সঠিক উত্তর: A) পর্তুগিজ
১. কেন সঠিক:
- 'আনারস' শব্দটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। পর্তুগিজ বণিক ও ধর্মযাজকদের মাধ্যমে বাংলায় এই শব্দটি প্রবেশ করে।
- পর্তুগিজ ভাষা থেকে আগত বিদেশি শব্দগুলো সাধারণত আমাদের প্রাত্যহিক জীবনের নানা ফল, বস্তু বা সংস্কৃতির সঙ্গে জড়িত।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বিদেশি শব্দের উৎস নির্ণয় বাংলা ব্যাকরণের শব্দের শ্রেণিবিভাগ অধ্যায়ের অন্তর্ভুক্ত। পর্তুগিজরা বাণিজ্যের উদ্দেশ্যে বাংলায় আসার ফলে বহু পর্তুগিজ শব্দ বাংলা শব্দভান্ডারে স্থায়ীভাবে স্থান করে নিয়েছে।
- বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত এমন অনেক পর্তুগিজ শব্দ রয়েছে যা আমরা প্রতিদিন ব্যবহার করি এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এগুলো প্রায়শই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সাবান
ব্যাখ্যা: সাবান একটি পর্তুগিজ শব্দ যা আমাদের দৈনন্দিন জীবনে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজে বহুল ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: আলমারি
ব্যাখ্যা: আলমারি শব্দটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে এবং এটি একটি বহুল প্রচলিত গৃহস্থালি আসবাবপত্রের নাম।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পর্তুগিজ — এটি সঠিক উত্তর কারণ আনারস শব্দটি এই ভাষা থেকেই সরাসরি বাংলা ভাষায় গৃহিত হয়েছে।
B) ওলন্দাজ — ওলন্দাজ ভাষা থেকে বাংলায় আসা শব্দগুলো ভিন্ন যেমন হরতন, ইস্কাপন ইত্যাদি এবং এটি আনারসের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
C) আরবি — আরবি ভাষা থেকে বাংলায় ধর্ম, প্রশাসন ও সমাজ সংক্রান্ত অনেক শব্দ এসেছে কিন্তু আনারস আরবি শব্দ নয়।
D) দেশি — দেশি শব্দ বলতে মূলত অর্বাচীন বা আদিম অধিবাসীদের ব্যবহৃত শব্দকে বোঝায়, যা আনারস শব্দের উৎসের সঙ্গে মিলে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- পর্তুগিজ শব্দ মনে রাখার সহজ কৌশল হলো ফলমূল, খাদ্যদ্রব্য এবং দৈনন্দিন ব্যবহারের কিছু নির্দিষ্ট জিনিস যেমন আনারস, পেঁপে, চাবি মনে রাখা।
- বিদেশি শব্দের উৎস মনে রাখতে শব্দগুলোর সঙ্গে এর ঐতিহাসিক যোগাযোগের বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পর্তুগিজ শব্দ থেকে বারবার প্রশ্ন আসে, তাই এই শব্দগুলোর তালিকা ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
- একই নিয়মে অন্যান্য বিদেশি ভাষার শব্দ যেমন আরবি, ফারসি ও ওলন্দাজ শব্দগুলো আলাদা করে ছক তৈরি করে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: D) সৈয়দ মুজতবা আলী
১. কেন সঠিক:
- 'চাচা কাহিনী' গ্রন্থটির রচিয়তা প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও প্রাবন্ধিক সৈয়দ মুজতবা আলী।
- এটি মূলত তাঁর একটি বিখ্যাত রম্যরচনা ও ভ্রমণকাহিনীভিত্তিক গ্রন্থ যেখানে চাচার চরিত্রের মাধ্যমে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বিষয় ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সৈয়দ মুজতবা আলী বিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ বাঙালি রম্যলেখক ও ভ্রমণকাহিনীকার।
- তাঁর লেখায় গভীর পাণ্ডিত্য ও লঘু রসের চমৎকার সমন্বয় দেখা যায়, যার অনন্য উদাহরণ এই চাচা কাহিনী গ্রন্থটি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দেশে বিদেশে
ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ মুজতবা আলী রচিত অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি ভ্রমণকাহিনী।
উদাহরণ ২: পঞ্চপর্ণ
ব্যাখ্যা: এটিও সৈয়দ মুজতবা আলী রচিত একটি বিখ্যাত গল্পগ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সৈয়দ শামসুল হক — তিনি একজন প্রখ্যাত কবি ও ঔপন্যাসিক হলেও 'চাচা কাহিনী' তাঁর লেখা নয়।
B) শওকত ওসমান — তিনি মূলত সামাজিক রাজনৈতিক উপন্যাস ও ছোটগল্প রচনার জন্য বিখ্যাত, তাই এই গ্রন্থটি তাঁর নয়।
C) মুহম্মদ আব্দুল হাই — তিনি একজন প্রখ্যাত ভাষাবিজ্ঞানী ও গবেষক, এই রম্যরচনার সঙ্গে তিনি জড়িত নন।
D) সৈয়দ মুজতবা আলী — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই গ্রন্থটি তাঁরই অমর সৃষ্টি।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মুজতবা আলীর চাচা খুব ভ্রমণ করতে ভালোবাসতেন, তাই ভ্রমণকাহিনী ও রম্যরচনার লেখক হিসেবে তাঁর নাম মনে রাখবে।
- তাঁর লেখা মানেই হাস্যরস এবং গভীর জীবনবোধের এক অপূর্ব মিশ্রণ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সৈয়দ মুজতবা আলীর ছদ্মনাম সত্যপীর বা ওমর খৈয়াম প্রায়ই আসে।
- তাঁর বিখ্যাত ভ্রমণকাহিনী 'দেশে বিদেশে' এবং রম্যরচনা 'চাচা কাহিনী' থেকে নিয়মিত প্রশ্ন থাকে।
সঠিক উত্তর: C) ধর্মেই
১. কেন সঠিক:
- প্রবাদ-প্রবচনের অংশ হিসেবে বাক্যটির শূন্যস্থানে 'ধর্মেই' শব্দটি বসালে অর্থপূর্ণ ও প্রমিত প্রবাদ গঠিত হয়।
- 'কর্মই ধর্ম' একটি বহুল প্রচলিত প্রবাদ যার পূর্ণরূপ হলো কর্মই ধর্ম, কর্মই মুক্তি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা ভাষার একটি বিখ্যাত প্রবাদ-প্রবচন বা লোকোক্তি যা মানুষের কর্মের গুরুত্ব বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
- প্রবাদ-প্রবচনগুলো সমাজের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা ও উপলব্ধির ফল যা অপরিবর্তনীয়ভাবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: লোভে পাপ, পাপে মৃত্যু।
ব্যাখ্যা: এটিও একটি প্রবাদ-প্রবচন যা লোভের খারাপ পরিণতি সম্পর্কে সতর্ক করে।
উদাহরণ ২: দশের লাঠি, একের বোঝা।
ব্যাখ্যা: এটিও একটি প্রবাদ যা দলগত কাজের শক্তি ও সহনশীলতা প্রকাশ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) এতেই — প্রবাদের প্রচলিত কাঠামোর সঙ্গে এই শব্দটি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এবং অর্থের পূর্ণতা আসে না।
B) তাতেই — এটি প্রবাদের প্রমিত রূপের বাইরে এবং এর ব্যবহারে বাক্যটি ব্যাকরণগতভাবে অসিদ্ধ হয়।
C) ধর্মেই — সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি বাক্যের শূন্যস্থান পূর্ণ করতে সবচেয়ে উপযুক্ত ও প্রবাদসিদ্ধ।
D) কর্মেই — বাক্যের প্রথম অংশে 'কর্মই' শব্দটির পুনরাবৃত্তি ঘটায় এটি প্রবাদের নিয়ম অনুযায়ী সঠিক নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- প্রবাদ-প্রবচনগুলো সবসময় নির্দিষ্ট শব্দ বিন্যাস মেনে চলে তাই এগুলোতে নিজস্ব শব্দ যোগ করার সুযোগ নেই।
- পরীক্ষার হলে প্রবাদের প্রচলিত রূপটি মনে রাখলেই এই ধরনের শূন্যস্থান সহজেই পূরণ করা সম্ভব।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত প্রবাদ-প্রবচন থেকে শূন্যস্থান পূরণের প্রশ্ন আসে।
- প্রবাদগুলোর সঠিক ও প্রচলিত রূপ মুখস্থ রাখলে এই ধরনের প্রশ্নে পূর্ণ নম্বর পাওয়া সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: C) ব্যাপ্তি
কেন সঠিক:
- 'মাঝারে' শব্দটি এখানে শুধু স্থানগত অর্থে মাঝখানে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়নি।
- এটি সমস্ত জগৎ জুড়ে ঈশ্বরের উপস্থিতি বা পরিব্যাপ্তি প্রকাশ করছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণে অনুসর্গ হিসেবে 'মাঝারে' শব্দটি মাঝে, মধ্যে বা ব্যাপ্তি অর্থে বসে।
- সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত বা রজনীকান্ত সেনের কবিতায় ঈশ্বরের সর্বব্যাপী উপস্থিতি বোঝাতে এই শব্দের এমন প্রয়োগ দেখা যায়।
- যেমন বাতাসে তুমি আছ জগৎ মাঝারে বলতে পুরো জগৎজুড়ে তাঁর বিচরণ বোঝায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) বাইরে — 'মাঝারে' শব্দের অর্থ কখনই বাইরে হতে পারে না, কারণ এটি ভেতরের বা মধ্যের উপস্থিতি বোঝায়।
- B) মধ্যে — শব্দগতভাবে মনে হতে পারে কিন্তু পূর্ণাঙ্গ ভাব প্রকাশে এখানে শুধু 'মধ্যে' না বুঝিয়ে সমগ্রতার 'ব্যাপ্তি' বোঝানো হয়েছে।
- C) সঠিক উত্তর — এটি সঠিক হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই।
- D) সঙ্গে — 'মাঝারে' শব্দের অর্থ সঙ্গী বা সঙ্গে থাকা বোঝায় না।
মনে রাখার টিপস:
- বিশ্বজুড়ে বা সমগ্র জগৎ জুড়ে কোনো কিছুর উপস্থিতি বোঝালে 'মাঝারে' শব্দের অর্থ সবসময় ব্যাপ্তি হবে।
সঠিক উত্তর: B) আগুনের পরশমণি
১. কেন সঠিক:
- 'আগুনের পরশমণি' হলো বাংলাদেশের প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও নির্মাতা হুমায়ুন আহমেদের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস।
- এই উপন্যাসে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে একটি মধ্যবিত্ত পরিবারের অভিজ্ঞতা ও বীরত্ব ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- হুমায়ুন আহমেদ বিংশ শতাব্দীর শেষভাগের অন্যতম জনপ্রিয় বাঙালি কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার ও চলচ্চিত্র নির্মাতা।
- তাঁর সৃষ্ট হিমু ও মিসির আলি চরিত্র দুটি বাংলা সাহিত্যে এক অনন্য উচ্চতা লাভ করেছে এবং পাঠকদের মাঝে ব্যাপক সমাদৃত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জোছনা ও জননীর গল্প
ব্যাখ্যা: এটি হুমায়ুন আহমেদের আরেকটি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস, যা ১৯৭১ সালের পটভূমিতে রচিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: নন্দিত নরকে
ব্যাখ্যা: এটি হুমায়ুন আহমেদের প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস, যা তাঁর সাহিত্যজীবনের এক যুগান্তকারী মাইলফলক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চৌচির — এই নামক কোনো জনপ্রিয় উপন্যাস বা গ্রন্থ হুমায়ুন আহমেদের নয়। এটি মূলত অন্য লেখকের রচনা বা বিভ্রান্তিকর অপশন।
B) আগুনের পরশমণি — এটি হুমায়ুন আহমেদের লেখা এবং এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত।
C) নদী ও নারী — এটি খ্যাতিমান কথাসাহিত্যিক হুমায়ুন কবিরের লেখা একটি বিখ্যাত উপন্যাস।
D) সারেং বউ — এটি বিশিষ্ট ঔপন্যাসিক শহীদুল জহিরের বা হুমায়ুন আহমেদের নয়, বরং এটি শহীদুল্লাহ কায়সারের একটি বিখ্যাত উপন্যাস।
৫ মনে রাখার টিপস:
- হুমায়ুন আহমেদের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসগুলো মনে রাখার জন্য 'আগুনের পরশমণি' এবং 'জোছনা ও জননীর গল্প' নাম দুটি বিশেষভাবে মনে রাখতে হবে।
- প্রথম উপন্যাস 'নন্দিত নরকে' এবং শেষ উপন্যাস 'দেয়াল' - এই দুটি তথ্য মনে রাখলে অনেক প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই হুমায়ুন আহমেদের প্রথম উপন্যাস এবং মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসগুলো থেকে প্রশ্ন আসে।
- অন্য লেখকদের বিখ্যাত উপন্যাস যেমন 'নদী ও নারী' বা 'সারেং বউ' এর সাথে হুমায়ুন আহমেদের বই গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
সঠিক উত্তর: B) ২০১২
১. কেন সঠিক:
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রচিত 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' গ্রন্থটি ২০১২ সালের ১৮ জুন আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশিত হয়।
বইটির প্রচ্ছদ ডিজাইন করেছিলেন কাইয়ুম চৌধুরী এবং এর ইংরেজি অনুবাদ করেছিলেন অধ্যাপক ফকরুল আলম।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৫৪ সালের কাছাকাছি সময়ে ঢাকা সেন্ট্রাল জেলে বন্দী থাকা অবস্থায় এই আত্মজীবনী লেখা শুরু করেন।
প্রকাশনা সংস্থা ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড (ইউপিএল) এই ঐতিহাসিক গ্রন্থটির প্রথম প্রকাশক।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কারাগারের রোজনামচা
ব্যাখ্যা: এটি বঙ্গবন্ধুর লেখা দ্বিতীয় প্রকাশিত গ্রন্থ যা ২০১৭ সালে প্রকাশিত হয়।
উদাহরণ ২: আমার দেখা নয়াচীন
ব্যাখ্যা: এটি বঙ্গবন্ধুর লেখা তৃতীয় প্রকাশিত গ্রন্থ যা ২০২০ সালে প্রকাশিত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২০১০ — এই সালে 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' প্রকাশিত হয়নি, কারণ বইটি ২০১২ সালে প্রকাশিত হয়।
B) ২০১২ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, যা বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপকভাবে সমাদৃত হয়।
C) ২০১১ — এই সালে গ্রন্থটির প্রকাশনা সম্পন্ন হয়নি, এর কাজ সম্পন্ন হয় ২০১২ সালে।
D) ২০১৩ — এটি প্রকাশের সাল নয়, এটি প্রকাশের পরের বছর।
৫ মনে রাখার টিপস:
বঙ্গবন্ধুর আত্মজীবনী ২০১২ সালে প্রকাশিত হয়, মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো ২০১২ সালের জুন মাসের ১৮ তারিখ এটি সবার হাতে আসে।
তার জন্ম শতবর্ষ বা অন্যান্য ঐতিহাসিক সালের সাথে এটি গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বঙ্গবন্ধু রচিত আত্মজীবনী এবং অন্যান্য বইয়ের নাম ও প্রকাশকাল বারবার আসে।
এই ধরনের প্রশ্নের ক্ষেত্রে গ্রন্থের নাম, রচয়িতা এবং প্রকাশকাল ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) দিনলিপি
কেন সঠিক:
- এটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা একটি ঐতিহাসিক স্মারক গ্রন্থ।
- এই গ্রন্থটিতে ১৯৬৬ থেকে ১৯৬৮ সাল পর্যন্ত লেখকের কারাবাসের দিনগুলোর টুকরো টুকরো ঘটনা ও অনুভূতির বিবরণ রয়েছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- দিনলিপি বা ডায়েরি হলো এমন একটি সাহিত্যকর্ম যেখানে দিনপঞ্জির পাতার মতো প্রতিদিনের ঘটনা ধারাবাহিকভাবে লেখা হয়।
- বাংলা আত্মজীবনীমূলক সাহিত্যে এটি একটি প্রামাণ্য ও অনন্য দলিল হিসেবে বিশেষ স্থান দখল করে আছে।
- যেমন, কারাগারের বন্দিদশার একঘেয়েমি এবং বাইরের রাজনৈতিক পরিস্থিতি এর পাতার পর পাতায় জীবন্ত হয়ে উঠেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) নাটক — এটি কোনো সংলাপনির্ভর বা অভিনয়ের উপযোগী নাটক নয়।
- B) কাব্য — এটি কোনো পদ্য বা কবিতার বই নয়, বরং গদ্যে রচিত দিনলিপি।
- C) উপন্যাস — এটি কোনো কাল্পনিক বা কল্পকাহিনিভিত্তিক উপন্যাস নয়, এটি সম্পূর্ণ বাস্তব সত্যের ওপর ভিত্তি করে লেখা।
- D) দিনলিপি — এটি সঠিক অপশন কারণ এটি লেখকের দিনলিপি সংকলন।
মনে রাখার টিপস:
- রোজনামচা শব্দটির অর্থ হলো ডায়েরি বা দিনলিপি।
- কারাগার শব্দটির সাথে ডায়েরি বা দিনলিপি শব্দটি মিলিয়ে এই গ্রন্থটি মনে রাখা সহজ।
সঠিক উত্তর: A) মাইকেল মধুসূদন দত্ত
১. কেন সঠিক:
- বাংলা সাহিত্যে আধুনিকতার প্রবক্তা এবং প্রথম আধুনিক কবি হিসেবে মাইকেল মধুসূদন দত্ত সর্বস্বীকৃত।
- তিনি বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দ এবং সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতার সফল প্রবর্তন করেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা নাটকে অমরাবতী বা পাশ্চাত্য নাট্যরীতির সফল প্রয়োগ করেন।
- তাঁর বিখ্যাত মহাকাব্য মেঘনাদবধ কাব্য বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তিলোত্তমা সম্ভব কাব্য
ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ, যা অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত।
উদাহরণ ২: পদ্মাবতী নাটক
ব্যাখ্যা: এটি তাঁর রচিত প্রথম নাটক, যেখানে তিনি অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রাথমিক প্রয়োগ করেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — এটি সঠিক উত্তর।
B) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি, আধুনিক কবি নন।
C) জীবনানন্দ দাশ — তিনি বিংশ শতাব্দীর আধুনিক ও রূপসী বাংলার কবি, প্রথম আধুনিক কবি নন।
D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বিশ শতকের বিশ্বকবি ও নোবেলজয়ী সাহিত্যিক, তবে প্রথম আধুনিক কবি নন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- আধুনিকতার শুরু মানেই মাইকেল মধুসূদন দত্ত।
- প্রথম সনেট ও মহাকাব্যের রচয়িতাকেও প্রথম আধুনিক কবি হিসেবে মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বাংলা সনেটের প্রবর্তক ও প্রথম আধুনিক কবি সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
- বাংলা কাব্যে পাশ্চাত্য রীতির সফল প্রয়োগকারী হিসেবে তাঁর নাম সবসময় মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) মাত্রাবৃত্ত
১. কেন সঠিক:
চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন এবং এটি মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত। মাত্রাবৃত্ত ছন্দের মূল বৈশিষ্ট্য হলো এর ধ্বনিপ্রধান বা দলবৃত্ত রূপ এবং মুক্তদল ও রুদ্ধদলের নির্দিষ্ট গণনা পদ্ধতি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
চর্যাপদ হলো বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন যা মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে আবিষ্কার করেন। বাংলা সাহিত্যের আদি এই কাব্যগ্রন্থটি মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের সাধন সংগীত বা চর্যাগীতি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সন্ধ্যা ভাষা
ব্যাখ্যা: চর্যাপদের ভাষা প্রাকৃত ও প্রাচীন বাংলার সন্ধিক্ষণে রচিত হওয়ায় একে সন্ধা ভাষা বা আলো-আঁধারি ভাষা বলা হয়।
উদাহরণ ২: ডোম পদকর্তা
ব্যাখ্যা: চর্যাপদের ২৪ নম্বর পদের রচয়িতা ভুসুকুপা নিজেকে বাঙালি বলে পরিচয় দিয়েছেন এবং তিনি ডোম জাতির অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অমৃত্রাক্ষর — এটি বাংলা কাব্যের এক বিশেষ ছন্দরূপ যার প্রবক্তা মাইকেল মধুসূদন দত্ত এবং চর্যাপদের যুগে এর অস্তিত্ব ছিল না।
B) মাত্রাবৃত্ত — এই অপশনটি সঠিক এবং চর্যাপদ এই ছন্দের নিয়ম মেনে রচিত হয়েছে।
C) স্বরবৃত্ত — এটি মূলত লোকগীতির ছন্দ বা ঝঝাঁঝালো গতির ছন্দ যা চর্যাপদের রচনারীতি নয়।
D) কোনোটিই নয় — সঠিক উত্তর মাত্রাবৃত্ত অপশনে বিদ্যমান থাকায় এই অপشنটি গ্রহণযোগ্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
চর্যাপদের ছন্দ মনে রাখার সহজ উপায় হলো আদি নিদর্শন মাত্রাবৃত্ত। চর্যাপদ ও মাত্রাবৃত্ত উভয় শব্দটির মধ্যে প্রাচীন ও মৌলিক একটি মেলবন্ধন রয়েছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
চর্যাপদের মোট পদের সংখ্যা নিয়ে বিতর্ক থাকলেও ডক্টর সুকুমার সেনের মতে পদসংখ্যা ছেচল্লিশ দশমিক পাঁচ এবং এর মূল ছন্দ হলো মাত্রাবৃত্ত। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় চর্যাপদের ছন্দ ও আবিষ্কারক সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: A) ১৮০১
১. কেন সঠিক:
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসকে সাধারণত তিনটি যুগে ভাগ করা হয় এবং আধুনিক যুগের সূচনা ধরা হয় ১৮০১ সাল থেকে।
এই বছর ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয় এবং বাংলা গদ্যচর্চার সূচনা ঘটে, যা আধুনিক যুগের পথ প্রশস্ত করেছিল।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা সাহিত্যের কালকাল নির্ণয় নিয়ে বিভিন্ন মত থাকলেও সাধারণভাবে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে প্রাচীন যুগ ৬৫০ থেকে ১২০০ সাল, মধ্য যুগ ১২০০ থেকে ১৮০০ সাল এবং আধুনিক যুগ ১৮০১ সাল থেকে বর্তমানকাল পর্যন্ত।
১৮০১ সালকে আধুনিক যুগের সূচনাকাল ধরার পেছনে গদ্যের বিকাশ এবং সামন্তবাদী সমাজ ব্যবস্থার পরিবর্তে আধুনিক চেতনার উন্মেষ প্রধান কারণ হিসেবে কাজ করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ
ব্যাখ্যা: ১৮০১ সালে প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠানের পন্ডিতদের হাত ধরেই বাংলা গদ্যের আধুনিক রূপ বিনির্মাণ শুরু হয়।
উদাহরণ ২: উইলিয়াম কেরির কথোপকথন
ব্যাখ্যা: ১৮০১ সালে প্রকাশিত এই গ্রন্থটি বাংলা গদ্যের ইতিহাসে আধুনিক যুগের অগ্রযাত্রার একটি মাইলফলক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৮০১ — এই সাল থেকেই বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের সূচনা ধরা হয়।
B) ১৯০১ — এই সালটি বিংশ শতাব্দীর সূচনা নির্দেশ করে, যা আধুনিক যুগের অনেক পরের সময়।
C) ১৬০১ — এই সালটি মধ্য যুগের সময়সীমার অন্তর্ভুক্ত এবং এ সময় মধ্যযুগের সাহিত্য রচিত হতো।
D) ১৭০১ — এই সালটিও মধ্য যুগের আওতাধীন, কারণ মধ্য যুগ শেষ হয় ১৮০০ সালে।
৫ মনে রাখার টিপস:
১৮০১ সাল মনে রাখতে মনে রাখুন যে আধুনিক যুগের শুরু ১৮ দিয়ে এবং তার ঠিক পরেই ০১।
মধ্য যুগ শেষ হয় ১৮০০ সালে, আর আধুনিক যুগ শুরু হয় ঠিক তার পরের বছর অর্থাৎ ১৮০১ সাল থেকে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বাংলা সাহিত্যের যুগ বিভাজন এবং আধুনিক যুগের সূচনা সাল জানতে চাওয়া হয়।
ড. সুকুমার সেন এবং ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর যুগ বিভাজনের সালগুলোর পার্থক্য ভালোভাবে মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: D) মাথা খাটিয়ে কাজ কর
১. কেন সঠিক:
- এই বাক্যে মাথা শব্দটি বুদ্ধিমত্তা বা চিন্তাশক্তি প্রয়োগ করা অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
- দৈহিক শ্রমের পরিবর্তে মেধা বা বুদ্ধি খাটিয়ে কোনো কাজ সম্পন্ন করার ক্ষেত্রে মাথা খাটাও প্রযোগটি বহুল প্রচলিত।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ভাষায় শব্দের অর্থের বহুমুখিতা এবং রূপক ব্যবহার ব্যাকরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
- বিশেষ্য পদ হিসেবে 'মাথা' শরীরের একটি অঙ্গ বোঝালেও, বাগধারায় ও বিশেষ প্রয়োগে এটি বুদ্ধি, নেতৃত্ব বা প্রধান বোঝায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অংকটি করতে একটু মাথা খাটাও।
ব্যাখ্যা: এখানে অংক সমাধানের জন্য চিন্তাশক্তি বা বুদ্ধি প্রয়োগ করার কথা বলা হয়েছে।
উদাহরণ ২: কঠিন সমস্যা সমাধানে মাথা খাটাতে হয়।
ব্যাখ্যা: এখানেও মাথা শব্দটি বুদ্ধিমত্তা অর্থে প্রয়োগ করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তিনিই সমাজের মাথা — এই বাক্যে মাথা শব্দটি নেতৃত্ব বা প্রধান ব্যক্তি অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
B) লজ্জায় আমার মাথা কাটা গেল — এই বাক্যে মাথা কাটা যাওয়া বলতে মূলত চরম লজ্জা বা অপমানের কারণে মুখ দেখাতে না পারার অবস্থাকে বোঝানো হয়েছে।
C) মাথা নেই তার মাথা ব্যথা — এই বাক্যে প্রথম মাথা বলতে আক্ষরিক অর্থে মাথা এবং দ্বিতীয় মাথা ব্যথা বলতে দুশ্চিন্তা বা সমস্যা বোঝানো হয়েছে।
D) খাটিয়ে কাজ কর — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে মাথা শব্দটি বুদ্ধি অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- যখন কোনো বাক্যে বুদ্ধি প্রয়োগ করে কাজ করার পরামর্শ বা নির্দেশ থাকে, তখন বুঝতে হবে সেখানে মাথা শব্দটি বুদ্ধি অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
- শরীরের অঙ্গবাচক শব্দগুলো কীভাবে বাক্যের অর্থে ভিন্নতা আনে তা খেয়াল রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় একই শব্দের ভিন্ন অর্থে ব্যবহারের ওপর প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- শব্দের контекস্ট বা প্রসংগ বুঝে সঠিক অর্থ নির্ধারণ করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) খুব
১. কেন সঠিক:
'ভারি' শব্দটি এই বাক্যে আধিক্য বা মাত্রা বোঝাতে বিশেষণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
এখানে রূপের মুগ্ধতা যে অত্যন্ত বেশি, তা প্রকাশ করতেই 'খুব' অর্থে 'ভারি' শব্দটি বসেছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ভাষায় কিছু শব্দ তাদের আক্ষরিক অর্থ পরিবর্তন করে অন্য অর্থে বাক্যে ব্যবহৃত হয়।
'ভারি' সাধারণত ওজন বা গুরুত্ব বোঝাতে ব্যবহৃত হলেও কথ্য ও প্রমিত বাংলায় এটি তীব্রতা বা আধিক্য বোঝাতে বিশেষণরূপে বসে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অংকটি ভারি কঠিন।
ব্যাখ্যা: এখানে 'ভারি' শব্দটি কঠিনতার মাত্রা বা তীব্রতা খুব বেশি অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: আজ ভারি গরম পড়েছে।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে 'ভারি' শব্দটি গরমের আধিক্য বা প্রাবল্য বোঝাতে খুব অর্থে বসেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) খুব — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে 'ভারি' শব্দটির মাধ্যমে মুগ্ধতার মাত্রা বা তীব্রতা বোঝানো হয়েছে।
B) বেশি ওজন — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে বস্তুগত কোনো ভারী বস্তু বা ওজনের কথা বোঝানো হয়নি।
C) ভারহীন — এই অপশনটি সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে এবং বাক্যের ভাবের সঙ্গে মেলে না।
D) বেশি — এই অপশনটি আক্ষরিকভাবে কিছুটা কাছাকাছি হলেও 'ভারি মনোমুগ্ধকর' বাক্যে প্রমিত প্রয়োগ অনুযায়ী এটি 'খুব' অর্থে সবচেয়ে বেশি গ্রহণযোগ্য।
৫ মনে রাখার টিপস:
বাক্যে কোনো গুণের মাত্রা বোঝাতে 'ভারি' শব্দের আগে মনে মনে 'খুব' বসিয়ে দেখবে, অর্থ মিলে গেলে সেটি আধিক্য বোঝায়।
বিশেষণের তীব্রতা প্রকাশ করতে এই ধরনের শব্দের ব্যবহার ব্যাকরণে বেশ পরিচিত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের রূপান্তর ও প্রমিত ব্যবহার থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
বাক্যের контекস্ট বা প্রসংগ বুঝে শব্দের সঠিক অর্থ নির্ধারণ করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) বিরাগ
