সঠিক উত্তর: A) ঊনপাঁজুরে
১. কেন সঠিক:
ইঁদুর কপালে বাগধারাটির অর্থ মন্দভাগ্য বা হতভাগ্য।
প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে ঊনপাঁজুরে বাগধারাটির অর্থও অপদার্থ বা হতভাগ্য, যা মূল বাগধারার সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ভাষায় কিছু বাগধারা সমার্থক অর্থে ব্যবহৃত হয় যা মানুষের অবস্থা বা ভাগ্য বোঝাতে সাহায্য করে।
ইঁদুর কপালে এবং ঊনপাঁজুরে উভয় বাগধারাই মানুষের দুর্ভাগা বা দুর্বল অবস্থা প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তার কপালে যেন ইঁদুর কপালে বা মন্দভাগ্যই জুটেছে।
ব্যাখ্যা: এখানে মানুষের চরম দুর্ভাগা অবস্থা বোঝাতে এই বাগধারা ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: এই ঊনপাঁজুরে লোকটি দিয়ে কোনো কাজ হবে না।
ব্যাখ্যা: এখানে অক্ষম বা হতভাগ্য মানুষ বোঝাতে ঊনপাঁজুরে ব্যবহার করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঊনপাঁজুরে — সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ হতভাগ্য বা অপদার্থ।
B) কাক জ্যোৎস্না — এই বাগধারাটির অর্থ অসম্ভব বস্তু বা অমাবস্যার অন্ধকার।
C) ভূশণ্ডির কাক — এই বাগধারাটির অর্থ দীর্ঘজীবী ব্যক্তি।
D) নেই আঁকড়া — এই বাগধারাটির অর্থ একঁগুঁয়ে বা নাছোড়বান্দা।
৫. মনে রাখার টিপস:
ইঁদুর যেমন ছোট ও অবহেলিত, তেমনি ইঁদুর কপালে ও ঊনপাঁজুরে মানুষও সমাজে অবহেলিত বা হতভাগ্য হিসেবে বিবেচিত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক বাগধারা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। তাই বিপরীত অর্থ এবং সমার্থক অর্থ আলাদা করে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: A) বিশেষ্য
১. কেন সঠিক:
- লাজ একটি নামবাচক বা ভাববাচক শব্দ যা লজ্জা বা সংকোচ বোঝায়।
- ব্যাকরণ অনুযায়ী কোনো ব্যক্তি, বস্তু, গুণ বা ভাবের নাম বোঝালে তা বিশেষ্য পদ হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে শব্দ দ্বারা কোনো ব্যক্তি, জাতি, সমষ্টি, বস্তু, স্থান, গুণ বা ভাবের নাম বোঝায় তাকে বিশেষ্য পদ বলে।
- লাজ শব্দটি মানুষের মনের একটি ভাব বা গুণের নাম প্রকাশ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তার মুখে লাজ ভেঙে হাসি ফুটল।
ব্যাখ্যা: এখানে লাজ শব্দটি মনের একটি ভাব বা অবস্থাকে নির্দেশ করায় এটি বিশেষ্য পদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: ভয়ে এবং লাজে সে কথাই বলতে পারল না।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে লাজে শব্দটি ভাববাচক বিশেষ্য হিসেবে বিভক্তি যুক্ত হয়ে অবস্থান করছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিশেষ্য — এই অপশনটি সঠিক কারণ লাজ একটি ভাববাচক বিশেষ্য পদ।
B) বিশেষণ — বিশেষণ পদ কোনো দোষ, গুণ, সংখ্যা বা পরিমাণ নির্দেশ করে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) বিশেষণের বিশেষণ — এটি এমন পদ যা অন্য কোনো বিশেষণকে বিশেষিত করে, কিন্তু লাজ নিজে একটি প্রধান নামপদ।
D) ক্রিয়া — ক্রিয়া পদ দ্বারা কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝায়, কিন্তু লাজ কোনো কাজের নাম বা ক্রিয়া নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- যা কিছু দ্বারা কোনো কিছুর নাম বোঝায়, তা বিশেষ্য। মনের ভাব যেমন লাজ, ক্ষোভ, প্রেম—এ সবই বিশেষ্য পদ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিশেষ্য পদের প্রকারভেদ থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। ভাববাচক বিশেষ্য চেনার জন্য শব্দের অর্থ এবং বাক্যের ভূমিকা ভালোভাবে লক্ষ করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) হৃতসর্বস্ব
১. কেন সঠিক:
- 'যার সবকিছু হারিয়ে গেছে' বা 'যার কিছু নেই' এককথায় প্রকাশ করলে 'হৃতসর্বস্ব' হয়।
- এখানে 'হৃত' মানে হৃত বা হারানো এবং 'সর্বস্ব' মানে সমস্ত ধনসম্পদ বা সবকিছু।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এককথায় প্রকাশ বা বাক্যসংক্ষেপণ হলো বহু পদের একটি পদে ভাবকে প্রকাশ করার প্রক্রিয়া।
- এটি বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ করে এবং বাক্যের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অক্ষির সমীপে = সমক্ষ
ব্যাখ্যা: চোখের সামনে বা কাছাকাছি বোঝাতে এই বাক্যসংক্ষেপ ব্যবহার করা হয়।
উদাহরণ ২: অহংকার নাই যার = নিরহংকার
ব্যাখ্যা: কোনো ব্যক্তির মধ্যে অহংকার না থাকলে তাকে এককথায় নিরহংকার বলা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হৃতসর্বস্ব — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য।
B) দরিদ্র — যার ধনসম্পদ বা অর্থের অভাব আছে তাকে দরিদ্র বলে, কিন্তু সর্বস্ব হারানোর অবস্থাকে এটি পুরোপুরি বোঝায় না।
C) ভিখারি — যে ভিক্ষা করে জীবন ধারণ করে তাকে ভিখারি বলা হয়, যা এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে।
D) অসংবৃত — যা সংবৃত বা ঢাকা নয়, অর্থাৎ উন্মুক্ত, তাকে অসংবৃত বলে এবং এর সঙ্গে সর্বস্ব হারানোর কোনো সম্পর্ক নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
- হৃত শব্দের অর্থ হারানো এবং সর্বস্ব মানে সব, তাই হারিয়েছে সর্বস্ব যার তাকে হৃতসর্বস্ব মনে রাখা সহজ।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্যসংক্ষেপ মুখস্থ করার পাশাপাশি শব্দের মূল অর্থ অনুধাবন করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এককথায় প্রকাশ থেকে বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
- হৃতসর্বস্ব, উন্মনা, অনুগত এই ধরনের শব্দগুলোর ব্যাসবাক্য ও অর্থ ভালোভাবে চর্চা করা উচিত।
সঠিক উত্তর: A) পক্ষপাতদুষ্ট
১. কেন সঠিক:
'একচোখা' একটি বহুল ব্যবহৃত বাংলা বাগধারা যার শাব্দিক অর্থ এক চোখ বিশিষ্ট হলেও ভাবগত বা বিশেষ অর্থে এর অর্থ হলো পক্ষপাতদুষ্ট বা অন্যায়ভাবে এক পক্ষকে সমর্থন করা।
কোনো বিচার বা সিদ্ধান্তে যখন কোনো ব্যক্তি সমান চোখে না দেখে বরং একজনের প্রতি বেশি অনুগত থাকে, তখন তাকে একচোখা বা পক্ষপাতদুষ্ট বলা হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে বাগধারা হলো এমন কিছু বিশেষ শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভাবার্থ প্রকাশ করে থাকে।
শব্দ বা পদের এই রূপান্তর ভাষাটিকে আরও সুন্দর, সংত ও ভাবপূর্ণ করে তোলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সালিশে চেয়ারম্যান সাহেবের একচোখা নীতির কারণে গরিব মানুষটি ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হলো।
ব্যাখ্যা: এখানে পক্ষপাতমূলক আচরণ বোঝাতে একচোখা বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: শিক্ষক যদি পরীক্ষার খাতায় কোনো বিশেষ ছাত্রের প্রতি একচোখা আচরণ করেন, তবে শিক্ষণ ব্যবস্থার নিরপেক্ষতা নষ্ট হয়।
ব্যাখ্যা: এখানে সমান বিচার না করে পক্ষপাতিত্ব করা অর্থে একচোখা প্রয়োগ করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পক্ষপাতদুষ্ট — এটি সঠিক উত্তর কারণ একচোখা বাগধারাটি অন্যায় পক্ষপাতিত্ব বা একপেশে মনোভাব বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
B) ধার্মিক — এই অপশনটি ভুল কারণ ধার্মিক বলতে ধর্মপরায়ণ বা সৎ ব্যক্তিকে বোঝায় যার সঙ্গে একচোখা বাগধারার কোনো মিল নেই।
C) প্রাচীনপন্থী — এই অপশনটি ভুল কারণ প্রাচীনপন্থী বলতে পুরোনো ধ্যানধারণা বা প্রথাকে আঁকড়ে ধরে থাকাদের বোঝানো হয়।
D) ভণ্ড সাধু — এই অপশনটি ভুল কারণ ভণ্ড সাধু বলতে বাইরে সাধুর রূপ ধারণ করলেও ভেতরে অসৎ স্বভাবের মানুষদের বোঝায়।
৫ মনে রাখার টিপস:
যার দৃষ্টি কেবল এক দিকে থাকে বা যে ব্যক্তি এক পক্ষের প্রতি অন্ধভাবে ঝুঁকে থাকে, তাকে একচোখা বা পক্ষপাতদুষ্ট বলা হয়।
এই মিলের সাহায্যে খুব সহজেই এই বাগধারাটির অর্থ মনে রাখা সম্ভব।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের শরীর বা অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সম্পর্কিত বাগধারার অর্থ জানতে চাওয়া হয়।
তাই বাগধারা মুখস্থ না করে সেগুলোর অন্তর্নিহিত ভাবার্থ বোঝার অভ্যাস করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) প্রসূন
১. কেন সঠিক:
- 'প্রসূন' শব্দের অর্থ ফুল। এটি পাখি বা বিহগ শব্দের সমার্থক শব্দ নয়।
- 'বিহগ' শব্দের অর্থ যা আকাশে বিচরণ বা উড়ে বেড়ায়, অর্থাৎ পাখি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যেগুলোর অর্থ প্রায় একই রকম হয়। বাংলা ভাষায় একই বস্তুর একাধিক নাম থাকতে পারে।
- উৎস বা গঠনের দিক থেকে পাখি বোঝাতে খগ, বিহগ, পক্ষী, খেচর ইত্যাদি শব্দ ব্যবহৃত হয়, কিন্তু প্রসূন ফুলের সমার্থক।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিহগ, খগ, পক্ষী, খেচর
ব্যাখ্যা: এই শব্দগুলো সবই পাখির সমার্থক শব্দ হিসেবে বাংলা ভাষায় ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: প্রসূন, কুসুম, পুষ্প, সুমন
ব্যাখ্যা: এই শব্দগুলো সবই ফুলের সমার্থক শব্দ, যা বিহগ শব্দের বিপরীতার্থক বা ভিন্নার্থক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রসূন — এটি ফুল অর্থে ব্যবহৃত হয়, তাই এটি সঠিক উত্তর।
B) খগ — খগ অর্থ পাখি, যা বিহগের সমার্থক।
C) পাখি — এটি বিহগের সরাসরি সমার্থক শব্দ।
D) খেচর — খেচর অর্থ আকাশে বিচরণকারী, যা বিহগের সমার্থক।
৫. মনে রাখার টিপস:
- খগ, বিহগ, খেচর সবগুলোতে আকাশ বা ওড়ার ভাব আছে। পক্ষী ও পাখি তো পরিষ্কার। প্রসূন মানে ফুল, মনে রাখবে প্রসূন প্রস্ফুটিত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ নির্ণয়ের সময় শব্দের মূল অর্থ বা উৎপত্তি খেয়াল করা জরুরি।
- এই ধরনের প্রশ্নে ভুল অপশনগুলো প্রায়ই একই গোত্রের হয়, কিন্তু একটি ব্যতিক্রম থাকে যা খুঁজে বের করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) গৈ + অক
১. কেন সঠিক:
সন্ধির নিয়মানুযায়ী এ, ঐ, ও, ঔ এর পরে যদি অন্য স্বরধ্বনি থাকে, তবে এ স্থানে অয়, ঐ স্থানে আয়, ও স্থানে অব এবং ঔ স্থানে আব হয়।
এখানে গায়ক শব্দের মধ্যে আয় ধ্বনিটি লুকিয়ে আছে, যা গৈ এর ঐ এবং অক এর অ মিলে গঠিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
এটি স্বরসন্ধির অন্তর্গত অয়া আদি দেশ বা য-ফলা জাতীয় অচসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম।
এখানে গৈ শব্দের শেষে ঐ কার রয়েছে এবং তার পরে অক শব্দের শুরুতে অ স্বরধ্বনি আছে, তাই সূত্রের নিয়ম অনুযায়ী ঐ কারের স্থানে আয় যুক্ত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নৈ + অক = নায়ক
ব্যাখ্যা: গায়ক শব্দের মতোই এখানেও ঐ কারের সঙ্গে অ যুক্ত হয়ে আয় গঠন করেছে।
উদাহরণ ২: পো + অন্ = পবন
ব্যাখ্যা: এটি ও কারের পরে স্বরধ্বনি থাকার কারণে অব হওয়ার একটি ক্লাসিক উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গৈ + অক — এটি সঠিক কারণ সূত্রের নিয়মে এটি সাধিত হয়েছে।
B) গায় + অক — গায় কোনো প্রমিত মূল ধাতু বা শব্দ নয় যা এই সন্ধির নিয়মকে সমর্থন করে।
C) গা + অক — গা এর সাথে অক যুক্ত করলে গাক হয়, যা প্রমিত নিয়ম অনুযায়ী গায়ক হয় না।
D) গৈ + য়ক — য়ক কোনো অর্থপূর্ণ প্রত্যয় বা শব্দাংশ নয়, তাই এই অপশনটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
৫. মনে রাখার টিপস:
শব্দের মাঝে আয় বা নায় জাতীয় উচ্চারণ থাকলে প্রথমে ঐ (ঐ-কার) এবং অব বা আব থাকলে ও বা ঔ কার বসানোর কৌশল মনে রাখবে।
সন্ধি বিচ্ছেদের সময় শেষের অংশ হিসেবে অক বা আন প্রত্যয় ব্যবহার করা হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের অয়া আদি ও আয়া আদি সন্ধি প্রায়ই আসে।
নৈ, গৈ, পৈ ইত্যাদি শব্দগুলোর সঙ্গে অক বা আন যুক্ত করে এমন বহু শব্দ তৈরি করা যায়।
সঠিক উত্তর: D) সৌজন্য
১. কেন সঠিক:
- সৌজন্য শব্দটির অর্থ ভদ্রতা, শিষ্টাচার বা ভালো ব্যবহার।
- সুজন শব্দের সাথে ষ্য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে সৌজন্য শব্দটি গঠিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সুজন শব্দের অর্থ ভালো মানুষ। সুজন থেকে ভাব অর্থে ষ্য বা য প্রত্যয় যোগ করলে সৌজন্য হয়।
- ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সুজন শব্দের সাথে তা প্রত্যয় যুক্ত করে সৌজন্যতা বলা সম্পূর্ণ ভুল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সৌজন্যমূলক
ব্যাখ্যা: সৌজন্য শব্দের সাথে মূল প্রত্যয় যুক্ত করে এই বিশেষণ পদটি তৈরি করা হয়।
উদাহরণ ২: সৌজন্য প্রকাশ
ব্যাখ্যা: ভদ্রতা বা শিষ্টাচার বোঝাতে সৌজন্য শব্দটি বাক্যে ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সৌজন্নতা — শব্দের শেষে তা যুক্ত করা ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ কারণ এখানে দ্বৈত প্রত্যয় দোষ ঘটেছে।
B) সৌজন্ন — বানানের শেষের ন ভুল এবং এটি প্রমিত বাংলা বানানে গ্রহণযোগ্য নয়।
C) সৌযন্য — বানানের মধ্যে য এর ব্যবহার ভুল কারণ এটি সুজন থেকে উদ্ভূত শব্দ।
D) সৌজন্য — এটি সঠিক এবং প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী পরীক্ষিত রূপ।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সুজন থেকে সৌজন্য হয়, সুজনতা বা সৌজন্যতা হয় না।
- য প্রত্যয় যুক্ত হলে শব্দের শেষে তা ব্যবহার করা যাবে না।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বাংলা ব্যাকরণে একই সাথে য এবং তা প্রত্যয় একসাথে ব্যবহার করা নিষিদ্ধ।
- এই ধরনের দ্বৈত প্রত্যয়জনিত ভুল বানানগুলো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: A) স্বায়ত্তশাসন
১. কেন সঠিক:
- বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী স্বায়ত্তশাসন শব্দটিতে প্রথম অংশে 'স্বয়ং' বা 'স্ব' এর সাথে 'অত্ত' যুক্ত হয়ে 'স্বায়ত্ত' গঠিত হয়েছে।
