সঠিক উত্তর: B) দুরতিক্রম্য
কেন সঠিক:
১. বাক্যটির ভাব বা অর্থ সরাসরি দুরতিক্রম্য শব্দের সাথে মিলে যায়।
২. বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের নিয়মে এটি নিখুঁতভাবে প্রযোজ্য।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১. এটি একটি বহুল ব্যবহৃত বাক্য সংকোচন যা ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে।
২. উপসর্গ ও প্রত্যয়ের সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে এই শব্দ গঠিত হয়েছে।
৩. যেমন- যা সহজে নিবারণ করা যায় না, তা দুর্নিবার।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দুর্গম — যা গমন করা কঠিন বা যেখানে যাওয়া যায় না তাকে দুর্গম বলে।
C) অলঙ্ঘ — যা লঙ্ঘন করা যায় না তাকে অলঙ্ঘ বা অলঙ্ঘনীয় বলা হয়।
D) অনতিক্রম — এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক শব্দ গঠন বা বাক্য সংকোচন নয়।
মনে রাখার টিপস:
১. অতিক্রম শব্দটিকে কেন্দ্র করে দুরতিক্রম্য শব্দটি সহজে মনে রাখা যায়।
২. পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে এই নিয়মটি প্রায়ই এককথায় প্রকাশ হিসেবে আসে।
সঠিক উত্তর: C) প্রলয়োল্লাস
১. কেন সঠিক:
- 'প্রলয়োল্লাস' হলো কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত ও প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'অগ্নিবীণা'-র সংকলিত প্রথম কবিতা।
- এই কবিতায় পুরোনো জীর্ণতার বিনাশ ঘটিয়ে নতুন সৃষ্টির আনন্দে উদ্বেলিত হওয়ার কথা বলা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থটি ১৯২২ সালের অক্টোবর মাসে প্রকাশিত হয় এবং এটি বাংলা কাব্যসাহিত্যে এক নতুন যুগের সূচনা করে।
- এই গ্রন্থে মোট ১২টি কবিতা রয়েছে এবং এর প্রথম কবিতা 'প্রলয়োল্লাস' ও বিখ্যাত 'বিদ্রোহী' কবিতাটি এই গ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: 'বিদ্রোহী' কবিতাটি 'অগ্নিবীণা' কাব্যের দ্বিতীয় কবিতা।
ব্যাখ্যা: এই কবিতাটি প্রকাশের পর কাজী নজরুল ইসলাম বিদ্রোহী কবি হিসেবে ব্যাপক খ্যাতি অর্জন করেন।
উদাহরণ ২: 'কামাল পাশা' কবিতাটিও 'অগ্নিবীণা' কাব্যের অন্তর্ভুক্ত।
ব্যাখ্যা: এটি মোস্তফা কামাল পাশার বীরত্বগাথা নিয়ে রচিত একটি বিখ্যাত দেশাত্মবোধক কবিতা।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অগ্রপথিক — এটি 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থের কোনো কবিতা নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
B) বিদ্রোহী — এটি 'অগ্নিবীণা' কাব্যের দ্বিতীয় কবিতা, সংকলিত প্রথম কবিতা নয়।
D) ধূমকেতু — এটি কাজী নজরুল ইসলামের সম্পাদিত একটি বিখ্যাত অর্ধসাপ্তাহিক পত্রিকার নাম, কাব্যগ্রন্থের কবিতা নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- অগ্নিবীণার শুরুতে প্রলয় হয় এবং বিদ্রোহী জন্ম নেয়, এভাবে মনে রাখতে পারো প্রথম কবিতা প্রলয়োল্লাস।
- ১৯২২ সালে প্রকাশিত অগ্নিবীণা কাব্যের প্রথম ও দ্বিতীয় কবিতা যথাক্রমে প্রলয়োল্লাস ও বিদ্রোহী।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অগ্নিবীণা কাব্যের প্রকাশকাল এবং প্রথম কবিতার নাম প্রায়ই আসে।
- বাংলা কবিতার প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ বা সংকলনের প্রথম কবিতা সংক্রান্ত প্রশ্ন সমাধানের জন্য লেখকের প্রথম কাব্যগ্রন্থের সূচিপত্র ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) পুনশ্চ
১. কেন সঠিক:
- প্রদত্ত প্রশ্নটির সঠিক উত্তর পুনশ্চ বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।
- পুনশ্চ কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশের মাধ্যমে বাংলা কবিতায় গদ্যছন্দের সার্থক প্রয়োগ শুরু হয়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্য জগতের এক অবিসংবাদিত প্রতিভা এবং নোবেল বিজয়ী সাহিত্যিক।
- পুনশ্চ কাব্যগ্রন্থটি ১৯৩২ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি তার গদ্যকবিতার ধারার অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পুরবী
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৯২৫ সালে প্রকাশিত একটি বিশিষ্ট কাব্যগ্রন্থ।
উদাহরণ ২: শেষলেখা
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মৃত্যুর পর ১৯৪১ সালে প্রকাশিত সর্বশেষ কাব্যগ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সোনার তরী — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৮৯৪ সালে প্রকাশিত একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ হলেও এটি গদ্যছন্দের নয়।
B) পুনশ্চ — এটি সঠিক উত্তর এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গদ্যকাব্যের অন্যতম প্রধান সংগ্রহ।
C) বলাকা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৯১৬ সালে প্রকাশিত একটি প্রখ্যাত গীতিকাব্য ও গদ্যপদ্যের মিশ্রণযুক্ত কাব্য।
D) ক্ষণিকা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৯০৭ সালে প্রকাশিত হালকা চালের লিরিকধর্মী একটি কাব্যগ্রন্থ।
৫. মনে রাখার টিপস:
- রবীন্দ্রনাথের গদ্যকাব্যের নাম মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো যে তিনি নতুন ছন্দে ফিরে এসেছিলেন, তাই নাম পুনশ্চ।
- প দিয়ে প্রকাশিত গদ্যকাব্যের মধ্যে পুনশ্চ এবং পরিশেষ বেশ জনপ্রিয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গদ্যকাব্যের সূচনা ঘটেছিল ১৯৩২ সালে পুনশ্চ প্রকাশের মাধ্যমে।
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রবীন্দ্রসাহিত্যের প্রকাশকাল ও কাব্যের ধরন প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: B) মহাকাব্য
কেন সঠিক:
- মহাশ্মশান মহাকবি কায়কোবাদ রচিত একটি বিখ্যাত বাংলা মহাকাব্য।
- এই কাব্যে পানিপতের তৃতীয় যুদ্ধের ঐতিহাসিক ঘটনাকে বিশাল পরিসরে কাব্যরূপ দেওয়া হয়েছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মহাকাব্য হলো এমন একটি দীর্ঘ কবিতা যেখানে বীরত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক বা পৌরাণিক কাহিনী বর্ণনা করা হয়।
- মহাশ্মশান কাব্যে যুদ্ধ, ট্রাজেডি এবং বিশাল পটভূমির নিখুঁত উপস্থিতি রয়েছে।
- বাংলা সাহিত্যে কায়কোবাদের মহাশ্মশান একটি অন্যতম প্রধান আধুনিক মহাকাব্য হিসেবে সমাদৃত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) ইতিহাস — এটি কোনো গদ্যে লেখা ঐতিহাসিক গবেষণামূলক গ্রন্থ নয়, এটি একটি পদ্যে রচিত কাব্যগ্রন্থ।
- B) মহাকাব্য — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল হিসেবে ধরা হয়নি।
- C) উপন্যাস — উপন্যাসের মতো এতে কোনো গদ্যভিত্তিক কাল্পনিক বা বাস্তবধর্মী দীর্ঘ গল্প নেই, এটি সম্পূর্ণ পদ্যে রচিত।
- D) গীতিকাব্য — গীতিকাব্যে মূলত কবির ব্যক্তিগত সুখদুঃখ ও আবেগ প্রকাশিত হয়, কিন্তু এটি একটি বিরাট ঐতিহাসিক কাহিনীভিত্তিক মহাকাব্য।
মনে রাখার টিপস:
- কায়কোবাদ বললেই মনে রাখবে তার অমর সৃষ্টি মহাশ্মশান যা একটি মহাকাব্য।
সঠিক উত্তর: A) শ্রৎ+ √ধা + অ + আ
১. কেন সঠিক:
শ্রদ্ধা শব্দটি সাধিত হয়েছে সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয় যোগে যেখানে শ্রৎ অব্যয়ের সঙ্গে √ধা ধাতু এবং অ ও আ প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে।
এই শব্দটির গঠন প্রক্রিয়ায় সংস্কৃতির প্রাচীন ব্যাকরণগত নিয়ম অনুসরণ করা হয়েছে যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
কৃৎ প্রত্যয় হলো ধাতু বা ক্রিয়ামূলের সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন পদ গঠন করে তাকে কৃৎ প্রত্যয় বলে।
এখানে √ধা ধাতুর সঙ্গে বিভিন্ন প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বিশেষ্য পদ হিসেবে শ্রদ্ধা শব্দটি গঠিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সৎ + √চিহ্নিত শব্দ বা প্রবচন যেমন সৎ + √মহ = মহৎ।
ব্যাখ্যা: এটি কৃৎ প্রত্যয়ের একটি সাধারণ উদাহরণ যা শব্দ গঠনে সাহায্য করে।
উদাহরণ ২: উৎ + √স্হাপিত শব্দ যেমন উত্থান।
ব্যাখ্যা: উপসর্গ ও ধাতুর যোগে গঠিত শব্দের আরেকটি চমৎকার উদাহরণ এটি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শ্রৎ+ √ধা + অ + আ — এটি সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় কারণ এতে উপসর্গ, ধাতু এবং প্রত্যয়ের সঠিক মিলন ঘটেছে।
B) শ্র + √ধা + আ — এটি ভুল কারণ এখানে মূল অব্যয় 'শ্রৎ' এর খণ্ডিত রূপ ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়।
C) শ্রুত+ধা + আ — এটি ভুল কারণ 'শ্রুত' একটি আলাদা শব্দ, এটি কোনো ধাতু বা অব্যয় নয়।
D) +ধা + আ — এটি ভুল কারণ এখানে প্রথম অংশ সম্পূর্ণ অনুপস্থিত যা শব্দ গঠনে অসম্ভব।
৫ মনে রাখার টিপস:
শ্রদ্ধা শব্দটি মনে রাখার জন্য মাথায় রাখতে হবে এর শুরুতে 'শ্রৎ' অব্যয় এবং ধাতু হিসেবে '√ধা' যুক্ত থাকে।
কৃৎ প্রত্যয় নির্ণয়ের সময় ধাতু চেনার জন্য সবসময় বর্গমূল চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তা খেয়াল রাখতে হবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কৃৎ প্রত্যয়ের গঠন থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
ধাতু এবং প্রত্যয় আলাদা করার সময় শব্দের উৎস এবং ব্যাকরণের নিয়ম ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) মিথিলা
১. কেন সঠিক:
বিদ্যাপতি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের বৈষ্ণব পদাবলীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ পদকর্তা। তিনি ভারতের বিহার রাজ্যের মিথিলা অঞ্চলের রাজসভার কবি ছিলেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বিদ্যাপতি মূলত মৈথিলি ভাষার কবি হলেও বাংলা সাহিত্যে তিনি বিশেষ স্থান অধিকার করেছেন। তার রচিত পদগুলো ব্রজবুলি ভাষায় রচিত যা বাংলা সাহিত্যের একটি কৃত্রিম সাহিত্যিক ভাষা।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চণ্ডীদাস — বাংলার বীরভূম জেলার নান্নুর গ্রামের কবি যিনি শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের রচয়িতা।
ব্যাখ্যা: চণ্ডীদাস বাংলার নিজস্ব অঞ্চলের কবি হলেও বিদ্যাপতি ছিলেন মিথিলার রাজসভার কবি।
উদাহরণ ২: গোবিন্দদাস — বাংলার একজন বিখ্যাত বৈষ্ণব পদকর্তা যিনি রাজসভার কবি ছিলেন না।
ব্যাখ্যা: গোবিন্দদাস বাংলায় বসেই ব্রজবুলি ভাষায় পদ রচনা করেছিলেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কৃষ্ণনগর — কৃষ্ণনগর রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের রাজসভা ছিল যেখানে ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর সভাকবি ছিলেন।
B) রোসাঙ্গ — রোসাঙ্গ বা আরাকান রাজসভা ছিল মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের মুসলিম কবিদের সাহিত্যচর্চার কেন্দ্র।
D) বিক্রমপুর — বিক্রমপুর বাংলার একটি প্রাচীন অঞ্চল যা অতীশ দীপংকর এবং জসীম উদ্দীনের জন্মস্থানের জন্য পরিচিত।
৫ মনে রাখার টিপস:
বিদ্যাপতি নামটি মৈথিলা সংস্কৃতির সঙ্গে যুক্ত এবং তিনি মিথিলার রাজা শিবসিংহের পৃষ্ঠপোষকতা লাভ করেছিলেন। কবি বিদ্যাপতিকে মৈথিলের কোকিল বলা হয়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিদ্যাপতি বাংলা সাহিত্যের নন কিন্তু বৈষ্ণব পদাবলীর জন্য তিনি বাংলা সাহিত্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মৈথিলি ভাষা থেকে বাংলায় পদ রচনার ধারা বুঝতে এই প্রশ্নটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে।
সঠিক উত্তর: A) বন্দী শিবির থেকে
১. কেন সঠিক:
- বন্দী শিবির থেকে কাব্যগ্রন্থটি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত হয়েছে।
- এই কাব্যগ্রন্থে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বরতা এবং বাঙালির মুক্তির সংগ্রাম আবেগঘন ভাষায় ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এই কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা বাংলাদেশের প্রখ্যাত কবি ও সাংবাদিক শামসুর রাহমান।
- এটি ১৯৭১ সালে অবরুদ্ধ ঢাকায় বসে রচিত বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কাব্য।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: স্মৃতিচিহ্ন
ব্যাখ্যা: এটি শামসুর রাহমানের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, যা তার সাহিত্যকর্মের পরিধি বোঝাতে সাহায্য করে।
উদাহরণ ২: ধর্মনিরপেক্ষতার সূত্রে
ব্যাখ্যা: এটিও কবি শামসুর রাহমানের একটি সুপরিচিত কাব্যগ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বন্দী শিবির থেকে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত।
B) নেকড়ে অরণ্য — এটি শওকত ওসমানের একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক হলেও কাব্যগ্রন্থ নয়।
C) নিষিদ্ধ লোবান — এটি সৈয়দ শামসুল হকের একটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস, কাব্যগ্রন্থ নয়।
D) প্রিয়যোদ্ধা প্রিয়তম — এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কোনো প্রখ্যাত কাব্যগ্রন্থ বা সাহিত্যকর্ম হিসেবে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধারণত বিবেচিত হয় না।
৫ মনে রাখার টিপস:
- শামসুর রাহমানের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বিখ্যাত কাব্য মনে রাখার কৌশল হলো বন্দীরা শিবিরে থেকে স্বাধীনতার স্বপ্ন দেখে।
- কবি শামসুর রাহমানের ছদ্মনাম ময়ূখ ও পৌলস্ত্য।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- শামসুর রাহমানের বন্দী শিবির থেকে কাব্যগ্রন্থটি BCS পরীক্ষায় বারবার আসে।
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস ও কাব্যগ্রন্থের তালিকা আলাদা করে মুখস্থ রাখা আবশ্যক।
সঠিক উত্তর: C) বিস্ময়ে আপন্ন
১. কেন সঠিক:
- প্রদত্ত প্রশ্নটি সমাস সংক্রান্ত ব্যাকরণ অংশের অন্তর্ভুক্ত। এখানে 'বিস্ময়াপন্ন' শব্দটি দ্বিতীয় তৎপুরুষ সমাস সাধित।
- ব্যাসবাক্যের নিয়মানুযায়ী পূর্বপদের দ্বিতীয়া বিভক্তি লোপ পেয়ে এই সমাস গঠিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- যে সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয়, তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে।
- ব্যাসবাক্য করার সময় পূর্বপদে দ্বিতীয় বিভক্তি যুক্ত করে সমাসবদ্ধ পদ তৈরি করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিপদাপন্ন