১. কেন সঠিক:
- অনুরাগ শব্দের অর্থ গভীর ভালোবাসা, আসক্তি বা প্রীতি।
- এর বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে বিরাগ ব্যবহৃত হয় যার অর্থ বিরূপতা বা অনাসক্তি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বিপরীতার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যা অন্য একটি শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করে।
- তৎসম শব্দের বিপরীতে তৎসম শব্দ এবং তদ্ভব শব্দের বিপরীতে তদ্ভব শব্দ ব্যবহার করার রীতি প্রচলিত আছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অনুরাগ ও বিরাগ
ব্যাখ্যা: এখানে অনুরাগের বিপরীত বিরাগ সঠিকভাবে আসক্তি ও বিরূপতা প্রকাশ করে।
উদাহরণ ২: আশা ও নিরাশ
ব্যাখ্যা: এটিও একটি প্রচলিত বিপরীতার্থক শব্দের জোড়া যা মনের ভাবকে বিপরীতভাবে প্রকাশ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মিতরাগ — এই শব্দটির সঠিক কোনো ব্যাকরণগত বা প্রচলিত অর্থ নেই।
B) বিরাগ — এটি সঠিক উত্তর এবং অনুরাগের যথাযথ বিপরীতার্থক শব্দ।
C) রাগহীন — এটি সাধারণ পদ গঠন হলেও অনুরাগের সুনির্দিষ্ট বিপরীতার্থক শব্দ নয়।
D) অনুরাগহীন — এটি অনুরাগের সমার্থক কাছাকাছি ভাব প্রকাশ করে, সরাসরি বিপরীতার্থক নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- অনু উপসর্গের স্থানে বি উপসর্গ যোগ করে খুব সহজেই বিপরীত শব্দ তৈরি করা যায়।
- অনুরাগের বিপরীত বিরাগ এভাবে জোড়া মুখস্থ রাখতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গ পরিবর্তনের মাধ্যমে গঠিত বিপরীত শব্দ প্রায়ই আসে।
- মূল শব্দের উৎস বিবেচনা করে বিপরীত শব্দ নির্বাচন করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) দূষণ
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরটি বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী শতভাগ নির্ভুল।
- বাংলা বানানরীতিতে মূর্ধন্য ণ এবং দন্ত্য ন এর ব্যবহার এবং দীর্ঘ ঊ কার ও হ্রস্ব উ কার এর সঠিক প্রয়োগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী তৎসম বা সংস্কৃত শব্দে ই, ঈ, উ, ঊ, ঋ এবং র, ষ এর পরে সাধারণত মূর্ধন্য ণ ব্যবহৃত হয়।
- দূষণ শব্দটিতে মূর্ধন্য ষ এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে মূর্ধন্য ণ এবং দু এর নিচে বসেছে দীর্ঘ ঊ কার, যা শব্দটির প্রমিত রূপ নির্ধারণ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ভূষণ
ব্যাখ্যা: ভূষণ শব্দটিতেও মূর্ধন্য ষ এর প্রভাবে মূর্ধন্য ণ ব্যবহৃত হয়েছে, যা দূষণ শব্দের মতোই একই ব্যাকরণগত নিয়ম অনুসরণ করে।
উদাহরণ ২: শোষণ
ব্যাখ্যা: শোষণ শব্দে মূর্ধন্য ষ এর পরে মূর্ধন্য ণ বসেছে এবং এটিও প্রমিত বাংলা বানানরীতির একটি আদর্শ উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দুষণ — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে দূষণ শব্দের দীর্ঘ ঊ কারের পরিবর্তে হ্রস্ব উ কার এবং মূর্ধন্য ণ এর পরিবর্তে দন্ত্য ন ব্যবহার করা হয়েছে।
B) দূষণ — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়।
C) দুষন — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে হ্রস্ব উ কার এবং দন্ত্য ন ব্যবহার করা হয়েছে, যা প্রমিত বানানরীতির পরিপন্থী।
D) দূষন — এই অপশনটিতে দীর্ঘ ঊ কার ঠিক থাকলেও দন্ত্য ন ব্যবহারের কারণে বানানটি ভুল হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মূর্ধন্য ষ এর পরে সাধারণত দন্ত্য ন না বসে মূর্ধন্য ণ বসে।
- দূষণ শব্দের শুরুতে দীর্ঘ ঊ কার এবং শেষে মূর্ধন্য ণ হয়, এই দুটি পরিবর্তন মনে রাখলেই বানান ভুল হবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বানানে ণত্ব বিধানের প্রয়োগ প্রায়ই আসে।
- ষ এর পরে ন থাকলে তা পরিবর্তন করে ণ করতে হয়, এই সাধারণ নিয়মটি মনে রাখলে অনেক শুদ্ধ বানান সহজে সমাধান করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: C) বাক্য
১. কেন সঠিক:
- ভাষার মূল উপকরণ হলো বাক্য কারণ বক্তার মনের ভাব সম্পূর্ণরূপে প্রকাশের মাধ্যম হলো বাক্য।
- ভাষার ক্ষুদ্রতম একক ধ্বনি হলেও অর্থপূর্ণ যোগাযোগের মৌলিক উপাদান বা ভিত্তি হলো বাক্য।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- একাধিক পদ মিলিত হয়ে যখন বক্তার মনের ভাব সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ করে, তখন তাকে বাক্য বলে।
- ভাষার মৌলিক উপাদান হিসেবে বাক্যের সাহায্যে মানুষ তার ভাব আদান-প্রদান করে থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাংলাদেশ একটি স্বাধীন দেশ।
ব্যাখ্যা: এটি একটি অর্থপূর্ণ বাক্য যা সম্পূর্ণ মনোভাব প্রকাশ করে।
উদাহরণ ২: নদীটি খুব দ্রুত প্রবাহিত হচ্ছে।
ব্যাখ্যা: এটি পদের সমন্বয়ে গঠিত একটি পূর্ণাঙ্গ বাক্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শব্দ — শব্দ ভাষার উপাদান হলেও এটি বাক্যের ক্ষুদ্র অংশ, সরাসরি মূল বা পূর্ণাঙ্গ উপকরণ নয়।
B) বিরাম চিহ্ন — বিরাম চিহ্ন বাক্যের অর্থ স্পষ্ট করার সহায়ক হলেও এটি ভাষার মূল উপকরণ নয়।
D) প্রত্যয় — প্রত্যয় নতুন শব্দ গঠনে সাহায্য করে, যা ব্যাকরণের অংশ কিন্তু ভাষার মূল উপকরণ নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
মনের ভাব সম্পূর্ণ প্রকাশের মূল বাহন বা উপকরণ হলো বাক্য।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ভাষা সংক্রান্ত প্রশ্নে ভাষার মূল উপাদান চাইলে বাক্য দাগাতে হবে এবং মূল একক চাইলে ধ্বনি বলতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) শব্দের পরে
কেন সঠিক:
১. অনুসর্গগুলো স্বাধীন পদ হিসেবে না বসে বিশেষ বা সর্বনাম পদের ঠিক পরেই বসে বাক্যের অর্থ প্রকাশ করে।
২. এই পদের কাজ হলো শব্দের সাথে অন্য পদের সম্পর্ক স্থাপন করা, তাই এদের অবস্থান সবসময় শব্দের পরে হয়ে থাকে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১. বাংলা ব্যাকরণে যে শব্দগুলো বিশেষ বা সর্বনাম পদের পরে বসে কারক বোঝাতে সাহায্য করে তাদের অনুসর্গ বলা হয়।
২. অনুসর্গগুলোকে কর্মপ্রবচনীয়ও বলা হয়ে থাকে এবং এগুলো সাধারণত বিভক্তির মতো কাজ করে থাকে।
৩. যেমন বাক্যে আমরা বলি দেশের তরে প্রাণ দেব, যেখানে তরে হলো অনুসর্গ যা দেশ শব্দের পরে বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শব্দের আগে — শব্দের আগে অনুসর্গ বসে না, কারণ অনুসর্গ সবসময় পদের পরে যুক্ত হয়ে নিজের কাজ সম্পন্ন করে থাকে।
B) শব্দের পরে — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি অনুসর্গের প্রকৃত ব্যাকরণগত অবস্থানকে নির্দেশ করে।
C) বাক্যের পূর্বে — বাক্য তৈরির সময় অনুসর্গ কখনো পুরো বাক্যের প্রথমে বসে না, বরং এটি নির্দিষ্ট পদের পরেই বসে।
D) বাক্যের মধ্যে — অনুসর্গ শুধু যেকোনো জায়গায় বসে না, এটি নির্দিষ্ট কোনো বিশেষ বা সর্বনাম পদের ঠিক পরেই বসে।
মনে রাখার টিপস:
অনুসর্গ মানে পরে, মনে রাখবে পিছে বসা তার স্বভাব। শব্দের পরে বসে সে কারক বোঝায় ভাব।
সঠিক উত্তর: C) ২
১. কেন সঠিক:
- গঠনভেদে বাংলা শব্দ মূলত দুই প্রকার। এগুলো হলো মৌলিক শব্দ এবং সাধিত শব্দ।
- শব্দের এই শ্রেণিবিভাগ নির্ধারণ করা হয় শব্দের গঠন বা উৎপত্তিগত বিশ্লেষণ বা প্রক্রিয়া অনুযায়ী।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- গঠনগত দিক থেকে বাংলা শব্দকে দুটি প্রধান ভাগে ভাগ করা হয়। প্রথমটি মৌলিক শব্দ যা বিশ্লেষণ করা যায় না এবং দ্বিতীয়টি সাধিত শব্দ যা উপসর্গ বা প্রত্যয় যোগে গঠিত হয়।
- মৌলিক শব্দ হলো সেই শব্দ যা ভাঙলে বা বিশ্লেষণ করলে আর কোনো অর্থপূর্ণ অংশ পাওয়া যায় না। সাধিত শব্দ হলো মৌলিক শব্দের সঙ্গে উপসর্গ বা প্রত্যয় যুক্ত হয়ে অথবা সমাসের মাধ্যমে গঠিত শব্দ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হাত
ব্যাখ্যা: এটি একটি মৌলিক শব্দ কারণ একে ভাঙলে আর কোনো অর্থপূর্ণ অংশ পাওয়া যায় না।
উদাহরণ ২: চলন্ত
ব্যাখ্যা: এটি একটি সাধিত শব্দ কারণ এটি চল ধাতু এবং অন্ত প্রত্যয় যোগে গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৪ — গঠনভেদে শব্দ চার প্রকার নয়, কারণ বাংলা ব্যাকরণে শব্দের গঠনগত শ্রেণিবিভাগ মাত্র দুটি।
B) ৫ — পাঁচ প্রকার শব্দ মূলত পদের শ্রেণিবিভাগ বা অন্য কোনো ব্যাকরণিক পদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে, গঠনের ক্ষেত্রে নয়।
C) ২ — এই অপশনটি সঠিক কারণ গঠনভেদে শব্দ মৌলিক ও সাধিত এই দুই ভাগে বিভক্ত।
D) ৩ — তিন প্রকার শব্দ উৎস বা অন্য কোনো বিচারে হতে পারে, কিন্তু গঠনভেদে সংখ্যাটি তিন নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- গঠনভেদে শব্দ বললে মনে রাখবে দুই অক্ষরের শব্দ 'গঠন', তাই এর প্রকারভেদও দুটি অর্থাৎ মৌলিক ও সাধিত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই উৎসভেদে এবং গঠনভেদে শব্দের পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়, তাই উৎসের ৫ প্রকার এবং গঠনের ২ প্রকার গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
সঠিক উত্তর: B) কর্মকারক
১. কেন সঠিক:
বাক্যে 'ঘোড়া' হলো কর্তা এবং 'গাড়ি' হলো কর্ম। ঘোড়া নিজে কাজ করছে কিন্তু তার কাজের ফল বা প্রভাব এসে পড়ছে 'গাড়ি' পদের ওপর, যা টানার মাধ্যমে চালিত হচ্ছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
বাক্যের ক্রিয়াকে কি বা কাকে দ্বারা প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তাকে কর্মকারক বলে। এখানে 'কী টানে' প্রশ্নের উত্তরে 'গাড়ি' শব্দটি আসে, যা কর্মকারকের রূপ প্রকাশ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ডাক্তার রোগী দেখেন।
ব্যাখ্যা: কাকে দেখেন প্রশ্নের উত্তরে 'রোগী' হলো কর্মকারক।
উদাহরণ ২: শিক্ষক পড়াচ্ছেন।
ব্যাখ্যা: কী পড়াচ্ছেন প্রশ্নের উত্তরে কর্মকারক বোঝায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কর্তৃকারক — ঘোড়া নিজেই কাজ করছে তাই এটি কর্তা, কিন্তু কর্মপদ থাকায় সঠিক উত্তর কর্মকারক হবে।
B) কর্মকারক — এটি সঠিক কারণ গাড়ি এখানে ক্রিয়ার কর্ম হিসেবে সম্পূর্ণভাবে যুক্ত আছে।
C) অপাদান কারক — অপাদান কারক বলতে যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত বা ভীত হয় বোঝায়, যা এখানে অনুপস্থিত।
D) অধিকরণ কারক — অধিকরণ কারক বলতে স্থান, কাল বা বিষয় বোঝায়, যা এই বাক্যে নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
বাক্যের ক্রিয়াকে কী বা কাকে দিয়ে প্রশ্ন করলে যদি উত্তর মেলে, তবে সেটি সাধারণত কর্মকারক হয়। কর্তা কাজটি করে আর যার ওপর ফল পড়ে তা কর্ম।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রাণীবাবচক বা বস্তুবাবচক কর্মের ব্যবহার প্রায়ই আসে। বাক্য দেখে কর্তা ও কর্মের সম্পর্ক ভালোভাবে বুঝতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) উৎ + হার
১. কেন সঠিক:
সন্ধির নিয়মানুযায়ী ত্ কিংবা দ্-এর পরে যদি হ্ থাকে, তবে ত্ কিংবা দ্-এর জায়গায় দ্ হয় এবং পরবর্তী হ্-এর জায়গায় ধ্ হয়।
এখানে উৎ শব্দের অন্তস্থিত ত্-এর পরে হার শব্দের হ্ থাকায় ত্ পরিবর্তিত হয়ে দ্ এবং হ্ পরিবর্তিত হয়ে ধ্ হয়েছে, যার ফলে উদ্ধার শব্দটি গঠিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
এটি ব্যঞ্জনসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম। সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী বর্গের প্রথম বা তৃতীয় বর্ণের পর হ থাকলে প্রথম বা তৃতীয় বর্ণের স্থানে পরবর্তী বর্গের তৃতীয় বর্ণ এবং হ-এর স্থানে পূর্ববর্তী বর্গের চতুর্থ বর্ণ হয়।
এখানে ত্-এর স্থানে দ্ এবং হ্-এর স্থানে ধ্ হয়ে দ্বিত্ব বা যুক্তবর্ণ গঠিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পদ্ম (পদ + হতি)
ব্যাখ্যা: ত্-এর পরে হ্ থাকার কারণে ত্-এর জায়গায় দ্ এবং হ্-এর জায়গায় ধ্ হয়ে এই শব্দ গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: পদ্ধতি (পথ + হতি)
ব্যাখ্যা: এখানেও একই ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম প্রয়োগ করে ত্ ও হ্ পরিবর্তিত হয়ে দ্ ও ধ্ রূপ ধারণ করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উদ্ + হার — এখানে প্রথম অংশে হসন্তযুক্ত দ ব্যবহার করা হয়েছে, যা প্রমিত বাংলা সন্ধির নিয়মে সঠিক হলেও প্রচলিত তৎসম সন্ধিতে খণ্ড-ত বা উৎ ব্যবহার করা হয়।
C) উত + হার — এই অপশনে উৎ-এর খণ্ড-ত-এ হসন্ত বা খণ্ডরূপ ব্যবহার না করার কারণে এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক বানান বা গঠন নয়।
D) উৎঃ + হার — এই অপশনে উৎ শব্দের সাথে একটি অহেতুক বিসর্গ যুক্ত করা হয়েছে, যা এই সন্ধির ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক ও ভুল।
৫ মনে রাখার টিপস:
উদ্ধার শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ মনে রাখার সহজ সূত্র হলো উৎ যোগ হার।
পরীক্ষায় হ থাকলে পূর্বের ত্-কে উৎ এবং পরের হ-কে ধ তে রূপান্তর করার বিষয়টি মাথায় রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
এই ধরনের ব্যঞ্জনসন্ধি বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
একই নিয়মে পতি + হতি থেকে পদ্ধতি এবং উদ্ + হরণ থেকে উদাহরণ শব্দগুলো গঠিত হয়, যা অনুশীলন করা জরুরি।
সঠিক উত্তর: D) বাগ্মী
১. কেন সঠিক:
'যিনি বক্তৃতা দানে পটু' বোঝাতে 'বাগ্মী' শব্দটি ব্যবহার করা হয়। বাকপটু বা সুন্দরভাবে কথা বলার দক্ষতাকে বাগ্মিতা বলা হয় এবং যিনি এই গুণটির অধিকারী, তাঁকে এককথায় বাগ্মী বলা হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
এটি বাংলা ব্যাকরণের এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন অংশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। কোনো বড় ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যমেই ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায় এবং ভাবসংক্ষেপ ঘটে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: যিনি অনেক কথা বলেন
ব্যাখ্যা: একে এককথায় বাচাল বলা হয়।
উদাহরণ ২: যিনি কম কথা বলেন
ব্যাখ্যা: একে এককথায় মিতভাষী বলা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বক্তা — বক্তা অর্থ যিনি সাধারণভাবে কথা বলেন বা বক্তৃতা দেন, কিন্তু পটু হওয়ার বিশেষত্ব বোঝাতে এটি সঠিক নয়।
B) বাচাল — বাচাল বলতে অতিরিক্ত বা বেশি কথা বলা ব্যক্তিকে বোঝায়, যা পটুতার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
C) মিতভাষী — মিতভাষী অর্থ যিনি কম কথা বলেন, যা বক্তৃতাদানে পটু হওয়ার বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
D) বাগ্মী — সঠিক উত্তর, কারণ এটি সুন্দর ও পটুভাবে বক্তৃতা দানে পারদর্শী ব্যক্তিকে নির্দেশ করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
কথা বা বাক এর সঙ্গে সম্পর্কিত শব্দ হলো বাগ্মী, যার অর্থ সুন্দর ও পটুভাবে কথা বলতে পারদর্শী। সাধারণ বক্তা আর পটু বক্তার মধ্যে পার্থক্য বুঝতে বাগ্মী শব্দটি মনে রাখতে হবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে সামান্যার্থক শব্দগুলোর সূক্ষ্ম পার্থক্য প্রায়ই পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করে। তাই শব্দের মূল অর্থ ভালো করে বুঝে মুখস্থ করার বদলে আত্মস্থ করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) You, he and I are present.
কেন সঠিক:
একাধিক ভিন্ন পুরুষের প্রোনাউন একসঙ্গে বসলে সাধারণ নিয়মে প্রথমে দ্বিতীয় পুরুষ, পরে তৃতীয় পুরুষ এবং শেষে প্রথম পুরুষ বসাতে হয়।
এই নিয়ם অনুযায়ী ক্রমটি হবে You, he and I এবং একাধিক সাবজেক্ট থাকলে ভার্বটি সবসময় প্লুরাল বা are হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) You, he and I am present — এখানে সব প্রোনাউনের ক্রম ঠিক থাকলেও I-এর সাথে am ব্যবহার করায় তা ভুল হয়েছে কারণ সাবজেক্ট প্লুরাল হওয়ায় are হবে।
B) He, you and I am present — এখানে প্রোনাউনের ক্রম ভুল আছে এবং am ব্যবহার করা হয়েছে, যা সঠিক নিয়মের পরিপন্থী।
C) I, you and he are present — এখানে প্রোনাউনের স্বাভাবিক ক্রম অনুসরণ করা হয়নি কারণ প্রথম পুরুষ প্রথমে বসেছে।
D) You, he and I are present — এটি সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
সাধারণ বাক্যে প্রোনাউনের ক্রম মনে রাখার সহজ উপায় হলো দুই, তিন, এক (২৩১) এবং ভার্বটি সবসময় প্লুরাল হবে।
সঠিক উত্তর: A) Optimistic
কেন সঠিক:
Sanguine শব্দের অর্থ আশাবাদী বা প্রফুল্ল।
Optimistic শব্দের অর্থ একই রকম আশাবাদী।
তাই এই দুটি শব্দ সমার্থক।
এই দুটি পজিটিভ অর্থ প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Optimistic — এটি সঠিক উত্তর।
B) Restless — এর অর্থ অস্থির যা সংগুলীনের বিপরীত।
C) Hopeless — এর অর্থ হতাশ যা এর ঠিক উল্টো অর্থ প্রকাশ করে।
D) Bloody — এর অর্থ রক্তাক্ত যা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি অর্থ দেয়।
মনে রাখার টিপস:
Sanguine মানে রক্তিম বা লালচে, আর লাল রঙ সবসময় আশার প্রতীক হিসেবে ধরা হয়।
সঠিক উত্তর: A) Generosity
কেন সঠিক:
Bounty শব্দের অর্থ হলো উদারতা বা মুক্তহস্তে দান করা।
Generosity শব্দের অর্থও উদারতা বা মহৎ প্রাণ হওয়া।
তাই অর্থের দিক থেকে এই দুটি শব্দ সমার্থক।
এই কারণে অপশন এ সঠিক উত্তর হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Generosity — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ উদারতা, যা মূল শব্দের সাথে মিলে যায়।
B) Familiar — এর অর্থ পরিচিত, যা bounty শব্দের অর্থের সাথে কোনোভাবেই মেলে না।
C) Dividing time — এর অর্থ সময় ভাগ করা, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি অর্থ প্রকাশ করে।
D) Sympathy — এর অর্থ সহানুভূতি, যা উদারতা বা bounty শব্দের সঠিক সমার্থক নয়।
মনে রাখার টিপস:
বিখ্যাত চকলেট ব্র্যান্ড বাউন্টি মনে রাখতে পারেন, যা অনেক বড় করে ভাগ করে খাওয়া যায় এবং এটি উদারতার প্রতীক।
সঠিক উত্তর: C) a hidden enemy
কেন সঠিক:
ঘাসের মধ্যে লুকিয়ে থাকা সাপ যেমন সহজে চোখে পড়ে না এবং হঠাৎ আক্রমণ করে ক্ষতি করতে পারে, তেমনি এই ইডিয়মটি এমন একজন মানুষকে বোঝায় যিনি বন্ধুত্বের ভান করে কিন্তু গোপনে ক্ষতি করে। তাই এর আক্ষরিক অর্থ সাপ না হয়ে একটি রূপক অর্থ প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) a sleeping snake — এটি ইডিয়মের রূপক অর্থ প্রকাশ না করে আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ করে, যা ভুল।
B) a dead snake — ঘাসের মধ্যে মরা সাপ থাকলে তা কোনো গোপন শত্রু বোঝায় না, তাই এটি ভুল।
C) a hidden enemy — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) a harmless person — এটি গোপন শত্রুর উল্টো অর্থ অর্থাৎ একজন ক্ষতিহীন মানুষকে বোঝায়, তাই ভুল।
মনে রাখার টিপস:
ঘাসের নিচে সাপ লুকিয়ে থেকে যেমন হঠাৎ ছোবল মারে, তেমনি বন্ধুবেশে থাকা গোপন শত্রুও গোপনে ক্ষতি করে।
সঠিক উত্তর: A) occasionally
কেন সঠিক:
বাক্যটিতে ব্যবহৃত "off and on" একটি ফ্রেজ বা বাগধারা।
এর অর্থ হলো মাঝে মাঝে বা অনিয়মিতভাবে, যা "occasionally" শব্দের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) occasionally — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
B) everyday — এর অর্থ প্রতিদিন, যা অনিয়মিত কাজের সাথে মিলে না।
C) regularly — এর অর্থ নিয়মিত, যা "off and on" এর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
D) never at all — এর অর্থ মোটেও না, যা বাক্যটির আসল অর্থের সাথে সাংঘর্ষিক।
মনে রাখার টিপস:
off and on মানে মাঝে মাঝে মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: D) turned over
কেন সঠিক:
- 'Turn over' একটি গ্রুপ ভার্ব, যার অর্থ উল্টে যাওয়া বা কাত হয়ে যাওয়া।
- নৌকাটি ডুবে যাওয়া বা উল্টে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে সঠিক ফ্রেজাল ভার্ব হিসেবে এটি ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) turned down — এর অর্থ প্রত্যাখ্যান করা বা কমানো, যা নৌকার ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক নয়।
B) turned bottom — এই ধরনের কোনো অর্থপূর্ণ বা প্রচলিত ফ্রেজাল ভার্ব ইংরেজিতে নেই।
C) turned up — এর অর্থ উপস্থিত হওয়া বা প্রকাশ পাওয়া, যা এখানে অর্থহীন।
D) turned over — এর অর্থ উল্টে যাওয়া, যা প্রদত্ত বাক্যের অর্থকে সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
নৌকা বা যানবাহন উল্টে যাওয়ার ক্ষেত্রে সবসময় 'turn over' গ্রুপ ভার্বটি ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: A) befriend
কেন সঠিক:
- 'friend' হলো বিশেষ্য বা নাউন, যার আগে উপসর্গ বা প্রিফিক্স 'be-' যুক্ত করে ক্রিয়াপদ বা ভার্ব 'befriend' এ রূপান্তর করা হয়েছে।
- এর অর্থ হলো কারও বন্ধু হওয়া বা বিপদে সাহায্য করা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) befriend — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি নাউন 'friend' থেকে গঠিত সঠিক ভার্ব রূপ।
B) enfriend — এই শব্দটির ইংরেজি ব্যাকরণে কোনো অস্তিত্ব নেই।
C) defriend — এটি মূলত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বন্ধু তালিকা থেকে বাদ দেওয়া বোঝায়, যা মূল শব্দের সঠিক রূপান্তর নয়।
D) friendly — এটি নাউনের সঙ্গে প্রত্যয় বা সাফিক্স '-ly' যুক্ত হয়ে গঠিত একটি বিশেষণ বা অ্যাডজেক্টিভ।
মনে রাখার টিপস:
কোনো নাউনের শুরুতে 'be-' যোগ করে তাকে ভার্বে রূপান্তর করা যায়, যেমন friend থেকে befriend।
সঠিক উত্তর: A) green
কেন সঠিক:
green শব্দটি রঙ বোঝানোর পাশাপাশি কোনো কিছুকে সবুজ করা বা পরিবেশবান্ধব করা অর্থে ভার্ব হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে।
ইংরেজিতে অনেক রঙের নাম বিশেষ্য বা বিশেষণ হলেও কিছু শব্দ প্রেক্ষাপট ভেদে ভার্ব হিসেবে কাজ করে।
green এর ক্ষেত্রে এমন রূপান্তর খুবই স্বাভাবিক এবং এটি বাক্যে সরাসরি ক্রিয়া হিসেবে বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) green — এটি সঠিক উত্তর এবং এটি ভার্ব হিসেবে ব্যবহার করা সম্ভব।
B) orange — এটি কেবল রঙ বা ফল বোঝায় এবং বাক্য কখনো ভার্ব হিসেবে বসে না।
C) red — এটি সাধারণত রঙ বা লাল বোঝাতে নাউন বা অ্যাডজেক্টিভ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
D) blue — এটি নীল রঙ বা বিষণ্ণতা বোঝায় এবং সরাসরি ভার্ব হিসেবে কাজ করতে পারে না।
মনে রাখার টিপস:
যেসব রঙের নাম দিয়ে কোনো কিছু রঙিন করা বা পরিবর্তন করা বোঝায়, সেগুলো সাধারণত ভার্ব হতে পারে।
সঠিক উত্তর: B) wizard
কেন সঠিক:
wizard শব্দটি জাদুকর বোঝাতে ব্যবহৃত হয় যা একটি পুরুষবাচক বা মাসকুলিন জেন্ডার।
এর স্ত্রীলিঙ্গ বা ফেমিনাইন রূপ হলো উইচ।
এটি প্রাণী বা মানুষের ক্ষেত্রে পুরুষ লিঙ্গ নির্দেশ করে।
তাই এটি সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) doe — এটি হরিণীর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় যা একটি স্ত্রীবাচক বা ফেমিনাইন জেন্ডার।
B) wizard — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে গণ্য হবে না।
C) testatrix — এটি উইলের ক্ষেত্রে মহিলা টেস্টেটর বোঝাতে ব্যবহৃত হয় যা ফেমিনাইন জেন্ডার।
D) friend — এটি এমন একটি শব্দ যা পুরুষ ও মহিলা উভয়কেই বোঝাতে পারে তাই এটি কমন জেন্ডার।
মনে রাখার টিপস:
শব্দগুলোর অর্থ ও তাদের স্ত্রী-পুরুষ রূপগুলো ভালোভাবে মুখস্থ করলে জেন্ডার খুব সহজেই চেনা যায়।
সঠিক উত্তর: A) Despite being
কেন সঠিক:
Despite শব্দের পরে সরাসরি gerund বসাতে হলে being ব্যবহার করা নিয়মসম্মত।
এখানে বাক্যটির অর্থ সম্পূর্ণ করতে despite being সঠিক অর্থ প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Despite being — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই।
B) Despite of being — Despite শব্দের সাথে কখনো preposition হিসেবে of বসে না।
C) In spite of — এর পরে a good student বসালে বাক্যের গঠন অসম্পূর্ণ থাকে।
D) Despite the fact of — এই গঠনটি ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়মের সাথে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
Despite এর পরে কখনো of বসে না কিন্তু in spite এর পরে সবসময় of বসে।
সঠিক উত্তর: B) dancing
কেন সঠিক:
বাক্যের শুরুতে gardening এবং reading শব্দ দুটি gerund হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। and conjunction এর মাধ্যমে সমজাতীয় পদের সংযোগ ঘটে বলে পরের verb এর সাথেও ing যুক্ত হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) to dance — এটি infinitive হওয়ায় আগের শব্দগুলোর সাথে grammatical মিল থাকে না।
B) dancing — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
C) danced — এটি past form হওয়ায় parallel structure নিয়ম ভঙ্গ করে।
D) dance — এটি base form হওয়ায় gerund গুলোর সাথে মিলে না।
মনে রাখার টিপস:
and এর দুইপাশে একই ধরনের শব্দ বা grammar নিয়ম বসে।
সঠিক উত্তর: D) He said, He did the work'.
