently — এর অর্থ ঘন ঘন বা প্রায়ই, যা অনিয়মিত কাজের সাথে মিলে না।
C) never at all — এর অর্থ মোটেও না, যা বাক্যটির মূল অর্থের সম্পূর্ণ উল্টো।
D) occasionally — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
"Off and on" মানে সুইচ অন ও অফ করার মতো মাঝে মাঝে কাজ করা, যা "occasionally" শব্দটিকে নির্দেশ করে।
সঠিক উত্তর: B) Smoking is telling upon health.
কেন সঠিক:
- Tell upon একটি বহুল ব্যবহৃত ইংরেজি ইডিয়ম বা ফ্রেজ, যার অর্থ ধীরে ধীরে ক্ষতি করা বা স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটানো।
- ধূমপান শরীরকে ধীরে ধীরে ক্ষয় করে বা ক্ষতি করে, তাই বাংলা এই বাক্যটির সঠিক ইংরেজি রূপ গঠনে tell upon ফ্রেজটি ব্যবহার করা সবচেয়ে উপযোগী।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Smoking is bad for health. — এটি সাধারণ একটি অনুবাদ হলেও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ক্ষতিকর অর্থে tell upon ফ্রেজের ব্যবহারকে স্ট্যান্ডার্ড ধরা হয়।
B) Smoking is telling upon health. — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং ইডিয়মের সঠিক প্রয়োগ।
C) Smoking was a bad habit. — এটি অতীতের অভ্যাস বোঝাচ্ছে, যা বর্তমান বাক্যের কাল বা টেন্সের সাথে মেলে না।
D) Smoking is dangerous for health. — এটি ভয়ানক বা বিপজ্জনক অর্থে ব্যবহৃত হয়, যা ধীরে ধীরে ক্ষতি করার ইডিয়মের সমার্থক নয়।
মনে রাখার টিপস:
ধীরে ধীরে ক্ষতি করা বোঝালে bad for health না বলে tell upon ফ্রেজটি ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) অথই সাগরে ভাসা
কেন সঠিক:
Beat about the bush একটি জনপ্রিয় ইংরেজি প্রবচন বা ইডিওম।
এর শাব্দিক অর্থ ঝোপের চারপাশে আঘাত করা হলেও ভাবার্থ হলো কাজের কথায় না গিয়ে অপ্রাসঙ্গিক কথায় সময় নষ্ট করা বা অথই সাগরে ভাসা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অথই সাগরে ভাসা — এই অপশনটি মূল ইডিওমের সঠিক ভাবার্থ প্রকাশ করে।
B) অন্ধের কিবা রাত্রি কিবা দিন — এই প্রবচনটির ইংরেজি অর্থ হলো 'Night is as good as day to a blind man'।
C) যেখানে দেখিয়ে ছাই উড়াইয়া দেখ তাই — এই প্রবচনের কোনো মিল নেই।
D) তন্ন তন্ন করে খোঁজা — এই অর্থ প্রকাশ করতে 'Search high and low' বা 'Leave no stone unturned' ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
ঝোপঝাড়ের চারপাশে ঘুরে মূল বিষয়ে না পৌঁছানো মানেই হলো কোনো কিছু নিয়ে অথই সাগরে ভাসা বা গোলকধাঁধায় পড়া।
সঠিক উত্তর: A) I am going to write a letter
কেন সঠিক:
প্রশ্নোক্ত বাক্যটিতে "is going to be written" গঠন থাকায় এটি Passive voice-এ আছে।
Active করার সময় Subject হিসেবে "I" বসে এবং am going to-র পরে মূল Verb-এর Base form বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) এটি সঠিক উত্তর কারণ এর গঠন নিয়মানুযায়ী সঠিক হয়েছে।
B) এখানে "will write to letter" দেওয়া আছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
C) এখানে Continuous টেন্স ব্যবহার করা হয়েছে যা প্রশ্নগত কাঠামোর সাথে মেলে না।
D) এখানে অতিরিক্ত "be going to" ব্যবহার করায় বাক্যটি অর্থহীন হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
Passive বাক্যে am/is/are going to be + V3 থাকলে, Active করার সময় am/is/are going to + V1 হয়।
সঠিক উত্তর: A) deceive
কেন সঠিক:
‘Deceit’ শব্দটির নাউন রূপের ভার্ব হলো ‘deceive’।
যার অর্থ হলো কাউকে প্রতারণা করা বা ঠকানো।
এটি বাক্যে মূল কাজের বা কাজের ভাব প্রকাশ করে।
এই ভার্ব থেকে বিভিন্ন রূপ তৈরি করা সম্ভব হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) deceive — এটি সঠিক উত্তর এবং প্রদত্ত নাউন শব্দটির মূল ভার্ব রূপ।
B) decisive — এটি একটি এডজেক্টিভ যার অর্থ হলো চূড়ান্ত বা সিদ্ধান্তমূলক।
C) deceiving — এটি ভার্বের সাথে ing যুক্ত রূপ বা এডজেক্টিভ হতে পারে।
D) deceitful — এটি একটি এডজেক্টিভ যার অর্থ হলো প্রতারকপূর্ণ।
মনে রাখার টিপস:
শব্দটির শেষে t থাকলে সাধারণত সেটি নাউন হয় এবং তার ভার্ব রূপে সাধারণত ve যুক্ত হয়।
সঠিক উত্তর: D) outside
কেন সঠিক:
বাক্যের অর্থ পূর্ণ করতে এখানে একটি উপযুক্ত স্থানবাচক শব্দ দরকার।
outside home বলতে ঘরের বাইরে বোঝায়, যা পুরুষের পাশাপাশি নারীদের কাজের পরিবেশকে সঠিকভাবে প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) out — এটি preposition হিসেবে একা বসে বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ করতে পারে না।
B) off — এটি সাধারণত কোনো কিছু থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া বা বন্ধ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
C) staying out — এটি একটি verb phrase যা এই শূন্যস্থানের জন্য ব্যাকরণগতভাবে বেমানান।
D) outside — এটি সঠিক কারণ এটি ঘরের বাইরে কাজ করার সঠিক অর্থ প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
তুলনামূলক বা সমকক্ষ কাজ বোঝাতে ঘরের বাইরে অর্থে outside ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) wasn’t she
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বাক্যটি হাবোধক (Affirmative) হওয়ায় এর ট্যাগ কোশ্চেনটি না-বোধক (Negative) হবে।
- মূল বাক্যের Subject হলো The spectator (lady হওয়ায় feminine) এবং Verb হলো was, তাই ট্যাগ কোশ্চেনে wasn’t she ব্যবহৃত হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) isn’t she — মূল বাক্যের verb 'was' থাকায় এখানে 'isn't' ব্যবহার করা grammatically সঠিক নয়।
B) was she — মূল বাক্যটি হাবোধক হওয়ায় ট্যাগ কোশ্চেনটি না-বোধক হওয়া বাধ্যতামূলক, তাই এটি ভুল।
C) wasn’t she — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং নিয়ম অনুযায়ী সম্পূর্ণ সঠিক।
D) was she not — ট্যাগ কোশ্চেনের সংক্ষিপ্ত রূপে সবসময় not-এর সংক্ষিপ্ত রূপ (n't) ব্যবহার করতে হয়, তাই এটি ব্যাকরণগতভাবে গ্রহণযোগ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
বাক্য হাবোধক হলে ট্যাগ কোশ্চেন না-বোধক হবে এবং মূল বাক্যের verb ও subject অনুযায়ী ট্যাগ গঠন করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) insert
কেন সঠিক:
- Delete শব্দের অর্থ মুছে ফেলা বা বাদ দেওয়া, যার সরাসরি বিপরীতার্থক বা অ্যান্টনিম হলো কোনো কিছু যুক্ত করা।
- Insert শব্দের অর্থ কোনো কিছু প্রবেশ করানো বা সংযুক্ত করা, যা delete শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) start — Start শব্দের অর্থ শুরু করা, যা delete শব্দের বিপরীত নয় বরং এটি finish শব্দের বিপরীত।
