বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুঠির শিল্প কর্পোরেশন পরীক্ষা ২০২১

পদের নাম: চিফ অডিটর (৯ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (40)

a অপরিণামদর্শী
b অবিমৃশ্যকারী
c অবিসংবাদী
d অকালদর্শী
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অবিসংবাদী ১. কেন সঠিক: - প্রশ্নে বলা হয়েছে 'যে বিষয়ে কোনো বিতর্ক নেই', যার সঠিক এককথায় প্রকাশ হলো অবিসংবাদী। - অবিসংবাদী শব্দটি বিশ্লেষণ করলে বোঝায় যার বিরুদ্ধে কোনো বাদ বা বিতর্ক নেই অর্থাৎ যা সর্বসম্মত ও নির্দ্বিধায় গ্রহণযোগ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এককথায় প্রকাশ বাংলা ব্যাকরণের শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ করার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা বাক্যকে সংক্ষিপ্ত ও সুন্দর করে। - এই ধরনের শব্দগুলো সাধারণত উপসর্গ বা প্রত্যয় যোগে গঠিত হয় এবং এর উৎস মূলত সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত তৎসম শব্দ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তার এই বক্তব্যটি একটি অবিসংবাদী সত্য হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে। ব্যাখ্যা: এখানে অবিসংবাদী শব্দটি এমন একটি সত্যকে বোঝাচ্ছে যা নিয়ে কারো মনে কোনো সংশয় বা বিতর্ক নেই। উদাহরণ ২: সংবিধানের এই ধারাটি একটি অবিসংবাদী সিদ্ধান্ত। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে অবিসংবাদী শব্দটি এমন একটি সিদ্ধান্তকে নির্দেশ করে যা সকলের নিকট সর্বসম্মতভাবে স্বীকৃত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অপরিণামদর্শী — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ হলো যে ব্যক্তি ভবিষ্যৎ পরিণতি চিন্তা করে কাজ করে না। B) অবিমৃশ্যকারী — প্রদত্ত উত্তরে এটি বলা হলেও এর সঠিক অর্থ হলো যে ব্যক্তি বিচার না করে বা হঠকারিতার সঙ্গে কাজ করে। C) অবিসংবাদী — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ এর অর্থ হলো যে বিষয়ে কোনো বিতর্ক বা দ্বিমত নেই। D) অকালদর্শী — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ হলো যা অকালে বা সময়ের আগে দেখা দেয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিসংবাদ শব্দের অর্থ বিতর্ক বা ঝগড়া, তাই যার পূর্বে অ উপসর্গ যুক্ত হয়ে অবিসংবাদী হয় তার অর্থ দাঁড়ায় যেখানে কোনো বিতর্ক বা বিসংবাদ নেই। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের শব্দগুলোর মূল বা প্রাকৃত অর্থ মনে রাখলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য সরকারি চাকরির পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে, তাই এ ধরনের শব্দার্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে। - সমার্থক বা বিপরীতার্থক শব্দের মতো এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রেও শব্দের মূল উৎস ও গঠন খেয়াল রাখা জরুরি।
a নিষ্ফল পরিশ্রম
b সস্তা দাম
c নিষ্ক্রিয় বস্তু
d অপদার্থ
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নিষ্ক্রিয় বস্তু ১. কেন সঠিক: 'চিনির বলদ' একটি জনপ্রিয় বাংলা বাগধারা, যার মাধ্যমে এমন কোনো বস্তুকে বোঝানো হয় যা বাহ্যিকভাবে মূল্যবান কিছু বহন করলেও নিজে তার সুফল ভোগ করতে পারে না বা যার নিজস্ব কোনো কর্মক্ষমতা নেই। এই বাগধারার মূল অর্থ হলো এমন ব্যক্তি বা বস্তু যে কেবল অন্যের বোঝা বহন করে কিন্তু নিজে জড়পদার্থের মতো নিষ্ক্রিয় ও অবচেতন অবস্থায় থাকে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে বাগধারা হলো এমন কিছু বিশেষ শব্দগুচ্ছ যা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ বা ভাবার্থ প্রকাশ করে। শব্দগুলো বিশেষ অর্থে ব্যবহৃত হয়ে ভাষার সৌন্দর্য ও ভাব প্রকাশের ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অক্কা পাওয়া ব্যাখ্যা: এই বাগধারাটির আক্ষরিক অর্থ বোঝা না গেলেও এর বিশেষ অর্থ হলো মারা যাওয়া বা মৃত্যুবরণ করা। উদাহরণ ২: ঢাকের বাঁশি ব্যাখ্যা: এই বাগধারাটির অর্থ হলো অকর্মণ্য ব্যক্তি বা যার কোনো গুরুত্ব নেই, যা পরিস্থিতির সাপেক্ষে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিষ্ফল পরিশ্রম — এই অর্থের জন্য সাধারণত 'বৃক্ষ তোমার নাম কী ফলে পরিচয়' বা 'অরণ্যে রোদন' বাগধারাটি বেশি উপযুক্ত হয়। B) সস্তা দাম — এই অর্থের সঙ্গে 'চিনির বলদ' বাগধারার কোনো মিল নেই কারণ এটি বস্তুগত মূল্য বা নিষ্ক্রিয়তা প্রকাশ করে। C) নিষ্ক্রিয় বস্তু — এটি সঠিক কারণ চিনির বলদ কেবল পিঠে চিনি বহন করে কিন্তু তার নিজের কোনো সক্রিয়তা বা উপভোগের ক্ষমতা থাকে না। D) অপদার্থ — এই অর্থের জন্য 'উজাড়ে পুতুল' বা 'গোবর গণেশ' বাগধারাটি ব্যবহৃত হয়, যা চিনির বলদ থেকে আলাদা। ৫. মনে রাখার টিপস: বলদ যেমন চোখ বাঁধা অবস্থায় শুধু ঘানি টানে বা বোঝা বয় কিন্তু তার ভেতরের রস বা সুফল নিজে পায় না, ঠিক তেমনি চিনির বলদ বলতে এমন নিষ্ক্রিয় বস্তুকে বোঝায় যা শুধু ভার বহন করে কিন্তু নিজে মৃতবৎ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারার উৎস এবং প্রচলিত অর্থ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। বাগধারা মুখস্থ না করে এর ভেতরের রূপক অর্থ বোঝার চেষ্টা করলে পরীক্ষার হলে সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সহজ হয়।
a আমদানি
b আগমন
c গমন
d তিরোভাব
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) তিরোভাব কেন সঠিক: -র্ভাব শব্দের অর্থ প্রকাশ পাওয়া বা সৃষ্টি হওয়া। -তিরোভাব শব্দের অর্থ অদৃশ্য হওয়া বা লয় পাওয়া। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: -শব্দার্থের বিপরীতার্থক সম্পর্কের নিয়ম অনুযায়ী এই পরিবর্তন ঘটে। -সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী উপসর্গ ও প্রত্যয়গত দিক থেকে শব্দটির এই বিপরীত রূপ আসে। -যেমন জন্ম শব্দের বিপরীত মৃত্যু এবং প্রকাশ শব্দের বিপরীত গোপন। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) আমদানি — এই শব্দটির সঠিক বিপরীত শব্দ রপ্তানি। - B) আগমন — এই শব্দটির সঠিক বিপরীত শব্দ প্রস্থান। - C) গমন — এই শব্দটির সঠিক বিপরীত শব্দ আগমন। - D) তিরোভাব — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: -আবির্ভাব এবং তিরোভাব দুটি শব্দই প্রীতি ও পৌরাণিক সাহিত্যে আবির্ভূত ও অদৃশ্য হওয়ার অর্থে জোড়ায় ব্যবহৃত হয়।
a কাজের ভাবনা কেন
b কাজ করতে ভাবিও
c ভাবিয়া চিন্তিয়া কাজ কর
d ভাবিয়া করিও কাজ
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ভাবিয়া করিও কাজ ১. কেন সঠিক: - ইংরেজি প্রবাদ বাক্যটির আক্ষরিক ও ভাবানুবাদ হিসেবে 'ভাবিয়া করিও কাজ' প্রবাদটি সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য ও প্রমিত। - ইংরেজি 'Look before you leap' বাক্যাংশের মাধ্যমে কোনো বড় কাজ করার পূর্বে তার পরিণতি ও ঝুঁকি ভালোভাবে চিন্তা করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় প্রবাদ-প্রবচন, যা দীর্ঘকাল ধরে লোকমুখে প্রচলিত হয়ে আসছে। - প্রবাদ-প্রবচন হলো জীবনের নানা অভিজ্ঞতা ও সত্যকে সংক্ষেপে প্রকাশ করার এক ধরনের কাব্যিক ও অর্থবহ শিল্পরূপ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অল্প বিদ্যা ভয়ংকরী ব্যাখ্যা: সামান্য জ্ঞান নিয়ে বেশি পন্ডিতি করা বোঝাতে এই প্রবাদটি ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: চোরে না শোনে ধর্মের কাহিনী ব্যাখ্যা: অসৎ স্বভাবের মানুষকে ভালো উপদেশ দিলেও সে তা শোনে না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাজের ভাবনা কেন — এটি প্রবাদের প্রচলিত ভাবানুবাদ বা সঠিক রূপ নয়। B) কাজ করতে ভাবিও — এটি ব্যাকরণগত ও প্রবাদিকভাবে অসম্পূর্ণ এবং ভুল রূপ। C) ভাবিয়া চিন্তিয়া কাজ কর — এটি অর্থের দিক থেকে মিললেও প্রবাদের প্রমিত বা পরীক্ষামূলক গ্রহণযোগ্য রূপ নয়। D) ভাবিয়া করিও কাজ — এটি সঠিক এবং প্রমিত প্রবাদের বহুল প্রচলিত রূপ। ৫. মনে রাখার টিপস: - ইংরেজি প্রবাদ 'Look' অর্থ তাকানো বা দেখা এবং 'Leap' অর্থ লাফ দেওয়া, অর্থাৎ লাফ দেওয়ার আগে চারপাশ দেখা বা ভাবার কথা বলা হয়েছে, যার বাংলা প্রমিত রূপ 'ভাবিয়া করিও কাজ'। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ইংরেজি প্রবাদের সঠিক বাংলা অনুবাদ বা ভাবার্থ জানতে চাওয়া হয়। - এই ধরনের প্রশ্নে সবসময় প্রমিত ও বহুল ব্যবহৃত রূপটিকে নির্বাচন করতে হবে।
a নবান্নের
b শালিক ও শঙ্খচিলের
c কাকের
d কার্তিকের
0 124 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নবান্নের ১. কেন সঠিক: জীবনানন্দ দাশ রূপসী বাংলা কবিতায় বাংলাদেশকে নবান্নের দেশ হিসেবে অভিহিত করেছেন। নবান্ন মানে নতুন ধানের উৎসব, যা বাংলার শাশ্বত কৃষি সংস্কৃতির সবচেয়ে সুন্দর প্রকাশ। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: জীবনানন্দ দাশ আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি এবং রূপসী বাংলার কবি হিসেবে পরিচিত। তার রূপসী বাংলা কাব্যগ্রন্থের কবিতায় বাংলার প্রকৃতি ও রূপ অতুলনীয়ভাবে ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রূপসী বাংলা কাব্যগ্রন্থের কবিতা। ব্যাখ্যা: এই কাব্যগ্রন্থের প্রতিটি কবিতায় বাংলার মাঠ, নদী, পাখি ও প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্য বর্ণিত হয়েছে। উদাহরণ ২: আবার আসিব ফিরে ধানসিঁড়িটির তীরে। ব্যাখ্যা: এই বিখ্যাত পঙক্তিতে কবির বাংলার প্রকৃতির প্রতি গভীর ভালোবাসা ও জন্মভূমির প্রতি টান প্রকাশ পেয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নবান্নের — এটি সঠিক কারণ কবি বাংলাদেশকে নবান্নের দেশ বলেছেন। B) শালিক ও শঙ্খচিলের — কবি শালিক ও শঙ্খচিলের কথা বলেছেন, তবে নির্দিষ্টভাবে দেশকে শালিক ও শঙ্খচিলের দেশ বলেননি। C) কাকের — কাকের কথা কবিতায় থাকলেও এটি দেশের মূল পরিচিতি হিসেবে ব্যবহৃত হয়নি। D) কার্তিকের — কার্তিকের কষ্টের বা বিষাদের রূপ থাকলেও নবান্নের রূপটি এখানে প্রধান। ৫ মনে রাখার টিপস: জীবনানন্দ দাশের রূপসী বাংলা মানেই নতুন ধানের উৎসব বা নবান্ন। নবান্নের দেশ মনে রাখলে উত্তর ভুল হবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: রূপসী বাংলা কাব্যগ্রন্থের মূল বিষয়বস্তু হলো বাংলার নিসর্গ ও প্রকৃতি। কবি জীবনানন্দ দাশের উপাধি ও তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের নাম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
a সং + যম
b সম + যম
c সৎ + যম
d সম্ + যম
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সম্ + যম ১. কেন সঠিক: - ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী ম্ এর পরে অন্তস্থ ধ্বনি য থাকলে ম্ স্থানে অনুস্বার হয় অথবা ম্ এর স্থানে পরবর্তী বর্ণের পঞ্চমা অক্ষর হয়। - সম্ যোগ যম মিলে সংযম শব্দটি গঠিত হয়েছে যেখানে প্রথম পদের অন্তস্থিত ম্ এবং দ্বিতীয় পদের আদি য যুক্ত হয়ে এই রূপ ধারণ করেছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - ম্ ধ্বনির পর য, র, ল, ব কিংবা শ, ষ, স, হ থাকলে ম্ স্থানে অনুস্বার হয় এটি ব্যঞ্জনসন্ধির একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ ও প্রচলিত নিয়ম। - এই নিয়মে ম্ এর পরিবর্তে অনুস্বার বসে পরবর্তী বর্ণের সঙ্গে যুক্ত হয় এবং শব্দটিকে শ্রুতিমধুর করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সম্ + যোগ = সংযোগ ব্যাখ্যা: এখানে ম্ এর পরে য থাকার কারণে ম্ স্থানে অনুস্বার হয়ে সংযোগ শব্দটি গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: সম্ + বাদ = সংবাদ ব্যাখ্যা: এই উদাহরণটিতেও ম্ এর পরে ব থাকার নিয়ম অনুসারে ম্ স্থানে অনুস্বার যুক্ত হয়ে সংবাদ গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সং + যম — সং বলে কোনো মৌলিক উপসর্গ বা প্রমিত ব্যাকরণসিদ্ধ পদ সন্ধির ক্ষেত্রে এখানে প্রযোজ্য নয়। B) সম + যম — সম এর সাথে হসন্ত বা ম্ এর নিচে ওপরে নির্দেশক চিহ্ন না থাকায় এটি ব্যাকরণগতভাবে অসম্পূর্ণ। C) সৎ + যম — সৎ একটি ভিন্ন উপসর্গ যা ত্ অন্ত্যবর্ণের সাথে সম্পর্কিত এবং যম এর সাথে মিলনের ক্ষেত্রে এটি অনুপযুক্ত। D) সম্ + যম — এই অপশনটি সঠিক এবং ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে মেনে চলে। ৫. মনে রাখার টিপস: - ম্ যুক্ত শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ করার সময় অনুস্বার বা ম্ এর জায়গায় সম্ হসন্ত ব্যবহার করতে হয়। - অনুস্বারযুক্ত ব্যঞ্জনসন্ধি দেখলে চোখ বন্ধ করে সম্ হসন্ত বসিয়ে পরের অংশ যোগ করে দেবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনুস্বারযুক্ত সন্ধি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - সংযোগ, সংবাদ, সংহার, সংরক্ষণ এই শব্দগুলোর সন্ধি বিচ্ছেদ একই নিয়মে সম্পন্ন হয়।
a মালিকা
b মালী
c মালীনী
d মালিনী
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মালিনী ১. কেন সঠিক: বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কিছু শব্দের শেষে 'ঈ' প্রত্যয়যুক্ত पुल्लिंग শব্দের সাথে 'ঈন' বা 'ইনী' প্রত্যয় যুক্ত করে স্ত্রীলিঙ্গ করতে হয়। 'মালী' শব্দের সাথে 'ইনী' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে প্রমিত ও ব্যাকরণগতভাবে সঠিক স্ত্রীলিঙ্গ রূপ গঠিত হয় 'মালিনী'। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে পুংলিঙ্গবাচক শব্দকে স্ত্রীলিঙ্গবাচক শব্দে রূপান্তরের বেশ কিছু নিয়ম রয়েছে যার মধ্যে প্রত্যয় যোগ অন্যতম। তৎসম ও তদ্ভব শব্দের ক্ষেত্রে বিশেষ নিয়মে প্রত্যয় যুক্ত করে স্ত্রীলিঙ্গ সাধিত হয় যেমন এখানে 'মালী' শব্দের ক্ষেত্রে 'ইনী' প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাঙালী থেকে কাঙালিনী ব্যাখ্যা: এটি একই নিয়মে গঠিত হয়েছে যেখানে মালী শব্দের মতো কাঙালী শব্দের শেষে 'ইনী' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে স্ত্রীলিঙ্গ রূপ তৈরি হয়েছে। উদাহরণ ২: তান্ত্রিক থেকে তান্ত্রিকিনী ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও পুংলিঙ্গ শব্দের সাথে 'ইনী' প্রত্যয় যুক্ত করে স্ত্রীলিঙ্গ রূপ গঠন করার ব্যাকরণগত নিয়ম সফলভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মালিকা — এটি ভুল কারণ 'মালিকা' শব্দটি মূলত মালা শব্দের ক্ষুদ্রার্থক বা ভিন্ন শব্দ এবং এটি মালী শব্দের স্ত্রীলিঙ্গ হিসেবে ব্যাকরণসিদ্ধ নয়। B) মালী — এটি প্রদত্ত প্রশ্নের পুংলিঙ্গবাচক শব্দ ফলে একই শব্দ স্ত্রীলিঙ্গ হতে পারে না কারণ এটি পদের লিঙ্গ পরিবর্তনে অপরিবর্তিত থাকে না। C) মালীনী — এটি বানানগত কারণে ভুল কারণ বাংলা প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এখানে 'ন' এর সাথে দীর্ঘী কার ব্যবহারের নিয়ম নেই বরং হ্রস্ব ই কার বসে। D) মালিনী — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং এটি বাংলা একাডেমি কর্তৃক স্বীকৃত প্রমিত বানান ও ব্যাকরণগত রূপ। ৫. মনে রাখার টিপস: যসব পুংলিঙ্গ শব্দের শেষে দীর্ঘী কার থাকে তাদের স্ত্রীলিঙ্গ করার সময় সাধারণত 'ইনী' প্রত্যয় যুক্ত হয় এবং বানানে হ্রস্ব ই কার ব্যবহার করতে হয়। যেমন মালী থেকে মালিনী এবং কাঙালী থেকে কাঙালিনী এই নিয়মে খুব সহজেই মনে রাখা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের বানান এবং প্রত্যয়জনিত স্ত্রীলিঙ্গ পরিবর্তনের ওপর প্রায়শই প্রশ্ন হয়ে থাকে। তাই প্রত্যয়যুক্ত শব্দগুলোর ক্ষেত্রে বানান বিশেষ করে হ্রস্ব ই কার ও দীর্ঘী কারের ব্যবহার খুব মনোযোগ দিয়ে চর্চা করতে হবে।
a নিষ্পণ্ণ
b নিস্পন্ন
c নিষ্পন্ন
d কোনোটিই নয়
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নিষ্পন্ন ১. কেন সঠিক: নিস্পন্ন শব্দটির সঠিক ও প্রমিত বানান হলো নিষ্পন্ন। বাংলা বানানরীতির নিয়ম অনুযায়ী ট-বর্গীয় ধ্বনির আগে মূর্ধন্য ণ যুক্ত হয়, যা এই শব্দে প্রযোজ্য হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে তৎসম শব্দের বানানে ট-বর্গীয় ধ্বনির (ট, ঠ, ড, ঢ, ণ) পূর্বে সবসময় মূর্ধন্য ণ (ণ) যুক্ত হয়। নিষ্পন্ন শব্দটি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় নিস্ যোগ পণ, যেখানে পণ অংশের প একটি ও বর্গের ধ্বনি হলেও এর আগের বর্ণটি মূর্ধন্য ন ব্যবহারের মাধ্যমে প্রমিত রূপ লাভ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লুণ্ঠন ব্যাখ্যা: এখানে ঠ হলো ট-বর্গীয় ধ্বনি, তাই এর পূর্বে মূর্ধন্য ণ ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: কণ্টক ব্যাখ্যা: এখানে ট হলো ট-বর্গীয় ধ্বনি, যার কারণে এর সাথে মূর্ধন্য ণ যুক্ত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিষ্পণ্ণ — এই বানানে প এর ওপর চন্দ্রবিন্দু ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক নয়। B) নিস্পন্ন — এই বানানে দন্ত্য ন ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। D) কোনোটিই নয় — যেহেতু সি অপশনটি সঠিক, তাই এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: ট বর্গীয় ধ্বনির সাথে সর্বদা মূর্ধন্য ণ যুক্ত হয় এই নিয়মটি মনে রাখবে। বানান লেখার সময় শব্দটির উৎস ও প্রকৃতি খেয়াল রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের বানানের নিয়ম থেকে প্রশ্ন আসে। ট-বর্গীয় ধ্বনির আগের ন সবসময় মূর্ধন্য ণ হবে, এই সাধারণ নিয়মটি মনে রাখলে সহজে সঠিক উত্তর করা সম্ভব।
a I have received your letter just now,
b I have received your letter.
