বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল কর্তৃপক্ষ

বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল কর্তৃপক্ষ পরীক্ষা ২০২১

পদের নাম: সহকারী ব্যবস্থাপক (সাধারণ) (৯ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (64)

a গিয়াস উদ্দিন
b ফকির গরীবুল্লাহ
c সৈয়দ হামজা
d শাহ সগীর
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শাহ সগীর ১. কেন সঠিক: - শাহ সগীর মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের প্রথম যুগের একজন বিশিষ্ট কবি। তিনি সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের রাজত্বকালে 'ইউসুফ জোলেখা' কাব্য রচনা করেন। - 'ইউসুফ জোলেখা' বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের প্রণয়োপাখ্যান ধারার একটি অন্যতম প্রধান ও প্রাচীন নিদর্শন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শাহ সগীর বাংলার সুলতানি আমলের প্রথম উল্লেখযোগ্য কবি যিনি ফার্সি কাহিনীর আদoinে বাংলা ভাষায় কাব্য রচনা করেন। তার কাব্যটি মূলত পবিত্র কুরআনের ইউসুফ নবীর কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে ফার্সি সাহিত্যের প্রভাবে রচিত হয়েছে। - মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে মুসলমান কবিদের দ্বারা রচিত প্রণয়োপাখ্যানগুলো তৎকালীন সমাজের মানুষের নৈতিকতা ও প্রেমের আদর্শ তুলে ধরেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দৌলত উজির বাহরাম খান রচিত 'লাইলী মজনু' কাব্য। ব্যাখ্যা: এটিও মধ্যযুগের একটি বিখ্যাত প্রণয়োপাখ্যান যা ফার্সি সাহিত্যের অনুসরণে রচিত হয়েছে। উদাহরণ ২: শাহ মুহম্মদ সগীর রচিত 'ইউসুফ জোলেখা' কাব্য। ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের প্রথম পূর্ণাঙ্গ প্রণয়োপাখ্যান হিসেবে স্বীকৃত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গিয়াস উদ্দিন — গিয়াস উদ্দিন আজম শাহ ছিলেন সুলতান, যিনি কবি শাহ সগীরকে পৃষ্ঠপোষকতা করেছিলেন, কোনো কাব্য রচনা করেননি। B) ফকির গরীবুল্লাহ — ফকির গরীবুল্লাহ অষ্টাদশ শতকের কবি এবং তিনি 'আমীর হামজা' ও 'সোনাভান' কাব্য রচনা করেন। C) সৈয়দ হামজা — সৈয়দ হামজা অষ্টাদশ শতকের কবি এবং তিনি 'আমীর হামজা' কাব্যের অসমাপ্ত অংশ সম্পন্ন করেন। D) শাহ সগীর — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি সুলতানের পৃষ্ঠপোষকতায় 'ইউসুফ জোলেখা' রচনা করেছিলেন। ৫. মনে রাখার টিপস: - শাহ সগীরের কাব্য মনে রাখতে याद रखना হবে যে তিনি প্রাচীনতম প্রণয়োপাখ্যানের রচয়িতা। সুলতান গিয়াসউদ্দিনের আমলেই প্রথম সার্থক প্রণয়োপাখ্যান রচিত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মধ্যযুগের প্রথম কবি ও তার পৃষ্ঠপোষকের নাম বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। তাই সুলতান গিয়াসউদ্দিন ও শাহ সগীরের নাম একত্রে মনে রাখা জরুরি।
a ফকির লালন
b আলাওল
c কাজী নজরুল ইসলাম
d পবন দাস বাউল
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আলাওল ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত চরণটি সপ্তদশ শতকের মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মহাকবি সৈয়দ আলাওল রচিত 'পদ্মাবতী' মহাকাব্যের একটি বিখ্যাত অংশ। - এখানে তৎকালীন আরাকান রাজসভার গুণীজন, কাব্যরসিক এবং পৃষ্ঠপোষকদের প্রশংসা করা হয়েছে, যেখানে মাগন ঠাকুর ছিলেন প্রধান দাতা ও উৎসাহদাতা। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সৈয়দ আলাওল মধ্যযুগের আরাকান রাজসভার রোমান্টিক ধারার শ্রেষ্ঠ কবি যিনি ফার্সি ভাষা থেকে বাংলায় অনুবাদ সাহিত্য রচনা করেন। - তাঁর বিখ্যাত মহাকাব্য 'পদ্মাবতী' মালিক মুহম্মদ জয়সির 'পদুমাবত' অবলম্বনে রচিত এবং এটি রোসাঙ বা আরাকান রাজসভার অমাত্য মাগন ঠাকুরের অনুরোধে রচিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তোহফা ব্যাখ্যা: এটি আলাওল রচিত একটি বিখ্যাত নীতিমূলক ও আধ্যাত্মিক পদ্যগ্রন্থ যা ইউসুফ জলেখা রচনার পর রচিত হয়। উদাহরণ ২: সয়ফুলমুলুক বদিউজ্জামান ব্যাখ্যা: এটি কবি আলাওলের জীবনের শেষ দিকে রচিত একটি জনপ্রিয় প্রণয়োপাখ্যানমূলক রোমান্টিক কাব্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফকির লালন — তিনি বাংলা বাউল গানের অবিসংবাদিত সম্রাট ও সাধক কবি ছিলেন যিনি উনিশ শতকে কুষ্টিয়ায় সাধনা করেন কিন্তু সপ্তদশ শতকের এই চরণ তাঁর নয়। B) আলাওল — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি ভুল নয়, এটি মহাকবি আলাওলের পদ্মাবতী কাব্যের বন্দনা অংশের চরণ। C) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বিংশ শতকের আমাদের জাতীয় বিদ্রোহী কবি এবং আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রধান পুরুষ যিনি এমন মধ্যযুগীয় রাজসভার বন্দনা লেখেননি। D) পবন দাস বাউল — তিনি আধুনিক কালের একজন বিশ্বখ্যাত বাংলাদেশি বাউল ও লোকসংগীত শিল্পী যিনি ঐতিহ্যবাহী বাউল গান পরিবেশন করেন কিন্তু প্রাচীন বা মধ্যযুগের কবি নন। ৫ মনে রাখার টিপস: - মধ্যযুগের আরাকান রাজসভা এবং মাগন ঠাকুরের নাম পেলেই চোখ বন্ধ করে কবি আলাওলকে নির্বাচন করবে কারণ তিনি রাজসভার নির্দেশে কাব্য রচনা করতেন। - পদ্মাবতী কাব্যের বন্দনা অংশে গুণীজন ও দাতা মাগন ঠাকুরের নাম উল্লেখ থাকে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মধ্যযুগের মুসলিম কবিদের রচনা এবং তাদের পৃষ্ঠপোষকদের নাম প্রায়ই আসে। - আলাওলের পদ্মাবতী কাব্যের মূল উৎস এবং তার পৃষ্ঠপোষক মাগন ঠাকুরের নাম ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a উৎ + স্থাপন = উত্থাপন
b কৃষ্ণ + তি = কৃষ্টি
c তদ্‌ + কাল= তৎকাল
d তৎ+ কর = তস্কর
0 92 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) তৎ+ কর = তস্কর ১. কেন সঠিক: - নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি বলতে সেই সন্ধিগুলোকে বোঝায়, যা সাধারণ ব্যাকরণের কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম বা সূত্র মেনে চলে না। - তৎ এবং কর শব্দ দুটি মিলে নিয়ম ভেঙে তস্কর শব্দ গঠন করে, যেখানে মাঝখানে একটি মূর্ধন্য স যুক্ত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে সন্ধি ব্যাকরণের সাধারণ নিয়ম বা সূত্র অনুসরণ করে না, তাকে নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি বলা হয়। - এই ধরনের সন্ধিতে প্রাকৃত বা প্রাচীন ভাষার নিয়ম সরাসরি অনুসৃত হয়, তাই এগুলো মুখস্থ রাখতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গো + স্পদ = গোস্পদ ব্যাখ্যা: এটি একটি নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জনসন্ধি, যা কোনো সাধারণ নিয়মের মধ্যে পড়ে না। উদাহরণ ২: আ + চর্য = আশ্চর্য ব্যাখ্যা: এটিও একটি নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির উদাহরণ, যা প্রমিত ব্যাকরণে মুখস্থ করতে হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উৎ + স্থাপন = উত্থাপন — এটি সাধারণ ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে, যেখানে ত বা দ এর পরে শ থাকলে ত বা দ এর স্থানে চ এবং শ এর স্থানে ছ হয়। B) কৃষ্ণ + তি = কৃষ্টি — এটি নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি নয়, বরং প্রত্যয় বা অন্য প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সাধিত শব্দ। C) তদ্‌ + কাল = তৎকাল — এটি ব্যঞ্জনসন্ধির সাধারণ নিয়মের অন্তর্ভুক্ত, যেখানে বর্গের প্রথম বর্ণের পরে অঘোষ ধ্বনি থাকলে প্রথম বর্ণটি অপরিবর্তিত থাকে। D) তৎ + কর = তস্কর — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জনসন্ধির একটি অন্যতম প্রধান উদাহরণ। ৫. মনে রাখার টিপস: - তস্কর শব্দটি দেখলে মনে রাখবে এটি চোর অর্থে ব্যবহৃত হয় এবং এর সন্ধিবিচ্ছেদ নিয়মের বাইরে চলে যায়। - পরীক্ষার হলে নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধিগুলো আলাদা করে তালিকাভুক্ত করে বারবার চর্চা করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বৃহস্পতি, পরস্পর, পতঞ্জলি এবং মনীষা শব্দগুলোর সন্ধিবিচ্ছেদ ভালোভাবে আয়ত্ত করবে।
a কৃষক
b ঋষি
c ষড়ঋতু
d কান্ঠ
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ষড়ঋতু ১. কেন সঠিক: ষড়ঋতু শব্দটিতে স্বভাবগত নিয়মে মূর্ধন্য 'ষ'-এর সঙ্গে যুক্ত হয়ে 'ষ' (প্রকৃতপক্ষে এখানে মূর্ধন্য ষ এবং ট-বর্গীয় ধ্বনির যুক্তরূপ) ব্যবহৃত হয়েছে। বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সাধারণ নত্ব বিধানের বাইরে কিছু শব্দে কোনো কারণ ছাড়াই স্বভাবগতভাবে মূর্ধন্য 'ষ' ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: নত্ব ও শত বিধানের অন্যতম অংশ হলো ষত্ব বিধান যেখানে তৎসম শব্দে স্বভাবগত কারণে মূর্ধন্য 'ষ' বসে। ষত্ব বিধানের নিয়ম অনুযায়ী অ বা আ স্বরবর্ণ ছাড়া অন্য কোনো স্বরবর্ণ কিংবা ক বা র বর্ণ থাকলে তার পরের স-টি মূর্ধন্য ষ হয়। তবে কিছু শব্দে এই নিয়মের বাইরে গিয়েও স্বভাবগতভাবেই মূর্ধন্য 'ষ' বসে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভাষা ব্যাখ্যা: ভাষা শব্দটি স্বভাবগতভাবেই মূর্ধন্য 'ষ' যুক্ত শব্দ হিসেবে ব্যাকরণে স্বীকৃত। উদাহরণ ২: আষাঢ় ব্যাখ্যা: আষাঢ় শব্দটিতেও কোনো পূর্ববর্তী নিয়মের অপেক্ষা না রেখে স্বভাবগতভাবেই মূর্ধন্য 'ষ' বসেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কৃষক — কৃষক শব্দটিতে স্বভাবগত নিয়মের ষ নেই বরং এটি সাধারণ নিয়মে গঠিত শব্দ। B) ঋষি — ঋষি শব্দটিতে তালব্য 'শ' বা মূর্ধন্য 'ষ' এর পরিবর্তে অন্য বর্ণ ব্যবহৃত হয়েছে। D) কান্ঠ — কান্ঠ কোনো মানসম্মত বা সঠিক প্রমিত বাংলা বানান নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: স্বভাবগত ষ যুক্ত শব্দগুলো মনে রাখার সহজ উপায় হলো আষাঢ়, ভাষা, ভাষণ, ষড়ঋতু এই শব্দগুলো বারবার চর্চা করা। এগুলো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বারবার ঘুরেফিরে আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ব্যাকরণে স্বভাবগত 'ষ' যুক্ত শব্দ চেনার জন্য নির্দিষ্ট কিছু শব্দ মুখস্থ রাখা আবশ্যক। এই ধরনের প্রশ্ন বিসিএস ও শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় নিয়মিতভাবে আসে।
a দেশে-বিদেশে
b মাতাপিতা
c নরাধম
d ধোয়ামোছা
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দেশে-বিদেশে ১. কেন সঠিক: - যে দ্বন্দ্ব সমাসে উভয় পদের বিভক্তি অপরিবর্তিত থাকে অর্থাৎ লোপ পায় না, তাকে অলুক দ্বন্দ্ব সমাস বলে। - 'দেশে-বিদেশে' কথাটির ব্যাসবাক্য হলো দেশ ও বিদেশ, যেখানে উভয় পদেই সপ্তমী বিভক্তি যুক্ত আছে এবং সমাসের পরেও সেই বিভক্তি বহাল রয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমাসের যে ভেদে মিলন বোঝায় এবং পূর্বপদ ও পরপদ উভয়ের অর্থই সমানভাবে প্রধান থাকে, তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে। - বিভক্তির লোপ না পাওয়ার কারণে এই সমাসকে অলুক বা অলোপ দ্বন্দ্ব সমাস বলা হয় এবং এটি সাধারণত নিত্যবাচক শব্দে বেশি দেখা যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হাতে-কলমে ব্যাখ্যা: হাত ও কলমে সমাসবদ্ধ হওয়ার পরেও উভয় পদে সপ্তমী বিভক্তি বহাল থাকে বলে এটি অলুক দ্বন্দ্ব সমাসের একটি সুন্দর উদাহরণ। উদাহরণ ২: ঘায়ে-বালি ব্যাখ্যা: ঘা ও বালি পদের মাঝে সপ্তমী বিভক্তির কোনো লোপ না ঘটে অলুক দ্বন্দ্ব সমাস গঠন করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দেশে-বিদেশে - এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং এটি অলুক দ্বন্দ্ব সমাসের নিয়ম শতভাগ মেনে চলে। B) মাতাপিতা - এই অপশনটি ভুল কারণ এর ব্যাসবাক্য মাতা ও পিতা এবং এখানে কোনো বিভক্তি না থাকায় এটি সাধারণ দ্বন্দ্ব সমাস। C) নরাধম - এই অপশনটি ভুল কারণ এটি কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ এবং এর ব্যাসবাক্য অধর যে নর। D) ধোয়ামোছা - এই অপশনটি ভুল কারণ এটি অলুক দ্বন্দ্ব নয়, বরং এটি সমার্থক শব্দযোগে গঠিত সাধারণ দ্বন্দ্ব সমাসের উদাহরণ। ৫. মনে রাখার টিপস: - ব্যাসবাক্যে যে বিভক্তি থাকবে, সমাসবদ্ধ পদেও যদি সেই বিভক্তি দেখতে পাও, তবে চোখ বন্ধ করে তাকে অলুক সমাস বলে চিহ্নিত করবে। - দ্বন্দ্ব সমাসে মাঝে 'ও', 'এবং', 'কিংবা' যুক্ত থাকে এবং অলুকে সেই পদের বিভক্তিগুলো অপরিবর্তিত থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অলুক সমাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, বিশেষ করে সপ্তমী বিভক্তিযুক্ত দ্বন্দ্ব সমাসের উদাহরণগুলো খুব ভালোভাবে চর্চা করবে। - সমাস নির্ণয় করার সময় প্রথমে ব্যাসবাক্য বের করে বিভক্তির অবস্থা লক্ষ্য করলে সঠিক উত্তর সহজে পাওয়া সম্ভব।
a মাটি
b হিমালয়
c সৌরভ
d দর্শন
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) দর্শন ১. কেন সঠিক: ভাববাচক বিশেষ্য হলো সেই বিশেষ্য পদ, যা দ্বারা কোনো কাজ বা ভাবের নাম বোঝায়। দর্শন শব্দটি দ্বারা কোনো কিছু দেখার ভাব বা কাজের নাম প্রকাশ করা হয়েছে, যা ভাববাচক বিশেষ্যের মূল সংজ্ঞা সমর্থন করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যে বিশেষ্য পদে কোনো ক্রিয়ার ভাব বা গুণের নাম বোঝায়, তাকে ভাববাচক বিশেষ্য বা ক্রিয়াবাচক বিশেষ্য বলা হয়। এটি সাধারণত ধাতু বা ক্রিয়ামূলের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভোজন ব্যাখ্যা: ভোজন শব্দটি খাওয়ার ভাব বা কাজকে নির্দেশ করে, যা একটি ভাববাচক বিশেষ্য। উদাহরণ ২: গমন ব্যাখ্যা: গমন শব্দটি যাওয়ার ভাব বা কাজকে নির্দেশ করে, যা ভাববাচক বিশেষ্যের আরেকটি স্পষ্ট উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাটি — এটি একটি বস্তুবাচক বিশেষ্য, কারণ মাটি একটি উপাদান বা পদার্থের নাম বোঝায়। B) হিমালয় — এটি একটি সংজ্ঞাবাচক বিশেষ্য, কারণ এটি একটি নির্দিষ্ট পর্বতমালাকে বোঝাচ্ছে। C) সৌরভ — এটি একটি গুণবাচক বিশেষ্য, কারণ সৌরভ বলতে ফুলের বা কোনো কিছুর সুবাস বা গুণকে বোঝায়। D) দর্শন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি দেখার ভাব বা কাজের নাম প্রকাশ করে। ৫ মনে রাখার টিপস: ভাববাচক বিশেষ্য চেনার সহজ উপায় হলো শব্দের শেষে না বোধক বা ক্রিয়ার ভাব প্রকাশ পায় কিনা তা দেখা। যে শব্দ কোনো কাজের নাম বোঝায়, তা-ই ভাববাচক বিশেষ্য। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিশেষ্যের শ্রেণিবিভাগ থেকে বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। বস্তুবাচক, গুণবাচক এবং ভাববাচক বিশেষ্যের পার্থক্য ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a বেতনবৃত্তি
b প্রত্যক্ষবৃত্তি
c জলৌকাবৃত্তি
d কুম্ভিলকবৃত্তি
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কুম্ভিলকবৃত্তি ১. কেন সঠিক: - Plagiarism শব্দের অর্থ হলো পরকীয় গবেষণা, সাহিত্যিক চুরি বা অন্যের লেখা নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া। - এর সঠিক পারিভাষিক শব্দ হলো কুম্ভিলকবৃত্তি, কারণ কুম্ভিলক শব্দের অর্থ চোর। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - পারিভাষিক শব্দ হলো এমন কিছু শব্দ যা বিশেষ ক্ষেত্র বা দাপ্তরিক কাজের জন্য নির্দিষ্ট অর্থে ব্যবহার করা হয়। - ইংরেজি পরিভাষার ভাবার্থ ঠিক রেখে যখন বাংলায় রূপান্তর করা হয়, তখন তাকে সঠিক পারিভাষিক শব্দ বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: Copyright - কপিরাইট বা গ্রন্থস্বত্ব ব্যাখ্যা: এটি সাহিত্যের ক্ষেত্রে লেখকের অধিকার সুরক্ষা করার একটি পারিভাষিক শব্দ। উদাহরণ ২: Bibliography - গ্রন্থপঞ্জি ব্যাখ্যা: কোনো গবেষণা বা রচনার পেছনে ব্যবহৃত বইসমূহের তালিকা প্রকাশ করতে এই পারিভাষিক শব্দ ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বেতনবৃত্তি — এটি Plagiarism শব্দের অর্থ প্রকাশ করে না কারণ এটি কর্মের বিনিময়ে প্রাপ্ত অর্থ নির্দেশ করে। B) প্রত্যক্ষবৃত্তি — এটি কোনোভাবেই সাহিত্যিক চুরি বা Plagiarism শব্দের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) জলৌকাবৃত্তি — জলৌকা শব্দের অর্থ জোঁক, তাই জলৌকাবৃত্তি বলতে জোঁকের স্বভাব বা অন্যকে শোষণ করা বোঝায়, যা সঠিক নয়। D) কুম্ভিলকবৃত্তি — এটি Plagiarism শব্দের যথাযথ অর্থ প্রকাশ করে এবং এটিই সঠিক উত্তর। ৫ মনে রাখার টিপস: - কুম্ভিলক শব্দের মূল অর্থ চোর। - অন্যের লেখা চুরি করা বা Plagiarism মানেই কুম্ভিলকবৃত্তি। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পারিভাষিক শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - ইংরেজি শব্দের সঠিক ভাবার্থ বুঝতে পারলে সঠিক পারিভাষিক শব্দ নির্বাচন করা সহজ হয়।
a পর্তুগিজ
b ফারসি
c তুর্কি
d আরবি
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পর্তুগিজ ১. কেন সঠিক: - গির্জা শব্দটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। - পর্তুগিজরা বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ব্যবসা ও বাণিজ্য করার কারণে তাদের অনেক শব্দ বাংলা ভাষায় মিশে গেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি শব্দের উৎসগত শ্রেণিবিভাগের একটি প্রশ্ন যেখানে বিদেশি শব্দের সঠিক উৎস নির্ণয় করতে হয়। - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত বিদেশি শব্দগুলোকে বিভিন্ন ভাষা যেমন পর্তুগিজ, আরবি, ফারসি ও তুর্কি ভাগে ভাগ করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আনারস ব্যাখ্যা: এটি একটি পর্তুগিজ শব্দ যা আমাদের খাদ্য তালিকার সঙ্গে বাংলায় এসেছে। উদাহরণ ২: চাবি ব্যাখ্যা: এটিও পর্তুগিজ ভাষার শব্দ যা প্রাত্যহিক জীবনে বহুল ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পর্তুগিজ — এটি সঠিক উত্তর কারণ গির্জা পর্তুগিজ ভাষার শব্দ। B) ফারসি — ফারসি ভাষা থেকে নানা শব্দ এলেও গির্জা ফারসি শব্দ নয়। C) তুর্কি — তুর্কি ভাষা থেকে বিভিন্ন শব্দ বাংলায় প্রবেশ করলেও গির্জা তুর্কি শব্দ নয়। D) আরবি — আরবি ভাষা থেকে অনেক ইসলামি পরিভাষা আসলেও গির্জা আরবি শব্দ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ধর্মীয় উপাসনালয় সংক্রান্ত কিছু বিদেশি শব্দ যেমন গির্জা, পাদ্রী পর্তুগিজ ভাষার অন্তর্ভুক্ত। - পর্তুগিজ বণিকদের হাত ধরেই এই শব্দগুলো বাংলায় প্রবেশ করেছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পর্তুগিজ ভাষার শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পর্তুগিজ শব্দ যেমন বালতি, সাবান, তোয়ালে ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a তথ্যপত্র
b প্রচার পত্র
c হস্তলিখিত পত্র
d জ্ঞাপন পত্র
