কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর

কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের নিয়োগ পরীক্ষা ২০২১

পদের নাম: ক্রাফট ইনস্ট্রাক্টর (১০ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (100)

a আরাকান রাজগ্রন্থাগার থেকে
b নেপালের রাজগ্রন্থশালা থেকে
c বাঁকুড়ার এক গৃহস্থের গোয়াল ঘর থেকে
d সুদূর চীন থেকে
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নেপালের রাজগ্রন্থশালা থেকে ১. কেন সঠিক: - বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন চর্যাপদ মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি বা রাজগ্রন্থশালা থেকে আবিষ্কার করেন। - নেপালের রাজা বা রাজদরবারের গ্রন্থাগারে সংগৃহীত প্রাচীন পুথির ভাণ্ডার থেকেই চর্যাপদের মূল পুথিটি উদ্ধার করা হয়েছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন ও সাহিত্যিক নিদর্শন, যা মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের সাধনসঙ্গীত। - ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর সম্পাদনায় 'হাজার বছরের পুরান বাঙ্গালা ভাষায় রচিত বৌদ্ধ গান ও দোহা' নামে চর্যাপদ প্রথম গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় রচিত 'ওডিবিএল' (ODBL) গ্রন্থে চর্যাপদের ভাষা ও ব্যাকরণ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থটি চর্যাপদের ভাষা যে প্রাচীন বাংলা, তা প্রমাণ করার ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। উদাহরণ ২: চর্যাপদের টিকাকার বা ভাষ্যকার ছিলেন মুনি দত্ত যিনি সংস্কৃতে এই পদগুলোর অর্থ ব্যাখ্যা করেছিলেন। ব্যাখ্যা: পদগুলোর আসল অর্থ উদ্ধারে এবং তিব্বতী অনুবাদ আবিষ্কারে মুনি দত্তের সংস্কৃত টীকা অত্যন্ত সাহায্য করেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আরাকান রাজগ্রন্থাগার থেকে — এই অপশনটি ভুল কারণ আরাকান রাজসভা থেকে মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্য যেমন আলাওলের পদ্মাবতী বা দৌত কাজীর সতীময়না লোরচন্দ্রানী আবিষ্কৃত হয়েছিল, চর্যাপদ নয়। B) নেপালের রাজগ্রন্থশালা থেকে — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি নির্দেশিত হয়েছে। C) বাঁকুড়ার এক গৃহস্থের গোয়াল ঘর থেকে — এই অপশনটি ভুল কারণ বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুর বা এর আশপাশ থেকে মঙ্গলকাব্যের বা অন্যান্য প্রাচীন পুথি পাওয়া গেলেও চর্যাপদ এখান থেকে আবিষ্কৃত হয়নি। D) সুদূর চীন থেকে — এই অপশনটি ভুল কারণ চীন থেকে চর্যাপদ আবিষ্কৃত হয়নি, যদিও তিব্বত থেকে চর্যাপদের তিব্বতী অনুবাদ আবিষ্কার করেছিলেন প্রবোধচন্দ্র বাগচী। ৫ মনে রাখার টিপস: - চর্যাপদ আবিষ্কারের স্থান মনে রাখার সহজ কৌশল হলো নেপাল শব্দটিকে মাথায় রাখা যেখানে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী গিয়েছিলেন পুথি খুঁজতে। - হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালে চারবার অভিযান চালিয়েছিলেন এবং চতুর্থবারে ১৯০৭ সালে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করতে সক্ষম হন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - চর্যাপদ আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এবং আবিষ্কারের সাল ১৯০৭ বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। - চর্যাপদের মোট পদের সংখ্যা সাড়ে ছেচল্লিশটি এবং এর মূল পুথির নাম চর্যাচর্যবিনিশ্চয়।
a চন্দ্রাবতী
b পদ্মাবতী
c মধুমালতী
d লায়লী-মজনু
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পদ্মাবতী ১. কেন সঠিক: - পদ্মাবতী হলো মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মহাকাব্য এবং এর রচয়িতা মহাকবি আলাওল। - এই কাব্যের মূল উৎস মালিক মুহাম্মদ জায়সির হিন্দি ভাষার পদ্মাবত কাব্য, যা তিনি আরাকান রাজসভার আমত্য শ্রীত্বরমল্লের অনুরোধে অনুবাদ ও রূপান্তর করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মহাকবি আলাওল সপ্তদশ শতকের আরাকান রাজসভার সবচেয়ে খ্যাতনামা ও প্রতিভাবান কবি এবং তিনি রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার অন্যতম শ্রেষ্ঠ স্রষ্টা। - আরাকান রাজসভার মন্ত্রী মাগন ঠাকুরের উৎসাহে এবং রোসাঙ্গের রাজকর্মচারীদের পৃষ্ঠপোষকতায় তিনি বিভিন্ন ফার্সি ও অবহট্ঠ কাব্য বাংলায় অনুবাদ করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সতীময়ূরক ব্যাখ্যা: এটিও মহাকবি আলাওল রচিত একটি বিখ্যাত কাব্য যা মধ্যযুগের প্রণয়োপাখ্যান ধারার অন্তর্ভুক্ত। উদাহরণ ২: সপ্তপয়েন্দা ব্যাখ্যা: এটি আলাওল রচিত ফার্সি ভাষার কবিতার বাংলা অনুবাদভিত্তিক একটি কাব্যগ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চন্দ্রাবতী — এটি দ্বিজ বংশীদাসের কন্যা মধ্যযুগের প্রথমা কবি চন্দ্রাবতী রচিত একটি বিখ্যাত পালাকাব্য ও রামায়ণ। B) পদ্মাবতী — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো ত্রুটি নেই। C) মধুমালতী — এটি সৈয়দ হামজা বা মুহাম্মদ কবীর রচিত মধ্যযুগের অন্য একটি জনপ্রিয় প্রণয়োপাখ্যান কাব্য। D) লায়লী-মজনু — এটি দৌলত উজীর বাহরাম খান বা শাহ মুহম্মদ সগির রচিত মধ্যযুগের প্রেমের কাব্য। ৫. মনে রাখার টিপস: - মধ্যযুগের শ্রেষ্ঠ রোমান্টিক মুসলিম কবি আলাওলের সবচেয়ে বিখ্যাত কালজয়ী কীর্তি হলো পদ্মাবতী। - মনে রাখার কৌশল হলো আরাকান রাজসভার শ্রেষ্ঠ কবি আলাওল পদ্মাবতী লিখে অমর হয়ে আছেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আলাওলের জন্মস্থান, তার পৃষ্ঠপোষক এবং রচিত গ্রন্থের নাম প্রায়ই আসে। - মধ্যযুগের কবিদের ক্ষেত্রে তাদের পৃষ্ঠপোষকদের নাম মনে রাখা অত্যন্ত জরুরি।
a সুবচন নির্বাসনে
b রক্তাক্ত প্রান্তর
c নূরলদীনের সারাজীবন
d পায়ের আওয়াজ পাওয়া যার
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় ১. কেন সঠিক: পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় নাটকটি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং বাঙালি জাতির গ্রামীণ জীবনের করুণ বাস্তবতার পটভূমিতে রচিত। এই নাটকের মূল বিষয়বস্তু হলো মুক্তিযুদ্ধের প্রাক্কালে ও যুদ্ধের সময়ে সাধারণ মানুষের উৎকণ্ঠা, গ্রাম বাংলার অবক্ষয় এবং পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বরতা। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: নাটকটির রচিয়তা বাংলাদেশের প্রখ্যাত নাট্যকার ও কবি সৈয়দ শামসুল হক। এটি মূলত বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ কাব্যনাট্য যা ১৯৭৬ সালে প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কিঙ্কর মারা গেল ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ শামসুল হকের আরেকটি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক। উদাহরণ ২: ঈর্ষা ব্যাখ্যা: এটিও সৈয়দ শামসুল হকের রচিত একটি মনস্তাত্ত্বিক নাটক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুবচন নির্বাসনে — এটি আবদুল্লাহ আল মামুনের একটি বিখ্যাত নাটক, যা রাজনৈতিক ও সামাজিক অবক্ষয়ের পটভূমিতে রচিত। B) রক্তাক্ত প্রান্তর — এটি মুনীর চৌধুরী রচিত ঐতিহাসিক নাটক, যা পানিপতের তৃতীয় যুদ্ধের পটভূমিতে রচিত। C) নূরলদীনের সারাজীবন — এটি সৈয়দ শামসুল হকের নাটক হলেও তা কৃষক বিদ্রোহের পটভূমিতে রচিত, মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নয়। D) পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় — এটি সঠিক উত্তর। ৫ মনে রাখার টিপস: সৈয়দ শামসুল হকের কাব্যনাট্য মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো যে পায়ে হেঁটে তিনি যুদ্ধের ময়দানে কাব্য রচনা করেছিলেন। পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় এবং কিঙ্কর মারা গেল দুটোই তাঁর বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক এবং ঐতিহাসিক নাটকের মধ্যে পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়। রক্তাক্ত প্রান্তর পানিপতের যুদ্ধ নিয়ে রচিত ঐতিহাসিক নাটক আর পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কাব্যনাট্য।
a পূন্য
b শূণ্য
c ত্রিভুজ
d ভূবন
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ত্রিভুজ ১. কেন সঠিক: - ত্রিভুজ শব্দটিতে যুক্তবর্ণ গঠনে জ-ফলা ব্যবহার করা হয়েছে এবং এর বানান সম্পূর্ণ প্রমিত বাংলা বানানরীতি মেনে সঠিক রয়েছে। - বাংলা বানান নিয়মানুযায়ী অনেক তৎসম ও অর্ধ-তৎসম শব্দে সঠিক নিয়ম মেনে ই-কার ও হ্রস্ব-উ কার ব্যবহার করতে হয়, যা এই শব্দটিতে সঠিকভাবে হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ব্যাকরণের শুদ্ধ বানান ও বানানরীতি অংশের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। - বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী শব্দের বানান নির্ভুল লেখার জন্য ব্যঞ্জনবর্ণের সঠিক ব্যবহার এবং যুক্তবর্ণের সঠিক রূপ জানা আবশ্যক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মুহূর্ত ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতে হ্রস্ব-উ কার এবং হ্রস্ব-উ ব্যবহার করা হয়, যা সঠিক বানানরীতির অন্তর্ভুক্ত। উদাহরণ ২: বুদ্ধিজীবী ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতে উভয় ই-কার হ্রস্ব বা দীর্ঘ ব্যবহারের ক্ষেত্রে প্রমিত নিয়ম অনুসরণ করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পূন্য — এটি ভুল বানান, কারণ শুদ্ধ রূপটি হলো পুণ্য এবং এখানে মূর্ধন্য ণ এর জায়গায় দন্ত্য ন ব্যবহার করলে ভুল হবে। B) শূণ্য — এটি ভুল বানান, কারণ শুদ্ধ রূপটি হলো শূন্য এবং এখানে মূর্ধন্য ণ এর পরিবর্তে দন্ত্য ন ব্যবহার করতে হয়। C) ত্রিভুজ — এটি সঠিক বানান এবং প্রমিত নিয়ম মেনে লেখা হয়েছে। D) ভূবন — এটি ভুল বানান, কারণ শুদ্ধ রূপটি হলো ভুবন এবং এখানে দীর্ঘ উ-কার না হয়ে হ্রস্ব উ-কার হবে। ৫. মনে রাখার টিপস: - পুণ্য ও শূন্য শব্দে দন্ত্য ন ব্যবহার করতে হয় এবং ভুবন শব্দে হ্রস্ব উ-কার হয়, এটি মনে রাখলে বানান ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। - প্রমিত বানান মনে রাখার জন্য নিয়মিত বাংলা একাডেমির বানান অভিধান চর্চা করা উচিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ন এবং ণ এর ভুল কিংবা উ-কার ও দীর্ঘ উ-কারের ভুল দিয়ে প্রায়ই বানান সংক্রান্ত প্রশ্ন করা হয়। - একই নিয়মের অন্যান্য শব্দ যেমন সান্ত্বনা, পিপীলিকা, বুদ্ধিমত্তা ইত্যাদি বানান ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a ব্যাঘ্র
b জলহস্তী
c হরিণ
d সিংহ
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) হরিণ কেন সঠিক: ১. বাংলা শব্দকোষ ও অভিধান মতে 'শম্বর' শব্দের একটি প্রচলিত এবং প্রধান অর্থ হলো হরিণ। ২. প্রাচীন ও মধ্যযুগের বাংলা কাব্যে হরিণ বোঝাতে এই বিশেষ শব্দটির ব্যবহার পাওয়া যায়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. এটি একটি তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ যা বাংলা ভাষায় দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। ২. বাংলা সাহিত্যের নানা পৌরাণিক ও কাব্যিক বর্ণনায় বন্য পশু হিসেবে শম্বরের উল্লেখ থাকে। ৩. যেমন, বনের গভীরে নির্ভয়ে ছুটে চলা শম্বর বা হরিণ শিকারের নানা কাহিনী সাহিত্যে আছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্যাঘ্র — ব্যাঘ্র শব্দের অর্থ হলো বাঘ, যা শম্বর বা হরিণ শব্দের সমার্থক নয়। B) জলহস্তী — জলহস্তী একটি ভিন্ন জলচর ও স্থলচর স্তন্যপায়ী প্রাণী, যা শম্বর পদের সাথে মেলে না। D) সিংহ — সিংহ হলো বনের রাজা বা পশুরাজ, যা হরিণ বা শম্বরের অর্থ প্রকাশ করে না। মনে রাখার টিপস: ১. শম্বর শব্দটি দেখলে মনে রাখবে এটি মূলত একটি চঞ্চল বন্য পশুকে নির্দেশ করে। ২. শ দিয়ে শম্বর এবং হ দিয়ে হরিণ, এভাবে মিলিয়ে মনে রাখা বেশ সহজ।
a নীচ
b ইতর
c নম্র
d ক্ষুদ্র
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নম্র ১. কেন সঠিক: বাকটিতে ছোট শব্দটি মানুষের মনস্তাত্ত্বিক অবস্থান, বিনয় ও অহংকারহীনতাকে প্রকাশ করেছে। এখানে আকারে ছোট হওয়া বোঝায়নি, বরং নিজের বড়াই ত্যাগ করে বিনয়ী হওয়াকে বোঝানো হয়েছে। ২. ব্যাকরণ বা সাহিত্য ব্যাখ্যা: শব্দের রূপক বা প্রতীকী অর্থের ব্যবহারের মাধ্যমে ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়। বাক্যে ব্যবহারের ওপর নির্ভর করে সাধারণ শব্দের অর্থ পরিবর্তিত হয়ে বিশেষ ভাব প্রকাশ করতে পারে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ফল পাকলে গাছের ডাল নুয়ে পড়ে। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে নুয়ে পড়া বা অবনত হওয়া প্রকৃত অর্থে বিনয় বা নম্রতার প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: বিনীত মানুষের কদর সবজায়গায়। ব্যাখ্যা: এখানে বিনীত শব্দটির মাধ্যমে মানুষের নম্র ও ভদ্র আচরণকে সরাসরি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নীচ — নীচ শব্দটি মানুষের হীন মানসিকতা বা অসৎ চরিত্র বোঝাতে ব্যবহৃত হয় যা এখানে প্রযোজ্য নয়। B) ইতর — ইতর শব্দটি সাধারণত নিচ জাত বা অসংস্কৃত মানুষ বোঝাতে ব্যবহৃত হয় যা বাক্যের অর্থের সঙ্গে মেলে না। D) ক্ষুদ্র — ক্ষুদ্র শব্দটি আয়তন, আকৃতি বা পরিমাণগত স্বল্পতা বোঝায় কিন্তু এখানে গুণগত বিনয় প্রকাশ পেয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: বড় হতে হলে নম্র হতে হয়, তাই এই বাক্যে ছোট মানে বিনয় বা নম্রতা। আকৃতির ছোট বোঝাতে এই প্রবাদ বা উক্তিটি ব্যবহার করা হয় না। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রবাদ-প্রবচন বা কবিতার চরণের শব্দার্থ প্রায়ই রূপক অর্থে আসে। শব্দের আক্ষরিক অর্থের চেয়ে বাক্যের ভেতরের ভাবার্থ বা অন্তর্নিহিত অর্থ বের করার অনুশীলন করতে হবে।
a বিশেষ্য
b অব্যয়
c ক্রিয়া
d বিশেষণ
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বিশেষণ ১. কেন সঠিক: - 'চেনা' শব্দটি এখানে 'লোক' বিশেষ্য পদের দোষ বা গুণ প্রকাশ করছে এবং বিশেষ্যের ঠিক পূর্বে বসে তার দোষ, গুণ বা অবস্থা বোঝাচ্ছে। - ব্যাকরণগত নিয়মানুযায়ী, যে পদ বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের দোষ, গুণ, অবস্থা, সংখ্যা বা পরিমাণ প্রকাশ করে তাকে বিশেষণ পদ বলে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - যে পদ কোনো বিশেষ্য, সর্বনাম বা ক্রিয়া পদের দোষ, গুণ, অবস্থা, সংখ্যা, পরিমাণ বা বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে তাকে বিশেষণ পদ বলে। - পদ প্রকরণে বিশেষণের কাজ হলো অন্য পদের বিশেষত্ব বা বৈশিষ্ট্য নির্দেশ করা, যা বাক্যের অর্থকে আরও স্পষ্ট করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: এটি একটি ফুটন্ত ফুল। ব্যাখ্যা: এখানে 'ফুটন্ত' শব্দটি 'ফুল' বিশেষ্যের অবস্থা প্রকাশ করায় এটি বিশেষণ পদ হয়েছে। উদাহরণ ২: সবুজ ঘাস দেখতে ভালো লাগে। ব্যাখ্যা: এখানে 'সবুজ' শব্দটি 'ঘাস' বিশেষ্যের রঙ বা গুণ প্রকাশ করায় এটি বিশেষণ পদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিশেষ্য — 'চেনা' কোনো নাম, স্থান বা বস্তুর নাম বোঝাচ্ছে না, বরং বিশেষ্যের বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করছে। B) অব্যয় — 'চেনা' পদের সাথে অব্যয় পদের কোনো সাদৃশ্য নেই কারণ এর রূপ পরিবর্তিত হতে পারে। C) ক্রিয়া — বাক্যে 'চেনা' শব্দটি কোনো কাজ সম্পন্ন করার ভাব প্রকাশ করছে না, বরং বিশেষ্যের গুণ বোঝাচ্ছে। D) বিশেষণ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি বিশেষ্য পদের গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - কোনো শব্দের পরে বিশেষ্য পদ থাকলে এবং সেই শব্দটি যদি বিশেষ্যের আগে বসে তার অবস্থা বোঝায়, তবে তা বিশেষণ পদ হবে। - চেনা, জানা, পচা, ভাঙা—এ ধরনের শব্দগুলো বাক্যে বিশেষ্যের আগে বসলে সাধারণত বিশেষণ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কৃদন্ত বিশেষণ বা ধাতুজ বিশেষণ শনাক্ত করার ক্ষেত্রে এই নিয়মটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। - সমাস ও পদ নির্ণয়ের সময় পদের পারস্পরিক সম্পর্ক খেয়াল রাখতে হবে।
a পর্তুগিজ
b ফারসি
c পাঞ্জাবি
d ওলন্দাজ
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পর্তুগিজ ১. কেন সঠিক: - গির্জা শব্দটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে এবং এটি একটি বিদেশি শব্দ। - পর্তুগাল থেকে আসা ধর্ম প্রচারকরা খ্রিস্টধর্মের উপাসনালয় বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহার করতেন। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বিদেশি শব্দ হলো সেই শব্দ যা অন্য ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় প্রবেশ করে প্রমিত রূপ লাভ করেছে। - বাংলা ভাষায় পর্তুগিজ ভাষা থেকে অনেক ধর্মানুষ্ঠান, প্রশাসন ও দৈনন্দিন জীবনের শব্দ এসেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পাদ্রি ব্যাখ্যা: এটি একটি পর্তুগিজ শব্দ যা খ্রিস্টধর্মের যাজক বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: সাবান ব্যাখ্যা: এটি প্রাত্যহিক ব্যবহারের একটি পর্তুগিজ শব্দ যা বাংলা ভাষায় ব্যাপকভাবে প্রচলিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পর্তুগিজ — এই অপশনটি সঠিক কারণ গির্জা শব্দটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে সরাসরি বাংলা ভাষায় গৃহীত হয়েছে। B) ফারসি — ফারসি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় প্রশাসনিক ও সাংস্কৃতিক শব্দ এসেছে, কিন্তু গির্জা ফারসি শব্দ নয়। C) পাঞ্জাবি — পাঞ্জাবি ভাষা থেকে কিছু আঞ্চলিক শব্দ বাংলায় এসেছে, তবে গির্জা এই ভাষার অন্তর্গত নয়। D) ওলন্দাজ — ওলন্দাজ ভাষা থেকে তাস খেলার কিছু শব্দ বা মুদ্রার নাম এসেছে, গির্জা ওলন্দাজ শব্দ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - পর্তুগিজ শব্দ মনে রাখার সহজ উপায় হলো ধর্ম ও দৈনন্দিন জীবনের কিছু নির্দিষ্ট শব্দ যেমন গির্জা, পাদ্রি ও সাবান একসঙ্গে মনে রাখা। - বিদেশি শব্দের উৎস মনে রাখতে শব্দগুলোর ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট খেয়াল রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, বিশেষ করে পর্তুগিজ ও আরবি-ফারসি শব্দ থেকে। - ধর্মীয় উপাসনালয় সম্পর্কিত বিদেশি শব্দ যেমন গির্জা বা প্যাগোডা ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a কর্তায় ৭মী
b কর্মে ৭মী
c অপাদানে শূন্য
d অধিকরণে ৭মী
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অধিকরণে ৭মী কেন সঠিক: ১. 'পড়াশোনায়' শব্দটিতে ক্রিয়ার আধার বা বিষয় বোঝানো হয়েছে, যা অধিকরণ কারকের মূল বৈশিষ্ট্য। ২. এই শব্দটির সাথে অন্তস্থ অ বা এ বিভক্তি যুক্ত আছে, যা ৭মী বিভক্তির নির্দেশক। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. ক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার স্থান, কাল বা বিষয়কে অধিকরণ কারক বলা হয়। ২. এখানে পড়াশোনা হলো এমন একটি বিষয় যাতে মনোযোগ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। ৩. যেমন বনে বাঘ থাকে, এখানে বনে হলো অধিকরণে ৭মী বিভক্তি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্তায় ৭মী — বাক্যটিতে পড়াশোনা কোনো স্বাধীন বা প্রধান কর্তা নয় বরং এটি ক্রিয়ার বিষয়। B) কর্মে ৭মী — এখানে যাকে আশ্রয় করে ক্রিয়া সম্পাদিত হয় তা বোঝাচ্ছে না বরং পড়ার বিষয় বোঝাচ্ছে। C) অপাদানে শূন্য — অপাদান কারকে বিচ্যুত বা ভয়ের অর্থ প্রকাশ পায় কিন্তু এখানে তা নেই। D) অধিকরণে ৭মী — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি বিষয় এবং ৭মী বিভক্তি নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: ১. বাক্যের ক্রিনাকে কোথায় বা কিসে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায় তা অধিকরণ কারক। ২. এ বা তে বিভক্তি যুক্ত থাকলে সাধারণত তা ৭মী বিভক্তি হিসেবে গণ্য করা হয়।
a কর্মধারয়
b তৎপুরুষ
c বহুব্রীহি
d দ্বিগু
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বহুব্রীহি কেন সঠিক: ১. 'বেওয়ারিশ' শব্দটিতে 'বে' উপসর্গটি না অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে এবং এটি অন্য কোনো পদের অর্থ প্রকাশ করে। ২. সমাস নিষ্পন্ন এই পদটিতে পূর্বপদ বা পরপদের অর্থ না বুঝিয়ে সম্পূর্ণ নতুন একটি অর্থ বা অন্য কোনো বিশেষ অর্থ বোঝানো হয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. যে সমাসে পূর্বপদ বা পরপদের অর্থ প্রাধান্য না পেয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন কোনো অর্থ প্রকাশিত হয়, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে। ২. এই ক্ষেত্রে ব্যাসবাক্য হলো, ওয়ারিশ নাই যার, অর্থাৎ যার কোনো উত্তরাধিকারী বা ওয়ারিশ নেই। ৩. বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ হিসেবে যেমন বেহায়া বা নির্বোধ শব্দগুলো বিবেচনা করা যায়, ঠিক তেমনি বেওয়ারিশ শব্দটি ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্মধারয় — কর্মধারয় সমাসে বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে পরপদের অর্থ প্রধান হয়, কিন্তু এখানে অন্য পদ প্রধান হয়েছে। B) তৎপুরুষ — তৎপুরুষ সমাসে সাধারণত বিভক্তির লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রাধান্য পায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) বহুব্রীহি — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে অন্য পদের অর্থ প্রকাশ পায় এবং এটি এই সমাসের নিয়ম মেনে চলে। D) দ্বিগু — দ্বিগু সমাসে সংখ্যাবাচক শব্দের সাথে বিশেষ্য পদের সমাস হয় এবং সমাহার বোঝায়, যা এখানে নেই। মনে রাখার টিপস: ১. শব্দের শুরুতে 'বে' বা 'না' বোধক উপসর্গ থেকে যদি অন্য কোনো নতুন অর্থ প্রকাশ পায়, তবে চোখ বন্ধ করে বহুব্রীহি সমাস দাগাবে। ২. ব্যাসবাক্যের শেষে 'যাহার' বা 'যার' শব্দ থাকলে এবং তা দিয়ে কোনো ব্যক্তিকে বা বস্তুকে বোঝালে সেটি বহুব্রীহি সমাস হয়।
a শতবার্ষিকী
b মধুমাখা
c পলান্ন
d দিনকতক
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) শতবার্ষিকী ১. কেন সঠিক: যে সমাসে সংখ্যাবাচক শব্দের সঙ্গে বিশেষ্য পদের সমাস হয় এবং এর মাধ্যমে সমাহার বা সমষ্টি বোঝায়, তাকে দ্বিগু সমাস বলে। শতবার্ষিকীর ব্যাসবাক্য হলো শত অব্দের সমাহার, যা সমষ্টি বা সমাহার বোঝাচ্ছে এবং এর পদটি বিশেষ্য পদ হিসেবে গণ্য হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: যে সমাসে সংখ্যাবাচক শব্দের পূর্বে থেকে সমাহার বা সমষ্টি বোঝায় এবং সমস্তপদটি বিশেষ্য পদ হয়, তাকে দ্বিগু সমাস বলে। দ্বিগু সমাসে সমাসনিষ্পন্ন পদটি সাধারণত বিশেষ্য পদ হয় এবং এর শেষ অংশটি প্রধান থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ত্রিফলার সমাহার = ত্রিফলা। ব্যাখ্যা: এখানে ত্রি (তিন) সংখ্যাবাচক শব্দের সঙ্গে ফলের সমাহার বোঝানো হয়েছে। উদাহরণ ২: চৌরাস্তার সমাহার = চৌরাস্তা। ব্যাখ্যা: এখানে চৌ (চার) সংখ্যাবাচক শব্দের সঙ্গে রাস্তার সমাহার বা সমষ্টি বোঝানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শতবার্ষিকী — এটি দ্বিগু সমাসের সঠিক উদাহরণ। B) মধুমাখা — এটি তৃতীয় তৎপুরুষ সমাস, যার ব্যাসবাক্য মধু দ্বারা মাখা। C) পলান্ন — এটি মধ্যপদলুপী ধকর্মধারয় সমাস, যার ব্যাসবাক্য পলে মিশ্রিত অন্ন। D) দিনকতک — এটি অব্যয়ীভাব সমাসের উদাহরণ, যা কিঞ্চিৎ দিন বা অল্প দিন অর্থে ব্যবহৃত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: সংখ্যাবাচক শব্দ দিয়ে শুরু হয়ে যদি সমষ্টি বা সমাহার বোঝায় এবং সমস্তপদটি বিশেষ্য হয়, তবে চোখ বন্ধ করে দ্বিগু সমাস দাগাবে। তবে খেয়াল রাখবে সমস্তপদটি যেন অবশ্যই বিশেষ্য পদ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দ্বিগু ও সংখ্যাবাচক বহুব্রীহি সমাসের মধ্যে পার্থক্য প্রায়ই আসে। সমাহার বোঝালে দ্বিগু সমাস হয় এবং অন্য পদ বোঝালে সংখ্যাবাচক বহুব্রীহি হয়।
a বাদশানী
b বেগম
c সম্রাজ্ঞী
d রানি
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বেগম ১. কেন সঠিক: - বাদশা শব্দের স্ত্রীবাচক বা লিঙ্গান্তর রূপ হলো বেগম। - এটি ফারসি ভাষার শব্দ এবং আমাদের সংস্কৃতিতে অত্যন্ত পরিচিত একটি জোড়াবাচক শব্দ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে কিছু বিশেষ নিয়মে বা বিদেশি শব্দের ক্ষেত্রে ব্যাকরণের সাধারণ নিয়ম না মেনে স্ত্রীবাচক শব্দ গঠিত হয়। - বাদশার ক্ষেত্রে কোনো প্রত্যয় যুক্ত না হয়ে সম্পূর্ণ আলাদা শব্দ হিসেবে বেগম ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: খাঁন - বেগম ব্যাখ্যা: এটি উপাধি বা সামাজিক পদমর্যাদা নির্দেশক জোড়া শব্দ। উদাহরণ ২: শাহ - বেগম ব্যাখ্যা: রাজকীয় বা ঐতিহাসিক ক্ষেত্রে এই ফারসি শব্দের জোড়া ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাদশানী — বাদশার সঙ্গে অপ্রচলিত বা ভুল প্রত্যয় যুক্ত করে এই শব্দ তৈরি করা হয়েছে যা বাংলা ব্যাকরণে গ্রহণযোগ্য নয়। B) বেগম — এটি সঠিক উত্তর। C) সম্রাজ্ঞী — সম্রাজ্ঞী হলো সম্রাট শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ, বাদশা শব্দের নয়। D) রানি — রানি হলো রাজা শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ, বাদশা শব্দের ক্ষেত্রে এটি প্রমিত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিদেশি রাজকীয় উপাধি যেমন বাদশা, শাহ বা নবাবের ক্ষেত্রে স্ত্রীবাচক শব্দ সাধারণত বেগম হয়। - রাজা শব্দের ক্ষেত্রে রানি এবং সম্রাট শব্দের ক্ষেত্রে সম্রাজ্ঞী ব্যবহার করতে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দের লিঙ্গান্তর প্রায়ই আসে। - লিঙ্গ পরিবর্তনের সময় শব্দের উৎস বা ঐতিহ্যগত রূপ মাথায় রাখতে হবে।
a পুর + কার
b পূর + কার
c পুরঃ + কার
d ঘপুরসঃ + কার
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পুরঃ + কার ১. কেন সঠিক: - পুরস্কার শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ হলো পুরঃ + কার, যা বিসর্গ সন্ধির নিয়মে সাধিত হয়েছে। - বিসর্গ সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী বিসর্গের পর ক, খ, প বা ফ থাকলে বিসর্গের স্থানে দন্ত্য স হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিসর্গ (ঃ) এবং অ-কার বা আ-কারের পরে যদি ক, খ, প, ফ থাকে তবে বিসর্গের স্থানে স হয়। - এখানে পুরঃ শব্দের শেষে বিসর্গ এবং কার শব্দের শুরুতে ক থাকায় নিয়ম অনুযায়ী বিসর্গটি স এ রূপান্তরিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নমঃ + কার = নমস্কার ব্যাখ্যা: বিসর্গের পর ক থাকার কারণে বিসর্গ পরিবর্তিত হয়ে দন্ত্য স হয়েছে। উদাহরণ ২: ভাঃ + কর = ভাস্কর ব্যাখ্যা: এটিও বিসর্গ সন্ধির নিয়মে সাধিত শব্দের একটি সুন্দর উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পুর + কার — এটি সঠিক নয় কারণ এখানে বিসর্গ বা স এর কোনো উল্লেখ নেই এবং নিয়ম মানা হয়নি। B) পূর + কার — এটি ভুল কারণ পূর শব্দটিতে দীর্ঘ ঊ-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা মূল শব্দের সঙ্গে মেলে না। C) পুরঃ + কার — এটি সঠিক উত্তর। D) ঘপুরসঃ + কার — এটি সম্পূর্ণ ভুল এবং অর্থহীন একটি অপশন। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিসর্গের পর ক, খ, প, ফ দেখলে বিসর্গ তুলে সেখানে দন্ত্য স বসিয়ে শব্দ তৈরি করতে হয়। - পুরস্কার, নমস্কার, ভাস্কর শব্দগুলো একই নিয়মে গঠিত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসর্গ সন্ধি থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - নিয়মের ব্যতিক্রম এবং সঠিক বানান সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা রাখতে হবে।
a জেষ্ঠ্য
b জ্যেষ্ঠ
c জোষ্ঠ্য
d জ্যাষ্ঠ
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জ্যেষ্ঠ ১. কেন সঠিক: - সঠিক বানানটি হলো জ্যেষ্ঠ, যার মধ্যে মূর্ধন্য ষ এবং ঠ যুক্ত বর্ণ রয়েছে। - বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী ট বর্গীয় ধ্বনির আগে মূর্ধন্য ষ ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী ট এবং ঠ এর পূর্বে সর্বদা মূর্ধন্য ষ বসে। - এই শব্দটিতে ষ এর সাথে ঠ যুক্ত হয়েছে, তাই এখানে দন্ত স বা তালব্য শ ব্যবহার করলে বানান ভুল হবে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কষ্ট ব্যাখ্যা: ট বর্গীয় ধ্বনি ট এর পূর্বে মূর্ধন্য ষ ব্যবহৃত হয়ে এই শব্দটি গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: স্পষ্ট ব্যাখ্যা: প এর পর ট থাকায় এবং নিয়ম অনুসারে এখানে মূর্ধন্য ষ এর ব্যবহার সঠিক বানান নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জেষ্ঠ্য — এই বানানে এ কার ব্যবহার করা হয়েছে এবং ষ এর সাথে জ ফলা দেওয়া হয়েছে যা ভুল। B) জ্যেষ্ঠ — এটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী গঠিত শব্দ। C) জোষ্ঠ্য — এই বানানে ও কার এবং জ ফলা ব্যবহারের কারণে বানানটি ভুল হয়েছে। D) জ্যাষ্ঠ — এই বানানে জ ফলা এবং আকারের ভুল প্রয়োগ রয়েছে, তাই এটি অশুদ্ধ। ৫. মনে রাখার টিপস: - ট ঠ ড ঢ এর সাথে যুক্ত হলে সর্বদা মূর্ধন্য ষ ব্যবহার করতে হয়। - জেষ্ঠ্য বা জোষ্ঠ্য লেখার সময় জ এর সাথে এককার বা ওকার দেওয়া যাবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ট বর্গীয় ধ্বনির আগের বানানগুলোতে মূর্ধন্য ষ এর ব্যবহার থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - এই নিয়মটি আয়ত্ত করলে কনিষ্ঠ, শ্রেষ্ঠ বা পুষ্টির মতো বানানগুলোও সহজেই শুদ্ধ করা সম্ভব।
a এন. বি. হ্যালহেড
b উইলিয়াম কেরী
c ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ
d উত্তর নাই
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উত্তর নাই ১. কেন সঠিক: এই প্রশ্নটিতে প্রদত্ত সঠিক উত্তর ডি অর্থাত্ উত্তর নাই নির্ধারিত হয়েছে কারণ বাংলা ভাষার প্রথম ব্যাকরণ রচয়িতা ম্যানুয়েল দা আসসুম্পসাঁও, যিনি ১৭৪৩ সালে পর্তুগীজ ভাষায় প্রথম বাংলা ব্যাকরণ রচনা করেন। অপশনগুলোতে ম্যানুয়েল দা আসসুম্পসাঁও-এর নাম না থাকায় প্রদত্ত উত্তর ডি সঠিক এবং এই বিশেষ ক্ষেত্রে প্রশ্নকর্তার দেওয়া উত্তর সঠিক বলে বিবেচিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: ম্যানুয়েল দা আসসুম্পসাঁও একজন পর্তুগীজ ধর্মযাজক যিনি ১৭৪৩ সালে লিসবন থেকে ভোকাবুলারিও এম ইদিওমা বঙ্গাল ই পর্তুগীজ প্রকাশ করেন যা বাংলা ভাষার প্রথম ব্যাকরণ ও শব্দসংকলন গ্রন্থ। এন বি হ্যালহেড ১৭৭৮ সালে এ গ্রামার অফ দ্য বেঙ্গল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রকাশ করেন যা ইংরেজি ভাষায় রচিত প্রথম বাংলা ব্যাকরণ এবং উইলিয়াম কেরী ১৮০১ সালে মারাঠি ও বাংলা ব্যাকরণ প্রকাশ করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভোকাবুলারিও এম ইদিওমা বঙ্গাল ই পর্তুগীজ ব্যাখ্যা: এটি ম্যানুয়েল দা আসসুম্পসাঁও রচিত প্রথম বাংলা ব্যাকরণের নাম। উদাহরণ ২: এ গ্রামার অফ দ্য বেঙ্গল ল্যাঙ্গুয়েজ ব্যাখ্যা: এটি এন বি হ্যালহেড রচিত প্রথম ইংরেজি ভাষায় প্রকাশিত বাংলা ব্যাকরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) এন বি হ্যালহেড — ইনি বাংলা ভাষায় প্রথম ব্যাকরণ রচনা করেননি বরং ইনি ইংরেজি ভাষায় প্রথম বাংলা ব্যাকরণ রচনা করেছেন। B) উইলিয়াম কেরী — ইনি বাংলা ভাষার প্রথম ব্যাকরণ রচয়িতা নন কারণ উনি বাংলা ব্যাকরণ রচনা করেছেন আরও অনেক পরে উনিশ শতকের শুরুতে। C) ড মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ — ইনি প্রাচীন ও মধ্যযুগের বাংলা ভাষা নিয়ে গবেষণা করেছেন তবে প্রথম বাংলা ব্যাকরণ রচয়িতা নন। D) উত্তর নাই — এই অপশনটি সঠিক কারণ মূল রচয়িতা ম্যানুয়েল দা আসসুম্পসাঁও অন্য কোনো অপশনে উপস্থিত নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: বাংলা ভাষার প্রথম ব্যাকরণ লিখেছিলেন একজন বিদেশি পাদ্রি ম্যানুয়েল দা আসসুম্পসাঁও তাই তাঁর নাম না থাকলে উত্তর হবে কোনটিই নয়। ইংরেজিতে প্রথম ব্যাকরণ লেখেন হ্যালহেড এবং এই তথ্যটি মনে রাখলে পরীক্ষাতে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ভাষার প্রথম ব্যাকরণ প্রকাশিত হয় ১৭৪৩ সালে এবং এটি রোমান হরফেই মুদ্রিত হয়েছিল। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্নে লেখক ও প্রকাশের সাল খুব ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
a 1910
b 1911
c 1912
d 1913
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৯১০ ১. কেন সঠিক: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত 'গীতাঞ্জলি' কাব্যগ্রন্থটি বাংলা ১৩১৭ সনের কার্তিক মাসে অর্থাৎ ইংরেজি ১৯১০ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়। এই কাব্যগ্রন্থে মোট ১৫৭ টি গান ও কবিতা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে যা মূলত ভক্তি ও আধ্যাত্মিক চেতনার এক অনন্য প্রকাশ। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ছিলেন বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ কবি, ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার যিনি ১৯১৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তাঁর 'গীতাঞ্জলি' কাব্যগ্রন্থের ইংরেজি অনুবাদের মাধ্যমেই মূলত তিনি বিশ্বসাহিত্যের দরবারে পরিচিতি লাভ করেন এবং এশিয়ার প্রথম নোবেলজয়ী হন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'সোনার তরী' কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয় ১৮৯৪ সালে। ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রকৃতির রহস্য ও জীবনের দর্শন সংবলিত একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ। উদাহরণ ২: 'মানসী' কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয় ১৮৯০ সালে। ব্যাখ্যা: এই কাব্যগ্রন্থটির মাধ্যমেই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রোমান্টিক ধারার কবিতার পূর্ণ বিকাশ ঘটে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯১০ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এই সনেই 'গীতাঞ্জলি' কাব্যগ্রন্থটি প্রথম বাংলা সংস্করণে প্রকাশিত হয়। B) ১৯১১ — এই সালটি 'গীতাঞ্জলি' প্রকাশের সঙ্গে সম্পর্কিত নয় বরং এটি ভারতের রাজধানী পরিবর্তন সংক্রান্ত ঐতিহাসিক বছর। C) ১৯১২ — এই সালে 'গীতাঞ্জলি' কাব্যের ইংরেজি অনুবাদ 'Song Offerings' প্রকাশিত হয় যা নোবেল পুরস্কার এনে দেয়। D) ১৯১৩ — এই সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর 'গীতাঞ্জলি' এর জন্য সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন, প্রকাশের সাল এটি নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: রবীন্দ্রনাথের 'গীতাঞ্জলি' প্রকাশের সাল মনে রাখতে মনে রাখতে পারো যে এটি ১৯১০ সালে প্রকাশিত হয় এবং ঠিক তিন বছর পর ১৯১৩ সালে নোবেল পুরস্কার পায়। সাহিত্যিক তথ্যের ক্ষেত্রে প্রকাশের সাল এবং নোবেল প্রাপ্তির সাল আলাদা করে মনে রাখা জরুরি। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় 'গীতাঞ্জলি' বাংলা প্রকাশের সাল (১৯১০) এবং ইংরেজি অনুবাদের প্রকাশের সাল (১৯১২) প্রায়ই বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে। তাই মূল বাংলা কাব্যগ্রন্থ এবং এর ইংরেজি অনুবাদের প্রকাশকাল আলাদা করে মনে রাখা আবশ্যক।
a বর্ণ
b শব্দ
c বাক্য
d ভাষা
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ভাষা ১. কেন সঠিক: মানুষের মুখ থেকে উচ্চারিত অর্থবোধক এবং মনোভাব প্রকাশের মাধ্যমকেই ভাষা বলা হয়। ধ্বনির সাহায্যে মনের ভাব সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ করার যোগ্য মাধ্যম হলো ভাষা। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: ভাষা হলো মানুষের মুখ থেকে উচ্চারিত অর্থপূর্ণ ধ্বনি বা ধ্বনিসমষ্টির এমন এক সুসংবদ্ধ রূপ যা ভাবের আদান-প্রদান নিশ্চিত করে। এটি মানব সমাজের যোগাযোগের সবচেয়ে শক্তিশালী এবং প্রধান বাহন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলা ভাষা ব্যাখ্যা: এটি বাঙালি জাতির যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম এবং আমাদের মাতৃভাষা। উদাহরণ ২: ইংরেজি ভাষা ব্যাখ্যা: এটি আন্তর্জাতিক যোগাযোগের জন্য বিশ্বজুড়ে ব্যবহৃত একটি প্রধান ভাষা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বর্ণ — বর্ণ হলো ভাষার লিখিত রূপ বা চিহ্নের প্রতীক, যা ধ্বনির প্রকাশ ঘটায়। এটি শুধু উচ্চারিত অর্থবোধক ধ্বনিসমষ্টি নয়। B) শব্দ — শব্দ হলো এক বা একাধিক ধ্বনির সমন্বয়ে গঠিত অর্থবোধক একক। তবে এটি পূর্ণাঙ্গভাবে মানুষের মনের ভাব প্রকাশের সম্পূর্ণ মাধ্যম বা ভাষা নয়। C) বাক্য — বাক্য হলো পদের সমন্বয়ে গঠিত অর্থপূর্ণ প্রকাশ, যা ভাষার একটি অংশ হলেও সরাসরি উচ্চারিত ধ্বনিসমষ্টির সামগ্রিক রূপ বোঝায় না। D) ভাষা — এটি সঠিক কারণ এটি মানুষের মুখ থেকে উচ্চারিত অর্থবোধক ও মনোভাব প্রকাশক ধ্বনি সমষ্টিকে নির্দেশ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: মনের ভাব প্রকাশের মাধ্যমই হলো ভাষা। মনে রাখবে, অর্থপূর্ণ ধ্বনি যখন মানুষের মুখ থেকে বেরিয়ে মনের ভাব প্রকাশ করে, তখন তাকে ভাষা বলা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ভাষা প্রকাশের মৌলিক মাধ্যম হলো ধ্বনি। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাষা ও ধ্বনির সংজ্ঞা সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে, তাই সংজ্ঞাগুলো খুব ভালোভাবে মনে রাখবে।