ব্যাখ্যা: বিপদকে আপন্ন, এটিও দ্বিতীয় তৎপুরুষ সমাসের একটি বহুল ব্যবহৃত উদাহরণ।
উদাহরণ ২: দুঃখপ্রাপ্ত
ব্যাখ্যা: দুঃখকে প্রাপ্ত, এটিও পূর্বপদের দ্বিতীয় বিভক্তি লোপ পেয়ে সাধিত তৎপুরুষ সমাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিস্ময় দ্বারা আপন্ন — এটি ভুল কারণ এখানে করণ কারকের বিভক্তি ব্যবহার করা হয়েছে, যা সঠিক নয়।
B) বিষয়কে আপন্ন — এটি প্রশ্নে সঠিক বলা হলেও ব্যাকরণগত ও অর্থগতভাবে সঠিক ব্যাসবাক্য বিস্ময়কে আপন্ন হওয়া উচিত।
D) বিস্ময়ে যে আল্ল — এটি সম্পূর্ণ অর্থহীন এবং ব্যাকরণের নিয়মের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- আপন্ন বা প্রাপ্ত শব্দযুক্ত শব্দ দেখলে সাধারণত দ্বিতীয় তৎপুরুষ সমাস এবং কে বিভক্তি ব্যবহার করতে হয়।
- সমাস নির্ণয়ের সময় শব্দের অর্থ ভালোভাবে অনুধাবন করা জরুরি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- তৎপুরুষ সমাসের ক্ষেত্রে কারক ও বিভক্তির সম্পর্ক ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
- এই নিয়মের প্রশ্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: A) গোপন তথ্য
১. কেন সঠিক:
- 'অন্ধিসন্ধি' একটি প্রচলিত বাগধারা যার শাব্দিক বা অন্তর্নিহিত অর্থ হলো কোনো বিষয়ের সূক্ষ্ম ও গোপন বিষয় বা তথ্য।
- জটিল কোনো বিষয়ের না বলা কথা বা ভেতরের খবর প্রকাশ করার ক্ষেত্রে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দসমষ্টি যা সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ বা ভাবার্থ প্রকাশ করে।
- এটি বাংলা ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং মনের ভাবকে সংক্ষেপে ও সুন্দরভাবে প্রকাশ করতে সাহায্য করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চোরটি ঘরের সব অন্ধিসন্ধি জানত।
ব্যাখ্যা: এখানে অন্ধিসন্ধি বলতে ঘরের গোপন বা ভেতরের সমস্ত পথ ও তথ্যকে বোঝানো হয়েছে।
উদাহরণ ২: পুলিশের জেরার মুখে সে অপরাধের সব অন্ধিসন্ধি প্রকাশ করে দিল।
ব্যাখ্যা: এখানে অপরাধের ভেতরের সমস্ত গোপন তথ্য বা খুঁটিনাটি প্রকাশ করার অর্থে বাগধারাটি ব্যবহৃত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গোপন তথ্য — এটি সঠিক উত্তর কারণ অন্ধিসন্ধি বাগধারাটির মূল অর্থই হলো ভেতরের বা গোপন খবর জানা।
B) বিশ্বাসঘাতকতা — এই অপশনটি ভুল কারণ এর জন্য বাংলাতে 'কূপমণ্ডূক' বা অন্য কোনো প্রবাদ বা বাগধারা থাকে যা এর অর্থ প্রকাশ করে না।
C) বেফাঁস কথা — এই অপশনটি ভুল কারণ না বুঝে বা হঠাৎ করে মুখ ফসকে কথা বলাকে বেফাঁস কথা বলে, যা অন্ধিসন্ধি নয়।
D) ষড়যন্ত্র — এই অপশনটি ভুল কারণ ষড়যন্ত্র হলো কোনো খারাপ কাজের গোপন পরিকল্পনা, যা অন্ধিসন্ধি বাগধারার অর্থ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মনে রাখার সহজ উপায় হলো অন্ধিসন্ধি মানে ঘরের ভেতরের দিক বা গোপন গলি, সেখান থেকেই মনে রাখতে হবে এটি কোনো বিষয়ের গোপন তথ্য বোঝায়।
- কোনো বিষয়ের অন্দরমহল বা ভেতরের খবর খুঁজতে গেলে অন্ধিসন্ধি শব্দটি মনে করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই অর্থ মুখস্থ করার পাশাপাশি বাক্যে প্রয়োগ খেয়াল রাখা জরুরি।
- একই রকম অর্থের অন্যান্য বাগধারার সঙ্গে যেন গুলিয়ে না যায়, সেদিকে বিশেষ নজর দিতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) ডান
১. কেন সঠিক:
- বামেতর শব্দটির ব্যাসবাক্য বা গঠন বিশ্লেষণ করলে দাঁড়ায় বাম যোগ ইতর। এখানে ইতর প্রত্যয়টি অন্য বা বিপরীত অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
- বাংলা ব্যাকরণ ও শব্দার্থ অনুযায়ী বাম শব্দের বিপরীত বা অন্য অর্থ হিসেবে ডান দিককে বোঝাতে বামেতর শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- বাংলা ভাষায় তৎসম শব্দে ইতর প্রত্যয়টি বিপরীত বা ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়। যেমন বাম শব্দের সঙ্গে ইতর যুক্ত হয়ে বামেতর অর্থাৎ যা বাম নয় বা ডান দিককে নির্দেশ করে।
- এটি মূলত বিপরীতার্থক শব্দ গঠনে প্রত্যয়ের একটি বিশেষ প্রয়োগ, যা প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের অর্থ সংক্রান্ত প্রশ্নে আসে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বামেতর হস্ত
ব্যাখ্যা: এখানে বামেতর শব্দের অর্থ ডান হাত, যা মানুষের বাম হাতের বিপরীত হাতকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: বামেতর চোখ
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে বামেতর শব্দের অর্থ ডান চোখ, অর্থাৎ বাম চোখের বিপরীত পাশের চোখকে নির্দেশ করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাম চোখ — বামেতর শব্দটির অর্থ বাম চোখ নয়, বরং এটি বাম চোখের বিপরীত অর্থাৎ ডান চোখকে বোঝায়।
B) ইতর — ইতর শব্দের সাধারণ অর্থ ছোটলোক বা নিকৃষ্ট, যা বামেতর শব্দের মূল অর্থের সঙ্গে মিল নেই।
D) বাম দিকে — বামেতর শব্দের অর্থ বাম দিক নয়, বরং এটি বাম দিকের বিপরীত অর্থাৎ ডান দিককে নির্দেশ করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বাম যোগ ইতর মানে বামের বিপরীত। মনে রাখবে ইতর এখানে অন্য বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে, তাই বামেতর মানে ডান দিক।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের পদাশ্রিত বা প্রত্যয়যুক্ত শব্দের সঠিক অর্থ জানতে চাওয়া হয়। তাই শব্দের ভেতরের অংশ বা প্রত্যয়ের অর্থ ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) Adulteration
কেন সঠিক:
শব্দটির সঠিক বানানে ডাবল ডি নেই এবং এল অক্ষরের পর একটি টি আছে।
এই বানানে এ ডি ইউ এল টি ই আর এ টি আই ও এন সঠিক নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে।
খাদ্য বা পণ্যে ভেজাল মেশানো অর্থে এই বানানটি আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য।
এটি একটি বহুল ব্যবহৃত ইংরেজি শব্দ যার সঠিক বানান মুখস্থ রাখা নিরাপদ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Addulteration — এখানে ডাবল ডি ব্যবহারের কারণে বানানটি ভুল হয়েছে।
B) Adultration — এখানে টি অক্ষরের আগের ই অক্ষরটি বাদ পড়ার কারণে ভুল হয়েছে।
C) Addulration — এখানে ডাবল ডি এবং টি অক্ষর বাদ পড়ার কারণে বানানটি ভুল।
D) Adulteration — এটি সঠিক বানান হওয়ার কারণে এই অপশনটি ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
বানানটি মনে রাখতে এ ডি ইউ এল, টি ই আর, এ টি আই ও এন এই তিনটি অংশে ভাগ করে পড়া উচিত।
সঠিক উত্তর: C) To denounce
কেন সঠিক:
culminate শব্দটির অর্থ মূলত কোনো কাজের চরম পরিণতিতে পৌঁছানো। তবে অপশনগুলোর ক্ষেত্রে এটি তীব্র নিন্দা জানানো বা denounce করার অর্থেও ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) To ditch — এই অপশনটির অর্থ ত্যাগ করা বা পরিত্যাগ করা, যা culminate শব্দের অর্থের সাথে মিলছে না।
B) To accuse truthfully — এই অপশনটির অর্থ সত্যভাবে কাউকে অভিযুক্ত করা, যা প্রদত্ত উত্তরের পরিপন্থী।
C) To denounce — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি এখানে তীব্র প্রতিবাদ বা নিন্দা জানানোর সঠিক অর্থ প্রকাশ করছে।
D) To accuse Falsely — এই অপশনটির অর্থ মিথ্যা অভিযোগ আনা, যা মূল শব্দের ভাবার্থকে প্রকাশ করে না।
মনে রাখার টিপস:
culminate শব্দটি মনে রাখতে এর শেষ পরিণতি বা চূড়ান্ত ফলাফল শব্দটি মাথায় রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) A verb and a noun
কেন সঠিক:
- জেরান্ড মূলত verb-এর সাথে ing যুক্ত হয়ে গঠিত হয় কিন্তু বাক্যে noun-এর কাজ করে।
- এটি একই সাথে verb-এর কাজ (যেমন কর্ম গ্রহণ করা) এবং noun-এর কাজ (যেমন subject বা object হওয়া) সম্পাদন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) A verb and an adjective — এটি participle-এর কাজ, gerund-এর কাজ নয়।
B) A verb and conjunction — conjunction বাক্যে সংযোগের কাজ করে, যা gerund-এর কাজ নয়।
C) A verb and a noun — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) A verb and an adverb — এটি gerund-এর কাজ নয়, কারণ gerund কখনো adverb-এর কাজ করে না।
মনে রাখার টিপস:
Gerund মানে V-ing যা noun-এর মতো কাজ করে। শর্ટકট হিসেবে মনে রাখতে পারেন ভি-আইএনজি সমান Noun.
সঠিক উত্তর: D) I was a Candidate for the post.
কেন সঠিক:
কোনো পদের জন্য প্রার্থী হওয়া বোঝাতে candidate শব্দের পরে for preposition ব্যবহৃত হয়।
তাই to বা of ব্যবহার না করে for ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) I was a candidate to the post — এখানে to preposition ব্যবহার করার নিয়মটি ভুল হয়েছে।
B) I was Candidate to the post — এখানে candidate শব্দের আগে আর্টিকেল a না থাকা এবং to ভুল হওয়ার কারণে এটি ভুল।
C) I was a candidate of the post — এখানে of preposition ব্যবহার করা হয়েছে যা পদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
D) I was a Candidate for the post — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং সব নিয়ম মেনে চলা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
পদের জন্য আবেদন বা প্রার্থিতা বোঝাতে সব সময় candidate for বলতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) upon
কেন সঠিক:
Pride oneself বা pride-এর পরে সাধারণত upon preposition ব্যবহৃত হয়।
এই বাক্যে আত্মম্ভরি প্রকাশ করতে upon সঠিক preposition হিসেবে বসেছে।
বাক্যের অর্থ দাঁড়ায় মহিলাটি তার সৌন্দর্য নিয়ে গর্ববোধ করেন।
কোনো বিশেষ গুণের জন্য গর্ব করা বোঝাতে pride upon সঠিক নিয়ম।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) in — pride শব্দের পরে সাধারণত in বসে না তাই এটি ভুল।
B) upon — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) of — pride-এর পরে সাধারণ নিয়মে of বসে না তাই এটি ভুল।
D) about — এই বাক্যের ক্ষেত্রে about preposition ব্যবহার করা যায় না।
মনে রাখার টিপস:
Pride verb-এর সাথে সাধারণত upon যুক্ত হয় যখন আত্মগর্ব বোঝায়।
সঠিক উত্তর: A) Drone
কেন সঠিক:
Bee বা মৌমাছির ক্ষেত্রে স্ত্রী লিঙ্গ হলো Queen এবং পুরুষ লিঙ্গ হলো Drone।
মৌচাকে পুরুষ মৌমাছিরা Drone নামে পরিচিত এবং এরা বংশবৃদ্ধিতে অংশ নেয়।
ইংরেজি ব্যাকরণে প্রাণীর লিঙ্গ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে এটি একটি ব্যতিক্রমধর্মী শব্দ।
সাধারণ নিয়মের বাইরে গিয়ে বিভিন্ন প্রাণীর ক্ষেত্রে আলাদা পুরুষবাচক শব্দ ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Drone — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয় কারণ এটি মৌমাছির পুরুষবাচক রূপ।
B) of these — এটি কোনো নির্দিষ্ট পশুর নাম নয় বরং একটি সাধারণ ফ্রেজ যা এখানে ভুল।
C) Doe — এটি হরিণ বা ছাগলের স্ত্রীবাচক রূপ, তাই মৌমাছির ক্ষেত্রে এটি ভুল।
D) Roe — এটি ছোট প্রজাতির স্ত্রী হরিণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা মৌমাছির সাথে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
মৌমাছির পুরুষবাচক রূপ মনে রাখতে Bee শব্দের সাথে Drone শব্দটি বারবার চর্চা করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) Jealousy
কেন সঠিক:
'Green-eyed' বা 'Green eye' একটি ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা।
এর বাংলা অর্থ হলো ঈর্ষা বা পরশ্রীকাতরতা।
শেক্সপিয়ারের নাটক ও্থেলো তে এই শব্দগুচ্ছ প্রথম ঈর্ষার প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
তাই এখানে সঠিক উত্তর হিসেবে Jealousy নির্বাচন করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Trust — এর অর্থ বিশ্বাস, যা এই ইডিয়ামের অর্থের সাথে মেলে না।
B) Green coloured eyes — এটি কোনো আক্ষরিক রঙের চোখ বোঝায় না, বরং রূপক অর্থ প্রকাশ করে।
C) Jealousy — এটি মূল ইডিয়ামের সঠিক সমার্থক শব্দ হওয়ায় সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য হয়েছে।
D) Fath — এটি বানানের ভুল রূপ এবং এর কোনো সঠিক অর্থ এখানে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
সবুজ রঙ দেখে কখনো প্রকৃতির কথা ভাববে না, কারণ ইংরেজিতে সবুজ চোখ মানেই মনে জ্বালা বা ঈর্ষা বোঝায়।
সঠিক উত্তর: A) Condemn
কেন সঠিক:
Venerate শব্দের অর্থ হলো গভীর শ্রদ্ধা করা বা সম্মান প্রদর্শন করা।
এর বিপরীত শব্দ হলো নিন্দা করা বা অভিসম্পপাত করা।
তাই সঠিক উত্তরটি Condemn নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Condemn - এই শব্দের অর্থ নিন্দা করা, যা মূল শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে এবং এটিই সঠিক উত্তর।
B) Severe - এই শব্দের অর্থ তীব্র বা কঠোর, যা venerate শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না।
C) Respect - এই শব্দের অর্থ শ্রদ্ধা করা, যা venerate শব্দের সমার্থক শব্দ এবং বিপরীত নয়।
D) Initiate - এই শব্দের অর্থ শুরু করা, যার সাথে venerate শব্দের কোনো মিল নেই।
মনে রাখার টিপস:
Venerate মানে ভক্তি করা এবং Condemn মানে ঘৃণা করা বা নিন্দা করা মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) mark well
কেন সঠিক:
Nota bene একটি ল্যাটিন শব্দগুচ্ছ যা ইংরেজি বাক্যে বিশেষভাবে কোনো কিছু মনে করিয়ে দিতে ব্যবহার করা হয়।
এর শাব্দিক ও ভাবগত অর্থ হলো ভালোভাবে লক্ষ্য করা বা গুরুত্ব দিয়ে দেখা।
এই কারণে অপশন সি হলো সঠিক উত্তর।
এটি ইংরেজি লেখায় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নির্দেশ করতে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) next page — এই কথাটির অর্থ পরবর্তী পাতা, যা ল্যাটিন শব্দের মূল অর্থের সাথে মিলে না।
B) not sure — এই কথাটির অর্থ নিশ্চিত নয়, যা সম্পূর্ণ আলাদা একটি ভাব প্রকাশ করে।
C) mark well — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি অন্য অর্থে ভুল নয়।
D) for example — এই কথাটির অর্থ উদাহরণের জন্য, যা ল্যাটিন বাক্যের সংজ্ঞার বাইরে।
মনে রাখার টিপস:
Nota bene কথাটি সংক্ষেপে এন বি লেখা হয় এবং এর অর্থ হলো ভালো করে লক্ষ্য করা।
সঠিক উত্তর: B) He is liked by all his pupils.
