বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন

বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন পরীক্ষা ২০২১

পদের নাম: সহকারী প্রশাসনিক কর্মকর্তা (৯ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (70)

a ক
b শ
c হ
d ড়
0 110 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) হ ১. কেন সঠিক: - 'হ' বর্ণটি উচ্চারণের সময় মুখবিবরের কোথাও বাধা না পেয়ে সরাসরি কণ্ঠনালি থেকে উচ্চারিত হয় বলে একে কণ্ঠনালীয় ব্যঞ্জনধ্বনি বা স্বনযন্ত্রমূলীয় ধ্বনি বলা হয়। - প্রমিত বাংলা ব্যাকরণে এই ধ্বনিকে ইংরেজিতে গ্লটাল সাউন্ড বলা হয় এবং এটি উচ্চারণের সময় স্বরতন্ত্রীতে কম্পন সৃষ্টি হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণের উচ্চারণস্থান অনুযায়ী কণ্ঠ্য, তালব্য, মূর্ধন্য, দন্ত্য, ওষ্ঠ্য ও কণ্ঠনালীয় ধ্বনি হিসেবে ভাগ করা হয়। - 'হ' এবং বিসর্গ ধ্বনি মূলত কণ্ঠনালি বা গ্লটিস থেকে উচ্চারিত হয় বলে এদের কণ্ঠনালীয় ধ্বনি বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হিম ব্যাখ্যা: হিম শব্দের শুরুতে থাকা 'হ' কণ্ঠনালীয় ধ্বনির একটি স্পষ্ট উদাহরণ। উদাহরণ ২: হাত ব্যাখ্যা: হাত শব্দে ব্যবহৃত 'হ' কণ্ঠনালি থেকে স্বরতন্ত্রীর সাহায্যে উচ্চারিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক — এটি কণ্ঠ্য বা জিহ্বামূলীয় ব্যঞ্জনধ্বনি কারণ এটি জিহ্বার মূল অংশ তালুর পেছনের অংশে স্পর্শ করে উচ্চারিত হয়। B) শ — এটি তালব্য ব্যঞ্জনধ্বনি কারণ এটি উচ্চারণের সময় জিহ্বার সামনের অংশ তালুকে স্পর্শ করে। D) ড় — এটি তাড়িত মূর্ধন্য ব্যঞ্জনধ্বনি কারণ জিহ্বার আগা উল্টে মূর্ধা স্পর্শ করে দ্রুত নিচে নেমে আসে। ৫. মনে রাখার টিপস: - কণ্ঠনালীয় ধ্বনি মনে রাখার জন্য শুধু 'হ' এবং বিসর্গ (ঃ) মনে রাখলেই চলবে। - হ দিয়ে হা হা হাসি মনে রাখলে কণ্ঠনালীয় ধ্বনি সহজে মনে থাকবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কণ্ঠনালীয় ধ্বনি হিসেবে প্রায়ই 'হ' অপশনে থাকে। - উচ্চারণের স্থানভিত্তিক ব্যঞ্জনবর্ণের শ্রেণিবিভাগ থেকে প্রতি বছর একটি প্রশ্ন আসার সম্ভাবনা থাকে।
a অ, আ
b এ,ও
c ই, উ
d অ্যা, অ
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অ্যা, অ কেন সঠিক: জিভের উচ্চতা অনুযায়ী স্বরধ্বনিগুলোকে উচ্চ, উচ্চ-মধ্য, নিম্ন-মধ্য এবং নিম্ন এই চার ভাগে ভাগ করা হয়। 'অ্যা' এবং 'অ' উচ্চারণ করার সময় জিভ মুখবিবরের মধ্য ও নিম্ন অবস্থানের মাঝামাঝি থাকে বলে এগুলো নিম্ন-মধ্য স্বরধ্বনি। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা বর্ণমালায় স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময় জিভের উচ্চতা এবং মুখবিবরের খোলার পরিমাপ একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী জিহ্বার অবস্থান পরিবর্তনশীল হওয়ায় স্বরধ্বনিগুলোর এই সুনির্দিষ্ট শ্রেণিবিন্যাস করা হয়েছে। যেমন 'অ্যা' এবং 'অ' উচ্চারণের মুখবিবর যেভাবে উন্মুক্ত হয়, তা নিম্ন-মধ্য স্তরের বৈশিষ্ট্য বহন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অ, আ — এখানে 'অ' নিম্ন-মধ্য হলেও 'আ' হলো নিম্ন স্বরধ্বনি, তাই এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক নয়। B) এ, ও — এই দুটি স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময় জিভের অবস্থান উচ্চ-মধ্য স্তরে থাকে, তাই এগুলো নিম্ন-মধ্য নয়। C) ই, উ — এই দুটি স্বরধ্বনি উচ্চারণ করার সময় জিভ সবচেয়ে উঁচুতে অবস্থান করে, তাই এগুলো উচ্চ স্বরধ্বনি। D) এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং এটিই নির্ণেয় উত্তর। মনে রাখার টিপস: নিম্ন-মধ্য স্বরধ্বনি মনে রাখার জন্য 'অ্যা-অ' জোড়টি মুখের তালুর অবস্থান অনুযায়ী প্রথমে মুখস্থ রাখবে। জিভ সামান্য নিচে নামলে এবং মুখ কম খুললে এই দুটি ধ্বনি উচ্চারিত হয়, যা উচ্চ-মধ্য থেকে আলাদা।
a নতুন কবিতা
b সুন্দরম
c একুশে ফেব্রুয়ারি
d কণ্ঠস্বর
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) একুশে ফেব্রুয়ারি কেন সঠিক: - এই গানটি ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত প্রথম ও ঐতিহাসিক সাহিত্য সংকলনে প্রথম স্থান পেয়েছিল। - হাসান হাফিজুর রহমান সম্পাদিত 'একুশে ফেব্রুয়ারি' সংকলনটি ১৯৫৩ সালে প্রকাশিত হয় এবং এতেই গানটি প্রথম অন্তর্ভুক্ত হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - গানটির রচিয়তা সাংবাদিক ও সাহিত্যিক আবদুল গাফফার চৌধুরী এবং সুরকার শহীদ আলতাফ মাহমুদ। - বাংলা ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে রচিত এটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও প্রামাণিক একটি সাহিত্যকর্ম। - ১৯৫৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে প্রকাশিত এই সংকলনটি ভাষা আন্দোলনের স্মারক হিসেবে বাংলা সাহিত্যে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) নতুন কবিতা — এটি আহসান হাবীব সম্পাদিত অন্য একটি কাব্য সংকলন যা এই গানের সাথে সম্পর্কিত নয়। - B) সুন্দরম — এটি ভাষা আন্দোলনের প্রথম প্রকাশিত কোনো সাহিত্য সংকলন নয়। - C) একুশে ফেব্রুয়ারি — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে অন্য কিছু বোঝানো হয়েছে। - D) কণ্ঠস্বর — আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ সম্পাদিত এটি একটি পরবর্তীকালীন সাহিত্য পত্রিকা যা এই গান প্রকাশের সাথে জড়িত নয়। মনে রাখার টিপস: - একুশের গান প্রথম প্রকাশিত হয়েছে 'একুশে ফেব্রুয়ারি' নামক সংকলনেই, যা প্রকাশ হয়েছিল ১৯৫৩ সালে।
a মোসলেম ভারত
b মোহাম্মদী
c শিখা
d প্রগতি
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শিখা ১. কেন সঠিক: - 'শিখা' হলো বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের প্রধান সংগঠন মুসলিম সাহিত্য সমাজের মুখপত্র। - এর বিখ্যাত স্লোগান ছিল জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আচ্ছন্ন, মুক্তি সেখানে অসম্ভব। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ১৯২৬ সালের ১৯ জানুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল তরুণ শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিকের উদ্যোগে মুসলিম সাহিত্য সমাজ প্রতিষ্ঠিত হয়। - এই সংগঠনের নেতৃত্বে ছিলেন আবুল হুসাইন, কাজী মোতাহার হোসেন প্রমুখ এবং এর মুখপত্র 'শিখা' প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯২৬ সালে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মোসলেম ভারত ব্যাখ্যা: এটি একটি মাসিক সাহিত্য পত্রিকা যা ১৯২০ সালে কলকাতা থেকে প্রকাশিত হয় এবং কাজী নজরুল ইসলামের অনেক বিখ্যাত লেখা এতে প্রকাশিত হয়েছিল। উদাহরণ ২: প্রগতি ব্যাখ্যা: এটি ঢাকা থেকে প্রকাশিত আরেকটি প্রগতিশীল সাহিত্য পত্রিকা যা বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মোসলেম ভারত — এটি মুসলিম সাহিত্য সমাজের মুখপত্র নয়, বরং এটি একটি স্বতন্ত্র সাহিত্য পত্রিকা যা কলকাতা থেকে প্রকাশিত হতো। B) মোহাম্মদী — এটি মাওলানা মোহাম্মদ আকরম খাঁ সম্পাদিত একটি প্রখ্যাত মাসিক পত্রিকা হলেও মুসলিম সাহিত্য সমাজের মুখপত্র ছিল না। C) শিখা — এটি মুসলিম সাহিত্য সমাজের একমাত্র এবং নির্দিষ্ট মুখপত্র হিসেবে প্রকাশিত হয়েছিল। D) প্রগতি — এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বুদ্ধিজীবীদের দ্বারা প্রকাশিত পত্রিকা হলেও এটি মুসলিম সাহিত্য সমাজের মুখপত্র ছিল না। ৫. মনে রাখার টিপস: - শিখা জ্বালিয়ে সমাজকে আলোকিত করতে হয়, তাই মুসলিম সাহিত্য সমাজের প্রগতির প্রতীক মুখপত্রের নাম শিখা। - বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের স্লোগানটি শিখা পত্রিকার মুখবন্ধে ব্যবহৃত হতো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুসলিম সাহিত্য সমাজের প্রতিষ্ঠাকাল এবং মুখপত্রের নাম প্রায়ই আসে। - পত্রিকার সম্পাদনা এবং প্রকাশের স্থান সংক্রান্ত প্রশ্নগুলো ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a করণ
b কর্ম
c অপাদান
d অধিকরণ
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অপাদান ১. কেন সঠিক: বাক্যে যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, বিরত, গৃহিত, উৎপন্ন, ভীত বা রক্ষিত হয় কিংবা যা দেখে কেউ বিরত হয়, তাকে অপাদান কারক বলে। এখানে কথাটি 'লোকমুখে' উৎপন্ন বা প্রাপ্ত হয়েছে বোঝানো হয়েছে, যা উৎস বা মাধ্যম নির্দেশ করে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: অপাদান কারকে সাধারণত পঞ্চমী বিভক্তি (তে, হইতে, থেকে) যুক্ত হয়। বাক্যের ক্রিয়াকে কোথা থেকে বা কিসের মাধ্যমে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা অপাদান কারক হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গাছ থেকে পাতা পড়ে। ব্যাখ্যা: এখানে পাতা গাছ থেকে বিচ্যুত হয়েছে, তাই এটি অপাদান কারক। উদাহরণ ২: বিপদে মারে রক্ষা করো এই আমার প্রার্থনা। ব্যাখ্যা: এখানে বিপদ থেকে রক্ষার অর্থে অপাদান কারক ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) করণ — করণ কারক হলো যার দ্বারা ক্রিয়া সম্পাদিত হয়। এখানে কথা শোনার মাধ্যম বা উৎস বোঝাচ্ছে, তাই এটি করণ নয়। B) কর্ম — কর্ম কারক হলো যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে। এখানে কথা শোনার উৎস বোঝানো হয়েছে, তাই এটি কর্ম নয়। C) অপাদান — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি উৎস বা মাধ্যম প্রকাশ করে। D) অধিকরণ — অধিকরণ কারক হলো ক্রিয়া সম্পাদনের স্থান বা সময়। এখানে কোনো স্থান বা সময় বোঝায়নি। ৫. মনে রাখার টিপস: কোথা থেকে উৎপন্ন, জাত, রক্ষিত বা গৃহিত হওয়া বোঝালে অপাদান কারক হয়। উৎস বা মাধ্যম বুঝলেই চোখ বন্ধ করে অপাদান কারক দাগাবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস পরীক্ষায় কারক নির্ণয়ের ক্ষেত্রে উৎস বা মাধ্যম সংক্রান্ত বাক্য প্রায়ই আসে। কোথা থেকে বা কার কাছ থেকে প্রশ্ন করে উত্তর পেলে তা সাধারণত অপাদান কারক হয়।
a রত্নাকর
b দ্বিরদ
c মৃগেন্দ্র
d জীমূত
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জীমূত ১. কেন সঠিক: - বলাহক শব্দের অর্থ মেঘ। জীমূত শব্দের অর্থও মেঘ বা জলধর। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দের ক্ষেত্রে তৎসম ও সংস্কৃত শব্দের ব্যবহার বেশি দেখা যায়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দগুলোর সমাহার, যাদের অর্থ প্রায় একই রকম হয়। - বলাহক এবং জীমূত উভয়ই মেঘের সংস্কৃত সমার্থক শব্দ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জলধর ব্যাখ্যা: জল ধারণ করে যা, অর্থাৎ মেঘ। এটি বলাহক শব্দের আরেকটি বহুল ব্যবহৃত সমার্থক শব্দ। উদাহরণ ২: অব্বি ব্যাখ্যা: আকাশে বিচরণ করে যা, অর্থাৎ মেঘ। এটিও মেঘের একটি চমৎকার প্রতিশব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রত্নাকর — রত্নাকর শব্দের অর্থ সমুদ্র। এটি মেঘের সমার্থক শব্দ নয়। B) দ্বিরদ — দ্বিরদ শব্দের অর্থ হাতি বা হস্তী। এটি মেঘের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) মৃগেন্দ্র — মৃগেন্দ্র শব্দের অর্থ সিংহ, যা বনের পশুগণের রাজাকে বোঝায়। D) জীমূত — এটি মেঘের সঠিক প্রতিশব্দ হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। ৫ মনে রাখার টিপস: - মেঘের সমার্থক শব্দগুলো মনে রাখার জন্য বারিদ, জলধর, বলাহক এবং জীমূত শব্দগুলো একসাথে চর্চা করতে পারো। - জীমূত ও বলাহক দুটোই কঠিন ও তৎসম শব্দ, যা পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মেঘ, সমুদ্র, আকাশ ও পৃথিবী এই চারটির সমার্থক শব্দ সবচেয়ে বেশি আসে। - শব্দের মূল অর্থ বা উৎপত্তি বুঝতে পারলে কঠিন প্রতিশব্দ সহজে মনে রাখা সম্ভব।
a খয়ের খাঁ
b তীর্থের কাক
c চিনে জোঁক
d মণিকাঞ্চন যোগ
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) চিনে জোঁক ১. কেন সঠিক: - 'চিনে জোঁক' বাগধারাটির শাব্দিক ও প্রাগুক্ত অর্থ হলো যা সহজে পিছু ছাড়ে না বা নাছোড়বান্দা। - পরীক্ষার প্রশ্নে যে অর্থ চাওয়া হয়েছে তার সঙ্গে এই বাগধারার অর্থের সম্পূর্ণ মিল রয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে বাগধারা হলো বিশেষ শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থের বাইরে গিয়ে একটি বিশেষ ভাব বা প্রকাশ ফুটিয়ে তোলে। - এটি ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং মনের ভাবকে সংক্ষেপে ও সুন্দরভাবে প্রকাশ করতে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পাওনা টাকার জন্য সে আমার পেছনে চিনে জোঁকের মতো লেগে আছে। ব্যাখ্যা: এখানে নাছোড়বান্দা বা না ছাড়ার ভাব বোঝাতে চিনে জোঁক বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: ছেলেটি একবার ধরলে সহজে ছাড়তে চায় না, একেবারে চিনে জোঁক। ব্যাখ্যা: মানুষের নাছোড়বান্দা স্বভাব বোঝাতে এই উদাহরণের মাধ্যমে বাগধারাটির সার্থক প্রয়োগ দেখানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) খয়ের খাঁ — এই বাগধারাটির অর্থ স্তাবক বা তোষামোদকারী। B) তীর্থের কাক — এই বাগধারাটির অর্থ অনির্দিষ্টকালের জন্য প্রতীক্ষাকারী। C) চিনে জোঁক — এই অপশনটি সঠিক এবং এর অর্থ নাছোড়বান্দা। D) মণিকাঞ্চন যোগ — এই বাগধারাটির অর্থ উপযুক্ত মিলন বা সুন্দর সংযোগ। ৫ মনে রাখার টিপস: জোঁক যেমন একবার কামড়ে ধরলে সহজে ছাড়তে চায় না, তেমনি নাছোড়বান্দা মানুষও সহজে পিছু ছাড়ে না। এই মিলটি মনে রাখলে পরীক্ষা চলাকালীন সহজে সঠিক উত্তরটি চিহ্নিত করা সম্ভব হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই নাছোড়বান্দা বা একগুঁয়ে স্বভাব বোঝাতে চিনে জোঁক বাগধারাটি বিকল্প হিসেবে আসে। একই ধরনের অর্থ প্রকাশ করে এমন অন্যান্য বাগধারা যেমন একরোখা বা আঠার স্বভাব ভালোভাবে পড়ে রাখা উচিত।
a করেছিলে
b করতে
c করিয়েছিলাম
d করালাম
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) করিয়েছিলাম ১. কেন সঠিক: 'করিয়েছিলাম' শব্দটি 'কর' ধাতু থেকে উৎপন্ন হয়েছে। এর মধ্যে প্রযোজক ক্রিয়া এবং পুরাঘটিত অতীতের কালগত বৈশিষ্ট্য একসঙ্গে বিদ্যমান রয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যিনি নিজে কাজ না করে অন্যকে দিয়ে কাজটি করান, তাকে প্রযোজক ক্রিয়া বলে। অতীতকালে কোনো কাজ অনেক আগেই শেষ হয়েছে এবং তার ফল এখনো বিদ্যমান, এমন বোঝালে তাকে পুরাঘটিত অতীতকাল বলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শিক্ষক ছাত্রকে পড়াচ্ছেন। ব্যাখ্যা: এটি প্রযোজক ক্রিয়ার বর্তমান কালের রূপের একটি সাধারণ উদাহরণ। উদাহরণ ২: মা শিশুকে চাঁদ দেখাচ্ছেন। ব্যাখ্যা: এখানে মা নিজে না দেখে শিশুকে দেখানোর ব্যবস্থা করছেন, যা প্রযোজক ক্রিয়ার স্পষ্ট রূপ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) করেছিলে — এটি সাধারণ অতীতকালের রূপ, এখানে অন্যকে দিয়ে কাজ করানোর কোনো প্রযোজক ভাব বা অর্থ প্রকাশ পায়নি। B) করতে — এটি ক্রিয়ার একটি সাধারণ রূপ বা অসমাপিকা ক্রিয়ার অন্তর্ভুক্ত, যা কোনো নির্দিষ্ট কাল বা প্রযোজক ভাব প্রকাশ করে না। D) করালাম — এটি ঘটমান বা সাধারণ অতীতকালের প্রযোজক রূপ হতে পারে, কিন্তু এটি পুরাঘটিত অতীতের রূপ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: প্রযোজক ক্রিয়া চেনার উপায় হলো শব্দে 'আ' প্রত্যয় যুক্ত থাকা যেমন দেখা, শোনানো। আর পুরাঘটিত অতীতকাল চিনতে ইয়াছিলাম, ইয়াছিল এই বিভক্তিগুলো মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধাতু, প্রযোজক ক্রিয়া এবং কাল সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। তাই ধাতু থেকে বিভিন্ন কালের রূপ পরিবর্তনের নিয়ম ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a কুসুমনিচয়
b কুসুমদাম
c পুষ্পদাম
d তারকাবলি
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) তারকাবলি ১. কেন সঠিক: তারকা শব্দের সঙ্গে বল বা বলি প্রত্যয় যুক্ত করে বহুবচন করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ। তারা শব্দের বহুবচন করতে হলে তারকারাজি বা তারাপুঞ্জ বলতে হয় কারণ জড়বাচক শব্দের ক্ষেত্রে বল বা বলি প্রত্যয় বসে না। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে বিশেষ পদের বহুবচন বোঝাতে নানা ধরনের প্রত্যয় ও সমষ্টিবাচক শব্দ ব্যবহৃত হয়। অপ্রাণীবাচক বা জড়বাচক শব্দের বহুবচনে নিচয়, দাম, নিকুরঞ্জ, রাজি, রাশি, পাল, থুপি ইত্যাদি সমষ্টিবাচক শব্দ যুক্ত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মেঘমালা ব্যাখ্যা: মেঘ অপ্রাণীবাচক শব্দ হওয়ায় এর বহুবচনে মালা সমষ্টিবাচক শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: মৎস্যকুল ব্যাখ্যা: মৎস্য বা মাছ শব্দের বহুবচনে কুল সমষ্টিবাচক শব্দ যুক্ত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কুসুমনিচয় — কুসুম অর্থ ফুল এবং নিচয় অর্থ সমষ্টি, যা ফুলবাচক শব্দের বহুবচনে সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে। B) কুসুমদাম — দাম শব্দের অর্থ মালা বা সমষ্টি, তাই কুসুমদাম বহুবচনে সঠিক প্রয়োগ। C) পুষ্পদাম — পুষ্প শব্দের সঙ্গে দাম যুক্ত হয়ে ফুলের সমষ্টি বা বহুবচন সঠিকভাবে গঠিত হয়েছে। D) তারকাবলি — তারকা শব্দের সঙ্গে বল বা বলি প্রত্যয় কেবল প্রাণীবাচক বা বিশেষ ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হওয়ায় এটি ভুল। ৫ মনে রাখার টিপস: জড়বাচক শব্দের বহুবচনে দাম, নিচয়, রাজি, রাশি বসে এবং প্রাণীবাচক বা নির্দিষ্ট শব্দের ক্ষেত্রে অন্য নিয়ম খাটে। তারকা শব্দের সঠিক বহুবচন হলো তারকারাজি বা তারাপুঞ্জ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বহুবচনের সঠিক প্রয়োগ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। সমষ্টিবাচক শব্দ ও প্রত্যয়ের সঠিক ব্যবহার মনে রাখলে এমন প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
a যেমন-তেমন
b নিজে
c নিজেরা-নিজেরা
d সকলে
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নিজেরা-নিজেরা ১. কেন সঠিক: - পারস্পরিক সর্বনাম হলো এমন সর্বনাম যা কোনো কাজের পারস্পরিকতা, বোঝাপড়া বা একে অপরের ওপর নির্ভরতা প্রকাশ করে। - নিজেরা-নিজেরা পদটি দ্বারা নিজেদের মধ্যে সম্পাদিত কাজের পারস্পরিক আদান-প্রদান বা যৌথতা প্রকাশ পায় বলে এটি পারস্পরিক সর্বনাম। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সর্বনাম পদের শ্রেণিবিভাগ অনুযায়ী পারস্পরিক সর্বনাম বিশেষ একটি রূপ। - যে সর্বনাম পদ দিয়ে দুই বা ততোধিক ব্যক্তির মধ্যে পারস্পরিক ভাব, কাজ বা সম্পর্ক প্রকাশ পায়, তাকে পারস্পরিক সর্বনাম বলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আপনারা আপসে আপসে মীমাংসা করে নিন। ব্যাখ্যা: এখানে আপসে আপসে পদটি পারস্পরিক সর্বনাম হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: তারা নিজেরা নিজেরা ঝামেলা মিটিয়ে নিয়েছে। ব্যাখ্যা: এখানে নিজেরা নিজেরা পদটি পারস্পরিকতার অর্থ প্রকাশ করছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যেমন-তেমন — এটি সাপেক্ষ সর্বনাম বা নিত্য সম্বন্ধীয় সর্বনামের উদাহরণ, যা পারস্পরিক সর্বনাম নয়। B) নিজে — এটি আত্মবাচক সর্বনাম, কারণ এটি বক্তা বা বিষয়বস্তুর নিজস্বতা প্রকাশ করে। D) সকলে — এটি অনির্দিষ্ট বা সাধারণবাচক সর্বনাম, যা কোনো নির্দিষ্ট একককে না বুঝিয়ে সমগ্র দল বা সমষ্টিকে বোঝায়। ৫ মনে রাখার টিপস: - পারস্পরিক সর্বনাম চেনার সহজ উপায় হলো শব্দের দ্বিরুক্তি বা জোড়া রূপ লক্ষ করা। - পরস্পর, নিজেদের মধ্যে বা একে অপরের সঙ্গে বোঝায় এমন শব্দই হলো পারস্পরিক সর্বনাম। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সর্বনামের শ্রেণিবিভাগ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - আত্মবাচক সর্বনাম এবং পারস্পরিক সর্বনামের পার্থক্য ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a পর্তুগিজ
b ফারসি
c চতুর্কি
d হিন্দি
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) তুর্কি (প্রশ্নে 'চতুর্কি' বলা হয়েছে যা মূলত তুর্কি শব্দের বানান ত্রুটি) ১. কেন সঠিক: - বেগম শব্দটি তুর্কি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে এবং এটি একটি বহুল প্রচলিত পরিভাষা। - তুর্কি ভাষা থেকে আগত শব্দগুলো সাধারণত আমাদের সামাজিক পদবি, উপাধি বা সামরিক জীবনকে নির্দেশ করে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - শব্দের উৎস বা উৎপত্তি অনুসারে বাংলা ভাষার শব্দগুলোকে মূলত তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি শব্দে ভাগ করা হয়। - বিদেশি শব্দের মধ্যে আরবি, ফারসি, ইংরেজি ও তুর্কি শব্দ বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য যা যুগে যুগে ভাব বিনিময়ের মাধ্যমে বাংলা ভাষায় স্থান করে নিয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দারোগা ব্যাখ্যা: দারোগা একটি তুর্কি শব্দ যা বাংলা ভাষায় প্রশাসনিক পদ বোঝাতে বহুল ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: কোমর ব্যাখ্যা: কোমর শব্দটি তুর্কি ভাষা থেকে আগত একটি অতি পরিচিত শব্দ যা অঙ্গবাচক বিদেশি শব্দ হিসেবে পরিচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পর্তুগিজ — পর্তুগিজ ভাষা থেকে আগত শব্দগুলো সাধারণত ধর্মে, খাদ্যদ্রব্যে ও দৈনন্দিন ব্যবহারে ব্যবহৃত হয় যেমন আনারস, আতা। B) ফারসি — ফারসি ভাষা থেকে প্রশাসনিক, আইনি ও সাংস্কৃতিক শব্দ এসেছে যেমন আদালত, কাগজ, চশমা। C) চতুর্কি — প্রশ্নে এই বানানটি মূলত তুর্কি শব্দের বানান ভুল রূপ হিসেবে এসেছে এবং সঠিক উৎস নির্দেশ করে। D) হিন্দি — হিন্দি ভাষা থেকে আগত শব্দগুলো বাংলার সঙ্গে মিলে যায় যেমন পজিশন বা অন্যান্য অবাঙ্গালী শব্দ, তবে বেগম হিন্দি নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - তুর্কি শব্দ মনে রাখার জন্য সামরিক ও উপাধিবাচক শব্দগুলোকে আলাদা করতে পারো যেমন দারোগা, বেগম, তোপ, চাকর। - বিদেশি শব্দ চেনার সময় খেয়াল রাখবে প্রশাসন ও উপাধির সঙ্গে তুর্কি শব্দের গভীর মিল থাকে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, বিশেষ করে তুর্কি ও পর্তুগিজ শব্দের তালিকা থেকে। - উৎসভিত্তিক শব্দ নির্ণয়ের সময় শব্দের অর্থ এবং ব্যবহার ভালোভাবে লক্ষ্য করতে হবে।
a উপমান কর্মধারয়
b রূপক কর্মধারয়
c উপমিত কর্মধারয়
d তৎপুরুষ
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
**শিক্ষার্থীর বিশেষ দ্রষ্টব্য:** প্রদত্ত প্রশ্নে একটি ভুল রয়েছে। কর্মধারয় সমাসে পরপদের অর্থ প্রধান থাকে, কিন্তু প্রশ্নটিতে নির্দিষ্ট করে 'পরপদে বিশেষণ থাকে এবং পরপদের অর্থ প্রাধান্য পায়'—এই বৈশিষ্ট্যটি **'উপমান কর্মধারয়'**-এর নয়, বরং এটি সাধারণ **'কর্মধারয়'** সমাসের মূল সংজ্ঞা। তবে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার এই নির্দিষ্ট প্রশ্নটিতে অপশন বিশ্লেষণ সাপেক্ষে উত্তর নির্ধারণ করা হলো। সঠিক উত্তর: A) উপমান কর্মধারয় **১. কেন সঠিক:** - কর্মধারয় সমাসের সাধারণ নিয়ম হলো এখানে পরপদের অর্থ প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয় এবং সাধারণ ধর্মবাচক পদটি পরে বসে। - উপমান কর্মধারয় সমাসে একটি বিশেষ্য পদের সাথে অন্য একটি বিশেষ্য পদের তুলনা করা হয় এবং সাধারণ গুণ বা ধর্ম বোঝাতে পরপদে বিশেষণ বা গুণবাচক পদ ব্যবহৃত হয়। **২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:** - যে সমাসে বিশেষ্য এবং বিশেষণের মিলন ঘটে এবং পরপদের অর্থ প্রধানভাবে বোঝায় তাকে কর্মধারয় সমাস বলে। - উপমান অর্থ তুলনীয় বস্তু; প্রত্যক্ষ কোনো বস্তুর সাথে পরোক্ষ কোনো বস্তুর তুলনা করা হলে প্রত্যক্ষ বস্তুকে উপমেয় এবং যার সাথে তুলনা করা হয় তাকে উপমান বলে। **৩. উদাহরণ:** উদাহরণ ১: তুষারশুভ্র ব্যাখ্যা: তুষারের ন্যায় শুভ্র। এখানে তুষার উপমান এবং শুভ্র হলো সাধারণ গুণবাচক বিশেষণ পদ। উদাহরণ ২: অরুণরাঙা ব্যাখ্যা: অরুণের ন্যায় রাঙা। এখানে সূর্য বা অরুণের সাথে রাঙা বা লাল রঙের তুলনা করা হয়েছে এবং পরপদে বিশেষণ রয়েছে। **৪. বাকি অপশন কেন ভুল:** A) উপমান কর্মধারয় — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য করা হয়েছে যেখানে উপমান পদের সাথে সাধারণ ধর্মের তুলনা বোঝায়। B) রূপক কর্মধারয় — এই সমাসে উপমেয় ও উপমানের মধ্যে অভেদ কল্পনা করা হয় এবং রূপ শব্দটির সংযোগ থাকে। C) উপমিত কর্মধারয় — এই সমাসে সাধারণ ধর্ম উহ্য থাকে এবং উপমেয় পদের সাথে উপমানের তুলনা করা হয়। D) তৎপুরুষ — এই সমাসে পূর্বপদের বিভক্তির লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়, তবে এটি কর্মধারয়ের অন্তর্ভুক্ত নয়। **৫ মনে রাখার টিপস:** - কর্মধারয় সমাস মানেই পরপদের অর্থের প্রাধান্য। - উপমান শব্দের অর্থ তুলনীয় বস্তু, তাই এর সাথে সাধারণ গুণের তুলনা বোঝায়। **৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:** - সমাস নির্ণয়ের সময় প্রথমে পদের অর্থ বুঝতে হবে এবং কোন পদটি প্রধান তা খেয়াল রাখতে হবে। - কর্মধারয় সমাসে সাধারণত কেমন বা কী দ্বারা প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যায়।
a উত্তম
b স্বল্প
c চর্তুভুজ
d দোকান
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) উত্তম ১. কেন সঠিক: - 'উত্তম' শব্দটি উৎ + তম প্রত্যয়যোগে গঠিত একটি তৎসম শব্দ। - এখানে 'উৎ' প্রাতিপদিকের সঙ্গে অতিশয়ার্থবাচক 'তম' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে শব্দটি গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - কৃৎ প্রত্যয় বা তদ্ধিত প্রত্যয়ের নিয়মে শব্দের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠিত হয়। - ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী শব্দের মূল অংশের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত করার মাধ্যমে শব্দের অর্থ পরিবর্তিত বা প্রসারিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মহত্তম ব্যাখ্যা: মহৎ যোগ তম প্রত্যয় যুক্ত হয়ে মহত্তম শব্দটি গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: ক্ষুদ্রতম ব্যাখ্যা: ক্ষুদ্র যোগ তম প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ক্ষুদ্রতম শব্দটি গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উত্তম — এটি প্রত্যয় দিয়ে গঠিত শব্দ বিধায় সঠিক। B) স্বল্প — এটি সু যোগ অলপ সন্ধি সাধিত শব্দ, প্রত্যয়যুক্ত শব্দ নয়। C) চর্তুভুজ — এটি চার বাহু যার সমাসবদ্ধ শব্দ, প্রত্যয়ের উদাহরণ নয়। D) দোকান — এটি ফার্সি ভাষার শব্দ, যা কোনো প্রত্যয় যোগে গঠিত হয়নি। ৫. মনে রাখার টিপস: - শব্দের শেষে 'তম' বা 'তমম' দেখলে সাধারণত অতিশয়ার্থবাচক প্রত্যয় হিসেবে ধরে নেওয়া যায়। - সন্ধি ও সমাসের শব্দগুলোর সঙ্গে প্রত্যয়যুক্ত শব্দগুলো আলাদা করে মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রত্যয় সাধিত শব্দ প্রায়ই আসে। - শব্দের উৎস এবং গঠনপদ্ধতি ভালোভাবে খেয়াল করলে সঠিক উত্তর সহজে নির্ণয় করা যায়।
