সঠিক উত্তর: C) ধাতু
১. কেন সঠিক:
ক্রিয়ার মূল বা প্রথম অংশকে ধাতু বলা হয়, যার সাথে ক্রিয়া বিভক্তি যুক্ত হয়ে পূর্ণাঙ্গ ক্রিয়া গঠিত হয়।
এটি ক্রিয়াপদের ক্ষুদ্রতম অংশ এবং এর সাথে কোনো বিভক্তি থাকে না।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
যেসব শব্দ বা শব্দমূল কোনো বিভক্তি ছাড়াই সরাসরি ক্রিয়ার কাল বা ভাব প্রকাশ করে তাকে ধাতু বলে।
ধাতুকে ক্রিয়াপদের মৌলিক অংশ বা উৎপাদক বলা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পড় + তে = পড়তে
ব্যাখ্যা: এখানে পড় হলো ধাতু এবং তে হলো বিভক্তি।
উদাহরণ ২: যা + ই = যাই
ব্যাখ্যা: এখানে যা হলো ধাতু এবং ই হলো বিভক্তি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শব্দ — শব্দ হলো যেকোনো অর্থপূর্ণ ধ্বনি বা ধ্বনিসমষ্টি, যা কেবল ক্রিয়ার প্রথম অংশ নয়।
B) শব্দমূল — শব্দমূল বা প্রাতিপদিক বলতে মূলত নামপদের মূল অংশকে বোঝায়, ক্রিয়ার মূলকে ধাতু বলা হয়।
D) ক্রিয়া বিভক্তি — ক্রিয়া বিভক্তি হলো ধাতুর পরে যুক্ত হওয়া অংশ, যা ক্রিয়ার প্রথম অংশ নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
ক্রিয়াপদকে ভাঙলে প্রথমে যা পাওয়া যায় তাই ধাতু।
ধাতু মানেই ক্রিয়ার মূল উৎস।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধাতু থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
ধাতু চেনার জন্য ক্রিয়াপদ থেকে বিভক্তি বাদ দিতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) তম
১. কেন সঠিক:
- 'তম' হলো একটি তুলনাবাচক প্রত্যয় যা বিশেষণ পদের সাথে যুক্ত হয়ে তার তারতম্য বা সর্বোচ্চ পর্যায় বোঝায়।
- এটি কোনো পদের নির্দিষ্টতা বা নির্দেশক হিসেবে কাজ করে না, তাই এটি নির্দেশক নয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- নির্দেশক হলো এমন কিছু বর্ণ বা শব্দাংশ যা পদের পরে যুক্ত হয়ে নির্দিষ্টতা, অনির্দিষ্টতা বা সংখ্যা নির্দেশ করে।
- বাংলায় পদের নির্দিষ্টতা বোঝাতে টা, টি, খানা, খানি, জন ইত্যাদি নির্দেশক বা পদের অনুগামী ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বইটি টেবিলের ওপর রাখো
ব্যাখ্যা: এখানে 'টি' পদের সাথে যুক্ত হয়ে নির্দিষ্ট করে একটি বিশেষ্যকে বোঝাচ্ছে।
উদাহরণ ২: একটি কলম আমাকে দাও
ব্যাখ্যা: এখানে 'টি' পদের সাথে যুক্ত হয়ে অনির্দিষ্টতা নির্দেশ করছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) টা — এটি একটি বহুল ব্যবহৃত পদের নির্দেশক যা পদের সাথে যুক্ত হয়ে নির্দিষ্টতা বোঝায়।
B) তম — এটি তুলনাবাচক প্রত্যয় এবং এটি কোনো নির্দেশক বা পদের অনুগামী নয়।
C) খানা — এটি বস্তুবাচক বিশেষ্যের সাথে যুক্ত হয়ে নির্দিষ্টতা নির্দেশক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
D) জন — এটি ব্যক্তিবাচক বিশেষ্যের সাথে যুক্ত হয়ে নির্দিষ্টতা নির্দেশক হিসেবে কাজ করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- নির্দেশকগুলো সাধারণত পদের পরে বসে নির্দিষ্টতা বোঝায় যেমন টা টি খানা খানি জন।
- তম প্রত্যয়টি মূলত তুলনা করার কাজে ব্যবহৃত হয় যেমন শ্রেষ্ঠতম বা সুন্দরতম।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই নির্দেশক এবং প্রত্যয়ের মধ্যে পার্থক্য নির্ণয় করতে বলা হয়।
- পদের নির্দিষ্টতা প্রকাশক শব্দগুলো ভালোভাবে মুখস্থ রাখলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
সঠিক উত্তর: B) উৎ + নয়ন
১. কেন সঠিক:
সন্ধির নিয়মানুসারে ব্যঞ্জনসন্ধির ব্যঞ্জনধ্বনি পরিবর্তনের সূত্র অনুযায়ী 'ৎ' বা 'দ' এর পরে 'ন' থাকলে 'ৎ' বা 'দ' স্থানে 'ন' হয়।
এখানে 'উৎ' উপসর্গের সাথে 'নয়ন' শব্দ যুক্ত হয়ে ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়মে 'উন্নয়ন' শব্দটি গঠিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
সংস্কৃত ব্যঞ্জনসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম হলো প্রথম পদের অন্তে অবস্থিত 'ৎ' বা 'দ'-এর পরে যদি নাসিক্য ধ্বনি যেমন 'ন' বা 'ম' থাকে, তবে প্রথম পদের অন্তস্থিত 'ৎ' বা 'দ' পরিবর্তিত হয়ে সেই বর্গের নাসিক্য ধ্বনিতে পরিণত হয়।
'উৎ' শব্দের 'ৎ' ধ্বনির পরে 'নয়ন' শব্দের 'ন' ধ্বনি থাকার কারণে প্রথম 'ৎ' পরিবর্তিত হয়ে দন্ত্য 'ন' রূপ ধারণ করেছে এবং শব্দটি হয়েছে 'উন্নয়ন'।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: উৎ + নয়ন = উন্নয়ন
ব্যাখ্যা: এটি ব্যঞ্জনসন্ধির একটি আদর্শ উদাহরণ যেখানে 'ৎ' এর প্রভাবে 'ন' যুক্ত হয়ে দ্বিত্ব ন গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: সৎ + নারায়ন = সিন্নারায়ন
ব্যাখ্যা: এখানেও ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়মে 'ৎ' এর পরে 'ন' থাকায় 'ৎ' স্থানে 'ন' যুক্ত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উন + নয়ন — এটি কোনো প্রমিত সন্ধি নিয়ম মেনে গঠিত হয়নি এবং 'উন' কোনো ব্যাকরণসম্মত পূর্বপদ নয়।
B) উৎ + নয়ন — এটি সঠিক উত্তর, কারণ ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়মে 'ৎ' এর সাথে 'ন' যুক্ত হয়ে এই শব্দটি গঠিত হয়।
C) উন্ন + য়ন — 'উন্ন' বলে বাংলায় কোনো শব্দ বা উপসর্গ নেই, তাই এই বিভাজনটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
D) উন + অয়ন — 'অয়ন' শব্দের সাথে 'উন' যুক্ত করলে 'উনায়ন' হতে পারে, কিন্তু 'উন্নয়ন' শব্দটির সঠিক গঠন এটি নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
ব্যঞ্জনসন্ধিতে 'উন্নয়ন' শব্দটি ভাঙলে সবসময় প্রথম অংশে 'উৎ' এবং দ্বিতীয় অংশে 'নয়ন' হবে।
নাসিক্য ধ্বনির প্রভাবে 'ৎ' বর্ণটি 'ন' এ রূপান্তরিত হয়, এই সূত্রটি মনে রাখলে ভুল হবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের ব্যঞ্জনসন্ধি প্রায়ই আসে।
একই নিয়মে 'উৎ + মেষ = উন্মেষ' এবং 'ৎ' এর স্থানে 'ন' বা 'ম' যুক্ত হওয়ার অন্যান্য শব্দগুলো ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) উৎ + লেখ
১. কেন সঠিক:
সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী ত্ বা দ্ এর পরে ল্ থাকলে ত্ বা দ্ স্থানে ল্ হয়। এখানে উৎ পদের ত্ এবং লেখ পদের ল্ মিলে উল্লেখে ত্ স্থলে ল্ যুক্ত হয়ে উল্লেখ গঠিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি ব্যঞ্জনসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম যেখানে পদাশেষে অবস্থিত ত্ বা দ্ এর পর ল্ থাকলে পূর্ববর্তী ত্ বা দ্ পরিবর্তিত হয়ে ল্ এ পরিণত হয়।
এই নিয়মে ত্ বা দ্ লুপ্ত হয়ে পরবর্তী ল এর সাথে যুক্ত হয়ে দ্বিত্ব ল সৃষ্টি করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: উৎ + লীন = উল্লীন
ব্যাখ্যা: এখানে ত্ এর পরে ল্ থাকায় ত্ পরিবর্তিত হয়ে ল্ হয়েছে।
উদাহরণ ২: সৎ + লাভ = সল্লাভ
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও একই ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম প্রযুক্ত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উৎ + লেখ — এটি সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ এবং নিয়মের সাথে সম্পূর্ণ মিলে যায়।
B) উদ্ + লেখ — প্রমিত বাংলা ব্যাকরণে উৎ + লেখ অধিকতর স্বীকৃত এবং প্রচলিত রূপ।
C) উল + লেখ — উল বলে কোনো মৌলিক সংস্কৃত উপসর্গ বা শব্দ সন্ধির ক্ষেত্রে এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) উল্ব + লেখ — উল্ব কোনো বৈধ পূর্বপদ নয় এবং এর সাথে লেখ পদের কোনো ব্যাকরণিক মিল নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
ত বা দ এর পরে ল থাকলে ত বা দ এর জায়গায় ল বসবে। উল্লেখ শব্দটি দেখলে উৎ এর সাথে লেখ যোগ করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ব্যঞ্জনসন্ধির এই নিয়মটি প্রায়ই আসে। একই নিয়মে উল্লাস এবং উল্লঙ্ঘন শব্দগুলোর সন্ধি বিচ্ছেদ চর্চা করা যেতে পারে।
সঠিক উত্তর: A) অনু + ছেদ
১. কেন সঠিক:
সন্ধির নিয়মানুসারে স্বরধ্বনির পর ছ থাকলে ছ এর স্থানে চ ছ হয়।
এখানে অনু শব্দের শেষে উ স্বরধ্বনি আছে এবং পরের শব্দ ছেদ এর শুরুতে ছ আছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
স্বরের পর ছ থাকলে ছ এর জায়গায় চ ছ যুক্ত হয়।
এটি ব্যঞ্জনসন্ধির একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও নিয়মিত প্রক্রিয়া।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পরি + ছেদ = পরিচ্ছেদ।
ব্যাখ্যা: ই স্বরধ্বনির পর ছ থাকায় চ ছ যুক্ত হয়েছে।
উদাহরণ ২: আ + চ্ছাদন = আচ্ছাদন।
ব্যাখ্যা: আ স্বরধ্বনির পর ছ থাকায় চ ছ যুক্ত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অনু + ছেদ — এটি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ এবং মূল শব্দের সঙ্গে মিলে যায়।
B) অনু + চ্ছেদ — এখানে পূর্বেই চ যুক্ত করা আছে যা সন্ধির মূল নিয়মের পরিপন্থী।
C) অণু + ছেদ — এখানে অণু বানানটিতে দীর্ঘ উ বা মূর্ধন্য ণ ব্যবহার করা হয়েছে যা ভুল।
D) অণু + চ্ছেদ — এখানে বানান ও সন্ধি উভয় ক্ষেত্রেই ভুল রয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
স্বরের পরে ছ দেখলে ছ এর আগে চ বসিয়ে দিতে হয়।
পরি বা অনু উপসর্গের পর ছেদ থাকলে এই নিয়ম প্রযোজ্য হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই নিয়মের শব্দ প্রায়ই আসে।
পরিচ্ছেদ ও অনুচ্ছেদ শব্দ দুটি ভালোভাবে চর্চা করলে পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
সঠিক উত্তর: B) কর্তৃকারক
১. কেন সঠিক:
- বাক্যের ক্রিয়ার সঙ্গে যে বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের সরাসরি সম্পৃক্ততা থাকে এবং যে নিজে কাজটি সম্পন্ন করে, তাকে কর্তৃকারক বলে।
- এখানে 'গগণে গরজে মেঘ' বাক্যে মেঘ নিজে গর্জন করার কাজটি সম্পন্ন করছে, তাই মেঘ পদটি কর্তৃকারক।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- ক্রিয়াপদকে কে বা কারা দ্বারা প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা কর্তৃকারক হিসেবে চিহ্নিত হয়।
- বাক্যে মেঘ নিজে বা স্বয়ংক্রিয়ভাবে গর্জন করছে বলে এটি কর্তার প্রথম বা শূন্য বিভক্তিযুক্ত কর্তৃকারক।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পাখি আকাশে ওড়ে।
ব্যাখ্যা: এখানে ওড়ার কাজটি পাখি নিজে করছে, তাই পাখি হলো কর্তৃকারক।
উদাহরণ ২: ফুল ফুটছে।
ব্যাখ্যা: ফোটার কাজটি ফুল নিজে সম্পাদন করছে, তাই ফুল হলো কর্তৃকারক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কর্মকারক — যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে তা কর্মকারক, কিন্তু এখানে মেঘ নিজেই কাজ করছে।
B) কর্তৃকারক — এটি সঠিক উত্তর।
C) করণকারক — যার সাহায্যে ক্রিয়া সম্পন্ন হয় তা করণকারক, এখানে মেঘ কোনো সাহায্যকারী মাধ্যম নয়।
D) অপাদান কারক — যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, ভীত বা রক্ষিত হয় তা অপাদান, এখানে তেমন কিছু বোঝায়নি।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ক্রিয়াপদকে কে বা কারা দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর মেলে, সেটিই কর্তৃকারক।
- প্রাকৃতিক ঘটনায় যে উপাদান নিজে কাজ করে, সেটিও কর্তৃকারক হিসেবে গণ্য হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রাকৃতিক উপাদান সংক্রান্ত বাক্যের কারক নির্ণয় প্রায়ই আসে।
- বাক্যের কর্তা চেনার জন্য ক্রিয়া সম্পাদনের মূল উৎস বা অভিনেতাকে চিহ্নিত করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) করণকারক
১. কেন সঠিক:
- বাক্যের ক্রিয়া সম্পন্ন করার মাধ্যম, যন্ত্র বা সহায়ক উপায়কে করণকারক বলে।
- এখানে বড় হওয়ার কাজটি চেষ্টার মাধ্যমে সম্পন্ন হচ্ছে, তাই চেষ্টায় পদটি করণকারক।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাক্যের ক্রিয়ার সঙ্গে কিসের দ্বারা বা কি উপায়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তাকে করণকারক বলে।
- করণ শব্দের অর্থ যন্ত্র, সাহায্য বা উপায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কলমে লেখা যায়।
ব্যাখ্যা: লেখার কাজটি কলম নামক যন্ত্রের সাহায্যে করা হচ্ছে, তাই কলমে পদটি করণকারক।
উদাহরণ ২: বশে নয়, অর্থে মন।
ব্যাখ্যা: এখানে মন বশ করার মাধ্যম বা উপায় বোঝানো হয়েছে, তাই এটি করণকারক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কর্মকারক — যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে তা কর্মকারক, কিন্তু এখানে মাধ্যম বোঝানো হয়েছে।
B) কর্তৃকারক — বাক্য যে নিজে কাজ সম্পন্ন করে সে কর্তা, কিন্তু চেষ্টায় কোনো স্বাধীন কর্তা নয়।
D) অধিকরণ — ক্রিয়া সম্পাদনের স্থান, কাল বা আধারকে অধিকরণ বলে, কিন্তু এটি কোনো স্থান বা সময় নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ক্রিয়ার কাছে কিসের দ্বারা বা কি উপায়ে প্রশ্ন করে উত্তর পেলে তা করণকারক হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- মাধ্যম বা সহায়ক বোঝালে সপ্তমী বিভক্তির প্রয়োগে করণকারক হয়।
সঠিক উত্তর: D) কর্মকারক
কেন সঠিক:
বাক্যে অর্থ নিজেই অনর্থ ঘটানোর কাজটি সম্পন্ন করছে তাই এটি কর্তার কাজ বা কর্মপদ হয়েছে।
এখানে ঘটায় ক্রিয়ার সাথে কী বা কাকে প্রশ্ন করলে অনর্থ উত্তর আসে এবং বস্তুবাচক হওয়ায় এটি কর্মকারক।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
কর্তা যা করে বা যাকে আশ্রয় করে ক্রিয়া সম্পন্ন করে তাকে কর্মকারক বলে।
ক্রিয়াকে কী বা কাকে দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায় তা কর্মকারক হয়।
যেমন ডাক্তার ডাকো, এখানে ডাক্তার হলো কর্মকারক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কর্তৃকারক তাকায় — বাক্যটিতে অর্থ নিজে কাজ করছে তাই এটি সাধারণ কর্তা নয় বরং ক্রিয়ার বিষয়বস্তু।
B) অপাদান কারক — অপাদান কারক হতে হলে কিছু বিচ্যুত, জাত, বিরত বা ভয় পাওয়ার অর্থ প্রকাশ করতে হয়।
C) অধিকরণ কারক — অধিকরণ কারক বোঝাতে স্থান, সময় বা কোনো বিষয়ের আধার বোঝাতে হয় যা এখানে নেই।
D) কর্মকারক — এই অপশনটি সঠিক কারণ অনর্থ হলো ঘটানো ক্রিয়ার কর্মপদ।
মনে রাখার টিপস:
ক্রিয়াকে কী বা কাকে দিয়ে প্রশ্ন করে যে উত্তর পাবে তা সরাসরি কর্মকারক হিসেবে চিহ্নিত করবে।
বস্তুবাচক কর্মে সাধারণত প্রথমা বা শূন্য বিভক্তি যুক্ত হয় যেমন এই বাক্যে অনর্থ শব্দে রয়েছে।
সঠিক উত্তর: B) অপাদান কারক
১. কেন সঠিক:
যেকোনো বাক্যে যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, বিরত, উৎপন্ন, রক্ষিত, ভীত বা নিবারিত হয়, তাকে অপাদান কারক বলে।
এখানে বাক্যের মূল ক্রিয়া হলো ভীত, এবং যার থেকে ভয় পাওয়া বোঝায়, তার সঙ্গে অপাদান কারকের ষষ্ঠী বিভক্তির প্রয়োগ ঘটেছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাক্যের ক্রিয়ার সঙ্গে বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের যে সম্পর্ক থাকে, তাকে কারক বলে। কারক প্রধানত ছয় প্রকারের হয়।
অপাদান কারক নির্দেশ করে মূল উৎস, দূরত্ব, ভয় বা মুক্তির স্থানকে, যেখানে সাধারণত পঞ্চমী বা ষষ্ঠী বিভক্তি যুক্ত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গাছ থেকে পাতা পড়ে।
ব্যাখ্যা: এখানে পাতা গাছ থেকে বিচ্যুত হয়েছে, তাই গাছ থেকে হলো অপাদান কারকের উদাহরণ।
উদাহরণ ২: নদী থেকে মাছ ধরে।
ব্যাখ্যা: এখানে নদী হলো মাছের উৎপত্তিস্থল বা উৎস, যা অপাদান কারকের নিয়মকে সমর্থন করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কর্মকারক — যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে তা কর্মকারক, কিন্তু এখানে কোনো কর্ম নেই।
B) অপাদান কারক — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে ভয় পাওয়ার উৎস বোঝানো হয়েছে।
C) অধিকরণ কারক — ক্রিয়া সম্পাদনের স্থান, কাল বা সময়কে অধিকরণ বলে, যা এই বাক্যে অনুপস্থিত।
D) করণকারক — যার দ্বারা ক্রিয়া সম্পাদিত হয় তাকে করণ বলে, কিন্তু বাঘ এখানে সাধক বা মাধ্যম নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
ভয়, রক্ষা, দূরত্ব, বিচ্যুতি এবং উৎপন্ন শব্দ দেখলে চোখ বন্ধ করে অপাদান কারক দাগাবে।
বিখ্যাত ব্যাকরণবিদদের মতে ভীতি বা তত্র সংক্রান্ত শব্দ অপাদানের প্রধান নির্দেশক।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভয় পাওয়া শব্দ দিয়ে অপাদান কারক প্রায়ই পরীক্ষাতে আসে।
ভীত শব্দটির সঙ্গে সবসময় অপাদান কারকের সম্পর্ক থাকে তা মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: D) অপাদান কারক
১. কেন সঠিক:
- যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, বিরত, গৃহীত, ভীত বা উৎপন্ন হয়, তাকে অপাদান কারক বলে।
- মেঘ থেকে বৃষ্টির সৃষ্টি বা উৎপত্তি হয় বলে এখানে মেঘে শব্দটি অপাদান কারক।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের সঙ্গে ক্রিয়া পদের যে সম্পর্ক, তাকে কারক বলে এবং অপাদান কারক হলো বিশেষ উৎসের নির্দেশক।
- মেঘ হলো বৃষ্টির উৎস বা উৎপত্তিস্থল, তাই অধিকরণ বা অন্য কারক না হয়ে এটি অপাদান কারক হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গাছ থেকে পাতা পড়ে।
ব্যাখ্যা: পাতা গাছ থেকে বিচ্যুত হয় বিধায় গাছ থেকে অপাদান কারক।
উদাহরণ ২: জমি থেকে ফসল পায়।
ব্যাখ্যা: ফসল জমি থেকে উৎপন্ন হয় বিধায় জমি থেকে অপাদান কারক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কর্তৃকারক — বাক্যের যে বিশেষ্য বা সর্বনাম পদ নিজে কাজ সম্পন্ন করে, তাকে কর্তৃকারক বলে কিন্তু মেঘ এখানে নিজে কাজ করছে না।
B) কর্মকারক — কর্তা যাকে আশ্রয় করে ক্রিয়া সম্পন্ন করে, তাকে কর্মকারক বলে কিন্তু বৃষ্টি এখানে কর্ম নয়।
C) করণকারক — যার সাহায্যে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে, তাকে করণকারক বলে কিন্তু মেঘ বৃষ্টির কোনো সহায়ক যন্ত্র বা মাধ্যম নয়।
D) অপাদান কারক — সঠিক উত্তর কারণ মেঘ থেকে বৃষ্টির উৎপত্তি বোঝানো হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- উৎস, উৎপত্তি, জাত, বিচ্যুত, ভয় ও রক্ষা পাওয়া বোঝালে চোখ বন্ধ করে অপাদান কারক দাগাবে।
- মেঘ থেকে বৃষ্টি আসে, তাই এটি উৎপত্তির সূত্র ধরে অপাদান কারক।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উৎপত্তিবাচক শব্দ প্রায়ই অপাদান কারক হিসেবে আসে।
- গৃহীত, জাত ও উৎপন্ন শব্দগুলোর কারক নির্ণয়ের সময় মূল উৎসটি চিহ্নিত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) এ
১. কেন সঠিক:
'লোকে কিনা বলে' বাক্যে 'লোক' শব্দের সঙ্গে 'এ' বিভক্তি যুক্ত হয়ে 'লোকে' রূপ ধারণ করেছে।
এখানে 'লোক' শব্দের মূল রূপের সঙ্গে 'এ' ধ্বনি বা বিভক্তি যুক্ত হয়ে কারক বোঝাতে সাহায্য করেছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
শব্দের শেষে 'অ' বা অন্য স্বরধ্বনি থাকলে এবং তা সপ্তমী বিভক্তির অর্থে ব্যবহৃত হলে 'এ' বিভক্তি যুক্ত হয়।
এটি মূলত অধিকরণ কারকে বা কখনো কর্তা কারকে নির্দেশক হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বনে বাঘ থাকে।
ব্যাখ্যা: এখানে 'বন' শব্দের সঙ্গে 'এ' বিভক্তি যুক্ত হয়ে অধিকরণ কারক গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: জলে মাছ সাঁতার কাটে।
ব্যাখ্যা: এখানে 'জল' শব্দের সঙ্গে 'এ' বিভক্তি যুক্ত হয়ে স্থান বা আধার বোঝাচ্ছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) এ — এটি সঠিক উত্তর কারণ লোক শব্দের সঙ্গে এ বিভক্তি যুক্ত হয়েছে।
B) কে — কে বিভক্তি সাধারণত দ্বিতীয় বা চতুর্থ কারক অর্থাৎ কর্ম বা সম্প্রদান কারকে ব্যবহৃত হয়।
C) যে — যে একটি সাপেক্ষ সর্বনাম বা সংযোগবাচক শব্দ, এটি কোনো বিভক্তি নয়।
D) তে — তে বিভক্তি সাধারণত সপ্তমী বিভক্তির রূপ হিসেবে ব্যবহৃত হলেও এখানে মূল শব্দের সঙ্গে এ বিভক্তি যুক্ত আছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
শব্দের শেষে যদি এককার বা এ ধ্বনি যুক্ত থাকে এবং তা দিয়ে কাউকে বা কোনো স্থানকে বোঝায়, তবে সাধারণত এ বিভক্তি হয়।
বিভক্তি চেনার জন্য শব্দের মূল রূপ আলাদা করে শেষের বর্ণ বা ধ্বনি খেয়াল করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কারক ও বিভক্তি নির্ণয়ের জন্য শব্দের মূল রূপ চেনা জরুরি।
এই নিয়মে শব্দের সঙ্গে যুক্ত বিভক্তি সহজে আলাদা করে কারক ও বিভক্তি নির্ণয় করা যায়।
সঠিক উত্তর: A) গাড়ি
কেন সঠিক:
- গাড়ি শব্দটির মাধ্যমে অচেতন বা জড় পদার্থকে বোঝানো হয়।
- বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী জড় পদার্থ বা অপ্রাণিবাচক বিশেষ্য ক্লীবলিঙ্গ হিসেবে গণ্য হয়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ক্লীবলিঙ্গ হলো এমন শব্দ যা দিয়ে স্ত্রী বা পুরুষ কোনো লিঙ্গকেই বোঝায় না, বরং অচেতন বস্তু বোঝায়।
- বাংলা ব্যাকরণে প্রাণিবাচক শব্দের বাইরে বেশিরভাগ জড় পদার্থ ক্লীবলিঙ্গের অন্তর্ভুক্ত।
- যেমন: বই, কলম, ঘর, গাড়ি ইত্যাদি ক্লীবলিঙ্গ শব্দের উদাহরণ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) গাড়ি — এটি সঠিক উত্তর এবং এটি একটি ক্লীবলিঙ্গ শব্দ।
- B) মানুষ — এটি নিত্য পুরুষবাচক বা উভয় লিঙ্গ হিসেবে ব্যবহৃত হয় কারণ মানুষ বলতে নারী ও পুরুষ উভয়কেই বোঝায়।
- C) পাখি — এটি একটি প্রাণিবাচক শব্দ এবং এর পুরুষ বা স্ত্রী উভয়ই হতে পারে, তাই এটি ক্লীবলিঙ্গ নয়।
- D) শিক্ষক — এটি একটি পুরুষবাচক শব্দ এবং এর স্ত্রীবাচক রূপ শিক্ষয়িত্রী।
মনে রাখার টিপস:
- প্রাণহীন বা জড় বস্তুর নাম দেখলে সেটি সাধারণত ক্লীবলিঙ্গ হিসেবে ধরে নিতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) সন্ধি
১. কেন সঠিক:
পাশাপাশি অবস্থিত দুটি ধ্বনির মিলন বা কাছাকাছি দুটি ধ্বনির উচ্চারণের সুবিধার জন্য একীভূত হওয়াকে ব্যাকরণের পরিভাষায় সন্ধি বলা হয়।
এর মূল উদ্দেশ্য হলো উচ্চারণে সহজতা আনা এবং দ্রুত কথা বলার সময় ধ্বনির মাধুর্য রক্ষা করা।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে ধ্বনি পরিবর্তনের একটি অন্যতম প্রধান প্রক্রিয়া হলো সন্ধি।
এটি মূলত পদের বা শব্দের গতিশীলতা ও সাবলীলতা বজায় রাখতে সাহায্য করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হিম + আলয় = হিমালয়
ব্যাখ্যা: এখানে প্রথম শব্দের শেষের অ এবং দ্বিতীয় শব্দের শুরুর আ মিলে আ ধ্বনি তৈরি করেছে।
উদাহরণ ২: বিদ্যা + আলয় = বিদ্যালয়
ব্যাখ্যা: এখানে দুটি স্বরধ্বনি মিলে একটি স্বরধ্বনি হিসেবে উচ্চারিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) একত্রীকরণ — এটি সাধারণ বাংলা শব্দ, কোনো নির্দিষ্ট ব্যাকরণগত পরিভাষা নয়।
B) সন্নিবেশ — এর অর্থ সুবিন্যস্তভাবে সাজানো, ধ্বনির মিলনের সঙ্গে এর সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই।
C) সন্ধি — এটি সঠিক উত্তর।
D) সমাস — পদের অর্থ মিলনের প্রক্রিয়াকে সমাস বলা হয়, ধ্বনির মিলনকে নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
শব্দ মনে রাখার জন্য মনে রাখবে ধ্বনির মিলন মানেই সন্ধি এবং পদের মিলন মানেই সমাস।
এ দুটি ব্যাকরণের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং প্রায়শই পরীক্ষার্থীদের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টিকারী বিষয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ধ্বনির মিলন ও পদের মিলনের মধ্যে পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়।
তাই ধ্বনি দেখলে সন্ধি এবং পদ দেখলে সমাস দাগানোর নিয়মটি মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) গরুরগাড়ি
১. কেন সঠিক:
- গরুরগাড়ি শব্দটিতে গরুর পদের র বিভক্তিটি সমাসের পরও অপরিবর্তিত থাকে এবং ব্যাসবাক্য করলে গরুর দ্বারা চালিত গাড়ি হয়।
- অলুক তৎপুরুষ সমাসের সংজ্ঞানুযায়ী পূর্বপদের বিভক্তি (এখানে র বা এর) লোপ পায় না।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পায় না, তাকে অলুক তৎপুরুষ সমাস বলে।
- তৎপুরুষ সমাসে সাধারণত পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পায়, কিন্তু অলুক সমাসে এর ব্যতিক্রম ঘটে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ঘিয়ে ভাজা
ব্যাখ্যা: পূর্বপদের বিভক্তি (এ) অপরিবর্তিত থাকে বলে এটি অলুক তৎপুরুষ সমাস।
উদাহরণ ২: কলের গান
ব্যাখ্যা: পূর্বপদের বিভক্তি (এর) সমাসের পরেও বহাল থাকে তাই এটি অলুক তৎপুরুষ সমাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গ্রামছাড়া — এটি অপাদান তৎপুরুষ সমাস কারণ এখানে গ্রাম থেকে ছাড়া বোঝাতে হতে থেকে চেয়ে বিভক্তি লোপ পেয়েছে।
B) গাছপাকা — এটি ৭মী তৎপুরুষ সমাস কারণ এর ব্যাসবাক্য গাছে পাকা এবং এখানে এ বিভক্তি লোপ পেয়েছে।
C) ধানক্ষেত — এটি ষষ্টি তৎপুরুষ সমাস কারণ এর ব্যাসবাক্য ধানের ক্ষেত এবং এখানে র বিভক্তি লোপ পেয়েছে।
D) গরুরগাড়ি — এটি সঠিক অপশন এবং এটি অলুক তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সমাসবদ্ধ পদে বিভক্তি যেমন র, এর, এ লেগে থাকলে এবং তা লোপ না পেলে অলুক সমাস হবে।