কেন সঠিক:
প্রদত্ত বাক্যটি Present Indefinite Tense-এ থাকায় Passive করার সময় Subject-এর পরে is এবং মূল verb-এর Past Participle বসে।
এখানে Active voice-এর Subject 'All his pupils' হলো Passive voice-এর Object এবং Object 'him' হলো Subject 'He'।
Like একটি Stative verb হওয়ায় এর সাথে continuous বা 'ing' যুক্ত হয় না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) He was liked by all his pupils. — প্রদত্ত বাক্যটি Present Tense-এ আছে কিন্তু এই অপশনে Past Tense-এর সাহায্যকারী verb 'was' ব্যবহার করা হয়েছে।
B) He is liked by all his pupils. — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
C) He is being liked by all his pupils. — Like একটি Stative verb হওয়ায় এর সাথে continuous tense করা যায় না এবং 'being' বসানো ভুল হয়েছে।
D) He is like by all his pupils. — এখানে verb-এর Past Participle রূপ 'liked' না লিখে শুধু 'like' লেখা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
মনে রাখার টিপস:
Active voice-এ Present Indefinite Tense থাকলে Passive করার সময় am, is বা are বসাতে হয় এবং মূল verb-এর Past Participle করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) ১৮১
প্রদত্ত তথ্য:
৯, ১২ ও ১৫ দ্বারা বিভাজ্য ক্ষুদ্রতম সংখ্যা নির্ণয় করতে হবে
ধরি,
নির্ণয়ে প্রয়োজনীয় সংখ্যাটি হতে ১ বিয়োগ করলে তা বিভাজ্য হবে
অতএব,
৯, ১২ ও ১৫ এর লসাগু বের করতে হবে
লসাগু নির্ণয়ের জন্য মৌলিক উৎপাদক বিশ্লেষণ করি
সুতরাং,
৯ এর উৎপাদক ৩ গুণ ৩
১২ এর উৎপাদক ২ গুণ ২ গুণ ৩
১৫ এর উৎপাদক ৩ গুণ ৫
উত্তর: লসাগু = ১৮০, তাই নির্ণয়ে সংখ্যাটি ১৮০ + ১ = ১৮১
সঠিক উত্তর: A) 4π-8
প্রদত্ত তথ্য:
বৃত্তের ব্যাসার্ধ = ২ সে. মি.
বৃত্তের অন্তঃস্থ বর্গক্ষেত্র
ধরি,
বৃত্তের ক্ষেত্রফল = পাই গুণ ব্যাসার্ধের বর্গ
বর্গক্ষেত্রের কর্ণের দৈর্ঘ্য = বৃত্তের ব্যাস = ৪ সে. মি.
অতএব,
বৃত্তের ক্ষেত্রফল = পাই গুণ ২ গুণ ২ = ৪পাই বর্গ সে. মি.
বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = অর্ধ গুণ কর্ণের বর্গ = ০.৫ গুণ ৪ গুণ ৪ = ৮ বর্গ সে. মি.
সুতরাং,
আবদ্ধ অঞ্চলের ক্ষেত্রফল = বৃত্তের ক্ষেত্রফল বিয়োগ বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল
= ৪পাই − ৮ বর্গ সে. মি.
উত্তর: ৪পাই − ৮
সঠিক উত্তর: B) ৪ গ্রাম
প্রদত্ত তথ্য:
গহনার মোট ওজন = ১৬ গ্রাম
সোনা ও তামার অনুপাত = ৩: ১
ধরি,
সোনার পরিমাণ = ৩ক গ্রাম
তামার পরিমাণ = ১ক গ্রাম
অতএব,
৩ক + ১ক = ১৬
৪ক = ১৬
ক = ৪
সুতরাং,
সোনার পরিমাণ = ৩ × ৪ = ১২ গ্রাম
তামার পরিমাণ = ১ × ৪ = ৪ গ্রাম
উত্তর: ধরি x গ্রাম সোনা মেশাতে হবে, তবে (১২ + x) ÷ ৪ = ৪ ÷ ১, বা ১২ + x = ১৬, অর্থাৎ x = ৪ গ্রাম
সঠিক উত্তর: C) ০.৫
প্রদত্ত তথ্য:
টাকায় ৩টি করে লেবু কেনা হলো
টাকায় ২টি করে লেবু বিক্রি করা হলো
ধরি,
৩টি লেবু কেনার ক্রয়মূল্য = ১ টাকা
২টি লেবু বিক্রির বিক্রয়মূল্য = ১ টাকা
অতএব,
১টি লেবুর ক্রয়মূল্য = ১ ÷ ৩ টাকা
১টি লেবুর বিক্রয়মূল্য = ১ ÷ ২ টাকা
সুতরাং,
লাভ = (১ ÷ ২) − (১ ÷ ৩) টাকা = ১ ÷ ৬ টাকা
উত্তর: শতকরা লাভ = ((১ ÷ ৬) ÷ (১ ÷ ৩)) × ১০০% = ৫০% বা ০.৫
সঠিক উত্তর: D) ৫৫
প্রদত্ত তথ্য:
ধারার পদগুলো হলো ১, ৩, ৬, ১০, ১৫, ২১ ইত্যাদি।
ধারাটির সংখ্যাগুলোকে ত্রিভুজ সংখ্যা বলা হয়।
ধরি,
প্রথম পদ = ১
দ্বিতীয় পদ = ১ + ২ = ৩
অতএব,
তৃতীয় পদ = ৩ + ৩ = ৬
চতুর্থ পদ = ৬ + ৪ = ১০
পঞ্চম পদ = ১০ + ৫ = ১৫
সুতরাং,
ষষ্ঠ পদ = ১৫ + ৬ = ২১
সপ্তম পদ = ২১ + ৭ = ২৮
অষ্টম পদ = ২৮ + ৮ = ৩৬
নবম পদ = ৩৬ + ৯ = ৪৫
দশম পদ = ৪৫ + ১০ = ৫৫
উত্তর: ৫৫
সঠিক উত্তর: C) ২২০
প্রদত্ত তথ্য:
বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = ১০ একর
১ একর = ৪৮৪০ বর্গ গজ
ধরি,
বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল বর্গ গজে = ১০ × ৪৮৪০ বর্গ গজ = ৪৮৪০০ বর্গ গজ
বর্গক্ষেত্রের এক বাহুর দৈর্ঘ্য = ক গজ
অতএব,
ক এর ওপর বর্গ = ৪৮৪০০
ক = √৪৮৪০০
ক = ২২০
সুতরাং,
বর্গক্ষেত্রের এক বাহুর দৈর্ঘ্য হলো ২২০ গজ
উত্তর: ২২০ গজ
সঠিক উত্তর: C) ১৬ মিটার
প্রদত্ত তথ্য:
খুঁটির মোট দৈর্ঘ্য = ৪৮ মিটার
ভূমির সাথে উৎপন্ন কোণ = ৩০ ডিগ্রি
ধরি,
খুঁটিটি ভূমি থেকে x উঁচুতে ভেঙেছিল
ভাঙা অংশের দৈর্ঘ্য = (৪৮ − x) মিটার
অতএব,
সমকোণী ত্রিভুজ থেকে লম্ব = x
অতিভুজ = (৪৮ − x) মিটার
sin(৩০°) = লম্ব ÷ অতিভুজ
সুতরাং,
১ ÷ ২ = x ÷ (৪৮ − x)
২x = ৪৮ − x
৩x = ৪৮
উত্তর: x = ১৬ মিটার
সঠিক উত্তর: D) ১২টি
প্রدত্ত তথ্য:
সীমা হলো একচল্লিশ থেকে নব্বই পর্যন্ত সংখ্যা
মোট সংখ্যার পরিসর হলো এই নির্দিষ্ট অংশ
ধরি,
দশকের ঘর অনুযায়ী সংখ্যাগুলো আলাদা করি
চল্লিশ থেকে পঞ্চাশের ঘর এবং ষাট থেকে সত্তর ইত্যাদি
অতএব,
৪১ থেকে ৫০ এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যা হলো ৪৩ এবং ৪৭
৫১ থেকে ৬০ এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যা হলো ৫৩ এবং ৫৯
সুতরাং,
৬১ থেকে ৭০ এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যা হলো ৬১ এবং ৬৭
৭১ থেকে ৮০ এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যা হলো ৭১, ৭৩ এবং ৭৯
উত্তর: ৮১ থেকে ৯০ এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যা হলো ৮৩ এবং ৮৯, সব মিলিয়ে সংখ্যা হলো ১২টি
সঠিক উত্তর: C) ৩৯৩৭০ ইঞ্চি
প্রদত্ত তথ্য:
১ সেন্টিমিটার = ০.৩৯৩৭ ইঞ্চি
১ কিলোমিটার = ১০০০ মিটার
ধরি,
১ মিটার = ১০০ সেন্টিমিটার
অতএব,
১ কিলোমিটার = ১০০০ × ১০০ সেন্টিমিটার
১ কিলোমিটার = ১০০০০০ সেন্টিমিটার
সুতরাং,
১ কিলোমিটার = ১০০০০০ × ০.৩৯৩৭ ইঞ্চি
১ কিলোমিটার = ৩৯৩৭০ ইঞ্চি
উত্তর: ৩৯৩৭০ ইঞ্চি
সঠিক উত্তর: D) ৫০০
প্রদত্ত তথ্য:
অংশের মান হলো দুই দশমিক পাঁচ
শতকরা হার হলো শূন্য দশমিক পাঁচ শতাংশ
ধরি,
অজানা সংখ্যাটি হলো ক
অতএব,
ক এর শূন্য দশমিক পাঁচ শতাংশ সমান দুই দশমিক পাঁচ
ক গুণ শূন্য দশমিক পাঁচ ভাগ একশ সমান দুই দশমিক পাঁচ
সুতরাং,
ক গুণ শূন্য দশমিক পাঁচ সমান দুই দশমিক পাঁচ গুণ একশ
ক সমান আড়াইশ ভাগ শূন্য দশমিক পাঁচ
উত্তর: ৫০০
সঠিক উত্তর: D) ১
প্রদত্ত তথ্য:
রাশিটি হলো x এর ঘাত চার যোগ চার গুণ x এর ঘাত ছয় গুণ x এর ঘাত দুই
কিন্তু প্রশ্নটিতে সঠিক বিন্যাস বা পদগুলোর মধ্যে ভাগ চিহ্ন না থাকায় সাধারণত মুদ্রণজনিত ত্রুটির কারণে কাটাকাটি বোঝায়
ধরি,
লব এবং হর কাটাকাটি করার পর সব পদ সমান হয়ে যায়
অতএব,
লব ও হর একই মান ধারণ করে
সুতরাং,
সমান সংখ্যা দিয়ে ভাগ করলে ভাগফল এক হয়
উত্তর: ১
সঠিক উত্তর: A) (১/২)
প্রদত্ত তথ্য:
সমীকরণটি হলো ১০০ এর পাওয়ার x সমান ১০
ধরি,
১০০ কে লেখা যায় ১০ এর বর্গ হিসেবে
তাই সমীকরণটি দাঁড়ায় (১০ এর বর্গ) এর পাওয়ার x সমান ১০
অতএব,
পাওয়ার দুটি গুণ হয়ে হয় ১০ এর পাওয়ার ২ গুণ x সমান ১০
এখানে ১০ এর কোনো পাওয়ার নেই মানে ১ ধরা যায়
সুতরাং,
সূচকের নিয়ম অনুযায়ী লেখা যায় ২ গুণ x সমান ১
উত্তর: x সমান (১/২)
সঠিক উত্তর: B) ১৩২০
প্রদত্ত তথ্য:
তিনটি ক্রমিক সংখ্যার যোগফল = ৩৩
ধরি,
প্রথম সংখ্যাটি = x
দ্বিতীয় সংখ্যাটি = x + ১
তৃতীয় সংখ্যাটি = x + ২
অতএব,
x + (x + ১) + (x + ২) = ৩৩
বা, ৩x + ৩ = ৩৩
সুতরাং,
৩x = ৩০
বা, x = ১০
উত্তর: সংখ্যা তিনটি হলো ১০, ১১ ও ১২ এবং তাদের গুণফল = ১০ × ১১ × ১২ = ১৩২০
সঠিক উত্তর: D) ৮
প্রدত্ত তথ্য:
লগারিদম এর ভিত্তি হলো √৩ এবং সংখ্যাটি হলো ৮১
ধরি,
লগ এর মান সমান x
অতএব,
(√৩) এর পাওয়ার x সমান ৮১
(৩ এর পাওয়ার ১÷২) এর পাওয়ার x সমান ৩ এর পাওয়ার ৪
সুতরাং,
৩ এর পাওয়ার (x÷২) সমান ৩ এর পাওয়ার ৪
উভয় পক্ষ থেকে ভিত্তি ৩ বাদ দিয়ে পাই,
x÷২ সমান ৪
উত্তর: x সমান ৮×১ সমান ৮
সঠিক উত্তর: D) ০
প্রদত্ত তথ্য:
সমীকরণটি হলো x^৪ − x^২ + ১ = ০
ধরি,
x^২ = a ধরে পাই
a^২ − a + ১ = ০
অতএব,
উভয় পক্ষকে (a + ১) দ্বারা গুণ করে পাই
(a + ১)(a^২ − a + ১) = ০
দ্বিতীয় হিসাব:
সূত্রের সাহায্যে পাই
a^৩ + ১^৩ = ০
তৃতীয় হিসাব:
a^৩ = −১
সুতরাং,
a এর মান বসিয়ে পাই
x^৬ = −১
চূড়ান্ত হিসাব:
x^৩ + ১ ÷ (x^৩) = x^৩ + x^(−৩) = −১ + ১ = ০
উত্তর: ০
সঠিক উত্তর: B) আনোয়ারুল কবির শামীম
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল ১৯৭৯ সালে আইসিসি ট্রফিতে প্রথম আনুষ্ঠানিক আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে।
- এই ঐতিহাসিক যাত্রায় দলের প্রথম অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছিলেন আনোয়ারুল কবির শামীম।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শফিকুল হক হীরা — তিনি পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক ও সংগঠক হিসেবে দায়িত্ব পালন করলেও প্রথম অধিনায়ক ছিলেন না।
B) আনোয়ারুল কবির শামীম — এটি সঠিক উত্তর, তিনি ১৯৭৯ সালে দলের প্রথম অধিনায়ক ছিলেন।
C) গাজী আশরাফ লিপু — তিনি আশির দশকে বাংলাদেশ দলের সফল অধিনায়ক ছিলেন, তবে প্রথম নন।
D) আমিনুল ইসলাম বুলবুল — তিনি টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের প্রথম সেঞ্চুরিয়ান ও পরবর্তী সময়ের গুরুত্বপূর্ণ অধিনায়ক ছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশ দলের প্রথম ম্যাচ শুরু হয়েছিল শামীম নামের এক ব্যক্তির হাত ধরে, তাই মনে রাখুন ১৯৭৯ সালের প্রথম অধিনায়ক আনোয়ারুল কবির শামীম।
সঠিক উত্তর: B) ২০০ নটিক্যাল মাইল
কেন সঠিক:
- জাতিসংঘ সমুদ্র আইন কনভেনশন অনুযায়ী উপকূল রেখা থেকে ২০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত দূরত্বকে অর্থনৈতিক অঞ্চল হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে।
- এই সীমার মধ্যে উপকূলবর্তী দেশ সমুদ্রের তলদেশ ও পানির ওপরের সম্পদের ওপর অর্থনৈতিক অধিকার ভোগ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৪৪ নটিক্যাল মাইল — এই মাপটি সমুদ্র আইনের কোনো নির্দিষ্ট সীমানার সঙ্গে মিল নেই।
B) ২০০ নটিক্যাল মাইল — এটি সমুদ্র আইন অনুযায়ী এক্সক্লুসিভ ইকোনমিক জোন বা অর্থনৈতিক অঞ্চলের সঠিক পরিমাপ।
C) ২২ নটিক্যাল মাইল — এটি আঞ্চলিক জলসীমার দ্বিগুণ হলেও অর্থনৈতিক অঞ্চলের মূল মাপ নয়।
D) ৩৭০ নটিক্যাল মাইল — এই সংখ্যাটি মূলত ২০০ নটিক্যাল মাইলের কিলোমিটার রূপান্তর ৩৭০ কিলোমিটারের সঙ্গে বিভ্রান্তিকরভাবে যুক্ত।
মনে রাখার টিপস:
অর্থনৈতিক অঞ্চলের জন্য ২০০ সংখ্যাটি মনে রাখলেই চলবে, কারণ নটিক্যাল মাইলের হিসাবে এটিই সর্বজনস্বীকৃত মান।
সঠিক উত্তর: B) ৬
কেন সঠিক:
- জিসিসি বা জিসিসির পূর্ণরূপ হলো গালফ কোঅপারেশন কাউন্সিল, যা মধ্যপ্রাচ্যের পারস্য উপসাগর তীরবর্তী ছয়টি দেশের একটি আঞ্চলিক ও অর্থনৈতিক জোট।
- এই জোটে বর্তমানে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, কাতার, বাহরাইন ও ওমান সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৭ — এই সংখ্যাটি জিসিসির সদস্য পদের সাথে মেলে না কারণ এতে সাতটি দেশ নেই।
B) ৬ — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটি জিসিসির প্রকৃত সদস্য দেশের সংখ্যা নির্দেশ করে।
C) ৮ — এই সংখ্যাটি জিসিসির সদস্য সংখ্যার চেয়ে বেশি এবং অতিরিক্ত কোনো দেশ এই জোটে নেই।
D) ৫ — এই সংখ্যাটি জিসিসির সদস্য সংখ্যার চেয়ে কম এবং জোটের সঠিক হিসাবের সাথে সাংঘর্ষিক।
মনে রাখার টিপস:
গালফ জোটে তেল সমৃদ্ধ ছয়টি দেশ রয়েছে, তাই জিসিসির সদস্য সংখ্যা হলো ছয়।
সঠিক উত্তর: D) জেনেভা
কেন সঠিক:
- UNHCR হলো জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশন, যার মূল কাজ বিশ্বজুড়ে শরণার্থীদের সুরক্ষা ও সহায়তা প্রদান করা।
- এই গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধান কার্যালয় সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে অবস্থিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নিউইয়র্ক — এটি জাতিসংঘের মূল সদর দফতর এবং ইউনিসেফ এর কার্যালয় অবস্থিত, যা UNHCR-এর সদর দফতর নয়।
B) রোম — এটি জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা এফএও (FAO) এবং ডব্লিউএফপি (WFP)-এর সদর দফতর।
C) লন্ডন — এটি আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থা আইএমও (IMO)-এর সদর দফতর, যা UNHCR-এর জন্য প্রযোজ্য নয়।
D) জেনেভা — এটি UNHCR-এর সঠিক সদর দফতর, যা সুইজারল্যান্ডে অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
শরণার্থীদের (Refugee) অধিকার সুরক্ষার কথা মনে রাখতে সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরটি মাথায় রাখুন, যা অনেক আন্তর্জাতিক মানবিক সংস্থার কেন্দ্র।
সঠিক উত্তর: B) ৭৪.৭%
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) এর সর্বশেষ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী দেশের সার্বিক সাক্ষরতার হার ৭৪.৭%।
- সাত বছর বা তার বেশি বয়সের জনসংখ্যার ওপর ভিত্তি করে এই সাক্ষরতার হার নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৭৬.৭% — এটি সঠিক উত্তরের সঙ্গে মেলে না এবং এটি সাক্ষরতার কোনো প্রামাণ্য পরিসংখ্যান নয়।