a ব্রাহ্মী
b কুটিল
c খরোষ্ঠী
d নাগরী
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ব্রাহ্মী ১. কেন সঠিক: ব্রাহ্মী লিপি হলো ভারতীয় উপমহাদেশের প্রাচীনতম এবং মৌলিক লিপি, যেখান থেকে বাংলা, দেবনাগরীসহ প্রায় সব ভারতীয় লিপির উৎপত্তি হয়েছে। প্রাচীনকালে সম্রাট অশোকের শিলালিপিতে এই লিপির ব্যাপক ব্যবহার দেখা যায় এবং এটি ভারতীয় লিপিবিদ্যার মূল উৎস হিসেবে স্বীকৃত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: ভাষা, উপভাষা ও বাংলা ভাষার ইতিহাস সম্পর্কিত এই প্রশ্নে বাংলা লিপির উৎস আলোচনা করা হয়েছে। বাংলা লিপি সরাসরি ব্রাহ্মী লিপি থেকে বিবর্তিত হয়ে কুষাণ ও গুপ্ত লিপির মাধ্যমে আজকের রূপ লাভ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অশোকের শিলালিপি ব্যাখ্যা: এটি ব্রাহ্মী লিপির প্রাচীনতম ও ঐতিহাসিক নিদর্শনগুলোর অন্যতম। উদাহরণ ২: বাংলা বর্ণমালা ব্যাখ্যা: বাংলা বর্ণমালার প্রতিটি বর্ণ ব্রাহ্মী লিপির পূর্বাঞ্চলীয় রূপ থেকে বিবর্তিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্রাহ্মী — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটিই ভারতীয় উপমহাদেশের মৌলিক লিপি। B) কুটিল — এটি ব্রাহ্মী লিপির পরবর্তী বিবর্তিত রূপ বা স্টাইল, মৌলিক লিপি নয়। C) খরোষ্ঠী — এটি প্রাচীন ভারতের আরেকটি লিপি হলেও এটি ডান থেকে বামে লেখা হতো এবং এটি মৌলিক লিপি হিসেবে স্বীকৃত নয়। D) নাগরী — এটি ব্রাহ্মী থেকে উদ্ভূত একটি লিপি, যা উত্তর ভারতে ব্যবহৃত হয় এবং এটি মৌলিক লিপি নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: সব লিপির আদি জননী হলো ব্রাহ্মী, তাই ভারতীয় মৌলিক লিপি বললে সবার আগে ব্রাহ্মী লিপির কথা মনে রাখতে হবে। লিপির বিবর্তনের ধারা মনে রাখতে ব্রাহ্মী থেকে কুটিল হয়ে আধুনিক লিপি এসেছে, এই ক্রমটি খেয়াল রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা লিপির জন্ম ও বিকাশ সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ভারতীয় সব আধুনিক লিপির উৎস যে ব্রাহ্মী লিপি, এই মৌলিক তথ্যটি মনে রাখা জরুরি।
a চণ্ডীদাস
b বড়ু চণ্ডীদাস
c দ্বিজ চণ্ডীদাস
d দীন চণ্ডীদাস
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বড়ু চণ্ডীদাস ১. কেন সঠিক: - শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের ভণিতায় অনন্ত বড়ু চণ্ডীদাস বা বড়ু চণ্ডীদাস নামটি পাওয়া যায়। - বড়ু চণ্ডীদাস এই কাব্যের একমাত্র এবং নিশ্চিত রচয়িতা হিসেবে সাহিত্য ইতিহাসে স্বীকৃত। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শ্রীকৃষ্ণকীর্তন বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের আদি নিদর্শন এবং শ্রীকৃষ্ণকীর্তন পুঁথি আবিষ্কার করেন বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ। - ১৯০৯ সালে বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরের বসন্তকুমার পাল নামক এক গৃহস্থের গোয়ালঘর থেকে এই প্রাচীন পুঁথি আবিষ্কৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বড়ু চণ্ডীদাস রচিত শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যটি মূলত রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমের কাহিনী নিয়ে রচিত একটি নাটকীয় গীতি কাব্য। ব্যাখ্যা: এই কাব্যের চরিত্র মূলত তিনটি namely রাধা, কৃষ্ণ ও বড়াই। উদাহরণ ২: মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে বৈষ্ণব পদাবলীর আদি রচয়িতা হিসেবেও চণ্ডীদাস পরিচিত। ব্যাখ্যা: তবে শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের রচয়িতা হিসেবে নির্দিষ্টভাবে বড়ু চণ্ডীদাসের নামই ঐতিহাসিক ও সাহিত্যিক প্রমাণে সর্বসম্মত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চণ্ডীদাস — চণ্ডীদাস নামে একাধিক কবি মধ্যযুগে কাব্য রচনা করেছেন এবং এদের মধ্যে বড়ু চণ্ডীদাস ভিন্ন একজন পদকর্তা। B) বড়ু চণ্ডীদাস — এটি সঠিক উত্তর এবং তিনি শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের ভণিতায় নিজের নাম রেখে গেছেন। C) দ্বিজ চণ্ডীদাস — দ্বিজ চণ্ডীদাস মূলত বৈষ্ণব পদাবলীর সঙ্গে যুক্ত এবং তিনি শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের রচয়িতা নন। D) দীন চণ্ডীদাস — দীন চণ্ডীদাস নামেও মধ্যযুগে একজন পদকর্তা ছিলেন যিনি শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের সঙ্গে সম্পর্কিত নন। ৫. মনে রাখার টিপস: - বড়ু মানে বড় বা প্রাচীন এবং শ্রীকৃষ্ণকীর্তন হলো বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম প্রাপ্ত কাব্য যার রচয়িতাও বড়ু চণ্ডীদাস। - চণ্ডীদাস নামের একাধিক কবি থাকলেও শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের সঙ্গে সর্বদা বড়ু উপাধি যুক্ত করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যটি বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ ১৯০৯ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে প্রথম প্রকাশ করেন। - এই কাব্যের খণ্ড সংখ্যা মোট তেরোটি এবং এটি রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমের বিভিন্ন পর্যায় নিয়ে গঠিত।
a শ্রীচৈতন্যদেব
b শ্রীকৃষ্ণ
c আদিনাথ
d ঘমনোহর দাশ
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) শ্রীচৈতন্যদেব ১. কেন সঠিক: মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে শ্রীচৈতন্যদেবের প্রভাব সবচেয়ে বেশি কারণ তাঁর জীবন ও ধর্মীয় আন্দোলনকে কেন্দ্র করে বাংলা ভাষায় এক বিশাল বৈষ্ণব পদাবলি সাহিত্য গড়ে ওঠে। চৈতন্যদেব নিজে কোনো গ্রন্থ রচনা না করলেও তাঁর প্রভাবে বাংলা ও সংস্কৃত ভাষায় অসংখ্য জীবনীকাব্য, পদাবলি এবং ভক্তিমূলক সাহিত্য রচিত হয় যা মধ্যযুগের সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: শ্রীচৈতন্যদেব হলেন বৈষ্ণব ধর্মের প্রবর্তক এবং খ্রিষ্টীয় ষোড়শ শতকের এক মহান সমাজ সংস্কারক ও ধর্মপ্রচারক যিনি নদীয়া অঞ্চলের নবদ্বীপে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁকে কেন্দ্র করে রচিত চৈতন্যচরিতামৃত, শ্রীচৈতন্যভাগবত এবং চণ্ডীদাস ও বিদ্যাপতির পদাবলি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের প্রধান অমূল্য সম্পদ হিসেবে বিবেচিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বৃন্দাবন দাসের শ্রীচৈতন্যভাগবত। ব্যাখ্যা: এটি শ্রীচৈতন্যদেবের জীবনের ওপর রচিত প্রথম ও প্রামাণিক বাংলা জীবনীগ্রন্থ। উদাহরণ ২: কৃষ্ণদাস কবিরাজের শ্রীচৈতন্যচরিতামৃত। ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং দার্শনিক তত্ত্বে সমৃদ্ধ একটি মহাকাব্যতুল্য জীবনীগ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শ্রীচৈতন্যদেব — এটি সঠিক উত্তর, কারণ মধ্যযুগের ধর্মান্দোলন ও সাহিত্যে তাঁর প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ প্রভাব সবচেয়ে সুদূরপ্রসারী ছিল। B) শ্রীকৃষ্ণ — শ্রীকৃষ্ণ কোনো ধর্মপ্রচারক নন, বরং তিনি হিন্দুধর্মের পৌরাণিক অবতার ও বৈষ্ণব সাহিত্যের প্রধান আরাধ্য দেবতা। C) আদিনাথ — আদিনাথ বা শিব এবং নাথসাহিত্যের সঙ্গে এই ধর্মপ্রচারক ও সাহিত্যিক রূপান্তরের সরাসরি কোনো ঐতিহাসিক সংযোগ নেই। D) ঘমনোহর দাশ — ঘমনোহর দাশ বা যদুনন্দন দাস প্রমুখ বৈষ্ণব পদকর্তা হলেও তাঁরা মধ্যযুগের ধর্মপ্রবর্তক ছিলেন না, বরং অনুসারী ছিলেন। ৫. মনে রাখার টিপস: মধ্যযুগ মানেই বৈষ্ণব পদাবলি আর বৈষ্ণব ধর্ম মানেই শ্রীচৈতন্যদেব। চৈতন্যদেবের ভক্তি আন্দোলনকে কেন্দ্র করেই মূলত মধ্যযুগের সাহিত্য বিকশিত হয়েছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের যুগবিভাগ এবং চৈতন্যদেব সম্পর্কিত জীবনীকাব্যগুলো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। চৈতন্যদেবকে কেন্দ্র করে রচিত জীবনীগ্রন্থের রচয়িতা ও তাঁদের গ্রন্থগুলোর নাম ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a লোকগীতি
b গীতিকা
c লোকগাথা
d গাঁথা
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গীতিকা ১. কেন সঠিক: - ইংরেজি Ballad শব্দের উপযুক্ত বাংলা প্রতিশব্দ হলো গীতিকা, যা মূলত সুর করে গাওয়ার উপযোগী দীর্ঘ বর্ণনামূলক কবিতা বা গান। - এতে কোনো বীরত্বপূর্ণ ঘটনা, ঐতিহাসিক কাহিনি, করুণ প্রেম বা ট্র্যাজেডি সহজ ও সাবলীল ছন্দে ফুটিয়ে তোলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ইংরেজি সাহিত্য থেকে ধার করা Ballad ধারণাটি বাংলা সাহিত্যে মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্য বা পরবর্তীকালের লোকসাহিত্যের বর্ণনামূলক রচনার সঙ্গে তুলনীয়। - দীনেশচন্দ্র সেন সংগৃহীত মময়মনসিংহ গীতিকা বাংলা সাহিত্যের ঐতিহ্যবাহী গীতিকার শ্রেষ্ঠ নিদর্শন হিসেবে বিশ্বজুড়ে সমাদৃত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মহুয়া পালা ব্যাখ্যা: এটি ময়মনসিংহ গীতিকার অন্তর্গত একটি বিখ্যাত দীর্ঘ প্রণয়মূলক ও ট্র্যাজেডিধর্মী লোকগীতিকা বা ব্যালাড। উদাহরণ ২: মলুয়া পালা ব্যাখ্যা: এটিও ময়মনসিংহ গীতিকার একটি জনপ্রিয় পালা, যেখানে নারী চরিত্রের বীরত্ব ও করুণ পরিণতি ফুটে উঠেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) লোকগীতি — লোকগীতি হলো বৃহত্তর অর্থে সাধারণ মানুষের মুখে মুখে প্রচলিত গান, যা ব্যালাডের চেয়ে অনেক বেশি বিস্তৃত ও ভিন্ন আঙ্গিকের। B) গীতিকা — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যা ইংরেজি Ballad শব্দের সরাসরি এবং সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য বাংলা সাহিত্যিক প্রতিশব্দ। C) লোকগাথা — লোকগাথা বলতে মূলত মানুষের মুখে মুখে প্রচলিত রূপকথা, কিংবদন্তি ও পৌরাণিক গল্পকে বোঝায়, যা পদ্যময় গান বা কবিতা নয়। D) গাঁথা — গাঁথা বা Poem বলতে সাধারণ ও ছোট আকারের কবিতাকে বোঝায়, যা Ballad এর মতো সুনির্দিষ্ট দীর্ঘ বর্ণনামূলক সুরধর্মী গান নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ইংরেজি Ballad শব্দের আক্ষরিক ও সাহিত্যিক অর্থ হলো সুরযুক্ত দীর্ঘ কবিতা বা গীতিকা। - Ballad এবং গীতিকা উভয়ই কাহিনিভিত্তিক গান বা কবিতা, এই মিলটি মনে রাখলে পরীক্ষা ভুল হবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ইংরেজি সাহিত্যের পরিভাষা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, বিশেষ করে Ballad অর্থ গীতিকা এটি অত্যন্ত কমন একটি প্রশ্ন। - দীনেশচন্দ্র সেনের ময়মনসিংহ গীতিকা সম্পর্কিত তথ্য ভালোভাবে পড়লে এই ধরনের সাহিত্যিক প্রশ্নের উত্তর সহজে দেওয়া যায়।
a সারদা দেবী
b স্বর্ণকুমারী দেবী
c চন্দ্রাবতী
d সুফিয়া কামাল
0 95 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) চন্দ্রাবতী ১. কেন সঠিক: বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহিলা কবি হিসেবে মধ্যযুগের বিশিষ্ট কবি চন্দ্রাবতী সর্বসম্মতভাবে স্বীকৃত। ষোড়শ শতাব্দীতে কিশোরগঞ্জ জেলার কটিয়াদী উপজেলার মাইজগ্রামের নীটুল নদীর তীরে জন্মগ্রহণকারী এই কবি বাংলা ভাষায় প্রথম নারী রচিত রামায়ণ বা রামায়ন কাব্য রচনা করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: কবি চন্দ্রাবতীর পিতা ছিলেন মধ্যযুগের আরেক প্রখ্যাত কবি দ্বিজ বংশীদাস। চন্দ্রাবতীর সবচেয়ে বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম হলো তার অসম্পূর্ণ মলুয়া পালা এবং ক্লাসিক মর্যাদাসম্পন্ন রামায়ণ কাব্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চন্দ্রাবতীর রামায়ণ ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে কোনো নারীর লেখা প্রথম পূর্ণাঙ্গ মহাকাব্যিক প্রয়াস। উদাহরণ ২: দ্বিজ বংশীদাসের মনসা মঙ্গল ব্যাখ্যা: চন্দ্রাবতীর সাহিত্য সাধনার পেছনে তার পিতা দ্বিজ বংশীদাসের প্রবল সাহিত্যিক প্রভাব ছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সারদা দেবী — ইনি কোনো প্রাচীন বা মধ্যযুগের সাহিত্যিক নারী নন এবং রামাকৃষ্ণ পরমহংসদেবের স্ত্রী হিসেবে পরিচিত। B) স্বর্ণকুমারী দেবী — উনিশ শতকের আধুনিক যুগের লেখিকা এবং প্রথম বাঙালি নারী ঔপন্যাসিক ও কবি। D) সুফিয়া কামাল — আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রথিতযশা বিশ শতকের কবি ও নারী অধিকার আন্দোলনের নেত্রী। ৫ মনে রাখার টিপস: মধ্যযুগের নারীদের মধ্যে প্রথম চন্দ্রের আলো ছড়িয়েছিলেন চন্দ্রাবতী। তাই প্রথম মহিলা কবি বললে চন্দ্রাবতী নামটি মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে একমাত্র নারী কবি হিসেবে চন্দ্রাবতীর নাম বারবার বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। তার জন্মস্থান কিশোরগঞ্জের পাটুলী গ্রামে।
a নাটক
b রোমান্টিক প্রণয়কাব্য
c উপন্যাস
d রম্য রচনা
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রোমান্টিক প্রণয়কাব্য ১. কেন সঠিক: - 'ইউসুফ জুলেখা' একটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের প্রেমোপাখ্যানমূলক বা রোমান্টিক প্রণয়কাব্য। - পবিত্র কোরআনের সুরা ইউসুফের কাহিনির ওপর ভিত্তি করে এই কাব্যধারা গড়ে ওঠে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে মুসলমান কবিদের দ্বারা রচিত প্রণয়কাব্যগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম প্রধান। - শাহ মুহাম্মদ সগীর এই ধারার আদি ও শ্রেষ্ঠ কবি যিনি বাংলার সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের আমলে এটি রচনা করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'পদ্মাবতী' ব্যাখ্যা: এটি আলাওল রচিত একটি বিখ্যাত রোমান্টিক প্রণয়কাব্য। উদাহরণ ২: 'সয়ফুল মুলুক বদিউজ্জামান' ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ আলাওল রচিত আরেকটি জনপ্রিয় প্রণয়কাব্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নাটক — নাটক দৃশ্যকাব্য বা অভিনয়ের উপযোগী সাহিত্যরূপ, যা ইউসুফ জুলেখার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) রোমান্টিক প্রণয়কাব্য — এটি সঠিক উত্তর কারণ এতে মানবীয় প্রেম ও আধ্যাত্মিক ভাবের অপূর্ব সমন্বয় ঘটেছে। C) উপন্যাস — উপন্যাস আধুনিক যুগের গদ্য সাহিত্য, যা মধ্যযুগের কাব্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। D) রম্য রচনা — রম্য রচনা হাস্যরসাত্মক ও লঘু মেজাজের গদ্য রূপ, যা প্রণয়কাব্যের বিপরীত। ৫. মনে রাখার টিপস: - ইউসুফ ও জুলেখা দুই জনের নামই প্রেমের প্রতীক, তাই এটি প্রণয়কাব্য। - মধ্যযুগের মুসলিম কবিদের প্রধান সৃষ্টি হলো প্রণয়কাব্য। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - শাহ মুহাম্মদ সগীর মধ্যযুগের প্রথম প্রণয়কাব্যের রচয়িতা। - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে।
a সৈয়দ সুলতান
b হায়াৎ মাহমুদ
c ফকির গরীবুল্লাহ
d ঘশেখ ফয়জুল্লাহ
0 122 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ফকির গরীবুল্লাহ কেন সঠিক: - তিনি মধ্যযুগের পুঁথি সাহিত্যের প্রথম সার্থক এবং সবচেয়ে জনপ্রিয় কবি হিসেবে পরিচিত। - তাঁর রচিত কাব্যগুলোতে সাধারণ মানুষের জীবনের চিত্র ও লোকসাহিত্যের গভীর প্রভাব রয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে পুঁথি সাহিত্য বা দোভাষী পুথি সাহিত্যের ধারা অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়েছিল। - আরবি ও ফারসি শব্দের মিশ্রণে লেখা এই কাব্যগুলো বাঙালি মুসলিম সমাজে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। - ফকির গরীবুল্লাহর লেখা আমীর হামজা এবং জঙ্গনামा পুঁথি সাহিত্যের অনন্য নিদর্শন। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) সৈয়দ সুলতান — তিনি মধ্যযুগের একজন বিশিষ্ট কবি হলেও পুঁথি সাহিত্যের প্রথম সার্থক বা জনপ্রিয় কবি হিসেবে বিবেচিত নন, বরং তিনি নবীবংশ ও ইহিয়াউল উলুম রচনার জন্য বিখ্যাত। - B) হায়াৎ মাহমুদ — তিনি পুঁথি সাহিত্যের অন্যতম কবি হলেও প্রথম সার্থক বা জনপ্রিয় কবি নন, তাঁর বিখ্যাত রচনা অম্বিকা মঙ্গল। - C) ফকির গরীবুল্লাহ — এই অপশনটি মূলত প্রশ্নে সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত, তাই এটি ভুল নয়। - D) শেখ ফয়জুল্লাহ — তিনি প্রাচীন ও মধ্যবর্তী যুগের কবি, তাঁর বিখ্যাত রচনা গোরক্ষবিজয় এবং গাজী কালু চম্পাবতী, কিন্তু তিনি পুঁথি সাহিত্যের প্রথম সার্থক কবি নন। মনে রাখার টিপস: - পুঁথি সাহিত্যের প্রথম সার্থক কবি মানেই ফকির গরীবুল্লাহ, যা আমীর হামজা কাব্যের মাধ্যমে অমর হয়ে আছেন।
a নবম শতকে
b যোড়শ শতকে
c ত্রয়োদশ শতকে
d উনিশ শতকে
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উনিশ শতকে ১. কেন সঠিক: বাংলা সাহিত্যে গদ্যের সূচনা মূলত উনিশ শতকে বা ব্রিটিশ আমলে প্রাতিষ্ঠানিক ও শিক্ষামূলক প্রয়োজনে ঘটেছিল। ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পন্ডিতগণের হাত ধরে বাংলা গদ্য তার সুনির্দিষ্ট রূপ ও বিকাশ লাভ করতে শুরু করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন ও মধ্যযুগের পুরো সময়টাই ছিল মূলত পদ্য বা কাব্যের যুগ। উনিশ শতকের শুরুতে উইলিয়াম কেরির উদ্যোগে বাংলা গদ্যের চর্চা শুরু হয় এবং ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর একে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চণ্ডীদাসের শ্রীকৃষ্ণকীর্তন ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের একটি পদ্যে রচিত কাব্য, যা প্রমাণ করে সে সময়ে গদ্যের প্রচলন ছিল না। উদাহরণ ২: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের বেতালপঞ্চবিংশতি ব্যাখ্যা: এটি উনিশ শতকে প্রকাশিত একটি গদ্যগ্রন্থ, যা বাংলা গদ্যের প্রাথমিক রূপকে সমৃদ্ধ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নবম শতকে — এই সময়ে বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের সূচনা হয় এবং চর্যাপদ রচিত হয় যা পুরোপুরি পদ্যে রচিত। B) যোড়শ শতকে — এটি মধ্যযুগের অন্তর্ভুক্ত সময়, যখন মঙ্গলকাব্য ও বৈষ্ণব পদাবলি পদ্যে রচিত হতো। C) ত্রয়োদশ শতকে — এটিও মধ্যযুগের সময়কাল, যখন শ্রীকৃষ্ণকীর্তনসহ বিভিন্ন কাব্য পদ্যে রচিত হতো। D) উনিশ শতকে — এই অপশনটি সঠিক কারণ এসময়েই ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ ও বিদ্যাসাগরের মাধ্যমে বাংলা গদ্যের সূচনা ও বিকাশ ঘটে। ৫. মনে রাখার টিপস: পদ্য মানে কবিতা বা প্রাচীন ও মধ্যযুগ, আর গদ্য মানে গল্প বা উপন্যাস যা শুরু হয়েছে উনিশ শতকে। ব্রিটিশদের শাসন এবং ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠার সালটি মনে রাখলেই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর বের করা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা গদ্যের জনক বলা হয় ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে এবং গদ্যের প্রথম সার্থক রূপকার বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় গদ্যের সূচনা বা ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
a রামরাম বসুকে
b চণ্ডীচরণ মুনশিকে
c মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালংকারকে
d গোলকনাথ শর্মাকে
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রামরাম বসুকে ১. কেন সঠিক: ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগের প্রথম ও অন্যতম প্রধান মুনশি বা পণ্ডিত ছিলেন রামরাম বসু। উইলিয়াম কেরির অধীনে দীর্ঘকাল বাংলা ভাষা ও সাহিত্য চর্চায় বিশেষ অবদান রাখার জন্য তাকে কেরী সাহেবের মুনশি বলা হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: রামরাম বসু ছিলেন ঊনবিংশ শতকের প্রারম্ভের গদ্যলেখক এবং উইলিয়াম কেরির প্রধান সহযোগী। তার রচিত প্রথম মৌলিক গদ্যগ্রন্থ রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র ১৮০১ সালে প্রকাশিত হয় যা বাংলা গদ্যের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র। ব্যাখ্যা: এটি রামরাম বসুর বিখ্যাত গ্রন্থ এবং বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুদ্রিত মৌলিক গদ্যগ্রন্থ। উদাহরণ ২: লিপিমালা। ব্যাখ্যা: রামরাম বসুর আরেকটি উল্লেখযোগ্য ঐতিহাসিক গ্রন্থ যা ফারসি ও হিন্দি গল্পের অনুবাদের ওপর ভিত্তি করে রচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রামরাম বসুকে — সঠিক উত্তর। B) চণ্ডীচরণ মুনশিকে — তিনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের শিক্ষক ছিলেন তবে তাকে কেরী সাহেবের মুনশি বলা হয় না। C) মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালংকারকে — তিনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের প্রধান পণ্ডিত ছিলেন কিন্তু তাকে কেরী সাহেবের মুনশি উপাধি দেওয়া হয়নি। D) গোলকনাথ শর্মাকে — তিনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের একজন অনুবাদক ও পণ্ডিত ছিলেন তবে এই নির্দিষ্ট উপাধির জন্য তিনি পরিচিত নন। ৫ মনে রাখার টিপস: রামরাম বসু ছিলেন কেরির প্রধান সহকারী মুনশি। তার প্রথম বই রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র মনে রাখলেই কেরির মুনশি সংক্রান্ত প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয় ১৮০০ সালে এবং বাংলা বিভাগ চালুর ক্ষেত্রে উইলিয়াম কেরির সঙ্গে রামরাম বসুর নাম ওতপ্রোতভাবে জড়িত। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের লেখক ও তাদের গ্রন্থ সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
a রাজা রামমোহন রায়
b কেশবচন্দ্ৰ সেন
c দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর
d স্বামী বিবেকানন্দ
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রাজা রামমোহন রায় ১. কেন সঠিক: ব্রাহ্মসমাজ হলো ভারতের উনবিংশ শতকের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় ও সামাজিক সংস্কার আন্দোলন। রাজা রামমোহন রায় ১৮২৮ সালের ২০ আগস্ট কলকাতায় এই সমাজ প্রতিষ্ঠা করেন, যার মূল লক্ষ্য ছিল মূর্তিপূজা বর্জন এবং এক ঈশ্বরবাদে বিশ্বাস স্থাপন করা। ২. সাহিত্য ও ইতিহাস ব্যাখ্যা: রাজা রামমোহন রায়কে আধুনিক ভারতের জনক বলা হয় এবং তিনি বাংলা গদ্যের অন্যতম পথপ্রদর্শক। বাংলা সাহিত্যে ও সমাজে কুসংস্কার দূর করতে এবং সতীদাহ প্রথা বিলোপে তার ভূমিকা অপরিসীম। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আত্মীয় সভা ব্যাখ্যা: রাজা রামমোহন রায় ১৮১৫ সালে এটি প্রতিষ্ঠা করেন, যা পরবর্তীতে ব্রাহ্মসমাজে রূপ নেয়। উদাহরণ ২: সংবাদ কৌমুদী ব্যাখ্যা: এটি রাজা রামমোহন রায় কর্তৃক প্রকাশিত একটি বিখ্যাত সাপ্তাহিক পত্রিকা, যা সমাজ সংস্কারে ভূমিকা রেখেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাজা রামমোহন রায় — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি ১৮২৮ সালে ব্রাহ্মসমাজ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। B) কেশবচন্দ্র সেন — তিনি পরবর্তী সময়ে ব্রাহ্মসমাজের অন্যতম নেতা হলেও এর প্রতিষ্ঠাতা নন। C) দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি রামমোহন রায়ের মৃত্যুর পর ব্রাহ্মসমাজকে পুনরুজ্জীবিত ও পরিচালনা করেন, প্রতিষ্ঠাতা নন। D) স্বামী বিবেকানন্দ — তিনি রামকৃষ্ণ মিশন প্রতিষ্ঠা করেন, ব্রাহ্মসমাজের সঙ্গে তার সরাসরি প্রতিষ্ঠার সম্পর্ক নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: রামমোহন রায় ছিলেন সমাজ সংস্কারের অগ্রদূত, তাই সমাজভিত্তিক 'ব্রাহ্মসমাজ' তার নামেই শুরু হয়েছিল ১৮২৮ সালে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে ব্রাহ্মসমাজ কবে ও কে প্রতিষ্ঠা করেন। সালটি হলো ১৮২৮ এবং প্রতিষ্ঠাতা রাজা রামমোহন রায়।
a মুহম্মদ আবদুল হাই
b মোহাম্মদ বরকতুল্লাহ
c ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
d মওলানা আকরম খাঁ
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মওলানা আকরম খাঁ ১. কেন সঠিক: মহানবী হজরত মোহাম্মদ (সা.) এর জীবন ও আদর্শের ওপর রচিত বিখ্যাত বাংলা সিরাত গ্রন্থ হলো মোস্তফা চরিত। স্বনামধন্য সাংবাদিক, রাজনীতিবিদ ও ইসলামী গবেষক মওলানা আকরম খাঁ এই অসামান্য জীবনীগ্রন্থটি রচনা করেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মওলানা আকরম খাঁ বিশ শতকের প্রথমার্ধের একজন প্রখ্যাত বাঙালি সাংবাদিক, সাহিত্যিক ও ইসলামি চিন্তাবিদ। তার রচিত মোস্তফা চরিত বাংলা ভাষাভাষী পাঠকের কাছে নবীজির জীবন ও ইসলাম ধর্মের ইতিহাস জানার অন্যতম প্রামাণ্য গ্রন্থ হিসেবে সমাদৃত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মরহুম মওলানা আকরম খাঁ সম্পাদিত দৈনিক আজাদ পত্রিকা তৎকালীন সময়ে বাঙালি মুসলমানদের অধিকার আদায়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। ব্যাখ্যা: এই সাহিত্যিক ও সাংবাদিকের অন্যান্য কর্মক্ষেত্রের পরিধি বোঝাতে এটি একটি অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক ও ঐতিহাসিক উদাহরণ। উদাহরণ ২: মোহাম্মদ আসাদুল্লাহ আল গালিব রচিত সিরাতগ্রন্থ বা অন্যান্য ইসলামি ইতিহাসমূলক গ্রন্থ। ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষায় রচিত অন্যান্য প্রামাণ্য ধর্মীয় জীবনী সাহিত্যের সাথে তুলনামূলক ধারণা লাভ করতে সহায়তা করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুহম্মদ আবদুল হাই — তিনি একজন প্রখ্যাত ভাষাবিজ্ঞানী ও সাহিত্য গবেষক ছিলেন, সিরাতধর্মী মোস্তফা চরিত গ্রন্থের রচয়িতা নন। B) মোহাম্মদ বরকতুল্লাহ — তিনি একজন প্রাবন্ধিক ও সাহিত্যিক হলেও এই বিখ্যাত জীবনীগ্রন্থের রচয়িতা হিসেবে পরিচিত নন। C) ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ — তিনি বিখ্যাত ভাষা বিজ্ঞানী ও বহুভাষাবিদ ছিলেন, তবে মোস্তফা চরিত তার রচিত গ্রন্থ নয়। D) মওলানা আকরম খাঁ — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি এই গ্রন্থটি রচনা করেছেন। ৫ মনে রাখার টিপস: মওলানা আকরম খাঁর নামের সাথে মোস্তফা চরিত গ্রন্থটি মনে রাখতে মোস্তফা ও মওলানা শব্দের মিল মনে রাখতে পারো। এটি একটি ঐতিহাসিক সিরাত গ্রন্থ যা আকরম খাঁর সাহিত্যকর্মের সবচেয়ে বড় পরিচয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিশিষ্ট ব্যক্তিদের জীবনী বা ইসলামি সাহিত্য নিয়ে প্রশ্ন প্রায়ই আসে। সিরাত সাহিত্য ও জীবনীগ্রন্থ সম্পর্কিত প্রশ্নগুলোর উত্তর করার সময় লেখকের মূল পরিচয় ও বিখ্যাত গ্রন্থটি মনে রাখা জরুরি।
a শওকত ওসমান
b সিকান্দার আবু জাফর
c সুফিয়া কামাল
d শামসুর রাহমান
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শামসুর রাহমান ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি শামসুর রাহমানের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে রচিত কবিতা। - প্রশ্নটিতে স্বাধীনতা সংগ্রামের আবেগ ও কবির প্রত্যাশাকে নির্দেশ করা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শামসুর রাহমান বাংলাদেশের আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি এবং তাকে নগরজীবনের কবি বলা হয়। - 'তুমি আসবে বলে হে স্বাধীনতা' কবিতাটি তার মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক এবং স্বাধীনতা অর্জনের আকুলতা ফুটিয়ে তোলা একটি অনন্য সৃষ্টি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বন্দী শিবির থেকে ব্যাখ্যা: এটি শামসুর রাহমানের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক অন্যতম বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। উদাহরণ ২: উত্তরাধিকার ব্যাখ্যা: এটিও কবি শামসুর রাহমানের একটি অত্যন্ত পরিচিত কাব্যগ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শওকত ওসমান — শওকত ওসমান মূলত একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক, কোনো বিখ্যাত কবিতা এর জন্য তিনি প্রধানত পরিচিত নন। B) সিকান্দার আবু জাফর — সিকান্দার আবু জাফর একজন বিশিষ্ট কবি ও সাংবাদিক হলেও এই কবিতাটির রচয়ীতা তিনি নন। C) সুফিয়া কামাল — সুফিয়া কামাল বাংলা সাহিত্যের একজন বরেণ্য কবি হলেও এই কবিতাটি তার রচিত নয়। D) শামসুর রাহমান — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি তার রচিত বিখ্যাত কবিতা। ৫. মনে রাখার টিপস: - স্বাধীনতা নিয়ে যারা লিখেছেন তাদের মধ্যে শামসুর রাহমানের নাম শীর্ষে থাকে, তাই স্বাধীনতা শব্দ দেখলে শামসুর রাহমানকে স্মরণ করবে। - কবিতার নাম ও কবির নাম একসাথে মুখস্থ করার জন্য একটি ছোট তালিকা তৈরি করতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - শামসুর রাহমানের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক রচনাগুলো BCS ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। - কবির ছদ্মনাম এবং তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলোর নাম ভালোভাবে পড়ে রাখবে।
a Verb
b Noun
c Pronoun
d Adjective
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Noun *(বিশেষ দ্রষ্টব্য: প্রদত্ত প্রশ্নে সঠিক উত্তর Adjective বলা হলেও ব্যাকরণগতভাবে 'massacre' শব্দটি মূলত একটি Noun, যা একই সাথে Verb হিসেবেও ব্যবহৃত হতে পারে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এটি Noun হিসেবেই বেশি আসে।)* কেন সঠিক: - 'Massacre' শব্দটির অর্থ হলো পাইকারি হত্যাযজ্ঞ বা নরহত্যা, যা একটি সুনির্দিষ্ট ঘটনার নাম হিসেবে Noun-এর কাজ করে। - এটি বাক্যে Subject অথবা Object হিসেবে বসতে পারে, যা Noun-এর প্রধান বৈশিষ্ট্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Verb — এই শব্দটির অর্থ হত্যা করা হলেও মূল অভিধানে এটি প্রধানত Noun হিসেবে তালিকাভুক্ত এবং বাক্যে এটি Noun হিসেবেই বেশি ব্যবহৃত হয়। B) Noun — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি কোনো নির্দিষ্ট ঘটনা বা কাজের নাম বোঝায়। C) Pronoun — এটি কোনো নামের পরিবর্তে বসে না, তাই এটি Pronoun হতে পারে না। D) Adjective — এটি কোনো দোষ, গুণ, অবস্থা বা সংখ্যা প্রকাশ করে অন্য কোনো পদের বিশেষত্ব বোঝায় না, তাই এটি Adjective নয়। মনে রাখার টিপস: 'Massacre' শব্দের অর্থ হত্যাযজ্ঞ বা দাঙ্গা, আর যেকোনো হিংসাত্মক ঘটনা বা হত্যাযজ্ঞের নাম হলো Noun।
a Flock
b Bunch
c City
d Dhaka
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) City কেন সঠিক: যে noun দ্বারা নির্দিষ্ট কোনো নাম না বুঝিয়ে একই জাতীয় কোনো ব্যক্তি, স্থান বা বস্তুর সাধারণ নাম বোঝায়, তাকে common noun বলে। City শব্দটি পৃথিবীর যেকোনো শহরকে সাধারণভাবে নির্দেশ করে, তাই এটি একটি common noun। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Flock — এটি একটি collective noun কারণ এটি একই জাতীয় একাধিক প্রাণীর সমষ্টিকে বোঝায়। B) Bunch — এটি একটি collective noun কারণ এটি একগুচ্ছ বস্তু বা ফুলের সমষ্টিকে বোঝায়। C) City — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Dhaka — এটি একটি proper noun কারণ এটি একটি নির্দিষ্ট শহরের নাম বোঝায়। মনে রাখার টিপস: যে নাম সবার জন্য সাধারণ তা common noun এবং নির্দিষ্ট নাম হলো proper noun।
a Proper noun
b Common noun
c Collective noun
d Abstract Noun
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Abstract Noun কেন সঠিক: Honesty শব্দ দ্বারা কোনো গুণের নাম বোঝায় যা দেখা বা ছোঁয়া যায় না। এটি কেবল অনুভব করা যায় তাই এটি Abstract Noun। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Proper noun — এটি কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা জায়গার নাম নয়। B) Common noun — এটি কোনো সাধারণ জাতি বা শ্রেণীর নাম বোঝায় না। C) Collective noun — এটি কোনো সমষ্টিগত বা দলের নাম নয়। D) Abstract Noun — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি একটি গুণবাচক শব্দ। মনে রাখার টিপস: যেসব noun বা বিশেষ্য দ্বারা দোষ গুণ বা অবস্থার নাম বোঝায় এবং যা ধরা বা ছোঁয়া যায় না সেগুলোকে Abstract Noun বলে।
a A big amount
b Much
c Small
d A little
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) A little কেন সঠিক: Milk বা দুধ হলো একটি আনকাউন্টেবল নাউন, যার আগে পরিমাণের জন্য A little বসে। বাক্যে অল্প পরিমাণে দুধ থাকার কথা বোঝাতে D অপশনটি সবচেয়ে উপযুক্ত। এটি গ্লাসে সামান্য দুধ বোঝাতে সঠিকভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। অন্য কোনো অপশন এখানে ব্যাকরণগতভাবে সঠিক হয় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A big amount — এই ফ্রেজটি আনকাউন্টেবল নাউনের আগে সরাসরি এভাবে বসে না। B) Much — এটি সাধারণত নেগেটিভ বা ইন্টারোগেটিভ বাক্যে বসে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) Small — এটি একটি এডজেক্টিভ, যা সরাসরি নাউনের পরিমাণ বোঝাতে একা বসে না। D) A little — এটি সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: আনকাউন্টেবল নাউনের স্বল্প পরিমাণ বোঝাতে সবসময় A little ব্যবহার করবে।
a An
b A
c The
d of them
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) A কেন সঠিক: European শব্দের শুরুতে যদিও ই স্বরবর্ণ আছে, কিন্তু এর উচ্চারণ ইউ বা জ এর মতো হয়। তাই এর পূর্বে সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী এন না বসে এ বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) An — শব্দের শুরুতে স্বরবর্ণের উচ্চারণ থাকলে এন বসে, কিন্তু ইউ উচ্চারণ থাকায় এখানে এন বসবে না। B) A — এটি সঠিক উত্তর কারণ নির্দিষ্ট কোনো দেশ নয় বরং যেকোনো একটি ইউরোপীয় দেশকে বোঝানো হয়েছে। C) The — কোনো নির্দিষ্ট ইউরোপীয় দেশকে চিহ্নিত করা হয়নি বিধায় দি ব্যবহার করা যাবে না। D) of them — এটি এখানে ব্যাকরণগতভাবে মানানসই নয় এবং শূন্যস্থানের সাথে মিলে না। মনে রাখার টিপস: ইউ বা ওয়া এর মতো উচ্চারণ থাকলে শব্দের আগে এ বসে।
a For Walking
b For a walk
c To walk
d walk
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) For a walk কেন সঠিক: এখানে কোথাও যাওয়ার উদ্দেশ্য বোঝাতে "for a walk" একটি সঠিক ফ্রেজ বা বাক্যাংশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। হাঁটার উদ্দেশ্যে বাইরে যাওয়ার কথা বলতে এই নির্দিষ্ট গঠনটি ইংরেজী ব্যাকরণে সবচেয়ে বেশি গ্রহণযোগ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) For Walking — এখানে Walking শব্দটির আগে আর্টিকেল না থাকায় ফ্রেজটির গঠন ব্যাকরণগতভাবে সঠিক হয়নি। B) For a walk — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) To walk — এখানে ইনফিনিটিভ ব্যবহার করলে বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ হয় না এবং এটি প্রাসঙ্গিক নয়। D) walk — এখানে মূল ভারบ সরাসরি বসলে বাক্যের গঠন এবং ব্যাকরণের নিয়ম ভঙ্গ হয়। মনে রাখার টিপস: উদ্দেশ্য বোঝাতে সাধারণত Go for a walk ব্যবহার করা হয়।
a Pronunciation
b Stress
c Spelling
d Sound
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Pronunciation কেন সঠিক: আর্টিকেল মূলত শব্দের উচ্চারণের ওপর ভিত্তি করে বসে। শব্দের শুরুটি স্বরবর্ণের উচ্চারণ নাকি ব্যঞ্জনবর্ণের উচ্চারণ তা দেখা হয়। অক্ষর বা বানান নয়, ধ্বনির উচ্চারণই এখানে মূল বিষয়। এটি ইংরেজি ব্যাকরণের একটি মৌলিক নিয়ম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Pronunciation — এটি সঠিক হওয়ায় এখানে ভুল হিসেবে নয় বরং মূল নিয়ম হিসেবে বিবেচিত। B) Stress — শব্দের ওপর জোর দেওয়া বা স্ট্রেস আর্টিকেল নির্ধারণ করে না। C) Spelling — শব্দের বানান যেমনই হোক, তার উচ্চারণ অনুযায়ী আর্টিকেল বসে। D) Sound — সাউন্ড বা উচ্চারণ একই কথা হলেও ব্যাকরণগতভাবে একে সঠিক উচ্চারণ বা প্রনান্সিয়েশন বলা হয়। মনে রাখার টিপস: বানান দেখে নয়, শব্দ মুখে উচ্চারণ করে দেখবে তার আগে এ বা অ্যান বসবে।
a A dog is faithful animal.
b The dog is a faithful animal.
c The dog is faithful animal,
d Dog is a faithful animal.