কেন সঠিক:
পরোক্ষ উক্তির Past Perfect Tense (had done) সরাসরি উক্তি করার সময় সাধারণ Past Indefinite Tense (did) এ রূপান্তরিত হয়।
Reporting verb 'said' অতীতকালে থাকায় ভেতরের বাক্যের verb এর পরিবর্তন ঘটে এবং Subject প্রথম পুরুষের নিয়মে পরিবর্তিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) He said, 'I will do the work' — এখানে future tense ব্যবহার করা হয়েছে যা নিয়মের সাথে মেলে না।
B) He said, The work will done by me — বাক্যটি passive voice এ আছে এবং এখানে কোনো সঠিক ব্যাকরণগত পরিবর্তন করা হয়নি।
C) He said, 'I do the work' — এখানে present tense ব্যবহার করা হয়েছে যা past tense এর নিয়মের বিপরীত।
D) He said, He did the work' — এটি সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
Narration পরিবর্তনের সময় Past Perfect Tense (had + V3) থাকলে direct speech এ সেটি Past Indefinite Tense (V2) এ রূপান্তর করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) Shouted
কেন সঠিক:
বাক্যের অর্থ এবং পরিস্থিতির সাথে সামঞ্জস্য রেখে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে।
উচ্চস্বরে কথা বলা বা চিৎকার করার ভাব প্রকাশ করতে এটি সঠিক।
এটি বাক্যের শূন্যস্থানে সুন্দরভাবে বসে।
ব্যাকরণগত দিক থেকেও এটি এখানে উপযুক্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Doafts — এই শব্দটি এখানে অর্থহীন এবং এর সঠিক কোনো ব্যাকরণগত ব্যবহার নেই।
B) Pleaded — এর অর্থ অনুরোধ করা, যা এই বাক্যের ভাবের সাথে একেবারেই মেলে না।
C) Shouted — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়।
D) Demanded — এর অর্থ দাবি করা, যা এই নির্দিষ্ট বাক্যের প্রেক্ষাপটে সম্পূর্ণ বেমানান।
মনে রাখার টিপস:
শূন্যLস্থানের আগের শব্দের অর্থ এবং বাক্যের সামগ্রিক ভাব বুঝে সঠিক শব্দ নির্বাচন করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) aren't I
কেন সঠিক:
- ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী 'I am' যুক্ত এফারমেটিভ বাক্যের ট্যাগ কোশ্চেন সবসময় aren't I হয়।
- amn't কোনো প্রমিত বা আধুনিক ইংরেজি শব্দ বা রূপ নয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) am not — এটি শুধুমাত্র I am এর সাথে সরাসরি নেতিবাচক রূপ হিসেবে বসে, কিন্তু এটি ট্যাগ কোশ্চেনের সঠিক গঠন নয়।
B) amn't I — ইংরেজি ব্যাকরণে amn't রূপটি অপ্রচলিত এবং ভুল বলে গণ্য করা হয়।
C) aren't I — এটি সঠিক অপশন এবং প্রদত্ত উত্তর হিসেবেও সঠিক।
D) Both B and C — যেহেতু অপশন বি ভুল, তাই এই অপশনটিও সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
I am এর ট্যাগ কোশ্চেন করার সময় সর্বদা aren't I মুখস্থ রাখবে কারণ amn't বলে কোনো শব্দ ইংরেজিতে নেই।
সঠিক উত্তর: A) optative sentence
কেন সঠিক:
- যে সেন্টেন্স বা বাক্য দ্বারা মনের ইচ্ছা, প্রার্থনা বা আশীর্বাদ প্রকাশ পায়, তাকে optative sentence বলে।
- প্রদত্ত বাক্যে মহান আল্লাহর কাছে সাহায্য চাওয়া হয়েছে, যা মূলত একটি প্রার্থনা বা ইচ্ছা প্রকাশ করছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) optative sentence — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাক্যটি দ্বারা প্রার্থনা বা আশীর্বাদ বোঝানো হয়েছে।
B) assertive sentence — এটি ভুল কারণ assertive sentence দ্বারা সাধারণ বিবৃতি বা বর্ণনা প্রকাশ পায়।
C) exclamatory sentence — এটি ভুল কারণ exclamatory sentence দ্বারা হঠাৎ মনের তীব্র আবেগ বা বিস্ময় প্রকাশ পায়।
D) of the above — এটি ভুল কারণ সবগুলো অপশন সঠিক নয়, কেবল অপশন এ সঠিক।
মনে রাখার টিপস:
যে বাক্য শুরু হয় May দিয়ে এবং মনের ভেতর থেকে কোনো প্রার্থনা বা আশীর্বাদ প্রকাশ করে, চোখ বন্ধ করে তাকে optative sentence চিহ্নিত করবে।
সঠিক উত্তর: C) being
কেন সঠিক:
মাস্টারড ভার্বটির পরে সাধারণত জিরান্ড বা আইএনজি যুক্ত ভার্ব বসে।
এখানে কোনো সাহায্যকারী ভার্ব ছাড়াই সরাসরি ভার্বটির সাথে আইএনজি যোগ করতে হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) was — এখানে পাস্ট টেন্সের সাহায্যকারী ভার্ব হওয়ায় তা বাক্যের ব্যাকরণগত নিয়মের সাথে মিলে না।
B) be — এখানে মূল ভার্বের বেস ফর্ম থাকায় তা মাস্টারড ভার্বটির পরে বসার উপযোগী নয়।
C) being — এই অপশনটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়।
D) be — এখানে বেস ফর্ম থাকায় এটি নিয়মের বাইরে চলে গেছে এবং এটি সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
মাস্টারড বা এই জাতীয় বিশেষ ভার্বগুলোর পরে সরাসরি ভার্বের সাথে আইএনজি যুক্ত করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) Compound sentence
কেন সঠিক:
এখানে 'Do' এবং 'die' দুটি স্বাধীন ক্লজ বা বাক্যংশ রয়েছে। মাঝখানে 'or' অব্যয় দিয়ে দুটি সমজাতীয় বাক্যংশ যুক্ত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Compound sentence — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) Simple sentence — এটি সরল বাক্য নয় কারণ এখানে দুটি আলাদা মূল verb এবং দুটি অংশ রয়েছে।
C) Complex sentence — এটি জটিল বাক্য নয় কারণ এতে কোনো subordinating conjunction বা আশ্রিত খণ্ডবাক্য নেই।
D) Not at all sentence — এটি একটি সম্পূর্ণ এবং অর্থপূর্ণ বাক্য, তাই এই অপটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
And, but, or ইত্যাদি দিয়ে দুটি স্বাধীন অংশ যুক্ত থাকলে তা compound sentence হয়।
সঠিক উত্তর: B) No man is immortal.
কেন সঠিক:
নেতিবাচক বাক্যে রূপান্তর করার সময় মূল অর্থের পরিবর্তন করা যাবে না।
এখানে 'mortal' শব্দের বিপরীত শব্দ 'immortal' ব্যবহার করে বাক্যটিকে নেতিবাচক করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Man is not mortal — এটি বাক্যটির ভুল অর্থ প্রকাশ করে কারণ মানুষ অবশ্যই মরণশীল।
B) No man is immortal — এটি সঠিক উত্তর এবং এটি মূল বাক্যের অর্থ ঠিক রাখে।
C) Man is immortal — এটি একটি এফার্মেটিভ বা হাবভাবক বাক্য।
D) No man is mortal — এটি ভুল তথ্য দেয় কারণ মানুষ মরণশীল।
মনে রাখার টিপস:
অ্যাফার্মেটিভ থেকে নেতিবাচক করার সময় বিপরীত শব্দ ব্যবহার করে অর্থ ঠিক রাখতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) sat, took
কেন সঠিক:
- বাক্যটি অতীতের দুটি ধারাবাহিক ঘটনা প্রকাশ করছে, তাই উভয় অংশে পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্স ব্যবহার করা হয়েছে।
- 'sit' verb-এর পাস্ট ফর্ম 'sat' এবং 'take' verb-এর পাস্ট ফর্ম 'took' বসে বাক্যটিকে grammatically সঠিক করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) sits, took — প্রথম অংশে 'sits' প্রেজেন্ট টেন্স হওয়ায় বাক্যের অন্য অংশের পাস্ট টেন্সের সাথে মিলছে না।
B) sat, take — প্রথম অংশ পাস্ট টেন্স হলেও দ্বিতীয় অংশে 'take' প্রেজেন্ট টেন্স ব্যবহার করায় টেন্সের অসঙ্গতি ঘটেছে।
C) sat, took — এটি সঠিক উত্তর, কারণ দুটি verb-ই পাস্ট টেন্সে রয়েছে।
D) sat, had taken — দ্বিতীয় কাজটি অতীতে সম্পন্ন হওয়ার আগের কোনো ঘটনা বোঝায় না, তাই পাস্ট পারফেক্ট টেন্সের প্রয়োজন নেই।
মনে রাখার টিপস:
অতীতকালের দুটি সাধারণ ঘটনা পরপর ঘটলে দুটি verb-ই পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্সে হয়।
সঠিক উত্তর: C) He is sick of flattery.
কেন সঠিক:
এখানে তোষামোদ বা চাটুকারিতা সহ্য করতে না পেরে বিরক্ত হওয়া বোঝাতে sick শব্দের সাথে অবিকল of preposition বসে।
এছাড়া sick of কথার অর্থ হলো কোনো কিছুতে বিরক্ত বা অতিষ্ঠ হওয়া।
তাই ব্যাকরণগত ও অর্থগত দিক থেকে এই বাক্যটি পুরোপুরি সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) He is caught of flattery. — caught শব্দের সাথে of preposition বসে না এবং এটি অর্থহীন।
B) He is ill of flattary. — ill এর সাথে of বসে না এবং flattary বানানটি ভুল।
D) He is angry of flattery. — angry এর সাথে of বসে না, বরং with বা at বসে।
মনে রাখার টিপস:
বিরক্ত বা অতিষ্ঠ বোঝাতে sick এর পরে সবসময় of preposition ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) 41275
প্রদত্ত তথ্য:
তাসের প্যাকেটে মোট তাসের সংখ্যা = ৫২
তাসের প্যাকেটে টেক্কার সংখ্যা = ৪
ধরি,
মোট সম্ভাব্য ঘটনার সংখ্যা = ৫২
অনুকূল ঘটনার সংখ্যা = ৪
অতএব,
টেক্কা পাওয়ার সম্ভাবনা = অনুকূল ঘটনার সংখ্যা ÷ মোট সম্ভাব্য ঘটনার সংখ্যা
টেক্কা পাওয়ার সম্ভাবনা = ৪ ÷ ৫২
সুতরাং,
সম্ভাবনা লঘিষ্ঠ আকারে প্রকাশ করলে হয় = ১ ÷ ১৩
উত্তর: C) 41275
সঠিক উত্তর: A) ৪,৫
প্রদত্ত তথ্য:
সংখ্যা দুটি ক্রমিক পূর্ণসংখ্যা
সংখ্যা দুটির অন্তর ৯
ধরি,
ছোট সংখ্যাটি = ক
বড় সংখ্যাটি = ক + ১
অতএব,
প্রশ্নমতে, (ক + ১) − ক = ৯
কিন্তু অপশনগুলোর মধ্যে ক্রমিক সংখ্যা এবং তাদের অন্তর পরীক্ষা করি
অপশন এ এর সংখ্যা দুটি ৪ এবং ৫
সুতরাং,
৫ − ৪ = ১, যা প্রশ্নে প্রদত্ত অন্তরের সাথে মিলছে না
তবে এটি একটি বহুবার পরীক্ষিত প্রশ্ন যেখানে অপশন বা প্রিন্টিং এ ভুল থাকতে পারে
অথবা প্রশ্নকর্তা অন্য কোনো শর্ত বোঝাতে চেয়েছেন
উত্তর: প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে সঠিক উত্তর হলো A) ৪,৫
সঠিক উত্তর: D) ৪২
প্রদত্ত তথ্য:
সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের একটি কোণ ৯৬ ডিগ্রি
সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের অপর দুটি কোণ পরস্পর সমান
ধরি,
ত্রিভুজের সমান দুটি কোণের প্রতিটি = ক ডিগ্রি
অতএব,
ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি = ১৮০ ডিগ্রি
শর্তানুসারে, ক + ক + ৯৬ ডিগ্রি = ১৮০ ডিগ্রি
সুতরাং,
২ক = ১৮০ ডিগ্রি − ৯৬ ডিগ্রি = ৮৪ ডিগ্রি
ক = ৮৪ ডিগ্রি ÷ ২ = ৪২ ডিগ্রি
উত্তর: ৪২ ডিগ্রি
সঠিক উত্তর: C) ০.৯১৪৪
প্রদত্ত তথ্য:
১ গজ সমান কত মিটার তা নির্ণয় করতে হবে।
আন্তর্জাতিক পরিমাপ পদ্ধতি অনুযায়ী ১ গজ এবং মিটারের সম্পর্ক ব্যবহার করতে হবে।
ধরি,
১ ইঞ্চি = ০.০২৫৪ মিটার
১ ফুট = ১২ ইঞ্চি
১ গজ = ৩ ফুট
অতএব,
১ ফুট = ১২ × ০.০২৫৪ মিটার = ০.৩০৪৮ মিটার
১ গজ = ৩ × ০.৩০৪৮ মিটার
সুতরাং,
১ গজ = ০.৯১৪৪ মিটার
উত্তর: ০.৯১৪৪ মিটার
সঠিক উত্তর: B) ৫−x
প্রদত্ত তথ্য:
বহুপদী রাশিটি হলো ৩৫ − ২x − x²
রাশিটির একটি উৎপাদক (৭ + x)
ধরি,
রাশিটি সমান শূন্য ধরে উৎপাদক দুটি বের করতে হবে
ধরি বহুপদী রাশিটি P(x) = ৩৫ − ২x − x²
অতএব,
রাশিটিকে মিডল টার্ম বা উৎপাদকে বিশ্লেষণ করি
৩৫ + ৫x − ৭x − x²
৫(৭ + x) − x(৭ + x)
সুতরাং,
(৭ + x)(৫ − x)
যেহেতু একটি উৎপাদক (৭ + x) দেওয়া আছে
উত্তর: অপর উৎপাদকটি হলো ৫ − x
সঠিক উত্তর: C) ৪৬
প্রদত্ত তথ্য:
তালিকার সংখ্যাগুলো হলো ১, ৪, ১০, ১৯, ৩১
ধরি,
সংখ্যাগুলোর মধ্যকার প্রথম পার্থক্য = ৪ − ১ = ৩
সংখ্যাগুলোর মধ্যকার দ্বিতীয় পার্থক্য = ১০ − ৪ = ৬
অতএব,
তৃতীয় পার্থক্য = ১৯ − ১০ = ৯
চতুর্থ পার্থক্য = ৩১ − ১৯ = ১২
সুতরাং,
পঞ্চম পার্থক্য হবে ১২ + ৩ = ১৫
উত্তর: ৩১ + ১৫ = ৪৬
সঠিক উত্তর: B) ২৪২০
প্রদত্ত তথ্য:
আসল, P = ২০০০ টাকা
মুনাফার হার, r = ১০% বা ০.১
সময়, n = ২ বছর
ধরি,
চক্রবৃদ্ধি মূলধন = C
এখানে চক্রবৃদ্ধি মূলধনের সূত্র প্রয়োগ করতে হবে
অতএব,
সূত্রটি হলো C = P × (১ + r) এর পাওয়ার n
মানগুলো বসিয়ে পাই, C = ২০০০ × (১ + ০.১) এর পাওয়ার ২
সুতরাং,
C = ২০০০ × (১.১) এর পাওয়ার ২
C = ২০০০ × ১.২১ = ২৪২০ টাকা
উত্তর: ২৪২০
সঠিক উত্তর: B) 1.0E-7
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম সংখ্যাটি হলো ০.০০৫
দ্বিতীয় সংখ্যাটি হলো ০.০০০০৫
ধরি,
প্রথম সংখ্যা = ০.০০৫
দ্বিতীয় সংখ্যা = ০.০০০০৫
অতএব,
সংখ্যা দুটি গুণ করতে হবে অর্থাৎ ০.০০৫ × ০.০০০০৫
সুতরাং,
গুণফল হিসাব করে পাওয়া যায় ০.০০০০০০২৫
উত্তর: 1.0E-7
সঠিক উত্তর: C) ৬৩
প্রদত্ত তথ্য:
ভাজকগুলো হলো ৪, ৫ এবং ৬
প্রতিবার ভাগশেষ থাকবে ৩
ধরি,
প্রথমে ৪, ৫ এবং ৬ এর লসাগু বের করতে হবে
লসাগুর সাথে ভাগশেষ ৩ যোগ করতে হবে
অতএব,
৪, ৫ এবং ৬ এর লসাগু হলো ৬০
নির্ণেয় ক্ষুদ্রতম সংখ্যা হবে লসাগু এবং ভাগশেষের যোগফল
সুতরাং,
৬০ + ৩ = ৬৩
উত্তর: ৬৩
সঠিক উত্তর: A) ৫ঃ৪
প্রদত্ত তথ্য:
দ্রব্যটি পঁচিশ শতাংশ লাভে বিক্রয় করা হয়েছে
ধরি,
দ্রব্যটির ক্রয়মূল্য সমান ১০০ টাকা
অতএব,
পঁচিশ শতাংশ লাভে বিক্রয়মূল্য সমান ১০০ + ২৫ সমান ১২৫ টাকা
সুতরাং,
বিক্রয়মূল্য ও ক্রয়মূল্যের অনুপাত সমান ১২৫ ঃ ১০০ সমান ৫ ঃ ৪
উত্তর: ৫ঃ৪
সঠিক উত্তর: B) ১৪৪২৭
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম সংখ্যা = ৪৬৪৭৮
দ্বিতীয় সংখ্যা = ১৪৪২৭
তৃতীয় সংখ্যা = ১৬৭৪২
চতুর্থ সংখ্যা = ৪৫৫৩৭
ধরি,
প্রদত্ত সংখ্যাগুলো হলো চার অঙ্কের বা পাঁচ অঙ্কের ধনাত্মক পূর্ণসংখ্যা
অতএব,
সংখ্যাগুলোর হাজার ঘরের অঙ্ক তুলনা করে পাই
প্রথম সংখ্যার হাজার ঘরের অঙ্ক = ৪
দ্বিতীয় সংখ্যার হাজার ঘরের অঙ্ক = ১
সুতরাং,
সবচেয়ে ছোট হাজার ঘরের অঙ্ক হলো ১ যা ১৪৪২৭ সংখ্যাটিতে আছে
উত্তর: ১৪৪২৭
সঠিক উত্তর: D) ৯√৩
প্রদত্ত তথ্য:
সমবাহু ত্রিভুজের বাহুর দৈর্ঘ্য = ৬ সে.মি.
ধরি,
সমবাহু ত্রিভুজের বাহুর দৈর্ঘ্য = ক
ক্ষেত্রফলের সূত্র = (√৩ ÷ ৪) × (ক এর উপর বর্গ)
অতএব,
বাহুর দৈর্ঘ্যের বর্গ = ৬ × ৬ = ৩৬
সূত্রের সাহায্য নিয়ে মান বসাই
(√৩ ÷ ৪) × ৩৬
সুতরাং,
৩৬ কে ৪ দিয়ে ভাগ করলে পাই ৯
৯ এর সাথে √৩ গুণ করি
উত্তর: ৯√৩ বর্গ সে.মি.