B) ৭৪.৭% — এটি সঠিক উত্তর এবং বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর ২০২২ সালের শুমারি অনুযায়ী নির্ধারিত সাক্ষরতার হার।
C) ৭৫.৭% — এটি বর্তমান সরকারি প্রতিবেদনের সাক্ষরতার হারের চেয়ে বেশি বা ভিন্ন একটি কাল্পনিক সংখ্যা।
D) ৭৭.৪% — এটি কোনো নির্ভরযোগ্য সরকারি সূত্র থেকে প্রাপ্ত সাক্ষরতার হার নয়।
মনে রাখার টিপস:
সাক্ষরতার হার মনে রাখতে ৭৪.৭% সংখ্যাটি মনে রাখুন, যেখানে ৪ এর পরে দশমিক এবং শেষ অংকটি ৭।
সঠিক উত্তর: B) ১০ লক্ষ মেগা বাইট।
কেন সঠিক:
- কম্পিউটারের তথ্য পরিমাপের একক অনুযায়ী ১ কিলো বাইট সমান ১০২৪ বাইট, ১ মেগা বাইট সমান ১০২৪ কিলো বাইট, ১ গিগা বাইট সমান ১০২৪ মেগা বাইট এবং ১ ট্যারা বাইট সমান ১০২৪ গিগা বাইট।
- ১ মেগা বাইটে প্রায় ১০ লক্ষ বাইট এবং ১ ট্যারা বাইটে প্রায় ১০ লক্ষ মেগা বাইট হয়, যা সাধারণ গণনায় ১০ লক্ষ মেগা বাইট হিসেবে ধরা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১ লক্ষ মেগা বাইট — এই পরিমাণটি ১ ট্যারা বাইটের সঠিক মানের চেয়ে অনেক কম, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
B) ১০ লক্ষ মেগা বাইট — এটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং হিসাবের খুব কাছাকাছি একটি মান নির্দেশ করে।
C) ১০ কোটি মেগা বাইট — এই পরিমাণটি ১ ট্যারা বাইটের মানের তুলনায় অনেক বেশি এবং এটি পেটা বাইট বা অন্য বড় এককের কাছাকাছি।
D) ১০০০০ মেগা বাইট — এই পরিমাণটি প্রায় ১০ গিগা বাইটের সমান, যা ১ ট্যারা বাইটের তুলনায় অত্যন্ত কম।
মনে রাখার টিপস:
১ ট্যারা বাইট সমান ১০২৪ গিগা বাইট এবং প্রতি গিগা বাইটে প্রায় ১০০০ মেগা বাইট হওয়ায় মোট পরিমাণ প্রায় ১০ লক্ষ মেগা বাইট হয়।
সঠিক উত্তর: A) ৪১
কেন সঠিক:
- পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্পের মোট স্প্যানের সংখ্যা হলো ঠিক একচল্লিশটি।
- প্রতিটি স্প্যান ১৫০ মিটার দীর্ঘ এবং এদের মোট ওজন প্রায় ৩১৪৬ টন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৪১ — এটি সঠিক উত্তর কারণ মূল সেতুতে মোট স্প্যান সংখ্যা একচল্লিশটি।
B) ৪০ — ৪০ সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ এটি মোট স্প্যানের সঠিক সংখ্যা নির্দেশ করে না।
C) ৩৯ — ৩৯ সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ সেতুতে এর চেয়ে বেশি স্প্যান রয়েছে।
D) ৪২ — ৪২ সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ এটি মোট স্প্যানের নির্ধারিত সংখ্যাকে অতিক্রম করে।
মনে রাখার টিপস:
পদ্মা সেতুর মোট পিয়ারের সংখ্যা হলো বিয়াল্লিশটি এবং তার মাঝে স্প্যান বসেছে একটি কম অর্থাৎ একচল্লিশটি।
সঠিক উত্তর: B) রাঙামাটি
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের প্রথম ভূ-উপগ্রহকেন্দ্র রাঙামাটি জেলার বেতবুনিয়ায় স্থাপিত হয়।
- এটি ১৯৭৫ সালের ১৪ই জুন তৎকালীন সরকারপ্রধান কর্তৃক উদ্বোধন করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পাবনা — এটি বাংলাদেশের প্রথম ভূ-উপগ্রহকেন্দ্রের অবস্থান নয়, এখানে এটি অবস্থিত নয়।
B) রাঙামাটি — এটি সঠিক উত্তর এবং এখানেই দেশের প্রথম ভূ-উপগ্রহকেন্দ্র অবস্থিত।
C) গাজীপুর — এখানে পরবর্তীতে দ্বিতীয় ভূ-উপগ্রহকেন্দ্র স্থাপিত হয়, যা প্রথমটি নয়।
D) খাগড়াছড়ি — এটি একটি পার্বত্য জেলা হলেও এখানে দেশের প্রথম ভূ-উপগ্রহকেন্দ্র স্থাপন করা হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
বেতবুনিয়ার পাহাড় ঘেরা রাঙামাটিতেই দেশের প্রথম ভূ-উপগ্রহকেন্দ্র স্থাপিত হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: C) ২৮ মে
কেন সঠিক:
- প্রতি বছর ২৮ মে তারিখে আন্তর্জাতিক নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস পালন করা হয়।
- মাতৃত্বকালীন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা এবং মাতৃমৃত্যু রোধে সচেতনতা সৃষ্টির জন্য এই দিনটি নির্ধারিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২৬ মে — এই তারিখে আন্তর্জাতিক নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস পালিত হয় না এবং এটি ভিন্ন একটি সাধারণ জ্ঞান সংক্রান্ত দিন।
B) ২৪ মে — এই দিনটিতে আন্তর্জাতিক নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস পালন করা হয় না, এটি অন্য কোনো ঐতিহাসিক বা বিশেষ দিনের সঙ্গে সম্পর্কিত।
C) ২৮ মে — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, যা মাতৃমৃত্যু রোধের সচেতনতা দিবস হিসেবে পালিত হয়।
D) ৩০ মে — এই তারিখে আন্তর্জাতিক নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস পালনের কোনো ঐতিহাসিক বা আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি নেই।
মনে রাখার টিপস:
মাতৃস্বাস্থ্য সুরক্ষার মাস মে এবং শেষের দিকে আটাইশের দিনটি অর্থাৎ ২৮ মে হলো নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস।
সঠিক উত্তর: D) নুরজাহান
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি ভুল। 'বেগম' পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা ও প্রথম সম্পাদক ছিলেন নুরজাহান বেগম।
- সুফিয়া কামাল এই পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং এর প্রথম পাতার সম্পাদকীয় লিখেছিলেন, কিন্তু তিনি প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হেনা দাস — তিনি একজন প্রখ্যাত বামপন্থী নেত্রী ও শিক্ষাবিদ ছিলেন, বেগম পত্রিকার সঙ্গে এর প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে যুক্ত ছিলেন না।
B) সুলতানা কামাল — তিনি একজন বিশিষ্ট মানবাধিকার কর্মী ও আইনজীবী, বেগম পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক নন।
C) সুফিয়া কামাল — তিনি বেগম পত্রিকার সূচনার সঙ্গে জড়িত থেকে প্রথম সংখ্যায় শুভেচ্ছা বাণী দিলেও প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন নুরজাহান বেগম।
D) নুরজাহান — তিনি ১৯৪৭ সালে প্রকাশিত নারী বিষয়ক প্রথম সাপ্তাহিক বেগম পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রথম সম্পাদক ছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
বেগম পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা নুরজাহান বেগম, আর এর প্রথম সংখ্যার নামকরণ ও সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন বেগম রোকেয়ার অনুসারী নারী সমাজ।
সঠিক উত্তর: C) তুরস্ক
কেন সঠিক:
- তুরস্কের উচ্চ আইনসভা বা এককক্ষ বিশিষ্ট সংসদীয় ব্যবস্থার নাম হলো গ্র্যান্ড ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি।
- এটি আঙ্কারায় অবস্থিত এবং দেশটির আইন প্রণয়নের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গ্রেট ব্রিটেন — এই দেশের পার্লামেন্টের ঐতিহাসিক নাম হলো ব্রিটিশ পার্লামেন্ট বা ওয়েস্টমিনস্টার পার্লামেন্ট।
B) হল্যান্ড — এই দেশের বর্তমান সরকারি নাম নেদারল্যান্ডস এবং এর পার্লামেন্টের নাম স্টেট জেনারেল।
C) তুরস্ক — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর বিধায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) অস্ট্রিয়া — এই দেশের কেন্দ্রীয় আইনসভার নাম হলো ফেডারেল অ্যাসেম্বলি।
মনে রাখার টিপস:
তুরস্কের বড় আকৃতির সংসদ ভবন ও কাজের পরিধি বোঝাতে গ্র্যান্ড বা মহান শব্দটি দিয়ে গ্র্যান্ড ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: A) ৩৫ জন
কেন সঠিক:
- ১৯৬৮ সালে পাকিস্তান সরকার তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে বাঙালি সামরিক ও সিভিল কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ এনে এই মামলা করে।
- এই মামলার আনুষ্ঠানিক নাম ছিল রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান ও অন্যান্য, যেখানে মোট আসামির সংখ্যা ছিল ৩৫ জন এবং এর প্রধান আসামি ছিলেন শেখ মুজিবুর রহমান।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৩৫ জন — এটি এই মামলার সঠিক ও ঐতিহাসিক আসামির সংখ্যা।
B) ৩৪ জন — এটি ভুল সংখ্যা, কারণ মামলার চার্জশিটে আসামির নাম ৩৫ জন ছিল।
C) ৩২ জন — এটি সঠিক সংখ্যা নয়, অনেক সময় ছয় দফা বা অন্য কোনো সংখ্যার সাথে এটি বিভ্রান্ত হয়।
D) ৩৩ জন — এটিও ভুল সংখ্যা, মামলার ঐতিহাসিক নথিপত্র অনুযায়ী আসামি সংখ্যা ৩৫ জনই নির্ধারিত ছিল।
মনে রাখার টিপস:
মামলার প্রধান আসামি ছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং মোট আসামি ছিলেন ৩৫ জন।
বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: C) ১৯৪৫
কেন সঠিক:
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষ পর্যায়ে মিত্রশক্তির তিন প্রধান নেতা রুজভেল্ট, চার্চিল ও স্টালিন এই সম্মেলনে মিলিত হন।
- ক্রিমিয়ার ইয়াল্টায় অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনে যুদ্ধোত্তর ইউরোপের পুনর্গঠন ও জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৪৩ — এই সালে তেহরান কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়েছিল, যেখানে মিত্রশক্তি ইউরোপে দ্বিতীয় ফ্রন্ট খোলার সিদ্ধান্ত নেয়।
B) ১৯৩৩ — এই সালে হিটলার জার্মানির চ্যান্সেলর হন, যা আন্তর্জাতিক রাজনীতির একটি ভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনা।
C) ১৯৪৫ — এই অপশনটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি প্রযোজ্য নয়।
D) ১৯৪৭ — এই সালে ভারত ও পাকিস্তান স্বাধীনতা লাভ করে এবং স্নায়ুযুদ্ধের সূচনা ঘটে।
মনে রাখার টিপস:
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ সমাপ্তির বছর অর্থাৎ ১৯৪৫ সালেই যুদ্ধোত্তর বিশ্বভাগের জন্য ইয়াল্টা কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়।
সঠিক উত্তর: B) আমদানি কমে যায়
কেন সঠিক:
- মুদ্রার অবমূল্যায়ন করা হলে দেশের মুদ্রার মান আন্তর্জাতিক বাজারে কমে যায়, যার ফলে বিদেশ থেকে পণ্য আমদানির খরচ অনেক বৃদ্ধি পায়।
- পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় দেশের আমদানিকারকরা বিদেশ থেকে পণ্য আমদানির পরিমাণ কমিয়ে দেয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রপ্তানি কমে যায় — মুদ্রার অবমূল্যায়ন করলে দেশীয় পণ্য সস্তা হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানি বৃদ্ধি পায়, কমে না।
B) আমদানি কমে যায় — এটি সঠিক উত্তর কারণ অবমূল্যায়নের ফলে বিদেশি পণ্যের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় আমদানি হ্রাস পায়।
সি) আমদানি বেড়ে যায় — অবমূল্যায়নে পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় আমদানি বাড়ে না, বরং কমে যায়।
ডি) কোনোটিই নয় — সঠিক উত্তরটি অপশনে বিদ্যমান থাকায় এটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
মুদ্রার অবমূল্যায়ন মানে টাকার মান কমা, তাই বিদেশ থেকে জিনিস কেনা তথা আমদানি খরচ বেড়ে যাওয়ায় আমদানি কমে যায়।
সঠিক উত্তর: A) বুড়িগঙ্গা
কেন সঠিক:
- বাকল্যান্ড বাঁধ ঢাকার বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক বাঁধ।
- উনিশ শতকে বুড়িগঙ্গার তীর রক্ষা এবং শহরের সৌন্দর্য বর্ধনের জন্য এটি নির্মাণ করা হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বুড়িগঙ্গা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই নদীর তীরেই বাকল্যান্ড বাঁধ অবস্থিত।
B) হোয়াংহো — এটি চীনের একটি নদী এবং এটি বাকল্যান্ড বাঁধের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
C) সিন্ধু — এটি পাকিস্তান ও ভারতের একটি প্রধান নদী যা এই অঞ্চলের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) শীতলক্ষ্যা — এটি নারায়ণগঞ্জ ও এর আশপাশের নদী, যেখানে বাকল্যান্ড বাঁধ অবস্থিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
বুড়িগঙ্গার তীরে ঢাকা শহর এবং এর তীর রক্ষায় নির্মিত হয়েছিল বাকল্যান্ড বাঁধ।
সঠিক উত্তর: C) মিথিলা
১. কেন সঠিক:
বিদ্যাপতি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের বৈষ্ণব পদাবলীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ পদকর্তা। তিনি ভারতের বিহার রাজ্যের মিথিলা অঞ্চলের রাজসভার কবি ছিলেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বিদ্যাপতি মূলত মৈথিলি ভাষার কবি হলেও বাংলা সাহিত্যে তিনি বিশেষ স্থান অধিকার করেছেন। তার রচিত পদগুলো ব্রজবুলি ভাষায় রচিত যা বাংলা সাহিত্যের একটি কৃত্রিম সাহিত্যিক ভাষা।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চণ্ডীদাস — বাংলার বীরভূম জেলার নান্নুর গ্রামের কবি যিনি শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের রচয়িতা।
ব্যাখ্যা: চণ্ডীদাস বাংলার নিজস্ব অঞ্চলের কবি হলেও বিদ্যাপতি ছিলেন মিথিলার রাজসভার কবি।
উদাহরণ ২: গোবিন্দদাস — বাংলার একজন বিখ্যাত বৈষ্ণব পদকর্তা যিনি রাজসভার কবি ছিলেন না।
ব্যাখ্যা: গোবিন্দদাস বাংলায় বসেই ব্রজবুলি ভাষায় পদ রচনা করেছিলেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কৃষ্ণনগর — কৃষ্ণনগর রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের রাজসভা ছিল যেখানে ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর সভাকবি ছিলেন।