a আকাশে
b চলন্ত
c যদিও
d বাতাস
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) যদিও ১. কেন সঠিক: যে শব্দে জোর বা ঝোঁক বোঝাতে মূল শব্দের আগে, মাঝে বা পরে অতিরিক্ত ধ্বনি বা বর্ণ যুক্ত হয়, তাকে বলকযুক্ত শব্দ বলে। এখানে যদিও শব্দটি জোর প্রদান করার ক্ষেত্রে বলকযুক্ত শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে বলক বা ঝোঁক এমন একটি ধ্বনিগত প্রক্রিয়া যা বাক্যের বিশেষ কোনো অংশে গুরুত্ব আরোপ করে। এ ধরনের শব্দ বাক্যের বক্তব্যকে আরও জোরালো ও স্পষ্ট করতে সহায়তা করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তবে ব্যাখ্যা: এটি একটি বলকযুক্ত শব্দ যা বাক্যে নিশ্চিতকরণ বা জোর প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: কিন্তু ব্যাখ্যা: এটি বিপরীতমুখী ভাব প্রকাশ করতে এবং বাক্যে বিশেষ ঝোঁক তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আকাশে — এটি বিশেষ্য পদের অধিকরণে সপ্তমী বিভক্তির উদাহরণ, বলকযুক্ত শব্দ নয়। B) চলন্ত — এটি প্রত্যয়যুক্ত বিশেষণ পদ, যা বলকযুক্ত শব্দের আওতাভুক্ত নয়। C) যদিও — এটি সঠিক উত্তর। D) বাতাস — এটি একটি সাধারণ বিশেষ্য পদ, এর মধ্যে বলক বা ঝোঁকবাচক বৈশিষ্ট্য নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: যেসব শব্দ বাক্যের শুরুতে বসে শর্ত বা জোরালো ভাব প্রকাশ করে এবং অতিরিক্ত ঝোঁক সৃষ্টি করে, সেগুলোকে বলকযুক্ত শব্দ হিসেবে মনে রাখবে। বাক্যে বিশেষ গুরুত্ব আরোপকারী অব্যয়জাতীয় শব্দগুলো এই শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের গঠন ও রূপতত্ত্ব থেকে প্রায়ই এ ধরনের প্রশ্ন আসে। শব্দগুলোর ব্যাকরণগত কার্যকারিতা ভালোভাবে বুঝতে পারলে সঠিক উত্তর সহজে নির্বাচন করা সম্ভব।
a জুগনো
b জুগমো
c যুগমো
d test
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জুগমো ১. কেন সঠিক: - যুগ্ম শব্দটির প্রমিত উচ্চারণ জুগমো কারণ এর মাঝে থাকা গ্ম যুক্তবর্ণটি উচ্চারণের সময় পরিবর্তিত হয়ে গ এবং ম এর মতো শোন যায়। - যুক্তবর্ণে থাকা মফলা বা অন্যান্য ব্যঞ্জনবর্ণের উচ্চারণ সংক্রান্ত বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত উচ্চারণ বিধির নিয়ম অনুযায়ী এটি সাধিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ধ্বনি, বর্ণ ও উচ্চারণ অংশের এই নিয়মে বলা হয়েছে শব্দের মধ্যে বা অন্তে গ কিংবা ম যুক্ত হলে এবং তার সাথে মফলা থাকলে উচ্চারণের সময় তার দ্বিত্ব ঘটে বা ও কার যুক্ত হয়। - যুগ্ম শব্দের জ এর সাথে হ্রস্ব উ কার এবং গ্ম যুক্তবর্ণটি ভেঙে গ এবং মো এর রূপ ধারণ করে পূর্ণাঙ্গ উচ্চারণ জুগমো হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাগ্মী ব্যাখ্যা: বাগ্মী শব্দের উচ্চারণ বাগমো হয় কারণ এখানে গ্ম যুক্তবর্ণটি উচ্চারণে গ এবং ম হিসেবে প্রকাশ পায়। উদাহরণ ২: যুগ্মক ব্যাখ্যা: যুগ্মক শব্দের উচ্চারণ জুগ্মোক হয় কারণ এখানে মূল যুগ্ম অংশটি জুগম রূপ নেয় এবং ক এর সাথে ও কার যুক্ত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জুগনো — এটি ভুল কারণ এখানে গ্ম যুক্তবর্ণের পরিবর্তে দন্ত ন ধ্বনি ব্যবহার করা হয়েছে যা বানান ও নিয়মের পরিপন্থী। B) জুগমো — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং এটি প্রমিত উচ্চারণ নিয়ম মেনে চলে। C) যুগমো — এটি ভুল কারণ জ এর সাথে হ্রস্ব উ কার না দিয়ে দীর্ঘ উ কার বা অনুচ্চারিত হ্রস্ব স্বর রাখা হয়েছে। D) test — এটি একটি ডামি অপশন যা কোনো আসল বাংলা শব্দ বা সঠিক উচ্চারণ নির্দেশ করে না। ৫ মনে রাখার টিপস: - যুগ্ম শব্দ উচ্চারণ করার সময় মনে রাখবে মফলা যুক্ত গ্ম বর্ণটি সর্বদা গ এবং ম এর মতো উচ্চারিত হয়। - প্রমিত উচ্চারণের এই নিয়মটি মনে রাখলে চাকরির পরীক্ষায় এমন প্রশ্ন সহজেই উত্তর করতে পারবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় যুক্তবর্ণের উচ্চারণ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে তাই প্রমিত উচ্চারণ বিধি ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে। - এই ধরনের শব্দে মফলার সঠিক ব্যবহার ও ধ্বনি পরিবর্তন লক্ষ করে উত্তর নির্বাচন করতে হয়।
a in
b under
c of
d about
0 138 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) under কেন সঠিক: এখানে আইন, বিধি বা নিয়মের অধীনে বোঝাতে under preposition ব্যবহৃত হয়েছে। Police Property Act একটি আইন বা বিধি নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) in — ভেতরে বা মধ্যে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা আইনের ক্ষেত্রে সঠিক নয়। B) under — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল নয়। C) of — এর বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এই বাক্যের অর্থের সাথে মেলে না। D) about — সম্পর্কে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে অপ্রাসঙ্গিক। মনে রাখার টিপস: কোনো আইন, নিয়ম বা প্রবিধানের অধীনে কিছু করা বুঝাতে সবসময় under preposition ব্যবহার করতে হয়।
a I was hurt deeply by his comment.
b I could be hurt deeply by his comment.
c his comment was hurtful.
d I should not be hurt by his comment.
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) I was hurt deeply by his comment. কেন সঠিক: - Active voice-এর অবজেক্ট (me) প্যাসিভ করার সময় সাবজেক্ট (I) হিসেবে বসেছে এবং পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্স হওয়ায় সাহায্যকারী ভার্ব হিসেবে was ব্যবহৃত হয়েছে। - মূল ভার্ব hurt-এর পাস্ট পার্টিসিপল রূপ hurt এবং তার সাথে deeply যুক্ত হয়ে সঠিক প্যাসিভ স্ট্রাকচার গঠন করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I was hurt deeply by his comment. — এটি প্রশ্নোক্ত বাক্যের সঠিক প্যাসিভ রূপ এবং প্রদত্ত সঠিক উত্তর। B) I could be hurt deeply by his comment. — এখানে modal auxiliary verb (could be) অতিরিক্ত ব্যবহার করা হয়েছে, যা মূল বাক্যের অর্থের সাথে মেলে না। C) his comment was hurtful. — এটি Passive voice নয় বরং একটি সাধারণ Adjective যুক্ত বাক্য। D) I should not be hurt by his comment. — এখানে modal verb (should not be) ব্যবহার করায় বাক্যের অর্থ পরিবর্তিত হয়ে গেছে। মনে রাখার টিপস: Active voice-এর অবজেক্টকে Subject বানাতে হবে এবং পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্সের ক্ষেত্রে was বা were বসিয়ে মূল ভার্বের V3 রূপ ব্যবহার করতে হবে।
a has been general market inactivity lately, if not paralysis, which has provided
b there is general market inactivity, if not paralysis, lately it has provided
c general market inactivity, if not paralysis, has lately, provided
d lately, general market is activity, if not, paralysis, has provided.
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
**বিষয় ও ধরন:** ভাষা ও ব্যাকরণ (ইংরেজি সেন্টেন্স কারেকশন এবং ইনভার্শন) **সঠিক উত্তর:** A) has been general market inactivity lately, if not paralysis, which has provided **বিশেষ দ্রষ্টব্য:** প্রশ্নে প্রদত্ত সঠিক উত্তর হিসেবে D উল্লেখ থাকলেও, ব্যাকরণগত নিয়ম অনুযায়ী সঠিক উত্তর হলো অপশন A। নিচে মূল বাক্যের সঠিক গঠন ব্যাখ্যা করা হলো। **কেন সঠিক:** - বাক্যের শুরুতেই "Making things even more difficult" জেরান্ডিয়াল ফ্রেজটি সাবজেক্ট হিসেবে কাজ করায় এর পর মূল ভার্বের উপযুক্ত রূপ প্রয়োজন। - মূল বাক্যের গঠন অনুযায়ী "has been general market inactivity" অংশটি সঠিক এবং এর পর 'which' রিলাউভ প্রোনাউন ব্যবহার করে সঠিক অর্থ প্রকাশ করা হয়েছে। **বাকি অপশন কেন ভুল:** A) has been general market inactivity lately, if not paralysis, which has provided — এটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ সঠিক এবং স্বাভাবিক ইনভার্শন বা বাক্য গঠন মেনে চলেছে। B) there is general market inactivity, if not paralysis, lately it has provided — 'there is' ব্যবহারের কারণে মূল বাক্যের অরিজিনাল ফ্রেঞ্চ স্ট্রাকচার নষ্ট হয়েছে এবং অর্থ অসংগত হয়েছে। C) general market inactivity, if not paralysis, has lately, provided — কমা ব্যবহারের ভুলের কারণে বাক্যটির সাবজেক্ট ও ভার্বের মধ্যকার স্বাভাবিক সংযোগ নষ্ট হয়েছে। D) lately, general market is activity, if not, paralysis, has provided — এখানে 'market is activity' বাক্যংশটি অর্থহীন এবং ব্যাকরণের নিয়মবহির্ভূত। **মনে রাখার টিপস:** ইংরেজি বাক্যে প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্স গঠনে সাহায্যকারী ভার্ব হিসেবে 'has been'-এর পর নাউন ফ্রেজ বসালে বাক্যটির সঠিক অর্থ ও ব্যাকরণগত কাঠামো ঠিক থাকে।
a James Baldwin's book that Baldwin wrote in France while he was living there
b about the books Baldwin wrote in France
c into James Baldwin's books written while in France.
d the books that Baldwin wrote while he lived in France.
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) the books that Baldwin wrote while he lived in France. কেন সঠিক: বাক্যের মূল ক্রিয়া research এর পর কোনো অতিরিক্ত preposition বা gerund এর প্রয়োজন হয় না। তাই অপশন ডি সরাসরি সঠিক object হিসেবে বসে বাক্যটিকে অর্থপূর্ণ ও ব্যাকরণগতভাবে নির্ভুল করে তোলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) [James Baldwin's book that Baldwin wrote in France while he was living there] — এখানে অতিরিক্ত শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে এবং বাক্যের মূল ভাবের সাথে গঠনগতভাবে মিল নেই। B) [about the books Baldwin wrote in France] — research শব্দের পর about ব্যবহার করা ভুল কারণ research একটি transitive verb হিসেবে সরাসরি object নেয়। C) [into James Baldwin's books written while in France.] — research into ব্যবহার করলে বাক্যটির স্বাভাবিক প্রবাহ নষ্ট হয় এবং এটি অপ্রয়োজনীয়ভাবে বড় হয়। D) [সঠিক উত্তর] — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। মনে রাখার টিপস: Research একটি transitive verb হওয়ায় এর পরে কোনো preposition বসে না, সরাসরি সঠিক noun phrase বসাতে হয়।
a as with
b as did those of
c as they have in
d like those of
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) like those of কেন সঠিক: তুলনার জন্য এখানে সঠিক pronoun ব্যবহার করা হয়েছে। আগের সংস্কৃতির সাথে থাই গ্রামের শিল্পের তুলনা বোঝাতে এটি বসেছে। বাক্যটির অর্থ পরিষ্কার করতে এই অপশনটি সবচেয়ে মানানসই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) as with — এখানে তুলনা করার জন্য উপযুক্ত noun বা pronoun এর অভাব রয়েছে। B) as did those of — পিন্ট কাল নির্দেশ করতে গিয়ে বাক্যের অর্থের সাথে মিল রাখছে না। C) as they have in — এই গঠনটি বাক্যটির সাথে ব্যাকরণগতভাবে মানানসই নয়। D) like those of — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: তুলনা করার সময় আগের কোনো বিষয়ের বহুবচন বোঝাতে those of ব্যবহার করতে হয়।
a fasts, in their ability to survive
b fasts, having their ability to survive
c fasts, due to having the ability of surviving
d Fasts because they are able to survive
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Fasts because they are able to survive কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যটিতে দুটি খণ্ডবাক্য যুক্ত করতে একটি সঠিক কনজাংশন বা যোজক প্রয়োজন, যা এখানে কারণ বোঝাচ্ছে। - because তারা ability বা সামর্থ্যের কারণ স্পষ্টভাবে প্রকাশ করে, যা বাক্যের অর্থের সাথে সম্পূর্ণ সঙ্গতিপূর্ণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) fasts, in their ability to survive — এটি ব্যাকরণগতভাবে অসম্পূর্ণ কারণ এখানে কোনো সঠিক ক্লজ বা যোজক নেই। B) fasts, having their ability to survive — পার্টিসিপল ফ্রেজের ব্যবহারটি এখানে বাক্যের মূল অর্থের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। C) fasts, due to having the ability of surviving — due to having ব্যবহারের কারণে বাক্যটির গঠন জটিল ও অপ্রাসঙ্গিক হয়ে গেছে। D) Fasts because they are able to survive — এটি সঠিক কারণ এটি কারণ নির্দেশক পূর্ণাঙ্গ ক্লজ গঠন করেছে। মনে রাখার টিপস: বাক্যের দুটি অংশের মধ্যে কারণ বোঝাতে প্রিপজিশনাল ফ্রেজের বদলে because দিয়ে সাবঅর্ডিনেট ক্লজ ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে নিরাপদ।
a that make their company seem large
b to make their companies seem larger
c thus making their companies seem larger
d so that the companies seem larger
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) to make their companies seem larger কেন সঠিক: - বাক্যের উদ্দেশ্য বোঝাতে ইনফিনিটিভ বা to + verb ব্যবহার করতে হয়, যা এখানে উদ্যোক্তাদের লক্ষ্য প্রকাশ করছে। - শূন্যস্থানের আগের অংশের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে plural noun (companies) এবং comparative degree (larger) ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) that make their company seem large — এখানে singular noun ব্যবহার করা হয়েছে, যা plural subject entrepreneurs এর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এবং তুলনামূলক রূপ (larger) ব্যবহার করা হয়নি। B) to make their companies seem larger — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশন হিসেবে পুনরায় এর ত্রুটি প্রযোজ্য নয়। C) thus making their companies seem larger — participle phrase ব্যবহারের ফলে বাক্যটির গঠনগত ধারাবাহিকতা নষ্ট হয় এবং মূল উদ্দেশ্য পরিষ্কার হয় না। D) so that the companies seem larger — so that এর পর সাধারণত modal verb যেমন can বা could বসে, যা এই বাক্যের কাঠামোর সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: উদ্দেশ্য বোঝাতে বাক্যের মাঝে সাধারণত to + verb ব্যবহার করতে হয় এবং সাবজেক্টের সাথে মিল রেখে noun-এর বচন ঠিক রাখতে হয়।
a Friendliness
b Wrath
c Very
d Greed
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Friendliness কেন সঠিক: - Bonhomie শব্দের অর্থ হলো হৃদ্যতা, প্রীতি বা সৌহার্দ্যপূর্ণ মনোভাব। - Friendliness শব্দটির অর্থও বন্ধুত্বসুলভ আচরণ বা হৃদ্যতা, তাই এটি সঠিক সমার্থক শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Friendliness - এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ সৌহার্দ্য বা হৃদ্যতা। B) Wrath - এর অর্থ প্রচণ্ড রাগ বা ক্ষোভ, যা Bonhomie শব্দের বিপরীতার্থক। C) Very - এটি একটি তীব্রতা নির্দেশক শব্দ বা adverb, যার অর্থের সাথে কোনো মিল নেই। D) Greed - এর অর্থ লোভ বা লালসা, যা একটি নেতিবাচক মানসিকতা প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: Bonhomie শব্দটিতে Home বা ঘরের মতো একটি উষ্ণ ভাব আছে, যা ঘরে আপনজনদের সাথে মিলেমিশে থাকার বা Friendliness এর কথা মনে করিয়ে দেয়।
a Intercede
b Impose
c Interfere
d Cross
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Interfere কেন সঠিক: Meddle শব্দের বাংলা অর্থ হলো অনধিকার চর্চা করা বা অন্যর ব্যাপারে নাক গলানো। Interfere শব্দের অর্থও হস্তক্ষেপ করা বা অন্যের ব্যাপারে নাক গলানো। তাই প্রদত্ত বাক্যের অর্থের সাথে Interfere শব্দটি সঠিকভাবে মিলে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Intercede — এর অর্থ মধ্যস্থতা করা বা কারও পক্ষে সুপারিশ করা, যা মূল শব্দের সাথে মেলে না। B) Impose — এর অর্থ কোনো কিছু চাপিয়ে দেওয়া, যা অন্যের ব্যাপারে নাক গলানোর সমার্থক নয়। C) Interfere — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। D) Cross — এর অর্থ অতিক্রম করা বা পার হওয়া, যা বাক্যের প্রেক্ষাপটে সম্পূর্ণ অর্থহীন। মনে রাখার টিপস: Meddle এবং Interfere দুটি শব্দই প্রায় একই অর্থ প্রকাশ করে এবং সাধারণত এদের পরে ইন প্রিপজিশন বসে।
a Curious
b Interesting
c Secret
d Diplomatic
0 94 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Curious কেন সঠিক: এখানে intriguing শব্দটি এমন কিছু বোঝায় যা মানুষের মনে গভীর কৌতূহল জাগায়। Curious অর্থ কৌতূহলোদ্দীপক যা এই বাক্যের মূল ভাবকে নিখুঁতভাবে প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Curious — এটি সঠিক উত্তর এবং মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগের পেছনের কৌতূহল প্রকাশ করে। B) Interesting — এটি কেবল সাধারণ আকর্ষণ বোঝায় কিন্তু intriguing শব্দের গভীর রহস্যময় কৌতূহল এর মধ্যে নেই। C) Secret — পদত্যাগটি গোপন ছিল না বরং সবার সামনে ঘটেছে তাই এটি ভুল। D) Diplomatic — পদত্যাগের সাথে রাজনৈতিক বা কূটনৈতিক কৌশলের সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: Intriguing শব্দ দেখলে সবসময় এমন কিছু মনে রাখবে যা মানুষের মনে রহস্য ও কৌতূহল (Curious) তৈরি করে।
a Penitent
b Sore
c Angry
d Remorse
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Penitent কেন সঠিক: - Contrite শব্দের বাংলা অর্থ অনুতপ্ত বা পাপের জন্য ক্ষমাপ্রার্থী, যা অপশনের Penitent শব্দের অর্থের সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়। - নিজের ভুল কাজের জন্য মনে কষ্ট পাওয়া এবং ক্ষমা চাওয়ার অবস্থাকে Contrite এবং Penitent বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Penitent - এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ অনুতপ্ত। B) Sore - এর অর্থ ব্যথাদীর্ণ বা ক্ষুব্ধ, যা অনুতপ্ত অর্থে ব্যবহার করা যায় না। C) Angry - এর অর্থ রাগান্বিত, যা অপরাধবোধ বা অনুশোচনার বিপরীত অবস্থা। D) Remorse - এর অর্থ অনুশোচনা (সাধারণত বিশেষ্য পদ), কিন্তু এখানে adjective বা সমার্থক বিশেষণ প্রয়োজন ছিল। মনে রাখার টিপস: Contrite এবং Penitent উভয় শব্দই অনুতপ্ত বা ক্ষমা চাওয়ার মনোভাব বোঝাতে একসঙ্গে মনে রাখা সহজ।
a above
b of
c in
d at
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) at কেন সঠিক: নির্দিষ্ট কোনো সময় বা মুহূর্ত বোঝাতে সাধারণত at প্রিপজিশনটি ব্যবহার করা হয়। পাঠ বা লেসনের শেষ মুহূর্তটি নির্দেশ করতে at the end phrase ব্যবহার করা নিয়ম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) above — এটি উপরে বা উর্ধ্বে বোঝাতে বসে, যা সময়ের ক্ষেত্রে একেবারেই বেমানান। B) of — এটি সাধারণত সম্পর্ক বা অধিকার বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, তাই এখানে সঠিক নয়। C) in — এটি সাধারণত মাস, বছর বা বড় কোনো সময়ের ক্ষেত্রে বসে, নির্দিষ্ট মুহূর্তে বসে না। D) at — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয়, বরং এটিই বাক্যটিকে অর্থপূর্ণ করে। মনে রাখার টিপস: নির্দিষ্ট কোনো বিন্দু বা সময় বোঝাতে যেমন at the end বা at noon হয়, তাই সময়ের নির্দিষ্ট সমাপ্তিতে at বসবে।
a proficient
b reflective
c dormant
d redundant
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) proficient কেন সঠিক: বাক্যের অর্থ হলো মেরী টাইপিংয়ে দক্ষ হয়ে উঠেছিল কারণ সে ছয় মাস ধরে প্রতিদিন অনুশীলন করেছিল। এখানে শূন্যস্থানে এমন একটি শব্দ প্রয়োজন যার অর্থ দক্ষ বা পারদর্শী। বাকি অপশন কেন ভুল: A) proficient — এই অপশনটি সঠিক কারণ এর অর্থ দক্ষ বা পারদর্শী, যা বাক্যের অর্থের সাথে সম্পূর্ণ মিলে যায়। B) reflective — এই শব্দের অর্থ চিন্তাশীল বা প্রতিবিম্বিত, যা টাইপিংয়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। C) dormant — এর অর্থ নিষ্ক্রিয় বা ঘুমন্ত, যা নিয়মিত অনুশীলনের বিপরীত অবস্থা নির্দেশ করে। D) redundant — এর অর্থ অপ্রয়োজনীয় বা অতিরিক্ত, যা এখানে কোনো অর্থ প্রকাশ করে না। মনে রাখার টিপস: কোনো কাজে নিয়মিত অনুশীলন করলে মানুষ দক্ষ বা proficient হয়ে ওঠে।
a aloof
b jesting
c grave
d earnest
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) jesting কেন সঠিক: Phillip-এর রসাত্মক বা হাসিখুশি আচরণ তার কৌতুকপ্রিয় বন্ধুদের আনন্দ দিত এবং গম্ভীর বাবাকে বিরক্ত করত। এখানে তার স্বভাব বোঝাতে মজাদার বা ঠাট্টাপূর্ণ ভঙ্গি নির্দেশক শব্দটিই সবচেয়ে উপযুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) aloof — এই শব্দের অর্থ নির্লিপ্ত বা দূরে থাকা, যা বাক্যের রসাত্মক ভাবের সাথে মেলে না। B) jesting — এটি সঠিক উত্তর, যার অর্থ ঠাট্টাপূর্ণ বা রসিকতাপূর্ণ। C) grave — এই শব্দের অর্থ গম্ভীর, যা তার বাবার চরিত্রের সাথে মিলে যায় কিন্তু নিজের টোন বোঝাতে সঠিক নয়। D) earnest — এই শব্দের অর্থ আন্তরিক বা সিরিয়াস, যা কৌতুকপ্রিয় বন্ধুদের আনন্দ দেওয়ার বিপরীত। মনে রাখার টিপস: বন্ধুদের হাসি ও বাবার বিরক্তির বিপরীত পরিস্থিতি বুঝতে এমন শব্দ খুঁজবে যার অর্থ হাসিঠাট্টা বা রসিকতা বোঝায়।
a subversion
b premonition
c predilection
d infusion
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) subversion কেন সঠিক: বাক্যটিতে বলা হয়েছে যে কর্তৃপক্ষ তাদের ক্ষমতা হারানোর বা ধ্বংস হওয়ার ভয়ে সামরিক রাষ্ট্রের ডাক দিয়েছিল। subversion শব্দের অর্থ হলো ক্ষমতা বা শৃঙ্খলা ধ্বংস করা বা উল্টে ফেলা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) subversion — এই অপশনটি সঠিক কারণ এর অর্থ ক্ষমতা বা শাসনব্যবস্থা ধ্বংস করা। B) premonition — এর অর্থ হলো কোনো খারাপ ঘটনার পূর্বভাস বা আশঙ্কা, যা এখানে খাপ খায় না। C) predilection — এর অর্থ হলো কোনো কিছুর প্রতি বিশেষ ঝোঁক বা পছন্দ, যা এখানে অর্থহীন। D) infusion — এর অর্থ হলো নতুন কিছু প্রবেশ করানো বা মেশানো, যা বাক্যটির সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: ক্ষমতা হারানোর ভয় থাকলে এবং সামরিক আইন জারির কথা থাকলে subversion শব্দটি ব্যবহার করতে হয়।
a 5
b 6
c 6.5
d 8
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬ প্রদত্ত তথ্য: ভর্তি অবস্থায় ফেরির গতি খালি অবস্থার অর্ধেক পূর্ণ অবস্থায় অতিক্রান্ত দূরত্ব = ২০ মাইল ধরি, খালি অবস্থায় ফেরির গতি = ক মাইল প্রতি ঘণ্টা পূর্ণ অবস্থায় ফেরির গতি = ক ÷ ২ মাইল প্রতি ঘণ্টা অতএব, পূর্ণ অবস্থায় যাওয়ার সময় = ২০ ÷ (ক ÷ ২) ঘণ্টা খালি অবস্থায় ফেরার সময় = ২০ ÷ ক ঘণ্টা সুতরাং, মোট সময় = (২০ ÷ (ক ÷ ২)) + (২০ ÷ ক) + ১ = ১১ ঘণ্টা (৪০ ÷ ক) + (২০ ÷ ক) = ১০ উত্তর: ৬
a 4
b 5
c 6
d 8
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪ প্রদত্ত তথ্য: মিশ্রণের মোট পরিমাণ = ২০ কেজি মিশ্রণে জলের পরিমাণ = ১০% ধরি, মিশ্রণে জলের পরিমাণ = ২০ এর ১০% = ২ কেজি মিশ্রণে স্পিরিটের পরিমাণ = ২০ − ২ = ১৮ কেজি অতএব, ধরি, ক কেজি জল মেশাতে হবে নতুন মিশ্রণে জলের পরিমাণ হবে = ২ + ক কেজি নতুন মিশ্রণে মোট পরিমাণ হবে = ২০ + ক কেজি সুতরাং, নতুন মিশ্রণে জলের শতকরা হার হবে পঁচিশ শতাংশ (২ + ক) ÷ (২০ + ক) = ২৫ ÷ ১০০ চূড়ান্ত হিসাব: ১০০ × (২ + ক) = ২৫ × (২০ + ক) ২০০ + ১০০ক = ৫০০ + ২৫ক অবশিষ্ট হিসাব: ৭৫ক = ৩০০ ক = ৪ উত্তর: ৪ কেজি
a 240
b 250
c 280
d 300
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৫০ প্রদত্ত তথ্য: রুটির দাম বৃদ্ধি পেল কুড়ি শতাংশ আগে কেনা যেত তিনশোটি রুটি ধরি, আগে একটি রুটির দাম ছিল এক টাকা তিনশোটি রুটির মোট দাম ছিল তিনশো টাকা অতএব, বর্তমানের একটি রুটির দাম হয় এক টাকা বিশ পয়সা তিনশো টাকায় বর্তমানে রুটি পাওয়া যায় তিনশো ভাগ এক দশমিক দুই শূন্য সুতরাং, মোট রুটি কেনা যাবে আড়াইশোটি উত্তর: ২৫০
a 0.1
b 0.2
c 0.27
d 0.37
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ০.৩৭ প্রদত্ত তথ্য: w হলো x এর চেয়ে ১০% কম y হলো z এর চেয়ে ৩০% কম ধরি, x এর মান = ১০০ z এর মান = ১০০ অতএব, w এর মান = ১০০ এর ৯০% = ৯০ y এর মান = ১০০ এর ৭০% = ৭০ সুতরাং, xz এর গুণফল = ১০০ × ১০০ = ১০০০০ wy এর গুণফল = ৯০ × ৭০ = ৬৩০০ উত্তর: ১০০০০ থেকে ৬৩০০ বাদ দিলে থাকে ৩৭০০, যা ১০০০০ এর ৩৭% বা ০.৩৭ অংশ
a 1
b 0
c 2
d undefined
0 117 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) undefined প্রদত্ত তথ্য: এখানে লব সমান দুই এবং হর সমান শূন্য দেওয়া আছে কোনো সংখ্যাকে শূন্য দ্বারা ভাগ করার নিয়ম গণিতে নেই ধরি, যেকোনো সংখ্যা ক কে শূন্য দ্বারা ভাগ করা হলো এবং ফলাফল খ হলে, ক ভাগ শূন্য সমান খ লেখা যায় অতএব, এটিকে গুণ আকারে লিখলে পাওয়া যায় খ গুণ শূন্য সমান ক কিন্তু শূন্যের সাথে যেকোনো সংখ্যা গুণ করলে গুণফল সর্বদা শূন্য হয় সুতরাং, খ এর এমন কোনো নির্দিষ্ট মান পাওয়া সম্ভব নয় যা শর্ত পূরণ করে উত্তর: undefined
a 20
b 23
c 25
d 32
