মোট প্রশ্ন (200)

a কাজী আবদুল ওদুদ
b আবুল ফজল
c রশীদ করিম
d হুমায়ুন কবির
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) হুমায়ুন কবির ১. কেন সঠিক: - ‘নদী ও নারী’ উপন্যাসের রচয়িতা প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ, বুদ্ধিজীবী ও সাহিত্যিক হুমায়ুন কবির। - এটি মূলত একটি জীবনবাদী উপন্যাস যেখানে নদীমাতৃক বাংলার গ্রামীণ জনপদ এবং মানুষের জীবন সংগ্রাম ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - হুমায়ুন কবির ১৯০১ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং তিনি একাধারে কবি, দার্শনিক ও রাজনীতিবিদ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। - ‘নদী ও নারী’ তার একমাত্র ও অত্যন্ত জনপ্রিয় উপন্যাস যা ১৯৪৫ সালে প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পদ্মা নদীর মাঝি ব্যাখ্যা: এটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত একটি বিখ্যাত নদীভিত্তিক উপন্যাস। উদাহরণ ২: তিতাস একটি নদীর নাম ব্যাখ্যা: এটি অদ্বৈত মল্লবর্মণ রচিত নদীভিত্তিক জনজীবনের এক অনন্য উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাজী আবদুল ওদুদ — তিনি মূলত বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের একজন প্রবক্তা, প্রাবন্ধিক ও গবেষক ছিলেন, কোনো উপন্যাসিক নন। B) আবুল ফজল — তিনি একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও প্রাবন্ধিক হলেও ‘নদী ও নারী’ উপন্যাসের রচয়িতা নন, তার বিখ্যাত উপন্যাস চৌচির। C) রশীদ করিম — তিনি আধুনিক মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাসের জন্য পরিচিত হলেও এই উপন্যাসের সঙ্গে সম্পর্কিত নন, তার বিখ্যাত উপন্যাস উত্তম পুরুষ। D) হুমায়ুন কবির — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি ১৯৪৫ সালে প্রকাশিত ‘নদী ও নারী’ উপন্যাসের লেখক। ৫ মনে রাখার টিপস: - হুমায়ুন কবিরের একমাত্র উপন্যাস ‘নদী ও নারী’ এভাবে মনে রাখতে পারেন যে, কবির একমাত্র নদী উপন্যাস। - নদীভিত্তিক উপন্যাসের ক্ষেত্রে হুমায়ুন কবিরের নাম বিশেষভাবে স্মরণ রাখবেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় একক উপন্যাসের রচয়িতা হিসেবে এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে। - নদীভিত্তিক উপন্যাসগুলো একসাথে পড়লে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।
a রোসাঙ্গ
b কৃষ্ণনগর
c বিক্রমপুর
d মিথিলা
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মিথিলা কেন সঠিক: বিদ্যাপতি চতুর্দশ শতকের শেষের দিকে মিথিলার রাজসভার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তিনি মিথিলার রাজা শিবসিংহের পৃষ্ঠপোষকতা লাভ করে সেখানে রাজকবি হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। ব্যাকরণ বা সাহিত্য ব্যাখ্যা: বিদ্যাপতি মূলত মৈথিলি ভাষার কবি হলেও বাংলা সাহিত্যের বৈষ্ণব পদাবলীতে তার বিশেষ অবদান রয়েছে। তিনি ব্রজবুলি ভাষায় অনেক পদ রচনা করেছেন যা বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগে অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়েছিল। উদাহরণস্বরূপ, তার রচিত 'জয় জয় রাধে শ্যাম' পদটি বাংলা বৈষ্ণব পদাবলীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ সম্পদ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রোসাঙ্গ — রোসাঙ্গ রাজসভা সপ্তদশ শতকের আরাকান রাজ্যের কেন্দ্র ছিল এবং সেখানে আলাওল ও দৌলত কাজীর মতো কবিরা সাহিত্যচর্চা করেছিলেন। B) কৃষ্ণনগর — কৃষ্ণনগর রাজসভা অষ্টাদশ শতকে মহারাজ কৃষ্ণচন্দ্রের পৃষ্ঠপোষকতায় গড়ে উঠেছিল যেখানে ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর সভাকবি ছিলেন। C) বিক্রমপুর — বিক্রমপুর প্রাচীন বাংলার একটি ঐতিহাসিক অঞ্চল এবং সেন রাজাদের রাজধানী ছিল, যা বিদ্যাপতির কর্মক্ষেত্র ছিল না। D) মিথিলা — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং এটি বিদ্যাপতির মূল রাজসভা নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: বিদ্যাপতির নামের সঙ্গে 'মিথিলা' শব্দটি মনে রাখতে মৈথিলি ভাষার সংযোগটি খেয়াল রাখতে হবে। তার রাজসভার রাজা ছিলেন শিবসিংহ, এই তথ্যটি মনে রাখলে পরীক্ষাও সঠিক উত্তর সহজে চিহ্নিত করা যাবে।
a আত্মচরিত
b আত্মকথা
c আত্মজিজ্ঞাসা
d আমার কথা
0 111 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আত্মচরিত ১. কেন সঠিক: - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের একমাত্র আত্মজীবনীমূলক রচনার নাম আত্মচরিত। - এটি তাঁর মৃত্যুর পর ১৮৯১ সালে প্রকাশিত হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর হলেন বাংলা গদ্যের জনক এবং উনিশ শতকের অন্যতম প্রধান সংস্কারক। - তাঁর এই আত্মজীবনীতে তাঁর শৈশব, সংগ্রাম এবং জীবনের নানা ঘটনা সহজ ও প্রাঞ্জল ভাষায় উঠে এসেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিদ্যাসাগরের বর্ণপরিচয় ব্যাখ্যা: এটি তাঁর রচিত অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি প্রাথমিক শিক্ষাগ্রন্থ যা বাংলা শিক্ষায় বিপ্লব এনেছিল। উদাহরণ ২: বিদ্যাসাগরের শকুন্তলা ব্যাখ্যা: এটি কালিদাসের নাটক অবলম্বনে রচিত তাঁর একটি বিখ্যাত গদ্য গ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আত্মচরিত — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বিদ্যাসাগরের নিজের জীবনের ওপর লেখা একমাত্র আত্মজীবনী। B) আত্মকথা — এই নামের কোনো আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচনা করেননি। C) আত্মজিজ্ঞাসা — এটি বিদ্যাসাগরের কোনো মৌলিক গ্রন্থ বা আত্মজীবনী নয়। D) আমার কথা — এটি অন্য কোনো লেখকের আত্মজীবনী হতে পারে, বিদ্যাসাগরের নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - বিদ্যাসাগরের চরিত্রের দৃঢ়তা বিখ্যাত, তাই তাঁর আত্মজীবনীমূলক লেখার নাম আত্মচরিত মনে রাখতে পারো। - আত্মচরিত শব্দটিতে নিজের জীবনের চরিত্র বা ইতিহাস ফুটে উঠেছে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের জন্ম ১৮২০ এবং মৃত্যু ১৮৯১ সালে।
a প্রবন্ধ
b উপন্যাস
c নাটক
d আত্মজীবনী
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্রবন্ধ কেন সঠিক: - মতিচূর গ্রন্থটি বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের লেখা বিভিন্ন প্রবন্ধের একটি সংকলন। - এই বইটিতে নারীশিক্ষা, নারীর অধিকার ও সমাজ সংস্কারমূলক নানা প্রবন্ধ স্থান পেয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - প্রবন্ধ হলো এমন একটি গদ্যরূাপ যেখানে কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ে তথ্য যুক্তি ও লেখকের নিজস্ব মতামত স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়। - মতিচূর গ্রন্থের প্রবন্ধগুলোতে মূলত তৎকালীন মুসলিম সমাজের নারীদের অবক্ষয় এবং মুক্তির উপায় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। - এই গ্রন্থের অন্তর্গত রচনার মধ্যে লোকানটিকা ও অর্ধাঙ্গী বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য প্রবন্ধ হিসেবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) প্রবন্ধ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। - B) উপন্যাস — মতিচূর কোনো কাল্পনিক কাহিনীর দীর্ঘ গদ্য বা উপন্যাস নয়, বরং এটি চিন্তাশীল প্রবন্ধের সংকলন। - C) নাটক — মতিচূর মঞ্চে অভিনয়ের জন্য রচিত কোনো নাটক বা নাট্যরূপ নয়। - D) আত্মজীবনী — এটি লেখকের নিজের জীবনের পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস বা আত্মজীবনীমূলক কোনো রচনা নয়। মনে রাখার টিপস: - রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের মতিচূর বললেই মাথায় রাখতে হবে এটি নারীদের জাগরণের বাণী সংবলিত একটি প্রবন্ধগ্রন্থ।
a গাজী মিয়ার বস্তানী
b হাঁসুলী বাঁকের উপকথা
c ভাওয়াল গড়ের উপাখ্যান
d ঠাকুরবাড়ির আঙিনা
0 130 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ঠাকুরবাড়ির আঙিনা ১. কেন সঠিক: - ঠাকুরবাড়ির আঙিনা একটি প্রখ্যাত আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ। - এই গ্রন্থটির রচয়িতা হলেন পল্লীকবি জসীমউদ্দীন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - জসীমউদ্দীন বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধের অন্যতম প্রধান বাঙালি কবি ও সাহিত্যিক। - পল্লীকবি হিসেবে খ্যাত এই লেখকের উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে নকশী কাতার মাঠ ও সোজন বাদিয়ার ঘাট বিশেষভাবে পরিচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাখালী ব্যাখ্যা: এটি কবি জসীমউদ্দীনের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ যা তাঁর পল্লিপ্রকৃতির প্রেমের পরিচয় বহন করে। উদাহরণ ২: বালুচর ব্যাখ্যা: এটিও জসীমউদ্দীনের লেখা একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা গ্রামীণ জীবনের নানা রূপ ফুটিয়ে তুলেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গাজী মিয়ার বস্তানী — এটি মীর মশাররফ হোসেন রচিত একটি বিখ্যাত গদ্যগ্রন্থ ও সামাজিক ব্যাঙ্গাত্মক রচনা। B) হাঁসুলী বাঁকের উপকথা — এটি তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত একটি জনপ্রিয় আঞ্চলিক উপন্যাস। C) ভাওয়াল গড়ের উপাখ্যান — এটি কাজী আবদুল ওদুদ রচিত একটি পরিচিত সাহিত্যিক রচনা বা উপন্যাস। D) ঠাকুরবাড়ির আঙিনা — এটি জসীমউদ্দীন রচিত আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। ৫. মনে রাখার টিপস: - পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের আত্মজীবনীর নাম মনে রাখতে ঠাকুরবাড়ির আঙিনা কথাটি বারবার চর্চা করতে পারো। - তাঁর নামের সঙ্গে পল্লিগীতি ও পল্লিভিত্তিক রচনার বিষয়টি যুক্ত করে সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকদের আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথামূলক গ্রন্থ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - প্রখ্যাত লেখকদের প্রথম গ্রন্থ এবং বিখ্যাত উপন্যাসের নামগুলো আলাদা করে তালিকা তৈরি করে পড়লে পরীক্ষায় ভালো করা যায়।
a লালন শাহ্
b হাসন রাজা
c পাগলা কানাই
d রাধারমণ দত্ত
0 121 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) লালন শাহ্ কেন সঠিক: - এই বিখ্যাত গানটির গীতিকার ও সুরকার হলেন বাউল সম্রাট ফকির লালন শাহ। - লালন সাঁইয়ের গানে মানবদেহ এবং আধ্যাত্মিক তত্ত্ব রূপকের মাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছে, যা এই গানেও স্পষ্ট। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা বাউল সাহিত্যে লালন শাহের গানগুলো দেহতত্ত্ব ও মরমি ধারার শ্রেষ্ঠ নিদর্শন হিসেবে বিবেচিত। - ‘আমার ঘরের চাবি পরের হাতে’ গানে ‘ঘর’ বলতে মানবদেহ এবং ‘চাবি’ বলতে প্রাণ বা আত্মাকে বোঝানো হয়েছে। - লালন শাহের বিখ্যাত আরও কিছু গান হলো ‘খাঁচার ভিতর অচিন পাখি কেমনে আসে যায়’ ও ‘সব লোকে বলে লালন কি জাত সংসারে’। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) লালন শাহ্ — এটি সঠিক অপশন এবং এই মরমি গানের রচয়িতা তিনিই। - B) হাসন রাজা — তিনি সিলেটের একজন বিখ্যাত মরমী কবি হলেও এই গানটির রচয়িতা নন। - C) পাগলা কানাই — তিনি ঝিনাইদহের প্রখ্যাত লোককবি ও প্রবাদপ্রতীম গায়ক, এই গানের সঙ্গে তার সম্পর্ক নেই। - D) রাধারমণ দত্ত — তিনি ধামাইল গান ও সিলেটের বৈষ্ণব পদাবলীর জন্য পরিচিত, এই গানের স্রষ্টা নন। মনে রাখার টিপস: - মানবদেহকে ঘর এবং প্রাণকে চাবি কল্পনা করে লেখা মরমি গানগুলোর মূল রচয়িতা হিসেবে লালন শাহকে মনে রাখতে হবে।
a কেনড়ে অরণ্য
b বন্দী শিবির থেকে
c নিষিদ্ধ লোবান
d প্রিয়যোদ্ধা প্রিয়তম
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বন্দী শিবির থেকে ১. কেন সঠিক: - বন্দী শিবির থেকে হলো কবি শামসুর রাহমানের লেখা একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত। - এই কাব্যগ্রন্থের কবিতাগুলোতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বরতা এবং বাঙালির বীরত্ব ও মুক্তির আকুলতা স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শামসুর রাহমান বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্যের অন্যতম প্রধান আধুনিক বাংলা কবি যিনি নাগরিক জীবন ও সমসাময়িক রাজনৈতিক সংকটকে কবিতায় রূপ দিয়েছেন। - ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন অত্যন্ত ঝুঁকি নিয়ে তিনি গোপনীয়তার সঙ্গে এই কাব্যগ্রন্থের কবিতাগুলো রচনা করেছিলেন যা বাঙালির মুক্তিসংগ্রামের এক অনন্য দলিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্তালিনগ্রাদ কাব্যগ্রন্থ ব্যাখ্যা: এটিও একটি যুদ্ধভিত্তিক ও ঐতিহাসিক পটভূমিতে রচিত বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। উদাহরণ ২: আর্তনাদ উপন্যাস ব্যাখ্যা: এটিও মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সাহিত্যকর্ম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কেনড়ে অরণ্য — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয় কারণ এটি মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত কোনো স্ট্যান্ডার্ড কাব্যগ্রন্থ নয়। B) বন্দী শিবির থেকে — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত কাব্যগ্রন্থ। C) নিষিদ্ধ লোবান — এটি সৈয়দ শামসুল হকের একটি বিখ্যাত উপন্যাস, কোনো কাব্যগ্রন্থ নয়। D) প্রিয়যোদ্ধা প্রিয়তম — এটি মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত কোনো প্রখ্যাত মৌলিক কাব্যগ্রন্থ হিসেবে স্বীকৃত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - শামসুর রাহমানের নামের সঙ্গে বন্দী শিবির থেকে কাব্যগ্রন্থটি বিশেষভাবে মনে রাখবে। - মুক্তিযুদ্ধ মানেই শামসুর রাহমানের বন্দী শিবির থেকে কাব্যগ্রন্থের কথা মাথায় রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত কাব্যগ্রন্থ ও উপন্যাসের প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - লেখক ও তার বিখ্যাত সাহিত্যকর্মের ধরন যেমন কাব্যগ্রন্থ নাকি উপন্যাস তা ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে।
a আগমনী
b কোরবানী
c প্রলয়োল্লাস
d বিদ্রোহী
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্রলয়োল্লাস ১. কেন সঠিক: কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ অগ্নি-বীণা এর প্রথম কবিতা হলো প্রলয়োল্লাস। এই কবিতায় কবির বিদ্রোহী সুর এবং পরাধীনতার বিরুদ্ধে নতুনের আবাহন বা ধ্বংসের মধ্য দিয়ে সৃষ্টির বার্তা প্রকাশিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: কবি কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যে বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত এবং তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান পুরোধা ব্যক্তিত্ব। অগ্নি-বীণা কাব্যগ্রন্থটি বাংলা ১৩২৯ সালের কার্তিক মাসে (ইংরেজি ১৯২২ সাল) প্রকাশিত হয় এবং এতে মোট বারোটি বিখ্যাত কবিতা রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিদ্রোহী কবিতা। ব্যাখ্যা: এটি অগ্নি-বীণা কাব্যের অন্যতম বিখ্যাত একটি কবিতা যা সমগ্র বিশ্বে সমাদৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: কামাল পাশা কবিতা। ব্যাখ্যা: এই কবিতাটিও অগ্নি-বীণা কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত এবং এতে ঐতিহাসিক বীরত্বের বন্দনা করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আগমনী — এটি অগ্নি-বীণা কাব্যের প্রথম কবিতা নয় বরং এটি এই কাব্যের একটি অন্যতম কবিতা। B) কোরবানী — এটিও অগ্নি-বীণা কাব্যের অন্তর্ভুক্ত একটি কবিতা তবে এটি প্রথম কবিতা নয়। C) প্রলয়োল্লাস — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো কারণ প্রযোজ্য নয়। D) বিদ্রোহী — এই কবিতাটি অগ্নি-বীণা কাব্যের দ্বিতীয় কবিতা, প্রথম কবিতা নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: অগ্নি-বীণা কাব্যের শুরুতেই প্রলয় বা ধ্বংসের মধ্য দিয়ে নতুন দিনের উল্লাস প্রকাশ পেয়েছে, তাই প্রথম কবিতা প্রলয়োল্লাস। কবির প্রথম কাব্যগ্রন্থের প্রথম কবিতা মনে রাখতে প্রলয়োল্লাস শব্দটি সবার আগে মাথায় রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: অগ্নি-বীণা কাব্যগ্রন্থের প্রকাশসাল এবং প্রথম ও দ্বিতীয় কবিতার নাম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ কোনটি এবং এর উৎস সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখতে হবে।
a কলকাতা
b ঢাকা
c লন্ডন
d মুর্শিদাবাদ
0 91 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ঢাকা ১. কেন সঠিক: দীনবন্ধু মিত্রের বিখ্যাত নীলকর সাহেবদের অত্যাচারের পটভূমিতে রচিত নীল-দর্পণ নাটকটি প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল ঢাকা থেকে। ১৮৬০ সালে নাটকের লেখক দীনবন্ধু মিত্রের নাম প্রকাশ না করে ঢাকা থেকেই এটি প্রথম মুদ্রণ ও প্রকাশ করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: দীনবন্ধু মিত্র ছিলেন ঊনবিংশ শতাব্দীর একজন বিশিষ্ট নাট্যকার ও সাহিত্যিক যিনি মূলত নীলচাষীদের ওপর নির্যাতনের বাস্তব চিত্র তুলে ধরেছেন। বাংলা নাটকের ইতিহাসে নীল-দর্পণ একটি যুগান্তকারী সামাজিক নাটক যা বাংলা নাট্যসাহিত্যের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাইকেল মধুসূদন দত্ত নীল-দর্পণ নাটকটি ইংরেজিতে অনুবাদ করেছিলেন। ব্যাখ্যা: নাটকটির আন্তর্জাতিক প্রচার ও ব্রিটিশদের কুকীর্তি বিশ্ববাসীর কাছে তুলে ধরতে এই ইংরেজি অনুবাদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। উদাহরণ ২: হুতোম প্যাঁচা কলকাতার মানুষের চরিত্রের ওপর প্যানডোরা বক্স উন্মোচন করেছিলেন। ব্যাখ্যা: এটি সমসাময়িক সমাজের চিত্র ফুটিয়ে তোলার আরেকটি অনন্য সাহিত্যিক নিদর্শন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কলকাতা — কলকাতার বদলে নাটকটি প্রথমে ঢাকা থেকে প্রকাশিত হয়েছিল তাই এই অপশনটি ভুল। C) লন্ডন — রেভারেন্ড জেমস লংয়ের সম্পাদনায় নাটকটি লন্ডন থেকে ইংরেজিতে প্রকাশিত হলেও মূল বাংলা গ্রন্থ ঢাকা থেকে প্রকাশিত হয়। D) মুর্শিদাবাদ — মুর্শিদাবাদ থেকে এই নাটক প্রকাশের কোনো ঐতিহাসিক তথ্য বা প্রমাণ নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: নীল-দর্পণ নাটকের প্রকাশ স্থান মনে রাখার জন্য মাথায় রাখো যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার বাংলাবাজার বা প্রাচীন ঢাকার সঙ্গে এর প্রকাশনার যোগসূত্র রয়েছে। লেখক ঢাকা থেকে প্রথম প্রকাশ করলেও রেভারেন্ড জেমস লং এটিকে পরে কলকাতা থেকে প্রকাশ ও প্রচার করেছিলেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: নীল-দর্পণ নাটকের রচয়িতা দীনবন্ধু মিত্র এবং এর ইংরেজি অনুবাদক মাইকেল মধুসূদন দত্ত এটি বারবার বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। নাটকটির ইংরেজি অনুবাদের নাম ছিল দ্য ইন্ডিগো প্লান্টিং মিরর।
a শেষলেখা
b শেষপ্রশ্ন
c শেষকথা
d শেষদিন
0 96 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) শেষলেখা কেন সঠিক: শেষলেখা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মৃত্যুর পর প্রকাশিত একটি অত্যন্ত বিখ্যাত ও শেষ কাব্যগ্রন্থ। এই কাব্যগ্রন্থের কবিতাগুলো কবির জীবনের অন্তিম লগ্নে রচিত আধ্যাত্মিক ভাবনার এক অনন্য প্রকাশ। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র এবং তাঁর অজস্র কাব্যগ্রন্থ বাংলা ভাষাকে সমৃদ্ধ করেছে। শেষলেখা গ্রন্থটি তাঁর কাব্য প্রতিভার শেষ স্বাক্ষর বহন করে যেখানে রূপক ও প্রজ্ঞার অপূর্ব মিলন ঘটেছে। এই কাব্যগ্রন্থের মধ্যে তাঁর বিখ্যাত কয়েকটি কবিতা রয়েছে যা বাংলা কাব্যসাহিত্যে চিরস্মরণীয় হয়ে আছে। বাকি অপশন কেন ভুল: B) শেষপ্রশ্ন — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোনো কাব্যগ্রন্থ নয়, এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি জনপ্রিয় উপন্যাস। C) শেষকথা — এই নামের কোনো মূল সাহিত্যকর্ম বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচনাবলীতে অন্তর্ভুক্ত নেই। D) শেষদিন — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোনো পরিচিত কাব্যগ্রন্থ বা সাহিত্যকর্মের নাম হিসেবে স্বীকৃত নয়। মনে রাখার টিপস: রবীন্দ্রনাথের শেষ কাব্যগ্রন্থ মনে রাখতে নামের শুরুতে 'শেষ' এবং শেষে 'লেখা' শব্দ দুটি মনে রাখবে। শেষ লেখা মানে কবির জীবনের একেবারে শেষের লেখা কবিতা, যা এই কাব্যগ্রন্থের নামকরণের সাথে মিলে যায়।
a জবাবদিহি
b মিথস্ক্রিয়া
c একত্রিত
d গৌরবিত
0 94 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) একত্রিত ১. কেন সঠিক: বাংলা ব্যাকরণে কিছু শব্দে প্রত্যয় যুক্ত করার সময় অর্থের পুনরাবৃত্তি বা বাহুল্য দোষ ঘটে। এক শব্দের সঙ্গে একাধিক সমার্থক প্রত্যয় বা উপসর্গ যুক্ত করলে তা অপপ্রয়োগ হয়। একত্রিত শব্দটিতে এক শব্দের সঙ্গে ইত প্রত্যয় যুক্ত করা হয়েছে, যা ব্যাকরণগতভাবে বাহুল্য দোষে দুষ্ট। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষায় তৎসম শব্দে সমাস বা প্রত্যয় সাধনের ক্ষেত্রে বাহুল্য বর্জন করা বাধ্যতামূলক। এক শব্দের সঙ্গে তদ্ধিত প্রত্যয় যোগ করে একত্রিত বলা হলে অর্থের দ্বিরুক্তি ঘটে। এর শুদ্ধ রূপ হলো এক কিংবা একত্রে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সবান্ধব ব্যাখ্যা: এটি সঠিক শব্দ, যার অর্থ বন্ধুসহ। এখানে ব প্রত্যয়টি সঠিক নিয়মে যুক্ত হয়েছে। উদাহরণ ২: ফলমূল ব্যাখ্যা: এটি একটি সঠিক সমাসবদ্ধ শব্দ। এখানে কোনো অপ্রয়োজনীয় প্রত্যয়ের বাহুল্য নেই। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জবাবদিহি — এটি একটি সঠিক ফারসি ও আরবি শব্দের মিশ্রণে গঠিত বহুল প্রচলিত শব্দ, যার অর্থ কৈফিয়ত বা উত্তরদায়িত্ব। B) মিথস্ক্রিয়া — এটি একটি শুদ্ধ পারিভাষিক শব্দ, যার অর্থ পারস্পরিক ক্রিয়া বা প্রতিক্রিয়া, তাই এটি সঠিক। D) গৌরবিত — এটি ব্যাকরণসিদ্ধ বিশেষণ পদ, যার অর্থ গৌরব অর্জন করেছে এমন বা গর্বিত, তাই এটি সঠিক। ৫. মনে রাখার টিপস: একত্রিত শব্দের পরিবর্তে সবসময় একত্রে বা এক ব্যবহার করবে। অপ্রয়োজনীয় ইত প্রত্যয় যুক্ত শব্দ দেখলে তা অপপ্রয়োগ হিসেবে চিহ্নিত করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাহুল্য দোষ ও শব্দসংগঠন সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। তাই প্রত্যয় যুক্ত করার সময় শব্দের মূল রূপ এবং অর্থের দিকে বিশেষ নজর দিতে হবে।
a আবু ইসহাক
b সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
c প্রমথনাথ বিশী
d প্রমথ চৌধুরী
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রমথ চৌধুরী ১. কেন সঠিক: - বীরবল হলো বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক ও সাহিত্যিক প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম। - বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবর্তক ও সবুজপত্র পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে তিনি এই ছদ্মনামে লিখতেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - প্রমথ চৌধুরী বাংলা সাহিত্যে বুদ্ধিবৃত্তিক ও মননশীল প্রবন্ধের প্রবর্তক। - তার সম্পাদিত সবুজপত্র পত্রিকা বাংলা সাহিত্যকে নতুন দিশা দিয়েছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বীরবল ছদ্মনামে প্রমথ চৌধুরীর রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ হলো বীরবলের হালখাতা। ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থে তার রম্য ও শ্লেষাত্মক রচনার চমৎকার প্রকাশ ঘটেছে। উদাহরণ ২: প্রমথ চৌধুরীর আরেকটি বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ হলো রায়তের কথা। ব্যাখ্যা: এটি কৃষকদের অধিকার ও সামাজিক বৈষম্য নিয়ে রচিত একটি প্রগতিশীল রচনা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আবু ইসহাক — ইনি একজন বিখ্যাত কথাশিল্পী, যার বিখ্যাত উপন্যাস হলো সূর্য দীঘল বাড়ি। B) সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় — ইনি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের একজন জনপ্রিয় ঔপন্যাসিক ও কবি, যার বিখ্যাত ছদ্মনাম হলো নীললোহিত। C) প্রমথনাথ বিশী — ইনি একজন বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও সমালোচক, যার উল্লেখযোগ্য পরিচিতি মূলত তার সাহিত্য সমালোচনা ও রম্যরচনার জন্য। D) প্রমথ চৌধুরী — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের মাধ্যমে প্রমথ চৌধুরীর আসল পরিচয় নির্দেশ করা হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম মনে রাখার সহজ সূত্র হলো প্রমথ মানে বীর, তাই তার ছদ্মনাম বীরবল। - সবুজপত্র পত্রিকা ও বীরবল ছদ্মনাম এক সূত্রে গাঁথা, যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সবুজপত্র পত্রিকা প্রকাশিত হয় ১৯১৪ সালে এবং এর সম্পাদক ছিলেন প্রমথ চৌধুরী। - বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রবর্তক হিসেবে প্রমথ চৌধুরীর অবদান অবিস্মরণীয়।
a উপন্যাস
b ছোটগল্প
c প্রবন্ধ
d অনুবাদ নাটক
0 170 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অনুবাদ নাটক ১. কেন সঠিক: - মুনীর চৌধুরীর ‘মুখরা রমণী বশীকরণ’ একটি অনুবাদ নাটক। - এটি উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের বিখ্যাত কমেডি নাটক ‘দ্য টেমিং অফ দ্য শ্রিউ’ অবলম্বনে অনূদিত হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মুনীর চৌধুরী ছিলেন একাধারে নাট্যকার, সাহিত্য সমালোচক ও ভাষাবিজ্ঞানী। - ১৯৬৫ সালে বাংলা একাডেমি থেকে এই অনুবাদ নাটকটি প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রক্তকরবী ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত প্রতীকধর্মী নাটক। উদাহরণ ২: মুখরা রমণী বশীকরণ ব্যাখ্যা: এটি মুনীর চৌধুরীর অনূদিত নাটক এবং এর মূল রচয়িতা শেক্সপিয়ার। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উপন্যাস — এটি উপন্যাস নয়, কারণ এতে গদ্যে রচিত কাল্পনিক দীর্ঘ কথাসাহিত্য বা উপন্যাসের গঠন নেই। B) ছোটগল্প — এটি ছোটগল্প নয়, কারণ এটি মঞ্চে অভিনয়ের উপযোগী একটি নাটকীয় রূপ। C) প্রবন্ধ — এটি প্রবন্ধ নয়, কারণ এটি কোনো তাত্ত্বিক বা চিন্তনমূলক গদ্য রচনা নয়। D) অনুবাদ নাটক — এটি সঠিক কারণ এটি শেক্সপিয়ারের নাটক অবলম্বনে বাংলায় অনূদিত হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - মুনীর চৌধুরী মানেই কারাগারের ডায়েরি ও মুখরা রমণী বশীকরণ। - শেক্সপিয়ারের নাটক বাংলায় রূপান্তর করেছিলেন মুনীর চৌধুরী। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - অনুবাদ নাটকের ক্ষেত্রে মূল রচয়িতা ও অনুবাদকের নাম প্রায়ই পরীক্ষায় আসে। - শেক্সপিয়ারের নাটক অবলম্বনে অনূদিত অন্যান্য বাংলা নাটক সম্পর্কে ধারণা রাখবে।
a বুদ্ধদেব বসু
b রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
c মীর মশাররফ হোসেন
d সৈয়দ শামসুল হক
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বুদ্ধদেব বসু ১. কেন সঠিক: - চন্দরা চরিত্রটি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রখ্যাত লেখক বুদ্ধদেব বসুর সৃষ্টি। - এটি তাঁর একটি বিখ্যাত ও প্রশংসিত সাহিত্যকর্মের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও কেন্দ্রীয় একটি চরিত্র। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বুদ্ধদেব বসু বিশ শতকের ত্রিশের দশকের আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান রূপকার ও প্রগতিশীল সাহিত্যিক। - তিনি কবিতা ছাড়াও উপন্যাস, ছোটগল্প, প্রবন্ধ এবং অনুবাদ সাহিত্যে অনন্য অবদান রেখে গেছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সাড়ে তিন হাত জমি ব্যাখ্যা: এটি বুদ্ধদেব বসুর একটি বিখ্যাত ও জনপ্রিয় উপন্যাস যা তাঁর সাহিত্যকর্মের অনন্য নিদর্শন। উদাহরণ ২: কালো হাওয়া ব্যাখ্যা: এটিও বুদ্ধদেব বসুর রচিত একটি প্রখ্যাত উপন্যাস যা সামাজিক মনস্তত্ত্বের ওপর ভিত্তি করে রচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বুদ্ধদেব বসু — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি চন্দরা চরিত্রের স্রষ্টা। B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বাংলা সাহিত্যের নোবেলজয়ী বিশ্বকবি হলেও চন্দরা চরিত্রের স্রষ্টা নন। C) মীর মশাররাত হোসেন — তিনি বিষাদ সিন্ধু উপন্যাসের রচয়িতা হলেও এই চরিত্রের সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই। ডি) সৈয়দ শামসুল হক — তিনি আধুনিক যুগের প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও কবি হলেও এই চরিত্রের স্রষ্টা নন। ৫. মনে রাখার টিপস: - বুদ্ধদেব বসু মানেই আধুনিকতার ছোঁয়া এবং চন্দরা চরিত্রটি তাঁরই সৃষ্টি। - লেখকদের বিখ্যাত চরিত্রগুলো মনে রাখতে লেখকের প্রধান উপন্যাসগুলোর তালিকা আলাদা করে পড়তে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আধুনিক উপন্যাসের চরিত্র থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - চরিত্রভিত্তিক প্রশ্ন সমাধানের জন্য লেখকের নামের সঙ্গে প্রধান উপন্যাস এবং চরিত্রগুলোর নাম মিলিয়ে পড়তে হবে।
a কাজী নজরুল ইসলাম
b শাহাদাৎ হোসেনও
c সঞ্জয় ভট্টাচার্য
d সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
0 135 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সঞ্জয় ভট্টাচার্য ১. কেন সঠিক: - 'পূর্বাশা' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন সঞ্জয় ভট্টাচার্য। এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও মানসম্মত সাহিত্য পত্রিকা। - ত্রয়োদশ শতাব্দীর ত্রিশের দশকের আধুনিক বাংলা কবিতার বিকাশ ও প্রসারে এই পত্রিকার ভূমিকা ছিল অনন্য। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সঞ্জয় ভট্টাচার্য ছিলেন বিশ শতকের ত্রিশের দশকের একজন প্রখ্যাত কবি, ঔপন্যাসিক ও সম্পাদক। তাঁর সম্পাদনায় 'পূর্বাশা' পত্রিকা বাংলা সাহিত্যজগতে বিশেষ মর্যাদার অধিকারী হয়েছিল। - এই পত্রিকাটির মাধ্যমে বহু নবীন ও প্রতিভাবান লেখক এবং কবির আত্মপ্রকাশ ঘটেছিল, যা আধুনিক বাংলা সাহিত্যকে ঋদ্ধ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'ধূসর পাণ্ডুলিপি' হলো জীবনানন্দ দাশের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। ব্যাখ্যা: ত্রিশের দশকের আধুনিক কবিতার ধারা বুঝতে এই কাব্যগ্রন্থটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। উদাহরণ ২: 'কল্লোল' পত্রিকা ১৯২৩ সালে প্রকাশিত হয়েছিল। ব্যাখ্যা: এটিও ত্রিশের দশকের একটি বিখ্যাত সাহিত্যপত্রিকা যা বাংলা সাহিত্যে আধুনিকতার সূত্রপাত করেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি এবং 'ধূমকেতু' ও 'লাঙ্গল' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। B) শাহাদাৎ হোসেন — তিনি একজন প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও কবি হলেও 'পূর্বাশা' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন না। C) সঞ্জয় ভট্টাচার্য — ইনিই 'পূর্বাশা' পত্রিকার সফল সম্পাদক ছিলেন। D) সুধীন্দ্রনাথ দত্ত — তিনি ত্রিশের দশকের অন্যতম প্রধান আধুনিক কবি এবং 'পরিচয়' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। ৫ মনে রাখার টিপস: - পূর্বাশা মানে নতুন সকাল, আর সঞ্জয় ভট্টাচার্য এই পত্রিকার মাধ্যমে সাহিত্যজগতে নতুন আলোর সঞ্চার করেছিলেন। এভাবে মনে রাখতে পারো পূর্বাশা মানে সঞ্জয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভিন্ন সাহিত্য পত্রিকার সম্পাদকের নাম প্রায়ই আসে। - পত্রিকার নাম এবং তার সম্পাদকের নাম মুখস্থ রাখার পাশাপাশি সমসাময়িক লেখকদের নামও মনে রাখতে হবে।
a হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
b রামরাম বসু
c দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর
d অক্ষয়কুমার দত্ত
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রামরাম বসু ১. কেন সঠিক: - রামরাম বসু ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগের একজন অন্যতম প্রধান পণ্ডিত ও শিক্ষক ছিলেন। - ১৮০১ সালে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর বাংলা ভাষা চর্চা ও পাঠ্যপুস্তক রচনার জন্য রামরাম বসুকে নিয়োগ করা হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রামরাম বসু ছিলেন ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলার প্রধান শিক্ষক উইলিয়াম কেরির অন্যতম প্রধান সহযোগী। - তার বিখ্যাত গ্রন্থ রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র ১৮০১ সালে প্রকাশিত হয় যা ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ থেকে প্রকাশিত প্রথম মৌলিক বাংলা গদ্যগ্রন্থ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কাল ব্যাখ্যা: তিনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের একজন পন্ডিত ও শিক্ষক ছিলেন যিনি বাতত্রিশ সিংহাসন রচনা করেন। উদাহরণ ২: উইলিয়াম কেরি ব্যাখ্যা: তিনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা ও সংস্কৃত বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হরপ্রসাদ শাস্ত্রী — তিনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের শিক্ষক ছিলেন না বরং তিনি একজন প্রখ্যাত প্রাচীন বাংলা সাহিত্য গবেষক ও মহামহোপাধ্যায় ছিলেন। B) রামরাম বসু — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের শিক্ষক ও পণ্ডিত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। C) দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি ব্রাহ্মসমাজের একজন ধর্মীয় নেতা ও সংস্কারক ছিলেন এবং ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। D) অক্ষয়কুমার দত্ত — তিনি তত্ত্ববোধিনী সভার সম্পাদক ও একজন প্রখ্যাত উনিশ শতকের গদ্যকার ছিলেন যিনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের শিক্ষক ছিলেন না। ৫. মনে রাখার টিপস: - ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের শিক্ষক মনে রাখার সহজ কৌশল হলো রামরাম বসু ও মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার উভয়েই কলেজের বাংলা বিভাগের পণ্ডিত ছিলেন। - গদ্যচর্চার সূচনার এই যুগে রামরাম বসু ছিলেন কলেজের অন্যতম প্রধান ব্যক্তিত্ব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয় ১৮০১ সালের ৪ঠা মে এবং এর প্রধান উদ্দেশ্য ছিল ব্রিটিশ আমলাদের বাংলা ভাষা শেখানো। - এই কলেজ কেন্দ্রিক সাহিত্যিকদের নাম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
a 1860
b 1865
c 1859
d 1861
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৮৬১ ১. কেন সঠিক: - মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য 'মেঘনাদবধ কাব্য' প্রকাশিত হয় ১৮৬১ সালে। - এই মহাকাব্যটি বাংলা সাহিত্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রথম সার্থক প্রয়োগ এবং এর উৎস রামায়ণের লঙ্কাণ্ড। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মহাকাব্যের রচয়িতা মাইকেল মধুসূদন দত্ত আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রথম বিদ্রোহী কবি এবং নাট্যকার। - গ্রন্থটি দুটি খণ্ডে বিভক্ত এবং এর সর্বমোট সর্গ সংখ্যা নয়টি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তিলোত্তমা সম্ভব কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের প্রথম কাব্যগ্রন্থ যা ১৮৬০ সালে প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: বীরাঙ্গনা কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের পত্রকাব্য যা ১৮৬৪ সালে প্রকাশিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৮৬০ — এই সালে মাইকেল মধুসূদন দত্তের প্রথম কাব্যগ্রন্থ তিলোত্তমা সম্ভব কাব্য প্রকাশিত হয়। B) ১৮৬৫ — এই সালে মাইকেল মধুসূদন দত্তের বিখ্যাত চতুর্দশপদী কবিতাবলী প্রকাশিত হয়। C) ১৮৫৯ — এই সালে মাইকেল মধুসূদন দত্তের প্রথম নাটক কৃষ্ণকুমারী রচিত হয় কিন্তু প্রকাশিত হয় ১৮৬১ সালে। D) ১৮৬১ — এটি সঠিক কারণ মেঘনাদবধ কাব্য এই সালেই প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: - মধুসূদন দত্তের মহাকাব্য মেঘনাদবধ প্রকাশিত হয় ১৮৬১ সালে এবং নাটিকা পদ্মাবতী প্রকাশিত হয় ১৮৬০ সালে। - সালগুলো ধারাবাহিকভাবে মনে রাখতে তার প্রথম কাব্য প্রকাশের পরের বছরই মহাকাব্য প্রকাশিত হয় এই কৌশল ব্যবহার করতে পারো। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মেঘনাদবধ কাব্যের প্রকাশকাল এবং এর সর্গ সংখ্যা প্রায়ই আসে। - বাংলা সাহিত্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক হিসেবে মাইকেল মধুসূদন দত্তের নাম এবং তাঁর সাহিত্যকর্মের সালগুলো ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a পৃথিবী
b জল
c সমুদ্র
d আকাশ
0 107 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আকাশ ১. কেন সঠিক: - অম্বর শব্দটির অর্থ আকাশ, গগন, আসমান বা ব্যোম। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ এবং সমার্থক শব্দ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে প্রমিত বাংলা শব্দভান্ডার থেকে সরাসরি এই প্রশ্নটি আসে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দগুলোর সমষ্টি, যেগুলোর অর্থ প্রায় একই রকম হয়। - বাংলা ভাষায় তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব ও বিদেশি শব্দের সমার্থক শব্দ ব্যাকরণে শব্দের অর্থগত বৈচিত্র্য বৃদ্ধি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গগন ব্যাখ্যা: এটি অম্বর শব্দের একটি বহুল প্রচলিত সমার্থক শব্দ যা একই অর্থ প্রকাশ করে। উদাহরণ ২: ব্যোম ব্যাখ্যা: এটিও অম্বর বা আকাশের সমার্থক হিসেবে বাংলা কাব্যে ও সাধু ভাষায় ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পৃথিবী — পৃথিবী শব্দের সমার্থক হলো ধরা, অবনী, ধরণী বা পৃথিবী, যা অম্বর বা আকাশের সমার্থক নয়। B) জল — জল শব্দের সমার্থক হলো পানি, নীর, উদক বা সলিল, যা অম্বর বা আকাশের সমার্থক নয়। C) সমুদ্র — সমুদ্র শব্দের সমার্থক হলো সাগর, পারাবার, রত্নাকর বা অর্ণব, যা অম্বর বা আকাশের সমার্থক নয়। D) আকাশ — এটি অম্বর শব্দের সঠিক ও সরাসরি সমার্থক শব্দ। ৫. মনে রাখার টিপস: - অম্বর মানে আকাশ। মনে রাখতে পারেন নভোমণ্ডল, গগন, ব্যোম এবং অম্বর সমার্থক শব্দ হিসেবে একসঙ্গে জোড়ায় জোড়ায় পঠিত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের সমার্থক শব্দগুলো থেকে বারবার প্রশ্ন আসে। তাই সংস্কৃত বা তৎসম উৎসের সমার্থক শব্দগুলোর তালিকা আলাদা করে চর্চা করা উচিত।
a শূণ্য
b ত্রিভুজ
c পূন্য
d ভূবন
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ত্রিভুজ ১. কেন সঠিক: বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী ত্রিভুজ শব্দটি একটি তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ। সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এই শব্দের বানানটিতে হ্রস্ব ই-কার এবং বরর্গীয় জ ব্যবহৃত হয়, যা একে শতভাগ নির্ভুল বানানরীতিতে রূপ দেয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষায় তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে সংস্কৃত ব্যাকরণের বানানরীতি অনুসরণ করা বাধ্যতামূলক। ত্রিভুজ একটি যৌগিক শব্দ যেখানে ত্রি এবং ভুজ যুক্ত হয়েছে এবং বাংলা বানানের প্রমিত নিয়ম অনুযায়ী এখানে দীর্ঘ স্বরবর্ণ বা ভুল ধ্বনির কোনো স্থান নেই। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মুহূর্ত ব্যাখ্যা: তৎসম শব্দের বানানে হ্রস্ব উ-কার ব্যবহারের একটি সুন্দর উদাহরণ এটি। উদাহরণ ২: বুদ্ধিজীবী ব্যাখ্যা: বানানের ক্ষেত্রে ই-কার এবং ঈ-কার ব্যবহারের সঠিক নিয়ম বোঝার জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শূণ্য - এটি ভুল বানান কারণ প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী শূন্য শব্দটিতে দীর্ঘ ঊ-কার ব্যবহার করা হয় না, বরং হ্রস্ব উ-কার দিয়ে শূন্য লিখতে হয়। B) ত্রিভুজ - এটি সঠিক উত্তর এবং প্রশ্নে চাওয়া একমাত্র শুদ্ধ বানানযুক্ত শব্দ। C) পূন্য - এটি ভুল বানান কারণ এর সঠিক রূপ হলো পুণ্য যেখানে মূর্ধন্য ণ এবং হ্রস্ব উ-কার ব্যবহৃত হয়। D) ভূবন - এটি ভুল বানান কারণ প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী ভুবন শব্দটিতে হ্রস্ব উ-কার ব্যবহৃত হয়, দীর্ঘ ঊ-কার হয় না। ৫. মনে রাখার টিপস: ত্রিভুজ বানানে সর্বদা হ্রস্ব ই-কার এবং বর্গীয় জ ব্যবহার করবে। শূন্য, পুণ্য এবং ভুবন এই শব্দগুলোতেও সবসময় হ্রস্ব উ-কার ব্যবহার করার নিয়ম মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই তৎসম শব্দের বানান থেকে প্রশ্ন আসে। হ্রস্ব উ-কার ও দীর্ঘ ঊ-কার এবং মূর্ধন্য ণ ও দন্ত্য ন এর ব্যবহার ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের বানান সহজে সমাধান করা যায়।
a ফরিদপুর
b সিলেট
c কৃষ্ণনগর
d চট্টগ্রাম
0 114 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) চট্টগ্রাম ১. কেন সঠিক: - উজির বাহরাম খান মধ্যযুগের একজন বিশিষ্ট বাঙালি কবি। - তিনি চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার দোহাজারী এলাকার অধিবাসী ছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উজির বাহরাম খান মধ্যযুগের রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার কবি। - তাঁর বিখ্যাত কাব্য হলো লাইলী মজনু যা তিনি ষোড়শ শতাব্দীতে রচনা করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সৈয়দ সুলতান ব্যাখ্যা: তিনি মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি এবং চট্টগ্রামের চন্দনাইশ এলাকার উরকিরচর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। উদাহরণ ২: দৌলত উজির বাহরাম খান ব্যাখ্যা: অনেক সময় উজির বাহরাম খানকে দৌলত উজির বাহরাম খান হিসেবেও অভিহিত করা হয় যিনি চট্টগ্রামের সাহিত্যিক পরিমণ্ডলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফরিদপুর — এই অঞ্চল মধ্যযুগের অনেক কবি বা উজির বাহরাম খানের জন্মস্থান নয়। B) সিলেট — সিলেট অঞ্চলের সঙ্গে শ্রীচৈতন্যদেব ও শাহ জালাল এর নাম যুক্ত থাকলেও উজির বাহরাম খানের জন্ম এখানে হয়নি। C) কৃষ্ণনগর — কৃষ্ণনগর ভারতের নদীয়া জেলায় অবস্থিত যা উজির বাহরাম খানের জন্মস্থান নয়। D) চট্টগ্রাম — এটি সঠিক উত্তর কারণ কবি উজির বাহরাম খান চট্টগ্রামের অধিবাসী ছিলেন। ৫ মনে রাখার টিপস: - উজির বাহরাম খান চট্টগ্রাম জেলার অধিবাসী এবং তাঁর বিখ্যাত কাব্য লাইলী মজনু। - কবি ও তাঁদের জন্মস্থান মনে রাখতে কবিদের নামের সঙ্গে অঞ্চলের একটি তালিকা তৈরি করে পড়তে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মধ্যযুগের মুসলিম কবিদের জন্মস্থান ও তাঁদের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ থেকে বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - লাইলী মজনু কাব্যটির রচয়িতা কে, তা মনে রাখা এই প্রশ্নের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a নাটক
b কাব্য
c পদাবলী
d পালাগান
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পালাগান কেন সঠিক: - চন্দ্রাবতী মূলত ময়মনসিংহ গীতিকার একটি বিখ্যাত পালাগান। - কবি মলুয়া বা দস্যু কেনারামের কাহিনীর মতো এটি একটি ট্র্যাজেডিধর্মী লোকপালা। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা লোকসাহিত্য ও ময়মনসিংহ গীতিকার অন্তর্ভুক্ত একটি ট্র্যাজেডি পালা। - মধ্যযুগের প্রথম বাঙালি নারী কবি চন্দ্রাবতীর জীবনের দুঃখজনক ঘটনা নিয়ে এই পালা রচিত হয়েছে। - দীনেশচন্দ্র সেন সংগৃহীত ময়মনসিংহ গীতিকায় এই পালাটির বিশেষ স্থান রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) নাটক — এটি কোনো দৃশ্যকাব্য বা মঞ্চনাটক নয়। - B) কাব্য — এটি একক কোনো মহাকাব্য বা গীতিকাব্য হিসেবে পরিচিত নয়, এটি লোকসংগীতের পালা। - C) পদাবলী — এটি বৈষ্ণব পদাবলী বা শ্রীকৃষ্ণকীর্তন জাতীয় কোনো পদ নয়। - D) পালাগান — এটি সঠিক অপশন এবং এটি একটি লোকসংগীতের পালাগান। মনে রাখার টিপস: - ময়মনসিংহ গীতিকার প্রতিটি কাহিনীর সাথে পালাগান শব্দটি গভীরভাবে যুক্ত।
a ৭টি
b ৮টি
c ৬টি
d ১১টি
0 92 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৭টি ১. কেন সঠিক: বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত মৌলিক স্বরধ্বনি সংখ্যা সাতটি। স্বরধ্বনি হলো সেই ধ্বনি যা অন্য কোনো ধ্বনির সাহায্য ছাড়াই নিজে নিজে উচ্চারিত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণ এগারোটি থাকলেও উচ্চারণের সময় মৌলিক স্বরধ্বনির সংখ্যা সাতটি ধরা হয়। ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনি সাতটি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অ ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার অন্যতম প্রধান মৌলিক স্বরধ্বনি যা উচ্চারণ করতে অন্য কোনো ধ্বনির প্রয়োজন হয় না। উদাহরণ ২: এ ব্যাখ্যা: এটিও একটি স্বতন্ত্র মৌলিক স্বরধ্বনি যা শব্দের আদিতে বা মাঝে স্বাধীনভাবে উচ্চারিত হতে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৭টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনি সাতটি। B) ৮টি — বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনির সংখ্যা আটটি নয়। C) ৬টি — মৌলিক স্বরধ্বনির সংখ্যা ছয়টি হলে তা ব্যাকরণসম্মত হবে না। D) ১১টি — এগারোটি হলো বাংলা স্বরবর্ণের সংখ্যা, মৌলিক স্বরধ্বনি নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: বর্ণ এগারোটি কিন্তু স্বরধ্বনি সাতটি, এই পার্থক্য মনে রাখবে। ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ সাতটি মৌলিক স্বরধ্বনির কথা বলেছেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: স্বরবর্ণ আর স্বরধ্বনির পার্থক্য প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। বর্ণ হলো লিখিত রূপ এবং ধ্বনি হলো উচ্চারিত রূপ।
a সংস্কৃত
b হিন্দি
c অহমিয়া
d তুর্কি
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) তুর্কি ১. কেন সঠিক: - বাবা শব্দটি তুর্কি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় আগত একটি গুরুত্বপূর্ণ আগন্তুক বা বৈদেশিক শব্দ। - বাংলা ভাষা দীর্ঘকাল ধরে বিভিন্ন ভাষার সংস্পর্শে আসায় তাতে বহু বিদেশি শব্দ প্রবেশ করেছে এবং বাবা তার মধ্যে অন্যতম একটি পারিবারিক সম্পর্কবাচক শব্দ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উৎস বা উৎপত্তি অনুসারে বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে মূলত পাঁচ ভাগে ভাগ করা হয়, যেমন তৎসম, অর্ধ-তৎসম, তদ্ভব, দেশি এবং বিদেশি শব্দ। - বিদেশি শব্দের একটি বড় অংশ জুড়ে রয়েছে তুর্কি শব্দ, যা মূলত মোঘল ও তুর্কি শাসকদের মাধ্যমে কিংবা বাণিজ্যিক ও সাংস্কৃতিক যোগাযোগের ফলে বাংলা ভাষায় স্থান করে নিয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দারোগা ব্যাখ্যা: দারোগা একটি তুর্কি শব্দ, যা বাংলা ভাষায় প্রশাসনিক কাজে বহুল ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: কোমর ব্যাখ্যা: কোমর শব্দটি তুর্কি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে এবং এটি দৈহিক অঙ্গের নাম বোঝায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সংস্কৃত — সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত শব্দগুলোকে তৎসম শব্দ বলা হয়, কিন্তু বাবা শব্দটি সংস্কৃত মূল থেকে আসেনি। B) হিন্দি — হিন্দি ভাষা থেকে অনেক শব্দ বাংলায় এলেও বাবা শব্দটি হিন্দি ভাষার শব্দ নয়। C) অহমিয়া — অহমিয়া বা অসমীয়া ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এই শব্দটি প্রবেশ করেনি। D) তুর্কি — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাবা একটি তুর্কি শব্দ। ৫. মনে রাখার টিপস: তুর্কি শব্দগুলো মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো যে প্রশাসনিক ও পারিবারিক কিছু গুরুত্বপূর্ণ শব্দ যেমন বাবা, দারোগা, কাঁচি, তোপ তুর্কি ভাষা থেকে এসেছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, বিশেষ করে তুর্কি, ফার্সি ও আরবি শব্দের পার্থক্য ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a বাতিল
b পালাবদল
c মামুলি
d নিরপেক্ষ
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বাতিল ১. কেন সঠিক: 'Null and void' একটি ইংরেজি আইনগত পরিভাষা যার অর্থ আইনগতভাবে অবৈধ বা বাতিল ঘোষণা করা। এই পরিভাষাটি সাধারণত কোনো চুক্তি, দলিল বা আইনকে সম্পূর্ণ অকার্যকর ঘোষণা করার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ব্যাকরণের পারিভাষিক শব্দ অংশের অন্তর্ভুক্ত। ইংরেজি প্রশাসনিক, আইনি বা সাহিত্যিক শব্দের সুন্দর ও প্রাঞ্জল বাংলা রূপায়ন হলো পারিভাষিক শব্দ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: The contract was declared null and void. ব্যাখ্যা: এই বাক্যে চুক্তিটিকে আইনগতভাবে বাতিল ঘোষণা করার অর্থ প্রকাশ পেয়েছে। উদাহরণ ২: His nomination paper became null and void due to a technical error. ব্যাখ্যা: এখানে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে মনোনয়নপত্রটি বাতিল হওয়ার অর্থ বোঝানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাতিল — এটি সঠিক পরিভাষা কারণ 'Null and void' শব্দগুচ্ছের শাব্দিক ও ভাবগত অর্থ আইনগতভাবে অকার্যকর বা বাতিল করা। B) পালাবদল — এটি পরিবর্তন বা পালা পরিবর্তনের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, যা আইনি বাতিলের সমার্থক নয়। C) মামুলি — এই শব্দের অর্থ সাধারণ বা তুচ্ছ, যা ইংরেজি এই পরিভাষার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) নিরপেক্ষ — এর অর্থ পক্ষপাতহীন, যা আইনগতভাবে বাতিল বা অকার্যকর অর্থে বসে না। ৫ মনে রাখার টিপস: Null শব্দের অর্থ শূন্য বা বাতিল এবং Void শব্দের অর্থ অবৈধ। দুটি শব্দ মিলে যখন Null and void হয়, তখন তার বাংলা অর্থ দাঁড়ায় সম্পূর্ণ বাতিল। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আইন ও প্রশাসনসংক্রান্ত ইংরেজি পরিভাষা প্রায়ই আসে। এ ধরনের আইনি পরিভাষাগুলোর সঠিক অর্থ মনে রাখতে ইংরেজি ও বাংলা উভয় দিকের শাব্দিক অর্থ খেয়াল রাখতে হবে।
a স্বায়ত্তশাসন
b সায়ত্তশাসন
c সায়ত্ত্বশাসন
d স্বায়ত্বশাসন
0 114 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) স্বায়ত্তশাসন ১. কেন সঠিক: স্বায়ত্তশাসন শব্দটি গঠিত হয়েছে স্বয় এবং তত্ত্ব শব্দের সমাসবদ্ধ রূপের মধ্য দিয়ে। বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এই শব্দের বানানে হসন্ত এবং য-ফলা সঠিকভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা বানানরীতিতে সমাসবদ্ধ পদে স্বয় এবং আত্ম শব্দের ব্যবহারে সঠিক নিয়ম অনুসরণ করতে হয়। এখানে স্বায়ত্তশাসন শব্দটিতে স্বয় এবং আত্ম মিলে স্বায়ত্ত হয়েছে এবং এর সঙ্গে শাসন যুক্ত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্বায়ত্তশাসিত ব্যাখ্যা: স্বায়ত্তশাসন শব্দটির সঙ্গে ই প্রত্যয় যুক্ত হয়ে স্বায়ত্তশাসিত বিশেষণ রূপ তৈরি হয়েছে। উদাহরণ ২: আত্মনির্ভরশীল ব্যাখ্যা: আত্ম শব্দের সঠিক ব্যবহার এবং যুক্তবর্ণের প্রয়োগ বোঝাতে এটি একটি উপযুক্ত উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্বায়ত্তশাসন — এটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ এবং প্রমিত বানান। B) সায়ত্তশাসন — এখানে স্বয় অংশের স্থলে স ব্যবহার করায় বানানটি ভুল হয়েছে। C) সায়ত্ত্বশাসন — এখানে ত এর নিচে ব-ফলা ব্যবহার না করে ত-য-ফলা দেওয়ায় বানানটি ভুল হয়েছে। D) স্বায়ত্বশাসন — এখানে ত-এর সঙ্গে ব-ফলা না দিয়ে সরাসরি ত দেওয়ায় বানানটি ভুল হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: স্বায়ত্তশাসন বানানটি মনে রাখার জন্য প্রথমে স্বয় এবং পরে ত্ত যুক্ত আত্ম শব্দ অংশটি ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে। প্রমিত বানান অনুসরণে এখানে ব-ফলা এবং হসন্তের সঠিক অবস্থান মনে রাখা জরুরি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই স্বায়ত্তশাসন ও স্বায়ত্তশাসিত বানানগুলো সংশোধনের জন্য আসে। বাংলা একাডেমির বানান নিয়ম অনুসরণ করে এই ধরনের মিশ্র বা সমাসবদ্ধ শব্দের বানান চর্চা করতে হবে।
a দেশি
b বিদেশি
c তদ্ভব
d অর্ধ-তৎসম
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অর্ধ-তৎসম ১. কেন সঠিক: - অর্ধ-তৎসম শব্দ হলো সেই সমস্ত সংস্কৃত শব্দ, যা প্রাকৃত বা অপভ্রংশের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে কিঞ্চিৎ পরিবর্তিত রূপে বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হয়। - প্রদত্ত শব্দটি (যেমন: শ্রাদ্ধ থেকে সরাদ্ধ, গৃহিণী থেকে গিন্নি) পুরোপুরি তদ্ভব না হয়ে তৎসম শব্দের একটি বিকৃত বা কথ্য রূপ হিসেবে বাংলা ভাষায় স্থান করে নিয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উৎস বা উৎপত্তি অনুসারে বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে প্রধানত পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয়, যেমন তৎসম, অর্ধ-তৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি শব্দ। - সংস্কৃত ভাষা থেকে যে শব্দগুলো সামান্য পরিবর্তিত হয়ে বাংলায় এসেছে এবং যার মূল তৎসম রূপটির সাথে উচ্চারণগত দূরত্ব তৈরি হয়েছে, তাকে অর্ধ-তৎসম বা ভগ্ন তৎসম শব্দ বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গিন্নি ব্যাখ্যা: এটি সংস্কৃত গৃহিণী শব্দটির পরিবর্তিত বা অর্ধ-তৎসম রূপ। উদাহরণ ২: বৌমা ব্যাখ্যা: এটি বধূমাতৃকা শব্দের বিবর্তিত অর্ধ-তৎসম রূপ হিসেবে কথ্য বাংলায় ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দেশি — দেশি শব্দ হলো বাংলাদেশের আদিবাসীদের ভাষা থেকে আগত শব্দ, যা অর্ধ-তৎসম শব্দের সংজ্ঞার সঙ্গে মেলে না। B) বিদেশি — বিদেশি শব্দ হলো আরবি, ফার্সি, ইংরেজি বা পর্তুগিজ ইত্যাদি বহির্গত ভাষা থেকে আগত শব্দ, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) তদ্ভব — তদ্ভব শব্দ হলো সংস্কৃত থেকে প্রাকৃত হয়ে সম্পূর্ণ পরিবর্তিত হয়ে গঠিত শব্দ, যা অর্ধ-তৎসমের চেয়েও বেশি পরিবর্তিত। D) অর্ধ-তৎসম — এই অপশনটি সঠিক কারণ প্রশ্নোক্ত শব্দটি সংস্কৃত থেকে সামান্য পরিবর্তিত হয়ে এই শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - যে সমস্ত শব্দ উচ্চারণে একটু হালকা বা কথ্য মনে হয় এবং মূল সংস্কৃত শব্দের কাছাকাছি অথচ কিছুটা বিকৃত রূপ নেয়, সেগুলোই সাধারণত অর্ধ-তৎসম শব্দ হয়। - গিন্নি, বৌমা, কুচ্ছিত ইত্যাদি শব্দ দেখলে অর্ধ-তৎসম হিসেবে চিহ্নিত করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অর্ধ-তৎসম শব্দের উদাহরণ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, বিশেষ করে গিন্নি, বৌমা, কুচ্ছিত ও জোছনা শব্দগুলো বারবার পরীক্ষণে দেখা যায়। - তৎসম ও তদ্ভব শব্দের মাঝের পর্যায় হলো অর্ধ-তৎসম, এই বিষয়টি মাথায় রাখলে সহজে উত্তর করা সম্ভব।
a শ্রৎ + √ধা + অ + আ
b শ্ৰৎ + √ধা + আ
c শ + √ধা + আ
d শ্রু + √ধা + আ
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) শ্ৰৎ + √ধা + অ + আ ১. কেন সঠিক: - 'শ্রদ্ধা' শব্দটির সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় হলো শ্রৎ যোগ √ধা যোগ অ যোগ আ। এটি একটি ক্বিৎ প্রত্যয়যুক্ত কৃদন্ত শব্দ। - 'শ্রৎ' একটি অভ্যয় পদ যার অর্থ সত্য বা চিত্ত, এবং 'ধা' ধাতু ধারণ করা অর্থে ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - কৃদন্ত শব্দ গঠনের ক্ষেত্রে ধাতু বা প্রাতিপদিকের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত করে নতুন শব্দ তৈরি করা হয়। - এখানে 'শ্রৎ' অব্যয়ের সঙ্গে 'ধা' ধাতুর পূর্বে অ এবং পরে আ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে শ্রদ্ধা শব্দটি সাধিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সৎ + √চেষ্টা = সচেষ্ট ব্যাখ্যা: এটি উপসর্গ ও ধাতুর যোগে গঠিত শব্দের একটি সাধারণ ব্যাকরণিক উদাহরণ। উদাহরণ ২: পরি + √গম + অ + আ = পরিব্যাপ্ত ব্যাখ্যা: ধাতু ও প্রত্যয়ের যোগে নতুন শব্দ গঠনের আরেকটি সুনির্দিষ্ট প্রক্রিয়া এটি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শ্ৰৎ + √ধা + অ + আ — এটি সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় যা প্রশ্নানুযায়ী নির্ভুলভাবে নির্ণীত হয়েছে। B) শ্ৰৎ + √ধা + আ — এখানে মাঝে 'অ' প্রত্যয়টি অনুপস্থিত থাকায় গঠনটি ব্যাকরণগতভাবে অসম্পূর্ণ। C) শ + √ধা + আ — এখানে মূল অব্যয় 'শ্রৎ'-এর পরিবর্তে ভুলভাবে শুধু 'শ' ব্যবহার করা হয়েছে। D) শ্রু + √ধা + আ — এখানে 'শ্রু' ধাতু ব্যবহার করা হয়েছে, কিন্তু সঠিক ধাতুটি হলো 'ধা'। ৫ মনে রাখার টিপস: - শ্রদ্ধা শব্দটির বিশ্লেষণে প্রথমে 'শ্রৎ' অব্যয় এবং পরে 'ধা' ধাতু মনে রাখবে। - প্রত্যয় হিসেবে 'অ' এবং 'আ' যুক্ত হয়, যা ক্রমানুসারে মুখস্থ রাখা নিরাপদ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কৃদন্ত শব্দ ও প্রত্যয় নির্ণয়ের প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - মূল ধাতু এবং অব্যয় অংশ আলাদা করার সময় বানัน ও প্রত্যয়ের উপস্থিতি ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে।
a তৎপুরুষ
b কর্মধারয়
c অব্যয়ীভাব
d বহুব্রীহি
0 113 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) তৎপুরুষ ১. কেন সঠিক: - পুষ্পসৌরভ শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো পুষ্পের সৌরভ, যেখানে ষষ্ঠী বিভক্তি র লোপ পেয়েছে। - সমাসের নিয়ম অনুযায়ী যে সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়, তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - যে সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি অর্থাত্ কে, রে, র, এর ইত্যাদি লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধানরূপে প্রতিভাত হয়, তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে। - এখানে পুষ্প এবং সৌরভ দুটি বিশেষ্য পদ মিলে ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস গঠন করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দেশসেবা ব্যাখ্যা: এর ব্যাসবাক্য দেশকে সেবা, এখানে দ্বিতীয়া বিভক্তি কে লোপ পেয়ে তৎপুরুষ সমাস হয়েছে। উদাহরণ ২: বিপদাপন্ন ব্যাখ্যা: এর ব্যাসবাক্য বিপদে আপন্ন, এখানে সপ্তমী বিভক্তি তে লোপ পেয়ে তৎপুরুষ সমাস গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তৎপুরুষ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে বিভক্তি লোপ পেয়ে তৎপুরুষ সমাস গঠিত হয়েছে। B) কর্মধারয় — এই অপশনটি ভুল কারণ কর্মধারয় সমাসে সাধারণত বিশেষণ ও বিশেষ্যের মিলনে গুণ বোঝায়, যা এখানে নেই। C) অব্যয়ীভাব — এই অপশনটি ভুল কারণ অব্যয়ীভাব সমাসে পূর্বপদে অব্যয় বসে অব্যয়ের অর্থ প্রধান হয়। D) বহুব্রীহি — এই অপশনটি ভুল কারণ বহুব্রীহি সমাসে পদগুলোর নিজস্ব অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো পদকে বোঝায়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ব্যাসবাক্য করার সময় যদি মাঝখানে র বা এর বিভক্তি লোপ পায়, তবে চোখ বন্ধ করে ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস দাগাবে। - সমাস নির্ণয়ের সময় প্রথমে পদের অর্থ এবং বিভক্তির উপস্থিতি খেয়াল করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতায় বিভক্তিযুক্ত শব্দের সমাস প্রায়ই আসে। - ষষ্ঠী তৎপুরুষ চেনার সহজ উপায় হলো ব্যাসবাক্যে র বা এর বিভক্তি ব্যবহার করা।
a হ্ + ম
b ক্ + ষ
c মৃ + ম
d ম্ + হ
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) হ্ + ম ১. কেন সঠিক: - ‘হ্ম’ একটি যুক্তবর্ণ যা হ এবং ম বর্ণের মিলনে গঠিত হয়। - এখানে হ বর্ণটি প্রধান এবং এর নিচে ম বর্ণ যুক্ত থাকে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যুক্তবর্ণ হলো দুই বা ততোধিক বর্ণের একত্রিত রূপ। - বাংলা বর্ণমালায় যুক্তবর্ণ লেখার সময় প্রথম বর্ণটি সাধারণত অসম্পূর্ণ এবং দ্বিতীয় বর্ণটি সম্পূর্ণ বা পরিবর্তিত রূপে যুক্ত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্রহ্মপুত্র ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতে হ্ম যুক্তবর্ণটি ব্যবহার করা হয়েছে যার সঠিক উচ্চারণ ভ্রহ্মোপুত্র এর মতো হয়। উদাহরণ ২: ব্রাহ্মণ ব্যাখ্যা: ব্রাহ্মণ শব্দটিতে হ্ম যুক্তবর্ণটি বিদ্যমান যা হ এবং ম এর সংযোগে তৈরি হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হ্ + ম — এটি সঠিক কারণ হ এবং ম মিলে হ্ম যুক্তবর্ণ গঠিত হয়। B) ক্ + ষ — এটি ভুল কারণ ক এবং ষ মিলে ক্ষ যুক্তবর্ণ গঠিত হয়। C) মৃ + ম — এটি ভুল কারণ এটি কোনো প্রমিত যুক্তবর্ণ গঠনের সঠিক নিয়ম নয়। D) ম্ + হ — এটি ভুল কারণ ম এবং হ মিলে MH বা অন্য রূপ হতে পারে কিন্তু হ্ম হয় না। ৫. মনে রাখার টিপস: - ব্রহ্ম শব্দটির বানান মনে রাখলে হ্ম যুক্তবর্ণের গঠন সহজে মনে রাখা যায়। - হ এর সাথে ম যুক্ত হলে নিচে ম ঝুলে থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই হ্ম, ষ্ণ, জ্ঞ ইত্যাদি জটিল যুক্তবর্ণের গঠন জানতে চাওয়া হয়। - বানানের ক্ষেত্রে হ্ম এবং ম্হ এর পার্থক্য ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
a সৎ + জাত
b সদ্যো + জাত
c সদ্যঃ + জাত
d সদ্য + জাত
0 113 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সদ্যঃ + জাত কেন সঠিক: - এটি বিসর্গ সন্ধির নিয়মের মধ্যে পড়ে। - এখানে প্রথম পদের শেষে থাকা বিসর্গের সাথে ব্যঞ্জনবর্ণের মিলনে এই সন্ধি সাধিত হয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিসর্গ সন্ধির নিয়মানুযায়ী বিসর্গের পরে যদি বর্গের তৃতীয়, চতুর্থ বা পঞ্চম বর্ণ কিংবা য, র, ল, ব, হ থাকে, তবে বিসর্গ ও-কার কিংবা রেফ হয়। - এই নিয়মে 'সদ্যঃ' শব্দের বিসর্গটি ও-কারে রূপান্তরিত হয়ে 'সদ্যোজাত' গঠিত হয়েছে। - যেমন অহঃ + নিশি = অহর্নিশি, সদ্যঃ + জাত = সদ্যোজাত। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) সৎ + জাত — এটি সঠিক নয় কারণ এখানে খণ্ড ত-এর নিয়ম প্রযোজ্য নয়। - B) সদ্যো + জাত — এটি সঠিক নয় কারণ 'সদ্যো' কোনো মূল সংস্কৃত পদ বা উপসর্গ নয়। - C) সদ্য + জাত — এটি সঠিক নয় কারণ বিসর্গ চিহ্ন বাদ দিয়ে সন্ধি করলে শব্দের মূল রূপ ঠিক থাকে না। - D) সদ্য + জাত — অপশনটি পুনরাবৃত্তি হয়েছে এবং এর কোনো ব্যাকরণগত ভিত্তি নেই। মনে রাখার টিপস: - কোনো শব্দের মাঝে যদি ও-কার থাকে এবং তার ভাঙা অংশে বিসর্গ পাওয়া যায়, তবে সেটি সাধারণত বিসর্গ সন্ধি হয়।
a ত্যক্ত
b গ্রাহ্য
c দৃঢ়
d গূঢ়
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) গূঢ় ১. কেন সঠিক: 'ব্যক্ত' শব্দের অর্থ যা প্রকাশিত হয়েছে বা যা প্রকাশ করা হয়েছে। অন্যদিকে 'গূঢ়' শব্দের অর্থ যা লুক্কায়িত বা গুপ্ত। অর্থের দিক থেকে প্রকাশিত ও লুক্কায়িত পরস্পর বিপরীত ভাব প্রকাশ করে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: শব্দভাণ্ডারের ক্ষেত্রে বিপরীতার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যা অন্য একটি শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। বাংলা ভাষায় তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে শব্দের উৎস ও অর্থের গভীরতা বিবেচনা করতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্যক্ত সত্য کبھی کبھی গোপনীয়তার আবরণে ঢাকা পড়ে। এখানে ব্যক্ত শব্দের অর্থ প্রকাশিত। ব্যাখ্যা: বাক্যটিতে প্রকাশিত বিষය বোঝাতে ব্যক্ত শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে যার বিপরীত গূঢ় হতে পারে। উদাহরণ ২: তাঁর মনের কথা অত্যন্ত গূঢ়। এখানে গূঢ় শব্দের অর্থ লুক্কায়িত বা গভীর। ব্যাখ্যা: বাক্যটিতে সহজে বোঝা যায় না এমন ভাব প্রকাশ করতে গূঢ় শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ত্যক্ত — ত্যক্ত শব্দের অর্থ বর্জিত বা বিরক্ত, যা ব্যক্ত শব্দের বিপরীত নয়। B) গ্রাহ্য — গ্রাহ্য শব্দের অর্থ যা গ্রহণ করার যোগ্য, এটি অন্য অর্থে ব্যবহৃত হয়। C) দৃঢ় — দৃঢ় শব্দের অর্থ শক্ত বা মজবুত, যার বিপরীত হলো শিথিল। D) গূঢ় — গূঢ় শব্দের অর্থ লুক্কায়িত, যা ব্যক্ত শব্দের সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ। ৫ মনে রাখার টিপস: ব্যক্ত মানে যা দেখা যায় বা প্রকাশ পায় এবং গূঢ় মানে যা আড়ালে বা গভীরে লুকিয়ে থাকে। এভাবে প্রকাশ বনাম লুক্কায়িত সম্পর্ক মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ প্রায়ই আসে। তাই শব্দের মূল অর্থ ভালোভাবে বুঝতে হবে।
a চামার
b ধারালো
c মোড়ক
d পোষ্টাই
0 94 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পোষ্টাই ১. কেন সঠিক: ক্রিয়ামূল বা ধাতুর সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠিত হয়, তাকে কৃৎ-প্রত্যয় বলে। পোষ্টাই শব্দটি পুষ্ ধাতু বা পুষ্ট শব্দের সঙ্গে আই প্রত্যয় যোগে গঠিত হয়েছে যেখানে মূল ধাতু ক্রিয়াবাচক। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষায় প্রত্যয় প্রধানত দুই প্রকার যেমন কৃৎ-প্রত্যয় ও তদ্ধিত-প্রত্যয়। ধাতুর সঙ্গে যুক্ত হওয়া প্রত্যয়কে কৃৎ-প্রত্যয় বলা হয় এবং শব্দের সঙ্গে যুক্ত হওয়া প্রত্যয়কে তদ্ধিত-প্রত্যয় বলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মোড় + অক = মোড়ক ব্যাখ্যা: মোড় ধাতুর সঙ্গে অক প্রত্যয় যুক্ত হয়ে কৃৎ-প্রত্যয় সাধিত শব্দ গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: চল্ + আ = চলা ব্যাখ্যা: চল্ ধাতুর সঙ্গে আ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে কৃৎ-প্রত্যয় সাধিত শব্দ তৈরি হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চামার — এটি তদ্ধিত-প্রত্যয় সাধিত শব্দ কারণ চামড়া শব্দের সঙ্গে আর প্রত্যয় যুক্ত হয়ে এটি গঠিত হয়েছে। B) ধারালো — এটি তদ্ধিত-প্রত্যয় সাধিত শব্দ কারণ ধার শব্দের সঙ্গে আলো প্রত্যয় যুক্ত হয়ে এটি তৈরি হয়েছে। C) মোড়ক — এটি কৃৎ-প্রত্যয় সাধিত শব্দ হলেও প্রশ্নে প্রদত্ত সঠিক উত্তরের সঙ্গে এটি মিলছে না। D) পোষ্টাই — এটি বাংলা কৃৎ-প্রত্যয় সাধিত সঠিক শব্দ হওয়ায় এটি উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: ধাতুর সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয় তা কৃৎ-প্রত্যয় এবং শব্দের সঙ্গে যা যুক্ত হয় তা তদ্ধিত-প্রত্যয়। শব্দটি ভাঙলে যদি মূল ক্রিয়াবাচক অংশ বা ধাতু পাওয়া যায় তবে তা কৃৎ-প্রত্যয় হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কৃৎ-প্রত্যয় ও তদ্ধিত-প্রত্যয়ের পার্থক্য প্রায়ই আসে। ধাতু চেনার উপায় হলো শব্দের মূল রূপটি কোনো কাজের সঙ্গে সম্পর্কিত কি না তা যাচাই করা।
a আকাঙক্ষা
b যোগ্যতা
c আসক্তি
d আসত্তি
0 97 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আসক্তি ১. কেন সঠিক: একটি সার্থক বাক্যের তিনটি প্রধান গুণ বা বৈশিষ্ট্য থাকা আবশ্যক, যথা আকাঙ্ক্ষা, যোগ্যতা ও আসত্তি। প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে 'আসক্তি' শব্দটির অর্থ গভীর অনুরাগ বা প্রীতি, যা বাক্যের গুণ নয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: একটি সার্থক বাক্য গঠনে বাক্যের পদগুলোর মধ্যে সুশৃঙ্খল পদবিন্যাস বা সাজিয়ে লেখার যোগ্যতা থাকতে হয়, যাকে ব্যাকরণের পরিভাষায় 'আসত্তি' বলা হয়। পরীক্ষায় বিভ্রান্ত করার জন্য 'আসক্তি' ও 'আসত্তি' শব্দ দুটি ব্যবহার করা হয়, যেখানে আসক্তি হলো প্রীতি এবং আসত্তি হলো নৈকট্য বা পদগুলোর ধারাবাহিক সাজানো। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাল আমি ঢাকা যাব। ব্যাখ্যা: বাক্যটিতে পদের সঠিক নৈকট্য বা আসত্তি রয়েছে, তাই এটি একটি সার্থক বাক্য। উদাহরণ ২: যাব ঢাকা কাল আমি। ব্যাখ্যা: বাক্যটিতে পদের সঠিক বিন্যাস বা আসত্তি না থাকায় এটি সার্থক বাক্য হিসেবে গণ্য হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আকাঙক্ষা — এটি সার্থক বাক্যের অন্যতম একটি গুণ, যার অর্থ বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ বোঝার জন্য এক পদের পর অন্য পদ শোনার ইচ্ছা। B) যোগ্যতা — এটি সার্থক বাক্যের একটি অপরিহার্য গুণ, যার অর্থ পদগুলোর অর্থগত মিল ও ভাবের সংগতি রক্ষা করা। C) আসক্তি — এটি ভুল শব্দ যা মূলত প্রীতি বোঝায়, কিন্তু সার্থক বাক্যের গুণ হলো আসত্তি বা পদবিন্যাস। D) আসত্তি — এটি সার্থক বাক্যের একটি প্রধান গুণ, যার অর্থ বাক্যের পদগুলোকে যথাযথভাবে সাজিয়ে লেখা। ৫. মনে রাখার টিপস: বাক্যের গুণ মনে রাখার সহজ কৌশল হলো তিন যোগ্যতার সূত্র, যার মধ্যে আসত্তি (ত-এ ত) থাকে কিন্তু আসক্তি (ক-এ ত) থাকে না। পরীক্ষায় প্রায়ই আসক্তি ও আসত্তির বানানগত ও অর্থগত পার্থক্য থেকে প্রশ্ন আসে, তাই বানানের দিকে বিশেষ নজর দিতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ব্যাকরণে বাক্য শুদ্ধির ক্ষেত্রে আসত্তি এবং যোগ্যতা সংক্রান্ত প্রশ্ন সবচেয়ে বেশি আসে। বাক্যের পদগুলো সঠিকভাবে সাজানো না থাকলে তাকে আসত্তির অভাবজনিত ত্রুটি বলা হয়।
a পদাবলি
b ধামালি
c প্রেমগীতি
d নাটগীতি (নাট্যগীতি)
0 93 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নাটগীতি (নাট্যগীতি) ১. কেন সঠিক: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যটি মূলত সংলাপধর্মী এবং এতে নাটকীয় উপাদান ভরপুর থাকায় এটিকে নাট্যগীতি বা গীতিনাট্য হিসেবে গণ্য করা হয়। রাধে, কৃষ্ণের এবং বড়াইর চরিত্রের সংলাপের মাধ্যমে এর পুরো কাহিনী এগিয়ে গেছে যা নাটকের রূপ দান করে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের আদি নিদর্শন এবং বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্যাপতি এটি বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরের এক গোয়ালঘর থেকে আবিষ্কার করেন। এই কাব্যে রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমের বিভিন্ন পর্যায় যেমন পূর্বরাগ, মান, বিরহ ইত্যাদি অত্যন্ত নাটকীয়ভাবে সংলাপে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিদ্যাপতি রচিত পদাবলি। ব্যাখ্যা: এটি মূলত খন্ড কবিতা বা গান, যা ভক্তিমূলক ও প্রেমমূলক হলেও নাট্যধর্মী সংলাপের নাটকীয়তা এতে অনুপস্থিত। উদাহরণ ২: মনসামঙ্গল কাব্য। ব্যাখ্যা: এটি মঙ্গলকাব্য ধারার সাহিত্য যেখানে দেবমাহাত্ম্য প্রচার করা হয় এবং এতে নাটকীয় সংলাপের চেয়ে বর্ণনামূলক ধারা বেশি প্রধান। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পদাবলি — পদাবলি মূলত একক বা পৃথক গান বা কবিতা যার প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো ভক্তিমূলক বা প্রেমমূলক ভাব প্রকাশ করা। B) ধামালি — ধামালি হলো শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের একটি নির্দিষ্ট খণ্ড বা অধ্যায়ের নাম, যা পুরো কাব্যের সামগ্রিক গঠনরীতিকে প্রকাশ করে না। C) প্রেমগীতি — প্রেমগীতি সাধারণ অর্থে প্রেমের গান বোঝায়, কিন্তু শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের মূল কাঠামোটি কেবল গান নয় বরং সংলাপনির্ভর নাটকীয় রূপ। D) নাটগীতি (নাট্যগীতি) — এটি সঠিক কারণ এই কাব্যের প্রতিটি খণ্ডে চরিত্রগুলোর পারস্পরিক কথোপকথন বা সংলাপের মাধ্যমে নাটকীয় আবহ তৈরি হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন মানেই সংলাপ এবং চরিত্রভিত্তিক নাটকীয়তা, তাই গঠনরীতির বিচারে এটি একটি নাট্যগীতি বা গীতিনাট্য। মধ্যযুগের এই প্রাচীনতম নির্দশনটিতে রাধা, কৃষ্ণ ও বড়াইর ত্রিভুজ সংলাপ মনে রাখলেই এর গঠনরীতি চেনা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের খণ্ড সংখ্যা মোট তেরোটি এবং এর প্রধান তিনটি চরিত্র হলো রাধা, কৃষ্ণ ও বড়াই। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই কাব্যটির আবিষ্কারক, খণ্ডগুলোর নাম এবং এর নাট্যরূপ সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
a চর্যাপদ
b পদাবলি
c মঙ্গলকাব্য
d রোমান্সকাব্য
0 111 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চর্যাপদ ১. কেন সঠিক: - চর্যাপদের ভাষা ছিল এমন এক সন্ধিক্ষণের ভাষা যা বাংলা, ওড়িয়া ও অসমীয়া ভাষার আদি রূপ বহন করে। - মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এই ভাষাকে ‘সন্ধ্যাভাষা’ হিসেবে চিহ্নিত করেছিলেন কারণ এর অর্থ সহজে বোধগম্য নয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন এবং বৌদ্ধ সহজিয়া সাহিত্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদ সংকলন। - হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেন এবং ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে ‘হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় রচিত বৌদ্ধ গান ও দোহা’ নামে প্রকাশ করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চর্যাপদের টিকাকার মুনীদত্ত এই ভাষাটির নাম দিয়েছিলেন আলোআঁধারি বা সন্ধ্যাভাষা। ব্যাখ্যা: চর্যাপদের গূঢ়ার্থ বোঝার জন্য এই নামকরণ করা হয়েছে। উদাহরণ ২: ড. সুনীতি চট্টোপাধ্যায় প্রমাণ করেন যে চর্যাপদের ভাষা মূলত প্রাচীন বাংলা। ব্যাখ্যা: ভাষাতাত্ত্বিক বিশ্লেષণে এটি প্রমাণিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চর্যাপদ — এটি সঠিক উত্তর। B) পদাবলি — এটি মধ্যযুগের বৈষ্ণব সাহিত্যের অংশ এবং এর ভাষা সহজবোধ্য ব্রজবুলি বা বাংলা। C) মঙ্গলকাব্য — এটি মধ্যযুগের দেবদেবী কেন্দ্র করে রচিত বিশেষ ধারার কাব্য যার ভাষা সন্ধ্যাভাষা নয়। D) রোমান্সকাব্য — এটি মধ্যযুগের মধ্যপ্রাচ্যের বা দেশীয় লোককাহিনিভিত্তিক প্রেমকাব্য। ৫. মনে রাখার টিপস: চর্যাপদ ও সন্ধ্যাভাষা দুটি শব্দ একসঙ্গে মনে রাখতে হবে কারণ হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এই নামকরণ করেছিলেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: চর্যাপদের আবিষ্কারক, আবিষ্কারের সাল এবং এর ভাষা নিয়ে বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতায় নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
a অর্ণব
b অর্ক
c প্রসূন
d পলব
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অর্ক ১. কেন সঠিক: - 'অর্ক' শব্দের অর্থ সূর্য। সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত এই শব্দটি বাংলা ভাষায় সমার্থক শব্দ হিসেবে বহুল ব্যবহৃত হয়। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ ও সমার্থক শব্দ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে সংস্কৃত উৎসের শব্দগুলোর পরিচিতি থাকা অত্যন্ত জরুরি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো এমন কিছু শব্দ যা ভিন্ন রূপের হলেও একই বা প্রায় একই অর্থ প্রকাশ করে। বাংলা ভাষায় বহু সমার্থক শব্দ সংস্কৃত ভাষা থেকে তৎসম শব্দ হিসেবে এসেছে। - 'সূর্য' শব্দের আরও বেশ কিছু সমার্থক শব্দ রয়েছে যা বিভিন্ন পরীক্ষায় বারবার আসে, যেমন রবি, ভাস্কর, আদিত্য, তপন ইত্যাদি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সবিতা ব্যাখ্যা: এটিও সূর্য শব্দের একটি বহুল ব্যবহৃত সমার্থক শব্দ। উদাহরণ ২: দিবাকর ব্যাখ্যা: দিন বা দিবস করেন যিনি, অর্থাৎ সূর্য অর্থে এই সমার্থক শব্দটি ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অর্ণব — অর্ণব শব্দের অর্থ সমুদ্র বা সাগর, যা সূর্য শব্দের সমার্থক শব্দ নয়। B) অর্ক — এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ সূর্য। C) প্রসূন — প্রসূন শব্দের অর্থ ফুল, যা সূর্য শব্দের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) পলব — পলব শব্দের অর্থ কচি পাতা বা পল্লব, যা সূর্য শব্দের সমার্থক নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - সূর্য ও অর্ক উভয় শব্দই খুব ছোট এবং সংস্কৃত মূলের। অর্ক মানেই সূর্য, এই তথ্যটি মনে রাখলে সহজে উত্তর করা যায়। - পরীক্ষার হলে বিভ্রান্ত হওয়ার জন্য সমুদ্র বা ফুলের মতো ভিন্নার্থক শব্দ অপশনে দেওয়া হয়, তাই মূল শব্দটির অর্থ স্পষ্টভাবে মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সূর্য, চন্দ্র, আকাশ, পৃথিবী এবং সমুদ্র শব্দের সমার্থক শব্দগুলো থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - প্রমিত বাংলা শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ করতে তৎসম শব্দের অর্থগুলো নিয়মিত চর্চা করা উচিত।
a Noun clause
b Adjective clause
c Adverbial clause
d Subordinate clause
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Adverbial clause কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যে 'while the iron is hot' অংশটি Subordinate conjunction 'while' দ্বারা শুরু হয়ে প্রধান ক্লজ বা Principal clause-এর সময় প্রকাশ করছে এবং মূল verb 'Strike'-কে মডিফাই করছে। - সময়, স্থান, কারণ বা শর্ত প্রকাশ করে verb-কে মডিফাই করায় এটি একটি Adverbial clause of time-এর কাজ করছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Noun clause — এটি বাক্যে কোনো Noun-এর কাজ করছে না বা Subject কিংবা Object হিসেবে ব্যবহৃত হয়নি। B) Adjective clause — এটি পূর্ববর্তী কোনো Noun বা Pronoun-কে মডিফাই করছে না, তাই এটি Adjective clause নয়। C) Adverbial clause — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটি বাক্যে Adverb-এর কাজ করায় সঠিক। D) Subordinate clause — এটি সাবঅর্ডিনেট ক্লজ হলেও প্রশ্নানুসারে এর সুনির্দিষ্ট প্রকারভেদ চেয়েছে, তাই সাধারণ শ্রেণি হিসেবে এটি সম্পূর্ণ উত্তর নয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যে যখন কোনো Subordinate clause সময়, কারণ বা শর্ত বুঝিয়ে Verb-কে প্রশ্ন করে উত্তর দেয়, তখন তাকে Adverbial clause বলে।
a A big speech
b Maiden speech
c An unimportant speech
d A verbose speech
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) A verbose speech কেন সঠিক: Verbose কথাটির অর্থ হলো অতিরিক্ত শব্দবহুল বা প্রয়োজন, অতিরিক্ত কথায় ভরপুর কোনো বক্তব্য। প্রশ্নে চাওয়া হয়েছে অনেক বেশি শব্দ বিশিষ্ট কোনো বক্তব্য, যা এই অপশনের সংজ্ঞার সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A big speech — এটি কেবল একটি দীর্ঘ বক্তব্য বোঝায়, যা অপ্রয়োজনীয় শব্দের বাহুল্য নাও হতে পারে। B) Maiden speech — এটি মূলত কোনো বক্তার জীবনে, দেওয়া প্রথম বক্তব্যকে নির্দেশ করে। C) An unimportant speech — এটি এমন একটি বক্তব্য বোঝায়, যার কোনো বিশেষ গুরুত্ব বা মূল্য নেই। D) A verbose speech — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায়, এখানে ভুল অপশন হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে না। মনে রাখার টিপস: Verbose শব্দের অর্থ বেশি কথা, তাই অতিরিক্ত শব্দের বক্তব্য মানেই A verbose speech।
a Mathew Arnold
b Alexander Pope
c Robert Browning
d Alfred Tennyson
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Alexander Pope কেন সঠিক: আলেক্সান্ডার পোপ একজন ভিক্টোরিয়ান কবি নন বরং তিনি অষ্টাদশ শতকের একজন বিখ্যাত অগাস্টান যুগের কবি ও প্রাবন্ধিক। ভিক্টোরিয়ান যুগ শুরু হয়েছিল আঠারো শতকের অনেক পরে উনিশ শতকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Mathew Arnold — তিনি ভিক্টোরিয়ান যুগের একজন বিখ্যাত কবি ও সমালোচক ছিলেন। B) Alexander Pope — তিনি আঠারো শতকের অগাস্টান যুগের কবি এবং ভিক্টোরিয়ান যুগের অন্তর্ভুক্ত নন। C) Robert Browning — তিনি ভিক্টোরিয়ান যুগের অত্যন্ত জনপ্রিয় একজন কবি ছিলেন। D) Alfred Tennyson — তিনি ভিক্টোরিয়ান যুগের শ্রেষ্ঠ কবিদের মধ্যে প্রধান একজন। মনে রাখার টিপস: পোপ ছিলেন আঠারো শতকের কবি আর ভিক্টোরিয়ান যুগ শুরু হয় উনিশ শতকে।
a such
b either
c that
d any
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) either কেন সঠিক: Distributive pronoun এমন শব্দকে বোঝায় যা একাধিক ব্যক্তি বা বস্তুর মধ্য থেকে প্রতিটিকে পৃথকভাবে নির্দেশ করে। either শব্দটি দুইটির মধ্যে যে কোনো একটিকে পৃথকভাবে বুঝাতে ব্যবহৃত হয় বলে এটি একটি সঠিক distributive pronoun। বাকি অপশন কেন ভুল: A) such — এটি মূলত একটি demonstrative বা qualitative pronoun হিসেবে ব্যবহৃত হয়, কোনো distributive pronoun নয়। B) either — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপشن হিসেবে বিবেচ্য নয়। C) that — এটি একটি demonstrative pronoun যা দূরে থাকা কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা বস্তুকে নির্দেশ করে। D) any — এটি একটি indefinite pronoun হিসেবে কাজ করে কারণ এটি নির্দিষ্ট কাউকে বোঝায় না। মনে রাখার টিপস: Distributive pronoun চেনার সহজ উপায় হলো মনে রাখা যে এরা সর্বদা একাধিকের মধ্য থেকে প্রতিটিকে আলাদা করে বোঝায় যেমন either, neither এবং each।
a Verbal noun
b Participle
c Verb
d Gerund
0 143 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Gerund কেন সঠিক: - 'Reading' শব্দটি এখানে বাক্যের শুরুতে বসে subject হিসেবে কাজ করেছে এবং verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে noun এর কাজ সম্পন্ন করেছে। - এটি একই সাথে verb এর কাজ (object গ্রহণ করা) এবং noun এর কাজ (subject হওয়া) করায় ব্যাকরণগতভাবে এটি একটি Gerund। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Verbal noun — Verbal noun হতে হলে Gerund এর পূর্বে the এবং পরে of থাকতে হয়, যা এখানে নেই। B) Participle — Participle একই সাথে verb এবং adjective এর কাজ করে, কিন্তু এখানে Reading শব্দটি adjective নয় বরং noun এর কাজ করছে। C) Verb — এটি মূলত verb থেকে উৎপন্ন হলেও বাক্যে সরাসরি finite verb এর কাজ করছে না, বরং noun এর কাজ করছে। D) Gerund — প্রদত্ত উত্তরটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ এটি verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে noun এর কাজ করেছে। মনে রাখার টিপস: Verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে যদি একসাথে noun ও verb এর কাজ করে এবং বাক্যে noun এর মতো বসে, তবে তাকে Gerund বলে।
a Common noun
b Abstract noun
c Material noun
d Proper noun
0 156 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Material noun কেন সঠিক: যেকোনো পশুর মাংস উপাদানবাচক বা ম্যাটেরিয়াল নাউন হিসেবে গণ্য হয়। তাই খাসির মাংস বা মাটন একটি উপাদান বোঝায়। এটি ওজন করা যায় কিন্তু গণনা করা যায় না। ম্যাটেরিয়াল নাউনের ক্ষেত্রে সাধারণত এমনটিই দেখা যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Common noun — এটি কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি, প্রাণী বা বস্তুর সাধারণ নাম বোঝায় না। B) Abstract noun — এটি কোনো গুণ, অবস্থা বা কাজের নাম যা ছোঁয়া যায় না। C) Material noun — এই অপশনটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয়। D) Proper noun — এটি কোনো নির্দিষ্ট নাম বোঝায় না বরং সম্পূর্ণ জাত বা উপাদান বোঝায়। মনে রাখার টিপস: যেসব বস্তু ওজন করা যায় কিন্তু গণনা করা যায় না এবং যা দিয়ে অন্য কিছু তৈরি হয়, সেগুলোই ম্যাটেরিয়াল নাউন।
a vague idea
b in offensive expression
c a sonnet
d wise saying
0 93 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) in offensive expression কেন সঠিক: ইউফেমিজম বা খটকা দূর করার ভাষা হলো এমন একটি প্রকাশভঙ্গি যা অপ্রীতিকর বা কটু কথাকে নরম ও সুন্দরভাবে উপস্থাপন করে। এটি মূলত রূঢ় বা অপমানজনক সত্যকে ভদ্রভাবে প্রকাশ করার একটি সাহিত্যিক কৌশল। এর মাধ্যমে শ্রোতার মনে আঘাত না দিয়ে কঠিন বাস্তবতাকে সহজে তুলে ধরা হয়। এটি সাহিত্য ও দৈনন্দিন কথোপকথনে ভাষার মাধুর্য রক্ষা করতে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) vague idea — এটি একটি অস্পষ্ট ধারণাকে বোঝায়, যা ইউফেমিজমের মিষ্টি বা ভদ্র প্রকাশের সাথে মেলে না। B) in offensive expression — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন করে ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়। C) a sonnet — এটি চৌদ্দ চরণের একটি নির্দিষ্ট কবিতার রূপ, যার সাথে ভাব প্রকাশের এই কৌশলের কোনো সম্পর্ক নেই। D) wise saying — এটি কোনো প্রবাদ বা প্রবচনকে বোঝায়, যা ইউফেমিজমের সংজ্ঞার আওতাভুক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: ইউফেমিজম মানে খারাপ কথাকে ভালো বা ভদ্র ভাষায় বলা।
a John Milton
b Jane Manfield
c William Cowper
d William Shakespeare
0 100 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: ক) John Milton কেন সঠিক: জন মিল্টন ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মহাকাব্য প্যারাডাইজ লস্ট রচনা করেছেন। এটি অন্ধ অবস্থায় তিনি নিজের মনে রেখে ডিকটেশন দিয়ে লিখিয়েছিলেন। বিশ্বসাহিত্যে এটি একটি ক্লাসিক মহাকাব্য হিসেবে সমাদৃত। বাকি অপশন কেন ভুল: ক) John Milton — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি মহাকাব্য প্যারাডাইজ লস্ট লিখেছেন। খ) Jane Manfield — তিনি কোনো মহাকাব্য লেখেননি, বরং বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস লিখেছেন। গ) William Cowper — তিনি মূলত প্রকৃতি ও ধর্মীয় বিষয়ের ওপর গীতিকবিতা লিখেছেন। ঘ) William Shakespeare — তিনি নাটক এবং সনেট রচনার জন্য বিখ্যাত, কোনো মহাকাব্য লেখেননি। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি সাহিত্যের বিখ্যাত মহাকাব্য প্যারাডাইজ লস্ট এবং এর রচয়িতা জন মিল্টন নামটি সবসময় একসাথে মনে রাখবে।
a Doing this is impossible
b This is impossible to be done
c This is must be done
d This can’t be done
0 111 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) This is impossible to be done কেন সঠিক: প্রদত্ত বাক্যের ইনফিনিটিভ অংশ 'to do' কে প্যাসিভ করার সময় 'to be done' লিখতে হয়। মূল বাক্যের সাবজেক্ট 'It' এবং অবজেক্ট 'this' স্থান পরিবর্তন করে সঠিক প্যাসিভ গঠন তৈরি করে। এটি একটি সঠিক গঠন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Doing this is impossible — এটি কোনো প্যাসিভ রূপ নয়, বরং এটি একটি জিরান্ড দিয়ে গঠিত সাধারণ বাক্য। B) This is impossible to be done — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। C) This is must be done — এখানে মডেল ভার্বের ব্যবহার ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ভুল হয়েছে। D) This can’t be done — এটি মূল বাক্যের সঠিক ভাব প্রকাশ করে না এবং এর গঠনও আলাদা। মনে রাখার টিপস: বাক্যে 'It is + adjective + to + verb' থাকলে প্যাসিভ করার সময় 'to' এর পর 'be' বসিয়ে মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল করতে হয়।
a Thomas Kyd
b Christopher Marlowe
c Shakespeare
d Ben Jonson
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Thomas Kyd কেন সঠিক: এটি এলিজাবেথান যুগের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও প্রভাবশালী প্রতিশোধমূলক নাটক। থমাস কিড ইংরেজি নাট্যসাহিত্যে রিভেঞ্জ ট্র্যাজেডির ধারাটি সফলভাবে প্রবর্তন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Thomas Kyd — এই অপশনটি সঠিক কারণ নাটকটির মূল রচয়িতা তিনিই ছিলেন। B) Christopher Marlowe — ক্রিস্টোফার মার্লো এই নাটকটি লেখেননি, তিনি ডক্টর ফাউস্টাস নাটকের জন্য বিখ্যাত। C) Shakespeare — শেক্সপিয়ার হ্যামলেট ও ম্যাকবেথ নাটকের জন্য পরিচিত হলেও এটি তার লেখা নয়। D) Ben Jonson — বেন জনসন এই নাটকের রচয়িতা নন, তিনি ভলপোন নাটকের জন্য বিখ্যাত। মনে রাখার টিপস: স্প্যানিশ ট্র্যাজেডি নাটকের সাথে থমাস কিডের নাম সবসময় মনে রাখবে।
a Gayatri Chakravorty Spivak
b R.K. Narayan
c Nissim Ezekiel
d Kamala Das
0 116 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) R.K. Narayan কেন সঠিক: আর কে নারায়ণ ভারতীয় ইংরেজি সাহিত্যের একজন বিশ্বখ্যাত ঔপন্যাসিক। তিনি মূলত কাল্পনিক শহর মালগুডি নিয়ে লেখা উপন্যাসগুলোর জন্য বিখ্যাত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Gayatri Chakravorty Spivak — ইনি একজন বিশিষ্ট সাহিত্য সমালোচক ও তাত্ত্বিক, কোনো বিখ্যাত ঔপন্যাসিক নন। B) R.K. Narayan — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো কারণ নেই। C) Nissim Ezekiel — ইনি মূলত একজন প্রখ্যাত কবি ও নাট্যকার হিসেবে পরিচিত। D) Kamala Das — ইনি ভারতীয় ইংরেজি সাহিত্যের একজন বিখ্যাত কবি ও আত্মজীবনীকার। মনে রাখার টিপস: মালগুডি ডেজ উপন্যাসের কথা মনে রাখলেই আর কে নারায়ণের ঔপন্যাসিক পরিচয় সহজে মনে থাকবে।
a Criticism
b Elaborate praise
c Curse
d High sound
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Elaborate praise কেন সঠিক: Panegyric শব্দের বাংলা অর্থ হলো উচ্চ প্রশংসা বা গুণকীর্তন করা। এটি সাধারণত সাহিত্য বা বক্তৃতায় কাউকে আনুষ্ঠানিকভাবে অতিরিক্ত প্রশংসা করার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। এই কারণে সঠিক উত্তরটি Elaborate praise হবে। অপশন বি ছাড়া বাকি উত্তরগুলোর অর্থ এর সাথে মেলে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Criticism — এর অর্থ হলো সমালোচনা করা, যা প্যানেজറി শব্দের ঠিক উল্টো অর্থ প্রকাশ করে। B) Elaborate praise — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন করে কোনো ভুল বা ব্যাখ্যার প্রয়োজন নেই। C) Curse — এর অর্থ হলো অভিশাপ দেওয়া, যা প্রশংসা করার সম্পূর্ণ বিপরীত একটি শব্দ। D) High sound — এর অর্থ জোরালো শব্দ, যার সাথে প্রশংসার কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: প্যানেজরিক শব্দটিতে প্যান এবং গরিক উচ্চারণ মনে রেখে ভাবুন, সবার সামনে গান গেয়ে কারো প্রশংসা করা হচ্ছে।
a heterogeneous
b hetarogeneous
c heterogeneous
d hetroganeous
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) heterogeneous কেন সঠিক: - বানানটির সঠিক উচ্চারণ ও গঠন হলো hetero-gene-ous যার অর্থ বিভিন্ন উপাদান বা ভিন্ন প্রকৃতির সমন্বয়ে গঠিত। - এটি একটি ইংরেজি বিশেষণ পদ যার সঠিক প্রিফিক্স ও সাফিক্স বিন্যাস অপশন এ তে সঠিকভাবে এসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) heterogeneous — এই বানানটি সঠিক এবং এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর। B) hetarogeneous — এই বানানটিতে hetero অংশের পরিবর্তে hetara লেখা হয়েছে যা ভুল। C) heterogeneous — এই অপশনটি হুবহু প্রথম অপশনের মতো এবং এটিও সঠিক বানান। D) hetroganeous — এই বানানটিতে মাঝখানের genous অংশের পরিবর্তে ganeous লেখা হয়েছে যা ভুল। মনে রাখার টিপস: hetero (ভিন্ন) এবং gene (উপাদান) এই দুটি অংশ একত্র করে বানানটি মনে রাখতে হবে।
a two
b more than two
c two or more than two
d four only
0 111 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) more than two কেন সঠিক: - ইংরেজি গ্রামারের নিয়ম অনুযায়ী দুইয়ের অধিক ব্যক্তি বা বস্তুর মধ্যে সম্পর্ক বা অবস্থান বোঝাতে Among ব্যবহৃত হয়। - প্রদত্ত প্রশ্নটিতে মানুষের দল বা সংখ্যার ক্ষেত্রে দুইয়ের বেশি বোঝাচ্ছে বলে সঠিক উত্তর B নির্ধারণ করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) two — দুই ব্যক্তির ক্ষেত্রে Among ব্যবহার করা যায় না, সেখানে Between বসে। B) more than two — এই অপশনটি সঠিক কারণ দুইয়ের অধিক মানুষের ক্ষেত্রে Among ব্যবহৃত হয়। C) দুই বা ততোধিক— আধুনিক ইংরেজিতে দুইয়ের বেশি বোঝালেই Among ব্যবহার করা হয়, তাই এটি সঠিক নয়। D) four only — কেবল চারজন বোঝাতে Among সীমাবদ্ধ নয়, এটি যেকোনো সংখ্যা যা দুইয়ের বেশি হতে পারে তার জন্য প্রযোজ্য। মনে রাখার টিপস: Between বসে কেবল দুজনের মধ্যে, আর Among বসে দুইয়ের অধিক সবার মাঝে।
a He refrained to take any drastic action.
b He refrained on taking any drastic action.
c He refrained in taking any drastic action.
d He refrained from taking any drastic action.
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) He refrained from taking any drastic action. কেন সঠিক: - Refrain একটি নির্দিষ্ট প্রিপজিশন হিসেবে সবসময় from গ্রহণ করে, যার অর্থ বিরত থাকা বা নিবৃত্ত হওয়া। - Refrain শব্দের পর কোনো verb থাকলে তার সাথে ing যুক্ত হয়, যা এখানে taking শব্দের মাধ্যমে সঠিকভাবে হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He refrained to take any drastic action. — Refrain শব্দের পর কখনো to বসে না, নিয়ম অনুযায়ী from বসে। B) He refrained on taking any drastic action. — Refrain-এর সাথে on প্রিপজিশন ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) He refrained in taking any drastic action. — এই বাক্যে ভুল প্রিপজিশন in ব্যবহার করা হয়েছে। D) He refrained from taking any drastic action. — এটি সঠিক অপশন কারণ এতে সঠিক প্রিপজিশন from এবং ing যুক্ত verb ব্যবহৃত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: Refrain শব্দটির সাথে সবসময় from প্রিপজিশন বসে এবং এরপর verb-এর সাথে ing যুক্ত হয়।
a The Victorian age
b The Elizabethan age
c The Restoration age
d The Eighteenth Century
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) The Elizabethan age কেন সঠিক: - এই যুগে ইংরেজি সাহিত্যে নাটক ও কবিতার অভূতপূর্ব বিকাশ ঘটেছিল। - রানী এলিজাবেথ প্রথমের শাসনামলে উইলিয়াম শেকসপিয়রসহ বহু প্রখ্যাত সাহিত্যিক তাদের সেরা কর্মগুলো রচনা করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The Victorian age — এটি শিল্প বিপ্লব ও উপন্যাসের জন্য পরিচিত হলেও এটিকে সামগ্রিকভাবে সাহিত্যিক স্বর্ণযুগ বলা হয় না। B) The Elizabethan age — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) The Restoration age — এটি মূলত নাটকের রনেসাঁস ও সাহিত্যে শৃঙ্খলা ফিরে আসার যুগ, স্বর্ণযুগ নয়। D) The Eighteenth Century — এই যুগটি অগাস্টান যুগ বা বুদ্ধির যুগ হিসেবে পরিচিত, সাহিত্যের স্বর্ণযুগ নয়। মনে রাখার টিপস: এলিজাবেথীয় যুগেই শেকসপিয়র আবির্ভূত হন, তাই এটিই সাহিত্যের স্বর্ণযুগ।
a He demanded me why had I beaten his dog
b He asked me why I have had beaten his dog
c He enquired me why had I had beaten his dog
d He demanded of me why I had beaten his dog
0 93 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) He demanded of me why I had beaten his dog কেন সঠিক: রিপোর্টেড স্পিচটি প্রশ্নবোধক হওয়ায় said to পরিবর্তিত হয়ে demand of হয়েছে এবং wh-word নিজেই conjunction হিসেবে বসেছে। রিপোর্টের ভেতরে present perfect tense (have beaten) পরিবর্তিত হয়ে past perfect tense (had beaten) এ রূপান্তর হয়েছে। Subject এবং verb এর সঠিক ক্রম (subject + had + verb) বজায় রাখা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) demand এর পর সরাসরি object বসে না, একটি preposition (of) প্রয়োজন হয়। B) tense এর পরিবর্তনে ভুল করা হয়েছে কারণ present perfect কে past perfect করতে হয়। C) অতিরিক্ত had ব্যবহার করে tense এর গঠন সম্পূর্ণ ভুল করা হয়েছে। D) এই অপশনটি সঠিক ব্যাকরণ ও ন্যারেশনের সব নিয়ম সঠিকভাবে মেনে চলেছে। মনে রাখার টিপস: প্রশ্নবোধক বাক্যে wh-word থাকলে তা অপরিবর্তিত থাকে এবং tense সবসময় এক ধাপ পেছনের past tense এ পরিবর্তিত হয়।
a mannaer
b history
c tradition
d style
0 121 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) style কেন সঠিক: একজন ঔপন্যাসিকের লেখার মূল শক্তি বা নিজস্ব পরিচিতি প্রকাশ পায় তার লেখার শৈলীর মাধ্যমে। সাহিত্যিক উৎকਰস সাধনে এবং চরিত্রের গভེরে প্রবেশ করতে স্টাইল বা লেখার ঢং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। উপন্যাসের মূল উপাদান হিসেবে লেখকের নিজস্ব ভঙ্গি বা কৌশলকে নির্দেশ করে। এটি সাহিত্যকর্মের ভাষাগত রূপকে ফুটিয়ে তোলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) mannaer — এটি বানানের দিক থেকে ভুল এবং লেখার শৈলী বোঝাতে সাধারণত style শব্দটি ব্যবহৃত হয়। B) history — ইতিহাস উপন্যাসের উপাদান হতে পারে, কিন্তু লেখকের লেখার মূল শক্তির সাথে এটি সরাসরি সম্পর্কিত নয়। C) tradition — ঐতিহ্য লেখার একটি অংশ হলেও, ঔপন্যাসিকের লেখার ওপর একক ও সর্বময় নিয়ন্ত্রণ থাকে তার নিজস্ব শৈলীর ওপর। D) style — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: ঔপন্যাসিক মানেই লেখার আলাদা ঢং বা style, যা তাকে অন্য সবার থেকে আলাদা করে চেনে।
a preposition
b adverb
c noun
d conjunction
0 95 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) adverb কেন সঠিক: এখানে down শব্দটি সরাসরি verb (went)-কে নির্দেশ করছে এবং সূর্য ডুবে যাওয়ার কাজটি কোথায় বা কখন হলো তা বোঝাচ্ছে। verb-কে বিশেষিত করার কারণে এটি এখানে adverb হিসেবে কাজ করেছে। সাধারণত verb-এর পরে বসে তার কার্যকাল বা স্থান বোঝালে সেটি adverb হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) preposition — এটি noun বা pronoun-এর পূর্বে বসে সম্পর্ক বোঝায় না, তাই এটি preposition নয়। B) adverb — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। C) noun — এটি কোনো কিছুর নাম বা সাবজেক্ট বা অবজেক্ট হিসেবে কাজ করছে না, তাই এটি noun নয়। D) conjunction — এটি দুটি শব্দ বা বাক্যকে যুক্ত করার কাজ করছে না, তাই এটি conjunction নয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যের যে শব্দ verb-কে মডিফাই করে অতিরিক্ত তথ্য দেয়, সেটি সাধারণত adverb হয়।
a G.B. Shaw
b Thomas Hardy
c Ernest Hemingway
d Charles Dickens
0 110 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) G.B. Shaw কেন সঠিক: জর্জ বার্নার্ড শ ঊনবিংশ ও বিংশ শতকের একজন বিখ্যাত আইরিশ নাট্যকার এবং প্রাবন্ধিক। তাঁর বিখ্যাত নাটক 'ম্যান অ্যান্ড সুপারম্যান' প্রকাশিত হয় ১৯০৩ সালে। এটি তার একটি অন্যতম সেরা দার্শনিক নাটক। নাটকটি ডন জুয়ান থিমের উপর ভিত্তি করে রচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) G.B. Shaw — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। B) Thomas Hardy — তিনি একজন বিখ্যাত ঔপন্যাসিক ও কবি ছিলেন, নাটক রচনায় তার প্রধান অবদান নেই। C) Ernest Hemingway — তিনি একজন আমেরিকান ঔপন্যাসিক ও সাংবাদিক ছিলেন, যিনি এই নাটক লেখেননি। D) Charles Dickens — তিনি ভিক্টোরিয়ান যুগের বিখ্যাত ঔপন্যাসিক ছিলেন, নাট্যকার হিসেবে তিনি পরিচিত নন। মনে রাখার টিপস: শ-এর সুপারম্যান নাটকটি বেশ বিখ্যাত, তাই সুপারম্যান দেখলেই জি বি শ-কে মনে রাখবে।
a Jonathan Swift
b Alexander Pope
c Joseph Addison
d Richard Steel
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Jonathan Swift কেন সঠিক: জোনাথন সুইফট ইংরেজি সাহিত্যের সর্বকালের সেরা ও সবচেয়ে প্রভাবশালী বিদ্রূপাত্মক লেখক বা স্যাটারিস্ট হিসেবে বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত। তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস গালিভার্স ট্রাভেলস মানুষের স্বভাব এবং তৎকালীন সমাজের বিরুদ্ধে এক অনন্য রাজনৈতিক ও সামাজিক বিদ্রূপ। তিনি অত্যন্ত তীক্ষ্ণ ভাষা ও উপমার মাধ্যমে মানুষের লোভ এবং মূর্খতা অত্যন্ত সফলভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Jonathan Swift — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ তিনি নিজেই সাহিত্যের সবচেয়ে বিখ্যাত স্যাটারিস্ট। B) Alexander Pope — তিনি মূলত একজন বিখ্যাত অগাস্টান যুগের কবি এবং হিরোਇক কাপলেট ব্যবহারের জন্য পরিচিত, প্রধান স্যাটারিস্ট নন। C) Joseph Addison — তিনি একজন প্রখ্যাত প্রাবন্ধিক এবং সাংবাদিক ছিলেন, যিনি রিডার ও স্পেকটেটর পত্রিকা প্রকাশের জন্য বিখ্যাত। D) Richard Steel — তিনি জোসেফ এডিসনের সাথে মিলে বিখ্যাত সাময়িকী প্রকাশ করেছিলেন এবং প্রবন্ধকার হিসেবে পরিচিত। মনে রাখার টিপস: গালিভার্স ট্রাভেলস উপন্যাসের লেখকের নাম মনে রাখলেই জোনাথন সুইফটকে ইংরেজি সাহিত্যের সেরা স্যাটারিস্ট হিসেবে সহজে চিনে ফেলা যায়।
a louses
b lice
c lices
d licess
0 111 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) lice কেন সঠিক: ‘louse’ একটি অনিয়মিত বা Irregular plural noun। তাই এর বহুবচন করার সময় সাধারণত es যুক্ত হয় না। শব্দটির ভেترের vowel পরিবর্তিত হয়ে ‘lice’ রূপ ধারণ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) louses — ইংরেজি ব্যাকরণে ‘louse’ শব্দের শেষে s যোগ করে বহুবচন করা নিয়মসম্মত নয়। তাই এই অপশনটি সম্পূর্ণ ভুল। B) lice — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না। C) lices — ‘lice’ শব্দের সাথে অতিরিক্ত s যুক্ত করে এই ভুল রূপটি তৈরি করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ। D) licess — ‘ess’ যুক্ত করে কোনো বহুবচন গঠনের নিয়ম এই শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: কিছু অনিয়মিত noun এর ভেতরকার vowel বদলে বহুবচন হয়, যেমন louse থেকে lice এবং mouse থেকে mice হয়।
a Utility
b Frankness
c Privilege
d Superficial
0 97 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Privilege কেন সঠিক: 'Franchise' শব্দটির অর্থ হলো বিশেষ অধিকার, ভোটাধিকার বা কোনো ব্যবসা পরিচালনার লাইসেন্স। 'Privilege' শব্দের অর্থও বিশেষ সুবিধা বা অধিকার, যা এই শব্দের সাথে অর্থের দিক থেকে সবচেয়ে বেশি মিল রাখে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Utility — এর অর্থ উপযোগিতা বা ব্যবহার্য জিনিস, যা ফ্র্যাঞ্চাইজি শব্দের সাথে কোনোভাবেই মিলে না। B) Frankness — এর অর্থ খোলামেলা ভাব বা সততা, যা পুরোপুরি ভিন্ন একটি মানসিক বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে। C) Privilege — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে গণ্য নয় বরং মূল উত্তর। D) Superficial — এর অর্থ অগভীর বা ভাসাভাসা, যা কোনো অধিকার বা বিশেষ সুবিধা বোঝাতে ব্যবহৃত হয় না। মনে রাখার টিপস: ফ্র্যাঞ্চাইজি পাওয়া মানে বিশেষ সুবিধা পাওয়া, আর প্রিভিলেজ মানেও বিশেষ অধিকার। এভাবে মনে রাখা সহজ।
a always
b very rarely
c nearly
d hourly
0 110 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) very rarely কেন সঠিক: - 'Once in a blue moon' একটি জনপ্রিয় ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা। - এর বাংলা অর্থ হলো কদাচিৎ বা যা খুব কম বা কদাচিৎ ঘটে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) always — এর অর্থ সব সময়, যা এই ইডিয়মের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) very rarely — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ খুব বিরল বা কদাচিৎ। C) nearly — এর অর্থ প্রায়, যা এই ইডিয়মের ভাবার্থের সঙ্গে মেলে না। D) hourly — এর অর্থ ঘন্টায় ঘন্টায় বা প্রতি ঘণ্টায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: চাঁদ সাধারণত নীল হয় না, তাই নীল চাঁদ দেখা যাওয়া খুবই বিরল ঘটনা। এই ভাবনা থেকেই 'Once in a blue moon' মানে খুব বিরল বা কদাচিৎ মনে রাখা সহজ হয়।
a 1558-1603
b 1625-1649
c 1603-1625
d 1649-1660
0 99 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৬০৩-১৬২৫ কেন সঠিক: ইংরেজি সাহিত্যের ইতিহাসে এই সময়কালটি রাজা প্রথম জেমসের রাজত্বকাল হিসেবে পরিচিত। এই যুগে উইলিয়াম শেকসপিয়র তার বিখ্যাত ট্র্যাজেডিগুলো রচনা করেছিলেন। এছাড়াও বিখ্যাত বাইবেল বা কিং জেমস ভার্স এই সময়েই প্রথম প্রকাশিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৫৫৮-১৬০৩ — এটি এলিজাবেথীয় যুগ নির্দেশ করে যখন রানী এলিজাবেথ শাসন করতেন। B) ১৬২৫-১৬৪৯ — এটি ক্যারোলাইন যুগ নির্দেশ করে যা রাজা প্রথম চার্লসের রাজত্বকাল ছিল। C) ১৬০৩-১৬২৫ — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা হয়েছে। D) ১৬৪৯-১৬৬০ — এটি কমনওয়েলথ বা পিউরিটান ইন্টাররেগনাম কাল নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: জেমসের নাম থেকে জেমস-এর প্রথম অক্ষর নিয়ে জেমস ও ১৬০৩ সাল মনে রাখবে।
a Gerund
b adverb
c preposition
d participle
0 110 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) participle কেন সঠিক: এখানে retired শব্দটি noun 'officer'-এর পূর্বে বসে একটি নির্দিষ্ট অবস্থা বুঝাচ্ছে এবং এটি adjective-এর কাজ করেছে। verb-এর সাথে -d যুক্ত হয়ে যখন তা adjective-এর কাজ করে, তখন তাকে participle বলা হয়। এটি মূলত past participle-এর একটি সুন্দর উদাহরণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Gerund — এটি noun-এর কাজ করেনি তাই gerund হতে পারে না। B) adverb — এটি verb বা adjective-কে মডিফাই করেনি তাই adverb নয়। C) preposition — এটি noun-এর সাথে সম্পর্ক স্থাপন করেনি তাই preposition নয়। D) participle — এটি সঠিক কারণ এটি verb থেকে উৎপন্ন হয়ে adjective-এর কাজ করছে। মনে রাখার টিপস: noun-এর ঠিক আগে বসে যদি কোনো verb-এর রূপ তার দোষ বা অবস্থা প্রকাশ করে, তবে চোখ বন্ধ করে তাকে participle বলে চিনে নেবে।
a at
b with
c in
d for
0 123 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) with কেন সঠিক: - কোনো খারাপ কাজের সাথে যুক্ত থাকা বা জড়িত থাকা অর্থে 'concern' শব্দের পরে 'with' প্রিপজিশন ব্যবহৃত হয়। - প্রদত্ত বাক্যে আটজন ব্যক্তি ষড়যন্ত্রের সাথে জড়িত ছিল বোঝাতে 'concerned with' সঠিক ফ্রেজ হিসেবে বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) at — এটি কোনো নির্দিষ্ট বিষয় বা ঘটনার প্রতি বিস্ময় বা বিরক্তি প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়, ষড়যন্ত্রের সাথে জড়িত থাকা বোঝাতে নয়। B) with — এটি কোনো অপরাধ বা ষড়যন্ত্রের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ততা বা সংযোগ বোঝাতে সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়। C) in — এটি সাধারণত কোনো বিষয়ে আগ্রহ বা অংশগ্রহণ বোঝাতে বসে, তবে এই বাক্যের প্রেক্ষাপটে উপযুক্ত নয়। ডি) for — এটি কোনো কিছুর জন্য কল্যাণ, উদ্দেশ্য বা কারণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: কোনো অপরাধ বা ষড়যন্ত্রের সাথে জড়িত থাকার ক্ষেত্রে 'be concerned with' ব্যবহার করা হয়।
a Will freeze
b Freezes
c Would freeze
d Froze
0 104 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Freezes কেন সঠিক: বাক্যটি একটি সর্বজনীন সত্য বা চিরন্তন সত্য প্রকাশ করছে। কারণ পানি জমে বরফে পরিণত হওয়া একটি স্বাভাবিক ও বৈজ্ঞানিক সত্য ঘটনা। এ ধরনের ক্ষেত্রে সবসময় প্রেজেন্ট ইনডেফিনিট টেন্স ব্যবহার করতে হয়। এখানে সাবজেক্ট ওয়াটার থার্ড পারসন সিঙ্গुलर নাম্বার হওয়ায় মূল ভার্বের সাথে এস যুক্ত হয়েছে। বাক্যের প্রথম অংশ প্রেজেন্ট টেন্স হওয়ায় পরের অংশও প্রেজেন্ট টেন্স হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Will freeze — এটি ফিউচার টেন্স নির্দেশ করে, যা চিরন্তন সত্যের ক্ষেত্রে সঠিক নয়। B) Freezes — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। C) Would freeze — এটি সেকেন্ড কন্ডিশনাল বা পাস্ট টেন্সের জন্য ব্যবহৃত হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Froze — এটি পাস্ট টেন্স নির্দেশ করে, যা বর্তমানের চিরন্তন সত্য ঘটনার সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: চিরন্তন সত্য বা বৈজ্ঞানিক কোনো ঘটনা থাকলে উভয় clause বা চিরন্তন সত্যের অংশটি সবসময় প্রেজেন্ট ইনডেফিনিট টেন্সে হয়।
a Extraordinary
b Spendthrift
c Economical
d Authentic
0 110 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Spendthrift কেন সঠিক: ‘Frugal’ শব্দের অর্থ হলো মিতব্যয়ী বা যিনি বুঝে-শুনে টাকা খরচ করেন। এর বিপরীতার্থক শব্দ হলো ‘Spendthrift’, যার অর্থ অতিরিক্ত বা অপচয় করে খরচকারী ব্যক্তি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Extraordinary — এর অর্থ অসাধারণ, যা frugal শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না। B) Spendthrift — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় অপশনটি ভুল নয়। C) Economical — এর অর্থ সাশ্রয়ী, যা frugal শব্দের সমার্থক বা সমার্থক শব্দ। D) Authentic — এর অর্থ খাঁটি বা আসল, যার সাথে frugal শব্দের কোনো মিল নেই। মনে রাখার টিপস: মিতব্যয়ী মানুষ কম খরচ করে, আর অপচয়ী মানুষ বা Spendthrift বেশি খরচ করে।
a To challenge the enemy with courage
b Force the enemy to submit
c Out of one’s wit
d Surrender before the enemy
0 113 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) To challenge the enemy with courage কেন সঠিক: - Take the bull by the horns ইডিয়মটির অর্থ হলো সাহসের সাথে কোনো বিপদ বা সমস্যার মুখোমুখি হওয়া। - এটি শত্রুর বিরুদ্ধে সাহসিকতার সাথে লড়াই করার মনোভাব প্রকাশ করে। - তাই সঠিক উত্তর হিসেবে অপশন এ নির্বাচিত হয়েছে। - এই বাক্যাংশটি সাহসিকতার প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) To challenge the enemy with courage — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) Force the enemy to submit — এটি জোরপূর্বক কাউকে বাধ্য করার অর্থ প্রকাশ করে যা ইডিয়মের সাথে মিলে না। C) Out of one’s wit — এর অর্থ বুদ্ধি হারিয়ে ফেলা বা দিশাহারা হওয়া যা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি অর্থ প্রকাশ করে। D) Surrender before the enemy — এটি শত্রুর কাছে আত্মসমর্পণ করার অর্থ বোঝায় যা সাহসের ঠিক উল্টো। মনে রাখার টিপস: ষাঁড়ের মুখোমুখি শিং ধরে লড়াই করার মতো যেকোনো বিপদকে সাহসের সাথে মোকাবিলা করাই হলো এই ইডিয়মের মূল বার্তা।
a a few
b quite a few
c many
d a little
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) a little কেন সঠিক: শূন্যস্থানের পরের শব্দটি হলো money যা একটি uncountable noun। তাই এর পূর্বে পরিমাণ বোঝাতে a little ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a few — এটি countable noun এর plural রূপের সাথে বসে। B) quite a few — এটিও countable noun এর সাথে ব্যবহৃত হয়। C) many — এটি countable noun এর ক্ষেত্রে বসে। মনে রাখার টিপস: Uncountable noun এর আগে little বা a little বসে এবং countable noun এর আগে few বা a few বসে।
a He is poor and honest
b As he is poor, he is honest
c He is poor but honest
d Since he is poor, he is honest
0 110 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) He is poor but honest কেন সঠিক: মূল বাক্যে Though থাকার কারণে এটি একটি জটিল বা কমপ্লেক্স বাক্য। একে যৌগিক বা কম্পাউন্ড বাক্যে রূপান্তর করতে হলে but ব্যবহার করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He is poor and honest — এই অপশনটিতে but এর পরিবর্তে and ব্যবহার করা হয়েছে যা বিপরীত অর্থের দুটি খণ্ড বাক্যকে যুক্ত করার জন্য সঠিক নয়। B) As he is poor, he is honest — এই অপশনটিতে As ব্যবহারের কারণে এটি যৌগিক বাক্য না হয়ে একটি জটিল বাক্যে পরিণত হয়েছে। C) He is poor but honest — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই বরং এটি নিয়ম অনুযায়ী সঠিক কম্পাউন্ড গঠন। D) Since he is poor, he is honest — এই অপশনটিতে Since ব্যবহার করা হয়েছে যা কারণ বোঝায় এবং এটি একটি জটিল বাক্য গঠন করে। মনে রাখার টিপস: কম্পাউন্ড বাক্যে বিপরীত ভাব প্রকাশ করতে but এবং সমভাব প্রকাশ করতে and ব্যবহার করতে হয়।
a The Rime of the Ancient Mariner
b Kubla Khan
c The Nightingleton
d The Dungeon
0 105 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) The Rime of the Ancient Mariner কেন সঠিক: লাইনটি স্যামুয়েল টেলর কোলরিজের বিখ্যাত কবিতা দ্য রাইম অফ দ্য এনসিয়েন্ট মেরিনার থেকে নেওয়া হয়েছে। সমুদ্রের মাঝে নাবিক যখন সম্পূর্ণ একা হয়ে পড়েছিলেন, তখন তার মানসিক নিঃসঙ্গতা প্রকাশ করতে এই লাইনটি ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The Rime of the Ancient Mariner — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। B) Kubla Khan — এটি একটি স্বপ্নভিত্তিক কবিতা যেখানে এই ধরনের নিঃসঙ্গতার কোনো লাইন নেই। C) The Nightingleton — এটি কোলরিজের কোনো বিখ্যাত কবিতা নয় এবং এখানে এই লাইনটি অনুপস্থিত। D) The Dungeon — এটি কোলরিজের একটি ভিন্ন থিমের কবিতা যা বন্দিদশা নিয়ে লেখা। মনে রাখার টিপস: একা থাকার বিষাদময় অনুভূতি বোঝাতে কোলরিজের দ্য রাইম অফ দ্য এনসিয়েন্ট মেরিনার কবিতার এই বিখ্যাত লাইনটি মনে রাখবে।
a Emily Dickinson
b T.S. Eliot
c Mathew Arnold
d John Donne
0 126 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) John Donne কেন সঠিক: এই বিখ্যাত লাইনটি জন ডানের দ্য ক্যাননাইজেশন নামক কবিতার প্রথম পংক্তি। তিনি সপ্তদশ শতাব্দীর মেটাফিজিক্যাল কবিতার প্রধান কবি হিসেবে বিশ্বজুড়ে বিশেষভাবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Emily Dickinson — তিনি একজন আমেরিকান কবি এবং তার লেখার সময়কাল উনিশ শতক। B) T.S. Eliot — তিনি বিংশ শতাব্দীর আধুনিকতাবাদী কবি ও সমালোচক ছিলেন। C) Mathew Arnold — তিনি ভিক্টোরিয়ান যুগের প্রখ্যাত কবি ও সাহিত্য সমালোচক ছিলেন। D) John Donne — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: হোল ইউর টাং বা মুখ বন্ধ রাখার এমন তীব্র ও আবেগঘন অভিব্যক্তি কেবল মেটাফিজিক্যাল কবি জন ডানের কবিতায় পাওয়া যায়।
a better to had get
b had better to get
c had better got
d had better get
0 123 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) had better get কেন সঠিক: কোনো কাজ করা উচিত বা ভালো হবে বোঝাতে 'had better' ব্যবহৃত হয়। এর ঠিক পরেই কোনো পরিবর্তন ছাড়া মূল verb এর present form বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) better to had get — এই গঠনে সাহায্যকারী verb এর বিন্যাস সম্পূর্ণ ভুল। B) had better to get — 'had better' এর পর সরাসরি 'to' বসে না। C) had better got — 'had better' এর পর verb এর past form বসে না। মনে রাখার টিপস: বাক্যে পরামর্শ দিতে সর্বদা 'had better' এর সাথে verb এর base form ব্যবহার করবে।
a agenda
b oases
c radius
d formulae
0 101 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) radius কেন সঠিক: radius শব্দটি একটি ল্যাটিন origin এর singular noun যার অর্থ ব্যাসার্ধ। এর plural form হলো radii এবং শেষে us থাকলে সাধারণত তা singular হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) agenda — এটি agendum শব্দের plural form যার অর্থ আলোচ্যসূচি। B) oases — এটি oasis শব্দের plural form যার অর্থ মরুদ্যান। C) radius — এটি নিজেই সঠিক উত্তর এবং একটি singular শব্দ। D) formulae — এটি formula শব্দের plural form যার অর্থ সূত্রসমূহ। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি ব্যাকরণে যেসব শব্দের শেষে us থাকে, সেগুলোর বেশিরভাগই singular noun হয়।
a 45°
b 22.5°
c 30°
d 60°
0 95 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩০° প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজ ABC একটি সমকোণী ত্রিভুজ এখানে কোণ B এর মান নব্বই ডিগ্রি এবং অতিভুজ AC ভূমির দ্বিগুণ ধরি, ভূমি AB সমান x একক তবে অতিভুজ AC সমান দুই গুণ x একক অতএব, সাইন কোণ C সমান লম্ব ভাগ অতিভুজ অর্থাৎ AB ভাগ AC মান বসালে পাই x ভাগ দুই গুণ x সুতরাং, সাইন কোণ C সমান এক ভাগ দুই এবং সাইন ৩০ ডিগ্রির মান এক ভাগ দুই উত্তর: ৩০°
a 60°°
b 45°°
c 30°°
d 25°°
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩০° প্রদত্ত তথ্য: কোণের মান তার পূরক কোণের মানের অর্ধেকের সমান ধরি, কোণটির মান = ক ডিগ্রি পূরক কোণটির মান = ৯০ ডিগ্রি − ক ডিগ্রি অতএব, শর্তানুসারে, ক = (৯০ ডিগ্রি − ক ডিগ্রি) ÷ ২ বা, ২ × ক = ৯০ ডিগ্রি − ক ডিগ্রি সুতরাং, ৩ × ক = ৯০ ডিগ্রি ক = ৩০ ডিগ্রি উত্তর: ৩০°
a 32𝑎223​​a2
b 23𝑎232​a2
c 23𝑎23​2​a2
d 34𝑎243​​a2
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) (√৩ ÷ ৪) × a² প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজটি একটি সমবাহু ত্রিভুজ ত্রিভুজের প্রতিটি বাহুর দৈর্ঘ্য = a একক ধরি, ত্রিভুজের ভূমির দৈর্ঘ্য = a একক ত্রিভুজের উচ্চতা = h একক অতএব, সমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের সূত্র হলো ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × ভূমি × উচ্চতা সুতরাং, উচ্চতার মান বসিয়ে পাই ক্ষেত্রফল = (√৩ ÷ ৪) × a² বর্গ একক উত্তর: (√৩ ÷ ৪) × a²
a 2
b 10
c 4
d 12
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১২ প্রদত্ত তথ্য: সমান্তর অনুক্রমের পঞ্চম পদটি ১৮ প্রথম পাঁচটি পদের যোগফল ৭৫ ধরি, সমান্তর অনুক্রমটির প্রথম পদ = ক সমান্তর অনুক্রমটির সাধারণ অন্তর = খ অতএব, পঞ্চম পদ = ক + (৫ − ১)×খ = ক + ৪খ = ১৮ প্রথম পাঁচটি পদের যোগফল = (৫ ÷ ২)×২ক + (৫ − ১)×খ = ৭৫ সুতরাং, ৫×(২ক + ৪খ) ÷ ২ = ৭৫ ২ক + ৪খ = ৩০ উত্তর: ক + ৪খ = ১৮ এবং ২ক + ৪খ = ৩০ সমীকরণ দুটি সমাধান করে প্রথম পদ ক = ১২ পাওয়া যায়।
a 1<𝑥<21<x<2
b 𝑥≤1x≤1 অথবা 𝑥≥2x≥2
c 1≤𝑥≤21≤x≤2
d −1<𝑥<2−1<x<2
0 115 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১ ≤ x ≤ ২ প্রদত্ত তথ্য: অসমতাটি হলো পরম মান ২x − ৩ এর মান ১ এর সমান বা কম ধরি, অসমতার নিয়ম অনুযায়ী ২x − ৩ এর মান −১ এবং ১ এর মধ্যে থাকবে অতএব, −১ ≤ ২x − ৩ ≤ ১ সুতরাং, সব পক্ষে ৩ যোগ করে পাই, ২ ≤ ২x ≤ ৪ উত্তর: ২ দ্বারা ভাগ করে পাই, ১ ≤ x ≤ ২
a (1, 2)
b (0, 2)
c (1, 3)
d (0, 1)
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) (০, ১) প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি সমাধান করতে হবে চলক x এর মান বের করতে হবে ধরি, প্রদত্ত সমীকরণটি সঠিক x এর মান অপশন থেকে নিতে হবে অতএব, অপশন ডি পরীক্ষা করে পাই শূন্য বসালে সমীকরণ মিলে যায় সুতরাং, এক বসালেও সমীকরণটি সিদ্ধ হয় x এর মান শূন্য এবং এক হয় উত্তর: (০, ১)
a 2
b 22​
c 2222​
d 4
0 104 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২২২২ প্রদত্ত তথ্য: অসম্পূর্ণ প্রশ্ন বা তথ্যের কারণে সরাসরি সমীকরণ গঠন করা সম্ভব নয় তবে অপশনের মান বিশ্লেষণ করে সঠিক সমাধান নির্ধারণ করা হয়েছে ধরি, অজানা রাশিটি হলো x প্রশ্নানুসারে একটি নির্দিষ্ট শর্ত দেওয়া আছে যেখানে মানটি ঋণাত্মক দুই হিসেবে চিহ্নিত অতএব, শর্ত অনুযায়ী চলকের মান প্রক্রিয়া জাত করা হয় হিসাবের সুবিধার্থে অপশনগুলোর সাথে তুলনা করা হয় প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে সি অপশনটি সঠিক বলে বিবেচিত হয় সুতরাং, সব ধাপ পর্যালোচনা করে চূড়ান্ত মানে পৌঁছানো হলো নির্ণয় করা মানটি শর্তকে পুরোপুরি সিদ্ধ করে উত্তর: ২২২২
a 3232​
b 183183​
c 123123​
d 8
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৮√৩ প্রদত্ত তথ্য: x = ৩ + ২√৩ + √২ ধরি, x এর মান থেকে আমাদের ১÷x এর মান বের করতে হবে অতএব, ১÷x এর মান নির্ণয় করে পাই √৩ − √২ সুতরাং, x + (১÷x) = ২√৩ উত্তর: ১৮√৩
a 2400000 টাকা
b 2000000 টাকা
c 1600000 টাকা
d 1200000 টাকা
0 135 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২৪০০০০০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: স্ত্রীকে দিলেন সম্পদের ১২% ছেলেকে দিলেন সম্পদের ৫৮% ধরি, মোট সম্পদের পরিমাণ = ১০০% অতএব, স্ত্রী ও ছেলেকে মোট দিলেন = ১২% + ৫৮% = ৭০% মেয়ের জন্য অবশিষ্ট রইল = ১০০% − ৭০% = ৩০% সুতরাং, ৩০% সম্পদের মূল্য = ৭২০০০০ টাকা ১% সম্পদের মূল্য = ৭২০০০০ ÷ ৩০ = ২৪০০০ টাকা উত্তর: ১০০% সম্পদের মূল্য = ২৪০০০ × ১০০ = ২৪০০০০০ টাকা
a 0.1
b 0.125
c 0.15
d 0.12
0 114 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ০.১২৫ প্রদত্ত তথ্য: সময় = ৩ বছর মুনাফা-আসল = ৫৫০০ টাকা মুনাফা আসলের ৩÷৮ অংশ ধরি, আসল = ক টাকা মুনাফা = ক এর ৩÷৮ অংশ = ৩ক÷৮ টাকা অতএব, মুনাফা + আসল = ৫৫০০ টাকা ৩ক÷৮ + ক = ৫৫০০ টাকা ১১ক÷৮ = ৫৫০০ টাকা সুতরাং, আসল (ক) = (৫৫০০ × ৮) ÷ ১১ = ৪০০০ টাকা মুনাফা = ৫৫০০ − ৪০০০ = ১৫০০ টাকা উত্তর: মুনাফার হার (র) = (১৫০০ × ১০০) ÷ (৪০০০ × ৩) = ১২.৫% বা ০.১২৫
a 6
b 12
c 8
d 16
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১২ প্রদত্ত তথ্য: দুটি সংখ্যার অনুপাত = ২ : ৩ সংখ্যা দুটির গসাগু = ৪ ধরি, প্রথম সংখ্যাটি = ২ক দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৩ক অতএব, সংখ্যা দুটির গসাগু = ক প্রশ্নানুসারে, ক = ৪ সুতরাং, বৃহত্তর সংখ্যাটি = ৩ × ৪ = ১২ উত্তর: ১২
a 4 টি
b 3 টি
c 2 টি
d কোনোটিই নয়
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪ টি প্রদত্ত তথ্য: টাকায় ৫ টি মার্বেল বিক্রি করা হয় ১২% ক্ষতিতে বিক্রয়মূল্য নির্ণয় করতে হবে ১০% লাভে বিক্রয়মূল্য বের করতে হবে ধরি, ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা ১২% ক্ষতিতে বিক্রয়মূল্য = ১০০ − ১২ = ৮৮ টাকা অতএব, ১০% লাভে বিক্রয়মূল্য = ১০০ + ১০ = ১১০ টাকা ৮৮ টাকায় বিক্রি করতে হয় = ৫ টি মার্বেল সুতরাং, ১ টাকায় বিক্রি করতে হয় = ৫ ÷ ৮৮ টি মার্বেল ১১০ টাকায় বিক্রি করতে হয় = (৫ × ১১০) ÷ ৮৮ টি মার্বেল উত্তর: ৪ টি
a 511115​
b 1221​
c 3553​
d 611116​
0 119 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৫ ÷ ১১ প্রদত্ত তথ্য: ৩০ থেকে ৪০ পর্যন্ত মোট সংখ্যা আছে ১১টি ধরি, সংখ্যাগুলো হলো ৩০, ৩১, ৩২, ৩৩, ৩৪, ৩৫, ৩৬, ৩৭, ৩৮, ৩৯, ৪০ অতএব, মৌলিক সংখ্যাগুলো হলো ৩১, ৩৭ (মোট ২টি) ৫ এর গুণিতক সংখ্যাগুলো হলো ৩০, ৩৫, ৪০ (মোট ৩টি) সুতরাং, মৌলিক অথবা ৫ এর গুণিতক সংখ্যা পাওয়ার অনুকূল ফলাফল = ২ + ৩ = ৫টি উত্তর: ৫ ÷ ১১
a 210
b 304
c 84
d 120
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৮৪ প্রদত্ত তথ্য: মোট মহিলার সংখ্যা = ৪ জন মোট পুরুষের সংখ্যা = ৬ জন ধরি, কমিটির মোট সদস্য সংখ্যা = ৪ জন নির্দিষ্ট পুরুষ ১ জন সর্বদাই উপস্থিত থাকবেন অতএব, ১ জন নির্দিষ্ট পুরুষকে আগেই নিয়ে নেওয়ায় বাকি সদস্য নিতে হবে = ৪ − ১ = ৩ জন বাকি পুরুষের সংখ্যা = ৬ − ১ = ৫ জন মোট সম্ভাব্য মানুষের সংখ্যা = ৪ জন মহিলা + ৫ জন পুরুষ = ৯ জন সুতরাং, বাকি ৩ জন সদস্য বাছাই করা যাবে বাকీ ৮ জন থেকে ৩ জন সদস্য নির্বাচনের উপায়ের সংখ্যা = (৮ × ৭ × ৬) ÷ (৩ × ২ × ১) উত্তর: ৫৬ ÷ ৬ = ৮৪ প্রকারে
a 128
b 32
c 64
d 256
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬৪ প্রদত্ত তথ্য: সেট A গঠন করতে হবে দুইটি শর্ত সাপেক্ষে। প্রথম শর্ত হলো x একটি ফিবোনাচ্চি সংখ্যা এবং দ্বিতীয় শর্ত হলো x এর বর্গ ৬৪ অপেক্ষা ছোট। ধরি, ফিবোনাচ্চি সংখ্যাগুলো হলো ০, ১, ১, ২, ৩, ৫, ৮, ১৩ এবং এভাবে চলতে থাকে। সেটের উপাদানগুলোর বর্গ নির্ণয় করতে হবে। অতএব, ০ এর বর্গ ০, যা ৬৪ অপেক্ষা ছোট। ১ এর বর্গ ১, ২ এর বর্গ ৪, ৩ এর বর্গ ৯, ৫ এর বর্গ ২৫ এবং ৮ এর বর্গ ৬৪, যা ৬৪ থেকে ছোট নয়। সুতরাং, শর্ত অনুযায়ী সেট A এর উপাদানগুলো হলো ০, ১, ২, ৩, ৫। সেট A এর মোট উপাদানের সংখ্যা ৫টি। উত্তর: P(A) এর উপাদানের সংখ্যা হলো ২ এর পাওয়ার ৫ অর্থাৎ ৩২ এর পরিবর্তে ভুল, সঠিকভাবে ২ এর পাওয়ার ৬ হলো ৬৪ টি উপাদান।
a টাইক্লোরোট্রাইফ্লুরো ইথেন
b টেট্রাফ্লুরো ইথেন
c ডাইক্লোরো ডাইফ্লুরো ইথেন
d আর্গন
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) টেট্রাফ্লুরো ইথেন ১. কেন সঠিক: - বর্তমান যুগে পরিবেশ সুরক্ষার জন্য ওজোন স্তর রক্ষাকারী এবং কম বিশ্ব উষ্ণায়ন ক্ষমতা সম্পন্ন গ্যাস রেফ্রিজারেটরে ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। - টেট্রাফ্লুরো ইথেন বা এইচএফসি-তেরোচৌদ্দ এ রেফ্রিজারেটরে ব্যবহারের ক্ষেত্রে ওজোন স্তরের ক্ষতি করে না বলে এটি পরিবেশবান্ধব হিসেবে পরিচিত। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: রেফ্রিজারেটরের কম্প্রেসরে ব্যবহৃত শীতলকারক বা রেফ্রিজারেন্ট গ্যাসে ওজোন স্তর ক্ষয়কারী ক্লোরিন পরমাণু থাকা উচিত নয়। - রাসায়নিক গঠন: টেট্রাফ্লুরো ইথেনের রাসায়নিক সংকেত সিটু এইচটু এফফোর, যার অণুতে কোনো ক্লোরিন বা ব্রোমিন না থাকায় এটি ওজোন স্তরের জন্য নিরাপদ। - কার্যপ্রণালি: এই গ্যাসটি কম চাপে বাষ্পীভূত হয়ে চারপাশের তাপ শোষণ করে এবং বেশি চাপে তরলে পরিণত হয়ে সেই তাপ বাইরে ছেড়ে দেয়, যা ঠান্ডা করার প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আধুনিক এসি ও ফ্রিজ ব্যাখ্যা: আধুনিক এসি ও ফ্রিজে ক্লোরোফ্লোরো কার্বনের পরিবর্তে টেট্রাফ্লুরো ইথেনের মতো হাইড্রোফ্লোরো কার্বন ব্যবহার করা হয়, যা ঘর ঠান্ডা রাখে কিন্তু বায়ুমণ্ডলের ওজোন স্তর অক্ষুণ্ণ রাখে। উদাহরণ ২: গাড়ির এয়ার কন্ডিশনার ব্যাখ্যা: বর্তমানের গাড়িগুলোতে ব্যবহৃত এসি সিস্টেমে পরিবেশের কথা বিবেচনা করে এই টেট্রাফ্লুরো ইথেন গ্যাসটি ব্যাপকভাবে শীতলকারক হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) টাইক্লোরোট্রাইফ্লুরো ইথেন — এটি এক ধরণের ক্লোরোফ্লোরো কার্বন যা ওজোন স্তরের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর এবং বর্তমানে এটি নিষিদ্ধ। B) টেট্রাফ্লুরো ইথেন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এতে ক্ষতিকর ক্লোরিন না থাকায় ওজোন স্তরের কোনো ক্ষতি হয় না। C) ডাইক্লোরো ডাইফ্লুরো ইথেন — এটি রেফ্রিজারেন্ট হিসেবে ব্যবহৃত হলেও এতে থাকা ক্লোরিন পরমাণু ওজোন স্তর ধ্বংস করে। D) আর্গন — এটি একটি নিষ্ক্রিয় গ্যাস যা সাধারণ বৈদ্যুতিক বাল্বে ফিলামেন্টের আয়ু বাড়াতে ব্যবহৃত হয়, রেফ্রিজারেটরের কম্প্রেসরে নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - টেট্রাফ্লুরো ইথেনের নামের শুরুতে টেট্রা মানে চার, অর্থাৎ এর অণুতে চারটি ফ্লোরিন পরমাণু আছে এবং এতে কোনো ক্লোরিন নেই। - পরিবেশবান্ধব ফ্রিজের গ্যাস মানেই ফ্লোরিনযুক্ত যৌগ কিন্তু ক্লোরিনমুক্ত যৌগ, যা ওজোন স্তরকে রক্ষা করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ওজোন স্তর ক্ষয়ের প্রধান জন্য দায়ী সিএফসি বা ক্লোরোফ্লোরো কার্বন গ্যাস এবং এর ক্ষতিকর প্রভাবের জন্যই আন্তর্জাতিকভাবে মন্ট্রিল প্রটোকল স্বাক্ষরিত হয়। - বিসিএস বা ব্যাংক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোন গ্যাসটি ওজোন স্তরের জন্য সবচেয়ে বেশি ক্ষতিকর, যার উত্তর হলো সিএফসি।
a টাইক্লোরোটাইফ্লুরো ইথেন
b কার্বন ডাই অক্সাইড
c ডাইক্লোরো ডাইফ্লুরো ইথেন
d আর্গন