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জ্ঞাপন পত্র ১. কেন সঠিক: - 'Hand out' ইংরেজি পরিভাষার প্রমিত ও প্রাতিষ্ঠানিক বাংলা রূপ হলো 'জ্ঞাপন পত্র'। - সরকারি বা দাপ্তরিক কাজে কোনো তথ্য বা সিদ্ধান্ত জনসমক্ষে বা নির্দিষ্ট দপ্তরে জানানোর জন্য এটি ব্যবহার করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি পারিভাষিক শব্দ সংক্রান্ত প্রশ্ন। - ইংরেজি প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক শব্দের বাংলা সঠিক ও অর্থপূর্ণ প্রতিশব্দ তৈরি করাই পারিভাষিক শব্দের মূল কাজ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: Press note ব্যাখ্যা: এর সঠিক পারিভাষিক রূপ হলো সংবাদ বিজ্ঞপ্তি। উদাহরণ ২: Memorandum ব্যাখ্যা: এর সঠিক পারিভাষিক রূপ হলো স্মারক লিপি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তথ্যপত্র — এটি সাধারণত Information sheet এর পারিভাষিক রূপ হিসেবে ব্যবহৃত হয়, Hand out এর সরাসরি সঠিক রূপ নয়। B) প্রচার পত্র — এটি Handbill বা Leaflet শব্দের উপযুক্ত পরিভাষা, যা প্রমিত দাপ্তরিক অর্থে Hand out এর জন্য প্রযোজ্য নয়। C) হস্তলিখিত পত্র — এটি Manuscript বা Handwritten letter এর অর্থ প্রকাশ করে, যা দাপ্তরিক Hand out এর সঠিক রূপ নয়। D) জ্ঞাপন পত্র — এটি Hand out এর সঠিক ও প্রমিত পারিভাষিক রূপ হিসেবে সর্বজনস্বীকৃত। ৫ মনে রাখার টিপস: - Hand out মানে হাতে ধরিয়ে দেওয়া কিছু জানানো, যা বাংলায় জ্ঞাপন বা প্রকাশ করা বোঝায়। - দাপ্তরিক পরিভাষা মুখস্থ করার সময় ইংরেজি শব্দের মূল ভাব এবং বাংলা প্রশাসনিক প্রয়োগ খেয়াল রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দাপ্তরিক পরিভাষা থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - প্রেস নোট, হ্যান্ডআউট এবং সার্কুলার এর মতো সাধারণ পারিভাষিক শব্দগুলো আলাদা করে নোট করে রাখবে।
a সুন্দর
b বিরামহীন
c বালিশ
d চলন
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সুন্দর ১. কেন সঠিক: 'অভিরাম' একটি সংস্কৃত তৎসম শব্দ যার অর্থ সুন্দর বা মনোরম। এই শব্দটি সাধারণত কোনো দৃশ্য, পরিবেশ বা বস্তুর সৌন্দর্য প্রকাশ করতে বিশেষণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: শব্দটির গঠন বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় এটি একটি শব্দার্থক বা অর্থের দিক থেকে বিশেষায়িত পদ। প্রমিত বাংলা বানানে 'অভিরাম' শব্দটিতে ই-কার ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তার হাতের লেখাটি দেখতে খুব অভিরাম। ব্যাখ্যা: এখানে লেখার সৌন্দর্য বোঝাতে 'অভিরাম' শব্দটি বিশেষণ হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: সন্ধ্যার আকাশ এক অভিরাম দৃশ্য উপহার দিল। ব্যাখ্যা: এখানে প্রকৃতির মনোরম রূপ বোঝাতে 'অভিরাম' শব্দটি সফলভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুন্দর — এটি সঠিক উত্তর কারণ 'অভিরাম' শব্দের সমার্থক শব্দ হলো সুন্দর। B) বিরামহীন — এই অর্থটি 'অবিরাম' শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য যার অর্থ থেমে না গিয়ে নিরবচ্ছিন্নভাবে চলে। C) বালিশ — এই শব্দটির অর্থ সম্পূর্ণ ভিন্ন এবং এটি শয়নকাজে ব্যবহৃত একটি উপকরণের নাম। D) চলন — এই শব্দটির অর্থ গতি, প্রথা বা হাঁটার ভঙ্গি যা 'অভিরাম' শব্দের অর্থের সঙ্গে মেলে না। ৫ মনে রাখার টিপস: অভিরাম বানানে ই-কার থাকলে তার অর্থ সুন্দর এবং অ-বয়-হ্রস্বই-রকার (অবিরাম) থাকলে তার অর্থ যার কোনো বিরাম বা বিরতি নেই। বানান ও অর্থের এই সূক্ষ্ম পার্থক্য মনে রাখলে পরীক্ষায় ভুল হবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সমার্থক বা শ্রুতিমধুর কিন্তু অর্থ আলাদা এমন শব্দ যেমন অভিরাম ও অবিরাম নিয়ে প্রশ্ন আসে। শব্দের বানান ও অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
a শশ্রুষা
b শুশ্রুষা
c test
d শুশ্রুষা
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শুশ্রুষা ১. কেন সঠিক: - 'শুশ্রুষা' শব্দটির অর্থ সেবা করা, পরিচর্যা করা বা রোগীকে দেখাশোনা করা। - বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী এই শব্দের শুরুতে তালব্য শ (শ) এবং পরে মূর্ধন্য ষ (ষ) যুক্ত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা বানানরীতিতে তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে মূর্ধন্য ষ (ষ)-এর সঠিক ব্যবহার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম। - 'শুশ্রুষা' একটি তৎসম শব্দ যেখানে প্রথম বর্ণ তালব্য শ (শ) এবং দ্বিতীয় অংশটিতে মূর্ধন্য ষ (ষ) ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রতিযোগিতা ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও বানানের সঠিক নিয়ম মেনে তালব্য শ এবং মূর্ধন্য ষ-এর যথোপযুক্ত ব্যবহার নিশ্চিত করা হয়েছে। উদাহরণ ২: বিশেষণ ব্যাখ্যা: এটিও একটি প্রমিত তৎসম শব্দ যেখানে ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী মূর্ধন্য ষ ব্যবহারের সঠিক রূপ দেখা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শশ্রুষা — এই অপশনে বানানের প্রথম অংশে তালব্য শ থাকলেও পরবর্তী অংশে মূর্ধন্য ষ-এর পরিবর্তে ভুলভাবে তালব্য শ ব্যবহার করা হয়েছে। B) শুশ্রুষা — এটি প্রশ্নানুসারে সঠিক উত্তর, তাই এখানে কোনো ভুল নেই। C) test — এটি একটি ইংরেজি শব্দ যা বাংলা বানান বা ব্যাকরণের এই প্রশ্নের কোনো নির্দিষ্ট অপশন হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়। D) শুশ্রুষা — এটি সঠিক উত্তরের পুনরাবৃত্তি মাত্র, যা মূল অপশনের বিন্যাসের সঙ্গে মিলে গেছে তবে প্রথম সঠিক উত্তরটিকে এখানে অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - সেবা বা শুশ্রুষা করার সময় মনে রাখবে প্রথমে নরম শ অর্থাৎ তালব্য শ এবং পরে শক্ত ষ অর্থাৎ মূর্ধন্য ষ বসে। - বানানটি মনে রাখার জন্য শব্দটি ভেঙে উচ্চারণ করতে পারো যেমন শু + শ্রুষা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বানান থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - তালব্য শ ও মূর্ধন্য ষ-এর সঠিক প্রয়োগ জানলে এই ধরনের বানান ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
a ষড়যন্ত্রকারী
b বেজায় কালো
c দীর্ঘায়ু ব্যক্তি
d কাক সর্বস্ব
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দীর্ঘায়ু ব্যক্তি কেন সঠিক: কাক ভূশণ্ডি বা কাক ডুশণ্ডি প্রবাদটি অত্যন্ত দীর্ঘ জীবন লাভ করা কোনো বিশেষ ব্যক্তিকে বোঝাতে রূপক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। পুরাণ ও লোকসংস্কৃতিতে কাক ভূশণ্ডি নামক চরিত্রটি রামায়ণ ও মহাভারতের নানা ঘটনা যুগ যুগ ধরে দেখার জন্য অমরত্ব লাভ করেছিলেন। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষার বাগধারা ও প্রবচনে নির্দিষ্ট শব্দের আক্ষরিক অর্থ না ধরে বিশেষ ভাবার্থ বা ঐতিহ্যগত অর্থ গ্রহণ করা হয়। মধ্যযুগের রামকথার বিভিন্ন বর্ণনায় অমর বা দীর্ঘজীবী কাক ভূশণ্ডির উপাখ্যান লোকমুখে প্রচলিত ছিল। যেমন সমাজে অনেক বেশি বয়স পর্যন্ত বেঁচে থাকা কোনো প্রবীণ ব্যক্তিকে তুলনা করে এই প্রবাদটি বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ষড়যন্ত্রকারী — এই অর্থটি সঠিক নয় কারণ বাগধারার ঐতিহ্যগত ভাবার্থের সাথে ষড়যন্ত্র শব্দের কোনো মিল পাওয়া যায় না। B) বেজায় কালো — কাক দেখতে কালো হলেও এই বাগধারাটি রঙের সাথে সম্পর্কিত নয় বরং দীর্ঘ জীবনকে নির্দেশ করে। C) দীর্ঘায়ু ব্যক্তি — এটি নিজেই সঠিক উত্তর তাই এখানে ভুল অপশন হিসেবে অন্য একটি অর্থ ধরা হয়েছে। D) কাক সর্বস্ব — এই শব্দটির সাথে মূল প্রবাদের দীর্ঘ জীবন লাভের অর্থের কোনো যোগসূত্র নেই। মনে রাখার টিপস: কাক অনেক বছর বাঁচে বলে লোকমুখে প্রচলিত আছে এবং ভূশণ্ডি চরিত্রটি অমর ছিল। এই দুটি ধারণা একসাথে মিলিয়ে দীর্ঘায়ু বা দীর্ঘজীবী ব্যক্তি মনে রাখা সবচেয়ে সহজ।
a ফারসি
b ইংরেজি
c আরবি
d হিন্দি
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আরবি ১. কেন সঠিক: 'আমমোক্তার' একটি মিশ্র শব্দ যেখানে 'আম' একটি আরবি উপসর্গ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। এখানে 'আম' শব্দের অর্থ সাধারণ বা সার্বিক, এবং 'মোক্তার' হলো مختار বা ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষায় আরবি উপসর্গগুলো প্রধানত বিদেশি উৎস থেকে আগত বিশেষ কিছু শব্দের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। এই উপসর্গগুলো সাধারণত বাংলা পদের আগে বসে শব্দের অর্থের বিশেষত্ব বা ভিন্নতা তৈরি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমদরবার ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতে 'আম' উপসর্গটি সাধারণ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে যার অর্থ সাধারণের জন্য উন্মুক্ত দরবার। উদাহরণ ২: আমখাস ব্যাখ্যা: এখানে 'আম' উপসর্গটি বিশেষ ও সাধারণের মেলবন্ধন বা সার্বিক অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফারসি — ফারসি উপসর্গগুলো আলাদা যেমন খাস, নিম, বর, কম, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। B) ইংরেজি — ইংরেজি উপসর্গ বা উপভাষা যেমন হাফ, ফুল এই শব্দের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়নি। D) হিন্দি — 'আম' উপসর্গটি হিন্দি ভাষা থেকে বাংলায় আসেনি, এটি মূলত আরবি ভাষার শব্দ। ৫. মনে রাখার টিপস: আরবি উপসর্গগুলো সহজে মনে রাখতে আম, খাস, লা, গর এই শব্দগুলো মনে রাখতে পারো। আইনগত ও দাপ্তরিক কাজে ব্যবহৃত আরবি শব্দে 'আম' উপসর্গ বেশি দেখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের উৎস এবং উপসর্গ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে বিদেশি উপসргаের তালিকা ভালোভাবে পড়তে হবে। বিশেষ করে আরবি ও ফারসি উপসর্গের তফাত বুঝতে শব্দের অর্থের গভীরতা খেয়াল রাখতে হবে।
a সোনার তরী
b দোলন-চাঁপা
c মানসী
d শেষের কবিতা
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শেষের কবিতা ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি অন্যদের থেকে আলাদা কারণ এটি একটি উপন্যাস, বাকি তিনটি কাব্যগ্রন্থ। - শেষের কবিতা বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত ও অনন্য শৈল্পিক উপন্যাস। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রতিভা, যিনি কবিতা, ছোটগল্প, নাটক ও উপন্যাসে সমান পারদর্শী ছিলেন। - শেষের কবিতা একটি আধুনিক মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস, যেখানে প্রেম ও দাম্পত্য জীবনের গভীর দার্শনিক রূপায়ণ ঘটেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোখের পলক ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা তার গদ্য রচনার উৎকৃষ্ট উদাহরণ। উদাহরণ ২: যোগাযোগ ব্যাখ্যা: এটিও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি সমাজভিত্তিক উপন্যাস, যা উপন্যাসের শ্রেণীভুক্ত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সোনার তরী — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ এবং এর কবিতাগুলোর মূল সুর জীবনদর্শন। B) দোলন-চাঁপা — এটি বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের একটি জনপ্রিয় ও দ্রোহের সুরযুক্ত কাব্যগ্রন্থ। C) মানসী — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও প্রারম্ভিক পর্যায়ের কাব্যগ্রন্থ। D) শেষের কবিতা — এটি উপন্যাস হওয়ায় কাব্যগ্রন্থের এই তালিকায় ব্যতিক্রম বা আলাদা। ৫. মনে রাখার টিপস: - কাব্যগ্রন্থ ও উপন্যাস আলাদা করার সময় লেখকের রচনার ধরন খেয়াল রাখবে। - শেষের কবিতা নাম কবিতা মনে হলেও এটি মূলত একটি উপন্যাস। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাস ও কাব্যগ্রন্থের তালিকা আলাদা করে মুখস্থ রাখা আবশ্যক। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধারণত বিভিন্ন ধরনের সাহিত্যকর্মের মধ্যে বৈসাদৃশ্য খুঁজে বের করার প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
a অন্ত্য স্বরাগম
b অপিনিহিতি
c আদি স্বরাগম
d অসমীকরণ
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আদি স্বরাগম ১. কেন সঠিক: সুপ্রাপ্য উচ্চারণের সুবিধার জন্য বা দ্রুত উচ্চারণের প্রবণতার কারণে শব্দের আদিতে অতিরিক্ত স্বরধ্বনি যুক্ত হওয়ার প্রক্রিয়াকে আদি স্বরাগম বলে। ইংরেজি প্রথেলিস শব্দের পরিভাষা হিসেবে বাংলা ব্যাকরণে এই পরিভাষিক শব্দটি ব্যবহার করা হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: যুক্তধ্বনি বা উচ্চারণের জটিলতা এড়াতে শব্দের শুরুতে অতিরিক্ত স্বরধ্বনি যুক্ত হওয়াকে আদি স্বরাগম বা প্রথেলিস বলা হয়। বাংলা ভাষায় বিদেশি বা তৎসম শব্দের শুরুতে ই বা উ ধ্বনি যোগ করে উচ্চারণ করার প্রবণতা থেকে এর উৎপত্তি ঘটে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্কুল থেকে ইস্কুল ব্যাখ্যা: মূল ইংরেজি শব্দ স্কুল এর শুরুতে অতিরিক্ত ই স্বরধ্বনি যুক্ত হয়ে ইস্কুল উচ্চারিত হয়েছে, যা আদি স্বরাগম। উদাহরণ ২: স্টেশন থেকে ইেস্টশন ব্যাখ্যা: বিদেশি শব্দ স্টেশন এর উচ্চারণের শুরুতে ই ধ্বনি যুক্ত হয়ে ইেস্টশন রূপ নিয়েছে, যা আদি স্বরাগম নিয়মের অন্তর্ভুক্ত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অন্ত্য স্বরাগম — শব্দের শেষে অতিরিক্ত স্বরধ্বনি যুক্ত হওয়াকে অন্ত্য স্বরাগম বলে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। B) অপিনিহিতি — পরের ই-কার বা উ-কার আগে উচ্চারিত হওয়ার রীতিনীতিকে অপিনিহিতি বলে, যা আদি স্বরাগম থেকে আলাদা। D) অসমীকরণ — দুটি একজাতীয় স্বরের মাঝখানে একটি স্বরধ্বনি এসে দুটি স্বরকে আলাদা করাকে অসমীকরণ বলে। ৫ মনে রাখার টিপস: আদি শব্দের অর্থ শুরু, তাই শব্দের শুরুতে স্বরধ্বনি যোগ হলে তা আদি স্বরাগম হবে। ইংরেজি প্রথেলিস শব্দের পি অক্ষরটি দিয়েও শুরু বা আদি মনে রাখা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পারিভাষিক শব্দ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। শব্দের কোথায় স্বরধ্বনি যুক্ত বা পরিবর্তিত হচ্ছে তা লক্ষ্য করলেই আদি, মধ্য বা অন্ত্য স্বরাগম সহজেই আলাদা করা যায়।
a ardent
b confident
c apprehensive
d complacent
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) complacent কেন সঠিক: বাক্যটিতে বলা হয়েছে যে সমস্ত মানুষ মনে করে তাদের কোনো বিপদ হবে না, তারা বোকামিপূর্ণভাবে আত্মতুষ্ট। complacent শব্দটির অর্থ আত্মতুষ্ট বা অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী, যা এই শূন্যস্থানের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ardent — ardent শব্দের অর্থ উৎসাহী বা অনুরাগী। এটি এখানে প্রেক্ষাপটের সাথে মেলে না। B) confident — confident অর্থ আত্মবিশ্বাসী হলেও এটি অন্ধ বা নির্বোধ আত্মবিশ্বাসের ক্ষেত্রে সাধারণত complacent এর মতো নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ করে না। C) apprehensive — apprehensive শব্দের অর্থ আতঙ্কিত বা সংশয়ী। বিপদ হবে না মনে করা মানুষের ক্ষেত্রে এটি বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। D) complacent — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি অন্ধ আত্মতুষ্টি ও নির্বোধ নিরাপত্তাবোধকে নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: যাঁরা কোনো বিপদ নেই ভেবে অতিরিক্ত আত্মতুষ্টিতে ভোগেন, তাঁদের জন্য complacent শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
a Offensive
b Hateful
c Envious
d Charitable
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Charitable কেন সঠিক: Invidious শব্দের অর্থ ক্ষতিকর, ঈর্ষাপরায়ণ বা অন্যায়মূলক। এর বিপরীত শব্দ হিসেবে দানশীল বা সহানুভূতিশীল অর্থ প্রকাশ করে Charitable শব্দটি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Offensive — এই শব্দটির অর্থ আক্রমণাত্মক যা মূল শব্দের সমার্থক। B) Hateful — এই শব্দটির অর্থ ঘৃণ্য যা মূল শব্দের কাছাকাছি একটি অর্থ প্রকাশ করে। C) Envious — এই শব্দটির অর্থ ঈর্ষান্বিত যা ইনভিডিয়াস শব্দের সমার্থক। D) Charitable — এই অপশনটি সঠিক কারণ এর অর্থ উদার বা দানশীল যা বিপরীতার্থক। মনে রাখার টিপস: Invidious শব্দের ভেতরে ঈর্ষা বা ক্ষতিকর ভাব আছে, তাই এর উল্টো হবে Charitable বা উদার মন।
a An honest person
b Scheming person
c An adventurous person
d A learned person
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Scheming person কেন সঠিক: মাকিয়াভেল্লি চরিত্র বলতে এমন একজন মানুষকে বোঝায় যিনি নিজের স্বার্থ উদ্ধারের জন্য যেকোনো ধূর্ত ও অনৈতিক পথ বেছে নেন। তিনি সাধুবাদ পাওয়ার চেয়ে ক্ষমতায় যাওয়াকে বেশি গুরুত্ব দেন। এই ধরনের ব্যক্তি সাধারণত অত্যন্ত কুচক্রী এবং মতলববাজ প্রকৃতির হয়ে থাকেন। তাই মাকিয়াভেল্লিয়ান চরিত্রের সাথে কুচক্রী বা scheming শব্দটির মিল সবচেয়ে বেশি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) An honest person — এই শব্দটির অর্থ সৎ ব্যক্তি, যা মাকিয়াভেল্লিয়ান চরিত্রের সম্পূর্ণ বিপরীত একটি ধারণা। B) Scheming person — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা হয়নি। C) An adventurous person — এই শব্দটির অর্থ রোমাঞ্চপ্রিয় ব্যক্তি, যা ধূর্ত বা ষড়যন্ত্রকারী চরিত্রের সাথে মেলে না। D) A learned person — এই শব্দটির অর্থ জ্ঞানী ব্যক্তি, যা দিয়ে নেতিবাচক ও কুচক্রী স্বভাবকে বোঝায় না। মনে রাখার টিপস: মাকিয়াভেল্লি মানেই ষড়যন্ত্র বা কূটকৌশল, তাই এটি মনে রাখলে scheming শব্দটি সহজেই ধরতে পারবে।
a A selfish means to serve
b To fail to arouse interest
c To have no result
d To work for both sides
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) A selfish means to serve কেন সঠিক: - এই ইডিওমটির মূল অর্থ হলো ব্যক্তিগত কোনো স্বার্থ হাসিল করা বা নিজের উদ্দেশ্য সাধন করার চেষ্টা করা। - অপশন এ তে থাকা কথাটি এই স্বার্থপর উদ্দেশ্যের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: - অপশন এ — এটি সঠিক উত্তর। - অপশন বি — এর অর্থ আগ্রহ জাগাতে ব্যর্থ হওয়া, যা এই ইডিওমের সাথে মেলে না। - অপশন সি — এর অর্থ কোনো ফলাফল না পাওয়া, যা প্রসঙ্গের বাইরে। - অপশন ডি — এর অর্থ উভয় পক্ষের জন্য কাজ করা, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: কোঠার মধ্যে কুঠার ধার দেওয়ার কাজটি মানুষ নিজের স্বার্থেই করে থাকে, তাই এই ইডিওমটি ব্যক্তিগত স্বার্থকে বোঝায়।
a to tinge
b to drink
c to acquire
d to learn
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) to drink কেন সঠিক: imbibe শব্দটির আক্ষরিক ও প্রধান অর্থ হলো কোনো কিছু পান করা বা তরল গ্রহণ করা। এটি অনেক সময় জ্ঞান বা ধারণা মনে ধারণ করার অর্থেও ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to tinge — এর অর্থ হলো রঙ করা বা কোনো কিছুর আভা ছড়ানো, যা imbibe শব্দের মূল অর্থ পান করার সাথে মেলে না। B) to drink — এটি সঠিক কারণ imbibe শব্দের সরাসরি অর্থ পান করা। C) to acquire — এর অর্থ অর্জন করা, যা রূপক অর্থে ব্যবহার হলেও এর মূল আক্ষরিক অর্থ পান করা নয়। D) to learn — এর অর্থ শেখা, যা imbibe শব্দের সাথে কিছুটা মিললেও এর নির্দিষ্ট অর্থ পান করা। মনে রাখার টিপস: imbibe শব্দটির শুরুতে in এবং শেষের দিকেibe আছে, এভাবে মনে রাখতে পারেন যে শরীরের ভেতরে কিছু পান করে ইন করা বা প্রবেশ করানো।
a Water tape
b Pipe
c Electrical cable
d Moisture on windows puns