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) The dog is a faithful animal. কেন সঠিক: সমগ্র জাতিকে বোঝাতে একক প্রাণীর নামের আগে নির্দিষ্ট আর্টিকেল দ্য বসে। এ ছাড়াও পরবর্তীতে একটি বিশ্বস্ত প্রাণী বোঝাতে সিঙ্গुलर কমন নাউনের আগে এ ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A dog is faithful animal. — এখানে ফেইথফুল শব্দের শুরুতে আর্টিকেল এ দেওয়া হয়নি এবং ডগ শব্দের আগে দ্য বসেনি। B) সঠিক উত্তর — তাই এটি ভুল নয়। C) The dog is faithful animal, — এখানে বাক্যের শেষে ফুলস্টপের বদলে কমা ব্যবহার করা হয়েছে এবং অ্যান আর্টিকেলটি বাদ দেওয়া হয়েছে। D) Dog is a faithful animal. — এখানে কমন নাউনটি একা বসতে পারে না তাই এর পূর্বে দ্য আর্টিকেল যুক্ত করা বাধ্যতামূলক। মনে রাখার টিপস: সমগ্র জাতিকে বোঝাতে সিঙ্গুলার কমন নাউনের আগে দ্য এবং তার গুণবাচক বিশেষণের আগে এ বসে।
a The Padma is longest river in Bangladesh.
b The Padma is longest river in the Bangladesh.
c Padma is longest river in Bangladesh
d The Padma is the longest river in Bangladesh
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) The Padma is the longest river in Bangladesh কেন সঠিক: নদীর নামের পূর্বে নির্দিষ্ট করে বোঝাতে definite article দ্য বসে। সুপারলেটিভ ডিগ্রির adjectives এর পূর্বে দ্য ব্যবহার করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুপারলেটিভ ডিগ্রির পূর্বে দ্য আর্টিকেল ব্যবহার করা হয়নি। B) দেশের নামের পূর্বে দ্য আর্টিকেল ব্যবহার করা সঠিক নয়। C) নদীর নামের পূর্বে দ্য এবং সুপারলেটিভের পূর্বে দ্য নেই। D) এটি সঠিক বাক্য কারণ সব নিয়ম সঠিকভাবে মানা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: নদী ও সুপারলেটিভ ডিগ্রির আগে সবসময় দ্য বসবে।
a The lake Chilka is in Orissa. blin
b The Lake Chilka is in the Orissa. To
c Lake Chilka is in Orissa,
d Lake Chilka is in the Orissa. Gad
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Lake Chilka is in Orissa, কেন সঠিক: হ্রদের নির্দিষ্ট নামের আগে সাধারণত কোনো আর্টিকেল বসে না। তাই Lake Chilka লেখার আগে The বসে না। রাজ্যের নামের আগে সাধারণত the বসে না, তাই Orissa এর আগে the হবে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The lake Chilka is in Orissa — হ্রদের নামের আগে নির্দিষ্ট আর্টিকেল the ব্যবহার করার নিয়ম নেই, তাই এটি ভুল। B) The Lake Chilka is in the Orissa — হ্রদ এবং রাজ্য উভয়ের নামের আগেই ভুলভাবে the আর্টিকেল ব্যবহার করা হয়েছে। D) Lake Chilka is in the Orissa — রাজ্যের নামের আগে the ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: সাধারণত কোনো একক হ্রদ এবং রাজ্যের নামের আগে the বসে না।
a Mousse
b Mices
c Mice
d Mouses
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Mice কেন সঠিক: Mouse শব্দটির প্লুরাল বা বহুবচন করার সময় এর ভেতরের ভাওয়েলগুলোর পরিবর্তন ঘটে। এটি একটি অনিয়মিত বা ইরেগুলার প্লুরাল রূপ, যেখানে সাধারণ নিয়মের এস বা ইএস যুক্ত হয় না। তাই মাউস শব্দের সঠিক বহুবচন হলো মাইস। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Mousse — এটি একটি ফ্রেঞ্চ শব্দ যার অর্থ মিষ্টি বা জেলি জাতীয় খাবার, এটি মাউস শব্দের প্লুরাল নয়। B) Mices — ইংরেজী ব্যাকরণে মাইসেস বলে কোনো শব্দের অস্তিত্ব নেই। D) Mouses — কম্পিউটারের মাউস ডিভাইসের ক্ষেত্রে অনেক সময় এটি ব্যবহার হলেও ব্যাকরণগতভাবে এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: অনিয়মিত প্লুরাল মনে রাখার জন্য শব্দের ভেতরের ভাওয়েল পরিবর্তনের নিয়মগুলো বারবার চর্চা করতে হবে।
a Men
b Feet
c Lice
d News
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) News কেন সঠিক: - News শব্দটি দেখতে প্লুরাল বা বহুবচন মনে হলেও এটি মূলত একটি সিঙ্গুলার বা একবচন নাউন। - এর শেষে এস যুক্ত থাকলেও এটি কোনো বহুবচন নয়, বরং এটি একটি অগণনযোগ্য বা আনকাউন্টেবল নাউন হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Men — এটি Man শব্দের ইরেগুলার প্লুরাল ফর্ম, যার অর্থ পুরুষেরা। B) Feet — এটি Foot শব্দের ইরেগুলার প্লুরাল ফর্ম, যার অর্থ পাগুলো। C) Lice — এটি Louse শব্দের ইরেগুলার প্লুরাল ফর্ম, যার অর্থ উকুনগুলো। D) News — এটি সিঙ্গুলার নাউন এবং এর পরে সবসময় সিঙ্গুলার ভার্ব বসে। মনে রাখার টিপস: যেসব শব্দের শেষে এস থাকে কিন্তু সেগুলো আসলে একবচন, যেমন নিউজ, ফিজিক্স, ম্যাথমেটিকস, তাদের পরে সবসময় সিঙ্গুলার ভার্ব বসে।
a Over a billion people using Microsoft Windows Operating Systems.
b Over a billion people uses Microsoft Windows Operating Systems.
c Over a billion people use Microsoft Windows Operating Systems.
d Over a billion peoples use Microsoft Windows Operating Systems.
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Over a billion people use Microsoft Windows Operating Systems. কেন সঠিক: বাক্যটির সাবজেক্ট হলো people, যা একটি প্লুরাল নাউন এবং এর সাথে ভার্বের প্লুরাল রূপ বসবে। এখানে বিলিয়ন বা billion শব্দের পর people বহুবচন হিসেবেই ব্যবহৃত হয় এবং সঠিক নিয়ম মেনে চলে। বাক্যটি বর্তমানের সাধারণ সত্য প্রকাশ করায় এতে প্রেজেন্ট ইনডিফিনিট টেন্স ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Over a billion people using Microsoft Windows Operating Systems. — এই অপশনে কোনো মূলFinite verb নেই এবং using সরাসরি ব্যবহার করায় বাক্যটি অসম্পূর্ণ থেকে গেছে। B) Over a billion people uses Microsoft Windows Operating Systems. — এখানে সাবজেক্ট people বহুবচন হওয়া সত্ত্বেও এর সাথে একবচনের ভার্ব uses ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) Over a billion people use Microsoft Windows Operating Systems. — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। D) Over a billion peoples use Microsoft Windows Operating Systems. — এখানে billion এর পর people নিজেই বহুবচন হওয়া সত্ত্বেও তার সাথে অতিরিক্ত s যুক্ত করে peoples করা হয়েছে যা ভুল। মনে রাখার টিপস: People শব্দটির সাথে s বা es যুক্ত করে বহুবচন করতে হয় না এবং সাবজেক্ট প্লুরাল হলে ভার্বও প্লুরাল হবে।
a The matter was informed to the police.
b The matter had been informed of the police.
c The police was informed of the matter.
d The police were informed of the matter.
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) The police were informed of the matter. কেন সঠিক: police শব্দটি একটি جمعবাচক noun যা সব সময় plural verb গ্রহণ করে। তাই was এর পরিবর্তে were ব্যবহার করা হয়েছে। inform verb এর পর সাধারণত of বসে, to বসে না। বাক্যটি passive voice এ থাকায় সঠিক গঠন বজায় রাখা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The matter was informed to the police. — inform এর পর preposition হিসেবে to ভুলভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। B) The matter had been informed of the police. — এখানে সাবজেক্ট এবং অবজেক্টের অবস্থান ভুলভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে। C) The police was informed of the matter. — police noun এর সাথে singular verb was ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। মনে রাখার টিপস: police সবসময় plural হয় এবং এর সাথে সবসময় were বা have বসে। inform verb এর পর অবজেক্টের আগে of বসে।
a Data
b Agenda
c Index
d Criteria
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Index কেন সঠিক: Index শব্দটির অর্থ সূচিপত্র বা নির্ঘণ্ট এবং এটি একটি singular number। এর সঠিক plural form বা বহুবচন হলো indices বা indexes। প্রশ্নটিতে singular number কোনটি তা জানতে চাওয়া হয়েছে। তাই এই অপশনটি সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Data — এটি datum শব্দের plural form এবং এর singular হলো datum। B) Agenda — এটি agendum শব্দের plural form এবং এর singular হলো agendum। C) Index — এটি মূল প্রশ্নের সঠিক উত্তর। D) Criteria — এটি criterion শব্দের plural form এবং এর singular হলো criterion। মনে রাখার টিপস: ল্যাটিন বা গ্রিক থেকে আসা যেসব শব্দের শেষে um থাকে সাধারণত তা singular হয় এবং a থাকলে plural হয়।
a Deers
b Deeres
c Deer
d test
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Deer কেন সঠিক: Deer শব্দটির বহুবচন রূপ সর্বদা Deer ই হয়ে থাকে। ইংরেজিতে কিছু পশুর একবচন ও বহুবচন রূপ একই থাকে। এর সাথে অতিরিক্ত কোনো s বা es যুক্ত হয় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Deers — এই বানানটি সম্পূর্ণ ভুল কারণ Deer শব্দের সাথে s যুক্ত হয় না। B) Deeres — ইংরেজি ব্যাকরণ অনুযায়ী এই ধরনের কোনো শব্দের অস্তিত্ব নেই। C) Deer — এটি নিজে সঠিক উত্তর তাই এখানে প্রযোজ্য নয়। D) test — এটি প্রশ্নকর্তার দেওয়া একটি বেমানান ও অবাস্তব অপশন। মনে রাখার টিপস: Deer, Sheep এবং Fish এই শব্দগুলোর একবচন ও বহুবচন রূপ সর্বদা একই হয়।
a test
b His
c Her
d Its
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Its কেন সঠিক: শিশু বা ছোট শিশুর ক্ষেত্রে ইংরেজিতে সাধারণত নিরপেক্ষ লিঙ্গ হিসেবে 'its' প্রোনাউন ব্যবহার করা হয়। এখানে মায়ের জন্য শিশুর কান্নার ক্ষেত্রে শিশুর অধিকার বোঝাতে 'Its' সঠিক possessive determiner হিসেবে বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) test — এটি কোনো প্রোনাউন বা সঠিক শব্দ নয় এবং শূন্যস্থানের জন্য প্রাসঙ্গিক নয়। B) His — এটি পুংলিঙ্গ বোঝাতে ব্যবহৃত হয় যা এখানে শিশুর নির্দিষ্ট লিঙ্গ নির্ধারিত না থাকায় সরাসরি প্রযোজ্য নয়। C) Her — এটি স্ত্রীলিঙ্গ বোঝাতে ব্যবহৃত হয় যা এখানে শিশুর ক্ষেত্রে সব সময় নির্দিষ্ট করে প্রযোজ্য হয় না। D) Its — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: শিশু বা পশুপাখির ক্ষেত্রে যার লিঙ্গ নির্দিষ্ট নয়, তার অধিকার বা সম্বন্ধ বোঝাতে 'its' ব্যবহার করতে হয়।
a Stag
b Colt
c Hart
d Drone
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Drone কেন সঠিক: - Bee বা মৌমাছির পুরুষবাচক শব্দ বা Masculine gender হলো Drone। - কর্মী মৌমাছিরা স্ত্রী লিঙ্গের এবং পুরুষ মৌমাছিরা ড্রোন নামে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Stag — এটি হরিণ বা পুরুষ পশুর জেন্ডার বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, মৌমাছির জন্য নয়। B) Colt — এটি পুরুষ ঘোড়ার বাচ্চাকে বোঝায়, তাই এটি এখানে প্রযোজ্য নয়। C) Hart — এটি পূর্ণবয়স্ক পুরুষ লাল হরিণকে নির্দেশ করে, মৌমাছির সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। D) Drone — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি পুরুষ মৌমাছিকে নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: মৌমাছির ক্ষেত্রে রাণী মৌমাছি ও কর্মী মৌমাছি স্ত্রীবাচক এবং পুরুষ মৌমাছি বা ড্রোন হলো পুরুষবাচক।
a Four types
b Two types
c Three types
d One Types
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Four types কেন সঠিক: ইংরেজিতে Gender বা লিঙ্গ মূলত চার ভাগে বিভক্ত। এই চারটি ভাগ হলো Masculine, Feminine, Common এবং Neuter Gender। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Four types — এটি সঠিক উত্তর কারণ ইংরেজিতে জেন্ডার চার প্রকার। B) Two types — এই অপশন ভুল কারণ জেন্ডার কেবল দুটি হতে পারে না। C) Three types — তিন প্রকার জেন্ডার ব্যাকরণের নিয়মের সাথে মিলে না। D) One Types — এক প্রকার জেন্ডার হতে পারে না কারণ জেন্ডারের বৈচিত্র্য রয়েছে। মনে রাখার টিপস: চার প্রকার জেন্ডার মনে রাখতে পুরুষ, স্ত্রী, উভয় এবং জড় পদার্থ এই চারটিকে মাথায় রাখবে।
a You and I
b You and me
c I and You
d Me and you
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) You and me কেন সঠিক: - প্রিপজিশন (যেমন Between) এর পর সবসময় প্রোনাউনের অবজেক্টিভ ফর্ম বসে। - You প্রোনাউনের সাবজেক্টিভ ও অবজেক্টিভ ফর্ম এক এবং I প্রোনাউনের অবজেক্টিভ ফর্ম me। বাকি অপশন কেন ভুল: A) You and I — এখানে I সাবজেক্টিভ ফর্ম হওয়ায় প্রিপজিশনের পরে বসতে পারে না। B) You and me — এটি সঠিক কারণ You এবং me উভয়ই অবজেক্টিভ ফর্মে রয়েছে। C) I and You — এখানে I সাবজেক্টিভ ফর্মে আছে এবং ক্রমানুসারেও এটি ভুল। D) Me and you — প্রোনাউন ব্যবহারের সাধারণ নিয়মে ফার্স্ট পারসন আগে এবং সেকেন্ড পারসন পরে বসানোর নিয়ম এখানে মানা হয়নি। মনে রাখার টিপস: প্রিপজিশনের পরে সব সময় অবজেক্টিভ প্রোনাউন বসে, তাই I না হয়ে me হবে।
a Sohel is taller than L.
b We write with ink.
c Sohel is taller than me.
d I did not think it was her
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Sohel is taller than L. কেন সঠিক: তুলনার ক্ষেত্রে সাধারণত সাবজেক্টিভ প্রোনাউন বসে এবং বাক্যের গঠন নিয়ম অনুযায়ী সঠিক হয়। এখানে তুলনাটি সঠিক ব্যাকরণগত নিয়ম মেনে সম্পন্ন হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Sohel is taller than L. — এটি সঠিক বাক্য হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে। B) We write with ink. — কালির ক্ষেত্রে উইথ এর পরিবর্তে ইন প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হয়। C) Sohel is taller than me. — দাপ্তরিক ও ফরমাল নিয়মে দ্যানের পর মি না বসিয়ে আই ব্যবহার করা উচিত। D) I did not think it was her — বাক্যের শেষে বিভাব থাকার কারণে হার এর পরিবর্তে শি ব্যবহার করতে হয়। মনে রাখার টিপস: তুলনা করার সময় সঠিক প্রোনাউন এবং লেখার সময় সঠিক প্রিপজিশন নির্বাচন করতে হয়।
a An adverbial phrase
b Perfect participle phrase
c Present participle phrase
d past participle phrase
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) past participle phrase কেন সঠিক: এখানে made শব্দটি মূল verb এর past participle রূপ। এটি boat নাউনটির পরে বসে তার সম্পর্কে অতিরিক্ত তথ্য দিচ্ছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) An adverbial phrase — এটি ক্রিয়া, বিশেষণ বা অন্য কোনো adverb কে modify করে না বরং noun কে modify করে। তাই এটি adverbial phrase নয়। B) Perfect participle phrase — এতে কোনো having বা having been এর ব্যবহার নেই যা perfect participle এর গঠন। তাই এটি এই অপশনের সাথে মেলে না। C) Present participle phrase — এখানে verb এর সাথে ing যুক্ত নেই যা present participle এর মূল বৈশিষ্ট্য। তাই এটি ভুল অপশন। D) past participle phrase — এটি সঠিক কারণ made শব্দটি past participle এবং এর সাথে অন্য শব্দ যুক্ত হয়ে phrase গঠন করেছে। মনে রাখার টিপস: Noun এর পরে V৩ বা past participle একা বা অতিরিক্ত শব্দ নিয়ে বসলে তা past participle phrase হয়।
a The picture was hanging on the wall
b The picture was hanged on the wall
c The picture was hung on the wall
d The picture was hang on the wall
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) The picture was hung on the wall কেন সঠিক: বাক্যটির অর্থ অনুযায়ী ছবিটি দেওয়ালে ঝোলানো হয়েছিল এবং এটি একটি প্যাসিভ ভয়েস। তাই এখানে মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম ব্যবহৃত হয়েছে। ঝোলানো অর্থে hang ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল রূপ হলো hung। প্যাসিভ গঠনে was এর পর ভার্বের ভিথ্রি বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The picture was hanging on the wall — এটি একটিভ ভয়েসের কন্টিনুয়াস ফর্ম, যা এই বাক্যের অর্থের সাথে মানানসই নয়। B) The picture was hanged on the wall — hanged শব্দটি ফাঁসি দেওয়া অর্থে ব্যবহৃত হয়, যা ছবির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। C) The picture was hung on the wall — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুলের কোনো অবকাশ নেই। D) The picture was hang on the wall — was এর পর ভার্বের বেইজ ফর্ম বসতে পারে না, তাই এটি grammatically ভুল। মনে রাখার টিপস: কোনো বস্তু দেওয়ালে ঝোলানোর ইংরেজি হলো hang এবং এর পাস্ট ও পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম হলো hung। মানুষ বা প্রাণীকে ফাঁসি দেওয়ার ক্ষেত্রে hanged ব্যবহৃত হয়।
a Gerund
b Past participle
c Present participle
d Adverb
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Present participle কেন সঠিক: বাক্যের শুরুতে 'finding' শব্দটি verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে গঠিত হয়েছে এবং একই সাথে verb ও adjective এর কাজ করছে। এটি মূল subject 'he' এর অবস্থা প্রকাশ করছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Gerund — এটি noun এর কাজ করে না এবং বাক্যে subject বা object হিসেবে বসেনি। B) Past participle — এটি verb এর past participle রূপ নয় কারণ এখানে ing যুক্ত আছে। C) Present participle — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Adverb — এটি কোনো ক্রিয়া বা বিশেষণের সময় বা স্থান বোঝাচ্ছে না। মনে রাখার টিপস: Verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে যদি একই সাথে কাজ করা বোঝায় এবং adjective এর কাজ করে, তবে তা Present participle হয়।
a Drunk
b Drunker
c Dronk
d Drank
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Drunk কেন সঠিক: drink শব্দটির তিনটি রূপ হলো drink, drank এবং drunk। এর মধ্যে past participle রূপ হিসেবে Drunk ব্যবহৃত হয়। নিখুঁত ইংরেজি ব্যাকরণ অনুযায়ী এটি সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Drunk — এটি সঠিক উত্তর। B) Drunker — এটি কোনো সঠিক রূপ নয় এবং তুলনামূলক শব্দ। C) Dronk — এটি একটি বানান ভুল শব্দ। D) Drank — এটি drink শব্দের past form, past participle নয়। মনে রাখার টিপস: Drink শব্দের তিন রূপ মনে রাখুন এভাবে: drink, drank, drunk।
a At
b For
c From
d Of
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Of কেন সঠিক: এখানে admit of একটি উপযুক্ত ফ্রেজাল ভার্ব বা গ্রুপ ভার্ব হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। যার অর্থ হলো কোনো কিছুর অবকাশ রাখা বা সুযোগ দেওয়া। বাক্যটিতে বলা হয়েছে যে তোমার আচরণের কোনো ক্ষমা নেই। তাই সঠিক উত্তর হিসেবে অব প্রিপজিশনটি বসবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) At — এই বাক্যটিতে এট প্রিপজিশন বসালে কোনো অর্থ প্রকাশ করে না। B) For — এখানে ফর ব্যবহার করলে ব্যাকরণগত নিয়ম অনুযায়ী বাক্যটি ভুল হয়। C) From — এই বাক্যে ফ্রম প্রিপজিশনটি বসালে সঠিক অর্থ দেয় না। D) Of — এটি সঠিক উত্তর কারণ অ্যাডমিট অব মিলে একটি নির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: অ্যাডমিট শব্দের পর অব বসলে তার অর্থ হয় অবকাশ বা সুযোগ থাকা।
a On
b To
c In
d Uppon
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) To কেন সঠিক: Attend শব্দের পর To প্রিপজিশন বসলে তার অর্থ হয় রোগীর সেবা করা বা যত্ন নেওয়া। এখানে নার্স রোগীর সেবা করার কাজটি বুঝাতে Attend এর সাথে To ব্যবহার করা হয়েছে। বাক্যের অর্থ ঠিক রাখতে এখানে সঠিক প্রিপজিশন হিসেবে To বসবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) On — Attend on শব্দের অর্থ কারো সেবা করা বা রোগীর পরিচর্যা করা হলেও এখানে To বেশি উপযুক্ত। B) To — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। C) In — Attend in প্রিপজিশনটি এই অর্থে এবং এই বাক্যে grammatically সঠিক হয় না। D) Uppon — Upon বানানটি ভুল দেওয়া হয়েছে এবং এটি এখানে ব্যবহৃত হয় না। মনে রাখার টিপস: রোগীর সেবা বা যত্ন নেওয়া অর্থে Always Attend এর পরে To প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হয়।
a Of
b For
c To
d With
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Of কেন সঠিক: Accuse শব্দটির পর অপরাধ বা অভিযোগ বোঝাতে সাধারণত of প্রিপজিশন ব্যবহৃত হয়। এখানে লোকটির বিরুদ্ধে চুরির বা অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে তাই সঠিক উত্তর of হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Of — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) For — Accuse শব্দের পর উদ্দেশ্য বোঝাতে for বসে না। C) To — লক্ষ্য বা দিক বোঝাতে to বসে যা এই বাক্যে অর্থসংগত নয়। D) With — Charge শব্দের পর with বসলেও accuse শব্দের পর with বসে না। মনে রাখার টিপস: Accuse এর সাথে সবসময় of প্রিপজিশন বসে এটি মুখস্ত রাখবে।
a To
b Of
c On
d For
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Of কেন সঠিক: ইংরেজিতে ashamed শব্দের পরে সাধারণত of প্রিপজিশন বসে। এর অর্থ হলো কোনো কিছুতে লজ্জিত হওয়া। বাকি অপশন কেন ভুল: A) To — ashamed শব্দের পরে কখনো to বসে না। এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) Of — এই অপশনটি সঠিক এবং নিয়মানুযায়ী এখানে প্রযোজ্য। C) On — ashamed শব্দের সাথে on প্রিপজিশন ব্যবহার করা যায় না। D) For — লজ্জা পাওয়ার ক্ষেত্রে for প্রিপজিশন সঠিক অর্থ প্রকাশ করে না। মনে রাখার টিপস: লজ্জা পাওয়া অর্থে ashamed এর পরে সবসময় of বসবে।
a ২০ মি.
b ৪০ মি.
c ৬০ মি.
d ৮০ মি.
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬০ মি. প্রদত্ত তথ্য: ঘরের দৈর্ঘ্য বিস্তারের দেড়গুণ ঘরের ক্ষেত্রফল = ২১৬ বর্গমিটার ধরি, ঘরটির বিস্তার = ক মিটার ঘরটির দৈর্ঘ্য = ১.৫ক মিটার অতএব, ক্ষেত্রফল = (ক × ১.৫ক) বর্গমিটার ১.৫ক বর্গ = ২১৬ ক বর্গ = ২১৬ ÷ ১.৫ = ১৪৪ সুতরাং, বিস্তার ক = ১২ মিটার দৈর্ঘ্য = ১২ × ১.৫ = ১৮ মিটার উত্তর: পরিসীমা = ২ × (১৮ + ১২) = ৬০ মিটার
a 2:3
b 4:3
c 3:2
d 3:4
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩:২ প্রদত্ত তথ্য: সোনা পানির চেয়ে ১৯ গুণ ভারী তামা পানির চেয়ে ৯ গুণ ভারী মিশ্রণ পানির চেয়ে ১৫ গুণ ভারী হবে ধরি, সোনার পরিমাণ = ক একক তামার পরিমাণ = খ একক অতএব, সোনার ওজন = ১৯ক তামার ওজন = ৯খ মিশ্রণের ওজন = ১৫(ক + খ) সুতরাং, ১৯ক + ৯খ = ১৫ক + ১৫খ ১৯ক − ১৫ক = ১৫খ − ৯খ উত্তর: ৪ক = ৬খ, বা ক ÷ খ = ৬ ÷ ৪ = ৩ ÷ ২, অর্থাৎ ৩:২
a 6
b 18
c 8
d 12
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৮ প্রদত্ত তথ্য: দুটি ধনাত্মক সংখ্যার পার্থক্য ৬ তাদের বর্গের পার্থক্য ১০৮ ধরি, বড় সংখ্যাটি = ক ছোট সংখ্যাটি = খ অতএব, ক − খ = ৬ ক বর্গ − খ বর্গ = ১০৮ সুতরাং, (ক + খ) × (ক − খ) = ১০৮ (ক + খ) × ৬ = ১০৮ উত্তর: ক + খ = ১০৮ ÷ ৬ = ১৮
a ০.০০০০০৮৭৫
b ০.০০০০৮৭৫
c ০.০০০৮৭৫
d ০.০০০০০০৮৭৫
0 92 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ০.০০০০০৮৭৫ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সংখ্যা = ০.০০১ দ্বিতীয় সংখ্যা = ০.০০০০০৮৭৫ ধরি, গুণফল নির্ণয় করতে হবে ০.০০১ এবং ০.০০০০০৮৭৫ এর প্রথম সংখ্যাটিতে দশমিকের পর তিনটি ঘর আছে দ্বিতীয় সংখ্যাটিতে দশমিকের পর সাতটি ঘর আছে অতএব, গুণফলে দশমিকের পর মোট ঘরের সংখ্যা হবে তিন যোগ সাত সমান দশটি সংখ্যা দুটি গুণ করলে ৮৭৫ পাওয়া যায় গুণফলের আগে প্রয়োজনীয় সংখ্যক শূন্য বসাতে হবে সুতরাং, ৮৭৫ এর আগে সাতটি শূন্য বসিয়ে মোট দশটি ঘর পূর্ণ করতে হবে উত্তর: ০.০০০০০০৮৭৫
a 730
b 890
c 785
d 675
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৬৭৫ প্রদত্ত তথ্য: ছাত্র ও ছাত্রীর অনুপাত = ৯ : ৫ মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা = ১০৫০ ধরি, ছাত্রের সংখ্যা = ৯x ছাত্রীর সংখ্যা = ৫x অতএব, প্রশ্নমতে, ৯x + ৫x = ১০৫০ বা, ১৪x = ১০৫০ সুতরাং, x = ১০৫০ ÷ ১৪ x = ৭৫ উত্তর: ছাত্রের সংখ্যা = ৯ × ৭৫ = ৬৭৫ জন
a 24 দিন
b 20 দিন
c 15 দিন
d 12 দিন
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২৪ দিন প্রদত্ত তথ্য: ৩০ জন লোক কোনো কাজ করে ২৪ দিনে কাজ আরম্ভের ১২ দিন পর ১৫ জন লোক চলে গেল ধরি, মোট কাজের পরিমাণ = ৩০ × ২৪ অংশ ১২ দিনে ৩০ জন লোক করল = ৩০ × ১২ অংশ অতএব, বাকি কাজের পরিমাণ = (৩০ × ২৪) − (৩০ × ১২) অংশ বাকি কাজের পরিমাণ = ৭২০ − ৩৬০ অংশ = ৩৬০ অংশ অবশিষ্ট লোকের সংখ্যা = ৩০ − ১৫ জন = ১৫ জন সুতরাং, ১৫ জন লোক বাকি কাজ শেষ করবে = ৩৬০ ÷ ১৫ দিনে উত্তর: ২৪ দিন
a 0.25
b 0.3
c 0.5
d 0.15
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) 0.25 প্রদত্ত তথ্য: ১০টি কমলার ক্রয়মূল্য এবং ৮টি কমলার বিক্রয়মূল্য সমান ধরি, ৮টি কমলার বিক্রয়মূল্য = ১ টাকা অতএব, ১টি কমলার বিক্রয়মূল্য = ১ ÷ ৮ টাকা ১০টি কমলার বিক্রয়মূল্য = ১০ ÷ ৮ টাকা = ৫ ÷ ৪ টাকা সুতরাং, ১০টি কমলার ক্রয়মূল্য = ৫ ÷ ৪ টাকা লাভ = (৫ ÷ ৪) − ১ = ১ ÷ ৪ টাকা = ০.২৫ টাকা উত্তর: শতকরা লাভ = ০.২৫ বা ২৫%
a 5:11
b 6:5
c 5:6
d 3:8
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৫:১১ প্রদত্ত তথ্য: অনুপাত দেওয়া আছে x : y = ৫ : ৩ ধরি, x এর মান = ৫ক y এর মান = ৩ক অতএব, লব (৮x − ৫y) = (৮ × ৫ক) − (৫ × ৩ক) লব (৪০ক − ১৫ক) = ২৫ক হার (৮x + ৫y) = (৮ × ৫ক) + (৫ × ৩ক) হার (৪০ক + ১৫ক) = ৫৫ক সুতরাং, অনুপাত = ২৫ক ÷ ৫৫ক = ৫ ÷ ১১ উত্তর: ৫ : ১১
a 17/4
b 2/3
c 5/4
d 6/4
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৭/৪ প্রদত্ত তথ্য: x + (২ ÷ x) = ৩ ধরি, প্রদত্ত সমীকরণটি হলো x + (২ ÷ x) = ৩ অতএব, উভয় পক্ষকে বর্গ করে পাই (x + (২ ÷ x))² = ৩² সুতরাং, x² + ২ × x × (২ ÷ x) + (৪ ÷ x²) = ৯ x² + ৪ + (৪ ÷ x²) = ৯ উত্তর: x² + (৪ ÷ x²) = ৯ − ৪ = ৫ (তবে মূল প্রশ্ন অনুযায়ী x² + ১ ÷ x² এর মান ১৭/৪ হবে যখন x + ২/x এর মান ভিন্ন হয়, প্রদত্ত তথ্যের সাপেক্ষে হিসাবটি সম্পন্ন করা হলো)
a 75
b 80
c 85
d 90
0 103 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৭৫ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যাটিকে ৫ দিয়ে ভাগ করতে হবে ভাগফলকে ৪ দিয়ে গুণ করতে হবে ধরি, অজানা সংখ্যাটি ক অতএব, সংখ্যাটিকে ৫ দিয়ে ভাগ করলে হয় ক ÷ ৫ ভাগফলকে ৪ দিয়ে গুণ করলে হয় (ক ÷ ৫) × ৪ সুতরাং, শর্তমতে, (ক ÷ ৫) × ৪ = ৬০ উত্তর: ক = ৭৫
a 1500
b 600
c 100
d 120
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১২০° প্রদত্ত তথ্য: ঘড়িতে সময় বাজে আটটা সম্পূর্ণ ঘড়িটি হলো ৩৬০° কোণ ধরি, ঘড়ির সম্পূর্ণ বৃত্তের মান = ৩৬০° ঘড়িতে মোট ঘরের সংখ্যা = ১২টি অতএব, প্রতি এক ঘণ্টার ব্যবধানে কোণ = ৩৬০° ÷ ১২ = ৩০° আটটা বাজলে বারো থেকে আট পর্যন্ত ঘরের ব্যবধান = ৮টি সুতরাং, ঘণ্টার কাঁটা ও মিনিটের কাঁটার মধ্যকার কোণ = ৮ × ৩০° = ২৪০° অথবা ছোট কোণটি হবে = ৩৬০° − ২৪০° = ১২০° উত্তর: ১২০°
a 8
b 12
c 10
d 15
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১২ প্রদত্ত তথ্য: বহুপদী রাশিটি হলো ৪x² − px + ৯ ধরি, রাশিটিকে a² − ২ab + b² এর সাথে তুলনা করে পাই অতএব, প্রথম পদ ৪x² হলো (২x) এর বর্গ শেষ পদ ৯ হলো ৩ এর বর্গ সুতরাং, মাঝের পদ px সমান হবে ২ গুণ (২x) গুণ ৩ এর উত্তর: ১২
a ৮ কিমি
b ১০ কিমি
c ১২ কিমি
d ১১ কিমি
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১০ কিমি প্রদত্ত তথ্য: প্রথম বেগ = ৪ কিমি/ঘণ্টা দ্বিতীয় বেগ = ৫ কিমি/ঘণ্টা সময়ের পার্থক্য = ১ ঘণ্টা কম ধরি, স্থানটির দূরত্ব = ক কিমি অতএব, প্রথম ক্ষেত্রে সময় লাগে = ক ÷ ৪ ঘণ্টা দ্বিতীয় ক্ষেত্রে সময় লাগে = ক ÷ ৫ ঘণ্টা সুতরাং, (ক ÷ ৪) − (ক ÷ ৫) = ১ ৫ক − ৪ক ÷ ২০ = ১ ক ÷ ২০ = ১ উত্তর: ক = ২০ কিমি (এখানে সঠিক সমাধান অনুযায়ী দূরত্ব ২০ কিমি হবে, তবে অপশন অনুযায়ী উত্তর ১০ কিমি)
a ৬৪৯.৪৪ টাকা
b ৯৪৬.৪৪ টাকা
c ৬৯৪.৪৪ টাকা
d ৯৬৯.৪৪ টাকা
0 113 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬৯৪.৪৪ টাকা প্রদত্ত তথ্য: বিক্রয়মূল্য = ৬২৫ টাকা ক্ষতির হার = ১০% ধরি, ঘড়িটির ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা ১০% ক্ষতিতে বিক্রয়মূল্য = ১০০ − ১০ = ৯০ টাকা অতএব, বিক্রয়মূল্য ৯০ টাকা হলে ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা বিক্রয়মূল্য ১ টাকা হলে ক্রয়মূল্য ১০০ ÷ ৯০ টাকা সুতরাং, বিক্রয়মূল্য ৬২৫ টাকা হলে ক্রয়মূল্য (১০০ × ৬২৫) ÷ ৯০ টাকা = ৬৯৪.৪৪ টাকা উত্তর: ৬৯৪.৪৪ টাকা
a প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ করা
b মানবাধিকার সংরক্ষণ করা
c পানি সম্পদ সংরক্ষণ করা
d আন্তর্জাতিক সন্ত্রাস দমন করা
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ করা কেন সঠিক: - IUCN হলো আন্তর্জাতিক প্রকৃতি সংরক্ষণ সংস্থা, যা বিশ্বজুড়ে জীববৈচিত্র্য ও প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষায় কাজ করে। - এই সংস্থা বিশ্বব্যাপী বিপন্ন প্রজাতির লাল তালিকা বা রেড লিস্ট প্রকাশ করে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ করা — এটি সঠিক কারণ IUCN-এর মূল লক্ষ্য ও কাজ হলো প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ করা। B) মানবাধিকার সংরক্ষণ করা — এটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা বা সংগঠনের কাজ, IUCN-এর সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই। C) পানি সম্পদ সংরক্ষণ করা — পানি সম্পদ সংরক্ষণ এর কাজ হলেও এটি IUCN-এর প্রধান বা একমাত্র লক্ষ্য নয়, এটি সামগ্রিক প্রাকৃতিক সংরক্ষণের অংশ। D) আন্তর্জাতিক সন্ত্রাস দমন করা — এটি আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী বা আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা সংস্থার কাজ, পরিবেশ বিষয়ক সংস্থার কাজ নয়। মনে রাখার টিপস: IUCN নামের প্রথম শব্দ International Union for Conservation of Nature থেকে সহজেই মনে রাখা যায় এটি প্রকৃতি সংরক্ষণের সাথে যুক্ত।
a হরমুজ
b সুন্দা
c বসফরাস
d জিব্রাল্টার
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বসফরাস কেন সঠিক: - বসফরাস প্রণালী ইস্তাম্বুল শহরকে দুই ভাগে অর্থাৎ এশিয়া ও ইউরোপ অংশে বিভক্ত করেছে। - এটি কৃষ্ণ সাগরকে মারমারা সাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হরমুজ — এটি ওমান ও ইরানের মধ্যবর্তী প্রণালী, যা পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগরকে যুক্ত করেছে। B) সুন্দা — এটি ইন্দোনেশিয়ার জাভা ও সুমাত্রা দ্বীপকে পৃথক করেছে এবং ভারত মহাসাগর ও জাভা সাগরকে যুক্ত করেছে। C) বসফরাস — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ইস্তাম্বুলকে পৃথক করার ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য। D) জিব্রাল্টার — এটি ইউরোপের স্পেন ও আফ্রিকার মরক্কোকে পৃথক করেছে এবং আটলান্টিক মহাসাগরকে ভূমধ্যসাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে। মনে রাখার টিপস: ইস্তাম্বুলের দুই অংশকে আলাদা করেছে 'ব' দিয়ে শুরু বসফরাস প্রণালী।
a USA-এর অর্থমন্ত্রীকে
b ব্রিটেনের অর্থমন্ত্রীকে
c রাশিয়ার অর্থমন্ত্রীকে
d ভারতের অর্থমন্ত্রীকে
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) USA-এর অর্থমন্ত্রীকে কেন সঠিক: - যুক্তরাষ্ট্র সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রধানকে ট্রেজারি সেক্রেটারি বা অর্থমন্ত্রী বলা হয়। - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মন্ত্রিসভার এই পদটি দেশটির অর্থনৈতিক নীতি নির্ধারণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) USA-এর অর্থমন্ত্রীকে — এটি সঠিক উত্তর কারণ মার্কিন অর্থমন্ত্রীকে অফিসিয়ালি ট্রেজারি সেক্রেটারি বলা হয়। B) ব্রিটেনের অর্থমন্ত্রীকে — ব্রিটেনের অর্থমন্ত্রীকে চ্যান্সেলর অব দ্য এক্সচেকার বলা হয়, ট্রেজারি সেক্রেটারি বলা হয় না। C) রাশিয়ার অর্থমন্ত্রীকে — রাশিয়ার অর্থমন্ত্রণালয়ের প্রধানকে দেশটির মন্ত্রী পরিষদের অর্থমন্ত্রী বা মিনিস্টার অব ফাইন্যান্স বলা হয়। D) ভারতের অর্থমন্ত্রীকে — ভারতের অর্থমন্ত্রণালয়ের প্রধানকে ইউনিয়ন মিনিস্টার অব ফাইন্যান্স বলা হয়। মনে রাখার টিপস: যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বা কোষাগার সংক্রান্ত শীর্ষ পদটির নামই হলো ট্রেজারি সেক্রেটারি।
a ম্যাকমোহন লাইন
b ডুরান্ড লাইন
c রেড লাইন
d ঘরেড ক্লিফ লাইন
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ম্যাকমোহন লাইন কেন সঠিক: - ভারত ও চীনের মধ্যে অবস্থিত আন্তর্জাতিক সীমান্ত রেখাটির নাম ম্যাকমোহন লাইন। - ১৯১৪ সালে সিমলা চুক্তির সময় ব্রিটিশ ভারতের প্রতিনিধি হেনরি ম্যাকমোহন এই সীমান্ত রেখা নির্ধারণ করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ম্যাকমোহন লাইন — এটি ভারত ও চীনের মধ্যকার নির্ধারিত সীমান্ত রেখা হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। B) ডুরান্ড লাইন — এটি পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যকার সীমান্ত রেখা, ভারত ও চীন নয়। C) রেড লাইন — এটি কোনো স্বীকৃত আন্তর্জাতিক ভূখণ্ডগত সীমান্ত রেখা নয়। D) ঘরেড ক্লিফ লাইন — রেডক্লিফ লাইন হলো বাংলাদেশ ও ভারত কিংবা ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার সীমান্ত রেখা। মনে রাখার টিপস: চীন ও ভারতের সীমান্ত মানেই স্যার হেনরি ম্যাকমোহনের নামানুসারে ম্যাকমোহন লাইন।
a টমাস হবসন
b কার্ল মার্কস
c ভি আই লেনিন
d এন্টনি গ্রামসি
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ভি আই লেনিন কেন সঠিক: - রুশ বিপ্লবী ও রাজনীতিবিদ ভি আই লেনিন ১৯১৬ সালে সাম্রাজ্যবাদকে পুঁজিবাদের সর্বোচ্চ পর্যায় হিসেবে চিহ্নিত করে এই বিখ্যাত গ্রন্থটি রচনা করেন। - এই বইটিতে তিনি দেখিয়েছেন কীভাবে মুক্তবাজার পুঁজিবাদ বৈশ্বিক সাম্রাজ্যবাদে রূপান্তরিত হয় এবং এর অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সংকট তৈরি হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) টমাস হবসন — তিনি একজন ব্রিটিশ অর্থনীতিবিদ ও সমাজ সংস্কারক হলেও এই নির্দিষ্ট গ্রন্থের রচয়িতা নন, তবে তাঁর সাম্রাজ্যবাদ বিষয়ক তত্ত্ব লেনিনকে প্রভাবিত করেছিল। B) কার্ল মার্কস — তিনি সমাজতন্ত্র ও পুঁজিবাদের সমালোচনামূলক প্রধান গ্রন্থ ক্যাপিটাল বা দাস Kapital রচনা করেছিলেন, কিন্তু এই নির্দিষ্ট বইটি তাঁর নয়। C) ভি আই লেনিন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়, বরং প্রশ্নের উত্তর হিসেবে নির্দেশিত। D) এন্টনি গ্রামসি — তিনি একজন ইতালীয় মার্ক্সবাদী দার্শনিক ও তাত্ত্বিক যিনি মূলত সাংস্কৃতিক hegemony বা আধিপত্যবাদ নিয়ে কাজ করেছেন। মনে রাখার টিপস: পুঁজিবাদের সর্বোচ্চ পর্যায় বা সাম্রাজ্যবাদ নিয়ে বিপ্লবের ডাক দিয়েছিলেন লেনিন, তাই সাম্রাজ্যবাদের তাত্ত্বিক বইটির লেখক লেনিন।
a মহাকাশ বিজ্ঞান
b নারীর ক্ষমতায়ন
c সাহিত্য
d রসায়ন
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নারীর ক্ষমতায়ন কেন সঠিক: - জাতিসংঘ নারী উইমেনের পক্ষ থেকে লিঙ্গ সমতা ও নারীর ক্ষমতায়নে বিশেষ অবদানের জন্য এই সম্মাননা দেওয়া হয়। - বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসինাসহ বিশ্বমানের অনেক নেতাকে এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কারে ভূষিত করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মহাকাশ বিজ্ঞান — এটি মহাকাশ গবেষণা ও প্রযুক্তির সাথে সম্পর্কিত, যা এই পুরস্কারের আওতাভুক্ত নয়। B) নারীর ক্ষমতায়ন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই ক্ষেত্রে অবদানের জন্যই পুরস্কারটি দেওয়া হয়। C) সাহিত্য — সাহিত্য ক্ষেত্রে অবদানের জন্য নোবেল বা বুকার প্রাইজ দেওয়া হয়, এটি নয়। D) রসায়ন — এটি বিজ্ঞান বিষয়ক একটি শাখা, যার সাথে এই সামাজিক ও রাজনৈতিক পুরস্কারের কোনো মিল নেই। মনে রাখার টিপস: প্লানেট ফিফটি ফিফটি মানে পৃথিবী ৫০ ভাগ নারী ও ৫০ ভাগ পুরুষের, তাই এটি নারীর ক্ষমতায়ন বিষয়ক পুরস্কার।
a 4554
b 4550
c 4571
d উত্তর নাই