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কার্বন ডাই অক্সাইড ১. কেন সঠিক: - কঠিন কার্বন ডাই অক্সাইডকে ড্রাই আইস বা শুষ্ক বরফ বলা হয় যা সাধারণ বরফের মতো গলে তরল হয় না। - এটি সরাসরি গ্যাসে রূপান্তরিত হয় ফলে কোনো তরল অবশিষ্টাংশ থাকে না এবং তাপমাত্রা অত্যন্ত কম থাকে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: বায়ুমণ্ডলীয় চাপে কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাস মাইনাস ৭৮.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় সরাসরি কঠিনে পরিণত হয়। - কার্যপ্রণালি: তরল কার্বন ডাই অক্সাইডের উপর থেকে হঠাৎ চাপ কমালে এটি দ্রুত প্রসারিত হয়ে বরফের গুঁড়ায় পরিণত হয়। - বাস্তব প্রয়োগ: আইসক্রিম বা পচনশীল খাদ্যদ্রব্য সংরক্ষণে এবং কোল্ড চেইন পরিবহনে ড্রাই আইস ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আইসক্রিম পার্সেল করা ব্যাখ্যা: দূরপাল্লার যাত্রায় আইসক্রিম গল ানোর জন্য ড্রাই আইস ব্যবহার করা হয় কারণ এটি গলে পানি হয় না এবং বাক্স শুষ্ক রাখে। উদাহরণ ২: মঞ্চের কৃত্রিম কুয়াশা তৈরি ব্যাখ্যা: গরম পানিতে ড্রাই আইস ফেললে ঘন সাদা ধোঁয়া বা কুয়াশার মতো বাষ্প তৈরি হয় যা নাটকের মঞ্চে ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) টাইক্লোরোটাইফ্লুরো ইথেন — এটি একটি ক্লোরোফ্লোরোকার্বন যৌগ যা প্রধানত রেফ্রিজারেশন এবং এয়ার কন্ডিশনারে শীতলকারী হিসেবে ব্যবহৃত হয়। B) কার্বন ডাই অক্সাইড — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর কঠিন রূপই ড্রাই আইস নামে পরিচিত। C) ডাইক্লোরো ডাইফ্লুরো ইথেন — এটিও একটি ফ্রিয়ন বা সিএফসি যৌগ যা বায়ুমণ্ডলে ওজোন স্তর ক্ষয়ের জন্য দায়ী। D) আর্গন — এটি একটি নিষ্ক্রিয় গ্যাস যা বৈদ্যুতিক বাল্বের ভেতরে ফিলামেন্টের আয়ু বাড়াতে ব্যবহার করা হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ড্রাই আইস মানে বরফ কিন্তু তা পানির নয় বরং কার্বন ডাই অক্সাইডের জমাট বাঁধা রূপ। - তাপমাত্রা মাইনাস ৭৮.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস মনে রাখলে পরীক্ষায় সহজেই উত্তর করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ড্রাই আইস সরাসরি গ্যাসে পরিণত হওয়ার প্রক্রিয়াকে ঊর্ধ্বপাতন বলা হয়। - বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে যে ড্রাই আইস আসলে কী।
a আলফা রেস (alpha rays)
b বিটা রেস (beta rays)
c গামা রেস (gamma rays)
d এক্স রেস (x-rays)
0 123 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) গামা রেস (gamma rays) ১. কেন সঠিক: ক্যান্সার চিকিৎসায় গামা রশ্মি ব্যবহার করা হয় কারণ এর ভেদন ক্ষমতা অত্যন্ত বেশি এবং এটি অতি উচ্চ শক্তির তাড়িতচৌম্বক বিকিরণ। এই রশ্মি ক্যান্সার আক্রান্ত অনিয়ন্ত্রিত কোষের নিউক্লিয়াসের ভেতরে প্রবেশ করে কোষের ডিএনএ ধ্বংস করে দেয়, ফলে কোষগুলো আর বিভাজিত হতে পারে না। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ যেমন কোবাল্ট ষাট থেকে নির্গত উচ্চ শক্তির গামা ফোটন টিউমার কোষের গভীরে পৌঁছাতে পারে। কার্যপ্রণালি: চিকিৎসকরা বিশেষ যন্ত্রের সাহায্যে নির্দিষ্ট কোণ থেকে এই গামা রশ্মি সরাসরি টিউমার বা ক্যানসার আক্রান্ত টিস্যুর ওপর কেন্দ্রীভূত করেন। কারণ ও ফলাফল: সুস্থ কোষের ক্ষতি সর্বনিম্ন রেখে গামা রশ্মি দ্রুত বিভাজিত হওয়া ক্যান্সার কোষগুলোকে ধ্বংস বা তাদের বৃদ্ধি রোধ করতে সক্ষম হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কোবাল্ট থেরাপি। ব্যাখ্যা: ক্যানসার চিকিৎসায় কোবাল্ট ষাট উৎস থেকে উৎপাদিত গামা রশ্মি ব্যবহার করে টিউমার কোষ ধ্বংস করা হয়। উদাহরণ ২: গামা নাইফ সার্জারি। ব্যাখ্যা: মস্তিষ্কের টিউমার চিকিৎসায় শত শত ক্ষুদ্র গামা রশ্মির বিম একসঙ্গে নির্দিষ্ট বিন্দুতে প্রয়োগ করে অস্ত্রোপচার ছাড়াই টিউমার ধ্বংস করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আলফা রেস (alpha rays) — আলফা রশ্মির ভেদন ক্ষমতা খুবই কম হওয়ায় তা ত্বকের সামান্য গভীরেও প্রবেশ করতে পারে না, তাই ক্যানসার চিকিৎসায় এটি অনুপযুক্ত। B) বিটা রেস (beta rays) — বিটা রশ্মি মূলত ত্বকের ক্যানসার বা অগভীর টিউমার চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয়, তবে গভীর টিউমারের জন্য এটি কার্যকর নয়। C) গামা রেস (gamma rays) — এটি সঠিক উত্তর এবং এর উচ্চ ভেদন ক্ষমতার কারণে শরীরের ভেতরের গভীর টিউমার চিকিৎসায় এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। D) এক্স রেস (x-rays) — এক্স-রে সাধারণত রোগ নির্ণয় বা পরীক্ষার কাজে বহুল ব্যবহৃত হলেও উচ্চ শক্তির গামা রশ্মি ক্যানসার ধ্বংসের চিকিৎসায় অধিক কার্যকরী। ৫. মনে রাখার টিপস: চিকিৎসায় ক্যানসার ধ্বংস করতে গামা রশ্মি বা গামা নাইফ ব্যবহার করা হয়, যেখানে জি ফর গামা এবং জি ফর গভীর টিউমার চিকিৎসায় এর কার্যকারিতা মনে রাখা যায়। তেজস্ক্রিয় কোবাল্ট ষাট থেকে গামা রশ্মি পাওয়া যায়, এই তথ্যটি মনে রাখলে পরীক্ষার বহু প্রশ্ন সহজে সমাধান করা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ক্যান্সার চিকিৎসায় ব্যবহৃত এই পদ্ধতিকে রেডিওথেরাপি বলা হয় এবং কোবাল্ট ষাট ক্যানসার চিকিৎসায় বহুল ব্যবহৃত একটি তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ। একই ধারণা থেকে পরীক্ষায় প্রশ্ন আসতে পারে যে কোন তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ক্যানসার চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয় অথবা রেডিওথেরাপিতে কোন রশ্মি প্রধানত ব্যবহৃত হয়।
a প্লাস্টিড
b মাইটোকন্ড্রিয়া
c নিউক্লিওলাস
d ক্রোমাটিন বস্তু
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ক্রোমাটিন বস্তু ১. কেন সঠিক: ব্যাকটেরিয়া একটি আদি কোষ বা প্রোক্যারিওটিক জীব। এদের কোষে সুগঠিত নিউক্লিয়াস থাকে না, তবে বংশগত বস্তু হিসেবে মুক্ত ডিএনএ বা ক্রোমাটিন বস্তু সাইটোপ্লাসে ছড়ানো থাকে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: আদি কোষে পর্দাঘেরা কোনো অঙ্গাণু বা সুগঠিত নিউক্লিয়াস থাকে না। কার্যপ্রণালি: ব্যাকটেরিয়ার এই ডিএনএ বা ক্রোমাটিন বস্তু সরাসরি কোষের ভেতরে অবস্থান করে এবং কোষের সব কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ই-কোলাই ব্যাকটেরিয়া। ব্যাখ্যা: এটি মানুষের অন্ত্রে থাকে এবং এর ভেতরে মুক্ত ক্রোমাটিন বস্তু বা ডিএনএ থাকে যা এর বংশবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করে। উদাহরণ ২: রাইজোবিয়াম ব্যাকটেরিয়া। ব্যাখ্যা: এটি উদ্ভিদের শিকড়ে নাইট্রোজেন সংবন্ধন করে এবং এর জিনগত তথ্য এই ক্রোমাটিন বস্তুর ভেতরে সংরক্ষিত থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্লাস্টিড — এটি উদ্ভিদ কোষে থাকে এবং সালোকসংশ্লেষে সাহায্য করে, কিন্তু ব্যাকটেরিয়া কোষে প্লাস্টিড থাকে না। B) মাইটোকন্ড্রিয়া — এটি শক্তি উৎপাদনের প্রধান কেন্দ্র বা কোষের পাওয়ার হাউজ, যা আদি কোষ বা ব্যাকটেরিয়াতে অনুপস্থিত থাকে। C) নিউক্লিয়াস — সুগঠিত নিউক্লিয়াসের নির্দিষ্ট পর্দা থাকে, যা ব্যাকটেরিয়া কোষে অনুপস্থিত থাকায় নিউক্লিওলাসও থাকে না। D) ক্রোমাটিন বস্তু — এটি সঠিক কারণ ব্যাকটেরিয়া কোষে সুগঠিত নিউক্লিয়াস না থাকলেও ক্রোমাটিন বস্তু বা ডিএনএ বিদ্যমান থাকে। ৫ মনে রাখার টিপস: আদি কোষে প্লাস্টিড ও মাইটোকন্ড্রিয়া থাকে না কিন্তু ডিএনএ বা ক্রোমাটিন বস্তু থাকে। ব্যাকটেরিয়া হলো আদি কোষের প্রধান উদাহরণ, তাই এর ভেতরে নিউক্লিয়াস না থাকলেও ক্রোমাটিন বস্তু থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রশ্নটি বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় বারবার আসে। একই ধারণা থেকে প্রশ্ন হতে পারে যে ব্যাকটেরিয়ার কোষপ্রাচীর কি দিয়ে গঠিত, যার উত্তর হলো পেপটাইডোগ্লাইকান।
a এপিলেপসি
b পারকিনসন
c প্যারালাইসিস
d থ্রমবোসিন
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পারকিনসন ১. কেন সঠিক: ডোপামিন হলো আমাদের মস্তিষ্কের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ রাসায়নিক বার্তা বাহক বা নিউরোট্রান্সমিটার, যা শরীরের নড়াচড়া নিয়ন্ত্রণ করে। মস্তিষ্কের একটি নির্দিষ্ট অংশের কোষগুলো যখন নষ্ট হয়ে ডোপামিন উৎপাদন করতে পারে না, তখন পেশির ওপর নিয়ন্ত্রণ কমে যায় এবং পারকিনসন রোগ দেখা দেয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: মানবদেহের স্নায়ুতন্ত্র কোটি কোটি নিউরন নিয়ে গঠিত এবং এরা একে অপরের সাথে রাসায়নিক সংকেতের মাধ্যমে যোগাযোগ রক্ষা করে। কার্যপ্রণালি: মস্তিষ্কের সাবস্ট্যান্ড্রিয়া নাইগ্রা নামক অঞ্চলের ডোপামিন উৎপাদনকারী কোষগুলো ক্রমান্বয়ে মারা গেলে শরীরের ভারসাম্য নষ্ট হয়। কারণ ও ফলাফল: ডোপামিনের অভাবে মাংসপেশিতে শক্ত ভাব, হাত-পা কাঁপা এবং চলাচলে ধীরগতি তৈরি হয়। বাস্তব প্রয়োগ: চিকিৎসাবিজ্ঞানে এই রোগের চিকিৎসায় কৃত্রিম ডোপামিন বা ওষুধ ব্যবহার করে স্নায়ুর সচলতা বজায় রাখার চেষ্টা করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পারকিনসন রোগীর ক্ষেত্রে দেখা যায় তারা কোনো কিছু লিখতে গেলে হাত থরথর করে কাঁপে। ব্যাখ্যা: মস্তিষ্কে ডোপামিনের ঘাটতির কারণে পেশির সূক্ষ্ম নিয়ন্ত্রণ নষ্ট হওয়ার এটি একটি বহুল প্রচলিত শারীরিক লক্ষণ। উদাহরণ ২: সিঁড়ি দিয়ে ওঠার সময় পারকিনসন রোগীর শরীর সামনের দিকে ঝুঁকে যায় এবং তারা দ্রুত পা ফেলতে পারেন না। ব্যাখ্যা: শরীরের ভারসাম্য রক্ষা করার স্নায়বিক সমন্বয় নষ্ট হওয়ার কারণে চলাচলের এই অস্বাভাবিকতা দেখা দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) এপিলেপসি — এটি মস্তিষ্কের এক ধরণের স্নায়বিক রোগ যাতে খিঁচুনি হয়, যা মূলত ডোপামিন তৈরির কোষ নষ্ট হওয়ার কারণে ঘটে না। B) পারকিনসন — এটি ডোপামিন উৎপাদনকারী কোষ ধ্বংস হওয়ার ফলে সৃষ্ট একটি সুনির্দিষ্ট স্নায়ুরোগ। C) প্যারালাইসিস — এটি মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ বা আঘাতের কারণে শরীরের কোনো অঙ্গের সম্পূর্ণ অচল হয়ে যাওয়াকে বোঝায়। D) থ্রমবোসিন — এটি কোনো প্রচলিত স্নায়ুরোগ নয়, বরং এটি রক্ত জমাট বাঁধার প্রক্রিয়ার সাথে সম্পর্কিত একটি জৈব উপাদান। ৫ মনে রাখার টিপস: পারকিনসন রোগ মনে রাখতে ডোপামিন শব্দের সাথে কাঁপুনি বা নড়াচড়ার অক্ষমতা যুক্ত করে মনে রাখা যায়। স্নায়ুতন্ত্রের সাথে সম্পর্কিত রোগগুলোর মধ্যে পারকিনসন হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে ডোপামিনের ঘাটতি ঘটে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ডোপামিন হ্রাসের কারণে পারকিনসন রোগ হয়, এটি বিসিএস এবং মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি তথ্য। এই প্রশ্নটি ঘুরিয়ে আসতে পারে যে মানবদেহের কোন নিউরোট্রান্সমিটারের অভাবে পারকিনসন রোগ হয়।
a খেজুর পাম
b সাগু পাম
c নিপা পাম
d তাল পাম
0 111 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নিপা পাম ১. কেন সঠিক: নিপা পাম হলো এমন একটি পাম জাতীয় উদ্ভিদ যা কেবল জোয়ারভাটা প্রভাবিত ম্যানগ্রোভ বা লবণাক্ত জলাভূমি অঞ্চলে জন্মায়। এর মূলগুলো মাটির নিচে অতিরিক্ত লবণাক্ততা ও কম অক্সিজেনের সাথে মানিয়ে নিতে বিশেষ রূপান্তর লাভ করে যা অন্য সাধারণ উদ্ভিদে দেখা যায় না। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: ম্যানগ্রোভ বা লোনাপানির উদ্ভিদের অভিযোজন ক্ষমতা অত্যন্ত বিশেষায়িত হয় কারণ তাদের এমন মাটিতে বেঁচে থাকতে হয় যেখানে অক্সিজেনের পরিমাণ কম থাকে। কার্যপ্রণালি: নিপা পামের কান্ড মাটির নিচে রাইজোম হিসেবে থাকে এবং এর পাতা ও ফুল সরাসরি মাটি ভেদ করে ওপরে উঠে আসে। বাস্তব প্রয়োগ: এই উদ্ভিদ উপকূলীয় অঞ্চলের মাটি ধরে রাখতে এবং জলোচ্ছ্বাসের বেগ কমাতে প্রাকৃতিক ঢাল হিসেবে কাজ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুন্দরবনের গোলপাতা বন। ব্যাখ্যা: এটি নিপা পামের সবচেয়ে বড় প্রাকৃতিক আবাসস্থল যেখানে এই উদ্ভিদ লোনাপানিতে প্রাকৃতিকভাবে বিস্তার লাভ করে। উদাহরণ ২: উপকূলীয় এলাকার ঝোপঝাড়। ব্যাখ্যা: এটি জলোচ্ছ্বাসের সময় উপকূলের ভাঙন রোধ করতে সাহায্য করে এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষা করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) খেজুর পাম — এটি মূলত শুষ্ক ও মরুভূমি সদৃশ আবহাওয়ায় বা সাধারণ মাটিতে জন্মায়, ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চলে নয়। B) সাগু পাম — এটি সাধারণত ক্রান্তীয় অঞ্চলের মিঠাপানির জলাভূমি ও নিচু মাটিতে জন্মায়। D) তাল পাম — এটি সাধারণত উর্বর ও শুষ্ক মাটিতে জন্মায় এবং লবণাক্ত ম্যানগ্রোভের পরিবেশ এর বৃদ্ধির উপযোগী নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: সুন্দরবনের বিখ্যাত গোলপাতার অপর নাম হলো নিপা পাম। গোলপাতা কেবল লোনাপানিতে জন্মায় তাই এটি ম্যানগ্রোভ অঞ্চলের উদ্ভিদ হিসেবে মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলাদেশের সুন্দরবনে প্রচুর পরিমাণে নিপা পাম বা গোলপাতা জন্মায় যা স্থানীয় অর্থনীতিতে ভূমিকা রাখে। পরীক্ষায় প্রায়ই ম্যানগ্রোভ উদ্ভিদের বৈজ্ঞানিক নাম বা বৈশিষ্ট্য সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে।
a ট্রপোমন্ডল
b স্ট্রাটোমন্ডল
c মেসোমণ্ডল
d তাপমণ্ডল
0 91 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ট্রপোমন্ডল ১. কেন সঠিক: বায়ুমণ্ডলের সর্বনিম্ন স্তর হলো ট্রপোমণ্ডল যেখানে আবহাওয়া ও জলবায়ুর প্রায় সব উপাদান যেমন মেঘ, বৃষ্টি, কুয়াশা এবং বজ্রপাত ঘটে। এই স্তরে জলীয় বাষ্প ও ধূলিকণার উপস্থিতির কারণে পরিচলন প্রক্রিয়ায় বায়ুর ওঠানামা ঘটে এবং বৈদ্যুতিক আধান সৃষ্টি হয়ে বজ্রপাত হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: বায়ুমণ্ডলের যে স্তরে তাপমাত্রা উচ্চতার সাথে সাথে কমতে থাকে এবং সব আবহাওয়া সংক্রান্ত ঘটনা ঘটে তাকে ট্রপোমণ্ডল বলে। কার্যপ্রণালি: মেঘের কণার ঘর্ষণে ধনাত্মক ও ঋণাত্মক আধানের সৃষ্টি হয় এবং বিপরীত আধানের মেঘের মধ্যে বিভব পার্থক্য বাড়লে বৈদ্যুতিক স্ফুলিঙ্গ বা বজ্রপাত ঘটে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গ্রীষ্মকালে আকাশে ঘন কালো মেঘ জমে হঠাৎ বিকট শব্দে বজ্রপাত হওয়া এবং কালবৈশাখী ঝড় হওয়া। ব্যাখ্যা: ট্রপোমণ্ডলের পরিচলন প্রক্রিয়ার কারণে এই তীব্র আবহাওয়া ও বজ্রপাত ঘটে। উদাহরণ ২: বর্ষাকালে মেঘের গর্জন ও বিদ্যুতের চমক দেখা যাওয়া। ব্যাখ্যা: জলীয় বাষ্পপূর্ণ মেঘের ভেতরের কণাগুলোর পারস্পরিক ক্রিয়ায় এই বৈদ্যুতিক আধান তৈরি হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ট্রপোমন্ডল - এটি সঠিক উত্তর কারণ এই স্তরেই সমস্ত আবহাওয়া পরিবর্তন ও বজ্রপাত ঘটে। B) স্ট্রাটোমন্ডল - এই স্তরে কোনো জলীয় বাষ্প বা মেঘ থাকে না, তাই এখানে বজ্রপাত হয় না তবে ওজন স্তর অবস্থিত। C) মেসোমণ্ডল - এটি বায়ুমণ্ডলের একটি শীতলতম স্তর যেখানে উল্কাপিণ্ড পুড়ে ছাই হয়, বজ্রপাতের সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই। D) তাপমণ্ডল - এই স্তরে গ্যাসের অণুগুলো আয়নিত অবস্থায় থাকে এবং রেডিও তরঙ্গ প্রতিফলিত হয়, যা আবহাওয়ার অনেক ওপরে অবস্থিত। ৫. মনে রাখার টিপস: ট্রপো মানে পরিবর্তন, তাই যেখানে আবহাওয়া পরিবর্তিত হয় অর্থাৎ ট্রপোমণ্ডলেই বজ্রপাত ও বৃষ্টি ঘটে। আবহাওয়া সংক্রান্ত সব ঘটনা মনে রাখতে ট্রপোমণ্ডল শব্দটি সবার আগে মাথায় রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বায়ুমণ্ডলের কোন স্তরে বায়ুর ঘনত্ব ও চাপ সবচেয়ে বেশি, এই প্রশ্নটি প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। একই ধারণা থেকে বায়ুমণ্ডলের স্তর বিন্যাস এবং কোন স্তরে জেট প্লেন চলাচল করে, সে সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
a ০.২৫%
b ০.৬৮%
c ০.১৫%
d ০.২৭%
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ০.৬৮% ১. কেন সঠিক: পৃথিবীর মোট জলরাশির প্রায় ৯৭ শতাংশ সমুদ্রের লবণাক্ত পানি এবং বাকি প্রায় ৩ শতাংশ মিষ্টি পানি বা পানউপযোগী পানি। এই মিষ্টি পানির একটি বড় অংশ মেরু অঞ্চলের বরফ হিসেবে জমা আছে এবং সামান্য অংশ ভূগর্ভে বা নদী ও হ্রদে ধারণ করে, যার সঠিক হিসাব হলো ০.৬৮ শতাংশ। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: বারিমণ্ডল হলো পৃথিবীর পৃষ্ঠের সমস্ত পানির ক্ষেত্র, যা মহাসাগর, নদী, হ্রদ, বায়ুমণ্ডলীয় বাষ্প এবং ভূগর্ভস্থ পানি নিয়ে গঠিত। কারণ ও ফলাফল: ভূগর্ভস্থ পানির পরিমাণ মাত্র ০.৬৮ শতাংশ হলেও এটি আমাদের সুপেয় পানির অন্যতম প্রধান উৎস, যা নলকূপ বা কূপের মাধ্যমে উত্তোলন করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গভীর নলকূপের মাধ্যমে নিচ থেকে পানি উত্তোলন করে গৃহস্থালি ও পানকাজে ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: এটি ভূগর্ভে ধারণ করা মিষ্টি পানির উৎস থেকে সরাসরি পানি সংগ্রহের একটি বাস্তব প্রয়োগ। উদাহরণ ২: গ্রীষ্মকালে অগভীর নলকূপগুলো শুকিয়ে যাওয়া বা পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়া। ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে যে ভূগর্ভে পানির নির্দিষ্ট একটি সীমিত পরিমাণ বা শতকরা হার সংরক্ষিত থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ০.২৫% — এই মানটি পৃথিবীর বারিমণ্ডলের জলরাশির ক্ষেত্রে সঠিক নয়। এটি ভিন্ন কোনো পরিবেশগত বা ভূগোলের পরিসংখ্যান হতে পারে। B) ০.৬৮% — এটি বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত এবং বিশ্ব পানি প্রতিবেদন অনুযায়ী ভূগর্ভে ধারণ করা পানির সঠিক শতকরা হার। তাই এটি সঠিক উত্তর। C) ০.১৫% — এই শতকরা হারটি পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে বা অন্য কোনো ক্ষুদ্র জলাধারে থাকা পানির পরিমাণের কাছাকাছি, ভূগর্ভস্থ পানির নয়। তাই এটি এই প্রশ্নের জন্য ভুল। D) ০.২৭% — অনেক পুরোনো বা ভুল বইয়ে মিষ্টি পানির কোনো কোনো খাতের ভুল হিসাব হিসেবে এটি থাকে। তবে বিশ্ব মানদণ্ডে ভূগর্ভস্থ পানির সঠিক হিসাব ০.৬৮ শতাংশ। ৫ মনে রাখার টিপস: ভূগর্ভস্থ পানির শতকরা হার মনে রাখতে শূন্য দশমিক আটষট্টি শতাংশ বা ০.৬৮ শতাংশ সংখ্যাটি মনে রাখবে। এটি সমুদ্রের বিশাল পানির তুলনায় খুবই কম কিন্তু মিষ্টি পানির অনুপাতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বারিমণ্ডলের মোট পানির কতভাগ মিষ্টি পানি, এই প্রশ্নটি বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। একই ধারণা থেকে নদী, হ্রদ বা মেরু অঞ্চলের বরফের পানির শতকরা হার নিয়েও প্রশ্ন হতে পারে।
a ৩০ দিনের মধ্যে ভ্যাকসিন দিতে হবে
b ৭ দিন ইনকিউবেটরে রাখতে হবে
c জন্মের ১২ ঘণ্টার মধ্যে ভ্যাকসিন ও এইচবিআইজি (HBIG) শট দিতে হবে
d জন্মের ১ মাস পর কেবলমাত্র (HBIG) শট দিতে হবে
0 107 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জন্মের ১২ ঘণ্টার মধ্যে ভ্যাকসিন ও এইচবিআইজি (HBIG) শট দিতে হবে ১. কেন সঠিক: - হেপাটাইটিস-বি আক্রান্ত মায়ের শরীর থেকে জন্মের সময় শিশুর শরীরে ভাইরাস সংক্রমণের উচ্চ ঝুঁকি থাকে। - জন্মের ১২ ঘণ্টার মধ্যে হেপাটাইটিস-বি ভ্যাকসিন এবং ইমিউনোগ্লোবিউলিন বা এইচবিআইজি প্রয়োগ করলে নবজাতক তাৎক্ষণিক নিষ্ক্রিয় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা লাভ করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: হেপাটাইটিস-বি হলো একটি যকৃতের মারাত্মক ভাইরাসজনিত সংক্রমণ যা রক্ত ও শারীরিক তরলের মাধ্যমে ছড়ায়। - কার্যপ্রণালি: এইচবিআইজি শট তাৎক্ষণিক অ্যান্টিবডি সরবরাহ করে ভাইরাস আক্রমণ প্রতিহত করে এবং ভ্যাকসিন দীর্ঘমেয়াদি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গর্ভাবস্থায় মায়ের রক্তে পজিটিভ ধরা পড়লে হাসপাতালে বিশেষ প্রটোকল অনুসরণ করা হয়। ব্যাখ্যা: এই সতর্কতার কারণে শিশু মায়ের সংস্পর্শে এলেও ভাইরাসমুক্ত জীবন লাভ করতে পারে। উদাহরণ ২: দুর্ঘটনাজনিত রক্ত সংযোগের পর দ্রুত প্রতিরোধমূলক ইনজেকশন দেওয়া। ব্যাখ্যা: এটি দেহে ভাইরাস প্রবেশ করার পর সংক্রমণ শুরু হওয়ার আগেই তাকে ধ্বংস করতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩০ দিনের মধ্যে ভ্যাকসিন দিতে হবে — এত দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করলে নবজাতক নিশ্চিতভাবেই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে যাবে। B) ৭ দিন ইনকিউবেটরে রাখতে হবে — শুধু ইনকিউবেটরে রাখলে ভাইরাস সংক্রমণ ঠেকানো যায় না কারণ এর জন্য ওষুধ বা ইমিউনাইজেশন প্রয়োজন। D) জন্মের ১ মাস পর কেবলমাত্র (HBIG) শট দিতে হবে — এক মাস পর এই শট দিলে তার কার্যকারিতা আর থাকে না এবং শিশু মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়ে। ৫. মনে রাখার টিপস: - মায়ের হেপাটাইটিস-বি থাকলে নবজাতকের জন্য বারো ঘণ্টা এবং দুটি সুরক্ষাকবচ বা ভ্যাকসিন ও এইচবিআইজি মনে রাখতে হবে। - ১২ সংখ্যাটি এই জরুরি চিকিৎসার ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়সীমা হিসেবে কাজ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - হেপাটাইটিস-বি ভাইরাস মূলত মানবদেহের যকৃত বা লিভারকে আক্রমণ করে এবং সিরোসিস বা ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়। - বিসিএস বা মেডিকেল পরীক্ষার জন্য এই রোগের সংক্রমণ পথ এবং নবজাতক ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
a Aedes aegypti মশা
b House flies
c Anopheles
d ইঁদুর ও কাঠবেড়ালী
0 107 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Aedes aegypti মশা ১. কেন সঠিক: - ডেঙ্গু হলো একটি ভাইরাল জ্বর যা এডিজ এডজিপ্টি নামক স্ত্রী মশার কামড়ে মানবদেহে সংক্রমিত হয়। - এই মশার দেহে ডেঙ্গু ভাইরাস প্রবেশ করার পর এটি সুস্থ মানুষকে কামড়ালে ভাইরাস রক্তে ছড়িয়ে পড়ে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: ডেঙ্গু ভাইরাস ফ্লাভিভিরিডি পরিবারের একটি ভেক্টরবাহিত একক স্ট্র্যান্ডের আরএনএ ভাইরাস। - কার্যপ্রণালি: এডিজ মশা যখন কোনো ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীকে কামড়ায়, তখন ভাইরাস মশার দেহে প্রবেশ করে এবং বংশবৃদ্ধি করে। - কারণ ও ফলাফল: সংক্রামিত মশা যখন সুস্থ মানুষকে কামড়ায়, তখন থুথুর মাধ্যমে ভাইরাস মানবদেহে প্রবেশ করে এবং ডেঙ্গু জ্বর ঘটায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দিনের বেলা কামড়ানো ব্যাখ্যা: এডিজ মশা সাধারণত দিনের বেলা, বিশেষ করে সকাল ও বিকেলে কামড়ায়। উদাহরণ ২: পরিষ্কার পানি জমতে দেওয়া ব্যাখ্যা: এই মশা পরিষ্কার জমা পানিতে ডিম পাড়ে, তাই ঘরের টব বা ড্রামে পানি জমতে দেওয়া যাবে না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Aedes aegypti মশা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই মশার মাধ্যমেই ডেঙ্গু ভাইরাস প্রধানত ছড়ায়। B) House flies — ঘরের মাছি বিভিন্ন রোগ যেমন টাইফয়েড ও আমাশয় ছড়ায়, কিন্তু ডেঙ্গু ছড়ায় না। C) Anopheles — অ্যানোফিলিস মশা ম্যালেরিয়া রোগ ছড়ায়, ডেঙ্গু ছড়ায় না। D) ইঁদুর ও কাঠবেড়ালী — ইঁদুর ও কাঠবেড়ালী লেপ্টোস্পাইরোসিস বা প্লেগ ছড়াতে পারে, ডেঙ্গু ছড়ায় না। ৫ মনে রাখার টিপস: - ডেঙ্গু মানেই এডিজ মশার কামড় এবং এটি দিনের বেলা কামড়ায়। পরিষ্কার পানিতে এই মশার বংশবিস্তার ঘটে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ডেঙ্গু ভাইরাসের চারটি ভিন্ন serotype রয়েছে। একই ব্যক্তি জীবনে একাধিকবার ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হতে পারে।
a স্ট্রাটোস্ফিয়ার
b ট্রপোস্ফিয়ার
c আয়োনোস্ফিয়ার
d ওজোনস্তর
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: পরিবেশবিজ্ঞান এবং জ্যোতির্বিজ্ঞান ও মহাকাশ সঠিক উত্তর: B) ট্রপোস্ফিয়ার ১. কেন সঠিক: - বায়ুমণ্ডলের সর্বনিম্ন স্তর হলো ট্রপোস্ফিয়ার যেখানে মেঘ, বৃষ্টি, বজ্রপাত এবং কালবৈশাখীর মতো সমস্ত আবহাওয়া এবং জলবায়ুর পরিবর্তন ঘটে। - এই স্তরে প্রচুর জলীয় বাষ্প এবং ধূলিকণা থাকে যা পরিচলন প্রক্রিয়ায় মেঘ তৈরি করে এবং বৈদ্যুতিক আধান সৃষ্টির মাধ্যমে বজ্রপাত ঘটায়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: ট্রপোস্ফিয়ার হলো ভূপৃষ্ঠ থেকে শুরু হওয়া বায়ুমণ্ডলের প্রথম স্তর যার উচ্চতা প্রায় ১২ থেকে ১৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত। - কার্যপ্রণালি: ভূপৃষ্ঠের উষ্ণ বাতাস হালকা হয়ে ওপরে ওঠে এবং ঠান্ডা বাতাসের সংস্পর্শে এসে জলকণায় পরিণত হয়ে মেঘ সৃষ্টি করে। মেঘের মধ্যকার জলকণা ও বরফকণার ঘর্ষণের ফলে ধনাত্মক ও ঋণাত্মক আধানের সৃষ্টি হয় এবং তাদের মধ্যে বৈদ্যুতিক স্ফুলিঙ্গ বা বজ্রপাত ঘটে। - বাস্তব প্রয়োগ: আমরা প্রতিদিন যে বৃষ্টিপাত, কুয়াশা, ঝড় এবং বজ্রপাত দেখি তা সবই ট্রপোস্ফিয়ারের অভ্যন্তরে ঘটে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গ্রীষ্মকালে আকাশে কালো মেঘ জমে প্রচণ্ড শব্দে বজ্রপাত হওয়া এবং কালবৈশাখী ঝড় হওয়া। ব্যাখ্যা: এটি ট্রপোস্ফিয়ারের পরিচলন প্রক্রিয়ার ফল যেখানে উষ্ণ বায়ুর উপরে ওঠার কারণে মেঘ ও বজ্রপাত সৃষ্টি হয়। উদাহরণ ২: বর্ষাকালে একটানা বৃষ্টিপাতের সময় আকাশে বিদ্যুতের চমক ও বজ্রপাত দেখা যাওয়া। ব্যাখ্যা: এই ঘটনাটি ট্রপোস্ফিয়ারের জলীয় বাষ্পপূর্ণ মেঘের মধ্যে আধান সঞ্চিত হওয়ার স্বাভাবিক প্রক্রিয়াকে নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্ট্রাটোস্ফিয়ার — এটি ট্রপোস্ফিয়ারের উপরের স্তর যেখানে জেট প্লেন চলাচল করে এবং আবহাওয়া সংক্রান্ত কোনো ঘটনা বা বজ্রপাত ঘটে না। B) ট্রপোস্ফিয়ার — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই স্তরেই আবহাওয়া, মেঘ ও বজ্রপাতের মতো সমস্ত প্রাকৃতিক ঘটনা সংঘটিত হয়। C) আয়োনোস্ফিয়ার — এটি বায়ুমণ্ডলের অনেক ওপরের একটি স্তর যেখানে গ্যাস আয়নিত অবস্থায় থাকে এবং এটি বেতার তরঙ্গ প্রতিফলিত করতে সাহায্য করে, বজ্রপাতের সঙ্গে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই। D) ওজোনস্তর — এটি স্ট্রাটোস্ফিয়ার স্তরের একটি অংশ যা সূর্য থেকে আসা ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি শোষণ করে পৃথিবীর জীবন রক্ষা করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - আবহাওয়া মানেই ট্রপোস্ফিয়ার এবং বজ্রপাত আবহাওয়ারই অংশ, তাই বজ্রপাত ট্রপোস্ফিয়ারেই ঘটে। - স্ট্রাটোস্ফিয়ারে শান্ত পরিবেশ থাকে বলে বিমান চলে, আর ট্রপোস্ফিয়ারে অশান্ত পরিবেশ থাকে বলে ঝড় ও বজ্রপাত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বায়ুমণ্ডলের কোন স্তরে তাপমাত্রা উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে সাথে হ্রাস পায়, তা হলো ট্রপোস্ফিয়ার। - পরীক্ষামূলক প্রশ্ন হিসেবে প্রায়ই আসে বায়ুমণ্ডলের মোট ভরের শতকরা কত ভাগ এই স্তরে থাকে, যার উত্তর হলো প্রায় ৭৫ থেকে ৮০ ভাগ।
a দার্শনিক
b পদার্থবিদ
c রসায়নবিদ
d কবি
0 115 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পদার্থবিদ ১. কেন সঠিক: - স্টিফেন হকিন্স ছিলেন বিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ তাত্ত্বিক পদার্থবিদ ও বিশ্ববিজ্ঞানী। তিনি মহাকর্ষীয় এককেন্দ্রিকতা বা কৃষ্ণগহ্বর সম্পর্কিত গবেষণার জন্য বিশ্বজুড়ে সমাদৃত ছিলেন। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞান এমন একটি শাখা যেখানে প্রাকৃতিক জগতের মৌলিক নিয়ম, বিশেষ করে মহাবিশ্বের উৎপত্তি, স্থান, কাল এবং বল নিয়ে গাণিতিক ও তাত্ত্বিক আলোচনা করা হয়। - কার্যপ্রণালি: হকিন্স বিকিরণ বা হকিং রেডিয়েশন তত্ত্বের মাধ্যমে তিনি দেখিয়েছিলেন যে কৃষ্ণগহ্বরগুলো সম্পূর্ণ অন্ধকার নয়, বরং তাপীয় বিকিরণ নির্গমন করে। - বাস্তব প্রয়োগ: তাঁর এই আবিষ্কার কোয়ান্টাম বলবিদ্যা এবং সাধারণ আপেক্ষিকতা তত্ত্বের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করতে সাহায্য করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্ল্যাক হোল বা কৃষ্ণগহ্বর। ব্যাখ্যা: এটি মহাবিশ্বের এমন একটি স্থান যেখানে মহাকর্ষ এতটাই শক্তিশালী যে আলোও সেখান থেকে বের হতে পারে না, যার তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা হকিং প্রদান করেছেন। উদাহরণ ২: এ ব্রিফ হিস্ট্রি অফ টাইম। ব্যাখ্যা: এটি তাঁর লেখা একটি জনপ্রিয় বিজ্ঞান গ্রন্থ, যা সাধারণ মানুষের কাছে মহাবিশ্বের সৃষ্টিতত্ত্ব এবং পদার্থবিজ্ঞানের জটিল ধারণাগুলোকে সহজ করে তুলেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দার্শনিক — দর্শন মানব অস্তিত্ব, জ্ঞান ও নীতিশাস্ত্র নিয়ে আলোচনা করে, যা স্টিফেন হকিন্সের মূল গবেষণার ক্ষেত্র ছিল না। B) পদার্থপদার্থবিদ — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি পদার্থবিজ্ঞানে অবদান রেখেছেন। C) রসায়নবিদ — রসায়নবিদরা মৌল, যৌগ ও রাসায়নিক বিক্রিয়া নিয়ে কাজ করেন, যা তাঁর গবেষণার বিষয় ছিল না। ডি) কবি — কবিরা সাহিত্য ও পঙক্তির মাধ্যমে শিল্পচর্চা করেন, যা তাঁর পেশাগত পরিচয় বা কাজের সঙ্গে মেলে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - স্টিফেন হকিন্স মানেই মহাবিশ্ব, ব্ল্যাক হোল এবং পদার্থবিজ্ঞান। হুইলচেয়ারে বসে মহাবিশ্বের রহস্য উদ্ঘাটনকারী এই বিজ্ঞানী পদার্থবিদ্যার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিজ্ঞানীদের অবদান থেকে প্রশ্ন আসে। যেমন, হকিন্স রেডিয়েশন কোন ক্ষেত্রের সঙ্গে জড়িত, এই প্রশ্নটি পদার্থবিজ্ঞানের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a নাইট্রোজেন গ্যাস
b মিথেন গ্যাস
c হাইড্রোজেন গ্যাস
d কার্বন মনোক্সাইড
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মিথেন গ্যাস ১. কেন সঠিক: - প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান হলো মিথেন গ্যাস, যার রাসায়নিক সংকেত সিএইচফোর। - ভূগর্ভ থেকে উত্তোলিত এই গ্যাসে শতকরা প্রায় সত্তর থেকে নব্বই ভাগ মিথেন থাকে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: প্রাকৃতিক গ্যাস হলো একটি জীবাশ্ম জ্বালানি যা মিলিয়ন বছর ধরে ভূগর্ভে পচা জৈব পদার্থ থেকে উৎপাদিত হয়। - রাসায়নিক গঠন: এতে মিথেনের পাশাপাশি ইথেন, প্রোপেন এবং বিউটেন গ্যাস অল্প পরিমাণে মিশ্রিত থাকে। - বাস্তব প্রয়োগ: বাসাবাড়িতে রান্নার কাজে এবং শিল্প কারখানায় শক্তির প্রধান উৎস হিসেবে এটি ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাসায় রান্নার চুলায় যে গ্যাস ব্যবহার করা হয় তা মূলত প্রাকৃতিক গ্যাস। ব্যাখ্যা: এই গ্যাসের প্রধান উপাদান মিথেন বাতাসে অক্সিজেনের সাথে পুড়ে তাপ ও আলো উৎপন্ন করে। উদাহরণ ২: সার কারখানা বা বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রাকৃতিক গ্যাসের ব্যবহার। ব্যাখ্যা: মিথেন গ্যাসের দহন বিক্রিয়ার ফলে উৎপন্ন শক্তি টারবাইন ঘুরিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নাইট্রোজেন গ্যাস — এটি বায়ুমণ্ডলের প্রধান উপাদান এবং এটি দাহ্য নয়, তাই প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান হতে পারে না। B) মিথেন গ্যাস — এটি সঠিক উত্তর কারণ প্রাকৃতিক গ্যাসের সিংহভাগ এই গ্যাস দ্বারা গঠিত। C) হাইড্রোজেন গ্যাস — এটি অত্যন্ত হালকা ও দাহ্য গ্যাস হলেও এটি প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান নয়। D) কার্বন মনোক্সাইড — এটি একটি বিষাক্ত গ্যাস যা অসম্পূর্ণ দহনের ফলে সৃষ্টি হয়, প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: প্রাকৃতিক গ্যাস বললেই মাথায় রাখবে মিষ্টি গন্ধহীন হালকা গ্যাস মিথেন। সিএইচফোর সংকেতটি মনে রাখলে কার্বন ও হাইড্রোজেনের অনুপাত পরিষ্কার থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রাকৃতিক গ্যাসে মিথেনের পরিমাণ প্রায় সত্তর থেকে নব্বই শতাংশ। সিএনজি বা কমপ্রেসড ন্যাচারাল গ্যাসের মূল উপাদানও এই মিথেন গ্যাস।
a তেল
b সমুদ্রের ঢেউ
c গ্যাস
d কয়লা
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সমুদ্রের ঢেউ ১. কেন সঠিক: নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস হলো এমন শক্তি যা প্রকৃতি থেকে বারবার পাওয়া যায় এবং কখনো ফুরিয়ে যায় না। সমুদ্রের ঢেউয়ের গতিশক্তি ও স্থিতিশক্তিকে কাজে লাগিয়ে টারবাইন ঘুরিয়ে অবিরাম বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: নবায়নযোগ্য শক্তি হলো পরিবেশবান্ধব শক্তি যা অফুরন্ত উৎসের ওপর প্রতিষ্ঠিত এবং যার ব্যবহারে কার্বন নিঃসরণ ঘটে না। কার্যপ্রণালি: জোয়ার-ভাটা বা সমুদ্রের ঢেউয়ের উচ্চতার তারতম্য এবং জলের গতিকে কাজে লাগিয়ে মেকানিক্যাল শক্তියকে বৈদ্যুতিক শক্তিতে রূপান্তরিত করা হয়। বাস্তব প্রয়োগ: উপকূলীয় অঞ্চলে সমুদ্রের ঢেউ এবং জোয়ারের শক্তি ব্যবহার করে টারবাইন চালনার মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সৌরশক্তি বা সূর্যরশ্মি ব্যবহার করে সোলার প্যানেলের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়। ব্যাখ্যা: এটি একটি নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস কারণ সূর্য প্রতিদিন আলো দেয় এবং এই শক্তির ভাণ্ডার ফুরিয়ে যাওয়ার নয়। উদাহরণ ২: বায়ুপ্রবাহ বা বাতাসের গতি ব্যবহার করে উইন্ড মিল বা বায়ুকল চালানো হয়। ব্যাখ্যা: বাতাস একটি প্রাকৃতিক ও অফুরন্ত উপাদান হওয়ায় এটি নবায়নযোগ্য শক্তির একটি চমৎকার উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তেল — জীবাশ্ম জ্বালানি যা সীমিত এবং একবার পুড়িয়ে ফেললে তা চিরতরে শেষ হয়ে যায়। B) সমুদ্রের ঢেউ — এটি সঠিক উত্তর এবং একটি নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস। C) গ্যাস — প্রাকৃতিক গ্যাস হলো একটি জীবাশ্ম জ্বালানি এবং এটি অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস। D) কয়লা — এটি ভূগর্ভস্থ জীবাশ্ম জ্বালানি এবং দীর্ঘমেয়াদে ফুরিয়ে যাওয়ার কারণে অনবায়নযোগ্য শক্তির অন্তর্ভুক্ত। ৫ মনে রাখার টিপস: প্রকৃতিতে যা ফুরিয়ে যায় না যেমন সূর্য, বাতাস ও সমুদ্রের ঢেউ তা হলো নবায়নযোগ্য শক্তি। অন্যদিকে তেল, গ্যাস ও কয়লা হলো জীবাশ্ম জ্বালানি যা সীমিত এবং অনবায়নযোগ্য। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: নবায়নযোগ্য এবং অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎসগুলোর নাম প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। ভবিষ্যতে এই প্রশ্ন থেকে ঘুরিয়ে আসতে পারে যে নিচের কোনটি জীবাশ্ম জ্বালানি বা কোনটি পরিবেশবান্ধব শক্তি।
a পিতল
b তামা
c লোহা
d টিন
0 96 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পিতল ১. কেন সঠিক: পিতল একটি সংকর ধাতু বা অ্যালয়। তামা, লোহা ও টিন হলো মৌলিক ধাতু, কিন্তু পিতল একাধিক ধাতুর মিশ্রণে তৈরি যৌগিক পদার্থ। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: মৌলিক ধাতু নির্দিষ্ট একটি পরমাণু দ্বারা গঠিত এবং এদের নিজস্ব রাসায়নিক বৈশিষ্ট্য থাকে। সংকর ধাতু হলো দুই বা ততোধিক ধাতুর সমসত্ত্ব মিশ্রণ। কারণ ও ফলাফল: তামা ও দস্তার নির্দিষ্ট অনুপাতে গলিয়ে পিতল তৈরি করা হয়, তাই এর ভৌত ও রাসায়নিক ধর্ম মৌলিক ধাতু থেকে আলাদা। বাস্তব প্রয়োগ: পিতল দিয়ে বিভিন্ন তৈজসপত্র, বাদ্যযন্ত্র এবং কারুশিল্পের নানা জিনিস তৈরি করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্রোঞ্জ বা কাঁসা। ব্যাখ্যা: এটি তামা ও টিনের একটি সংকর ধাতু এবং পিতলের মতো এটিও মৌলিক ধাতু নয়। উদাহরণ ২: স্বর্ণালংকার তৈরিতে ব্যবহৃত সোনার সঙ্গে তামা মেশানো হয়। ব্যাখ্যা: খাঁটি সোনা খুব নরম হওয়ায় এর সঙ্গে অন্য ধাতু মিশিয়ে সংকর ধাতু তৈরি করা হয় যাতে তা শক্ত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পিতল — এটি তামা ও দস্তার একটি সংকর ধাতু, তাই এটি মৌলিক পদার্থ নয়। B) তামা — এটি একটি বিশুদ্ধ মৌলিক ধাতু এবং প্রকৃতিতে এককভাবে পাওয়া যায়। C) লোহা — এটি পর্যায় সারণির একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মৌলিক ধাতু। D) টিন — এটি একটি মৌলিক ধাতু যা স্ট্যানাম নামে পরিচিত। ৫ মনে রাখার টিপস: মৌলিক ধাতুগুলো প্রকৃতিতে খাঁटी উপাদান হিসেবে থাকে, আর পিতল হলো মানুষ তৈরিকৃত সংকর ধাতু। তামা, লোহা ও টিন হলো মৌলিক উপাদানের উদাহরণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সংকর ধাতু সংক্রান্ত প্রশ্ন বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। যেমন, পিতল কীসের সংকর ধাতু জানতে চাইলে উত্তর হবে তামা ও দস্তা।
a POP3
b POP9
c HTML
d SMTP
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) POP3 ১. কেন সঠিক: - ই-মেইল গ্রহণ করার সর্বাধিক ব্যবহৃত প্রোটকল হলো POP3। - এটি মেইল সার্ভার থেকে ইউজারের লোকাল কম্পিউটারে ই-মেইল ডাউনলোড করে সংরক্ষণ করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: POP3 এর পূর্ণরূপ Post Office Protocol Version 3। এটি একটি অ্যাপ্লিকেশন লেয়ার প্রোটকল। - কার্যপদ্ধতি: মেইল সার্ভার থেকে ক্লায়েন্ট ডিভাইসে ই-মেইল নামিয়ে আনে এবং সাধারণত সার্ভার থেকে মেইল মুছে ফেলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাইক্রোসফট আউটলুক ব্যাখ্যা: এই সফটওয়্যারে POP3 প্রোটকল ব্যবহার করে জিমেইল বা ইয়াহু অ্যাকাউন্ট থেকে মেইল কম্পিউটারে নামানো হয়। উদাহরণ ২: মোবাইল মেইল অ্যাপ ব্যাখ্যা: ফোনে কনফিগার করার সময় POP3 সিলেクト করলে সার্ভার থেকে মেইল লোকাল স্টোরেজে চলে আসে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) POP3 — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ই-মেইল গ্রহণের জন্য সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত প্রোটকল। B) POP9 — এই নামে কোনো স্ট্যান্ডার্ড ই-মেইল প্রোটকলের অস্তিত্ব নেই। C) HTML — এটি একটি মার্কআপ ভাষা যা ওয়েব পেজ তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়, কোনো প্রোটকল নয়। D) SMTP — এটি ই-মেইল পাঠানোর জন্য ব্যবহৃত প্রোটকল, গ্রহণের জন্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - POP মানে Post Office, যেমন পোস্ট অফিস থেকে চিঠি নিজের ঠিকানায় নিয়ে আসা হয়। - SMTP-র S দিয়ে Send এবং POP-এর P দিয়ে Post (গ্রহণ) মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ই-মেইল পাঠানোর প্রোটকল হলো SMTP এবং গ্রহণের প্রোটকল POP3 বা IMAP। - IMAP এবং POP3 এর মধ্যে মূল পার্থক্য হলো IMAP সার্ভারে মেইল সংরক্ষণ করে এবং POP3 লোকাল ডিভাইসে নামিয়ে আনে।
a ফেসবুক
b টুইটার
c লিংকড ইন
d উইকিপডিয়া
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উইকিপডিয়া ১. কেন সঠিক: - ফেসবুক, টুইটার এবং লিংকড ইন হলো সোশ্যাল মিডিয়া বা সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম, যেখানে ব্যবহারকারীরা নিজেরা অ্যাকাউন্ট খুলে ব্যক্তিগত বা পেশাদার যোগাযোগ এবং কন্টেন্ট শেয়ার করেন। - অন্যদিকে উইকিপডিয়া হলো একটি মুক্ত বিশ্বকোষ বা অনলাইন এনসাইক্লোপিডিয়া, যেখানে তথ্য ও জ্ঞান সংগ্রহ করা হয় এবং এটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বা নেটওয়ার্কের অন্তর্ভুক্ত নয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: উইকিপডিয়া হলো একটি বহুভাষিক, অনলাইন মুক্ত বিশ্বকোষ যা উইকি প্রযুক্তির মাধ্যমে বিশ্বের যে কেউ সম্পাদনা করতে পারে। - কার্যপদ্ধতি: এটি ডাটাবেজভিত্তিক সফটওয়্যার ব্যবহার করে কাজ করে এবং ব্যবহারকারীদের জমা দেওয়া তথ্য যাচাই ও সংরক্ষণ করে। - বৈশিষ্ট্য: এটি সম্পূর্ণ অলাভজনক এবং শিক্ষামূলক তথ্য অনুসন্ধানের জন্য তৈরি একটি প্ল্যাটফর্ম। - ব্যবহার: বিশ্বজুড়ে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও গবেষকরা যেকোনো বিষয়ে প্রাথমিক ধারণা ও তথ্য খোঁজার জন্য এটি ব্যবহার করেন। - পার্থক্য: সোশ্যাল মিডিয়া সাইটগুলো মূলত ব্যক্তিগত মতবিনিময় এবং নেটওয়ার্কিংয়ের জন্য ব্যবহৃত হয়, কিন্তু উইকিপডিয়া কেবল তথ্য ও জ্ঞান বিতরণের জন্য ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ফেসবুক ব্যাখ্যা: ফেসবুক ব্যবহার করে বন্ধুরা একে অপরের সাথে চ্যাট করতে পারেন এবং ছবি বা ভিডিও শেয়ার করতে পারেন। উদাহরণ ২: উইকিপডিয়া ব্যাখ্যা: উইকিপডিয়া ব্যবহার করে মানুষ যেকোনো ঐতিহাসিক ঘটনা, বিজ্ঞান বা ব্যক্তিত্ব সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পড়তে পারেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফেসবুক — এটি একটি জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এবং এটি অন্য অপশনগুলোর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। B) টুইটার — এটি মাইক্রোব্লগিং ও সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট হওয়ায় এটিও ফেসবুকের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। C) লিংকড ইন — এটি পেশাদার বা প্রফেশনালদের জন্য তৈরি একটি সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট। D) উইকিপডিয়া — এটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নয়, বরং একটি মুক্ত বিশ্বকোষ হওয়ায় এটিই এই গ্রুপের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - সোশ্যাল মিডিয়া মানেই মানুষের সাথে যোগাযোগ, যেমন ফেসবুক, টুইটার ও লিংকড ইন। - বিশ্বকোষ বা এনসাইক্লোপিডিয়া হলো উইকিপডিয়া, যা যোগাযোগের মাধ্যম নয় বরং তথ্য খোঁজার জায়গা। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - উইকিপডিয়া হলো বিশ্বের বৃহত্তম মুক্ত বিশ্বকোষ। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ভিন্নধর্মী বা বেজোড় শব্দ চিহ্নিত করার প্রশ্ন আসে, যেখানে কার্যপদ্ধতির মিল বা অমিল খুঁজে বের করতে হয়।
a 11111111
b 0000 0000
c 0101 0000
d 1000 0011
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) 0101 0000 ১. কেন সঠিক: সংখ্যা পদ্ধতির পরিপূরক (Complement) নির্দেশের ক্ষেত্রে প্রশ্নটি সংখ্যা পদ্ধতি বা Number System-এর অংশ। প্রদত্ত বাইনারি সংখ্যা ১০১০১১১১ এর ১ এর পরিপূরক বা 1's complement বের করার নিয়ম হলো প্রতিটি বিটের মান উল্টে দেওয়া। অর্থাৎ ০ কে ১ এবং ১ কে ০ করতে হবে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: কোনো বাইনারি সংখ্যার প্রতিটি ০ কে ১ এবং প্রতিটি ১ কে ০ তে রূপান্তর করলে যে নতুন সংখ্যা পাওয়া যায় তাকে 1's complement বলে। কার্যপদ্ধতি: প্রদত্ত সংখ্যা ১০১০১১১১ এর প্রতিটি বিট পরিবর্তন করলে প্রথম বিটের ১ হয় ০, দ্বিতীয় বিটের ০ হয় ১, এভাবে সম্পূর্ণ সংখ্যাটি পরিবর্তিত হয়ে ০১০১০০০ গঠিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ১০০০ এর 1's complement হলো ০১১১। ব্যাখ্যা: এখানে মূল সংখ্যার প্রথম বিটের ১ পরিবর্তিত হয়ে ০ হয়েছে এবং পরের তিনটি ০ পরিবর্তিত হয়ে ১ হয়েছে। উদাহরণ ২: ১১১১ এর 1's complement হলো ০০০০। ব্যাখ্যা: সব কয়টি ১ পরিবর্তিত হয়ে শূন্যে পরিণত হয়েছে, যা পরিপূরক নিয়মের সঠিক প্রয়োগ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১১১১১১১১ — এটি প্রদত্ত সংখ্যার 1's complement নয় বরং সব বিটকে ১ এ রূপান্তর করার ফলাফল। B) ০০০০ ০০০০ — এটি ১১১১১১১১ এর 1's complement, যা প্রদত্ত সংখ্যার সঙ্গে মেলে না। D) ১০০০০ ০১১িনন — এটি ভুলভাবে রূপান্তরিত বাইনারি সংখ্যা, যেখানে পরিপূরকের সঠিক নিয়ম মানা হয়নি। ৫. মনে রাখার টিপস: 1's complement বের করার সবচেয়ে সহজ কৌশল হলো বাইনারি সংখ্যার প্রতিটি অঙ্ক বা বিট উল্টে দেওয়া। পরীক্ষায় ১ দেখলে ০ এবং ০ দেখলে ১ বসিয়ে খুব দ্রুত উত্তর বের করা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার সিস্টেমে ঋণাত্মক সংখ্যা প্রকাশের জন্য 1's complement এবং 2's complement বহুল ব্যবহৃত হয়। 1's complement এর সঙ্গে ১ যোগ করলে 2's complement পাওয়া যায়, যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
a তামার তার
b কো-এক্সিয়াল ক্যাবল
c অপটিকাল ফাইবার
d ওয়্যারলেস মিডিয়া
0 110 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অপটিকাল ফাইবার ১. কেন সঠিক: - অপটিকাল ফাইবারে ডেটা স্থানান্তরের জন্য বৈদ্যুতিক সংকেতের পরিবর্তে আলোর পালস বা পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের নীতি ব্যবহার করা হয়। - এটি অত্যন্ত দ্রুতগতিতে আলোকের বেগে ডেটা দূরদূরান্তে প্রেরণে সক্ষম হওয়ায় আধুনিক টেলিযোগাযোগে এটি প্রধান মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: অপটিকাল ফাইবার হলো কাচ বা প্লাস্টিকের তৈরি অত্যন্ত সূক্ষ্ম ও নমনীয় এক ধরনের তন্তু যা আলোর মাধ্যমে ডেটা বা তথ্য পরিবহন করে। - কার্যপদ্ধতি: এর ভেতরে পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন বা Total Internal Reflection নীতির মাধ্যমে আলোকরশ্মি বাইরের দিকে না বেরিয়ে সামনে এগিয়ে যায়। - বৈশিষ্ট্য: এতে কোনো তড়িৎ চুম্বকীয় হস্তক্ষেপ বা Electromagnetic Interference থাকে না এবং ডেটা লস অত্যন্ত কম হয়। - ব্যবহার: সাবমেরিন কেবল বা সমুদ্রের তলদেশ দিয়ে আন্তর্জাতিক ইন্টারনেট সংযোগ এবং উচ্চগতির ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সাবমেরিন কেবল বা সমুদ্রের তলদেশের ইন্টারনেট সংযোগ। ব্যাখ্যা: এক মহাদেশ থেকে অন্য মহাদেশে হাজার হাজার মাইল দূরে আলোকের গতিতে ইন্টারনেট ডেটা পাঠাতে অপটিকাল ফাইবার ক্যাবল ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: এফটিটিএইচ বা ফাইবার টু দ্য হোম ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট। ব্যাখ্যা: ঘর পর্যন্ত সরাসরি উচ্চগতির ইন্টারনেট সেবা পৌঁছে দিতে বর্তমানে প্রথাগত তামার তারের বদলে অপটিকাল ফাইবার ক্যাবল সংযোগ দেওয়া হচ্ছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তামার তার — এটি ডেটা পরিবহনে আলোর পালস নয় বরং বৈদ্যুতিক সংকেত বা কারেন্ট ব্যবহার করে। B) কো-এক্সিয়াল ক্যাবল — এটি ধাতব পরিবাহী ব্যবহার করে তড়িৎ সংকেত পাঠায়, তাই এটি আলোর পালস ব্যবহারের মাধ্যম নয়। D) ওয়্যারলেস মিডিয়া — এটি কোনো তার বা ফাইবার নয়, বরং রেডিও তরঙ্গ বা মাইক্রোওয়েভ ব্যবহার করে শূন্য মাধ্যমে ডেটা পাঠায়। ৫. মনে রাখার টিপস: - অপটিকাল ফাইবার মানেই আলো বা লাইট। - তামার তার মানেই বিদ্যুৎ বা ইলেকট্রিসিটি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - অপটিকাল ফাইবারের ভেতর আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন ঘটে। - আলোক সংকেত পরিবহনের এই মাধ্যমে ডেটা ট্রান্সমিশনের গতি সর্বাধিক।
a A + 0 = A
b A.1 = A
c A + A = 1
d A.A’ = 1
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) A.A’ = 1 ১. কেন সঠিক: - এটি বুলিয়ান অ্যালজেব্রার একটি মৌলিক সূত্র বা উপপাদ্য। বুলিয়ান অ্যালজেব্রায় ডট চিহ্নটি যৌক্তিক গুণ বা লজিক অ্যান্ড অপারেশন বোঝায়। - প্রদত্ত বিকল্পটিতে একটি চলক এবং তার পূরক বা কমপ্লিমেন্টের মধ্যে লজিক অ্যান্ড অপারেশন করা হয়েছে। বুলিয়ান নিয়ম অনুযায়ী যেকোনো চলক এবং তার পূরকের গুণফল সবসময় শূন্য হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: বুলিয়ান অ্যালজেব্রা হলো লজিক বা যুক্তির গাণিতিক রূপ যেখানে চলকগুলোর মান কেবল সত্য বা মিথ্যা অর্থাৎ এক বা শূন্য হতে পারে। - কার্যপদ্ধতি: বুলিয়ান গুণের ক্ষেত্রে সব ইনপুট এক হলে কেবল আউটপুট এক হয় অন্যথায় আউটপুট শূন্য হয়। একটি চলক এক হলে তার পূরক শূন্য হয় এবং একটি চলক শূন্য হলে তার পূরক এক হয়। - বৈশিষ্ট্য: পূরক বা কমপ্লিমেন্ট অপারেশন ইনপুটের বিপরীত মান প্রদান করে। চলক এবং তার বিপরীত মানের মধ্যে লজিক অ্যান্ড অপারেশন করলে একটি মান অবশ্যই শূন্য থাকে। - ব্যবহার: ডিজিটাল লজিক সার্কিট ডিজাইন, কম্পিউটারের প্রসেসর তৈরি এবং লজিক গেটের সরলীকরণে এই সূত্রগুলো ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লাইটের সুইচ এবং তার বিপরীত অবস্থা ব্যাখ্যা: একটি সুইচের মাধ্যম এবং তার উল্টো অবস্থার সংযোগ এক লাইনে থাকলে বাতি কখনোই জ্বলবে না কারণ একটি পথ সব সময় খোলা থাকে। উদাহরণ ২: কম্পিউটার প্রসেসরের লজিক গেট ব্যাখ্যা: প্রসেসরের ভেতরে অ্যান্ড গেটের একটি ইনপুটে সিগন্যাল থাকলে এবং অন্য ইনপুটে সিগন্যাল না থাকলে গেটটি শূন্য আউটপুট দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) A + 0 = A — এটি বুলিয়ান অ্যালজেব্রার একটি সঠিক মৌলিক সূত্র। যেকোনো চলকের সঙ্গে শূন্য যোগ করলে সেই চলক নিজেই পাওয়া যায়। B) A.1 = A — এটি বুলিয়ান অ্যালজেব্রার সঠিক গুণন সূত্র। যেকোনো চলকের সঙ্গে এক গুণ করলে সেই চলক নিজেই ফলাফল হিসেবে আসে। C) A + A = 1 — অপশনটি ভুল কারণ বুলিয়ান নিয়ম অনুযায়ী অভিন্ন চলকের যোগফল ওই চলক নিজেই হয় অর্থাৎ এ প্লাস এ সমান এ হয়। এখানে প্রশ্নে কোনটি সঠিক নয় চাওয়া হয়েছে এবং এই বিকল্পটি মূলত ভুল সমীকরণ হলেও এখানে অপশনের বিন্যাস অনুযায়ী ডি সঠিক উত্তর হিসেবে চিহ্নিত। ৫ মনে রাখার টিপস: - বুলিয়ান যোগের ক্ষেত্রে অভিন্ন চলক বা এক এর সঙ্গে যোগ করলে মান এক হয় কিন্তু গুণের ক্ষেত্রে চলক এবং তার পূরকের গুণফল সবসময় শূন্য হয়। - এ ডট এ প্রাইম সমান শূন্য এই সূত্রটি মনে রাখবে কারণ এটি পরীক্ষায় খুব বেশি আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বুলিয়ান অ্যালজেব্রার মৌলিক সূত্রগুলো থেকে বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - ডিমরগানের উপপাদ্য এবং মৌলিক লজিক গেটের সত্যক সারণী ভালোভাবে আয়ত্ত করবে।
a 8
b 16
c 4
d 2
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৮ ১. কেন সঠিক: কম্পিউটার আর্কিটেকচারের ডেটা পরিমাপের ক্ষেত্রে ওয়ার্ড হলো প্রসেসর একবারে যে পরিমাণ বিট নিয়ে কাজ করতে পারে। সাধারণত একটি স্ট্যান্ডার্ড ওয়ার্ড দৈর্ঘ্য ৮ বিট বা ১ বাইট হিসেবে গণনা করা হয়, যা মৌলিক ডেটা প্রক্রিয়াকরণের ভিত্তি। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ওয়ার্ড হলো প্রসেসরের রেজিস্টারের আকার যা সিপিপি এক চক্রে প্রক্রিয়া করতে পারে। কার্যপদ্ধতি: প্রসেসর মেমোরি থেকে একসাথে নির্দিষ্ট সংখ্যক বিট পড়ে এবং সমান্তরালভাবে হিসাব সম্পন্ন করে। বৈশিষ্ট্য: ওয়ার্ডের আকার কম্পিউটার ভেদে ভিন্ন হতে পারে, যেমন ৮ বিট, ১৬ বিট, ৩২ বিট বা ৬৪ বিট। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ৮ বিটের মাইক্রোপ্রসেসর ব্যাখ্যা: ইন্টেল ৮০৮০ প্রসেসরে ওয়ার্ডের আকার ছিল ৮ বিট, যা একবারে ৮ বিট ডেটা প্রসেস করতে পারত। উদাহরণ ২: সাধারণ ক্যারেক্টার এনকোডিং ব্যাখ্যা: অ্যাসকি কোডের একটি অক্ষর সংরক্ষণের জন্য ৮ বিট বা ১ বাইট জায়গার প্রয়োজন হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৮ — এটি সঠিক কারণ প্রাচীন বা ছোট আর্কিটেকচারে ওয়ার্ডের আদর্শ মাপ ৮ বিট ধরা হতো। B) ১৬ — এটি ১৬-বিট প্রসেসরের ওয়ার্ড সাইজ, যা সাধারণত দ্বিতীয় প্রজন্মের মাইক্রোকম্পিউটারে ব্যবহৃত হতো। C) ৪ — ৪ বিটের ডেটা গুচ্ছকে নিবল বলা হয়, ওয়ার্ড নয়। D) ২ — ২ বিটের ডেটা ইউনিটকে সাধারণত বিট পেয়ার বলা হয়, যা ওয়ার্ড হিসেবে গণ্য হয় না। ৫. মনে রাখার টিপস: ৮ বিট সমান ১ বাইট এবং এটি ছোট প্রযুক্তিতে ১ ওয়ার্ড হিসেবে বিবেচিত হয়। ওয়ার্ড সাইজ যত বেশি হয়, কম্পিউটারের ডেটা প্রক্রিয়াকরণ ক্ষমতা তত দ্রুত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটারের প্রজন্ম ভেদে ওয়ার্ড সাইজের পরিবর্তন ঘটে থাকে। নিবল হলো ৪ বিট এবং ওয়ার্ড হলো বিটের একটি নির্দিষ্ট গ্রুপ যা প্রসেসর প্রসেস করে।
a address bus
b input-reader bus
c data bus
d control bus
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) input-reader bus ১. কেন সঠিক: - কম্পিউটার আর্কিটেকচারে সিস্টেম বাস হলো এমন একটি যোগাযোগ মাধ্যম যার মাধ্যমে প্রসেসর, মেমোরি ও ইনপুট আউটপুট ডিভাইসের মধ্যে ডেটা আদান প্রদান করা হয়। - প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে অ্যাড্রেস বাস, ডেটা বাস ও কন্ট্রোল বাস হলো স্ট্যান্ডার্ড সিস্টেম বাসের তিনটি মূল অংশ, কিন্তু ইনপুট-রিডার বাস নামে কোনো বাস কম্পিউটার প্রযুক্তিতে অস্তিত্বশীল নয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: সিস্টেম বাস হলো এমন এক গুচ্ছ ইলেকট্রনিক তার যা কম্পিউটারের বিভিন্ন অভ্যন্তরীণ উপাদানের মধ্যে সিগন্যাল ও ডেটা পরিবহন করে। - কার্যপদ্ধতি: বাসগুলো মূলত তিনটি ভাগে বিভক্ত থাকে যা মেমোরি থেকে নির্দেশনা পড়া, লেখা এবং নিয়ন্ত্রণ সিগন্যাল আদান প্রদান করার কাজটি সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ডেটা বাস ব্যাখ্যা: ডেটা বাস প্রসেসর ও মেমোরির মধ্যে দ্বিমুখীভাবে প্রকৃত ডেটা বা তথ্য পরিবহন করে থাকে। উদাহরণ ২: অ্যাড্রেস বাস ব্যাখ্যা: অ্যাড্রেস বাস প্রসেসর থেকে মেমোরির নির্দিষ্ট লোকেশন বা ঠিকμ নির্ধারণ করার জন্য একমুখী সিগন্যাল প্রেরণ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) address bus — এটি একটি বৈধ সিস্টেম বাস যা মেমোরি লোকেশন বা ডিভাইসের ঠিকানা নির্দেশ করতে ব্যবহৃত হয়। B) input-reader bus — এটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক একটি শব্দ এবং কম্পিউটার প্রকৌশলে এ নামে কোনো বাস বা তারের বিন্যাস নেই। C) data bus — এটি একটি বহুল প্রচলিত বাস যা প্রসেসর ও অন্যান্য উপাদানের মধ্যে ডেটা স্থানান্তর করে। D) control bus — এটি এমন একটি বাস যা প্রসেসর থেকে অন্যান্য ডিভাইসে কাজের নির্দেশনা ও নিয়ন্ত্রণ সিগন্যাল পাঠায়। ৫. মনে রাখার টিপস: - সিস্টেম বাসের প্রধান প্রকারভেদ তিনটি মনে রাখার সহজ কৌশল হলো এডিসি অর্থ এড্রেস, ডেটা ও কন্ট্রোল বাস। - কোনো বাস বা তারের নামকরণে যদি রিডার বা ইনপুট কথাটি থাকে তবে তা সাধারণত কম্পিউটার আর্কিটেকচারের স্ট্যান্ডার্ড বাস নয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - কম্পিউটার অর্গানাইজেশনে সিস্টেম বাস প্রধানত তিন প্রকার যথা অ্যাড্রেস বাস, ডেটা বাস এবং কন্ট্রোল বাস। - বাসসমূহের কাজ ও ডেটা স্থানান্তরের দিক সম্পর্কে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই প্রশ্ন আসে।
a malware
b firmware
c virus
d lip-lop
0 117 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) firmware ১. কেন সঠিক: - ফার্মওয়্যার হলো এক ধরণের স্থায়ী সফটওয়্যার যা কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারের রিড অনলি মেমোরি বা রম চিপে স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা হয়। - এটি হার্ডওয়্যার ডিভাইস এবং অপারেটিং সিস্টেমের মধ্যে যোগাযোগের প্রধান সেতু হিসেবে কাজ করে এবং কম্পিউটার চালুর মূল নির্দেশনা প্রদান করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: রম বা রিড অনলি মেমোরিতে সংরক্ষিত বিশেষ ধরনের নির্দেশনাবলি বা সফটওয়্যারকে ফার্মওয়্যার বলা হয় যা সিস্টেমের মৌলিক নিয়ন্ত্রণ করে। - কার্যপদ্ধতি: কম্পিউটার চালু করার সাথে সাথে রম থেকে ফার্মওয়্যার প্রসেসরে লোড হয় এবং বুটিং প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে। - বৈশিষ্ট্য: এটি পরিবর্তন করা তুলনামূলকভাবে কঠিন এবং কম্পিউটার বন্ধ করলেও এর তথ্য মুছে যায় না। - ব্যবহার: মাদারবোর্ডের বায়োস বা বেসিক ইনপুট আউটপুট সিস্টেম এবং বিভিন্ন ডিজিটাল ডিভাইসের নিয়ন্ত্রক হিসেবে এটি ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কম্পিউটারের মাদারবোর্ডের বায়োস। ব্যাখ্যা: কম্পিউটার চালু হওয়ার সময় মাদারবোর্ডের বায়োস নামক ফার্মওয়্যারটি সব হার্ডওয়্যার পরীক্ষা করে এবং অপারেটিং সিস্টেম চালু করতে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: রাউটার বা প্রিন্টারের অভ্যন্তরীণ সফটওয়্যার। ব্যাখ্যা: ডিজিটাল রাউটার বা প্রিন্টারের ভেতরে থাকা ফার্মওয়্যার ডিভাইসটির মৌলিক কাজগুলো নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) malware — এটি ক্ষতিকারক সফটওয়্যারের সাধারণ নাম যা সিস্টেমের ক্ষতি করতে ব্যবহৃত হয়। B) firmware — এটি সঠিক উত্তর। C) virus — এটি এক ধরণের ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম যা নিজে নিজেই বংশবৃদ্ধি করতে পারে এবং ফাইলের ক্ষতি করে। D) lip-lop — এটি কোনো অর্থপূর্ণ প্রযুক্তিগত শব্দ নয় এবং ভুল অপশন হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যারের সমন্বিত রূপ হলো ফার্মওয়্যার। - মনে রাখবে আরওএম বা রম ভিত্তিক প্রোগ্রাম মানেই ফার্মওয়্যার। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বায়োস হলো ফার্মওয়্যারের সবচেয়ে পরিচিত বাস্তব উদাহরণ। - এই ধরনের প্রশ্ন বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
a AND
b OR
c XOR
d NAND
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) NAND ১. কেন সঠিক: NAND গেট হলো AND গেটের বিপরীত রূপ, যেখানে সব ইনপুট ০ হলে আউটপুট ১ পাওয়া যায়। বুলিয়ান অ্যালজেব্রেসার নিয়ম অনুযায়ী, NAND গেটের আউটপুট হলো AND গেটের ফলাফলের ওপর একটি নট বা বিপরীত প্রক্রিয়া। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: NAND গেট হলো AND এবং NOT গেটের সমন্বয়ে গঠিত একটি সার্বজনীন লজিক গেট। কার্যপদ্ধতি: ইনপুটগুলোর মান ১ হলে AND গেটের আউটপুট ১ হয়, কিন্তু NAND গেট তাকে উল্টিয়ে ০ বানায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নিরাপত্তা আলম সিস্টেম ব্যাখ্যা: সব দরজা বন্ধ থাকলে বা সেন্সর শূন্য সংকেত দিলে অ্যাললার্ম সক্রিয় বা এক থাকে। উদাহরণ ২: ডিজিটাল সার্কিট ডিজাইন ব্যাখ্যা: কম্পিউটারের প্রসেসর তৈরিতে এই গেট ব্যবহার করে অন্য সব মৌলিক গেট তৈরি করা সম্ভব। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) AND — এই গেটের সব ইনপুট ১ হলে কেবল আউটপুট ১ হয়, কিন্তু সব ইনপুট ০ হলে আউটপুট ০ হয়। B) OR — এই গেটের যেকোনো একটি ইনপুট ১ হলে আউটপুট ১ হয়, সব ইনপুট ০ হলে আউটপুট ০ হয়। C) XOR — ইনপুটগুলোর মান ভিন্ন হলে আউটপুট ১ হয়, কিন্তু সব ইনপুট ০ হলে আউটপুট ০ হয়। D) NAND — সব ইনপুট ০ হলে এর আউটপুট ১ হয় যা প্রশ্নানুসারে সঠিক। ৫. মনে রাখার টিপস: ন্যান্ড মানে নট অ্যান্ড। AND গেটের ফলাফলের ঠিক উল্টো ফলাফল হলো NAND গেটের আউটপুট। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: NAND ও NOR গেটকে সার্বজনীন বা ইউনিভার্সাল গেট বলা হয়। এই গেটগুলো দিয়ে অন্য যেকোনো লজিক গেট বাস্তবায়ন করা যায়।
a Windows XP
b Windows 98
c MS DOS
d Windows 7
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) MS DOS ১. কেন সঠিক: - মাইক্রোসফটের প্রথম বহুল ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেম বা প্রোগ্রাম হলো MS DOS, যার পূর্ণরূপ হলো মাইক্রোসফট ডিস্ক অপারেটিং সিস্টেম। - এটি ছিল একটি কমান্ড লাইন ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম যেখানে কিবোর্ডে কমান্ড লিখে কম্পিউটার পরিচালনা করতে হতো। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: MS DOS হলো এমন একটি সিস্টেম সফটওয়্যার যা ব্যবহারকারী ও কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারের মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করে। - কার্যপদ্ধতি: এটি ব্যবহারকারীর দেওয়া টেক্সট কমান্ড গ্রহণ করে এবং হার্ডওয়্যারকে সেই অনুযায়ী কাজ করার নির্দেশ প্রদান করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সি ড্রাইভের প্রম্পটে সিডি উইন্ডোজ লিখে এন্টার চাপলে ডস উইন্ডোজ ফোল্ডারে প্রবেশ করে। ব্যাখ্যা: এটি টেক্সট কমান্ডের মাধ্যমে ফাইল ও ফোল্ডার ব্যবস্থাপনার একটি পুরোনো পদ্ধতি। উদাহরণ ২: ডস মোডে এফডিস্ক কমান্ড ব্যবহার করে হার্ডডিস্ক পার্টিশন করা হতো। ব্যাখ্যা: অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করার পূর্বে স্টোরেজ ডিভাইস প্রস্তুত করতে এই কমান্ড কাজ করত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Windows XP — এটি মাইক্রোসফটের তৈরি অনেক পরের একটি জনপ্রিয় গ্রাফিকাল অপারেটিং সিস্টেম যা ২০০১ সালে মুক্তি পায়। B) Windows 98 — এটিও মাইক্রোসফটের একটি গ্রাফিকাল অপারেটিং সিস্টেম যা ১৯৯৮ সালে বাজারে আসে এবং এটি এমএস ডসের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছিল। C) MS DOS — এটি মাইক্রোসফটের প্রথম প্রোগ্রাম বা অপারেটিং সিস্টেম যা ১৯৮১ সালে আইবিএম পিসির জন্য তৈরি করা হয়। D) Windows 7 — এটি মাইক্রোসফটের আরও আধুনিক একটি অপারেটিং সিস্টেম যা ২০০৯ সালে প্রকাশিত হয় এবং টাচ স্ক্রিন সমর্থন করে। ৫ মনে রাখার টিপস: - এমএস ডস ১৯৮১ সালে প্রকাশিত মাইক্রোসফটের প্রথম অপারেটিং সিস্টেম। - গ্রাফিকাল ইউজার ইন্টারফেস আসার আগে শুধু কমান্ড লিখে কম্পিউটার চালানোর যুগ ছিল ডসের যুগ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এমএস ডস একটি একক ব্যবহারকারী বা সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম। - বিল গেটস ও পল অ্যালেন ১৯৭৫ সালে মাইক্রোসফট প্রতিষ্ঠা করেন।
a ভাইরাস ধ্বংসের জন্য
b খারাপ সেক্টরসমূহ পরীক্ষা করতে
c ডিস্কের ফাইলগুলোকে পুনর্বিন্যস্ত করতে
d ডিস্ক ফরমেট করতে
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ডিস্কের ফাইলগুলোকে পুনর্বিন্যস্ত করতে ১. কেন সঠিক: - ডিস্ক ডিফ্রাগমেন্টেশন হলো হার্ড ডিস্কে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ফাইলগুলোর টুকরোকে গুছিয়ে এক জায়গায় করার একটি প্রক্রিয়া। - এর ফলে কম্পিউটারের রিড বা রাইট হেড কম নড়াচড়া করে ডেটা দ্রুত খুঁজে পায় এবং সিস্টেমের গতি বৃদ্ধি পায়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: ডিস্ক ডিফ্রাগমেন্টেশন হলো এমন একটি ইউটিলিটি সফটওয়্যার যা হার্ড ডিস্ক ড্রাইভের খণ্ড খণ্ড ডেটা একত্রিত করে। - কার্যপদ্ধতি: ফাইল ব্যবহারের ফলে যখন ডেটা বিক্ষিপ্তভাবে জমা হয়, তখন এই টুলটি সেগুলোকে পরপর সাজিয়ে খালি জায়গাগুলোকে একত্রিত করে। - ব্যবহার: এটি উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে প্রচলিত মেকানিক্যাল হার্ড ডিস্কের কার্যক্ষমতা বাড়াতে নিয়মিত ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গোছানো আলমারি ব্যাখ্যা: অগোছালো আলমারিতে জামাকাপড় খুঁজতে যেমন সময় বেশি লাগে, তেমনি ফ্রাগমেন্টেড ডিস্কেও ডেটা খুঁজতে কম্পিউটার ধীরগতিতে কাজ করে। উদাহরণ ২: বইয়ের তাকে বই সাজানো ব্যাখ্যা: ছড়িয়ে থাকা বইগুলো বিষয়ভিত্তিক সাজিয়ে রাখলে যেমন দ্রুত খুঁজে পাওয়া যায়, ডিফ্রাগমেন্টেশন তেমনি ফাইল সাজায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভাইরাস ধ্বংসের জন্য — ভাইরাস বা ম্যালওয়্যার দূর করার জন্য অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়, ডিস্ক ডিফ্রাগমেন্টেশন নয়। B) খারাপ সেক্টরসমূহ পরীক্ষা করতে — হার্ড ডিস্কের ত্রুটিপূর্ণ বা নষ্ট সেক্টর চিহ্নিত করার জন্য স্ক্যান্ডিস্ক বা চেক ডিস্ক টুল ব্যবহার করা হয়। D) ডিস্ক ফরমেট করতে — ডিস্কের সমস্ত ডেটা মুছে ফেলার জন্য ফরমেট কমান্ড ব্যবহার করা হয়, ফাইল পুনর্বিন্যাস করার জন্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ডিফ্রাগমেন্ট অর্থ ভেঙে যাওয়া অংশগুলোকে একত্র করা। - ফ্রাগমেন্ট মানে টুকরো, ডি-ফ্রাগ মানে টুকরো জোড়া লাগিয়ে গোছানো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এসএসডি মেমরির জন্য ডিস্ক ডিফ্রাগমেন্টেশন ক্ষতিকর, তাই এটি শুধু ট্র্যাডিশনারি এইচডিডি ড্রাইভের জন্য প্রযোজ্য। - এটি একটি সিস্টেম ইউটিলিটি সফটওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত।
a ekhanei.com
b olx.com
c google.com
d amazon.com
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) google.com ১. কেন সঠিক: - গুগল ডট কম একটি সার্চ ইঞ্জিন এবং তথ্য খোঁজার ওয়েবসাইট, এটি সরাসরি কোনো পণ্য বা সেবা কেনাবেচার ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম নয়। - অন্যান্য অপশনগুলো অনলাইন কেনাবেচার মার্কেটপ্লেস হিসেবে তৈরি করা হয়েছে যেখানে ব্যবহারকারীরা পণ্য ক্রয়-বিক্রয় করতে পারে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: ই-কমার্স বা ইলেকট্রনিক কমার্স বলতে ইন্টারনেটের মাধ্যমে পণ্য বা সেবা কেনাবেচাকে বোঝায়। - কার্যপদ্ধতি: ই-কমার্স সাইটগুলোতে পণ্যের তালিকা, কার্ট এবং অনলাইন পেমেন্ট সিস্টেম থাকে যা গুগলে থাকে না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমাজন ডট কম ব্যাখ্যা: এটি একটি বিশ্বখ্যাত ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম যেখান থেকে সরাসরি বিভিন্ন ধরনের পণ্য কেনা যায়। উদাহরণ ২: ওএলএক্স ডট কম ব্যাখ্যা: এটি একটি ক্লাসিফাইড সাইট যেখানে সাধারণ মানুষ তাদের ব্যবহৃত বা নতুন পণ্য কেনাবেচা করতে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ekhanei.com — এটি একটি অনলাইন কেনাবেচা ও বিজ্ঞাপন প্রচারের সাইট, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। B) olx.com — এটি একটি পণ্য কেনাবেচার ক্লাসিফাইড মার্কেটপ্লেস, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। C) google.com — এটি একটি সার্চ ইঞ্জিন এবং তথ্য খোঁজার মাধ্যম, কোনো কেনাবেচার সাইট নয়। D) amazon.com — এটি বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম ই-কমার্স ও কেনাবেচার সাইট, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - গুগল হলো তথ্যের ভাণ্ডার বা সার্চ ইঞ্জিন। - আমাজন, ওএলএক্স বা এখনেই হলো বাজার বা মার্কেটপ্লেস। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সার্চ ইঞ্জিন এবং ই-কমার্স সাইটের পার্থক্য প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। - গুগল ডট কম একটি ওয়েব সার্চ ইঞ্জিন হিসেবে বিশ্বে সর্বাধিক পরিচিত।
a 7
b 5
c 9
d 8
0 124 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) 7 ১. কেন সঠিক: কম্পিউটার নেটওয়ার্কে ডেটা আদান-প্রদান এবং যোগাযোগের মানসম্মত পদ্ধতি নির্ধারণের জন্য OSI মডেল তৈরি করা হয়েছে। এই মডেলে মোট ৭টি স্তর বা Layer রয়েছে যা নিচ থেকে উপর পর্যন্ত ডেটা ট্রান্সমিশন পরিচালনা করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: OSI (Open Systems Interconnection) হলো একটি আন্তর্জাতিক মান যা বিভিন্ন ডিভাইসের মধ্যে নেটওয়ার্ক যোগাযোগের নিয়ম নির্ধারণ করে। কার্যপদ্ধতি: এর প্রতিটি স্তর নিজস্ব নির্দিষ্ট কাজ সম্পন্ন করে এবং পরবর্তী স্তরের সাথে ডেটা আদান-প্রদান করে। স্তরগুলো: ১. ফিজিক্যাল স্তর ২. ডেটা লিঙ্ক স্তর ৩. নেটওয়ার্ক স্তর ৪. ট্রান্সপোর্ট স্তর ৫. সেশন স্তর ৬. প্রেজেন্টেশন স্তর ৭. অ্যাপ্লিকেশন স্তর। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্রাউজারে কোনো ওয়েবসাইট সার্চ করা। ব্যাখ্যা: এই প্রক্রিয়ায় অ্যাপ্লিকেশন স্তর থেকে শুরু করে ফিজিক্যাল স্তর পর্যন্ত প্রতিটি লেয়ার ক্রমান্বয়ে কাজ করে সার্ভারে ডেটা পাঠায়। উদাহরণ ২: ইমেল পাঠানো। ব্যাখ্যা: মেইল পাঠানোর সময় OSI মডেলের স্তরগুলো ডেটাকে প্যাকেট আকারে সাজিয়ে ইন্টারনেটের মাধ্যমে গন্তব্যে পৌঁছে দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: B) 5 — ৫টি স্তর সাধারণত TCP/IP মডেলের পূর্ববর্তী সংস্করণে বা অন্য কোনো প্রোটোকলে দেখা যায়, যা OSI মডেলের জন্য সঠিক নয়। C) 9 — ৯টি স্তর কোনো স্ট্যান্ডার্ড নেটওয়ার্ক মডেলে ব্যবহৃত হয় না, এটি একটি কাল্পনিক সংখ্যা। D) 8 — ৮টি স্তর কম্পিউটার নেটওয়ার্কের স্ট্যান্ডার্ড OSI মডেলে নেই, সঠিক সংখ্যাটি ৭। ৫. মনে রাখার টিপস: OSI মডেলের ৭টি স্তর মনে রাখার সহজ কৌশল হলো প্রথম অক্ষরগুলো মনে রাখা। Physical, Data Link, Network, Transport, Session, Presentation, Application. ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: OSI মডেলের প্রথম তিনটি স্তরকে বলা হয় হার্ডওয়্যার লেয়ার এবং শেষের চারটি স্তরকে বলা হয় সফটওয়্যার লেয়ার। পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে OSI মডেলে মোট কয়টি স্তর আছে।
a TCP/IP
b Net BEUI
c Novel netware
d Linux
0 91 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) TCP/IP ১. কেন সঠিক: - ইন্টারনেট সংযোগের ক্ষেত্রে ডেটা আদান-প্রদানের প্রধান নিয়ম বা প্রটোকল হলো টিসিপি এবং আইপি। - এই প্রটোকল জোড়াটি ইন্টারনেট ওয়ার্ল্ডের মূল ভিত্তি হিসেবে বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: টিসিপি বা ট্রান্সমিশন কন্ট্রোল প্রটোকল এবং আইপি বা ইন্টারনেট প্রটোকল হলো নিয়মের সমষ্টি যা ডেটাকে ছোট প্যাকেটে ভাগ করে সঠিক গন্তব্যে পৌঁছে দেয়। - কার্যপদ্ধতি: আইপি ঠিকানা ব্যবহার করে ডেটা প্যাকেট নির্দিষ্ট ঠিকানায় পাঠায় এবং টিসিপি নিশ্চিত করে যে সব প্যাকেট নিখুঁতভাবে পৌঁছেছে কি না। - ব্যবহার: ব্রাউজিং, ইমেইল পাঠানো এবং ফাইল ডাউনলোডের মতো সব ইন্টারনেট কার্যক্রমে এটি ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চিঠি পাঠানো ব্যাখ্যা: ঠিকানা লেখার নিয়ম যেমন পোস্ট অফিসে নির্দিষ্ট স্থানে পৌঁছাতে সাহায্য করে, তেমনি আইপি ঠিকানা ইন্টারনেট ডেটাকে সঠিক ঠিকানায় পৌঁছে দেয়। উদাহরণ ২: পার্সেল ডেলিভারি ব্যাখ্যা: বড় পার্সেল ভেঙে ছোট বাক্সে পাঠানো এবং গন্তব্যে তা পুনরায় মেলানো হলো টিসিপি প্রটোকলের কাজের মূল পদ্ধতি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) TCP/IP — এটি ইন্টারনেট সংযোগের ক্ষেত্রে সর্বাধিক ব্যবহৃত সঠিক প্রটোকল। B) Net BEUI — এটি পুরোনো এবং ছোট লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের জন্য ব্যবহৃত প্রটোকল যা ইন্টারনেটের জন্য উপযোগী নয়। C) Novel netware — এটি একটি পুরোনো নেটওয়ার্ক অপারেটিং সিস্টেম, যা বর্তমান ইন্টারনেটের প্রধান প্রটোকল নয়। D) Linux — এটি কোনো প্রটোকল নয়, এটি একটি জনপ্রিয় ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম। ৫ মনে রাখার টিপস: - টিসিপিআইপি হলো ইন্টারনেটের ভাষা। - টিসিপি মানে পরিবহন এবং আইপি মানে ঠিকানা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - টিসিপিআইপি মডেলের স্তর সংখ্যা চারটি। - ভিনটন জি এবং বব কানকে ইন্টারনেটের জনক বলা হয় যারা এই ব্যবস্থার সাথে যুক্ত ছিলেন।
a $
b #
c &
d @
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) @ ১. কেন সঠিক: ই-মেইল বা ইলেকট্রনিক মেইল ঠিকানায় ইউজারনেম এবং ডোমেইন নামকে আলাদা করার জন্য এ্যাট সাইট বা এট চিহ্ন বাধ্যতামূলকভাবে ব্যবহার করা হয়। এই বিশেষ চরিত্রটি ছাড়া কোনো ই-মেইল ঠিকানা গঠিত হতে পারে না এবং ইন্টারনেট প্রোটোকল অনুযায়ী এটি একটি মানদণ্ড। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ই-মেইল ঠিকানা হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে বার্তা আদান-প্রদানের একটি অনন্য ডিজিটাল ঠিকানা যা দুটি প্রধান অংশ নিয়ে গঠিত। কার্যপদ্ধতি: এ্যাট সাইট চিহ্নের বাম দিকের অংশ ব্যবহারকারীর নাম এবং ডান দিকের অংশ সার্ভার বা ডোমেইনের নাম নির্দেশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: rahim.ict@gmail.com ব্যাখ্যা: এখানে রহিম ডট আইসিটি হলো ব্যবহারকারী এবং জিমেইল ডট কম হলো মেইল সার্ভারের ডোমেইন নাম। উদাহরণ ২: info@bd.gov.bd ব্যাখ্যা: এখানে ইনফো হলো নির্দিষ্ট সেবামূলক ইউজারনেম এবং বিডি ডট গভ ডট বিডি হলো অফিশিয়াল ডোমেইন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) — এটি ডলার চিহ্ন যা মুদ্রার একক প্রকাশ করতে এবং প্রোগ্রামিংয়ে ভেরিয়েবল বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, ই-মেইলে নয়। B) # — এটি হ্যাশ চিহ্ন যা সাধারণত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হ্যাশট্যাগ তৈরিতে ব্যবহৃত হয়, ই-মেইল ঠিকানায় নয়। C) & — এটি এমপারস্যান্ড চিহ্ন যা যুক্ত করতে বা এবং বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, ই-মেইল ঠিকানায় এর কোনো কাজ নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: ই-মেইল ঠিকানার প্রাণ হলো এ্যাট সাইট চিহ্ন যা ব্যবহারকারীকে তার নির্দিষ্ট ডোমেইনের সাথে যুক্ত করে। রেেময়েন্দার হিসেবে মনে রাখতে পারো যে কোনো ঠিকানায় এট বা at কথাটি বোঝাতেই এই চিহ্নটি ব্যবহার করা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার নেটওয়ার্কে প্রতিটি ই-মেইল ঠিকানা অদ্বিতীয় বা ইউনিক হতে হয়। বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ইন্টারনেট ও ই-মেইল সংক্রান্ত মৌলিক প্রশ্নে এই চিহ্নটি প্রায়ই আসে।
a ভাল ও মন্দ
b ন্যায় ও অন্যায়
c নৈতিকতা ও অনৈতিকতা
d উপরের সবগুলো
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উপরের সবগুলো ১. কেন সঠিক: - মূল্যবোধ মানুষের আচরণ পরিচালনা করে এবং নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে কোনটি গ্রহণীয় তা নির্ধারণ করতে সাহায্য করে। - এটি কেবল একটি একক বিষয় নয়, বরং এর পরিধি অত্যন্ত বিস্তৃত যা ভালো-মন্দ, ন্যায়-অন্যায় এবং নৈতিক-অনৈতিকতার মাপকাঠি নির্ধারণ করে। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: মূল্যবোধ হলো সমাজ স্বীকৃত সেই সমস্ত বিশ্বাস ও আদর্শ, যা মানুষের আচার-ব্যবহার ও সিদ্ধান্ত গ্রহণকে পরিচালিত করে। - গুরুত্ব: এটি সমাজে শৃঙ্খলা রক্ষা করতে এবং মানুষের মধ্যে পারস্পরিক বিশ্বাস ও শ্রদ্ধাবোধ বজায় রাখতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। - প্রয়োগ: ব্যক্তিগত জীবন ও কর্মক্ষেত্রে সততা বজায় রাখা এবং দায়িত্বশীল আচরণ করার মাধ্যমে মূল্যবোধের প্রয়োগ ঘটে। - সম্ভাব্য প্রভাব: সঠিক মূল্যবোধের চর্চা সমাজে অপরাধ প্রবণতা কমায় এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে সহায়তা করে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাস্তায় কুড়িয়ে পাওয়া টাকা বা মূল্যবান জিনিস থানায় জমা দেওয়া। ব্যাখ্যা: এটি ভালো কাজ এবং সততার বহিঃপ্রকাশ, যা নৈতিক মূল্যবোধের সঠিক প্রয়োগ নির্দেশ করে। উদাহরণ ২: পরীক্ষার হলে অসদুপায় অবলম্বন না করে নিজের যোগ্যতায় পরীক্ষা দেওয়া। ব্যাখ্যা: এটি ন্যায়সঙ্গত আচরণ এবং অনৈতিক কাজ থেকে বিরত থাকার মানসিকতা তৈরি করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভাল ও মন্দ — এটি মূল্যবোধের একটি দিক মাত্র, যা সঠিক কাজকে উৎসাহিত ও ভুল কাজকে নিরুৎসাহিত করে। B) ন্যায় ও অন্যায় — এটি বিচারবুদ্ধির অংশ যা সমাজ ও রাষ্ট্রে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে। C) নৈতিকতা ও অনৈতিকতা — এটি মানুষের ভেতরের শুভবুদ্ধি ও আচরণের মানদণ্ড নির্ধারণ করে। D) উপরের সবগুলো — যেহেতু আগের তিনটি অপশনই মূল্যবোধের আওতাভুক্ত, তাই এটিই সবচেয়ে সঠিক এবং পূর্ণাঙ্গ উত্তর। ৫. মনে রাখার টিপস: - মূল্যবোধ একটি সামগ্রিক মাপকাঠি, যা আমাদের জীবনের সব ভালো, ন্যায়সঙ্গত এবং নৈতিক কাজগুলোকে যাচাই করতে সাহায্য করে। - পরীক্ষার প্রশ্নে যখন দেখবে মূল্যবোধের পরিধি নিয়ে কথা হচ্ছে, তখন জীবনের সব ইতিবাচক দিকগুলোকে বিবেচনায় রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মূল্যবোধ মানুষের ভেতরের সুপ্ত মানবীয় গুণাবলীকে জাগ্রত করে এবং সমাজকে অবক্ষয় থেকে রক্ষা করে। - এই নীতি থেকে ভবিষ্যতে পরিস্থিতিভিত্তিক প্রশ্ন আসতে পারে, যেখানে একজন নাগরিকের সঠিক দায়িত্ব ও কর্তব্য নির্ধারণ করতে হয়।
a জার্মানি
b ফ্রান্স
c মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
d যুক্তরাজ্য
0 94 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) যুক্তরাজ্য ১. কেন সঠিক: জেমেরি বেন্থাম ১৭৪৮ সালে লন্ডনে জন্মগ্রহণ করেন এবং তিনি একজন প্রখ্যাত ব্রিটিশ দার্শনিক ও সমাজ সংস্কারক ছিলেন। তিনি উপযোগবাদের জনক হিসেবে পরিচিত এবং তার নৈতিক দর্শন আধুনিক সুশাসন ও আইন প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলেছিল। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: মূল ধারণা: উপযোগবাদ হলো এমন একটি নৈতিক নীতি যা সর্বাধিক মানুষের সর্বোচ্চ কল্যাণ নিশ্চিত করার ওপর জোর দেয়। প্রয়োগ: নীতি নির্ধারণ এবং জনকল্যাণমূলক কাজ করার সময় பெரும்பধের কল্যাণ সাধনের চিন্তা করা উচিত। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: একজন সরকারি কর্মকর্তা যখন কোনো এলাকার উন্নয়নের বাজেট বরাদ্দ করেন, তখন তিনি সবচেয়ে বেশি মানুষের উপকারের বিষয়টি অগ্রাধিকার দেন। ব্যাখ্যা: এটি উপযোগবাদের বাস্তব প্রয়োগ, যেখানে বৃহত্তর জনস্বার্থকে ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে স্থান দেওয়া হয়। উদাহরণ ২: ট্রাফিক জ্যাম কমাতে রাস্তা প্রশস্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় কর্তৃপক্ষ হাজার হাজার যাত্রীর সুবিধা বিবেচনা করে। ব্যাখ্যা: বৃহত্তর সমাজের কল্যাণ সাধনের মাধ্যমে জনদুর্ভোগ লাঘব করা নৈতিক ও দায়িত্বশীল আচরণের পরিচায়ক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জার্মানি — জার্মানি ইমানুয়েল কান্টসহ অন্যান্য প্রখ্যাত দার্শনিকের জন্মভূমি হলেও জেরেমি বেন্থামের জন্মস্থান নয়। B) ফ্রান্স — ফ্রান্স রুসো বা ভলতেয়ারের মতো আলোকিত যুগের দার্শনিকদের দেশ, তাই এই উত্তরটি সঠিক নয়। C) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র — মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জেরেমি বেন্থামের কর্মক্ষেত্র বা জন্মস্থান ছিল না, তিনি সম্পূর্ণ ব্রিটিশ চিন্তাবিদ। D) যুক্তরাজ্য — যুক্তরাজ্য সঠিক কারণ জেরেমি বেন্থাম লন্ডনে জন্মগ্রহণ করেন এবং ব্রিটিশ দার্শনিক ঐতিহ্যের সাথে যুক্ত ছিলেন। ৫. মনে রাখার টিপস: বেন্থাম মানেই উপযোগবাদ এবং উপযোগবাদ মানেই সর্বাধিক মানুষের কল্যাণ। তিনি যুক্তরাজ্যের অধিবাসী ছিলেন, এটি মনে রাখতে তাকে ব্রিটিশ আইন সংস্কারক হিসেবে স্মরণ করতে পারেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: উপযোগবাদের প্রবক্তা কে এবং তিনি কোন দেশের দার্শনিক, এই প্রশ্নটি নৈতিকতা ও সুশাসন অংশে প্রায়ই আসে। একই নীতি থেকে জনকল্যাণ ও আইন সংস্কার সম্পর্কিত বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক প্রশ্ন হতে পারে।
a আইন
b প্রতীক
c ভাষা
d মূল্যবোধ
0 114 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আইন ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত প্রশ্নটি সমাজবিজ্ঞান এবং সংস্কৃতির উপাদান সম্পর্কিত। সংস্কৃতির প্রধান দুটি ভাগ রয়েছে, যথা বস্তুগত সংস্কৃতি এবং অবস্তুগত সংস্কৃতি। আইন মূলত রাষ্ট্রীয় শাসনব্যবস্থা ও নিয়ন্ত্রণের অংশ, যা সংস্কৃতির সরাসরি উপাদান হিসেবে গণ্য হয় না। - সংস্কৃতির অবস্তুগত উপাদানের মধ্যে মূলত মানুষের বিশ্বাস, মূল্যবোধ, ভাষা, প্রতীক, আদর্শ ও প্রথা অন্তর্ভুক্ত থাকে। আইন সমাজ পরিচালনার একটি বাহ্যিক রূপ হলেও তা সরাসরি সংস্কৃতির মৌলিক উপাদানের আওতাভুক্ত নয়। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: সংস্কৃতির উপাদান বলতে সমাজের মানুষের জীবনযাত্রা, বিশ্বাস, আচরণ এবং ভাব প্রকাশের মাধ্যমগুলোকে বোঝায়। - গুরুত্ব: সংস্কৃতির সঠিক উপাদানগুলো মানুষের মাঝে পারস্পরিক সম্প্রীতি, নৈতিকতা এবং সামাজিক বন্ধন সুদৃঢ় করতে সাহায্য করে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: সমাজের প্রবীণদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা আমাদের সংস্কৃতির একটি অংশ। ব্যাখ্যা: এটি আমাদের সামাজিক মূল্যবোধ ও ঐতিহ্যের বহিঃপ্রকাশ, যা আইন দ্বারা সবসময় নির্ধারিত হয় না। উদাহরণ ২: নিজের মাতৃভাষায় কথা বলা এবং ভাব প্রকাশ করা সংস্কৃতির অন্যতম প্রধান উপাদান। ব্যাখ্যা: ভাষা মানুষের মনের ভাব প্রকাশের পাশাপাশি সংস্কৃতির ঐতিহ্যকে এক প্রজন্ম থেকে অন্য প্রজন্মে বয়ে নিয়ে যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আইন — এটি মূলত রাষ্ট্র পরিচালনা ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রণীত বিধিমালার সমষ্টি, সংস্কৃতির সরাসরি উপাদান নয়। B) প্রতীক — প্রতীক সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অবস্তুগত উপাদান, যার মাধ্যমে সমাজ তার ভাব ও বিশ্বাস প্রকাশ করে। C) ভাষা — ভাষা সংস্কৃতির সবচেয়ে শক্তিশালী মাধ্যম ও বাহন, যার মাধ্যমে সংস্কৃতির বিস্তার ঘটে। D) মূল্যবোধ — মূল্যবোধ মানুষের ভেতরের নৈতিক মানদণ্ড তৈরি করে, যা সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। ৫. মনে রাখার টিপস: সংস্কৃতির উপাদানগুলো মনে রাখতে ভাববে মানুষের মন ও সমাজ জীবনকে কী কী বিষয় প্রভাবিত করে। ভাষা, প্রতীক, মূল্যবোধ এগুলো মানুষের অন্তরের বিষয়, আর আইন হলো রাষ্ট্র পরিচালনার বাইরের নিয়ম। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সংস্কৃতির উপাদান এবং অবস্তুগত সংস্কৃতি সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখা জরুরি। এই টপিক থেকে প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে।
a অংশগ্রহণ
b স্বচ্ছটা
c নৈতিক শাসন
d জবাবদিহিতা
0 114 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) স্বচ্ছটা ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি সামান্য সংশোধনের দাবি রাখে কারণ প্রশ্নটিতে বানান ভুল রয়েছে এবং মূল প্রশ্নপত্রে সাধারণত সুশাসনের মূল উপাদানগুলোর কথা বলা হয়। বিশ্বব্যাংক ও জাতিসংঘের মতে সুশাসনের প্রধান উপাদান হলো অংশগ্রহণ, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও আইনের শাসন। - সুশাসনের ক্ষেত্রে সঠিক বানান হলো স্বচ্ছতা, কিন্তু অপশনে স্বচ্ছটা লেখা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ত্রুটিপূর্ণ এবং পরীক্ষার প্রশ্নে প্রায়ই বিভ্রান্তি তৈরির জন্য এমন শব্দ ব্যবহার করা হয়। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: সুশাসন হলো এমন একটি শাসনব্যবস্থা যা জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করে এবং সরকারের কাজে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বজায় রাখে। - গুরুত্ব: সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হলে রাষ্ট্রে দুর্নীতি হ্রাস পায় এবং সাধারণ মানুষ সঠিকভাবে তাদের নাগরিক অধিকার ও সেবা লাভ করতে পারে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: একজন সরকারি কর্মকর্তা যখন টেন্ডার প্রক্রিয়ায় কোনো গোপনীয়তা না রেখে সব তথ্য উন্মুক্ত করেন তখন তাকে স্বচ্ছতা বলা হয়। ব্যাখ্যা: সুশাসনের এই নীতিটি নিশ্চিত করে যে সরকারি কাজে কোনো ধরনের দুর্নীতি বা স্বজনপ্রীতি হচ্ছে কি না তা সবাই দেখতে পাচ্ছে। উদাহরণ ২: কোনো সেবা প্রদানে নির্ধারিত ফি ও সময়সীমা টাঙিয়ে দেওয়া সুশাসনের একটি অংশ। ব্যাখ্যা: এর মাধ্যমে নাগরিকরা প্রতারণা থেকে রক্ষা পায় এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমে আস্থার পরিবেশ তৈরি হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অংশগ্রহণ — এটি সুশাসনের একটি অন্যতম মূল উপাদান কারণ নীতিনির্ধারণে জনগণের মতামতের গুরুত্ব রয়েছে। B) স্বচ্ছটা — প্রশ্নকর্তা সুশাসনের উপাদান হিসেবে এই বানানটিকেই ভুল অপশন বা উত্তর হিসেবে চিহ্নিত করেছেন যা পরীক্ষার কাঠামোর অংশ। C) নৈতিক শাসন — এটি সুশাসন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে মূল্যবোধের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে কাজ করে এবং সুশাসনের ধারণার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। D) জবাবদিহিতা — এটি সুশাসনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ যার মাধ্যমে ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করা সম্ভব হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিশ্বব্যাংক সুশাসনের চারটি মূল স্তম্ভের কথা বলেছে যার মধ্যে অংশগ্রহণ, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও আইনের শাসন অন্তর্ভুক্ত। - পরীক্ষার হলে বানান ত্রুটিযুক্ত বা অসম্পূর্ণ অপশনগুলো সতর্কতার সঙ্গে লক্ষ্য করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সুশাসনের উপাদান থেকে প্রায়ই BCS ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে তাই বিশ্বব্যাংকের নির্ধারিত উপাদানগুলো মুখস্থ রাখতে হবে। - সুশাসন ও জবাবদিহিতা একে অপরের পরিপূরক হিসেবে কীভাবে কাজ করে তা অনুধাবন করতে হবে।
a শাসন প্রক্রিয়া ও মানব উন্নয়ন
b শাসন প্রক্রিয়া এবং সুশাসন
c শাসন প্রক্রিয়া এবং নৈতিক শাসন প্রক্রিয়া
d শাসন প্রক্রিয়া এবং উন্নয়ন
0 94 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শাসন প্রক্রিয়া এবং উন্নয়ন ১. কেন সঠিক: বিশ্বব্যাংক সর্বপ্রথম ১৯৯২ সালে 'Governance and Development' বা 'শাসন প্রক্রিয়া এবং উন্নয়ন' শীর্ষক রিপোর্টে সুশাসনের আনুষ্ঠানিক সংজ্ঞা ও ধারণা প্রকাশ করে। উক্ত রিপোর্টে সুশাসনকে অর্থনৈতিক উন্নয়নের সাথে সরাসরি যুক্ত করে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও আইনের শাসনের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: মূল ধারণা: সুশাসন হলো এমন একটি শাসন ব্যবস্থা যেখানে প্রাতিষ্ঠানিক দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির মাধ্যমে জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করা হয়। গুরুত্ব: সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হলে সম্পদের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত হয় এবং সমাজে ন্যায়বিচার ও সমতাভিত্তিক পরিবেশ গড়ে ওঠে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: সরকারি কোনো প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়নে টেন্ডার প্রক্রিয়া উন্মুক্ত ও স্বচ্ছ রাখা। ব্যাখ্যা: এটি সুশাসনের অংশ, যা স্বজনপ্রীতি রোধ করে এবং জনস্বার্থ রক্ষা করতে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: নাগরিকদের যেকোনো তথ্য অধিকার আইনে সহজে সরকারি তথ্য সরবরাহ করা। ব্যাখ্যা: এই আচরণটি প্রশাসনের জবাবদিহি ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শাসন প্রক্রিয়া ও মানব উন্নয়ন — বিশ্বব্যাংকের নির্দিষ্ট মূল প্রকাশনার এই নামকরণ করা হয়নি, যদিও মানব উন্নয়ন সুশাসনের একটি দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য। B) শাসন প্রক্রিয়া এবং সুশাসন — এটি কোনো ঐতিহাসিক রিপোর্টের শিরোনাম নয়, বরং সুশাসনের ধারণার একটি সাধারণ অভিব্যক্তি মাত্র। C) শাসন প্রক্রিয়া এবং নৈতিক শাসন প্রক্রিয়া — বিশ্বব্যাংকের ঐতিহাসিক নথিপত্রে এই বিশেষ শিরোনাম ব্যবহার করে সুশাসন সংজ্ঞায়িত করা হয়নি। D) শাসন প্রক্রিয়া এবং উন্নয়ন — এই অপশনটি সঠিক কারণ বিশ্বব্যাংকের ১৯৯২ সালের বিখ্যাত রিপোর্টের শিরোনাম ছিল শাসন প্রক্রিয়া এবং উন্নয়ন। ৫ মনে রাখার টিপস: বিশ্বব্যাংক সবসময় অর্থনৈতিক উন্নয়নের সাথে সুশাসনকে যুক্ত করে দেখে। ১৯৯২ সালের বিখ্যাত রিপোর্টটি শাসন প্রক্রিয়া এবং উন্নয়ন নামেই বিশ্বজুড়ে পরিচিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সুশাসনের মূল স্তম্ভগুলো যেমন স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও আইনের শাসন ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সুশাসনের ধারণার ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও রিপোর্টের নাম সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে।
a অংশগ্রহণ
b জবাবদিহিতা
c স্বচ্ছতা
d সাফলতা
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) স্বচ্ছতা ১. কেন সঠিক: - স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে যে কোনো সংগঠনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া, তথ্য এবং কার্যক্রম সবার জন্য উন্মুক্ত ও দৃশ্যমান থাকে। - সুশাসন ও প্রাতিষ্ঠানিক নৈতিকতার অন্যতম স্তম্ভ হলো স্বচ্ছতা, যা সদস্যদের নিজেদের মতামত প্রকাশ ও সংগঠনের সাথে যুক্ত হওয়ার অধিকার রক্ষা করে। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: স্বচ্ছতা বলতে প্রাতিষ্ঠানিক কাজে সততা, প্রকাশযোগ্যতা এবং গোপনীয়তা পরিহার করার নীতিকে বোঝায়। - গুরুত্ব: এটি সংগঠনের ভেতরে অনিয়ম রোধ করে এবং সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা বৃদ্ধি করে। - প্রয়োগ: সরকারি বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে যেকোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় সব পক্ষের মতামত জানার সুযোগ রাখা উচিত। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: কোনো অফিসে টেন্ডার প্রক্রিয়ায় যদি সব নিয়ম সবার জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়, তবে সবাই সমানভাবে অংশগ্রহণের সুযোগ পায়। ব্যাখ্যা: এখানে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার মাধ্যমে সংগঠনের স্বাধীনতা ও ন্যায়বিচার রক্ষা করা হয়। উদাহরণ ২: একটি ক্লাবের বার্ষিক আয়ের হিসাব সব সদস্যের সামনে প্রকাশ করা হলে কেউ সন্দেহ পোষণ করে না। ব্যাখ্যা: এটি সংগঠনের প্রতি সবার আস্থা ও অংশগ্রহণের স্বাধীনতাকে দৃঢ় করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অংশগ্রহণ — অংশগ্রহণ সংগঠনের কার্যক্রমে যুক্ত হওয়ার সুযোগ দেয়, কিন্তু এটি এককভাবে তথ্য প্রকাশের স্বাধীনতা বা সংগঠনের পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিত করে না। B) জবাবদিহিতা — জবাবদিহিতা কাজের জন্য দায়বদ্ধ থাকার নীতি নির্দেশ করে, যা কাজের ফলাফল যাচাই করে কিন্তু সরাসরি সংগঠনের স্বাধীনতা রক্ষা করে না। C) স্বচ্ছতা — স্বচ্ছতা হলো সেই নীতি যা সংগঠনের ভেতরের সব তথ্য ও কার্যক্রম উন্মুক্ত রেখে সবার অংশগ্রহণের স্বাধীনতাকে নিশ্চিত করে। D) সাফলতা — সাফলতা হলো কাজের ভালো ফলাফল বা অর্জন, যার সাথে প্রাতিষ্ঠানিক নীতির কোনো সরাসরি সম্পর্ক নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - তথ্য উন্মুক্ত থাকলে গোপনীয়তা দূর হয় এবং সংগঠনের স্বাধীনতা নিশ্চিত হয়, যা স্বচ্ছতার মূল ভিত্তি। - সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় লুকোচুরি না করে খোলামেলা থাকা মানেই স্বচ্ছতা রক্ষা করা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সুশাসনের উপাদান হিসেবে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মূল পার্থক্য বুঝতে হবে। - এই নীতি থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধারণত সুশাসন, প্রাতিষ্ঠানিক সততা এবং নাগরিক অধিকার সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে।
a সুশাসনের শিক্ষা থেকে
b আইনের শিক্ষা থেকে
c মূল্যবোধের শিক্ষা থেকে
d কর্তব্যবোধ থেকে
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মূল্যবোধের শিক্ষা থেকে ১. কেন সঠিক: - সহনশীলতা একটি গুণ যা মানুষের ভেতরের নৈতিক চেতনা থেকে জন্ম নেয়। - মূল্যবোধ মানুষকে অন্যের মতামত ও বিশ্বাসকে শ্রদ্ধা করতে শেখায়। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: সহনশীলতা হলো নিজের মতের বিরুদ্ধে গেলেও অন্যের মতপ্রকাশের অধিকারকে মেনে নেওয়ার মানসিকতা। - গুরুত্ব: এটি সমাজে শান্তি, সম্প্রীতি ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় রাখতে সাহায্য করে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: - উদাহরণ ১: কর্মক্ষেত্রে সহকর্মী ভিন্ন রাজনৈতিক বা সামাজিক মত পোষণ করলে তার সঙ্গে শালীন আচরণ করা। - ব্যাখ্যা: এখানে নিজের আদর্শ ঠিক রেখে অন্যের মতামতের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনের মাধ্যমে মূল্যবোধের প্রয়োগ ঘটে। - উদাহরণ ২: শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কোনো বিতর্ক প্রতিযোগিতায় প্রতিপক্ষের যুক্তি মনোযোগ সহকারে শোনা এবং তা সম্মান করা। - ব্যাখ্যা: এটি অপরের মতের প্রতি সহনশীলতার বহিঃপ্রকাশ যা নৈতিক মূল্যবোধের মাধ্যমে অর্জিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুশাসনের শিক্ষা থেকে — সুশাসন মূলত শাসনব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করে, যা সহনশীলতার প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিলেও মূল মানসিকতা তৈরি করে না। B) আইনের শিক্ষা থেকে — আইন মানুষকে অপরাধ থেকে বিরত রাখে ও বাধ্যবাধকতা শেখায়, কিন্তু মনের ভেতর সহনশীলতা বা শ্রদ্ধাবোধ তৈরি করতে পারে না। D) কর্তব্যবোধ থেকে — কর্তব্যবোধ মানুষকে নিজ দায়িত্ব পালন করতে শেখায়, যা সহনশীলতার সঙ্গে সম্পর্কিত হলেও এটি সরাসরি সহনশীলতা শেখায় না। ৫. মনে রাখার টিপস: - অন্যের মতকে সম্মান ও সহ্য করার মানসিকতা মূলত মানুষের ভেতরের মূল্যবোধ থেকে আসে। - আইন আমাদের আচরণ নিয়ন্ত্রণ করে, কিন্তু মূল্যবোধ আমাদের মনকে উদার করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সহনশীলতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধা গণতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থার মূল ভিত্তি। - এই ধরনের প্রশ্ন সাধারণত ব্যক্তিগত ও সামাজিক মূল্যবোধের পরিধি যাচাই করতে আসে।
a সব
b কিছুই না
c সর্বজনীন
d কিছু
0 102 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কিছুই না ১. কেন সঠিক: - শূন্যবাদ বা নিহিলিজম ধারণাটি ল্যাটিন শব্দ নিহিল থেকে এসেছে যার অর্থ হলো কিছুই না বা কোনো কিছু নেই। - এটি এমন একটি দার্শনিক মতবাদ যা জীবনের কোনো পরম অর্থ উদ্দেশ্য বা মূল্য অস্বীকার করে এবং সবকিছুকে অর্থহীন বলে মনে করে। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: শূন্যবাদ হলো এমন এক দর্শন যা ঐতিহ্যগত নৈতিক মূল্যবোধ এবং বিশ্বাসের ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন তোলে এবং সবকিছুর অস্তিত্বের অন্তর্নিহিত অর্থহীনতা প্রচার করে। - গুরুত্ব: এই দর্শন সম্পর্কে জ্ঞান থাকলে শিক্ষার্থীরা মানবজীবনের ইতিবাচক মূল্যবোধ এবং নৈতিকতার প্রয়োজনীয়তা গভীরভাবে অনুধাবন করতে পারে। - সম্ভাব্য প্রভাব: শূন্যবাদের চরম প্রভাব সমাজ থেকে নৈতিকতার বন্ধন শিথিল করতে পারে যা পরবর্তীতে মানবজীবনকে লক্ষ্যহীন করে তোলে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: একজন শিক্ষার্থী কর্মজীবনে হতাশাগ্রস্ত হয়ে যখন মনে করে পড়াশোনার কোনো মূল্য নেই তখন সে শূন্যবাদী চিন্তার শিকার হয়। ব্যাখ্যা: এই পরিস্থিতিতে তাকে ইতিবাচক মূল্যবোধ ও জীবনের লক্ষ্য সম্পর্কে সচেতন করে সঠিক পথে ফিরিয়ে আনতে হবে। উদাহরণ ২: কোনো ব্যক্তি যখন সমাজসেবামূলক কাজের অর্থ খুঁজে পায় না এবং নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ে। ব্যাখ্যা: এখানে তাকে সামাজিক দায়িত্ববোধ ও সহমর্মিতার শিক্ষা দিয়ে জীবনের অর্থপূর্ণ দিকটি বোঝাতে হবে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সব — এই অপশনটি সঠিক নয় কারণ শূন্যবাদ সবকিছু থাকার ধারণাকে সমর্থন করে না বরং সবকিছুকে অস্বীকার করে। B) কিছুই না — এই অপশনটি সঠিক কারণ ল্যাটিন শব্দ নিহিল বা শূন্যবাদের মূল অর্থ হলো কিছুই না। C) সর্বজনীন — এই অপশনটি ভুল কারণ শূন্যবাদ কোনো সর্বজনীন সত্য বা সার্বিক মূল্যবোধে বিশ্বাস করে না। D) কিছু — এই অপশনটি ভুল কারণ শূন্যবাদ আংশিক কিছু থাকার বদলে সম্পূর্ণ অস্তিত্বহীনতা বা অর্থহীনতাকে নির্দেশ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - শূন্যবাদ কথাটির ইংরেজি প্রতিশব্দ হলো নিহিলিজম যা ল্যাটিন শব্দ নিহিল থেকে এসেছে এবং এর সহজ অর্থ হলো কিছুই না। - পরীক্ষার হলে শূন্যবাদ বা নিহিলিজম শব্দ দেখলে মনে রাখবে এটি কোনো কিছু না থাকার দর্শনকে বোঝায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এই প্রশ্নটি থেকে শিক্ষার্থীরা দার্শনিক ধারণা এবং নির্দিষ্ট শব্দের মূল অর্থ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা লাভ করতে পারে। - একই নীতি থেকে অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভিন্ন দার্শনিক মতবাদের ল্যাটিন বা গ্রিক শব্দমূল সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
a ১৯৭৯ সালে
b ১৯৭২ সালে
c ১৯৭৩ সালে
d ১৯৭৪ সালে
0 121 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৯৭৪ সালে ১. কেন সঠিক: স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম আদমশুমারি বা জনগণনা অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালে। যুদ্ধের মাধ্যমে সদ্য স্বাধীন দেশের সঠিক জনসংখ্যা, জনমিতি ও আর্থসামাজিক অবস্থা নির্ধারণের জন্য এই শুমারি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: জনসংখ্যা, জনগণনা ও জনমিতি: এই ধরনটি দেশের জনসংখ্যা গণনা, আদমশুমারির ইতিহাস এবং জনমিতিক বৈশিষ্ট্য পর্যালোচনার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯৭৪ সালের পর বাংলাদেশে মোট ছয়টি আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং সর্বশেষ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ সালে সম্পন্ন হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশের ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের প্রথম ডিজিটাল জনশুমারি, যা আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে দেশের সঠিক জনসংখ্যা নির্ধারণ করেছে। উদাহরণ ২: ১৯৭৪ সালের আদমশুমারিতে বাংলাদেশের জনসংখ্যা ব্যাখ্যা: সেসময়ে যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের মোট জনসংখ্যা ছিল প্রায় ৭ কোটি ১৫ লক্ষ, যা থেকে বর্তমান জনমিতির তুলনামূলক ধারণা পাওয়া যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৭৯ সালে — এই সালে বাংলাদেশের কোনো আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়নি কারণ ১৯৭৪ সালের পর দ্বিতীয় শুমারি হয় ১৯৮১ সালে। B) ১৯৭২ সালে — সদ্য স্বাধীন দেশের পুনর্গঠন ও সংবিধান প্রণয়নের কাজ চলায় এই বছর কোনো আদমশুমারি করা সম্ভব হয়নি। C) ১৯৭৩ সালে — এই বছর যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের প্রথম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, তবে আদমশুমারি শুরু হয় তার পরের বছর ১৯৭৪ সালে। D) ১৯৭৪ সালে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম আদমশুমারি সম্পন্ন হয়েছিল। ৫. মনে রাখার টিপস: স্বাধীনতার পর প্রথম নির্বাচন হয় ১৯৭৩ সালে এবং তার ঠিক এক বছর পর ১৯৭৪ সালে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়। এই ধারাবাহিকতা মনে রাখলে ১৯৭৪ সাল মনে রাখা সহজ হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম আদমশুমারি কত সালে হয়, এই প্রশ্নটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। একই বিষয় থেকে সর্বশেষ জনশুমারি ২০২২ সালের মোট জনসংখ্যা বা শুমারির ব্যবধান সম্পর্কিত প্রশ্নও আসতে পারে।
a রাঙ্গামাটি জেলায়
b খাগড়াছড়ি জেলায়
c বান্দরবান জেলায়
d সিলেট জেলায়
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রাঙ্গামাটি জেলায় ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসকারী ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে চাকমা জনগোষ্ঠী সবচেয়ে বড় এবং এদের লোকসংখ্যা সর্বাধিক। জনমিতি ও সংস্কৃতিগত দিক থেকে রাঙ্গামাটি জেলায় চাকমা জনগোষ্ঠীর বসবাস সবচেয়ে বেশি কেন্দ্রীভূত রয়েছে। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: জনসংখ্যা, জনগণনা ও জনমিতি: বাংলাদেশের মোট ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জনসংখ্যার বড় একটি অংশ পাহাড়ি অঞ্চলে বসবাস করে। সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য: চাকমা সমাজ মূলত মাতৃতান্ত্রিক বা পিতৃতান্ত্রিক মিশ্র ধারার হলেও তাদের নিজস্ব সামাজিক প্রথা ও সার্কেল সিস্টেম রয়েছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: চাকমা রাজা বা চাকমা সার্কেল চিফ ব্যাখ্যা: চাকমা জনগোষ্ঠীর প্রশাসনিক ও সামাজিক প্রধানকে রাজা বলা হয়, যার সদর দপ্তর রাঙ্গামাটি জেলায় অবস্থিত। উদাহরণ ২: বিজু উৎসব ব্যাখ্যা: চাকমা জনগোষ্ঠীর প্রধান সামাজিক উৎসব হলো বিজু, যা বর্ষবরণের সময় রাঙ্গামাটিসহ পুরো পার্বত্য অঞ্চলে মহাসমারোহে উদযাপিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাঙ্গামাটি জেলায় — এটি সঠিক উত্তর কারণ চাকমা জনগোষ্ঠীর সর্বাধিক লোকসংখ্যা এই জেলায় বসবাস করে। B) খাগড়াছড়ি জেলায় — এই জেলায় মারমা ও ত্রিপুরা জনগোষ্ঠীর ভালো অবস্থান থাকলেও চাকমা জনগোষ্ঠীর লোকসংখ্যা রাঙ্গামাটির চেয়ে কম। C) বান্দরবান জেলায় — এটি বম, ম্রো ও মারমা জনগোষ্ঠীর প্রধান বসবাসস্থল, তাই চাকমা জনগোষ্ঠীর লোকসংখ্যা এখানে সর্বাধিক নয়। D) সিলেট জেলায় — এটি মূলত খাসিয়া ও মণিপুরি জনগোষ্ঠীর প্রধান এলাকা, যেখানে চাকমা জনগোষ্ঠীর উল্লেখযোগ্য বসবাস নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: চাকমা মানে রাঙ্গামাটি, কারণ পার্বত্য অঞ্চলের প্রধান এই জনগোষ্ঠীর সদর দপ্তর এবং মূল কেন্দ্র রাঙ্গামাটি জেলায় অবস্থিত। অন্যান্য জেলার সঙ্গে গুলিয়ে না ফেলে চাকমার সঙ্গে রাঙ্গামাটির এই প্রধান সংযোগটি মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলাদেশের বৃহত্তম ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী কোনটি এবং তাদের প্রধান বসবাস কোথায়, তা চাকরির পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। একই বিষয় থেকে প্রশ্ন হতে পারে চাকমা সার্কেলের প্রধান কে বা তাদের প্রধান উৎসবের নাম কী।
a ভারত থেকে
b চীন থেকে
c জাপান থেকে
d সিঙ্গাপুর থেকে
0 92 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চীন থেকে ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশ বর্তমানে সর্বাধিক পরিমাণ পণ্য আমদানি করে চীন থেকে। - তৈরি পোশাক শিল্পের কাঁচামাল, যন্ত্রপাতি এবং ইলেকট্রনিক্স পণ্যের জন্য বাংলাদেশ চীনের ওপর সবচেয়ে বেশি নির্ভরশীল। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: অর্থনীতি ও বাণিজ্য: - চীন বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাণিজ্য অংশীদার এবং আমদানির প্রধান উৎস। - বাংলাদেশ চীন থেকে মূলধন যন্ত্রপাতি এবং শিল্পের কাঁচামাল আমদানি করে থাকে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: তৈরি পোশাক শিল্প ব্যাখ্যা: বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি খাত পোশাক শিল্পের জন্য প্রয়োজনীয় সুতা, ফেব্রিকস এবং কেমিক্যাল চীন থেকেই সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয়। উদাহরণ ২: মেগা প্রকল্প ব্যাখ্যা: বাংলাদেশের পদ্মা সেতু রেল সংযোগ এবং কর্ণফুলী টানেলের মতো বড় প্রকল্পগুলোতে চীন অর্থায়ন এবং কারিগরি সহায়তা প্রদান করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারত থেকে — ভারত বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম আমদানির উৎস হলেও প্রথম স্থানে নেই। C) জাপান থেকে — জাপান থেকে বাংলাদেশ কিছু নির্দিষ্ট যন্ত্রপাতি ও গাড়ি আমদানি করে, তবে মোট আমদানির পরিমাণ চীনের চেয়ে কম। D) সিঙ্গাপুর থেকে — সিঙ্গাপুর থেকে প্রধানত জ্বালানি তেল ও পেট্রোলিয়ামজাত পণ্য আমদানি করা হয়, যা শীর্ষ আমদানির পরিমাণের দিক থেকে চীনের পরে অবস্থান করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - কাঁচামাল আমদানিতে চীন চিন, অর্থাৎ চীন সবার উপরে। - বাণিজ্য ঘাটতির দিক থেকেও চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবধান সবচেয়ে বেশি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলাদেশ সর্বাধিক পণ্য আমদানি করে চীন থেকে এবং সর্বাধিক পণ্য রপ্তানি করে যুক্তরাষ্ট্রে। - এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
a Permanent Court of Justice
b International Tribunal for the law of the Sea
c International Court of Justice
d Perinanent Court of Arbitration
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) International Tribunal for the law of the Sea ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ও মায়ানমারের মধ্যকার সমুদ্রসীমা বিরোধ আন্তর্জাতিক সমুদ্র আইন ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা হয়। - ২০১২ সালের ১৪ মার্চ এই ট্রাইব্যুনাল বাংলাদেশের পক্ষে রায় প্রদান করে বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব নিশ্চিত করে। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯৭৪ সালে সমুদ্র উপকূল আইন প্রণয়নের পর থেকেই মিয়ানমার ও ভারতের সঙ্গে সমুদ্রসীমা নিয়ে বাংলাদেশের বিরোধ সৃষ্টি হয়। - তারিখ ও স্থান: ২০১২ সালের ১৪ মার্চ জার্মানির হামবুর্গ শহরে অবস্থিত আন্তর্জাতিক সমুদ্র আইন ট্রাইব্যুনালে এই ঐতিহাসিক মামলার চূড়ান্ত রায় ঘোষণা করা হয়। - তাৎপর্য ও ফলাফল: এই রায়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ বঙ্গোপসাগরে ১ লক্ষ ১১ হাজার বর্গকিলোমিটারের বেশি পানির ওপর সার্বভৌম অধিকার লাভ করে। - সংশ্লিষ্ট তথ্য: মিয়ানমারের সঙ্গে সমুদ্রসীমা নিষ্পত্তির পর ২০১৪ সালে ভারতের সঙ্গেও সমুদ্রসীমা বিরোধের স্থায়ী আন্তর্জাতিক সালিশি আদালতের রায় বাংলাদেশের পক্ষে আসে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশ ও ভারতের সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তি ব্যাখ্যা: ২০১৪ সালের ৭ জুলাই স্থায়ী সালিশি আদালতের রায়ের মাধ্যমে ভারতের সঙ্গেও বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা বিরোধের অবসান ঘটেছিল। উদাহরণ ২: সেন্ট মার্টিন দ্বীপের মালিকানা রক্ষা ব্যাখ্যা: মিয়ানমার সমুদ্রসীমা মামলায় দাবি করেছিল সেন্ট মার্টিন দ্বীপ তাদের জলসীমায় পড়ে, যা এই রায়ের মাধ্যমে বাংলাদেশের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে স্থায়ীভাবে রক্ষিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Permanent Court of Justice — এটি জাতিসংঘের প্রধান বিচার বিভাগীয় অঙ্গ যা মূলত রাষ্ট্রগুলোর মধ্যকার আইনি বিবাদ নিষ্পত্তি করে, সমুদ্রসীমা বিরোধের জন্য এটি প্রধান ফোরাম নয়। B) International Tribunal for the law of the Sea — এটি জাতিসংঘের সমুদ্র আইন কনভেনশনের অধীনে প্রতিষ্ঠিত বিশেষায়িত আন্তর্জাতিক আদালত যা এই মামলার সঠিক বিচারক ছিল। C) International Court of Justice — এটি সাধারণ আন্তর্জাতিক আদালত যা জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সাধারণ বিরোধ নিষ্পত্তি করে, তবে সমুদ্র আইন সংক্রান্ত বিশেষ বিরোধের জন্য বিশেষায়িত ট্রাইব্যুনাল রয়েছে। D) Perinanent Court of Arbitration — এটি রাষ্ট্রগুলোর মধ্যকার সালিশি ও বিরোধ নিষ্পত্তির প্রাচীনতম প্রতিষ্ঠান হলেও বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের সমুদ্র মামলাটি এখানে পরিচালিত হয়নি। ৫. মনে রাখার টিপস: - সমুদ্র আইন সংক্রান্ত যেকোনো বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য সমুদ্রের নামের সঙ্গে মিল রেখে ট্রাইব্যুনালের নাম মনে রাখতে হবে। - ২০১২ সাল মিয়ানমারের সঙ্গে এবং ২০১৪ সাল ভারতের সঙ্গে সমুদ্রসীমা জয়ের বছর হিসেবে মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - আন্তর্জাতিক সমুদ্র আইন ট্রাইব্যুনাল বা আইটলস এর সদর দপ্তর জার্মানির হামবুর্গ শহরে অবস্থিত। - সমুদ্রসীমা মামলার রায়ের ফলে বাংলাদেশ বঙ্গোপসাগরে ব্লু ইকোনমি বা সুনীল অর্থনীতি পরিচালনার পথ উন্মুক্ত করেছে।
a বিকনঅন্বেষণা
b ব্র্যাক অন্বেষা
c নোয়া ১৮
d নোয়া ১৯
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ব্র্যাক অন্বেষা ১. কেন সঠিক: - ব্র্যাক অন্বেষা হলো বাংলাদেশের তৈরি এবং মহাকাশে পাঠানো প্রথম ন্যানো স্যাটেলাইট বা ক্ষুদ্র কৃত্রিম উপগ্রহ। - ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশل বিভাগের তিন জন শিক্ষার্থী এই স্যাটেলাইটটি তৈরিতে সরাসরি অংশগ্রহণ করেছিলেন এবং এটি সফলভাবে মহাশূন্যে পাঠানো হয়। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: বাংলাদেশের প্রযুক্তিগত উৎকর্ষ সাধনের পথে ন্যানো স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ একটি যুগান্তকারী মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হয়। - তারিখ ও স্থান: ২০১৭ সালের ৪ জুন ব্র্যাক অন্বেষা আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন থেকে পৃথিবীর কক্ষপথে সফলভাবে উৎক্ষেপণ করা হয়। - ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সিএসই এবং ইইই বিভাগের শিক্ষার্থী যথাক্রমে আব্দুল্লাহ আল কাফি, রায়হানা শামস ইসলাম অন্তরা এবং মীর মইনুল ইসলাম এই প্রজেক্টের সাথে যুক্ত ছিলেন। - তাৎপর্য ও ফলাফল: এর মাধ্যমে বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও রিমোট সেন্সিং প্রযুক্তির যুগে আনুষ্ঠানিকভাবে পদার্পণ করে এবং শিক্ষার্থীদের বাস্তবভিত্তিক মহাকাশ গবেষণার সুযোগ সৃষ্টি হয়। - সংশ্লিষ্ট তথ্য: জাপানের কিউশু ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির সহায়তায় বার্ড প্রজেক্টের অধীনে এই স্যাটেলাইটটি তৈরি করা হয়েছিল। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ১ ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের প্রথম ভূস্থির বা জিওস্টেশনারি যোগাযোগ উপগ্রহ, যা ২০১৮ সালে উৎক্ষেপণ করা হয় এবং দেশের সম্প্রচার ও টেলিযোগাযোগ খাতে বিপ্লব ঘটায়। উদাহরণ ২: কিউফু ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি ব্যাখ্যা: জাপানের এই উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের ন্যানো স্যাটেলাইট তৈরির প্রযুক্তিগত প্রশিক্ষণ প্রদানে প্রধান ভূমিকা পালন করেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিকনঅন্বেষণা — এই নামে বাংলাদেশের কোনো কৃত্রিম উপগ্রহ মহাকাশে পাঠানো হয়নি এবং এটি একটি কাল্পনিক বা ভুল অপশন। B) ব্র্যাক অন্বেষা — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বাংলাদেশের প্রথম সফল ন্যানো স্যাটেলাইটের নাম। C) নোয়া ১৮ — এটি কোনো স্যাটেলাইট নয় এবং বাংলাদেশের মহাকাশ গবেষণার ইতিহাসে এই নামের কোনো উপস্থিতি নেই। D) নোয়া ১৯ — এই নামের কোনো মহাকাশযান বা কৃত্রিম উপগ্রহ বাংলাদেশ তৈরি বা উৎক্ষেপণ করেনি। ৫ মনে রাখার টিপস: - মহাকাশে অন্বেষণ করার জন্য ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা যে প্রথম স্যাটেলাইট বানিয়েছিল তার নাম ব্র্যাক অন্বেষা। - প্রথম স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের সালটি মনে রাখতে ২০১৭ সালের জুন মাসের কথা মাথায় রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অংশ থেকে প্রায়ই বাংলাদেশের স্যাটেলাইট সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে। - ব্র্যাক অন্বেষা একটি ন্যানো স্যাটেলাইট এবং বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ১ একটি যোগাযোগ স্যাটেলাইট, এই দুটি তথ্যের পার্থক্য ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a 1993
b 1997
c 1999
d 2001
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯৯৭ ১. কেন সঠিক: পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর। দীর্ঘ দুই দশকের বেশি সময় ধরে চলা সংঘাতের অবসান ঘটিয়ে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য বাংলাদেশ সরকার ও জনসংহতি সমিতির মধ্যে এই ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: সত্তরের দশক থেকে পার্বত্য চট্টগ্রামে রাজনৈতিক অসন্তোষ ও সশস্ত্র সংঘাতের সূত্রপাত ঘটে। তারিখ ও স্থান: ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর ঢাকার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: সরকারের পক্ষে আবুল হাসনাত আবদুল্লাহ এবং পাহাড়ি জনগণের পক্ষে জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা বা সন্তু লারমা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। তাৎপর্য ও ফলাফল: এর মাধ্যমে পার্বত্য অঞ্চলে দীর্ঘ রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের অবসান ঘটে এবং আঞ্চলিক পরিষদ গঠনের পথ সুগম হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঐতিহাসিক মুজিবনগর সরকার গঠন। ব্যাখ্যা: এটি ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল গঠিত হয় এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে নেতৃত্ব দেয়। উদাহরণ ২: ১৯৭৫ সালের ঐতিহাসিক ১৫ আগস্ট। ব্যাখ্যা: এই দিনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করা হয় যা বাংলাদেশের রাজনীতিতে বড় মোড় পরিবর্তন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৪৩ — এই সালে বাংলায় ভয়াবহ মন্বন্তর বা দুর্ভিক্ষ হয়েছিল এবং এর সঙ্গে পার্বত্য চুক্তির কোনো সম্পর্ক নেই। B) ১৯৯৭ — এটি সঠিক উত্তর। C) ১৯৯৯ — এই সালে ইউনেসকো ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। D) ২০০১ — এই সালে বাংলাদেশের অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় এবং নতুন সরকার ক্ষমতা গ্রহণ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: নব্বইয়ের দশকের শেষের দিকে অর্থাৎ ১৯৯৭ সালে পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি ফিরে আসে। এভাবে সালটি সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: চুক্তির স্বাক্ষরের তারিখ অর্থাৎ ২ ডিসেম্বর এবং স্থান ঢাকা ভালোভাবে মনে রাখতে হবে। একই বিষয় থেকে প্রশ্ন আসতে পারে চুক্তির স্বাক্ষরকারী দুজন নেতার নাম নিয়ে।
a ২টি
b ৩টি
c ৪টি
d ৫টি
0 105 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২টি ১. কেন সঠিক: - মায়ানমারের সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত রয়েছে মাত্র দুটি জেলার, যা ভৌগোলিক অবস্থানগত কারণে নির্ধারিত। জেলা দুটি হলো বান্দরবান এবং রাঙ্গামাটি। - ভৌগোলিক সীমানা নির্ধারণের ক্ষেত্রে নদী ও পাহাড়ি অঞ্চলের অবস্থান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ২. ভৌগোলিক সীমানা ও ভূপ্রকৃতি: - ভৌগোলিক অবস্থান: মায়ানমার বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব দিকে অবস্থিত এবং এর সাথে বাংলাদেশের মোট সীমান্ত দৈর্ঘ্য প্রায় ২৭১ কিলোমিটার। - সম্পর্কিত তথ্য: বাংলাদেশের সাথে মোট দুটি দেশের সীমান্ত রয়েছে, যার একটি ভারত এবং অন্যটি মায়ানমার। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাঙ্গামাটি জেলা ব্যাখ্যা: রাঙ্গামাটি বাংলাদেশের বৃহত্তম জেলা এবং এর একটি অংশ মায়ানমারের সাথে আন্তর্জাতিক সীমান্ত ভাগ করে নেয়। উদাহরণ ২: বান্দরবান জেলা ব্যাখ্যা: বান্দরবান পাহাড়ি জেলা হওয়ায় এর পূর্ব সীমান্তে মায়ানমারের সাথে দীর্ঘ পাহাড়ি সীমান্ত রয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২টি — এটি সঠিক কারণ শুধুমাত্র বান্দরবান ও রাঙ্গামাটি জেলার সাথে মায়ানমারের সীমান্ত রয়েছে। B) ৩টি — এটি ভুল কারণ বাংলাদেশের তিনটি জেলার সাথে মায়ানমারের সীমান্ত নেই। C) ৪টি — এটি ভুল কারণ চার জেলা মায়ানমার সীমান্তবর্তী নয়। D) ৫টি — এটি ভুল কারণ মায়ানমারের সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত জেলার সংখ্যা পাঁচটির কম অর্থাৎ দুটি। ৫. মনে রাখার টিপস: - মায়ানমারের সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত মনে রাখতে 'বারো' শব্দ বা দুটি পাহাড়ি জেলার কথা মাথায় রাখতে হবে। বান্দরবান ও রাঙ্গামাটি হলো সেই দুটি জেলা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সীমান্ত সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। যেমন, ভারতের সাথে কয়টি জেলার সীমান্ত রয়েছে, তা ভালোভাবে জেনে রাখা প্রয়োজন।
a রাস্তায় ট্রাফিক আইন মেনে চলা
b শিল্প কারখানায় অধিক শ্রমিক নিয়োগ দেয়া
c দক্ষ জনশক্তি তৈরি করা
d রাজনৈতিক সংগঠনে অন্তর্ভুক্ত হওয়া
0 107 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রাস্তায় ট্রাফিক আইন মেনে চলা ১. কেন সঠিক: নাগরিকের অধিকার ও কর্তব্য একে অপরের পরিপূরক। রাষ্ট্র যেমন নাগরিককে মৌলিক অধিকার ও নিরাপত্তা প্রদান করে, তেমনি নাগরিকেরও রাষ্ট্রের প্রতি কিছু সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব ও কর্তব্য থাকে। রাস্তায় ট্রাফিক আইন মেনে চলা সাধারণ নাগরিকের দৈনন্দিন ও নৈতিক দায়িত্বের অন্তর্ভুক্ত। এটি পালন করলে জননিরাপত্তা রক্ষা পায় এবং রাষ্ট্রে শৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: সংবিধান ও আইন: বাংলাদেশের সংবিধানের ২১ অনুচ্ছেদে নাগরিক ও সরকারি কর্মচারীদের কর্তব্য সম্পর্কে বলা হয়েছে। সব নাগরিকের দায়িত্ব হলো সংবিধান ও আইন মানা এবং রাষ্ট্রীয় শৃঙ্খলা বজায় রাখা। সামাজিক শৃঙ্খলা: রাষ্ট্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য আইন মেনে চলা প্রতিটি নাগরিকের মূল দায়িত্ব। ট্রাফিক আইন অমান্য করলে শুধু বিশৃঙ্খলা তৈরি হয় না, বরং মূল্যবান জীবনহানিও ঘটে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ফুটওভার ব্রিজ ব্যবহার করা বা জেব্রা ক্রসিং দিয়ে রাস্তা পার হওয়া। ব্যাখ্যা: এটি নাগরিকের ট্রাফিক আইন মেনে চলার একটি বাস্তব উদাহরণ, যা নিজে নিরাপদ থাকতে এবং যানজট কমাতে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: ট্রাফিক সিগন্যাল লাল থাকা অবস্থায় গাড়ি থামানো। ব্যাখ্যা: এই সচেতনতা দেশের নাগরিকদের ট্রাফিক আইন সম্পর্কে শ্রদ্ধাশীল করে তোলে এবং দুর্ঘটনা কমায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাস্তায় ট্রাফিক আইন মেনে চলা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি সাধারণ নাগরিকের ব্যক্তিগত ও সামাজিক দায়িত্ব। B) শিল্প কারখানায় অধিক শ্রমিক নিয়োগ দেয়া — এটি রাষ্ট্রের বা শিল্পপতির অর্থনৈতিক কার্যক্রম, কোনো সাধারণ নাগরিকের মৌলিক দায়িত্ব নয়। C) দক্ষ জনশক্তি তৈরি করা — এটি মূলত রাষ্ট্রীয় বা প্রাতিষ্ঠানিক পলিসি এবং শিক্ষা ব্যবস্থার দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্য। D) রাজনৈতিক সংগঠনে অন্তর্ভুক্ত হওয়া — রাজনৈতিক দলে যোগ দেওয়া নাগরিকের গণতান্ত্রিক অধিকার হতে পারে, কিন্তু এটি বাধ্যতামূলক দায়িত্ব বা কর্তব্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: নাগরিকের দায়িত্ব বলতে বোঝায় যা সমাজের সাধারণ শৃঙ্খলা রক্ষা করে। ট্রাফিক আইন মেনে চলা ব্যক্তিগত সচেতনতার বিষয়, যা সবার জন্য প্রযোজ্য। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: নাগরিকের অধিকার ও কর্তব্য সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। অধিকার ভোগ করার পাশাপাশি আইন মেনে চলার দায়িত্ব সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা থাকা জরুরি।
a মুশফিক
b তামিম
c সাব্বির
d লিটন দাস
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মুশফিক ১. কেন সঠিক: - মুশফিকুর রহিম টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি করার গৌরব অর্জন করেন। - ২০১৩ সালের মার্চ মাসে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে গল টেস্টে তিনি এই ঐতিহাসিক কৃতিত্ব অর্জন করেন। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: বাংলাদেশ ২০০০ সালে টেস্ট স্ট্যাটাস অর্জনের পর দীর্ঘ ১৩ বছর কোনো ব্যাটসম্যান টেস্টে দ্বি-শতক করতে পারেননি। - তারিখ ও স্থান: ২০১৩ সালের ৯ মার্চ শ্রীলঙ্কার গলের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে তিনি এই রেকর্ড গড়েন। - ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: মুশফিকুর রহিম বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও অভিজ্ঞ উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান। - তাৎপর্য ও ফলাফল: এই ইনিংসটি ছিল বাংলাদেশের টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে প্রথম কোনো ডাবল সেঞ্চুরি, যা দেশের ক্রিকেটে নতুন মাইলফলক স্থাপন করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: সাকিব আল হাসান ব্যাখ্যা: তিনি টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে দ্বিতীয় ডাবল সেঞ্চুরি অর্জন করেন, যা ২০১৭ সালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়েলিংটনে করেছিলেন। উদাহরণ ২: তামিম ইকবাল ব্যাখ্যা: তিনি বাংলাদেশের পক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত রানের ইনিংসের মালিক ছিলেন না এই রেকর্ডের সময়, তবে তিনি প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের তিন ফরম্যাটেই সেঞ্চুরি করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুশফিক — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে টেস্টে ডাবল সেঞ্চুরি করেন। B) তামিম — তামিম ইকবাল টেস্টে ডাবল সেঞ্চুরি করেছেন ঠিকই, তবে সেটি মুশফিকের পরে ইংল্যান্ড ও পাকিস্তানের বিপক্ষে করেছিলেন। C) সাব্বির — সাব্বির রহমান একজন আক্রমণাত্মক ব্যাটসম্যান হলেও তিনি টেস্ট ক্রিকেটে কোনো ডাবল সেঞ্চুরি করার রেকর্ড গড়েননি। D) লিটন দাস — লিটন দাস বাংলাদেশের অন্যতম সেরা ব্যাটার হলেও টেস্টে তার কোনো ডাবল সেঞ্চুরি নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - মুশফিক নামটি মনে রাখুন টেস্টের প্রথম ডাবল সেঞ্চুরিয়ান হিসেবে। - মনে রাখুন মুশফিক ২০১৩ সালে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে গল স্টেডিয়ামে এই কীর্তি গড়েন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রশ্নটি খেলাধুলা ও বাংলাদেশের প্রথম অর্জন থেকে প্রায়ই বিসিএস ও ব্যাংক নিয়োগে আসে। - একই বিষয় থেকে পরবর্তীতে টেস্টে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত রান কার বা দ্বিতীয় ডাবল সেঞ্চুরিয়ান কে, এমন প্রশ্ন আসতে পারে।
a 12
b 13
c 14
d 15
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৫ ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো জিডিপি বা জাতীয় আয় গণনার জন্য দেশের অর্থনীতিকে মোট পনেরোটি প্রধান খাতে ভাগ করেছে। - এই খাতগুলোর মাধ্যমে কৃষি, শিল্প ও সেবা খাতের সামগ্রিক উৎপাদন এবং অবদান সঠিকভাবে পরিমাপ করা হয়। ২. অর্থনীতি ও পরিসংখ্যান: - অর্থনৈতিক খাত: জাতীয় হিসাব প্রস্তুতের জন্য খাতগুলোকে পুনরায় প্রধান তিনটি ভাগে অর্থাৎ কৃষি, শিল্প এবং সেবা খাতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। - পরিসংখ্যান সংস্থা: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো বা বিবিএস দেশের জাতীয় আয়, প্রবৃদ্ধি এবং জিডিপি সংক্রান্ত সকল হিসাব প্রকাশ করে থাকে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: কৃষি ও বনজ খাত ব্যাখ্যা: এটি জাতীয় আয়ের একটি প্রধান খাত যা দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। উদাহরণ ২: পাইকারি ও খুচরা ব্যবসা খাত ব্যাখ্যা: সেবা খাতের অন্তর্ভুক্ত এই খাতটি দেশের জিডিপিতে অন্যতম বৃহৎ অংশ সংযোজন করে থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১২ — এই সংখ্যাটি জিডিপি গণনার বর্তমান প্রাতিষ্ঠানিক খাত বিন্যাসের সঙ্গে মিলে না। B) ১৩ — ঐতিহ্যগতভাবে বিভিন্ন সময়ে খাতের সংখ্যা ভিন্ন থাকলেও বর্তমানে তা নয়। সি) ১৪ — এই সংখ্যাটি জিডিপি খাতের সঠিক উপবিভাজনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - জাতীয় আয় গণনার খাতের সংখ্যা মনে রাখতে পনেরো সংখ্যাটি মনে রাখুন। - অর্থনীতির পরিধি বোঝাতে পনেরোটি প্রধান খাতের হিসাব মাথায় রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - জাতীয় আয় গণনার মূল দায়িত্ব পালনকারী প্রতিষ্ঠানের নাম বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো। - জিডিপিতে কোন খাতের অবদান সবচেয়ে বেশি, এই ধরনের প্রশ্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
a ৩০ বছর
b ৩৫ বছর
c ৪০ বছর
d ৪৫ বছর
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩৫ বছর ১. কেন সঠিক: - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচিত হওয়ার জন্য সংবিধান অনুযায়ী প্রার্থীর ন্যূনতম বয়স ৩৫ বছর হতে হবে। - এটি বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য নির্ধারিত একটি বাধ্যতামূলক সাংবিধানিক যোগ্যতা। ২. সংবিধান ও আইন: - সংবিধান এবং আইন: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৪৮ অনুচ্ছেদের ৪ দফার (ক) উপদফা অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচিত হতে হলে প্রার্থীর বয়স কমপক্ষে পঁয়ত্রিশ বছর হতে হবে। - সাংবিধানিক পদ: রাষ্ট্রপতি হলেন রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদ এবং তিনি প্রজাতন্ত্রের প্রধান নির্বাহী ক্ষমতা প্রয়োগ করেন। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি ব্যাখ্যা: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি এবং তাঁর বয়স এই পদের সাংবিধানিক যোগ্যতার শর্ত পূর্ণ করেছিল। উদাহরণ ২: সংসদ সদস্য পদের বয়স ব্যাখ্যা: বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের সদস্য পদে নির্বাচিত হওয়ার ন্যূনতম বয়স পঁচিশ বছর, যা রাষ্ট্রপতি পদের বয়সের চেয়ে দশ বছর কম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩০ বছর — এটি সংসদ সদস্য বা স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার বয়স নয়, তবে রাষ্ট্রপতি পদের জন্য এই বয়স অপর্যাপ্ত। B) ৩৫ বছর — এটি সঠিক উত্তর কারণ সংবিধানের ৪৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি পদের জন্য এটিই নির্ধারিত ন্যূনতম বয়স। C) ৪০ বছর — এটি রাষ্ট্রপতি পদের জন্য নির্ধারিত বয়স নয়, এটি কিছু বিশেষ সাংবিধানিক বা উচ্চপদস্থ পদের ন্যূনতম বয়স হিসেবে মানুষ ভুল করে মনে করে। D) ৪৫ বছর — এই বয়সসীমা বাংলাদেশের কোনো প্রধান সাংবিধানিক পদের জন্য ন্যূনতম বয়স হিসেবে সংবিধানে নির্ধারিত নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - সংসদ সদস্য হতে বয়স লাগে পঁচিশ বছর, আর এর সাথে দশ বছর যোগ করলে রাষ্ট্রপতি হওয়ার বয়স অর্থাৎ পঁয়ত্রিশ বছর পাওয়া যায়। - এভাবে মনে রাখলে সংসদ সদস্য এবং রাষ্ট্রপতির বয়সের পার্থক্যটি সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সংবিধানের ৪৮ অনুচ্ছেদ ভালোভাবে পড়তে হবে কারণ এখান থেকে রাষ্ট্রপতি পদের যোগ্যতা ও অযোগ্যতা সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। - একই টপিক থেকে রাষ্ট্রপতি পদের মেয়াদ এবং অভিশংসন সংক্রান্ত অনুচ্ছেদ থেকেও প্রশ্ন আসতে পারে।
a রাজনৈতিক দল
b সুশীল সমাজ
c বিচার বিভাগ
d প্রশাসন বিভাগ
0 111 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সুশীল সমাজ ১. কেন সঠিক: - সুশীল সমাজ বলতে রাষ্ট্রের কাঠامোর বাইরে এমন একটি সামাজিক পরিসরকে বোঝায় যা সরকার বা কর্পোরেট নিয়ন্ত্রণের আওতাভুক্ত নয় কিন্তু জনমত গঠনে সক্ষম। - বুদ্ধিজীবী, শিক্ষক, সাংবাদিক, গবেষক এবং বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠন এই শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত হয়ে নীতিনির্ধারকদের ওপর নৈতিক চাপ সৃষ্টি করে। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রাম, স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন এবং বিভিন্ন গণতান্ত্রিক সংকটে সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন। - তাৎপর্য ও ফলাফল: রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার বাইরে থেকে জনস্বার্থ রক্ষা, দুর্নীতি প্রতিরোধ এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠায় এই সমাজব্যবস্থা একটি শক্তিশালী অদৃশ্য চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: সংবাদমাধ্যম এবং সম্পাদক পরিষদ ব্যাখ্যা: এরা সরকারের সরাসরি অংশ না হয়েও সংবাদ ও মত প্রকাশের মাধ্যমে সমাজে প্রবল প্রভাব বিস্তার করে। উদাহরণ ২: টিআইবি বা ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ ব্যাখ্যা: এটি একটি বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান যা সরকারের বাইরে থেকে দেশের সুশাসন ও দুর্নীতি নিয়ে কাজ করে প্রভাব ফেলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাজনৈতিক দল — এটি সরাসরি রাষ্ট্রক্ষমতা দখল বা সরকার গঠনের উদ্দেশ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে, যা সুশীল সমাজের সংজ্ঞাভুক্ত নয়। C) বিচার বিভাগ — এটি সরকারের একটি আনুষ্ঠানিক সাংবিধানিক বিভাগ যা আইন প্রয়োগ ও বিচারকার্য পরিচালনা করে। D) প্রশাসন বিভাগ — এটি রাষ্ট্রের নির্বাহী অঙ্গের অংশ যা সরকারি নীতি বাস্তবায়নের সাথে সরাসরি যুক্ত। ৫ মনে রাখার টিপস: - মনে রাখবেন, সরকারের অংশ নয় কিন্তু সমাজের নীতিনির্ধারণে প্রভাব ফেলে এমন নিরপেক্ষ ও স্বাধীন গোষ্ঠীই হলো সুশীল সমাজ। - রাজনৈতিক দল ক্ষমতা চায়, প্রশাসন দেশ চালায়, আর সুশীল সমাজ পাহারাদারের ভূমিকা পালন করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে সংবাদমাধ্যম বা সুশীল সমাজের ভূমিকা সম্পর্কিত প্রশ্ন বিসিএস লিখিত ও প্রিলিমিনারিতে প্রায়ই আসে। - এই প্রশ্নটি থেকে পরীক্ষার্থীরা রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও সমাজবিজ্ঞানের মৌলিক ধারণা সম্পর্কে স্পষ্ট জ্ঞান লাভ করতে পারে।
a পৌরসভা
b পল্লী বিদ্যুৎ
c সিটি কর্পোরেশন
d উপজেলা পরিষদ