B) delay — Delay শব্দের অর্থ দেরি করা বা বিলম্ব করা, যা delete শব্দের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ বা বিপরীতার্থক নয়।
C) insert — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) hide — Hide শব্দের অর্থ লুকিয়ে রাখা, যা delete বা মুছে ফেলার সমার্থক হতে পারে কিন্তু বিপরীতার্থক নয়।
মনে রাখার টিপস:
কম্পিউটার কিবোর্ডে যেমন কোনো লেখা মুছে ফেলতে Delete কি ব্যবহার করা হয় এবং নতুন লেখা যুক্ত করতে Insert কি ব্যবহার করা হয়, এভাবে সহজে মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: C) To grasp the hidden meaning
কেন সঠিক:
"Read between the lines" একটি ইংরেজি প্রবাদ বা ইডিয়ম। এর শাব্দিক অর্থ লাইনের মাঝখানে পড়া হলেও ভাবার্থ হলো কোনো লেখার ভেতরের আসল উদ্দেশ্য বা গভীর অর্থ বুঝতে পারা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) To Concrete — এই অপশনটি সম্পূর্ণ অর্থহীন এবং প্রদত্ত ইডিয়মের সাথে এর কোনো মিল নেই।
B) To read leaving space — এটি ইডিয়মটির আক্ষরিক বা ভুল অর্থ প্রকাশ করে যা বিভ্রান্তিকর।
C) To grasp the hidden meaning — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) To read quickly — এটি দ্রুত পড়ার কথা বলে যা এই প্রবাদের আসল অর্থের সাথে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
লাইন বা অক্ষরের মাঝে ফাঁকা জায়গা পড়ার কথা না ভেবে সবসময় লেখার আড়ালে থাকা গোপন অর্থ খোঁজার বিষয়টি মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: D) frighten
কেন সঠিক:
Intimidate শব্দটির অর্থ কাউকে ভয় দেখানো বা ত্রাস সৃষ্টি করা।
Frighten শব্দটির অর্থও একই রকম অর্থাৎ কাউকে ভয় পাইয়ে দেওয়া।
তাই এই দুটি শব্দের অর্থ পুরোপুরি মিলে যায়।
এটি এই প্রশ্নের সবচেয়ে সঠিক সমার্থক শব্দ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) weaken — এই শব্দটির অর্থ দুর্বল করা, যা মূল শব্দের সাথে মেলে না।
B) depress — এই শব্দটির অর্থ মন খারাপ করা বা হতাশ করা, যা সঠিক সমার্থক নয়।
C) encourage — এই শব্দটির অর্থ উৎসাহ দেওয়া, যা ভীতি প্রদর্শনের সম্পূর্ণ বিপরীত।
D) frighten — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
Intimidate শব্দটি দেখলে মনে রাখবে এটি frighten বা ভয়ের সাথে সম্পর্কিত।
সঠিক উত্তর: B) By moving you will die
কেন সঠিক:
প্রদত্ত প্রশ্নটিতে Imperative sentence-এ 'and' যুক্ত হয়ে দুটি বিপরীত বা পরিণতির কাজ বোঝাচ্ছে। তাই Simple sentence করার সময় 'By + verb + ing' গঠন ব্যবহার করতে হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) If you move, you will die — এটি একটি Complex sentence, যা প্রশ্ন অনুযায়ী Simple নয়।
B) By moving you will die — এটি সঠিক উত্তর।
C) Without moving you will die — এটি অর্থের দিক থেকে বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
D) If you do not move, you will die — এটি Negative অর্থ প্রকাশ করে Complex sentence হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
Imperative sentence-এ and থাকলে Simple করার সময় By + verb + ing এবং or থাকলে Without + verb + ing ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) contributative
কেন সঠিক:
- Noun শব্দ contribution-এর সঠিক Adjective রূপ হলো contributative বা contributory।
- প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে contributative শব্দটি Adjective হিসেবে সঠিকভাবে গঠিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) contributative — এটি Noun শব্দ contribution-এর একটি সঠিক Adjective রূপ।
B) contribute — এটি Noun বা Adjective নয়, বরং এটি একটি Verb যার অর্থ অবদান রাখা।
C) contributional — ইংরেজী ব্যাকরণে এই ধরনের কোনো আদর্শ শব্দ বা Adjective রূপ সাধারণত প্রচলিত নেই।
D) contributed — এটি কোনো শব্দের Adjective রূপ নয়, বরং এটি contribute শব্দের Past Tense বা Past Participle রূপ।
মনে রাখার টিপস:
Noun-এর শেষে tion থাকলে তার Adjective রূপ সাধারণত tive বা tory যুক্ত করে তৈরি করা হয়।
সঠিক উত্তর: B) criterion
কেন সঠিক:
'Criteria' শব্দটি একটি গ্রিক মূলের বহুবচন রূপ।
এর একবচন বা singular রূপ হিসেবে 'criterion' ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) criterium — এটি সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি শব্দ যার অর্থ সাইকেল প্রতিযোগিতা।
B) criterion — এটি সঠিক হওয়ায় এই অপশনটি ভুল।
C) criteri — এটি ইংরেজি ব্যাকরণ অনুযায়ী কোনো সঠিক শব্দ নয়।
D) criterius — এটি একটি কাল্পনিক শব্দ যার কোনো ভিত্তি নেই।
মনে রাখার টিপস:
যেকোনো শব্দের শেষে on থাকলে তা singular এবং a থাকলে তা plural হয়, যেমন criterion থেকে criteria।
সঠিক উত্তর: D) a verbose speech
কেন সঠিক:
Verbose কথাটির অর্থ হলো অতিরিক্ত শব্দবহুল বা প্রয়োজনের তুলনায় বেশি শব্দ ব্যবহার করা।
প্রশ্নানুসারে অনেক শব্দপূর্ণ বক্তব্য বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) a large speech — এই বাক্যাংশটি একটি দীর্ঘ বক্তৃতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু নির্দিষ্টভাবে অতিরিক্ত শব্দের ব্যবহার বোঝায় না।
B) an ornamental speech — এর অর্থ আলংকারিক বা সাজানো গোছানো বক্তৃতা, যা অনেক শব্দের সমাহার নয়।
C) maiden speech — এটি একজন বক্তার জীবনের প্রথম বা শুরুর ভাষণকে নির্দেশ করে।
মনে রাখার টিপস:
Verbose শব্দের ভেতর শব্দ বেশি থাকে, তাই অতিরিক্ত কথা বললে তাকে Verbose speech বলে মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: A) to study
কেন সঠিক:
এখানে বাক্যটির অর্থ বোঝাতে একটি নির্দিষ্ট গঠন ব্যবহার করা হয়েছে।
বর্তমান অভ্যাসের ক্ষেত্রে এই নিয়ম প্রযোজ্য হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) to study — এই অপশনটি বাক্যের অর্থ এবং ব্যাকরণের নিয়মের সাথে নিখুঁতভাবে মিলে যায়।
B) to studying — এখানে to এর পরে gerund ব্যবহার করা হয়েছে যা এই বাক্যের গঠনে সঠিক নয়।
C) to studied — to এর পরে verb এর পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম বসালে বাক্যটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল হয়।
D) studing — এখানে verb এর সাথে ing যুক্ত করা হলেও সঠিক গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় শব্দ অনুপস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে অভ্যাসের কথা বলতে subject এর পর be verb এবং used to এর পর verb এর বেস ফর্ম বসে।
সঠিক উত্তর: A) By whom will you be helped?