- এখানে স্ব শব্দের সাথে আত্ম যুক্ত হয়ে স্বয়ং শব্দটির অর্থ প্রকাশ করে, তাই সঠিক বানানটিতে ত এর নিচে ব এবং ত যুক্ত বর্ণ ব্যবহৃত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা বানানে সংস্কৃত নিয়মের প্রভাবে হসন্ত বা ফলা ব্যবহারের নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম রয়েছে যা প্রমিত বানানে অনুসৃত হয়।
- এই শব্দটিতে আত্ম শব্দের প্রভাবে ত এর সাথে ত যুক্ত হয়ে এবং তার নিচে ব ফলা যুক্ত হয়ে সঠিক রূপটি নির্ধারণ করা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: স্বায়ত্তশাসিত
ব্যাখ্যা: স্বায়ত্তশাসন শব্দের বিশেষ্য রূপ থেকে এই বিশেষণটি গঠিত হয়েছে যেখানে একই বানানরীতি বজায় থাকে।
উদাহরণ ২: স্বয়ংসম্পূর্ণ
ব্যাখ্যা: নিজে নিজে সম্পূর্ণ অর্থে এখানে স্বয়ং উপসর্গ বা শব্দাংশ ব্যবহৃত হয়েছে যা স্ব শব্দের কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) স্বায়ত্তশাসন — এটি বাংলা একাডেমি অনুমোদিত শতভাগ শুদ্ধ বানান।
B) স্বায়ত্বশাসন — এখানে ত এর নিচে ব না দিয়ে ম বা অন্য কোনো রূপ ভুলভাবে ব্যবহার করা হয়েছে যা প্রমিত নিয়মে নিষিদ্ধ।
C) সায়ত্ত্বশাসন — এখানে স্ব এর পরিবর্তে সা ব্যবহার করা হয়েছে এবং য ফলার ব্যবহার ভুলভাবে করা হয়েছে।
D) সায়ত্তশাসন — এখানে প্রথম অংশে স্ব এর পরিবর্তে সা এবং ত এর যুক্তবর্ণে ত্রুটি রয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- স্বায়ত্তশাসন বানানটি মনে রাখতে মাথায় রাখবেন এটি স্ব এবং আত্ম শব্দের একটি সংমিশ্রণ।
- পরীক্ষার হলে সবসময় ত এর নিচে ব এবং যুক্ত ত এর রূপটি খেয়াল করবেন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের বানান বারবার আসে।
- একই নিয়মে স্বায়ত্তশাসিত বানানটিও ভালোভাবে আয়ত্ত করে রাখা উচিত।
সঠিক উত্তর: C) উভয়লিঙ্গ
১. কেন সঠিক:
- যে পদ বা শব্দ দ্বারা স্ত্রী কিংবা পুরুষ কোনোটিকেই সুনির্দিষ্টভাবে বোঝায় না, বরং উভয়কেই বোঝায়, তাকে উভয়লিঙ্গ বলে।
- 'মানুষ' শব্দটি এমন একটি সাধারণ বিশেষ্য যা নারী ও পুরুষ উভয়কেই নির্দেশ করে, তাই এটি উভয়লিঙ্গ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণে লিঙ্গ প্রধানত চার ভাগে বিভক্ত যথা পুংলিঙ্গ, স্ত্রীলিঙ্গ, উভয়লিঙ্গ ও ক্লীবলিঙ্গ।
- যে শব্দ দ্বারা পুরুষবাচক প্রাণী বোঝায় তা পুংলিঙ্গ এবং স্ত্রীবাচক প্রাণী বোঝায় তা স্ত্রীলিঙ্গ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শিশু
ব্যাখ্যা: 'শিশু' শব্দটি দ্বারা ছেলে ও মেয়ে উভয় শিশুই বোঝায়, তাই এটি উভয়লিঙ্গ।
উদাহরণ ২: সন্তান
ব্যাখ্যা: 'সন্তান' শব্দটিও নর বা নারী উভয় অর্থে ব্যবহৃত হতে পারে, তাই এটি উভয়লিঙ্গ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পুংলিঙ্গ — পুংলিঙ্গ কেবল পুরুষবাচক শব্দ বা প্রাণীকে নির্দেশ করে, কিন্তু 'মানুষ' শুধু পুরুষকে বোঝায় না।
B) স্ত্রীলিঙ্গ — স্ত্রীলিঙ্গ কেবল স্ত্রীবাচক শব্দ বা প্রাণীকে নির্দেশ করে, কিন্তু 'মানুষ' শুধু নারীকে বোঝায় না।
C) উভয়লিঙ্গ — এটি সঠিক কারণ 'মানুষ' শব্দে নারী ও পুরুষ উভয়কেই বোঝায়।
D) ক্লীবলিঙ্গ — ক্লীবলিঙ্গ কেবল অচেতন বা প্রাণহীন বস্তুবাচক শব্দকে নির্দেশ করে, কিন্তু মানুষ প্রাণবান।
৫. মনে রাখার টিপস:
- যে বিশেষ্য পদ নারী ও পুরুষ উভয়কেই একসাথে বোঝায়, চোখ বন্ধ করে তাকে উভয়লিঙ্গ হিসেবে চিহ্নিত করবে।
- শিশু, মানুষ, সন্তান, পক্ষী জাতীয় শব্দগুলো সাধারণত উভয়লিঙ্গের অন্তর্ভুক্ত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধারণ বিশেষ্য পদ থেকে লিঙ্গ নির্ণয়ের প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
- প্রাণবাচক অথচ স্ত্রী বা পুরুষ নির্দিষ্ট করে না এমন শব্দগুলো উভয়লিঙ্গ হিসেবে মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) যার স্বামী, পুত্র নেই
১. কেন সঠিক:
- 'অবীরা' হলো এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন। যার স্বামী এবং পুত্র উভয়ই নেই, সেই নারীকে ব্যাকরণগতভাবে অবীরা বলা হয়।
- অবীরা শব্দের 'অ' উপসর্গটি এখানে অভাব বা অনুপস্থিতি অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে এবং বীরা শব্দটি মূলত বীর পত্নী বা পুত্রবতী অর্থে প্রযুক্ত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা ব্যাকরণের শব্দভান্ডার এবং এককথায় প্রকাশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বাক্যের সংক্ষেপণ বা একটি মাত্র শব্দে মনের ভাব প্রকাশ করার জন্য এই নিয়মগুলো ব্যবহৃত হয়।
- বাংলা ব্যাকরণে বিশেষ অর্থ প্রকাশের জন্য বিভিন্ন উপসর্গ ও প্রত্যয় যুক্ত করে এ ধরনের শব্দ গঠন করা হয়, যা পরীক্ষার জন্য অপরিহার্য।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: যার স্বামী ও পুত্র নেই
ব্যাখ্যা: এটি পরীক্ষাগারে সরাসরি অবীরা শব্দের অর্থ হিসেবে বহুল ব্যবহৃত হয় এবং এর মাধ্যমে বাক্যকে সংক্ষেপ করা হয়।
উদাহরণ ২: যার স্বামী বিদেশ থাকেন
ব্যাখ্যা: এই বাক্যটির এককথায় প্রকাশ হলো প্রোষিতভর্তৃকা, যা একই ধরনের বাক্য সংকোচনের আরেকটি উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) যে স্বামীর বশীভূত — এই অর্থের জন্য অনুগতা বা পতিব্রতা শব্দ ব্যবহার করা হয়, যা অবীরা শব্দের সঙ্গে মেলে না।
B) যার পুত্র হয়নি — এই বিশেষ অবস্থার জন্য অপুত্ৰক বা বন্ধ্য্যা শব্দ ব্যবহার করা হয়, অবীরা নয়।
C) যার স্বামী, পুত্র নেই — এটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং সংজ্ঞার সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়।
D) যার বিয়ে হয়নি — এই অবস্থার জন্য অনূঢ়া বা কুমারী শব্দ ব্যবহার করা হয়, অবীরা বলা যায় না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- অবীরা শব্দটিতে অ মানে অভাব এবং বীরা মানে স্বামী ও পুত্র। যার ঘরে স্বামী বা পুত্র কেউ নেই, তিনিই অবীরা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এককথায় প্রকাশ থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। তাই এ ধরনের শব্দগুলোর মূল অর্থ ও উৎস ভালোভাবে মুখস্থ করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) Color
কেন সঠিক:
- 'Hue' শব্দটির অর্থ হলো রঙের আভা, রং বা বর্ণ।
- প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে 'Color' শব্দটির অর্থও রং, যা 'Hue' এর সমার্থক হিসেবে সম্পূর্ণ উপযুক্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Color - এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ রং।
B) Dew - এর অর্থ শিশির, যা রঙের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত নয়।
C) Still - এর অর্থ স্থির বা শান্ত, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি অর্থ প্রকাশ করে।
D) Pursuit - এর অর্থ পিছু নেওয়া বা সাধনা, যা এই প্রশ্নের সঙ্গে প্রাসঙ্গিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
'Hue' মানেই রঙের 'Color' বা বর্ণ।
সঠিক উত্তর: B) Reveal someone's secret
কেন সঠিক:
'Spill the beans' একটি জনপ্রিয় ইংরেজি ইডিওম যার শাব্দিক অর্থ শিম ছড়িয়ে দেওয়া হলেও এর অন্তর্নিহিত ভাব প্রকাশ করা।
এর মূল অর্থ হলো কোনো গোপন কথা বা তথ্য ফাঁস করে দেওয়া।
তাই অপশন বি সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে।
এটি সাধারণত আকস্মিক বা অনিচ্ছাকৃতভাবে সত্য প্রকাশ করার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Frivolously performing a simple task — এই অপশনটি সহজ কাজ অবহেলায় করা বোঝায় যা প্রদত্ত ইডিওমের অর্থের সাথে মেলে না।
B) Reveal someone's secret — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়।
C) To stop something at an early stage — এই অপশনটি কোনো কিছু প্রাথমিক পর্যায়ে থামিয়ে দেওয়া বোঝায় যা ইডিওমের সাথে সম্পর্কিত নয়।
D) Frivolously performing a simple task — এটি প্রথম অপশনের পুনরাবৃত্তি এবং এটিও মূল ইডিওমের অর্থের সাথে সংগতিপূর্ণ নয়।
মনে রাখার টিপস:
শিম বা বরবটির থলে উল্টে গেলে যেমন ভেতরের জিনিস বাইরে পড়ে যায়, তেমনি মুখ ফসকে গোপন কথা বাইরে চলে আসাকে 'Spill the beans' বলা হয়।
সঠিক উত্তর: D) Ambiguous
কেন সঠিক:
Ambiguous শব্দটির অর্থ এমন কোনো কথা বা বক্তব্য যার একাধিক অর্থ থাকতে পারে এবং যা সহজে স্পষ্ট হয় না।
প্রশ্নে বলা হয়েছে দ্ব্যর্থক অর্থ প্রকাশ করতে পারে এমন একটি বক্তব্য।
তাই এই অপশনটি সরাসরি সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Epigraph — এর অর্থ হলো কোনো বই বা অধ্যায়ের শুরুতে ব্যবহৃত উদ্বৃতি, যা দ্ব্যর্থক অর্থ প্রকাশ করে না।
B) Verbose — এর অর্থ হলো অতিরিক্ত শব্দবহুল বা প্রয়োজনের চেয়ে বেশি কথা বলা, যা দ্ব্যর্থক নয়।
C) Ambivalent — এর অর্থ হলো একই সাথে পরস্পরবিরোধী অনুভূতি থাকা, কিন্তু এটি কোনো বক্তব্যের দ্ব্যর্থকতা বোঝায় না।
D) Ambiguous — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল অপশনের তালিকায় নেই।
মনে রাখার টিপস:
ambi শব্দের অর্থ দুই, তাই যার দুটি বা বহু অর্থ থাকে তাকে ambiguous বলে।
সঠিক উত্তর: C) Extroverson
কেন সঠিক:
এই শব্দটির বানান ভুল আছে কারণ এর সঠিক বানান হওয়া উচিত Extroversion যার শেষে sion হবে son নয়।
ইংরেজি বানান নিয়মের দিক থেকে এটি একটি ভুল শব্দ।
এই বানানটিতে একটি অক্ষর বাদ পড়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Committee — এই বানানটি সম্পূর্ণ সঠিক আছে এবং এতে দুটি করে m, t এবং e রয়েছে।
B) Enthusiasm — এই বানানটি সঠিক এবং এর অর্থ উদ্দীপনা বা উৎসাহ।
C) Extroverson — এটি ভুল বানান তাই এটিই সঠিক উত্তর।
D) Recession — এই বানানটি সঠিক রয়েছে এবং এর অর্থ মহামন্দা বা অবনতি।
মনে রাখার টিপস:
বানان শেখার সময় শেষের অংশ যেমন sion বা tion ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) bohemian
কেন সঠিক:
বোথেমিয়ান শব্দটি এমন একজন মানুষকে বোঝায় যিনি সমাজের প্রচলিত নিয়মকানুন বা প্রথা মেনে চলেন না।
তিনি সাধারণত একটু ভিন্ন জীবনযাপন করতে পছন্দ করেন।
শিল্প ও সাহিত্য চর্চার সাথে যুক্ত মানুষেরা প্রায়ই এমন জীবন বেছে নেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) frank — ফ্রাঙ্ক অর্থ এমন একজন সৎ ও স্পষ্টভাষী ব্যক্তি যিনি মনে যা আছে তা সরাসরি প্রকাশ করেন।
B) egoist — ইগোইস্ট অর্থ আত্মকেন্দ্রিক বা স্বার্থপর ব্যক্তি যিনি কেবল নিজের স্বার্থ এবং লাভ নিয়ে ভাবেন।
C) reveille — রেভিলি বলতে মূলত ভোরবেলায় সৈন্যদের ঘুম থেকে জাগানোর জন্য বাজানো সামরিক বাদ্যকে বোঝায়।
মনে রাখার টিপস:
বোথেমিয়ান মানে বাঁধাধরা নিয়মের বাইরে চলা স্বাধীনচেতা মানুষ।
সঠিক উত্তর: B) Altruistic
কেন সঠিক:
Selfish শব্দের অর্থ স্বার্থপর বা নিজের কথা কেবল চিন্তা করে। অন্যদিকে Altruistic শব্দের অর্থ পরোপকারী বা অন্য মানুষের কল্যাণে কাজ করা।
যেহেতু শব্দ দুটি বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে, তাই এটি সঠিক উত্তর।
এটি Selfish শব্দের আদর্শ বিপরীতার্থক শব্দ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Emotive — এই শব্দটির অর্থ আবেগপূর্ণ বা আবেগ উদ্রেককারী। এটি স্বার্থপর শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না।
B) Altruistic — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) Egocentric — এই শব্দটির অর্থ আত্মকেন্দ্রিক, যা Selfish শব্দের সমার্থক বা কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে।
D) Acquisitive — এই শব্দটির অর্থ লোভী বা সম্পদ অর্জনে আগ্রহী। এটি স্বার্থপরতার সাথে সম্পর্কিত হলেও সঠিক বিপরীত শব্দ নয়।
মনে রাখার টিপস:
Selfish মানে নিজের ভাল ভাবা এবং Altruistic মানে অন্য সবার ভাল ভাবা।
সঠিক উত্তর: A) He does not watch movies
কেন সঠিক:
প্রদত্ত বাক্যটি প্যাসিভ ফর্মে প্রেজেন্ট ইনডেফিনিট টেন্সে আছে।
তাই এর অ্যাক্টিভ ফর্ম করার সময় সাবজেক্ট হিসেবে He বসে এবং প্রেজেন্ট টেন্সের জন্য does not বসে।
মূল ভার্বের বেস ফর্ম watch এবং অবজেক্ট হিসেবে movies বসে সঠিক বাক্য গঠন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সঠিক অপশন — এই অপশনটি নিয়ম অনুযায়ী সঠিক বাক্য গঠন করেছে।
B) He did not watch movies — এটি পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্সের হওয়ায় ভুল।
C) He do not watch movies — সাবজেক্ট থার্ড পারসন সিঙ্গুলার হওয়ায় do ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
D) He is not watched movies — এখানে গঠনগত ত্রুটি রয়েছে এবং অর্থ পরিবর্তিত হয়ে গেছে।
মনে রাখার টিপস:
প্যাসিভ থেকে অ্যাক্টিভ করার সময় টেন্স পরিবর্তন না করে সাবজেক্ট ও অবজেক্টের স্থান বদলাতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) distant
কেন সঠিক:
Remote শব্দটির বাংলা অর্থ হলো দূরবর্তী বা বহু দূরের।
অপশনের distant শব্দটির অর্থও দূরবর্তী বা অনেক দূরের।
তাই এটি এই শব্দের সঠিক সমার্থক শব্দ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) automatic — এর অর্থ স্বয়ংক্রিয়, যা দূরবর্তী শব্দের সাথে মেলে না।
B) savage — এর অর্থ বন্য বা হিংস্র, যার সাথে দূরবর্তী শব্দের কোনো মিল নেই।
C) mean — এর অর্থ মানে করা বা কৃপণ, যা সঠিক উত্তর নয়।
D) distant — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়, এটি সঠিক সমার্থক শব্দ।
মনে রাখার টিপস:
Remote control দিয়ে অনেক দূর থেকে টিভি চালানো যায়, তাই Remote বললেই মাথায় রাখবে Distant বা দূরবর্তী কথাটি।
সঠিক উত্তর: C) The bull was pulled violently.