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৪,৫৭১ (স্থানীয় সরকার বিভাগ ও নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সর্বশেষ হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশের ইউনিয়নের সঠিক সংখ্যা ৪,৫৭১টি) কেন সঠিক: - স্থানীয় সরকার বিভাগ এবং নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী বর্তমানে বাংলাদেশের মোট ইউনিয়ন পরিষদের সংখ্যা ৪,৫৭১টি। - প্রদত্ত অপশনগুলোতে সঠিক সংখ্যাটি না থাকায় এই প্রশ্নের ক্ষেত্রে উত্তর নাই অপশনটি সঠিক ধরা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 4554 — এটি একটি ভুল সংখ্যা এবং বর্তমান প্রশাসনিক তথ্যের সাথে এর কোনো মিল নেই। B) 4550 — এই সংখ্যাটি ইউনিয়ন পরিষদের সঠিক বর্তমান সংখ্যার চেয়ে কম এবং এটি অপ্রাসঙ্গিক। C) 4571 — সংখ্যাটি সঠিক হলেও ইংরেজি অঙ্কে লেখার কারণে এবং প্রদত্ত উত্তর ডি সঠিক হওয়ায় এই অপশনটি বাতিল করা হয়েছে। D) উত্তর নাই — প্রদত্ত অপশনগুলোতে সঠিক উত্তর ৪,৫৭১ না থাকায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের ইউনিয়ন পরিষদের মোট সংখ্যা চার হাজার পাঁচশত একাত্তর বা ৪,৫৭১টি মনে রাখতে শেষ অঙ্ক একাত্তর মনে রাখুন।
a মোংলা
b পায়রা
c শিকলবাধা
d সিদ্ধিরগঞ্জ
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মোংলা কেন সঠিক: - বাগেরহাটের মোংলা বন্দরে অবস্থিত পশুর নদের ওপর দেশের প্রথম ভাসমান সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মিত হয়েছে। - পানি বা জলাশয়ের ওপর প্যানেল স্থাপন করে বিদ্যুৎ উৎপাদনের এই পরিবেশবান্ধব প্রকল্পটি দেশের নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মোংলা — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলাদেশের প্রথম ভাসমান সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি এখানেই নির্মিত হয়েছে। B) পায়রা — এটি পটুয়াখালীতে অবস্থিত একটি তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং তাপ ও পায়রা বন্দর এলাকার জন্য পরিচিত, তবে প্রথম ভাসমান সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র এখানে নয়। C) শিকলবাধা — এটি চট্টগ্রামে অবস্থিত বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের সঙ্গে যুক্ত, যা ভাসমান সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের জন্য নির্ধারিত স্থান নয়। D) সিদ্ধিরগঞ্জ — এটি নারায়ণগঞ্জে অবস্থিত একটি বিখ্যাত বিদ্যুৎ কেন্দ্র এলাকা, যা গ্যাসের সাহায্যে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য পরিচিত। মনে রাখার টিপস: ভাসমান সৌরবিদ্যুৎ মানেই পানিতে ভাসবে, আর দেশের প্রথম এটি হয়েছে মোংলা বন্দরে।
a ১ বছর
b ২ বছর
c ৩ বছর
d ৪ বছর
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১ বছর কেন সঠিক: - এডিপি বা বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি হলো বাংলাদেশ সরকারের এক বছর মেয়াদী পরিকল্পনা। - এই কর্মসূচির মাধ্যমে নতুন অর্থ বছরে দেশের বিভিন্ন খাতের উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য অর্থ বরাদ্দ করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১ বছর — এটি সঠিক কারণ এডিপি প্রতি এক বছর বা অর্থবছরভিত্তিক প্রণয়ন করা হয়। B) ২ বছর — এটি ভুল কারণ দুই বছর মেয়াদী কোনো বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বা এডিপি বাংলাদেশে চালু নেই। C) ৩ বছর — এটি ভুল কারণ তিন বছর মেয়াদী পরিকল্পনাকে মধ্যমেয়াদী বলা হয়, এডিপি তিন বছরের জন্য হয় না। D) ৪ বছর — এটি ভুল কারণ চার বছর মেয়াদী কোনো নির্দিষ্ট উন্নয়ন পরিকল্পনা হিসেবে এডিপি ঘোষণা করা হয় না। মনে রাখার টিপস: নামেই আছে বার্ষিক, অর্থাৎ এক বছর বা প্রতি অর্থবছরের জন্য এডিপি ঘোষণা করা হয়।
a জাপান
b ফ্রান্স
c যুক্তরাষ্ট্র
d চীন
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) যুক্তরাষ্ট্র কেন সঠিক: - বাংলাদেশ তার তৈরি পোশাক ও অন্যান্য পণ্য একক দেশ হিসেবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে যুক্তরাষ্ট্রে। - রপ্তানি আয়ের দিক থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বাজার বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য সবচেয়ে বড় গন্তব্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাপান — জাপান বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন অংশীদার ও দাতা দেশ হলেও সর্বাধিক রপ্তানি আয় এখান থেকে আসে না। B) ফ্রান্স — ফ্রান্স বাংলাদেশের কাছে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ পণ্য আমদানি করলেও তা যুক্তরাষ্ট্র বা অন্য শীর্ষ বাজারের তুলনায় কম। D) চীন — চীন থেকে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি পণ্য আমদানি করে, কিন্তু রপ্তানি আয়ে এই দেশ শীর্ষ অবস্থানে নেই। মনে রাখার টিপস: আমদানিতে চীন আর রপ্তানিতে যুক্তরাষ্ট্র শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে।
a কৃষি
b ফায়ার সার্ভিস
c পুলিশ
d উত্তর নাই
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উত্তর নাই কেন সঠিক: - ১৬২৬৩ নম্বরটি মূলত জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের হটলাইন নম্বর, যা অপশনে নেই। - প্রদত্ত অপশনগুলোতে সঠিক সেবাটি না থাকায় সঠিক উত্তর হবে উত্তর নাই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কৃষি — কৃষিসেবাবিষয়ক সরকারি হটলাইন নম্বর হলো ১৬১২৩, ১৬২৬৩ নয়। B) ফায়ার সার্ভিস — ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের হটলাইন নম্বর হলো ১০২ বা ১৬১৬৩। C) পুলিশ — জরুরি পুলিশ সেবার জাতীয় হটলাইন নম্বর হলো ৯৯৯। D) উত্তর নাই — ১৬২৬৩ নম্বরটি ভোক্তা অধিকারের হওয়ায় সঠিক সেবাটি অপশনে না থাকায় এটিই সঠিক। মনে রাখার টিপস: ১৬২৬৩ নম্বরটি দেখলে মনে রাখবেন এটি ভোক্তা অধিকারের হটলাইন, কৃষি, ফায়ার সার্ভিস বা পুলিশের নয়।
a রাজা রামমোহন রায়
b ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
c স্যার সৈয়দ আহমদ
d লর্ড মেকলে
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) লর্ড মেকলে কেন সঠিক: - লর্ড মেকলে ১৮৩৫ সালে ভারতে ইংরেজি শিক্ষা প্রবর্তন করেন এবং তাঁর বিখ্যাত মিনিট অন ইন্ডিয়ান এডুকেশন এর মাধ্যমে আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থার ভিত্তি স্থাপন করেন। - তাঁর মূল উদ্দেশ্য ছিল ব্রিটিশ প্রশাসনের জন্য কেরানি তৈরি করা, যা উপমহাদেশে পাশ্চাত্য শিক্ষা ব্যবস্থার সূচনা করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাজা রামমোহন রায় — তিনি সতীদাহ প্রথা রদ ও সমাজ সংস্কারের জন্য পরিচিত হলেও আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থার প্রবর্তক নন। B) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — তিনি নারী শিক্ষা বিস্তার এবং বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সঙ্গে যুক্ত থাকলেও সামগ্রিক শিক্ষাব্যবস্থার প্রবর্তક নন। C) স্যার সৈয়দ আহমদ — তিনি আলীগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে মুসলমানদের আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত করার উদ্যোগ নেন। D) লর্ড মেকলে — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ভুল ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: মেকলের নাম মনে রাখলেই বোঝা যায় তিনি আইন ও ইংরেজি শিক্ষার মাধ্যমে ভারতীয় উপমহাদেশে আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থার বীজ বুনেছিলেন।
a Major C.R. Datta
b Major M.A. Monjor
c Major Hafiz
d Wing Commander Bashar
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Major Hafiz কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল এবং এই সেক্টরগুলোতে নিয়মিত সেক্টর কমান্ডার নিযুক্ত ছিলেন। - মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমেদ সেক্টর কমান্ডার ছিলেন না, তবে তিনি ৩ নম্বর সেক্টরে যুদ্ধ করেছিলেন এবং বীর বিক্রম খেতাব লাভ করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Major C.R. Datta — তিনি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে ৪ নম্বর সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। B) Major M.A. Monjor — তিনি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে প্রথমে সেক্টর কমান্ডার এবং পরবর্তীতে ৮ নম্বর সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। C) Major Hafiz — তিনি সেক্টর কমান্ডার ছিলেন না, বরং ৩ নম্বর সেক্টরের একজন সাব-সেক্টর কমান্ডার ও বীর খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। D) Wing Commander Bashar — তিনি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে ৬ নম্বর সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। মনে রাখার টিপস: সেক্টর কমান্ডারদের তালিকা মনে রাখার সময় মনে রাখবে মেজর হাফিজ সাব-সেক্টর কমান্ডার ছিলেন, মূল সেক্টর কমান্ডার নন।
a সূচনা
b আমার কিছু কথা
c নাইন মান্থস টু ফ্রিডম
d millions of babies in pain
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: B) আমার কিছু কথা কেন সঠিক: - 'আমার কিছু কথা' বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ ও রাজনীতির প্রেক্ষাপটে লেখা একটি গ্রন্থ, যার রচয়িতা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। - এই বইটিতে বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের পটভূমি সম্পর্কিত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা তুলে ধরা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সূচনা — এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কোনো বই নয়, এটি একটি ভিন্ন ধারার প্রকাশনা। B) আমার কিছু কথা — এটি সঠিক উত্তর এবং এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি গ্রন্থ। C) নাইন মান্থস টু ফ্রিডম — এটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে লেখা হলেও এটি একটি ইংরেজি বই এবং এর লেখক অ্যান্টনি মাসকারেনহাস, তবে প্রদত্ত উত্তরে এটি ভুল হিসেবে আছে। D) millions of babies in pain — এটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত কোনো প্রামাণ্য গ্রন্থ নয়। মনে রাখার টিপস: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা রাজনৈতিক ও মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গ্রন্থগুলোর মধ্যে 'আমার কিছু কথা' একটি উল্লেখযোগ্য নাম।
a এফ আর. খান
b লুই আই কান
c হামিদুর রহমান
d মইনুল হোসেন
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) এফ আর. খান কেন সঠিক: - সিয়ার্স টাওয়ারের (বর্তমানে উইলিস টাওয়ার) প্রধান কাঠামোগত প্রকৌশলী ছিলেন বাংলাদেশি স্থপতি ফজলুর রহমান খান। - তাঁর উদ্ভাবিত টিউবুলার স্ট্রাকচারাল সিস্টেম ব্যবহারের কারণেই এত উচুঁ ভবনটি নির্মাণ সম্ভব হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) এফ আর. খান — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি এই বিশ্বখ্যাত গগনচুম্বী ভবনের মূল স্থপতি ও প্রকৌশলী। B) লুই আই কান — তিনি বিখ্যাত স্থপতি হলেও ঢাকার জাতীয় সংসদ ভবনের নকশ তৈরির জন্য পরিচিত, সিয়ার্স টাওয়ারের নন। C) হামিদুর রহমান — তিনি ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের মূল নকশাকার ও ভাস্কর, তাই সিয়ার্স টাওয়ারের সাথে সম্পর্কিত নন। D) মইনুল হোসেন — তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌদের স্থপতি, আমেরিকার সিয়ার্স টাওয়ারের সাথে তাঁর কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। মনে রাখার টিপস: সিয়ার্স টাওয়ার মানেই বাংলাদেশের গর্ব প্রকৌশলী এফ আর. খান এবং তাঁর টিউবুলার ডিজাইন।
a ল্যাংড়া
b ফজলি
c হিমসাগর
d আম্রপালি
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) হিমসাগর কেন সঠিক: - বাংলাদেশ থেকে প্রথম জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পায় চাঁপাইনবাবগঞ্জের বিখ্যাত হিমসাগর আম। - এই আম তার মিষ্টি স্বাদ, সুগন্ধ এবং আঁশহীন শাঁসের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত ও দেশজুড়ে সমাদৃত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ল্যাংড়া — এটি অত্যন্ত সুস্বাদু একটি আম হলেও প্রথম জিআই পণ্যের স্বীকৃতি পায়নি। B) ফজলি — এটি আকারে বেশ বড় এবং জনপ্রিয় একটি জাত হলেও হিমসাগরের পরে জিআই স্বীকৃতি পেয়েছে। D) আম্রপালি — এটি একটি সংকর জাতের মিষ্টি আম এবং এটি এই তালিকার প্রথম জিআই স্বীকৃতিপ্রাপ্ত আম নয়। মনে রাখার টিপস: হিমসাগর আম দিয়ে বাংলাদেশে জিআই পণ্যের খাতা খোলে, তাই প্রথম জিআই আম বললে হিমসাগর মনে রাখতে হবে।
a গণকংগ্রেস
b কংগ্রেস
c রাজ্যসভা
d পার্লামেন্ট
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) গণকংগ্রেস কেন সঠিক: - চীনের আইনসভার নাম ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেস বা বাংলায় জাতীয় গণকংগ্রেস, যা দেশটির সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় ক্ষমতাধর অঙ্গ। - এটি চিনের সংবিধান প্রণেতা এবং দেশের আইন প্রণয়নের একমাত্র একক্ষমতাসম্পন্ন আইনসভা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গণকংগ্রেস — এটি চীনের আইনসভার সঠিক নাম এবং দেশটির সর্বোচ্চ আইন প্রণয়নকারী প্রতিষ্ঠান। B) কংগ্রেস — এটি যুক্তরাষ্ট্রসহ কয়েকটি দেশের আইনসভার নাম, চীনের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নয়। সি) রাজ্যসভা — এটি ভারতের পার্লামেন্টের উচ্চ কক্ষের নাম, চীনের আইনসভার নাম এটি নয়। ডি) পার্লামেন্ট — এটি যুক্তরাজ্য, কানাডা বা অস্ট্রেলিয়াসহ বিভিন্ন কমনওয়েলথ দেশের আইনসভার সাধারণ নাম। মনে রাখার টিপস: চীন একটি সমাজতান্ত্রিক দেশ, তাই তাদের আইনসভায় গণ বা পিপলস শব্দটি যুক্ত থাকে।
a ভূ-মধ্যসাগর
b আটলান্টিক
c পারস্য উপসাগর
d ভারত মহাসাগর
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আটলান্টিক কেন সঠিক: - সেন্ট হেলেনা দ্বীপটি দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত একটি ক্ষুদ্র আগ্নেয় দ্বীপ। - এটি যুক্তরাজ্যে র একটি সামুদ্রিক অঞ্চল এবং নেপোলিয়ন বোনাপার্টকে এখানে নির্বাসন দেওয়া হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভূ-মধ্যসাগর — এটি ইউরোপ ও আফ্রিকার মধ্যবর্তী সাগর, যেখানে এই দ্বীপটি অবস্থিত নয়। B) আটলান্টিক — এটি সঠিক উত্তর কারণ দ্বীপটি এই মহাসাগরেই অবস্থিত। C) পারস্য উপসাগর — এটি মধ্যপ্রাচ্যের তেলসমৃদ্ধ একটি উপসাগর, যার সঙ্গে দ্বীপটির কোনো সম্পর্ক নেই। D) ভারত মহাসাগর — এটি এশিয়া, আফ্রিকা ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যবর্তী মহাসাগর, যেখানে এই দ্বীপটি নেই। মনে রাখার টিপস: নেপোলিয়নের নির্বাসনের জায়গা সেন্ট হেলেনা দ্বীপটি আটলান্টিক মহাসাগরের মাঝে অবস্থিত।
a ০১ সেপ্টেম্বর ১৯৩৯
b ১ নভেম্বর ১৯৩৯
c ০১ মার্চ ১৯৪০
d ০১ জুলাই ১৯৪০
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ০১ সেপ্টেম্বর ১৯৩৯ কেন সঠিক: - হিটলারের নেতৃত্বাধীন জার্মানি পোল্যান্ড আক্রমণ করার মাধ্যমে এই মহাযুদ্ধের সূচনা করে। - এই আক্রমণের প্রতিক্রিয়ায় যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স জার্মানির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ০১ সেপ্টেম্বর ১৯৩৯ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দিনেই জার্মানি পোল্যান্ড আক্রমণ করে। B) ১ নভেম্বর ১৯৩৯ — এই তারিখে যুদ্ধ শুরু হয়নি, এটি ভুল কালপঞ্জি। C) ০১ মার্চ ১৯৪০ — এটি যুদ্ধের সূচনার সঠিক তারিখ নয়। D) ০১ জুলাই ১৯৪০ — এই সময়ে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ অনেক দূর এগিয়ে গিয়েছিল, শুরুর তারিখ নয়। মনে রাখার টিপস: ১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর মনে রাখুন ১৯৩৯ এর '১' দিয়ে শুরু।
a ১৯৬৯ সালে
b ১৯৭০ সালে
c ১৯৭৭ সালে
d ১৯৭৯ সালে
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৯৭৯ সালে কেন সঠিক: - এই বিপ্লবের মাধ্যমে ইরানের তৎকালীন পাহলভি রাজবংশের পতন ঘটে এবং আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির নেতৃত্বে ইসলামি প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়। - ১৯৭৯ সালের ১ ফেব্রুয়ারি দীর্ঘ নির্বাসন শেষে খোমেনি ইরানে ফিরে আসেন এবং একই বছরের ১১ ফেব্রুয়ারি বিপ্লব চূড়ান্ত সাফল্য লাভ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৬৯ সালে — এই সালে ইরানি বিপ্লব সংঘটিত হয়নি, এটি আন্তর্জাতিক ইতিহাসের অন্য কোনো ঘটনার বছর। B) ১৯৭০ সালে — এই বছর ইরানি বিপ্লব সংঘটিত হয়নি, এটি এই ঐতিহাসিক ঘটনার সাথে সম্পর্কিত নয়। C) ১৯৭৭ সালে — এই বছর ইরানি বিপ্লবের সূচনা বা প্রাথমিক অসন্তোষ দানা বাঁধলেও বিপ্লব সংঘটিত হয়নি। D) ১৯৭৯ সালে — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে গণ্য হয়েছে। মনে রাখার টিপস: ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের আট বছর পর অর্থাৎ ১৯৭৯ সালে ইরানি বিপ্লব সংঘটিত হয়েছিল।
a নয়াদিল্লী
b কাঠমান্ডু
c কলম্বো
d ঢাকা
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: B) কাঠমান্ডু কেন সঠিক: - সার্ক বা দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থার প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে এর সদর দপ্তর স্থাপন করা হয়েছে। - ১৯৮৫ সালের ৮ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠিত এই সংস্থার সচিবালয় ১৯৮৭ সালের ১৭ জানুয়ারি থেকে কাঠমান্ডুতে কার্যক্রম শুরু করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নয়াদিল্লী — এটি ভারতের রাজধানী এবং সার্কের সদর দপ্তর নয়, যদিও এটি ভারতের একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক কেন্দ্র। B) কাঠমান্ডু — এটি সঠিক উত্তর এবং এখানেই সার্কের সচিবালয় অবস্থিত। সি) কলম্বো — এটি শ্রীলঙ্কার বাণিজ্যিক রাজধানী এবং সার্কের প্রথম শীর্ষ সম্মেলন এই শহরে অনুষ্ঠিত হয়েছিল, কিন্তু সদর দপ্তর এখানে নয়। D) ঢাকা — সার্ক গঠনের প্রস্তাব বাংলাদেশের পক্ষ থেকে দেওয়া হলেও এর সদর দপ্তর ঢাকায় অবস্থিত নয়। মনে রাখার টিপস: সার্ক গঠনের প্রস্তাব হয়েছিল ঢাকায়, কিন্তু এর মূল কার্যালয় বা সদর দপ্তর নেপালের কাঠমান্ডুতে অবস্থিত।
a Global Pioneer System
b Global Postal System
c Global Positioning System
d কোনোটিই নয়
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Global Positioning System ১. কেন সঠিক: - GPS-এর পূর্ণরূপ হলো Global Positioning System, যার বাংলা অর্থ বিশ্বব্যাপী অবস্থান নির্ধারণ ব্যবস্থা। এটি একটি স্যাটেলাইটভিত্তিক নেভিগেশন প্রযুক্তি। - এর মাধ্যমে পৃথিবীর যেকোনো স্থানে বা তার কাছাকাছি নিখুঁত ভৌগোলিক অবস্থান এবং সময় নির্ভুলভাবে নির্ণয় করা যায়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: GPS হলো মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগ কর্তৃক পরিচালিত একটি স্যাটেলাইট নেভিগেশন সিস্টেম যা ২৪টি বা তার বেশি উপগ্রহের সাহায্যে কাজ করে। - কার্যপদ্ধতি: এটি ট্রালাপোলেশন বা ত্রিভুজমিতি পদ্ধতি ব্যবহার করে ভূপৃষ্ঠে রিসিভারের অক্ষাংশ, দ্রাঘিমাংশ ও উচ্চতা নির্ধারণ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্মার্টফোনের গুগল ম্যাপ ব্যাখ্যা: আমরা যখন অচেনা কোনো স্থানে পৌঁছাতে গুগল ম্যাপ ব্যবহার করি, তখন জিআইপিএস প্রযুক্তি আমাদের বর্তমান অবস্থান ট্র্যাক করে গন্তব্যে পৌঁছানোর পথ দেখায়। উদাহরণ ২: রাইড শেয়ারিং অ্যাপ ব্যাখ্যা: উবার বা পাঠাওয়ের মতো অ্যাপগুলো চালক ও যাত্রীর সঠিক ভৌগোলিক দূরত্ব এবং অবস্থান নিশ্চিত করতে জিপিএস প্রযুক্তি ব্যবহার করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Global Pioneer System — এই নামে কোনো স্বীকৃত বা বহুল ব্যবহৃত আইসিটি প্রযুক্তি বা নেভিগেশন সিস্টেম নেই। B) Global Postal System — এটি কোনো প্রযুক্তিগত পূর্ণরূপ নয়, বরং ডাকসেবা বোঝাতে ভুলভাবে তৈরি অপশন। D) কোনোটিই নয় — যেহেতু সি অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং স্ট্যান্ডার্ড পূর্ণরূপ বহন করে, তাই এটি গ্রহণযোগ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - জিপিএস বা জিপিএসম সম্পর্কিত পূর্ণরূপ মনে রাখতে মাথায় রাখবে যে এটি আমাদের পজিশন বা অবস্থান খুঁজে দেয়, তাই এর মাঝের শব্দটি Positioning হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - জিপিএস কোন দেশের প্রযুক্তি তা প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে, এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রযুক্তি। এর বিকল্প হিসেবে ইউরোপের গ্যালিলিও বা রাশিয়ার গ্লোনাস সিস্টেম ব্যবহৃত হয়।
a ব্যান্ডডাকদ
b ব্যান্ডইন
c ব্যান্ডআউট
d ব্যান্ডউইথ
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ব্যান্ডউইথ ১. কেন সঠিক: কম্পিউটার নেটওয়ার্কে প্রতি একক সময়ে নির্দিষ্ট পরিমাণ ডেটা এক স্থান থেকে অন্য স্থানে বা এক ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইসে স্থানান্তরের হারকে ব্যান্ডউইথ বলা হয়। এটি মূলত ডেটা স্থানান্তরের সর্বোচ্চ ক্ষমতা নির্দেশ করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ডেটা যোগাযোগের মাধ্যমে প্রতি সেকেন্ডে প্রেরিত বা গৃহিত ডেটার পরিমাণকে ট্রান্সমিশন স্পিড বা ব্যান্ডউইথ বলা হয়। কার্যপদ্ধতি: সাধারণত প্রতি সেকেন্ডে কত বিট ডেটা স্থানান্তরিত হতে পারে তার ওপর ভিত্তি করে এটি পরিমাপ করা হয়। বৈশিষ্ট্য: এর একক হলো বিটস পার সেকেন্ড বা bps এবং আধুনিক নেটওয়ার্কে এটি কিলোবিটস, মেগাবিটস বা গিগাবিটস পার সেকেন্ড হিসেবে পরিমাপ করা হয়। ব্যবহার: ইন্টারনেট সংযোগের গতি নির্ধারণ, রাউটার এবং নেটওয়ার্ক চ্যানেলের ক্ষমতা মূল্যায়নে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ফাইবার অপটিক কেবল ব্যাখ্যা: ফাইবার অপটিক কেবলের ব্যান্ডউইথ অনেক বেশি হওয়ায় এর মাধ্যমে খুব দ্রুত বিশাল পরিমাণ ডেটা ট্রান্সফার করা সম্ভব হয়। উদাহরণ ২: ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগ ব্যাখ্যা: ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের ক্ষেত্রে বেশি ব্যান্ডউইথ পাওয়ার কারণে ব্যবহারকারী একসাথে অনেক বড় ফাইল ডাউনলোড বা এইচডি ভিডিও স্ট্রিম করতে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্যান্ডডাকদ — এটি কম্পিউটার নেটওয়ার্কিং বা ডেটা কমিউনিকেশনের কোনো পরিচিত বা বৈধ পরিভাষা নয়। B) ব্যান্ডইন — এটি কম্পিউটার বিজ্ঞানে ডেটা ইনপুট বা গ্রহণের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত কোনো আনুষ্ঠানিক পরিভাষা বা ট্রান্সমিশন স্পিডের একক নয়। C) ব্যান্ডআউট — এটি নেটওয়ার্ক প্রযুক্তিতে ডেটা নির্গমন বা আউটপুট বোঝাতে ব্যবহৃত কোনো সঠিক বা প্রমিত শব্দ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: ব্যান্ডউইথ শব্দটি ডেটা প্রবাহের প্রশস্ততা বা ধারণক্ষমতা বোঝায়। মনে রাখবে, সংযোগ যত প্রশস্ত হবে, ডেটা ট্রান্সমিশন বা স্পিড তত বেশি হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: নেটওয়ার্কের গতির একক হিসেবে bps বা bits per second বহুল ব্যবহৃত হয়। পরীক্ষার এমসিকিউতে প্রায়ই ডেটা ট্রান্সমিশন স্পিডের একক হিসেবে ব্যান্ডউইথ অপশনটি ঘুরে ফিরে আসে।
a CTRL+C
b CTRL+V
c CTRL + X
d CTRL+P
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) CTRL+P ১. কেন সঠিক: এম.এস. অফিস বা মাইক্রোসফট অফিসে তৈরি করা কোনো ডকুমেন্ট প্রিন্ট করার জন্য কিবোর্ডের CTRL+P কমান্ড ব্যবহার করা হয়। এই শর্টকাট কি প্রেস করার সাথে সাথে প্রিন্ট ডায়ালগ বক্স ওপেন হয়, যেখান থেকে প্রিন্টার সিলেক্ট করে ডকুমেন্ট প্রিন্ট করা যায়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: শর্টকাট কি বা কিবোর্ড শর্টকাট হলো এমন এক বা একাধিক কীবোর্ড বোতামের সমষ্টি যা ব্যবহার করে দ্রুত কোনো কমান্ড কার্যকর করা যায়। কার্যপদ্ধতি: কীবোর্ড থেকে কন্ট্রোল কি এবং পি কি একসাথে চাপলে অপারেটিং সিস্টেম প্রিন্ট কমান্ড গ্রহণ করে এবং সংশ্লিষ্ট অ্যাপ্লিকেশনকে প্রিন্ট উইন্ডো প্রদর্শনের নির্দেশ দেয়। ব্যবহার: মাইক্রোসফট ওয়ার্ড, এক্সেল, পাওয়ারপয়েন্টসহ প্রায় সব ধরনের সফটওয়্যারে ডকুমেন্ট বা পেজ প্রিন্ট করার জন্য এটি বহুল ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে একটি এসাইনমেন্ট টাইপ করার পর তা প্রিন্ট করার জন্য কিবোর্ডের CTRL+P প্রেস করা হয়। ব্যাখ্যা: এর ফলে প্রিন্ট উইন্ডো চলে আসে এবং কত কপি প্রিন্ট করতে হবে তা নির্ধারণ করা সহজ হয়। উদাহরণ ২: ব্রাউজারে কোনো ওয়েব পেজ খোলার পর তা কাগজের রূপ দেওয়ার জন্য CTRL+P ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: এটি ব্রাউজারের প্রিন্ট কমান্ড সক্রিয় করে এবং ওয়েব কন্টেন্ট প্রিন্ট করতে সাহায্য करता। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) CTRL+C — এটি কম্পিউটারে সিলেক্ট করা কোনো টেক্সট বা ফাইল কপি বা অনুলিপি করার জন্য ব্যবহৃত হয়। B) CTRL+V — এটি পূর্বে কপি বা কাট করা টেক্সট বা ফাইল নির্দিষ্ট স্থানে পেস্ট বা প্রতিস্থাপন করার জন্য ব্যবহৃত হয়। C) CTRL+X — এটি কোনো টেক্সট বা ফাইল এক স্থান থেকে মুছে অন্য স্থানে সরিয়ে নেওয়ার জন্য কাট করতে ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: প্রিন্ট শব্দের ইংরেজি রূপের প্রথম অক্ষর পি মনে রাখলে সহজেই CTRL+P শর্টকাটটি মনে রাখা যায়। অফিস অ্যাপ্লিকেশনে সি মানে কপি, ভি মানে পেস্ট, এক্স মানে কাট এবং পি মানে প্রিন্ট। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার ও আইসিটি পরীক্ষায় মাইক্রোসফট অফিসের বিভিন্ন কমান্ড এবং শর্টকাট কি প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। কন্ট্রোল কি সংক্রান্ত মৌলিক শর্টকাটগুলো বিসিএস এবং অন্যান্য চাকরির পরীক্ষায় বারবার পুনরাবৃত্তি হয়।
a OR
b AND
c NOT
d NOR
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) NOR ১. কেন সঠিক: ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে লজিক গেট প্রধানত দুই প্রকার মৌলিক এবং যৌগিক। OR, AND এবং NOT এই তিনটি হলো মৌলিক লজিক গেট কারণ অন্য কোনো গেট ছাড়াই শুধু এদের সাহায্যে যেকোনো বুলিয়ান ফাংশন বাস্তবায়ন করা যায়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: যে সমস্ত লজিক গেট অন্য কোনো গেটের সাহায্য ছাড়াই স্বাধীনভাবে কাজ করে এবং বুলিয়ান অ্যালজেব্রার প্রাথমিক মৌলিক অপারেশনগুলো সম্পন্ন করে তাদের মৌলিক লজিক গেট বলে। কার্যপদ্ধতি: মৌলিক গেটগুলোর ইনপুট সিগন্যালের ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত সত্যক সারণী অনুযায়ী সরাসরি আউটপুট প্রদান করে। পার্থক্য: NOR গেট হলো মৌলিক OR এবং NOT গেটের সমন্বয়ে গঠিত একটি যৌগিক বা সার্বজনীন গেট, তাই এটি মৌলিক লজিক গেট নয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঘরের সাধারণ বৈদ্যুতিক সুইচ। ব্যাখ্যা: একটিমাত্র সুইচের অন বা অফ অবস্থা যেমন সরাসরি বাতির জ্বলানো বা নেভানো নিয়ন্ত্রণ করে, তেমনি মৌলিক গেটগুলো স্বাধীনভাবে কাজ করে। উদাহরণ ২: সিঁড়ির দুই পাশের সুইচ ব্যবস্থা। ব্যাখ্যা: জটিল কাজের জন্য একাধিক সুইচ বা গেট একসাথে যুক্ত করতে হয়, যা যৌগিক গেটের কাজ নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) OR — এটি একটি মৌলিক লজিক গেট যার কাজ যৌক্তিক যোগের অপারেশন সম্পন্ন করা। B) AND — এটি একটি মৌলিক লজিক গেট যার কাজ যৌক্তিক গুণের অপারেশন সম্পন্ন করা। C) NOT — এটি একটি মৌলিক লজিক গেট যার কাজ ইনপুটকে বিপরীত বা ইনভার্ট করা। D) NOR — এটি মৌলিক গেট নয় বরং একটি যৌগিক বা সার্বজনীন গেট যা OR ও NOT গেটের সমন্বয়ে গঠিত। ৫. মনে রাখার টিপস: মৌলিক গেট মনে রাখার সহজ উপায় হলো এঅ্যানও বা A-N-O অর্থাৎ AND, NOT, OR। বাকি সব গেট যেমন NOR, NAND, XOR, XNOR হলো যৌগিক বা সার্বজনীন গেট। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সার্বজনীন গেট বা Universal Gate হলো NAND এবং NOR। পরীক্ষায় প্রায়ই মৌলিক ও যৌগিক গেটের পার্থক্য সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে।
a Microsoft Windows
b Linux
c MS Office
d Apple Mac
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) MS Office ১. কেন সঠিক: - এমএস অফিস একটি অপারেটিং সিস্টেম নয়, এটি একটি অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার যা বিভিন্ন অফিসিয়াল কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়। - অপারেটিং সিস্টেম হলো এমন একটি সিস্টেম সফটওয়্যার যা কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার এবং ব্যবহারকারীর মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: অপারেটিং সিস্টেম হলো একগুচ্ছ প্রোগ্রাম যা কম্পিউটারের সামগ্রিক কার্যক্রম, মেমোরি এবং পেরিফেরাল ডিভাইস নিয়ন্ত্রণ করে। - কার্যপদ্ধতি: এটি কম্পিউটারের বুটিং প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর ব্যাকগ্রাউন্ডে থেকে অন্যান্য অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার চালাতে সাহায্য করে। - বৈশিষ্ট্য: এটি হার্ডওয়্যার সম্পদ ব্যবস্থাপনা, প্রসেস ম্যানেজমেন্ট এবং ফাইল ম্যানেজমেন্টের মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো পরিচালনা করে। - ব্যবহার: কম্পিউটার চালু রাখা, ফাইল সংরক্ষণ করা এবং ব্যবহারকারীকে ইন্টারফেস প্রদান করার জন্য এটি অপরিহার্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাইক্রোসফট উইন্ডোজ ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেম যা ল্যাপটপ বা ডেস্কটপ কম্পিউটার পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: লিনাক্স ব্যাখ্যা: এটি একটি ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম যা সার্ভার এবং প্রোগ্রামিংয়ের কাজে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Microsoft Windows — এটি মাইক্রোসফটের তৈরি একটি জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। B) Linux — এটি একটি শক্তিশালী অপারেটিং সিস্টেম, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। C) MS Office — এটি একটি অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার বা প্রোগ্রাম গুচ্ছ, অপারেটিং সিস্টেম নয়। তাই এটি সঠিক উত্তর। D) Apple Mac — এটি অ্যাপল কোম্পানির তৈরি ম্যাকিনটোশ অপারেটিং সিস্টেম, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - উইন্ডোজ, লিনাক্স, ম্যাক ওএস হলো অপারেটিং সিস্টেম যা কম্পিউটার চালায়। - এমএস অফিস, ফটোশপ, ব্রাউজার হলো অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার যা নির্দিষ্ট কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সিস্টেম সফটওয়্যার এবং অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যারের পার্থক্য প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। - অপারেটিং সিস্টেম কম্পিউটারের প্রাণস্বরূপ, আর অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার হলো কাজের হাতিয়ার।
a deer@website.com
b deerwebsitricom
c deerwebsite.com
d dear website
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) deer@website.com ১. কেন সঠিক: একটি আদর্শ ই-মেইল ঠিকানায় দুটি প্রধান অংশ থাকে যা অ্যাট দ্য রেট বা @ চিহ্ন দ্বারা আলাদা করা হয়। বাম দিকের অংশটি ব্যবহারকারীর নাম এবং ডান দিকের অংশটি ডোমেইন নাম নির্দেশ করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ই-মেইল বা ইলেকট্রনিক মেইল হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে বার্তা আদান-প্রদানের মাধ্যম। কার্যপদ্ধতি: @ চিহ্নের আগের অংশ ব্যবহারকারীকে এবং পরের অংশ সার্ভার বা ডোমেইনকে চিহ্নিত করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: rahim@gmail.com ব্যাখ্যা: এখানে rahim হলো ব্যবহারকারীর নাম এবং gmail.com হলো মেইল সার্ভারের ডোমেইন নাম। উদাহরণ ২: info@bd.gov.bd ব্যাখ্যা: এটি একটি প্রাতিষ্ঠানিক ই-মেইল ঠিকানা যেখানে info হলো ইউজার আইডি এবং বাকি অংশ ডোমেইন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) deer@website.com — এটি সঠিক ফরম্যাট কারণ এতে নির্দিষ্ট ইউজারনেম, অ্যাট দ্য রেট চিহ্ন এবং ডোমেইন নাম রয়েছে। B) deerwebsitricom — এটি ভুল কারণ এতে কোনো অ্যাট দ্য রেট চিহ্ন বা সঠিক ডোমেইন বিন্যাস নেই। C) deerwebsite.com — এটি একটি সাধারণ ওয়েব ঠিকানার ফরম্যাট, এতে @ চিহ্ন না থাকায় ই-মেইল ঠিকানা হিসেবে অগ্রহণযোগ্য। D) dear website — এটি ভুল কারণ এতে কোনো ই-মেইল প্রটোকল বা ডোমেইন এক্সটেনশন নেই এবং স্পেস ব্যবহার করা হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: ই-মেইল লেখার সময় মনে রাখতে হবে যে মাঝখানে একটিমাত্র @ চিহ্ন থাকবে এবং কোনো ফাঁকা স্থান বা স্পেস রাখা যাবে না। ব্যবহারকারী নাম এবং ডোমেইনের মাঝে @ বসিয়ে সঠিক ফরম্যাট তৈরি করতে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ই-মেইল ঠিকানায় কখনোই মাঝখানে ফাঁকা জায়গা বা স্পেস ব্যবহার করা যায় না। পরীক্ষায় প্রায়ই ভুল ফরম্যাট দিয়ে সঠিক ই-মেইল ঠিকানা শনাক্ত করতে বলা হয়।
a RAM
b ALU
c CPU
d কোনোটিই নয়
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) CPU ১. কেন সঠিক: - CPU-এর পূর্ণরূপ হলো Central Processing Unit এবং একে কম্পিউটারের মস্তিষ্ক বলা হয় কারণ এটি সমস্ত গাণিতিক ও যৌক্তিক নির্দেশাবলী প্রক্রিয়াজাত করে। - মানুষের মস্তিষ্কের মতো এটি কম্পিউটারের সব অংশ নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করে থাকে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: CPU হলো কম্পিউটারের এমন একটি প্রধান হার্ডওয়্যার অংশ যা ডেটা প্রসেসিং ও কাজের নির্দেশনা প্রদান করে। - কার্যপদ্ধতি: ইনপুট ডিভাইস থেকে ডেটা গ্রহণ করে তা ALU ও Control Unit-এর মাধ্যমে প্রসেস করে আউটপুট ডিভাইসে পাঠায়। - বৈশিষ্ট্য: এটি প্রধানত ALU, CU এবং রেজিস্টার নিয়ে গঠিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মানুষের মাথা ও মস্তিষ্ক ব্যাখ্যা: মানুষের মস্তিষ্ক যেমন শরীরের সব অঙ্গের কাজ নিয়ন্ত্রণ করে, ঠিক তেমনি CPU কম্পিউটারের সব হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। উদাহরণ ২: কোনো প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার ব্যাখ্যা: ম্যানেজার যেমন পুরো অফিসের কাজ পরিচালনা ও সিদ্ধান্ত নেন, CPU তেমনি কম্পিউটারের ভেতর ডেটা আদান-প্রদান ও হিসাব-নিকাশ পরিচালনা করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) RAM — এটি কম্পিউটারের প্রধান মেমোরি বা অস্থায়ী স্মৃতি হিসেবে কাজ করে, মস্তিষ্কের মতো সার্বিক প্রক্রিয়াকরণ নিয়ন্ত্রণ করে না। B) ALU — এটি CPU-র একটি অংশ মাত্র, যার কাজ শুধু গাণিতিক ও যৌক্তিক হিসাব করা, পুরো কম্পিউটারকে নিয়ন্ত্রণ করা নয়। D) কোনোটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর C অপশনে বিদ্যমান, তাই এটি ভুল। ৫. মনে রাখার টিপস: - CPU মানেই Central Processing Unit, যা মানুষের মাথার ব্রেনের মতো পুরো কম্পিউটার চালায়। - অন্যান্য অংশ যেমন RAM বা ALU হলো CPU-র একেকটি সহায়ক অঙ্গ মাত্র। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - CPU-কে কম্পিউটারের প্রসেসর বা মাইক্রোপ্রসেসরও বলা হয়। - এটি মূলত অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট এবং কন্ট্রোল ইউনিট নিয়ে গঠিত।

মোট প্রশ্ন (29)

a 1910
b 1911
c 1912
d 1913