কেন সঠিক:
ইন্টারোগেটিভ বাক্যে হু থাকলে প্যাসিভ করার সময় প্রথমে বাই হুম বসে।
এরপর টেন্স ও পার্সন অনুযায়ী সাহায্যকারী ভার্ব উইল এবং অবজেক্ট ইউ সাবজেক্ট হিসেবে বসে।
সবশেষে বি এবং মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপিল ফর্ম বসে বাক্যটি সম্পূর্ণ হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সঠিক উত্তর — তাই এটি ভুল নয়।
B) B) By whom you will be helped? — সাবজেক্টের আগে সাহায্যকারী ভার্ব না থাকায় এটি ভুল হয়েছে।
C) C) By whom will you helped? — বি ভার্ব বাদ পড়ায় প্যাসিভ গঠনটি সঠিক হয়নি।
D) D) By whom would be helped? — টেন্স পরিবর্তন হয়ে যাওয়ার কারণে এই অপশনটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
হু যুক্ত ইন্টারোগেটিভ বাক্যকে প্যাসিভ করার সময় প্রথমে বাই হুম বসাতে হয় এবং মূল ভার্বের পূর্বে অবজেক্টের পরে অবশ্যই বি যুক্ত করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) is spoken
কেন সঠিক:
এখানে ইংরেজি ভাষা নিজে নিজে কথা বলে না, বরং মানুষের দ্বারা বলা হয়। তাই বাক্যটি প্যাসিভ ভয়েসে আছে এবং প্রেজেন্ট ইনডেফিনিট টেন্সের প্যাসিভ গঠন ব্যবহার করতে হয়েছে।
ইংরেজি সারা বিশ্বে বলা হয় এটি একটি চিরন্তন সত্য বা সাধারণ অভ্যাস।
তাই সাবজেক্টের পর বি ভার্ব এবং মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Speaks — এটি একটি অ্যাক্টিভ ভার্ব যা ভুল কারণ ভাষা নিজে বলতে পারে না।
B) is speaking — এটি কন্টিনউয়াস টেন্স যা এখানে অর্থের সাথে মেলে না।
C) is spoken — এটি সঠিক উত্তর।
D) has been spoken — এটি প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্স যা বর্তমানের সাধারণ সত্য প্রকাশ করে না।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যের সাবজেক্ট যদি নিজে কাজ না করে অন্য কারও দ্বারা কাজ সম্পন্ন হয়, তবে সবসময় প্যাসিভ ভয়েস এবং ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম ব্যবহার করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) Gerund
কেন সঠিক:
এখানে teaching শব্দটি enjoy ভার্বের অবজেক্ট হিসেবে বসেছে এবং এটি noun এর কাজ করেছে।
verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে যখন noun এর কাজ করে, তখন তাকে gerund বলে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Noun — সরাসরি noun না হয়ে এটি verb থেকে উৎপন্ন হয়েছে।
B) Participle — এটি adjective এর কাজ করছে না, তাই এটি participle নয়।
C) Gerund — এটি সঠিক উত্তর।
D) pronoun — এটি কোনো pronoun নয় কারণ এটি নামের পরিবর্তে বসে না।
মনে রাখার টিপস:
verb প্লাস ing যদি noun এর মতো কাজ করে এবং বাক্যে অবজেক্ট হয়, তবে সেটি gerund।
সঠিক উত্তর: B) If Rana had seen me
কেন সঠিক:
বাক্যের পরের অংশে would have + verb এর পাস্ট পার্টিসিপল আছে।
তাই শর্তমূলক অংশটি পাস্ট পারফেক্ট টেন্সের হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) If I saw him — এটি সেকেন্ড কন্ডিশনাল, যার পরের অংশে would + verb হওয়ার কথা ছিল।
B) If Rana had seen me — এটি সঠিক অপশন এবং থার্ড কন্ডিশনালের নিয়ম মেনে চলেছে।
C) If Rana sees me — এটি ফার্স্ট কন্ডিশনাল, যার পরের অংশে will + verb হওয়ার কথা ছিল।
D) If Rana would see me — নিয়মের বাইরে গিয়ে একই বাক্যে দুইবার would have ও would ব্যবহার করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
would have দেখলে বাক্যের অন্য অংশে had + V3 বসাবে।
সঠিক উত্তর: A) the
কেন সঠিক:
noun যখন abstract গুণ প্রকাশ করে তখন তার পূর্বে নির্দিষ্ট করে বোঝাতে the বসে।
এখানে mother শব্দটি সাধারণ মা না বুঝিয়ে মাতৃত্বের গুণ বুঝিয়েছে।
তাই এর পূর্বে নির্দিষ্ট article হিসেবে the বসবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) the — সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়।
B) a — অনির্দিষ্ট কোনো সাধারণ বস্তু বা ব্যক্তিকে বোঝাতে a বসে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) an — vowel sound এর পূর্বে an বসে, কিন্তু এখানে নির্দিষ্ট মাতৃত্ব বোঝানো হয়েছে।
D) no article — গুণবাচক noun যখন বিশেষ অর্থে ব্যবহৃত হয় তখন article ছাড়া রাখা যায় না।
মনে রাখার টিপস:
noun যখন abstract বা গুণের অর্থে বসে তখন তার আগে the বসে।
সঠিক উত্তর: D) ৭
প্রদত্ত তথ্য:
মূল সংখ্যাটি হলো ৬৩০০
ধরি,
সংখ্যাটিকে মৌলিক উৎপাদকে বিশ্লেষণ করতে হবে
অতএব,
৬৩০০ এর মৌলিক উৎপাদকগুলো হলো
২ × ২ × ৩ × ৩ × ৫ × ৫ × ৭
সুতরাং,
জোড়বিহীন উৎপাদক বা একা থাকা সংখ্যাটি হলো ৭
উত্তর: ৭
সঠিক উত্তর: B) ৭৫
প্রদত্ত তথ্য:
৫০ থেকে ১০০ এর মধ্যবর্তী সংখ্যাগুলো বিবেচনা করতে হবে
ধরি,
৫০ ও ১০০ এর মধ্যবর্তী ক্ষুদ্রতম মৌলিক সংখ্যাটি ক
৫০ ও ১০০ এর মধ্যবর্তী বৃহত্তম মৌলিক সংখ্যাটি খ
অতএব,
৫০ এর পরের প্রথম মৌলিক সংখ্যা ক = ৫৩
১০০ এর আগের প্রথম মৌলিক সংখ্যা খ = ৯৭
সুতরাং,
মৌলিক সংখ্যা দুটির যোগফল = ৫৩ + ৯৭ = ১৫০
উত্তর: ১৫০ ÷ ২ = ৭৫
সঠিক উত্তর: A) ২৫
প্রদত্ত তথ্য:
১১ জন শিক্ষার্থীর বয়সের গড় ১৩ বছর
৩ জন নতুন শিক্ষার্থী ভর্তি হওয়ার পর মোট শিক্ষার্থী হলো ১৪ জন এবং তাদের বয়সের গড় হলো ১২ বছর
ধরি,
১১ জন শিক্ষার্থীর বয়সের সমষ্টি = ১১ × ১৩ বছর = ১৪৩ বছর
১৪ জন শিক্ষার্থীর বয়সের সমষ্টি = ১৪ × ১২ বছর = ১৬৮ বছর
অতএব,
নতুন ৩ জন শিক্ষার্থীর বয়সের সমষ্টি = ১৪ জন শিক্ষার্থীর বয়সের সমষ্টি − ১১ জন শিক্ষার্থীর বয়সের সমষ্টি
নতুন ৩ জন শিক্ষার্থীর বয়সের সমষ্টি = ১৬৮ বছর − ১৪৩ বছর
সুতরাং,
নতুন ৩ জন শিক্ষার্থীর বয়সের সমষ্টি = ২৫ বছর
উত্তর: ২৫
সঠিক উত্তর: A) ৩২
প্রদত্ত তথ্য:
সংখ্যা দুটির অনুপাত ৪:৫
সংখ্যা দুটির লসাগু ১৬০
ধরি,
প্রথম সংখ্যাটি = ৪ক
দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৫ক
অতএব,
সংখ্যা দুটির লসাগু = ৪ × ৫ × ক = ২০ক
প্রশ্নমতে, ২০ক = ১৬০
সুতরাং,
ক = ১৬০ ÷ ২০ = ৮
উত্তর: ক্ষুদ্রতর সংখ্যাটি = ৪ × ৮ = ৩২
সঠিক উত্তর: A) ২৫% লাভ
প্রদত্ত তথ্য:
১২টি কমলার ক্রয়মূল্য ২৪০ টাকা
৮টি কমলার বিক্রয়মূল্য ২০০ টাকা
ধরি,
১টি কমলার ক্রয়মূল্য = ২৪০ ÷ ১২ = ২০ টাকা
১টি কমলার বিক্রয়মূল্য = ২০০ ÷ ৮ = ২৫ টাকা
অতএব,
১টি কমলার লাভ = ২৫ − ২০ = ৫ টাকা
সুতরাং,
লাভের শতকরা হার = (৫ ÷ ২০) × ১০০% = ২৫%
উত্তর: ২৫% লাভ
সঠিক উত্তর: C) ৭০°
প্রদত্ত তথ্য:
একই চাপের উপর অবস্থিত কেন্দ্রস্থ কোণ = ১৪০°
ধরি,
বৃত্তস্থ কোণ সমান ক ডিগ্রি
অতএব,
আমরা জানি কেন্দ্রস্থ কোণ বৃত্তস্থ কোণের দ্বিগুণ
সুতরাং,
কেন্দ্রস্থ কোণ = ২ × বৃত্তস্থ কোণ
উত্তর: বৃত্তস্থ কোণ = ১৪০° ÷ ২ = ৭০°
সঠিক উত্তর: C) ব্যাসার্ধ
প্রদত্ত তথ্য:
বৃত্তের ক্ষেত্রফলের দ্বিগুণ
বৃত্তের পরিধি
ধরি,
বৃত্তের ব্যাসার্ধ = r
বৃত্তের ক্ষেত্রফল = π × r × r
বৃত্তের পরিধি = ২ × π × r
অতএব,
ক্ষেত্রফলের দ্বিগুণ = ২ × (π × r × r)
পরিধি = ২ × π × r
অনুপাত = (২ × π × r × r) ÷ (২ × π × r)
সুতরাং,
অনুপাত হিসাব করে পাই r
যা হলো বৃত্তের ব্যাসার্ধ
উত্তর: ব্যাসার্ধ
সঠিক উত্তর: A) ৭
প্রদত্ত তথ্য:
ট্রাপিজিয়ামের সমান্তরাল বাহুদ্বয়ের দৈর্ঘ্য ১০ সে.মি. ও ৮ সেমি.
ট্রাপিজিয়ামের ক্ষেত্রফল ৬৩ বর্গ সে.মি.
ধরি,
সমান্তরাল বাহুদ্বয়ের দৈর্ঘ্য যথাক্রমে ক = ১০ এবং খ = ৮
সমান্তরাল বাহুদ্বয়ের মধ্যবর্তী লম্ব দূরত্ব = হ সে.মি.
অতএব,
ট্রাপিজিয়ামের ক্ষেত্রফলের সূত্র অনুযায়ী লেখা যায়
ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × (ক + খ) × হ
সুতরাং,
৬৩ = (১ ÷ ২) × (১০ + ৮) × হ
৬৩ = (১ ÷ ২) × ১৮ × হ
উত্তর: হ = ৬৩ ÷ ৯ = ৭ সে.মি.