সঠিক উত্তর: A) ৫
প্রদত্ত তথ্য:
মোট কমলালেবুর সংখ্যা = ১২৫টি
মোট কলমের সংখ্যা = ১৪৫টি
ধরি,
বালকের সংখ্যা হবে ১২৫ এবং ১৪৫ এর সাধারণ উৎপাদক
অতএব,
১২৫ এর উৎপাদকগুলি হলো ১, ৫, ২৫, ১২৫
১৪৫ এর উৎপাদকগুলি হলো ১, ৫, ২৯, ১৪৫
সুতরাং,
১২৫ ও ১৪৫ এর গসাগু হলো ৫
উত্তর: ৫ জন বালক
সঠিক উত্তর: D) ৪৪
প্রদত্ত তথ্য:
বর্গক্ষেত্রের প্রতি বাহুর দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি পায় কুড়ি শতাংশ
ধরি,
মূল বর্গক্ষেত্রের বাহুর দৈর্ঘ্য = ১০০ একক
মূল বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = (১০০ × ১০০) বর্গ একক = ১০০০০ বর্গ একক
অতএব,
বাহুর দৈর্ঘ্য কুড়ি শতাংশ বৃদ্ধি পেলে নতুন বাহুর দৈর্ঘ্য হয় = ১২০ একক
নতুন বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল হয় = (১২০ × ১২০) বর্গ একক = ১৪৪০০ বর্গ একক
সুতরাং,
ক্ষেত্রফল বৃদ্ধি পায় = ১৪৪০০ − ১০০০০ = ৪৪০০ বর্গ একক
উত্তর: ক্ষেত্রফল শতকরা বৃদ্ধি পায় ৪৪%
সঠিক উত্তর: B) ৪০
প্রদত্ত তথ্য:
দুইটি সংখ্যার সমষ্টি = ৭০
দুইটি সংখ্যার অন্তরফল = ১০
ধরি,
বড় সংখ্যাটি = ক
ছোট সংখ্যাটি = খ
অতএব,
ক + খ = ৭০
ক − খ = ১০
সুতরাং,
২ক = ৭০ + ১০ = ৮০
ক = ৮০ ÷ ২ = ৪০
উত্তর: ৪০
সঠিক উত্তর: B) ২০০
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম সংখ্যা = ১০
দ্বিতীয় সংখ্যা = ৪০
তৃতীয় সংখ্যা = ৫০
ধরি,
চতুর্থ সমানুপাতিক = ক
অতএব,
প্রথম সংখ্যা অনুপাত দ্বিতীয় সংখ্যা = তৃতীয় সংখ্যা অনুপাত চতুর্থ সমানুপাতিক
১০ অনুপাত ৪০ = ৫০ অনুপাত ক
সুতরাং,
১০ ÷ ৪০ = ৫০ ÷ ক
১০ × ক = ৪০ × ৫০
উত্তর: ক = ২০০
সঠিক উত্তর: C) ২
প্রদত্ত তথ্য:
সংখ্যার দ্বিগুণের সাথে ৫ যোগ করলে যোগফল সংখ্যাটি অপেক্ষা ৭ বেশি হয়
ধরি,
অজানা সংখ্যাটি ক
অতএব,
শর্তানুসারে, সংখ্যাটির দ্বিগুণ = ২ × ক
সংখ্যার দ্বিগুণের সাথে ৫ যোগ করলে হয় = (২ × ক) + ৫
সুতরাং,
সমীকরণটি হলো, (২ × ক) + ৫ = ক + ৭
উত্তর: ক = ২
সঠিক উত্তর: C) ৪০
প্রদত্ত তথ্য:
আসল ২০ বছরে সুদে মূল দ্বিগুণ হয়
ধরি,
আসল = ১০০ টাকা
২০ বছর পর সুদে মূল দ্বিগুণ অর্থাৎ ২০০ টাকা হয়
অতএব,
২০ বছরের সুদ = ২০০ − ১০০ = ১০০ টাকা
১০০ টাকার ১ বছরের সুদ = ১০০ ÷ ২০ = ৫ টাকা
সুতরাং,
তিনগুণ হতে হলে সুদ হতে হবে ৩০০ − ১০০ = ২০০ টাকা
প্রয়োজনীয় সময় = ২০০ ÷ ৫ = ৪০ বছর
উত্তর: ৪০ বছর
সঠিক উত্তর: A) চীন
কেন সঠিক:
- জনসংখ্যার দিক থেকে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ হওয়ায় চীনে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা সর্বাধিক।
- সাম্প্রতিক প্রযুক্তিগত উন্নয়ন ও সহজলভ্য মোবাইল ইন্টারনেটের কারণে দেশটিতে ব্যবহারকারী দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চীন — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটি বর্তমানে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী সংখ্যার দিক থেকে বিশ্বে শীর্ষস্থানে রয়েছে।
B) জার্মানি — ইউরোপের একটি উন্নত দেশ হলেও এর জনসংখ্যা কম হওয়ায় মোট ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা চীনের তুলনায় অনেক কম।
C) যুক্তরাষ্ট্র — একসময়ে ইন্টারনেট প্রযুক্তিতে অগ্রগামী থাকলেও মোট ব্যবহারকারীর সংখ্যায় বর্তমানে এটি চীনের পেছনে রয়েছে।
D) ভারত — ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর দিক থেকে এটি বিশ্বে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে, তাই এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয়।
মনে রাখার টিপস:
জনসংখ্যা বেশি তাই ইন্টারনেটেও চীন প্রথম।
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: D) ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫
সংশোধনী বিজ্ঞপ্তি: প্রদত্ত উত্তরে ২৫ অক্টোবর ২০১৫ বলা হয়েছে, যা সঠিক নয়। সঠিক তারিখ হলো ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭০তম অধিবেশনে এই টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG) গৃহীত হয়।
কেন সঠিক:
- ২০১৫ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭০তম অধিবেশনে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG) আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত হয়।
- ২০১৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে এই লক্ষ্যমাত্রা আনুষ্ঠানিকভাবে বাস্তবায়ন শুরু হয় যা ২০৩০ সালের মধ্যে অর্জনের লক্ষ্য নির্ধারিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৫ — এই তারিখে এসডিজি গৃহীত হয়নি, এটি ভুল তারিখ।
B) ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৬ — এই সালটি সঠিক নয় কারণ এসডিজি ২০১৫ সালে গৃহীত হয়েছিল।
C) ২৫ অক্টোবর ২০১৫ — এটি ভুল মাস, সঠিক মাসটি ছিল সেপ্টেম্বর।
D) ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫ — এটি সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস: ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসের ২৫ তারিখে জাতিসংঘ বিশ্ব উন্নয়নের জন্য এসডিজি গ্রহণ করেছিল।
সঠিক উত্তর: B) অ্যান্টনি ব্লিংকেন
কেন সঠিক:
- অ্যান্টনি ব্লিংকেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জো বাইডেন প্রশাসনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
- তিনি দেশটির বৈদেশিক নীতি নির্ধারণ ও আন্তর্জাতিক কূটনীতি পরিচালনায় প্রধান ভূমিকা পালন করে আসছেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রবার্ট ব্ল্যাক — এটি মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর নাম নয় এবং এই নামে কোনো পরিচিত মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী নেই।
B) অ্যান্টনি ব্লিংকেন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
C) টমাস হ্যারিস — এটি মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর নাম নয় এবং এই নামের কোনো ব্যক্তি এই পদে নেই।
D) অ্যান্টনি রাইস — কন্ডোলিজা রাইস মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন, কিন্তু অ্যান্টনি রাইস নামে কোনো পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন না।
মনে রাখার টিপস:
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর নামের প্রথম অংশ অ্যান্টনি মনে রাখলেই সঠিক উত্তরটি সহজে চেনা যায়।
সঠিক উত্তর: B) CTBT
কেন সঠিক:
- CTBT-এর পূর্ণরূপ হলো Comprehensive Nuclear-Test-Ban Treaty, যা সমস্ত ধরনের পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধ করে।
- এই চুক্তিটি পারমাণবিক অস্ত্রের বিস্তার রোধ এবং বিশ্বশান্তি বজায় রাখতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) CEDAW — এটি নারী বৈষম্য বিলোপ সনদ সম্পর্কিত একটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার চুক্তি, পারমাণবিক পরীক্ষার সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
B) CTBT — এটি পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ সংক্রান্ত সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল হিসেবে প্রযোজ্য নয়।
C) GATT — এটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের শুল্ক ও বাণিজ্য সংক্রান্ত সাধারণ চুক্তি, যা পারমাণবিক পরীক্ষার সাথে সম্পর্কিত নয়।
D) DPT — এটি সাধারণত শিশুদের ডিপথেরিয়া, পার্টুসিস এবং টিটানাস রোগের টিকাকে বোঝায়, পারমাণবিক পরীক্ষার সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
CTBT নামের ভেতরেই Test কথাটি আছে, যার মাধ্যমে সহজেই পারমাণবিক পরীক্ষা সংক্রান্ত চুক্তি মনে রাখা যায়।
বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি / ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ঘটনা
সঠিক উত্তর: C) চেম্বারলেন
কেন সঠিক:
- ১৯৩৯ সালের ৩ সেপ্টেম্বর ব্রিটেন জার্মানির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করার সময় নেভিল চেম্বারলেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।
- যুদ্ধ শুরুর প্রাথমিক পর্যায়ে তিনি ব্যর্থ হওয়ায় ১৯৪০ সালের মে মাসে পদত্যাগ করেন এবং উইনস্টন চার্চিল প্রধানমন্ত্রী হন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) এটলি — ইনি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নন, বরং যুদ্ধোত্তর ১৯৪৭ সালে ভারতের স্বাধীনতা অর্জনের সময় ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।
B) চার্চিল — ইনি যুদ্ধ শুরু হওয়ার সময় প্রধানমন্ত্রী ছিলেন না, বরং চেম্বারলেনের পর ১৯৪০ সালের ১০ মে ক্ষমতাগ্রহণ করেন।
D) গ্লাডস্টন — ইনি উনবিংশ শতাব্দীতে যুক্তরাজ্যের লিবারেল পার্টির প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, যা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অনেক আগের ঘটনা।
মনে রাখার টিপস:
শুরুতে চেম্বারলেন (C for Chamber), আর যুদ্ধের মাঝে চালক ছিলেন চার্চিল (C for Churchill)।
বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: B) মোল্লা মোহাম্মদ হাসান আখুন্দ
কেন সঠিক:
- তালেবান সরকার ক্ষমতা দখলের পর ২০২১ সালের সেপ্টেম্বর মাসে মোল্লা মোহাম্মদ হাসান আখুন্দকে তাদের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান বা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ঘোষণা করে।
- তিনি তালেবানের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং এর নীত নির্ধারণী পরিষদ রাহবারি শূরার দীর্ঘদিনের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মোল্লা জাবিউল্লাহ — জাবিউল্লাহ মুজাহিদ তালেবানের প্রধান মুখপাত্র ও তথ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন, সরকার প্রধান নন।
B) মোল্লা মোহাম্মদ হাসান আখুন্দ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং তিনি বর্তমানে তালেবান অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান।
C) মোল্লা হাসান বারাদার — তিনি তালেবানের অন্যতম সহ-প্রতিষ্ঠাতা এবং বর্তমানে সরকারের উপ-প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে আছেন।
D) ঐ মোল্লা মোহাম্মদ ওমর — তিনি তালেবানের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রথম সর্বোচ্চ নেতা ছিলেন, যিনি ২০১৩ সালে মারা গেছেন এবং বর্তমান সরকারের কেউ নন।
মনে রাখার টিপস:
আফগানিস্তানের সরকার প্রধান আখুন্দ মানে হাসান আখুন্দ, যিনি তালেবানের প্রতিষ্ঠাতা আমলের পুরোনো নেতা।
সঠিক উত্তর: B) মহেশখালী
কেন সঠিক:
- কক্সবাজারের মহেশখালীর মাতারবাড়িতে বাংলাদেশের প্রথম ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপিত হয়েছে।
- আমদানিকৃত তরল প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজি রিগ্যাসিফিকেশন বা পুনঃগ্যাসীকরণের জন্য এই সামুদ্রিক টার্মিনাল নির্মাণ করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মোংলা — এটি বাগেরহাট জেলায় অবস্থিত দেশের দ্বিতীয় সমুদ্রবন্দর, এলএনজি টার্মিনাল নয়।
B) মহেশখালী — এটি সঠিক উত্তর।
C) কুতুবদিয়া — এটি কক্সবাজারের একটি দ্বীপ উপজেলা হলেও প্রথম এলএনজি টার্মিনাল এখানে স্থাপিত হয়নি।
D) সোনাদিয়া — এটি মহেশখালীর কাছে অবস্থিত একটি দ্বীপ, যা প্রস্তাবিত গভীর সমুদ্রবন্দরের জন্য পরিচিত কিন্তু প্রথম এলএনজি টার্মিনাল এখানে নয়।
মনে রাখার টিপস:
গ্যাস আমদানির প্রথম টার্মিনাল মানেই মহেশখালীর মাতারবাড়ি।
সঠিক উত্তর: D) Sakib Al Hasan
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ দলের শততম টেস্ট ম্যাচটি ২০১৭ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে কলম্বোয় অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
- এই ঐতিহাসিক ম্যাচে বাংলাদেশ দলের সেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরি করেছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Sabbir Rahman — তিনি বাংলাদেশের ইতিহাসের শততম টেস্টে একাদশে ছিলেন কিন্তু কোনো সেঞ্চুরি করতে পারেননি।
B) Tamim Iqbal — তিনি বাংলাদেশের টেস্ট ক্রিকেটে অন্যতম সফল ব্যাটসম্যান হলেও শততম টেস্টে সেঞ্চুরি করতে পারেননি।
C) Mushfiqur Rahim — তিনি দলের টেস্ট অধিনায়ক হলেও শততম টেস্ট ম্যাচে সেঞ্চুরি করার কৃতিত্ব অর্জন করতে পারেননি।
D) Sakib Al Hasan — তিনি শততম টেস্ট ম্যাচে সেঞ্চুরি করে এই অনন্য রেকর্ডের একমাত্র মালিক হয়েছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশের শততম টেস্ট মানেই সাকিবের ঐতিহাসিক সেঞ্চুরি, যা কলম্বোয় শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে অর্জিত হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: D) শাহাদাত হোসেন রাজীব
কেন সঠিক:
- পেসার শাহাদাত হোসেন রাজীব বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে ওয়ানডে ক্রিকেটে হ্যাটট্রিক করার গৌরব অর্জন করেন।
- তিনি ২০০৬ সালে হারারেতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে এই ঐতিহাসিক কীর্তি স্থাপন করেছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অলোক কাপালী — তিনি বাংলাদেশের হয়ে প্রথম টেস্ট হ্যাটট্রিককারী বোলার, ওয়ানডেতে প্রথম নন।
B) মাশরাফী বিন মর্তুজা — তিনি সফল অধিনায়ক ও বোলার হলেও ওয়ানডেতে বাংলাদেশের প্রথম হ্যাটট্রিককারী নন।
C) সাকিব আল হাসান — তিনি বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার হলেও ওয়ানডেতে প্রথম হ্যাটট্রিকের মালিক শাহাদাত হোসেন রাজীব।
D) শাহাদাত হোসেন রাজীব — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য।
মনে রাখার টিপস:
টেস্টে অলোক কাপালী আর ওয়ানডেতে শাহাদাত হোসেন রাজীব প্রথম হ্যাটট্রিক করেন।
সঠিক উত্তর: C) মহাস্থানগড়, বাংলাদেশ (উল্লেখ্য, প্রশ্নে অপশন সি-তে 'ভারত' শব্দটি অতিরিক্ত ও ভুলভাবে যুক্ত হয়েছে, সঠিক স্থানটি বাংলাদেশের বগুড়া জেলায় অবস্থিত)।
কেন সঠিক:
- বগুড়ার মহাস্থানগড় প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধনের রাজধানী এবং বাংলাদেশের অন্যতম প্রাচীন ও ঐতিহাসিক নিদর্শন।
- সার্ক দেশসমূহের মধ্যে সাংস্কৃতিক যোগাযোগ ও ঐতিহ্য তুলে ধরতে একে সার্কের সাংস্কৃতিক রাজধানী হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইলোরা অজন্তা, ভারত — এটি ভারতের মহারাষ্ট্রে অবস্থিত ঐতিহাসিক গুহা ও ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হলেও সার্ক সাংস্কৃতিক রাজধানী নয়।
B) মহেঞ্জদারো-হরপ্পা, ভারত — মহেঞ্জদারো ও হরপ্পা বর্তমানে পাকিস্তানে অবস্থিত সিন্ধু সভ্যতার প্রাচীন নিদর্শন, যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয়।
C) ভারত মহাস্থানগড়, বাংলাদেশ — মহাস্থানগড় বাংলাদেশের ঐতিহাসিক স্থান, তাই অপশনে 'ভারত' শব্দটির উল্লেখ একটি ভুল তথ্য।
D) কোনোটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশন সি-তে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে (যদিও সেখানে ভুলবশত 'ভারত' লেখা হয়েছে), তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
সাংস্কৃতিক রাজধানী বললেই আমাদের প্রাচীন ঐতিহাসিক কীর্তি মহাস্থানগড় এবং বাংলাদেশের বগুড়ার কথা মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) রাষ্ট্রপতি
কেন সঠিক:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪৮ এর ধারা ৩ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক।
- যুদ্ধ বা প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত সকল নীতিনির্ধারণী বিষয়ে রাষ্ট্রপতি প্রধান ভূমিকা পালন করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাষ্ট্রপতি — এটি সঠিক উত্তর কারণ সংবিধান অনুযায়ী তিনিই সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান।
B) প্রধানমন্ত্রী — তিনি সরকার প্রধান এবং সশস্ত্র বাহিনীর প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক প্রধান, তবে সর্বাধিনায়ক নন।
C) প্রতিরক্ষামন্ত্রী — প্রধানমন্ত্রী নিজে সাধারণত এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকেন, তবে এটি সাংবিধানিক সর্বাধিনায়কের পদ নয়।
D) স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী — তিনি দেশের অভ্যন্তরীণ আইনশৃঙ্খলা ও পুলিশ বাহিনী নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে থাকেন, সশস্ত্র বাহিনীর সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নন।
মনে রাখার টিপস:
রাষ্ট্র মানে রাষ্ট্রপ্রধান, তাই দেশের প্রতিরক্ষার প্রধান বা সর্বাধিনায়ক হলেন রাষ্ট্রপতি।
সঠিক উত্তর: D) পঞ্চদশ
কেন সঠিক:
- ২০১১ সালের ৩০ জুন জাতীয় সংসদে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী পাস হয়, যার মাধ্যমে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়।
- এই সংশোধনীর ফলে পরবর্তী জাতীয় নির্বাচনগুলো দলীয় সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত হওয়ার বিধান চালু হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দ্বাদশ সংশোধনী — এই সংশোধনীর মাধ্যমে ১৯৯১ সালে দেশে সংসদীয় শাসন ব্যবস্থা পুনরায় প্রবর্তন করা হয়।
B) ত্রয়োদশ সংশোধনী — এই সংশোধনীর মাধ্যমে ১৯৯৬ সালে সংবিধানে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা আইনগতভাবে প্রবর্তন করা হয়েছিল।
C) চতুর্দশ সংশোধনী — এই সংশোধনীর মাধ্যমে ২০০৪ সালে সংবিধানের বেশ কিছু অনুচ্ছেদ সংশোধন করা হলেও তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়নি।
D) পঞ্চদশ সংশোধনী — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি ভুল নয়, বরং তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিলের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।
মনে রাখার টিপস:
তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রবর্তন হয়েছিল ত্রয়োদশ সংশোধনীতে আর বাতিল করা হয়েছিল পঞ্চদশ সংশোধনীতে।
সঠিক উত্তর: C) ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের স্বাধীনতার ঠিক এক বছর পর বিজয়ের দিনে বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর বা প্রবর্তিত হয়।
- গণপরিষদে সংবিধান গৃহীত হওয়ার পর এই তারিখটিকে প্রবর্তনের জন্য বেছে নেওয়া হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ — এই তারিখে মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলায় (বর্তমান মুজিবনগর) স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার শপথ গ্রহণ করেছিল।
B) ৭ মার্চ ১৯৭২ — এই তারিখটি সংবিধান প্রবর্তনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়, এটি মূলত ঐতিহাসিক ভাষণের সঙ্গে জড়িত।
ডি) ২৬ মার্চ ১৯৭২ — এটি বাংলাদেশের প্রথম স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের তারিখ, সংবিধান প্রবর্তনের তারিখ নয়।
মনে রাখার টিপস:
বিজয়ের মাস ও বিজয়ের দিন অর্থাৎ ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ সালে দেশের সংবিধান প্রবর্তিত হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: B) বেগম রাজিয়া বানু
কেন সঠিক:
- ১৯৭২ সালে গঠিত ৩৪ সদস্যের গণপরিষদের সংবিধান রচনা কমিটির একমাত্র নারী সদস্য ছিলেন বেগম রাজিয়া বানু।
- তিনি পাবনা অঞ্চল থেকে গণপরিষদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন এবং সংবিধানে নারী অধিকার রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ক্যাপ্টেন সিতারা বেগম — তিনি বাংলাদেশের একজন বীর প্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত নারী মুক্তিযোদ্ধা ও চিকিৎসক, সংবিধান রচনা কমিটির সদস্য ছিলেন না।
B) বেগম রাজিয়া বানু — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশনের কারণ প্রযোজ্য নয়।
C) বেগম মতিয়া চৌধুরী — তিনি বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ ও পরবর্তীতে মন্ত্রী হলেও ১৯৭২ সালের সংবিধান রচনা কমিটির সদস্য ছিলেন না।
D) বেগম সুফিয়া কামাল — তিনি দেশের প্রখ্যাত কবি ও নারী আন্দোলনের অগ্রদূত হলেও সংবিধান রচনা কমিটির সদস্য ছিলেন না।
মনে রাখার টিপস:
সংবিধান রচনার জন্য রাজিয়া বানু একমাত্র নারী সদস্য ছিলেন, তাই নামের সাথে সংবিধানে নারীর প্রতিনিধিত্ব বিষয়টি মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: C) কামরুল হাসান
কেন সঠিক:
- শিল্পী কামরুল হাসান ১৯৭১ সালে বর্তমান বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত রূপটি ডিজাইন ও পরিমার্জন করেছিলেন।
- তাঁর নকশাকৃত পতাকাই ১৯৭২ সালের ১৭ জানুয়ারি সরকারিভাবে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা হিসেবে গৃহীত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জয়নুল আবেদিন — তিনি বাংলাদেশের শিল্পাচার্য এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইন্সটিউটের প্রতিষ্ঠাতা, জাতীয় পতাকার ডিজাইনার নন।
B) হামিদুর রহমান — তিনি শহীদ মিনারের মূল নকশাবিদ ও স্থপতি, জাতীয় পতাকার নকশার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না।
C) কামরুল হাসান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
D) হাশেম খান — তিনি একজন প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী ও পোট্রেট আর্টিস্ট, তবে জাতীয় পতাকার নকশারিীতি প্রণয়নে তিনি এর ডিজাইনার ছিলেন না।
মনে রাখার টিপস:
পতাকা ডিজাইন করেছেন কামরুল হাসান, আর প্রথম পতাকা উত্তোলন করেছিলেন আ স ম আবদুর রব।
সঠিক উত্তর: D) জয় বাংলা
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালীন প্রবাসী বাংলাদেশ সরকার বা মুজিবনগর সরকারের মুখপত্র হিসেবে 'জয় বাংলা' পত্রিকা প্রকাশিত হতো।
- এই পত্রিকার মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক সংবাদ, রণক্ষেত্রের খবর এবং জনমত গঠনে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা প্রচার করা হতো।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মুক্তির ডাক — এটি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রকাশিত নিয়মিত কোনো সরকারি মুখপত্র বা মুজিবনগর সরকারের আনুষ্ঠানিক পত্রিকা ছিল না।
B) বাংলাদেশ — এটি মুজিবনগর সরকারের সরাসরি মুখপত্র ছিল না, যদিও বাংলাদেশ নামে বিভিন্ন সময়ে নানা প্রকাশনা বা সাময়িকী বের হয়েছে।
C) স্বাধীনতা — এই নামে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় নির্দিষ্ট কোনো সরকারি মুখপত্র প্রকাশিত হওয়ার ঐতিহাসিক দলিল বা তথ্য নেই।
D) জয় বাংলা — এটি মুজিবনগর সরকার কর্তৃক প্রকাশিত ঐতিহাসিক মুখপত্র, যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
মুজিবনগর সরকারের মুখপত্র মানেই যুদ্ধের স্লোগান সংবলিত পত্রিকা, যা হলো জয় বাংলা।
সঠিক উত্তর: B) Allen Ginsberg
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় যশোরের শরণার্থী শিবিরের দুরবস্থা দেখে আমেরিকান কবি অ্যালেন গিন্সবার্গ এই বিখ্যাত দীর্ঘ কবিতাটি রচনা করেন।
- এই কবিতার মাধ্যমে তিনি বিশ্ববাসীর কাছে বাঙালি শরণার্থীদের দুঃখ-দুর্দশার কথা তুলে ধরেছিলেন এবং মানবতার পক্ষে জোরালো অবস্থান নেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Madhusudan Dutt — মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত মহাকাব্যের কবি ও নাট্যকার ছিলেন, যিনি এই ইংরেজি কবিতার রচয়িতা নন।
B) Allen Ginsberg — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ তিনি নিজেই 'September on Jessore Road' কবিতার লেখক।
C) Kaiser Huq — কায়েস হক বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত ইংরেজি সাহিত্যের অধ্যাপক ও কবি, কিন্তু তিনি এই ঐতিহাসিক কবিতার লেখক নন।
D) Vikram Seth — বিক্রম শেঠ একজন সমসাময়িক ভারতীয় ঔপন্যাসিক ও কবি, যার জন্ম অনেক পরে এবং তিনি এই কবিতার সঙ্গে সম্পর্কিত নন।
মনে রাখার টিপস:
যশোর রোডের শরণার্থী নিয়ে লেখা বিখ্যাত কবিতাটির কবি হলেন অ্যালেন গিন্সবার্গ।
সঠিক উত্তর: B) ১৯৯৯ সালে
কেন সঠিক:
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা এই গ্রাফিক নভেল বা আত্মজীবনীমূলক বইটি ১৯৯৯ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।
- তৎকালীন সময়ে ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড ইউপিএল থেকে বইটি প্রথম গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৯৬ সালে — এই সালে বইটি প্রকাশিত হয়নি, এটি ভুল সাল।
B) ১৯৯৯ সালে — এটি সঠিক উত্তর এবং এই সালেই বইটি প্রথম প্রকাশিত হয়।
চন্দ্রাবলী বা অন্য কোনো ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে এই সালটি প্রযোজ্য নয়।
C) ২০০৯ সালে — এটি শেখ মুজিব আমার পিতা বইটির প্রকাশের সাল নয়।
D) ২০১৭ সালে — এই সালে বইটি প্রকাশিত হয়নি, এটি ভুল সাল।
মনে রাখার টিপস:
মুজিব মানেই শতবর্ষের কাছাকাছি, আর এই বইটির প্রকাশ সাল মনে রাখুন শেষের দশকের শেষ বছর অর্থাৎ ১৯৯৯ সালে।
সঠিক উত্তর: A) আহমদ ইমতিয়াজ বুলবুল
কেন সঠিক:
- 'সব কটা জানালা খুলে দাও না' গানটির সুরকার বিখ্যাত সুরকার ও সংগীত পরিচালক আহমদ ইমতিয়াজ বুলবুল।
- ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত এই দেশাত্মবোধক গানটির গীতিকার ছিলেন নজরুল ইসলাম বাবু।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আহমদ ইমতিয়াজ বুলবুল — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি গানটির সুর করেছেন।