কেন সঠিক:
সক্রিয় বাক্যের মূল verb-টি Past Indefinite Tense-এ থাকায়, passive করার সময় সঠিক auxiliary verb হিসেবে was ব্যবহৃত হয়েছে।
মূল verb-এর Past Participle ফর্ম (pulled) এবং অতিরিক্ত শব্দ 'violently' সঠিকভাবে বসানো হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The bull had been pulled violently by someone. — বাক্যটি Past Perfect Tense-এ করা হয়েছে যা প্রশ্নগত Tense-এর সাথে মেলে না।
B) The bull had been pulled violently. — এখানেও ভুল করে Past Perfect Tense ব্যবহার করা হয়েছে।
C) The bull was pulled violently. — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই।
D) The bull was to be pulled violently by someone. — এখানে অতিরিক্ত to be যুক্ত করায় বাক্যের অর্থ পরিবর্তিত হয়ে গেছে।
মনে রাখার টিপস:
Active voice-এ Past Indefinite Tense থাকলে Passive করার সময় was বা were ব্যবহার করে মূল verb-এর Past Participle করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) Clean
কেন সঠিক:
Filthy শব্দের অর্থ অত্যন্ত ময়লা বা নোংরা। Clean শব্দের অর্থ পরিষ্কার বা পরিচ্ছন্ন, যা এর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Clean — এটি সঠিক উত্তর।
B) Grimy — এর অর্থ ময়লা, যা filthy শব্দের সমার্থক শব্দ।
C) Grabby — এর অর্থ লোভী বা ছিনতাইপ্রবণ, যা এর সাথে সম্পর্কিত নয়।
D) Putrid — এর অর্থ পচা বা দুর্গন্ধযুক্ত, যা filthy শব্দের সমার্থক।
মনে রাখার টিপস:
Filthy মানে নোংরা মনে রাখলে তার বিপরীত Clean বা পরিষ্কার কথাটি সহজেই মাথায় আসবে।
সঠিক উত্তর: A) cessation
কেন সঠিক:
শূন্যস্থানে একটি নাউন বসবে কারণ এর আগে 'The' এবং পরে 'of' আছে।
cessation শব্দটির অর্থ হলো কোনো কিছুর অবসান বা যুদ্ধবিরতি।
যুদ্ধ খুব শীঘ্রই শেষ হবে বা থেমে যাবে বোঝাতে এই শব্দটি সবচেয়ে উপযুক্ত।
তাই বাক্যটির অর্থ পূর্ণ করতে এখানে cessation সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) cessation — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়।
B) cession — এর অর্থ হলো অধিকার বা ভূখণ্ড ছেড়ে দেওয়া, যা এই বাক্যের সাথে মেলে না।
C) session — এর অর্থ হলো কোনো বৈঠক বা অধিবেশন, যা যুদ্ধের সাথে সম্পর্কিত নয়।
D) cestion — ইংরেজি অভিধানে এই বানানটির কোনো অস্তিত্ব নেই।
মনে রাখার টিপস:
cessation শব্দটিতে tion আছে যার অর্থ সমাপ্তি আর যুদ্ধ শেষ হওয়া বোঝাতে এটি ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: B) as
কেন সঠিক:
- বাক্যটিতে সমতা বা তুলনা বোঝাতে as...as কোরিলেটিভ কনজাংশন বা পজিটিভ ডিগ্রির নিয়ম ব্যবহার করা হয়েছে।
- এখানে নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে দু'পক্ষের তুলনা বোঝাতে as এর সঠিক ব্যবহার হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) quite — এটি একটি অ্যাডভার্ব যা সাধারণত মাত্রা বা তীব্রতা বোঝাতে বসে, কিন্তু এখানে তুলনামূলক জোড় বোঝাতে as প্রয়োজন।
B) as — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি পজিটিভ ডিগ্রির ক্ষেত্রে as...as কাঠামোর অংশ হিসেবে বসে।
C) perfectly — এটি একটি অ্যাডভার্ব যা কোনো কাজের পরিপূর্ণতা বোঝায়, কিন্তু এখানে তুলনার কাঠামো তৈরির জন্য এটি উপযুক্ত নয়।
D) very — এটি সাধারণত অ্যাডজেক্টিভ বা অ্যাডভার্বের পূর্বে বসে তীব্রতা বাড়ায়, কিন্তু এখানে দুটি অংশের মধ্যে তুলনা বোঝাতে as বসবে।
মনে রাখার টিপস:
তুলনা বোঝাতে as...as এর জোড়া ব্যবহার হয়, তাই এমন বাক্যে দ্বিতীয় অংশে as বসবে।
সঠিক উত্তর: C) the
কেন সঠিক:
- নির্দিষ্ট করে বোঝাতে কোনো নাউনের পূর্বে Definite Article হিসেবে the বসে।
- বাক্যে umbrella নাউনটির পর that বা which যুক্ত একটি নির্দিষ্ট ক্লজ the you had given me থাকায় এটি নির্দিষ্ট হয়ে গেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) a — এটি অনিনির্দিষ্ট Singular Countable Noun-এর পূর্বে বসে, যা নির্দিষ্ট কোনো বস্তুকে বোঝায় না।
B) an — Vowel দিয়ে শুরু অনির্দিষ্ট Singular Countable Noun-এর পূর্বে বসে, কিন্তু এখানে নির্দিষ্ট ছাতা বোঝানো হয়েছে।
C) the — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যা নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি বা বস্তুকে নির্দেশ করতে ব্যবহৃত হয়।
D) no article — এখানে umbrella একটি Countable Noun হওয়ায় কোনো আর্টিকেল ছাড়া বাক্যটি grammatically সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
noun-এর পরে relative pronoun যেমন who, which, that এবং অতিরিক্ত তথ্য থাকলে সেই noun-টি নির্দিষ্ট হয়ে যায় এবং তার পূর্বে the বসে।
সঠিক উত্তর: B) emerged
কেন সঠিক:
বাক্যের অর্থ অনুযায়ী মেঘের আড়াল থেকে সূর্য বেরিয়ে আসার কথা বলা হয়েছে।
emerged শব্দটির অর্থ হলো আত্মপ্রকাশ করা বা বাইরে বেরিয়ে আসা, যা এখানে সম্পূর্ণ সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) immerse — এর অর্থ হলো কোনো কিছুতে নিমজ্জিত করা বা ডুবিয়ে দেওয়া, যা বাক্যের অর্থের সাথে মেলে না।
B) emerged — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
C) imerged — এটি একটি বানান ভুল শব্দ, কারণ সঠিক বানানটিতে একটি 'e' বেশি থাকে।
D) amerged — এটি ইংরেজি ব্যাকরণ অনুযায়ী একটি ভুল শব্দ এবং এর কোনো সঠিক অর্থ নেই।
মনে রাখার টিপস:
মেঘের আড়াল থেকে সূর্য বাইরে বেরিয়ে আসাকে ইংরেজি তে emerge বলা হয়।
সঠিক উত্তর: C) is
কেন সঠিক:
নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা বা নির্দিষ্ট দূরত্ব সমষ্টিগতভাবে বোঝালে তা একটি একক হিসেবে গণ্য হয়। তাই এর পরে সবসময় একবচন বা singular verb বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) was — এটি অতীতকালের একবচন verb, কিন্তু বাক্যটি বর্তমানকালের সাধারণ সত্য প্রকাশ করছে।
B) were — এটি বহুবচন verb, যা একবচন Subject এর সাথে grammatically সঠিক নয়।
C) is — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) are — এটি বহুবচন verb, যা নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকার একক ধারণার সাথে মিলে না।
মনে রাখার টিপস:
টাকা, সময় বা দূরত্বের পরিমাণ যতই হোক না কেন, তা একসাথে বোঝালে verb সবসময় singular হয়।
সঠিক উত্তর: C) No solution
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম সমীকরণটি হলো ৩x − ৬y = ৯
দ্বিতীয় সমীকরণটি হলো ২y − x − ৩ = ০
ধরি,
প্রথম সমীকরণ থেকে পাই, x − ২y = ৩
দ্বিতীয় সমীকরণ থেকে পাই, x − ২y = −৩
অতএব,
প্রথম সমীকরণের ক্ষেত্রে ধ্রুবক পদের মান ৩
দ্বিতীয় সমীকরণের ক্ষেত্রে ধ্রুবক পদের মান −৩
সুতরাং,
দুটি সরলরেখা পরস্পর সমান্তরাল হওয়ায় কোনো সমাধান নেই
উত্তর: No solution
সঠিক উত্তর: A) ১৩
প্রদত্ত তথ্য:
সেট এস এর সংখ্যাগুলি হলো ১৩, ২৯, ৪১ এবং এক্স
সেটের সংখ্যাগুলির গড় পঁচিশ এর কম
ধরি,
চারটি সংখ্যার যোগফল = ১৩ + ২৯ + ৪১ + এক্স
চারটি সংখ্যার গড় = (১৩ + ২৯ + ৪১ + এক্স) ÷ ৪
অতএব,
গড় পঁচিশ এর কম হওয়ার শর্ত অনুযায়ী
(১৩ + ২৯ + ৪১ + এক্স) ÷ ৪ < ২৫
৮৩ + এক্স < ১০০
সুতরাং,
এক্স এর মান হতে হবে (১০০ − ৮৩) বা ১৭ এর কম
অপশনগুলির মধ্যে কেবল ১৩ সংখ্যাটি ১৭ এর চেয়ে ছোট
উত্তর: ১৩
সঠিক উত্তর: D) ১২
প্রদত্ত তথ্য:
৪০ এর ৮০% এর মান নির্ণয় করতে হবে
২৫ এর ৪/৫ অংশের মান নির্ণয় করতে হবে
ধরি,
প্রথম সংখ্যাটি হলো ৪০ এর ৮০%
দ্বিতীয় সংখ্যাটি হলো ২৫ এর ৪/৫ অংশ
অতএব,
প্রথম সংখ্যা = ৪০ × ৮০ ÷ ১০০ = ৩২
দ্বিতীয় সংখ্যা = ২৫ × ৪ ÷ ৫ = ২০
সুতরাং,
পার্থক্যের পরিমাণ = ৩২ − ২০ = ১২
উত্তর: ১২
সঠিক উত্তর: D) ৫৩
প্রদত্ত তথ্য:
মঙ্গলবার সাইকেল চালায় ১০ মাইল
বুধবার দূরত্ব বৃদ্ধি করে ৫ মাইল
বৃহস্পতিবার দূরত্ব কমায় ৭ মাইল
শুক্রবার দূরত্ব বৃদ্ধি করে ১২ মাইল
ধরি,
মঙ্গলবারের দূরত্ব = ১০ মাইল
অতএব,
বুধবারের দূরত্ব = ১০ + ৫ = ১৫ মাইল
বৃহস্পতিবারের দূরত্ব = ১৫ − ৭ = ৮ মাইল
শুক্রবারের দূরত্ব = ৮ + ১২ = ২০ মাইল
সুতরাং,
চার দিনের মোট দূরত্ব = ১০ + ১৫ + ৮ + ২০
উত্তর: ৫৩ মাইল
সঠিক উত্তর: A) ৭২
প্রদত্ত তথ্য:
পাম্প A একা খালি করে ৩ ঘন্টায়
পাম্প B একা খালি করে ২ ঘন্টায়
ধরি,
পাম্প A এক ঘন্টায় খালি করে ১ ÷ ৩ অংশ
পাম্প B এক ঘন্টায় খালি করে ১ ÷ ২ অংশ
অতএব,
উভয় পাম্প একসাথে এক ঘন্টায় খালি করে (১ ÷ ৩) + (১ ÷ ২) অংশ
লসাগু করে যোগ করলে হয় (২ + ৩) ÷ ৬ অংশ বা ৫ ÷ ৬ অংশ
সুতরাং,
সম্পূর্ণ পুলটি খালি করতে সময় লাগে ৬ ÷ ৫ ঘন্টা
উত্তর: (৬ ÷ ৫) × ৬০ মিনিট = ৭২ মিনিট
সঠিক উত্তর: D) ২.৬৩
প্রদত্ত তথ্য:
সমান্তর ধারার দ্বিতীয় পদ = ৪
সমান্তর ধারার দশম পদ = ১৫
ধরি,
ধারার প্রথম পদ = a
সাধারণ অন্তর = d
অতএব,
দ্বিতীয় পদ, a + d = ৪
দশম পদ, a + ৯d = ১৫
সুতরাং,
সমীকরণ দুটি বিয়োগ করে পাই, ৮d = ১১
d = ১.৩৭৫
উত্তর: a = ৪ − ১.৩৭৫ = ২.৬২৫ বা ২.৬৩
সঠিক উত্তর: C) ২২.৬২
প্রদত্ত তথ্য:
ত্রিভুজের বাহুগুলোর অনুপাত ৫ : ১২ : ১৩
ধরি,
ত্রিভুজের বাহুগুলো যথাক্রমে ৫ক, ১২ক এবং ১৩ক
অতএব,
সবচেয়ে ছোট বাহুটি হলো ৫ক এবং অতিভুজ হলো ১৩ক
সবচেয়ে ছোট কোণটি হবে সবচেয়ে ছোট বাহুর বিপরীত কোণ
সুতরাং,
কোণটির সাইন মান = ৫ক ÷ ১৩ক = ৫ ÷ ১৩ = ০.৩৮৪৬
উত্তর: ২২.৬২°
সঠিক উত্তর: B) ১০
প্রদত্ত তথ্য:
অনুক্রমটি হলো ৪, ৯, ৬, ১১, ৮, ১৩, ...