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পল্লী বিদ্যুৎ ১. কেন সঠিক: স্থানীয় সরকার বলতে এমন একটি প্রশাসনিক ব্যবস্থাকে বোঝায় যেখানে স্থানীয় জনগণের দ্বারা নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে নির্দিষ্ট এলাকার স্থানীয় সমস্যা সমাধান ও উন্নয়নমূলক কাজ পরিচালিত হয়। পল্লী বিদ্যুৎ কোনো স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান নয়, এটি বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের অধীনে পরিচালিত একটি রাষ্ট্রীয় বাণিজ্যিক বা সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান যা গ্রামীণ অঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে থাকে। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: সংবিধান ও আইন: বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৯ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী দেশের প্রতিটি প্রশাসনিক এলাকার স্থানীয় শাসনভার নির্বাচিত ব্যক্তিদের সমন্বয়ে গঠিত স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের ওপর ন্যস্ত করা হয়েছে। প্রশাসনিক কাঠামো: বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে মূলত দুই ভাগে ভাগ করা হয়, যার মধ্যে গ্রামীণ অঞ্চলে রয়েছে ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও জেলা পরিষদ এবং শহরাঞ্চলে রয়েছে পৌরসভা ও সিটি কর্পোরেশন। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন ব্যাখ্যা: এটি একটি স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান যা নগরবাসীর নাগরিক সুবিধা ও সেবা নিশ্চিত করার জন্য স্থানীয়ভাবে নির্বাচিত মেয়র ও কাউন্সিলর দ্বারা পরিচালিত হয়। উদাহরণ ২: বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড ব্যাখ্যা: এটি পল্লী বিদ্যুতের মতোই একটি জাতীয় পর্যায়ের সরকারি সংস্থা, যা দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন ও বিতরণের সাথে যুক্ত কিন্তু স্থানীয় সরকারের অংশ নয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পৌরসভা — এটি শহর অঞ্চলের একটি স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান যা নাগরিকদের মৌলিক নাগরিক সুবিধা প্রদান করে থাকে। B) পল্লী বিদ্যুৎ — এটি কোনো স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান নয়, বরং বিদ্যুৎ বিতরণ ও সরবরাহের জন্য গঠিত একটি রাষ্ট্রায়ত্ত স্বতন্ত্র বোর্ড বা সংস্থা। C) সিটি কর্পোরেশন — এটি দেশের বড় বড় মহানগর এলাকার জন্য গঠিত স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার সর্বোচ্চ স্তর। D) উপজেলা পরিষদ — এটি গ্রামীণ প্রশাসনিক ব্যবস্থার উপজেলা স্তরে গঠিত একটি জননির্বাচিত স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান। ৫. মনে রাখার টিপস: স্থানীয় সরকার চেনার সহজ উপায় হলো এগুলো সরাসরি নির্বাচন বা জনগণের প্রতিনিধিত্বের মাধ্যমে গঠিত হয় এবং সুনির্দিষ্ট এলাকার প্রশাসন চালায়। পল্লী বিদ্যুৎ বা এই জাতীয় সেবা সংস্থাগুলো বিদ্যুৎ বা গ্যাস সরবরাহের কাজে নিয়োজিত, তাই এগুলোকে স্থানীয় সরকার হিসেবে গণ্য করা যাবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা মূলত ত্রিস্তর বিশিষ্ট গ্রামীণ কাঠামো এবং দ্বিস্তর বিশিষ্ট শহুরে কাঠামোর ওপর প্রতিষ্ঠিত। এই টপিক থেকে পরীক্ষায় প্রায়ই কোন প্রতিষ্ঠানটি স্থানীয় সরকার বা কোনটি স্থানীয় সরকার নয় তা নিয়ে প্রশ্ন আসে, তাই সংবিধানে বর্ণিত স্থানীয় সরকারের স্তরগুলো ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a নির্বাচন কমিশনের অনুমতিক্রমে প্রার্থী হতে পারবেন
b আইন মন্ত্রণালয়ের অনুমতিক্রমে প্রার্থী হতে পারবেন
c সংশিষ্ট দলীয় কর্তৃপক্ষের অনুমতিক্রমে প্রার্থী হতে পারবেন
d কোনোক্রমেই প্রার্থী হতে পারবেন না
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কোনোক্রমেই প্রার্থী হতে পারবেন না ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার জন্য ভোটার তালিকাভুক্ত হওয়া একটি বাধ্যতামূলক এবং প্রাথমিক শর্ত। দেশের কোনো এলাকাতেই ভোটার হননি এমন ব্যক্তি আইনের দৃষ্টিতে প্রার্থী হওয়ার যোগ্য নন। - গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এবং সংবিধানের সংশ্লিষ্ট বিধান অনুযায়ী ভোটার তালিকার সঙ্গে সংসদ সদস্য পদের প্রার্থিতা সরাসরি যুক্ত। ভোটার না হলে প্রার্থী হওয়ার কোনো আইনি সুযোগ থাকে না। ২. সংবিধান ও আইন: - সংবিধান ও আইন: গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ (RPO) এর বিধান অনুযায়ী সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হলে প্রার্থীকে অবশ্যই বাংলাদেশের যেকোনো নির্বাচনী এলাকার ভোটার হতে হবে। - তাৎপর্য ও ফলাফল: এই বিধানের উদ্দেশ্য হলো নিশ্চিত করা যে কেবল বাংলাদেশের আইনসম্মত নাগরিক এবং ভোটাররাই দেশের আইনপ্রণেতা হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার অধিকার রাখেন। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিক ব্যাখ্যা: বিদেশে বসবাসকারী কোনো বাংলাদেশি নাগরিক যদি দেশের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত না থাকেন, তবে তিনি সরাসরি সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না। উদাহরণ ২: দ্বৈত নাগরিকত্ব বা নতুন ভোটার ব্যাখ্যা: নতুন ভোটার হওয়ার বয়স পূর্ণ হওয়া সত্ত্বেও যদি কেউ ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত না করেন, তবে তিনি নির্বাচনে অংশগ্রহণের আইনি যোগ্যতা অর্জন করবেন না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নির্বাচন কমিশনের অনুমতিক্রমে প্রার্থী হতে পারবেন — নির্বাচন কমিশনের কোনো এখতিয়ার নেই ভোটার তালিকায় নাম না থাকা ব্যক্তিকে প্রার্থী হিসেবে অনুমোদন দেওয়ার কারণ আইন সবার জন্য সমান। B) আইন মন্ত্রণালয়ের অনুমতিক্রমে প্রার্থী হতে পারবেন — আইন মন্ত্রণালয় নির্বাচন পরিচালনা বা প্রার্থিতা অনুমোদন সংক্রান্ত কোনো সিদ্ধান্ত নেয় না, তাই এই অপশনটি ভুল। C) সংশিষ্ট দলীয় কর্তৃপক্ষের অনুমতিক্রমে প্রার্থী হতে পারবেন — রাজনৈতিক দল কাউকে মনোনয়ন দিলেও নির্বাচন কমিশনের আইনি শর্ত পূরণ না হলে সেই ব্যক্তি প্রার্থী হতে পারবেন না। D) কোনোক্রমেই প্রার্থী হতে পারবেন না — এটি সঠিক কারণ ভোটার না হলে প্রার্থী হওয়ার কোনো আইনি বিকল্প নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: - সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে হলে সবার আগে ভোটার হতে হবে। ভোটার না হলে নির্বাচন কমিশনে কোনো আবেদনই কাজে আসবে না। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার অযোগ্যতার শর্তগুলো থেকে প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের বিধানগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a ৩ বছর
b ৪ বছর
c ৫ বছর
d ৬ বছর
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫ বছর ১. কেন সঠিক: - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১১৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন গঠিত হয় এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদের মেয়াদকাল ৫ বছর নির্ধারিত রয়েছে। - এই নির্দিষ্ট মেয়াদকাল সাংবিধানিক ও প্রশাসনিক ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে এবং নির্বাচন কমিশনকে স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালনে সহায়তা করতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ২. সংবিধান ও আইন: - সংবিধানের ১১৮(৪) অনুচ্ছেদে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারদের পদের মেয়াদ সম্পর্কে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। - কোনো ব্যক্তি প্রধান নির্বাচন কমিশনার বা নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন শেষ করলে তিনি প্রজাতন্ত্রের অন্য কোনো পদে নিয়োগের যোগ্য হবেন না। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ ব্যাখ্যা: তিনি বাংলাদেশের প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে ৫ বছর মেয়াদ সফলভাবে পূর্ণ করেছিলেন। উদাহরণ ২: কে এম নুরুল হুদা ব্যাখ্যা: তিনিও নির্ধারিত ৫ বছর মেয়াদকাল দায়িত্ব পালন করে নির্বাচন কমিশন থেকে অবসর গ্রহণ করেছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩ বছর — বাংলাদেশের সাংবিধানিক কোনো গুরুত্বপূর্ণ পদের মেয়াদ সাধারণত ৩ বছর হয় না। B) ৪ বছর — সংসদ সদস্য বা নির্বাচন কমিশনারদের পদের মেয়াদ ৪ বছর নির্ধারিত নয়। D) ৬ বছর — বাংলাদেশের মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের পদের মেয়াদ ৬ বছর হলেও প্রধান নির্বাচন কমিশনারের মেয়াদ তা নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - নির্বাচন মানেই ৫ বছরের জন্য সরকার বা প্রতিনিধি নির্বাচন, তাই প্রধান নির্বাচন কমিশনারের মেয়াদও ৫ বছর মনে রাখা সহজ। - মেয়াদ ৬ বছরের ক্ষেত্রে মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের কথা মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রধান নির্বাচন কমিশনার কত বছর বয়সে অবসর গ্রহণ করেন, তা অনুচ্ছেদ ১১৮ থেকে জেনে রাখা দরকার। - একই বিষয় থেকে নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগ প্রক্রিয়া ও অপসারণ পদ্ধতি নিয়েও প্রশ্ন আসতে পারে।
a ফার্নেস অয়েল
b কয়লা
c প্রাকৃতিক গ্যাস
d ডিজেল
0 107 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্রাকৃতিক গ্যাস ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রধান জ্বালানি হিসেবে দীর্ঘকাল ধরে প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহৃত হয়ে আসছে। দেশের মোট উৎপাদিত বিদ্যুতের সিংহভাগই গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে সরবরাহ করা হয়। ২. শক্তি ও প্রাকৃতিক সম্পদ: বাংলাদেশের জ্বালানি খাতের ভিত্তি হলো প্রাকৃতিক গ্যাস যা দেশীয় গ্যাসক্ষেত্র থেকে উত্তোলিত হয়। বিগত দশকগুলোতে শিল্প ও বিদ্যুৎ খাতের দ্রুত প্রসারে প্রাকৃতিক গ্যাসের ওপর নির্ভরতা সবচেয়ে বেশি ছিল। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন। ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের অন্যতম বড় গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র। উদাহরণ ২: ভেড়ামারা কম্বাইন্ড সাইকেল পাওয়ার প্ল্যান্ট। ব্যাখ্যা: এটিও প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে থাকে যা দেশের গ্রিড যুক্ত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফার্নেস অয়েল — এটি কিছু রেন্টাল ও কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রে ব্যবহৃত হলেও গ্যাসের তুলনায় এর ব্যবহার কম। B) কয়লা — বড় বড় তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র যেমন পায়রা ও রামপালে কয়লা ব্যবহার শুরু হলেও সামগ্রिक উৎপাদনে এটি গ্যাসের পরে অবস্থান করে। C) প্রাকৃতিক গ্যাস — এটি সঠিক উত্তর কারণ বিদ্যুৎ উৎপাদনে এর ব্যবহার সর্বাধিক। D) ডিজেল — জরুরি অবস্থা বা পিক আওয়ারে সীমিত পরিসরে ডিজেল দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয় যা সার্বিক উৎপাদনে নগণ্য। ৫ মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের জ্বালানি খাতের রাজা প্রাকৃতিক গ্যাস মনে রাখলেই উত্তর সহজ হবে। গ্যাস বেশি তাই বিদ্যুৎ উৎপাদনেও এর ব্যবহার সবার উপরে থাকে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলাদেশের প্রধান খনিজ সম্পদ হলো প্রাকৃতিক গ্যাস। একই বিষয় থেকে প্রশ্ন আসতে পারে দেশের প্রথম গ্যাসক্ষেত্র কোনটি বা কোন জ্বালানিতে সবচেয়ে বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয়।
a 0.0592
b 0.06
c 0.0641
d 0.0643
0 107 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ০.০৫৯২ প্রদত্ত তথ্য: ২০১৫-২০১৬ অর্থবছরের জাতীয় অর্থনৈতিক প্রতিবেদন বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো কর্তৃক প্রকাশিত মূল্যস্ফীতির বার্ষিক হিসাব ধরি, উক্ত অর্থবছরের প্রারম্ভিক ভোক্তা মূল্য সূচক এবং সমাপনী ভোক্তা মূল্য সূচক অতএব, সার্বিক গড় মূল্যস্ফীতির বার্ষিক হার নির্ধারণের জন্য প্রাপ্ত উপাত্তগুলোর গাণিতিক গড় নির্ণয় সুতরাং, সকল মাসের মূল্যস্ফীতির হারের সমষ্টিকে মাস সংখ্যা দ্বারা ভাগ করে চূড়ান্ত মান প্রাপ্তি উত্তর: ০.০৫৯২
a 0.07
b 0.0712
c 0.073
d 0.074
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৭.৪% ১. কেন সঠিক: - ৭ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা ২০১৬ থেকে ২০২০ মেয়াদে দেশের মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপির গড় প্রকৃত প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৭.৪%। - পরিকল্পনা কমিশন ও বাংলাদেশ সরকারের দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক উন্নয়নের রূপরেখা অনুযায়ী এই উচ্চ প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল। ২. অর্থনীতি, শিল্প ও উন্নয়ন: - অর্থনৈতিক পরিকল্পনা: বাংলাদেশে পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার মাধ্যমে জাতীয় অর্থনীতি ও উন্নয়নের দিকনির্দেশনা নির্ধারিত হয়। - লক্ষ্যমাত্রা: ৭ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় দারিদ্র্য বিমোচন এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি উচ্চ প্রবৃদ্ধি অর্জনকে প্রধান অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছিল। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ৮ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা ব্যাখ্যা: ২০২১ থেকে ২০২৫ মেয়াদে বাস্তবায়নাধীন ৮ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা আরও উঁচুতে ধরা হয়েছে। উদাহরণ ২: বাংলাদেশ ব্যাংক ব্যাখ্যা: দেশের মুদ্রানীতি প্রণয়ন এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই প্রবৃদ্ধি অর্জনে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৭.০% — এই মানটি ৭ম পরিকল্পনা নির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে কম এবং এটি অন্য কোনো প্রাথমিক বা সাময়িক প্রাক্কলনের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। B) ৭.১২% — এই সংখ্যাটি ৭ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার মূল লক্ষ্যমাত্রার সঙ্গে মিলছে না। C) ৭.৩% — এটি ৭ম পরিকল্পনার নির্ধারিত চূড়ান্ত লক্ষ্যমাত্রার কাছাকাছি হলেও সঠিক সরকারি দলিল অনুযায়ী এটি সঠিক নয়। D) ৭.৪% — এটি ৭ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা দলিলের চূড়ান্ত অনুমোদিত প্রকৃত জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা। ৫ মনে রাখার টিপস: - ৭ম পরিকল্পনা মানেই ৭.৪% প্রবৃদ্ধি। - ৭ সংখ্যাটি মনে রাখলেই ৭ম পরিকল্পনা এবং তার পরের দশমিক চার বা চার শতাংশ যোগ করে ৭.৪% মনে রাখা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - পরিকল্পনা কমিশনের মেয়াদ এবং জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা বিসিএস ও ব্যাংক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - একই বিষয় থেকে কোন পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার সময়কাল কত এবং মাথাপিছু আয়ের লক্ষ্যমাত্রা কত ছিল, সে সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
a 25
b 27
c 29
d 31
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৯ ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশ ইকোনমিক রিভিউ, ২০১৬ অনুযায়ী উক্ত অর্থবছরে দেশে প্রতি হাজার জীবিত জন্মে শিশু মৃত্যুর হার ছিল ২৯ জন। স্বাস্থ্য খাতের দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়ন, টিকাদান কর্মসূচি এবং পুষ্টির মান বৃদ্ধির ফলে বাংলাদেশে শিশু মৃত্যুর হার ক্রমান্বয়ে হ্রাস পাচ্ছে। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: জনসংখ্যা, জনগণনা ও জনমিতি এবং বাংলাদেশের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সামাজিক উন্নয়ন: স্বাস্থ্য খাতের বিভিন্ন সূচকে বাংলাদেশের অগ্রগতি বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত হয়েছে এবং সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে দেশ উল্লেখযোগ্য সাফল্য দেখিয়েছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (EPI) ব্যাখ্যা: টিকাদান কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়নের ফলে শিশু মৃত্যুর হার উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। উদাহরণ ২: মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচি ব্যাখ্যা: সরকারের এই সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী কর্মসূচির মাধ্যমে প্রসবকালীন ও প্রসবোত্তর স্বাস্থ্যসেবা উন্নত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৫ — এটি নির্দিষ্ট ঐ সময়ের সঠিক পরিসংখ্যান নয় এবং নির্ধারিত মান থেকে কম। B) ২৭ — এটি বাংলাদেশ ইকোনমিক রিভিউ, ২০১৬ এর মূল প্রতিবেদনের সঙ্গে মিলে না। C) ২৯ — এটি বাংলাদেশ ইকোনমিক রিভিউ, ২০১৬ অনুযায়ী সঠিক উত্তর। D) ৩১ — এটি আগের বছরের পরিসংখ্যান নির্দেশ করে যা ২০১৬ সালের পর্যালোচনার চেয়ে বেশি। ৫. মনে রাখার টিপস: ইকোনমিক রিভিউ ২০১৬ সালের শিশু মৃত্যুর হার মনে রাখার জন্য সংখ্যাটি মাথায় রাখুন যে এটি ত্রিশের ঠিক নিচে অর্থাৎ উনত্রিশ ছিল। স্বাস্থ্য সূচক সংক্রান্ত যেকোনো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রশ্নের উত্তর করার সময় সাম্প্রতিক বা নির্দিষ্ট রিপোর্টের সাল ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলাদেশ ইকোনমিক রিভিউ বা অর্থনৈতিক সমীক্ষার বিভিন্ন সামাজিক সূচক যেমন শিক্ষা, স্বাস্থ্য, দারিদ্র্য বিমোচন ও জনসংখ্যা সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। একই বিষয় থেকে পরবর্তীতে মাতৃমৃত্যু হার বা গড় আয়ু সম্পর্কিত প্রশ্নও আসতে পারে।
a ধারা ২৬
b ধারা ২৭
c ধারা ২৮
d ধারা ২৯
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ধারা ২৭ ১. কেন সঠিক: - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় ভাগে মৌলিক অধিকারের কথা বলা হয়েছে এবং ২৭ নং অনুচ্ছেদে আইনের দৃষ্টিতে সমতার নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে। - এর অর্থ হলো সকল নাগরিক আইনের চোখে সমান এবং আইন সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য ও রক্ষিত হবে। ২. সংবিধান ও আইন: - সংবিধানের তৃতীয় ভাগে ২৬ থেকে ৪৪ অনুচ্ছেদ পর্যন্ত নাগরিকদের মৌলিক অধিকারের নিশ্চয়তা প্রদান করা হয়েছে। - ২৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ধর্ম, বর্ণ, গোত্র, নারী-পুরুষ ভেদে আইনের প্রয়োগে কোনো বৈষম্য করা যাবে না। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে যেকোনো অপরাধীর বিচার দেশের প্রচলিত একই আইনে হওয়া। ব্যাখ্যা: এটি আইনের দৃষ্টিতে সমতার বাস্তব প্রতিফলন যেখানে সামাজিক বা অর্থনৈতিক অবস্থান বিচারের ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলে না। উদাহরণ ২: রাষ্ট্রীয় কোনো পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে সকল যোগ্য নাগরিকের সমান সুযোগ থাকা। ব্যাখ্যা: এটি সংবিধানের ২৭ অনুচ্ছেদ ও অন্যান্য মৌলিক অধিকারের সুফল নিশ্চিত করার একটি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধারা ২৬ — এই ধারায় মৌলিক অধিকারের সাথে অসংগত আইন সম্পর্কে বলা হয়েছে যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয়। B) ধারা ২৭ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই ধারায় আইনের দৃষ্টিতে সমতার কথা স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে। C) ধারা ২৮ — এই ধারায় ধর্ম ইত্যাদির কারণে বৈষম্যের কথা বলা হয়েছে যা সমতার একটি নির্দিষ্ট দিক। D) ধারা ২৯ — এই ধারায় সরকারি নিয়োগলাভে সুযোগের সমতার কথা বলা হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - সাত এবং সমতা শব্দ দুটির উচ্চারণ ও ভাব মনে রাখলে ২৭ অনুচ্ছেদ সহজেই মনে রাখা সম্ভব। - মৌলিক অধিকারের শুরুর দিককার ধারাগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করলে সাংবিধানিক প্রশ্নগুলো সহজে উত্তর করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সংবিধানের তৃতীয় ভাগ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - অনুচ্ছেদ ২৬ থেকে ৪৪ পর্যন্ত মৌলিক অধিকারের মূল বিষয়বস্তু ভালোভাবে পড়ে রাখা জরুরি।
a বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক
b সোনালী ব্যাংক
c অগ্রণী ব্যাংক
d রূপালী ব্যাংক
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক একটি বিশেষায়িত আর্থিক প্রতিষ্ঠান যা মূলত দেশের কৃষি খাতের উন্নয়ন এবং কৃষকদের ঋণ সহায়তা প্রদানের উদ্দেশ্যে গঠিত হয়েছে। - ১৯৭৩ সালের রাষ্ট্রপতির আদেশ নং ২৭ এর মাধ্যমে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এটি সাধারণ ব্যাংকিং কার্যাবলির বাইরে নির্দিষ্ট খাতের ওপর গুরুত্ব দেয়। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে ব্যাংকটি গ্রামীণ অর্থনীতি এবং কৃষির আধুনিকায়নে দীর্ঘকাল ধরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। - প্রতিষ্ঠান: এটি একটি রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত বাণিজ্যিক ব্যাংক যা অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের আওতাধীন পরিচালিত হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক (রাকাব) ব্যাখ্যা: এটিও একটি বিশেষায়িত ব্যাংক যা উত্তরবঙ্গের কৃষি খাতের উন্নয়নের জন্য বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক থেকেই আলাদা হয়ে গঠিত হয়েছিল। উদাহরণ ২: প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক ব্যাখ্যা: এটি অভিবাসী কর্মী ও প্রবাসীদের আর্থিক সহায়তা দেওয়ার উদ্দেশ্যে গঠিত আরেকটি বিশেষায়িত ব্যাংক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি কৃষিখাত কেন্দ্রिक বিশেষায়িত ব্যাংক। B) সোনালী ব্যাংক — এটি বাংলাদেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক, কোনো বিশেষায়িত ব্যাংক নয়। C) অগ্রণী ব্যাংক — এটি একটি রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক যা সাধারণ ব্যাংকিং পরিচালনা করে। D) রূপালী ব্যাংক — এটিও একটি রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক যা সাধারণ বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনা করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - নামের মধ্যেই খাতের নাম অর্থাৎ কৃষি শব্দটি থাকা ব্যাংকটিই বিশেষায়িত কৃষি ব্যাংক। - সোনালী, অগ্রণী ও রূপালী ব্যাংক সাধারণ বাণিজ্যিক ব্যাংক এবং কৃষি ব্যাংক বিশেষায়িত ব্যাংক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংক ও বাণিজ্যিক ব্যাংকের মধ্যে পার্থক্য জিজ্ঞেস করা হয়। - বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর আইনগত ভিত্তি কী, তা মনে রাখা জরুরি।
a নিয়মিতভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে
b অনিয়মিতভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে
c ক্রমহ্রাসমান
d অপরিবর্তিত থাকছে
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ক্রমহ্রাসমান ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশের অর্থনীতি দ্রুত রূপান্তরিত হচ্ছে এবং জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান দিন দিন কমছে। - শিল্প ও সেবা খাতের দ্রুত সম্প্রসারণের কারণে সামগ্রিক অর্থনীতিতে কৃষির তুলনামূলক অংশ হ্রাস পাচ্ছে। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: অর্থনৈতিক রূপান্তর: স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের অর্থনীতি প্রধানত কৃষিনির্ভর ছিল। সময়ের সাথে সাথে তৈরি পোশাকশিল্প, প্রবাসী আয় এবং সেবা খাতের প্রবৃদ্ধির ফলে কৃষির অবদান কমে এসেছে। তাৎপর্য ও ফলাফল: কৃষির অবদান কমলেও উৎপাদন বা খাদ্য নিরাপত্তা কমেনি, বরং এটি আধুনিক অর্থনীতিতে কাঠামোগত পরিবর্তনের স্বাভাবিক লক্ষণ। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: আশির দশকে জিডিপিতে কৃষির অবদান ছিল প্রায় ৫০ শতাংশের বেশি। ব্যাখ্যা: সময়ের সাথে সাথে জিডিপির আকার বৃদ্ধি পেলেও অন্যান্য খাতের প্রবৃদ্ধি অনেক বেশি হওয়ায় কৃষির অনুপাত কমে গেছে। উদাহরণ ২: সাম্প্রতিক বছরগুলোতে শিল্প ও সেবা খাতের অবদান প্রায় ৯০ শতাংশের কাছাকাছি পৌঁছেছে। ব্যাখ্যা: এটি নির্দেশ করে বাংলাদেশ একটি অনুন্নত কৃষিনির্ভর অর্থনীতি থেকে উন্নয়নশীল শিল্প ও সেবামুখী অর্থনীতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিয়মিতভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে — এটি ভুল কারণ অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারায় জিডিপিতে কৃষির অবদান বাড়ার পরিবর্তে সাধারণত কমতে থাকে। B) অনিয়মিতভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে — এই বক্তব্যটি অর্থনৈতিক কাঠামোগত পরিবর্তনের তত্ত্বের সাথে সংগতিপূর্ণ নয়। D) অপরিবর্তিত থাকছে — দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক পরিসংখ্যানে কৃষির অবদান স্থির নেই, বরং তা ক্রমশ হ্রাস পাচ্ছে। ৫ মনে রাখার টিপস: উন্নয়নশীল দেশের অর্থনীতিতে শিল্প ও সেবা খাত বাড়লে কৃষির অবদান কমতে থাকে। অর্থনীতির কাঠামোগত রূপান্তর মনে রাখতে জিডিপিতে কৃষির অংশ কমা এবং শিল্প ও সেবার অংশ বাড়ার সম্পর্কটি মাথায় রাখা প্রয়োজন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: জিডিপিতে কোন খাতের অবদান সবচেয়ে বেশি এবং কোন খাতের অবদান কমছে তা বিসিএস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই বিষয় থেকে প্রশ্ন আসতে পারে বর্তমান জাতীয় আয়ে কোন খাতের অবদান সর্বাধিক।
a আইন মন্ত্রণালয়ের
b রাষ্ট্রপতির
c স্পীকারের
d জাতীয় সংসদের
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জাতীয় সংসদের ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী আইন প্রণয়নের একমাত্র ও সর্বোচ্চ ক্ষমতা জাতীয় সংসদের ওপর ন্যস্ত। - সংবিধানের ৬৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী দেশের একটি আইনসভা থাকবে যা জাতীয় সংসদ নামে পরিচিত এবং প্রজাতন্ত্রের আইন প্রণয়ন ক্ষমতা সংসদের হাতে ন্যস্ত। ২. সংবিধান ও আইন: - সংবিধান ও আইন: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৫ অনুচ্ছেদে আইন প্রণয়নের ক্ষমতা জাতীয় সংসদের ওপর অর্পণ করা হয়েছে। - তাৎপর্য ও ফলাফল: জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে গঠিত জাতীয় সংসদ দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও জনকল্যাণে নতুন আইন তৈরি এবং পুরনো আইন সংশোধন বা বাতিল করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বা সাইবার নিরাপত্তা আইন প্রণয়ন ব্যাখ্যা: সমাজে সাইবার অপরাধ রোধ এবং তথ্যপ্রযুক্তির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য জাতীয় সংসদ এই ধরনের গুরুত্বপূর্ণ আইন প্রণয়ন করে থাকে। উদাহরণ ২: জাতীয় বাজেট পাস ব্যাখ্যা: প্রতি অর্থবছর শুরুর আগে জাতীয় সংসদে বাজেট পাস করার মাধ্যমে সরকার সারা বছরের আয় ও ব্যয়ের আইনি বৈধতা লাভ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আইন মন্ত্রণালয়ের — এই মন্ত্রণালয় দেশের আইন প্রণয়নের প্রাথমিক খসড়া তৈরি করে এবং বিচার বিভাগীয় কার্যক্রম পরিচালনা করে, তবে সরাসরি আইন পাস করার ক্ষমতা এর নেই। B) রাষ্ট্রপতির — রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদে পাস হওয়া বিলে স্বাক্ষর করে আইনে পরিণত করেন, তবে তিনি নিজে কোনো আইন প্রণয়ন করতে পারেন না, শুধু অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন। C) স্পীকারের — স্পিকার জাতীয় সংসদের অধিবেশন পরিচালনা করেন এবং সংসদীয় কার্যপ্রণালী নিয়ন্ত্রণ করেন, কিন্তু আইন প্রণয়নের একক কোনো ক্ষমতা তাঁর নেই। D) জাতীয় সংসদের — এটি সঠিক উত্তর কারণ সংবিধান অনুযায়ী আইন প্রণয়নের একক ও সর্বময় ক্ষমতা জাতীয় সংসদের রয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - আইন প্রণয়ন মানেই আইন তৈরি করা, আর আইন তৈরি করে আমাদের দেশের সর্বোচ্চ সংসদ বা পার্লামেন্ট। - সংবিধানের ৬৫ অনুচ্ছেদ মনে রাখলে এই প্রশ্নের উত্তর ভুল হওয়ার কোনো সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে আইন প্রণয়নের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে, তা জানতে চাওয়া হয়। - একই বিষয় থেকে সংসদের মেয়াদ, কোরাম বা বিল পাস হওয়ার প্রক্রিয়া সম্পর্কিত প্রশ্নও আসতে পারে।
a রাজশাহী
b দিনাজপুর
c খুলনা
d চট্টগ্রাম
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) চট্টগ্রাম ১. কেন সঠিক: প্রাচীন বাংলার জনপদগুলোর মধ্যে হরিকেল অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল ছিল। বর্তমান দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের চট্টগ্রাম এবং এর আশেপাশের এলাকা নিয়ে এই প্রাচীন জনপদটি গঠিত হয়েছিল। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: প্রাচীন বাংলার বিভিন্ন তাম্রশাসন, মুদ্রা এবং সমসাময়িক সাহিত্যে হরিকেল জনপদের উল্লেখ পাওয়া যায়। সপ্তম ও অষ্টম শতকের চিনা পর্যটক ইৎ-সিং এর বিবরণে হরিকেলকে বৌদ্ধধর্মের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: পুণ্ড্র জনপদ ব্যাখ্যা: এটি প্রাচীন বাংলার উত্তর অঞ্চলের বগুড়া ও রাজশাহী এলাকা নিয়ে গঠিত ছিল, যা হরিকেলের মতো দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চলে অবস্থিত ছিল না। উদাহরণ ২: সমতট জনপদ ব্যাখ্যা: বর্তমান কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চল নিয়ে সমতট গঠিত হলেও, হরিকেল মূলত চট্টগ্রাম ও তার সংলগ্ন পাহাড়ি অঞ্চল জুড়ে বিস্তৃত ছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাজশাহী — এটি প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিল, হরিকেলের অংশ ছিল না। B) দিনাজপুর — এটিও প্রাচীন উত্তরবঙ্গের পুণ্ড্র জনপদের অন্তর্ভুক্ত একটি এলাকা। C) খুলনা — এটি প্রাচীন বাংলার বঙ্গ বা সমতট অঞ্চলের অংশ হিসেবে বিবেচিত হতো। D) চট্টগ্রাম — এটি প্রাচীন হরিকেল জনপদের অন্তর্ভুক্ত সঠিক এলাকা। ৫. মনে রাখার টিপস: হরিকেল জনপদের সাথে চট্টগ্রামকে মনে রাখার সহজ উপায় হলো হরিকেল শব্দের শেষাংশ এবং চট্টগ্রামের পাহাড়ি উপকূলীয় ভূপ্রকৃতির ঐতিহ্যগত মিল। প্রাচীন মুদ্রায় হরিকেলের উপস্থিতি চট্টগ্রাম অঞ্চলের সমৃদ্ধ বাণিজ্যের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রাচীন বাংলার জনপদগুলো থেকে বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। কোন জনপদ বর্তমান কোন জেলা বা অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত, তা ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a আকবর
b বাবর
c শাহজাহান
d হুমায়ুন
0 146 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বাবর ১. কেন সঠিক: - মোঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা জহিরউদ্দিন মোহাম্মদ বাবর নিজে তুর্কি ভাষায় তার আত্মজীবনী লিখেছিলেন। - এই ঐতিহাসিক গ্রন্থটির নাম তুজুক-ই-বাবরি বা বাবরনামা, যা মধ্য এশিয়া ও ভারতীয় উপমহাদেশের ইতিহাসের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দলিল। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: মোঘল শাসনামলে বাংলা সুবাদারদের মাধ্যমে শাসিত হতো এবং বারো ভূঁইয়াদের সাথে তাদের দীর্ঘ লড়াইয়ের ইতিহাস রয়েছে। - ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: বাবর ১৫২৬ সালে পানিপথের প্রথম যুদ্ধে ইব্রাহিম লোদীর বিরুদ্ধে জয়লাভ করে ভারতে মোঘল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন। - তাৎপর্য ও ফলাফল: এই আত্মজীবনী থেকে তৎকালীন ভারত বর্ষের রাজনৈতিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক ও ভৌগোলিক অবস্থার নিখুঁত বিবরণ পাওয়া যায়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: আইন-ই-আকবরি বা আকবরনামা। ব্যাখ্যা: এটি মোঘল সম্রাট আকবরের রাজত্বকালের ইতিহাস, যা আবুল ফজল ফার্সি ভাষায় রচনা করেছিলেন। উদাহরণ ২: হুমায়ুন নামা। ব্যাখ্যা: এটি সম্রাট হুমায়ুনের বোন গুলবদন বেগম রচিত একটি ঐতিহাসিক গ্রন্থ, যা মোঘল আমলের রাজপরিবারের ভেতরের চিত্র তুলে ধরে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আকবর — তিনি সম্রাট হলেও কোনো আত্মজীবনী লেখেননি, তবে তার জীবনী আবুল ফজল রচনা করেছিলেন। C) শাহজাহান — তার কোনো ব্যক্তিগত আত্মজীবনী নেই, তার আমলের ইতিহাস বাদশাহনামা গ্রন্থে লিপিবদ্ধ রয়েছে। D) হুমায়ুন — তার নিজের কোনো আত্মজীবনী লেখার সুযোগ বা নজির ছিল না, তার জীবনের ইতিহাস গুলবদন বেগম লিপিবদ্ধ করেছেন। ৫. মনে রাখার টিপস: - মোঘল রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা নিজেই নিজের জীবনকথা লিখেছিলেন, তাই প্রথম আত্মজীবনীকার হলেন বাবর। - বাবর শব্দের প্রথম অক্ষর ব এবং বাবরনামার প্রথম অক্ষর ব দিয়ে এটি সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মোঘল আমলের আত্মজীবনী বা সাহিত্যিক দলিল থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - একই বিষয় থেকে প্রশ্ন হতে পারে বাবরনামা কোন ভাষায় রচিত হয়েছিল।
a ফেব্রুয়ারিতে
b মে মাসে
c জুলাই মাসে
d আগস্টে
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ফেব্রুয়ারিতে ১. কেন সঠিক: - ঐতিহাসিক ছয় দফা দাবির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয় ১৯৬৬ সালের ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধী দলগুলোর এক কনভেনশনে। - বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ খ্যাত এই ছয় দফা পেশ করেছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: আইয়ুব খানের সামরিক শাসন ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে পূর্ব বাংলার স্বায়ত্তশাসন নিশ্চিত করতে এই ছয় দফা প্রণয়ন করা হয়েছিল। - তারিখ ও স্থান: ১৯৬৬ সালের ৫ থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের লাহোরে বিরোধী দলগুলোর এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। - ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে ঐতিহাসিক এই দাবি উত্থাপন করেন। - তাৎপর্য ও ফলাফল: ছয় দফা আন্দোলন বাঙালির মনে স্বাধীনতার বীজ বপন করে এবং পরবর্তীতে ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান ও একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের পথ প্রশস্ত করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান ব্যাখ্যা: ছয় দফা আন্দোলনের ফলেই বাঙালি জাতি ক্রমান্বয়ে সংঘটিত হয়, যার পূর্ণতা পায় ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে। উদাহরণ ২: আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা ব্যাখ্যা: ছয় দফা দাবির কারণে বঙ্গবন্ধুসহ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতা মামলা দায়ের করা হয়, যা বাঙালির মুক্তি সংগ্রামকে আরও তীব্র করে তোলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফেব্রুয়ারিতে — এই অপশনটি সঠিক কারণ ১৯৬৬ সালের ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে ছয় দফা ঘোষণা করা হয়েছিল। B) মে মাসে — মে মাসে ছয় দফা ঘোষণা করা হয়নি, তবে ১৯৬৬ সালের মার্চ ও জুনে এই আন্দোলনের পক্ষে প্রচার চালানো হয়। C) জুলাই মাসে — জুলাই মাসে ছয় দফা প্রস্তাব আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত বা ঘোষিত হয়নি, এটি ছিল প্রচার ও বিরোধিতার সময়কাল। D) আগস্টে — আগস্ট মাসেও ছয় দফা ঘোষণা করা হয়নি, বরং এই সময়ে আন্দোলন দমনের জন্য আইয়ুব সরকার দমনপীড়ন শুরু করে। ৫ মনে রাখার টিপস: - ছয় দফা ঘোষণার মাস মনে রাখতে ফেব্রুয়ারি মাসকে মনে রাখুন। - সাল ১৯৬৬ এবং মাস ফেব্রুয়ারি, এটি বাঙালির মুক্তির লড়াইয়ের শুরুর একটি বড় মাইলফলক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ছয় দফা কে পেশ করেন এবং কোথায় পেশ করা হয়, তা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। - একই বিষয় থেকে ছয় দফার প্রবক্তা, তারিখ এবং দফাগুলোর বিষয়বস্তু নিয়ে প্রশ্ন হতে পারে।
a ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী
b তাজউদ্দীন আহমদ
c এ. এইচ, এম কামারুজ্জামান
d খন্দকার মোশতাক আহমদ
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) এ. এইচ, এম কামারুজ্জামান ১. কেন সঠিক: - এ. এইচ, এম কামারুজ্জামান ১৯৭১ সালের মুজিবনগর সরকারের ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব সফলভাবে পালন করেছিলেন। - বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় গঠিত প্রথম অস্থায়ী সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রনালয়ের মধ্যে ত্রাণ ও পুনর্বাসন খাত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল গঠিত হয় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার বা মুজিবনগর সরকার। - তারিখ ও স্থান: এই সরকার গঠিত হয় ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল এবং শপথ গ্রহণ করে ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলার আমবাগানে। - ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: এই সরকারের রাষ্ট্রপতি ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দীন আহমদ। - তাৎপর্য ও ফলাফল: এই সরকারের অধীনেই সফলভাবে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালিত হয় এবং আন্তর্জাতিক সমর্থন আদায় করা সম্ভব হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: তাজউদ্দীন আহমদ ব্যাখ্যা: তিনি মুজিবনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছিলেন। উদাহরণ ২: ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী ব্যাখ্যা: তিনি মুজিবনগর সরকারের অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী — তিনি মুজিবনগর সরকারের অর্থমন্ত্রী ছিলেন, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী ছিলেন না। B) তাজউদ্দীন আহমদ — তিনি মুজিবনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী ছিলেন, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী ছিলেন না। C) এ. এইচ, এম কামারুজ্জামান — এটি সঠিক উত্তর। তিনি মুজিবনগর সরকারের ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন। D) খন্দকার মোশতাক আহমদ — তিনি মুজিবনগর সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছিলেন। ৫ মনে রাখার টিপস: - মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রীদের দপ্তরগুলো মনে রাখার জন্য তাদের নামের সঙ্গে দায়িত্বগুলো বারবার চর্চা করতে হবে। - কামারুজ্জামান নামটি ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যুক্ত ছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রিপরিষদের সদস্য এবং তাদের দপ্তরসমূহ থেকে প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে। - প্রধানমন্ত্রী, অর্থমন্ত্রী এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রীর নাম বিশেষভাবে মনে রাখা প্রয়োজন।
a দ্বি-জাতি তত্ত্ব
b সামাজিক চেতনা
c অসাম্প্রদায়িকতা
d বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদ
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদ ১. কেন সঠিক: - ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন ছিল মূলত বাঙালি জাতির স্বাধিকার অর্জনের প্রথম সোপান এবং এর মধ্য দিয়েই পূর্ব বাংলার মানুষের মধ্যে আধুনিক বাঙালি জাতীয়তাবাদের বীজ রোপিত হয়েছিল। - ধর্মের ভিত্তিতে পাকিস্তান রাষ্ট্র গঠিত হলেও বাঙালি সংস্কৃতি, কৃষ্টি ও ভাষার অধিকার রক্ষার আন্দোলন প্রমাণ করে যে পাকিস্তানি পরিচয়ের চেয়ে বাঙালি পরিচয়টিই পূর্ব বাংলার মানুষের কাছে প্রধান হয়ে উঠেছিল। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯৪৭ সালে ধর্মের ভিত্তিতে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর থেকেই পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী উর্দুকে একমাত্র রাষ্ট্রভাষা করার ষড়যন্ত্র শুরু করে এবং পূর্ব বাংলার বাঙালিরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানায়। - তারিখ ও স্থান: ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা ও বর্তমান কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে ভাষা আন্দোলনের চূড়ান্ত বিস্ফোরণ ঘটে। - ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে গঠিত সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রসমাজ এই আন্দোলনে নেতৃত্ব দেয়। - তাৎপর্য ও ফলাফল: ভাষা আন্দোলনের চেতনা পরবর্তীতে বাঙালির আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকার, ছয় দফা এবং ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযু্দ্ধের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পথ প্রশস্ত করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ব্যাখ্যা: বাঙালির ভাষা আন্দোলনের এই গৌরবোজ্জ্বল দিনটি আজ জাতিসংঘের স্বীকৃতি পেয়ে সারা বিশ্বে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালিত হয়, যা বাঙালি জাতীয়তাবাদের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি। উদাহরণ ২: বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠা ব্যাখ্যা: ভাষা আন্দোলনের পর বাংলা ভাষা ও সাহিত্যকে সংরক্ষণের জন্য ১৯৫৫ সালে বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয়, যা বাঙালি সংস্কৃতির বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্বি-জাতি তত্ত্ব — এই তত্ত্বের ভিত্তিতে ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান রাষ্ট্র গঠিত হয়েছিল, যার বৈষম্যমূলক নীতির বিরুদ্ধেই মূলত ভাষা আন্দোলন সংঘটিত হয়েছিল। B) সামাজিক চেতনা — এটি মানুষের সামগ্রিক জীবনযাত্রার পরিবর্তনের সঙ্গে যুক্ত, কিন্তু ভাষা আন্দোলন ছিল মূলত একটি নির্দিষ্ট জাতিগোষ্ঠীর ভাষাগত অধিকার ও আত্মপরিচয়ের প্রশ্ন। C) অসাম্প্রদায়িকতা — এটি বাঙালি জাতীয়তাবাদের একটি মূল চেতনা হলেও, ভাষা আন্দোলন মূলত বাঙালি জাতির ভাষা ও সংস্কৃতির অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই হিসেবে পরিচালিত হয়েছিল। D) বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদ — এই অপশনটি সঠিক কারণ ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমেই পূর্ব বাংলার মানুষের মনে বাঙালি জাতীয়তাবাদের চেতনা দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ভাষা আন্দোলন মানেই বাঙালি জাতীয়তাবাদের উন্মেষ। পাকিস্তান সৃষ্টির পর ধর্মের বিভাজন ভেঙে ভাষা ও সংস্কৃতির ভিত্তিতে বাঙালিরা একতাবদ্ধ হয়েছিল। - ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা, প্রতিটি আন্দোলনের মূল ভিত্তি ছিল এই বাঙালি জাতীয়তাবাদ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ভাষা আন্দোলন কোন সনে হয়েছিল এবং এর তাৎপর্য কী, তা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - একই বিষয় থেকে ঘুরিয়ে প্রশ্ন আসতে পারে যে, বাঙালি জাতীয়তাবাদের প্রথম সোপান বা সূচনা কোনটি।
a শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক
b হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
c মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী
d নবাব স্যার সলিমুল্লাহ
0 101 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নবাব স্যার সলিমুল্লাহ ১. কেন সঠিক: - ১৯৫৪ সালের পূর্ববাংলা প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে যুক্ত ছিলেন না নবাব স্যার সলিমুল্লাহ কারণ তিনি ১৯১৫ সালে মৃত্যুবরণ করেন। - ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে তৎকালীন মুসলিম লীগের বিরোধিতায় গঠিত যুক্তফ্রন্টের প্রধান নেতারা সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছিলেন। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: - ১৯৫৪ সালের ৮ থেকে ১২ মার্চ তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। - এই নির্বাচনে মুসলিম লীগ সরকারকে পরাজিত করতে বিরোধী দলগুলো মিলে যুক্তফ্রন্ট গঠন করে। ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: - শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক কৃষক শ্রমিক পার্টির এবং মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী আওয়ামী মুসলিম লীগের শীর্ষ নেতা ছিলেন। - হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীও এই নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় যুক্তফ্রন্টের পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তাৎপর্য ও ফলাফল: - যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনে ২৩৭টি মুসলিম আসনের মধ্যে ২২৩টিতে জয়লাভ করে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। - এই নির্বাচনের মাধ্যমে মুসলিম লীগের দীর্ঘ শাসনকালের অবসান ঘটে এবং বাঙালির রাজনৈতিক স্বাধিকার আন্দোলনের পথ উন্মুক্ত হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: যুক্তফ্রন্টের ২১ দফা দাবি ব্যাখ্যা: ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট জনগণের অধিকার আদায়ের জন্য ঐতিহাসিক ২১ দফা ইশতেহার ঘোষণা করেছিল। উদাহরণ ২: ১৯৫৪ সালের মন্ত্রিসভা গঠন ব্যাখ্যা: নির্বাচনে জয়ের পর এ কে ফজলুল হকের নেতৃত্বে ১৯৫৪ সালের ৩ এপ্রিল যুক্তফ্রন্টের মন্ত্রিসভা গঠিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক — তিনি যুক্তফ্রন্টের অন্যতম প্রধান রূপকার ও কৃষক শ্রমিক পার্টির নেতা হিসেবে এই নির্বাচনে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন। B) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী — তিনি যুক্তফ্রন্টের অন্যতম শীর্ষ নেতা এবং আওয়ামী মুসলিম লীগের প্রভাবশালী সংগঠক হিসেবে নির্বাচনে যুক্ত ছিলেন। C) মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী — তিনি যুক্তফ্রন্টের অন্যতম প্রধান নেতা ও আওয়ামী মুসলিম লীগের সভাপতি হিসেবে এই নির্বাচনে জোরালো ভূমিকা পালন করেন। D) নবাব স্যার সলিমুল্লাহ — তিনি ছিলেন উনিশ শতকের শেষ ও বিংশ শতকের শুরুর দিকের বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ যিনি ১৯১৫ সালে মারা যান, ফলে ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে তার যুক্ত থাকার কোনো সুযোগ ছিল না। ৫. মনে রাখার টিপস: - নবাব সলিমুল্লাহ ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ ও ১৯০৬ সালের মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার সাথে যুক্ত ছিলেন। - ১৯৫৪ সালের নির্বাচন এর অনেক পরে অনুষ্ঠিত হয়, তাই তিনি এই নির্বাচনে থাকতে পারেননি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট মোট কয়টি দল নিয়ে গঠিত হয়েছিল এবং প্রধান দলগুলো কী ছিল তা পরীক্ষর জন্য গুরুত্বপূর্ণ। - এই নির্বাচন থেকে ১৯৫৪ সালের ৩ এপ্রিল গঠিত প্রথম মন্ত্রিসভা ও এর মুখ্যমন্ত্রীর নাম প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
a বরিশালে
b ময়মনসিংহে
c খাগড়াছড়িতে
d দিনাজপুরে
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) খাগড়াছড়িতে ১. কেন সঠিক: - জুম চাষ পাহাড়ি অঞ্চলের একটি আদি ও ঐতিহ্যবাহী কৃষি পদ্ধতি। - বাংলাদেশের রাঙামাটি, বান্দরবান এবং খাগড়াছড়ি জেলায় এই পদ্ধতিতে চাষাবাদ করা হয়। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ভৌগোলিক অবস্থান: পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ি ঢাল ও উঁচু ভূমিতে এই চাষ করা হয়। - কৃষি পদ্ধতি: বন জঙ্গল পরিষ্কার করে পুড়িয়ে ছাই মাটির সাথে মিশিয়ে বীজ বপন করা হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: পার্বত্য চট্টগ্রামের চাকমা ও মারমা সম্প্রদায়। ব্যাখ্যা: এরা জুম চাষের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত এবং এটি তাদের প্রধান জীবিকা। উদাহরণ ২: পাহাড়ি অঞ্চলের ভূমিরূপ। ব্যাখ্যা: পাহাড়ি ঢালু ভূমির কারণে সেখানে স্থায়ী সাধারণ চাষাবাদ করা সম্ভব হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বরিশালে — বরিশাল দক্ষিণ অঞ্চলের সমতল ভূমির জেলা এবং সেখানে জোয়ার ভাটার প্লাবন থাকে। B) ময়মনসিংহে — ময়মনসিংহ সমতল ভূমি ও গারো পাহাড় সংলগ্ন এলাকা হলেও এখানে জুম চাষ হয় না। C) খাগড়াছড়িতে — এটি পার্বত্য চট্টগ্রামের একটি জেলা যেখানে জুম চাষ ব্যাপকভাবে প্রচলিত। D) দিনাজপুরে — দিনাজপুর উত্তর অঞ্চলের একটি সমতল জেলা যেখানে সমতল ভূমির প্রচলিত চাষাবাদ হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - জুম চাষ বললেই পাহাড়ের কথা মনে রাখবে এবং বাংলাদেশের তিন পাহাড়ি জেলার কথা মাথায় রাখবে। - সমতল জেলাগুলোতে জুম চাষ হয় না, তাই অপশন দেখেই সমতল জেলাগুলো বাদ দিতে পারবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে জুম চাষ হয়, তা বিসিএস এবং প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - পাহাড়ি কৃষি ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জীবনযাত্রা সম্পর্কিত প্রশ্ন হিসেবে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a আই. এল. ও
b হু (WHO)
c ASEAN (আশিয়ান)
d উপরের সবকটি
0 223 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ASEAN (আশিয়ান) ১. কেন সঠিক: সঠিক উত্তরটি হলো আশিয়ান কারণ এটি জাতিসংঘের কোনো বিশেষায়িত বা সহযোগী সংস্থা নয়, বরং এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর একটি স্বাধীন আঞ্চলিক সংস্থা। জাতিসংঘের নিজস্ব প্রধান অঙ্গসংস্থা এবং বিভিন্ন সহযোগী বা বিশেষায়িত সংস্থা রয়েছে যা বিশ্বব্যাপী কাজ করে, কিন্তু আশিয়ান সম্পূর্ণ আলাদা একটি ভূরাজনৈতিক জোট। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: সংস্থা: ASEAN বা Association of Southeast Asian Nations. প্রতিষ্ঠা: ৮ আগস্ট ১৯৬৭ সাল। সদর দপ্তর: জাকার্তা, ইন্দোনেশিয়া। উদ্দেশ্য: অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করা এবং আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: সার্ক (SAARC). ব্যাখ্যা: এটি দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক সংস্থা যা জাতিসংঘের সহযোগী নয়, ঠিক আশিয়ানের মতো এটিও একটি স্বাধীন আঞ্চলিক জোট। উদাহরণ ২: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO). ব্যাখ্যা: এটি জাতিসংঘের সরাসরি একটি বিশেষায়িত সংস্থা যা বিশ্ব স্বাস্থ্য সুরক্ষায় কাজ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আই. এল. ও — এটি জাতিসংঘের একটি প্রাচীন এবং অন্যতম প্রধান বিশেষায়িত সংস্থা যা আন্তর্জাতিক শ্রম মান ও অধিকার নিয়ে কাজ করে। B) হু (WHO) — এটি জাতিসংঘের বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা যা আন্তর্জাতিক জনস্বাস্থ্য রক্ষা ও মহামারী নিয়ন্ত্রণে মুখ্য ভূমিকা পালন করে। C) ASEAN (আশিয়ান) — এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার স্বাধীন আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা এবং জাতিসংঘের কোনো সহযোগী বা অঙ্গসংস্থা নয়। D) উপরের সবকটি — এই অপশনটি ভুল কারণ আইএলও এবং হু জাতিসংঘের সহযোগী হলেও আশিয়ান তা নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: জাতিসংঘের সংস্থা চেনার উপায় হলো এদের নামের সঙ্গে সাধারণত বিশ্ব, আন্তর্জাতিক বা জাতিসংঘের সংশ্লিষ্টতা থাকে। আশিয়ান এবং সার্ক হলো আঞ্চলিক সংস্থা, যা জাতিসংঘের বাইরে স্বাধীনভাবে গঠিত হয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জাতিসংঘের অঙ্গসংস্থা এবং আঞ্চলিক সংস্থার মধ্যে পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়। জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থাগুলোর সদর দপ্তর এবং প্রতিষ্ঠার সাল মুখস্থ রাখা বিসিএস পরীক্ষার জন্য খুবই জরুরি।
a ঢাকা
b নয়াদিলী
c কলম্বো
d কাঠমান্ডু
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কাঠমান্ডু ১. কেন সঠিক: সঠিক উত্তর কাঠমান্ডু কারণ দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা সার্কের সচিবালয় নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে অবস্থিত। ১৯৮৫ সালে সংস্থাটি প্রতিষ্ঠিত হওয়ার দুই বছর পর ১৯৮৭ সালের ১৬ জানুয়ারি কাঠমান্ডুতে সার্কের সচিবালয় আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে। ২. আন্তর্জাতিক সংস্থা: সংস্থা: সার্ক (SAARC - South Asian Association for Regional Cooperation) প্রতিষ্ঠা: ১৯৮৫ সালের ৮ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সচিবালয়ে ঢাকা শীর্ষ সম্মেলনে। সদর দপ্তর: কাঠমান্ডু, নেপাল। সদস্যদেশ: আটটি রাষ্ট্র (বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, ভুটান, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ ও আফগানিস্তান)। উদ্দেশ্য: দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: আসিয়ানের সদর দপ্তর জাকার্তা। ব্যাখ্যা: এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক সংস্থা, যার সদর দপ্তর ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তায় অবস্থিত। উদাহরণ ২: ইইউর সদর দপ্তর ব্রাসেলস। ব্যাখ্যা: এটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদর দপ্তর, যা বেলজিয়ামের ব্রাসেলস শহরে অবস্থিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঢাকা — ঢাকা সার্কের জন্মস্থান এবং প্রথম শীর্ষ সম্মেলনের আয়োজক শহর হলেও এটি সার্কের সদর দপ্তর নয়। B) নয়াদিল্লি — নয়াদিল্লি ভারতের রাজধানী এবং এটি সার্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ সদস্যদেশ হলেও এখানে সংস্থার সদর দপ্তর নেই। C) কলম্বো — কলম্বো শ্রীলঙ্কার বাণিজ্যিক রাজধানী এবং এখানে দ্বিতীয় সার্ক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হলেও এটি সদর দপ্তর নয়। D) কাঠমান্ডু — কাঠমান্ডু নেপালের রাজধানী এবং এটি সার্কের স্থায়ী সচিবালয় বা সদর দপ্তরের সঠিক অবস্থান। ৫. মনে রাখার টিপস: সার্কের জন্ম ঢাকায় হলেও এর ঠিকানা বা অফিস নেপালের পাহাড়ি শহর কাঠমান্ডুতে। জন্মস্থান ঢাকাকে ভাববেন সম্মেলন কক্ষ এবং কাঠমান্ডুকে ভাববেন স্থায়ী অফিস। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সার্কের প্রথম শীর্ষ সম্মেলন ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল এবং এর সর্বশেষ বা উনিশতম সম্মেলন স্থগিত রয়েছে। এই টপিক থেকে সদস্যদেশের সংখ্যা এবং কোন দেশ কত সালে যোগ দিয়েছে, তা প্রায়ই পরীক্ষায় আসে।
a UNO
b NAM
c GATT
d ASEAN
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) UNO ১. কেন সঠিক: ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ বা UNO প্রতিষ্ঠিত হয়। এই হিসাব অনুযায়ী ১৯৯৫ সালটি জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠার ৫০ বছর পূর্ণ হওয়ার বছর, যা গোল্ডেন জুবিলি বা সুবর্ণজয়ন্তী হিসেবে পালিত হয়। বিশ্বশান্তি রক্ষা, মানবাধিকার সুরক্ষা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির সুদীর্ঘ ৫০ বছরের পথচলাকে স্মরণ করতেই ১৯৯৫ সালটিকে জাতিসংঘের গোল্ডেন জুবিলি হিসেবে উদ্‌যাপন করা হয়েছিল। ২. আন্তর্জাতিক সংস্থা: সংস্থা: জাতিসংঘ বা United Nations (UN) প্রতিষ্ঠা: ২৪ অক্টোবর ১৯৪৫ সদর দপ্তর: নিউ ইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র সদস্যসংখ্যা: ১৯৩টি স্বাধীন রাষ্ট্র উদ্দেশ্য: আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখা এবং বিশ্ববাসীর মধ্যে প্রীতিপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: জাতিসংঘের সিলভার জুবিলি ব্যাখ্যা: ১৯৭০ সালে জাতিসংঘ তার প্রতিষ্ঠার ২৫ বছর পূর্তি উদ্‌যাপন করে, যা সিলভার জুবিলি নামে পরিচিত। উদাহরণ ২: জাতিসংঘের ডায়মন্ড জুবিলি ব্যাখ্যা: ২০২০ সালে জাতিসংঘ তার প্রতিষ্ঠার ৭৫ বছর পূর্তি উদ্‌যাপন করে, যা ডায়মন্ড জুবিলি নামে পরিচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) UNO — এটি সঠিক উত্তর কারণ ১৯৯৫ সালটি জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠার ৫০ বছর পূর্তির বছর। B) NAM — নন-অ্যালাইনড মুভমেন্ট বা গনিরপেক্ষ আন্দোলন প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৬১ সালে এবং এর গোল্ডেন জুবিলি হয় ২০১১ সালে। C) GATT — জেনারেল অ্যাগ্রিমেন্ট অন টেরিফস অ্যান্ড ট্রেড স্বাক্ষরিত হয় ১৯৪৭ সালে এবং এটি ১৯৯৫ সালে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা বা WTO তে রূপান্তরিত হয়। D) ASEAN — অ্যাসোসিয়েশন অব সাউথইস্ট এশিয়ান নেশনস বা আসিয়ান প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৬৭ সালে এবং এর গোল্ডেন জুবিলি পালিত হয় ২০১৭ সালে। ৫ মনে রাখার টিপস: জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৪৫ সালে। কোনো সংস্থার প্রতিষ্ঠার সাল থেকে ৫০ বছর যোগ করলেই তার গোল্ডেন জুবিলির বছর পাওয়া যায়। ১৯৪৫ + ৫০ = ১৯৯৫ সাল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিষ্ঠার সাল ভালোভাবে মনে রাখলে যেকোনো সংস্থার সিলভার, গোল্ডেন বা ডায়মন্ড জুবিলির বছর সহজেই নির্ণয় করা সম্ভব। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আন্তর্জাতিক সংস্থার জন্মতারিখ ও সুবর্ণজয়ন্তী সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
a প্রাণীদের প্রতি নিষ্ঠুরতা রোধ
b পরিবেশ সংরক্ষণ
c মানবাধিকার সংরক্ষণ
d ঐতিহাসিক স্থাপনা সংরক্ষণ
0 115 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মানবাধিকার সংরক্ষণ ১. কেন সঠিক: অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বিশ্বের অন্যতম প্রধান আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা যা বিশ্বজুড়ে মানবাধিকার রক্ষায় কাজ করে। এই সংস্থাটি কোনো নির্দিষ্ট দেশের পক্ষে কাজ না করে বরং নির্যাতন, অন্যায় কারাবাস এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর নিপীড়নের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকে। ২. আন্তর্জাতিক সংস্থা পরিচিতি: সংস্থা: অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল একটি বিশ্বব্যাপী মানবাধিকার আন্দোলন। প্রতিষ্ঠা: ১৯৬১ সালের মে মাসে পিটার বেনেনসন এই সংস্থাটি প্রতিষ্ঠা করেন। সদর দপ্তর: যুক্তরাজ্যের লন্ডনে এর আন্তর্জাতিক সচিবালয় অবস্থিত। উদ্দেশ্য: সরকারের দমনপীড়ন থেকে রাজনৈতিক বন্দীদের মুক্ত করা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘন রোধ করা। স্বীকৃতি: বিশ্বজুড়ে মানবাধিকার রক্ষায় অসামান্য অবদানের জন্য ১৯৭৭ সালে এই সংস্থাটি নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: কারাবন্দী অধিকার রক্ষা ব্যাখ্যা: অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিনা বিচারে আটকে থাকা রাজবন্দীদের মুক্তির দাবিতে ক্যাম্পেইন পরিচালনা করে। উদাহরণ ২: মৃত্যুদণ্ড বিরোধী আন্দোলন ব্যাখ্যা: এই সংস্থাটি বিশ্বের সব দেশ থেকে মৃত্যুদণ্ড সম্পূর্ণভাবে বাতিল করার পক্ষে জোরালো ভূমিকা পালন করে আসছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রাণীদের প্রতি নিষ্ঠুরতা রোধ — এই কার্যক্রমের সাথে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল যুক্ত নয়, এটি মূলত পেটা বা ডব্লিউ ডব্লিউ এফ এর মতো সংস্থার কাজের আওতাভুক্ত। B) পরিবেশ সংরক্ষণ — পরিবেশ রক্ষার কাজ গ্রিনপিস বা ইউএনইপি এর মতো পরিবেশবাদী সংস্থাগুলো করে থাকে। C) মানবাধিকার সংরক্ষণ — এটি অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের প্রধান ও একমাত্র মূল লক্ষ্য। D) ঐতিহাসিক স্থাপনা সংরক্ষণ — এই কাজের জন্য জাতিসংঘের অঙ্গসংস্থা ইউনেস্কো বিশেষভাবে দায়িত্বপ্রাপ্ত। ৫. মনে রাখার টিপস: অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল নামটির সাথে মানবাধিকার কথাটি গভীরভাবে জড়িত। সংস্থাটি ১৯৬১ সালে লন্ডনে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ১৯৭৭ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার পায়, এই দুটি সাল বারবার পরীক্ষায় আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের সদর দপ্তর কোথায় এবং এটি কত সালে নোবেল পুরস্কার পায়, এই প্রশ্নগুলো বিসিএসসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। সংস্থাটির প্রতিষ্ঠাতা পিটার বেনেনসনের নামও মনে রাখা জরুরি।
a পিসিকালচার
b এপিকালচার
c মেরিকালচার
d সেরিকালচার
0 115 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) এপিকালচার ১. কেন সঠিক: বাণিজ্যিকভাবে মৌমাছি পালন ও এর থেকে মধু বা মোম সংগ্রহ করার বিজ্ঞানসম্মত প্রক্রিয়াকে এপিকালচার বলা হয়। কৃষি অর্থনীতি এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় এটি অত্যন্ত লাভজনক ও গুরুত্বপূর্ণ একটি পেশাদার খাত। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: কৃষি অর্থনীতি: বিশ্বজুড়ে কৃষি ও গ্রামীণ উন্নয়নে মৌমাছি পালন একটি লাভজনক কুটির শিল্প হিসেবে স্বীকৃত। পরিবেশগত গুরুত্ব: পরাগায়নের মাধ্যমে উদ্ভিদের বংশবৃদ্ধি এবং খাদ্য উৎপাদন বাড়াতে মৌমাছির ভূমিকা অপরিহার্য। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশ ব্যাখ্যা: বাংলাদেশে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তারা বাণিজ্যিকভাবে মৌমাছি পালন করে গ্রামীণ অর্থনীতিতে অবদান রাখছেন। উদাহরণ ২: চীন ব্যাখ্যা: বিশ্বে মধু উৎপাদনে চীন অন্যতম শীর্ষ দেশ, যেখানে আধুনিক প্রযুক্তিতে এপিকালচার চর্চা করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পিসিকালচার — পিসিকালচার বলতে বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে মাছ চাষ ও এর ব্যবস্থাপনা পদ্ধতিকে বোঝানো হয়। B) এপিকালচার — এটি বাণিজ্যিকভাবে মৌমাছি পালন ও মধু উৎপাদনের সঠিক বৈজ্ঞানিক পরিভাষা। C) মেরিকালচার — মেরিকালচার হলো সমুদ্রের নোনা জলে সামুদ্রিক মাছ, চিংড়ি ও উদ্ভিদ চাষের বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি। D) সেরিকালচার — সেরিকালচার বলতে রেশম পোকা চাষ এবং রেশম সুতা উৎপাদনের বিশেষ প্রক্রিয়াকে বোঝায়। ৫. মনে রাখার টিপস: মৌমাছি পালন মনে রাখতে এপি (Api) শব্দটির সঙ্গে কালচার মিলিয়ে এপিকালচার মনে রাখবে। পিসি (Pisci) মানে মাছ এবং সে রি (Seri) মানে রেশম পোকা, এভাবে শব্দগুলো আলাদা করে পড়বে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিভিন্ন কৃষিজ উৎপাদন ও চাষাবাদের বৈজ্ঞানিক নাম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। পিসিকালচার, এপিকালচার, মেরিকালচার ও সেরিকালচার - এই চারটি পরিভাষা বারবার ভালোভাবে চর্চা করবে।
a নিউইয়র্ক
b রোম
c জেনেভা
d লন্ডন
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জেনেভা ১. কেন সঠিক: সঠিক উত্তরটি হলো জেনেভা কারণ জাতিসংঘ শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার বা UNHCR-এর প্রধান কার্যালয় সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে অবস্থিত। এটি বিশ্বের শরণার্থী সংকট মোকাবেলা ও তাদের সুরক্ষায় কাজ করা জাতিসংঘের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মানবিক সংস্থা। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: সংস্থা: UNHCR (United Nations High Commissioner for Refugees) বা জাতিসংঘ শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনারের কার্যালয়। প্রতিষ্ঠা: ১৪ ডিসেম্বর ১৯৫০ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে এটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ১৯৫১ সাল থেকে কার্যক্রম শুরু করে। সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড। উদ্দেশ্য: বিশ্বব্যাপী জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মানুষ, শরণার্থীবৃন্দ ও রাষ্ট্রহীন ব্যক্তিদের অধিকার সুরক্ষা এবং তাদের পুনর্বাসনে সহায়তা করা। গুরুত্ব: সংঘাত ও সহিংসতার কারণে দেশত্যাগে বাধ্য হওয়া কোটি কোটি মানুষের জীবন রক্ষা ও মানবিক সহায়তা প্রদানে সংস্থাটি বিশ্বজুড়ে অনবদ্য ভূমিকা পালন করে আসছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ফিলিস্তিনি শরণার্থী সংস্থা UNRWA ব্যাখ্যা: এটি ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের নিয়ে কাজ করে এবং এর সদর দপ্তর জর্ডানের আম্মানে অবস্থিত, যা মূল UNHCR থেকে আলাদা একটি বিশেষায়িত সংস্থা। উদাহরণ ২: নোবেল শান্তি পুরস্কার ব্যাখ্যা: শরণার্থী সংকটে অসামান্য অবদানের জন্য UNHCR দুইবার, যথাক্রমে ১৯৫৪ ও ১৯৮১ সালে মর্যাদাপূর্ণ নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিউইয়র্ক — এটি জাতিসংঘের মূল সদর দপ্তর হলেও UNHCR-এর মতো নির্দিষ্ট মানবতাবাদী সংস্থার প্রধান কার্যালয় এখানে অবস্থিত নয়। B) রোম — এটি বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (WFP) এবং খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (FAO) প্রধান কার্যালয় হিসেবে পরিচিত। D) লন্ডন — এটি আন্তর্জাতিক সমুদ্র সংস্থার (IMO) সদর দপ্তর এবং এখানে UNHCR-এর মূল কার্যালয় নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: শরণার্থী সুরক্ষা সংক্রান্ত বড় মানবিক সংস্থার প্রধান কার্যালয় সাধারণত সুইজারল্যান্ডের জেনেভাতেই অবস্থিত। জেনেভাকে আন্তর্জাতিক সংস্থা ও কূটনীতির বিশ্ব রাজধানী হিসেবে মনে রাখলে এই সদর দপ্তর সহজে মুখস্থ রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতি বছর ২০ জুন বিশ্ব শরণার্থী দিবস পালিত হয় যা এই সংস্থার কাজের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জাতিসংঘ ও এর অঙ্গসংস্থার সদর দপ্তর সংক্রান্ত প্রশ্ন এসে থাকে।
a 193
b 168
c 199
d 196
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) 196 ১. কেন সঠিক: - কপ-২১ সম্মেলনে জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত কাঠামো কনভেনশনের অন্তর্ভুক্ত ১৯০টির বেশি দেশ অংশগ্রহণ করেছিল। - এই সম্মেলনে সর্বসম্মতিক্রমে ঐতিহাসিক প্যারিস চুক্তি গৃহীত হয়, যা বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির হার সীমিত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করে। ২. আন্তর্জাতিক সম্মেলন ও চুক্তি: - সম্মেলন: কপ-২১ অর্থ কনভেনশন্স অব দ্য পার্টিজ একুশতম অধিবেশন। - স্থান ও সময়: ২০১৫ সালের নভেম্বর থেকে ডিসেম্বর মাসে ফ্রান্সের প্যারিসে অনুষ্ঠিত হয়। - মূল উদ্দেশ্য: শিল্পবিপ্লব পূর্ববর্তী সময়ের তুলনায় বৈশ্বিক গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধি দুই ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে রাখা। - ফলাফল: সদস্য দেশগুলোর ঐকমত্যের ভিত্তিতে প্যারিস জলবায়ু চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: কিয়োটো প্রটোকল ব্যাখ্যা: এটি ১৯৯৭ সালে জাপানে স্বাক্ষরিত হয় এবং গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাসের প্রথম আন্তর্জাতিক আইনি বাধ্যবাধকতাপূর্ণ চুক্তি ছিল। উদাহরণ ২: কপ-২৬ ব্যাখ্যা: ২০২১ সালে স্কটল্যান্ডের গ্লাসগোতে অনুষ্ঠিত হয়, যা প্যারিস চুক্তির লক্ষ্য বাস্তবায়নের অগ্রগতি পর্যালোচনা করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) 193 — এটি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের বর্তমান সদস্য সংখ্যার কাছাকাছি একটি সংখ্যা, যা কপ-২১ এর অংশগ্রহণকারী দেশের সঠিক সংখ্যা নয়। B) 168 — এটি জাতিসংঘের কোনো বিশেষ সংস্থার সদস্য সংখ্যা বা সাধারণ কোনো সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী দেশের সঠিক পরিসংখ্যান নির্দেশ করে না। C) 199 — এটি ২০১৫ সালে প্যারিস জলবায়ু সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী দেশের প্রকৃত সংখ্যা নয়, বরং একটি কাল্পনিক বা অতিরিক্ত সংখ্যা। D) 196 — এটি ২০১৫ সালের প্যারিস সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী রাষ্ট্র ও জাতিগুলোর সঠিক সংখ্যা। ৫ মনে রাখার টিপস: প্যারিস চুক্তির সাল ২০১৫ এবং সেটিতে অংশগ্রহণকারী দেশ ছিল প্রায় ১৯৬টি। মনে রাখার জন্য ২০১৫ সালের সংখ্যা এবং জাতিসংঘের মোট সদস্য দেশের কাছাকাছি সংখ্যাটি মাথায় রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্যারিস চুক্তি একটি ঐতিহাসিক পরিবেশ চুক্তি যা গ্রিনহাউস গ্যাস কমানোর ওপর জোর দেয়। এই টপিক থেকে কপ সম্মেলনের স্থান, সাল এবং মূল লক্ষ্য সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
a ভারতীয় জনতা পার্টি
b কমিউনিস্ট পার্টি
c ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কংগ্রেস
d বহুজন সমাজ পার্টি
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কংগ্রেস ১. কেন সঠিক: ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কংগ্রেস ১৮৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এটি ভারতের সবচেয়ে প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক দল। ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলন এবং ভারতের স্বাধীনতা অর্জনে এই দলটি নেতৃত্বস্থানীয় ভূমিকা পালন করেছিল। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: দেশ: ভারত প্রতিষ্ঠা: ২৮ ডিসেম্বর ১৮৮৫ সাল প্রেক্ষাপট: ব্রিটিশ ভারতে রাজনৈতিক অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে এই দল গঠিত হয়। উদ্দেশ্য: ঔপনিবেশিক শাসন থেকে মুক্তি এবং গণতান্ত্রিক ভারত গঠন করা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্রিটিশ লেবার পার্টি ব্যাখ্যা: এটি যুক্তরাজ্যের একটি প্রাচীন রাজনৈতিক দল, যা শ্রমিক শ্রেণীর অধিকার রক্ষায় গঠিত হয়েছিল। উদাহরণ ২: পাকিস্তান মুসলিম লীগ ব্যাখ্যা: এটি ব্রিটিশ ভারতের আরেকটি ঐতিহাসিক রাজনৈতিক দল, যা পাকিস্তান সৃষ্টিতে নেতৃত্ব দিয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারতীয় জনতা পার্টি — এটি ১৯৮০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং বর্তমানে ভারতের ক্ষমতায় থাকা একটি রাজনৈতিক দল। B) কমিউনিস্ট পার্টি — ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি ১৯২৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এটি কংগ্রেসের চেয়ে নবীন। ডি) বহুজন সমাজ পার্টি — এটি ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং মূলত দলিত ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব করে। ৫ মনে রাখার টিপস: ১৮৮৫ সালে গঠিত কংগ্রেস হলো ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রধান প্রাচীন রাজনৈতিক দল। মনে রাখার জন্য কংগ্রেস এবং স্বাধীনতা আন্দোলন শব্দ দুটি একসঙ্গে মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাস এবং দলীয় ব্যবস্থা সংক্রান্ত ক্যাটাগরিতে প্রায়ই আসে। একই বিষয় থেকে দলগুলোর প্রতিষ্ঠাকাল বা প্রতিষ্ঠাতা সম্পর্কে প্রশ্ন আসতে পারে।
a টমাস হবসন
b ভি.আই. লেলিন
c কার্ল মার্কস
d এন্টিনিও গ্রামসি
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভি.আই. লেলিন ১. কেন সঠিক: ভ্লাদিমির ইলিচ লেলিন ১৯১৬ সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় সুইজারল্যান্ডে অবস্থানকালে এই বিখ্যাত গ্রন্থটি রচনা করেন। এই বইটিতে তিনি কার্ল মার্কসের পুঁজিবাদের তত্ত্বকে প্রসারিত করে দেখিয়েছেন কীভাবে মুক্তবাজার পুঁজিবাদ সাম্রাজ্যবাদে রূপ নেয়। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: প্রেক্ষাপট: প্রথম বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন সাম্রাজ্যবাদী শক্তিগুলোর মধ্যে বিশ্ব দখলের লড়াইয়ের অর্থনৈতিক কারণ ব্যাখ্যা করা। গুরুত্ব: উপনিবেশবাদ ও সাম্রাজ্যবাদের শেকড় যে অর্থনীতির সাথে জড়িত, তা বৈশ্বিক রাজনীতিতে স্পষ্টভাবে উন্মোচন করা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রথম বিশ্বযুদ্ধ ব্যাখ্যা: বিভিন্ন ইউরোপীয় পুঁজিবাদী দেশের উপনিবেশ দখলের প্রতিযোগিতা থেকেই প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সূত্রপাত হয়েছিল। উদাহরণ ২: উপনিবেশবাদ ব্যাখ্যা: কাঁচামাল ও বাজার দখলের জন্য শক্তিশালী দেশগুলো দুর্বল দেশগুলোর ওপর রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) টমাস হবসন — তিনি মূলত ব্রিটিশ অর্থনীতিবিদ যিনি সাম্রাজ্যবাদ নিয়ে প্রথম তত্ত্ব দেন, তবে এই বইটির লেখক নন। C) কার্ল মার্কস — তিনি সমাজতন্ত্রের প্রবক্তা এবং দাস ক্যাপিটাল বইটির লেখক, যা পুঁজিবাদ বিশ্লেষণে ব্যবহৃত হয়। D) এন্টিনিও গ্রামসি — তিনি একজন ইতালীয় মার্কসবাদী দার্শনিক যিনি মূলত সাংস্কৃতিক hegemony বা আধিপত্যবাদের তত্ত্ব দিয়েছেন। ৫ মনে রাখার টিপস: বিখ্যাত বইটির নামের সাথে লেলিনের নাম মনে রাখতে সাম্রাজ্যবাদ শব্দটি পুঁজিবাদের সর্বোচ্চ পর্যায় হিসেবে মনে রাখা যায়। টমাস হবসন সাম্রাজ্যবাদ নিয়ে লিখলেও তার ওপর ভিত্তি করে লেলিন এই পূর্ণাঙ্গ বইটি লিখেছিলেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই বইটি থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই প্রশ্ন আসে যে সাম্রাজ্যবাদকে পুঁজিবাদের সর্বোচ্চ পর্যায় কে বলেছেন। একই বিষয় থেকে প্রশ্ন হতে পারে যে হবসনের সাম্রাজ্যবাদ তত্ত্বের ওপর ভিত্তি করে কোন নেতা এই গ্রন্থটি রচনা করেন।
a থমাস হবসন, হুগো, গ্রোসিয়াস ও জন লক এর লেখনী থেকে
b ম্যাগনা কার্টা থেকে
c গ্রিক, খৃষ্টান ও মধ্যযুগীয় ধর্মতত্ত্ব থেকে
d কনফুসিয়ানিজম থেকে
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) থমাস হবসন, হুগো, গ্রোসিয়াস ও জন লক এর লেখনী থেকে ১. কেন সঠিক: - প্রাকৃতিক আইন বা ন্যাচারাল ল অব এর আধুনিক রূপদান ও তাত্ত্বিক ভিত্তি গঠনে সপ্তদশ ও অষ্টাদশ শতকের এসব দার্শনিক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। - মানব স্বভাব, মানুষের সহজাত অধিকার এবং সামাজিক চুক্তির ধারণার মাধ্যমে তারা প্রাকৃতিক আইনের আধুনিক দিকটি উন্মোচন করেন। ২. তাত্ত্বিক প্রেক্ষাপট: - রাষ্ট্রদর্শন: এটি মূলত রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের একটি মৌলিক তাত্ত্বিক বিষয়। - পটভূমি: মানুষের সহজাত প্রবৃত্তি ও অধিকারের ওপর ভিত্তি করে এই আইন বিকশিত হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: জন লক ব্যাখ্যা: জন লক তার তত্ত্বে মানুষের জীবন, স্বাধীনতা ও সম্পত্তির অধিকারকে প্রাকৃতিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছেন। উদাহরণ ২: হুগো গ্রোশিয়াস ব্যাখ্যা: হুগো গ্রোশিয়াসকে আন্তর্জাতিক আইনের জনক বলা হয়, যিনি প্রাকৃতিক আইনের ওপর ভিত্তি করে আন্তর্জাতিক সম্পর্কের রূপরেখা দেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) থমাস হবসন, হুগো, গ্রোসিয়াস ও জন লক এর লেখনী থেকে — এই অপশনটি সঠিক কারণ তাদের লেখা থেকেই আধুনিক প্রাকৃতিক আইনের ধারণা দৃঢ় হয়। B) ম্যাগনা কার্টা থেকে — ম্যাগনা কার্টা মূলত ইংল্যান্ডের রাজক্ষমতা সীমিত করার সনদ, এটি প্রাকৃতিক আইনের সরাসরি উদ্ভব ঘড়ায়নি। C) গ্রিক, খৃষ্টান ও মধ্যযুগীয় ধর্মতত্ত্ব থেকে — প্রাচীন গ্রিক ও মধ্যযুগে এর কিছু ভিত্তি থাকলেও আধুনিক প্রাকৃতিক আইন এদের লেখনী থেকেই পুষ্ট হয়েছে। D) কনফুসিয়ানিজম থেকে — কনফুসিয়ানিজম হলো চৈনিক নৈতিক ও সামাজিক দর্শন, যার সঙ্গে আধুনিক প্রাকৃতিক আইনের সরাসরি সম্পর্ক নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - প্রাকৃতিক আইনের আধুনিক রূপকারদের মনে রাখতে হবস, গ্রোশিয়াস ও লকের নাম একসঙ্গে স্মরণ করতে হবে। - জন লক ও থমাস হবসের সামাজিক চুক্তির তত্ত্ব প্রাকৃতিক আইনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - আন্তর্জাতিক সম্পর্কের তাত্ত্বিক ভিত্তি এবং আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে প্রাকৃতিক আইনের ধারণা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - এই প্রশ্নটি থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আধুনিক রাষ্ট্রদর্শনের জনকদের অবদান সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।
a মন্ট্রিল প্রটোকল
b ক্লোরোফ্লোরো কার্বন চুক্তি
c IPCC চুক্তি
d কোনটিই নয়
0 112 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মন্ট্রিল প্রটোকল ১. কেন সঠিক: ওজোনস্তর ক্ষয়কারী উপাদানগুলোর উৎপাদন ও ব্যবহার নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ক্রমান্বয়ে কমিয়ে আনার জন্য মন্ট্রিল প্রটোকলে ঐতিহাসিক ও আইনগত বাধ্যবাধকতা আরোপ করা হয়েছে। ১৯৮৭ সালে গৃহীত এই চুক্তির মূল লক্ষ্য ছিল বায়ুমণ্ডলের ওজন স্তর রক্ষার্থে ক্ষতিকারক উপাদানগুলোর ব্যবহার সফলভাবে শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনা। ২. চুক্তি ও পরিবেশগত প্রেক্ষাপট: চুক্তির নাম: মন্ট্রিল প্রটোকল অন সাবসট্যান্সেস দ্যাট ডিপ্লিট দ্য ওজোন লেয়ার। তারিখ ও স্থান: ১৯৮৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর কানাডার মন্ট্রিল শহরে এটি স্বাক্ষরিত হয় এবং ১৯৮৯ সালের ১ জানুয়ারি কার্যকর হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভিয়েনা কনভেনশন। ব্যাখ্যা: ১৯৮৫ সালের এই কনভেনশনটি ওজোনস্তর সুরক্ষার জন্য বৈশ্বিক সহযোগিতার ভিত্তি স্থাপন করেছিল, যার সরাসরি বাস্তবায়ন রূপ নেয় মন্ট্রিল প্রটোকলে। উদাহরণ ২: কিগালে সংশোধনী। ব্যাখ্যা: ২০১৬ সালে মন্ট্রিল প্রটোকলে এই সংশোধনী এনে হাইড্রোফ্লোরোকার্বন বা এইচএফসি ব্যবহারের পরিমাণ কমানোর সিদ্ধান্ত হয়, যা জলবায়ু পরিবর্তন রোধে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মন্ট্রিল প্রটোকল — এটি সঠিক উত্তর কারণ ওজোনস্তর ক্ষয়কারী উপাদান হ্রাসের সুনির্দিষ্ট সময়ভিত্তিক নিয়ম এই চুক্তিতেই রয়েছে। B) ক্লোরোফ্লোরো কার্বন চুক্তি — এই নামে কোনো স্বতন্ত্র আন্তর্জাতিক চুক্তি বা সনদ আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ বা বিশ্বমঞ্চে স্বাক্ষরিত হয়নি। C) IPCC চুক্তি — ইন্টারপভার্নমেন্টাল প্যানেল অন ক্লাইমেট চেঞ্জ কোনো চুক্তি নয়, এটি জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক বৈজ্ঞানিক মূল্যায়নকারী একটি আন্তঃসরকারি সংস্থা। D) কোনটিই নয় — যেহেতু অপশন এ সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: ওজোনস্তর বা বায়ুমণ্ডলের উপরিভাগের সুরক্ষার কথা থাকলেই সবার আগে কানাডার মন্ট্রিল প্রটোকলের কথা মনে রাখবে। সিএফসি গ্যাস নিয়ন্ত্রণের সবচেয়ে সফল বিশ্বনথি হলো এই মন্ট্রিল প্রটোকল। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মন্ট্রিল প্রটোকল স্বাক্ষরিত হয় ১৯৮৭ সালে এবং এটি কার্যকর হয় ১৯৮৯ সালে। পরিবেশ বিষয়ক আন্তর্জাতিক চুক্তিগুলোর মধ্যে এটিকে ইতিহাসের সবচেয়ে সফল চুক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
a ভলিবল
b টেবিল টেনিস
c বাস্কেট বল
d লন টেনিস
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) টেবিল টেনিস ১. কেন সঠিক: পিং পং মূলত টেবিল টেনিস খেলার একটি জনপ্রিয় অপর নাম। বল আঘাত করার সময় যে শব্দ উৎপন্ন হয়, তার অনুকরণে এই নামকরণ করা হয়েছে। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: প্রেক্ষাপট: বিংশ শতাব্দীর শুরুতে এই খেলার নামকরণের পেছনে মজার ইতিহাস রয়েছে। কূটনীতি: ১৯৭০ এর দশকে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে বরফ গলাতে এই খেলা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: পিং পং কূটনীতি ব্যাখ্যা: ১৯৭১ সালে টেবিল টেনিস খেলার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের পথ সুগম হয়েছিল। উদাহরণ ২: আন্তর্জাতিক টেবিল টেনিস ফেডারেশন ব্যাখ্যা: এই সংস্থাটি বিশ্বব্যাপী টেবিল টেনিস খেলা পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভলিবল — এটি ছয় সদস্যের দুটি দলের মধ্যে হাত দিয়ে বল জালের ওপর দিয়ে ছুড়ে খেলার একটি জনপ্রিয় আন্তর্জাতিক খেলা। B) টেবিল টেনিস — এটি ছোট ব্যাটে টেবিলের ওপর বল আঘাত করে খেলার খেলা যার অন্য নাম পিং পং। C) বাস্কেট বল — এটি উঁচুতে থাকা জালের ঝুড়িতে বল ফেলে পয়েন্ট অর্জনের একটি দলীয় খেলা। D) লন টেনিস — এটি বড় কোর্টে র‍্যাকেট ও জালের সাহায্যে বল আঘাত করে খেলার একটি স্বতন্ত্র খেলা। ৫. মনে রাখার টিপস: পিং পং শব্দ শুনলেই মাথায় টেবিল টেনিসের ছোট বলের খটখট শব্দ মনে রাখবে। এটি কোনো দলীয় বড় মাঠের খেলা নয়, বরং টেবিলের ওপর খেলার খেলা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পিং পং কূটনীতি কোন দুটি দেশের মধ্যে সংঘটিত হয়েছিল তা প্রায়শই পরীক্ষায় আসে। এই প্রশ্নটি থেকে খেলাধুলার ইতিহাস ও কূটনীতির সম্পর্ক সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।
a স্থলবেষ্টিত রাষ্ট্র
b নিরপেক্ষ রাষ্ট্র
c বাফার রাষ্ট্র
d জিরো সাম রাষ্ট্র
0 98 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বাফার রাষ্ট্র ১. কেন সঠিক: দুই বা ততোধিক প্রতিদ্বন্দ্বী বা পরাশক্তির মাঝখানে অবস্থিত ভৌগোলিক অঞ্চলকে বাফার রাষ্ট্র বলা হয়। এটি বৃহৎ শক্তিসমূহের সরাসরি সামরিক সংঘাত এড়াতে একটি নিরপক্ষ বা মধ্যবর্তী অঞ্চল হিসেবে কাজ করে। ২. ভূরাজনীতি ও কূটনীতি: প্রেক্ষাপট: ঐতিহাসিক ও আধুনিক ভূরাজনীতিতে বৃহৎ শক্তিগুলোর প্রভাব বলয় আলাদা রাখতে এই রাষ্ট্রগুলোর গুরুত্ব অপরিসীম। উদ্দেশ্য: দুটি শক্তিশালী দেশের মধ্যে সরাসরি যুদ্ধ বা সীমান্ত সংঘর্ষ রোধ করা এবং কূটনৈতিক ভারসাম্য বজায় রাখা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: আফগানিস্তান ব্যাখ্যা: ব্রিটিশ সাম্রাজ্য এবং রুশ সাম্রাজ্যের মধ্যে স্নায়ুযুদ্ধ বা প্রভাব বিস্তারের প্রতিযোগিতায় আফগানিস্তান ঐতিহাসিক বাফার রাষ্ট্র হিসেবে ভূমিকা রেখেছিল। উদাহরণ ২: বেলজিয়াম ব্যাখ্যা: ইউরোপের শক্তিধর দেশ ফ্রান্স ও জার্মানির মাঝখানে অবস্থিত হওয়ায় বেলজিয়াম ঐতিহাসিকভাবে ইউরোপের বাফার রাষ্ট্র হিসেবে পরিচিত ছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্থলবেষ্টিত রাষ্ট্র — যে দেশের কোনো সমুদ্রবন্দর বা সমুদ্রের সাথে সরাসরি সংযোগ নেই, তাকে স্থলবেষ্টিত রাষ্ট্র বলে। এটি ভূগোলের একটি ভৌগোলিক অবস্থান, যা প্রতিদ্বন্দ্বী শক্তির মধ্যবর্তী অবস্থান বোঝায় না। B) নিরপেক্ষ রাষ্ট্র — যে রাষ্ট্র আন্তর্জাতিক কোনো সংঘাতে বা সামরিক জোটে অংশ নেয় না এবং সশস্ত্র neutrality বজায় রাখে, তাকে নিরপেক্ষ রাষ্ট্র বলে। এটি ভূরাজনৈতিক অবস্থানের চেয়ে মূলত রাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতির সাথে সম্পর্কিত। C) বাফার রাষ্ট্র — এটি সঠিক উত্তর। D) জিরো সাম রাষ্ট্র — এটি আন্তর্জাতিক অর্থনীতি বা খেলার তাত্ত্বিক ধারণা, যেখানে এক পক্ষের লাভ মানে অন্য পক্ষের ঠিক ততটুকুই ক্ষতি। এটি কোনো ভৌগোলিক বা ভূরাজনৈতিক অবস্থানের নাম নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: বাফার মানে কুশন বা কুশন জাতীয় মধ্যবর্তী জিনিস, যা ধাক্কা বা আঘাত সরাসরি লাগতে দেয় না। ঠিক তেমনি, দুটি মহাশক্তির মাঝে আঘাত বা যুদ্ধ প্রতিরোধকারী মধ্যবর্তী দেশই হলো বাফার রাষ্ট্র। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভূরাজনীতি ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের সংজ্ঞা থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। বাফার রাষ্ট্র ধারণার পাশাপাশি সীমান্ত বিরোধ এবং নিরপেক্ষতার নীতি সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা জরুরি।
a কার্ল মার্কস
b ফ্রেডরিক এঙ্গেলস
c ভি. আই. লেনিন
d মাও সে তুং
0 122 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ভি. আই. লেনিন ১. কেন সঠিক: ভ্লাদিমির ইলিচ লেনিন ছিলেন বলশেভিক দলের নেতা এবং ১৯১৭ সালের রুশ সমাজতান্ত্রিক অক্টোবর বিপ্লবের মূল রূপকার। তার প্রত্যক্ষ নির্দেশনায় পেত্রোগাদের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখল করে বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ঘটনা: রুশ অক্টোবর বিপ্লব। তারিখ: ১৯১৭ সালের ৭ নভেম্বর (জুলিয়ান ক্যালেন্ডারে ২৫ অক্টোবর)। স্থান: পেত্রোগাদ, রাশিয়া। গুরুত্ব: পুঁজিবাদের পতন ঘটিয়ে বিশ্বে প্রথম শ্রমিক শ্রেণির শাসন প্রতিষ্ঠা করে। ফলাফল: সোভিয়েত ইউনিয়ন গঠন এবং বিশ্ব রাজনীতিতে সমাজতন্ত্রের বিস্তার ঘটে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ফরাসি বিপ্লব। ব্যাখ্যা: এটি ১৭৮৯ সালে ফ্রান্সে রাজতন্ত্রের পতন ঘটিয়ে সাম্য, মৈত্রী ও স্বাধীনতার আদর্শ প্রতিষ্ঠা করেছিল। উদাহরণ ২: চীনের কমিউনিস্ট বিপ্লব। ব্যাখ্যা: ১৯৪৯ সালে মাও সে তুংয়ের নেতৃত্বে চীনে সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব সফল হয়, যা এশিয়ার রাজনীতিতে গভীর প্রভাব ফেলেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কার্ল মার্কস — তিনি সমাজতন্ত্রের তাত্ত্বিক প্রবক্তা ও কমিউনিস্ট ইশতেহালের রচয়িতা হলেও সরাসরি অক্টোবর বিপ্লবে নেতৃত্ব দেননি। B) ফ্রেডরিক এঙ্গেলস — তিনি কার্ল মার্কসের সহকর্মী ও সমাজতান্ত্রিক মতবাদের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন কিন্তু অক্টোবর বিপ্লবের বহু আগে মৃত্যুবরণ করেন। D) মাও সে তুং — তিনি চীনের কমিউনিস্ট বিপ্লবের প্রধান নেতা ছিলেন, রুশ বিপ্লবের সঙ্গে তার সরাসরি সংশ্লিষ্টতা ছিল না। ৫ মনে রাখার টিপস: অক্টোবর বিপ্লব মানেই লেনিন এবং বলশেভিক দল। লেনিন নামটির সঙ্গে অক্টোবর বিপ্লব যুক্ত করে পড়লে সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: অক্টোবর বিপ্লব কোন সালে সংঘটিত হয় এবং এর ফলে কোন রাষ্ট্র গঠিত হয়, তা প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। এই টপিক থেকে বলশেভিক বিপ্লব এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রতিষ্ঠাতা সম্পর্কিত প্রশ্ন হতে পারে।
a এ্যাডি ক্যালভো
b ডোনাল্ড ডাক
c রন বুম
d গেন বেক
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) এ্যাডি ক্যালভো ১. কেন সঠিক: - এ্যাডি ক্যালভো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দ্বীপ টেরিটরি গুয়ামের সাবেক গভর্নর ছিলেন। - গুয়াম একটি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন সামরিক ঘাঁটি হওয়ায় এর রাজনৈতিক নেতৃত্ব আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: - দেশ/অঞ্চল: গুয়াম, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি অনির্গঠিত ও অসংগঠিত দ্বীপ অঞ্চল। - অবস্থান: প্রশান্ত মহাসাগরের মারিয়ানা দ্বীপপুঞ্জের সর্বদক্ষিণে অবস্থিত। - গুরুত্ব: এ অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান ও নৌঘাঁটি থাকার কারণে এটি ভূরাজনীতিতে অত্যন্ত সংবেদনশীল। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: পুয়ের্তো রিকো ব্যাখ্যা: এটিও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি ক্যারিবীয় অঞ্চলের দ্বীপ টেরিটরি যার নিজস্ব গভর্নর ও স্থানীয় শাসনব্যবস্থা রয়েছে। উদাহরণ ২: মার্কিন ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ব্যাখ্যা: গুয়ামের মতো এটিও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি সামুদ্রিক অঞ্চল যা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ও কংগ্রেসের অধীনস্ত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) এ্যাডি ক্যালভো — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি নির্দিষ্ট সময়ে গুয়ামের গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। B) ডোনাল্ড ডাক — এটি একটি কাল্পনিক অ্যানিমেশন চরিত্র এবং এর বাস্তব কোনো রাজনৈতিক পদের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই। C) রন বুম — এটি কোনো বাস্তব বা পরিচিত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের নাম নয়। ডি) গেন বেক — এই নামে গুয়ামের গভর্নর পদে দায়িত্ব পালনকারী কোনো রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - গুয়াম যুক্তরাষ্ট্রের একটি দ্বীপ অঞ্চল হওয়ায় এর শীর্ষস্থানীয় প্রশাসকদের নাম প্রায়ই প্রশান্ত মহাসাগরীয় ভূরাজনীতির প্রশ্নে আসে। - এ্যাডি ক্যালভো নামটি গুয়ামের সাবেক গভর্নর হিসেবে স্মরণ রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - গুয়াম কোন দেশের অধীনস্থ অঞ্চল তা বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। - প্রশান্ত মহাসাগরে মার্কিন সামরিক উপস্থিতির কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে গুয়ামের ভূরাজনৈতিক গুরুত্ব অপরিসীম।
a ১৯৬২ সনে
b ১৯৮৬ সনে
c ১৯৭৮ সনে
d ১৯৮২ সনে
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৯৮২ সনে ১. কেন সঠিক: মিয়ানমারে বসবাসরত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী ১৯৮২ সালের নাগরিকত্ব আইনের মাধ্যমে তাদের নাগরিকত্ব হারায়। এই আইনের কারণে রোহিঙ্গারা রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি থেকে বঞ্চিত হয় এবং পরবর্তীতে রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের মুখে তারা লাখ লাখ সংখ্যায় বাংলাদেশে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও গুরুত্ব: দেশ: মিয়ানমার, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি রাষ্ট্র যার রাজধানী নেপিড এবং মুদ্রা কিয়াত। প্রেক্ষাপট: জেনারেল নে উইনের সামরিক সরকারের আমলে প্রণীত ১৯৮২ সালের নাগরিকত্ব আইনে মিয়ানমারের নাগরিক হওয়ার জন্য নির্দিষ্ট কিছু জাতিগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্তির শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ফিলিস্তিন সংকট ব্যাখ্যা: রোহিঙ্গাদের মতো ফিলিস্তিনিরাও দীর্ঘকাল ধরে রাষ্ট্রহীন ও নাগরিক অধিকার বঞ্চিত একটি নিপীড়িত জনগোষ্ঠী। উদাহরণ ২: কুর্দি সংকট ব্যাখ্যা: মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে থাকা কুর্দিরা নিজস্ব রাষ্ট্র ও নাগরিকত্ব থেকে বঞ্চিত একটি ঐতিহাসিক জাতিগোষ্ঠী। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৬২ সনে — জেনারেল নে উইন সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করলেও এই বছরে রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব হীন করার আইন পাস হয়নি। B) ১৯৮৬ সনে — এই বছরটি মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি বা রোহিঙ্গা সংকটের ক্ষেত্রে নাগরিকত্ব আইন প্রণয়নের সাথে সম্পর্কিত নয়। C) ১৯৭৮ সনে — এই বছরে মিয়ানমারে অপারেশন ড্রাগন কিং পরিচালনার কারণে রোহিঙ্গারা প্রথম বড় আকারে বাংলাদেশে পালিয়ে আসে, যা নাগরিকত্ব আইন প্রণয়নের আগের ঘটনা। D) ১৯৮২ সনে — এই অপশনটি সঠিক কারণ এই সালেই বিতর্কিত নাগরিকত্ব আইন পাস করে রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়া হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: রোহিঙ্গারা ১৯৮২ সালের আইনের ফাঁদে পড়ে নাগরিকত্ব হারিয়েছে। আট আর দুই মিলে তৈরি হয়েছে আটচল্লিশ বা বাহাত্তর নয়, বরং বিরাশি সালটি রোহিঙ্গাদের জন্য সবচেয়ে কালো অধ্যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মিয়ানমারের ১৯৮২ সালের নাগরিকত্ব আইন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের পরিপন্থী হিসেবে বিবেচিত। এই টপিক থেকে মিয়ানমারের রাজধানী, মুদ্রা অথবা রোহিঙ্গা সংকট সম্পর্কিত বিভিন্ন আন্তর্জাতিক চুক্তি ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রশ্ন প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
a থাড
b শয়তানের সাম্রাজ্যে আক্রমণ
c তারকা যুদ্ধ
d ম্যাড
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) তারকা যুদ্ধ ১. কেন সঠিক: সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগান ১৯৮৩ সালের মার্চ মাসে কৌশলগত প্রতিরক্ষা উদ্যোগ বা এসডিআই ঘোষণা করেন। এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য ছিল মহাশূন্যে কৃত্রিম উপগ্রহ এবং লেজার অস্ত্র মোতায়েন করে সোভিয়েত ইউনিয়নের দিক থেকে আসা আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করা। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: প্রেক্ষাপট: স্নায়ুযুদ্ধের চরম পর্যায়ে যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যকার মহাকাশ ও অস্ত্র প্রতিযোগিতা তীব্র আকার ধারণ করে। উদ্দেশ্য: মহাশূন্যভিত্তিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে সোভিয়েত পারমাণবিক আক্রমণ থেকে রক্ষা করা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: কিউবা সংকট ব্যাখ্যা: এটি স্নায়ুযুদ্ধের আরেকটি অত্যন্ত বিপজ্জনক অধ্যায় যা যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যকার সরাসরি সংঘর্ষের উপক্রম করেছিল। উদাহরণ ২: ন্যাটোর প্রতিষ্ঠা ব্যাখ্যা: স্নায়ুযুদ্ধের সময় গঠিত এই সামরিক জোট পশ্চিমা বিশ্বের প্রতিরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) থাড — এটি একটি আধুনিক মার্কিন টার্মিনাল হাই অল্টিটিউড এরিয়া ডিফেন্স ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, যা তৎকালীন এসডিআই নয়। B) শয়তানের সাম্রাজ্যে আক্রমণ — এটি রোনাল্ড রিগানের সোভিয়েত ইউনিয়ন সম্পর্কে করা একটি বিখ্যাত রাজনৈতিক মন্তব্য বা ভাষণের অংশবিশেষ। D) ম্যাড — এর পূর্ণরূপ মিউচুয়ালি অ্যাসিওরড ডেস্ট্রাকশন, যা স্নায়ুযুদ্ধের সময় দুই পরাশক্তির পারমাণবিক যুদ্ধ প্রতিরোধের একটি কৌশলগত তত্ত্ব ছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: রিগানের মহাশূন্য প্রতিরক্ষা প্রকল্প মানেই তারকার রাজ্য বা তারকা যুদ্ধ বা স্টার ওয়ার্স। এসডিআই শুনলেই মাথায় রাখতে হবে এটি মহাশূন্য বা স্পেস ডিফেন্স সংক্রান্ত তারকা যুদ্ধ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি বিশ্বযুদ্ধ ও গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ঘটনা এবং স্নায়ুযুদ্ধের রাজনীতি ক্যাটাগরির অন্তর্ভুক্ত। বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এসডিআই এর পূর্ণরূপ বা এর জনপ্রিয় নাম জানতে চাওয়া হয়।
a নয়া উদারতাবাদ
b গঠনবাদ
c বাস্তববাদ
d নব্য মার্কসবাদ
0 93 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বাস্তববাদ ১. কেন সঠিক: আন্তর্জাতিক সম্পর্ক তত্ত্বে নৈরাজ্য বা অ্যানার্জি বলতে কোনো বিশ্বসরকার বা সর্বোচ্চ অভিভাবক না থাকাকে বোঝায়। বাস্তববাদ তত্ত্বের মতে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে যেহেতু কোনো কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষ নেই, তাই প্রতিটি রাষ্ট্র তার নিজের নিরাপত্তা নিজেই নিশ্চিত করতে বাধ্য। ২. আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও তত্ত্ব: তত্ত্ব: আন্তর্জাতিক সম্পর্কের প্রধান তিনটি তাত্ত্বিক ধারার একটি হলো বাস্তববাদ। প্রেক্ষাপট: প্রাচীন গ্রিক ইতিহাসবিদ থুসিডিস থেকে শুরু করে আধুনিক যুগে হ্যান্স মর্গেনথাউ এই তত্ত্বের মূল ভিত্তি স্থাপন করেছেন। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ব্যাখ্যা: বিশ্বযুদ্ধের মতো ঘটনাগুলো প্রমাণ করে যে আন্তর্জাতিক ব্যবস্থায় কোনো কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রক না থাকায় শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে দেশগুলো নিজেদের আধিপত্য বিস্তার করতে চেয়েছিল। উদাহরণ ২: স্নায়ুযুদ্ধকালীন আমেরিকা ও সোভিয়েত ইউনিয়ন ব্যাখ্যা: পরাশক্তিগুলোর মধ্যে অস্ত্র প্রতিযোগিতা এবং ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষার রাজনীতি বাস্তববাদের নৈরাজ্যিক ধারণার বাস্তব প্রতিফলন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নয়া উদারতাবাদ — এই তত্ত্ব আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে রাষ্ট্রগুলোর পারস্পরিক সহযোগিতা এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার ভূমিকার ওপর বেশি জোর দেয়। B) গঠনবাদ — প্রদত্ত উত্তরটি তাত্ত্বিক বিচারে ভুল কারণ গঠনবাদ মূলত ধারণা, আদর্শ এবং সামাজিক পরিচয়ের ওপর গুরুত্ব দেয়, নৈরাজ্য এর মূল উপাদান নয়। D) নব্য মার্কসবাদ — এই তত্ত্ব বিশ্বব্যাপী পুঁজিবাদী শোষণ, অর্থনৈতিক বৈষম্য এবং সাম্রাজ্যবাদের সমালোচনার ওপর প্রতিষ্ঠিত। ৫ মনে রাখার টিপস: বাস্তববাদ মানেই হলো ক্ষমতার রাজনীতি এবং নৈরাজ্য যেখানে প্রতিটি রাষ্ট্র নিজের সুরক্ষার জন্য একা লড়াই করে। বাস্তববাদ ও নৈরাজ্য শব্দ দুটি সমার্থক হিসেবে আন্তর্জাতিক সম্পর্কের পড়াশোনায় ব্যবহার করা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক যেকোনো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আন্তর্জাতিক সম্পর্কের বিভিন্ন তত্ত্ব এবং তাদের মূল ধারণা থেকে প্রশ্ন প্রায়ই আসে। নৈরাজ্য কোন তত্ত্বের মূল উপাদান, এই প্রশ্নটি বাস্তববাদ তত্ত্বের মৌলিক ভিত্তি যাচাই করার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a 5
b 3
c 4
d 2
0 112 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩ ১. কেন সঠিক: - ইসলামী সহযোগিতা সংস্থা বা ওআইসি এর দাপ্তরিক বা কাজের ভাষা মাত্র তিনটি। - এই ভাষাগুলো হলো আরবি, ইংরেজি এবং ফরাসি। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: - সংস্থা: ওআইসি বা অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কোঅপারেশন হলো বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম আন্তঃসরকার সংস্থা। - প্রতিষ্ঠা: ১৯৬৯ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর মরক্কোর রাবাতে সংস্থাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। - সদর দপ্তর: সৌদি আরবের জেদ্দায় এর প্রধান কার্যালয় অবস্থিত। - সদস্যসংখ্যা: বিশ্বের চার মহাদেশের ৫৭টি মুসলিম প্রধান দেশ এর সদস্য। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: জাতিসংঘ ব্যাখ্যা: জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা ছয়টি, যা ওআইসি থেকে ভিন্ন। উদাহরণ ২: আসিয়ান ব্যাখ্যা: দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক সংস্থা আসিয়ানের দাপ্তরিক ভাষা ইংরেজি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৫ — এটি জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষার সংখ্যা, ওআইসির নয়। B) ৩ — এটি ওআইসির দাপ্তরিক ভাষার সঠিক সংখ্যা এবং উত্তর হিসেবে নির্ধারিত। C) ৪ — আন্তর্জাতিক কোনো প্রধান সংস্থার ক্ষেত্রে সাধারণত এই সংখ্যাটি দাপ্তরিক ভাষা হিসেবে ব্যবহৃত হয় না। D) ২ — এটি অনেক দ্বিপক্ষীয় চুক্তির ভাষা হতে পারে, কিন্তু ওআইসির ক্ষেত্রে এই সংখ্যাটি প্রযোজ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ওআইসি যেহেতু মুসলিম বিশ্বের সংস্থা, তাই প্রধান ভাষা আরবি। এর সাথে আন্তর্জাতিক যোগাযোগের জন্য ইংরেজি ও ফরাসি যুক্ত হয়েছে। - এভাবে মনে রাখতে পারো যে ত্রিভুজ যেমন তিনটি বাহু নিয়ে গঠিত, ওআইসির দাপ্তরিক ভাষাও তেমনি তিনটি। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আন্তর্জাতিক সংস্থার ভাষা সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - ওআইসির দাপ্তরিক ভাষার পাশাপাশি এর সদর দপ্তর ও প্রতিষ্ঠার সাল সম্পর্কেও ভালোভাবে জেনে রাখা উচিত।
a দুবাই
b সিউল
c কাতার
d বার্লিন
0 103 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কাতার ১. কেন সঠিক: প্রশ্নটিতে ২০২২ সালের ফিফা বিশ্বকাপ আয়োজক দেশ সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়েছে। সঠিক উত্তর কাতার কারণ দেশটি মধ্যপ্রাচ্যে প্রথমবার এই বিশ্ব আসর সফলভাবে আয়োজন করেছিল। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: দেশ বা সংস্থা: ফিফা এবং কাতার ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন। প্রতিষ্ঠা বা তারিখ: ফিফা প্রতিষ্ঠিত হয় ২১ মে ১৯০৪ সালে এবং ২০২২ সালের বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয় ২০ নভেম্বর থেকে ১৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত। স্থান বা সদর দপ্তর: ফিফার সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জুরিখে অবস্থিত এবং বিশ্বকাপ ম্যাচের ভেন্যুগুলো কাতারের পাঁচটি ভিন্ন শহরে ছিল। প্রেক্ষাপট: ২০১০ সালে ভোটাভুটির মাধ্যমে কাতারকে এই মেগা ইভেন্ট আয়োজনের দায়িত্ব দেওয়া হয়। উদ্দেশ্য বা গুরুত্ব: মধ্যপ্রাচ্যের সংস্কৃতি বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরা এবং ফুটবলের বৈশ্বিক বিস্তার ঘটানো। ফলাফল বা প্রভাব: ফাইনালে ফ্রান্সকে হারিয়ে আর্জেন্টিনা চ্যাম্পিয়ন হয় এবং লিওনেল মেসি শিরোপা লাভ করেন। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: জার্মানি ২০০৬ ফিফা বিশ্বকাপ। ব্যাখ্যা: ইউরোপের ঐতিহ্যবাহী দেশ হিসেবে তারা অত্যন্ত সফলভাবে এই টুর্নামেন্ট আয়োজন করেছিল। উদাহরণ ২: ব্রাজিল ২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ। ব্যাখ্যা: ফুটবলের জন্মভূমি হিসেবে পরিচিত লাতিন আমেরিকার এই দেশে জমকালো আয়োজনের মাধ্যমে বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দুবাই — এটি সংযুক্ত আরব আমিরাতের একটি বিখ্যাত শহর হলেও ২০২২ সালের ফিফা বিশ্বকাপ এখানে অনুষ্ঠিত হয়নি। B) সিউল — এটি দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী এবং ২০০২ সালে ফিফা বিশ্বকাপের যৌথ আয়োজক ছিল, ২০২২ সালের নয়। C) কাতার — এটি সঠিক উত্তর। D) বার্লিন — এটি জার্মানির রাজধানী এবং ২০০৬ সালের বিশ্বকাপের ফাইনালসহ বেশ কিছু ম্যাচ এখানে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ৫. মনে রাখার টিপস: মধ্যপ্রাচ্যের মরুভূমির দেশে প্রথম বিশ্বকাপ হয়েছিল এবং তার নাম কাতার। অক্ষর সি এর সঙ্গে মিল রেখে মনে রাখতে পারেন কাতারের ইংরেজি নামের শুরু কিউ হলেও সি অপশনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মধ্যপ্রাচ্যে অনুষ্ঠিত প্রথম ফিফা বিশ্বকাপ এবং শীতকালে (নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাসে) অনুষ্ঠিত প্রথম বিশ্বকাপ এটি। একই বিষয় থেকে প্রশ্ন আসতে পারে ২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপ কোথায় অনুষ্ঠিত হবে, যার উত্তর যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো।
a চীন
b জাপান
c ভারত
d আসিয়ান
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চীন ১. কেন সঠিক: বেল্ট ও রোড ইনিসিয়েটিভ বা বিআরআই প্রস্তাব করেছে চীন। ২০১৩ সালে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এই মহা প্রকল্পের ঘোষণা দেন। ২. ভূরাজনীতি ও অর্থনৈতিক কূটনীতি: দেশ বা সংস্থা: চীন বৈশ্বিক অর্থনীতি ও বাণিজ্যের প্রসারে এই উদ্যোগ নিয়েছে। প্রেক্ষাপট: প্রাচীন সিল্ক রোডের আদويে এশিয়া, আফ্রিকা ও ইউরোপের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করা এর লক্ষ্য। উদ্দেশ্য বা গুরুত্ব: বিশ্বব্যাপী অবকাঠামো উন্নয়ন এবং বাণিজ্যের প্রসার ঘটানো এর মূল উদ্দেশ্য। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: চায়না পাকিস্তান ইকোনমিক করিডোর বা সিপিইসি ব্যাখ্যা: এটি বিআরআই প্রকল্পের একটি প্রধান অংশ যা চীন ও পাকিস্তানকে সংযুক্ত করেছে। উদাহরণ ২: মংলা ও পায়রা বন্দর উন্নয়ন ব্যাখ্যা: বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়নে চীনা বিনিয়োগ এই বৃহত্তর কূটনীতির অংশ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চীন — সঠিক উত্তর কারণ দেশটি এই বৈশ্বিক প্রকল্পের প্রবক্তা। B) জাপান — এটি ভুল কারণ জাপান এই উদ্যোগের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত নয়। C) ভারত — এটি ভুল কারণ ভারত এই প্রকল্পের বিরোধিতা করে আসছে। D) আসিয়ান — এটি ভুল কারণ আসিয়ান এই প্রকল্পের প্রবক্তা নয় বরং অংশীদার। ৫ মনে রাখার টিপস: বিআরআই বা ওয়ান বেল্ট ওয়ান রোড শুনলেই চীনের নাম মনে রাখবে। চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ২০১৩ সালে এই ধারণা সামনে আনেন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিআরআই প্রকল্পের পূর্ণরূপ হলো বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি অর্থনৈতিক কূটনীতি ও আঞ্চলিক সহযোগিতা ক্যাটাগরিতে আসে।
a ভূমিকম্প
b ভূমিধস
c নদীভাঙ্গন
d ঘূর্ণিঝড়
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভূমিধস কেন সঠিক: ১. জলজ আবহাওয়াজনিত দুর্যোগ মূলত পানি এবং বায়ুমণ্ডলের মিথস্ক্রিয়ায় ঘটে থাকে যেমন ঘূর্ণিঝড় বা বন্যা। ২. ভূমিধস মূলত ভূতাত্ত্বিক বা মাধ্যাকর্ষণজনিত কারণে ঘটে থাকে যা সরাসরি আবহাওয়ার ওপর নির্ভর করে না। ভৌগোলিক তথ্য: ১. ভূমিধস হলো অভিকর্ষের টানে পাহাড় বা উচু জমির মাটি ও পাথরের নিচের দিকে নেমে আসার একটি প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া। ২. এটি সাধারণত অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত, ভূমিকম্প কিংবা মানুষের অপরিকল্পিত ভূমিরূপ পরিবর্তনের কারণে বেশি ঘটে থাকে। ৩. উদাহরণস্বরূপ, পাহাড়ি অঞ্চলের বর্ষাকালে ধস নামা একটি অত্যন্ত সাধারণ এবং বিপজ্জনক ঘটনা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভূমিকম্প — এটি একটি ভূতাত্ত্বিক দুর্যোগ কারণ এটি পৃথিবীর অভ্যন্তরে টেকটনিক প্লেটের চলাচলের কারণে সৃষ্টি হয়। B) ভূমিধস — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য অপশন হিসেবে এর আলোচনা প্রযোজ্য নয়। C) নদীভাঙ্গন — এটি জলজ দুর্যোগের অন্তর্ভুক্ত কারণ নদীর প্রবল স্রোত ও পানির প্রবাহ এর মূল কারণ। D) ঘূর্ণিঝড় — এটি একটি জলবায়ুগত ও আবহাওয়া সংক্রান্ত দুর্যোগ যা বায়ুমণ্ডলের নিম্নচাপের ফলে সৃষ্টি হয়। মনে রাখার টিপস: ১. আবহাওয়া বা পানির সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয় এমন দুর্যোগ যেমন ভূমিকম্প হলো ভূতাত্ত্বিক দুর্যোগ।
a জাপানের উন্নয়ন কৌশল
b সুনামি দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস কৌশল
c দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস কৌশল
d ভূমিকম্পের ঝুঁকি হ্রাস কৌশল
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস কৌশল প্রদত্ত তথ্য: আন্তর্জাতিক চুক্তি সেন্দাই ফ্রেমওয়ার্ক ২০১৫ থেকে ২০৩০ সাল পর্যন্ত কার্যকর এটি দুর্যোগের ঝুঁকি কমাতে বিশ্বব্যাপী গৃহীত একটি কৌশলগত পরিকল্পনা ধরি, আন্তর্জাতিক এই চুক্তির মূল লক্ষ্য = দুর্যোগের ঝুঁকি কমানো অতএব, ২০১৫ সালে জাপানের সেন্দাই শহরে এই চুক্তি গৃহীত হয় এর প্রধান উদ্দেশ্য ছিল মানুষের জীবন ও সম্পত্তির ক্ষয়ক্ষতি হ্রাস করা সুতরাং, এটি সামগ্রিকভাবে দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস কৌশল হিসেবে পরিচিত উত্তর: দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস কৌশল
a পাহাড়ের পাদদেশে
b নদীর নিম্ন অববাহিকায়
c নদীর উৎপত্তিস্থলে
d নদী মোহনায়
0 103 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পাহাড়ের পাদদেশে কেন সঠিক: উচ্চ পাহাড়ি অঞ্চল থেকে নদী যখন সমভূমিতে নেমে আসে, তখন ভূমির ঢাল হঠাৎ কমে যায়। নদীর স্রোতের বেগ ও বহন ক্ষমতা কমে যাওয়ায় নদীর সাথে বয়ে আসা পলি ও বালু পাহáরের পাদদেশে জমা হয়ে এই ভূমিরূপ তৈরি করে। ভৌগোলিক তথ্য: এই ভূমিরূপের আকৃতি অনেকটা ছড়ানো পাখা বা মোচাকৃতি হওয়ার কারণে একে পলল পাখা বলা হয়। সাধারণত শুষ্ক ও অর্ধশুষ্ক অঞ্চলে এই ভূমিরূপ বেশি স্পষ্টভাবে গড়ে উঠতে দেখা যায়। ভারতের উত্তরপ্রদেশের সমভূমি সংলগ্ন হিমালয়ের পাদদেশে এর সুন্দর উদাহরণ দেখতে পাওয়া যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: B) নদীর নিম্ন অববাহিকায় — এই অঞ্চলে নদী ধীরগতিতে চলে এবং সাধারণত প্লাবনভূমি বা বদ্বীপ গঠিত হয়। C) নদীর উৎপত্তিস্থলে — নদীর উৎপত্তি অঞ্চলে জলপ্রপাত ও গিরিখাত তৈরি হয় কারণ এখানে স্রোতের বেগ খুব বেশি থাকে। D) নদী মোহনায় — নদীর মোহনায় সমুদ্রের সাথে মিলনের ফলে পলি জমে বদ্বীপ গঠিত হয়, পাখা নয়। মনে রাখার টিপস: পাহাড় থেকে নদী যখন সমভূমিতে পড়ে, তখন পলি জমিয়ে পাখা গড়ে তোলে।
a রামসাগর
b বগা লেইক (Lake)
c টাঙ্গুয়ার হাওর
d কাপ্তাই হ্রদ
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) টাঙ্গুয়ার হাওর কেন সঠিক: - এটি বাংলাদেশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জলাভূমি যা আন্তর্জাতিকভাবে রামসার সাইট হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছে। - এই এলাকাটি বিভিন্ন প্রজাতির দেশি-বিদেশি পরিযায়ী পাখির নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে বিশ্বজুড়ে বিশেষভাবে পরিচিত। ভৌগোলিক তথ্য: - এটি বাংলাদেশের সুনামগঞ্জ জেলার ধর্মপাশা ও মধ্যনগর উপজেলায় অবস্থিত এবং এর আয়তন প্রায় ১০০ বর্গকিলোমিটার। - এটি একটি মাচান বা হিজল করচাবন সমৃদ্ধ মিঠাপানির জলাভূমি যা বর্ষাকালে সুবিশাল সমুদ্রে রূপ নেয়। - এটি ২০০০ সালের ১০ই জুলাই রামসার কনভেনশনের আওਤাতে আন্তর্জাতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ জলাভূমির স্বীকৃতি পায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রামসাগর — এটি বাংলাদেশের একটি ঐতিহাসিক কৃত্রিম দিঘি এবং পর্যটন কেন্দ্র কিন্তু রামসার সাইটের মর্যাদা পায়নি। B) বগা লেইক — এটি বান্দরবান জেলায় অবস্থিত একটি প্রাকৃতিক পাহাড়ি হ্রদ যা আগ্নেয়গিরির জ্বালামুখে সৃষ্টি হয়েছে বলে ধারণা করা হয়। C) টাঙ্গুয়ার হাওর — এটি নিজেই সঠিক উত্তর তাই এখানে অন্য তথ্য প্রযোজ্য হবে না। D) কাপ্তাই হ্রদ — এটি কর্ণফুলি নদীর ওপর বাঁধ নির্মাণের ফলে সৃষ্ট কৃত্রিম জলাধার যা জলবিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের রামসার সাইট মনে রাখতে টাঙ্গুয়ার হাওর এবং সুন্দরবন নাম দুটি সবচেয়ে আগে মনে রাখবে। হাওর মানেই টাঙ্গুয়ার হাওর এবং এটি আন্তর্জাতিক রামসার চুক্তির অন্তর্ভুক্ত।
a উষ্ণতা
b আর্দ্রতা
c সমুদ্রস্রোত
d বায়ুপ্রবাহ
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সমুদ্রস্রোত কেন সঠিক: ১. জলবায়ুর উপাদান বলতে মূলত বায়ুমণ্ডলের সেইসব অবস্থাকে বোঝায় যা সরাসরি আবহাওয়া বা জলবায়ু তৈরিতে ভূমিকা রাখে। ২. সমুদ্রস্রোত হলো জলবায়ুর একটি প্রধান নিয়ন্ত্রক বা নিয়ামক, কিন্তু এটি সরাসরি বায়ুমণ্ডলের কোনো উপাদান নয়। ভৌগোলিক তথ্য: ১. জলবায়ুর উপাদান হলো বায়ুর উষ্ণতা, আর্দ্রতা, বায়ুপ্রবাহ এবং বায়ুমণ্ডলীয় চাপ। ২. সমুদ্রস্রোত সমুদ্রের জলের নিয়মিত গতি যা উপকূল অঞ্চলের জলবায়ুকে পরোক্ষভাবে প্রভাবিত করে থাকে। ৩. নিরক্ষীয় অঞ্চলের উষ্ণ স্রোত বা মেরু অঞ্চলের শীতল স্রোত জলবায়ুর নিয়ামক হিসেবে কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) উষ্ণতা — এটি বায়ুমণ্ডলের একটি মূল উপাদান যা কোনো স্থানের জলবায়ু নির্ধারণে সরাসরি ভূমিকা পালন করে। B) আর্দ্রতা — এটি বাতাসে উপস্থিত জলীয় বাষ্পের পরিমাণ যা জলবায়ুর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান। C) সমুদ্রস্রোত — এটি জলবায়ুর কোনো উপাদান নয়, বরং এটি হলো জলবায়ুকে প্রভাবিত করার একটি প্রধান নিয়ন্ত্রক। D) বায়ুপ্রবাহ — এটি বায়ুমণ্ডলের চাপের তারতম্যের কারণে সৃষ্টি হওয়া জলবায়ুর অন্যতম প্রধান একটি উপাদান। মনে রাখার টিপস: উপাদান হলো যা বাতাসে সরাসরি থাকে যেমন উষ্ণতা, আর্দ্রতা ও বায়ুপ্রবাহ এবং সমুদ্রস্রোত হলো জলবায়ুর নিয়ন্ত্রক।
a সাভানা
b তুন্দ্রা
c প্রেইরি
d সাহেল
0 107 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সাহেল কেন সঠিক: আফ্রিকার সাহারা মরুভূমি এবং দক্ষিণের সাভানা অঞ্চলের মধ্যবর্তী সংক্রামক অঞ্চলটি সাহেল নামে পরিচিত। এই অঞ্চলটি শুষ্ক ও অর্ধশুষ্ক প্রকৃতির হয়ে থাকে এবং এখানে ক্রান্তীয় তৃণভূমি দেখা যায়। ভৌগোলিক তথ্য: সাহেল অঞ্চলটি আফ্রিকার মহাদেশের আটলান্টিক মহাসাগর থেকে লোহিত সাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এটি একটি পরিবর্তনশীল অঞ্চল যা মরুভূমি প্রসারণের বিরুদ্ধে একটি প্রাকৃতিক ঢাল হিসেবে কাজ করে। সেনেগাল, মালি, নাইজার এবং সুদান এই অঞ্চলের প্রধান দেশগুলোর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাভানা — এটি মূলত উষ্ণ ও ক্রান্তীয় তৃণভূমি অঞ্চল যা সাহেল অঞ্চলের দক্ষিণে অবস্থিত। B) তুন্দ্রা — এটি অত্যন্ত ঠান্ডা মেরু অঞ্চল যেখানে কোনো গাছপালা জন্মায় না এবং মাটি বরফাবৃত থাকে। C) প্রেইরি — এটি উত্তর আমেরিকার নাতিশীতোষ্ণ তৃণভূমি অঞ্চল যা মূলত গম চাষের জন্য বিখ্যাত। D) সাহেল — এটি প্রশ্নানুযায়ী সাব-সাহারা অঞ্চলের সঠিক ভূপ্রাকৃতিক নামকরণ। মনে রাখার টিপস: সাহারা মরুভূমির ধার বা উপকূল বোঝাতে আরবি শব্দ সাহিল থেকে সাহেল নামটি এসেছে। সাহারা মরুভূমি এবং দক্ষিণের সবুজ এলাকার ঠিক মাঝের অংশ হিসেবে সাহেল মনে রাখা সহজ।
a চাঁদপুর
b পিরোজপুর
c মাদারীপুর
d গাজীপুর
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) গাজীপুর কেন সঠিক: - গাজীপুর জেলাটি প্লাইস্টোসিন কালের সোপান বা চত্বরভূমির অন্তর্গত বরেন্দ্র ও মধুপুর গড়ের মধ্যে মধুপুর চত্বরের অংশ বিশেষের অন্তর্ভুক্ত। - এই অঞ্চলে প্রায় দশ হাজার বছর আগের বা তারও পূর্বের প্লাইস্টোসিন যুগের লাল ও ধূসর মাটি দেখা যায় যা সাধারণ প্লাবন সমভূমির মাটি থেকে আলাদা। ভৌগোলিক তথ্য: - বাংলাদেশের প্লাইস্টোসিন চত্বরভূমির মোট আয়তন প্রায় নয় হাজার তিনাত্তর বর্গকিলোমিটার যা দেশের মোট ভূভাগের প্রায় সাত শতাংশ। - এই অঞ্চলের মাটি উর্বর নয় এবং এতে লৌহ ও অ্যালুমিনিয়ামের পরিমাণ বেশি থাকায় এর রং সাধারণত লালচে বা হলুদ রঙের হয়। - মধুপুর গড়, বরেন্দ্র ভূমি এবং লালমাই পাহাড় বাংলাদেশের প্রধান তিনটি প্লাইস্টোসিন চত্বরভূমির উল্লেখযোগ্য প্রাকৃতিক উদাহরণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চাঁদপুর — এটি মূলত সাম্প্রতিককালের নদী গঠিত প্লাবন সমভূমি অঞ্চলে অবস্থিত এবং এখানে প্লাইস্টোসিন চত্বরভূমির কোনো অস্তিত্ব নেই। B) পিরোজপুর — এই জেলাটি দেশের দক্ষিণাঞ্চলের বদ্বীপ সমভূমি ও উপকূলীয় অঞ্চলের অন্তর্গত যেখানে নতুন পলিমাটি জমা হয়েছে। C) মাদারীপুর — এই এলাকাটি সম্পূর্ণভাবে নিম্ন গঙ্গা অববাহিকার প্লাবন সমভূমির অংশ এবং এটি প্লাইস্টোসিন চত্বরভূমির বাইরে অবস্থিত। D) গাজীপুর — এই অপশনটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল হওয়ার কোনো সুযোগ নেই কারণ এটি মধুপুর চত্বরে অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: মধুপুর ও বরেন্দ্র গড়ের জেলাগুলো মনে রাখলেই প্লাইস্টোসিন চত্বরভূমির প্রশ্ন সহজেই উত্তর করা সম্ভব।
a ক্রান্তীয় ও উপক্রান্তীয় জলবায়ু
b ক্রান্তীয় মৌসুমী জলবায়ু
c উপক্রান্তীয় জলবায়ু
d আর্দ্র ক্রান্তীয় জলবায়ু
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ক্রান্তীয় মৌসুমী জলবায়ু কেন সঠিক: বাংলাদেশের অবস্থান ক্রান্তীয় অঞ্চলে হওয়ায় এখানকার তাপমাত্রা সারা বছর বেশি থাকে এবং ঋতু পরিবর্তনের সাথে বায়ুপ্রবাহের দিকও বদলে যায়। মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে এই দেশে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয় যা ক্রান্তীয় মৌসুমী জলবায়ুর প্রধান বৈশিষ্ট্য হিসেবে বিবেচিত হয়। ভৌগোলিক তথ্য: বাংলাদেশ পৃথিবীর উত্তর গোলার্ধের ক্রান্তীয় অঞ্চলে এবং এশিয়ার দক্ষিণ অংশে অবস্থিত যার ভূখণ্ড নদীমাত्रिक ও সমতল প্রকৃতির। এ দেশের জলবায়ুতে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ুর প্রভাব অত্যন্ত প্রবল যা গ্রীষ্মকালে প্রচুর বৃষ্টিপাত নিয়ে আসে। বছরে এখানে প্রধানত ছয়টি ঋতু পরিলক্ষিত হয় তবে মূলত গ্রীষ্ম, বর্ষা ও শীত এই তিনটি ঋতু প্রধান ভূমিকা পালন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক্রান্তীয় ও উপক্রান্তীয় জলবায়ু — বাংলাদেশ প্রধানত ক্রান্তীয় মৌসুমী অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় এটি পুরোপুরি সঠিক নয়। B) ক্রান্তীয় মৌসুমী জলবায়ু — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। C) উপক্রান্তীয় জলবায়ু — এই জলবায়ু প্রধানত নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলের কাছাকাছি দেখা যায় যা বাংলাদেশের প্রকৃত আবহাওয়াকে সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ করে না। D) আর্দ্র ক্রান্তীয় জলবায়ু — এই জলবায়ুতে সারা বছর প্রচুর বৃষ্টি হলেও মৌসুমী বায়ুর বিশেষ প্রভাব এখানে প্রধান হিসেবে গণ্য হয় না। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ মানেই মৌসুমী বায়ুর দেশ এবং ক্রান্তীয় অঞ্চলের উষ্ণতা তাই সঠিক উত্তর সব সময় ক্রান্তীয় মৌসুমী জলবায়ু হবে।
a বন্যা নিয়ন্ত্রণ
b পানি নিষ্কাশন
c পানি সেচ
d উপরের তিনটি (ক, খ, গ)
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উপরের তিনটি (ক, খ, গ) কেন সঠিক: এফ, সি, ডি, আই প্রকল্পের মূল কাজ হলো বন্যা নিয়ন্ত্রণ করা। এর মাধ্যমে জমিতে পানি নিষ্কাশন এবং পানি সেচ নিশ্চিত করা হয়। ভৌগোলিক তথ্য: এটি বাংলাদেশের উপকূলীয় ও প্লাবনভূমির পানি সম্পদ উন্নয়নে ব্যবহৃত হয়। এর পূর্ণরূপ হলো ফ্লাড কন্ট্রোল, ড্রেনেজ অ্যান্ড ইরিগেশন প্রজেক্ট। এই প্রকল্পের ফলে কৃষিজমিতে অতিরিক্ত পানি জমে না এবং খরা মৌসুমে সেচ সুবিধা পাওয়া যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বন্যা নিয়ন্ত্রণ — এটি শুধু বন্যার হাত থেকে রক্ষা করে না, বরং পানি সেচ ও নিষ্কাশনের কাজও করে থাকে। B) পানি নিষ্কাশন — এটি কেবল নিষ্কাশন নয়, বরং বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও সেচের কাজও একই সাথে পরিচালনা করে। C) পানি সেচ — এটি শুধু সেচ কাজের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, এর সাথে বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও নিষ্কাশন জড়িত। D) উপরের তিনটি (ক, খগ) — এই অপশনটি সঠিক কারণ এফ, সি, ডি, আই প্রকল্পের উদ্দেশ্য এই তিনটি বিষয়কেই বোঝায়। মনে রাখার টিপস: এফ, সি, ডি, আই এর ইংরেজি শব্দগুলোর অর্থ মনে রাখলে সহজেই বন্যা, নিষ্কাশন ও সেচের বিষয়টি বুঝতে পারবে।
a টারশিয়ারী যুগে
b প্লাইস্টোসিন যুগে
c কোয়াটারনারী যুগে
d সাম্প্রতিক কালে
0 117 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) টারশিয়ারী যুগে কেন সঠিক: - ভূতাত্ত্বিক ইতিহাস অনুযায়ী আজ থেকে প্রায় ৫০ থেকে ৭০ লক্ষ বছর আগে টারশিয়ারী যুগে এই অঞ্চলের পাহাড়গুলো প্রথম সৃষ্টি হয়। - এটি আমাদের দেশের সবচেয়ে প্রাচীন ভূমিরূপ যা মূল ভূখণ্ডের গঠনের সূচনার সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ভৌগোলিক তথ্য: - এই প্রাচীন ভূমিরূপটি বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়ি এলাকা এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলের কিছু অংশ জুড়ে বিস্তৃত। - এর মোট আয়তন দেশের মোট ভূমির প্রায় ১২ শতাংশ দখল করে আছে। - এই অঞ্চলের প্রধান পাহাড়ি এলাকাগুলো হলো চট্টগ্রাম, রাঙ্গামাটি, বান্দরবান এবং সিলেট জেলার কিছু উঁচু ভূমি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) টারশিয়ারী যুগ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয় বরং এটিই সবচেয়ে প্রাচীন যুগ হিসেবে পরিচিত। B) প্লাইস্টোসিন যুগ — এই যুগে বরফ যুগের প্রভাবে মধুপ্রুড় ও ভাওয়াল গড় এবং বরেন্দ্রভূমির মতো চত্বরগুলো গঠিত হয়েছিল। C) কোয়াটারনারী যুগ — এটি টারশিয়ারী যুগের চেয়ে অনেক পরে এবং বর্তমান যুগের ঠিক আগের একটি ভূতাত্ত্বিক সময়কাল। D) সাম্প্রতিক কাল — এই যুগে মূলত নদীবাহিত পলি দ্বারা দেশের প্লাবন সমভূমিগুলো গঠিত হয়েছে যা সবচেয়ে নবীন ভূমিরূপ। মনে রাখার টিপস: পাহাড় মানেই প্রাচীন বা সবার আগে আসা, তাই পাহাড় বা পার্বত্য অঞ্চল গঠিত হয়েছিল টারশিয়ারী যুগে।
a ২০ দিনে
b ২৫ দিনে
c ২৪ দিনে
d ৩০ দিনে
0 112 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৪ দিনে প্রদত্ত তথ্য: দুই ব্যক্তি একত্রে কাজ করে ৮ দিনে প্রথম ব্যক্তি একা কাজ করে ১২ দিনে ধরি, সম্পূর্ণ কাজ সমান ১ অংশ অতএব, দুই ব্যক্তি ১ দিনে করে ১ ÷ ৮ অংশ প্রথম ব্যক্তি ১ দিনে করে ১ ÷ ১২ অংশ সুতরাং, দ্বিতীয় ব্যক্তি ১ দিনে করে (১ ÷ ৮) − (১ ÷ ১২) অংশ অতএব, দ্বিতীয় ব্যক্তি ১ দিনে করে (৩ − ২) ÷ ২৪ অংশ সমান ১ ÷ ২৪ অংশ উত্তর: ২৪ দিনে
a 0.26041666666667
b 0.36111111111111
c 0.30555555555556
d 0.31944444444444
0 96 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ০.৩০৫৫৫৫৫৫৫৫৫৫৫৬ প্রদত্ত তথ্য: ঘড়ির দর্পণ প্রতিবিম্বের দশমিক মান দেওয়া আছে অপশনগুলোর মধ্যে সঠিক মানটি হলো ০.৩০৫৫৫৫৫৫৫৫৫৫৫৬ ধরি, প্রকৃত সময় নির্ণয়ের জন্য নিয়ম ব্যবহার করতে হবে এখানে প্রদত্ত মানটি নির্দিষ্ট সময়কে নির্দেশ করে অতএব, অপশন সি এর দশমিক ভগ্নাংশটি হিসাবের সাথে মিলে যায় এই মানটি গণিতীয় নিয়মে সঠিক ফলাফল দেয় সুতরাং, সঠিক উত্তর হিসেবে সি অপশনটি নির্বাচন করা হয়েছে উত্তর: C) ০.৩০৫৫৫৫৫৫৫৫৫৫৫৬
a 263
b 233
c 253
d 241
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৫৩ প্রদত্ত তথ্য: পরীক্ষাধীন সংখ্যাগুলি হলো ২৬৩, ২৩৩, ২৫৩ এবং ২৪১ ধরি, সংখ্যাগুলির মৌলিকত্ব পরীক্ষা করতে হবে অতএব, ২৫৩ সংখ্যাটিকে ১১ দ্বারা বিভাজ্য কিনা দেখতে হবে সুতরাং, ১১ গুণ ২৩ সমান ২৫৩, তাই ২৫৩ একটি মৌলিক সংখ্যা নয় উত্তর: ২৫৩
a ১৭ কি. মি.
b ১৫ কি. মি.
c ১৪ কি. মি.
d ১৩ কি. মি.
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৩ কি. মি. প্রদত্ত তথ্য: লোকটি স্থান A থেকে উত্তর দিকে গেল = ১২ কি. মি. সেখান থেকে পূর্ব দিকে গেল = ৫ কি. মি. ধরি, যাত্রার শুরুর স্থান = A উত্তর দিকের দূরত্ব এবং পূর্ব দিকের দূরত্ব মিলে একটি সমকোণী ত্রিভুজ গঠিত হয় অতএব, ত্রিভুজের লম্ব = ১২ কি. মি. ত্রিভুজের ভূমি = ৫ কি. মি. অতিভুজ হলো A অবস্থান থেকে শেষ দূরত্বের মান সুতরাং, অতিভুজের ওপর বর্গ = (১২ এর ওপর বর্গ) + (৫ এর ওপর বর্গ) অতিভুজের ওপর বর্গ = ১৪৪ + ২৫ = ১৬৯ উত্তর: √১৬৯ = ১৩ কি. মি.
a সমস্ত সম্ভাব্য কর্মের গড়
b দুটি চরম পন্থায় মধ্যবর্তী অবস্থায়
c ত্রিভুজের দুটি বাহন ভূ-কেন্দ্রিক সম্পর্ক
d একটি প্রাচীন দার্শনিক ধারার নাম
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দুটি চরম পন্থায় মধ্যবর্তী অবস্থায় প্রদত্ত তথ্য: গোল্ডেন মিন বা স্বর্ণালী মধ্যক হলো নীতিশাস্ত্রের একটি ধারণা এটি অ্যারিস্টটলের দর্শনের সঙ্গে বিশেষভাবে সম্পর্কিত ধরি, একটি চরম পন্থা হলো অতিরিক্ত বা বাড়াবাড়ি অপর চরম পন্থা হলো ঘাটতি বা কমতি অতএব, এই দুইয়ের মাঝামাঝি ভারসাম্যপূর্ণ আচরণ হলো সঠিক পথ একেই গোল্ডেন মিন বা মধ্যমপন্থা বলা হয় সুতরাং, দুটি চরম পন্থার মাঝখানে অবস্থান করাই এর মূল কথা উত্তর: দুটি চরম পন্থায় মধ্যবর্তী অবস্থায়
a 1995
b 1997
c 1998
d 1999
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: খ) ১৯৯৭ প্রদত্ত তথ্য: জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি বা ইউএনডিপি সুশাসনের ধারণা ও সংজ্ঞা প্রকাশ করে ধরি, সুশাসনের বৈশিষ্ট্যসমূহ নির্ধারণ করা হয় বিশ্লেষণের মাধ্যমে সঠিক বছরটি চিহ্নিত করতে হবে অতএব, আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর প্রতিবেদন পর্যালোচনা করি ১৯৯৭ সালে এই সংজ্ঞা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশিত হয় সুতরাং, সঠিক বছরটি নির্ধারণ করা হলো উত্তর: ১৯৯৭
a NJ
b MI
c NI
d OJ
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) NJ প্রদত্ত তথ্য: ধারাবাহিক পদসমূহ হলো JD, KF, প্রশ্নবোধক স্থান, PM, TR ধরি, ইংরেজি বর্ণমালার ক্রম অনুসারে প্রতিটি পদের প্রথম অক্ষরের পরিবর্তন এবং দ্বিতীয় অক্ষরের পরিবর্তন হিসাব করতে হবে অতএব, প্রথম অক্ষরগুলোর বিন্যাস J থেকে K, এবং পরবর্তীতে N, P, T পর্যন্ত এগিয়েছে যেখানে জে থেকে কে এক ধাপ, কে থেকে এন দুই ধাপ, এন থেকে পি দুই ধাপ, এবং পি থেকে টি চার ধাপ ব্যবধান রয়েছে দ্বিতীয় অক্ষরগুলোর বিন্যাস D থেকে F, এবং পরবর্তীতে J, M, R পর্যন্ত এগিয়েছে যেখানে ডি থেকে এফ দুই ধাপ, এফ থেকে যে তিন ধাপ, জে থেকে এম তিন ধাপ, এবং এম থেকে আর পাঁচ ধাপ ব্যবধান রয়েছে সুতরাং, বর্ণমালার ক্রম এবং নির্দিষ্ট ব্যবধান বিবেচনা করলে সঠিক পদটি পাওয়া যায় উত্তর: NJ
a 1
b 10
c 29
d 48
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৪৮ প্রদত্ত তথ্য: ধারার সংখ্যাগুলো হলো ১, ২, ৫, ১০, ১৩, ২৬, ২৯, ৪৮ ধরি, প্রথম পদের সাথে নিয়মটি পর্যায়ক্রমে প্রয়োগ করতে হবে অতএব, ১ × ২ = ২ ২ + ৩ = ৫ ৫ × ২ = ১০ সুতরাং, ১০ + ৩ = ১৩ ১৩ × ২ = ২৬ ২৬ + ৩ = ২৯ কিন্তু ২৯ × ২ = ৫৮ হওয়ার কথা ছিল, যা ৪৮ এর সাথে মিলছে না উত্তর: ৪৮ এই ধারার অন্তর্ভুক্ত নয়
a ƎЯAꟻИU
b UИЗАЯА
c ПИАЧИU
d ПИЕВЕ
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ƎЯAꟻИU প্রدত্ত তথ্য: মূল শব্দটি হলো UNFARE আয়নায় দেখলে শব্দটি উল্টোভাবে দেখা যাবে ধরি, শব্দের শেষ অক্ষর প্রথমে এবং প্রথম অক্ষর শেষে চলে আসবে প্রতিটি অক্ষর লম্বালম্বিভাবে বিপরীত দিকে ঘুরে যাবে অতএব, E অক্ষরটি আয়নায় উল্টে গিয়ে Ǝ হবে R অক্ষরটি আয়নায় উল্টে গিয়ে Я হবে দ্বিতীয় হিসাব: A অক্ষরটি আয়নায় একই রকম থাকবে F অক্ষরটি আয়নায় উল্টে গিয়ে ꟻ হবে তৃতীয় হিসাব: A অক্ষরটি অপরিবর্তিত থাকবে N অক্ষরটি উল্টে গিয়ে И হবে এবং U অক্ষরটি П হবে সুতরাং, সম্পূর্ণ শব্দটি উল্টে গিয়ে ƎЯAꟻИU রূপ ধারণ করবে উত্তর: ƎЯAꟻИU
a 164
b 97
c 191
d 137
0 103 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৬৪ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যাগুলোর ধারা বা প্যাটার্ন নির্ণয় করতে হবে প্রথম সংখ্যা থেকে পরবর্তী সংখ্যাগুলো একটি নির্দিষ্ট নিয়মে পরিবর্তিত হচ্ছে ধরি, ধারাবাহিক সংখ্যাগুলোর মধ্যকার পার্থক্য বের করতে হবে প্রথম পদ এবং দ্বিতীয় পদের সম্পর্ক বিশ্লেষণ করতে হবে অতএব, প্রতিটি ধাপের পার্থক্যের হিসাব নিচে করা হলো সংখ্যাগুলোর বৃদ্ধি পাওয়ার ক্রম দেখতে হবে সুতরাং, শেষ ধাপে প্রাপ্ত সংখ্যার সাথে নির্দিষ্ট মান যোগ করতে হবে উত্তর: ১৬৪
a বৃহস্পতিবার
b শুক্রবার
c বুধবার
d শনিবার
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শুক্রবার প্রদত্ত তথ্য: ১৯৯৪ সালের ১ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার ১৯৯৫ সালের ১ ডিসেম্বর কি বার হবে নির্ণয় করতে হবে ধরি, ১৯৯৪ সাল একটি সাধারণ বছর ছিল ১৯৯৫ সালও একটি সাধারণ বছর অতএব, সাধারণ বছরে মোট দিনের সংখ্যা = ৩৬৫ দিন ৩৬৫ দিনকে ৭ দ্বারা ভাগ করলে ভাগশেষ থাকে ১ দিন সুতরাং, অতিরিক্ত দিনের সংখ্যা হলো ১ দিন উত্তর: বৃহস্পতিবারের সাথে ১ দিন যোগ করলে শুক্রবার হয়
a সোমবার
b মঙ্গলবার
c বৃহস্পতিবার
d শনিবার
0 100 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মঙ্গলবার প্রদত্ত তথ্য: আগামী পরশুর পরের দিন হলো রবিবার ধরি, আজ হলো বর্তমান বার অতএব, আগামী পরশু হলো আজ যোগ দুই দিন পরের দিন হলো আজ যোগ তিন দিন সুতরাং, আজ যোগ তিন দিন যদি রবিবার হয় তবে আজ হলো বৃহস্পতিবার উত্তর: গতকালের আগের দিন মানে বৃহস্পতিবার বিয়োগ দুই দিন অর্থাৎ মঙ্গলবার
a 4999
b 5501
c 5050
d 5001
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫০৫০ প্রদত্ত তথ্য: ধারাবাহিক সংখ্যার প্রথম পদ = ১ ধারাবাহিক সংখ্যার শেষ পদ = ১০০ পদের মোট সংখ্যা = ১০০ ধরি, সমান্তর ধারার যোগফলের সূত্র ব্যবহার করে পাই যোগফল = (প্রথম পদ + শেষ পদ) × (পদসংখ্যা ÷ ২) অতএব, প্রথম পদ ও শেষ পদের সমষ্টি = ১ + ১০০ = ১০১ পদসংখ্যার অর্ধেক = ১০০ ÷ ২ = ৫০ সুতরাং, নির্ণেয় যোগফল = ১০১ × ৫০ = ৫০৫০ উত্তর: ৫০৫০
a একটি মহাসাগর
b একটি শহর
c একটি দেশ
d একটি প্রাণী
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) একটি শহর প্রদত্ত তথ্য: ইংরেজি শব্দ গঠনের জন্য অক্ষরগুলো এলোমেলোভাবে দেওয়া আছে অক্ষরগুলো হলো আর, এ, পি, আই, এস ধরি, অক্ষরগুলোকে সঠিক ক্রমে সাজাতে হবে প্রথম অক্ষরটি হবে পি অতএব, অক্ষরগুলো বসিয়ে নতুন শব্দ তৈরি করা হলো শব্দটি হলো পি, এ, আর, আই, এস বা প্যারিস সুতরাং, প্যারিস হলো ফ্রান্সের রাজধানী শহর এটি কোনো মহাসাগর, দেশ বা প্রাণী নয় উত্তর: B) একটি শহর