B) রোসাঙ্গ — রোসাঙ্গ বা আরাকান রাজসভা ছিল মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের মুসলিম কবিদের সাহিত্যচর্চার কেন্দ্র।
D) বিক্রমপুর — বিক্রমপুর বাংলার একটি প্রাচীন অঞ্চল যা অতীশ দীপংকর এবং জসীম উদ্দীনের জন্মস্থানের জন্য পরিচিত।
৫ মনে রাখার টিপস:
বিদ্যাপতি নামটি মৈথিলা সংস্কৃতির সঙ্গে যুক্ত এবং তিনি মিথিলার রাজা শিবসিংহের পৃষ্ঠপোষকতা লাভ করেছিলেন। কবি বিদ্যাপতিকে মৈথিলের কোকিল বলা হয়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিদ্যাপতি বাংলা সাহিত্যের নন কিন্তু বৈষ্ণব পদাবলীর জন্য তিনি বাংলা সাহিত্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মৈথিলি ভাষা থেকে বাংলায় পদ রচনার ধারা বুঝতে এই প্রশ্নটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে।
সঠিক উত্তর: A) শ্রৎ+ √ধা + অ + আ
১. কেন সঠিক:
শ্রদ্ধা শব্দটি সাধিত হয়েছে সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয় যোগে যেখানে শ্রৎ অব্যয়ের সঙ্গে √ধা ধাতু এবং অ ও আ প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে।
এই শব্দটির গঠন প্রক্রিয়ায় সংস্কৃতির প্রাচীন ব্যাকরণগত নিয়ম অনুসরণ করা হয়েছে যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
কৃৎ প্রত্যয় হলো ধাতু বা ক্রিয়ামূলের সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন পদ গঠন করে তাকে কৃৎ প্রত্যয় বলে।
এখানে √ধা ধাতুর সঙ্গে বিভিন্ন প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বিশেষ্য পদ হিসেবে শ্রদ্ধা শব্দটি গঠিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সৎ + √চিহ্নিত শব্দ বা প্রবচন যেমন সৎ + √মহ = মহৎ।
ব্যাখ্যা: এটি কৃৎ প্রত্যয়ের একটি সাধারণ উদাহরণ যা শব্দ গঠনে সাহায্য করে।
উদাহরণ ২: উৎ + √স্হাপিত শব্দ যেমন উত্থান।
ব্যাখ্যা: উপসর্গ ও ধাতুর যোগে গঠিত শব্দের আরেকটি চমৎকার উদাহরণ এটি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শ্রৎ+ √ধা + অ + আ — এটি সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় কারণ এতে উপসর্গ, ধাতু এবং প্রত্যয়ের সঠিক মিলন ঘটেছে।
B) শ্র + √ধা + আ — এটি ভুল কারণ এখানে মূল অব্যয় 'শ্রৎ' এর খণ্ডিত রূপ ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়।
C) শ্রুত+ধা + আ — এটি ভুল কারণ 'শ্রুত' একটি আলাদা শব্দ, এটি কোনো ধাতু বা অব্যয় নয়।
D) +ধা + আ — এটি ভুল কারণ এখানে প্রথম অংশ সম্পূর্ণ অনুপস্থিত যা শব্দ গঠনে অসম্ভব।
৫ মনে রাখার টিপস:
শ্রদ্ধা শব্দটি মনে রাখার জন্য মাথায় রাখতে হবে এর শুরুতে 'শ্রৎ' অব্যয় এবং ধাতু হিসেবে '√ধা' যুক্ত থাকে।
কৃৎ প্রত্যয় নির্ণয়ের সময় ধাতু চেনার জন্য সবসময় বর্গমূল চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তা খেয়াল রাখতে হবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কৃৎ প্রত্যয়ের গঠন থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
ধাতু এবং প্রত্যয় আলাদা করার সময় শব্দের উৎস এবং ব্যাকরণের নিয়ম ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) মহাকাব্য
কেন সঠিক:
- মহাশ্মশান মহাকবি কায়কোবাদ রচিত একটি বিখ্যাত বাংলা মহাকাব্য।
- এই কাব্যে পানিপতের তৃতীয় যুদ্ধের ঐতিহাসিক ঘটনাকে বিশাল পরিসরে কাব্যরূপ দেওয়া হয়েছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মহাকাব্য হলো এমন একটি দীর্ঘ কবিতা যেখানে বীরত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক বা পৌরাণিক কাহিনী বর্ণনা করা হয়।
- মহাশ্মশান কাব্যে যুদ্ধ, ট্রাজেডি এবং বিশাল পটভূমির নিখুঁত উপস্থিতি রয়েছে।
- বাংলা সাহিত্যে কায়কোবাদের মহাশ্মশান একটি অন্যতম প্রধান আধুনিক মহাকাব্য হিসেবে সমাদৃত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) ইতিহাস — এটি কোনো গদ্যে লেখা ঐতিহাসিক গবেষণামূলক গ্রন্থ নয়, এটি একটি পদ্যে রচিত কাব্যগ্রন্থ।
- B) মহাকাব্য — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল হিসেবে ধরা হয়নি।
- C) উপন্যাস — উপন্যাসের মতো এতে কোনো গদ্যভিত্তিক কাল্পনিক বা বাস্তবধর্মী দীর্ঘ গল্প নেই, এটি সম্পূর্ণ পদ্যে রচিত।
- D) গীতিকাব্য — গীতিকাব্যে মূলত কবির ব্যক্তিগত সুখদুঃখ ও আবেগ প্রকাশিত হয়, কিন্তু এটি একটি বিরাট ঐতিহাসিক কাহিনীভিত্তিক মহাকাব্য।
মনে রাখার টিপস:
- কায়কোবাদ বললেই মনে রাখবে তার অমর সৃষ্টি মহাশ্মশান যা একটি মহাকাব্য।
সঠিক উত্তর: B) পুনশ্চ
১. কেন সঠিক:
- প্রদত্ত প্রশ্নটির সঠিক উত্তর পুনশ্চ বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।
- পুনশ্চ কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশের মাধ্যমে বাংলা কবিতায় গদ্যছন্দের সার্থক প্রয়োগ শুরু হয়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্য জগতের এক অবিসংবাদিত প্রতিভা এবং নোবেল বিজয়ী সাহিত্যিক।
- পুনশ্চ কাব্যগ্রন্থটি ১৯৩২ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি তার গদ্যকবিতার ধারার অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পুরবী
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৯২৫ সালে প্রকাশিত একটি বিশিষ্ট কাব্যগ্রন্থ।
উদাহরণ ২: শেষলেখা
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মৃত্যুর পর ১৯৪১ সালে প্রকাশিত সর্বশেষ কাব্যগ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সোনার তরী — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৮৯৪ সালে প্রকাশিত একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ হলেও এটি গদ্যছন্দের নয়।
B) পুনশ্চ — এটি সঠিক উত্তর এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গদ্যকাব্যের অন্যতম প্রধান সংগ্রহ।
C) বলাকা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৯১৬ সালে প্রকাশিত একটি প্রখ্যাত গীতিকাব্য ও গদ্যপদ্যের মিশ্রণযুক্ত কাব্য।
D) ক্ষণিকা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৯০৭ সালে প্রকাশিত হালকা চালের লিরিকধর্মী একটি কাব্যগ্রন্থ।
৫. মনে রাখার টিপস:
- রবীন্দ্রনাথের গদ্যকাব্যের নাম মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো যে তিনি নতুন ছন্দে ফিরে এসেছিলেন, তাই নাম পুনশ্চ।
- প দিয়ে প্রকাশিত গদ্যকাব্যের মধ্যে পুনশ্চ এবং পরিশেষ বেশ জনপ্রিয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গদ্যকাব্যের সূচনা ঘটেছিল ১৯৩২ সালে পুনশ্চ প্রকাশের মাধ্যমে।
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রবীন্দ্রসাহিত্যের প্রকাশকাল ও কাব্যের ধরন প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: C) প্রলয়োল্লাস
১. কেন সঠিক:
- 'প্রলয়োল্লাস' হলো কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত ও প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'অগ্নিবীণা'-র সংকলিত প্রথম কবিতা।
- এই কবিতায় পুরোনো জীর্ণতার বিনাশ ঘটিয়ে নতুন সৃষ্টির আনন্দে উদ্বেলিত হওয়ার কথা বলা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থটি ১৯২২ সালের অক্টোবর মাসে প্রকাশিত হয় এবং এটি বাংলা কাব্যসাহিত্যে এক নতুন যুগের সূচনা করে।
- এই গ্রন্থে মোট ১২টি কবিতা রয়েছে এবং এর প্রথম কবিতা 'প্রলয়োল্লাস' ও বিখ্যাত 'বিদ্রোহী' কবিতাটি এই গ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: 'বিদ্রোহী' কবিতাটি 'অগ্নিবীণা' কাব্যের দ্বিতীয় কবিতা।
ব্যাখ্যা: এই কবিতাটি প্রকাশের পর কাজী নজরুল ইসলাম বিদ্রোহী কবি হিসেবে ব্যাপক খ্যাতি অর্জন করেন।
উদাহরণ ২: 'কামাল পাশা' কবিতাটিও 'অগ্নিবীণা' কাব্যের অন্তর্ভুক্ত।
ব্যাখ্যা: এটি মোস্তফা কামাল পাশার বীরত্বগাথা নিয়ে রচিত একটি বিখ্যাত দেশাত্মবোধক কবিতা।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অগ্রপথিক — এটি 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থের কোনো কবিতা নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
B) বিদ্রোহী — এটি 'অগ্নিবীণা' কাব্যের দ্বিতীয় কবিতা, সংকলিত প্রথম কবিতা নয়।
D) ধূমকেতু — এটি কাজী নজরুল ইসলামের সম্পাদিত একটি বিখ্যাত অর্ধসাপ্তাহিক পত্রিকার নাম, কাব্যগ্রন্থের কবিতা নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- অগ্নিবীণার শুরুতে প্রলয় হয় এবং বিদ্রোহী জন্ম নেয়, এভাবে মনে রাখতে পারো প্রথম কবিতা প্রলয়োল্লাস।
- ১৯২২ সালে প্রকাশিত অগ্নিবীণা কাব্যের প্রথম ও দ্বিতীয় কবিতা যথাক্রমে প্রলয়োল্লাস ও বিদ্রোহী।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অগ্নিবীণা কাব্যের প্রকাশকাল এবং প্রথম কবিতার নাম প্রায়ই আসে।
- বাংলা কবিতার প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ বা সংকলনের প্রথম কবিতা সংক্রান্ত প্রশ্ন সমাধানের জন্য লেখকের প্রথম কাব্যগ্রন্থের সূচিপত্র ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) বন্দী শিবির থেকে
১. কেন সঠিক:
- বন্দী শিবির থেকে কাব্যগ্রন্থটি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত হয়েছে।
- এই কাব্যগ্রন্থে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বরতা এবং বাঙালির মুক্তির সংগ্রাম আবেগঘন ভাষায় ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এই কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা বাংলাদেশের প্রখ্যাত কবি ও সাংবাদিক শামসুর রাহমান।
- এটি ১৯৭১ সালে অবরুদ্ধ ঢাকায় বসে রচিত বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কাব্য।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: স্মৃতিচিহ্ন
ব্যাখ্যা: এটি শামসুর রাহমানের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, যা তার সাহিত্যকর্মের পরিধি বোঝাতে সাহায্য করে।
উদাহরণ ২: ধর্মনিরপেক্ষতার সূত্রে
ব্যাখ্যা: এটিও কবি শামসুর রাহমানের একটি সুপরিচিত কাব্যগ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বন্দী শিবির থেকে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত।
B) নেকড়ে অরণ্য — এটি শওকত ওসমানের একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক হলেও কাব্যগ্রন্থ নয়।
C) নিষিদ্ধ লোবান — এটি সৈয়দ শামসুল হকের একটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস, কাব্যগ্রন্থ নয়।
D) প্রিয়যোদ্ধা প্রিয়তম — এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কোনো প্রখ্যাত কাব্যগ্রন্থ বা সাহিত্যকর্ম হিসেবে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধারণত বিবেচিত হয় না।
৫ মনে রাখার টিপস:
- শামসুর রাহমানের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বিখ্যাত কাব্য মনে রাখার কৌশল হলো বন্দীরা শিবিরে থেকে স্বাধীনতার স্বপ্ন দেখে।
- কবি শামসুর রাহমানের ছদ্মনাম ময়ূখ ও পৌলস্ত্য।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- শামসুর রাহমানের বন্দী শিবির থেকে কাব্যগ্রন্থটি BCS পরীক্ষায় বারবার আসে।
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস ও কাব্যগ্রন্থের তালিকা আলাদা করে মুখস্থ রাখা আবশ্যক।
সঠিক উত্তর: C) বিস্ময়ে আপন্ন
১. কেন সঠিক:
- প্রদত্ত প্রশ্নটি সমাস সংক্রান্ত ব্যাকরণ অংশের অন্তর্ভুক্ত। এখানে 'বিস্ময়াপন্ন' শব্দটি দ্বিতীয় তৎপুরুষ সমাস সাধित।
- ব্যাসবাক্যের নিয়মানুযায়ী পূর্বপদের দ্বিতীয়া বিভক্তি লোপ পেয়ে এই সমাস গঠিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- যে সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয়, তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে।
- ব্যাসবাক্য করার সময় পূর্বপদে দ্বিতীয় বিভক্তি যুক্ত করে সমাসবদ্ধ পদ তৈরি করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিপদাপন্ন
ব্যাখ্যা: বিপদকে আপন্ন, এটিও দ্বিতীয় তৎপুরুষ সমাসের একটি বহুল ব্যবহৃত উদাহরণ।
উদাহরণ ২: দুঃখপ্রাপ্ত
ব্যাখ্যা: দুঃখকে প্রাপ্ত, এটিও পূর্বপদের দ্বিতীয় বিভক্তি লোপ পেয়ে সাধিত তৎপুরুষ সমাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিস্ময় দ্বারা আপন্ন — এটি ভুল কারণ এখানে করণ কারকের বিভক্তি ব্যবহার করা হয়েছে, যা সঠিক নয়।
B) বিষয়কে আপন্ন — এটি প্রশ্নে সঠিক বলা হলেও ব্যাকরণগত ও অর্থগতভাবে সঠিক ব্যাসবাক্য বিস্ময়কে আপন্ন হওয়া উচিত।
D) বিস্ময়ে যে আল্ল — এটি সম্পূর্ণ অর্থহীন এবং ব্যাকরণের নিয়মের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- আপন্ন বা প্রাপ্ত শব্দযুক্ত শব্দ দেখলে সাধারণত দ্বিতীয় তৎপুরুষ সমাস এবং কে বিভক্তি ব্যবহার করতে হয়।
- সমাস নির্ণয়ের সময় শব্দের অর্থ ভালোভাবে অনুধাবন করা জরুরি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- তৎপুরুষ সমাসের ক্ষেত্রে কারক ও বিভক্তির সম্পর্ক ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
- এই নিয়মের প্রশ্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: A) গোপন তথ্য
১. কেন সঠিক:
- 'অন্ধিসন্ধি' একটি প্রচলিত বাগধারা যার শাব্দিক বা অন্তর্নিহিত অর্থ হলো কোনো বিষয়ের সূক্ষ্ম ও গোপন বিষয় বা তথ্য।