ধরি,
প্রথম পদ = ৪
দ্বিতীয় পদ = ৯
তৃতীয় পদ = ৬
অতএব,
প্রথম ও তৃতীয় পদের পার্থক্য = ৬ − ৪ = ২
দ্বিতীয় ও চতুর্থ পদের পার্থক্য = ১১ − ৯ = ২
তৃতীয় ও পঞ্চম পদের পার্থক্য = ৮ − ৬ = ২
সুতরাং,
ষষ্ঠ পদের সাথে দুই যোগ করলে পরবর্তী পদ পাওয়া যাবে
উত্তর: ১৩ − ৩ = ১০
সঠিক উত্তর: C) −১
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম সমীকরণটি হলো a + b + c = ১২
দ্বিতীয় সমীকরণটি হলো a + b = ৪
তৃতীয় সমীকরণটি হলো a + c = ৭
ধরি,
প্রথম সমীকরণে a + b এর মান বসিয়ে পাই
অতএব,
৪ + c = ১২
c = ১২ − ৪ = ৮
সুতরাং,
a + c = ৭ সমীকরণে c এর মান বসিয়ে পাই
a + ৮ = ৭
উত্তর: a = ৭ − ৮ = −১
সঠিক উত্তর: B) ০.০৭
প্রদত্ত তথ্য:
সুসম বর্গাকার পিরামিডের উচ্চতা বৃদ্ধি পায় ১২%
পিরামিডের আয়তন বৃদ্ধি পায় ২৮%
ধরি,
প্রাথমিক উচ্চতা = h এবং প্রাথমিক ভূমির বাহুর দৈর্ঘ্য = a
নতুন উচ্চতা = ১.১২h এবং নতুন ভূমির বাহুর দৈর্ঘ্য = b
অতএব,
প্রাথমিক আয়তন V১ = (১ ÷ ৩) × a^২ × h
নতুন আয়তন V২ = (১ ÷ ৩) × b^২ × ১.১২h
সুতরাং,
শর্তমতে, V২ = ১.২৮ × V১
(১ ÷ ৩) × b^২ × ১.১২h = ১.২৮ × (১ ÷ ৩) × a^২ × h
অতএব,
b^২ ÷ a^২ = ১.২৮ ÷ ১.১২
b ÷ a = √ (১.২৮ ÷ ১.১২) = ১.০৭
সুতরাং,
বাহুর দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি পায় = ১.০৭ − ১ = ০.০৭
উত্তর: ০.০৭
সঠিক উত্তর: B) (১/৪)
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম সংখ্যাটি হলো ৮০ এর ৭৫% এর অংশ
দ্বিতীয় সংখ্যাটি হলো ৫০ এর ৩০% এর মান
ধরি,
প্রথম মান = ৮০ এর ৭৫%
দ্বিতীয় মান = ৫০ এর ৩০%
অতএব,
৮০ এর ৭৫% = ৮০ × (৭৫ ÷ ১০০) = ৬০
৫০ এর ৩০% = ৫০ এর (৩০ ÷ ১০০) = ১৫
সুতরাং,
১৫ হলো ৬০ এর কত অংশ তা বের করতে হবে
উত্তর: ১৫ ÷ ৬০ = (১/৪)
সঠিক উত্তর: D) ২২
প্রদত্ত তথ্য:
k একটি পূর্ণসংখ্যা
k = ৪৬২ ÷ n
ধরি,
n এর মান এমন হতে হবে যা দিয়ে ৪৬২ কে নিঃশেষে ভাগ করা যায়
অতএব,
৪৬২ কে ৪ দ্বারা ভাগ করলে পূর্ণসংখ্যা পাওয়া যায় না
৪৬২ কে ৬৫ দ্বারা ভাগ করলে পূর্ণসংখ্যা পাওয়া যায় না
সুতরাং,
৪৬২ কে ৯ দ্বারা ভাগ করলে পূর্ণসংখ্যা পাওয়া যায় না
৪৬২ কে ২২ দ্বারা ভাগ করলে ২১ পাওয়া যায়
উত্তর: ২২
সঠিক উত্তর: C) ডেনমার্ক
কেন সঠিক:
- কোপেনহেগেন উত্তর ইউরোপের দেশ ডেনমার্কের রাজধানী এবং বৃহত্তম শহর।
- এটি এই দেশের প্রধান রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক এবং সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বেলজিয়াম — এই দেশটির রাজধানী কোপেনহেগেন নয়, বরং ব্রাসেলস।
B) ভিয়েতনাম — এই দেশটির রাজধানী কোপেনহেগেন নয়, বরং হ্যানয়।
C) ডেনমার্ক — এটি নিজেই সঠিক উত্তর এবং এর রাজধানী কোপেনহেগেন।
D) আর্মেনিয়া — এই দেশটির রাজধানী কোপেনহেগেন নয়, বরং ইয়েরেভান।
মনে রাখার টিপস:
ডেনমার্কের সাথে কোপেনহেগেন নাম মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন যে ডেনমার্কের ড দিয়ে শুরু না হলেও এর রাজধানী সি দিয়ে শুরু।
সঠিক উত্তর: A) নেপাল
কেন সঠিক:
- নেপাল একটি স্থলবেষ্টিত দেশ যার কোনো সমুদ্র উপকূল বা সমুদ্র বন্দর নেই।
- এর চারপাশে ভারত ও চীন অবস্থিত হওয়ায় দেশটি সম্পূর্ণ স্থলভাগের মাধ্যমে আবদ্ধ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নেপাল — এটি একটি স্থলবেষ্টিত দেশ এবং এর কোনো সমুদ্র উপকূল বা সমুদ্র বন্দর নেই।
B) ভারত — এই দেশটির বিশাল সমুদ্র উপকূল রয়েছে এবং এর অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্র বন্দর আছে।
C) ইতালি — এটি একটি উপদ্বীপ এবং এর চারপাশে ভূমধ্যসাগর থাকায় অনেক সমুদ্র বন্দর রয়েছে।
D) পর্তুগাল — এই দেশটির আটলান্টিক মহাসাগরের উপকূলে একাধিক আন্তর্জাতিক সমুদ্র বন্দর অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
দক্ষিণ এশিয়ার স্থলবেষ্টিত দেশগুলোর মধ্যে নেপাল এবং ভুটানের কোনো সমুদ্র বন্দর নেই।
সঠিক উত্তর: B) পাউন্ড
কেন সঠিক:
- ইংল্যান্ড বা যুক্তরাজ্যের সরকারি ও প্রচলিত মুদ্রার নাম পাউন্ড স্টারলিং।
- আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে এটি বিশ্বের অন্যতম প্রধান ও প্রাচীন মুদ্রা হিসেবে পরিচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ডলার — এটি যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া ও কানাদাসহ বিভিন্ন দেশের মুদ্রা, ইংল্যান্ডের নয়।
বি) পাউন্ড — এটি সঠিক উত্তর।
সি) ইয়েন — এটি জাপানের সরকারি মুদ্রার নাম।
ডি) ইউরো — এটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্যভুক্ত দেশগুলোর একক মুদ্রা।
মনে রাখার টিপস:
ইংল্যান্ডে খেলাধুলায় যেমন ফুটবল জনপ্রিয়, মুদ্রার ক্ষেত্রে তেমনি পাউন্ড বিখ্যাত।
সঠিক উত্তর: B) ১৪ ডিসেম্বর
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের এই দিনে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের দেশীয় দোসররা বাংলার বরেণ্য বুদ্ধিজীবীদের পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে।
- জাতির মেধা শূন্য করতে বিজয়ের ঠিক প্রাক্কালে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড চালানো হয়, যা শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস হিসেবে পালিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২১ জানুয়ারি — এটি কোনো ঐতিহাসিক বুদ্ধিজীবী হত্যা বা জাতীয় দিবসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
B) ১৪ ডিসেম্বর — এটি শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস হিসেবে পালিত হয়, তাই এটি সঠিক উত্তর।
C) ১৪ জানুয়ারি — এটি বুদ্ধিজীবী দিবসের সঠিক তারিখ নয় এবং এর কোনো ঐতিহাসিক ভিত্তি নেই।
D) ৭ মার্চ — এটি ১৯৭১ সালের ঐতিহাসিক ভাষণের দিন, বুদ্ধিজীবী দিবস নয়।
মনে রাখার টিপস:
বিজয়ের ঠিক দুই দিন আগে অর্থাৎ ষোলই ডিসেম্বরের আগে চৌদ্দই ডিসেম্বর জাতিকে মেধাহীন করতে বুদ্ধিজীবী নিধন করা হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: D) ভ্যাটিকান
কেন সঠিক:
- ভ্যাটিকান সিটি বিশ্বের আয়তনে সবচেয়ে ছোট স্বাধীন রাষ্ট্র, যার আয়তন মাত্র ০.৪৪ বর্গকিলোমিটার।
- এটি একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র যা রোম শহরের ভেতরে অবস্থিত এবং পোপ এই রাষ্ট্রের প্রধান।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফিজি — এটি ওশেনিয়া অঞ্চলের একটি দ্বীপ রাষ্ট্র, যার আয়তন ভ্যাটিকান সিটি থেকে অনেক বড়।
B) কুয়েত — এটি মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশ, যা আয়তন ও জনসংখ্যার দিক থেকে ভ্যাটিকান সিটি থেকে বহু গুণে বড়।
C) মালদ্বীপ — এটি দক্ষিণ এশিয়ার একটি ছোট দ্বীপ দেশ হলেও এর আয়তন প্রায় তিন শ বর্গকিলোমিটার।
D) ভ্যাটিকান — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম দেশ।
মনে রাখার টিপস:
ভ্যাটিকান ছোট হলেও পোপের দেশ, তাই এটি পৃথিবীর সবচেয়ে ক্ষুদ্র দেশ হিসেবে সহজে মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: A) লন্ডন
কেন সঠিক:
- অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল একটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা যার আন্তর্জাতিক সচিবালয় বা সদর দপ্তর যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনে অবস্থিত।
- এই সংস্থাটি বিশ্বব্যাপী মানবাধিকার সুরক্ষা এবং অবিচারের বিরুদ্ধে সোচ্চার ভূমিকা পালন করে থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লন্ডন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই শহরেই সংস্থাটির মূল সদর দপ্তর অবস্থিত।
B) নিউইয়র্ক — এটি জাতিসংঘের সদর দপ্তর এবং হিউম্যান রাইটস ওয়াচ-এর প্রধান কার্যালয় অবস্থিত, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের নয়।
C) প্যারিস — এটি ইউনেস্কো এবং ওইসিডি-এর সদর দপ্তর হিসেবে পরিচিত, যা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের সদর দপ্তর নয়।
D) ভিয়েনা — এটি ওপেকের এবং আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থার সদর দপ্তর, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের সদর দপ্তর এখানে নয়।
মনে রাখার টিপস:
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের কাজের পরিধি বিশ্বজুড়ে বিশাল হলেও এর মূল নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র যুক্তরাজ্যের লন্ডন শহরে অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: C) পাকিস্তান
কেন সঠিক:
- BIMSTEC দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি আঞ্চলিক সংস্থা যার সদস্য দেশ মোট সাতটি।
- পাকিস্তান এই সংস্থার সদস্য নয় কারণ এটি মূলত বঙ্গোপসাগর উপকূলবর্তী দেশগুলোকে নিয়ে গঠিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাংলাদেশ — বাংলাদেশ এই সংস্থার অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য রাষ্ট্র এবং এর সদর দপ্তর ঢাকায় অবস্থিত।
B) ভারত — ভারত এই আঞ্চলিক জোটের একটি গুরুত্বপূর্ণ সদস্য দেশ এবং বঙ্গোপসাগরের অংশীদার।
C) পাকিস্তান — পাকিস্তান বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলের দেশ না হওয়ায় এবং ভৌগোলিক দূরত্বের কারণে BIMSTEC-এর সদস্য নয়।
D) শ্রীলংকা — শ্রীলংকা এই জোটের অন্যতম সদস্য রাষ্ট্র এবং দক্ষিণ এশিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার।
মনে রাখার টিপস:
BIMSTEC হলো বঙ্গোপসাগর কেন্দ্রিক জোট, তাই আরব সাগরের তীরবর্তী দেশ পাকিস্তান এর সদস্য নয়।
সঠিক উত্তর: B) ভারত
কেন সঠিক:
- ডি-৮ হলো উন্নয়নশীল আটটি মুসলিম দেশের একটি আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক সংস্থা।
- ভারত মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ না হওয়ায় এই সংস্থার সদস্য নয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নাইজেরিয়া — এটি ডি-৮ জোটের একটি প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও আফ্রিকান মুসলিমপ্রধান দেশ।
B) ভারত — এটি সঠিক উত্তর কারণ ভারত ডি-৮ ভুক্ত কোনো দেশ নয়।
C) মালয়েশিয়া — এটি ডি-৮ জোটের একটি প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও এশিয়ান মুসলিমপ্রধান দেশ।
D) তুরস্ক — এটি ডি-৮ জোটের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং এই সংস্থার প্রস্তাবক দেশ।
মনে রাখার টিপস:
ডি-৮ কেবল মুসলিম উন্নয়নশীল দেশের জোট, তাই অমুসলিম দেশ হিসেবে ভারত এর সদস্য নয়।
সঠিক উত্তর: A) রাষ্ট্রপতি
কেন সঠিক:
- সংসদীয় গণতন্ত্রে রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে দেশের সাংবিধানিক সর্বোচ্চ পদমর্যাদার অধিকারী হন।
- সরকারপ্রধান প্রধানমন্ত্রী হলেও রাষ্ট্রীয় প্রটোকলে রাষ্ট্রপতি সবার ওপরে অবস্থান করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাষ্ট্রপতি — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক কারণ তিনি রাষ্ট্রীয় প্রটোকল অনুযায়ী দেশের সর্বোচ্চ পদমর্যাদার অধিকারী।
B) স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী — তিনি মন্ত্রিসভার একজন সদস্য এবং একটি নির্দিষ্ট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী মাত্র।
C) প্রধানমন্ত্রী — তিনি সরকারপ্রধান এবং শাসনতান্ত্রিক ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু হলেও পদমর্যাদায় রাষ্ট্রপতির পরে অবস্থান করেন।
D) স্পিকার — তিনি জাতীয় সংসদের প্রধান এবং রাষ্ট্রীয় প্রটোকলে গুরুত্বপূর্ণ পদধারী হলেও রাষ্ট্রপতির নিচে অবস্থান করেন।
মনে রাখার টিপস:
সংসদীয় পদ্ধতিতে সরকারপ্রধান প্রধানমন্ত্রী হলেও রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে রাষ্ট্রপতি সবসময় মর্যাদায় এক নম্বরে থাকেন।
সঠিক উত্তর: B) ১১টি
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে পুরো বাংলাদেশকে মোট ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল।
- ১১টি সেক্টর ছাড়াও সমগ্র দেশকে ৬৪টি সাব-সেক্টর এবং ৩টি বিশেষ ফোর্স এ ভাগ করা হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৯টি — এটি ভুল কারণ মুক্তিযুদ্ধের শুরুতে সেক্টর সংখ্যা ৯টি ভাবা হলেও পরে তা বাড়িয়ে ১১টি করা হয়।
B) ১১টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ মুক্তিযুদ্ধকালীন প্রশাসনিক ও সামরিক সুবিধার্থে দেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল।
C) ১০টি — এটি ভুল কারণ এমন কোনো সংখ্যা মুক্তিযুদ্ধকালীন সেক্টর বিন্যাসে ছিল না।
D) ১২টি — এটি ভুল কারণ সেক্টর সংখ্যা ১২টি ছিল না, সঠিক সংখ্যাটি ছিল ১১।
মনে রাখার টিপস:
এক এক করে এগারোটি সেক্টরে ভাগ হয়েছিল আমাদের বাংলাদেশ।
সঠিক উত্তর: A) বিশেষ্য
১. কেন সঠিক:
- লাজ একটি নামবাচক বা ভাববাচক শব্দ যা লজ্জা বা সংকোচ বোঝায়।
- ব্যাকরণ অনুযায়ী কোনো ব্যক্তি, বস্তু, গুণ বা ভাবের নাম বোঝালে তা বিশেষ্য পদ হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে শব্দ দ্বারা কোনো ব্যক্তি, জাতি, সমষ্টি, বস্তু, স্থান, গুণ বা ভাবের নাম বোঝায় তাকে বিশেষ্য পদ বলে।
