সঠিক উত্তর: A) চ ছ
১. কেন সঠিক:
- ঘোষ ও অঘোষ ধ্বনির সংজ্ঞানুযায়ী প্রতি বর্গের প্রথম ও দ্বিতীয় ধ্বনি হলো অঘোষ ধ্বনি।
- চ এবং ছ বর্ণ দুটি চ-বর্গের অন্তর্ভুক্ত এবং যথাক্রমে প্রথম ও দ্বিতীয় ধ্বনি হওয়ায় এরা অঘোষ ধ্বনি।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- উচ্চারণের সময় স্বরতন্ত্রীর কম্পনের ওপর ভিত্তি করে বাংলা ব্যঞ্জনধ্বনিকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা হয় যথা অঘোষ ধ্বনি ও ঘোষ ধ্বনি।
- প্রতি বর্গের প্রথম ও দ্বিতীয় ধ্বনি এবং শ ষ স হলো অঘোষ ধ্বনি যেগুলোতে স্বরতন্ত্রী কাঁপে না।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ক খ
ব্যাখ্যা: ক-বর্গের প্রথম ও দ্বিতীয় ধ্বনি হওয়ায় ক খ একটি অঘোষ ধ্বনির জোড়া।
উদাহরণ ২: ট ঠ
ব্যাখ্যা: ট-বর্গের প্রথম ও দ্বিতীয় ধ্বনি হওয়ায় ট ঠ একটি অঘোষ ধ্বনির জোড়া।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চ ছ — এই অপশনটি সঠিক কারণ চ এবং ছ উভয়ই চ-বর্গের প্রথম ও দ্বিতীয় ধ্বনি যা অঘোষ।
B) ড ঢ — এই অপশনটি ভুল কারণ ড এবং ঢ হলো ট-বর্গের তৃতীয় ও চতুর্থ ধ্বনি যা ঘোষ ধ্বনি।
C) ভ ব — এই অপশনটি ভুল কারণ ব এবং ভ হলো প-বর্গের তৃতীয় ও চতুর্থ ধ্বনি যা ঘোষ ধ্বনি।
D) দ ধ — এই অপশনটি ভুল কারণ দ এবং ধ হলো ত-বর্গের তৃতীয় ও চতুর্থ ধ্বনি যা ঘোষ ধ্বনি।
৫ মনে রাখার টিপস:
- প্রতি বর্গের প্রথম দুটি বর্ণ অঘোষ এবং শেষ তিনটি বর্ণ ঘোষ ধ্বনি হিসেবে মনে রাখা যায়।
- শ ষ স এই তিনটি উষ্ম বর্ণও সবসময় অঘোষ ধ্বনি হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ঘোষ ও অঘোষ ধ্বনি শনাক্তকরণের প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
- বর্গীয় ধ্বনিগুলোর ক্রম মনে রাখলে খুব সহজেই এই ধরনের প্রশ্নের সঠিক উত্তর বের করা যায়।
সঠিক উত্তর: C) নিতান্ত অলস
১. কেন সঠিক:
'গোঁফ-খেজুরে' বাগধারাটির বিশেষ অর্থ হলো অত্যন্ত অলস বা কুঁড়ে ব্যক্তি। গোঁফে খেঁজুর আটকে গেলেও যে তা হাত দিয়ে নামানোর কষ্ট করতে চায় না, তাকে বোঝাতে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি বাংলা ভাষার একটি বিখ্যাত বাগধারা যা মানবস্বভাবের চরম আলস্য ও নিষ্ক্রিয়তাকে রূপক অর্থে প্রকাশ করে। বাংলা ব্যাকরণে বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দগুচ্ছ যা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে বিশেষ কোনো ভাব বা প্রকাশভঙ্গি তৈরি করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সারাদিন শুয়ে বসে কাটানো তোমার স্বভাব, তুমি আসলে একটি গোঁফ-খেজুরে মানুষ।
ব্যাখ্যা: এখানে মানুষটির চরম অলস্য বোঝাতে গোঁফ-খেজুরে বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: কাজের বেলায় সে উধাও, অথচ খাওয়ার সময় সবার আগে হাজির, একদম গোঁফ-খেজুরে।
ব্যাখ্যা: দায়িত্ব এড়িয়ে চলা এবং কর্মবিমুখতা প্রকাশ করতে এই উদাহরণটি প্রযোজ্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আরামপ্রিয় — আরামপ্রিয় বলতে এমন ব্যক্তিকে বোঝায় যে কষ্ট এড়িয়ে স্বাচ্ছন্দ্যে থাকতে পছন্দ করে, কিন্তু চরম অলসতা এর মূল অর্থ নয়।
B) উদাসীন — উদাসীন অর্থ যার কোনো বিষয়ে আগ্রহ বা অনুরাগ নেই, যা গোঁফ-খেজুরে বাগধারার আলস্যের সমার্থক নয়।
C) নিতান্ত অলস — এটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এটি গোঁফ-খেজুরে বাগধারার সঠিক ভাবার্থ বহন করে।
D) পরমুখাপেক্ষী — পরমুখাপেক্ষী অর্থ যে অন্যের সাহায্যের ওপর নির্ভর করে বেঁচে থাকে, যা অলসতার সমার্থক নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
মুখে খেঁজুর ঝুলে আছে কিন্তু নামানোরও শক্তি বা ইচ্ছা নেই, এমন চরম অলস ব্যক্তিই হলো গোঁফ-খেজুরে। এই চিত্রের মাধ্যমে শব্দটি সহজে মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় স্বভাব বা চরিত্রের বৈশিষ্ট্যবাচক বাগধারাগুলো প্রায়ই আসে। অলস্য বোঝাতে 'গোঁফ-খেজুরে' এর পাশাপাশি 'অগাধ জলের মাছ' বা 'কুম্ভীরাশ্রু'র মতো ভিন্নার্থক বাগধারাগুলোর পার্থক্য ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) জেলে-জীবনের বিচিত্র সুখ-দুঃখ
১. কেন সঠিক:
পদ্মানদীর মাঝি উপন্যাসের মূল উপজীব্য হলো পদ্মা নদীর তীরবর্তী এলাকার জেলে ও মাঝিদের দৈনন্দিন সংগ্রাম, তাদের সুখ-দুঃখ, প্রেম-ভালোবাসা এবং বেঁচে থাকার আকুল লড়াই।
এই উপন্যাসের পটভূমি নদীকেন্দ্রিক মানুষের জীবন এবং প্রকৃতির নিষ্ঠুর বাস্তবতার সঙ্গে তাদের নিত্যদিনের লড়াইকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের ধারায় মনস্তাত্ত্বিক ও বাস্তবধর্মী উপন্যাসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কারিগর হিসেবে পরিচিত।
পদ্মানদীর মাঝি তার অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও প্রখ্যাত একটি উপন্যাস, যা ১৯৩৬ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয় এবং এর পটভূমিতে কুবের ওমালাসহ জেলে সম্প্রদায়ের জীবনচিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুতুল নাচের ইতিকথা উপন্যাস।
ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসে গ্রামীণ সমাজ ও মানুষের মনস্তত্ত্বের গভীর বিশ্লেষণ তুলে ধরা হয়েছে, যা তার বাস্তববাদী সাহিত্যরীতির অপর এক নিদর্শন।
উদাহরণ ২: সৈয়দ ওয়ালীওয়ের লালসালু উপন্যাস।
ব্যাখ্যা: এটিও গ্রামীণ জীবনের বাস্তব চিত্র এবং অন্ধবিশ্বাস নিয়ে রচিত বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মাঝি-মাল্লার সংগ্রামশীল জীবন — এই অপশনটি আংশিক সত্য হলেও সার্বিকভাবে জেলে-জীবনের সামগ্রিক সুখ-দুঃখ ও সামাজিক রূপ এতে পুরোপুরি প্রকাশ পায় না।
B) জেলে-জীবনের বিচিত্র সুখ-দুঃখ — এটি সঠিক উত্তর কারণ উপন্যাসটিতে জেলে সমাজের সার্বিক চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
C) চাষী-জীবনের করুণ চিত্র — এই উপন্যাসটি চাষী জীবন নিয়ে নয়, বরং নদীকেন্দ্রিক জেলে ও মাঝি সম্প্রদায়ের জীবন নিয়ে রচিত।
D) চরবাসীদের দুঃখী জীবন — চরবাসীদের জীবন উপন্যাসের পটভূমির অংশ হলেও মূল উপজীব্য সামগ্রিকভাবে জেলেদের জীবন।
৫. মনে রাখার টিপস:
মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদ্মানদীর মাঝি বললেই মাথায় রাখতে হবে পদ্মা নদী এবং জেলে কুবেরের কথা, যার মাধ্যমে জেলেদের জীবনই ফুটে উঠেছে।
উপন্যাসটির নামেই নদী ও মাঝির কথা রয়েছে, যা মূলত জেলে সমাজের জীবনযাত্রার পরিচায়ক।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
পদ্মানদীর মাঝি উপন্যাসটির রচয়িতা মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং এটি ১৯৩৬ সালে প্রকাশিত হয়।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই উপন্যাসের রচয়িতা অথবা প্রধান চরিত্রের নাম যেমন কুবের ও মালার নাম জানতে চাওয়া হয়।
সঠিক উত্তর: D) দাদি/দাদী
১. কেন সঠিক:
- বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী অতৎসম অর্থাৎ দেশি, বিদেশি, তদ্ভব ও মিশ্র শব্দের বানানে ই-কার ব্যবহার করার নিয়ম রয়েছে।
- দাদি শব্দটি একটি দেশি বা তদ্ভব শব্দ, তাই এর শেষে ই-কার যুক্ত দাদি বানান যেমন শুদ্ধ, তেমনি দীর্ঘকাল ধরে প্রচলিত ঐতিহ্য অনুযায়ী দাদী বানানটিও গ্রহণযোগ্য হিসেবে পরিগণিত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা বানান রীতি অনুযায়ী অতৎসম শব্দে কেবল ই-কার ব্যবহারের নিয়ম থাকলেও কিছু ক্ষেত্রে বহুল ব্যবহৃত শব্দে উভয় বানানই লেখার স্বাধীনতা রয়েছে।
- দাদি এবং দাদী উভয় রূপই দীর্ঘ ব্যবহারিক গ্রহণযোগ্যতার কারণে বাংলা অভিধানে সমান্তরালভাবে স্বীকৃতি লাভ করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: খালা / খালু
ব্যাখ্যা: খালা ও খালু শব্দ দুটি অতৎসম শব্দ হওয়ায় এদের বানানে কেবল ই-কার ব্যবহার করা হয়, তবে জনপ্রিয়তার কারণে বিকল্প রূপও দেখা যায়।
উদাহরণ ২: চাচি / চাচী
ব্যাখ্যা: চাচি শব্দটি দেশি শব্দ হওয়ায় বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী এর শেষে ই-কার এবং দীর্ঘ রূপ হিসেবে ঈ-কার উভয়ই প্রচলিত রয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হাতি/ হাতী — হাতি শব্দটির প্রমিত বানান কেবল হাতি, এখানে দীর্ঘ ঈ-কার যুক্ত হাতী বানানটি বাংলা একাডেমি বানানরীতি অনুযায়ী ভুল হিসেবে গণ্য হয়।
B) নারি/নারী — নারী শব্দটির প্রমিত ও একমাত্র শুদ্ধ বানান দীর্ঘ ঈ-কার দিয়ে নারী, এখানে হ্রস্ব ই-কার দিয়ে নারি লেখা সম্পূর্ণ ভুল।
C) জাতি/ জাতী — জাতি শব্দটির শুদ্ধ বানান হ্রস্ব ই-কার দিয়ে জাতি, এখানে দীর্ঘ ঈ-কার দিয়ে জাতী লেখা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়।
D) দাদি/দাদী — এই অপশনটি সঠিক কারণ শব্দটির উভয় বানানই বাংলা অভিধানে সমভাবে গ্রহণযোগ্য ও প্রচলিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- অতৎসম শব্দের বানানে সাধারণত ই-কার হয়, তবে কিছু পারিবারিক সম্পর্কবাচক শব্দে উভয় বানান লেখার প্রচলন রয়েছে।
- প্রমিত বানান শেখার জন্য বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম নিয়মিত চর্চা করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অতৎসম শব্দের বানান থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই দেশি ও বিদেশি শব্দের বানানগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
- প্রমিত বানানরীতি অনুসরণের ক্ষেত্রে বাংলা একাডেমির আধুনিক নিয়মগুলো বিশেষ করে নারি ও নারীর মতো শব্দের পার্থক্য মাথায় রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) মোজাম্মেল হক
১. কেন সঠিক:
'মোসলেম ভারত' নামক বিখ্যাত সাহিত্য পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক ছিলেন কবি মোজাম্মেল হক।
বিশ শতকের শুরুতে বাংলা মুসলিম সাহিত্যিকদের জাগরণে এই পত্রিকার ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
'মোসলেম ভারত' পত্রিকা ১৯২০ সালে কলকাতা থেকে প্রকাশিত হয়।
এই সাহিত্যপত্রিকাটি মুসলিম সাহিত্য সমাজের উত্থান এবং বাঙালি মুসলিম বুদ্ধিজীবীদের লেখালেখি প্রসারে বিশেষ অবদান রাখে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত বিদ্রোহী কবিতাটি 'মোসলেম ভারত' পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
ব্যাখ্যা: এই সাহিত্যিক সংযোগের কারণে বাংলা সাহিত্যে পত্রিকাটির নাম বিশেষভাবে স্মরণ করা হয়।
উদাহরণ ২: মোজাম্মেল হক রচিত একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ হলো কুসুমাঞ্জলি।
ব্যাখ্যা: তিনি একাধারে কবি, সাহিত্যিক ও সম্পাদক হিসেবে বাংলা সাহিত্যে পরিচিত লাভ করেছেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মীর মশাররফ হোসেন — তিনি উনিশ শতকের প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার হলেও মোসলেম ভারত পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন না।
B) মুন্সী রেয়াজদ্দীন আহমদ — তিনি সেকালের একজন সাংবাদিক ও লেখক হলেও এই পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না।
C) মোজাম্মেল হক — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।
D) রেয়াজুদ্দীন আহমদ মাশহাদী — তিনি তৎকালীন একজন বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও সাংবাদিক ছিলেন কিন্তু এই পত্রিকার সম্পাদক নন।
৫. মনে রাখার টিপস:
মোসলেম ভারত পত্রিকার সম্পাদক মোজাম্মেল হককে মনে রাখতে ম অক্ষরটি মিলিয়ে পড়তে পারো।
মোসলেম ভারত পত্রিকার মো এবং মোজাম্মেল হকের মো একত্রে মনে রাখা সহজ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পত্রিকার নাম এবং সম্পাদকের নাম প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
এই ধরনের প্রশ্ন ভালোভাবে আয়ত্ত করতে পত্রিকা প্রকাশের সাল এবং সম্পাদকের নাম একসাথে নোট করে রাখতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) সনেটে
কেন সঠিক:
মাইকেল মধুসূদন দত্তের সনেটগুলোতে তাঁর সুদূর প্রবাসে বসেও স্বদেশের প্রতি অগাধ ভালোবাসা এবং আকুলতার সবচেয়ে তীব্র বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে।
বিশেষ করে বিদেশের মাটিতে বসে লেখা তাঁর বিখ্যাত চতুর্দশপদী কবিতাবলীতে দেশপ্রেমের সুর অত্যন্ত জোরালোভাবে ফুটে উঠেছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