c I just had received your letter.
d Just I have had received your letter.
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) I have received your letter just now, কেন সঠিক: কোনো কাজ এইমাত্র শেষ হয়েছে এবং তার ফল এখনও বর্তমান বোঝালে Present Perfect Tense ব্যবহার করতে হয়। বাক্যে 'এইমাত্র' বোঝাতে মূল verb-এর আগে বা বাক্যের শেষে 'just now' বসাতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সঠিক উত্তর — তাই এটি সঠিক। B) I have received your letter. — এখানে 'just now' না থাকায় অতীতে কাজটি যে এইমাত্র শেষ হয়েছে তা স্পষ্টভাবে বোঝা যাচ্ছে না। C) I just had received your letter. — এখানে Past Perfect Tense ব্যবহার করা হয়েছে যা সাম্প্রতিক অতীতের জন্য সঠিক নয়। D) Just I have had received your letter. — এখানে শব্দের গঠন ভুল এবং অপ্রয়োজনীয়ভাবে 'had' ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: বাক্যে 'এইমাত্র' বা 'just now' থাকলে Subject-এর পর have বা has এবং Verb-এর Past Participle ফর্ম বসে।
a Unianimous
b Unanimous
c Unanomous
d Unianomous
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Unanimous কেন সঠিক: শব্দটির সঠিক বানান হলো Unanimous যার অর্থ সর্বসম্মত বা একমত। এই বানানে ইউ এর পর এন, এ, এন, আই, এম, ও, ইউ, এস বর্ণগুলো ক্রমানুসারে বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Unianimous — এখানে সঠিক বানানের এন বর্ণের আগে একটি অতিরিক্ত আই বর্ণ বসেছে যা ভুল। B) Unanimous — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন কোনো ভুল নেই। C) Unanomous — এখানে সঠিক বানানের আই বর্ণের জায়গায় একটি ভুল ও বর্ণ ব্যবহার করা হয়েছে। D) Unianomous — এখানে আই এবং ও উভয় বর্ণই ভুলভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: বানানটি মনে রাখার জন্য ইউ-না-নি-মা-উস এই ভাগে ভেঙে বারবার লিখে চর্চা করতে পারো।
a to
b on
c with
d for
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) to কেন সঠিক: adapt oneself to একটি নির্দিষ্ট ইংরেজি বাকধারা বা গ্রুপ ভার্ব। যার অর্থ হলো পরিবর্তিত পরিস্থিতির সাথে নিজেকে মানিয়ে নেওয়া। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয় বরং সঠিক পছন্দ। B) on — adapt শব্দের পর on প্রিপজিশন বসে না। C) with — এই বাক্যে with ব্যবহার করলে ব্যাকরণগত নিয়ম ভুল হয়। D) for — উদ্দেশ্যের জন্য for ব্যবহৃত হয় কিন্তু এখানে এটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: adapt শব্দের সাথে সবসময় to প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হয়।
a 0.0025
b 0.00025
c 2.5E-5
d 0.00125
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ০.০০২৫ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যাটি হলো ০.০০০০০৬২৫ ধরি, মূল সংখ্যাটি দশমিক ভগ্নাংশ আকারে আছে অতএব, দশমিকের পরে মোট আটটি ঘর আছে সুতরাং, বর্গমূল করলে দশমিকের পরে ঘরের সংখ্যা অর্ধেক অর্থাৎ চারটি হবে উত্তর: ০.০০২৫
a 5
b 9
c 6
d 7
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬ প্রদত্ত তথ্য: ৩০ এবং ৪০ এর মধ্যবর্তী সংখ্যাগুলো বিবেচনা করতে হবে ধরি, ৩০ এবং ৪০ এর মধ্যবর্তী মৌলিক সংখ্যাগুলো ৩১, ৩৭ অতএব, বৃহত্তম মৌলিক সংখ্যাটি হলো ৩৭ ক্ষুদ্রতম মৌলিক সংখ্যাটি হলো ৩১ সুতরাং, সংখ্যা দুটির ব্যবধান হলো ৩৭ − ৩১ উত্তর: ৬
a 1000
b 10000
c ১,০০,০০০
d ১০,০০,০০০
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১০০০০ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সংখ্যা = ১০ দ্বিতীয় সংখ্যা = ১০০ তৃতীয় সংখ্যা = ১০০ চতুর্থ সংখ্যা = ০.১০ ধরি, রাশিমালাটি হলো ১০ × ১০০ × ১০০ × ০.১০ অতএব, প্রথম দুটি সংখ্যার গুণফল = ১০ × ১০০ = ১০০০ পরবর্তী দুটি সংখ্যার গুণফল = ১০০ × ০.১০ = ১০ সুতরাং, প্রাপ্ত মান দুটির গুণফল = ১০০০ × ১০ = ১০০০০ উত্তর: ১০০০০
a বোরাক
b যমুনা
c বুড়িগঙ্গা
d মেঘনা
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মেঘনা কেন সঠিক: - আসামের বরাক নদী থেকে উৎপত্তি লাভ করে সুরমা ও কুশিয়ারা নদী বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে এবং পরবর্তীতে ভৈরববাজারের কাছে মিলিত হয়েছে। - এই দুই নদীর মিলিত স্রোতধারা দক্ষিণ দিকে অগ্রসর হয়ে মেঘনা নদী নামে পরিচিত লাভ করেছে এবং পরিশেষে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বোরাক — এটি কোনো নদী নয়, বরং আসামের বরাক নদীর নাম কিছুটা বিকৃত করে এখানে অপশন হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। B) যমুনা — এটি ব্রহ্মপুত্র নদের নিম্নভাগের নাম, যা ভারতের আসাম থেকে বাংলাদেশে প্রবেশ করে পদ্মার সঙ্গে মিলিত হয়েছে। C) বুড়িগঙ্গা — এটি ধলেশ্বরী নদী থেকে উৎপন্ন একটি প্রাচীন নদী যা ঢাকার পাশ দিয়ে প্রবাহিত হয়ে শীতলক্ষ্যায় মিশেছে। D) মেঘনা — এটি সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর মিলিত স্রোতের সঠিক নাম হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: সুরমা ও কুশিয়ারা মিলে মেঘনা হয়, এটি মনে রাখতে সুরমা (সু) ও কুশিয়ারা (কু) মিলে মেঘনা (মে) হয় অর্থাৎ সুಕುমে সূত্রটি মনে রাখতে পারো।
a ১৯৯৫ সালে
b ১৯৯৯ সালে
c ২০০৩ সালে
d ২০০৭ সালে
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯৯৯ সালে কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ১৯৯৯ সালে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত সপ্তম ক্রিকেট বিশ্বকাপে প্রথমবার অংশগ্রহণ করে। - এই টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ স্কটল্যান্ড ও শক্তিশালী পাকিস্তানকে পরাজিত করে বিশ্ব ক্রিকেটে নিজেদের আগমনী বার্তা দেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৯৫ সালে — এই বছরে বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্বকাপ ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেনি। B) ১৯৯৯ সালে — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই সালে বাংলাদেশ প্রথম বিশ্বকাপে খেলে। C) ২০০৩ সালে — এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় বিশ্বকাপ ছিল, প্রথমটি নয়। D) ২০০৭ সালে — এই সালে বাংলাদেশ ভারতের বিপক্ষে স্মরণীয় জয় পেলেও এটি তাদের প্রথম বিশ্বকাপ ছিল না। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ শেষ দশকে ক্রিকেট খেলা শুরু করে ১৯৯৯ সালে প্রথম বিশ্বকাপে অংশ নেয়।
a হুমায়ূন আহমেদ
b রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
c কাজী নজরুল ইসলাম
d ইমদাদুল হক মিলন
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ইমদাদুল হক মিলন কেন সঠিক: - 'নূরজাহান' বাংলা সাহিত্যের একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস, যার রচিয়তা কথাসাহিত্যিক ইমদাদুল হক মিলন। - এই উপন্যাসে গ্রামীণ জনপদের সাধারণ মানুষের জীবন সংগ্রাম এবং নারীর সামাজিক অবস্থান ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হুমায়ূন আহমেদ — তিনি একজন জনপ্রিয় ঔপন্যাসিক হলেও 'নূরজাহান' উপন্যাসের রচিয়তা নন, তার বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে 'শঙ্খনীল কারাগার' ও 'গৌরীপুর জংশন'। B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বাংলা সাহিত্যের নোবেলজয়ী কবি ও সাহিত্যিক, তবে 'নূরজাহান' নামে কোনো উপন্যাস তিনি রচনা করেননি। C) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বাংলাদেশের জাতীয় কবি এবং বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত, তবে তিনি মূলত কবিতা ও গান রচনার জন্য বিখ্যাত। D) ইমদাদুল হক মিলন — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি অত্যন্ত সফলভাবে 'নূরজাহান' উপন্যাসটি রচনা করেছেন। মনে রাখার টিপস: ইমদাদুল হক মিলনের শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি মনে রাখতে মনে রাখুন তিনি গ্রামীণ সমাজের দর্পণস্বরূপ 'নূরজাহান' উপন্যাস লিখেছেন।
a আরবের বিভিন্ন দেশে গণজাগরণ
b আরব অঞ্চলের বসন্তকাল
c আরবের মহিলাদের ক্ষমতায়ন
d আরব রাজতন্ত্র
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আরবের বিভিন্ন দেশে গণজাগরণ কেন সঠিক: - ২০১১ সালের দিকে তিউনিসিয়া থেকে শুরু হওয়া মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকার দেশগুলোতে স্বৈরাচারবিরোধী রাজনৈতিক ও সামাজিক গণআন্দোলনকে আরব বসন্ত বলা হয়। - এই আন্দোলনের মূল উদ্দেশ্য ছিল দুর্নীতি দূর করা, অর্থনৈতিক মুক্তি এবং গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আরবের বিভিন্ন দেশে গণজাগরণ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ আরব বসন্ত বলতে মধ্যপ্রাচ্যে গণতন্ত্রের দাবিতে সাধারণ মানুষের গণআন্দোলনকে বোঝায়। B) আরব অঞ্চলের বসন্তকাল — এটি কোনো ঋতু পরিবর্তনের ঘটনা নয়, বরং এটি একটি ঐতিহাসিক রাজনৈতিক আন্দোলন। C) আরবের মহিলাদের ক্ষমতায়ন — এটি এই আন্দোলনের একটি অংশ হতে পারলেও সামগ্রিকভাবে আরব বসন্ত বলতে পুরো অঞ্চলের গণজাগরণকে বোঝায়। D) আরব রাজতন্ত্র — এটি কোনো রাজতন্ত্রের নাম নয়, বরং অনেক রাজতন্ত্রের বিরুদ্ধেও এই গণজাগরণ হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: আরব বসন্ত মানে ফুল ফোটার বসন্ত নয়, এটি আরব বিশ্বে গণতন্ত্রের দাবিতে মানুষের সফল ও ব্যর্থ রাজনৈতিক গণজাগরণ।
a ভ্যাকসিন
b সেবা
c সুরক্ষা
d মায়া
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সুরক্ষা কেন সঠিক: - কভিড-১৯ মহামারির সময়ে দেশের নাগরিকদের টিকাদান কার্যক্রমের নিবন্ধন ও সনদ প্রাপ্তির জন্য এই অনলাইন প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা হয়। - তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ (ICT Division) করোনা টিকাদানের ব্যবস্থাপনা সহজ করতে সুরক্ষা অ্যাপ ও পোর্টালটি প্রস্তুত করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভ্যাকসিন — এটি সরাসরি টিকাদানের ইংরেজি নাম হলেও সরকারিভাবে প্রস্তুতকৃত নির্দিষ্ট কোনো অ্যাপের নাম এটি নয়। B) সেবা — এটি সাধারণ সরকারি সেবামূলক বিভিন্ন খাতের সাথে যুক্ত হতে পারে, তবে নির্দিষ্ট কোনো টিকাদান অ্যাপের নাম নয়। C) সুরক্ষা — এটি সঠিক উত্তর কারণ তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ কভিড-১৯ ভ্যাকসিন ব্যবস্থাপনার জন্য এই নামের প্ল্যাটফর্মটি তৈরি করেছিল। D) মায়া — এটি সাধারণত নারী স্বাস্থ্য ও সচেতনতা বিষয়ক একটি অ্যাপ, যা টিকাদান কর্মসূচির সাথে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: করোনা থেকে নিজেকে সুরক্ষিত রাখতে আমরা যেভাবে টিকা নিয়েছি, সেই টিকা নেওয়ার অ্যাপটির নাম হলো সুরক্ষা।
a ভারত
b পাকিস্তান
c বাংলাদেশ
d নেপাল
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বাংলাদেশ কেন সঠিক: - সুইজারল্যান্ডভিত্তিক সংস্থা আইকিউএয়ার (IQAir) প্রকাশিত বিশ্ব বায়ু মান প্রতিবেদন ২০২০ অনুযায়ী বাংলাদেশ বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত বায়ুর দেশ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছিল। - অতিরিক্ত জনসংখ্যা, ইটভাটা, অনিয়ন্ত্রিত নির্মাণকাজ এবং যানবাহনের কালো ধোঁয়া এই মাত্রাতিরিক্ত বায়ু দূষণের প্রধান কারণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারত — ভারত এই তালিকায় শীর্ষ অবস্থানে না থাকলেও তালিকার অন্যান্য উচ্চ দূষিত দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম ছিল। B) পাকিস্তান — ২০২০ সালের প্রতিবেদনে পাকিস্তানও অত্যন্ত উচ্চ বায়ু দূষণের শিকার হয়েছিল কিন্তু শীর্ষ অবস্থানে ছিল না। C) বাংলাদেশ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। D) নেপাল — নেপালের কিছু শহরের বায়ু দূষিত হলেও দেশটি ২০২০ সালের তালিকার শীর্ষে ছিল না। মনে রাখার টিপস: ২০২০ সালের বায়ু দূষণের বিশ্বমঞ্চে চ্যাম্পিয়ন বা শীর্ষে ছিল আমাদের দেশ বাংলাদেশ।
a ১৭টি
b ৭টি
c ২৭টি
d ৮টি
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৭টি কেন সঠিক: - টেকসই উন্নয়নের জন্য জাতিসংঘ ২০১৫ সালে ১ শত ১৭টি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। - বিশ্বব্যাপী ক্ষুধা দূরীকরণ, দারিদ্র্য বিমোচন এবং পরিবেশ সুরক্ষার জন্য এই ১৭টি লক্ষ্য ঠিক করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৭টি — এটি প্রশ্ন অনুযায়ী সঠিক উত্তর কারণ জাতিসংঘ নির্ধারিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যের মোট সংখ্যা ১৭। B) ৭টি — এটি ভুল কারণ ৭টি লক্ষ্য বা অন্য কোনো ছোট সংখ্যা টেকসই উন্নয়নের মূল কাঠামোর সাথে মিলে না। C) ২৭টি — এটি ভুল কারণ এসডিজি বা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যের সংখ্যা ২৭টি নয়, মাত্র ১৭টি। D) ৮টি — এটি ভুল কারণ ৮টি লক্ষ্য ছিল পূর্ববর্তী সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য বা এমডিজি এর সংখ্যা। মনে রাখার টিপস: সহস্রাব্দ উন্নয়নের লক্ষ্য ছিল ৮টি আর তার পরের টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্য হলো ১৭টি।
a Mary Parkell
b Henry Fayol
c Lithan Gilbreth
d F. W. Taylor