- লাজ শব্দটি মানুষের মনের একটি ভাব বা গুণের নাম প্রকাশ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তার মুখে লাজ ভেঙে হাসি ফুটল।
ব্যাখ্যা: এখানে লাজ শব্দটি মনের একটি ভাব বা অবস্থাকে নির্দেশ করায় এটি বিশেষ্য পদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: ভয়ে এবং লাজে সে কথাই বলতে পারল না।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে লাজে শব্দটি ভাববাচক বিশেষ্য হিসেবে বিভক্তি যুক্ত হয়ে অবস্থান করছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিশেষ্য — এই অপশনটি সঠিক কারণ লাজ একটি ভাববাচক বিশেষ্য পদ।
B) বিশেষণ — বিশেষণ পদ কোনো দোষ, গুণ, সংখ্যা বা পরিমাণ নির্দেশ করে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) বিশেষণের বিশেষণ — এটি এমন পদ যা অন্য কোনো বিশেষণকে বিশেষিত করে, কিন্তু লাজ নিজে একটি প্রধান নামপদ।
D) ক্রিয়া — ক্রিয়া পদ দ্বারা কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝায়, কিন্তু লাজ কোনো কাজের নাম বা ক্রিয়া নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- যা কিছু দ্বারা কোনো কিছুর নাম বোঝায়, তা বিশেষ্য। মনের ভাব যেমন লাজ, ক্ষোভ, প্রেম—এ সবই বিশেষ্য পদ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিশেষ্য পদের প্রকারভেদ থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। ভাববাচক বিশেষ্য চেনার জন্য শব্দের অর্থ এবং বাক্যের ভূমিকা ভালোভাবে লক্ষ করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) ঊনপাঁজুরে
১. কেন সঠিক:
ইঁদুর কপালে বাগধারাটির অর্থ মন্দভাগ্য বা হতভাগ্য।
প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে ঊনপাঁজুরে বাগধারাটির অর্থও অপদার্থ বা হতভাগ্য, যা মূল বাগধারার সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ভাষায় কিছু বাগধারা সমার্থক অর্থে ব্যবহৃত হয় যা মানুষের অবস্থা বা ভাগ্য বোঝাতে সাহায্য করে।
ইঁদুর কপালে এবং ঊনপাঁজুরে উভয় বাগধারাই মানুষের দুর্ভাগা বা দুর্বল অবস্থা প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তার কপালে যেন ইঁদুর কপালে বা মন্দভাগ্যই জুটেছে।
ব্যাখ্যা: এখানে মানুষের চরম দুর্ভাগা অবস্থা বোঝাতে এই বাগধারা ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: এই ঊনপাঁজুরে লোকটি দিয়ে কোনো কাজ হবে না।
ব্যাখ্যা: এখানে অক্ষম বা হতভাগ্য মানুষ বোঝাতে ঊনপাঁজুরে ব্যবহার করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঊনপাঁজুরে — সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ হতভাগ্য বা অপদার্থ।
B) কাক জ্যোৎস্না — এই বাগধারাটির অর্থ অসম্ভব বস্তু বা অমাবস্যার অন্ধকার।
C) ভূশণ্ডির কাক — এই বাগধারাটির অর্থ দীর্ঘজীবী ব্যক্তি।
D) নেই আঁকড়া — এই বাগধারাটির অর্থ একঁগুঁয়ে বা নাছোড়বান্দা।
৫. মনে রাখার টিপস:
ইঁদুর যেমন ছোট ও অবহেলিত, তেমনি ইঁদুর কপালে ও ঊনপাঁজুরে মানুষও সমাজে অবহেলিত বা হতভাগ্য হিসেবে বিবেচিত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক বাগধারা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। তাই বিপরীত অর্থ এবং সমার্থক অর্থ আলাদা করে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: C) যার স্বামী, পুত্র নেই
১. কেন সঠিক:
- 'অবীরা' হলো এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন। যার স্বামী এবং পুত্র উভয়ই নেই, সেই নারীকে ব্যাকরণগতভাবে অবীরা বলা হয়।
- অবীরা শব্দের 'অ' উপসর্গটি এখানে অভাব বা অনুপস্থিতি অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে এবং বীরা শব্দটি মূলত বীর পত্নী বা পুত্রবতী অর্থে প্রযুক্ত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা ব্যাকরণের শব্দভান্ডার এবং এককথায় প্রকাশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বাক্যের সংক্ষেপণ বা একটি মাত্র শব্দে মনের ভাব প্রকাশ করার জন্য এই নিয়মগুলো ব্যবহৃত হয়।
- বাংলা ব্যাকরণে বিশেষ অর্থ প্রকাশের জন্য বিভিন্ন উপসর্গ ও প্রত্যয় যুক্ত করে এ ধরনের শব্দ গঠন করা হয়, যা পরীক্ষার জন্য অপরিহার্য।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: যার স্বামী ও পুত্র নেই
ব্যাখ্যা: এটি পরীক্ষাগারে সরাসরি অবীরা শব্দের অর্থ হিসেবে বহুল ব্যবহৃত হয় এবং এর মাধ্যমে বাক্যকে সংক্ষেপ করা হয়।
উদাহরণ ২: যার স্বামী বিদেশ থাকেন
ব্যাখ্যা: এই বাক্যটির এককথায় প্রকাশ হলো প্রোষিতভর্তৃকা, যা একই ধরনের বাক্য সংকোচনের আরেকটি উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) যে স্বামীর বশীভূত — এই অর্থের জন্য অনুগতা বা পতিব্রতা শব্দ ব্যবহার করা হয়, যা অবীরা শব্দের সঙ্গে মেলে না।
B) যার পুত্র হয়নি — এই বিশেষ অবস্থার জন্য অপুত্ৰক বা বন্ধ্য্যা শব্দ ব্যবহার করা হয়, অবীরা নয়।
C) যার স্বামী, পুত্র নেই — এটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং সংজ্ঞার সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়।
D) যার বিয়ে হয়নি — এই অবস্থার জন্য অনূঢ়া বা কুমারী শব্দ ব্যবহার করা হয়, অবীরা বলা যায় না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- অবীরা শব্দটিতে অ মানে অভাব এবং বীরা মানে স্বামী ও পুত্র। যার ঘরে স্বামী বা পুত্র কেউ নেই, তিনিই অবীরা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এককথায় প্রকাশ থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। তাই এ ধরনের শব্দগুলোর মূল অর্থ ও উৎস ভালোভাবে মুখস্থ করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) উভয়লিঙ্গ
১. কেন সঠিক:
- যে পদ বা শব্দ দ্বারা স্ত্রী কিংবা পুরুষ কোনোটিকেই সুনির্দিষ্টভাবে বোঝায় না, বরং উভয়কেই বোঝায়, তাকে উভয়লিঙ্গ বলে।
- 'মানুষ' শব্দটি এমন একটি সাধারণ বিশেষ্য যা নারী ও পুরুষ উভয়কেই নির্দেশ করে, তাই এটি উভয়লিঙ্গ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণে লিঙ্গ প্রধানত চার ভাগে বিভক্ত যথা পুংলিঙ্গ, স্ত্রীলিঙ্গ, উভয়লিঙ্গ ও ক্লীবলিঙ্গ।
- যে শব্দ দ্বারা পুরুষবাচক প্রাণী বোঝায় তা পুংলিঙ্গ এবং স্ত্রীবাচক প্রাণী বোঝায় তা স্ত্রীলিঙ্গ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শিশু
ব্যাখ্যা: 'শিশু' শব্দটি দ্বারা ছেলে ও মেয়ে উভয় শিশুই বোঝায়, তাই এটি উভয়লিঙ্গ।
উদাহরণ ২: সন্তান
ব্যাখ্যা: 'সন্তান' শব্দটিও নর বা নারী উভয় অর্থে ব্যবহৃত হতে পারে, তাই এটি উভয়লিঙ্গ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পুংলিঙ্গ — পুংলিঙ্গ কেবল পুরুষবাচক শব্দ বা প্রাণীকে নির্দেশ করে, কিন্তু 'মানুষ' শুধু পুরুষকে বোঝায় না।
B) স্ত্রীলিঙ্গ — স্ত্রীলিঙ্গ কেবল স্ত্রীবাচক শব্দ বা প্রাণীকে নির্দেশ করে, কিন্তু 'মানুষ' শুধু নারীকে বোঝায় না।
C) উভয়লিঙ্গ — এটি সঠিক কারণ 'মানুষ' শব্দে নারী ও পুরুষ উভয়কেই বোঝায়।
D) ক্লীবলিঙ্গ — ক্লীবলিঙ্গ কেবল অচেতন বা প্রাণহীন বস্তুবাচক শব্দকে নির্দেশ করে, কিন্তু মানুষ প্রাণবান।
৫. মনে রাখার টিপস:
- যে বিশেষ্য পদ নারী ও পুরুষ উভয়কেই একসাথে বোঝায়, চোখ বন্ধ করে তাকে উভয়লিঙ্গ হিসেবে চিহ্নিত করবে।
- শিশু, মানুষ, সন্তান, পক্ষী জাতীয় শব্দগুলো সাধারণত উভয়লিঙ্গের অন্তর্ভুক্ত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধারণ বিশেষ্য পদ থেকে লিঙ্গ নির্ণয়ের প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
- প্রাণবাচক অথচ স্ত্রী বা পুরুষ নির্দিষ্ট করে না এমন শব্দগুলো উভয়লিঙ্গ হিসেবে মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: A) স্বায়ত্তশাসন
১. কেন সঠিক:
- বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী স্বায়ত্তশাসন শব্দটিতে প্রথম অংশে 'স্বয়ং' বা 'স্ব' এর সাথে 'অত্ত' যুক্ত হয়ে 'স্বায়ত্ত' গঠিত হয়েছে।
- এখানে স্ব শব্দের সাথে আত্ম যুক্ত হয়ে স্বয়ং শব্দটির অর্থ প্রকাশ করে, তাই সঠিক বানানটিতে ত এর নিচে ব এবং ত যুক্ত বর্ণ ব্যবহৃত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা বানানে সংস্কৃত নিয়মের প্রভাবে হসন্ত বা ফলা ব্যবহারের নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম রয়েছে যা প্রমিত বানানে অনুসৃত হয়।
- এই শব্দটিতে আত্ম শব্দের প্রভাবে ত এর সাথে ত যুক্ত হয়ে এবং তার নিচে ব ফলা যুক্ত হয়ে সঠিক রূপটি নির্ধারণ করা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: স্বায়ত্তশাসিত
ব্যাখ্যা: স্বায়ত্তশাসন শব্দের বিশেষ্য রূপ থেকে এই বিশেষণটি গঠিত হয়েছে যেখানে একই বানানরীতি বজায় থাকে।
উদাহরণ ২: স্বয়ংসম্পূর্ণ
ব্যাখ্যা: নিজে নিজে সম্পূর্ণ অর্থে এখানে স্বয়ং উপসর্গ বা শব্দাংশ ব্যবহৃত হয়েছে যা স্ব শব্দের কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) স্বায়ত্তশাসন — এটি বাংলা একাডেমি অনুমোদিত শতভাগ শুদ্ধ বানান।
B) স্বায়ত্বশাসন — এখানে ত এর নিচে ব না দিয়ে ম বা অন্য কোনো রূপ ভুলভাবে ব্যবহার করা হয়েছে যা প্রমিত নিয়মে নিষিদ্ধ।
C) সায়ত্ত্বশাসন — এখানে স্ব এর পরিবর্তে সা ব্যবহার করা হয়েছে এবং য ফলার ব্যবহার ভুলভাবে করা হয়েছে।
D) সায়ত্তশাসন — এখানে প্রথম অংশে স্ব এর পরিবর্তে সা এবং ত এর যুক্তবর্ণে ত্রুটি রয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- স্বায়ত্তশাসন বানানটি মনে রাখতে মাথায় রাখবেন এটি স্ব এবং আত্ম শব্দের একটি সংমিশ্রণ।
- পরীক্ষার হলে সবসময় ত এর নিচে ব এবং যুক্ত ত এর রূপটি খেয়াল করবেন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের বানান বারবার আসে।
- একই নিয়মে স্বায়ত্তশাসিত বানানটিও ভালোভাবে আয়ত্ত করে রাখা উচিত।
সঠিক উত্তর: D) সৌজন্য
১. কেন সঠিক:
- সৌজন্য শব্দটির অর্থ ভদ্রতা, শিষ্টাচার বা ভালো ব্যবহার।
- সুজন শব্দের সাথে ষ্য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে সৌজন্য শব্দটি গঠিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সুজন শব্দের অর্থ ভালো মানুষ। সুজন থেকে ভাব অর্থে ষ্য বা য প্রত্যয় যোগ করলে সৌজন্য হয়।
- ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সুজন শব্দের সাথে তা প্রত্যয় যুক্ত করে সৌজন্যতা বলা সম্পূর্ণ ভুল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সৌজন্যমূলক
ব্যাখ্যা: সৌজন্য শব্দের সাথে মূল প্রত্যয় যুক্ত করে এই বিশেষণ পদটি তৈরি করা হয়।
উদাহরণ ২: সৌজন্য প্রকাশ
ব্যাখ্যা: ভদ্রতা বা শিষ্টাচার বোঝাতে সৌজন্য শব্দটি বাক্যে ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সৌজন্নতা — শব্দের শেষে তা যুক্ত করা ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ কারণ এখানে দ্বৈত প্রত্যয় দোষ ঘটেছে।
B) সৌজন্ন — বানানের শেষের ন ভুল এবং এটি প্রমিত বাংলা বানানে গ্রহণযোগ্য নয়।
C) সৌযন্য — বানানের মধ্যে য এর ব্যবহার ভুল কারণ এটি সুজন থেকে উদ্ভূত শব্দ।
D) সৌজন্য — এটি সঠিক এবং প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী পরীক্ষিত রূপ।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সুজন থেকে সৌজন্য হয়, সুজনতা বা সৌজন্যতা হয় না।
- য প্রত্যয় যুক্ত হলে শব্দের শেষে তা ব্যবহার করা যাবে না।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বাংলা ব্যাকরণে একই সাথে য এবং তা প্রত্যয় একসাথে ব্যবহার করা নিষিদ্ধ।
- এই ধরনের দ্বৈত প্রত্যয়জনিত ভুল বানানগুলো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: A) গৈ + অক
১. কেন সঠিক:
সন্ধির নিয়মানুযায়ী এ, ঐ, ও, ঔ এর পরে যদি অন্য স্বরধ্বনি থাকে, তবে এ স্থানে অয়, ঐ স্থানে আয়, ও স্থানে অব এবং ঔ স্থানে আব হয়।
এখানে গায়ক শব্দের মধ্যে আয় ধ্বনিটি লুকিয়ে আছে, যা গৈ এর ঐ এবং অক এর অ মিলে গঠিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
এটি স্বরসন্ধির অন্তর্গত অয়া আদি দেশ বা য-ফলা জাতীয় অচসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম।
এখানে গৈ শব্দের শেষে ঐ কার রয়েছে এবং তার পরে অক শব্দের শুরুতে অ স্বরধ্বনি আছে, তাই সূত্রের নিয়ম অনুযায়ী ঐ কারের স্থানে আয় যুক্ত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নৈ + অক = নায়ক
ব্যাখ্যা: গায়ক শব্দের মতোই এখানেও ঐ কারের সঙ্গে অ যুক্ত হয়ে আয় গঠন করেছে।
উদাহরণ ২: পো + অন্ = পবন
ব্যাখ্যা: এটি ও কারের পরে স্বরধ্বনি থাকার কারণে অব হওয়ার একটি ক্লাসিক উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গৈ + অক — এটি সঠিক কারণ সূত্রের নিয়মে এটি সাধিত হয়েছে।
B) গায় + অক — গায় কোনো প্রমিত মূল ধাতু বা শব্দ নয় যা এই সন্ধির নিয়মকে সমর্থন করে।
C) গা + অক — গা এর সাথে অক যুক্ত করলে গাক হয়, যা প্রমিত নিয়ম অনুযায়ী গায়ক হয় না।