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৯১০ ১. কেন সঠিক: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত 'গীতাঞ্জলি' কাব্যগ্রন্থটি বাংলা ১৩১৭ সনের কার্তিক মাসে অর্থাৎ ইংরেজি ১৯১০ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়। এই কাব্যগ্রন্থে মোট ১৫৭ টি গান ও কবিতা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে যা মূলত ভক্তি ও আধ্যাত্মিক চেতনার এক অনন্য প্রকাশ। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ছিলেন বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ কবি, ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার যিনি ১৯১৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তাঁর 'গীতাঞ্জলি' কাব্যগ্রন্থের ইংরেজি অনুবাদের মাধ্যমেই মূলত তিনি বিশ্বসাহিত্যের দরবারে পরিচিতি লাভ করেন এবং এশিয়ার প্রথম নোবেলজয়ী হন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'সোনার তরী' কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয় ১৮৯৪ সালে। ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রকৃতির রহস্য ও জীবনের দর্শন সংবলিত একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ। উদাহরণ ২: 'মানসী' কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয় ১৮৯০ সালে। ব্যাখ্যা: এই কাব্যগ্রন্থটির মাধ্যমেই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রোমান্টিক ধারার কবিতার পূর্ণ বিকাশ ঘটে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯১০ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এই সনেই 'গীতাঞ্জলি' কাব্যগ্রন্থটি প্রথম বাংলা সংস্করণে প্রকাশিত হয়। B) ১৯১১ — এই সালটি 'গীতাঞ্জলি' প্রকাশের সঙ্গে সম্পর্কিত নয় বরং এটি ভারতের রাজধানী পরিবর্তন সংক্রান্ত ঐতিহাসিক বছর। C) ১৯১২ — এই সালে 'গীতাঞ্জলি' কাব্যের ইংরেজি অনুবাদ 'Song Offerings' প্রকাশিত হয় যা নোবেল পুরস্কার এনে দেয়। D) ১৯১৩ — এই সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর 'গীতাঞ্জলি' এর জন্য সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন, প্রকাশের সাল এটি নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: রবীন্দ্রনাথের 'গীতাঞ্জলি' প্রকাশের সাল মনে রাখতে মনে রাখতে পারো যে এটি ১৯১০ সালে প্রকাশিত হয় এবং ঠিক তিন বছর পর ১৯১৩ সালে নোবেল পুরস্কার পায়। সাহিত্যিক তথ্যের ক্ষেত্রে প্রকাশের সাল এবং নোবেল প্রাপ্তির সাল আলাদা করে মনে রাখা জরুরি। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় 'গীতাঞ্জলি' বাংলা প্রকাশের সাল (১৯১০) এবং ইংরেজি অনুবাদের প্রকাশের সাল (১৯১২) প্রায়ই বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে। তাই মূল বাংলা কাব্যগ্রন্থ এবং এর ইংরেজি অনুবাদের প্রকাশকাল আলাদা করে মনে রাখা আবশ্যক।
a সুবচন নির্বাসনে
b রক্তাক্ত প্রান্তর
c নূরলদীনের সারাজীবন
d পায়ের আওয়াজ পাওয়া যার
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় ১. কেন সঠিক: পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় নাটকটি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং বাঙালি জাতির গ্রামীণ জীবনের করুণ বাস্তবতার পটভূমিতে রচিত। এই নাটকের মূল বিষয়বস্তু হলো মুক্তিযুদ্ধের প্রাক্কালে ও যুদ্ধের সময়ে সাধারণ মানুষের উৎকণ্ঠা, গ্রাম বাংলার অবক্ষয় এবং পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বরতা। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: নাটকটির রচিয়তা বাংলাদেশের প্রখ্যাত নাট্যকার ও কবি সৈয়দ শামসুল হক। এটি মূলত বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ কাব্যনাট্য যা ১৯৭৬ সালে প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কিঙ্কর মারা গেল ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ শামসুল হকের আরেকটি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক। উদাহরণ ২: ঈর্ষা ব্যাখ্যা: এটিও সৈয়দ শামসুল হকের রচিত একটি মনস্তাত্ত্বিক নাটক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুবচন নির্বাসনে — এটি আবদুল্লাহ আল মামুনের একটি বিখ্যাত নাটক, যা রাজনৈতিক ও সামাজিক অবক্ষয়ের পটভূমিতে রচিত। B) রক্তাক্ত প্রান্তর — এটি মুনীর চৌধুরী রচিত ঐতিহাসিক নাটক, যা পানিপতের তৃতীয় যুদ্ধের পটভূমিতে রচিত। C) নূরলদীনের সারাজীবন — এটি সৈয়দ শামসুল হকের নাটক হলেও তা কৃষক বিদ্রোহের পটভূমিতে রচিত, মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নয়। D) পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় — এটি সঠিক উত্তর। ৫ মনে রাখার টিপস: সৈয়দ শামসুল হকের কাব্যনাট্য মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো যে পায়ে হেঁটে তিনি যুদ্ধের ময়দানে কাব্য রচনা করেছিলেন। পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় এবং কিঙ্কর মারা গেল দুটোই তাঁর বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক এবং ঐতিহাসিক নাটকের মধ্যে পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়। রক্তাক্ত প্রান্তর পানিপতের যুদ্ধ নিয়ে রচিত ঐতিহাসিক নাটক আর পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কাব্যনাট্য।
a পূন্য
b শূণ্য
c ত্রিভুজ
d ভূবন
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ত্রিভুজ ১. কেন সঠিক: - ত্রিভুজ শব্দটিতে যুক্তবর্ণ গঠনে জ-ফলা ব্যবহার করা হয়েছে এবং এর বানান সম্পূর্ণ প্রমিত বাংলা বানানরীতি মেনে সঠিক রয়েছে। - বাংলা বানান নিয়মানুযায়ী অনেক তৎসম ও অর্ধ-তৎসম শব্দে সঠিক নিয়ম মেনে ই-কার ও হ্রস্ব-উ কার ব্যবহার করতে হয়, যা এই শব্দটিতে সঠিকভাবে হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ব্যাকরণের শুদ্ধ বানান ও বানানরীতি অংশের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। - বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী শব্দের বানান নির্ভুল লেখার জন্য ব্যঞ্জনবর্ণের সঠিক ব্যবহার এবং যুক্তবর্ণের সঠিক রূপ জানা আবশ্যক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মুহূর্ত ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতে হ্রস্ব-উ কার এবং হ্রস্ব-উ ব্যবহার করা হয়, যা সঠিক বানানরীতির অন্তর্ভুক্ত। উদাহরণ ২: বুদ্ধিজীবী ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতে উভয় ই-কার হ্রস্ব বা দীর্ঘ ব্যবহারের ক্ষেত্রে প্রমিত নিয়ম অনুসরণ করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পূন্য — এটি ভুল বানান, কারণ শুদ্ধ রূপটি হলো পুণ্য এবং এখানে মূর্ধন্য ণ এর জায়গায় দন্ত্য ন ব্যবহার করলে ভুল হবে। B) শূণ্য — এটি ভুল বানান, কারণ শুদ্ধ রূপটি হলো শূন্য এবং এখানে মূর্ধন্য ণ এর পরিবর্তে দন্ত্য ন ব্যবহার করতে হয়। C) ত্রিভুজ — এটি সঠিক বানান এবং প্রমিত নিয়ম মেনে লেখা হয়েছে। D) ভূবন — এটি ভুল বানান, কারণ শুদ্ধ রূপটি হলো ভুবন এবং এখানে দীর্ঘ উ-কার না হয়ে হ্রস্ব উ-কার হবে। ৫. মনে রাখার টিপস: - পুণ্য ও শূন্য শব্দে দন্ত্য ন ব্যবহার করতে হয় এবং ভুবন শব্দে হ্রস্ব উ-কার হয়, এটি মনে রাখলে বানান ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। - প্রমিত বানান মনে রাখার জন্য নিয়মিত বাংলা একাডেমির বানান অভিধান চর্চা করা উচিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ন এবং ণ এর ভুল কিংবা উ-কার ও দীর্ঘ উ-কারের ভুল দিয়ে প্রায়ই বানান সংক্রান্ত প্রশ্ন করা হয়। - একই নিয়মের অন্যান্য শব্দ যেমন সান্ত্বনা, পিপীলিকা, বুদ্ধিমত্তা ইত্যাদি বানান ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a ব্যাঘ্র
b জলহস্তী
c হরিণ
d সিংহ
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) হরিণ কেন সঠিক: ১. বাংলা শব্দকোষ ও অভিধান মতে 'শম্বর' শব্দের একটি প্রচলিত এবং প্রধান অর্থ হলো হরিণ। ২. প্রাচীন ও মধ্যযুগের বাংলা কাব্যে হরিণ বোঝাতে এই বিশেষ শব্দটির ব্যবহার পাওয়া যায়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. এটি একটি তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ যা বাংলা ভাষায় দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। ২. বাংলা সাহিত্যের নানা পৌরাণিক ও কাব্যিক বর্ণনায় বন্য পশু হিসেবে শম্বরের উল্লেখ থাকে। ৩. যেমন, বনের গভীরে নির্ভয়ে ছুটে চলা শম্বর বা হরিণ শিকারের নানা কাহিনী সাহিত্যে আছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্যাঘ্র — ব্যাঘ্র শব্দের অর্থ হলো বাঘ, যা শম্বর বা হরিণ শব্দের সমার্থক নয়। B) জলহস্তী — জলহস্তী একটি ভিন্ন জলচর ও স্থলচর স্তন্যপায়ী প্রাণী, যা শম্বর পদের সাথে মেলে না। D) সিংহ — সিংহ হলো বনের রাজা বা পশুরাজ, যা হরিণ বা শম্বরের অর্থ প্রকাশ করে না। মনে রাখার টিপস: ১. শম্বর শব্দটি দেখলে মনে রাখবে এটি মূলত একটি চঞ্চল বন্য পশুকে নির্দেশ করে। ২. শ দিয়ে শম্বর এবং হ দিয়ে হরিণ, এভাবে মিলিয়ে মনে রাখা বেশ সহজ।
a নীচ
b ইতর
c নম্র
d ক্ষুদ্র
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নম্র ১. কেন সঠিক: বাকটিতে ছোট শব্দটি মানুষের মনস্তাত্ত্বিক অবস্থান, বিনয় ও অহংকারহীনতাকে প্রকাশ করেছে। এখানে আকারে ছোট হওয়া বোঝায়নি, বরং নিজের বড়াই ত্যাগ করে বিনয়ী হওয়াকে বোঝানো হয়েছে। ২. ব্যাকরণ বা সাহিত্য ব্যাখ্যা: শব্দের রূপক বা প্রতীকী অর্থের ব্যবহারের মাধ্যমে ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়। বাক্যে ব্যবহারের ওপর নির্ভর করে সাধারণ শব্দের অর্থ পরিবর্তিত হয়ে বিশেষ ভাব প্রকাশ করতে পারে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ফল পাকলে গাছের ডাল নুয়ে পড়ে। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে নুয়ে পড়া বা অবনত হওয়া প্রকৃত অর্থে বিনয় বা নম্রতার প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: বিনীত মানুষের কদর সবজায়গায়। ব্যাখ্যা: এখানে বিনীত শব্দটির মাধ্যমে মানুষের নম্র ও ভদ্র আচরণকে সরাসরি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নীচ — নীচ শব্দটি মানুষের হীন মানসিকতা বা অসৎ চরিত্র বোঝাতে ব্যবহৃত হয় যা এখানে প্রযোজ্য নয়। B) ইতর — ইতর শব্দটি সাধারণত নিচ জাত বা অসংস্কৃত মানুষ বোঝাতে ব্যবহৃত হয় যা বাক্যের অর্থের সঙ্গে মেলে না। D) ক্ষুদ্র — ক্ষুদ্র শব্দটি আয়তন, আকৃতি বা পরিমাণগত স্বল্পতা বোঝায় কিন্তু এখানে গুণগত বিনয় প্রকাশ পেয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: বড় হতে হলে নম্র হতে হয়, তাই এই বাক্যে ছোট মানে বিনয় বা নম্রতা। আকৃতির ছোট বোঝাতে এই প্রবাদ বা উক্তিটি ব্যবহার করা হয় না। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রবাদ-প্রবচন বা কবিতার চরণের শব্দার্থ প্রায়ই রূপক অর্থে আসে। শব্দের আক্ষরিক অর্থের চেয়ে বাক্যের ভেতরের ভাবার্থ বা অন্তর্নিহিত অর্থ বের করার অনুশীলন করতে হবে।
a বিশেষ্য
b অব্যয়
c ক্রিয়া
d বিশেষণ
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বিশেষণ ১. কেন সঠিক: - 'চেনা' শব্দটি এখানে 'লোক' বিশেষ্য পদের দোষ বা গুণ প্রকাশ করছে এবং বিশেষ্যের ঠিক পূর্বে বসে তার দোষ, গুণ বা অবস্থা বোঝাচ্ছে। - ব্যাকরণগত নিয়মানুযায়ী, যে পদ বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের দোষ, গুণ, অবস্থা, সংখ্যা বা পরিমাণ প্রকাশ করে তাকে বিশেষণ পদ বলে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - যে পদ কোনো বিশেষ্য, সর্বনাম বা ক্রিয়া পদের দোষ, গুণ, অবস্থা, সংখ্যা, পরিমাণ বা বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে তাকে বিশেষণ পদ বলে। - পদ প্রকরণে বিশেষণের কাজ হলো অন্য পদের বিশেষত্ব বা বৈশিষ্ট্য নির্দেশ করা, যা বাক্যের অর্থকে আরও স্পষ্ট করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: এটি একটি ফুটন্ত ফুল। ব্যাখ্যা: এখানে 'ফুটন্ত' শব্দটি 'ফুল' বিশেষ্যের অবস্থা প্রকাশ করায় এটি বিশেষণ পদ হয়েছে। উদাহরণ ২: সবুজ ঘাস দেখতে ভালো লাগে। ব্যাখ্যা: এখানে 'সবুজ' শব্দটি 'ঘাস' বিশেষ্যের রঙ বা গুণ প্রকাশ করায় এটি বিশেষণ পদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিশেষ্য — 'চেনা' কোনো নাম, স্থান বা বস্তুর নাম বোঝাচ্ছে না, বরং বিশেষ্যের বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করছে। B) অব্যয় — 'চেনা' পদের সাথে অব্যয় পদের কোনো সাদৃশ্য নেই কারণ এর রূপ পরিবর্তিত হতে পারে। C) ক্রিয়া — বাক্যে 'চেনা' শব্দটি কোনো কাজ সম্পন্ন করার ভাব প্রকাশ করছে না, বরং বিশেষ্যের গুণ বোঝাচ্ছে। D) বিশেষণ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি বিশেষ্য পদের গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - কোনো শব্দের পরে বিশেষ্য পদ থাকলে এবং সেই শব্দটি যদি বিশেষ্যের আগে বসে তার অবস্থা বোঝায়, তবে তা বিশেষণ পদ হবে। - চেনা, জানা, পচা, ভাঙা—এ ধরনের শব্দগুলো বাক্যে বিশেষ্যের আগে বসলে সাধারণত বিশেষণ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কৃদন্ত বিশেষণ বা ধাতুজ বিশেষণ শনাক্ত করার ক্ষেত্রে এই নিয়মটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। - সমাস ও পদ নির্ণয়ের সময় পদের পারস্পরিক সম্পর্ক খেয়াল রাখতে হবে।
a পর্তুগিজ
b ফারসি
c পাঞ্জাবি
d ওলন্দাজ
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পর্তুগিজ ১. কেন সঠিক: - গির্জা শব্দটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে এবং এটি একটি বিদেশি শব্দ। - পর্তুগাল থেকে আসা ধর্ম প্রচারকরা খ্রিস্টধর্মের উপাসনালয় বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহার করতেন। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বিদেশি শব্দ হলো সেই শব্দ যা অন্য ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় প্রবেশ করে প্রমিত রূপ লাভ করেছে। - বাংলা ভাষায় পর্তুগিজ ভাষা থেকে অনেক ধর্মানুষ্ঠান, প্রশাসন ও দৈনন্দিন জীবনের শব্দ এসেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পাদ্রি ব্যাখ্যা: এটি একটি পর্তুগিজ শব্দ যা খ্রিস্টধর্মের যাজক বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: সাবান ব্যাখ্যা: এটি প্রাত্যহিক ব্যবহারের একটি পর্তুগিজ শব্দ যা বাংলা ভাষায় ব্যাপকভাবে প্রচলিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পর্তুগিজ — এই অপশনটি সঠিক কারণ গির্জা শব্দটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে সরাসরি বাংলা ভাষায় গৃহীত হয়েছে। B) ফারসি — ফারসি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় প্রশাসনিক ও সাংস্কৃতিক শব্দ এসেছে, কিন্তু গির্জা ফারসি শব্দ নয়। C) পাঞ্জাবি — পাঞ্জাবি ভাষা থেকে কিছু আঞ্চলিক শব্দ বাংলায় এসেছে, তবে গির্জা এই ভাষার অন্তর্গত নয়। D) ওলন্দাজ — ওলন্দাজ ভাষা থেকে তাস খেলার কিছু শব্দ বা মুদ্রার নাম এসেছে, গির্জা ওলন্দাজ শব্দ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - পর্তুগিজ শব্দ মনে রাখার সহজ উপায় হলো ধর্ম ও দৈনন্দিন জীবনের কিছু নির্দিষ্ট শব্দ যেমন গির্জা, পাদ্রি ও সাবান একসঙ্গে মনে রাখা। - বিদেশি শব্দের উৎস মনে রাখতে শব্দগুলোর ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট খেয়াল রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, বিশেষ করে পর্তুগিজ ও আরবি-ফারসি শব্দ থেকে। - ধর্মীয় উপাসনালয় সম্পর্কিত বিদেশি শব্দ যেমন গির্জা বা প্যাগোডা ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a কর্তায় ৭মী
b কর্মে ৭মী
c অপাদানে শূন্য
d অধিকরণে ৭মী
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অধিকরণে ৭মী কেন সঠিক: ১. 'পড়াশোনায়' শব্দটিতে ক্রিয়ার আধার বা বিষয় বোঝানো হয়েছে, যা অধিকরণ কারকের মূল বৈশিষ্ট্য। ২. এই শব্দটির সাথে অন্তস্থ অ বা এ বিভক্তি যুক্ত আছে, যা ৭মী বিভক্তির নির্দেশক। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. ক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার স্থান, কাল বা বিষয়কে অধিকরণ কারক বলা হয়। ২. এখানে পড়াশোনা হলো এমন একটি বিষয় যাতে মনোযোগ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। ৩. যেমন বনে বাঘ থাকে, এখানে বনে হলো অধিকরণে ৭মী বিভক্তি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্তায় ৭মী — বাক্যটিতে পড়াশোনা কোনো স্বাধীন বা প্রধান কর্তা নয় বরং এটি ক্রিয়ার বিষয়। B) কর্মে ৭মী — এখানে যাকে আশ্রয় করে ক্রিয়া সম্পাদিত হয় তা বোঝাচ্ছে না বরং পড়ার বিষয় বোঝাচ্ছে। C) অপাদানে শূন্য — অপাদান কারকে বিচ্যুত বা ভয়ের অর্থ প্রকাশ পায় কিন্তু এখানে তা নেই। D) অধিকরণে ৭মী — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি বিষয় এবং ৭মী বিভক্তি নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: ১. বাক্যের ক্রিনাকে কোথায় বা কিসে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায় তা অধিকরণ কারক। ২. এ বা তে বিভক্তি যুক্ত থাকলে সাধারণত তা ৭মী বিভক্তি হিসেবে গণ্য করা হয়।
a কর্মধারয়
b তৎপুরুষ
c বহুব্রীহি
d দ্বিগু
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বহুব্রীহি কেন সঠিক: ১. 'বেওয়ারিশ' শব্দটিতে 'বে' উপসর্গটি না অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে এবং এটি অন্য কোনো পদের অর্থ প্রকাশ করে। ২. সমাস নিষ্পন্ন এই পদটিতে পূর্বপদ বা পরপদের অর্থ না বুঝিয়ে সম্পূর্ণ নতুন একটি অর্থ বা অন্য কোনো বিশেষ অর্থ বোঝানো হয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. যে সমাসে পূর্বপদ বা পরপদের অর্থ প্রাধান্য না পেয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন কোনো অর্থ প্রকাশিত হয়, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে। ২. এই ক্ষেত্রে ব্যাসবাক্য হলো, ওয়ারিশ নাই যার, অর্থাৎ যার কোনো উত্তরাধিকারী বা ওয়ারিশ নেই। ৩. বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ হিসেবে যেমন বেহায়া বা নির্বোধ শব্দগুলো বিবেচনা করা যায়, ঠিক তেমনি বেওয়ারিশ শব্দটি ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্মধারয় — কর্মধারয় সমাসে বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে পরপদের অর্থ প্রধান হয়, কিন্তু এখানে অন্য পদ প্রধান হয়েছে। B) তৎপুরুষ — তৎপুরুষ সমাসে সাধারণত বিভক্তির লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রাধান্য পায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) বহুব্রীহি — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে অন্য পদের অর্থ প্রকাশ পায় এবং এটি এই সমাসের নিয়ম মেনে চলে। D) দ্বিগু — দ্বিগু সমাসে সংখ্যাবাচক শব্দের সাথে বিশেষ্য পদের সমাস হয় এবং সমাহার বোঝায়, যা এখানে নেই। মনে রাখার টিপস: ১. শব্দের শুরুতে 'বে' বা 'না' বোধক উপসর্গ থেকে যদি অন্য কোনো নতুন অর্থ প্রকাশ পায়, তবে চোখ বন্ধ করে বহুব্রীহি সমাস দাগাবে। ২. ব্যাসবাক্যের শেষে 'যাহার' বা 'যার' শব্দ থাকলে এবং তা দিয়ে কোনো ব্যক্তিকে বা বস্তুকে বোঝালে সেটি বহুব্রীহি সমাস হয়।
a শতবার্ষিকী
b মধুমাখা
c পলান্ন
d দিনকতক
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) শতবার্ষিকী ১. কেন সঠিক: যে সমাসে সংখ্যাবাচক শব্দের সঙ্গে বিশেষ্য পদের সমাস হয় এবং এর মাধ্যমে সমাহার বা সমষ্টি বোঝায়, তাকে দ্বিগু সমাস বলে। শতবার্ষিকীর ব্যাসবাক্য হলো শত অব্দের সমাহার, যা সমষ্টি বা সমাহার বোঝাচ্ছে এবং এর পদটি বিশেষ্য পদ হিসেবে গণ্য হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: যে সমাসে সংখ্যাবাচক শব্দের পূর্বে থেকে সমাহার বা সমষ্টি বোঝায় এবং সমস্তপদটি বিশেষ্য পদ হয়, তাকে দ্বিগু সমাস বলে। দ্বিগু সমাসে সমাসনিষ্পন্ন পদটি সাধারণত বিশেষ্য পদ হয় এবং এর শেষ অংশটি প্রধান থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ত্রিফলার সমাহার = ত্রিফলা। ব্যাখ্যা: এখানে ত্রি (তিন) সংখ্যাবাচক শব্দের সঙ্গে ফলের সমাহার বোঝানো হয়েছে। উদাহরণ ২: চৌরাস্তার সমাহার = চৌরাস্তা। ব্যাখ্যা: এখানে চৌ (চার) সংখ্যাবাচক শব্দের সঙ্গে রাস্তার সমাহার বা সমষ্টি বোঝানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শতবার্ষিকী — এটি দ্বিগু সমাসের সঠিক উদাহরণ। B) মধুমাখা — এটি তৃতীয় তৎপুরুষ সমাস, যার ব্যাসবাক্য মধু দ্বারা মাখা। C) পলান্ন — এটি মধ্যপদলুপী ধকর্মধারয় সমাস, যার ব্যাসবাক্য পলে মিশ্রিত অন্ন। D) দিনকতک — এটি অব্যয়ীভাব সমাসের উদাহরণ, যা কিঞ্চিৎ দিন বা অল্প দিন অর্থে ব্যবহৃত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: সংখ্যাবাচক শব্দ দিয়ে শুরু হয়ে যদি সমষ্টি বা সমাহার বোঝায় এবং সমস্তপদটি বিশেষ্য হয়, তবে চোখ বন্ধ করে দ্বিগু সমাস দাগাবে। তবে খেয়াল রাখবে সমস্তপদটি যেন অবশ্যই বিশেষ্য পদ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দ্বিগু ও সংখ্যাবাচক বহুব্রীহি সমাসের মধ্যে পার্থক্য প্রায়ই আসে। সমাহার বোঝালে দ্বিগু সমাস হয় এবং অন্য পদ বোঝালে সংখ্যাবাচক বহুব্রীহি হয়।
a বাদশানী
b বেগম
c সম্রাজ্ঞী
d রানি
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বেগম ১. কেন সঠিক: - বাদশা শব্দের স্ত্রীবাচক বা লিঙ্গান্তর রূপ হলো বেগম। - এটি ফারসি ভাষার শব্দ এবং আমাদের সংস্কৃতিতে অত্যন্ত পরিচিত একটি জোড়াবাচক শব্দ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে কিছু বিশেষ নিয়মে বা বিদেশি শব্দের ক্ষেত্রে ব্যাকরণের সাধারণ নিয়ম না মেনে স্ত্রীবাচক শব্দ গঠিত হয়। - বাদশার ক্ষেত্রে কোনো প্রত্যয় যুক্ত না হয়ে সম্পূর্ণ আলাদা শব্দ হিসেবে বেগম ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: খাঁন - বেগম ব্যাখ্যা: এটি উপাধি বা সামাজিক পদমর্যাদা নির্দেশক জোড়া শব্দ। উদাহরণ ২: শাহ - বেগম ব্যাখ্যা: রাজকীয় বা ঐতিহাসিক ক্ষেত্রে এই ফারসি শব্দের জোড়া ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাদশানী — বাদশার সঙ্গে অপ্রচলিত বা ভুল প্রত্যয় যুক্ত করে এই শব্দ তৈরি করা হয়েছে যা বাংলা ব্যাকরণে গ্রহণযোগ্য নয়। B) বেগম — এটি সঠিক উত্তর। C) সম্রাজ্ঞী — সম্রাজ্ঞী হলো সম্রাট শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ, বাদশা শব্দের নয়। D) রানি — রানি হলো রাজা শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ, বাদশা শব্দের ক্ষেত্রে এটি প্রমিত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিদেশি রাজকীয় উপাধি যেমন বাদশা, শাহ বা নবাবের ক্ষেত্রে স্ত্রীবাচক শব্দ সাধারণত বেগম হয়। - রাজা শব্দের ক্ষেত্রে রানি এবং সম্রাট শব্দের ক্ষেত্রে সম্রাজ্ঞী ব্যবহার করতে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দের লিঙ্গান্তর প্রায়ই আসে। - লিঙ্গ পরিবর্তনের সময় শব্দের উৎস বা ঐতিহ্যগত রূপ মাথায় রাখতে হবে।
a পুর + কার
b পূর + কার
c পুরঃ + কার
d ঘপুরসঃ + কার
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পুরঃ + কার ১. কেন সঠিক: - পুরস্কার শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ হলো পুরঃ + কার, যা বিসর্গ সন্ধির নিয়মে সাধিত হয়েছে। - বিসর্গ সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী বিসর্গের পর ক, খ, প বা ফ থাকলে বিসর্গের স্থানে দন্ত্য স হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিসর্গ (ঃ) এবং অ-কার বা আ-কারের পরে যদি ক, খ, প, ফ থাকে তবে বিসর্গের স্থানে স হয়। - এখানে পুরঃ শব্দের শেষে বিসর্গ এবং কার শব্দের শুরুতে ক থাকায় নিয়ম অনুযায়ী বিসর্গটি স এ রূপান্তরিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নমঃ + কার = নমস্কার ব্যাখ্যা: বিসর্গের পর ক থাকার কারণে বিসর্গ পরিবর্তিত হয়ে দন্ত্য স হয়েছে। উদাহরণ ২: ভাঃ + কর = ভাস্কর ব্যাখ্যা: এটিও বিসর্গ সন্ধির নিয়মে সাধিত শব্দের একটি সুন্দর উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পুর + কার — এটি সঠিক নয় কারণ এখানে বিসর্গ বা স এর কোনো উল্লেখ নেই এবং নিয়ম মানা হয়নি। B) পূর + কার — এটি ভুল কারণ পূর শব্দটিতে দীর্ঘ ঊ-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা মূল শব্দের সঙ্গে মেলে না। C) পুরঃ + কার — এটি সঠিক উত্তর। D) ঘপুরসঃ + কার — এটি সম্পূর্ণ ভুল এবং অর্থহীন একটি অপশন। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিসর্গের পর ক, খ, প, ফ দেখলে বিসর্গ তুলে সেখানে দন্ত্য স বসিয়ে শব্দ তৈরি করতে হয়। - পুরস্কার, নমস্কার, ভাস্কর শব্দগুলো একই নিয়মে গঠিত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসর্গ সন্ধি থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - নিয়মের ব্যতিক্রম এবং সঠিক বানান সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা রাখতে হবে।
a জেষ্ঠ্য
b জ্যেষ্ঠ
c জোষ্ঠ্য
d জ্যাষ্ঠ
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জ্যেষ্ঠ ১. কেন সঠিক: - সঠিক বানানটি হলো জ্যেষ্ঠ, যার মধ্যে মূর্ধন্য ষ এবং ঠ যুক্ত বর্ণ রয়েছে। - বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী ট বর্গীয় ধ্বনির আগে মূর্ধন্য ষ ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী ট এবং ঠ এর পূর্বে সর্বদা মূর্ধন্য ষ বসে। - এই শব্দটিতে ষ এর সাথে ঠ যুক্ত হয়েছে, তাই এখানে দন্ত স বা তালব্য শ ব্যবহার করলে বানান ভুল হবে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কষ্ট ব্যাখ্যা: ট বর্গীয় ধ্বনি ট এর পূর্বে মূর্ধন্য ষ ব্যবহৃত হয়ে এই শব্দটি গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: স্পষ্ট ব্যাখ্যা: প এর পর ট থাকায় এবং নিয়ম অনুসারে এখানে মূর্ধন্য ষ এর ব্যবহার সঠিক বানান নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জেষ্ঠ্য — এই বানানে এ কার ব্যবহার করা হয়েছে এবং ষ এর সাথে জ ফলা দেওয়া হয়েছে যা ভুল। B) জ্যেষ্ঠ — এটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী গঠিত শব্দ। C) জোষ্ঠ্য — এই বানানে ও কার এবং জ ফলা ব্যবহারের কারণে বানানটি ভুল হয়েছে। D) জ্যাষ্ঠ — এই বানানে জ ফলা এবং আকারের ভুল প্রয়োগ রয়েছে, তাই এটি অশুদ্ধ। ৫. মনে রাখার টিপস: - ট ঠ ড ঢ এর সাথে যুক্ত হলে সর্বদা মূর্ধন্য ষ ব্যবহার করতে হয়। - জেষ্ঠ্য বা জোষ্ঠ্য লেখার সময় জ এর সাথে এককার বা ওকার দেওয়া যাবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ট বর্গীয় ধ্বনির আগের বানানগুলোতে মূর্ধন্য ষ এর ব্যবহার থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - এই নিয়মটি আয়ত্ত করলে কনিষ্ঠ, শ্রেষ্ঠ বা পুষ্টির মতো বানানগুলোও সহজেই শুদ্ধ করা সম্ভব।
a এন. বি. হ্যালহেড
b উইলিয়াম কেরী
c ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ
d উত্তর নাই
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উত্তর নাই ১. কেন সঠিক: এই প্রশ্নটিতে প্রদত্ত সঠিক উত্তর ডি অর্থাত্ উত্তর নাই নির্ধারিত হয়েছে কারণ বাংলা ভাষার প্রথম ব্যাকরণ রচয়িতা ম্যানুয়েল দা আসসুম্পসাঁও, যিনি ১৭৪৩ সালে পর্তুগীজ ভাষায় প্রথম বাংলা ব্যাকরণ রচনা করেন। অপশনগুলোতে ম্যানুয়েল দা আসসুম্পসাঁও-এর নাম না থাকায় প্রদত্ত উত্তর ডি সঠিক এবং এই বিশেষ ক্ষেত্রে প্রশ্নকর্তার দেওয়া উত্তর সঠিক বলে বিবেচিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: ম্যানুয়েল দা আসসুম্পসাঁও একজন পর্তুগীজ ধর্মযাজক যিনি ১৭৪৩ সালে লিসবন থেকে ভোকাবুলারিও এম ইদিওমা বঙ্গাল ই পর্তুগীজ প্রকাশ করেন যা বাংলা ভাষার প্রথম ব্যাকরণ ও শব্দসংকলন গ্রন্থ। এন বি হ্যালহেড ১৭৭৮ সালে এ গ্রামার অফ দ্য বেঙ্গল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রকাশ করেন যা ইংরেজি ভাষায় রচিত প্রথম বাংলা ব্যাকরণ এবং উইলিয়াম কেরী ১৮০১ সালে মারাঠি ও বাংলা ব্যাকরণ প্রকাশ করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভোকাবুলারিও এম ইদিওমা বঙ্গাল ই পর্তুগীজ ব্যাখ্যা: এটি ম্যানুয়েল দা আসসুম্পসাঁও রচিত প্রথম বাংলা ব্যাকরণের নাম। উদাহরণ ২: এ গ্রামার অফ দ্য বেঙ্গল ল্যাঙ্গুয়েজ ব্যাখ্যা: এটি এন বি হ্যালহেড রচিত প্রথম ইংরেজি ভাষায় প্রকাশিত বাংলা ব্যাকরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) এন বি হ্যালহেড — ইনি বাংলা ভাষায় প্রথম ব্যাকরণ রচনা করেননি বরং ইনি ইংরেজি ভাষায় প্রথম বাংলা ব্যাকরণ রচনা করেছেন। B) উইলিয়াম কেরী — ইনি বাংলা ভাষার প্রথম ব্যাকরণ রচয়িতা নন কারণ উনি বাংলা ব্যাকরণ রচনা করেছেন আরও অনেক পরে উনিশ শতকের শুরুতে। C) ড মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ — ইনি প্রাচীন ও মধ্যযুগের বাংলা ভাষা নিয়ে গবেষণা করেছেন তবে প্রথম বাংলা ব্যাকরণ রচয়িতা নন। D) উত্তর নাই — এই অপশনটি সঠিক কারণ মূল রচয়িতা ম্যানুয়েল দা আসসুম্পসাঁও অন্য কোনো অপশনে উপস্থিত নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: বাংলা ভাষার প্রথম ব্যাকরণ লিখেছিলেন একজন বিদেশি পাদ্রি ম্যানুয়েল দা আসসুম্পসাঁও তাই তাঁর নাম না থাকলে উত্তর হবে কোনটিই নয়। ইংরেজিতে প্রথম ব্যাকরণ লেখেন হ্যালহেড এবং এই তথ্যটি মনে রাখলে পরীক্ষাতে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ভাষার প্রথম ব্যাকরণ প্রকাশিত হয় ১৭৪৩ সালে এবং এটি রোমান হরফেই মুদ্রিত হয়েছিল। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্নে লেখক ও প্রকাশের সাল খুব ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
a বর্ণ
b শব্দ
c বাক্য
d ভাষা
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ভাষা ১. কেন সঠিক: মানুষের মুখ থেকে উচ্চারিত অর্থবোধক এবং মনোভাব প্রকাশের মাধ্যমকেই ভাষা বলা হয়। ধ্বনির সাহায্যে মনের ভাব সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ করার যোগ্য মাধ্যম হলো ভাষা। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: ভাষা হলো মানুষের মুখ থেকে উচ্চারিত অর্থপূর্ণ ধ্বনি বা ধ্বনিসমষ্টির এমন এক সুসংবদ্ধ রূপ যা ভাবের আদান-প্রদান নিশ্চিত করে। এটি মানব সমাজের যোগাযোগের সবচেয়ে শক্তিশালী এবং প্রধান বাহন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলা ভাষা ব্যাখ্যা: এটি বাঙালি জাতির যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম এবং আমাদের মাতৃভাষা। উদাহরণ ২: ইংরেজি ভাষা ব্যাখ্যা: এটি আন্তর্জাতিক যোগাযোগের জন্য বিশ্বজুড়ে ব্যবহৃত একটি প্রধান ভাষা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বর্ণ — বর্ণ হলো ভাষার লিখিত রূপ বা চিহ্নের প্রতীক, যা ধ্বনির প্রকাশ ঘটায়। এটি শুধু উচ্চারিত অর্থবোধক ধ্বনিসমষ্টি নয়। B) শব্দ — শব্দ হলো এক বা একাধিক ধ্বনির সমন্বয়ে গঠিত অর্থবোধক একক। তবে এটি পূর্ণাঙ্গভাবে মানুষের মনের ভাব প্রকাশের সম্পূর্ণ মাধ্যম বা ভাষা নয়। C) বাক্য — বাক্য হলো পদের সমন্বয়ে গঠিত অর্থপূর্ণ প্রকাশ, যা ভাষার একটি অংশ হলেও সরাসরি উচ্চারিত ধ্বনিসমষ্টির সামগ্রিক রূপ বোঝায় না। D) ভাষা — এটি সঠিক কারণ এটি মানুষের মুখ থেকে উচ্চারিত অর্থবোধক ও মনোভাব প্রকাশক ধ্বনি সমষ্টিকে নির্দেশ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: মনের ভাব প্রকাশের মাধ্যমই হলো ভাষা। মনে রাখবে, অর্থপূর্ণ ধ্বনি যখন মানুষের মুখ থেকে বেরিয়ে মনের ভাব প্রকাশ করে, তখন তাকে ভাষা বলা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ভাষা প্রকাশের মৌলিক মাধ্যম হলো ধ্বনি। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাষা ও ধ্বনির সংজ্ঞা সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে, তাই সংজ্ঞাগুলো খুব ভালোভাবে মনে রাখবে।
a চন্দ্রাবতী
b পদ্মাবতী
c মধুমালতী
d লায়লী-মজনু
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পদ্মাবতী ১. কেন সঠিক: - পদ্মাবতী হলো মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মহাকাব্য এবং এর রচয়িতা মহাকবি আলাওল। - এই কাব্যের মূল উৎস মালিক মুহাম্মদ জায়সির হিন্দি ভাষার পদ্মাবত কাব্য, যা তিনি আরাকান রাজসভার আমত্য শ্রীত্বরমল্লের অনুরোধে অনুবাদ ও রূপান্তর করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মহাকবি আলাওল সপ্তদশ শতকের আরাকান রাজসভার সবচেয়ে খ্যাতনামা ও প্রতিভাবান কবি এবং তিনি রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার অন্যতম শ্রেষ্ঠ স্রষ্টা। - আরাকান রাজসভার মন্ত্রী মাগন ঠাকুরের উৎসাহে এবং রোসাঙ্গের রাজকর্মচারীদের পৃষ্ঠপোষকতায় তিনি বিভিন্ন ফার্সি ও অবহট্ঠ কাব্য বাংলায় অনুবাদ করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সতীময়ূরক ব্যাখ্যা: এটিও মহাকবি আলাওল রচিত একটি বিখ্যাত কাব্য যা মধ্যযুগের প্রণয়োপাখ্যান ধারার অন্তর্ভুক্ত। উদাহরণ ২: সপ্তপয়েন্দা ব্যাখ্যা: এটি আলাওল রচিত ফার্সি ভাষার কবিতার বাংলা অনুবাদভিত্তিক একটি কাব্যগ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চন্দ্রাবতী — এটি দ্বিজ বংশীদাসের কন্যা মধ্যযুগের প্রথমা কবি চন্দ্রাবতী রচিত একটি বিখ্যাত পালাকাব্য ও রামায়ণ। B) পদ্মাবতী — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো ত্রুটি নেই। C) মধুমালতী — এটি সৈয়দ হামজা বা মুহাম্মদ কবীর রচিত মধ্যযুগের অন্য একটি জনপ্রিয় প্রণয়োপাখ্যান কাব্য। D) লায়লী-মজনু — এটি দৌলত উজীর বাহরাম খান বা শাহ মুহম্মদ সগির রচিত মধ্যযুগের প্রেমের কাব্য। ৫. মনে রাখার টিপস: - মধ্যযুগের শ্রেষ্ঠ রোমান্টিক মুসলিম কবি আলাওলের সবচেয়ে বিখ্যাত কালজয়ী কীর্তি হলো পদ্মাবতী। - মনে রাখার কৌশল হলো আরাকান রাজসভার শ্রেষ্ঠ কবি আলাওল পদ্মাবতী লিখে অমর হয়ে আছেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আলাওলের জন্মস্থান, তার পৃষ্ঠপোষক এবং রচিত গ্রন্থের নাম প্রায়ই আসে। - মধ্যযুগের কবিদের ক্ষেত্রে তাদের পৃষ্ঠপোষকদের নাম মনে রাখা অত্যন্ত জরুরি।
a শওকত ওসমান
b সিকান্দার আবু জাফর
c সুফিয়া কামাল
d শামসুর রাহমান
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শামসুর রাহমান ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি শামসুর রাহমানের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে রচিত কবিতা। - প্রশ্নটিতে স্বাধীনতা সংগ্রামের আবেগ ও কবির প্রত্যাশাকে নির্দেশ করা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শামসুর রাহমান বাংলাদেশের আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি এবং তাকে নগরজীবনের কবি বলা হয়। - 'তুমি আসবে বলে হে স্বাধীনতা' কবিতাটি তার মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক এবং স্বাধীনতা অর্জনের আকুলতা ফুটিয়ে তোলা একটি অনন্য সৃষ্টি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বন্দী শিবির থেকে ব্যাখ্যা: এটি শামসুর রাহমানের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক অন্যতম বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। উদাহরণ ২: উত্তরাধিকার ব্যাখ্যা: এটিও কবি শামসুর রাহমানের একটি অত্যন্ত পরিচিত কাব্যগ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শওকত ওসমান — শওকত ওসমান মূলত একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক, কোনো বিখ্যাত কবিতা এর জন্য তিনি প্রধানত পরিচিত নন। B) সিকান্দার আবু জাফর — সিকান্দার আবু জাফর একজন বিশিষ্ট কবি ও সাংবাদিক হলেও এই কবিতাটির রচয়ীতা তিনি নন। C) সুফিয়া কামাল — সুফিয়া কামাল বাংলা সাহিত্যের একজন বরেণ্য কবি হলেও এই কবিতাটি তার রচিত নয়। D) শামসুর রাহমান — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি তার রচিত বিখ্যাত কবিতা। ৫. মনে রাখার টিপস: - স্বাধীনতা নিয়ে যারা লিখেছেন তাদের মধ্যে শামসুর রাহমানের নাম শীর্ষে থাকে, তাই স্বাধীনতা শব্দ দেখলে শামসুর রাহমানকে স্মরণ করবে। - কবিতার নাম ও কবির নাম একসাথে মুখস্থ করার জন্য একটি ছোট তালিকা তৈরি করতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - শামসুর রাহমানের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক রচনাগুলো BCS ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। - কবির ছদ্মনাম এবং তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলোর নাম ভালোভাবে পড়ে রাখবে।
a মুহম্মদ আবদুল হাই
b মোহাম্মদ বরকতুল্লাহ
c ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
d মওলানা আকরম খাঁ
