সঠিক উত্তর: A) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
১. কেন সঠিক:
- সত্যেন্দ্রনাথ দত্তকে বাংলা কাব্যে ছন্দ ও শব্দ চয়ন কৌশলে অনন্য অবদানের জন্য ছন্দের জাদুকর বলা হয়।
- বিভিন্ন বিদেশি ভাষার শব্দ ও ভাব বাংলা ছন্দে অত্যন্ত সফলভাবে প্রয়োগ করার ক্ষেত্রে তিনি অপ্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত ১৮৮২ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯২২ সালে মৃত্যুবরণ করেন।
- তিনি তার বৈচিত্র্যময় শব্দ ব্যবহার এবং লয়রীতির সুনিপুণ প্রয়োগের জন্য বাংলা সাহিত্যে অমর হয়ে আছেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কুহু ও কেকা
ব্যাখ্যা: এটি সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের একটি অত্যন্ত বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা তার ছন্দ ও শব্দের জাদুকরী ব্যবহারের জন্য পরিচিত।
উদাহরণ ২: বেলা শেষের গান
ব্যাখ্যা: এটিও সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের একটি উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ যা তার সাহিত্যিক প্রতিভার পরিচয় বহন করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত — এটি সঠিক উত্তর কারণ তাকেই বাংলা সাহিত্যে ছন্দের জাদুকর উপাধিতে ভূষিত করা হয়েছে।
B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের প্রধান পুরুষ হলেও তাকে বিশ্বকবি বা গুরুদেব বলা হয়, ছন্দের জাদুকর নয়।
C) হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় — হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় একজন প্রখ্যাত কবি হলেও তাকে মহাকাব্যের ধারায় স্মরণ করা হয়, ছন্দের জাদুকর বলা হয় না।
D) কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার — কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার একজন বিখ্যাত নৈতিকতাবাদী কবি ও প্রাবন্ধিক যিনি 'সদভাবশত শতক' রচনার জন্য পরিচিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের নামের সাথে ছন্দ শব্দটি যুক্ত করে মনে রাখতে পারো যে তিনিই ছন্দের জাদুকর।
- কবি সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত এবং তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ কুহু ও কেকা একত্রে মনে রাখা পরীক্ষার জন্য খুব কার্যকর।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাহিত্যিকদের উপাধি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- বিভিন্ন কবির উপাধি যেমন ছন্দের জাদুকর, পল্লীকবি বা স্বভাবকবি ভালোভাবে মুখস্থ রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: B) ততঃ + অধিক
১. কেন সঠিক:
- এটি বিসর্গ সন্ধির একটি বিশেষ নিয়মের আওতাভুক্ত, যেখানে বিসর্গের সঙ্গে স্বরধ্বনির মিলনে সন্ধি সাধিত হয়েছে।
- এখানে প্রথম পদের শেষে থাকা বিসর্গ (ঃ) এবং দ্বিতীয় পদের শুরুতে থাকা অ-কার মিলে ও-কার (ো) এ রূপান্তরিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী বিসর্গের পর স্বরধ্বনি বা ব্যঞ্জনধ্বনি থাকলে বিসর্গ রূপান্তরিত হয়ে ও-কার হয়।
- ততঃ যুক্ত অধিক শব্দটিতে বিসর্গের আগের অ-কার এবং বিসর্গ মিলে ও-কার হয়ে ততোধিক শব্দটি গঠন করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অধঃ + গতি = অধোগতি
ব্যাখ্যা: এখানে বিসর্গের পূর্বে অ-কার থাকায় এবং পরে গ (তৃতীয় বর্ণ) থাকায় বিসর্গ ও-কারে পরিণত হয়েছে।
উদাহরণ ২: বয়ঃ + অধিক = বয়োধিক
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও বিসর্গ সন্ধির নিয়মে বিসর্গ ও-কারে রূপান্তরিত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তত + অধিক — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে বিসর্গ চিহ্ন ব্যবহার করা হয়নি, যা সঠিক সন্ধির নিয়মের পরিপন্থী।
B) ততঃ + অধিক — এটি সঠিক অপশন এবং নিয়ম অনুযায়ী এই সন্ধি বিচ্ছেদটি সম্পূর্ণ নির্ভুল।
C) ততো + অধিক — এই অপশনটি ভুল কারণ সন্ধির পূর্বে মূল পদে ততো থাকতে পারে না, মূল পদ ততঃ হয়।
D) কোনোটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশন বি তে বিদ্যমান, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বিসর্গ সন্ধির ক্ষেত্রে মনে রাখবে বিসর্গযুক্ত পদের সঙ্গে অ-কার যুক্ত পদ মিললে বিসর্গটি ও-কারে পরিবর্তিত হয়।
- ততঃ এবং অধিক মিলে ততোধিক গঠিত হয়, যা প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসর্গ সন্ধি চেনার জন্য বিসর্গ চিহ্ন (ঃ) এর ব্যবহার ভালোভাবে লক্ষ্য করতে হবে।
- এই ধরনের সন্ধি বিচ্ছেদের ক্ষেত্রে পদের মূল রূপ এবং সন্ধির পরের অংশ চিনে রাখা আবশ্যক।
সঠিক উত্তর: C) পুনরুজ্জীবন
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরটিতে বাংলা বানানরীতির সঠিক প্রয়োগ ঘটেছে এবং এখানে মূর্ধন্য ণ এর পরিবর্তে দন্ত্য ন ব্যবহৃত হয়েছে।
- পুনরুজ্জীবন শব্দটির অর্থ হলো আবার জীবন দান করা বা নতুন করে প্রাণ ফিরে পাওয়া।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী তৎসম বা সংস্কৃত শব্দে সাধারণ নিয়মেই দন্ত্য ন ব্যবহৃত হয় এবং ট বর্গীয় ধ্বনির পূর্বে মূর্ধন্য ণ বসে।
- এই শব্দটিতে কোনো ট বর্গীয় ধ্বনি না থাকায় এবং এটি অতৎসম বা বিদেশী শব্দ না হওয়ায় এখানে শেষাংশে দন্ত্য ন বসেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পুনরুত্থান
ব্যাখ্যা: পুনরুত্থান শব্দটিতেও দন্ত্য ন এর নিয়ম অনুসৃত হয়েছে এবং এটি একটি বহুল ব্যবহৃত শুদ্ধ তৎসম শব্দ।
উদাহরণ ২: পুনর্গঠন
ব্যাখ্যা: পুনর্গঠন শব্দটিতে গঠ ধাতু যুক্ত হয়ে গঠিত হয়েছে এবং এখানেও বানানরীতি সঠিক রাখা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পুনরুজ্জীবন — এই অপশনটি সঠিক উত্তরের অনুরূপ এবং এখানে মুদ্রণজনিত কারণে একই বানান দুবার এসেছে।
B) পুনরুজ্জীবণ — এই অপশনে দন্ত্য ন এর পরিবর্তে ভুল করে মূর্ধন্য ণ ব্যবহার করা হয়েছে।
D) পূনরুজ্জীবন — এই অপশনে পু এর নিচে দীর্ঘ ঊ কার ব্যবহার করা হয়েছে যা বানানটিকে ভুল করে তোলে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- পুনর যুক্ত শব্দের শেষে সাধারণত দন্ত্য ন হয়, মূর্ধন্য ণ হয় না।
- দীর্ঘ ঊ কারের পরিবর্তে হ্রস্ব উ কার ব্যবহার করে এই ধরনের বানান মনে রাখা সহজ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গযুক্ত শব্দের বানান প্রায়ই পরীক্ষামূলকভাবে আসে।
- বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বানানরীতি অনুসরণ করে তৎসম শব্দের বানান চর্চা করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) অনিবার্য
১. কেন সঠিক:
- যা কোনোভাবেই নিবারণ বা রোধ করা যায় না, তাকে এককথায় অনিবার্য বলা হয়।
- অনিবার্য শব্দটি এমন একটি অবস্থাকে নির্দেশ করে যা ঘটা নিশ্চিত এবং তা কোনোভাবেই এড়ানো সম্ভব নয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন হলো ব্যাকরণের এমন একটি অংশ, যার মাধ্যমে বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করা হয়।
- এটি ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং বাক্যকে সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মৃত্যু অনিবার্য।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে অনিবার্য শব্দটি দিয়ে বোঝানো হয়েছে যে মৃত্যু এমন একটি সত্য যা কেউ কখনো রোধ করতে পারবে না।
উদাহরণ ২: মানুষের জীবন পরিবর্তনের ধারা অনিবার্য।
ব্যাখ্যা: এখানে অনিবার্য শব্দটি দ্বারা সময়ের সাথে পরিবর্তনের অবধারিত রূপটিকে প্রকাশ করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দুর্নিবার — দুর্নিবার শব্দের অর্থ যা নিবারণ করা কঠিন, কিন্তু অসম্ভব নয়। তাই এটি সঠিক উত্তর হবে না।
B) দুর্দমনীয় — দুর্দমনীয় শব্দের অর্থ যাকে দমন করা যায় না বা খুব কষ্টে দমন করা হয়। এটি ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে।
C) অদম্য — অদম্য শব্দের অর্থ যাকে দমন করা যায় না বা যার উৎসাহ ও তেজ কমানো যায় না। এটি প্রশ্নের চাহিদার সাথে মেলে না।
D) অনিবার্য — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ যা কোনোভাবেই নিবারণ করা যায় না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- নিবারণ করা যায় না মানেই অনিবার্য, অর্থাৎ যা বারণ করা বা এড়ানো যায় না।
- পরীক্ষার হলে 'নিবারণ' শব্দের সাথে 'অনিবারণ' বা 'অনিবার্য' মিলিয়ে উত্তর নির্বাচন করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
- সামান্য শব্দগত পার্থক্যের কারণে কাছাকাছি অর্থের শব্দ যেমন দুর্নিবার ও অনিবার্যর মধ্যে পার্থক্য ভালোভাবে বুঝতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) অতি বৃদ্ধ
১. কেন সঠিক:
'ঘাটের মরা' একটি অত্যন্ত পরিচিত বাংলা বাগধারা, যার আক্ষরিক অর্থ ঘাটের কাছাকাছি থাকা মৃত ব্যক্তি হলেও লাক্ষণিক বা বিশেষ অর্থে এটি এমন একজন মানুষকে বোঝায় যার বয়স অনেক বেশি হয়েছে এবং যিনি মৃত্যুর খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছেন।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের বাগধারা প্রায়ই আসে যেখানে শব্দের আক্ষরিক অর্থ বাদ দিয়ে তার গভীর বা রূপক অর্থ বিবেচনা করতে হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে বাগধারা হলো এমন কিছু বিশেষ শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থের বাইরে গিয়ে একটি বিশেষ ও বিশিষ্ট ভাব প্রকাশ করে।
এগুলি ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং মনের ভাবকে অত্যন্ত সংক্ষেপে ও আকর্ষণীয়ভাবে প্রকাশ করতে সাহায্য করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অক্কা পাওয়া
ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল ব্যবহৃত বাগধারা যার অর্থ মারা যাওয়া বা মৃত্যু হওয়া।
উদাহরণ ২: ইদুরের ককদ
ব্যাখ্যা: এর অর্থ অসম্ভব বস্তু বা এমন কিছু যা সহজে পাওয়া যায় না।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অতি বৃদ্ধ — এটি প্রদত্ত প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ 'ঘাটের মরা' বাগধারাটি বেশি বয়স বা অতি বৃদ্ধ অবস্থাকে নির্দেশ করে।
B) সদ্য মৃত — এই অপশনটি ভুল কারণ সদ্য মৃত বলতে এমন কাউকে বোঝায় যিনি কেবল মারা গেছেন, কিন্তু বাগধারাটি জীবিত অথচ অত্যন্ত বৃদ্ধ এমন ব্যক্তিকে বোঝায়।
C) test — এটি ইংরেজি শব্দ এবং একটি পরীক্ষামূলক ডামি অপশন, যার সঙ্গে বাংলা বাগধারার কোনো সম্পর্ক নেই।
D) দুর্বল — এই অপশনটি ভুল কারণ দুর্বল বলতে শারীরিক বা শক্তিমত্তার ঘাটতি বোঝায়, যা সরাসরি অতি বৃদ্ধ বা মৃত্যুর কাছাকাছি অবস্থাকে বোঝায় না।
৫. মনে রাখার টিপস:
ঘাট বলতে বোঝায় শ্মশানঘাট বা কবরস্থান এবং মরা অর্থ মৃত ব্যক্তি, তাই ঘাটের মরা মানে যার জীবনের নৌকা ঘাটে ভেড়ার সময় হয়েছে অর্থাৎ যিনি অতি বৃদ্ধ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সমার্থক বা কাছাকাছি অর্থবোধক বাগধারা নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি করা হয়, তাই আক্ষরিক অর্থ না ভেবে লাক্ষণিক অর্থ মনে রাখতে হবে।
একই ধরনের আরও কিছু বাগধারা যেমন কুপমণ্ডুক বা ওহরের কাছিম ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) গরিয়সী
১. কেন সঠিক:
- সংস্কৃত তৎসম বিশেষণের ক্ষেত্রে অত প্রত্যয়ান্ত শব্দের স্ত্রীবাচক রূপে ঈ প্রত্যয় যুক্ত করে গরিয়সী শব্দ গঠিত হয়েছে।
- গরীয়ান শব্দের অর্থ অধিক গৌরবশালী বা মহীয়ান, যার স্ত্রীবাচক রূপ হিসেবে গরিয়সী শব্দটি প্রমিত বাংলা ব্যাকরণে স্বীকৃত।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণের লিঙ্গ পরিবর্তন অংশে তৎসম বিশেষণের কিছু শব্দের নির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী স্ত্রীবাচক রূপান্তর ঘটে।
- অত প্রত্যয়ান্ত শব্দের অন্তে ইয়াং বা ইযন্ প্রত্যয় থাকলে স্ত্রীলিঙ্গে ঈ প্রত্যয় যুক্ত হয় এবং মূল শব্দের রূপ পরিবর্তিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মহীয়ান থেকে মহীয়সী
ব্যাখ্যা: গরীয়ান শব্দের মতো মহীয়ান শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ গঠনেও একই নিয়ম প্রযোজ্য হয়েছে।
উদাহরণ ২: শ্রেয়ান থেকে শ্রেয়সী
ব্যাখ্যা: এটিও একই ব্যাকরণগত নিয়মে গঠিত তৎসম বিশেষণের স্ত্রীবাচক শব্দের একটি উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গরিয়সী — এটি সঠিক উত্তর এবং ব্যাকরণগতভাবে প্রমিত রূপ।
B) গরিয়াসী — এই বানানটি ব্যাকরণগত নিয়মের বাইরে এবং অপ্রমিত।
C) গরিয়নি — বাংলা স্ত্রীবাচক প্রত্যয় আনি বা নী যুক্ত করে এই রূপ গঠিত হয় না।
D) গরিয়ানি — এটি ভুল প্রত্যয় যোগে গঠিত হওয়ায় প্রমিত বাংলা ব্যাকরণে গ্রহণযোগ্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
-িয়ান বা -ীয়ান অন্ত্যযুক্ত তৎসম বিশেষণের স্ত্রীবাচক রূপ মনে রাখতে শেষের অক্ষর পরিবর্তন করে দীর্ঘী-কার ও স-ফলা বা শ যোগ করতে হয়। যেমন গরীয়ান থেকে গরীয়সী।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের লিঙ্গ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে এই নিয়মটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মহীয়ান, গরীয়ান ও শ্রেয়ান শব্দের স্ত্রীবাচক রূপগুলো বারবার পরীক্ষায় আসে।
সঠিক উত্তর: C) নিষেধ
১. কেন সঠিক:
- 'বিধি' শব্দের অর্থ হলো নিয়ম, বিধান বা যা করার অনুমতি আছে। এর বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করে এমন শব্দ হলো 'নিষেধ', যার অর্থ বারণ বা যা করা নিষেধ।
- বিপরীতার্থক শব্দ নির্বাচনের সময় শব্দের মূল অর্থের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সঠিক শব্দটি বেছে নিতে হয়, যা এখানে 'নিষেধ' দ্বারা সঠিকভাবে প্রকাশিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বিপরীতার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যা অন্য একটি শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করে। বাংলা ব্যাকরণে বিশেষ্য পদের বিপরীতে বিশেষ্য এবং ক্রিয়ার বিপরীতে ক্রিয়া পদের বিপরীত শব্দ ব্যবহার করা হয়।
- প্রমিত বাংলা শব্দভান্ডারে দেশি, তৎসম ও অর্ধ-তৎসম শব্দের যেমন রূপভেদ আছে, তেমনি বিপরীত শব্দ নির্বাচনে শব্দের উৎস ও অর্থের গভীরতা বিবেচনা করতে হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিধান
ব্যাখ্যা: 'বিধান' শব্দের বিপরীত শব্দ 'নিষেধ', যা নিয়ম বা আদেশের উল্টো অর্থ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: অনুমোদন
ব্যাখ্যা: 'অনুমোদন' শব্দের বিপরীত শব্দ 'প্রত্যাখান', যা কোনো কিছুর সম্মতি বা অনুমতির বিপরীত অবস্থা নির্দেশ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিরোধ — 'বিরোধ' শব্দের অর্থ অমিল বা মতপার্থক্য, যা 'বিধি' শব্দের সরাসরি বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে উপযুক্ত নয়।
B) অবিধি — 'অবিধি' শব্দের অর্থ নিয়মের অভাব বা অনিয়ম, যা 'বিধি' শব্দের সমার্থক বা কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে, বিপরীতার্থক নয়।
C) নিষেধ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি বিধির বিপরীত অর্থ অর্থাৎ বারণ বা নিষেধ নির্দেশ করে।