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) F. W. Taylor কেন সঠিক: - ফ্রেডেরিক উইন্সলো টেলর শিল্প প্রতিষ্ঠানে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির জন্য বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থাপনার ধারণা দেন। - ১৯১১ সালে প্রকাশিত তাঁর 'দ্য প্রিন্টিপল অব সায়েন্টিফিক ম্যানেজমেন্ট' গ্রন্থটি এই তত্ত্বের মূল ভিত্তি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Mary Parkell — এটি মূলত মেরি পার্কার ফলেট (Mary Parker Follet)-এর নামের ভুল বানান, যিনি আধুনিক ব্যবস্থাপনার একজন প্রবক্তা হলেও বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থাপনার জনক নন। B) Henry Fayol — তিনি আধুনিক ব্যবস্থাপনা তত্ত্বের জনক এবং প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনার ধারণার প্রবক্তা, বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থাপনার নন। C) Lithan Gilbreth — গিলব্রথ দম্পতি কার্য অধ্যয়ন এবং গতি অধ্যয়নের সাথে যুক্ত ছিলেন, তবে তাঁরা বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থাপনার জনক নন। D) F. W. Taylor — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: টেলর (Taylor) মানেই টেইলর বা দর্জি, যিনি বৈজ্ঞানিক মাপে কাপড় কাটেন, তাই তিনি 'বৈজ্ঞানিক-ব্যবস্থাপনা'-এর জনক।
a ১৪টি
b ৭টি
c ১২টি
d ৮টি
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৪টি কেন সঠিক: - হেনরি ফেওল আধুনিক ব্যবস্থাপনার জনক হিসেবে পরিচিত এবং তিনি প্রশাসনিক তত্ত্বের অধীনে ব্যবস্থাপনার মোট চৌদ্দটি মূলনীতি প্রদান করেছেন। - এই চৌদ্দটি মূলনীতি প্রাতিষ্ঠানিক দক্ষতা বৃদ্ধি এবং সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনার জন্য বিশ্বজুড়ে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৪টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ হেনরি ফেওল প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থাপনার জন্য সুনির্দিষ্টভাবে চৌদ্দটি মূলনীতি নির্ধারণ করেছেন। B) ৭টি — এই সংখ্যাটি হেনরি ফেওলের ব্যবস্থাপনার মূলনীতির সঙ্গে মেলে না এবং এটি ভুল উত্তর। C) ১২টি — ব্যবস্থাপনার মূলনীতি হিসেবে ১২টি সংখ্যাটি বৈজ্ঞানিক বা প্রশাসনিক তত্ত্বে প্রামাণ্য নয়। D) ৮টি — এই সংখ্যাটি কোনো স্বীকৃত প্রশাসনিক তাত্ত্বিকের ব্যবস্থাপনার মূলনীতির পরিমাণের সঙ্গে মিল নেই। মনে রাখার টিপস: হেনরি ফেওলের নামের শেষ অংশ ফওল শব্দটিকে চৌদ্দ সংখ্যার সঙ্গে মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন যে ফেওলের মূলনীতি সবসময় চৌদ্দটি হয়।
a সাধারণ শেয়ারহোল্ডারগণ
b অগ্রাধিকার শেয়ারহোল্ডারগণ
c ডিবেঞ্চারধারীগণ
d সুরক্ষিত পাওনাদারগণ
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সাধারণ শেয়ারহোল্ডারগণ কেন সঠিক: - বোনাস শেয়ার হলো কোম্পানির অর্জিত মুনাফার একটি অংশ, যা নতুন শেয়ার হিসেবে বিদ্যমান সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের মধ্যে বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়। - কোম্পানির মালিকানায় সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের অংশীদারিত্ব বা অনুপাত অপরিবর্তিত রাখতে লভ্যাংশ হিসেবে নগদ টাকার বদলে এই শেয়ার দেওয়া হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাধারণ শেয়ারহোল্ডারগণ — এই অপশনটি সঠিক কারণ কোম্পানির প্রকৃত মালিক বা সাধারণ শেয়ারহোল্ডারগণই কেবল লভ্যাংশ হিসেবে বোনাস শেয়ার পাওয়ার অধিকার রাখেন। B) অগ্রাধিকার শেয়ারহোল্ডারগণ — এরা একটি নির্দিষ্ট হারে লভ্যাংশ পান এবং কোম্পানির অতিরিক্ত মুনাফা বা বোনাস শেয়ারের ওপর সাধারণত তাদের কোনো অধিকার থাকে না। C) ডিবেঞ্চারধারীগণ — এরা কোম্পানির শেয়ারহোল্ডার নন, বরং নির্দিষ্ট সুদের বিনিময়ে কোম্পানিকে ঋণদানকারী ঋণদাতা বা পাওনাদার। D) সুরক্ষিত পাওনাদারগণ — এরা কোম্পানির ব্যবসার বিভিন্ন মালামাল বা সেবামূলক লেনদেনের জামানতযুক্ত পাওনাদার, যাদের সঙ্গে লভ্যাংশ বা বোনাস শেয়ারের কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: বোনাস শেয়ার কেবল কোম্পানির মূল মালিক অর্থাৎ সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদেরই প্রদান করা হয়।
a বইয়ের দু'টি দিকের জন্য এন্ট্রি
b দু'টি তারিখে এন্ট্রি
c লেনদেনের দু'টি দিক এন্ট্রি
d উপরের সবগুলো
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: অর্থনীতি ও ব্যবসায়বিষয়ক ধারণা সঠিক উত্তর: C) লেনদেনের দু'টি দিক এন্ট্রি কেন সঠিক: - ডাবল এন্ট্রি বা দ্বতরফা দাখিলা পদ্ধতিতে প্রতিটি লেনদেনের সমপরিমাণ টাকার সুবিধা গ্রহণকারী ডেবিট এবং সুবিধা প্রদানকারী ক্রেডিট হয়। - ইতালীয় গণিতবিদ লুকা প্যাসিওলি ১৪৯৪ সালে হিসাববিজ্ঞানের এই দ্বৈত সত্তা বা দু'টি দিকের মূলনীতি প্রবর্তন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বইয়ের দু'টি দিকের জন্য এন্ট্রি — এটি ভুল কারণ হিসাবের খাতা বা বইয়ের দিক নয়, বরং প্রতিটি অর্থনৈতিক লেনদেনের দু'টি পক্ষ বা দিক রেকর্ড করা বোঝায়। B) দু'টি তারিখে এন্ট্রি — এটি ভুল কারণ দ্বতরফা দাখিলা পদ্ধতিতে লেনদেন সংঘটিত হওয়ার তারিখ একটিই থাকে, দু'টি তারিখের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। C) লেনদেনের দু'টি দিক এন্ট্রি — এটি সঠিক কারণ এই পদ্ধতিতে প্রতিটি লেনদেনের ডেবিট ও ক্রেডিট এই দু'টি দিক বা পক্ষ সমান অংকে লিপিবদ্ধ করা হয়। D) উপরের সবগুলো — এটি ভুল কারণ শুধু সি নম্বর অপশনটি সঠিক এবং বাকি অপশনগুলো ভুল। মনে রাখার টিপস: দ্বতরফা দাখিলা মানেই লেনদেনের দুটি দিক, যেখানে এক পক্ষ ডেবিট এবং অন্য পক্ষ সমপরিমাণ টাকায় ক্রেডিট হয়।
a সুদের হার কমিয়ে দেবে
b অর্থ সরবরাহ বাড়িয়ে দেবে
c ব্যাংক হার বাড়িয়ে দেবে
d ডেবিট/ঋণ বাড়িয়ে দেবে
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ব্যাংক হার বাড়িয়ে দেবে কেন সঠিক: - মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের জন্য বাজারে অর্থের সরবরাহ কমানো প্রয়োজন হয়, তাই কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর জন্য ব্যাংক হার বা ঋণের সুদের হার বাড়িয়ে দেয়। - ব্যাংক হার বাড়লে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে কম ঋণ নেয় এবং সাধারণ মানুষকেও উচ্চ সুদের হারে ঋণ দেয়, ফলে বাজারে মুদ্রার প্রবাহ কমে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুদের হার কমিয়ে দেবে — সুদের হার কমালে বাজারে ঋণের চাহিদা ও অর্থের সরবরাহ বাড়ে, যা মুদ্রাস্ফীতিকে আরও বাড়িয়ে দেয়। B) অর্থ সরবরাহ বাড়িয়ে দেবে — অর্থ সরবরাহ বাড়ালে মানুষের হাতে অতিরিক্ত টাকা চলে আসে এবং জিনিসপত্রের দাম আরও বেড়ে যায়। C) ব্যাংক হার বাড়িয়ে দেবে — এটি সঠিক পদক্ষেপ, কারণ এর মাধ্যমে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর ঋণ দেওয়ার ক্ষমতা হ্রাস পায় এবং মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রিত হয়। D) ডেবিট/ঋণ বাড়িয়ে দেবে — ঋণ বা ডেবিট বাড়ালে জনগণের ব্যয়ের ক্ষমতা বাড়ে, যা মুদ্রাস্ফীতি হ্রাসের পরিবর্তে পরিস্থিতির অবনতি ঘটায়। মনে রাখার টিপস: মুদ্রাস্ফীতি কমানোর সহজ নিয়ম হলো সবকিছু চড়া বা বেশি করা; যেমন সুদের হার বা ব্যাংক হার বাড়িয়ে দেওয়া।
a ফিন্যান্সিয়াল অ্যাকাউন্টিং
b কস্ট অ্যাকাউন্টিং
c মার্কেটিং
d অর্থনীতি
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কস্ট অ্যাকাউন্টিং কেন সঠিক: - কস্ট অ্যাকাউন্টিং বা পরিব্যয় হিসাববিজ্ঞানের মূল কাজ হলো কোনো পণ্য বা সেবা উৎপাদনে কত খরচ হচ্ছে তা নির্ধারণ করা এবং সেই ব্যয় নিয়ন্ত্রণ করা। - এটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনার জন্য প্রস্তুত করা হয় যাতে অপচয় কমিয়ে উৎপাদন খরচ কমানো যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফিন্যান্সিয়াল অ্যাকাউন্টিং — এটি মূলত প্রতিষ্ঠানের বাহ্যিক ব্যবহারকারীদের জন্য আর্থিক ফলাফল ও আর্থিক অবস্থা প্রকাশ করে, ব্যয় নিয়ন্ত্রণ এর প্রধান ক্ষেত্র নয়। B) কস্ট অ্যাকাউন্টিং — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) মার্কেটিং — এটি পণ্যের প্রচার, প্রসার, বিক্রয় এবং ক্রেতার চাহিদা পূরণের সাথে সম্পর্কিত, উৎপাদন ব্যয় নিয়ন্ত্রণের সাথে নয়। D) অর্থনীতি — এটি সমাজের সম্পদ বণ্টন ও সামগ্রিক অর্থনৈতিক কার্যকলাপ নিয়ে আলোচনা করে, যা নির্দিষ্ট কোনো প্রতিষ্ঠানের উৎপাদন ব্যয় নিয়ন্ত্রণের হিসাব নয়। মনে রাখার টিপস: কস্ট মানে খরচ, তাই কস্ট অ্যাকাউন্টিং বা পরিব্যয় হিসাববিজ্ঞান সরাসরি উৎপাদন খরচ ও ব্যয় নিয়ন্ত্রণের সাথে যুক্ত।
a Bangladesh Securities and Exchange Commission
b Bangladesh Bank
c Ministry of Commerce
d Ministry of Finance
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Bangladesh Securities and Exchange Commission কেন সঠিক: - বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন দেশের পুঁজিবাজার বা শেয়ার বাজারের মূল নীতিনর্ধারক ও নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ হিসেবে কাজ করে। - এটি ১৯৯৩ সালের আইন দ্বারা গঠিত হয় এবং বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষা ও বাজারের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Bangladesh Securities and Exchange Commission — এটি দেশের শেয়ার বাজার নিয়ন্ত্রণকারী একমাত্র সরকারি কর্তৃপক্ষ। B) Bangladesh Bank — এটি বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক, যা দেশের মুদ্রানীতি এবং ব্যাংকিং খাত নিয়ন্ত্রণ করে, শেয়ার বাজার নয়। C) Ministry of Commerce — এটি দেশের অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য নীতি প্রণয়ন এবং তত্ত্বাবধান করে থাকে। D) Ministry of Finance — এটি সরকারের সামগ্রিক অর্থনৈতিক নীতি ও বাজেট প্রণয়ন করে, তবে সরাসরি শেয়ার বাজার নিয়ন্ত্রণ করে না। মনে রাখার টিপস: শেয়ার বাজার বা সিকিউরিটিজ বাজারের নিয়ন্ত্রক হলো এসইসি বা BSEC।
a বাণিজ্যিক ব্যাংক
b বিনিয়োগ ব্যাংক
c কেন্দ্রীয় ব্যাংক
d অর্থ মন্ত্রণালয়
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কেন্দ্রীয় ব্যাংক কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ব্যাংক সরকারের পক্ষে ট্রেজারি বিল ও ট্রেজারি বন্ড ইস্যু এবং ব্যবস্থাপনা করে থাকে। - এটি সরকারের ঋণ ব্যবস্থাপনা ও মুদ্রাবাজার নিয়ন্ত্রণের একটি প্রধান হাতিয়ার। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাণিজ্যিক ব্যাংক — বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো ট্রেজারি বিল ইস্যু করে না, বরং এরা কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে এগুলো ক্রয় করে থাকে। B) বিনিয়োগ ব্যাংক — বিনিয়োগ ব্যাংক দীর্ঘমেয়াদী শিল্প অর্থায়নে কাজ করে, সরকারি সিকিউরিটিজ বা ট্রেজারি বিল ইস্যু করে না। C) কেন্দ্রীয় ব্যাংক — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। D) অর্থ মন্ত্রণালয় — অর্থ মন্ত্রণালয় বাজেট ও অর্থনৈতিক নীতিমালা প্রণয়ন করে, তবে সরাসরি ট্রেজারি বিল বা সিকিউরিটিজ ইস্যু করে না। মনে রাখার টিপস: সরকারের যাবতীয় সিকিউরিটিজ ও ট্রেজারি বিল ইস্যু করার একমাত্র দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান হলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
a ব্যাংক এশিয়া লিমিটেড
b ডাচ-বাংলা ব্যাংক লিমিটেড
c সোনালী ব্যাংক লিমিটেড
d জনতা ব্যাংক লিমিটেড
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ডাচ-বাংলা ব্যাংক লিমিটেড কেন সঠিক: - ডাচ-বাংলা ব্যাংক লিমিটেড বাংলাদেশে প্রথম মোবাইল ব্যাংকিং সেবা বা প্রবর্তক হিসেবে ২০১১ সালের মার্চ মাসে নেক্সাস মোবাইল ব্যাংকিং (পরবর্তীতে রকেট) চালু করে। - এটি বাংলাদেশে আর্থিক অন্তর্ভুক্তিতে বিপ্লব ঘটায় এবং সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় ব্যাংকিং সেবা পৌঁছে দেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্যাংক এশিয়া লিমিটেড — এটি পরবর্তীতে মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু করলেও প্রথম নয়। B) ডাচ-বাংলা ব্যাংক লিমিটেড — এটি সঠিক উত্তর। C) সোনালী ব্যাংক লিমিটেড — এটি রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক হলেও প্রথম মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু করেনি। D) জনতা ব্যাংক লিমিটেড — এটি একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক এবং প্রথম মোবাইল ব্যাংকিং প্রবর্তক নয়। মনে রাখার টিপস: ডাচ মানে প্রথম, তাই বাংলাদেশে প্রথম মোবাইল ব্যাংকিং সেবা ডাচ-বাংলা ব্যাংক চালু করেছিল।
a ডেভিড রিকার্ডো
b অ্যাডাম স্মিথ
c এরিস্টটল
d বব কলিনস
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অ্যাডাম স্মিথ কেন সঠিক: - অ্যাডাম স্মিথকে আধুনিক অর্থনীতির জনক বলা হয় এবং তিনি ক্লাসিক্যাল অর্থনীতির ধারা সৃষ্টি করেছিলেন। - ১৭৭৬ সালে প্রকাশিত তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ দ্য ওয়েলথ অফ নেশনস গ্রন্থে তিনি মুক্তবাজার অর্থনীতি ও অর্থনৈতিক উদারতাবাদের মূল নীতি তুলে ধরেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডেভিড রিকার্ডো — তিনি ক্লাসিক্যাল অর্থনীতির একজন গুরুত্বপূর্ণ প্রবক্তা হলেও তুলনামূলক সুবিধা তত্ত্ব ও খাজনা তত্ত্বের জন্য বেশি পরিচিত। B) অ্যাডাম স্মিথ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং তিনি ক্লাসিক্যাল অর্থনীতি ও মুক্তবাজার অর্থনীতির মূল প্রবর্তক। C) এরিস্টটল — তিনি প্রাচীন গ্রিক দার্শনিক যিনি মূলত রাজনীতি, নীতিশাস্ত্র ও মূল্য তত্ত্ব নিয়ে আলোচনা করেছেন, আধুনিক মুক্তবাজার অর্থনীতি নিয়ে নন। D) বব কলিনস — তিনি এই অর্থনৈতিক ধারার সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো বিখ্যাত অর্থনীতিবিদ নন। মনে রাখার টিপস: মুক্তবাজার অর্থনীতি ও আধুনিক অর্থনীতির কথা মনে এলেই অ্যাডাম স্মিথ এবং ১৭৭৬ সালের দ্য ওয়েলথ অফ নেশনস গ্রন্থটির কথা স্মরণ করবে।