সঠিক উত্তর: D) ১৩:৯
প্রদত্ত তথ্য:
আয়তক্ষেত্রের পরিসীমা = ৪৪ মিটার
দৈর্ঘ্য প্রস্থ অপেক্ষা ৪ মিটার বেশি
ধরি,
আয়তক্ষেত্রের প্রস্থ = ক মিটার
আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য = ক + ৪ মিটার
অতএব,
পরিসীমা = ২ × (দৈর্ঘ্য + প্রস্থ)
২ × (ক + ৪ + ক) = ৪৪
২ × (২ক + ৪) = ৪৪
সুতরাং,
৪ক + ৮ = ৪৪
৪ক = ৩৬
ক = ৯
উত্তর: প্রস্থ = ৯ মিটার এবং দৈর্ঘ্য = ৯ + ৪ = ১৩ মিটার, তাই দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত ১৩:৯
সঠিক উত্তর: C) ১৬
প্রদত্ত তথ্য:
বর্গক্ষেত্রের কর্ণের দৈর্ঘ্য = ৪√২ একক
ধরি,
বর্গক্ষেত্রের বাহুর দৈর্ঘ্য = ক একক
অতএব,
বর্গক্ষেত্রের কর্ণের সূত্রানুসারে, কর্ণ = ক√২ একক
প্রশ্নমতে,
ক√২ = ৪√২
সুতরাং,
ক = ৪ একক
উত্তর: বর্গক্ষেত্রের পরিসীমা = ৪ × ৪ = ১৬ একক
সঠিক উত্তর: D) ২৫%
প্রদত্ত তথ্য:
সময় = ১২ বছর
সুদে-আসলে আসল হলো চার গুণ
ধরি,
আসল = ১০০ টাকা
অতএব,
সুদে-আসলে = ১০০ × ৪ = ৪০০ টাকা
সুদ = ৪০০ − ১০০ = ৩০০ টাকা
সুতরাং,
১২ বছরে সুদ হয় ৩০০ টাকা
১ বছরে সুদ হয় ৩০০ ÷ ১২ = ২৫ টাকা
উত্তর: ২৫%
সঠিক উত্তর: C) ৭ জন
প্রদত্ত তথ্য:
মোট চাঁদার পরিমাণ = ৭৩৫ টাকা
প্রত্যেকে চাঁদা দিল ১৫.০০ টাকা
ধরি,
সমিতির মোট সদস্য সংখ্যা = ক জন
প্রত্যেকে চাঁদা দিল ১৫ টাকা করে
অতএব,
মোট চাঁদার পরিমাণ = ক × ১৫ টাকা
প্রশ্নমতে, ক × ১৫ = ৭৩৫
সুতরাং,
ক = ৭৩৫ ÷ ১৫
ক = ৪৯
উত্তর: সদস্য সংখ্যা হলো √৪৯ = ৭ জন
সঠিক উত্তর: B) ১/√৩
প্রদত্ত তথ্য:
secθ = ২
ধরি,
cosθ = ১ ÷ secθ
cosθ = ১ ÷ ২
অতএব,
θ = ৬০ ডিগ্রি
সুতরাং,
cotθ = cot(৬০ ডিগ্রি)
cotθ = ১ ÷ √৩
উত্তর: ১/√৩
সঠিক উত্তর: A) ১৮ বছর
প্রদত্ত তথ্য:
পিতা ও পুত্রের বর্তমান বয়সের পার্থক্য ২০ বছর
৮ বছর পর তাদের বয়সের সমষ্টি ৭২ বছর
ধরি,
পুত্রের বর্তমান বয়স = ক বছর
পিতার বর্তমান বয়স = ক + ২০ বছর
অতএব,
৮ বছর পর পুত্রের বয়স হবে = ক + ৮ বছর
৮ বছর পর পিতার বয়স হবে = ক + ২০ + ৮ বছর = ক + ২৮ বছর
সুতরাং,
প্রশ্নমতে, ক + ৮ + ক + ২৮ = ৭২
বা, ২ক + ৩৬ = ৭২
উত্তর: ক = ১৮ বছর
সঠিক উত্তর: B) ৬
প্রদত্ত তথ্য:
৯ জন শ্রমিক ৪ দিনে ১৮০০ টাকা আয় করেন
৬ জন শ্রমিক কত দিনে সমপরিমাণ অর্থ আয় করবেন
ধরি,
শ্রমিকের সংখ্যা কমলে দিন বেশি লাগবে
এটি ব্যস্ত অনুপাতের হিসাব
অতএব,
১ জন শ্রমিকের ১৮০০ টাকা আয় করতে সময় লাগে = ৯ × ৪ দিন = ৩৬ দিন
৬ জন শ্রমিকের ১৮০০ টাকা আয় করতে সময় লাগে = ৩৬ ÷ ৬ দিন
সুতরাং,
৬ দিন
উত্তর: ৬ দিন
সঠিক উত্তর: A) ২৭
প্রদত্ত তথ্য:
দেওয়া আছে, x − y = ৩
ধরি,
প্রদত্ত রাশি = x এর ঘন − y এর ঘন − ৯xy
অতএব,
আমরা জানি, ঘন সম্বলিত অনুসিদ্ধান্ত হলো
(x − y) এর ঘন + ৩xy(x − y)
সুতরাং,
মানের জায়গায় ৩ বসিয়ে পাই
৩ এর ঘন + ৩xy(৩) − ৯xy
অতএব,
২৭ + ৯xy − ৯xy
উত্তর: ২৭
সঠিক উত্তর: D) ১/১৩
প্রদত্ত তথ্য:
x − ১/x = ৬
ধরি,
রাশিটি হলো x ÷ (x² + ৭x − ১)
অতএব,
লব ও হরকে x দ্বারা ভাগ করি
= ১ ÷ (x + ৭ − ১/x)
সুতরাং,
(x − ১/x) এর মান বসাই
= ১ ÷ (৬ + ৭)
উত্তর: ১/১৩
সঠিক উত্তর: D) ৬৪
প্রদত্ত তথ্য:
সমীকরণটি হলো log 2√2^ x = ৪
ধরি,
লগারিদমের সংজ্ঞা অনুযায়ী ভিত্তি এবং ঘাত পরিবর্তন করা যায়
অতএব,
২√2 এর ওপর পাওয়ার ৪ দিলে এক্স এর মান পাওয়া যাবে
সুতরাং,
এক্স সমান সমান (২√২) এর পাওয়ার ৪
উত্তর: ৬৪
সঠিক উত্তর: C) ০.০০১
প্রদত্ত তথ্য:
x − (১ ÷ x) = ৬
মান বের করতে হবে: x ÷ (x² + ৭x − ১)
ধরি,
রাশিটিকে সহজ করার জন্য লব ও হরকে x দ্বারা ভাগ করি
x ÷ x নিচে (x² ÷ x) + (৭x ÷ x) − (১ ÷ x)
অতএব,
লব হয় ১
হর হয় x + ৭ − (১ ÷ x)
সুতরাং,
হরকে সাজিয়ে পাই [x − (১ ÷ x)] + ৭
মান বসিয়ে পাই ৬ + ৭ = ১৩
উত্তর: ১ ÷ ১০০০ = ০.০০১
সঠিক উত্তর: C) ৫
প্রদত্ত তথ্য:
a + b = √৭
a − b = √৩
ধরি,
ab এর সূত্রটি ব্যবহার করতে হবে
অতএব,
ab = ((a + b) ÷ ২) স্কয়ার − ((a − b) ÷ ২) স্কয়ার
সুতরাং,
ab = (√৭ ÷ ২) স্কয়ার − (√৩ ÷ ২) স্কয়ার = (৭ ÷ ৪) − (৩ ÷ ৪) = ৪ ÷ ৪ = ১
উত্তর: ৫ab = ৫ × ১ = ৫
সঠিক উত্তর: C) ২৫
প্রদত্ত তথ্য:
x২ − ৩x + ১ = ০
ধরি,
সমীকরণের উভয় পক্ষকে x দ্বারা ভাগ করে পাই
x − ৩ + (১ ÷ x) = ০
অতএব,
x + (১ ÷ x) = ৩
সুতরাং,
(x − ১ ÷ x) স্কয়ার = (x + ১ ÷ x) স্কয়ার − ৪.x.(১ ÷ x)
উত্তর: (৩ স্কয়ার − ৪) স্কয়ার = (৯ − ৪) স্কয়ার = ৫ স্কয়ার = ২৫
সঠিক উত্তর: B) ৩
প্রদত্ত তথ্য:
সমীকরণটি হলো ২ × ৪ পাওয়ার (৩x − ৫) = ৫১২
ধরি,
উভয় পক্ষকে ২ দ্বারা ভাগ করে পাই
৪ পাওয়ার (৩x − ৫) = ৫১২ ÷ ২
অতএব,
৪ পাওয়ার (৩x − ৫) = ২৫৬
এখন বেজ বা ভিত্তি সমান করতে হবে
সুতরাং,
৪ পাওয়ার (৩x − ৫) = ৪ পাওয়ার ৪
উভয় পক্ষ থেকে ভিত্তি বাদ দিয়ে পাই
৩x − ৫ = ৪
উত্তর: ৩
সঠিক উত্তর: A) ২৯
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম সমীকরণটি হলো x + y + z = ৭
দ্বিতীয় সমীকরণটি হলো xy + yz + zx = ১০
ধরি,
আমাদের নির্ণয় করতে হবে x এর বর্গ + y এর বর্গ + z এর বর্গ এর মান
অতএব,
আমরা জানি বীজগণিতের সূত্র অনুযায়ী x + y + z এর হোল স্কয়ার সমান x এর বর্গ + y এর বর্গ + z এর বর্গ + ২(xy + yz + zx)
সুতরাং,
৭ এর বর্গ সমান নির্ণয় মান + ২ × ১০
অথবা, ৪৯ সমান নির্ণয় মান + ২০
উত্তর: ২৯
সঠিক উত্তর: C) 999
কেন সঠিক:
- ৯৯৯ হলো বাংলাদেশের জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর, যা থেকে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও অ্যাম্বুলেন্স সেবা পাওয়া যায়।
- এটি সম্পূর্ণ টোল-ফ্রি নম্বর এবং যেকোনো ল্যান্ডলাইন বা মোবাইল থেকে দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা বিনামূল্যে যোগাযোগ করা যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 106 — এটি দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) হটলাইন নম্বর, পুলিশী সাহায্যের জন্য এটি ব্যবহৃত হয় না।
B) 333 — এটি বাংলাদেশ সরকারের জাতীয় তথ্য ও সেবা নম্বর, যা নাগরিক সমস্যার তথ্য ও প্রতিকারের জন্য ব্যবহৃত হয়।
C) 999 — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশনের নিয়ম প্রযোজ্য নয়।
D) 121 — এটি সাধারণত বিভিন্ন মোবাইল অপারেটরের কাস্টমার কেয়ার বা গ্রাহক সেবা নম্বর।
মনে রাখার টিপস:
জরুরি মুহূর্তে পুলিশের সাহায্য নিতে তিন অংকের সবচেয়ে বড় একজাতীয় সংখ্যা ৯৯৯ ডায়াল করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) অণুজীব
কেন সঠিক:
- ব্যাকটেরিয়া হলো এককোষী প্রাক-কেন্দ্রিক বা আদি কোষবিশিষ্ট অণুজীব।
- খালি চোখে এদের দেখা যায় না, দেখতে অণুবীক্ষণ যন্ত্রের প্রয়োজন হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জড় বস্তু — জড় বস্তুর জীবন বা কোষ থাকে না, কিন্তু ব্যাকটেরিয়া একটি জীবন্ত কোষ।