B) হুমায়ূন আহমেদ — তিনি বাংলাদেশের একজন জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক ও নাট্যকার ছিলেন, এই গানের সুরকার নন।
C) ফজল-এ খোদা — তিনি এই গানটির গীতিকার নন, তবে তিনি 'سلام سلام হাজার سلام'সহ অন্যান্য বিখ্যাত গানের গীতিকার।
D) কে জি মুস্তফা — তিনি বিখ্যাত দেশাত্মবোধক গান 'তোরা দেখ দেখ দেখ রে আমায়' গানটির গীতিকার, এই গানের সুরকার নন।
মনে রাখার টিপস:
জানালা খুললে যেমন আলো আসে, তেমনি বুলবুলের গানেও সুরের আলো ছড়িয়ে পড়ে, এভাবে মনে রাখতে পারেন।
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: B) ওরা ১১ জন
কেন সঠিক:
- ১৯৭২ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত এই ছবিটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধভিত্তিক প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র।
- চাষী নজরুল ইসলাম পরিচালিত এই চলচ্চিত্রে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধারা অভিনয় করেছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আলোর মিছিল — এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র হলেও প্রথম নয়, এটি মুক্তি পায় ১৯৭৪ সালে।
B) ওরা ১১ জন — এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম চলচ্চিত্র হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
C) অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী — এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র, যা ১৯৭২ সালে মুক্তি পেলেও প্রথম চলচ্চিত্র নয়।
D) একাত্তরের যীশু — এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি প্রখ্যাত চলচ্চিত্র হলেও ১৯৯৩ সালে মুক্তি পায়।
মনে রাখার টিপস:
ওরা ১১ জন সংখ্যাটি দিয়ে মনে রাখতে পারেন এটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রথম চলচ্চিত্র।
সঠিক উত্তর: D) বাগ্মী
১. কেন সঠিক:
'যিনি বক্তৃতা দানে পটু' বোঝাতে 'বাগ্মী' শব্দটি ব্যবহার করা হয়। বাকপটু বা সুন্দরভাবে কথা বলার দক্ষতাকে বাগ্মিতা বলা হয় এবং যিনি এই গুণটির অধিকারী, তাঁকে এককথায় বাগ্মী বলা হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
এটি বাংলা ব্যাকরণের এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন অংশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। কোনো বড় ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যমেই ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায় এবং ভাবসংক্ষেপ ঘটে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: যিনি অনেক কথা বলেন
ব্যাখ্যা: একে এককথায় বাচাল বলা হয়।
উদাহরণ ২: যিনি কম কথা বলেন
ব্যাখ্যা: একে এককথায় মিতভাষী বলা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বক্তা — বক্তা অর্থ যিনি সাধারণভাবে কথা বলেন বা বক্তৃতা দেন, কিন্তু পটু হওয়ার বিশেষত্ব বোঝাতে এটি সঠিক নয়।
B) বাচাল — বাচাল বলতে অতিরিক্ত বা বেশি কথা বলা ব্যক্তিকে বোঝায়, যা পটুতার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
C) মিতভাষী — মিতভাষী অর্থ যিনি কম কথা বলেন, যা বক্তৃতাদানে পটু হওয়ার বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
D) বাগ্মী — সঠিক উত্তর, কারণ এটি সুন্দর ও পটুভাবে বক্তৃতা দানে পারদর্শী ব্যক্তিকে নির্দেশ করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
কথা বা বাক এর সঙ্গে সম্পর্কিত শব্দ হলো বাগ্মী, যার অর্থ সুন্দর ও পটুভাবে কথা বলতে পারদর্শী। সাধারণ বক্তা আর পটু বক্তার মধ্যে পার্থক্য বুঝতে বাগ্মী শব্দটি মনে রাখতে হবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে সামান্যার্থক শব্দগুলোর সূক্ষ্ম পার্থক্য প্রায়ই পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করে। তাই শব্দের মূল অর্থ ভালো করে বুঝে মুখস্থ করার বদলে আত্মস্থ করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) ধর্মেই
১. কেন সঠিক:
- প্রবাদ-প্রবচনের অংশ হিসেবে বাক্যটির শূন্যস্থানে 'ধর্মেই' শব্দটি বসালে অর্থপূর্ণ ও প্রমিত প্রবাদ গঠিত হয়।
- 'কর্মই ধর্ম' একটি বহুল প্রচলিত প্রবাদ যার পূর্ণরূপ হলো কর্মই ধর্ম, কর্মই মুক্তি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা ভাষার একটি বিখ্যাত প্রবাদ-প্রবচন বা লোকোক্তি যা মানুষের কর্মের গুরুত্ব বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
- প্রবাদ-প্রবচনগুলো সমাজের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা ও উপলব্ধির ফল যা অপরিবর্তনীয়ভাবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: লোভে পাপ, পাপে মৃত্যু।
ব্যাখ্যা: এটিও একটি প্রবাদ-প্রবচন যা লোভের খারাপ পরিণতি সম্পর্কে সতর্ক করে।
উদাহরণ ২: দশের লাঠি, একের বোঝা।
ব্যাখ্যা: এটিও একটি প্রবাদ যা দলগত কাজের শক্তি ও সহনশীলতা প্রকাশ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) এতেই — প্রবাদের প্রচলিত কাঠামোর সঙ্গে এই শব্দটি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এবং অর্থের পূর্ণতা আসে না।
B) তাতেই — এটি প্রবাদের প্রমিত রূপের বাইরে এবং এর ব্যবহারে বাক্যটি ব্যাকরণগতভাবে অসিদ্ধ হয়।
C) ধর্মেই — সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি বাক্যের শূন্যস্থান পূর্ণ করতে সবচেয়ে উপযুক্ত ও প্রবাদসিদ্ধ।
D) কর্মেই — বাক্যের প্রথম অংশে 'কর্মই' শব্দটির পুনরাবৃত্তি ঘটায় এটি প্রবাদের নিয়ম অনুযায়ী সঠিক নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- প্রবাদ-প্রবচনগুলো সবসময় নির্দিষ্ট শব্দ বিন্যাস মেনে চলে তাই এগুলোতে নিজস্ব শব্দ যোগ করার সুযোগ নেই।
- পরীক্ষার হলে প্রবাদের প্রচলিত রূপটি মনে রাখলেই এই ধরনের শূন্যস্থান সহজেই পূরণ করা সম্ভব।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত প্রবাদ-প্রবচন থেকে শূন্যস্থান পূরণের প্রশ্ন আসে।
- প্রবাদগুলোর সঠিক ও প্রচলিত রূপ মুখস্থ রাখলে এই ধরনের প্রশ্নে পূর্ণ নম্বর পাওয়া সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: C) ব্যাপ্তি
কেন সঠিক:
- 'মাঝারে' শব্দটি এখানে শুধু স্থানগত অর্থে মাঝখানে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়নি।
- এটি সমস্ত জগৎ জুড়ে ঈশ্বরের উপস্থিতি বা পরিব্যাপ্তি প্রকাশ করছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণে অনুসর্গ হিসেবে 'মাঝারে' শব্দটি মাঝে, মধ্যে বা ব্যাপ্তি অর্থে বসে।
- সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত বা রজনীকান্ত সেনের কবিতায় ঈশ্বরের সর্বব্যাপী উপস্থিতি বোঝাতে এই শব্দের এমন প্রয়োগ দেখা যায়।
- যেমন বাতাসে তুমি আছ জগৎ মাঝারে বলতে পুরো জগৎজুড়ে তাঁর বিচরণ বোঝায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) বাইরে — 'মাঝারে' শব্দের অর্থ কখনই বাইরে হতে পারে না, কারণ এটি ভেতরের বা মধ্যের উপস্থিতি বোঝায়।
- B) মধ্যে — শব্দগতভাবে মনে হতে পারে কিন্তু পূর্ণাঙ্গ ভাব প্রকাশে এখানে শুধু 'মধ্যে' না বুঝিয়ে সমগ্রতার 'ব্যাপ্তি' বোঝানো হয়েছে।
- C) সঠিক উত্তর — এটি সঠিক হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই।
- D) সঙ্গে — 'মাঝারে' শব্দের অর্থ সঙ্গী বা সঙ্গে থাকা বোঝায় না।
মনে রাখার টিপস:
- বিশ্বজুড়ে বা সমগ্র জগৎ জুড়ে কোনো কিছুর উপস্থিতি বোঝালে 'মাঝারে' শব্দের অর্থ সবসময় ব্যাপ্তি হবে।
সঠিক উত্তর: B) আগুনের পরশমণি
১. কেন সঠিক:
- 'আগুনের পরশমণি' হলো বাংলাদেশের প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও নির্মাতা হুমায়ুন আহমেদের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস।
- এই উপন্যাসে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে একটি মধ্যবিত্ত পরিবারের অভিজ্ঞতা ও বীরত্ব ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- হুমায়ুন আহমেদ বিংশ শতাব্দীর শেষভাগের অন্যতম জনপ্রিয় বাঙালি কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার ও চলচ্চিত্র নির্মাতা।
- তাঁর সৃষ্ট হিমু ও মিসির আলি চরিত্র দুটি বাংলা সাহিত্যে এক অনন্য উচ্চতা লাভ করেছে এবং পাঠকদের মাঝে ব্যাপক সমাদৃত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জোছনা ও জননীর গল্প
ব্যাখ্যা: এটি হুমায়ুন আহমেদের আরেকটি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস, যা ১৯৭১ সালের পটভূমিতে রচিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: নন্দিত নরকে
ব্যাখ্যা: এটি হুমায়ুন আহমেদের প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস, যা তাঁর সাহিত্যজীবনের এক যুগান্তকারী মাইলফলক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চৌচির — এই নামক কোনো জনপ্রিয় উপন্যাস বা গ্রন্থ হুমায়ুন আহমেদের নয়। এটি মূলত অন্য লেখকের রচনা বা বিভ্রান্তিকর অপশন।
B) আগুনের পরশমণি — এটি হুমায়ুন আহমেদের লেখা এবং এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত।
C) নদী ও নারী — এটি খ্যাতিমান কথাসাহিত্যিক হুমায়ুন কবিরের লেখা একটি বিখ্যাত উপন্যাস।
D) সারেং বউ — এটি বিশিষ্ট ঔপন্যাসিক শহীদুল জহিরের বা হুমায়ুন আহমেদের নয়, বরং এটি শহীদুল্লাহ কায়সারের একটি বিখ্যাত উপন্যাস।
৫ মনে রাখার টিপস:
- হুমায়ুন আহমেদের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসগুলো মনে রাখার জন্য 'আগুনের পরশমণি' এবং 'জোছনা ও জননীর গল্প' নাম দুটি বিশেষভাবে মনে রাখতে হবে।
- প্রথম উপন্যাস 'নন্দিত নরকে' এবং শেষ উপন্যাস 'দেয়াল' - এই দুটি তথ্য মনে রাখলে অনেক প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই হুমায়ুন আহমেদের প্রথম উপন্যাস এবং মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসগুলো থেকে প্রশ্ন আসে।
- অন্য লেখকদের বিখ্যাত উপন্যাস যেমন 'নদী ও নারী' বা 'সারেং বউ' এর সাথে হুমায়ুন আহমেদের বই গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
সঠিক উত্তর: B) ২০১২
১. কেন সঠিক:
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রচিত 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' গ্রন্থটি ২০১২ সালের ১৮ জুন আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশিত হয়।
বইটির প্রচ্ছদ ডিজাইন করেছিলেন কাইয়ুম চৌধুরী এবং এর ইংরেজি অনুবাদ করেছিলেন অধ্যাপক ফকরুল আলম।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৫৪ সালের কাছাকাছি সময়ে ঢাকা সেন্ট্রাল জেলে বন্দী থাকা অবস্থায় এই আত্মজীবনী লেখা শুরু করেন।
প্রকাশনা সংস্থা ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড (ইউপিএল) এই ঐতিহাসিক গ্রন্থটির প্রথম প্রকাশক।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কারাগারের রোজনামচা
ব্যাখ্যা: এটি বঙ্গবন্ধুর লেখা দ্বিতীয় প্রকাশিত গ্রন্থ যা ২০১৭ সালে প্রকাশিত হয়।
উদাহরণ ২: আমার দেখা নয়াচীন
ব্যাখ্যা: এটি বঙ্গবন্ধুর লেখা তৃতীয় প্রকাশিত গ্রন্থ যা ২০২০ সালে প্রকাশিত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২০১০ — এই সালে 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' প্রকাশিত হয়নি, কারণ বইটি ২০১২ সালে প্রকাশিত হয়।
B) ২০১২ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, যা বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপকভাবে সমাদৃত হয়।
C) ২০১১ — এই সালে গ্রন্থটির প্রকাশনা সম্পন্ন হয়নি, এর কাজ সম্পন্ন হয় ২০১২ সালে।
D) ২০১৩ — এটি প্রকাশের সাল নয়, এটি প্রকাশের পরের বছর।
৫ মনে রাখার টিপস:
বঙ্গবন্ধুর আত্মজীবনী ২০১২ সালে প্রকাশিত হয়, মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো ২০১২ সালের জুন মাসের ১৮ তারিখ এটি সবার হাতে আসে।
তার জন্ম শতবর্ষ বা অন্যান্য ঐতিহাসিক সালের সাথে এটি গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বঙ্গবন্ধু রচিত আত্মজীবনী এবং অন্যান্য বইয়ের নাম ও প্রকাশকাল বারবার আসে।
এই ধরনের প্রশ্নের ক্ষেত্রে গ্রন্থের নাম, রচয়িতা এবং প্রকাশকাল ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) দিনলিপি
কেন সঠিক:
- এটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা একটি ঐতিহাসিক স্মারক গ্রন্থ।
- এই গ্রন্থটিতে ১৯৬৬ থেকে ১৯৬৮ সাল পর্যন্ত লেখকের কারাবাসের দিনগুলোর টুকরো টুকরো ঘটনা ও অনুভূতির বিবরণ রয়েছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- দিনলিপি বা ডায়েরি হলো এমন একটি সাহিত্যকর্ম যেখানে দিনপঞ্জির পাতার মতো প্রতিদিনের ঘটনা ধারাবাহিকভাবে লেখা হয়।
- বাংলা আত্মজীবনীমূলক সাহিত্যে এটি একটি প্রামাণ্য ও অনন্য দলিল হিসেবে বিশেষ স্থান দখল করে আছে।
- যেমন, কারাগারের বন্দিদশার একঘেয়েমি এবং বাইরের রাজনৈতিক পরিস্থিতি এর পাতার পর পাতায় জীবন্ত হয়ে উঠেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) নাটক — এটি কোনো সংলাপনির্ভর বা অভিনয়ের উপযোগী নাটক নয়।
- B) কাব্য — এটি কোনো পদ্য বা কবিতার বই নয়, বরং গদ্যে রচিত দিনলিপি।
- C) উপন্যাস — এটি কোনো কাল্পনিক বা কল্পকাহিনিভিত্তিক উপন্যাস নয়, এটি সম্পূর্ণ বাস্তব সত্যের ওপর ভিত্তি করে লেখা।
- D) দিনলিপি — এটি সঠিক অপশন কারণ এটি লেখকের দিনলিপি সংকলন।
মনে রাখার টিপস:
- রোজনামচা শব্দটির অর্থ হলো ডায়েরি বা দিনলিপি।
- কারাগার শব্দটির সাথে ডায়েরি বা দিনলিপি শব্দটি মিলিয়ে এই গ্রন্থটি মনে রাখা সহজ।
সঠিক উত্তর: A) মাইকেল মধুসূদন দত্ত
১. কেন সঠিক:
- বাংলা সাহিত্যে আধুনিকতার প্রবক্তা এবং প্রথম আধুনিক কবি হিসেবে মাইকেল মধুসূদন দত্ত সর্বস্বীকৃত।
- তিনি বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দ এবং সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতার সফল প্রবর্তন করেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা নাটকে অমরাবতী বা পাশ্চাত্য নাট্যরীতির সফল প্রয়োগ করেন।
- তাঁর বিখ্যাত মহাকাব্য মেঘনাদবধ কাব্য বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তিলোত্তমা সম্ভব কাব্য
ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ, যা অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত।
উদাহরণ ২: পদ্মাবতী নাটক
ব্যাখ্যা: এটি তাঁর রচিত প্রথম নাটক, যেখানে তিনি অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রাথমিক প্রয়োগ করেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — এটি সঠিক উত্তর।
B) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি, আধুনিক কবি নন।
C) জীবনানন্দ দাশ — তিনি বিংশ শতাব্দীর আধুনিক ও রূপসী বাংলার কবি, প্রথম আধুনিক কবি নন।
D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বিশ শতকের বিশ্বকবি ও নোবেলজয়ী সাহিত্যিক, তবে প্রথম আধুনিক কবি নন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- আধুনিকতার শুরু মানেই মাইকেল মধুসূদন দত্ত।
- প্রথম সনেট ও মহাকাব্যের রচয়িতাকেও প্রথম আধুনিক কবি হিসেবে মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বাংলা সনেটের প্রবর্তক ও প্রথম আধুনিক কবি সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
- বাংলা কাব্যে পাশ্চাত্য রীতির সফল প্রয়োগকারী হিসেবে তাঁর নাম সবসময় মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) মাত্রাবৃত্ত
১. কেন সঠিক:
চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন এবং এটি মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত। মাত্রাবৃত্ত ছন্দের মূল বৈশিষ্ট্য হলো এর ধ্বনিপ্রধান বা দলবৃত্ত রূপ এবং মুক্তদল ও রুদ্ধদলের নির্দিষ্ট গণনা পদ্ধতি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
চর্যাপদ হলো বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন যা মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে আবিষ্কার করেন। বাংলা সাহিত্যের আদি এই কাব্যগ্রন্থটি মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের সাধন সংগীত বা চর্যাগীতি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সন্ধ্যা ভাষা
ব্যাখ্যা: চর্যাপদের ভাষা প্রাকৃত ও প্রাচীন বাংলার সন্ধিক্ষণে রচিত হওয়ায় একে সন্ধা ভাষা বা আলো-আঁধারি ভাষা বলা হয়।
উদাহরণ ২: ডোম পদকর্তা
ব্যাখ্যা: চর্যাপদের ২৪ নম্বর পদের রচয়িতা ভুসুকুপা নিজেকে বাঙালি বলে পরিচয় দিয়েছেন এবং তিনি ডোম জাতির অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অমৃত্রাক্ষর — এটি বাংলা কাব্যের এক বিশেষ ছন্দরূপ যার প্রবক্তা মাইকেল মধুসূদন দত্ত এবং চর্যাপদের যুগে এর অস্তিত্ব ছিল না।
B) মাত্রাবৃত্ত — এই অপশনটি সঠিক এবং চর্যাপদ এই ছন্দের নিয়ম মেনে রচিত হয়েছে।
C) স্বরবৃত্ত — এটি মূলত লোকগীতির ছন্দ বা ঝঝাঁঝালো গতির ছন্দ যা চর্যাপদের রচনারীতি নয়।
D) কোনোটিই নয় — সঠিক উত্তর মাত্রাবৃত্ত অপশনে বিদ্যমান থাকায় এই অপشنটি গ্রহণযোগ্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
চর্যাপদের ছন্দ মনে রাখার সহজ উপায় হলো আদি নিদর্শন মাত্রাবৃত্ত। চর্যাপদ ও মাত্রাবৃত্ত উভয় শব্দটির মধ্যে প্রাচীন ও মৌলিক একটি মেলবন্ধন রয়েছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
চর্যাপদের মোট পদের সংখ্যা নিয়ে বিতর্ক থাকলেও ডক্টর সুকুমার সেনের মতে পদসংখ্যা ছেচল্লিশ দশমিক পাঁচ এবং এর মূল ছন্দ হলো মাত্রাবৃত্ত। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় চর্যাপদের ছন্দ ও আবিষ্কারক সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: A) ১৮০১
১. কেন সঠিক:
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসকে সাধারণত তিনটি যুগে ভাগ করা হয় এবং আধুনিক যুগের সূচনা ধরা হয় ১৮০১ সাল থেকে।
এই বছর ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয় এবং বাংলা গদ্যচর্চার সূচনা ঘটে, যা আধুনিক যুগের পথ প্রশস্ত করেছিল।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা সাহিত্যের কালকাল নির্ণয় নিয়ে বিভিন্ন মত থাকলেও সাধারণভাবে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে প্রাচীন যুগ ৬৫০ থেকে ১২০০ সাল, মধ্য যুগ ১২০০ থেকে ১৮০০ সাল এবং আধুনিক যুগ ১৮০১ সাল থেকে বর্তমানকাল পর্যন্ত।
১৮০১ সালকে আধুনিক যুগের সূচনাকাল ধরার পেছনে গদ্যের বিকাশ এবং সামন্তবাদী সমাজ ব্যবস্থার পরিবর্তে আধুনিক চেতনার উন্মেষ প্রধান কারণ হিসেবে কাজ করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ
ব্যাখ্যা: ১৮০১ সালে প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠানের পন্ডিতদের হাত ধরেই বাংলা গদ্যের আধুনিক রূপ বিনির্মাণ শুরু হয়।
উদাহরণ ২: উইলিয়াম কেরির কথোপকথন
ব্যাখ্যা: ১৮০১ সালে প্রকাশিত এই গ্রন্থটি বাংলা গদ্যের ইতিহাসে আধুনিক যুগের অগ্রযাত্রার একটি মাইলফলক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৮০১ — এই সাল থেকেই বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের সূচনা ধরা হয়।
B) ১৯০১ — এই সালটি বিংশ শতাব্দীর সূচনা নির্দেশ করে, যা আধুনিক যুগের অনেক পরের সময়।
C) ১৬০১ — এই সালটি মধ্য যুগের সময়সীমার অন্তর্ভুক্ত এবং এ সময় মধ্যযুগের সাহিত্য রচিত হতো।
D) ১৭০১ — এই সালটিও মধ্য যুগের আওতাধীন, কারণ মধ্য যুগ শেষ হয় ১৮০০ সালে।
৫ মনে রাখার টিপস:
১৮০১ সাল মনে রাখতে মনে রাখুন যে আধুনিক যুগের শুরু ১৮ দিয়ে এবং তার ঠিক পরেই ০১।
মধ্য যুগ শেষ হয় ১৮০০ সালে, আর আধুনিক যুগ শুরু হয় ঠিক তার পরের বছর অর্থাৎ ১৮০১ সাল থেকে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বাংলা সাহিত্যের যুগ বিভাজন এবং আধুনিক যুগের সূচনা সাল জানতে চাওয়া হয়।
ড. সুকুমার সেন এবং ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর যুগ বিভাজনের সালগুলোর পার্থক্য ভালোভাবে মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: D) মাথা খাটিয়ে কাজ কর
১. কেন সঠিক:
- এই বাক্যে মাথা শব্দটি বুদ্ধিমত্তা বা চিন্তাশক্তি প্রয়োগ করা অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
- দৈহিক শ্রমের পরিবর্তে মেধা বা বুদ্ধি খাটিয়ে কোনো কাজ সম্পন্ন করার ক্ষেত্রে মাথা খাটাও প্রযোগটি বহুল প্রচলিত।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ভাষায় শব্দের অর্থের বহুমুখিতা এবং রূপক ব্যবহার ব্যাকরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
- বিশেষ্য পদ হিসেবে 'মাথা' শরীরের একটি অঙ্গ বোঝালেও, বাগধারায় ও বিশেষ প্রয়োগে এটি বুদ্ধি, নেতৃত্ব বা প্রধান বোঝায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অংকটি করতে একটু মাথা খাটাও।
ব্যাখ্যা: এখানে অংক সমাধানের জন্য চিন্তাশক্তি বা বুদ্ধি প্রয়োগ করার কথা বলা হয়েছে।
উদাহরণ ২: কঠিন সমস্যা সমাধানে মাথা খাটাতে হয়।
ব্যাখ্যা: এখানেও মাথা শব্দটি বুদ্ধিমত্তা অর্থে প্রয়োগ করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তিনিই সমাজের মাথা — এই বাক্যে মাথা শব্দটি নেতৃত্ব বা প্রধান ব্যক্তি অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
B) লজ্জায় আমার মাথা কাটা গেল — এই বাক্যে মাথা কাটা যাওয়া বলতে মূলত চরম লজ্জা বা অপমানের কারণে মুখ দেখাতে না পারার অবস্থাকে বোঝানো হয়েছে।
C) মাথা নেই তার মাথা ব্যথা — এই বাক্যে প্রথম মাথা বলতে আক্ষরিক অর্থে মাথা এবং দ্বিতীয় মাথা ব্যথা বলতে দুশ্চিন্তা বা সমস্যা বোঝানো হয়েছে।
D) খাটিয়ে কাজ কর — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে মাথা শব্দটি বুদ্ধি অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- যখন কোনো বাক্যে বুদ্ধি প্রয়োগ করে কাজ করার পরামর্শ বা নির্দেশ থাকে, তখন বুঝতে হবে সেখানে মাথা শব্দটি বুদ্ধি অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
- শরীরের অঙ্গবাচক শব্দগুলো কীভাবে বাক্যের অর্থে ভিন্নতা আনে তা খেয়াল রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় একই শব্দের ভিন্ন অর্থে ব্যবহারের ওপর প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- শব্দের контекস্ট বা প্রসংগ বুঝে সঠিক অর্থ নির্ধারণ করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) সৈয়দ মুজতবা আলী
১. কেন সঠিক:
- 'চাচা কাহিনী' গ্রন্থটির রচিয়তা প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও প্রাবন্ধিক সৈয়দ মুজতবা আলী।
- এটি মূলত তাঁর একটি বিখ্যাত রম্যরচনা ও ভ্রমণকাহিনীভিত্তিক গ্রন্থ যেখানে চাচার চরিত্রের মাধ্যমে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বিষয় ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সৈয়দ মুজতবা আলী বিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ বাঙালি রম্যলেখক ও ভ্রমণকাহিনীকার।
- তাঁর লেখায় গভীর পাণ্ডিত্য ও লঘু রসের চমৎকার সমন্বয় দেখা যায়, যার অনন্য উদাহরণ এই চাচা কাহিনী গ্রন্থটি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দেশে বিদেশে
ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ মুজতবা আলী রচিত অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি ভ্রমণকাহিনী।
উদাহরণ ২: পঞ্চপর্ণ
ব্যাখ্যা: এটিও সৈয়দ মুজতবা আলী রচিত একটি বিখ্যাত গল্পগ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সৈয়দ শামসুল হক — তিনি একজন প্রখ্যাত কবি ও ঔপন্যাসিক হলেও 'চাচা কাহিনী' তাঁর লেখা নয়।
B) শওকত ওসমান — তিনি মূলত সামাজিক রাজনৈতিক উপন্যাস ও ছোটগল্প রচনার জন্য বিখ্যাত, তাই এই গ্রন্থটি তাঁর নয়।
C) মুহম্মদ আব্দুল হাই — তিনি একজন প্রখ্যাত ভাষাবিজ্ঞানী ও গবেষক, এই রম্যরচনার সঙ্গে তিনি জড়িত নন।
D) সৈয়দ মুজতবা আলী — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই গ্রন্থটি তাঁরই অমর সৃষ্টি।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মুজতবা আলীর চাচা খুব ভ্রমণ করতে ভালোবাসতেন, তাই ভ্রমণকাহিনী ও রম্যরচনার লেখক হিসেবে তাঁর নাম মনে রাখবে।
- তাঁর লেখা মানেই হাস্যরস এবং গভীর জীবনবোধের এক অপূর্ব মিশ্রণ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সৈয়দ মুজতবা আলীর ছদ্মনাম সত্যপীর বা ওমর খৈয়াম প্রায়ই আসে।
- তাঁর বিখ্যাত ভ্রমণকাহিনী 'দেশে বিদেশে' এবং রম্যরচনা 'চাচা কাহিনী' থেকে নিয়মিত প্রশ্ন থাকে।
সঠিক উত্তর: A) খুব
১. কেন সঠিক:
'ভারি' শব্দটি এই বাক্যে আধিক্য বা মাত্রা বোঝাতে বিশেষণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
এখানে রূপের মুগ্ধতা যে অত্যন্ত বেশি, তা প্রকাশ করতেই 'খুব' অর্থে 'ভারি' শব্দটি বসেছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ভাষায় কিছু শব্দ তাদের আক্ষরিক অর্থ পরিবর্তন করে অন্য অর্থে বাক্যে ব্যবহৃত হয়।
'ভারি' সাধারণত ওজন বা গুরুত্ব বোঝাতে ব্যবহৃত হলেও কথ্য ও প্রমিত বাংলায় এটি তীব্রতা বা আধিক্য বোঝাতে বিশেষণরূপে বসে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অংকটি ভারি কঠিন।