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৫ প্রদত্ত তথ্য: দল ইতিমধ্যে খেলেছে ৬০ টি ম্যাচ জয় পেয়েছে ৪০ টি ম্যাচ বাকি আছে আরও ৩২ টি ম্যাচ ধরি, মোট ম্যাচ হবে ৬০ + ৩২ = ৯২ টি ম্যাচ পুরো মৌসুমে ৭০% জয় পেতে হবে মোট জয় প্রয়োজন ৯২ এর ৭০% অতএব, মোট জয়ের সংখ্যা = ৯২ × ৭০ ÷ ১০০ মোট জয়ের সংখ্যা = ৬৪.৪ বা প্রায় ৬৪ টি ম্যাচ ইতিমধ্যে জয় পেয়েছে ৪০ টি ম্যাচ সুতরাং, আরও জিততে হবে ৬৪ − ৪০ = ২৪ টি ম্যাচ অপশন অনুযায়ী সঠিক মান কাছাকাছি ২৫ টি ম্যাচ উত্তর: ২৫
a 672
b 700
c 749
d 848
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৭০০ প্রদত্ত তথ্য: বিজয়ী প্রার্থী মোট ভোটের ৮৪% পান তিনি ৪৭৬ ভোট বেশি পেয়ে নির্বাচিত হন ধরি, মোট ভোটের সংখ্যা হলো ১০০% অতএব, পরাজিত প্রার্থী ভোট পান = ১০০% − ৮৪% = ১৬% দুই প্রার্থীর প্রাপ্ত ভোটের পার্থক্য = ৮৪% − ১৬% = ৬৮% সুতরাং, ভোটের ৬৮% সমান হলো ৪৭৬ ভোট মোট ভোট = (৪৭৬ × ১০০) ÷ ৬৮ = ৭০০ উত্তর: ৭০০
a 0.2
b 0.25
c 0.375
d 0.5
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ০.২ প্রদত্ত তথ্য: কলমের দাম বইয়ের দামের চেয়ে ২৫% বেশি পেন্সিল হোল্ডারের দাম বইয়ের দামের চেয়ে ৫০% বেশি ধরি, বইয়ের দাম = ১০০ টাকা অতএব, কলমের দাম = ১০০ + (১০০ এর ২৫%) = ১২৫ টাকা পেন্সিল হোল্ডারের দাম = ১০০ + (১০০ এর ৫০%) = ১৫০ টাকা পেন্সিল হোল্ডারের দাম কলমের দামের চেয়ে বেশি = ১৫০ − ১২৫ = ২৫ টাকা সুতরাং, কলমের দামের তুলনায় কত অংশ বেশি = ২৫ ÷ ১২৫ = ০.২ উত্তর: ০.২
a 3
b 4
c 5
d 6
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৬ প্রদত্ত তথ্য: দুই জন দৌড়বিদ বিপরীত দিকে দৌড়াতে শুরু করে ৩ ঘণ্টা পর তাদের মধ্যকার দূরত্ব ৩০ মাইল হয় ধরি, ধীরগতির দৌড়বিদের গতিবেগ = ক মাইল প্রতি ঘণ্টা দ্রুতগতির দৌড়বিদের গতিবেগ = (ক + ২) মাইল প্রতি ঘণ্টা অতএব, ৩ ঘণ্টায় ধীরগতির দৌড়বিদের অতিক্রান্ত দূরত্ব = ৩ক মাইল ৩ ঘণ্টায় দ্রুতগতির দৌড়বিদের অতিক্রান্ত দূরত্ব = ৩(ক + ২) মাইল সুতরাং, ৩ক + ৩(ক + ২) = ৩০ ৬ক + ৬ = ৩০ উত্তর: ৬
a 35
b 37.5
c 37
d 40
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩৭.৫ প্রদত্ত তথ্য: যাওয়ার দূরত্ব = ১৫০ কিমি এবং গড় গতিবেগ = ৫০ কিমি প্রতি ঘণ্টা আসার দূরত্ব = ১৫০ কিমি এবং গড় গতিবেগ = ৩০ কিমি প্রতি ঘণ্টা ধরি, যাওয়ার সময় = ১৫০ ÷ ৫০ = ৩ ঘণ্টা আসার সময় = ১৫০ ÷ ৩০ = ৫ ঘণ্টা অতএব, মোট দূরত্ব = ১৫০ + ১৫০ = ৩০০ কিমি মোট সময় = ৩ + ৫ = ৮ ঘণ্টা সুতরাং, সমগ্র যাত্রার গড় গতিবেগ = ৩০০ ÷ ৮ = ৩৭.৫ কিমি প্রতি ঘণ্টা উত্তর: ৩৭.৫
a 350
b 450
c 500
d 650
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩৫০ প্রদত্ত তথ্য: ট্রেনের দৈর্ঘ্য = ১৫০ মিটার ট্রেনের গতিবেগ = ৬০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা সেতু পার হতে সময় লাগে = ৩০ সেকেন্ড ধরি, সেতুর দৈর্ঘ্য = এক্স মিটার মোট অতিক্রান্ত দূরত্ব = ১৫০ + এক্স মিটার অতএব, ট্রেনের গতিবেগ সেকেন্ডে = ৬০ × ১০০০ ÷ ৩৬০০ মিটার প্রতি সেকেন্ড গতিবেগ হিসাব করে পাই = ৫০ ÷ ৩ মিটার প্রতি সেকেন্ড সুতরাং, মোট অতিক্রান্ত দূরত্ব = (৫০ ÷ ৩) × ৩০ মিটার দূরত্ব হিসাব করে পাই = ৫০০ মিটার উত্তর: ৫০০ − ১৫০ = ৩৫০ মিটার
a 10
b 18
c 36
d 72
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩৬ প্রদত্ত তথ্য: প্রতিটি ট্রেনের দৈর্ঘ্য = ১২০ মিটার পরস্পরকে অতিক্রম করার সময় = ১২ সেকেন্ড ধরি, দুটি ট্রেনের মোট দৈর্ঘ্য = ১২০ + ১২০ = ২৪০ মিটার বিপরীত দিক থেকে আসার কারণে আপেক্ষিক গতিবেগ সমান অতএব, ট্রেন দুটির মোট অতিক্রান্ত দূরত্ব = ২৪০ মিটার অতিক্রম করার সময় = ১২ সেকেন্ড সুতরাং, আপেক্ষিক গতিবেগ = ২৪০ ÷ ১২ = ২০ মিটার প্রতি সেকেন্ড উত্তর: ২০ মিটার প্রতি সেকেন্ড = ২০ × (১৮ ÷ ৫) = ৭২ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা এবং প্রতিটি ট্রেনের গতিবেগ = ৭২ ÷ ২ = ৩৬ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা
a 15
b 16
c 18
d 17
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৮ প্রদত্ত তথ্য: ১০ জন মানুষ খাবার খায় = ২৪ দিন ১৫ টি ক্যানের খাবার প্রয়োজন হয় ধরি, ১ জন মানুষের ১ দিনে খাবার প্রয়োজন = ১৫ ÷ (১০ × ২৪) ক্যান ৮ জন মানুষের ৩৬ দিনে খাবার প্রয়োজন = (১৫ × ৮ × ৩৬) ÷ (২৪১০) ক্যান অতএব, লঘুষ্ঠ আকারে প্রকাশ করে পাই, উপরে ১৫ × ৮ × ৩৬ এবং নিচে ১০ × ২৪ কাটাকাটি করার পর মান পাওয়া যায় ১৮ ক্যান সুতরাং, ৮ জন মানুষের ৩৬ দিন বেঁচে থাকার জন্য ১৮ টি ক্যান প্রয়োজন উত্তর: ১৮ টি
a 9
b 10
c 12
d 15
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১০ প্রদত্ত তথ্য: A এবং B একত্রে কাজটি করতে পারে ১২ দিনে B এবং C একত্রে কাজটি করতে পারে ১৫ দিনে A এবং C একত্রে কাজটি করতে পারে ২০ দিনে ধরি, মোট কাজের পরিমাণ = ৬০ অংশ অতএব, A, B এবং C এর একদিনের কাজের পরিমাণ যথাক্রমে ৫, ৪ এবং ৩ অংশ তিনজনে একত্রে একদিনের মোট কাজের পরিমাণ = (৫ + ৪ + ৩) ÷ ২ = ৬ অংশ সুতরাং, তিনজনে একত্রে সম্পূর্ণ কাজটি শেষ করতে সময় লাগবে = ৬০ ÷ ৬ = ১০ দিন উত্তর: ১০ দিন
a 5000
b 7500
c 9000
d 12000
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৭৫০০ প্রদত্ত তথ্য: মাসিক বেতন বৃদ্ধি পায় ১০% বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি পায় ৯০০০ টাকা ধরি, মাসিক বেতন = ক টাকা বার্ষিক বেতন = ১২ × ক টাকা অতএব, বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি = (১২ × ক) এর ১০% বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি = ১.২ × ক শর্তমতে, ১.২ × ক = ৯০০০ ক = ৯০০০ ÷ ১.২ সুতরাং, ক = ৭৫০০ টাকা উত্তর: ৭৫০০
a USA
b China
c UK
d India
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) India কেন সঠিক: - ভোটার সংখ্যার দিক থেকে ভারত বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে স্বীকৃত। - দেশটির শাসনব্যবস্থা সংসদীয় গণতান্ত্রিক এবং এখানে নিয়মিত অবাধ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) USA — এটি বিশ্বের অন্যতম পুরোনো গণতন্ত্র হলেও জনসংখ্যার দিক থেকে ভারতের চেয়ে ছোট। B) China — এটি বিশ্বের সর্বাধিক জনসংখ্যার দেশগুলোর একটি হলেও এটি একটি একদলীয় কমিউনিস্ট রাষ্ট্র, গণতান্ত্রিক দেশ নয়। C) UK — এটি একটি প্রাচীন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ও সাংবিধানিক রাজতন্ত্র, যা আয়তন ও জনসংখ্যার দিক থেকে অনেক ছোট। D) India — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ এটি বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র। মনে রাখার টিপস: বিশ্বে জনসংখ্যার দিক থেকে দ্বিতীয় এবং গণতন্ত্রে প্রথম স্থান হলো ভারতের।
a Switzerland
b France
c Germany
d Italy
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Switzerland কেন সঠিক: - জি-আট বা জি-এইট (G-8) বিশ্বের প্রধান আটটি শিল্পোন্নত দেশের অর্থনৈতিক সংস্থা ছিল, যার মধ্যে সুইজারল্যান্ড অন্তর্ভুক্ত নয়। - ফ্রান্স, জার্মানি এবং ইতালি এই সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা বা নিয়মিত সদস্য দেশগুলোর অন্তর্ভুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Switzerland — এটি জি-আট (G-8) ভুক্ত কোনো দেশ নয়, কারণ এটি একটি নিরপেক্ষ অর্থনৈতিক নীতি অনুসরণকারী ইউরোপীয় দেশ। B) France — এটি জি-আট (G-8) ভুক্ত অন্যতম প্রধান শিল্পোন্নত সদস্য দেশ। C) Germany — এটি জি-আট (G-8) ভুক্ত সদস্য রাষ্ট্র এবং ইউরোপের অন্যতম শীর্ষ অর্থনীতি। D) Italy — এটি জি-আট (G-8) জোটের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য দেশগুলোর একটি। মনে রাখার টিপস: জি-আট জোটে ইউরোপ থেকে আছে জার্মানি, ফ্রান্স, ইতালি এবং যুক্তরাজ্য, কিন্তু নিরপেক্ষ দেশ সুইজারল্যান্ড এতে নেই।
a 17 April en a
b 45392
c 45301
d 45600
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি / ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ঘটনা সঠিক উত্তর: A) 17 April কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল বৈদ্যনাথতলা (বর্তমান মুজিবনগর) আমবাগানে বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার শপথ গ্রহণ করে। - এই ঐতিহাসিক দিনটির স্মরণে প্রতিবছর ১৭ এপ্রিল মুজিবনগর দিবস পালন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 17 April — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দিনে মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করেছিল। B) 45392 — এটি একটি এক্সেল সিরিয়াল কোড বা ভুল সংখ্যা, যা কোনো ঐতিহাসিক তারিখ নির্দেশ করে না। C) 45301 — এটিও একটি ভুল সংখ্যা বা তারিখের কোড, যার সঙ্গে ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবসের কোনো সম্পর্ক নেই। D) 45600 — এটি একটি কাল্পনিক বা ভুল সংখ্যা, যা এই প্রশ্নের উত্তরের সঙ্গে সম্পূর্ণ অসংগত। মনে রাখার টিপস: ১৭ এপ্রিল ১৭ জন মন্ত্রী ও কর্মকর্তার সমন্বয়ে গঠিত মুজিবনগর সরকারের শপথ গ্রহণের দিন।
a Indonesia
b Pakistan
c Bangladesh
d Turkey
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Indonesia কেন সঠিক: - ইন্দোনেশিয়া বিশ্বের সর্বাধিক মুসলিম জনসংখ্যার দেশ। - দেশটির মোট জনসংখ্যার প্রায় সাতাশি শতাংশ মানুষ ইসলাম ধর্মাবলম্বী। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Indonesia — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দেশে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি মুসলিম বসবাস করে। B) Pakistan — পাকিস্তান বিশ্বের অন্যতম প্রধান মুসলিম দেশ হলেও জনসংখ্যায় ইন্দোনেশিয়ার পরেই অবস্থান করে। C) Bangladesh — বাংলাদেশ বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ। D) Turkey — তুরস্ক একটি মুসলিম প্রধান দেশ হলেও এর জনসংখ্যা ইন্দোনেশিয়ার তুলনায় অনেক কম। মনে রাখার টিপস: ইন্দোনেশিয়া মানেই ইনডেক্সের শীর্ষে, অর্থাৎ মুসলিম জনসংখ্যার দিক থেকে সবার উপরে।
a Rajshahi
b Khulna
c Barishal
d Chattogram
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Barishal কেন সঠিক: - বরিশাল বিভাগের কোনো জেলার সঙ্গে ভারতের আন্তর্জাতিক সীমানা নেই। - এটি বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলে বঙ্গোপসাগরের কাছাকাছি অবস্থিত একটি উপকূলীয় বিভাগ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Rajshahi — রাজশাহী বিভাগের একাধিক জেলার সঙ্গে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের সীমানা রয়েছে। B) খুলনা — খুলনা বিভাগের সাতক্ষীরা ও মেহেরপুর জেলার সঙ্গে ভারতের সীমান্ত রয়েছে। C) Barishal — এই অপশনটি সঠিক কারণ এর সঙ্গে ভারতের কোনো সীমান্ত নেই। D) Chattogram — চট্টগ্রাম বিভাগের ফেনী, খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও বান্দরবান জেলার সঙ্গে ভারতের সীমান্ত রয়েছে। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের যে দুটি বিভাগের সঙ্গে ভারতের সীমান্ত নেই, তার একটি বরিশাল এবং অন্যটি ঢাকা।
a Senegal
b Egypt
c Uganda
d South Africa
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: A) Senegal কেন সঠিক: - সেনেগাল ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের পর প্রথম আফ্রিকান দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে। - ১৯৭২ সালের ১ ফেব্রুয়ারি সেনেগাল আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Senegal — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি প্রথম আফ্রিকান দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। B) Egypt — মিশর আফ্রিকার দেশ হলেও সেনেগালের পরে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়েছিল। C) Uganda — উগান্ডা পরবর্তীতে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে, প্রথম ছিল না। D) দক্ষিণ আফ্রিকা — দক্ষিণ আফ্রিকা অনেক পরে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় এবং বর্ণবাদমুক্ত হয় ১৯৯৪ সালে। মনে রাখার টিপস: আফ্রিকায় সেনেগাল সবার আগে, বাংলাদেশকে দিল প্রথম ভাগে।
a Sputnik V
b Sinopharm
c Ban Covid
d Russ Vas
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Sputnik V কেন সঠিক: - স্পুটনিক ফাইভ হলো রাশিয়ার গ্যামালিয়া রিসার্চ ইনস্টিটিউট অব এপিডেমিওলজি অ্যান্ড মাইক্রোবায়োলজি কর্তৃক উদ্ভাবিত বিশ্বের প্রথম নিবন্ধিত কোভিড-১৯ টিকা। - এটি একটি অ্যাডেনোভাইরাল ভেক্টরভিত্তিক ভ্যাকসিন যা মানব শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Sputnik V — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই টিকাটি রাশিয়াতে উদ্ভাবন করা হয়েছে। B) Sinopharm — এটি চীন দেশ কর্তৃক উদ্ভাবিত একটি কোভিড-১৯ টিকা, যা রাশিয়াতে তৈরি হয়নি। C) Ban Covid — এটি কোনো স্বীকৃত বা প্রচলিত কোভিড-১৯ টিকার নাম নয়, এটি একটি কাল্পনিক অপশন। D) Russ Vas — এটিও কোনো টিকার নাম নয়, এটি রাশিয়া সংক্রান্ত একটি বিভ্রান্তিকর ও ভুল অপশন। মনে রাখার টিপস: রাশিয়ার বিখ্যাত উপগ্রহ স্পুটনিকের নামানুসারে তাদের প্রথম টিকার নাম রাখা হয় স্পুটনিক ফাইভ।
a Beximco Pharma
b Square Pharma
c ACI Pharma
d Globe Biotech
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Globe Biotech কেন সঠিক: - গ্লোব বায়োটেক লিমিটেড বাংলাদেশের একটি দেশীয় গবেষণানির্ভর প্রতিষ্ঠান যারা নিজেদের প্রযুক্তিতে বঙ্গভ্যাক্স কোভিড উনিশ টিকা তৈরি করেছে। - এটি বাংলাদেশের প্রথম কোনো দেশীয় প্রতিষ্ঠান যারা করোনার টিকা আবিষ্কারের ঘোষণা দিয়ে ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের পর্যায়ে পৌঁছেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Beximco Pharma — এটি মূলত ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটের তৈরি কোভিশিল্ড টিকা বাংলাদেশে আমদানি ও বাজারজাতকরণের সঙ্গে যুক্ত ছিল। B) Square Pharma — এটি বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান ওষুধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান হলেও এই টিকা আবিষ্কারের সঙ্গে যুক্ত নয়। C) ACI Pharma — এটি দেশের একটি শীর্ষস্থানীয় ওষুধ কোম্পানি হলেও বঙ্গভ্যাক্স টিকা গবেষণার সঙ্গে তাদের কোনো সম্পর্ক নেই। D) Globe Biotech — এই প্রতিষ্ঠানটিই নিজস্ব গবেষণায় বঙ্গভ্যাক্স টিকা তৈরি করেছে। মনে রাখার টিপস: গ্লোব অর্থ বিশ্ব, আর বিশ্ব জয় করে বাংলাদেশ তৈরি করেছে নিজস্ব টিকা বঙ্গভ্যাক্স।
a Firdausi Qadri
b Jafar Iqbal
c Jesmin Firdausi
d Mahmudul Haque
0 96 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Firdausi Qadri কেন সঠিক: - বিশিষ্ট বাংলাদেশি বিজ্ঞানী ড. ফেরদৌসি কাদরী টিকাবিজ্ঞানে বিশেষ অবদানের জন্য ২০২১ সালে রামন ম্যাগসেসে পুরস্কার লাভ করেন। - কলেরা ও টাইফয়েডের মতো সংক্রামক রোগ প্রতিরোধে সাশ্রয়ী টিকা আবিষ্কার এবং জনস্বাস্থ্য উন্নয়নে তাঁর দীর্ঘ গবেষণা এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি এনে দেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Firdausi Qadri — এটি সঠিক উত্তর, তিনি ২০২১ সালে রামন ম্যাগসেসে পুরস্কার পেয়েছেন। B) Jafar Iqbal — তিনি একজন বিখ্যাত বাংলাদেশি কথাসাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ, এই পুরস্কার পাননি। C) Jesmin Firdausi — তিনি এই প্রশ্নের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো বিশিষ্ট ব্যক্তি নন। D) Mahmudul Haque — তিনি একজন খ্যাতিমান ঔপন্যাসিক ও কথাসাহিত্যিক ছিলেন, এই পুরস্কারের সঙ্গে সম্পর্কিত নন। মনে রাখার টিপস: টিকা গবেষণায় অবদানের জন্য ২০২১ সালে ম্যাগসেসে পুরস্কার পান ড. ফেরদৌসি কাদরী, যা চিকিৎসাবিজ্ঞানে বাংলাদেশের বড় অর্জন।
a Brazil
b Italy
c Argentina
d Colombia
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: প্রদত্ত উত্তরটি ভুল। প্রশ্নটিতে ২০১৭ সালের কোপা আমেরিকার কথা বলা হয়েছে, যা একটি কাল্পনিক বা ভুল তথ্য। কোপা আমেরিকা ফুটবল টুর্নামেন্ট সাধারণত প্রতি চার বছর পর পর অনুষ্ঠিত হয় এবং ২০১৭ সালে কোনো কোপা আমেরিকা টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়নি। ২০১৬ সালে শতবার্ষিকী কোপা আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র এবং ২০১৯ সালে ব্রাজিল কোপা আমেরিকা আয়োজন করেছিল। কেন সঠিক: - প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে ব্রাজিল ২০১৬ সালের পর ২০১৯ সালে কোপা আমেরিকা টুর্নামেন্টের স্বাগতিক দেশ ছিল। - ২০১৭ সালে কোপা আমেরিকা টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত না হওয়ার কারণে এই প্রশ্নের কোনো সঠিক উত্তর নেই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Brazil — ব্রাজিল ২০১৬ সালের পরের আসর অর্থাৎ ২০১৯ সালের কোপা আমেরিকার স্বাগতিক দেশ ছিল, ২০১৭ সালের নয়। B) Italy — ইতালি ইউরোপীয় দেশ এবং এটি দক্ষিণ আমেরিকার ফুটবল টুর্নামেন্ট কোপা আমেরিকার স্বাগতিক দেশ হতে পারে না। C) Argentina — আর্জেন্টিনা ২০২১ সালের কোপা আমেরিকার অন্যতম স্বাগতিক দেশ ছিল, ২০১৭ সালের নয়। D) Colombia — কলম্বিয়া ২০২১ সালের কোপা আমেরিকার যৌথ স্বাগতিক দেশ হওয়ার কথা ছিল, ২০১৭ সালের নয়। মনে রাখার টিপস: কোপা আমেরিকা মূলত দক্ষিণ আমেরিকান ফুটবল টুর্নামেন্ট, যা সাধারণত প্রতি চার বছর পর অনুষ্ঠিত হয় এবং ২০১৭ সালে এর কোনো আসর বসেনি।
a President
b Treasurer
c Vice-President
d Keynote Speaker
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Vice-President প্রদত্ত তথ্য: জাতিসংঘের ৭৬তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশন বাংলাদেশ নির্বাচিত হয়েছে গুরুত্বপূর্ণ একটি পদে ধরি, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের মোট পদের সংখ্যা = ক বাংলাদেশের অর্জিত পদের গুরুত্ব = খ অতএব, নির্বাচিত পদের নাম নির্দিষ্ট করা হলো পদের সঠিক স্তর নির্ধারণ করা হলো সুতরাং, সঠিক পদটি হলো ভাইস প্রেসিডেন্ট উত্তর: C) Vice-President
a Jogajog
b Pipilika
c Alapon
d BD Community
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Jogajog কেন সঠিক: - বাংলাদেশ সরকারের উদ্যোগে ফেসবুকের বিকল্প হিসেবে নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবে 'যোগাযোগ' তৈরি করা হয়েছে। - দেশের নিজস্ব তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে এবং তথ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই প্ল্যাটফর্মের পরিকল্পনা করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Jogajog — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বাংলাদেশের নিজস্ব পরিকল্পিত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। B) Pipilika — এটি বাংলাদেশের প্রথম বাংলা সার্চ ইঞ্জিন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নয়। C) Alapon — এটি সরকারি কাজে ব্যবহৃত একটি যোগাযোগ অ্যাপ, যা ফেসবুকের বিকল্প নয়। D) BD Community — এটি এমন কোনো সরকারি বা উল্লেখযোগ্য জাতীয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নয়। মনে রাখার টিপস: যোগাযোগ স্থাপনের মাধ্যম হিসেবে ফেসবুকের বিকল্প বাংলাদেশি প্ল্যাটফর্মের নাম রাখা হয়েছে 'যোগাযোগ'।
a Apple
b Facebook
c Microsoft
d Walmart
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Apple কেন সঠিক: - বাজার মূলধন বা মার্কেট ক্যাপিটালাইজেশনের দিক থেকে অ্যাপল বিশ্বের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় ও মূল্যবান প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান। - বৈশ্বিক প্রযুক্তি বাজারে শেয়ারের উচ্চ মূল্য এবং শক্তিশালী ব্র্যান্ড ভ্যালুর কারণে এটি ব্যবসা ও বাণিজ্যে শীর্ষস্থান দখল করে আছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Apple — এটি বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ মূল্যবান কোম্পানি হলেও বৈশ্বিক রিটেল বাজারের দিক থেকে এটি সঠিক নয়। B) Facebook — এটি বিশ্বের বৃহত্তম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কোম্পানি হলেও বাণিজ্য বাজারের সামগ্রিক মূল্যে অ্যাপলের চেয়ে পিছিয়ে রয়েছে। C) Microsoft — এটি বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান হলেও বর্তমান বাজার মূলধনে সাধারণত অ্যাপলের সঙ্গে শীর্ষস্থানের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। D) Walmart — এটি বিশ্বের বৃহত্তম রিটেল বা খুচরা বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান হলেও বাণিজ্য বাজারের প্রতিযোগিতায় এটি প্রযুক্তি খাতের কোম্পানির মতো শীর্ষস্থানে নেই। মনে রাখার টিপস: প্রযুক্তি বাজারের বাণিজ্যিক প্রতিযোগিতায় শীর্ষে থাকা অ্যাপল ফল হিসেবে আপেল হলেও বাজার কাঁপানো এক বিশাল অর্থনৈতিক শক্তি।
a 1st January 1991
b 1st July 1991
c 1st January 1992
d 1st July 1992
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) 1st July 1991 কেন সঠিক: - বাংলাদেশে ১৯৯১ সালের ১ জুলাই থেকে মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট (VAT) ব্যবস্থা চালু করা হয়। - তৎকালীন অর্থমন্ত্রী সাইফুর রহমান জাতীয় সংসদে এই কর ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1st January 1991 — এই তারিখে বাংলাদেশে ভ্যাট চালু হয়নি, এটি ভুল সাল ও তারিখ। B) 1st July 1991 — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই তারিখ থেকেই বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে ভ্যাট কার্যকর হয়। C) 1st January 1992 — এই তারিখে ভ্যাট চালু করা হয়নি, এটি ভুল একটি কালপঞ্জি। D) 1st July 1992 — এটি ভ্যাট চালুর তারিখ নয়, বরং চালুর পরের অর্থবছরকে নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: স্বাধীনতার পর ১৯৯১ সালের জুলাই মাসের প্রথম দিনে বাংলাদেশে ভ্যাট চালুর ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
a 40
b 42
c 41
d 43
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) 41 কেন সঠিক: - পদ্মা সেতুর মোট স্প্যানের সংখ্যা একচল্লিশটি এবং এর প্রতিটি স্প্যানের দৈর্ঘ্য দেড়শ মিটার। - এই একচল্লিশটি স্প্যানের ওপর দিয়েই মূলত মূল সেতুর চালিকাশক্তি ও মূল কাঠামো দাঁড়িয়ে আছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 40 — এই সংখ্যাটি পদ্মা সেতুর স্প্যানের মোট সংখ্যার চেয়ে কম, তাই এটি সঠিক নয়। B) 42 — এই সংখ্যাটি সঠিক সংখ্যার চেয়ে এক বেশি, যা পদ্মা সেতুর কাঠামোর সঙ্গে মেলে না। C) 41 — এটি সঠিক উত্তর কারণ পদ্মা সেতুতে ঠিক একচল্লিশটি স্প্যান ব্যবহার করা হয়েছে। D) 43 — এই সংখ্যাটি সঠিক সংখ্যার চেয়ে বেশি, তাই এটি ভুল অপশন। মনে রাখার টিপস: পদ্মা সেতুর মোট পিলারের সংখ্যা বিয়োগ এক করলে স্প্যানের সংখ্যা পাওয়া যায়, অর্থাৎ বিয়াল্লিশটি পিলার এবং একচল্লিশটি স্প্যান।
a Qatar
b Saudi Arabia
c Iran
d Iraq
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Qatar ১. কেন সঠিক: কাতার মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে প্রাকৃতিক গ্যাসের সবচেয়ে বড় রপ্তানকারক এবং বিশ্বের অন্যতম প্রধান এলএনজি বা লিকুইফাইড ন্যাচারাল গ্যাস উৎপাদনকারী দেশ। এ দেশের নর্থ ফিল্ড নামক বিশাল গ্যাসক্ষেত্রটি বিশ্বের বৃহত্তম অ-সংযুক্ত প্রাকৃতিক গ্যাসক্ষেত্র হিসেবে পরিচিত, যা তাদের এই শীর্ষ অবস্থান অর্জনে সাহায্য করেছে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: প্রাকৃতিক গ্যাস হলো প্রধানত মিথেন গ্যাস নিয়ে গঠিত একটি জীবাশ্ম জ্বালানি যা ভূগর্ভ থেকে উত্তোলিত হয় এবং শক্তি উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়। কার্যপদ্ধতি: গ্যাসক্ষেত্র থেকে গ্যাস উত্তোলনের পর তা পাইপলাইনের মাধ্যমে পরিবাহী হয় অথবা শীতলীকরণের মাধ্যমে তরলে রূপান্তরিত করে জাহাজে করে বিভিন্ন দেশে রপ্তানি করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাতার গ্যাস বা কাতার এনার্জি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিশাল আকৃতির এলএনজি ট্যাঙ্কার জাহাজের মাধ্যমে গ্যাস সরবরাহ করে। ব্যাখ্যা: সামুদ্রিক পরিবহনের মাধ্যমে দীর্ঘ দূরত্বে গ্যাস পরিবহনের জন্য গ্যাসকে তরল অবস্থায় রূপান্তর করা বাধ্যতামূলক। উদাহরণ ২: মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো তেল এবং গ্যাসের ওপর তাদের অর্থনৈতিক ভিত্তি গড়ে তুলেছে এবং তা বিশ্ববাজারে সরবরাহ করে। ব্যাখ্যা: জ্বালানি নিরাপত্তার ক্ষেত্রে মধ্যপ্রাচ্যের গ্যাস রপ্তানিকারক দেশগুলো বিশ্ব অর্থনীতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Qatar - এটি সঠিক উত্তর কারণ কাতার মধ্যপ্রাচ্যে প্রাকৃতিক গ্যাস রপ্তানিতে প্রথম স্থানে রয়েছে। B) Saudi Arabia - সৌদি আরব প্রাকৃতিক গ্যাসের বড় উৎপাদক হলেও তারা মূলত বিশ্বের প্রধান পেট্রোলিয়াম বা crude oil রপ্তানিকারক দেশ। C) Iran - ইরানের গ্যাসের বিশাল মজুদ থাকলেও আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা এবং অভ্যন্তরীণ উচ্চ চাহিদার কারণে তারা কাতার পরিমাণ গ্যাস রপ্তানি করতে পারে না। D) Iraq - ইরাক প্রধানত খনিজ তেল রপ্তানির জন্য পরিচিত এবং প্রাকৃতিক গ্যাস রপ্তানিতে তাদের অবস্থান কাতার বা অন্যান্য দেশের তুলনায় পেছনে। ৫ মনে রাখার টিপস: মধ্যপ্রাচ্যের গ্যাস রাজার নাম কাতার, যেখানে প্রথম অক্ষর 'Q' দিয়ে বিশ্বের শীর্ষ গ্যাস উৎপাদককে মনে রাখা যায়। এলএনজি রপ্তানিতে মধ্যপ্রাচ্যে কাতার সবার চেয়ে এগিয়ে থাকে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কাতার বিশ্বের অন্যতম প্রধান এলএনজি রপ্তানিকারক দেশ হিসেবে বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। নর্থ ফিল্ড গ্যাসক্ষেত্রটি কোন দেশে অবস্থিত তা মনে রাখা জরুরি।
a Mahatma Gandhi
b Bill Clinton.