D) গৈ + য়ক — য়ক কোনো অর্থপূর্ণ প্রত্যয় বা শব্দাংশ নয়, তাই এই অপশনটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
৫. মনে রাখার টিপস:
শব্দের মাঝে আয় বা নায় জাতীয় উচ্চারণ থাকলে প্রথমে ঐ (ঐ-কার) এবং অব বা আব থাকলে ও বা ঔ কার বসানোর কৌশল মনে রাখবে।
সন্ধি বিচ্ছেদের সময় শেষের অংশ হিসেবে অক বা আন প্রত্যয় ব্যবহার করা হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের অয়া আদি ও আয়া আদি সন্ধি প্রায়ই আসে।
নৈ, গৈ, পৈ ইত্যাদি শব্দগুলোর সঙ্গে অক বা আন যুক্ত করে এমন বহু শব্দ তৈরি করা যায়।
সঠিক উত্তর: A) প্রসূন
১. কেন সঠিক:
- 'প্রসূন' শব্দের অর্থ ফুল। এটি পাখি বা বিহগ শব্দের সমার্থক শব্দ নয়।
- 'বিহগ' শব্দের অর্থ যা আকাশে বিচরণ বা উড়ে বেড়ায়, অর্থাৎ পাখি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যেগুলোর অর্থ প্রায় একই রকম হয়। বাংলা ভাষায় একই বস্তুর একাধিক নাম থাকতে পারে।
- উৎস বা গঠনের দিক থেকে পাখি বোঝাতে খগ, বিহগ, পক্ষী, খেচর ইত্যাদি শব্দ ব্যবহৃত হয়, কিন্তু প্রসূন ফুলের সমার্থক।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিহগ, খগ, পক্ষী, খেচর
ব্যাখ্যা: এই শব্দগুলো সবই পাখির সমার্থক শব্দ হিসেবে বাংলা ভাষায় ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: প্রসূন, কুসুম, পুষ্প, সুমন
ব্যাখ্যা: এই শব্দগুলো সবই ফুলের সমার্থক শব্দ, যা বিহগ শব্দের বিপরীতার্থক বা ভিন্নার্থক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রসূন — এটি ফুল অর্থে ব্যবহৃত হয়, তাই এটি সঠিক উত্তর।
B) খগ — খগ অর্থ পাখি, যা বিহগের সমার্থক।
C) পাখি — এটি বিহগের সরাসরি সমার্থক শব্দ।
D) খেচর — খেচর অর্থ আকাশে বিচরণকারী, যা বিহগের সমার্থক।
৫. মনে রাখার টিপস:
- খগ, বিহগ, খেচর সবগুলোতে আকাশ বা ওড়ার ভাব আছে। পক্ষী ও পাখি তো পরিষ্কার। প্রসূন মানে ফুল, মনে রাখবে প্রসূন প্রস্ফুটিত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ নির্ণয়ের সময় শব্দের মূল অর্থ বা উৎপত্তি খেয়াল করা জরুরি।
- এই ধরনের প্রশ্নে ভুল অপশনগুলো প্রায়ই একই গোত্রের হয়, কিন্তু একটি ব্যতিক্রম থাকে যা খুঁজে বের করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) পক্ষপাতদুষ্ট
১. কেন সঠিক:
'একচোখা' একটি বহুল ব্যবহৃত বাংলা বাগধারা যার শাব্দিক অর্থ এক চোখ বিশিষ্ট হলেও ভাবগত বা বিশেষ অর্থে এর অর্থ হলো পক্ষপাতদুষ্ট বা অন্যায়ভাবে এক পক্ষকে সমর্থন করা।
কোনো বিচার বা সিদ্ধান্তে যখন কোনো ব্যক্তি সমান চোখে না দেখে বরং একজনের প্রতি বেশি অনুগত থাকে, তখন তাকে একচোখা বা পক্ষপাতদুষ্ট বলা হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে বাগধারা হলো এমন কিছু বিশেষ শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভাবার্থ প্রকাশ করে থাকে।
শব্দ বা পদের এই রূপান্তর ভাষাটিকে আরও সুন্দর, সংত ও ভাবপূর্ণ করে তোলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সালিশে চেয়ারম্যান সাহেবের একচোখা নীতির কারণে গরিব মানুষটি ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হলো।
ব্যাখ্যা: এখানে পক্ষপাতমূলক আচরণ বোঝাতে একচোখা বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: শিক্ষক যদি পরীক্ষার খাতায় কোনো বিশেষ ছাত্রের প্রতি একচোখা আচরণ করেন, তবে শিক্ষণ ব্যবস্থার নিরপেক্ষতা নষ্ট হয়।
ব্যাখ্যা: এখানে সমান বিচার না করে পক্ষপাতিত্ব করা অর্থে একচোখা প্রয়োগ করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পক্ষপাতদুষ্ট — এটি সঠিক উত্তর কারণ একচোখা বাগধারাটি অন্যায় পক্ষপাতিত্ব বা একপেশে মনোভাব বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
B) ধার্মিক — এই অপশনটি ভুল কারণ ধার্মিক বলতে ধর্মপরায়ণ বা সৎ ব্যক্তিকে বোঝায় যার সঙ্গে একচোখা বাগধারার কোনো মিল নেই।
C) প্রাচীনপন্থী — এই অপশনটি ভুল কারণ প্রাচীনপন্থী বলতে পুরোনো ধ্যানধারণা বা প্রথাকে আঁকড়ে ধরে থাকাদের বোঝানো হয়।
D) ভণ্ড সাধু — এই অপশনটি ভুল কারণ ভণ্ড সাধু বলতে বাইরে সাধুর রূপ ধারণ করলেও ভেতরে অসৎ স্বভাবের মানুষদের বোঝায়।
৫ মনে রাখার টিপস:
যার দৃষ্টি কেবল এক দিকে থাকে বা যে ব্যক্তি এক পক্ষের প্রতি অন্ধভাবে ঝুঁকে থাকে, তাকে একচোখা বা পক্ষপাতদুষ্ট বলা হয়।
এই মিলের সাহায্যে খুব সহজেই এই বাগধারাটির অর্থ মনে রাখা সম্ভব।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের শরীর বা অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সম্পর্কিত বাগধারার অর্থ জানতে চাওয়া হয়।
তাই বাগধারা মুখস্থ না করে সেগুলোর অন্তর্নিহিত ভাবার্থ বোঝার অভ্যাস করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) হৃতসর্বস্ব
১. কেন সঠিক:
- 'যার সবকিছু হারিয়ে গেছে' বা 'যার কিছু নেই' এককথায় প্রকাশ করলে 'হৃতসর্বস্ব' হয়।
- এখানে 'হৃত' মানে হৃত বা হারানো এবং 'সর্বস্ব' মানে সমস্ত ধনসম্পদ বা সবকিছু।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এককথায় প্রকাশ বা বাক্যসংক্ষেপণ হলো বহু পদের একটি পদে ভাবকে প্রকাশ করার প্রক্রিয়া।
- এটি বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ করে এবং বাক্যের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অক্ষির সমীপে = সমক্ষ
ব্যাখ্যা: চোখের সামনে বা কাছাকাছি বোঝাতে এই বাক্যসংক্ষেপ ব্যবহার করা হয়।
উদাহরণ ২: অহংকার নাই যার = নিরহংকার
ব্যাখ্যা: কোনো ব্যক্তির মধ্যে অহংকার না থাকলে তাকে এককথায় নিরহংকার বলা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হৃতসর্বস্ব — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য।
B) দরিদ্র — যার ধনসম্পদ বা অর্থের অভাব আছে তাকে দরিদ্র বলে, কিন্তু সর্বস্ব হারানোর অবস্থাকে এটি পুরোপুরি বোঝায় না।
C) ভিখারি — যে ভিক্ষা করে জীবন ধারণ করে তাকে ভিখারি বলা হয়, যা এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে।
D) অসংবৃত — যা সংবৃত বা ঢাকা নয়, অর্থাৎ উন্মুক্ত, তাকে অসংবৃত বলে এবং এর সঙ্গে সর্বস্ব হারানোর কোনো সম্পর্ক নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
- হৃত শব্দের অর্থ হারানো এবং সর্বস্ব মানে সব, তাই হারিয়েছে সর্বস্ব যার তাকে হৃতসর্বস্ব মনে রাখা সহজ।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্যসংক্ষেপ মুখস্থ করার পাশাপাশি শব্দের মূল অর্থ অনুধাবন করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এককথায় প্রকাশ থেকে বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
- হৃতসর্বস্ব, উন্মনা, অনুগত এই ধরনের শব্দগুলোর ব্যাসবাক্য ও অর্থ ভালোভাবে চর্চা করা উচিত।
সঠিক উত্তর: C) is
কেন সঠিক:
নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা বা নির্দিষ্ট দূরত্ব সমষ্টিগতভাবে বোঝালে তা একটি একক হিসেবে গণ্য হয়। তাই এর পরে সবসময় একবচন বা singular verb বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) was — এটি অতীতকালের একবচন verb, কিন্তু বাক্যটি বর্তমানকালের সাধারণ সত্য প্রকাশ করছে।
B) were — এটি বহুবচন verb, যা একবচন Subject এর সাথে grammatically সঠিক নয়।
C) is — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) are — এটি বহুবচন verb, যা নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকার একক ধারণার সাথে মিলে না।
মনে রাখার টিপস:
টাকা, সময় বা দূরত্বের পরিমাণ যতই হোক না কেন, তা একসাথে বোঝালে verb সবসময় singular হয়।
সঠিক উত্তর: B) emerged
কেন সঠিক:
বাক্যের অর্থ অনুযায়ী মেঘের আড়াল থেকে সূর্য বেরিয়ে আসার কথা বলা হয়েছে।
emerged শব্দটির অর্থ হলো আত্মপ্রকাশ করা বা বাইরে বেরিয়ে আসা, যা এখানে সম্পূর্ণ সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) immerse — এর অর্থ হলো কোনো কিছুতে নিমজ্জিত করা বা ডুবিয়ে দেওয়া, যা বাক্যের অর্থের সাথে মেলে না।
B) emerged — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
C) imerged — এটি একটি বানান ভুল শব্দ, কারণ সঠিক বানানটিতে একটি 'e' বেশি থাকে।
D) amerged — এটি ইংরেজি ব্যাকরণ অনুযায়ী একটি ভুল শব্দ এবং এর কোনো সঠিক অর্থ নেই।
মনে রাখার টিপস:
মেঘের আড়াল থেকে সূর্য বাইরে বেরিয়ে আসাকে ইংরেজি তে emerge বলা হয়।
সঠিক উত্তর: C) the
কেন সঠিক:
- নির্দিষ্ট করে বোঝাতে কোনো নাউনের পূর্বে Definite Article হিসেবে the বসে।
- বাক্যে umbrella নাউনটির পর that বা which যুক্ত একটি নির্দিষ্ট ক্লজ the you had given me থাকায় এটি নির্দিষ্ট হয়ে গেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) a — এটি অনিনির্দিষ্ট Singular Countable Noun-এর পূর্বে বসে, যা নির্দিষ্ট কোনো বস্তুকে বোঝায় না।
B) an — Vowel দিয়ে শুরু অনির্দিষ্ট Singular Countable Noun-এর পূর্বে বসে, কিন্তু এখানে নির্দিষ্ট ছাতা বোঝানো হয়েছে।
C) the — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যা নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি বা বস্তুকে নির্দেশ করতে ব্যবহৃত হয়।
D) no article — এখানে umbrella একটি Countable Noun হওয়ায় কোনো আর্টিকেল ছাড়া বাক্যটি grammatically সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
noun-এর পরে relative pronoun যেমন who, which, that এবং অতিরিক্ত তথ্য থাকলে সেই noun-টি নির্দিষ্ট হয়ে যায় এবং তার পূর্বে the বসে।
সঠিক উত্তর: B) as
কেন সঠিক:
- বাক্যটিতে সমতা বা তুলনা বোঝাতে as...as কোরিলেটিভ কনজাংশন বা পজিটিভ ডিগ্রির নিয়ম ব্যবহার করা হয়েছে।
- এখানে নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে দু'পক্ষের তুলনা বোঝাতে as এর সঠিক ব্যবহার হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) quite — এটি একটি অ্যাডভার্ব যা সাধারণত মাত্রা বা তীব্রতা বোঝাতে বসে, কিন্তু এখানে তুলনামূলক জোড় বোঝাতে as প্রয়োজন।
B) as — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি পজিটিভ ডিগ্রির ক্ষেত্রে as...as কাঠামোর অংশ হিসেবে বসে।
C) perfectly — এটি একটি অ্যাডভার্ব যা কোনো কাজের পরিপূর্ণতা বোঝায়, কিন্তু এখানে তুলনার কাঠামো তৈরির জন্য এটি উপযুক্ত নয়।
D) very — এটি সাধারণত অ্যাডজেক্টিভ বা অ্যাডভার্বের পূর্বে বসে তীব্রতা বাড়ায়, কিন্তু এখানে দুটি অংশের মধ্যে তুলনা বোঝাতে as বসবে।
মনে রাখার টিপস:
তুলনা বোঝাতে as...as এর জোড়া ব্যবহার হয়, তাই এমন বাক্যে দ্বিতীয় অংশে as বসবে।
সঠিক উত্তর: A) cessation
কেন সঠিক:
শূন্যস্থানে একটি নাউন বসবে কারণ এর আগে 'The' এবং পরে 'of' আছে।
cessation শব্দটির অর্থ হলো কোনো কিছুর অবসান বা যুদ্ধবিরতি।
যুদ্ধ খুব শীঘ্রই শেষ হবে বা থেমে যাবে বোঝাতে এই শব্দটি সবচেয়ে উপযুক্ত।
তাই বাক্যটির অর্থ পূর্ণ করতে এখানে cessation সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) cessation — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়।
B) cession — এর অর্থ হলো অধিকার বা ভূখণ্ড ছেড়ে দেওয়া, যা এই বাক্যের সাথে মেলে না।
C) session — এর অর্থ হলো কোনো বৈঠক বা অধিবেশন, যা যুদ্ধের সাথে সম্পর্কিত নয়।
D) cestion — ইংরেজি অভিধানে এই বানানটির কোনো অস্তিত্ব নেই।
মনে রাখার টিপস:
cessation শব্দটিতে tion আছে যার অর্থ সমাপ্তি আর যুদ্ধ শেষ হওয়া বোঝাতে এটি ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: A) Clean
কেন সঠিক:
Filthy শব্দের অর্থ অত্যন্ত ময়লা বা নোংরা। Clean শব্দের অর্থ পরিষ্কার বা পরিচ্ছন্ন, যা এর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Clean — এটি সঠিক উত্তর।
B) Grimy — এর অর্থ ময়লা, যা filthy শব্দের সমার্থক শব্দ।
C) Grabby — এর অর্থ লোভী বা ছিনতাইপ্রবণ, যা এর সাথে সম্পর্কিত নয়।
D) Putrid — এর অর্থ পচা বা দুর্গন্ধযুক্ত, যা filthy শব্দের সমার্থক।
মনে রাখার টিপস:
Filthy মানে নোংরা মনে রাখলে তার বিপরীত Clean বা পরিষ্কার কথাটি সহজেই মাথায় আসবে।
সঠিক উত্তর: A) Color
কেন সঠিক:
- 'Hue' শব্দটির অর্থ হলো রঙের আভা, রং বা বর্ণ।
- প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে 'Color' শব্দটির অর্থও রং, যা 'Hue' এর সমার্থক হিসেবে সম্পূর্ণ উপযুক্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Color - এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ রং।
B) Dew - এর অর্থ শিশির, যা রঙের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত নয়।
C) Still - এর অর্থ স্থির বা শান্ত, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি অর্থ প্রকাশ করে।
D) Pursuit - এর অর্থ পিছু নেওয়া বা সাধনা, যা এই প্রশ্নের সঙ্গে প্রাসঙ্গিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
'Hue' মানেই রঙের 'Color' বা বর্ণ।
সঠিক উত্তর: C) The bull was pulled violently.