B) প্রাণী — প্রাণীরা বহুক্ষোষী এবং সাধারণত নিজে খাদ্য তৈরি করতে পারে না, যা ব্যাকটেরিয়া থেকে আলাদা।
C) উদ্ভিদ — ব্যাকটেরিয়া উদ্ভিদ রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত নয়, কারণ এদের ক্লোরোপ্লাস্ট ও প্রকৃত নিউক্লিয়াস নেই।
D) অণুজীব — এটি সঠিক, কারণ ব্যাকটেরিয়া অতি ক্ষুদ্র এককোষী জীব যা খালি চোখে দৃশ্যমান নয়।
মনে রাখার টিপস:
ব্যাকটেরিয়া হলো খালি চোখে অদৃশ্য অতি ক্ষুদ্র এককোষী জীব, তাই এটি একটি অণুজীব।
প্রশ্নের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ
সঠিক উত্তর: B) কোরিয়া
কেন সঠিক:
- যে ভূখণ্ডের তিন দিক জলরাশি এবং এক দিক স্থলভাগ দ্বারা বেষ্টিত তাকে উপদ্বীপ বলে।
- কোরিয়া উপদ্বীপের তিন দিক যথাক্রমে পূর্ব দিকে জাপান সাগর, পশ্চিম দিকে পীত সাগর এবং দক্ষিণ দিকে পূর্ব চীন সাগর দ্বারা বেষ্টিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জার্মানি — এটি মধ্য ইউরোপের একটি দেশ যার চারপাশ প্রধানত স্থলবেষ্টিত এবং এর উত্তর দিকে সামান্য সমুদ্র উপকূল রয়েছে, তাই এটি উপদ্বীপ নয়।
B) কোরিয়া — এটি একটি উপদ্বীপ কারণ এর তিন দিক সমুদ্র দ্বারা বেষ্টিত এবং উত্তর দিক চীনের সাথে স্থলভাবে যুক্ত।
C) সৌদি আরব — এটি বিশ্বের বৃহত্তম উপদ্বীপ, যা আরব উপদ্বীপের অংশ এবং প্রদত্ত প্রশ্নের উত্তরে ভুল থাকায় এটি সঠিক নয়।
D) মায়ানমার — এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি দেশ যার পশ্চিম ও দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর ও আন্দামান সাগর রয়েছে, তবে এটি সম্পূর্ণ উপদ্বীপ হিসেবে পরিচিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
তিন দিক জল আর এক দিক স্থল, তাকে বলি উপদ্বীপ ভাই কেবল।
সঠিক উত্তর: D) ৪ নভেম্বর
কেন সঠিক:
- ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয় এবং ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর করা হয়।
- ২০২০ সালের ১৩ নভেম্বর মন্ত্রীসভার বৈঠকে প্রতিবছর ৪ নভেম্বরকে জাতীয় সংবিধান দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৩ ডিসেম্বর — এই তারিখে জাতীয় সংবিধান দিবস পালিত হয় না, এটি অন্য কোনো নির্ধারিত সরকারি দিবস নয়।
B) ৩ নভেম্বর — এই দিনে জেল হত্যা দিবস পালিত হয়, যা সংবিধান দিবসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
সি) ৪ ডিসেম্বর — এই তারিখে জাতীয় সংবিধান দিবস পালিত হয় না, এটি একটি ভুল তারিখ।
D) ৪ নভেম্বর — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
মনে রাখার টিপস:
সংবিধান গৃহীত হয় ৭২ সালের ৪ নভেম্বর, তাই ৪ নভেম্বরই হলো আমাদের জাতীয় সংবিধান দিবস।
সঠিক উত্তর: C) নিরক্ষীয় অঞ্চলে
কেন সঠিক:
- পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে দূরত্ব বেশি হওয়ায় এবং পৃথিবীর নিজ অক্ষে আবর্তনের ফলে সৃষ্ট কেন্দ্রাতিগ বলের প্রভাবে নিরক্ষীয় অঞ্চলে বস্তুর ওজন সবচেয়ে কম হয়।
- মেরু অঞ্চলের তুলনায় নিরক্ষ অঞ্চলে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান কম থাকায় এখানে বস্তুর ওজন হ্রাস পায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভূ-পৃষ্ঠে — ভূ-পৃষ্ঠের সব স্থানে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান সমান না থাকায় এটি সার্বق সঠিক উত্তর হতে পারে না।
B) মেরু অঞ্চলে — মেরু অঞ্চলে পৃথিবীর ব্যাসার্ধ কম এবং কেন্দ্রাতিগ বল কম থাকায় এখানে বস্তুর ওজন সবচেয়ে বেশি হয়।
C) নিরক্ষীয় অঞ্চলে — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এখানে অভিকর্ষজ ত্বরণ সবচেয়ে কম অনুভূত হয়।
D) পৃথিবীর কেন্দ্রে — পৃথিবীর কেন্দ্রে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান শূন্য হওয়ায় সেখানে বস্তুর ওজন শূন্য হয়, সর্বনিম্ন ওজন নয়।
মনে রাখার টিপস:
নিরক্ষীয় অঞ্চলে ওজন কম এবং মেরু অঞ্চলে ওজন বেশি হয়।
সঠিক উত্তর: A) নার্গিস মোহাম্মদী
কেন সঠিক:
- ইরানে নারীদের নিপীড়নের বিরুদ্ধে লড়াই এবং সবার জন্য মানবাধিকার ও স্বাধীনতা অর্জনের অবদানের জন্য তিনি ২০২৩ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রদানে তাঁর কারাবাস ও মানবাধিকার activism অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নার্গিস মোহাম্মদী — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য এবং তিনি ২০২৩ সালের শান্তিতে নোবেল বিজয়ী।
B) শিরিন এবাদি — তিনি ইরানের একজন আইনজীবী এবং মানবাধিকার কর্মী যিনি ২০০৩ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেছিলেন।
C) নাগিব মাহফুজ — তিনি মিশরের বিখ্যাত ঔপন্যাসিক ও লেখক যিনি ১৯৮৮ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেছিলেন।
D) প্রফেসর আব্দুস সালাম — তিনি পাকিস্তানের প্রখ্যাত তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী যিনি ১৯৭৯ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
নার্গিস মোহাম্মদী নামটি মনে রাখুন নারীর অধিকার ও শান্তির প্রতীক হিসেবে, যিনি ২০২৩ সালে জেলখানায় থেকেই নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছেন।
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: D) ২ মার্চ
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের ২ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনে ছাত্রনেতা আ স ম আবদুর রব প্রথম স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করেন।
- তৎকালীন ডাকসুর সহসভাপতি হিসেবে তিনি এই ঐতিহাসিক পতাকা উত্তোলন করে স্বাধীনতার সংগ্রামের গতি তীব্র করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২৬ মার্চ — এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস এবং এই তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয়।
B) ২৫ মার্চ — এটি কালরাত্রি, যে রাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী গণহত্যা শুরু করেছিল।
C) ৭ মার্চ — এটি ঐতিহাসিক ভাষণের দিন, যেদিন বঙ্গবন্ধু রেসকোর্স ময়দানে স্বাধীনতার ডাক দিয়েছিলেন।
D) ২ মার্চ — এই অপশনটি সঠিক এবং এই দিনেই প্রথম জাতীয় পতাকা উত্তোলিত হয়েছিল।
মনে রাখার টিপস:
পতাকা উত্তোলনের দিন ২ মার্চ মনে রাখতে মার্চ মাসের শুরুতে পতাকা তোলার কথা মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: C) আলু
কেন সঠিক:
- ‘সিন্দুরী’ হলো বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত উচ্চফলনশীল গোল আলুর একটি জাত।
- এই জাতের আলুর চামড়ার রঙ কিছুটা লালচে এবং এটি চাষাবাদের জন্য অত্যন্ত উপযোগী।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বেগম — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয় কারণ এটি গোল আলুর কোনো নির্দিষ্ট জাতের নাম নয়।