c Gorge Washington
d Donald Trump
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Bill Clinton. ১. কেন সঠিক: - 'My Life' বিশ্বখ্যাত মার্কিন রাজনীতিবিদ এবং যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের একটি আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ। - এই বইটিতে তাঁর রাজনৈতিক জীবন, ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা এবং প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার বিবরণ তুলে ধরা হয়েছে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: আত্মজীবনী হলো কোনো ব্যক্তির নিজের লেখা জীবনের ইতিহাস বা জীবনী। - ব্যবহার: বিশ্বনেতারা তাঁদের রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত জীবনের অভিজ্ঞতা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য লিপিবদ্ধ করতে আত্মজীবনী লিখে থাকেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লং ওয়াক টু ফ্রিডম ব্যাখ্যা: এটি দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনের নেতা নেলসন ম্যান্ডেলার আত্মজীবনী। উদাহরণ ২: উইংস অফ ফায়ার ব্যাখ্যা: এটি ভারতের প্রখ্যাত বিজ্ঞানী ও সাবেক রাষ্ট্রপতি এপিজে আব্দুল কালামের আত্মজীবনী। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Mahatma Gandhi — মহাত্মা গান্ধীর আত্মজীবনীর নাম মাই এক্সপেরিমেন্টস উইথ ট্রুথ। B) Bill Clinton. — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই আত্মজীবনীটি তাঁরই লেখা। C) Gorge Washington — জর্জ ওয়াশিংটনের কোনো বিখ্যাত আত্মজীবনী এই নামে নেই। D) Donald Trump — ডোনাল্ড ট্রাম্পের লেখা বইয়ের মধ্যে দ্য আর্ট অফ দ্য ডিল অন্যতম। ৫ মনে রাখার টিপস: - ক্লিনটন পরিবারের লেখা বিখ্যাত বইগুলোর মধ্যে হিলারি ক্লিনটনের 'লিভিং হিস্ট্রি' এবং বিল ক্লিনটনের 'মাই লাইফ' বেশ জনপ্রিয়। - রাজনীতিবিদের আত্মজীবনী মনে রাখার জন্য নেতার নামের সাথে বইয়ের মূল শিরোনাম মিলিয়ে পড়তে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিশ্বনেতাদের বিখ্যাত আত্মজীবনী থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বইটির নাম এবং লেখকের নাম একত্রে মুখস্থ রাখা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
a Oslo
b Могоссо
c Tokyo
d Turkey
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Tokyo ১. কেন সঠিক: ২০২০ সালের গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক এবং প্যারাঅলিম্পিক গেমস জাপানের রাজধানী টোকিওতে অনুষ্ঠিত হয়। কোভিড-১৯ মহামারীর কারণে এই আসর এক বছর পিছিয়ে ২০২১ সালে অনুষ্ঠিত হলেও অফিসিয়ালি এটি টোকিও ২০২০ নামে পরিচিত। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি এবং গণমাধ্যমের কল্যাণে বর্তমান যুগে বিশ্বজুড়ে যে কোনো আন্তর্জাতিক ক্রীড়া ইভেন্ট সরাসরি সম্প্রচার করা সম্ভব হয়। স্যাটেলাইট যোগাযোগ এবং ইন্টারনেট প্রোটোকল ব্যবহার করে এই মেগা ইভেন্টগুলোর হাই-ডেফিনেশন ভিডিও এবং ডেটা বিশ্বব্যাপী কোটি কোটি দর্শকের কাছে রিয়েল-টাইমে পৌঁছে দেওয়া হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লাইভ স্ট্রিমিং সেবা ব্যাখ্যা: টোকিও প্যারাঅলিম্পিকের মতো বিশ্বমানের অনুষ্ঠান ইউটিউব বা আন্তর্জাতিক সম্প্রচার মাধ্যমের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে সরাসরি দেখার ক্ষেত্রে ক্লাউড কম্পিউটিং এবং সিডিএন বা কন্টেন্ট ডেলিভারি নেটওয়ার্ক ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: গেমস ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম ব্যাখ্যা: প্যারাঅলিম্পিকের খেলাধুলার ফলাফল, পয়েন্ট টেবিল এবং খেলোয়াড়দের ডেটা ম্যানেজ করার জন্য বিশেষ ডেটাবেজ সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়, যা তাৎক্ষণিকভাবে বিশ্ববাসীর কাছে আপডেট পৌঁছে দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Oslo — অসলো নরওয়ের রাজধানী এবং এটি ২০২০ সালের গ্রীষ্মকালীন প্যারাঅলিম্পিক গেমসের আয়োজক শহর নয়। B) Morocco — মরক্কো আফ্রিকা মহাদেশের একটি দেশ এবং এটি কোনো আন্তর্জাতিক অলিম্পিক বা প্যারাঅলিম্পিক গেমসের স্বাগতিক শহর নয়। C) Tokyo — এটি সঠিক উত্তর কারণ ২০২০ সালের গ্রীষ্মকালীন প্যারাঅলিম্পিক গেমসের আয়োজক শহর ছিল জাপানের টোকিও। D) Turkey — তুরস্ক একটি দেশ এবং এটি ২০২০ সালের গ্রীষ্মকালীন প্যারাঅলিম্পিক গেমসের আয়োজক দেশ ছিল না। ৫ মনে রাখার টিপস: টোকিও ২০২০ অলিম্পিক এবং প্যারাঅলিম্পিক গেমস মহামারীর কারণে এক বছর পর ২০২১ সালে অনুষ্ঠিত হয়েছিল কিন্তু এর নামকরণ পরিবর্তন করা হয়নি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: আন্তর্জাতিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার ভেন্যু বা স্বাগতিক শহর সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধারণ জ্ঞান এবং আইসিটি ভিত্তিক তথ্য প্রযুক্তির প্রয়োগ হিসেবে আসে।
a Abu Hena Mohammad
b Mustafa Kamal
c Tajuddin Ahmed
d Abul Maal A Muhith
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Tajuddin Ahmed ১. কেন সঠিক: - তাজউদ্দিন আহমেদ বাংলাদেশের প্রথম সরকারের প্রথম অর্থমন্ত্রী ছিলেন এবং ১৯৭২ সালে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম বাজেট পেশ করেন। - আইসিটি বা কম্পিউটারের সরাসরি প্রশ্ন না হলেও এটি বাংলাদেশ সম্পর্কিত সাধারণ জ্ঞান এবং তথ্যপ্রযুক্তির বিভিন্ন নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: বাজেট হলো একটি নির্দিষ্ট অর্থ বছরের সরকারের সম্ভাব্য আয় ও ব্যয়ের আনুমানিক হিসাব বিবরণী। - ব্যবহার: রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য রাজস্ব সংগ্রহ ও উন্নয়নে বাজেট প্রণয়ন করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ১৯৭২-৭৩ অর্থবছরের বাজেট ব্যাখ্যা: এটি স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম পেশ করা বাজেট যার পরিমাণ ছিল ৭৮৬ কোটি টাকা। উদাহরণ ২: জাতীয় বাজেট পেশ ব্যাখ্যা: সাধারণত প্রতি বছরের জুন মাসে অর্থমন্ত্রী জাতীয় সংসদে এই বাজেট পেশ করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Abu Hena Mohammad — ইনি বাংলাদেশের প্রথম অর্থমন্ত্রী ছিলেন না এবং প্রথম বাজেটও পেশ করেননি। B) Mustafa Kamal — ইনি বাংলাদেশের প্রথম বাজেট প্রণেতা নন, তিনি অন্য ক্ষেত্রের ব্যক্তিত্ব। D) Abul Maal A Muhith — ইনি বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদী ও সফল অর্থমন্ত্রী হলেও প্রথম বাজেট পেশ করেননি। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী ও প্রথম বাজেট প্রণেতা একই ব্যক্তি, তা হলো তাজউদ্দিন আহমেদ। - প্রথম বাজেট পেশের সাল হলো ১৯৭২ সাল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম বাজেট পেশ করা হয় ১৯৭২ সালের ৩০ জুন। - প্রথম বাজেটের মোট পরিমাণ ছিল ৭৮৬ কোটি টাকা।
a Note
b 363
c 364
d 360
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) 363 ১. কেন সঠিক: - এফবিসিসিআই (FBCCI) হলো বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন। - এর পরিচালনা পর্ষদে বর্তমানে ৩ কি ৬ ৩ জন সদস্য রয়েছেন। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: এফবিসিসিআই (FBCCI) হলো ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি। - ব্যবহার: এটি বাংলাদেশের বিভিন্ন বাণিজ্য সংগঠন ও চেম্বারের কেন্দ্রীয় বা শীর্ষ সংস্থা হিসেবে কাজ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি। ব্যাখ্যা: এটি এফবিসিসিআই-এর একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য সংগঠন যা ব্যবসা বাণিজ্যের উন্নয়নে কাজ করে। উদাহরণ ২: চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি। ব্যাখ্যা: এটিও এফবিসিসিআই-এর অধীনে থেকে দেশের বন্দরনগরীর ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনা ও সমন্বয় করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Note — এটি একটি ভুল উত্তর কারণ প্রশ্নটি কোনো নোট বা টীকা সম্পর্কিত নয় বরং এটি একটি নির্দিষ্ট সংগঠনের সদস্য সংখ্যা সংক্রান্ত তথ্য। B) 363 — এটি সঠিক উত্তর কারণ এফবিসিসিআই-এর পরিচালনা পর্ষদের সদস্য সংখ্যা ৩ কি ৬ ৩ জন। C) 364 — এটি ভুল উত্তর কারণ এটি নির্ধারিত বা সঠিক সদস্য সংখ্যার চেয়ে একটি সংখ্যা বেশি। D) 360 — এটি ভুল উত্তর কারণ সঠিক সদস্য সংখ্যা ৩ কি ৬ ৩ জন যা এই সংখ্যার সঙ্গে মেলে না। ৫ মনে রাখার টিপস: - এফবিসিসিআই সদস্য সংখ্যা মনে রাখতে সংখ্যাটি ৩ কি ৬ ৩ মনে রাখুন। - এটি দেশের ব্যবসা বাণিজ্যের শীর্ষ পর্ষদের আকার নির্দেশ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এফবিসিসিআই (FBCCI)-এর পূর্ণরূপ হলো ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি। - এটি বাংলাদেশের বাণিজ্য খাতের নীতি নির্ধারণ ও সমন্বয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
a 2
b 8
c 12
d 16
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৬ ১. কেন সঠিক: হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি বা বেস হলো ১৬। এই সংখ্যা পদ্ধতিতে মোট ষোলোটি অংক বা প্রতীক ব্যবহার করা হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি হলো এমন একটি সংখ্যা পদ্ধতি যেখানে ০ থেকে ৯ পর্যন্ত দশটি অংক এবং A থেকে F পর্যন্ত ছয়টি বর্ণ ব্যবহৃত হয়। কার্যপদ্ধতি: এই পদ্ধতিতে প্রতিটি ঘরের মান ১৬ এর ঘাত বা পাওয়ার হিসেবে বৃদ্ধি পায় এবং এটি বাইনারি ডেটাকে সংক্ষিপ্ত रूपে প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কম্পিউটারের মেমোরি অ্যাড্রেস বা হেক্সাডেসিমেল কোড যেমন 0xFF। ব্যাখ্যা: মেমোরি লোকেশন বা রঙের কোড নির্দিষ্ট করতে এই পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: এইচটিএমএল কালার কোড যেমন #FFFFFF সাদা রঙের জন্য। ব্যাখ্যা: ওয়েব ডিজাইনে রঙের সুনির্দিষ্ট মান বোঝাতে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২ — এটি বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি, যার অংক কেবল ০ এবং ১। B) ৮ — এটি অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি, যেখানে ০ থেকে ৭ পর্যন্ত অংক ব্যবহৃত হয়। C) ১২ — এটি কোনো প্রমিত বা বহুল ব্যবহৃত সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি নয়। D) ১৬ — এটি সঠিক কারণ হেক্সাডেসিমেল পদ্ধতিতে ০ থেকে ৯ এবং A থেকে F পর্যন্ত মোট ষোলোটি প্রতীক থাকে। ৫. মনে রাখার টিপস: হেক্সা শব্দের অর্থ ছয় এবং ডেসিমেল অর্থ দশ, অর্থাৎ ছয় যোগ দশ সমান ষোলো। বাইনারির বেস ২, অক্টালের বেস ৮, ডেসিমেলের বেস ১০ এবং হেক্সাডেসিমেলের বেস ১৬। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে A মানে ১০, B মানে ১১, C মানে ১২, D মানে ১৩, E মানে ১৪ এবং F মানে ১৫। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই হেক্সাডেসিমেল থেকে বাইনারি বা ডেসিমালে রূপান্তর করতে বলা হয়।
a To provide security against unauthorized users
b To process client requests for web pages
c To process client requests for database access
d To protect against virus
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) To process client requests for web pages ১. কেন সঠিক: প্রক্সি সার্ভিস ক্লায়েন্ট ও মূল সার্ভারের মাঝে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করে। এটি ক্লায়েন্টের ওয়েব পেজের অনুরোধ গ্রহণ করে এবং নিজের মাধ্যমে তা সার্ভারে পাঠায়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: প্রক্সি সার্ভার হলো এমন একটি সিস্টেম যা ক্লায়েন্ট ও ইন্টারনেটের মাঝে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করে। কার্যপদ্ধতি: ক্লায়েন্ট কোনো ওয়েবসাইটের অনুরোধ পাঠালে প্রক্সি সার্ভার তা প্রথমে গ্রহণ করে এবং নিজের ক্যাশ থেকে বা মূল সার্ভার থেকে তা এনে দেয়। ব্যবহার: কর্পোরেট নেটওয়ার্কে ইন্টারনেট ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ এবং ওয়েব পেজ দ্রুত লোড করতে প্রক্সি ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অফিসের প্রক্সি সার্ভার ব্যাখ্যা: অফিসে কর্মীরা যখন কোনো ওয়েব পেজে প্রবেশ করতে চান, তখন প্রক্সি সার্ভার সেই অনুরোধ প্রসেস করে। উদাহরণ ২: ক্যাশ মেমোরি ভিত্তিক ব্রাউজিং ব্যাখ্যা: প্রক্সি সার্ভার জনপ্রিয় ওয়েব পেজগুলো নিজের মধ্যে সংরক্ষণ করে রাখে, যাতে ক্লায়েন্ট অনুরোধ করলে দ্রুত তা সরবরাহ করা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) To provide security against unauthorized users — এটি মূলত ফায়ারওয়াল বা অথেন্টিকেশন সিস্টেমের কাজ, প্রক্সি সার্ভারের মূল কাজ অনুরোধ প্রসেস করা। B) To process client requests for web pages — এটি সঠিক কারণ প্রক্সি সার্ভার ক্লায়েন্টের ওয়েব পেজের অনুরোধ প্রসেস করতে ব্যবহৃত হয়। C) To process client requests for database access — এটি ডেটাসেভার বা ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের কাজ, ওয়েব প্রক্সি সার্ভারের কাজ নয়। D) To protect against virus — এটি অ্যান্টিভাইরাস বা সিকিউরিটি সফটওয়্যারের কাজ, প্রক্সি সার্ভার ভাইরাসের বিরুদ্ধে সুরক্ষা দেয় না। ৫. মনে রাখার টিপস: প্রক্সি মানেই মধ্যস্থতাকারী বা প্রতিনিধি। ক্লায়েন্টের অনুরোধ গ্রহণ করে সার্ভারে পাঠানোই এর মূল কাজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রক্সি সার্ভার নেটওয়ার্কে নিরাপত্তা ও গতি বৃদ্ধিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রক্সি সার্ভারের কাজ সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
a Source code
b Object code
c Course code
d Executable file
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Object code ১. কেন সঠিক: - সোর্স কোড বা প্রোগ্রামের মেশিন বোধগম্য রূপকে অবজেক্ট কোড বলা হয়। - এটি বাইনারি বা জিরো ও ওয়ান ভিত্তিক ভাষা যা কম্পিউটার সরাসরি বুঝতে পারে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: প্রোগ্রামিং ভাষায় লেখা সোর্স কোড কম্পাইলারের মাধ্যমে অনুবাদ হওয়ার পর যে বাইনারি রূপ তৈরি হয় তাকে অবজেক্ট কোড বলে। - কার্যপদ্ধতি: অনুবাদক সফটওয়্যার উচ্চ স্তরের ভাষাকে কম্পিউটারের বোধগম্য যান্ত্রিক ভাষায় রূপান্তর করে অবজেক্ট কোড উৎপন্ন করে। - ব্যবহার: কম্পিউটার প্রসেসর সরাসরি এই কোড নির্বাহ করে ফলাফল প্রদান করতে পারে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সি ভাষায় লেখা প্রোগ্রাম ব্যাখ্যা: সি ভাষার কোড কম্পাইল করার পর অবজেক্ট কোড ফাইল তৈরি হয় যা প্রসেসর চালায়। উদাহরণ ২: সফটওয়্যার ইনস্টলেশন ফাইল ব্যাখ্যা: ডেভেলপারদের সোর্স কোড রূপান্তরিত হয়ে চূড়ান্ত অবজেক্ট কোড বা এক্সিকিউটেবল রূপ নেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Source code — এটি প্রোগ্রামারের লেখা মূল কোড যা মেশিন সরাসরি বুঝতে পারে না। B) Object code — এটি সঠিক উত্তর। C) Course code — এটি কোনো প্রোগ্রামিং বা কম্পিউটারের টার্ম নয়, শিক্ষামূলক কোর্সের কোড। D) Executable file — এটি অবজেক্ট কোড এবং অন্যান্য লাইব্রেরি ফাইলের সমন্বিত রূপ যা সরাসরি চালানো যায়। ৫ মনে রাখার টিপস: - সোর্স মানে উৎস বা মূল কোড এবং অবজেক্ট মানে লক্ষ্য বা মেশিনের বোধগম্য কোড। - কম্পিউটার শুধু যান্ত্রিক বা অবজেক্ট কোড বুঝতে পারে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - কম্পাইলারের প্রধান কাজ হলো সোর্স কোডকে অবজেক্ট কোডে রূপান্তর করা। - অনুবাদক প্রোগ্রাম হিসেবে কম্পাইলার ও ইন্টারপ্রেটার সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখা জরুরি।
a HTTP
b HTML
c IP
d FTP
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) FTP ১. কেন সঠিক: - FTP-এর পূর্ণরূপ হলো File Transfer Protocol, যা কম্পিউটার নেটওয়ার্কে এক সার্ভার থেকে অন্য সার্ভারে ফাইল স্থানান্তর বা আদান-প্রদান করতে ব্যবহৃত হয়। - এটি ক্লায়েন্ট-সার্ভার আর্কিটেকচারের মাধ্যমে কাজ করে এবং ইন্টারনেট বা লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কে বড় ফাইল নিরাপদে আপলোড বা ডাউনলোড করার সুযোগ দেয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: FTP হলো ইন্টারনেটে ফাইল স্থানান্তরের একটি মানসম্মত প্রোটোকল। - কার্যপদ্ধতি: এটি ডেটা স্থানান্তরের জন্য দুটি আলাদা চ্যানেল বা সংযোগ ব্যবহার করে, যার একটি নিয়ন্ত্রণ সংযোগ এবং অন্যটি ডেটা সংযোগের জন্য নির্দিষ্ট থাকে। - ব্যবহার: ওয়েবসাইট ডেভলপমেন্টে লোকাল কম্পিউটার থেকে রিমোট ওয়েব সার্ভারে ফাইল আপলোড বা ব্যাকআপ নেওয়ার কাজে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক্লায়েন্ট সার্ভারে আপলোড ব্যাখ্যা: একজন ওয়েব ডেভেলপার তার লোকাল কম্পিউটার থেকে কোডিং ফাইল FileZilla সফটওয়্যারের মাধ্যমে FTP ব্যবহার করে হোস্টিং সার্ভারে আপলোড করেন। উদাহরণ ২: বড় ফাইল ডাউনলোড ব্যাখ্যা: একটি সফটওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান তাদের সার্ভার থেকে বড় সাইজের ইনস্টলার ফাইল ব্যবহারকারীদের ডাউনলোডের জন্য FTP প্রোটোকল ব্যবহার করে উন্মুক্ত রাখে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) HTTP — এটি হাইপারটেক্সট ট্রান্সফার প্রোটোকল, যা মূলত ইন্টারনেটে ব্রাউজারে ওয়েব পেজ প্রদর্শন করতে ব্যবহৃত হয়, ফাইল স্থানান্তরের প্রাথমিক প্রোটোকল নয়। B) HTML — এটি হাইপারটেক্সট মার্কআপ ল্যাঙ্গুয়েজ, যা কোনো প্রোটোকল নয় বরং ওয়েব পেজ তৈরির একটি মার্কআপ ভাষা। C) IP — এটি ইন্টারনেট প্রোটোকল, যা নেটওয়ার্কে ডিভাইসের অবস্থান শনাক্তকরণ ও প্যাকেট রাউটিংয়ের কাজ করে কিন্তু সরাসরি ফাইল স্থানান্তর করে না। D) FTP — এটি সঠিক উত্তর কারণ ফাইল স্থানান্তরের জন্যই এই প্রোটোকলটি বিশেষভাবে ডিজাইন করা হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - FTP-এর নামের ভেতরেই ফাইল ট্রান্সফারের বিষয়টি লুকিয়ে আছে, যেখানে F হলো File এবং TP হলো Transfer Protocol। - ব্রাউজারে পেজ দেখার জন্য HTTP আর ফাইল আদান-প্রদানের জন্য FTP ব্যবহার করা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিভিন্ন নেটওয়ার্ক প্রোটোকলের কাজ জানতে চাওয়া হয়। - FTP সাধারণত পোর্ট নম্বর একুশ এবং বিশ ব্যবহার করে ক্লায়েন্ট ও সার্ভারের মধ্যে যোগাযোগ রক্ষা করে।
a ROM
b BIOS
c RAM
d SSD
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) RAM ১. কেন সঠিক: - RAM-এর পূর্ণরূপ হলো Random Access Memory, যা কম্পিউটারের একটি উদ্বায়ী বা ভোলাটাইল (Volatile) মেমোরি হিসেবে কাজ করে। - বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ বা কম্পিউটার রিস্টার্ট করা মাত্রই এই মেমোরিতে থাকা সমস্ত অস্থায়ী ডেটা বা তথ্য চিরতরে মুছে যায়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: ভোলাটাইল মেমোরি হলো এমন এক ধরনের কম্পিউটার মেমোরি, যা তথ্য ধরে রাখতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ প্রবাহের উপর নির্ভর করে। - কার্যপদ্ধতি: প্রসেসর যখন কোনো অ্যাপ্লিকেশনে কাজ করে, তখন প্রয়োজনীয় ডেটা ও নির্দেশাবলি সাময়িকভাবে এই মেমোরিতে জমা রাখে এবং দ্রুত আদান-প্রদান করে। - বৈশিষ্ট্য: এটি রিড ও রাইট উভয় কাজ করতে পারে এবং এর ডেটা অ্যাক্সেস স্পিড বা গতি অত্যন্ত দ্রুত গতির হয়ে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কম্পিউটারে একটি বড় মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ফাইল ওপেন করে কাজ করার সময় হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে গেলে ফাইলটি সেভ না করা থাকলে তা মুছে যায়। ব্যাখ্যা: এই সময় ফাইলটি র‍্যাম বা ভোলাটাইল মেমোরিতে প্রক্রিয়াজাত হচ্ছিল, তাই বিদ্যুৎ বন্ধ হওয়ামাত্রই তা হারিয়ে গেছে। উদাহরণ ২: স্মার্টফোনে একসঙ্গে দশটি অ্যাপস ব্যাকগ্রাউন্ডে চালু রাখার পর হঠাৎ ফোন বন্ধ হলে পুনরায় চালু করলে অ্যাপসগুলো নতুন করে লোড হয়। ব্যাখ্যা: র‍্যামের ধারণক্ষমতা কম থাকায় ব্যাকগ্রাউন্ড ডেটা ধরে রাখতে না পেরে সেগুলো মুছে ফেলে এবং নতুন করে চালু করতে হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ROM — এটি রিড অনলি মেমোরি, যা একটি নন-ভোলাটাইল বা স্থায়ী মেমোরি এবং বিদ্যুৎ চলে গেলেও এর ডেটা মুছে যায় না। B) BIOS — এটি বেসিক ইনপুট আউটপুট সিস্টেম, যা কম্পিউটারের স্থায়ী মেমোরি বা রম চিপে সংরক্ষিত থাকে এবং ভোলাটাইল নয়। D) SSD — এটি সলিড স্টেট ড্রাইভ, যা একটি স্থায়ী বা নন-ভোলাটাইল সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস হিসেবে কাজ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - ভোলাটাইল মানেই হলো যা ভোলা যায় বা উড়ে যায়, অর্থাৎ বিদ্যুৎ গেলে যে মেমোরির ডেটা উড়ে বা মুছে যায় তা হলো র‍্যাম। - র‍্যাম (RAM) হলো অস্থায়ী বা উদ্বায়ী মেমোরি আর রম (ROM) হলো স্থায়ী বা নন-ভোলাটাইল মেমোরি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রাইমারি মেমোরি, ভোলাটাইল ও নন-ভোলাটাইল মেমোরির পার্থক্যের ওপর প্রশ্ন আসে। - র‍্যাম প্রধানত দুই প্রকার, যথা: স্ট্যাটিক র‍্যাম এবং ডায়নামিক র‍্যাম।

মোট প্রশ্ন (15)

a অ, আ
b এ,ও
c ই, উ
d অ্যা, অ
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অ্যা, অ কেন সঠিক: জিভের উচ্চতা অনুযায়ী স্বরধ্বনিগুলোকে উচ্চ, উচ্চ-মধ্য, নিম্ন-মধ্য এবং নিম্ন এই চার ভাগে ভাগ করা হয়। 'অ্যা' এবং 'অ' উচ্চারণ করার সময় জিভ মুখবিবরের মধ্য ও নিম্ন অবস্থানের মাঝামাঝি থাকে বলে এগুলো নিম্ন-মধ্য স্বরধ্বনি। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা বর্ণমালায় স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময় জিভের উচ্চতা এবং মুখবিবরের খোলার পরিমাপ একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী জিহ্বার অবস্থান পরিবর্তনশীল হওয়ায় স্বরধ্বনিগুলোর এই সুনির্দিষ্ট শ্রেণিবিন্যাস করা হয়েছে। যেমন 'অ্যা' এবং 'অ' উচ্চারণের মুখবিবর যেভাবে উন্মুক্ত হয়, তা নিম্ন-মধ্য স্তরের বৈশিষ্ট্য বহন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অ, আ — এখানে 'অ' নিম্ন-মধ্য হলেও 'আ' হলো নিম্ন স্বরধ্বনি, তাই এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক নয়। B) এ, ও — এই দুটি স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময় জিভের অবস্থান উচ্চ-মধ্য স্তরে থাকে, তাই এগুলো নিম্ন-মধ্য নয়। C) ই, উ — এই দুটি স্বরধ্বনি উচ্চারণ করার সময় জিভ সবচেয়ে উঁচুতে অবস্থান করে, তাই এগুলো উচ্চ স্বরধ্বনি। D) এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং এটিই নির্ণেয় উত্তর। মনে রাখার টিপস: নিম্ন-মধ্য স্বরধ্বনি মনে রাখার জন্য 'অ্যা-অ' জোড়টি মুখের তালুর অবস্থান অনুযায়ী প্রথমে মুখস্থ রাখবে। জিভ সামান্য নিচে নামলে এবং মুখ কম খুললে এই দুটি ধ্বনি উচ্চারিত হয়, যা উচ্চ-মধ্য থেকে আলাদা।