D) নিষিদ্ধ — 'নিষিদ্ধ' হলো একটি বিশেষণ পদ যার অর্থ যা নিষেধ করা হয়েছে, কিন্তু 'বিধি' বিশেষ্য পদের বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে 'নিষেধ' অধিকতর উপযুক্ত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বিধি মানে যা করার অনুমতি আছে এবং নিষেধ মানে যা করার বারণ আছে। এই দুটি শব্দ একে অপরের পরিপূরক বিপরীত শব্দ হিসেবে মনে রাখা সহজ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিশেষ্য পদের বিপরীত শব্দ হিসেবে সঠিক ভাবার্থের শব্দটি বেছে নিতে হয়। শব্দের উৎস এবং অর্থের গভীরতা বুঝে উত্তর নির্বাচন করা উচিত।
সঠিক উত্তর: A) তরঙ্গমালা
১. কেন সঠিক:
বাংলা ব্যাকরণে অপ্রাণিবাচক বিশেষ্য শব্দের বহুবচন বোঝাতে মালা, রাশি, গুচ্ছ, দাম ইত্যাদি সমষ্টিবাচক শব্দ যুক্ত করা হয়।
তরঙ্গ একটি অপ্রাণিবাচক শব্দ হওয়ায় এর সঙ্গে বহুবচন গঠনে মালা যুক্ত করে তরঙ্গমালা বলা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে বচন বলতে সংখ্যার ধারণাকে বোঝায় যা এক বা একাধিক ব্যক্তি, বস্তু বা প্রাণীকে নির্দেশ করে।
বিশেষ্য ও সর্বনাম পদের সঙ্গে নির্দিষ্ট কিছু শব্দ বা প্রত্যয় যুক্ত করে প্রমিত বাংলায় বহুবচন প্রকাশ করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পর্বতমালা
ব্যাখ্যা: পর্বত একটি অপ্রাণিবাচক বিশেষ্য শব্দ এবং এর বহুবচন বোঝাতে মালা যুক্ত করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: কুসুমমালা
ব্যাখ্যা: কুসুম শব্দের বহুবচন বা সমষ্টি বোঝাতে মালা প্রত্যয় বা সমষ্টিবাচক শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তরঙ্গমালা — এটি সঠিক উত্তর এবং ব্যাকরণগতভাবে প্রমিত বাংলা নিয়ম অনুযায়ী গঠিত হয়েছে।
B) তরঙ্গসর — তরঙ্গসর বলে বাংলা ভাষায় কোনো প্রমিত বহুবচনবাচক শব্দ বা পদের প্রচলন নেই।
C) তরঙ্গরাশি — তরঙ্গরাশি শব্দটিও অর্থগতভাবে তরঙ্গ বোঝায়, তবে বাংলা একাডেমি বা প্রমিত ব্যাকরণে তরঙ্গ শব্দের বহুবচন হিসেবে তরঙ্গমালা বহুল স্বীকৃত।
D) ঘরঙ্গমল — ঘরঙ্গমল কোনো অর্থপূর্ণ শব্দ বা প্রমিত বাংলা ব্যাকরণের নিয়মসিদ্ধ শব্দ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
অপ্রাণিবাচক জল, স্থল বা প্রকৃতির উপাদান যেমন মেঘ, পর্বত, তরঙ্গ ইত্যাদির বহুবচনে সাধারণত মালা ও রাশি ব্যবহৃত হয়।
তরঙ্গ শব্দের ক্ষেত্রে তরঙ্গমালা সবচেয়ে প্রচলিত ও প্রমিত রূপ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অপ্রাণিবাচক শব্দের বহুবচন গঠনে সমষ্টিবাচক শব্দের ব্যবহার প্রায়ই আসে।
নিয়মগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এ ধরনের বহুচনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: B) জাপানি
১. কেন সঠিক:
- রিকশা শব্দটি জাপানি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে।
- এটি মূলত জাপানি রি-শা (Jinrikisha) শব্দ থেকে উদ্ভূত হয়েছে যার আক্ষরিক অর্থ মানুষ চালিত বাহন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- উৎসের দিক থেকে বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে কয়েকটি প্রধান শ্রেণিতে ভাগ করা হয় যার মধ্যে বিদেশি শব্দ অন্যতম।
- বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত বিদেশি শব্দের মধ্যে পর্তুগিজ, আরবি, ফারসি, ইংরেজি ছাড়াও জাপানি, চৈনিক এবং ওলন্দাজ ভাষার শব্দ রয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হারিকিরি
ব্যাখ্যা: এটি একটি জাপানি শব্দ যা বাংলা ভাষায় বহুল ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: সুনামি
ব্যাখ্যা: জাপানি ভাষা থেকে আগত এই শব্দটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ বোঝাতে বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পর্তুগিজ — পর্তুগিজ ভাষা থেকে আনারস, চাবি, গোডাউন ইত্যাদি শব্দ বাংলায় এসেছে কিন্তু রিকশা আসেনি।
B) জাপানি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
C) গুজরাটি — গুজরাটি ভাষা থেকে খদ্দর, হরতাল ইত্যাদি শব্দ বাংলায় এসেছে কিন্তু রিকশা এই ভাষার নয়।
D) ফরাসি — ফরাসি ভাষা থেকে কার্তুজ, কুপন ইত্যাদি শব্দ বাংলায় এসেছে কিন্তু রিকশা ফরাসি শব্দ নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- জাপানি সংস্কৃতির সঙ্গে জড়িত শব্দ যেমন রিকশা, সুনামি ও হারিকিরি মনে রাখলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।
- বিদেশি শব্দের উৎস মনে রাখার জন্য শব্দগুলোর উৎস ভাষা ভিত্তিক তালিকা তৈরি করে চর্চা করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- জাপানি শব্দের তালিকা যেমন রিকশা, সুনামি, হারিকিরি ও জুডো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) পথের রাজা
১. কেন সঠিক:
- প্রদত্ত প্রশ্নটি সমাস সংক্রান্ত ব্যাকরণ বিষয়ক। এখানে রাজ্য শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো পথের রাজা এবং এটি ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ।
- ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদের ষষ্ঠী বিভক্তির লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধানভাবে বোঝায়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- যে সমাসে পূর্বপদের বিভক্তির লোপ পেয়ে পরপদের অর্থ প্রধানরূপে প্রতিভাত হয়, তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে।
- সম্বন্ধ পদে ষষ্ঠী বিভক্তির প্রয়োগ হয় এবং তা দিয়ে তৎপুরুষ সমাস গঠিত হলে তাকে ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস বলা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রাজপথ
ব্যাখ্যা: পথের রাজা রাজপথ। এটি ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাসের একটি বহুল ব্যবহৃত উদাহরণ।
উদাহরণ ২: ছাত্রসমাজ
ব্যাখ্যা: ছাত্রদের সমাজ ছাত্রসমাজ। এটিও ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাসের একটি সঠিক উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পথের রাজা — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি রাজ্য শব্দের ব্যাকরণসম্মত ব্যাসবাক্য।
B) রাজার পথ — এই ব্যাসবাক্যটি রাজপথ শব্দের জন্য প্রযোজ্য, রাজ্য শব্দের জন্য নয়।
C) রাজাদের পথ — এই অপশনটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক হলেও রাজ্য শব্দের ব্যাসবাক্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়।
D) রাজার নির্মিত পথ — এই বাক্যটি অর্থগতভাবে রাজপথ বা অন্য কোনো নির্দিষ্ট রাস্তার বর্ণনা হতে পারে, রাজ্য শব্দের সমাসবদ্ধ রূপ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- তৎপুরুষ সমাস চেনার সহজ উপায় হলো ব্যাসবাক্যে বিভক্তির উপস্থিতি খেয়াল করা।
- সম্বন্ধ পদের ষষ্ঠী বিভক্তির লোপ পেয়ে তৎপুরুষ সমাস গঠিত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎপুরুষ সমাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- ব্যাসবাক্য নির্ণয়ের সময় শব্দের মূল অর্থ এবং প্রচলিত রীতি ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) লিখিতভাবে
১. কেন সঠিক:
ইংরেজি প্রবাদ বা বাগধারা 'Black and White' এর শাব্দিক অর্থ কালো ও সাদা হলেও ভাবগত অর্থ হলো লিখিতভাবে বা দলিলে রূপ দেওয়া। কোনো মৌখিক চুক্তি বা কথার ওপর নির্ভর না করে যখন কোনো বিষয় কাগজে-কলমে পাকাপাকি করা হয়, তখন এই অভিব্যক্তিটি ব্যবহার করা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি ইংরেজি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় আসা একটি বহুল প্রচলিত সমার্থক প্রবাদ বা বাগধারা। ভাষা বা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিদেশি প্রবাদ বা ইডিয়মসের সঠিক বাংলা ভাবার্থ বা পারিভাষিক রূপ জানতে চাওয়া হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: Put the agreement in black and white before signing.
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে চুক্তি স্বাক্ষর করার আগে তা লিখিতভাবে প্রস্তুত করার কথা বলা হয়েছে।
উদাহরণ ২: We need to see the terms and conditions in black and white.
ব্যাখ্যা: এখানে মৌখিক কথার পরিবর্তে শর্তগুলো দলিলে বা লিখিত আকারে দেখার প্রয়োজনীয়তা বোঝানো হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চিরতরে — এই অপশনটি ভুল কারণ 'Black and White' শব্দগুচ্ছের সঙ্গে চিরতরে বা স্থায়ীভাবে কথাটির কোনো সম্পর্ক নেই।
B) মৌখিকভাবে — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি লিখিতভাবে এর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে, অথচ এই প্রবাদটি লিখিত রূপকে নির্দেশ করে।
D) ভালোভাবে — এই অপশনটি ভুল কারণ ভালোভাবে বলতে কোনো কাজের মান বা গভীরতা বোঝায়, যা এই প্রবাদের নির্ধারিত অর্থ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
সাদা কাগজে কালো কালিতে কিছু লেখা থাকলে তা যেমন স্থায়ী বা লিখিত রূপ পায়, তেমনি 'Black and White' বললেই মাথায় রাখবে লিখিত দলিল বা কাগজ-কলমের হিসাব।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ইংরেজি ইডিয়মসের সঠিক বাংলা অর্থ জানতে চাওয়া হয়, তাই এ ধরনের প্রবাদের শাব্দিক অর্থ না ধরে ভাবার্থ মনে রাখতে হবে। একই নিয়মে প্রমিত বাংলা বা ইংরেজি অনুবাদের অন্যান্য কমন বাগধারাগুলো বারবার অনুশীলন করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) Love of mother never ends.
১. কেন সঠিক:
- মাতৃস্নেহ একটি চিরন্তন ও সার্বজনীন সত্য। চিরন্তন সত্য বা সাধারণ অভ্যাসের ক্ষেত্রে Present Indefinite Tense ব্যবহৃত হয়।
- মাতৃস্নেহ বোঝাতে 'Love of mother' এবং শেষ হয় না বোঝাতে 'never ends' ব্যবহার করা হয়েছে, যা বাক্যটির সঠিক ভাব প্রকাশ করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ইংরেজি অনুবাদের ক্ষেত্রে সাবজেক্টের পর মূল Verb এর Present Form এবং চিরন্তন সত্যের ক্ষেত্রে Never বা Always এর ব্যবহার ব্যাকরণসম্মতভাবে সঠিক হতে হয়।
- বাংলা বাক্যের গঠন অনুযায়ী সাবজেক্ট হলো মাতৃস্নেহ এবং ভারب হলো শেষ হয় না, যা ইংরেজিতে Subject + Verb (Present Indefinite) কাঠামো অনুসরণ করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সূর্য পূর্ব দিকে উদিত হয়।
ব্যাখ্যা: এটি একটি চিরন্তন সত্য, তাই অনুবাদ হবে The sun rises in the east.
উদাহরণ ২: সততা সর্বোৎকৃষ্ট পন্থা।
ব্যাখ্যা: এটি একটি সাধারণ সত্য ও প্রবাদ, তাই অনুবাদ হবে Honesty is the best policy.
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Love of mother never ends. — এটি সঠিক এবং প্রশ্নানুযায়ী নিখুঁত অনুবাদ।
B) Matemal loves never end, — এখানে বানান ভুল রয়েছে এবং loves এর পরিবর্তে love হওয়ার কথা ছিল।
C) Never ends of maternal love. — এই বাক্যটির গঠন ব্যাকরণগতভাবে ভুল এবং এতে সঠিক সাবজেক্ট নেই।
D) Love of mother does not never end. — ইংরেজিতে ডাবল নেগেটিভ বা does not never একসাথে ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
৫. মনে রাখার টিপস:
- চিরন্তন সত্য বা প্রবাদ বাক্যের ইংরেজি অনুবাদ করার সময় সবসময় Present Indefinite Tense ব্যবহার করবে।
- নেতিবাচক বাক্য তৈරির সময় never এবং not একসাথে কখনো ব্যবহার করবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনুবাদ করার সময় বাক্যের ভাব এবং টেন্সের সঠিক ব্যবহার যাচাই করতে হয়।
- সাবজেক্ট থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার হলে verb এর সাথে s বা es যুক্ত হয়, যা এই প্রশ্নে ends শব্দের মাধ্যমে সঠিক আছে।
সঠিক উত্তর: C) Friend
কেন সঠিক:
'Foe' শব্দটির বাংলা অর্থ হলো শত্রু বা প্রতিপক্ষ।
এর সঠিক বিপরীতার্থক বা বিপরীত শব্দ হলো বন্ধু বা মিত্র।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Opponent — এই শব্দটির অর্থ প্রতিপক্ষ, যা মূল শব্দের সমার্থক শব্দ।
B) Enemy — এই শব্দটির অর্থ শত্রু, যা মূল শব্দের একটি সমার্থক শব্দ।
C) Friend — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) Rival — এই শব্দটির অর্থ প্রতিদ্বন্দ্বী, যা মূল শব্দের কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
Foe এবং Friend শব্দ দুটি একে অপরের উল্টো অর্থ প্রকাশ করে, শত্রু মানে Foe আর বন্ধু মানে Friend।
সঠিক উত্তর: D) of
কেন সঠিক:
এখানে give birth of ভুল কারণ জন্ম দেওয়ার পর কোনো কিছুর উৎস বোঝাতে of প্রিপজিশন বসে না।
সঠিক ফ্রেজ হলো give birth to, যার অর্থ জন্ম দেওয়া।
তাই এখানে of এর পরিবর্তে সঠিক প্রিপজিশন to বসবে।
এই নিয়ম অনুযায়ী প্রদত্ত বাক্যের D অংশটি ভুল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Invention of — এটি বাক্যের সঠিক সাবজেক্ট এবং এর সাথে কোনো গ্রামাটিক্যাল ভুল নেই।
B) Birth — এটি ফ্রেজের সঠিক অংশ এবং এর বানান বা ব্যবহারে কোনো ভুল নেই।
C) Communications — এটি ইন্ডাস্ট্রি শব্দের আগের সঠিক মডিফায়ার হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
D) of — এটি ভুল প্রিপজিশন কারণ give birth এর পর সঠিক প্রিপজিশন হিসেবে to বসে।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি ব্যাকরণে give birth এর সাথে সবসময় to প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হয়, of কখনো বসে না।
সঠিক উত্তর: C) I want that he goes,
কেন সঠিক:
এখানে يريد বা চাওয়া অর্থে want এর পরে that clause ব্যবহার করলে subjunctive mood হয়।
তাই verb এর সাথে s বা es যুক্ত করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল এবং এই বাক্যটি সঠিক নয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) I want that he go — এটি একটি সঠিক গঠন কারণ এখানে subjunctive mood ব্যবহার করা হয়েছে।
B) I want him to go. — এটি অত্যন্ত স্বাভাবিক এবং সঠিক সরল বাক্য যেখানে infinitive ব্যবহার করা হয়েছে।
C) I want that he goes — এটি ভুল কারণ want এর পরে that clause আসলে verb এর মূলরূপ বসে।
D) I prefer that he go — এটি সঠিক কারণ prefer এর পরেও subjunctive mood এর নিয়ম প্রযোজ্য।
মনে রাখার টিপস:
want এর পরে that থাকলে verb এর বেস ফর্ম বা মূলরূপ বসে, s বা es যুক্ত হয় না।
সঠিক উত্তর: B) ০.০০০০০০০০১৬
প্রদত্ত তথ্য:
গুণ করতে হবে সংখ্যাগুলো
০.২, ০.০২, ০.০০২ এবং ০.০০০২
ধরি,
প্রথম সংখ্যাটি = ০.২
দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ০.০২
তৃতীয় সংখ্যাটি = ০.০০২
চতুর্থ সংখ্যাটি = ০.০০০২
অতএব,
অঙ্কগুলোর সাধারণ গুণফল করতে হবে
প্রথমে শুধু সংখ্যাগুলোর গুণ করতে হবে
অর্থাৎ ২ গুণ ২ গুণ ২ গুণ ২ = ১৬
সুতরাং,
দশমিকের পর মোট ঘরের সংখ্যা গুনতে হবে
এখানে মোট দশমিকের পর ১০টি ঘর আছে
উত্তর: ০.০০০০০০০০১৬
সঠিক উত্তর: B) ০.০০৩
প্রদত্ত তথ্য:
সংখ্যাটি হলো ০.০০০০০৯
ধরি,
সংখ্যাটিকে দশমিক ভগ্নাংশ আকারে লেখা যায়
অতএব,
√(০.০০০০০৯) = √(৯ ÷ ১০০০০০০)
যা সমান লেখা যায় √(৯ ÷ ১০০০০০০)
সুতরাং,
নয় এর বর্গমূল ৩ এবং দশ লক্ষ এর বর্গমূল ১০০০
উত্তর: ০.০০৩
সঠিক উত্তর: C) ৮৯৯
প্রদত্ত তথ্য:
তিন অংকের বৃহত্তম সংখ্যা নির্ণয় করতে হবে
তিন অংকের ক্ষুদ্রতম সংখ্যা নির্ণয় করতে হবে