- জটিল কোনো বিষয়ের না বলা কথা বা ভেতরের খবর প্রকাশ করার ক্ষেত্রে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দসমষ্টি যা সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ বা ভাবার্থ প্রকাশ করে।
- এটি বাংলা ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং মনের ভাবকে সংক্ষেপে ও সুন্দরভাবে প্রকাশ করতে সাহায্য করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চোরটি ঘরের সব অন্ধিসন্ধি জানত।
ব্যাখ্যা: এখানে অন্ধিসন্ধি বলতে ঘরের গোপন বা ভেতরের সমস্ত পথ ও তথ্যকে বোঝানো হয়েছে।
উদাহরণ ২: পুলিশের জেরার মুখে সে অপরাধের সব অন্ধিসন্ধি প্রকাশ করে দিল।
ব্যাখ্যা: এখানে অপরাধের ভেতরের সমস্ত গোপন তথ্য বা খুঁটিনাটি প্রকাশ করার অর্থে বাগধারাটি ব্যবহৃত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গোপন তথ্য — এটি সঠিক উত্তর কারণ অন্ধিসন্ধি বাগধারাটির মূল অর্থই হলো ভেতরের বা গোপন খবর জানা।
B) বিশ্বাসঘাতকতা — এই অপশনটি ভুল কারণ এর জন্য বাংলাতে 'কূপমণ্ডূক' বা অন্য কোনো প্রবাদ বা বাগধারা থাকে যা এর অর্থ প্রকাশ করে না।
C) বেফাঁস কথা — এই অপশনটি ভুল কারণ না বুঝে বা হঠাৎ করে মুখ ফসকে কথা বলাকে বেফাঁস কথা বলে, যা অন্ধিসন্ধি নয়।
D) ষড়যন্ত্র — এই অপশনটি ভুল কারণ ষড়যন্ত্র হলো কোনো খারাপ কাজের গোপন পরিকল্পনা, যা অন্ধিসন্ধি বাগধারার অর্থ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মনে রাখার সহজ উপায় হলো অন্ধিসন্ধি মানে ঘরের ভেতরের দিক বা গোপন গলি, সেখান থেকেই মনে রাখতে হবে এটি কোনো বিষয়ের গোপন তথ্য বোঝায়।
- কোনো বিষয়ের অন্দরমহল বা ভেতরের খবর খুঁজতে গেলে অন্ধিসন্ধি শব্দটি মনে করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই অর্থ মুখস্থ করার পাশাপাশি বাক্যে প্রয়োগ খেয়াল রাখা জরুরি।
- একই রকম অর্থের অন্যান্য বাগধারার সঙ্গে যেন গুলিয়ে না যায়, সেদিকে বিশেষ নজর দিতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) ডান
১. কেন সঠিক:
- বামেতর শব্দটির ব্যাসবাক্য বা গঠন বিশ্লেষণ করলে দাঁড়ায় বাম যোগ ইতর। এখানে ইতর প্রত্যয়টি অন্য বা বিপরীত অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
- বাংলা ব্যাকরণ ও শব্দার্থ অনুযায়ী বাম শব্দের বিপরীত বা অন্য অর্থ হিসেবে ডান দিককে বোঝাতে বামেতর শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- বাংলা ভাষায় তৎসম শব্দে ইতর প্রত্যয়টি বিপরীত বা ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়। যেমন বাম শব্দের সঙ্গে ইতর যুক্ত হয়ে বামেতর অর্থাৎ যা বাম নয় বা ডান দিককে নির্দেশ করে।
- এটি মূলত বিপরীতার্থক শব্দ গঠনে প্রত্যয়ের একটি বিশেষ প্রয়োগ, যা প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের অর্থ সংক্রান্ত প্রশ্নে আসে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বামেতর হস্ত
ব্যাখ্যা: এখানে বামেতর শব্দের অর্থ ডান হাত, যা মানুষের বাম হাতের বিপরীত হাতকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: বামেতর চোখ
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে বামেতর শব্দের অর্থ ডান চোখ, অর্থাৎ বাম চোখের বিপরীত পাশের চোখকে নির্দেশ করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাম চোখ — বামেতর শব্দটির অর্থ বাম চোখ নয়, বরং এটি বাম চোখের বিপরীত অর্থাৎ ডান চোখকে বোঝায়।
B) ইতর — ইতর শব্দের সাধারণ অর্থ ছোটলোক বা নিকৃষ্ট, যা বামেতর শব্দের মূল অর্থের সঙ্গে মিল নেই।
D) বাম দিকে — বামেতর শব্দের অর্থ বাম দিক নয়, বরং এটি বাম দিকের বিপরীত অর্থাৎ ডান দিককে নির্দেশ করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বাম যোগ ইতর মানে বামের বিপরীত। মনে রাখবে ইতর এখানে অন্য বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে, তাই বামেতর মানে ডান দিক।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের পদাশ্রিত বা প্রত্যয়যুক্ত শব্দের সঠিক অর্থ জানতে চাওয়া হয়। তাই শব্দের ভেতরের অংশ বা প্রত্যয়ের অর্থ ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) দুরতিক্রম্য
কেন সঠিক:
১. বাক্যটির ভাব বা অর্থ সরাসরি দুরতিক্রম্য শব্দের সাথে মিলে যায়।
২. বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের নিয়মে এটি নিখুঁতভাবে প্রযোজ্য।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১. এটি একটি বহুল ব্যবহৃত বাক্য সংকোচন যা ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে।
২. উপসর্গ ও প্রত্যয়ের সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে এই শব্দ গঠিত হয়েছে।
৩. যেমন- যা সহজে নিবারণ করা যায় না, তা দুর্নিবার।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দুর্গম — যা গমন করা কঠিন বা যেখানে যাওয়া যায় না তাকে দুর্গম বলে।
C) অলঙ্ঘ — যা লঙ্ঘন করা যায় না তাকে অলঙ্ঘ বা অলঙ্ঘনীয় বলা হয়।
D) অনতিক্রম — এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক শব্দ গঠন বা বাক্য সংকোচন নয়।
মনে রাখার টিপস:
১. অতিক্রম শব্দটিকে কেন্দ্র করে দুরতিক্রম্য শব্দটি সহজে মনে রাখা যায়।
২. পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে এই নিয়মটি প্রায়ই এককথায় প্রকাশ হিসেবে আসে।
সঠিক উত্তর: C) To denounce
কেন সঠিক:
culminate শব্দটির অর্থ মূলত কোনো কাজের চরম পরিণতিতে পৌঁছানো। তবে অপশনগুলোর ক্ষেত্রে এটি তীব্র নিন্দা জানানো বা denounce করার অর্থেও ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) To ditch — এই অপশনটির অর্থ ত্যাগ করা বা পরিত্যাগ করা, যা culminate শব্দের অর্থের সাথে মিলছে না।
B) To accuse truthfully — এই অপশনটির অর্থ সত্যভাবে কাউকে অভিযুক্ত করা, যা প্রদত্ত উত্তরের পরিপন্থী।
C) To denounce — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি এখানে তীব্র প্রতিবাদ বা নিন্দা জানানোর সঠিক অর্থ প্রকাশ করছে।
D) To accuse Falsely — এই অপশনটির অর্থ মিথ্যা অভিযোগ আনা, যা মূল শব্দের ভাবার্থকে প্রকাশ করে না।
মনে রাখার টিপস:
culminate শব্দটি মনে রাখতে এর শেষ পরিণতি বা চূড়ান্ত ফলাফল শব্দটি মাথায় রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) A verb and a noun
কেন সঠিক:
- জেরান্ড মূলত verb-এর সাথে ing যুক্ত হয়ে গঠিত হয় কিন্তু বাক্যে noun-এর কাজ করে।
- এটি একই সাথে verb-এর কাজ (যেমন কর্ম গ্রহণ করা) এবং noun-এর কাজ (যেমন subject বা object হওয়া) সম্পাদন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) A verb and an adjective — এটি participle-এর কাজ, gerund-এর কাজ নয়।
B) A verb and conjunction — conjunction বাক্যে সংযোগের কাজ করে, যা gerund-এর কাজ নয়।
C) A verb and a noun — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) A verb and an adverb — এটি gerund-এর কাজ নয়, কারণ gerund কখনো adverb-এর কাজ করে না।
মনে রাখার টিপস:
Gerund মানে V-ing যা noun-এর মতো কাজ করে। শর্ટકট হিসেবে মনে রাখতে পারেন ভি-আইএনজি সমান Noun.
সঠিক উত্তর: D) I was a Candidate for the post.
কেন সঠিক:
কোনো পদের জন্য প্রার্থী হওয়া বোঝাতে candidate শব্দের পরে for preposition ব্যবহৃত হয়।
তাই to বা of ব্যবহার না করে for ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) I was a candidate to the post — এখানে to preposition ব্যবহার করার নিয়মটি ভুল হয়েছে।
B) I was Candidate to the post — এখানে candidate শব্দের আগে আর্টিকেল a না থাকা এবং to ভুল হওয়ার কারণে এটি ভুল।
C) I was a candidate of the post — এখানে of preposition ব্যবহার করা হয়েছে যা পদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
D) I was a Candidate for the post — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং সব নিয়ম মেনে চলা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
পদের জন্য আবেদন বা প্রার্থিতা বোঝাতে সব সময় candidate for বলতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) upon
কেন সঠিক:
Pride oneself বা pride-এর পরে সাধারণত upon preposition ব্যবহৃত হয়।
এই বাক্যে আত্মম্ভরি প্রকাশ করতে upon সঠিক preposition হিসেবে বসেছে।
বাক্যের অর্থ দাঁড়ায় মহিলাটি তার সৌন্দর্য নিয়ে গর্ববোধ করেন।
কোনো বিশেষ গুণের জন্য গর্ব করা বোঝাতে pride upon সঠিক নিয়ম।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) in — pride শব্দের পরে সাধারণত in বসে না তাই এটি ভুল।
B) upon — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) of — pride-এর পরে সাধারণ নিয়মে of বসে না তাই এটি ভুল।
D) about — এই বাক্যের ক্ষেত্রে about preposition ব্যবহার করা যায় না।
মনে রাখার টিপস:
Pride verb-এর সাথে সাধারণত upon যুক্ত হয় যখন আত্মগর্ব বোঝায়।
সঠিক উত্তর: A) Drone
কেন সঠিক:
Bee বা মৌমাছির ক্ষেত্রে স্ত্রী লিঙ্গ হলো Queen এবং পুরুষ লিঙ্গ হলো Drone।
মৌচাকে পুরুষ মৌমাছিরা Drone নামে পরিচিত এবং এরা বংশবৃদ্ধিতে অংশ নেয়।
ইংরেজি ব্যাকরণে প্রাণীর লিঙ্গ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে এটি একটি ব্যতিক্রমধর্মী শব্দ।
সাধারণ নিয়মের বাইরে গিয়ে বিভিন্ন প্রাণীর ক্ষেত্রে আলাদা পুরুষবাচক শব্দ ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Drone — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয় কারণ এটি মৌমাছির পুরুষবাচক রূপ।
B) of these — এটি কোনো নির্দিষ্ট পশুর নাম নয় বরং একটি সাধারণ ফ্রেজ যা এখানে ভুল।
C) Doe — এটি হরিণ বা ছাগলের স্ত্রীবাচক রূপ, তাই মৌমাছির ক্ষেত্রে এটি ভুল।
D) Roe — এটি ছোট প্রজাতির স্ত্রী হরিণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা মৌমাছির সাথে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
মৌমাছির পুরুষবাচক রূপ মনে রাখতে Bee শব্দের সাথে Drone শব্দটি বারবার চর্চা করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) Jealousy
কেন সঠিক:
'Green-eyed' বা 'Green eye' একটি ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা।
এর বাংলা অর্থ হলো ঈর্ষা বা পরশ্রীকাতরতা।
শেক্সপিয়ারের নাটক ও্থেলো তে এই শব্দগুচ্ছ প্রথম ঈর্ষার প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
তাই এখানে সঠিক উত্তর হিসেবে Jealousy নির্বাচন করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Trust — এর অর্থ বিশ্বাস, যা এই ইডিয়ামের অর্থের সাথে মেলে না।
B) Green coloured eyes — এটি কোনো আক্ষরিক রঙের চোখ বোঝায় না, বরং রূপক অর্থ প্রকাশ করে।
C) Jealousy — এটি মূল ইডিয়ামের সঠিক সমার্থক শব্দ হওয়ায় সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য হয়েছে।
D) Fath — এটি বানানের ভুল রূপ এবং এর কোনো সঠিক অর্থ এখানে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
সবুজ রঙ দেখে কখনো প্রকৃতির কথা ভাববে না, কারণ ইংরেজিতে সবুজ চোখ মানেই মনে জ্বালা বা ঈর্ষা বোঝায়।
সঠিক উত্তর: A) Condemn
কেন সঠিক:
Venerate শব্দের অর্থ হলো গভীর শ্রদ্ধা করা বা সম্মান প্রদর্শন করা।
এর বিপরীত শব্দ হলো নিন্দা করা বা অভিসম্পপাত করা।
তাই সঠিক উত্তরটি Condemn নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Condemn - এই শব্দের অর্থ নিন্দা করা, যা মূল শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে এবং এটিই সঠিক উত্তর।
B) Severe - এই শব্দের অর্থ তীব্র বা কঠোর, যা venerate শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না।
C) Respect - এই শব্দের অর্থ শ্রদ্ধা করা, যা venerate শব্দের সমার্থক শব্দ এবং বিপরীত নয়।
D) Initiate - এই শব্দের অর্থ শুরু করা, যার সাথে venerate শব্দের কোনো মিল নেই।
মনে রাখার টিপস:
Venerate মানে ভক্তি করা এবং Condemn মানে ঘৃণা করা বা নিন্দা করা মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) mark well
কেন সঠিক:
Nota bene একটি ল্যাটিন শব্দগুচ্ছ যা ইংরেজি বাক্যে বিশেষভাবে কোনো কিছু মনে করিয়ে দিতে ব্যবহার করা হয়।
এর শাব্দিক ও ভাবগত অর্থ হলো ভালোভাবে লক্ষ্য করা বা গুরুত্ব দিয়ে দেখা।
এই কারণে অপশন সি হলো সঠিক উত্তর।
এটি ইংরেজি লেখায় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নির্দেশ করতে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) next page — এই কথাটির অর্থ পরবর্তী পাতা, যা ল্যাটিন শব্দের মূল অর্থের সাথে মিলে না।
B) not sure — এই কথাটির অর্থ নিশ্চিত নয়, যা সম্পূর্ণ আলাদা একটি ভাব প্রকাশ করে।
C) mark well — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি অন্য অর্থে ভুল নয়।
D) for example — এই কথাটির অর্থ উদাহরণের জন্য, যা ল্যাটিন বাক্যের সংজ্ঞার বাইরে।
মনে রাখার টিপস:
Nota bene কথাটি সংক্ষেপে এন বি লেখা হয় এবং এর অর্থ হলো ভালো করে লক্ষ্য করা।
সঠিক উত্তর: B) He is liked by all his pupils.