a ক
b শ
c হ
d ড়
0 110 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) হ ১. কেন সঠিক: - 'হ' বর্ণটি উচ্চারণের সময় মুখবিবরের কোথাও বাধা না পেয়ে সরাসরি কণ্ঠনালি থেকে উচ্চারিত হয় বলে একে কণ্ঠনালীয় ব্যঞ্জনধ্বনি বা স্বনযন্ত্রমূলীয় ধ্বনি বলা হয়। - প্রমিত বাংলা ব্যাকরণে এই ধ্বনিকে ইংরেজিতে গ্লটাল সাউন্ড বলা হয় এবং এটি উচ্চারণের সময় স্বরতন্ত্রীতে কম্পন সৃষ্টি হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণের উচ্চারণস্থান অনুযায়ী কণ্ঠ্য, তালব্য, মূর্ধন্য, দন্ত্য, ওষ্ঠ্য ও কণ্ঠনালীয় ধ্বনি হিসেবে ভাগ করা হয়। - 'হ' এবং বিসর্গ ধ্বনি মূলত কণ্ঠনালি বা গ্লটিস থেকে উচ্চারিত হয় বলে এদের কণ্ঠনালীয় ধ্বনি বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হিম ব্যাখ্যা: হিম শব্দের শুরুতে থাকা 'হ' কণ্ঠনালীয় ধ্বনির একটি স্পষ্ট উদাহরণ। উদাহরণ ২: হাত ব্যাখ্যা: হাত শব্দে ব্যবহৃত 'হ' কণ্ঠনালি থেকে স্বরতন্ত্রীর সাহায্যে উচ্চারিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক — এটি কণ্ঠ্য বা জিহ্বামূলীয় ব্যঞ্জনধ্বনি কারণ এটি জিহ্বার মূল অংশ তালুর পেছনের অংশে স্পর্শ করে উচ্চারিত হয়। B) শ — এটি তালব্য ব্যঞ্জনধ্বনি কারণ এটি উচ্চারণের সময় জিহ্বার সামনের অংশ তালুকে স্পর্শ করে। D) ড় — এটি তাড়িত মূর্ধন্য ব্যঞ্জনধ্বনি কারণ জিহ্বার আগা উল্টে মূর্ধা স্পর্শ করে দ্রুত নিচে নেমে আসে। ৫. মনে রাখার টিপস: - কণ্ঠনালীয় ধ্বনি মনে রাখার জন্য শুধু 'হ' এবং বিসর্গ (ঃ) মনে রাখলেই চলবে। - হ দিয়ে হা হা হাসি মনে রাখলে কণ্ঠনালীয় ধ্বনি সহজে মনে থাকবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কণ্ঠনালীয় ধ্বনি হিসেবে প্রায়ই 'হ' অপশনে থাকে। - উচ্চারণের স্থানভিত্তিক ব্যঞ্জনবর্ণের শ্রেণিবিভাগ থেকে প্রতি বছর একটি প্রশ্ন আসার সম্ভাবনা থাকে।
a জুগনো
b জুগমো
c যুগমো
d test
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জুগমো ১. কেন সঠিক: - যুগ্ম শব্দটির প্রমিত উচ্চারণ জুগমো কারণ এর মাঝে থাকা গ্ম যুক্তবর্ণটি উচ্চারণের সময় পরিবর্তিত হয়ে গ এবং ম এর মতো শোন যায়। - যুক্তবর্ণে থাকা মফলা বা অন্যান্য ব্যঞ্জনবর্ণের উচ্চারণ সংক্রান্ত বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত উচ্চারণ বিধির নিয়ম অনুযায়ী এটি সাধিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ধ্বনি, বর্ণ ও উচ্চারণ অংশের এই নিয়মে বলা হয়েছে শব্দের মধ্যে বা অন্তে গ কিংবা ম যুক্ত হলে এবং তার সাথে মফলা থাকলে উচ্চারণের সময় তার দ্বিত্ব ঘটে বা ও কার যুক্ত হয়। - যুগ্ম শব্দের জ এর সাথে হ্রস্ব উ কার এবং গ্ম যুক্তবর্ণটি ভেঙে গ এবং মো এর রূপ ধারণ করে পূর্ণাঙ্গ উচ্চারণ জুগমো হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাগ্মী ব্যাখ্যা: বাগ্মী শব্দের উচ্চারণ বাগমো হয় কারণ এখানে গ্ম যুক্তবর্ণটি উচ্চারণে গ এবং ম হিসেবে প্রকাশ পায়। উদাহরণ ২: যুগ্মক ব্যাখ্যা: যুগ্মক শব্দের উচ্চারণ জুগ্মোক হয় কারণ এখানে মূল যুগ্ম অংশটি জুগম রূপ নেয় এবং ক এর সাথে ও কার যুক্ত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জুগনো — এটি ভুল কারণ এখানে গ্ম যুক্তবর্ণের পরিবর্তে দন্ত ন ধ্বনি ব্যবহার করা হয়েছে যা বানান ও নিয়মের পরিপন্থী। B) জুগমো — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং এটি প্রমিত উচ্চারণ নিয়ম মেনে চলে। C) যুগমো — এটি ভুল কারণ জ এর সাথে হ্রস্ব উ কার না দিয়ে দীর্ঘ উ কার বা অনুচ্চারিত হ্রস্ব স্বর রাখা হয়েছে। D) test — এটি একটি ডামি অপশন যা কোনো আসল বাংলা শব্দ বা সঠিক উচ্চারণ নির্দেশ করে না। ৫ মনে রাখার টিপস: - যুগ্ম শব্দ উচ্চারণ করার সময় মনে রাখবে মফলা যুক্ত গ্ম বর্ণটি সর্বদা গ এবং ম এর মতো উচ্চারিত হয়। - প্রমিত উচ্চারণের এই নিয়মটি মনে রাখলে চাকরির পরীক্ষায় এমন প্রশ্ন সহজেই উত্তর করতে পারবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় যুক্তবর্ণের উচ্চারণ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে তাই প্রমিত উচ্চারণ বিধি ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে। - এই ধরনের শব্দে মফলার সঠিক ব্যবহার ও ধ্বনি পরিবর্তন লক্ষ করে উত্তর নির্বাচন করতে হয়।
a আকাশে
b চলন্ত
c যদিও
d বাতাস
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) যদিও ১. কেন সঠিক: যে শব্দে জোর বা ঝোঁক বোঝাতে মূল শব্দের আগে, মাঝে বা পরে অতিরিক্ত ধ্বনি বা বর্ণ যুক্ত হয়, তাকে বলকযুক্ত শব্দ বলে। এখানে যদিও শব্দটি জোর প্রদান করার ক্ষেত্রে বলকযুক্ত শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে বলক বা ঝোঁক এমন একটি ধ্বনিগত প্রক্রিয়া যা বাক্যের বিশেষ কোনো অংশে গুরুত্ব আরোপ করে। এ ধরনের শব্দ বাক্যের বক্তব্যকে আরও জোরালো ও স্পষ্ট করতে সহায়তা করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তবে ব্যাখ্যা: এটি একটি বলকযুক্ত শব্দ যা বাক্যে নিশ্চিতকরণ বা জোর প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: কিন্তু ব্যাখ্যা: এটি বিপরীতমুখী ভাব প্রকাশ করতে এবং বাক্যে বিশেষ ঝোঁক তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আকাশে — এটি বিশেষ্য পদের অধিকরণে সপ্তমী বিভক্তির উদাহরণ, বলকযুক্ত শব্দ নয়। B) চলন্ত — এটি প্রত্যয়যুক্ত বিশেষণ পদ, যা বলকযুক্ত শব্দের আওতাভুক্ত নয়। C) যদিও — এটি সঠিক উত্তর। D) বাতাস — এটি একটি সাধারণ বিশেষ্য পদ, এর মধ্যে বলক বা ঝোঁকবাচক বৈশিষ্ট্য নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: যেসব শব্দ বাক্যের শুরুতে বসে শর্ত বা জোরালো ভাব প্রকাশ করে এবং অতিরিক্ত ঝোঁক সৃষ্টি করে, সেগুলোকে বলকযুক্ত শব্দ হিসেবে মনে রাখবে। বাক্যে বিশেষ গুরুত্ব আরোপকারী অব্যয়জাতীয় শব্দগুলো এই শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের গঠন ও রূপতত্ত্ব থেকে প্রায়ই এ ধরনের প্রশ্ন আসে। শব্দগুলোর ব্যাকরণগত কার্যকারিতা ভালোভাবে বুঝতে পারলে সঠিক উত্তর সহজে নির্বাচন করা সম্ভব।
a উত্তম
b স্বল্প
c চর্তুভুজ
d দোকান
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) উত্তম ১. কেন সঠিক: - 'উত্তম' শব্দটি উৎ + তম প্রত্যয়যোগে গঠিত একটি তৎসম শব্দ। - এখানে 'উৎ' প্রাতিপদিকের সঙ্গে অতিশয়ার্থবাচক 'তম' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে শব্দটি গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - কৃৎ প্রত্যয় বা তদ্ধিত প্রত্যয়ের নিয়মে শব্দের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠিত হয়। - ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী শব্দের মূল অংশের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত করার মাধ্যমে শব্দের অর্থ পরিবর্তিত বা প্রসারিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মহত্তম ব্যাখ্যা: মহৎ যোগ তম প্রত্যয় যুক্ত হয়ে মহত্তম শব্দটি গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: ক্ষুদ্রতম ব্যাখ্যা: ক্ষুদ্র যোগ তম প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ক্ষুদ্রতম শব্দটি গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উত্তম — এটি প্রত্যয় দিয়ে গঠিত শব্দ বিধায় সঠিক। B) স্বল্প — এটি সু যোগ অলপ সন্ধি সাধিত শব্দ, প্রত্যয়যুক্ত শব্দ নয়। C) চর্তুভুজ — এটি চার বাহু যার সমাসবদ্ধ শব্দ, প্রত্যয়ের উদাহরণ নয়। D) দোকান — এটি ফার্সি ভাষার শব্দ, যা কোনো প্রত্যয় যোগে গঠিত হয়নি। ৫. মনে রাখার টিপস: - শব্দের শেষে 'তম' বা 'তমম' দেখলে সাধারণত অতিশয়ার্থবাচক প্রত্যয় হিসেবে ধরে নেওয়া যায়। - সন্ধি ও সমাসের শব্দগুলোর সঙ্গে প্রত্যয়যুক্ত শব্দগুলো আলাদা করে মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রত্যয় সাধিত শব্দ প্রায়ই আসে। - শব্দের উৎস এবং গঠনপদ্ধতি ভালোভাবে খেয়াল করলে সঠিক উত্তর সহজে নির্ণয় করা যায়।
a উপমান কর্মধারয়
b রূপক কর্মধারয়
c উপমিত কর্মধারয়
d তৎপুরুষ
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
**শিক্ষার্থীর বিশেষ দ্রষ্টব্য:** প্রদত্ত প্রশ্নে একটি ভুল রয়েছে। কর্মধারয় সমাসে পরপদের অর্থ প্রধান থাকে, কিন্তু প্রশ্নটিতে নির্দিষ্ট করে 'পরপদে বিশেষণ থাকে এবং পরপদের অর্থ প্রাধান্য পায়'—এই বৈশিষ্ট্যটি **'উপমান কর্মধারয়'**-এর নয়, বরং এটি সাধারণ **'কর্মধারয়'** সমাসের মূল সংজ্ঞা। তবে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার এই নির্দিষ্ট প্রশ্নটিতে অপশন বিশ্লেষণ সাপেক্ষে উত্তর নির্ধারণ করা হলো। সঠিক উত্তর: A) উপমান কর্মধারয় **১. কেন সঠিক:** - কর্মধারয় সমাসের সাধারণ নিয়ম হলো এখানে পরপদের অর্থ প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয় এবং সাধারণ ধর্মবাচক পদটি পরে বসে। - উপমান কর্মধারয় সমাসে একটি বিশেষ্য পদের সাথে অন্য একটি বিশেষ্য পদের তুলনা করা হয় এবং সাধারণ গুণ বা ধর্ম বোঝাতে পরপদে বিশেষণ বা গুণবাচক পদ ব্যবহৃত হয়। **২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:** - যে সমাসে বিশেষ্য এবং বিশেষণের মিলন ঘটে এবং পরপদের অর্থ প্রধানভাবে বোঝায় তাকে কর্মধারয় সমাস বলে। - উপমান অর্থ তুলনীয় বস্তু; প্রত্যক্ষ কোনো বস্তুর সাথে পরোক্ষ কোনো বস্তুর তুলনা করা হলে প্রত্যক্ষ বস্তুকে উপমেয় এবং যার সাথে তুলনা করা হয় তাকে উপমান বলে। **৩. উদাহরণ:** উদাহরণ ১: তুষারশুভ্র ব্যাখ্যা: তুষারের ন্যায় শুভ্র। এখানে তুষার উপমান এবং শুভ্র হলো সাধারণ গুণবাচক বিশেষণ পদ। উদাহরণ ২: অরুণরাঙা ব্যাখ্যা: অরুণের ন্যায় রাঙা। এখানে সূর্য বা অরুণের সাথে রাঙা বা লাল রঙের তুলনা করা হয়েছে এবং পরপদে বিশেষণ রয়েছে। **৪. বাকি অপশন কেন ভুল:** A) উপমান কর্মধারয় — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য করা হয়েছে যেখানে উপমান পদের সাথে সাধারণ ধর্মের তুলনা বোঝায়। B) রূপক কর্মধারয় — এই সমাসে উপমেয় ও উপমানের মধ্যে অভেদ কল্পনা করা হয় এবং রূপ শব্দটির সংযোগ থাকে। C) উপমিত কর্মধারয় — এই সমাসে সাধারণ ধর্ম উহ্য থাকে এবং উপমেয় পদের সাথে উপমানের তুলনা করা হয়। D) তৎপুরুষ — এই সমাসে পূর্বপদের বিভক্তির লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়, তবে এটি কর্মধারয়ের অন্তর্ভুক্ত নয়। **৫ মনে রাখার টিপস:** - কর্মধারয় সমাস মানেই পরপদের অর্থের প্রাধান্য। - উপমান শব্দের অর্থ তুলনীয় বস্তু, তাই এর সাথে সাধারণ গুণের তুলনা বোঝায়। **৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:** - সমাস নির্ণয়ের সময় প্রথমে পদের অর্থ বুঝতে হবে এবং কোন পদটি প্রধান তা খেয়াল রাখতে হবে। - কর্মধারয় সমাসে সাধারণত কেমন বা কী দ্বারা প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যায়।
a পর্তুগিজ
b ফারসি
c চতুর্কি
d হিন্দি
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) তুর্কি (প্রশ্নে 'চতুর্কি' বলা হয়েছে যা মূলত তুর্কি শব্দের বানান ত্রুটি) ১. কেন সঠিক: - বেগম শব্দটি তুর্কি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে এবং এটি একটি বহুল প্রচলিত পরিভাষা। - তুর্কি ভাষা থেকে আগত শব্দগুলো সাধারণত আমাদের সামাজিক পদবি, উপাধি বা সামরিক জীবনকে নির্দেশ করে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - শব্দের উৎস বা উৎপত্তি অনুসারে বাংলা ভাষার শব্দগুলোকে মূলত তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি শব্দে ভাগ করা হয়। - বিদেশি শব্দের মধ্যে আরবি, ফারসি, ইংরেজি ও তুর্কি শব্দ বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য যা যুগে যুগে ভাব বিনিময়ের মাধ্যমে বাংলা ভাষায় স্থান করে নিয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দারোগা ব্যাখ্যা: দারোগা একটি তুর্কি শব্দ যা বাংলা ভাষায় প্রশাসনিক পদ বোঝাতে বহুল ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: কোমর ব্যাখ্যা: কোমর শব্দটি তুর্কি ভাষা থেকে আগত একটি অতি পরিচিত শব্দ যা অঙ্গবাচক বিদেশি শব্দ হিসেবে পরিচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পর্তুগিজ — পর্তুগিজ ভাষা থেকে আগত শব্দগুলো সাধারণত ধর্মে, খাদ্যদ্রব্যে ও দৈনন্দিন ব্যবহারে ব্যবহৃত হয় যেমন আনারস, আতা। B) ফারসি — ফারসি ভাষা থেকে প্রশাসনিক, আইনি ও সাংস্কৃতিক শব্দ এসেছে যেমন আদালত, কাগজ, চশমা। C) চতুর্কি — প্রশ্নে এই বানানটি মূলত তুর্কি শব্দের বানান ভুল রূপ হিসেবে এসেছে এবং সঠিক উৎস নির্দেশ করে। D) হিন্দি — হিন্দি ভাষা থেকে আগত শব্দগুলো বাংলার সঙ্গে মিলে যায় যেমন পজিশন বা অন্যান্য অবাঙ্গালী শব্দ, তবে বেগম হিন্দি নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - তুর্কি শব্দ মনে রাখার জন্য সামরিক ও উপাধিবাচক শব্দগুলোকে আলাদা করতে পারো যেমন দারোগা, বেগম, তোপ, চাকর। - বিদেশি শব্দ চেনার সময় খেয়াল রাখবে প্রশাসন ও উপাধির সঙ্গে তুর্কি শব্দের গভীর মিল থাকে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, বিশেষ করে তুর্কি ও পর্তুগিজ শব্দের তালিকা থেকে। - উৎসভিত্তিক শব্দ নির্ণয়ের সময় শব্দের অর্থ এবং ব্যবহার ভালোভাবে লক্ষ্য করতে হবে।
a যেমন-তেমন
b নিজে
c নিজেরা-নিজেরা
d সকলে
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নিজেরা-নিজেরা ১. কেন সঠিক: - পারস্পরিক সর্বনাম হলো এমন সর্বনাম যা কোনো কাজের পারস্পরিকতা, বোঝাপড়া বা একে অপরের ওপর নির্ভরতা প্রকাশ করে। - নিজেরা-নিজেরা পদটি দ্বারা নিজেদের মধ্যে সম্পাদিত কাজের পারস্পরিক আদান-প্রদান বা যৌথতা প্রকাশ পায় বলে এটি পারস্পরিক সর্বনাম। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সর্বনাম পদের শ্রেণিবিভাগ অনুযায়ী পারস্পরিক সর্বনাম বিশেষ একটি রূপ। - যে সর্বনাম পদ দিয়ে দুই বা ততোধিক ব্যক্তির মধ্যে পারস্পরিক ভাব, কাজ বা সম্পর্ক প্রকাশ পায়, তাকে পারস্পরিক সর্বনাম বলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আপনারা আপসে আপসে মীমাংসা করে নিন। ব্যাখ্যা: এখানে আপসে আপসে পদটি পারস্পরিক সর্বনাম হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: তারা নিজেরা নিজেরা ঝামেলা মিটিয়ে নিয়েছে। ব্যাখ্যা: এখানে নিজেরা নিজেরা পদটি পারস্পরিকতার অর্থ প্রকাশ করছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যেমন-তেমন — এটি সাপেক্ষ সর্বনাম বা নিত্য সম্বন্ধীয় সর্বনামের উদাহরণ, যা পারস্পরিক সর্বনাম নয়। B) নিজে — এটি আত্মবাচক সর্বনাম, কারণ এটি বক্তা বা বিষয়বস্তুর নিজস্বতা প্রকাশ করে। D) সকলে — এটি অনির্দিষ্ট বা সাধারণবাচক সর্বনাম, যা কোনো নির্দিষ্ট একককে না বুঝিয়ে সমগ্র দল বা সমষ্টিকে বোঝায়। ৫ মনে রাখার টিপস: - পারস্পরিক সর্বনাম চেনার সহজ উপায় হলো শব্দের দ্বিরুক্তি বা জোড়া রূপ লক্ষ করা। - পরস্পর, নিজেদের মধ্যে বা একে অপরের সঙ্গে বোঝায় এমন শব্দই হলো পারস্পরিক সর্বনাম। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সর্বনামের শ্রেণিবিভাগ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - আত্মবাচক সর্বনাম এবং পারস্পরিক সর্বনামের পার্থক্য ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a কুসুমনিচয়
b কুসুমদাম
c পুষ্পদাম
d তারকাবলি
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) তারকাবলি ১. কেন সঠিক: তারকা শব্দের সঙ্গে বল বা বলি প্রত্যয় যুক্ত করে বহুবচন করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ। তারা শব্দের বহুবচন করতে হলে তারকারাজি বা তারাপুঞ্জ বলতে হয় কারণ জড়বাচক শব্দের ক্ষেত্রে বল বা বলি প্রত্যয় বসে না। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে বিশেষ পদের বহুবচন বোঝাতে নানা ধরনের প্রত্যয় ও সমষ্টিবাচক শব্দ ব্যবহৃত হয়। অপ্রাণীবাচক বা জড়বাচক শব্দের বহুবচনে নিচয়, দাম, নিকুরঞ্জ, রাজি, রাশি, পাল, থুপি ইত্যাদি সমষ্টিবাচক শব্দ যুক্ত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মেঘমালা ব্যাখ্যা: মেঘ অপ্রাণীবাচক শব্দ হওয়ায় এর বহুবচনে মালা সমষ্টিবাচক শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: মৎস্যকুল ব্যাখ্যা: মৎস্য বা মাছ শব্দের বহুবচনে কুল সমষ্টিবাচক শব্দ যুক্ত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কুসুমনিচয় — কুসুম অর্থ ফুল এবং নিচয় অর্থ সমষ্টি, যা ফুলবাচক শব্দের বহুবচনে সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে। B) কুসুমদাম — দাম শব্দের অর্থ মালা বা সমষ্টি, তাই কুসুমদাম বহুবচনে সঠিক প্রয়োগ। C) পুষ্পদাম — পুষ্প শব্দের সঙ্গে দাম যুক্ত হয়ে ফুলের সমষ্টি বা বহুবচন সঠিকভাবে গঠিত হয়েছে। D) তারকাবলি — তারকা শব্দের সঙ্গে বল বা বলি প্রত্যয় কেবল প্রাণীবাচক বা বিশেষ ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হওয়ায় এটি ভুল। ৫ মনে রাখার টিপস: জড়বাচক শব্দের বহুবচনে দাম, নিচয়, রাজি, রাশি বসে এবং প্রাণীবাচক বা নির্দিষ্ট শব্দের ক্ষেত্রে অন্য নিয়ম খাটে। তারকা শব্দের সঠিক বহুবচন হলো তারকারাজি বা তারাপুঞ্জ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বহুবচনের সঠিক প্রয়োগ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। সমষ্টিবাচক শব্দ ও প্রত্যয়ের সঠিক ব্যবহার মনে রাখলে এমন প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
a করেছিলে
b করতে
c করিয়েছিলাম
d করালাম
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) করিয়েছিলাম ১. কেন সঠিক: 'করিয়েছিলাম' শব্দটি 'কর' ধাতু থেকে উৎপন্ন হয়েছে। এর মধ্যে প্রযোজক ক্রিয়া এবং পুরাঘটিত অতীতের কালগত বৈশিষ্ট্য একসঙ্গে বিদ্যমান রয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যিনি নিজে কাজ না করে অন্যকে দিয়ে কাজটি করান, তাকে প্রযোজক ক্রিয়া বলে। অতীতকালে কোনো কাজ অনেক আগেই শেষ হয়েছে এবং তার ফল এখনো বিদ্যমান, এমন বোঝালে তাকে পুরাঘটিত অতীতকাল বলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শিক্ষক ছাত্রকে পড়াচ্ছেন। ব্যাখ্যা: এটি প্রযোজক ক্রিয়ার বর্তমান কালের রূপের একটি সাধারণ উদাহরণ। উদাহরণ ২: মা শিশুকে চাঁদ দেখাচ্ছেন। ব্যাখ্যা: এখানে মা নিজে না দেখে শিশুকে দেখানোর ব্যবস্থা করছেন, যা প্রযোজক ক্রিয়ার স্পষ্ট রূপ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) করেছিলে — এটি সাধারণ অতীতকালের রূপ, এখানে অন্যকে দিয়ে কাজ করানোর কোনো প্রযোজক ভাব বা অর্থ প্রকাশ পায়নি। B) করতে — এটি ক্রিয়ার একটি সাধারণ রূপ বা অসমাপিকা ক্রিয়ার অন্তর্ভুক্ত, যা কোনো নির্দিষ্ট কাল বা প্রযোজক ভাব প্রকাশ করে না। D) করালাম — এটি ঘটমান বা সাধারণ অতীতকালের প্রযোজক রূপ হতে পারে, কিন্তু এটি পুরাঘটিত অতীতের রূপ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: প্রযোজক ক্রিয়া চেনার উপায় হলো শব্দে 'আ' প্রত্যয় যুক্ত থাকা যেমন দেখা, শোনানো। আর পুরাঘটিত অতীতকাল চিনতে ইয়াছিলাম, ইয়াছিল এই বিভক্তিগুলো মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধাতু, প্রযোজক ক্রিয়া এবং কাল সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। তাই ধাতু থেকে বিভিন্ন কালের রূপ পরিবর্তনের নিয়ম ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a খয়ের খাঁ
b তীর্থের কাক
c চিনে জোঁক
d মণিকাঞ্চন যোগ
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) চিনে জোঁক ১. কেন সঠিক: - 'চিনে জোঁক' বাগধারাটির শাব্দিক ও প্রাগুক্ত অর্থ হলো যা সহজে পিছু ছাড়ে না বা নাছোড়বান্দা। - পরীক্ষার প্রশ্নে যে অর্থ চাওয়া হয়েছে তার সঙ্গে এই বাগধারার অর্থের সম্পূর্ণ মিল রয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে বাগধারা হলো বিশেষ শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থের বাইরে গিয়ে একটি বিশেষ ভাব বা প্রকাশ ফুটিয়ে তোলে। - এটি ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং মনের ভাবকে সংক্ষেপে ও সুন্দরভাবে প্রকাশ করতে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পাওনা টাকার জন্য সে আমার পেছনে চিনে জোঁকের মতো লেগে আছে। ব্যাখ্যা: এখানে নাছোড়বান্দা বা না ছাড়ার ভাব বোঝাতে চিনে জোঁক বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: ছেলেটি একবার ধরলে সহজে ছাড়তে চায় না, একেবারে চিনে জোঁক। ব্যাখ্যা: মানুষের নাছোড়বান্দা স্বভাব বোঝাতে এই উদাহরণের মাধ্যমে বাগধারাটির সার্থক প্রয়োগ দেখানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) খয়ের খাঁ — এই বাগধারাটির অর্থ স্তাবক বা তোষামোদকারী। B) তীর্থের কাক — এই বাগধারাটির অর্থ অনির্দিষ্টকালের জন্য প্রতীক্ষাকারী। C) চিনে জোঁক — এই অপশনটি সঠিক এবং এর অর্থ নাছোড়বান্দা। D) মণিকাঞ্চন যোগ — এই বাগধারাটির অর্থ উপযুক্ত মিলন বা সুন্দর সংযোগ। ৫ মনে রাখার টিপস: জোঁক যেমন একবার কামড়ে ধরলে সহজে ছাড়তে চায় না, তেমনি নাছোড়বান্দা মানুষও সহজে পিছু ছাড়ে না। এই মিলটি মনে রাখলে পরীক্ষা চলাকালীন সহজে সঠিক উত্তরটি চিহ্নিত করা সম্ভব হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই নাছোড়বান্দা বা একগুঁয়ে স্বভাব বোঝাতে চিনে জোঁক বাগধারাটি বিকল্প হিসেবে আসে। একই ধরনের অর্থ প্রকাশ করে এমন অন্যান্য বাগধারা যেমন একরোখা বা আঠার স্বভাব ভালোভাবে পড়ে রাখা উচিত।
a রত্নাকর
b দ্বিরদ
c মৃগেন্দ্র
d জীমূত
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জীমূত ১. কেন সঠিক: - বলাহক শব্দের অর্থ মেঘ। জীমূত শব্দের অর্থও মেঘ বা জলধর। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দের ক্ষেত্রে তৎসম ও সংস্কৃত শব্দের ব্যবহার বেশি দেখা যায়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দগুলোর সমাহার, যাদের অর্থ প্রায় একই রকম হয়। - বলাহক এবং জীমূত উভয়ই মেঘের সংস্কৃত সমার্থক শব্দ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জলধর ব্যাখ্যা: জল ধারণ করে যা, অর্থাৎ মেঘ। এটি বলাহক শব্দের আরেকটি বহুল ব্যবহৃত সমার্থক শব্দ। উদাহরণ ২: অব্বি ব্যাখ্যা: আকাশে বিচরণ করে যা, অর্থাৎ মেঘ। এটিও মেঘের একটি চমৎকার প্রতিশব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রত্নাকর — রত্নাকর শব্দের অর্থ সমুদ্র। এটি মেঘের সমার্থক শব্দ নয়। B) দ্বিরদ — দ্বিরদ শব্দের অর্থ হাতি বা হস্তী। এটি মেঘের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) মৃগেন্দ্র — মৃগেন্দ্র শব্দের অর্থ সিংহ, যা বনের পশুগণের রাজাকে বোঝায়। D) জীমূত — এটি মেঘের সঠিক প্রতিশব্দ হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। ৫ মনে রাখার টিপস: - মেঘের সমার্থক শব্দগুলো মনে রাখার জন্য বারিদ, জলধর, বলাহক এবং জীমূত শব্দগুলো একসাথে চর্চা করতে পারো। - জীমূত ও বলাহক দুটোই কঠিন ও তৎসম শব্দ, যা পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মেঘ, সমুদ্র, আকাশ ও পৃথিবী এই চারটির সমার্থক শব্দ সবচেয়ে বেশি আসে। - শব্দের মূল অর্থ বা উৎপত্তি বুঝতে পারলে কঠিন প্রতিশব্দ সহজে মনে রাখা সম্ভব।