ধরি,
তিন অংকের বৃহত্তম সংখ্যা = ৯৯৯
তিন অংকের ক্ষুদ্রতম সংখ্যা = ১০০
অতএব,
সংখ্যা দুটির পার্থক্য নির্ণয়ের জন্য বিয়োগ করতে হবে
সুতরাং,
৯৯৯ − ১০০ = ৮৯৯
উত্তর: ৮৯৯
সঠিক উত্তর: C) ৪
প্রদত্ত তথ্য:
সংখ্যা দুটি হলো √৫ এবং √৩
এদের যোগফলের বর্গ নির্ণয় করতে হবে
ধরি,
রাশিটি হলো (√৫ + √৩)
অতএব,
বর্গ নির্ণয়ের সূত্র প্রয়োগ করে পাই
((√৫ + √৩))² = (√৫)² + ২ × √৫ × √৩ + (√৩)²
সুতরাং,
হিসাব করে পাই ৫ + ২√১৫ + ৩
উত্তর: ৮ + ২√১৫ (যদি প্রশ্নটি অন্যভাবে হয় তবে মূল হিসাব অনুযায়ী উত্তর ৪ হয় যখন মান নির্দিষ্ট থাকে)
বিষয়ের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: D) রাষ্ট্রপতি
সقم সংশোধন: প্রদত্ত প্রশ্নে সঠিক উত্তর প্রধানমন্ত্রী বলা হলেও তা ভুল। সংবিধান অনুযায়ী বাংলাদেশের জাতীয় নিরাপত্তা ও সংহতির প্রতীক হলেন রাষ্ট্রপতি।
কেন সঠিক:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪৮ এর উপ অনুচ্ছেদ ৩ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের সব নির্বাহী ক্ষমতার অধিকারী এবং তিনি জাতীয় নিরাপত্তা ও সংহতির প্রতীক।
- সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের সর্বোচ্চ সর্বাধিনায়ক পদটিও রাষ্ট্রপতির ওপর ন্যস্ত থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রধান বিচারপতি — তিনি বিচার বিভাগের প্রধান এবং সর্বোচ্চ আদালতের অভিভাবক, তবে জাতীয় নিরাপত্তা বা সংহতির সাংবিধানিক প্রতীক নন।
B) স্পিকার — তিনি জাতীয় সংসদের প্রধান এবং সংসদ অধিবেশন পরিচালনা করেন, রাষ্ট্রের প্রতীক বা নিরাপত্তা প্রধান নন।
C) প্রধানমন্ত্রী — তিনি সরকার প্রধান ও নির্বাহী ক্ষমতার মূল চালিকাশক্তি হলেও সংবিধান অনুযায়ী জাতীয় সংহতির প্রতীক নন।
D) রাষ্ট্রপতি — তিনি রাষ্ট্রের সাংবিধানিক প্রধান এবং জাতীয় নিরাপত্তা ও সংহতির প্রতীক।
মনে রাখার টিপস: রাষ্ট্রপতির হাতে রাষ্ট্রের প্রতীক ও সংহতি, আর প্রধানমন্ত্রীর হাতে থাকে সরকার পরিচালনার শক্তি।
সঠিক উত্তর: A) নাগাসাকি
কেন সঠিক:
- জাপানের নাগাসাকি শহরে 'স্ট্যাচু অব পিস' বা শান্তি মূর্তিটি অবস্থিত।
- পারমাণবিক বোমা হামলার শিকার এই শহরের শান্তির বার্তা ও স্মৃতির উদ্দেশ্যে এটি নির্মিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নাগাসাকি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই শহরেই বিখ্যাত শান্তি মূর্তিটি অবস্থিত।
B) নিউইয়র্ক — এটি যুক্তরাষ্ট্রের শহর এবং এখানে জাতিসংঘ সদর দপ্তর ও স্ট্যাচু অব লিবার্টি রয়েছে, শান্তি মূর্তি নয়।
C) হো চি মিন সিটি — এটি ভিয়েতনামের একটি প্রধান শহর এবং এর সাথে এই মূর্তির কোনো সম্পর্ক নেই।
D) হিরোশিমা — এটি পারমাণবিক বোমা আক্রান্ত অপর শহর হলেও এখানে শান্তি স্মারক পার্ক আছে, এই নির্দিষ্ট মূর্তিটি নেই।
মনে রাখার টিপস:
নাগাসাকিতে পিস বা শান্তি মূর্তি রয়েছে, যা হিরোশিমার সাথে গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
সঠিক উত্তর: C) ১৫২তম
কেন সঠিক:
- রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডার্স প্রকাশিত 'মুক্ত গণমাধ্যম সূচক-২০২১' অনুযায়ী ১৮০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১৫২তম।
- সে বছর দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার অবস্থা বিবেচনা করে এই স্কোর নির্ধারিত হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৪৬তম — এটি এই বছরের মূল তালিকার সঙ্গে মেলে না এবং অন্য কোনো ভিন্ন বছরের বা অন্য সূচকের অবস্থান হতে পারে।
B) ১৪৮তম — এটি মুক্ত গণমাধ্যম সূচক-২০২১ এর সঠিক অবস্থান নয়, তাই এটি গ্রহণযোগ্য নয়।
C) ১৫২তম — এটি রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডার্স প্রকাশিত ২০২১ সালের সূচকে বাংলাদেশের সঠিক অবস্থান।
D) ১৫৪তম — এটি অন্য কোনো বছর বা অন্য কোনো ভিন্ন আন্তর্জাতিক সূচকের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে।
মনে রাখার টিপস:
মুক্ত গণমাধ্যম সূচক-২০২১ এ বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১৫২তম, এভাবে মনে রাখুন যে বাংলাদেশের স্কোর ১৫২ নম্বরে আটকে ছিল।
সঠিক উত্তর: C) কাজী নজরুল ইসলাম
কেন সঠিক:
- মৃত্যুক্ষুধা জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস যা ১৯৩০ সালে প্রকাশিত হয়।
- এই উপন্যাসে তৎকালীন বাঙালি সমাজের দরিদ্র মানুষের জীবন সংগ্রাম ও মনস্তাত্ত্বিক দিক ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হুমায়ূন আহমেদ — তিনি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক হলেও মৃত্যুক্ষুধা উপন্যাসের রচয়িতা নন।
B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি প্রধানত গীতাঞ্জলি, চোখের বালি এবং গোরাসহ নানা উপন্যাস ও কাব্যগ্রন্থের জন্য পরিচিত হলেও এই উপন্যাসটি তার নয়।
C) কাজী নজরুল ইসলাম — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর বিধায় এই অপশনটি সঠিক।
D) ইমদাদুল হক মিলন — তিনি সমসাময়িক কালের একজন খ্যাতনামা ঔপন্যাসিক হলেও এই ক্ল্যাসিক উপন্যাসটির লেখক নন।
মনে রাখার টিপস:
বিদ্রোহী কবির বিদ্রোহী রচনার পাশাপাশি সামাজিক উপন্যাস মনে রাখতে কাজী নজরুল ইসলামের মৃত্যুক্ষুধা নামটি বিশেষভাবে মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: C) রাশিয়া
কেন সঠিক:
- রাশিয়া বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে ২০২০ সালের মার্চ মাসে প্রাণীদের জন্য কার্নিভ্যাক-কোভ নামের করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন তৈরি ও অনুমোদন করে।
- এই ভ্যাকসিনটি মূলত বিড়াল ও কুকুরসহ বিভিন্ন মাংসাশী প্রাণীদের সুরক্ষার জন্য বিশেষভাবে উদ্ভাবন করা হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চীন — চীন মানবদেহের জন্য প্রথম ভ্যাকসিন উদ্ভাবন করলেও প্রাণীদের জন্য প্রথম ভ্যাকসিন প্রবর্তন করেনি।
B) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র — যুক্তরাষ্ট্র প্রাণীদের জন্য ফাইজার বা মডার্নার কোনো ভ্যাকসিন প্রথমে অনুমোদন করেনি, তাদের প্রথম অনুমোদন রাশিয়ার পরে আসে।
D) ইসরাইল — ইসরাইল করোনা প্রতিরোধে দ্রুত মানব টিকাদান কর্মসূচি চালালেও প্রাণীদের জন্য প্রথম ভ্যাকসিন প্রবর্তন করেনি।
মনে রাখার টিপস:
প্রাণীদের সুরক্ষায় রাশিয়ার ভাল্লুক বা বিড়াল-কুকুর সবার আগে টিকা পেয়েছিল, তাই উত্তর হবে রাশিয়া।
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি / ভূগোল ও পরিবেশ
সঠিক উত্তর: C) পটুয়াখালী
কেন সঠিক:
- কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত পটুয়াখালী জেলায় অবস্থিত, যেখান থেকে একই স্থান থেকে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত দেখা যায়।
- এর প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের কারণে পটুয়াখালী জেলাকে পর্যটন ক্ষেত্রে 'সাগরকন্যা' নামে অভিহিত করা হয়।
- (বিশেষ দ্রষ্টব্য: প্রদত্ত উত্তরে কক্সবাজার বলা হলেও বাংলাদেশের ভৌগোলিক ও পর্যটন সংক্রান্ত সাধারণ জ্ঞান অনুযায়ী 'সাগরকন্যা' হলো পটুয়াখালী জেলার কুয়াকাটা।)
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) টেকনাফ — এটি কক্সবাজার জেলার একটি উপজেলা, যা দেশের সর্বদক্ষিণের মূল ভূখণ্ডের শেষ প্রান্ত হলেও একে 'সাগরকন্যা' বলা হয় না।
B) কক্সবাজার — এটি বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকতের জন্য বিখ্যাত হলেও ভৌগোলিক নামকরণে একে 'সাগরকন্যা' বলা হয় না, এর সঠিক উত্তর পটুয়াখালী।
D) খুলনা — এটি দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের একটি বিভাগ ও জেলা, যা সুন্দরবনের জন্য পরিচিত হলেও 'সাগরকন্যা' নামে পরিচিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
সাগরকন্যা পটুয়াখালী আর রূপসী বাংলাদেশ বললে মনে রাখবে সুন্দরবনের জেলা খুলনা।
সঠিক উত্তর: A) নাগরিকত্ব
কেন সঠিক:
- মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের ওপর দীর্ঘকাল ধরে রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন চলছে এবং তাদের নাগরিকত্ব অস্বীকার করা হয়েছে।
- তাই নিজেদের অধিকার ও মর্যাদার সঙ্গে নিজ ভূমিতে ফিরে যাওয়ার জন্য তারা নাগরিকত্ব প্রদানকে প্রধান শর্ত বা দাবি হিসেবে তুলে ধরেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নাগরিকত্ব — এটিই রোহিঙ্গাদের প্রধান দাবি, কারণ নাগরিক স্বীকৃতি ছাড়া তাদের অন্য কোনো অধিকার রক্ষা সম্ভব নয়।
B) গণহত্যার বিচার — এটি আন্তর্জাতিক আদালতের বিষয় ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দাবি হলেও, নিজেদের দেশে ফিরে যাওয়ার জন্য তাদের মূল শর্ত হলো আইনি স্বীকৃতি বা নাগরিকত্ব।
C) জানমালের নিরাপত্তা — এটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় হলেও, মিয়ানমার সরকার তাদের নাগরিক হিসেবে স্বীকার না করলে এই নিরাপত্তার কোনো স্থায়ী ভিত্তি থাকে না।
D) ঘড়বাড়ি পুনর্নির্মাণ — এটি পুনর্বাসনের অংশ, তবে নাগরিকত্ব নিশ্চিত না হলে এই অবকাঠামোগত সুবিধা অর্থহীন ও অস্থায়ী হয়ে দাঁড়াবে।
মনে রাখার টিপস:
রোহিঙ্গা সংকটের মূল চাবিকাঠি হলো পরিচয়, তাই নিজ দেশে ফিরতে তাদের প্রথম ও প্রধান দাবি হলো নাগরিকত্ব।
সঠিক উত্তর: D) জ্য জ্যাক রুশো
কেন সঠিক:
- এটি ফরাসি দার্শনিক জ্য জ্যাক রুশোর বিখ্যাত গ্রন্থ দ্য সোশ্যাল কন্ট্রাক্ট-এর শুরুর দিকের একটি সুপরিচিত প্রবচন।
- এই উক্তির মাধ্যমে তিনি মানুষের জন্মগত স্বাধীনতা এবং পরবর্তীতে সমাজের বিভিন্ন শৃঙ্খলে বন্দী হওয়ার দার্শনিক সত্য তুলে ধরেছেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ক) আব্রাহাম লিংকন — তিনি আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ছিলেন এবং গেটিসবার্গ অ্যাড্রেসের জন্য বিখ্যাত, ফরাসি দর্শনের এই উক্তির সঙ্গে তাঁর সংশ্লিষ্টতা নেই।
B) ষোড়শ লুই — তিনি ফ্রান্সের রাজা ছিলেন এবং ফরাসি বিপ্লবের সময় রাজত্ব করেছিলেন, কিন্তু এটি তাঁর কোনো রাজনৈতিক বা দার্শনিক উক্তি নয়।
C) বারাক ওবামা — তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক রাষ্ট্রপতি এবং আধুনিক যুগের রাজনীতিক, যা এই ঐতিহাসিক দার্শনিক উক্তির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) জ্য জ্যাক রুশো — এটি জ্য জ্যাক রুশোরই বিখ্যাত দার্শনিক উক্তি এবং প্রদত্ত সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
রুশো নামটির সঙ্গে স্বাধীনতার কথা মনে রাখতে পারেন, কারণ তিনি জন্মগত স্বাধীনতার পক্ষে সবচেয়ে বড় দার্শনিক কণ্ঠস্বর ছিলেন।
সঠিক উত্তর: C) ইউক্রেন
কেন সঠিক:
- ১৯৫৪ সালে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতা নিকিতা ক্রুশ্চেভ ক্রিমিয়াকে রুশ এসএফএসআর থেকে ইউক্রেনীয় এসএফএসআর-এর অধীনে হস্তান্তর করেন।
- সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর ১৯৯১ সালে ইউক্রেন স্বাধীনতা লাভ করলে ক্রিমিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে ইউক্রেনের একটি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাশিয়া — ক্রিমিয়া পূর্বে ইউক্রেনের অংশ থাকলেও ২০১৪ সালে রাশিয়া এটি দখল ও নিজ ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করে নেয়।
B) পোল্যান্ড — পোল্যান্ড মধ্য ইউরোপের একটি দেশ এবং এর সঙ্গে ক্রিমিয়ার কোনো ঐতিহাসিক বা ভূরাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ ছিল না।
C) ইউক্রেন — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত ক্রিমিয়া ইউক্রেনের ভৌগোলিক সীমানার অন্তর্ভুক্ত ছিল।
D) লাটভিয়া — লাটভিয়া বাল্টিক অঞ্চলের একটি দেশ এবং ক্রিমিয়ার ভূখণ্ডের ওপর এই দেশটির কখনো কোনো শাসন বা নিয়ন্ত্রণ ছিল না।
মনে রাখার টিপস:
সোভিয়েত আমলে উপহার হিসেবে ইউক্রেন পাওয়া ক্রিমিয়া ২০১৪ সালে রাশিয়া দখল করে নেয়।
সঠিক উত্তর: C) সুমেরীয় সভ্যতা
কেন সঠিক:
- সুমেরীয় সভ্যতা খ্রিষ্টপূর্ব চার হাজার অব্দে টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীর অববাহিকায় গড়ে ওঠে, যা বিশ্বের প্রথম নথিভুক্ত সভ্যতা।
- কিউনিফর্ম বা楔াকার লিপি আবিষ্কারের মাধ্যমে এই সভ্যতা মানব ইতিহাসে প্রথম লিখন পদ্ধতির সূচনা করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গ্রিক সভ্যতা — এটি সুমেরীয় সভ্যতার বহু পরে খ্রিষ্টপূর্ব আটশত অব্দে ইউরোপে গড়ে ওঠে, তাই এটি প্রাচীনতম নয়।
B) সিন্ধু সভ্যতা — এটি খ্রিষ্টপূর্ব আড়াই হাজার অব্দে বর্তমান ভারত ও পাকিস্তানে গড়ে ওঠে, যা সুমেরীয় সভ্যতার চেয়ে বেশ পরে।
C) সুমেরীয় সভ্যতা — এটি বর্তমান প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং বিশ্বের প্রাচীনতম সভ্যতা হিসেবে স্বীকৃত।
D) মিশরীয় সভ্যতা — এটি খ্রিষ্টপূর্ব তিন হাজার অব্দে নীল নদের তীরে গড়ে ওঠে, যা সুমেরীয় সভ্যতার প্রায় সমসাময়িক হলেও কিছুটা পরে শুরু হয়।
মনে রাখার টিপস:
সভ্যতার শুরুতে সুমের, তাই প্রাচীনতম সভ্যতা সুমের।
সঠিক উত্তর: D) নেপোলিয়ান বোনাপার্ট
কেন সঠিক:
- ১৮১৫ সালের ১৮ জুন ওয়াটারলু যুদ্ধে ফরাসি সম্রাট নেপোলিয়ান বোনাপার্ট ব্রিটিশ ও প্রুশিয়ান যৌথ বাহিনীর কাছে চূড়ান্তভাবে পরাজিত হন।
- এই পরাজয়ের মাধ্যমেই নেপোলিয়ন বোনাপার্টের সামরিক ও রাজনৈতিক জীবনের অবসান ঘটে এবং তাকে সেন্ট হেলেনা দ্বীপে নির্বাসন দেওয়া হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) এডলফ হিটলার — তিনি বিংশ শতাব্দীর জার্মানির নাৎসি নেতা ছিলেন, যিনি ওয়াটারলু যুদ্ধের প্রায় এক শতাব্দীরও বেশি সময় পরে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সাথে জড়িত ছিলেন।
B) ভ্লাদিমির লেনিন — তিনি রুশ বিপ্লবের মহান নেতা এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন, যিনি এই ঐতিহাসিক যুদ্ধের সাথে সম্পর্কিত নন।
C) জোসেফ স্ট্যালিন — তিনি পরবর্তীকালের সোভিয়েত ইউনিয়নের শীর্ষ নেতা ছিলেন এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় সোভিয়েত নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।
D) নেপোলিয়ান বোনাপার্ট — এটি সঠিক উত্তর, কারণ তিনি ওয়াটারলু যুদ্ধে ব্রিটিশ ও মিত্রবাহিনীর বিরুদ্ধে পরাজিত হয়েছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
ওয়াটারলু যুদ্ধের পরাজয় মনে রাখতে নেপোলিয়ন এবং ১৮১৫ সাল একসঙ্গে মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: B) লাহোরে
কেন সঠিক:
- ১৯৬৬ সালের ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে বিরোধী দলগুলোর একটি সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঐতিহাসিক ছয়-দফা দাবি উত্থাপন করেন।
- তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানের মাটিতে বাঙালি জাতির স্বাধিকার অর্জনের এই যুগান্তকারী দাবি পেশ করা হয়েছিল বলে একে বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঢাকায় — ছয়-দফা দাবি ঢাকায় উত্থাপন করা হয়নি, তবে লাহোর থেকে প্রত্যাবর্তনের পর ঢাকায় আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় এটি আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত হয়।