- মনে রাখবে অলুক মানে হলো বিভক্তির লোপ না পাওয়া।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অলুক সমাস থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে তাই বিভক্তিযুক্ত পদগুলোর দিকে বিশেষ নজর দিতে হবে।
- ব্যাসবাক্য করার সময় বিভক্তি বহাল থাকছে কি না তা পরীক্ষা করে সঠিক উত্তর নির্বাচন করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) ৭
১. কেন সঠিক:
বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনি হলো মোট ৭টি। ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনি ৭টি এবং ডক্টর সুনীতি কুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে ৮টি, তবে বাংলা একাডেমি ও প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী মৌলিক স্বরধ্বনির সর্বজনগ্রাহ্য সংখ্যা ৭টি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
যেসব স্বরধ্বনিকে ভাঙা যায় না বা অন্য কোনো ধ্বনির সাহায্য ছাড়াই স্বাধীনভাবে উচ্চারিত হয়, সেগুলোকে মৌলিক স্বরধ্বনি বলে। এই ৭টি মৌলিক স্বরধ্বনি হলো অ, আ, ই, উ, এ, ও এবং অ্যা।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আম
ব্যাখ্যা: আম শব্দটি উচ্চারণের সময় আ এবং ম এই দুটি ধ্বনি পাওয়া যায়, যার মধ্যে আ একটি মৌলিক স্বরধ্বনি।
উদাহরণ ২: ইট
ব্যাখ্যা: ইট শব্দটি উচ্চারণের সময় ই এবং ট এই দুটি ধ্বনি পাওয়া যায়, যার মধ্যে ই একটি মৌলিক স্বরধ্বনি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৬ — এই সংখ্যাটি বাংলা ভাষার মৌলিক স্বরধ্বনির সঠিক পরিমাণ নির্দেশ করে না। এটি একটি ভুল তথ্য।
B) ৭ — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী মৌলিক স্বরধ্বনির সংখ্যা ৭টি।
C) ১০ — ১০ হলো বাংলা বর্ণমালায় কার বা সংক্ষিপ্ত স্বরের সংখ্যা, মৌলিক স্বরধ্বনি নয়।
D) ১১ — ১১ হলো বাংলা বর্ণমালার মোট স্বরবর্ণের সংখ্যা, মৌলিক স্বরধ্বনি নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
মৌলিক স্বরধ্বনি মনে রাখার জন্য মনে রাখতে হবে যে স্বরবর্ণ ১১টি হলেও তার মধ্যে মৌলিক বা অবিভাজ্য ধ্বনি ৭টি। বর্ণমালা আর ধ্বনির সংখ্যা গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই স্বরবর্ণের সংখ্যা এবং মৌলিক স্বরধ্বনির সংখ্যার মধ্যে প্যাঁচ লাগানোর প্রশ্ন আসে। মনে রাখতে হবে স্বরবর্ণ ১১টি এবং মৌলিক স্বরধ্বনি ৭টি।
সঠিক উত্তর: C) শব্দজোড়
১. কেন সঠিক:
- দুটি শব্দের উচ্চারণ এক বা প্রায় এক কিন্তু অর্থ সম্পূর্ণ আলাদা, এমন শব্দগুলোকে বাংলা ব্যাকরণে শব্দজোড় বলা হয়।
- এই শব্দগুলোর বানান বা উচ্চারণে সামান্য মিল থাকলেও অর্থের দিক থেকে এদের মধ্যে স্পষ্ট পার্থক্য থাকে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা শব্দভান্ডারে এমন অনেক শব্দ রয়েছে যাদের উচ্চারণ প্রায় একই শোনায় কিন্তু লেখার সময় বানান ও অর্থের পরিবর্তন ঘটে।
- এ ধরনের শব্দ সঠিকভাবে না জানলে বাক্য গঠনে এবং অর্থ বুঝতে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অর্ঘ্য ও অর্ঘ
ব্যাখ্যা: অর্ঘ্য অর্থ পূজার উপকরণ এবং অর্ঘ অর্থ মূল্য। উচ্চারণ প্রায় এক হলেও অর্থের ভিন্নতা রয়েছে।
উদাহরণ ২: অনু ও অণু
ব্যাখ্যা: অনু অর্থ পশ্চাৎ বা পরে এবং অণু অর্থ ক্ষুদ্রতম কণা। উচ্চারণ একই হলেও বানানের ভিন্নতার কারণে অর্থ বদলে যায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বর্গ — বর্গ বলতে সাধারণত বর্ণমালার ক থেকে ম পর্যন্ত পঁচিশটি ধ্বনি গুচ্ছকে বোঝায়, যার সঙ্গে সমোচ্চারিত শব্দের কোনো সম্পর্ক নেই।
B) প্রবাদ — প্রবাদ হলো মানুষের মুখে মুখে প্রচলিত দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতালব্ধ সংক্ষিপ্ত সত্য বাণী, যা শব্দের অর্থের সঙ্গে মিলে না।
C) শব্দজোড় — এটি সঠিক উত্তর কারণ প্রশ্নানুযায়ী সমোচ্চারিত ভিন্নার্থক শব্দকে শব্দজোড় বলা হয়।
D) শব্দদ্বৈত — শব্দদ্বৈত বলতে একই শব্দ দুবার ব্যবহার করে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করা বা পদের জোর বোঝানোকে বোঝায়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- উচ্চারণ একই কিন্তু জোড়ায় জোড়ায় আলাদা অর্থ প্রকাশ করে, এমন শব্দ দেখলে চোখ বন্ধ করে শব্দজোড় দাগাবে।
- শব্দজোড় মানেই দুটি শব্দের মিলন যাদের ধ্বনি এক কিন্তু রূপ ও অর্থ আলাদা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমোচ্চারিত ভিন্নার্থক শব্দ বা শব্দজোড় থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে।
- বানান ও অর্থের পার্থক্য ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: B) সূর্য
১. কেন সঠিক:
- 'সবিতা' শব্দের মূল অর্থ হলো সূর্য বা দিবাকর।
- প্রাচীন সংস্কৃত উৎস থেকে উদ্ভূত এই শব্দটি সাধারণত কবিতার ভাষা এবং উচ্চপর্যায়ের প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সূর্যের সমার্থক শব্দ হিসেবে বহুল ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দগুলোর সমষ্টি যেগুলোর বানান ও উচ্চারণ আলাদা হলেও অর্থ এক বা প্রায় এক হয়।
- বাংলা ব্যাকরণে শব্দের ভাণ্ডার সমৃদ্ধ করতে সমার্থক শব্দের গুরুত্ব অপরিসীম এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এটি নিয়মিত আসে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ভানু
ব্যাখ্যা: এটিও সূর্যের একটি অত্যন্ত পরিচিত ও প্রচলিত সমার্থক শব্দ।
উদাহরণ ২: তপন
ব্যাখ্যা: এটি সূর্যের অপর একটি বহুল ব্যবহৃত সমার্থক শব্দ যা প্রায়শই সবিতা শব্দের পাশাপাশি ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পদ্ম — পদ্ম শব্দের সমার্থক শব্দ হলো পঙ্কজ, অরবিন্দ বা নলিনী, যা সূর্যের সমার্থক নয়।
B) সূর্য — এটি সঠিক উত্তর।
C) পৃথিবী — পৃথিবীর সমার্থক শব্দ হলো ধরণী, অবনী বা বসুন্ধরা, যা সূর্যের সমার্থক নয়।
D) নদী — নদীর সমার্থক শব্দ হলো তটিনী, তরঙ্গিনী বা স্রোতস্বিনী, যা সূর্যের সমার্থক নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সবিতা মানে যার আলোয় পৃথিবী আলোময় হয় অর্থাৎ সূর্য। এভাবে শব্দের মূল উৎস ও ভাবার্থ মনে রাখলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সূর্য, চাঁদ, নদী, পৃথিবী ও সমুদ্রের সমার্থক শব্দগুলো থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। প্রমিত বাংলা বানরীতি মেনে এসব শব্দের সঠিক অর্থ আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) খুব অলস
১. কেন সঠিক:
- 'গোঁফ খেজুরে' একটি বিখ্যাত বাংলা বাগধারা যার শাব্দিক অর্থ গোঁফে খেঁজুর লাগা এবং প্রমিত অর্থ অত্যন্ত অলস বা কুঁড়ে ব্যক্তি।
- সমাজে এমন অলস মানুষদের বোঝাতে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয় যারা নড়াচড়া করতেও পছন্দ করে না।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা ভাষার শব্দার্থগত দিক থেকে একটি বিশেষ বাগধারা বা প্রবাদতুল্য প্রয়োগ।
- এর পেছনের লোকজ বিশ্বাস অনুযায়ী, মাটিতে পড়ে থাকা খেঁজুর খাওয়ার জন্য মুখ নিচু করার অলসতাকেও যারা বোঝায় তাদের গোঁফ খেজুরে বলা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সারাদিন কোনো কাজ না করে শুয়ে থাকা তোমার স্বভাব, তুমি তো একদম গোঁফ খেজুরে।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে অলস প্রকৃতির মানুষকে বোঝাতে গোঁফ খেজুরে বাগধারার সঠিক প্রয়োগ দেখানো হয়েছে।
উদাহরণ ২: কর্মবিমুখ অলস যুবকদের দিয়ে দেশের কোনো বড় উন্নয়ন সম্ভব নয়, তারা সমাজের গোঁফ খেজুরে মানুষ।
ব্যাখ্যা: এখানে পরনির্ভরশীল ও নিষ্ক্রিয় ব্যক্তিদের চিহ্নিত করতে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বেহায়া — এই শব্দের অর্থ নির্লজ্জ বা বেপরোয়া, যার সঙ্গে গোঁফ খেজুরে বাগধারার অলসতা অর্থের কোনো মিল নেই।
B) বিশৃঙ্খলা — এর অর্থ অশৃঙ্খলা বা গোলযোগ, যা আলস্যের সমার্থক নয়।
C) খুব অলস — এটি এই প্রশ্নের নির্ধারিত সঠিক উত্তর এবং বাগধারাটির মূল ভাব প্রকাশ করে।
D) সামান্য ব্যক্তি — এই অর্থ প্রকাশের জন্য অন্য বাগধারা যেমন ভুঁইফোড় বা ছারপোকা ব্যবহার করা হয়, অলসতা বোঝাতে নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- গোঁফে খেঁজুর আটকে আছে কিন্তু হাত দিয়ে নামানোর বা খাওয়ার অবস্থাও যার নেই, সে হলো অত্যন্ত অলস ব্যক্তি।
- অলসতা বোঝাতে এই মজার চিত্রকল্পটি মনে রাখলে পরীক্ষ্তায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শরীরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সম্পর্কিত বাগধারা থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে।
- বাগধারা মুখস্থ না করে এর পেছনের ভাবার্থ অনুধাবন করলে যেকোনো অপশন সহজে চিহ্নিত করা সম্ভব হয়।
সঠিক উত্তর: D) ছয়
কেন সঠিক:
- বাংলা ব্যাকরণে কারকের নির্দিষ্ট শ্রেণিবিভাগ অনুযায়ী মোট পদের সম্পর্ক ছয় প্রকার।
- বাক্যে ক্রিয়াপদের সাথে নামপদের সম্পর্কের ওপর ভিত্তি করে এই সংখ্যা নির্ধারিত হয়েছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাক্যের ক্রিয়াপদের সাথে বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের যে সম্পর্ক তাকে কারক বলে।
- এই কারকগুলোকে প্রধানত কর্তাকারক, কর্মকারক, করণকারক, সম্প্রদানকারক, অপাদানকারক এবং অধিকরণকারক এই ছয় ভাগে ভাগ করা হয়।
- যেমন: বাবা (কর্তা) theke টাকা (কর্ম) দাও।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) তিন — বাংলা ব্যাকরণে কারকের সংখ্যা তিন হতে পারে না কারণ সম্বন্ধ ও সম্বোধন পদ কারক নয়।
- B) চার — কারকের সংখ্যা চার নয় কারণ বিভক্তিযুক্ত পদের সম্পর্ক ছয়টি ভিন্ন শ্রেণীতে বিভক্ত।
- C) পাঁচ — বাংলা ব্যাকরণে কারকের প্রচলিত সংখ্যা পাঁচ নয়, এটি একটি ভুল সংখ্যা।
- D) ছয় — এটি সঠিক কারণ কারক ঠিক ছয় প্রকারেই বিভক্ত।
মনে রাখার টিপস:
- কারকের সংখ্যা মনে রাখতে বাক্যের ছয়টি সম্পর্কের নাম ক্রমানুসারে মুখস্থ রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) তৎসম
১. কেন সঠিক:
- 'গণপ্রজাতন্ত্রী' শব্দটি সংস্কৃত ভাষা থেকে কোনো পরিবর্তন ছাড়াই সরাসরি বাংলা ভাষায় এসেছে।
- উৎসগত বিচারে যে শব্দগুলো সংস্কৃত ভাষা থেকে অপরিবর্তিতরূপে বাংলায় ব্যবহৃত হয়, সেগুলোকে তৎসম শব্দ বলে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- তৎসম শব্দের অর্থ হলো তার সমান বা সংস্কৃতের সমান। সংস্কৃত ভাষা থেকে সরাসরি আগত শব্দই হলো তৎসম শব্দ।
- সমাস বা প্রত্যয় সাধিত অনেক জটিল শব্দও উৎসগতভাবে তৎসম হয়ে থাকে, যার মধ্যে 'গণপ্রজাতন্ত্রী' একটি চমৎকার উদাহরণ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চন্দ্র
ব্যাখ্যা: এটি সংস্কৃত ভাষা থেকে সরাসরি বাংলায় এসেছে এবং এটি একটি তৎসম শব্দ।
উদাহরণ ২: সূর্য
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিও কোনো পরিবর্তন ছাড়া সংস্কৃত থেকে বাংলায় প্রবেশ করেছে, তাই এটি তৎসম শব্দ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তৎসম — এই অপশনটি সঠিক কারণ 'গণপ্রজাতন্ত্রী' শব্দটি সংস্কৃত থেকে অপরিবর্তিতভাবে এসেছে।
B) তদ্ভব — এই অপশনটি ভুল কারণ তদ্ভব শব্দগুলো প্রাকৃতের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে বাংলায় আসে, যা এই শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
C) দেশি — এই অপশনটি ভুল কারণ দেশি শব্দ বলতে বাংলাদেশের আদি অধিবাসীদের ভাষা থেকে আগত শব্দ বোঝায়।
D) বিদেশি — এই অপশনটি ভুল কারণ বিদেশি শব্দ বলতে আরবি, ফার্সি, ইংরেজি বা পর্তুগিজ ইত্যাদি বহির্গত ভাষার শব্দকে বোঝায়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- যেসব শব্দে সংস্কৃত ব্যাকরণের প্রভাব এবং গম্ভীর রূপ দেখা যায়, সেগুলো সাধারণত তৎসম শব্দ হয়।
- দীর্ঘ ও প্রাতিষ্ঠানিক প্রশাসনিক শব্দ যেমন গণপ্রজাতন্ত্রী, সার্বভৌমত্ব সাধারণত তৎসম হয়ে থাকে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উৎসের ভিত্তিতে শব্দের শ্রেণিবিভাগ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে সংস্কৃত প্রমিত রূপ এবং অপরিবর্তিত থাকার বিষয়টি ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) Life is a painful journey.
কেন সঠিক:
- 'A bed of roses' একটি প্রবাদ যার আক্ষরিক অর্থ গোলাপের বিছানা এবং রূপক অর্থ আরামদায়ক বা সুখের অবস্থা।
- 'Not a bed of roses' অর্থ জীবন শুধুমাত্র সুখের বা আরামের নয়, বরং এটি নানা দুঃখ-কষ্ট ও সংগ্রামের পূর্ণ একটি যাত্রা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Life is a bed of merry gold. — এটি ভুল কারণ মেি গোল্ড বা গাঁদা ফুলের বিছানা কোনো প্রচলিত প্রবাদ নয় এবং এটি জীবনের কষ্টের দিকটি প্রকাশ করে না।
B) Life is a bed of flowers other than rose. — এটি ভুল কারণ প্রবাদে নির্দিষ্টভাবে গোলাপ ফুলের কথা ব্যবহার করা হয়েছে, অন্য কোনো ফুল এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) Life is a painful journey. — এটি সঠিক কারণ এটি গোলাপের বিছানা না হওয়ার রূপক অর্থ অর্থাৎ জীবনের কষ্টময় যাত্রাকে সঠিকভাবে ফুটিয়ে তোলে।
D) of the above. — এটি ভুল কারণ উপরের সব অপশন সঠিক নয়, কেবল সি অপশনটি সঠিক।
মনে রাখার টিপস:
গোলাপের বিছানা মানে আরাম, তাই 'Not a bed of roses' দেখলে বুঝবে জীবন আরামের নয়, বরং কষ্টের।
সঠিক উত্তর: C) against
কেন সঠিক:
- কোনো কিছু খাড়াভাবে বা হেলিয়ে কোনো দেয়ালের সঙ্গে লাগিয়ে রাখা বোঝাতে preposition হিসেবে against ব্যবহৃত হয়।
- এখানে মইটি দেয়ালের সঙ্গে হেলিয়ে রাখার কথা বলা হয়েছে, তাই সঠিক উত্তর against হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) with — with সাধারণত কোনো ব্যক্তি, যন্ত্র বা বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে ব্যবহার হয়, দেয়ালের সঙ্গে কোনো বস্তু হেলিয়ে রাখার ক্ষেত্রে এটি বসে না।
B) on — on অর্থ কোনো কিছুর উপরে স্পর্শ করে থাকা, কিন্তু মইটি দেয়ালের উপরে নয় বরং হেলান দিয়ে রাখা হয়েছে।
C) against — এটি সঠিক কারণ এটি কোনো তলের সঙ্গে হেলান দিয়ে রাখাকে নির্দেশ করে।
D) by — by অর্থ নিকটে বা পাশে, যা দেয়ালের সঙ্গে মই হেলিয়ে রাখার সঠিক দিক বা সম্পর্ক প্রকাশ করে না।
মনে রাখার টিপস:
দেয়ালে কোনো কিছু হেলান দিয়ে রাখার ক্ষেত্রে हमेशा against ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: B) Reopen
কেন সঠিক:
Reopen শব্দটির অর্থ পুনরায় খোলা এবং এটি বাক্যে কাজের নাম বা কাজ করা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
এটি মূলত Open verb এর সাথে Re উপসর্গ যুক্ত হয়ে নতুন একটি verb গঠিত হয়েছে।
শব্দটির শেষে suffix বা prefix যুক্ত থাকার পরও এটি কাজের অবস্থা প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Openly — এটি একটি adverb কারণ এর শেষে ly যুক্ত রয়েছে এবং এটি কাজের ধরন বোঝায়।
B) Reopen — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে।
C) Openness — এটি একটি noun কারণ এর শেষে ness যুক্ত হয়ে গুণের নাম প্রকাশ করেছে।
D) Closely — এটি একটি adverb কারণ এর শেষে ly যুক্ত হয়ে কীভাবে কাজ সম্পন্ন হয় তা নির্দেশ করে।
মনে রাখার টিপস:
যেসব শব্দের শেষে ly থাকে সেগুলো সাধারণত adverb এবং ness থাকে সেগুলো noun হয়।
সঠিক উত্তর: B) Meat
কেন সঠিক:
যে নাউন দ্বারা কোনো উপাদান বা পদার্থের নাম বোঝায় যা গণনা করা যায় না কিন্তু ওজন বা পরিমাপ করা যায়, তাকে material noun বলে।
Meat বা মাংস হলো এমন একটি বস্তু যা আমরা ওজন করে কিনি এবং এটি কোনো নির্দিষ্ট পদার্থের নাম নির্দেশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Group - এটি একটি collective noun কারণ এটি একই জাতীয় একাধিক ব্যক্তি বা প্রাণীর সমষ্টিকে বোঝায়।
B) Meat - এটি সঠিক উত্তর এবং এটি একটি material noun হিসেবে বিবেচিত হয়।
C) Seriousness - এটি একটি abstract noun কারণ এটি কোনো গুণ বা অবস্থার নাম যা দেখা বা ছোঁয়া যায় না।
D) Party - এটি একটি collective noun কারণ এটি মানুষের একটি দল বা উৎসবমুখর সমাবেশকে বোঝায়।
মনে রাখার টিপস:
যেসব বস্তু ওজন করা যায় কিন্তু গণনা করা যায় না, যেমন পানি, লবণের মতো মাংসও সবসময় material noun হয়।
সঠিক উত্তর: B) reading
কেন সঠিক:
বাক্যে finish একটি Gerund গ্রহণকারী verb। তাই এরপরে verb এর সাথে ing যুক্ত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) read — এটি verb এর base form হওয়ায় এখানে বসতে পারে না।
B) reading — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই।
C) is reading — এটি continuous tense এর গঠন যা এখানে ব্যাকরণগতভাবে বেমানান।
D) being reading — এই গঠনটি ইংরেজী ব্যাকরণের নিয়মের সাথে মিলে না।
মনে রাখার টিপস:
finish, enjoy, mind এর মতো verb গুলোর পরে সব সময় verb এর সাথে ing যোগ করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) William Wordsworth
কেন সঠিক:
উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ তাঁর কবিতায় প্রকৃতির সৌন্দর্য, রূপ এবং মানুষের সাথে প্রকৃতির গভীর সম্পর্ক অত্যন্ত সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।
প্রকৃতির সান্নিধ্য লাভ করে মানুষের আত্মিক শান্তি ও মুক্তি সম্ভব—এই দর্শনের প্রধান প্রবক্তা হওয়ায় তাঁকে প্রকৃতির কবি বলা হয়।
তিনি বিখ্যাত রোমান্টিক যুগের কবি।
তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের নাম লিরিক্যাল ব্যালাডস।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) William Wordsworth — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়।
B) John Milton — জন মিলটন হলেন মহাকাব্য বা এপিক পোয়েট এবং তাঁর বিখ্যাত কাজের নাম প্যারাডাইস লস্ট।
C) Alexander Pope — আলেকজান্ডার পোপ একজন ব্যঙ্গাত্মক বা স্যাটায়ার কবি হিসেবে ইংরেজি সাহিত্যে বিশেষভাবে পরিচিত।
D) J.S. Eliot — টি এস এলিয়ট আধুনিক যুগের কবি এবং তাঁর বিখ্যাত কবিতার নাম দ্য ওয়েস্ট ল্যান্ড।
মনে রাখার টিপস:
ওয়ার্ডসওয়ার্থ শব্দটির সাথে রোমান্টিক প্রকৃতি ও লেক ডিস্ট্রিক্ট মনে রাখলে তাঁকে প্রকৃতির কবি হিসেবে খুব সহজেই চেনা যায়।
সঠিক উত্তর: A) been
কেন সঠিক:
বাক্যটিতে Present Perfect Tense ব্যবহৃত হয়েছে এবং অর্থ প্রকাশ পাচ্ছে আপনি কি কখনো লন্ডনে গিয়েছেন এবং ফিরে এসেছেন। এক্ষেত্রে Have বা Has এর পর মূল Verb এর Past Participle রূপ বসে।
তাই go বা visit এর পরিবর্তে be ভার্বের Past Participle রূপ been ব্যবহার করা হয়েছে।
বাক্যটির গঠন সঠিক রাখতে been ই একমাত্র উপযুক্ত অপশন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) been — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি Have এর সাথে মিলে Past Participle রূপ গঠন করে।
B) went — এটি Past Indefinite Tense এর রূপ যা Present Perfect টেন্সে ব্যবহার করা যায় না।
C) go — এটি Verb এর Present Form যা হ্যাভ এর সাথে সরাসরি বসতে পারে না।
D) visit — এটি Present Form এ থাকায় ব্যাকরণগত নিয়ম অনুযায়ী এই বাক্যে বসে না।
মনে রাখার টিপস:
কোথাও গিয়ে ফিরে আসার অভিজ্ঞতা বোঝাতে Have বা Has এর পরে সর্বদা been বসে।
সঠিক উত্তর: A) Run
কেন সঠিক:
যেসব verb এর শেষে ed, d বা t যোগ করে past form বা past participle করা যায় না, সেগুলোকে strong verb বা irregular verb বলে। Run শব্দটির past form হলো ran, যা ভেতরের vowel পরিবর্তন করে গঠিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Run — এটি একটি strong verb কারণ এর past form হলো ran এবং past participle হলো run।
B) Walk — এটি একটি weak verb কারণ এর সাথে ed যোগ করে past form (walked) করা হয়।
C) More — এটি কোনো verb নয়, বরং এটি একটি adjective বা adverb এর তুলনামূলক রূপ।
D) Jog — এটি একটি weak verb কারণ এর সাথে ed যোগ করে past form (jogged) করা হয়।
মনে রাখার টিপস:
যে verb গুলোর শেষে ed যোগ না করে ভেতরের স্বরবর্ণ বা বানান পরিবর্তন করে অতীত রূপ বানাতে হয়, সেগুলোকে strong verb বলে।
সঠিক উত্তর: C) Irregularly
কেন সঠিক:
বাই ফিটস অ্যান্ড স্টার্টস একটি ইংরেজি প্রবচন বা ইডিয়ম। এর বাংলা অর্থ অনিয়মিতভাবে বা থেমে থেমে কাজ করা।
তাই মূল বাক্যে এই শব্দগুচ্ছ দ্বারা কর্মক্ষেত্রে কর্মীর কাজ করার অনিয়মিত অবস্থাকে বোঝানো হয়েছে।
এটি কোনো কাজের ধারাবাহিকতা বোঝায় না।
বরং এটি কাজের মধ্যে দীর্ঘ বিরতি বা অস্থিরতা নির্দেশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Regularly — এই অপশনটি সঠিক নয় কারণ রেগুলারলি শব্দের অর্থ নিয়মিতভাবে, যা মূল ইডিয়মের উল্টো অর্থ প্রকাশ করে।
B) Slowly — এই অপশনটি সঠিক নয় কারণ স্লোলি শব্দের অর্থ ধীরে ধীরে, যা কাজের গতির সাথে সম্পর্কিত কিন্তু ইডিয়মের অর্থ তা নয়।
C) Irregularly — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ এর অর্থ অনিয়মিতভাবে যা মূল বাক্যের সাথে মিলে যায়।
D) Quickly — এই অপশনটি সঠিক নয় কারণ কুইকলি শব্দের অর্থ দ্রুত, যা অনিয়মিত কাজের ধারণার সাথে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
বাই ফিটস অ্যান্ড স্টার্টস কথাটির অর্থ মনে রাখবে অনিয়মিত বা যখন তখন, ঠিক যেমন গাড়ি স্টার্ট বন্ধ হয়ে আবার চলে।
সঠিক উত্তর: D) Humorous
কেন সঠিক:
শব্দটির মূল শব্দ হলো হিউমার বা হাস্যরস, যার সাথে ও-উস যুক্ত হয়ে সঠিক বানান তৈরি হয়েছে। এখানে র এর পর সরাসরি ও এবং এস যুক্ত হওয়ার নিয়ম রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Humorious — অতিরিক্ত একটি আই যুক্ত থাকায় এই বানানটি ভুল হয়েছে।
B) Humourious — অতিরিক্ত ও এবং আই যুক্ত থাকায় এই বানানটি সম্পূর্ণ ভুল।
C) Humurious — বানানটিতে সঠিক অক্ষর বিন্যাস না থাকায় এটি গ্রহণযোগ্য নয়।
D) Humorous — এটি সঠিক বানান এবং এর অর্থ হাস্যরসাত্মক।
মনে রাখার টিপস:
হিউমার লেখার পর শুধু ও এবং এস যোগ করে এই বানানটি মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) Who
কেন সঠিক:
শূন্যস্থানের পর verb 'are' আছে যার জন্য একজন Subject বা কর্তা প্রয়োজন।
'Who' সাবজেক্ট হিসেবে বসে এবং এটি ব্যক্তির ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
প্রশ্নটিতে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মধ্যে কারা উপস্থিত তা জানতে চাওয়া হয়েছে।
এই বাক্যে Who বসালে বাক্যটির অর্থ সম্পূর্ণ ও ব্যাকরণগতভাবে সঠিক হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Who — এটি সঠিক উত্তর এবং এখানে সাবজেক্ট হিসেবে বসেছে।
B) Whose — এটি মালিকানা বোঝাতে বসে কিন্তু এখানে কোনো মালিকানা নেই।
C) Whom — এটি অবজেক্ট হিসেবে বসে কিন্তু এখানে সাবজেক্ট প্রয়োজন।
D) Which — এটি সাধারণত বস্তু বা ইতর প্রাণীর ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
মনে রাখার টিপস:
শূন্যস্থানের পর verb থাকলে সাধারণত Who বসে এবং noun থাকলে Whose বসে।
সঠিক উত্তর: B) but
কেন সঠিক:
এখানে but শব্দটি except বা ব্যতিরেকে অর্থে ব্যবহার করা হয়েছে।
যার অর্থ দাঁড়ায় এই কলমটি ছাড়া আমার আর সব কলম আমাকে দাও।
এটি একটি ব্যতিক্রমধর্মী বাক্য গঠন হিসেবে পরিগণিত হয়।
তাই এখানে সঠিক উত্তরটি হবে but।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) of — এই বাক্যের অর্থে of বসালে কোনো অর্থ প্রকাশ পায় না।
B) but — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) for — এটি দিলে বাক্যের গঠন এবং ব্যাকরণগত নিয়ম ভুল হয়।
D) together — এটি বসালে বাক্যের অর্থের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয় না।
মনে রাখার টিপস:
all এর পর but থাকলে তার অর্থ except বা ব্যতিরেকে বোঝায়।
সঠিক উত্তর: B) He thanked you
কেন সঠিক:
ডাইরেক্ট স্পিচে রিপোর্টিং ভার্ব পাস্ট টেন্সে থাকলে ইনডাইরেক্ট করার সময় ভেতরের থ্যাংকস বা থ্যাংকড ভার্বটিও পাস্ট টেন্সে পরিবর্তিত হয়।
এখানে সাবজেক্ট হি এবং অবজেক্ট মি থাকায় সঠিক রূপ হিসেবে হি থ্যাংকড ইউ ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) He thanks you — এখানে রিপোর্টিং ভার্ব পাস্ট টেন্সে থাকলেও ভেতরের অংশ প্রেজেন্ট টেন্সে রাখা হয়েছে যা নিয়মের বাইরে।
B) He thanked you — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না।
C) He thanks me — এখানে টেন্স ভুল এবং অবজেক্ট পরিবর্তন করার নিয়ম সঠিকভাবে মানা হয়নি।
D) He thanked me — এখানে রিপোর্টিং ভার্বের অবজেক্ট মি থাকলেও ডাইরেক্ট স্পিচের ইউ অপরিবর্তিত থাকে না।
মনে রাখার টিপস:
Thank you যুক্ত সেন্টেন্সকে ইনডাইরেক্ট করার সময় সাবজেক্টের পর সরাসরি মূল ভার্বের পাস্ট ফর্ম এবং রিপোর্টিং ভার্বের অবজেক্ট বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) The man who stole my bag was tell.