কেন সঠিক:
সক্রিয় বাক্যের মূল verb-টি Past Indefinite Tense-এ থাকায়, passive করার সময় সঠিক auxiliary verb হিসেবে was ব্যবহৃত হয়েছে।
মূল verb-এর Past Participle ফর্ম (pulled) এবং অতিরিক্ত শব্দ 'violently' সঠিকভাবে বসানো হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The bull had been pulled violently by someone. — বাক্যটি Past Perfect Tense-এ করা হয়েছে যা প্রশ্নগত Tense-এর সাথে মেলে না।
B) The bull had been pulled violently. — এখানেও ভুল করে Past Perfect Tense ব্যবহার করা হয়েছে।
C) The bull was pulled violently. — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই।
D) The bull was to be pulled violently by someone. — এখানে অতিরিক্ত to be যুক্ত করায় বাক্যের অর্থ পরিবর্তিত হয়ে গেছে।
মনে রাখার টিপস:
Active voice-এ Past Indefinite Tense থাকলে Passive করার সময় was বা were ব্যবহার করে মূল verb-এর Past Participle করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) distant
কেন সঠিক:
Remote শব্দটির বাংলা অর্থ হলো দূরবর্তী বা বহু দূরের।
অপশনের distant শব্দটির অর্থও দূরবর্তী বা অনেক দূরের।
তাই এটি এই শব্দের সঠিক সমার্থক শব্দ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) automatic — এর অর্থ স্বয়ংক্রিয়, যা দূরবর্তী শব্দের সাথে মেলে না।
B) savage — এর অর্থ বন্য বা হিংস্র, যার সাথে দূরবর্তী শব্দের কোনো মিল নেই।
C) mean — এর অর্থ মানে করা বা কৃপণ, যা সঠিক উত্তর নয়।
D) distant — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়, এটি সঠিক সমার্থক শব্দ।
মনে রাখার টিপস:
Remote control দিয়ে অনেক দূর থেকে টিভি চালানো যায়, তাই Remote বললেই মাথায় রাখবে Distant বা দূরবর্তী কথাটি।
সঠিক উত্তর: A) He does not watch movies
কেন সঠিক:
প্রদত্ত বাক্যটি প্যাসিভ ফর্মে প্রেজেন্ট ইনডেফিনিট টেন্সে আছে।
তাই এর অ্যাক্টিভ ফর্ম করার সময় সাবজেক্ট হিসেবে He বসে এবং প্রেজেন্ট টেন্সের জন্য does not বসে।
মূল ভার্বের বেস ফর্ম watch এবং অবজেক্ট হিসেবে movies বসে সঠিক বাক্য গঠন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সঠিক অপশন — এই অপশনটি নিয়ম অনুযায়ী সঠিক বাক্য গঠন করেছে।
B) He did not watch movies — এটি পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্সের হওয়ায় ভুল।
C) He do not watch movies — সাবজেক্ট থার্ড পারসন সিঙ্গুলার হওয়ায় do ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
D) He is not watched movies — এখানে গঠনগত ত্রুটি রয়েছে এবং অর্থ পরিবর্তিত হয়ে গেছে।
মনে রাখার টিপস:
প্যাসিভ থেকে অ্যাক্টিভ করার সময় টেন্স পরিবর্তন না করে সাবজেক্ট ও অবজেক্টের স্থান বদলাতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) Altruistic
কেন সঠিক:
Selfish শব্দের অর্থ স্বার্থপর বা নিজের কথা কেবল চিন্তা করে। অন্যদিকে Altruistic শব্দের অর্থ পরোপকারী বা অন্য মানুষের কল্যাণে কাজ করা।
যেহেতু শব্দ দুটি বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে, তাই এটি সঠিক উত্তর।
এটি Selfish শব্দের আদর্শ বিপরীতার্থক শব্দ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Emotive — এই শব্দটির অর্থ আবেগপূর্ণ বা আবেগ উদ্রেককারী। এটি স্বার্থপর শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না।
B) Altruistic — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) Egocentric — এই শব্দটির অর্থ আত্মকেন্দ্রিক, যা Selfish শব্দের সমার্থক বা কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে।
D) Acquisitive — এই শব্দটির অর্থ লোভী বা সম্পদ অর্জনে আগ্রহী। এটি স্বার্থপরতার সাথে সম্পর্কিত হলেও সঠিক বিপরীত শব্দ নয়।
মনে রাখার টিপস:
Selfish মানে নিজের ভাল ভাবা এবং Altruistic মানে অন্য সবার ভাল ভাবা।
সঠিক উত্তর: D) bohemian
কেন সঠিক:
বোথেমিয়ান শব্দটি এমন একজন মানুষকে বোঝায় যিনি সমাজের প্রচলিত নিয়মকানুন বা প্রথা মেনে চলেন না।
তিনি সাধারণত একটু ভিন্ন জীবনযাপন করতে পছন্দ করেন।
শিল্প ও সাহিত্য চর্চার সাথে যুক্ত মানুষেরা প্রায়ই এমন জীবন বেছে নেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) frank — ফ্রাঙ্ক অর্থ এমন একজন সৎ ও স্পষ্টভাষী ব্যক্তি যিনি মনে যা আছে তা সরাসরি প্রকাশ করেন।
B) egoist — ইগোইস্ট অর্থ আত্মকেন্দ্রিক বা স্বার্থপর ব্যক্তি যিনি কেবল নিজের স্বার্থ এবং লাভ নিয়ে ভাবেন।
C) reveille — রেভিলি বলতে মূলত ভোরবেলায় সৈন্যদের ঘুম থেকে জাগানোর জন্য বাজানো সামরিক বাদ্যকে বোঝায়।
মনে রাখার টিপস:
বোথেমিয়ান মানে বাঁধাধরা নিয়মের বাইরে চলা স্বাধীনচেতা মানুষ।
সঠিক উত্তর: C) Extroverson
কেন সঠিক:
এই শব্দটির বানান ভুল আছে কারণ এর সঠিক বানান হওয়া উচিত Extroversion যার শেষে sion হবে son নয়।
ইংরেজি বানান নিয়মের দিক থেকে এটি একটি ভুল শব্দ।
এই বানানটিতে একটি অক্ষর বাদ পড়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Committee — এই বানানটি সম্পূর্ণ সঠিক আছে এবং এতে দুটি করে m, t এবং e রয়েছে।
B) Enthusiasm — এই বানানটি সঠিক এবং এর অর্থ উদ্দীপনা বা উৎসাহ।
C) Extroverson — এটি ভুল বানান তাই এটিই সঠিক উত্তর।
D) Recession — এই বানানটি সঠিক রয়েছে এবং এর অর্থ মহামন্দা বা অবনতি।
মনে রাখার টিপস:
বানان শেখার সময় শেষের অংশ যেমন sion বা tion ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) Ambiguous
কেন সঠিক:
Ambiguous শব্দটির অর্থ এমন কোনো কথা বা বক্তব্য যার একাধিক অর্থ থাকতে পারে এবং যা সহজে স্পষ্ট হয় না।
প্রশ্নে বলা হয়েছে দ্ব্যর্থক অর্থ প্রকাশ করতে পারে এমন একটি বক্তব্য।
তাই এই অপশনটি সরাসরি সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Epigraph — এর অর্থ হলো কোনো বই বা অধ্যায়ের শুরুতে ব্যবহৃত উদ্বৃতি, যা দ্ব্যর্থক অর্থ প্রকাশ করে না।
B) Verbose — এর অর্থ হলো অতিরিক্ত শব্দবহুল বা প্রয়োজনের চেয়ে বেশি কথা বলা, যা দ্ব্যর্থক নয়।
C) Ambivalent — এর অর্থ হলো একই সাথে পরস্পরবিরোধী অনুভূতি থাকা, কিন্তু এটি কোনো বক্তব্যের দ্ব্যর্থকতা বোঝায় না।
D) Ambiguous — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল অপশনের তালিকায় নেই।
মনে রাখার টিপস:
ambi শব্দের অর্থ দুই, তাই যার দুটি বা বহু অর্থ থাকে তাকে ambiguous বলে।
সঠিক উত্তর: B) Reveal someone's secret
কেন সঠিক:
'Spill the beans' একটি জনপ্রিয় ইংরেজি ইডিওম যার শাব্দিক অর্থ শিম ছড়িয়ে দেওয়া হলেও এর অন্তর্নিহিত ভাব প্রকাশ করা।
এর মূল অর্থ হলো কোনো গোপন কথা বা তথ্য ফাঁস করে দেওয়া।
তাই অপশন বি সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে।
এটি সাধারণত আকস্মিক বা অনিচ্ছাকৃতভাবে সত্য প্রকাশ করার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Frivolously performing a simple task — এই অপশনটি সহজ কাজ অবহেলায় করা বোঝায় যা প্রদত্ত ইডিওমের অর্থের সাথে মেলে না।
B) Reveal someone's secret — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়।
C) To stop something at an early stage — এই অপশনটি কোনো কিছু প্রাথমিক পর্যায়ে থামিয়ে দেওয়া বোঝায় যা ইডিওমের সাথে সম্পর্কিত নয়।
D) Frivolously performing a simple task — এটি প্রথম অপশনের পুনরাবৃত্তি এবং এটিও মূল ইডিওমের অর্থের সাথে সংগতিপূর্ণ নয়।
মনে রাখার টিপস:
শিম বা বরবটির থলে উল্টে গেলে যেমন ভেতরের জিনিস বাইরে পড়ে যায়, তেমনি মুখ ফসকে গোপন কথা বাইরে চলে আসাকে 'Spill the beans' বলা হয়।
সঠিক উত্তর: B) (১/৪)
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম সংখ্যাটি হলো ৮০ এর ৭৫% এর অংশ
দ্বিতীয় সংখ্যাটি হলো ৫০ এর ৩০% এর মান
ধরি,
প্রথম মান = ৮০ এর ৭৫%
দ্বিতীয় মান = ৫০ এর ৩০%
অতএব,
৮০ এর ৭৫% = ৮০ × (৭৫ ÷ ১০০) = ৬০
৫০ এর ৩০% = ৫০ এর (৩০ ÷ ১০০) = ১৫
সুতরাং,
১৫ হলো ৬০ এর কত অংশ তা বের করতে হবে
উত্তর: ১৫ ÷ ৬০ = (১/৪)
সঠিক উত্তর: B) ০.০৭
প্রদত্ত তথ্য:
সুসম বর্গাকার পিরামিডের উচ্চতা বৃদ্ধি পায় ১২%
পিরামিডের আয়তন বৃদ্ধি পায় ২৮%
ধরি,
প্রাথমিক উচ্চতা = h এবং প্রাথমিক ভূমির বাহুর দৈর্ঘ্য = a
নতুন উচ্চতা = ১.১২h এবং নতুন ভূমির বাহুর দৈর্ঘ্য = b
অতএব,
প্রাথমিক আয়তন V১ = (১ ÷ ৩) × a^২ × h
নতুন আয়তন V২ = (১ ÷ ৩) × b^২ × ১.১২h
সুতরাং,
শর্তমতে, V২ = ১.২৮ × V১
(১ ÷ ৩) × b^২ × ১.১২h = ১.২৮ × (১ ÷ ৩) × a^২ × h
অতএব,
b^২ ÷ a^২ = ১.২৮ ÷ ১.১২
b ÷ a = √ (১.২৮ ÷ ১.১২) = ১.০৭
সুতরাং,
বাহুর দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি পায় = ১.০৭ − ১ = ০.০৭
উত্তর: ০.০৭
সঠিক উত্তর: C) −১
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম সমীকরণটি হলো a + b + c = ১২
দ্বিতীয় সমীকরণটি হলো a + b = ৪
তৃতীয় সমীকরণটি হলো a + c = ৭
ধরি,
প্রথম সমীকরণে a + b এর মান বসিয়ে পাই
অতএব,
৪ + c = ১২
c = ১২ − ৪ = ৮
সুতরাং,
a + c = ৭ সমীকরণে c এর মান বসিয়ে পাই
a + ৮ = ৭
উত্তর: a = ৭ − ৮ = −১
সঠিক উত্তর: B) ১০
প্রদত্ত তথ্য:
অনুক্রমটি হলো ৪, ৯, ৬, ১১, ৮, ১৩, ...