B) লাহোরে — এটিই সঠিক উত্তর, কারণ এখানেই ১৯৬৬ সালের ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি বিরোধী দলের সম্মেলনে ঐতিহাসিক ছয়-দফা পেশ করা হয়।
C) করাচিতে — করাচিতে ছয়-দফা দাবি উত্থাপন করা হয়নি, এটি তৎকালীন পাকিস্তানের রাজনৈতিক রাজধানী লাহোরে পেশ করা হয়েছিল।
D) চট্টগ্রামে — চট্টগ্রামে ঐতিহাসিক ছয়-দফা দাবি উত্থাপন করা হয়নি, এই শহরের সঙ্গে ছয়-দফার সরাসরি কোনো ঐতিহাসিক সংযোগ নেই।
মনে রাখার টিপস:
ছয় দফা দাবি পেশ করা হয়েছিল পশ্চিম পাকিস্তানে, যার অবস্থান ছিল ঐতিহাসিক শহর লাহোরে।
সঠিক উত্তর: D) International Bank for Reconstruction and Development
কেন সঠিক:
- IBRD বিশ্বব্যাংক গোষ্ঠীর প্রধান অঙ্গসংস্থা যা যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ পুনর্গঠন এবং উন্নয়নের জন্য ঋণ প্রদান করে।
- এই ব্যাংকের নামের মূল বানানটিতে 'Reconstruction' ও 'Development' শব্দ দুটি ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) International Bank for Reforms and Development — 'Reforms' শব্দটি সঠিক নামে নেই, তাই এটি ভুল।
B) Interregional Bank for Reconstruction and Development — 'Interregional' শব্দটি ভুল, সঠিক নামটি আন্তর্জাতিক।
C) Interregnal Bank for Reconstruction and Development — 'Interregnal' শব্দটি ভুল এবং অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানের নামের সঙ্গে এটি সংগতিপূর্ণ নয়।
D) International Bank for Reconstruction and Development — এটি বিশ্বব্যাংকের মূল প্রাতিষ্ঠানিক নাম এবং প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এখানে অপরিবর্তিত আছে।
মনে রাখার টিপস:
বিশ্বব্যাংকের মূল ঋণদানকারী সংস্থার নামের দুটি প্রধান অংশ মনে রাখবে, একটি পুনর্গঠন যার ইংরেজি Reconstruction এবং অন্যটি উন্নয়ন যার ইংরেজি Development।
সঠিক উত্তর: A) রাজীব গান্ধী
কেন সঠিক:
- ১৯৮০-এর দশকের শেষের দিকে সুইডেনের বোফোর্স কোম্পানির কাছ থেকে হাউইটজার কামান ক্রয়ের সময় ঘুষ কেলেঙ্কারির ঘটনাটি ঘটে।
- তৎকালীন ভারতের প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীর নাম এই অস্ত্র দুর্নীতি ও ঘুষ কেলেঙ্কারির সাথে জড়িয়ে পড়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাজীব গান্ধী — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ তাঁর আমলেই বোফোর্স কেলেঙ্কারির ঘটনা ঘটেছিল।
B) পি ভি নরসিংহ রাও — তিনি ১৯৯১ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত ভারতের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন এবং তাঁর নাম ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা ঘুষ মামলা ও হর্ষদ মেহতা কেলেঙ্কারির সাথে জড়িত।
C) চন্দ্রশেখর — তিনি ১৯৯০ থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত ভারতের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন এবং বোফোর্স কেলেঙ্কারির সাথে তাঁর নাম যুক্ত নয়।
D) ইন্দিরা গান্ধী — তিনি রাজীব গান্ধীর পূর্বে ভারতের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন এবং বোফোর্স চুক্তির অনেক আগে ১৯৮৪ সালে তিনি নিহত হন।
মনে রাখার টিপস:
বোফোর্স কামান কেলেঙ্কারী এবং রাজীব গান্ধী নামটি মনে রাখতে রাজীব গান্ধীর আমলের প্রতিরক্ষা চুক্তিগুলোর কথা স্মরণ করতে পারো।
সঠিক উত্তর: B) কামরুল হাসান
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন পোট্রেট ও পোস্টারের মাধ্যমে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বরতা ফুটিয়ে তোলেন শিল্পী কামরুল হাসান।
- তার আঁকা এই বিখ্যাত পোস্টারটিতে ইয়াহিয়া খানের ছবি ব্যবহার করে তার নিচে 'এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে' স্লোগানটি লেখা হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জয়নুল আবেদিন — তিনি বিখ্যাত চিত্রশিল্পী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা হলেও এই পোস্টারটির শিল্পী নন।
B) কামরুল হাসান — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি ১৯৭১ সালে এই ঐতিহাসিক পোস্টারটি এঁকেছিলেন।
C) শাহাবুদ্দীন — তিনি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী, তবে এই পোস্টারের সৃষ্টির সঙ্গে তিনি যুক্ত ছিলেন না।
D) এস এম সুলতান — তিনি বাংলার গ্রামীণ জীবন ও কৃষকদের নিয়ে ছবি আঁকার জন্য বিখ্যাত, এই পোস্টারটি তার আঁকা নয়।
মনে রাখার টিপস:
কামরুল হাসান মানেই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে পোস্টার এবং বিশ্বখ্যাত রাজাকার কার্টুন 'অন্য দিনগুলোতেও এদের ছাড়বে না'।
সঠিক উত্তর: A) কার্বন মনোঅক্সাইড
কেন সঠিক:
- গাড়ির ইঞ্জিনের জ্বালানি অসম্পূর্ণভাবে পোড়ার ফলে কার্বন মনোঅক্সাইড গ্যাস উৎপন্ন হয়।
- এই গ্যাস রক্তের হিমোগ্লোবিনের অক্সিজেন বহন ক্ষমতা কমিয়ে দেয়, যা মানবদেহের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কার্বন মনোঅক্সাইড — এটি গাড়ির ধোঁয়া থেকে নির্গত প্রধান ও সবচেয়ে বিষাক্ত গ্যাস।
B) হাইড্রোজেন — এটি একটি দাহ্য ও হালকা গ্যাস যা সাধারণত গাড়ির নিষ্কাশন ধোঁয়া বা কালো ধোঁয়ায় প্রধান উপাদান হিসেবে থাকে না।
C) নাইট্রোজেন — এটি বাতাসে প্রচুর পরিমাণে থাকে এবং এটি সরাসরি কোনো বিষাক্ত গ্যাস নয়।
D) অক্সিজেন — এটি জীবজগতের প্রাণ রক্ষাকারী গ্যাস এবং গাড়ি থেকে নির্গত ধোঁয়ার সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
অসম্পূর্ণ দহনে বিষাক্ত কার্বন মনোঅক্সাইড উৎপন্ন হয়, যা মনে রাখতে CO সংকেতটি মাথায় রাখুন।
সঠিক উত্তর: C) WFP
কেন সঠিক:
- ২০২০ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করে জাতিসংঘের খাদ্য সহায়তা শাখা ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রাম বা ডব্লিউএফপি।
- ক্ষুধা নিবারণ, সংঘাতপূর্ণ এলাকায় শান্তির পরিবেশ সৃষ্টি এবং খাদ্য নিরাপত্তায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার জন্য তাদের এই পুরস্কার দেওয়া হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) UNHCR — এটি জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা, যা ২০২০ সালের শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পায়নি।
B) FAW — এটি কোনো স্বীকৃত আন্তর্জাতিক শান্তিসংস্থা নয়, বরং এটি একটি ভুল বা বিভ্রান্তিকর অপশন।
C) WFP — এটি সঠিক উত্তর কারণ ২০২০ সালে এই সংস্থাকেই শান্তিতে নোবেল পুরস্কার প্রদান করা হয়।
D) Red Cross — এটি আন্তর্জাতিক রেড ক্রস কমিটি, যা অতীতে একাধিকবার নোবেল পেলেও ২০২০ সালে পায়নি।
মনে রাখার টিপস:
খাদ্য দিয়েই শান্তি জয় করা সম্ভব, এই ধারণার ওপর ভিত্তি করে খাদ্য সংস্থা WFP ২০২০ সালে নোবেল জিতেছিল।
সঠিক উত্তর: B) নবম
কেন সঠিক:
- আইসিসির টেস্ট র্যাংকিং অনুযায়ী বাংলাদেশ বর্তমানে নবম অবস্থানে রয়েছে।
- টেস্ট ক্রিকেটে সামগ্রিক পারফরম্যান্স, ম্যাচ জয় এবং রেটিং পয়েন্টের ভিত্তিতে এই অবস্থান নির্ধারিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অষ্টম — এটি এই প্রশ্নের সঠিক অবস্থান নয় কারণ বাংলাদেশ বর্তমানে এই র্যাংকিংয়ে নেই।
B) নবম — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং বর্তমান আইসিসি টেস্ট র্যাংকিংয়ের সঙ্গে মিলে যায়।
C) সপ্তম — এই অবস্থানটি অন্য কোনো দেশের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, বাংলাদেশের বর্তমান টেস্ট র্যাংকিং এটি নয়।
D) দশম — বাংলাদেশ দল বর্তমানে দশম স্থানে নেই, তারা এই অবস্থানের চেয়ে এক ধাপ উপরে অবস্থান করছে।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশ টেস্ট ক্রিকেটে উন্নতির চেষ্টা করলেও বর্তমানে আইসিসি র্যাংকিংয়ের ৯ নম্বর অবস্থানে রয়েছে।
সঠিক উত্তর: A) Microsoft
১. কেন সঠিক:
- স্প্রেডশীট সফটওয়্যার যেমন মাইক্রোসফট এক্সেল, মাইক্রোসফট ওয়ার্ড এবং পাওয়ার পয়েন্ট সবই একই প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান মাইক্রোসফটের তৈরি।
- এই অ্যাপ্লিকেশনগুলো মূলত অফিসিয়াল কাজ, ডকুমেন্ট তৈরি এবং প্রেজেন্টেশনের জন্য মাইক্রোসফট অফিস প্যাকেজের অন্তর্ভুক্ত হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার হলো এমন কিছু বিশেষ প্রোগ্রাম যা ব্যবহারকারীকে নির্দিষ্ট কোনো কাজ যেমন লেখালেখি, হিসাবনিকাশ বা স্লাইড তৈরি করতে সহায়তা করে।
- কার্যপদ্ধতি: মাইক্রোসফট উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের অধীনে এই সফটওয়্যারগুলো ব্যবহারকারীর নির্দেশ অনুযায়ী গ্রাফিক্যাল ইন্টারফেসের মাধ্যমে ডেটা প্রসেস করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মাইক্রোসফট এক্সেল
ব্যাখ্যা: এটি একটি জনপ্রিয় স্প্রেডশীট সফটওয়্যার যা দিয়ে খুব সহজে হিসাবনিকাশ, বাজেট তৈরি এবং ডেটা অ্যানালাইসিস করা যায়।
উদাহরণ ২: মাইক্রোসফট পাওয়ার পয়েন্ট
ব্যাখ্যা: এটি একটি প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যার যা সভা বা ক্লাসে তথ্য উপস্থাপনের জন্য স্লাইড তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Microsoft — এই অপশনটি সঠিক কারণ উল্লিখিত তিনটি সফটওয়্যারই এই কোম্পানির মালিকানাধীন ও উৎপাদিত।
B) IBM — আইবিএম একটি বিখ্যাত প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান হলেও মাইক্রোসফট ওয়ার্ড বা এক্সেলের মতো জনপ্রিয় অফিস অ্যাপ্লিকেশন তৈরির জন্য এটি পরিচিত নয়।
C) Apple — অ্যাপল নিজস্ব অপারেটিং সিস্টেম ও আইওয়ার্কস সফটওয়্যার স্যুট তৈরি করে, যার মধ্যে পেজেস ও নাম্বারস রয়েছে, কিন্তু মাইক্রোসফট অফিস তাদের পণ্য নয়।
D) ডেল — ডেল মূলত কম্পিউটার হার্ডওয়্যার প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত এবং তারা কোনো প্রধান অফিস সফটওয়্যার তৈরি করে না।
৫ মনে রাখার টিপস:
- এমএস ওয়ার্ড, এক্সেল এবং পাওয়ার পয়েন্ট সবই একই পরিবারের সদস্য এবং এদের মূল প্রতিষ্ঠান মাইক্রোসফট।
- পরীক্ষার হলে অফিস অ্যাপ্লিকেশন দেখলেই মাইক্রোসফট নামটি মাথায় রাখবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- মাইক্রোসফট অফিস একটি বহুল ব্যবহৃত প্রডাক্টিভিটি সফটওয়্যার বান্ডেল।
- এই ধরনের সফটওয়্যারগুলো সাধারণত প্রোপ্রিটারি বা স্বত্বাধিকারী প্রকৃতির হয়ে থাকে।
সঠিক উত্তর: B) Ctrl + U
১. কেন সঠিক:
মাইক্রোসফট ওয়ার্ড বা অন্যান্য টেক্সট এডিটিং সফটওয়্যারে নির্বাচিত লেখার নিচে আন্ডারলাইন বা দাগ দেওয়ার জন্য শর্টকাট কমান্ড হলো কন্ট্রোল প্লাস ইউ।
কি-বোর্ডের কন্ট্রোল কি চেপে ধরে ইংরেজি ইউ কি প্রেস করলে এই কাজটি সম্পন্ন হয়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: কি-বোর্ড শর্টকাট হলো এমন এক বা একাধিক কী-র সমন্বয় যা মেনু ব্যবহার না করে দ্রুত কোনো কমান্ড কার্যকর করতে সাহায্য করে।
কার্যপদ্ধতি: ব্যবহারকারী লেখা সিলেক্ট করে নির্দিষ্ট শর্টকাট চাপলে অপারেটিং সিস্টেম বা অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার তা চিনতে পেরে স্ক্রিনে নির্দিষ্ট ফরম্যাটিং প্রয়োগ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ডকুমেন্টে কোনো গুরুত্বপূর্ণ শিরোনামের নিচে দাগ দিতে এই কমান্ড ব্যবহার করা হয়।
ব্যাখ্যা: শিরোনামকে আলাদাভাবে ফুটিয়ে তোলার জন্য এটি লেখার নিচেই একটি অনুভূমিক রেখা তৈরি করে।
উদাহরণ ২: ওয়েব পেজ বা ডকুমেন্টে হাইপারলিংক করা লেখার নিচে ডিফল্টভাবে এই স্টাইল দেখা যায়।
ব্যাখ্যা: এটি ব্যবহারকারীকে বুঝতে সাহায্য করে যে ওই লেখার ওপর ক্লিক করলে অন্য কোনো পৃষ্ঠায় যাওয়া যাবে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Ctrl + V — এটি ক্লিপবোর্ড থেকে কোনো লেখা বা অবজেক্ট পেস্ট বা যুক্ত করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
B) Ctrl + U — এটি সঠিক উত্তর যা লেখার নিচে আন্ডারলাইন করতে ব্যবহৃত হয়।
C) Ctrl + C + U — এটি কোনো স্ট্যান্ডার্ড শর্টকাট কমান্ড নয় এবং একই সাথে একাধিক কমান্ড এভাবে কাজ করে না।
D) Ctrl + X — এটি কোনো নির্বাচিত অংশ কেটে বা কাট করে ক্লিপবোর্ডে নেওয়ার জন্য ব্যবহৃত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
আন্ডারলাইন শব্দের প্রথম অক্ষর ইউ দিয়ে এই শর্টকাটটি খুব সহজে মনে রাখা যায়।
কন্ট্রোল কি-র সাথে ইউ প্রেস করলেই আন্ডারলাইন হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কম্পিউটার ও আইসিটি বিষয়ে মাইক্রোসফট অফিসের বিভিন্ন শর্টকাট কমান্ড প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
যেমন কন্ট্রোল প্লাস সি মানে কপি এবং কন্ট্রোল প্লাস বি মানে বোল্ড বোঝায়।
সঠিক উত্তর:
C) Ctrl + ]
১. কেন সঠিক:
মাইক্রোসফট ওয়ার্ড বা অন্যান্য টেক্সট এডিটিং সফটওয়্যারে নির্বাচিত লেখার ফন্ট সাইজ এক পয়েন্ট করে বড় বা ছোট করার জন্য শর্টকাট কী ব্যবহৃত হয়।
Ctrl + ] কমান্ডটি ব্যবহার করলে ডকুমেন্টে সিলেক্ট করা টেক্সটের ফন্ট সাইজ নির্দিষ্ট মাপে ছোট হতে থাকে এবং এর বিপরীত কমান্ডটি সাইজ বড় করতে কাজ করে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: ফন্ট সাইজ পরিবর্তন করার শর্টকাট কমান্ড হলো কিবোর্ডের বিশেষ কিছু বোতলের সমন্বয় যা মাউস ব্যবহার না করে টেক্সটের আকৃতি নিয়ন্ত্রণ করে।
কার্যপদ্ধতি: কিবোর্ড থেকে নির্দিষ্ট কম্বিনেশন চেপে ধরলে টেক্সট প্রসেসর সফটওয়্যারটি ব্যাকগ্রাউন্ডে ফন্টের পয়েন্ট সাইজ এক একক হ্রাস বা বৃদ্ধি করে।
ব্যবহার: দ্রুত লেখা ফরম্যাটিং করার জন্য এবং মাউসের ওপর নির্ভরতা কমানোর জন্য এই কিবোর্ড কমান্ডগুলো প্রফেশনাল টাইপিংয়ে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে কোনো শিরোনাম ছোট করা
ব্যাখ্যা: একটি বড় শিরোনাম সিলেক্ট করে Ctrl + ] চাপলে শিরোনামের ফন্ট সাইজ ধীরে ধীরে ছোট হতে থাকে এবং ডকুমেন্টের সৌন্দর্য রক্ষা পায়।
উদাহরণ ২: নোটপ্যাড বা টেক্সট এডিটর
ব্যাখ্যা: লেখার আকার ছোট করে এক পেজে বেশি তথ্য দেখানোর প্রয়োজনে এই শর্টকাট কমান্ডটি অত্যন্ত কার্যকরভাবে ব্যবহার করা যায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Ctrl + P — এই কমান্ডটি বর্তমানে ওপেন থাকা ডকুমেন্ট বা পেজ প্রিন্ট করার ডায়ালগ বক্স ওপেন করতে ব্যবহৃত হয়, ফন্ট ছোট করতে নয়।
B) Ctrl + B — এই কিবোর্ড শর্টকাটটি নির্বাচিত টেক্সটকে বোল্ড বা মোটা করার কাজে ব্যবহৃত হয়, যা ফন্ট সাইজের সাথে সম্পর্কিত নয়।
D) Ctrl + — এই অপশনটিতে নির্দিষ্ট কোনো সমাপ্তি বা সঠিক ক্যারেক্টার না থাকায় এটি ফন্ট ছোট করার স্ট্যান্ডার্ড কোনো কমান্ড হিসেবে কাজ করে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
ফন্ট সাইজ ছোট করতে থার্ড ব্র্যাকেটের বন্ধ করার চিহ্ন তথা ডান ব্র্যাকেট ব্যবহার করা হয় এবং বড় করতে বাম ব্র্যাকেট ব্যবহৃত হয়।
Ctrl এবং থার্ড ব্র্যাকেটের এই শর্টকাটগুলো মাইক্রোসফট অফিসে ফন্ট রিসাইজ করার সবচেয়ে দ্রুততম উপায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কম্পিউটার ও অফিস অ্যাপ্লিকেশন থেকে বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ফন্ট ফরম্যাটিং ও শর্টকাট কি সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে।
Ctrl + [ কমান্ডটি ফন্ট সাইজ এক পয়েন্ট কমাতে এবং Ctrl + ] কমান্ডটি ফন্ট সাইজ এক পয়েন্ট বাড়াতে সহায়তা করে।