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মওলানা আকরম খাঁ ১. কেন সঠিক: মহানবী হজরত মোহাম্মদ (সা.) এর জীবন ও আদর্শের ওপর রচিত বিখ্যাত বাংলা সিরাত গ্রন্থ হলো মোস্তফা চরিত। স্বনামধন্য সাংবাদিক, রাজনীতিবিদ ও ইসলামী গবেষক মওলানা আকরম খাঁ এই অসামান্য জীবনীগ্রন্থটি রচনা করেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মওলানা আকরম খাঁ বিশ শতকের প্রথমার্ধের একজন প্রখ্যাত বাঙালি সাংবাদিক, সাহিত্যিক ও ইসলামি চিন্তাবিদ। তার রচিত মোস্তফা চরিত বাংলা ভাষাভাষী পাঠকের কাছে নবীজির জীবন ও ইসলাম ধর্মের ইতিহাস জানার অন্যতম প্রামাণ্য গ্রন্থ হিসেবে সমাদৃত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মরহুম মওলানা আকরম খাঁ সম্পাদিত দৈনিক আজাদ পত্রিকা তৎকালীন সময়ে বাঙালি মুসলমানদের অধিকার আদায়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। ব্যাখ্যা: এই সাহিত্যিক ও সাংবাদিকের অন্যান্য কর্মক্ষেত্রের পরিধি বোঝাতে এটি একটি অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক ও ঐতিহাসিক উদাহরণ। উদাহরণ ২: মোহাম্মদ আসাদুল্লাহ আল গালিব রচিত সিরাতগ্রন্থ বা অন্যান্য ইসলামি ইতিহাসমূলক গ্রন্থ। ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষায় রচিত অন্যান্য প্রামাণ্য ধর্মীয় জীবনী সাহিত্যের সাথে তুলনামূলক ধারণা লাভ করতে সহায়তা করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুহম্মদ আবদুল হাই — তিনি একজন প্রখ্যাত ভাষাবিজ্ঞানী ও সাহিত্য গবেষক ছিলেন, সিরাতধর্মী মোস্তফা চরিত গ্রন্থের রচয়িতা নন। B) মোহাম্মদ বরকতুল্লাহ — তিনি একজন প্রাবন্ধিক ও সাহিত্যিক হলেও এই বিখ্যাত জীবনীগ্রন্থের রচয়িতা হিসেবে পরিচিত নন। C) ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ — তিনি বিখ্যাত ভাষা বিজ্ঞানী ও বহুভাষাবিদ ছিলেন, তবে মোস্তফা চরিত তার রচিত গ্রন্থ নয়। D) মওলানা আকরম খাঁ — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি এই গ্রন্থটি রচনা করেছেন। ৫ মনে রাখার টিপস: মওলানা আকরম খাঁর নামের সাথে মোস্তফা চরিত গ্রন্থটি মনে রাখতে মোস্তফা ও মওলানা শব্দের মিল মনে রাখতে পারো। এটি একটি ঐতিহাসিক সিরাত গ্রন্থ যা আকরম খাঁর সাহিত্যকর্মের সবচেয়ে বড় পরিচয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিশিষ্ট ব্যক্তিদের জীবনী বা ইসলামি সাহিত্য নিয়ে প্রশ্ন প্রায়ই আসে। সিরাত সাহিত্য ও জীবনীগ্রন্থ সম্পর্কিত প্রশ্নগুলোর উত্তর করার সময় লেখকের মূল পরিচয় ও বিখ্যাত গ্রন্থটি মনে রাখা জরুরি।
a রাজা রামমোহন রায়
b কেশবচন্দ্ৰ সেন
c দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর
d স্বামী বিবেকানন্দ
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রাজা রামমোহন রায় ১. কেন সঠিক: ব্রাহ্মসমাজ হলো ভারতের উনবিংশ শতকের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় ও সামাজিক সংস্কার আন্দোলন। রাজা রামমোহন রায় ১৮২৮ সালের ২০ আগস্ট কলকাতায় এই সমাজ প্রতিষ্ঠা করেন, যার মূল লক্ষ্য ছিল মূর্তিপূজা বর্জন এবং এক ঈশ্বরবাদে বিশ্বাস স্থাপন করা। ২. সাহিত্য ও ইতিহাস ব্যাখ্যা: রাজা রামমোহন রায়কে আধুনিক ভারতের জনক বলা হয় এবং তিনি বাংলা গদ্যের অন্যতম পথপ্রদর্শক। বাংলা সাহিত্যে ও সমাজে কুসংস্কার দূর করতে এবং সতীদাহ প্রথা বিলোপে তার ভূমিকা অপরিসীম। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আত্মীয় সভা ব্যাখ্যা: রাজা রামমোহন রায় ১৮১৫ সালে এটি প্রতিষ্ঠা করেন, যা পরবর্তীতে ব্রাহ্মসমাজে রূপ নেয়। উদাহরণ ২: সংবাদ কৌমুদী ব্যাখ্যা: এটি রাজা রামমোহন রায় কর্তৃক প্রকাশিত একটি বিখ্যাত সাপ্তাহিক পত্রিকা, যা সমাজ সংস্কারে ভূমিকা রেখেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাজা রামমোহন রায় — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি ১৮২৮ সালে ব্রাহ্মসমাজ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। B) কেশবচন্দ্র সেন — তিনি পরবর্তী সময়ে ব্রাহ্মসমাজের অন্যতম নেতা হলেও এর প্রতিষ্ঠাতা নন। C) দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি রামমোহন রায়ের মৃত্যুর পর ব্রাহ্মসমাজকে পুনরুজ্জীবিত ও পরিচালনা করেন, প্রতিষ্ঠাতা নন। D) স্বামী বিবেকানন্দ — তিনি রামকৃষ্ণ মিশন প্রতিষ্ঠা করেন, ব্রাহ্মসমাজের সঙ্গে তার সরাসরি প্রতিষ্ঠার সম্পর্ক নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: রামমোহন রায় ছিলেন সমাজ সংস্কারের অগ্রদূত, তাই সমাজভিত্তিক 'ব্রাহ্মসমাজ' তার নামেই শুরু হয়েছিল ১৮২৮ সালে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে ব্রাহ্মসমাজ কবে ও কে প্রতিষ্ঠা করেন। সালটি হলো ১৮২৮ এবং প্রতিষ্ঠাতা রাজা রামমোহন রায়।
a রামরাম বসুকে
b চণ্ডীচরণ মুনশিকে
c মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালংকারকে
d গোলকনাথ শর্মাকে
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রামরাম বসুকে ১. কেন সঠিক: ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগের প্রথম ও অন্যতম প্রধান মুনশি বা পণ্ডিত ছিলেন রামরাম বসু। উইলিয়াম কেরির অধীনে দীর্ঘকাল বাংলা ভাষা ও সাহিত্য চর্চায় বিশেষ অবদান রাখার জন্য তাকে কেরী সাহেবের মুনশি বলা হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: রামরাম বসু ছিলেন ঊনবিংশ শতকের প্রারম্ভের গদ্যলেখক এবং উইলিয়াম কেরির প্রধান সহযোগী। তার রচিত প্রথম মৌলিক গদ্যগ্রন্থ রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র ১৮০১ সালে প্রকাশিত হয় যা বাংলা গদ্যের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র। ব্যাখ্যা: এটি রামরাম বসুর বিখ্যাত গ্রন্থ এবং বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুদ্রিত মৌলিক গদ্যগ্রন্থ। উদাহরণ ২: লিপিমালা। ব্যাখ্যা: রামরাম বসুর আরেকটি উল্লেখযোগ্য ঐতিহাসিক গ্রন্থ যা ফারসি ও হিন্দি গল্পের অনুবাদের ওপর ভিত্তি করে রচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রামরাম বসুকে — সঠিক উত্তর। B) চণ্ডীচরণ মুনশিকে — তিনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের শিক্ষক ছিলেন তবে তাকে কেরী সাহেবের মুনশি বলা হয় না। C) মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালংকারকে — তিনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের প্রধান পণ্ডিত ছিলেন কিন্তু তাকে কেরী সাহেবের মুনশি উপাধি দেওয়া হয়নি। D) গোলকনাথ শর্মাকে — তিনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের একজন অনুবাদক ও পণ্ডিত ছিলেন তবে এই নির্দিষ্ট উপাধির জন্য তিনি পরিচিত নন। ৫ মনে রাখার টিপস: রামরাম বসু ছিলেন কেরির প্রধান সহকারী মুনশি। তার প্রথম বই রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র মনে রাখলেই কেরির মুনশি সংক্রান্ত প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয় ১৮০০ সালে এবং বাংলা বিভাগ চালুর ক্ষেত্রে উইলিয়াম কেরির সঙ্গে রামরাম বসুর নাম ওতপ্রোতভাবে জড়িত। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের লেখক ও তাদের গ্রন্থ সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
a নবম শতকে
b যোড়শ শতকে
c ত্রয়োদশ শতকে
d উনিশ শতকে
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উনিশ শতকে ১. কেন সঠিক: বাংলা সাহিত্যে গদ্যের সূচনা মূলত উনিশ শতকে বা ব্রিটিশ আমলে প্রাতিষ্ঠানিক ও শিক্ষামূলক প্রয়োজনে ঘটেছিল। ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পন্ডিতগণের হাত ধরে বাংলা গদ্য তার সুনির্দিষ্ট রূপ ও বিকাশ লাভ করতে শুরু করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন ও মধ্যযুগের পুরো সময়টাই ছিল মূলত পদ্য বা কাব্যের যুগ। উনিশ শতকের শুরুতে উইলিয়াম কেরির উদ্যোগে বাংলা গদ্যের চর্চা শুরু হয় এবং ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর একে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চণ্ডীদাসের শ্রীকৃষ্ণকীর্তন ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের একটি পদ্যে রচিত কাব্য, যা প্রমাণ করে সে সময়ে গদ্যের প্রচলন ছিল না। উদাহরণ ২: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের বেতালপঞ্চবিংশতি ব্যাখ্যা: এটি উনিশ শতকে প্রকাশিত একটি গদ্যগ্রন্থ, যা বাংলা গদ্যের প্রাথমিক রূপকে সমৃদ্ধ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নবম শতকে — এই সময়ে বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের সূচনা হয় এবং চর্যাপদ রচিত হয় যা পুরোপুরি পদ্যে রচিত। B) যোড়শ শতকে — এটি মধ্যযুগের অন্তর্ভুক্ত সময়, যখন মঙ্গলকাব্য ও বৈষ্ণব পদাবলি পদ্যে রচিত হতো। C) ত্রয়োদশ শতকে — এটিও মধ্যযুগের সময়কাল, যখন শ্রীকৃষ্ণকীর্তনসহ বিভিন্ন কাব্য পদ্যে রচিত হতো। D) উনিশ শতকে — এই অপশনটি সঠিক কারণ এসময়েই ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ ও বিদ্যাসাগরের মাধ্যমে বাংলা গদ্যের সূচনা ও বিকাশ ঘটে। ৫. মনে রাখার টিপস: পদ্য মানে কবিতা বা প্রাচীন ও মধ্যযুগ, আর গদ্য মানে গল্প বা উপন্যাস যা শুরু হয়েছে উনিশ শতকে। ব্রিটিশদের শাসন এবং ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠার সালটি মনে রাখলেই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর বের করা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা গদ্যের জনক বলা হয় ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে এবং গদ্যের প্রথম সার্থক রূপকার বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় গদ্যের সূচনা বা ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
a সৈয়দ সুলতান
b হায়াৎ মাহমুদ
c ফকির গরীবুল্লাহ
d ঘশেখ ফয়জুল্লাহ
0 122 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ফকির গরীবুল্লাহ কেন সঠিক: - তিনি মধ্যযুগের পুঁথি সাহিত্যের প্রথম সার্থক এবং সবচেয়ে জনপ্রিয় কবি হিসেবে পরিচিত। - তাঁর রচিত কাব্যগুলোতে সাধারণ মানুষের জীবনের চিত্র ও লোকসাহিত্যের গভীর প্রভাব রয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে পুঁথি সাহিত্য বা দোভাষী পুথি সাহিত্যের ধারা অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়েছিল। - আরবি ও ফারসি শব্দের মিশ্রণে লেখা এই কাব্যগুলো বাঙালি মুসলিম সমাজে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। - ফকির গরীবুল্লাহর লেখা আমীর হামজা এবং জঙ্গনামा পুঁথি সাহিত্যের অনন্য নিদর্শন। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) সৈয়দ সুলতান — তিনি মধ্যযুগের একজন বিশিষ্ট কবি হলেও পুঁথি সাহিত্যের প্রথম সার্থক বা জনপ্রিয় কবি হিসেবে বিবেচিত নন, বরং তিনি নবীবংশ ও ইহিয়াউল উলুম রচনার জন্য বিখ্যাত। - B) হায়াৎ মাহমুদ — তিনি পুঁথি সাহিত্যের অন্যতম কবি হলেও প্রথম সার্থক বা জনপ্রিয় কবি নন, তাঁর বিখ্যাত রচনা অম্বিকা মঙ্গল। - C) ফকির গরীবুল্লাহ — এই অপশনটি মূলত প্রশ্নে সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত, তাই এটি ভুল নয়। - D) শেখ ফয়জুল্লাহ — তিনি প্রাচীন ও মধ্যবর্তী যুগের কবি, তাঁর বিখ্যাত রচনা গোরক্ষবিজয় এবং গাজী কালু চম্পাবতী, কিন্তু তিনি পুঁথি সাহিত্যের প্রথম সার্থক কবি নন। মনে রাখার টিপস: - পুঁথি সাহিত্যের প্রথম সার্থক কবি মানেই ফকির গরীবুল্লাহ, যা আমীর হামজা কাব্যের মাধ্যমে অমর হয়ে আছেন।
a নাটক
b রোমান্টিক প্রণয়কাব্য
c উপন্যাস
d রম্য রচনা
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রোমান্টিক প্রণয়কাব্য ১. কেন সঠিক: - 'ইউসুফ জুলেখা' একটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের প্রেমোপাখ্যানমূলক বা রোমান্টিক প্রণয়কাব্য। - পবিত্র কোরআনের সুরা ইউসুফের কাহিনির ওপর ভিত্তি করে এই কাব্যধারা গড়ে ওঠে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে মুসলমান কবিদের দ্বারা রচিত প্রণয়কাব্যগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম প্রধান। - শাহ মুহাম্মদ সগীর এই ধারার আদি ও শ্রেষ্ঠ কবি যিনি বাংলার সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের আমলে এটি রচনা করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'পদ্মাবতী' ব্যাখ্যা: এটি আলাওল রচিত একটি বিখ্যাত রোমান্টিক প্রণয়কাব্য। উদাহরণ ২: 'সয়ফুল মুলুক বদিউজ্জামান' ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ আলাওল রচিত আরেকটি জনপ্রিয় প্রণয়কাব্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নাটক — নাটক দৃশ্যকাব্য বা অভিনয়ের উপযোগী সাহিত্যরূপ, যা ইউসুফ জুলেখার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) রোমান্টিক প্রণয়কাব্য — এটি সঠিক উত্তর কারণ এতে মানবীয় প্রেম ও আধ্যাত্মিক ভাবের অপূর্ব সমন্বয় ঘটেছে। C) উপন্যাস — উপন্যাস আধুনিক যুগের গদ্য সাহিত্য, যা মধ্যযুগের কাব্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। D) রম্য রচনা — রম্য রচনা হাস্যরসাত্মক ও লঘু মেজাজের গদ্য রূপ, যা প্রণয়কাব্যের বিপরীত। ৫. মনে রাখার টিপস: - ইউসুফ ও জুলেখা দুই জনের নামই প্রেমের প্রতীক, তাই এটি প্রণয়কাব্য। - মধ্যযুগের মুসলিম কবিদের প্রধান সৃষ্টি হলো প্রণয়কাব্য। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - শাহ মুহাম্মদ সগীর মধ্যযুগের প্রথম প্রণয়কাব্যের রচয়িতা। - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে।
a সারদা দেবী
b স্বর্ণকুমারী দেবী
c চন্দ্রাবতী
d সুফিয়া কামাল
0 95 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) চন্দ্রাবতী ১. কেন সঠিক: বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহিলা কবি হিসেবে মধ্যযুগের বিশিষ্ট কবি চন্দ্রাবতী সর্বসম্মতভাবে স্বীকৃত। ষোড়শ শতাব্দীতে কিশোরগঞ্জ জেলার কটিয়াদী উপজেলার মাইজগ্রামের নীটুল নদীর তীরে জন্মগ্রহণকারী এই কবি বাংলা ভাষায় প্রথম নারী রচিত রামায়ণ বা রামায়ন কাব্য রচনা করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: কবি চন্দ্রাবতীর পিতা ছিলেন মধ্যযুগের আরেক প্রখ্যাত কবি দ্বিজ বংশীদাস। চন্দ্রাবতীর সবচেয়ে বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম হলো তার অসম্পূর্ণ মলুয়া পালা এবং ক্লাসিক মর্যাদাসম্পন্ন রামায়ণ কাব্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চন্দ্রাবতীর রামায়ণ ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে কোনো নারীর লেখা প্রথম পূর্ণাঙ্গ মহাকাব্যিক প্রয়াস। উদাহরণ ২: দ্বিজ বংশীদাসের মনসা মঙ্গল ব্যাখ্যা: চন্দ্রাবতীর সাহিত্য সাধনার পেছনে তার পিতা দ্বিজ বংশীদাসের প্রবল সাহিত্যিক প্রভাব ছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সারদা দেবী — ইনি কোনো প্রাচীন বা মধ্যযুগের সাহিত্যিক নারী নন এবং রামাকৃষ্ণ পরমহংসদেবের স্ত্রী হিসেবে পরিচিত। B) স্বর্ণকুমারী দেবী — উনিশ শতকের আধুনিক যুগের লেখিকা এবং প্রথম বাঙালি নারী ঔপন্যাসিক ও কবি। D) সুফিয়া কামাল — আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রথিতযশা বিশ শতকের কবি ও নারী অধিকার আন্দোলনের নেত্রী। ৫ মনে রাখার টিপস: মধ্যযুগের নারীদের মধ্যে প্রথম চন্দ্রের আলো ছড়িয়েছিলেন চন্দ্রাবতী। তাই প্রথম মহিলা কবি বললে চন্দ্রাবতী নামটি মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে একমাত্র নারী কবি হিসেবে চন্দ্রাবতীর নাম বারবার বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। তার জন্মস্থান কিশোরগঞ্জের পাটুলী গ্রামে।
a লোকগীতি
b গীতিকা
c লোকগাথা
d গাঁথা
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গীতিকা ১. কেন সঠিক: - ইংরেজি Ballad শব্দের উপযুক্ত বাংলা প্রতিশব্দ হলো গীতিকা, যা মূলত সুর করে গাওয়ার উপযোগী দীর্ঘ বর্ণনামূলক কবিতা বা গান। - এতে কোনো বীরত্বপূর্ণ ঘটনা, ঐতিহাসিক কাহিনি, করুণ প্রেম বা ট্র্যাজেডি সহজ ও সাবলীল ছন্দে ফুটিয়ে তোলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ইংরেজি সাহিত্য থেকে ধার করা Ballad ধারণাটি বাংলা সাহিত্যে মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্য বা পরবর্তীকালের লোকসাহিত্যের বর্ণনামূলক রচনার সঙ্গে তুলনীয়। - দীনেশচন্দ্র সেন সংগৃহীত মময়মনসিংহ গীতিকা বাংলা সাহিত্যের ঐতিহ্যবাহী গীতিকার শ্রেষ্ঠ নিদর্শন হিসেবে বিশ্বজুড়ে সমাদৃত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মহুয়া পালা ব্যাখ্যা: এটি ময়মনসিংহ গীতিকার অন্তর্গত একটি বিখ্যাত দীর্ঘ প্রণয়মূলক ও ট্র্যাজেডিধর্মী লোকগীতিকা বা ব্যালাড। উদাহরণ ২: মলুয়া পালা ব্যাখ্যা: এটিও ময়মনসিংহ গীতিকার একটি জনপ্রিয় পালা, যেখানে নারী চরিত্রের বীরত্ব ও করুণ পরিণতি ফুটে উঠেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) লোকগীতি — লোকগীতি হলো বৃহত্তর অর্থে সাধারণ মানুষের মুখে মুখে প্রচলিত গান, যা ব্যালাডের চেয়ে অনেক বেশি বিস্তৃত ও ভিন্ন আঙ্গিকের। B) গীতিকা — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যা ইংরেজি Ballad শব্দের সরাসরি এবং সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য বাংলা সাহিত্যিক প্রতিশব্দ। C) লোকগাথা — লোকগাথা বলতে মূলত মানুষের মুখে মুখে প্রচলিত রূপকথা, কিংবদন্তি ও পৌরাণিক গল্পকে বোঝায়, যা পদ্যময় গান বা কবিতা নয়। D) গাঁথা — গাঁথা বা Poem বলতে সাধারণ ও ছোট আকারের কবিতাকে বোঝায়, যা Ballad এর মতো সুনির্দিষ্ট দীর্ঘ বর্ণনামূলক সুরধর্মী গান নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ইংরেজি Ballad শব্দের আক্ষরিক ও সাহিত্যিক অর্থ হলো সুরযুক্ত দীর্ঘ কবিতা বা গীতিকা। - Ballad এবং গীতিকা উভয়ই কাহিনিভিত্তিক গান বা কবিতা, এই মিলটি মনে রাখলে পরীক্ষা ভুল হবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ইংরেজি সাহিত্যের পরিভাষা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, বিশেষ করে Ballad অর্থ গীতিকা এটি অত্যন্ত কমন একটি প্রশ্ন। - দীনেশচন্দ্র সেনের ময়মনসিংহ গীতিকা সম্পর্কিত তথ্য ভালোভাবে পড়লে এই ধরনের সাহিত্যিক প্রশ্নের উত্তর সহজে দেওয়া যায়।
a শ্রীচৈতন্যদেব
b শ্রীকৃষ্ণ
c আদিনাথ
d ঘমনোহর দাশ
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) শ্রীচৈতন্যদেব ১. কেন সঠিক: মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে শ্রীচৈতন্যদেবের প্রভাব সবচেয়ে বেশি কারণ তাঁর জীবন ও ধর্মীয় আন্দোলনকে কেন্দ্র করে বাংলা ভাষায় এক বিশাল বৈষ্ণব পদাবলি সাহিত্য গড়ে ওঠে। চৈতন্যদেব নিজে কোনো গ্রন্থ রচনা না করলেও তাঁর প্রভাবে বাংলা ও সংস্কৃত ভাষায় অসংখ্য জীবনীকাব্য, পদাবলি এবং ভক্তিমূলক সাহিত্য রচিত হয় যা মধ্যযুগের সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: শ্রীচৈতন্যদেব হলেন বৈষ্ণব ধর্মের প্রবর্তক এবং খ্রিষ্টীয় ষোড়শ শতকের এক মহান সমাজ সংস্কারক ও ধর্মপ্রচারক যিনি নদীয়া অঞ্চলের নবদ্বীপে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁকে কেন্দ্র করে রচিত চৈতন্যচরিতামৃত, শ্রীচৈতন্যভাগবত এবং চণ্ডীদাস ও বিদ্যাপতির পদাবলি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের প্রধান অমূল্য সম্পদ হিসেবে বিবেচিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বৃন্দাবন দাসের শ্রীচৈতন্যভাগবত। ব্যাখ্যা: এটি শ্রীচৈতন্যদেবের জীবনের ওপর রচিত প্রথম ও প্রামাণিক বাংলা জীবনীগ্রন্থ। উদাহরণ ২: কৃষ্ণদাস কবিরাজের শ্রীচৈতন্যচরিতামৃত। ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং দার্শনিক তত্ত্বে সমৃদ্ধ একটি মহাকাব্যতুল্য জীবনীগ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শ্রীচৈতন্যদেব — এটি সঠিক উত্তর, কারণ মধ্যযুগের ধর্মান্দোলন ও সাহিত্যে তাঁর প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ প্রভাব সবচেয়ে সুদূরপ্রসারী ছিল। B) শ্রীকৃষ্ণ — শ্রীকৃষ্ণ কোনো ধর্মপ্রচারক নন, বরং তিনি হিন্দুধর্মের পৌরাণিক অবতার ও বৈষ্ণব সাহিত্যের প্রধান আরাধ্য দেবতা। C) আদিনাথ — আদিনাথ বা শিব এবং নাথসাহিত্যের সঙ্গে এই ধর্মপ্রচারক ও সাহিত্যিক রূপান্তরের সরাসরি কোনো ঐতিহাসিক সংযোগ নেই। D) ঘমনোহর দাশ — ঘমনোহর দাশ বা যদুনন্দন দাস প্রমুখ বৈষ্ণব পদকর্তা হলেও তাঁরা মধ্যযুগের ধর্মপ্রবর্তক ছিলেন না, বরং অনুসারী ছিলেন। ৫. মনে রাখার টিপস: মধ্যযুগ মানেই বৈষ্ণব পদাবলি আর বৈষ্ণব ধর্ম মানেই শ্রীচৈতন্যদেব। চৈতন্যদেবের ভক্তি আন্দোলনকে কেন্দ্র করেই মূলত মধ্যযুগের সাহিত্য বিকশিত হয়েছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের যুগবিভাগ এবং চৈতন্যদেব সম্পর্কিত জীবনীকাব্যগুলো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। চৈতন্যদেবকে কেন্দ্র করে রচিত জীবনীগ্রন্থের রচয়িতা ও তাঁদের গ্রন্থগুলোর নাম ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a চণ্ডীদাস
b বড়ু চণ্ডীদাস
c দ্বিজ চণ্ডীদাস
d দীন চণ্ডীদাস
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বড়ু চণ্ডীদাস ১. কেন সঠিক: - শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের ভণিতায় অনন্ত বড়ু চণ্ডীদাস বা বড়ু চণ্ডীদাস নামটি পাওয়া যায়। - বড়ু চণ্ডীদাস এই কাব্যের একমাত্র এবং নিশ্চিত রচয়িতা হিসেবে সাহিত্য ইতিহাসে স্বীকৃত। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শ্রীকৃষ্ণকীর্তন বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের আদি নিদর্শন এবং শ্রীকৃষ্ণকীর্তন পুঁথি আবিষ্কার করেন বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ। - ১৯০৯ সালে বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরের বসন্তকুমার পাল নামক এক গৃহস্থের গোয়ালঘর থেকে এই প্রাচীন পুঁথি আবিষ্কৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বড়ু চণ্ডীদাস রচিত শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যটি মূলত রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমের কাহিনী নিয়ে রচিত একটি নাটকীয় গীতি কাব্য। ব্যাখ্যা: এই কাব্যের চরিত্র মূলত তিনটি namely রাধা, কৃষ্ণ ও বড়াই। উদাহরণ ২: মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে বৈষ্ণব পদাবলীর আদি রচয়িতা হিসেবেও চণ্ডীদাস পরিচিত। ব্যাখ্যা: তবে শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের রচয়িতা হিসেবে নির্দিষ্টভাবে বড়ু চণ্ডীদাসের নামই ঐতিহাসিক ও সাহিত্যিক প্রমাণে সর্বসম্মত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চণ্ডীদাস — চণ্ডীদাস নামে একাধিক কবি মধ্যযুগে কাব্য রচনা করেছেন এবং এদের মধ্যে বড়ু চণ্ডীদাস ভিন্ন একজন পদকর্তা। B) বড়ু চণ্ডীদাস — এটি সঠিক উত্তর এবং তিনি শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের ভণিতায় নিজের নাম রেখে গেছেন। C) দ্বিজ চণ্ডীদাস — দ্বিজ চণ্ডীদাস মূলত বৈষ্ণব পদাবলীর সঙ্গে যুক্ত এবং তিনি শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের রচয়িতা নন। D) দীন চণ্ডীদাস — দীন চণ্ডীদাস নামেও মধ্যযুগে একজন পদকর্তা ছিলেন যিনি শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের সঙ্গে সম্পর্কিত নন। ৫. মনে রাখার টিপস: - বড়ু মানে বড় বা প্রাচীন এবং শ্রীকৃষ্ণকীর্তন হলো বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম প্রাপ্ত কাব্য যার রচয়িতাও বড়ু চণ্ডীদাস। - চণ্ডীদাস নামের একাধিক কবি থাকলেও শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের সঙ্গে সর্বদা বড়ু উপাধি যুক্ত করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যটি বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ ১৯০৯ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে প্রথম প্রকাশ করেন। - এই কাব্যের খণ্ড সংখ্যা মোট তেরোটি এবং এটি রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমের বিভিন্ন পর্যায় নিয়ে গঠিত।
a ব্রাহ্মী
b কুটিল
c খরোষ্ঠী
d নাগরী
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ব্রাহ্মী ১. কেন সঠিক: ব্রাহ্মী লিপি হলো ভারতীয় উপমহাদেশের প্রাচীনতম এবং মৌলিক লিপি, যেখান থেকে বাংলা, দেবনাগরীসহ প্রায় সব ভারতীয় লিপির উৎপত্তি হয়েছে। প্রাচীনকালে সম্রাট অশোকের শিলালিপিতে এই লিপির ব্যাপক ব্যবহার দেখা যায় এবং এটি ভারতীয় লিপিবিদ্যার মূল উৎস হিসেবে স্বীকৃত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: ভাষা, উপভাষা ও বাংলা ভাষার ইতিহাস সম্পর্কিত এই প্রশ্নে বাংলা লিপির উৎস আলোচনা করা হয়েছে। বাংলা লিপি সরাসরি ব্রাহ্মী লিপি থেকে বিবর্তিত হয়ে কুষাণ ও গুপ্ত লিপির মাধ্যমে আজকের রূপ লাভ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অশোকের শিলালিপি ব্যাখ্যা: এটি ব্রাহ্মী লিপির প্রাচীনতম ও ঐতিহাসিক নিদর্শনগুলোর অন্যতম। উদাহরণ ২: বাংলা বর্ণমালা ব্যাখ্যা: বাংলা বর্ণমালার প্রতিটি বর্ণ ব্রাহ্মী লিপির পূর্বাঞ্চলীয় রূপ থেকে বিবর্তিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্রাহ্মী — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটিই ভারতীয় উপমহাদেশের মৌলিক লিপি। B) কুটিল — এটি ব্রাহ্মী লিপির পরবর্তী বিবর্তিত রূপ বা স্টাইল, মৌলিক লিপি নয়। C) খরোষ্ঠী — এটি প্রাচীন ভারতের আরেকটি লিপি হলেও এটি ডান থেকে বামে লেখা হতো এবং এটি মৌলিক লিপি হিসেবে স্বীকৃত নয়। D) নাগরী — এটি ব্রাহ্মী থেকে উদ্ভূত একটি লিপি, যা উত্তর ভারতে ব্যবহৃত হয় এবং এটি মৌলিক লিপি নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: সব লিপির আদি জননী হলো ব্রাহ্মী, তাই ভারতীয় মৌলিক লিপি বললে সবার আগে ব্রাহ্মী লিপির কথা মনে রাখতে হবে। লিপির বিবর্তনের ধারা মনে রাখতে ব্রাহ্মী থেকে কুটিল হয়ে আধুনিক লিপি এসেছে, এই ক্রমটি খেয়াল রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা লিপির জন্ম ও বিকাশ সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ভারতীয় সব আধুনিক লিপির উৎস যে ব্রাহ্মী লিপি, এই মৌলিক তথ্যটি মনে রাখা জরুরি।
a আরাকান রাজগ্রন্থাগার থেকে
b নেপালের রাজগ্রন্থশালা থেকে
c বাঁকুড়ার এক গৃহস্থের গোয়াল ঘর থেকে
d সুদূর চীন থেকে
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নেপালের রাজগ্রন্থশালা থেকে ১. কেন সঠিক: - বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন চর্যাপদ মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি বা রাজগ্রন্থশালা থেকে আবিষ্কার করেন। - নেপালের রাজা বা রাজদরবারের গ্রন্থাগারে সংগৃহীত প্রাচীন পুথির ভাণ্ডার থেকেই চর্যাপদের মূল পুথিটি উদ্ধার করা হয়েছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন ও সাহিত্যিক নিদর্শন, যা মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের সাধনসঙ্গীত। - ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর সম্পাদনায় 'হাজার বছরের পুরান বাঙ্গালা ভাষায় রচিত বৌদ্ধ গান ও দোহা' নামে চর্যাপদ প্রথম গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় রচিত 'ওডিবিএল' (ODBL) গ্রন্থে চর্যাপদের ভাষা ও ব্যাকরণ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থটি চর্যাপদের ভাষা যে প্রাচীন বাংলা, তা প্রমাণ করার ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। উদাহরণ ২: চর্যাপদের টিকাকার বা ভাষ্যকার ছিলেন মুনি দত্ত যিনি সংস্কৃতে এই পদগুলোর অর্থ ব্যাখ্যা করেছিলেন। ব্যাখ্যা: পদগুলোর আসল অর্থ উদ্ধারে এবং তিব্বতী অনুবাদ আবিষ্কারে মুনি দত্তের সংস্কৃত টীকা অত্যন্ত সাহায্য করেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আরাকান রাজগ্রন্থাগার থেকে — এই অপশনটি ভুল কারণ আরাকান রাজসভা থেকে মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্য যেমন আলাওলের পদ্মাবতী বা দৌত কাজীর সতীময়না লোরচন্দ্রানী আবিষ্কৃত হয়েছিল, চর্যাপদ নয়। B) নেপালের রাজগ্রন্থশালা থেকে — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি নির্দেশিত হয়েছে। C) বাঁকুড়ার এক গৃহস্থের গোয়াল ঘর থেকে — এই অপশনটি ভুল কারণ বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুর বা এর আশপাশ থেকে মঙ্গলকাব্যের বা অন্যান্য প্রাচীন পুথি পাওয়া গেলেও চর্যাপদ এখান থেকে আবিষ্কৃত হয়নি। D) সুদূর চীন থেকে — এই অপশনটি ভুল কারণ চীন থেকে চর্যাপদ আবিষ্কৃত হয়নি, যদিও তিব্বত থেকে চর্যাপদের তিব্বতী অনুবাদ আবিষ্কার করেছিলেন প্রবোধচন্দ্র বাগচী। ৫ মনে রাখার টিপস: - চর্যাপদ আবিষ্কারের স্থান মনে রাখার সহজ কৌশল হলো নেপাল শব্দটিকে মাথায় রাখা যেখানে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী গিয়েছিলেন পুথি খুঁজতে। - হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালে চারবার অভিযান চালিয়েছিলেন এবং চতুর্থবারে ১৯০৭ সালে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করতে সক্ষম হন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - চর্যাপদ আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এবং আবিষ্কারের সাল ১৯০৭ বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। - চর্যাপদের মোট পদের সংখ্যা সাড়ে ছেচল্লিশটি এবং এর মূল পুথির নাম চর্যাচর্যবিনিশ্চয়।

মোট প্রশ্ন (29)

a Data
b Agenda
c Index
d Criteria
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Index কেন সঠিক: Index শব্দটির অর্থ সূচিপত্র বা নির্ঘণ্ট এবং এটি একটি singular number। এর সঠিক plural form বা বহুবচন হলো indices বা indexes। প্রশ্নটিতে singular number কোনটি তা জানতে চাওয়া হয়েছে। তাই এই অপশনটি সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Data — এটি datum শব্দের plural form এবং এর singular হলো datum। B) Agenda — এটি agendum শব্দের plural form এবং এর singular হলো agendum। C) Index — এটি মূল প্রশ্নের সঠিক উত্তর। D) Criteria — এটি criterion শব্দের plural form এবং এর singular হলো criterion। মনে রাখার টিপস: ল্যাটিন বা গ্রিক থেকে আসা যেসব শব্দের শেষে um থাকে সাধারণত তা singular হয় এবং a থাকলে plural হয়।
a To
b Of
c On
d For
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Of কেন সঠিক: ইংরেজিতে ashamed শব্দের পরে সাধারণত of প্রিপজিশন বসে। এর অর্থ হলো কোনো কিছুতে লজ্জিত হওয়া। বাকি অপশন কেন ভুল: A) To — ashamed শব্দের পরে কখনো to বসে না। এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) Of — এই অপশনটি সঠিক এবং নিয়মানুযায়ী এখানে প্রযোজ্য। C) On — ashamed শব্দের সাথে on প্রিপজিশন ব্যবহার করা যায় না। D) For — লজ্জা পাওয়ার ক্ষেত্রে for প্রিপজিশন সঠিক অর্থ প্রকাশ করে না। মনে রাখার টিপস: লজ্জা পাওয়া অর্থে ashamed এর পরে সবসময় of বসবে।
a Of
b For
c To
d With
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Of কেন সঠিক: Accuse শব্দটির পর অপরাধ বা অভিযোগ বোঝাতে সাধারণত of প্রিপজিশন ব্যবহৃত হয়। এখানে লোকটির বিরুদ্ধে চুরির বা অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে তাই সঠিক উত্তর of হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Of — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) For — Accuse শব্দের পর উদ্দেশ্য বোঝাতে for বসে না। C) To — লক্ষ্য বা দিক বোঝাতে to বসে যা এই বাক্যে অর্থসংগত নয়। D) With — Charge শব্দের পর with বসলেও accuse শব্দের পর with বসে না। মনে রাখার টিপস: Accuse এর সাথে সবসময় of প্রিপজিশন বসে এটি মুখস্ত রাখবে।
a On
b To
c In
d Uppon
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) To কেন সঠিক: Attend শব্দের পর To প্রিপজিশন বসলে তার অর্থ হয় রোগীর সেবা করা বা যত্ন নেওয়া। এখানে নার্স রোগীর সেবা করার কাজটি বুঝাতে Attend এর সাথে To ব্যবহার করা হয়েছে। বাক্যের অর্থ ঠিক রাখতে এখানে সঠিক প্রিপজিশন হিসেবে To বসবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) On — Attend on শব্দের অর্থ কারো সেবা করা বা রোগীর পরিচর্যা করা হলেও এখানে To বেশি উপযুক্ত। B) To — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। C) In — Attend in প্রিপজিশনটি এই অর্থে এবং এই বাক্যে grammatically সঠিক হয় না। D) Uppon — Upon বানানটি ভুল দেওয়া হয়েছে এবং এটি এখানে ব্যবহৃত হয় না। মনে রাখার টিপস: রোগীর সেবা বা যত্ন নেওয়া অর্থে Always Attend এর পরে To প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হয়।
a At
b For
c From
d Of
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Of কেন সঠিক: এখানে admit of একটি উপযুক্ত ফ্রেজাল ভার্ব বা গ্রুপ ভার্ব হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। যার অর্থ হলো কোনো কিছুর অবকাশ রাখা বা সুযোগ দেওয়া। বাক্যটিতে বলা হয়েছে যে তোমার আচরণের কোনো ক্ষমা নেই। তাই সঠিক উত্তর হিসেবে অব প্রিপজিশনটি বসবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) At — এই বাক্যটিতে এট প্রিপজিশন বসালে কোনো অর্থ প্রকাশ করে না। B) For — এখানে ফর ব্যবহার করলে ব্যাকরণগত নিয়ম অনুযায়ী বাক্যটি ভুল হয়। C) From — এই বাক্যে ফ্রম প্রিপজিশনটি বসালে সঠিক অর্থ দেয় না। D) Of — এটি সঠিক উত্তর কারণ অ্যাডমিট অব মিলে একটি নির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: অ্যাডমিট শব্দের পর অব বসলে তার অর্থ হয় অবকাশ বা সুযোগ থাকা।
a Drunk
b Drunker
c Dronk
d Drank
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Drunk কেন সঠিক: drink শব্দটির তিনটি রূপ হলো drink, drank এবং drunk। এর মধ্যে past participle রূপ হিসেবে Drunk ব্যবহৃত হয়। নিখুঁত ইংরেজি ব্যাকরণ অনুযায়ী এটি সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Drunk — এটি সঠিক উত্তর। B) Drunker — এটি কোনো সঠিক রূপ নয় এবং তুলনামূলক শব্দ। C) Dronk — এটি একটি বানান ভুল শব্দ। D) Drank — এটি drink শব্দের past form, past participle নয়। মনে রাখার টিপস: Drink শব্দের তিন রূপ মনে রাখুন এভাবে: drink, drank, drunk।
a Gerund
b Past participle
c Present participle
d Adverb
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Present participle কেন সঠিক: বাক্যের শুরুতে 'finding' শব্দটি verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে গঠিত হয়েছে এবং একই সাথে verb ও adjective এর কাজ করছে। এটি মূল subject 'he' এর অবস্থা প্রকাশ করছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Gerund — এটি noun এর কাজ করে না এবং বাক্যে subject বা object হিসেবে বসেনি। B) Past participle — এটি verb এর past participle রূপ নয় কারণ এখানে ing যুক্ত আছে। C) Present participle — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Adverb — এটি কোনো ক্রিয়া বা বিশেষণের সময় বা স্থান বোঝাচ্ছে না। মনে রাখার টিপস: Verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে যদি একই সাথে কাজ করা বোঝায় এবং adjective এর কাজ করে, তবে তা Present participle হয়।
a The picture was hanging on the wall
b The picture was hanged on the wall
c The picture was hung on the wall
d The picture was hang on the wall
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) The picture was hung on the wall কেন সঠিক: বাক্যটির অর্থ অনুযায়ী ছবিটি দেওয়ালে ঝোলানো হয়েছিল এবং এটি একটি প্যাসিভ ভয়েস। তাই এখানে মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম ব্যবহৃত হয়েছে। ঝোলানো অর্থে hang ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল রূপ হলো hung। প্যাসিভ গঠনে was এর পর ভার্বের ভিথ্রি বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The picture was hanging on the wall — এটি একটিভ ভয়েসের কন্টিনুয়াস ফর্ম, যা এই বাক্যের অর্থের সাথে মানানসই নয়। B) The picture was hanged on the wall — hanged শব্দটি ফাঁসি দেওয়া অর্থে ব্যবহৃত হয়, যা ছবির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। C) The picture was hung on the wall — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুলের কোনো অবকাশ নেই। D) The picture was hang on the wall — was এর পর ভার্বের বেইজ ফর্ম বসতে পারে না, তাই এটি grammatically ভুল। মনে রাখার টিপস: কোনো বস্তু দেওয়ালে ঝোলানোর ইংরেজি হলো hang এবং এর পাস্ট ও পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম হলো hung। মানুষ বা প্রাণীকে ফাঁসি দেওয়ার ক্ষেত্রে hanged ব্যবহৃত হয়।
a An adverbial phrase
b Perfect participle phrase
c Present participle phrase
d past participle phrase
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) past participle phrase কেন সঠিক: এখানে made শব্দটি মূল verb এর past participle রূপ। এটি boat নাউনটির পরে বসে তার সম্পর্কে অতিরিক্ত তথ্য দিচ্ছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) An adverbial phrase — এটি ক্রিয়া, বিশেষণ বা অন্য কোনো adverb কে modify করে না বরং noun কে modify করে। তাই এটি adverbial phrase নয়। B) Perfect participle phrase — এতে কোনো having বা having been এর ব্যবহার নেই যা perfect participle এর গঠন। তাই এটি এই অপশনের সাথে মেলে না। C) Present participle phrase — এখানে verb এর সাথে ing যুক্ত নেই যা present participle এর মূল বৈশিষ্ট্য। তাই এটি ভুল অপশন। D) past participle phrase — এটি সঠিক কারণ made শব্দটি past participle এবং এর সাথে অন্য শব্দ যুক্ত হয়ে phrase গঠন করেছে। মনে রাখার টিপস: Noun এর পরে V৩ বা past participle একা বা অতিরিক্ত শব্দ নিয়ে বসলে তা past participle phrase হয়।
a Sohel is taller than L.