ব্যাখ্যা: এখানে 'ভারি' শব্দটি কঠিনতার মাত্রা বা তীব্রতা খুব বেশি অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: আজ ভারি গরম পড়েছে।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে 'ভারি' শব্দটি গরমের আধিক্য বা প্রাবল্য বোঝাতে খুব অর্থে বসেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) খুব — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে 'ভারি' শব্দটির মাধ্যমে মুগ্ধতার মাত্রা বা তীব্রতা বোঝানো হয়েছে।
B) বেশি ওজন — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে বস্তুগত কোনো ভারী বস্তু বা ওজনের কথা বোঝানো হয়নি।
C) ভারহীন — এই অপশনটি সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে এবং বাক্যের ভাবের সঙ্গে মেলে না।
D) বেশি — এই অপশনটি আক্ষরিকভাবে কিছুটা কাছাকাছি হলেও 'ভারি মনোমুগ্ধকর' বাক্যে প্রমিত প্রয়োগ অনুযায়ী এটি 'খুব' অর্থে সবচেয়ে বেশি গ্রহণযোগ্য।
৫ মনে রাখার টিপস:
বাক্যে কোনো গুণের মাত্রা বোঝাতে 'ভারি' শব্দের আগে মনে মনে 'খুব' বসিয়ে দেখবে, অর্থ মিলে গেলে সেটি আধিক্য বোঝায়।
বিশেষণের তীব্রতা প্রকাশ করতে এই ধরনের শব্দের ব্যবহার ব্যাকরণে বেশ পরিচিত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের রূপান্তর ও প্রমিত ব্যবহার থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
বাক্যের контекস্ট বা প্রসংগ বুঝে শব্দের সঠিক অর্থ নির্ধারণ করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) বিরাগ
১. কেন সঠিক:
- অনুরাগ শব্দের অর্থ গভীর ভালোবাসা, আসক্তি বা প্রীতি।
- এর বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে বিরাগ ব্যবহৃত হয় যার অর্থ বিরূপতা বা অনাসক্তি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বিপরীতার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যা অন্য একটি শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করে।
- তৎসম শব্দের বিপরীতে তৎসম শব্দ এবং তদ্ভব শব্দের বিপরীতে তদ্ভব শব্দ ব্যবহার করার রীতি প্রচলিত আছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অনুরাগ ও বিরাগ
ব্যাখ্যা: এখানে অনুরাগের বিপরীত বিরাগ সঠিকভাবে আসক্তি ও বিরূপতা প্রকাশ করে।
উদাহরণ ২: আশা ও নিরাশ
ব্যাখ্যা: এটিও একটি প্রচলিত বিপরীতার্থক শব্দের জোড়া যা মনের ভাবকে বিপরীতভাবে প্রকাশ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মিতরাগ — এই শব্দটির সঠিক কোনো ব্যাকরণগত বা প্রচলিত অর্থ নেই।
B) বিরাগ — এটি সঠিক উত্তর এবং অনুরাগের যথাযথ বিপরীতার্থক শব্দ।
C) রাগহীন — এটি সাধারণ পদ গঠন হলেও অনুরাগের সুনির্দিষ্ট বিপরীতার্থক শব্দ নয়।
D) অনুরাগহীন — এটি অনুরাগের সমার্থক কাছাকাছি ভাব প্রকাশ করে, সরাসরি বিপরীতার্থক নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- অনু উপসর্গের স্থানে বি উপসর্গ যোগ করে খুব সহজেই বিপরীত শব্দ তৈরি করা যায়।
- অনুরাগের বিপরীত বিরাগ এভাবে জোড়া মুখস্থ রাখতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গ পরিবর্তনের মাধ্যমে গঠিত বিপরীত শব্দ প্রায়ই আসে।
- মূল শব্দের উৎস বিবেচনা করে বিপরীত শব্দ নির্বাচন করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) দূষণ
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরটি বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী শতভাগ নির্ভুল।
- বাংলা বানানরীতিতে মূর্ধন্য ণ এবং দন্ত্য ন এর ব্যবহার এবং দীর্ঘ ঊ কার ও হ্রস্ব উ কার এর সঠিক প্রয়োগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী তৎসম বা সংস্কৃত শব্দে ই, ঈ, উ, ঊ, ঋ এবং র, ষ এর পরে সাধারণত মূর্ধন্য ণ ব্যবহৃত হয়।
- দূষণ শব্দটিতে মূর্ধন্য ষ এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে মূর্ধন্য ণ এবং দু এর নিচে বসেছে দীর্ঘ ঊ কার, যা শব্দটির প্রমিত রূপ নির্ধারণ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ভূষণ
ব্যাখ্যা: ভূষণ শব্দটিতেও মূর্ধন্য ষ এর প্রভাবে মূর্ধন্য ণ ব্যবহৃত হয়েছে, যা দূষণ শব্দের মতোই একই ব্যাকরণগত নিয়ম অনুসরণ করে।
উদাহরণ ২: শোষণ
ব্যাখ্যা: শোষণ শব্দে মূর্ধন্য ষ এর পরে মূর্ধন্য ণ বসেছে এবং এটিও প্রমিত বাংলা বানানরীতির একটি আদর্শ উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দুষণ — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে দূষণ শব্দের দীর্ঘ ঊ কারের পরিবর্তে হ্রস্ব উ কার এবং মূর্ধন্য ণ এর পরিবর্তে দন্ত্য ন ব্যবহার করা হয়েছে।
B) দূষণ — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়।
C) দুষন — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে হ্রস্ব উ কার এবং দন্ত্য ন ব্যবহার করা হয়েছে, যা প্রমিত বানানরীতির পরিপন্থী।
D) দূষন — এই অপশনটিতে দীর্ঘ ঊ কার ঠিক থাকলেও দন্ত্য ন ব্যবহারের কারণে বানানটি ভুল হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মূর্ধন্য ষ এর পরে সাধারণত দন্ত্য ন না বসে মূর্ধন্য ণ বসে।
- দূষণ শব্দের শুরুতে দীর্ঘ ঊ কার এবং শেষে মূর্ধন্য ণ হয়, এই দুটি পরিবর্তন মনে রাখলেই বানান ভুল হবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বানানে ণত্ব বিধানের প্রয়োগ প্রায়ই আসে।
- ষ এর পরে ন থাকলে তা পরিবর্তন করে ণ করতে হয়, এই সাধারণ নিয়মটি মনে রাখলে অনেক শুদ্ধ বানান সহজে সমাধান করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: C) বাক্য
১. কেন সঠিক:
- ভাষার মূল উপকরণ হলো বাক্য কারণ বক্তার মনের ভাব সম্পূর্ণরূপে প্রকাশের মাধ্যম হলো বাক্য।
- ভাষার ক্ষুদ্রতম একক ধ্বনি হলেও অর্থপূর্ণ যোগাযোগের মৌলিক উপাদান বা ভিত্তি হলো বাক্য।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- একাধিক পদ মিলিত হয়ে যখন বক্তার মনের ভাব সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ করে, তখন তাকে বাক্য বলে।
- ভাষার মৌলিক উপাদান হিসেবে বাক্যের সাহায্যে মানুষ তার ভাব আদান-প্রদান করে থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাংলাদেশ একটি স্বাধীন দেশ।
ব্যাখ্যা: এটি একটি অর্থপূর্ণ বাক্য যা সম্পূর্ণ মনোভাব প্রকাশ করে।
উদাহরণ ২: নদীটি খুব দ্রুত প্রবাহিত হচ্ছে।
ব্যাখ্যা: এটি পদের সমন্বয়ে গঠিত একটি পূর্ণাঙ্গ বাক্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শব্দ — শব্দ ভাষার উপাদান হলেও এটি বাক্যের ক্ষুদ্র অংশ, সরাসরি মূল বা পূর্ণাঙ্গ উপকরণ নয়।
B) বিরাম চিহ্ন — বিরাম চিহ্ন বাক্যের অর্থ স্পষ্ট করার সহায়ক হলেও এটি ভাষার মূল উপকরণ নয়।
D) প্রত্যয় — প্রত্যয় নতুন শব্দ গঠনে সাহায্য করে, যা ব্যাকরণের অংশ কিন্তু ভাষার মূল উপকরণ নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
মনের ভাব সম্পূর্ণ প্রকাশের মূল বাহন বা উপকরণ হলো বাক্য।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ভাষা সংক্রান্ত প্রশ্নে ভাষার মূল উপাদান চাইলে বাক্য দাগাতে হবে এবং মূল একক চাইলে ধ্বনি বলতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) শব্দের পরে
কেন সঠিক:
১. অনুসর্গগুলো স্বাধীন পদ হিসেবে না বসে বিশেষ বা সর্বনাম পদের ঠিক পরেই বসে বাক্যের অর্থ প্রকাশ করে।
২. এই পদের কাজ হলো শব্দের সাথে অন্য পদের সম্পর্ক স্থাপন করা, তাই এদের অবস্থান সবসময় শব্দের পরে হয়ে থাকে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১. বাংলা ব্যাকরণে যে শব্দগুলো বিশেষ বা সর্বনাম পদের পরে বসে কারক বোঝাতে সাহায্য করে তাদের অনুসর্গ বলা হয়।
২. অনুসর্গগুলোকে কর্মপ্রবচনীয়ও বলা হয়ে থাকে এবং এগুলো সাধারণত বিভক্তির মতো কাজ করে থাকে।
৩. যেমন বাক্যে আমরা বলি দেশের তরে প্রাণ দেব, যেখানে তরে হলো অনুসর্গ যা দেশ শব্দের পরে বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শব্দের আগে — শব্দের আগে অনুসর্গ বসে না, কারণ অনুসর্গ সবসময় পদের পরে যুক্ত হয়ে নিজের কাজ সম্পন্ন করে থাকে।
B) শব্দের পরে — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি অনুসর্গের প্রকৃত ব্যাকরণগত অবস্থানকে নির্দেশ করে।
C) বাক্যের পূর্বে — বাক্য তৈরির সময় অনুসর্গ কখনো পুরো বাক্যের প্রথমে বসে না, বরং এটি নির্দিষ্ট পদের পরেই বসে।
D) বাক্যের মধ্যে — অনুসর্গ শুধু যেকোনো জায়গায় বসে না, এটি নির্দিষ্ট কোনো বিশেষ বা সর্বনাম পদের ঠিক পরেই বসে।
মনে রাখার টিপস:
অনুসর্গ মানে পরে, মনে রাখবে পিছে বসা তার স্বভাব। শব্দের পরে বসে সে কারক বোঝায় ভাব।
সঠিক উত্তর: C) ২
১. কেন সঠিক:
- গঠনভেদে বাংলা শব্দ মূলত দুই প্রকার। এগুলো হলো মৌলিক শব্দ এবং সাধিত শব্দ।
- শব্দের এই শ্রেণিবিভাগ নির্ধারণ করা হয় শব্দের গঠন বা উৎপত্তিগত বিশ্লেষণ বা প্রক্রিয়া অনুযায়ী।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- গঠনগত দিক থেকে বাংলা শব্দকে দুটি প্রধান ভাগে ভাগ করা হয়। প্রথমটি মৌলিক শব্দ যা বিশ্লেষণ করা যায় না এবং দ্বিতীয়টি সাধিত শব্দ যা উপসর্গ বা প্রত্যয় যোগে গঠিত হয়।
- মৌলিক শব্দ হলো সেই শব্দ যা ভাঙলে বা বিশ্লেষণ করলে আর কোনো অর্থপূর্ণ অংশ পাওয়া যায় না। সাধিত শব্দ হলো মৌলিক শব্দের সঙ্গে উপসর্গ বা প্রত্যয় যুক্ত হয়ে অথবা সমাসের মাধ্যমে গঠিত শব্দ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হাত
ব্যাখ্যা: এটি একটি মৌলিক শব্দ কারণ একে ভাঙলে আর কোনো অর্থপূর্ণ অংশ পাওয়া যায় না।
উদাহরণ ২: চলন্ত
ব্যাখ্যা: এটি একটি সাধিত শব্দ কারণ এটি চল ধাতু এবং অন্ত প্রত্যয় যোগে গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৪ — গঠনভেদে শব্দ চার প্রকার নয়, কারণ বাংলা ব্যাকরণে শব্দের গঠনগত শ্রেণিবিভাগ মাত্র দুটি।
B) ৫ — পাঁচ প্রকার শব্দ মূলত পদের শ্রেণিবিভাগ বা অন্য কোনো ব্যাকরণিক পদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে, গঠনের ক্ষেত্রে নয়।
C) ২ — এই অপশনটি সঠিক কারণ গঠনভেদে শব্দ মৌলিক ও সাধিত এই দুই ভাগে বিভক্ত।
D) ৩ — তিন প্রকার শব্দ উৎস বা অন্য কোনো বিচারে হতে পারে, কিন্তু গঠনভেদে সংখ্যাটি তিন নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- গঠনভেদে শব্দ বললে মনে রাখবে দুই অক্ষরের শব্দ 'গঠন', তাই এর প্রকারভেদও দুটি অর্থাৎ মৌলিক ও সাধিত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই উৎসভেদে এবং গঠনভেদে শব্দের পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়, তাই উৎসের ৫ প্রকার এবং গঠনের ২ প্রকার গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
সঠিক উত্তর: B) কর্মকারক
১. কেন সঠিক:
বাক্যে 'ঘোড়া' হলো কর্তা এবং 'গাড়ি' হলো কর্ম। ঘোড়া নিজে কাজ করছে কিন্তু তার কাজের ফল বা প্রভাব এসে পড়ছে 'গাড়ি' পদের ওপর, যা টানার মাধ্যমে চালিত হচ্ছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
বাক্যের ক্রিয়াকে কি বা কাকে দ্বারা প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তাকে কর্মকারক বলে। এখানে 'কী টানে' প্রশ্নের উত্তরে 'গাড়ি' শব্দটি আসে, যা কর্মকারকের রূপ প্রকাশ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ডাক্তার রোগী দেখেন।
ব্যাখ্যা: কাকে দেখেন প্রশ্নের উত্তরে 'রোগী' হলো কর্মকারক।
উদাহরণ ২: শিক্ষক পড়াচ্ছেন।
ব্যাখ্যা: কী পড়াচ্ছেন প্রশ্নের উত্তরে কর্মকারক বোঝায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কর্তৃকারক — ঘোড়া নিজেই কাজ করছে তাই এটি কর্তা, কিন্তু কর্মপদ থাকায় সঠিক উত্তর কর্মকারক হবে।
B) কর্মকারক — এটি সঠিক কারণ গাড়ি এখানে ক্রিয়ার কর্ম হিসেবে সম্পূর্ণভাবে যুক্ত আছে।
C) অপাদান কারক — অপাদান কারক বলতে যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত বা ভীত হয় বোঝায়, যা এখানে অনুপস্থিত।
D) অধিকরণ কারক — অধিকরণ কারক বলতে স্থান, কাল বা বিষয় বোঝায়, যা এই বাক্যে নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
বাক্যের ক্রিয়াকে কী বা কাকে দিয়ে প্রশ্ন করলে যদি উত্তর মেলে, তবে সেটি সাধারণত কর্মকারক হয়। কর্তা কাজটি করে আর যার ওপর ফল পড়ে তা কর্ম।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রাণীবাবচক বা বস্তুবাবচক কর্মের ব্যবহার প্রায়ই আসে। বাক্য দেখে কর্তা ও কর্মের সম্পর্ক ভালোভাবে বুঝতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) উৎ + হার
১. কেন সঠিক:
সন্ধির নিয়মানুযায়ী ত্ কিংবা দ্-এর পরে যদি হ্ থাকে, তবে ত্ কিংবা দ্-এর জায়গায় দ্ হয় এবং পরবর্তী হ্-এর জায়গায় ধ্ হয়।
এখানে উৎ শব্দের অন্তস্থিত ত্-এর পরে হার শব্দের হ্ থাকায় ত্ পরিবর্তিত হয়ে দ্ এবং হ্ পরিবর্তিত হয়ে ধ্ হয়েছে, যার ফলে উদ্ধার শব্দটি গঠিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
এটি ব্যঞ্জনসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম। সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী বর্গের প্রথম বা তৃতীয় বর্ণের পর হ থাকলে প্রথম বা তৃতীয় বর্ণের স্থানে পরবর্তী বর্গের তৃতীয় বর্ণ এবং হ-এর স্থানে পূর্ববর্তী বর্গের চতুর্থ বর্ণ হয়।
এখানে ত্-এর স্থানে দ্ এবং হ্-এর স্থানে ধ্ হয়ে দ্বিত্ব বা যুক্তবর্ণ গঠিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পদ্ম (পদ + হতি)
ব্যাখ্যা: ত্-এর পরে হ্ থাকার কারণে ত্-এর জায়গায় দ্ এবং হ্-এর জায়গায় ধ্ হয়ে এই শব্দ গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: পদ্ধতি (পথ + হতি)
ব্যাখ্যা: এখানেও একই ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম প্রয়োগ করে ত্ ও হ্ পরিবর্তিত হয়ে দ্ ও ধ্ রূপ ধারণ করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উদ্ + হার — এখানে প্রথম অংশে হসন্তযুক্ত দ ব্যবহার করা হয়েছে, যা প্রমিত বাংলা সন্ধির নিয়মে সঠিক হলেও প্রচলিত তৎসম সন্ধিতে খণ্ড-ত বা উৎ ব্যবহার করা হয়।
C) উত + হার — এই অপশনে উৎ-এর খণ্ড-ত-এ হসন্ত বা খণ্ডরূপ ব্যবহার না করার কারণে এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক বানান বা গঠন নয়।
D) উৎঃ + হার — এই অপশনে উৎ শব্দের সাথে একটি অহেতুক বিসর্গ যুক্ত করা হয়েছে, যা এই সন্ধির ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক ও ভুল।
৫ মনে রাখার টিপস:
উদ্ধার শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ মনে রাখার সহজ সূত্র হলো উৎ যোগ হার।
পরীক্ষায় হ থাকলে পূর্বের ত্-কে উৎ এবং পরের হ-কে ধ তে রূপান্তর করার বিষয়টি মাথায় রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
এই ধরনের ব্যঞ্জনসন্ধি বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
একই নিয়মে পতি + হতি থেকে পদ্ধতি এবং উদ্ + হরণ থেকে উদাহরণ শব্দগুলো গঠিত হয়, যা অনুশীলন করা জরুরি।
সঠিক উত্তর: A) পর্তুগিজ
১. কেন সঠিক:
- 'আনারস' শব্দটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। পর্তুগিজ বণিক ও ধর্মযাজকদের মাধ্যমে বাংলায় এই শব্দটি প্রবেশ করে।
- পর্তুগিজ ভাষা থেকে আগত বিদেশি শব্দগুলো সাধারণত আমাদের প্রাত্যহিক জীবনের নানা ফল, বস্তু বা সংস্কৃতির সঙ্গে জড়িত।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বিদেশি শব্দের উৎস নির্ণয় বাংলা ব্যাকরণের শব্দের শ্রেণিবিভাগ অধ্যায়ের অন্তর্ভুক্ত। পর্তুগিজরা বাণিজ্যের উদ্দেশ্যে বাংলায় আসার ফলে বহু পর্তুগিজ শব্দ বাংলা শব্দভান্ডারে স্থায়ীভাবে স্থান করে নিয়েছে।
- বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত এমন অনেক পর্তুগিজ শব্দ রয়েছে যা আমরা প্রতিদিন ব্যবহার করি এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এগুলো প্রায়শই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সাবান
ব্যাখ্যা: সাবান একটি পর্তুগিজ শব্দ যা আমাদের দৈনন্দিন জীবনে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজে বহুল ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: আলমারি
ব্যাখ্যা: আলমারি শব্দটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে এবং এটি একটি বহুল প্রচলিত গৃহস্থালি আসবাবপত্রের নাম।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পর্তুগিজ — এটি সঠিক উত্তর কারণ আনারস শব্দটি এই ভাষা থেকেই সরাসরি বাংলা ভাষায় গৃহিত হয়েছে।
B) ওলন্দাজ — ওলন্দাজ ভাষা থেকে বাংলায় আসা শব্দগুলো ভিন্ন যেমন হরতন, ইস্কাপন ইত্যাদি এবং এটি আনারসের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
C) আরবি — আরবি ভাষা থেকে বাংলায় ধর্ম, প্রশাসন ও সমাজ সংক্রান্ত অনেক শব্দ এসেছে কিন্তু আনারস আরবি শব্দ নয়।
D) দেশি — দেশি শব্দ বলতে মূলত অর্বাচীন বা আদিম অধিবাসীদের ব্যবহৃত শব্দকে বোঝায়, যা আনারস শব্দের উৎসের সঙ্গে মিলে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- পর্তুগিজ শব্দ মনে রাখার সহজ কৌশল হলো ফলমূল, খাদ্যদ্রব্য এবং দৈনন্দিন ব্যবহারের কিছু নির্দিষ্ট জিনিস যেমন আনারস, পেঁপে, চাবি মনে রাখা।
- বিদেশি শব্দের উৎস মনে রাখতে শব্দগুলোর সঙ্গে এর ঐতিহাসিক যোগাযোগের বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পর্তুগিজ শব্দ থেকে বারবার প্রশ্ন আসে, তাই এই শব্দগুলোর তালিকা ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
- একই নিয়মে অন্যান্য বিদেশি ভাষার শব্দ যেমন আরবি, ফারসি ও ওলন্দাজ শব্দগুলো আলাদা করে ছক তৈরি করে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: C) He is sick of flattery.
কেন সঠিক:
এখানে তোষামোদ বা চাটুকারিতা সহ্য করতে না পেরে বিরক্ত হওয়া বোঝাতে sick শব্দের সাথে অবিকল of preposition বসে।
এছাড়া sick of কথার অর্থ হলো কোনো কিছুতে বিরক্ত বা অতিষ্ঠ হওয়া।
তাই ব্যাকরণগত ও অর্থগত দিক থেকে এই বাক্যটি পুরোপুরি সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) He is caught of flattery. — caught শব্দের সাথে of preposition বসে না এবং এটি অর্থহীন।
B) He is ill of flattary. — ill এর সাথে of বসে না এবং flattary বানানটি ভুল।
D) He is angry of flattery. — angry এর সাথে of বসে না, বরং with বা at বসে।
মনে রাখার টিপস:
বিরক্ত বা অতিষ্ঠ বোঝাতে sick এর পরে সবসময় of preposition ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) wizard
কেন সঠিক:
wizard শব্দটি জাদুকর বোঝাতে ব্যবহৃত হয় যা একটি পুরুষবাচক বা মাসকুলিন জেন্ডার।
এর স্ত্রীলিঙ্গ বা ফেমিনাইন রূপ হলো উইচ।
এটি প্রাণী বা মানুষের ক্ষেত্রে পুরুষ লিঙ্গ নির্দেশ করে।
তাই এটি সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) doe — এটি হরিণীর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় যা একটি স্ত্রীবাচক বা ফেমিনাইন জেন্ডার।
B) wizard — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে গণ্য হবে না।
C) testatrix — এটি উইলের ক্ষেত্রে মহিলা টেস্টেটর বোঝাতে ব্যবহৃত হয় যা ফেমিনাইন জেন্ডার।
D) friend — এটি এমন একটি শব্দ যা পুরুষ ও মহিলা উভয়কেই বোঝাতে পারে তাই এটি কমন জেন্ডার।
মনে রাখার টিপস:
শব্দগুলোর অর্থ ও তাদের স্ত্রী-পুরুষ রূপগুলো ভালোভাবে মুখস্থ করলে জেন্ডার খুব সহজেই চেনা যায়।
সঠিক উত্তর: A) green
কেন সঠিক:
green শব্দটি রঙ বোঝানোর পাশাপাশি কোনো কিছুকে সবুজ করা বা পরিবেশবান্ধব করা অর্থে ভার্ব হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে।
ইংরেজিতে অনেক রঙের নাম বিশেষ্য বা বিশেষণ হলেও কিছু শব্দ প্রেক্ষাপট ভেদে ভার্ব হিসেবে কাজ করে।
green এর ক্ষেত্রে এমন রূপান্তর খুবই স্বাভাবিক এবং এটি বাক্যে সরাসরি ক্রিয়া হিসেবে বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) green — এটি সঠিক উত্তর এবং এটি ভার্ব হিসেবে ব্যবহার করা সম্ভব।
B) orange — এটি কেবল রঙ বা ফল বোঝায় এবং বাক্য কখনো ভার্ব হিসেবে বসে না।
C) red — এটি সাধারণত রঙ বা লাল বোঝাতে নাউন বা অ্যাডজেক্টিভ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
D) blue — এটি নীল রঙ বা বিষণ্ণতা বোঝায় এবং সরাসরি ভার্ব হিসেবে কাজ করতে পারে না।
মনে রাখার টিপস:
যেসব রঙের নাম দিয়ে কোনো কিছু রঙিন করা বা পরিবর্তন করা বোঝায়, সেগুলো সাধারণত ভার্ব হতে পারে।
সঠিক উত্তর: A) befriend
কেন সঠিক:
- 'friend' হলো বিশেষ্য বা নাউন, যার আগে উপসর্গ বা প্রিফিক্স 'be-' যুক্ত করে ক্রিয়াপদ বা ভার্ব 'befriend' এ রূপান্তর করা হয়েছে।
- এর অর্থ হলো কারও বন্ধু হওয়া বা বিপদে সাহায্য করা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) befriend — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি নাউন 'friend' থেকে গঠিত সঠিক ভার্ব রূপ।
B) enfriend — এই শব্দটির ইংরেজি ব্যাকরণে কোনো অস্তিত্ব নেই।
C) defriend — এটি মূলত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বন্ধু তালিকা থেকে বাদ দেওয়া বোঝায়, যা মূল শব্দের সঠিক রূপান্তর নয়।
D) friendly — এটি নাউনের সঙ্গে প্রত্যয় বা সাফিক্স '-ly' যুক্ত হয়ে গঠিত একটি বিশেষণ বা অ্যাডজেক্টিভ।
মনে রাখার টিপস:
কোনো নাউনের শুরুতে 'be-' যোগ করে তাকে ভার্বে রূপান্তর করা যায়, যেমন friend থেকে befriend।
সঠিক উত্তর: D) turned over
কেন সঠিক:
- 'Turn over' একটি গ্রুপ ভার্ব, যার অর্থ উল্টে যাওয়া বা কাত হয়ে যাওয়া।
- নৌকাটি ডুবে যাওয়া বা উল্টে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে সঠিক ফ্রেজাল ভার্ব হিসেবে এটি ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) turned down — এর অর্থ প্রত্যাখ্যান করা বা কমানো, যা নৌকার ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক নয়।
B) turned bottom — এই ধরনের কোনো অর্থপূর্ণ বা প্রচলিত ফ্রেজাল ভার্ব ইংরেজিতে নেই।
C) turned up — এর অর্থ উপস্থিত হওয়া বা প্রকাশ পাওয়া, যা এখানে অর্থহীন।
D) turned over — এর অর্থ উল্টে যাওয়া, যা প্রদত্ত বাক্যের অর্থকে সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
নৌকা বা যানবাহন উল্টে যাওয়ার ক্ষেত্রে সবসময় 'turn over' গ্রুপ ভার্বটি ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: A) occasionally
কেন সঠিক:
বাক্যটিতে ব্যবহৃত "off and on" একটি ফ্রেজ বা বাগধারা।
এর অর্থ হলো মাঝে মাঝে বা অনিয়মিতভাবে, যা "occasionally" শব্দের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) occasionally — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
B) everyday — এর অর্থ প্রতিদিন, যা অনিয়মিত কাজের সাথে মিলে না।
C) regularly — এর অর্থ নিয়মিত, যা "off and on" এর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
D) never at all — এর অর্থ মোটেও না, যা বাক্যটির আসল অর্থের সাথে সাংঘর্ষিক।
মনে রাখার টিপস:
off and on মানে মাঝে মাঝে মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) a hidden enemy
কেন সঠিক:
ঘাসের মধ্যে লুকিয়ে থাকা সাপ যেমন সহজে চোখে পড়ে না এবং হঠাৎ আক্রমণ করে ক্ষতি করতে পারে, তেমনি এই ইডিয়মটি এমন একজন মানুষকে বোঝায় যিনি বন্ধুত্বের ভান করে কিন্তু গোপনে ক্ষতি করে। তাই এর আক্ষরিক অর্থ সাপ না হয়ে একটি রূপক অর্থ প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) a sleeping snake — এটি ইডিয়মের রূপক অর্থ প্রকাশ না করে আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ করে, যা ভুল।
B) a dead snake — ঘাসের মধ্যে মরা সাপ থাকলে তা কোনো গোপন শত্রু বোঝায় না, তাই এটি ভুল।
C) a hidden enemy — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) a harmless person — এটি গোপন শত্রুর উল্টো অর্থ অর্থাৎ একজন ক্ষতিহীন মানুষকে বোঝায়, তাই ভুল।
মনে রাখার টিপস:
ঘাসের নিচে সাপ লুকিয়ে থেকে যেমন হঠাৎ ছোবল মারে, তেমনি বন্ধুবেশে থাকা গোপন শত্রুও গোপনে ক্ষতি করে।
সঠিক উত্তর: A) Generosity
কেন সঠিক:
Bounty শব্দের অর্থ হলো উদারতা বা মুক্তহস্তে দান করা।
Generosity শব্দের অর্থও উদারতা বা মহৎ প্রাণ হওয়া।
তাই অর্থের দিক থেকে এই দুটি শব্দ সমার্থক।
এই কারণে অপশন এ সঠিক উত্তর হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Generosity — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ উদারতা, যা মূল শব্দের সাথে মিলে যায়।
B) Familiar — এর অর্থ পরিচিত, যা bounty শব্দের অর্থের সাথে কোনোভাবেই মেলে না।
C) Dividing time — এর অর্থ সময় ভাগ করা, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি অর্থ প্রকাশ করে।
D) Sympathy — এর অর্থ সহানুভূতি, যা উদারতা বা bounty শব্দের সঠিক সমার্থক নয়।
মনে রাখার টিপস:
বিখ্যাত চকলেট ব্র্যান্ড বাউন্টি মনে রাখতে পারেন, যা অনেক বড় করে ভাগ করে খাওয়া যায় এবং এটি উদারতার প্রতীক।
সঠিক উত্তর: A) Optimistic
কেন সঠিক:
Sanguine শব্দের অর্থ আশাবাদী বা প্রফুল্ল।
Optimistic শব্দের অর্থ একই রকম আশাবাদী।
তাই এই দুটি শব্দ সমার্থক।
এই দুটি পজিটিভ অর্থ প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Optimistic — এটি সঠিক উত্তর।
B) Restless — এর অর্থ অস্থির যা সংগুলীনের বিপরীত।
C) Hopeless — এর অর্থ হতাশ যা এর ঠিক উল্টো অর্থ প্রকাশ করে।
D) Bloody — এর অর্থ রক্তাক্ত যা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি অর্থ দেয়।
মনে রাখার টিপস:
Sanguine মানে রক্তিম বা লালচে, আর লাল রঙ সবসময় আশার প্রতীক হিসেবে ধরা হয়।
সঠিক উত্তর: D) You, he and I are present.