a World Intelligence Property Organization
b World Intellectual Property Organization
c World Intellectual Prosperity Organization
d World Interregional Property Organization
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) World Intellectual Property Organization কেন সঠিক: - এটি জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা যা বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পত্তি সুরক্ষার জন্য কাজ করে। - মেধাসম্পদ ও উদ্ভাবন রক্ষায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করা এর মূল কাজ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) World Intelligence Property Organization — Intelligence শব্দটির অর্থ বুদ্ধিমত্তা, যা এই সংস্থার নামের সঠিক শব্দ নয়। B) World Intellectual Property Organization — এটি এই সংস্থার আসল ও নিবন্ধিত নাম এবং এটিই সঠিক উত্তর। C) World Intellectual Prosperity Organization — Prosperity শব্দটির অর্থ সমৃদ্ধি, যা সংস্থার অফিসিয়াল নামের সাথে মেলে না। D) World Interregional Property Organization — Interregional শব্দটির অর্থ আন্তঃআঞ্চলিক, যা সঠিক নাম নয়। মনে রাখার টিপস: নামটি মনে রাখতে Intellectual শব্দটির দিকে খেয়াল রাখবে যার অর্থ বুদ্ধিবৃত্তিক বা মেধাসম্পদ।
a আন্তর্জাতিক বাজারে
b ভুয়া শেয়ার
c শেয়ার বাজারে
d খুচরা বাজারে
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শেয়ার বাজারে কেন সঠিক: - ব্লু চিপ বলতে শেয়ার বাজারে তালিকাভুক্ত অত্যন্ত লাভজনক, আর্থিক দিক থেকে শক্তিশালী ও নির্ভরযোগ্য বড় কোম্পানির শেয়ারকে বোঝায়। - এই ধরনের কোম্পানির নিয়মিত লভ্যাংশ প্রদানের দীর্ঘ ইতিহাস থাকে এবং বাজারে এদের সুনাম ও স্থায়িত্ব অত্যন্ত বেশি থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আন্তর্জাতিক বাজারে — আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বা বৈশ্বিক বাজারে লেনদেনের ক্ষেত্রে এই শব্দটি প্রথাগতভাবে প্রধান অর্থ হিসেবে ব্যবহৃত হয় না। B) ভুয়া শেয়ার — ভুয়া বা জাল শেয়ার বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয় না, বরং ব্লু চিপ হলো সবচেয়ে নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ শেয়ার। D) খুচরা বাজারে — খুচরা বা রিটেইল বাজারের সাধারণ পণ্য কেনাবেচার সঙ্গে এই আর্থিক পরিভাষার কোনো সরাসরি সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: বড়, লাভজনক ও নিরাপদ কোম্পানি মানেই শেয়ার বাজারের ব্লু চিপ শেয়ার।
a চা
b পাট
c তৈরি পোশাক
d তামাক
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) তৈরি পোশাক কেন সঠিক: - বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ের সিংহভাগ আসে তৈরি পোশাক বা আরএমজি খাত থেকে। - আন্তর্জাতিক বাজারে পোশাকের চাহিদা বেশি থাকায় এটি দেশের প্রধান বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী খাত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চা — বাংলাদেশের একটি ঐতিহ্যবাহী কৃষি পণ্য হলেও এটি রপ্তানি আয়ে খুব সামান্য অবদান রাখে। B) পাট — একসময় সোনালী আঁশ খ্যাত পাট প্রধান রপ্তানি পণ্য ছিল, যা বর্তমানে তৈরি পোশাক খাতের অনেক পেছনে রয়েছে। C) তৈরি পোশাক — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। D) তামাক — এটি প্রধান রপ্তানি পণ্য নয় এবং দেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে এর ভূমিকা খুবই নগণ্য। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ বর্তমানে পোশাক রপ্তানিতে বিশ্বে শীর্ষস্থানীয় দেশগুলোর একটি, তাই বৈদেশিক মুদ্রার কথা আসলেই উত্তর হবে তৈরি পোশাক।
a Bangladesh International Development Authority
b Bangladesh Investment Development Authority
c Bangladesh Investment Development Access
d Bangladesh Investment Developing Authority
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Bangladesh Investment Development Authority কেন সঠিক: - এটি বাংলাদেশে বিনিয়োগ বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে গঠিত প্রধান সরকারি সংস্থা। - ২০১৬ সালে তৎকালীন বোর্ড অব ইনভেস্টমেন্ট এবং প্রাই privatization কমিশন একীভূত হয়ে এটি গঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Bangladesh International Development Authority — আন্তর্জাতিক উন্নয়নের জন্য এমন কোনো নির্দিষ্ট সরকারি সংস্থা বাংলাদেশে নেই। B) Bangladesh Investment Development Authority — এটি সঠিক কারণ এটি দেশের বিনিয়োগ উন্নয়নের মূল সরকারি কর্তৃপক্ষ। C) Bangladesh Investment Development Access — এটি কোনো দাপ্তরিক বা প্রতিষ্ঠিত সংস্থার নাম নয়। D) Bangladesh Investment Developing Authority — এই নামের শেষে Developing শব্দটি ভুল, সঠিক শব্দটি Development। মনে রাখার টিপস: নামটি মনে রাখতে 'বিনিময়' বা 'বিনিয়োগ' শব্দের ইংরেজি রূপ Investment Development Authority মনে রাখুন।
a উৎপাদন বৃদ্ধি
b রপ্তানি বৃদ্ধি
c আমদানি বৃদ্ধি ক
d মুদ্রার যোগান বৃদ্ধি
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মুদ্রার যোগান বৃদ্ধি কেন সঠিক: - বাজারে পণ্যের পরিমাণের তুলনায় অর্থের সরবরাহ বা মুদ্রার যোগান অতিরিক্ত বৃদ্ধি পেলে মুদ্রাস্ফীতি ঘটে। - মুদ্রার যোগান বাড়লে মানুষের হাতে অর্থ বেশি থাকে, যার ফলে পণ্যের সামগ্রিক চাহিদা বৃদ্ধি পায় এবং দাম বেড়ে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) উৎপাদন বৃদ্ধি — উৎপাদন বাড়লে পণ্যের সরবরাহ বৃদ্ধি পায়, যা সাধারণত পণ্যের দাম কমিয়ে মুদ্রাস্ফীতি কমাতে সাহায্য করে। B) রপ্তানি বৃদ্ধি — রপ্তানি বাড়লে দেশের ভেতরে পণ্যের পরিমাণ কমে যেতে পারে তবে এটি সরাসরি মুদ্রাস্ফীতির প্রধান কারণ নয়। C) আমদানি বৃদ্ধি — আমদানি বৃদ্ধি পেলে দেশের বাজারে পণ্যের সরবরাহ বাড়ে, যা মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। D) মুদ্রার যোগান বৃদ্ধি — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাজারে টাকার পরিমাণ বাড়লে অর্থের মূল্য কমে যায় এবং জিনিসপত্রের দাম বাড়ে। মনে রাখার টিপস: হাতে টাকা বেশি, পণ্যের দাম বেশি—এই নীতি মনে রাখলেই মুদ্রাস্ফীতির মূল কারণ সহজেই মনে থাকবে।
a ক্রিকেট খেলায়
b অর্থনীতিতে
c রাগবি খেলায়
d সংসদীয় কার্যক্রমে
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রাগবি খেলায় কেন সঠিক: - রাগবি খেলায় কোনো খেলোয়াড় গুরুতর ইনজুরিতে পড়লে বা খেলা চালিয়ে যেতে অসমর্থ হলে তাকে মাঠের বাইরে নিয়ে যাওয়ার জন্য 'বেইল আউট' শব্দটি ব্যবহার করা হয়। - এই শব্দটির মূল অর্থ কোনো কঠিন পরিস্থিতি বা সংকট থেকে কাউকে নিরাপদে উদ্ধার করা বা বের করে আনা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক্রিকেট খেলায় — ক্রিকেট খেলায় উইকেটের ওপর থাকা কাঠের টুকরোগুলোকে বেলস বলা হয়, যা বেইল আউট নয়। B) অর্থনীতিতে — অর্থনীতিতে কোনো আর্থিক সংকটগ্রস্ত প্রতিষ্ঠান বা দেশকে আর্থিক সহায়তা দিয়ে বাঁচানোকে বেলআউট বলা হয়, যা খেলার পরিভাষা নয়। D) সংসদীয় কার্যক্রমে — সংসদীয় কার্যক্রমে আইন পাস বা বিতর্ক সংক্রান্ত পরিভাষা ব্যবহৃত হয়, বেইল আউট এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: রাগবি খেলায় আহত খেলোয়াড়কে মাঠের বাইরে বের করে আনা বা বাঁচানোর প্রক্রিয়াকেই বেইল আউট বলা হয়।
a 2021
b 2024
c 2025
d 2026
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২০২৬ কেন সঠিক: - জাতিসংঘ কর্তৃক নির্ধারিত মানদণ্ড অর্জন করায় বাংলাদেশ ২০২১ সালে এলডিসি থেকে উত্তরণের চূড়ান্ত সুপারিশ লাভ করে। - কোভিড মহামারীর কারণে উত্তরণের সময়সীমা দুই বছর বাড়িয়ে ২০২৬ সালের নভেম্বর মাসে নির্ধারণ করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০২১ — এই সালে বাংলাদেশ এলডিসি থেকে উত্তরণের চূড়ান্ত সুপারিশ লাভ করে, কিন্তু উত্তরণ ঘটে না। B) ২০২৪ — এই সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের মূল পরিকল্পনা অনুযায়ী উত্তরণের কথা থাকলেও তা স্থগিত করা হয়। সি) ২০২৫ — এই সালটি বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণের নির্ধারিত কোনো আনুষ্ঠানিক বছর নয়। D) ২০২৬ — এই সালে বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে স্বল্পোন্নত দেশ (LDC) থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হবে। মনে রাখার টিপস: উত্তরণের সুপারিশ পাওয়ার বছর (২০২১) এর সাথে পাঁচ বছর যোগ করলেই চূড়ান্ত উত্তরণের বছর (২০২৬) পাওয়া যায়।
a Ctrl + P
b Ctrl + V
c Ctrl + C
d Ctrl + X
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Ctrl + V কেন সঠিক: - কিবোর্ডের মাধ্যমে কপি বা কাট করা কোনো টেক্সট বা ফাইল নির্ধারিত স্থানে বসাতে বা পেস্ট করতে Ctrl + V কমান্ড ব্যবহার করা হয়। - এটি কম্পিউটারে লেখালেখির কাজের সময় সর্বাধিক ব্যবহৃত শর্টকাট কমান্ডগুলোর একটি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Ctrl + P — এই কমান্ডটি কম্পিউটারে চলমান ডকুমেন্ট বা পেজ প্রিন্ট করার জন্য ব্যবহৃত হয়। B) Ctrl + V — এটি পেস্ট করার সঠিক কমান্ড হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) Ctrl + C — এই কমান্ডটি সিলেক্ট করা টেক্সট বা ফাইল কপি করার কাজে ব্যবহৃত হয়। D) Ctrl + X — এই কমান্ডটি সিলেক্ট করা টেক্সট বা ফাইল কাট বা স্থানান্তরের জন্য ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি Paste শব্দের শেষের অক্ষর V-কে মনে রেখে Ctrl + V শর্টকাটটি সহজে yaad রাখা যায়।
a ১নং
b ৩ নং
c ১১ নং
d ২নং
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২নং কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল এবং ঢাকা শহর ও এর আশপাশের এলাকা ২নং সেক্টরের অন্তর্ভুক্ত ছিল। - ২নং সেক্টরের প্রধান বা সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর খালেদ মোশাররফ এবং পরবর্তী সময়ে মেজর এ টি এম হায়দার। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১নং — এই সেক্টরটি চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম এবং নোয়াখালী জেলার কিছু অংশ নিয়ে গঠিত ছিল। B) ৩ নং — এই সেক্টরটি মূলত হবিগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, আখাউড়া ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া এলাকার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত ছিল। C) ১১ নং — এই সেক্টরটি টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ এবং সিরাজগঞ্জ জেলার কিছু অংশ নিয়ে গঠিত ছিল। D) ২নং — এই অপশনটি সঠিক কারণ ঢাকা শহর ও তার আশপাশের অঞ্চল এই সেক্টরের অধীনে পরিচালিত হতো। মনে রাখার টিপস: ঢাকা দুই অক্ষরের শব্দ, তাই মনে রাখবে ঢাকা সবসময় ২নং সেক্টরের অধীন ছিল।

মোট প্রশ্ন (8)

a অপরিণামদর্শী
b অবিমৃশ্যকারী
c অবিসংবাদী
d অকালদর্শী
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অবিসংবাদী ১. কেন সঠিক: - প্রশ্নে বলা হয়েছে 'যে বিষয়ে কোনো বিতর্ক নেই', যার সঠিক এককথায় প্রকাশ হলো অবিসংবাদী। - অবিসংবাদী শব্দটি বিশ্লেষণ করলে বোঝায় যার বিরুদ্ধে কোনো বাদ বা বিতর্ক নেই অর্থাৎ যা সর্বসম্মত ও নির্দ্বিধায় গ্রহণযোগ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এককথায় প্রকাশ বাংলা ব্যাকরণের শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ করার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা বাক্যকে সংক্ষিপ্ত ও সুন্দর করে। - এই ধরনের শব্দগুলো সাধারণত উপসর্গ বা প্রত্যয় যোগে গঠিত হয় এবং এর উৎস মূলত সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত তৎসম শব্দ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তার এই বক্তব্যটি একটি অবিসংবাদী সত্য হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে। ব্যাখ্যা: এখানে অবিসংবাদী শব্দটি এমন একটি সত্যকে বোঝাচ্ছে যা নিয়ে কারো মনে কোনো সংশয় বা বিতর্ক নেই। উদাহরণ ২: সংবিধানের এই ধারাটি একটি অবিসংবাদী সিদ্ধান্ত। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে অবিসংবাদী শব্দটি এমন একটি সিদ্ধান্তকে নির্দেশ করে যা সকলের নিকট সর্বসম্মতভাবে স্বীকৃত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অপরিণামদর্শী — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ হলো যে ব্যক্তি ভবিষ্যৎ পরিণতি চিন্তা করে কাজ করে না। B) অবিমৃশ্যকারী — প্রদত্ত উত্তরে এটি বলা হলেও এর সঠিক অর্থ হলো যে ব্যক্তি বিচার না করে বা হঠকারিতার সঙ্গে কাজ করে। C) অবিসংবাদী — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ এর অর্থ হলো যে বিষয়ে কোনো বিতর্ক বা দ্বিমত নেই। D) অকালদর্শী — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ হলো যা অকালে বা সময়ের আগে দেখা দেয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিসংবাদ শব্দের অর্থ বিতর্ক বা ঝগড়া, তাই যার পূর্বে অ উপসর্গ যুক্ত হয়ে অবিসংবাদী হয় তার অর্থ দাঁড়ায় যেখানে কোনো বিতর্ক বা বিসংবাদ নেই। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের শব্দগুলোর মূল বা প্রাকৃত অর্থ মনে রাখলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য সরকারি চাকরির পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে, তাই এ ধরনের শব্দার্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে। - সমার্থক বা বিপরীতার্থক শব্দের মতো এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রেও শব্দের মূল উৎস ও গঠন খেয়াল রাখা জরুরি।