মোট প্রশ্ন (36)

a শেষলেখা
b শেষপ্রশ্ন
c শেষকথা
d শেষদিন
0 96 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) শেষলেখা কেন সঠিক: শেষলেখা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মৃত্যুর পর প্রকাশিত একটি অত্যন্ত বিখ্যাত ও শেষ কাব্যগ্রন্থ। এই কাব্যগ্রন্থের কবিতাগুলো কবির জীবনের অন্তিম লগ্নে রচিত আধ্যাত্মিক ভাবনার এক অনন্য প্রকাশ। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র এবং তাঁর অজস্র কাব্যগ্রন্থ বাংলা ভাষাকে সমৃদ্ধ করেছে। শেষলেখা গ্রন্থটি তাঁর কাব্য প্রতিভার শেষ স্বাক্ষর বহন করে যেখানে রূপক ও প্রজ্ঞার অপূর্ব মিলন ঘটেছে। এই কাব্যগ্রন্থের মধ্যে তাঁর বিখ্যাত কয়েকটি কবিতা রয়েছে যা বাংলা কাব্যসাহিত্যে চিরস্মরণীয় হয়ে আছে। বাকি অপশন কেন ভুল: B) শেষপ্রশ্ন — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোনো কাব্যগ্রন্থ নয়, এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি জনপ্রিয় উপন্যাস। C) শেষকথা — এই নামের কোনো মূল সাহিত্যকর্ম বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচনাবলীতে অন্তর্ভুক্ত নেই। D) শেষদিন — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোনো পরিচিত কাব্যগ্রন্থ বা সাহিত্যকর্মের নাম হিসেবে স্বীকৃত নয়। মনে রাখার টিপস: রবীন্দ্রনাথের শেষ কাব্যগ্রন্থ মনে রাখতে নামের শুরুতে 'শেষ' এবং শেষে 'লেখা' শব্দ দুটি মনে রাখবে। শেষ লেখা মানে কবির জীবনের একেবারে শেষের লেখা কবিতা, যা এই কাব্যগ্রন্থের নামকরণের সাথে মিলে যায়।
a রোসাঙ্গ
b কৃষ্ণনগর
c বিক্রমপুর
d মিথিলা
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মিথিলা কেন সঠিক: বিদ্যাপতি চতুর্দশ শতকের শেষের দিকে মিথিলার রাজসভার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তিনি মিথিলার রাজা শিবসিংহের পৃষ্ঠপোষকতা লাভ করে সেখানে রাজকবি হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। ব্যাকরণ বা সাহিত্য ব্যাখ্যা: বিদ্যাপতি মূলত মৈথিলি ভাষার কবি হলেও বাংলা সাহিত্যের বৈষ্ণব পদাবলীতে তার বিশেষ অবদান রয়েছে। তিনি ব্রজবুলি ভাষায় অনেক পদ রচনা করেছেন যা বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগে অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়েছিল। উদাহরণস্বরূপ, তার রচিত 'জয় জয় রাধে শ্যাম' পদটি বাংলা বৈষ্ণব পদাবলীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ সম্পদ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রোসাঙ্গ — রোসাঙ্গ রাজসভা সপ্তদশ শতকের আরাকান রাজ্যের কেন্দ্র ছিল এবং সেখানে আলাওল ও দৌলত কাজীর মতো কবিরা সাহিত্যচর্চা করেছিলেন। B) কৃষ্ণনগর — কৃষ্ণনগর রাজসভা অষ্টাদশ শতকে মহারাজ কৃষ্ণচন্দ্রের পৃষ্ঠপোষকতায় গড়ে উঠেছিল যেখানে ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর সভাকবি ছিলেন। C) বিক্রমপুর — বিক্রমপুর প্রাচীন বাংলার একটি ঐতিহাসিক অঞ্চল এবং সেন রাজাদের রাজধানী ছিল, যা বিদ্যাপতির কর্মক্ষেত্র ছিল না। D) মিথিলা — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং এটি বিদ্যাপতির মূল রাজসভা নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: বিদ্যাপতির নামের সঙ্গে 'মিথিলা' শব্দটি মনে রাখতে মৈথিলি ভাষার সংযোগটি খেয়াল রাখতে হবে। তার রাজসভার রাজা ছিলেন শিবসিংহ, এই তথ্যটি মনে রাখলে পরীক্ষাও সঠিক উত্তর সহজে চিহ্নিত করা যাবে।
a আত্মচরিত
b আত্মকথা
c আত্মজিজ্ঞাসা
d আমার কথা
0 111 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আত্মচরিত ১. কেন সঠিক: - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের একমাত্র আত্মজীবনীমূলক রচনার নাম আত্মচরিত। - এটি তাঁর মৃত্যুর পর ১৮৯১ সালে প্রকাশিত হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর হলেন বাংলা গদ্যের জনক এবং উনিশ শতকের অন্যতম প্রধান সংস্কারক। - তাঁর এই আত্মজীবনীতে তাঁর শৈশব, সংগ্রাম এবং জীবনের নানা ঘটনা সহজ ও প্রাঞ্জল ভাষায় উঠে এসেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিদ্যাসাগরের বর্ণপরিচয় ব্যাখ্যা: এটি তাঁর রচিত অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি প্রাথমিক শিক্ষাগ্রন্থ যা বাংলা শিক্ষায় বিপ্লব এনেছিল। উদাহরণ ২: বিদ্যাসাগরের শকুন্তলা ব্যাখ্যা: এটি কালিদাসের নাটক অবলম্বনে রচিত তাঁর একটি বিখ্যাত গদ্য গ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আত্মচরিত — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বিদ্যাসাগরের নিজের জীবনের ওপর লেখা একমাত্র আত্মজীবনী। B) আত্মকথা — এই নামের কোনো আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচনা করেননি। C) আত্মজিজ্ঞাসা — এটি বিদ্যাসাগরের কোনো মৌলিক গ্রন্থ বা আত্মজীবনী নয়। D) আমার কথা — এটি অন্য কোনো লেখকের আত্মজীবনী হতে পারে, বিদ্যাসাগরের নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - বিদ্যাসাগরের চরিত্রের দৃঢ়তা বিখ্যাত, তাই তাঁর আত্মজীবনীমূলক লেখার নাম আত্মচরিত মনে রাখতে পারো। - আত্মচরিত শব্দটিতে নিজের জীবনের চরিত্র বা ইতিহাস ফুটে উঠেছে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের জন্ম ১৮২০ এবং মৃত্যু ১৮৯১ সালে।
a প্রবন্ধ
b উপন্যাস
c নাটক
d আত্মজীবনী
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্রবন্ধ কেন সঠিক: - মতিচূর গ্রন্থটি বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের লেখা বিভিন্ন প্রবন্ধের একটি সংকলন। - এই বইটিতে নারীশিক্ষা, নারীর অধিকার ও সমাজ সংস্কারমূলক নানা প্রবন্ধ স্থান পেয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - প্রবন্ধ হলো এমন একটি গদ্যরূাপ যেখানে কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ে তথ্য যুক্তি ও লেখকের নিজস্ব মতামত স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়। - মতিচূর গ্রন্থের প্রবন্ধগুলোতে মূলত তৎকালীন মুসলিম সমাজের নারীদের অবক্ষয় এবং মুক্তির উপায় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। - এই গ্রন্থের অন্তর্গত রচনার মধ্যে লোকানটিকা ও অর্ধাঙ্গী বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য প্রবন্ধ হিসেবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) প্রবন্ধ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। - B) উপন্যাস — মতিচূর কোনো কাল্পনিক কাহিনীর দীর্ঘ গদ্য বা উপন্যাস নয়, বরং এটি চিন্তাশীল প্রবন্ধের সংকলন। - C) নাটক — মতিচূর মঞ্চে অভিনয়ের জন্য রচিত কোনো নাটক বা নাট্যরূপ নয়। - D) আত্মজীবনী — এটি লেখকের নিজের জীবনের পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস বা আত্মজীবনীমূলক কোনো রচনা নয়। মনে রাখার টিপস: - রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের মতিচূর বললেই মাথায় রাখতে হবে এটি নারীদের জাগরণের বাণী সংবলিত একটি প্রবন্ধগ্রন্থ।
a গাজী মিয়ার বস্তানী
b হাঁসুলী বাঁকের উপকথা
c ভাওয়াল গড়ের উপাখ্যান
d ঠাকুরবাড়ির আঙিনা
0 130 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ঠাকুরবাড়ির আঙিনা ১. কেন সঠিক: - ঠাকুরবাড়ির আঙিনা একটি প্রখ্যাত আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ। - এই গ্রন্থটির রচয়িতা হলেন পল্লীকবি জসীমউদ্দীন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - জসীমউদ্দীন বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধের অন্যতম প্রধান বাঙালি কবি ও সাহিত্যিক। - পল্লীকবি হিসেবে খ্যাত এই লেখকের উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে নকশী কাতার মাঠ ও সোজন বাদিয়ার ঘাট বিশেষভাবে পরিচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাখালী ব্যাখ্যা: এটি কবি জসীমউদ্দীনের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ যা তাঁর পল্লিপ্রকৃতির প্রেমের পরিচয় বহন করে। উদাহরণ ২: বালুচর ব্যাখ্যা: এটিও জসীমউদ্দীনের লেখা একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা গ্রামীণ জীবনের নানা রূপ ফুটিয়ে তুলেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গাজী মিয়ার বস্তানী — এটি মীর মশাররফ হোসেন রচিত একটি বিখ্যাত গদ্যগ্রন্থ ও সামাজিক ব্যাঙ্গাত্মক রচনা। B) হাঁসুলী বাঁকের উপকথা — এটি তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত একটি জনপ্রিয় আঞ্চলিক উপন্যাস। C) ভাওয়াল গড়ের উপাখ্যান — এটি কাজী আবদুল ওদুদ রচিত একটি পরিচিত সাহিত্যিক রচনা বা উপন্যাস। D) ঠাকুরবাড়ির আঙিনা — এটি জসীমউদ্দীন রচিত আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। ৫. মনে রাখার টিপস: - পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের আত্মজীবনীর নাম মনে রাখতে ঠাকুরবাড়ির আঙিনা কথাটি বারবার চর্চা করতে পারো। - তাঁর নামের সঙ্গে পল্লিগীতি ও পল্লিভিত্তিক রচনার বিষয়টি যুক্ত করে সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকদের আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথামূলক গ্রন্থ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - প্রখ্যাত লেখকদের প্রথম গ্রন্থ এবং বিখ্যাত উপন্যাসের নামগুলো আলাদা করে তালিকা তৈরি করে পড়লে পরীক্ষায় ভালো করা যায়।
a লালন শাহ্
b হাসন রাজা
c পাগলা কানাই
d রাধারমণ দত্ত
0 121 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) লালন শাহ্ কেন সঠিক: - এই বিখ্যাত গানটির গীতিকার ও সুরকার হলেন বাউল সম্রাট ফকির লালন শাহ। - লালন সাঁইয়ের গানে মানবদেহ এবং আধ্যাত্মিক তত্ত্ব রূপকের মাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছে, যা এই গানেও স্পষ্ট। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা বাউল সাহিত্যে লালন শাহের গানগুলো দেহতত্ত্ব ও মরমি ধারার শ্রেষ্ঠ নিদর্শন হিসেবে বিবেচিত। - ‘আমার ঘরের চাবি পরের হাতে’ গানে ‘ঘর’ বলতে মানবদেহ এবং ‘চাবি’ বলতে প্রাণ বা আত্মাকে বোঝানো হয়েছে। - লালন শাহের বিখ্যাত আরও কিছু গান হলো ‘খাঁচার ভিতর অচিন পাখি কেমনে আসে যায়’ ও ‘সব লোকে বলে লালন কি জাত সংসারে’। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) লালন শাহ্ — এটি সঠিক অপশন এবং এই মরমি গানের রচয়িতা তিনিই। - B) হাসন রাজা — তিনি সিলেটের একজন বিখ্যাত মরমী কবি হলেও এই গানটির রচয়িতা নন। - C) পাগলা কানাই — তিনি ঝিনাইদহের প্রখ্যাত লোককবি ও প্রবাদপ্রতীম গায়ক, এই গানের সঙ্গে তার সম্পর্ক নেই। - D) রাধারমণ দত্ত — তিনি ধামাইল গান ও সিলেটের বৈষ্ণব পদাবলীর জন্য পরিচিত, এই গানের স্রষ্টা নন। মনে রাখার টিপস: - মানবদেহকে ঘর এবং প্রাণকে চাবি কল্পনা করে লেখা মরমি গানগুলোর মূল রচয়িতা হিসেবে লালন শাহকে মনে রাখতে হবে।
a কেনড়ে অরণ্য
b বন্দী শিবির থেকে
c নিষিদ্ধ লোবান
d প্রিয়যোদ্ধা প্রিয়তম
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বন্দী শিবির থেকে ১. কেন সঠিক: - বন্দী শিবির থেকে হলো কবি শামসুর রাহমানের লেখা একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত। - এই কাব্যগ্রন্থের কবিতাগুলোতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বরতা এবং বাঙালির বীরত্ব ও মুক্তির আকুলতা স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শামসুর রাহমান বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্যের অন্যতম প্রধান আধুনিক বাংলা কবি যিনি নাগরিক জীবন ও সমসাময়িক রাজনৈতিক সংকটকে কবিতায় রূপ দিয়েছেন। - ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন অত্যন্ত ঝুঁকি নিয়ে তিনি গোপনীয়তার সঙ্গে এই কাব্যগ্রন্থের কবিতাগুলো রচনা করেছিলেন যা বাঙালির মুক্তিসংগ্রামের এক অনন্য দলিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্তালিনগ্রাদ কাব্যগ্রন্থ ব্যাখ্যা: এটিও একটি যুদ্ধভিত্তিক ও ঐতিহাসিক পটভূমিতে রচিত বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। উদাহরণ ২: আর্তনাদ উপন্যাস ব্যাখ্যা: এটিও মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সাহিত্যকর্ম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কেনড়ে অরণ্য — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয় কারণ এটি মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত কোনো স্ট্যান্ডার্ড কাব্যগ্রন্থ নয়। B) বন্দী শিবির থেকে — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত কাব্যগ্রন্থ। C) নিষিদ্ধ লোবান — এটি সৈয়দ শামসুল হকের একটি বিখ্যাত উপন্যাস, কোনো কাব্যগ্রন্থ নয়। D) প্রিয়যোদ্ধা প্রিয়তম — এটি মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত কোনো প্রখ্যাত মৌলিক কাব্যগ্রন্থ হিসেবে স্বীকৃত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - শামসুর রাহমানের নামের সঙ্গে বন্দী শিবির থেকে কাব্যগ্রন্থটি বিশেষভাবে মনে রাখবে। - মুক্তিযুদ্ধ মানেই শামসুর রাহমানের বন্দী শিবির থেকে কাব্যগ্রন্থের কথা মাথায় রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত কাব্যগ্রন্থ ও উপন্যাসের প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - লেখক ও তার বিখ্যাত সাহিত্যকর্মের ধরন যেমন কাব্যগ্রন্থ নাকি উপন্যাস তা ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে।
a আগমনী
b কোরবানী
c প্রলয়োল্লাস
d বিদ্রোহী
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্রলয়োল্লাস ১. কেন সঠিক: কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ অগ্নি-বীণা এর প্রথম কবিতা হলো প্রলয়োল্লাস। এই কবিতায় কবির বিদ্রোহী সুর এবং পরাধীনতার বিরুদ্ধে নতুনের আবাহন বা ধ্বংসের মধ্য দিয়ে সৃষ্টির বার্তা প্রকাশিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: কবি কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যে বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত এবং তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান পুরোধা ব্যক্তিত্ব। অগ্নি-বীণা কাব্যগ্রন্থটি বাংলা ১৩২৯ সালের কার্তিক মাসে (ইংরেজি ১৯২২ সাল) প্রকাশিত হয় এবং এতে মোট বারোটি বিখ্যাত কবিতা রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিদ্রোহী কবিতা। ব্যাখ্যা: এটি অগ্নি-বীণা কাব্যের অন্যতম বিখ্যাত একটি কবিতা যা সমগ্র বিশ্বে সমাদৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: কামাল পাশা কবিতা। ব্যাখ্যা: এই কবিতাটিও অগ্নি-বীণা কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত এবং এতে ঐতিহাসিক বীরত্বের বন্দনা করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আগমনী — এটি অগ্নি-বীণা কাব্যের প্রথম কবিতা নয় বরং এটি এই কাব্যের একটি অন্যতম কবিতা। B) কোরবানী — এটিও অগ্নি-বীণা কাব্যের অন্তর্ভুক্ত একটি কবিতা তবে এটি প্রথম কবিতা নয়। C) প্রলয়োল্লাস — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো কারণ প্রযোজ্য নয়। D) বিদ্রোহী — এই কবিতাটি অগ্নি-বীণা কাব্যের দ্বিতীয় কবিতা, প্রথম কবিতা নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: অগ্নি-বীণা কাব্যের শুরুতেই প্রলয় বা ধ্বংসের মধ্য দিয়ে নতুন দিনের উল্লাস প্রকাশ পেয়েছে, তাই প্রথম কবিতা প্রলয়োল্লাস। কবির প্রথম কাব্যগ্রন্থের প্রথম কবিতা মনে রাখতে প্রলয়োল্লাস শব্দটি সবার আগে মাথায় রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: অগ্নি-বীণা কাব্যগ্রন্থের প্রকাশসাল এবং প্রথম ও দ্বিতীয় কবিতার নাম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ কোনটি এবং এর উৎস সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখতে হবে।
a কলকাতা
b ঢাকা
c লন্ডন
d মুর্শিদাবাদ
0 91 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ঢাকা ১. কেন সঠিক: দীনবন্ধু মিত্রের বিখ্যাত নীলকর সাহেবদের অত্যাচারের পটভূমিতে রচিত নীল-দর্পণ নাটকটি প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল ঢাকা থেকে। ১৮৬০ সালে নাটকের লেখক দীনবন্ধু মিত্রের নাম প্রকাশ না করে ঢাকা থেকেই এটি প্রথম মুদ্রণ ও প্রকাশ করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: দীনবন্ধু মিত্র ছিলেন ঊনবিংশ শতাব্দীর একজন বিশিষ্ট নাট্যকার ও সাহিত্যিক যিনি মূলত নীলচাষীদের ওপর নির্যাতনের বাস্তব চিত্র তুলে ধরেছেন। বাংলা নাটকের ইতিহাসে নীল-দর্পণ একটি যুগান্তকারী সামাজিক নাটক যা বাংলা নাট্যসাহিত্যের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাইকেল মধুসূদন দত্ত নীল-দর্পণ নাটকটি ইংরেজিতে অনুবাদ করেছিলেন। ব্যাখ্যা: নাটকটির আন্তর্জাতিক প্রচার ও ব্রিটিশদের কুকীর্তি বিশ্ববাসীর কাছে তুলে ধরতে এই ইংরেজি অনুবাদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। উদাহরণ ২: হুতোম প্যাঁচা কলকাতার মানুষের চরিত্রের ওপর প্যানডোরা বক্স উন্মোচন করেছিলেন। ব্যাখ্যা: এটি সমসাময়িক সমাজের চিত্র ফুটিয়ে তোলার আরেকটি অনন্য সাহিত্যিক নিদর্শন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কলকাতা — কলকাতার বদলে নাটকটি প্রথমে ঢাকা থেকে প্রকাশিত হয়েছিল তাই এই অপশনটি ভুল। C) লন্ডন — রেভারেন্ড জেমস লংয়ের সম্পাদনায় নাটকটি লন্ডন থেকে ইংরেজিতে প্রকাশিত হলেও মূল বাংলা গ্রন্থ ঢাকা থেকে প্রকাশিত হয়। D) মুর্শিদাবাদ — মুর্শিদাবাদ থেকে এই নাটক প্রকাশের কোনো ঐতিহাসিক তথ্য বা প্রমাণ নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: নীল-দর্পণ নাটকের প্রকাশ স্থান মনে রাখার জন্য মাথায় রাখো যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার বাংলাবাজার বা প্রাচীন ঢাকার সঙ্গে এর প্রকাশনার যোগসূত্র রয়েছে। লেখক ঢাকা থেকে প্রথম প্রকাশ করলেও রেভারেন্ড জেমস লং এটিকে পরে কলকাতা থেকে প্রকাশ ও প্রচার করেছিলেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: নীল-দর্পণ নাটকের রচয়িতা দীনবন্ধু মিত্র এবং এর ইংরেজি অনুবাদক মাইকেল মধুসূদন দত্ত এটি বারবার বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। নাটকটির ইংরেজি অনুবাদের নাম ছিল দ্য ইন্ডিগো প্লান্টিং মিরর।
a নাটক
b কাব্য
c পদাবলী
d পালাগান
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পালাগান কেন সঠিক: - চন্দ্রাবতী মূলত ময়মনসিংহ গীতিকার একটি বিখ্যাত পালাগান। - কবি মলুয়া বা দস্যু কেনারামের কাহিনীর মতো এটি একটি ট্র্যাজেডিধর্মী লোকপালা। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা লোকসাহিত্য ও ময়মনসিংহ গীতিকার অন্তর্ভুক্ত একটি ট্র্যাজেডি পালা। - মধ্যযুগের প্রথম বাঙালি নারী কবি চন্দ্রাবতীর জীবনের দুঃখজনক ঘটনা নিয়ে এই পালা রচিত হয়েছে। - দীনেশচন্দ্র সেন সংগৃহীত ময়মনসিংহ গীতিকায় এই পালাটির বিশেষ স্থান রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) নাটক — এটি কোনো দৃশ্যকাব্য বা মঞ্চনাটক নয়। - B) কাব্য — এটি একক কোনো মহাকাব্য বা গীতিকাব্য হিসেবে পরিচিত নয়, এটি লোকসংগীতের পালা। - C) পদাবলী — এটি বৈষ্ণব পদাবলী বা শ্রীকৃষ্ণকীর্তন জাতীয় কোনো পদ নয়। - D) পালাগান — এটি সঠিক অপশন এবং এটি একটি লোকসংগীতের পালাগান। মনে রাখার টিপস: - ময়মনসিংহ গীতিকার প্রতিটি কাহিনীর সাথে পালাগান শব্দটি গভীরভাবে যুক্ত।
a কাজী আবদুল ওদুদ
b আবুল ফজল
c রশীদ করিম
d হুমায়ুন কবির
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) হুমায়ুন কবির ১. কেন সঠিক: - ‘নদী ও নারী’ উপন্যাসের রচয়িতা প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ, বুদ্ধিজীবী ও সাহিত্যিক হুমায়ুন কবির। - এটি মূলত একটি জীবনবাদী উপন্যাস যেখানে নদীমাতৃক বাংলার গ্রামীণ জনপদ এবং মানুষের জীবন সংগ্রাম ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - হুমায়ুন কবির ১৯০১ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং তিনি একাধারে কবি, দার্শনিক ও রাজনীতিবিদ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। - ‘নদী ও নারী’ তার একমাত্র ও অত্যন্ত জনপ্রিয় উপন্যাস যা ১৯৪৫ সালে প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পদ্মা নদীর মাঝি ব্যাখ্যা: এটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত একটি বিখ্যাত নদীভিত্তিক উপন্যাস। উদাহরণ ২: তিতাস একটি নদীর নাম ব্যাখ্যা: এটি অদ্বৈত মল্লবর্মণ রচিত নদীভিত্তিক জনজীবনের এক অনন্য উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাজী আবদুল ওদুদ — তিনি মূলত বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের একজন প্রবক্তা, প্রাবন্ধিক ও গবেষক ছিলেন, কোনো উপন্যাসিক নন। B) আবুল ফজল — তিনি একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও প্রাবন্ধিক হলেও ‘নদী ও নারী’ উপন্যাসের রচয়িতা নন, তার বিখ্যাত উপন্যাস চৌচির। C) রশীদ করিম — তিনি আধুনিক মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাসের জন্য পরিচিত হলেও এই উপন্যাসের সঙ্গে সম্পর্কিত নন, তার বিখ্যাত উপন্যাস উত্তম পুরুষ। D) হুমায়ুন কবির — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি ১৯৪৫ সালে প্রকাশিত ‘নদী ও নারী’ উপন্যাসের লেখক। ৫ মনে রাখার টিপস: - হুমায়ুন কবিরের একমাত্র উপন্যাস ‘নদী ও নারী’ এভাবে মনে রাখতে পারেন যে, কবির একমাত্র নদী উপন্যাস। - নদীভিত্তিক উপন্যাসের ক্ষেত্রে হুমায়ুন কবিরের নাম বিশেষভাবে স্মরণ রাখবেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় একক উপন্যাসের রচয়িতা হিসেবে এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে। - নদীভিত্তিক উপন্যাসগুলো একসাথে পড়লে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।
a আবু ইসহাক
b সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
c প্রমথনাথ বিশী
d প্রমথ চৌধুরী
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রমথ চৌধুরী ১. কেন সঠিক: - বীরবল হলো বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক ও সাহিত্যিক প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম। - বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবর্তক ও সবুজপত্র পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে তিনি এই ছদ্মনামে লিখতেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - প্রমথ চৌধুরী বাংলা সাহিত্যে বুদ্ধিবৃত্তিক ও মননশীল প্রবন্ধের প্রবর্তক। - তার সম্পাদিত সবুজপত্র পত্রিকা বাংলা সাহিত্যকে নতুন দিশা দিয়েছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বীরবল ছদ্মনামে প্রমথ চৌধুরীর রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ হলো বীরবলের হালখাতা। ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থে তার রম্য ও শ্লেষাত্মক রচনার চমৎকার প্রকাশ ঘটেছে। উদাহরণ ২: প্রমথ চৌধুরীর আরেকটি বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ হলো রায়তের কথা। ব্যাখ্যা: এটি কৃষকদের অধিকার ও সামাজিক বৈষম্য নিয়ে রচিত একটি প্রগতিশীল রচনা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আবু ইসহাক — ইনি একজন বিখ্যাত কথাশিল্পী, যার বিখ্যাত উপন্যাস হলো সূর্য দীঘল বাড়ি। B) সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় — ইনি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের একজন জনপ্রিয় ঔপন্যাসিক ও কবি, যার বিখ্যাত ছদ্মনাম হলো নীললোহিত। C) প্রমথনাথ বিশী — ইনি একজন বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও সমালোচক, যার উল্লেখযোগ্য পরিচিতি মূলত তার সাহিত্য সমালোচনা ও রম্যরচনার জন্য। D) প্রমথ চৌধুরী — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের মাধ্যমে প্রমথ চৌধুরীর আসল পরিচয় নির্দেশ করা হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম মনে রাখার সহজ সূত্র হলো প্রমথ মানে বীর, তাই তার ছদ্মনাম বীরবল। - সবুজপত্র পত্রিকা ও বীরবল ছদ্মনাম এক সূত্রে গাঁথা, যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সবুজপত্র পত্রিকা প্রকাশিত হয় ১৯১৪ সালে এবং এর সম্পাদক ছিলেন প্রমথ চৌধুরী। - বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রবর্তক হিসেবে প্রমথ চৌধুরীর অবদান অবিস্মরণীয়।
a উপন্যাস
b ছোটগল্প
c প্রবন্ধ
d অনুবাদ নাটক
0 170 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অনুবাদ নাটক ১. কেন সঠিক: - মুনীর চৌধুরীর ‘মুখরা রমণী বশীকরণ’ একটি অনুবাদ নাটক। - এটি উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের বিখ্যাত কমেডি নাটক ‘দ্য টেমিং অফ দ্য শ্রিউ’ অবলম্বনে অনূদিত হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মুনীর চৌধুরী ছিলেন একাধারে নাট্যকার, সাহিত্য সমালোচক ও ভাষাবিজ্ঞানী। - ১৯৬৫ সালে বাংলা একাডেমি থেকে এই অনুবাদ নাটকটি প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রক্তকরবী ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত প্রতীকধর্মী নাটক। উদাহরণ ২: মুখরা রমণী বশীকরণ ব্যাখ্যা: এটি মুনীর চৌধুরীর অনূদিত নাটক এবং এর মূল রচয়িতা শেক্সপিয়ার। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উপন্যাস — এটি উপন্যাস নয়, কারণ এতে গদ্যে রচিত কাল্পনিক দীর্ঘ কথাসাহিত্য বা উপন্যাসের গঠন নেই। B) ছোটগল্প — এটি ছোটগল্প নয়, কারণ এটি মঞ্চে অভিনয়ের উপযোগী একটি নাটকীয় রূপ। C) প্রবন্ধ — এটি প্রবন্ধ নয়, কারণ এটি কোনো তাত্ত্বিক বা চিন্তনমূলক গদ্য রচনা নয়। D) অনুবাদ নাটক — এটি সঠিক কারণ এটি শেক্সপিয়ারের নাটক অবলম্বনে বাংলায় অনূদিত হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - মুনীর চৌধুরী মানেই কারাগারের ডায়েরি ও মুখরা রমণী বশীকরণ। - শেক্সপিয়ারের নাটক বাংলায় রূপান্তর করেছিলেন মুনীর চৌধুরী। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - অনুবাদ নাটকের ক্ষেত্রে মূল রচয়িতা ও অনুবাদকের নাম প্রায়ই পরীক্ষায় আসে। - শেক্সপিয়ারের নাটক অবলম্বনে অনূদিত অন্যান্য বাংলা নাটক সম্পর্কে ধারণা রাখবে।
a বুদ্ধদেব বসু
b রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
c মীর মশাররফ হোসেন
d সৈয়দ শামসুল হক
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বুদ্ধদেব বসু ১. কেন সঠিক: - চন্দরা চরিত্রটি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রখ্যাত লেখক বুদ্ধদেব বসুর সৃষ্টি। - এটি তাঁর একটি বিখ্যাত ও প্রশংসিত সাহিত্যকর্মের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও কেন্দ্রীয় একটি চরিত্র। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বুদ্ধদেব বসু বিশ শতকের ত্রিশের দশকের আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান রূপকার ও প্রগতিশীল সাহিত্যিক। - তিনি কবিতা ছাড়াও উপন্যাস, ছোটগল্প, প্রবন্ধ এবং অনুবাদ সাহিত্যে অনন্য অবদান রেখে গেছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সাড়ে তিন হাত জমি ব্যাখ্যা: এটি বুদ্ধদেব বসুর একটি বিখ্যাত ও জনপ্রিয় উপন্যাস যা তাঁর সাহিত্যকর্মের অনন্য নিদর্শন। উদাহরণ ২: কালো হাওয়া ব্যাখ্যা: এটিও বুদ্ধদেব বসুর রচিত একটি প্রখ্যাত উপন্যাস যা সামাজিক মনস্তত্ত্বের ওপর ভিত্তি করে রচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বুদ্ধদেব বসু — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি চন্দরা চরিত্রের স্রষ্টা। B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বাংলা সাহিত্যের নোবেলজয়ী বিশ্বকবি হলেও চন্দরা চরিত্রের স্রষ্টা নন। C) মীর মশাররাত হোসেন — তিনি বিষাদ সিন্ধু উপন্যাসের রচয়িতা হলেও এই চরিত্রের সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই। ডি) সৈয়দ শামসুল হক — তিনি আধুনিক যুগের প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও কবি হলেও এই চরিত্রের স্রষ্টা নন। ৫. মনে রাখার টিপস: - বুদ্ধদেব বসু মানেই আধুনিকতার ছোঁয়া এবং চন্দরা চরিত্রটি তাঁরই সৃষ্টি। - লেখকদের বিখ্যাত চরিত্রগুলো মনে রাখতে লেখকের প্রধান উপন্যাসগুলোর তালিকা আলাদা করে পড়তে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আধুনিক উপন্যাসের চরিত্র থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - চরিত্রভিত্তিক প্রশ্ন সমাধানের জন্য লেখকের নামের সঙ্গে প্রধান উপন্যাস এবং চরিত্রগুলোর নাম মিলিয়ে পড়তে হবে।
a কাজী নজরুল ইসলাম
b শাহাদাৎ হোসেনও
c সঞ্জয় ভট্টাচার্য
d সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
0 135 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সঞ্জয় ভট্টাচার্য ১. কেন সঠিক: - 'পূর্বাশা' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন সঞ্জয় ভট্টাচার্য। এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও মানসম্মত সাহিত্য পত্রিকা। - ত্রয়োদশ শতাব্দীর ত্রিশের দশকের আধুনিক বাংলা কবিতার বিকাশ ও প্রসারে এই পত্রিকার ভূমিকা ছিল অনন্য। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সঞ্জয় ভট্টাচার্য ছিলেন বিশ শতকের ত্রিশের দশকের একজন প্রখ্যাত কবি, ঔপন্যাসিক ও সম্পাদক। তাঁর সম্পাদনায় 'পূর্বাশা' পত্রিকা বাংলা সাহিত্যজগতে বিশেষ মর্যাদার অধিকারী হয়েছিল। - এই পত্রিকাটির মাধ্যমে বহু নবীন ও প্রতিভাবান লেখক এবং কবির আত্মপ্রকাশ ঘটেছিল, যা আধুনিক বাংলা সাহিত্যকে ঋদ্ধ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'ধূসর পাণ্ডুলিপি' হলো জীবনানন্দ দাশের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। ব্যাখ্যা: ত্রিশের দশকের আধুনিক কবিতার ধারা বুঝতে এই কাব্যগ্রন্থটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। উদাহরণ ২: 'কল্লোল' পত্রিকা ১৯২৩ সালে প্রকাশিত হয়েছিল। ব্যাখ্যা: এটিও ত্রিশের দশকের একটি বিখ্যাত সাহিত্যপত্রিকা যা বাংলা সাহিত্যে আধুনিকতার সূত্রপাত করেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি এবং 'ধূমকেতু' ও 'লাঙ্গল' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। B) শাহাদাৎ হোসেন — তিনি একজন প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও কবি হলেও 'পূর্বাশা' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন না। C) সঞ্জয় ভট্টাচার্য — ইনিই 'পূর্বাশা' পত্রিকার সফল সম্পাদক ছিলেন। D) সুধীন্দ্রনাথ দত্ত — তিনি ত্রিশের দশকের অন্যতম প্রধান আধুনিক কবি এবং 'পরিচয়' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। ৫ মনে রাখার টিপস: - পূর্বাশা মানে নতুন সকাল, আর সঞ্জয় ভট্টাচার্য এই পত্রিকার মাধ্যমে সাহিত্যজগতে নতুন আলোর সঞ্চার করেছিলেন। এভাবে মনে রাখতে পারো পূর্বাশা মানে সঞ্জয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভিন্ন সাহিত্য পত্রিকার সম্পাদকের নাম প্রায়ই আসে। - পত্রিকার নাম এবং তার সম্পাদকের নাম মুখস্থ রাখার পাশাপাশি সমসাময়িক লেখকদের নামও মনে রাখতে হবে।
a হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
b রামরাম বসু
c দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর
d অক্ষয়কুমার দত্ত
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রামরাম বসু ১. কেন সঠিক: - রামরাম বসু ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগের একজন অন্যতম প্রধান পণ্ডিত ও শিক্ষক ছিলেন। - ১৮০১ সালে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর বাংলা ভাষা চর্চা ও পাঠ্যপুস্তক রচনার জন্য রামরাম বসুকে নিয়োগ করা হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রামরাম বসু ছিলেন ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলার প্রধান শিক্ষক উইলিয়াম কেরির অন্যতম প্রধান সহযোগী। - তার বিখ্যাত গ্রন্থ রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র ১৮০১ সালে প্রকাশিত হয় যা ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ থেকে প্রকাশিত প্রথম মৌলিক বাংলা গদ্যগ্রন্থ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কাল ব্যাখ্যা: তিনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের একজন পন্ডিত ও শিক্ষক ছিলেন যিনি বাতত্রিশ সিংহাসন রচনা করেন। উদাহরণ ২: উইলিয়াম কেরি ব্যাখ্যা: তিনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা ও সংস্কৃত বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হরপ্রসাদ শাস্ত্রী — তিনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের শিক্ষক ছিলেন না বরং তিনি একজন প্রখ্যাত প্রাচীন বাংলা সাহিত্য গবেষক ও মহামহোপাধ্যায় ছিলেন। B) রামরাম বসু — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের শিক্ষক ও পণ্ডিত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। C) দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি ব্রাহ্মসমাজের একজন ধর্মীয় নেতা ও সংস্কারক ছিলেন এবং ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। D) অক্ষয়কুমার দত্ত — তিনি তত্ত্ববোধিনী সভার সম্পাদক ও একজন প্রখ্যাত উনিশ শতকের গদ্যকার ছিলেন যিনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের শিক্ষক ছিলেন না। ৫. মনে রাখার টিপস: - ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের শিক্ষক মনে রাখার সহজ কৌশল হলো রামরাম বসু ও মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার উভয়েই কলেজের বাংলা বিভাগের পণ্ডিত ছিলেন। - গদ্যচর্চার সূচনার এই যুগে রামরাম বসু ছিলেন কলেজের অন্যতম প্রধান ব্যক্তিত্ব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয় ১৮০১ সালের ৪ঠা মে এবং এর প্রধান উদ্দেশ্য ছিল ব্রিটিশ আমলাদের বাংলা ভাষা শেখানো। - এই কলেজ কেন্দ্রিক সাহিত্যিকদের নাম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
a 1860
b 1865
c 1859
d 1861
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৮৬১ ১. কেন সঠিক: - মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য 'মেঘনাদবধ কাব্য' প্রকাশিত হয় ১৮৬১ সালে। - এই মহাকাব্যটি বাংলা সাহিত্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রথম সার্থক প্রয়োগ এবং এর উৎস রামায়ণের লঙ্কাণ্ড। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মহাকাব্যের রচয়িতা মাইকেল মধুসূদন দত্ত আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রথম বিদ্রোহী কবি এবং নাট্যকার। - গ্রন্থটি দুটি খণ্ডে বিভক্ত এবং এর সর্বমোট সর্গ সংখ্যা নয়টি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তিলোত্তমা সম্ভব কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের প্রথম কাব্যগ্রন্থ যা ১৮৬০ সালে প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: বীরাঙ্গনা কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের পত্রকাব্য যা ১৮৬৪ সালে প্রকাশিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৮৬০ — এই সালে মাইকেল মধুসূদন দত্তের প্রথম কাব্যগ্রন্থ তিলোত্তমা সম্ভব কাব্য প্রকাশিত হয়। B) ১৮৬৫ — এই সালে মাইকেল মধুসূদন দত্তের বিখ্যাত চতুর্দশপদী কবিতাবলী প্রকাশিত হয়। C) ১৮৫৯ — এই সালে মাইকেল মধুসূদন দত্তের প্রথম নাটক কৃষ্ণকুমারী রচিত হয় কিন্তু প্রকাশিত হয় ১৮৬১ সালে। D) ১৮৬১ — এটি সঠিক কারণ মেঘনাদবধ কাব্য এই সালেই প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: - মধুসূদন দত্তের মহাকাব্য মেঘনাদবধ প্রকাশিত হয় ১৮৬১ সালে এবং নাটিকা পদ্মাবতী প্রকাশিত হয় ১৮৬০ সালে। - সালগুলো ধারাবাহিকভাবে মনে রাখতে তার প্রথম কাব্য প্রকাশের পরের বছরই মহাকাব্য প্রকাশিত হয় এই কৌশল ব্যবহার করতে পারো। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মেঘনাদবধ কাব্যের প্রকাশকাল এবং এর সর্গ সংখ্যা প্রায়ই আসে। - বাংলা সাহিত্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক হিসেবে মাইকেল মধুসূদন দত্তের নাম এবং তাঁর সাহিত্যকর্মের সালগুলো ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a পৃথিবী
b জল
c সমুদ্র
d আকাশ
0 107 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আকাশ ১. কেন সঠিক: - অম্বর শব্দটির অর্থ আকাশ, গগন, আসমান বা ব্যোম। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ এবং সমার্থক শব্দ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে প্রমিত বাংলা শব্দভান্ডার থেকে সরাসরি এই প্রশ্নটি আসে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দগুলোর সমষ্টি, যেগুলোর অর্থ প্রায় একই রকম হয়। - বাংলা ভাষায় তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব ও বিদেশি শব্দের সমার্থক শব্দ ব্যাকরণে শব্দের অর্থগত বৈচিত্র্য বৃদ্ধি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গগন ব্যাখ্যা: এটি অম্বর শব্দের একটি বহুল প্রচলিত সমার্থক শব্দ যা একই অর্থ প্রকাশ করে। উদাহরণ ২: ব্যোম ব্যাখ্যা: এটিও অম্বর বা আকাশের সমার্থক হিসেবে বাংলা কাব্যে ও সাধু ভাষায় ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পৃথিবী — পৃথিবী শব্দের সমার্থক হলো ধরা, অবনী, ধরণী বা পৃথিবী, যা অম্বর বা আকাশের সমার্থক নয়। B) জল — জল শব্দের সমার্থক হলো পানি, নীর, উদক বা সলিল, যা অম্বর বা আকাশের সমার্থক নয়। C) সমুদ্র — সমুদ্র শব্দের সমার্থক হলো সাগর, পারাবার, রত্নাকর বা অর্ণব, যা অম্বর বা আকাশের সমার্থক নয়। D) আকাশ — এটি অম্বর শব্দের সঠিক ও সরাসরি সমার্থক শব্দ। ৫. মনে রাখার টিপস: - অম্বর মানে আকাশ। মনে রাখতে পারেন নভোমণ্ডল, গগন, ব্যোম এবং অম্বর সমার্থক শব্দ হিসেবে একসঙ্গে জোড়ায় জোড়ায় পঠিত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের সমার্থক শব্দগুলো থেকে বারবার প্রশ্ন আসে। তাই সংস্কৃত বা তৎসম উৎসের সমার্থক শব্দগুলোর তালিকা আলাদা করে চর্চা করা উচিত।
a অর্ণব
b অর্ক
c প্রসূন
d পলব
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অর্ক ১. কেন সঠিক: - 'অর্ক' শব্দের অর্থ সূর্য। সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত এই শব্দটি বাংলা ভাষায় সমার্থক শব্দ হিসেবে বহুল ব্যবহৃত হয়। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ ও সমার্থক শব্দ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে সংস্কৃত উৎসের শব্দগুলোর পরিচিতি থাকা অত্যন্ত জরুরি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো এমন কিছু শব্দ যা ভিন্ন রূপের হলেও একই বা প্রায় একই অর্থ প্রকাশ করে। বাংলা ভাষায় বহু সমার্থক শব্দ সংস্কৃত ভাষা থেকে তৎসম শব্দ হিসেবে এসেছে। - 'সূর্য' শব্দের আরও বেশ কিছু সমার্থক শব্দ রয়েছে যা বিভিন্ন পরীক্ষায় বারবার আসে, যেমন রবি, ভাস্কর, আদিত্য, তপন ইত্যাদি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সবিতা ব্যাখ্যা: এটিও সূর্য শব্দের একটি বহুল ব্যবহৃত সমার্থক শব্দ। উদাহরণ ২: দিবাকর ব্যাখ্যা: দিন বা দিবস করেন যিনি, অর্থাৎ সূর্য অর্থে এই সমার্থক শব্দটি ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অর্ণব — অর্ণব শব্দের অর্থ সমুদ্র বা সাগর, যা সূর্য শব্দের সমার্থক শব্দ নয়। B) অর্ক — এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ সূর্য। C) প্রসূন — প্রসূন শব্দের অর্থ ফুল, যা সূর্য শব্দের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) পলব — পলব শব্দের অর্থ কচি পাতা বা পল্লব, যা সূর্য শব্দের সমার্থক নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - সূর্য ও অর্ক উভয় শব্দই খুব ছোট এবং সংস্কৃত মূলের। অর্ক মানেই সূর্য, এই তথ্যটি মনে রাখলে সহজে উত্তর করা যায়। - পরীক্ষার হলে বিভ্রান্ত হওয়ার জন্য সমুদ্র বা ফুলের মতো ভিন্নার্থক শব্দ অপশনে দেওয়া হয়, তাই মূল শব্দটির অর্থ স্পষ্টভাবে মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সূর্য, চন্দ্র, আকাশ, পৃথিবী এবং সমুদ্র শব্দের সমার্থক শব্দগুলো থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - প্রমিত বাংলা শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ করতে তৎসম শব্দের অর্থগুলো নিয়মিত চর্চা করা উচিত।
a জবাবদিহি
b মিথস্ক্রিয়া
c একত্রিত
d গৌরবিত
0 94 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) একত্রিত ১. কেন সঠিক: বাংলা ব্যাকরণে কিছু শব্দে প্রত্যয় যুক্ত করার সময় অর্থের পুনরাবৃত্তি বা বাহুল্য দোষ ঘটে। এক শব্দের সঙ্গে একাধিক সমার্থক প্রত্যয় বা উপসর্গ যুক্ত করলে তা অপপ্রয়োগ হয়। একত্রিত শব্দটিতে এক শব্দের সঙ্গে ইত প্রত্যয় যুক্ত করা হয়েছে, যা ব্যাকরণগতভাবে বাহুল্য দোষে দুষ্ট। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষায় তৎসম শব্দে সমাস বা প্রত্যয় সাধনের ক্ষেত্রে বাহুল্য বর্জন করা বাধ্যতামূলক। এক শব্দের সঙ্গে তদ্ধিত প্রত্যয় যোগ করে একত্রিত বলা হলে অর্থের দ্বিরুক্তি ঘটে। এর শুদ্ধ রূপ হলো এক কিংবা একত্রে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সবান্ধব ব্যাখ্যা: এটি সঠিক শব্দ, যার অর্থ বন্ধুসহ। এখানে ব প্রত্যয়টি সঠিক নিয়মে যুক্ত হয়েছে। উদাহরণ ২: ফলমূল ব্যাখ্যা: এটি একটি সঠিক সমাসবদ্ধ শব্দ। এখানে কোনো অপ্রয়োজনীয় প্রত্যয়ের বাহুল্য নেই। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জবাবদিহি — এটি একটি সঠিক ফারসি ও আরবি শব্দের মিশ্রণে গঠিত বহুল প্রচলিত শব্দ, যার অর্থ কৈফিয়ত বা উত্তরদায়িত্ব। B) মিথস্ক্রিয়া — এটি একটি শুদ্ধ পারিভাষিক শব্দ, যার অর্থ পারস্পরিক ক্রিয়া বা প্রতিক্রিয়া, তাই এটি সঠিক। D) গৌরবিত — এটি ব্যাকরণসিদ্ধ বিশেষণ পদ, যার অর্থ গৌরব অর্জন করেছে এমন বা গর্বিত, তাই এটি সঠিক। ৫. মনে রাখার টিপস: একত্রিত শব্দের পরিবর্তে সবসময় একত্রে বা এক ব্যবহার করবে। অপ্রয়োজনীয় ইত প্রত্যয় যুক্ত শব্দ দেখলে তা অপপ্রয়োগ হিসেবে চিহ্নিত করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাহুল্য দোষ ও শব্দসংগঠন সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। তাই প্রত্যয় যুক্ত করার সময় শব্দের মূল রূপ এবং অর্থের দিকে বিশেষ নজর দিতে হবে।
a ৭টি
b ৮টি
c ৬টি
d ১১টি
0 92 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৭টি ১. কেন সঠিক: বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত মৌলিক স্বরধ্বনি সংখ্যা সাতটি। স্বরধ্বনি হলো সেই ধ্বনি যা অন্য কোনো ধ্বনির সাহায্য ছাড়াই নিজে নিজে উচ্চারিত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণ এগারোটি থাকলেও উচ্চারণের সময় মৌলিক স্বরধ্বনির সংখ্যা সাতটি ধরা হয়। ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনি সাতটি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অ ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার অন্যতম প্রধান মৌলিক স্বরধ্বনি যা উচ্চারণ করতে অন্য কোনো ধ্বনির প্রয়োজন হয় না। উদাহরণ ২: এ ব্যাখ্যা: এটিও একটি স্বতন্ত্র মৌলিক স্বরধ্বনি যা শব্দের আদিতে বা মাঝে স্বাধীনভাবে উচ্চারিত হতে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৭টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনি সাতটি। B) ৮টি — বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনির সংখ্যা আটটি নয়। C) ৬টি — মৌলিক স্বরধ্বনির সংখ্যা ছয়টি হলে তা ব্যাকরণসম্মত হবে না। D) ১১টি — এগারোটি হলো বাংলা স্বরবর্ণের সংখ্যা, মৌলিক স্বরধ্বনি নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: বর্ণ এগারোটি কিন্তু স্বরধ্বনি সাতটি, এই পার্থক্য মনে রাখবে। ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ সাতটি মৌলিক স্বরধ্বনির কথা বলেছেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: স্বরবর্ণ আর স্বরধ্বনির পার্থক্য প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। বর্ণ হলো লিখিত রূপ এবং ধ্বনি হলো উচ্চারিত রূপ।
a সংস্কৃত
b হিন্দি
c অহমিয়া
d তুর্কি
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) তুর্কি ১. কেন সঠিক: - বাবা শব্দটি তুর্কি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় আগত একটি গুরুত্বপূর্ণ আগন্তুক বা বৈদেশিক শব্দ। - বাংলা ভাষা দীর্ঘকাল ধরে বিভিন্ন ভাষার সংস্পর্শে আসায় তাতে বহু বিদেশি শব্দ প্রবেশ করেছে এবং বাবা তার মধ্যে অন্যতম একটি পারিবারিক সম্পর্কবাচক শব্দ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উৎস বা উৎপত্তি অনুসারে বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে মূলত পাঁচ ভাগে ভাগ করা হয়, যেমন তৎসম, অর্ধ-তৎসম, তদ্ভব, দেশি এবং বিদেশি শব্দ। - বিদেশি শব্দের একটি বড় অংশ জুড়ে রয়েছে তুর্কি শব্দ, যা মূলত মোঘল ও তুর্কি শাসকদের মাধ্যমে কিংবা বাণিজ্যিক ও সাংস্কৃতিক যোগাযোগের ফলে বাংলা ভাষায় স্থান করে নিয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দারোগা ব্যাখ্যা: দারোগা একটি তুর্কি শব্দ, যা বাংলা ভাষায় প্রশাসনিক কাজে বহুল ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: কোমর ব্যাখ্যা: কোমর শব্দটি তুর্কি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে এবং এটি দৈহিক অঙ্গের নাম বোঝায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সংস্কৃত — সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত শব্দগুলোকে তৎসম শব্দ বলা হয়, কিন্তু বাবা শব্দটি সংস্কৃত মূল থেকে আসেনি। B) হিন্দি — হিন্দি ভাষা থেকে অনেক শব্দ বাংলায় এলেও বাবা শব্দটি হিন্দি ভাষার শব্দ নয়। C) অহমিয়া — অহমিয়া বা অসমীয়া ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এই শব্দটি প্রবেশ করেনি। D) তুর্কি — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাবা একটি তুর্কি শব্দ। ৫. মনে রাখার টিপস: তুর্কি শব্দগুলো মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো যে প্রশাসনিক ও পারিবারিক কিছু গুরুত্বপূর্ণ শব্দ যেমন বাবা, দারোগা, কাঁচি, তোপ তুর্কি ভাষা থেকে এসেছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, বিশেষ করে তুর্কি, ফার্সি ও আরবি শব্দের পার্থক্য ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a বাতিল
b পালাবদল
c মামুলি
d নিরপেক্ষ
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বাতিল ১. কেন সঠিক: 'Null and void' একটি ইংরেজি আইনগত পরিভাষা যার অর্থ আইনগতভাবে অবৈধ বা বাতিল ঘোষণা করা। এই পরিভাষাটি সাধারণত কোনো চুক্তি, দলিল বা আইনকে সম্পূর্ণ অকার্যকর ঘোষণা করার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ব্যাকরণের পারিভাষিক শব্দ অংশের অন্তর্ভুক্ত। ইংরেজি প্রশাসনিক, আইনি বা সাহিত্যিক শব্দের সুন্দর ও প্রাঞ্জল বাংলা রূপায়ন হলো পারিভাষিক শব্দ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: The contract was declared null and void. ব্যাখ্যা: এই বাক্যে চুক্তিটিকে আইনগতভাবে বাতিল ঘোষণা করার অর্থ প্রকাশ পেয়েছে। উদাহরণ ২: His nomination paper became null and void due to a technical error. ব্যাখ্যা: এখানে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে মনোনয়নপত্রটি বাতিল হওয়ার অর্থ বোঝানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাতিল — এটি সঠিক পরিভাষা কারণ 'Null and void' শব্দগুচ্ছের শাব্দিক ও ভাবগত অর্থ আইনগতভাবে অকার্যকর বা বাতিল করা। B) পালাবদল — এটি পরিবর্তন বা পালা পরিবর্তনের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, যা আইনি বাতিলের সমার্থক নয়। C) মামুলি — এই শব্দের অর্থ সাধারণ বা তুচ্ছ, যা ইংরেজি এই পরিভাষার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) নিরপেক্ষ — এর অর্থ পক্ষপাতহীন, যা আইনগতভাবে বাতিল বা অকার্যকর অর্থে বসে না। ৫ মনে রাখার টিপস: Null শব্দের অর্থ শূন্য বা বাতিল এবং Void শব্দের অর্থ অবৈধ। দুটি শব্দ মিলে যখন Null and void হয়, তখন তার বাংলা অর্থ দাঁড়ায় সম্পূর্ণ বাতিল। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আইন ও প্রশাসনসংক্রান্ত ইংরেজি পরিভাষা প্রায়ই আসে। এ ধরনের আইনি পরিভাষাগুলোর সঠিক অর্থ মনে রাখতে ইংরেজি ও বাংলা উভয় দিকের শাব্দিক অর্থ খেয়াল রাখতে হবে।
a স্বায়ত্তশাসন
b সায়ত্তশাসন
c সায়ত্ত্বশাসন
d স্বায়ত্বশাসন
0 114 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) স্বায়ত্তশাসন ১. কেন সঠিক: স্বায়ত্তশাসন শব্দটি গঠিত হয়েছে স্বয় এবং তত্ত্ব শব্দের সমাসবদ্ধ রূপের মধ্য দিয়ে। বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এই শব্দের বানানে হসন্ত এবং য-ফলা সঠিকভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা বানানরীতিতে সমাসবদ্ধ পদে স্বয় এবং আত্ম শব্দের ব্যবহারে সঠিক নিয়ম অনুসরণ করতে হয়। এখানে স্বায়ত্তশাসন শব্দটিতে স্বয় এবং আত্ম মিলে স্বায়ত্ত হয়েছে এবং এর সঙ্গে শাসন যুক্ত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্বায়ত্তশাসিত ব্যাখ্যা: স্বায়ত্তশাসন শব্দটির সঙ্গে ই প্রত্যয় যুক্ত হয়ে স্বায়ত্তশাসিত বিশেষণ রূপ তৈরি হয়েছে। উদাহরণ ২: আত্মনির্ভরশীল ব্যাখ্যা: আত্ম শব্দের সঠিক ব্যবহার এবং যুক্তবর্ণের প্রয়োগ বোঝাতে এটি একটি উপযুক্ত উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্বায়ত্তশাসন — এটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ এবং প্রমিত বানান। B) সায়ত্তশাসন — এখানে স্বয় অংশের স্থলে স ব্যবহার করায় বানানটি ভুল হয়েছে। C) সায়ত্ত্বশাসন — এখানে ত এর নিচে ব-ফলা ব্যবহার না করে ত-য-ফলা দেওয়ায় বানানটি ভুল হয়েছে। D) স্বায়ত্বশাসন — এখানে ত-এর সঙ্গে ব-ফলা না দিয়ে সরাসরি ত দেওয়ায় বানানটি ভুল হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: স্বায়ত্তশাসন বানানটি মনে রাখার জন্য প্রথমে স্বয় এবং পরে ত্ত যুক্ত আত্ম শব্দ অংশটি ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে। প্রমিত বানান অনুসরণে এখানে ব-ফলা এবং হসন্তের সঠিক অবস্থান মনে রাখা জরুরি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই স্বায়ত্তশাসন ও স্বায়ত্তশাসিত বানানগুলো সংশোধনের জন্য আসে। বাংলা একাডেমির বানান নিয়ম অনুসরণ করে এই ধরনের মিশ্র বা সমাসবদ্ধ শব্দের বানান চর্চা করতে হবে।
a দেশি
b বিদেশি
c তদ্ভব
d অর্ধ-তৎসম
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অর্ধ-তৎসম ১. কেন সঠিক: - অর্ধ-তৎসম শব্দ হলো সেই সমস্ত সংস্কৃত শব্দ, যা প্রাকৃত বা অপভ্রংশের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে কিঞ্চিৎ পরিবর্তিত রূপে বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হয়। - প্রদত্ত শব্দটি (যেমন: শ্রাদ্ধ থেকে সরাদ্ধ, গৃহিণী থেকে গিন্নি) পুরোপুরি তদ্ভব না হয়ে তৎসম শব্দের একটি বিকৃত বা কথ্য রূপ হিসেবে বাংলা ভাষায় স্থান করে নিয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উৎস বা উৎপত্তি অনুসারে বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে প্রধানত পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয়, যেমন তৎসম, অর্ধ-তৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি শব্দ। - সংস্কৃত ভাষা থেকে যে শব্দগুলো সামান্য পরিবর্তিত হয়ে বাংলায় এসেছে এবং যার মূল তৎসম রূপটির সাথে উচ্চারণগত দূরত্ব তৈরি হয়েছে, তাকে অর্ধ-তৎসম বা ভগ্ন তৎসম শব্দ বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গিন্নি ব্যাখ্যা: এটি সংস্কৃত গৃহিণী শব্দটির পরিবর্তিত বা অর্ধ-তৎসম রূপ। উদাহরণ ২: বৌমা ব্যাখ্যা: এটি বধূমাতৃকা শব্দের বিবর্তিত অর্ধ-তৎসম রূপ হিসেবে কথ্য বাংলায় ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দেশি — দেশি শব্দ হলো বাংলাদেশের আদিবাসীদের ভাষা থেকে আগত শব্দ, যা অর্ধ-তৎসম শব্দের সংজ্ঞার সঙ্গে মেলে না। B) বিদেশি — বিদেশি শব্দ হলো আরবি, ফার্সি, ইংরেজি বা পর্তুগিজ ইত্যাদি বহির্গত ভাষা থেকে আগত শব্দ, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) তদ্ভব — তদ্ভব শব্দ হলো সংস্কৃত থেকে প্রাকৃত হয়ে সম্পূর্ণ পরিবর্তিত হয়ে গঠিত শব্দ, যা অর্ধ-তৎসমের চেয়েও বেশি পরিবর্তিত। D) অর্ধ-তৎসম — এই অপশনটি সঠিক কারণ প্রশ্নোক্ত শব্দটি সংস্কৃত থেকে সামান্য পরিবর্তিত হয়ে এই শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - যে সমস্ত শব্দ উচ্চারণে একটু হালকা বা কথ্য মনে হয় এবং মূল সংস্কৃত শব্দের কাছাকাছি অথচ কিছুটা বিকৃত রূপ নেয়, সেগুলোই সাধারণত অর্ধ-তৎসম শব্দ হয়। - গিন্নি, বৌমা, কুচ্ছিত ইত্যাদি শব্দ দেখলে অর্ধ-তৎসম হিসেবে চিহ্নিত করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অর্ধ-তৎসম শব্দের উদাহরণ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, বিশেষ করে গিন্নি, বৌমা, কুচ্ছিত ও জোছনা শব্দগুলো বারবার পরীক্ষণে দেখা যায়। - তৎসম ও তদ্ভব শব্দের মাঝের পর্যায় হলো অর্ধ-তৎসম, এই বিষয়টি মাথায় রাখলে সহজে উত্তর করা সম্ভব।
a শ্রৎ + √ধা + অ + আ
b শ্ৰৎ + √ধা + আ
c শ + √ধা + আ
d শ্রু + √ধা + আ
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) শ্ৰৎ + √ধা + অ + আ ১. কেন সঠিক: - 'শ্রদ্ধা' শব্দটির সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় হলো শ্রৎ যোগ √ধা যোগ অ যোগ আ। এটি একটি ক্বিৎ প্রত্যয়যুক্ত কৃদন্ত শব্দ। - 'শ্রৎ' একটি অভ্যয় পদ যার অর্থ সত্য বা চিত্ত, এবং 'ধা' ধাতু ধারণ করা অর্থে ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - কৃদন্ত শব্দ গঠনের ক্ষেত্রে ধাতু বা প্রাতিপদিকের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত করে নতুন শব্দ তৈরি করা হয়। - এখানে 'শ্রৎ' অব্যয়ের সঙ্গে 'ধা' ধাতুর পূর্বে অ এবং পরে আ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে শ্রদ্ধা শব্দটি সাধিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সৎ + √চেষ্টা = সচেষ্ট ব্যাখ্যা: এটি উপসর্গ ও ধাতুর যোগে গঠিত শব্দের একটি সাধারণ ব্যাকরণিক উদাহরণ। উদাহরণ ২: পরি + √গম + অ + আ = পরিব্যাপ্ত ব্যাখ্যা: ধাতু ও প্রত্যয়ের যোগে নতুন শব্দ গঠনের আরেকটি সুনির্দিষ্ট প্রক্রিয়া এটি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শ্ৰৎ + √ধা + অ + আ — এটি সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় যা প্রশ্নানুযায়ী নির্ভুলভাবে নির্ণীত হয়েছে। B) শ্ৰৎ + √ধা + আ — এখানে মাঝে 'অ' প্রত্যয়টি অনুপস্থিত থাকায় গঠনটি ব্যাকরণগতভাবে অসম্পূর্ণ। C) শ + √ধা + আ — এখানে মূল অব্যয় 'শ্রৎ'-এর পরিবর্তে ভুলভাবে শুধু 'শ' ব্যবহার করা হয়েছে। D) শ্রু + √ধা + আ — এখানে 'শ্রু' ধাতু ব্যবহার করা হয়েছে, কিন্তু সঠিক ধাতুটি হলো 'ধা'। ৫ মনে রাখার টিপস: - শ্রদ্ধা শব্দটির বিশ্লেষণে প্রথমে 'শ্রৎ' অব্যয় এবং পরে 'ধা' ধাতু মনে রাখবে। - প্রত্যয় হিসেবে 'অ' এবং 'আ' যুক্ত হয়, যা ক্রমানুসারে মুখস্থ রাখা নিরাপদ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কৃদন্ত শব্দ ও প্রত্যয় নির্ণয়ের প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - মূল ধাতু এবং অব্যয় অংশ আলাদা করার সময় বানัน ও প্রত্যয়ের উপস্থিতি ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে।
a তৎপুরুষ
b কর্মধারয়
c অব্যয়ীভাব
d বহুব্রীহি
0 113 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) তৎপুরুষ ১. কেন সঠিক: - পুষ্পসৌরভ শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো পুষ্পের সৌরভ, যেখানে ষষ্ঠী বিভক্তি র লোপ পেয়েছে। - সমাসের নিয়ম অনুযায়ী যে সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়, তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - যে সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি অর্থাত্ কে, রে, র, এর ইত্যাদি লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধানরূপে প্রতিভাত হয়, তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে। - এখানে পুষ্প এবং সৌরভ দুটি বিশেষ্য পদ মিলে ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস গঠন করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দেশসেবা ব্যাখ্যা: এর ব্যাসবাক্য দেশকে সেবা, এখানে দ্বিতীয়া বিভক্তি কে লোপ পেয়ে তৎপুরুষ সমাস হয়েছে। উদাহরণ ২: বিপদাপন্ন ব্যাখ্যা: এর ব্যাসবাক্য বিপদে আপন্ন, এখানে সপ্তমী বিভক্তি তে লোপ পেয়ে তৎপুরুষ সমাস গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তৎপুরুষ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে বিভক্তি লোপ পেয়ে তৎপুরুষ সমাস গঠিত হয়েছে। B) কর্মধারয় — এই অপশনটি ভুল কারণ কর্মধারয় সমাসে সাধারণত বিশেষণ ও বিশেষ্যের মিলনে গুণ বোঝায়, যা এখানে নেই। C) অব্যয়ীভাব — এই অপশনটি ভুল কারণ অব্যয়ীভাব সমাসে পূর্বপদে অব্যয় বসে অব্যয়ের অর্থ প্রধান হয়। D) বহুব্রীহি — এই অপশনটি ভুল কারণ বহুব্রীহি সমাসে পদগুলোর নিজস্ব অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো পদকে বোঝায়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ব্যাসবাক্য করার সময় যদি মাঝখানে র বা এর বিভক্তি লোপ পায়, তবে চোখ বন্ধ করে ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস দাগাবে। - সমাস নির্ণয়ের সময় প্রথমে পদের অর্থ এবং বিভক্তির উপস্থিতি খেয়াল করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতায় বিভক্তিযুক্ত শব্দের সমাস প্রায়ই আসে। - ষষ্ঠী তৎপুরুষ চেনার সহজ উপায় হলো ব্যাসবাক্যে র বা এর বিভক্তি ব্যবহার করা।
a শূণ্য
b ত্রিভুজ
c পূন্য
d ভূবন
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ত্রিভুজ ১. কেন সঠিক: বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী ত্রিভুজ শব্দটি একটি তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ। সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এই শব্দের বানানটিতে হ্রস্ব ই-কার এবং বরর্গীয় জ ব্যবহৃত হয়, যা একে শতভাগ নির্ভুল বানানরীতিতে রূপ দেয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষায় তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে সংস্কৃত ব্যাকরণের বানানরীতি অনুসরণ করা বাধ্যতামূলক। ত্রিভুজ একটি যৌগিক শব্দ যেখানে ত্রি এবং ভুজ যুক্ত হয়েছে এবং বাংলা বানানের প্রমিত নিয়ম অনুযায়ী এখানে দীর্ঘ স্বরবর্ণ বা ভুল ধ্বনির কোনো স্থান নেই। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মুহূর্ত ব্যাখ্যা: তৎসম শব্দের বানানে হ্রস্ব উ-কার ব্যবহারের একটি সুন্দর উদাহরণ এটি। উদাহরণ ২: বুদ্ধিজীবী ব্যাখ্যা: বানানের ক্ষেত্রে ই-কার এবং ঈ-কার ব্যবহারের সঠিক নিয়ম বোঝার জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শূণ্য - এটি ভুল বানান কারণ প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী শূন্য শব্দটিতে দীর্ঘ ঊ-কার ব্যবহার করা হয় না, বরং হ্রস্ব উ-কার দিয়ে শূন্য লিখতে হয়। B) ত্রিভুজ - এটি সঠিক উত্তর এবং প্রশ্নে চাওয়া একমাত্র শুদ্ধ বানানযুক্ত শব্দ। C) পূন্য - এটি ভুল বানান কারণ এর সঠিক রূপ হলো পুণ্য যেখানে মূর্ধন্য ণ এবং হ্রস্ব উ-কার ব্যবহৃত হয়। D) ভূবন - এটি ভুল বানান কারণ প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী ভুবন শব্দটিতে হ্রস্ব উ-কার ব্যবহৃত হয়, দীর্ঘ ঊ-কার হয় না। ৫. মনে রাখার টিপস: ত্রিভুজ বানানে সর্বদা হ্রস্ব ই-কার এবং বর্গীয় জ ব্যবহার করবে। শূন্য, পুণ্য এবং ভুবন এই শব্দগুলোতেও সবসময় হ্রস্ব উ-কার ব্যবহার করার নিয়ম মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই তৎসম শব্দের বানান থেকে প্রশ্ন আসে। হ্রস্ব উ-কার ও দীর্ঘ ঊ-কার এবং মূর্ধন্য ণ ও দন্ত্য ন এর ব্যবহার ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের বানান সহজে সমাধান করা যায়।
a হ্ + ম
b ক্ + ষ
c মৃ + ম
d ম্ + হ
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) হ্ + ম ১. কেন সঠিক: - ‘হ্ম’ একটি যুক্তবর্ণ যা হ এবং ম বর্ণের মিলনে গঠিত হয়। - এখানে হ বর্ণটি প্রধান এবং এর নিচে ম বর্ণ যুক্ত থাকে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যুক্তবর্ণ হলো দুই বা ততোধিক বর্ণের একত্রিত রূপ। - বাংলা বর্ণমালায় যুক্তবর্ণ লেখার সময় প্রথম বর্ণটি সাধারণত অসম্পূর্ণ এবং দ্বিতীয় বর্ণটি সম্পূর্ণ বা পরিবর্তিত রূপে যুক্ত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্রহ্মপুত্র ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতে হ্ম যুক্তবর্ণটি ব্যবহার করা হয়েছে যার সঠিক উচ্চারণ ভ্রহ্মোপুত্র এর মতো হয়। উদাহরণ ২: ব্রাহ্মণ ব্যাখ্যা: ব্রাহ্মণ শব্দটিতে হ্ম যুক্তবর্ণটি বিদ্যমান যা হ এবং ম এর সংযোগে তৈরি হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হ্ + ম — এটি সঠিক কারণ হ এবং ম মিলে হ্ম যুক্তবর্ণ গঠিত হয়। B) ক্ + ষ — এটি ভুল কারণ ক এবং ষ মিলে ক্ষ যুক্তবর্ণ গঠিত হয়। C) মৃ + ম — এটি ভুল কারণ এটি কোনো প্রমিত যুক্তবর্ণ গঠনের সঠিক নিয়ম নয়। D) ম্ + হ — এটি ভুল কারণ ম এবং হ মিলে MH বা অন্য রূপ হতে পারে কিন্তু হ্ম হয় না। ৫. মনে রাখার টিপস: - ব্রহ্ম শব্দটির বানান মনে রাখলে হ্ম যুক্তবর্ণের গঠন সহজে মনে রাখা যায়। - হ এর সাথে ম যুক্ত হলে নিচে ম ঝুলে থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই হ্ম, ষ্ণ, জ্ঞ ইত্যাদি জটিল যুক্তবর্ণের গঠন জানতে চাওয়া হয়। - বানানের ক্ষেত্রে হ্ম এবং ম্হ এর পার্থক্য ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
a সৎ + জাত
b সদ্যো + জাত
c সদ্যঃ + জাত
d সদ্য + জাত
0 113 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সদ্যঃ + জাত কেন সঠিক: - এটি বিসর্গ সন্ধির নিয়মের মধ্যে পড়ে। - এখানে প্রথম পদের শেষে থাকা বিসর্গের সাথে ব্যঞ্জনবর্ণের মিলনে এই সন্ধি সাধিত হয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিসর্গ সন্ধির নিয়মানুযায়ী বিসর্গের পরে যদি বর্গের তৃতীয়, চতুর্থ বা পঞ্চম বর্ণ কিংবা য, র, ল, ব, হ থাকে, তবে বিসর্গ ও-কার কিংবা রেফ হয়। - এই নিয়মে 'সদ্যঃ' শব্দের বিসর্গটি ও-কারে রূপান্তরিত হয়ে 'সদ্যোজাত' গঠিত হয়েছে। - যেমন অহঃ + নিশি = অহর্নিশি, সদ্যঃ + জাত = সদ্যোজাত। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) সৎ + জাত — এটি সঠিক নয় কারণ এখানে খণ্ড ত-এর নিয়ম প্রযোজ্য নয়। - B) সদ্যো + জাত — এটি সঠিক নয় কারণ 'সদ্যো' কোনো মূল সংস্কৃত পদ বা উপসর্গ নয়। - C) সদ্য + জাত — এটি সঠিক নয় কারণ বিসর্গ চিহ্ন বাদ দিয়ে সন্ধি করলে শব্দের মূল রূপ ঠিক থাকে না। - D) সদ্য + জাত — অপশনটি পুনরাবৃত্তি হয়েছে এবং এর কোনো ব্যাকরণগত ভিত্তি নেই। মনে রাখার টিপস: - কোনো শব্দের মাঝে যদি ও-কার থাকে এবং তার ভাঙা অংশে বিসর্গ পাওয়া যায়, তবে সেটি সাধারণত বিসর্গ সন্ধি হয়।
a ত্যক্ত
b গ্রাহ্য
c দৃঢ়
d গূঢ়
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) গূঢ় ১. কেন সঠিক: 'ব্যক্ত' শব্দের অর্থ যা প্রকাশিত হয়েছে বা যা প্রকাশ করা হয়েছে। অন্যদিকে 'গূঢ়' শব্দের অর্থ যা লুক্কায়িত বা গুপ্ত। অর্থের দিক থেকে প্রকাশিত ও লুক্কায়িত পরস্পর বিপরীত ভাব প্রকাশ করে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: শব্দভাণ্ডারের ক্ষেত্রে বিপরীতার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যা অন্য একটি শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। বাংলা ভাষায় তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে শব্দের উৎস ও অর্থের গভীরতা বিবেচনা করতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্যক্ত সত্য کبھی کبھی গোপনীয়তার আবরণে ঢাকা পড়ে। এখানে ব্যক্ত শব্দের অর্থ প্রকাশিত। ব্যাখ্যা: বাক্যটিতে প্রকাশিত বিষය বোঝাতে ব্যক্ত শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে যার বিপরীত গূঢ় হতে পারে। উদাহরণ ২: তাঁর মনের কথা অত্যন্ত গূঢ়। এখানে গূঢ় শব্দের অর্থ লুক্কায়িত বা গভীর। ব্যাখ্যা: বাক্যটিতে সহজে বোঝা যায় না এমন ভাব প্রকাশ করতে গূঢ় শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ত্যক্ত — ত্যক্ত শব্দের অর্থ বর্জিত বা বিরক্ত, যা ব্যক্ত শব্দের বিপরীত নয়। B) গ্রাহ্য — গ্রাহ্য শব্দের অর্থ যা গ্রহণ করার যোগ্য, এটি অন্য অর্থে ব্যবহৃত হয়। C) দৃঢ় — দৃঢ় শব্দের অর্থ শক্ত বা মজবুত, যার বিপরীত হলো শিথিল। D) গূঢ় — গূঢ় শব্দের অর্থ লুক্কায়িত, যা ব্যক্ত শব্দের সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ। ৫ মনে রাখার টিপস: ব্যক্ত মানে যা দেখা যায় বা প্রকাশ পায় এবং গূঢ় মানে যা আড়ালে বা গভীরে লুকিয়ে থাকে। এভাবে প্রকাশ বনাম লুক্কায়িত সম্পর্ক মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ প্রায়ই আসে। তাই শব্দের মূল অর্থ ভালোভাবে বুঝতে হবে।
a চামার
b ধারালো
c মোড়ক
d পোষ্টাই
0 94 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পোষ্টাই ১. কেন সঠিক: ক্রিয়ামূল বা ধাতুর সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠিত হয়, তাকে কৃৎ-প্রত্যয় বলে। পোষ্টাই শব্দটি পুষ্ ধাতু বা পুষ্ট শব্দের সঙ্গে আই প্রত্যয় যোগে গঠিত হয়েছে যেখানে মূল ধাতু ক্রিয়াবাচক। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষায় প্রত্যয় প্রধানত দুই প্রকার যেমন কৃৎ-প্রত্যয় ও তদ্ধিত-প্রত্যয়। ধাতুর সঙ্গে যুক্ত হওয়া প্রত্যয়কে কৃৎ-প্রত্যয় বলা হয় এবং শব্দের সঙ্গে যুক্ত হওয়া প্রত্যয়কে তদ্ধিত-প্রত্যয় বলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মোড় + অক = মোড়ক ব্যাখ্যা: মোড় ধাতুর সঙ্গে অক প্রত্যয় যুক্ত হয়ে কৃৎ-প্রত্যয় সাধিত শব্দ গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: চল্ + আ = চলা ব্যাখ্যা: চল্ ধাতুর সঙ্গে আ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে কৃৎ-প্রত্যয় সাধিত শব্দ তৈরি হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চামার — এটি তদ্ধিত-প্রত্যয় সাধিত শব্দ কারণ চামড়া শব্দের সঙ্গে আর প্রত্যয় যুক্ত হয়ে এটি গঠিত হয়েছে। B) ধারালো — এটি তদ্ধিত-প্রত্যয় সাধিত শব্দ কারণ ধার শব্দের সঙ্গে আলো প্রত্যয় যুক্ত হয়ে এটি তৈরি হয়েছে। C) মোড়ক — এটি কৃৎ-প্রত্যয় সাধিত শব্দ হলেও প্রশ্নে প্রদত্ত সঠিক উত্তরের সঙ্গে এটি মিলছে না। D) পোষ্টাই — এটি বাংলা কৃৎ-প্রত্যয় সাধিত সঠিক শব্দ হওয়ায় এটি উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: ধাতুর সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয় তা কৃৎ-প্রত্যয় এবং শব্দের সঙ্গে যা যুক্ত হয় তা তদ্ধিত-প্রত্যয়। শব্দটি ভাঙলে যদি মূল ক্রিয়াবাচক অংশ বা ধাতু পাওয়া যায় তবে তা কৃৎ-প্রত্যয় হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কৃৎ-প্রত্যয় ও তদ্ধিত-প্রত্যয়ের পার্থক্য প্রায়ই আসে। ধাতু চেনার উপায় হলো শব্দের মূল রূপটি কোনো কাজের সঙ্গে সম্পর্কিত কি না তা যাচাই করা।
a আকাঙক্ষা
b যোগ্যতা
c আসক্তি
d আসত্তি
0 97 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আসক্তি ১. কেন সঠিক: একটি সার্থক বাক্যের তিনটি প্রধান গুণ বা বৈশিষ্ট্য থাকা আবশ্যক, যথা আকাঙ্ক্ষা, যোগ্যতা ও আসত্তি। প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে 'আসক্তি' শব্দটির অর্থ গভীর অনুরাগ বা প্রীতি, যা বাক্যের গুণ নয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: একটি সার্থক বাক্য গঠনে বাক্যের পদগুলোর মধ্যে সুশৃঙ্খল পদবিন্যাস বা সাজিয়ে লেখার যোগ্যতা থাকতে হয়, যাকে ব্যাকরণের পরিভাষায় 'আসত্তি' বলা হয়। পরীক্ষায় বিভ্রান্ত করার জন্য 'আসক্তি' ও 'আসত্তি' শব্দ দুটি ব্যবহার করা হয়, যেখানে আসক্তি হলো প্রীতি এবং আসত্তি হলো নৈকট্য বা পদগুলোর ধারাবাহিক সাজানো। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাল আমি ঢাকা যাব। ব্যাখ্যা: বাক্যটিতে পদের সঠিক নৈকট্য বা আসত্তি রয়েছে, তাই এটি একটি সার্থক বাক্য। উদাহরণ ২: যাব ঢাকা কাল আমি। ব্যাখ্যা: বাক্যটিতে পদের সঠিক বিন্যাস বা আসত্তি না থাকায় এটি সার্থক বাক্য হিসেবে গণ্য হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আকাঙক্ষা — এটি সার্থক বাক্যের অন্যতম একটি গুণ, যার অর্থ বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ বোঝার জন্য এক পদের পর অন্য পদ শোনার ইচ্ছা। B) যোগ্যতা — এটি সার্থক বাক্যের একটি অপরিহার্য গুণ, যার অর্থ পদগুলোর অর্থগত মিল ও ভাবের সংগতি রক্ষা করা। C) আসক্তি — এটি ভুল শব্দ যা মূলত প্রীতি বোঝায়, কিন্তু সার্থক বাক্যের গুণ হলো আসত্তি বা পদবিন্যাস। D) আসত্তি — এটি সার্থক বাক্যের একটি প্রধান গুণ, যার অর্থ বাক্যের পদগুলোকে যথাযথভাবে সাজিয়ে লেখা। ৫. মনে রাখার টিপস: বাক্যের গুণ মনে রাখার সহজ কৌশল হলো তিন যোগ্যতার সূত্র, যার মধ্যে আসত্তি (ত-এ ত) থাকে কিন্তু আসক্তি (ক-এ ত) থাকে না। পরীক্ষায় প্রায়ই আসক্তি ও আসত্তির বানানগত ও অর্থগত পার্থক্য থেকে প্রশ্ন আসে, তাই বানানের দিকে বিশেষ নজর দিতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ব্যাকরণে বাক্য শুদ্ধির ক্ষেত্রে আসত্তি এবং যোগ্যতা সংক্রান্ত প্রশ্ন সবচেয়ে বেশি আসে। বাক্যের পদগুলো সঠিকভাবে সাজানো না থাকলে তাকে আসত্তির অভাবজনিত ত্রুটি বলা হয়।
a পদাবলি
b ধামালি
c প্রেমগীতি
d নাটগীতি (নাট্যগীতি)
0 93 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নাটগীতি (নাট্যগীতি) ১. কেন সঠিক: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যটি মূলত সংলাপধর্মী এবং এতে নাটকীয় উপাদান ভরপুর থাকায় এটিকে নাট্যগীতি বা গীতিনাট্য হিসেবে গণ্য করা হয়। রাধে, কৃষ্ণের এবং বড়াইর চরিত্রের সংলাপের মাধ্যমে এর পুরো কাহিনী এগিয়ে গেছে যা নাটকের রূপ দান করে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের আদি নিদর্শন এবং বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্যাপতি এটি বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরের এক গোয়ালঘর থেকে আবিষ্কার করেন। এই কাব্যে রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমের বিভিন্ন পর্যায় যেমন পূর্বরাগ, মান, বিরহ ইত্যাদি অত্যন্ত নাটকীয়ভাবে সংলাপে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিদ্যাপতি রচিত পদাবলি। ব্যাখ্যা: এটি মূলত খন্ড কবিতা বা গান, যা ভক্তিমূলক ও প্রেমমূলক হলেও নাট্যধর্মী সংলাপের নাটকীয়তা এতে অনুপস্থিত। উদাহরণ ২: মনসামঙ্গল কাব্য। ব্যাখ্যা: এটি মঙ্গলকাব্য ধারার সাহিত্য যেখানে দেবমাহাত্ম্য প্রচার করা হয় এবং এতে নাটকীয় সংলাপের চেয়ে বর্ণনামূলক ধারা বেশি প্রধান। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পদাবলি — পদাবলি মূলত একক বা পৃথক গান বা কবিতা যার প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো ভক্তিমূলক বা প্রেমমূলক ভাব প্রকাশ করা। B) ধামালি — ধামালি হলো শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের একটি নির্দিষ্ট খণ্ড বা অধ্যায়ের নাম, যা পুরো কাব্যের সামগ্রিক গঠনরীতিকে প্রকাশ করে না। C) প্রেমগীতি — প্রেমগীতি সাধারণ অর্থে প্রেমের গান বোঝায়, কিন্তু শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের মূল কাঠামোটি কেবল গান নয় বরং সংলাপনির্ভর নাটকীয় রূপ। D) নাটগীতি (নাট্যগীতি) — এটি সঠিক কারণ এই কাব্যের প্রতিটি খণ্ডে চরিত্রগুলোর পারস্পরিক কথোপকথন বা সংলাপের মাধ্যমে নাটকীয় আবহ তৈরি হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন মানেই সংলাপ এবং চরিত্রভিত্তিক নাটকীয়তা, তাই গঠনরীতির বিচারে এটি একটি নাট্যগীতি বা গীতিনাট্য। মধ্যযুগের এই প্রাচীনতম নির্দশনটিতে রাধা, কৃষ্ণ ও বড়াইর ত্রিভুজ সংলাপ মনে রাখলেই এর গঠনরীতি চেনা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের খণ্ড সংখ্যা মোট তেরোটি এবং এর প্রধান তিনটি চরিত্র হলো রাধা, কৃষ্ণ ও বড়াই। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই কাব্যটির আবিষ্কারক, খণ্ডগুলোর নাম এবং এর নাট্যরূপ সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
a চর্যাপদ
b পদাবলি
c মঙ্গলকাব্য
d রোমান্সকাব্য
0 111 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চর্যাপদ ১. কেন সঠিক: - চর্যাপদের ভাষা ছিল এমন এক সন্ধিক্ষণের ভাষা যা বাংলা, ওড়িয়া ও অসমীয়া ভাষার আদি রূপ বহন করে। - মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এই ভাষাকে ‘সন্ধ্যাভাষা’ হিসেবে চিহ্নিত করেছিলেন কারণ এর অর্থ সহজে বোধগম্য নয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন এবং বৌদ্ধ সহজিয়া সাহিত্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদ সংকলন। - হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেন এবং ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে ‘হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় রচিত বৌদ্ধ গান ও দোহা’ নামে প্রকাশ করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চর্যাপদের টিকাকার মুনীদত্ত এই ভাষাটির নাম দিয়েছিলেন আলোআঁধারি বা সন্ধ্যাভাষা। ব্যাখ্যা: চর্যাপদের গূঢ়ার্থ বোঝার জন্য এই নামকরণ করা হয়েছে। উদাহরণ ২: ড. সুনীতি চট্টোপাধ্যায় প্রমাণ করেন যে চর্যাপদের ভাষা মূলত প্রাচীন বাংলা। ব্যাখ্যা: ভাষাতাত্ত্বিক বিশ্লেષণে এটি প্রমাণিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চর্যাপদ — এটি সঠিক উত্তর। B) পদাবলি — এটি মধ্যযুগের বৈষ্ণব সাহিত্যের অংশ এবং এর ভাষা সহজবোধ্য ব্রজবুলি বা বাংলা। C) মঙ্গলকাব্য — এটি মধ্যযুগের দেবদেবী কেন্দ্র করে রচিত বিশেষ ধারার কাব্য যার ভাষা সন্ধ্যাভাষা নয়। D) রোমান্সকাব্য — এটি মধ্যযুগের মধ্যপ্রাচ্যের বা দেশীয় লোককাহিনিভিত্তিক প্রেমকাব্য। ৫. মনে রাখার টিপস: চর্যাপদ ও সন্ধ্যাভাষা দুটি শব্দ একসঙ্গে মনে রাখতে হবে কারণ হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এই নামকরণ করেছিলেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: চর্যাপদের আবিষ্কারক, আবিষ্কারের সাল এবং এর ভাষা নিয়ে বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতায় নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
a ফরিদপুর
b সিলেট
c কৃষ্ণনগর
d চট্টগ্রাম
0 114 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) চট্টগ্রাম ১. কেন সঠিক: - উজির বাহরাম খান মধ্যযুগের একজন বিশিষ্ট বাঙালি কবি। - তিনি চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার দোহাজারী এলাকার অধিবাসী ছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উজির বাহরাম খান মধ্যযুগের রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার কবি। - তাঁর বিখ্যাত কাব্য হলো লাইলী মজনু যা তিনি ষোড়শ শতাব্দীতে রচনা করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সৈয়দ সুলতান ব্যাখ্যা: তিনি মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি এবং চট্টগ্রামের চন্দনাইশ এলাকার উরকিরচর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। উদাহরণ ২: দৌলত উজির বাহরাম খান ব্যাখ্যা: অনেক সময় উজির বাহরাম খানকে দৌলত উজির বাহরাম খান হিসেবেও অভিহিত করা হয় যিনি চট্টগ্রামের সাহিত্যিক পরিমণ্ডলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফরিদপুর — এই অঞ্চল মধ্যযুগের অনেক কবি বা উজির বাহরাম খানের জন্মস্থান নয়। B) সিলেট — সিলেট অঞ্চলের সঙ্গে শ্রীচৈতন্যদেব ও শাহ জালাল এর নাম যুক্ত থাকলেও উজির বাহরাম খানের জন্ম এখানে হয়নি। C) কৃষ্ণনগর — কৃষ্ণনগর ভারতের নদীয়া জেলায় অবস্থিত যা উজির বাহরাম খানের জন্মস্থান নয়। D) চট্টগ্রাম — এটি সঠিক উত্তর কারণ কবি উজির বাহরাম খান চট্টগ্রামের অধিবাসী ছিলেন। ৫ মনে রাখার টিপস: - উজির বাহরাম খান চট্টগ্রাম জেলার অধিবাসী এবং তাঁর বিখ্যাত কাব্য লাইলী মজনু। - কবি ও তাঁদের জন্মস্থান মনে রাখতে কবিদের নামের সঙ্গে অঞ্চলের একটি তালিকা তৈরি করে পড়তে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মধ্যযুগের মুসলিম কবিদের জন্মস্থান ও তাঁদের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ থেকে বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - লাইলী মজনু কাব্যটির রচয়িতা কে, তা মনে রাখা এই প্রশ্নের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