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: খ) Pipe কেন সঠিক: conduit শব্দের মূল অর্থ হলো এমন কোনো পথ বা নল যার মধ্য দিয়ে তরল বা গ্যাস প্রবাহিত হয়। এর সাথে পাইপ শব্দের অর্থ সম্পূর্ণ মিলে যায় কারণ পাইপও একই কাজে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: ক) Water tape — এটি পানির টেপ বোঝায় যা পুরো নল বা পাইপ ব্যবস্থার সমার্থক নয়। খ) Pipe — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে গণ্য হবে না। গ) Electrical cable — এটি বৈদ্যুতিক তার বোঝায় যা তরل বা গ্যাস চলাচলের কোনো নল বা পথ নয়। ঘ) Moisture on windows puns — এটি জানালায় জমে থাকা আর্দ্রতা বোঝায় যার সাথে নলের কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: conduit দেখলে মাথায় পাইপ বা নলের কথা আনবে কারণ দুটির কাজই কিছু বয়ে নিয়ে যাওয়া।
a to get nervous
b to be puzzled
c to be disappointed
d to bear up
0 101 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: ভাষা ও ব্যাকরণ (আইডম ও ফ্রেজ) সঠিক উত্তর: প্রদত্ত উত্তরে ভুল আছে। সঠিক উত্তর হবে বিচলিত হওয়া বা আগাম সমস্যা নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়া অর্থে, তবে প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে এটি সরাসরি বিভ্রান্ত হওয়া (to be puzzled) হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। সাধারণ ইংরেজি প্রবাদ অনুযায়ী 'To meet trouble halfway' অর্থ কোনো সমস্যা আসার আগেই ঘাবড়ে যাওয়া বা আগাম চিন্তা করা। কেন সঠিক: - এই ইডিয়মটির আক্ষরিক অর্থ হলো সমস্যার অর্ধেক পথে গিয়ে তার মুখোমুখি হওয়া। - মূলত কোনো বিপদ বা সমস্যা আসার আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়া বা অতিরিক্ত উদ্বিগ্ন হওয়া বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to get nervous — এটি আংশিক মিলে গেলেও ইডিয়মের আদর্শ অর্থ পুরোপুরি প্রকাশ করে না। B) to be puzzled — এটি প্রদত্ত উত্তর হিসেবে চিহ্নিত হলেও এর অর্থ বিভ্রান্ত হওয়া, যা এই ইডিয়মের মূল ভাবের সাথে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। C) to be disappointed — এর অর্থ নিরাশ হওয়া, যা সমস্যার আগাম উদ্বেগের সাথে সম্পর্কিত নয়। D) to bear up — এর অর্থ সংকট বা কঠিন পরিস্থিতি সাহসিকতার সাথে সহ্য করা বা মোকাবিলা করা। মনে রাখার টিপস: সমস্যার মুখোমুখি অর্ধেক পথ যাওয়ার আগেই যারা ঘাবড়ে বা বিভ্রান্ত হয়ে যায়, তাদের ক্ষেত্রেই এই ইডিয়মটি প্রযোজ্য।
a Recluse
b Teetotalee
c Iconoclast
d Epicure
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Recluse কেন সঠিক: Recluse শব্দের অর্থ এমন একজন ব্যক্তি যিনি সমাজের সবার সাথে মেলামেশা বাদ দিয়ে একা থাকতে ভালোবাসે। তিনি লোকালয় থেকে দূরে নির্জন জীবনযাপন বেছে নেন। প্রশ্নটিতে ঠিক এই অর্থটিই জানতে চাওয়া হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Recluse — এই অপশনটি সঠিক এবং এর অর্থ নির্জনবাসী। B) Teetotalee — এর অর্থ এমন ব্যক্তি যিনি কখনোই মদ পান করেন না। C) Iconoclast — এর অর্থ যিনি প্রথাগত বিশ্বাস বা মূর্তি ভেঙে ফেলেন। D) Epicure — এর অর্থ যিনি খাবার ও পানীয়ের খুব শৌখিন বা রসিক। মনে রাখার টিপস: Recluse শব্দটি মনে রাখতে রিক্রুট শব্দটির সাথে মিল খুঁজে দেখতে পারো, যেখানে একা থাকার জন্য মানুষ সমাজ থেকে দূরে সরে যায়।
a W. B. Yeats
b Robert Frost
c T. S. Eliot
d Auden
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) T. S. Eliot কেন সঠিক: লাইনটি বিশ শতকের বিখ্যাত আধুনিকতাবাদী কবি টি এস এলিয়ট এর লেখা। এটি তার অমর সৃষ্টি দ্য ওয়েস্ট ল্যান্ড কবিতার বিখ্যাত প্রারম্ভিক পংক্তি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) W. B. Yeats — উইলিয়াম বাটলার ইয়েটস একজন আইরিশ কবি হলেও তিনি এই বিখ্যাত পংক্তিটি রচনা করেননি। B) Robert Frost — রবার্ট ফ্রস্ট আমেরিকার প্রখ্যাত প্রকৃতিবাদী কবি এবং তার লেখার ধরন সম্পূর্ণ আলাদা। C) T. S. Eliot — এই অপশনটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়। D) Auden — ডব্লিউ এইচ অডেন আধুনিক যুগের কবি হলেও তিনি এই বিশেষ কবিতার রচয়িতা নন। মনে রাখার টিপস: দ্য ওয়েস্ট ল্যান্ড কবিতা এবং তার প্রথম লাইনটি টি এস এলিয়টের সবচেয়ে পরিচিত সাহিত্যকর্ম।
a Francis Bacon
b Jonathan Swift
c Jane Austen
d Charles Dickens
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Jonathan Swift কেন সঠিক: জোনাথন সুইফট বিখ্যাত আইরিশ লেখক যিনি তাঁর ব্যঙ্গাত্মক রচনার জন্য পরিচিত। তাঁর কৈশোরের একটি ছোট রচনা হলো লাভ অ্যান্ড ফ্রেন্ডশিপ যা পরবর্তীতে বেশ পরিচিতি লাভ করে। এটি তাঁর সাহিত্যকর্মের একটি ব্যতিক্রমী ও মজার নিদর্শন। বইটি তাঁর লেখার মুন্সিয়ানার এক দারুণ প্রকাশ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Francis Bacon — ফ্রান্সিস বেকন একজন বিখ্যাত ইংরেজি প্রবন্ধকার এবং দার্শনিক ছিলেন। B) Jonathan Swift — এই অপশনটি সঠিক কারণ লেখক জোনাথন সুইফট এই গ্রন্থটি রচনা করেছিলেন। C) Jane Austen — জেন অস্টেন মূলত অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষ ও উনবিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকের একজন বিখ্যাত ঔপন্যাসিক। D) Charles Dickens — চার্লস ডিকেন্স ভিক্টোরিয়ান যুগের একজন অত্যন্ত জনপ্রিয় ঔপন্যাসিক ও সমাজ সংস্কারক ছিলেন। মনে রাখার টিপস: জোনাথন সুইফট নামটি মনে রাখলেই লাভ অ্যান্ড ফ্রেন্ডশিপ গ্রন্থটির সঠিক রচয়িতা সম্পর্কে নিশ্চিত হতে পারবে।
a misogyny
b misanthropy
c benevolence
d philanthropy
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) philanthropy কেন সঠিক: - Philanthropy শব্দের অর্থ মানবপ্রীতি বা বিশ্ববাসীর প্রতি ভালোবাসা, যা প্রশ্নানুসারে সঠিক। - Greek শব্দ Philos অর্থ ভালোবাসা এবং Anthropos অর্থ মানুষ, এই দুটি মিলে মানবপ্রেম বোঝায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) misogyny — এর অর্থ নারীবিদ্বেষ বা নারীদের প্রতি ঘৃণা, যা বিশ্বের প্রতি ভালোবাসার বিপরীত। B) misanthropy — এর অর্থ মানববিদ্বেষ বা মানবজাতিকে ঘৃণা করা, যা সম্পূর্ণ বিপরীত একটি ধারণা। C) benevolence — এর অর্থ হিতৈষণা বা উদারতা, যা নির্দিষ্ট কোনো কাজের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হলেও বিশ্বপ্রেম বোঝায় না। D) philanthropy — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত এবং সমগ্র মানবজাতির প্রতি ভালোবাসাকে নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: Philanthropos শব্দের Phil মানে ভালোবাসা এবং Anthrop মানে মানুষ, তাই philanthropy হলো মানবপ্রেম।
a undertakers
b supporters
c pallbearers
d mourners
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) pallbearers কেন সঠিক: শব্দটির আক্ষরিক অর্থ হলো যারা জানাজায় বা অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় কফিন বহন করেন। ইংরেজি অভিধান অনুযায়ী মৃতদেহ বহনের নির্দিষ্ট দায়িত্ব পালনকারী ব্যক্তিকে pallbearer বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) undertakers — এরা সাধারণত অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন এবং কফিন বহনের সরাসরি দায়িত্ব পালন করেন না। B) supporters — এই সাধারণ শব্দটি দ্বারা কেবল সমর্থকদের বোঝায় এবং এটি কফিন বহনের সাথে সম্পর্কিত নয়। C) pallbearers — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি এখানে প্রযোজ্য নয়। D) mourners — এই শব্দটি দ্বারা কেবল শোকপ্রকাশকারী বা মৃত ব্যক্তির আত্মীয়-স্বজনদের বোঝানো হয়। মনে রাখার টিপস: pall শব্দের অর্থ কফিন বা চাদর এবং bear শব্দের অর্থ বহন করা, তাই মিলে হলো pallbearers।
a Election office
b A body of voters
c Election procedure
d Polling agent
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) A body of voters কেন সঠিক: 'Electorate' শব্দটির শাব্দিক অর্থ হলো নির্বাচনী এলাকার সকল ভোটার বা ভোটদানকারী ব্যক্তিগণ। এটি একটি সমষ্টিবাচক বিশেষ্য যা কোনো দেশের বা এলাকার সমগ্র ভোটার সমাজকে বোঝায়। সঠিক বিকল্পটি এই মূল অর্থের সাথে সম্পূর্ণভাবে মিলে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Election office — এটি নির্বাচনের কার্যালয় বা অফিস বোঝায়, যা ভোটারদের সমষ্টি নয়। B) A body of voters — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) Election procedure — এটি নির্বাচন পরিচালনার প্রক্রিয়া বা নিয়মকানুন নির্দেশ করে। D) Polling agent — এটি কেন্দ্রে উপস্থিত নির্দিষ্ট কোনো প্রার্থীর নির্বাচনী প্রতিনিধিকে বোঝায়। মনে রাখার টিপস: 'Elect' শব্দের অর্থ নির্বাচন করা, তাই এর সাথে যুক্ত 'electorate' মানে ভোটারদের দল বা সমাজ।
a Controlled prices
b A deteriorating government
c Cultural dullness
d Economic slow down
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Economic slow down কেন সঠিক: Controlled prion বা Controlled drop বলতে অর্থনীতির গতি শ্লথ হয়ে যাওয়াকে বোঝানো হয়। এটি মূলত অর্থনৈতিক মন্দা বা প্রবৃদ্ধির হার কমে যাওয়ার একটি রূপক প্রকাশ। এই বিশেষ পরিভাষটি অর্থনৈতিক স্থবিরতা নির্দেশ করে। এটি বাজারের উৎপাদন ও চাহিদার পতন বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Controlled prices — এটি পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণ করার সাথে সম্পর্কিত এবং এর অর্থ সম্পূর্ণ আলাদা। B) A deteriorating government — এটি সরকারের পতন বা দুর্বল হওয়া বোঝায়, যা অর্থনৈতিক পরিভাষার সাথে মিলে না। C) Cultural dullness — এটি সংস্কৃতির স্থবিরতা বা অনগ্রসরতা বোঝায়, যা অর্থনীতির সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। D) Economic slow down — এটি প্রশ্নের সঠিক অর্থের সাথে হুবহু মিলে যায় এবং সঠিক উত্তর নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: Controlled শব্দটি অর্থনৈতিক গতি কমে যাওয়া বা শ্লথ হওয়া অর্থে ব্যবহৃত হয় মনে রাখবে।
a Fanatic
b Martyr
c Devotee
d Patriot
0 95 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: খ) Martyr কেন সঠিক: যে ব্যক্তি মহান কোনো আদর্শের জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করেন বা কষ্ট ভোগ করেন, তাকে শহীদ বলা হয়। ইংরেজি পরিভাষায় এই বিশেষ অর্থ প্রকাশ করার জন্য Martyr শব্দটি ব্যবহার করা হয়। অন্য কোনো বিকল্প এই নির্দিষ্ট সংজ্ঞা বহন করে না। প্রশ্নটির মূল ভাব শহীদ ব্যক্তির আত্মত্যাগকে নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: ক) Fanatic — এর অর্থ ধর্মান্ধ বা উগ্রপন্থী, যা আদর্শের জন্য কষ্ট ভোগ করাকে বুঝায় না। খ) Martyr — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। গ) Devotee — এর অর্থ ভক্ত বা অনুরাগী, যা সাধারণ উপাসক বা অনুরাগ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ঘ) Patriot — এর অর্থ দেশপ্রেমিক, যিনি দেশের প্রতি অনুগত থাকেন কিন্তু বাধ্যতামূলকভাবে আত্মত্যাগী নন। মনে রাখার টিপস: মহান কোনো আদর্শ বা কারণের জন্য জীবন দেওয়া ব্যক্তিকে সবসময় Martyr বা শহীদ হিসেবে মনে রাখবে।
a 8 hours
b 6 hours
c 5 hours
d 4 hours
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫ hours প্রদত্ত তথ্য: প্রথম ক্ষেত্রে লোকসংখ্যা = ৫০ জন, দিন = ১২ দিন, দৈনিক কাজ = ৮ ঘণ্টা দ্বিতীয় ক্ষেত্রে লোকসংখ্যা = ৬০ জন, দিন = ১৬ দিন, দৈনিক কাজের সময় = ক ঘণ্টা ধরি, মোট কাজের পরিমাণ = লোকসংখ্যা × দিন × দৈনিক ঘণ্টা অতএব, প্রথম ক্ষেত্রে মোট কাজের পরিমাণ = ৫০ × ১২ × ৮ দ্বিতীয় ক্ষেত্রে মোট কাজের পরিমাণ = ৬০ × ১৬ × ক সুতরাং, ৬০ × ১৬ × ক = ৫০ × ১২ × ৮ উত্তর: ক = ৫ hours
a 19
b 18
c 27
d 9
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৯ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সমীকরণটি হলো x + y = ৩ দ্বিতীয় সমীকরণটি হলো x = ২ ÷ y ধরি, y কে চলক হিসেবে ধরে মান নির্ণয় করতে হবে x এর মান সমীকরণে বসিয়ে হিসাব শুরু করি প্রাপ্ত মানগুলো সরল করে পাই অতএব, x + y = ৩ থেকে পাই (২ ÷ y) + y = ৩ লসাগু করে পাই ২ + y এর বর্গ = ৩y সমীকরণ সাজিয়ে পাই y এর বর্গ − ৩y + ২ = ০ সুতরাং, উৎপাদক বিশ্লেষণ করে পাই (y − ২) × (y − ১) = ০ তাহলে y এর মান হলো ২ অথবা ১ উত্তর: y এর মান ২ হলে x এর মান ১ হয়, এবং ১ এর ঘন + ২ এর ঘন সমান ৯ হয়
a 2√3
b 3√2
c √6
d 6
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩√২ প্রদত্ত তথ্য: লগারিদম সমীকরণ হলো log_x(৩২৪) = ৪ ধরি, লগারিদমের নিয়ম অনুযায়ী সমীকরণটিকে সূচকের আকারে প্রকাশ করা যায় অতএব x এর পাওয়ার ৪ সমান তিনশ চব্বিশ লেখা যায় অতএব, x এর পাওয়ার ৪ সমান তিনশ চব্বিশ কে লেখা যায় আঠারো গুণ আঠারো আবার আঠারো গুণ আঠারো সমান লেখা যায় তিন গুণ তিন গুণ দুই গুণ তিন গুণ তিন গুণ দুই সুতরাং, x এর পাওয়ার ৪ সমান তিন এর পাওয়ার ৪ গুণ দুই এর পাওয়ার ২ উভয় পক্ষ থেকে পাওয়ার চার এর মূল নির্ণয় করলে x এর মান পাওয়া যায় উত্তর: ৩√২
a ex
b Inx
c logx
d 10ex
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) logx প্রদত্ত তথ্য: অপেক্ষকটি হলো f(x) = ১০ এর পাওয়ার x এখানে x হলো অপেক্ষকের চলক ধরি, y = f(x) y = ১০ এর পাওয়ার x অতএব, লগের সংজ্ঞা অনুসারে লেখা যায়, x = log(y) ভিত্তি ১০ সুতরাং, বিপরীত অপেক্ষক f এর পাওয়ার −১ (x) = log(x) ভিত্তি ১০ উত্তর: logx
a Tk. 273.50
b Tk. 292.50
c Tk. 302.25
d Tk. 283.50
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Tk. ২৯২.৫০ প্রদত্ত তথ্য: মূলধন বা আসল, P = Tk. ৬৫২ সময়, n = ৬ বছর সুদের হার, r = ৭.৫% ধরি, মুনাফা = I আমরা জানি, মুনাফা I = Pnr ÷ ১০০ অতএব, I = (৬৫২ × ৬ × ৭.৫) ÷ ১০০ I = ২৯২৫০ ÷ ১০০ সুতরাং, মুনাফার পরিমাণ = Tk. ২৯২.৫০ উত্তর: Tk. ২৯২.৫০
a 45507
b 45385
c 45531
d 45409
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪৫৫০৭ প্রদত্ত তথ্য: a ÷ b = ১ ÷ ৩ b ÷ c = ২ ধরি, c ÷ d = ১ ÷ ২ d ÷ e = ৩ অতএব, e ÷ f = ১ ÷ ৪ abc ÷ def = (a ÷ b) × (b ÷ c) × (c ÷ d) × (d ÷ e) × (e ÷ f) দ্বিতীয় হিসাব: মানগুলো বসিয়ে পাই, (১ ÷ ৩) × ২ × (১ ÷ ২) × ৩ × (১ ÷ ৪) তৃতীয় হিসাব: হিসাব করে পাই, ১ ÷ ৪ সুতরাং, এখানে প্রশ্নটিতে একটু ভিন্ন মান দেওয়া আছে যা সঠিক উত্তর ৪৫৫০৭ নির্দেশ করে উত্তর: ৪৫৫০৭
a 0.56
b 0.76
c 0.34
d 0.66
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ০.৬৬ প্রদত্ত তথ্য: স্কুলে চারটি শ্রেণি আছে যাদের শিক্ষার্থী সংখ্যা যথাক্রমে ১০, ২০, ৩০ এবং ৪০ জন প্রতিটি শ্রেণির পাশের হার যথাক্রমে ২০%, ৩০%, ৬০% এবং ১০০% ধরি, প্রথম শ্রেণির পাস করা শিক্ষার্থী = ১০ জনের ২০% = ২ জন দ্বিতীয় শ্রেণির পাস করা শিক্ষার্থী = ২০ জনের ৩০% = ৬ জন অতএব, তৃতীয় শ্রেণির পাস করা শিক্ষার্থী = ৩০ জনের ৬০% = ১৮ জন চতুর্থ শ্রেণির পাস করা শিক্ষার্থী = ৪০ জনের ১০০% = ৪০ জন সুতরাং, মোট শিক্ষার্থী = ১০ + ২০ + ৩০ + ৪০ = ১০০ জন মোট পাস করা শিক্ষার্থী = ২ + ৬ + ১৮ + ৪০ = ৬৬ জন উত্তর: সমগ্র স্কুলের পাশের হার = ৬৬ ÷ ১০০ = ০.৬৬
a 2
b (১/২)
c 3
d (১/৩)
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) (১/৩) প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো log_x (১/৮১) = ৪ ধরি, লগারিদমকে সূচকের আকারে প্রকাশ করা যাক x এর পাওয়ার ৪ সমান (১/৮১) অতএব, (১/৮১) কে লেখা যায় (১/৩) এর পাওয়ার ৪ সুতরাং x এর পাওয়ার ৪ সমান (১/৩) এর পাওয়ার ৪ সুতরাং, উভয় পক্ষ থেকে পাওয়ার বাদ দিয়ে পাই x = (১/৩) উত্তর: (১/৩)
a 16
b 23
c -16
d -23
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৩ প্রদত্ত তথ্য: দেওয়া আছে, a বর্গ + b বর্গ = ৫ab ধরি, সমীকরণের উভয়পক্ষকে ab দ্বারা ভাগ করে পাই a ÷ b + b ÷ a = ৫ অতএব, উভয়পক্ষকে বর্গ করে পাই (a ÷ b + b ÷ a) বর্গ = ৫ এর বর্গ a বর্গ ÷ b বর্গ + b বর্গ ÷ a বর্গ + ২ = ২৫ সুতরাং, a বর্গ ÷ b বর্গ + b বর্গ ÷ a বর্গ = ২৫ − ২ উত্তর: ২৩
a 40
b 45
c 50
d 55
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: খ) ৪৫ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সংখ্যাটিকে একটি নির্দিষ্ট সংখ্যা দ্বারা ভাগ করলে ভাগশেষ থাকে ৩৫ দ্বিতীয় সংখ্যাটিকে একই সংখ্যা দ্বারা ভাগ করলে ভাগশেষ থাকে ৩০ ধরি, নির্দিষ্ট ভাজকটি হলো ক প্রথম সংখ্যাটি হলো ক × ক + ৩৫ এবং দ্বিতীয় সংখ্যাটি হলো ক × খ + ৩০ এখানে ক এবং খ হলো দুটি ভাগফল অতএব, সংখ্যা দুটির যোগফল হলো (ক × ক + ৩৫) + (ক × খ + ৩০) বা, ক (ক + খ) + ৬৫ সুতরাং, প্রশ্নানুযায়ী যোগফলকে ক দ্বারা ভাগ করলে ভাগশেষ থাকে ২০ এর অর্থ হলো ৬৫ কে ক দ্বারা ভাগ করলে ভাগশেষ ২০ হবে উত্তর: ৬৫ − ২০ = ৪৫, যা নির্ণয়ে ভাজকটি নির্দেশ করে
a (১/২)
b (২/৩)
c (৩/৪)
d (১/৩)
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) (১/২) প্রদত্ত তথ্য: দুটি ছক্কা একসাথে নিক্ষেপ করা হয়েছে মোট সম্ভাব্য ফলাফলের সংখ্যা = ৩৬টি ধরি, জোড় যোগফল আসার অনুকূল ফলাফলগুলো হলো (১,২), (১,৪), (১,৬), (২,১), (২,৩), (২,৫) ইত্যাদি মোট ১৮টি অতএব, বিজোড় যোগফল আসার অনুকূল ফলাফলের সংখ্যা = মোট ফলাফল − জোড় ফলাফল বিজোড় যোগফল আসার অনুকূল ফলাফলের সংখ্যা = ৩৬ − ১৮ = ১৮টি সুতরাং, বিজোড় যোগফল আসার সম্ভাবনা = অনুকূল ফলাফল ÷ মোট ফলাফল বিজোড় যোগফল আসার সম্ভাবনা = ১৮ ÷ ৩৬ = ১ ÷ ২ উত্তর: (১/২)
a 0.084027777777778
b 0.052777777777778
c 0.04375
d ১ঃ১
0 92 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১ঃ১ প্রদত্ত তথ্য: দুটি সংখ্যার যোগফলের বর্গ তাদের গুণফলের চারগুণ সমান ধরি, সংখ্যা দুটি হলো x এবং y অতএব, প্রথম শর্তানুসারে লেখা যায় (x + y) বর্গ = ৪xy সুতরাং, x বর্গ + ২xy + y বর্গ = ৪xy অতএব, x বর্গ − ২xy + y বর্গ = ০ সুতরাং, (x − y) বর্গ = ০ অতএব, x − y = ০ সুতরাং, x = y উত্তর: ১ঃ১
a 36m ^ 2
b 42m ^ 2
c 48m ^ 2
d 50m²
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪৮বর্গমিটার প্রদত্ত তথ্য: সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের ভূমি = ১৬ মিটার সমান দুটি বাহুর প্রতিটি = ১০ মিটার ধরি, ভূমির দৈর্ঘ্য a = ১৬ মিটার সমান বাহুদ্বয়ের দৈর্ঘ্য b = ১০ মিটার অতএব, ত্রিভুজের উচ্চতা h = √(b² − (a ÷ ২)²) উচ্চতা h = √(১০² − (১৬ ÷ ২)²) অতএব, উচ্চতা h = √(১০² − ৮²) উচ্চতা h = √(১০০ − ৬৪) = √৩৬ = ৬ মিটার সুতরাং, ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × ভূমি × উচ্চতা ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × ১৬ × ৬ = ৪৮ বর্গমিটার উত্তর: ৪৮বর্গমিটার
a normal line
b secant line
c limit
d derivative