কেন সঠিক:
বাক্যটিতে Relative Pronoun 'who' সঠিকভাবে ব্যবহার করা হয়েছে যা পূর্ববর্তী Noun 'The man' কে নির্দেশ করে।
এখানে মূল Subject হলো 'The man who stole my bag' এবং এর সঠিক Verb হলো 'was tall'।
বাক্যের গঠন এবং অর্থ উভয় দিক থেকেই এটি সম্পূর্ণ সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The man was who stole my bag. — এখানে Relative Pronoun এর ভুল ব্যবহারের কারণে বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ অস্পষ্ট হয়ে গেছে।
B) The man stole my beg who was tell. — এখানে বানানের ভুল আছে এবং শব্দের বিন্যাস ব্যাকরণগত নিয়ম মেনে চলে নি।
C) The man who stole my bag was tell. — এটি মূল প্রশ্নানুসারে সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল ধরা যাবে না।
D) The man was tall who is stealing tall my bag — এখানে একই সাথে একাধিক ভুল এবং শব্দের পুনরাবৃত্তি রয়েছে যা ব্যাকরণবিরোধী।
মনে রাখার টিপস:
Relative Pronoun সবসময় তার পূর্ববর্তী Noun এর ঠিক পরেই বসে এবং বাক্যের মূল Verb টি Subject এর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) Generous
কেন সঠিক:
Magnanimous শব্দের অর্থ হলো মহৎপ্রাণ, উদার বা মহানুভব।
Generous শব্দের অর্থও উদার বা দাতা, যা মূল শব্দের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়।
উদার মনের মানুষকে বোঝাতে এই দুটি শব্দ সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
তাই অপশন এ সঠিক উত্তর।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Generous — এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ উদার।
B) Revengeful — এই শব্দের অর্থ প্রতিশোধপরায়ণ, যা উদারতার সম্পূর্ণ বিপরীত।
C) Unkind — এই শব্দের অর্থ নির্দয় বা অমায়িক, যা মহৎ গুণের সাথে মেলে না।
D) Friendly — এই শব্দের অর্থ বন্ধুভাবাপন্ন, যা উদারতার কাছাকাছি হলেও সঠিক সমার্থক নয়।
মনে রাখার টিপস:
Magnanimous শব্দটিকে মনে রাখতে এর ভেতরের অংশ 'Mega' বা বড় কথাটি মাথায় রাখতে পারো, যার অর্থ বিশাল বা উদার মন।
সঠিক উত্তর: C) A very costly
কেন সঠিক:
White elephant একটি idiomatic phrase, যার অর্থ হলো এমন কোনো বস্তু যা কেনა বা রক্ষণাবেক্ষণ করা অত্যন্ত ব্যয়বহুল কিন্তু কাজের দিক থেকে তেমন কোনো গুরুত্ব নেই। রাজকীয় সাদা হাতি পোষার খরচ অনেক বেশি হতো বলে এই প্রবাদটির সৃষ্টি হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) A hoarder — এটি এমন একজন ব্যক্তিকে বোঝায় যিনি অপ্রয়োজনীয় জিনিস জমিয়ে রাখেন, যা এই প্রবাদের অর্থের সাথে মেলে না।
B) An elephant of white colour — এটি কোনো প্রবাদমূলক অর্থ বহন করে না, বরং শাব্দিক বা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ করে যা ভুল।
C) A very costly — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি প্রবাদটির মূল ভাব অর্থাৎ অতিরিক্ত ব্যয়বহুল বিষয়কে নির্দেশ করে।
D) A black marketers — এটি অবৈধ ব্যবসায়ী বা চোরাকারবারীদের বোঝায়, যা এই প্রবাদের অর্থের সাথে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
সাদা হাতি পোষার খরচ অনেক বেশি কিন্তু কোনো লাভ নেই, এভাবে याद রাখলে সঠিক উত্তরটি সহজে মনে রাখা যাবে।
সঠিক উত্তর: B) Rising
কেন সঠিক:
শেয়ার বাজারে বুল মার্কেট বলতে এমন একটি অবস্থাকে বোঝায় যেখানে অর্থনীতির গতি ভালো থাকে।
এই সময়ে শেয়ারের দাম ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পেতে থাকে এবং বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আশাবাদ কাজ করে।
বাজারে শেয়ার কেনার চাহিদা অনেক বেশি থাকে।
সাধারণ বিনিয়োগকারীরা এই সময়ে ভালো লাভের আশা করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Falling — এই অবস্থাটি বেয়ার মার্কেটের সাথে যুক্ত যেখানে শেয়ারের দাম ক্রমাগত কমতে থাকে।
B) Rising — এটি সঠিক কারণ বুল মার্কেটে শেয়ারের দাম সবসময় ঊর্ধ্বমুখী বা বৃদ্ধি পেতে থাকে।
C) Moving — এটি খুব সাধারণ একটি শব্দ যা বাজারের যেকোনো অবস্থাকে বোঝাতে পারে, তাই এটি নির্দিষ্ট কোনো অর্থ প্রকাশ করে না।
D) Static — এই শব্দটি স্থবির বা অপরিবর্তিত অবস্থাকে বোঝায়, যা বুল মার্কেটের ওঠানামার সাথে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
ষাঁড় বা বুল যেভাবে তার শিং দিয়ে ওপরের দিকে আঘাত করে, ঠিক তেমনি বুল মার্কেটে শেয়ারের দাম ওপরের দিকে বা বৃদ্ধি পায়।
সঠিক উত্তর: A) Drone
কেন সঠিক:
মৌমাছির ক্ষেত্রে স্ত্রীবাচক শব্দ হলো বি এবং পুরুষবাচক শব্দ হলো ড্রোন।
প্রকৃতিতে পুরুষ মৌমাছির বিশেষ এই নাম ইংরেজী ব্যাকরণে নির্দিষ্ট করা আছে।
অন্যান্য প্রাণীর লিঙ্গ পরিবর্তনের নিয়মের সাথে এটি মেলে না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Drone — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়।
B) Hart — এটি হরিণের পুরুষবাচক শব্দ, মৌমাছির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
C) Colt — এটি ঘোড়ার বাচ্চার পুরুষবাচক শব্দ, যা এখানে ভুল।
D) Stag — এটি পুরুষ হরিণ বোঝাতে ব্যবহার করা হয়।
মনে রাখার টিপস:
মৌমাছির পরিবারে রানী ও কর্মীর পাশাপাশি পুরুষ সদস্য ড্রোন নামে পরিচিত।
সঠিক উত্তর: A) Nouns
কেন সঠিক:
অভার্ব বা ক্রিয়া-বিশেষণ সাধারণত ভার্ব, অ্যাডজেক্টিভ এবং অন্য কোনো অ্যাডভার্বকে মডিফাই বা বিশেষিত করে।
এটি কখনোই কোনো নাউন বা বিশেষ্য পদকে মডিফাই করতে পারে না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Nouns — নাউনকে মডিফাই করার কাজটি অ্যাডজেক্টিভ করে থাকে, অ্যাডভার্ব নয়।
B) Verbs — এটি সঠিক কারণ অ্যাডভার্ব সহজেই যেকোনো ভার্বের কাজকে মডিফাই করতে পারে।
C) Adjectives — এটি সঠিক কারণ অ্যাডভার্ব কোনো অ্যাডজেক্টিভের দোষ বা গুণ বাড়িয়ে বা কমিয়ে বলতে পারে।
D) Prepositions — এটি সঠিক কারণ অ্যাডভার্ব কখনো কখনো প্রিপজিশনকে মডিফাই করতে সক্ষম।
মনে রাখার টিপস:
অ্যাডভার্ব কেবল নাউন ও প্রোনাউন ছাড়া বাকি প্রায় সব পদকে মডিফাই করতে পারে।
সঠিক উত্তর: A) the
কেন সঠিক:
শরীরের কোনো নির্দিষ্ট অংশে আঘাত করার কথা বোঝালে তার আগে ডেফিনিট আর্টিকেল দ্য বসে।
এখানে মাথার নির্দিষ্ট একটি অংশ বোঝানো হয়েছে তাই শূন্যস্থানে দ্য হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) the — এই অপশনটি সঠিক এবং বাক্যে নিয়ম অনুযায়ী ব্যবহার হয়েছে।
B) a — শরীরের নির্দিষ্ট অঙ্গের ক্ষেত্রে ইনডিফিনিট আর্টিকেল এ ব্যবহার করা যায় না।
C) an — ভাওয়েল সাউন্ড না থাকায় এবং নির্দিষ্ট অঙ্গ বোঝাতে অ্যান ব্যবহার ভুল।
D) with — এখানে কোনো উপকরণের নাম নেই বরং শরীরের অঙ্গ বোঝাতে দ্য বসে।
মনে রাখার টিপস:
শরীরের নির্দিষ্ট কোনো অংশে আঘাত বা ধরার কথা থাকলে তার আগে সবসময় দ্য বসাবে।
সঠিক উত্তর: A) (ভূমি × উচ্চতা)
প্রদত্ত তথ্য:
সামান্তরিকের জ্যামিতিক বৈশিষ্ট্য এবং পরিমাপ সম্পর্কিত প্রশ্ন
সামান্তরিকের ক্ষেত্রফল বের করার সূত্র নির্ধারণ করতে হবে
ধরি,
সামান্তরিকের একটি বাহুকে ভূমি ধরা হলো
ভূমির উপর অঙ্কিত লম্ব দূরত্বকে উচ্চতা ধরা হলো
অতএব,
ক্ষেত্রফল হবে ভূমি এবং উচ্চতার গুণফল
জ্যামিতির নিয়ম অনুযায়ী এই সূত্রটি সব সামান্তরিকের জন্য প্রযোজ্য
সুতরাং,
নির্ণয় ক্ষেত্রফল = ভূমি × উচ্চতা
উত্তর: ভূমি × উচ্চতা
সঠিক উত্তর: C) ৬৪০
প্রদত্ত তথ্য:
এক বর্গমাইল ক্ষেত্রফলের পরিমাণ নির্ণয় করতে হবে
আমরা জানি,
১ মাইল = ১৭৬০ গজ
অতএব,
১ বর্গমাইল = ১৭৬০ গজ × ১৭৬০ গজ = ৩০৯৭৬০০ বর্গ গজ
আমরা আরও জানি,
১ একড় = ৪৮৪০ বর্গ গজ
সুতরাং,
৩০৯৭৬০০ বর্গ গজ ÷ ৪৮৪০ বর্গ গজ = ৬৪০ একড়
উত্তর: ৬৪০ একড়
সঠিক উত্তর: C) ৪০
প্রদত্ত তথ্য:
তিনটি ক্রমিক সংখ্যার যোগফল = ১২৩
সংখ্যা তিনটি পরপর সাজানো
ধরি,
প্রথম বা ছোট সংখ্যাটি = ক
দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ক + ১
তৃতীয় সংখ্যাটি = ক + ২
অতএব,
শর্তমতে লেখা যায়, ক + (ক + ১) + (ক + ২) = ১২৩
৩ক + ৩ = ১২৩
৩ক = ১২৩ − ৩
সুতরাং,
৩ক = ১২০
ক = ১২০ ÷ ৩
উত্তর: ৪০
সঠিক উত্তর: A) ২০
প্রদত্ত তথ্য:
পিতা ও পুত্রের বর্তমান বয়সের সমষ্টি = ৮০ বছর
ধরি,
পুত্রের বর্তমান বয়স = ক বছর
পিতার বর্তমান বয়স = ৮০ − ক বছর
অতএব,
শর্তমতে, পিতার বয়স = ৩ × ক
৮০ − ক = ৩ক
৪ক = ৮০
সুতরাং,
ক = ২০
পুত্রের বর্তমান বয়স = ২০ বছর
উত্তর: ২০ বছর
সঠিক উত্তর: D) None
প্রদত্ত তথ্য:
বহুপদী রাশিটি হলো ৬x^২ − ৭x + ৫
একটি উৎপাদক হলো ৩x − ৫
ধরি,
অপর উৎপাদকটি হলো ax + b
অতএব,
প্রদত্ত রাশির সাথে দুটি উৎপাদকের গুণফল সমান হবে
অর্থাৎ (৩x − ৫)(ax + b) = ৬x^২ − ৭x + ৫
গুণ করে পাই,
৩ax^২ + (৩b − ৫a)x − ৫b = ৬x^২ − ৭x + ৫
সহজ তুলনা থেকে পাই,
৩a = ৬ সুতরাং a = ২
এবং −৫b = ৫ সুতরাং b = −১
সুতরাং,
অপর উৎপাদকটি পাওয়া যায় ২x − ১
উত্তর: D) None
সঠিক উত্তর: C) ১২৮
প্রদত্ত তথ্য:
আয়তাকার ক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য = ৪৮ মিটার
বিস্তার দৈর্ঘ্যের তুলনায় ৩ গুণ ছোট
ধরি,
আয়তাকার ক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য = ৪৮ মিটার
আয়তাকার ক্ষেত্রের বিস্তার = ৪৮ ÷ ৩ মিটার
অতএব,
আয়তাকার ক্ষেত্রের বিস্তার = ১৬ মিটার
পরিসীমার সূত্র = ২ × (দৈর্ঘ্য + বিস্তার)
দৈর্ঘ্য ও বিস্তারের যোগফল = ৪৮ + ১৬ মিটার
সুতরাং,
যোগফল = ৬৪ মিটার
পরিসীমা = ২ × ৬৪ মিটার
উত্তর: ১২৮ মিটার
সঠিক উত্তর: A) ১
প্রদত্ত তথ্য:
৯০ ও ১০০ এর মধ্যবর্তী সংখ্যাসমূহ হলো একানব্বই, বিরানব্বই, তিরানব্বই, চুরানব্বই, পঁচানব্বই, ছিয়ানব্বই, সাতাানব্বই, আটানব্বই এবং নিরানব্বই
ধরি,
এই সংখ্যাগুলোর মধ্যে মৌলিক সংখ্যা যাচাই করতে হবে
অতএব,
একানব্বই, বিরানব্বই, তিরানব্বই, চুরানব্বই, পঁচানব্বই, ছিয়ানব্বই, সাতাানব্বই, আটানব্বই এবং নিরানব্বই সংখ্যাগুলোর কোনটি মৌলিক কিনা দেখতে হবে
সুতরাং,
এদের মধ্যে কেবল সাতাানব্বই সংখ্যাটি মৌলিক কারণ এটি এক এবং সাতাানব্বই ছাড়া অন্য কোনো সংখ্যা দ্বারা বিভাজ্য নয়
উত্তর: ১
সঠিক উত্তর: D) ১০৯৯৯৮
প্রদত্ত তথ্য:
পাঁচ অংকের বৃহত্তম সংখ্যা নির্ণয় করতে হবে
পাঁচ অংকের ক্ষুদ্রতম সংখ্যা নির্ণয় করতে হবে
ধরি,
পাঁচ অংকের বৃহত্তম সংখ্যা = ৯৯৯৯৯
পাঁচ অংকের ক্ষুদ্রতম সংখ্যা = ১০০০০
অতএব,
সংখ্যা দুটির যোগফল = ৯৯৯৯৯ + ১০০০০ = ১০৯৯৯৯
সুতরাং,
যোগফল হতে ১ কম = ১০৯৯৯৯ − ১ = ১০৯৯৯৮
উত্তর: ১০৯৯৯৮
সঠিক উত্তর: C) ৭০
প্রদত্ত তথ্য:
সংখ্যাটি ১২, ১৮ ও ২৪ দ্বারা বিভাজ্য সংখ্যার চেয়ে দুই কম
ধরি,
১২, ১৮ ও ২৪ এর লসাগু নির্ণয় করতে হবে
অতএব,
১২ এর উৎপাদক হলো দুই গুণ দুই গুণ তিন
১৮ এর উৎপাদক হলো দুই গুণ তিন গুণ তিন
২৪ এর উৎপাদক হলো দুই গুণ দুই গুণ দুই গুণ তিন
সুতরাং,
লসাগু হলো আট গুণ নয় সমান বাহাত্তর
উত্তর: বাহাত্তর বিয়োগ দুই সমান সত্তর
সঠিক উত্তর: C) ৩৬
প্রদত্ত তথ্য:
ল.সা.গু. = ১৪৪
গ.সা.গু. = ১২
একটি সংখ্যা = ৪৮
ধরি,
অপর সংখ্যাটি = ক
আমরা জানি,
দুটি সংখ্যার গুণফল = ল.সা.গু. × গ.সা.গু.