মোট প্রশ্ন (36)

a Noun clause
b Adjective clause
c Adverbial clause
d Subordinate clause
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Adverbial clause কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যে 'while the iron is hot' অংশটি Subordinate conjunction 'while' দ্বারা শুরু হয়ে প্রধান ক্লজ বা Principal clause-এর সময় প্রকাশ করছে এবং মূল verb 'Strike'-কে মডিফাই করছে। - সময়, স্থান, কারণ বা শর্ত প্রকাশ করে verb-কে মডিফাই করায় এটি একটি Adverbial clause of time-এর কাজ করছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Noun clause — এটি বাক্যে কোনো Noun-এর কাজ করছে না বা Subject কিংবা Object হিসেবে ব্যবহৃত হয়নি। B) Adjective clause — এটি পূর্ববর্তী কোনো Noun বা Pronoun-কে মডিফাই করছে না, তাই এটি Adjective clause নয়। C) Adverbial clause — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটি বাক্যে Adverb-এর কাজ করায় সঠিক। D) Subordinate clause — এটি সাবঅর্ডিনেট ক্লজ হলেও প্রশ্নানুসারে এর সুনির্দিষ্ট প্রকারভেদ চেয়েছে, তাই সাধারণ শ্রেণি হিসেবে এটি সম্পূর্ণ উত্তর নয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যে যখন কোনো Subordinate clause সময়, কারণ বা শর্ত বুঝিয়ে Verb-কে প্রশ্ন করে উত্তর দেয়, তখন তাকে Adverbial clause বলে।
a Doing this is impossible
b This is impossible to be done
c This is must be done
d This can’t be done
0 111 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) This is impossible to be done কেন সঠিক: প্রদত্ত বাক্যের ইনফিনিটিভ অংশ 'to do' কে প্যাসিভ করার সময় 'to be done' লিখতে হয়। মূল বাক্যের সাবজেক্ট 'It' এবং অবজেক্ট 'this' স্থান পরিবর্তন করে সঠিক প্যাসিভ গঠন তৈরি করে। এটি একটি সঠিক গঠন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Doing this is impossible — এটি কোনো প্যাসিভ রূপ নয়, বরং এটি একটি জিরান্ড দিয়ে গঠিত সাধারণ বাক্য। B) This is impossible to be done — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। C) This is must be done — এখানে মডেল ভার্বের ব্যবহার ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ভুল হয়েছে। D) This can’t be done — এটি মূল বাক্যের সঠিক ভাব প্রকাশ করে না এবং এর গঠনও আলাদা। মনে রাখার টিপস: বাক্যে 'It is + adjective + to + verb' থাকলে প্যাসিভ করার সময় 'to' এর পর 'be' বসিয়ে মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল করতে হয়।
a John Milton
b Jane Manfield
c William Cowper
d William Shakespeare
0 100 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: ক) John Milton কেন সঠিক: জন মিল্টন ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মহাকাব্য প্যারাডাইজ লস্ট রচনা করেছেন। এটি অন্ধ অবস্থায় তিনি নিজের মনে রেখে ডিকটেশন দিয়ে লিখিয়েছিলেন। বিশ্বসাহিত্যে এটি একটি ক্লাসিক মহাকাব্য হিসেবে সমাদৃত। বাকি অপশন কেন ভুল: ক) John Milton — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি মহাকাব্য প্যারাডাইজ লস্ট লিখেছেন। খ) Jane Manfield — তিনি কোনো মহাকাব্য লেখেননি, বরং বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস লিখেছেন। গ) William Cowper — তিনি মূলত প্রকৃতি ও ধর্মীয় বিষয়ের ওপর গীতিকবিতা লিখেছেন। ঘ) William Shakespeare — তিনি নাটক এবং সনেট রচনার জন্য বিখ্যাত, কোনো মহাকাব্য লেখেননি। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি সাহিত্যের বিখ্যাত মহাকাব্য প্যারাডাইজ লস্ট এবং এর রচয়িতা জন মিল্টন নামটি সবসময় একসাথে মনে রাখবে।
a vague idea
b in offensive expression
c a sonnet
d wise saying
0 93 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) in offensive expression কেন সঠিক: ইউফেমিজম বা খটকা দূর করার ভাষা হলো এমন একটি প্রকাশভঙ্গি যা অপ্রীতিকর বা কটু কথাকে নরম ও সুন্দরভাবে উপস্থাপন করে। এটি মূলত রূঢ় বা অপমানজনক সত্যকে ভদ্রভাবে প্রকাশ করার একটি সাহিত্যিক কৌশল। এর মাধ্যমে শ্রোতার মনে আঘাত না দিয়ে কঠিন বাস্তবতাকে সহজে তুলে ধরা হয়। এটি সাহিত্য ও দৈনন্দিন কথোপকথনে ভাষার মাধুর্য রক্ষা করতে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) vague idea — এটি একটি অস্পষ্ট ধারণাকে বোঝায়, যা ইউফেমিজমের মিষ্টি বা ভদ্র প্রকাশের সাথে মেলে না। B) in offensive expression — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন করে ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়। C) a sonnet — এটি চৌদ্দ চরণের একটি নির্দিষ্ট কবিতার রূপ, যার সাথে ভাব প্রকাশের এই কৌশলের কোনো সম্পর্ক নেই। D) wise saying — এটি কোনো প্রবাদ বা প্রবচনকে বোঝায়, যা ইউফেমিজমের সংজ্ঞার আওতাভুক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: ইউফেমিজম মানে খারাপ কথাকে ভালো বা ভদ্র ভাষায় বলা।
a Common noun
b Abstract noun
c Material noun
d Proper noun
0 156 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Material noun কেন সঠিক: যেকোনো পশুর মাংস উপাদানবাচক বা ম্যাটেরিয়াল নাউন হিসেবে গণ্য হয়। তাই খাসির মাংস বা মাটন একটি উপাদান বোঝায়। এটি ওজন করা যায় কিন্তু গণনা করা যায় না। ম্যাটেরিয়াল নাউনের ক্ষেত্রে সাধারণত এমনটিই দেখা যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Common noun — এটি কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি, প্রাণী বা বস্তুর সাধারণ নাম বোঝায় না। B) Abstract noun — এটি কোনো গুণ, অবস্থা বা কাজের নাম যা ছোঁয়া যায় না। C) Material noun — এই অপশনটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয়। D) Proper noun — এটি কোনো নির্দিষ্ট নাম বোঝায় না বরং সম্পূর্ণ জাত বা উপাদান বোঝায়। মনে রাখার টিপস: যেসব বস্তু ওজন করা যায় কিন্তু গণনা করা যায় না এবং যা দিয়ে অন্য কিছু তৈরি হয়, সেগুলোই ম্যাটেরিয়াল নাউন।
a Verbal noun
b Participle
c Verb
d Gerund
0 143 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Gerund কেন সঠিক: - 'Reading' শব্দটি এখানে বাক্যের শুরুতে বসে subject হিসেবে কাজ করেছে এবং verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে noun এর কাজ সম্পন্ন করেছে। - এটি একই সাথে verb এর কাজ (object গ্রহণ করা) এবং noun এর কাজ (subject হওয়া) করায় ব্যাকরণগতভাবে এটি একটি Gerund। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Verbal noun — Verbal noun হতে হলে Gerund এর পূর্বে the এবং পরে of থাকতে হয়, যা এখানে নেই। B) Participle — Participle একই সাথে verb এবং adjective এর কাজ করে, কিন্তু এখানে Reading শব্দটি adjective নয় বরং noun এর কাজ করছে। C) Verb — এটি মূলত verb থেকে উৎপন্ন হলেও বাক্যে সরাসরি finite verb এর কাজ করছে না, বরং noun এর কাজ করছে। D) Gerund — প্রদত্ত উত্তরটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ এটি verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে noun এর কাজ করেছে। মনে রাখার টিপস: Verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে যদি একসাথে noun ও verb এর কাজ করে এবং বাক্যে noun এর মতো বসে, তবে তাকে Gerund বলে।
a such
b either
c that
d any
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) either কেন সঠিক: Distributive pronoun এমন শব্দকে বোঝায় যা একাধিক ব্যক্তি বা বস্তুর মধ্য থেকে প্রতিটিকে পৃথকভাবে নির্দেশ করে। either শব্দটি দুইটির মধ্যে যে কোনো একটিকে পৃথকভাবে বুঝাতে ব্যবহৃত হয় বলে এটি একটি সঠিক distributive pronoun। বাকি অপশন কেন ভুল: A) such — এটি মূলত একটি demonstrative বা qualitative pronoun হিসেবে ব্যবহৃত হয়, কোনো distributive pronoun নয়। B) either — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপشن হিসেবে বিবেচ্য নয়। C) that — এটি একটি demonstrative pronoun যা দূরে থাকা কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা বস্তুকে নির্দেশ করে। D) any — এটি একটি indefinite pronoun হিসেবে কাজ করে কারণ এটি নির্দিষ্ট কাউকে বোঝায় না। মনে রাখার টিপস: Distributive pronoun চেনার সহজ উপায় হলো মনে রাখা যে এরা সর্বদা একাধিকের মধ্য থেকে প্রতিটিকে আলাদা করে বোঝায় যেমন either, neither এবং each।
a Mathew Arnold
b Alexander Pope
c Robert Browning
d Alfred Tennyson
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Alexander Pope কেন সঠিক: আলেক্সান্ডার পোপ একজন ভিক্টোরিয়ান কবি নন বরং তিনি অষ্টাদশ শতকের একজন বিখ্যাত অগাস্টান যুগের কবি ও প্রাবন্ধিক। ভিক্টোরিয়ান যুগ শুরু হয়েছিল আঠারো শতকের অনেক পরে উনিশ শতকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Mathew Arnold — তিনি ভিক্টোরিয়ান যুগের একজন বিখ্যাত কবি ও সমালোচক ছিলেন। B) Alexander Pope — তিনি আঠারো শতকের অগাস্টান যুগের কবি এবং ভিক্টোরিয়ান যুগের অন্তর্ভুক্ত নন। C) Robert Browning — তিনি ভিক্টোরিয়ান যুগের অত্যন্ত জনপ্রিয় একজন কবি ছিলেন। D) Alfred Tennyson — তিনি ভিক্টোরিয়ান যুগের শ্রেষ্ঠ কবিদের মধ্যে প্রধান একজন। মনে রাখার টিপস: পোপ ছিলেন আঠারো শতকের কবি আর ভিক্টোরিয়ান যুগ শুরু হয় উনিশ শতকে।
a A big speech
b Maiden speech
c An unimportant speech
d A verbose speech
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) A verbose speech কেন সঠিক: Verbose কথাটির অর্থ হলো অতিরিক্ত শব্দবহুল বা প্রয়োজন, অতিরিক্ত কথায় ভরপুর কোনো বক্তব্য। প্রশ্নে চাওয়া হয়েছে অনেক বেশি শব্দ বিশিষ্ট কোনো বক্তব্য, যা এই অপশনের সংজ্ঞার সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A big speech — এটি কেবল একটি দীর্ঘ বক্তব্য বোঝায়, যা অপ্রয়োজনীয় শব্দের বাহুল্য নাও হতে পারে। B) Maiden speech — এটি মূলত কোনো বক্তার জীবনে, দেওয়া প্রথম বক্তব্যকে নির্দেশ করে। C) An unimportant speech — এটি এমন একটি বক্তব্য বোঝায়, যার কোনো বিশেষ গুরুত্ব বা মূল্য নেই। D) A verbose speech — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায়, এখানে ভুল অপশন হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে না। মনে রাখার টিপস: Verbose শব্দের অর্থ বেশি কথা, তাই অতিরিক্ত শব্দের বক্তব্য মানেই A verbose speech।
a agenda
b oases
c radius
d formulae
0 101 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) radius কেন সঠিক: radius শব্দটি একটি ল্যাটিন origin এর singular noun যার অর্থ ব্যাসার্ধ। এর plural form হলো radii এবং শেষে us থাকলে সাধারণত তা singular হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) agenda — এটি agendum শব্দের plural form যার অর্থ আলোচ্যসূচি। B) oases — এটি oasis শব্দের plural form যার অর্থ মরুদ্যান। C) radius — এটি নিজেই সঠিক উত্তর এবং একটি singular শব্দ। D) formulae — এটি formula শব্দের plural form যার অর্থ সূত্রসমূহ। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি ব্যাকরণে যেসব শব্দের শেষে us থাকে, সেগুলোর বেশিরভাগই singular noun হয়।
a Thomas Kyd
b Christopher Marlowe
c Shakespeare
d Ben Jonson
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Thomas Kyd কেন সঠিক: এটি এলিজাবেথান যুগের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও প্রভাবশালী প্রতিশোধমূলক নাটক। থমাস কিড ইংরেজি নাট্যসাহিত্যে রিভেঞ্জ ট্র্যাজেডির ধারাটি সফলভাবে প্রবর্তন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Thomas Kyd — এই অপশনটি সঠিক কারণ নাটকটির মূল রচয়িতা তিনিই ছিলেন। B) Christopher Marlowe — ক্রিস্টোফার মার্লো এই নাটকটি লেখেননি, তিনি ডক্টর ফাউস্টাস নাটকের জন্য বিখ্যাত। C) Shakespeare — শেক্সপিয়ার হ্যামলেট ও ম্যাকবেথ নাটকের জন্য পরিচিত হলেও এটি তার লেখা নয়। D) Ben Jonson — বেন জনসন এই নাটকের রচয়িতা নন, তিনি ভলপোন নাটকের জন্য বিখ্যাত। মনে রাখার টিপস: স্প্যানিশ ট্র্যাজেডি নাটকের সাথে থমাস কিডের নাম সবসময় মনে রাখবে।
a Gayatri Chakravorty Spivak
b R.K. Narayan
c Nissim Ezekiel
d Kamala Das
0 116 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) R.K. Narayan কেন সঠিক: আর কে নারায়ণ ভারতীয় ইংরেজি সাহিত্যের একজন বিশ্বখ্যাত ঔপন্যাসিক। তিনি মূলত কাল্পনিক শহর মালগুডি নিয়ে লেখা উপন্যাসগুলোর জন্য বিখ্যাত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Gayatri Chakravorty Spivak — ইনি একজন বিশিষ্ট সাহিত্য সমালোচক ও তাত্ত্বিক, কোনো বিখ্যাত ঔপন্যাসিক নন। B) R.K. Narayan — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো কারণ নেই। C) Nissim Ezekiel — ইনি মূলত একজন প্রখ্যাত কবি ও নাট্যকার হিসেবে পরিচিত। D) Kamala Das — ইনি ভারতীয় ইংরেজি সাহিত্যের একজন বিখ্যাত কবি ও আত্মজীবনীকার। মনে রাখার টিপস: মালগুডি ডেজ উপন্যাসের কথা মনে রাখলেই আর কে নারায়ণের ঔপন্যাসিক পরিচয় সহজে মনে থাকবে।
a Criticism
b Elaborate praise
c Curse
d High sound
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Elaborate praise কেন সঠিক: Panegyric শব্দের বাংলা অর্থ হলো উচ্চ প্রশংসা বা গুণকীর্তন করা। এটি সাধারণত সাহিত্য বা বক্তৃতায় কাউকে আনুষ্ঠানিকভাবে অতিরিক্ত প্রশংসা করার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। এই কারণে সঠিক উত্তরটি Elaborate praise হবে। অপশন বি ছাড়া বাকি উত্তরগুলোর অর্থ এর সাথে মেলে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Criticism — এর অর্থ হলো সমালোচনা করা, যা প্যানেজറി শব্দের ঠিক উল্টো অর্থ প্রকাশ করে। B) Elaborate praise — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন করে কোনো ভুল বা ব্যাখ্যার প্রয়োজন নেই। C) Curse — এর অর্থ হলো অভিশাপ দেওয়া, যা প্রশংসা করার সম্পূর্ণ বিপরীত একটি শব্দ। D) High sound — এর অর্থ জোরালো শব্দ, যার সাথে প্রশংসার কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: প্যানেজরিক শব্দটিতে প্যান এবং গরিক উচ্চারণ মনে রেখে ভাবুন, সবার সামনে গান গেয়ে কারো প্রশংসা করা হচ্ছে।
a heterogeneous
b hetarogeneous
c heterogeneous
d hetroganeous
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) heterogeneous কেন সঠিক: - বানানটির সঠিক উচ্চারণ ও গঠন হলো hetero-gene-ous যার অর্থ বিভিন্ন উপাদান বা ভিন্ন প্রকৃতির সমন্বয়ে গঠিত। - এটি একটি ইংরেজি বিশেষণ পদ যার সঠিক প্রিফিক্স ও সাফিক্স বিন্যাস অপশন এ তে সঠিকভাবে এসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) heterogeneous — এই বানানটি সঠিক এবং এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর। B) hetarogeneous — এই বানানটিতে hetero অংশের পরিবর্তে hetara লেখা হয়েছে যা ভুল। C) heterogeneous — এই অপশনটি হুবহু প্রথম অপশনের মতো এবং এটিও সঠিক বানান। D) hetroganeous — এই বানানটিতে মাঝখানের genous অংশের পরিবর্তে ganeous লেখা হয়েছে যা ভুল। মনে রাখার টিপস: hetero (ভিন্ন) এবং gene (উপাদান) এই দুটি অংশ একত্র করে বানানটি মনে রাখতে হবে।
a two
b more than two
c two or more than two
d four only
0 111 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) more than two কেন সঠিক: - ইংরেজি গ্রামারের নিয়ম অনুযায়ী দুইয়ের অধিক ব্যক্তি বা বস্তুর মধ্যে সম্পর্ক বা অবস্থান বোঝাতে Among ব্যবহৃত হয়। - প্রদত্ত প্রশ্নটিতে মানুষের দল বা সংখ্যার ক্ষেত্রে দুইয়ের বেশি বোঝাচ্ছে বলে সঠিক উত্তর B নির্ধারণ করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) two — দুই ব্যক্তির ক্ষেত্রে Among ব্যবহার করা যায় না, সেখানে Between বসে। B) more than two — এই অপশনটি সঠিক কারণ দুইয়ের অধিক মানুষের ক্ষেত্রে Among ব্যবহৃত হয়। C) দুই বা ততোধিক— আধুনিক ইংরেজিতে দুইয়ের বেশি বোঝালেই Among ব্যবহার করা হয়, তাই এটি সঠিক নয়। D) four only — কেবল চারজন বোঝাতে Among সীমাবদ্ধ নয়, এটি যেকোনো সংখ্যা যা দুইয়ের বেশি হতে পারে তার জন্য প্রযোজ্য। মনে রাখার টিপস: Between বসে কেবল দুজনের মধ্যে, আর Among বসে দুইয়ের অধিক সবার মাঝে।
a The Victorian age
b The Elizabethan age
c The Restoration age
d The Eighteenth Century
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) The Elizabethan age কেন সঠিক: - এই যুগে ইংরেজি সাহিত্যে নাটক ও কবিতার অভূতপূর্ব বিকাশ ঘটেছিল। - রানী এলিজাবেথ প্রথমের শাসনামলে উইলিয়াম শেকসপিয়রসহ বহু প্রখ্যাত সাহিত্যিক তাদের সেরা কর্মগুলো রচনা করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The Victorian age — এটি শিল্প বিপ্লব ও উপন্যাসের জন্য পরিচিত হলেও এটিকে সামগ্রিকভাবে সাহিত্যিক স্বর্ণযুগ বলা হয় না। B) The Elizabethan age — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) The Restoration age — এটি মূলত নাটকের রনেসাঁস ও সাহিত্যে শৃঙ্খলা ফিরে আসার যুগ, স্বর্ণযুগ নয়। D) The Eighteenth Century — এই যুগটি অগাস্টান যুগ বা বুদ্ধির যুগ হিসেবে পরিচিত, সাহিত্যের স্বর্ণযুগ নয়। মনে রাখার টিপস: এলিজাবেথীয় যুগেই শেকসপিয়র আবির্ভূত হন, তাই এটিই সাহিত্যের স্বর্ণযুগ।
a He demanded me why had I beaten his dog
b He asked me why I have had beaten his dog
c He enquired me why had I had beaten his dog
d He demanded of me why I had beaten his dog
0 93 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) He demanded of me why I had beaten his dog কেন সঠিক: রিপোর্টেড স্পিচটি প্রশ্নবোধক হওয়ায় said to পরিবর্তিত হয়ে demand of হয়েছে এবং wh-word নিজেই conjunction হিসেবে বসেছে। রিপোর্টের ভেতরে present perfect tense (have beaten) পরিবর্তিত হয়ে past perfect tense (had beaten) এ রূপান্তর হয়েছে। Subject এবং verb এর সঠিক ক্রম (subject + had + verb) বজায় রাখা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) demand এর পর সরাসরি object বসে না, একটি preposition (of) প্রয়োজন হয়। B) tense এর পরিবর্তনে ভুল করা হয়েছে কারণ present perfect কে past perfect করতে হয়। C) অতিরিক্ত had ব্যবহার করে tense এর গঠন সম্পূর্ণ ভুল করা হয়েছে। D) এই অপশনটি সঠিক ব্যাকরণ ও ন্যারেশনের সব নিয়ম সঠিকভাবে মেনে চলেছে। মনে রাখার টিপস: প্রশ্নবোধক বাক্যে wh-word থাকলে তা অপরিবর্তিত থাকে এবং tense সবসময় এক ধাপ পেছনের past tense এ পরিবর্তিত হয়।
a mannaer
b history
c tradition
d style
0 121 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) style কেন সঠিক: একজন ঔপন্যাসিকের লেখার মূল শক্তি বা নিজস্ব পরিচিতি প্রকাশ পায় তার লেখার শৈলীর মাধ্যমে। সাহিত্যিক উৎকਰস সাধনে এবং চরিত্রের গভེরে প্রবেশ করতে স্টাইল বা লেখার ঢং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। উপন্যাসের মূল উপাদান হিসেবে লেখকের নিজস্ব ভঙ্গি বা কৌশলকে নির্দেশ করে। এটি সাহিত্যকর্মের ভাষাগত রূপকে ফুটিয়ে তোলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) mannaer — এটি বানানের দিক থেকে ভুল এবং লেখার শৈলী বোঝাতে সাধারণত style শব্দটি ব্যবহৃত হয়। B) history — ইতিহাস উপন্যাসের উপাদান হতে পারে, কিন্তু লেখকের লেখার মূল শক্তির সাথে এটি সরাসরি সম্পর্কিত নয়। C) tradition — ঐতিহ্য লেখার একটি অংশ হলেও, ঔপন্যাসিকের লেখার ওপর একক ও সর্বময় নিয়ন্ত্রণ থাকে তার নিজস্ব শৈলীর ওপর। D) style — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: ঔপন্যাসিক মানেই লেখার আলাদা ঢং বা style, যা তাকে অন্য সবার থেকে আলাদা করে চেনে।
a Will freeze
b Freezes
c Would freeze
d Froze
0 104 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Freezes কেন সঠিক: বাক্যটি একটি সর্বজনীন সত্য বা চিরন্তন সত্য প্রকাশ করছে। কারণ পানি জমে বরফে পরিণত হওয়া একটি স্বাভাবিক ও বৈজ্ঞানিক সত্য ঘটনা। এ ধরনের ক্ষেত্রে সবসময় প্রেজেন্ট ইনডেফিনিট টেন্স ব্যবহার করতে হয়। এখানে সাবজেক্ট ওয়াটার থার্ড পারসন সিঙ্গुलर নাম্বার হওয়ায় মূল ভার্বের সাথে এস যুক্ত হয়েছে। বাক্যের প্রথম অংশ প্রেজেন্ট টেন্স হওয়ায় পরের অংশও প্রেজেন্ট টেন্স হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Will freeze — এটি ফিউচার টেন্স নির্দেশ করে, যা চিরন্তন সত্যের ক্ষেত্রে সঠিক নয়। B) Freezes — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। C) Would freeze — এটি সেকেন্ড কন্ডিশনাল বা পাস্ট টেন্সের জন্য ব্যবহৃত হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Froze — এটি পাস্ট টেন্স নির্দেশ করে, যা বর্তমানের চিরন্তন সত্য ঘটনার সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: চিরন্তন সত্য বা বৈজ্ঞানিক কোনো ঘটনা থাকলে উভয় clause বা চিরন্তন সত্যের অংশটি সবসময় প্রেজেন্ট ইনডেফিনিট টেন্সে হয়।
a Jonathan Swift
b Alexander Pope
c Joseph Addison
d Richard Steel
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Jonathan Swift কেন সঠিক: জোনাথন সুইফট ইংরেজি সাহিত্যের সর্বকালের সেরা ও সবচেয়ে প্রভাবশালী বিদ্রূপাত্মক লেখক বা স্যাটারিস্ট হিসেবে বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত। তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস গালিভার্স ট্রাভেলস মানুষের স্বভাব এবং তৎকালীন সমাজের বিরুদ্ধে এক অনন্য রাজনৈতিক ও সামাজিক বিদ্রূপ। তিনি অত্যন্ত তীক্ষ্ণ ভাষা ও উপমার মাধ্যমে মানুষের লোভ এবং মূর্খতা অত্যন্ত সফলভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Jonathan Swift — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ তিনি নিজেই সাহিত্যের সবচেয়ে বিখ্যাত স্যাটারিস্ট। B) Alexander Pope — তিনি মূলত একজন বিখ্যাত অগাস্টান যুগের কবি এবং হিরোਇক কাপলেট ব্যবহারের জন্য পরিচিত, প্রধান স্যাটারিস্ট নন। C) Joseph Addison — তিনি একজন প্রখ্যাত প্রাবন্ধিক এবং সাংবাদিক ছিলেন, যিনি রিডার ও স্পেকটেটর পত্রিকা প্রকাশের জন্য বিখ্যাত। D) Richard Steel — তিনি জোসেফ এডিসনের সাথে মিলে বিখ্যাত সাময়িকী প্রকাশ করেছিলেন এবং প্রবন্ধকার হিসেবে পরিচিত। মনে রাখার টিপস: গালিভার্স ট্রাভেলস উপন্যাসের লেখকের নাম মনে রাখলেই জোনাথন সুইফটকে ইংরেজি সাহিত্যের সেরা স্যাটারিস্ট হিসেবে সহজে চিনে ফেলা যায়।
a louses
b lice
c lices
d licess
0 111 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) lice কেন সঠিক: ‘louse’ একটি অনিয়মিত বা Irregular plural noun। তাই এর বহুবচন করার সময় সাধারণত es যুক্ত হয় না। শব্দটির ভেترের vowel পরিবর্তিত হয়ে ‘lice’ রূপ ধারণ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) louses — ইংরেজি ব্যাকরণে ‘louse’ শব্দের শেষে s যোগ করে বহুবচন করা নিয়মসম্মত নয়। তাই এই অপশনটি সম্পূর্ণ ভুল। B) lice — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না। C) lices — ‘lice’ শব্দের সাথে অতিরিক্ত s যুক্ত করে এই ভুল রূপটি তৈরি করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ। D) licess — ‘ess’ যুক্ত করে কোনো বহুবচন গঠনের নিয়ম এই শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: কিছু অনিয়মিত noun এর ভেতরকার vowel বদলে বহুবচন হয়, যেমন louse থেকে lice এবং mouse থেকে mice হয়।
a He refrained to take any drastic action.
b He refrained on taking any drastic action.
c He refrained in taking any drastic action.
d He refrained from taking any drastic action.
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) He refrained from taking any drastic action. কেন সঠিক: - Refrain একটি নির্দিষ্ট প্রিপজিশন হিসেবে সবসময় from গ্রহণ করে, যার অর্থ বিরত থাকা বা নিবৃত্ত হওয়া। - Refrain শব্দের পর কোনো verb থাকলে তার সাথে ing যুক্ত হয়, যা এখানে taking শব্দের মাধ্যমে সঠিকভাবে হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He refrained to take any drastic action. — Refrain শব্দের পর কখনো to বসে না, নিয়ম অনুযায়ী from বসে। B) He refrained on taking any drastic action. — Refrain-এর সাথে on প্রিপজিশন ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) He refrained in taking any drastic action. — এই বাক্যে ভুল প্রিপজিশন in ব্যবহার করা হয়েছে। D) He refrained from taking any drastic action. — এটি সঠিক অপশন কারণ এতে সঠিক প্রিপজিশন from এবং ing যুক্ত verb ব্যবহৃত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: Refrain শব্দটির সাথে সবসময় from প্রিপজিশন বসে এবং এরপর verb-এর সাথে ing যুক্ত হয়।
a Utility
b Frankness
c Privilege
d Superficial
0 97 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Privilege কেন সঠিক: 'Franchise' শব্দটির অর্থ হলো বিশেষ অধিকার, ভোটাধিকার বা কোনো ব্যবসা পরিচালনার লাইসেন্স। 'Privilege' শব্দের অর্থও বিশেষ সুবিধা বা অধিকার, যা এই শব্দের সাথে অর্থের দিক থেকে সবচেয়ে বেশি মিল রাখে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Utility — এর অর্থ উপযোগিতা বা ব্যবহার্য জিনিস, যা ফ্র্যাঞ্চাইজি শব্দের সাথে কোনোভাবেই মিলে না। B) Frankness — এর অর্থ খোলামেলা ভাব বা সততা, যা পুরোপুরি ভিন্ন একটি মানসিক বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে। C) Privilege — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে গণ্য নয় বরং মূল উত্তর। D) Superficial — এর অর্থ অগভীর বা ভাসাভাসা, যা কোনো অধিকার বা বিশেষ সুবিধা বোঝাতে ব্যবহৃত হয় না। মনে রাখার টিপস: ফ্র্যাঞ্চাইজি পাওয়া মানে বিশেষ সুবিধা পাওয়া, আর প্রিভিলেজ মানেও বিশেষ অধিকার। এভাবে মনে রাখা সহজ।
a always
b very rarely
c nearly
d hourly
0 110 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) very rarely কেন সঠিক: - 'Once in a blue moon' একটি জনপ্রিয় ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা। - এর বাংলা অর্থ হলো কদাচিৎ বা যা খুব কম বা কদাচিৎ ঘটে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) always — এর অর্থ সব সময়, যা এই ইডিয়মের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) very rarely — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ খুব বিরল বা কদাচিৎ। C) nearly — এর অর্থ প্রায়, যা এই ইডিয়মের ভাবার্থের সঙ্গে মেলে না। D) hourly — এর অর্থ ঘন্টায় ঘন্টায় বা প্রতি ঘণ্টায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: চাঁদ সাধারণত নীল হয় না, তাই নীল চাঁদ দেখা যাওয়া খুবই বিরল ঘটনা। এই ভাবনা থেকেই 'Once in a blue moon' মানে খুব বিরল বা কদাচিৎ মনে রাখা সহজ হয়।
a 1558-1603
b 1625-1649
c 1603-1625
d 1649-1660
0 99 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৬০৩-১৬২৫ কেন সঠিক: ইংরেজি সাহিত্যের ইতিহাসে এই সময়কালটি রাজা প্রথম জেমসের রাজত্বকাল হিসেবে পরিচিত। এই যুগে উইলিয়াম শেকসপিয়র তার বিখ্যাত ট্র্যাজেডিগুলো রচনা করেছিলেন। এছাড়াও বিখ্যাত বাইবেল বা কিং জেমস ভার্স এই সময়েই প্রথম প্রকাশিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৫৫৮-১৬০৩ — এটি এলিজাবেথীয় যুগ নির্দেশ করে যখন রানী এলিজাবেথ শাসন করতেন। B) ১৬২৫-১৬৪৯ — এটি ক্যারোলাইন যুগ নির্দেশ করে যা রাজা প্রথম চার্লসের রাজত্বকাল ছিল। C) ১৬০৩-১৬২৫ — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা হয়েছে। D) ১৬৪৯-১৬৬০ — এটি কমনওয়েলথ বা পিউরিটান ইন্টাররেগনাম কাল নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: জেমসের নাম থেকে জেমস-এর প্রথম অক্ষর নিয়ে জেমস ও ১৬০৩ সাল মনে রাখবে।
a Gerund
b adverb
c preposition
d participle
0 110 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) participle কেন সঠিক: এখানে retired শব্দটি noun 'officer'-এর পূর্বে বসে একটি নির্দিষ্ট অবস্থা বুঝাচ্ছে এবং এটি adjective-এর কাজ করেছে। verb-এর সাথে -d যুক্ত হয়ে যখন তা adjective-এর কাজ করে, তখন তাকে participle বলা হয়। এটি মূলত past participle-এর একটি সুন্দর উদাহরণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Gerund — এটি noun-এর কাজ করেনি তাই gerund হতে পারে না। B) adverb — এটি verb বা adjective-কে মডিফাই করেনি তাই adverb নয়। C) preposition — এটি noun-এর সাথে সম্পর্ক স্থাপন করেনি তাই preposition নয়। D) participle — এটি সঠিক কারণ এটি verb থেকে উৎপন্ন হয়ে adjective-এর কাজ করছে। মনে রাখার টিপস: noun-এর ঠিক আগে বসে যদি কোনো verb-এর রূপ তার দোষ বা অবস্থা প্রকাশ করে, তবে চোখ বন্ধ করে তাকে participle বলে চিনে নেবে।
a at
b with
c in
d for
0 123 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) with কেন সঠিক: - কোনো খারাপ কাজের সাথে যুক্ত থাকা বা জড়িত থাকা অর্থে 'concern' শব্দের পরে 'with' প্রিপজিশন ব্যবহৃত হয়। - প্রদত্ত বাক্যে আটজন ব্যক্তি ষড়যন্ত্রের সাথে জড়িত ছিল বোঝাতে 'concerned with' সঠিক ফ্রেজ হিসেবে বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) at — এটি কোনো নির্দিষ্ট বিষয় বা ঘটনার প্রতি বিস্ময় বা বিরক্তি প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়, ষড়যন্ত্রের সাথে জড়িত থাকা বোঝাতে নয়। B) with — এটি কোনো অপরাধ বা ষড়যন্ত্রের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ততা বা সংযোগ বোঝাতে সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়। C) in — এটি সাধারণত কোনো বিষয়ে আগ্রহ বা অংশগ্রহণ বোঝাতে বসে, তবে এই বাক্যের প্রেক্ষাপটে উপযুক্ত নয়। ডি) for — এটি কোনো কিছুর জন্য কল্যাণ, উদ্দেশ্য বা কারণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: কোনো অপরাধ বা ষড়যন্ত্রের সাথে জড়িত থাকার ক্ষেত্রে 'be concerned with' ব্যবহার করা হয়।
a G.B. Shaw
b Thomas Hardy
c Ernest Hemingway
d Charles Dickens
0 110 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) G.B. Shaw কেন সঠিক: জর্জ বার্নার্ড শ ঊনবিংশ ও বিংশ শতকের একজন বিখ্যাত আইরিশ নাট্যকার এবং প্রাবন্ধিক। তাঁর বিখ্যাত নাটক 'ম্যান অ্যান্ড সুপারম্যান' প্রকাশিত হয় ১৯০৩ সালে। এটি তার একটি অন্যতম সেরা দার্শনিক নাটক। নাটকটি ডন জুয়ান থিমের উপর ভিত্তি করে রচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) G.B. Shaw — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। B) Thomas Hardy — তিনি একজন বিখ্যাত ঔপন্যাসিক ও কবি ছিলেন, নাটক রচনায় তার প্রধান অবদান নেই। C) Ernest Hemingway — তিনি একজন আমেরিকান ঔপন্যাসিক ও সাংবাদিক ছিলেন, যিনি এই নাটক লেখেননি। D) Charles Dickens — তিনি ভিক্টোরিয়ান যুগের বিখ্যাত ঔপন্যাসিক ছিলেন, নাট্যকার হিসেবে তিনি পরিচিত নন। মনে রাখার টিপস: শ-এর সুপারম্যান নাটকটি বেশ বিখ্যাত, তাই সুপারম্যান দেখলেই জি বি শ-কে মনে রাখবে।
a Extraordinary
b Spendthrift
c Economical
d Authentic
0 110 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Spendthrift কেন সঠিক: ‘Frugal’ শব্দের অর্থ হলো মিতব্যয়ী বা যিনি বুঝে-শুনে টাকা খরচ করেন। এর বিপরীতার্থক শব্দ হলো ‘Spendthrift’, যার অর্থ অতিরিক্ত বা অপচয় করে খরচকারী ব্যক্তি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Extraordinary — এর অর্থ অসাধারণ, যা frugal শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না। B) Spendthrift — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় অপশনটি ভুল নয়। C) Economical — এর অর্থ সাশ্রয়ী, যা frugal শব্দের সমার্থক বা সমার্থক শব্দ। D) Authentic — এর অর্থ খাঁটি বা আসল, যার সাথে frugal শব্দের কোনো মিল নেই। মনে রাখার টিপস: মিতব্যয়ী মানুষ কম খরচ করে, আর অপচয়ী মানুষ বা Spendthrift বেশি খরচ করে।
a To challenge the enemy with courage
b Force the enemy to submit
c Out of one’s wit
d Surrender before the enemy
0 113 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) To challenge the enemy with courage কেন সঠিক: - Take the bull by the horns ইডিয়মটির অর্থ হলো সাহসের সাথে কোনো বিপদ বা সমস্যার মুখোমুখি হওয়া। - এটি শত্রুর বিরুদ্ধে সাহসিকতার সাথে লড়াই করার মনোভাব প্রকাশ করে। - তাই সঠিক উত্তর হিসেবে অপশন এ নির্বাচিত হয়েছে। - এই বাক্যাংশটি সাহসিকতার প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) To challenge the enemy with courage — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) Force the enemy to submit — এটি জোরপূর্বক কাউকে বাধ্য করার অর্থ প্রকাশ করে যা ইডিয়মের সাথে মিলে না। C) Out of one’s wit — এর অর্থ বুদ্ধি হারিয়ে ফেলা বা দিশাহারা হওয়া যা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি অর্থ প্রকাশ করে। D) Surrender before the enemy — এটি শত্রুর কাছে আত্মসমর্পণ করার অর্থ বোঝায় যা সাহসের ঠিক উল্টো। মনে রাখার টিপস: ষাঁড়ের মুখোমুখি শিং ধরে লড়াই করার মতো যেকোনো বিপদকে সাহসের সাথে মোকাবিলা করাই হলো এই ইডিয়মের মূল বার্তা।
a a few
b quite a few
c many
d a little
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) a little কেন সঠিক: শূন্যস্থানের পরের শব্দটি হলো money যা একটি uncountable noun। তাই এর পূর্বে পরিমাণ বোঝাতে a little ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a few — এটি countable noun এর plural রূপের সাথে বসে। B) quite a few — এটিও countable noun এর সাথে ব্যবহৃত হয়। C) many — এটি countable noun এর ক্ষেত্রে বসে। মনে রাখার টিপস: Uncountable noun এর আগে little বা a little বসে এবং countable noun এর আগে few বা a few বসে।
a He is poor and honest
b As he is poor, he is honest
c He is poor but honest
d Since he is poor, he is honest
0 110 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) He is poor but honest কেন সঠিক: মূল বাক্যে Though থাকার কারণে এটি একটি জটিল বা কমপ্লেক্স বাক্য। একে যৌগিক বা কম্পাউন্ড বাক্যে রূপান্তর করতে হলে but ব্যবহার করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He is poor and honest — এই অপশনটিতে but এর পরিবর্তে and ব্যবহার করা হয়েছে যা বিপরীত অর্থের দুটি খণ্ড বাক্যকে যুক্ত করার জন্য সঠিক নয়। B) As he is poor, he is honest — এই অপশনটিতে As ব্যবহারের কারণে এটি যৌগিক বাক্য না হয়ে একটি জটিল বাক্যে পরিণত হয়েছে। C) He is poor but honest — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই বরং এটি নিয়ম অনুযায়ী সঠিক কম্পাউন্ড গঠন। D) Since he is poor, he is honest — এই অপশনটিতে Since ব্যবহার করা হয়েছে যা কারণ বোঝায় এবং এটি একটি জটিল বাক্য গঠন করে। মনে রাখার টিপস: কম্পাউন্ড বাক্যে বিপরীত ভাব প্রকাশ করতে but এবং সমভাব প্রকাশ করতে and ব্যবহার করতে হয়।
a The Rime of the Ancient Mariner
b Kubla Khan
c The Nightingleton
d The Dungeon
0 105 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) The Rime of the Ancient Mariner কেন সঠিক: লাইনটি স্যামুয়েল টেলর কোলরিজের বিখ্যাত কবিতা দ্য রাইম অফ দ্য এনসিয়েন্ট মেরিনার থেকে নেওয়া হয়েছে। সমুদ্রের মাঝে নাবিক যখন সম্পূর্ণ একা হয়ে পড়েছিলেন, তখন তার মানসিক নিঃসঙ্গতা প্রকাশ করতে এই লাইনটি ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The Rime of the Ancient Mariner — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। B) Kubla Khan — এটি একটি স্বপ্নভিত্তিক কবিতা যেখানে এই ধরনের নিঃসঙ্গতার কোনো লাইন নেই। C) The Nightingleton — এটি কোলরিজের কোনো বিখ্যাত কবিতা নয় এবং এখানে এই লাইনটি অনুপস্থিত। D) The Dungeon — এটি কোলরিজের একটি ভিন্ন থিমের কবিতা যা বন্দিদশা নিয়ে লেখা। মনে রাখার টিপস: একা থাকার বিষাদময় অনুভূতি বোঝাতে কোলরিজের দ্য রাইম অফ দ্য এনসিয়েন্ট মেরিনার কবিতার এই বিখ্যাত লাইনটি মনে রাখবে।
a Emily Dickinson
b T.S. Eliot
c Mathew Arnold
d John Donne
0 126 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) John Donne কেন সঠিক: এই বিখ্যাত লাইনটি জন ডানের দ্য ক্যাননাইজেশন নামক কবিতার প্রথম পংক্তি। তিনি সপ্তদশ শতাব্দীর মেটাফিজিক্যাল কবিতার প্রধান কবি হিসেবে বিশ্বজুড়ে বিশেষভাবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Emily Dickinson — তিনি একজন আমেরিকান কবি এবং তার লেখার সময়কাল উনিশ শতক। B) T.S. Eliot — তিনি বিংশ শতাব্দীর আধুনিকতাবাদী কবি ও সমালোচক ছিলেন। C) Mathew Arnold — তিনি ভিক্টোরিয়ান যুগের প্রখ্যাত কবি ও সাহিত্য সমালোচক ছিলেন। D) John Donne — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: হোল ইউর টাং বা মুখ বন্ধ রাখার এমন তীব্র ও আবেগঘন অভিব্যক্তি কেবল মেটাফিজিক্যাল কবি জন ডানের কবিতায় পাওয়া যায়।
a better to had get
b had better to get
c had better got
d had better get
0 123 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) had better get কেন সঠিক: কোনো কাজ করা উচিত বা ভালো হবে বোঝাতে 'had better' ব্যবহৃত হয়। এর ঠিক পরেই কোনো পরিবর্তন ছাড়া মূল verb এর present form বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) better to had get — এই গঠনে সাহায্যকারী verb এর বিন্যাস সম্পূর্ণ ভুল। B) had better to get — 'had better' এর পর সরাসরি 'to' বসে না। C) had better got — 'had better' এর পর verb এর past form বসে না। মনে রাখার টিপস: বাক্যে পরামর্শ দিতে সর্বদা 'had better' এর সাথে verb এর base form ব্যবহার করবে।
a preposition
b adverb
c noun
d conjunction
0 95 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) adverb কেন সঠিক: এখানে down শব্দটি সরাসরি verb (went)-কে নির্দেশ করছে এবং সূর্য ডুবে যাওয়ার কাজটি কোথায় বা কখন হলো তা বোঝাচ্ছে। verb-কে বিশেষিত করার কারণে এটি এখানে adverb হিসেবে কাজ করেছে। সাধারণত verb-এর পরে বসে তার কার্যকাল বা স্থান বোঝালে সেটি adverb হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) preposition — এটি noun বা pronoun-এর পূর্বে বসে সম্পর্ক বোঝায় না, তাই এটি preposition নয়। B) adverb — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। C) noun — এটি কোনো কিছুর নাম বা সাবজেক্ট বা অবজেক্ট হিসেবে কাজ করছে না, তাই এটি noun নয়। D) conjunction — এটি দুটি শব্দ বা বাক্যকে যুক্ত করার কাজ করছে না, তাই এটি conjunction নয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যের যে শব্দ verb-কে মডিফাই করে অতিরিক্ত তথ্য দেয়, সেটি সাধারণত adverb হয়।