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) normal line প্রদত্ত তথ্য: বক্ররেখার স্পর্শকের সাথে সম্পর্কিত একটি জ্যামিতিক রেখা যা স্পর্শবিন্দুতে লম্বভাবে অবস্থান করে ধরি, বক্ররেখার উপর একটি নির্দিষ্ট বিন্দু এবং তার স্পর্শক ওই বিন্দুতে অঙ্কিত লম্ব রেখাকে চিহ্নিত করা হলো অতএব, স্পর্শক রেখার ঢাল এবং লম্ব রেখার ঢালের গুণফল মাইনাস এক হয় যা স্থানাঙ্ক জ্যামিতির সাধারণ নিয়ম মেনে চলে সুতরাং, স্পর্শকের উপর লম্ব রেখাকে সাধারণ বা অভিলম্ব রেখা বলা হয় উত্তর: normal line
a 45353
b (sqrt(2))/3
c (sqrt(7))/4
d ½
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) (√৭)/৪ প্রদত্ত তথ্য: দেওয়া আছে, sin x = ৩/৪ ধরি, লম্ব = ৩ এবং অতিভুজ = ৪ আমরা জানি, (লম্ব স্কয়ার) + (ভূমি স্কয়ার) = (অতিভুজ স্কয়ার) অতএব, ৩ এর স্কয়ার + (ভূমি স্কয়ার) = ৪ এর স্কয়ার ৯ + (ভূমি স্কয়ার) = ১৬ ভূমি স্কয়ার = ১৬ − ৯ = ৭ সুতরাং, ভূমি = √৭ cos x = ভূমি ÷ অতিভুজ = (√৭)/৪ উত্তর: (√৭)/৪
a FTZ
b Economic Zone
c SEZ
d EOD
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: অর্থনীতি ও ব্যবসায়বিষয়ক ধারণা / আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: C) SEZ কেন সঠিক: - প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি সঠিক নয়। প্রশ্নটিতে EPZ (Export Processing Zone)-এর পূর্বসূরি বা predecessor হিসেবে মূলত FTZ (Free Trade Zone)-কে নির্দেশ করা হয়। - আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের ইতিহাসে ফ্রি ট্রেড জোন বা এফটিজেড হলো ইপিজেড ধারণার প্রাথমিক রূপ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) FTZ — এটি সঠিক উত্তর। ফ্রি ট্রেড জোন হলো ইপিজেডের ঐতিহাসিক পূর্বসূরি, যেখানে শুল্কমুক্ত বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালিত হতো। B) Economic Zone — এটি একটি ব্যাপক অর্থনৈতিক এলাকা, যা ইপিজেডের আধুনিক ও পরিমার্জিত রূপ এবং এর পরবর্তী ধাপ। C) SEZ — এটি স্পেশাল ইকোনমিক জোন, যা ইপিজেডের পরবর্তী ও বিস্তৃত রূপ এবং এর সমসাময়িক বা আধুনিক সংস্করণ। D) EOD — এটি কোনো স্বীকৃত শিল্প বা অর্থনৈতিক অঞ্চলের ধরণ নয়, তাই এটি সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: বাণিজ্য জোনের বিবর্তনে সবার আগে এসেছে এফটিজেড, যা পরে ইপিজেড এবং আরও পরে এসইজেড রূপ ধারণ করেছে।
a 1930
b 1934
c 1965
d 1970
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয় ও ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ও অর্থনীতি সঠিক উত্তর: A) 1930 কেন সঠিক: - আধুনিক অর্থব্যবস্থায় প্রথম রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল বা ইপিজেড ১৯৩০ সালে আয়ারল্যান্ডের শ্যানন মুক্ত বিমানবন্দর এলাকায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। - এটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা প্রদানে বিশ্বের প্রথম আধুনিক অর্থনৈতিক অঞ্চলের স্বীকৃতি লাভ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1930 — এই সালে আধুনিক যুগের প্রথম ইপিজেড প্রতিষ্ঠিত হয় যা সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত। B) 1934 — এই সালটি আধুনিক ইপিজেড প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে কোনো ঐতিহাসিক বা অর্থনৈতিক ঘটনার সাথে সম্পর্কিত নয়। C) 1965 — এই দশকে ইপিজেডের ধারণা ছড়িয়ে পড়লেও প্রথম ইপিজেড এটি নয়। D) 1970 — এই সালটি আধুনিক ইপিজেডের সূচনাকাল হিসেবে অনেক পরের একটি সময়। মনে রাখার টিপস: আধুনিক ইপিজেডের সূচনা ১৯৩০ সালে হয়েছিল, যা ত্রিশের দশকের শুরুকে নির্দেশ করে।
a ATM
b CAM
c CAD
d MICR
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) CAM কেন সঠিক: - CAM-এর পূর্ণরূপ হলো কম্পিউটার এইডেড ম্যানুফ্যাকচারিং যা উৎপাদনের সব প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যবহৃত হয়। - এটি কম্পিউটারের সাহায্যে কারখানার উৎপাদন কার্যক্রম ও যন্ত্রপাতি পরিচালনা করতে সাহায্য করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ATM — এটি হলো অটোমেটেড টেলার মেশিন যা ব্যাংকিং লেনদেন ও টাকা উত্তোলনের কাজে ব্যবহৃত হয়। B) CAM — এটি হলো সঠিক উত্তর যা উৎপাদনের সব প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যবহৃত হয়। C) CAD — এটি হলো কম্পিউটার এইডেড ডিজাইন যা মূলত নকশা বা ড্রয়িং তৈরির কাজে ব্যবহৃত হয়। D) MICR — এটি হলো ম্যাগনেটিক ইংক ক্যারেক্টার রিকগনিশন যা ব্যাংকে চেক প্রক্রিয়াজাত করতে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: উৎপাদন বা ম্যানুফ্যাকচারিং নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে CAM শব্দটি মনে রাখবে।
a Ctrl + F3
b Alt + F3
c Shift + F3
d Ctrl + Shift + F3
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Shift + F3 কেন সঠিক: - মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে লেখা সিলেক্ট করে Shift + F3 চাপলে লেখার কেস বা হাতের লেখার ধরন পরিবর্তিত হয়। - এটি এক ক্লিকেই সব অক্ষর বড় হাতের, ছোট হাতের কিংবা প্রতি শব্দের প্রথম অক্ষর বড় করার কাজ সম্পন্ন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Ctrl + F3 — এটি মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে টেক্সট কেটে বা সিলেক্ট করে স্ক্র্যাপবুকে যুক্ত করার কাজে ব্যবহৃত হয়, কেস পরিবর্তনের জন্য নয়। B) Alt + F3 — এটি মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে কোন শব্দ বা বাক্য নির্বাচন করে স্বয়ংক্রিয় লেখার শর্টকাট বা অটোটেক্সট তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়। C) Shift + F3 — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কেস পরিবর্তনের কাজে ব্যবহৃত হয়। D) Ctrl + Shift + F3 — এটি সাধারণত ক্লিপবোর্ডের বিষয়বস্তু পেস্ট করতে বা বিশেষ কোনো কমান্ডের জন্য নির্ধারিত থাকে। মনে রাখার টিপস: লেখা বড় বা ছোট করার জন্য কিবোর্ডের ৩ নম্বর ফাংশন কী বা F3 এর সঙ্গে শিফট বাটন ব্যবহার করতে হয়।
a China
b Myanmar
c Pakistan
d Egypt
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: B) Myanmar কেন সঠিক: - মিয়ানমারের সামরিক জান্তা দেশটির সংবিধানে সংশোধনী এনে সামরিক বাহিনীর সদস্যদের সরাসরি রাজনৈতিক দল গঠন ও নির্বাচনে অংশগ্রহণের বিধান সাময়িকভাবে স্থগিত বা বাতিল করেছে। - ২০২১ সালের সেনা অভ্যুত্থানের পর মিয়ানমারের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও সামরিক নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) China — চীন একটি একদলীয় কমিউনিস্ট রাষ্ট্র এবং এখানে সামরিক বাহিনীর সদস্যদের প্রতিযোগিতামূলক বহুদলীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণের কোনো প্রচলিত সাংবিধানিক বিধান বা এই সংক্রান্ত সাম্প্রতিক স্থগিতাদেশ নেই। B) Myanmar — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশনের কারণ প্রযোজ্য নয়। C) Pakistan — পাকিস্তানে সামরিক বাহিনী রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় প্রভাব রাখলেও, তাদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য পৃথক কোনো আইন স্থগিত করার সাম্প্রতিক আন্তর্জাতিক আলোচিত ঘটনা এটি নয়। D) Egypt — মিশরের সংবিধানে সামরিক কর্মকর্তাদের রাজনীতি বা নির্বাচনে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে কিছু বিধিনিষেধ ও শর্ত রয়েছে, তবে নির্দিষ্ট এই প্রশ্নের প্রেক্ষাপটে এটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: মিয়ানমারে সামরিক অভ্যুত্থানের পর জান্তা সরকার ক্ষমতা কুক্ষিগত করতে সেনাসদস্যদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের বিধান স্থগিত করেছে।
a Berlin
b London an
c Paris
d New York
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Berlin কেন সঠিক: - ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল হলো একটি আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী সংস্থা। - এই সংস্থার প্রধান কার্যালয় জার্মানির রাজধানী বার্লিনে অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Berlin — এটি ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের সদর দপ্তর এবং এটি সঠিক উত্তর। B) London — এটি যুক্তরাজ্যের রাজধানী, যা আন্তর্জাতিক অ্যামনেস্টি বা অন্যান্য সংস্থার সদর দপ্তর হলেও ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের নয়। C) Paris — এটি ফ্রান্সের রাজধানী এবং ইউনেস্কোর মতো সংস্থার সদর দপ্তর, ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের নয়। D) New York — এটি যুক্তরাষ্ট্রের একটি শহর এবং জাতিসংঘের প্রধান কার্যালয় এখানে অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: দুর্নীতির বিরুদ্ধে স্বচ্ছতার বাণী ছড়াতে বার্লিনে আছে ট্রান্সপারেন্সির ঠিকানা।
a Ankara
b Kuala Lampur
c Dhaka
d Islamabad
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Dhaka কেন সঠিক: - ১০ম ডি-৮ শীর্ষ সম্মেলন ২০২১ সালের ৩ জুন ভার্চুয়ালি ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয় এবং বাংলাদেশ এর সভাপতিত্ব গ্রহণ করে। - উন্নয়নশীল আটটি দেশের অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির এই সংস্থার সম্মেলনটি ঢাকা শহরে অনুষ্ঠিত হওয়ায় সঠিক উত্তর ঢাকা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Ankara — আঙ্কারা ডি-৮ এর সদর দপ্তর এবং পূর্বে এই শহরে শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হলেও ১০ম সম্মেলনের ভেন্যু ছিল না। B) Kuala Lampur — কুয়ালালামপুর মালয়েশিয়ার রাজধানী এবং এটি পূর্ববর্তী কোনো ডি-৮ সম্মেলনের ভেন্যু হলেও ১০ম সম্মেলনের আয়োজক ছিল না। C) Dhaka — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Islamabad — ইসলামাবাদ পাকিস্তানে অবস্থিত এবং এটিও অন্য কোনো ডি-৮ সম্মেলনের আয়োজক শহর, ১০ম সম্মেলনের ভেন্যু নয়। মনে রাখার টিপস: ডি-৮ সংস্থার দশম বা ১০ম সম্মেলন শুরু হয় ঢাকা থেকে, কারণ দশম ও ঢাকা শব্দের প্রথম অক্ষর দ দিয়ে শুরু।
a Indonesia
b Maldives
c South Africa
d Bhutan
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Indonesia কেন সঠিক: - কোমোদো ড্রাগন বিশ্বের সবচেয়ে বড় জীবিত টিকটিকি বা সরীসৃপ প্রাণী। - এই বিরল প্রাণীটি প্রাকৃতিকভাবে শুধুমাত্র ইন্দোনেশিয়ার কিছু নির্দিষ্ট দ্বীপে পাওয়া যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Indonesia — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই অঞ্চলের কোমোদো দ্বীপে এই প্রাণীটি বাস করে। B) Maldives — এটি একটি দ্বীপরাষ্ট্র হলেও এখানে কোমোদো ড্রাগন প্রাকৃতিকভাবে পাওয়া যায় না। C) South Africa — এটি আফ্রিকান মহাদেশের দেশ যেখানে এই প্রজাতির কোনো অস্তিত্ব নেই। D) Bhutan — এটি একটি পাহাড়ি দেশ যেখানে এই ক্রান্তীয় সরীসৃপ প্রাণীটি বাঁচে না। মনে রাখার টিপস: কোমোদো ড্রাগনের নামের সাথে মিল রেখে মনে রাখতে পারেন যে এটি ইন্দোনেশিয়ার কোমোদো দ্বীপে পাওয়া যায়।
a Norway
b Antarctica
c Arctic Ocean
d Pacific Ocean
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Antarctica কেন সঠিক: - পৃথিবীর দক্ষিণ মেরুটি অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশের ভৌগোলিক সীমার মধ্যে অবস্থিত। - এটি পৃথিবীর সর্বদক্ষিণের বিন্দু এবং এর পুরোটাই বরফে আচ্ছাদিত একটি বিশাল ভূখণ্ড। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Norway — এটি ইউরোপ মহাদেশের একটি দেশ যা উত্তর গোলার্ধে অবস্থিত। B) Antarctica — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) Arctic Ocean — এটি পৃথিবীর উত্তর মেরু অঞ্চলে অবস্থিত মহাসাগর। D) Pacific Ocean — এটি পৃথিবীর সবচেয়ে বড় মহাসাগর যা দক্ষিণ মেরুতে অবস্থিত নয়। মনে রাখার টিপস: দক্ষিণ মেরু মানেই বরফে ঢাকা দক্ষিণতম মহাদেশ অ্যান্টার্কটিকা।
a 15
b 16
c 18
d 17
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) 17 কেন সঠিক: - টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বা এসডিজির মোট লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৭টি। - ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে এই ১৭টি লক্ষ্য সম্বলিত এজেন্ডা ২০৩০ গৃহীত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 15 — এটি এসডিজির লক্ষ্যমাত্রার সংখ্যা নয়, বরং এর আগের রূপ সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য বা এমডিজির মূল লক্ষ্যের সংখ্যা ছিল ১৫টি। B) 16 — এটি এসডিজির মোট লক্ষ্যমাত্রার সংখ্যা নয়, তবে ১৭টি লক্ষ্যের মধ্যে ১৬ নম্বর লক্ষ্যটি শান্তি, ন্যায়বিচার ও কার্যকর প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পর্কিত। C) 18 — এটি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার সঠিক সংখ্যা নয়, কারণ এসডিজির মূল লক্ষ্য ১৭টি নির্ধারণ করা হয়েছে। D) 17 — এটি সঠিক উত্তর কারণ জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন এজেন্ডা ২০৩০-এ মোট ১৭টি সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: এসডিজি বা টেকসই উন্নয়নের ইংরেজি শব্দ Sustainable-এ মোট ১৭টি বর্ণ আছে, যা দিয়ে ১৭টি লক্ষ্য মনে রাখা সহজ।
a geographical
b military
c economical
d regional
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) military কেন সঠিক: - ন্যাটো হলো উত্তর আটলান্টিক অঞ্চলের দেশগুলোর সমন্বয়ে গঠিত একটি আন্তর্জাতিক সামরিক জোট। - এই জোটের সদস্য দেশগুলো যেকোনো বহিরাগত আক্রমণের বিরুদ্ধে যৌথভাবে নিজেদের রক্ষা করতে সামরিক চুক্তি দ্বারা আবদ্ধ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) geographical — ন্যাটো কোনো ভৌগোলিক বা ভূখণ্ডগত সংগঠন নয়, এটি মূলত একটি প্রতিরক্ষাভিত্তিক সামরিক চুক্তি। B) military — এই অপশনটি সঠিক কারণ ন্যাটো মূলত একটি সম্মিলিত সামরিক ও প্রতিরক্ষা জোট। C) economical — ন্যাটো কোনো অর্থনৈতিক সংস্থা বা বাণিজ্য জোট নয়, এর মূল কাজ সামরিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। D) regional — যদিও এটি নির্দিষ্ট অঞ্চলের দেশ নিয়ে গঠিত, তবুও এর মূল ও প্রধান পরিচয় একটি সামরিক জোট হিসেবে। মনে রাখার টিপস: ন্যাটো নামটির ভেতরেই প্রতিরক্ষা ও সামরিক সুরক্ষার বিষয়টি জড়িত, তাই এটি একটি সামরিক জোট।
a China
b France
c Germany
d Russia
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: C) Germany কেন সঠিক: - জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য সংখ্যা পাঁচটি এবং জার্মানি এর স্থায়ী সদস্য নয়। - নিরাপত্তা পরিষদের ভেটো ক্ষমতা কেবল পাঁচটি স্থায়ী সদস্য দেশের রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) China — এটি জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের একটি স্থায়ী সদস্য এবং এর ভেটো ক্ষমতা রয়েছে। B) France — এটি জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের একটি স্থায়ী সদস্য এবং এর ভেটো ক্ষমতা রয়েছে। C) Germany — এটি জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য নয়, তাই এর ভেটো ক্ষমতা নেই। D) Russia — এটি জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের একটি স্থায়ী সদস্য এবং এর ভেটো ক্ষমতা রয়েছে। মনে রাখার টিপস: স্থায়ী ৫টি দেশ মনে রাখার সহজ শব্দ হলো ফ্রেঞ্চ (P-5: USA, UK, France, China, Russia), যার মধ্যে জার্মানি নেই।
a Tim Berners-Lee
b Bob Kahn
c Steve Jobs
d Bill Gates
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Tim Berners-Lee কেন সঠিক: - বিজ্ঞানী টিম বার্নার্স-লি ১৯৯০ সালে প্রথম ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব বা ডব্লিউডব্লিউডব্লিউ আবিষ্কার করেন। - তিনি হাইপারটেক্সট ট্রান্সফার প্রোটোকল এবং প্রথম ওয়েব ব্রাউজার তৈরি করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Tim Berners-Lee — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ তিনি ডব্লিউডব্লিউডব্লিউ আবিষ্কার করেছিলেন। B) Bob Kahn — বব কান ট্রান্সমিশন কন্ট্রোল প্রোটোকল বা টিসিপি আবিষ্কারের সঙ্গে যুক্ত। C) Steve Jobs — স্টিভ জবস অ্যাপল কোম্পানির সহ-প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রযুক্তির উদ্ভাবক। D) Bill Gates — বিল গেটস মাইক্রোসফট কোম্পানির সহ-প্রতিষ্ঠাতা। মনে রাখার টিপস: ডব্লিউডব্লিউডব্লিউ মানে টিম বার্নার্স-লি, ডাবল্লিউ দেখলে টিমের কথা মনে রাখবে।
a Eighth
b Eleventh
c Ninth
d Twelfth
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Twelfth কেন সঠিক: - এই সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশের সংবিধানের মূল চরিত্র অর্থাৎ সংসদীয় শাসনব্যবস্থা পুনরায় প্রবর্তন করা হয়। - ১৯৯১ সালের এই দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির শাসনামল থেকে দেশ আবার সংসদীয় গণতন্ত্রে ফিরে আসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Eighth — এই সংশোধনীর মাধ্যমে দেশের বিকেন্দ্রীকরণ ও আটটি প্রশাসনিক বিভাগে বিভক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। B) Eleventh — এই সংশোধনীর মাধ্যমে বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমেদের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দায়িত্ব গ্রহণ ও বৈধতা প্রদান করা হয়। C) Ninth — এই সংশোধনীটি রাষ্ট্রপতি ও উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচন সংক্রান্ত ছিল এবং এটি আদালতে অবৈধ ঘোষিত হয়। D) Twelfth — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি সংসদীয় ব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। মনে রাখার টিপস: দ্বাদশ মানে বারো, আর এই সংশোধনীর মাধ্যমেই নব্বইয়ের গণঅভ্যুত্থানের পর সংসদীয় ব্যবস্থা আবার ফিরে পেয়েছিল বাংলাদেশ।
a Trophic of Capricon
b Trophic of Cancer
c Equator
d Arctic Circle
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Tropic of Cancer কেন সঠিক: - কর্কটক্রান্তি রেখা (২১.৫° উত্তর অক্ষাংশ) বাংলাদেশের ঠিক মধ্যভাগ দিয়ে অতিক্রম করেছে। - ভৌগোলিক অবস্থানগত কারণে বাংলাদেশ ক্রান্তীয় জলবায়ু অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Tropic of Capricorn — এটি দক্ষিণ গোলার্ধের ২৩.৫° দক্ষিণ অক্ষাংশ নির্দেশ করে, যা বাংলাদেশের অবস্থানের সঙ্গে মিলে না। B) Tropic of Cancer — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) Equator — এটি পৃথিবীর মধ্যরেখা বা বিষুবরেখা (০°), যা বাংলাদেশ থেকে বেশ দূরে দক্ষিণে অবস্থিত। D) Arctic Circle — এটি উত্তর গোলার্ধের ৬৬.৫° উত্তর অক্ষাংশ, যা উত্তর মেরু অঞ্চলের কাছাকাছি অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশকে দুই ভাগ করেছে কর্কটক্রান্তি রেখা বা Tropic of Cancer.