অতএব,
৪৮ × ক = ১৪৪ × ১২
সুতরাং,
ক = (১৪৪ × ১২) ÷ ৪৮
উত্তর: ৩৬
সঠিক উত্তর: A) ৩
প্রদত্ত তথ্য:
ক'এর বর্গ বিয়োগ চার গুণ ক যোগ তিন সমান শূন্য
সমীকরণটি হলো ক স্কয়ার বিয়োগ চার ক যোগ তিন সমান শূন্য
ধরি,
ক এর মান নির্ণয় করতে হবে
সমীকরণটিকে উৎপাদকে বিশ্লেষণ করতে হবে
অতএব,
ক স্কয়ার বিয়োগ তিন ক বিয়োগ ক যোগ তিন সমান শূন্য
ক কমন নিলে ক বিয়োগ তিন থাকে এবং বিয়োগ এক কমন নিলে ক বিয়োগ তিন থাকে
সুতরাং,
ক বিয়োগ তিন গুণ ক বিয়োগ এক সমান শূন্য
ক সমান তিন অথবা ক সমান এক
উত্তর: ৩
সঠিক উত্তর: C) ০.১
প্রدত্ত তথ্য:
ভগ্নাংশটি হলো দুই এর পাঁচ অংশ
শতকরা হার হলো পঁচিশ শতাংশ
ধরি,
মূল সংখ্যাটি হলো দুই বাই পাঁচ
এর সাথে গুণ করতে হবে পঁচিশ শতাংশ
অতএব,
দুই বাই পাঁচ সমান শূন্য দশমিক চার
পঁচিশ শতাংশ সমান শূন্য দশমিক দুই পাঁচ
সুতরাং,
শূন্য দশমিক চার গুণ শূন্য দশমিক দুই পাঁচ সমান শূন্য দশমিক এক
উত্তর: ০.১
সঠিক উত্তর: C) ৬ সমকোণ
প্রদত্ত তথ্য:
polygon বা বহুভুজের বাহুর সংখ্যা = ৫
ধরি,
বহুভুজের বাহুর সংখ্যা = n = ৫
অতএব,
বহুভুজের অন্তঃকোণগুলোর সমষ্টির সূত্র = (n − ২) × ২ সমকোণ
সুতরাং,
৫ বাহুবিশিষ্ট পঞ্চভুজের সমষ্টি = (৫ − ২) × ২ সমকোণ = ৩ × ২ সমকোণ = ৬ সমকোণ
উত্তর: ৬ সমকোণ
সঠিক উত্তর: B) ৫৫
প্রদত্ত তথ্য:
ধারাটি হলো ফিবোনাচ্চি ধারা যেখানে প্রতি পদ তার পূর্ববর্তী দুটি পদের যোগফল
ধরি,
প্রথম পদ = ১
দ্বিতীয় পদ = ১
অতএব,
তৃতীয় পদ = ১ + ১ = ২
চতুর্থ পদ = ১ + ২ = ৩
পঞ্চম পদ = ২ + ৩ = ৫
সুতরাং,
ষষ্ঠ পদ = ৮, সপ্তম পদ = ১৩, অষ্টম পদ = ২১, নবম পদ = ৩৪
উত্তর: দশম পদ = ২১ + ৩৪ = ৫৫
সঠিক উত্তর: A) (৩/৪)
প্রদত্ত তথ্য:
ভগ্নাংশগুলো হলো ৩/৪, ২/৫, ১/৬ এবং ৫/৮
ধরি,
হরগুলোর লসাগু হলো ১২০
অতএব,
প্রথম ভগ্নাংশ = ৯০/১২০
দ্বিতীয় ভগ্নাংশ = ৪৮/১২০
তৃতীয় ভগ্নাংশ = ২০/১২০
চতুর্থ ভগ্নাংশ = ৭৫/১২০
সুতরাং,
সবচেয়ে বড় লব হলো ৯০
উত্তর: (৩/৪)
সঠিক উত্তর: C) ২.৮E−৫
প্রদত্ত তথ্য:
সংখ্যাগুলো হলো ০.২, ০.০১, ০.০০৭ এবং ২
ধরি,
প্রথম দুটি সংখ্যার গুণফল নির্ণয় করতে হবে
পরবর্তী দুটি সংখ্যার গুণফল নির্ণয় করতে হবে
অতএব,
০.২ × ০.০১ = ০.০০২
০.০০৭ × ২ = ০.০১৪
সুতরাং,
০.০০২ × ০.০১৪ = ০.০০০০২৮
উত্তর: ২.৮E−৫
সঠিক উত্তর: A) ৫৫°
প্রদত্ত তথ্য:
২টি কোণ পরস্পর পূরক কোণ
একটি কোণের মান = ৩৫°
ধরি,
অপর কোণটির মান = ক ডিগ্রি
দুইটি পূরক কোণের সমষ্টি = ৯০°
অতএব,
৩৫ ডিগ্রি + ক ডিগ্রি = ৯০ ডিগ্রি
ক ডিগ্রি = ৯০ ডিগ্রি − ৩৫ ডিগ্রি
সুতরাং,
ক = ৫৫
উত্তর: ৫৫°
সঠিক উত্তর: C) ১৮০°
প্রদত্ত তথ্য:
ত্রিভুজের একটি বাহু বর্ধিত করলে একটি বহিঃস্থ কোণ উৎপন্ন হয়
এই বহিঃস্থ কোণের সাথে ত্রিভুজের ভেতরে একটি অন্তঃস্থ সন্নিহিত কোণ থাকে
ধরি,
ত্রিভুজের অন্তঃস্থ কোণটি = ক ডিগ্রি
ত্রিভুজের বহিঃস্থ কোণটি = খ ডিগ্রি
অতএব,
অন্তঃস্থ কোণ ও বহিঃস্থ কোণ মিলে একটি সরল রেখা তৈরি করে
এই দুটি কোণ পরস্পর পরিপূরক বা রৈখিক যুগল কোণ গঠন করে
সুতরাং,
একটি সরল কোণের পরিমাপ সর্বদা সমান হয়
ক ডিগ্রি + খ ডিগ্রি = ১৮০ ডিগ্রি
উত্তর: ১৮০ ডিগ্রি
সঠিক উত্তর: B) ২৬ ভাদ্র, ১৪২৮
কেন সঠিক:
- বাংলা একাডেমি কর্তৃক সংশোধিত বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী ভাদ্র মাসের ২৬তম দিনে এই তারিখটি নির্ধারিত হয়।
- প্রাচীন সৌর বর্ষপঞ্জির হিসাব এবং আধুনিক বাংলা বর্ষপঞ্জির সংস্কারের নিয়ম অনুযায়ী এই দিনটি সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২৪ ভাদ্র, ১৪২৮ — এটি সঠিক তারিখের দুই দিন আগের দিন হওয়ায় এই প্রশ্নের ক্ষেত্রে ভুল উত্তর।
B) ২৬ ভাদ্র, ১৪২৮ — এটি এই প্রশ্নের নির্ধারিত সঠিক উত্তর এবং নিয়ম অনুযায়ী নির্ভুল।
C) ২৪ আশ্বিন, ১৪২৮ — এটি ভাদ্র মাসের পরবর্তী মাস আশ্বিন মাসের তারিখ হওয়ায় এই প্রশ্নের জন্য প্রযোজ্য নয়।
D) ২৬ আশ্বিন, ১৪২৮ — এটি সঠিক মাসের পরের মাসের তারিখ হওয়ায় এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয়।
মনে রাখার টিপস:
ভাদ্র মাসের ছাব্বিশ তারিখ মনে রাখতে ইংরেজি সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময়ের বাংলা রূপের সঙ্গে মিলিয়ে নিতে পারেন।
সঠিক উত্তর: C) ৫টি
কেন সঠিক:
- অলিম্পিক গেমসের পতাকায় পাঁচটি রঙের রিং বা বলয় ব্যবহার করা হয়।
- এই পাঁচটি রং হলো নীল, হলুদ, কালো, সবুজ এবং লাল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৩টি — অলিম্পিক প্রতীকে তিনটি রং থাকে না, তাই এটি ভুল।
B) ৪টি — প্রতীকে চারটি রং থাকে না, তাই এটি ভুল।
C) ৫টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ অলিম্পিক পতাকায় পাঁচটি রঙের রিং থাকে।
D) ৬টি — পতাকার সাদা পটভূমি বাদ দিলে প্রধান রঙের সংখ্যা ছয়টি নয়, পাঁচটি।
মনে রাখার টিপস:
অলিম্পিক প্রতীকে ৫টি মহাদেশকে বোঝাতে ৫টি রঙের রিং ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: A) মুশফিক
কেন সঠিক:
- মুশফিকুর রহিম ২০১৩ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে গল টেস্টে অপराजিত ২০০ রান করে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম ডাবল সেঞ্চুরির ঐতিহাসিক রেকর্ড গড়েন।
- তিনি বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসে প্রথম দ্বি-শতক হাঁকানো গৌরব অর্জন করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মুশফিক — ইনি বাংলাদেশের পক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি করার ঐতিহাসিক কৃতিত্ব অর্জন করেছেন।
B) তামিম — ইনি টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম ট্রিপল সেঞ্চুরির খুব কাছাকাছি পৌঁছালেও প্রথম ডাবল সেঞ্চুরিয়ান নন।
C) সাকিব — ইনি বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার হলেও টেস্টে বাংলাদেশের প্রথম ডাবল সেঞ্চুরির রেকর্ড তার নয়।
D) লিটন — ইনি বাংলাদেশের আধুনিক যুগের অন্যতম সেরা ব্যাটার হলেও প্রথম ডাবল সেঞ্চুরিয়ান নন।
মনে রাখার টিপস:
টেস্ট ক্রিকেটে মুশফিকুর রহিম প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি করেছিলেন শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে।
সঠিক উত্তর: A) শুক্র
কেন সঠিক:
- শুক্র গ্রহের বায়ুমণ্ডলে প্রচুর কার্বন ডাই অক্সাইড রয়েছে, যা গ্রিনহাউস প্রভাবের মাধ্যমে তাপ আটকে রাখে।
- এটি সূর্যের নিকটতম গ্রহ না হলেও এর বায়ুমণ্ডলের ঘন স্তরের কারণে এটি সৌরজগতের সবচেয়ে উষ্ণ গ্রহ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শুক্র — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর বায়ুমণ্ডল তাপ ধরে রাখার ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি।
B) মঙ্গল — এর বায়ুমণ্ডল অত্যন্ত পাতলা এবং সূর্যের চেয়ে দূরে থাকায় এর তাপমাত্রা অনেক কম।
C) পৃথিবী — এখানে পানি ও উপযুক্ত বায়ুমণ্ডল থাকার কারণে তাপমাত্রা সহনীয় পর্যায়ে থাকে।
D) বুধ — এটি সূর্যের সবচেয়ে কাছের গ্রহ হওয়া সত্ত্বেও বায়ুমণ্ডল না থাকায় শুক্রের চেয়ে এর তাপমাত্রা কম।
মনে রাখার টিপস:
সূর্যের সবচেয়ে কাছে বুধ হলেও বায়ুমণ্ডলের গ্রিনহাউস প্রভাবে সবচেয়ে বেশি গরম শুক্র গ্রহ।
সঠিক উত্তর: A) লৌহ
কেন সঠিক:
- লৌহ হলো একটি সাধারণ ধাতু, যা প্রকৃতিতে স্থিতিশীল এবং এর কোনো তেজস্ক্রিয় সমস্থানিক নেই।
- তেজস্ক্রিয় পদার্থ স্বতঃস্ফূর্তভাবে বিকিরণ ছড়ায়, কিন্তু লৌহ বিকিরণ নির্গমন করে না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লৌহ — এটি সাধারণ ধাতু এবং তেজস্ক্রিয় পদার্থ নয়।
B) ইউরেনিয়াম — এটি একটি প্রাকৃতিক তেজস্ক্রিয় মৌল, যা পারমাণবিক শক্তিতে ব্যবহৃত হয়।
C) পুটোনিয়াম — এটি একটি কৃত্রিম তেজস্ক্রিয় মৌল এবং অত্যন্ত বিষাক্ত।
D) নেপচুনিয়াম — এটি একটি তেজস্ক্রিয় অ্যাক্টিনাইড মৌল।
মনে রাখার টিপস:
লোহার তৈরি রান্নার কড়াই বা আসবাবপত্র আমরা নিরাপদে ব্যবহার করি, তাই লোহা তেজস্ক্রিয় হতে পারে না।
প্রশ্নের ধরন: অর্থনীতি ও ব্যবসায়বিষয়ক ধারণা / ICT ও ডিজিটাল প্রযুক্তি
সঠিক উত্তর: B) বিটকয়েন
বিশেষ দ্রষ্টব্য: প্রশ্নে প্রদত্ত সঠিক উত্তর 'ডলার' ভুল ছিল। সঠিক উত্তরটি হবে 'বিটকয়েন', কারণ ডলার হলো ফিয়াট মুদ্রা বা প্রচলিত সরকারি মুদ্রা।
কেন সঠিক:
- বিটকয়েন একটি সম্পূর্ণ ডিজিটাল বা ক্রিপ্টোকারেন্সি, যার কোনো ভৌতিক রূপ বা কাগজী অস্তিত্ব নেই।
- এটি ইন্টারনেটের মাধ্যমে ক্রিপ্টোগ্রাফি প্রযুক্তির সাহায্যে লেনদেন করা হয় এবং কোনো কেন্দ্রীয় ব্যাংক বা সরকার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ডলার — এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ কয়েকটি দেশের প্রচলিত সরকারি কাগজী বা ফিয়াট মুদ্রা, যা ডিজিটাল মুদ্রা নয়।
C) ক্রেডিট কার্ড — এটি কোনো মুদ্রা নয়, বরং এটি কেবল একটি আর্থিক লেনদেন মাধ্যম বা প্লাস্টিক কার্ড যা ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সাথে যুক্ত থাকে।
D) কোনোটিই নয় — এই অপশনটি ভুল কারণ বিটকয়েন সঠিক উত্তরের তালিকায় বিদ্যমান রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
যার কোনো কাগজের রূপ নেই এবং শুধু ইন্টারনেটে লেনদেন হয়, সেটাই হলো ডিজিটাল মুদ্রা বা বিটকয়েন।
সঠিক উত্তর: B) ওপেন সোর্স
কেন সঠিক:
- অ্যান্ড্রয়েড একটি ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম হওয়ায় যে কেউ এর সোর্স কোড দেখতে, পরিবর্তন করতে ও পরিমার্জন করতে পারে।
- গুগল এটি বিনামূল্যে ডেভেলপারদের জন্য উন্মুক্ত করে দিয়েছে যাতে মোবাইল প্রস্তুতকারক কোম্পানিগুলো নিজেদের মতো এটি কাস্টমাইজ করতে পারে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ক্লাউড সোর্স — ক্লাউড সোর্স বলতে ডেটা বা কোড মেঘ বা ইন্টারনেটে সংরক্ষণের ব্যবস্থাকে বোঝায়, যা অ্যান্ড্রয়েডের মূল কোডিং কাঠামোর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
B) ওপেন সোর্স — এই অপশনটি সঠিক কারণ অ্যান্ড্রয়েডের মূল সফটওয়্যার কোড উন্মুক্ত এবং সবার জন্য বিনা মূল্যে ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে।
C) উভয় ধরনের — অ্যান্ড্রয়েড ক্লাউড ভিত্তিক নয় বরং এটি ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম, তাই এই অপশনটি ভুল।
D) কোনোটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর ওপেন সোর্সের মধ্যে বিদ্যমান, তাই এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
অ্যান্ড্রয়েড সবার জন্য উন্মুক্ত বা ওপেন, তাই এটি ওপেন সোর্স।
প্রশ্নের ধরন: ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ঘটনা
সঠিক উত্তর: B) কনস্ট্যান্টিনোপল
কেন সঠিক:
- রোমান সম্রাট কনস্ট্যান্টাইন প্রাচীন বাইজান্টিয়াম নগরীর নাম পরিবর্তন করে কনস্ট্যান্টিনোপল রাখেন এবং একে পূর্ব রোমান বা বাইজানটাইন সাম্রাজ্যের রাজধানী করেন।
- এটি ইউরোপ ও এশিয়ার সংযোগস্থলে অবস্থিত হওয়ায় কৌশলগত, বাণিজ্যিক ও সামরিক দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লিসবন — এটি পর্তুগালের রাজধানী এবং বাইজানটাইন সাম্রাজ্যের রাজধানী ছিল না।
B) কনস্ট্যান্টিনোপল — এটিই বাইজানটাইন সাম্রাজ্যের ঐতিহাসিক ও মূল রাজধানী ছিল।
C) প্যারিস — এটি বর্তমান ফ্রান্সের রাজধানী, যা প্রাচীন বাইজানটাইন সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত ছিল না।
D) ভিয়েনা — এটি অস্ট্রিয়ার রাজধানী এবং এটি হাবসবার্গ সাম্রাজ্যের কেন্দ্র ছিল, বাইজানটাইন রাজধানী নয়।
মনে রাখার টিপস:
সম্রাট কনস্ট্যান্টাইনের নামানুসারেই বাইজানটাইন সাম্রাজ্যের রাজধানী কনস্ট্যান্টিনোপল নামকরণ করা হয়।
সঠিক উত্তর: B) ৮ মার্চ
কেন সঠিক:
- আন্তর্জাতিক নারী দিবস প্রতি বছর ৮ মার্চ বিশ্বব্যাপী উদযাপিত হয়।
- নারী অধিকার রক্ষা এবং সমতা অর্জনের লক্ষ্যে এই দিনটি পালন করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৮ এপ্রিল — এটি আন্তর্জাতিক নারী দিবসের তারিখ নয় এবং এই দিনে অন্য কোনো সাধারণ ঘটনা রয়েছে।
B) ৮ মার্চ — এটি আন্তর্জাতিক নারী দিবসের সঠিক ও নির্ধারিত তারিখ।
C) ৭ মার্চ — এটি ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ স্মরণের দিন, নারী দিবসের দিন নয়।
D) ৭ এপ্রিল — এটি বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস উদযাপনের তারিখ, নারী দিবস নয়।
মনে রাখার টিপস:
মার্চ মাসের আট তারিখ হলো আন্তর্জাতিক নারী দিবস।
সঠিক উত্তর: B) প্যারিস
কেন সঠিক:
- ইউনেস্কো জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা যার প্রধান কার্যালয় ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে অবস্থিত।
- এই সংস্থাটি বিশ্বজুড়ে শিক্ষা ও সংস্কৃতির বিকাশ এবং ঐতিহাসিক স্থান সংরক্ষণে কাজ করে থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নিউইয়র্ক — এটি জাতিসংঘের মূল সদর দপ্তরের অবস্থান, ইউনেস্কোর নয়।
B) প্যারিস — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং ইউনেস্কোর প্রধান কার্যালয় এখানে অবস্থিত।
C) রোম — এটি জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার সদর দপ্তর, তাই এটি এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) জেনেভা — এটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার সদর দপ্তর হিসেবে পরিচিত।
মনে রাখার টিপস:
ইউনেস্কো সংস্কৃতির সাথে জড়িত আর প্যারিস হলো ফ্যাশন ও সংস্কৃতির শহর, তাই ইউনেস্কোর সদর দপ্তর প্যারিসে অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: C) রাঙামাটি
কেন সঠিক:
- রাঙামাটি বাংলাদেশের আয়তনে সবচেয়ে বড় জেলা হওয়া সত্ত্বেও ভৌগোলিক ও পাহাড়ি দুর্গমতার কারণে এখানে সংসদীয় আসন মাত্র ১টি।
- জাতীয় সংসদের ৩০০টি নির্বাচনী এলাকার মধ্যে রাঙামাটি জেলার আসন সংখ্যা ২৯৯ নম্বর।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মেহেরপুর — এই জেলায় সংসদীয় আসন ২টি রয়েছে, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
B) ঝালকাঠি — এই জেলায় সংসদীয় আসন ২টি রয়েছে, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
C) রাঙামাটি — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত।
D) লক্ষ্মীপুর — এই জেলায় সংসদীয় আসন ৪টি রয়েছে, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
মনে রাখার টিপস:
পাহাড়ি ও আয়তনে বড় জেলাগুলোর মধ্যে রাঙামাটির সংসদীয় আসন সংখ্যা সবচেয়ে কম, মাত্র ১টি।
সঠিক উত্তর: A) পেট্রোপোল
কেন সঠিক:
- বেনাপোল বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ও সর্বাধিক ব্যবহৃত স্থলবন্দর এবং এর ঠিক বিপরীত পাশেই ভারতের পশ্চিমবঙ্গের পেট্রোপোল স্থলবন্দর অবস্থিত।
- দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও যাত্রী পারাপারের জন্য এই সীমান্তটি প্রধান ও সরাসরি সংযোগস্থল হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পেট্রোপোল — এটি বেনাপোল স্থলবন্দরের বিপরীতে অবস্থিত প্রধান ভারতীয় স্থলবন্দর এবং এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
B) কৃষ্ণনগর — এটি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের একটি ঐতিহাসিক শহর ও নদিয়া জেলার সদর দপ্তর, যা কোনো প্রধান স্থলবন্দর নয়।
C) ডাউকি — এটি ভারতের মেঘালয় রাজ্যে অবস্থিত স্থলবন্দর, যা বাংলাদেশের তামাবিল সীমান্তের বিপরীতে অবস্থিত।
D) মোহাদিপুর — এটি ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মালদহ জেলায় অবস্থিত স্থলবন্দর, যা বাংলাদেশের সোনামসজিদ সীমান্তের বিপরীতে অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
বেনাপোলের সাথে মিল রেখে মনে রাখুন ব তে বেনাপোল আর প তে পেট্রোপোল।
সঠিক উত্তর: D) ১৯৭৪
কেন সঠিক:
- স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম ও ১৯৭৫ সালের ১৯৭৪ সালের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সরকারের আমলে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
- এই শুমারি অনুযায়ী তৎকালীন সময়ে বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা ছিল প্রায় সাড়ে সাত কোটি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯্রাজ্য নয়, এই সালে কোনো আদমশুমারি হয়নি।
B) ১৯৭২ সালে সদ্য স্বাধীন দেশে আদমশুমারির প্রস্তুতি নেওয়া সম্ভব ছিল না, কারণ দেশ পুনর্গঠন তখন প্রধান অগ্রাধিকার ছিল।
সি) ১৯৭৩ সালে কোনো আদমশুমারি পরিচালিত হয়নি।
D) ১৯৭৪ সালে প্রথম আদমশুমারি সফলভাবে সম্পন্ন হয় এবং এটিই সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
স্বাধীনতার ঠিক তিন বছর পর ১৯৭৪ সালে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: D) ৩টি
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশে বর্তমানে আনুষ্ঠানিকভাবে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ৩টি চালু রয়েছে।
- এই বিমানবন্দরগুলো হলো ঢাকা, চট্টগ্রাম এবং সিলেট।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২টি — অতীতে বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ২টি থাকলেও বর্তমানে এর সংখ্যা বেশি।
B) ৬টি — বর্তমানে বাংলাদেশে কার্যকর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সংখ্যা ৬টি নয়, ৩টি।
C) ৫টি — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ বর্তমানে ৩টি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর রয়েছে।
D) ৩টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলাদেশে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বিদ্যমান।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ৩টি মনে রাখতে ঢাকার হযরত শাহজালাল, চট্টগ্রামের শাহ আমানত এবং সিলেটের ওসমানী বিমানবন্দরগুলোর কথা মনে করুন।
সঠিক উত্তর: B) মিরসরাই
কেন সঠিক:
- এটি বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের অধীনে প্রতিষ্ঠিত দেশের সর্ববৃহৎ অর্থনৈতিক অঞ্চল।
- চট্টগ্রাম জেলার মিরসরাই এবং সীতাকুণ্ড উপজেলার কিছু অংশ নিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগর নামে এটি গঠিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আনোয়ারা — এটি চট্টগ্রামের একটি আলাদা উপজেলা ও অর্থনৈতিক অঞ্চলের নাম হলেও এটি সর্ববৃহৎ অর্থনৈতিক অঞ্চল নয়।
B) মিরসরাই — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
C) সীতাকুণ্ডু — মিরসরাই প্রকল্পের সঙ্গে সীতাকুণ্ড উপজেলার কিছু অংশ যুক্ত থাকলেও পুরো প্রকল্পটি মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চল বা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগর নামে পরিচিত।
D) কোনোটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশন বি তে বিদ্যমান, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
মিরসরাই হলো দেশের সবচেয়ে বড় শিল্পাঞ্চল, যা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগর নামে পরিচিত।
সঠিক উত্তর: B) কামরুল হাসান
কেন সঠিক:
- শিল্পী কামরুল হাসান বাংলাদেশের বর্তমান জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত রূপদাতা ও ডিজাইনার।
- তিনি ১৯৭০ সালের ৬ জুন শিব নারায়ণ দাসের আঁকা মূল পতাকার নকশায় পরিবর্তন এনে বর্তমান পতাকাটি ডিজাইন করেন, যা ১৯৭১ সালের ১৭ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জয়নুল আবেদিন — তিনি বাংলাদেশের শিল্পাচার্য এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা হলেও জাতীয় পতাকার ডিজাইনার নন।
B) কামরুল হাসান — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি জাতীয় পতাকার বর্তমান রূপের ডিজাইনার।
C) হামিদুর রহমান — তিনি জাতীয় শহীদ মিনারের মূল স্থপতি ও নকশাকার, জাতীয় পতাকার ডিজাইনার নন।
D) হাশেম খান — তিনি দেশের একজন প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী ও বইয়ের প্রচ্ছদশিল্পী, কিন্তু জাতীয় পতাকার ডিজাইনার নন।
মনে রাখার টিপস:
পতাকার লাল বৃত্তে মানচিত্র এনেছিলেন শিব নারায়ণ দাস আর পতাকার সবুজ জমিনের ভেতর বৃত্তটিকে নিখুঁত মাপে বসিয়ে বর্তমান রূপ দিয়েছিলেন কামরুল হাসান।
সঠিক উত্তর: A) ১০ নং সেক্টর
কেন সঠিক:
- মুক্তিযুদ্ধের সময় গঠিত ১০ নং সেক্টরটি ছিল নৌ কমান্ড বা নৌ সেক্টর।
- এই সেক্টরের অধীনে কোনো নির্দিষ্ট ভৌগোলিক এলাকা ছিল না, সমগ্র জলপথ ও সমুদ্র উপকূলীয় অঞ্চল এর আওতাভুক্ত ছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১০ নং সেক্টর — এটি নৌ কমান্ড সেক্টর হিসেবে গঠিত হয়েছিল এবং এর কোনো নির্দিষ্ট ভৌগোলিক এলাকা ছিল না।
B) ১১ নং সেক্টর — এটি ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইল এলাকা নিয়ে গঠিত স্থল সেক্টর ছিল।
C) ৮ নং সেক্টর — এটি কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা, বরিশাল ও ফরিদপুর জেলা নিয়ে গঠিত স্থল সেক্টর ছিল।
D) ৯ নং সেক্টর — এটি খুলনা ও বরিশাল অঞ্চল নিয়ে গঠিত স্থল সেক্টর ছিল।
মনে রাখার টিপস:
নৌকা জলে চলে এবং জল মানেই দশ দিক, তাই নৌ সেক্টর হলো ১০ নং সেক্টর।
সঠিক উত্তর: C) মহাস্থানগড়
কেন সঠিক:
- প্রাচীন বাংলার পুণ্ড্রবর্ধনুক্তির রাজধানী ছিল পুণ্ড্রনগর, যার বর্তমান নাম মহাস্থানগড়।
- এটি বগুড়া জেলায় করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত প্রাচীনতম ঐতিহাসিক নগরী।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ময়নামতি — এটি কুমিল্লায় অবস্থিত প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শন এবং বৌদ্ধ বিহারের জন্য বিখ্যাত, পুণ্ড্রবর্ধন নগর নয়।
B) বিক্রমপুর — এটি মুন্সীগঞ্জ জেলায় অবস্থিত প্রাচীন বাংলার সেন ও চন্দ্র রাজবংশের রাজধানী এবং সাহিত্যিক কেন্দ্র ছিল।
C) মহাস্থানগড় — এটি সঠিক উত্তর, কারণ প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন নগরী এখানেই অবস্থিত ছিল।
D) পাহাড়পুর — এটি নওগাঁ জেলায় অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক স্থান, যা সোমপুর মহাবিহারের জন্য পরিচিত।
মনে রাখার টিপস:
পুণ্ড্রবর্ধন মানেই বগুড়ার মহাস্থানগড়, যা বাংলার প্রাচীনতম নগরী।
সঠিক উত্তর: C) ২৩ ফেব্রুয়ারি
কেন সঠিক:
- ১৯৬৯ সালের এই দিনে ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) এক বিশাল জনসভায় শেখ মুজিবুর রহমানকে বঙ্গবন্ধু উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
- তৎকালীন ডাকসু সহসভাপতি তোফায়েল আহমেদ ছাত্রসংগ্রাম পরিষদের পক্ষে এই উপাধি ঘোষণা করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২১ ফেব্রুয়ারি — এটি শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস, এই তারিখে উপাধি দেওয়া হয়নি।
B) ২২ ফেব্রুয়ারি — এই দিনে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করা হয় এবং বন্দী নেতারা মুক্তি পান।
C) ২৩ ফেব্রুয়ারি — এই তারিখে জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমানকে আনুষ্ঠানিকভাবে বঙ্গবন্ধু উপাধি দেওয়া হয়।
D) ২৪ ফেব্রুয়ারি — এই তারিখে এই বিশেষ জনসভা বা উপাধি দেওয়ার কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটেনি।
মনে রাখার টিপস:
ঊনসত্তরের গণঅভুথ্যালের পর ২৩ ফেব্রুয়ারি তোফায়েল আহমেদ শেখ মুজিবকে বঙ্গবন্ধু উপাধি দেন।
সঠিক উত্তর: D) বিচার ব্যবস্থা
কেন সঠিক:
- ঐতিহাসিক ছয় দফার দাবিগুলোতে শাসনতান্ত্রিক কাঠামো, কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা এবং মুদ্রা ব্যবস্থা নিয়ে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব ছিল।