ধরি,
প্রথম পদ = ৪
দ্বিতীয় পদ = ৯
তৃতীয় পদ = ৬
অতএব,
প্রথম ও তৃতীয় পদের পার্থক্য = ৬ − ৪ = ২
দ্বিতীয় ও চতুর্থ পদের পার্থক্য = ১১ − ৯ = ২
তৃতীয় ও পঞ্চম পদের পার্থক্য = ৮ − ৬ = ২
সুতরাং,
ষষ্ঠ পদের সাথে দুই যোগ করলে পরবর্তী পদ পাওয়া যাবে
উত্তর: ১৩ − ৩ = ১০
সঠিক উত্তর: C) ২২.৬২
প্রদত্ত তথ্য:
ত্রিভুজের বাহুগুলোর অনুপাত ৫ : ১২ : ১৩
ধরি,
ত্রিভুজের বাহুগুলো যথাক্রমে ৫ক, ১২ক এবং ১৩ক
অতএব,
সবচেয়ে ছোট বাহুটি হলো ৫ক এবং অতিভুজ হলো ১৩ক
সবচেয়ে ছোট কোণটি হবে সবচেয়ে ছোট বাহুর বিপরীত কোণ
সুতরাং,
কোণটির সাইন মান = ৫ক ÷ ১৩ক = ৫ ÷ ১৩ = ০.৩৮৪৬
উত্তর: ২২.৬২°
সঠিক উত্তর: D) ২২
প্রদত্ত তথ্য:
k একটি পূর্ণসংখ্যা
k = ৪৬২ ÷ n
ধরি,
n এর মান এমন হতে হবে যা দিয়ে ৪৬২ কে নিঃশেষে ভাগ করা যায়
অতএব,
৪৬২ কে ৪ দ্বারা ভাগ করলে পূর্ণসংখ্যা পাওয়া যায় না
৪৬২ কে ৬৫ দ্বারা ভাগ করলে পূর্ণসংখ্যা পাওয়া যায় না
সুতরাং,
৪৬২ কে ৯ দ্বারা ভাগ করলে পূর্ণসংখ্যা পাওয়া যায় না
৪৬২ কে ২২ দ্বারা ভাগ করলে ২১ পাওয়া যায়
উত্তর: ২২
সঠিক উত্তর: D) ২.৬৩
প্রদত্ত তথ্য:
সমান্তর ধারার দ্বিতীয় পদ = ৪
সমান্তর ধারার দশম পদ = ১৫
ধরি,
ধারার প্রথম পদ = a
সাধারণ অন্তর = d
অতএব,
দ্বিতীয় পদ, a + d = ৪
দশম পদ, a + ৯d = ১৫
সুতরাং,
সমীকরণ দুটি বিয়োগ করে পাই, ৮d = ১১
d = ১.৩৭৫
উত্তর: a = ৪ − ১.৩৭৫ = ২.৬২৫ বা ২.৬৩
সঠিক উত্তর: A) ৭২
প্রদত্ত তথ্য:
পাম্প A একা খালি করে ৩ ঘন্টায়
পাম্প B একা খালি করে ২ ঘন্টায়
ধরি,
পাম্প A এক ঘন্টায় খালি করে ১ ÷ ৩ অংশ
পাম্প B এক ঘন্টায় খালি করে ১ ÷ ২ অংশ
অতএব,
উভয় পাম্প একসাথে এক ঘন্টায় খালি করে (১ ÷ ৩) + (১ ÷ ২) অংশ
লসাগু করে যোগ করলে হয় (২ + ৩) ÷ ৬ অংশ বা ৫ ÷ ৬ অংশ
সুতরাং,
সম্পূর্ণ পুলটি খালি করতে সময় লাগে ৬ ÷ ৫ ঘন্টা
উত্তর: (৬ ÷ ৫) × ৬০ মিনিট = ৭২ মিনিট
সঠিক উত্তর: D) ৫৩
প্রদত্ত তথ্য:
মঙ্গলবার সাইকেল চালায় ১০ মাইল
বুধবার দূরত্ব বৃদ্ধি করে ৫ মাইল
বৃহস্পতিবার দূরত্ব কমায় ৭ মাইল
শুক্রবার দূরত্ব বৃদ্ধি করে ১২ মাইল
ধরি,
মঙ্গলবারের দূরত্ব = ১০ মাইল
অতএব,
বুধবারের দূরত্ব = ১০ + ৫ = ১৫ মাইল
বৃহস্পতিবারের দূরত্ব = ১৫ − ৭ = ৮ মাইল
শুক্রবারের দূরত্ব = ৮ + ১২ = ২০ মাইল
সুতরাং,
চার দিনের মোট দূরত্ব = ১০ + ১৫ + ৮ + ২০
উত্তর: ৫৩ মাইল
সঠিক উত্তর: D) ১২
প্রদত্ত তথ্য:
৪০ এর ৮০% এর মান নির্ণয় করতে হবে
২৫ এর ৪/৫ অংশের মান নির্ণয় করতে হবে
ধরি,
প্রথম সংখ্যাটি হলো ৪০ এর ৮০%
দ্বিতীয় সংখ্যাটি হলো ২৫ এর ৪/৫ অংশ
অতএব,
প্রথম সংখ্যা = ৪০ × ৮০ ÷ ১০০ = ৩২
দ্বিতীয় সংখ্যা = ২৫ × ৪ ÷ ৫ = ২০
সুতরাং,
পার্থক্যের পরিমাণ = ৩২ − ২০ = ১২
উত্তর: ১২
সঠিক উত্তর: A) ১৩
প্রদত্ত তথ্য:
সেট এস এর সংখ্যাগুলি হলো ১৩, ২৯, ৪১ এবং এক্স
সেটের সংখ্যাগুলির গড় পঁচিশ এর কম
ধরি,
চারটি সংখ্যার যোগফল = ১৩ + ২৯ + ৪১ + এক্স
চারটি সংখ্যার গড় = (১৩ + ২৯ + ৪১ + এক্স) ÷ ৪
অতএব,
গড় পঁচিশ এর কম হওয়ার শর্ত অনুযায়ী
(১৩ + ২৯ + ৪১ + এক্স) ÷ ৪ < ২৫
৮৩ + এক্স < ১০০
সুতরাং,
এক্স এর মান হতে হবে (১০০ − ৮৩) বা ১৭ এর কম
অপশনগুলির মধ্যে কেবল ১৩ সংখ্যাটি ১৭ এর চেয়ে ছোট
উত্তর: ১৩
সঠিক উত্তর: C) No solution
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম সমীকরণটি হলো ৩x − ৬y = ৯
দ্বিতীয় সমীকরণটি হলো ২y − x − ৩ = ০
ধরি,
প্রথম সমীকরণ থেকে পাই, x − ২y = ৩
দ্বিতীয় সমীকরণ থেকে পাই, x − ২y = −৩
অতএব,
প্রথম সমীকরণের ক্ষেত্রে ধ্রুবক পদের মান ৩
দ্বিতীয় সমীকরণের ক্ষেত্রে ধ্রুবক পদের মান −৩
সুতরাং,
দুটি সরলরেখা পরস্পর সমান্তরাল হওয়ায় কোনো সমাধান নেই
উত্তর: No solution
সঠিক উত্তর: B) ১১টি
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে পুরো বাংলাদেশকে মোট ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল।
- ১১টি সেক্টর ছাড়াও সমগ্র দেশকে ৬৪টি সাব-সেক্টর এবং ৩টি বিশেষ ফোর্স এ ভাগ করা হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৯টি — এটি ভুল কারণ মুক্তিযুদ্ধের শুরুতে সেক্টর সংখ্যা ৯টি ভাবা হলেও পরে তা বাড়িয়ে ১১টি করা হয়।
B) ১১টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ মুক্তিযুদ্ধকালীন প্রশাসনিক ও সামরিক সুবিধার্থে দেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল।
C) ১০টি — এটি ভুল কারণ এমন কোনো সংখ্যা মুক্তিযুদ্ধকালীন সেক্টর বিন্যাসে ছিল না।
D) ১২টি — এটি ভুল কারণ সেক্টর সংখ্যা ১২টি ছিল না, সঠিক সংখ্যাটি ছিল ১১।
মনে রাখার টিপস:
এক এক করে এগারোটি সেক্টরে ভাগ হয়েছিল আমাদের বাংলাদেশ।
সঠিক উত্তর: A) রাষ্ট্রপতি
কেন সঠিক:
- সংসদীয় গণতন্ত্রে রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে দেশের সাংবিধানিক সর্বোচ্চ পদমর্যাদার অধিকারী হন।
- সরকারপ্রধান প্রধানমন্ত্রী হলেও রাষ্ট্রীয় প্রটোকলে রাষ্ট্রপতি সবার ওপরে অবস্থান করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাষ্ট্রপতি — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক কারণ তিনি রাষ্ট্রীয় প্রটোকল অনুযায়ী দেশের সর্বোচ্চ পদমর্যাদার অধিকারী।
B) স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী — তিনি মন্ত্রিসভার একজন সদস্য এবং একটি নির্দিষ্ট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী মাত্র।
C) প্রধানমন্ত্রী — তিনি সরকারপ্রধান এবং শাসনতান্ত্রিক ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু হলেও পদমর্যাদায় রাষ্ট্রপতির পরে অবস্থান করেন।
D) স্পিকার — তিনি জাতীয় সংসদের প্রধান এবং রাষ্ট্রীয় প্রটোকলে গুরুত্বপূর্ণ পদধারী হলেও রাষ্ট্রপতির নিচে অবস্থান করেন।
মনে রাখার টিপস:
সংসদীয় পদ্ধতিতে সরকারপ্রধান প্রধানমন্ত্রী হলেও রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে রাষ্ট্রপতি সবসময় মর্যাদায় এক নম্বরে থাকেন।
সঠিক উত্তর: B) ভারত
কেন সঠিক:
- ডি-৮ হলো উন্নয়নশীল আটটি মুসলিম দেশের একটি আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক সংস্থা।
- ভারত মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ না হওয়ায় এই সংস্থার সদস্য নয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নাইজেরিয়া — এটি ডি-৮ জোটের একটি প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও আফ্রিকান মুসলিমপ্রধান দেশ।
B) ভারত — এটি সঠিক উত্তর কারণ ভারত ডি-৮ ভুক্ত কোনো দেশ নয়।
C) মালয়েশিয়া — এটি ডি-৮ জোটের একটি প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও এশিয়ান মুসলিমপ্রধান দেশ।
D) তুরস্ক — এটি ডি-৮ জোটের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং এই সংস্থার প্রস্তাবক দেশ।
মনে রাখার টিপস:
ডি-৮ কেবল মুসলিম উন্নয়নশীল দেশের জোট, তাই অমুসলিম দেশ হিসেবে ভারত এর সদস্য নয়।
সঠিক উত্তর: C) পাকিস্তান
কেন সঠিক:
- BIMSTEC দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি আঞ্চলিক সংস্থা যার সদস্য দেশ মোট সাতটি।
- পাকিস্তান এই সংস্থার সদস্য নয় কারণ এটি মূলত বঙ্গোপসাগর উপকূলবর্তী দেশগুলোকে নিয়ে গঠিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাংলাদেশ — বাংলাদেশ এই সংস্থার অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য রাষ্ট্র এবং এর সদর দপ্তর ঢাকায় অবস্থিত।
B) ভারত — ভারত এই আঞ্চলিক জোটের একটি গুরুত্বপূর্ণ সদস্য দেশ এবং বঙ্গোপসাগরের অংশীদার।
C) পাকিস্তান — পাকিস্তান বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলের দেশ না হওয়ায় এবং ভৌগোলিক দূরত্বের কারণে BIMSTEC-এর সদস্য নয়।
D) শ্রীলংকা — শ্রীলংকা এই জোটের অন্যতম সদস্য রাষ্ট্র এবং দক্ষিণ এশিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার।
মনে রাখার টিপস:
BIMSTEC হলো বঙ্গোপসাগর কেন্দ্রিক জোট, তাই আরব সাগরের তীরবর্তী দেশ পাকিস্তান এর সদস্য নয়।
সঠিক উত্তর: A) লন্ডন
কেন সঠিক:
- অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল একটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা যার আন্তর্জাতিক সচিবালয় বা সদর দপ্তর যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনে অবস্থিত।
- এই সংস্থাটি বিশ্বব্যাপী মানবাধিকার সুরক্ষা এবং অবিচারের বিরুদ্ধে সোচ্চার ভূমিকা পালন করে থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লন্ডন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই শহরেই সংস্থাটির মূল সদর দপ্তর অবস্থিত।
B) নিউইয়র্ক — এটি জাতিসংঘের সদর দপ্তর এবং হিউম্যান রাইটস ওয়াচ-এর প্রধান কার্যালয় অবস্থিত, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের নয়।
C) প্যারিস — এটি ইউনেস্কো এবং ওইসিডি-এর সদর দপ্তর হিসেবে পরিচিত, যা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের সদর দপ্তর নয়।
D) ভিয়েনা — এটি ওপেকের এবং আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থার সদর দপ্তর, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের সদর দপ্তর এখানে নয়।
মনে রাখার টিপস:
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের কাজের পরিধি বিশ্বজুড়ে বিশাল হলেও এর মূল নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র যুক্তরাজ্যের লন্ডন শহরে অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: D) ভ্যাটিকান
কেন সঠিক:
- ভ্যাটিকান সিটি বিশ্বের আয়তনে সবচেয়ে ছোট স্বাধীন রাষ্ট্র, যার আয়তন মাত্র ০.৪৪ বর্গকিলোমিটার।
- এটি একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র যা রোম শহরের ভেতরে অবস্থিত এবং পোপ এই রাষ্ট্রের প্রধান।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফিজি — এটি ওশেনিয়া অঞ্চলের একটি দ্বীপ রাষ্ট্র, যার আয়তন ভ্যাটিকান সিটি থেকে অনেক বড়।
B) কুয়েত — এটি মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশ, যা আয়তন ও জনসংখ্যার দিক থেকে ভ্যাটিকান সিটি থেকে বহু গুণে বড়।
C) মালদ্বীপ — এটি দক্ষিণ এশিয়ার একটি ছোট দ্বীপ দেশ হলেও এর আয়তন প্রায় তিন শ বর্গকিলোমিটার।
D) ভ্যাটিকান — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম দেশ।
মনে রাখার টিপস:
ভ্যাটিকান ছোট হলেও পোপের দেশ, তাই এটি পৃথিবীর সবচেয়ে ক্ষুদ্র দেশ হিসেবে সহজে মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: B) ১৪ ডিসেম্বর
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের এই দিনে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের দেশীয় দোসররা বাংলার বরেণ্য বুদ্ধিজীবীদের পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে।
- জাতির মেধা শূন্য করতে বিজয়ের ঠিক প্রাক্কালে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড চালানো হয়, যা শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস হিসেবে পালিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২১ জানুয়ারি — এটি কোনো ঐতিহাসিক বুদ্ধিজীবী হত্যা বা জাতীয় দিবসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
B) ১৪ ডিসেম্বর — এটি শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস হিসেবে পালিত হয়, তাই এটি সঠিক উত্তর।
C) ১৪ জানুয়ারি — এটি বুদ্ধিজীবী দিবসের সঠিক তারিখ নয় এবং এর কোনো ঐতিহাসিক ভিত্তি নেই।
D) ৭ মার্চ — এটি ১৯৭১ সালের ঐতিহাসিক ভাষণের দিন, বুদ্ধিজীবী দিবস নয়।
মনে রাখার টিপস:
বিজয়ের ঠিক দুই দিন আগে অর্থাৎ ষোলই ডিসেম্বরের আগে চৌদ্দই ডিসেম্বর জাতিকে মেধাহীন করতে বুদ্ধিজীবী নিধন করা হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: B) পাউন্ড
কেন সঠিক:
- ইংল্যান্ড বা যুক্তরাজ্যের সরকারি ও প্রচলিত মুদ্রার নাম পাউন্ড স্টারলিং।
- আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে এটি বিশ্বের অন্যতম প্রধান ও প্রাচীন মুদ্রা হিসেবে পরিচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ডলার — এটি যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া ও কানাদাসহ বিভিন্ন দেশের মুদ্রা, ইংল্যান্ডের নয়।
বি) পাউন্ড — এটি সঠিক উত্তর।
সি) ইয়েন — এটি জাপানের সরকারি মুদ্রার নাম।
ডি) ইউরো — এটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্যভুক্ত দেশগুলোর একক মুদ্রা।
মনে রাখার টিপস:
ইংল্যান্ডে খেলাধুলায় যেমন ফুটবল জনপ্রিয়, মুদ্রার ক্ষেত্রে তেমনি পাউন্ড বিখ্যাত।
সঠিক উত্তর: A) নেপাল
কেন সঠিক:
- নেপাল একটি স্থলবেষ্টিত দেশ যার কোনো সমুদ্র উপকূল বা সমুদ্র বন্দর নেই।
- এর চারপাশে ভারত ও চীন অবস্থিত হওয়ায় দেশটি সম্পূর্ণ স্থলভাগের মাধ্যমে আবদ্ধ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নেপাল — এটি একটি স্থলবেষ্টিত দেশ এবং এর কোনো সমুদ্র উপকূল বা সমুদ্র বন্দর নেই।
B) ভারত — এই দেশটির বিশাল সমুদ্র উপকূল রয়েছে এবং এর অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্র বন্দর আছে।
C) ইতালি — এটি একটি উপদ্বীপ এবং এর চারপাশে ভূমধ্যসাগর থাকায় অনেক সমুদ্র বন্দর রয়েছে।
D) পর্তুগাল — এই দেশটির আটলান্টিক মহাসাগরের উপকূলে একাধিক আন্তর্জাতিক সমুদ্র বন্দর অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
দক্ষিণ এশিয়ার স্থলবেষ্টিত দেশগুলোর মধ্যে নেপাল এবং ভুটানের কোনো সমুদ্র বন্দর নেই।
সঠিক উত্তর: C) ডেনমার্ক
কেন সঠিক:
- কোপেনহেগেন উত্তর ইউরোপের দেশ ডেনমার্কের রাজধানী এবং বৃহত্তম শহর।
- এটি এই দেশের প্রধান রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক এবং সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বেলজিয়াম — এই দেশটির রাজধানী কোপেনহেগেন নয়, বরং ব্রাসেলস।
B) ভিয়েতনাম — এই দেশটির রাজধানী কোপেনহেগেন নয়, বরং হ্যানয়।
C) ডেনমার্ক — এটি নিজেই সঠিক উত্তর এবং এর রাজধানী কোপেনহেগেন।
D) আর্মেনিয়া — এই দেশটির রাজধানী কোপেনহেগেন নয়, বরং ইয়েরেভান।
মনে রাখার টিপস:
ডেনমার্কের সাথে কোপেনহেগেন নাম মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন যে ডেনমার্কের ড দিয়ে শুরু না হলেও এর রাজধানী সি দিয়ে শুরু।
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)