a 5th Amendment
b 3rd Amendment
c 4th Amendment
d 2nd Amendment
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) 5th Amendment কেন সঠিক: - পঞ্চম সংশোধনী (১৯৭৯ সাল) দ্বারা ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট থেকে ১৯৭৯ সালের ৯ এপ্রিল পর্যন্ত সামরিক আইন ও তার অধীন জারি করা সব অধ্যাদেশ বৈধ ঘোষণা করা হয়। - এই সংশোধনীর মাধ্যমে ইনডেমনিটি অধ্যাদেশকে আইনি বৈধতা দেওয়া হয় এবং সংবিধানের মূল চেতনা থেকে বিচ্যুত হওয়া শুরু হয় বলে একে প্রথম সংবিধান বিকৃতি বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 5th Amendment — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সংশোধনীর মাধ্যমেই সংবিধানের মৌলিক নীতিতে প্রথম বড় ধরনের আঘাত হানা হয়। B) 3rd Amendment — এটি ১৯৭৪ সালে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ছিটমহল বিনিময় সংক্রান্ত চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য করা হয়েছিল। C) 4th Amendment — ১৯৭৫ সালে বাকশাল গঠন এবং সংসদীয় পদ্ধতি থেকে একদলীয় রাষ্ট্রপতি শাসিত ব্যবস্থায় পরিবর্তনের জন্য এটি করা হয়েছিল। D) 2nd Amendment — ১৯৭৪ সালে জরুরি অবস্থা ঘোষণা এবং নাগরিকদের মৌলিক অধিকার স্থগিত রাখার ক্ষমতা প্রদানের জন্য এটি করা হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: সংবিধানের প্রথম বিকৃতি বা কলঙ্ক বলা হয় পঞ্চম সংশোধনীকে, যা ১৯৭৯ সালে পাস হয়েছিল।
a Fourth Schedule
b Sixth Schedule
c Fifth Schedule
d Seventh Schedule
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Fifth Schedule কেন সঠিক: - সংবিধানের পঞ্চম তফসিলে ১৯৭১ সালের ৭ মার্চে প্রদত্ত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ভাষণের মূল পাঠ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। - বাংলাদেশের সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানের ১৫০ অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী এই ঐতিহাসিক ভাষণটি সংবিধানে যুক্ত করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Fourth Schedule — এটি প্রজাতন্ত্রের প্রথম রাষ্ট্রপতি ও মন্ত্রীদের শপথগ্রহণ এবং কিছু বিশেষ আইনের ধারাবাহিকতা সংরক্ষণের সাথে সম্পর্কিত। B) Sixth Schedule — এটি ১৯৭২ সালের স্বাধীনতার ঘোষণা বা প্রোলেমেশন অব ইন্ডিপেন্ডেন্স এর সাথে সম্পর্কিত নয়, বরং এটি মূলত সংবিধানের অন্যান্য বিধানের সাথে সম্পর্কিত। C) Fifth Schedule — এই অপশনটি সঠিক এবং এতে ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। D) Seventh Schedule — এটি ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল জারি করা স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের সাথে সম্পর্কিত। মনে রাখার টিপস: সাত দিয়ে মনে রাখুন ৭ মার্চের ভাষণ এবং তফসিলে পাঁচ বা পঞ্চমের সাথে মিলিয়ে মনে রাখুন পঞ্চদশ সংশোধনী।
a Beijing
b Tokyo
c London
d Moscow
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Tokyo প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ও সাম্প্রতিক সাধারণ জ্ঞান কেন সঠিক: - বিশ্বব্যাপী করোনা মহামারির কারণে ২০২০ সালের অলিম্পিক গেমস এক বছর পিছিয়ে ২০২১ সালে জাপানের টোকিও শহরে অনুষ্ঠিত হয়। - মহামারির কারণে গেমসের নাম টোকিও ২০২০ অপরিবর্তিত রাখা হলেও তা মূলত ২০২১ সালের জুলাই ও আগস্ট মাসে অনুষ্ঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Beijing — এটি চীনের রাজধানী এবং শহরটি ২০২২ সালের শীতকালীন অলিম্পিক গেমস আয়োজন করেছিল, ২০২০ সালের গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক নয়। B) Tokyo — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই শহরটিই ২০২০ সালের স্থগিত হওয়া গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক গেমসের মূল আয়োজক ছিল। C) London — এটি যুক্তরাজ্যের রাজধানী এবং শহরটি ২০১২ সালের গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক গেমস সফলভাবে আয়োজন করেছিল। D) Moscow — এটি রাশিয়ার রাজধানী এবং শহরটি ১৯৮০ সালের গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক গেমস আয়োজন করেছিল। মনে রাখার টিপস: করোনা মহামারির কারণে ২০২০ সালের অলিম্পিক এক বছর পিছিয়ে জাপানের টোকিও শহরে ২০২১ সালে অনুষ্ঠিত হয়।
a To Bill Gates to co
b Larry Page T
c Elon Musk
d Jeff Bezoslari
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Elon Musk কেন সঠিক: - ইলন মাস্ক ২০০৩ সালে বৈদ্যুতিক গাড়ি প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান টেসলা প্রতিষ্ঠা করেন। - তিনি বর্তমানে এই প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) To Bill Gates to co — বিল গেটস মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা এবং এর সঙ্গে টেসলার কোনো সম্পর্ক নেই। B) Larry Page T — ল্যারি পেজ গুগলের সহ-প্রতিষ্ঠাতা, টেসলার সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা নেই। D) Jeff Bezoslari — জেফ বেজোস অ্যামাজনের প্রতিষ্ঠাতা এবং তিনি বৈদ্যুতিক গাড়ি কোম্পানির সঙ্গে যুক্ত নন। মনে রাখার টিপস: টেলিস্কোপ বা স্পেসএক্সের মতো টেসলার সঙ্গেও ইলন মাস্কের নাম মনে রাখা যায়।

মোট প্রশ্ন (15)

a ফকির লালন
b আলাওল
c কাজী নজরুল ইসলাম
d পবন দাস বাউল
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আলাওল ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত চরণটি সপ্তদশ শতকের মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মহাকবি সৈয়দ আলাওল রচিত 'পদ্মাবতী' মহাকাব্যের একটি বিখ্যাত অংশ। - এখানে তৎকালীন আরাকান রাজসভার গুণীজন, কাব্যরসিক এবং পৃষ্ঠপোষকদের প্রশংসা করা হয়েছে, যেখানে মাগন ঠাকুর ছিলেন প্রধান দাতা ও উৎসাহদাতা। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সৈয়দ আলাওল মধ্যযুগের আরাকান রাজসভার রোমান্টিক ধারার শ্রেষ্ঠ কবি যিনি ফার্সি ভাষা থেকে বাংলায় অনুবাদ সাহিত্য রচনা করেন। - তাঁর বিখ্যাত মহাকাব্য 'পদ্মাবতী' মালিক মুহম্মদ জয়সির 'পদুমাবত' অবলম্বনে রচিত এবং এটি রোসাঙ বা আরাকান রাজসভার অমাত্য মাগন ঠাকুরের অনুরোধে রচিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তোহফা ব্যাখ্যা: এটি আলাওল রচিত একটি বিখ্যাত নীতিমূলক ও আধ্যাত্মিক পদ্যগ্রন্থ যা ইউসুফ জলেখা রচনার পর রচিত হয়। উদাহরণ ২: সয়ফুলমুলুক বদিউজ্জামান ব্যাখ্যা: এটি কবি আলাওলের জীবনের শেষ দিকে রচিত একটি জনপ্রিয় প্রণয়োপাখ্যানমূলক রোমান্টিক কাব্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফকির লালন — তিনি বাংলা বাউল গানের অবিসংবাদিত সম্রাট ও সাধক কবি ছিলেন যিনি উনিশ শতকে কুষ্টিয়ায় সাধনা করেন কিন্তু সপ্তদশ শতকের এই চরণ তাঁর নয়। B) আলাওল — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি ভুল নয়, এটি মহাকবি আলাওলের পদ্মাবতী কাব্যের বন্দনা অংশের চরণ। C) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বিংশ শতকের আমাদের জাতীয় বিদ্রোহী কবি এবং আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রধান পুরুষ যিনি এমন মধ্যযুগীয় রাজসভার বন্দনা লেখেননি। D) পবন দাস বাউল — তিনি আধুনিক কালের একজন বিশ্বখ্যাত বাংলাদেশি বাউল ও লোকসংগীত শিল্পী যিনি ঐতিহ্যবাহী বাউল গান পরিবেশন করেন কিন্তু প্রাচীন বা মধ্যযুগের কবি নন। ৫ মনে রাখার টিপস: - মধ্যযুগের আরাকান রাজসভা এবং মাগন ঠাকুরের নাম পেলেই চোখ বন্ধ করে কবি আলাওলকে নির্বাচন করবে কারণ তিনি রাজসভার নির্দেশে কাব্য রচনা করতেন। - পদ্মাবতী কাব্যের বন্দনা অংশে গুণীজন ও দাতা মাগন ঠাকুরের নাম উল্লেখ থাকে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মধ্যযুগের মুসলিম কবিদের রচনা এবং তাদের পৃষ্ঠপোষকদের নাম প্রায়ই আসে। - আলাওলের পদ্মাবতী কাব্যের মূল উৎস এবং তার পৃষ্ঠপোষক মাগন ঠাকুরের নাম ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a গিয়াস উদ্দিন
b ফকির গরীবুল্লাহ
c সৈয়দ হামজা
d শাহ সগীর
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শাহ সগীর ১. কেন সঠিক: - শাহ সগীর মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের প্রথম যুগের একজন বিশিষ্ট কবি। তিনি সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের রাজত্বকালে 'ইউসুফ জোলেখা' কাব্য রচনা করেন। - 'ইউসুফ জোলেখা' বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের প্রণয়োপাখ্যান ধারার একটি অন্যতম প্রধান ও প্রাচীন নিদর্শন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শাহ সগীর বাংলার সুলতানি আমলের প্রথম উল্লেখযোগ্য কবি যিনি ফার্সি কাহিনীর আদoinে বাংলা ভাষায় কাব্য রচনা করেন। তার কাব্যটি মূলত পবিত্র কুরআনের ইউসুফ নবীর কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে ফার্সি সাহিত্যের প্রভাবে রচিত হয়েছে। - মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে মুসলমান কবিদের দ্বারা রচিত প্রণয়োপাখ্যানগুলো তৎকালীন সমাজের মানুষের নৈতিকতা ও প্রেমের আদর্শ তুলে ধরেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দৌলত উজির বাহরাম খান রচিত 'লাইলী মজনু' কাব্য। ব্যাখ্যা: এটিও মধ্যযুগের একটি বিখ্যাত প্রণয়োপাখ্যান যা ফার্সি সাহিত্যের অনুসরণে রচিত হয়েছে। উদাহরণ ২: শাহ মুহম্মদ সগীর রচিত 'ইউসুফ জোলেখা' কাব্য। ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের প্রথম পূর্ণাঙ্গ প্রণয়োপাখ্যান হিসেবে স্বীকৃত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গিয়াস উদ্দিন — গিয়াস উদ্দিন আজম শাহ ছিলেন সুলতান, যিনি কবি শাহ সগীরকে পৃষ্ঠপোষকতা করেছিলেন, কোনো কাব্য রচনা করেননি। B) ফকির গরীবুল্লাহ — ফকির গরীবুল্লাহ অষ্টাদশ শতকের কবি এবং তিনি 'আমীর হামজা' ও 'সোনাভান' কাব্য রচনা করেন। C) সৈয়দ হামজা — সৈয়দ হামজা অষ্টাদশ শতকের কবি এবং তিনি 'আমীর হামজা' কাব্যের অসমাপ্ত অংশ সম্পন্ন করেন। D) শাহ সগীর — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি সুলতানের পৃষ্ঠপোষকতায় 'ইউসুফ জোলেখা' রচনা করেছিলেন। ৫. মনে রাখার টিপস: - শাহ সগীরের কাব্য মনে রাখতে याद रखना হবে যে তিনি প্রাচীনতম প্রণয়োপাখ্যানের রচয়িতা। সুলতান গিয়াসউদ্দিনের আমলেই প্রথম সার্থক প্রণয়োপাখ্যান রচিত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মধ্যযুগের প্রথম কবি ও তার পৃষ্ঠপোষকের নাম বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। তাই সুলতান গিয়াসউদ্দিন ও শাহ সগীরের নাম একত্রে মনে রাখা জরুরি।
a অন্ত্য স্বরাগম
b অপিনিহিতি
c আদি স্বরাগম
d অসমীকরণ
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আদি স্বরাগম ১. কেন সঠিক: সুপ্রাপ্য উচ্চারণের সুবিধার জন্য বা দ্রুত উচ্চারণের প্রবণতার কারণে শব্দের আদিতে অতিরিক্ত স্বরধ্বনি যুক্ত হওয়ার প্রক্রিয়াকে আদি স্বরাগম বলে। ইংরেজি প্রথেলিস শব্দের পরিভাষা হিসেবে বাংলা ব্যাকরণে এই পরিভাষিক শব্দটি ব্যবহার করা হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: যুক্তধ্বনি বা উচ্চারণের জটিলতা এড়াতে শব্দের শুরুতে অতিরিক্ত স্বরধ্বনি যুক্ত হওয়াকে আদি স্বরাগম বা প্রথেলিস বলা হয়। বাংলা ভাষায় বিদেশি বা তৎসম শব্দের শুরুতে ই বা উ ধ্বনি যোগ করে উচ্চারণ করার প্রবণতা থেকে এর উৎপত্তি ঘটে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্কুল থেকে ইস্কুল ব্যাখ্যা: মূল ইংরেজি শব্দ স্কুল এর শুরুতে অতিরিক্ত ই স্বরধ্বনি যুক্ত হয়ে ইস্কুল উচ্চারিত হয়েছে, যা আদি স্বরাগম। উদাহরণ ২: স্টেশন থেকে ইেস্টশন ব্যাখ্যা: বিদেশি শব্দ স্টেশন এর উচ্চারণের শুরুতে ই ধ্বনি যুক্ত হয়ে ইেস্টশন রূপ নিয়েছে, যা আদি স্বরাগম নিয়মের অন্তর্ভুক্ত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অন্ত্য স্বরাগম — শব্দের শেষে অতিরিক্ত স্বরধ্বনি যুক্ত হওয়াকে অন্ত্য স্বরাগম বলে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। B) অপিনিহিতি — পরের ই-কার বা উ-কার আগে উচ্চারিত হওয়ার রীতিনীতিকে অপিনিহিতি বলে, যা আদি স্বরাগম থেকে আলাদা। D) অসমীকরণ — দুটি একজাতীয় স্বরের মাঝখানে একটি স্বরধ্বনি এসে দুটি স্বরকে আলাদা করাকে অসমীকরণ বলে। ৫ মনে রাখার টিপস: আদি শব্দের অর্থ শুরু, তাই শব্দের শুরুতে স্বরধ্বনি যোগ হলে তা আদি স্বরাগম হবে। ইংরেজি প্রথেলিস শব্দের পি অক্ষরটি দিয়েও শুরু বা আদি মনে রাখা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পারিভাষিক শব্দ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। শব্দের কোথায় স্বরধ্বনি যুক্ত বা পরিবর্তিত হচ্ছে তা লক্ষ্য করলেই আদি, মধ্য বা অন্ত্য স্বরাগম সহজেই আলাদা করা যায়।
a সোনার তরী
b দোলন-চাঁপা
c মানসী
d শেষের কবিতা
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শেষের কবিতা ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি অন্যদের থেকে আলাদা কারণ এটি একটি উপন্যাস, বাকি তিনটি কাব্যগ্রন্থ। - শেষের কবিতা বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত ও অনন্য শৈল্পিক উপন্যাস। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রতিভা, যিনি কবিতা, ছোটগল্প, নাটক ও উপন্যাসে সমান পারদর্শী ছিলেন। - শেষের কবিতা একটি আধুনিক মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস, যেখানে প্রেম ও দাম্পত্য জীবনের গভীর দার্শনিক রূপায়ণ ঘটেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোখের পলক ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা তার গদ্য রচনার উৎকৃষ্ট উদাহরণ। উদাহরণ ২: যোগাযোগ ব্যাখ্যা: এটিও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি সমাজভিত্তিক উপন্যাস, যা উপন্যাসের শ্রেণীভুক্ত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সোনার তরী — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ এবং এর কবিতাগুলোর মূল সুর জীবনদর্শন। B) দোলন-চাঁপা — এটি বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের একটি জনপ্রিয় ও দ্রোহের সুরযুক্ত কাব্যগ্রন্থ। C) মানসী — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও প্রারম্ভিক পর্যায়ের কাব্যগ্রন্থ। D) শেষের কবিতা — এটি উপন্যাস হওয়ায় কাব্যগ্রন্থের এই তালিকায় ব্যতিক্রম বা আলাদা। ৫. মনে রাখার টিপস: - কাব্যগ্রন্থ ও উপন্যাস আলাদা করার সময় লেখকের রচনার ধরন খেয়াল রাখবে। - শেষের কবিতা নাম কবিতা মনে হলেও এটি মূলত একটি উপন্যাস। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাস ও কাব্যগ্রন্থের তালিকা আলাদা করে মুখস্থ রাখা আবশ্যক। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধারণত বিভিন্ন ধরনের সাহিত্যকর্মের মধ্যে বৈসাদৃশ্য খুঁজে বের করার প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
a ফারসি
b ইংরেজি
c আরবি
d হিন্দি
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আরবি ১. কেন সঠিক: 'আমমোক্তার' একটি মিশ্র শব্দ যেখানে 'আম' একটি আরবি উপসর্গ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। এখানে 'আম' শব্দের অর্থ সাধারণ বা সার্বিক, এবং 'মোক্তার' হলো مختار বা ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষায় আরবি উপসর্গগুলো প্রধানত বিদেশি উৎস থেকে আগত বিশেষ কিছু শব্দের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। এই উপসর্গগুলো সাধারণত বাংলা পদের আগে বসে শব্দের অর্থের বিশেষত্ব বা ভিন্নতা তৈরি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমদরবার ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতে 'আম' উপসর্গটি সাধারণ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে যার অর্থ সাধারণের জন্য উন্মুক্ত দরবার। উদাহরণ ২: আমখাস ব্যাখ্যা: এখানে 'আম' উপসর্গটি বিশেষ ও সাধারণের মেলবন্ধন বা সার্বিক অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফারসি — ফারসি উপসর্গগুলো আলাদা যেমন খাস, নিম, বর, কম, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। B) ইংরেজি — ইংরেজি উপসর্গ বা উপভাষা যেমন হাফ, ফুল এই শব্দের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়নি। D) হিন্দি — 'আম' উপসর্গটি হিন্দি ভাষা থেকে বাংলায় আসেনি, এটি মূলত আরবি ভাষার শব্দ। ৫. মনে রাখার টিপস: আরবি উপসর্গগুলো সহজে মনে রাখতে আম, খাস, লা, গর এই শব্দগুলো মনে রাখতে পারো। আইনগত ও দাপ্তরিক কাজে ব্যবহৃত আরবি শব্দে 'আম' উপসর্গ বেশি দেখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের উৎস এবং উপসর্গ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে বিদেশি উপসргаের তালিকা ভালোভাবে পড়তে হবে। বিশেষ করে আরবি ও ফারসি উপসর্গের তফাত বুঝতে শব্দের অর্থের গভীরতা খেয়াল রাখতে হবে।
a ষড়যন্ত্রকারী
b বেজায় কালো
c দীর্ঘায়ু ব্যক্তি
d কাক সর্বস্ব
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দীর্ঘায়ু ব্যক্তি কেন সঠিক: কাক ভূশণ্ডি বা কাক ডুশণ্ডি প্রবাদটি অত্যন্ত দীর্ঘ জীবন লাভ করা কোনো বিশেষ ব্যক্তিকে বোঝাতে রূপক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। পুরাণ ও লোকসংস্কৃতিতে কাক ভূশণ্ডি নামক চরিত্রটি রামায়ণ ও মহাভারতের নানা ঘটনা যুগ যুগ ধরে দেখার জন্য অমরত্ব লাভ করেছিলেন। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষার বাগধারা ও প্রবচনে নির্দিষ্ট শব্দের আক্ষরিক অর্থ না ধরে বিশেষ ভাবার্থ বা ঐতিহ্যগত অর্থ গ্রহণ করা হয়। মধ্যযুগের রামকথার বিভিন্ন বর্ণনায় অমর বা দীর্ঘজীবী কাক ভূশণ্ডির উপাখ্যান লোকমুখে প্রচলিত ছিল। যেমন সমাজে অনেক বেশি বয়স পর্যন্ত বেঁচে থাকা কোনো প্রবীণ ব্যক্তিকে তুলনা করে এই প্রবাদটি বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ষড়যন্ত্রকারী — এই অর্থটি সঠিক নয় কারণ বাগধারার ঐতিহ্যগত ভাবার্থের সাথে ষড়যন্ত্র শব্দের কোনো মিল পাওয়া যায় না। B) বেজায় কালো — কাক দেখতে কালো হলেও এই বাগধারাটি রঙের সাথে সম্পর্কিত নয় বরং দীর্ঘ জীবনকে নির্দেশ করে। C) দীর্ঘায়ু ব্যক্তি — এটি নিজেই সঠিক উত্তর তাই এখানে ভুল অপশন হিসেবে অন্য একটি অর্থ ধরা হয়েছে। D) কাক সর্বস্ব — এই শব্দটির সাথে মূল প্রবাদের দীর্ঘ জীবন লাভের অর্থের কোনো যোগসূত্র নেই। মনে রাখার টিপস: কাক অনেক বছর বাঁচে বলে লোকমুখে প্রচলিত আছে এবং ভূশণ্ডি চরিত্রটি অমর ছিল। এই দুটি ধারণা একসাথে মিলিয়ে দীর্ঘায়ু বা দীর্ঘজীবী ব্যক্তি মনে রাখা সবচেয়ে সহজ।
a শশ্রুষা
b শুশ্রুষা
c test
d শুশ্রুষা
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শুশ্রুষা ১. কেন সঠিক: - 'শুশ্রুষা' শব্দটির অর্থ সেবা করা, পরিচর্যা করা বা রোগীকে দেখাশোনা করা। - বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী এই শব্দের শুরুতে তালব্য শ (শ) এবং পরে মূর্ধন্য ষ (ষ) যুক্ত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা বানানরীতিতে তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে মূর্ধন্য ষ (ষ)-এর সঠিক ব্যবহার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম। - 'শুশ্রুষা' একটি তৎসম শব্দ যেখানে প্রথম বর্ণ তালব্য শ (শ) এবং দ্বিতীয় অংশটিতে মূর্ধন্য ষ (ষ) ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রতিযোগিতা ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও বানানের সঠিক নিয়ম মেনে তালব্য শ এবং মূর্ধন্য ষ-এর যথোপযুক্ত ব্যবহার নিশ্চিত করা হয়েছে। উদাহরণ ২: বিশেষণ ব্যাখ্যা: এটিও একটি প্রমিত তৎসম শব্দ যেখানে ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী মূর্ধন্য ষ ব্যবহারের সঠিক রূপ দেখা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শশ্রুষা — এই অপশনে বানানের প্রথম অংশে তালব্য শ থাকলেও পরবর্তী অংশে মূর্ধন্য ষ-এর পরিবর্তে ভুলভাবে তালব্য শ ব্যবহার করা হয়েছে। B) শুশ্রুষা — এটি প্রশ্নানুসারে সঠিক উত্তর, তাই এখানে কোনো ভুল নেই। C) test — এটি একটি ইংরেজি শব্দ যা বাংলা বানান বা ব্যাকরণের এই প্রশ্নের কোনো নির্দিষ্ট অপশন হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়। D) শুশ্রুষা — এটি সঠিক উত্তরের পুনরাবৃত্তি মাত্র, যা মূল অপশনের বিন্যাসের সঙ্গে মিলে গেছে তবে প্রথম সঠিক উত্তরটিকে এখানে অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - সেবা বা শুশ্রুষা করার সময় মনে রাখবে প্রথমে নরম শ অর্থাৎ তালব্য শ এবং পরে শক্ত ষ অর্থাৎ মূর্ধন্য ষ বসে। - বানানটি মনে রাখার জন্য শব্দটি ভেঙে উচ্চারণ করতে পারো যেমন শু + শ্রুষা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বানান থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - তালব্য শ ও মূর্ধন্য ষ-এর সঠিক প্রয়োগ জানলে এই ধরনের বানান ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
a সুন্দর
b বিরামহীন
c বালিশ
d চলন