- বিচার ব্যবস্থার বিষয়টি ছয় দফার মূল ছয়টি দাবির মধ্যে অন্তর্ভুক্ত ছিল না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শাসনতান্ত্রিক কাঠামো — ছয় দফার প্রথম দফায় লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে ফেডারেল পদ্ধতির শাসনতান্ত্রিক কাঠামো গঠনের কথা বলা হয়েছিল।
B) কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা — ছয় দফার দ্বিতীয় দফায় কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা কেবল দেশরক্ষা ও পররাষ্ট্র বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে সীমাবদ্ধ রাখার প্রস্তাব ছিল।
C) স্বতন্ত্র মুদ্রাব্যবস্থা — ছয় দফার তৃতীয় দফায় দুটি পৃথক অথচ সহজে বিনিময়যোগ্য মুদ্রা অথবা দুটি পৃথক অঞ্চলের জন্য দুটি আলাদা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রস্তাব ছিল।
D) বিচার ব্যবস্থা — ছয় দফায় বিচার ব্যবস্থা সম্পর্কিত কোনো স্বতন্ত্র বা আলাদা দফা অন্তর্ভুক্ত ছিল না বিধায় এটি সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
ছয় দফার বিষয়গুলো মনে রাখার জন্য মূল ভিত্তিগুলো মাথায় রাখুন যার মধ্যে শাসনতন্ত্র, ক্ষমতা, মুদ্রা, কর, বৈদেশিক বাণিজ্য ও মিলিশিয়া বা আধাসামরিক বাহিনী গঠিত ছিল কিন্তু বিচার ব্যবস্থা ছিল না।
সঠিক উত্তর: A) তৎসম
১. কেন সঠিক:
- 'গণপ্রজাতন্ত্রী' শব্দটি সংস্কৃত ভাষা থেকে কোনো পরিবর্তন ছাড়াই সরাসরি বাংলা ভাষায় এসেছে।
- উৎসগত বিচারে যে শব্দগুলো সংস্কৃত ভাষা থেকে অপরিবর্তিতরূপে বাংলায় ব্যবহৃত হয়, সেগুলোকে তৎসম শব্দ বলে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- তৎসম শব্দের অর্থ হলো তার সমান বা সংস্কৃতের সমান। সংস্কৃত ভাষা থেকে সরাসরি আগত শব্দই হলো তৎসম শব্দ।
- সমাস বা প্রত্যয় সাধিত অনেক জটিল শব্দও উৎসগতভাবে তৎসম হয়ে থাকে, যার মধ্যে 'গণপ্রজাতন্ত্রী' একটি চমৎকার উদাহরণ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চন্দ্র
ব্যাখ্যা: এটি সংস্কৃত ভাষা থেকে সরাসরি বাংলায় এসেছে এবং এটি একটি তৎসম শব্দ।
উদাহরণ ২: সূর্য
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিও কোনো পরিবর্তন ছাড়া সংস্কৃত থেকে বাংলায় প্রবেশ করেছে, তাই এটি তৎসম শব্দ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তৎসম — এই অপশনটি সঠিক কারণ 'গণপ্রজাতন্ত্রী' শব্দটি সংস্কৃত থেকে অপরিবর্তিতভাবে এসেছে।
B) তদ্ভব — এই অপশনটি ভুল কারণ তদ্ভব শব্দগুলো প্রাকৃতের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে বাংলায় আসে, যা এই শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
C) দেশি — এই অপশনটি ভুল কারণ দেশি শব্দ বলতে বাংলাদেশের আদি অধিবাসীদের ভাষা থেকে আগত শব্দ বোঝায়।
D) বিদেশি — এই অপশনটি ভুল কারণ বিদেশি শব্দ বলতে আরবি, ফার্সি, ইংরেজি বা পর্তুগিজ ইত্যাদি বহির্গত ভাষার শব্দকে বোঝায়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- যেসব শব্দে সংস্কৃত ব্যাকরণের প্রভাব এবং গম্ভীর রূপ দেখা যায়, সেগুলো সাধারণত তৎসম শব্দ হয়।
- দীর্ঘ ও প্রাতিষ্ঠানিক প্রশাসনিক শব্দ যেমন গণপ্রজাতন্ত্রী, সার্বভৌমত্ব সাধারণত তৎসম হয়ে থাকে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উৎসের ভিত্তিতে শব্দের শ্রেণিবিভাগ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে সংস্কৃত প্রমিত রূপ এবং অপরিবর্তিত থাকার বিষয়টি ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) উৎ + নয়ন
১. কেন সঠিক:
সন্ধির নিয়মানুসারে ব্যঞ্জনসন্ধির ব্যঞ্জনধ্বনি পরিবর্তনের সূত্র অনুযায়ী 'ৎ' বা 'দ' এর পরে 'ন' থাকলে 'ৎ' বা 'দ' স্থানে 'ন' হয়।
এখানে 'উৎ' উপসর্গের সাথে 'নয়ন' শব্দ যুক্ত হয়ে ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়মে 'উন্নয়ন' শব্দটি গঠিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
সংস্কৃত ব্যঞ্জনসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম হলো প্রথম পদের অন্তে অবস্থিত 'ৎ' বা 'দ'-এর পরে যদি নাসিক্য ধ্বনি যেমন 'ন' বা 'ম' থাকে, তবে প্রথম পদের অন্তস্থিত 'ৎ' বা 'দ' পরিবর্তিত হয়ে সেই বর্গের নাসিক্য ধ্বনিতে পরিণত হয়।
'উৎ' শব্দের 'ৎ' ধ্বনির পরে 'নয়ন' শব্দের 'ন' ধ্বনি থাকার কারণে প্রথম 'ৎ' পরিবর্তিত হয়ে দন্ত্য 'ন' রূপ ধারণ করেছে এবং শব্দটি হয়েছে 'উন্নয়ন'।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: উৎ + নয়ন = উন্নয়ন
ব্যাখ্যা: এটি ব্যঞ্জনসন্ধির একটি আদর্শ উদাহরণ যেখানে 'ৎ' এর প্রভাবে 'ন' যুক্ত হয়ে দ্বিত্ব ন গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: সৎ + নারায়ন = সিন্নারায়ন
ব্যাখ্যা: এখানেও ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়মে 'ৎ' এর পরে 'ন' থাকায় 'ৎ' স্থানে 'ন' যুক্ত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উন + নয়ন — এটি কোনো প্রমিত সন্ধি নিয়ম মেনে গঠিত হয়নি এবং 'উন' কোনো ব্যাকরণসম্মত পূর্বপদ নয়।
B) উৎ + নয়ন — এটি সঠিক উত্তর, কারণ ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়মে 'ৎ' এর সাথে 'ন' যুক্ত হয়ে এই শব্দটি গঠিত হয়।
C) উন্ন + য়ন — 'উন্ন' বলে বাংলায় কোনো শব্দ বা উপসর্গ নেই, তাই এই বিভাজনটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
D) উন + অয়ন — 'অয়ন' শব্দের সাথে 'উন' যুক্ত করলে 'উনায়ন' হতে পারে, কিন্তু 'উন্নয়ন' শব্দটির সঠিক গঠন এটি নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
ব্যঞ্জনসন্ধিতে 'উন্নয়ন' শব্দটি ভাঙলে সবসময় প্রথম অংশে 'উৎ' এবং দ্বিতীয় অংশে 'নয়ন' হবে।
নাসিক্য ধ্বনির প্রভাবে 'ৎ' বর্ণটি 'ন' এ রূপান্তরিত হয়, এই সূত্রটি মনে রাখলে ভুল হবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের ব্যঞ্জনসন্ধি প্রায়ই আসে।
একই নিয়মে 'উৎ + মেষ = উন্মেষ' এবং 'ৎ' এর স্থানে 'ন' বা 'ম' যুক্ত হওয়ার অন্যান্য শব্দগুলো ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) উৎ + লেখ
১. কেন সঠিক:
সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী ত্ বা দ্ এর পরে ল্ থাকলে ত্ বা দ্ স্থানে ল্ হয়। এখানে উৎ পদের ত্ এবং লেখ পদের ল্ মিলে উল্লেখে ত্ স্থলে ল্ যুক্ত হয়ে উল্লেখ গঠিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি ব্যঞ্জনসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম যেখানে পদাশেষে অবস্থিত ত্ বা দ্ এর পর ল্ থাকলে পূর্ববর্তী ত্ বা দ্ পরিবর্তিত হয়ে ল্ এ পরিণত হয়।
এই নিয়মে ত্ বা দ্ লুপ্ত হয়ে পরবর্তী ল এর সাথে যুক্ত হয়ে দ্বিত্ব ল সৃষ্টি করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: উৎ + লীন = উল্লীন
ব্যাখ্যা: এখানে ত্ এর পরে ল্ থাকায় ত্ পরিবর্তিত হয়ে ল্ হয়েছে।
উদাহরণ ২: সৎ + লাভ = সল্লাভ
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও একই ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম প্রযুক্ত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উৎ + লেখ — এটি সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ এবং নিয়মের সাথে সম্পূর্ণ মিলে যায়।
B) উদ্ + লেখ — প্রমিত বাংলা ব্যাকরণে উৎ + লেখ অধিকতর স্বীকৃত এবং প্রচলিত রূপ।
C) উল + লেখ — উল বলে কোনো মৌলিক সংস্কৃত উপসর্গ বা শব্দ সন্ধির ক্ষেত্রে এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) উল্ব + লেখ — উল্ব কোনো বৈধ পূর্বপদ নয় এবং এর সাথে লেখ পদের কোনো ব্যাকরণিক মিল নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
ত বা দ এর পরে ল থাকলে ত বা দ এর জায়গায় ল বসবে। উল্লেখ শব্দটি দেখলে উৎ এর সাথে লেখ যোগ করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ব্যঞ্জনসন্ধির এই নিয়মটি প্রায়ই আসে। একই নিয়মে উল্লাস এবং উল্লঙ্ঘন শব্দগুলোর সন্ধি বিচ্ছেদ চর্চা করা যেতে পারে।
সঠিক উত্তর: A) অনু + ছেদ
১. কেন সঠিক:
সন্ধির নিয়মানুসারে স্বরধ্বনির পর ছ থাকলে ছ এর স্থানে চ ছ হয়।
এখানে অনু শব্দের শেষে উ স্বরধ্বনি আছে এবং পরের শব্দ ছেদ এর শুরুতে ছ আছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
স্বরের পর ছ থাকলে ছ এর জায়গায় চ ছ যুক্ত হয়।
এটি ব্যঞ্জনসন্ধির একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও নিয়মিত প্রক্রিয়া।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পরি + ছেদ = পরিচ্ছেদ।
ব্যাখ্যা: ই স্বরধ্বনির পর ছ থাকায় চ ছ যুক্ত হয়েছে।
উদাহরণ ২: আ + চ্ছাদন = আচ্ছাদন।
ব্যাখ্যা: আ স্বরধ্বনির পর ছ থাকায় চ ছ যুক্ত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অনু + ছেদ — এটি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ এবং মূল শব্দের সঙ্গে মিলে যায়।
B) অনু + চ্ছেদ — এখানে পূর্বেই চ যুক্ত করা আছে যা সন্ধির মূল নিয়মের পরিপন্থী।
C) অণু + ছেদ — এখানে অণু বানানটিতে দীর্ঘ উ বা মূর্ধন্য ণ ব্যবহার করা হয়েছে যা ভুল।
D) অণু + চ্ছেদ — এখানে বানান ও সন্ধি উভয় ক্ষেত্রেই ভুল রয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
স্বরের পরে ছ দেখলে ছ এর আগে চ বসিয়ে দিতে হয়।
পরি বা অনু উপসর্গের পর ছেদ থাকলে এই নিয়ম প্রযোজ্য হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই নিয়মের শব্দ প্রায়ই আসে।
পরিচ্ছেদ ও অনুচ্ছেদ শব্দ দুটি ভালোভাবে চর্চা করলে পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
সঠিক উত্তর: B) কর্তৃকারক
১. কেন সঠিক:
- বাক্যের ক্রিয়ার সঙ্গে যে বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের সরাসরি সম্পৃক্ততা থাকে এবং যে নিজে কাজটি সম্পন্ন করে, তাকে কর্তৃকারক বলে।
- এখানে 'গগণে গরজে মেঘ' বাক্যে মেঘ নিজে গর্জন করার কাজটি সম্পন্ন করছে, তাই মেঘ পদটি কর্তৃকারক।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- ক্রিয়াপদকে কে বা কারা দ্বারা প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা কর্তৃকারক হিসেবে চিহ্নিত হয়।
- বাক্যে মেঘ নিজে বা স্বয়ংক্রিয়ভাবে গর্জন করছে বলে এটি কর্তার প্রথম বা শূন্য বিভক্তিযুক্ত কর্তৃকারক।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পাখি আকাশে ওড়ে।
ব্যাখ্যা: এখানে ওড়ার কাজটি পাখি নিজে করছে, তাই পাখি হলো কর্তৃকারক।
উদাহরণ ২: ফুল ফুটছে।
ব্যাখ্যা: ফোটার কাজটি ফুল নিজে সম্পাদন করছে, তাই ফুল হলো কর্তৃকারক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কর্মকারক — যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে তা কর্মকারক, কিন্তু এখানে মেঘ নিজেই কাজ করছে।
B) কর্তৃকারক — এটি সঠিক উত্তর।
C) করণকারক — যার সাহায্যে ক্রিয়া সম্পন্ন হয় তা করণকারক, এখানে মেঘ কোনো সাহায্যকারী মাধ্যম নয়।
D) অপাদান কারক — যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, ভীত বা রক্ষিত হয় তা অপাদান, এখানে তেমন কিছু বোঝায়নি।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ক্রিয়াপদকে কে বা কারা দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর মেলে, সেটিই কর্তৃকারক।
- প্রাকৃতিক ঘটনায় যে উপাদান নিজে কাজ করে, সেটিও কর্তৃকারক হিসেবে গণ্য হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রাকৃতিক উপাদান সংক্রান্ত বাক্যের কারক নির্ণয় প্রায়ই আসে।
- বাক্যের কর্তা চেনার জন্য ক্রিয়া সম্পাদনের মূল উৎস বা অভিনেতাকে চিহ্নিত করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) করণকারক
১. কেন সঠিক:
- বাক্যের ক্রিয়া সম্পন্ন করার মাধ্যম, যন্ত্র বা সহায়ক উপায়কে করণকারক বলে।
- এখানে বড় হওয়ার কাজটি চেষ্টার মাধ্যমে সম্পন্ন হচ্ছে, তাই চেষ্টায় পদটি করণকারক।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাক্যের ক্রিয়ার সঙ্গে কিসের দ্বারা বা কি উপায়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তাকে করণকারক বলে।
- করণ শব্দের অর্থ যন্ত্র, সাহায্য বা উপায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কলমে লেখা যায়।
ব্যাখ্যা: লেখার কাজটি কলম নামক যন্ত্রের সাহায্যে করা হচ্ছে, তাই কলমে পদটি করণকারক।
উদাহরণ ২: বশে নয়, অর্থে মন।
ব্যাখ্যা: এখানে মন বশ করার মাধ্যম বা উপায় বোঝানো হয়েছে, তাই এটি করণকারক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কর্মকারক — যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে তা কর্মকারক, কিন্তু এখানে মাধ্যম বোঝানো হয়েছে।
B) কর্তৃকারক — বাক্য যে নিজে কাজ সম্পন্ন করে সে কর্তা, কিন্তু চেষ্টায় কোনো স্বাধীন কর্তা নয়।
D) অধিকরণ — ক্রিয়া সম্পাদনের স্থান, কাল বা আধারকে অধিকরণ বলে, কিন্তু এটি কোনো স্থান বা সময় নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ক্রিয়ার কাছে কিসের দ্বারা বা কি উপায়ে প্রশ্ন করে উত্তর পেলে তা করণকারক হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- মাধ্যম বা সহায়ক বোঝালে সপ্তমী বিভক্তির প্রয়োগে করণকারক হয়।
সঠিক উত্তর: D) কর্মকারক
কেন সঠিক:
বাক্যে অর্থ নিজেই অনর্থ ঘটানোর কাজটি সম্পন্ন করছে তাই এটি কর্তার কাজ বা কর্মপদ হয়েছে।
এখানে ঘটায় ক্রিয়ার সাথে কী বা কাকে প্রশ্ন করলে অনর্থ উত্তর আসে এবং বস্তুবাচক হওয়ায় এটি কর্মকারক।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
কর্তা যা করে বা যাকে আশ্রয় করে ক্রিয়া সম্পন্ন করে তাকে কর্মকারক বলে।
ক্রিয়াকে কী বা কাকে দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায় তা কর্মকারক হয়।
যেমন ডাক্তার ডাকো, এখানে ডাক্তার হলো কর্মকারক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কর্তৃকারক তাকায় — বাক্যটিতে অর্থ নিজে কাজ করছে তাই এটি সাধারণ কর্তা নয় বরং ক্রিয়ার বিষয়বস্তু।
B) অপাদান কারক — অপাদান কারক হতে হলে কিছু বিচ্যুত, জাত, বিরত বা ভয় পাওয়ার অর্থ প্রকাশ করতে হয়।
C) অধিকরণ কারক — অধিকরণ কারক বোঝাতে স্থান, সময় বা কোনো বিষয়ের আধার বোঝাতে হয় যা এখানে নেই।
D) কর্মকারক — এই অপশনটি সঠিক কারণ অনর্থ হলো ঘটানো ক্রিয়ার কর্মপদ।
মনে রাখার টিপস:
ক্রিয়াকে কী বা কাকে দিয়ে প্রশ্ন করে যে উত্তর পাবে তা সরাসরি কর্মকারক হিসেবে চিহ্নিত করবে।
বস্তুবাচক কর্মে সাধারণত প্রথমা বা শূন্য বিভক্তি যুক্ত হয় যেমন এই বাক্যে অনর্থ শব্দে রয়েছে।
সঠিক উত্তর: B) অপাদান কারক
১. কেন সঠিক:
যেকোনো বাক্যে যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, বিরত, উৎপন্ন, রক্ষিত, ভীত বা নিবারিত হয়, তাকে অপাদান কারক বলে।
এখানে বাক্যের মূল ক্রিয়া হলো ভীত, এবং যার থেকে ভয় পাওয়া বোঝায়, তার সঙ্গে অপাদান কারকের ষষ্ঠী বিভক্তির প্রয়োগ ঘটেছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাক্যের ক্রিয়ার সঙ্গে বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের যে সম্পর্ক থাকে, তাকে কারক বলে। কারক প্রধানত ছয় প্রকারের হয়।
অপাদান কারক নির্দেশ করে মূল উৎস, দূরত্ব, ভয় বা মুক্তির স্থানকে, যেখানে সাধারণত পঞ্চমী বা ষষ্ঠী বিভক্তি যুক্ত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গাছ থেকে পাতা পড়ে।
ব্যাখ্যা: এখানে পাতা গাছ থেকে বিচ্যুত হয়েছে, তাই গাছ থেকে হলো অপাদান কারকের উদাহরণ।
উদাহরণ ২: নদী থেকে মাছ ধরে।
ব্যাখ্যা: এখানে নদী হলো মাছের উৎপত্তিস্থল বা উৎস, যা অপাদান কারকের নিয়মকে সমর্থন করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কর্মকারক — যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে তা কর্মকারক, কিন্তু এখানে কোনো কর্ম নেই।
B) অপাদান কারক — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে ভয় পাওয়ার উৎস বোঝানো হয়েছে।
C) অধিকরণ কারক — ক্রিয়া সম্পাদনের স্থান, কাল বা সময়কে অধিকরণ বলে, যা এই বাক্যে অনুপস্থিত।
D) করণকারক — যার দ্বারা ক্রিয়া সম্পাদিত হয় তাকে করণ বলে, কিন্তু বাঘ এখানে সাধক বা মাধ্যম নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
ভয়, রক্ষা, দূরত্ব, বিচ্যুতি এবং উৎপন্ন শব্দ দেখলে চোখ বন্ধ করে অপাদান কারক দাগাবে।
বিখ্যাত ব্যাকরণবিদদের মতে ভীতি বা তত্র সংক্রান্ত শব্দ অপাদানের প্রধান নির্দেশক।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভয় পাওয়া শব্দ দিয়ে অপাদান কারক প্রায়ই পরীক্ষাতে আসে।
ভীত শব্দটির সঙ্গে সবসময় অপাদান কারকের সম্পর্ক থাকে তা মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: D) অপাদান কারক
১. কেন সঠিক:
- যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, বিরত, গৃহীত, ভীত বা উৎপন্ন হয়, তাকে অপাদান কারক বলে।
- মেঘ থেকে বৃষ্টির সৃষ্টি বা উৎপত্তি হয় বলে এখানে মেঘে শব্দটি অপাদান কারক।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের সঙ্গে ক্রিয়া পদের যে সম্পর্ক, তাকে কারক বলে এবং অপাদান কারক হলো বিশেষ উৎসের নির্দেশক।
- মেঘ হলো বৃষ্টির উৎস বা উৎপত্তিস্থল, তাই অধিকরণ বা অন্য কারক না হয়ে এটি অপাদান কারক হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গাছ থেকে পাতা পড়ে।
ব্যাখ্যা: পাতা গাছ থেকে বিচ্যুত হয় বিধায় গাছ থেকে অপাদান কারক।
উদাহরণ ২: জমি থেকে ফসল পায়।
ব্যাখ্যা: ফসল জমি থেকে উৎপন্ন হয় বিধায় জমি থেকে অপাদান কারক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কর্তৃকারক — বাক্যের যে বিশেষ্য বা সর্বনাম পদ নিজে কাজ সম্পন্ন করে, তাকে কর্তৃকারক বলে কিন্তু মেঘ এখানে নিজে কাজ করছে না।
B) কর্মকারক — কর্তা যাকে আশ্রয় করে ক্রিয়া সম্পন্ন করে, তাকে কর্মকারক বলে কিন্তু বৃষ্টি এখানে কর্ম নয়।
C) করণকারক — যার সাহায্যে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে, তাকে করণকারক বলে কিন্তু মেঘ বৃষ্টির কোনো সহায়ক যন্ত্র বা মাধ্যম নয়।
D) অপাদান কারক — সঠিক উত্তর কারণ মেঘ থেকে বৃষ্টির উৎপত্তি বোঝানো হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- উৎস, উৎপত্তি, জাত, বিচ্যুত, ভয় ও রক্ষা পাওয়া বোঝালে চোখ বন্ধ করে অপাদান কারক দাগাবে।
- মেঘ থেকে বৃষ্টি আসে, তাই এটি উৎপত্তির সূত্র ধরে অপাদান কারক।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উৎপত্তিবাচক শব্দ প্রায়ই অপাদান কারক হিসেবে আসে।
- গৃহীত, জাত ও উৎপন্ন শব্দগুলোর কারক নির্ণয়ের সময় মূল উৎসটি চিহ্নিত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) এ
১. কেন সঠিক:
'লোকে কিনা বলে' বাক্যে 'লোক' শব্দের সঙ্গে 'এ' বিভক্তি যুক্ত হয়ে 'লোকে' রূপ ধারণ করেছে।
এখানে 'লোক' শব্দের মূল রূপের সঙ্গে 'এ' ধ্বনি বা বিভক্তি যুক্ত হয়ে কারক বোঝাতে সাহায্য করেছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
শব্দের শেষে 'অ' বা অন্য স্বরধ্বনি থাকলে এবং তা সপ্তমী বিভক্তির অর্থে ব্যবহৃত হলে 'এ' বিভক্তি যুক্ত হয়।
এটি মূলত অধিকরণ কারকে বা কখনো কর্তা কারকে নির্দেশক হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বনে বাঘ থাকে।
ব্যাখ্যা: এখানে 'বন' শব্দের সঙ্গে 'এ' বিভক্তি যুক্ত হয়ে অধিকরণ কারক গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: জলে মাছ সাঁতার কাটে।
ব্যাখ্যা: এখানে 'জল' শব্দের সঙ্গে 'এ' বিভক্তি যুক্ত হয়ে স্থান বা আধার বোঝাচ্ছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) এ — এটি সঠিক উত্তর কারণ লোক শব্দের সঙ্গে এ বিভক্তি যুক্ত হয়েছে।
B) কে — কে বিভক্তি সাধারণত দ্বিতীয় বা চতুর্থ কারক অর্থাৎ কর্ম বা সম্প্রদান কারকে ব্যবহৃত হয়।
C) যে — যে একটি সাপেক্ষ সর্বনাম বা সংযোগবাচক শব্দ, এটি কোনো বিভক্তি নয়।
D) তে — তে বিভক্তি সাধারণত সপ্তমী বিভক্তির রূপ হিসেবে ব্যবহৃত হলেও এখানে মূল শব্দের সঙ্গে এ বিভক্তি যুক্ত আছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
শব্দের শেষে যদি এককার বা এ ধ্বনি যুক্ত থাকে এবং তা দিয়ে কাউকে বা কোনো স্থানকে বোঝায়, তবে সাধারণত এ বিভক্তি হয়।
বিভক্তি চেনার জন্য শব্দের মূল রূপ আলাদা করে শেষের বর্ণ বা ধ্বনি খেয়াল করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কারক ও বিভক্তি নির্ণয়ের জন্য শব্দের মূল রূপ চেনা জরুরি।
এই নিয়মে শব্দের সঙ্গে যুক্ত বিভক্তি সহজে আলাদা করে কারক ও বিভক্তি নির্ণয় করা যায়।
সঠিক উত্তর: B) তম
১. কেন সঠিক:
- 'তম' হলো একটি তুলনাবাচক প্রত্যয় যা বিশেষণ পদের সাথে যুক্ত হয়ে তার তারতম্য বা সর্বোচ্চ পর্যায় বোঝায়।
- এটি কোনো পদের নির্দিষ্টতা বা নির্দেশক হিসেবে কাজ করে না, তাই এটি নির্দেশক নয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- নির্দেশক হলো এমন কিছু বর্ণ বা শব্দাংশ যা পদের পরে যুক্ত হয়ে নির্দিষ্টতা, অনির্দিষ্টতা বা সংখ্যা নির্দেশ করে।
- বাংলায় পদের নির্দিষ্টতা বোঝাতে টা, টি, খানা, খানি, জন ইত্যাদি নির্দেশক বা পদের অনুগামী ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বইটি টেবিলের ওপর রাখো
ব্যাখ্যা: এখানে 'টি' পদের সাথে যুক্ত হয়ে নির্দিষ্ট করে একটি বিশেষ্যকে বোঝাচ্ছে।
উদাহরণ ২: একটি কলম আমাকে দাও
ব্যাখ্যা: এখানে 'টি' পদের সাথে যুক্ত হয়ে অনির্দিষ্টতা নির্দেশ করছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) টা — এটি একটি বহুল ব্যবহৃত পদের নির্দেশক যা পদের সাথে যুক্ত হয়ে নির্দিষ্টতা বোঝায়।
B) তম — এটি তুলনাবাচক প্রত্যয় এবং এটি কোনো নির্দেশক বা পদের অনুগামী নয়।
C) খানা — এটি বস্তুবাচক বিশেষ্যের সাথে যুক্ত হয়ে নির্দিষ্টতা নির্দেশক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
D) জন — এটি ব্যক্তিবাচক বিশেষ্যের সাথে যুক্ত হয়ে নির্দিষ্টতা নির্দেশক হিসেবে কাজ করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- নির্দেশকগুলো সাধারণত পদের পরে বসে নির্দিষ্টতা বোঝায় যেমন টা টি খানা খানি জন।
- তম প্রত্যয়টি মূলত তুলনা করার কাজে ব্যবহৃত হয় যেমন শ্রেষ্ঠতম বা সুন্দরতম।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই নির্দেশক এবং প্রত্যয়ের মধ্যে পার্থক্য নির্ণয় করতে বলা হয়।
- পদের নির্দিষ্টতা প্রকাশক শব্দগুলো ভালোভাবে মুখস্থ রাখলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
সঠিক উত্তর: A) গাড়ি
কেন সঠিক:
- গাড়ি শব্দটির মাধ্যমে অচেতন বা জড় পদার্থকে বোঝানো হয়।
- বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী জড় পদার্থ বা অপ্রাণিবাচক বিশেষ্য ক্লীবলিঙ্গ হিসেবে গণ্য হয়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ক্লীবলিঙ্গ হলো এমন শব্দ যা দিয়ে স্ত্রী বা পুরুষ কোনো লিঙ্গকেই বোঝায় না, বরং অচেতন বস্তু বোঝায়।
- বাংলা ব্যাকরণে প্রাণিবাচক শব্দের বাইরে বেশিরভাগ জড় পদার্থ ক্লীবলিঙ্গের অন্তর্ভুক্ত।
- যেমন: বই, কলম, ঘর, গাড়ি ইত্যাদি ক্লীবলিঙ্গ শব্দের উদাহরণ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) গাড়ি — এটি সঠিক উত্তর এবং এটি একটি ক্লীবলিঙ্গ শব্দ।
- B) মানুষ — এটি নিত্য পুরুষবাচক বা উভয় লিঙ্গ হিসেবে ব্যবহৃত হয় কারণ মানুষ বলতে নারী ও পুরুষ উভয়কেই বোঝায়।
- C) পাখি — এটি একটি প্রাণিবাচক শব্দ এবং এর পুরুষ বা স্ত্রী উভয়ই হতে পারে, তাই এটি ক্লীবলিঙ্গ নয়।
- D) শিক্ষক — এটি একটি পুরুষবাচক শব্দ এবং এর স্ত্রীবাচক রূপ শিক্ষয়িত্রী।
মনে রাখার টিপস:
- প্রাণহীন বা জড় বস্তুর নাম দেখলে সেটি সাধারণত ক্লীবলিঙ্গ হিসেবে ধরে নিতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) সন্ধি
১. কেন সঠিক:
পাশাপাশি অবস্থিত দুটি ধ্বনির মিলন বা কাছাকাছি দুটি ধ্বনির উচ্চারণের সুবিধার জন্য একীভূত হওয়াকে ব্যাকরণের পরিভাষায় সন্ধি বলা হয়।
এর মূল উদ্দেশ্য হলো উচ্চারণে সহজতা আনা এবং দ্রুত কথা বলার সময় ধ্বনির মাধুর্য রক্ষা করা।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে ধ্বনি পরিবর্তনের একটি অন্যতম প্রধান প্রক্রিয়া হলো সন্ধি।
এটি মূলত পদের বা শব্দের গতিশীলতা ও সাবলীলতা বজায় রাখতে সাহায্য করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হিম + আলয় = হিমালয়
ব্যাখ্যা: এখানে প্রথম শব্দের শেষের অ এবং দ্বিতীয় শব্দের শুরুর আ মিলে আ ধ্বনি তৈরি করেছে।
উদাহরণ ২: বিদ্যা + আলয় = বিদ্যালয়
ব্যাখ্যা: এখানে দুটি স্বরধ্বনি মিলে একটি স্বরধ্বনি হিসেবে উচ্চারিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) একত্রীকরণ — এটি সাধারণ বাংলা শব্দ, কোনো নির্দিষ্ট ব্যাকরণগত পরিভাষা নয়।
B) সন্নিবেশ — এর অর্থ সুবিন্যস্তভাবে সাজানো, ধ্বনির মিলনের সঙ্গে এর সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই।
C) সন্ধি — এটি সঠিক উত্তর।
D) সমাস — পদের অর্থ মিলনের প্রক্রিয়াকে সমাস বলা হয়, ধ্বনির মিলনকে নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
শব্দ মনে রাখার জন্য মনে রাখবে ধ্বনির মিলন মানেই সন্ধি এবং পদের মিলন মানেই সমাস।
এ দুটি ব্যাকরণের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং প্রায়শই পরীক্ষার্থীদের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টিকারী বিষয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ধ্বনির মিলন ও পদের মিলনের মধ্যে পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়।
তাই ধ্বনি দেখলে সন্ধি এবং পদ দেখলে সমাস দাগানোর নিয়মটি মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) গরুরগাড়ি
১. কেন সঠিক:
- গরুরগাড়ি শব্দটিতে গরুর পদের র বিভক্তিটি সমাসের পরও অপরিবর্তিত থাকে এবং ব্যাসবাক্য করলে গরুর দ্বারা চালিত গাড়ি হয়।
- অলুক তৎপুরুষ সমাসের সংজ্ঞানুযায়ী পূর্বপদের বিভক্তি (এখানে র বা এর) লোপ পায় না।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পায় না, তাকে অলুক তৎপুরুষ সমাস বলে।
- তৎপুরুষ সমাসে সাধারণত পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পায়, কিন্তু অলুক সমাসে এর ব্যতিক্রম ঘটে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ঘিয়ে ভাজা
ব্যাখ্যা: পূর্বপদের বিভক্তি (এ) অপরিবর্তিত থাকে বলে এটি অলুক তৎপুরুষ সমাস।
উদাহরণ ২: কলের গান
ব্যাখ্যা: পূর্বপদের বিভক্তি (এর) সমাসের পরেও বহাল থাকে তাই এটি অলুক তৎপুরুষ সমাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গ্রামছাড়া — এটি অপাদান তৎপুরুষ সমাস কারণ এখানে গ্রাম থেকে ছাড়া বোঝাতে হতে থেকে চেয়ে বিভক্তি লোপ পেয়েছে।
B) গাছপাকা — এটি ৭মী তৎপুরুষ সমাস কারণ এর ব্যাসবাক্য গাছে পাকা এবং এখানে এ বিভক্তি লোপ পেয়েছে।
C) ধানক্ষেত — এটি ষষ্টি তৎপুরুষ সমাস কারণ এর ব্যাসবাক্য ধানের ক্ষেত এবং এখানে র বিভক্তি লোপ পেয়েছে।
D) গরুরগাড়ি — এটি সঠিক অপশন এবং এটি অলুক তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সমাসবদ্ধ পদে বিভক্তি যেমন র, এর, এ লেগে থাকলে এবং তা লোপ না পেলে অলুক সমাস হবে।
- মনে রাখবে অলুক মানে হলো বিভক্তির লোপ না পাওয়া।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অলুক সমাস থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে তাই বিভক্তিযুক্ত পদগুলোর দিকে বিশেষ নজর দিতে হবে।
- ব্যাসবাক্য করার সময় বিভক্তি বহাল থাকছে কি না তা পরীক্ষা করে সঠিক উত্তর নির্বাচন করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) ৭
১. কেন সঠিক:
বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনি হলো মোট ৭টি। ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনি ৭টি এবং ডক্টর সুনীতি কুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে ৮টি, তবে বাংলা একাডেমি ও প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী মৌলিক স্বরধ্বনির সর্বজনগ্রাহ্য সংখ্যা ৭টি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
যেসব স্বরধ্বনিকে ভাঙা যায় না বা অন্য কোনো ধ্বনির সাহায্য ছাড়াই স্বাধীনভাবে উচ্চারিত হয়, সেগুলোকে মৌলিক স্বরধ্বনি বলে। এই ৭টি মৌলিক স্বরধ্বনি হলো অ, আ, ই, উ, এ, ও এবং অ্যা।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আম
ব্যাখ্যা: আম শব্দটি উচ্চারণের সময় আ এবং ম এই দুটি ধ্বনি পাওয়া যায়, যার মধ্যে আ একটি মৌলিক স্বরধ্বনি।
উদাহরণ ২: ইট
ব্যাখ্যা: ইট শব্দটি উচ্চারণের সময় ই এবং ট এই দুটি ধ্বনি পাওয়া যায়, যার মধ্যে ই একটি মৌলিক স্বরধ্বনি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৬ — এই সংখ্যাটি বাংলা ভাষার মৌলিক স্বরধ্বনির সঠিক পরিমাণ নির্দেশ করে না। এটি একটি ভুল তথ্য।
B) ৭ — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী মৌলিক স্বরধ্বনির সংখ্যা ৭টি।
C) ১০ — ১০ হলো বাংলা বর্ণমালায় কার বা সংক্ষিপ্ত স্বরের সংখ্যা, মৌলিক স্বরধ্বনি নয়।
D) ১১ — ১১ হলো বাংলা বর্ণমালার মোট স্বরবর্ণের সংখ্যা, মৌলিক স্বরধ্বনি নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
মৌলিক স্বরধ্বনি মনে রাখার জন্য মনে রাখতে হবে যে স্বরবর্ণ ১১টি হলেও তার মধ্যে মৌলিক বা অবিভাজ্য ধ্বনি ৭টি। বর্ণমালা আর ধ্বনির সংখ্যা গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই স্বরবর্ণের সংখ্যা এবং মৌলিক স্বরধ্বনির সংখ্যার মধ্যে প্যাঁচ লাগানোর প্রশ্ন আসে। মনে রাখতে হবে স্বরবর্ণ ১১টি এবং মৌলিক স্বরধ্বনি ৭টি।
সঠিক উত্তর: C) শব্দজোড়
১. কেন সঠিক:
- দুটি শব্দের উচ্চারণ এক বা প্রায় এক কিন্তু অর্থ সম্পূর্ণ আলাদা, এমন শব্দগুলোকে বাংলা ব্যাকরণে শব্দজোড় বলা হয়।
- এই শব্দগুলোর বানান বা উচ্চারণে সামান্য মিল থাকলেও অর্থের দিক থেকে এদের মধ্যে স্পষ্ট পার্থক্য থাকে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা শব্দভান্ডারে এমন অনেক শব্দ রয়েছে যাদের উচ্চারণ প্রায় একই শোনায় কিন্তু লেখার সময় বানান ও অর্থের পরিবর্তন ঘটে।
- এ ধরনের শব্দ সঠিকভাবে না জানলে বাক্য গঠনে এবং অর্থ বুঝতে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অর্ঘ্য ও অর্ঘ
ব্যাখ্যা: অর্ঘ্য অর্থ পূজার উপকরণ এবং অর্ঘ অর্থ মূল্য। উচ্চারণ প্রায় এক হলেও অর্থের ভিন্নতা রয়েছে।
উদাহরণ ২: অনু ও অণু
ব্যাখ্যা: অনু অর্থ পশ্চাৎ বা পরে এবং অণু অর্থ ক্ষুদ্রতম কণা। উচ্চারণ একই হলেও বানানের ভিন্নতার কারণে অর্থ বদলে যায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বর্গ — বর্গ বলতে সাধারণত বর্ণমালার ক থেকে ম পর্যন্ত পঁচিশটি ধ্বনি গুচ্ছকে বোঝায়, যার সঙ্গে সমোচ্চারিত শব্দের কোনো সম্পর্ক নেই।
B) প্রবাদ — প্রবাদ হলো মানুষের মুখে মুখে প্রচলিত দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতালব্ধ সংক্ষিপ্ত সত্য বাণী, যা শব্দের অর্থের সঙ্গে মিলে না।
C) শব্দজোড় — এটি সঠিক উত্তর কারণ প্রশ্নানুযায়ী সমোচ্চারিত ভিন্নার্থক শব্দকে শব্দজোড় বলা হয়।
D) শব্দদ্বৈত — শব্দদ্বৈত বলতে একই শব্দ দুবার ব্যবহার করে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করা বা পদের জোর বোঝানোকে বোঝায়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- উচ্চারণ একই কিন্তু জোড়ায় জোড়ায় আলাদা অর্থ প্রকাশ করে, এমন শব্দ দেখলে চোখ বন্ধ করে শব্দজোড় দাগাবে।
- শব্দজোড় মানেই দুটি শব্দের মিলন যাদের ধ্বনি এক কিন্তু রূপ ও অর্থ আলাদা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমোচ্চারিত ভিন্নার্থক শব্দ বা শব্দজোড় থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে।
- বানান ও অর্থের পার্থক্য ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: B) সূর্য
১. কেন সঠিক:
- 'সবিতা' শব্দের মূল অর্থ হলো সূর্য বা দিবাকর।
- প্রাচীন সংস্কৃত উৎস থেকে উদ্ভূত এই শব্দটি সাধারণত কবিতার ভাষা এবং উচ্চপর্যায়ের প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সূর্যের সমার্থক শব্দ হিসেবে বহুল ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দগুলোর সমষ্টি যেগুলোর বানান ও উচ্চারণ আলাদা হলেও অর্থ এক বা প্রায় এক হয়।
- বাংলা ব্যাকরণে শব্দের ভাণ্ডার সমৃদ্ধ করতে সমার্থক শব্দের গুরুত্ব অপরিসীম এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এটি নিয়মিত আসে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ভানু
ব্যাখ্যা: এটিও সূর্যের একটি অত্যন্ত পরিচিত ও প্রচলিত সমার্থক শব্দ।
উদাহরণ ২: তপন
ব্যাখ্যা: এটি সূর্যের অপর একটি বহুল ব্যবহৃত সমার্থক শব্দ যা প্রায়শই সবিতা শব্দের পাশাপাশি ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পদ্ম — পদ্ম শব্দের সমার্থক শব্দ হলো পঙ্কজ, অরবিন্দ বা নলিনী, যা সূর্যের সমার্থক নয়।
B) সূর্য — এটি সঠিক উত্তর।
C) পৃথিবী — পৃথিবীর সমার্থক শব্দ হলো ধরণী, অবনী বা বসুন্ধরা, যা সূর্যের সমার্থক নয়।
D) নদী — নদীর সমার্থক শব্দ হলো তটিনী, তরঙ্গিনী বা স্রোতস্বিনী, যা সূর্যের সমার্থক নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সবিতা মানে যার আলোয় পৃথিবী আলোময় হয় অর্থাৎ সূর্য। এভাবে শব্দের মূল উৎস ও ভাবার্থ মনে রাখলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সূর্য, চাঁদ, নদী, পৃথিবী ও সমুদ্রের সমার্থক শব্দগুলো থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। প্রমিত বাংলা বানরীতি মেনে এসব শব্দের সঠিক অর্থ আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) খুব অলস
১. কেন সঠিক:
- 'গোঁফ খেজুরে' একটি বিখ্যাত বাংলা বাগধারা যার শাব্দিক অর্থ গোঁফে খেঁজুর লাগা এবং প্রমিত অর্থ অত্যন্ত অলস বা কুঁড়ে ব্যক্তি।
- সমাজে এমন অলস মানুষদের বোঝাতে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয় যারা নড়াচড়া করতেও পছন্দ করে না।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা ভাষার শব্দার্থগত দিক থেকে একটি বিশেষ বাগধারা বা প্রবাদতুল্য প্রয়োগ।
- এর পেছনের লোকজ বিশ্বাস অনুযায়ী, মাটিতে পড়ে থাকা খেঁজুর খাওয়ার জন্য মুখ নিচু করার অলসতাকেও যারা বোঝায় তাদের গোঁফ খেজুরে বলা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সারাদিন কোনো কাজ না করে শুয়ে থাকা তোমার স্বভাব, তুমি তো একদম গোঁফ খেজুরে।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে অলস প্রকৃতির মানুষকে বোঝাতে গোঁফ খেজুরে বাগধারার সঠিক প্রয়োগ দেখানো হয়েছে।
উদাহরণ ২: কর্মবিমুখ অলস যুবকদের দিয়ে দেশের কোনো বড় উন্নয়ন সম্ভব নয়, তারা সমাজের গোঁফ খেজুরে মানুষ।
ব্যাখ্যা: এখানে পরনির্ভরশীল ও নিষ্ক্রিয় ব্যক্তিদের চিহ্নিত করতে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বেহায়া — এই শব্দের অর্থ নির্লজ্জ বা বেপরোয়া, যার সঙ্গে গোঁফ খেজুরে বাগধারার অলসতা অর্থের কোনো মিল নেই।
B) বিশৃঙ্খলা — এর অর্থ অশৃঙ্খলা বা গোলযোগ, যা আলস্যের সমার্থক নয়।
C) খুব অলস — এটি এই প্রশ্নের নির্ধারিত সঠিক উত্তর এবং বাগধারাটির মূল ভাব প্রকাশ করে।
D) সামান্য ব্যক্তি — এই অর্থ প্রকাশের জন্য অন্য বাগধারা যেমন ভুঁইফোড় বা ছারপোকা ব্যবহার করা হয়, অলসতা বোঝাতে নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- গোঁফে খেঁজুর আটকে আছে কিন্তু হাত দিয়ে নামানোর বা খাওয়ার অবস্থাও যার নেই, সে হলো অত্যন্ত অলস ব্যক্তি।
- অলসতা বোঝাতে এই মজার চিত্রকল্পটি মনে রাখলে পরীক্ষ্তায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শরীরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সম্পর্কিত বাগধারা থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে।
- বাগধারা মুখস্থ না করে এর পেছনের ভাবার্থ অনুধাবন করলে যেকোনো অপশন সহজে চিহ্নিত করা সম্ভব হয়।
সঠিক উত্তর: D) ছয়
কেন সঠিক:
- বাংলা ব্যাকরণে কারকের নির্দিষ্ট শ্রেণিবিভাগ অনুযায়ী মোট পদের সম্পর্ক ছয় প্রকার।
- বাক্যে ক্রিয়াপদের সাথে নামপদের সম্পর্কের ওপর ভিত্তি করে এই সংখ্যা নির্ধারিত হয়েছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাক্যের ক্রিয়াপদের সাথে বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের যে সম্পর্ক তাকে কারক বলে।
- এই কারকগুলোকে প্রধানত কর্তাকারক, কর্মকারক, করণকারক, সম্প্রদানকারক, অপাদানকারক এবং অধিকরণকারক এই ছয় ভাগে ভাগ করা হয়।
- যেমন: বাবা (কর্তা) theke টাকা (কর্ম) দাও।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) তিন — বাংলা ব্যাকরণে কারকের সংখ্যা তিন হতে পারে না কারণ সম্বন্ধ ও সম্বোধন পদ কারক নয়।
- B) চার — কারকের সংখ্যা চার নয় কারণ বিভক্তিযুক্ত পদের সম্পর্ক ছয়টি ভিন্ন শ্রেণীতে বিভক্ত।
- C) পাঁচ — বাংলা ব্যাকরণে কারকের প্রচলিত সংখ্যা পাঁচ নয়, এটি একটি ভুল সংখ্যা।
- D) ছয় — এটি সঠিক কারণ কারক ঠিক ছয় প্রকারেই বিভক্ত।
মনে রাখার টিপস:
- কারকের সংখ্যা মনে রাখতে বাক্যের ছয়টি সম্পর্কের নাম ক্রমানুসারে মুখস্থ রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) ধাতু
১. কেন সঠিক:
ক্রিয়ার মূল বা প্রথম অংশকে ধাতু বলা হয়, যার সাথে ক্রিয়া বিভক্তি যুক্ত হয়ে পূর্ণাঙ্গ ক্রিয়া গঠিত হয়।
এটি ক্রিয়াপদের ক্ষুদ্রতম অংশ এবং এর সাথে কোনো বিভক্তি থাকে না।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
যেসব শব্দ বা শব্দমূল কোনো বিভক্তি ছাড়াই সরাসরি ক্রিয়ার কাল বা ভাব প্রকাশ করে তাকে ধাতু বলে।
ধাতুকে ক্রিয়াপদের মৌলিক অংশ বা উৎপাদক বলা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পড় + তে = পড়তে
ব্যাখ্যা: এখানে পড় হলো ধাতু এবং তে হলো বিভক্তি।
উদাহরণ ২: যা + ই = যাই
ব্যাখ্যা: এখানে যা হলো ধাতু এবং ই হলো বিভক্তি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শব্দ — শব্দ হলো যেকোনো অর্থপূর্ণ ধ্বনি বা ধ্বনিসমষ্টি, যা কেবল ক্রিয়ার প্রথম অংশ নয়।
B) শব্দমূল — শব্দমূল বা প্রাতিপদিক বলতে মূলত নামপদের মূল অংশকে বোঝায়, ক্রিয়ার মূলকে ধাতু বলা হয়।
D) ক্রিয়া বিভক্তি — ক্রিয়া বিভক্তি হলো ধাতুর পরে যুক্ত হওয়া অংশ, যা ক্রিয়ার প্রথম অংশ নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
ক্রিয়াপদকে ভাঙলে প্রথমে যা পাওয়া যায় তাই ধাতু।
ধাতু মানেই ক্রিয়ার মূল উৎস।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধাতু থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
ধাতু চেনার জন্য ক্রিয়াপদ থেকে বিভক্তি বাদ দিতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) the
কেন সঠিক:
শরীরের কোনো নির্দিষ্ট অংশে আঘাত করার কথা বোঝালে তার আগে ডেফিনিট আর্টিকেল দ্য বসে।
এখানে মাথার নির্দিষ্ট একটি অংশ বোঝানো হয়েছে তাই শূন্যস্থানে দ্য হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) the — এই অপশনটি সঠিক এবং বাক্যে নিয়ম অনুযায়ী ব্যবহার হয়েছে।
B) a — শরীরের নির্দিষ্ট অঙ্গের ক্ষেত্রে ইনডিফিনিট আর্টিকেল এ ব্যবহার করা যায় না।
C) an — ভাওয়েল সাউন্ড না থাকায় এবং নির্দিষ্ট অঙ্গ বোঝাতে অ্যান ব্যবহার ভুল।
D) with — এখানে কোনো উপকরণের নাম নেই বরং শরীরের অঙ্গ বোঝাতে দ্য বসে।
মনে রাখার টিপস:
শরীরের নির্দিষ্ট কোনো অংশে আঘাত বা ধরার কথা থাকলে তার আগে সবসময় দ্য বসাবে।
সঠিক উত্তর: C) Irregularly
কেন সঠিক:
বাই ফিটস অ্যান্ড স্টার্টস একটি ইংরেজি প্রবচন বা ইডিয়ম। এর বাংলা অর্থ অনিয়মিতভাবে বা থেমে থেমে কাজ করা।
তাই মূল বাক্যে এই শব্দগুচ্ছ দ্বারা কর্মক্ষেত্রে কর্মীর কাজ করার অনিয়মিত অবস্থাকে বোঝানো হয়েছে।
এটি কোনো কাজের ধারাবাহিকতা বোঝায় না।
বরং এটি কাজের মধ্যে দীর্ঘ বিরতি বা অস্থিরতা নির্দেশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Regularly — এই অপশনটি সঠিক নয় কারণ রেগুলারলি শব্দের অর্থ নিয়মিতভাবে, যা মূল ইডিয়মের উল্টো অর্থ প্রকাশ করে।
B) Slowly — এই অপশনটি সঠিক নয় কারণ স্লোলি শব্দের অর্থ ধীরে ধীরে, যা কাজের গতির সাথে সম্পর্কিত কিন্তু ইডিয়মের অর্থ তা নয়।
C) Irregularly — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ এর অর্থ অনিয়মিতভাবে যা মূল বাক্যের সাথে মিলে যায়।
D) Quickly — এই অপশনটি সঠিক নয় কারণ কুইকলি শব্দের অর্থ দ্রুত, যা অনিয়মিত কাজের ধারণার সাথে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
বাই ফিটস অ্যান্ড স্টার্টস কথাটির অর্থ মনে রাখবে অনিয়মিত বা যখন তখন, ঠিক যেমন গাড়ি স্টার্ট বন্ধ হয়ে আবার চলে।
সঠিক উত্তর: A) Run
কেন সঠিক:
যেসব verb এর শেষে ed, d বা t যোগ করে past form বা past participle করা যায় না, সেগুলোকে strong verb বা irregular verb বলে। Run শব্দটির past form হলো ran, যা ভেতরের vowel পরিবর্তন করে গঠিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Run — এটি একটি strong verb কারণ এর past form হলো ran এবং past participle হলো run।
B) Walk — এটি একটি weak verb কারণ এর সাথে ed যোগ করে past form (walked) করা হয়।
C) More — এটি কোনো verb নয়, বরং এটি একটি adjective বা adverb এর তুলনামূলক রূপ।
D) Jog — এটি একটি weak verb কারণ এর সাথে ed যোগ করে past form (jogged) করা হয়।
মনে রাখার টিপস:
যে verb গুলোর শেষে ed যোগ না করে ভেতরের স্বরবর্ণ বা বানান পরিবর্তন করে অতীত রূপ বানাতে হয়, সেগুলোকে strong verb বলে।
সঠিক উত্তর: A) been
কেন সঠিক:
বাক্যটিতে Present Perfect Tense ব্যবহৃত হয়েছে এবং অর্থ প্রকাশ পাচ্ছে আপনি কি কখনো লন্ডনে গিয়েছেন এবং ফিরে এসেছেন। এক্ষেত্রে Have বা Has এর পর মূল Verb এর Past Participle রূপ বসে।
তাই go বা visit এর পরিবর্তে be ভার্বের Past Participle রূপ been ব্যবহার করা হয়েছে।
বাক্যটির গঠন সঠিক রাখতে been ই একমাত্র উপযুক্ত অপশন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) been — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি Have এর সাথে মিলে Past Participle রূপ গঠন করে।
B) went — এটি Past Indefinite Tense এর রূপ যা Present Perfect টেন্সে ব্যবহার করা যায় না।
C) go — এটি Verb এর Present Form যা হ্যাভ এর সাথে সরাসরি বসতে পারে না।
D) visit — এটি Present Form এ থাকায় ব্যাকরণগত নিয়ম অনুযায়ী এই বাক্যে বসে না।
মনে রাখার টিপস:
কোথাও গিয়ে ফিরে আসার অভিজ্ঞতা বোঝাতে Have বা Has এর পরে সর্বদা been বসে।
সঠিক উত্তর: A) William Wordsworth
কেন সঠিক:
উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ তাঁর কবিতায় প্রকৃতির সৌন্দর্য, রূপ এবং মানুষের সাথে প্রকৃতির গভীর সম্পর্ক অত্যন্ত সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।
প্রকৃতির সান্নিধ্য লাভ করে মানুষের আত্মিক শান্তি ও মুক্তি সম্ভব—এই দর্শনের প্রধান প্রবক্তা হওয়ায় তাঁকে প্রকৃতির কবি বলা হয়।
তিনি বিখ্যাত রোমান্টিক যুগের কবি।
তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের নাম লিরিক্যাল ব্যালাডস।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) William Wordsworth — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়।
B) John Milton — জন মিলটন হলেন মহাকাব্য বা এপিক পোয়েট এবং তাঁর বিখ্যাত কাজের নাম প্যারাডাইস লস্ট।
C) Alexander Pope — আলেকজান্ডার পোপ একজন ব্যঙ্গাত্মক বা স্যাটায়ার কবি হিসেবে ইংরেজি সাহিত্যে বিশেষভাবে পরিচিত।
D) J.S. Eliot — টি এস এলিয়ট আধুনিক যুগের কবি এবং তাঁর বিখ্যাত কবিতার নাম দ্য ওয়েস্ট ল্যান্ড।
মনে রাখার টিপস:
ওয়ার্ডসওয়ার্থ শব্দটির সাথে রোমান্টিক প্রকৃতি ও লেক ডিস্ট্রিক্ট মনে রাখলে তাঁকে প্রকৃতির কবি হিসেবে খুব সহজেই চেনা যায়।
সঠিক উত্তর: B) reading
কেন সঠিক:
বাক্যে finish একটি Gerund গ্রহণকারী verb। তাই এরপরে verb এর সাথে ing যুক্ত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) read — এটি verb এর base form হওয়ায় এখানে বসতে পারে না।
B) reading — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই।
C) is reading — এটি continuous tense এর গঠন যা এখানে ব্যাকরণগতভাবে বেমানান।
D) being reading — এই গঠনটি ইংরেজী ব্যাকরণের নিয়মের সাথে মিলে না।
মনে রাখার টিপস:
finish, enjoy, mind এর মতো verb গুলোর পরে সব সময় verb এর সাথে ing যোগ করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) Meat
কেন সঠিক:
যে নাউন দ্বারা কোনো উপাদান বা পদার্থের নাম বোঝায় যা গণনা করা যায় না কিন্তু ওজন বা পরিমাপ করা যায়, তাকে material noun বলে।
Meat বা মাংস হলো এমন একটি বস্তু যা আমরা ওজন করে কিনি এবং এটি কোনো নির্দিষ্ট পদার্থের নাম নির্দেশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Group - এটি একটি collective noun কারণ এটি একই জাতীয় একাধিক ব্যক্তি বা প্রাণীর সমষ্টিকে বোঝায়।
B) Meat - এটি সঠিক উত্তর এবং এটি একটি material noun হিসেবে বিবেচিত হয়।
C) Seriousness - এটি একটি abstract noun কারণ এটি কোনো গুণ বা অবস্থার নাম যা দেখা বা ছোঁয়া যায় না।
D) Party - এটি একটি collective noun কারণ এটি মানুষের একটি দল বা উৎসবমুখর সমাবেশকে বোঝায়।
মনে রাখার টিপস:
যেসব বস্তু ওজন করা যায় কিন্তু গণনা করা যায় না, যেমন পানি, লবণের মতো মাংসও সবসময় material noun হয়।
সঠিক উত্তর: B) Reopen
কেন সঠিক:
Reopen শব্দটির অর্থ পুনরায় খোলা এবং এটি বাক্যে কাজের নাম বা কাজ করা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
এটি মূলত Open verb এর সাথে Re উপসর্গ যুক্ত হয়ে নতুন একটি verb গঠিত হয়েছে।
শব্দটির শেষে suffix বা prefix যুক্ত থাকার পরও এটি কাজের অবস্থা প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Openly — এটি একটি adverb কারণ এর শেষে ly যুক্ত রয়েছে এবং এটি কাজের ধরন বোঝায়।
B) Reopen — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে।
C) Openness — এটি একটি noun কারণ এর শেষে ness যুক্ত হয়ে গুণের নাম প্রকাশ করেছে।
D) Closely — এটি একটি adverb কারণ এর শেষে ly যুক্ত হয়ে কীভাবে কাজ সম্পন্ন হয় তা নির্দেশ করে।
মনে রাখার টিপস:
যেসব শব্দের শেষে ly থাকে সেগুলো সাধারণত adverb এবং ness থাকে সেগুলো noun হয়।
সঠিক উত্তর: C) against
কেন সঠিক:
- কোনো কিছু খাড়াভাবে বা হেলিয়ে কোনো দেয়ালের সঙ্গে লাগিয়ে রাখা বোঝাতে preposition হিসেবে against ব্যবহৃত হয়।
- এখানে মইটি দেয়ালের সঙ্গে হেলিয়ে রাখার কথা বলা হয়েছে, তাই সঠিক উত্তর against হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) with — with সাধারণত কোনো ব্যক্তি, যন্ত্র বা বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে ব্যবহার হয়, দেয়ালের সঙ্গে কোনো বস্তু হেলিয়ে রাখার ক্ষেত্রে এটি বসে না।
B) on — on অর্থ কোনো কিছুর উপরে স্পর্শ করে থাকা, কিন্তু মইটি দেয়ালের উপরে নয় বরং হেলান দিয়ে রাখা হয়েছে।
C) against — এটি সঠিক কারণ এটি কোনো তলের সঙ্গে হেলান দিয়ে রাখাকে নির্দেশ করে।
D) by — by অর্থ নিকটে বা পাশে, যা দেয়ালের সঙ্গে মই হেলিয়ে রাখার সঠিক দিক বা সম্পর্ক প্রকাশ করে না।
মনে রাখার টিপস:
দেয়ালে কোনো কিছু হেলান দিয়ে রাখার ক্ষেত্রে हमेशा against ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: C) Life is a painful journey.