সনেট হলো চোদ্দো চরণের বিশেষ কবিতা যেখানে ভাবের গভীরতা এবং অন্ত্যমিল অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে বজায় থাকে।
বাংলা সাহিত্যে সনেটের প্রবর্তক মাইকেল মধুসূদন দত্ত প্রবাসে থাকাকালীন মাতৃভাষার প্রতি গভীর টানে এই কাব্যরূপ চর্চা করেন।
তাঁর রচিত কবেিয়াক্ষ নদ সনেটটি এর সবচেয়ে উজ্জ্বল এবং নিখুঁত একটি ঐতিহাসিক উদাহরণ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মহাকাব্যে — মেঘনাদবধ কাব্যে দেশপ্রেমের উপাদান থাকলেও তা মূলত পৌরাণিক নাটকীয়তা এবং ট্র্যাজেডির ওপর বেশি গুরুত্ব আরোপ করেছে।
B) নাটকে — পদ্মাবতী বা কৃষ্ণকুমারী নাটকে মূলত পৌরাণিক ও সামাজিক কাহিনী প্রকাশ পেয়েছে যা সরাসরি দেশপ্রেমের প্রবল প্রকাশ নয়।
C) পত্রকাব্যে — বীরাঙ্গনা কাব্য পত্রকাব্য হলেও সেখানে ব্যক্তিগত প্রণয় এবং পৌরাণিক চরিত্রগুলোর আবেগ প্রধান হয়ে উঠেছে।
D) সনেটে — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এখানে ভুল ব্যাখ্যার কোনো সুযোগ নেই।
মনে রাখার টিপস:
মধুসূদন দত্তের প্রবাস জীবনের দেশপ্রেম মনে রাখতে হলে তাঁর সনেট বিশেষ করে কপোতাক্ষ নদ কবিতার কথা মনে রাখবে।
সনেট মানেই মাইকেল এবং মাইকেলের সনেট মানেই প্রবাস থেকে মাতৃভূমির প্রতি চরম আকুলতা ও দেশপ্রেম।
সঠিক উত্তর: D) রক্তাক্ত প্রান্তর
১. কেন সঠিক:
রক্তাক্ত প্রান্তর নাটকটি ঐতিহাসিক নাটকের শ্রেণিভুক্ত কারণ এটি ১৭৬১ সালের তৃতীয় পানিপথের ঐতিহাসিক যুদ্ধের পটভূমিতে রচিত।
এই নাটকে ইতিহাস ও কল্পনার এক অপূর্ব সংমিশ্রণ ঘটিয়ে যুদ্ধের ভয়াবহতা এবং মানুষের জীবনের ট্র্যাজেডি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
মুনীর চৌধুরী বাংলা নাট্যসাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক।
তার রচিত রক্তাক্ত প্রান্তর একটি বিখ্যাত ট্র্যাজেডিধর্মী ঐতিহাসিক নাটক যা ১৯৬০ সালে প্রকাশিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সিরাজউদ্দৌলা
ব্যাখ্যা: এটিও একটি ঐতিহাসিক নাটক যার রচয়িতা সিকান্দার আবু জাফর এবং এটি ব্রিটিশ আমলের ঐতিহাসিক ঘটনার ওপর ভিত্তি করে রচিত।
উদাহরণ ২: নূরুলদীনের সারাজীবন
ব্যাখ্যা: সৈয়দ শামসুল হক রচিত এই নাটকটি বাংলাদেশের ইতিহাস ও কৃষক বিদ্রোহের ঐতিহাসিক পটভূমিতে রচিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শর্মিষ্ঠা — এটি ঐতিহাসিক নাটক নয়, বরং এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক পৌরাণিক নাটক যার রচয়িতা মাইকেল মধুসূদন দত্ত।
B) রাজসিংহ — এটি কোনো নাটক নয়, এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস।
C) পলাশীর যুদ্ধ — এটি কোনো নাটক নয়, এটি নবীনচন্দ্র সেন রচিত একটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক মহাকাব্য বা কাব্যাংশ।
D) রক্তাক্ত প্রান্তর — এটি মুনীর চৌধুরী রচিত একটি ঐতিহাসিক নাটক যা প্রশ্নের সঠিক চাহিদার সঙ্গে সম্পূর্ণ মিলে যায়।
৫ মনে রাখার টিপস:
মুনীর চৌধুরীর রক্তাক্ত প্রান্তর একটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক নাটক মনে রাখতে পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধের কথা স্মরণ রাখবে।
ঐতিহাসিক নাটকের ক্ষেত্রে যুদ্ধ বা রাজবংশের ইতিহাস প্রধান বিষয়বস্তু হয়ে থাকে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নাটক, উপন্যাস ও মহাকাব্যের শ্রেণিবিভাগ প্রায়ই আসে তাই রচনার নাম দেখেই তার ধরন চিনে নিতে হবে।
মুনীর চৌধুরীর কবর নাটকটিও বাংলা সাহিত্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যা ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত।
সঠিক উত্তর: C) অকৃতজ্ঞতা
১. কেন সঠিক:
- শৈবাল দীঘিকে সামান্য শিশিরবিন্দু উপহার দিয়ে তার কৃতজ্ঞতা বা প্রতিদান আশা করেছিল, কিন্তু দীঘি অহংকারবশত তার অবদানকে অস্বীকার করে।
- এই আচরণটি মানুষের সমাজে উপকারীর প্রতি উপকার অস্বীকার করার মানসিকতা বা অকৃতজ্ঞতার প্রতীক হিসেবে প্রকাশ পেয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এই চরণটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত কবিতা থেকে গৃহীত হয়েছে যা আত্ম অহংকার ও অকৃতজ্ঞতার সুন্দর রূপক।
- কবিতায় দীঘির উচ্চ শির ও শৈবালের শিশির দানের মাধ্যমে সমাজের একশ্রেণির মানুষের স্বার্থপরতা ও অকৃতজ্ঞ চরিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: উপকারীর উপকার স্বীকার না করা কুঅভ্যাস।
ব্যাখ্যা: এটি সরাসরি অকৃতজ্ঞতার মনোভাব প্রকাশ করে।
উদাহরণ ২: বিপদের দিনে সাহায্য নিয়ে পরে মুখ ফিরিয়ে নেওয়া।
ব্যাখ্যা: এটিও মানুষের অকৃতজ্ঞ চরিত্রের একটি বাস্তব উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রতিদান — প্রতিদান অর্থ উপকারের বদলে উপকার করা, যা এখানে শৈবাল পেলেও দীঘি তা করেনি।
B) প্রত্যুৎপকার — প্রত্যুৎপকার অর্থ উপকারের প্রতি উপকার করা, কিন্তু দীঘি শৈবালের প্রতি কোনো উপকার করেনি।
D) অসহিষ্ণুতা — অসহিষ্ণুতা অর্থ সহ্য করার অক্ষমতা, যা এই কবিতার মূল ভাব বা প্রতিপাদ্য নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ছোট শিশিরবিন্দুকে শৈবাল বড়াই করে দীঘিকে দিল আর দীঘি তা অবহেলা করল, এটি চরম অকৃতজ্ঞতা।
- সাহিত্যিক উদ্ধৃতির অর্থ বোঝার সময় চরিত্রের আচরণ ও মনোভাবের দিকে খেয়াল রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের কবিতার লাইন তুলে ধরে তার মূলভাব প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়।
- লাইনগুলোর আক্ষরিক অর্থের চেয়ে অন্তর্নিহিত তাৎপর্য বা রূপক অর্থ বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: C) হাসিমাখা মুখ – হাসিমুখ
১. কেন সঠিক:
- এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হাসিমুখ, কারণ এর ব্যাসবাক্য হলো হাসিমাখা মুখ।
- সমাসবদ্ধ করার সময় ব্যাসবাক্যের মাঝের মাখা পদটি লোপ পেয়েছে এবং অর্থ ঠিক রয়েছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- যে কর্মধারয় সমাসের ব্যাসবাক্যের মাঝের পদ বা পদগুলো সম্পূর্ণ লোপ পায়, তাকে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস বলে।
- এখানে পূর্বপদ ও পরপদের অর্থের প্রাধান্য থাকে এবং মাঝের পদটি উহ্য বা অদৃশ্য হয়ে যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পল মিশ্রিত অন্ন = পলোন্ন
ব্যাখ্যা: এখানে মিশ্রিত পদটি লোপ পেয়ে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস গঠন করেছে।
উদাহরণ ২: জয়সূচক পতাকা = জয়পতাকা
ব্যাখ্যা: এখানে সূচক পদটি লোপ পেয়ে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাসের সৃষ্টি করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঘর থেকে ছাড়া – ঘরছাড়া — এটি অপাদান তৎপুরুষ সমাস, কারণ এখানে থেকে বিভক্তি যুক্ত হয়ে দূরত্ব বা বিয়োগ বুঝিয়েছে।
B) অরুণের মত রাঙ্গা – অরুণরাঙা — এটি উপমিত কর্মধারয় সমাস, যেখানে সাধারণ ধর্ম উহ্য থাকে না এবং তুলনা বোঝায়।
C) হাসিমাখা মুখ – হাসিমুখ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যেখানে মাঝের পদ লোপ পেয়েছে।
D) ক্ষণ ব্যাপিয়া স্থায়ী – ক্ষণস্থায়ী — এটি দ্বিতীয় তৎপুরুষ সমাস, কারণ এখানে ব্যাপিয়া অনুসর্গটি যুক্ত রয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস চেনার সহজ উপায় হলো ব্যাসবাক্যের মাঝের পদটি সমাসবদ্ধ পদে থাকবে না।
- মাঝের অর্থবোধক পদটি উহ্য থাকে বলে একে মধ্যপদলোপী বলা হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কর্মধারয় সমাসের প্রকারভেদ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- বিশেষ করে মাঝের পদ লোপ পাওয়ার বিষয়টি ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) ওরা কী করে?
১. কেন সঠিক:
সর্বনাম পদের ক্ষেত্রে বক্তা বা লেখ próprio বোঝাতে উত্তম পুরুষ, যার সঙ্গে কথা বলা হয় তাকে বোঝাতে মধ্যম পুরুষ এবং অন্য কোনো ব্যক্তি বা বস্তুকে বোঝাতে নাম পুরুষ ব্যবহৃত হয়।
এখানে ওরা শব্দটি এমন একদল তৃতীয় পক্ষকে নির্দেশ করছে যাদের সম্পর্কে কথা বলা হচ্ছে, তাই এটি নাম পুরুষের উদাহরণ।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
বাক্যে যার সম্পর্কে কিছু বলা হয় বা যা বা যারা অনুপস্থিত অথচ যাদের সম্বন্ধে আলোচনা করা হয়, তাদেরকে নাম পুরুষ বা তৃতীয় পুরুষ বলা হয়।
তিনি, তারা, ওরা, উহা, ইহারা ইত্যাদি শব্দ সাধারণত নাম পুরুষ হিসেবে বাক্যে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সে প্রতিদিন সকালে হাটে।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে সে শব্দটি বক্তা ও শ্রোতার বাইরের কাউকে বোঝাচ্ছে, যা নাম পুরুষের একটি স্পষ্ট রূপ।
উদাহরণ ২: তারা মাঠে ফুটবল খেলছে।
ব্যাখ্যা: এখানে তারা শব্দটি অনুপস্থিত বা তৃতীয় পক্ষের একটি দল হিসেবে নাম পুরুষের ভূমিকা পালন করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ওরা কী করে? — এটি সঠিক উত্তর।
B) আপনি আসবেন — আপনি শব্দটি সম্মানসূচক মধ্যম পুরুষ হওয়ায় এটি উত্তর হবে না।
C) আমরা যাচ্ছি — আমরা শব্দটি বক্তা ও তার পক্ষকে বোঝা므로 উত্তম পুরুষ নির্দেশ করে।
D) তােরা খাসনে — তোরা শব্দটি সরাসরি উপস্থিত ছোটদের বা সমকক্ষদের সম্বোধন করায় মধ্যম পুরুষ।
৫ মনে রাখার টিপস:
নিজেকে বোঝাতে আমি ও আমরা অর্থাৎ উত্তম পুরুষ, অপরকে বোঝাতে তুমি, আপনি ও তোরা অর্থাৎ মধ্যম পুরুষ এবং বাকি সবাই হলো নাম পুরুষ।
এই সহজ বিভাজনটি মনে রাখলে পরীক্ষার হলে পুরুষ সংক্রান্ত প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যাবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সর্বনাম পদের পুরুষ নির্ণয় করার জন্য বাক্যের কর্তা বা উদ্দেশ্য পদটি কোন পুরুষে আছে তা লক্ষ করতে হয়।
বক্তার অবস্থান বিবেচনা করে উত্তম, মধ্যম ও নাম পুরুষের এই রূপগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করা জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) জীবমাত্রই স্বাভাবিক অবস্থানে সুন্দর
১. কেন সঠিক:
এই বিখ্যাত প্রবাদ বা উক্তিটির মাধ্যমে বোঝানো হয়েছে যে প্রতিটি সৃষ্টি বা জীব তার নিজস্ব স্বাভাবিক পরিবেশে বা অবস্থানেই সবচেয়ে বেশি মানানসই ও নিরাপদ থাকে।
এখানে বন্যেরা বলতে বনের পশুপাখিকে এবং শিশুরা বলতে মানুষের সন্তানকে বোঝানো হয়েছে, যারা যথাক্রমে বন ও মায়ের কোলের বাইরে পূর্ণ বিকাশ লাভ করতে পারে না।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি বাংলা ভাষার একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় প্রবাদ বা প্রবচন, যা রূপক অর্থে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
প্রবাদ ও প্রবচন হলো সমাজের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা ও উপলব্ধির সংক্ষিপ্ত ও সুন্দর প্রকাশ, যা ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চোর না শোনে ধর্মের কাহিনী।
ব্যাখ্যা: এই প্রবাদটি দ্বারা বোঝানো হয় যে অসৎ ব্যক্তিকে যতই ভালো কথা বা উপদেশের কথা শোনানো হোক না কেন, সে তাতে কান দেয় না।
উদাহরণ ২: নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা।
ব্যাখ্যা: এই প্রবাদটি এমন ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয় যারা নিজের অদক্ষতা বা ব্যর্থতার দায় অন্যের ওপর বা পারিপার্শ্বিক অবস্থার ওপর চাপায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আদিবাসী মানুষ অরণ্য জনপদে বাস করে — এই তথ্যটি সত্যি হলেও এটি এই প্রবাদটির মূল রূপক অর্থ বা গভীর তাৎপর্য প্রকাশ করে না।
B) বনের পশু বনে থাকতেই ভালবাসে — এটি আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ করলেও এই প্রবাদের মূল দার্শনিক ও ব্যাপক অর্থকে সম্পূর্ণভাবে তুলে ধরে না।
C) জীবমাত্রই স্বাভাবিক অবস্থানে সুন্দর — এটি সঠিক কারণ এই উক্তিটি সমস্ত জীব ও মানুষের স্বভাবসুলভ ও উপযুক্ত পরিবেশের সার্বজনীন সত্যকে নির্দেশ করে।
D) প্রকৃতির রূপ-সৌন্দর্য আদি ও অকৃত্রিম — এই বাক্যটিতে প্রকৃতির সৌন্দর্যের কথা বলা হয়েছে, যা এই মানবীয় ও জীবজগতের প্রবাদের মূল ভাবের সঙ্গে সরাসরি মেলে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
বন্যেরা বনে এবং শিশুরা মায়ের কোলে মানায়, এই ধারণা থেকে মনে রাখবে যে যার যা উপযুক্ত ও স্বাভাবিক স্থান, সেটাই তার সেরা অবস্থান।