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সুন্দর ১. কেন সঠিক: 'অভিরাম' একটি সংস্কৃত তৎসম শব্দ যার অর্থ সুন্দর বা মনোরম। এই শব্দটি সাধারণত কোনো দৃশ্য, পরিবেশ বা বস্তুর সৌন্দর্য প্রকাশ করতে বিশেষণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: শব্দটির গঠন বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় এটি একটি শব্দার্থক বা অর্থের দিক থেকে বিশেষায়িত পদ। প্রমিত বাংলা বানানে 'অভিরাম' শব্দটিতে ই-কার ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তার হাতের লেখাটি দেখতে খুব অভিরাম। ব্যাখ্যা: এখানে লেখার সৌন্দর্য বোঝাতে 'অভিরাম' শব্দটি বিশেষণ হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: সন্ধ্যার আকাশ এক অভিরাম দৃশ্য উপহার দিল। ব্যাখ্যা: এখানে প্রকৃতির মনোরম রূপ বোঝাতে 'অভিরাম' শব্দটি সফলভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুন্দর — এটি সঠিক উত্তর কারণ 'অভিরাম' শব্দের সমার্থক শব্দ হলো সুন্দর। B) বিরামহীন — এই অর্থটি 'অবিরাম' শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য যার অর্থ থেমে না গিয়ে নিরবচ্ছিন্নভাবে চলে। C) বালিশ — এই শব্দটির অর্থ সম্পূর্ণ ভিন্ন এবং এটি শয়নকাজে ব্যবহৃত একটি উপকরণের নাম। D) চলন — এই শব্দটির অর্থ গতি, প্রথা বা হাঁটার ভঙ্গি যা 'অভিরাম' শব্দের অর্থের সঙ্গে মেলে না। ৫ মনে রাখার টিপস: অভিরাম বানানে ই-কার থাকলে তার অর্থ সুন্দর এবং অ-বয়-হ্রস্বই-রকার (অবিরাম) থাকলে তার অর্থ যার কোনো বিরাম বা বিরতি নেই। বানান ও অর্থের এই সূক্ষ্ম পার্থক্য মনে রাখলে পরীক্ষায় ভুল হবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সমার্থক বা শ্রুতিমধুর কিন্তু অর্থ আলাদা এমন শব্দ যেমন অভিরাম ও অবিরাম নিয়ে প্রশ্ন আসে। শব্দের বানান ও অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
a তথ্যপত্র
b প্রচার পত্র
c হস্তলিখিত পত্র
d জ্ঞাপন পত্র
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জ্ঞাপন পত্র ১. কেন সঠিক: - 'Hand out' ইংরেজি পরিভাষার প্রমিত ও প্রাতিষ্ঠানিক বাংলা রূপ হলো 'জ্ঞাপন পত্র'। - সরকারি বা দাপ্তরিক কাজে কোনো তথ্য বা সিদ্ধান্ত জনসমক্ষে বা নির্দিষ্ট দপ্তরে জানানোর জন্য এটি ব্যবহার করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি পারিভাষিক শব্দ সংক্রান্ত প্রশ্ন। - ইংরেজি প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক শব্দের বাংলা সঠিক ও অর্থপূর্ণ প্রতিশব্দ তৈরি করাই পারিভাষিক শব্দের মূল কাজ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: Press note ব্যাখ্যা: এর সঠিক পারিভাষিক রূপ হলো সংবাদ বিজ্ঞপ্তি। উদাহরণ ২: Memorandum ব্যাখ্যা: এর সঠিক পারিভাষিক রূপ হলো স্মারক লিপি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তথ্যপত্র — এটি সাধারণত Information sheet এর পারিভাষিক রূপ হিসেবে ব্যবহৃত হয়, Hand out এর সরাসরি সঠিক রূপ নয়। B) প্রচার পত্র — এটি Handbill বা Leaflet শব্দের উপযুক্ত পরিভাষা, যা প্রমিত দাপ্তরিক অর্থে Hand out এর জন্য প্রযোজ্য নয়। C) হস্তলিখিত পত্র — এটি Manuscript বা Handwritten letter এর অর্থ প্রকাশ করে, যা দাপ্তরিক Hand out এর সঠিক রূপ নয়। D) জ্ঞাপন পত্র — এটি Hand out এর সঠিক ও প্রমিত পারিভাষিক রূপ হিসেবে সর্বজনস্বীকৃত। ৫ মনে রাখার টিপস: - Hand out মানে হাতে ধরিয়ে দেওয়া কিছু জানানো, যা বাংলায় জ্ঞাপন বা প্রকাশ করা বোঝায়। - দাপ্তরিক পরিভাষা মুখস্থ করার সময় ইংরেজি শব্দের মূল ভাব এবং বাংলা প্রশাসনিক প্রয়োগ খেয়াল রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দাপ্তরিক পরিভাষা থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - প্রেস নোট, হ্যান্ডআউট এবং সার্কুলার এর মতো সাধারণ পারিভাষিক শব্দগুলো আলাদা করে নোট করে রাখবে।
a পর্তুগিজ
b ফারসি
c তুর্কি
d আরবি
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পর্তুগিজ ১. কেন সঠিক: - গির্জা শব্দটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। - পর্তুগিজরা বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ব্যবসা ও বাণিজ্য করার কারণে তাদের অনেক শব্দ বাংলা ভাষায় মিশে গেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি শব্দের উৎসগত শ্রেণিবিভাগের একটি প্রশ্ন যেখানে বিদেশি শব্দের সঠিক উৎস নির্ণয় করতে হয়। - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত বিদেশি শব্দগুলোকে বিভিন্ন ভাষা যেমন পর্তুগিজ, আরবি, ফারসি ও তুর্কি ভাগে ভাগ করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আনারস ব্যাখ্যা: এটি একটি পর্তুগিজ শব্দ যা আমাদের খাদ্য তালিকার সঙ্গে বাংলায় এসেছে। উদাহরণ ২: চাবি ব্যাখ্যা: এটিও পর্তুগিজ ভাষার শব্দ যা প্রাত্যহিক জীবনে বহুল ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পর্তুগিজ — এটি সঠিক উত্তর কারণ গির্জা পর্তুগিজ ভাষার শব্দ। B) ফারসি — ফারসি ভাষা থেকে নানা শব্দ এলেও গির্জা ফারসি শব্দ নয়। C) তুর্কি — তুর্কি ভাষা থেকে বিভিন্ন শব্দ বাংলায় প্রবেশ করলেও গির্জা তুর্কি শব্দ নয়। D) আরবি — আরবি ভাষা থেকে অনেক ইসলামি পরিভাষা আসলেও গির্জা আরবি শব্দ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ধর্মীয় উপাসনালয় সংক্রান্ত কিছু বিদেশি শব্দ যেমন গির্জা, পাদ্রী পর্তুগিজ ভাষার অন্তর্ভুক্ত। - পর্তুগিজ বণিকদের হাত ধরেই এই শব্দগুলো বাংলায় প্রবেশ করেছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পর্তুগিজ ভাষার শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পর্তুগিজ শব্দ যেমন বালতি, সাবান, তোয়ালে ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a বেতনবৃত্তি
b প্রত্যক্ষবৃত্তি
c জলৌকাবৃত্তি
d কুম্ভিলকবৃত্তি
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কুম্ভিলকবৃত্তি ১. কেন সঠিক: - Plagiarism শব্দের অর্থ হলো পরকীয় গবেষণা, সাহিত্যিক চুরি বা অন্যের লেখা নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া। - এর সঠিক পারিভাষিক শব্দ হলো কুম্ভিলকবৃত্তি, কারণ কুম্ভিলক শব্দের অর্থ চোর। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - পারিভাষিক শব্দ হলো এমন কিছু শব্দ যা বিশেষ ক্ষেত্র বা দাপ্তরিক কাজের জন্য নির্দিষ্ট অর্থে ব্যবহার করা হয়। - ইংরেজি পরিভাষার ভাবার্থ ঠিক রেখে যখন বাংলায় রূপান্তর করা হয়, তখন তাকে সঠিক পারিভাষিক শব্দ বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: Copyright - কপিরাইট বা গ্রন্থস্বত্ব ব্যাখ্যা: এটি সাহিত্যের ক্ষেত্রে লেখকের অধিকার সুরক্ষা করার একটি পারিভাষিক শব্দ। উদাহরণ ২: Bibliography - গ্রন্থপঞ্জি ব্যাখ্যা: কোনো গবেষণা বা রচনার পেছনে ব্যবহৃত বইসমূহের তালিকা প্রকাশ করতে এই পারিভাষিক শব্দ ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বেতনবৃত্তি — এটি Plagiarism শব্দের অর্থ প্রকাশ করে না কারণ এটি কর্মের বিনিময়ে প্রাপ্ত অর্থ নির্দেশ করে। B) প্রত্যক্ষবৃত্তি — এটি কোনোভাবেই সাহিত্যিক চুরি বা Plagiarism শব্দের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) জলৌকাবৃত্তি — জলৌকা শব্দের অর্থ জোঁক, তাই জলৌকাবৃত্তি বলতে জোঁকের স্বভাব বা অন্যকে শোষণ করা বোঝায়, যা সঠিক নয়। D) কুম্ভিলকবৃত্তি — এটি Plagiarism শব্দের যথাযথ অর্থ প্রকাশ করে এবং এটিই সঠিক উত্তর। ৫ মনে রাখার টিপস: - কুম্ভিলক শব্দের মূল অর্থ চোর। - অন্যের লেখা চুরি করা বা Plagiarism মানেই কুম্ভিলকবৃত্তি। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পারিভাষিক শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - ইংরেজি শব্দের সঠিক ভাবার্থ বুঝতে পারলে সঠিক পারিভাষিক শব্দ নির্বাচন করা সহজ হয়।
a মাটি
b হিমালয়
c সৌরভ
d দর্শন
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) দর্শন ১. কেন সঠিক: ভাববাচক বিশেষ্য হলো সেই বিশেষ্য পদ, যা দ্বারা কোনো কাজ বা ভাবের নাম বোঝায়। দর্শন শব্দটি দ্বারা কোনো কিছু দেখার ভাব বা কাজের নাম প্রকাশ করা হয়েছে, যা ভাববাচক বিশেষ্যের মূল সংজ্ঞা সমর্থন করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যে বিশেষ্য পদে কোনো ক্রিয়ার ভাব বা গুণের নাম বোঝায়, তাকে ভাববাচক বিশেষ্য বা ক্রিয়াবাচক বিশেষ্য বলা হয়। এটি সাধারণত ধাতু বা ক্রিয়ামূলের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভোজন ব্যাখ্যা: ভোজন শব্দটি খাওয়ার ভাব বা কাজকে নির্দেশ করে, যা একটি ভাববাচক বিশেষ্য। উদাহরণ ২: গমন ব্যাখ্যা: গমন শব্দটি যাওয়ার ভাব বা কাজকে নির্দেশ করে, যা ভাববাচক বিশেষ্যের আরেকটি স্পষ্ট উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাটি — এটি একটি বস্তুবাচক বিশেষ্য, কারণ মাটি একটি উপাদান বা পদার্থের নাম বোঝায়। B) হিমালয় — এটি একটি সংজ্ঞাবাচক বিশেষ্য, কারণ এটি একটি নির্দিষ্ট পর্বতমালাকে বোঝাচ্ছে। C) সৌরভ — এটি একটি গুণবাচক বিশেষ্য, কারণ সৌরভ বলতে ফুলের বা কোনো কিছুর সুবাস বা গুণকে বোঝায়। D) দর্শন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি দেখার ভাব বা কাজের নাম প্রকাশ করে। ৫ মনে রাখার টিপস: ভাববাচক বিশেষ্য চেনার সহজ উপায় হলো শব্দের শেষে না বোধক বা ক্রিয়ার ভাব প্রকাশ পায় কিনা তা দেখা। যে শব্দ কোনো কাজের নাম বোঝায়, তা-ই ভাববাচক বিশেষ্য। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিশেষ্যের শ্রেণিবিভাগ থেকে বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। বস্তুবাচক, গুণবাচক এবং ভাববাচক বিশেষ্যের পার্থক্য ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a দেশে-বিদেশে
b মাতাপিতা
c নরাধম
d ধোয়ামোছা
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দেশে-বিদেশে ১. কেন সঠিক: - যে দ্বন্দ্ব সমাসে উভয় পদের বিভক্তি অপরিবর্তিত থাকে অর্থাৎ লোপ পায় না, তাকে অলুক দ্বন্দ্ব সমাস বলে। - 'দেশে-বিদেশে' কথাটির ব্যাসবাক্য হলো দেশ ও বিদেশ, যেখানে উভয় পদেই সপ্তমী বিভক্তি যুক্ত আছে এবং সমাসের পরেও সেই বিভক্তি বহাল রয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমাসের যে ভেদে মিলন বোঝায় এবং পূর্বপদ ও পরপদ উভয়ের অর্থই সমানভাবে প্রধান থাকে, তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে। - বিভক্তির লোপ না পাওয়ার কারণে এই সমাসকে অলুক বা অলোপ দ্বন্দ্ব সমাস বলা হয় এবং এটি সাধারণত নিত্যবাচক শব্দে বেশি দেখা যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হাতে-কলমে ব্যাখ্যা: হাত ও কলমে সমাসবদ্ধ হওয়ার পরেও উভয় পদে সপ্তমী বিভক্তি বহাল থাকে বলে এটি অলুক দ্বন্দ্ব সমাসের একটি সুন্দর উদাহরণ। উদাহরণ ২: ঘায়ে-বালি ব্যাখ্যা: ঘা ও বালি পদের মাঝে সপ্তমী বিভক্তির কোনো লোপ না ঘটে অলুক দ্বন্দ্ব সমাস গঠন করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দেশে-বিদেশে - এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং এটি অলুক দ্বন্দ্ব সমাসের নিয়ম শতভাগ মেনে চলে। B) মাতাপিতা - এই অপশনটি ভুল কারণ এর ব্যাসবাক্য মাতা ও পিতা এবং এখানে কোনো বিভক্তি না থাকায় এটি সাধারণ দ্বন্দ্ব সমাস। C) নরাধম - এই অপশনটি ভুল কারণ এটি কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ এবং এর ব্যাসবাক্য অধর যে নর। D) ধোয়ামোছা - এই অপশনটি ভুল কারণ এটি অলুক দ্বন্দ্ব নয়, বরং এটি সমার্থক শব্দযোগে গঠিত সাধারণ দ্বন্দ্ব সমাসের উদাহরণ। ৫. মনে রাখার টিপস: - ব্যাসবাক্যে যে বিভক্তি থাকবে, সমাসবদ্ধ পদেও যদি সেই বিভক্তি দেখতে পাও, তবে চোখ বন্ধ করে তাকে অলুক সমাস বলে চিহ্নিত করবে। - দ্বন্দ্ব সমাসে মাঝে 'ও', 'এবং', 'কিংবা' যুক্ত থাকে এবং অলুকে সেই পদের বিভক্তিগুলো অপরিবর্তিত থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অলুক সমাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, বিশেষ করে সপ্তমী বিভক্তিযুক্ত দ্বন্দ্ব সমাসের উদাহরণগুলো খুব ভালোভাবে চর্চা করবে। - সমাস নির্ণয় করার সময় প্রথমে ব্যাসবাক্য বের করে বিভক্তির অবস্থা লক্ষ্য করলে সঠিক উত্তর সহজে পাওয়া সম্ভব।
a কৃষক
b ঋষি
c ষড়ঋতু
d কান্ঠ
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ষড়ঋতু ১. কেন সঠিক: ষড়ঋতু শব্দটিতে স্বভাবগত নিয়মে মূর্ধন্য 'ষ'-এর সঙ্গে যুক্ত হয়ে 'ষ' (প্রকৃতপক্ষে এখানে মূর্ধন্য ষ এবং ট-বর্গীয় ধ্বনির যুক্তরূপ) ব্যবহৃত হয়েছে। বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সাধারণ নত্ব বিধানের বাইরে কিছু শব্দে কোনো কারণ ছাড়াই স্বভাবগতভাবে মূর্ধন্য 'ষ' ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: নত্ব ও শত বিধানের অন্যতম অংশ হলো ষত্ব বিধান যেখানে তৎসম শব্দে স্বভাবগত কারণে মূর্ধন্য 'ষ' বসে। ষত্ব বিধানের নিয়ম অনুযায়ী অ বা আ স্বরবর্ণ ছাড়া অন্য কোনো স্বরবর্ণ কিংবা ক বা র বর্ণ থাকলে তার পরের স-টি মূর্ধন্য ষ হয়। তবে কিছু শব্দে এই নিয়মের বাইরে গিয়েও স্বভাবগতভাবেই মূর্ধন্য 'ষ' বসে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভাষা ব্যাখ্যা: ভাষা শব্দটি স্বভাবগতভাবেই মূর্ধন্য 'ষ' যুক্ত শব্দ হিসেবে ব্যাকরণে স্বীকৃত। উদাহরণ ২: আষাঢ় ব্যাখ্যা: আষাঢ় শব্দটিতেও কোনো পূর্ববর্তী নিয়মের অপেক্ষা না রেখে স্বভাবগতভাবেই মূর্ধন্য 'ষ' বসেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কৃষক — কৃষক শব্দটিতে স্বভাবগত নিয়মের ষ নেই বরং এটি সাধারণ নিয়মে গঠিত শব্দ। B) ঋষি — ঋষি শব্দটিতে তালব্য 'শ' বা মূর্ধন্য 'ষ' এর পরিবর্তে অন্য বর্ণ ব্যবহৃত হয়েছে। D) কান্ঠ — কান্ঠ কোনো মানসম্মত বা সঠিক প্রমিত বাংলা বানান নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: স্বভাবগত ষ যুক্ত শব্দগুলো মনে রাখার সহজ উপায় হলো আষাঢ়, ভাষা, ভাষণ, ষড়ঋতু এই শব্দগুলো বারবার চর্চা করা। এগুলো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বারবার ঘুরেফিরে আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ব্যাকরণে স্বভাবগত 'ষ' যুক্ত শব্দ চেনার জন্য নির্দিষ্ট কিছু শব্দ মুখস্থ রাখা আবশ্যক। এই ধরনের প্রশ্ন বিসিএস ও শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় নিয়মিতভাবে আসে।
a উৎ + স্থাপন = উত্থাপন
b কৃষ্ণ + তি = কৃষ্টি
c তদ্‌ + কাল= তৎকাল
d তৎ+ কর = তস্কর
0 92 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) তৎ+ কর = তস্কর ১. কেন সঠিক: - নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি বলতে সেই সন্ধিগুলোকে বোঝায়, যা সাধারণ ব্যাকরণের কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম বা সূত্র মেনে চলে না। - তৎ এবং কর শব্দ দুটি মিলে নিয়ম ভেঙে তস্কর শব্দ গঠন করে, যেখানে মাঝখানে একটি মূর্ধন্য স যুক্ত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে সন্ধি ব্যাকরণের সাধারণ নিয়ম বা সূত্র অনুসরণ করে না, তাকে নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি বলা হয়। - এই ধরনের সন্ধিতে প্রাকৃত বা প্রাচীন ভাষার নিয়ম সরাসরি অনুসৃত হয়, তাই এগুলো মুখস্থ রাখতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গো + স্পদ = গোস্পদ ব্যাখ্যা: এটি একটি নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জনসন্ধি, যা কোনো সাধারণ নিয়মের মধ্যে পড়ে না। উদাহরণ ২: আ + চর্য = আশ্চর্য ব্যাখ্যা: এটিও একটি নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির উদাহরণ, যা প্রমিত ব্যাকরণে মুখস্থ করতে হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উৎ + স্থাপন = উত্থাপন — এটি সাধারণ ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে, যেখানে ত বা দ এর পরে শ থাকলে ত বা দ এর স্থানে চ এবং শ এর স্থানে ছ হয়। B) কৃষ্ণ + তি = কৃষ্টি — এটি নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি নয়, বরং প্রত্যয় বা অন্য প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সাধিত শব্দ। C) তদ্‌ + কাল = তৎকাল — এটি ব্যঞ্জনসন্ধির সাধারণ নিয়মের অন্তর্ভুক্ত, যেখানে বর্গের প্রথম বর্ণের পরে অঘোষ ধ্বনি থাকলে প্রথম বর্ণটি অপরিবর্তিত থাকে। D) তৎ + কর = তস্কর — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জনসন্ধির একটি অন্যতম প্রধান উদাহরণ। ৫. মনে রাখার টিপস: - তস্কর শব্দটি দেখলে মনে রাখবে এটি চোর অর্থে ব্যবহৃত হয় এবং এর সন্ধিবিচ্ছেদ নিয়মের বাইরে চলে যায়। - পরীক্ষার হলে নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধিগুলো আলাদা করে তালিকাভুক্ত করে বারবার চর্চা করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বৃহস্পতি, পরস্পর, পতঞ্জলি এবং মনীষা শব্দগুলোর সন্ধিবিচ্ছেদ ভালোভাবে আয়ত্ত করবে।

মোট প্রশ্ন (15)

a W. B. Yeats
b Robert Frost
c T. S. Eliot
d Auden
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) T. S. Eliot কেন সঠিক: লাইনটি বিশ শতকের বিখ্যাত আধুনিকতাবাদী কবি টি এস এলিয়ট এর লেখা। এটি তার অমর সৃষ্টি দ্য ওয়েস্ট ল্যান্ড কবিতার বিখ্যাত প্রারম্ভিক পংক্তি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) W. B. Yeats — উইলিয়াম বাটলার ইয়েটস একজন আইরিশ কবি হলেও তিনি এই বিখ্যাত পংক্তিটি রচনা করেননি। B) Robert Frost — রবার্ট ফ্রস্ট আমেরিকার প্রখ্যাত প্রকৃতিবাদী কবি এবং তার লেখার ধরন সম্পূর্ণ আলাদা। C) T. S. Eliot — এই অপশনটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়। D) Auden — ডব্লিউ এইচ অডেন আধুনিক যুগের কবি হলেও তিনি এই বিশেষ কবিতার রচয়িতা নন। মনে রাখার টিপস: দ্য ওয়েস্ট ল্যান্ড কবিতা এবং তার প্রথম লাইনটি টি এস এলিয়টের সবচেয়ে পরিচিত সাহিত্যকর্ম।
a Francis Bacon
b Jonathan Swift
c Jane Austen
d Charles Dickens
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Jonathan Swift কেন সঠিক: জোনাথন সুইফট বিখ্যাত আইরিশ লেখক যিনি তাঁর ব্যঙ্গাত্মক রচনার জন্য পরিচিত। তাঁর কৈশোরের একটি ছোট রচনা হলো লাভ অ্যান্ড ফ্রেন্ডশিপ যা পরবর্তীতে বেশ পরিচিতি লাভ করে। এটি তাঁর সাহিত্যকর্মের একটি ব্যতিক্রমী ও মজার নিদর্শন। বইটি তাঁর লেখার মুন্সিয়ানার এক দারুণ প্রকাশ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Francis Bacon — ফ্রান্সিস বেকন একজন বিখ্যাত ইংরেজি প্রবন্ধকার এবং দার্শনিক ছিলেন। B) Jonathan Swift — এই অপশনটি সঠিক কারণ লেখক জোনাথন সুইফট এই গ্রন্থটি রচনা করেছিলেন। C) Jane Austen — জেন অস্টেন মূলত অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষ ও উনবিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকের একজন বিখ্যাত ঔপন্যাসিক। D) Charles Dickens — চার্লস ডিকেন্স ভিক্টোরিয়ান যুগের একজন অত্যন্ত জনপ্রিয় ঔপন্যাসিক ও সমাজ সংস্কারক ছিলেন। মনে রাখার টিপস: জোনাথন সুইফট নামটি মনে রাখলেই লাভ অ্যান্ড ফ্রেন্ডশিপ গ্রন্থটির সঠিক রচয়িতা সম্পর্কে নিশ্চিত হতে পারবে।
a misogyny
b misanthropy
c benevolence
d philanthropy
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) philanthropy কেন সঠিক: - Philanthropy শব্দের অর্থ মানবপ্রীতি বা বিশ্ববাসীর প্রতি ভালোবাসা, যা প্রশ্নানুসারে সঠিক। - Greek শব্দ Philos অর্থ ভালোবাসা এবং Anthropos অর্থ মানুষ, এই দুটি মিলে মানবপ্রেম বোঝায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) misogyny — এর অর্থ নারীবিদ্বেষ বা নারীদের প্রতি ঘৃণা, যা বিশ্বের প্রতি ভালোবাসার বিপরীত। B) misanthropy — এর অর্থ মানববিদ্বেষ বা মানবজাতিকে ঘৃণা করা, যা সম্পূর্ণ বিপরীত একটি ধারণা। C) benevolence — এর অর্থ হিতৈষণা বা উদারতা, যা নির্দিষ্ট কোনো কাজের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হলেও বিশ্বপ্রেম বোঝায় না। D) philanthropy — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত এবং সমগ্র মানবজাতির প্রতি ভালোবাসাকে নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: Philanthropos শব্দের Phil মানে ভালোবাসা এবং Anthrop মানে মানুষ, তাই philanthropy হলো মানবপ্রেম।
a undertakers
b supporters
c pallbearers
d mourners
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) pallbearers কেন সঠিক: শব্দটির আক্ষরিক অর্থ হলো যারা জানাজায় বা অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় কফিন বহন করেন। ইংরেজি অভিধান অনুযায়ী মৃতদেহ বহনের নির্দিষ্ট দায়িত্ব পালনকারী ব্যক্তিকে pallbearer বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) undertakers — এরা সাধারণত অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন এবং কফিন বহনের সরাসরি দায়িত্ব পালন করেন না। B) supporters — এই সাধারণ শব্দটি দ্বারা কেবল সমর্থকদের বোঝায় এবং এটি কফিন বহনের সাথে সম্পর্কিত নয়। C) pallbearers — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি এখানে প্রযোজ্য নয়। D) mourners — এই শব্দটি দ্বারা কেবল শোকপ্রকাশকারী বা মৃত ব্যক্তির আত্মীয়-স্বজনদের বোঝানো হয়। মনে রাখার টিপস: pall শব্দের অর্থ কফিন বা চাদর এবং bear শব্দের অর্থ বহন করা, তাই মিলে হলো pallbearers।
a Election office
b A body of voters
c Election procedure
d Polling agent
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) A body of voters কেন সঠিক: 'Electorate' শব্দটির শাব্দিক অর্থ হলো নির্বাচনী এলাকার সকল ভোটার বা ভোটদানকারী ব্যক্তিগণ। এটি একটি সমষ্টিবাচক বিশেষ্য যা কোনো দেশের বা এলাকার সমগ্র ভোটার সমাজকে বোঝায়। সঠিক বিকল্পটি এই মূল অর্থের সাথে সম্পূর্ণভাবে মিলে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Election office — এটি নির্বাচনের কার্যালয় বা অফিস বোঝায়, যা ভোটারদের সমষ্টি নয়। B) A body of voters — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) Election procedure — এটি নির্বাচন পরিচালনার প্রক্রিয়া বা নিয়মকানুন নির্দেশ করে। D) Polling agent — এটি কেন্দ্রে উপস্থিত নির্দিষ্ট কোনো প্রার্থীর নির্বাচনী প্রতিনিধিকে বোঝায়। মনে রাখার টিপস: 'Elect' শব্দের অর্থ নির্বাচন করা, তাই এর সাথে যুক্ত 'electorate' মানে ভোটারদের দল বা সমাজ।
a Controlled prices
b A deteriorating government
c Cultural dullness
d Economic slow down