a নিষ্ফল পরিশ্রম
b সস্তা দাম
c নিষ্ক্রিয় বস্তু
d অপদার্থ
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নিষ্ক্রিয় বস্তু ১. কেন সঠিক: 'চিনির বলদ' একটি জনপ্রিয় বাংলা বাগধারা, যার মাধ্যমে এমন কোনো বস্তুকে বোঝানো হয় যা বাহ্যিকভাবে মূল্যবান কিছু বহন করলেও নিজে তার সুফল ভোগ করতে পারে না বা যার নিজস্ব কোনো কর্মক্ষমতা নেই। এই বাগধারার মূল অর্থ হলো এমন ব্যক্তি বা বস্তু যে কেবল অন্যের বোঝা বহন করে কিন্তু নিজে জড়পদার্থের মতো নিষ্ক্রিয় ও অবচেতন অবস্থায় থাকে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে বাগধারা হলো এমন কিছু বিশেষ শব্দগুচ্ছ যা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ বা ভাবার্থ প্রকাশ করে। শব্দগুলো বিশেষ অর্থে ব্যবহৃত হয়ে ভাষার সৌন্দর্য ও ভাব প্রকাশের ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অক্কা পাওয়া ব্যাখ্যা: এই বাগধারাটির আক্ষরিক অর্থ বোঝা না গেলেও এর বিশেষ অর্থ হলো মারা যাওয়া বা মৃত্যুবরণ করা। উদাহরণ ২: ঢাকের বাঁশি ব্যাখ্যা: এই বাগধারাটির অর্থ হলো অকর্মণ্য ব্যক্তি বা যার কোনো গুরুত্ব নেই, যা পরিস্থিতির সাপেক্ষে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিষ্ফল পরিশ্রম — এই অর্থের জন্য সাধারণত 'বৃক্ষ তোমার নাম কী ফলে পরিচয়' বা 'অরণ্যে রোদন' বাগধারাটি বেশি উপযুক্ত হয়। B) সস্তা দাম — এই অর্থের সঙ্গে 'চিনির বলদ' বাগধারার কোনো মিল নেই কারণ এটি বস্তুগত মূল্য বা নিষ্ক্রিয়তা প্রকাশ করে। C) নিষ্ক্রিয় বস্তু — এটি সঠিক কারণ চিনির বলদ কেবল পিঠে চিনি বহন করে কিন্তু তার নিজের কোনো সক্রিয়তা বা উপভোগের ক্ষমতা থাকে না। D) অপদার্থ — এই অর্থের জন্য 'উজাড়ে পুতুল' বা 'গোবর গণেশ' বাগধারাটি ব্যবহৃত হয়, যা চিনির বলদ থেকে আলাদা। ৫. মনে রাখার টিপস: বলদ যেমন চোখ বাঁধা অবস্থায় শুধু ঘানি টানে বা বোঝা বয় কিন্তু তার ভেতরের রস বা সুফল নিজে পায় না, ঠিক তেমনি চিনির বলদ বলতে এমন নিষ্ক্রিয় বস্তুকে বোঝায় যা শুধু ভার বহন করে কিন্তু নিজে মৃতবৎ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারার উৎস এবং প্রচলিত অর্থ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। বাগধারা মুখস্থ না করে এর ভেতরের রূপক অর্থ বোঝার চেষ্টা করলে পরীক্ষার হলে সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সহজ হয়।
a আমদানি
b আগমন
c গমন
d তিরোভাব
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) তিরোভাব কেন সঠিক: -র্ভাব শব্দের অর্থ প্রকাশ পাওয়া বা সৃষ্টি হওয়া। -তিরোভাব শব্দের অর্থ অদৃশ্য হওয়া বা লয় পাওয়া। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: -শব্দার্থের বিপরীতার্থক সম্পর্কের নিয়ম অনুযায়ী এই পরিবর্তন ঘটে। -সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী উপসর্গ ও প্রত্যয়গত দিক থেকে শব্দটির এই বিপরীত রূপ আসে। -যেমন জন্ম শব্দের বিপরীত মৃত্যু এবং প্রকাশ শব্দের বিপরীত গোপন। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) আমদানি — এই শব্দটির সঠিক বিপরীত শব্দ রপ্তানি। - B) আগমন — এই শব্দটির সঠিক বিপরীত শব্দ প্রস্থান। - C) গমন — এই শব্দটির সঠিক বিপরীত শব্দ আগমন। - D) তিরোভাব — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: -আবির্ভাব এবং তিরোভাব দুটি শব্দই প্রীতি ও পৌরাণিক সাহিত্যে আবির্ভূত ও অদৃশ্য হওয়ার অর্থে জোড়ায় ব্যবহৃত হয়।
a নিষ্পণ্ণ
b নিস্পন্ন
c নিষ্পন্ন
d কোনোটিই নয়
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নিষ্পন্ন ১. কেন সঠিক: নিস্পন্ন শব্দটির সঠিক ও প্রমিত বানান হলো নিষ্পন্ন। বাংলা বানানরীতির নিয়ম অনুযায়ী ট-বর্গীয় ধ্বনির আগে মূর্ধন্য ণ যুক্ত হয়, যা এই শব্দে প্রযোজ্য হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে তৎসম শব্দের বানানে ট-বর্গীয় ধ্বনির (ট, ঠ, ড, ঢ, ণ) পূর্বে সবসময় মূর্ধন্য ণ (ণ) যুক্ত হয়। নিষ্পন্ন শব্দটি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় নিস্ যোগ পণ, যেখানে পণ অংশের প একটি ও বর্গের ধ্বনি হলেও এর আগের বর্ণটি মূর্ধন্য ন ব্যবহারের মাধ্যমে প্রমিত রূপ লাভ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লুণ্ঠন ব্যাখ্যা: এখানে ঠ হলো ট-বর্গীয় ধ্বনি, তাই এর পূর্বে মূর্ধন্য ণ ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: কণ্টক ব্যাখ্যা: এখানে ট হলো ট-বর্গীয় ধ্বনি, যার কারণে এর সাথে মূর্ধন্য ণ যুক্ত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিষ্পণ্ণ — এই বানানে প এর ওপর চন্দ্রবিন্দু ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক নয়। B) নিস্পন্ন — এই বানানে দন্ত্য ন ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। D) কোনোটিই নয় — যেহেতু সি অপশনটি সঠিক, তাই এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: ট বর্গীয় ধ্বনির সাথে সর্বদা মূর্ধন্য ণ যুক্ত হয় এই নিয়মটি মনে রাখবে। বানান লেখার সময় শব্দটির উৎস ও প্রকৃতি খেয়াল রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের বানানের নিয়ম থেকে প্রশ্ন আসে। ট-বর্গীয় ধ্বনির আগের ন সবসময় মূর্ধন্য ণ হবে, এই সাধারণ নিয়মটি মনে রাখলে সহজে সঠিক উত্তর করা সম্ভব।
a মালিকা
b মালী
c মালীনী
d মালিনী
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মালিনী ১. কেন সঠিক: বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কিছু শব্দের শেষে 'ঈ' প্রত্যয়যুক্ত पुल्लिंग শব্দের সাথে 'ঈন' বা 'ইনী' প্রত্যয় যুক্ত করে স্ত্রীলিঙ্গ করতে হয়। 'মালী' শব্দের সাথে 'ইনী' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে প্রমিত ও ব্যাকরণগতভাবে সঠিক স্ত্রীলিঙ্গ রূপ গঠিত হয় 'মালিনী'। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে পুংলিঙ্গবাচক শব্দকে স্ত্রীলিঙ্গবাচক শব্দে রূপান্তরের বেশ কিছু নিয়ম রয়েছে যার মধ্যে প্রত্যয় যোগ অন্যতম। তৎসম ও তদ্ভব শব্দের ক্ষেত্রে বিশেষ নিয়মে প্রত্যয় যুক্ত করে স্ত্রীলিঙ্গ সাধিত হয় যেমন এখানে 'মালী' শব্দের ক্ষেত্রে 'ইনী' প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাঙালী থেকে কাঙালিনী ব্যাখ্যা: এটি একই নিয়মে গঠিত হয়েছে যেখানে মালী শব্দের মতো কাঙালী শব্দের শেষে 'ইনী' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে স্ত্রীলিঙ্গ রূপ তৈরি হয়েছে। উদাহরণ ২: তান্ত্রিক থেকে তান্ত্রিকিনী ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও পুংলিঙ্গ শব্দের সাথে 'ইনী' প্রত্যয় যুক্ত করে স্ত্রীলিঙ্গ রূপ গঠন করার ব্যাকরণগত নিয়ম সফলভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মালিকা — এটি ভুল কারণ 'মালিকা' শব্দটি মূলত মালা শব্দের ক্ষুদ্রার্থক বা ভিন্ন শব্দ এবং এটি মালী শব্দের স্ত্রীলিঙ্গ হিসেবে ব্যাকরণসিদ্ধ নয়। B) মালী — এটি প্রদত্ত প্রশ্নের পুংলিঙ্গবাচক শব্দ ফলে একই শব্দ স্ত্রীলিঙ্গ হতে পারে না কারণ এটি পদের লিঙ্গ পরিবর্তনে অপরিবর্তিত থাকে না। C) মালীনী — এটি বানানগত কারণে ভুল কারণ বাংলা প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এখানে 'ন' এর সাথে দীর্ঘী কার ব্যবহারের নিয়ম নেই বরং হ্রস্ব ই কার বসে। D) মালিনী — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং এটি বাংলা একাডেমি কর্তৃক স্বীকৃত প্রমিত বানান ও ব্যাকরণগত রূপ। ৫. মনে রাখার টিপস: যসব পুংলিঙ্গ শব্দের শেষে দীর্ঘী কার থাকে তাদের স্ত্রীলিঙ্গ করার সময় সাধারণত 'ইনী' প্রত্যয় যুক্ত হয় এবং বানানে হ্রস্ব ই কার ব্যবহার করতে হয়। যেমন মালী থেকে মালিনী এবং কাঙালী থেকে কাঙালিনী এই নিয়মে খুব সহজেই মনে রাখা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের বানান এবং প্রত্যয়জনিত স্ত্রীলিঙ্গ পরিবর্তনের ওপর প্রায়শই প্রশ্ন হয়ে থাকে। তাই প্রত্যয়যুক্ত শব্দগুলোর ক্ষেত্রে বানান বিশেষ করে হ্রস্ব ই কার ও দীর্ঘী কারের ব্যবহার খুব মনোযোগ দিয়ে চর্চা করতে হবে।
a সং + যম
b সম + যম
c সৎ + যম
d সম্ + যম
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সম্ + যম ১. কেন সঠিক: - ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী ম্ এর পরে অন্তস্থ ধ্বনি য থাকলে ম্ স্থানে অনুস্বার হয় অথবা ম্ এর স্থানে পরবর্তী বর্ণের পঞ্চমা অক্ষর হয়। - সম্ যোগ যম মিলে সংযম শব্দটি গঠিত হয়েছে যেখানে প্রথম পদের অন্তস্থিত ম্ এবং দ্বিতীয় পদের আদি য যুক্ত হয়ে এই রূপ ধারণ করেছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - ম্ ধ্বনির পর য, র, ল, ব কিংবা শ, ষ, স, হ থাকলে ম্ স্থানে অনুস্বার হয় এটি ব্যঞ্জনসন্ধির একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ ও প্রচলিত নিয়ম। - এই নিয়মে ম্ এর পরিবর্তে অনুস্বার বসে পরবর্তী বর্ণের সঙ্গে যুক্ত হয় এবং শব্দটিকে শ্রুতিমধুর করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সম্ + যোগ = সংযোগ ব্যাখ্যা: এখানে ম্ এর পরে য থাকার কারণে ম্ স্থানে অনুস্বার হয়ে সংযোগ শব্দটি গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: সম্ + বাদ = সংবাদ ব্যাখ্যা: এই উদাহরণটিতেও ম্ এর পরে ব থাকার নিয়ম অনুসারে ম্ স্থানে অনুস্বার যুক্ত হয়ে সংবাদ গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সং + যম — সং বলে কোনো মৌলিক উপসর্গ বা প্রমিত ব্যাকরণসিদ্ধ পদ সন্ধির ক্ষেত্রে এখানে প্রযোজ্য নয়। B) সম + যম — সম এর সাথে হসন্ত বা ম্ এর নিচে ওপরে নির্দেশক চিহ্ন না থাকায় এটি ব্যাকরণগতভাবে অসম্পূর্ণ। C) সৎ + যম — সৎ একটি ভিন্ন উপসর্গ যা ত্ অন্ত্যবর্ণের সাথে সম্পর্কিত এবং যম এর সাথে মিলনের ক্ষেত্রে এটি অনুপযুক্ত। D) সম্ + যম — এই অপশনটি সঠিক এবং ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে মেনে চলে। ৫. মনে রাখার টিপস: - ম্ যুক্ত শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ করার সময় অনুস্বার বা ম্ এর জায়গায় সম্ হসন্ত ব্যবহার করতে হয়। - অনুস্বারযুক্ত ব্যঞ্জনসন্ধি দেখলে চোখ বন্ধ করে সম্ হসন্ত বসিয়ে পরের অংশ যোগ করে দেবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনুস্বারযুক্ত সন্ধি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - সংযোগ, সংবাদ, সংহার, সংরক্ষণ এই শব্দগুলোর সন্ধি বিচ্ছেদ একই নিয়মে সম্পন্ন হয়।
a নবান্নের
b শালিক ও শঙ্খচিলের
c কাকের
d কার্তিকের
0 124 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নবান্নের ১. কেন সঠিক: জীবনানন্দ দাশ রূপসী বাংলা কবিতায় বাংলাদেশকে নবান্নের দেশ হিসেবে অভিহিত করেছেন। নবান্ন মানে নতুন ধানের উৎসব, যা বাংলার শাশ্বত কৃষি সংস্কৃতির সবচেয়ে সুন্দর প্রকাশ। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: জীবনানন্দ দাশ আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি এবং রূপসী বাংলার কবি হিসেবে পরিচিত। তার রূপসী বাংলা কাব্যগ্রন্থের কবিতায় বাংলার প্রকৃতি ও রূপ অতুলনীয়ভাবে ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রূপসী বাংলা কাব্যগ্রন্থের কবিতা। ব্যাখ্যা: এই কাব্যগ্রন্থের প্রতিটি কবিতায় বাংলার মাঠ, নদী, পাখি ও প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্য বর্ণিত হয়েছে। উদাহরণ ২: আবার আসিব ফিরে ধানসিঁড়িটির তীরে। ব্যাখ্যা: এই বিখ্যাত পঙক্তিতে কবির বাংলার প্রকৃতির প্রতি গভীর ভালোবাসা ও জন্মভূমির প্রতি টান প্রকাশ পেয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নবান্নের — এটি সঠিক কারণ কবি বাংলাদেশকে নবান্নের দেশ বলেছেন। B) শালিক ও শঙ্খচিলের — কবি শালিক ও শঙ্খচিলের কথা বলেছেন, তবে নির্দিষ্টভাবে দেশকে শালিক ও শঙ্খচিলের দেশ বলেননি। C) কাকের — কাকের কথা কবিতায় থাকলেও এটি দেশের মূল পরিচিতি হিসেবে ব্যবহৃত হয়নি। D) কার্তিকের — কার্তিকের কষ্টের বা বিষাদের রূপ থাকলেও নবান্নের রূপটি এখানে প্রধান। ৫ মনে রাখার টিপস: জীবনানন্দ দাশের রূপসী বাংলা মানেই নতুন ধানের উৎসব বা নবান্ন। নবান্নের দেশ মনে রাখলে উত্তর ভুল হবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: রূপসী বাংলা কাব্যগ্রন্থের মূল বিষয়বস্তু হলো বাংলার নিসর্গ ও প্রকৃতি। কবি জীবনানন্দ দাশের উপাধি ও তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের নাম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
a কাজের ভাবনা কেন
b কাজ করতে ভাবিও
c ভাবিয়া চিন্তিয়া কাজ কর
d ভাবিয়া করিও কাজ