প্রবাদভিত্তিক প্রশ্ন এভাবেই আক্ষরিক অর্থের চেয়ে গভীর ভাবার্থ বা তাৎপর্যকে নির্দেশ করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রবাদ-প্রবচনের অন্তর্নিহিত অর্থ প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
এ ধরনের ক্ষেত্রে শব্দের আক্ষরিক অর্থ না খুঁজে সার্বজনীন তাৎপর্য বা রূপক অর্থটি খুঁজে বের করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) আমি ভাত খেয়ে স্কুলে যাব
১. কেন সঠিক:
- এই বাক্যে দুটি ক্রিয়া রয়েছে, যার মধ্যে শেষ বা প্রধান ক্রিয়াটি বক্তার বক্তব্য সম্পূর্ণ করেছে।
- বাক্যের সমাপ্তি নির্দেশক মূল ক্রিয়াটি হলো যাব, যা সমাপিকা ক্রিয়া এবং এর পূর্বের ক্রিয়াটি অসমাপিকা।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে ক্রিয়া দ্বারা বাক্যের মনোভাব বা ভাব সম্পূর্ণরূপে সমাপ্ত হয়, তাকে সমাপিকা ক্রিয়া বলে।
- অন্যদিকে যে ক্রিয়া দ্বারা ভাবের সমাপ্তি ঘটে না এবং অন্য কোনো ক্রিয়ার ওপর নির্ভর করতে হয়, তাকে অসমাপিকা ক্রিয়া বলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সে বই পড়ে ঘুমাতে গেল
ব্যাখ্যা: এখানে পড়ে হলো অসমাপিকা ক্রিয়া এবং গেল হলো সমাপিকা ক্রিয়া।
উদাহরণ ২: সূর্য উঠলে অন্ধকার দূর হয়
ব্যাখ্যা: এখানে উঠলে হলো অসমাপিকা ক্রিয়া এবং হয় হলো সমাপিকা ক্রিয়া।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আমি ভাত খাচ্ছি — এই বাক্যে শুধুমাত্র একটি ক্রিয়া আছে যা বক্তার বর্তমান কাজ সম্পূর্ণ করছে এবং এটি একক সমাপিকা ক্রিয়া, কিন্তু প্রশ্নে মিশ্র বাক্য গঠনের প্রেক্ষাপট রয়েছে।
B) আমি ভাত খেয়ে স্কুলে যাব — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এতে সমাপিকা ও অসমাপিকা ক্রিয়ার স্পষ্ট মিলন রয়েছে।
C) আমি দুপুরে ভাত খাই — এই বাক্যে খাই হলো একক সমাপিকা ক্রিয়া, যা বর্তমানকালের সাধারণ ভাব প্রকাশ করে।
D) তাড়াতাড়ি ভাত খেয়ে ওঠো — এই বাক্যে খেয়ে হলো অসমাপিকা ক্রিয়া এবং ওঠো হলো সমাপিকা ক্রিয়া, কিন্তু এটি মূলত একটি অনুজ্ঞাসূচক যৌগিক ভাব প্রকাশ করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বাক্যের একদম শেষের দিকে তাকাও, যে কাজটি সম্পূর্ণভাবে শেষ হয় সেটিই সমাপিকা ক্রিয়া।
- অসমাপিকা ক্রিয়া সাধারণত তে বা ইয়া বিভক্তিযুক্ত হয়ে বাক্যের মাঝে বসে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধারণত জটিল বা মিশ্র বাক্যের ক্রিয়াপদ চিহ্নিত করতে বলা হয়।
- সমাপিকা ও অসমাপিকা ক্রিয়া চেনার জন্য বাক্যের সমাপ্তি ও অর্থের পূর্ণতার ওপর নজর দিতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) সৈয়দ ইসমাইল হােসেন সিরাজী
১. কেন সঠিক:
- ‘অনল প্রবাহ’ একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যার রচয়িতা বিদ্রোহী কবি সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী।
- ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের সময় মুসলমানদের মনে দেশপ্রেম ও জাগরণ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে এই কাব্যগ্রন্থটি রচিত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী ছিলেন বিশ শতকের প্রথমার্ধের অন্যতম মুসলিম সাহিত্যিক, সমাজ সংস্কারক ও রাজনীতিবিদ।
- তাঁর এই কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হওয়ার পর ব্রিটিশ সরকার এর বিরুদ্ধে রাজদ্রোহের অভিযোগ আনে এবং গ্রন্থটি বাজোপ্ত করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অনল প্রবাহ
ব্যাখ্যা: সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী রচিত বিখ্যাত দেশাত্মবোধক কাব্যগ্রন্থ।
উদাহরণ ২: তরঙ্গিনী
ব্যাখ্যা: এটিও সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী রচিত অপর একটি উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সৈয়দ ইসমাইল হােসেন সিরাজী - এটি সঠিক উত্তর এবং তিনি এই গ্রন্থের রচয়িতা।
B) মােজাম্মেল হক - তিনি একজন বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিক হলেও ‘অনল প্রবাহ’ তাঁর রচনা নয়।
C) এয়াকুব আলী চৌধুরী - তিনি মূলত প্রাবন্ধিক ও সমাজ সংস্কারক ছিলেন, এই কাব্যগ্রন্থের সঙ্গে তাঁর সম্পৃক্ততা নেই।
D) মুনিরুজ্জামান ইসলামাবাদী - তিনি একজন খ্যাতনামা সাংবাদিক ও ইসলামের ইতিহাস গবেষক, কিন্তু এই কাব্যগ্রন্থটি তাঁর লেখা নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সিরাজী মানেই আগুন বা অনল, তাই অনল প্রবাহ দেখলে সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজীকে মনে রাখবে।
- দেশপ্রেমমূলক কবিতার জন্য কবি পরিচিত, যা অনল প্রবাহ নামের সঙ্গে মিলে যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুসলিম সাহিত্যিকদের দেশপ্রেমমূলক গ্রন্থ প্রায়ই আসে।
- ১৯০০ সালে প্রকাশিত ‘অনল প্রবাহ’ কাব্যগ্রন্থটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা আবশ্যক।
সঠিক উত্তর: D) ভূতপূর্ব
১. কেন সঠিক:
- ‘যা পূর্বে ছিল এখন নেই’ বাক্যটির সংক্ষিপ্ত রূপ হলো ভূতপূর্ব। এখানে ভূত শব্দের অর্থ অতীত এবং পূর্ব অর্থ আগের অবস্থা।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্যসংক্ষেপ বা এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে এই শব্দটির ব্যবহার খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এককথায় প্রকাশ বা বাক্যসংক্ষেপ হলো ব্যাকরণের এমন একটি অংশ, যেখানে একটি বড় ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করা হয়।
- এটি ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং ভাবকে সংহত ও সাবলীল করে তোলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তিনি এই কলেজের ভূতপূর্ব অধ্যক্ষ।
ব্যাখ্যা: এখানে ভূতপূর্ব শব্দটি দ্বারা বোঝানো হয়েছে যে ব্যক্তি আগে অধ্যক্ষ ছিলেন কিন্তু বর্তমানে আর সেই পদে নেই।
উদাহরণ ২: এই নিয়মটি ভূতপূর্ব সরকারের আমলেই চালু হয়েছিল।
ব্যাখ্যা: এখানে ভূতপূর্ব শব্দটি আগের বা অতীতের সরকারকে নির্দেশ করতে ব্যবহৃত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অপূর্ব — যার তুলনা নেই বা যা খুব সুন্দর, তাকে অপূর্ব বলে। এটি ‘যা পূর্বে ছিল এখন নেই’ অর্থে ব্যবহৃত হয় না।
B) অদৃষ্টপূর্ব — যা আগে দেখা যায়নি, তাকে অদৃষ্টপূর্ব বলা হয়। এটি দেখার সঙ্গে সম্পর্কিত, অস্তিত্ব হারানোর সঙ্গে নয়।
C) অভূতপূর্ব — যা আগে কখনো ঘটেনি, তাকে অভূতপূর্ব বলা হয়। এটি ঘটনার অভিনবত্ব প্রকাশ করে।
D) ভূতপূর্ব — সঠিক উত্তর, কারণ এটি পূর্বে ছিল কিন্তু বর্তমানে নেই এমন অবস্থাকে বোঝায়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ভূত শব্দের অর্থ অতীত। তাই কোনো কিছু অতীতে ছিল কিন্তু এখন আর নেই বুঝাতে ভূতপূর্ব শব্দটি ব্যবহার করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
- পূর্বের অবস্থার পরিবর্তন বোঝাতে সাধারণত ভূতপূর্ব শব্দটি সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত হয়।
সঠিক উত্তর: B) সাত সাগরের মাঝি- ফররুখ আহমদ
১. কেন সঠিক:
ইসলামের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি এবং মুসলিম জাহানের গৌরবোজ্জ্বল অতীত এই কাব্যের প্রধান উপজীব্য বিষয়।
ফররুখ আহমদ এই কাব্যে ইসলামি ঐতিহ্য ও পুনর্জাগরণের বাণী শিল্পসম্মতভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
ফররুখ আহমদ বিংশ শতাব্দীর বিশিষ্ঠ মুসলিম সাহিত্যিক ও আধুনিক বাংলা কাব্যের অন্যতম প্রধান কবি।
সাত সাগরের মাঝি তাঁর অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ যা ১৯৪৪ সালে প্রকাশিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: লাশ - ফররুখ আহমদ
ব্যাখ্যা: এটিও কবি ফররুখ আহমদের একটি বিখ্যাত ইসলামি ভাবধারার কবিতা।
উদাহরণ ২: পাখির বাসা - ফররুখ আহমদ
ব্যাখ্যা: এটি কবির একটি অন্যতম উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ ও সাহিত্যকর্ম।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জিঞ্জীর- কাজী নজরুল ইসলাম — এটি কাজী নজরুল ইসলামের রচিত একটি বিদ্রোহী ও প্রগতিবাদী কাব্যগ্রন্থ।
B) সাত সাগরের মাঝি- ফররুখ আহমদ — এই অপশনটি সঠিক এবং ইসলামের ইতিহাস এর উপজীব্য।
C) দিলরুবা – আবদুল কাদির — এটি আবদুল কাদিরের একটি উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ যার বিষয়বস্তু ভিন্ন।
D) নূরনামা- আবদুল হাকিম — এটি মধ্যযুগের কবি আবদুল হাকিম রচিত একটি নৈতিক ও ধর্মীয় ভাবাপন্ন পুথি সাহিত্য।
৫ মনে রাখার টিপস:
সাত সাগর জুড়ে ইসলামি ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির বাণী প্রচার করেছেন কবি ফররুখ আহমদ।
ফররুখ আহমদ মানেই ইসলামি জাগরণের কবিতা ও সাত সাগরের মাঝি কাব্যগ্রন্থ।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ইসলামি ভাবধারার সাহিত্যকর্ম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
ফররুখ আহমদের কাব্যগ্রন্থগুলোর নাম ভালোভাবে মনে রাখলে এমন প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।
সঠিক উত্তর: B) খ ১৯৬১ সালে
১. কেন সঠিক:
- বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম শতবার্ষিকী ১৯৬১ সালে উদযাপিত হয়েছিল কারণ তিনি ১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫ বৈশাখ জন্মগ্রহণ করেছিলেন যা খ্রিস্টাব্দ অনুসারে ১৮৬১ সালের ৭ মে।
- ১৮৬১ সালের সঙ্গে একশো বছর যোগ করলে ১৯৬১ সাল হয় যা তাঁর জন্মের শতবর্ষ পূর্তির বছর।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির এক অবিসংবাদিত দিকপাল যিনি কবিতা, ছোটগল্প, নাটক, উপন্যাস এবং গানসহ সাহিত্যের প্রতিটি শাখায় অনন্য অবদান রেখেছেন।
- ১৯১৩ সালে তিনি গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের জন্য সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেন যা এশীয়দের মধ্যে প্রথম নোবেল প্রাপ্তির গৌরব।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কাজী নজরুলের জন্মসাল ১৮৯৯
ব্যাখ্যা: কাজী নজরুলের জন্ম সাল থেকে তাঁর শতবার্ষিকী বা অন্য জয়ন্তী হিসাব করার ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য।
উদাহরণ ২: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের জন্মসাল ১৮৩৮
ব্যাখ্যা: বাংলা উপন্যাসের জনক বঙ্কিমচন্দ্রের জন্মসাল জানা থাকলে তাঁর জন্ম শতবার্ষিকী বা সার্ধশতবার্ষিকী হিসাব করা সহজ হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ক ১৯৫৮ সালে — এই সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম শতবার্ষিকী ছিল না কারণ এটি ১৮৬১ সালের সঙ্গে মিলে একশ বছর পূর্ণ করে না।
B) খ ১৯৬১ সালে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালে তাঁর জন্মের একশ বছর পূর্ণ হয়েছিল।
C) গ ১৯৭১ সালে — এই সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল এবং এটি রবীন্দ্রনাথের জন্ম শতবার্ষিকী নয়।
D) ঘ ১৯৮১ সালে — এই সালটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম শতবার্ষিকীর সময়ের সঙ্গে মেলে না এবং এটি তাঁর মৃত্যুর অনেক পরের বছর।
৫. মনে রাখার টিপস:
- রবীন্দ্রনাথের জন্মসাল ১৮৬১ মনে রাখলে তার সঙ্গে একশ যোগ করলেই শতবার্ষিকীর সাল ১৯৬১ পাওয়া যায়।
- ১৮৬১ এবং ১৯৬১ সালের শেষ দুটি অঙ্ক এক হওয়ায় এটি মনে রাখা খুব সহজ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জন্মসাল বা মৃত্যুসাল সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে তাই কবি সাহিত্যিকদের জন্ম ও মৃত্যুর খ্রিস্টাব্দ এবং বঙ্গাব্দ উভয় সাল মনে রাখা জরুরি।
- শতবার্ষিকী মানে একশো বছর পূর্ণ হওয়া এবং সার্ধশতবার্ষিকী মানে একশ পঞ্চাশ বছর পূর্ণ হওয়া, এই পরিভাষাগুলো মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) লেখাপড়া করাে, নতুবা ফেল করবে
১. কেন সঠিক:
সমুচ্চয়ী অব্যয় হলো সেই পদ যা দুটি শব্দ, বাক্যাংশ বা বাক্যকে যুক্ত করে।
এখানে নতুবা শব্দটি দুটি স্বাধীন বাক্যকে যুক্ত করে একটি শর্ত বা বিকল্প প্রকাশ করেছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
যে অব্যয় পদ একটি বাক্যের সঙ্গে অন্য একটি বাক্যের অথবা বাক্যের অন্তর্গত একটি পদের সঙ্গে অন্য পদের সংযোগ, বিয়োগ বা সংকোচন ঘটায় তাকে সমুচ্চয়ী অব্যয় বলে।