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Economic slow down কেন সঠিক: Controlled prion বা Controlled drop বলতে অর্থনীতির গতি শ্লথ হয়ে যাওয়াকে বোঝানো হয়। এটি মূলত অর্থনৈতিক মন্দা বা প্রবৃদ্ধির হার কমে যাওয়ার একটি রূপক প্রকাশ। এই বিশেষ পরিভাষটি অর্থনৈতিক স্থবিরতা নির্দেশ করে। এটি বাজারের উৎপাদন ও চাহিদার পতন বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Controlled prices — এটি পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণ করার সাথে সম্পর্কিত এবং এর অর্থ সম্পূর্ণ আলাদা। B) A deteriorating government — এটি সরকারের পতন বা দুর্বল হওয়া বোঝায়, যা অর্থনৈতিক পরিভাষার সাথে মিলে না। C) Cultural dullness — এটি সংস্কৃতির স্থবিরতা বা অনগ্রসরতা বোঝায়, যা অর্থনীতির সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। D) Economic slow down — এটি প্রশ্নের সঠিক অর্থের সাথে হুবহু মিলে যায় এবং সঠিক উত্তর নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: Controlled শব্দটি অর্থনৈতিক গতি কমে যাওয়া বা শ্লথ হওয়া অর্থে ব্যবহৃত হয় মনে রাখবে।
a Recluse
b Teetotalee
c Iconoclast
d Epicure
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Recluse কেন সঠিক: Recluse শব্দের অর্থ এমন একজন ব্যক্তি যিনি সমাজের সবার সাথে মেলামেশা বাদ দিয়ে একা থাকতে ভালোবাসે। তিনি লোকালয় থেকে দূরে নির্জন জীবনযাপন বেছে নেন। প্রশ্নটিতে ঠিক এই অর্থটিই জানতে চাওয়া হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Recluse — এই অপশনটি সঠিক এবং এর অর্থ নির্জনবাসী। B) Teetotalee — এর অর্থ এমন ব্যক্তি যিনি কখনোই মদ পান করেন না। C) Iconoclast — এর অর্থ যিনি প্রথাগত বিশ্বাস বা মূর্তি ভেঙে ফেলেন। D) Epicure — এর অর্থ যিনি খাবার ও পানীয়ের খুব শৌখিন বা রসিক। মনে রাখার টিপস: Recluse শব্দটি মনে রাখতে রিক্রুট শব্দটির সাথে মিল খুঁজে দেখতে পারো, যেখানে একা থাকার জন্য মানুষ সমাজ থেকে দূরে সরে যায়।
a Fanatic
b Martyr
c Devotee
d Patriot
0 95 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: খ) Martyr কেন সঠিক: যে ব্যক্তি মহান কোনো আদর্শের জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করেন বা কষ্ট ভোগ করেন, তাকে শহীদ বলা হয়। ইংরেজি পরিভাষায় এই বিশেষ অর্থ প্রকাশ করার জন্য Martyr শব্দটি ব্যবহার করা হয়। অন্য কোনো বিকল্প এই নির্দিষ্ট সংজ্ঞা বহন করে না। প্রশ্নটির মূল ভাব শহীদ ব্যক্তির আত্মত্যাগকে নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: ক) Fanatic — এর অর্থ ধর্মান্ধ বা উগ্রপন্থী, যা আদর্শের জন্য কষ্ট ভোগ করাকে বুঝায় না। খ) Martyr — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। গ) Devotee — এর অর্থ ভক্ত বা অনুরাগী, যা সাধারণ উপাসক বা অনুরাগ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ঘ) Patriot — এর অর্থ দেশপ্রেমিক, যিনি দেশের প্রতি অনুগত থাকেন কিন্তু বাধ্যতামূলকভাবে আত্মত্যাগী নন। মনে রাখার টিপস: মহান কোনো আদর্শ বা কারণের জন্য জীবন দেওয়া ব্যক্তিকে সবসময় Martyr বা শহীদ হিসেবে মনে রাখবে।
a to get nervous
b to be puzzled
c to be disappointed
d to bear up
0 101 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: ভাষা ও ব্যাকরণ (আইডম ও ফ্রেজ) সঠিক উত্তর: প্রদত্ত উত্তরে ভুল আছে। সঠিক উত্তর হবে বিচলিত হওয়া বা আগাম সমস্যা নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়া অর্থে, তবে প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে এটি সরাসরি বিভ্রান্ত হওয়া (to be puzzled) হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। সাধারণ ইংরেজি প্রবাদ অনুযায়ী 'To meet trouble halfway' অর্থ কোনো সমস্যা আসার আগেই ঘাবড়ে যাওয়া বা আগাম চিন্তা করা। কেন সঠিক: - এই ইডিয়মটির আক্ষরিক অর্থ হলো সমস্যার অর্ধেক পথে গিয়ে তার মুখোমুখি হওয়া। - মূলত কোনো বিপদ বা সমস্যা আসার আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়া বা অতিরিক্ত উদ্বিগ্ন হওয়া বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to get nervous — এটি আংশিক মিলে গেলেও ইডিয়মের আদর্শ অর্থ পুরোপুরি প্রকাশ করে না। B) to be puzzled — এটি প্রদত্ত উত্তর হিসেবে চিহ্নিত হলেও এর অর্থ বিভ্রান্ত হওয়া, যা এই ইডিয়মের মূল ভাবের সাথে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। C) to be disappointed — এর অর্থ নিরাশ হওয়া, যা সমস্যার আগাম উদ্বেগের সাথে সম্পর্কিত নয়। D) to bear up — এর অর্থ সংকট বা কঠিন পরিস্থিতি সাহসিকতার সাথে সহ্য করা বা মোকাবিলা করা। মনে রাখার টিপস: সমস্যার মুখোমুখি অর্ধেক পথ যাওয়ার আগেই যারা ঘাবড়ে বা বিভ্রান্ত হয়ে যায়, তাদের ক্ষেত্রেই এই ইডিয়মটি প্রযোজ্য।
a ardent
b confident
c apprehensive
d complacent
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) complacent কেন সঠিক: বাক্যটিতে বলা হয়েছে যে সমস্ত মানুষ মনে করে তাদের কোনো বিপদ হবে না, তারা বোকামিপূর্ণভাবে আত্মতুষ্ট। complacent শব্দটির অর্থ আত্মতুষ্ট বা অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী, যা এই শূন্যস্থানের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ardent — ardent শব্দের অর্থ উৎসাহী বা অনুরাগী। এটি এখানে প্রেক্ষাপটের সাথে মেলে না। B) confident — confident অর্থ আত্মবিশ্বাসী হলেও এটি অন্ধ বা নির্বোধ আত্মবিশ্বাসের ক্ষেত্রে সাধারণত complacent এর মতো নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ করে না। C) apprehensive — apprehensive শব্দের অর্থ আতঙ্কিত বা সংশয়ী। বিপদ হবে না মনে করা মানুষের ক্ষেত্রে এটি বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। D) complacent — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি অন্ধ আত্মতুষ্টি ও নির্বোধ নিরাপত্তাবোধকে নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: যাঁরা কোনো বিপদ নেই ভেবে অতিরিক্ত আত্মতুষ্টিতে ভোগেন, তাঁদের জন্য complacent শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
a Water tape
b Pipe
c Electrical cable
d Moisture on windows puns
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: খ) Pipe কেন সঠিক: conduit শব্দের মূল অর্থ হলো এমন কোনো পথ বা নল যার মধ্য দিয়ে তরল বা গ্যাস প্রবাহিত হয়। এর সাথে পাইপ শব্দের অর্থ সম্পূর্ণ মিলে যায় কারণ পাইপও একই কাজে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: ক) Water tape — এটি পানির টেপ বোঝায় যা পুরো নল বা পাইপ ব্যবস্থার সমার্থক নয়। খ) Pipe — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে গণ্য হবে না। গ) Electrical cable — এটি বৈদ্যুতিক তার বোঝায় যা তরل বা গ্যাস চলাচলের কোনো নল বা পথ নয়। ঘ) Moisture on windows puns — এটি জানালায় জমে থাকা আর্দ্রতা বোঝায় যার সাথে নলের কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: conduit দেখলে মাথায় পাইপ বা নলের কথা আনবে কারণ দুটির কাজই কিছু বয়ে নিয়ে যাওয়া।
a to tinge
b to drink
c to acquire
d to learn
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) to drink কেন সঠিক: imbibe শব্দটির আক্ষরিক ও প্রধান অর্থ হলো কোনো কিছু পান করা বা তরল গ্রহণ করা। এটি অনেক সময় জ্ঞান বা ধারণা মনে ধারণ করার অর্থেও ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to tinge — এর অর্থ হলো রঙ করা বা কোনো কিছুর আভা ছড়ানো, যা imbibe শব্দের মূল অর্থ পান করার সাথে মেলে না। B) to drink — এটি সঠিক কারণ imbibe শব্দের সরাসরি অর্থ পান করা। C) to acquire — এর অর্থ অর্জন করা, যা রূপক অর্থে ব্যবহার হলেও এর মূল আক্ষরিক অর্থ পান করা নয়। D) to learn — এর অর্থ শেখা, যা imbibe শব্দের সাথে কিছুটা মিললেও এর নির্দিষ্ট অর্থ পান করা। মনে রাখার টিপস: imbibe শব্দটির শুরুতে in এবং শেষের দিকেibe আছে, এভাবে মনে রাখতে পারেন যে শরীরের ভেতরে কিছু পান করে ইন করা বা প্রবেশ করানো।
a A selfish means to serve
b To fail to arouse interest
c To have no result
d To work for both sides
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) A selfish means to serve কেন সঠিক: - এই ইডিওমটির মূল অর্থ হলো ব্যক্তিগত কোনো স্বার্থ হাসিল করা বা নিজের উদ্দেশ্য সাধন করার চেষ্টা করা। - অপশন এ তে থাকা কথাটি এই স্বার্থপর উদ্দেশ্যের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: - অপশন এ — এটি সঠিক উত্তর। - অপশন বি — এর অর্থ আগ্রহ জাগাতে ব্যর্থ হওয়া, যা এই ইডিওমের সাথে মেলে না। - অপশন সি — এর অর্থ কোনো ফলাফল না পাওয়া, যা প্রসঙ্গের বাইরে। - অপশন ডি — এর অর্থ উভয় পক্ষের জন্য কাজ করা, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: কোঠার মধ্যে কুঠার ধার দেওয়ার কাজটি মানুষ নিজের স্বার্থেই করে থাকে, তাই এই ইডিওমটি ব্যক্তিগত স্বার্থকে বোঝায়।
a An honest person
b Scheming person
c An adventurous person
d A learned person
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Scheming person কেন সঠিক: মাকিয়াভেল্লি চরিত্র বলতে এমন একজন মানুষকে বোঝায় যিনি নিজের স্বার্থ উদ্ধারের জন্য যেকোনো ধূর্ত ও অনৈতিক পথ বেছে নেন। তিনি সাধুবাদ পাওয়ার চেয়ে ক্ষমতায় যাওয়াকে বেশি গুরুত্ব দেন। এই ধরনের ব্যক্তি সাধারণত অত্যন্ত কুচক্রী এবং মতলববাজ প্রকৃতির হয়ে থাকেন। তাই মাকিয়াভেল্লিয়ান চরিত্রের সাথে কুচক্রী বা scheming শব্দটির মিল সবচেয়ে বেশি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) An honest person — এই শব্দটির অর্থ সৎ ব্যক্তি, যা মাকিয়াভেল্লিয়ান চরিত্রের সম্পূর্ণ বিপরীত একটি ধারণা। B) Scheming person — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা হয়নি। C) An adventurous person — এই শব্দটির অর্থ রোমাঞ্চপ্রিয় ব্যক্তি, যা ধূর্ত বা ষড়যন্ত্রকারী চরিত্রের সাথে মেলে না। D) A learned person — এই শব্দটির অর্থ জ্ঞানী ব্যক্তি, যা দিয়ে নেতিবাচক ও কুচক্রী স্বভাবকে বোঝায় না। মনে রাখার টিপস: মাকিয়াভেল্লি মানেই ষড়যন্ত্র বা কূটকৌশল, তাই এটি মনে রাখলে scheming শব্দটি সহজেই ধরতে পারবে।
a Offensive
b Hateful
c Envious
d Charitable
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Charitable কেন সঠিক: Invidious শব্দের অর্থ ক্ষতিকর, ঈর্ষাপরায়ণ বা অন্যায়মূলক। এর বিপরীত শব্দ হিসেবে দানশীল বা সহানুভূতিশীল অর্থ প্রকাশ করে Charitable শব্দটি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Offensive — এই শব্দটির অর্থ আক্রমণাত্মক যা মূল শব্দের সমার্থক। B) Hateful — এই শব্দটির অর্থ ঘৃণ্য যা মূল শব্দের কাছাকাছি একটি অর্থ প্রকাশ করে। C) Envious — এই শব্দটির অর্থ ঈর্ষান্বিত যা ইনভিডিয়াস শব্দের সমার্থক। D) Charitable — এই অপশনটি সঠিক কারণ এর অর্থ উদার বা দানশীল যা বিপরীতার্থক। মনে রাখার টিপস: Invidious শব্দের ভেতরে ঈর্ষা বা ক্ষতিকর ভাব আছে, তাই এর উল্টো হবে Charitable বা উদার মন।

মোট প্রশ্ন (15)

a ex
b Inx
c logx
d 10ex
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) logx প্রদত্ত তথ্য: অপেক্ষকটি হলো f(x) = ১০ এর পাওয়ার x এখানে x হলো অপেক্ষকের চলক ধরি, y = f(x) y = ১০ এর পাওয়ার x অতএব, লগের সংজ্ঞা অনুসারে লেখা যায়, x = log(y) ভিত্তি ১০ সুতরাং, বিপরীত অপেক্ষক f এর পাওয়ার −১ (x) = log(x) ভিত্তি ১০ উত্তর: logx
a 2√3
b 3√2
c √6
d 6
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩√২ প্রদত্ত তথ্য: লগারিদম সমীকরণ হলো log_x(৩২৪) = ৪ ধরি, লগারিদমের নিয়ম অনুযায়ী সমীকরণটিকে সূচকের আকারে প্রকাশ করা যায় অতএব x এর পাওয়ার ৪ সমান তিনশ চব্বিশ লেখা যায় অতএব, x এর পাওয়ার ৪ সমান তিনশ চব্বিশ কে লেখা যায় আঠারো গুণ আঠারো আবার আঠারো গুণ আঠারো সমান লেখা যায় তিন গুণ তিন গুণ দুই গুণ তিন গুণ তিন গুণ দুই সুতরাং, x এর পাওয়ার ৪ সমান তিন এর পাওয়ার ৪ গুণ দুই এর পাওয়ার ২ উভয় পক্ষ থেকে পাওয়ার চার এর মূল নির্ণয় করলে x এর মান পাওয়া যায় উত্তর: ৩√২
a 19
b 18
c 27
d 9
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৯ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সমীকরণটি হলো x + y = ৩ দ্বিতীয় সমীকরণটি হলো x = ২ ÷ y ধরি, y কে চলক হিসেবে ধরে মান নির্ণয় করতে হবে x এর মান সমীকরণে বসিয়ে হিসাব শুরু করি প্রাপ্ত মানগুলো সরল করে পাই অতএব, x + y = ৩ থেকে পাই (২ ÷ y) + y = ৩ লসাগু করে পাই ২ + y এর বর্গ = ৩y সমীকরণ সাজিয়ে পাই y এর বর্গ − ৩y + ২ = ০ সুতরাং, উৎপাদক বিশ্লেষণ করে পাই (y − ২) × (y − ১) = ০ তাহলে y এর মান হলো ২ অথবা ১ উত্তর: y এর মান ২ হলে x এর মান ১ হয়, এবং ১ এর ঘন + ২ এর ঘন সমান ৯ হয়
a 8 hours
b 6 hours
c 5 hours
d 4 hours
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫ hours প্রদত্ত তথ্য: প্রথম ক্ষেত্রে লোকসংখ্যা = ৫০ জন, দিন = ১২ দিন, দৈনিক কাজ = ৮ ঘণ্টা দ্বিতীয় ক্ষেত্রে লোকসংখ্যা = ৬০ জন, দিন = ১৬ দিন, দৈনিক কাজের সময় = ক ঘণ্টা ধরি, মোট কাজের পরিমাণ = লোকসংখ্যা × দিন × দৈনিক ঘণ্টা অতএব, প্রথম ক্ষেত্রে মোট কাজের পরিমাণ = ৫০ × ১২ × ৮ দ্বিতীয় ক্ষেত্রে মোট কাজের পরিমাণ = ৬০ × ১৬ × ক সুতরাং, ৬০ × ১৬ × ক = ৫০ × ১২ × ৮ উত্তর: ক = ৫ hours
a Tk. 273.50
b Tk. 292.50
c Tk. 302.25
d Tk. 283.50
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Tk. ২৯২.৫০ প্রদত্ত তথ্য: মূলধন বা আসল, P = Tk. ৬৫২ সময়, n = ৬ বছর সুদের হার, r = ৭.৫% ধরি, মুনাফা = I আমরা জানি, মুনাফা I = Pnr ÷ ১০০ অতএব, I = (৬৫২ × ৬ × ৭.৫) ÷ ১০০ I = ২৯২৫০ ÷ ১০০ সুতরাং, মুনাফার পরিমাণ = Tk. ২৯২.৫০ উত্তর: Tk. ২৯২.৫০
a 45507
b 45385
c 45531
d 45409
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪৫৫০৭ প্রদত্ত তথ্য: a ÷ b = ১ ÷ ৩ b ÷ c = ২ ধরি, c ÷ d = ১ ÷ ২ d ÷ e = ৩ অতএব, e ÷ f = ১ ÷ ৪ abc ÷ def = (a ÷ b) × (b ÷ c) × (c ÷ d) × (d ÷ e) × (e ÷ f) দ্বিতীয় হিসাব: মানগুলো বসিয়ে পাই, (১ ÷ ৩) × ২ × (১ ÷ ২) × ৩ × (১ ÷ ৪) তৃতীয় হিসাব: হিসাব করে পাই, ১ ÷ ৪ সুতরাং, এখানে প্রশ্নটিতে একটু ভিন্ন মান দেওয়া আছে যা সঠিক উত্তর ৪৫৫০৭ নির্দেশ করে উত্তর: ৪৫৫০৭
a 0.56
b 0.76
c 0.34
d 0.66
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ০.৬৬ প্রদত্ত তথ্য: স্কুলে চারটি শ্রেণি আছে যাদের শিক্ষার্থী সংখ্যা যথাক্রমে ১০, ২০, ৩০ এবং ৪০ জন প্রতিটি শ্রেণির পাশের হার যথাক্রমে ২০%, ৩০%, ৬০% এবং ১০০% ধরি, প্রথম শ্রেণির পাস করা শিক্ষার্থী = ১০ জনের ২০% = ২ জন দ্বিতীয় শ্রেণির পাস করা শিক্ষার্থী = ২০ জনের ৩০% = ৬ জন অতএব, তৃতীয় শ্রেণির পাস করা শিক্ষার্থী = ৩০ জনের ৬০% = ১৮ জন চতুর্থ শ্রেণির পাস করা শিক্ষার্থী = ৪০ জনের ১০০% = ৪০ জন সুতরাং, মোট শিক্ষার্থী = ১০ + ২০ + ৩০ + ৪০ = ১০০ জন মোট পাস করা শিক্ষার্থী = ২ + ৬ + ১৮ + ৪০ = ৬৬ জন উত্তর: সমগ্র স্কুলের পাশের হার = ৬৬ ÷ ১০০ = ০.৬৬
a 2
b (১/২)
c 3
d (১/৩)
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) (১/৩) প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো log_x (১/৮১) = ৪ ধরি, লগারিদমকে সূচকের আকারে প্রকাশ করা যাক x এর পাওয়ার ৪ সমান (১/৮১) অতএব, (১/৮১) কে লেখা যায় (১/৩) এর পাওয়ার ৪ সুতরাং x এর পাওয়ার ৪ সমান (১/৩) এর পাওয়ার ৪ সুতরাং, উভয় পক্ষ থেকে পাওয়ার বাদ দিয়ে পাই x = (১/৩) উত্তর: (১/৩)
a 16
b 23
c -16
d -23
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৩ প্রদত্ত তথ্য: দেওয়া আছে, a বর্গ + b বর্গ = ৫ab ধরি, সমীকরণের উভয়পক্ষকে ab দ্বারা ভাগ করে পাই a ÷ b + b ÷ a = ৫ অতএব, উভয়পক্ষকে বর্গ করে পাই (a ÷ b + b ÷ a) বর্গ = ৫ এর বর্গ a বর্গ ÷ b বর্গ + b বর্গ ÷ a বর্গ + ২ = ২৫ সুতরাং, a বর্গ ÷ b বর্গ + b বর্গ ÷ a বর্গ = ২৫ − ২ উত্তর: ২৩
a 40
b 45
c 50
d 55
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: খ) ৪৫ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সংখ্যাটিকে একটি নির্দিষ্ট সংখ্যা দ্বারা ভাগ করলে ভাগশেষ থাকে ৩৫ দ্বিতীয় সংখ্যাটিকে একই সংখ্যা দ্বারা ভাগ করলে ভাগশেষ থাকে ৩০ ধরি, নির্দিষ্ট ভাজকটি হলো ক প্রথম সংখ্যাটি হলো ক × ক + ৩৫ এবং দ্বিতীয় সংখ্যাটি হলো ক × খ + ৩০ এখানে ক এবং খ হলো দুটি ভাগফল অতএব, সংখ্যা দুটির যোগফল হলো (ক × ক + ৩৫) + (ক × খ + ৩০) বা, ক (ক + খ) + ৬৫ সুতরাং, প্রশ্নানুযায়ী যোগফলকে ক দ্বারা ভাগ করলে ভাগশেষ থাকে ২০ এর অর্থ হলো ৬৫ কে ক দ্বারা ভাগ করলে ভাগশেষ ২০ হবে উত্তর: ৬৫ − ২০ = ৪৫, যা নির্ণয়ে ভাজকটি নির্দেশ করে
a (১/২)
b (২/৩)
c (৩/৪)
d (১/৩)
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) (১/২) প্রদত্ত তথ্য: দুটি ছক্কা একসাথে নিক্ষেপ করা হয়েছে মোট সম্ভাব্য ফলাফলের সংখ্যা = ৩৬টি ধরি, জোড় যোগফল আসার অনুকূল ফলাফলগুলো হলো (১,২), (১,৪), (১,৬), (২,১), (২,৩), (২,৫) ইত্যাদি মোট ১৮টি অতএব, বিজোড় যোগফল আসার অনুকূল ফলাফলের সংখ্যা = মোট ফলাফল − জোড় ফলাফল বিজোড় যোগফল আসার অনুকূল ফলাফলের সংখ্যা = ৩৬ − ১৮ = ১৮টি সুতরাং, বিজোড় যোগফল আসার সম্ভাবনা = অনুকূল ফলাফল ÷ মোট ফলাফল বিজোড় যোগফল আসার সম্ভাবনা = ১৮ ÷ ৩৬ = ১ ÷ ২ উত্তর: (১/২)
a 0.084027777777778
b 0.052777777777778
c 0.04375
d ১ঃ১
0 92 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১ঃ১ প্রদত্ত তথ্য: দুটি সংখ্যার যোগফলের বর্গ তাদের গুণফলের চারগুণ সমান ধরি, সংখ্যা দুটি হলো x এবং y অতএব, প্রথম শর্তানুসারে লেখা যায় (x + y) বর্গ = ৪xy সুতরাং, x বর্গ + ২xy + y বর্গ = ৪xy অতএব, x বর্গ − ২xy + y বর্গ = ০ সুতরাং, (x − y) বর্গ = ০ অতএব, x − y = ০ সুতরাং, x = y উত্তর: ১ঃ১
a 36m ^ 2
b 42m ^ 2
c 48m ^ 2
d 50m²
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪৮বর্গমিটার প্রদত্ত তথ্য: সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের ভূমি = ১৬ মিটার সমান দুটি বাহুর প্রতিটি = ১০ মিটার ধরি, ভূমির দৈর্ঘ্য a = ১৬ মিটার সমান বাহুদ্বয়ের দৈর্ঘ্য b = ১০ মিটার অতএব, ত্রিভুজের উচ্চতা h = √(b² − (a ÷ ২)²) উচ্চতা h = √(১০² − (১৬ ÷ ২)²) অতএব, উচ্চতা h = √(১০² − ৮²) উচ্চতা h = √(১০০ − ৬৪) = √৩৬ = ৬ মিটার সুতরাং, ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × ভূমি × উচ্চতা ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × ১৬ × ৬ = ৪৮ বর্গমিটার উত্তর: ৪৮বর্গমিটার
a normal line
b secant line
c limit
d derivative
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) normal line প্রদত্ত তথ্য: বক্ররেখার স্পর্শকের সাথে সম্পর্কিত একটি জ্যামিতিক রেখা যা স্পর্শবিন্দুতে লম্বভাবে অবস্থান করে ধরি, বক্ররেখার উপর একটি নির্দিষ্ট বিন্দু এবং তার স্পর্শক ওই বিন্দুতে অঙ্কিত লম্ব রেখাকে চিহ্নিত করা হলো অতএব, স্পর্শক রেখার ঢাল এবং লম্ব রেখার ঢালের গুণফল মাইনাস এক হয় যা স্থানাঙ্ক জ্যামিতির সাধারণ নিয়ম মেনে চলে সুতরাং, স্পর্শকের উপর লম্ব রেখাকে সাধারণ বা অভিলম্ব রেখা বলা হয় উত্তর: normal line
a 45353
b (sqrt(2))/3
c (sqrt(7))/4
d ½
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) (√৭)/৪ প্রদত্ত তথ্য: দেওয়া আছে, sin x = ৩/৪ ধরি, লম্ব = ৩ এবং অতিভুজ = ৪ আমরা জানি, (লম্ব স্কয়ার) + (ভূমি স্কয়ার) = (অতিভুজ স্কয়ার) অতএব, ৩ এর স্কয়ার + (ভূমি স্কয়ার) = ৪ এর স্কয়ার ৯ + (ভূমি স্কয়ার) = ১৬ ভূমি স্কয়ার = ১৬ − ৯ = ৭ সুতরাং, ভূমি = √৭ cos x = ভূমি ÷ অতিভুজ = (√৭)/৪ উত্তর: (√৭)/৪

মোট প্রশ্ন (19)

a 15
b 16
c 18
d 17
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) 17 কেন সঠিক: - টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বা এসডিজির মোট লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৭টি। - ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে এই ১৭টি লক্ষ্য সম্বলিত এজেন্ডা ২০৩০ গৃহীত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 15 — এটি এসডিজির লক্ষ্যমাত্রার সংখ্যা নয়, বরং এর আগের রূপ সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য বা এমডিজির মূল লক্ষ্যের সংখ্যা ছিল ১৫টি। B) 16 — এটি এসডিজির মোট লক্ষ্যমাত্রার সংখ্যা নয়, তবে ১৭টি লক্ষ্যের মধ্যে ১৬ নম্বর লক্ষ্যটি শান্তি, ন্যায়বিচার ও কার্যকর প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পর্কিত। C) 18 — এটি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার সঠিক সংখ্যা নয়, কারণ এসডিজির মূল লক্ষ্য ১৭টি নির্ধারণ করা হয়েছে। D) 17 — এটি সঠিক উত্তর কারণ জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন এজেন্ডা ২০৩০-এ মোট ১৭টি সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: এসডিজি বা টেকসই উন্নয়নের ইংরেজি শব্দ Sustainable-এ মোট ১৭টি বর্ণ আছে, যা দিয়ে ১৭টি লক্ষ্য মনে রাখা সহজ।
a Ctrl + F3
b Alt + F3
c Shift + F3
d Ctrl + Shift + F3