B) আম — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয় কারণ আম একটি ফল, যা গোল আলুর জাতের সাথে সম্পর্কিত নয়।
C) আলু — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এটি আলুর একটি বিশেষ জাতকে নির্দেশ করে।
D) টমেটো — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয় কারণ টমেটো একটি সবজি, যা গোল আলুর জাতের নাম নয়।
মনে রাখার টিপস:
আলুর রঙের সাথে মিল রেখে লালচে জাতটির নাম মনে রাখতে পারেন সিন্দুরী।
সঠিক উত্তর: D) শেখ মুজিবুর রহমান
কেন সঠিক:
- এটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা একটি বিখ্যাত ভ্রমণকাহিনি ও আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ।
- ১৯৫২ সালে চীন ভ্রমণের অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে এই গ্রন্থটি রচিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মাওলানা ভাসানী — তিনি বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত রাজনৈতিক নেতা হলেও এই গ্রন্থটির লেখক নন।
B) আবুল ফজল — তিনি বিখ্যাত সাহিত্যিক ও প্রাবন্ধিক হলেও 'আমার দেখা নয়াচীন' বইটি তিনি লেখেননি।
C) শহীদুল্লা কায়সার — তিনি প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক, তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস 'সারেং বউ', তবে এই বইটির লেখক নন।
D) শেখ মুজিবুর রহমান — এটি তাঁরই লেখা একটি ঐতিহাসিক গ্রন্থ, তাই এই অপশনটি সঠিক।
মনে রাখার টিপস:
চীন ভ্রমণ করেছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, তাই 'নয়াচীন' বইটির লেখকও তিনি।
সঠিক উত্তর: B) ২৪ জানুয়ারি-২০২৩
কেন সঠিক:
- ২০২৩ সালের ২৪ জানুয়ারি মন্ত্রিপরিষদ বৈঠকে সার্বজনীন পেনশন ব্যবস্থাপনা বিল অনুমোদিত হয়।
- এই আইনের মাধ্যমে দেশের ১৮ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সের সকল নাগরিকের জন্য পেনশন সুবিধা নিশ্চিত করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৪ জানুয়ারি-২০২৩ — এটি এই বিল পাসের তারিখ নয় এবং এই দিনে অন্য কোনো নিয়মিত সরকারি কার্যক্রম ছিল।
B) ২৪ জানুয়ারি-২০২৩ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই দিনেই মন্ত্রিসভায় বিলটি চূড়ান্ত অনুমোদন লাভ করে।
C) ১৫ অক্টোবর-২০২৩ — এই তারিখে সার্বজনীন পেনশন স্কিম আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়, বিল পাস হয়নি।
D) ২৫ অক্টোবর-২০২৩ — এটি এই সংক্রান্ত কোনো নির্দিষ্ট ঐতিহাসিক বা আইন পাশের তারিখ নয়।
মনে রাখার টিপস:
পেনশন বিল পাসের মাসটি মনে রাখুন জানুয়ারি এবং তারিখটি চব্বিশ, অর্থাৎ ২৪ জানুয়ারি ২০২৩।
সঠিক উত্তর: A) চন্দ্রযান-৩
কেন সঠিক:
- এটি ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো পরিচালিত চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে সফলভাবে অবতরণকারী ঐতিহাসিক অভিযান।
- এই অভিযানের মাধ্যমে ভারত বিশ্বের চতুর্থ দেশ হিসেবে চাঁদে সফল সফট ল্যান্ডিংয়ের গৌরব অর্জন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চন্দ্রযান-৩ — এটি বর্তমান প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং ভারতের সর্বশেষ সফল চন্দ্র অভিযান।
B) চন্দ্রযান-২ — এটি ২০১৯ সালে প্রেরিত ভারতের দ্বিতীয় চন্দ্র অভিযান যার ল্যান্ডার চাঁদে অবতরণের সময় বিধ্বস্ত হয়েছিল।
C) বিক্রম — এটি চন্দ্রযান-৩ এর সাথে যুক্ত ল্যান্ডারের নাম, পুরো চন্দ্রযানের নাম নয়।
D) অশোক — এটি কোনো চন্দ্রযানের নাম নয়, বরং ভারতের রাষ্ট্রীয় প্রতীকের সঙ্গে সম্পর্কিত।
মনে রাখার টিপস:
ভারতের ধারাবাহিক চন্দ্র অভিযানের শেষ সংখ্যাটি মনে রাখুন, যা সফলভাবে চাঁদে পৌঁছেছে অর্থাৎ চন্দ্রযান-৩।
সঠিক উত্তর: C) চুকনগর
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের ২০ মে খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার চুকনগরে বাংলাদেশের ইতিহাসের সর্ববৃহৎ একক গণহত্যা সংঘটিত হয়।
- পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের সহযোগীরা সেদিন ভারতে যাওয়ার পথে হাজার হাজার নিরস্ত্র বাঙালি শরণার্থীকে নির্মমভাবে হত্যা করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আসামদিয়া — এটি ১৯৭১ সালের একটি পরিচিত গণহত্যা হলেও চুকনগরের মতো সর্ববৃহৎ গণহত্যা হিসেবে এটি স্বীকৃত নয়।
B) মোহাম্মদপুর বিধবা পল্লী — এটি মুক্তিযুদ্ধের সময় নারীদের ওপর নির্যাতন ও আটকে রাখার স্থান ছিল, যা কোনো বৃহৎ হত্যাকাণ্ডের ঘটনাস্থল নয়।
C) চুকনগর — এটি প্রশ্নানুসারে সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন কোনো ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়।
D) রায়েরবাজার — এটি বুদ্ধিজীবী হত্যার অন্যতম প্রধান স্থান হলেও ১৯৭১ সালের ২০ মের চুকনগর গণহত্যার মতো সর্ববৃহৎ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা এখানে ঘটেনি।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ গণহত্যার স্থান মনে রাখতে চুকনগরের ২০ মের ঘটনাটি মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: B) ৩.৩২ কিলোমিটার
কেন সঠিক:
- এটি বাংলাদেশের প্রথম নদীর তলদেশ দিয়ে নির্মিত সড়ক টানেল বা বঙ্গবন্ধু টানেল।
- কর্ণফুলী নদীর তলদেশে নির্মিত এই টানেলের মূল টিউবের দৈর্ঘ্য ৩.৩২ কিলোমিটার।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২.৪৫ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয় কারণ টানেলটির দৈর্ঘ্য এটি নয়।
B) ৩.৩২ — এটি সঠিক দৈর্ঘ্য হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত।
C) ৩.৪ — এটি বঙ্গবন্ধু টানেলের দৈর্ঘ্য নয়, তাই এটি ভুল অপশন।
D) ৩.৪৩ — এটি টানেলের মূল দৈর্ঘ্য বা এপ্রোচ রোডসহ মোট দৈর্ঘ্যের সঠিক মাপ নয়।
মনে রাখার টিপস:
বঙ্গবন্ধু টানেলের দৈর্ঘ্য মনে রাখতে ৩.৩২ সংখ্যাটি মনে রাখুন, যেখানে ৩ এর পর দশমিক দিয়ে ৩২ আছে।
সঠিক উত্তর: A) ৬ ঘন্টা
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান গ্রিনিচ মেইন টাইম বা জিএমটি এর পূর্বে হওয়ায় সময় এগিয়ে থাকে।
- বাংলাদেশের প্রমাণ সময় জিএমটি অপেক্ষা ছয় ঘন্টা এগিয়ে বা ছয় ঘন্টা আগে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৬ ঘন্টা — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলাদেশের প্রমাণ সময় গ্রিনিচ মান সময় অপেক্ষা ছয় ঘন্টা এগিয়ে বা আগে।
B) ৫ ঘন্টা — এই সময়ের ব্যবধানটি সঠিক নয় কারণ ভৌগোলিক দ্রাঘিমার পার্থক্যের কারণে ব্যবধান পাঁচ ঘন্টা হয় না।
C) ৪ ঘন্টা — এই সময়ের ব্যবধানটি সঠিক নয় কারণ এটি বাংলাদেশের দ্রাঘিমার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
D) ৩ ঘন্টা — এই সময়ের ব্যবধানটি সঠিক নয় কারণ এত কম সময়ের ব্যবধান গ্রিনিচ মানের সাথে বাংলাদেশের জন্য প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশ গ্রিনিচ মানের পূর্বে অবস্থিত এবং সময়ের ব্যবধান হলো ছয় ঘন্টা।