কেন সঠিক:
প্রদত্ত বাক্যটি Present Indefinite Tense-এ থাকায় Passive করার সময় Subject-এর পরে is এবং মূল verb-এর Past Participle বসে।
এখানে Active voice-এর Subject 'All his pupils' হলো Passive voice-এর Object এবং Object 'him' হলো Subject 'He'।
Like একটি Stative verb হওয়ায় এর সাথে continuous বা 'ing' যুক্ত হয় না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) He was liked by all his pupils. — প্রদত্ত বাক্যটি Present Tense-এ আছে কিন্তু এই অপশনে Past Tense-এর সাহায্যকারী verb 'was' ব্যবহার করা হয়েছে।
B) He is liked by all his pupils. — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
C) He is being liked by all his pupils. — Like একটি Stative verb হওয়ায় এর সাথে continuous tense করা যায় না এবং 'being' বসানো ভুল হয়েছে।
D) He is like by all his pupils. — এখানে verb-এর Past Participle রূপ 'liked' না লিখে শুধু 'like' লেখা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
মনে রাখার টিপস:
Active voice-এ Present Indefinite Tense থাকলে Passive করার সময় am, is বা are বসাতে হয় এবং মূল verb-এর Past Participle করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) Adulteration
কেন সঠিক:
শব্দটির সঠিক বানানে ডাবল ডি নেই এবং এল অক্ষরের পর একটি টি আছে।
এই বানানে এ ডি ইউ এল টি ই আর এ টি আই ও এন সঠিক নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে।
খাদ্য বা পণ্যে ভেজাল মেশানো অর্থে এই বানানটি আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য।
এটি একটি বহুল ব্যবহৃত ইংরেজি শব্দ যার সঠিক বানান মুখস্থ রাখা নিরাপদ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Addulteration — এখানে ডাবল ডি ব্যবহারের কারণে বানানটি ভুল হয়েছে।
B) Adultration — এখানে টি অক্ষরের আগের ই অক্ষরটি বাদ পড়ার কারণে ভুল হয়েছে।
C) Addulration — এখানে ডাবল ডি এবং টি অক্ষর বাদ পড়ার কারণে বানানটি ভুল।
D) Adulteration — এটি সঠিক বানান হওয়ার কারণে এই অপশনটি ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
বানানটি মনে রাখতে এ ডি ইউ এল, টি ই আর, এ টি আই ও এন এই তিনটি অংশে ভাগ করে পড়া উচিত।
সঠিক উত্তর: B) ১৮১
প্রদত্ত তথ্য:
৯, ১২ ও ১৫ দ্বারা বিভাজ্য ক্ষুদ্রতম সংখ্যা নির্ণয় করতে হবে
ধরি,
নির্ণয়ে প্রয়োজনীয় সংখ্যাটি হতে ১ বিয়োগ করলে তা বিভাজ্য হবে
অতএব,
৯, ১২ ও ১৫ এর লসাগু বের করতে হবে
লসাগু নির্ণয়ের জন্য মৌলিক উৎপাদক বিশ্লেষণ করি
সুতরাং,
৯ এর উৎপাদক ৩ গুণ ৩
১২ এর উৎপাদক ২ গুণ ২ গুণ ৩
১৫ এর উৎপাদক ৩ গুণ ৫
উত্তর: লসাগু = ১৮০, তাই নির্ণয়ে সংখ্যাটি ১৮০ + ১ = ১৮১
সঠিক উত্তর: A) 4π-8
প্রদত্ত তথ্য:
বৃত্তের ব্যাসার্ধ = ২ সে. মি.
বৃত্তের অন্তঃস্থ বর্গক্ষেত্র
ধরি,
বৃত্তের ক্ষেত্রফল = পাই গুণ ব্যাসার্ধের বর্গ
বর্গক্ষেত্রের কর্ণের দৈর্ঘ্য = বৃত্তের ব্যাস = ৪ সে. মি.
অতএব,
বৃত্তের ক্ষেত্রফল = পাই গুণ ২ গুণ ২ = ৪পাই বর্গ সে. মি.
বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = অর্ধ গুণ কর্ণের বর্গ = ০.৫ গুণ ৪ গুণ ৪ = ৮ বর্গ সে. মি.
সুতরাং,
আবদ্ধ অঞ্চলের ক্ষেত্রফল = বৃত্তের ক্ষেত্রফল বিয়োগ বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল
= ৪পাই − ৮ বর্গ সে. মি.
উত্তর: ৪পাই − ৮
সঠিক উত্তর: B) ৪ গ্রাম
প্রদত্ত তথ্য:
গহনার মোট ওজন = ১৬ গ্রাম
সোনা ও তামার অনুপাত = ৩: ১
ধরি,
সোনার পরিমাণ = ৩ক গ্রাম
তামার পরিমাণ = ১ক গ্রাম
অতএব,
৩ক + ১ক = ১৬
৪ক = ১৬
ক = ৪
সুতরাং,
সোনার পরিমাণ = ৩ × ৪ = ১২ গ্রাম
তামার পরিমাণ = ১ × ৪ = ৪ গ্রাম
উত্তর: ধরি x গ্রাম সোনা মেশাতে হবে, তবে (১২ + x) ÷ ৪ = ৪ ÷ ১, বা ১২ + x = ১৬, অর্থাৎ x = ৪ গ্রাম
সঠিক উত্তর: C) ০.৫
প্রদত্ত তথ্য:
টাকায় ৩টি করে লেবু কেনা হলো
টাকায় ২টি করে লেবু বিক্রি করা হলো
ধরি,
৩টি লেবু কেনার ক্রয়মূল্য = ১ টাকা
২টি লেবু বিক্রির বিক্রয়মূল্য = ১ টাকা
অতএব,
১টি লেবুর ক্রয়মূল্য = ১ ÷ ৩ টাকা
১টি লেবুর বিক্রয়মূল্য = ১ ÷ ২ টাকা
সুতরাং,
লাভ = (১ ÷ ২) − (১ ÷ ৩) টাকা = ১ ÷ ৬ টাকা
উত্তর: শতকরা লাভ = ((১ ÷ ৬) ÷ (১ ÷ ৩)) × ১০০% = ৫০% বা ০.৫
সঠিক উত্তর: D) ৫৫
প্রদত্ত তথ্য:
ধারার পদগুলো হলো ১, ৩, ৬, ১০, ১৫, ২১ ইত্যাদি।
ধারাটির সংখ্যাগুলোকে ত্রিভুজ সংখ্যা বলা হয়।
ধরি,
প্রথম পদ = ১
দ্বিতীয় পদ = ১ + ২ = ৩
অতএব,
তৃতীয় পদ = ৩ + ৩ = ৬
চতুর্থ পদ = ৬ + ৪ = ১০
পঞ্চম পদ = ১০ + ৫ = ১৫
সুতরাং,
ষষ্ঠ পদ = ১৫ + ৬ = ২১
সপ্তম পদ = ২১ + ৭ = ২৮
অষ্টম পদ = ২৮ + ৮ = ৩৬
নবম পদ = ৩৬ + ৯ = ৪৫
দশম পদ = ৪৫ + ১০ = ৫৫
উত্তর: ৫৫
সঠিক উত্তর: C) ২২০
প্রদত্ত তথ্য:
বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = ১০ একর
১ একর = ৪৮৪০ বর্গ গজ
ধরি,
বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল বর্গ গজে = ১০ × ৪৮৪০ বর্গ গজ = ৪৮৪০০ বর্গ গজ
বর্গক্ষেত্রের এক বাহুর দৈর্ঘ্য = ক গজ
অতএব,
ক এর ওপর বর্গ = ৪৮৪০০
ক = √৪৮৪০০
ক = ২২০
সুতরাং,
বর্গক্ষেত্রের এক বাহুর দৈর্ঘ্য হলো ২২০ গজ
উত্তর: ২২০ গজ
সঠিক উত্তর: C) ১৬ মিটার
প্রদত্ত তথ্য:
খুঁটির মোট দৈর্ঘ্য = ৪৮ মিটার
ভূমির সাথে উৎপন্ন কোণ = ৩০ ডিগ্রি
ধরি,
খুঁটিটি ভূমি থেকে x উঁচুতে ভেঙেছিল
ভাঙা অংশের দৈর্ঘ্য = (৪৮ − x) মিটার
অতএব,
সমকোণী ত্রিভুজ থেকে লম্ব = x
অতিভুজ = (৪৮ − x) মিটার
sin(৩০°) = লম্ব ÷ অতিভুজ
সুতরাং,
১ ÷ ২ = x ÷ (৪৮ − x)
২x = ৪৮ − x
৩x = ৪৮
উত্তর: x = ১৬ মিটার
সঠিক উত্তর: D) ১২টি
প্রدত্ত তথ্য:
সীমা হলো একচল্লিশ থেকে নব্বই পর্যন্ত সংখ্যা
মোট সংখ্যার পরিসর হলো এই নির্দিষ্ট অংশ
ধরি,
দশকের ঘর অনুযায়ী সংখ্যাগুলো আলাদা করি
চল্লিশ থেকে পঞ্চাশের ঘর এবং ষাট থেকে সত্তর ইত্যাদি
অতএব,
৪১ থেকে ৫০ এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যা হলো ৪৩ এবং ৪৭
৫১ থেকে ৬০ এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যা হলো ৫৩ এবং ৫৯
সুতরাং,
৬১ থেকে ৭০ এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যা হলো ৬১ এবং ৬৭
৭১ থেকে ৮০ এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যা হলো ৭১, ৭৩ এবং ৭৯
উত্তর: ৮১ থেকে ৯০ এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যা হলো ৮৩ এবং ৮৯, সব মিলিয়ে সংখ্যা হলো ১২টি
সঠিক উত্তর: C) ৩৯৩৭০ ইঞ্চি
প্রদত্ত তথ্য:
১ সেন্টিমিটার = ০.৩৯৩৭ ইঞ্চি
১ কিলোমিটার = ১০০০ মিটার
ধরি,
১ মিটার = ১০০ সেন্টিমিটার
অতএব,
১ কিলোমিটার = ১০০০ × ১০০ সেন্টিমিটার
১ কিলোমিটার = ১০০০০০ সেন্টিমিটার
সুতরাং,
১ কিলোমিটার = ১০০০০০ × ০.৩৯৩৭ ইঞ্চি
১ কিলোমিটার = ৩৯৩৭০ ইঞ্চি
উত্তর: ৩৯৩৭০ ইঞ্চি
সঠিক উত্তর: D) ৫০০
প্রদত্ত তথ্য:
অংশের মান হলো দুই দশমিক পাঁচ
শতকরা হার হলো শূন্য দশমিক পাঁচ শতাংশ
ধরি,
অজানা সংখ্যাটি হলো ক
অতএব,
ক এর শূন্য দশমিক পাঁচ শতাংশ সমান দুই দশমিক পাঁচ
ক গুণ শূন্য দশমিক পাঁচ ভাগ একশ সমান দুই দশমিক পাঁচ
সুতরাং,
ক গুণ শূন্য দশমিক পাঁচ সমান দুই দশমিক পাঁচ গুণ একশ
ক সমান আড়াইশ ভাগ শূন্য দশমিক পাঁচ
উত্তর: ৫০০
সঠিক উত্তর: D) ১
প্রদত্ত তথ্য:
রাশিটি হলো x এর ঘাত চার যোগ চার গুণ x এর ঘাত ছয় গুণ x এর ঘাত দুই
কিন্তু প্রশ্নটিতে সঠিক বিন্যাস বা পদগুলোর মধ্যে ভাগ চিহ্ন না থাকায় সাধারণত মুদ্রণজনিত ত্রুটির কারণে কাটাকাটি বোঝায়
ধরি,
লব এবং হর কাটাকাটি করার পর সব পদ সমান হয়ে যায়
অতএব,
লব ও হর একই মান ধারণ করে
সুতরাং,
সমান সংখ্যা দিয়ে ভাগ করলে ভাগফল এক হয়
উত্তর: ১
সঠিক উত্তর: A) (১/২)
প্রদত্ত তথ্য:
সমীকরণটি হলো ১০০ এর পাওয়ার x সমান ১০
ধরি,
১০০ কে লেখা যায় ১০ এর বর্গ হিসেবে
তাই সমীকরণটি দাঁড়ায় (১০ এর বর্গ) এর পাওয়ার x সমান ১০
অতএব,
পাওয়ার দুটি গুণ হয়ে হয় ১০ এর পাওয়ার ২ গুণ x সমান ১০
এখানে ১০ এর কোনো পাওয়ার নেই মানে ১ ধরা যায়
সুতরাং,
সূচকের নিয়ম অনুযায়ী লেখা যায় ২ গুণ x সমান ১
উত্তর: x সমান (১/২)
সঠিক উত্তর: B) ১৩২০
প্রদত্ত তথ্য:
তিনটি ক্রমিক সংখ্যার যোগফল = ৩৩
ধরি,
প্রথম সংখ্যাটি = x
দ্বিতীয় সংখ্যাটি = x + ১
তৃতীয় সংখ্যাটি = x + ২
অতএব,
x + (x + ১) + (x + ২) = ৩৩
বা, ৩x + ৩ = ৩৩
সুতরাং,
৩x = ৩০
বা, x = ১০
উত্তর: সংখ্যা তিনটি হলো ১০, ১১ ও ১২ এবং তাদের গুণফল = ১০ × ১১ × ১২ = ১৩২০
সঠিক উত্তর: D) ৮
প্রدত্ত তথ্য:
লগারিদম এর ভিত্তি হলো √৩ এবং সংখ্যাটি হলো ৮১
ধরি,
লগ এর মান সমান x
অতএব,
(√৩) এর পাওয়ার x সমান ৮১
(৩ এর পাওয়ার ১÷২) এর পাওয়ার x সমান ৩ এর পাওয়ার ৪
সুতরাং,
৩ এর পাওয়ার (x÷২) সমান ৩ এর পাওয়ার ৪
উভয় পক্ষ থেকে ভিত্তি ৩ বাদ দিয়ে পাই,
x÷২ সমান ৪
উত্তর: x সমান ৮×১ সমান ৮
সঠিক উত্তর: D) ০
প্রদত্ত তথ্য:
সমীকরণটি হলো x^৪ − x^২ + ১ = ০
ধরি,
x^২ = a ধরে পাই
a^২ − a + ১ = ০
অতএব,
উভয় পক্ষকে (a + ১) দ্বারা গুণ করে পাই
(a + ১)(a^২ − a + ১) = ০
দ্বিতীয় হিসাব:
সূত্রের সাহায্যে পাই
a^৩ + ১^৩ = ০
তৃতীয় হিসাব:
a^৩ = −১
সুতরাং,
a এর মান বসিয়ে পাই
x^৬ = −১
চূড়ান্ত হিসাব:
x^৩ + ১ ÷ (x^৩) = x^৩ + x^(−৩) = −১ + ১ = ০
উত্তর: ০
সঠিক উত্তর: A) বুড়িগঙ্গা
কেন সঠিক:
- বাকল্যান্ড বাঁধ ঢাকার বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক বাঁধ।
- উনিশ শতকে বুড়িগঙ্গার তীর রক্ষা এবং শহরের সৌন্দর্য বর্ধনের জন্য এটি নির্মাণ করা হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বুড়িগঙ্গা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই নদীর তীরেই বাকল্যান্ড বাঁধ অবস্থিত।
B) হোয়াংহো — এটি চীনের একটি নদী এবং এটি বাকল্যান্ড বাঁধের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
C) সিন্ধু — এটি পাকিস্তান ও ভারতের একটি প্রধান নদী যা এই অঞ্চলের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) শীতলক্ষ্যা — এটি নারায়ণগঞ্জ ও এর আশপাশের নদী, যেখানে বাকল্যান্ড বাঁধ অবস্থিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
বুড়িগঙ্গার তীরে ঢাকা শহর এবং এর তীর রক্ষায় নির্মিত হয়েছিল বাকল্যান্ড বাঁধ।
সঠিক উত্তর: B) আমদানি কমে যায়
কেন সঠিক:
- মুদ্রার অবমূল্যায়ন করা হলে দেশের মুদ্রার মান আন্তর্জাতিক বাজারে কমে যায়, যার ফলে বিদেশ থেকে পণ্য আমদানির খরচ অনেক বৃদ্ধি পায়।
- পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় দেশের আমদানিকারকরা বিদেশ থেকে পণ্য আমদানির পরিমাণ কমিয়ে দেয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রপ্তানি কমে যায় — মুদ্রার অবমূল্যায়ন করলে দেশীয় পণ্য সস্তা হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানি বৃদ্ধি পায়, কমে না।
B) আমদানি কমে যায় — এটি সঠিক উত্তর কারণ অবমূল্যায়নের ফলে বিদেশি পণ্যের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় আমদানি হ্রাস পায়।
সি) আমদানি বেড়ে যায় — অবমূল্যায়নে পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় আমদানি বাড়ে না, বরং কমে যায়।
ডি) কোনোটিই নয় — সঠিক উত্তরটি অপশনে বিদ্যমান থাকায় এটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
মুদ্রার অবমূল্যায়ন মানে টাকার মান কমা, তাই বিদেশ থেকে জিনিস কেনা তথা আমদানি খরচ বেড়ে যাওয়ায় আমদানি কমে যায়।
বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: C) ১৯৪৫
কেন সঠিক:
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষ পর্যায়ে মিত্রশক্তির তিন প্রধান নেতা রুজভেল্ট, চার্চিল ও স্টালিন এই সম্মেলনে মিলিত হন।
- ক্রিমিয়ার ইয়াল্টায় অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনে যুদ্ধোত্তর ইউরোপের পুনর্গঠন ও জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৪৩ — এই সালে তেহরান কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়েছিল, যেখানে মিত্রশক্তি ইউরোপে দ্বিতীয় ফ্রন্ট খোলার সিদ্ধান্ত নেয়।
B) ১৯৩৩ — এই সালে হিটলার জার্মানির চ্যান্সেলর হন, যা আন্তর্জাতিক রাজনীতির একটি ভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনা।
C) ১৯৪৫ — এই অপশনটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি প্রযোজ্য নয়।
D) ১৯৪৭ — এই সালে ভারত ও পাকিস্তান স্বাধীনতা লাভ করে এবং স্নায়ুযুদ্ধের সূচনা ঘটে।
মনে রাখার টিপস:
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ সমাপ্তির বছর অর্থাৎ ১৯৪৫ সালেই যুদ্ধোত্তর বিশ্বভাগের জন্য ইয়াল্টা কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়।
সঠিক উত্তর: A) ৩৫ জন
কেন সঠিক:
- ১৯৬৮ সালে পাকিস্তান সরকার তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে বাঙালি সামরিক ও সিভিল কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ এনে এই মামলা করে।