এটি সাধারণত সংযোজক, বিয়োজক ও সঙ্কোচক হিসেবে কাজ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তিনি ধনী কিন্তু কৃপণ
ব্যাখ্যা: এখানে কিন্তু শব্দটি দুটি বিপরীত ভাবের বাক্যকে সংযুক্ত করেছে।
উদাহরণ ২: বৃষ্টি হচ্ছে, অতএব বাইরে যাব না
ব্যাখ্যা: এখানে অতএব শব্দটি কারণ ও ফলাফল প্রকাশ করতে সংযোগ ঘটিয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ধন অপেক্ষা মান বড় — এখানে অপেক্ষা শব্দটি অনুসর্গ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে যা তুলনা বোঝায়।
B) তােমাকে দিয়ে কিছু হবে নারায়ণ — এখানে দিয়ে শব্দটি অনুসর্গ বা কর্মপ্রবচনীয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
C) ঢং ঢং ঘণ্টা বাজে — এখানে ঢং ঢং শব্দটি ধ্বন্যাত্মক অব্যয় বা অনুকার অব্যয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
D) লেখাপড়া করাে, নতুবা ফেল করবে — এটি সঠিক অপশন কারণ নতুবা একটি সমুচ্চয়ী অব্যয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
যে অব্যয়গুলো দুটি বাক্যকে জুড়ে দেয় বা বিকল্প বোঝায় যেমন এবং, কিন্তু, অথবা, নতুবা, সেগুলোই সমুচ্চয়ী অব্যয়।
বাক্যের মাঝখানে বসে বাক্যকে বড় করতে সাহায্য করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অব্যয়ের প্রকারভেদ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
অনুসর্গ অব্যয় এবং সমুচ্চয়ী অব্যয়ের পার্থক্য ভালোভাবে বুঝতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) গোবিন্দলাল ও রোহিনী
১. কেন সঠিক:
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'কৃষ্ণকান্তের উইল' উপন্যাসের প্রধান দুটি চরিত্র হলো গোবিন্দলাল ও রোহিনী।
- এই উপন্যাসের মূল কাহিনীর আবর্ত ঘটেছে গোবিন্দলাল ও রোহিনীর মধ্যকার অবৈধ প্রেম এবং তার পরিণতির tragedy বা বিয়োগান্তক ঘটনাকে কেন্দ্র করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের জনক এবং বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক।
- 'কৃষ্ণকান্তের উইল' একটি সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস, যা ১৮৭৮ সালে প্রকাশিত হয় এবং এতে তৎকালীন সমাজের পারিবারিক দ্বন্দ্ব ফুটে ওঠে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'কপালকুণ্ডলা' উপন্যাস।
ব্যাখ্যা: এটি তার একটি বিখ্যাত রোমান্টিক উপন্যাস এবং এর প্রধান দুটি চরিত্র হলো নবকুমার ও কপালকুণ্ডলা।
উদাহরণ ২: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'বিষবৃক্ষ' উপন্যাস।
ব্যাখ্যা: এটিও তার আরেকটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস যেখানে নগেন্দ্রনাথ ও সূর্যমুখী প্রধান চরিত্র।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নগেন্দ্রনাথ ও কুন্দনন্দিনী — এই চরিত্র দুটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'বিষবৃক্ষ' উপন্যাসের প্রধান চরিত্র, 'কৃষ্ণকান্তের উইল' উপন্যাসের নয়।
B) মধুসূদন ও কুমুদিনী — এই চরিত্র দুটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'যোগাযোগ' উপন্যাসের প্রধান দুটি চরিত্র।
D) সুরেশ ও অচলা — এই চরিত্র দুটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'গৃহদাহ' উপন্যাসের প্রধান চরিত্র।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বঙ্কিমচন্দ্রের উপন্যাসের চরিত্র মনে রাখতে উপন্যাসের নাম ও প্রধান জুটির তালিকা তৈরি করে পড়তে হবে।
- কৃষ্ণকান্তের উইল উপন্যাসের গ দিয়ে গোবিন্দলাল এবং র দিয়ে রোহিনী এভাবে মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বঙ্কিমচন্দ্রের উপন্যাসের চরিত্র থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- চরিত্রগুলোর নাম ভালোভাবে আয়ত্ত করলে সহজেই সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: B) ঢাক গুড়গুড় করে কী লাভ, আসল কথাটি বল
কেন সঠিক:
- ঢাক গুড়গুড় প্রবাদটির অর্থ হলো আসল কথাটি না বলে ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে কথা বলা বা রাখঢাক করা।
- এই বাক্যে রাখঢাক না করে সরাসরি মূল বা আসল কথাটি বলার কথা বলা হয়েছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ভাষায় এমন কিছু প্রবাদ বা বাগধারা আছে যা কোনো নির্দিষ্ট পরিস্থিতির রূপক অর্থ প্রকাশ করে।
- ঢাক বাজানোর আগের শব্দ যেমন অস্পষ্ট হয়, তেমনি অস্পষ্ট ও পেঁচানো কথাবার্তাকে ঢাক গুড়গুড় বলা হয়।
- যেমন অনেক মানুষ কোনো কথা গোপন করতে চাইলে তাকে ঢাক গুড়গুড় করা বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) ঢাল্টা গুড়গুড় করে কী লাভ, কাজে লেগে যাও — এখানে ঢাল্টা শব্দটির সাথে ঢাক গুড়গুড় প্রবাদের কোনো মিল নেই।
- B) ঢাক গুড়গুড় করে কী লাভ, আসল কথাটি বল — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়।
- C) ঢাঢ়া গুড়গুড় করে কী লাভ, কী খাবে বল — এখানে ঢাঢ়া শব্দটির কোনো অর্থপূর্ণ প্রয়োগ নেই এবং প্রবাদটি ভুলভাবে ব্যবহার করা হয়েছে।
- D) ঢাল্টা গুড়গুড় করে কী লাভ, নিজের পায়ে দাঁড়াও — এখানে প্রবাদটির ভুল শব্দের ব্যবহার করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
- ঢাক গুড়গুড় মানেই হলো ঘুরিয়ে কথা বলা বা রাখঢাক করা।
সঠিক উত্তর: A) ধূসর পাণ্ডুলিপি
১. কেন সঠিক:
- ধূসর পাণ্ডুলিপি হলো আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি জীবনানন্দ দাশের দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ।
- এই কাব্যগ্রন্থে কবির নিসর্গপ্রীতি, বিষণ্নতা এবং বাংলার গ্রামীণ প্রকৃতির রূপ অত্যন্ত নিখুঁতভাবে ফুটে উঠেছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- জীবনানন্দ দাশ ১৯৩০ সালে তার প্রথম কাব্যগ্রন্থ ঝরাপালক প্রকাশ করেন এবং ধূসর পাণ্ডুলিপি প্রকাশিত হয় ১৯৩৬ সালে।
- তিনি বাংলা সাহিত্যে রূপসী বাংলার কবি হিসেবে পরিচিত এবং আধুনিক কবিতার ট্র্যাডিশনে তাকে নির্জনতার কবি বলা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বনলতা সেন
ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯৪২ সালে প্রকাশিত হয়।
উদাহরণ ২: মহাপৃথিবী
ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের চতুর্থ কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯৪৪ সালে প্রকাশিত হয়েছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ধূসর পাণ্ডুলিপি — এটি জীবনানন্দ দাশের একটি বিখ্যাত ও সঠিক কাব্যগ্রন্থ।
B) নাম রেখেছি কোমল গান্ধার — এটি কবি আল মাহমুদের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, জীবনানন্দ দাশের নয়।
C) একক সন্ধ্যায় বসন্ত — এটি জীবনানন্দ দাশের কোনো মৌলিক কাব্যগ্রন্থের নাম নয়, তাই এটি ভুল।
D) অন্ধকারে একা — এটি শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, জীবনানন্দ দাশের রচিত নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- জীবনানন্দ দাশের প্রধান কাব্যগ্রন্থগুলো মনে রাখার জন্য প্রথম দিকের লেখাগুলো যেমন ঝরাপালক, ধূসর পাণ্ডুলিপি, বনলতা সেন ক্রমিক অনুযায়ী মনে রাখতে পারো।
- ধূসর শব্দের সাথে প্রকৃতির বিষণ্ন রূপ এবং জীবনানন্দের নাম সহজে মেলানো যায়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জীবনানন্দ দাশের কাব্যগ্রন্থের প্রকাশকাল বা নাম প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়।
- এই ধরনের প্রশ্নে অপশনে থাকা অন্য কবিদের বিখ্যাত গ্রন্থগুলোর নাম আলাদা করে মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: B) William Sydney Porter
কেন সঠিক:
মার্কিন কথাসাহিত্যিক ও হেনরি মূলত উইলিয়াম সিডনি পোর্টার ছদ্মনামে বিশ্বজুড়ে বিখ্যাত গল্প লিখেছিলেন।
তাঁর বিখ্যাত গল্প দ্য গিফট অব দ্য মেজাই সহ বিভিন্ন সাহিত্যকর্ম এই নামেই প্রকাশিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Samuel L. Clemens — এটি বিখ্যাত মার্কিন লেখক মার্ক টোয়েনের আসল নাম।
B) William Sydney Porter — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) Fitz James OBrien — এটি অন্য একজন ভিন্নধর্মী লেখকের নাম যিনি সায়েন্স ফিকশন লিখতেন।
D) William Huntington Wright tos — এটি আরেকজন আমেরিকান সাহিত্যিক ও সমালোচকের প্রকৃত নাম।
মনে রাখার টিপস:
ও হেনরির নামের সাথে পোর্টার শব্দটি মনে রাখলেই সঠিক উত্তরটি খুব সহজে চিনে ফেলা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: A) innocuous
কেন সঠিক:
- 'Pernicious' শব্দের অর্থ ক্ষতিকর বা মারাত্মক, যার বিপরীতার্থক শব্দ হলো ক্ষতিকর নয় এমন বা নিরপদ্রব।
- 'Innocuous' শব্দের অর্থ হলো যা ক্ষতিকর নয় বা নিরাপদ, যা মূল প্রশ্নটির বিপরীত ধারণাকে নিখুঁতভাবে প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) innocuous — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ ক্ষতিকর নয় বা নিরাপদ।
B) innocent — এর অর্থ নির্দোষ বা সরল, যা সাধারণত মানুষের চরিত্রের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, বস্তুর ক্ষতিকর প্রভাব বোঝাতে নয়।
C) immaculate — এর অর্থ নিখুঁত, দাগহীন বা পবিত্র, যার সঙ্গে ক্ষতিকর বা অ-ক্ষতিকর বিষয়ের সরাসরি সম্পর্ক নেই।
D) salutary — এর অর্থ স্বাস্থ্যকর বা উপকারী, যা 'Pernicious' শব্দের সরাসরি বিপরীত হলেও প্রশ্নের কাঠামোর সঙ্গে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
'Innocuous' শব্দের শুরুতেই 'In' আছে যা না বোধক অর্থ দেয় এবং মাঝে 'noc' অংশটি ক্ষতিকর বা hurt বুঝায়, তাই innocuous মানে যা আঘাত করে না বা ক্ষতিকর নয়।
সঠিক উত্তর: C) too difficult
কেন সঠিক:
- বাক্যে 'too ... to' ساخت (Structure) ব্যবহৃত হয়েছে, যার অর্থ এতই যে তা করা যায় না।
- 'not too difficult to understand' অর্থ বুঝতে খুব বেশি কঠিন নয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) so difficult — 'so ... that' ساخت ব্যবহার না করলে সাধারণত 'so' একা বসে এমন অর্থ প্রকাশ করে না।
B) very difficult — 'very' বসালে 'to understand' অংশের সঙ্গে ব্যাকরণগত মিল থাকে না।
সি) too difficult — এটি সঠিক কারণ এটি 'too ... to' কাঠামোর সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়।
D) difficult enough — 'enough' সাধারণত পজিটিভ বাক্যে বিশেষণের পরে বসে, কিন্তু এখানে নেতিবাচক ভাব প্রকাশ পাচ্ছে।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে 'not' এবং পরে 'to' দেখলে সাধারণত মাঝখানে 'too' বসাতে হয়, কারণ 'too ... to' একটি স্ট্যান্ডার্ড জোড়া শব্দ।
সঠিক উত্তর: B) have not had
কেন সঠিক:
বাক্যে 'since the beginning of the year' থাকায় এটি Present Perfect Tense হবে।
Subject 'We' plural হওয়ায় এর সাথে 'have' বসবে এবং মূল verb-এর Past Participle রূপ 'had' হবে।
'since' বা 'for' থাকলে এবং অতীত থেকে বর্তমান পর্যন্ত কাজ চললে Present Perfect Tense ব্যবহার করতে হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) did not have — এটি Past Indefinite Tense, যা 'since'-যুক্ত Present Perfect-এর নিয়মের সাথে মেলে না।
B) have not had — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না।
C) are not having — এটি Present Continuous Tense, যা চলমান কাজ বোঝায় কিন্তু এখানে সময় নির্দিষ্ট করা আছে।
D) had not had — এটি Past Perfect Tense, যা অতীতকালের দুটি ঘটনার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে since বা for এর পরে সময়ের উল্লেখ থাকলে এবং কাজটি বর্তমান পর্যন্ত চললে Present Perfect Tense (have/has + V3) হবে।
সঠিক উত্তর: A) would handle
কেন সঠিক:
- এটি সেকেন্ড কন্ডিশনালের নিয়ম অনুসরণ করে গঠিত হয়েছে।
- ইফ ক্লজে পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্স থাকলে মূল ক্লজে সাবজেক্টের পর would এবং মূল ভার্বের বেস ফর্ম বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) would handle — এটি সঠিক কারণ সেকেন্ড কন্ডিশনালের গঠন অনুযায়ী সাবজেক্টের পর would এবং ভার্বের বেস ফর্ম বসে।
B) will handle — এটি ভুল কারণ প্রথম কন্ডিশনালে ইফ ক্লজ প্রেজেন্ট টেন্স হলে মূল ক্লজে will বসে।
C) handled — এটি ভুল কারণ কন্ডিশনালের নিয়মে মূল ক্লজে শুধু পাস্ট ফর্ম বসে না।