a করণ
b কর্ম
c অপাদান
d অধিকরণ
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অপাদান ১. কেন সঠিক: বাক্যে যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, বিরত, গৃহিত, উৎপন্ন, ভীত বা রক্ষিত হয় কিংবা যা দেখে কেউ বিরত হয়, তাকে অপাদান কারক বলে। এখানে কথাটি 'লোকমুখে' উৎপন্ন বা প্রাপ্ত হয়েছে বোঝানো হয়েছে, যা উৎস বা মাধ্যম নির্দেশ করে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: অপাদান কারকে সাধারণত পঞ্চমী বিভক্তি (তে, হইতে, থেকে) যুক্ত হয়। বাক্যের ক্রিয়াকে কোথা থেকে বা কিসের মাধ্যমে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা অপাদান কারক হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গাছ থেকে পাতা পড়ে। ব্যাখ্যা: এখানে পাতা গাছ থেকে বিচ্যুত হয়েছে, তাই এটি অপাদান কারক। উদাহরণ ২: বিপদে মারে রক্ষা করো এই আমার প্রার্থনা। ব্যাখ্যা: এখানে বিপদ থেকে রক্ষার অর্থে অপাদান কারক ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) করণ — করণ কারক হলো যার দ্বারা ক্রিয়া সম্পাদিত হয়। এখানে কথা শোনার মাধ্যম বা উৎস বোঝাচ্ছে, তাই এটি করণ নয়। B) কর্ম — কর্ম কারক হলো যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে। এখানে কথা শোনার উৎস বোঝানো হয়েছে, তাই এটি কর্ম নয়। C) অপাদান — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি উৎস বা মাধ্যম প্রকাশ করে। D) অধিকরণ — অধিকরণ কারক হলো ক্রিয়া সম্পাদনের স্থান বা সময়। এখানে কোনো স্থান বা সময় বোঝায়নি। ৫. মনে রাখার টিপস: কোথা থেকে উৎপন্ন, জাত, রক্ষিত বা গৃহিত হওয়া বোঝালে অপাদান কারক হয়। উৎস বা মাধ্যম বুঝলেই চোখ বন্ধ করে অপাদান কারক দাগাবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস পরীক্ষায় কারক নির্ণয়ের ক্ষেত্রে উৎস বা মাধ্যম সংক্রান্ত বাক্য প্রায়ই আসে। কোথা থেকে বা কার কাছ থেকে প্রশ্ন করে উত্তর পেলে তা সাধারণত অপাদান কারক হয়।
a মোসলেম ভারত
b মোহাম্মদী
c শিখা
d প্রগতি
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শিখা ১. কেন সঠিক: - 'শিখা' হলো বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের প্রধান সংগঠন মুসলিম সাহিত্য সমাজের মুখপত্র। - এর বিখ্যাত স্লোগান ছিল জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আচ্ছন্ন, মুক্তি সেখানে অসম্ভব। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ১৯২৬ সালের ১৯ জানুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল তরুণ শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিকের উদ্যোগে মুসলিম সাহিত্য সমাজ প্রতিষ্ঠিত হয়। - এই সংগঠনের নেতৃত্বে ছিলেন আবুল হুসাইন, কাজী মোতাহার হোসেন প্রমুখ এবং এর মুখপত্র 'শিখা' প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯২৬ সালে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মোসলেম ভারত ব্যাখ্যা: এটি একটি মাসিক সাহিত্য পত্রিকা যা ১৯২০ সালে কলকাতা থেকে প্রকাশিত হয় এবং কাজী নজরুল ইসলামের অনেক বিখ্যাত লেখা এতে প্রকাশিত হয়েছিল। উদাহরণ ২: প্রগতি ব্যাখ্যা: এটি ঢাকা থেকে প্রকাশিত আরেকটি প্রগতিশীল সাহিত্য পত্রিকা যা বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মোসলেম ভারত — এটি মুসলিম সাহিত্য সমাজের মুখপত্র নয়, বরং এটি একটি স্বতন্ত্র সাহিত্য পত্রিকা যা কলকাতা থেকে প্রকাশিত হতো। B) মোহাম্মদী — এটি মাওলানা মোহাম্মদ আকরম খাঁ সম্পাদিত একটি প্রখ্যাত মাসিক পত্রিকা হলেও মুসলিম সাহিত্য সমাজের মুখপত্র ছিল না। C) শিখা — এটি মুসলিম সাহিত্য সমাজের একমাত্র এবং নির্দিষ্ট মুখপত্র হিসেবে প্রকাশিত হয়েছিল। D) প্রগতি — এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বুদ্ধিজীবীদের দ্বারা প্রকাশিত পত্রিকা হলেও এটি মুসলিম সাহিত্য সমাজের মুখপত্র ছিল না। ৫. মনে রাখার টিপস: - শিখা জ্বালিয়ে সমাজকে আলোকিত করতে হয়, তাই মুসলিম সাহিত্য সমাজের প্রগতির প্রতীক মুখপত্রের নাম শিখা। - বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের স্লোগানটি শিখা পত্রিকার মুখবন্ধে ব্যবহৃত হতো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুসলিম সাহিত্য সমাজের প্রতিষ্ঠাকাল এবং মুখপত্রের নাম প্রায়ই আসে। - পত্রিকার সম্পাদনা এবং প্রকাশের স্থান সংক্রান্ত প্রশ্নগুলো ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a নতুন কবিতা
b সুন্দরম
c একুশে ফেব্রুয়ারি
d কণ্ঠস্বর
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) একুশে ফেব্রুয়ারি কেন সঠিক: - এই গানটি ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত প্রথম ও ঐতিহাসিক সাহিত্য সংকলনে প্রথম স্থান পেয়েছিল। - হাসান হাফিজুর রহমান সম্পাদিত 'একুশে ফেব্রুয়ারি' সংকলনটি ১৯৫৩ সালে প্রকাশিত হয় এবং এতেই গানটি প্রথম অন্তর্ভুক্ত হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - গানটির রচিয়তা সাংবাদিক ও সাহিত্যিক আবদুল গাফফার চৌধুরী এবং সুরকার শহীদ আলতাফ মাহমুদ। - বাংলা ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে রচিত এটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও প্রামাণিক একটি সাহিত্যকর্ম। - ১৯৫৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে প্রকাশিত এই সংকলনটি ভাষা আন্দোলনের স্মারক হিসেবে বাংলা সাহিত্যে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) নতুন কবিতা — এটি আহসান হাবীব সম্পাদিত অন্য একটি কাব্য সংকলন যা এই গানের সাথে সম্পর্কিত নয়। - B) সুন্দরম — এটি ভাষা আন্দোলনের প্রথম প্রকাশিত কোনো সাহিত্য সংকলন নয়। - C) একুশে ফেব্রুয়ারি — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে অন্য কিছু বোঝানো হয়েছে। - D) কণ্ঠস্বর — আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ সম্পাদিত এটি একটি পরবর্তীকালীন সাহিত্য পত্রিকা যা এই গান প্রকাশের সাথে জড়িত নয়। মনে রাখার টিপস: - একুশের গান প্রথম প্রকাশিত হয়েছে 'একুশে ফেব্রুয়ারি' নামক সংকলনেই, যা প্রকাশ হয়েছিল ১৯৫৩ সালে।

মোট প্রশ্ন (15)

a subversion
b premonition
c predilection
d infusion
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) subversion কেন সঠিক: বাক্যটিতে বলা হয়েছে যে কর্তৃপক্ষ তাদের ক্ষমতা হারানোর বা ধ্বংস হওয়ার ভয়ে সামরিক রাষ্ট্রের ডাক দিয়েছিল। subversion শব্দের অর্থ হলো ক্ষমতা বা শৃঙ্খলা ধ্বংস করা বা উল্টে ফেলা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) subversion — এই অপশনটি সঠিক কারণ এর অর্থ ক্ষমতা বা শাসনব্যবস্থা ধ্বংস করা। B) premonition — এর অর্থ হলো কোনো খারাপ ঘটনার পূর্বভাস বা আশঙ্কা, যা এখানে খাপ খায় না। C) predilection — এর অর্থ হলো কোনো কিছুর প্রতি বিশেষ ঝোঁক বা পছন্দ, যা এখানে অর্থহীন। D) infusion — এর অর্থ হলো নতুন কিছু প্রবেশ করানো বা মেশানো, যা বাক্যটির সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: ক্ষমতা হারানোর ভয় থাকলে এবং সামরিক আইন জারির কথা থাকলে subversion শব্দটি ব্যবহার করতে হয়।
a aloof
b jesting
c grave
d earnest
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) jesting কেন সঠিক: Phillip-এর রসাত্মক বা হাসিখুশি আচরণ তার কৌতুকপ্রিয় বন্ধুদের আনন্দ দিত এবং গম্ভীর বাবাকে বিরক্ত করত। এখানে তার স্বভাব বোঝাতে মজাদার বা ঠাট্টাপূর্ণ ভঙ্গি নির্দেশক শব্দটিই সবচেয়ে উপযুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) aloof — এই শব্দের অর্থ নির্লিপ্ত বা দূরে থাকা, যা বাক্যের রসাত্মক ভাবের সাথে মেলে না। B) jesting — এটি সঠিক উত্তর, যার অর্থ ঠাট্টাপূর্ণ বা রসিকতাপূর্ণ। C) grave — এই শব্দের অর্থ গম্ভীর, যা তার বাবার চরিত্রের সাথে মিলে যায় কিন্তু নিজের টোন বোঝাতে সঠিক নয়। D) earnest — এই শব্দের অর্থ আন্তরিক বা সিরিয়াস, যা কৌতুকপ্রিয় বন্ধুদের আনন্দ দেওয়ার বিপরীত। মনে রাখার টিপস: বন্ধুদের হাসি ও বাবার বিরক্তির বিপরীত পরিস্থিতি বুঝতে এমন শব্দ খুঁজবে যার অর্থ হাসিঠাট্টা বা রসিকতা বোঝায়।
a proficient
b reflective
c dormant
d redundant
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) proficient কেন সঠিক: বাক্যের অর্থ হলো মেরী টাইপিংয়ে দক্ষ হয়ে উঠেছিল কারণ সে ছয় মাস ধরে প্রতিদিন অনুশীলন করেছিল। এখানে শূন্যস্থানে এমন একটি শব্দ প্রয়োজন যার অর্থ দক্ষ বা পারদর্শী। বাকি অপশন কেন ভুল: A) proficient — এই অপশনটি সঠিক কারণ এর অর্থ দক্ষ বা পারদর্শী, যা বাক্যের অর্থের সাথে সম্পূর্ণ মিলে যায়। B) reflective — এই শব্দের অর্থ চিন্তাশীল বা প্রতিবিম্বিত, যা টাইপিংয়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। C) dormant — এর অর্থ নিষ্ক্রিয় বা ঘুমন্ত, যা নিয়মিত অনুশীলনের বিপরীত অবস্থা নির্দেশ করে। D) redundant — এর অর্থ অপ্রয়োজনীয় বা অতিরিক্ত, যা এখানে কোনো অর্থ প্রকাশ করে না। মনে রাখার টিপস: কোনো কাজে নিয়মিত অনুশীলন করলে মানুষ দক্ষ বা proficient হয়ে ওঠে।
a above
b of
c in
d at
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) at কেন সঠিক: নির্দিষ্ট কোনো সময় বা মুহূর্ত বোঝাতে সাধারণত at প্রিপজিশনটি ব্যবহার করা হয়। পাঠ বা লেসনের শেষ মুহূর্তটি নির্দেশ করতে at the end phrase ব্যবহার করা নিয়ম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) above — এটি উপরে বা উর্ধ্বে বোঝাতে বসে, যা সময়ের ক্ষেত্রে একেবারেই বেমানান। B) of — এটি সাধারণত সম্পর্ক বা অধিকার বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, তাই এখানে সঠিক নয়। C) in — এটি সাধারণত মাস, বছর বা বড় কোনো সময়ের ক্ষেত্রে বসে, নির্দিষ্ট মুহূর্তে বসে না। D) at — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয়, বরং এটিই বাক্যটিকে অর্থপূর্ণ করে। মনে রাখার টিপস: নির্দিষ্ট কোনো বিন্দু বা সময় বোঝাতে যেমন at the end বা at noon হয়, তাই সময়ের নির্দিষ্ট সমাপ্তিতে at বসবে।
a in
b under
c of
d about
0 138 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) under কেন সঠিক: এখানে আইন, বিধি বা নিয়মের অধীনে বোঝাতে under preposition ব্যবহৃত হয়েছে। Police Property Act একটি আইন বা বিধি নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) in — ভেতরে বা মধ্যে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা আইনের ক্ষেত্রে সঠিক নয়। B) under — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল নয়। C) of — এর বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এই বাক্যের অর্থের সাথে মেলে না। D) about — সম্পর্কে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে অপ্রাসঙ্গিক। মনে রাখার টিপস: কোনো আইন, নিয়ম বা প্রবিধানের অধীনে কিছু করা বুঝাতে সবসময় under preposition ব্যবহার করতে হয়।
a Penitent
b Sore
c Angry
d Remorse
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Penitent কেন সঠিক: - Contrite শব্দের বাংলা অর্থ অনুতপ্ত বা পাপের জন্য ক্ষমাপ্রার্থী, যা অপশনের Penitent শব্দের অর্থের সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়। - নিজের ভুল কাজের জন্য মনে কষ্ট পাওয়া এবং ক্ষমা চাওয়ার অবস্থাকে Contrite এবং Penitent বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Penitent - এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ অনুতপ্ত। B) Sore - এর অর্থ ব্যথাদীর্ণ বা ক্ষুব্ধ, যা অনুতপ্ত অর্থে ব্যবহার করা যায় না। C) Angry - এর অর্থ রাগান্বিত, যা অপরাধবোধ বা অনুশোচনার বিপরীত অবস্থা। D) Remorse - এর অর্থ অনুশোচনা (সাধারণত বিশেষ্য পদ), কিন্তু এখানে adjective বা সমার্থক বিশেষণ প্রয়োজন ছিল। মনে রাখার টিপস: Contrite এবং Penitent উভয় শব্দই অনুতপ্ত বা ক্ষমা চাওয়ার মনোভাব বোঝাতে একসঙ্গে মনে রাখা সহজ।
a Curious
b Interesting
c Secret
d Diplomatic
0 94 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Curious কেন সঠিক: এখানে intriguing শব্দটি এমন কিছু বোঝায় যা মানুষের মনে গভীর কৌতূহল জাগায়। Curious অর্থ কৌতূহলোদ্দীপক যা এই বাক্যের মূল ভাবকে নিখুঁতভাবে প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Curious — এটি সঠিক উত্তর এবং মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগের পেছনের কৌতূহল প্রকাশ করে। B) Interesting — এটি কেবল সাধারণ আকর্ষণ বোঝায় কিন্তু intriguing শব্দের গভীর রহস্যময় কৌতূহল এর মধ্যে নেই। C) Secret — পদত্যাগটি গোপন ছিল না বরং সবার সামনে ঘটেছে তাই এটি ভুল। D) Diplomatic — পদত্যাগের সাথে রাজনৈতিক বা কূটনৈতিক কৌশলের সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: Intriguing শব্দ দেখলে সবসময় এমন কিছু মনে রাখবে যা মানুষের মনে রহস্য ও কৌতূহল (Curious) তৈরি করে।
a Intercede
b Impose
c Interfere
d Cross
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Interfere কেন সঠিক: Meddle শব্দের বাংলা অর্থ হলো অনধিকার চর্চা করা বা অন্যর ব্যাপারে নাক গলানো। Interfere শব্দের অর্থও হস্তক্ষেপ করা বা অন্যের ব্যাপারে নাক গলানো। তাই প্রদত্ত বাক্যের অর্থের সাথে Interfere শব্দটি সঠিকভাবে মিলে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Intercede — এর অর্থ মধ্যস্থতা করা বা কারও পক্ষে সুপারিশ করা, যা মূল শব্দের সাথে মেলে না। B) Impose — এর অর্থ কোনো কিছু চাপিয়ে দেওয়া, যা অন্যের ব্যাপারে নাক গলানোর সমার্থক নয়। C) Interfere — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। D) Cross — এর অর্থ অতিক্রম করা বা পার হওয়া, যা বাক্যের প্রেক্ষাপটে সম্পূর্ণ অর্থহীন। মনে রাখার টিপস: Meddle এবং Interfere দুটি শব্দই প্রায় একই অর্থ প্রকাশ করে এবং সাধারণত এদের পরে ইন প্রিপজিশন বসে।
a Friendliness
b Wrath
c Very
d Greed
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Friendliness কেন সঠিক: - Bonhomie শব্দের অর্থ হলো হৃদ্যতা, প্রীতি বা সৌহার্দ্যপূর্ণ মনোভাব। - Friendliness শব্দটির অর্থও বন্ধুত্বসুলভ আচরণ বা হৃদ্যতা, তাই এটি সঠিক সমার্থক শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Friendliness - এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ সৌহার্দ্য বা হৃদ্যতা। B) Wrath - এর অর্থ প্রচণ্ড রাগ বা ক্ষোভ, যা Bonhomie শব্দের বিপরীতার্থক। C) Very - এটি একটি তীব্রতা নির্দেশক শব্দ বা adverb, যার অর্থের সাথে কোনো মিল নেই। D) Greed - এর অর্থ লোভ বা লালসা, যা একটি নেতিবাচক মানসিকতা প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: Bonhomie শব্দটিতে Home বা ঘরের মতো একটি উষ্ণ ভাব আছে, যা ঘরে আপনজনদের সাথে মিলেমিশে থাকার বা Friendliness এর কথা মনে করিয়ে দেয়।
a that make their company seem large
b to make their companies seem larger
c thus making their companies seem larger
d so that the companies seem larger
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) to make their companies seem larger কেন সঠিক: - বাক্যের উদ্দেশ্য বোঝাতে ইনফিনিটিভ বা to + verb ব্যবহার করতে হয়, যা এখানে উদ্যোক্তাদের লক্ষ্য প্রকাশ করছে। - শূন্যস্থানের আগের অংশের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে plural noun (companies) এবং comparative degree (larger) ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) that make their company seem large — এখানে singular noun ব্যবহার করা হয়েছে, যা plural subject entrepreneurs এর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এবং তুলনামূলক রূপ (larger) ব্যবহার করা হয়নি। B) to make their companies seem larger — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশন হিসেবে পুনরায় এর ত্রুটি প্রযোজ্য নয়। C) thus making their companies seem larger — participle phrase ব্যবহারের ফলে বাক্যটির গঠনগত ধারাবাহিকতা নষ্ট হয় এবং মূল উদ্দেশ্য পরিষ্কার হয় না। D) so that the companies seem larger — so that এর পর সাধারণত modal verb যেমন can বা could বসে, যা এই বাক্যের কাঠামোর সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: উদ্দেশ্য বোঝাতে বাক্যের মাঝে সাধারণত to + verb ব্যবহার করতে হয় এবং সাবজেক্টের সাথে মিল রেখে noun-এর বচন ঠিক রাখতে হয়।
a fasts, in their ability to survive
b fasts, having their ability to survive
c fasts, due to having the ability of surviving
d Fasts because they are able to survive
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Fasts because they are able to survive কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যটিতে দুটি খণ্ডবাক্য যুক্ত করতে একটি সঠিক কনজাংশন বা যোজক প্রয়োজন, যা এখানে কারণ বোঝাচ্ছে। - because তারা ability বা সামর্থ্যের কারণ স্পষ্টভাবে প্রকাশ করে, যা বাক্যের অর্থের সাথে সম্পূর্ণ সঙ্গতিপূর্ণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) fasts, in their ability to survive — এটি ব্যাকরণগতভাবে অসম্পূর্ণ কারণ এখানে কোনো সঠিক ক্লজ বা যোজক নেই। B) fasts, having their ability to survive — পার্টিসিপল ফ্রেজের ব্যবহারটি এখানে বাক্যের মূল অর্থের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। C) fasts, due to having the ability of surviving — due to having ব্যবহারের কারণে বাক্যটির গঠন জটিল ও অপ্রাসঙ্গিক হয়ে গেছে। D) Fasts because they are able to survive — এটি সঠিক কারণ এটি কারণ নির্দেশক পূর্ণাঙ্গ ক্লজ গঠন করেছে। মনে রাখার টিপস: বাক্যের দুটি অংশের মধ্যে কারণ বোঝাতে প্রিপজিশনাল ফ্রেজের বদলে because দিয়ে সাবঅর্ডিনেট ক্লজ ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে নিরাপদ।
a as with
b as did those of
c as they have in
d like those of
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) like those of কেন সঠিক: তুলনার জন্য এখানে সঠিক pronoun ব্যবহার করা হয়েছে। আগের সংস্কৃতির সাথে থাই গ্রামের শিল্পের তুলনা বোঝাতে এটি বসেছে। বাক্যটির অর্থ পরিষ্কার করতে এই অপশনটি সবচেয়ে মানানসই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) as with — এখানে তুলনা করার জন্য উপযুক্ত noun বা pronoun এর অভাব রয়েছে। B) as did those of — পিন্ট কাল নির্দেশ করতে গিয়ে বাক্যের অর্থের সাথে মিল রাখছে না। C) as they have in — এই গঠনটি বাক্যটির সাথে ব্যাকরণগতভাবে মানানসই নয়। D) like those of — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: তুলনা করার সময় আগের কোনো বিষয়ের বহুবচন বোঝাতে those of ব্যবহার করতে হয়।
a James Baldwin's book that Baldwin wrote in France while he was living there
b about the books Baldwin wrote in France
c into James Baldwin's books written while in France.
d the books that Baldwin wrote while he lived in France.
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) the books that Baldwin wrote while he lived in France. কেন সঠিক: বাক্যের মূল ক্রিয়া research এর পর কোনো অতিরিক্ত preposition বা gerund এর প্রয়োজন হয় না। তাই অপশন ডি সরাসরি সঠিক object হিসেবে বসে বাক্যটিকে অর্থপূর্ণ ও ব্যাকরণগতভাবে নির্ভুল করে তোলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) [James Baldwin's book that Baldwin wrote in France while he was living there] — এখানে অতিরিক্ত শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে এবং বাক্যের মূল ভাবের সাথে গঠনগতভাবে মিল নেই। B) [about the books Baldwin wrote in France] — research শব্দের পর about ব্যবহার করা ভুল কারণ research একটি transitive verb হিসেবে সরাসরি object নেয়। C) [into James Baldwin's books written while in France.] — research into ব্যবহার করলে বাক্যটির স্বাভাবিক প্রবাহ নষ্ট হয় এবং এটি অপ্রয়োজনীয়ভাবে বড় হয়। D) [সঠিক উত্তর] — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। মনে রাখার টিপস: Research একটি transitive verb হওয়ায় এর পরে কোনো preposition বসে না, সরাসরি সঠিক noun phrase বসাতে হয়।
a has been general market inactivity lately, if not paralysis, which has provided
b there is general market inactivity, if not paralysis, lately it has provided
c general market inactivity, if not paralysis, has lately, provided
d lately, general market is activity, if not, paralysis, has provided.
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
**বিষয় ও ধরন:** ভাষা ও ব্যাকরণ (ইংরেজি সেন্টেন্স কারেকশন এবং ইনভার্শন) **সঠিক উত্তর:** A) has been general market inactivity lately, if not paralysis, which has provided **বিশেষ দ্রষ্টব্য:** প্রশ্নে প্রদত্ত সঠিক উত্তর হিসেবে D উল্লেখ থাকলেও, ব্যাকরণগত নিয়ম অনুযায়ী সঠিক উত্তর হলো অপশন A। নিচে মূল বাক্যের সঠিক গঠন ব্যাখ্যা করা হলো। **কেন সঠিক:** - বাক্যের শুরুতেই "Making things even more difficult" জেরান্ডিয়াল ফ্রেজটি সাবজেক্ট হিসেবে কাজ করায় এর পর মূল ভার্বের উপযুক্ত রূপ প্রয়োজন। - মূল বাক্যের গঠন অনুযায়ী "has been general market inactivity" অংশটি সঠিক এবং এর পর 'which' রিলাউভ প্রোনাউন ব্যবহার করে সঠিক অর্থ প্রকাশ করা হয়েছে। **বাকি অপশন কেন ভুল:** A) has been general market inactivity lately, if not paralysis, which has provided — এটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ সঠিক এবং স্বাভাবিক ইনভার্শন বা বাক্য গঠন মেনে চলেছে। B) there is general market inactivity, if not paralysis, lately it has provided — 'there is' ব্যবহারের কারণে মূল বাক্যের অরিজিনাল ফ্রেঞ্চ স্ট্রাকচার নষ্ট হয়েছে এবং অর্থ অসংগত হয়েছে। C) general market inactivity, if not paralysis, has lately, provided — কমা ব্যবহারের ভুলের কারণে বাক্যটির সাবজেক্ট ও ভার্বের মধ্যকার স্বাভাবিক সংযোগ নষ্ট হয়েছে। D) lately, general market is activity, if not, paralysis, has provided — এখানে 'market is activity' বাক্যংশটি অর্থহীন এবং ব্যাকরণের নিয়মবহির্ভূত। **মনে রাখার টিপস:** ইংরেজি বাক্যে প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্স গঠনে সাহায্যকারী ভার্ব হিসেবে 'has been'-এর পর নাউন ফ্রেজ বসালে বাক্যটির সঠিক অর্থ ও ব্যাকরণগত কাঠামো ঠিক থাকে।
a I was hurt deeply by his comment.
b I could be hurt deeply by his comment.
c his comment was hurtful.
d I should not be hurt by his comment.