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ভাবিয়া করিও কাজ ১. কেন সঠিক: - ইংরেজি প্রবাদ বাক্যটির আক্ষরিক ও ভাবানুবাদ হিসেবে 'ভাবিয়া করিও কাজ' প্রবাদটি সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য ও প্রমিত। - ইংরেজি 'Look before you leap' বাক্যাংশের মাধ্যমে কোনো বড় কাজ করার পূর্বে তার পরিণতি ও ঝুঁকি ভালোভাবে চিন্তা করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় প্রবাদ-প্রবচন, যা দীর্ঘকাল ধরে লোকমুখে প্রচলিত হয়ে আসছে। - প্রবাদ-প্রবচন হলো জীবনের নানা অভিজ্ঞতা ও সত্যকে সংক্ষেপে প্রকাশ করার এক ধরনের কাব্যিক ও অর্থবহ শিল্পরূপ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অল্প বিদ্যা ভয়ংকরী ব্যাখ্যা: সামান্য জ্ঞান নিয়ে বেশি পন্ডিতি করা বোঝাতে এই প্রবাদটি ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: চোরে না শোনে ধর্মের কাহিনী ব্যাখ্যা: অসৎ স্বভাবের মানুষকে ভালো উপদেশ দিলেও সে তা শোনে না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাজের ভাবনা কেন — এটি প্রবাদের প্রচলিত ভাবানুবাদ বা সঠিক রূপ নয়। B) কাজ করতে ভাবিও — এটি ব্যাকরণগত ও প্রবাদিকভাবে অসম্পূর্ণ এবং ভুল রূপ। C) ভাবিয়া চিন্তিয়া কাজ কর — এটি অর্থের দিক থেকে মিললেও প্রবাদের প্রমিত বা পরীক্ষামূলক গ্রহণযোগ্য রূপ নয়। D) ভাবিয়া করিও কাজ — এটি সঠিক এবং প্রমিত প্রবাদের বহুল প্রচলিত রূপ। ৫. মনে রাখার টিপস: - ইংরেজি প্রবাদ 'Look' অর্থ তাকানো বা দেখা এবং 'Leap' অর্থ লাফ দেওয়া, অর্থাৎ লাফ দেওয়ার আগে চারপাশ দেখা বা ভাবার কথা বলা হয়েছে, যার বাংলা প্রমিত রূপ 'ভাবিয়া করিও কাজ'। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ইংরেজি প্রবাদের সঠিক বাংলা অনুবাদ বা ভাবার্থ জানতে চাওয়া হয়। - এই ধরনের প্রশ্নে সবসময় প্রমিত ও বহুল ব্যবহৃত রূপটিকে নির্বাচন করতে হবে।

মোট প্রশ্ন (3)

a to
b on
c with
d for
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) to কেন সঠিক: adapt oneself to একটি নির্দিষ্ট ইংরেজি বাকধারা বা গ্রুপ ভার্ব। যার অর্থ হলো পরিবর্তিত পরিস্থিতির সাথে নিজেকে মানিয়ে নেওয়া। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয় বরং সঠিক পছন্দ। B) on — adapt শব্দের পর on প্রিপজিশন বসে না। C) with — এই বাক্যে with ব্যবহার করলে ব্যাকরণগত নিয়ম ভুল হয়। D) for — উদ্দেশ্যের জন্য for ব্যবহৃত হয় কিন্তু এখানে এটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: adapt শব্দের সাথে সবসময় to প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হয়।
a Unianimous
b Unanimous
c Unanomous
d Unianomous
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Unanimous কেন সঠিক: শব্দটির সঠিক বানান হলো Unanimous যার অর্থ সর্বসম্মত বা একমত। এই বানানে ইউ এর পর এন, এ, এন, আই, এম, ও, ইউ, এস বর্ণগুলো ক্রমানুসারে বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Unianimous — এখানে সঠিক বানানের এন বর্ণের আগে একটি অতিরিক্ত আই বর্ণ বসেছে যা ভুল। B) Unanimous — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন কোনো ভুল নেই। C) Unanomous — এখানে সঠিক বানানের আই বর্ণের জায়গায় একটি ভুল ও বর্ণ ব্যবহার করা হয়েছে। D) Unianomous — এখানে আই এবং ও উভয় বর্ণই ভুলভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: বানানটি মনে রাখার জন্য ইউ-না-নি-মা-উস এই ভাগে ভেঙে বারবার লিখে চর্চা করতে পারো।
a I have received your letter just now,
b I have received your letter.
c I just had received your letter.
d Just I have had received your letter.
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) I have received your letter just now, কেন সঠিক: কোনো কাজ এইমাত্র শেষ হয়েছে এবং তার ফল এখনও বর্তমান বোঝালে Present Perfect Tense ব্যবহার করতে হয়। বাক্যে 'এইমাত্র' বোঝাতে মূল verb-এর আগে বা বাক্যের শেষে 'just now' বসাতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সঠিক উত্তর — তাই এটি সঠিক। B) I have received your letter. — এখানে 'just now' না থাকায় অতীতে কাজটি যে এইমাত্র শেষ হয়েছে তা স্পষ্টভাবে বোঝা যাচ্ছে না। C) I just had received your letter. — এখানে Past Perfect Tense ব্যবহার করা হয়েছে যা সাম্প্রতিক অতীতের জন্য সঠিক নয়। D) Just I have had received your letter. — এখানে শব্দের গঠন ভুল এবং অপ্রয়োজনীয়ভাবে 'had' ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: বাক্যে 'এইমাত্র' বা 'just now' থাকলে Subject-এর পর have বা has এবং Verb-এর Past Participle ফর্ম বসে।

মোট প্রশ্ন (3)

a 5
b 9
c 6
d 7
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬ প্রদত্ত তথ্য: ৩০ এবং ৪০ এর মধ্যবর্তী সংখ্যাগুলো বিবেচনা করতে হবে ধরি, ৩০ এবং ৪০ এর মধ্যবর্তী মৌলিক সংখ্যাগুলো ৩১, ৩৭ অতএব, বৃহত্তম মৌলিক সংখ্যাটি হলো ৩৭ ক্ষুদ্রতম মৌলিক সংখ্যাটি হলো ৩১ সুতরাং, সংখ্যা দুটির ব্যবধান হলো ৩৭ − ৩১ উত্তর: ৬
a 1000
b 10000
c ১,০০,০০০
d ১০,০০,০০০
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১০০০০ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সংখ্যা = ১০ দ্বিতীয় সংখ্যা = ১০০ তৃতীয় সংখ্যা = ১০০ চতুর্থ সংখ্যা = ০.১০ ধরি, রাশিমালাটি হলো ১০ × ১০০ × ১০০ × ০.১০ অতএব, প্রথম দুটি সংখ্যার গুণফল = ১০ × ১০০ = ১০০০ পরবর্তী দুটি সংখ্যার গুণফল = ১০০ × ০.১০ = ১০ সুতরাং, প্রাপ্ত মান দুটির গুণফল = ১০০০ × ১০ = ১০০০০ উত্তর: ১০০০০
a 0.0025
b 0.00025
c 2.5E-5
d 0.00125
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ০.০০২৫ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যাটি হলো ০.০০০০০৬২৫ ধরি, মূল সংখ্যাটি দশমিক ভগ্নাংশ আকারে আছে অতএব, দশমিকের পরে মোট আটটি ঘর আছে সুতরাং, বর্গমূল করলে দশমিকের পরে ঘরের সংখ্যা অর্ধেক অর্থাৎ চারটি হবে উত্তর: ০.০০২৫

মোট প্রশ্ন (26)

a চা
b পাট
c তৈরি পোশাক
d তামাক
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) তৈরি পোশাক কেন সঠিক: - বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ের সিংহভাগ আসে তৈরি পোশাক বা আরএমজি খাত থেকে। - আন্তর্জাতিক বাজারে পোশাকের চাহিদা বেশি থাকায় এটি দেশের প্রধান বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী খাত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চা — বাংলাদেশের একটি ঐতিহ্যবাহী কৃষি পণ্য হলেও এটি রপ্তানি আয়ে খুব সামান্য অবদান রাখে। B) পাট — একসময় সোনালী আঁশ খ্যাত পাট প্রধান রপ্তানি পণ্য ছিল, যা বর্তমানে তৈরি পোশাক খাতের অনেক পেছনে রয়েছে। C) তৈরি পোশাক — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। D) তামাক — এটি প্রধান রপ্তানি পণ্য নয় এবং দেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে এর ভূমিকা খুবই নগণ্য। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ বর্তমানে পোশাক রপ্তানিতে বিশ্বে শীর্ষস্থানীয় দেশগুলোর একটি, তাই বৈদেশিক মুদ্রার কথা আসলেই উত্তর হবে তৈরি পোশাক।
a ১৯৯৫ সালে
b ১৯৯৯ সালে
c ২০০৩ সালে
d ২০০৭ সালে
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯৯৯ সালে কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ১৯৯৯ সালে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত সপ্তম ক্রিকেট বিশ্বকাপে প্রথমবার অংশগ্রহণ করে। - এই টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ স্কটল্যান্ড ও শক্তিশালী পাকিস্তানকে পরাজিত করে বিশ্ব ক্রিকেটে নিজেদের আগমনী বার্তা দেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৯৫ সালে — এই বছরে বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্বকাপ ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেনি। B) ১৯৯৯ সালে — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই সালে বাংলাদেশ প্রথম বিশ্বকাপে খেলে। C) ২০০৩ সালে — এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় বিশ্বকাপ ছিল, প্রথমটি নয়। D) ২০০৭ সালে — এই সালে বাংলাদেশ ভারতের বিপক্ষে স্মরণীয় জয় পেলেও এটি তাদের প্রথম বিশ্বকাপ ছিল না। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ শেষ দশকে ক্রিকেট খেলা শুরু করে ১৯৯৯ সালে প্রথম বিশ্বকাপে অংশ নেয়।
a হুমায়ূন আহমেদ
b রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
c কাজী নজরুল ইসলাম
d ইমদাদুল হক মিলন
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ইমদাদুল হক মিলন কেন সঠিক: - 'নূরজাহান' বাংলা সাহিত্যের একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস, যার রচিয়তা কথাসাহিত্যিক ইমদাদুল হক মিলন। - এই উপন্যাসে গ্রামীণ জনপদের সাধারণ মানুষের জীবন সংগ্রাম এবং নারীর সামাজিক অবস্থান ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হুমায়ূন আহমেদ — তিনি একজন জনপ্রিয় ঔপন্যাসিক হলেও 'নূরজাহান' উপন্যাসের রচিয়তা নন, তার বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে 'শঙ্খনীল কারাগার' ও 'গৌরীপুর জংশন'। B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বাংলা সাহিত্যের নোবেলজয়ী কবি ও সাহিত্যিক, তবে 'নূরজাহান' নামে কোনো উপন্যাস তিনি রচনা করেননি। C) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বাংলাদেশের জাতীয় কবি এবং বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত, তবে তিনি মূলত কবিতা ও গান রচনার জন্য বিখ্যাত। D) ইমদাদুল হক মিলন — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি অত্যন্ত সফলভাবে 'নূরজাহান' উপন্যাসটি রচনা করেছেন। মনে রাখার টিপস: ইমদাদুল হক মিলনের শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি মনে রাখতে মনে রাখুন তিনি গ্রামীণ সমাজের দর্পণস্বরূপ 'নূরজাহান' উপন্যাস লিখেছেন।
a আরবের বিভিন্ন দেশে গণজাগরণ
b আরব অঞ্চলের বসন্তকাল
c আরবের মহিলাদের ক্ষমতায়ন
d আরব রাজতন্ত্র
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আরবের বিভিন্ন দেশে গণজাগরণ কেন সঠিক: - ২০১১ সালের দিকে তিউনিসিয়া থেকে শুরু হওয়া মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকার দেশগুলোতে স্বৈরাচারবিরোধী রাজনৈতিক ও সামাজিক গণআন্দোলনকে আরব বসন্ত বলা হয়। - এই আন্দোলনের মূল উদ্দেশ্য ছিল দুর্নীতি দূর করা, অর্থনৈতিক মুক্তি এবং গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আরবের বিভিন্ন দেশে গণজাগরণ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ আরব বসন্ত বলতে মধ্যপ্রাচ্যে গণতন্ত্রের দাবিতে সাধারণ মানুষের গণআন্দোলনকে বোঝায়। B) আরব অঞ্চলের বসন্তকাল — এটি কোনো ঋতু পরিবর্তনের ঘটনা নয়, বরং এটি একটি ঐতিহাসিক রাজনৈতিক আন্দোলন। C) আরবের মহিলাদের ক্ষমতায়ন — এটি এই আন্দোলনের একটি অংশ হতে পারলেও সামগ্রিকভাবে আরব বসন্ত বলতে পুরো অঞ্চলের গণজাগরণকে বোঝায়। D) আরব রাজতন্ত্র — এটি কোনো রাজতন্ত্রের নাম নয়, বরং অনেক রাজতন্ত্রের বিরুদ্ধেও এই গণজাগরণ হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: আরব বসন্ত মানে ফুল ফোটার বসন্ত নয়, এটি আরব বিশ্বে গণতন্ত্রের দাবিতে মানুষের সফল ও ব্যর্থ রাজনৈতিক গণজাগরণ।
a ভ্যাকসিন
b সেবা
c সুরক্ষা
d মায়া
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সুরক্ষা কেন সঠিক: - কভিড-১৯ মহামারির সময়ে দেশের নাগরিকদের টিকাদান কার্যক্রমের নিবন্ধন ও সনদ প্রাপ্তির জন্য এই অনলাইন প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা হয়। - তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ (ICT Division) করোনা টিকাদানের ব্যবস্থাপনা সহজ করতে সুরক্ষা অ্যাপ ও পোর্টালটি প্রস্তুত করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভ্যাকসিন — এটি সরাসরি টিকাদানের ইংরেজি নাম হলেও সরকারিভাবে প্রস্তুতকৃত নির্দিষ্ট কোনো অ্যাপের নাম এটি নয়। B) সেবা — এটি সাধারণ সরকারি সেবামূলক বিভিন্ন খাতের সাথে যুক্ত হতে পারে, তবে নির্দিষ্ট কোনো টিকাদান অ্যাপের নাম নয়। C) সুরক্ষা — এটি সঠিক উত্তর কারণ তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ কভিড-১৯ ভ্যাকসিন ব্যবস্থাপনার জন্য এই নামের প্ল্যাটফর্মটি তৈরি করেছিল। D) মায়া — এটি সাধারণত নারী স্বাস্থ্য ও সচেতনতা বিষয়ক একটি অ্যাপ, যা টিকাদান কর্মসূচির সাথে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: করোনা থেকে নিজেকে সুরক্ষিত রাখতে আমরা যেভাবে টিকা নিয়েছি, সেই টিকা নেওয়ার অ্যাপটির নাম হলো সুরক্ষা।
a ভারত
b পাকিস্তান
c বাংলাদেশ
d নেপাল
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বাংলাদেশ কেন সঠিক: - সুইজারল্যান্ডভিত্তিক সংস্থা আইকিউএয়ার (IQAir) প্রকাশিত বিশ্ব বায়ু মান প্রতিবেদন ২০২০ অনুযায়ী বাংলাদেশ বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত বায়ুর দেশ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছিল। - অতিরিক্ত জনসংখ্যা, ইটভাটা, অনিয়ন্ত্রিত নির্মাণকাজ এবং যানবাহনের কালো ধোঁয়া এই মাত্রাতিরিক্ত বায়ু দূষণের প্রধান কারণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারত — ভারত এই তালিকায় শীর্ষ অবস্থানে না থাকলেও তালিকার অন্যান্য উচ্চ দূষিত দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম ছিল। B) পাকিস্তান — ২০২০ সালের প্রতিবেদনে পাকিস্তানও অত্যন্ত উচ্চ বায়ু দূষণের শিকার হয়েছিল কিন্তু শীর্ষ অবস্থানে ছিল না। C) বাংলাদেশ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। D) নেপাল — নেপালের কিছু শহরের বায়ু দূষিত হলেও দেশটি ২০২০ সালের তালিকার শীর্ষে ছিল না। মনে রাখার টিপস: ২০২০ সালের বায়ু দূষণের বিশ্বমঞ্চে চ্যাম্পিয়ন বা শীর্ষে ছিল আমাদের দেশ বাংলাদেশ।