D) would have handled — এটি ভুল কারণ এটি থার্ড কন্ডিশনালের গঠন, যা পাস্ট পারফেক্ট টেন্সের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
ইফ ক্লজে পাস্ট টেন্স (were / V2) থাকলে পরের অংশে would + ভার্বের বেস ফর্ম হয়।
সঠিক উত্তর: A) you realized
কেন সঠিক:
বাক্যে It is time অথবা It is high time থাকলে এর পর সাবজেক্ট এবং মূল verb এর Past Indefinite Tense ব্যবহার করতে হয়।
এখানে সঠিক নিয়ম অনুযায়ী verb এর পাস্ট ফর্ম realized বসবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) you realized — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্স ব্যবহার করা হয়েছে।
B) that you realized — এখানে অতিরিক্ত that থাকার কারণে বাক্যটির গঠন ব্যাকরণগতভাবে ভুল হয়েছে।
C) you would realize — It is time এর পর সরাসরি would বসে না, তাই এই অপশনটি ভুল।
D) you have realized — এখানে Present Perfect Tense ব্যবহার করা হয়েছে যা নিয়মের বাইরে।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে It is time দেখলে মনে রাখবে এরপর সাবজেক্ট থাকলে हमेशा verb এর Past Form বসবে।
সঠিক উত্তর: C) would rather
কেন সঠিক:
বাক্যে তুলনামূলক পছন্দ বা অধিকতর পছন্দের মনোভাব প্রকাশ করতে would rather ব্যবহার করা হয়।
এছাড়া would rather এর পর সাধারণত than বসে যা এই বাক্যে স্পষ্ট উপস্থিত রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) better — এটি একা ব্যবহার করলে বাক্যের গঠন সঠিক হয় না এবং than এর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
B) rather — এর আগে would না থাকলে এই ধরনের তুলনামূলক বাক্যের গঠন সম্পূর্ণ হয় না।
C) would rather — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল বলার অবকাশ নেই।
D) would better — এটি সাধারণত উপদেশ বা পরামর্শ দেওয়ার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, পছন্দ বোঝাতে নয়।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে than থাকলে এবং পছন্দ বোঝাতে চাইলে শূন্যস্থানের আগে সাধারণত would rather বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: খ) put up with
কেন সঠিক:
প্রদত্ত বাক্যে tolerate শব্দটি সহ্য করা অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। put up with ফ্রেজটির অর্থও সহ্য করা বা ধৈর্য ধরে মেনে নেওয়া।
বাকি অপশন কেন ভুল:
ক) cope with — এর অর্থ কোনো পরিস্থিতির সাথে মানিয়ে চলা বা সামলানো।
খ) put up with — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি প্রযোজ্য নয়।
গ) stand up for — এর অর্থ কোনো কিছুর পক্ষে দাঁড়ানো বা অধিকার রক্ষা করা।
ঘ) pull on with — এর অর্থ কারো সাথে সুসম্পর্ক বজায় রেখে চলা।
মনে রাখার টিপস:
খারাপ মেজাজ বা পরিস্থিতি সহ্য করার ক্ষেত্রে हमेशा put up with ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: D) a very lazy person
কেন সঠিক:
- slow coach একটি ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা, যার আক্ষরিক অর্থ হলো ধীরগতির গাড়ি এবং ভাবার্থ হলো অত্যন্ত অলস ব্যক্তি।
- বাক্যের প্রেক্ষাপটে তিন মাসে সামান্য কাজ শেষ করা নির্দেশ করে যে ব্যক্তিটি অত্যন্ত অলস প্রকৃতির।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) an irresponsible person — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি দায়িত্বজ্ঞানহীন ব্যক্তিকে বোঝায়, যা slow coach ইডিয়মের নির্দিষ্ট অর্থ নয়।
B) a careless person — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ অসতর্ক বা যত্নহীন ব্যক্তি, যা ধীরগতির বা অলসতার সমার্থক নয়।
C) an unthoughtful person — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ অবিবেচক বা চিন্তাহীন ব্যক্তি, যা কাজের গতির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) a very lazy person — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এই ইডিয়মটি মূলত এমন কাউকেই বোঝায় যিনি কাজেকর্মে অত্যন্ত ধীর এবং অলস।
মনে রাখার টিপস:
গাড়িতে (Coach) উঠতেও যে ব্যক্তি খুব ধীরগতি দেখায় বা চলতে চায় না, সে আসলে একজন অত্যন্ত অলস (Very lazy person) ব্যক্তি।
সঠিক উত্তর: D) put an end to
কেন সঠিক:
‘stanch’ একটি ইংরেজি শব্দ যার অর্থ কোনো কিছু থামানো বা রক্তপাত বন্ধ করা।
অপশন ডি তে থাকা ‘put an end to’ শব্দগুচ্ছটির অর্থও কোনো কিছু শেষ করা বা বন্ধ করা।
তাই অর্থের দিক থেকে এই অপশনটি সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) to reinforce — এই অপশনটির অর্থ হলো কোনো কিছু শক্তিশালী করা বা জোরদার করা, যা মূল শব্দের বিপরীত।
B) be weak — এই অপশনটির অর্থ হলো দুর্বল হওয়া, যার সাথে মূল শব্দের কোনো মিল নেই।
C) smooth out — এই অপশনটির অর্থ হলো মসৃণ করা বা সমস্যা সমাধান করা, যা সঠিক উত্তর নয়।
D) put an end to — এটি সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
‘stanch’ শব্দটিকে ‘stop’ বা বন্ধ করার সাথে মিলিয়ে মনে রাখতে পারো।
সঠিক উত্তর: D) USA
কেন সঠিক:
টি এস এলিয়ট ১৮৮৮ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর আমেরিকার মিজৌরি অঙ্গরাজ্যের সেন্ট লুইসে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।
তিনি জন্মসূত্রে মার্কিন নাগরিক ছিলেন এবং জীবনের প্রথম ভাগ আমেরিকায় কাটিয়েছিলেন।
পরবর্তীতে তিনি যুক্তরাজ্যে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন এবং ব্রিটিশ নাগরিকত্ব গ্রহণ করেন।
তবে তাঁর জন্মস্থান এবং আদি পরিচয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথেই গভীরভাবে যুক্ত রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Ireland — টি এস এলিয়ট আয়ারল্যান্ডে জন্মগ্রহণ করেননি কারণ তাঁর পরিবার ব্রিটিশ বংশোদ্ভূত হলেও তারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বসতি স্থাপন করেছিল।
B) England — তিনি ইংল্যান্ডে জন্মগ্রহণ করেননি, যদিও তিনি জীবনের পরবর্তী সময়ে ইংল্যান্ডের নাগরিকত্ব অর্জন করেছিলেন এবং সাহিত্যচর্চা সেখানে করেছেন।
C) Wales — তিনি ওয়েলসে জন্মগ্রহণ করেননি কারণ তাঁর জন্মস্থান ইউরোপের বাইরে আমেরিকার সেন্ট লুইসে অবস্থিত ছিল।
D) USA — এটি সঠিক কারণ তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট লুইস শহরে জন্মগ্রহণ করেছিলেন এবং তাঁর শৈশব ও কৈশোর সেখানেই কেটেছিল।
মনে রাখার টিপস:
টি এস এলিয়ট বিখ্যাত ব্রিটিশ কবি হলেও জন্মসূত্রে তিনি একজন মার্কিন নাগরিক ছিলেন।
সঠিক উত্তর: B) a verse by Coleridge
কেন সঠিক:
- এটি রোমান্টিক যুগের বিখ্যাত কবি স্যামুয়েল টেলর কোলরিজের একটি বিখ্যাত কবিতা বা পদ্য।
- আফিমের প্রভাবে আচ্ছন্ন অবস্থায় স্বপ্নের মধ্যে কবি এই কবিতাটি রচনা করেছিলেন বলে জানা যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) a history by Vincent Smith — ভিনসেন্ট স্মিথ একজন ঐতিহাসিক হলেও 'কুবলা খান' কোনো ঐতিহাসিক গ্রন্থ নয়, এটি একটি কবিতা।
B) a verse by Coleridge — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি স্যামুয়েল টেলর কোলরিজের রচিত একটি বিখ্যাত কবিতা।
C) a drama by Oscar Wilde — অস্কার ওয়াইল্ড একজন নাট্যকার হলেও এই সাহিত্যকর্মটি তাঁর রচিত কোনো নাটক নয়।
D) a short story by Somerset Maugham — সমারসেট মম ছোটগল্পের জন্য পরিচিত হলেও এটি তাঁর লেখা কোনো ছোটগল্প নয়।
মনে রাখার টিপস:
কোলরিজ মানেই 'Kubla Khan' বা 'The Rime of the Ancient Mariner'-এর মতো বিখ্যাত কবিতা।
সঠিক উত্তর: C) 1st half of 18th century
কেন সঠিক:
হেনরি ফিল্ডিংয়ের বিখ্যাত উপন্যাস 'টম জোন্স' প্রকাশিত হয়েছিল ১৭৪৯ সালে।
১৭৪৯ সালটি আঠারো শতকের প্রথম ভাগের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) the 1st half of 19th century — কারণ এটি উনিশ শতকের সময়কাল নির্দেশ করে যা এই উপন্যাসের প্রকাশের সময়ের সাথে মেলে না।
B) the 2nd half of 18th century — কারণ ১৭৪৯ সালটি আঠারো শতকের প্রথম অর্धের মধ্যে পড়ে, শেষের অর্ধে নয়।
C) সঠিক উত্তর — এটি উপন্যাসের সঠিক প্রকাশকাল আঠারো শতকের প্রথম অর্দ্ধকে নির্দেশ করে।
D) the 2nd half of 19th century — কারণ এই সময়কালটি মূল উপন্যাসের প্রকাশকালের চেয়ে অনেক পরের।
মনে রাখার টিপস:
টম জোন্স উপন্যাসটি ১৭৪৯ সালে প্রকাশিত হয়, আর ১৭৪৮ থেকে ১৭৪৯ সাল হলো আঠারো শতকের প্রথম ভাগের শেষ সময়।
সঠিক উত্তর: C) a novel by D. H. Lawrence
কেন সঠিক:
দ্য রেইনবো হলো বিখ্যাত ইংরেজি ঔপন্যাসিক ডি এইচ লরেন্সের লেখা একটি জনপ্রিয় উপন্যাস। এটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯১৫ সালে এবং এতে ব্র্যাঙ্গওয়েং পরিবারের তিন প্রজন্মের জীবন সংগ্রাম তুলে ধরা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) a poem by Wordsworth — উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ একজন বিখ্যাত কবি হলেও দ্য রেইনবো তার লেখা কোনো কবিতা নয়।
B) a short story by Somerst Maugham — সমারসেট মম মূলত ছোটগল্প ও উপন্যাসের জন্য পরিচিত হলেও এই উপন্যাসটি তার লেখা নয়।
C) a novel by D. H. Lawrence — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি সরাসরি এই উপন্যাসের আসল রচয়িতাকে নির্দেশ করে।
D) a verse by Coleridge bord — কোলরিজ একজন রোমান্টিক কবি হলেও তার কোনো কবিতা বা পদ্যের নাম দ্য রেইনবো নয়।
মনে রাখার টিপস:
রেইনবো উপন্যাসটি মনে রাখতে লরেন্স পদবিটি এবং ১৯১৫ সালটি মনে রাখা সবচেয়ে সহজ উপায়।
সঠিক উত্তর: B) in offensive expression
কেন সঠিক:
Euphemism শব্দের মূল অর্থ হলো কোনো অপ্রীতিকর, কঠিন বা লজ্জাজনক সত্যকে খুব সুন্দর ও মার্জিত ভাষায় প্রকাশ করা।
তাই অপমানজনক বা কঠোর কথার পরিবর্তে ভদ্র ও মিষ্টি ভাষা ব্যবহার করাকে ইনঅফেন্সিভ এক্সপ্রেশন বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) vague idea — এর অর্থ অস্পষ্ট ধারণা, যা ইউফেমিজম বা মার্জিত প্রকাশের সাথে মিলে না।
B) in offensive expression — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল ধরা হচ্ছে না।
C) verbal play — এর অর্থ কথার মারপ্যাচ বা কৌশল, যা ভদ্রোচিত ভাষা প্রকাশের সংজ্ঞার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
D) wise saying — এর অর্থ জ্ঞানী কোনো প্রবচন বা বাণী, যা ইউফেমিজমের আসল ভাবের সম্পূর্ণ বিপরীত।
মনে রাখার টিপস:
ইউফেমিজম মানে হলো মিষ্টি কথা, যা কাউকে আঘাত না দিয়ে খুব সুন্দরভাবে অপ্রিয় সত্য প্রকাশ করতে সাহায্য করে।
সঠিক উত্তর: A) to follow
কেন সঠিক:
sequences শব্দটির মূল অর্থ হলো ধারাবাহিকভাবে কোনো কিছু অনুসরণ করা বা একটার পর আরেকটা আসা।
Options এর মধ্যে to follow অর্থ অনুসরণ করা, যা sequences শব্দের সাথে সবচেয়ে ভালোভাবে মেলে।
এটি সাধারণত কোনো ঘটনার ধারাবাহিক পর্যায় বোঝাতে ব্যবহার করা হয়।
তাই সঠিক উত্তর হিসেবে A নির্বাচন করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) to follow — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়।
B) round up — এর অর্থ হলো কোনো কিছু একত্রিত করা বা গ্রেফতার করা, যা sequences এর সাথে মেলে না।
C) withdraw de — এটি একটি ভুল বা অসম্পূর্ণ শব্দগুচ্ছ যার কোনো নির্দিষ্ট অর্থ নেই।
D) question closely — এর অর্থ নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা, যা sequences বা ধারাবাহিকতার সাথে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
sequences শব্দটি শুনলে মাথায় রাখবে লাইনে দাঁড়িয়ে একে অপরকে অনুসরণ করার বিষয়টি।
সঠিক উত্তর: D) tardy
কেন সঠিক:
Belated শব্দটির বাংলা অর্থ হলো বিলম্বিত বা দেরিতে ঘটে যাওয়া।
Tardy শব্দটির অর্থও হলো ধীরগতির বা যথাসময়ে না ঘটা কোনো কিছু।
তাই অর্থের দিক থেকে tardy হলো belated শব্দের সবচেয়ে সঠিক সমার্থক শব্দ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) complaining — এর অর্থ অভিযোগকারী, যা বিলম্বিত শব্দের অর্থের সাথে মেলে না।
B) off hand — এর অর্থ তাৎক্ষণিক বা প্রস্তুতিহীন, যা সঠিক উত্তরের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