কেন সঠিক:
- 'A bed of roses' একটি প্রবাদ যার আক্ষরিক অর্থ গোলাপের বিছানা এবং রূপক অর্থ আরামদায়ক বা সুখের অবস্থা।
- 'Not a bed of roses' অর্থ জীবন শুধুমাত্র সুখের বা আরামের নয়, বরং এটি নানা দুঃখ-কষ্ট ও সংগ্রামের পূর্ণ একটি যাত্রা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Life is a bed of merry gold. — এটি ভুল কারণ মেি গোল্ড বা গাঁদা ফুলের বিছানা কোনো প্রচলিত প্রবাদ নয় এবং এটি জীবনের কষ্টের দিকটি প্রকাশ করে না।
B) Life is a bed of flowers other than rose. — এটি ভুল কারণ প্রবাদে নির্দিষ্টভাবে গোলাপ ফুলের কথা ব্যবহার করা হয়েছে, অন্য কোনো ফুল এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) Life is a painful journey. — এটি সঠিক কারণ এটি গোলাপের বিছানা না হওয়ার রূপক অর্থ অর্থাৎ জীবনের কষ্টময় যাত্রাকে সঠিকভাবে ফুটিয়ে তোলে।
D) of the above. — এটি ভুল কারণ উপরের সব অপশন সঠিক নয়, কেবল সি অপশনটি সঠিক।
মনে রাখার টিপস:
গোলাপের বিছানা মানে আরাম, তাই 'Not a bed of roses' দেখলে বুঝবে জীবন আরামের নয়, বরং কষ্টের।
সঠিক উত্তর: B) but
কেন সঠিক:
এখানে but শব্দটি except বা ব্যতিরেকে অর্থে ব্যবহার করা হয়েছে।
যার অর্থ দাঁড়ায় এই কলমটি ছাড়া আমার আর সব কলম আমাকে দাও।
এটি একটি ব্যতিক্রমধর্মী বাক্য গঠন হিসেবে পরিগণিত হয়।
তাই এখানে সঠিক উত্তরটি হবে but।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) of — এই বাক্যের অর্থে of বসালে কোনো অর্থ প্রকাশ পায় না।
B) but — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) for — এটি দিলে বাক্যের গঠন এবং ব্যাকরণগত নিয়ম ভুল হয়।
D) together — এটি বসালে বাক্যের অর্থের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয় না।
মনে রাখার টিপস:
all এর পর but থাকলে তার অর্থ except বা ব্যতিরেকে বোঝায়।
সঠিক উত্তর: A) Who
কেন সঠিক:
শূন্যস্থানের পর verb 'are' আছে যার জন্য একজন Subject বা কর্তা প্রয়োজন।
'Who' সাবজেক্ট হিসেবে বসে এবং এটি ব্যক্তির ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
প্রশ্নটিতে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মধ্যে কারা উপস্থিত তা জানতে চাওয়া হয়েছে।
এই বাক্যে Who বসালে বাক্যটির অর্থ সম্পূর্ণ ও ব্যাকরণগতভাবে সঠিক হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Who — এটি সঠিক উত্তর এবং এখানে সাবজেক্ট হিসেবে বসেছে।
B) Whose — এটি মালিকানা বোঝাতে বসে কিন্তু এখানে কোনো মালিকানা নেই।
C) Whom — এটি অবজেক্ট হিসেবে বসে কিন্তু এখানে সাবজেক্ট প্রয়োজন।
D) Which — এটি সাধারণত বস্তু বা ইতর প্রাণীর ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
মনে রাখার টিপস:
শূন্যস্থানের পর verb থাকলে সাধারণত Who বসে এবং noun থাকলে Whose বসে।
সঠিক উত্তর: A) Nouns
কেন সঠিক:
অভার্ব বা ক্রিয়া-বিশেষণ সাধারণত ভার্ব, অ্যাডজেক্টিভ এবং অন্য কোনো অ্যাডভার্বকে মডিফাই বা বিশেষিত করে।
এটি কখনোই কোনো নাউন বা বিশেষ্য পদকে মডিফাই করতে পারে না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Nouns — নাউনকে মডিফাই করার কাজটি অ্যাডজেক্টিভ করে থাকে, অ্যাডভার্ব নয়।
B) Verbs — এটি সঠিক কারণ অ্যাডভার্ব সহজেই যেকোনো ভার্বের কাজকে মডিফাই করতে পারে।
C) Adjectives — এটি সঠিক কারণ অ্যাডভার্ব কোনো অ্যাডজেক্টিভের দোষ বা গুণ বাড়িয়ে বা কমিয়ে বলতে পারে।
D) Prepositions — এটি সঠিক কারণ অ্যাডভার্ব কখনো কখনো প্রিপজিশনকে মডিফাই করতে সক্ষম।
মনে রাখার টিপস:
অ্যাডভার্ব কেবল নাউন ও প্রোনাউন ছাড়া বাকি প্রায় সব পদকে মডিফাই করতে পারে।
সঠিক উত্তর: A) Drone
কেন সঠিক:
মৌমাছির ক্ষেত্রে স্ত্রীবাচক শব্দ হলো বি এবং পুরুষবাচক শব্দ হলো ড্রোন।
প্রকৃতিতে পুরুষ মৌমাছির বিশেষ এই নাম ইংরেজী ব্যাকরণে নির্দিষ্ট করা আছে।
অন্যান্য প্রাণীর লিঙ্গ পরিবর্তনের নিয়মের সাথে এটি মেলে না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Drone — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়।
B) Hart — এটি হরিণের পুরুষবাচক শব্দ, মৌমাছির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
C) Colt — এটি ঘোড়ার বাচ্চার পুরুষবাচক শব্দ, যা এখানে ভুল।
D) Stag — এটি পুরুষ হরিণ বোঝাতে ব্যবহার করা হয়।
মনে রাখার টিপস:
মৌমাছির পরিবারে রানী ও কর্মীর পাশাপাশি পুরুষ সদস্য ড্রোন নামে পরিচিত।
সঠিক উত্তর: B) Rising
কেন সঠিক:
শেয়ার বাজারে বুল মার্কেট বলতে এমন একটি অবস্থাকে বোঝায় যেখানে অর্থনীতির গতি ভালো থাকে।
এই সময়ে শেয়ারের দাম ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পেতে থাকে এবং বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আশাবাদ কাজ করে।
বাজারে শেয়ার কেনার চাহিদা অনেক বেশি থাকে।
সাধারণ বিনিয়োগকারীরা এই সময়ে ভালো লাভের আশা করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Falling — এই অবস্থাটি বেয়ার মার্কেটের সাথে যুক্ত যেখানে শেয়ারের দাম ক্রমাগত কমতে থাকে।
B) Rising — এটি সঠিক কারণ বুল মার্কেটে শেয়ারের দাম সবসময় ঊর্ধ্বমুখী বা বৃদ্ধি পেতে থাকে।
C) Moving — এটি খুব সাধারণ একটি শব্দ যা বাজারের যেকোনো অবস্থাকে বোঝাতে পারে, তাই এটি নির্দিষ্ট কোনো অর্থ প্রকাশ করে না।
D) Static — এই শব্দটি স্থবির বা অপরিবর্তিত অবস্থাকে বোঝায়, যা বুল মার্কেটের ওঠানামার সাথে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
ষাঁড় বা বুল যেভাবে তার শিং দিয়ে ওপরের দিকে আঘাত করে, ঠিক তেমনি বুল মার্কেটে শেয়ারের দাম ওপরের দিকে বা বৃদ্ধি পায়।
সঠিক উত্তর: D) Humorous
কেন সঠিক:
শব্দটির মূল শব্দ হলো হিউমার বা হাস্যরস, যার সাথে ও-উস যুক্ত হয়ে সঠিক বানান তৈরি হয়েছে। এখানে র এর পর সরাসরি ও এবং এস যুক্ত হওয়ার নিয়ম রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Humorious — অতিরিক্ত একটি আই যুক্ত থাকায় এই বানানটি ভুল হয়েছে।
B) Humourious — অতিরিক্ত ও এবং আই যুক্ত থাকায় এই বানানটি সম্পূর্ণ ভুল।
C) Humurious — বানানটিতে সঠিক অক্ষর বিন্যাস না থাকায় এটি গ্রহণযোগ্য নয়।
D) Humorous — এটি সঠিক বানান এবং এর অর্থ হাস্যরসাত্মক।
মনে রাখার টিপস:
হিউমার লেখার পর শুধু ও এবং এস যোগ করে এই বানানটি মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) A very costly
কেন সঠিক:
White elephant একটি idiomatic phrase, যার অর্থ হলো এমন কোনো বস্তু যা কেনა বা রক্ষণাবেক্ষণ করা অত্যন্ত ব্যয়বহুল কিন্তু কাজের দিক থেকে তেমন কোনো গুরুত্ব নেই। রাজকীয় সাদা হাতি পোষার খরচ অনেক বেশি হতো বলে এই প্রবাদটির সৃষ্টি হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) A hoarder — এটি এমন একজন ব্যক্তিকে বোঝায় যিনি অপ্রয়োজনীয় জিনিস জমিয়ে রাখেন, যা এই প্রবাদের অর্থের সাথে মেলে না।
B) An elephant of white colour — এটি কোনো প্রবাদমূলক অর্থ বহন করে না, বরং শাব্দিক বা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ করে যা ভুল।
C) A very costly — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি প্রবাদটির মূল ভাব অর্থাৎ অতিরিক্ত ব্যয়বহুল বিষয়কে নির্দেশ করে।
D) A black marketers — এটি অবৈধ ব্যবসায়ী বা চোরাকারবারীদের বোঝায়, যা এই প্রবাদের অর্থের সাথে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
সাদা হাতি পোষার খরচ অনেক বেশি কিন্তু কোনো লাভ নেই, এভাবে याद রাখলে সঠিক উত্তরটি সহজে মনে রাখা যাবে।
সঠিক উত্তর: A) Generous
কেন সঠিক:
Magnanimous শব্দের অর্থ হলো মহৎপ্রাণ, উদার বা মহানুভব।
Generous শব্দের অর্থও উদার বা দাতা, যা মূল শব্দের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়।
উদার মনের মানুষকে বোঝাতে এই দুটি শব্দ সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
তাই অপশন এ সঠিক উত্তর।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Generous — এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ উদার।
B) Revengeful — এই শব্দের অর্থ প্রতিশোধপরায়ণ, যা উদারতার সম্পূর্ণ বিপরীত।
C) Unkind — এই শব্দের অর্থ নির্দয় বা অমায়িক, যা মহৎ গুণের সাথে মেলে না।
D) Friendly — এই শব্দের অর্থ বন্ধুভাবাপন্ন, যা উদারতার কাছাকাছি হলেও সঠিক সমার্থক নয়।
মনে রাখার টিপস:
Magnanimous শব্দটিকে মনে রাখতে এর ভেতরের অংশ 'Mega' বা বড় কথাটি মাথায় রাখতে পারো, যার অর্থ বিশাল বা উদার মন।
সঠিক উত্তর: C) The man who stole my bag was tell.
কেন সঠিক:
বাক্যটিতে Relative Pronoun 'who' সঠিকভাবে ব্যবহার করা হয়েছে যা পূর্ববর্তী Noun 'The man' কে নির্দেশ করে।
এখানে মূল Subject হলো 'The man who stole my bag' এবং এর সঠিক Verb হলো 'was tall'।
বাক্যের গঠন এবং অর্থ উভয় দিক থেকেই এটি সম্পূর্ণ সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The man was who stole my bag. — এখানে Relative Pronoun এর ভুল ব্যবহারের কারণে বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ অস্পষ্ট হয়ে গেছে।
B) The man stole my beg who was tell. — এখানে বানানের ভুল আছে এবং শব্দের বিন্যাস ব্যাকরণগত নিয়ম মেনে চলে নি।
C) The man who stole my bag was tell. — এটি মূল প্রশ্নানুসারে সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল ধরা যাবে না।
D) The man was tall who is stealing tall my bag — এখানে একই সাথে একাধিক ভুল এবং শব্দের পুনরাবৃত্তি রয়েছে যা ব্যাকরণবিরোধী।
মনে রাখার টিপস:
Relative Pronoun সবসময় তার পূর্ববর্তী Noun এর ঠিক পরেই বসে এবং বাক্যের মূল Verb টি Subject এর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) He thanked you
কেন সঠিক:
ডাইরেক্ট স্পিচে রিপোর্টিং ভার্ব পাস্ট টেন্সে থাকলে ইনডাইরেক্ট করার সময় ভেতরের থ্যাংকস বা থ্যাংকড ভার্বটিও পাস্ট টেন্সে পরিবর্তিত হয়।
এখানে সাবজেক্ট হি এবং অবজেক্ট মি থাকায় সঠিক রূপ হিসেবে হি থ্যাংকড ইউ ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) He thanks you — এখানে রিপোর্টিং ভার্ব পাস্ট টেন্সে থাকলেও ভেতরের অংশ প্রেজেন্ট টেন্সে রাখা হয়েছে যা নিয়মের বাইরে।
B) He thanked you — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না।
C) He thanks me — এখানে টেন্স ভুল এবং অবজেক্ট পরিবর্তন করার নিয়ম সঠিকভাবে মানা হয়নি।
D) He thanked me — এখানে রিপোর্টিং ভার্বের অবজেক্ট মি থাকলেও ডাইরেক্ট স্পিচের ইউ অপরিবর্তিত থাকে না।
মনে রাখার টিপস:
Thank you যুক্ত সেন্টেন্সকে ইনডাইরেক্ট করার সময় সাবজেক্টের পর সরাসরি মূল ভার্বের পাস্ট ফর্ম এবং রিপোর্টিং ভার্বের অবজেক্ট বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) ৩
প্রদত্ত তথ্য:
ক'এর বর্গ বিয়োগ চার গুণ ক যোগ তিন সমান শূন্য
সমীকরণটি হলো ক স্কয়ার বিয়োগ চার ক যোগ তিন সমান শূন্য
ধরি,
ক এর মান নির্ণয় করতে হবে
সমীকরণটিকে উৎপাদকে বিশ্লেষণ করতে হবে
অতএব,
ক স্কয়ার বিয়োগ তিন ক বিয়োগ ক যোগ তিন সমান শূন্য
ক কমন নিলে ক বিয়োগ তিন থাকে এবং বিয়োগ এক কমন নিলে ক বিয়োগ তিন থাকে
সুতরাং,
ক বিয়োগ তিন গুণ ক বিয়োগ এক সমান শূন্য
ক সমান তিন অথবা ক সমান এক
উত্তর: ৩
সঠিক উত্তর: C) ৬৪০
প্রদত্ত তথ্য:
এক বর্গমাইল ক্ষেত্রফলের পরিমাণ নির্ণয় করতে হবে
আমরা জানি,
১ মাইল = ১৭৬০ গজ
অতএব,
১ বর্গমাইল = ১৭৬০ গজ × ১৭৬০ গজ = ৩০৯৭৬০০ বর্গ গজ
আমরা আরও জানি,
১ একড় = ৪৮৪০ বর্গ গজ
সুতরাং,
৩০৯৭৬০০ বর্গ গজ ÷ ৪৮৪০ বর্গ গজ = ৬৪০ একড়
উত্তর: ৬৪০ একড়
সঠিক উত্তর: C) ৪০
প্রদত্ত তথ্য:
তিনটি ক্রমিক সংখ্যার যোগফল = ১২৩
সংখ্যা তিনটি পরপর সাজানো
ধরি,
প্রথম বা ছোট সংখ্যাটি = ক
দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ক + ১
তৃতীয় সংখ্যাটি = ক + ২
অতএব,
শর্তমতে লেখা যায়, ক + (ক + ১) + (ক + ২) = ১২৩
৩ক + ৩ = ১২৩
৩ক = ১২৩ − ৩
সুতরাং,
৩ক = ১২০
ক = ১২০ ÷ ৩
উত্তর: ৪০
সঠিক উত্তর: A) ২০
প্রদত্ত তথ্য:
পিতা ও পুত্রের বর্তমান বয়সের সমষ্টি = ৮০ বছর
ধরি,
পুত্রের বর্তমান বয়স = ক বছর
পিতার বর্তমান বয়স = ৮০ − ক বছর
অতএব,
শর্তমতে, পিতার বয়স = ৩ × ক
৮০ − ক = ৩ক
৪ক = ৮০
সুতরাং,
ক = ২০
পুত্রের বর্তমান বয়স = ২০ বছর
উত্তর: ২০ বছর
সঠিক উত্তর: D) None
প্রদত্ত তথ্য:
বহুপদী রাশিটি হলো ৬x^২ − ৭x + ৫
একটি উৎপাদক হলো ৩x − ৫
ধরি,
অপর উৎপাদকটি হলো ax + b
অতএব,
প্রদত্ত রাশির সাথে দুটি উৎপাদকের গুণফল সমান হবে
অর্থাৎ (৩x − ৫)(ax + b) = ৬x^২ − ৭x + ৫
গুণ করে পাই,
৩ax^২ + (৩b − ৫a)x − ৫b = ৬x^২ − ৭x + ৫
সহজ তুলনা থেকে পাই,
৩a = ৬ সুতরাং a = ২
এবং −৫b = ৫ সুতরাং b = −১
সুতরাং,
অপর উৎপাদকটি পাওয়া যায় ২x − ১
উত্তর: D) None
সঠিক উত্তর: C) ১২৮
প্রদত্ত তথ্য:
আয়তাকার ক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য = ৪৮ মিটার
বিস্তার দৈর্ঘ্যের তুলনায় ৩ গুণ ছোট
ধরি,
আয়তাকার ক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য = ৪৮ মিটার
আয়তাকার ক্ষেত্রের বিস্তার = ৪৮ ÷ ৩ মিটার
অতএব,
আয়তাকার ক্ষেত্রের বিস্তার = ১৬ মিটার
পরিসীমার সূত্র = ২ × (দৈর্ঘ্য + বিস্তার)
দৈর্ঘ্য ও বিস্তারের যোগফল = ৪৮ + ১৬ মিটার
সুতরাং,
যোগফল = ৬৪ মিটার
পরিসীমা = ২ × ৬৪ মিটার
উত্তর: ১২৮ মিটার
সঠিক উত্তর: A) ১
প্রদত্ত তথ্য:
৯০ ও ১০০ এর মধ্যবর্তী সংখ্যাসমূহ হলো একানব্বই, বিরানব্বই, তিরানব্বই, চুরানব্বই, পঁচানব্বই, ছিয়ানব্বই, সাতাানব্বই, আটানব্বই এবং নিরানব্বই
ধরি,
এই সংখ্যাগুলোর মধ্যে মৌলিক সংখ্যা যাচাই করতে হবে
অতএব,
একানব্বই, বিরানব্বই, তিরানব্বই, চুরানব্বই, পঁচানব্বই, ছিয়ানব্বই, সাতাানব্বই, আটানব্বই এবং নিরানব্বই সংখ্যাগুলোর কোনটি মৌলিক কিনা দেখতে হবে
সুতরাং,
এদের মধ্যে কেবল সাতাানব্বই সংখ্যাটি মৌলিক কারণ এটি এক এবং সাতাানব্বই ছাড়া অন্য কোনো সংখ্যা দ্বারা বিভাজ্য নয়
উত্তর: ১
সঠিক উত্তর: D) ১০৯৯৯৮
প্রদত্ত তথ্য:
পাঁচ অংকের বৃহত্তম সংখ্যা নির্ণয় করতে হবে
পাঁচ অংকের ক্ষুদ্রতম সংখ্যা নির্ণয় করতে হবে
ধরি,
পাঁচ অংকের বৃহত্তম সংখ্যা = ৯৯৯৯৯
পাঁচ অংকের ক্ষুদ্রতম সংখ্যা = ১০০০০
অতএব,
সংখ্যা দুটির যোগফল = ৯৯৯৯৯ + ১০০০০ = ১০৯৯৯৯
সুতরাং,
যোগফল হতে ১ কম = ১০৯৯৯৯ − ১ = ১০৯৯৯৮
উত্তর: ১০৯৯৯৮
সঠিক উত্তর: C) ৭০
প্রদত্ত তথ্য:
সংখ্যাটি ১২, ১৮ ও ২৪ দ্বারা বিভাজ্য সংখ্যার চেয়ে দুই কম
ধরি,
১২, ১৮ ও ২৪ এর লসাগু নির্ণয় করতে হবে
অতএব,
১২ এর উৎপাদক হলো দুই গুণ দুই গুণ তিন
১৮ এর উৎপাদক হলো দুই গুণ তিন গুণ তিন
২৪ এর উৎপাদক হলো দুই গুণ দুই গুণ দুই গুণ তিন
সুতরাং,
লসাগু হলো আট গুণ নয় সমান বাহাত্তর
উত্তর: বাহাত্তর বিয়োগ দুই সমান সত্তর
সঠিক উত্তর: C) ৩৬
প্রদত্ত তথ্য:
ল.সা.গু. = ১৪৪
গ.সা.গু. = ১২
একটি সংখ্যা = ৪৮
ধরি,
অপর সংখ্যাটি = ক
আমরা জানি,
দুটি সংখ্যার গুণফল = ল.সা.গু. × গ.সা.গু.