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) I was hurt deeply by his comment. কেন সঠিক: - Active voice-এর অবজেক্ট (me) প্যাসিভ করার সময় সাবজেক্ট (I) হিসেবে বসেছে এবং পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্স হওয়ায় সাহায্যকারী ভার্ব হিসেবে was ব্যবহৃত হয়েছে। - মূল ভার্ব hurt-এর পাস্ট পার্টিসিপল রূপ hurt এবং তার সাথে deeply যুক্ত হয়ে সঠিক প্যাসিভ স্ট্রাকচার গঠন করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I was hurt deeply by his comment. — এটি প্রশ্নোক্ত বাক্যের সঠিক প্যাসিভ রূপ এবং প্রদত্ত সঠিক উত্তর। B) I could be hurt deeply by his comment. — এখানে modal auxiliary verb (could be) অতিরিক্ত ব্যবহার করা হয়েছে, যা মূল বাক্যের অর্থের সাথে মেলে না। C) his comment was hurtful. — এটি Passive voice নয় বরং একটি সাধারণ Adjective যুক্ত বাক্য। D) I should not be hurt by his comment. — এখানে modal verb (should not be) ব্যবহার করায় বাক্যের অর্থ পরিবর্তিত হয়ে গেছে। মনে রাখার টিপস: Active voice-এর অবজেক্টকে Subject বানাতে হবে এবং পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্সের ক্ষেত্রে was বা were বসিয়ে মূল ভার্বের V3 রূপ ব্যবহার করতে হবে।

মোট প্রশ্ন (15)

a 9
b 10
c 12
d 15
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১০ প্রদত্ত তথ্য: A এবং B একত্রে কাজটি করতে পারে ১২ দিনে B এবং C একত্রে কাজটি করতে পারে ১৫ দিনে A এবং C একত্রে কাজটি করতে পারে ২০ দিনে ধরি, মোট কাজের পরিমাণ = ৬০ অংশ অতএব, A, B এবং C এর একদিনের কাজের পরিমাণ যথাক্রমে ৫, ৪ এবং ৩ অংশ তিনজনে একত্রে একদিনের মোট কাজের পরিমাণ = (৫ + ৪ + ৩) ÷ ২ = ৬ অংশ সুতরাং, তিনজনে একত্রে সম্পূর্ণ কাজটি শেষ করতে সময় লাগবে = ৬০ ÷ ৬ = ১০ দিন উত্তর: ১০ দিন
a 15
b 16
c 18
d 17
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৮ প্রদত্ত তথ্য: ১০ জন মানুষ খাবার খায় = ২৪ দিন ১৫ টি ক্যানের খাবার প্রয়োজন হয় ধরি, ১ জন মানুষের ১ দিনে খাবার প্রয়োজন = ১৫ ÷ (১০ × ২৪) ক্যান ৮ জন মানুষের ৩৬ দিনে খাবার প্রয়োজন = (১৫ × ৮ × ৩৬) ÷ (২৪১০) ক্যান অতএব, লঘুষ্ঠ আকারে প্রকাশ করে পাই, উপরে ১৫ × ৮ × ৩৬ এবং নিচে ১০ × ২৪ কাটাকাটি করার পর মান পাওয়া যায় ১৮ ক্যান সুতরাং, ৮ জন মানুষের ৩৬ দিন বেঁচে থাকার জন্য ১৮ টি ক্যান প্রয়োজন উত্তর: ১৮ টি
a 10
b 18
c 36
d 72
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩৬ প্রদত্ত তথ্য: প্রতিটি ট্রেনের দৈর্ঘ্য = ১২০ মিটার পরস্পরকে অতিক্রম করার সময় = ১২ সেকেন্ড ধরি, দুটি ট্রেনের মোট দৈর্ঘ্য = ১২০ + ১২০ = ২৪০ মিটার বিপরীত দিক থেকে আসার কারণে আপেক্ষিক গতিবেগ সমান অতএব, ট্রেন দুটির মোট অতিক্রান্ত দূরত্ব = ২৪০ মিটার অতিক্রম করার সময় = ১২ সেকেন্ড সুতরাং, আপেক্ষিক গতিবেগ = ২৪০ ÷ ১২ = ২০ মিটার প্রতি সেকেন্ড উত্তর: ২০ মিটার প্রতি সেকেন্ড = ২০ × (১৮ ÷ ৫) = ৭২ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা এবং প্রতিটি ট্রেনের গতিবেগ = ৭২ ÷ ২ = ৩৬ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা
a 350
b 450
c 500
d 650
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩৫০ প্রদত্ত তথ্য: ট্রেনের দৈর্ঘ্য = ১৫০ মিটার ট্রেনের গতিবেগ = ৬০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা সেতু পার হতে সময় লাগে = ৩০ সেকেন্ড ধরি, সেতুর দৈর্ঘ্য = এক্স মিটার মোট অতিক্রান্ত দূরত্ব = ১৫০ + এক্স মিটার অতএব, ট্রেনের গতিবেগ সেকেন্ডে = ৬০ × ১০০০ ÷ ৩৬০০ মিটার প্রতি সেকেন্ড গতিবেগ হিসাব করে পাই = ৫০ ÷ ৩ মিটার প্রতি সেকেন্ড সুতরাং, মোট অতিক্রান্ত দূরত্ব = (৫০ ÷ ৩) × ৩০ মিটার দূরত্ব হিসাব করে পাই = ৫০০ মিটার উত্তর: ৫০০ − ১৫০ = ৩৫০ মিটার
a 35
b 37.5
c 37
d 40
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩৭.৫ প্রদত্ত তথ্য: যাওয়ার দূরত্ব = ১৫০ কিমি এবং গড় গতিবেগ = ৫০ কিমি প্রতি ঘণ্টা আসার দূরত্ব = ১৫০ কিমি এবং গড় গতিবেগ = ৩০ কিমি প্রতি ঘণ্টা ধরি, যাওয়ার সময় = ১৫০ ÷ ৫০ = ৩ ঘণ্টা আসার সময় = ১৫০ ÷ ৩০ = ৫ ঘণ্টা অতএব, মোট দূরত্ব = ১৫০ + ১৫০ = ৩০০ কিমি মোট সময় = ৩ + ৫ = ৮ ঘণ্টা সুতরাং, সমগ্র যাত্রার গড় গতিবেগ = ৩০০ ÷ ৮ = ৩৭.৫ কিমি প্রতি ঘণ্টা উত্তর: ৩৭.৫
a 5
b 6
c 6.5
d 8
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬ প্রদত্ত তথ্য: ভর্তি অবস্থায় ফেরির গতি খালি অবস্থার অর্ধেক পূর্ণ অবস্থায় অতিক্রান্ত দূরত্ব = ২০ মাইল ধরি, খালি অবস্থায় ফেরির গতি = ক মাইল প্রতি ঘণ্টা পূর্ণ অবস্থায় ফেরির গতি = ক ÷ ২ মাইল প্রতি ঘণ্টা অতএব, পূর্ণ অবস্থায় যাওয়ার সময় = ২০ ÷ (ক ÷ ২) ঘণ্টা খালি অবস্থায় ফেরার সময় = ২০ ÷ ক ঘণ্টা সুতরাং, মোট সময় = (২০ ÷ (ক ÷ ২)) + (২০ ÷ ক) + ১ = ১১ ঘণ্টা (৪০ ÷ ক) + (২০ ÷ ক) = ১০ উত্তর: ৬
a 3
b 4
c 5
d 6
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৬ প্রদত্ত তথ্য: দুই জন দৌড়বিদ বিপরীত দিকে দৌড়াতে শুরু করে ৩ ঘণ্টা পর তাদের মধ্যকার দূরত্ব ৩০ মাইল হয় ধরি, ধীরগতির দৌড়বিদের গতিবেগ = ক মাইল প্রতি ঘণ্টা দ্রুতগতির দৌড়বিদের গতিবেগ = (ক + ২) মাইল প্রতি ঘণ্টা অতএব, ৩ ঘণ্টায় ধীরগতির দৌড়বিদের অতিক্রান্ত দূরত্ব = ৩ক মাইল ৩ ঘণ্টায় দ্রুতগতির দৌড়বিদের অতিক্রান্ত দূরত্ব = ৩(ক + ২) মাইল সুতরাং, ৩ক + ৩(ক + ২) = ৩০ ৬ক + ৬ = ৩০ উত্তর: ৬
a 5000
b 7500
c 9000
d 12000
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৭৫০০ প্রদত্ত তথ্য: মাসিক বেতন বৃদ্ধি পায় ১০% বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি পায় ৯০০০ টাকা ধরি, মাসিক বেতন = ক টাকা বার্ষিক বেতন = ১২ × ক টাকা অতএব, বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি = (১২ × ক) এর ১০% বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি = ১.২ × ক শর্তমতে, ১.২ × ক = ৯০০০ ক = ৯০০০ ÷ ১.২ সুতরাং, ক = ৭৫০০ টাকা উত্তর: ৭৫০০
a 0.2
b 0.25
c 0.375
d 0.5
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ০.২ প্রদত্ত তথ্য: কলমের দাম বইয়ের দামের চেয়ে ২৫% বেশি পেন্সিল হোল্ডারের দাম বইয়ের দামের চেয়ে ৫০% বেশি ধরি, বইয়ের দাম = ১০০ টাকা অতএব, কলমের দাম = ১০০ + (১০০ এর ২৫%) = ১২৫ টাকা পেন্সিল হোল্ডারের দাম = ১০০ + (১০০ এর ৫০%) = ১৫০ টাকা পেন্সিল হোল্ডারের দাম কলমের দামের চেয়ে বেশি = ১৫০ − ১২৫ = ২৫ টাকা সুতরাং, কলমের দামের তুলনায় কত অংশ বেশি = ২৫ ÷ ১২৫ = ০.২ উত্তর: ০.২
a 672
b 700
c 749
d 848
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৭০০ প্রদত্ত তথ্য: বিজয়ী প্রার্থী মোট ভোটের ৮৪% পান তিনি ৪৭৬ ভোট বেশি পেয়ে নির্বাচিত হন ধরি, মোট ভোটের সংখ্যা হলো ১০০% অতএব, পরাজিত প্রার্থী ভোট পান = ১০০% − ৮৪% = ১৬% দুই প্রার্থীর প্রাপ্ত ভোটের পার্থক্য = ৮৪% − ১৬% = ৬৮% সুতরাং, ভোটের ৬৮% সমান হলো ৪৭৬ ভোট মোট ভোট = (৪৭৬ × ১০০) ÷ ৬৮ = ৭০০ উত্তর: ৭০০
a 20
b 23
c 25
d 32
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৫ প্রদত্ত তথ্য: দল ইতিমধ্যে খেলেছে ৬০ টি ম্যাচ জয় পেয়েছে ৪০ টি ম্যাচ বাকি আছে আরও ৩২ টি ম্যাচ ধরি, মোট ম্যাচ হবে ৬০ + ৩২ = ৯২ টি ম্যাচ পুরো মৌসুমে ৭০% জয় পেতে হবে মোট জয় প্রয়োজন ৯২ এর ৭০% অতএব, মোট জয়ের সংখ্যা = ৯২ × ৭০ ÷ ১০০ মোট জয়ের সংখ্যা = ৬৪.৪ বা প্রায় ৬৪ টি ম্যাচ ইতিমধ্যে জয় পেয়েছে ৪০ টি ম্যাচ সুতরাং, আরও জিততে হবে ৬৪ − ৪০ = ২৪ টি ম্যাচ অপশন অনুযায়ী সঠিক মান কাছাকাছি ২৫ টি ম্যাচ উত্তর: ২৫
a 1
b 0
c 2
d undefined
0 117 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) undefined প্রদত্ত তথ্য: এখানে লব সমান দুই এবং হর সমান শূন্য দেওয়া আছে কোনো সংখ্যাকে শূন্য দ্বারা ভাগ করার নিয়ম গণিতে নেই ধরি, যেকোনো সংখ্যা ক কে শূন্য দ্বারা ভাগ করা হলো এবং ফলাফল খ হলে, ক ভাগ শূন্য সমান খ লেখা যায় অতএব, এটিকে গুণ আকারে লিখলে পাওয়া যায় খ গুণ শূন্য সমান ক কিন্তু শূন্যের সাথে যেকোনো সংখ্যা গুণ করলে গুণফল সর্বদা শূন্য হয় সুতরাং, খ এর এমন কোনো নির্দিষ্ট মান পাওয়া সম্ভব নয় যা শর্ত পূরণ করে উত্তর: undefined
a 0.1
b 0.2
c 0.27
d 0.37
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ০.৩৭ প্রদত্ত তথ্য: w হলো x এর চেয়ে ১০% কম y হলো z এর চেয়ে ৩০% কম ধরি, x এর মান = ১০০ z এর মান = ১০০ অতএব, w এর মান = ১০০ এর ৯০% = ৯০ y এর মান = ১০০ এর ৭০% = ৭০ সুতরাং, xz এর গুণফল = ১০০ × ১০০ = ১০০০০ wy এর গুণফল = ৯০ × ৭০ = ৬৩০০ উত্তর: ১০০০০ থেকে ৬৩০০ বাদ দিলে থাকে ৩৭০০, যা ১০০০০ এর ৩৭% বা ০.৩৭ অংশ
a 240
b 250
c 280
d 300
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৫০ প্রদত্ত তথ্য: রুটির দাম বৃদ্ধি পেল কুড়ি শতাংশ আগে কেনা যেত তিনশোটি রুটি ধরি, আগে একটি রুটির দাম ছিল এক টাকা তিনশোটি রুটির মোট দাম ছিল তিনশো টাকা অতএব, বর্তমানের একটি রুটির দাম হয় এক টাকা বিশ পয়সা তিনশো টাকায় বর্তমানে রুটি পাওয়া যায় তিনশো ভাগ এক দশমিক দুই শূন্য সুতরাং, মোট রুটি কেনা যাবে আড়াইশোটি উত্তর: ২৫০
a 4
b 5
c 6
d 8
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪ প্রদত্ত তথ্য: মিশ্রণের মোট পরিমাণ = ২০ কেজি মিশ্রণে জলের পরিমাণ = ১০% ধরি, মিশ্রণে জলের পরিমাণ = ২০ এর ১০% = ২ কেজি মিশ্রণে স্পিরিটের পরিমাণ = ২০ − ২ = ১৮ কেজি অতএব, ধরি, ক কেজি জল মেশাতে হবে নতুন মিশ্রণে জলের পরিমাণ হবে = ২ + ক কেজি নতুন মিশ্রণে মোট পরিমাণ হবে = ২০ + ক কেজি সুতরাং, নতুন মিশ্রণে জলের শতকরা হার হবে পঁচিশ শতাংশ (২ + ক) ÷ (২০ + ক) = ২৫ ÷ ১০০ চূড়ান্ত হিসাব: ১০০ × (২ + ক) = ২৫ × (২০ + ক) ২০০ + ১০০ক = ৫০০ + ২৫ক অবশিষ্ট হিসাব: ৭৫ক = ৩০০ ক = ৪ উত্তর: ৪ কেজি

মোট প্রশ্ন (15)

a 1st January 1991
b 1st July 1991
c 1st January 1992
d 1st July 1992
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) 1st July 1991 কেন সঠিক: - বাংলাদেশে ১৯৯১ সালের ১ জুলাই থেকে মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট (VAT) ব্যবস্থা চালু করা হয়। - তৎকালীন অর্থমন্ত্রী সাইফুর রহমান জাতীয় সংসদে এই কর ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1st January 1991 — এই তারিখে বাংলাদেশে ভ্যাট চালু হয়নি, এটি ভুল সাল ও তারিখ। B) 1st July 1991 — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই তারিখ থেকেই বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে ভ্যাট কার্যকর হয়। C) 1st January 1992 — এই তারিখে ভ্যাট চালু করা হয়নি, এটি ভুল একটি কালপঞ্জি। D) 1st July 1992 — এটি ভ্যাট চালুর তারিখ নয়, বরং চালুর পরের অর্থবছরকে নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: স্বাধীনতার পর ১৯৯১ সালের জুলাই মাসের প্রথম দিনে বাংলাদেশে ভ্যাট চালুর ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
a Apple
b Facebook
c Microsoft
d Walmart
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Apple কেন সঠিক: - বাজার মূলধন বা মার্কেট ক্যাপিটালাইজেশনের দিক থেকে অ্যাপল বিশ্বের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় ও মূল্যবান প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান। - বৈশ্বিক প্রযুক্তি বাজারে শেয়ারের উচ্চ মূল্য এবং শক্তিশালী ব্র্যান্ড ভ্যালুর কারণে এটি ব্যবসা ও বাণিজ্যে শীর্ষস্থান দখল করে আছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Apple — এটি বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ মূল্যবান কোম্পানি হলেও বৈশ্বিক রিটেল বাজারের দিক থেকে এটি সঠিক নয়। B) Facebook — এটি বিশ্বের বৃহত্তম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কোম্পানি হলেও বাণিজ্য বাজারের সামগ্রিক মূল্যে অ্যাপলের চেয়ে পিছিয়ে রয়েছে। C) Microsoft — এটি বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান হলেও বর্তমান বাজার মূলধনে সাধারণত অ্যাপলের সঙ্গে শীর্ষস্থানের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। D) Walmart — এটি বিশ্বের বৃহত্তম রিটেল বা খুচরা বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান হলেও বাণিজ্য বাজারের প্রতিযোগিতায় এটি প্রযুক্তি খাতের কোম্পানির মতো শীর্ষস্থানে নেই। মনে রাখার টিপস: প্রযুক্তি বাজারের বাণিজ্যিক প্রতিযোগিতায় শীর্ষে থাকা অ্যাপল ফল হিসেবে আপেল হলেও বাজার কাঁপানো এক বিশাল অর্থনৈতিক শক্তি।
a Jogajog
b Pipilika
c Alapon
d BD Community
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Jogajog কেন সঠিক: - বাংলাদেশ সরকারের উদ্যোগে ফেসবুকের বিকল্প হিসেবে নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবে 'যোগাযোগ' তৈরি করা হয়েছে। - দেশের নিজস্ব তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে এবং তথ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই প্ল্যাটফর্মের পরিকল্পনা করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Jogajog — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বাংলাদেশের নিজস্ব পরিকল্পিত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। B) Pipilika — এটি বাংলাদেশের প্রথম বাংলা সার্চ ইঞ্জিন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নয়। C) Alapon — এটি সরকারি কাজে ব্যবহৃত একটি যোগাযোগ অ্যাপ, যা ফেসবুকের বিকল্প নয়। D) BD Community — এটি এমন কোনো সরকারি বা উল্লেখযোগ্য জাতীয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নয়। মনে রাখার টিপস: যোগাযোগ স্থাপনের মাধ্যম হিসেবে ফেসবুকের বিকল্প বাংলাদেশি প্ল্যাটফর্মের নাম রাখা হয়েছে 'যোগাযোগ'।
a President
b Treasurer
c Vice-President
d Keynote Speaker
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Vice-President প্রদত্ত তথ্য: জাতিসংঘের ৭৬তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশন বাংলাদেশ নির্বাচিত হয়েছে গুরুত্বপূর্ণ একটি পদে ধরি, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের মোট পদের সংখ্যা = ক বাংলাদেশের অর্জিত পদের গুরুত্ব = খ অতএব, নির্বাচিত পদের নাম নির্দিষ্ট করা হলো পদের সঠিক স্তর নির্ধারণ করা হলো সুতরাং, সঠিক পদটি হলো ভাইস প্রেসিডেন্ট উত্তর: C) Vice-President
a Brazil
b Italy
c Argentina
d Colombia
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: প্রদত্ত উত্তরটি ভুল। প্রশ্নটিতে ২০১৭ সালের কোপা আমেরিকার কথা বলা হয়েছে, যা একটি কাল্পনিক বা ভুল তথ্য। কোপা আমেরিকা ফুটবল টুর্নামেন্ট সাধারণত প্রতি চার বছর পর পর অনুষ্ঠিত হয় এবং ২০১৭ সালে কোনো কোপা আমেরিকা টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়নি। ২০১৬ সালে শতবার্ষিকী কোপা আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র এবং ২০১৯ সালে ব্রাজিল কোপা আমেরিকা আয়োজন করেছিল। কেন সঠিক: - প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে ব্রাজিল ২০১৬ সালের পর ২০১৯ সালে কোপা আমেরিকা টুর্নামেন্টের স্বাগতিক দেশ ছিল। - ২০১৭ সালে কোপা আমেরিকা টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত না হওয়ার কারণে এই প্রশ্নের কোনো সঠিক উত্তর নেই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Brazil — ব্রাজিল ২০১৬ সালের পরের আসর অর্থাৎ ২০১৯ সালের কোপা আমেরিকার স্বাগতিক দেশ ছিল, ২০১৭ সালের নয়। B) Italy — ইতালি ইউরোপীয় দেশ এবং এটি দক্ষিণ আমেরিকার ফুটবল টুর্নামেন্ট কোপা আমেরিকার স্বাগতিক দেশ হতে পারে না। C) Argentina — আর্জেন্টিনা ২০২১ সালের কোপা আমেরিকার অন্যতম স্বাগতিক দেশ ছিল, ২০১৭ সালের নয়। D) Colombia — কলম্বিয়া ২০২১ সালের কোপা আমেরিকার যৌথ স্বাগতিক দেশ হওয়ার কথা ছিল, ২০১৭ সালের নয়। মনে রাখার টিপস: কোপা আমেরিকা মূলত দক্ষিণ আমেরিকান ফুটবল টুর্নামেন্ট, যা সাধারণত প্রতি চার বছর পর অনুষ্ঠিত হয় এবং ২০১৭ সালে এর কোনো আসর বসেনি।
a Firdausi Qadri
b Jafar Iqbal
c Jesmin Firdausi
d Mahmudul Haque
0 96 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Firdausi Qadri কেন সঠিক: - বিশিষ্ট বাংলাদেশি বিজ্ঞানী ড. ফেরদৌসি কাদরী টিকাবিজ্ঞানে বিশেষ অবদানের জন্য ২০২১ সালে রামন ম্যাগসেসে পুরস্কার লাভ করেন। - কলেরা ও টাইফয়েডের মতো সংক্রামক রোগ প্রতিরোধে সাশ্রয়ী টিকা আবিষ্কার এবং জনস্বাস্থ্য উন্নয়নে তাঁর দীর্ঘ গবেষণা এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি এনে দেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Firdausi Qadri — এটি সঠিক উত্তর, তিনি ২০২১ সালে রামন ম্যাগসেসে পুরস্কার পেয়েছেন। B) Jafar Iqbal — তিনি একজন বিখ্যাত বাংলাদেশি কথাসাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ, এই পুরস্কার পাননি। C) Jesmin Firdausi — তিনি এই প্রশ্নের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো বিশিষ্ট ব্যক্তি নন। D) Mahmudul Haque — তিনি একজন খ্যাতিমান ঔপন্যাসিক ও কথাসাহিত্যিক ছিলেন, এই পুরস্কারের সঙ্গে সম্পর্কিত নন। মনে রাখার টিপস: টিকা গবেষণায় অবদানের জন্য ২০২১ সালে ম্যাগসেসে পুরস্কার পান ড. ফেরদৌসি কাদরী, যা চিকিৎসাবিজ্ঞানে বাংলাদেশের বড় অর্জন।
a Beximco Pharma
b Square Pharma
c ACI Pharma
d Globe Biotech
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Globe Biotech কেন সঠিক: - গ্লোব বায়োটেক লিমিটেড বাংলাদেশের একটি দেশীয় গবেষণানির্ভর প্রতিষ্ঠান যারা নিজেদের প্রযুক্তিতে বঙ্গভ্যাক্স কোভিড উনিশ টিকা তৈরি করেছে। - এটি বাংলাদেশের প্রথম কোনো দেশীয় প্রতিষ্ঠান যারা করোনার টিকা আবিষ্কারের ঘোষণা দিয়ে ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের পর্যায়ে পৌঁছেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Beximco Pharma — এটি মূলত ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটের তৈরি কোভিশিল্ড টিকা বাংলাদেশে আমদানি ও বাজারজাতকরণের সঙ্গে যুক্ত ছিল। B) Square Pharma — এটি বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান ওষুধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান হলেও এই টিকা আবিষ্কারের সঙ্গে যুক্ত নয়। C) ACI Pharma — এটি দেশের একটি শীর্ষস্থানীয় ওষুধ কোম্পানি হলেও বঙ্গভ্যাক্স টিকা গবেষণার সঙ্গে তাদের কোনো সম্পর্ক নেই। D) Globe Biotech — এই প্রতিষ্ঠানটিই নিজস্ব গবেষণায় বঙ্গভ্যাক্স টিকা তৈরি করেছে। মনে রাখার টিপস: গ্লোব অর্থ বিশ্ব, আর বিশ্ব জয় করে বাংলাদেশ তৈরি করেছে নিজস্ব টিকা বঙ্গভ্যাক্স।
a 40
b 42
c 41
d 43
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) 41 কেন সঠিক: - পদ্মা সেতুর মোট স্প্যানের সংখ্যা একচল্লিশটি এবং এর প্রতিটি স্প্যানের দৈর্ঘ্য দেড়শ মিটার। - এই একচল্লিশটি স্প্যানের ওপর দিয়েই মূলত মূল সেতুর চালিকাশক্তি ও মূল কাঠামো দাঁড়িয়ে আছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 40 — এই সংখ্যাটি পদ্মা সেতুর স্প্যানের মোট সংখ্যার চেয়ে কম, তাই এটি সঠিক নয়। B) 42 — এই সংখ্যাটি সঠিক সংখ্যার চেয়ে এক বেশি, যা পদ্মা সেতুর কাঠামোর সঙ্গে মেলে না। C) 41 — এটি সঠিক উত্তর কারণ পদ্মা সেতুতে ঠিক একচল্লিশটি স্প্যান ব্যবহার করা হয়েছে। D) 43 — এই সংখ্যাটি সঠিক সংখ্যার চেয়ে বেশি, তাই এটি ভুল অপশন। মনে রাখার টিপস: পদ্মা সেতুর মোট পিলারের সংখ্যা বিয়োগ এক করলে স্প্যানের সংখ্যা পাওয়া যায়, অর্থাৎ বিয়াল্লিশটি পিলার এবং একচল্লিশটি স্প্যান।
a Sputnik V
b Sinopharm
c Ban Covid
d Russ Vas
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Sputnik V কেন সঠিক: - স্পুটনিক ফাইভ হলো রাশিয়ার গ্যামালিয়া রিসার্চ ইনস্টিটিউট অব এপিডেমিওলজি অ্যান্ড মাইক্রোবায়োলজি কর্তৃক উদ্ভাবিত বিশ্বের প্রথম নিবন্ধিত কোভিড-১৯ টিকা। - এটি একটি অ্যাডেনোভাইরাল ভেক্টরভিত্তিক ভ্যাকসিন যা মানব শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Sputnik V — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই টিকাটি রাশিয়াতে উদ্ভাবন করা হয়েছে। B) Sinopharm — এটি চীন দেশ কর্তৃক উদ্ভাবিত একটি কোভিড-১৯ টিকা, যা রাশিয়াতে তৈরি হয়নি। C) Ban Covid — এটি কোনো স্বীকৃত বা প্রচলিত কোভিড-১৯ টিকার নাম নয়, এটি একটি কাল্পনিক অপশন। D) Russ Vas — এটিও কোনো টিকার নাম নয়, এটি রাশিয়া সংক্রান্ত একটি বিভ্রান্তিকর ও ভুল অপশন। মনে রাখার টিপস: রাশিয়ার বিখ্যাত উপগ্রহ স্পুটনিকের নামানুসারে তাদের প্রথম টিকার নাম রাখা হয় স্পুটনিক ফাইভ।
a USA
b China
c UK
d India
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) India কেন সঠিক: - ভোটার সংখ্যার দিক থেকে ভারত বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে স্বীকৃত। - দেশটির শাসনব্যবস্থা সংসদীয় গণতান্ত্রিক এবং এখানে নিয়মিত অবাধ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) USA — এটি বিশ্বের অন্যতম পুরোনো গণতন্ত্র হলেও জনসংখ্যার দিক থেকে ভারতের চেয়ে ছোট। B) China — এটি বিশ্বের সর্বাধিক জনসংখ্যার দেশগুলোর একটি হলেও এটি একটি একদলীয় কমিউনিস্ট রাষ্ট্র, গণতান্ত্রিক দেশ নয়। C) UK — এটি একটি প্রাচীন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ও সাংবিধানিক রাজতন্ত্র, যা আয়তন ও জনসংখ্যার দিক থেকে অনেক ছোট। D) India — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ এটি বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র। মনে রাখার টিপস: বিশ্বে জনসংখ্যার দিক থেকে দ্বিতীয় এবং গণতন্ত্রে প্রথম স্থান হলো ভারতের।
a Senegal
b Egypt
c Uganda
d South Africa
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: A) Senegal কেন সঠিক: - সেনেগাল ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের পর প্রথম আফ্রিকান দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে। - ১৯৭২ সালের ১ ফেব্রুয়ারি সেনেগাল আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Senegal — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি প্রথম আফ্রিকান দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। B) Egypt — মিশর আফ্রিকার দেশ হলেও সেনেগালের পরে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়েছিল। C) Uganda — উগান্ডা পরবর্তীতে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে, প্রথম ছিল না। D) দক্ষিণ আফ্রিকা — দক্ষিণ আফ্রিকা অনেক পরে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় এবং বর্ণবাদমুক্ত হয় ১৯৯৪ সালে। মনে রাখার টিপস: আফ্রিকায় সেনেগাল সবার আগে, বাংলাদেশকে দিল প্রথম ভাগে।
a Rajshahi
b Khulna
c Barishal
d Chattogram
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Barishal কেন সঠিক: - বরিশাল বিভাগের কোনো জেলার সঙ্গে ভারতের আন্তর্জাতিক সীমানা নেই। - এটি বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলে বঙ্গোপসাগরের কাছাকাছি অবস্থিত একটি উপকূলীয় বিভাগ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Rajshahi — রাজশাহী বিভাগের একাধিক জেলার সঙ্গে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের সীমানা রয়েছে। B) খুলনা — খুলনা বিভাগের সাতক্ষীরা ও মেহেরপুর জেলার সঙ্গে ভারতের সীমান্ত রয়েছে। C) Barishal — এই অপশনটি সঠিক কারণ এর সঙ্গে ভারতের কোনো সীমান্ত নেই। D) Chattogram — চট্টগ্রাম বিভাগের ফেনী, খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও বান্দরবান জেলার সঙ্গে ভারতের সীমান্ত রয়েছে। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের যে দুটি বিভাগের সঙ্গে ভারতের সীমান্ত নেই, তার একটি বরিশাল এবং অন্যটি ঢাকা।
a Indonesia
b Pakistan
c Bangladesh
d Turkey
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Indonesia কেন সঠিক: - ইন্দোনেশিয়া বিশ্বের সর্বাধিক মুসলিম জনসংখ্যার দেশ। - দেশটির মোট জনসংখ্যার প্রায় সাতাশি শতাংশ মানুষ ইসলাম ধর্মাবলম্বী। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Indonesia — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দেশে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি মুসলিম বসবাস করে। B) Pakistan — পাকিস্তান বিশ্বের অন্যতম প্রধান মুসলিম দেশ হলেও জনসংখ্যায় ইন্দোনেশিয়ার পরেই অবস্থান করে। C) Bangladesh — বাংলাদেশ বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ। D) Turkey — তুরস্ক একটি মুসলিম প্রধান দেশ হলেও এর জনসংখ্যা ইন্দোনেশিয়ার তুলনায় অনেক কম। মনে রাখার টিপস: ইন্দোনেশিয়া মানেই ইনডেক্সের শীর্ষে, অর্থাৎ মুসলিম জনসংখ্যার দিক থেকে সবার উপরে।
a 17 April en a
b 45392
c 45301
d 45600
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি / ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ঘটনা সঠিক উত্তর: A) 17 April কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল বৈদ্যনাথতলা (বর্তমান মুজিবনগর) আমবাগানে বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার শপথ গ্রহণ করে। - এই ঐতিহাসিক দিনটির স্মরণে প্রতিবছর ১৭ এপ্রিল মুজিবনগর দিবস পালন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 17 April — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দিনে মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করেছিল। B) 45392 — এটি একটি এক্সেল সিরিয়াল কোড বা ভুল সংখ্যা, যা কোনো ঐতিহাসিক তারিখ নির্দেশ করে না। C) 45301 — এটিও একটি ভুল সংখ্যা বা তারিখের কোড, যার সঙ্গে ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবসের কোনো সম্পর্ক নেই। D) 45600 — এটি একটি কাল্পনিক বা ভুল সংখ্যা, যা এই প্রশ্নের উত্তরের সঙ্গে সম্পূর্ণ অসংগত। মনে রাখার টিপস: ১৭ এপ্রিল ১৭ জন মন্ত্রী ও কর্মকর্তার সমন্বয়ে গঠিত মুজিবনগর সরকারের শপথ গ্রহণের দিন।