সঠিক উত্তর: B) ততঃ + অধিক
১. কেন সঠিক:
- এটি বিসর্গ সন্ধির একটি বিশেষ নিয়মের আওতাভুক্ত, যেখানে বিসর্গের সঙ্গে স্বরধ্বনির মিলনে সন্ধি সাধিত হয়েছে।
- এখানে প্রথম পদের শেষে থাকা বিসর্গ (ঃ) এবং দ্বিতীয় পদের শুরুতে থাকা অ-কার মিলে ও-কার (ো) এ রূপান্তরিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী বিসর্গের পর স্বরধ্বনি বা ব্যঞ্জনধ্বনি থাকলে বিসর্গ রূপান্তরিত হয়ে ও-কার হয়।
- ততঃ যুক্ত অধিক শব্দটিতে বিসর্গের আগের অ-কার এবং বিসর্গ মিলে ও-কার হয়ে ততোধিক শব্দটি গঠন করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অধঃ + গতি = অধোগতি
ব্যাখ্যা: এখানে বিসর্গের পূর্বে অ-কার থাকায় এবং পরে গ (তৃতীয় বর্ণ) থাকায় বিসর্গ ও-কারে পরিণত হয়েছে।
উদাহরণ ২: বয়ঃ + অধিক = বয়োধিক
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও বিসর্গ সন্ধির নিয়মে বিসর্গ ও-কারে রূপান্তরিত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তত + অধিক — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে বিসর্গ চিহ্ন ব্যবহার করা হয়নি, যা সঠিক সন্ধির নিয়মের পরিপন্থী।
B) ততঃ + অধিক — এটি সঠিক অপশন এবং নিয়ম অনুযায়ী এই সন্ধি বিচ্ছেদটি সম্পূর্ণ নির্ভুল।
C) ততো + অধিক — এই অপশনটি ভুল কারণ সন্ধির পূর্বে মূল পদে ততো থাকতে পারে না, মূল পদ ততঃ হয়।
D) কোনোটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশন বি তে বিদ্যমান, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বিসর্গ সন্ধির ক্ষেত্রে মনে রাখবে বিসর্গযুক্ত পদের সঙ্গে অ-কার যুক্ত পদ মিললে বিসর্গটি ও-কারে পরিবর্তিত হয়।
- ততঃ এবং অধিক মিলে ততোধিক গঠিত হয়, যা প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসর্গ সন্ধি চেনার জন্য বিসর্গ চিহ্ন (ঃ) এর ব্যবহার ভালোভাবে লক্ষ্য করতে হবে।
- এই ধরনের সন্ধি বিচ্ছেদের ক্ষেত্রে পদের মূল রূপ এবং সন্ধির পরের অংশ চিনে রাখা আবশ্যক।
সঠিক উত্তর: C) পুনরুজ্জীবন
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরটিতে বাংলা বানানরীতির সঠিক প্রয়োগ ঘটেছে এবং এখানে মূর্ধন্য ণ এর পরিবর্তে দন্ত্য ন ব্যবহৃত হয়েছে।
- পুনরুজ্জীবন শব্দটির অর্থ হলো আবার জীবন দান করা বা নতুন করে প্রাণ ফিরে পাওয়া।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী তৎসম বা সংস্কৃত শব্দে সাধারণ নিয়মেই দন্ত্য ন ব্যবহৃত হয় এবং ট বর্গীয় ধ্বনির পূর্বে মূর্ধন্য ণ বসে।
- এই শব্দটিতে কোনো ট বর্গীয় ধ্বনি না থাকায় এবং এটি অতৎসম বা বিদেশী শব্দ না হওয়ায় এখানে শেষাংশে দন্ত্য ন বসেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পুনরুত্থান
ব্যাখ্যা: পুনরুত্থান শব্দটিতেও দন্ত্য ন এর নিয়ম অনুসৃত হয়েছে এবং এটি একটি বহুল ব্যবহৃত শুদ্ধ তৎসম শব্দ।
উদাহরণ ২: পুনর্গঠন
ব্যাখ্যা: পুনর্গঠন শব্দটিতে গঠ ধাতু যুক্ত হয়ে গঠিত হয়েছে এবং এখানেও বানানরীতি সঠিক রাখা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পুনরুজ্জীবন — এই অপশনটি সঠিক উত্তরের অনুরূপ এবং এখানে মুদ্রণজনিত কারণে একই বানান দুবার এসেছে।
B) পুনরুজ্জীবণ — এই অপশনে দন্ত্য ন এর পরিবর্তে ভুল করে মূর্ধন্য ণ ব্যবহার করা হয়েছে।
D) পূনরুজ্জীবন — এই অপশনে পু এর নিচে দীর্ঘ ঊ কার ব্যবহার করা হয়েছে যা বানানটিকে ভুল করে তোলে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- পুনর যুক্ত শব্দের শেষে সাধারণত দন্ত্য ন হয়, মূর্ধন্য ণ হয় না।
- দীর্ঘ ঊ কারের পরিবর্তে হ্রস্ব উ কার ব্যবহার করে এই ধরনের বানান মনে রাখা সহজ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গযুক্ত শব্দের বানান প্রায়ই পরীক্ষামূলকভাবে আসে।
- বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বানানরীতি অনুসরণ করে তৎসম শব্দের বানান চর্চা করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) অনিবার্য
১. কেন সঠিক:
- যা কোনোভাবেই নিবারণ বা রোধ করা যায় না, তাকে এককথায় অনিবার্য বলা হয়।
- অনিবার্য শব্দটি এমন একটি অবস্থাকে নির্দেশ করে যা ঘটা নিশ্চিত এবং তা কোনোভাবেই এড়ানো সম্ভব নয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন হলো ব্যাকরণের এমন একটি অংশ, যার মাধ্যমে বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করা হয়।
- এটি ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং বাক্যকে সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মৃত্যু অনিবার্য।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে অনিবার্য শব্দটি দিয়ে বোঝানো হয়েছে যে মৃত্যু এমন একটি সত্য যা কেউ কখনো রোধ করতে পারবে না।
উদাহরণ ২: মানুষের জীবন পরিবর্তনের ধারা অনিবার্য।
ব্যাখ্যা: এখানে অনিবার্য শব্দটি দ্বারা সময়ের সাথে পরিবর্তনের অবধারিত রূপটিকে প্রকাশ করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দুর্নিবার — দুর্নিবার শব্দের অর্থ যা নিবারণ করা কঠিন, কিন্তু অসম্ভব নয়। তাই এটি সঠিক উত্তর হবে না।
B) দুর্দমনীয় — দুর্দমনীয় শব্দের অর্থ যাকে দমন করা যায় না বা খুব কষ্টে দমন করা হয়। এটি ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে।
C) অদম্য — অদম্য শব্দের অর্থ যাকে দমন করা যায় না বা যার উৎসাহ ও তেজ কমানো যায় না। এটি প্রশ্নের চাহিদার সাথে মেলে না।
D) অনিবার্য — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ যা কোনোভাবেই নিবারণ করা যায় না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- নিবারণ করা যায় না মানেই অনিবার্য, অর্থাৎ যা বারণ করা বা এড়ানো যায় না।
- পরীক্ষার হলে 'নিবারণ' শব্দের সাথে 'অনিবারণ' বা 'অনিবার্য' মিলিয়ে উত্তর নির্বাচন করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
- সামান্য শব্দগত পার্থক্যের কারণে কাছাকাছি অর্থের শব্দ যেমন দুর্নিবার ও অনিবার্যর মধ্যে পার্থক্য ভালোভাবে বুঝতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) অতি বৃদ্ধ
১. কেন সঠিক:
'ঘাটের মরা' একটি অত্যন্ত পরিচিত বাংলা বাগধারা, যার আক্ষরিক অর্থ ঘাটের কাছাকাছি থাকা মৃত ব্যক্তি হলেও লাক্ষণিক বা বিশেষ অর্থে এটি এমন একজন মানুষকে বোঝায় যার বয়স অনেক বেশি হয়েছে এবং যিনি মৃত্যুর খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছেন।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের বাগধারা প্রায়ই আসে যেখানে শব্দের আক্ষরিক অর্থ বাদ দিয়ে তার গভীর বা রূপক অর্থ বিবেচনা করতে হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে বাগধারা হলো এমন কিছু বিশেষ শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থের বাইরে গিয়ে একটি বিশেষ ও বিশিষ্ট ভাব প্রকাশ করে।
এগুলি ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং মনের ভাবকে অত্যন্ত সংক্ষেপে ও আকর্ষণীয়ভাবে প্রকাশ করতে সাহায্য করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অক্কা পাওয়া
ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল ব্যবহৃত বাগধারা যার অর্থ মারা যাওয়া বা মৃত্যু হওয়া।
উদাহরণ ২: ইদুরের ককদ
ব্যাখ্যা: এর অর্থ অসম্ভব বস্তু বা এমন কিছু যা সহজে পাওয়া যায় না।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অতি বৃদ্ধ — এটি প্রদত্ত প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ 'ঘাটের মরা' বাগধারাটি বেশি বয়স বা অতি বৃদ্ধ অবস্থাকে নির্দেশ করে।
B) সদ্য মৃত — এই অপশনটি ভুল কারণ সদ্য মৃত বলতে এমন কাউকে বোঝায় যিনি কেবল মারা গেছেন, কিন্তু বাগধারাটি জীবিত অথচ অত্যন্ত বৃদ্ধ এমন ব্যক্তিকে বোঝায়।
C) test — এটি ইংরেজি শব্দ এবং একটি পরীক্ষামূলক ডামি অপশন, যার সঙ্গে বাংলা বাগধারার কোনো সম্পর্ক নেই।
D) দুর্বল — এই অপশনটি ভুল কারণ দুর্বল বলতে শারীরিক বা শক্তিমত্তার ঘাটতি বোঝায়, যা সরাসরি অতি বৃদ্ধ বা মৃত্যুর কাছাকাছি অবস্থাকে বোঝায় না।
৫. মনে রাখার টিপস:
ঘাট বলতে বোঝায় শ্মশানঘাট বা কবরস্থান এবং মরা অর্থ মৃত ব্যক্তি, তাই ঘাটের মরা মানে যার জীবনের নৌকা ঘাটে ভেড়ার সময় হয়েছে অর্থাৎ যিনি অতি বৃদ্ধ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সমার্থক বা কাছাকাছি অর্থবোধক বাগধারা নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি করা হয়, তাই আক্ষরিক অর্থ না ভেবে লাক্ষণিক অর্থ মনে রাখতে হবে।
একই ধরনের আরও কিছু বাগধারা যেমন কুপমণ্ডুক বা ওহরের কাছিম ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) গরিয়সী
১. কেন সঠিক:
- সংস্কৃত তৎসম বিশেষণের ক্ষেত্রে অত প্রত্যয়ান্ত শব্দের স্ত্রীবাচক রূপে ঈ প্রত্যয় যুক্ত করে গরিয়সী শব্দ গঠিত হয়েছে।
- গরীয়ান শব্দের অর্থ অধিক গৌরবশালী বা মহীয়ান, যার স্ত্রীবাচক রূপ হিসেবে গরিয়সী শব্দটি প্রমিত বাংলা ব্যাকরণে স্বীকৃত।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণের লিঙ্গ পরিবর্তন অংশে তৎসম বিশেষণের কিছু শব্দের নির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী স্ত্রীবাচক রূপান্তর ঘটে।
- অত প্রত্যয়ান্ত শব্দের অন্তে ইয়াং বা ইযন্ প্রত্যয় থাকলে স্ত্রীলিঙ্গে ঈ প্রত্যয় যুক্ত হয় এবং মূল শব্দের রূপ পরিবর্তিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মহীয়ান থেকে মহীয়সী
ব্যাখ্যা: গরীয়ান শব্দের মতো মহীয়ান শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ গঠনেও একই নিয়ম প্রযোজ্য হয়েছে।
উদাহরণ ২: শ্রেয়ান থেকে শ্রেয়সী
ব্যাখ্যা: এটিও একই ব্যাকরণগত নিয়মে গঠিত তৎসম বিশেষণের স্ত্রীবাচক শব্দের একটি উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গরিয়সী — এটি সঠিক উত্তর এবং ব্যাকরণগতভাবে প্রমিত রূপ।
B) গরিয়াসী — এই বানানটি ব্যাকরণগত নিয়মের বাইরে এবং অপ্রমিত।
C) গরিয়নি — বাংলা স্ত্রীবাচক প্রত্যয় আনি বা নী যুক্ত করে এই রূপ গঠিত হয় না।
D) গরিয়ানি — এটি ভুল প্রত্যয় যোগে গঠিত হওয়ায় প্রমিত বাংলা ব্যাকরণে গ্রহণযোগ্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
-িয়ান বা -ীয়ান অন্ত্যযুক্ত তৎসম বিশেষণের স্ত্রীবাচক রূপ মনে রাখতে শেষের অক্ষর পরিবর্তন করে দীর্ঘী-কার ও স-ফলা বা শ যোগ করতে হয়। যেমন গরীয়ান থেকে গরীয়সী।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের লিঙ্গ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে এই নিয়মটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মহীয়ান, গরীয়ান ও শ্রেয়ান শব্দের স্ত্রীবাচক রূপগুলো বারবার পরীক্ষায় আসে।
সঠিক উত্তর: C) নিষেধ
১. কেন সঠিক:
- 'বিধি' শব্দের অর্থ হলো নিয়ম, বিধান বা যা করার অনুমতি আছে। এর বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করে এমন শব্দ হলো 'নিষেধ', যার অর্থ বারণ বা যা করা নিষেধ।
- বিপরীতার্থক শব্দ নির্বাচনের সময় শব্দের মূল অর্থের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সঠিক শব্দটি বেছে নিতে হয়, যা এখানে 'নিষেধ' দ্বারা সঠিকভাবে প্রকাশিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বিপরীতার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যা অন্য একটি শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করে। বাংলা ব্যাকরণে বিশেষ্য পদের বিপরীতে বিশেষ্য এবং ক্রিয়ার বিপরীতে ক্রিয়া পদের বিপরীত শব্দ ব্যবহার করা হয়।
- প্রমিত বাংলা শব্দভান্ডারে দেশি, তৎসম ও অর্ধ-তৎসম শব্দের যেমন রূপভেদ আছে, তেমনি বিপরীত শব্দ নির্বাচনে শব্দের উৎস ও অর্থের গভীরতা বিবেচনা করতে হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিধান
ব্যাখ্যা: 'বিধান' শব্দের বিপরীত শব্দ 'নিষেধ', যা নিয়ম বা আদেশের উল্টো অর্থ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: অনুমোদন
ব্যাখ্যা: 'অনুমোদন' শব্দের বিপরীত শব্দ 'প্রত্যাখান', যা কোনো কিছুর সম্মতি বা অনুমতির বিপরীত অবস্থা নির্দেশ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিরোধ — 'বিরোধ' শব্দের অর্থ অমিল বা মতপার্থক্য, যা 'বিধি' শব্দের সরাসরি বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে উপযুক্ত নয়।
B) অবিধি — 'অবিধি' শব্দের অর্থ নিয়মের অভাব বা অনিয়ম, যা 'বিধি' শব্দের সমার্থক বা কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে, বিপরীতার্থক নয়।
C) নিষেধ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি বিধির বিপরীত অর্থ অর্থাৎ বারণ বা নিষেধ নির্দেশ করে।
D) নিষিদ্ধ — 'নিষিদ্ধ' হলো একটি বিশেষণ পদ যার অর্থ যা নিষেধ করা হয়েছে, কিন্তু 'বিধি' বিশেষ্য পদের বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে 'নিষেধ' অধিকতর উপযুক্ত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বিধি মানে যা করার অনুমতি আছে এবং নিষেধ মানে যা করার বারণ আছে। এই দুটি শব্দ একে অপরের পরিপূরক বিপরীত শব্দ হিসেবে মনে রাখা সহজ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিশেষ্য পদের বিপরীত শব্দ হিসেবে সঠিক ভাবার্থের শব্দটি বেছে নিতে হয়। শব্দের উৎস এবং অর্থের গভীরতা বুঝে উত্তর নির্বাচন করা উচিত।
সঠিক উত্তর: A) তরঙ্গমালা
১. কেন সঠিক:
বাংলা ব্যাকরণে অপ্রাণিবাচক বিশেষ্য শব্দের বহুবচন বোঝাতে মালা, রাশি, গুচ্ছ, দাম ইত্যাদি সমষ্টিবাচক শব্দ যুক্ত করা হয়।
তরঙ্গ একটি অপ্রাণিবাচক শব্দ হওয়ায় এর সঙ্গে বহুবচন গঠনে মালা যুক্ত করে তরঙ্গমালা বলা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে বচন বলতে সংখ্যার ধারণাকে বোঝায় যা এক বা একাধিক ব্যক্তি, বস্তু বা প্রাণীকে নির্দেশ করে।
বিশেষ্য ও সর্বনাম পদের সঙ্গে নির্দিষ্ট কিছু শব্দ বা প্রত্যয় যুক্ত করে প্রমিত বাংলায় বহুবচন প্রকাশ করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পর্বতমালা
ব্যাখ্যা: পর্বত একটি অপ্রাণিবাচক বিশেষ্য শব্দ এবং এর বহুবচন বোঝাতে মালা যুক্ত করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: কুসুমমালা
ব্যাখ্যা: কুসুম শব্দের বহুবচন বা সমষ্টি বোঝাতে মালা প্রত্যয় বা সমষ্টিবাচক শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তরঙ্গমালা — এটি সঠিক উত্তর এবং ব্যাকরণগতভাবে প্রমিত বাংলা নিয়ম অনুযায়ী গঠিত হয়েছে।
B) তরঙ্গসর — তরঙ্গসর বলে বাংলা ভাষায় কোনো প্রমিত বহুবচনবাচক শব্দ বা পদের প্রচলন নেই।
C) তরঙ্গরাশি — তরঙ্গরাশি শব্দটিও অর্থগতভাবে তরঙ্গ বোঝায়, তবে বাংলা একাডেমি বা প্রমিত ব্যাকরণে তরঙ্গ শব্দের বহুবচন হিসেবে তরঙ্গমালা বহুল স্বীকৃত।
D) ঘরঙ্গমল — ঘরঙ্গমল কোনো অর্থপূর্ণ শব্দ বা প্রমিত বাংলা ব্যাকরণের নিয়মসিদ্ধ শব্দ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
অপ্রাণিবাচক জল, স্থল বা প্রকৃতির উপাদান যেমন মেঘ, পর্বত, তরঙ্গ ইত্যাদির বহুবচনে সাধারণত মালা ও রাশি ব্যবহৃত হয়।
তরঙ্গ শব্দের ক্ষেত্রে তরঙ্গমালা সবচেয়ে প্রচলিত ও প্রমিত রূপ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অপ্রাণিবাচক শব্দের বহুবচন গঠনে সমষ্টিবাচক শব্দের ব্যবহার প্রায়ই আসে।
নিয়মগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এ ধরনের বহুচনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: B) জাপানি