অতএব,
৪৮ × ক = ১৪৪ × ১২
সুতরাং,
ক = (১৪৪ × ১২) ÷ ৪৮
উত্তর: ৩৬
সঠিক উত্তর: A) (ভূমি × উচ্চতা)
প্রদত্ত তথ্য:
সামান্তরিকের জ্যামিতিক বৈশিষ্ট্য এবং পরিমাপ সম্পর্কিত প্রশ্ন
সামান্তরিকের ক্ষেত্রফল বের করার সূত্র নির্ধারণ করতে হবে
ধরি,
সামান্তরিকের একটি বাহুকে ভূমি ধরা হলো
ভূমির উপর অঙ্কিত লম্ব দূরত্বকে উচ্চতা ধরা হলো
অতএব,
ক্ষেত্রফল হবে ভূমি এবং উচ্চতার গুণফল
জ্যামিতির নিয়ম অনুযায়ী এই সূত্রটি সব সামান্তরিকের জন্য প্রযোজ্য
সুতরাং,
নির্ণয় ক্ষেত্রফল = ভূমি × উচ্চতা
উত্তর: ভূমি × উচ্চতা
সঠিক উত্তর: C) ১৮০°
প্রদত্ত তথ্য:
ত্রিভুজের একটি বাহু বর্ধিত করলে একটি বহিঃস্থ কোণ উৎপন্ন হয়
এই বহিঃস্থ কোণের সাথে ত্রিভুজের ভেতরে একটি অন্তঃস্থ সন্নিহিত কোণ থাকে
ধরি,
ত্রিভুজের অন্তঃস্থ কোণটি = ক ডিগ্রি
ত্রিভুজের বহিঃস্থ কোণটি = খ ডিগ্রি
অতএব,
অন্তঃস্থ কোণ ও বহিঃস্থ কোণ মিলে একটি সরল রেখা তৈরি করে
এই দুটি কোণ পরস্পর পরিপূরক বা রৈখিক যুগল কোণ গঠন করে
সুতরাং,
একটি সরল কোণের পরিমাপ সর্বদা সমান হয়
ক ডিগ্রি + খ ডিগ্রি = ১৮০ ডিগ্রি
উত্তর: ১৮০ ডিগ্রি
সঠিক উত্তর: A) ৫৫°
প্রদত্ত তথ্য:
২টি কোণ পরস্পর পূরক কোণ
একটি কোণের মান = ৩৫°
ধরি,
অপর কোণটির মান = ক ডিগ্রি
দুইটি পূরক কোণের সমষ্টি = ৯০°
অতএব,
৩৫ ডিগ্রি + ক ডিগ্রি = ৯০ ডিগ্রি
ক ডিগ্রি = ৯০ ডিগ্রি − ৩৫ ডিগ্রি
সুতরাং,
ক = ৫৫
উত্তর: ৫৫°
সঠিক উত্তর: C) ২.৮E−৫
প্রদত্ত তথ্য:
সংখ্যাগুলো হলো ০.২, ০.০১, ০.০০৭ এবং ২
ধরি,
প্রথম দুটি সংখ্যার গুণফল নির্ণয় করতে হবে
পরবর্তী দুটি সংখ্যার গুণফল নির্ণয় করতে হবে
অতএব,
০.২ × ০.০১ = ০.০০২
০.০০৭ × ২ = ০.০১৪
সুতরাং,
০.০০২ × ০.০১৪ = ০.০০০০২৮
উত্তর: ২.৮E−৫
সঠিক উত্তর: A) (৩/৪)
প্রদত্ত তথ্য:
ভগ্নাংশগুলো হলো ৩/৪, ২/৫, ১/৬ এবং ৫/৮
ধরি,
হরগুলোর লসাগু হলো ১২০
অতএব,
প্রথম ভগ্নাংশ = ৯০/১২০
দ্বিতীয় ভগ্নাংশ = ৪৮/১২০
তৃতীয় ভগ্নাংশ = ২০/১২০
চতুর্থ ভগ্নাংশ = ৭৫/১২০
সুতরাং,
সবচেয়ে বড় লব হলো ৯০
উত্তর: (৩/৪)
সঠিক উত্তর: B) ৫৫
প্রদত্ত তথ্য:
ধারাটি হলো ফিবোনাচ্চি ধারা যেখানে প্রতি পদ তার পূর্ববর্তী দুটি পদের যোগফল
ধরি,
প্রথম পদ = ১
দ্বিতীয় পদ = ১
অতএব,
তৃতীয় পদ = ১ + ১ = ২
চতুর্থ পদ = ১ + ২ = ৩
পঞ্চম পদ = ২ + ৩ = ৫
সুতরাং,
ষষ্ঠ পদ = ৮, সপ্তম পদ = ১৩, অষ্টম পদ = ২১, নবম পদ = ৩৪
উত্তর: দশম পদ = ২১ + ৩৪ = ৫৫
সঠিক উত্তর: C) ৬ সমকোণ
প্রদত্ত তথ্য:
polygon বা বহুভুজের বাহুর সংখ্যা = ৫
ধরি,
বহুভুজের বাহুর সংখ্যা = n = ৫
অতএব,
বহুভুজের অন্তঃকোণগুলোর সমষ্টির সূত্র = (n − ২) × ২ সমকোণ
সুতরাং,
৫ বাহুবিশিষ্ট পঞ্চভুজের সমষ্টি = (৫ − ২) × ২ সমকোণ = ৩ × ২ সমকোণ = ৬ সমকোণ
উত্তর: ৬ সমকোণ
সঠিক উত্তর: C) ০.১
প্রدত্ত তথ্য:
ভগ্নাংশটি হলো দুই এর পাঁচ অংশ
শতকরা হার হলো পঁচিশ শতাংশ
ধরি,
মূল সংখ্যাটি হলো দুই বাই পাঁচ
এর সাথে গুণ করতে হবে পঁচিশ শতাংশ
অতএব,
দুই বাই পাঁচ সমান শূন্য দশমিক চার
পঁচিশ শতাংশ সমান শূন্য দশমিক দুই পাঁচ
সুতরাং,
শূন্য দশমিক চার গুণ শূন্য দশমিক দুই পাঁচ সমান শূন্য দশমিক এক
উত্তর: ০.১
সঠিক উত্তর: B) প্যারিস
কেন সঠিক:
- ইউনেস্কো জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা যার প্রধান কার্যালয় ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে অবস্থিত।
- এই সংস্থাটি বিশ্বজুড়ে শিক্ষা ও সংস্কৃতির বিকাশ এবং ঐতিহাসিক স্থান সংরক্ষণে কাজ করে থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নিউইয়র্ক — এটি জাতিসংঘের মূল সদর দপ্তরের অবস্থান, ইউনেস্কোর নয়।
B) প্যারিস — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং ইউনেস্কোর প্রধান কার্যালয় এখানে অবস্থিত।
C) রোম — এটি জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার সদর দপ্তর, তাই এটি এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) জেনেভা — এটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার সদর দপ্তর হিসেবে পরিচিত।
মনে রাখার টিপস:
ইউনেস্কো সংস্কৃতির সাথে জড়িত আর প্যারিস হলো ফ্যাশন ও সংস্কৃতির শহর, তাই ইউনেস্কোর সদর দপ্তর প্যারিসে অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: B) ২৬ ভাদ্র, ১৪২৮
কেন সঠিক:
- বাংলা একাডেমি কর্তৃক সংশোধিত বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী ভাদ্র মাসের ২৬তম দিনে এই তারিখটি নির্ধারিত হয়।
- প্রাচীন সৌর বর্ষপঞ্জির হিসাব এবং আধুনিক বাংলা বর্ষপঞ্জির সংস্কারের নিয়ম অনুযায়ী এই দিনটি সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২৪ ভাদ্র, ১৪২৮ — এটি সঠিক তারিখের দুই দিন আগের দিন হওয়ায় এই প্রশ্নের ক্ষেত্রে ভুল উত্তর।
B) ২৬ ভাদ্র, ১৪২৮ — এটি এই প্রশ্নের নির্ধারিত সঠিক উত্তর এবং নিয়ম অনুযায়ী নির্ভুল।
C) ২৪ আশ্বিন, ১৪২৮ — এটি ভাদ্র মাসের পরবর্তী মাস আশ্বিন মাসের তারিখ হওয়ায় এই প্রশ্নের জন্য প্রযোজ্য নয়।
D) ২৬ আশ্বিন, ১৪২৮ — এটি সঠিক মাসের পরের মাসের তারিখ হওয়ায় এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয়।
মনে রাখার টিপস:
ভাদ্র মাসের ছাব্বিশ তারিখ মনে রাখতে ইংরেজি সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময়ের বাংলা রূপের সঙ্গে মিলিয়ে নিতে পারেন।
সঠিক উত্তর: C) ৫টি
কেন সঠিক:
- অলিম্পিক গেমসের পতাকায় পাঁচটি রঙের রিং বা বলয় ব্যবহার করা হয়।
- এই পাঁচটি রং হলো নীল, হলুদ, কালো, সবুজ এবং লাল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৩টি — অলিম্পিক প্রতীকে তিনটি রং থাকে না, তাই এটি ভুল।
B) ৪টি — প্রতীকে চারটি রং থাকে না, তাই এটি ভুল।
C) ৫টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ অলিম্পিক পতাকায় পাঁচটি রঙের রিং থাকে।
D) ৬টি — পতাকার সাদা পটভূমি বাদ দিলে প্রধান রঙের সংখ্যা ছয়টি নয়, পাঁচটি।
মনে রাখার টিপস:
অলিম্পিক প্রতীকে ৫টি মহাদেশকে বোঝাতে ৫টি রঙের রিং ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: A) মুশফিক
কেন সঠিক:
- মুশফিকুর রহিম ২০১৩ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে গল টেস্টে অপराजিত ২০০ রান করে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম ডাবল সেঞ্চুরির ঐতিহাসিক রেকর্ড গড়েন।
- তিনি বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসে প্রথম দ্বি-শতক হাঁকানো গৌরব অর্জন করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মুশফিক — ইনি বাংলাদেশের পক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি করার ঐতিহাসিক কৃতিত্ব অর্জন করেছেন।
B) তামিম — ইনি টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম ট্রিপল সেঞ্চুরির খুব কাছাকাছি পৌঁছালেও প্রথম ডাবল সেঞ্চুরিয়ান নন।
C) সাকিব — ইনি বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার হলেও টেস্টে বাংলাদেশের প্রথম ডাবল সেঞ্চুরির রেকর্ড তার নয়।
D) লিটন — ইনি বাংলাদেশের আধুনিক যুগের অন্যতম সেরা ব্যাটার হলেও প্রথম ডাবল সেঞ্চুরিয়ান নন।
মনে রাখার টিপস:
টেস্ট ক্রিকেটে মুশফিকুর রহিম প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি করেছিলেন শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে।
সঠিক উত্তর: A) শুক্র
কেন সঠিক:
- শুক্র গ্রহের বায়ুমণ্ডলে প্রচুর কার্বন ডাই অক্সাইড রয়েছে, যা গ্রিনহাউস প্রভাবের মাধ্যমে তাপ আটকে রাখে।
- এটি সূর্যের নিকটতম গ্রহ না হলেও এর বায়ুমণ্ডলের ঘন স্তরের কারণে এটি সৌরজগতের সবচেয়ে উষ্ণ গ্রহ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শুক্র — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর বায়ুমণ্ডল তাপ ধরে রাখার ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি।
B) মঙ্গল — এর বায়ুমণ্ডল অত্যন্ত পাতলা এবং সূর্যের চেয়ে দূরে থাকায় এর তাপমাত্রা অনেক কম।
C) পৃথিবী — এখানে পানি ও উপযুক্ত বায়ুমণ্ডল থাকার কারণে তাপমাত্রা সহনীয় পর্যায়ে থাকে।
D) বুধ — এটি সূর্যের সবচেয়ে কাছের গ্রহ হওয়া সত্ত্বেও বায়ুমণ্ডল না থাকায় শুক্রের চেয়ে এর তাপমাত্রা কম।
মনে রাখার টিপস:
সূর্যের সবচেয়ে কাছে বুধ হলেও বায়ুমণ্ডলের গ্রিনহাউস প্রভাবে সবচেয়ে বেশি গরম শুক্র গ্রহ।
সঠিক উত্তর: A) লৌহ
কেন সঠিক:
- লৌহ হলো একটি সাধারণ ধাতু, যা প্রকৃতিতে স্থিতিশীল এবং এর কোনো তেজস্ক্রিয় সমস্থানিক নেই।
- তেজস্ক্রিয় পদার্থ স্বতঃস্ফূর্তভাবে বিকিরণ ছড়ায়, কিন্তু লৌহ বিকিরণ নির্গমন করে না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লৌহ — এটি সাধারণ ধাতু এবং তেজস্ক্রিয় পদার্থ নয়।
B) ইউরেনিয়াম — এটি একটি প্রাকৃতিক তেজস্ক্রিয় মৌল, যা পারমাণবিক শক্তিতে ব্যবহৃত হয়।
C) পুটোনিয়াম — এটি একটি কৃত্রিম তেজস্ক্রিয় মৌল এবং অত্যন্ত বিষাক্ত।
D) নেপচুনিয়াম — এটি একটি তেজস্ক্রিয় অ্যাক্টিনাইড মৌল।
মনে রাখার টিপস:
লোহার তৈরি রান্নার কড়াই বা আসবাবপত্র আমরা নিরাপদে ব্যবহার করি, তাই লোহা তেজস্ক্রিয় হতে পারে না।
প্রশ্নের ধরন: অর্থনীতি ও ব্যবসায়বিষয়ক ধারণা / ICT ও ডিজিটাল প্রযুক্তি
সঠিক উত্তর: B) বিটকয়েন
বিশেষ দ্রষ্টব্য: প্রশ্নে প্রদত্ত সঠিক উত্তর 'ডলার' ভুল ছিল। সঠিক উত্তরটি হবে 'বিটকয়েন', কারণ ডলার হলো ফিয়াট মুদ্রা বা প্রচলিত সরকারি মুদ্রা।
কেন সঠিক:
- বিটকয়েন একটি সম্পূর্ণ ডিজিটাল বা ক্রিপ্টোকারেন্সি, যার কোনো ভৌতিক রূপ বা কাগজী অস্তিত্ব নেই।
- এটি ইন্টারনেটের মাধ্যমে ক্রিপ্টোগ্রাফি প্রযুক্তির সাহায্যে লেনদেন করা হয় এবং কোনো কেন্দ্রীয় ব্যাংক বা সরকার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ডলার — এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ কয়েকটি দেশের প্রচলিত সরকারি কাগজী বা ফিয়াট মুদ্রা, যা ডিজিটাল মুদ্রা নয়।
C) ক্রেডিট কার্ড — এটি কোনো মুদ্রা নয়, বরং এটি কেবল একটি আর্থিক লেনদেন মাধ্যম বা প্লাস্টিক কার্ড যা ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সাথে যুক্ত থাকে।
D) কোনোটিই নয় — এই অপশনটি ভুল কারণ বিটকয়েন সঠিক উত্তরের তালিকায় বিদ্যমান রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
যার কোনো কাগজের রূপ নেই এবং শুধু ইন্টারনেটে লেনদেন হয়, সেটাই হলো ডিজিটাল মুদ্রা বা বিটকয়েন।
সঠিক উত্তর: B) ওপেন সোর্স
কেন সঠিক:
- অ্যান্ড্রয়েড একটি ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম হওয়ায় যে কেউ এর সোর্স কোড দেখতে, পরিবর্তন করতে ও পরিমার্জন করতে পারে।
- গুগল এটি বিনামূল্যে ডেভেলপারদের জন্য উন্মুক্ত করে দিয়েছে যাতে মোবাইল প্রস্তুতকারক কোম্পানিগুলো নিজেদের মতো এটি কাস্টমাইজ করতে পারে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ক্লাউড সোর্স — ক্লাউড সোর্স বলতে ডেটা বা কোড মেঘ বা ইন্টারনেটে সংরক্ষণের ব্যবস্থাকে বোঝায়, যা অ্যান্ড্রয়েডের মূল কোডিং কাঠামোর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
B) ওপেন সোর্স — এই অপশনটি সঠিক কারণ অ্যান্ড্রয়েডের মূল সফটওয়্যার কোড উন্মুক্ত এবং সবার জন্য বিনা মূল্যে ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে।
C) উভয় ধরনের — অ্যান্ড্রয়েড ক্লাউড ভিত্তিক নয় বরং এটি ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম, তাই এই অপশনটি ভুল।
D) কোনোটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর ওপেন সোর্সের মধ্যে বিদ্যমান, তাই এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
অ্যান্ড্রয়েড সবার জন্য উন্মুক্ত বা ওপেন, তাই এটি ওপেন সোর্স।
প্রশ্নের ধরন: ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ঘটনা
সঠিক উত্তর: B) কনস্ট্যান্টিনোপল
কেন সঠিক:
- রোমান সম্রাট কনস্ট্যান্টাইন প্রাচীন বাইজান্টিয়াম নগরীর নাম পরিবর্তন করে কনস্ট্যান্টিনোপল রাখেন এবং একে পূর্ব রোমান বা বাইজানটাইন সাম্রাজ্যের রাজধানী করেন।
- এটি ইউরোপ ও এশিয়ার সংযোগস্থলে অবস্থিত হওয়ায় কৌশলগত, বাণিজ্যিক ও সামরিক দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লিসবন — এটি পর্তুগালের রাজধানী এবং বাইজানটাইন সাম্রাজ্যের রাজধানী ছিল না।
B) কনস্ট্যান্টিনোপল — এটিই বাইজানটাইন সাম্রাজ্যের ঐতিহাসিক ও মূল রাজধানী ছিল।
C) প্যারিস — এটি বর্তমান ফ্রান্সের রাজধানী, যা প্রাচীন বাইজানটাইন সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত ছিল না।
D) ভিয়েনা — এটি অস্ট্রিয়ার রাজধানী এবং এটি হাবসবার্গ সাম্রাজ্যের কেন্দ্র ছিল, বাইজানটাইন রাজধানী নয়।
মনে রাখার টিপস:
সম্রাট কনস্ট্যান্টাইনের নামানুসারেই বাইজানটাইন সাম্রাজ্যের রাজধানী কনস্ট্যান্টিনোপল নামকরণ করা হয়।
সঠিক উত্তর: B) ৮ মার্চ
কেন সঠিক:
- আন্তর্জাতিক নারী দিবস প্রতি বছর ৮ মার্চ বিশ্বব্যাপী উদযাপিত হয়।
- নারী অধিকার রক্ষা এবং সমতা অর্জনের লক্ষ্যে এই দিনটি পালন করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৮ এপ্রিল — এটি আন্তর্জাতিক নারী দিবসের তারিখ নয় এবং এই দিনে অন্য কোনো সাধারণ ঘটনা রয়েছে।
B) ৮ মার্চ — এটি আন্তর্জাতিক নারী দিবসের সঠিক ও নির্ধারিত তারিখ।
C) ৭ মার্চ — এটি ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ স্মরণের দিন, নারী দিবসের দিন নয়।
D) ৭ এপ্রিল — এটি বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস উদযাপনের তারিখ, নারী দিবস নয়।
মনে রাখার টিপস:
মার্চ মাসের আট তারিখ হলো আন্তর্জাতিক নারী দিবস।
সঠিক উত্তর: D) বিচার ব্যবস্থা
কেন সঠিক:
- ঐতিহাসিক ছয় দফার দাবিগুলোতে শাসনতান্ত্রিক কাঠামো, কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা এবং মুদ্রা ব্যবস্থা নিয়ে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব ছিল।
- বিচার ব্যবস্থার বিষয়টি ছয় দফার মূল ছয়টি দাবির মধ্যে অন্তর্ভুক্ত ছিল না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শাসনতান্ত্রিক কাঠামো — ছয় দফার প্রথম দফায় লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে ফেডারেল পদ্ধতির শাসনতান্ত্রিক কাঠামো গঠনের কথা বলা হয়েছিল।
B) কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা — ছয় দফার দ্বিতীয় দফায় কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা কেবল দেশরক্ষা ও পররাষ্ট্র বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে সীমাবদ্ধ রাখার প্রস্তাব ছিল।
C) স্বতন্ত্র মুদ্রাব্যবস্থা — ছয় দফার তৃতীয় দফায় দুটি পৃথক অথচ সহজে বিনিময়যোগ্য মুদ্রা অথবা দুটি পৃথক অঞ্চলের জন্য দুটি আলাদা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রস্তাব ছিল।
D) বিচার ব্যবস্থা — ছয় দফায় বিচার ব্যবস্থা সম্পর্কিত কোনো স্বতন্ত্র বা আলাদা দফা অন্তর্ভুক্ত ছিল না বিধায় এটি সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
ছয় দফার বিষয়গুলো মনে রাখার জন্য মূল ভিত্তিগুলো মাথায় রাখুন যার মধ্যে শাসনতন্ত্র, ক্ষমতা, মুদ্রা, কর, বৈদেশিক বাণিজ্য ও মিলিশিয়া বা আধাসামরিক বাহিনী গঠিত ছিল কিন্তু বিচার ব্যবস্থা ছিল না।
সঠিক উত্তর: C) রাঙামাটি
কেন সঠিক:
- রাঙামাটি বাংলাদেশের আয়তনে সবচেয়ে বড় জেলা হওয়া সত্ত্বেও ভৌগোলিক ও পাহাড়ি দুর্গমতার কারণে এখানে সংসদীয় আসন মাত্র ১টি।
- জাতীয় সংসদের ৩০০টি নির্বাচনী এলাকার মধ্যে রাঙামাটি জেলার আসন সংখ্যা ২৯৯ নম্বর।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মেহেরপুর — এই জেলায় সংসদীয় আসন ২টি রয়েছে, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
B) ঝালকাঠি — এই জেলায় সংসদীয় আসন ২টি রয়েছে, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
C) রাঙামাটি — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত।
D) লক্ষ্মীপুর — এই জেলায় সংসদীয় আসন ৪টি রয়েছে, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
মনে রাখার টিপস:
পাহাড়ি ও আয়তনে বড় জেলাগুলোর মধ্যে রাঙামাটির সংসদীয় আসন সংখ্যা সবচেয়ে কম, মাত্র ১টি।
সঠিক উত্তর: A) পেট্রোপোল
কেন সঠিক:
- বেনাপোল বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ও সর্বাধিক ব্যবহৃত স্থলবন্দর এবং এর ঠিক বিপরীত পাশেই ভারতের পশ্চিমবঙ্গের পেট্রোপোল স্থলবন্দর অবস্থিত।
- দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও যাত্রী পারাপারের জন্য এই সীমান্তটি প্রধান ও সরাসরি সংযোগস্থল হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পেট্রোপোল — এটি বেনাপোল স্থলবন্দরের বিপরীতে অবস্থিত প্রধান ভারতীয় স্থলবন্দর এবং এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
B) কৃষ্ণনগর — এটি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের একটি ঐতিহাসিক শহর ও নদিয়া জেলার সদর দপ্তর, যা কোনো প্রধান স্থলবন্দর নয়।
C) ডাউকি — এটি ভারতের মেঘালয় রাজ্যে অবস্থিত স্থলবন্দর, যা বাংলাদেশের তামাবিল সীমান্তের বিপরীতে অবস্থিত।
D) মোহাদিপুর — এটি ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মালদহ জেলায় অবস্থিত স্থলবন্দর, যা বাংলাদেশের সোনামসজিদ সীমান্তের বিপরীতে অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
বেনাপোলের সাথে মিল রেখে মনে রাখুন ব তে বেনাপোল আর প তে পেট্রোপোল।
সঠিক উত্তর: D) ১৯৭৪
কেন সঠিক:
- স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম ও ১৯৭৫ সালের ১৯৭৪ সালের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সরকারের আমলে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
- এই শুমারি অনুযায়ী তৎকালীন সময়ে বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা ছিল প্রায় সাড়ে সাত কোটি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯্রাজ্য নয়, এই সালে কোনো আদমশুমারি হয়নি।
B) ১৯৭২ সালে সদ্য স্বাধীন দেশে আদমশুমারির প্রস্তুতি নেওয়া সম্ভব ছিল না, কারণ দেশ পুনর্গঠন তখন প্রধান অগ্রাধিকার ছিল।
সি) ১৯৭৩ সালে কোনো আদমশুমারি পরিচালিত হয়নি।
D) ১৯৭৪ সালে প্রথম আদমশুমারি সফলভাবে সম্পন্ন হয় এবং এটিই সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
স্বাধীনতার ঠিক তিন বছর পর ১৯৭৪ সালে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: D) ৩টি
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশে বর্তমানে আনুষ্ঠানিকভাবে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ৩টি চালু রয়েছে।
- এই বিমানবন্দরগুলো হলো ঢাকা, চট্টগ্রাম এবং সিলেট।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২টি — অতীতে বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ২টি থাকলেও বর্তমানে এর সংখ্যা বেশি।
B) ৬টি — বর্তমানে বাংলাদেশে কার্যকর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সংখ্যা ৬টি নয়, ৩টি।
C) ৫টি — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ বর্তমানে ৩টি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর রয়েছে।
D) ৩টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলাদেশে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বিদ্যমান।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ৩টি মনে রাখতে ঢাকার হযরত শাহজালাল, চট্টগ্রামের শাহ আমানত এবং সিলেটের ওসমানী বিমানবন্দরগুলোর কথা মনে করুন।
সঠিক উত্তর: B) মিরসরাই
কেন সঠিক:
- এটি বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের অধীনে প্রতিষ্ঠিত দেশের সর্ববৃহৎ অর্থনৈতিক অঞ্চল।
- চট্টগ্রাম জেলার মিরসরাই এবং সীতাকুণ্ড উপজেলার কিছু অংশ নিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগর নামে এটি গঠিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আনোয়ারা — এটি চট্টগ্রামের একটি আলাদা উপজেলা ও অর্থনৈতিক অঞ্চলের নাম হলেও এটি সর্ববৃহৎ অর্থনৈতিক অঞ্চল নয়।
B) মিরসরাই — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
C) সীতাকুণ্ডু — মিরসরাই প্রকল্পের সঙ্গে সীতাকুণ্ড উপজেলার কিছু অংশ যুক্ত থাকলেও পুরো প্রকল্পটি মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চল বা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগর নামে পরিচিত।
D) কোনোটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশন বি তে বিদ্যমান, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
মিরসরাই হলো দেশের সবচেয়ে বড় শিল্পাঞ্চল, যা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগর নামে পরিচিত।
সঠিক উত্তর: B) কামরুল হাসান
কেন সঠিক:
- শিল্পী কামরুল হাসান বাংলাদেশের বর্তমান জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত রূপদাতা ও ডিজাইনার।
- তিনি ১৯৭০ সালের ৬ জুন শিব নারায়ণ দাসের আঁকা মূল পতাকার নকশায় পরিবর্তন এনে বর্তমান পতাকাটি ডিজাইন করেন, যা ১৯৭১ সালের ১৭ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জয়নুল আবেদিন — তিনি বাংলাদেশের শিল্পাচার্য এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা হলেও জাতীয় পতাকার ডিজাইনার নন।
B) কামরুল হাসান — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি জাতীয় পতাকার বর্তমান রূপের ডিজাইনার।
C) হামিদুর রহমান — তিনি জাতীয় শহীদ মিনারের মূল স্থপতি ও নকশাকার, জাতীয় পতাকার ডিজাইনার নন।
D) হাশেম খান — তিনি দেশের একজন প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী ও বইয়ের প্রচ্ছদশিল্পী, কিন্তু জাতীয় পতাকার ডিজাইনার নন।
মনে রাখার টিপস:
পতাকার লাল বৃত্তে মানচিত্র এনেছিলেন শিব নারায়ণ দাস আর পতাকার সবুজ জমিনের ভেতর বৃত্তটিকে নিখুঁত মাপে বসিয়ে বর্তমান রূপ দিয়েছিলেন কামরুল হাসান।
সঠিক উত্তর: A) ১০ নং সেক্টর
কেন সঠিক:
- মুক্তিযুদ্ধের সময় গঠিত ১০ নং সেক্টরটি ছিল নৌ কমান্ড বা নৌ সেক্টর।
- এই সেক্টরের অধীনে কোনো নির্দিষ্ট ভৌগোলিক এলাকা ছিল না, সমগ্র জলপথ ও সমুদ্র উপকূলীয় অঞ্চল এর আওতাভুক্ত ছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১০ নং সেক্টর — এটি নৌ কমান্ড সেক্টর হিসেবে গঠিত হয়েছিল এবং এর কোনো নির্দিষ্ট ভৌগোলিক এলাকা ছিল না।
B) ১১ নং সেক্টর — এটি ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইল এলাকা নিয়ে গঠিত স্থল সেক্টর ছিল।
C) ৮ নং সেক্টর — এটি কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা, বরিশাল ও ফরিদপুর জেলা নিয়ে গঠিত স্থল সেক্টর ছিল।
D) ৯ নং সেক্টর — এটি খুলনা ও বরিশাল অঞ্চল নিয়ে গঠিত স্থল সেক্টর ছিল।
মনে রাখার টিপস:
নৌকা জলে চলে এবং জল মানেই দশ দিক, তাই নৌ সেক্টর হলো ১০ নং সেক্টর।
সঠিক উত্তর: C) মহাস্থানগড়
কেন সঠিক:
- প্রাচীন বাংলার পুণ্ড্রবর্ধনুক্তির রাজধানী ছিল পুণ্ড্রনগর, যার বর্তমান নাম মহাস্থানগড়।
- এটি বগুড়া জেলায় করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত প্রাচীনতম ঐতিহাসিক নগরী।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ময়নামতি — এটি কুমিল্লায় অবস্থিত প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শন এবং বৌদ্ধ বিহারের জন্য বিখ্যাত, পুণ্ড্রবর্ধন নগর নয়।
B) বিক্রমপুর — এটি মুন্সীগঞ্জ জেলায় অবস্থিত প্রাচীন বাংলার সেন ও চন্দ্র রাজবংশের রাজধানী এবং সাহিত্যিক কেন্দ্র ছিল।
C) মহাস্থানগড় — এটি সঠিক উত্তর, কারণ প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন নগরী এখানেই অবস্থিত ছিল।
D) পাহাড়পুর — এটি নওগাঁ জেলায় অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক স্থান, যা সোমপুর মহাবিহারের জন্য পরিচিত।
মনে রাখার টিপস:
পুণ্ড্রবর্ধন মানেই বগুড়ার মহাস্থানগড়, যা বাংলার প্রাচীনতম নগরী।
সঠিক উত্তর: C) ২৩ ফেব্রুয়ারি
কেন সঠিক:
- ১৯৬৯ সালের এই দিনে ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) এক বিশাল জনসভায় শেখ মুজিবুর রহমানকে বঙ্গবন্ধু উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
- তৎকালীন ডাকসু সহসভাপতি তোফায়েল আহমেদ ছাত্রসংগ্রাম পরিষদের পক্ষে এই উপাধি ঘোষণা করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২১ ফেব্রুয়ারি — এটি শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস, এই তারিখে উপাধি দেওয়া হয়নি।
B) ২২ ফেব্রুয়ারি — এই দিনে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করা হয় এবং বন্দী নেতারা মুক্তি পান।
C) ২৩ ফেব্রুয়ারি — এই তারিখে জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমানকে আনুষ্ঠানিকভাবে বঙ্গবন্ধু উপাধি দেওয়া হয়।
D) ২৪ ফেব্রুয়ারি — এই তারিখে এই বিশেষ জনসভা বা উপাধি দেওয়ার কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটেনি।
মনে রাখার টিপস:
ঊনসত্তরের গণঅভুথ্যালের পর ২৩ ফেব্রুয়ারি তোফায়েল আহমেদ শেখ মুজিবকে বঙ্গবন্ধু উপাধি দেন।
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)