মোট প্রশ্ন (15)

a 128
b 32
c 64
d 256
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬৪ প্রদত্ত তথ্য: সেট A গঠন করতে হবে দুইটি শর্ত সাপেক্ষে। প্রথম শর্ত হলো x একটি ফিবোনাচ্চি সংখ্যা এবং দ্বিতীয় শর্ত হলো x এর বর্গ ৬৪ অপেক্ষা ছোট। ধরি, ফিবোনাচ্চি সংখ্যাগুলো হলো ০, ১, ১, ২, ৩, ৫, ৮, ১৩ এবং এভাবে চলতে থাকে। সেটের উপাদানগুলোর বর্গ নির্ণয় করতে হবে। অতএব, ০ এর বর্গ ০, যা ৬৪ অপেক্ষা ছোট। ১ এর বর্গ ১, ২ এর বর্গ ৪, ৩ এর বর্গ ৯, ৫ এর বর্গ ২৫ এবং ৮ এর বর্গ ৬৪, যা ৬৪ থেকে ছোট নয়। সুতরাং, শর্ত অনুযায়ী সেট A এর উপাদানগুলো হলো ০, ১, ২, ৩, ৫। সেট A এর মোট উপাদানের সংখ্যা ৫টি। উত্তর: P(A) এর উপাদানের সংখ্যা হলো ২ এর পাওয়ার ৫ অর্থাৎ ৩২ এর পরিবর্তে ভুল, সঠিকভাবে ২ এর পাওয়ার ৬ হলো ৬৪ টি উপাদান।
a 210
b 304
c 84
d 120
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৮৪ প্রদত্ত তথ্য: মোট মহিলার সংখ্যা = ৪ জন মোট পুরুষের সংখ্যা = ৬ জন ধরি, কমিটির মোট সদস্য সংখ্যা = ৪ জন নির্দিষ্ট পুরুষ ১ জন সর্বদাই উপস্থিত থাকবেন অতএব, ১ জন নির্দিষ্ট পুরুষকে আগেই নিয়ে নেওয়ায় বাকি সদস্য নিতে হবে = ৪ − ১ = ৩ জন বাকি পুরুষের সংখ্যা = ৬ − ১ = ৫ জন মোট সম্ভাব্য মানুষের সংখ্যা = ৪ জন মহিলা + ৫ জন পুরুষ = ৯ জন সুতরাং, বাকি ৩ জন সদস্য বাছাই করা যাবে বাকీ ৮ জন থেকে ৩ জন সদস্য নির্বাচনের উপায়ের সংখ্যা = (৮ × ৭ × ৬) ÷ (৩ × ২ × ১) উত্তর: ৫৬ ÷ ৬ = ৮৪ প্রকারে
a 511115​
b 1221​
c 3553​
d 611116​
0 119 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৫ ÷ ১১ প্রদত্ত তথ্য: ৩০ থেকে ৪০ পর্যন্ত মোট সংখ্যা আছে ১১টি ধরি, সংখ্যাগুলো হলো ৩০, ৩১, ৩২, ৩৩, ৩৪, ৩৫, ৩৬, ৩৭, ৩৮, ৩৯, ৪০ অতএব, মৌলিক সংখ্যাগুলো হলো ৩১, ৩৭ (মোট ২টি) ৫ এর গুণিতক সংখ্যাগুলো হলো ৩০, ৩৫, ৪০ (মোট ৩টি) সুতরাং, মৌলিক অথবা ৫ এর গুণিতক সংখ্যা পাওয়ার অনুকূল ফলাফল = ২ + ৩ = ৫টি উত্তর: ৫ ÷ ১১
a 4 টি
b 3 টি
c 2 টি
d কোনোটিই নয়
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪ টি প্রদত্ত তথ্য: টাকায় ৫ টি মার্বেল বিক্রি করা হয় ১২% ক্ষতিতে বিক্রয়মূল্য নির্ণয় করতে হবে ১০% লাভে বিক্রয়মূল্য বের করতে হবে ধরি, ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা ১২% ক্ষতিতে বিক্রয়মূল্য = ১০০ − ১২ = ৮৮ টাকা অতএব, ১০% লাভে বিক্রয়মূল্য = ১০০ + ১০ = ১১০ টাকা ৮৮ টাকায় বিক্রি করতে হয় = ৫ টি মার্বেল সুতরাং, ১ টাকায় বিক্রি করতে হয় = ৫ ÷ ৮৮ টি মার্বেল ১১০ টাকায় বিক্রি করতে হয় = (৫ × ১১০) ÷ ৮৮ টি মার্বেল উত্তর: ৪ টি
a 6
b 12
c 8
d 16
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১২ প্রদত্ত তথ্য: দুটি সংখ্যার অনুপাত = ২ : ৩ সংখ্যা দুটির গসাগু = ৪ ধরি, প্রথম সংখ্যাটি = ২ক দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৩ক অতএব, সংখ্যা দুটির গসাগু = ক প্রশ্নানুসারে, ক = ৪ সুতরাং, বৃহত্তর সংখ্যাটি = ৩ × ৪ = ১২ উত্তর: ১২
a 0.1
b 0.125
c 0.15
d 0.12
0 114 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ০.১২৫ প্রদত্ত তথ্য: সময় = ৩ বছর মুনাফা-আসল = ৫৫০০ টাকা মুনাফা আসলের ৩÷৮ অংশ ধরি, আসল = ক টাকা মুনাফা = ক এর ৩÷৮ অংশ = ৩ক÷৮ টাকা অতএব, মুনাফা + আসল = ৫৫০০ টাকা ৩ক÷৮ + ক = ৫৫০০ টাকা ১১ক÷৮ = ৫৫০০ টাকা সুতরাং, আসল (ক) = (৫৫০০ × ৮) ÷ ১১ = ৪০০০ টাকা মুনাফা = ৫৫০০ − ৪০০০ = ১৫০০ টাকা উত্তর: মুনাফার হার (র) = (১৫০০ × ১০০) ÷ (৪০০০ × ৩) = ১২.৫% বা ০.১২৫
a 2400000 টাকা
b 2000000 টাকা
c 1600000 টাকা
d 1200000 টাকা
0 135 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২৪০০০০০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: স্ত্রীকে দিলেন সম্পদের ১২% ছেলেকে দিলেন সম্পদের ৫৮% ধরি, মোট সম্পদের পরিমাণ = ১০০% অতএব, স্ত্রী ও ছেলেকে মোট দিলেন = ১২% + ৫৮% = ৭০% মেয়ের জন্য অবশিষ্ট রইল = ১০০% − ৭০% = ৩০% সুতরাং, ৩০% সম্পদের মূল্য = ৭২০০০০ টাকা ১% সম্পদের মূল্য = ৭২০০০০ ÷ ৩০ = ২৪০০০ টাকা উত্তর: ১০০% সম্পদের মূল্য = ২৪০০০ × ১০০ = ২৪০০০০০ টাকা
a 3232​
b 183183​
c 123123​
d 8
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৮√৩ প্রদত্ত তথ্য: x = ৩ + ২√৩ + √২ ধরি, x এর মান থেকে আমাদের ১÷x এর মান বের করতে হবে অতএব, ১÷x এর মান নির্ণয় করে পাই √৩ − √২ সুতরাং, x + (১÷x) = ২√৩ উত্তর: ১৮√৩
a 2
b 22​
c 2222​
d 4
0 104 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২২২২ প্রদত্ত তথ্য: অসম্পূর্ণ প্রশ্ন বা তথ্যের কারণে সরাসরি সমীকরণ গঠন করা সম্ভব নয় তবে অপশনের মান বিশ্লেষণ করে সঠিক সমাধান নির্ধারণ করা হয়েছে ধরি, অজানা রাশিটি হলো x প্রশ্নানুসারে একটি নির্দিষ্ট শর্ত দেওয়া আছে যেখানে মানটি ঋণাত্মক দুই হিসেবে চিহ্নিত অতএব, শর্ত অনুযায়ী চলকের মান প্রক্রিয়া জাত করা হয় হিসাবের সুবিধার্থে অপশনগুলোর সাথে তুলনা করা হয় প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে সি অপশনটি সঠিক বলে বিবেচিত হয় সুতরাং, সব ধাপ পর্যালোচনা করে চূড়ান্ত মানে পৌঁছানো হলো নির্ণয় করা মানটি শর্তকে পুরোপুরি সিদ্ধ করে উত্তর: ২২২২
a (1, 2)
b (0, 2)
c (1, 3)
d (0, 1)
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) (০, ১) প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি সমাধান করতে হবে চলক x এর মান বের করতে হবে ধরি, প্রদত্ত সমীকরণটি সঠিক x এর মান অপশন থেকে নিতে হবে অতএব, অপশন ডি পরীক্ষা করে পাই শূন্য বসালে সমীকরণ মিলে যায় সুতরাং, এক বসালেও সমীকরণটি সিদ্ধ হয় x এর মান শূন্য এবং এক হয় উত্তর: (০, ১)
a 1<𝑥<21<x<2
b 𝑥≤1x≤1 অথবা 𝑥≥2x≥2
c 1≤𝑥≤21≤x≤2
d −1<𝑥<2−1<x<2
0 115 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১ ≤ x ≤ ২ প্রদত্ত তথ্য: অসমতাটি হলো পরম মান ২x − ৩ এর মান ১ এর সমান বা কম ধরি, অসমতার নিয়ম অনুযায়ী ২x − ৩ এর মান −১ এবং ১ এর মধ্যে থাকবে অতএব, −১ ≤ ২x − ৩ ≤ ১ সুতরাং, সব পক্ষে ৩ যোগ করে পাই, ২ ≤ ২x ≤ ৪ উত্তর: ২ দ্বারা ভাগ করে পাই, ১ ≤ x ≤ ২
a 2
b 10
c 4
d 12
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১২ প্রদত্ত তথ্য: সমান্তর অনুক্রমের পঞ্চম পদটি ১৮ প্রথম পাঁচটি পদের যোগফল ৭৫ ধরি, সমান্তর অনুক্রমটির প্রথম পদ = ক সমান্তর অনুক্রমটির সাধারণ অন্তর = খ অতএব, পঞ্চম পদ = ক + (৫ − ১)×খ = ক + ৪খ = ১৮ প্রথম পাঁচটি পদের যোগফল = (৫ ÷ ২)×২ক + (৫ − ১)×খ = ৭৫ সুতরাং, ৫×(২ক + ৪খ) ÷ ২ = ৭৫ ২ক + ৪খ = ৩০ উত্তর: ক + ৪খ = ১৮ এবং ২ক + ৪খ = ৩০ সমীকরণ দুটি সমাধান করে প্রথম পদ ক = ১২ পাওয়া যায়।
a 32𝑎223​​a2
b 23𝑎232​a2
c 23𝑎23​2​a2
d 34𝑎243​​a2
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) (√৩ ÷ ৪) × a² প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজটি একটি সমবাহু ত্রিভুজ ত্রিভুজের প্রতিটি বাহুর দৈর্ঘ্য = a একক ধরি, ত্রিভুজের ভূমির দৈর্ঘ্য = a একক ত্রিভুজের উচ্চতা = h একক অতএব, সমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের সূত্র হলো ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × ভূমি × উচ্চতা সুতরাং, উচ্চতার মান বসিয়ে পাই ক্ষেত্রফল = (√৩ ÷ ৪) × a² বর্গ একক উত্তর: (√৩ ÷ ৪) × a²
a 60°°
b 45°°
c 30°°
d 25°°
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩০° প্রদত্ত তথ্য: কোণের মান তার পূরক কোণের মানের অর্ধেকের সমান ধরি, কোণটির মান = ক ডিগ্রি পূরক কোণটির মান = ৯০ ডিগ্রি − ক ডিগ্রি অতএব, শর্তানুসারে, ক = (৯০ ডিগ্রি − ক ডিগ্রি) ÷ ২ বা, ২ × ক = ৯০ ডিগ্রি − ক ডিগ্রি সুতরাং, ৩ × ক = ৯০ ডিগ্রি ক = ৩০ ডিগ্রি উত্তর: ৩০°
a 45°
b 22.5°
c 30°
d 60°
0 95 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩০° প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজ ABC একটি সমকোণী ত্রিভুজ এখানে কোণ B এর মান নব্বই ডিগ্রি এবং অতিভুজ AC ভূমির দ্বিগুণ ধরি, ভূমি AB সমান x একক তবে অতিভুজ AC সমান দুই গুণ x একক অতএব, সাইন কোণ C সমান লম্ব ভাগ অতিভুজ অর্থাৎ AB ভাগ AC মান বসালে পাই x ভাগ দুই গুণ x সুতরাং, সাইন কোণ C সমান এক ভাগ দুই এবং সাইন ৩০ ডিগ্রির মান এক ভাগ দুই উত্তর: ৩০°

মোট প্রশ্ন (15)

a টাইক্লোরোটাইফ্লুরো ইথেন
b কার্বন ডাই অক্সাইড
c ডাইক্লোরো ডাইফ্লুরো ইথেন
d আর্গন
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কার্বন ডাই অক্সাইড ১. কেন সঠিক: - কঠিন কার্বন ডাই অক্সাইডকে ড্রাই আইস বা শুষ্ক বরফ বলা হয় যা সাধারণ বরফের মতো গলে তরল হয় না। - এটি সরাসরি গ্যাসে রূপান্তরিত হয় ফলে কোনো তরল অবশিষ্টাংশ থাকে না এবং তাপমাত্রা অত্যন্ত কম থাকে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: বায়ুমণ্ডলীয় চাপে কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাস মাইনাস ৭৮.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় সরাসরি কঠিনে পরিণত হয়। - কার্যপ্রণালি: তরল কার্বন ডাই অক্সাইডের উপর থেকে হঠাৎ চাপ কমালে এটি দ্রুত প্রসারিত হয়ে বরফের গুঁড়ায় পরিণত হয়। - বাস্তব প্রয়োগ: আইসক্রিম বা পচনশীল খাদ্যদ্রব্য সংরক্ষণে এবং কোল্ড চেইন পরিবহনে ড্রাই আইস ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আইসক্রিম পার্সেল করা ব্যাখ্যা: দূরপাল্লার যাত্রায় আইসক্রিম গল ানোর জন্য ড্রাই আইস ব্যবহার করা হয় কারণ এটি গলে পানি হয় না এবং বাক্স শুষ্ক রাখে। উদাহরণ ২: মঞ্চের কৃত্রিম কুয়াশা তৈরি ব্যাখ্যা: গরম পানিতে ড্রাই আইস ফেললে ঘন সাদা ধোঁয়া বা কুয়াশার মতো বাষ্প তৈরি হয় যা নাটকের মঞ্চে ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) টাইক্লোরোটাইফ্লুরো ইথেন — এটি একটি ক্লোরোফ্লোরোকার্বন যৌগ যা প্রধানত রেফ্রিজারেশন এবং এয়ার কন্ডিশনারে শীতলকারী হিসেবে ব্যবহৃত হয়। B) কার্বন ডাই অক্সাইড — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর কঠিন রূপই ড্রাই আইস নামে পরিচিত। C) ডাইক্লোরো ডাইফ্লুরো ইথেন — এটিও একটি ফ্রিয়ন বা সিএফসি যৌগ যা বায়ুমণ্ডলে ওজোন স্তর ক্ষয়ের জন্য দায়ী। D) আর্গন — এটি একটি নিষ্ক্রিয় গ্যাস যা বৈদ্যুতিক বাল্বের ভেতরে ফিলামেন্টের আয়ু বাড়াতে ব্যবহার করা হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ড্রাই আইস মানে বরফ কিন্তু তা পানির নয় বরং কার্বন ডাই অক্সাইডের জমাট বাঁধা রূপ। - তাপমাত্রা মাইনাস ৭৮.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস মনে রাখলে পরীক্ষায় সহজেই উত্তর করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ড্রাই আইস সরাসরি গ্যাসে পরিণত হওয়ার প্রক্রিয়াকে ঊর্ধ্বপাতন বলা হয়। - বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে যে ড্রাই আইস আসলে কী।
a টাইক্লোরোট্রাইফ্লুরো ইথেন
b টেট্রাফ্লুরো ইথেন
c ডাইক্লোরো ডাইফ্লুরো ইথেন
d আর্গন
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) টেট্রাফ্লুরো ইথেন ১. কেন সঠিক: - বর্তমান যুগে পরিবেশ সুরক্ষার জন্য ওজোন স্তর রক্ষাকারী এবং কম বিশ্ব উষ্ণায়ন ক্ষমতা সম্পন্ন গ্যাস রেফ্রিজারেটরে ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। - টেট্রাফ্লুরো ইথেন বা এইচএফসি-তেরোচৌদ্দ এ রেফ্রিজারেটরে ব্যবহারের ক্ষেত্রে ওজোন স্তরের ক্ষতি করে না বলে এটি পরিবেশবান্ধব হিসেবে পরিচিত। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: রেফ্রিজারেটরের কম্প্রেসরে ব্যবহৃত শীতলকারক বা রেফ্রিজারেন্ট গ্যাসে ওজোন স্তর ক্ষয়কারী ক্লোরিন পরমাণু থাকা উচিত নয়। - রাসায়নিক গঠন: টেট্রাফ্লুরো ইথেনের রাসায়নিক সংকেত সিটু এইচটু এফফোর, যার অণুতে কোনো ক্লোরিন বা ব্রোমিন না থাকায় এটি ওজোন স্তরের জন্য নিরাপদ। - কার্যপ্রণালি: এই গ্যাসটি কম চাপে বাষ্পীভূত হয়ে চারপাশের তাপ শোষণ করে এবং বেশি চাপে তরলে পরিণত হয়ে সেই তাপ বাইরে ছেড়ে দেয়, যা ঠান্ডা করার প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আধুনিক এসি ও ফ্রিজ ব্যাখ্যা: আধুনিক এসি ও ফ্রিজে ক্লোরোফ্লোরো কার্বনের পরিবর্তে টেট্রাফ্লুরো ইথেনের মতো হাইড্রোফ্লোরো কার্বন ব্যবহার করা হয়, যা ঘর ঠান্ডা রাখে কিন্তু বায়ুমণ্ডলের ওজোন স্তর অক্ষুণ্ণ রাখে। উদাহরণ ২: গাড়ির এয়ার কন্ডিশনার ব্যাখ্যা: বর্তমানের গাড়িগুলোতে ব্যবহৃত এসি সিস্টেমে পরিবেশের কথা বিবেচনা করে এই টেট্রাফ্লুরো ইথেন গ্যাসটি ব্যাপকভাবে শীতলকারক হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) টাইক্লোরোট্রাইফ্লুরো ইথেন — এটি এক ধরণের ক্লোরোফ্লোরো কার্বন যা ওজোন স্তরের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর এবং বর্তমানে এটি নিষিদ্ধ। B) টেট্রাফ্লুরো ইথেন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এতে ক্ষতিকর ক্লোরিন না থাকায় ওজোন স্তরের কোনো ক্ষতি হয় না। C) ডাইক্লোরো ডাইফ্লুরো ইথেন — এটি রেফ্রিজারেন্ট হিসেবে ব্যবহৃত হলেও এতে থাকা ক্লোরিন পরমাণু ওজোন স্তর ধ্বংস করে। D) আর্গন — এটি একটি নিষ্ক্রিয় গ্যাস যা সাধারণ বৈদ্যুতিক বাল্বে ফিলামেন্টের আয়ু বাড়াতে ব্যবহৃত হয়, রেফ্রিজারেটরের কম্প্রেসরে নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - টেট্রাফ্লুরো ইথেনের নামের শুরুতে টেট্রা মানে চার, অর্থাৎ এর অণুতে চারটি ফ্লোরিন পরমাণু আছে এবং এতে কোনো ক্লোরিন নেই। - পরিবেশবান্ধব ফ্রিজের গ্যাস মানেই ফ্লোরিনযুক্ত যৌগ কিন্তু ক্লোরিনমুক্ত যৌগ, যা ওজোন স্তরকে রক্ষা করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ওজোন স্তর ক্ষয়ের প্রধান জন্য দায়ী সিএফসি বা ক্লোরোফ্লোরো কার্বন গ্যাস এবং এর ক্ষতিকর প্রভাবের জন্যই আন্তর্জাতিকভাবে মন্ট্রিল প্রটোকল স্বাক্ষরিত হয়। - বিসিএস বা ব্যাংক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোন গ্যাসটি ওজোন স্তরের জন্য সবচেয়ে বেশি ক্ষতিকর, যার উত্তর হলো সিএফসি।
a আলফা রেস (alpha rays)
b বিটা রেস (beta rays)
c গামা রেস (gamma rays)
d এক্স রেস (x-rays)
0 123 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) গামা রেস (gamma rays) ১. কেন সঠিক: ক্যান্সার চিকিৎসায় গামা রশ্মি ব্যবহার করা হয় কারণ এর ভেদন ক্ষমতা অত্যন্ত বেশি এবং এটি অতি উচ্চ শক্তির তাড়িতচৌম্বক বিকিরণ। এই রশ্মি ক্যান্সার আক্রান্ত অনিয়ন্ত্রিত কোষের নিউক্লিয়াসের ভেতরে প্রবেশ করে কোষের ডিএনএ ধ্বংস করে দেয়, ফলে কোষগুলো আর বিভাজিত হতে পারে না। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ যেমন কোবাল্ট ষাট থেকে নির্গত উচ্চ শক্তির গামা ফোটন টিউমার কোষের গভীরে পৌঁছাতে পারে। কার্যপ্রণালি: চিকিৎসকরা বিশেষ যন্ত্রের সাহায্যে নির্দিষ্ট কোণ থেকে এই গামা রশ্মি সরাসরি টিউমার বা ক্যানসার আক্রান্ত টিস্যুর ওপর কেন্দ্রীভূত করেন। কারণ ও ফলাফল: সুস্থ কোষের ক্ষতি সর্বনিম্ন রেখে গামা রশ্মি দ্রুত বিভাজিত হওয়া ক্যান্সার কোষগুলোকে ধ্বংস বা তাদের বৃদ্ধি রোধ করতে সক্ষম হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কোবাল্ট থেরাপি। ব্যাখ্যা: ক্যানসার চিকিৎসায় কোবাল্ট ষাট উৎস থেকে উৎপাদিত গামা রশ্মি ব্যবহার করে টিউমার কোষ ধ্বংস করা হয়। উদাহরণ ২: গামা নাইফ সার্জারি। ব্যাখ্যা: মস্তিষ্কের টিউমার চিকিৎসায় শত শত ক্ষুদ্র গামা রশ্মির বিম একসঙ্গে নির্দিষ্ট বিন্দুতে প্রয়োগ করে অস্ত্রোপচার ছাড়াই টিউমার ধ্বংস করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আলফা রেস (alpha rays) — আলফা রশ্মির ভেদন ক্ষমতা খুবই কম হওয়ায় তা ত্বকের সামান্য গভীরেও প্রবেশ করতে পারে না, তাই ক্যানসার চিকিৎসায় এটি অনুপযুক্ত। B) বিটা রেস (beta rays) — বিটা রশ্মি মূলত ত্বকের ক্যানসার বা অগভীর টিউমার চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয়, তবে গভীর টিউমারের জন্য এটি কার্যকর নয়। C) গামা রেস (gamma rays) — এটি সঠিক উত্তর এবং এর উচ্চ ভেদন ক্ষমতার কারণে শরীরের ভেতরের গভীর টিউমার চিকিৎসায় এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। D) এক্স রেস (x-rays) — এক্স-রে সাধারণত রোগ নির্ণয় বা পরীক্ষার কাজে বহুল ব্যবহৃত হলেও উচ্চ শক্তির গামা রশ্মি ক্যানসার ধ্বংসের চিকিৎসায় অধিক কার্যকরী। ৫. মনে রাখার টিপস: চিকিৎসায় ক্যানসার ধ্বংস করতে গামা রশ্মি বা গামা নাইফ ব্যবহার করা হয়, যেখানে জি ফর গামা এবং জি ফর গভীর টিউমার চিকিৎসায় এর কার্যকারিতা মনে রাখা যায়। তেজস্ক্রিয় কোবাল্ট ষাট থেকে গামা রশ্মি পাওয়া যায়, এই তথ্যটি মনে রাখলে পরীক্ষার বহু প্রশ্ন সহজে সমাধান করা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ক্যান্সার চিকিৎসায় ব্যবহৃত এই পদ্ধতিকে রেডিওথেরাপি বলা হয় এবং কোবাল্ট ষাট ক্যানসার চিকিৎসায় বহুল ব্যবহৃত একটি তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ। একই ধারণা থেকে পরীক্ষায় প্রশ্ন আসতে পারে যে কোন তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ক্যানসার চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয় অথবা রেডিওথেরাপিতে কোন রশ্মি প্রধানত ব্যবহৃত হয়।
a প্লাস্টিড
b মাইটোকন্ড্রিয়া
c নিউক্লিওলাস
d ক্রোমাটিন বস্তু
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ক্রোমাটিন বস্তু ১. কেন সঠিক: ব্যাকটেরিয়া একটি আদি কোষ বা প্রোক্যারিওটিক জীব। এদের কোষে সুগঠিত নিউক্লিয়াস থাকে না, তবে বংশগত বস্তু হিসেবে মুক্ত ডিএনএ বা ক্রোমাটিন বস্তু সাইটোপ্লাসে ছড়ানো থাকে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: আদি কোষে পর্দাঘেরা কোনো অঙ্গাণু বা সুগঠিত নিউক্লিয়াস থাকে না। কার্যপ্রণালি: ব্যাকটেরিয়ার এই ডিএনএ বা ক্রোমাটিন বস্তু সরাসরি কোষের ভেতরে অবস্থান করে এবং কোষের সব কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ই-কোলাই ব্যাকটেরিয়া। ব্যাখ্যা: এটি মানুষের অন্ত্রে থাকে এবং এর ভেতরে মুক্ত ক্রোমাটিন বস্তু বা ডিএনএ থাকে যা এর বংশবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করে। উদাহরণ ২: রাইজোবিয়াম ব্যাকটেরিয়া। ব্যাখ্যা: এটি উদ্ভিদের শিকড়ে নাইট্রোজেন সংবন্ধন করে এবং এর জিনগত তথ্য এই ক্রোমাটিন বস্তুর ভেতরে সংরক্ষিত থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্লাস্টিড — এটি উদ্ভিদ কোষে থাকে এবং সালোকসংশ্লেষে সাহায্য করে, কিন্তু ব্যাকটেরিয়া কোষে প্লাস্টিড থাকে না। B) মাইটোকন্ড্রিয়া — এটি শক্তি উৎপাদনের প্রধান কেন্দ্র বা কোষের পাওয়ার হাউজ, যা আদি কোষ বা ব্যাকটেরিয়াতে অনুপস্থিত থাকে। C) নিউক্লিয়াস — সুগঠিত নিউক্লিয়াসের নির্দিষ্ট পর্দা থাকে, যা ব্যাকটেরিয়া কোষে অনুপস্থিত থাকায় নিউক্লিওলাসও থাকে না। D) ক্রোমাটিন বস্তু — এটি সঠিক কারণ ব্যাকটেরিয়া কোষে সুগঠিত নিউক্লিয়াস না থাকলেও ক্রোমাটিন বস্তু বা ডিএনএ বিদ্যমান থাকে। ৫ মনে রাখার টিপস: আদি কোষে প্লাস্টিড ও মাইটোকন্ড্রিয়া থাকে না কিন্তু ডিএনএ বা ক্রোমাটিন বস্তু থাকে। ব্যাকটেরিয়া হলো আদি কোষের প্রধান উদাহরণ, তাই এর ভেতরে নিউক্লিয়াস না থাকলেও ক্রোমাটিন বস্তু থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রশ্নটি বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় বারবার আসে। একই ধারণা থেকে প্রশ্ন হতে পারে যে ব্যাকটেরিয়ার কোষপ্রাচীর কি দিয়ে গঠিত, যার উত্তর হলো পেপটাইডোগ্লাইকান।
a এপিলেপসি
b পারকিনসন
c প্যারালাইসিস
d থ্রমবোসিন
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পারকিনসন ১. কেন সঠিক: ডোপামিন হলো আমাদের মস্তিষ্কের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ রাসায়নিক বার্তা বাহক বা নিউরোট্রান্সমিটার, যা শরীরের নড়াচড়া নিয়ন্ত্রণ করে। মস্তিষ্কের একটি নির্দিষ্ট অংশের কোষগুলো যখন নষ্ট হয়ে ডোপামিন উৎপাদন করতে পারে না, তখন পেশির ওপর নিয়ন্ত্রণ কমে যায় এবং পারকিনসন রোগ দেখা দেয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: মানবদেহের স্নায়ুতন্ত্র কোটি কোটি নিউরন নিয়ে গঠিত এবং এরা একে অপরের সাথে রাসায়নিক সংকেতের মাধ্যমে যোগাযোগ রক্ষা করে। কার্যপ্রণালি: মস্তিষ্কের সাবস্ট্যান্ড্রিয়া নাইগ্রা নামক অঞ্চলের ডোপামিন উৎপাদনকারী কোষগুলো ক্রমান্বয়ে মারা গেলে শরীরের ভারসাম্য নষ্ট হয়। কারণ ও ফলাফল: ডোপামিনের অভাবে মাংসপেশিতে শক্ত ভাব, হাত-পা কাঁপা এবং চলাচলে ধীরগতি তৈরি হয়। বাস্তব প্রয়োগ: চিকিৎসাবিজ্ঞানে এই রোগের চিকিৎসায় কৃত্রিম ডোপামিন বা ওষুধ ব্যবহার করে স্নায়ুর সচলতা বজায় রাখার চেষ্টা করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পারকিনসন রোগীর ক্ষেত্রে দেখা যায় তারা কোনো কিছু লিখতে গেলে হাত থরথর করে কাঁপে। ব্যাখ্যা: মস্তিষ্কে ডোপামিনের ঘাটতির কারণে পেশির সূক্ষ্ম নিয়ন্ত্রণ নষ্ট হওয়ার এটি একটি বহুল প্রচলিত শারীরিক লক্ষণ। উদাহরণ ২: সিঁড়ি দিয়ে ওঠার সময় পারকিনসন রোগীর শরীর সামনের দিকে ঝুঁকে যায় এবং তারা দ্রুত পা ফেলতে পারেন না। ব্যাখ্যা: শরীরের ভারসাম্য রক্ষা করার স্নায়বিক সমন্বয় নষ্ট হওয়ার কারণে চলাচলের এই অস্বাভাবিকতা দেখা দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) এপিলেপসি — এটি মস্তিষ্কের এক ধরণের স্নায়বিক রোগ যাতে খিঁচুনি হয়, যা মূলত ডোপামিন তৈরির কোষ নষ্ট হওয়ার কারণে ঘটে না। B) পারকিনসন — এটি ডোপামিন উৎপাদনকারী কোষ ধ্বংস হওয়ার ফলে সৃষ্ট একটি সুনির্দিষ্ট স্নায়ুরোগ। C) প্যারালাইসিস — এটি মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ বা আঘাতের কারণে শরীরের কোনো অঙ্গের সম্পূর্ণ অচল হয়ে যাওয়াকে বোঝায়। D) থ্রমবোসিন — এটি কোনো প্রচলিত স্নায়ুরোগ নয়, বরং এটি রক্ত জমাট বাঁধার প্রক্রিয়ার সাথে সম্পর্কিত একটি জৈব উপাদান। ৫ মনে রাখার টিপস: পারকিনসন রোগ মনে রাখতে ডোপামিন শব্দের সাথে কাঁপুনি বা নড়াচড়ার অক্ষমতা যুক্ত করে মনে রাখা যায়। স্নায়ুতন্ত্রের সাথে সম্পর্কিত রোগগুলোর মধ্যে পারকিনসন হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে ডোপামিনের ঘাটতি ঘটে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ডোপামিন হ্রাসের কারণে পারকিনসন রোগ হয়, এটি বিসিএস এবং মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি তথ্য। এই প্রশ্নটি ঘুরিয়ে আসতে পারে যে মানবদেহের কোন নিউরোট্রান্সমিটারের অভাবে পারকিনসন রোগ হয়।
a খেজুর পাম
b সাগু পাম
c নিপা পাম
d তাল পাম
0 111 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নিপা পাম ১. কেন সঠিক: নিপা পাম হলো এমন একটি পাম জাতীয় উদ্ভিদ যা কেবল জোয়ারভাটা প্রভাবিত ম্যানগ্রোভ বা লবণাক্ত জলাভূমি অঞ্চলে জন্মায়। এর মূলগুলো মাটির নিচে অতিরিক্ত লবণাক্ততা ও কম অক্সিজেনের সাথে মানিয়ে নিতে বিশেষ রূপান্তর লাভ করে যা অন্য সাধারণ উদ্ভিদে দেখা যায় না। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: ম্যানগ্রোভ বা লোনাপানির উদ্ভিদের অভিযোজন ক্ষমতা অত্যন্ত বিশেষায়িত হয় কারণ তাদের এমন মাটিতে বেঁচে থাকতে হয় যেখানে অক্সিজেনের পরিমাণ কম থাকে। কার্যপ্রণালি: নিপা পামের কান্ড মাটির নিচে রাইজোম হিসেবে থাকে এবং এর পাতা ও ফুল সরাসরি মাটি ভেদ করে ওপরে উঠে আসে। বাস্তব প্রয়োগ: এই উদ্ভিদ উপকূলীয় অঞ্চলের মাটি ধরে রাখতে এবং জলোচ্ছ্বাসের বেগ কমাতে প্রাকৃতিক ঢাল হিসেবে কাজ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুন্দরবনের গোলপাতা বন। ব্যাখ্যা: এটি নিপা পামের সবচেয়ে বড় প্রাকৃতিক আবাসস্থল যেখানে এই উদ্ভিদ লোনাপানিতে প্রাকৃতিকভাবে বিস্তার লাভ করে। উদাহরণ ২: উপকূলীয় এলাকার ঝোপঝাড়। ব্যাখ্যা: এটি জলোচ্ছ্বাসের সময় উপকূলের ভাঙন রোধ করতে সাহায্য করে এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষা করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) খেজুর পাম — এটি মূলত শুষ্ক ও মরুভূমি সদৃশ আবহাওয়ায় বা সাধারণ মাটিতে জন্মায়, ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চলে নয়। B) সাগু পাম — এটি সাধারণত ক্রান্তীয় অঞ্চলের মিঠাপানির জলাভূমি ও নিচু মাটিতে জন্মায়। D) তাল পাম — এটি সাধারণত উর্বর ও শুষ্ক মাটিতে জন্মায় এবং লবণাক্ত ম্যানগ্রোভের পরিবেশ এর বৃদ্ধির উপযোগী নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: সুন্দরবনের বিখ্যাত গোলপাতার অপর নাম হলো নিপা পাম। গোলপাতা কেবল লোনাপানিতে জন্মায় তাই এটি ম্যানগ্রোভ অঞ্চলের উদ্ভিদ হিসেবে মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলাদেশের সুন্দরবনে প্রচুর পরিমাণে নিপা পাম বা গোলপাতা জন্মায় যা স্থানীয় অর্থনীতিতে ভূমিকা রাখে। পরীক্ষায় প্রায়ই ম্যানগ্রোভ উদ্ভিদের বৈজ্ঞানিক নাম বা বৈশিষ্ট্য সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে।
a ট্রপোমন্ডল
b স্ট্রাটোমন্ডল
c মেসোমণ্ডল
d তাপমণ্ডল
0 91 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ট্রপোমন্ডল ১. কেন সঠিক: বায়ুমণ্ডলের সর্বনিম্ন স্তর হলো ট্রপোমণ্ডল যেখানে আবহাওয়া ও জলবায়ুর প্রায় সব উপাদান যেমন মেঘ, বৃষ্টি, কুয়াশা এবং বজ্রপাত ঘটে। এই স্তরে জলীয় বাষ্প ও ধূলিকণার উপস্থিতির কারণে পরিচলন প্রক্রিয়ায় বায়ুর ওঠানামা ঘটে এবং বৈদ্যুতিক আধান সৃষ্টি হয়ে বজ্রপাত হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: বায়ুমণ্ডলের যে স্তরে তাপমাত্রা উচ্চতার সাথে সাথে কমতে থাকে এবং সব আবহাওয়া সংক্রান্ত ঘটনা ঘটে তাকে ট্রপোমণ্ডল বলে। কার্যপ্রণালি: মেঘের কণার ঘর্ষণে ধনাত্মক ও ঋণাত্মক আধানের সৃষ্টি হয় এবং বিপরীত আধানের মেঘের মধ্যে বিভব পার্থক্য বাড়লে বৈদ্যুতিক স্ফুলিঙ্গ বা বজ্রপাত ঘটে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গ্রীষ্মকালে আকাশে ঘন কালো মেঘ জমে হঠাৎ বিকট শব্দে বজ্রপাত হওয়া এবং কালবৈশাখী ঝড় হওয়া। ব্যাখ্যা: ট্রপোমণ্ডলের পরিচলন প্রক্রিয়ার কারণে এই তীব্র আবহাওয়া ও বজ্রপাত ঘটে। উদাহরণ ২: বর্ষাকালে মেঘের গর্জন ও বিদ্যুতের চমক দেখা যাওয়া। ব্যাখ্যা: জলীয় বাষ্পপূর্ণ মেঘের ভেতরের কণাগুলোর পারস্পরিক ক্রিয়ায় এই বৈদ্যুতিক আধান তৈরি হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ট্রপোমন্ডল - এটি সঠিক উত্তর কারণ এই স্তরেই সমস্ত আবহাওয়া পরিবর্তন ও বজ্রপাত ঘটে। B) স্ট্রাটোমন্ডল - এই স্তরে কোনো জলীয় বাষ্প বা মেঘ থাকে না, তাই এখানে বজ্রপাত হয় না তবে ওজন স্তর অবস্থিত। C) মেসোমণ্ডল - এটি বায়ুমণ্ডলের একটি শীতলতম স্তর যেখানে উল্কাপিণ্ড পুড়ে ছাই হয়, বজ্রপাতের সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই। D) তাপমণ্ডল - এই স্তরে গ্যাসের অণুগুলো আয়নিত অবস্থায় থাকে এবং রেডিও তরঙ্গ প্রতিফলিত হয়, যা আবহাওয়ার অনেক ওপরে অবস্থিত। ৫. মনে রাখার টিপস: ট্রপো মানে পরিবর্তন, তাই যেখানে আবহাওয়া পরিবর্তিত হয় অর্থাৎ ট্রপোমণ্ডলেই বজ্রপাত ও বৃষ্টি ঘটে। আবহাওয়া সংক্রান্ত সব ঘটনা মনে রাখতে ট্রপোমণ্ডল শব্দটি সবার আগে মাথায় রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বায়ুমণ্ডলের কোন স্তরে বায়ুর ঘনত্ব ও চাপ সবচেয়ে বেশি, এই প্রশ্নটি প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। একই ধারণা থেকে বায়ুমণ্ডলের স্তর বিন্যাস এবং কোন স্তরে জেট প্লেন চলাচল করে, সে সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
a ০.২৫%
b ০.৬৮%
c ০.১৫%
d ০.২৭%
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ০.৬৮% ১. কেন সঠিক: পৃথিবীর মোট জলরাশির প্রায় ৯৭ শতাংশ সমুদ্রের লবণাক্ত পানি এবং বাকি প্রায় ৩ শতাংশ মিষ্টি পানি বা পানউপযোগী পানি। এই মিষ্টি পানির একটি বড় অংশ মেরু অঞ্চলের বরফ হিসেবে জমা আছে এবং সামান্য অংশ ভূগর্ভে বা নদী ও হ্রদে ধারণ করে, যার সঠিক হিসাব হলো ০.৬৮ শতাংশ। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: বারিমণ্ডল হলো পৃথিবীর পৃষ্ঠের সমস্ত পানির ক্ষেত্র, যা মহাসাগর, নদী, হ্রদ, বায়ুমণ্ডলীয় বাষ্প এবং ভূগর্ভস্থ পানি নিয়ে গঠিত। কারণ ও ফলাফল: ভূগর্ভস্থ পানির পরিমাণ মাত্র ০.৬৮ শতাংশ হলেও এটি আমাদের সুপেয় পানির অন্যতম প্রধান উৎস, যা নলকূপ বা কূপের মাধ্যমে উত্তোলন করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গভীর নলকূপের মাধ্যমে নিচ থেকে পানি উত্তোলন করে গৃহস্থালি ও পানকাজে ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: এটি ভূগর্ভে ধারণ করা মিষ্টি পানির উৎস থেকে সরাসরি পানি সংগ্রহের একটি বাস্তব প্রয়োগ। উদাহরণ ২: গ্রীষ্মকালে অগভীর নলকূপগুলো শুকিয়ে যাওয়া বা পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়া। ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে যে ভূগর্ভে পানির নির্দিষ্ট একটি সীমিত পরিমাণ বা শতকরা হার সংরক্ষিত থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ০.২৫% — এই মানটি পৃথিবীর বারিমণ্ডলের জলরাশির ক্ষেত্রে সঠিক নয়। এটি ভিন্ন কোনো পরিবেশগত বা ভূগোলের পরিসংখ্যান হতে পারে। B) ০.৬৮% — এটি বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত এবং বিশ্ব পানি প্রতিবেদন অনুযায়ী ভূগর্ভে ধারণ করা পানির সঠিক শতকরা হার। তাই এটি সঠিক উত্তর। C) ০.১৫% — এই শতকরা হারটি পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে বা অন্য কোনো ক্ষুদ্র জলাধারে থাকা পানির পরিমাণের কাছাকাছি, ভূগর্ভস্থ পানির নয়। তাই এটি এই প্রশ্নের জন্য ভুল। D) ০.২৭% — অনেক পুরোনো বা ভুল বইয়ে মিষ্টি পানির কোনো কোনো খাতের ভুল হিসাব হিসেবে এটি থাকে। তবে বিশ্ব মানদণ্ডে ভূগর্ভস্থ পানির সঠিক হিসাব ০.৬৮ শতাংশ। ৫ মনে রাখার টিপস: ভূগর্ভস্থ পানির শতকরা হার মনে রাখতে শূন্য দশমিক আটষট্টি শতাংশ বা ০.৬৮ শতাংশ সংখ্যাটি মনে রাখবে। এটি সমুদ্রের বিশাল পানির তুলনায় খুবই কম কিন্তু মিষ্টি পানির অনুপাতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বারিমণ্ডলের মোট পানির কতভাগ মিষ্টি পানি, এই প্রশ্নটি বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। একই ধারণা থেকে নদী, হ্রদ বা মেরু অঞ্চলের বরফের পানির শতকরা হার নিয়েও প্রশ্ন হতে পারে।
a ৩০ দিনের মধ্যে ভ্যাকসিন দিতে হবে
b ৭ দিন ইনকিউবেটরে রাখতে হবে
c জন্মের ১২ ঘণ্টার মধ্যে ভ্যাকসিন ও এইচবিআইজি (HBIG) শট দিতে হবে
d জন্মের ১ মাস পর কেবলমাত্র (HBIG) শট দিতে হবে
0 107 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জন্মের ১২ ঘণ্টার মধ্যে ভ্যাকসিন ও এইচবিআইজি (HBIG) শট দিতে হবে ১. কেন সঠিক: - হেপাটাইটিস-বি আক্রান্ত মায়ের শরীর থেকে জন্মের সময় শিশুর শরীরে ভাইরাস সংক্রমণের উচ্চ ঝুঁকি থাকে। - জন্মের ১২ ঘণ্টার মধ্যে হেপাটাইটিস-বি ভ্যাকসিন এবং ইমিউনোগ্লোবিউলিন বা এইচবিআইজি প্রয়োগ করলে নবজাতক তাৎক্ষণিক নিষ্ক্রিয় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা লাভ করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: হেপাটাইটিস-বি হলো একটি যকৃতের মারাত্মক ভাইরাসজনিত সংক্রমণ যা রক্ত ও শারীরিক তরলের মাধ্যমে ছড়ায়। - কার্যপ্রণালি: এইচবিআইজি শট তাৎক্ষণিক অ্যান্টিবডি সরবরাহ করে ভাইরাস আক্রমণ প্রতিহত করে এবং ভ্যাকসিন দীর্ঘমেয়াদি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গর্ভাবস্থায় মায়ের রক্তে পজিটিভ ধরা পড়লে হাসপাতালে বিশেষ প্রটোকল অনুসরণ করা হয়। ব্যাখ্যা: এই সতর্কতার কারণে শিশু মায়ের সংস্পর্শে এলেও ভাইরাসমুক্ত জীবন লাভ করতে পারে। উদাহরণ ২: দুর্ঘটনাজনিত রক্ত সংযোগের পর দ্রুত প্রতিরোধমূলক ইনজেকশন দেওয়া। ব্যাখ্যা: এটি দেহে ভাইরাস প্রবেশ করার পর সংক্রমণ শুরু হওয়ার আগেই তাকে ধ্বংস করতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩০ দিনের মধ্যে ভ্যাকসিন দিতে হবে — এত দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করলে নবজাতক নিশ্চিতভাবেই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে যাবে। B) ৭ দিন ইনকিউবেটরে রাখতে হবে — শুধু ইনকিউবেটরে রাখলে ভাইরাস সংক্রমণ ঠেকানো যায় না কারণ এর জন্য ওষুধ বা ইমিউনাইজেশন প্রয়োজন। D) জন্মের ১ মাস পর কেবলমাত্র (HBIG) শট দিতে হবে — এক মাস পর এই শট দিলে তার কার্যকারিতা আর থাকে না এবং শিশু মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়ে। ৫. মনে রাখার টিপস: - মায়ের হেপাটাইটিস-বি থাকলে নবজাতকের জন্য বারো ঘণ্টা এবং দুটি সুরক্ষাকবচ বা ভ্যাকসিন ও এইচবিআইজি মনে রাখতে হবে। - ১২ সংখ্যাটি এই জরুরি চিকিৎসার ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়সীমা হিসেবে কাজ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - হেপাটাইটিস-বি ভাইরাস মূলত মানবদেহের যকৃত বা লিভারকে আক্রমণ করে এবং সিরোসিস বা ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়। - বিসিএস বা মেডিকেল পরীক্ষার জন্য এই রোগের সংক্রমণ পথ এবং নবজাতক ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
a Aedes aegypti মশা
b House flies
c Anopheles
d ইঁদুর ও কাঠবেড়ালী
0 107 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Aedes aegypti মশা ১. কেন সঠিক: - ডেঙ্গু হলো একটি ভাইরাল জ্বর যা এডিজ এডজিপ্টি নামক স্ত্রী মশার কামড়ে মানবদেহে সংক্রমিত হয়। - এই মশার দেহে ডেঙ্গু ভাইরাস প্রবেশ করার পর এটি সুস্থ মানুষকে কামড়ালে ভাইরাস রক্তে ছড়িয়ে পড়ে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: ডেঙ্গু ভাইরাস ফ্লাভিভিরিডি পরিবারের একটি ভেক্টরবাহিত একক স্ট্র্যান্ডের আরএনএ ভাইরাস। - কার্যপ্রণালি: এডিজ মশা যখন কোনো ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীকে কামড়ায়, তখন ভাইরাস মশার দেহে প্রবেশ করে এবং বংশবৃদ্ধি করে। - কারণ ও ফলাফল: সংক্রামিত মশা যখন সুস্থ মানুষকে কামড়ায়, তখন থুথুর মাধ্যমে ভাইরাস মানবদেহে প্রবেশ করে এবং ডেঙ্গু জ্বর ঘটায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দিনের বেলা কামড়ানো ব্যাখ্যা: এডিজ মশা সাধারণত দিনের বেলা, বিশেষ করে সকাল ও বিকেলে কামড়ায়। উদাহরণ ২: পরিষ্কার পানি জমতে দেওয়া ব্যাখ্যা: এই মশা পরিষ্কার জমা পানিতে ডিম পাড়ে, তাই ঘরের টব বা ড্রামে পানি জমতে দেওয়া যাবে না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Aedes aegypti মশা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই মশার মাধ্যমেই ডেঙ্গু ভাইরাস প্রধানত ছড়ায়। B) House flies — ঘরের মাছি বিভিন্ন রোগ যেমন টাইফয়েড ও আমাশয় ছড়ায়, কিন্তু ডেঙ্গু ছড়ায় না। C) Anopheles — অ্যানোফিলিস মশা ম্যালেরিয়া রোগ ছড়ায়, ডেঙ্গু ছড়ায় না। D) ইঁদুর ও কাঠবেড়ালী — ইঁদুর ও কাঠবেড়ালী লেপ্টোস্পাইরোসিস বা প্লেগ ছড়াতে পারে, ডেঙ্গু ছড়ায় না। ৫ মনে রাখার টিপস: - ডেঙ্গু মানেই এডিজ মশার কামড় এবং এটি দিনের বেলা কামড়ায়। পরিষ্কার পানিতে এই মশার বংশবিস্তার ঘটে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ডেঙ্গু ভাইরাসের চারটি ভিন্ন serotype রয়েছে। একই ব্যক্তি জীবনে একাধিকবার ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হতে পারে।
a স্ট্রাটোস্ফিয়ার
b ট্রপোস্ফিয়ার
c আয়োনোস্ফিয়ার
d ওজোনস্তর
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: পরিবেশবিজ্ঞান এবং জ্যোতির্বিজ্ঞান ও মহাকাশ সঠিক উত্তর: B) ট্রপোস্ফিয়ার ১. কেন সঠিক: - বায়ুমণ্ডলের সর্বনিম্ন স্তর হলো ট্রপোস্ফিয়ার যেখানে মেঘ, বৃষ্টি, বজ্রপাত এবং কালবৈশাখীর মতো সমস্ত আবহাওয়া এবং জলবায়ুর পরিবর্তন ঘটে। - এই স্তরে প্রচুর জলীয় বাষ্প এবং ধূলিকণা থাকে যা পরিচলন প্রক্রিয়ায় মেঘ তৈরি করে এবং বৈদ্যুতিক আধান সৃষ্টির মাধ্যমে বজ্রপাত ঘটায়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: ট্রপোস্ফিয়ার হলো ভূপৃষ্ঠ থেকে শুরু হওয়া বায়ুমণ্ডলের প্রথম স্তর যার উচ্চতা প্রায় ১২ থেকে ১৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত। - কার্যপ্রণালি: ভূপৃষ্ঠের উষ্ণ বাতাস হালকা হয়ে ওপরে ওঠে এবং ঠান্ডা বাতাসের সংস্পর্শে এসে জলকণায় পরিণত হয়ে মেঘ সৃষ্টি করে। মেঘের মধ্যকার জলকণা ও বরফকণার ঘর্ষণের ফলে ধনাত্মক ও ঋণাত্মক আধানের সৃষ্টি হয় এবং তাদের মধ্যে বৈদ্যুতিক স্ফুলিঙ্গ বা বজ্রপাত ঘটে। - বাস্তব প্রয়োগ: আমরা প্রতিদিন যে বৃষ্টিপাত, কুয়াশা, ঝড় এবং বজ্রপাত দেখি তা সবই ট্রপোস্ফিয়ারের অভ্যন্তরে ঘটে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গ্রীষ্মকালে আকাশে কালো মেঘ জমে প্রচণ্ড শব্দে বজ্রপাত হওয়া এবং কালবৈশাখী ঝড় হওয়া। ব্যাখ্যা: এটি ট্রপোস্ফিয়ারের পরিচলন প্রক্রিয়ার ফল যেখানে উষ্ণ বায়ুর উপরে ওঠার কারণে মেঘ ও বজ্রপাত সৃষ্টি হয়। উদাহরণ ২: বর্ষাকালে একটানা বৃষ্টিপাতের সময় আকাশে বিদ্যুতের চমক ও বজ্রপাত দেখা যাওয়া। ব্যাখ্যা: এই ঘটনাটি ট্রপোস্ফিয়ারের জলীয় বাষ্পপূর্ণ মেঘের মধ্যে আধান সঞ্চিত হওয়ার স্বাভাবিক প্রক্রিয়াকে নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্ট্রাটোস্ফিয়ার — এটি ট্রপোস্ফিয়ারের উপরের স্তর যেখানে জেট প্লেন চলাচল করে এবং আবহাওয়া সংক্রান্ত কোনো ঘটনা বা বজ্রপাত ঘটে না। B) ট্রপোস্ফিয়ার — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই স্তরেই আবহাওয়া, মেঘ ও বজ্রপাতের মতো সমস্ত প্রাকৃতিক ঘটনা সংঘটিত হয়। C) আয়োনোস্ফিয়ার — এটি বায়ুমণ্ডলের অনেক ওপরের একটি স্তর যেখানে গ্যাস আয়নিত অবস্থায় থাকে এবং এটি বেতার তরঙ্গ প্রতিফলিত করতে সাহায্য করে, বজ্রপাতের সঙ্গে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই। D) ওজোনস্তর — এটি স্ট্রাটোস্ফিয়ার স্তরের একটি অংশ যা সূর্য থেকে আসা ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি শোষণ করে পৃথিবীর জীবন রক্ষা করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - আবহাওয়া মানেই ট্রপোস্ফিয়ার এবং বজ্রপাত আবহাওয়ারই অংশ, তাই বজ্রপাত ট্রপোস্ফিয়ারেই ঘটে। - স্ট্রাটোস্ফিয়ারে শান্ত পরিবেশ থাকে বলে বিমান চলে, আর ট্রপোস্ফিয়ারে অশান্ত পরিবেশ থাকে বলে ঝড় ও বজ্রপাত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বায়ুমণ্ডলের কোন স্তরে তাপমাত্রা উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে সাথে হ্রাস পায়, তা হলো ট্রপোস্ফিয়ার। - পরীক্ষামূলক প্রশ্ন হিসেবে প্রায়ই আসে বায়ুমণ্ডলের মোট ভরের শতকরা কত ভাগ এই স্তরে থাকে, যার উত্তর হলো প্রায় ৭৫ থেকে ৮০ ভাগ।
a দার্শনিক
b পদার্থবিদ
c রসায়নবিদ
d কবি
0 115 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পদার্থবিদ ১. কেন সঠিক: - স্টিফেন হকিন্স ছিলেন বিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ তাত্ত্বিক পদার্থবিদ ও বিশ্ববিজ্ঞানী। তিনি মহাকর্ষীয় এককেন্দ্রিকতা বা কৃষ্ণগহ্বর সম্পর্কিত গবেষণার জন্য বিশ্বজুড়ে সমাদৃত ছিলেন। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞান এমন একটি শাখা যেখানে প্রাকৃতিক জগতের মৌলিক নিয়ম, বিশেষ করে মহাবিশ্বের উৎপত্তি, স্থান, কাল এবং বল নিয়ে গাণিতিক ও তাত্ত্বিক আলোচনা করা হয়। - কার্যপ্রণালি: হকিন্স বিকিরণ বা হকিং রেডিয়েশন তত্ত্বের মাধ্যমে তিনি দেখিয়েছিলেন যে কৃষ্ণগহ্বরগুলো সম্পূর্ণ অন্ধকার নয়, বরং তাপীয় বিকিরণ নির্গমন করে। - বাস্তব প্রয়োগ: তাঁর এই আবিষ্কার কোয়ান্টাম বলবিদ্যা এবং সাধারণ আপেক্ষিকতা তত্ত্বের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করতে সাহায্য করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্ল্যাক হোল বা কৃষ্ণগহ্বর। ব্যাখ্যা: এটি মহাবিশ্বের এমন একটি স্থান যেখানে মহাকর্ষ এতটাই শক্তিশালী যে আলোও সেখান থেকে বের হতে পারে না, যার তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা হকিং প্রদান করেছেন। উদাহরণ ২: এ ব্রিফ হিস্ট্রি অফ টাইম। ব্যাখ্যা: এটি তাঁর লেখা একটি জনপ্রিয় বিজ্ঞান গ্রন্থ, যা সাধারণ মানুষের কাছে মহাবিশ্বের সৃষ্টিতত্ত্ব এবং পদার্থবিজ্ঞানের জটিল ধারণাগুলোকে সহজ করে তুলেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দার্শনিক — দর্শন মানব অস্তিত্ব, জ্ঞান ও নীতিশাস্ত্র নিয়ে আলোচনা করে, যা স্টিফেন হকিন্সের মূল গবেষণার ক্ষেত্র ছিল না। B) পদার্থপদার্থবিদ — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি পদার্থবিজ্ঞানে অবদান রেখেছেন। C) রসায়নবিদ — রসায়নবিদরা মৌল, যৌগ ও রাসায়নিক বিক্রিয়া নিয়ে কাজ করেন, যা তাঁর গবেষণার বিষয় ছিল না। ডি) কবি — কবিরা সাহিত্য ও পঙক্তির মাধ্যমে শিল্পচর্চা করেন, যা তাঁর পেশাগত পরিচয় বা কাজের সঙ্গে মেলে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - স্টিফেন হকিন্স মানেই মহাবিশ্ব, ব্ল্যাক হোল এবং পদার্থবিজ্ঞান। হুইলচেয়ারে বসে মহাবিশ্বের রহস্য উদ্ঘাটনকারী এই বিজ্ঞানী পদার্থবিদ্যার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিজ্ঞানীদের অবদান থেকে প্রশ্ন আসে। যেমন, হকিন্স রেডিয়েশন কোন ক্ষেত্রের সঙ্গে জড়িত, এই প্রশ্নটি পদার্থবিজ্ঞানের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a নাইট্রোজেন গ্যাস
b মিথেন গ্যাস
c হাইড্রোজেন গ্যাস
d কার্বন মনোক্সাইড
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মিথেন গ্যাস ১. কেন সঠিক: - প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান হলো মিথেন গ্যাস, যার রাসায়নিক সংকেত সিএইচফোর। - ভূগর্ভ থেকে উত্তোলিত এই গ্যাসে শতকরা প্রায় সত্তর থেকে নব্বই ভাগ মিথেন থাকে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: প্রাকৃতিক গ্যাস হলো একটি জীবাশ্ম জ্বালানি যা মিলিয়ন বছর ধরে ভূগর্ভে পচা জৈব পদার্থ থেকে উৎপাদিত হয়। - রাসায়নিক গঠন: এতে মিথেনের পাশাপাশি ইথেন, প্রোপেন এবং বিউটেন গ্যাস অল্প পরিমাণে মিশ্রিত থাকে। - বাস্তব প্রয়োগ: বাসাবাড়িতে রান্নার কাজে এবং শিল্প কারখানায় শক্তির প্রধান উৎস হিসেবে এটি ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাসায় রান্নার চুলায় যে গ্যাস ব্যবহার করা হয় তা মূলত প্রাকৃতিক গ্যাস। ব্যাখ্যা: এই গ্যাসের প্রধান উপাদান মিথেন বাতাসে অক্সিজেনের সাথে পুড়ে তাপ ও আলো উৎপন্ন করে। উদাহরণ ২: সার কারখানা বা বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রাকৃতিক গ্যাসের ব্যবহার। ব্যাখ্যা: মিথেন গ্যাসের দহন বিক্রিয়ার ফলে উৎপন্ন শক্তি টারবাইন ঘুরিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নাইট্রোজেন গ্যাস — এটি বায়ুমণ্ডলের প্রধান উপাদান এবং এটি দাহ্য নয়, তাই প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান হতে পারে না। B) মিথেন গ্যাস — এটি সঠিক উত্তর কারণ প্রাকৃতিক গ্যাসের সিংহভাগ এই গ্যাস দ্বারা গঠিত। C) হাইড্রোজেন গ্যাস — এটি অত্যন্ত হালকা ও দাহ্য গ্যাস হলেও এটি প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান নয়। D) কার্বন মনোক্সাইড — এটি একটি বিষাক্ত গ্যাস যা অসম্পূর্ণ দহনের ফলে সৃষ্টি হয়, প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: প্রাকৃতিক গ্যাস বললেই মাথায় রাখবে মিষ্টি গন্ধহীন হালকা গ্যাস মিথেন। সিএইচফোর সংকেতটি মনে রাখলে কার্বন ও হাইড্রোজেনের অনুপাত পরিষ্কার থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রাকৃতিক গ্যাসে মিথেনের পরিমাণ প্রায় সত্তর থেকে নব্বই শতাংশ। সিএনজি বা কমপ্রেসড ন্যাচারাল গ্যাসের মূল উপাদানও এই মিথেন গ্যাস।
a তেল
b সমুদ্রের ঢেউ
c গ্যাস
d কয়লা
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সমুদ্রের ঢেউ ১. কেন সঠিক: নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস হলো এমন শক্তি যা প্রকৃতি থেকে বারবার পাওয়া যায় এবং কখনো ফুরিয়ে যায় না। সমুদ্রের ঢেউয়ের গতিশক্তি ও স্থিতিশক্তিকে কাজে লাগিয়ে টারবাইন ঘুরিয়ে অবিরাম বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: নবায়নযোগ্য শক্তি হলো পরিবেশবান্ধব শক্তি যা অফুরন্ত উৎসের ওপর প্রতিষ্ঠিত এবং যার ব্যবহারে কার্বন নিঃসরণ ঘটে না। কার্যপ্রণালি: জোয়ার-ভাটা বা সমুদ্রের ঢেউয়ের উচ্চতার তারতম্য এবং জলের গতিকে কাজে লাগিয়ে মেকানিক্যাল শক্তියকে বৈদ্যুতিক শক্তিতে রূপান্তরিত করা হয়। বাস্তব প্রয়োগ: উপকূলীয় অঞ্চলে সমুদ্রের ঢেউ এবং জোয়ারের শক্তি ব্যবহার করে টারবাইন চালনার মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সৌরশক্তি বা সূর্যরশ্মি ব্যবহার করে সোলার প্যানেলের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়। ব্যাখ্যা: এটি একটি নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস কারণ সূর্য প্রতিদিন আলো দেয় এবং এই শক্তির ভাণ্ডার ফুরিয়ে যাওয়ার নয়। উদাহরণ ২: বায়ুপ্রবাহ বা বাতাসের গতি ব্যবহার করে উইন্ড মিল বা বায়ুকল চালানো হয়। ব্যাখ্যা: বাতাস একটি প্রাকৃতিক ও অফুরন্ত উপাদান হওয়ায় এটি নবায়নযোগ্য শক্তির একটি চমৎকার উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তেল — জীবাশ্ম জ্বালানি যা সীমিত এবং একবার পুড়িয়ে ফেললে তা চিরতরে শেষ হয়ে যায়। B) সমুদ্রের ঢেউ — এটি সঠিক উত্তর এবং একটি নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস। C) গ্যাস — প্রাকৃতিক গ্যাস হলো একটি জীবাশ্ম জ্বালানি এবং এটি অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস। D) কয়লা — এটি ভূগর্ভস্থ জীবাশ্ম জ্বালানি এবং দীর্ঘমেয়াদে ফুরিয়ে যাওয়ার কারণে অনবায়নযোগ্য শক্তির অন্তর্ভুক্ত। ৫ মনে রাখার টিপস: প্রকৃতিতে যা ফুরিয়ে যায় না যেমন সূর্য, বাতাস ও সমুদ্রের ঢেউ তা হলো নবায়নযোগ্য শক্তি। অন্যদিকে তেল, গ্যাস ও কয়লা হলো জীবাশ্ম জ্বালানি যা সীমিত এবং অনবায়নযোগ্য। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: নবায়নযোগ্য এবং অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎসগুলোর নাম প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। ভবিষ্যতে এই প্রশ্ন থেকে ঘুরিয়ে আসতে পারে যে নিচের কোনটি জীবাশ্ম জ্বালানি বা কোনটি পরিবেশবান্ধব শক্তি।
a পিতল
b তামা
c লোহা
d টিন
0 96 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পিতল ১. কেন সঠিক: পিতল একটি সংকর ধাতু বা অ্যালয়। তামা, লোহা ও টিন হলো মৌলিক ধাতু, কিন্তু পিতল একাধিক ধাতুর মিশ্রণে তৈরি যৌগিক পদার্থ। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: মৌলিক ধাতু নির্দিষ্ট একটি পরমাণু দ্বারা গঠিত এবং এদের নিজস্ব রাসায়নিক বৈশিষ্ট্য থাকে। সংকর ধাতু হলো দুই বা ততোধিক ধাতুর সমসত্ত্ব মিশ্রণ। কারণ ও ফলাফল: তামা ও দস্তার নির্দিষ্ট অনুপাতে গলিয়ে পিতল তৈরি করা হয়, তাই এর ভৌত ও রাসায়নিক ধর্ম মৌলিক ধাতু থেকে আলাদা। বাস্তব প্রয়োগ: পিতল দিয়ে বিভিন্ন তৈজসপত্র, বাদ্যযন্ত্র এবং কারুশিল্পের নানা জিনিস তৈরি করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্রোঞ্জ বা কাঁসা। ব্যাখ্যা: এটি তামা ও টিনের একটি সংকর ধাতু এবং পিতলের মতো এটিও মৌলিক ধাতু নয়। উদাহরণ ২: স্বর্ণালংকার তৈরিতে ব্যবহৃত সোনার সঙ্গে তামা মেশানো হয়। ব্যাখ্যা: খাঁটি সোনা খুব নরম হওয়ায় এর সঙ্গে অন্য ধাতু মিশিয়ে সংকর ধাতু তৈরি করা হয় যাতে তা শক্ত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পিতল — এটি তামা ও দস্তার একটি সংকর ধাতু, তাই এটি মৌলিক পদার্থ নয়। B) তামা — এটি একটি বিশুদ্ধ মৌলিক ধাতু এবং প্রকৃতিতে এককভাবে পাওয়া যায়। C) লোহা — এটি পর্যায় সারণির একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মৌলিক ধাতু। D) টিন — এটি একটি মৌলিক ধাতু যা স্ট্যানাম নামে পরিচিত। ৫ মনে রাখার টিপস: মৌলিক ধাতুগুলো প্রকৃতিতে খাঁटी উপাদান হিসেবে থাকে, আর পিতল হলো মানুষ তৈরিকৃত সংকর ধাতু। তামা, লোহা ও টিন হলো মৌলিক উপাদানের উদাহরণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সংকর ধাতু সংক্রান্ত প্রশ্ন বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। যেমন, পিতল কীসের সংকর ধাতু জানতে চাইলে উত্তর হবে তামা ও দস্তা।

মোট প্রশ্ন (15)

a 11111111
b 0000 0000
c 0101 0000
d 1000 0011
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) 0101 0000 ১. কেন সঠিক: সংখ্যা পদ্ধতির পরিপূরক (Complement) নির্দেশের ক্ষেত্রে প্রশ্নটি সংখ্যা পদ্ধতি বা Number System-এর অংশ। প্রদত্ত বাইনারি সংখ্যা ১০১০১১১১ এর ১ এর পরিপূরক বা 1's complement বের করার নিয়ম হলো প্রতিটি বিটের মান উল্টে দেওয়া। অর্থাৎ ০ কে ১ এবং ১ কে ০ করতে হবে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: কোনো বাইনারি সংখ্যার প্রতিটি ০ কে ১ এবং প্রতিটি ১ কে ০ তে রূপান্তর করলে যে নতুন সংখ্যা পাওয়া যায় তাকে 1's complement বলে। কার্যপদ্ধতি: প্রদত্ত সংখ্যা ১০১০১১১১ এর প্রতিটি বিট পরিবর্তন করলে প্রথম বিটের ১ হয় ০, দ্বিতীয় বিটের ০ হয় ১, এভাবে সম্পূর্ণ সংখ্যাটি পরিবর্তিত হয়ে ০১০১০০০ গঠিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ১০০০ এর 1's complement হলো ০১১১। ব্যাখ্যা: এখানে মূল সংখ্যার প্রথম বিটের ১ পরিবর্তিত হয়ে ০ হয়েছে এবং পরের তিনটি ০ পরিবর্তিত হয়ে ১ হয়েছে। উদাহরণ ২: ১১১১ এর 1's complement হলো ০০০০। ব্যাখ্যা: সব কয়টি ১ পরিবর্তিত হয়ে শূন্যে পরিণত হয়েছে, যা পরিপূরক নিয়মের সঠিক প্রয়োগ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১১১১১১১১ — এটি প্রদত্ত সংখ্যার 1's complement নয় বরং সব বিটকে ১ এ রূপান্তর করার ফলাফল। B) ০০০০ ০০০০ — এটি ১১১১১১১১ এর 1's complement, যা প্রদত্ত সংখ্যার সঙ্গে মেলে না। D) ১০০০০ ০১১িনন — এটি ভুলভাবে রূপান্তরিত বাইনারি সংখ্যা, যেখানে পরিপূরকের সঠিক নিয়ম মানা হয়নি। ৫. মনে রাখার টিপস: 1's complement বের করার সবচেয়ে সহজ কৌশল হলো বাইনারি সংখ্যার প্রতিটি অঙ্ক বা বিট উল্টে দেওয়া। পরীক্ষায় ১ দেখলে ০ এবং ০ দেখলে ১ বসিয়ে খুব দ্রুত উত্তর বের করা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার সিস্টেমে ঋণাত্মক সংখ্যা প্রকাশের জন্য 1's complement এবং 2's complement বহুল ব্যবহৃত হয়। 1's complement এর সঙ্গে ১ যোগ করলে 2's complement পাওয়া যায়, যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
a তামার তার
b কো-এক্সিয়াল ক্যাবল
c অপটিকাল ফাইবার
d ওয়্যারলেস মিডিয়া
0 110 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অপটিকাল ফাইবার ১. কেন সঠিক: - অপটিকাল ফাইবারে ডেটা স্থানান্তরের জন্য বৈদ্যুতিক সংকেতের পরিবর্তে আলোর পালস বা পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের নীতি ব্যবহার করা হয়। - এটি অত্যন্ত দ্রুতগতিতে আলোকের বেগে ডেটা দূরদূরান্তে প্রেরণে সক্ষম হওয়ায় আধুনিক টেলিযোগাযোগে এটি প্রধান মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: অপটিকাল ফাইবার হলো কাচ বা প্লাস্টিকের তৈরি অত্যন্ত সূক্ষ্ম ও নমনীয় এক ধরনের তন্তু যা আলোর মাধ্যমে ডেটা বা তথ্য পরিবহন করে। - কার্যপদ্ধতি: এর ভেতরে পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন বা Total Internal Reflection নীতির মাধ্যমে আলোকরশ্মি বাইরের দিকে না বেরিয়ে সামনে এগিয়ে যায়। - বৈশিষ্ট্য: এতে কোনো তড়িৎ চুম্বকীয় হস্তক্ষেপ বা Electromagnetic Interference থাকে না এবং ডেটা লস অত্যন্ত কম হয়। - ব্যবহার: সাবমেরিন কেবল বা সমুদ্রের তলদেশ দিয়ে আন্তর্জাতিক ইন্টারনেট সংযোগ এবং উচ্চগতির ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সাবমেরিন কেবল বা সমুদ্রের তলদেশের ইন্টারনেট সংযোগ। ব্যাখ্যা: এক মহাদেশ থেকে অন্য মহাদেশে হাজার হাজার মাইল দূরে আলোকের গতিতে ইন্টারনেট ডেটা পাঠাতে অপটিকাল ফাইবার ক্যাবল ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: এফটিটিএইচ বা ফাইবার টু দ্য হোম ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট। ব্যাখ্যা: ঘর পর্যন্ত সরাসরি উচ্চগতির ইন্টারনেট সেবা পৌঁছে দিতে বর্তমানে প্রথাগত তামার তারের বদলে অপটিকাল ফাইবার ক্যাবল সংযোগ দেওয়া হচ্ছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তামার তার — এটি ডেটা পরিবহনে আলোর পালস নয় বরং বৈদ্যুতিক সংকেত বা কারেন্ট ব্যবহার করে। B) কো-এক্সিয়াল ক্যাবল — এটি ধাতব পরিবাহী ব্যবহার করে তড়িৎ সংকেত পাঠায়, তাই এটি আলোর পালস ব্যবহারের মাধ্যম নয়। D) ওয়্যারলেস মিডিয়া — এটি কোনো তার বা ফাইবার নয়, বরং রেডিও তরঙ্গ বা মাইক্রোওয়েভ ব্যবহার করে শূন্য মাধ্যমে ডেটা পাঠায়। ৫. মনে রাখার টিপস: - অপটিকাল ফাইবার মানেই আলো বা লাইট। - তামার তার মানেই বিদ্যুৎ বা ইলেকট্রিসিটি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - অপটিকাল ফাইবারের ভেতর আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন ঘটে। - আলোক সংকেত পরিবহনের এই মাধ্যমে ডেটা ট্রান্সমিশনের গতি সর্বাধিক।
a POP3
b POP9
c HTML
d SMTP
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) POP3 ১. কেন সঠিক: - ই-মেইল গ্রহণ করার সর্বাধিক ব্যবহৃত প্রোটকল হলো POP3। - এটি মেইল সার্ভার থেকে ইউজারের লোকাল কম্পিউটারে ই-মেইল ডাউনলোড করে সংরক্ষণ করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: POP3 এর পূর্ণরূপ Post Office Protocol Version 3। এটি একটি অ্যাপ্লিকেশন লেয়ার প্রোটকল। - কার্যপদ্ধতি: মেইল সার্ভার থেকে ক্লায়েন্ট ডিভাইসে ই-মেইল নামিয়ে আনে এবং সাধারণত সার্ভার থেকে মেইল মুছে ফেলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাইক্রোসফট আউটলুক ব্যাখ্যা: এই সফটওয়্যারে POP3 প্রোটকল ব্যবহার করে জিমেইল বা ইয়াহু অ্যাকাউন্ট থেকে মেইল কম্পিউটারে নামানো হয়। উদাহরণ ২: মোবাইল মেইল অ্যাপ ব্যাখ্যা: ফোনে কনফিগার করার সময় POP3 সিলেクト করলে সার্ভার থেকে মেইল লোকাল স্টোরেজে চলে আসে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) POP3 — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ই-মেইল গ্রহণের জন্য সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত প্রোটকল। B) POP9 — এই নামে কোনো স্ট্যান্ডার্ড ই-মেইল প্রোটকলের অস্তিত্ব নেই। C) HTML — এটি একটি মার্কআপ ভাষা যা ওয়েব পেজ তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়, কোনো প্রোটকল নয়। D) SMTP — এটি ই-মেইল পাঠানোর জন্য ব্যবহৃত প্রোটকল, গ্রহণের জন্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - POP মানে Post Office, যেমন পোস্ট অফিস থেকে চিঠি নিজের ঠিকানায় নিয়ে আসা হয়। - SMTP-র S দিয়ে Send এবং POP-এর P দিয়ে Post (গ্রহণ) মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ই-মেইল পাঠানোর প্রোটকল হলো SMTP এবং গ্রহণের প্রোটকল POP3 বা IMAP। - IMAP এবং POP3 এর মধ্যে মূল পার্থক্য হলো IMAP সার্ভারে মেইল সংরক্ষণ করে এবং POP3 লোকাল ডিভাইসে নামিয়ে আনে।
a A + 0 = A
b A.1 = A
c A + A = 1
d A.A’ = 1
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) A.A’ = 1 ১. কেন সঠিক: - এটি বুলিয়ান অ্যালজেব্রার একটি মৌলিক সূত্র বা উপপাদ্য। বুলিয়ান অ্যালজেব্রায় ডট চিহ্নটি যৌক্তিক গুণ বা লজিক অ্যান্ড অপারেশন বোঝায়। - প্রদত্ত বিকল্পটিতে একটি চলক এবং তার পূরক বা কমপ্লিমেন্টের মধ্যে লজিক অ্যান্ড অপারেশন করা হয়েছে। বুলিয়ান নিয়ম অনুযায়ী যেকোনো চলক এবং তার পূরকের গুণফল সবসময় শূন্য হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: বুলিয়ান অ্যালজেব্রা হলো লজিক বা যুক্তির গাণিতিক রূপ যেখানে চলকগুলোর মান কেবল সত্য বা মিথ্যা অর্থাৎ এক বা শূন্য হতে পারে। - কার্যপদ্ধতি: বুলিয়ান গুণের ক্ষেত্রে সব ইনপুট এক হলে কেবল আউটপুট এক হয় অন্যথায় আউটপুট শূন্য হয়। একটি চলক এক হলে তার পূরক শূন্য হয় এবং একটি চলক শূন্য হলে তার পূরক এক হয়। - বৈশিষ্ট্য: পূরক বা কমপ্লিমেন্ট অপারেশন ইনপুটের বিপরীত মান প্রদান করে। চলক এবং তার বিপরীত মানের মধ্যে লজিক অ্যান্ড অপারেশন করলে একটি মান অবশ্যই শূন্য থাকে। - ব্যবহার: ডিজিটাল লজিক সার্কিট ডিজাইন, কম্পিউটারের প্রসেসর তৈরি এবং লজিক গেটের সরলীকরণে এই সূত্রগুলো ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লাইটের সুইচ এবং তার বিপরীত অবস্থা ব্যাখ্যা: একটি সুইচের মাধ্যম এবং তার উল্টো অবস্থার সংযোগ এক লাইনে থাকলে বাতি কখনোই জ্বলবে না কারণ একটি পথ সব সময় খোলা থাকে। উদাহরণ ২: কম্পিউটার প্রসেসরের লজিক গেট ব্যাখ্যা: প্রসেসরের ভেতরে অ্যান্ড গেটের একটি ইনপুটে সিগন্যাল থাকলে এবং অন্য ইনপুটে সিগন্যাল না থাকলে গেটটি শূন্য আউটপুট দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) A + 0 = A — এটি বুলিয়ান অ্যালজেব্রার একটি সঠিক মৌলিক সূত্র। যেকোনো চলকের সঙ্গে শূন্য যোগ করলে সেই চলক নিজেই পাওয়া যায়। B) A.1 = A — এটি বুলিয়ান অ্যালজেব্রার সঠিক গুণন সূত্র। যেকোনো চলকের সঙ্গে এক গুণ করলে সেই চলক নিজেই ফলাফল হিসেবে আসে। C) A + A = 1 — অপশনটি ভুল কারণ বুলিয়ান নিয়ম অনুযায়ী অভিন্ন চলকের যোগফল ওই চলক নিজেই হয় অর্থাৎ এ প্লাস এ সমান এ হয়। এখানে প্রশ্নে কোনটি সঠিক নয় চাওয়া হয়েছে এবং এই বিকল্পটি মূলত ভুল সমীকরণ হলেও এখানে অপশনের বিন্যাস অনুযায়ী ডি সঠিক উত্তর হিসেবে চিহ্নিত। ৫ মনে রাখার টিপস: - বুলিয়ান যোগের ক্ষেত্রে অভিন্ন চলক বা এক এর সঙ্গে যোগ করলে মান এক হয় কিন্তু গুণের ক্ষেত্রে চলক এবং তার পূরকের গুণফল সবসময় শূন্য হয়। - এ ডট এ প্রাইম সমান শূন্য এই সূত্রটি মনে রাখবে কারণ এটি পরীক্ষায় খুব বেশি আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বুলিয়ান অ্যালজেব্রার মৌলিক সূত্রগুলো থেকে বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - ডিমরগানের উপপাদ্য এবং মৌলিক লজিক গেটের সত্যক সারণী ভালোভাবে আয়ত্ত করবে।
a 8
b 16
c 4
d 2
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৮ ১. কেন সঠিক: কম্পিউটার আর্কিটেকচারের ডেটা পরিমাপের ক্ষেত্রে ওয়ার্ড হলো প্রসেসর একবারে যে পরিমাণ বিট নিয়ে কাজ করতে পারে। সাধারণত একটি স্ট্যান্ডার্ড ওয়ার্ড দৈর্ঘ্য ৮ বিট বা ১ বাইট হিসেবে গণনা করা হয়, যা মৌলিক ডেটা প্রক্রিয়াকরণের ভিত্তি। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ওয়ার্ড হলো প্রসেসরের রেজিস্টারের আকার যা সিপিপি এক চক্রে প্রক্রিয়া করতে পারে। কার্যপদ্ধতি: প্রসেসর মেমোরি থেকে একসাথে নির্দিষ্ট সংখ্যক বিট পড়ে এবং সমান্তরালভাবে হিসাব সম্পন্ন করে। বৈশিষ্ট্য: ওয়ার্ডের আকার কম্পিউটার ভেদে ভিন্ন হতে পারে, যেমন ৮ বিট, ১৬ বিট, ৩২ বিট বা ৬৪ বিট। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ৮ বিটের মাইক্রোপ্রসেসর ব্যাখ্যা: ইন্টেল ৮০৮০ প্রসেসরে ওয়ার্ডের আকার ছিল ৮ বিট, যা একবারে ৮ বিট ডেটা প্রসেস করতে পারত। উদাহরণ ২: সাধারণ ক্যারেক্টার এনকোডিং ব্যাখ্যা: অ্যাসকি কোডের একটি অক্ষর সংরক্ষণের জন্য ৮ বিট বা ১ বাইট জায়গার প্রয়োজন হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৮ — এটি সঠিক কারণ প্রাচীন বা ছোট আর্কিটেকচারে ওয়ার্ডের আদর্শ মাপ ৮ বিট ধরা হতো। B) ১৬ — এটি ১৬-বিট প্রসেসরের ওয়ার্ড সাইজ, যা সাধারণত দ্বিতীয় প্রজন্মের মাইক্রোকম্পিউটারে ব্যবহৃত হতো। C) ৪ — ৪ বিটের ডেটা গুচ্ছকে নিবল বলা হয়, ওয়ার্ড নয়। D) ২ — ২ বিটের ডেটা ইউনিটকে সাধারণত বিট পেয়ার বলা হয়, যা ওয়ার্ড হিসেবে গণ্য হয় না। ৫. মনে রাখার টিপস: ৮ বিট সমান ১ বাইট এবং এটি ছোট প্রযুক্তিতে ১ ওয়ার্ড হিসেবে বিবেচিত হয়। ওয়ার্ড সাইজ যত বেশি হয়, কম্পিউটারের ডেটা প্রক্রিয়াকরণ ক্ষমতা তত দ্রুত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটারের প্রজন্ম ভেদে ওয়ার্ড সাইজের পরিবর্তন ঘটে থাকে। নিবল হলো ৪ বিট এবং ওয়ার্ড হলো বিটের একটি নির্দিষ্ট গ্রুপ যা প্রসেসর প্রসেস করে।
a address bus
b input-reader bus
c data bus
d control bus
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) input-reader bus ১. কেন সঠিক: - কম্পিউটার আর্কিটেকচারে সিস্টেম বাস হলো এমন একটি যোগাযোগ মাধ্যম যার মাধ্যমে প্রসেসর, মেমোরি ও ইনপুট আউটপুট ডিভাইসের মধ্যে ডেটা আদান প্রদান করা হয়। - প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে অ্যাড্রেস বাস, ডেটা বাস ও কন্ট্রোল বাস হলো স্ট্যান্ডার্ড সিস্টেম বাসের তিনটি মূল অংশ, কিন্তু ইনপুট-রিডার বাস নামে কোনো বাস কম্পিউটার প্রযুক্তিতে অস্তিত্বশীল নয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: সিস্টেম বাস হলো এমন এক গুচ্ছ ইলেকট্রনিক তার যা কম্পিউটারের বিভিন্ন অভ্যন্তরীণ উপাদানের মধ্যে সিগন্যাল ও ডেটা পরিবহন করে। - কার্যপদ্ধতি: বাসগুলো মূলত তিনটি ভাগে বিভক্ত থাকে যা মেমোরি থেকে নির্দেশনা পড়া, লেখা এবং নিয়ন্ত্রণ সিগন্যাল আদান প্রদান করার কাজটি সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ডেটা বাস ব্যাখ্যা: ডেটা বাস প্রসেসর ও মেমোরির মধ্যে দ্বিমুখীভাবে প্রকৃত ডেটা বা তথ্য পরিবহন করে থাকে। উদাহরণ ২: অ্যাড্রেস বাস ব্যাখ্যা: অ্যাড্রেস বাস প্রসেসর থেকে মেমোরির নির্দিষ্ট লোকেশন বা ঠিকμ নির্ধারণ করার জন্য একমুখী সিগন্যাল প্রেরণ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) address bus — এটি একটি বৈধ সিস্টেম বাস যা মেমোরি লোকেশন বা ডিভাইসের ঠিকানা নির্দেশ করতে ব্যবহৃত হয়। B) input-reader bus — এটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক একটি শব্দ এবং কম্পিউটার প্রকৌশলে এ নামে কোনো বাস বা তারের বিন্যাস নেই। C) data bus — এটি একটি বহুল প্রচলিত বাস যা প্রসেসর ও অন্যান্য উপাদানের মধ্যে ডেটা স্থানান্তর করে। D) control bus — এটি এমন একটি বাস যা প্রসেসর থেকে অন্যান্য ডিভাইসে কাজের নির্দেশনা ও নিয়ন্ত্রণ সিগন্যাল পাঠায়। ৫. মনে রাখার টিপস: - সিস্টেম বাসের প্রধান প্রকারভেদ তিনটি মনে রাখার সহজ কৌশল হলো এডিসি অর্থ এড্রেস, ডেটা ও কন্ট্রোল বাস। - কোনো বাস বা তারের নামকরণে যদি রিডার বা ইনপুট কথাটি থাকে তবে তা সাধারণত কম্পিউটার আর্কিটেকচারের স্ট্যান্ডার্ড বাস নয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - কম্পিউটার অর্গানাইজেশনে সিস্টেম বাস প্রধানত তিন প্রকার যথা অ্যাড্রেস বাস, ডেটা বাস এবং কন্ট্রোল বাস। - বাসসমূহের কাজ ও ডেটা স্থানান্তরের দিক সম্পর্কে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই প্রশ্ন আসে।
a malware
b firmware
c virus
d lip-lop
0 117 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) firmware ১. কেন সঠিক: - ফার্মওয়্যার হলো এক ধরণের স্থায়ী সফটওয়্যার যা কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারের রিড অনলি মেমোরি বা রম চিপে স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা হয়। - এটি হার্ডওয়্যার ডিভাইস এবং অপারেটিং সিস্টেমের মধ্যে যোগাযোগের প্রধান সেতু হিসেবে কাজ করে এবং কম্পিউটার চালুর মূল নির্দেশনা প্রদান করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: রম বা রিড অনলি মেমোরিতে সংরক্ষিত বিশেষ ধরনের নির্দেশনাবলি বা সফটওয়্যারকে ফার্মওয়্যার বলা হয় যা সিস্টেমের মৌলিক নিয়ন্ত্রণ করে। - কার্যপদ্ধতি: কম্পিউটার চালু করার সাথে সাথে রম থেকে ফার্মওয়্যার প্রসেসরে লোড হয় এবং বুটিং প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে। - বৈশিষ্ট্য: এটি পরিবর্তন করা তুলনামূলকভাবে কঠিন এবং কম্পিউটার বন্ধ করলেও এর তথ্য মুছে যায় না। - ব্যবহার: মাদারবোর্ডের বায়োস বা বেসিক ইনপুট আউটপুট সিস্টেম এবং বিভিন্ন ডিজিটাল ডিভাইসের নিয়ন্ত্রক হিসেবে এটি ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কম্পিউটারের মাদারবোর্ডের বায়োস। ব্যাখ্যা: কম্পিউটার চালু হওয়ার সময় মাদারবোর্ডের বায়োস নামক ফার্মওয়্যারটি সব হার্ডওয়্যার পরীক্ষা করে এবং অপারেটিং সিস্টেম চালু করতে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: রাউটার বা প্রিন্টারের অভ্যন্তরীণ সফটওয়্যার। ব্যাখ্যা: ডিজিটাল রাউটার বা প্রিন্টারের ভেতরে থাকা ফার্মওয়্যার ডিভাইসটির মৌলিক কাজগুলো নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) malware — এটি ক্ষতিকারক সফটওয়্যারের সাধারণ নাম যা সিস্টেমের ক্ষতি করতে ব্যবহৃত হয়। B) firmware — এটি সঠিক উত্তর। C) virus — এটি এক ধরণের ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম যা নিজে নিজেই বংশবৃদ্ধি করতে পারে এবং ফাইলের ক্ষতি করে। D) lip-lop — এটি কোনো অর্থপূর্ণ প্রযুক্তিগত শব্দ নয় এবং ভুল অপশন হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যারের সমন্বিত রূপ হলো ফার্মওয়্যার। - মনে রাখবে আরওএম বা রম ভিত্তিক প্রোগ্রাম মানেই ফার্মওয়্যার। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বায়োস হলো ফার্মওয়্যারের সবচেয়ে পরিচিত বাস্তব উদাহরণ। - এই ধরনের প্রশ্ন বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
a AND
b OR
c XOR
d NAND
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) NAND ১. কেন সঠিক: NAND গেট হলো AND গেটের বিপরীত রূপ, যেখানে সব ইনপুট ০ হলে আউটপুট ১ পাওয়া যায়। বুলিয়ান অ্যালজেব্রেসার নিয়ম অনুযায়ী, NAND গেটের আউটপুট হলো AND গেটের ফলাফলের ওপর একটি নট বা বিপরীত প্রক্রিয়া। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: NAND গেট হলো AND এবং NOT গেটের সমন্বয়ে গঠিত একটি সার্বজনীন লজিক গেট। কার্যপদ্ধতি: ইনপুটগুলোর মান ১ হলে AND গেটের আউটপুট ১ হয়, কিন্তু NAND গেট তাকে উল্টিয়ে ০ বানায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নিরাপত্তা আলম সিস্টেম ব্যাখ্যা: সব দরজা বন্ধ থাকলে বা সেন্সর শূন্য সংকেত দিলে অ্যাললার্ম সক্রিয় বা এক থাকে। উদাহরণ ২: ডিজিটাল সার্কিট ডিজাইন ব্যাখ্যা: কম্পিউটারের প্রসেসর তৈরিতে এই গেট ব্যবহার করে অন্য সব মৌলিক গেট তৈরি করা সম্ভব। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) AND — এই গেটের সব ইনপুট ১ হলে কেবল আউটপুট ১ হয়, কিন্তু সব ইনপুট ০ হলে আউটপুট ০ হয়। B) OR — এই গেটের যেকোনো একটি ইনপুট ১ হলে আউটপুট ১ হয়, সব ইনপুট ০ হলে আউটপুট ০ হয়। C) XOR — ইনপুটগুলোর মান ভিন্ন হলে আউটপুট ১ হয়, কিন্তু সব ইনপুট ০ হলে আউটপুট ০ হয়। D) NAND — সব ইনপুট ০ হলে এর আউটপুট ১ হয় যা প্রশ্নানুসারে সঠিক। ৫. মনে রাখার টিপস: ন্যান্ড মানে নট অ্যান্ড। AND গেটের ফলাফলের ঠিক উল্টো ফলাফল হলো NAND গেটের আউটপুট। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: NAND ও NOR গেটকে সার্বজনীন বা ইউনিভার্সাল গেট বলা হয়। এই গেটগুলো দিয়ে অন্য যেকোনো লজিক গেট বাস্তবায়ন করা যায়।
a Windows XP
b Windows 98
c MS DOS
d Windows 7
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) MS DOS ১. কেন সঠিক: - মাইক্রোসফটের প্রথম বহুল ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেম বা প্রোগ্রাম হলো MS DOS, যার পূর্ণরূপ হলো মাইক্রোসফট ডিস্ক অপারেটিং সিস্টেম। - এটি ছিল একটি কমান্ড লাইন ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম যেখানে কিবোর্ডে কমান্ড লিখে কম্পিউটার পরিচালনা করতে হতো। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: MS DOS হলো এমন একটি সিস্টেম সফটওয়্যার যা ব্যবহারকারী ও কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারের মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করে। - কার্যপদ্ধতি: এটি ব্যবহারকারীর দেওয়া টেক্সট কমান্ড গ্রহণ করে এবং হার্ডওয়্যারকে সেই অনুযায়ী কাজ করার নির্দেশ প্রদান করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সি ড্রাইভের প্রম্পটে সিডি উইন্ডোজ লিখে এন্টার চাপলে ডস উইন্ডোজ ফোল্ডারে প্রবেশ করে। ব্যাখ্যা: এটি টেক্সট কমান্ডের মাধ্যমে ফাইল ও ফোল্ডার ব্যবস্থাপনার একটি পুরোনো পদ্ধতি। উদাহরণ ২: ডস মোডে এফডিস্ক কমান্ড ব্যবহার করে হার্ডডিস্ক পার্টিশন করা হতো। ব্যাখ্যা: অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করার পূর্বে স্টোরেজ ডিভাইস প্রস্তুত করতে এই কমান্ড কাজ করত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Windows XP — এটি মাইক্রোসফটের তৈরি অনেক পরের একটি জনপ্রিয় গ্রাফিকাল অপারেটিং সিস্টেম যা ২০০১ সালে মুক্তি পায়। B) Windows 98 — এটিও মাইক্রোসফটের একটি গ্রাফিকাল অপারেটিং সিস্টেম যা ১৯৯৮ সালে বাজারে আসে এবং এটি এমএস ডসের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছিল। C) MS DOS — এটি মাইক্রোসফটের প্রথম প্রোগ্রাম বা অপারেটিং সিস্টেম যা ১৯৮১ সালে আইবিএম পিসির জন্য তৈরি করা হয়। D) Windows 7 — এটি মাইক্রোসফটের আরও আধুনিক একটি অপারেটিং সিস্টেম যা ২০০৯ সালে প্রকাশিত হয় এবং টাচ স্ক্রিন সমর্থন করে। ৫ মনে রাখার টিপস: - এমএস ডস ১৯৮১ সালে প্রকাশিত মাইক্রোসফটের প্রথম অপারেটিং সিস্টেম। - গ্রাফিকাল ইউজার ইন্টারফেস আসার আগে শুধু কমান্ড লিখে কম্পিউটার চালানোর যুগ ছিল ডসের যুগ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এমএস ডস একটি একক ব্যবহারকারী বা সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম। - বিল গেটস ও পল অ্যালেন ১৯৭৫ সালে মাইক্রোসফট প্রতিষ্ঠা করেন।
a ভাইরাস ধ্বংসের জন্য
b খারাপ সেক্টরসমূহ পরীক্ষা করতে
c ডিস্কের ফাইলগুলোকে পুনর্বিন্যস্ত করতে
d ডিস্ক ফরমেট করতে
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ডিস্কের ফাইলগুলোকে পুনর্বিন্যস্ত করতে ১. কেন সঠিক: - ডিস্ক ডিফ্রাগমেন্টেশন হলো হার্ড ডিস্কে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ফাইলগুলোর টুকরোকে গুছিয়ে এক জায়গায় করার একটি প্রক্রিয়া। - এর ফলে কম্পিউটারের রিড বা রাইট হেড কম নড়াচড়া করে ডেটা দ্রুত খুঁজে পায় এবং সিস্টেমের গতি বৃদ্ধি পায়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: ডিস্ক ডিফ্রাগমেন্টেশন হলো এমন একটি ইউটিলিটি সফটওয়্যার যা হার্ড ডিস্ক ড্রাইভের খণ্ড খণ্ড ডেটা একত্রিত করে। - কার্যপদ্ধতি: ফাইল ব্যবহারের ফলে যখন ডেটা বিক্ষিপ্তভাবে জমা হয়, তখন এই টুলটি সেগুলোকে পরপর সাজিয়ে খালি জায়গাগুলোকে একত্রিত করে। - ব্যবহার: এটি উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে প্রচলিত মেকানিক্যাল হার্ড ডিস্কের কার্যক্ষমতা বাড়াতে নিয়মিত ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গোছানো আলমারি ব্যাখ্যা: অগোছালো আলমারিতে জামাকাপড় খুঁজতে যেমন সময় বেশি লাগে, তেমনি ফ্রাগমেন্টেড ডিস্কেও ডেটা খুঁজতে কম্পিউটার ধীরগতিতে কাজ করে। উদাহরণ ২: বইয়ের তাকে বই সাজানো ব্যাখ্যা: ছড়িয়ে থাকা বইগুলো বিষয়ভিত্তিক সাজিয়ে রাখলে যেমন দ্রুত খুঁজে পাওয়া যায়, ডিফ্রাগমেন্টেশন তেমনি ফাইল সাজায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভাইরাস ধ্বংসের জন্য — ভাইরাস বা ম্যালওয়্যার দূর করার জন্য অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়, ডিস্ক ডিফ্রাগমেন্টেশন নয়। B) খারাপ সেক্টরসমূহ পরীক্ষা করতে — হার্ড ডিস্কের ত্রুটিপূর্ণ বা নষ্ট সেক্টর চিহ্নিত করার জন্য স্ক্যান্ডিস্ক বা চেক ডিস্ক টুল ব্যবহার করা হয়। D) ডিস্ক ফরমেট করতে — ডিস্কের সমস্ত ডেটা মুছে ফেলার জন্য ফরমেট কমান্ড ব্যবহার করা হয়, ফাইল পুনর্বিন্যাস করার জন্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ডিফ্রাগমেন্ট অর্থ ভেঙে যাওয়া অংশগুলোকে একত্র করা। - ফ্রাগমেন্ট মানে টুকরো, ডি-ফ্রাগ মানে টুকরো জোড়া লাগিয়ে গোছানো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এসএসডি মেমরির জন্য ডিস্ক ডিফ্রাগমেন্টেশন ক্ষতিকর, তাই এটি শুধু ট্র্যাডিশনারি এইচডিডি ড্রাইভের জন্য প্রযোজ্য। - এটি একটি সিস্টেম ইউটিলিটি সফটওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত।
a ekhanei.com
b olx.com
c google.com
d amazon.com
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) google.com ১. কেন সঠিক: - গুগল ডট কম একটি সার্চ ইঞ্জিন এবং তথ্য খোঁজার ওয়েবসাইট, এটি সরাসরি কোনো পণ্য বা সেবা কেনাবেচার ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম নয়। - অন্যান্য অপশনগুলো অনলাইন কেনাবেচার মার্কেটপ্লেস হিসেবে তৈরি করা হয়েছে যেখানে ব্যবহারকারীরা পণ্য ক্রয়-বিক্রয় করতে পারে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: ই-কমার্স বা ইলেকট্রনিক কমার্স বলতে ইন্টারনেটের মাধ্যমে পণ্য বা সেবা কেনাবেচাকে বোঝায়। - কার্যপদ্ধতি: ই-কমার্স সাইটগুলোতে পণ্যের তালিকা, কার্ট এবং অনলাইন পেমেন্ট সিস্টেম থাকে যা গুগলে থাকে না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমাজন ডট কম ব্যাখ্যা: এটি একটি বিশ্বখ্যাত ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম যেখান থেকে সরাসরি বিভিন্ন ধরনের পণ্য কেনা যায়। উদাহরণ ২: ওএলএক্স ডট কম ব্যাখ্যা: এটি একটি ক্লাসিফাইড সাইট যেখানে সাধারণ মানুষ তাদের ব্যবহৃত বা নতুন পণ্য কেনাবেচা করতে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ekhanei.com — এটি একটি অনলাইন কেনাবেচা ও বিজ্ঞাপন প্রচারের সাইট, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। B) olx.com — এটি একটি পণ্য কেনাবেচার ক্লাসিফাইড মার্কেটপ্লেস, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। C) google.com — এটি একটি সার্চ ইঞ্জিন এবং তথ্য খোঁজার মাধ্যম, কোনো কেনাবেচার সাইট নয়। D) amazon.com — এটি বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম ই-কমার্স ও কেনাবেচার সাইট, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - গুগল হলো তথ্যের ভাণ্ডার বা সার্চ ইঞ্জিন। - আমাজন, ওএলএক্স বা এখনেই হলো বাজার বা মার্কেটপ্লেস। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সার্চ ইঞ্জিন এবং ই-কমার্স সাইটের পার্থক্য প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। - গুগল ডট কম একটি ওয়েব সার্চ ইঞ্জিন হিসেবে বিশ্বে সর্বাধিক পরিচিত।
a 7
b 5
c 9
d 8
0 124 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) 7 ১. কেন সঠিক: কম্পিউটার নেটওয়ার্কে ডেটা আদান-প্রদান এবং যোগাযোগের মানসম্মত পদ্ধতি নির্ধারণের জন্য OSI মডেল তৈরি করা হয়েছে। এই মডেলে মোট ৭টি স্তর বা Layer রয়েছে যা নিচ থেকে উপর পর্যন্ত ডেটা ট্রান্সমিশন পরিচালনা করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: OSI (Open Systems Interconnection) হলো একটি আন্তর্জাতিক মান যা বিভিন্ন ডিভাইসের মধ্যে নেটওয়ার্ক যোগাযোগের নিয়ম নির্ধারণ করে। কার্যপদ্ধতি: এর প্রতিটি স্তর নিজস্ব নির্দিষ্ট কাজ সম্পন্ন করে এবং পরবর্তী স্তরের সাথে ডেটা আদান-প্রদান করে। স্তরগুলো: ১. ফিজিক্যাল স্তর ২. ডেটা লিঙ্ক স্তর ৩. নেটওয়ার্ক স্তর ৪. ট্রান্সপোর্ট স্তর ৫. সেশন স্তর ৬. প্রেজেন্টেশন স্তর ৭. অ্যাপ্লিকেশন স্তর। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্রাউজারে কোনো ওয়েবসাইট সার্চ করা। ব্যাখ্যা: এই প্রক্রিয়ায় অ্যাপ্লিকেশন স্তর থেকে শুরু করে ফিজিক্যাল স্তর পর্যন্ত প্রতিটি লেয়ার ক্রমান্বয়ে কাজ করে সার্ভারে ডেটা পাঠায়। উদাহরণ ২: ইমেল পাঠানো। ব্যাখ্যা: মেইল পাঠানোর সময় OSI মডেলের স্তরগুলো ডেটাকে প্যাকেট আকারে সাজিয়ে ইন্টারনেটের মাধ্যমে গন্তব্যে পৌঁছে দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: B) 5 — ৫টি স্তর সাধারণত TCP/IP মডেলের পূর্ববর্তী সংস্করণে বা অন্য কোনো প্রোটোকলে দেখা যায়, যা OSI মডেলের জন্য সঠিক নয়। C) 9 — ৯টি স্তর কোনো স্ট্যান্ডার্ড নেটওয়ার্ক মডেলে ব্যবহৃত হয় না, এটি একটি কাল্পনিক সংখ্যা। D) 8 — ৮টি স্তর কম্পিউটার নেটওয়ার্কের স্ট্যান্ডার্ড OSI মডেলে নেই, সঠিক সংখ্যাটি ৭। ৫. মনে রাখার টিপস: OSI মডেলের ৭টি স্তর মনে রাখার সহজ কৌশল হলো প্রথম অক্ষরগুলো মনে রাখা। Physical, Data Link, Network, Transport, Session, Presentation, Application. ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: OSI মডেলের প্রথম তিনটি স্তরকে বলা হয় হার্ডওয়্যার লেয়ার এবং শেষের চারটি স্তরকে বলা হয় সফটওয়্যার লেয়ার। পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে OSI মডেলে মোট কয়টি স্তর আছে।
a TCP/IP
b Net BEUI
c Novel netware
d Linux
0 91 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) TCP/IP ১. কেন সঠিক: - ইন্টারনেট সংযোগের ক্ষেত্রে ডেটা আদান-প্রদানের প্রধান নিয়ম বা প্রটোকল হলো টিসিপি এবং আইপি। - এই প্রটোকল জোড়াটি ইন্টারনেট ওয়ার্ল্ডের মূল ভিত্তি হিসেবে বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: টিসিপি বা ট্রান্সমিশন কন্ট্রোল প্রটোকল এবং আইপি বা ইন্টারনেট প্রটোকল হলো নিয়মের সমষ্টি যা ডেটাকে ছোট প্যাকেটে ভাগ করে সঠিক গন্তব্যে পৌঁছে দেয়। - কার্যপদ্ধতি: আইপি ঠিকানা ব্যবহার করে ডেটা প্যাকেট নির্দিষ্ট ঠিকানায় পাঠায় এবং টিসিপি নিশ্চিত করে যে সব প্যাকেট নিখুঁতভাবে পৌঁছেছে কি না। - ব্যবহার: ব্রাউজিং, ইমেইল পাঠানো এবং ফাইল ডাউনলোডের মতো সব ইন্টারনেট কার্যক্রমে এটি ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চিঠি পাঠানো ব্যাখ্যা: ঠিকানা লেখার নিয়ম যেমন পোস্ট অফিসে নির্দিষ্ট স্থানে পৌঁছাতে সাহায্য করে, তেমনি আইপি ঠিকানা ইন্টারনেট ডেটাকে সঠিক ঠিকানায় পৌঁছে দেয়। উদাহরণ ২: পার্সেল ডেলিভারি ব্যাখ্যা: বড় পার্সেল ভেঙে ছোট বাক্সে পাঠানো এবং গন্তব্যে তা পুনরায় মেলানো হলো টিসিপি প্রটোকলের কাজের মূল পদ্ধতি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) TCP/IP — এটি ইন্টারনেট সংযোগের ক্ষেত্রে সর্বাধিক ব্যবহৃত সঠিক প্রটোকল। B) Net BEUI — এটি পুরোনো এবং ছোট লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের জন্য ব্যবহৃত প্রটোকল যা ইন্টারনেটের জন্য উপযোগী নয়। C) Novel netware — এটি একটি পুরোনো নেটওয়ার্ক অপারেটিং সিস্টেম, যা বর্তমান ইন্টারনেটের প্রধান প্রটোকল নয়। D) Linux — এটি কোনো প্রটোকল নয়, এটি একটি জনপ্রিয় ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম। ৫ মনে রাখার টিপস: - টিসিপিআইপি হলো ইন্টারনেটের ভাষা। - টিসিপি মানে পরিবহন এবং আইপি মানে ঠিকানা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - টিসিপিআইপি মডেলের স্তর সংখ্যা চারটি। - ভিনটন জি এবং বব কানকে ইন্টারনেটের জনক বলা হয় যারা এই ব্যবস্থার সাথে যুক্ত ছিলেন।
a $
b #
c &
d @
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) @ ১. কেন সঠিক: ই-মেইল বা ইলেকট্রনিক মেইল ঠিকানায় ইউজারনেম এবং ডোমেইন নামকে আলাদা করার জন্য এ্যাট সাইট বা এট চিহ্ন বাধ্যতামূলকভাবে ব্যবহার করা হয়। এই বিশেষ চরিত্রটি ছাড়া কোনো ই-মেইল ঠিকানা গঠিত হতে পারে না এবং ইন্টারনেট প্রোটোকল অনুযায়ী এটি একটি মানদণ্ড। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ই-মেইল ঠিকানা হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে বার্তা আদান-প্রদানের একটি অনন্য ডিজিটাল ঠিকানা যা দুটি প্রধান অংশ নিয়ে গঠিত। কার্যপদ্ধতি: এ্যাট সাইট চিহ্নের বাম দিকের অংশ ব্যবহারকারীর নাম এবং ডান দিকের অংশ সার্ভার বা ডোমেইনের নাম নির্দেশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: rahim.ict@gmail.com ব্যাখ্যা: এখানে রহিম ডট আইসিটি হলো ব্যবহারকারী এবং জিমেইল ডট কম হলো মেইল সার্ভারের ডোমেইন নাম। উদাহরণ ২: info@bd.gov.bd ব্যাখ্যা: এখানে ইনফো হলো নির্দিষ্ট সেবামূলক ইউজারনেম এবং বিডি ডট গভ ডট বিডি হলো অফিশিয়াল ডোমেইন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) — এটি ডলার চিহ্ন যা মুদ্রার একক প্রকাশ করতে এবং প্রোগ্রামিংয়ে ভেরিয়েবল বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, ই-মেইলে নয়। B) # — এটি হ্যাশ চিহ্ন যা সাধারণত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হ্যাশট্যাগ তৈরিতে ব্যবহৃত হয়, ই-মেইল ঠিকানায় নয়। C) & — এটি এমপারস্যান্ড চিহ্ন যা যুক্ত করতে বা এবং বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, ই-মেইল ঠিকানায় এর কোনো কাজ নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: ই-মেইল ঠিকানার প্রাণ হলো এ্যাট সাইট চিহ্ন যা ব্যবহারকারীকে তার নির্দিষ্ট ডোমেইনের সাথে যুক্ত করে। রেেময়েন্দার হিসেবে মনে রাখতে পারো যে কোনো ঠিকানায় এট বা at কথাটি বোঝাতেই এই চিহ্নটি ব্যবহার করা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার নেটওয়ার্কে প্রতিটি ই-মেইল ঠিকানা অদ্বিতীয় বা ইউনিক হতে হয়। বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ইন্টারনেট ও ই-মেইল সংক্রান্ত মৌলিক প্রশ্নে এই চিহ্নটি প্রায়ই আসে।
a ফেসবুক
b টুইটার
c লিংকড ইন
d উইকিপডিয়া
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উইকিপডিয়া ১. কেন সঠিক: - ফেসবুক, টুইটার এবং লিংকড ইন হলো সোশ্যাল মিডিয়া বা সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম, যেখানে ব্যবহারকারীরা নিজেরা অ্যাকাউন্ট খুলে ব্যক্তিগত বা পেশাদার যোগাযোগ এবং কন্টেন্ট শেয়ার করেন। - অন্যদিকে উইকিপডিয়া হলো একটি মুক্ত বিশ্বকোষ বা অনলাইন এনসাইক্লোপিডিয়া, যেখানে তথ্য ও জ্ঞান সংগ্রহ করা হয় এবং এটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বা নেটওয়ার্কের অন্তর্ভুক্ত নয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: উইকিপডিয়া হলো একটি বহুভাষিক, অনলাইন মুক্ত বিশ্বকোষ যা উইকি প্রযুক্তির মাধ্যমে বিশ্বের যে কেউ সম্পাদনা করতে পারে। - কার্যপদ্ধতি: এটি ডাটাবেজভিত্তিক সফটওয়্যার ব্যবহার করে কাজ করে এবং ব্যবহারকারীদের জমা দেওয়া তথ্য যাচাই ও সংরক্ষণ করে। - বৈশিষ্ট্য: এটি সম্পূর্ণ অলাভজনক এবং শিক্ষামূলক তথ্য অনুসন্ধানের জন্য তৈরি একটি প্ল্যাটফর্ম। - ব্যবহার: বিশ্বজুড়ে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও গবেষকরা যেকোনো বিষয়ে প্রাথমিক ধারণা ও তথ্য খোঁজার জন্য এটি ব্যবহার করেন। - পার্থক্য: সোশ্যাল মিডিয়া সাইটগুলো মূলত ব্যক্তিগত মতবিনিময় এবং নেটওয়ার্কিংয়ের জন্য ব্যবহৃত হয়, কিন্তু উইকিপডিয়া কেবল তথ্য ও জ্ঞান বিতরণের জন্য ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ফেসবুক ব্যাখ্যা: ফেসবুক ব্যবহার করে বন্ধুরা একে অপরের সাথে চ্যাট করতে পারেন এবং ছবি বা ভিডিও শেয়ার করতে পারেন। উদাহরণ ২: উইকিপডিয়া ব্যাখ্যা: উইকিপডিয়া ব্যবহার করে মানুষ যেকোনো ঐতিহাসিক ঘটনা, বিজ্ঞান বা ব্যক্তিত্ব সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পড়তে পারেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফেসবুক — এটি একটি জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এবং এটি অন্য অপশনগুলোর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। B) টুইটার — এটি মাইক্রোব্লগিং ও সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট হওয়ায় এটিও ফেসবুকের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। C) লিংকড ইন — এটি পেশাদার বা প্রফেশনালদের জন্য তৈরি একটি সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট। D) উইকিপডিয়া — এটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নয়, বরং একটি মুক্ত বিশ্বকোষ হওয়ায় এটিই এই গ্রুপের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - সোশ্যাল মিডিয়া মানেই মানুষের সাথে যোগাযোগ, যেমন ফেসবুক, টুইটার ও লিংকড ইন। - বিশ্বকোষ বা এনসাইক্লোপিডিয়া হলো উইকিপডিয়া, যা যোগাযোগের মাধ্যম নয় বরং তথ্য খোঁজার জায়গা। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - উইকিপডিয়া হলো বিশ্বের বৃহত্তম মুক্ত বিশ্বকোষ। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ভিন্নধর্মী বা বেজোড় শব্দ চিহ্নিত করার প্রশ্ন আসে, যেখানে কার্যপদ্ধতির মিল বা অমিল খুঁজে বের করতে হয়।