a Switzerland
b France
c Germany
d Italy
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Switzerland কেন সঠিক: - জি-আট বা জি-এইট (G-8) বিশ্বের প্রধান আটটি শিল্পোন্নত দেশের অর্থনৈতিক সংস্থা ছিল, যার মধ্যে সুইজারল্যান্ড অন্তর্ভুক্ত নয়। - ফ্রান্স, জার্মানি এবং ইতালি এই সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা বা নিয়মিত সদস্য দেশগুলোর অন্তর্ভুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Switzerland — এটি জি-আট (G-8) ভুক্ত কোনো দেশ নয়, কারণ এটি একটি নিরপেক্ষ অর্থনৈতিক নীতি অনুসরণকারী ইউরোপীয় দেশ। B) France — এটি জি-আট (G-8) ভুক্ত অন্যতম প্রধান শিল্পোন্নত সদস্য দেশ। C) Germany — এটি জি-আট (G-8) ভুক্ত সদস্য রাষ্ট্র এবং ইউরোপের অন্যতম শীর্ষ অর্থনীতি। D) Italy — এটি জি-আট (G-8) জোটের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য দেশগুলোর একটি। মনে রাখার টিপস: জি-আট জোটে ইউরোপ থেকে আছে জার্মানি, ফ্রান্স, ইতালি এবং যুক্তরাজ্য, কিন্তু নিরপেক্ষ দেশ সুইজারল্যান্ড এতে নেই।

মোট প্রশ্ন (10)

a ROM
b BIOS
c RAM
d SSD
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) RAM ১. কেন সঠিক: - RAM-এর পূর্ণরূপ হলো Random Access Memory, যা কম্পিউটারের একটি উদ্বায়ী বা ভোলাটাইল (Volatile) মেমোরি হিসেবে কাজ করে। - বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ বা কম্পিউটার রিস্টার্ট করা মাত্রই এই মেমোরিতে থাকা সমস্ত অস্থায়ী ডেটা বা তথ্য চিরতরে মুছে যায়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: ভোলাটাইল মেমোরি হলো এমন এক ধরনের কম্পিউটার মেমোরি, যা তথ্য ধরে রাখতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ প্রবাহের উপর নির্ভর করে। - কার্যপদ্ধতি: প্রসেসর যখন কোনো অ্যাপ্লিকেশনে কাজ করে, তখন প্রয়োজনীয় ডেটা ও নির্দেশাবলি সাময়িকভাবে এই মেমোরিতে জমা রাখে এবং দ্রুত আদান-প্রদান করে। - বৈশিষ্ট্য: এটি রিড ও রাইট উভয় কাজ করতে পারে এবং এর ডেটা অ্যাক্সেস স্পিড বা গতি অত্যন্ত দ্রুত গতির হয়ে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কম্পিউটারে একটি বড় মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ফাইল ওপেন করে কাজ করার সময় হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে গেলে ফাইলটি সেভ না করা থাকলে তা মুছে যায়। ব্যাখ্যা: এই সময় ফাইলটি র‍্যাম বা ভোলাটাইল মেমোরিতে প্রক্রিয়াজাত হচ্ছিল, তাই বিদ্যুৎ বন্ধ হওয়ামাত্রই তা হারিয়ে গেছে। উদাহরণ ২: স্মার্টফোনে একসঙ্গে দশটি অ্যাপস ব্যাকগ্রাউন্ডে চালু রাখার পর হঠাৎ ফোন বন্ধ হলে পুনরায় চালু করলে অ্যাপসগুলো নতুন করে লোড হয়। ব্যাখ্যা: র‍্যামের ধারণক্ষমতা কম থাকায় ব্যাকগ্রাউন্ড ডেটা ধরে রাখতে না পেরে সেগুলো মুছে ফেলে এবং নতুন করে চালু করতে হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ROM — এটি রিড অনলি মেমোরি, যা একটি নন-ভোলাটাইল বা স্থায়ী মেমোরি এবং বিদ্যুৎ চলে গেলেও এর ডেটা মুছে যায় না। B) BIOS — এটি বেসিক ইনপুট আউটপুট সিস্টেম, যা কম্পিউটারের স্থায়ী মেমোরি বা রম চিপে সংরক্ষিত থাকে এবং ভোলাটাইল নয়। D) SSD — এটি সলিড স্টেট ড্রাইভ, যা একটি স্থায়ী বা নন-ভোলাটাইল সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস হিসেবে কাজ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - ভোলাটাইল মানেই হলো যা ভোলা যায় বা উড়ে যায়, অর্থাৎ বিদ্যুৎ গেলে যে মেমোরির ডেটা উড়ে বা মুছে যায় তা হলো র‍্যাম। - র‍্যাম (RAM) হলো অস্থায়ী বা উদ্বায়ী মেমোরি আর রম (ROM) হলো স্থায়ী বা নন-ভোলাটাইল মেমোরি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রাইমারি মেমোরি, ভোলাটাইল ও নন-ভোলাটাইল মেমোরির পার্থক্যের ওপর প্রশ্ন আসে। - র‍্যাম প্রধানত দুই প্রকার, যথা: স্ট্যাটিক র‍্যাম এবং ডায়নামিক র‍্যাম।
a HTTP
b HTML
c IP
d FTP
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) FTP ১. কেন সঠিক: - FTP-এর পূর্ণরূপ হলো File Transfer Protocol, যা কম্পিউটার নেটওয়ার্কে এক সার্ভার থেকে অন্য সার্ভারে ফাইল স্থানান্তর বা আদান-প্রদান করতে ব্যবহৃত হয়। - এটি ক্লায়েন্ট-সার্ভার আর্কিটেকচারের মাধ্যমে কাজ করে এবং ইন্টারনেট বা লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কে বড় ফাইল নিরাপদে আপলোড বা ডাউনলোড করার সুযোগ দেয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: FTP হলো ইন্টারনেটে ফাইল স্থানান্তরের একটি মানসম্মত প্রোটোকল। - কার্যপদ্ধতি: এটি ডেটা স্থানান্তরের জন্য দুটি আলাদা চ্যানেল বা সংযোগ ব্যবহার করে, যার একটি নিয়ন্ত্রণ সংযোগ এবং অন্যটি ডেটা সংযোগের জন্য নির্দিষ্ট থাকে। - ব্যবহার: ওয়েবসাইট ডেভলপমেন্টে লোকাল কম্পিউটার থেকে রিমোট ওয়েব সার্ভারে ফাইল আপলোড বা ব্যাকআপ নেওয়ার কাজে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক্লায়েন্ট সার্ভারে আপলোড ব্যাখ্যা: একজন ওয়েব ডেভেলপার তার লোকাল কম্পিউটার থেকে কোডিং ফাইল FileZilla সফটওয়্যারের মাধ্যমে FTP ব্যবহার করে হোস্টিং সার্ভারে আপলোড করেন। উদাহরণ ২: বড় ফাইল ডাউনলোড ব্যাখ্যা: একটি সফটওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান তাদের সার্ভার থেকে বড় সাইজের ইনস্টলার ফাইল ব্যবহারকারীদের ডাউনলোডের জন্য FTP প্রোটোকল ব্যবহার করে উন্মুক্ত রাখে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) HTTP — এটি হাইপারটেক্সট ট্রান্সফার প্রোটোকল, যা মূলত ইন্টারনেটে ব্রাউজারে ওয়েব পেজ প্রদর্শন করতে ব্যবহৃত হয়, ফাইল স্থানান্তরের প্রাথমিক প্রোটোকল নয়। B) HTML — এটি হাইপারটেক্সট মার্কআপ ল্যাঙ্গুয়েজ, যা কোনো প্রোটোকল নয় বরং ওয়েব পেজ তৈরির একটি মার্কআপ ভাষা। C) IP — এটি ইন্টারনেট প্রোটোকল, যা নেটওয়ার্কে ডিভাইসের অবস্থান শনাক্তকরণ ও প্যাকেট রাউটিংয়ের কাজ করে কিন্তু সরাসরি ফাইল স্থানান্তর করে না। D) FTP — এটি সঠিক উত্তর কারণ ফাইল স্থানান্তরের জন্যই এই প্রোটোকলটি বিশেষভাবে ডিজাইন করা হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - FTP-এর নামের ভেতরেই ফাইল ট্রান্সফারের বিষয়টি লুকিয়ে আছে, যেখানে F হলো File এবং TP হলো Transfer Protocol। - ব্রাউজারে পেজ দেখার জন্য HTTP আর ফাইল আদান-প্রদানের জন্য FTP ব্যবহার করা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিভিন্ন নেটওয়ার্ক প্রোটোকলের কাজ জানতে চাওয়া হয়। - FTP সাধারণত পোর্ট নম্বর একুশ এবং বিশ ব্যবহার করে ক্লায়েন্ট ও সার্ভারের মধ্যে যোগাযোগ রক্ষা করে।
a Source code
b Object code
c Course code
d Executable file
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Object code ১. কেন সঠিক: - সোর্স কোড বা প্রোগ্রামের মেশিন বোধগম্য রূপকে অবজেক্ট কোড বলা হয়। - এটি বাইনারি বা জিরো ও ওয়ান ভিত্তিক ভাষা যা কম্পিউটার সরাসরি বুঝতে পারে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: প্রোগ্রামিং ভাষায় লেখা সোর্স কোড কম্পাইলারের মাধ্যমে অনুবাদ হওয়ার পর যে বাইনারি রূপ তৈরি হয় তাকে অবজেক্ট কোড বলে। - কার্যপদ্ধতি: অনুবাদক সফটওয়্যার উচ্চ স্তরের ভাষাকে কম্পিউটারের বোধগম্য যান্ত্রিক ভাষায় রূপান্তর করে অবজেক্ট কোড উৎপন্ন করে। - ব্যবহার: কম্পিউটার প্রসেসর সরাসরি এই কোড নির্বাহ করে ফলাফল প্রদান করতে পারে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সি ভাষায় লেখা প্রোগ্রাম ব্যাখ্যা: সি ভাষার কোড কম্পাইল করার পর অবজেক্ট কোড ফাইল তৈরি হয় যা প্রসেসর চালায়। উদাহরণ ২: সফটওয়্যার ইনস্টলেশন ফাইল ব্যাখ্যা: ডেভেলপারদের সোর্স কোড রূপান্তরিত হয়ে চূড়ান্ত অবজেক্ট কোড বা এক্সিকিউটেবল রূপ নেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Source code — এটি প্রোগ্রামারের লেখা মূল কোড যা মেশিন সরাসরি বুঝতে পারে না। B) Object code — এটি সঠিক উত্তর। C) Course code — এটি কোনো প্রোগ্রামিং বা কম্পিউটারের টার্ম নয়, শিক্ষামূলক কোর্সের কোড। D) Executable file — এটি অবজেক্ট কোড এবং অন্যান্য লাইব্রেরি ফাইলের সমন্বিত রূপ যা সরাসরি চালানো যায়। ৫ মনে রাখার টিপস: - সোর্স মানে উৎস বা মূল কোড এবং অবজেক্ট মানে লক্ষ্য বা মেশিনের বোধগম্য কোড। - কম্পিউটার শুধু যান্ত্রিক বা অবজেক্ট কোড বুঝতে পারে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - কম্পাইলারের প্রধান কাজ হলো সোর্স কোডকে অবজেক্ট কোডে রূপান্তর করা। - অনুবাদক প্রোগ্রাম হিসেবে কম্পাইলার ও ইন্টারপ্রেটার সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখা জরুরি।
a To provide security against unauthorized users
b To process client requests for web pages
c To process client requests for database access
d To protect against virus
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) To process client requests for web pages ১. কেন সঠিক: প্রক্সি সার্ভিস ক্লায়েন্ট ও মূল সার্ভারের মাঝে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করে। এটি ক্লায়েন্টের ওয়েব পেজের অনুরোধ গ্রহণ করে এবং নিজের মাধ্যমে তা সার্ভারে পাঠায়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: প্রক্সি সার্ভার হলো এমন একটি সিস্টেম যা ক্লায়েন্ট ও ইন্টারনেটের মাঝে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করে। কার্যপদ্ধতি: ক্লায়েন্ট কোনো ওয়েবসাইটের অনুরোধ পাঠালে প্রক্সি সার্ভার তা প্রথমে গ্রহণ করে এবং নিজের ক্যাশ থেকে বা মূল সার্ভার থেকে তা এনে দেয়। ব্যবহার: কর্পোরেট নেটওয়ার্কে ইন্টারনেট ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ এবং ওয়েব পেজ দ্রুত লোড করতে প্রক্সি ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অফিসের প্রক্সি সার্ভার ব্যাখ্যা: অফিসে কর্মীরা যখন কোনো ওয়েব পেজে প্রবেশ করতে চান, তখন প্রক্সি সার্ভার সেই অনুরোধ প্রসেস করে। উদাহরণ ২: ক্যাশ মেমোরি ভিত্তিক ব্রাউজিং ব্যাখ্যা: প্রক্সি সার্ভার জনপ্রিয় ওয়েব পেজগুলো নিজের মধ্যে সংরক্ষণ করে রাখে, যাতে ক্লায়েন্ট অনুরোধ করলে দ্রুত তা সরবরাহ করা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) To provide security against unauthorized users — এটি মূলত ফায়ারওয়াল বা অথেন্টিকেশন সিস্টেমের কাজ, প্রক্সি সার্ভারের মূল কাজ অনুরোধ প্রসেস করা। B) To process client requests for web pages — এটি সঠিক কারণ প্রক্সি সার্ভার ক্লায়েন্টের ওয়েব পেজের অনুরোধ প্রসেস করতে ব্যবহৃত হয়। C) To process client requests for database access — এটি ডেটাসেভার বা ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের কাজ, ওয়েব প্রক্সি সার্ভারের কাজ নয়। D) To protect against virus — এটি অ্যান্টিভাইরাস বা সিকিউরিটি সফটওয়্যারের কাজ, প্রক্সি সার্ভার ভাইরাসের বিরুদ্ধে সুরক্ষা দেয় না। ৫. মনে রাখার টিপস: প্রক্সি মানেই মধ্যস্থতাকারী বা প্রতিনিধি। ক্লায়েন্টের অনুরোধ গ্রহণ করে সার্ভারে পাঠানোই এর মূল কাজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রক্সি সার্ভার নেটওয়ার্কে নিরাপত্তা ও গতি বৃদ্ধিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রক্সি সার্ভারের কাজ সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
a 2
b 8
c 12
d 16
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৬ ১. কেন সঠিক: হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি বা বেস হলো ১৬। এই সংখ্যা পদ্ধতিতে মোট ষোলোটি অংক বা প্রতীক ব্যবহার করা হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি হলো এমন একটি সংখ্যা পদ্ধতি যেখানে ০ থেকে ৯ পর্যন্ত দশটি অংক এবং A থেকে F পর্যন্ত ছয়টি বর্ণ ব্যবহৃত হয়। কার্যপদ্ধতি: এই পদ্ধতিতে প্রতিটি ঘরের মান ১৬ এর ঘাত বা পাওয়ার হিসেবে বৃদ্ধি পায় এবং এটি বাইনারি ডেটাকে সংক্ষিপ্ত रूपে প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কম্পিউটারের মেমোরি অ্যাড্রেস বা হেক্সাডেসিমেল কোড যেমন 0xFF। ব্যাখ্যা: মেমোরি লোকেশন বা রঙের কোড নির্দিষ্ট করতে এই পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: এইচটিএমএল কালার কোড যেমন #FFFFFF সাদা রঙের জন্য। ব্যাখ্যা: ওয়েব ডিজাইনে রঙের সুনির্দিষ্ট মান বোঝাতে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২ — এটি বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি, যার অংক কেবল ০ এবং ১। B) ৮ — এটি অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি, যেখানে ০ থেকে ৭ পর্যন্ত অংক ব্যবহৃত হয়। C) ১২ — এটি কোনো প্রমিত বা বহুল ব্যবহৃত সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি নয়। D) ১৬ — এটি সঠিক কারণ হেক্সাডেসিমেল পদ্ধতিতে ০ থেকে ৯ এবং A থেকে F পর্যন্ত মোট ষোলোটি প্রতীক থাকে। ৫. মনে রাখার টিপস: হেক্সা শব্দের অর্থ ছয় এবং ডেসিমেল অর্থ দশ, অর্থাৎ ছয় যোগ দশ সমান ষোলো। বাইনারির বেস ২, অক্টালের বেস ৮, ডেসিমেলের বেস ১০ এবং হেক্সাডেসিমেলের বেস ১৬। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে A মানে ১০, B মানে ১১, C মানে ১২, D মানে ১৩, E মানে ১৪ এবং F মানে ১৫। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই হেক্সাডেসিমেল থেকে বাইনারি বা ডেসিমালে রূপান্তর করতে বলা হয়।
a Note
b 363
c 364
d 360
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) 363 ১. কেন সঠিক: - এফবিসিসিআই (FBCCI) হলো বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন। - এর পরিচালনা পর্ষদে বর্তমানে ৩ কি ৬ ৩ জন সদস্য রয়েছেন। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: এফবিসিসিআই (FBCCI) হলো ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি। - ব্যবহার: এটি বাংলাদেশের বিভিন্ন বাণিজ্য সংগঠন ও চেম্বারের কেন্দ্রীয় বা শীর্ষ সংস্থা হিসেবে কাজ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি। ব্যাখ্যা: এটি এফবিসিসিআই-এর একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য সংগঠন যা ব্যবসা বাণিজ্যের উন্নয়নে কাজ করে। উদাহরণ ২: চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি। ব্যাখ্যা: এটিও এফবিসিসিআই-এর অধীনে থেকে দেশের বন্দরনগরীর ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনা ও সমন্বয় করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Note — এটি একটি ভুল উত্তর কারণ প্রশ্নটি কোনো নোট বা টীকা সম্পর্কিত নয় বরং এটি একটি নির্দিষ্ট সংগঠনের সদস্য সংখ্যা সংক্রান্ত তথ্য। B) 363 — এটি সঠিক উত্তর কারণ এফবিসিসিআই-এর পরিচালনা পর্ষদের সদস্য সংখ্যা ৩ কি ৬ ৩ জন। C) 364 — এটি ভুল উত্তর কারণ এটি নির্ধারিত বা সঠিক সদস্য সংখ্যার চেয়ে একটি সংখ্যা বেশি। D) 360 — এটি ভুল উত্তর কারণ সঠিক সদস্য সংখ্যা ৩ কি ৬ ৩ জন যা এই সংখ্যার সঙ্গে মেলে না। ৫ মনে রাখার টিপস: - এফবিসিসিআই সদস্য সংখ্যা মনে রাখতে সংখ্যাটি ৩ কি ৬ ৩ মনে রাখুন। - এটি দেশের ব্যবসা বাণিজ্যের শীর্ষ পর্ষদের আকার নির্দেশ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এফবিসিসিআই (FBCCI)-এর পূর্ণরূপ হলো ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি। - এটি বাংলাদেশের বাণিজ্য খাতের নীতি নির্ধারণ ও সমন্বয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
a Abu Hena Mohammad
b Mustafa Kamal
c Tajuddin Ahmed
d Abul Maal A Muhith
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Tajuddin Ahmed ১. কেন সঠিক: - তাজউদ্দিন আহমেদ বাংলাদেশের প্রথম সরকারের প্রথম অর্থমন্ত্রী ছিলেন এবং ১৯৭২ সালে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম বাজেট পেশ করেন। - আইসিটি বা কম্পিউটারের সরাসরি প্রশ্ন না হলেও এটি বাংলাদেশ সম্পর্কিত সাধারণ জ্ঞান এবং তথ্যপ্রযুক্তির বিভিন্ন নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: বাজেট হলো একটি নির্দিষ্ট অর্থ বছরের সরকারের সম্ভাব্য আয় ও ব্যয়ের আনুমানিক হিসাব বিবরণী। - ব্যবহার: রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য রাজস্ব সংগ্রহ ও উন্নয়নে বাজেট প্রণয়ন করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ১৯৭২-৭৩ অর্থবছরের বাজেট ব্যাখ্যা: এটি স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম পেশ করা বাজেট যার পরিমাণ ছিল ৭৮৬ কোটি টাকা। উদাহরণ ২: জাতীয় বাজেট পেশ ব্যাখ্যা: সাধারণত প্রতি বছরের জুন মাসে অর্থমন্ত্রী জাতীয় সংসদে এই বাজেট পেশ করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Abu Hena Mohammad — ইনি বাংলাদেশের প্রথম অর্থমন্ত্রী ছিলেন না এবং প্রথম বাজেটও পেশ করেননি। B) Mustafa Kamal — ইনি বাংলাদেশের প্রথম বাজেট প্রণেতা নন, তিনি অন্য ক্ষেত্রের ব্যক্তিত্ব। D) Abul Maal A Muhith — ইনি বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদী ও সফল অর্থমন্ত্রী হলেও প্রথম বাজেট পেশ করেননি। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী ও প্রথম বাজেট প্রণেতা একই ব্যক্তি, তা হলো তাজউদ্দিন আহমেদ। - প্রথম বাজেট পেশের সাল হলো ১৯৭২ সাল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম বাজেট পেশ করা হয় ১৯৭২ সালের ৩০ জুন। - প্রথম বাজেটের মোট পরিমাণ ছিল ৭৮৬ কোটি টাকা।
a Oslo
b Могоссо
c Tokyo
d Turkey
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Tokyo ১. কেন সঠিক: ২০২০ সালের গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক এবং প্যারাঅলিম্পিক গেমস জাপানের রাজধানী টোকিওতে অনুষ্ঠিত হয়। কোভিড-১৯ মহামারীর কারণে এই আসর এক বছর পিছিয়ে ২০২১ সালে অনুষ্ঠিত হলেও অফিসিয়ালি এটি টোকিও ২০২০ নামে পরিচিত। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি এবং গণমাধ্যমের কল্যাণে বর্তমান যুগে বিশ্বজুড়ে যে কোনো আন্তর্জাতিক ক্রীড়া ইভেন্ট সরাসরি সম্প্রচার করা সম্ভব হয়। স্যাটেলাইট যোগাযোগ এবং ইন্টারনেট প্রোটোকল ব্যবহার করে এই মেগা ইভেন্টগুলোর হাই-ডেফিনেশন ভিডিও এবং ডেটা বিশ্বব্যাপী কোটি কোটি দর্শকের কাছে রিয়েল-টাইমে পৌঁছে দেওয়া হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লাইভ স্ট্রিমিং সেবা ব্যাখ্যা: টোকিও প্যারাঅলিম্পিকের মতো বিশ্বমানের অনুষ্ঠান ইউটিউব বা আন্তর্জাতিক সম্প্রচার মাধ্যমের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে সরাসরি দেখার ক্ষেত্রে ক্লাউড কম্পিউটিং এবং সিডিএন বা কন্টেন্ট ডেলিভারি নেটওয়ার্ক ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: গেমস ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম ব্যাখ্যা: প্যারাঅলিম্পিকের খেলাধুলার ফলাফল, পয়েন্ট টেবিল এবং খেলোয়াড়দের ডেটা ম্যানেজ করার জন্য বিশেষ ডেটাবেজ সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়, যা তাৎক্ষণিকভাবে বিশ্ববাসীর কাছে আপডেট পৌঁছে দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Oslo — অসলো নরওয়ের রাজধানী এবং এটি ২০২০ সালের গ্রীষ্মকালীন প্যারাঅলিম্পিক গেমসের আয়োজক শহর নয়। B) Morocco — মরক্কো আফ্রিকা মহাদেশের একটি দেশ এবং এটি কোনো আন্তর্জাতিক অলিম্পিক বা প্যারাঅলিম্পিক গেমসের স্বাগতিক শহর নয়। C) Tokyo — এটি সঠিক উত্তর কারণ ২০২০ সালের গ্রীষ্মকালীন প্যারাঅলিম্পিক গেমসের আয়োজক শহর ছিল জাপানের টোকিও। D) Turkey — তুরস্ক একটি দেশ এবং এটি ২০২০ সালের গ্রীষ্মকালীন প্যারাঅলিম্পিক গেমসের আয়োজক দেশ ছিল না। ৫ মনে রাখার টিপস: টোকিও ২০২০ অলিম্পিক এবং প্যারাঅলিম্পিক গেমস মহামারীর কারণে এক বছর পর ২০২১ সালে অনুষ্ঠিত হয়েছিল কিন্তু এর নামকরণ পরিবর্তন করা হয়নি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: আন্তর্জাতিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার ভেন্যু বা স্বাগতিক শহর সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধারণ জ্ঞান এবং আইসিটি ভিত্তিক তথ্য প্রযুক্তির প্রয়োগ হিসেবে আসে।
a Mahatma Gandhi
b Bill Clinton.
c Gorge Washington
d Donald Trump
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Bill Clinton. ১. কেন সঠিক: - 'My Life' বিশ্বখ্যাত মার্কিন রাজনীতিবিদ এবং যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের একটি আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ। - এই বইটিতে তাঁর রাজনৈতিক জীবন, ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা এবং প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার বিবরণ তুলে ধরা হয়েছে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: আত্মজীবনী হলো কোনো ব্যক্তির নিজের লেখা জীবনের ইতিহাস বা জীবনী। - ব্যবহার: বিশ্বনেতারা তাঁদের রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত জীবনের অভিজ্ঞতা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য লিপিবদ্ধ করতে আত্মজীবনী লিখে থাকেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লং ওয়াক টু ফ্রিডম ব্যাখ্যা: এটি দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনের নেতা নেলসন ম্যান্ডেলার আত্মজীবনী। উদাহরণ ২: উইংস অফ ফায়ার ব্যাখ্যা: এটি ভারতের প্রখ্যাত বিজ্ঞানী ও সাবেক রাষ্ট্রপতি এপিজে আব্দুল কালামের আত্মজীবনী। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Mahatma Gandhi — মহাত্মা গান্ধীর আত্মজীবনীর নাম মাই এক্সপেরিমেন্টস উইথ ট্রুথ। B) Bill Clinton. — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই আত্মজীবনীটি তাঁরই লেখা। C) Gorge Washington — জর্জ ওয়াশিংটনের কোনো বিখ্যাত আত্মজীবনী এই নামে নেই। D) Donald Trump — ডোনাল্ড ট্রাম্পের লেখা বইয়ের মধ্যে দ্য আর্ট অফ দ্য ডিল অন্যতম। ৫ মনে রাখার টিপস: - ক্লিনটন পরিবারের লেখা বিখ্যাত বইগুলোর মধ্যে হিলারি ক্লিনটনের 'লিভিং হিস্ট্রি' এবং বিল ক্লিনটনের 'মাই লাইফ' বেশ জনপ্রিয়। - রাজনীতিবিদের আত্মজীবনী মনে রাখার জন্য নেতার নামের সাথে বইয়ের মূল শিরোনাম মিলিয়ে পড়তে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিশ্বনেতাদের বিখ্যাত আত্মজীবনী থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বইটির নাম এবং লেখকের নাম একত্রে মুখস্থ রাখা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
a Qatar
b Saudi Arabia
c Iran
d Iraq
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Qatar ১. কেন সঠিক: কাতার মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে প্রাকৃতিক গ্যাসের সবচেয়ে বড় রপ্তানকারক এবং বিশ্বের অন্যতম প্রধান এলএনজি বা লিকুইফাইড ন্যাচারাল গ্যাস উৎপাদনকারী দেশ। এ দেশের নর্থ ফিল্ড নামক বিশাল গ্যাসক্ষেত্রটি বিশ্বের বৃহত্তম অ-সংযুক্ত প্রাকৃতিক গ্যাসক্ষেত্র হিসেবে পরিচিত, যা তাদের এই শীর্ষ অবস্থান অর্জনে সাহায্য করেছে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: প্রাকৃতিক গ্যাস হলো প্রধানত মিথেন গ্যাস নিয়ে গঠিত একটি জীবাশ্ম জ্বালানি যা ভূগর্ভ থেকে উত্তোলিত হয় এবং শক্তি উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়। কার্যপদ্ধতি: গ্যাসক্ষেত্র থেকে গ্যাস উত্তোলনের পর তা পাইপলাইনের মাধ্যমে পরিবাহী হয় অথবা শীতলীকরণের মাধ্যমে তরলে রূপান্তরিত করে জাহাজে করে বিভিন্ন দেশে রপ্তানি করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাতার গ্যাস বা কাতার এনার্জি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিশাল আকৃতির এলএনজি ট্যাঙ্কার জাহাজের মাধ্যমে গ্যাস সরবরাহ করে। ব্যাখ্যা: সামুদ্রিক পরিবহনের মাধ্যমে দীর্ঘ দূরত্বে গ্যাস পরিবহনের জন্য গ্যাসকে তরল অবস্থায় রূপান্তর করা বাধ্যতামূলক। উদাহরণ ২: মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো তেল এবং গ্যাসের ওপর তাদের অর্থনৈতিক ভিত্তি গড়ে তুলেছে এবং তা বিশ্ববাজারে সরবরাহ করে। ব্যাখ্যা: জ্বালানি নিরাপত্তার ক্ষেত্রে মধ্যপ্রাচ্যের গ্যাস রপ্তানিকারক দেশগুলো বিশ্ব অর্থনীতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Qatar - এটি সঠিক উত্তর কারণ কাতার মধ্যপ্রাচ্যে প্রাকৃতিক গ্যাস রপ্তানিতে প্রথম স্থানে রয়েছে। B) Saudi Arabia - সৌদি আরব প্রাকৃতিক গ্যাসের বড় উৎপাদক হলেও তারা মূলত বিশ্বের প্রধান পেট্রোলিয়াম বা crude oil রপ্তানিকারক দেশ। C) Iran - ইরানের গ্যাসের বিশাল মজুদ থাকলেও আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা এবং অভ্যন্তরীণ উচ্চ চাহিদার কারণে তারা কাতার পরিমাণ গ্যাস রপ্তানি করতে পারে না। D) Iraq - ইরাক প্রধানত খনিজ তেল রপ্তানির জন্য পরিচিত এবং প্রাকৃতিক গ্যাস রপ্তানিতে তাদের অবস্থান কাতার বা অন্যান্য দেশের তুলনায় পেছনে। ৫ মনে রাখার টিপস: মধ্যপ্রাচ্যের গ্যাস রাজার নাম কাতার, যেখানে প্রথম অক্ষর 'Q' দিয়ে বিশ্বের শীর্ষ গ্যাস উৎপাদককে মনে রাখা যায়। এলএনজি রপ্তানিতে মধ্যপ্রাচ্যে কাতার সবার চেয়ে এগিয়ে থাকে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কাতার বিশ্বের অন্যতম প্রধান এলএনজি রপ্তানিকারক দেশ হিসেবে বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। নর্থ ফিল্ড গ্যাসক্ষেত্রটি কোন দেশে অবস্থিত তা মনে রাখা জরুরি।