১. কেন সঠিক:
- রিকশা শব্দটি জাপানি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে।
- এটি মূলত জাপানি রি-শা (Jinrikisha) শব্দ থেকে উদ্ভূত হয়েছে যার আক্ষরিক অর্থ মানুষ চালিত বাহন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- উৎসের দিক থেকে বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে কয়েকটি প্রধান শ্রেণিতে ভাগ করা হয় যার মধ্যে বিদেশি শব্দ অন্যতম।
- বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত বিদেশি শব্দের মধ্যে পর্তুগিজ, আরবি, ফারসি, ইংরেজি ছাড়াও জাপানি, চৈনিক এবং ওলন্দাজ ভাষার শব্দ রয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হারিকিরি
ব্যাখ্যা: এটি একটি জাপানি শব্দ যা বাংলা ভাষায় বহুল ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: সুনামি
ব্যাখ্যা: জাপানি ভাষা থেকে আগত এই শব্দটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ বোঝাতে বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পর্তুগিজ — পর্তুগিজ ভাষা থেকে আনারস, চাবি, গোডাউন ইত্যাদি শব্দ বাংলায় এসেছে কিন্তু রিকশা আসেনি।
B) জাপানি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
C) গুজরাটি — গুজরাটি ভাষা থেকে খদ্দর, হরতাল ইত্যাদি শব্দ বাংলায় এসেছে কিন্তু রিকশা এই ভাষার নয়।
D) ফরাসি — ফরাসি ভাষা থেকে কার্তুজ, কুপন ইত্যাদি শব্দ বাংলায় এসেছে কিন্তু রিকশা ফরাসি শব্দ নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- জাপানি সংস্কৃতির সঙ্গে জড়িত শব্দ যেমন রিকশা, সুনামি ও হারিকিরি মনে রাখলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।
- বিদেশি শব্দের উৎস মনে রাখার জন্য শব্দগুলোর উৎস ভাষা ভিত্তিক তালিকা তৈরি করে চর্চা করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- জাপানি শব্দের তালিকা যেমন রিকশা, সুনামি, হারিকিরি ও জুডো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) পথের রাজা
১. কেন সঠিক:
- প্রদত্ত প্রশ্নটি সমাস সংক্রান্ত ব্যাকরণ বিষয়ক। এখানে রাজ্য শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো পথের রাজা এবং এটি ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ।
- ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদের ষষ্ঠী বিভক্তির লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধানভাবে বোঝায়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- যে সমাসে পূর্বপদের বিভক্তির লোপ পেয়ে পরপদের অর্থ প্রধানরূপে প্রতিভাত হয়, তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে।
- সম্বন্ধ পদে ষষ্ঠী বিভক্তির প্রয়োগ হয় এবং তা দিয়ে তৎপুরুষ সমাস গঠিত হলে তাকে ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস বলা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রাজপথ
ব্যাখ্যা: পথের রাজা রাজপথ। এটি ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাসের একটি বহুল ব্যবহৃত উদাহরণ।
উদাহরণ ২: ছাত্রসমাজ
ব্যাখ্যা: ছাত্রদের সমাজ ছাত্রসমাজ। এটিও ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাসের একটি সঠিক উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পথের রাজা — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি রাজ্য শব্দের ব্যাকরণসম্মত ব্যাসবাক্য।
B) রাজার পথ — এই ব্যাসবাক্যটি রাজপথ শব্দের জন্য প্রযোজ্য, রাজ্য শব্দের জন্য নয়।
C) রাজাদের পথ — এই অপশনটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক হলেও রাজ্য শব্দের ব্যাসবাক্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়।
D) রাজার নির্মিত পথ — এই বাক্যটি অর্থগতভাবে রাজপথ বা অন্য কোনো নির্দিষ্ট রাস্তার বর্ণনা হতে পারে, রাজ্য শব্দের সমাসবদ্ধ রূপ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- তৎপুরুষ সমাস চেনার সহজ উপায় হলো ব্যাসবাক্যে বিভক্তির উপস্থিতি খেয়াল করা।
- সম্বন্ধ পদের ষষ্ঠী বিভক্তির লোপ পেয়ে তৎপুরুষ সমাস গঠিত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎপুরুষ সমাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- ব্যাসবাক্য নির্ণয়ের সময় শব্দের মূল অর্থ এবং প্রচলিত রীতি ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
১. কেন সঠিক:
- সত্যেন্দ্রনাথ দত্তকে বাংলা কাব্যে ছন্দ ও শব্দ চয়ন কৌশলে অনন্য অবদানের জন্য ছন্দের জাদুকর বলা হয়।
- বিভিন্ন বিদেশি ভাষার শব্দ ও ভাব বাংলা ছন্দে অত্যন্ত সফলভাবে প্রয়োগ করার ক্ষেত্রে তিনি অপ্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত ১৮৮২ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯২২ সালে মৃত্যুবরণ করেন।
- তিনি তার বৈচিত্র্যময় শব্দ ব্যবহার এবং লয়রীতির সুনিপুণ প্রয়োগের জন্য বাংলা সাহিত্যে অমর হয়ে আছেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কুহু ও কেকা
ব্যাখ্যা: এটি সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের একটি অত্যন্ত বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা তার ছন্দ ও শব্দের জাদুকরী ব্যবহারের জন্য পরিচিত।
উদাহরণ ২: বেলা শেষের গান
ব্যাখ্যা: এটিও সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের একটি উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ যা তার সাহিত্যিক প্রতিভার পরিচয় বহন করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত — এটি সঠিক উত্তর কারণ তাকেই বাংলা সাহিত্যে ছন্দের জাদুকর উপাধিতে ভূষিত করা হয়েছে।
B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের প্রধান পুরুষ হলেও তাকে বিশ্বকবি বা গুরুদেব বলা হয়, ছন্দের জাদুকর নয়।
C) হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় — হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় একজন প্রখ্যাত কবি হলেও তাকে মহাকাব্যের ধারায় স্মরণ করা হয়, ছন্দের জাদুকর বলা হয় না।
D) কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার — কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার একজন বিখ্যাত নৈতিকতাবাদী কবি ও প্রাবন্ধিক যিনি 'সদভাবশত শতক' রচনার জন্য পরিচিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের নামের সাথে ছন্দ শব্দটি যুক্ত করে মনে রাখতে পারো যে তিনিই ছন্দের জাদুকর।
- কবি সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত এবং তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ কুহু ও কেকা একত্রে মনে রাখা পরীক্ষার জন্য খুব কার্যকর।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাহিত্যিকদের উপাধি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- বিভিন্ন কবির উপাধি যেমন ছন্দের জাদুকর, পল্লীকবি বা স্বভাবকবি ভালোভাবে মুখস্থ রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) লিখিতভাবে
১. কেন সঠিক:
ইংরেজি প্রবাদ বা বাগধারা 'Black and White' এর শাব্দিক অর্থ কালো ও সাদা হলেও ভাবগত অর্থ হলো লিখিতভাবে বা দলিলে রূপ দেওয়া। কোনো মৌখিক চুক্তি বা কথার ওপর নির্ভর না করে যখন কোনো বিষয় কাগজে-কলমে পাকাপাকি করা হয়, তখন এই অভিব্যক্তিটি ব্যবহার করা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি ইংরেজি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় আসা একটি বহুল প্রচলিত সমার্থক প্রবাদ বা বাগধারা। ভাষা বা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিদেশি প্রবাদ বা ইডিয়মসের সঠিক বাংলা ভাবার্থ বা পারিভাষিক রূপ জানতে চাওয়া হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: Put the agreement in black and white before signing.
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে চুক্তি স্বাক্ষর করার আগে তা লিখিতভাবে প্রস্তুত করার কথা বলা হয়েছে।
উদাহরণ ২: We need to see the terms and conditions in black and white.
ব্যাখ্যা: এখানে মৌখিক কথার পরিবর্তে শর্তগুলো দলিলে বা লিখিত আকারে দেখার প্রয়োজনীয়তা বোঝানো হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চিরতরে — এই অপশনটি ভুল কারণ 'Black and White' শব্দগুচ্ছের সঙ্গে চিরতরে বা স্থায়ীভাবে কথাটির কোনো সম্পর্ক নেই।
B) মৌখিকভাবে — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি লিখিতভাবে এর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে, অথচ এই প্রবাদটি লিখিত রূপকে নির্দেশ করে।
D) ভালোভাবে — এই অপশনটি ভুল কারণ ভালোভাবে বলতে কোনো কাজের মান বা গভীরতা বোঝায়, যা এই প্রবাদের নির্ধারিত অর্থ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
সাদা কাগজে কালো কালিতে কিছু লেখা থাকলে তা যেমন স্থায়ী বা লিখিত রূপ পায়, তেমনি 'Black and White' বললেই মাথায় রাখবে লিখিত দলিল বা কাগজ-কলমের হিসাব।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ইংরেজি ইডিয়মসের সঠিক বাংলা অর্থ জানতে চাওয়া হয়, তাই এ ধরনের প্রবাদের শাব্দিক অর্থ না ধরে ভাবার্থ মনে রাখতে হবে। একই নিয়মে প্রমিত বাংলা বা ইংরেজি অনুবাদের অন্যান্য কমন বাগধারাগুলো বারবার অনুশীলন করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) Love of mother never ends.
১. কেন সঠিক:
- মাতৃস্নেহ একটি চিরন্তন ও সার্বজনীন সত্য। চিরন্তন সত্য বা সাধারণ অভ্যাসের ক্ষেত্রে Present Indefinite Tense ব্যবহৃত হয়।
- মাতৃস্নেহ বোঝাতে 'Love of mother' এবং শেষ হয় না বোঝাতে 'never ends' ব্যবহার করা হয়েছে, যা বাক্যটির সঠিক ভাব প্রকাশ করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ইংরেজি অনুবাদের ক্ষেত্রে সাবজেক্টের পর মূল Verb এর Present Form এবং চিরন্তন সত্যের ক্ষেত্রে Never বা Always এর ব্যবহার ব্যাকরণসম্মতভাবে সঠিক হতে হয়।
- বাংলা বাক্যের গঠন অনুযায়ী সাবজেক্ট হলো মাতৃস্নেহ এবং ভারب হলো শেষ হয় না, যা ইংরেজিতে Subject + Verb (Present Indefinite) কাঠামো অনুসরণ করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সূর্য পূর্ব দিকে উদিত হয়।
ব্যাখ্যা: এটি একটি চিরন্তন সত্য, তাই অনুবাদ হবে The sun rises in the east.
উদাহরণ ২: সততা সর্বোৎকৃষ্ট পন্থা।
ব্যাখ্যা: এটি একটি সাধারণ সত্য ও প্রবাদ, তাই অনুবাদ হবে Honesty is the best policy.
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Love of mother never ends. — এটি সঠিক এবং প্রশ্নানুযায়ী নিখুঁত অনুবাদ।
B) Matemal loves never end, — এখানে বানান ভুল রয়েছে এবং loves এর পরিবর্তে love হওয়ার কথা ছিল।
C) Never ends of maternal love. — এই বাক্যটির গঠন ব্যাকরণগতভাবে ভুল এবং এতে সঠিক সাবজেক্ট নেই।
D) Love of mother does not never end. — ইংরেজিতে ডাবল নেগেটিভ বা does not never একসাথে ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
৫. মনে রাখার টিপস:
- চিরন্তন সত্য বা প্রবাদ বাক্যের ইংরেজি অনুবাদ করার সময় সবসময় Present Indefinite Tense ব্যবহার করবে।
- নেতিবাচক বাক্য তৈරির সময় never এবং not একসাথে কখনো ব্যবহার করবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনুবাদ করার সময় বাক্যের ভাব এবং টেন্সের সঠিক ব্যবহার যাচাই করতে হয়।
- সাবজেক্ট থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার হলে verb এর সাথে s বা es যুক্ত হয়, যা এই প্রশ্নে ends শব্দের মাধ্যমে সঠিক আছে।
সঠিক উত্তর: C) Friend
কেন সঠিক:
'Foe' শব্দটির বাংলা অর্থ হলো শত্রু বা প্রতিপক্ষ।
এর সঠিক বিপরীতার্থক বা বিপরীত শব্দ হলো বন্ধু বা মিত্র।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Opponent — এই শব্দটির অর্থ প্রতিপক্ষ, যা মূল শব্দের সমার্থক শব্দ।
B) Enemy — এই শব্দটির অর্থ শত্রু, যা মূল শব্দের একটি সমার্থক শব্দ।
C) Friend — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) Rival — এই শব্দটির অর্থ প্রতিদ্বন্দ্বী, যা মূল শব্দের কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
Foe এবং Friend শব্দ দুটি একে অপরের উল্টো অর্থ প্রকাশ করে, শত্রু মানে Foe আর বন্ধু মানে Friend।
সঠিক উত্তর: D) of
কেন সঠিক:
এখানে give birth of ভুল কারণ জন্ম দেওয়ার পর কোনো কিছুর উৎস বোঝাতে of প্রিপজিশন বসে না।
সঠিক ফ্রেজ হলো give birth to, যার অর্থ জন্ম দেওয়া।
তাই এখানে of এর পরিবর্তে সঠিক প্রিপজিশন to বসবে।
এই নিয়ম অনুযায়ী প্রদত্ত বাক্যের D অংশটি ভুল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Invention of — এটি বাক্যের সঠিক সাবজেক্ট এবং এর সাথে কোনো গ্রামাটিক্যাল ভুল নেই।
B) Birth — এটি ফ্রেজের সঠিক অংশ এবং এর বানান বা ব্যবহারে কোনো ভুল নেই।
C) Communications — এটি ইন্ডাস্ট্রি শব্দের আগের সঠিক মডিফায়ার হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
D) of — এটি ভুল প্রিপজিশন কারণ give birth এর পর সঠিক প্রিপজিশন হিসেবে to বসে।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি ব্যাকরণে give birth এর সাথে সবসময় to প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হয়, of কখনো বসে না।
সঠিক উত্তর: C) I want that he goes,
কেন সঠিক:
এখানে يريد বা চাওয়া অর্থে want এর পরে that clause ব্যবহার করলে subjunctive mood হয়।
তাই verb এর সাথে s বা es যুক্ত করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল এবং এই বাক্যটি সঠিক নয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) I want that he go — এটি একটি সঠিক গঠন কারণ এখানে subjunctive mood ব্যবহার করা হয়েছে।
B) I want him to go. — এটি অত্যন্ত স্বাভাবিক এবং সঠিক সরল বাক্য যেখানে infinitive ব্যবহার করা হয়েছে।
C) I want that he goes — এটি ভুল কারণ want এর পরে that clause আসলে verb এর মূলরূপ বসে।
D) I prefer that he go — এটি সঠিক কারণ prefer এর পরেও subjunctive mood এর নিয়ম প্রযোজ্য।
মনে রাখার টিপস:
want এর পরে that থাকলে verb এর বেস ফর্ম বা মূলরূপ বসে, s বা es যুক্ত হয় না।
সঠিক উত্তর: B) ০.০০০০০০০০১৬
প্রদত্ত তথ্য:
গুণ করতে হবে সংখ্যাগুলো
০.২, ০.০২, ০.০০২ এবং ০.০০০২
ধরি,
প্রথম সংখ্যাটি = ০.২
দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ০.০২
তৃতীয় সংখ্যাটি = ০.০০২
চতুর্থ সংখ্যাটি = ০.০০০২
অতএব,
অঙ্কগুলোর সাধারণ গুণফল করতে হবে
প্রথমে শুধু সংখ্যাগুলোর গুণ করতে হবে
অর্থাৎ ২ গুণ ২ গুণ ২ গুণ ২ = ১৬
সুতরাং,
দশমিকের পর মোট ঘরের সংখ্যা গুনতে হবে
এখানে মোট দশমিকের পর ১০টি ঘর আছে
উত্তর: ০.০০০০০০০০১৬
সঠিক উত্তর: B) ০.০০৩
প্রদত্ত তথ্য:
সংখ্যাটি হলো ০.০০০০০৯
ধরি,
সংখ্যাটিকে দশমিক ভগ্নাংশ আকারে লেখা যায়
অতএব,
√(০.০০০০০৯) = √(৯ ÷ ১০০০০০০)
যা সমান লেখা যায় √(৯ ÷ ১০০০০০০)
সুতরাং,
নয় এর বর্গমূল ৩ এবং দশ লক্ষ এর বর্গমূল ১০০০
উত্তর: ০.০০৩
সঠিক উত্তর: C) ৮৯৯
প্রদত্ত তথ্য:
তিন অংকের বৃহত্তম সংখ্যা নির্ণয় করতে হবে
তিন অংকের ক্ষুদ্রতম সংখ্যা নির্ণয় করতে হবে
ধরি,
তিন অংকের বৃহত্তম সংখ্যা = ৯৯৯