b We write with ink.
c Sohel is taller than me.
d I did not think it was her
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Sohel is taller than L. কেন সঠিক: তুলনার ক্ষেত্রে সাধারণত সাবজেক্টিভ প্রোনাউন বসে এবং বাক্যের গঠন নিয়ম অনুযায়ী সঠিক হয়। এখানে তুলনাটি সঠিক ব্যাকরণগত নিয়ম মেনে সম্পন্ন হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Sohel is taller than L. — এটি সঠিক বাক্য হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে। B) We write with ink. — কালির ক্ষেত্রে উইথ এর পরিবর্তে ইন প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হয়। C) Sohel is taller than me. — দাপ্তরিক ও ফরমাল নিয়মে দ্যানের পর মি না বসিয়ে আই ব্যবহার করা উচিত। D) I did not think it was her — বাক্যের শেষে বিভাব থাকার কারণে হার এর পরিবর্তে শি ব্যবহার করতে হয়। মনে রাখার টিপস: তুলনা করার সময় সঠিক প্রোনাউন এবং লেখার সময় সঠিক প্রিপজিশন নির্বাচন করতে হয়।
a You and I
b You and me
c I and You
d Me and you
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) You and me কেন সঠিক: - প্রিপজিশন (যেমন Between) এর পর সবসময় প্রোনাউনের অবজেক্টিভ ফর্ম বসে। - You প্রোনাউনের সাবজেক্টিভ ও অবজেক্টিভ ফর্ম এক এবং I প্রোনাউনের অবজেক্টিভ ফর্ম me। বাকি অপশন কেন ভুল: A) You and I — এখানে I সাবজেক্টিভ ফর্ম হওয়ায় প্রিপজিশনের পরে বসতে পারে না। B) You and me — এটি সঠিক কারণ You এবং me উভয়ই অবজেক্টিভ ফর্মে রয়েছে। C) I and You — এখানে I সাবজেক্টিভ ফর্মে আছে এবং ক্রমানুসারেও এটি ভুল। D) Me and you — প্রোনাউন ব্যবহারের সাধারণ নিয়মে ফার্স্ট পারসন আগে এবং সেকেন্ড পারসন পরে বসানোর নিয়ম এখানে মানা হয়নি। মনে রাখার টিপস: প্রিপজিশনের পরে সব সময় অবজেক্টিভ প্রোনাউন বসে, তাই I না হয়ে me হবে।
a Four types
b Two types
c Three types
d One Types
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Four types কেন সঠিক: ইংরেজিতে Gender বা লিঙ্গ মূলত চার ভাগে বিভক্ত। এই চারটি ভাগ হলো Masculine, Feminine, Common এবং Neuter Gender। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Four types — এটি সঠিক উত্তর কারণ ইংরেজিতে জেন্ডার চার প্রকার। B) Two types — এই অপশন ভুল কারণ জেন্ডার কেবল দুটি হতে পারে না। C) Three types — তিন প্রকার জেন্ডার ব্যাকরণের নিয়মের সাথে মিলে না। D) One Types — এক প্রকার জেন্ডার হতে পারে না কারণ জেন্ডারের বৈচিত্র্য রয়েছে। মনে রাখার টিপস: চার প্রকার জেন্ডার মনে রাখতে পুরুষ, স্ত্রী, উভয় এবং জড় পদার্থ এই চারটিকে মাথায় রাখবে।
a Stag
b Colt
c Hart
d Drone
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Drone কেন সঠিক: - Bee বা মৌমাছির পুরুষবাচক শব্দ বা Masculine gender হলো Drone। - কর্মী মৌমাছিরা স্ত্রী লিঙ্গের এবং পুরুষ মৌমাছিরা ড্রোন নামে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Stag — এটি হরিণ বা পুরুষ পশুর জেন্ডার বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, মৌমাছির জন্য নয়। B) Colt — এটি পুরুষ ঘোড়ার বাচ্চাকে বোঝায়, তাই এটি এখানে প্রযোজ্য নয়। C) Hart — এটি পূর্ণবয়স্ক পুরুষ লাল হরিণকে নির্দেশ করে, মৌমাছির সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। D) Drone — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি পুরুষ মৌমাছিকে নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: মৌমাছির ক্ষেত্রে রাণী মৌমাছি ও কর্মী মৌমাছি স্ত্রীবাচক এবং পুরুষ মৌমাছি বা ড্রোন হলো পুরুষবাচক।
a test
b His
c Her
d Its
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Its কেন সঠিক: শিশু বা ছোট শিশুর ক্ষেত্রে ইংরেজিতে সাধারণত নিরপেক্ষ লিঙ্গ হিসেবে 'its' প্রোনাউন ব্যবহার করা হয়। এখানে মায়ের জন্য শিশুর কান্নার ক্ষেত্রে শিশুর অধিকার বোঝাতে 'Its' সঠিক possessive determiner হিসেবে বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) test — এটি কোনো প্রোনাউন বা সঠিক শব্দ নয় এবং শূন্যস্থানের জন্য প্রাসঙ্গিক নয়। B) His — এটি পুংলিঙ্গ বোঝাতে ব্যবহৃত হয় যা এখানে শিশুর নির্দিষ্ট লিঙ্গ নির্ধারিত না থাকায় সরাসরি প্রযোজ্য নয়। C) Her — এটি স্ত্রীলিঙ্গ বোঝাতে ব্যবহৃত হয় যা এখানে শিশুর ক্ষেত্রে সব সময় নির্দিষ্ট করে প্রযোজ্য হয় না। D) Its — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: শিশু বা পশুপাখির ক্ষেত্রে যার লিঙ্গ নির্দিষ্ট নয়, তার অধিকার বা সম্বন্ধ বোঝাতে 'its' ব্যবহার করতে হয়।
a Deers
b Deeres
c Deer
d test
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Deer কেন সঠিক: Deer শব্দটির বহুবচন রূপ সর্বদা Deer ই হয়ে থাকে। ইংরেজিতে কিছু পশুর একবচন ও বহুবচন রূপ একই থাকে। এর সাথে অতিরিক্ত কোনো s বা es যুক্ত হয় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Deers — এই বানানটি সম্পূর্ণ ভুল কারণ Deer শব্দের সাথে s যুক্ত হয় না। B) Deeres — ইংরেজি ব্যাকরণ অনুযায়ী এই ধরনের কোনো শব্দের অস্তিত্ব নেই। C) Deer — এটি নিজে সঠিক উত্তর তাই এখানে প্রযোজ্য নয়। D) test — এটি প্রশ্নকর্তার দেওয়া একটি বেমানান ও অবাস্তব অপশন। মনে রাখার টিপস: Deer, Sheep এবং Fish এই শব্দগুলোর একবচন ও বহুবচন রূপ সর্বদা একই হয়।
a Verb
b Noun
c Pronoun
d Adjective
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Noun *(বিশেষ দ্রষ্টব্য: প্রদত্ত প্রশ্নে সঠিক উত্তর Adjective বলা হলেও ব্যাকরণগতভাবে 'massacre' শব্দটি মূলত একটি Noun, যা একই সাথে Verb হিসেবেও ব্যবহৃত হতে পারে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এটি Noun হিসেবেই বেশি আসে।)* কেন সঠিক: - 'Massacre' শব্দটির অর্থ হলো পাইকারি হত্যাযজ্ঞ বা নরহত্যা, যা একটি সুনির্দিষ্ট ঘটনার নাম হিসেবে Noun-এর কাজ করে। - এটি বাক্যে Subject অথবা Object হিসেবে বসতে পারে, যা Noun-এর প্রধান বৈশিষ্ট্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Verb — এই শব্দটির অর্থ হত্যা করা হলেও মূল অভিধানে এটি প্রধানত Noun হিসেবে তালিকাভুক্ত এবং বাক্যে এটি Noun হিসেবেই বেশি ব্যবহৃত হয়। B) Noun — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি কোনো নির্দিষ্ট ঘটনা বা কাজের নাম বোঝায়। C) Pronoun — এটি কোনো নামের পরিবর্তে বসে না, তাই এটি Pronoun হতে পারে না। D) Adjective — এটি কোনো দোষ, গুণ, অবস্থা বা সংখ্যা প্রকাশ করে অন্য কোনো পদের বিশেষত্ব বোঝায় না, তাই এটি Adjective নয়। মনে রাখার টিপস: 'Massacre' শব্দের অর্থ হত্যাযজ্ঞ বা দাঙ্গা, আর যেকোনো হিংসাত্মক ঘটনা বা হত্যাযজ্ঞের নাম হলো Noun।
a The matter was informed to the police.
b The matter had been informed of the police.
c The police was informed of the matter.
d The police were informed of the matter.
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) The police were informed of the matter. কেন সঠিক: police শব্দটি একটি جمعবাচক noun যা সব সময় plural verb গ্রহণ করে। তাই was এর পরিবর্তে were ব্যবহার করা হয়েছে। inform verb এর পর সাধারণত of বসে, to বসে না। বাক্যটি passive voice এ থাকায় সঠিক গঠন বজায় রাখা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The matter was informed to the police. — inform এর পর preposition হিসেবে to ভুলভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। B) The matter had been informed of the police. — এখানে সাবজেক্ট এবং অবজেক্টের অবস্থান ভুলভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে। C) The police was informed of the matter. — police noun এর সাথে singular verb was ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। মনে রাখার টিপস: police সবসময় plural হয় এবং এর সাথে সবসময় were বা have বসে। inform verb এর পর অবজেক্টের আগে of বসে।
a Over a billion people using Microsoft Windows Operating Systems.
b Over a billion people uses Microsoft Windows Operating Systems.
c Over a billion people use Microsoft Windows Operating Systems.
d Over a billion peoples use Microsoft Windows Operating Systems.
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Over a billion people use Microsoft Windows Operating Systems. কেন সঠিক: বাক্যটির সাবজেক্ট হলো people, যা একটি প্লুরাল নাউন এবং এর সাথে ভার্বের প্লুরাল রূপ বসবে। এখানে বিলিয়ন বা billion শব্দের পর people বহুবচন হিসেবেই ব্যবহৃত হয় এবং সঠিক নিয়ম মেনে চলে। বাক্যটি বর্তমানের সাধারণ সত্য প্রকাশ করায় এতে প্রেজেন্ট ইনডিফিনিট টেন্স ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Over a billion people using Microsoft Windows Operating Systems. — এই অপশনে কোনো মূলFinite verb নেই এবং using সরাসরি ব্যবহার করায় বাক্যটি অসম্পূর্ণ থেকে গেছে। B) Over a billion people uses Microsoft Windows Operating Systems. — এখানে সাবজেক্ট people বহুবচন হওয়া সত্ত্বেও এর সাথে একবচনের ভার্ব uses ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) Over a billion people use Microsoft Windows Operating Systems. — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। D) Over a billion peoples use Microsoft Windows Operating Systems. — এখানে billion এর পর people নিজেই বহুবচন হওয়া সত্ত্বেও তার সাথে অতিরিক্ত s যুক্ত করে peoples করা হয়েছে যা ভুল। মনে রাখার টিপস: People শব্দটির সাথে s বা es যুক্ত করে বহুবচন করতে হয় না এবং সাবজেক্ট প্লুরাল হলে ভার্বও প্লুরাল হবে।
a Men
b Feet
c Lice
d News
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) News কেন সঠিক: - News শব্দটি দেখতে প্লুরাল বা বহুবচন মনে হলেও এটি মূলত একটি সিঙ্গুলার বা একবচন নাউন। - এর শেষে এস যুক্ত থাকলেও এটি কোনো বহুবচন নয়, বরং এটি একটি অগণনযোগ্য বা আনকাউন্টেবল নাউন হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Men — এটি Man শব্দের ইরেগুলার প্লুরাল ফর্ম, যার অর্থ পুরুষেরা। B) Feet — এটি Foot শব্দের ইরেগুলার প্লুরাল ফর্ম, যার অর্থ পাগুলো। C) Lice — এটি Louse শব্দের ইরেগুলার প্লুরাল ফর্ম, যার অর্থ উকুনগুলো। D) News — এটি সিঙ্গুলার নাউন এবং এর পরে সবসময় সিঙ্গুলার ভার্ব বসে। মনে রাখার টিপস: যেসব শব্দের শেষে এস থাকে কিন্তু সেগুলো আসলে একবচন, যেমন নিউজ, ফিজিক্স, ম্যাথমেটিকস, তাদের পরে সবসময় সিঙ্গুলার ভার্ব বসে।
a Mousse
b Mices
c Mice
d Mouses
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Mice কেন সঠিক: Mouse শব্দটির প্লুরাল বা বহুবচন করার সময় এর ভেতরের ভাওয়েলগুলোর পরিবর্তন ঘটে। এটি একটি অনিয়মিত বা ইরেগুলার প্লুরাল রূপ, যেখানে সাধারণ নিয়মের এস বা ইএস যুক্ত হয় না। তাই মাউস শব্দের সঠিক বহুবচন হলো মাইস। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Mousse — এটি একটি ফ্রেঞ্চ শব্দ যার অর্থ মিষ্টি বা জেলি জাতীয় খাবার, এটি মাউস শব্দের প্লুরাল নয়। B) Mices — ইংরেজী ব্যাকরণে মাইসেস বলে কোনো শব্দের অস্তিত্ব নেই। D) Mouses — কম্পিউটারের মাউস ডিভাইসের ক্ষেত্রে অনেক সময় এটি ব্যবহার হলেও ব্যাকরণগতভাবে এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: অনিয়মিত প্লুরাল মনে রাখার জন্য শব্দের ভেতরের ভাওয়েল পরিবর্তনের নিয়মগুলো বারবার চর্চা করতে হবে।
a The lake Chilka is in Orissa. blin
b The Lake Chilka is in the Orissa. To
c Lake Chilka is in Orissa,
d Lake Chilka is in the Orissa. Gad
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Lake Chilka is in Orissa, কেন সঠিক: হ্রদের নির্দিষ্ট নামের আগে সাধারণত কোনো আর্টিকেল বসে না। তাই Lake Chilka লেখার আগে The বসে না। রাজ্যের নামের আগে সাধারণত the বসে না, তাই Orissa এর আগে the হবে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The lake Chilka is in Orissa — হ্রদের নামের আগে নির্দিষ্ট আর্টিকেল the ব্যবহার করার নিয়ম নেই, তাই এটি ভুল। B) The Lake Chilka is in the Orissa — হ্রদ এবং রাজ্য উভয়ের নামের আগেই ভুলভাবে the আর্টিকেল ব্যবহার করা হয়েছে। D) Lake Chilka is in the Orissa — রাজ্যের নামের আগে the ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: সাধারণত কোনো একক হ্রদ এবং রাজ্যের নামের আগে the বসে না।
a The Padma is longest river in Bangladesh.
b The Padma is longest river in the Bangladesh.
c Padma is longest river in Bangladesh
d The Padma is the longest river in Bangladesh
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) The Padma is the longest river in Bangladesh কেন সঠিক: নদীর নামের পূর্বে নির্দিষ্ট করে বোঝাতে definite article দ্য বসে। সুপারলেটিভ ডিগ্রির adjectives এর পূর্বে দ্য ব্যবহার করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুপারলেটিভ ডিগ্রির পূর্বে দ্য আর্টিকেল ব্যবহার করা হয়নি। B) দেশের নামের পূর্বে দ্য আর্টিকেল ব্যবহার করা সঠিক নয়। C) নদীর নামের পূর্বে দ্য এবং সুপারলেটিভের পূর্বে দ্য নেই। D) এটি সঠিক বাক্য কারণ সব নিয়ম সঠিকভাবে মানা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: নদী ও সুপারলেটিভ ডিগ্রির আগে সবসময় দ্য বসবে।
a A dog is faithful animal.
b The dog is a faithful animal.
c The dog is faithful animal,
d Dog is a faithful animal.
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) The dog is a faithful animal. কেন সঠিক: সমগ্র জাতিকে বোঝাতে একক প্রাণীর নামের আগে নির্দিষ্ট আর্টিকেল দ্য বসে। এ ছাড়াও পরবর্তীতে একটি বিশ্বস্ত প্রাণী বোঝাতে সিঙ্গुलर কমন নাউনের আগে এ ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A dog is faithful animal. — এখানে ফেইথফুল শব্দের শুরুতে আর্টিকেল এ দেওয়া হয়নি এবং ডগ শব্দের আগে দ্য বসেনি। B) সঠিক উত্তর — তাই এটি ভুল নয়। C) The dog is faithful animal, — এখানে বাক্যের শেষে ফুলস্টপের বদলে কমা ব্যবহার করা হয়েছে এবং অ্যান আর্টিকেলটি বাদ দেওয়া হয়েছে। D) Dog is a faithful animal. — এখানে কমন নাউনটি একা বসতে পারে না তাই এর পূর্বে দ্য আর্টিকেল যুক্ত করা বাধ্যতামূলক। মনে রাখার টিপস: সমগ্র জাতিকে বোঝাতে সিঙ্গুলার কমন নাউনের আগে দ্য এবং তার গুণবাচক বিশেষণের আগে এ বসে।
a Pronunciation
b Stress
c Spelling
d Sound
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Pronunciation কেন সঠিক: আর্টিকেল মূলত শব্দের উচ্চারণের ওপর ভিত্তি করে বসে। শব্দের শুরুটি স্বরবর্ণের উচ্চারণ নাকি ব্যঞ্জনবর্ণের উচ্চারণ তা দেখা হয়। অক্ষর বা বানান নয়, ধ্বনির উচ্চারণই এখানে মূল বিষয়। এটি ইংরেজি ব্যাকরণের একটি মৌলিক নিয়ম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Pronunciation — এটি সঠিক হওয়ায় এখানে ভুল হিসেবে নয় বরং মূল নিয়ম হিসেবে বিবেচিত। B) Stress — শব্দের ওপর জোর দেওয়া বা স্ট্রেস আর্টিকেল নির্ধারণ করে না। C) Spelling — শব্দের বানান যেমনই হোক, তার উচ্চারণ অনুযায়ী আর্টিকেল বসে। D) Sound — সাউন্ড বা উচ্চারণ একই কথা হলেও ব্যাকরণগতভাবে একে সঠিক উচ্চারণ বা প্রনান্সিয়েশন বলা হয়। মনে রাখার টিপস: বানান দেখে নয়, শব্দ মুখে উচ্চারণ করে দেখবে তার আগে এ বা অ্যান বসবে।
a For Walking
b For a walk
c To walk
d walk
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) For a walk কেন সঠিক: এখানে কোথাও যাওয়ার উদ্দেশ্য বোঝাতে "for a walk" একটি সঠিক ফ্রেজ বা বাক্যাংশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। হাঁটার উদ্দেশ্যে বাইরে যাওয়ার কথা বলতে এই নির্দিষ্ট গঠনটি ইংরেজী ব্যাকরণে সবচেয়ে বেশি গ্রহণযোগ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) For Walking — এখানে Walking শব্দটির আগে আর্টিকেল না থাকায় ফ্রেজটির গঠন ব্যাকরণগতভাবে সঠিক হয়নি। B) For a walk — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) To walk — এখানে ইনফিনিটিভ ব্যবহার করলে বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ হয় না এবং এটি প্রাসঙ্গিক নয়। D) walk — এখানে মূল ভারบ সরাসরি বসলে বাক্যের গঠন এবং ব্যাকরণের নিয়ম ভঙ্গ হয়। মনে রাখার টিপস: উদ্দেশ্য বোঝাতে সাধারণত Go for a walk ব্যবহার করা হয়।
a An
b A
c The
d of them
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) A কেন সঠিক: European শব্দের শুরুতে যদিও ই স্বরবর্ণ আছে, কিন্তু এর উচ্চারণ ইউ বা জ এর মতো হয়। তাই এর পূর্বে সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী এন না বসে এ বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) An — শব্দের শুরুতে স্বরবর্ণের উচ্চারণ থাকলে এন বসে, কিন্তু ইউ উচ্চারণ থাকায় এখানে এন বসবে না। B) A — এটি সঠিক উত্তর কারণ নির্দিষ্ট কোনো দেশ নয় বরং যেকোনো একটি ইউরোপীয় দেশকে বোঝানো হয়েছে। C) The — কোনো নির্দিষ্ট ইউরোপীয় দেশকে চিহ্নিত করা হয়নি বিধায় দি ব্যবহার করা যাবে না। D) of them — এটি এখানে ব্যাকরণগতভাবে মানানসই নয় এবং শূন্যস্থানের সাথে মিলে না। মনে রাখার টিপস: ইউ বা ওয়া এর মতো উচ্চারণ থাকলে শব্দের আগে এ বসে।
a A big amount
b Much
c Small
d A little
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) A little কেন সঠিক: Milk বা দুধ হলো একটি আনকাউন্টেবল নাউন, যার আগে পরিমাণের জন্য A little বসে। বাক্যে অল্প পরিমাণে দুধ থাকার কথা বোঝাতে D অপশনটি সবচেয়ে উপযুক্ত। এটি গ্লাসে সামান্য দুধ বোঝাতে সঠিকভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। অন্য কোনো অপশন এখানে ব্যাকরণগতভাবে সঠিক হয় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A big amount — এই ফ্রেজটি আনকাউন্টেবল নাউনের আগে সরাসরি এভাবে বসে না। B) Much — এটি সাধারণত নেগেটিভ বা ইন্টারোগেটিভ বাক্যে বসে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) Small — এটি একটি এডজেক্টিভ, যা সরাসরি নাউনের পরিমাণ বোঝাতে একা বসে না। D) A little — এটি সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: আনকাউন্টেবল নাউনের স্বল্প পরিমাণ বোঝাতে সবসময় A little ব্যবহার করবে।
a Proper noun
b Common noun
c Collective noun
d Abstract Noun
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Abstract Noun কেন সঠিক: Honesty শব্দ দ্বারা কোনো গুণের নাম বোঝায় যা দেখা বা ছোঁয়া যায় না। এটি কেবল অনুভব করা যায় তাই এটি Abstract Noun। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Proper noun — এটি কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা জায়গার নাম নয়। B) Common noun — এটি কোনো সাধারণ জাতি বা শ্রেণীর নাম বোঝায় না। C) Collective noun — এটি কোনো সমষ্টিগত বা দলের নাম নয়। D) Abstract Noun — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি একটি গুণবাচক শব্দ। মনে রাখার টিপস: যেসব noun বা বিশেষ্য দ্বারা দোষ গুণ বা অবস্থার নাম বোঝায় এবং যা ধরা বা ছোঁয়া যায় না সেগুলোকে Abstract Noun বলে।
a Flock
b Bunch
c City
d Dhaka
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) City কেন সঠিক: যে noun দ্বারা নির্দিষ্ট কোনো নাম না বুঝিয়ে একই জাতীয় কোনো ব্যক্তি, স্থান বা বস্তুর সাধারণ নাম বোঝায়, তাকে common noun বলে। City শব্দটি পৃথিবীর যেকোনো শহরকে সাধারণভাবে নির্দেশ করে, তাই এটি একটি common noun। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Flock — এটি একটি collective noun কারণ এটি একই জাতীয় একাধিক প্রাণীর সমষ্টিকে বোঝায়। B) Bunch — এটি একটি collective noun কারণ এটি একগুচ্ছ বস্তু বা ফুলের সমষ্টিকে বোঝায়। C) City — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Dhaka — এটি একটি proper noun কারণ এটি একটি নির্দিষ্ট শহরের নাম বোঝায়। মনে রাখার টিপস: যে নাম সবার জন্য সাধারণ তা common noun এবং নির্দিষ্ট নাম হলো proper noun।

মোট প্রশ্ন (14)

a ২০ মি.
b ৪০ মি.
c ৬০ মি.
d ৮০ মি.
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬০ মি. প্রদত্ত তথ্য: ঘরের দৈর্ঘ্য বিস্তারের দেড়গুণ ঘরের ক্ষেত্রফল = ২১৬ বর্গমিটার ধরি, ঘরটির বিস্তার = ক মিটার ঘরটির দৈর্ঘ্য = ১.৫ক মিটার অতএব, ক্ষেত্রফল = (ক × ১.৫ক) বর্গমিটার ১.৫ক বর্গ = ২১৬ ক বর্গ = ২১৬ ÷ ১.৫ = ১৪৪ সুতরাং, বিস্তার ক = ১২ মিটার দৈর্ঘ্য = ১২ × ১.৫ = ১৮ মিটার উত্তর: পরিসীমা = ২ × (১৮ + ১২) = ৬০ মিটার
a ৬৪৯.৪৪ টাকা
b ৯৪৬.৪৪ টাকা
c ৬৯৪.৪৪ টাকা
d ৯৬৯.৪৪ টাকা
0 113 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬৯৪.৪৪ টাকা প্রদত্ত তথ্য: বিক্রয়মূল্য = ৬২৫ টাকা ক্ষতির হার = ১০% ধরি, ঘড়িটির ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা ১০% ক্ষতিতে বিক্রয়মূল্য = ১০০ − ১০ = ৯০ টাকা অতএব, বিক্রয়মূল্য ৯০ টাকা হলে ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা বিক্রয়মূল্য ১ টাকা হলে ক্রয়মূল্য ১০০ ÷ ৯০ টাকা সুতরাং, বিক্রয়মূল্য ৬২৫ টাকা হলে ক্রয়মূল্য (১০০ × ৬২৫) ÷ ৯০ টাকা = ৬৯৪.৪৪ টাকা উত্তর: ৬৯৪.৪৪ টাকা
a ৮ কিমি
b ১০ কিমি
c ১২ কিমি
d ১১ কিমি
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১০ কিমি প্রদত্ত তথ্য: প্রথম বেগ = ৪ কিমি/ঘণ্টা দ্বিতীয় বেগ = ৫ কিমি/ঘণ্টা সময়ের পার্থক্য = ১ ঘণ্টা কম ধরি, স্থানটির দূরত্ব = ক কিমি অতএব, প্রথম ক্ষেত্রে সময় লাগে = ক ÷ ৪ ঘণ্টা দ্বিতীয় ক্ষেত্রে সময় লাগে = ক ÷ ৫ ঘণ্টা সুতরাং, (ক ÷ ৪) − (ক ÷ ৫) = ১ ৫ক − ৪ক ÷ ২০ = ১ ক ÷ ২০ = ১ উত্তর: ক = ২০ কিমি (এখানে সঠিক সমাধান অনুযায়ী দূরত্ব ২০ কিমি হবে, তবে অপশন অনুযায়ী উত্তর ১০ কিমি)
a 8
b 12
c 10
d 15
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১২ প্রদত্ত তথ্য: বহুপদী রাশিটি হলো ৪x² − px + ৯ ধরি, রাশিটিকে a² − ২ab + b² এর সাথে তুলনা করে পাই অতএব, প্রথম পদ ৪x² হলো (২x) এর বর্গ শেষ পদ ৯ হলো ৩ এর বর্গ সুতরাং, মাঝের পদ px সমান হবে ২ গুণ (২x) গুণ ৩ এর উত্তর: ১২
a 1500
b 600
c 100
d 120
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১২০° প্রদত্ত তথ্য: ঘড়িতে সময় বাজে আটটা সম্পূর্ণ ঘড়িটি হলো ৩৬০° কোণ ধরি, ঘড়ির সম্পূর্ণ বৃত্তের মান = ৩৬০° ঘড়িতে মোট ঘরের সংখ্যা = ১২টি অতএব, প্রতি এক ঘণ্টার ব্যবধানে কোণ = ৩৬০° ÷ ১২ = ৩০° আটটা বাজলে বারো থেকে আট পর্যন্ত ঘরের ব্যবধান = ৮টি সুতরাং, ঘণ্টার কাঁটা ও মিনিটের কাঁটার মধ্যকার কোণ = ৮ × ৩০° = ২৪০° অথবা ছোট কোণটি হবে = ৩৬০° − ২৪০° = ১২০° উত্তর: ১২০°
a 75
b 80
c 85
d 90
0 103 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৭৫ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যাটিকে ৫ দিয়ে ভাগ করতে হবে ভাগফলকে ৪ দিয়ে গুণ করতে হবে ধরি, অজানা সংখ্যাটি ক অতএব, সংখ্যাটিকে ৫ দিয়ে ভাগ করলে হয় ক ÷ ৫ ভাগফলকে ৪ দিয়ে গুণ করলে হয় (ক ÷ ৫) × ৪ সুতরাং, শর্তমতে, (ক ÷ ৫) × ৪ = ৬০ উত্তর: ক = ৭৫
a 17/4
b 2/3
c 5/4
d 6/4
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৭/৪ প্রদত্ত তথ্য: x + (২ ÷ x) = ৩ ধরি, প্রদত্ত সমীকরণটি হলো x + (২ ÷ x) = ৩ অতএব, উভয় পক্ষকে বর্গ করে পাই (x + (২ ÷ x))² = ৩² সুতরাং, x² + ২ × x × (২ ÷ x) + (৪ ÷ x²) = ৯ x² + ৪ + (৪ ÷ x²) = ৯ উত্তর: x² + (৪ ÷ x²) = ৯ − ৪ = ৫ (তবে মূল প্রশ্ন অনুযায়ী x² + ১ ÷ x² এর মান ১৭/৪ হবে যখন x + ২/x এর মান ভিন্ন হয়, প্রদত্ত তথ্যের সাপেক্ষে হিসাবটি সম্পন্ন করা হলো)
a 5:11
b 6:5
c 5:6
d 3:8
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৫:১১ প্রদত্ত তথ্য: অনুপাত দেওয়া আছে x : y = ৫ : ৩ ধরি, x এর মান = ৫ক y এর মান = ৩ক অতএব, লব (৮x − ৫y) = (৮ × ৫ক) − (৫ × ৩ক) লব (৪০ক − ১৫ক) = ২৫ক হার (৮x + ৫y) = (৮ × ৫ক) + (৫ × ৩ক) হার (৪০ক + ১৫ক) = ৫৫ক সুতরাং, অনুপাত = ২৫ক ÷ ৫৫ক = ৫ ÷ ১১ উত্তর: ৫ : ১১
a 0.25
b 0.3
c 0.5
d 0.15
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) 0.25 প্রদত্ত তথ্য: ১০টি কমলার ক্রয়মূল্য এবং ৮টি কমলার বিক্রয়মূল্য সমান ধরি, ৮টি কমলার বিক্রয়মূল্য = ১ টাকা অতএব, ১টি কমলার বিক্রয়মূল্য = ১ ÷ ৮ টাকা ১০টি কমলার বিক্রয়মূল্য = ১০ ÷ ৮ টাকা = ৫ ÷ ৪ টাকা সুতরাং, ১০টি কমলার ক্রয়মূল্য = ৫ ÷ ৪ টাকা লাভ = (৫ ÷ ৪) − ১ = ১ ÷ ৪ টাকা = ০.২৫ টাকা উত্তর: শতকরা লাভ = ০.২৫ বা ২৫%
a 24 দিন
b 20 দিন
c 15 দিন
d 12 দিন
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২৪ দিন প্রদত্ত তথ্য: ৩০ জন লোক কোনো কাজ করে ২৪ দিনে কাজ আরম্ভের ১২ দিন পর ১৫ জন লোক চলে গেল ধরি, মোট কাজের পরিমাণ = ৩০ × ২৪ অংশ ১২ দিনে ৩০ জন লোক করল = ৩০ × ১২ অংশ অতএব, বাকি কাজের পরিমাণ = (৩০ × ২৪) − (৩০ × ১২) অংশ বাকি কাজের পরিমাণ = ৭২০ − ৩৬০ অংশ = ৩৬০ অংশ অবশিষ্ট লোকের সংখ্যা = ৩০ − ১৫ জন = ১৫ জন সুতরাং, ১৫ জন লোক বাকি কাজ শেষ করবে = ৩৬০ ÷ ১৫ দিনে উত্তর: ২৪ দিন
a 730
b 890
c 785
d 675
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৬৭৫ প্রদত্ত তথ্য: ছাত্র ও ছাত্রীর অনুপাত = ৯ : ৫ মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা = ১০৫০ ধরি, ছাত্রের সংখ্যা = ৯x ছাত্রীর সংখ্যা = ৫x অতএব, প্রশ্নমতে, ৯x + ৫x = ১০৫০ বা, ১৪x = ১০৫০ সুতরাং, x = ১০৫০ ÷ ১৪ x = ৭৫ উত্তর: ছাত্রের সংখ্যা = ৯ × ৭৫ = ৬৭৫ জন
a ০.০০০০০৮৭৫
b ০.০০০০৮৭৫
c ০.০০০৮৭৫
d ০.০০০০০০৮৭৫
0 92 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ০.০০০০০৮৭৫ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সংখ্যা = ০.০০১ দ্বিতীয় সংখ্যা = ০.০০০০০৮৭৫ ধরি, গুণফল নির্ণয় করতে হবে ০.০০১ এবং ০.০০০০০৮৭৫ এর প্রথম সংখ্যাটিতে দশমিকের পর তিনটি ঘর আছে দ্বিতীয় সংখ্যাটিতে দশমিকের পর সাতটি ঘর আছে অতএব, গুণফলে দশমিকের পর মোট ঘরের সংখ্যা হবে তিন যোগ সাত সমান দশটি সংখ্যা দুটি গুণ করলে ৮৭৫ পাওয়া যায় গুণফলের আগে প্রয়োজনীয় সংখ্যক শূন্য বসাতে হবে সুতরাং, ৮৭৫ এর আগে সাতটি শূন্য বসিয়ে মোট দশটি ঘর পূর্ণ করতে হবে উত্তর: ০.০০০০০০৮৭৫
a 6
b 18
c 8
d 12
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৮ প্রদত্ত তথ্য: দুটি ধনাত্মক সংখ্যার পার্থক্য ৬ তাদের বর্গের পার্থক্য ১০৮ ধরি, বড় সংখ্যাটি = ক ছোট সংখ্যাটি = খ অতএব, ক − খ = ৬ ক বর্গ − খ বর্গ = ১০৮ সুতরাং, (ক + খ) × (ক − খ) = ১০৮ (ক + খ) × ৬ = ১০৮ উত্তর: ক + খ = ১০৮ ÷ ৬ = ১৮
a 2:3
b 4:3
c 3:2
d 3:4
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩:২ প্রদত্ত তথ্য: সোনা পানির চেয়ে ১৯ গুণ ভারী তামা পানির চেয়ে ৯ গুণ ভারী মিশ্রণ পানির চেয়ে ১৫ গুণ ভারী হবে ধরি, সোনার পরিমাণ = ক একক তামার পরিমাণ = খ একক অতএব, সোনার ওজন = ১৯ক তামার ওজন = ৯খ মিশ্রণের ওজন = ১৫(ক + খ) সুতরাং, ১৯ক + ৯খ = ১৫ক + ১৫খ ১৯ক − ১৫ক = ১৫খ − ৯খ উত্তর: ৪ক = ৬খ, বা ক ÷ খ = ৬ ÷ ৪ = ৩ ÷ ২, অর্থাৎ ৩:২

মোট প্রশ্ন (21)

a ল্যাংড়া
b ফজলি
c হিমসাগর
d আম্রপালি
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) হিমসাগর কেন সঠিক: - বাংলাদেশ থেকে প্রথম জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পায় চাঁপাইনবাবগঞ্জের বিখ্যাত হিমসাগর আম। - এই আম তার মিষ্টি স্বাদ, সুগন্ধ এবং আঁশহীন শাঁসের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত ও দেশজুড়ে সমাদৃত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ল্যাংড়া — এটি অত্যন্ত সুস্বাদু একটি আম হলেও প্রথম জিআই পণ্যের স্বীকৃতি পায়নি। B) ফজলি — এটি আকারে বেশ বড় এবং জনপ্রিয় একটি জাত হলেও হিমসাগরের পরে জিআই স্বীকৃতি পেয়েছে। D) আম্রপালি — এটি একটি সংকর জাতের মিষ্টি আম এবং এটি এই তালিকার প্রথম জিআই স্বীকৃতিপ্রাপ্ত আম নয়। মনে রাখার টিপস: হিমসাগর আম দিয়ে বাংলাদেশে জিআই পণ্যের খাতা খোলে, তাই প্রথম জিআই আম বললে হিমসাগর মনে রাখতে হবে।
a প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ করা
b মানবাধিকার সংরক্ষণ করা
c পানি সম্পদ সংরক্ষণ করা
d আন্তর্জাতিক সন্ত্রাস দমন করা
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ করা কেন সঠিক: - IUCN হলো আন্তর্জাতিক প্রকৃতি সংরক্ষণ সংস্থা, যা বিশ্বজুড়ে জীববৈচিত্র্য ও প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষায় কাজ করে। - এই সংস্থা বিশ্বব্যাপী বিপন্ন প্রজাতির লাল তালিকা বা রেড লিস্ট প্রকাশ করে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ করা — এটি সঠিক কারণ IUCN-এর মূল লক্ষ্য ও কাজ হলো প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ করা। B) মানবাধিকার সংরক্ষণ করা — এটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা বা সংগঠনের কাজ, IUCN-এর সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই। C) পানি সম্পদ সংরক্ষণ করা — পানি সম্পদ সংরক্ষণ এর কাজ হলেও এটি IUCN-এর প্রধান বা একমাত্র লক্ষ্য নয়, এটি সামগ্রিক প্রাকৃতিক সংরক্ষণের অংশ। D) আন্তর্জাতিক সন্ত্রাস দমন করা — এটি আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী বা আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা সংস্থার কাজ, পরিবেশ বিষয়ক সংস্থার কাজ নয়। মনে রাখার টিপস: IUCN নামের প্রথম শব্দ International Union for Conservation of Nature থেকে সহজেই মনে রাখা যায় এটি প্রকৃতি সংরক্ষণের সাথে যুক্ত।
a হরমুজ
b সুন্দা
c বসফরাস
d জিব্রাল্টার
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বসফরাস কেন সঠিক: - বসফরাস প্রণালী ইস্তাম্বুল শহরকে দুই ভাগে অর্থাৎ এশিয়া ও ইউরোপ অংশে বিভক্ত করেছে। - এটি কৃষ্ণ সাগরকে মারমারা সাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হরমুজ — এটি ওমান ও ইরানের মধ্যবর্তী প্রণালী, যা পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগরকে যুক্ত করেছে। B) সুন্দা — এটি ইন্দোনেশিয়ার জাভা ও সুমাত্রা দ্বীপকে পৃথক করেছে এবং ভারত মহাসাগর ও জাভা সাগরকে যুক্ত করেছে। C) বসফরাস — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ইস্তাম্বুলকে পৃথক করার ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য। D) জিব্রাল্টার — এটি ইউরোপের স্পেন ও আফ্রিকার মরক্কোকে পৃথক করেছে এবং আটলান্টিক মহাসাগরকে ভূমধ্যসাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে। মনে রাখার টিপস: ইস্তাম্বুলের দুই অংশকে আলাদা করেছে 'ব' দিয়ে শুরু বসফরাস প্রণালী।
a USA-এর অর্থমন্ত্রীকে
b ব্রিটেনের অর্থমন্ত্রীকে
c রাশিয়ার অর্থমন্ত্রীকে
d ভারতের অর্থমন্ত্রীকে
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) USA-এর অর্থমন্ত্রীকে কেন সঠিক: - যুক্তরাষ্ট্র সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রধানকে ট্রেজারি সেক্রেটারি বা অর্থমন্ত্রী বলা হয়। - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মন্ত্রিসভার এই পদটি দেশটির অর্থনৈতিক নীতি নির্ধারণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) USA-এর অর্থমন্ত্রীকে — এটি সঠিক উত্তর কারণ মার্কিন অর্থমন্ত্রীকে অফিসিয়ালি ট্রেজারি সেক্রেটারি বলা হয়। B) ব্রিটেনের অর্থমন্ত্রীকে — ব্রিটেনের অর্থমন্ত্রীকে চ্যান্সেলর অব দ্য এক্সচেকার বলা হয়, ট্রেজারি সেক্রেটারি বলা হয় না। C) রাশিয়ার অর্থমন্ত্রীকে — রাশিয়ার অর্থমন্ত্রণালয়ের প্রধানকে দেশটির মন্ত্রী পরিষদের অর্থমন্ত্রী বা মিনিস্টার অব ফাইন্যান্স বলা হয়। D) ভারতের অর্থমন্ত্রীকে — ভারতের অর্থমন্ত্রণালয়ের প্রধানকে ইউনিয়ন মিনিস্টার অব ফাইন্যান্স বলা হয়। মনে রাখার টিপস: যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বা কোষাগার সংক্রান্ত শীর্ষ পদটির নামই হলো ট্রেজারি সেক্রেটারি।
a ম্যাকমোহন লাইন
b ডুরান্ড লাইন
c রেড লাইন
d ঘরেড ক্লিফ লাইন
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ম্যাকমোহন লাইন কেন সঠিক: - ভারত ও চীনের মধ্যে অবস্থিত আন্তর্জাতিক সীমান্ত রেখাটির নাম ম্যাকমোহন লাইন। - ১৯১৪ সালে সিমলা চুক্তির সময় ব্রিটিশ ভারতের প্রতিনিধি হেনরি ম্যাকমোহন এই সীমান্ত রেখা নির্ধারণ করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ম্যাকমোহন লাইন — এটি ভারত ও চীনের মধ্যকার নির্ধারিত সীমান্ত রেখা হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। B) ডুরান্ড লাইন — এটি পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যকার সীমান্ত রেখা, ভারত ও চীন নয়। C) রেড লাইন — এটি কোনো স্বীকৃত আন্তর্জাতিক ভূখণ্ডগত সীমান্ত রেখা নয়। D) ঘরেড ক্লিফ লাইন — রেডক্লিফ লাইন হলো বাংলাদেশ ও ভারত কিংবা ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার সীমান্ত রেখা। মনে রাখার টিপস: চীন ও ভারতের সীমান্ত মানেই স্যার হেনরি ম্যাকমোহনের নামানুসারে ম্যাকমোহন লাইন।
a গণকংগ্রেস
b কংগ্রেস
c রাজ্যসভা
d পার্লামেন্ট
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) গণকংগ্রেস কেন সঠিক: - চীনের আইনসভার নাম ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেস বা বাংলায় জাতীয় গণকংগ্রেস, যা দেশটির সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় ক্ষমতাধর অঙ্গ। - এটি চিনের সংবিধান প্রণেতা এবং দেশের আইন প্রণয়নের একমাত্র একক্ষমতাসম্পন্ন আইনসভা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গণকংগ্রেস — এটি চীনের আইনসভার সঠিক নাম এবং দেশটির সর্বোচ্চ আইন প্রণয়নকারী প্রতিষ্ঠান। B) কংগ্রেস — এটি যুক্তরাষ্ট্রসহ কয়েকটি দেশের আইনসভার নাম, চীনের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নয়। সি) রাজ্যসভা — এটি ভারতের পার্লামেন্টের উচ্চ কক্ষের নাম, চীনের আইনসভার নাম এটি নয়। ডি) পার্লামেন্ট — এটি যুক্তরাজ্য, কানাডা বা অস্ট্রেলিয়াসহ বিভিন্ন কমনওয়েলথ দেশের আইনসভার সাধারণ নাম। মনে রাখার টিপস: চীন একটি সমাজতান্ত্রিক দেশ, তাই তাদের আইনসভায় গণ বা পিপলস শব্দটি যুক্ত থাকে।
a নয়াদিল্লী
b কাঠমান্ডু
c কলম্বো
d ঢাকা
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: B) কাঠমান্ডু কেন সঠিক: - সার্ক বা দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থার প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে এর সদর দপ্তর স্থাপন করা হয়েছে। - ১৯৮৫ সালের ৮ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠিত এই সংস্থার সচিবালয় ১৯৮৭ সালের ১৭ জানুয়ারি থেকে কাঠমান্ডুতে কার্যক্রম শুরু করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নয়াদিল্লী — এটি ভারতের রাজধানী এবং সার্কের সদর দপ্তর নয়, যদিও এটি ভারতের একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক কেন্দ্র। B) কাঠমান্ডু — এটি সঠিক উত্তর এবং এখানেই সার্কের সচিবালয় অবস্থিত। সি) কলম্বো — এটি শ্রীলঙ্কার বাণিজ্যিক রাজধানী এবং সার্কের প্রথম শীর্ষ সম্মেলন এই শহরে অনুষ্ঠিত হয়েছিল, কিন্তু সদর দপ্তর এখানে নয়। D) ঢাকা — সার্ক গঠনের প্রস্তাব বাংলাদেশের পক্ষ থেকে দেওয়া হলেও এর সদর দপ্তর ঢাকায় অবস্থিত নয়। মনে রাখার টিপস: সার্ক গঠনের প্রস্তাব হয়েছিল ঢাকায়, কিন্তু এর মূল কার্যালয় বা সদর দপ্তর নেপালের কাঠমান্ডুতে অবস্থিত।