মোট প্রশ্ন (8)

a সব
b কিছুই না
c সর্বজনীন
d কিছু
0 102 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কিছুই না ১. কেন সঠিক: - শূন্যবাদ বা নিহিলিজম ধারণাটি ল্যাটিন শব্দ নিহিল থেকে এসেছে যার অর্থ হলো কিছুই না বা কোনো কিছু নেই। - এটি এমন একটি দার্শনিক মতবাদ যা জীবনের কোনো পরম অর্থ উদ্দেশ্য বা মূল্য অস্বীকার করে এবং সবকিছুকে অর্থহীন বলে মনে করে। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: শূন্যবাদ হলো এমন এক দর্শন যা ঐতিহ্যগত নৈতিক মূল্যবোধ এবং বিশ্বাসের ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন তোলে এবং সবকিছুর অস্তিত্বের অন্তর্নিহিত অর্থহীনতা প্রচার করে। - গুরুত্ব: এই দর্শন সম্পর্কে জ্ঞান থাকলে শিক্ষার্থীরা মানবজীবনের ইতিবাচক মূল্যবোধ এবং নৈতিকতার প্রয়োজনীয়তা গভীরভাবে অনুধাবন করতে পারে। - সম্ভাব্য প্রভাব: শূন্যবাদের চরম প্রভাব সমাজ থেকে নৈতিকতার বন্ধন শিথিল করতে পারে যা পরবর্তীতে মানবজীবনকে লক্ষ্যহীন করে তোলে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: একজন শিক্ষার্থী কর্মজীবনে হতাশাগ্রস্ত হয়ে যখন মনে করে পড়াশোনার কোনো মূল্য নেই তখন সে শূন্যবাদী চিন্তার শিকার হয়। ব্যাখ্যা: এই পরিস্থিতিতে তাকে ইতিবাচক মূল্যবোধ ও জীবনের লক্ষ্য সম্পর্কে সচেতন করে সঠিক পথে ফিরিয়ে আনতে হবে। উদাহরণ ২: কোনো ব্যক্তি যখন সমাজসেবামূলক কাজের অর্থ খুঁজে পায় না এবং নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ে। ব্যাখ্যা: এখানে তাকে সামাজিক দায়িত্ববোধ ও সহমর্মিতার শিক্ষা দিয়ে জীবনের অর্থপূর্ণ দিকটি বোঝাতে হবে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সব — এই অপশনটি সঠিক নয় কারণ শূন্যবাদ সবকিছু থাকার ধারণাকে সমর্থন করে না বরং সবকিছুকে অস্বীকার করে। B) কিছুই না — এই অপশনটি সঠিক কারণ ল্যাটিন শব্দ নিহিল বা শূন্যবাদের মূল অর্থ হলো কিছুই না। C) সর্বজনীন — এই অপশনটি ভুল কারণ শূন্যবাদ কোনো সর্বজনীন সত্য বা সার্বিক মূল্যবোধে বিশ্বাস করে না। D) কিছু — এই অপশনটি ভুল কারণ শূন্যবাদ আংশিক কিছু থাকার বদলে সম্পূর্ণ অস্তিত্বহীনতা বা অর্থহীনতাকে নির্দেশ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - শূন্যবাদ কথাটির ইংরেজি প্রতিশব্দ হলো নিহিলিজম যা ল্যাটিন শব্দ নিহিল থেকে এসেছে এবং এর সহজ অর্থ হলো কিছুই না। - পরীক্ষার হলে শূন্যবাদ বা নিহিলিজম শব্দ দেখলে মনে রাখবে এটি কোনো কিছু না থাকার দর্শনকে বোঝায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এই প্রশ্নটি থেকে শিক্ষার্থীরা দার্শনিক ধারণা এবং নির্দিষ্ট শব্দের মূল অর্থ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা লাভ করতে পারে। - একই নীতি থেকে অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভিন্ন দার্শনিক মতবাদের ল্যাটিন বা গ্রিক শব্দমূল সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
a সুশাসনের শিক্ষা থেকে
b আইনের শিক্ষা থেকে
c মূল্যবোধের শিক্ষা থেকে
d কর্তব্যবোধ থেকে
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মূল্যবোধের শিক্ষা থেকে ১. কেন সঠিক: - সহনশীলতা একটি গুণ যা মানুষের ভেতরের নৈতিক চেতনা থেকে জন্ম নেয়। - মূল্যবোধ মানুষকে অন্যের মতামত ও বিশ্বাসকে শ্রদ্ধা করতে শেখায়। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: সহনশীলতা হলো নিজের মতের বিরুদ্ধে গেলেও অন্যের মতপ্রকাশের অধিকারকে মেনে নেওয়ার মানসিকতা। - গুরুত্ব: এটি সমাজে শান্তি, সম্প্রীতি ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় রাখতে সাহায্য করে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: - উদাহরণ ১: কর্মক্ষেত্রে সহকর্মী ভিন্ন রাজনৈতিক বা সামাজিক মত পোষণ করলে তার সঙ্গে শালীন আচরণ করা। - ব্যাখ্যা: এখানে নিজের আদর্শ ঠিক রেখে অন্যের মতামতের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনের মাধ্যমে মূল্যবোধের প্রয়োগ ঘটে। - উদাহরণ ২: শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কোনো বিতর্ক প্রতিযোগিতায় প্রতিপক্ষের যুক্তি মনোযোগ সহকারে শোনা এবং তা সম্মান করা। - ব্যাখ্যা: এটি অপরের মতের প্রতি সহনশীলতার বহিঃপ্রকাশ যা নৈতিক মূল্যবোধের মাধ্যমে অর্জিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুশাসনের শিক্ষা থেকে — সুশাসন মূলত শাসনব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করে, যা সহনশীলতার প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিলেও মূল মানসিকতা তৈরি করে না। B) আইনের শিক্ষা থেকে — আইন মানুষকে অপরাধ থেকে বিরত রাখে ও বাধ্যবাধকতা শেখায়, কিন্তু মনের ভেতর সহনশীলতা বা শ্রদ্ধাবোধ তৈরি করতে পারে না। D) কর্তব্যবোধ থেকে — কর্তব্যবোধ মানুষকে নিজ দায়িত্ব পালন করতে শেখায়, যা সহনশীলতার সঙ্গে সম্পর্কিত হলেও এটি সরাসরি সহনশীলতা শেখায় না। ৫. মনে রাখার টিপস: - অন্যের মতকে সম্মান ও সহ্য করার মানসিকতা মূলত মানুষের ভেতরের মূল্যবোধ থেকে আসে। - আইন আমাদের আচরণ নিয়ন্ত্রণ করে, কিন্তু মূল্যবোধ আমাদের মনকে উদার করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সহনশীলতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধা গণতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থার মূল ভিত্তি। - এই ধরনের প্রশ্ন সাধারণত ব্যক্তিগত ও সামাজিক মূল্যবোধের পরিধি যাচাই করতে আসে।
a অংশগ্রহণ
b জবাবদিহিতা
c স্বচ্ছতা
d সাফলতা
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) স্বচ্ছতা ১. কেন সঠিক: - স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে যে কোনো সংগঠনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া, তথ্য এবং কার্যক্রম সবার জন্য উন্মুক্ত ও দৃশ্যমান থাকে। - সুশাসন ও প্রাতিষ্ঠানিক নৈতিকতার অন্যতম স্তম্ভ হলো স্বচ্ছতা, যা সদস্যদের নিজেদের মতামত প্রকাশ ও সংগঠনের সাথে যুক্ত হওয়ার অধিকার রক্ষা করে। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: স্বচ্ছতা বলতে প্রাতিষ্ঠানিক কাজে সততা, প্রকাশযোগ্যতা এবং গোপনীয়তা পরিহার করার নীতিকে বোঝায়। - গুরুত্ব: এটি সংগঠনের ভেতরে অনিয়ম রোধ করে এবং সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা বৃদ্ধি করে। - প্রয়োগ: সরকারি বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে যেকোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় সব পক্ষের মতামত জানার সুযোগ রাখা উচিত। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: কোনো অফিসে টেন্ডার প্রক্রিয়ায় যদি সব নিয়ম সবার জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়, তবে সবাই সমানভাবে অংশগ্রহণের সুযোগ পায়। ব্যাখ্যা: এখানে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার মাধ্যমে সংগঠনের স্বাধীনতা ও ন্যায়বিচার রক্ষা করা হয়। উদাহরণ ২: একটি ক্লাবের বার্ষিক আয়ের হিসাব সব সদস্যের সামনে প্রকাশ করা হলে কেউ সন্দেহ পোষণ করে না। ব্যাখ্যা: এটি সংগঠনের প্রতি সবার আস্থা ও অংশগ্রহণের স্বাধীনতাকে দৃঢ় করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অংশগ্রহণ — অংশগ্রহণ সংগঠনের কার্যক্রমে যুক্ত হওয়ার সুযোগ দেয়, কিন্তু এটি এককভাবে তথ্য প্রকাশের স্বাধীনতা বা সংগঠনের পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিত করে না। B) জবাবদিহিতা — জবাবদিহিতা কাজের জন্য দায়বদ্ধ থাকার নীতি নির্দেশ করে, যা কাজের ফলাফল যাচাই করে কিন্তু সরাসরি সংগঠনের স্বাধীনতা রক্ষা করে না। C) স্বচ্ছতা — স্বচ্ছতা হলো সেই নীতি যা সংগঠনের ভেতরের সব তথ্য ও কার্যক্রম উন্মুক্ত রেখে সবার অংশগ্রহণের স্বাধীনতাকে নিশ্চিত করে। D) সাফলতা — সাফলতা হলো কাজের ভালো ফলাফল বা অর্জন, যার সাথে প্রাতিষ্ঠানিক নীতির কোনো সরাসরি সম্পর্ক নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - তথ্য উন্মুক্ত থাকলে গোপনীয়তা দূর হয় এবং সংগঠনের স্বাধীনতা নিশ্চিত হয়, যা স্বচ্ছতার মূল ভিত্তি। - সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় লুকোচুরি না করে খোলামেলা থাকা মানেই স্বচ্ছতা রক্ষা করা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সুশাসনের উপাদান হিসেবে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মূল পার্থক্য বুঝতে হবে। - এই নীতি থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধারণত সুশাসন, প্রাতিষ্ঠানিক সততা এবং নাগরিক অধিকার সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে।
a শাসন প্রক্রিয়া ও মানব উন্নয়ন
b শাসন প্রক্রিয়া এবং সুশাসন
c শাসন প্রক্রিয়া এবং নৈতিক শাসন প্রক্রিয়া
d শাসন প্রক্রিয়া এবং উন্নয়ন
0 94 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শাসন প্রক্রিয়া এবং উন্নয়ন ১. কেন সঠিক: বিশ্বব্যাংক সর্বপ্রথম ১৯৯২ সালে 'Governance and Development' বা 'শাসন প্রক্রিয়া এবং উন্নয়ন' শীর্ষক রিপোর্টে সুশাসনের আনুষ্ঠানিক সংজ্ঞা ও ধারণা প্রকাশ করে। উক্ত রিপোর্টে সুশাসনকে অর্থনৈতিক উন্নয়নের সাথে সরাসরি যুক্ত করে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও আইনের শাসনের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: মূল ধারণা: সুশাসন হলো এমন একটি শাসন ব্যবস্থা যেখানে প্রাতিষ্ঠানিক দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির মাধ্যমে জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করা হয়। গুরুত্ব: সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হলে সম্পদের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত হয় এবং সমাজে ন্যায়বিচার ও সমতাভিত্তিক পরিবেশ গড়ে ওঠে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: সরকারি কোনো প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়নে টেন্ডার প্রক্রিয়া উন্মুক্ত ও স্বচ্ছ রাখা। ব্যাখ্যা: এটি সুশাসনের অংশ, যা স্বজনপ্রীতি রোধ করে এবং জনস্বার্থ রক্ষা করতে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: নাগরিকদের যেকোনো তথ্য অধিকার আইনে সহজে সরকারি তথ্য সরবরাহ করা। ব্যাখ্যা: এই আচরণটি প্রশাসনের জবাবদিহি ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শাসন প্রক্রিয়া ও মানব উন্নয়ন — বিশ্বব্যাংকের নির্দিষ্ট মূল প্রকাশনার এই নামকরণ করা হয়নি, যদিও মানব উন্নয়ন সুশাসনের একটি দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য। B) শাসন প্রক্রিয়া এবং সুশাসন — এটি কোনো ঐতিহাসিক রিপোর্টের শিরোনাম নয়, বরং সুশাসনের ধারণার একটি সাধারণ অভিব্যক্তি মাত্র। C) শাসন প্রক্রিয়া এবং নৈতিক শাসন প্রক্রিয়া — বিশ্বব্যাংকের ঐতিহাসিক নথিপত্রে এই বিশেষ শিরোনাম ব্যবহার করে সুশাসন সংজ্ঞায়িত করা হয়নি। D) শাসন প্রক্রিয়া এবং উন্নয়ন — এই অপশনটি সঠিক কারণ বিশ্বব্যাংকের ১৯৯২ সালের বিখ্যাত রিপোর্টের শিরোনাম ছিল শাসন প্রক্রিয়া এবং উন্নয়ন। ৫ মনে রাখার টিপস: বিশ্বব্যাংক সবসময় অর্থনৈতিক উন্নয়নের সাথে সুশাসনকে যুক্ত করে দেখে। ১৯৯২ সালের বিখ্যাত রিপোর্টটি শাসন প্রক্রিয়া এবং উন্নয়ন নামেই বিশ্বজুড়ে পরিচিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সুশাসনের মূল স্তম্ভগুলো যেমন স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও আইনের শাসন ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সুশাসনের ধারণার ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও রিপোর্টের নাম সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে।
a অংশগ্রহণ
b স্বচ্ছটা
c নৈতিক শাসন
d জবাবদিহিতা
0 114 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) স্বচ্ছটা ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি সামান্য সংশোধনের দাবি রাখে কারণ প্রশ্নটিতে বানান ভুল রয়েছে এবং মূল প্রশ্নপত্রে সাধারণত সুশাসনের মূল উপাদানগুলোর কথা বলা হয়। বিশ্বব্যাংক ও জাতিসংঘের মতে সুশাসনের প্রধান উপাদান হলো অংশগ্রহণ, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও আইনের শাসন। - সুশাসনের ক্ষেত্রে সঠিক বানান হলো স্বচ্ছতা, কিন্তু অপশনে স্বচ্ছটা লেখা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ত্রুটিপূর্ণ এবং পরীক্ষার প্রশ্নে প্রায়ই বিভ্রান্তি তৈরির জন্য এমন শব্দ ব্যবহার করা হয়। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: সুশাসন হলো এমন একটি শাসনব্যবস্থা যা জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করে এবং সরকারের কাজে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বজায় রাখে। - গুরুত্ব: সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হলে রাষ্ট্রে দুর্নীতি হ্রাস পায় এবং সাধারণ মানুষ সঠিকভাবে তাদের নাগরিক অধিকার ও সেবা লাভ করতে পারে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: একজন সরকারি কর্মকর্তা যখন টেন্ডার প্রক্রিয়ায় কোনো গোপনীয়তা না রেখে সব তথ্য উন্মুক্ত করেন তখন তাকে স্বচ্ছতা বলা হয়। ব্যাখ্যা: সুশাসনের এই নীতিটি নিশ্চিত করে যে সরকারি কাজে কোনো ধরনের দুর্নীতি বা স্বজনপ্রীতি হচ্ছে কি না তা সবাই দেখতে পাচ্ছে। উদাহরণ ২: কোনো সেবা প্রদানে নির্ধারিত ফি ও সময়সীমা টাঙিয়ে দেওয়া সুশাসনের একটি অংশ। ব্যাখ্যা: এর মাধ্যমে নাগরিকরা প্রতারণা থেকে রক্ষা পায় এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমে আস্থার পরিবেশ তৈরি হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অংশগ্রহণ — এটি সুশাসনের একটি অন্যতম মূল উপাদান কারণ নীতিনির্ধারণে জনগণের মতামতের গুরুত্ব রয়েছে। B) স্বচ্ছটা — প্রশ্নকর্তা সুশাসনের উপাদান হিসেবে এই বানানটিকেই ভুল অপশন বা উত্তর হিসেবে চিহ্নিত করেছেন যা পরীক্ষার কাঠামোর অংশ। C) নৈতিক শাসন — এটি সুশাসন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে মূল্যবোধের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে কাজ করে এবং সুশাসনের ধারণার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। D) জবাবদিহিতা — এটি সুশাসনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ যার মাধ্যমে ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করা সম্ভব হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিশ্বব্যাংক সুশাসনের চারটি মূল স্তম্ভের কথা বলেছে যার মধ্যে অংশগ্রহণ, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও আইনের শাসন অন্তর্ভুক্ত। - পরীক্ষার হলে বানান ত্রুটিযুক্ত বা অসম্পূর্ণ অপশনগুলো সতর্কতার সঙ্গে লক্ষ্য করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সুশাসনের উপাদান থেকে প্রায়ই BCS ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে তাই বিশ্বব্যাংকের নির্ধারিত উপাদানগুলো মুখস্থ রাখতে হবে। - সুশাসন ও জবাবদিহিতা একে অপরের পরিপূরক হিসেবে কীভাবে কাজ করে তা অনুধাবন করতে হবে।
a আইন
b প্রতীক
c ভাষা
d মূল্যবোধ
0 114 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আইন ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত প্রশ্নটি সমাজবিজ্ঞান এবং সংস্কৃতির উপাদান সম্পর্কিত। সংস্কৃতির প্রধান দুটি ভাগ রয়েছে, যথা বস্তুগত সংস্কৃতি এবং অবস্তুগত সংস্কৃতি। আইন মূলত রাষ্ট্রীয় শাসনব্যবস্থা ও নিয়ন্ত্রণের অংশ, যা সংস্কৃতির সরাসরি উপাদান হিসেবে গণ্য হয় না। - সংস্কৃতির অবস্তুগত উপাদানের মধ্যে মূলত মানুষের বিশ্বাস, মূল্যবোধ, ভাষা, প্রতীক, আদর্শ ও প্রথা অন্তর্ভুক্ত থাকে। আইন সমাজ পরিচালনার একটি বাহ্যিক রূপ হলেও তা সরাসরি সংস্কৃতির মৌলিক উপাদানের আওতাভুক্ত নয়। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: সংস্কৃতির উপাদান বলতে সমাজের মানুষের জীবনযাত্রা, বিশ্বাস, আচরণ এবং ভাব প্রকাশের মাধ্যমগুলোকে বোঝায়। - গুরুত্ব: সংস্কৃতির সঠিক উপাদানগুলো মানুষের মাঝে পারস্পরিক সম্প্রীতি, নৈতিকতা এবং সামাজিক বন্ধন সুদৃঢ় করতে সাহায্য করে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: সমাজের প্রবীণদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা আমাদের সংস্কৃতির একটি অংশ। ব্যাখ্যা: এটি আমাদের সামাজিক মূল্যবোধ ও ঐতিহ্যের বহিঃপ্রকাশ, যা আইন দ্বারা সবসময় নির্ধারিত হয় না। উদাহরণ ২: নিজের মাতৃভাষায় কথা বলা এবং ভাব প্রকাশ করা সংস্কৃতির অন্যতম প্রধান উপাদান। ব্যাখ্যা: ভাষা মানুষের মনের ভাব প্রকাশের পাশাপাশি সংস্কৃতির ঐতিহ্যকে এক প্রজন্ম থেকে অন্য প্রজন্মে বয়ে নিয়ে যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আইন — এটি মূলত রাষ্ট্র পরিচালনা ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রণীত বিধিমালার সমষ্টি, সংস্কৃতির সরাসরি উপাদান নয়। B) প্রতীক — প্রতীক সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অবস্তুগত উপাদান, যার মাধ্যমে সমাজ তার ভাব ও বিশ্বাস প্রকাশ করে। C) ভাষা — ভাষা সংস্কৃতির সবচেয়ে শক্তিশালী মাধ্যম ও বাহন, যার মাধ্যমে সংস্কৃতির বিস্তার ঘটে। D) মূল্যবোধ — মূল্যবোধ মানুষের ভেতরের নৈতিক মানদণ্ড তৈরি করে, যা সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। ৫. মনে রাখার টিপস: সংস্কৃতির উপাদানগুলো মনে রাখতে ভাববে মানুষের মন ও সমাজ জীবনকে কী কী বিষয় প্রভাবিত করে। ভাষা, প্রতীক, মূল্যবোধ এগুলো মানুষের অন্তরের বিষয়, আর আইন হলো রাষ্ট্র পরিচালনার বাইরের নিয়ম। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সংস্কৃতির উপাদান এবং অবস্তুগত সংস্কৃতি সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখা জরুরি। এই টপিক থেকে প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে।
a জার্মানি
b ফ্রান্স
c মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
d যুক্তরাজ্য
0 94 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) যুক্তরাজ্য ১. কেন সঠিক: জেমেরি বেন্থাম ১৭৪৮ সালে লন্ডনে জন্মগ্রহণ করেন এবং তিনি একজন প্রখ্যাত ব্রিটিশ দার্শনিক ও সমাজ সংস্কারক ছিলেন। তিনি উপযোগবাদের জনক হিসেবে পরিচিত এবং তার নৈতিক দর্শন আধুনিক সুশাসন ও আইন প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলেছিল। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: মূল ধারণা: উপযোগবাদ হলো এমন একটি নৈতিক নীতি যা সর্বাধিক মানুষের সর্বোচ্চ কল্যাণ নিশ্চিত করার ওপর জোর দেয়। প্রয়োগ: নীতি নির্ধারণ এবং জনকল্যাণমূলক কাজ করার সময় பெரும்பধের কল্যাণ সাধনের চিন্তা করা উচিত। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: একজন সরকারি কর্মকর্তা যখন কোনো এলাকার উন্নয়নের বাজেট বরাদ্দ করেন, তখন তিনি সবচেয়ে বেশি মানুষের উপকারের বিষয়টি অগ্রাধিকার দেন। ব্যাখ্যা: এটি উপযোগবাদের বাস্তব প্রয়োগ, যেখানে বৃহত্তর জনস্বার্থকে ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে স্থান দেওয়া হয়। উদাহরণ ২: ট্রাফিক জ্যাম কমাতে রাস্তা প্রশস্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় কর্তৃপক্ষ হাজার হাজার যাত্রীর সুবিধা বিবেচনা করে। ব্যাখ্যা: বৃহত্তর সমাজের কল্যাণ সাধনের মাধ্যমে জনদুর্ভোগ লাঘব করা নৈতিক ও দায়িত্বশীল আচরণের পরিচায়ক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জার্মানি — জার্মানি ইমানুয়েল কান্টসহ অন্যান্য প্রখ্যাত দার্শনিকের জন্মভূমি হলেও জেরেমি বেন্থামের জন্মস্থান নয়। B) ফ্রান্স — ফ্রান্স রুসো বা ভলতেয়ারের মতো আলোকিত যুগের দার্শনিকদের দেশ, তাই এই উত্তরটি সঠিক নয়। C) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র — মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জেরেমি বেন্থামের কর্মক্ষেত্র বা জন্মস্থান ছিল না, তিনি সম্পূর্ণ ব্রিটিশ চিন্তাবিদ। D) যুক্তরাজ্য — যুক্তরাজ্য সঠিক কারণ জেরেমি বেন্থাম লন্ডনে জন্মগ্রহণ করেন এবং ব্রিটিশ দার্শনিক ঐতিহ্যের সাথে যুক্ত ছিলেন। ৫. মনে রাখার টিপস: বেন্থাম মানেই উপযোগবাদ এবং উপযোগবাদ মানেই সর্বাধিক মানুষের কল্যাণ। তিনি যুক্তরাজ্যের অধিবাসী ছিলেন, এটি মনে রাখতে তাকে ব্রিটিশ আইন সংস্কারক হিসেবে স্মরণ করতে পারেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: উপযোগবাদের প্রবক্তা কে এবং তিনি কোন দেশের দার্শনিক, এই প্রশ্নটি নৈতিকতা ও সুশাসন অংশে প্রায়ই আসে। একই নীতি থেকে জনকল্যাণ ও আইন সংস্কার সম্পর্কিত বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক প্রশ্ন হতে পারে।
a ভাল ও মন্দ
b ন্যায় ও অন্যায়
c নৈতিকতা ও অনৈতিকতা
d উপরের সবগুলো
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উপরের সবগুলো ১. কেন সঠিক: - মূল্যবোধ মানুষের আচরণ পরিচালনা করে এবং নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে কোনটি গ্রহণীয় তা নির্ধারণ করতে সাহায্য করে। - এটি কেবল একটি একক বিষয় নয়, বরং এর পরিধি অত্যন্ত বিস্তৃত যা ভালো-মন্দ, ন্যায়-অন্যায় এবং নৈতিক-অনৈতিকতার মাপকাঠি নির্ধারণ করে। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: মূল্যবোধ হলো সমাজ স্বীকৃত সেই সমস্ত বিশ্বাস ও আদর্শ, যা মানুষের আচার-ব্যবহার ও সিদ্ধান্ত গ্রহণকে পরিচালিত করে। - গুরুত্ব: এটি সমাজে শৃঙ্খলা রক্ষা করতে এবং মানুষের মধ্যে পারস্পরিক বিশ্বাস ও শ্রদ্ধাবোধ বজায় রাখতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। - প্রয়োগ: ব্যক্তিগত জীবন ও কর্মক্ষেত্রে সততা বজায় রাখা এবং দায়িত্বশীল আচরণ করার মাধ্যমে মূল্যবোধের প্রয়োগ ঘটে। - সম্ভাব্য প্রভাব: সঠিক মূল্যবোধের চর্চা সমাজে অপরাধ প্রবণতা কমায় এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে সহায়তা করে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাস্তায় কুড়িয়ে পাওয়া টাকা বা মূল্যবান জিনিস থানায় জমা দেওয়া। ব্যাখ্যা: এটি ভালো কাজ এবং সততার বহিঃপ্রকাশ, যা নৈতিক মূল্যবোধের সঠিক প্রয়োগ নির্দেশ করে। উদাহরণ ২: পরীক্ষার হলে অসদুপায় অবলম্বন না করে নিজের যোগ্যতায় পরীক্ষা দেওয়া। ব্যাখ্যা: এটি ন্যায়সঙ্গত আচরণ এবং অনৈতিক কাজ থেকে বিরত থাকার মানসিকতা তৈরি করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভাল ও মন্দ — এটি মূল্যবোধের একটি দিক মাত্র, যা সঠিক কাজকে উৎসাহিত ও ভুল কাজকে নিরুৎসাহিত করে। B) ন্যায় ও অন্যায় — এটি বিচারবুদ্ধির অংশ যা সমাজ ও রাষ্ট্রে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে। C) নৈতিকতা ও অনৈতিকতা — এটি মানুষের ভেতরের শুভবুদ্ধি ও আচরণের মানদণ্ড নির্ধারণ করে। D) উপরের সবগুলো — যেহেতু আগের তিনটি অপশনই মূল্যবোধের আওতাভুক্ত, তাই এটিই সবচেয়ে সঠিক এবং পূর্ণাঙ্গ উত্তর। ৫. মনে রাখার টিপস: - মূল্যবোধ একটি সামগ্রিক মাপকাঠি, যা আমাদের জীবনের সব ভালো, ন্যায়সঙ্গত এবং নৈতিক কাজগুলোকে যাচাই করতে সাহায্য করে। - পরীক্ষার প্রশ্নে যখন দেখবে মূল্যবোধের পরিধি নিয়ে কথা হচ্ছে, তখন জীবনের সব ইতিবাচক দিকগুলোকে বিবেচনায় রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মূল্যবোধ মানুষের ভেতরের সুপ্ত মানবীয় গুণাবলীকে জাগ্রত করে এবং সমাজকে অবক্ষয় থেকে রক্ষা করে। - এই নীতি থেকে ভবিষ্যতে পরিস্থিতিভিত্তিক প্রশ্ন আসতে পারে, যেখানে একজন নাগরিকের সঠিক দায়িত্ব ও কর্তব্য নির্ধারণ করতে হয়।

মোট প্রশ্ন (30)

a ফার্নেস অয়েল
b কয়লা
c প্রাকৃতিক গ্যাস
d ডিজেল
0 107 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্রাকৃতিক গ্যাস ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রধান জ্বালানি হিসেবে দীর্ঘকাল ধরে প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহৃত হয়ে আসছে। দেশের মোট উৎপাদিত বিদ্যুতের সিংহভাগই গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে সরবরাহ করা হয়। ২. শক্তি ও প্রাকৃতিক সম্পদ: বাংলাদেশের জ্বালানি খাতের ভিত্তি হলো প্রাকৃতিক গ্যাস যা দেশীয় গ্যাসক্ষেত্র থেকে উত্তোলিত হয়। বিগত দশকগুলোতে শিল্প ও বিদ্যুৎ খাতের দ্রুত প্রসারে প্রাকৃতিক গ্যাসের ওপর নির্ভরতা সবচেয়ে বেশি ছিল। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন। ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের অন্যতম বড় গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র। উদাহরণ ২: ভেড়ামারা কম্বাইন্ড সাইকেল পাওয়ার প্ল্যান্ট। ব্যাখ্যা: এটিও প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে থাকে যা দেশের গ্রিড যুক্ত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফার্নেস অয়েল — এটি কিছু রেন্টাল ও কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রে ব্যবহৃত হলেও গ্যাসের তুলনায় এর ব্যবহার কম। B) কয়লা — বড় বড় তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র যেমন পায়রা ও রামপালে কয়লা ব্যবহার শুরু হলেও সামগ্রिक উৎপাদনে এটি গ্যাসের পরে অবস্থান করে। C) প্রাকৃতিক গ্যাস — এটি সঠিক উত্তর কারণ বিদ্যুৎ উৎপাদনে এর ব্যবহার সর্বাধিক। D) ডিজেল — জরুরি অবস্থা বা পিক আওয়ারে সীমিত পরিসরে ডিজেল দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয় যা সার্বিক উৎপাদনে নগণ্য। ৫ মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের জ্বালানি খাতের রাজা প্রাকৃতিক গ্যাস মনে রাখলেই উত্তর সহজ হবে। গ্যাস বেশি তাই বিদ্যুৎ উৎপাদনেও এর ব্যবহার সবার উপরে থাকে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলাদেশের প্রধান খনিজ সম্পদ হলো প্রাকৃতিক গ্যাস। একই বিষয় থেকে প্রশ্ন আসতে পারে দেশের প্রথম গ্যাসক্ষেত্র কোনটি বা কোন জ্বালানিতে সবচেয়ে বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয়।
a ভারত থেকে
b চীন থেকে
c জাপান থেকে
d সিঙ্গাপুর থেকে
0 92 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চীন থেকে ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশ বর্তমানে সর্বাধিক পরিমাণ পণ্য আমদানি করে চীন থেকে। - তৈরি পোশাক শিল্পের কাঁচামাল, যন্ত্রপাতি এবং ইলেকট্রনিক্স পণ্যের জন্য বাংলাদেশ চীনের ওপর সবচেয়ে বেশি নির্ভরশীল। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: অর্থনীতি ও বাণিজ্য: - চীন বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাণিজ্য অংশীদার এবং আমদানির প্রধান উৎস। - বাংলাদেশ চীন থেকে মূলধন যন্ত্রপাতি এবং শিল্পের কাঁচামাল আমদানি করে থাকে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: তৈরি পোশাক শিল্প ব্যাখ্যা: বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি খাত পোশাক শিল্পের জন্য প্রয়োজনীয় সুতা, ফেব্রিকস এবং কেমিক্যাল চীন থেকেই সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয়। উদাহরণ ২: মেগা প্রকল্প ব্যাখ্যা: বাংলাদেশের পদ্মা সেতু রেল সংযোগ এবং কর্ণফুলী টানেলের মতো বড় প্রকল্পগুলোতে চীন অর্থায়ন এবং কারিগরি সহায়তা প্রদান করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারত থেকে — ভারত বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম আমদানির উৎস হলেও প্রথম স্থানে নেই। C) জাপান থেকে — জাপান থেকে বাংলাদেশ কিছু নির্দিষ্ট যন্ত্রপাতি ও গাড়ি আমদানি করে, তবে মোট আমদানির পরিমাণ চীনের চেয়ে কম। D) সিঙ্গাপুর থেকে — সিঙ্গাপুর থেকে প্রধানত জ্বালানি তেল ও পেট্রোলিয়ামজাত পণ্য আমদানি করা হয়, যা শীর্ষ আমদানির পরিমাণের দিক থেকে চীনের পরে অবস্থান করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - কাঁচামাল আমদানিতে চীন চিন, অর্থাৎ চীন সবার উপরে। - বাণিজ্য ঘাটতির দিক থেকেও চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবধান সবচেয়ে বেশি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলাদেশ সর্বাধিক পণ্য আমদানি করে চীন থেকে এবং সর্বাধিক পণ্য রপ্তানি করে যুক্তরাষ্ট্রে। - এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
a Permanent Court of Justice
b International Tribunal for the law of the Sea
c International Court of Justice
d Perinanent Court of Arbitration
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) International Tribunal for the law of the Sea ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ও মায়ানমারের মধ্যকার সমুদ্রসীমা বিরোধ আন্তর্জাতিক সমুদ্র আইন ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা হয়। - ২০১২ সালের ১৪ মার্চ এই ট্রাইব্যুনাল বাংলাদেশের পক্ষে রায় প্রদান করে বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব নিশ্চিত করে। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯৭৪ সালে সমুদ্র উপকূল আইন প্রণয়নের পর থেকেই মিয়ানমার ও ভারতের সঙ্গে সমুদ্রসীমা নিয়ে বাংলাদেশের বিরোধ সৃষ্টি হয়। - তারিখ ও স্থান: ২০১২ সালের ১৪ মার্চ জার্মানির হামবুর্গ শহরে অবস্থিত আন্তর্জাতিক সমুদ্র আইন ট্রাইব্যুনালে এই ঐতিহাসিক মামলার চূড়ান্ত রায় ঘোষণা করা হয়। - তাৎপর্য ও ফলাফল: এই রায়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ বঙ্গোপসাগরে ১ লক্ষ ১১ হাজার বর্গকিলোমিটারের বেশি পানির ওপর সার্বভৌম অধিকার লাভ করে। - সংশ্লিষ্ট তথ্য: মিয়ানমারের সঙ্গে সমুদ্রসীমা নিষ্পত্তির পর ২০১৪ সালে ভারতের সঙ্গেও সমুদ্রসীমা বিরোধের স্থায়ী আন্তর্জাতিক সালিশি আদালতের রায় বাংলাদেশের পক্ষে আসে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশ ও ভারতের সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তি ব্যাখ্যা: ২০১৪ সালের ৭ জুলাই স্থায়ী সালিশি আদালতের রায়ের মাধ্যমে ভারতের সঙ্গেও বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা বিরোধের অবসান ঘটেছিল। উদাহরণ ২: সেন্ট মার্টিন দ্বীপের মালিকানা রক্ষা ব্যাখ্যা: মিয়ানমার সমুদ্রসীমা মামলায় দাবি করেছিল সেন্ট মার্টিন দ্বীপ তাদের জলসীমায় পড়ে, যা এই রায়ের মাধ্যমে বাংলাদেশের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে স্থায়ীভাবে রক্ষিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Permanent Court of Justice — এটি জাতিসংঘের প্রধান বিচার বিভাগীয় অঙ্গ যা মূলত রাষ্ট্রগুলোর মধ্যকার আইনি বিবাদ নিষ্পত্তি করে, সমুদ্রসীমা বিরোধের জন্য এটি প্রধান ফোরাম নয়। B) International Tribunal for the law of the Sea — এটি জাতিসংঘের সমুদ্র আইন কনভেনশনের অধীনে প্রতিষ্ঠিত বিশেষায়িত আন্তর্জাতিক আদালত যা এই মামলার সঠিক বিচারক ছিল। C) International Court of Justice — এটি সাধারণ আন্তর্জাতিক আদালত যা জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সাধারণ বিরোধ নিষ্পত্তি করে, তবে সমুদ্র আইন সংক্রান্ত বিশেষ বিরোধের জন্য বিশেষায়িত ট্রাইব্যুনাল রয়েছে। D) Perinanent Court of Arbitration — এটি রাষ্ট্রগুলোর মধ্যকার সালিশি ও বিরোধ নিষ্পত্তির প্রাচীনতম প্রতিষ্ঠান হলেও বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের সমুদ্র মামলাটি এখানে পরিচালিত হয়নি। ৫. মনে রাখার টিপস: - সমুদ্র আইন সংক্রান্ত যেকোনো বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য সমুদ্রের নামের সঙ্গে মিল রেখে ট্রাইব্যুনালের নাম মনে রাখতে হবে। - ২০১২ সাল মিয়ানমারের সঙ্গে এবং ২০১৪ সাল ভারতের সঙ্গে সমুদ্রসীমা জয়ের বছর হিসেবে মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - আন্তর্জাতিক সমুদ্র আইন ট্রাইব্যুনাল বা আইটলস এর সদর দপ্তর জার্মানির হামবুর্গ শহরে অবস্থিত। - সমুদ্রসীমা মামলার রায়ের ফলে বাংলাদেশ বঙ্গোপসাগরে ব্লু ইকোনমি বা সুনীল অর্থনীতি পরিচালনার পথ উন্মুক্ত করেছে।
a বিকনঅন্বেষণা
b ব্র্যাক অন্বেষা
c নোয়া ১৮
d নোয়া ১৯
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ব্র্যাক অন্বেষা ১. কেন সঠিক: - ব্র্যাক অন্বেষা হলো বাংলাদেশের তৈরি এবং মহাকাশে পাঠানো প্রথম ন্যানো স্যাটেলাইট বা ক্ষুদ্র কৃত্রিম উপগ্রহ। - ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশل বিভাগের তিন জন শিক্ষার্থী এই স্যাটেলাইটটি তৈরিতে সরাসরি অংশগ্রহণ করেছিলেন এবং এটি সফলভাবে মহাশূন্যে পাঠানো হয়। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: বাংলাদেশের প্রযুক্তিগত উৎকর্ষ সাধনের পথে ন্যানো স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ একটি যুগান্তকারী মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হয়। - তারিখ ও স্থান: ২০১৭ সালের ৪ জুন ব্র্যাক অন্বেষা আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন থেকে পৃথিবীর কক্ষপথে সফলভাবে উৎক্ষেপণ করা হয়। - ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সিএসই এবং ইইই বিভাগের শিক্ষার্থী যথাক্রমে আব্দুল্লাহ আল কাফি, রায়হানা শামস ইসলাম অন্তরা এবং মীর মইনুল ইসলাম এই প্রজেক্টের সাথে যুক্ত ছিলেন। - তাৎপর্য ও ফলাফল: এর মাধ্যমে বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও রিমোট সেন্সিং প্রযুক্তির যুগে আনুষ্ঠানিকভাবে পদার্পণ করে এবং শিক্ষার্থীদের বাস্তবভিত্তিক মহাকাশ গবেষণার সুযোগ সৃষ্টি হয়। - সংশ্লিষ্ট তথ্য: জাপানের কিউশু ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির সহায়তায় বার্ড প্রজেক্টের অধীনে এই স্যাটেলাইটটি তৈরি করা হয়েছিল। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ১ ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের প্রথম ভূস্থির বা জিওস্টেশনারি যোগাযোগ উপগ্রহ, যা ২০১৮ সালে উৎক্ষেপণ করা হয় এবং দেশের সম্প্রচার ও টেলিযোগাযোগ খাতে বিপ্লব ঘটায়। উদাহরণ ২: কিউফু ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি ব্যাখ্যা: জাপানের এই উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের ন্যানো স্যাটেলাইট তৈরির প্রযুক্তিগত প্রশিক্ষণ প্রদানে প্রধান ভূমিকা পালন করেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিকনঅন্বেষণা — এই নামে বাংলাদেশের কোনো কৃত্রিম উপগ্রহ মহাকাশে পাঠানো হয়নি এবং এটি একটি কাল্পনিক বা ভুল অপশন। B) ব্র্যাক অন্বেষা — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বাংলাদেশের প্রথম সফল ন্যানো স্যাটেলাইটের নাম। C) নোয়া ১৮ — এটি কোনো স্যাটেলাইট নয় এবং বাংলাদেশের মহাকাশ গবেষণার ইতিহাসে এই নামের কোনো উপস্থিতি নেই। D) নোয়া ১৯ — এই নামের কোনো মহাকাশযান বা কৃত্রিম উপগ্রহ বাংলাদেশ তৈরি বা উৎক্ষেপণ করেনি। ৫ মনে রাখার টিপস: - মহাকাশে অন্বেষণ করার জন্য ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা যে প্রথম স্যাটেলাইট বানিয়েছিল তার নাম ব্র্যাক অন্বেষা। - প্রথম স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের সালটি মনে রাখতে ২০১৭ সালের জুন মাসের কথা মাথায় রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অংশ থেকে প্রায়ই বাংলাদেশের স্যাটেলাইট সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে। - ব্র্যাক অন্বেষা একটি ন্যানো স্যাটেলাইট এবং বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ১ একটি যোগাযোগ স্যাটেলাইট, এই দুটি তথ্যের পার্থক্য ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a 1993
b 1997
c 1999
d 2001
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯৯৭ ১. কেন সঠিক: পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর। দীর্ঘ দুই দশকের বেশি সময় ধরে চলা সংঘাতের অবসান ঘটিয়ে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য বাংলাদেশ সরকার ও জনসংহতি সমিতির মধ্যে এই ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: সত্তরের দশক থেকে পার্বত্য চট্টগ্রামে রাজনৈতিক অসন্তোষ ও সশস্ত্র সংঘাতের সূত্রপাত ঘটে। তারিখ ও স্থান: ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর ঢাকার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: সরকারের পক্ষে আবুল হাসনাত আবদুল্লাহ এবং পাহাড়ি জনগণের পক্ষে জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা বা সন্তু লারমা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। তাৎপর্য ও ফলাফল: এর মাধ্যমে পার্বত্য অঞ্চলে দীর্ঘ রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের অবসান ঘটে এবং আঞ্চলিক পরিষদ গঠনের পথ সুগম হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঐতিহাসিক মুজিবনগর সরকার গঠন। ব্যাখ্যা: এটি ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল গঠিত হয় এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে নেতৃত্ব দেয়। উদাহরণ ২: ১৯৭৫ সালের ঐতিহাসিক ১৫ আগস্ট। ব্যাখ্যা: এই দিনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করা হয় যা বাংলাদেশের রাজনীতিতে বড় মোড় পরিবর্তন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৪৩ — এই সালে বাংলায় ভয়াবহ মন্বন্তর বা দুর্ভিক্ষ হয়েছিল এবং এর সঙ্গে পার্বত্য চুক্তির কোনো সম্পর্ক নেই। B) ১৯৯৭ — এটি সঠিক উত্তর। C) ১৯৯৯ — এই সালে ইউনেসকো ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। D) ২০০১ — এই সালে বাংলাদেশের অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় এবং নতুন সরকার ক্ষমতা গ্রহণ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: নব্বইয়ের দশকের শেষের দিকে অর্থাৎ ১৯৯৭ সালে পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি ফিরে আসে। এভাবে সালটি সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: চুক্তির স্বাক্ষরের তারিখ অর্থাৎ ২ ডিসেম্বর এবং স্থান ঢাকা ভালোভাবে মনে রাখতে হবে। একই বিষয় থেকে প্রশ্ন আসতে পারে চুক্তির স্বাক্ষরকারী দুজন নেতার নাম নিয়ে।
a ২টি
b ৩টি
c ৪টি
d ৫টি
0 105 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২টি ১. কেন সঠিক: - মায়ানমারের সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত রয়েছে মাত্র দুটি জেলার, যা ভৌগোলিক অবস্থানগত কারণে নির্ধারিত। জেলা দুটি হলো বান্দরবান এবং রাঙ্গামাটি। - ভৌগোলিক সীমানা নির্ধারণের ক্ষেত্রে নদী ও পাহাড়ি অঞ্চলের অবস্থান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ২. ভৌগোলিক সীমানা ও ভূপ্রকৃতি: - ভৌগোলিক অবস্থান: মায়ানমার বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব দিকে অবস্থিত এবং এর সাথে বাংলাদেশের মোট সীমান্ত দৈর্ঘ্য প্রায় ২৭১ কিলোমিটার। - সম্পর্কিত তথ্য: বাংলাদেশের সাথে মোট দুটি দেশের সীমান্ত রয়েছে, যার একটি ভারত এবং অন্যটি মায়ানমার। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাঙ্গামাটি জেলা ব্যাখ্যা: রাঙ্গামাটি বাংলাদেশের বৃহত্তম জেলা এবং এর একটি অংশ মায়ানমারের সাথে আন্তর্জাতিক সীমান্ত ভাগ করে নেয়। উদাহরণ ২: বান্দরবান জেলা ব্যাখ্যা: বান্দরবান পাহাড়ি জেলা হওয়ায় এর পূর্ব সীমান্তে মায়ানমারের সাথে দীর্ঘ পাহাড়ি সীমান্ত রয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২টি — এটি সঠিক কারণ শুধুমাত্র বান্দরবান ও রাঙ্গামাটি জেলার সাথে মায়ানমারের সীমান্ত রয়েছে। B) ৩টি — এটি ভুল কারণ বাংলাদেশের তিনটি জেলার সাথে মায়ানমারের সীমান্ত নেই। C) ৪টি — এটি ভুল কারণ চার জেলা মায়ানমার সীমান্তবর্তী নয়। D) ৫টি — এটি ভুল কারণ মায়ানমারের সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত জেলার সংখ্যা পাঁচটির কম অর্থাৎ দুটি। ৫. মনে রাখার টিপস: - মায়ানমারের সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত মনে রাখতে 'বারো' শব্দ বা দুটি পাহাড়ি জেলার কথা মাথায় রাখতে হবে। বান্দরবান ও রাঙ্গামাটি হলো সেই দুটি জেলা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সীমান্ত সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। যেমন, ভারতের সাথে কয়টি জেলার সীমান্ত রয়েছে, তা ভালোভাবে জেনে রাখা প্রয়োজন।
a রাস্তায় ট্রাফিক আইন মেনে চলা
b শিল্প কারখানায় অধিক শ্রমিক নিয়োগ দেয়া
c দক্ষ জনশক্তি তৈরি করা
d রাজনৈতিক সংগঠনে অন্তর্ভুক্ত হওয়া
0 107 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রাস্তায় ট্রাফিক আইন মেনে চলা ১. কেন সঠিক: নাগরিকের অধিকার ও কর্তব্য একে অপরের পরিপূরক। রাষ্ট্র যেমন নাগরিককে মৌলিক অধিকার ও নিরাপত্তা প্রদান করে, তেমনি নাগরিকেরও রাষ্ট্রের প্রতি কিছু সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব ও কর্তব্য থাকে। রাস্তায় ট্রাফিক আইন মেনে চলা সাধারণ নাগরিকের দৈনন্দিন ও নৈতিক দায়িত্বের অন্তর্ভুক্ত। এটি পালন করলে জননিরাপত্তা রক্ষা পায় এবং রাষ্ট্রে শৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: সংবিধান ও আইন: বাংলাদেশের সংবিধানের ২১ অনুচ্ছেদে নাগরিক ও সরকারি কর্মচারীদের কর্তব্য সম্পর্কে বলা হয়েছে। সব নাগরিকের দায়িত্ব হলো সংবিধান ও আইন মানা এবং রাষ্ট্রীয় শৃঙ্খলা বজায় রাখা। সামাজিক শৃঙ্খলা: রাষ্ট্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য আইন মেনে চলা প্রতিটি নাগরিকের মূল দায়িত্ব। ট্রাফিক আইন অমান্য করলে শুধু বিশৃঙ্খলা তৈরি হয় না, বরং মূল্যবান জীবনহানিও ঘটে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ফুটওভার ব্রিজ ব্যবহার করা বা জেব্রা ক্রসিং দিয়ে রাস্তা পার হওয়া। ব্যাখ্যা: এটি নাগরিকের ট্রাফিক আইন মেনে চলার একটি বাস্তব উদাহরণ, যা নিজে নিরাপদ থাকতে এবং যানজট কমাতে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: ট্রাফিক সিগন্যাল লাল থাকা অবস্থায় গাড়ি থামানো। ব্যাখ্যা: এই সচেতনতা দেশের নাগরিকদের ট্রাফিক আইন সম্পর্কে শ্রদ্ধাশীল করে তোলে এবং দুর্ঘটনা কমায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাস্তায় ট্রাফিক আইন মেনে চলা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি সাধারণ নাগরিকের ব্যক্তিগত ও সামাজিক দায়িত্ব। B) শিল্প কারখানায় অধিক শ্রমিক নিয়োগ দেয়া — এটি রাষ্ট্রের বা শিল্পপতির অর্থনৈতিক কার্যক্রম, কোনো সাধারণ নাগরিকের মৌলিক দায়িত্ব নয়। C) দক্ষ জনশক্তি তৈরি করা — এটি মূলত রাষ্ট্রীয় বা প্রাতিষ্ঠানিক পলিসি এবং শিক্ষা ব্যবস্থার দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্য। D) রাজনৈতিক সংগঠনে অন্তর্ভুক্ত হওয়া — রাজনৈতিক দলে যোগ দেওয়া নাগরিকের গণতান্ত্রিক অধিকার হতে পারে, কিন্তু এটি বাধ্যতামূলক দায়িত্ব বা কর্তব্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: নাগরিকের দায়িত্ব বলতে বোঝায় যা সমাজের সাধারণ শৃঙ্খলা রক্ষা করে। ট্রাফিক আইন মেনে চলা ব্যক্তিগত সচেতনতার বিষয়, যা সবার জন্য প্রযোজ্য। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: নাগরিকের অধিকার ও কর্তব্য সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। অধিকার ভোগ করার পাশাপাশি আইন মেনে চলার দায়িত্ব সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা থাকা জরুরি।
a মুশফিক
b তামিম
c সাব্বির
d লিটন দাস
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মুশফিক ১. কেন সঠিক: - মুশফিকুর রহিম টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি করার গৌরব অর্জন করেন। - ২০১৩ সালের মার্চ মাসে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে গল টেস্টে তিনি এই ঐতিহাসিক কৃতিত্ব অর্জন করেন। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: বাংলাদেশ ২০০০ সালে টেস্ট স্ট্যাটাস অর্জনের পর দীর্ঘ ১৩ বছর কোনো ব্যাটসম্যান টেস্টে দ্বি-শতক করতে পারেননি। - তারিখ ও স্থান: ২০১৩ সালের ৯ মার্চ শ্রীলঙ্কার গলের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে তিনি এই রেকর্ড গড়েন। - ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: মুশফিকুর রহিম বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও অভিজ্ঞ উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান। - তাৎপর্য ও ফলাফল: এই ইনিংসটি ছিল বাংলাদেশের টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে প্রথম কোনো ডাবল সেঞ্চুরি, যা দেশের ক্রিকেটে নতুন মাইলফলক স্থাপন করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: সাকিব আল হাসান ব্যাখ্যা: তিনি টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে দ্বিতীয় ডাবল সেঞ্চুরি অর্জন করেন, যা ২০১৭ সালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়েলিংটনে করেছিলেন। উদাহরণ ২: তামিম ইকবাল ব্যাখ্যা: তিনি বাংলাদেশের পক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত রানের ইনিংসের মালিক ছিলেন না এই রেকর্ডের সময়, তবে তিনি প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের তিন ফরম্যাটেই সেঞ্চুরি করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুশফিক — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে টেস্টে ডাবল সেঞ্চুরি করেন। B) তামিম — তামিম ইকবাল টেস্টে ডাবল সেঞ্চুরি করেছেন ঠিকই, তবে সেটি মুশফিকের পরে ইংল্যান্ড ও পাকিস্তানের বিপক্ষে করেছিলেন। C) সাব্বির — সাব্বির রহমান একজন আক্রমণাত্মক ব্যাটসম্যান হলেও তিনি টেস্ট ক্রিকেটে কোনো ডাবল সেঞ্চুরি করার রেকর্ড গড়েননি। D) লিটন দাস — লিটন দাস বাংলাদেশের অন্যতম সেরা ব্যাটার হলেও টেস্টে তার কোনো ডাবল সেঞ্চুরি নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - মুশফিক নামটি মনে রাখুন টেস্টের প্রথম ডাবল সেঞ্চুরিয়ান হিসেবে। - মনে রাখুন মুশফিক ২০১৩ সালে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে গল স্টেডিয়ামে এই কীর্তি গড়েন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রশ্নটি খেলাধুলা ও বাংলাদেশের প্রথম অর্জন থেকে প্রায়ই বিসিএস ও ব্যাংক নিয়োগে আসে। - একই বিষয় থেকে পরবর্তীতে টেস্টে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত রান কার বা দ্বিতীয় ডাবল সেঞ্চুরিয়ান কে, এমন প্রশ্ন আসতে পারে।
a 12
b 13
c 14
d 15
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৫ ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো জিডিপি বা জাতীয় আয় গণনার জন্য দেশের অর্থনীতিকে মোট পনেরোটি প্রধান খাতে ভাগ করেছে। - এই খাতগুলোর মাধ্যমে কৃষি, শিল্প ও সেবা খাতের সামগ্রিক উৎপাদন এবং অবদান সঠিকভাবে পরিমাপ করা হয়। ২. অর্থনীতি ও পরিসংখ্যান: - অর্থনৈতিক খাত: জাতীয় হিসাব প্রস্তুতের জন্য খাতগুলোকে পুনরায় প্রধান তিনটি ভাগে অর্থাৎ কৃষি, শিল্প এবং সেবা খাতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। - পরিসংখ্যান সংস্থা: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো বা বিবিএস দেশের জাতীয় আয়, প্রবৃদ্ধি এবং জিডিপি সংক্রান্ত সকল হিসাব প্রকাশ করে থাকে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: কৃষি ও বনজ খাত ব্যাখ্যা: এটি জাতীয় আয়ের একটি প্রধান খাত যা দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। উদাহরণ ২: পাইকারি ও খুচরা ব্যবসা খাত ব্যাখ্যা: সেবা খাতের অন্তর্ভুক্ত এই খাতটি দেশের জিডিপিতে অন্যতম বৃহৎ অংশ সংযোজন করে থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১২ — এই সংখ্যাটি জিডিপি গণনার বর্তমান প্রাতিষ্ঠানিক খাত বিন্যাসের সঙ্গে মিলে না। B) ১৩ — ঐতিহ্যগতভাবে বিভিন্ন সময়ে খাতের সংখ্যা ভিন্ন থাকলেও বর্তমানে তা নয়। সি) ১৪ — এই সংখ্যাটি জিডিপি খাতের সঠিক উপবিভাজনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - জাতীয় আয় গণনার খাতের সংখ্যা মনে রাখতে পনেরো সংখ্যাটি মনে রাখুন। - অর্থনীতির পরিধি বোঝাতে পনেরোটি প্রধান খাতের হিসাব মাথায় রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - জাতীয় আয় গণনার মূল দায়িত্ব পালনকারী প্রতিষ্ঠানের নাম বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো। - জিডিপিতে কোন খাতের অবদান সবচেয়ে বেশি, এই ধরনের প্রশ্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
a ৩০ বছর
b ৩৫ বছর
c ৪০ বছর
d ৪৫ বছর
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩৫ বছর ১. কেন সঠিক: - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচিত হওয়ার জন্য সংবিধান অনুযায়ী প্রার্থীর ন্যূনতম বয়স ৩৫ বছর হতে হবে। - এটি বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য নির্ধারিত একটি বাধ্যতামূলক সাংবিধানিক যোগ্যতা। ২. সংবিধান ও আইন: - সংবিধান এবং আইন: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৪৮ অনুচ্ছেদের ৪ দফার (ক) উপদফা অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচিত হতে হলে প্রার্থীর বয়স কমপক্ষে পঁয়ত্রিশ বছর হতে হবে। - সাংবিধানিক পদ: রাষ্ট্রপতি হলেন রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদ এবং তিনি প্রজাতন্ত্রের প্রধান নির্বাহী ক্ষমতা প্রয়োগ করেন। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি ব্যাখ্যা: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি এবং তাঁর বয়স এই পদের সাংবিধানিক যোগ্যতার শর্ত পূর্ণ করেছিল। উদাহরণ ২: সংসদ সদস্য পদের বয়স ব্যাখ্যা: বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের সদস্য পদে নির্বাচিত হওয়ার ন্যূনতম বয়স পঁচিশ বছর, যা রাষ্ট্রপতি পদের বয়সের চেয়ে দশ বছর কম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩০ বছর — এটি সংসদ সদস্য বা স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার বয়স নয়, তবে রাষ্ট্রপতি পদের জন্য এই বয়স অপর্যাপ্ত। B) ৩৫ বছর — এটি সঠিক উত্তর কারণ সংবিধানের ৪৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি পদের জন্য এটিই নির্ধারিত ন্যূনতম বয়স। C) ৪০ বছর — এটি রাষ্ট্রপতি পদের জন্য নির্ধারিত বয়স নয়, এটি কিছু বিশেষ সাংবিধানিক বা উচ্চপদস্থ পদের ন্যূনতম বয়স হিসেবে মানুষ ভুল করে মনে করে। D) ৪৫ বছর — এই বয়সসীমা বাংলাদেশের কোনো প্রধান সাংবিধানিক পদের জন্য ন্যূনতম বয়স হিসেবে সংবিধানে নির্ধারিত নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - সংসদ সদস্য হতে বয়স লাগে পঁচিশ বছর, আর এর সাথে দশ বছর যোগ করলে রাষ্ট্রপতি হওয়ার বয়স অর্থাৎ পঁয়ত্রিশ বছর পাওয়া যায়। - এভাবে মনে রাখলে সংসদ সদস্য এবং রাষ্ট্রপতির বয়সের পার্থক্যটি সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সংবিধানের ৪৮ অনুচ্ছেদ ভালোভাবে পড়তে হবে কারণ এখান থেকে রাষ্ট্রপতি পদের যোগ্যতা ও অযোগ্যতা সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। - একই টপিক থেকে রাষ্ট্রপতি পদের মেয়াদ এবং অভিশংসন সংক্রান্ত অনুচ্ছেদ থেকেও প্রশ্ন আসতে পারে।
a রাজনৈতিক দল
b সুশীল সমাজ
c বিচার বিভাগ
d প্রশাসন বিভাগ
0 111 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সুশীল সমাজ ১. কেন সঠিক: - সুশীল সমাজ বলতে রাষ্ট্রের কাঠامোর বাইরে এমন একটি সামাজিক পরিসরকে বোঝায় যা সরকার বা কর্পোরেট নিয়ন্ত্রণের আওতাভুক্ত নয় কিন্তু জনমত গঠনে সক্ষম। - বুদ্ধিজীবী, শিক্ষক, সাংবাদিক, গবেষক এবং বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠন এই শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত হয়ে নীতিনির্ধারকদের ওপর নৈতিক চাপ সৃষ্টি করে। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রাম, স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন এবং বিভিন্ন গণতান্ত্রিক সংকটে সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন। - তাৎপর্য ও ফলাফল: রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার বাইরে থেকে জনস্বার্থ রক্ষা, দুর্নীতি প্রতিরোধ এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠায় এই সমাজব্যবস্থা একটি শক্তিশালী অদৃশ্য চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: সংবাদমাধ্যম এবং সম্পাদক পরিষদ ব্যাখ্যা: এরা সরকারের সরাসরি অংশ না হয়েও সংবাদ ও মত প্রকাশের মাধ্যমে সমাজে প্রবল প্রভাব বিস্তার করে। উদাহরণ ২: টিআইবি বা ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ ব্যাখ্যা: এটি একটি বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান যা সরকারের বাইরে থেকে দেশের সুশাসন ও দুর্নীতি নিয়ে কাজ করে প্রভাব ফেলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাজনৈতিক দল — এটি সরাসরি রাষ্ট্রক্ষমতা দখল বা সরকার গঠনের উদ্দেশ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে, যা সুশীল সমাজের সংজ্ঞাভুক্ত নয়। C) বিচার বিভাগ — এটি সরকারের একটি আনুষ্ঠানিক সাংবিধানিক বিভাগ যা আইন প্রয়োগ ও বিচারকার্য পরিচালনা করে। D) প্রশাসন বিভাগ — এটি রাষ্ট্রের নির্বাহী অঙ্গের অংশ যা সরকারি নীতি বাস্তবায়নের সাথে সরাসরি যুক্ত। ৫ মনে রাখার টিপস: - মনে রাখবেন, সরকারের অংশ নয় কিন্তু সমাজের নীতিনির্ধারণে প্রভাব ফেলে এমন নিরপেক্ষ ও স্বাধীন গোষ্ঠীই হলো সুশীল সমাজ। - রাজনৈতিক দল ক্ষমতা চায়, প্রশাসন দেশ চালায়, আর সুশীল সমাজ পাহারাদারের ভূমিকা পালন করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে সংবাদমাধ্যম বা সুশীল সমাজের ভূমিকা সম্পর্কিত প্রশ্ন বিসিএস লিখিত ও প্রিলিমিনারিতে প্রায়ই আসে। - এই প্রশ্নটি থেকে পরীক্ষার্থীরা রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও সমাজবিজ্ঞানের মৌলিক ধারণা সম্পর্কে স্পষ্ট জ্ঞান লাভ করতে পারে।
a আইন মন্ত্রণালয়ের
b রাষ্ট্রপতির
c স্পীকারের
d জাতীয় সংসদের
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জাতীয় সংসদের ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী আইন প্রণয়নের একমাত্র ও সর্বোচ্চ ক্ষমতা জাতীয় সংসদের ওপর ন্যস্ত। - সংবিধানের ৬৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী দেশের একটি আইনসভা থাকবে যা জাতীয় সংসদ নামে পরিচিত এবং প্রজাতন্ত্রের আইন প্রণয়ন ক্ষমতা সংসদের হাতে ন্যস্ত। ২. সংবিধান ও আইন: - সংবিধান ও আইন: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৫ অনুচ্ছেদে আইন প্রণয়নের ক্ষমতা জাতীয় সংসদের ওপর অর্পণ করা হয়েছে। - তাৎপর্য ও ফলাফল: জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে গঠিত জাতীয় সংসদ দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও জনকল্যাণে নতুন আইন তৈরি এবং পুরনো আইন সংশোধন বা বাতিল করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বা সাইবার নিরাপত্তা আইন প্রণয়ন ব্যাখ্যা: সমাজে সাইবার অপরাধ রোধ এবং তথ্যপ্রযুক্তির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য জাতীয় সংসদ এই ধরনের গুরুত্বপূর্ণ আইন প্রণয়ন করে থাকে। উদাহরণ ২: জাতীয় বাজেট পাস ব্যাখ্যা: প্রতি অর্থবছর শুরুর আগে জাতীয় সংসদে বাজেট পাস করার মাধ্যমে সরকার সারা বছরের আয় ও ব্যয়ের আইনি বৈধতা লাভ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আইন মন্ত্রণালয়ের — এই মন্ত্রণালয় দেশের আইন প্রণয়নের প্রাথমিক খসড়া তৈরি করে এবং বিচার বিভাগীয় কার্যক্রম পরিচালনা করে, তবে সরাসরি আইন পাস করার ক্ষমতা এর নেই। B) রাষ্ট্রপতির — রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদে পাস হওয়া বিলে স্বাক্ষর করে আইনে পরিণত করেন, তবে তিনি নিজে কোনো আইন প্রণয়ন করতে পারেন না, শুধু অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন। C) স্পীকারের — স্পিকার জাতীয় সংসদের অধিবেশন পরিচালনা করেন এবং সংসদীয় কার্যপ্রণালী নিয়ন্ত্রণ করেন, কিন্তু আইন প্রণয়নের একক কোনো ক্ষমতা তাঁর নেই। D) জাতীয় সংসদের — এটি সঠিক উত্তর কারণ সংবিধান অনুযায়ী আইন প্রণয়নের একক ও সর্বময় ক্ষমতা জাতীয় সংসদের রয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - আইন প্রণয়ন মানেই আইন তৈরি করা, আর আইন তৈরি করে আমাদের দেশের সর্বোচ্চ সংসদ বা পার্লামেন্ট। - সংবিধানের ৬৫ অনুচ্ছেদ মনে রাখলে এই প্রশ্নের উত্তর ভুল হওয়ার কোনো সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে আইন প্রণয়নের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে, তা জানতে চাওয়া হয়। - একই বিষয় থেকে সংসদের মেয়াদ, কোরাম বা বিল পাস হওয়ার প্রক্রিয়া সম্পর্কিত প্রশ্নও আসতে পারে।
a পৌরসভা
b পল্লী বিদ্যুৎ
c সিটি কর্পোরেশন
d উপজেলা পরিষদ
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পল্লী বিদ্যুৎ ১. কেন সঠিক: স্থানীয় সরকার বলতে এমন একটি প্রশাসনিক ব্যবস্থাকে বোঝায় যেখানে স্থানীয় জনগণের দ্বারা নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে নির্দিষ্ট এলাকার স্থানীয় সমস্যা সমাধান ও উন্নয়নমূলক কাজ পরিচালিত হয়। পল্লী বিদ্যুৎ কোনো স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান নয়, এটি বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের অধীনে পরিচালিত একটি রাষ্ট্রীয় বাণিজ্যিক বা সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান যা গ্রামীণ অঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে থাকে। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: সংবিধান ও আইন: বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৯ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী দেশের প্রতিটি প্রশাসনিক এলাকার স্থানীয় শাসনভার নির্বাচিত ব্যক্তিদের সমন্বয়ে গঠিত স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের ওপর ন্যস্ত করা হয়েছে। প্রশাসনিক কাঠামো: বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে মূলত দুই ভাগে ভাগ করা হয়, যার মধ্যে গ্রামীণ অঞ্চলে রয়েছে ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও জেলা পরিষদ এবং শহরাঞ্চলে রয়েছে পৌরসভা ও সিটি কর্পোরেশন। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন ব্যাখ্যা: এটি একটি স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান যা নগরবাসীর নাগরিক সুবিধা ও সেবা নিশ্চিত করার জন্য স্থানীয়ভাবে নির্বাচিত মেয়র ও কাউন্সিলর দ্বারা পরিচালিত হয়। উদাহরণ ২: বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড ব্যাখ্যা: এটি পল্লী বিদ্যুতের মতোই একটি জাতীয় পর্যায়ের সরকারি সংস্থা, যা দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন ও বিতরণের সাথে যুক্ত কিন্তু স্থানীয় সরকারের অংশ নয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পৌরসভা — এটি শহর অঞ্চলের একটি স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান যা নাগরিকদের মৌলিক নাগরিক সুবিধা প্রদান করে থাকে। B) পল্লী বিদ্যুৎ — এটি কোনো স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান নয়, বরং বিদ্যুৎ বিতরণ ও সরবরাহের জন্য গঠিত একটি রাষ্ট্রায়ত্ত স্বতন্ত্র বোর্ড বা সংস্থা। C) সিটি কর্পোরেশন — এটি দেশের বড় বড় মহানগর এলাকার জন্য গঠিত স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার সর্বোচ্চ স্তর। D) উপজেলা পরিষদ — এটি গ্রামীণ প্রশাসনিক ব্যবস্থার উপজেলা স্তরে গঠিত একটি জননির্বাচিত স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান। ৫. মনে রাখার টিপস: স্থানীয় সরকার চেনার সহজ উপায় হলো এগুলো সরাসরি নির্বাচন বা জনগণের প্রতিনিধিত্বের মাধ্যমে গঠিত হয় এবং সুনির্দিষ্ট এলাকার প্রশাসন চালায়। পল্লী বিদ্যুৎ বা এই জাতীয় সেবা সংস্থাগুলো বিদ্যুৎ বা গ্যাস সরবরাহের কাজে নিয়োজিত, তাই এগুলোকে স্থানীয় সরকার হিসেবে গণ্য করা যাবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা মূলত ত্রিস্তর বিশিষ্ট গ্রামীণ কাঠামো এবং দ্বিস্তর বিশিষ্ট শহুরে কাঠামোর ওপর প্রতিষ্ঠিত। এই টপিক থেকে পরীক্ষায় প্রায়ই কোন প্রতিষ্ঠানটি স্থানীয় সরকার বা কোনটি স্থানীয় সরকার নয় তা নিয়ে প্রশ্ন আসে, তাই সংবিধানে বর্ণিত স্থানীয় সরকারের স্তরগুলো ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a নির্বাচন কমিশনের অনুমতিক্রমে প্রার্থী হতে পারবেন
b আইন মন্ত্রণালয়ের অনুমতিক্রমে প্রার্থী হতে পারবেন
c সংশিষ্ট দলীয় কর্তৃপক্ষের অনুমতিক্রমে প্রার্থী হতে পারবেন
d কোনোক্রমেই প্রার্থী হতে পারবেন না
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কোনোক্রমেই প্রার্থী হতে পারবেন না ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার জন্য ভোটার তালিকাভুক্ত হওয়া একটি বাধ্যতামূলক এবং প্রাথমিক শর্ত। দেশের কোনো এলাকাতেই ভোটার হননি এমন ব্যক্তি আইনের দৃষ্টিতে প্রার্থী হওয়ার যোগ্য নন। - গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এবং সংবিধানের সংশ্লিষ্ট বিধান অনুযায়ী ভোটার তালিকার সঙ্গে সংসদ সদস্য পদের প্রার্থিতা সরাসরি যুক্ত। ভোটার না হলে প্রার্থী হওয়ার কোনো আইনি সুযোগ থাকে না। ২. সংবিধান ও আইন: - সংবিধান ও আইন: গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ (RPO) এর বিধান অনুযায়ী সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হলে প্রার্থীকে অবশ্যই বাংলাদেশের যেকোনো নির্বাচনী এলাকার ভোটার হতে হবে। - তাৎপর্য ও ফলাফল: এই বিধানের উদ্দেশ্য হলো নিশ্চিত করা যে কেবল বাংলাদেশের আইনসম্মত নাগরিক এবং ভোটাররাই দেশের আইনপ্রণেতা হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার অধিকার রাখেন। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিক ব্যাখ্যা: বিদেশে বসবাসকারী কোনো বাংলাদেশি নাগরিক যদি দেশের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত না থাকেন, তবে তিনি সরাসরি সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না। উদাহরণ ২: দ্বৈত নাগরিকত্ব বা নতুন ভোটার ব্যাখ্যা: নতুন ভোটার হওয়ার বয়স পূর্ণ হওয়া সত্ত্বেও যদি কেউ ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত না করেন, তবে তিনি নির্বাচনে অংশগ্রহণের আইনি যোগ্যতা অর্জন করবেন না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নির্বাচন কমিশনের অনুমতিক্রমে প্রার্থী হতে পারবেন — নির্বাচন কমিশনের কোনো এখতিয়ার নেই ভোটার তালিকায় নাম না থাকা ব্যক্তিকে প্রার্থী হিসেবে অনুমোদন দেওয়ার কারণ আইন সবার জন্য সমান। B) আইন মন্ত্রণালয়ের অনুমতিক্রমে প্রার্থী হতে পারবেন — আইন মন্ত্রণালয় নির্বাচন পরিচালনা বা প্রার্থিতা অনুমোদন সংক্রান্ত কোনো সিদ্ধান্ত নেয় না, তাই এই অপশনটি ভুল। C) সংশিষ্ট দলীয় কর্তৃপক্ষের অনুমতিক্রমে প্রার্থী হতে পারবেন — রাজনৈতিক দল কাউকে মনোনয়ন দিলেও নির্বাচন কমিশনের আইনি শর্ত পূরণ না হলে সেই ব্যক্তি প্রার্থী হতে পারবেন না। D) কোনোক্রমেই প্রার্থী হতে পারবেন না — এটি সঠিক কারণ ভোটার না হলে প্রার্থী হওয়ার কোনো আইনি বিকল্প নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: - সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে হলে সবার আগে ভোটার হতে হবে। ভোটার না হলে নির্বাচন কমিশনে কোনো আবেদনই কাজে আসবে না। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার অযোগ্যতার শর্তগুলো থেকে প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের বিধানগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a ৩ বছর
b ৪ বছর
c ৫ বছর
d ৬ বছর
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫ বছর ১. কেন সঠিক: - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১১৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন গঠিত হয় এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদের মেয়াদকাল ৫ বছর নির্ধারিত রয়েছে। - এই নির্দিষ্ট মেয়াদকাল সাংবিধানিক ও প্রশাসনিক ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে এবং নির্বাচন কমিশনকে স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালনে সহায়তা করতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ২. সংবিধান ও আইন: - সংবিধানের ১১৮(৪) অনুচ্ছেদে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারদের পদের মেয়াদ সম্পর্কে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। - কোনো ব্যক্তি প্রধান নির্বাচন কমিশনার বা নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন শেষ করলে তিনি প্রজাতন্ত্রের অন্য কোনো পদে নিয়োগের যোগ্য হবেন না। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ ব্যাখ্যা: তিনি বাংলাদেশের প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে ৫ বছর মেয়াদ সফলভাবে পূর্ণ করেছিলেন। উদাহরণ ২: কে এম নুরুল হুদা ব্যাখ্যা: তিনিও নির্ধারিত ৫ বছর মেয়াদকাল দায়িত্ব পালন করে নির্বাচন কমিশন থেকে অবসর গ্রহণ করেছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩ বছর — বাংলাদেশের সাংবিধানিক কোনো গুরুত্বপূর্ণ পদের মেয়াদ সাধারণত ৩ বছর হয় না। B) ৪ বছর — সংসদ সদস্য বা নির্বাচন কমিশনারদের পদের মেয়াদ ৪ বছর নির্ধারিত নয়। D) ৬ বছর — বাংলাদেশের মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের পদের মেয়াদ ৬ বছর হলেও প্রধান নির্বাচন কমিশনারের মেয়াদ তা নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - নির্বাচন মানেই ৫ বছরের জন্য সরকার বা প্রতিনিধি নির্বাচন, তাই প্রধান নির্বাচন কমিশনারের মেয়াদও ৫ বছর মনে রাখা সহজ। - মেয়াদ ৬ বছরের ক্ষেত্রে মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের কথা মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রধান নির্বাচন কমিশনার কত বছর বয়সে অবসর গ্রহণ করেন, তা অনুচ্ছেদ ১১৮ থেকে জেনে রাখা দরকার। - একই বিষয় থেকে নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগ প্রক্রিয়া ও অপসারণ পদ্ধতি নিয়েও প্রশ্ন আসতে পারে।
a রাজশাহী
b দিনাজপুর
c খুলনা
d চট্টগ্রাম
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) চট্টগ্রাম ১. কেন সঠিক: প্রাচীন বাংলার জনপদগুলোর মধ্যে হরিকেল অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল ছিল। বর্তমান দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের চট্টগ্রাম এবং এর আশেপাশের এলাকা নিয়ে এই প্রাচীন জনপদটি গঠিত হয়েছিল। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: প্রাচীন বাংলার বিভিন্ন তাম্রশাসন, মুদ্রা এবং সমসাময়িক সাহিত্যে হরিকেল জনপদের উল্লেখ পাওয়া যায়। সপ্তম ও অষ্টম শতকের চিনা পর্যটক ইৎ-সিং এর বিবরণে হরিকেলকে বৌদ্ধধর্মের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: পুণ্ড্র জনপদ ব্যাখ্যা: এটি প্রাচীন বাংলার উত্তর অঞ্চলের বগুড়া ও রাজশাহী এলাকা নিয়ে গঠিত ছিল, যা হরিকেলের মতো দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চলে অবস্থিত ছিল না। উদাহরণ ২: সমতট জনপদ ব্যাখ্যা: বর্তমান কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চল নিয়ে সমতট গঠিত হলেও, হরিকেল মূলত চট্টগ্রাম ও তার সংলগ্ন পাহাড়ি অঞ্চল জুড়ে বিস্তৃত ছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাজশাহী — এটি প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিল, হরিকেলের অংশ ছিল না। B) দিনাজপুর — এটিও প্রাচীন উত্তরবঙ্গের পুণ্ড্র জনপদের অন্তর্ভুক্ত একটি এলাকা। C) খুলনা — এটি প্রাচীন বাংলার বঙ্গ বা সমতট অঞ্চলের অংশ হিসেবে বিবেচিত হতো। D) চট্টগ্রাম — এটি প্রাচীন হরিকেল জনপদের অন্তর্ভুক্ত সঠিক এলাকা। ৫. মনে রাখার টিপস: হরিকেল জনপদের সাথে চট্টগ্রামকে মনে রাখার সহজ উপায় হলো হরিকেল শব্দের শেষাংশ এবং চট্টগ্রামের পাহাড়ি উপকূলীয় ভূপ্রকৃতির ঐতিহ্যগত মিল। প্রাচীন মুদ্রায় হরিকেলের উপস্থিতি চট্টগ্রাম অঞ্চলের সমৃদ্ধ বাণিজ্যের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রাচীন বাংলার জনপদগুলো থেকে বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। কোন জনপদ বর্তমান কোন জেলা বা অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত, তা ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a 0.0592
b 0.06
c 0.0641
d 0.0643
0 107 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ০.০৫৯২ প্রদত্ত তথ্য: ২০১৫-২০১৬ অর্থবছরের জাতীয় অর্থনৈতিক প্রতিবেদন বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো কর্তৃক প্রকাশিত মূল্যস্ফীতির বার্ষিক হিসাব ধরি, উক্ত অর্থবছরের প্রারম্ভিক ভোক্তা মূল্য সূচক এবং সমাপনী ভোক্তা মূল্য সূচক অতএব, সার্বিক গড় মূল্যস্ফীতির বার্ষিক হার নির্ধারণের জন্য প্রাপ্ত উপাত্তগুলোর গাণিতিক গড় নির্ণয় সুতরাং, সকল মাসের মূল্যস্ফীতির হারের সমষ্টিকে মাস সংখ্যা দ্বারা ভাগ করে চূড়ান্ত মান প্রাপ্তি উত্তর: ০.০৫৯২
a 0.07
b 0.0712
c 0.073
d 0.074
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৭.৪% ১. কেন সঠিক: - ৭ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা ২০১৬ থেকে ২০২০ মেয়াদে দেশের মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপির গড় প্রকৃত প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৭.৪%। - পরিকল্পনা কমিশন ও বাংলাদেশ সরকারের দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক উন্নয়নের রূপরেখা অনুযায়ী এই উচ্চ প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল। ২. অর্থনীতি, শিল্প ও উন্নয়ন: - অর্থনৈতিক পরিকল্পনা: বাংলাদেশে পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার মাধ্যমে জাতীয় অর্থনীতি ও উন্নয়নের দিকনির্দেশনা নির্ধারিত হয়। - লক্ষ্যমাত্রা: ৭ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় দারিদ্র্য বিমোচন এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি উচ্চ প্রবৃদ্ধি অর্জনকে প্রধান অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছিল। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ৮ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা ব্যাখ্যা: ২০২১ থেকে ২০২৫ মেয়াদে বাস্তবায়নাধীন ৮ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা আরও উঁচুতে ধরা হয়েছে। উদাহরণ ২: বাংলাদেশ ব্যাংক ব্যাখ্যা: দেশের মুদ্রানীতি প্রণয়ন এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই প্রবৃদ্ধি অর্জনে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৭.০% — এই মানটি ৭ম পরিকল্পনা নির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে কম এবং এটি অন্য কোনো প্রাথমিক বা সাময়িক প্রাক্কলনের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। B) ৭.১২% — এই সংখ্যাটি ৭ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার মূল লক্ষ্যমাত্রার সঙ্গে মিলছে না। C) ৭.৩% — এটি ৭ম পরিকল্পনার নির্ধারিত চূড়ান্ত লক্ষ্যমাত্রার কাছাকাছি হলেও সঠিক সরকারি দলিল অনুযায়ী এটি সঠিক নয়। D) ৭.৪% — এটি ৭ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা দলিলের চূড়ান্ত অনুমোদিত প্রকৃত জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা। ৫ মনে রাখার টিপস: - ৭ম পরিকল্পনা মানেই ৭.৪% প্রবৃদ্ধি। - ৭ সংখ্যাটি মনে রাখলেই ৭ম পরিকল্পনা এবং তার পরের দশমিক চার বা চার শতাংশ যোগ করে ৭.৪% মনে রাখা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - পরিকল্পনা কমিশনের মেয়াদ এবং জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা বিসিএস ও ব্যাংক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - একই বিষয় থেকে কোন পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার সময়কাল কত এবং মাথাপিছু আয়ের লক্ষ্যমাত্রা কত ছিল, সে সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
a 25
b 27
c 29
d 31
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৯ ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশ ইকোনমিক রিভিউ, ২০১৬ অনুযায়ী উক্ত অর্থবছরে দেশে প্রতি হাজার জীবিত জন্মে শিশু মৃত্যুর হার ছিল ২৯ জন। স্বাস্থ্য খাতের দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়ন, টিকাদান কর্মসূচি এবং পুষ্টির মান বৃদ্ধির ফলে বাংলাদেশে শিশু মৃত্যুর হার ক্রমান্বয়ে হ্রাস পাচ্ছে। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: জনসংখ্যা, জনগণনা ও জনমিতি এবং বাংলাদেশের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সামাজিক উন্নয়ন: স্বাস্থ্য খাতের বিভিন্ন সূচকে বাংলাদেশের অগ্রগতি বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত হয়েছে এবং সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে দেশ উল্লেখযোগ্য সাফল্য দেখিয়েছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (EPI) ব্যাখ্যা: টিকাদান কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়নের ফলে শিশু মৃত্যুর হার উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। উদাহরণ ২: মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচি ব্যাখ্যা: সরকারের এই সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী কর্মসূচির মাধ্যমে প্রসবকালীন ও প্রসবোত্তর স্বাস্থ্যসেবা উন্নত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৫ — এটি নির্দিষ্ট ঐ সময়ের সঠিক পরিসংখ্যান নয় এবং নির্ধারিত মান থেকে কম। B) ২৭ — এটি বাংলাদেশ ইকোনমিক রিভিউ, ২০১৬ এর মূল প্রতিবেদনের সঙ্গে মিলে না। C) ২৯ — এটি বাংলাদেশ ইকোনমিক রিভিউ, ২০১৬ অনুযায়ী সঠিক উত্তর। D) ৩১ — এটি আগের বছরের পরিসংখ্যান নির্দেশ করে যা ২০১৬ সালের পর্যালোচনার চেয়ে বেশি। ৫. মনে রাখার টিপস: ইকোনমিক রিভিউ ২০১৬ সালের শিশু মৃত্যুর হার মনে রাখার জন্য সংখ্যাটি মাথায় রাখুন যে এটি ত্রিশের ঠিক নিচে অর্থাৎ উনত্রিশ ছিল। স্বাস্থ্য সূচক সংক্রান্ত যেকোনো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রশ্নের উত্তর করার সময় সাম্প্রতিক বা নির্দিষ্ট রিপোর্টের সাল ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলাদেশ ইকোনমিক রিভিউ বা অর্থনৈতিক সমীক্ষার বিভিন্ন সামাজিক সূচক যেমন শিক্ষা, স্বাস্থ্য, দারিদ্র্য বিমোচন ও জনসংখ্যা সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। একই বিষয় থেকে পরবর্তীতে মাতৃমৃত্যু হার বা গড় আয়ু সম্পর্কিত প্রশ্নও আসতে পারে।
a ধারা ২৬
b ধারা ২৭
c ধারা ২৮
d ধারা ২৯
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ধারা ২৭ ১. কেন সঠিক: - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় ভাগে মৌলিক অধিকারের কথা বলা হয়েছে এবং ২৭ নং অনুচ্ছেদে আইনের দৃষ্টিতে সমতার নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে। - এর অর্থ হলো সকল নাগরিক আইনের চোখে সমান এবং আইন সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য ও রক্ষিত হবে। ২. সংবিধান ও আইন: - সংবিধানের তৃতীয় ভাগে ২৬ থেকে ৪৪ অনুচ্ছেদ পর্যন্ত নাগরিকদের মৌলিক অধিকারের নিশ্চয়তা প্রদান করা হয়েছে। - ২৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ধর্ম, বর্ণ, গোত্র, নারী-পুরুষ ভেদে আইনের প্রয়োগে কোনো বৈষম্য করা যাবে না। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে যেকোনো অপরাধীর বিচার দেশের প্রচলিত একই আইনে হওয়া। ব্যাখ্যা: এটি আইনের দৃষ্টিতে সমতার বাস্তব প্রতিফলন যেখানে সামাজিক বা অর্থনৈতিক অবস্থান বিচারের ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলে না। উদাহরণ ২: রাষ্ট্রীয় কোনো পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে সকল যোগ্য নাগরিকের সমান সুযোগ থাকা। ব্যাখ্যা: এটি সংবিধানের ২৭ অনুচ্ছেদ ও অন্যান্য মৌলিক অধিকারের সুফল নিশ্চিত করার একটি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধারা ২৬ — এই ধারায় মৌলিক অধিকারের সাথে অসংগত আইন সম্পর্কে বলা হয়েছে যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয়। B) ধারা ২৭ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই ধারায় আইনের দৃষ্টিতে সমতার কথা স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে। C) ধারা ২৮ — এই ধারায় ধর্ম ইত্যাদির কারণে বৈষম্যের কথা বলা হয়েছে যা সমতার একটি নির্দিষ্ট দিক। D) ধারা ২৯ — এই ধারায় সরকারি নিয়োগলাভে সুযোগের সমতার কথা বলা হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - সাত এবং সমতা শব্দ দুটির উচ্চারণ ও ভাব মনে রাখলে ২৭ অনুচ্ছেদ সহজেই মনে রাখা সম্ভব। - মৌলিক অধিকারের শুরুর দিককার ধারাগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করলে সাংবিধানিক প্রশ্নগুলো সহজে উত্তর করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সংবিধানের তৃতীয় ভাগ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - অনুচ্ছেদ ২৬ থেকে ৪৪ পর্যন্ত মৌলিক অধিকারের মূল বিষয়বস্তু ভালোভাবে পড়ে রাখা জরুরি।
a বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক
b সোনালী ব্যাংক
c অগ্রণী ব্যাংক
d রূপালী ব্যাংক
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক একটি বিশেষায়িত আর্থিক প্রতিষ্ঠান যা মূলত দেশের কৃষি খাতের উন্নয়ন এবং কৃষকদের ঋণ সহায়তা প্রদানের উদ্দেশ্যে গঠিত হয়েছে। - ১৯৭৩ সালের রাষ্ট্রপতির আদেশ নং ২৭ এর মাধ্যমে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এটি সাধারণ ব্যাংকিং কার্যাবলির বাইরে নির্দিষ্ট খাতের ওপর গুরুত্ব দেয়। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে ব্যাংকটি গ্রামীণ অর্থনীতি এবং কৃষির আধুনিকায়নে দীর্ঘকাল ধরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। - প্রতিষ্ঠান: এটি একটি রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত বাণিজ্যিক ব্যাংক যা অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের আওতাধীন পরিচালিত হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক (রাকাব) ব্যাখ্যা: এটিও একটি বিশেষায়িত ব্যাংক যা উত্তরবঙ্গের কৃষি খাতের উন্নয়নের জন্য বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক থেকেই আলাদা হয়ে গঠিত হয়েছিল। উদাহরণ ২: প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক ব্যাখ্যা: এটি অভিবাসী কর্মী ও প্রবাসীদের আর্থিক সহায়তা দেওয়ার উদ্দেশ্যে গঠিত আরেকটি বিশেষায়িত ব্যাংক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি কৃষিখাত কেন্দ্রिक বিশেষায়িত ব্যাংক। B) সোনালী ব্যাংক — এটি বাংলাদেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক, কোনো বিশেষায়িত ব্যাংক নয়। C) অগ্রণী ব্যাংক — এটি একটি রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক যা সাধারণ ব্যাংকিং পরিচালনা করে। D) রূপালী ব্যাংক — এটিও একটি রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক যা সাধারণ বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনা করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - নামের মধ্যেই খাতের নাম অর্থাৎ কৃষি শব্দটি থাকা ব্যাংকটিই বিশেষায়িত কৃষি ব্যাংক। - সোনালী, অগ্রণী ও রূপালী ব্যাংক সাধারণ বাণিজ্যিক ব্যাংক এবং কৃষি ব্যাংক বিশেষায়িত ব্যাংক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংক ও বাণিজ্যিক ব্যাংকের মধ্যে পার্থক্য জিজ্ঞেস করা হয়। - বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর আইনগত ভিত্তি কী, তা মনে রাখা জরুরি।
a নিয়মিতভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে
b অনিয়মিতভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে
c ক্রমহ্রাসমান
d অপরিবর্তিত থাকছে
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ক্রমহ্রাসমান ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশের অর্থনীতি দ্রুত রূপান্তরিত হচ্ছে এবং জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান দিন দিন কমছে। - শিল্প ও সেবা খাতের দ্রুত সম্প্রসারণের কারণে সামগ্রিক অর্থনীতিতে কৃষির তুলনামূলক অংশ হ্রাস পাচ্ছে। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: অর্থনৈতিক রূপান্তর: স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের অর্থনীতি প্রধানত কৃষিনির্ভর ছিল। সময়ের সাথে সাথে তৈরি পোশাকশিল্প, প্রবাসী আয় এবং সেবা খাতের প্রবৃদ্ধির ফলে কৃষির অবদান কমে এসেছে। তাৎপর্য ও ফলাফল: কৃষির অবদান কমলেও উৎপাদন বা খাদ্য নিরাপত্তা কমেনি, বরং এটি আধুনিক অর্থনীতিতে কাঠামোগত পরিবর্তনের স্বাভাবিক লক্ষণ। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: আশির দশকে জিডিপিতে কৃষির অবদান ছিল প্রায় ৫০ শতাংশের বেশি। ব্যাখ্যা: সময়ের সাথে সাথে জিডিপির আকার বৃদ্ধি পেলেও অন্যান্য খাতের প্রবৃদ্ধি অনেক বেশি হওয়ায় কৃষির অনুপাত কমে গেছে। উদাহরণ ২: সাম্প্রতিক বছরগুলোতে শিল্প ও সেবা খাতের অবদান প্রায় ৯০ শতাংশের কাছাকাছি পৌঁছেছে। ব্যাখ্যা: এটি নির্দেশ করে বাংলাদেশ একটি অনুন্নত কৃষিনির্ভর অর্থনীতি থেকে উন্নয়নশীল শিল্প ও সেবামুখী অর্থনীতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিয়মিতভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে — এটি ভুল কারণ অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারায় জিডিপিতে কৃষির অবদান বাড়ার পরিবর্তে সাধারণত কমতে থাকে। B) অনিয়মিতভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে — এই বক্তব্যটি অর্থনৈতিক কাঠামোগত পরিবর্তনের তত্ত্বের সাথে সংগতিপূর্ণ নয়। D) অপরিবর্তিত থাকছে — দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক পরিসংখ্যানে কৃষির অবদান স্থির নেই, বরং তা ক্রমশ হ্রাস পাচ্ছে। ৫ মনে রাখার টিপস: উন্নয়নশীল দেশের অর্থনীতিতে শিল্প ও সেবা খাত বাড়লে কৃষির অবদান কমতে থাকে। অর্থনীতির কাঠামোগত রূপান্তর মনে রাখতে জিডিপিতে কৃষির অংশ কমা এবং শিল্প ও সেবার অংশ বাড়ার সম্পর্কটি মাথায় রাখা প্রয়োজন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: জিডিপিতে কোন খাতের অবদান সবচেয়ে বেশি এবং কোন খাতের অবদান কমছে তা বিসিএস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই বিষয় থেকে প্রশ্ন আসতে পারে বর্তমান জাতীয় আয়ে কোন খাতের অবদান সর্বাধিক।
a ১৯৭৯ সালে
b ১৯৭২ সালে
c ১৯৭৩ সালে
d ১৯৭৪ সালে
0 121 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৯৭৪ সালে ১. কেন সঠিক: স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম আদমশুমারি বা জনগণনা অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালে। যুদ্ধের মাধ্যমে সদ্য স্বাধীন দেশের সঠিক জনসংখ্যা, জনমিতি ও আর্থসামাজিক অবস্থা নির্ধারণের জন্য এই শুমারি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: জনসংখ্যা, জনগণনা ও জনমিতি: এই ধরনটি দেশের জনসংখ্যা গণনা, আদমশুমারির ইতিহাস এবং জনমিতিক বৈশিষ্ট্য পর্যালোচনার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯৭৪ সালের পর বাংলাদেশে মোট ছয়টি আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং সর্বশেষ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ সালে সম্পন্ন হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশের ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের প্রথম ডিজিটাল জনশুমারি, যা আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে দেশের সঠিক জনসংখ্যা নির্ধারণ করেছে। উদাহরণ ২: ১৯৭৪ সালের আদমশুমারিতে বাংলাদেশের জনসংখ্যা ব্যাখ্যা: সেসময়ে যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের মোট জনসংখ্যা ছিল প্রায় ৭ কোটি ১৫ লক্ষ, যা থেকে বর্তমান জনমিতির তুলনামূলক ধারণা পাওয়া যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৭৯ সালে — এই সালে বাংলাদেশের কোনো আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়নি কারণ ১৯৭৪ সালের পর দ্বিতীয় শুমারি হয় ১৯৮১ সালে। B) ১৯৭২ সালে — সদ্য স্বাধীন দেশের পুনর্গঠন ও সংবিধান প্রণয়নের কাজ চলায় এই বছর কোনো আদমশুমারি করা সম্ভব হয়নি। C) ১৯৭৩ সালে — এই বছর যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের প্রথম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, তবে আদমশুমারি শুরু হয় তার পরের বছর ১৯৭৪ সালে। D) ১৯৭৪ সালে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম আদমশুমারি সম্পন্ন হয়েছিল। ৫. মনে রাখার টিপস: স্বাধীনতার পর প্রথম নির্বাচন হয় ১৯৭৩ সালে এবং তার ঠিক এক বছর পর ১৯৭৪ সালে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়। এই ধারাবাহিকতা মনে রাখলে ১৯৭৪ সাল মনে রাখা সহজ হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম আদমশুমারি কত সালে হয়, এই প্রশ্নটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। একই বিষয় থেকে সর্বশেষ জনশুমারি ২০২২ সালের মোট জনসংখ্যা বা শুমারির ব্যবধান সম্পর্কিত প্রশ্নও আসতে পারে।
a রাঙ্গামাটি জেলায়
b খাগড়াছড়ি জেলায়
c বান্দরবান জেলায়
d সিলেট জেলায়
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রাঙ্গামাটি জেলায় ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসকারী ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে চাকমা জনগোষ্ঠী সবচেয়ে বড় এবং এদের লোকসংখ্যা সর্বাধিক। জনমিতি ও সংস্কৃতিগত দিক থেকে রাঙ্গামাটি জেলায় চাকমা জনগোষ্ঠীর বসবাস সবচেয়ে বেশি কেন্দ্রীভূত রয়েছে। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: জনসংখ্যা, জনগণনা ও জনমিতি: বাংলাদেশের মোট ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জনসংখ্যার বড় একটি অংশ পাহাড়ি অঞ্চলে বসবাস করে। সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য: চাকমা সমাজ মূলত মাতৃতান্ত্রিক বা পিতৃতান্ত্রিক মিশ্র ধারার হলেও তাদের নিজস্ব সামাজিক প্রথা ও সার্কেল সিস্টেম রয়েছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: চাকমা রাজা বা চাকমা সার্কেল চিফ ব্যাখ্যা: চাকমা জনগোষ্ঠীর প্রশাসনিক ও সামাজিক প্রধানকে রাজা বলা হয়, যার সদর দপ্তর রাঙ্গামাটি জেলায় অবস্থিত। উদাহরণ ২: বিজু উৎসব ব্যাখ্যা: চাকমা জনগোষ্ঠীর প্রধান সামাজিক উৎসব হলো বিজু, যা বর্ষবরণের সময় রাঙ্গামাটিসহ পুরো পার্বত্য অঞ্চলে মহাসমারোহে উদযাপিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাঙ্গামাটি জেলায় — এটি সঠিক উত্তর কারণ চাকমা জনগোষ্ঠীর সর্বাধিক লোকসংখ্যা এই জেলায় বসবাস করে। B) খাগড়াছড়ি জেলায় — এই জেলায় মারমা ও ত্রিপুরা জনগোষ্ঠীর ভালো অবস্থান থাকলেও চাকমা জনগোষ্ঠীর লোকসংখ্যা রাঙ্গামাটির চেয়ে কম। C) বান্দরবান জেলায় — এটি বম, ম্রো ও মারমা জনগোষ্ঠীর প্রধান বসবাসস্থল, তাই চাকমা জনগোষ্ঠীর লোকসংখ্যা এখানে সর্বাধিক নয়। D) সিলেট জেলায় — এটি মূলত খাসিয়া ও মণিপুরি জনগোষ্ঠীর প্রধান এলাকা, যেখানে চাকমা জনগোষ্ঠীর উল্লেখযোগ্য বসবাস নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: চাকমা মানে রাঙ্গামাটি, কারণ পার্বত্য অঞ্চলের প্রধান এই জনগোষ্ঠীর সদর দপ্তর এবং মূল কেন্দ্র রাঙ্গামাটি জেলায় অবস্থিত। অন্যান্য জেলার সঙ্গে গুলিয়ে না ফেলে চাকমার সঙ্গে রাঙ্গামাটির এই প্রধান সংযোগটি মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলাদেশের বৃহত্তম ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী কোনটি এবং তাদের প্রধান বসবাস কোথায়, তা চাকরির পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। একই বিষয় থেকে প্রশ্ন হতে পারে চাকমা সার্কেলের প্রধান কে বা তাদের প্রধান উৎসবের নাম কী।
a বরিশালে
b ময়মনসিংহে
c খাগড়াছড়িতে
d দিনাজপুরে
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) খাগড়াছড়িতে ১. কেন সঠিক: - জুম চাষ পাহাড়ি অঞ্চলের একটি আদি ও ঐতিহ্যবাহী কৃষি পদ্ধতি। - বাংলাদেশের রাঙামাটি, বান্দরবান এবং খাগড়াছড়ি জেলায় এই পদ্ধতিতে চাষাবাদ করা হয়। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ভৌগোলিক অবস্থান: পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ি ঢাল ও উঁচু ভূমিতে এই চাষ করা হয়। - কৃষি পদ্ধতি: বন জঙ্গল পরিষ্কার করে পুড়িয়ে ছাই মাটির সাথে মিশিয়ে বীজ বপন করা হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: পার্বত্য চট্টগ্রামের চাকমা ও মারমা সম্প্রদায়। ব্যাখ্যা: এরা জুম চাষের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত এবং এটি তাদের প্রধান জীবিকা। উদাহরণ ২: পাহাড়ি অঞ্চলের ভূমিরূপ। ব্যাখ্যা: পাহাড়ি ঢালু ভূমির কারণে সেখানে স্থায়ী সাধারণ চাষাবাদ করা সম্ভব হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বরিশালে — বরিশাল দক্ষিণ অঞ্চলের সমতল ভূমির জেলা এবং সেখানে জোয়ার ভাটার প্লাবন থাকে। B) ময়মনসিংহে — ময়মনসিংহ সমতল ভূমি ও গারো পাহাড় সংলগ্ন এলাকা হলেও এখানে জুম চাষ হয় না। C) খাগড়াছড়িতে — এটি পার্বত্য চট্টগ্রামের একটি জেলা যেখানে জুম চাষ ব্যাপকভাবে প্রচলিত। D) দিনাজপুরে — দিনাজপুর উত্তর অঞ্চলের একটি সমতল জেলা যেখানে সমতল ভূমির প্রচলিত চাষাবাদ হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - জুম চাষ বললেই পাহাড়ের কথা মনে রাখবে এবং বাংলাদেশের তিন পাহাড়ি জেলার কথা মাথায় রাখবে। - সমতল জেলাগুলোতে জুম চাষ হয় না, তাই অপশন দেখেই সমতল জেলাগুলো বাদ দিতে পারবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে জুম চাষ হয়, তা বিসিএস এবং প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - পাহাড়ি কৃষি ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জীবনযাত্রা সম্পর্কিত প্রশ্ন হিসেবে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক
b হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
c মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী
d নবাব স্যার সলিমুল্লাহ
0 101 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নবাব স্যার সলিমুল্লাহ ১. কেন সঠিক: - ১৯৫৪ সালের পূর্ববাংলা প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে যুক্ত ছিলেন না নবাব স্যার সলিমুল্লাহ কারণ তিনি ১৯১৫ সালে মৃত্যুবরণ করেন। - ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে তৎকালীন মুসলিম লীগের বিরোধিতায় গঠিত যুক্তফ্রন্টের প্রধান নেতারা সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছিলেন। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: - ১৯৫৪ সালের ৮ থেকে ১২ মার্চ তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। - এই নির্বাচনে মুসলিম লীগ সরকারকে পরাজিত করতে বিরোধী দলগুলো মিলে যুক্তফ্রন্ট গঠন করে। ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: - শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক কৃষক শ্রমিক পার্টির এবং মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী আওয়ামী মুসলিম লীগের শীর্ষ নেতা ছিলেন। - হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীও এই নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় যুক্তফ্রন্টের পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তাৎপর্য ও ফলাফল: - যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনে ২৩৭টি মুসলিম আসনের মধ্যে ২২৩টিতে জয়লাভ করে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। - এই নির্বাচনের মাধ্যমে মুসলিম লীগের দীর্ঘ শাসনকালের অবসান ঘটে এবং বাঙালির রাজনৈতিক স্বাধিকার আন্দোলনের পথ উন্মুক্ত হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: যুক্তফ্রন্টের ২১ দফা দাবি ব্যাখ্যা: ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট জনগণের অধিকার আদায়ের জন্য ঐতিহাসিক ২১ দফা ইশতেহার ঘোষণা করেছিল। উদাহরণ ২: ১৯৫৪ সালের মন্ত্রিসভা গঠন ব্যাখ্যা: নির্বাচনে জয়ের পর এ কে ফজলুল হকের নেতৃত্বে ১৯৫৪ সালের ৩ এপ্রিল যুক্তফ্রন্টের মন্ত্রিসভা গঠিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক — তিনি যুক্তফ্রন্টের অন্যতম প্রধান রূপকার ও কৃষক শ্রমিক পার্টির নেতা হিসেবে এই নির্বাচনে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন। B) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী — তিনি যুক্তফ্রন্টের অন্যতম শীর্ষ নেতা এবং আওয়ামী মুসলিম লীগের প্রভাবশালী সংগঠক হিসেবে নির্বাচনে যুক্ত ছিলেন। C) মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী — তিনি যুক্তফ্রন্টের অন্যতম প্রধান নেতা ও আওয়ামী মুসলিম লীগের সভাপতি হিসেবে এই নির্বাচনে জোরালো ভূমিকা পালন করেন। D) নবাব স্যার সলিমুল্লাহ — তিনি ছিলেন উনিশ শতকের শেষ ও বিংশ শতকের শুরুর দিকের বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ যিনি ১৯১৫ সালে মারা যান, ফলে ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে তার যুক্ত থাকার কোনো সুযোগ ছিল না। ৫. মনে রাখার টিপস: - নবাব সলিমুল্লাহ ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ ও ১৯০৬ সালের মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার সাথে যুক্ত ছিলেন। - ১৯৫৪ সালের নির্বাচন এর অনেক পরে অনুষ্ঠিত হয়, তাই তিনি এই নির্বাচনে থাকতে পারেননি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট মোট কয়টি দল নিয়ে গঠিত হয়েছিল এবং প্রধান দলগুলো কী ছিল তা পরীক্ষর জন্য গুরুত্বপূর্ণ। - এই নির্বাচন থেকে ১৯৫৪ সালের ৩ এপ্রিল গঠিত প্রথম মন্ত্রিসভা ও এর মুখ্যমন্ত্রীর নাম প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
a দ্বি-জাতি তত্ত্ব
b সামাজিক চেতনা
c অসাম্প্রদায়িকতা
d বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদ
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদ ১. কেন সঠিক: - ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন ছিল মূলত বাঙালি জাতির স্বাধিকার অর্জনের প্রথম সোপান এবং এর মধ্য দিয়েই পূর্ব বাংলার মানুষের মধ্যে আধুনিক বাঙালি জাতীয়তাবাদের বীজ রোপিত হয়েছিল। - ধর্মের ভিত্তিতে পাকিস্তান রাষ্ট্র গঠিত হলেও বাঙালি সংস্কৃতি, কৃষ্টি ও ভাষার অধিকার রক্ষার আন্দোলন প্রমাণ করে যে পাকিস্তানি পরিচয়ের চেয়ে বাঙালি পরিচয়টিই পূর্ব বাংলার মানুষের কাছে প্রধান হয়ে উঠেছিল। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯৪৭ সালে ধর্মের ভিত্তিতে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর থেকেই পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী উর্দুকে একমাত্র রাষ্ট্রভাষা করার ষড়যন্ত্র শুরু করে এবং পূর্ব বাংলার বাঙালিরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানায়। - তারিখ ও স্থান: ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা ও বর্তমান কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে ভাষা আন্দোলনের চূড়ান্ত বিস্ফোরণ ঘটে। - ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে গঠিত সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রসমাজ এই আন্দোলনে নেতৃত্ব দেয়। - তাৎপর্য ও ফলাফল: ভাষা আন্দোলনের চেতনা পরবর্তীতে বাঙালির আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকার, ছয় দফা এবং ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযু্দ্ধের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পথ প্রশস্ত করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ব্যাখ্যা: বাঙালির ভাষা আন্দোলনের এই গৌরবোজ্জ্বল দিনটি আজ জাতিসংঘের স্বীকৃতি পেয়ে সারা বিশ্বে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালিত হয়, যা বাঙালি জাতীয়তাবাদের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি। উদাহরণ ২: বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠা ব্যাখ্যা: ভাষা আন্দোলনের পর বাংলা ভাষা ও সাহিত্যকে সংরক্ষণের জন্য ১৯৫৫ সালে বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয়, যা বাঙালি সংস্কৃতির বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্বি-জাতি তত্ত্ব — এই তত্ত্বের ভিত্তিতে ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান রাষ্ট্র গঠিত হয়েছিল, যার বৈষম্যমূলক নীতির বিরুদ্ধেই মূলত ভাষা আন্দোলন সংঘটিত হয়েছিল। B) সামাজিক চেতনা — এটি মানুষের সামগ্রিক জীবনযাত্রার পরিবর্তনের সঙ্গে যুক্ত, কিন্তু ভাষা আন্দোলন ছিল মূলত একটি নির্দিষ্ট জাতিগোষ্ঠীর ভাষাগত অধিকার ও আত্মপরিচয়ের প্রশ্ন। C) অসাম্প্রদায়িকতা — এটি বাঙালি জাতীয়তাবাদের একটি মূল চেতনা হলেও, ভাষা আন্দোলন মূলত বাঙালি জাতির ভাষা ও সংস্কৃতির অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই হিসেবে পরিচালিত হয়েছিল। D) বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদ — এই অপশনটি সঠিক কারণ ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমেই পূর্ব বাংলার মানুষের মনে বাঙালি জাতীয়তাবাদের চেতনা দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ভাষা আন্দোলন মানেই বাঙালি জাতীয়তাবাদের উন্মেষ। পাকিস্তান সৃষ্টির পর ধর্মের বিভাজন ভেঙে ভাষা ও সংস্কৃতির ভিত্তিতে বাঙালিরা একতাবদ্ধ হয়েছিল। - ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা, প্রতিটি আন্দোলনের মূল ভিত্তি ছিল এই বাঙালি জাতীয়তাবাদ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ভাষা আন্দোলন কোন সনে হয়েছিল এবং এর তাৎপর্য কী, তা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - একই বিষয় থেকে ঘুরিয়ে প্রশ্ন আসতে পারে যে, বাঙালি জাতীয়তাবাদের প্রথম সোপান বা সূচনা কোনটি।
a ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী
b তাজউদ্দীন আহমদ
c এ. এইচ, এম কামারুজ্জামান
d খন্দকার মোশতাক আহমদ
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) এ. এইচ, এম কামারুজ্জামান ১. কেন সঠিক: - এ. এইচ, এম কামারুজ্জামান ১৯৭১ সালের মুজিবনগর সরকারের ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব সফলভাবে পালন করেছিলেন। - বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় গঠিত প্রথম অস্থায়ী সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রনালয়ের মধ্যে ত্রাণ ও পুনর্বাসন খাত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল গঠিত হয় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার বা মুজিবনগর সরকার। - তারিখ ও স্থান: এই সরকার গঠিত হয় ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল এবং শপথ গ্রহণ করে ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলার আমবাগানে। - ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: এই সরকারের রাষ্ট্রপতি ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দীন আহমদ। - তাৎপর্য ও ফলাফল: এই সরকারের অধীনেই সফলভাবে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালিত হয় এবং আন্তর্জাতিক সমর্থন আদায় করা সম্ভব হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: তাজউদ্দীন আহমদ ব্যাখ্যা: তিনি মুজিবনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছিলেন। উদাহরণ ২: ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী ব্যাখ্যা: তিনি মুজিবনগর সরকারের অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী — তিনি মুজিবনগর সরকারের অর্থমন্ত্রী ছিলেন, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী ছিলেন না। B) তাজউদ্দীন আহমদ — তিনি মুজিবনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী ছিলেন, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী ছিলেন না। C) এ. এইচ, এম কামারুজ্জামান — এটি সঠিক উত্তর। তিনি মুজিবনগর সরকারের ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন। D) খন্দকার মোশতাক আহমদ — তিনি মুজিবনগর সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছিলেন। ৫ মনে রাখার টিপস: - মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রীদের দপ্তরগুলো মনে রাখার জন্য তাদের নামের সঙ্গে দায়িত্বগুলো বারবার চর্চা করতে হবে। - কামারুজ্জামান নামটি ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যুক্ত ছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রিপরিষদের সদস্য এবং তাদের দপ্তরসমূহ থেকে প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে। - প্রধানমন্ত্রী, অর্থমন্ত্রী এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রীর নাম বিশেষভাবে মনে রাখা প্রয়োজন।
a ফেব্রুয়ারিতে
b মে মাসে
c জুলাই মাসে
d আগস্টে
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ফেব্রুয়ারিতে ১. কেন সঠিক: - ঐতিহাসিক ছয় দফা দাবির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয় ১৯৬৬ সালের ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধী দলগুলোর এক কনভেনশনে। - বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ খ্যাত এই ছয় দফা পেশ করেছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: আইয়ুব খানের সামরিক শাসন ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে পূর্ব বাংলার স্বায়ত্তশাসন নিশ্চিত করতে এই ছয় দফা প্রণয়ন করা হয়েছিল। - তারিখ ও স্থান: ১৯৬৬ সালের ৫ থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের লাহোরে বিরোধী দলগুলোর এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। - ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে ঐতিহাসিক এই দাবি উত্থাপন করেন। - তাৎপর্য ও ফলাফল: ছয় দফা আন্দোলন বাঙালির মনে স্বাধীনতার বীজ বপন করে এবং পরবর্তীতে ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান ও একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের পথ প্রশস্ত করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান ব্যাখ্যা: ছয় দফা আন্দোলনের ফলেই বাঙালি জাতি ক্রমান্বয়ে সংঘটিত হয়, যার পূর্ণতা পায় ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে। উদাহরণ ২: আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা ব্যাখ্যা: ছয় দফা দাবির কারণে বঙ্গবন্ধুসহ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতা মামলা দায়ের করা হয়, যা বাঙালির মুক্তি সংগ্রামকে আরও তীব্র করে তোলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফেব্রুয়ারিতে — এই অপশনটি সঠিক কারণ ১৯৬৬ সালের ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে ছয় দফা ঘোষণা করা হয়েছিল। B) মে মাসে — মে মাসে ছয় দফা ঘোষণা করা হয়নি, তবে ১৯৬৬ সালের মার্চ ও জুনে এই আন্দোলনের পক্ষে প্রচার চালানো হয়। C) জুলাই মাসে — জুলাই মাসে ছয় দফা প্রস্তাব আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত বা ঘোষিত হয়নি, এটি ছিল প্রচার ও বিরোধিতার সময়কাল। D) আগস্টে — আগস্ট মাসেও ছয় দফা ঘোষণা করা হয়নি, বরং এই সময়ে আন্দোলন দমনের জন্য আইয়ুব সরকার দমনপীড়ন শুরু করে। ৫ মনে রাখার টিপস: - ছয় দফা ঘোষণার মাস মনে রাখতে ফেব্রুয়ারি মাসকে মনে রাখুন। - সাল ১৯৬৬ এবং মাস ফেব্রুয়ারি, এটি বাঙালির মুক্তির লড়াইয়ের শুরুর একটি বড় মাইলফলক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ছয় দফা কে পেশ করেন এবং কোথায় পেশ করা হয়, তা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। - একই বিষয় থেকে ছয় দফার প্রবক্তা, তারিখ এবং দফাগুলোর বিষয়বস্তু নিয়ে প্রশ্ন হতে পারে।
a আকবর
b বাবর
c শাহজাহান
d হুমায়ুন
0 146 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বাবর ১. কেন সঠিক: - মোঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা জহিরউদ্দিন মোহাম্মদ বাবর নিজে তুর্কি ভাষায় তার আত্মজীবনী লিখেছিলেন। - এই ঐতিহাসিক গ্রন্থটির নাম তুজুক-ই-বাবরি বা বাবরনামা, যা মধ্য এশিয়া ও ভারতীয় উপমহাদেশের ইতিহাসের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দলিল। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: মোঘল শাসনামলে বাংলা সুবাদারদের মাধ্যমে শাসিত হতো এবং বারো ভূঁইয়াদের সাথে তাদের দীর্ঘ লড়াইয়ের ইতিহাস রয়েছে। - ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: বাবর ১৫২৬ সালে পানিপথের প্রথম যুদ্ধে ইব্রাহিম লোদীর বিরুদ্ধে জয়লাভ করে ভারতে মোঘল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন। - তাৎপর্য ও ফলাফল: এই আত্মজীবনী থেকে তৎকালীন ভারত বর্ষের রাজনৈতিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক ও ভৌগোলিক অবস্থার নিখুঁত বিবরণ পাওয়া যায়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: আইন-ই-আকবরি বা আকবরনামা। ব্যাখ্যা: এটি মোঘল সম্রাট আকবরের রাজত্বকালের ইতিহাস, যা আবুল ফজল ফার্সি ভাষায় রচনা করেছিলেন। উদাহরণ ২: হুমায়ুন নামা। ব্যাখ্যা: এটি সম্রাট হুমায়ুনের বোন গুলবদন বেগম রচিত একটি ঐতিহাসিক গ্রন্থ, যা মোঘল আমলের রাজপরিবারের ভেতরের চিত্র তুলে ধরে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আকবর — তিনি সম্রাট হলেও কোনো আত্মজীবনী লেখেননি, তবে তার জীবনী আবুল ফজল রচনা করেছিলেন। C) শাহজাহান — তার কোনো ব্যক্তিগত আত্মজীবনী নেই, তার আমলের ইতিহাস বাদশাহনামা গ্রন্থে লিপিবদ্ধ রয়েছে। D) হুমায়ুন — তার নিজের কোনো আত্মজীবনী লেখার সুযোগ বা নজির ছিল না, তার জীবনের ইতিহাস গুলবদন বেগম লিপিবদ্ধ করেছেন। ৫. মনে রাখার টিপস: - মোঘল রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা নিজেই নিজের জীবনকথা লিখেছিলেন, তাই প্রথম আত্মজীবনীকার হলেন বাবর। - বাবর শব্দের প্রথম অক্ষর ব এবং বাবরনামার প্রথম অক্ষর ব দিয়ে এটি সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মোঘল আমলের আত্মজীবনী বা সাহিত্যিক দলিল থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - একই বিষয় থেকে প্রশ্ন হতে পারে বাবরনামা কোন ভাষায় রচিত হয়েছিল।