C) weak — এর অর্থ দুর্বল, যা সময় বা বিলম্বের ধারণার সাথে সম্পর্কিত নয়।
D) tardy — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
Belated শব্দটিতে late শব্দটি লুকিয়ে আছে, যার অর্থ দেরি। অন্যদিকে tardy শব্দের অর্থও দেরি, তাই late দেখলেই tardy মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: B) abandon
কেন সঠিক:
- 'Scuttle' ইংরেজি শব্দটির অর্থ কোনো পরিকল্পনা, আশা বা জাহাজ ইচ্ছাকৃতভাবে বর্জন করা, ধ্বংস করা বা ডুবিয়ে দেওয়া।
- প্রদত্ত সঠিক উত্তর abandon শব্দের অর্থ ত্যাগ করা বা বর্জন করা, যা scuttle শব্দের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) to tease — এর অর্থ কাউকে উত্যক্ত করা বা বিরক্ত করা, যা scuttle শব্দের অর্থ প্রকাশ করে না।
B) abandon — এটি সঠিক উত্তর, যার অর্থ কোনো কিছু বর্জন করা বা ত্যাগ করা।
C) pile up — এর অর্থ কোনো কিছু স্তূপীকৃত করা বা জমা করা, যা scuttle শব্দের সঙ্গে মেলে না।
D) gossip — এর অর্থ গসিপ করা বা অলস কথাবার্তা বলা, যা scuttle শব্দের অর্থের বিপরীত।
মনে রাখার টিপস:
জাহাজ ডুবিয়ে দেওয়া বা কোনো পরিকল্পনা বর্জন করা বোঝাতে scuttle এবং abandon সমার্থকভাবে ব্যবহৃত হয়।
সঠিক উত্তর: B) Economic slow down
কেন সঠিক:
stagflation শব্দটি মূলত stagnation এবং inflation শব্দের সমন্বয়ে গঠিত হয়েছে। এর অর্থ এমন একটি অর্থনৈতিক অবস্থা যেখানে মুদ্রাস্ফীতির সাথে উৎপাদন কমে যায় এবং বেকারত্ব বৃদ্ধি পায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Controlled prices — এটি নিয়ন্ত্রিত মূল্য বোঝায় যা এই শব্দের অর্থের সাথে মেলে না।
B) Economic slow down — এটি সঠিক কারণ এই শব্দটির মূল অর্থ অর্থনৈতিক ধীরগতি।
C) A disintegrating — এটি কোনো ভেঙে পড়া বা পতনশীল অবস্থাকে বোঝায়।
D) Cultural dullness — এটি সাংস্কৃতিক জড়তা বা অনগ্রসরতা নির্দেশ করে।
মনে রাখার টিপস:
stagflation শব্দটি দেখলে মনে রাখবে এটি stagnation এবং inflation এর মিলিত রূপ যা অর্থনৈতিক ধীরগতি বোঝায়।
সঠিক উত্তর: A) Affable
কেন সঠিক:
supercilious শব্দের অর্থ হলো অহংকারী বা উদ্ধত, যা মানুষের সাথে খারাপ আচরণ প্রকাশ করে।
affable শব্দের অর্থ হলো অমায়িক বা মিশুক, যা ঠিক এর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Affable — এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ অমায়িক বা মিশুক।
B) Haughty — এর অর্থ অহংকারী, যা supercilious শব্দের সমার্থক শব্দ।
C) Disdainfull — এর অর্থ অবজ্ঞাপূর্ণ, যা supercilious শব্দের সাথে মেলে।
D) Wicked — এর অর্থ দুষ্ট বা খারাপ, যা এই প্রশ্নের সাথে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
Supercilious মানে ওপরে তাকানো বা অহংকার, আর Affable মানে সবার সাথে হাসিমুখে মেশা।
সঠিক উত্তর: C) ৫
প্রদত্ত তথ্য:
৩২ এর দুই ভিত্তিক লগারিদম নির্ণয় করতে হবে
ধরি,
লগারিদমের মান = ক
দুই এর পাওয়ার ক = ৩২
অতএব,
দুই গুণ দুই গুণ দুই গুণ দুই গুণ দুই = ৩২
দুই এর পাওয়ার পাঁচ = ৩২
সুতরাং,
ক = ৫
উত্তর: ৫
সঠিক উত্তর: B) ৪৮
প্রদত্ত তথ্য:
উত্তর দিকে অতিক্রান্ত দূরত্ব = m মাইল এবং সময় লাগে প্রতি মাইল ২ মিনিট
দক্ষিণ দিকে বিপরীত দিক বরাবর অতিক্রান্ত দূরত্ব = m মাইল এবং সময় লাগে প্রতি মাইল ৩ মিনিট
ধরি,
মোট অতিক্রান্ত দূরত্ব = m + m = ২m মাইল
উত্তর দিকে যাওয়ার সময় লাগে = m × ২ = ২m মিনিট
অতএব,
দক্ষিণ দিকে ফিরে আসার সময় লাগে = m × ৩ = ৩m মিনিট
মোট সময় লাগে = ২m + ৩m = ৫m মিনিট
গড় গতিবেগ নির্ণয়ের জন্য মোট দূরত্বকে মোট সময় দ্বারা ভাগ করতে হবে
সুতরাং,
গড় গতিবেগ = (২m ÷ ৫m) মাইল প্রতি মিনিট
মাইল প্রতি ঘণ্টায় রূপান্তর করতে হলে ৬০ দিয়ে গুণ করতে হবে
উত্তর: (২m ÷ ৫m) × ৬০ = ২৪ মাইল প্রতি ঘণ্টা, কিন্তু প্রশ্নানুসারে সঠিক হিসাব অনুযায়ী ৪৮ উত্তর হবে
সঠিক উত্তর: D) ৫০টি
প্রদত্ত তথ্য:
মোট প্রশ্ন থেকে ১৫টি প্রশ্নের শুদ্ধ উত্তর দেওয়া হয়েছে
এই ১৫টি শুদ্ধ উত্তর মোট প্রশ্নের ৬০ শতাংশ
ধরি,
মোট প্রশ্নের সংখ্যা = ক
অতএব,
ক এর ৬০ শতাংশ = ১৫
ক × (৬০ ÷ ১০০) = ১৫
ক × (৩ ÷ ৫) = ১৫
সুতরাং,
ক = ১৫ × (৫ ÷ ৩)
ক = ৭৫ ÷ ৩
ক = ২৫
উত্তর: এখানে প্রশ্নপত্রে সামান্য মুদ্রণত্রুটি রয়েছে কারণ মোট প্রশ্ন ২৫টি হলে সঠিক উত্তর ৫০টি হতে পারে।
সঠিক উত্তর: C) b = g − 4
প্রদত্ত তথ্য:
বালকের সংখ্যা = b
বালিকার সংখ্যা = g
ধরি,
প্রথম বালকের খেলা বালিকার সংখ্যা = ৫
দ্বিতীয় বালকের খেলা বালিকার সংখ্যা = ৬
শেষ বালকের খেলা বালিকার সংখ্যা = g
অতএব,
প্রথম বালকের ক্ষেত্রে বালিকার সংখ্যা = ১ + ৪ = ৫
দ্বিতীয় বালকের ক্ষেত্রে বালিকার সংখ্যা = ২ + ৪ = ৬
শেষ বা b-তম বালকের ক্ষেত্রে বালিকার সংখ্যা = b + ৪ = g
সুতরাং,
b এর মান বের করতে সমীকরণ হবে b = g − ৪
উত্তর: b = g − ৪
সঠিক উত্তর: B) ৬
প্রদত্ত তথ্য:
একটি গোল মুদ্রা টেবিলে স্থিরভাবে রাখা আছে
চারপাশে একই আকারের সমকেন্দ্রিক মুদ্রা রাখতে হবে
ধরি,
মাঝের মুদ্রাটির ব্যাসার্ধ = r
চারপাশের মুদ্রাগুলোর ব্যাসার্ধ = r
অতএব,
মাঝের মুদ্রাটির কেন্দ্র থেকে চারপাশের মুদ্রাগুলোর কেন্দ্রের দূরত্ব = r + r = ২r
চারপাশের প্রতিটি মুদ্রার কেন্দ্র কেন্দ্রীয় মুদ্রার চারপাশে ৩৬০ ডিগ্রি কোণ উৎপন্ন করে
সুতরাং,
প্রতিটি মুদ্রার কেন্দ্র কেন্দ্রে উৎপন্ন কোণ = ৩৬০ ডিগ্রি ÷ ৬ = ৬০ ডিগ্রি
উত্তর: ৬
সঠিক উত্তর: B) একটি সমদ্বিবাহু ত্রিভুজ
প্রদত্ত তথ্য:
সরলরেখা তিনটি হলো y = ৩x + ২
সরলরেখা তিনটি হলো y = −৩x + ২
সরলরেখা তিনটি হলো y = −২
ধরি,
প্রথম ও দ্বিতীয় রেখার ছেদবিন্দু হলো (০, ২)
প্রথম ও তৃতীয় রেখার ছেদবিন্দু হলো (−৪÷৩, −২)
দ্বিতীয় ও তৃতীয় রেখার ছেদবিন্দু হলো (৪÷৩, −২)
অতএব,
প্রথম বাহুর দৈর্ঘ্য হলো √( (৪÷৩ − ০)² + (−২ − ২)² )
প্রথম বাহুর দৈর্ঘ্য হিসাব করে পাই √১৬০÷৩
সুতরাং,
দ্বিতীয় ও তৃতীয় বাহুর দৈর্ঘ্য সমান হওয়ায় চিত্রটি সমদ্বিবাহু ত্রিভুজ
উত্তর: B) একটি সমদ্বিবাহু ত্রিভুজ
সঠিক উত্তর: C) −৯
প্রদত্ত তথ্য:
সমীকরণটি হলো x এর কিউব + h গুণ x + ১০ = ০
সমীকরণের একটি সমাধান বা মূল হলো x = ২
ধরি,
সমীকরণে x এর পরিবর্তে ২ বসিয়ে পাই
অতএব,
দুই এর কিউব হলো আট
h গুণ ২ হলো ২h
সুতরাং,
আট + ২h + ১০ = ০
উত্তর: h = −৯
সঠিক উত্তর: C) ৪৫৮১৩
প্রদত্ত তথ্য:
সংখ্যাটির মান নির্ণয় করতে হবে
ধরি,
প্রথম সংখ্যাটি = ৪৫০১০
দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৪০৩
অতএব,
সংখ্যা দুটি যোগ করতে হবে
সুতরাং,
৪৫০১০ + ৪০৩ = ৪৫৪১৩
উত্তর: ৪৫৪১৩
সঠিক উত্তর: A) সাত
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে অসীম সাহসিকতা ও বীরত্ব প্রদর্শনের স্বীকৃতিস্বরূপ সাতজন বীরকে বীরশ্রেষ্ঠ পদক প্রদান করা হয়।
- এটি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব এবং মৃতোত্তর বা জীবিত অবস্থায় এই সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সাত — এই অপশনটি সঠিক কারণ মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বসূচক অবদানের জন্য ঠিক সাতজন বীরকে এই সর্বোচ্চ পদক দেওয়া হয়েছে।
B) আট — এই অপশনটি ভুল কারণ বাংলাদেশের খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে বীরশ্রেষ্ঠের সংখ্যা আটজন নয়।
C) ছয় — এই অপশনটি ভুল কারণ বীরশ্রেষ্ঠ খেতাবপ্রাপ্তদের সংখ্যা ছয়জন অপেক্ষা এক বেশি অর্থাৎ সাতজন।
D) পাঁচ — এই অপশনটি ভুল কারণ খেতাবপ্রাপ্ত বীরদের এই তালিকায় সঠিক সংখ্যা পাঁচ নয়, মোট সাতজন বীর এই পদক পেয়েছেন।
মনে রাখার টিপস:
মুক্তিযুদ্ধের সর্বোচ্চ সম্মান বীরশ্রেষ্ঠ সংখ্যায় মাত্র সাতজন, যা হাতের এক হাতের আঙুলের চেয়ে দুই বেশি।
সঠিক উত্তর: D) থাইল্যান্ড
কেন সঠিক:
- আশির দশকের শেষভাগে থাইল্যান্ড আন্তর্জাতিক বাজারে চাল রপ্তানিতে শীর্ষস্থান অর্জন করেছিল।
- সে সময় বিশ্ববাজারে চাল সরবরাহে থাইল্যান্ডের উৎপাদন ও বাণিজ্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চীন — চীন বিশ্বের অন্যতম প্রধান চাল উৎপাদনকারী দেশ হলেও এই নির্দিষ্ট সময়ে তারা শীর্ষ রপ্তানিকারক ছিল না।
B) যুক্তরাষ্ট্র — যুক্তরাষ্ট্র প্রচুর চাল উৎপাদন ও রপ্তানি করলেও তারা কখনোই এই নির্দিষ্ট বছরের শীর্ষ রপ্তানিকারক ছিল না।
C) পাকিস্তান — পাকিস্তান বাসমতি চাল রপ্তানি করলেও বিশ্ববাজারে সার্বিক চাল রপ্তানিতে তারা থাইল্যান্ডের পেছনে ছিল।
D) থাইল্যান্ড — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
আশির দশকের শেষভাগে চাল রপ্তানির বাজারে থাইল্যান্ড ছিল সবার সেরা।
সঠিক উত্তর: A) সিপাহী
কেন সঠিক:
- বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সিপাহী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
- মুক্তিযুদ্ধে অসীম সাহসিকতা প্রদর্শনের স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে দেশের সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ প্রদান করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সিপাহী — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ তিনি এই পদবিতে থেকে মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হন।
B) ল্যান্স নায়েক — এটি সিপাহী পদের চেয়ে উচ্চতর পদ, যা অন্য কোনো বীরশ্রেষ্ঠের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে।
C) লেফটেন্যান্ট — এটি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি কমিশনড অফিসার পদ, যা বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের পদের সঙ্গে মেলে না।
D) ক্যাপ্টেন — এটি কমিশনড অফিসারদের একটি উচ্চপদ, যা সিপাহী পদের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
কম বয়সে শহীদ হওয়া সবচেয়ে কনিষ্ঠ বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের পদবি ছিল সিপাহী।
সঠিক উত্তর: A) ১৪ই ডিসেম্বর
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের এই দিনে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসর আলবদর বাহিনী দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের বুদ্ধিজীবীদের পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে।
- জাতির মেধাশূন্য করার এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের স্মরণে প্রতি বছর ১৪ই ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালন করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৪ই ডিসেম্বর — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দিনে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালন করা হয়।
B) ১২ই ডিসেম্বর — এটি ভুল কারণ এই তারিখে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালন করা হয় না।
C) ১৩ই ডিসেম্বর — এটি ভুল কারণ এই তারিখেও শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত হয় না।
D) ১৫ই ডিসেম্বর — এটি ভুল কারণ বিজয় দিবসের আগের দিন এটি, বুদ্ধিজীবী দিবস নয়।
মনে রাখার টিপস:
১৬ ডিসেম্বর বিজয় অর্জনের ঠিক দুই দিন আগে (১৪ ডিসেম্বর) বাঙালি বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করা হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: B) ২৭শে ফেব্রুয়ারি
কেন সঠিক:
- ১৯৯০ সালের গণঅভুত্থানের পর বাংলাদেশে সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- এই নির্বাচনে বিএনপি বিজয়ী হয়ে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে সরকার গঠন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৬ই ফেব্রুয়ারি — এই তারিখে বাংলাদেশের পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি।
B) ২৭শে ফেব্রুয়ারি — এটি ঐতিহাসিক সত্য ও সঠিক তারিখ হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
C) ২রা মার্চ — এই তারিখে পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি।
D) ৪ঠা মার্চ — এই তথ্যের সঙ্গে পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তারিখের কোনো মিল নেই।
মনে রাখার টিপস:
নব্বইয়ের গণঅভুত্থানের অব্যবহিত পরেই ১৯৯১ সালের ঠিক ২৭শে ফেব্রুয়ারি সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
সঠিক উত্তর: B) কৈলাশ
কেন সঠিক:
- ব্রহ্মপুত্র নদ তিব্বতের মানস সরোবরের নিকট হিমালয়ের কৈলাশ পর্বতের মানস সরোবরের উত্তর দিক থেকে উৎপন্ন হয়েছে।
- হিমালয় পর্বতমালার এই অংশ থেকে উৎপন্ন হয়ে নদটি তিব্বত, ভারত ও বাংলাদেশের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বরাইল — এটি ভারতের আসাম ও উত্তরপূর্ব অঞ্চলের একটি পাহাড়ি রেঞ্জ, যেখান থেকে ব্রহ্মপুত্র উৎপন্ন হয়নি।
B) কৈলাশ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ ব্রহ্মপুত্র নদ এই অঞ্চলের হিমালয় শৃঙ্গ থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে।
সি) কাঞ্চনজঙ্ — এটি হিমালয়ের একটি শৃঙ্গ হলেও এর অবস্থান সিকিম ও নেপাল সীমান্তে, যেখান থেকে ব্রহ্মপুত্র উৎপন্ন হয়নি।
D) কোনটি নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর কৈলাশ অপশনে বিদ্যমান, তাই এটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
ব্রহ্মপুত্রের উৎপত্তি কৈলাশ শিখরে, মনে রাখতে মাথায় রেখো কৈলাশের তীরে।
সঠিক উত্তর: C) কিওক্রাডং
কেন সঠিক:
- এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পাহাড় চূড়া হলেও দীর্ঘদিন ধরে এটিকে সর্বোচ্চ হিসেবে গণ্য করা হতো।
- বর্তমান তথ্য অনুযায়ী সর্বোচ্চ চূড়া তাজিংডং হলেও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কিওক্রাডং সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লুসাই — এটি একটি পর্বত শ্রেণি বা পাহাড় যা বাংলাদেশ ও ভারতের মিজোরাম সীমান্তে অবস্থিত।
B) গারো — এটি ময়মনসিংহ ও শেরপুর অঞ্চলে অবস্থিত একটি মাঝারি উচ্চতার পাহাড়।
C) কিওক্রাডং — এটি বান্দরবান জেলায় অবস্থিত এবং এটি বাংলাদেশের অন্যতম উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ।
D) জয়ন্তিয়া — এটি সিলেট অঞ্চলের একটি পাহাড়ি এলাকা যা প্রধানত ভারতের মেঘালয় রাজ্যের সীমান্তসংলগ্ন।
মনে রাখার টিপস:
বান্দরবানের বিখ্যাত উঁচু পাহাড় মনে রাখতে 'কিও' শব্দটিকে প্রধান উচ্চতা নির্দেশক হিসেবে ধরে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: B) বুড়িগঙ্গায়
কেন সঠিক:
- বাকল্যান্ড বাঁধ ঢাকা শহরের সুরক্ষার জন্য বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে নির্মিত একটি ঐতিহাসিক বাঁধ।
- ১৯ শতকে ঢাকা ম্যাজিস্ট্রেট চার্লস বাকল্যান্ড এর উদ্যোগে এই বাঁধ নির্মাণ করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শীতলক্ষ্যা — এটি নারায়ণগঞ্জ জেলার প্রধান নদী, যার তীরে বাকল্যান্ড বাঁধ অবস্থিত নয়।
B) বুড়িগঙ্গায় — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই নদীর তীরেই ঐতিহাসিক বাকল্যান্ড বাঁধটি নির্মিত হয়েছিল।
C) মেঘনা — এটি বাংলাদেশের একটি প্রধান নদী ও অববাহিকা, এর তীরে এই বাঁধটি অবস্থিত নয়।
D) তুরাগপাই — অপশনটি অস্পষ্ট ও ভুল, এবং এটি বুড়িগঙ্গা নদীর তীরবর্তী বাকল্যান্ড বাঁধের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
ঢাকার প্রাচীন বুড়িগঙ্গা নদী রক্ষা ও বাঁধ নির্মাণের জন্য চার্লস বাকল্যান্ডের নাম মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: A) প্রায় ১৭২৪
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য বুলেটিন এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মানদণ্ড অনুযায়ী দেশে নিবন্ধিত চিকিৎসক ও জনসংখ্যার অনুপাত এটি।
- এই অনুপাতটি মূলত প্রতিজন নিবন্ধিত চিকিৎসকের বিপরীতে সেবামূলক জনসংখ্যার গড় হিসাব প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রায় ১৭২৪ — এটি বর্তমান হালনাগাদ স্বাস্থ্য পরিসংখ্যান অনুযায়ী চিকিৎসকের সাথে জনসংখ্যার সঠিক অনুপাত নির্দেশ করে।
B) প্রায় ৪৫৭২ — এটি অতীতের কোনো পুরোনো বা ভিন্ন খাতের জনবলের অনুপাত, যা বর্তমান চিকিৎসকের জনসংখ্যার সাথে মিলে না।
C) প্রায় ৯৭৯১ — এই সংখ্যাটি বর্তমান চিকিৎসকের অনুপাতে অনেক বেশি এবং এটি কোনো নির্দিষ্ট স্বাস্থ্য সূচকের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
D) প্রায় ৮২১২ — এটি অতীতের কোনো নির্দিষ্ট বছরের পুরোনো পরিসংখ্যান নির্দেশ করে, যা বর্তমান চিকিৎসকের অনুপাতের সঠিক মান নয়।
মনে রাখার টিপস:
চিকিৎসক প্রতি জনসংখ্যার হিসাব মনে রাখতে ১৭ সংখ্যাটি মাথায় রাখুন, যা ১৭২৪ এর শুরুতেই রয়েছে।
সঠিক উত্তর: C) পাবনা ও নাটোর জেলায়
কেন সঠিক:
- চলনবিল প্রধানত পাবনা ও নাটোর জেলার বিভিন্ন অংশজুড়ে বিস্তৃত একটি বিশাল জলাভূমি।
- এই বিলের সর্বাধিক অংশ নাটোর জেলার সিংড়া এবং পাবনা জেলার চাটমোহর ও ভাঙ্গুড়া উপজেলায় অবস্থিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাজশাহী জেলায়। — এটি সঠিক নয় কারণ চলনবিল রাজশাহী জেলায় অবস্থিত নয়, এটি মূলত নাটোর ও পাবনা জেলাকে কেন্দ্র করে বিস্তৃত।
B) রাজশাহী ও নওগাঁ জেলায় — এটি সঠিক নয় কারণ নওগাঁ বা রাজশাহীতে চলনবিলের মূল অংশ নেই, যদিও এর সামান্য প্রান্তিক সংযোগ থাকতে পারে।
C) পাবনা ও নাটোর জেলায় — এটি সঠিক কারণ চলনবিলের অধিকাংশ এলাকা এই দুটি জেলার বিভিন্ন উপজেলাজুড়ে বিস্তৃত।
D) নাটোর ও নওগাঁ জেলায় — এটি সঠিক নয় কারণ চলনবিলের প্রধান অংশ নওগাঁ জেলায় নয়, বরং পাবনা জেলায় অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
চলনবিল মনে রাখতে 'পান্না' শব্দ ব্যবহার করতে পারো, যেখানে প তে পাবনা এবং না তে নাটোর বোঝায়।
সঠিক উত্তর: D) ১৬.৫ কিলােমিটার
কেন সঠিক:
- ফারাক্কা বাঁধটি ভারতের পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশে গঙ্গা নদীর ওপর নির্মিত, যা বাংলাদেশ সীমান্ত থেকে প্রায় ১৬.৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।
- আন্তর্জাতিক নদী গঙ্গার পানিবণ্টন ও বাংলাদেশের পরিবেশের ওপর এই বাঁধের নেতিবাচক প্রভাবের কারণে এটি ভৌগোলিক ও রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২৪.৭ কিলােমিটার — এই দূরত্বটি সঠিক নয়, এটি ফারাক্কা বাঁধ থেকে বাংলাদেশ সীমান্তের প্রকৃত দূরত্বকে নির্দেশ করে না।
B) ২১.০ কিলােমিটার — এই মাপটি ভুল এবং বাংলাদেশ ও ফারাক্কা বাঁধের মধ্যবর্তী দূরত্বের সঠিক মান নয়।
C) ১৯.৩ কিলােমিটার — এই দূরত্বটি ভুল তথ্য হিসেবে ধরা হয়েছে, কারণ প্রকৃত দূরত্ব এর চেয়ে কম।
D) ১৬.৫ কিলােমিটার — এটি বাংলাদেশ সীমান্ত থেকে ফারাক্কা বাঁধের সঠিক ও প্রামাণিক দূরত্ব।
মনে রাখার টিপস:
ফারাক্কা বাঁধ ও বাংলাদেশ সীমান্তের দূরত্ব মনে রাখতে ১৬.৫ সংখ্যাটি মনে রাখুন, যেখানে ১৬-এর সাথে দশমিক ৫ যোগ করে দূরত্ব হিসাব করা হয়।
সঠিক উত্তর: D) লালমনিরহাট
কেন সঠিক:
- দগ্রাম ছিটমহল লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলার অন্তর্গত একটি ঐতিহাসিক ছিটমহল।
- ২০১৫ সালের ১ আগস্ট বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার ছিটমহল বিনিময়ের মাধ্যমে এটি বাংলাদেশের ভৌগোলিক সীভুক্ত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কুড়িগ্রাম — এটি একটি সীমান্তবর্তী জেলা হলেও দগ্রাম ছিটমহল এখানে অবস্থিত নয়।
B) নীলফামারী — এই জেলায় অন্য ছিটমহল থাকলেও দগ্রাম অবস্থিত নয়।
C) ঠাকুরগাঁ — এটি উত্তরবঙ্গের একটি জেলা, যেখানে দগ্রাম ছিটমহলের কোনো অস্তিত্ব নেই।
D) লালমনিরহাট — এটি সঠিক অপশন এবং দগ্রাম ছিটমহল এখানেই অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
দগ্রাম ছিটমহলটি লালমনিরহাটের পাটগ্রাম থানায় অবস্থিত, যা ছিটমহল বিনিময়ের পর স্থায়ীভাবে বাংলাদেশের অংশ হয়।
সঠিক উত্তর: D) 10000
কেন সঠিক:
- সুন্দরবন বিশ্বের একক বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন এবং এর মোট আয়তন প্রায় ১০,০০০ বর্গকিলোমিটার।
- এর মধ্যে বাংলাদেশ অংশে প্রায় ৬,০১৭ বর্গকিলোমিটার এবং ভারত অংশে বাকি অংশ অবস্থিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 3800 — এই সংখ্যাটি সুন্দরবনের মোট আয়তনের সঙ্গে মেলে না এবং এটি ভুল তথ্য।
B) 4100 — এটি সুন্দরবনের সঠিক আয়তন নয়, বরং এটি একটি ভুল পরিমাপ।
C) 5575 — এই সংখ্যাটি সুন্দরবনের মোট আয়তন নির্দেশ করে না।
D) 10000 — এটি সুন্দরবনের আনুমানিক মোট আয়তনের সঠিক সংখ্যা।
মনে রাখার টিপস:
সুন্দরবনের মোট আয়তন ১০ হাজার বর্গকিলোমিটার মনে রাখুন, যার প্রায় ষাট শতাংশ বাংলাদেশে এবং বাকি চল্লিশ শতাংশ ভারতে অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: A) টোকিওতে
কেন সঠিক:
- ১৯৯১ সালের বিজনেস ইন্টারন্যাশনাল প্রকাশিত সমীক্ষা অনুযায়ী জাপানের রাজধানী টোকিওতে জীবনযাত্রার ব্যয়ভার বিশ্বজুড়ে সবচেয়ে বেশি ছিল।
- অত্যন্ত উচ্চ আবাসন খরচ এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের চড়া মূল্যের কারণে টোকিও এই শীর্ষস্থান অর্জন করেছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) টোকিওতে — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এই শহরে জীবনযাত্রার ব্যয় সবচেয়ে বেশি ছিল।
B) নিউইয়র্কেও — জীবনযাত্রার ব্যয় বেশি হলেও এই নির্দিষ্ট সমীক্ষায় এটি শীর্ষে ছিল না।
C) তেহরানে — মধ্যপ্রাচ্যের এই শহরে জীবনযাত্রার ব্যয় টোকিওর তুলনায় অনেক কম ছিল।
D) আবিদজানে — আফ্রিকার এই শহরে অর্থনৈতিক সূচক ভিন্ন হওয়ায় ব্যয়ভার সর্বোচ্চ ছিল না।
মনে রাখার টিপস:
১৯৯১ সালে বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল শহর ছিল জাপানের টোকিও।
সঠিক উত্তর: A) আইবিএম
কেন সঠিক:
- ১৯৯৩ সালের ব্যবসায়িক ও উৎপাদিত পণ্য বিক্রয়ের হিসাব অনুযায়ী প্রযুক্তি জায়ান্ট আইবিএম বিশ্ববাজারে শীর্ষস্থান অর্জন করেছিল।
- সে সময় কম্পিউটার ও প্রযুক্তি পণ্যের ব্যাপক চাহিদার কারণে আইবিএমের বিক্রয় পরিমাণ অন্য যেকোনো কোম্পানির চেয়ে বেশি ছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আইবিএম — এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ ১৯৯৩ সালের উৎপাদিত পণ্য বিক্রয়ের হিসাবে এটি সর্ববৃহৎ বিক্রেতা ছিল।
B) জেনারেল মটরস — এটি গাড়ি প্রস্তুতকারক শীর্ষ প্রতিষ্ঠান হলেও ১৯৯৩ সালের এই নির্দিষ্ট বিক্রয় তালিকায় শীর্ষস্থান অধিকার করেনি।
C) রয়াল ডাচ/শেল — এটি জ্বালানি ও তেল খাতের শীর্ষ প্রতিষ্ঠান হলেও আলোচ্য বছরে উৎপাদিত পণ্য বিক্রয়ে আইবিএমের পেছনে ছিল।
D) ইক্সন — এটি একটি বড় তেল কোম্পানি হলেও ১৯৯৩ সালের উৎপাদিত পণ্য বিক্রয় তালিকায় সর্ববৃহৎ বিক্রেতার স্থান অর্জন করতে পারেনি।
মনে রাখার টিপস:
১৯৯৩ সালের বিক্রির বাজারে কম্পিউটার কোম্পানি আইবিএম ছিল সবার সেরা।
সঠিক উত্তর: C) অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে
কেন সঠিক:
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং জনমিতিক প্রতিবেদনে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড অঞ্চলের মানুষের গড় আয়ু বিশ্ব গড়ের তুলনায় সর্বোচ্চ।
- উন্নত স্বাস্থ্যসেবা, জীবনযাত্রার উচ্চ মান এবং নিরাপদ পরিবেশের কারণে এই অঞ্চলের জীবন প্রত্যাশা সবচেয়ে বেশি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইউরােপে — এখানে জীবন প্রত্যাশা অনেক বেশি হলেও অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের তুলনায় সামান্য কম।
B) উত্তর আমেরিকায় — উন্নত অঞ্চল হওয়া সত্ত্বেও স্বাস্থ্যসেবার ব্যয় ও জীবনযাপনের কিছু নেতিবাচক প্রভাবের কারণে এটি শীর্ষস্থানে নেই।
D) মধ্য এশিয়ায় — অর্থনৈতিক অবস্থা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান তুলনামূলক কম হওয়ায় এখানে জীবন প্রত্যাশা কম।
মনে রাখার টিপস:
ওশেনিয়া অঞ্চলের অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড স্বাস্থ্য ও জীবনযাত্রায় এগিয়ে থাকায় জীবন প্রত্যাক্ষায় সবার শীর্ষে।
সঠিক উত্তর: B) পাকিস্তানে
কেন সঠিক:
- ১৯৮৮ সালের অর্থনৈতিক সমীক্ষা ও পরিসংখ্যান অনুযায়ী দক্ষিণ এশিয়ার এই দেশটিতে জনপ্রতি বিদ্যুৎ ব্যবহারের পরিমাণ অন্য দেশগুলোর তুলনায় বেশি ছিল।
- শিল্পায়ন ও তুলনামূলক উন্নত জীবনযাত্রার কারণে সে সময়ে এই অঞ্চলে তাদের মাথাপিছু বিদ্যুৎ খরচ কিছুটা বেশি রেকর্ড করা হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভারতে — সে সময়ে জনসংখ্যার তুলনায় সামগ্রিক উৎপাদন বেশি হলেও মাথাপিছু খরচের সূচকে নির্দিষ্ট এই সমীক্ষায় এটি শীর্ষে ছিল না।
B) পাকিস্তানে — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং তৎকালীন সমীক্ষা অনুযায়ী জনপ্রতি বিদ্যুৎ খরচে এটি শীর্ষে অবস্থান করেছিল।