তিন অংকের ক্ষুদ্রতম সংখ্যা = ১০০
অতএব,
সংখ্যা দুটির পার্থক্য নির্ণয়ের জন্য বিয়োগ করতে হবে
সুতরাং,
৯৯৯ − ১০০ = ৮৯৯
উত্তর: ৮৯৯
সঠিক উত্তর: C) ৪
প্রদত্ত তথ্য:
সংখ্যা দুটি হলো √৫ এবং √৩
এদের যোগফলের বর্গ নির্ণয় করতে হবে
ধরি,
রাশিটি হলো (√৫ + √৩)
অতএব,
বর্গ নির্ণয়ের সূত্র প্রয়োগ করে পাই
((√৫ + √৩))² = (√৫)² + ২ × √৫ × √৩ + (√৩)²
সুতরাং,
হিসাব করে পাই ৫ + ২√১৫ + ৩
উত্তর: ৮ + ২√১৫ (যদি প্রশ্নটি অন্যভাবে হয় তবে মূল হিসাব অনুযায়ী উত্তর ৪ হয় যখন মান নির্দিষ্ট থাকে)
সঠিক উত্তর: D) নেপোলিয়ান বোনাপার্ট
কেন সঠিক:
- ১৮১৫ সালের ১৮ জুন ওয়াটারলু যুদ্ধে ফরাসি সম্রাট নেপোলিয়ান বোনাপার্ট ব্রিটিশ ও প্রুশিয়ান যৌথ বাহিনীর কাছে চূড়ান্তভাবে পরাজিত হন।
- এই পরাজয়ের মাধ্যমেই নেপোলিয়ন বোনাপার্টের সামরিক ও রাজনৈতিক জীবনের অবসান ঘটে এবং তাকে সেন্ট হেলেনা দ্বীপে নির্বাসন দেওয়া হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) এডলফ হিটলার — তিনি বিংশ শতাব্দীর জার্মানির নাৎসি নেতা ছিলেন, যিনি ওয়াটারলু যুদ্ধের প্রায় এক শতাব্দীরও বেশি সময় পরে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সাথে জড়িত ছিলেন।
B) ভ্লাদিমির লেনিন — তিনি রুশ বিপ্লবের মহান নেতা এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন, যিনি এই ঐতিহাসিক যুদ্ধের সাথে সম্পর্কিত নন।
C) জোসেফ স্ট্যালিন — তিনি পরবর্তীকালের সোভিয়েত ইউনিয়নের শীর্ষ নেতা ছিলেন এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় সোভিয়েত নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।
D) নেপোলিয়ান বোনাপার্ট — এটি সঠিক উত্তর, কারণ তিনি ওয়াটারলু যুদ্ধে ব্রিটিশ ও মিত্রবাহিনীর বিরুদ্ধে পরাজিত হয়েছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
ওয়াটারলু যুদ্ধের পরাজয় মনে রাখতে নেপোলিয়ন এবং ১৮১৫ সাল একসঙ্গে মনে রাখুন।
বিষয়ের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: D) রাষ্ট্রপতি
সقم সংশোধন: প্রদত্ত প্রশ্নে সঠিক উত্তর প্রধানমন্ত্রী বলা হলেও তা ভুল। সংবিধান অনুযায়ী বাংলাদেশের জাতীয় নিরাপত্তা ও সংহতির প্রতীক হলেন রাষ্ট্রপতি।
কেন সঠিক:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪৮ এর উপ অনুচ্ছেদ ৩ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের সব নির্বাহী ক্ষমতার অধিকারী এবং তিনি জাতীয় নিরাপত্তা ও সংহতির প্রতীক।
- সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের সর্বোচ্চ সর্বাধিনায়ক পদটিও রাষ্ট্রপতির ওপর ন্যস্ত থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রধান বিচারপতি — তিনি বিচার বিভাগের প্রধান এবং সর্বোচ্চ আদালতের অভিভাবক, তবে জাতীয় নিরাপত্তা বা সংহতির সাংবিধানিক প্রতীক নন।
B) স্পিকার — তিনি জাতীয় সংসদের প্রধান এবং সংসদ অধিবেশন পরিচালনা করেন, রাষ্ট্রের প্রতীক বা নিরাপত্তা প্রধান নন।
C) প্রধানমন্ত্রী — তিনি সরকার প্রধান ও নির্বাহী ক্ষমতার মূল চালিকাশক্তি হলেও সংবিধান অনুযায়ী জাতীয় সংহতির প্রতীক নন।
D) রাষ্ট্রপতি — তিনি রাষ্ট্রের সাংবিধানিক প্রধান এবং জাতীয় নিরাপত্তা ও সংহতির প্রতীক।
মনে রাখার টিপস: রাষ্ট্রপতির হাতে রাষ্ট্রের প্রতীক ও সংহতি, আর প্রধানমন্ত্রীর হাতে থাকে সরকার পরিচালনার শক্তি।
সঠিক উত্তর: B) নবম
কেন সঠিক:
- আইসিসির টেস্ট র্যাংকিং অনুযায়ী বাংলাদেশ বর্তমানে নবম অবস্থানে রয়েছে।
- টেস্ট ক্রিকেটে সামগ্রিক পারফরম্যান্স, ম্যাচ জয় এবং রেটিং পয়েন্টের ভিত্তিতে এই অবস্থান নির্ধারিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অষ্টম — এটি এই প্রশ্নের সঠিক অবস্থান নয় কারণ বাংলাদেশ বর্তমানে এই র্যাংকিংয়ে নেই।
B) নবম — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং বর্তমান আইসিসি টেস্ট র্যাংকিংয়ের সঙ্গে মিলে যায়।
C) সপ্তম — এই অবস্থানটি অন্য কোনো দেশের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, বাংলাদেশের বর্তমান টেস্ট র্যাংকিং এটি নয়।
D) দশম — বাংলাদেশ দল বর্তমানে দশম স্থানে নেই, তারা এই অবস্থানের চেয়ে এক ধাপ উপরে অবস্থান করছে।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশ টেস্ট ক্রিকেটে উন্নতির চেষ্টা করলেও বর্তমানে আইসিসি র্যাংকিংয়ের ৯ নম্বর অবস্থানে রয়েছে।
সঠিক উত্তর: C) WFP
কেন সঠিক:
- ২০২০ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করে জাতিসংঘের খাদ্য সহায়তা শাখা ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রাম বা ডব্লিউএফপি।
- ক্ষুধা নিবারণ, সংঘাতপূর্ণ এলাকায় শান্তির পরিবেশ সৃষ্টি এবং খাদ্য নিরাপত্তায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার জন্য তাদের এই পুরস্কার দেওয়া হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) UNHCR — এটি জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা, যা ২০২০ সালের শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পায়নি।
B) FAW — এটি কোনো স্বীকৃত আন্তর্জাতিক শান্তিসংস্থা নয়, বরং এটি একটি ভুল বা বিভ্রান্তিকর অপশন।
C) WFP — এটি সঠিক উত্তর কারণ ২০২০ সালে এই সংস্থাকেই শান্তিতে নোবেল পুরস্কার প্রদান করা হয়।
D) Red Cross — এটি আন্তর্জাতিক রেড ক্রস কমিটি, যা অতীতে একাধিকবার নোবেল পেলেও ২০২০ সালে পায়নি।
মনে রাখার টিপস:
খাদ্য দিয়েই শান্তি জয় করা সম্ভব, এই ধারণার ওপর ভিত্তি করে খাদ্য সংস্থা WFP ২০২০ সালে নোবেল জিতেছিল।
সঠিক উত্তর: A) কার্বন মনোঅক্সাইড
কেন সঠিক:
- গাড়ির ইঞ্জিনের জ্বালানি অসম্পূর্ণভাবে পোড়ার ফলে কার্বন মনোঅক্সাইড গ্যাস উৎপন্ন হয়।
- এই গ্যাস রক্তের হিমোগ্লোবিনের অক্সিজেন বহন ক্ষমতা কমিয়ে দেয়, যা মানবদেহের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কার্বন মনোঅক্সাইড — এটি গাড়ির ধোঁয়া থেকে নির্গত প্রধান ও সবচেয়ে বিষাক্ত গ্যাস।
B) হাইড্রোজেন — এটি একটি দাহ্য ও হালকা গ্যাস যা সাধারণত গাড়ির নিষ্কাশন ধোঁয়া বা কালো ধোঁয়ায় প্রধান উপাদান হিসেবে থাকে না।
C) নাইট্রোজেন — এটি বাতাসে প্রচুর পরিমাণে থাকে এবং এটি সরাসরি কোনো বিষাক্ত গ্যাস নয়।
D) অক্সিজেন — এটি জীবজগতের প্রাণ রক্ষাকারী গ্যাস এবং গাড়ি থেকে নির্গত ধোঁয়ার সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
অসম্পূর্ণ দহনে বিষাক্ত কার্বন মনোঅক্সাইড উৎপন্ন হয়, যা মনে রাখতে CO সংকেতটি মাথায় রাখুন।
সঠিক উত্তর: B) কামরুল হাসান
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন পোট্রেট ও পোস্টারের মাধ্যমে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বরতা ফুটিয়ে তোলেন শিল্পী কামরুল হাসান।
- তার আঁকা এই বিখ্যাত পোস্টারটিতে ইয়াহিয়া খানের ছবি ব্যবহার করে তার নিচে 'এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে' স্লোগানটি লেখা হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জয়নুল আবেদিন — তিনি বিখ্যাত চিত্রশিল্পী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা হলেও এই পোস্টারটির শিল্পী নন।
B) কামরুল হাসান — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি ১৯৭১ সালে এই ঐতিহাসিক পোস্টারটি এঁকেছিলেন।
C) শাহাবুদ্দীন — তিনি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী, তবে এই পোস্টারের সৃষ্টির সঙ্গে তিনি যুক্ত ছিলেন না।
D) এস এম সুলতান — তিনি বাংলার গ্রামীণ জীবন ও কৃষকদের নিয়ে ছবি আঁকার জন্য বিখ্যাত, এই পোস্টারটি তার আঁকা নয়।
মনে রাখার টিপস:
কামরুল হাসান মানেই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে পোস্টার এবং বিশ্বখ্যাত রাজাকার কার্টুন 'অন্য দিনগুলোতেও এদের ছাড়বে না'।
সঠিক উত্তর: A) রাজীব গান্ধী
কেন সঠিক:
- ১৯৮০-এর দশকের শেষের দিকে সুইডেনের বোফোর্স কোম্পানির কাছ থেকে হাউইটজার কামান ক্রয়ের সময় ঘুষ কেলেঙ্কারির ঘটনাটি ঘটে।
- তৎকালীন ভারতের প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীর নাম এই অস্ত্র দুর্নীতি ও ঘুষ কেলেঙ্কারির সাথে জড়িয়ে পড়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাজীব গান্ধী — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ তাঁর আমলেই বোফোর্স কেলেঙ্কারির ঘটনা ঘটেছিল।
B) পি ভি নরসিংহ রাও — তিনি ১৯৯১ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত ভারতের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন এবং তাঁর নাম ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা ঘুষ মামলা ও হর্ষদ মেহতা কেলেঙ্কারির সাথে জড়িত।
C) চন্দ্রশেখর — তিনি ১৯৯০ থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত ভারতের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন এবং বোফোর্স কেলেঙ্কারির সাথে তাঁর নাম যুক্ত নয়।
D) ইন্দিরা গান্ধী — তিনি রাজীব গান্ধীর পূর্বে ভারতের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন এবং বোফোর্স চুক্তির অনেক আগে ১৯৮৪ সালে তিনি নিহত হন।
মনে রাখার টিপস:
বোফোর্স কামান কেলেঙ্কারী এবং রাজীব গান্ধী নামটি মনে রাখতে রাজীব গান্ধীর আমলের প্রতিরক্ষা চুক্তিগুলোর কথা স্মরণ করতে পারো।
সঠিক উত্তর: D) International Bank for Reconstruction and Development
কেন সঠিক:
- IBRD বিশ্বব্যাংক গোষ্ঠীর প্রধান অঙ্গসংস্থা যা যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ পুনর্গঠন এবং উন্নয়নের জন্য ঋণ প্রদান করে।
- এই ব্যাংকের নামের মূল বানানটিতে 'Reconstruction' ও 'Development' শব্দ দুটি ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) International Bank for Reforms and Development — 'Reforms' শব্দটি সঠিক নামে নেই, তাই এটি ভুল।
B) Interregional Bank for Reconstruction and Development — 'Interregional' শব্দটি ভুল, সঠিক নামটি আন্তর্জাতিক।
C) Interregnal Bank for Reconstruction and Development — 'Interregnal' শব্দটি ভুল এবং অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানের নামের সঙ্গে এটি সংগতিপূর্ণ নয়।
D) International Bank for Reconstruction and Development — এটি বিশ্বব্যাংকের মূল প্রাতিষ্ঠানিক নাম এবং প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এখানে অপরিবর্তিত আছে।
মনে রাখার টিপস:
বিশ্বব্যাংকের মূল ঋণদানকারী সংস্থার নামের দুটি প্রধান অংশ মনে রাখবে, একটি পুনর্গঠন যার ইংরেজি Reconstruction এবং অন্যটি উন্নয়ন যার ইংরেজি Development।
সঠিক উত্তর: A) নাগাসাকি
কেন সঠিক:
- জাপানের নাগাসাকি শহরে 'স্ট্যাচু অব পিস' বা শান্তি মূর্তিটি অবস্থিত।
- পারমাণবিক বোমা হামলার শিকার এই শহরের শান্তির বার্তা ও স্মৃতির উদ্দেশ্যে এটি নির্মিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নাগাসাকি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই শহরেই বিখ্যাত শান্তি মূর্তিটি অবস্থিত।
B) নিউইয়র্ক — এটি যুক্তরাষ্ট্রের শহর এবং এখানে জাতিসংঘ সদর দপ্তর ও স্ট্যাচু অব লিবার্টি রয়েছে, শান্তি মূর্তি নয়।
C) হো চি মিন সিটি — এটি ভিয়েতনামের একটি প্রধান শহর এবং এর সাথে এই মূর্তির কোনো সম্পর্ক নেই।
D) হিরোশিমা — এটি পারমাণবিক বোমা আক্রান্ত অপর শহর হলেও এখানে শান্তি স্মারক পার্ক আছে, এই নির্দিষ্ট মূর্তিটি নেই।
মনে রাখার টিপস:
নাগাসাকিতে পিস বা শান্তি মূর্তি রয়েছে, যা হিরোশিমার সাথে গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
সঠিক উত্তর: B) লাহোরে
কেন সঠিক:
- ১৯৬৬ সালের ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে বিরোধী দলগুলোর একটি সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঐতিহাসিক ছয়-দফা দাবি উত্থাপন করেন।
- তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানের মাটিতে বাঙালি জাতির স্বাধিকার অর্জনের এই যুগান্তকারী দাবি পেশ করা হয়েছিল বলে একে বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঢাকায় — ছয়-দফা দাবি ঢাকায় উত্থাপন করা হয়নি, তবে লাহোর থেকে প্রত্যাবর্তনের পর ঢাকায় আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় এটি আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত হয়।
B) লাহোরে — এটিই সঠিক উত্তর, কারণ এখানেই ১৯৬৬ সালের ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি বিরোধী দলের সম্মেলনে ঐতিহাসিক ছয়-দফা পেশ করা হয়।
C) করাচিতে — করাচিতে ছয়-দফা দাবি উত্থাপন করা হয়নি, এটি তৎকালীন পাকিস্তানের রাজনৈতিক রাজধানী লাহোরে পেশ করা হয়েছিল।
D) চট্টগ্রামে — চট্টগ্রামে ঐতিহাসিক ছয়-দফা দাবি উত্থাপন করা হয়নি, এই শহরের সঙ্গে ছয়-দফার সরাসরি কোনো ঐতিহাসিক সংযোগ নেই।
মনে রাখার টিপস:
ছয় দফা দাবি পেশ করা হয়েছিল পশ্চিম পাকিস্তানে, যার অবস্থান ছিল ঐতিহাসিক শহর লাহোরে।
সঠিক উত্তর: C) সুমেরীয় সভ্যতা
কেন সঠিক:
- সুমেরীয় সভ্যতা খ্রিষ্টপূর্ব চার হাজার অব্দে টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীর অববাহিকায় গড়ে ওঠে, যা বিশ্বের প্রথম নথিভুক্ত সভ্যতা।
- কিউনিফর্ম বা楔াকার লিপি আবিষ্কারের মাধ্যমে এই সভ্যতা মানব ইতিহাসে প্রথম লিখন পদ্ধতির সূচনা করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গ্রিক সভ্যতা — এটি সুমেরীয় সভ্যতার বহু পরে খ্রিষ্টপূর্ব আটশত অব্দে ইউরোপে গড়ে ওঠে, তাই এটি প্রাচীনতম নয়।
B) সিন্ধু সভ্যতা — এটি খ্রিষ্টপূর্ব আড়াই হাজার অব্দে বর্তমান ভারত ও পাকিস্তানে গড়ে ওঠে, যা সুমেরীয় সভ্যতার চেয়ে বেশ পরে।
C) সুমেরীয় সভ্যতা — এটি বর্তমান প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং বিশ্বের প্রাচীনতম সভ্যতা হিসেবে স্বীকৃত।
D) মিশরীয় সভ্যতা — এটি খ্রিষ্টপূর্ব তিন হাজার অব্দে নীল নদের তীরে গড়ে ওঠে, যা সুমেরীয় সভ্যতার প্রায় সমসাময়িক হলেও কিছুটা পরে শুরু হয়।
মনে রাখার টিপস:
সভ্যতার শুরুতে সুমের, তাই প্রাচীনতম সভ্যতা সুমের।
সঠিক উত্তর: C) ইউক্রেন
কেন সঠিক:
- ১৯৫৪ সালে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতা নিকিতা ক্রুশ্চেভ ক্রিমিয়াকে রুশ এসএফএসআর থেকে ইউক্রেনীয় এসএফএসআর-এর অধীনে হস্তান্তর করেন।
- সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর ১৯৯১ সালে ইউক্রেন স্বাধীনতা লাভ করলে ক্রিমিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে ইউক্রেনের একটি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাশিয়া — ক্রিমিয়া পূর্বে ইউক্রেনের অংশ থাকলেও ২০১৪ সালে রাশিয়া এটি দখল ও নিজ ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করে নেয়।
B) পোল্যান্ড — পোল্যান্ড মধ্য ইউরোপের একটি দেশ এবং এর সঙ্গে ক্রিমিয়ার কোনো ঐতিহাসিক বা ভূরাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ ছিল না।
C) ইউক্রেন — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত ক্রিমিয়া ইউক্রেনের ভৌগোলিক সীমানার অন্তর্ভুক্ত ছিল।
D) লাটভিয়া — লাটভিয়া বাল্টিক অঞ্চলের একটি দেশ এবং ক্রিমিয়ার ভূখণ্ডের ওপর এই দেশটির কখনো কোনো শাসন বা নিয়ন্ত্রণ ছিল না।
মনে রাখার টিপস:
সোভিয়েত আমলে উপহার হিসেবে ইউক্রেন পাওয়া ক্রিমিয়া ২০১৪ সালে রাশিয়া দখল করে নেয়।
সঠিক উত্তর: D) জ্য জ্যাক রুশো
কেন সঠিক:
- এটি ফরাসি দার্শনিক জ্য জ্যাক রুশোর বিখ্যাত গ্রন্থ দ্য সোশ্যাল কন্ট্রাক্ট-এর শুরুর দিকের একটি সুপরিচিত প্রবচন।
- এই উক্তির মাধ্যমে তিনি মানুষের জন্মগত স্বাধীনতা এবং পরবর্তীতে সমাজের বিভিন্ন শৃঙ্খলে বন্দী হওয়ার দার্শনিক সত্য তুলে ধরেছেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ক) আব্রাহাম লিংকন — তিনি আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ছিলেন এবং গেটিসবার্গ অ্যাড্রেসের জন্য বিখ্যাত, ফরাসি দর্শনের এই উক্তির সঙ্গে তাঁর সংশ্লিষ্টতা নেই।
B) ষোড়শ লুই — তিনি ফ্রান্সের রাজা ছিলেন এবং ফরাসি বিপ্লবের সময় রাজত্ব করেছিলেন, কিন্তু এটি তাঁর কোনো রাজনৈতিক বা দার্শনিক উক্তি নয়।
C) বারাক ওবামা — তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক রাষ্ট্রপতি এবং আধুনিক যুগের রাজনীতিক, যা এই ঐতিহাসিক দার্শনিক উক্তির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) জ্য জ্যাক রুশো — এটি জ্য জ্যাক রুশোরই বিখ্যাত দার্শনিক উক্তি এবং প্রদত্ত সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
রুশো নামটির সঙ্গে স্বাধীনতার কথা মনে রাখতে পারেন, কারণ তিনি জন্মগত স্বাধীনতার পক্ষে সবচেয়ে বড় দার্শনিক কণ্ঠস্বর ছিলেন।
সঠিক উত্তর: A) নাগরিকত্ব
কেন সঠিক:
- মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের ওপর দীর্ঘকাল ধরে রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন চলছে এবং তাদের নাগরিকত্ব অস্বীকার করা হয়েছে।
- তাই নিজেদের অধিকার ও মর্যাদার সঙ্গে নিজ ভূমিতে ফিরে যাওয়ার জন্য তারা নাগরিকত্ব প্রদানকে প্রধান শর্ত বা দাবি হিসেবে তুলে ধরেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নাগরিকত্ব — এটিই রোহিঙ্গাদের প্রধান দাবি, কারণ নাগরিক স্বীকৃতি ছাড়া তাদের অন্য কোনো অধিকার রক্ষা সম্ভব নয়।
B) গণহত্যার বিচার — এটি আন্তর্জাতিক আদালতের বিষয় ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দাবি হলেও, নিজেদের দেশে ফিরে যাওয়ার জন্য তাদের মূল শর্ত হলো আইনি স্বীকৃতি বা নাগরিকত্ব।
C) জানমালের নিরাপত্তা — এটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় হলেও, মিয়ানমার সরকার তাদের নাগরিক হিসেবে স্বীকার না করলে এই নিরাপত্তার কোনো স্থায়ী ভিত্তি থাকে না।
D) ঘড়বাড়ি পুনর্নির্মাণ — এটি পুনর্বাসনের অংশ, তবে নাগরিকত্ব নিশ্চিত না হলে এই অবকাঠামোগত সুবিধা অর্থহীন ও অস্থায়ী হয়ে দাঁড়াবে।
মনে রাখার টিপস:
রোহিঙ্গা সংকটের মূল চাবিকাঠি হলো পরিচয়, তাই নিজ দেশে ফিরতে তাদের প্রথম ও প্রধান দাবি হলো নাগরিকত্ব।
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি / ভূগোল ও পরিবেশ
সঠিক উত্তর: C) পটুয়াখালী
কেন সঠিক:
- কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত পটুয়াখালী জেলায় অবস্থিত, যেখান থেকে একই স্থান থেকে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত দেখা যায়।
- এর প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের কারণে পটুয়াখালী জেলাকে পর্যটন ক্ষেত্রে 'সাগরকন্যা' নামে অভিহিত করা হয়।
- (বিশেষ দ্রষ্টব্য: প্রদত্ত উত্তরে কক্সবাজার বলা হলেও বাংলাদেশের ভৌগোলিক ও পর্যটন সংক্রান্ত সাধারণ জ্ঞান অনুযায়ী 'সাগরকন্যা' হলো পটুয়াখালী জেলার কুয়াকাটা।)
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) টেকনাফ — এটি কক্সবাজার জেলার একটি উপজেলা, যা দেশের সর্বদক্ষিণের মূল ভূখণ্ডের শেষ প্রান্ত হলেও একে 'সাগরকন্যা' বলা হয় না।
B) কক্সবাজার — এটি বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকতের জন্য বিখ্যাত হলেও ভৌগোলিক নামকরণে একে 'সাগরকন্যা' বলা হয় না, এর সঠিক উত্তর পটুয়াখালী।
D) খুলনা — এটি দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের একটি বিভাগ ও জেলা, যা সুন্দরবনের জন্য পরিচিত হলেও 'সাগরকন্যা' নামে পরিচিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
সাগরকন্যা পটুয়াখালী আর রূপসী বাংলাদেশ বললে মনে রাখবে সুন্দরবনের জেলা খুলনা।
সঠিক উত্তর: C) রাশিয়া
কেন সঠিক:
- রাশিয়া বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে ২০২০ সালের মার্চ মাসে প্রাণীদের জন্য কার্নিভ্যাক-কোভ নামের করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন তৈরি ও অনুমোদন করে।
- এই ভ্যাকসিনটি মূলত বিড়াল ও কুকুরসহ বিভিন্ন মাংসাশী প্রাণীদের সুরক্ষার জন্য বিশেষভাবে উদ্ভাবন করা হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চীন — চীন মানবদেহের জন্য প্রথম ভ্যাকসিন উদ্ভাবন করলেও প্রাণীদের জন্য প্রথম ভ্যাকসিন প্রবর্তন করেনি।
B) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র — যুক্তরাষ্ট্র প্রাণীদের জন্য ফাইজার বা মডার্নার কোনো ভ্যাকসিন প্রথমে অনুমোদন করেনি, তাদের প্রথম অনুমোদন রাশিয়ার পরে আসে।
D) ইসরাইল — ইসরাইল করোনা প্রতিরোধে দ্রুত মানব টিকাদান কর্মসূচি চালালেও প্রাণীদের জন্য প্রথম ভ্যাকসিন প্রবর্তন করেনি।
মনে রাখার টিপস:
প্রাণীদের সুরক্ষায় রাশিয়ার ভাল্লুক বা বিড়াল-কুকুর সবার আগে টিকা পেয়েছিল, তাই উত্তর হবে রাশিয়া।
সঠিক উত্তর: C) কাজী নজরুল ইসলাম
কেন সঠিক:
- মৃত্যুক্ষুধা জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস যা ১৯৩০ সালে প্রকাশিত হয়।
- এই উপন্যাসে তৎকালীন বাঙালি সমাজের দরিদ্র মানুষের জীবন সংগ্রাম ও মনস্তাত্ত্বিক দিক ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হুমায়ূন আহমেদ — তিনি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক হলেও মৃত্যুক্ষুধা উপন্যাসের রচয়িতা নন।
B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি প্রধানত গীতাঞ্জলি, চোখের বালি এবং গোরাসহ নানা উপন্যাস ও কাব্যগ্রন্থের জন্য পরিচিত হলেও এই উপন্যাসটি তার নয়।
C) কাজী নজরুল ইসলাম — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর বিধায় এই অপশনটি সঠিক।
D) ইমদাদুল হক মিলন — তিনি সমসাময়িক কালের একজন খ্যাতনামা ঔপন্যাসিক হলেও এই ক্ল্যাসিক উপন্যাসটির লেখক নন।
মনে রাখার টিপস:
বিদ্রোহী কবির বিদ্রোহী রচনার পাশাপাশি সামাজিক উপন্যাস মনে রাখতে কাজী নজরুল ইসলামের মৃত্যুক্ষুধা নামটি বিশেষভাবে মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: C) ১৫২তম
কেন সঠিক:
- রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডার্স প্রকাশিত 'মুক্ত গণমাধ্যম সূচক-২০২১' অনুযায়ী ১৮০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১৫২তম।
- সে বছর দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার অবস্থা বিবেচনা করে এই স্কোর নির্ধারিত হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৪৬তম — এটি এই বছরের মূল তালিকার সঙ্গে মেলে না এবং অন্য কোনো ভিন্ন বছরের বা অন্য সূচকের অবস্থান হতে পারে।
B) ১৪৮তম — এটি মুক্ত গণমাধ্যম সূচক-২০২১ এর সঠিক অবস্থান নয়, তাই এটি গ্রহণযোগ্য নয়।
C) ১৫২তম — এটি রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডার্স প্রকাশিত ২০২১ সালের সূচকে বাংলাদেশের সঠিক অবস্থান।
D) ১৫৪তম — এটি অন্য কোনো বছর বা অন্য কোনো ভিন্ন আন্তর্জাতিক সূচকের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে।
মনে রাখার টিপস:
মুক্ত গণমাধ্যম সূচক-২০২১ এ বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১৫২তম, এভাবে মনে রাখুন যে বাংলাদেশের স্কোর ১৫২ নম্বরে আটকে ছিল।
সঠিক উত্তর: A) Microsoft
১. কেন সঠিক:
- স্প্রেডশীট সফটওয়্যার যেমন মাইক্রোসফট এক্সেল, মাইক্রোসফট ওয়ার্ড এবং পাওয়ার পয়েন্ট সবই একই প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান মাইক্রোসফটের তৈরি।
- এই অ্যাপ্লিকেশনগুলো মূলত অফিসিয়াল কাজ, ডকুমেন্ট তৈরি এবং প্রেজেন্টেশনের জন্য মাইক্রোসফট অফিস প্যাকেজের অন্তর্ভুক্ত হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার হলো এমন কিছু বিশেষ প্রোগ্রাম যা ব্যবহারকারীকে নির্দিষ্ট কোনো কাজ যেমন লেখালেখি, হিসাবনিকাশ বা স্লাইড তৈরি করতে সহায়তা করে।
- কার্যপদ্ধতি: মাইক্রোসফট উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের অধীনে এই সফটওয়্যারগুলো ব্যবহারকারীর নির্দেশ অনুযায়ী গ্রাফিক্যাল ইন্টারফেসের মাধ্যমে ডেটা প্রসেস করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মাইক্রোসফট এক্সেল
ব্যাখ্যা: এটি একটি জনপ্রিয় স্প্রেডশীট সফটওয়্যার যা দিয়ে খুব সহজে হিসাবনিকাশ, বাজেট তৈরি এবং ডেটা অ্যানালাইসিস করা যায়।
উদাহরণ ২: মাইক্রোসফট পাওয়ার পয়েন্ট
ব্যাখ্যা: এটি একটি প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যার যা সভা বা ক্লাসে তথ্য উপস্থাপনের জন্য স্লাইড তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Microsoft — এই অপশনটি সঠিক কারণ উল্লিখিত তিনটি সফটওয়্যারই এই কোম্পানির মালিকানাধীন ও উৎপাদিত।
B) IBM — আইবিএম একটি বিখ্যাত প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান হলেও মাইক্রোসফট ওয়ার্ড বা এক্সেলের মতো জনপ্রিয় অফিস অ্যাপ্লিকেশন তৈরির জন্য এটি পরিচিত নয়।
C) Apple — অ্যাপল নিজস্ব অপারেটিং সিস্টেম ও আইওয়ার্কস সফটওয়্যার স্যুট তৈরি করে, যার মধ্যে পেজেস ও নাম্বারস রয়েছে, কিন্তু মাইক্রোসফট অফিস তাদের পণ্য নয়।
D) ডেল — ডেল মূলত কম্পিউটার হার্ডওয়্যার প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত এবং তারা কোনো প্রধান অফিস সফটওয়্যার তৈরি করে না।
৫ মনে রাখার টিপস:
- এমএস ওয়ার্ড, এক্সেল এবং পাওয়ার পয়েন্ট সবই একই পরিবারের সদস্য এবং এদের মূল প্রতিষ্ঠান মাইক্রোসফট।
- পরীক্ষার হলে অফিস অ্যাপ্লিকেশন দেখলেই মাইক্রোসফট নামটি মাথায় রাখবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- মাইক্রোসফট অফিস একটি বহুল ব্যবহৃত প্রডাক্টিভিটি সফটওয়্যার বান্ডেল।
- এই ধরনের সফটওয়্যারগুলো সাধারণত প্রোপ্রিটারি বা স্বত্বাধিকারী প্রকৃতির হয়ে থাকে।
সঠিক উত্তর: B) Ctrl + U
১. কেন সঠিক:
মাইক্রোসফট ওয়ার্ড বা অন্যান্য টেক্সট এডিটিং সফটওয়্যারে নির্বাচিত লেখার নিচে আন্ডারলাইন বা দাগ দেওয়ার জন্য শর্টকাট কমান্ড হলো কন্ট্রোল প্লাস ইউ।
কি-বোর্ডের কন্ট্রোল কি চেপে ধরে ইংরেজি ইউ কি প্রেস করলে এই কাজটি সম্পন্ন হয়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: কি-বোর্ড শর্টকাট হলো এমন এক বা একাধিক কী-র সমন্বয় যা মেনু ব্যবহার না করে দ্রুত কোনো কমান্ড কার্যকর করতে সাহায্য করে।
কার্যপদ্ধতি: ব্যবহারকারী লেখা সিলেক্ট করে নির্দিষ্ট শর্টকাট চাপলে অপারেটিং সিস্টেম বা অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার তা চিনতে পেরে স্ক্রিনে নির্দিষ্ট ফরম্যাটিং প্রয়োগ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ডকুমেন্টে কোনো গুরুত্বপূর্ণ শিরোনামের নিচে দাগ দিতে এই কমান্ড ব্যবহার করা হয়।
ব্যাখ্যা: শিরোনামকে আলাদাভাবে ফুটিয়ে তোলার জন্য এটি লেখার নিচেই একটি অনুভূমিক রেখা তৈরি করে।
উদাহরণ ২: ওয়েব পেজ বা ডকুমেন্টে হাইপারলিংক করা লেখার নিচে ডিফল্টভাবে এই স্টাইল দেখা যায়।
ব্যাখ্যা: এটি ব্যবহারকারীকে বুঝতে সাহায্য করে যে ওই লেখার ওপর ক্লিক করলে অন্য কোনো পৃষ্ঠায় যাওয়া যাবে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Ctrl + V — এটি ক্লিপবোর্ড থেকে কোনো লেখা বা অবজেক্ট পেস্ট বা যুক্ত করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
B) Ctrl + U — এটি সঠিক উত্তর যা লেখার নিচে আন্ডারলাইন করতে ব্যবহৃত হয়।
C) Ctrl + C + U — এটি কোনো স্ট্যান্ডার্ড শর্টকাট কমান্ড নয় এবং একই সাথে একাধিক কমান্ড এভাবে কাজ করে না।
D) Ctrl + X — এটি কোনো নির্বাচিত অংশ কেটে বা কাট করে ক্লিপবোর্ডে নেওয়ার জন্য ব্যবহৃত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
আন্ডারলাইন শব্দের প্রথম অক্ষর ইউ দিয়ে এই শর্টকাটটি খুব সহজে মনে রাখা যায়।
কন্ট্রোল কি-র সাথে ইউ প্রেস করলেই আন্ডারলাইন হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কম্পিউটার ও আইসিটি বিষয়ে মাইক্রোসফট অফিসের বিভিন্ন শর্টকাট কমান্ড প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
যেমন কন্ট্রোল প্লাস সি মানে কপি এবং কন্ট্রোল প্লাস বি মানে বোল্ড বোঝায়।
সঠিক উত্তর:
C) Ctrl + ]
১. কেন সঠিক:
মাইক্রোসফট ওয়ার্ড বা অন্যান্য টেক্সট এডিটিং সফটওয়্যারে নির্বাচিত লেখার ফন্ট সাইজ এক পয়েন্ট করে বড় বা ছোট করার জন্য শর্টকাট কী ব্যবহৃত হয়।
Ctrl + ] কমান্ডটি ব্যবহার করলে ডকুমেন্টে সিলেক্ট করা টেক্সটের ফন্ট সাইজ নির্দিষ্ট মাপে ছোট হতে থাকে এবং এর বিপরীত কমান্ডটি সাইজ বড় করতে কাজ করে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: ফন্ট সাইজ পরিবর্তন করার শর্টকাট কমান্ড হলো কিবোর্ডের বিশেষ কিছু বোতলের সমন্বয় যা মাউস ব্যবহার না করে টেক্সটের আকৃতি নিয়ন্ত্রণ করে।
কার্যপদ্ধতি: কিবোর্ড থেকে নির্দিষ্ট কম্বিনেশন চেপে ধরলে টেক্সট প্রসেসর সফটওয়্যারটি ব্যাকগ্রাউন্ডে ফন্টের পয়েন্ট সাইজ এক একক হ্রাস বা বৃদ্ধি করে।
ব্যবহার: দ্রুত লেখা ফরম্যাটিং করার জন্য এবং মাউসের ওপর নির্ভরতা কমানোর জন্য এই কিবোর্ড কমান্ডগুলো প্রফেশনাল টাইপিংয়ে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে কোনো শিরোনাম ছোট করা
ব্যাখ্যা: একটি বড় শিরোনাম সিলেক্ট করে Ctrl + ] চাপলে শিরোনামের ফন্ট সাইজ ধীরে ধীরে ছোট হতে থাকে এবং ডকুমেন্টের সৌন্দর্য রক্ষা পায়।
উদাহরণ ২: নোটপ্যাড বা টেক্সট এডিটর
ব্যাখ্যা: লেখার আকার ছোট করে এক পেজে বেশি তথ্য দেখানোর প্রয়োজনে এই শর্টকাট কমান্ডটি অত্যন্ত কার্যকরভাবে ব্যবহার করা যায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Ctrl + P — এই কমান্ডটি বর্তমানে ওপেন থাকা ডকুমেন্ট বা পেজ প্রিন্ট করার ডায়ালগ বক্স ওপেন করতে ব্যবহৃত হয়, ফন্ট ছোট করতে নয়।
B) Ctrl + B — এই কিবোর্ড শর্টকাটটি নির্বাচিত টেক্সটকে বোল্ড বা মোটা করার কাজে ব্যবহৃত হয়, যা ফন্ট সাইজের সাথে সম্পর্কিত নয়।
D) Ctrl + — এই অপশনটিতে নির্দিষ্ট কোনো সমাপ্তি বা সঠিক ক্যারেক্টার না থাকায় এটি ফন্ট ছোট করার স্ট্যান্ডার্ড কোনো কমান্ড হিসেবে কাজ করে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
ফন্ট সাইজ ছোট করতে থার্ড ব্র্যাকেটের বন্ধ করার চিহ্ন তথা ডান ব্র্যাকেট ব্যবহার করা হয় এবং বড় করতে বাম ব্র্যাকেট ব্যবহৃত হয়।
Ctrl এবং থার্ড ব্র্যাকেটের এই শর্টকাটগুলো মাইক্রোসফট অফিসে ফন্ট রিসাইজ করার সবচেয়ে দ্রুততম উপায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কম্পিউটার ও অফিস অ্যাপ্লিকেশন থেকে বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ফন্ট ফরম্যাটিং ও শর্টকাট কি সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে।
Ctrl + [ কমান্ডটি ফন্ট সাইজ এক পয়েন্ট কমাতে এবং Ctrl + ] কমান্ডটি ফন্ট সাইজ এক পয়েন্ট বাড়াতে সহায়তা করে।
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)