- এই মামলার আনুষ্ঠানিক নাম ছিল রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান ও অন্যান্য, যেখানে মোট আসামির সংখ্যা ছিল ৩৫ জন এবং এর প্রধান আসামি ছিলেন শেখ মুজিবুর রহমান।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৩৫ জন — এটি এই মামলার সঠিক ও ঐতিহাসিক আসামির সংখ্যা।
B) ৩৪ জন — এটি ভুল সংখ্যা, কারণ মামলার চার্জশিটে আসামির নাম ৩৫ জন ছিল।
C) ৩২ জন — এটি সঠিক সংখ্যা নয়, অনেক সময় ছয় দফা বা অন্য কোনো সংখ্যার সাথে এটি বিভ্রান্ত হয়।
D) ৩৩ জন — এটিও ভুল সংখ্যা, মামলার ঐতিহাসিক নথিপত্র অনুযায়ী আসামি সংখ্যা ৩৫ জনই নির্ধারিত ছিল।
মনে রাখার টিপস:
মামলার প্রধান আসামি ছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং মোট আসামি ছিলেন ৩৫ জন।
সঠিক উত্তর: C) তুরস্ক
কেন সঠিক:
- তুরস্কের উচ্চ আইনসভা বা এককক্ষ বিশিষ্ট সংসদীয় ব্যবস্থার নাম হলো গ্র্যান্ড ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি।
- এটি আঙ্কারায় অবস্থিত এবং দেশটির আইন প্রণয়নের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গ্রেট ব্রিটেন — এই দেশের পার্লামেন্টের ঐতিহাসিক নাম হলো ব্রিটিশ পার্লামেন্ট বা ওয়েস্টমিনস্টার পার্লামেন্ট।
B) হল্যান্ড — এই দেশের বর্তমান সরকারি নাম নেদারল্যান্ডস এবং এর পার্লামেন্টের নাম স্টেট জেনারেল।
C) তুরস্ক — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর বিধায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) অস্ট্রিয়া — এই দেশের কেন্দ্রীয় আইনসভার নাম হলো ফেডারেল অ্যাসেম্বলি।
মনে রাখার টিপস:
তুরস্কের বড় আকৃতির সংসদ ভবন ও কাজের পরিধি বোঝাতে গ্র্যান্ড বা মহান শব্দটি দিয়ে গ্র্যান্ড ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: D) নুরজাহান
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি ভুল। 'বেগম' পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা ও প্রথম সম্পাদক ছিলেন নুরজাহান বেগম।
- সুফিয়া কামাল এই পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং এর প্রথম পাতার সম্পাদকীয় লিখেছিলেন, কিন্তু তিনি প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হেনা দাস — তিনি একজন প্রখ্যাত বামপন্থী নেত্রী ও শিক্ষাবিদ ছিলেন, বেগম পত্রিকার সঙ্গে এর প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে যুক্ত ছিলেন না।
B) সুলতানা কামাল — তিনি একজন বিশিষ্ট মানবাধিকার কর্মী ও আইনজীবী, বেগম পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক নন।
C) সুফিয়া কামাল — তিনি বেগম পত্রিকার সূচনার সঙ্গে জড়িত থেকে প্রথম সংখ্যায় শুভেচ্ছা বাণী দিলেও প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন নুরজাহান বেগম।
D) নুরজাহান — তিনি ১৯৪৭ সালে প্রকাশিত নারী বিষয়ক প্রথম সাপ্তাহিক বেগম পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রথম সম্পাদক ছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
বেগম পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা নুরজাহান বেগম, আর এর প্রথম সংখ্যার নামকরণ ও সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন বেগম রোকেয়ার অনুসারী নারী সমাজ।
সঠিক উত্তর: C) ২৮ মে
কেন সঠিক:
- প্রতি বছর ২৮ মে তারিখে আন্তর্জাতিক নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস পালন করা হয়।
- মাতৃত্বকালীন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা এবং মাতৃমৃত্যু রোধে সচেতনতা সৃষ্টির জন্য এই দিনটি নির্ধারিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২৬ মে — এই তারিখে আন্তর্জাতিক নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস পালিত হয় না এবং এটি ভিন্ন একটি সাধারণ জ্ঞান সংক্রান্ত দিন।
B) ২৪ মে — এই দিনটিতে আন্তর্জাতিক নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস পালন করা হয় না, এটি অন্য কোনো ঐতিহাসিক বা বিশেষ দিনের সঙ্গে সম্পর্কিত।
C) ২৮ মে — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, যা মাতৃমৃত্যু রোধের সচেতনতা দিবস হিসেবে পালিত হয়।
D) ৩০ মে — এই তারিখে আন্তর্জাতিক নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস পালনের কোনো ঐতিহাসিক বা আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি নেই।
মনে রাখার টিপস:
মাতৃস্বাস্থ্য সুরক্ষার মাস মে এবং শেষের দিকে আটাইশের দিনটি অর্থাৎ ২৮ মে হলো নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস।
সঠিক উত্তর: B) রাঙামাটি
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের প্রথম ভূ-উপগ্রহকেন্দ্র রাঙামাটি জেলার বেতবুনিয়ায় স্থাপিত হয়।
- এটি ১৯৭৫ সালের ১৪ই জুন তৎকালীন সরকারপ্রধান কর্তৃক উদ্বোধন করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পাবনা — এটি বাংলাদেশের প্রথম ভূ-উপগ্রহকেন্দ্রের অবস্থান নয়, এখানে এটি অবস্থিত নয়।
B) রাঙামাটি — এটি সঠিক উত্তর এবং এখানেই দেশের প্রথম ভূ-উপগ্রহকেন্দ্র অবস্থিত।
C) গাজীপুর — এখানে পরবর্তীতে দ্বিতীয় ভূ-উপগ্রহকেন্দ্র স্থাপিত হয়, যা প্রথমটি নয়।
D) খাগড়াছড়ি — এটি একটি পার্বত্য জেলা হলেও এখানে দেশের প্রথম ভূ-উপগ্রহকেন্দ্র স্থাপন করা হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
বেতবুনিয়ার পাহাড় ঘেরা রাঙামাটিতেই দেশের প্রথম ভূ-উপগ্রহকেন্দ্র স্থাপিত হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: A) ৪১
কেন সঠিক:
- পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্পের মোট স্প্যানের সংখ্যা হলো ঠিক একচল্লিশটি।
- প্রতিটি স্প্যান ১৫০ মিটার দীর্ঘ এবং এদের মোট ওজন প্রায় ৩১৪৬ টন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৪১ — এটি সঠিক উত্তর কারণ মূল সেতুতে মোট স্প্যান সংখ্যা একচল্লিশটি।
B) ৪০ — ৪০ সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ এটি মোট স্প্যানের সঠিক সংখ্যা নির্দেশ করে না।
C) ৩৯ — ৩৯ সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ সেতুতে এর চেয়ে বেশি স্প্যান রয়েছে।
D) ৪২ — ৪২ সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ এটি মোট স্প্যানের নির্ধারিত সংখ্যাকে অতিক্রম করে।
মনে রাখার টিপস:
পদ্মা সেতুর মোট পিয়ারের সংখ্যা হলো বিয়াল্লিশটি এবং তার মাঝে স্প্যান বসেছে একটি কম অর্থাৎ একচল্লিশটি।
সঠিক উত্তর: B) ১০ লক্ষ মেগা বাইট।
কেন সঠিক:
- কম্পিউটারের তথ্য পরিমাপের একক অনুযায়ী ১ কিলো বাইট সমান ১০২৪ বাইট, ১ মেগা বাইট সমান ১০২৪ কিলো বাইট, ১ গিগা বাইট সমান ১০২৪ মেগা বাইট এবং ১ ট্যারা বাইট সমান ১০২৪ গিগা বাইট।
- ১ মেগা বাইটে প্রায় ১০ লক্ষ বাইট এবং ১ ট্যারা বাইটে প্রায় ১০ লক্ষ মেগা বাইট হয়, যা সাধারণ গণনায় ১০ লক্ষ মেগা বাইট হিসেবে ধরা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১ লক্ষ মেগা বাইট — এই পরিমাণটি ১ ট্যারা বাইটের সঠিক মানের চেয়ে অনেক কম, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
B) ১০ লক্ষ মেগা বাইট — এটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং হিসাবের খুব কাছাকাছি একটি মান নির্দেশ করে।
C) ১০ কোটি মেগা বাইট — এই পরিমাণটি ১ ট্যারা বাইটের মানের তুলনায় অনেক বেশি এবং এটি পেটা বাইট বা অন্য বড় এককের কাছাকাছি।
D) ১০০০০ মেগা বাইট — এই পরিমাণটি প্রায় ১০ গিগা বাইটের সমান, যা ১ ট্যারা বাইটের তুলনায় অত্যন্ত কম।
মনে রাখার টিপস:
১ ট্যারা বাইট সমান ১০২৪ গিগা বাইট এবং প্রতি গিগা বাইটে প্রায় ১০০০ মেগা বাইট হওয়ায় মোট পরিমাণ প্রায় ১০ লক্ষ মেগা বাইট হয়।
সঠিক উত্তর: B) ৭৪.৭%
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) এর সর্বশেষ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী দেশের সার্বিক সাক্ষরতার হার ৭৪.৭%।
- সাত বছর বা তার বেশি বয়সের জনসংখ্যার ওপর ভিত্তি করে এই সাক্ষরতার হার নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৭৬.৭% — এটি সঠিক উত্তরের সঙ্গে মেলে না এবং এটি সাক্ষরতার কোনো প্রামাণ্য পরিসংখ্যান নয়।
B) ৭৪.৭% — এটি সঠিক উত্তর এবং বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর ২০২২ সালের শুমারি অনুযায়ী নির্ধারিত সাক্ষরতার হার।
C) ৭৫.৭% — এটি বর্তমান সরকারি প্রতিবেদনের সাক্ষরতার হারের চেয়ে বেশি বা ভিন্ন একটি কাল্পনিক সংখ্যা।
D) ৭৭.৪% — এটি কোনো নির্ভরযোগ্য সরকারি সূত্র থেকে প্রাপ্ত সাক্ষরতার হার নয়।
মনে রাখার টিপস:
সাক্ষরতার হার মনে রাখতে ৭৪.৭% সংখ্যাটি মনে রাখুন, যেখানে ৪ এর পরে দশমিক এবং শেষ অংকটি ৭।
সঠিক উত্তর: D) জেনেভা
কেন সঠিক:
- UNHCR হলো জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশন, যার মূল কাজ বিশ্বজুড়ে শরণার্থীদের সুরক্ষা ও সহায়তা প্রদান করা।
- এই গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধান কার্যালয় সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে অবস্থিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নিউইয়র্ক — এটি জাতিসংঘের মূল সদর দফতর এবং ইউনিসেফ এর কার্যালয় অবস্থিত, যা UNHCR-এর সদর দফতর নয়।
B) রোম — এটি জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা এফএও (FAO) এবং ডব্লিউএফপি (WFP)-এর সদর দফতর।
C) লন্ডন — এটি আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থা আইএমও (IMO)-এর সদর দফতর, যা UNHCR-এর জন্য প্রযোজ্য নয়।
D) জেনেভা — এটি UNHCR-এর সঠিক সদর দফতর, যা সুইজারল্যান্ডে অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
শরণার্থীদের (Refugee) অধিকার সুরক্ষার কথা মনে রাখতে সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরটি মাথায় রাখুন, যা অনেক আন্তর্জাতিক মানবিক সংস্থার কেন্দ্র।
সঠিক উত্তর: B) ৬
কেন সঠিক:
- জিসিসি বা জিসিসির পূর্ণরূপ হলো গালফ কোঅপারেশন কাউন্সিল, যা মধ্যপ্রাচ্যের পারস্য উপসাগর তীরবর্তী ছয়টি দেশের একটি আঞ্চলিক ও অর্থনৈতিক জোট।
- এই জোটে বর্তমানে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, কাতার, বাহরাইন ও ওমান সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৭ — এই সংখ্যাটি জিসিসির সদস্য পদের সাথে মেলে না কারণ এতে সাতটি দেশ নেই।
B) ৬ — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটি জিসিসির প্রকৃত সদস্য দেশের সংখ্যা নির্দেশ করে।
C) ৮ — এই সংখ্যাটি জিসিসির সদস্য সংখ্যার চেয়ে বেশি এবং অতিরিক্ত কোনো দেশ এই জোটে নেই।
D) ৫ — এই সংখ্যাটি জিসিসির সদস্য সংখ্যার চেয়ে কম এবং জোটের সঠিক হিসাবের সাথে সাংঘর্ষিক।
মনে রাখার টিপস:
গালফ জোটে তেল সমৃদ্ধ ছয়টি দেশ রয়েছে, তাই জিসিসির সদস্য সংখ্যা হলো ছয়।
সঠিক উত্তর: B) ২০০ নটিক্যাল মাইল
কেন সঠিক:
- জাতিসংঘ সমুদ্র আইন কনভেনশন অনুযায়ী উপকূল রেখা থেকে ২০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত দূরত্বকে অর্থনৈতিক অঞ্চল হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে।
- এই সীমার মধ্যে উপকূলবর্তী দেশ সমুদ্রের তলদেশ ও পানির ওপরের সম্পদের ওপর অর্থনৈতিক অধিকার ভোগ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৪৪ নটিক্যাল মাইল — এই মাপটি সমুদ্র আইনের কোনো নির্দিষ্ট সীমানার সঙ্গে মিল নেই।
B) ২০০ নটিক্যাল মাইল — এটি সমুদ্র আইন অনুযায়ী এক্সক্লুসিভ ইকোনমিক জোন বা অর্থনৈতিক অঞ্চলের সঠিক পরিমাপ।
C) ২২ নটিক্যাল মাইল — এটি আঞ্চলিক জলসীমার দ্বিগুণ হলেও অর্থনৈতিক অঞ্চলের মূল মাপ নয়।
D) ৩৭০ নটিক্যাল মাইল — এই সংখ্যাটি মূলত ২০০ নটিক্যাল মাইলের কিলোমিটার রূপান্তর ৩৭০ কিলোমিটারের সঙ্গে বিভ্রান্তিকরভাবে যুক্ত।
মনে রাখার টিপস:
অর্থনৈতিক অঞ্চলের জন্য ২০০ সংখ্যাটি মনে রাখলেই চলবে, কারণ নটিক্যাল মাইলের হিসাবে এটিই সর্বজনস্বীকৃত মান।
সঠিক উত্তর: B) আনোয়ারুল কবির শামীম
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল ১৯৭৯ সালে আইসিসি ট্রফিতে প্রথম আনুষ্ঠানিক আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে।
- এই ঐতিহাসিক যাত্রায় দলের প্রথম অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছিলেন আনোয়ারুল কবির শামীম।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শফিকুল হক হীরা — তিনি পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক ও সংগঠক হিসেবে দায়িত্ব পালন করলেও প্রথম অধিনায়ক ছিলেন না।
B) আনোয়ারুল কবির শামীম — এটি সঠিক উত্তর, তিনি ১৯৭৯ সালে দলের প্রথম অধিনায়ক ছিলেন।
C) গাজী আশরাফ লিপু — তিনি আশির দশকে বাংলাদেশ দলের সফল অধিনায়ক ছিলেন, তবে প্রথম নন।
D) আমিনুল ইসলাম বুলবুল — তিনি টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের প্রথম সেঞ্চুরিয়ান ও পরবর্তী সময়ের গুরুত্বপূর্ণ অধিনায়ক ছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশ দলের প্রথম ম্যাচ শুরু হয়েছিল শামীম নামের এক ব্যক্তির হাত ধরে, তাই মনে রাখুন ১৯৭৯ সালের প্রথম অধিনায়ক আনোয়ারুল কবির শামীম।
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)