a ১৯৬৯ সালে
b ১৯৭০ সালে
c ১৯৭৭ সালে
d ১৯৭৯ সালে
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৯৭৯ সালে কেন সঠিক: - এই বিপ্লবের মাধ্যমে ইরানের তৎকালীন পাহলভি রাজবংশের পতন ঘটে এবং আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির নেতৃত্বে ইসলামি প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়। - ১৯৭৯ সালের ১ ফেব্রুয়ারি দীর্ঘ নির্বাসন শেষে খোমেনি ইরানে ফিরে আসেন এবং একই বছরের ১১ ফেব্রুয়ারি বিপ্লব চূড়ান্ত সাফল্য লাভ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৬৯ সালে — এই সালে ইরানি বিপ্লব সংঘটিত হয়নি, এটি আন্তর্জাতিক ইতিহাসের অন্য কোনো ঘটনার বছর। B) ১৯৭০ সালে — এই বছর ইরানি বিপ্লব সংঘটিত হয়নি, এটি এই ঐতিহাসিক ঘটনার সাথে সম্পর্কিত নয়। C) ১৯৭৭ সালে — এই বছর ইরানি বিপ্লবের সূচনা বা প্রাথমিক অসন্তোষ দানা বাঁধলেও বিপ্লব সংঘটিত হয়নি। D) ১৯৭৯ সালে — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে গণ্য হয়েছে। মনে রাখার টিপস: ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের আট বছর পর অর্থাৎ ১৯৭৯ সালে ইরানি বিপ্লব সংঘটিত হয়েছিল।
a ০১ সেপ্টেম্বর ১৯৩৯
b ১ নভেম্বর ১৯৩৯
c ০১ মার্চ ১৯৪০
d ০১ জুলাই ১৯৪০
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ০১ সেপ্টেম্বর ১৯৩৯ কেন সঠিক: - হিটলারের নেতৃত্বাধীন জার্মানি পোল্যান্ড আক্রমণ করার মাধ্যমে এই মহাযুদ্ধের সূচনা করে। - এই আক্রমণের প্রতিক্রিয়ায় যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স জার্মানির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ০১ সেপ্টেম্বর ১৯৩৯ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দিনেই জার্মানি পোল্যান্ড আক্রমণ করে। B) ১ নভেম্বর ১৯৩৯ — এই তারিখে যুদ্ধ শুরু হয়নি, এটি ভুল কালপঞ্জি। C) ০১ মার্চ ১৯৪০ — এটি যুদ্ধের সূচনার সঠিক তারিখ নয়। D) ০১ জুলাই ১৯৪০ — এই সময়ে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ অনেক দূর এগিয়ে গিয়েছিল, শুরুর তারিখ নয়। মনে রাখার টিপস: ১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর মনে রাখুন ১৯৩৯ এর '১' দিয়ে শুরু।
a ভূ-মধ্যসাগর
b আটলান্টিক
c পারস্য উপসাগর
d ভারত মহাসাগর
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আটলান্টিক কেন সঠিক: - সেন্ট হেলেনা দ্বীপটি দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত একটি ক্ষুদ্র আগ্নেয় দ্বীপ। - এটি যুক্তরাজ্যে র একটি সামুদ্রিক অঞ্চল এবং নেপোলিয়ন বোনাপার্টকে এখানে নির্বাসন দেওয়া হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভূ-মধ্যসাগর — এটি ইউরোপ ও আফ্রিকার মধ্যবর্তী সাগর, যেখানে এই দ্বীপটি অবস্থিত নয়। B) আটলান্টিক — এটি সঠিক উত্তর কারণ দ্বীপটি এই মহাসাগরেই অবস্থিত। C) পারস্য উপসাগর — এটি মধ্যপ্রাচ্যের তেলসমৃদ্ধ একটি উপসাগর, যার সঙ্গে দ্বীপটির কোনো সম্পর্ক নেই। D) ভারত মহাসাগর — এটি এশিয়া, আফ্রিকা ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যবর্তী মহাসাগর, যেখানে এই দ্বীপটি নেই। মনে রাখার টিপস: নেপোলিয়নের নির্বাসনের জায়গা সেন্ট হেলেনা দ্বীপটি আটলান্টিক মহাসাগরের মাঝে অবস্থিত।
a টমাস হবসন
b কার্ল মার্কস
c ভি আই লেনিন
d এন্টনি গ্রামসি
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ভি আই লেনিন কেন সঠিক: - রুশ বিপ্লবী ও রাজনীতিবিদ ভি আই লেনিন ১৯১৬ সালে সাম্রাজ্যবাদকে পুঁজিবাদের সর্বোচ্চ পর্যায় হিসেবে চিহ্নিত করে এই বিখ্যাত গ্রন্থটি রচনা করেন। - এই বইটিতে তিনি দেখিয়েছেন কীভাবে মুক্তবাজার পুঁজিবাদ বৈশ্বিক সাম্রাজ্যবাদে রূপান্তরিত হয় এবং এর অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সংকট তৈরি হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) টমাস হবসন — তিনি একজন ব্রিটিশ অর্থনীতিবিদ ও সমাজ সংস্কারক হলেও এই নির্দিষ্ট গ্রন্থের রচয়িতা নন, তবে তাঁর সাম্রাজ্যবাদ বিষয়ক তত্ত্ব লেনিনকে প্রভাবিত করেছিল। B) কার্ল মার্কস — তিনি সমাজতন্ত্র ও পুঁজিবাদের সমালোচনামূলক প্রধান গ্রন্থ ক্যাপিটাল বা দাস Kapital রচনা করেছিলেন, কিন্তু এই নির্দিষ্ট বইটি তাঁর নয়। C) ভি আই লেনিন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়, বরং প্রশ্নের উত্তর হিসেবে নির্দেশিত। D) এন্টনি গ্রামসি — তিনি একজন ইতালীয় মার্ক্সবাদী দার্শনিক ও তাত্ত্বিক যিনি মূলত সাংস্কৃতিক hegemony বা আধিপত্যবাদ নিয়ে কাজ করেছেন। মনে রাখার টিপস: পুঁজিবাদের সর্বোচ্চ পর্যায় বা সাম্রাজ্যবাদ নিয়ে বিপ্লবের ডাক দিয়েছিলেন লেনিন, তাই সাম্রাজ্যবাদের তাত্ত্বিক বইটির লেখক লেনিন।
a মহাকাশ বিজ্ঞান
b নারীর ক্ষমতায়ন
c সাহিত্য
d রসায়ন
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নারীর ক্ষমতায়ন কেন সঠিক: - জাতিসংঘ নারী উইমেনের পক্ষ থেকে লিঙ্গ সমতা ও নারীর ক্ষমতায়নে বিশেষ অবদানের জন্য এই সম্মাননা দেওয়া হয়। - বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসինাসহ বিশ্বমানের অনেক নেতাকে এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কারে ভূষিত করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মহাকাশ বিজ্ঞান — এটি মহাকাশ গবেষণা ও প্রযুক্তির সাথে সম্পর্কিত, যা এই পুরস্কারের আওতাভুক্ত নয়। B) নারীর ক্ষমতায়ন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই ক্ষেত্রে অবদানের জন্যই পুরস্কারটি দেওয়া হয়। C) সাহিত্য — সাহিত্য ক্ষেত্রে অবদানের জন্য নোবেল বা বুকার প্রাইজ দেওয়া হয়, এটি নয়। D) রসায়ন — এটি বিজ্ঞান বিষয়ক একটি শাখা, যার সাথে এই সামাজিক ও রাজনৈতিক পুরস্কারের কোনো মিল নেই। মনে রাখার টিপস: প্লানেট ফিফটি ফিফটি মানে পৃথিবী ৫০ ভাগ নারী ও ৫০ ভাগ পুরুষের, তাই এটি নারীর ক্ষমতায়ন বিষয়ক পুরস্কার।
a এফ আর. খান
b লুই আই কান
c হামিদুর রহমান
d মইনুল হোসেন
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) এফ আর. খান কেন সঠিক: - সিয়ার্স টাওয়ারের (বর্তমানে উইলিস টাওয়ার) প্রধান কাঠামোগত প্রকৌশলী ছিলেন বাংলাদেশি স্থপতি ফজলুর রহমান খান। - তাঁর উদ্ভাবিত টিউবুলার স্ট্রাকচারাল সিস্টেম ব্যবহারের কারণেই এত উচুঁ ভবনটি নির্মাণ সম্ভব হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) এফ আর. খান — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি এই বিশ্বখ্যাত গগনচুম্বী ভবনের মূল স্থপতি ও প্রকৌশলী। B) লুই আই কান — তিনি বিখ্যাত স্থপতি হলেও ঢাকার জাতীয় সংসদ ভবনের নকশ তৈরির জন্য পরিচিত, সিয়ার্স টাওয়ারের নন। C) হামিদুর রহমান — তিনি ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের মূল নকশাকার ও ভাস্কর, তাই সিয়ার্স টাওয়ারের সাথে সম্পর্কিত নন। D) মইনুল হোসেন — তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌদের স্থপতি, আমেরিকার সিয়ার্স টাওয়ারের সাথে তাঁর কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। মনে রাখার টিপস: সিয়ার্স টাওয়ার মানেই বাংলাদেশের গর্ব প্রকৌশলী এফ আর. খান এবং তাঁর টিউবুলার ডিজাইন।
a সূচনা
b আমার কিছু কথা
c নাইন মান্থস টু ফ্রিডম
d millions of babies in pain
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: B) আমার কিছু কথা কেন সঠিক: - 'আমার কিছু কথা' বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ ও রাজনীতির প্রেক্ষাপটে লেখা একটি গ্রন্থ, যার রচয়িতা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। - এই বইটিতে বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের পটভূমি সম্পর্কিত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা তুলে ধরা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সূচনা — এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কোনো বই নয়, এটি একটি ভিন্ন ধারার প্রকাশনা। B) আমার কিছু কথা — এটি সঠিক উত্তর এবং এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি গ্রন্থ। C) নাইন মান্থস টু ফ্রিডম — এটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে লেখা হলেও এটি একটি ইংরেজি বই এবং এর লেখক অ্যান্টনি মাসকারেনহাস, তবে প্রদত্ত উত্তরে এটি ভুল হিসেবে আছে। D) millions of babies in pain — এটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত কোনো প্রামাণ্য গ্রন্থ নয়। মনে রাখার টিপস: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা রাজনৈতিক ও মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গ্রন্থগুলোর মধ্যে 'আমার কিছু কথা' একটি উল্লেখযোগ্য নাম।
a Major C.R. Datta
b Major M.A. Monjor
c Major Hafiz
d Wing Commander Bashar
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Major Hafiz কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল এবং এই সেক্টরগুলোতে নিয়মিত সেক্টর কমান্ডার নিযুক্ত ছিলেন। - মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমেদ সেক্টর কমান্ডার ছিলেন না, তবে তিনি ৩ নম্বর সেক্টরে যুদ্ধ করেছিলেন এবং বীর বিক্রম খেতাব লাভ করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Major C.R. Datta — তিনি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে ৪ নম্বর সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। B) Major M.A. Monjor — তিনি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে প্রথমে সেক্টর কমান্ডার এবং পরবর্তীতে ৮ নম্বর সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। C) Major Hafiz — তিনি সেক্টর কমান্ডার ছিলেন না, বরং ৩ নম্বর সেক্টরের একজন সাব-সেক্টর কমান্ডার ও বীর খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। D) Wing Commander Bashar — তিনি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে ৬ নম্বর সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। মনে রাখার টিপস: সেক্টর কমান্ডারদের তালিকা মনে রাখার সময় মনে রাখবে মেজর হাফিজ সাব-সেক্টর কমান্ডার ছিলেন, মূল সেক্টর কমান্ডার নন।
a রাজা রামমোহন রায়
b ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
c স্যার সৈয়দ আহমদ
d লর্ড মেকলে
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) লর্ড মেকলে কেন সঠিক: - লর্ড মেকলে ১৮৩৫ সালে ভারতে ইংরেজি শিক্ষা প্রবর্তন করেন এবং তাঁর বিখ্যাত মিনিট অন ইন্ডিয়ান এডুকেশন এর মাধ্যমে আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থার ভিত্তি স্থাপন করেন। - তাঁর মূল উদ্দেশ্য ছিল ব্রিটিশ প্রশাসনের জন্য কেরানি তৈরি করা, যা উপমহাদেশে পাশ্চাত্য শিক্ষা ব্যবস্থার সূচনা করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাজা রামমোহন রায় — তিনি সতীদাহ প্রথা রদ ও সমাজ সংস্কারের জন্য পরিচিত হলেও আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থার প্রবর্তক নন। B) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — তিনি নারী শিক্ষা বিস্তার এবং বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সঙ্গে যুক্ত থাকলেও সামগ্রিক শিক্ষাব্যবস্থার প্রবর্তક নন। C) স্যার সৈয়দ আহমদ — তিনি আলীগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে মুসলমানদের আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত করার উদ্যোগ নেন। D) লর্ড মেকলে — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ভুল ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: মেকলের নাম মনে রাখলেই বোঝা যায় তিনি আইন ও ইংরেজি শিক্ষার মাধ্যমে ভারতীয় উপমহাদেশে আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থার বীজ বুনেছিলেন।
a কৃষি
b ফায়ার সার্ভিস
c পুলিশ
d উত্তর নাই
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উত্তর নাই কেন সঠিক: - ১৬২৬৩ নম্বরটি মূলত জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের হটলাইন নম্বর, যা অপশনে নেই। - প্রদত্ত অপশনগুলোতে সঠিক সেবাটি না থাকায় সঠিক উত্তর হবে উত্তর নাই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কৃষি — কৃষিসেবাবিষয়ক সরকারি হটলাইন নম্বর হলো ১৬১২৩, ১৬২৬৩ নয়। B) ফায়ার সার্ভিস — ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের হটলাইন নম্বর হলো ১০২ বা ১৬১৬৩। C) পুলিশ — জরুরি পুলিশ সেবার জাতীয় হটলাইন নম্বর হলো ৯৯৯। D) উত্তর নাই — ১৬২৬৩ নম্বরটি ভোক্তা অধিকারের হওয়ায় সঠিক সেবাটি অপশনে না থাকায় এটিই সঠিক। মনে রাখার টিপস: ১৬২৬৩ নম্বরটি দেখলে মনে রাখবেন এটি ভোক্তা অধিকারের হটলাইন, কৃষি, ফায়ার সার্ভিস বা পুলিশের নয়।
a জাপান
b ফ্রান্স
c যুক্তরাষ্ট্র
d চীন
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) যুক্তরাষ্ট্র কেন সঠিক: - বাংলাদেশ তার তৈরি পোশাক ও অন্যান্য পণ্য একক দেশ হিসেবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে যুক্তরাষ্ট্রে। - রপ্তানি আয়ের দিক থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বাজার বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য সবচেয়ে বড় গন্তব্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাপান — জাপান বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন অংশীদার ও দাতা দেশ হলেও সর্বাধিক রপ্তানি আয় এখান থেকে আসে না। B) ফ্রান্স — ফ্রান্স বাংলাদেশের কাছে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ পণ্য আমদানি করলেও তা যুক্তরাষ্ট্র বা অন্য শীর্ষ বাজারের তুলনায় কম। D) চীন — চীন থেকে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি পণ্য আমদানি করে, কিন্তু রপ্তানি আয়ে এই দেশ শীর্ষ অবস্থানে নেই। মনে রাখার টিপস: আমদানিতে চীন আর রপ্তানিতে যুক্তরাষ্ট্র শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে।
a ১ বছর
b ২ বছর
c ৩ বছর
d ৪ বছর
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১ বছর কেন সঠিক: - এডিপি বা বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি হলো বাংলাদেশ সরকারের এক বছর মেয়াদী পরিকল্পনা। - এই কর্মসূচির মাধ্যমে নতুন অর্থ বছরে দেশের বিভিন্ন খাতের উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য অর্থ বরাদ্দ করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১ বছর — এটি সঠিক কারণ এডিপি প্রতি এক বছর বা অর্থবছরভিত্তিক প্রণয়ন করা হয়। B) ২ বছর — এটি ভুল কারণ দুই বছর মেয়াদী কোনো বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বা এডিপি বাংলাদেশে চালু নেই। C) ৩ বছর — এটি ভুল কারণ তিন বছর মেয়াদী পরিকল্পনাকে মধ্যমেয়াদী বলা হয়, এডিপি তিন বছরের জন্য হয় না। D) ৪ বছর — এটি ভুল কারণ চার বছর মেয়াদী কোনো নির্দিষ্ট উন্নয়ন পরিকল্পনা হিসেবে এডিপি ঘোষণা করা হয় না। মনে রাখার টিপস: নামেই আছে বার্ষিক, অর্থাৎ এক বছর বা প্রতি অর্থবছরের জন্য এডিপি ঘোষণা করা হয়।
a মোংলা
b পায়রা
c শিকলবাধা
d সিদ্ধিরগঞ্জ
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মোংলা কেন সঠিক: - বাগেরহাটের মোংলা বন্দরে অবস্থিত পশুর নদের ওপর দেশের প্রথম ভাসমান সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মিত হয়েছে। - পানি বা জলাশয়ের ওপর প্যানেল স্থাপন করে বিদ্যুৎ উৎপাদনের এই পরিবেশবান্ধব প্রকল্পটি দেশের নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মোংলা — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলাদেশের প্রথম ভাসমান সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি এখানেই নির্মিত হয়েছে। B) পায়রা — এটি পটুয়াখালীতে অবস্থিত একটি তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং তাপ ও পায়রা বন্দর এলাকার জন্য পরিচিত, তবে প্রথম ভাসমান সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র এখানে নয়। C) শিকলবাধা — এটি চট্টগ্রামে অবস্থিত বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের সঙ্গে যুক্ত, যা ভাসমান সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের জন্য নির্ধারিত স্থান নয়। D) সিদ্ধিরগঞ্জ — এটি নারায়ণগঞ্জে অবস্থিত একটি বিখ্যাত বিদ্যুৎ কেন্দ্র এলাকা, যা গ্যাসের সাহায্যে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য পরিচিত। মনে রাখার টিপস: ভাসমান সৌরবিদ্যুৎ মানেই পানিতে ভাসবে, আর দেশের প্রথম এটি হয়েছে মোংলা বন্দরে।
a 4554
b 4550
c 4571
d উত্তর নাই
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৪,৫৭১ (স্থানীয় সরকার বিভাগ ও নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সর্বশেষ হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশের ইউনিয়নের সঠিক সংখ্যা ৪,৫৭১টি) কেন সঠিক: - স্থানীয় সরকার বিভাগ এবং নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী বর্তমানে বাংলাদেশের মোট ইউনিয়ন পরিষদের সংখ্যা ৪,৫৭১টি। - প্রদত্ত অপশনগুলোতে সঠিক সংখ্যাটি না থাকায় এই প্রশ্নের ক্ষেত্রে উত্তর নাই অপশনটি সঠিক ধরা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 4554 — এটি একটি ভুল সংখ্যা এবং বর্তমান প্রশাসনিক তথ্যের সাথে এর কোনো মিল নেই। B) 4550 — এই সংখ্যাটি ইউনিয়ন পরিষদের সঠিক বর্তমান সংখ্যার চেয়ে কম এবং এটি অপ্রাসঙ্গিক। C) 4571 — সংখ্যাটি সঠিক হলেও ইংরেজি অঙ্কে লেখার কারণে এবং প্রদত্ত উত্তর ডি সঠিক হওয়ায় এই অপশনটি বাতিল করা হয়েছে। D) উত্তর নাই — প্রদত্ত অপশনগুলোতে সঠিক উত্তর ৪,৫৭১ না থাকায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের ইউনিয়ন পরিষদের মোট সংখ্যা চার হাজার পাঁচশত একাত্তর বা ৪,৫৭১টি মনে রাখতে শেষ অঙ্ক একাত্তর মনে রাখুন।

মোট প্রশ্ন (7)

a Global Pioneer System
b Global Postal System
c Global Positioning System
d কোনোটিই নয়
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Global Positioning System ১. কেন সঠিক: - GPS-এর পূর্ণরূপ হলো Global Positioning System, যার বাংলা অর্থ বিশ্বব্যাপী অবস্থান নির্ধারণ ব্যবস্থা। এটি একটি স্যাটেলাইটভিত্তিক নেভিগেশন প্রযুক্তি। - এর মাধ্যমে পৃথিবীর যেকোনো স্থানে বা তার কাছাকাছি নিখুঁত ভৌগোলিক অবস্থান এবং সময় নির্ভুলভাবে নির্ণয় করা যায়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: GPS হলো মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগ কর্তৃক পরিচালিত একটি স্যাটেলাইট নেভিগেশন সিস্টেম যা ২৪টি বা তার বেশি উপগ্রহের সাহায্যে কাজ করে। - কার্যপদ্ধতি: এটি ট্রালাপোলেশন বা ত্রিভুজমিতি পদ্ধতি ব্যবহার করে ভূপৃষ্ঠে রিসিভারের অক্ষাংশ, দ্রাঘিমাংশ ও উচ্চতা নির্ধারণ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্মার্টফোনের গুগল ম্যাপ ব্যাখ্যা: আমরা যখন অচেনা কোনো স্থানে পৌঁছাতে গুগল ম্যাপ ব্যবহার করি, তখন জিআইপিএস প্রযুক্তি আমাদের বর্তমান অবস্থান ট্র্যাক করে গন্তব্যে পৌঁছানোর পথ দেখায়। উদাহরণ ২: রাইড শেয়ারিং অ্যাপ ব্যাখ্যা: উবার বা পাঠাওয়ের মতো অ্যাপগুলো চালক ও যাত্রীর সঠিক ভৌগোলিক দূরত্ব এবং অবস্থান নিশ্চিত করতে জিপিএস প্রযুক্তি ব্যবহার করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Global Pioneer System — এই নামে কোনো স্বীকৃত বা বহুল ব্যবহৃত আইসিটি প্রযুক্তি বা নেভিগেশন সিস্টেম নেই। B) Global Postal System — এটি কোনো প্রযুক্তিগত পূর্ণরূপ নয়, বরং ডাকসেবা বোঝাতে ভুলভাবে তৈরি অপশন। D) কোনোটিই নয় — যেহেতু সি অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং স্ট্যান্ডার্ড পূর্ণরূপ বহন করে, তাই এটি গ্রহণযোগ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - জিপিএস বা জিপিএসম সম্পর্কিত পূর্ণরূপ মনে রাখতে মাথায় রাখবে যে এটি আমাদের পজিশন বা অবস্থান খুঁজে দেয়, তাই এর মাঝের শব্দটি Positioning হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - জিপিএস কোন দেশের প্রযুক্তি তা প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে, এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রযুক্তি। এর বিকল্প হিসেবে ইউরোপের গ্যালিলিও বা রাশিয়ার গ্লোনাস সিস্টেম ব্যবহৃত হয়।
a ব্যান্ডডাকদ
b ব্যান্ডইন
c ব্যান্ডআউট
d ব্যান্ডউইথ
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ব্যান্ডউইথ ১. কেন সঠিক: কম্পিউটার নেটওয়ার্কে প্রতি একক সময়ে নির্দিষ্ট পরিমাণ ডেটা এক স্থান থেকে অন্য স্থানে বা এক ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইসে স্থানান্তরের হারকে ব্যান্ডউইথ বলা হয়। এটি মূলত ডেটা স্থানান্তরের সর্বোচ্চ ক্ষমতা নির্দেশ করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ডেটা যোগাযোগের মাধ্যমে প্রতি সেকেন্ডে প্রেরিত বা গৃহিত ডেটার পরিমাণকে ট্রান্সমিশন স্পিড বা ব্যান্ডউইথ বলা হয়। কার্যপদ্ধতি: সাধারণত প্রতি সেকেন্ডে কত বিট ডেটা স্থানান্তরিত হতে পারে তার ওপর ভিত্তি করে এটি পরিমাপ করা হয়। বৈশিষ্ট্য: এর একক হলো বিটস পার সেকেন্ড বা bps এবং আধুনিক নেটওয়ার্কে এটি কিলোবিটস, মেগাবিটস বা গিগাবিটস পার সেকেন্ড হিসেবে পরিমাপ করা হয়। ব্যবহার: ইন্টারনেট সংযোগের গতি নির্ধারণ, রাউটার এবং নেটওয়ার্ক চ্যানেলের ক্ষমতা মূল্যায়নে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ফাইবার অপটিক কেবল ব্যাখ্যা: ফাইবার অপটিক কেবলের ব্যান্ডউইথ অনেক বেশি হওয়ায় এর মাধ্যমে খুব দ্রুত বিশাল পরিমাণ ডেটা ট্রান্সফার করা সম্ভব হয়। উদাহরণ ২: ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগ ব্যাখ্যা: ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের ক্ষেত্রে বেশি ব্যান্ডউইথ পাওয়ার কারণে ব্যবহারকারী একসাথে অনেক বড় ফাইল ডাউনলোড বা এইচডি ভিডিও স্ট্রিম করতে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্যান্ডডাকদ — এটি কম্পিউটার নেটওয়ার্কিং বা ডেটা কমিউনিকেশনের কোনো পরিচিত বা বৈধ পরিভাষা নয়। B) ব্যান্ডইন — এটি কম্পিউটার বিজ্ঞানে ডেটা ইনপুট বা গ্রহণের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত কোনো আনুষ্ঠানিক পরিভাষা বা ট্রান্সমিশন স্পিডের একক নয়। C) ব্যান্ডআউট — এটি নেটওয়ার্ক প্রযুক্তিতে ডেটা নির্গমন বা আউটপুট বোঝাতে ব্যবহৃত কোনো সঠিক বা প্রমিত শব্দ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: ব্যান্ডউইথ শব্দটি ডেটা প্রবাহের প্রশস্ততা বা ধারণক্ষমতা বোঝায়। মনে রাখবে, সংযোগ যত প্রশস্ত হবে, ডেটা ট্রান্সমিশন বা স্পিড তত বেশি হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: নেটওয়ার্কের গতির একক হিসেবে bps বা bits per second বহুল ব্যবহৃত হয়। পরীক্ষার এমসিকিউতে প্রায়ই ডেটা ট্রান্সমিশন স্পিডের একক হিসেবে ব্যান্ডউইথ অপশনটি ঘুরে ফিরে আসে।
a CTRL+C
b CTRL+V
c CTRL + X
d CTRL+P
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) CTRL+P ১. কেন সঠিক: এম.এস. অফিস বা মাইক্রোসফট অফিসে তৈরি করা কোনো ডকুমেন্ট প্রিন্ট করার জন্য কিবোর্ডের CTRL+P কমান্ড ব্যবহার করা হয়। এই শর্টকাট কি প্রেস করার সাথে সাথে প্রিন্ট ডায়ালগ বক্স ওপেন হয়, যেখান থেকে প্রিন্টার সিলেক্ট করে ডকুমেন্ট প্রিন্ট করা যায়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: শর্টকাট কি বা কিবোর্ড শর্টকাট হলো এমন এক বা একাধিক কীবোর্ড বোতামের সমষ্টি যা ব্যবহার করে দ্রুত কোনো কমান্ড কার্যকর করা যায়। কার্যপদ্ধতি: কীবোর্ড থেকে কন্ট্রোল কি এবং পি কি একসাথে চাপলে অপারেটিং সিস্টেম প্রিন্ট কমান্ড গ্রহণ করে এবং সংশ্লিষ্ট অ্যাপ্লিকেশনকে প্রিন্ট উইন্ডো প্রদর্শনের নির্দেশ দেয়। ব্যবহার: মাইক্রোসফট ওয়ার্ড, এক্সেল, পাওয়ারপয়েন্টসহ প্রায় সব ধরনের সফটওয়্যারে ডকুমেন্ট বা পেজ প্রিন্ট করার জন্য এটি বহুল ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে একটি এসাইনমেন্ট টাইপ করার পর তা প্রিন্ট করার জন্য কিবোর্ডের CTRL+P প্রেস করা হয়। ব্যাখ্যা: এর ফলে প্রিন্ট উইন্ডো চলে আসে এবং কত কপি প্রিন্ট করতে হবে তা নির্ধারণ করা সহজ হয়। উদাহরণ ২: ব্রাউজারে কোনো ওয়েব পেজ খোলার পর তা কাগজের রূপ দেওয়ার জন্য CTRL+P ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: এটি ব্রাউজারের প্রিন্ট কমান্ড সক্রিয় করে এবং ওয়েব কন্টেন্ট প্রিন্ট করতে সাহায্য करता। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) CTRL+C — এটি কম্পিউটারে সিলেক্ট করা কোনো টেক্সট বা ফাইল কপি বা অনুলিপি করার জন্য ব্যবহৃত হয়। B) CTRL+V — এটি পূর্বে কপি বা কাট করা টেক্সট বা ফাইল নির্দিষ্ট স্থানে পেস্ট বা প্রতিস্থাপন করার জন্য ব্যবহৃত হয়। C) CTRL+X — এটি কোনো টেক্সট বা ফাইল এক স্থান থেকে মুছে অন্য স্থানে সরিয়ে নেওয়ার জন্য কাট করতে ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: প্রিন্ট শব্দের ইংরেজি রূপের প্রথম অক্ষর পি মনে রাখলে সহজেই CTRL+P শর্টকাটটি মনে রাখা যায়। অফিস অ্যাপ্লিকেশনে সি মানে কপি, ভি মানে পেস্ট, এক্স মানে কাট এবং পি মানে প্রিন্ট। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার ও আইসিটি পরীক্ষায় মাইক্রোসফট অফিসের বিভিন্ন কমান্ড এবং শর্টকাট কি প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। কন্ট্রোল কি সংক্রান্ত মৌলিক শর্টকাটগুলো বিসিএস এবং অন্যান্য চাকরির পরীক্ষায় বারবার পুনরাবৃত্তি হয়।
a OR
b AND
c NOT
d NOR
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) NOR ১. কেন সঠিক: ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে লজিক গেট প্রধানত দুই প্রকার মৌলিক এবং যৌগিক। OR, AND এবং NOT এই তিনটি হলো মৌলিক লজিক গেট কারণ অন্য কোনো গেট ছাড়াই শুধু এদের সাহায্যে যেকোনো বুলিয়ান ফাংশন বাস্তবায়ন করা যায়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: যে সমস্ত লজিক গেট অন্য কোনো গেটের সাহায্য ছাড়াই স্বাধীনভাবে কাজ করে এবং বুলিয়ান অ্যালজেব্রার প্রাথমিক মৌলিক অপারেশনগুলো সম্পন্ন করে তাদের মৌলিক লজিক গেট বলে। কার্যপদ্ধতি: মৌলিক গেটগুলোর ইনপুট সিগন্যালের ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত সত্যক সারণী অনুযায়ী সরাসরি আউটপুট প্রদান করে। পার্থক্য: NOR গেট হলো মৌলিক OR এবং NOT গেটের সমন্বয়ে গঠিত একটি যৌগিক বা সার্বজনীন গেট, তাই এটি মৌলিক লজিক গেট নয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঘরের সাধারণ বৈদ্যুতিক সুইচ। ব্যাখ্যা: একটিমাত্র সুইচের অন বা অফ অবস্থা যেমন সরাসরি বাতির জ্বলানো বা নেভানো নিয়ন্ত্রণ করে, তেমনি মৌলিক গেটগুলো স্বাধীনভাবে কাজ করে। উদাহরণ ২: সিঁড়ির দুই পাশের সুইচ ব্যবস্থা। ব্যাখ্যা: জটিল কাজের জন্য একাধিক সুইচ বা গেট একসাথে যুক্ত করতে হয়, যা যৌগিক গেটের কাজ নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) OR — এটি একটি মৌলিক লজিক গেট যার কাজ যৌক্তিক যোগের অপারেশন সম্পন্ন করা। B) AND — এটি একটি মৌলিক লজিক গেট যার কাজ যৌক্তিক গুণের অপারেশন সম্পন্ন করা। C) NOT — এটি একটি মৌলিক লজিক গেট যার কাজ ইনপুটকে বিপরীত বা ইনভার্ট করা। D) NOR — এটি মৌলিক গেট নয় বরং একটি যৌগিক বা সার্বজনীন গেট যা OR ও NOT গেটের সমন্বয়ে গঠিত। ৫. মনে রাখার টিপস: মৌলিক গেট মনে রাখার সহজ উপায় হলো এঅ্যানও বা A-N-O অর্থাৎ AND, NOT, OR। বাকি সব গেট যেমন NOR, NAND, XOR, XNOR হলো যৌগিক বা সার্বজনীন গেট। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সার্বজনীন গেট বা Universal Gate হলো NAND এবং NOR। পরীক্ষায় প্রায়ই মৌলিক ও যৌগিক গেটের পার্থক্য সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে।
a Microsoft Windows
b Linux
c MS Office
d Apple Mac
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) MS Office ১. কেন সঠিক: - এমএস অফিস একটি অপারেটিং সিস্টেম নয়, এটি একটি অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার যা বিভিন্ন অফিসিয়াল কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়। - অপারেটিং সিস্টেম হলো এমন একটি সিস্টেম সফটওয়্যার যা কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার এবং ব্যবহারকারীর মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: অপারেটিং সিস্টেম হলো একগুচ্ছ প্রোগ্রাম যা কম্পিউটারের সামগ্রিক কার্যক্রম, মেমোরি এবং পেরিফেরাল ডিভাইস নিয়ন্ত্রণ করে। - কার্যপদ্ধতি: এটি কম্পিউটারের বুটিং প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর ব্যাকগ্রাউন্ডে থেকে অন্যান্য অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার চালাতে সাহায্য করে। - বৈশিষ্ট্য: এটি হার্ডওয়্যার সম্পদ ব্যবস্থাপনা, প্রসেস ম্যানেজমেন্ট এবং ফাইল ম্যানেজমেন্টের মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো পরিচালনা করে। - ব্যবহার: কম্পিউটার চালু রাখা, ফাইল সংরক্ষণ করা এবং ব্যবহারকারীকে ইন্টারফেস প্রদান করার জন্য এটি অপরিহার্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাইক্রোসফট উইন্ডোজ ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেম যা ল্যাপটপ বা ডেস্কটপ কম্পিউটার পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: লিনাক্স ব্যাখ্যা: এটি একটি ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম যা সার্ভার এবং প্রোগ্রামিংয়ের কাজে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Microsoft Windows — এটি মাইক্রোসফটের তৈরি একটি জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। B) Linux — এটি একটি শক্তিশালী অপারেটিং সিস্টেম, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। C) MS Office — এটি একটি অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার বা প্রোগ্রাম গুচ্ছ, অপারেটিং সিস্টেম নয়। তাই এটি সঠিক উত্তর। D) Apple Mac — এটি অ্যাপল কোম্পানির তৈরি ম্যাকিনটোশ অপারেটিং সিস্টেম, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - উইন্ডোজ, লিনাক্স, ম্যাক ওএস হলো অপারেটিং সিস্টেম যা কম্পিউটার চালায়। - এমএস অফিস, ফটোশপ, ব্রাউজার হলো অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার যা নির্দিষ্ট কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সিস্টেম সফটওয়্যার এবং অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যারের পার্থক্য প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। - অপারেটিং সিস্টেম কম্পিউটারের প্রাণস্বরূপ, আর অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার হলো কাজের হাতিয়ার।
a deer@website.com
b deerwebsitricom
c deerwebsite.com
d dear website
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) deer@website.com ১. কেন সঠিক: একটি আদর্শ ই-মেইল ঠিকানায় দুটি প্রধান অংশ থাকে যা অ্যাট দ্য রেট বা @ চিহ্ন দ্বারা আলাদা করা হয়। বাম দিকের অংশটি ব্যবহারকারীর নাম এবং ডান দিকের অংশটি ডোমেইন নাম নির্দেশ করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ই-মেইল বা ইলেকট্রনিক মেইল হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে বার্তা আদান-প্রদানের মাধ্যম। কার্যপদ্ধতি: @ চিহ্নের আগের অংশ ব্যবহারকারীকে এবং পরের অংশ সার্ভার বা ডোমেইনকে চিহ্নিত করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: rahim@gmail.com ব্যাখ্যা: এখানে rahim হলো ব্যবহারকারীর নাম এবং gmail.com হলো মেইল সার্ভারের ডোমেইন নাম। উদাহরণ ২: info@bd.gov.bd ব্যাখ্যা: এটি একটি প্রাতিষ্ঠানিক ই-মেইল ঠিকানা যেখানে info হলো ইউজার আইডি এবং বাকি অংশ ডোমেইন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) deer@website.com — এটি সঠিক ফরম্যাট কারণ এতে নির্দিষ্ট ইউজারনেম, অ্যাট দ্য রেট চিহ্ন এবং ডোমেইন নাম রয়েছে। B) deerwebsitricom — এটি ভুল কারণ এতে কোনো অ্যাট দ্য রেট চিহ্ন বা সঠিক ডোমেইন বিন্যাস নেই। C) deerwebsite.com — এটি একটি সাধারণ ওয়েব ঠিকানার ফরম্যাট, এতে @ চিহ্ন না থাকায় ই-মেইল ঠিকানা হিসেবে অগ্রহণযোগ্য। D) dear website — এটি ভুল কারণ এতে কোনো ই-মেইল প্রটোকল বা ডোমেইন এক্সটেনশন নেই এবং স্পেস ব্যবহার করা হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: ই-মেইল লেখার সময় মনে রাখতে হবে যে মাঝখানে একটিমাত্র @ চিহ্ন থাকবে এবং কোনো ফাঁকা স্থান বা স্পেস রাখা যাবে না। ব্যবহারকারী নাম এবং ডোমেইনের মাঝে @ বসিয়ে সঠিক ফরম্যাট তৈরি করতে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ই-মেইল ঠিকানায় কখনোই মাঝখানে ফাঁকা জায়গা বা স্পেস ব্যবহার করা যায় না। পরীক্ষায় প্রায়ই ভুল ফরম্যাট দিয়ে সঠিক ই-মেইল ঠিকানা শনাক্ত করতে বলা হয়।
a RAM
b ALU
c CPU
d কোনোটিই নয়
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) CPU ১. কেন সঠিক: - CPU-এর পূর্ণরূপ হলো Central Processing Unit এবং একে কম্পিউটারের মস্তিষ্ক বলা হয় কারণ এটি সমস্ত গাণিতিক ও যৌক্তিক নির্দেশাবলী প্রক্রিয়াজাত করে। - মানুষের মস্তিষ্কের মতো এটি কম্পিউটারের সব অংশ নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করে থাকে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: CPU হলো কম্পিউটারের এমন একটি প্রধান হার্ডওয়্যার অংশ যা ডেটা প্রসেসিং ও কাজের নির্দেশনা প্রদান করে। - কার্যপদ্ধতি: ইনপুট ডিভাইস থেকে ডেটা গ্রহণ করে তা ALU ও Control Unit-এর মাধ্যমে প্রসেস করে আউটপুট ডিভাইসে পাঠায়। - বৈশিষ্ট্য: এটি প্রধানত ALU, CU এবং রেজিস্টার নিয়ে গঠিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মানুষের মাথা ও মস্তিষ্ক ব্যাখ্যা: মানুষের মস্তিষ্ক যেমন শরীরের সব অঙ্গের কাজ নিয়ন্ত্রণ করে, ঠিক তেমনি CPU কম্পিউটারের সব হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। উদাহরণ ২: কোনো প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার ব্যাখ্যা: ম্যানেজার যেমন পুরো অফিসের কাজ পরিচালনা ও সিদ্ধান্ত নেন, CPU তেমনি কম্পিউটারের ভেতর ডেটা আদান-প্রদান ও হিসাব-নিকাশ পরিচালনা করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) RAM — এটি কম্পিউটারের প্রধান মেমোরি বা অস্থায়ী স্মৃতি হিসেবে কাজ করে, মস্তিষ্কের মতো সার্বিক প্রক্রিয়াকরণ নিয়ন্ত্রণ করে না। B) ALU — এটি CPU-র একটি অংশ মাত্র, যার কাজ শুধু গাণিতিক ও যৌক্তিক হিসাব করা, পুরো কম্পিউটারকে নিয়ন্ত্রণ করা নয়। D) কোনোটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর C অপশনে বিদ্যমান, তাই এটি ভুল। ৫. মনে রাখার টিপস: - CPU মানেই Central Processing Unit, যা মানুষের মাথার ব্রেনের মতো পুরো কম্পিউটার চালায়। - অন্যান্য অংশ যেমন RAM বা ALU হলো CPU-র একেকটি সহায়ক অঙ্গ মাত্র। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - CPU-কে কম্পিউটারের প্রসেসর বা মাইক্রোপ্রসেসরও বলা হয়। - এটি মূলত অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট এবং কন্ট্রোল ইউনিট নিয়ে গঠিত।