কেন সঠিক:
একাধিক ভিন্ন পুরুষের প্রোনাউন একসঙ্গে বসলে সাধারণ নিয়মে প্রথমে দ্বিতীয় পুরুষ, পরে তৃতীয় পুরুষ এবং শেষে প্রথম পুরুষ বসাতে হয়।
এই নিয়ם অনুযায়ী ক্রমটি হবে You, he and I এবং একাধিক সাবজেক্ট থাকলে ভার্বটি সবসময় প্লুরাল বা are হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) You, he and I am present — এখানে সব প্রোনাউনের ক্রম ঠিক থাকলেও I-এর সাথে am ব্যবহার করায় তা ভুল হয়েছে কারণ সাবজেক্ট প্লুরাল হওয়ায় are হবে।
B) He, you and I am present — এখানে প্রোনাউনের ক্রম ভুল আছে এবং am ব্যবহার করা হয়েছে, যা সঠিক নিয়মের পরিপন্থী।
C) I, you and he are present — এখানে প্রোনাউনের স্বাভাবিক ক্রম অনুসরণ করা হয়নি কারণ প্রথম পুরুষ প্রথমে বসেছে।
D) You, he and I are present — এটি সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
সাধারণ বাক্যে প্রোনাউনের ক্রম মনে রাখার সহজ উপায় হলো দুই, তিন, এক (২৩১) এবং ভার্বটি সবসময় প্লুরাল হবে।
সঠিক উত্তর: D) He said, He did the work'.
কেন সঠিক:
পরোক্ষ উক্তির Past Perfect Tense (had done) সরাসরি উক্তি করার সময় সাধারণ Past Indefinite Tense (did) এ রূপান্তরিত হয়।
Reporting verb 'said' অতীতকালে থাকায় ভেতরের বাক্যের verb এর পরিবর্তন ঘটে এবং Subject প্রথম পুরুষের নিয়মে পরিবর্তিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) He said, 'I will do the work' — এখানে future tense ব্যবহার করা হয়েছে যা নিয়মের সাথে মেলে না।
B) He said, The work will done by me — বাক্যটি passive voice এ আছে এবং এখানে কোনো সঠিক ব্যাকরণগত পরিবর্তন করা হয়নি।
C) He said, 'I do the work' — এখানে present tense ব্যবহার করা হয়েছে যা past tense এর নিয়মের বিপরীত।
D) He said, He did the work' — এটি সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
Narration পরিবর্তনের সময় Past Perfect Tense (had + V3) থাকলে direct speech এ সেটি Past Indefinite Tense (V2) এ রূপান্তর করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) dancing
কেন সঠিক:
বাক্যের শুরুতে gardening এবং reading শব্দ দুটি gerund হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। and conjunction এর মাধ্যমে সমজাতীয় পদের সংযোগ ঘটে বলে পরের verb এর সাথেও ing যুক্ত হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) to dance — এটি infinitive হওয়ায় আগের শব্দগুলোর সাথে grammatical মিল থাকে না।
B) dancing — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
C) danced — এটি past form হওয়ায় parallel structure নিয়ম ভঙ্গ করে।
D) dance — এটি base form হওয়ায় gerund গুলোর সাথে মিলে না।
মনে রাখার টিপস:
and এর দুইপাশে একই ধরনের শব্দ বা grammar নিয়ম বসে।
সঠিক উত্তর: C) sat, took
কেন সঠিক:
- বাক্যটি অতীতের দুটি ধারাবাহিক ঘটনা প্রকাশ করছে, তাই উভয় অংশে পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্স ব্যবহার করা হয়েছে।
- 'sit' verb-এর পাস্ট ফর্ম 'sat' এবং 'take' verb-এর পাস্ট ফর্ম 'took' বসে বাক্যটিকে grammatically সঠিক করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) sits, took — প্রথম অংশে 'sits' প্রেজেন্ট টেন্স হওয়ায় বাক্যের অন্য অংশের পাস্ট টেন্সের সাথে মিলছে না।
B) sat, take — প্রথম অংশ পাস্ট টেন্স হলেও দ্বিতীয় অংশে 'take' প্রেজেন্ট টেন্স ব্যবহার করায় টেন্সের অসঙ্গতি ঘটেছে।
C) sat, took — এটি সঠিক উত্তর, কারণ দুটি verb-ই পাস্ট টেন্সে রয়েছে।
D) sat, had taken — দ্বিতীয় কাজটি অতীতে সম্পন্ন হওয়ার আগের কোনো ঘটনা বোঝায় না, তাই পাস্ট পারফেক্ট টেন্সের প্রয়োজন নেই।
মনে রাখার টিপস:
অতীতকালের দুটি সাধারণ ঘটনা পরপর ঘটলে দুটি verb-ই পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্সে হয়।
সঠিক উত্তর: B) No man is immortal.
কেন সঠিক:
নেতিবাচক বাক্যে রূপান্তর করার সময় মূল অর্থের পরিবর্তন করা যাবে না।
এখানে 'mortal' শব্দের বিপরীত শব্দ 'immortal' ব্যবহার করে বাক্যটিকে নেতিবাচক করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Man is not mortal — এটি বাক্যটির ভুল অর্থ প্রকাশ করে কারণ মানুষ অবশ্যই মরণশীল।
B) No man is immortal — এটি সঠিক উত্তর এবং এটি মূল বাক্যের অর্থ ঠিক রাখে।
C) Man is immortal — এটি একটি এফার্মেটিভ বা হাবভাবক বাক্য।
D) No man is mortal — এটি ভুল তথ্য দেয় কারণ মানুষ মরণশীল।
মনে রাখার টিপস:
অ্যাফার্মেটিভ থেকে নেতিবাচক করার সময় বিপরীত শব্দ ব্যবহার করে অর্থ ঠিক রাখতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) Compound sentence
কেন সঠিক:
এখানে 'Do' এবং 'die' দুটি স্বাধীন ক্লজ বা বাক্যংশ রয়েছে। মাঝখানে 'or' অব্যয় দিয়ে দুটি সমজাতীয় বাক্যংশ যুক্ত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Compound sentence — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) Simple sentence — এটি সরল বাক্য নয় কারণ এখানে দুটি আলাদা মূল verb এবং দুটি অংশ রয়েছে।
C) Complex sentence — এটি জটিল বাক্য নয় কারণ এতে কোনো subordinating conjunction বা আশ্রিত খণ্ডবাক্য নেই।
D) Not at all sentence — এটি একটি সম্পূর্ণ এবং অর্থপূর্ণ বাক্য, তাই এই অপটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
And, but, or ইত্যাদি দিয়ে দুটি স্বাধীন অংশ যুক্ত থাকলে তা compound sentence হয়।
সঠিক উত্তর: A) Despite being
কেন সঠিক:
Despite শব্দের পরে সরাসরি gerund বসাতে হলে being ব্যবহার করা নিয়মসম্মত।
এখানে বাক্যটির অর্থ সম্পূর্ণ করতে despite being সঠিক অর্থ প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Despite being — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই।
B) Despite of being — Despite শব্দের সাথে কখনো preposition হিসেবে of বসে না।
C) In spite of — এর পরে a good student বসালে বাক্যের গঠন অসম্পূর্ণ থাকে।
D) Despite the fact of — এই গঠনটি ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়মের সাথে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
Despite এর পরে কখনো of বসে না কিন্তু in spite এর পরে সবসময় of বসে।
সঠিক উত্তর: C) being
কেন সঠিক:
মাস্টারড ভার্বটির পরে সাধারণত জিরান্ড বা আইএনজি যুক্ত ভার্ব বসে।
এখানে কোনো সাহায্যকারী ভার্ব ছাড়াই সরাসরি ভার্বটির সাথে আইএনজি যোগ করতে হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) was — এখানে পাস্ট টেন্সের সাহায্যকারী ভার্ব হওয়ায় তা বাক্যের ব্যাকরণগত নিয়মের সাথে মিলে না।
B) be — এখানে মূল ভার্বের বেস ফর্ম থাকায় তা মাস্টারড ভার্বটির পরে বসার উপযোগী নয়।
C) being — এই অপশনটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়।
D) be — এখানে বেস ফর্ম থাকায় এটি নিয়মের বাইরে চলে গেছে এবং এটি সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
মাস্টারড বা এই জাতীয় বিশেষ ভার্বগুলোর পরে সরাসরি ভার্বের সাথে আইএনজি যুক্ত করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) optative sentence
কেন সঠিক:
- যে সেন্টেন্স বা বাক্য দ্বারা মনের ইচ্ছা, প্রার্থনা বা আশীর্বাদ প্রকাশ পায়, তাকে optative sentence বলে।
- প্রদত্ত বাক্যে মহান আল্লাহর কাছে সাহায্য চাওয়া হয়েছে, যা মূলত একটি প্রার্থনা বা ইচ্ছা প্রকাশ করছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) optative sentence — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাক্যটি দ্বারা প্রার্থনা বা আশীর্বাদ বোঝানো হয়েছে।
B) assertive sentence — এটি ভুল কারণ assertive sentence দ্বারা সাধারণ বিবৃতি বা বর্ণনা প্রকাশ পায়।
C) exclamatory sentence — এটি ভুল কারণ exclamatory sentence দ্বারা হঠাৎ মনের তীব্র আবেগ বা বিস্ময় প্রকাশ পায়।
D) of the above — এটি ভুল কারণ সবগুলো অপশন সঠিক নয়, কেবল অপশন এ সঠিক।
মনে রাখার টিপস:
যে বাক্য শুরু হয় May দিয়ে এবং মনের ভেতর থেকে কোনো প্রার্থনা বা আশীর্বাদ প্রকাশ করে, চোখ বন্ধ করে তাকে optative sentence চিহ্নিত করবে।
সঠিক উত্তর: C) aren't I
কেন সঠিক:
- ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী 'I am' যুক্ত এফারমেটিভ বাক্যের ট্যাগ কোশ্চেন সবসময় aren't I হয়।
- amn't কোনো প্রমিত বা আধুনিক ইংরেজি শব্দ বা রূপ নয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) am not — এটি শুধুমাত্র I am এর সাথে সরাসরি নেতিবাচক রূপ হিসেবে বসে, কিন্তু এটি ট্যাগ কোশ্চেনের সঠিক গঠন নয়।
B) amn't I — ইংরেজি ব্যাকরণে amn't রূপটি অপ্রচলিত এবং ভুল বলে গণ্য করা হয়।
C) aren't I — এটি সঠিক অপশন এবং প্রদত্ত উত্তর হিসেবেও সঠিক।
D) Both B and C — যেহেতু অপশন বি ভুল, তাই এই অপশনটিও সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
I am এর ট্যাগ কোশ্চেন করার সময় সর্বদা aren't I মুখস্থ রাখবে কারণ amn't বলে কোনো শব্দ ইংরেজিতে নেই।
সঠিক উত্তর: C) Shouted
কেন সঠিক:
বাক্যের অর্থ এবং পরিস্থিতির সাথে সামঞ্জস্য রেখে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে।
উচ্চস্বরে কথা বলা বা চিৎকার করার ভাব প্রকাশ করতে এটি সঠিক।
এটি বাক্যের শূন্যস্থানে সুন্দরভাবে বসে।
ব্যাকরণগত দিক থেকেও এটি এখানে উপযুক্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Doafts — এই শব্দটি এখানে অর্থহীন এবং এর সঠিক কোনো ব্যাকরণগত ব্যবহার নেই।
B) Pleaded — এর অর্থ অনুরোধ করা, যা এই বাক্যের ভাবের সাথে একেবারেই মেলে না।
C) Shouted — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়।
D) Demanded — এর অর্থ দাবি করা, যা এই নির্দিষ্ট বাক্যের প্রেক্ষাপটে সম্পূর্ণ বেমানান।
মনে রাখার টিপস:
শূন্যLস্থানের আগের শব্দের অর্থ এবং বাক্যের সামগ্রিক ভাব বুঝে সঠিক শব্দ নির্বাচন করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) ১৪৪২৭
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম সংখ্যা = ৪৬৪৭৮
দ্বিতীয় সংখ্যা = ১৪৪২৭
তৃতীয় সংখ্যা = ১৬৭৪২
চতুর্থ সংখ্যা = ৪৫৫৩৭
ধরি,
প্রদত্ত সংখ্যাগুলো হলো চার অঙ্কের বা পাঁচ অঙ্কের ধনাত্মক পূর্ণসংখ্যা
অতএব,
সংখ্যাগুলোর হাজার ঘরের অঙ্ক তুলনা করে পাই
প্রথম সংখ্যার হাজার ঘরের অঙ্ক = ৪
দ্বিতীয় সংখ্যার হাজার ঘরের অঙ্ক = ১
সুতরাং,
সবচেয়ে ছোট হাজার ঘরের অঙ্ক হলো ১ যা ১৪৪২৭ সংখ্যাটিতে আছে
উত্তর: ১৪৪২৭
সঠিক উত্তর: A) ৪,৫
প্রদত্ত তথ্য:
সংখ্যা দুটি ক্রমিক পূর্ণসংখ্যা
সংখ্যা দুটির অন্তর ৯
ধরি,
ছোট সংখ্যাটি = ক
বড় সংখ্যাটি = ক + ১
অতএব,
প্রশ্নমতে, (ক + ১) − ক = ৯
কিন্তু অপশনগুলোর মধ্যে ক্রমিক সংখ্যা এবং তাদের অন্তর পরীক্ষা করি
অপশন এ এর সংখ্যা দুটি ৪ এবং ৫
সুতরাং,
৫ − ৪ = ১, যা প্রশ্নে প্রদত্ত অন্তরের সাথে মিলছে না
তবে এটি একটি বহুবার পরীক্ষিত প্রশ্ন যেখানে অপশন বা প্রিন্টিং এ ভুল থাকতে পারে
অথবা প্রশ্নকর্তা অন্য কোনো শর্ত বোঝাতে চেয়েছেন
উত্তর: প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে সঠিক উত্তর হলো A) ৪,৫
সঠিক উত্তর: D) ৪২
প্রদত্ত তথ্য:
সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের একটি কোণ ৯৬ ডিগ্রি
সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের অপর দুটি কোণ পরস্পর সমান
ধরি,
ত্রিভুজের সমান দুটি কোণের প্রতিটি = ক ডিগ্রি
অতএব,
ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি = ১৮০ ডিগ্রি
শর্তানুসারে, ক + ক + ৯৬ ডিগ্রি = ১৮০ ডিগ্রি
সুতরাং,
২ক = ১৮০ ডিগ্রি − ৯৬ ডিগ্রি = ৮৪ ডিগ্রি
ক = ৮৪ ডিগ্রি ÷ ২ = ৪২ ডিগ্রি
উত্তর: ৪২ ডিগ্রি
সঠিক উত্তর: C) ০.৯১৪৪
প্রদত্ত তথ্য:
১ গজ সমান কত মিটার তা নির্ণয় করতে হবে।
আন্তর্জাতিক পরিমাপ পদ্ধতি অনুযায়ী ১ গজ এবং মিটারের সম্পর্ক ব্যবহার করতে হবে।
ধরি,
১ ইঞ্চি = ০.০২৫৪ মিটার
১ ফুট = ১২ ইঞ্চি
১ গজ = ৩ ফুট
অতএব,
১ ফুট = ১২ × ০.০২৫৪ মিটার = ০.৩০৪৮ মিটার
১ গজ = ৩ × ০.৩০৪৮ মিটার
সুতরাং,
১ গজ = ০.৯১৪৪ মিটার
উত্তর: ০.৯১৪৪ মিটার
সঠিক উত্তর: B) ৫−x
প্রদত্ত তথ্য:
বহুপদী রাশিটি হলো ৩৫ − ২x − x²
রাশিটির একটি উৎপাদক (৭ + x)
ধরি,
রাশিটি সমান শূন্য ধরে উৎপাদক দুটি বের করতে হবে
ধরি বহুপদী রাশিটি P(x) = ৩৫ − ২x − x²
অতএব,
রাশিটিকে মিডল টার্ম বা উৎপাদকে বিশ্লেষণ করি
৩৫ + ৫x − ৭x − x²
৫(৭ + x) − x(৭ + x)
সুতরাং,
(৭ + x)(৫ − x)
যেহেতু একটি উৎপাদক (৭ + x) দেওয়া আছে
উত্তর: অপর উৎপাদকটি হলো ৫ − x
সঠিক উত্তর: C) ৪৬
প্রদত্ত তথ্য:
তালিকার সংখ্যাগুলো হলো ১, ৪, ১০, ১৯, ৩১
ধরি,
সংখ্যাগুলোর মধ্যকার প্রথম পার্থক্য = ৪ − ১ = ৩
সংখ্যাগুলোর মধ্যকার দ্বিতীয় পার্থক্য = ১০ − ৪ = ৬
অতএব,
তৃতীয় পার্থক্য = ১৯ − ১০ = ৯
চতুর্থ পার্থক্য = ৩১ − ১৯ = ১২
সুতরাং,
পঞ্চম পার্থক্য হবে ১২ + ৩ = ১৫
উত্তর: ৩১ + ১৫ = ৪৬
সঠিক উত্তর: B) ২৪২০
প্রদত্ত তথ্য:
আসল, P = ২০০০ টাকা
মুনাফার হার, r = ১০% বা ০.১
সময়, n = ২ বছর
ধরি,
চক্রবৃদ্ধি মূলধন = C
এখানে চক্রবৃদ্ধি মূলধনের সূত্র প্রয়োগ করতে হবে
অতএব,
সূত্রটি হলো C = P × (১ + r) এর পাওয়ার n
মানগুলো বসিয়ে পাই, C = ২০০০ × (১ + ০.১) এর পাওয়ার ২
সুতরাং,
C = ২০০০ × (১.১) এর পাওয়ার ২
C = ২০০০ × ১.২১ = ২৪২০ টাকা
উত্তর: ২৪২০
সঠিক উত্তর: B) 1.0E-7
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম সংখ্যাটি হলো ০.০০৫
দ্বিতীয় সংখ্যাটি হলো ০.০০০০৫
ধরি,
প্রথম সংখ্যা = ০.০০৫
দ্বিতীয় সংখ্যা = ০.০০০০৫
অতএব,
সংখ্যা দুটি গুণ করতে হবে অর্থাৎ ০.০০৫ × ০.০০০০৫
সুতরাং,
গুণফল হিসাব করে পাওয়া যায় ০.০০০০০০২৫
উত্তর: 1.0E-7
সঠিক উত্তর: C) ৬৩
প্রদত্ত তথ্য:
ভাজকগুলো হলো ৪, ৫ এবং ৬
প্রতিবার ভাগশেষ থাকবে ৩
ধরি,
প্রথমে ৪, ৫ এবং ৬ এর লসাগু বের করতে হবে
লসাগুর সাথে ভাগশেষ ৩ যোগ করতে হবে
অতএব,
৪, ৫ এবং ৬ এর লসাগু হলো ৬০
নির্ণেয় ক্ষুদ্রতম সংখ্যা হবে লসাগু এবং ভাগশেষের যোগফল
সুতরাং,
৬০ + ৩ = ৬৩
উত্তর: ৬৩
সঠিক উত্তর: C) 41275
প্রদত্ত তথ্য:
তাসের প্যাকেটে মোট তাসের সংখ্যা = ৫২
তাসের প্যাকেটে টেক্কার সংখ্যা = ৪
ধরি,
মোট সম্ভাব্য ঘটনার সংখ্যা = ৫২
অনুকূল ঘটনার সংখ্যা = ৪
অতএব,
টেক্কা পাওয়ার সম্ভাবনা = অনুকূল ঘটনার সংখ্যা ÷ মোট সম্ভাব্য ঘটনার সংখ্যা
টেক্কা পাওয়ার সম্ভাবনা = ৪ ÷ ৫২
সুতরাং,
সম্ভাবনা লঘিষ্ঠ আকারে প্রকাশ করলে হয় = ১ ÷ ১৩
উত্তর: C) 41275
সঠিক উত্তর: A) ৫ঃ৪
প্রদত্ত তথ্য:
দ্রব্যটি পঁচিশ শতাংশ লাভে বিক্রয় করা হয়েছে
ধরি,
দ্রব্যটির ক্রয়মূল্য সমান ১০০ টাকা
অতএব,
পঁচিশ শতাংশ লাভে বিক্রয়মূল্য সমান ১০০ + ২৫ সমান ১২৫ টাকা
সুতরাং,
বিক্রয়মূল্য ও ক্রয়মূল্যের অনুপাত সমান ১২৫ ঃ ১০০ সমান ৫ ঃ ৪
উত্তর: ৫ঃ৪
সঠিক উত্তর: C) ৪০
প্রদত্ত তথ্য:
আসল ২০ বছরে সুদে মূল দ্বিগুণ হয়
ধরি,
আসল = ১০০ টাকা
২০ বছর পর সুদে মূল দ্বিগুণ অর্থাৎ ২০০ টাকা হয়
অতএব,
২০ বছরের সুদ = ২০০ − ১০০ = ১০০ টাকা
১০০ টাকার ১ বছরের সুদ = ১০০ ÷ ২০ = ৫ টাকা
সুতরাং,
তিনগুণ হতে হলে সুদ হতে হবে ৩০০ − ১০০ = ২০০ টাকা
প্রয়োজনীয় সময় = ২০০ ÷ ৫ = ৪০ বছর
উত্তর: ৪০ বছর
সঠিক উত্তর: C) ২
প্রদত্ত তথ্য:
সংখ্যার দ্বিগুণের সাথে ৫ যোগ করলে যোগফল সংখ্যাটি অপেক্ষা ৭ বেশি হয়
ধরি,
অজানা সংখ্যাটি ক
অতএব,
শর্তানুসারে, সংখ্যাটির দ্বিগুণ = ২ × ক
সংখ্যার দ্বিগুণের সাথে ৫ যোগ করলে হয় = (২ × ক) + ৫
সুতরাং,
সমীকরণটি হলো, (২ × ক) + ৫ = ক + ৭
উত্তর: ক = ২
সঠিক উত্তর: B) ২০০
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম সংখ্যা = ১০
দ্বিতীয় সংখ্যা = ৪০
তৃতীয় সংখ্যা = ৫০
ধরি,
চতুর্থ সমানুপাতিক = ক
অতএব,
প্রথম সংখ্যা অনুপাত দ্বিতীয় সংখ্যা = তৃতীয় সংখ্যা অনুপাত চতুর্থ সমানুপাতিক
১০ অনুপাত ৪০ = ৫০ অনুপাত ক
সুতরাং,
১০ ÷ ৪০ = ৫০ ÷ ক
১০ × ক = ৪০ × ৫০
উত্তর: ক = ২০০
সঠিক উত্তর: B) ৪০
প্রদত্ত তথ্য:
দুইটি সংখ্যার সমষ্টি = ৭০
দুইটি সংখ্যার অন্তরফল = ১০
ধরি,
বড় সংখ্যাটি = ক
ছোট সংখ্যাটি = খ
অতএব,
ক + খ = ৭০
ক − খ = ১০
সুতরাং,
২ক = ৭০ + ১০ = ৮০
ক = ৮০ ÷ ২ = ৪০
উত্তর: ৪০
সঠিক উত্তর: D) ৪৪
প্রদত্ত তথ্য:
বর্গক্ষেত্রের প্রতি বাহুর দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি পায় কুড়ি শতাংশ
ধরি,
মূল বর্গক্ষেত্রের বাহুর দৈর্ঘ্য = ১০০ একক
মূল বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = (১০০ × ১০০) বর্গ একক = ১০০০০ বর্গ একক
অতএব,
বাহুর দৈর্ঘ্য কুড়ি শতাংশ বৃদ্ধি পেলে নতুন বাহুর দৈর্ঘ্য হয় = ১২০ একক
নতুন বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল হয় = (১২০ × ১২০) বর্গ একক = ১৪৪০০ বর্গ একক
সুতরাং,
ক্ষেত্রফল বৃদ্ধি পায় = ১৪৪০০ − ১০০০০ = ৪৪০০ বর্গ একক
উত্তর: ক্ষেত্রফল শতকরা বৃদ্ধি পায় ৪৪%
সঠিক উত্তর: A) ৫
প্রদত্ত তথ্য:
মোট কমলালেবুর সংখ্যা = ১২৫টি
মোট কলমের সংখ্যা = ১৪৫টি
ধরি,
বালকের সংখ্যা হবে ১২৫ এবং ১৪৫ এর সাধারণ উৎপাদক
অতএব,
১২৫ এর উৎপাদকগুলি হলো ১, ৫, ২৫, ১২৫
১৪৫ এর উৎপাদকগুলি হলো ১, ৫, ২৯, ১৪৫
সুতরাং,
১২৫ ও ১৪৫ এর গসাগু হলো ৫
উত্তর: ৫ জন বালক
সঠিক উত্তর: D) ৯√৩
প্রদত্ত তথ্য:
সমবাহু ত্রিভুজের বাহুর দৈর্ঘ্য = ৬ সে.মি.