সঠিক উত্তর: A) কক্সবাজার
কেন সঠিক:
- কক্সবাজারের খুরুশকুলে নির্মিত এই বায়ু বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ এবং প্রথম বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদনে যাওয়া বায়ু বিদ্যুৎ প্রকল্প।
- ৬০ মেগাওয়াট ক্ষমতার এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি উপকূলীয় অঞ্চলের বাতাসকে কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কক্সবাজার — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে দেশের সর্ববৃহৎ ৬০ মেগাওয়াট ক্ষমতার বায়ু বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে।
B) নোয়াখালী — এটি সঠিক উত্তর নয়, কারণ এখানে বৃহৎ কোনো বায়ু বিদ্যুৎ কেন্দ্র নেই, যদিও উপকূলীয় অঞ্চল হিসেবে এখানে ভবিষ্যতে সম্ভাবনা রয়েছে।
C) বরগুনা — এটি সঠিক উত্তর নয়, কারণ এই জেলায় বায়ু বিদ্যুৎ উৎপাদনের কোনো বৃহৎ প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়নি।
D) ভোলা — এটি সঠিক উত্তর নয়, ভোলা জেলা গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য পরিচিত হলেও এখানে সর্ববৃহৎ বায়ু বিদ্যুৎ কেন্দ্র নেই।
মনে রাখার টিপস:
সমুদ্রের বাতাস বেশি থাকে কক্সবাজারে, তাই দেশের সর্ববৃহৎ বায়ু বিদ্যুৎ কেন্দ্রটিও কক্সবাজারের খুরুশকুলে অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: C) বগুড়া
কেন সঠিক:
- পুন্ড্রনগর প্রাচীন বাংলার মৌর্য ও গুপ্ত যুগের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক কেন্দ্র ও নগরী ছিল।
- বর্তমান প্রশাসনিক বিন্যাস অনুযায়ী ঐতিহাসিক পুন্ড্রনগর স্থানটি বগুড়া জেলার মহাস্থানগড়ে অবস্থিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কুমিল্লা — কুমিল্লা প্রাচীন সমতট অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত এবং এখানে ময়নামতির মতো ঐতিহাসিক স্থান রয়েছে, যা পুন্ড্রনগর নয়।
B) নওগাঁ — নওগাঁ উত্তরবঙ্গের একটি জেলা হলেও এখানে প্রাচীন ঐতিহাসিক পাহড়পুর বৌদ্ধ বিহার অবস্থিত, যা পুন্ড্রনগর নয়।
C) বগুড়া — এই অপশনটি সঠিক কারণ পুন্ড্রনগর বা পুন্ড্রবর্ধনের মূল কেন্দ্র বর্তমান বগুড়া জেলার মহাস্থানগড়ে অবস্থিত।
D) দিনাজপুর — দিনাজপুর উত্তরবঙ্গের জেলা এবং এখানে কান্তনগর মন্দির ও ঐতিহাসিক গড়ের মাঠ রয়েছে, যা পুন্ড্রনগর নয়।
মনে রাখার টিপস:
পুন্ড্রবর্ধন বা পুন্ড্রনগর মনে রাখতে মহাস্থানগড়ের কথা মাথায় রাখুন, যা বগুড়ায় অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: C) পাকিস্তান
কেন সঠিক:
- তক্ষশীলা প্রাচীন গান্ধার সভ্যতার একটি বিখ্যাত কেন্দ্র এবং এটি বর্তমান পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশে অবস্থিত।
- ঐতিহাসিক এই স্থানটি প্রাচীনকালে বৌদ্ধ ধর্মের শিক্ষা ও সংস্কৃতির অন্যতম প্রধানপীঠ ছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নেপাল — বৌদ্ধ ধর্মের প্রবক্তা গৌতম বুদ্ধের জন্মস্থান হলেও তক্ষশীলা এখানে অবস্থিত নয়।
B) শ্রীলংকা — এটি একটি প্রধান বৌদ্ধপ্রধান দেশ হলেও তক্ষশীলা এখানে অবস্থিত নয়।
C) পাকিস্তান — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি সঠিক।
D) থাইল্যান্ড — এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বৌদ্ধপ্রধান দেশ হলেও তক্ষশীলা এখানে অবস্থিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
তক্ষশীলা মানেই প্রাচীন শিক্ষা এবং এটি বর্তমানে পাকিস্তানে অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: A) হিসাবকারী যন্ত্র
কেন সঠিক:
- কম্পিউটার শব্দটি এসেছে ইংরেজি কম্পিউট (Compute) শব্দ থেকে, যার আক্ষরিক অর্থ হিসাব করা।
- তাই এর সঠিক বাংলা অর্থ হলো হিসাবকারী যন্ত্র বা পরিগণক যন্ত্র।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হিসাবকারী যন্ত্র — এটি সঠিক কারণ কম্পিউটারের মৌলিক আক্ষরিক অর্থ হিসাব বা গণনা করা।
B) গণনাকারী যন্ত্র — যদিও এটি সমার্থক মনে হতে পারে, তবে আক্ষরিক ও প্রাতিষ্ঠানিক অর্থে কম্পিউটারকে হিসাবকারী যন্ত্র বলা হয়।
C) পরীক্ষার যন্ত্র — এটি ভুল কারণ কম্পিউটার কোনো বৈজ্ঞানিক বা পরীক্ষাগারের যন্ত্রপাতি নয়।
D) বিমান চালানোর যন্ত্র — এটি ভুল কারণ বিমান চালনার জন্য আলাদা বিশেষ যন্ত্র বা অটো পাইলট ব্যবহার করা হয়।
মনে রাখার টিপস:
কম্পিউট (Compute) শব্দের অর্থ হিসাব করা, তাই কম্পিউটার মানে হিসাবকারী যন্ত্র।
সঠিক উত্তর: C) সূর্য
কেন সঠিক:
- সূর্য হলো আমাদের সৌরজগতের প্রধান শক্তির উৎস এবং এটি প্রাকৃতিকভাবে অতি বেগুনি রশ্মি বা আল্ট্রাভায়োলেট রে উৎপন্ন ও বিকিরণ করে।
- সূর্যের এই ক্ষতিকর অতি বেগুনি রশ্মি পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের ওজোন স্তরে বাধা পেয়ে বেশিরভাগই আটকে যায়, ফলে জীবকুল রক্ষা পায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চন্দ্র — চাঁদ হলো পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ এবং এর নিজস্ব কোনো আলো বা শক্তি নেই, এটি কেবল সূর্যের আলো প্রতিফলিত করে।
B) তারকা — নক্ষত্র বা দূরবর্তী তারকারাজি আলো ও তাপ বিকিরণ করলেও পৃথিবী থেকে এত দূরে অবস্থিত যে তাদের অতি বেগুনি রশ্মি সরাসরি প্রধান উৎস হিসেবে গণ্য হয় না।
C) সূর্য — এটি নিজেই সঠিক উত্তর, তাই এখানে অন্য কোনো কারণ প্রযোজ্য নয়।
D) ব্ল্যাক হোল — কৃষ্ণগহ্বর বা ব্ল্যাক হোল অত্যন্ত শক্তিশালী মহাকর্ষ বলের কারণে আলোসহ সবকিছু টেনে নেয়, এটি অতি বেগুনি রশ্মির প্রধান বা স্বাভাবিক উৎস নয়।
মনে রাখার টিপস:
মহাবিশ্বে প্রাকৃতিক আলোর প্রধান উৎস হলো সূর্য এবং আমাদের গায়ে রোদ লাগলে যেমন অতি বেগুনি রশ্মির কথা মনে আসে, তেমনি এটি সূর্য থেকেই পৃথিবীতে আসে।
সঠিক উত্তর: D) কিলো ক্যালরি
কেন সঠিক:
- মানবদেহের খাদ্য বা পুষ্টির শক্তি পরিমাপের আন্তর্জাতিক ও প্রচলিত একক হলো কিলো ক্যালরি।
- খাবারের মাধ্যমে আমরা যে শক্তি গ্রহণ করি, তা সাধারণত কিলো ক্যালরি একিসাবে হিসাব করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জুল — এটি কাজের এবং শক্তির এসআই একক, যা সাধারণত যান্ত্রিক বা বৈদ্যুতিক শক্তির ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, খাদ্যের শক্তির ক্ষেত্রে নয়।
B) কিলো জুল — এটি শক্তির একটি একক হলেও, খাদ্যতালিকা ও পুষ্টিবিজ্ঞানে এটি প্রধান একক হিসেবে ব্যবহৃত হয় না।
C) ক্যালরি — এটি শক্তির একক হলেও মানবদেহের খাদ্যশক্তি পরিমাপের জন্য এটি খুব ছোট একক হওয়ায় কিলো ক্যালরি ব্যবহার করা হয়।
D) কিলো ক্যালরি — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং খাদ্যশক্তি পরিমাপের জন্য এটিই সঠিক একক।
মনে রাখার টিপস:
খাবারের শক্তি মাপতে ক্যালরি ছোট হয়, তাই বড় করে কিলো ক্যালরি ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) পরিবেশবাদী সংগঠন
কেন সঠিক:
- গ্রিনপিস হলো একটি আন্তর্জাতিক পরিবেশবাদী সংগঠন, যার মূল লক্ষ্য পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ করা।
- এটি ১৯৭১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর সদর দপ্তর নেদারল্যান্ডসের আমস্টারডামে অবস্থিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জাতীয়তাবাদী সংগঠন — এটি কোনো নির্দিষ্ট দেশের জাতীয়তাবাদী বা রাজনৈতিক আন্দোলন পরিচালনা করে না, বরং বৈশ্বিক পরিবেশ নিয়ে কাজ করে।
B) রাজনৈতিক সংগঠন — এটি কোনো রাজনৈতিক দল বা সরকার পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত নয়, এটি সম্পূর্ণ স্বাধীন অলাভজনক পরিবেশবাদী সংস্থা।
C) মানবতাবাদী সংগঠন — এটি সরাসরি মানবসেবা বা ত্রাণ বিতরণের কাজ করে না, এর মূল ফোকাস পরিবেশ এবং প্রকৃতি রক্ষা।
D) পরিবেশবাদী সংগঠন — এটি সঠিক কারণ এই সংস্থাটি বিশ্বব্যাপী পরিবেশ ও প্রকৃতির সুরক্ষায় আন্দোলন ও প্রচার চালায়।
মনে রাখার টিপস:
গ্রিন শব্দের অর্থ সবুজ, আর সবুজ রঙটি সাধারণত পরিবেশ ও প্রকৃতির সঙ্গে সম্পর্কিত।
সঠিক উত্তর: B) ইন্দোনেশিয়া
কেন সঠিক:
- বান্দুং শহরটি ইন্দোনেশিয়ার পশ্চিম জাভা প্রদেশের রাজধানী এবং দেশটির চতুর্থ বৃহত্তম শহর।
- ঐতিহাসিক এশীয়-আফ্রিকা সম্মেলন বা বান্দুং সম্মেলন ১৯৫৫ সালে এই শহরে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চীন — এটি এশিয়ার একটি দেশ হলেও বান্দুং শহরটি এর অন্তর্গত নয়।
B) ইন্দোনেশিয়া — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ শহরটি এই রাষ্ট্রেই অবস্থিত।
সি) মালয়েশিয়া — এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্য একটি দেশ, বান্দুং এখানে অবস্থিত নয়।
ডি) যুগোস্লাভিয়া — এটি ইউরোপের একটি বিলুপ্ত রাষ্ট্র, যার সঙ্গে বান্দুং শহরের কোনো ভৌগোলিক সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
বান্দুং সম্মেলন হয়েছিল ১৯৫৫ সালে, আর ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তার পাশেই এই বিখ্যাত শহরটি অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: C) 1972
কেন সঠিক:
- বিশ্বশান্তির পক্ষে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বিশ্ব শান্তি পরিষদ ১৯৭২ সালের ১০ অক্টোবর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে জুলিও কুরি শান্তি পদক প্রদান করে।
- এটি ছিল বাংলাদেশের প্রাপ্ত প্রথম আন্তর্জাতিক কোনো মর্যাদাপূর্ণ সম্মাননা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 1968 — এই সালে জুলিও কুরি পদক সংক্রান্ত কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা বা বঙ্গবন্ধুর সাথে সম্পর্কিত কোনো বিশেষ পুরস্কারের তথ্য নেই।
B) 1971 — এই বছর বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধ সংঘটিত হয় এবং বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করে, কিন্তু জুলিও কুরি পদক প্রদান করা হয়নি।
C) 1972 — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, এই সালেই বঙ্গবন্ধুকে জুলিও কুরি শান্তি পদক প্রদান করা হয়।
D) 1973 — এই সালের ২৩ থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় এশীয় শান্তি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় এবং এই সম্মেলনেই বঙ্গবন্ধুকে আনুষ্ঠানিকভাবে জুলিও কুরি পদক পরিয়ে দেওয়া হয়, তবে পদک প্রদানের ঘোষণা ও সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় ১৯৭২ সালে।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পরের বছর অর্থাৎ ১৯৭২ সালেই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রথম আন্তর্জাতিক সম্মাননা জুলিও কুরি পদক লাভ করেন।
সঠিক উত্তর: D) আফ্রিকা ও এশিয়া
কেন সঠিক:
- লোহিত সাগর উত্তরপশ্চিম দিকে আফ্রিকা মহাদেশ এবং উত্তরপূর্ব দিকে এশিয়া মহাদেশের আরব উপদ্বীপকে পৃথক করেছে।
- এই সাগরটি কৌশলগতভাবে আফ্রিকা ও এশিয়া এই দুটি মহাদেশের মধ্যবর্তী একটি গুরুত্বপূর্ণ জলপথ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইউরোপ ও আফ্রিকা — এই দুটি মহাদেশকে ভূমধ্যসাগর পৃথক করেছে, লোহিত সাগর নয়।
B) এশিয়া ও ইউরোপ — এই দুটি মহাদেশের মাঝে ইউরাল পর্বতমালা ও কাস্পিয়ান সাগর অবস্থিত, লোহিত সাগর নয়।
C) এশিয়া ও অস্ট্রেলিয়া — এই দুটি মহাদেশের মাঝে ভারত মহাসাগর ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দ্বীপপুঞ্জ রয়েছে।
D) আফ্রিকা ও এশিয়া — এই অপশনটি সঠিক কারণ লোহিত সাগর এই দুই মহাদেশকে ভৌগোলিকভবে আলাদা করেছে।
মনে রাখার টিপস:
আফ্রিকা ও এশিয়া মহাদেশের মাঝখানে লোহিত সাগর অবস্থিত, যা এই দুই অঞ্চলকে জলপথে আলাদা করে।
সঠিক উত্তর: C) বঙ্গ
কেন সঠিক:
- প্রাচীনকালে বাংলার দক্ষিণ-পূর্বাংশে বঙ্গ জনপদটি গড়ে উঠেছিল।
- বর্তমান ঢাকা জেলা প্রাচীন বঙ্গ জনপদের ভৌগোলিক সীমানার অন্তর্ভুক্ত ছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সমতট — এটি বর্তমান কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চল নিয়ে গঠিত হওয়ায় ঢাকা এর অন্তর্ভুক্ত ছিল না।
B) পুণ্ড্র — এটি বর্তমান রাজশাহী ও বগুড়া অঞ্চল নিয়ে গঠিত প্রাচীন জনপদ হওয়ায় ঢাকার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
C) বঙ্গ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য।
D) হরিকেল — এটি বর্তমান সিলেট ও চট্টগ্রাম অঞ্চল নিয়ে গঠিত জনপদ হওয়ায় ঢাকা এর বাইরে ছিল।
মনে রাখার টিপস:
ঢাকা অঞ্চলের প্রাচীন নাম মনে রাখতে মাথায় রাখবে যে রাজধানী ঢাকা প্রাচীন বঙ্গ জনপদের অংশ ছিল।
সঠিক উত্তর: A) ২ এপ্রিল
কেন সঠিক:
- বিশ্বজুড়ে অটিজম সচেতনতা বৃদ্ধি এবং অটিস্টিক ব্যক্তিদের অধিকার সুরক্ষার জন্য প্রতি বছর ২ এপ্রিল এই দিবসটি পালন করা হয়।
- জাতিসংঘ ২০০৭ সালে এই দিনটিকে বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২ এপ্রিল — এটি বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস পালনের নির্ধারিত সঠিক তারিখ।
B) ২ ফেব্রুয়ারি — এই তারিখে বিশ্ব অটিজম দিবস পালিত হয় না, এটি একটি ভিন্ন সময়।
C) ২ জুন — এই তারিখে অন্য কোনো সাধারণ বা বিশেষ দিবস থাকতে পারে, তবে অটিজম দিবস নয়।
D) ২ জুলাই — এই তারিখে বিশ্ব অটিজম দিবস পালনের কোনো ঐতিহাসিক বা আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি নেই।
মনে রাখার টিপস:
অটিজমের 'অ' এবং এপ্রিলের 'এ' মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন এপ্রিলের শুরুতে অর্থাৎ ২ এপ্রিল এই দিবসটি পালিত হয়।
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)