a বোরাক
b যমুনা
c বুড়িগঙ্গা
d মেঘনা
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মেঘনা কেন সঠিক: - আসামের বরাক নদী থেকে উৎপত্তি লাভ করে সুরমা ও কুশিয়ারা নদী বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে এবং পরবর্তীতে ভৈরববাজারের কাছে মিলিত হয়েছে। - এই দুই নদীর মিলিত স্রোতধারা দক্ষিণ দিকে অগ্রসর হয়ে মেঘনা নদী নামে পরিচিত লাভ করেছে এবং পরিশেষে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বোরাক — এটি কোনো নদী নয়, বরং আসামের বরাক নদীর নাম কিছুটা বিকৃত করে এখানে অপশন হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। B) যমুনা — এটি ব্রহ্মপুত্র নদের নিম্নভাগের নাম, যা ভারতের আসাম থেকে বাংলাদেশে প্রবেশ করে পদ্মার সঙ্গে মিলিত হয়েছে। C) বুড়িগঙ্গা — এটি ধলেশ্বরী নদী থেকে উৎপন্ন একটি প্রাচীন নদী যা ঢাকার পাশ দিয়ে প্রবাহিত হয়ে শীতলক্ষ্যায় মিশেছে। D) মেঘনা — এটি সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর মিলিত স্রোতের সঠিক নাম হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: সুরমা ও কুশিয়ারা মিলে মেঘনা হয়, এটি মনে রাখতে সুরমা (সু) ও কুশিয়ারা (কু) মিলে মেঘনা (মে) হয় অর্থাৎ সুಕುমে সূত্রটি মনে রাখতে পারো।
a ১নং
b ৩ নং
c ১১ নং
d ২নং
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২নং কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল এবং ঢাকা শহর ও এর আশপাশের এলাকা ২নং সেক্টরের অন্তর্ভুক্ত ছিল। - ২নং সেক্টরের প্রধান বা সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর খালেদ মোশাররফ এবং পরবর্তী সময়ে মেজর এ টি এম হায়দার। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১নং — এই সেক্টরটি চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম এবং নোয়াখালী জেলার কিছু অংশ নিয়ে গঠিত ছিল। B) ৩ নং — এই সেক্টরটি মূলত হবিগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, আখাউড়া ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া এলাকার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত ছিল। C) ১১ নং — এই সেক্টরটি টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ এবং সিরাজগঞ্জ জেলার কিছু অংশ নিয়ে গঠিত ছিল। D) ২নং — এই অপশনটি সঠিক কারণ ঢাকা শহর ও তার আশপাশের অঞ্চল এই সেক্টরের অধীনে পরিচালিত হতো। মনে রাখার টিপস: ঢাকা দুই অক্ষরের শব্দ, তাই মনে রাখবে ঢাকা সবসময় ২নং সেক্টরের অধীন ছিল।
a Ctrl + P
b Ctrl + V
c Ctrl + C
d Ctrl + X
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Ctrl + V কেন সঠিক: - কিবোর্ডের মাধ্যমে কপি বা কাট করা কোনো টেক্সট বা ফাইল নির্ধারিত স্থানে বসাতে বা পেস্ট করতে Ctrl + V কমান্ড ব্যবহার করা হয়। - এটি কম্পিউটারে লেখালেখির কাজের সময় সর্বাধিক ব্যবহৃত শর্টকাট কমান্ডগুলোর একটি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Ctrl + P — এই কমান্ডটি কম্পিউটারে চলমান ডকুমেন্ট বা পেজ প্রিন্ট করার জন্য ব্যবহৃত হয়। B) Ctrl + V — এটি পেস্ট করার সঠিক কমান্ড হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) Ctrl + C — এই কমান্ডটি সিলেক্ট করা টেক্সট বা ফাইল কপি করার কাজে ব্যবহৃত হয়। D) Ctrl + X — এই কমান্ডটি সিলেক্ট করা টেক্সট বা ফাইল কাট বা স্থানান্তরের জন্য ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি Paste শব্দের শেষের অক্ষর V-কে মনে রেখে Ctrl + V শর্টকাটটি সহজে yaad রাখা যায়।
a 2021
b 2024
c 2025
d 2026
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২০২৬ কেন সঠিক: - জাতিসংঘ কর্তৃক নির্ধারিত মানদণ্ড অর্জন করায় বাংলাদেশ ২০২১ সালে এলডিসি থেকে উত্তরণের চূড়ান্ত সুপারিশ লাভ করে। - কোভিড মহামারীর কারণে উত্তরণের সময়সীমা দুই বছর বাড়িয়ে ২০২৬ সালের নভেম্বর মাসে নির্ধারণ করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০২১ — এই সালে বাংলাদেশ এলডিসি থেকে উত্তরণের চূড়ান্ত সুপারিশ লাভ করে, কিন্তু উত্তরণ ঘটে না। B) ২০২৪ — এই সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের মূল পরিকল্পনা অনুযায়ী উত্তরণের কথা থাকলেও তা স্থগিত করা হয়। সি) ২০২৫ — এই সালটি বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণের নির্ধারিত কোনো আনুষ্ঠানিক বছর নয়। D) ২০২৬ — এই সালে বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে স্বল্পোন্নত দেশ (LDC) থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হবে। মনে রাখার টিপস: উত্তরণের সুপারিশ পাওয়ার বছর (২০২১) এর সাথে পাঁচ বছর যোগ করলেই চূড়ান্ত উত্তরণের বছর (২০২৬) পাওয়া যায়।
a ক্রিকেট খেলায়
b অর্থনীতিতে
c রাগবি খেলায়
d সংসদীয় কার্যক্রমে
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রাগবি খেলায় কেন সঠিক: - রাগবি খেলায় কোনো খেলোয়াড় গুরুতর ইনজুরিতে পড়লে বা খেলা চালিয়ে যেতে অসমর্থ হলে তাকে মাঠের বাইরে নিয়ে যাওয়ার জন্য 'বেইল আউট' শব্দটি ব্যবহার করা হয়। - এই শব্দটির মূল অর্থ কোনো কঠিন পরিস্থিতি বা সংকট থেকে কাউকে নিরাপদে উদ্ধার করা বা বের করে আনা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক্রিকেট খেলায় — ক্রিকেট খেলায় উইকেটের ওপর থাকা কাঠের টুকরোগুলোকে বেলস বলা হয়, যা বেইল আউট নয়। B) অর্থনীতিতে — অর্থনীতিতে কোনো আর্থিক সংকটগ্রস্ত প্রতিষ্ঠান বা দেশকে আর্থিক সহায়তা দিয়ে বাঁচানোকে বেলআউট বলা হয়, যা খেলার পরিভাষা নয়। D) সংসদীয় কার্যক্রমে — সংসদীয় কার্যক্রমে আইন পাস বা বিতর্ক সংক্রান্ত পরিভাষা ব্যবহৃত হয়, বেইল আউট এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: রাগবি খেলায় আহত খেলোয়াড়কে মাঠের বাইরে বের করে আনা বা বাঁচানোর প্রক্রিয়াকেই বেইল আউট বলা হয়।
a উৎপাদন বৃদ্ধি
b রপ্তানি বৃদ্ধি
c আমদানি বৃদ্ধি ক
d মুদ্রার যোগান বৃদ্ধি
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মুদ্রার যোগান বৃদ্ধি কেন সঠিক: - বাজারে পণ্যের পরিমাণের তুলনায় অর্থের সরবরাহ বা মুদ্রার যোগান অতিরিক্ত বৃদ্ধি পেলে মুদ্রাস্ফীতি ঘটে। - মুদ্রার যোগান বাড়লে মানুষের হাতে অর্থ বেশি থাকে, যার ফলে পণ্যের সামগ্রিক চাহিদা বৃদ্ধি পায় এবং দাম বেড়ে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) উৎপাদন বৃদ্ধি — উৎপাদন বাড়লে পণ্যের সরবরাহ বৃদ্ধি পায়, যা সাধারণত পণ্যের দাম কমিয়ে মুদ্রাস্ফীতি কমাতে সাহায্য করে। B) রপ্তানি বৃদ্ধি — রপ্তানি বাড়লে দেশের ভেতরে পণ্যের পরিমাণ কমে যেতে পারে তবে এটি সরাসরি মুদ্রাস্ফীতির প্রধান কারণ নয়। C) আমদানি বৃদ্ধি — আমদানি বৃদ্ধি পেলে দেশের বাজারে পণ্যের সরবরাহ বাড়ে, যা মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। D) মুদ্রার যোগান বৃদ্ধি — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাজারে টাকার পরিমাণ বাড়লে অর্থের মূল্য কমে যায় এবং জিনিসপত্রের দাম বাড়ে। মনে রাখার টিপস: হাতে টাকা বেশি, পণ্যের দাম বেশি—এই নীতি মনে রাখলেই মুদ্রাস্ফীতির মূল কারণ সহজেই মনে থাকবে।
a Bangladesh International Development Authority
b Bangladesh Investment Development Authority
c Bangladesh Investment Development Access
d Bangladesh Investment Developing Authority
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Bangladesh Investment Development Authority কেন সঠিক: - এটি বাংলাদেশে বিনিয়োগ বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে গঠিত প্রধান সরকারি সংস্থা। - ২০১৬ সালে তৎকালীন বোর্ড অব ইনভেস্টমেন্ট এবং প্রাই privatization কমিশন একীভূত হয়ে এটি গঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Bangladesh International Development Authority — আন্তর্জাতিক উন্নয়নের জন্য এমন কোনো নির্দিষ্ট সরকারি সংস্থা বাংলাদেশে নেই। B) Bangladesh Investment Development Authority — এটি সঠিক কারণ এটি দেশের বিনিয়োগ উন্নয়নের মূল সরকারি কর্তৃপক্ষ। C) Bangladesh Investment Development Access — এটি কোনো দাপ্তরিক বা প্রতিষ্ঠিত সংস্থার নাম নয়। D) Bangladesh Investment Developing Authority — এই নামের শেষে Developing শব্দটি ভুল, সঠিক শব্দটি Development। মনে রাখার টিপস: নামটি মনে রাখতে 'বিনিময়' বা 'বিনিয়োগ' শব্দের ইংরেজি রূপ Investment Development Authority মনে রাখুন।
a ডেভিড রিকার্ডো
b অ্যাডাম স্মিথ
c এরিস্টটল
d বব কলিনস
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অ্যাডাম স্মিথ কেন সঠিক: - অ্যাডাম স্মিথকে আধুনিক অর্থনীতির জনক বলা হয় এবং তিনি ক্লাসিক্যাল অর্থনীতির ধারা সৃষ্টি করেছিলেন। - ১৭৭৬ সালে প্রকাশিত তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ দ্য ওয়েলথ অফ নেশনস গ্রন্থে তিনি মুক্তবাজার অর্থনীতি ও অর্থনৈতিক উদারতাবাদের মূল নীতি তুলে ধরেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডেভিড রিকার্ডো — তিনি ক্লাসিক্যাল অর্থনীতির একজন গুরুত্বপূর্ণ প্রবক্তা হলেও তুলনামূলক সুবিধা তত্ত্ব ও খাজনা তত্ত্বের জন্য বেশি পরিচিত। B) অ্যাডাম স্মিথ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং তিনি ক্লাসিক্যাল অর্থনীতি ও মুক্তবাজার অর্থনীতির মূল প্রবর্তক। C) এরিস্টটল — তিনি প্রাচীন গ্রিক দার্শনিক যিনি মূলত রাজনীতি, নীতিশাস্ত্র ও মূল্য তত্ত্ব নিয়ে আলোচনা করেছেন, আধুনিক মুক্তবাজার অর্থনীতি নিয়ে নন। D) বব কলিনস — তিনি এই অর্থনৈতিক ধারার সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো বিখ্যাত অর্থনীতিবিদ নন। মনে রাখার টিপস: মুক্তবাজার অর্থনীতি ও আধুনিক অর্থনীতির কথা মনে এলেই অ্যাডাম স্মিথ এবং ১৭৭৬ সালের দ্য ওয়েলথ অফ নেশনস গ্রন্থটির কথা স্মরণ করবে।
a আন্তর্জাতিক বাজারে
b ভুয়া শেয়ার
c শেয়ার বাজারে
d খুচরা বাজারে
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শেয়ার বাজারে কেন সঠিক: - ব্লু চিপ বলতে শেয়ার বাজারে তালিকাভুক্ত অত্যন্ত লাভজনক, আর্থিক দিক থেকে শক্তিশালী ও নির্ভরযোগ্য বড় কোম্পানির শেয়ারকে বোঝায়। - এই ধরনের কোম্পানির নিয়মিত লভ্যাংশ প্রদানের দীর্ঘ ইতিহাস থাকে এবং বাজারে এদের সুনাম ও স্থায়িত্ব অত্যন্ত বেশি থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আন্তর্জাতিক বাজারে — আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বা বৈশ্বিক বাজারে লেনদেনের ক্ষেত্রে এই শব্দটি প্রথাগতভাবে প্রধান অর্থ হিসেবে ব্যবহৃত হয় না। B) ভুয়া শেয়ার — ভুয়া বা জাল শেয়ার বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয় না, বরং ব্লু চিপ হলো সবচেয়ে নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ শেয়ার। D) খুচরা বাজারে — খুচরা বা রিটেইল বাজারের সাধারণ পণ্য কেনাবেচার সঙ্গে এই আর্থিক পরিভাষার কোনো সরাসরি সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: বড়, লাভজনক ও নিরাপদ কোম্পানি মানেই শেয়ার বাজারের ব্লু চিপ শেয়ার।
a World Intelligence Property Organization
b World Intellectual Property Organization
c World Intellectual Prosperity Organization
d World Interregional Property Organization
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) World Intellectual Property Organization কেন সঠিক: - এটি জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা যা বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পত্তি সুরক্ষার জন্য কাজ করে। - মেধাসম্পদ ও উদ্ভাবন রক্ষায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করা এর মূল কাজ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) World Intelligence Property Organization — Intelligence শব্দটির অর্থ বুদ্ধিমত্তা, যা এই সংস্থার নামের সঠিক শব্দ নয়। B) World Intellectual Property Organization — এটি এই সংস্থার আসল ও নিবন্ধিত নাম এবং এটিই সঠিক উত্তর। C) World Intellectual Prosperity Organization — Prosperity শব্দটির অর্থ সমৃদ্ধি, যা সংস্থার অফিসিয়াল নামের সাথে মেলে না। D) World Interregional Property Organization — Interregional শব্দটির অর্থ আন্তঃআঞ্চলিক, যা সঠিক নাম নয়। মনে রাখার টিপস: নামটি মনে রাখতে Intellectual শব্দটির দিকে খেয়াল রাখবে যার অর্থ বুদ্ধিবৃত্তিক বা মেধাসম্পদ।
a ১৭টি
b ৭টি
c ২৭টি
d ৮টি