ধরি,
সমবাহু ত্রিভুজের বাহুর দৈর্ঘ্য = ক
ক্ষেত্রফলের সূত্র = (√৩ ÷ ৪) × (ক এর উপর বর্গ)
অতএব,
বাহুর দৈর্ঘ্যের বর্গ = ৬ × ৬ = ৩৬
সূত্রের সাহায্য নিয়ে মান বসাই
(√৩ ÷ ৪) × ৩৬
সুতরাং,
৩৬ কে ৪ দিয়ে ভাগ করলে পাই ৯
৯ এর সাথে √৩ গুণ করি
উত্তর: ৯√৩ বর্গ সে.মি.
সঠিক উত্তর: C) মহাস্থানগড়, বাংলাদেশ (উল্লেখ্য, প্রশ্নে অপশন সি-তে 'ভারত' শব্দটি অতিরিক্ত ও ভুলভাবে যুক্ত হয়েছে, সঠিক স্থানটি বাংলাদেশের বগুড়া জেলায় অবস্থিত)।
কেন সঠিক:
- বগুড়ার মহাস্থানগড় প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধনের রাজধানী এবং বাংলাদেশের অন্যতম প্রাচীন ও ঐতিহাসিক নিদর্শন।
- সার্ক দেশসমূহের মধ্যে সাংস্কৃতিক যোগাযোগ ও ঐতিহ্য তুলে ধরতে একে সার্কের সাংস্কৃতিক রাজধানী হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইলোরা অজন্তা, ভারত — এটি ভারতের মহারাষ্ট্রে অবস্থিত ঐতিহাসিক গুহা ও ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হলেও সার্ক সাংস্কৃতিক রাজধানী নয়।
B) মহেঞ্জদারো-হরপ্পা, ভারত — মহেঞ্জদারো ও হরপ্পা বর্তমানে পাকিস্তানে অবস্থিত সিন্ধু সভ্যতার প্রাচীন নিদর্শন, যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয়।
C) ভারত মহাস্থানগড়, বাংলাদেশ — মহাস্থানগড় বাংলাদেশের ঐতিহাসিক স্থান, তাই অপশনে 'ভারত' শব্দটির উল্লেখ একটি ভুল তথ্য।
D) কোনোটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশন সি-তে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে (যদিও সেখানে ভুলবশত 'ভারত' লেখা হয়েছে), তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
সাংস্কৃতিক রাজধানী বললেই আমাদের প্রাচীন ঐতিহাসিক কীর্তি মহাস্থানগড় এবং বাংলাদেশের বগুড়ার কথা মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) চীন
কেন সঠিক:
- জনসংখ্যার দিক থেকে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ হওয়ায় চীনে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা সর্বাধিক।
- সাম্প্রতিক প্রযুক্তিগত উন্নয়ন ও সহজলভ্য মোবাইল ইন্টারনেটের কারণে দেশটিতে ব্যবহারকারী দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চীন — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটি বর্তমানে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী সংখ্যার দিক থেকে বিশ্বে শীর্ষস্থানে রয়েছে।
B) জার্মানি — ইউরোপের একটি উন্নত দেশ হলেও এর জনসংখ্যা কম হওয়ায় মোট ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা চীনের তুলনায় অনেক কম।
C) যুক্তরাষ্ট্র — একসময়ে ইন্টারনেট প্রযুক্তিতে অগ্রগামী থাকলেও মোট ব্যবহারকারীর সংখ্যায় বর্তমানে এটি চীনের পেছনে রয়েছে।
D) ভারত — ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর দিক থেকে এটি বিশ্বে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে, তাই এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয়।
মনে রাখার টিপস:
জনসংখ্যা বেশি তাই ইন্টারনেটেও চীন প্রথম।
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: D) ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫
সংশোধনী বিজ্ঞপ্তি: প্রদত্ত উত্তরে ২৫ অক্টোবর ২০১৫ বলা হয়েছে, যা সঠিক নয়। সঠিক তারিখ হলো ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭০তম অধিবেশনে এই টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG) গৃহীত হয়।
কেন সঠিক:
- ২০১৫ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭০তম অধিবেশনে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG) আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত হয়।
- ২০১৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে এই লক্ষ্যমাত্রা আনুষ্ঠানিকভাবে বাস্তবায়ন শুরু হয় যা ২০৩০ সালের মধ্যে অর্জনের লক্ষ্য নির্ধারিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৫ — এই তারিখে এসডিজি গৃহীত হয়নি, এটি ভুল তারিখ।
B) ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৬ — এই সালটি সঠিক নয় কারণ এসডিজি ২০১৫ সালে গৃহীত হয়েছিল।
C) ২৫ অক্টোবর ২০১৫ — এটি ভুল মাস, সঠিক মাসটি ছিল সেপ্টেম্বর।
D) ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫ — এটি সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস: ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসের ২৫ তারিখে জাতিসংঘ বিশ্ব উন্নয়নের জন্য এসডিজি গ্রহণ করেছিল।
সঠিক উত্তর: B) অ্যান্টনি ব্লিংকেন
কেন সঠিক:
- অ্যান্টনি ব্লিংকেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জো বাইডেন প্রশাসনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
- তিনি দেশটির বৈদেশিক নীতি নির্ধারণ ও আন্তর্জাতিক কূটনীতি পরিচালনায় প্রধান ভূমিকা পালন করে আসছেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রবার্ট ব্ল্যাক — এটি মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর নাম নয় এবং এই নামে কোনো পরিচিত মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী নেই।
B) অ্যান্টনি ব্লিংকেন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
C) টমাস হ্যারিস — এটি মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর নাম নয় এবং এই নামের কোনো ব্যক্তি এই পদে নেই।
D) অ্যান্টনি রাইস — কন্ডোলিজা রাইস মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন, কিন্তু অ্যান্টনি রাইস নামে কোনো পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন না।
মনে রাখার টিপস:
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর নামের প্রথম অংশ অ্যান্টনি মনে রাখলেই সঠিক উত্তরটি সহজে চেনা যায়।
সঠিক উত্তর: B) CTBT
কেন সঠিক:
- CTBT-এর পূর্ণরূপ হলো Comprehensive Nuclear-Test-Ban Treaty, যা সমস্ত ধরনের পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধ করে।
- এই চুক্তিটি পারমাণবিক অস্ত্রের বিস্তার রোধ এবং বিশ্বশান্তি বজায় রাখতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) CEDAW — এটি নারী বৈষম্য বিলোপ সনদ সম্পর্কিত একটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার চুক্তি, পারমাণবিক পরীক্ষার সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
B) CTBT — এটি পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ সংক্রান্ত সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল হিসেবে প্রযোজ্য নয়।
C) GATT — এটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের শুল্ক ও বাণিজ্য সংক্রান্ত সাধারণ চুক্তি, যা পারমাণবিক পরীক্ষার সাথে সম্পর্কিত নয়।
D) DPT — এটি সাধারণত শিশুদের ডিপথেরিয়া, পার্টুসিস এবং টিটানাস রোগের টিকাকে বোঝায়, পারমাণবিক পরীক্ষার সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
CTBT নামের ভেতরেই Test কথাটি আছে, যার মাধ্যমে সহজেই পারমাণবিক পরীক্ষা সংক্রান্ত চুক্তি মনে রাখা যায়।
বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি / ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ঘটনা
সঠিক উত্তর: C) চেম্বারলেন
কেন সঠিক:
- ১৯৩৯ সালের ৩ সেপ্টেম্বর ব্রিটেন জার্মানির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করার সময় নেভিল চেম্বারলেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।
- যুদ্ধ শুরুর প্রাথমিক পর্যায়ে তিনি ব্যর্থ হওয়ায় ১৯৪০ সালের মে মাসে পদত্যাগ করেন এবং উইনস্টন চার্চিল প্রধানমন্ত্রী হন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) এটলি — ইনি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নন, বরং যুদ্ধোত্তর ১৯৪৭ সালে ভারতের স্বাধীনতা অর্জনের সময় ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।
B) চার্চিল — ইনি যুদ্ধ শুরু হওয়ার সময় প্রধানমন্ত্রী ছিলেন না, বরং চেম্বারলেনের পর ১৯৪০ সালের ১০ মে ক্ষমতাগ্রহণ করেন।
D) গ্লাডস্টন — ইনি উনবিংশ শতাব্দীতে যুক্তরাজ্যের লিবারেল পার্টির প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, যা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অনেক আগের ঘটনা।
মনে রাখার টিপস:
শুরুতে চেম্বারলেন (C for Chamber), আর যুদ্ধের মাঝে চালক ছিলেন চার্চিল (C for Churchill)।
বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: B) মোল্লা মোহাম্মদ হাসান আখুন্দ
কেন সঠিক:
- তালেবান সরকার ক্ষমতা দখলের পর ২০২১ সালের সেপ্টেম্বর মাসে মোল্লা মোহাম্মদ হাসান আখুন্দকে তাদের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান বা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ঘোষণা করে।
- তিনি তালেবানের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং এর নীত নির্ধারণী পরিষদ রাহবারি শূরার দীর্ঘদিনের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মোল্লা জাবিউল্লাহ — জাবিউল্লাহ মুজাহিদ তালেবানের প্রধান মুখপাত্র ও তথ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন, সরকার প্রধান নন।
B) মোল্লা মোহাম্মদ হাসান আখুন্দ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং তিনি বর্তমানে তালেবান অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান।
C) মোল্লা হাসান বারাদার — তিনি তালেবানের অন্যতম সহ-প্রতিষ্ঠাতা এবং বর্তমানে সরকারের উপ-প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে আছেন।
D) ঐ মোল্লা মোহাম্মদ ওমর — তিনি তালেবানের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রথম সর্বোচ্চ নেতা ছিলেন, যিনি ২০১৩ সালে মারা গেছেন এবং বর্তমান সরকারের কেউ নন।
মনে রাখার টিপস:
আফগানিস্তানের সরকার প্রধান আখুন্দ মানে হাসান আখুন্দ, যিনি তালেবানের প্রতিষ্ঠাতা আমলের পুরোনো নেতা।
সঠিক উত্তর: B) মহেশখালী
কেন সঠিক:
- কক্সবাজারের মহেশখালীর মাতারবাড়িতে বাংলাদেশের প্রথম ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপিত হয়েছে।
- আমদানিকৃত তরল প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজি রিগ্যাসিফিকেশন বা পুনঃগ্যাসীকরণের জন্য এই সামুদ্রিক টার্মিনাল নির্মাণ করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মোংলা — এটি বাগেরহাট জেলায় অবস্থিত দেশের দ্বিতীয় সমুদ্রবন্দর, এলএনজি টার্মিনাল নয়।
B) মহেশখালী — এটি সঠিক উত্তর।
C) কুতুবদিয়া — এটি কক্সবাজারের একটি দ্বীপ উপজেলা হলেও প্রথম এলএনজি টার্মিনাল এখানে স্থাপিত হয়নি।
D) সোনাদিয়া — এটি মহেশখালীর কাছে অবস্থিত একটি দ্বীপ, যা প্রস্তাবিত গভীর সমুদ্রবন্দরের জন্য পরিচিত কিন্তু প্রথম এলএনজি টার্মিনাল এখানে নয়।
মনে রাখার টিপস:
গ্যাস আমদানির প্রথম টার্মিনাল মানেই মহেশখালীর মাতারবাড়ি।
সঠিক উত্তর: D) Sakib Al Hasan
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ দলের শততম টেস্ট ম্যাচটি ২০১৭ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে কলম্বোয় অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
- এই ঐতিহাসিক ম্যাচে বাংলাদেশ দলের সেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরি করেছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Sabbir Rahman — তিনি বাংলাদেশের ইতিহাসের শততম টেস্টে একাদশে ছিলেন কিন্তু কোনো সেঞ্চুরি করতে পারেননি।
B) Tamim Iqbal — তিনি বাংলাদেশের টেস্ট ক্রিকেটে অন্যতম সফল ব্যাটসম্যান হলেও শততম টেস্টে সেঞ্চুরি করতে পারেননি।
C) Mushfiqur Rahim — তিনি দলের টেস্ট অধিনায়ক হলেও শততম টেস্ট ম্যাচে সেঞ্চুরি করার কৃতিত্ব অর্জন করতে পারেননি।
D) Sakib Al Hasan — তিনি শততম টেস্ট ম্যাচে সেঞ্চুরি করে এই অনন্য রেকর্ডের একমাত্র মালিক হয়েছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশের শততম টেস্ট মানেই সাকিবের ঐতিহাসিক সেঞ্চুরি, যা কলম্বোয় শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে অর্জিত হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: D) শাহাদাত হোসেন রাজীব
কেন সঠিক:
- পেসার শাহাদাত হোসেন রাজীব বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে ওয়ানডে ক্রিকেটে হ্যাটট্রিক করার গৌরব অর্জন করেন।
- তিনি ২০০৬ সালে হারারেতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে এই ঐতিহাসিক কীর্তি স্থাপন করেছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অলোক কাপালী — তিনি বাংলাদেশের হয়ে প্রথম টেস্ট হ্যাটট্রিককারী বোলার, ওয়ানডেতে প্রথম নন।
B) মাশরাফী বিন মর্তুজা — তিনি সফল অধিনায়ক ও বোলার হলেও ওয়ানডেতে বাংলাদেশের প্রথম হ্যাটট্রিককারী নন।
C) সাকিব আল হাসান — তিনি বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার হলেও ওয়ানডেতে প্রথম হ্যাটট্রিকের মালিক শাহাদাত হোসেন রাজীব।
D) শাহাদাত হোসেন রাজীব — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য।
মনে রাখার টিপস:
টেস্টে অলোক কাপালী আর ওয়ানডেতে শাহাদাত হোসেন রাজীব প্রথম হ্যাটট্রিক করেন।
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: B) ওরা ১১ জন
কেন সঠিক:
- ১৯৭২ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত এই ছবিটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধভিত্তিক প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র।
- চাষী নজরুল ইসলাম পরিচালিত এই চলচ্চিত্রে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধারা অভিনয় করেছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আলোর মিছিল — এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র হলেও প্রথম নয়, এটি মুক্তি পায় ১৯৭৪ সালে।
B) ওরা ১১ জন — এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম চলচ্চিত্র হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
C) অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী — এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র, যা ১৯৭২ সালে মুক্তি পেলেও প্রথম চলচ্চিত্র নয়।
D) একাত্তরের যীশু — এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি প্রখ্যাত চলচ্চিত্র হলেও ১৯৯৩ সালে মুক্তি পায়।
মনে রাখার টিপস:
ওরা ১১ জন সংখ্যাটি দিয়ে মনে রাখতে পারেন এটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রথম চলচ্চিত্র।
সঠিক উত্তর: A) রাষ্ট্রপতি
কেন সঠিক:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪৮ এর ধারা ৩ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক।
- যুদ্ধ বা প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত সকল নীতিনির্ধারণী বিষয়ে রাষ্ট্রপতি প্রধান ভূমিকা পালন করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাষ্ট্রপতি — এটি সঠিক উত্তর কারণ সংবিধান অনুযায়ী তিনিই সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান।
B) প্রধানমন্ত্রী — তিনি সরকার প্রধান এবং সশস্ত্র বাহিনীর প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক প্রধান, তবে সর্বাধিনায়ক নন।
C) প্রতিরক্ষামন্ত্রী — প্রধানমন্ত্রী নিজে সাধারণত এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকেন, তবে এটি সাংবিধানিক সর্বাধিনায়কের পদ নয়।
D) স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী — তিনি দেশের অভ্যন্তরীণ আইনশৃঙ্খলা ও পুলিশ বাহিনী নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে থাকেন, সশস্ত্র বাহিনীর সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নন।
মনে রাখার টিপস:
রাষ্ট্র মানে রাষ্ট্রপ্রধান, তাই দেশের প্রতিরক্ষার প্রধান বা সর্বাধিনায়ক হলেন রাষ্ট্রপতি।
সঠিক উত্তর: D) পঞ্চদশ
কেন সঠিক:
- ২০১১ সালের ৩০ জুন জাতীয় সংসদে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী পাস হয়, যার মাধ্যমে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়।
- এই সংশোধনীর ফলে পরবর্তী জাতীয় নির্বাচনগুলো দলীয় সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত হওয়ার বিধান চালু হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দ্বাদশ সংশোধনী — এই সংশোধনীর মাধ্যমে ১৯৯১ সালে দেশে সংসদীয় শাসন ব্যবস্থা পুনরায় প্রবর্তন করা হয়।
B) ত্রয়োদশ সংশোধনী — এই সংশোধনীর মাধ্যমে ১৯৯৬ সালে সংবিধানে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা আইনগতভাবে প্রবর্তন করা হয়েছিল।
C) চতুর্দশ সংশোধনী — এই সংশোধনীর মাধ্যমে ২০০৪ সালে সংবিধানের বেশ কিছু অনুচ্ছেদ সংশোধন করা হলেও তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়নি।
D) পঞ্চদশ সংশোধনী — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি ভুল নয়, বরং তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিলের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।
মনে রাখার টিপস:
তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রবর্তন হয়েছিল ত্রয়োদশ সংশোধনীতে আর বাতিল করা হয়েছিল পঞ্চদশ সংশোধনীতে।
সঠিক উত্তর: C) ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের স্বাধীনতার ঠিক এক বছর পর বিজয়ের দিনে বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর বা প্রবর্তিত হয়।
- গণপরিষদে সংবিধান গৃহীত হওয়ার পর এই তারিখটিকে প্রবর্তনের জন্য বেছে নেওয়া হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ — এই তারিখে মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলায় (বর্তমান মুজিবনগর) স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার শপথ গ্রহণ করেছিল।
B) ৭ মার্চ ১৯৭২ — এই তারিখটি সংবিধান প্রবর্তনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়, এটি মূলত ঐতিহাসিক ভাষণের সঙ্গে জড়িত।
ডি) ২৬ মার্চ ১৯৭২ — এটি বাংলাদেশের প্রথম স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের তারিখ, সংবিধান প্রবর্তনের তারিখ নয়।
মনে রাখার টিপস:
বিজয়ের মাস ও বিজয়ের দিন অর্থাৎ ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ সালে দেশের সংবিধান প্রবর্তিত হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: B) বেগম রাজিয়া বানু
কেন সঠিক:
- ১৯৭২ সালে গঠিত ৩৪ সদস্যের গণপরিষদের সংবিধান রচনা কমিটির একমাত্র নারী সদস্য ছিলেন বেগম রাজিয়া বানু।
- তিনি পাবনা অঞ্চল থেকে গণপরিষদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন এবং সংবিধানে নারী অধিকার রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ক্যাপ্টেন সিতারা বেগম — তিনি বাংলাদেশের একজন বীর প্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত নারী মুক্তিযোদ্ধা ও চিকিৎসক, সংবিধান রচনা কমিটির সদস্য ছিলেন না।
B) বেগম রাজিয়া বানু — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশনের কারণ প্রযোজ্য নয়।
C) বেগম মতিয়া চৌধুরী — তিনি বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ ও পরবর্তীতে মন্ত্রী হলেও ১৯৭২ সালের সংবিধান রচনা কমিটির সদস্য ছিলেন না।
D) বেগম সুফিয়া কামাল — তিনি দেশের প্রখ্যাত কবি ও নারী আন্দোলনের অগ্রদূত হলেও সংবিধান রচনা কমিটির সদস্য ছিলেন না।
মনে রাখার টিপস:
সংবিধান রচনার জন্য রাজিয়া বানু একমাত্র নারী সদস্য ছিলেন, তাই নামের সাথে সংবিধানে নারীর প্রতিনিধিত্ব বিষয়টি মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: C) কামরুল হাসান
কেন সঠিক:
- শিল্পী কামরুল হাসান ১৯৭১ সালে বর্তমান বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত রূপটি ডিজাইন ও পরিমার্জন করেছিলেন।
- তাঁর নকশাকৃত পতাকাই ১৯৭২ সালের ১৭ জানুয়ারি সরকারিভাবে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা হিসেবে গৃহীত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জয়নুল আবেদিন — তিনি বাংলাদেশের শিল্পাচার্য এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইন্সটিউটের প্রতিষ্ঠাতা, জাতীয় পতাকার ডিজাইনার নন।
B) হামিদুর রহমান — তিনি শহীদ মিনারের মূল নকশাবিদ ও স্থপতি, জাতীয় পতাকার নকশার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না।
C) কামরুল হাসান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
D) হাশেম খান — তিনি একজন প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী ও পোট্রেট আর্টিস্ট, তবে জাতীয় পতাকার নকশারিীতি প্রণয়নে তিনি এর ডিজাইনার ছিলেন না।
মনে রাখার টিপস:
পতাকা ডিজাইন করেছেন কামরুল হাসান, আর প্রথম পতাকা উত্তোলন করেছিলেন আ স ম আবদুর রব।
সঠিক উত্তর: D) জয় বাংলা
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালীন প্রবাসী বাংলাদেশ সরকার বা মুজিবনগর সরকারের মুখপত্র হিসেবে 'জয় বাংলা' পত্রিকা প্রকাশিত হতো।
- এই পত্রিকার মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক সংবাদ, রণক্ষেত্রের খবর এবং জনমত গঠনে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা প্রচার করা হতো।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মুক্তির ডাক — এটি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রকাশিত নিয়মিত কোনো সরকারি মুখপত্র বা মুজিবনগর সরকারের আনুষ্ঠানিক পত্রিকা ছিল না।
B) বাংলাদেশ — এটি মুজিবনগর সরকারের সরাসরি মুখপত্র ছিল না, যদিও বাংলাদেশ নামে বিভিন্ন সময়ে নানা প্রকাশনা বা সাময়িকী বের হয়েছে।
C) স্বাধীনতা — এই নামে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় নির্দিষ্ট কোনো সরকারি মুখপত্র প্রকাশিত হওয়ার ঐতিহাসিক দলিল বা তথ্য নেই।
D) জয় বাংলা — এটি মুজিবনগর সরকার কর্তৃক প্রকাশিত ঐতিহাসিক মুখপত্র, যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
মুজিবনগর সরকারের মুখপত্র মানেই যুদ্ধের স্লোগান সংবলিত পত্রিকা, যা হলো জয় বাংলা।
সঠিক উত্তর: B) Allen Ginsberg
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় যশোরের শরণার্থী শিবিরের দুরবস্থা দেখে আমেরিকান কবি অ্যালেন গিন্সবার্গ এই বিখ্যাত দীর্ঘ কবিতাটি রচনা করেন।
- এই কবিতার মাধ্যমে তিনি বিশ্ববাসীর কাছে বাঙালি শরণার্থীদের দুঃখ-দুর্দশার কথা তুলে ধরেছিলেন এবং মানবতার পক্ষে জোরালো অবস্থান নেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Madhusudan Dutt — মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত মহাকাব্যের কবি ও নাট্যকার ছিলেন, যিনি এই ইংরেজি কবিতার রচয়িতা নন।
B) Allen Ginsberg — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ তিনি নিজেই 'September on Jessore Road' কবিতার লেখক।
C) Kaiser Huq — কায়েস হক বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত ইংরেজি সাহিত্যের অধ্যাপক ও কবি, কিন্তু তিনি এই ঐতিহাসিক কবিতার লেখক নন।
D) Vikram Seth — বিক্রম শেঠ একজন সমসাময়িক ভারতীয় ঔপন্যাসিক ও কবি, যার জন্ম অনেক পরে এবং তিনি এই কবিতার সঙ্গে সম্পর্কিত নন।
মনে রাখার টিপস:
যশোর রোডের শরণার্থী নিয়ে লেখা বিখ্যাত কবিতাটির কবি হলেন অ্যালেন গিন্সবার্গ।
সঠিক উত্তর: B) ১৯৯৯ সালে
কেন সঠিক:
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা এই গ্রাফিক নভেল বা আত্মজীবনীমূলক বইটি ১৯৯৯ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।
- তৎকালীন সময়ে ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড ইউপিএল থেকে বইটি প্রথম গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৯৬ সালে — এই সালে বইটি প্রকাশিত হয়নি, এটি ভুল সাল।
B) ১৯৯৯ সালে — এটি সঠিক উত্তর এবং এই সালেই বইটি প্রথম প্রকাশিত হয়।
চন্দ্রাবলী বা অন্য কোনো ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে এই সালটি প্রযোজ্য নয়।
C) ২০০৯ সালে — এটি শেখ মুজিব আমার পিতা বইটির প্রকাশের সাল নয়।
D) ২০১৭ সালে — এই সালে বইটি প্রকাশিত হয়নি, এটি ভুল সাল।
মনে রাখার টিপস:
মুজিব মানেই শতবর্ষের কাছাকাছি, আর এই বইটির প্রকাশ সাল মনে রাখুন শেষের দশকের শেষ বছর অর্থাৎ ১৯৯৯ সালে।
সঠিক উত্তর: A) আহমদ ইমতিয়াজ বুলবুল
কেন সঠিক:
- 'সব কটা জানালা খুলে দাও না' গানটির সুরকার বিখ্যাত সুরকার ও সংগীত পরিচালক আহমদ ইমতিয়াজ বুলবুল।
- ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত এই দেশাত্মবোধক গানটির গীতিকার ছিলেন নজরুল ইসলাম বাবু।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আহমদ ইমতিয়াজ বুলবুল — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি গানটির সুর করেছেন।
B) হুমায়ূন আহমেদ — তিনি বাংলাদেশের একজন জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক ও নাট্যকার ছিলেন, এই গানের সুরকার নন।
C) ফজল-এ খোদা — তিনি এই গানটির গীতিকার নন, তবে তিনি 'سلام سلام হাজার سلام'সহ অন্যান্য বিখ্যাত গানের গীতিকার।
D) কে জি মুস্তফা — তিনি বিখ্যাত দেশাত্মবোধক গান 'তোরা দেখ দেখ দেখ রে আমায়' গানটির গীতিকার, এই গানের সুরকার নন।
মনে রাখার টিপস:
জানালা খুললে যেমন আলো আসে, তেমনি বুলবুলের গানেও সুরের আলো ছড়িয়ে পড়ে, এভাবে মনে রাখতে পারেন।
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)