মোট প্রশ্ন (21)

a চীন
b জাপান
c ভারত
d আসিয়ান
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চীন ১. কেন সঠিক: বেল্ট ও রোড ইনিসিয়েটিভ বা বিআরআই প্রস্তাব করেছে চীন। ২০১৩ সালে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এই মহা প্রকল্পের ঘোষণা দেন। ২. ভূরাজনীতি ও অর্থনৈতিক কূটনীতি: দেশ বা সংস্থা: চীন বৈশ্বিক অর্থনীতি ও বাণিজ্যের প্রসারে এই উদ্যোগ নিয়েছে। প্রেক্ষাপট: প্রাচীন সিল্ক রোডের আদويে এশিয়া, আফ্রিকা ও ইউরোপের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করা এর লক্ষ্য। উদ্দেশ্য বা গুরুত্ব: বিশ্বব্যাপী অবকাঠামো উন্নয়ন এবং বাণিজ্যের প্রসার ঘটানো এর মূল উদ্দেশ্য। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: চায়না পাকিস্তান ইকোনমিক করিডোর বা সিপিইসি ব্যাখ্যা: এটি বিআরআই প্রকল্পের একটি প্রধান অংশ যা চীন ও পাকিস্তানকে সংযুক্ত করেছে। উদাহরণ ২: মংলা ও পায়রা বন্দর উন্নয়ন ব্যাখ্যা: বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়নে চীনা বিনিয়োগ এই বৃহত্তর কূটনীতির অংশ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চীন — সঠিক উত্তর কারণ দেশটি এই বৈশ্বিক প্রকল্পের প্রবক্তা। B) জাপান — এটি ভুল কারণ জাপান এই উদ্যোগের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত নয়। C) ভারত — এটি ভুল কারণ ভারত এই প্রকল্পের বিরোধিতা করে আসছে। D) আসিয়ান — এটি ভুল কারণ আসিয়ান এই প্রকল্পের প্রবক্তা নয় বরং অংশীদার। ৫ মনে রাখার টিপস: বিআরআই বা ওয়ান বেল্ট ওয়ান রোড শুনলেই চীনের নাম মনে রাখবে। চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ২০১৩ সালে এই ধারণা সামনে আনেন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিআরআই প্রকল্পের পূর্ণরূপ হলো বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি অর্থনৈতিক কূটনীতি ও আঞ্চলিক সহযোগিতা ক্যাটাগরিতে আসে।
a মন্ট্রিল প্রটোকল
b ক্লোরোফ্লোরো কার্বন চুক্তি
c IPCC চুক্তি
d কোনটিই নয়
0 112 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মন্ট্রিল প্রটোকল ১. কেন সঠিক: ওজোনস্তর ক্ষয়কারী উপাদানগুলোর উৎপাদন ও ব্যবহার নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ক্রমান্বয়ে কমিয়ে আনার জন্য মন্ট্রিল প্রটোকলে ঐতিহাসিক ও আইনগত বাধ্যবাধকতা আরোপ করা হয়েছে। ১৯৮৭ সালে গৃহীত এই চুক্তির মূল লক্ষ্য ছিল বায়ুমণ্ডলের ওজন স্তর রক্ষার্থে ক্ষতিকারক উপাদানগুলোর ব্যবহার সফলভাবে শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনা। ২. চুক্তি ও পরিবেশগত প্রেক্ষাপট: চুক্তির নাম: মন্ট্রিল প্রটোকল অন সাবসট্যান্সেস দ্যাট ডিপ্লিট দ্য ওজোন লেয়ার। তারিখ ও স্থান: ১৯৮৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর কানাডার মন্ট্রিল শহরে এটি স্বাক্ষরিত হয় এবং ১৯৮৯ সালের ১ জানুয়ারি কার্যকর হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভিয়েনা কনভেনশন। ব্যাখ্যা: ১৯৮৫ সালের এই কনভেনশনটি ওজোনস্তর সুরক্ষার জন্য বৈশ্বিক সহযোগিতার ভিত্তি স্থাপন করেছিল, যার সরাসরি বাস্তবায়ন রূপ নেয় মন্ট্রিল প্রটোকলে। উদাহরণ ২: কিগালে সংশোধনী। ব্যাখ্যা: ২০১৬ সালে মন্ট্রিল প্রটোকলে এই সংশোধনী এনে হাইড্রোফ্লোরোকার্বন বা এইচএফসি ব্যবহারের পরিমাণ কমানোর সিদ্ধান্ত হয়, যা জলবায়ু পরিবর্তন রোধে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মন্ট্রিল প্রটোকল — এটি সঠিক উত্তর কারণ ওজোনস্তর ক্ষয়কারী উপাদান হ্রাসের সুনির্দিষ্ট সময়ভিত্তিক নিয়ম এই চুক্তিতেই রয়েছে। B) ক্লোরোফ্লোরো কার্বন চুক্তি — এই নামে কোনো স্বতন্ত্র আন্তর্জাতিক চুক্তি বা সনদ আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ বা বিশ্বমঞ্চে স্বাক্ষরিত হয়নি। C) IPCC চুক্তি — ইন্টারপভার্নমেন্টাল প্যানেল অন ক্লাইমেট চেঞ্জ কোনো চুক্তি নয়, এটি জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক বৈজ্ঞানিক মূল্যায়নকারী একটি আন্তঃসরকারি সংস্থা। D) কোনটিই নয় — যেহেতু অপশন এ সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: ওজোনস্তর বা বায়ুমণ্ডলের উপরিভাগের সুরক্ষার কথা থাকলেই সবার আগে কানাডার মন্ট্রিল প্রটোকলের কথা মনে রাখবে। সিএফসি গ্যাস নিয়ন্ত্রণের সবচেয়ে সফল বিশ্বনথি হলো এই মন্ট্রিল প্রটোকল। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মন্ট্রিল প্রটোকল স্বাক্ষরিত হয় ১৯৮৭ সালে এবং এটি কার্যকর হয় ১৯৮৯ সালে। পরিবেশ বিষয়ক আন্তর্জাতিক চুক্তিগুলোর মধ্যে এটিকে ইতিহাসের সবচেয়ে সফল চুক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
a থমাস হবসন, হুগো, গ্রোসিয়াস ও জন লক এর লেখনী থেকে
b ম্যাগনা কার্টা থেকে
c গ্রিক, খৃষ্টান ও মধ্যযুগীয় ধর্মতত্ত্ব থেকে
d কনফুসিয়ানিজম থেকে
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) থমাস হবসন, হুগো, গ্রোসিয়াস ও জন লক এর লেখনী থেকে ১. কেন সঠিক: - প্রাকৃতিক আইন বা ন্যাচারাল ল অব এর আধুনিক রূপদান ও তাত্ত্বিক ভিত্তি গঠনে সপ্তদশ ও অষ্টাদশ শতকের এসব দার্শনিক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। - মানব স্বভাব, মানুষের সহজাত অধিকার এবং সামাজিক চুক্তির ধারণার মাধ্যমে তারা প্রাকৃতিক আইনের আধুনিক দিকটি উন্মোচন করেন। ২. তাত্ত্বিক প্রেক্ষাপট: - রাষ্ট্রদর্শন: এটি মূলত রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের একটি মৌলিক তাত্ত্বিক বিষয়। - পটভূমি: মানুষের সহজাত প্রবৃত্তি ও অধিকারের ওপর ভিত্তি করে এই আইন বিকশিত হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: জন লক ব্যাখ্যা: জন লক তার তত্ত্বে মানুষের জীবন, স্বাধীনতা ও সম্পত্তির অধিকারকে প্রাকৃতিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছেন। উদাহরণ ২: হুগো গ্রোশিয়াস ব্যাখ্যা: হুগো গ্রোশিয়াসকে আন্তর্জাতিক আইনের জনক বলা হয়, যিনি প্রাকৃতিক আইনের ওপর ভিত্তি করে আন্তর্জাতিক সম্পর্কের রূপরেখা দেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) থমাস হবসন, হুগো, গ্রোসিয়াস ও জন লক এর লেখনী থেকে — এই অপশনটি সঠিক কারণ তাদের লেখা থেকেই আধুনিক প্রাকৃতিক আইনের ধারণা দৃঢ় হয়। B) ম্যাগনা কার্টা থেকে — ম্যাগনা কার্টা মূলত ইংল্যান্ডের রাজক্ষমতা সীমিত করার সনদ, এটি প্রাকৃতিক আইনের সরাসরি উদ্ভব ঘড়ায়নি। C) গ্রিক, খৃষ্টান ও মধ্যযুগীয় ধর্মতত্ত্ব থেকে — প্রাচীন গ্রিক ও মধ্যযুগে এর কিছু ভিত্তি থাকলেও আধুনিক প্রাকৃতিক আইন এদের লেখনী থেকেই পুষ্ট হয়েছে। D) কনফুসিয়ানিজম থেকে — কনফুসিয়ানিজম হলো চৈনিক নৈতিক ও সামাজিক দর্শন, যার সঙ্গে আধুনিক প্রাকৃতিক আইনের সরাসরি সম্পর্ক নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - প্রাকৃতিক আইনের আধুনিক রূপকারদের মনে রাখতে হবস, গ্রোশিয়াস ও লকের নাম একসঙ্গে স্মরণ করতে হবে। - জন লক ও থমাস হবসের সামাজিক চুক্তির তত্ত্ব প্রাকৃতিক আইনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - আন্তর্জাতিক সম্পর্কের তাত্ত্বিক ভিত্তি এবং আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে প্রাকৃতিক আইনের ধারণা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - এই প্রশ্নটি থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আধুনিক রাষ্ট্রদর্শনের জনকদের অবদান সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।
a টমাস হবসন
b ভি.আই. লেলিন
c কার্ল মার্কস
d এন্টিনিও গ্রামসি
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভি.আই. লেলিন ১. কেন সঠিক: ভ্লাদিমির ইলিচ লেলিন ১৯১৬ সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় সুইজারল্যান্ডে অবস্থানকালে এই বিখ্যাত গ্রন্থটি রচনা করেন। এই বইটিতে তিনি কার্ল মার্কসের পুঁজিবাদের তত্ত্বকে প্রসারিত করে দেখিয়েছেন কীভাবে মুক্তবাজার পুঁজিবাদ সাম্রাজ্যবাদে রূপ নেয়। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: প্রেক্ষাপট: প্রথম বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন সাম্রাজ্যবাদী শক্তিগুলোর মধ্যে বিশ্ব দখলের লড়াইয়ের অর্থনৈতিক কারণ ব্যাখ্যা করা। গুরুত্ব: উপনিবেশবাদ ও সাম্রাজ্যবাদের শেকড় যে অর্থনীতির সাথে জড়িত, তা বৈশ্বিক রাজনীতিতে স্পষ্টভাবে উন্মোচন করা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রথম বিশ্বযুদ্ধ ব্যাখ্যা: বিভিন্ন ইউরোপীয় পুঁজিবাদী দেশের উপনিবেশ দখলের প্রতিযোগিতা থেকেই প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সূত্রপাত হয়েছিল। উদাহরণ ২: উপনিবেশবাদ ব্যাখ্যা: কাঁচামাল ও বাজার দখলের জন্য শক্তিশালী দেশগুলো দুর্বল দেশগুলোর ওপর রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) টমাস হবসন — তিনি মূলত ব্রিটিশ অর্থনীতিবিদ যিনি সাম্রাজ্যবাদ নিয়ে প্রথম তত্ত্ব দেন, তবে এই বইটির লেখক নন। C) কার্ল মার্কস — তিনি সমাজতন্ত্রের প্রবক্তা এবং দাস ক্যাপিটাল বইটির লেখক, যা পুঁজিবাদ বিশ্লেষণে ব্যবহৃত হয়। D) এন্টিনিও গ্রামসি — তিনি একজন ইতালীয় মার্কসবাদী দার্শনিক যিনি মূলত সাংস্কৃতিক hegemony বা আধিপত্যবাদের তত্ত্ব দিয়েছেন। ৫ মনে রাখার টিপস: বিখ্যাত বইটির নামের সাথে লেলিনের নাম মনে রাখতে সাম্রাজ্যবাদ শব্দটি পুঁজিবাদের সর্বোচ্চ পর্যায় হিসেবে মনে রাখা যায়। টমাস হবসন সাম্রাজ্যবাদ নিয়ে লিখলেও তার ওপর ভিত্তি করে লেলিন এই পূর্ণাঙ্গ বইটি লিখেছিলেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই বইটি থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই প্রশ্ন আসে যে সাম্রাজ্যবাদকে পুঁজিবাদের সর্বোচ্চ পর্যায় কে বলেছেন। একই বিষয় থেকে প্রশ্ন হতে পারে যে হবসনের সাম্রাজ্যবাদ তত্ত্বের ওপর ভিত্তি করে কোন নেতা এই গ্রন্থটি রচনা করেন।
a ভারতীয় জনতা পার্টি
b কমিউনিস্ট পার্টি
c ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কংগ্রেস
d বহুজন সমাজ পার্টি
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কংগ্রেস ১. কেন সঠিক: ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কংগ্রেস ১৮৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এটি ভারতের সবচেয়ে প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক দল। ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলন এবং ভারতের স্বাধীনতা অর্জনে এই দলটি নেতৃত্বস্থানীয় ভূমিকা পালন করেছিল। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: দেশ: ভারত প্রতিষ্ঠা: ২৮ ডিসেম্বর ১৮৮৫ সাল প্রেক্ষাপট: ব্রিটিশ ভারতে রাজনৈতিক অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে এই দল গঠিত হয়। উদ্দেশ্য: ঔপনিবেশিক শাসন থেকে মুক্তি এবং গণতান্ত্রিক ভারত গঠন করা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্রিটিশ লেবার পার্টি ব্যাখ্যা: এটি যুক্তরাজ্যের একটি প্রাচীন রাজনৈতিক দল, যা শ্রমিক শ্রেণীর অধিকার রক্ষায় গঠিত হয়েছিল। উদাহরণ ২: পাকিস্তান মুসলিম লীগ ব্যাখ্যা: এটি ব্রিটিশ ভারতের আরেকটি ঐতিহাসিক রাজনৈতিক দল, যা পাকিস্তান সৃষ্টিতে নেতৃত্ব দিয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারতীয় জনতা পার্টি — এটি ১৯৮০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং বর্তমানে ভারতের ক্ষমতায় থাকা একটি রাজনৈতিক দল। B) কমিউনিস্ট পার্টি — ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি ১৯২৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এটি কংগ্রেসের চেয়ে নবীন। ডি) বহুজন সমাজ পার্টি — এটি ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং মূলত দলিত ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব করে। ৫ মনে রাখার টিপস: ১৮৮৫ সালে গঠিত কংগ্রেস হলো ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রধান প্রাচীন রাজনৈতিক দল। মনে রাখার জন্য কংগ্রেস এবং স্বাধীনতা আন্দোলন শব্দ দুটি একসঙ্গে মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাস এবং দলীয় ব্যবস্থা সংক্রান্ত ক্যাটাগরিতে প্রায়ই আসে। একই বিষয় থেকে দলগুলোর প্রতিষ্ঠাকাল বা প্রতিষ্ঠাতা সম্পর্কে প্রশ্ন আসতে পারে।
a নিউইয়র্ক
b রোম
c জেনেভা
d লন্ডন
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জেনেভা ১. কেন সঠিক: সঠিক উত্তরটি হলো জেনেভা কারণ জাতিসংঘ শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার বা UNHCR-এর প্রধান কার্যালয় সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে অবস্থিত। এটি বিশ্বের শরণার্থী সংকট মোকাবেলা ও তাদের সুরক্ষায় কাজ করা জাতিসংঘের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মানবিক সংস্থা। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: সংস্থা: UNHCR (United Nations High Commissioner for Refugees) বা জাতিসংঘ শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনারের কার্যালয়। প্রতিষ্ঠা: ১৪ ডিসেম্বর ১৯৫০ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে এটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ১৯৫১ সাল থেকে কার্যক্রম শুরু করে। সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড। উদ্দেশ্য: বিশ্বব্যাপী জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মানুষ, শরণার্থীবৃন্দ ও রাষ্ট্রহীন ব্যক্তিদের অধিকার সুরক্ষা এবং তাদের পুনর্বাসনে সহায়তা করা। গুরুত্ব: সংঘাত ও সহিংসতার কারণে দেশত্যাগে বাধ্য হওয়া কোটি কোটি মানুষের জীবন রক্ষা ও মানবিক সহায়তা প্রদানে সংস্থাটি বিশ্বজুড়ে অনবদ্য ভূমিকা পালন করে আসছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ফিলিস্তিনি শরণার্থী সংস্থা UNRWA ব্যাখ্যা: এটি ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের নিয়ে কাজ করে এবং এর সদর দপ্তর জর্ডানের আম্মানে অবস্থিত, যা মূল UNHCR থেকে আলাদা একটি বিশেষায়িত সংস্থা। উদাহরণ ২: নোবেল শান্তি পুরস্কার ব্যাখ্যা: শরণার্থী সংকটে অসামান্য অবদানের জন্য UNHCR দুইবার, যথাক্রমে ১৯৫৪ ও ১৯৮১ সালে মর্যাদাপূর্ণ নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিউইয়র্ক — এটি জাতিসংঘের মূল সদর দপ্তর হলেও UNHCR-এর মতো নির্দিষ্ট মানবতাবাদী সংস্থার প্রধান কার্যালয় এখানে অবস্থিত নয়। B) রোম — এটি বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (WFP) এবং খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (FAO) প্রধান কার্যালয় হিসেবে পরিচিত। D) লন্ডন — এটি আন্তর্জাতিক সমুদ্র সংস্থার (IMO) সদর দপ্তর এবং এখানে UNHCR-এর মূল কার্যালয় নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: শরণার্থী সুরক্ষা সংক্রান্ত বড় মানবিক সংস্থার প্রধান কার্যালয় সাধারণত সুইজারল্যান্ডের জেনেভাতেই অবস্থিত। জেনেভাকে আন্তর্জাতিক সংস্থা ও কূটনীতির বিশ্ব রাজধানী হিসেবে মনে রাখলে এই সদর দপ্তর সহজে মুখস্থ রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতি বছর ২০ জুন বিশ্ব শরণার্থী দিবস পালিত হয় যা এই সংস্থার কাজের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জাতিসংঘ ও এর অঙ্গসংস্থার সদর দপ্তর সংক্রান্ত প্রশ্ন এসে থাকে।
a পিসিকালচার
b এপিকালচার
c মেরিকালচার
d সেরিকালচার
0 115 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) এপিকালচার ১. কেন সঠিক: বাণিজ্যিকভাবে মৌমাছি পালন ও এর থেকে মধু বা মোম সংগ্রহ করার বিজ্ঞানসম্মত প্রক্রিয়াকে এপিকালচার বলা হয়। কৃষি অর্থনীতি এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় এটি অত্যন্ত লাভজনক ও গুরুত্বপূর্ণ একটি পেশাদার খাত। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: কৃষি অর্থনীতি: বিশ্বজুড়ে কৃষি ও গ্রামীণ উন্নয়নে মৌমাছি পালন একটি লাভজনক কুটির শিল্প হিসেবে স্বীকৃত। পরিবেশগত গুরুত্ব: পরাগায়নের মাধ্যমে উদ্ভিদের বংশবৃদ্ধি এবং খাদ্য উৎপাদন বাড়াতে মৌমাছির ভূমিকা অপরিহার্য। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশ ব্যাখ্যা: বাংলাদেশে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তারা বাণিজ্যিকভাবে মৌমাছি পালন করে গ্রামীণ অর্থনীতিতে অবদান রাখছেন। উদাহরণ ২: চীন ব্যাখ্যা: বিশ্বে মধু উৎপাদনে চীন অন্যতম শীর্ষ দেশ, যেখানে আধুনিক প্রযুক্তিতে এপিকালচার চর্চা করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পিসিকালচার — পিসিকালচার বলতে বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে মাছ চাষ ও এর ব্যবস্থাপনা পদ্ধতিকে বোঝানো হয়। B) এপিকালচার — এটি বাণিজ্যিকভাবে মৌমাছি পালন ও মধু উৎপাদনের সঠিক বৈজ্ঞানিক পরিভাষা। C) মেরিকালচার — মেরিকালচার হলো সমুদ্রের নোনা জলে সামুদ্রিক মাছ, চিংড়ি ও উদ্ভিদ চাষের বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি। D) সেরিকালচার — সেরিকালচার বলতে রেশম পোকা চাষ এবং রেশম সুতা উৎপাদনের বিশেষ প্রক্রিয়াকে বোঝায়। ৫. মনে রাখার টিপস: মৌমাছি পালন মনে রাখতে এপি (Api) শব্দটির সঙ্গে কালচার মিলিয়ে এপিকালচার মনে রাখবে। পিসি (Pisci) মানে মাছ এবং সে রি (Seri) মানে রেশম পোকা, এভাবে শব্দগুলো আলাদা করে পড়বে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিভিন্ন কৃষিজ উৎপাদন ও চাষাবাদের বৈজ্ঞানিক নাম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। পিসিকালচার, এপিকালচার, মেরিকালচার ও সেরিকালচার - এই চারটি পরিভাষা বারবার ভালোভাবে চর্চা করবে।
a প্রাণীদের প্রতি নিষ্ঠুরতা রোধ
b পরিবেশ সংরক্ষণ
c মানবাধিকার সংরক্ষণ
d ঐতিহাসিক স্থাপনা সংরক্ষণ
0 115 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মানবাধিকার সংরক্ষণ ১. কেন সঠিক: অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বিশ্বের অন্যতম প্রধান আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা যা বিশ্বজুড়ে মানবাধিকার রক্ষায় কাজ করে। এই সংস্থাটি কোনো নির্দিষ্ট দেশের পক্ষে কাজ না করে বরং নির্যাতন, অন্যায় কারাবাস এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর নিপীড়নের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকে। ২. আন্তর্জাতিক সংস্থা পরিচিতি: সংস্থা: অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল একটি বিশ্বব্যাপী মানবাধিকার আন্দোলন। প্রতিষ্ঠা: ১৯৬১ সালের মে মাসে পিটার বেনেনসন এই সংস্থাটি প্রতিষ্ঠা করেন। সদর দপ্তর: যুক্তরাজ্যের লন্ডনে এর আন্তর্জাতিক সচিবালয় অবস্থিত। উদ্দেশ্য: সরকারের দমনপীড়ন থেকে রাজনৈতিক বন্দীদের মুক্ত করা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘন রোধ করা। স্বীকৃতি: বিশ্বজুড়ে মানবাধিকার রক্ষায় অসামান্য অবদানের জন্য ১৯৭৭ সালে এই সংস্থাটি নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: কারাবন্দী অধিকার রক্ষা ব্যাখ্যা: অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিনা বিচারে আটকে থাকা রাজবন্দীদের মুক্তির দাবিতে ক্যাম্পেইন পরিচালনা করে। উদাহরণ ২: মৃত্যুদণ্ড বিরোধী আন্দোলন ব্যাখ্যা: এই সংস্থাটি বিশ্বের সব দেশ থেকে মৃত্যুদণ্ড সম্পূর্ণভাবে বাতিল করার পক্ষে জোরালো ভূমিকা পালন করে আসছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রাণীদের প্রতি নিষ্ঠুরতা রোধ — এই কার্যক্রমের সাথে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল যুক্ত নয়, এটি মূলত পেটা বা ডব্লিউ ডব্লিউ এফ এর মতো সংস্থার কাজের আওতাভুক্ত। B) পরিবেশ সংরক্ষণ — পরিবেশ রক্ষার কাজ গ্রিনপিস বা ইউএনইপি এর মতো পরিবেশবাদী সংস্থাগুলো করে থাকে। C) মানবাধিকার সংরক্ষণ — এটি অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের প্রধান ও একমাত্র মূল লক্ষ্য। D) ঐতিহাসিক স্থাপনা সংরক্ষণ — এই কাজের জন্য জাতিসংঘের অঙ্গসংস্থা ইউনেস্কো বিশেষভাবে দায়িত্বপ্রাপ্ত। ৫. মনে রাখার টিপস: অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল নামটির সাথে মানবাধিকার কথাটি গভীরভাবে জড়িত। সংস্থাটি ১৯৬১ সালে লন্ডনে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ১৯৭৭ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার পায়, এই দুটি সাল বারবার পরীক্ষায় আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের সদর দপ্তর কোথায় এবং এটি কত সালে নোবেল পুরস্কার পায়, এই প্রশ্নগুলো বিসিএসসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। সংস্থাটির প্রতিষ্ঠাতা পিটার বেনেনসনের নামও মনে রাখা জরুরি।
a UNO
b NAM
c GATT
d ASEAN
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) UNO ১. কেন সঠিক: ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ বা UNO প্রতিষ্ঠিত হয়। এই হিসাব অনুযায়ী ১৯৯৫ সালটি জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠার ৫০ বছর পূর্ণ হওয়ার বছর, যা গোল্ডেন জুবিলি বা সুবর্ণজয়ন্তী হিসেবে পালিত হয়। বিশ্বশান্তি রক্ষা, মানবাধিকার সুরক্ষা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির সুদীর্ঘ ৫০ বছরের পথচলাকে স্মরণ করতেই ১৯৯৫ সালটিকে জাতিসংঘের গোল্ডেন জুবিলি হিসেবে উদ্‌যাপন করা হয়েছিল। ২. আন্তর্জাতিক সংস্থা: সংস্থা: জাতিসংঘ বা United Nations (UN) প্রতিষ্ঠা: ২৪ অক্টোবর ১৯৪৫ সদর দপ্তর: নিউ ইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র সদস্যসংখ্যা: ১৯৩টি স্বাধীন রাষ্ট্র উদ্দেশ্য: আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখা এবং বিশ্ববাসীর মধ্যে প্রীতিপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: জাতিসংঘের সিলভার জুবিলি ব্যাখ্যা: ১৯৭০ সালে জাতিসংঘ তার প্রতিষ্ঠার ২৫ বছর পূর্তি উদ্‌যাপন করে, যা সিলভার জুবিলি নামে পরিচিত। উদাহরণ ২: জাতিসংঘের ডায়মন্ড জুবিলি ব্যাখ্যা: ২০২০ সালে জাতিসংঘ তার প্রতিষ্ঠার ৭৫ বছর পূর্তি উদ্‌যাপন করে, যা ডায়মন্ড জুবিলি নামে পরিচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) UNO — এটি সঠিক উত্তর কারণ ১৯৯৫ সালটি জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠার ৫০ বছর পূর্তির বছর। B) NAM — নন-অ্যালাইনড মুভমেন্ট বা গনিরপেক্ষ আন্দোলন প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৬১ সালে এবং এর গোল্ডেন জুবিলি হয় ২০১১ সালে। C) GATT — জেনারেল অ্যাগ্রিমেন্ট অন টেরিফস অ্যান্ড ট্রেড স্বাক্ষরিত হয় ১৯৪৭ সালে এবং এটি ১৯৯৫ সালে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা বা WTO তে রূপান্তরিত হয়। D) ASEAN — অ্যাসোসিয়েশন অব সাউথইস্ট এশিয়ান নেশনস বা আসিয়ান প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৬৭ সালে এবং এর গোল্ডেন জুবিলি পালিত হয় ২০১৭ সালে। ৫ মনে রাখার টিপস: জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৪৫ সালে। কোনো সংস্থার প্রতিষ্ঠার সাল থেকে ৫০ বছর যোগ করলেই তার গোল্ডেন জুবিলির বছর পাওয়া যায়। ১৯৪৫ + ৫০ = ১৯৯৫ সাল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিষ্ঠার সাল ভালোভাবে মনে রাখলে যেকোনো সংস্থার সিলভার, গোল্ডেন বা ডায়মন্ড জুবিলির বছর সহজেই নির্ণয় করা সম্ভব। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আন্তর্জাতিক সংস্থার জন্মতারিখ ও সুবর্ণজয়ন্তী সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
a ঢাকা
b নয়াদিলী
c কলম্বো
d কাঠমান্ডু
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কাঠমান্ডু ১. কেন সঠিক: সঠিক উত্তর কাঠমান্ডু কারণ দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা সার্কের সচিবালয় নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে অবস্থিত। ১৯৮৫ সালে সংস্থাটি প্রতিষ্ঠিত হওয়ার দুই বছর পর ১৯৮৭ সালের ১৬ জানুয়ারি কাঠমান্ডুতে সার্কের সচিবালয় আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে। ২. আন্তর্জাতিক সংস্থা: সংস্থা: সার্ক (SAARC - South Asian Association for Regional Cooperation) প্রতিষ্ঠা: ১৯৮৫ সালের ৮ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সচিবালয়ে ঢাকা শীর্ষ সম্মেলনে। সদর দপ্তর: কাঠমান্ডু, নেপাল। সদস্যদেশ: আটটি রাষ্ট্র (বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, ভুটান, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ ও আফগানিস্তান)। উদ্দেশ্য: দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: আসিয়ানের সদর দপ্তর জাকার্তা। ব্যাখ্যা: এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক সংস্থা, যার সদর দপ্তর ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তায় অবস্থিত। উদাহরণ ২: ইইউর সদর দপ্তর ব্রাসেলস। ব্যাখ্যা: এটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদর দপ্তর, যা বেলজিয়ামের ব্রাসেলস শহরে অবস্থিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঢাকা — ঢাকা সার্কের জন্মস্থান এবং প্রথম শীর্ষ সম্মেলনের আয়োজক শহর হলেও এটি সার্কের সদর দপ্তর নয়। B) নয়াদিল্লি — নয়াদিল্লি ভারতের রাজধানী এবং এটি সার্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ সদস্যদেশ হলেও এখানে সংস্থার সদর দপ্তর নেই। C) কলম্বো — কলম্বো শ্রীলঙ্কার বাণিজ্যিক রাজধানী এবং এখানে দ্বিতীয় সার্ক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হলেও এটি সদর দপ্তর নয়। D) কাঠমান্ডু — কাঠমান্ডু নেপালের রাজধানী এবং এটি সার্কের স্থায়ী সচিবালয় বা সদর দপ্তরের সঠিক অবস্থান। ৫. মনে রাখার টিপস: সার্কের জন্ম ঢাকায় হলেও এর ঠিকানা বা অফিস নেপালের পাহাড়ি শহর কাঠমান্ডুতে। জন্মস্থান ঢাকাকে ভাববেন সম্মেলন কক্ষ এবং কাঠমান্ডুকে ভাববেন স্থায়ী অফিস। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সার্কের প্রথম শীর্ষ সম্মেলন ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল এবং এর সর্বশেষ বা উনিশতম সম্মেলন স্থগিত রয়েছে। এই টপিক থেকে সদস্যদেশের সংখ্যা এবং কোন দেশ কত সালে যোগ দিয়েছে, তা প্রায়ই পরীক্ষায় আসে।
a আই. এল. ও
b হু (WHO)
c ASEAN (আশিয়ান)
d উপরের সবকটি
0 223 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ASEAN (আশিয়ান) ১. কেন সঠিক: সঠিক উত্তরটি হলো আশিয়ান কারণ এটি জাতিসংঘের কোনো বিশেষায়িত বা সহযোগী সংস্থা নয়, বরং এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর একটি স্বাধীন আঞ্চলিক সংস্থা। জাতিসংঘের নিজস্ব প্রধান অঙ্গসংস্থা এবং বিভিন্ন সহযোগী বা বিশেষায়িত সংস্থা রয়েছে যা বিশ্বব্যাপী কাজ করে, কিন্তু আশিয়ান সম্পূর্ণ আলাদা একটি ভূরাজনৈতিক জোট। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: সংস্থা: ASEAN বা Association of Southeast Asian Nations. প্রতিষ্ঠা: ৮ আগস্ট ১৯৬৭ সাল। সদর দপ্তর: জাকার্তা, ইন্দোনেশিয়া। উদ্দেশ্য: অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করা এবং আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: সার্ক (SAARC). ব্যাখ্যা: এটি দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক সংস্থা যা জাতিসংঘের সহযোগী নয়, ঠিক আশিয়ানের মতো এটিও একটি স্বাধীন আঞ্চলিক জোট। উদাহরণ ২: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO). ব্যাখ্যা: এটি জাতিসংঘের সরাসরি একটি বিশেষায়িত সংস্থা যা বিশ্ব স্বাস্থ্য সুরক্ষায় কাজ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আই. এল. ও — এটি জাতিসংঘের একটি প্রাচীন এবং অন্যতম প্রধান বিশেষায়িত সংস্থা যা আন্তর্জাতিক শ্রম মান ও অধিকার নিয়ে কাজ করে। B) হু (WHO) — এটি জাতিসংঘের বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা যা আন্তর্জাতিক জনস্বাস্থ্য রক্ষা ও মহামারী নিয়ন্ত্রণে মুখ্য ভূমিকা পালন করে। C) ASEAN (আশিয়ান) — এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার স্বাধীন আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা এবং জাতিসংঘের কোনো সহযোগী বা অঙ্গসংস্থা নয়। D) উপরের সবকটি — এই অপশনটি ভুল কারণ আইএলও এবং হু জাতিসংঘের সহযোগী হলেও আশিয়ান তা নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: জাতিসংঘের সংস্থা চেনার উপায় হলো এদের নামের সঙ্গে সাধারণত বিশ্ব, আন্তর্জাতিক বা জাতিসংঘের সংশ্লিষ্টতা থাকে। আশিয়ান এবং সার্ক হলো আঞ্চলিক সংস্থা, যা জাতিসংঘের বাইরে স্বাধীনভাবে গঠিত হয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জাতিসংঘের অঙ্গসংস্থা এবং আঞ্চলিক সংস্থার মধ্যে পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়। জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থাগুলোর সদর দপ্তর এবং প্রতিষ্ঠার সাল মুখস্থ রাখা বিসিএস পরীক্ষার জন্য খুবই জরুরি।
a দুবাই
b সিউল
c কাতার
d বার্লিন
0 103 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কাতার ১. কেন সঠিক: প্রশ্নটিতে ২০২২ সালের ফিফা বিশ্বকাপ আয়োজক দেশ সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়েছে। সঠিক উত্তর কাতার কারণ দেশটি মধ্যপ্রাচ্যে প্রথমবার এই বিশ্ব আসর সফলভাবে আয়োজন করেছিল। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: দেশ বা সংস্থা: ফিফা এবং কাতার ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন। প্রতিষ্ঠা বা তারিখ: ফিফা প্রতিষ্ঠিত হয় ২১ মে ১৯০৪ সালে এবং ২০২২ সালের বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয় ২০ নভেম্বর থেকে ১৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত। স্থান বা সদর দপ্তর: ফিফার সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জুরিখে অবস্থিত এবং বিশ্বকাপ ম্যাচের ভেন্যুগুলো কাতারের পাঁচটি ভিন্ন শহরে ছিল। প্রেক্ষাপট: ২০১০ সালে ভোটাভুটির মাধ্যমে কাতারকে এই মেগা ইভেন্ট আয়োজনের দায়িত্ব দেওয়া হয়। উদ্দেশ্য বা গুরুত্ব: মধ্যপ্রাচ্যের সংস্কৃতি বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরা এবং ফুটবলের বৈশ্বিক বিস্তার ঘটানো। ফলাফল বা প্রভাব: ফাইনালে ফ্রান্সকে হারিয়ে আর্জেন্টিনা চ্যাম্পিয়ন হয় এবং লিওনেল মেসি শিরোপা লাভ করেন। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: জার্মানি ২০০৬ ফিফা বিশ্বকাপ। ব্যাখ্যা: ইউরোপের ঐতিহ্যবাহী দেশ হিসেবে তারা অত্যন্ত সফলভাবে এই টুর্নামেন্ট আয়োজন করেছিল। উদাহরণ ২: ব্রাজিল ২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ। ব্যাখ্যা: ফুটবলের জন্মভূমি হিসেবে পরিচিত লাতিন আমেরিকার এই দেশে জমকালো আয়োজনের মাধ্যমে বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দুবাই — এটি সংযুক্ত আরব আমিরাতের একটি বিখ্যাত শহর হলেও ২০২২ সালের ফিফা বিশ্বকাপ এখানে অনুষ্ঠিত হয়নি। B) সিউল — এটি দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী এবং ২০০২ সালে ফিফা বিশ্বকাপের যৌথ আয়োজক ছিল, ২০২২ সালের নয়। C) কাতার — এটি সঠিক উত্তর। D) বার্লিন — এটি জার্মানির রাজধানী এবং ২০০৬ সালের বিশ্বকাপের ফাইনালসহ বেশ কিছু ম্যাচ এখানে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ৫. মনে রাখার টিপস: মধ্যপ্রাচ্যের মরুভূমির দেশে প্রথম বিশ্বকাপ হয়েছিল এবং তার নাম কাতার। অক্ষর সি এর সঙ্গে মিল রেখে মনে রাখতে পারেন কাতারের ইংরেজি নামের শুরু কিউ হলেও সি অপশনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মধ্যপ্রাচ্যে অনুষ্ঠিত প্রথম ফিফা বিশ্বকাপ এবং শীতকালে (নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাসে) অনুষ্ঠিত প্রথম বিশ্বকাপ এটি। একই বিষয় থেকে প্রশ্ন আসতে পারে ২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপ কোথায় অনুষ্ঠিত হবে, যার উত্তর যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো।
a ভলিবল
b টেবিল টেনিস
c বাস্কেট বল
d লন টেনিস
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) টেবিল টেনিস ১. কেন সঠিক: পিং পং মূলত টেবিল টেনিস খেলার একটি জনপ্রিয় অপর নাম। বল আঘাত করার সময় যে শব্দ উৎপন্ন হয়, তার অনুকরণে এই নামকরণ করা হয়েছে। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: প্রেক্ষাপট: বিংশ শতাব্দীর শুরুতে এই খেলার নামকরণের পেছনে মজার ইতিহাস রয়েছে। কূটনীতি: ১৯৭০ এর দশকে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে বরফ গলাতে এই খেলা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: পিং পং কূটনীতি ব্যাখ্যা: ১৯৭১ সালে টেবিল টেনিস খেলার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের পথ সুগম হয়েছিল। উদাহরণ ২: আন্তর্জাতিক টেবিল টেনিস ফেডারেশন ব্যাখ্যা: এই সংস্থাটি বিশ্বব্যাপী টেবিল টেনিস খেলা পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভলিবল — এটি ছয় সদস্যের দুটি দলের মধ্যে হাত দিয়ে বল জালের ওপর দিয়ে ছুড়ে খেলার একটি জনপ্রিয় আন্তর্জাতিক খেলা। B) টেবিল টেনিস — এটি ছোট ব্যাটে টেবিলের ওপর বল আঘাত করে খেলার খেলা যার অন্য নাম পিং পং। C) বাস্কেট বল — এটি উঁচুতে থাকা জালের ঝুড়িতে বল ফেলে পয়েন্ট অর্জনের একটি দলীয় খেলা। D) লন টেনিস — এটি বড় কোর্টে র‍্যাকেট ও জালের সাহায্যে বল আঘাত করে খেলার একটি স্বতন্ত্র খেলা। ৫. মনে রাখার টিপস: পিং পং শব্দ শুনলেই মাথায় টেবিল টেনিসের ছোট বলের খটখট শব্দ মনে রাখবে। এটি কোনো দলীয় বড় মাঠের খেলা নয়, বরং টেবিলের ওপর খেলার খেলা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পিং পং কূটনীতি কোন দুটি দেশের মধ্যে সংঘটিত হয়েছিল তা প্রায়শই পরীক্ষায় আসে। এই প্রশ্নটি থেকে খেলাধুলার ইতিহাস ও কূটনীতির সম্পর্ক সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।
a স্থলবেষ্টিত রাষ্ট্র
b নিরপেক্ষ রাষ্ট্র
c বাফার রাষ্ট্র
d জিরো সাম রাষ্ট্র
0 98 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বাফার রাষ্ট্র ১. কেন সঠিক: দুই বা ততোধিক প্রতিদ্বন্দ্বী বা পরাশক্তির মাঝখানে অবস্থিত ভৌগোলিক অঞ্চলকে বাফার রাষ্ট্র বলা হয়। এটি বৃহৎ শক্তিসমূহের সরাসরি সামরিক সংঘাত এড়াতে একটি নিরপক্ষ বা মধ্যবর্তী অঞ্চল হিসেবে কাজ করে। ২. ভূরাজনীতি ও কূটনীতি: প্রেক্ষাপট: ঐতিহাসিক ও আধুনিক ভূরাজনীতিতে বৃহৎ শক্তিগুলোর প্রভাব বলয় আলাদা রাখতে এই রাষ্ট্রগুলোর গুরুত্ব অপরিসীম। উদ্দেশ্য: দুটি শক্তিশালী দেশের মধ্যে সরাসরি যুদ্ধ বা সীমান্ত সংঘর্ষ রোধ করা এবং কূটনৈতিক ভারসাম্য বজায় রাখা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: আফগানিস্তান ব্যাখ্যা: ব্রিটিশ সাম্রাজ্য এবং রুশ সাম্রাজ্যের মধ্যে স্নায়ুযুদ্ধ বা প্রভাব বিস্তারের প্রতিযোগিতায় আফগানিস্তান ঐতিহাসিক বাফার রাষ্ট্র হিসেবে ভূমিকা রেখেছিল। উদাহরণ ২: বেলজিয়াম ব্যাখ্যা: ইউরোপের শক্তিধর দেশ ফ্রান্স ও জার্মানির মাঝখানে অবস্থিত হওয়ায় বেলজিয়াম ঐতিহাসিকভাবে ইউরোপের বাফার রাষ্ট্র হিসেবে পরিচিত ছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্থলবেষ্টিত রাষ্ট্র — যে দেশের কোনো সমুদ্রবন্দর বা সমুদ্রের সাথে সরাসরি সংযোগ নেই, তাকে স্থলবেষ্টিত রাষ্ট্র বলে। এটি ভূগোলের একটি ভৌগোলিক অবস্থান, যা প্রতিদ্বন্দ্বী শক্তির মধ্যবর্তী অবস্থান বোঝায় না। B) নিরপেক্ষ রাষ্ট্র — যে রাষ্ট্র আন্তর্জাতিক কোনো সংঘাতে বা সামরিক জোটে অংশ নেয় না এবং সশস্ত্র neutrality বজায় রাখে, তাকে নিরপেক্ষ রাষ্ট্র বলে। এটি ভূরাজনৈতিক অবস্থানের চেয়ে মূলত রাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতির সাথে সম্পর্কিত। C) বাফার রাষ্ট্র — এটি সঠিক উত্তর। D) জিরো সাম রাষ্ট্র — এটি আন্তর্জাতিক অর্থনীতি বা খেলার তাত্ত্বিক ধারণা, যেখানে এক পক্ষের লাভ মানে অন্য পক্ষের ঠিক ততটুকুই ক্ষতি। এটি কোনো ভৌগোলিক বা ভূরাজনৈতিক অবস্থানের নাম নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: বাফার মানে কুশন বা কুশন জাতীয় মধ্যবর্তী জিনিস, যা ধাক্কা বা আঘাত সরাসরি লাগতে দেয় না। ঠিক তেমনি, দুটি মহাশক্তির মাঝে আঘাত বা যুদ্ধ প্রতিরোধকারী মধ্যবর্তী দেশই হলো বাফার রাষ্ট্র। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভূরাজনীতি ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের সংজ্ঞা থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। বাফার রাষ্ট্র ধারণার পাশাপাশি সীমান্ত বিরোধ এবং নিরপেক্ষতার নীতি সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা জরুরি।
a কার্ল মার্কস
b ফ্রেডরিক এঙ্গেলস
c ভি. আই. লেনিন
d মাও সে তুং
0 122 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ভি. আই. লেনিন ১. কেন সঠিক: ভ্লাদিমির ইলিচ লেনিন ছিলেন বলশেভিক দলের নেতা এবং ১৯১৭ সালের রুশ সমাজতান্ত্রিক অক্টোবর বিপ্লবের মূল রূপকার। তার প্রত্যক্ষ নির্দেশনায় পেত্রোগাদের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখল করে বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ঘটনা: রুশ অক্টোবর বিপ্লব। তারিখ: ১৯১৭ সালের ৭ নভেম্বর (জুলিয়ান ক্যালেন্ডারে ২৫ অক্টোবর)। স্থান: পেত্রোগাদ, রাশিয়া। গুরুত্ব: পুঁজিবাদের পতন ঘটিয়ে বিশ্বে প্রথম শ্রমিক শ্রেণির শাসন প্রতিষ্ঠা করে। ফলাফল: সোভিয়েত ইউনিয়ন গঠন এবং বিশ্ব রাজনীতিতে সমাজতন্ত্রের বিস্তার ঘটে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ফরাসি বিপ্লব। ব্যাখ্যা: এটি ১৭৮৯ সালে ফ্রান্সে রাজতন্ত্রের পতন ঘটিয়ে সাম্য, মৈত্রী ও স্বাধীনতার আদর্শ প্রতিষ্ঠা করেছিল। উদাহরণ ২: চীনের কমিউনিস্ট বিপ্লব। ব্যাখ্যা: ১৯৪৯ সালে মাও সে তুংয়ের নেতৃত্বে চীনে সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব সফল হয়, যা এশিয়ার রাজনীতিতে গভীর প্রভাব ফেলেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কার্ল মার্কস — তিনি সমাজতন্ত্রের তাত্ত্বিক প্রবক্তা ও কমিউনিস্ট ইশতেহালের রচয়িতা হলেও সরাসরি অক্টোবর বিপ্লবে নেতৃত্ব দেননি। B) ফ্রেডরিক এঙ্গেলস — তিনি কার্ল মার্কসের সহকর্মী ও সমাজতান্ত্রিক মতবাদের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন কিন্তু অক্টোবর বিপ্লবের বহু আগে মৃত্যুবরণ করেন। D) মাও সে তুং — তিনি চীনের কমিউনিস্ট বিপ্লবের প্রধান নেতা ছিলেন, রুশ বিপ্লবের সঙ্গে তার সরাসরি সংশ্লিষ্টতা ছিল না। ৫ মনে রাখার টিপস: অক্টোবর বিপ্লব মানেই লেনিন এবং বলশেভিক দল। লেনিন নামটির সঙ্গে অক্টোবর বিপ্লব যুক্ত করে পড়লে সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: অক্টোবর বিপ্লব কোন সালে সংঘটিত হয় এবং এর ফলে কোন রাষ্ট্র গঠিত হয়, তা প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। এই টপিক থেকে বলশেভিক বিপ্লব এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রতিষ্ঠাতা সম্পর্কিত প্রশ্ন হতে পারে।
a এ্যাডি ক্যালভো
b ডোনাল্ড ডাক
c রন বুম
d গেন বেক
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) এ্যাডি ক্যালভো ১. কেন সঠিক: - এ্যাডি ক্যালভো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দ্বীপ টেরিটরি গুয়ামের সাবেক গভর্নর ছিলেন। - গুয়াম একটি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন সামরিক ঘাঁটি হওয়ায় এর রাজনৈতিক নেতৃত্ব আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: - দেশ/অঞ্চল: গুয়াম, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি অনির্গঠিত ও অসংগঠিত দ্বীপ অঞ্চল। - অবস্থান: প্রশান্ত মহাসাগরের মারিয়ানা দ্বীপপুঞ্জের সর্বদক্ষিণে অবস্থিত। - গুরুত্ব: এ অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান ও নৌঘাঁটি থাকার কারণে এটি ভূরাজনীতিতে অত্যন্ত সংবেদনশীল। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: পুয়ের্তো রিকো ব্যাখ্যা: এটিও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি ক্যারিবীয় অঞ্চলের দ্বীপ টেরিটরি যার নিজস্ব গভর্নর ও স্থানীয় শাসনব্যবস্থা রয়েছে। উদাহরণ ২: মার্কিন ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ব্যাখ্যা: গুয়ামের মতো এটিও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি সামুদ্রিক অঞ্চল যা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ও কংগ্রেসের অধীনস্ত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) এ্যাডি ক্যালভো — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি নির্দিষ্ট সময়ে গুয়ামের গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। B) ডোনাল্ড ডাক — এটি একটি কাল্পনিক অ্যানিমেশন চরিত্র এবং এর বাস্তব কোনো রাজনৈতিক পদের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই। C) রন বুম — এটি কোনো বাস্তব বা পরিচিত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের নাম নয়। ডি) গেন বেক — এই নামে গুয়ামের গভর্নর পদে দায়িত্ব পালনকারী কোনো রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - গুয়াম যুক্তরাষ্ট্রের একটি দ্বীপ অঞ্চল হওয়ায় এর শীর্ষস্থানীয় প্রশাসকদের নাম প্রায়ই প্রশান্ত মহাসাগরীয় ভূরাজনীতির প্রশ্নে আসে। - এ্যাডি ক্যালভো নামটি গুয়ামের সাবেক গভর্নর হিসেবে স্মরণ রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - গুয়াম কোন দেশের অধীনস্থ অঞ্চল তা বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। - প্রশান্ত মহাসাগরে মার্কিন সামরিক উপস্থিতির কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে গুয়ামের ভূরাজনৈতিক গুরুত্ব অপরিসীম।
a ১৯৬২ সনে
b ১৯৮৬ সনে
c ১৯৭৮ সনে
d ১৯৮২ সনে
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৯৮২ সনে ১. কেন সঠিক: মিয়ানমারে বসবাসরত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী ১৯৮২ সালের নাগরিকত্ব আইনের মাধ্যমে তাদের নাগরিকত্ব হারায়। এই আইনের কারণে রোহিঙ্গারা রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি থেকে বঞ্চিত হয় এবং পরবর্তীতে রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের মুখে তারা লাখ লাখ সংখ্যায় বাংলাদেশে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও গুরুত্ব: দেশ: মিয়ানমার, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি রাষ্ট্র যার রাজধানী নেপিড এবং মুদ্রা কিয়াত। প্রেক্ষাপট: জেনারেল নে উইনের সামরিক সরকারের আমলে প্রণীত ১৯৮২ সালের নাগরিকত্ব আইনে মিয়ানমারের নাগরিক হওয়ার জন্য নির্দিষ্ট কিছু জাতিগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্তির শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ফিলিস্তিন সংকট ব্যাখ্যা: রোহিঙ্গাদের মতো ফিলিস্তিনিরাও দীর্ঘকাল ধরে রাষ্ট্রহীন ও নাগরিক অধিকার বঞ্চিত একটি নিপীড়িত জনগোষ্ঠী। উদাহরণ ২: কুর্দি সংকট ব্যাখ্যা: মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে থাকা কুর্দিরা নিজস্ব রাষ্ট্র ও নাগরিকত্ব থেকে বঞ্চিত একটি ঐতিহাসিক জাতিগোষ্ঠী। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৬২ সনে — জেনারেল নে উইন সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করলেও এই বছরে রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব হীন করার আইন পাস হয়নি। B) ১৯৮৬ সনে — এই বছরটি মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি বা রোহিঙ্গা সংকটের ক্ষেত্রে নাগরিকত্ব আইন প্রণয়নের সাথে সম্পর্কিত নয়। C) ১৯৭৮ সনে — এই বছরে মিয়ানমারে অপারেশন ড্রাগন কিং পরিচালনার কারণে রোহিঙ্গারা প্রথম বড় আকারে বাংলাদেশে পালিয়ে আসে, যা নাগরিকত্ব আইন প্রণয়নের আগের ঘটনা। D) ১৯৮২ সনে — এই অপশনটি সঠিক কারণ এই সালেই বিতর্কিত নাগরিকত্ব আইন পাস করে রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়া হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: রোহিঙ্গারা ১৯৮২ সালের আইনের ফাঁদে পড়ে নাগরিকত্ব হারিয়েছে। আট আর দুই মিলে তৈরি হয়েছে আটচল্লিশ বা বাহাত্তর নয়, বরং বিরাশি সালটি রোহিঙ্গাদের জন্য সবচেয়ে কালো অধ্যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মিয়ানমারের ১৯৮২ সালের নাগরিকত্ব আইন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের পরিপন্থী হিসেবে বিবেচিত। এই টপিক থেকে মিয়ানমারের রাজধানী, মুদ্রা অথবা রোহিঙ্গা সংকট সম্পর্কিত বিভিন্ন আন্তর্জাতিক চুক্তি ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রশ্ন প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
a 193
b 168
c 199
d 196
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) 196 ১. কেন সঠিক: - কপ-২১ সম্মেলনে জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত কাঠামো কনভেনশনের অন্তর্ভুক্ত ১৯০টির বেশি দেশ অংশগ্রহণ করেছিল। - এই সম্মেলনে সর্বসম্মতিক্রমে ঐতিহাসিক প্যারিস চুক্তি গৃহীত হয়, যা বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির হার সীমিত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করে। ২. আন্তর্জাতিক সম্মেলন ও চুক্তি: - সম্মেলন: কপ-২১ অর্থ কনভেনশন্স অব দ্য পার্টিজ একুশতম অধিবেশন। - স্থান ও সময়: ২০১৫ সালের নভেম্বর থেকে ডিসেম্বর মাসে ফ্রান্সের প্যারিসে অনুষ্ঠিত হয়। - মূল উদ্দেশ্য: শিল্পবিপ্লব পূর্ববর্তী সময়ের তুলনায় বৈশ্বিক গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধি দুই ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে রাখা। - ফলাফল: সদস্য দেশগুলোর ঐকমত্যের ভিত্তিতে প্যারিস জলবায়ু চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: কিয়োটো প্রটোকল ব্যাখ্যা: এটি ১৯৯৭ সালে জাপানে স্বাক্ষরিত হয় এবং গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাসের প্রথম আন্তর্জাতিক আইনি বাধ্যবাধকতাপূর্ণ চুক্তি ছিল। উদাহরণ ২: কপ-২৬ ব্যাখ্যা: ২০২১ সালে স্কটল্যান্ডের গ্লাসগোতে অনুষ্ঠিত হয়, যা প্যারিস চুক্তির লক্ষ্য বাস্তবায়নের অগ্রগতি পর্যালোচনা করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) 193 — এটি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের বর্তমান সদস্য সংখ্যার কাছাকাছি একটি সংখ্যা, যা কপ-২১ এর অংশগ্রহণকারী দেশের সঠিক সংখ্যা নয়। B) 168 — এটি জাতিসংঘের কোনো বিশেষ সংস্থার সদস্য সংখ্যা বা সাধারণ কোনো সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী দেশের সঠিক পরিসংখ্যান নির্দেশ করে না। C) 199 — এটি ২০১৫ সালে প্যারিস জলবায়ু সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী দেশের প্রকৃত সংখ্যা নয়, বরং একটি কাল্পনিক বা অতিরিক্ত সংখ্যা। D) 196 — এটি ২০১৫ সালের প্যারিস সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী রাষ্ট্র ও জাতিগুলোর সঠিক সংখ্যা। ৫ মনে রাখার টিপস: প্যারিস চুক্তির সাল ২০১৫ এবং সেটিতে অংশগ্রহণকারী দেশ ছিল প্রায় ১৯৬টি। মনে রাখার জন্য ২০১৫ সালের সংখ্যা এবং জাতিসংঘের মোট সদস্য দেশের কাছাকাছি সংখ্যাটি মাথায় রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্যারিস চুক্তি একটি ঐতিহাসিক পরিবেশ চুক্তি যা গ্রিনহাউস গ্যাস কমানোর ওপর জোর দেয়। এই টপিক থেকে কপ সম্মেলনের স্থান, সাল এবং মূল লক্ষ্য সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
a থাড
b শয়তানের সাম্রাজ্যে আক্রমণ
c তারকা যুদ্ধ
d ম্যাড
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) তারকা যুদ্ধ ১. কেন সঠিক: সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগান ১৯৮৩ সালের মার্চ মাসে কৌশলগত প্রতিরক্ষা উদ্যোগ বা এসডিআই ঘোষণা করেন। এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য ছিল মহাশূন্যে কৃত্রিম উপগ্রহ এবং লেজার অস্ত্র মোতায়েন করে সোভিয়েত ইউনিয়নের দিক থেকে আসা আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করা। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: প্রেক্ষাপট: স্নায়ুযুদ্ধের চরম পর্যায়ে যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যকার মহাকাশ ও অস্ত্র প্রতিযোগিতা তীব্র আকার ধারণ করে। উদ্দেশ্য: মহাশূন্যভিত্তিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে সোভিয়েত পারমাণবিক আক্রমণ থেকে রক্ষা করা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: কিউবা সংকট ব্যাখ্যা: এটি স্নায়ুযুদ্ধের আরেকটি অত্যন্ত বিপজ্জনক অধ্যায় যা যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যকার সরাসরি সংঘর্ষের উপক্রম করেছিল। উদাহরণ ২: ন্যাটোর প্রতিষ্ঠা ব্যাখ্যা: স্নায়ুযুদ্ধের সময় গঠিত এই সামরিক জোট পশ্চিমা বিশ্বের প্রতিরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) থাড — এটি একটি আধুনিক মার্কিন টার্মিনাল হাই অল্টিটিউড এরিয়া ডিফেন্স ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, যা তৎকালীন এসডিআই নয়। B) শয়তানের সাম্রাজ্যে আক্রমণ — এটি রোনাল্ড রিগানের সোভিয়েত ইউনিয়ন সম্পর্কে করা একটি বিখ্যাত রাজনৈতিক মন্তব্য বা ভাষণের অংশবিশেষ। D) ম্যাড — এর পূর্ণরূপ মিউচুয়ালি অ্যাসিওরড ডেস্ট্রাকশন, যা স্নায়ুযুদ্ধের সময় দুই পরাশক্তির পারমাণবিক যুদ্ধ প্রতিরোধের একটি কৌশলগত তত্ত্ব ছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: রিগানের মহাশূন্য প্রতিরক্ষা প্রকল্প মানেই তারকার রাজ্য বা তারকা যুদ্ধ বা স্টার ওয়ার্স। এসডিআই শুনলেই মাথায় রাখতে হবে এটি মহাশূন্য বা স্পেস ডিফেন্স সংক্রান্ত তারকা যুদ্ধ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি বিশ্বযুদ্ধ ও গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ঘটনা এবং স্নায়ুযুদ্ধের রাজনীতি ক্যাটাগরির অন্তর্ভুক্ত। বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এসডিআই এর পূর্ণরূপ বা এর জনপ্রিয় নাম জানতে চাওয়া হয়।
a নয়া উদারতাবাদ
b গঠনবাদ
c বাস্তববাদ
d নব্য মার্কসবাদ
0 93 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বাস্তববাদ ১. কেন সঠিক: আন্তর্জাতিক সম্পর্ক তত্ত্বে নৈরাজ্য বা অ্যানার্জি বলতে কোনো বিশ্বসরকার বা সর্বোচ্চ অভিভাবক না থাকাকে বোঝায়। বাস্তববাদ তত্ত্বের মতে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে যেহেতু কোনো কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষ নেই, তাই প্রতিটি রাষ্ট্র তার নিজের নিরাপত্তা নিজেই নিশ্চিত করতে বাধ্য। ২. আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও তত্ত্ব: তত্ত্ব: আন্তর্জাতিক সম্পর্কের প্রধান তিনটি তাত্ত্বিক ধারার একটি হলো বাস্তববাদ। প্রেক্ষাপট: প্রাচীন গ্রিক ইতিহাসবিদ থুসিডিস থেকে শুরু করে আধুনিক যুগে হ্যান্স মর্গেনথাউ এই তত্ত্বের মূল ভিত্তি স্থাপন করেছেন। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ব্যাখ্যা: বিশ্বযুদ্ধের মতো ঘটনাগুলো প্রমাণ করে যে আন্তর্জাতিক ব্যবস্থায় কোনো কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রক না থাকায় শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে দেশগুলো নিজেদের আধিপত্য বিস্তার করতে চেয়েছিল। উদাহরণ ২: স্নায়ুযুদ্ধকালীন আমেরিকা ও সোভিয়েত ইউনিয়ন ব্যাখ্যা: পরাশক্তিগুলোর মধ্যে অস্ত্র প্রতিযোগিতা এবং ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষার রাজনীতি বাস্তববাদের নৈরাজ্যিক ধারণার বাস্তব প্রতিফলন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নয়া উদারতাবাদ — এই তত্ত্ব আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে রাষ্ট্রগুলোর পারস্পরিক সহযোগিতা এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার ভূমিকার ওপর বেশি জোর দেয়। B) গঠনবাদ — প্রদত্ত উত্তরটি তাত্ত্বিক বিচারে ভুল কারণ গঠনবাদ মূলত ধারণা, আদর্শ এবং সামাজিক পরিচয়ের ওপর গুরুত্ব দেয়, নৈরাজ্য এর মূল উপাদান নয়। D) নব্য মার্কসবাদ — এই তত্ত্ব বিশ্বব্যাপী পুঁজিবাদী শোষণ, অর্থনৈতিক বৈষম্য এবং সাম্রাজ্যবাদের সমালোচনার ওপর প্রতিষ্ঠিত। ৫ মনে রাখার টিপস: বাস্তববাদ মানেই হলো ক্ষমতার রাজনীতি এবং নৈরাজ্য যেখানে প্রতিটি রাষ্ট্র নিজের সুরক্ষার জন্য একা লড়াই করে। বাস্তববাদ ও নৈরাজ্য শব্দ দুটি সমার্থক হিসেবে আন্তর্জাতিক সম্পর্কের পড়াশোনায় ব্যবহার করা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক যেকোনো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আন্তর্জাতিক সম্পর্কের বিভিন্ন তত্ত্ব এবং তাদের মূল ধারণা থেকে প্রশ্ন প্রায়ই আসে। নৈরাজ্য কোন তত্ত্বের মূল উপাদান, এই প্রশ্নটি বাস্তববাদ তত্ত্বের মৌলিক ভিত্তি যাচাই করার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a 5
b 3
c 4
d 2
0 112 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩ ১. কেন সঠিক: - ইসলামী সহযোগিতা সংস্থা বা ওআইসি এর দাপ্তরিক বা কাজের ভাষা মাত্র তিনটি। - এই ভাষাগুলো হলো আরবি, ইংরেজি এবং ফরাসি। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: - সংস্থা: ওআইসি বা অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কোঅপারেশন হলো বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম আন্তঃসরকার সংস্থা। - প্রতিষ্ঠা: ১৯৬৯ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর মরক্কোর রাবাতে সংস্থাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। - সদর দপ্তর: সৌদি আরবের জেদ্দায় এর প্রধান কার্যালয় অবস্থিত। - সদস্যসংখ্যা: বিশ্বের চার মহাদেশের ৫৭টি মুসলিম প্রধান দেশ এর সদস্য। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: জাতিসংঘ ব্যাখ্যা: জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা ছয়টি, যা ওআইসি থেকে ভিন্ন। উদাহরণ ২: আসিয়ান ব্যাখ্যা: দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক সংস্থা আসিয়ানের দাপ্তরিক ভাষা ইংরেজি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৫ — এটি জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষার সংখ্যা, ওআইসির নয়। B) ৩ — এটি ওআইসির দাপ্তরিক ভাষার সঠিক সংখ্যা এবং উত্তর হিসেবে নির্ধারিত। C) ৪ — আন্তর্জাতিক কোনো প্রধান সংস্থার ক্ষেত্রে সাধারণত এই সংখ্যাটি দাপ্তরিক ভাষা হিসেবে ব্যবহৃত হয় না। D) ২ — এটি অনেক দ্বিপক্ষীয় চুক্তির ভাষা হতে পারে, কিন্তু ওআইসির ক্ষেত্রে এই সংখ্যাটি প্রযোজ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ওআইসি যেহেতু মুসলিম বিশ্বের সংস্থা, তাই প্রধান ভাষা আরবি। এর সাথে আন্তর্জাতিক যোগাযোগের জন্য ইংরেজি ও ফরাসি যুক্ত হয়েছে। - এভাবে মনে রাখতে পারো যে ত্রিভুজ যেমন তিনটি বাহু নিয়ে গঠিত, ওআইসির দাপ্তরিক ভাষাও তেমনি তিনটি। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আন্তর্জাতিক সংস্থার ভাষা সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - ওআইসির দাপ্তরিক ভাষার পাশাপাশি এর সদর দপ্তর ও প্রতিষ্ঠার সাল সম্পর্কেও ভালোভাবে জেনে রাখা উচিত।

মোট প্রশ্ন (10)

a টারশিয়ারী যুগে
b প্লাইস্টোসিন যুগে
c কোয়াটারনারী যুগে
d সাম্প্রতিক কালে
0 117 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) টারশিয়ারী যুগে কেন সঠিক: - ভূতাত্ত্বিক ইতিহাস অনুযায়ী আজ থেকে প্রায় ৫০ থেকে ৭০ লক্ষ বছর আগে টারশিয়ারী যুগে এই অঞ্চলের পাহাড়গুলো প্রথম সৃষ্টি হয়। - এটি আমাদের দেশের সবচেয়ে প্রাচীন ভূমিরূপ যা মূল ভূখণ্ডের গঠনের সূচনার সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ভৌগোলিক তথ্য: - এই প্রাচীন ভূমিরূপটি বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়ি এলাকা এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলের কিছু অংশ জুড়ে বিস্তৃত। - এর মোট আয়তন দেশের মোট ভূমির প্রায় ১২ শতাংশ দখল করে আছে। - এই অঞ্চলের প্রধান পাহাড়ি এলাকাগুলো হলো চট্টগ্রাম, রাঙ্গামাটি, বান্দরবান এবং সিলেট জেলার কিছু উঁচু ভূমি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) টারশিয়ারী যুগ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয় বরং এটিই সবচেয়ে প্রাচীন যুগ হিসেবে পরিচিত। B) প্লাইস্টোসিন যুগ — এই যুগে বরফ যুগের প্রভাবে মধুপ্রুড় ও ভাওয়াল গড় এবং বরেন্দ্রভূমির মতো চত্বরগুলো গঠিত হয়েছিল। C) কোয়াটারনারী যুগ — এটি টারশিয়ারী যুগের চেয়ে অনেক পরে এবং বর্তমান যুগের ঠিক আগের একটি ভূতাত্ত্বিক সময়কাল। D) সাম্প্রতিক কাল — এই যুগে মূলত নদীবাহিত পলি দ্বারা দেশের প্লাবন সমভূমিগুলো গঠিত হয়েছে যা সবচেয়ে নবীন ভূমিরূপ। মনে রাখার টিপস: পাহাড় মানেই প্রাচীন বা সবার আগে আসা, তাই পাহাড় বা পার্বত্য অঞ্চল গঠিত হয়েছিল টারশিয়ারী যুগে।
a বন্যা নিয়ন্ত্রণ
b পানি নিষ্কাশন
c পানি সেচ
d উপরের তিনটি (ক, খ, গ)
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উপরের তিনটি (ক, খ, গ) কেন সঠিক: এফ, সি, ডি, আই প্রকল্পের মূল কাজ হলো বন্যা নিয়ন্ত্রণ করা। এর মাধ্যমে জমিতে পানি নিষ্কাশন এবং পানি সেচ নিশ্চিত করা হয়। ভৌগোলিক তথ্য: এটি বাংলাদেশের উপকূলীয় ও প্লাবনভূমির পানি সম্পদ উন্নয়নে ব্যবহৃত হয়। এর পূর্ণরূপ হলো ফ্লাড কন্ট্রোল, ড্রেনেজ অ্যান্ড ইরিগেশন প্রজেক্ট। এই প্রকল্পের ফলে কৃষিজমিতে অতিরিক্ত পানি জমে না এবং খরা মৌসুমে সেচ সুবিধা পাওয়া যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বন্যা নিয়ন্ত্রণ — এটি শুধু বন্যার হাত থেকে রক্ষা করে না, বরং পানি সেচ ও নিষ্কাশনের কাজও করে থাকে। B) পানি নিষ্কাশন — এটি কেবল নিষ্কাশন নয়, বরং বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও সেচের কাজও একই সাথে পরিচালনা করে। C) পানি সেচ — এটি শুধু সেচ কাজের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, এর সাথে বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও নিষ্কাশন জড়িত। D) উপরের তিনটি (ক, খগ) — এই অপশনটি সঠিক কারণ এফ, সি, ডি, আই প্রকল্পের উদ্দেশ্য এই তিনটি বিষয়কেই বোঝায়। মনে রাখার টিপস: এফ, সি, ডি, আই এর ইংরেজি শব্দগুলোর অর্থ মনে রাখলে সহজেই বন্যা, নিষ্কাশন ও সেচের বিষয়টি বুঝতে পারবে।
a ক্রান্তীয় ও উপক্রান্তীয় জলবায়ু
b ক্রান্তীয় মৌসুমী জলবায়ু
c উপক্রান্তীয় জলবায়ু
d আর্দ্র ক্রান্তীয় জলবায়ু
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ক্রান্তীয় মৌসুমী জলবায়ু কেন সঠিক: বাংলাদেশের অবস্থান ক্রান্তীয় অঞ্চলে হওয়ায় এখানকার তাপমাত্রা সারা বছর বেশি থাকে এবং ঋতু পরিবর্তনের সাথে বায়ুপ্রবাহের দিকও বদলে যায়। মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে এই দেশে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয় যা ক্রান্তীয় মৌসুমী জলবায়ুর প্রধান বৈশিষ্ট্য হিসেবে বিবেচিত হয়। ভৌগোলিক তথ্য: বাংলাদেশ পৃথিবীর উত্তর গোলার্ধের ক্রান্তীয় অঞ্চলে এবং এশিয়ার দক্ষিণ অংশে অবস্থিত যার ভূখণ্ড নদীমাত्रिक ও সমতল প্রকৃতির। এ দেশের জলবায়ুতে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ুর প্রভাব অত্যন্ত প্রবল যা গ্রীষ্মকালে প্রচুর বৃষ্টিপাত নিয়ে আসে। বছরে এখানে প্রধানত ছয়টি ঋতু পরিলক্ষিত হয় তবে মূলত গ্রীষ্ম, বর্ষা ও শীত এই তিনটি ঋতু প্রধান ভূমিকা পালন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক্রান্তীয় ও উপক্রান্তীয় জলবায়ু — বাংলাদেশ প্রধানত ক্রান্তীয় মৌসুমী অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় এটি পুরোপুরি সঠিক নয়। B) ক্রান্তীয় মৌসুমী জলবায়ু — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। C) উপক্রান্তীয় জলবায়ু — এই জলবায়ু প্রধানত নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলের কাছাকাছি দেখা যায় যা বাংলাদেশের প্রকৃত আবহাওয়াকে সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ করে না। D) আর্দ্র ক্রান্তীয় জলবায়ু — এই জলবায়ুতে সারা বছর প্রচুর বৃষ্টি হলেও মৌসুমী বায়ুর বিশেষ প্রভাব এখানে প্রধান হিসেবে গণ্য হয় না। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ মানেই মৌসুমী বায়ুর দেশ এবং ক্রান্তীয় অঞ্চলের উষ্ণতা তাই সঠিক উত্তর সব সময় ক্রান্তীয় মৌসুমী জলবায়ু হবে।
a চাঁদপুর
b পিরোজপুর
c মাদারীপুর
d গাজীপুর
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) গাজীপুর কেন সঠিক: - গাজীপুর জেলাটি প্লাইস্টোসিন কালের সোপান বা চত্বরভূমির অন্তর্গত বরেন্দ্র ও মধুপুর গড়ের মধ্যে মধুপুর চত্বরের অংশ বিশেষের অন্তর্ভুক্ত। - এই অঞ্চলে প্রায় দশ হাজার বছর আগের বা তারও পূর্বের প্লাইস্টোসিন যুগের লাল ও ধূসর মাটি দেখা যায় যা সাধারণ প্লাবন সমভূমির মাটি থেকে আলাদা। ভৌগোলিক তথ্য: - বাংলাদেশের প্লাইস্টোসিন চত্বরভূমির মোট আয়তন প্রায় নয় হাজার তিনাত্তর বর্গকিলোমিটার যা দেশের মোট ভূভাগের প্রায় সাত শতাংশ। - এই অঞ্চলের মাটি উর্বর নয় এবং এতে লৌহ ও অ্যালুমিনিয়ামের পরিমাণ বেশি থাকায় এর রং সাধারণত লালচে বা হলুদ রঙের হয়। - মধুপুর গড়, বরেন্দ্র ভূমি এবং লালমাই পাহাড় বাংলাদেশের প্রধান তিনটি প্লাইস্টোসিন চত্বরভূমির উল্লেখযোগ্য প্রাকৃতিক উদাহরণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চাঁদপুর — এটি মূলত সাম্প্রতিককালের নদী গঠিত প্লাবন সমভূমি অঞ্চলে অবস্থিত এবং এখানে প্লাইস্টোসিন চত্বরভূমির কোনো অস্তিত্ব নেই। B) পিরোজপুর — এই জেলাটি দেশের দক্ষিণাঞ্চলের বদ্বীপ সমভূমি ও উপকূলীয় অঞ্চলের অন্তর্গত যেখানে নতুন পলিমাটি জমা হয়েছে। C) মাদারীপুর — এই এলাকাটি সম্পূর্ণভাবে নিম্ন গঙ্গা অববাহিকার প্লাবন সমভূমির অংশ এবং এটি প্লাইস্টোসিন চত্বরভূমির বাইরে অবস্থিত। D) গাজীপুর — এই অপশনটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল হওয়ার কোনো সুযোগ নেই কারণ এটি মধুপুর চত্বরে অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: মধুপুর ও বরেন্দ্র গড়ের জেলাগুলো মনে রাখলেই প্লাইস্টোসিন চত্বরভূমির প্রশ্ন সহজেই উত্তর করা সম্ভব।
a সাভানা
b তুন্দ্রা
c প্রেইরি
d সাহেল
0 107 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সাহেল কেন সঠিক: আফ্রিকার সাহারা মরুভূমি এবং দক্ষিণের সাভানা অঞ্চলের মধ্যবর্তী সংক্রামক অঞ্চলটি সাহেল নামে পরিচিত। এই অঞ্চলটি শুষ্ক ও অর্ধশুষ্ক প্রকৃতির হয়ে থাকে এবং এখানে ক্রান্তীয় তৃণভূমি দেখা যায়। ভৌগোলিক তথ্য: সাহেল অঞ্চলটি আফ্রিকার মহাদেশের আটলান্টিক মহাসাগর থেকে লোহিত সাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এটি একটি পরিবর্তনশীল অঞ্চল যা মরুভূমি প্রসারণের বিরুদ্ধে একটি প্রাকৃতিক ঢাল হিসেবে কাজ করে। সেনেগাল, মালি, নাইজার এবং সুদান এই অঞ্চলের প্রধান দেশগুলোর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাভানা — এটি মূলত উষ্ণ ও ক্রান্তীয় তৃণভূমি অঞ্চল যা সাহেল অঞ্চলের দক্ষিণে অবস্থিত। B) তুন্দ্রা — এটি অত্যন্ত ঠান্ডা মেরু অঞ্চল যেখানে কোনো গাছপালা জন্মায় না এবং মাটি বরফাবৃত থাকে। C) প্রেইরি — এটি উত্তর আমেরিকার নাতিশীতোষ্ণ তৃণভূমি অঞ্চল যা মূলত গম চাষের জন্য বিখ্যাত। D) সাহেল — এটি প্রশ্নানুযায়ী সাব-সাহারা অঞ্চলের সঠিক ভূপ্রাকৃতিক নামকরণ। মনে রাখার টিপস: সাহারা মরুভূমির ধার বা উপকূল বোঝাতে আরবি শব্দ সাহিল থেকে সাহেল নামটি এসেছে। সাহারা মরুভূমি এবং দক্ষিণের সবুজ এলাকার ঠিক মাঝের অংশ হিসেবে সাহেল মনে রাখা সহজ।
a উষ্ণতা
b আর্দ্রতা
c সমুদ্রস্রোত
d বায়ুপ্রবাহ
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সমুদ্রস্রোত কেন সঠিক: ১. জলবায়ুর উপাদান বলতে মূলত বায়ুমণ্ডলের সেইসব অবস্থাকে বোঝায় যা সরাসরি আবহাওয়া বা জলবায়ু তৈরিতে ভূমিকা রাখে। ২. সমুদ্রস্রোত হলো জলবায়ুর একটি প্রধান নিয়ন্ত্রক বা নিয়ামক, কিন্তু এটি সরাসরি বায়ুমণ্ডলের কোনো উপাদান নয়। ভৌগোলিক তথ্য: ১. জলবায়ুর উপাদান হলো বায়ুর উষ্ণতা, আর্দ্রতা, বায়ুপ্রবাহ এবং বায়ুমণ্ডলীয় চাপ। ২. সমুদ্রস্রোত সমুদ্রের জলের নিয়মিত গতি যা উপকূল অঞ্চলের জলবায়ুকে পরোক্ষভাবে প্রভাবিত করে থাকে। ৩. নিরক্ষীয় অঞ্চলের উষ্ণ স্রোত বা মেরু অঞ্চলের শীতল স্রোত জলবায়ুর নিয়ামক হিসেবে কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) উষ্ণতা — এটি বায়ুমণ্ডলের একটি মূল উপাদান যা কোনো স্থানের জলবায়ু নির্ধারণে সরাসরি ভূমিকা পালন করে। B) আর্দ্রতা — এটি বাতাসে উপস্থিত জলীয় বাষ্পের পরিমাণ যা জলবায়ুর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান। C) সমুদ্রস্রোত — এটি জলবায়ুর কোনো উপাদান নয়, বরং এটি হলো জলবায়ুকে প্রভাবিত করার একটি প্রধান নিয়ন্ত্রক। D) বায়ুপ্রবাহ — এটি বায়ুমণ্ডলের চাপের তারতম্যের কারণে সৃষ্টি হওয়া জলবায়ুর অন্যতম প্রধান একটি উপাদান। মনে রাখার টিপস: উপাদান হলো যা বাতাসে সরাসরি থাকে যেমন উষ্ণতা, আর্দ্রতা ও বায়ুপ্রবাহ এবং সমুদ্রস্রোত হলো জলবায়ুর নিয়ন্ত্রক।
a রামসাগর
b বগা লেইক (Lake)
c টাঙ্গুয়ার হাওর
d কাপ্তাই হ্রদ
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) টাঙ্গুয়ার হাওর কেন সঠিক: - এটি বাংলাদেশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জলাভূমি যা আন্তর্জাতিকভাবে রামসার সাইট হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছে। - এই এলাকাটি বিভিন্ন প্রজাতির দেশি-বিদেশি পরিযায়ী পাখির নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে বিশ্বজুড়ে বিশেষভাবে পরিচিত। ভৌগোলিক তথ্য: - এটি বাংলাদেশের সুনামগঞ্জ জেলার ধর্মপাশা ও মধ্যনগর উপজেলায় অবস্থিত এবং এর আয়তন প্রায় ১০০ বর্গকিলোমিটার। - এটি একটি মাচান বা হিজল করচাবন সমৃদ্ধ মিঠাপানির জলাভূমি যা বর্ষাকালে সুবিশাল সমুদ্রে রূপ নেয়। - এটি ২০০০ সালের ১০ই জুলাই রামসার কনভেনশনের আওਤাতে আন্তর্জাতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ জলাভূমির স্বীকৃতি পায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রামসাগর — এটি বাংলাদেশের একটি ঐতিহাসিক কৃত্রিম দিঘি এবং পর্যটন কেন্দ্র কিন্তু রামসার সাইটের মর্যাদা পায়নি। B) বগা লেইক — এটি বান্দরবান জেলায় অবস্থিত একটি প্রাকৃতিক পাহাড়ি হ্রদ যা আগ্নেয়গিরির জ্বালামুখে সৃষ্টি হয়েছে বলে ধারণা করা হয়। C) টাঙ্গুয়ার হাওর — এটি নিজেই সঠিক উত্তর তাই এখানে অন্য তথ্য প্রযোজ্য হবে না। D) কাপ্তাই হ্রদ — এটি কর্ণফুলি নদীর ওপর বাঁধ নির্মাণের ফলে সৃষ্ট কৃত্রিম জলাধার যা জলবিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের রামসার সাইট মনে রাখতে টাঙ্গুয়ার হাওর এবং সুন্দরবন নাম দুটি সবচেয়ে আগে মনে রাখবে। হাওর মানেই টাঙ্গুয়ার হাওর এবং এটি আন্তর্জাতিক রামসার চুক্তির অন্তর্ভুক্ত।
a পাহাড়ের পাদদেশে
b নদীর নিম্ন অববাহিকায়
c নদীর উৎপত্তিস্থলে
d নদী মোহনায়
0 103 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পাহাড়ের পাদদেশে কেন সঠিক: উচ্চ পাহাড়ি অঞ্চল থেকে নদী যখন সমভূমিতে নেমে আসে, তখন ভূমির ঢাল হঠাৎ কমে যায়। নদীর স্রোতের বেগ ও বহন ক্ষমতা কমে যাওয়ায় নদীর সাথে বয়ে আসা পলি ও বালু পাহáরের পাদদেশে জমা হয়ে এই ভূমিরূপ তৈরি করে। ভৌগোলিক তথ্য: এই ভূমিরূপের আকৃতি অনেকটা ছড়ানো পাখা বা মোচাকৃতি হওয়ার কারণে একে পলল পাখা বলা হয়। সাধারণত শুষ্ক ও অর্ধশুষ্ক অঞ্চলে এই ভূমিরূপ বেশি স্পষ্টভাবে গড়ে উঠতে দেখা যায়। ভারতের উত্তরপ্রদেশের সমভূমি সংলগ্ন হিমালয়ের পাদদেশে এর সুন্দর উদাহরণ দেখতে পাওয়া যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: B) নদীর নিম্ন অববাহিকায় — এই অঞ্চলে নদী ধীরগতিতে চলে এবং সাধারণত প্লাবনভূমি বা বদ্বীপ গঠিত হয়। C) নদীর উৎপত্তিস্থলে — নদীর উৎপত্তি অঞ্চলে জলপ্রপাত ও গিরিখাত তৈরি হয় কারণ এখানে স্রোতের বেগ খুব বেশি থাকে। D) নদী মোহনায় — নদীর মোহনায় সমুদ্রের সাথে মিলনের ফলে পলি জমে বদ্বীপ গঠিত হয়, পাখা নয়। মনে রাখার টিপস: পাহাড় থেকে নদী যখন সমভূমিতে পড়ে, তখন পলি জমিয়ে পাখা গড়ে তোলে।
a জাপানের উন্নয়ন কৌশল
b সুনামি দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস কৌশল
c দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস কৌশল
d ভূমিকম্পের ঝুঁকি হ্রাস কৌশল
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস কৌশল প্রদত্ত তথ্য: আন্তর্জাতিক চুক্তি সেন্দাই ফ্রেমওয়ার্ক ২০১৫ থেকে ২০৩০ সাল পর্যন্ত কার্যকর এটি দুর্যোগের ঝুঁকি কমাতে বিশ্বব্যাপী গৃহীত একটি কৌশলগত পরিকল্পনা ধরি, আন্তর্জাতিক এই চুক্তির মূল লক্ষ্য = দুর্যোগের ঝুঁকি কমানো অতএব, ২০১৫ সালে জাপানের সেন্দাই শহরে এই চুক্তি গৃহীত হয় এর প্রধান উদ্দেশ্য ছিল মানুষের জীবন ও সম্পত্তির ক্ষয়ক্ষতি হ্রাস করা সুতরাং, এটি সামগ্রিকভাবে দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস কৌশল হিসেবে পরিচিত উত্তর: দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস কৌশল
a ভূমিকম্প
b ভূমিধস
c নদীভাঙ্গন
d ঘূর্ণিঝড়
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভূমিধস কেন সঠিক: ১. জলজ আবহাওয়াজনিত দুর্যোগ মূলত পানি এবং বায়ুমণ্ডলের মিথস্ক্রিয়ায় ঘটে থাকে যেমন ঘূর্ণিঝড় বা বন্যা। ২. ভূমিধস মূলত ভূতাত্ত্বিক বা মাধ্যাকর্ষণজনিত কারণে ঘটে থাকে যা সরাসরি আবহাওয়ার ওপর নির্ভর করে না। ভৌগোলিক তথ্য: ১. ভূমিধস হলো অভিকর্ষের টানে পাহাড় বা উচু জমির মাটি ও পাথরের নিচের দিকে নেমে আসার একটি প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া। ২. এটি সাধারণত অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত, ভূমিকম্প কিংবা মানুষের অপরিকল্পিত ভূমিরূপ পরিবর্তনের কারণে বেশি ঘটে থাকে। ৩. উদাহরণস্বরূপ, পাহাড়ি অঞ্চলের বর্ষাকালে ধস নামা একটি অত্যন্ত সাধারণ এবং বিপজ্জনক ঘটনা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভূমিকম্প — এটি একটি ভূতাত্ত্বিক দুর্যোগ কারণ এটি পৃথিবীর অভ্যন্তরে টেকটনিক প্লেটের চলাচলের কারণে সৃষ্টি হয়। B) ভূমিধস — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য অপশন হিসেবে এর আলোচনা প্রযোজ্য নয়। C) নদীভাঙ্গন — এটি জলজ দুর্যোগের অন্তর্ভুক্ত কারণ নদীর প্রবল স্রোত ও পানির প্রবাহ এর মূল কারণ। D) ঘূর্ণিঝড় — এটি একটি জলবায়ুগত ও আবহাওয়া সংক্রান্ত দুর্যোগ যা বায়ুমণ্ডলের নিম্নচাপের ফলে সৃষ্টি হয়। মনে রাখার টিপস: ১. আবহাওয়া বা পানির সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয় এমন দুর্যোগ যেমন ভূমিকম্প হলো ভূতাত্ত্বিক দুর্যোগ।

মোট প্রশ্ন (14)

a একটি মহাসাগর
b একটি শহর
c একটি দেশ
d একটি প্রাণী
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) একটি শহর প্রদত্ত তথ্য: ইংরেজি শব্দ গঠনের জন্য অক্ষরগুলো এলোমেলোভাবে দেওয়া আছে অক্ষরগুলো হলো আর, এ, পি, আই, এস ধরি, অক্ষরগুলোকে সঠিক ক্রমে সাজাতে হবে প্রথম অক্ষরটি হবে পি অতএব, অক্ষরগুলো বসিয়ে নতুন শব্দ তৈরি করা হলো শব্দটি হলো পি, এ, আর, আই, এস বা প্যারিস সুতরাং, প্যারিস হলো ফ্রান্সের রাজধানী শহর এটি কোনো মহাসাগর, দেশ বা প্রাণী নয় উত্তর: B) একটি শহর
a 4999
b 5501
c 5050
d 5001
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫০৫০ প্রদত্ত তথ্য: ধারাবাহিক সংখ্যার প্রথম পদ = ১ ধারাবাহিক সংখ্যার শেষ পদ = ১০০ পদের মোট সংখ্যা = ১০০ ধরি, সমান্তর ধারার যোগফলের সূত্র ব্যবহার করে পাই যোগফল = (প্রথম পদ + শেষ পদ) × (পদসংখ্যা ÷ ২) অতএব, প্রথম পদ ও শেষ পদের সমষ্টি = ১ + ১০০ = ১০১ পদসংখ্যার অর্ধেক = ১০০ ÷ ২ = ৫০ সুতরাং, নির্ণেয় যোগফল = ১০১ × ৫০ = ৫০৫০ উত্তর: ৫০৫০
a সোমবার
b মঙ্গলবার
c বৃহস্পতিবার
d শনিবার
0 100 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মঙ্গলবার প্রদত্ত তথ্য: আগামী পরশুর পরের দিন হলো রবিবার ধরি, আজ হলো বর্তমান বার অতএব, আগামী পরশু হলো আজ যোগ দুই দিন পরের দিন হলো আজ যোগ তিন দিন সুতরাং, আজ যোগ তিন দিন যদি রবিবার হয় তবে আজ হলো বৃহস্পতিবার উত্তর: গতকালের আগের দিন মানে বৃহস্পতিবার বিয়োগ দুই দিন অর্থাৎ মঙ্গলবার
a বৃহস্পতিবার
b শুক্রবার
c বুধবার
d শনিবার
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শুক্রবার প্রদত্ত তথ্য: ১৯৯৪ সালের ১ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার ১৯৯৫ সালের ১ ডিসেম্বর কি বার হবে নির্ণয় করতে হবে ধরি, ১৯৯৪ সাল একটি সাধারণ বছর ছিল ১৯৯৫ সালও একটি সাধারণ বছর অতএব, সাধারণ বছরে মোট দিনের সংখ্যা = ৩৬৫ দিন ৩৬৫ দিনকে ৭ দ্বারা ভাগ করলে ভাগশেষ থাকে ১ দিন সুতরাং, অতিরিক্ত দিনের সংখ্যা হলো ১ দিন উত্তর: বৃহস্পতিবারের সাথে ১ দিন যোগ করলে শুক্রবার হয়
a 164
b 97
c 191
d 137
0 103 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৬৪ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যাগুলোর ধারা বা প্যাটার্ন নির্ণয় করতে হবে প্রথম সংখ্যা থেকে পরবর্তী সংখ্যাগুলো একটি নির্দিষ্ট নিয়মে পরিবর্তিত হচ্ছে ধরি, ধারাবাহিক সংখ্যাগুলোর মধ্যকার পার্থক্য বের করতে হবে প্রথম পদ এবং দ্বিতীয় পদের সম্পর্ক বিশ্লেষণ করতে হবে অতএব, প্রতিটি ধাপের পার্থক্যের হিসাব নিচে করা হলো সংখ্যাগুলোর বৃদ্ধি পাওয়ার ক্রম দেখতে হবে সুতরাং, শেষ ধাপে প্রাপ্ত সংখ্যার সাথে নির্দিষ্ট মান যোগ করতে হবে উত্তর: ১৬৪
a ƎЯAꟻИU
b UИЗАЯА
c ПИАЧИU
d ПИЕВЕ
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ƎЯAꟻИU প্রدত্ত তথ্য: মূল শব্দটি হলো UNFARE আয়নায় দেখলে শব্দটি উল্টোভাবে দেখা যাবে ধরি, শব্দের শেষ অক্ষর প্রথমে এবং প্রথম অক্ষর শেষে চলে আসবে প্রতিটি অক্ষর লম্বালম্বিভাবে বিপরীত দিকে ঘুরে যাবে অতএব, E অক্ষরটি আয়নায় উল্টে গিয়ে Ǝ হবে R অক্ষরটি আয়নায় উল্টে গিয়ে Я হবে দ্বিতীয় হিসাব: A অক্ষরটি আয়নায় একই রকম থাকবে F অক্ষরটি আয়নায় উল্টে গিয়ে ꟻ হবে তৃতীয় হিসাব: A অক্ষরটি অপরিবর্তিত থাকবে N অক্ষরটি উল্টে গিয়ে И হবে এবং U অক্ষরটি П হবে সুতরাং, সম্পূর্ণ শব্দটি উল্টে গিয়ে ƎЯAꟻИU রূপ ধারণ করবে উত্তর: ƎЯAꟻИU
a 1
b 10
c 29
d 48
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৪৮ প্রদত্ত তথ্য: ধারার সংখ্যাগুলো হলো ১, ২, ৫, ১০, ১৩, ২৬, ২৯, ৪৮ ধরি, প্রথম পদের সাথে নিয়মটি পর্যায়ক্রমে প্রয়োগ করতে হবে অতএব, ১ × ২ = ২ ২ + ৩ = ৫ ৫ × ২ = ১০ সুতরাং, ১০ + ৩ = ১৩ ১৩ × ২ = ২৬ ২৬ + ৩ = ২৯ কিন্তু ২৯ × ২ = ৫৮ হওয়ার কথা ছিল, যা ৪৮ এর সাথে মিলছে না উত্তর: ৪৮ এই ধারার অন্তর্ভুক্ত নয়
a NJ
b MI
c NI
d OJ
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) NJ প্রদত্ত তথ্য: ধারাবাহিক পদসমূহ হলো JD, KF, প্রশ্নবোধক স্থান, PM, TR ধরি, ইংরেজি বর্ণমালার ক্রম অনুসারে প্রতিটি পদের প্রথম অক্ষরের পরিবর্তন এবং দ্বিতীয় অক্ষরের পরিবর্তন হিসাব করতে হবে অতএব, প্রথম অক্ষরগুলোর বিন্যাস J থেকে K, এবং পরবর্তীতে N, P, T পর্যন্ত এগিয়েছে যেখানে জে থেকে কে এক ধাপ, কে থেকে এন দুই ধাপ, এন থেকে পি দুই ধাপ, এবং পি থেকে টি চার ধাপ ব্যবধান রয়েছে দ্বিতীয় অক্ষরগুলোর বিন্যাস D থেকে F, এবং পরবর্তীতে J, M, R পর্যন্ত এগিয়েছে যেখানে ডি থেকে এফ দুই ধাপ, এফ থেকে যে তিন ধাপ, জে থেকে এম তিন ধাপ, এবং এম থেকে আর পাঁচ ধাপ ব্যবধান রয়েছে সুতরাং, বর্ণমালার ক্রম এবং নির্দিষ্ট ব্যবধান বিবেচনা করলে সঠিক পদটি পাওয়া যায় উত্তর: NJ
a ২০ দিনে
b ২৫ দিনে
c ২৪ দিনে
d ৩০ দিনে
0 112 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৪ দিনে প্রদত্ত তথ্য: দুই ব্যক্তি একত্রে কাজ করে ৮ দিনে প্রথম ব্যক্তি একা কাজ করে ১২ দিনে ধরি, সম্পূর্ণ কাজ সমান ১ অংশ অতএব, দুই ব্যক্তি ১ দিনে করে ১ ÷ ৮ অংশ প্রথম ব্যক্তি ১ দিনে করে ১ ÷ ১২ অংশ সুতরাং, দ্বিতীয় ব্যক্তি ১ দিনে করে (১ ÷ ৮) − (১ ÷ ১২) অংশ অতএব, দ্বিতীয় ব্যক্তি ১ দিনে করে (৩ − ২) ÷ ২৪ অংশ সমান ১ ÷ ২৪ অংশ উত্তর: ২৪ দিনে
a 0.26041666666667
b 0.36111111111111
c 0.30555555555556
d 0.31944444444444
0 96 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ০.৩০৫৫৫৫৫৫৫৫৫৫৫৬ প্রদত্ত তথ্য: ঘড়ির দর্পণ প্রতিবিম্বের দশমিক মান দেওয়া আছে অপশনগুলোর মধ্যে সঠিক মানটি হলো ০.৩০৫৫৫৫৫৫৫৫৫৫৫৬ ধরি, প্রকৃত সময় নির্ণয়ের জন্য নিয়ম ব্যবহার করতে হবে এখানে প্রদত্ত মানটি নির্দিষ্ট সময়কে নির্দেশ করে অতএব, অপশন সি এর দশমিক ভগ্নাংশটি হিসাবের সাথে মিলে যায় এই মানটি গণিতীয় নিয়মে সঠিক ফলাফল দেয় সুতরাং, সঠিক উত্তর হিসেবে সি অপশনটি নির্বাচন করা হয়েছে উত্তর: C) ০.৩০৫৫৫৫৫৫৫৫৫৫৫৬
a 263
b 233
c 253
d 241
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৫৩ প্রদত্ত তথ্য: পরীক্ষাধীন সংখ্যাগুলি হলো ২৬৩, ২৩৩, ২৫৩ এবং ২৪১ ধরি, সংখ্যাগুলির মৌলিকত্ব পরীক্ষা করতে হবে অতএব, ২৫৩ সংখ্যাটিকে ১১ দ্বারা বিভাজ্য কিনা দেখতে হবে সুতরাং, ১১ গুণ ২৩ সমান ২৫৩, তাই ২৫৩ একটি মৌলিক সংখ্যা নয় উত্তর: ২৫৩
a ১৭ কি. মি.
b ১৫ কি. মি.
c ১৪ কি. মি.
d ১৩ কি. মি.
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৩ কি. মি. প্রদত্ত তথ্য: লোকটি স্থান A থেকে উত্তর দিকে গেল = ১২ কি. মি. সেখান থেকে পূর্ব দিকে গেল = ৫ কি. মি. ধরি, যাত্রার শুরুর স্থান = A উত্তর দিকের দূরত্ব এবং পূর্ব দিকের দূরত্ব মিলে একটি সমকোণী ত্রিভুজ গঠিত হয় অতএব, ত্রিভুজের লম্ব = ১২ কি. মি. ত্রিভুজের ভূমি = ৫ কি. মি. অতিভুজ হলো A অবস্থান থেকে শেষ দূরত্বের মান সুতরাং, অতিভুজের ওপর বর্গ = (১২ এর ওপর বর্গ) + (৫ এর ওপর বর্গ) অতিভুজের ওপর বর্গ = ১৪৪ + ২৫ = ১৬৯ উত্তর: √১৬৯ = ১৩ কি. মি.
a সমস্ত সম্ভাব্য কর্মের গড়
b দুটি চরম পন্থায় মধ্যবর্তী অবস্থায়
c ত্রিভুজের দুটি বাহন ভূ-কেন্দ্রিক সম্পর্ক
d একটি প্রাচীন দার্শনিক ধারার নাম
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দুটি চরম পন্থায় মধ্যবর্তী অবস্থায় প্রদত্ত তথ্য: গোল্ডেন মিন বা স্বর্ণালী মধ্যক হলো নীতিশাস্ত্রের একটি ধারণা এটি অ্যারিস্টটলের দর্শনের সঙ্গে বিশেষভাবে সম্পর্কিত ধরি, একটি চরম পন্থা হলো অতিরিক্ত বা বাড়াবাড়ি অপর চরম পন্থা হলো ঘাটতি বা কমতি অতএব, এই দুইয়ের মাঝামাঝি ভারসাম্যপূর্ণ আচরণ হলো সঠিক পথ একেই গোল্ডেন মিন বা মধ্যমপন্থা বলা হয় সুতরাং, দুটি চরম পন্থার মাঝখানে অবস্থান করাই এর মূল কথা উত্তর: দুটি চরম পন্থায় মধ্যবর্তী অবস্থায়
a 1995
b 1997
c 1998
d 1999
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: খ) ১৯৯৭ প্রদত্ত তথ্য: জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি বা ইউএনডিপি সুশাসনের ধারণা ও সংজ্ঞা প্রকাশ করে ধরি, সুশাসনের বৈশিষ্ট্যসমূহ নির্ধারণ করা হয় বিশ্লেষণের মাধ্যমে সঠিক বছরটি চিহ্নিত করতে হবে অতএব, আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর প্রতিবেদন পর্যালোচনা করি ১৯৯৭ সালে এই সংজ্ঞা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশিত হয় সুতরাং, সঠিক বছরটি নির্ধারণ করা হলো উত্তর: ১৯৯৭