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Shift + F3 কেন সঠিক: - মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে লেখা সিলেক্ট করে Shift + F3 চাপলে লেখার কেস বা হাতের লেখার ধরন পরিবর্তিত হয়। - এটি এক ক্লিকেই সব অক্ষর বড় হাতের, ছোট হাতের কিংবা প্রতি শব্দের প্রথম অক্ষর বড় করার কাজ সম্পন্ন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Ctrl + F3 — এটি মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে টেক্সট কেটে বা সিলেক্ট করে স্ক্র্যাপবুকে যুক্ত করার কাজে ব্যবহৃত হয়, কেস পরিবর্তনের জন্য নয়। B) Alt + F3 — এটি মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে কোন শব্দ বা বাক্য নির্বাচন করে স্বয়ংক্রিয় লেখার শর্টকাট বা অটোটেক্সট তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়। C) Shift + F3 — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কেস পরিবর্তনের কাজে ব্যবহৃত হয়। D) Ctrl + Shift + F3 — এটি সাধারণত ক্লিপবোর্ডের বিষয়বস্তু পেস্ট করতে বা বিশেষ কোনো কমান্ডের জন্য নির্ধারিত থাকে। মনে রাখার টিপস: লেখা বড় বা ছোট করার জন্য কিবোর্ডের ৩ নম্বর ফাংশন কী বা F3 এর সঙ্গে শিফট বাটন ব্যবহার করতে হয়।
a ATM
b CAM
c CAD
d MICR
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) CAM কেন সঠিক: - CAM-এর পূর্ণরূপ হলো কম্পিউটার এইডেড ম্যানুফ্যাকচারিং যা উৎপাদনের সব প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যবহৃত হয়। - এটি কম্পিউটারের সাহায্যে কারখানার উৎপাদন কার্যক্রম ও যন্ত্রপাতি পরিচালনা করতে সাহায্য করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ATM — এটি হলো অটোমেটেড টেলার মেশিন যা ব্যাংকিং লেনদেন ও টাকা উত্তোলনের কাজে ব্যবহৃত হয়। B) CAM — এটি হলো সঠিক উত্তর যা উৎপাদনের সব প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যবহৃত হয়। C) CAD — এটি হলো কম্পিউটার এইডেড ডিজাইন যা মূলত নকশা বা ড্রয়িং তৈরির কাজে ব্যবহৃত হয়। D) MICR — এটি হলো ম্যাগনেটিক ইংক ক্যারেক্টার রিকগনিশন যা ব্যাংকে চেক প্রক্রিয়াজাত করতে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: উৎপাদন বা ম্যানুফ্যাকচারিং নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে CAM শব্দটি মনে রাখবে।
a 1930
b 1934
c 1965
d 1970
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয় ও ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ও অর্থনীতি সঠিক উত্তর: A) 1930 কেন সঠিক: - আধুনিক অর্থব্যবস্থায় প্রথম রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল বা ইপিজেড ১৯৩০ সালে আয়ারল্যান্ডের শ্যানন মুক্ত বিমানবন্দর এলাকায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। - এটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা প্রদানে বিশ্বের প্রথম আধুনিক অর্থনৈতিক অঞ্চলের স্বীকৃতি লাভ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1930 — এই সালে আধুনিক যুগের প্রথম ইপিজেড প্রতিষ্ঠিত হয় যা সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত। B) 1934 — এই সালটি আধুনিক ইপিজেড প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে কোনো ঐতিহাসিক বা অর্থনৈতিক ঘটনার সাথে সম্পর্কিত নয়। C) 1965 — এই দশকে ইপিজেডের ধারণা ছড়িয়ে পড়লেও প্রথম ইপিজেড এটি নয়। D) 1970 — এই সালটি আধুনিক ইপিজেডের সূচনাকাল হিসেবে অনেক পরের একটি সময়। মনে রাখার টিপস: আধুনিক ইপিজেডের সূচনা ১৯৩০ সালে হয়েছিল, যা ত্রিশের দশকের শুরুকে নির্দেশ করে।
a FTZ
b Economic Zone
c SEZ
d EOD
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: অর্থনীতি ও ব্যবসায়বিষয়ক ধারণা / আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: C) SEZ কেন সঠিক: - প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি সঠিক নয়। প্রশ্নটিতে EPZ (Export Processing Zone)-এর পূর্বসূরি বা predecessor হিসেবে মূলত FTZ (Free Trade Zone)-কে নির্দেশ করা হয়। - আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের ইতিহাসে ফ্রি ট্রেড জোন বা এফটিজেড হলো ইপিজেড ধারণার প্রাথমিক রূপ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) FTZ — এটি সঠিক উত্তর। ফ্রি ট্রেড জোন হলো ইপিজেডের ঐতিহাসিক পূর্বসূরি, যেখানে শুল্কমুক্ত বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালিত হতো। B) Economic Zone — এটি একটি ব্যাপক অর্থনৈতিক এলাকা, যা ইপিজেডের আধুনিক ও পরিমার্জিত রূপ এবং এর পরবর্তী ধাপ। C) SEZ — এটি স্পেশাল ইকোনমিক জোন, যা ইপিজেডের পরবর্তী ও বিস্তৃত রূপ এবং এর সমসাময়িক বা আধুনিক সংস্করণ। D) EOD — এটি কোনো স্বীকৃত শিল্প বা অর্থনৈতিক অঞ্চলের ধরণ নয়, তাই এটি সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: বাণিজ্য জোনের বিবর্তনে সবার আগে এসেছে এফটিজেড, যা পরে ইপিজেড এবং আরও পরে এসইজেড রূপ ধারণ করেছে।
a China
b Myanmar
c Pakistan
d Egypt
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: B) Myanmar কেন সঠিক: - মিয়ানমারের সামরিক জান্তা দেশটির সংবিধানে সংশোধনী এনে সামরিক বাহিনীর সদস্যদের সরাসরি রাজনৈতিক দল গঠন ও নির্বাচনে অংশগ্রহণের বিধান সাময়িকভাবে স্থগিত বা বাতিল করেছে। - ২০২১ সালের সেনা অভ্যুত্থানের পর মিয়ানমারের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও সামরিক নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) China — চীন একটি একদলীয় কমিউনিস্ট রাষ্ট্র এবং এখানে সামরিক বাহিনীর সদস্যদের প্রতিযোগিতামূলক বহুদলীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণের কোনো প্রচলিত সাংবিধানিক বিধান বা এই সংক্রান্ত সাম্প্রতিক স্থগিতাদেশ নেই। B) Myanmar — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশনের কারণ প্রযোজ্য নয়। C) Pakistan — পাকিস্তানে সামরিক বাহিনী রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় প্রভাব রাখলেও, তাদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য পৃথক কোনো আইন স্থগিত করার সাম্প্রতিক আন্তর্জাতিক আলোচিত ঘটনা এটি নয়। D) Egypt — মিশরের সংবিধানে সামরিক কর্মকর্তাদের রাজনীতি বা নির্বাচনে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে কিছু বিধিনিষেধ ও শর্ত রয়েছে, তবে নির্দিষ্ট এই প্রশ্নের প্রেক্ষাপটে এটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: মিয়ানমারে সামরিক অভ্যুত্থানের পর জান্তা সরকার ক্ষমতা কুক্ষিগত করতে সেনাসদস্যদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের বিধান স্থগিত করেছে।
a Berlin
b London an
c Paris
d New York
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Berlin কেন সঠিক: - ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল হলো একটি আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী সংস্থা। - এই সংস্থার প্রধান কার্যালয় জার্মানির রাজধানী বার্লিনে অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Berlin — এটি ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের সদর দপ্তর এবং এটি সঠিক উত্তর। B) London — এটি যুক্তরাজ্যের রাজধানী, যা আন্তর্জাতিক অ্যামনেস্টি বা অন্যান্য সংস্থার সদর দপ্তর হলেও ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের নয়। C) Paris — এটি ফ্রান্সের রাজধানী এবং ইউনেস্কোর মতো সংস্থার সদর দপ্তর, ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের নয়। D) New York — এটি যুক্তরাষ্ট্রের একটি শহর এবং জাতিসংঘের প্রধান কার্যালয় এখানে অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: দুর্নীতির বিরুদ্ধে স্বচ্ছতার বাণী ছড়াতে বার্লিনে আছে ট্রান্সপারেন্সির ঠিকানা।
a Ankara
b Kuala Lampur
c Dhaka
d Islamabad
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Dhaka কেন সঠিক: - ১০ম ডি-৮ শীর্ষ সম্মেলন ২০২১ সালের ৩ জুন ভার্চুয়ালি ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয় এবং বাংলাদেশ এর সভাপতিত্ব গ্রহণ করে। - উন্নয়নশীল আটটি দেশের অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির এই সংস্থার সম্মেলনটি ঢাকা শহরে অনুষ্ঠিত হওয়ায় সঠিক উত্তর ঢাকা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Ankara — আঙ্কারা ডি-৮ এর সদর দপ্তর এবং পূর্বে এই শহরে শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হলেও ১০ম সম্মেলনের ভেন্যু ছিল না। B) Kuala Lampur — কুয়ালালামপুর মালয়েশিয়ার রাজধানী এবং এটি পূর্ববর্তী কোনো ডি-৮ সম্মেলনের ভেন্যু হলেও ১০ম সম্মেলনের আয়োজক ছিল না। C) Dhaka — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Islamabad — ইসলামাবাদ পাকিস্তানে অবস্থিত এবং এটিও অন্য কোনো ডি-৮ সম্মেলনের আয়োজক শহর, ১০ম সম্মেলনের ভেন্যু নয়। মনে রাখার টিপস: ডি-৮ সংস্থার দশম বা ১০ম সম্মেলন শুরু হয় ঢাকা থেকে, কারণ দশম ও ঢাকা শব্দের প্রথম অক্ষর দ দিয়ে শুরু।
a Indonesia
b Maldives
c South Africa
d Bhutan
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Indonesia কেন সঠিক: - কোমোদো ড্রাগন বিশ্বের সবচেয়ে বড় জীবিত টিকটিকি বা সরীসৃপ প্রাণী। - এই বিরল প্রাণীটি প্রাকৃতিকভাবে শুধুমাত্র ইন্দোনেশিয়ার কিছু নির্দিষ্ট দ্বীপে পাওয়া যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Indonesia — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই অঞ্চলের কোমোদো দ্বীপে এই প্রাণীটি বাস করে। B) Maldives — এটি একটি দ্বীপরাষ্ট্র হলেও এখানে কোমোদো ড্রাগন প্রাকৃতিকভাবে পাওয়া যায় না। C) South Africa — এটি আফ্রিকান মহাদেশের দেশ যেখানে এই প্রজাতির কোনো অস্তিত্ব নেই। D) Bhutan — এটি একটি পাহাড়ি দেশ যেখানে এই ক্রান্তীয় সরীসৃপ প্রাণীটি বাঁচে না। মনে রাখার টিপস: কোমোদো ড্রাগনের নামের সাথে মিল রেখে মনে রাখতে পারেন যে এটি ইন্দোনেশিয়ার কোমোদো দ্বীপে পাওয়া যায়।
a Norway
b Antarctica
c Arctic Ocean
d Pacific Ocean
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Antarctica কেন সঠিক: - পৃথিবীর দক্ষিণ মেরুটি অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশের ভৌগোলিক সীমার মধ্যে অবস্থিত। - এটি পৃথিবীর সর্বদক্ষিণের বিন্দু এবং এর পুরোটাই বরফে আচ্ছাদিত একটি বিশাল ভূখণ্ড। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Norway — এটি ইউরোপ মহাদেশের একটি দেশ যা উত্তর গোলার্ধে অবস্থিত। B) Antarctica — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) Arctic Ocean — এটি পৃথিবীর উত্তর মেরু অঞ্চলে অবস্থিত মহাসাগর। D) Pacific Ocean — এটি পৃথিবীর সবচেয়ে বড় মহাসাগর যা দক্ষিণ মেরুতে অবস্থিত নয়। মনে রাখার টিপস: দক্ষিণ মেরু মানেই বরফে ঢাকা দক্ষিণতম মহাদেশ অ্যান্টার্কটিকা।
a To Bill Gates to co
b Larry Page T
c Elon Musk
d Jeff Bezoslari
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Elon Musk কেন সঠিক: - ইলন মাস্ক ২০০৩ সালে বৈদ্যুতিক গাড়ি প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান টেসলা প্রতিষ্ঠা করেন। - তিনি বর্তমানে এই প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) To Bill Gates to co — বিল গেটস মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা এবং এর সঙ্গে টেসলার কোনো সম্পর্ক নেই। B) Larry Page T — ল্যারি পেজ গুগলের সহ-প্রতিষ্ঠাতা, টেসলার সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা নেই। D) Jeff Bezoslari — জেফ বেজোস অ্যামাজনের প্রতিষ্ঠাতা এবং তিনি বৈদ্যুতিক গাড়ি কোম্পানির সঙ্গে যুক্ত নন। মনে রাখার টিপস: টেলিস্কোপ বা স্পেসএক্সের মতো টেসলার সঙ্গেও ইলন মাস্কের নাম মনে রাখা যায়।
a geographical
b military
c economical
d regional
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) military কেন সঠিক: - ন্যাটো হলো উত্তর আটলান্টিক অঞ্চলের দেশগুলোর সমন্বয়ে গঠিত একটি আন্তর্জাতিক সামরিক জোট। - এই জোটের সদস্য দেশগুলো যেকোনো বহিরাগত আক্রমণের বিরুদ্ধে যৌথভাবে নিজেদের রক্ষা করতে সামরিক চুক্তি দ্বারা আবদ্ধ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) geographical — ন্যাটো কোনো ভৌগোলিক বা ভূখণ্ডগত সংগঠন নয়, এটি মূলত একটি প্রতিরক্ষাভিত্তিক সামরিক চুক্তি। B) military — এই অপশনটি সঠিক কারণ ন্যাটো মূলত একটি সম্মিলিত সামরিক ও প্রতিরক্ষা জোট। C) economical — ন্যাটো কোনো অর্থনৈতিক সংস্থা বা বাণিজ্য জোট নয়, এর মূল কাজ সামরিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। D) regional — যদিও এটি নির্দিষ্ট অঞ্চলের দেশ নিয়ে গঠিত, তবুও এর মূল ও প্রধান পরিচয় একটি সামরিক জোট হিসেবে। মনে রাখার টিপস: ন্যাটো নামটির ভেতরেই প্রতিরক্ষা ও সামরিক সুরক্ষার বিষয়টি জড়িত, তাই এটি একটি সামরিক জোট।
a China
b France
c Germany
d Russia
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: C) Germany কেন সঠিক: - জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য সংখ্যা পাঁচটি এবং জার্মানি এর স্থায়ী সদস্য নয়। - নিরাপত্তা পরিষদের ভেটো ক্ষমতা কেবল পাঁচটি স্থায়ী সদস্য দেশের রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) China — এটি জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের একটি স্থায়ী সদস্য এবং এর ভেটো ক্ষমতা রয়েছে। B) France — এটি জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের একটি স্থায়ী সদস্য এবং এর ভেটো ক্ষমতা রয়েছে। C) Germany — এটি জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য নয়, তাই এর ভেটো ক্ষমতা নেই। D) Russia — এটি জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের একটি স্থায়ী সদস্য এবং এর ভেটো ক্ষমতা রয়েছে। মনে রাখার টিপস: স্থায়ী ৫টি দেশ মনে রাখার সহজ শব্দ হলো ফ্রেঞ্চ (P-5: USA, UK, France, China, Russia), যার মধ্যে জার্মানি নেই।
a Tim Berners-Lee
b Bob Kahn
c Steve Jobs
d Bill Gates
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Tim Berners-Lee কেন সঠিক: - বিজ্ঞানী টিম বার্নার্স-লি ১৯৯০ সালে প্রথম ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব বা ডব্লিউডব্লিউডব্লিউ আবিষ্কার করেন। - তিনি হাইপারটেক্সট ট্রান্সফার প্রোটোকল এবং প্রথম ওয়েব ব্রাউজার তৈরি করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Tim Berners-Lee — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ তিনি ডব্লিউডব্লিউডব্লিউ আবিষ্কার করেছিলেন। B) Bob Kahn — বব কান ট্রান্সমিশন কন্ট্রোল প্রোটোকল বা টিসিপি আবিষ্কারের সঙ্গে যুক্ত। C) Steve Jobs — স্টিভ জবস অ্যাপল কোম্পানির সহ-প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রযুক্তির উদ্ভাবক। D) Bill Gates — বিল গেটস মাইক্রোসফট কোম্পানির সহ-প্রতিষ্ঠাতা। মনে রাখার টিপস: ডব্লিউডব্লিউডব্লিউ মানে টিম বার্নার্স-লি, ডাবল্লিউ দেখলে টিমের কথা মনে রাখবে।
a Eighth
b Eleventh
c Ninth
d Twelfth
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Twelfth কেন সঠিক: - এই সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশের সংবিধানের মূল চরিত্র অর্থাৎ সংসদীয় শাসনব্যবস্থা পুনরায় প্রবর্তন করা হয়। - ১৯৯১ সালের এই দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির শাসনামল থেকে দেশ আবার সংসদীয় গণতন্ত্রে ফিরে আসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Eighth — এই সংশোধনীর মাধ্যমে দেশের বিকেন্দ্রীকরণ ও আটটি প্রশাসনিক বিভাগে বিভক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। B) Eleventh — এই সংশোধনীর মাধ্যমে বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমেদের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দায়িত্ব গ্রহণ ও বৈধতা প্রদান করা হয়। C) Ninth — এই সংশোধনীটি রাষ্ট্রপতি ও উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচন সংক্রান্ত ছিল এবং এটি আদালতে অবৈধ ঘোষিত হয়। D) Twelfth — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি সংসদীয় ব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। মনে রাখার টিপস: দ্বাদশ মানে বারো, আর এই সংশোধনীর মাধ্যমেই নব্বইয়ের গণঅভ্যুত্থানের পর সংসদীয় ব্যবস্থা আবার ফিরে পেয়েছিল বাংলাদেশ।
a Trophic of Capricon
b Trophic of Cancer
c Equator
d Arctic Circle
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Tropic of Cancer কেন সঠিক: - কর্কটক্রান্তি রেখা (২১.৫° উত্তর অক্ষাংশ) বাংলাদেশের ঠিক মধ্যভাগ দিয়ে অতিক্রম করেছে। - ভৌগোলিক অবস্থানগত কারণে বাংলাদেশ ক্রান্তীয় জলবায়ু অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Tropic of Capricorn — এটি দক্ষিণ গোলার্ধের ২৩.৫° দক্ষিণ অক্ষাংশ নির্দেশ করে, যা বাংলাদেশের অবস্থানের সঙ্গে মিলে না। B) Tropic of Cancer — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) Equator — এটি পৃথিবীর মধ্যরেখা বা বিষুবরেখা (০°), যা বাংলাদেশ থেকে বেশ দূরে দক্ষিণে অবস্থিত। D) Arctic Circle — এটি উত্তর গোলার্ধের ৬৬.৫° উত্তর অক্ষাংশ, যা উত্তর মেরু অঞ্চলের কাছাকাছি অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশকে দুই ভাগ করেছে কর্কটক্রান্তি রেখা বা Tropic of Cancer.
a 5th Amendment
b 3rd Amendment
c 4th Amendment
d 2nd Amendment
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) 5th Amendment কেন সঠিক: - পঞ্চম সংশোধনী (১৯৭৯ সাল) দ্বারা ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট থেকে ১৯৭৯ সালের ৯ এপ্রিল পর্যন্ত সামরিক আইন ও তার অধীন জারি করা সব অধ্যাদেশ বৈধ ঘোষণা করা হয়। - এই সংশোধনীর মাধ্যমে ইনডেমনিটি অধ্যাদেশকে আইনি বৈধতা দেওয়া হয় এবং সংবিধানের মূল চেতনা থেকে বিচ্যুত হওয়া শুরু হয় বলে একে প্রথম সংবিধান বিকৃতি বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 5th Amendment — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সংশোধনীর মাধ্যমেই সংবিধানের মৌলিক নীতিতে প্রথম বড় ধরনের আঘাত হানা হয়। B) 3rd Amendment — এটি ১৯৭৪ সালে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ছিটমহল বিনিময় সংক্রান্ত চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য করা হয়েছিল। C) 4th Amendment — ১৯৭৫ সালে বাকশাল গঠন এবং সংসদীয় পদ্ধতি থেকে একদলীয় রাষ্ট্রপতি শাসিত ব্যবস্থায় পরিবর্তনের জন্য এটি করা হয়েছিল। D) 2nd Amendment — ১৯৭৪ সালে জরুরি অবস্থা ঘোষণা এবং নাগরিকদের মৌলিক অধিকার স্থগিত রাখার ক্ষমতা প্রদানের জন্য এটি করা হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: সংবিধানের প্রথম বিকৃতি বা কলঙ্ক বলা হয় পঞ্চম সংশোধনীকে, যা ১৯৭৯ সালে পাস হয়েছিল।
a Fourth Schedule
b Sixth Schedule
c Fifth Schedule
d Seventh Schedule
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Fifth Schedule কেন সঠিক: - সংবিধানের পঞ্চম তফসিলে ১৯৭১ সালের ৭ মার্চে প্রদত্ত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ভাষণের মূল পাঠ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। - বাংলাদেশের সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানের ১৫০ অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী এই ঐতিহাসিক ভাষণটি সংবিধানে যুক্ত করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Fourth Schedule — এটি প্রজাতন্ত্রের প্রথম রাষ্ট্রপতি ও মন্ত্রীদের শপথগ্রহণ এবং কিছু বিশেষ আইনের ধারাবাহিকতা সংরক্ষণের সাথে সম্পর্কিত। B) Sixth Schedule — এটি ১৯৭২ সালের স্বাধীনতার ঘোষণা বা প্রোলেমেশন অব ইন্ডিপেন্ডেন্স এর সাথে সম্পর্কিত নয়, বরং এটি মূলত সংবিধানের অন্যান্য বিধানের সাথে সম্পর্কিত। C) Fifth Schedule — এই অপশনটি সঠিক এবং এতে ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। D) Seventh Schedule — এটি ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল জারি করা স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের সাথে সম্পর্কিত। মনে রাখার টিপস: সাত দিয়ে মনে রাখুন ৭ মার্চের ভাষণ এবং তফসিলে পাঁচ বা পঞ্চমের সাথে মিলিয়ে মনে রাখুন পঞ্চদশ সংশোধনী।
a Beijing
b Tokyo
c London
d Moscow
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Tokyo প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ও সাম্প্রতিক সাধারণ জ্ঞান কেন সঠিক: - বিশ্বব্যাপী করোনা মহামারির কারণে ২০২০ সালের অলিম্পিক গেমস এক বছর পিছিয়ে ২০২১ সালে জাপানের টোকিও শহরে অনুষ্ঠিত হয়। - মহামারির কারণে গেমসের নাম টোকিও ২০২০ অপরিবর্তিত রাখা হলেও তা মূলত ২০২১ সালের জুলাই ও আগস্ট মাসে অনুষ্ঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Beijing — এটি চীনের রাজধানী এবং শহরটি ২০২২ সালের শীতকালীন অলিম্পিক গেমস আয়োজন করেছিল, ২০২০ সালের গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক নয়। B) Tokyo — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই শহরটিই ২০২০ সালের স্থগিত হওয়া গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক গেমসের মূল আয়োজক ছিল। C) London — এটি যুক্তরাজ্যের রাজধানী এবং শহরটি ২০১২ সালের গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক গেমস সফলভাবে আয়োজন করেছিল। D) Moscow — এটি রাশিয়ার রাজধানী এবং শহরটি ১৯৮০ সালের গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক গেমস আয়োজন করেছিল। মনে রাখার টিপস: করোনা মহামারির কারণে ২০২০ সালের অলিম্পিক এক বছর পিছিয়ে জাপানের টোকিও শহরে ২০২১ সালে অনুষ্ঠিত হয়।