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৭টি কেন সঠিক: - টেকসই উন্নয়নের জন্য জাতিসংঘ ২০১৫ সালে ১ শত ১৭টি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। - বিশ্বব্যাপী ক্ষুধা দূরীকরণ, দারিদ্র্য বিমোচন এবং পরিবেশ সুরক্ষার জন্য এই ১৭টি লক্ষ্য ঠিক করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৭টি — এটি প্রশ্ন অনুযায়ী সঠিক উত্তর কারণ জাতিসংঘ নির্ধারিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যের মোট সংখ্যা ১৭। B) ৭টি — এটি ভুল কারণ ৭টি লক্ষ্য বা অন্য কোনো ছোট সংখ্যা টেকসই উন্নয়নের মূল কাঠামোর সাথে মিলে না। C) ২৭টি — এটি ভুল কারণ এসডিজি বা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যের সংখ্যা ২৭টি নয়, মাত্র ১৭টি। D) ৮টি — এটি ভুল কারণ ৮টি লক্ষ্য ছিল পূর্ববর্তী সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য বা এমডিজি এর সংখ্যা। মনে রাখার টিপস: সহস্রাব্দ উন্নয়নের লক্ষ্য ছিল ৮টি আর তার পরের টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্য হলো ১৭টি।
a ব্যাংক এশিয়া লিমিটেড
b ডাচ-বাংলা ব্যাংক লিমিটেড
c সোনালী ব্যাংক লিমিটেড
d জনতা ব্যাংক লিমিটেড
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ডাচ-বাংলা ব্যাংক লিমিটেড কেন সঠিক: - ডাচ-বাংলা ব্যাংক লিমিটেড বাংলাদেশে প্রথম মোবাইল ব্যাংকিং সেবা বা প্রবর্তক হিসেবে ২০১১ সালের মার্চ মাসে নেক্সাস মোবাইল ব্যাংকিং (পরবর্তীতে রকেট) চালু করে। - এটি বাংলাদেশে আর্থিক অন্তর্ভুক্তিতে বিপ্লব ঘটায় এবং সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় ব্যাংকিং সেবা পৌঁছে দেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্যাংক এশিয়া লিমিটেড — এটি পরবর্তীতে মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু করলেও প্রথম নয়। B) ডাচ-বাংলা ব্যাংক লিমিটেড — এটি সঠিক উত্তর। C) সোনালী ব্যাংক লিমিটেড — এটি রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক হলেও প্রথম মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু করেনি। D) জনতা ব্যাংক লিমিটেড — এটি একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক এবং প্রথম মোবাইল ব্যাংকিং প্রবর্তক নয়। মনে রাখার টিপস: ডাচ মানে প্রথম, তাই বাংলাদেশে প্রথম মোবাইল ব্যাংকিং সেবা ডাচ-বাংলা ব্যাংক চালু করেছিল।
a বাণিজ্যিক ব্যাংক
b বিনিয়োগ ব্যাংক
c কেন্দ্রীয় ব্যাংক
d অর্থ মন্ত্রণালয়
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কেন্দ্রীয় ব্যাংক কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ব্যাংক সরকারের পক্ষে ট্রেজারি বিল ও ট্রেজারি বন্ড ইস্যু এবং ব্যবস্থাপনা করে থাকে। - এটি সরকারের ঋণ ব্যবস্থাপনা ও মুদ্রাবাজার নিয়ন্ত্রণের একটি প্রধান হাতিয়ার। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাণিজ্যিক ব্যাংক — বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো ট্রেজারি বিল ইস্যু করে না, বরং এরা কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে এগুলো ক্রয় করে থাকে। B) বিনিয়োগ ব্যাংক — বিনিয়োগ ব্যাংক দীর্ঘমেয়াদী শিল্প অর্থায়নে কাজ করে, সরকারি সিকিউরিটিজ বা ট্রেজারি বিল ইস্যু করে না। C) কেন্দ্রীয় ব্যাংক — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। D) অর্থ মন্ত্রণালয় — অর্থ মন্ত্রণালয় বাজেট ও অর্থনৈতিক নীতিমালা প্রণয়ন করে, তবে সরাসরি ট্রেজারি বিল বা সিকিউরিটিজ ইস্যু করে না। মনে রাখার টিপস: সরকারের যাবতীয় সিকিউরিটিজ ও ট্রেজারি বিল ইস্যু করার একমাত্র দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান হলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
a Bangladesh Securities and Exchange Commission
b Bangladesh Bank
c Ministry of Commerce
d Ministry of Finance
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Bangladesh Securities and Exchange Commission কেন সঠিক: - বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন দেশের পুঁজিবাজার বা শেয়ার বাজারের মূল নীতিনর্ধারক ও নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ হিসেবে কাজ করে। - এটি ১৯৯৩ সালের আইন দ্বারা গঠিত হয় এবং বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষা ও বাজারের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Bangladesh Securities and Exchange Commission — এটি দেশের শেয়ার বাজার নিয়ন্ত্রণকারী একমাত্র সরকারি কর্তৃপক্ষ। B) Bangladesh Bank — এটি বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক, যা দেশের মুদ্রানীতি এবং ব্যাংকিং খাত নিয়ন্ত্রণ করে, শেয়ার বাজার নয়। C) Ministry of Commerce — এটি দেশের অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য নীতি প্রণয়ন এবং তত্ত্বাবধান করে থাকে। D) Ministry of Finance — এটি সরকারের সামগ্রিক অর্থনৈতিক নীতি ও বাজেট প্রণয়ন করে, তবে সরাসরি শেয়ার বাজার নিয়ন্ত্রণ করে না। মনে রাখার টিপস: শেয়ার বাজার বা সিকিউরিটিজ বাজারের নিয়ন্ত্রক হলো এসইসি বা BSEC।
a ফিন্যান্সিয়াল অ্যাকাউন্টিং
b কস্ট অ্যাকাউন্টিং
c মার্কেটিং
d অর্থনীতি
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কস্ট অ্যাকাউন্টিং কেন সঠিক: - কস্ট অ্যাকাউন্টিং বা পরিব্যয় হিসাববিজ্ঞানের মূল কাজ হলো কোনো পণ্য বা সেবা উৎপাদনে কত খরচ হচ্ছে তা নির্ধারণ করা এবং সেই ব্যয় নিয়ন্ত্রণ করা। - এটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনার জন্য প্রস্তুত করা হয় যাতে অপচয় কমিয়ে উৎপাদন খরচ কমানো যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফিন্যান্সিয়াল অ্যাকাউন্টিং — এটি মূলত প্রতিষ্ঠানের বাহ্যিক ব্যবহারকারীদের জন্য আর্থিক ফলাফল ও আর্থিক অবস্থা প্রকাশ করে, ব্যয় নিয়ন্ত্রণ এর প্রধান ক্ষেত্র নয়। B) কস্ট অ্যাকাউন্টিং — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) মার্কেটিং — এটি পণ্যের প্রচার, প্রসার, বিক্রয় এবং ক্রেতার চাহিদা পূরণের সাথে সম্পর্কিত, উৎপাদন ব্যয় নিয়ন্ত্রণের সাথে নয়। D) অর্থনীতি — এটি সমাজের সম্পদ বণ্টন ও সামগ্রিক অর্থনৈতিক কার্যকলাপ নিয়ে আলোচনা করে, যা নির্দিষ্ট কোনো প্রতিষ্ঠানের উৎপাদন ব্যয় নিয়ন্ত্রণের হিসাব নয়। মনে রাখার টিপস: কস্ট মানে খরচ, তাই কস্ট অ্যাকাউন্টিং বা পরিব্যয় হিসাববিজ্ঞান সরাসরি উৎপাদন খরচ ও ব্যয় নিয়ন্ত্রণের সাথে যুক্ত।
a সুদের হার কমিয়ে দেবে
b অর্থ সরবরাহ বাড়িয়ে দেবে
c ব্যাংক হার বাড়িয়ে দেবে
d ডেবিট/ঋণ বাড়িয়ে দেবে
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ব্যাংক হার বাড়িয়ে দেবে কেন সঠিক: - মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের জন্য বাজারে অর্থের সরবরাহ কমানো প্রয়োজন হয়, তাই কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর জন্য ব্যাংক হার বা ঋণের সুদের হার বাড়িয়ে দেয়। - ব্যাংক হার বাড়লে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে কম ঋণ নেয় এবং সাধারণ মানুষকেও উচ্চ সুদের হারে ঋণ দেয়, ফলে বাজারে মুদ্রার প্রবাহ কমে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুদের হার কমিয়ে দেবে — সুদের হার কমালে বাজারে ঋণের চাহিদা ও অর্থের সরবরাহ বাড়ে, যা মুদ্রাস্ফীতিকে আরও বাড়িয়ে দেয়। B) অর্থ সরবরাহ বাড়িয়ে দেবে — অর্থ সরবরাহ বাড়ালে মানুষের হাতে অতিরিক্ত টাকা চলে আসে এবং জিনিসপত্রের দাম আরও বেড়ে যায়। C) ব্যাংক হার বাড়িয়ে দেবে — এটি সঠিক পদক্ষেপ, কারণ এর মাধ্যমে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর ঋণ দেওয়ার ক্ষমতা হ্রাস পায় এবং মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রিত হয়। D) ডেবিট/ঋণ বাড়িয়ে দেবে — ঋণ বা ডেবিট বাড়ালে জনগণের ব্যয়ের ক্ষমতা বাড়ে, যা মুদ্রাস্ফীতি হ্রাসের পরিবর্তে পরিস্থিতির অবনতি ঘটায়। মনে রাখার টিপস: মুদ্রাস্ফীতি কমানোর সহজ নিয়ম হলো সবকিছু চড়া বা বেশি করা; যেমন সুদের হার বা ব্যাংক হার বাড়িয়ে দেওয়া।
a বইয়ের দু'টি দিকের জন্য এন্ট্রি
b দু'টি তারিখে এন্ট্রি
c লেনদেনের দু'টি দিক এন্ট্রি
d উপরের সবগুলো
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: অর্থনীতি ও ব্যবসায়বিষয়ক ধারণা সঠিক উত্তর: C) লেনদেনের দু'টি দিক এন্ট্রি কেন সঠিক: - ডাবল এন্ট্রি বা দ্বতরফা দাখিলা পদ্ধতিতে প্রতিটি লেনদেনের সমপরিমাণ টাকার সুবিধা গ্রহণকারী ডেবিট এবং সুবিধা প্রদানকারী ক্রেডিট হয়। - ইতালীয় গণিতবিদ লুকা প্যাসিওলি ১৪৯৪ সালে হিসাববিজ্ঞানের এই দ্বৈত সত্তা বা দু'টি দিকের মূলনীতি প্রবর্তন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বইয়ের দু'টি দিকের জন্য এন্ট্রি — এটি ভুল কারণ হিসাবের খাতা বা বইয়ের দিক নয়, বরং প্রতিটি অর্থনৈতিক লেনদেনের দু'টি পক্ষ বা দিক রেকর্ড করা বোঝায়। B) দু'টি তারিখে এন্ট্রি — এটি ভুল কারণ দ্বতরফা দাখিলা পদ্ধতিতে লেনদেন সংঘটিত হওয়ার তারিখ একটিই থাকে, দু'টি তারিখের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। C) লেনদেনের দু'টি দিক এন্ট্রি — এটি সঠিক কারণ এই পদ্ধতিতে প্রতিটি লেনদেনের ডেবিট ও ক্রেডিট এই দু'টি দিক বা পক্ষ সমান অংকে লিপিবদ্ধ করা হয়। D) উপরের সবগুলো — এটি ভুল কারণ শুধু সি নম্বর অপশনটি সঠিক এবং বাকি অপশনগুলো ভুল। মনে রাখার টিপস: দ্বতরফা দাখিলা মানেই লেনদেনের দুটি দিক, যেখানে এক পক্ষ ডেবিট এবং অন্য পক্ষ সমপরিমাণ টাকায় ক্রেডিট হয়।
a সাধারণ শেয়ারহোল্ডারগণ
b অগ্রাধিকার শেয়ারহোল্ডারগণ
c ডিবেঞ্চারধারীগণ
d সুরক্ষিত পাওনাদারগণ
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সাধারণ শেয়ারহোল্ডারগণ কেন সঠিক: - বোনাস শেয়ার হলো কোম্পানির অর্জিত মুনাফার একটি অংশ, যা নতুন শেয়ার হিসেবে বিদ্যমান সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের মধ্যে বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়। - কোম্পানির মালিকানায় সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের অংশীদারিত্ব বা অনুপাত অপরিবর্তিত রাখতে লভ্যাংশ হিসেবে নগদ টাকার বদলে এই শেয়ার দেওয়া হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাধারণ শেয়ারহোল্ডারগণ — এই অপশনটি সঠিক কারণ কোম্পানির প্রকৃত মালিক বা সাধারণ শেয়ারহোল্ডারগণই কেবল লভ্যাংশ হিসেবে বোনাস শেয়ার পাওয়ার অধিকার রাখেন। B) অগ্রাধিকার শেয়ারহোল্ডারগণ — এরা একটি নির্দিষ্ট হারে লভ্যাংশ পান এবং কোম্পানির অতিরিক্ত মুনাফা বা বোনাস শেয়ারের ওপর সাধারণত তাদের কোনো অধিকার থাকে না। C) ডিবেঞ্চারধারীগণ — এরা কোম্পানির শেয়ারহোল্ডার নন, বরং নির্দিষ্ট সুদের বিনিময়ে কোম্পানিকে ঋণদানকারী ঋণদাতা বা পাওনাদার। D) সুরক্ষিত পাওনাদারগণ — এরা কোম্পানির ব্যবসার বিভিন্ন মালামাল বা সেবামূলক লেনদেনের জামানতযুক্ত পাওনাদার, যাদের সঙ্গে লভ্যাংশ বা বোনাস শেয়ারের কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: বোনাস শেয়ার কেবল কোম্পানির মূল মালিক অর্থাৎ সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদেরই প্রদান করা হয়।
a ১৪টি
b ৭টি
c ১২টি
d ৮টি
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৪টি কেন সঠিক: - হেনরি ফেওল আধুনিক ব্যবস্থাপনার জনক হিসেবে পরিচিত এবং তিনি প্রশাসনিক তত্ত্বের অধীনে ব্যবস্থাপনার মোট চৌদ্দটি মূলনীতি প্রদান করেছেন। - এই চৌদ্দটি মূলনীতি প্রাতিষ্ঠানিক দক্ষতা বৃদ্ধি এবং সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনার জন্য বিশ্বজুড়ে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৪টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ হেনরি ফেওল প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থাপনার জন্য সুনির্দিষ্টভাবে চৌদ্দটি মূলনীতি নির্ধারণ করেছেন। B) ৭টি — এই সংখ্যাটি হেনরি ফেওলের ব্যবস্থাপনার মূলনীতির সঙ্গে মেলে না এবং এটি ভুল উত্তর। C) ১২টি — ব্যবস্থাপনার মূলনীতি হিসেবে ১২টি সংখ্যাটি বৈজ্ঞানিক বা প্রশাসনিক তত্ত্বে প্রামাণ্য নয়। D) ৮টি — এই সংখ্যাটি কোনো স্বীকৃত প্রশাসনিক তাত্ত্বিকের ব্যবস্থাপনার মূলনীতির পরিমাণের সঙ্গে মিল নেই। মনে রাখার টিপস: হেনরি ফেওলের নামের শেষ অংশ ফওল শব্দটিকে চৌদ্দ সংখ্যার সঙ্গে মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন যে ফেওলের মূলনীতি সবসময় চৌদ্দটি হয়।
a Mary Parkell
b Henry Fayol
c Lithan Gilbreth
d F. W. Taylor
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) F. W. Taylor কেন সঠিক: - ফ্রেডেরিক উইন্সলো টেলর শিল্প প্রতিষ্ঠানে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির জন্য বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থাপনার ধারণা দেন। - ১৯১১ সালে প্রকাশিত তাঁর 'দ্য প্রিন্টিপল অব সায়েন্টিফিক ম্যানেজমেন্ট' গ্রন্থটি এই তত্ত্বের মূল ভিত্তি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Mary Parkell — এটি মূলত মেরি পার্কার ফলেট (Mary Parker Follet)-এর নামের ভুল বানান, যিনি আধুনিক ব্যবস্থাপনার একজন প্রবক্তা হলেও বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থাপনার জনক নন। B) Henry Fayol — তিনি আধুনিক ব্যবস্থাপনা তত্ত্বের জনক এবং প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনার ধারণার প্রবক্তা, বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থাপনার নন। C) Lithan Gilbreth — গিলব্রথ দম্পতি কার্য অধ্যয়ন এবং গতি অধ্যয়নের সাথে যুক্ত ছিলেন, তবে তাঁরা বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থাপনার জনক নন। D) F. W. Taylor — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: টেলর (Taylor) মানেই টেইলর বা দর্জি, যিনি বৈজ্ঞানিক মাপে কাপড় কাটেন, তাই তিনি 'বৈজ্ঞানিক-ব্যবস্থাপনা'-এর জনক।