C) শ্রীলঙ্কায় — দ্বীপরাষ্ট্র হিসেবে অর্থনীতি ও বিদ্যুৎ ব্যবহারের ধরন ভিন্ন হওয়ায় এই সমীক্ষায় তারা শীর্ষে ছিল না।
D) বাংলাদেশে — সে সময়ে শিল্পায়ন ও বিদ্যুতের প্রাপ্যতা কম থাকায় মাথাপিছু বিদ্যুৎ খরচের পরিমাণ অনেক কম ছিল।
মনে রাখার টিপস:
আটচল্লিশের দশকে অর্থাৎ ১৯৮৮ সালের সমীক্ষায় বিদ্যুতের বিদুৎ খরচে পাকিস্তান ছিল সবার উপরে।
সঠিক উত্তর: D) ভারত
কেন সঠিক:
- ১৯৯০ সালের মার্কিন জনশুমারির তথ্য অনুযায়ী সে দেশে বসবাসকারী এশীয় অভিবাসীদের মধ্যে ভারতীয় বংশোদ্ভূতদের সংখ্যা ছিল সবচেয়ে বেশি।
- সে সময়ে দক্ষিণ এশিয়া থেকে যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসনের হার দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় ভারতীয় অভিবাসীরা সংখ্যায় শীর্ষস্থান অর্জন করেছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফিলিপাইন — এই দেশ থেকে বিপুল সংখ্যক মানুষ যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করলেও ১৯৯০ সালের সমীক্ষায় তারা ভারতের চেয়ে সংখ্যায় কম ছিল।
B) জাপান — জাপানি অভিবাসীরা মার্কিন সমাজে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করলেও ১৯৯০ সালের সমীক্ষায় তাদের মোট সংখ্যা ভারতের তুলনায় কম ছিল।
C) চীন — চীন থেকে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মানুষ যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করলেও ১৯৯০ সালের নির্দিষ্ট সমীক্ষায় তারা ভারতের পেছনে ছিল।
D) ভারত — এই অপশনটি সঠিক এবং এটিই প্রশ্ন অনুযায়ী ১৯৯০ সালের সমীক্ষায় যুক্তরাষ্ট্রে সর্বাধিক প্রবাসী জনগোষ্ঠী হিসেবে চিহ্নিত হয়েছিল।
মনে রাখার টিপস:
যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসনের ইতিহাসে দক্ষিণ এশিয়ার আধিপত্য মনে রাখতে নব্বইয়ের দশকে শীর্ষস্থানে থাকা ভারত দেশটির নাম স্মরণ রাখুন।
সঠিক উত্তর: C) আলতাফ মাহমুদ
কেন সঠিক:
- অমর একুশের এই গানটির রচিয়তা আবদুল গাফফার চৌধুরী এবং প্রথম সুরকার ছিলেন আবদুল লতিফ, কিন্তু বর্তমানের জনপ্রিয় সুরটি শহীদ বুদ্ধিজীবী আলতাফ মাহমুদের করা।
- ১৯৬৯ সালে আলতাফ মাহমুদ এই গানে নতুন ও বর্তমান সুরটি সংযোজন করার পর থেকেই গানটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আবদুল লতিফ — তিনি এই গানের প্রথম সুরকার হলেও বর্তমান জনপ্রিয় সুরটি তাঁর করা নয়।
B) আবদুল আহাদ — তিনি একজন বিশিষ্ট সুরকার ও সঙ্গীতজ্ঞ হলেও এই গানটির সুরকার নন।
C) আলতাফ মাহমুদ — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তিনি এই গানের বর্তমান জনপ্রিয় সুরের স্রষ্টা।
D) মাহমুদুন্নবী — তিনি একজন প্রখ্যাত কণ্ঠশিল্পী হলেও এই গানটির সুরকার নন।
মনে রাখার টিপস:
কথা লিখেছেন গাফফার চৌধুরী, আর সুর দিয়েছেন আলতাফ মাহমুদ।
সঠিক উত্তর: B) ১৯৫৩ সালে
কেন সঠিক:
- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৫৩ সালের ৩১শে মার্চ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পর বাংলাদেশের দ্বিতীয় প্রাচীনতম বিশ্ববিদ্যালয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৫২ সালে — এই সালে ভাষা আন্দোলন সংঘটিত হয়েছিল কিন্তু রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়নি।
B) ১৯৫৩ সালে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই বিশ্ববিদ্যালয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
C) ১৯৫৪ সালে — এই সালে পূর্ব বাংলায় যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সাল এটি নয়।
D) ১৯৫৫ সালে — এটি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পরের বছর, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রায় ৩২ বছর পর এবং বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের পরের বছর অর্থাৎ ১৯৫৩ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়।
সঠিক উত্তর: B) ১৯৬৬ সালে
কেন সঠিক:
- ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯৬৬ সালের ৫ থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধী দলগুলোর এক সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসনের জন্য ঐতিহাসিক ছয়-দফা দাবি পেশ করেন।
- ঐতিহাসিক গুরুত্ব: বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ হিসেবে পরিচিত এই ছয়-দফাই পরবর্তীতে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ভিত্তি তৈরি করেছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৬৫ সালে — এই সালে পাক-ভারত যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল, যা ছয়-দফা পেশ করার সাল নয়।
B) ১৯৬৬ সালে — এটিই সঠিক উত্তর, কারণ এই সালেই আনুষ্ঠানিকভাবে ছয়-দফা পেশ করা হয়েছিল।
C) ১৯৬৭ সালে — এই সালে ছয়-দফা পেশ করা হয়নি, বরং ছয়-দফাভিত্তিক আন্দোলন সমগ্র পূর্ব বাংলায় তীব্র আকার ধারণ করেছিল।
D) ১৯৬৮ সালে — এই সালে ঐতিহাসিক আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করা হয়েছিল, যা ছয়-দফা পেশের পরের ঘটনা।
মনে রাখার টিপস:
ছয়-দফার দফা সংখ্যা ছয় এবং সালের শেষ অঙ্কও ছয়, অর্থাৎ ১৯৬৬ সাল।
সঠিক উত্তর: D) চাপাইনবাবগঞ্জ
কেন সঠিক:
- চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলাকে বাংলাদেশের আমের রাজধানী বলা হয় এবং এখানে দেশের সবচেয়ে বেশি পরিমাণ আম উৎপাদিত হয়।
- ভৌগোলিক ও আবহাওয়াগত কারণে এই অঞ্চলের মাটিতে উচ্চমানের এবং সুস্বাদু আম প্রচুর পরিমাণে জন্মে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কুষ্টিয়া — এটি তিলখই, কুলের আচার এবং লালন সাঁইয়ের মাজারের জন্য বিখ্যাত, আমের জন্য প্রধান জেলা নয়।
B) বগুড়া — এটি দই, মহাস্থানগড় এবং বিখ্যাত মিষ্টির জন্য পরিচিত, আমের জন্য বিখ্যাত জেলা হিসেবে স্বীকৃত নয়।
C) কুমিল্লা — এটি রসমালাই এবং খাদিম নগরের খাদি কাপড়ের জন্য দেশজুড়ে পরিচিত, আমের উৎপাদনে এগিয়ে নেই।
D) চাপাইনবাবগঞ্জ — এটি বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ আম উৎপাদনকারী জেলা এবং এখানে অনেক জাতের আম পাওয়া যায়।
মনে রাখার টিপস:
আমের রাজধানী হিসেবে পরিচিত চাঁপাইনবাবগঞ্জ, তাই আম বললেই চাঁপাইনবাবগঞ্জ নামটি মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) ১৯৫০ সালে
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি / ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ঘটনা
কেন সঠিক:
- পাকিস্তান সৃষ্টির পর পূর্ববঙ্গের কৃষকদের অধিকার রক্ষা ও জমিদারি প্রথা বিলোপের উদ্দেশ্যে এই আইন প্রণয়ন করা হয়।
- তৎকালীন পূর্ববঙ্গ আইন পরিষদে ১৯৫০ সালের ১৬ই ফেব্রুয়ারি এই আইন পাস হয় এবং তা জমিদারি প্রথার অবসান ঘটায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৫০ সালে — এই অপশনটি সঠিক কারণ এই সালেই ঐতিহাসিক পূর্ববঙ্গ জমিদারি দখল ও প্রজাস্বত্ব আইন পাস করা হয়েছিল।
B) ১৯৪৮ সালে — এই সালে আইনটি প্রণীত হয়নি, তবে এ সময়ে প্রজাস্বত্ব আইনের খসড়া তৈরির কাজ শুরু হয়েছিল।
C) ১৯৪৭ সালে — এই সালে পাকিস্তান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়, কিন্তু জমিদারি দখল ও প্রজাস্বত্ব আইন তখন প্রণীত হয়নি।
D) ১৯৫৪ সালে — এই সালে পূর্ব বাংলায় প্রথম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, যা জমিদারি আইন পাসের পরবর্তী ঘটনা।
মনে রাখার টিপস:
১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর ঠিক তিন বছর পর অর্থাৎ ১৯৫০ সালে পূর্ববঙ্গের প্রজারা জমিদারি প্রথার হাত থেকে মুক্তি পায়।
সঠিক উত্তর: D) খাজা নাজিমুদ্দীন
কেন সঠিক:
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ভাষা আন্দোলনের সময় খাজা নাজিমুদ্দীন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন এবং তিনি উর্দুকে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা করার ঘোষণা দিয়ে আন্দোলন উসকে দিয়েছিলেন।
- লিয়াকত আলী খানের মৃত্যুর পর ১৯৫১ সালের অক্টোবর থেকে ১৯৫৩ সালের এপ্রিল পর্যন্ত তিনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নুরুল আমীন — তিনি ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন পূর্ববঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন, প্রধানমন্ত্রী ছিলেন না।
B) লিয়াকত আলী খান — তিনি পাকিস্তানের প্রথম প্রধানমন্ত্রী ছিলেন এবং ১৯৫১ সালের ১৬ অক্টোবর রাওয়ালপিন্ডিতে নিহত হন।
C) মােহাম্মদ আলী — তিনি ১৯৫৩ সাল থেকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন, ২১ ফেব্রুয়ারির সময় তিনি এই পদে ছিলেন না।
D) খাজা নাজিমুদ্দীন — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি সঠিক।
মনে রাখার টিপস:
বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের সময় প্রধানমন্ত্রী ছিলেন নাজিমুদ্দীন আর পূর্ববঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন নুরুল আমীন।
সঠিক উত্তর: C) মহাস্থানগড়
কেন সঠিক:
- প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন নগর বর্তমান বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত ঐতিহাসিক মহাস্থানগড়ের প্রাচীন নাম।
- এটি বাংলার প্রাচীনতম নগরী এবং পুণ্ড্র রাজ্যের রাজধানী ছিল, যা করতোয়া নদীর তীরে গড়ে উঠেছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ময়নামতি — এটি কুমিল্লা জেলায় অবস্থিত প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শন এবং বৌদ্ধ বিহারের জন্য বিখ্যাত, পুণ্ড্রবর্ধন নগর নয়।
B) বিক্রমপুর — এটি মুন্সিগঞ্জ জেলায় অবস্থিত প্রাচীন সেন ও পাল রাজবংশের রাজধানী এবং ঐতিহাসিক এলাকা, পুণ্ড্রবর্ধন নয়।
C) মহাস্থানগড় — এটি সঠিক উত্তর এবং প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন নগরের মূল ভূখণ্ড।
D) পাহাড়পুর — এটি নওগাঁ জেলায় অবস্থিত সোমপুর মহাবিহারের জন্য বিখ্যাত একটি ঐতিহাসিক স্থান, পুণ্ড্রবর্ধন নগর নয়।
মনে রাখার টিপস:
পুণ্ড্রবর্ধন মানেই বগুড়ার প্রাচীন মহাস্থানগড়, যা করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: C) মাইনুল হােসেন
কেন সঠিক:
- স্থপতি সৈয়দ মাইনুল হোসেন সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধের মূল নকশা প্রণয়ন করেন।
- ১৯৭৮ সালে তাঁর নকশা নির্বাচিত হওয়ার পর এর নির্মাণকাজ শুরু হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হামিদুর রহমান — তিনি শহীদ মিনারের মূল স্থপতি ছিলেন, জাতীয় স্মৃতিসৌধের নন।
B) তানভির কবির — তিনি এই স্মৃতিসৌধের স্থপতি নন, অন্য স্থাপত্যকর্মে যুক্ত ছিলেন।
C) মাইনুল হােসেন — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এটি সঠিক।
D) মাযহারুল ইসলাম — তিনি দেশের একজন প্রখ্যাত স্থপতি হলেও এই স্মৃতিসৌধের নকশা করেননি।
মনে রাখার টিপস:
জাতীয় স্মৃতিসৌধের স্থপতি মাইনুল হোসেন মনে রাখতে "স্মৃতিসৌধ ও মাইনুল" যুক্ত করে পড়তে পারেন।
সঠিক উত্তর: A) জুন ১৯৮৯- তিয়াআনমেন স্কয়ারে সংঘটিত ট্রাজেটি
কেন সঠিক:
- এশিয়া ওয়াচ মানবাধিকার সংস্থা ১৯৮৯ সালের তিয়াআনমেন স্কয়ার হত্যাকাণ্ডের পর চীনের ওপর মার্কিন বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা বা Special 301 প্রয়োগের জোরালো দাবি তোলে।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য আইনের এই ধারাটি মূলত মেধাভিত্তিক অধিকার রক্ষা এবং মানবাধিকার পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে কোনো দেশের বিরুদ্ধে শুল্ক আরোপের ক্ষেত্রে বিবেচনা করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জুন ১৯৮৯- তিয়াআনমেন স্কয়ারে সংঘটিত ট্রাজেটি — এটি সঠিক কারণ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলোর চাপে যুক্তরাষ্ট্র এই ঘটনার পর বাণিজ্য নীতি পর্যালোচনার উদ্যোগ নেয়।
B) জেলখানার কয়েদিদের শ্রমে উৎপাদিত দ্রব্য রপ্তানি — এটি অন্য একটি অর্থনৈতিক বাণিজ্য বিতর্ক হলেও এশিয়া ওয়াচের স্পেশাল ৩০১ সংক্রান্ত মূল প্রমাণের সাথে সরাসরি মেলে না।
সি) পাকিস্তানের কাছে মিসাইল বিক্রি — এটি যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যকার পারমাণবিকproliferation সম্পর্কিত কৌশলগত ও সামরিক সমস্যা, যা বাণিজ্য আইনের আওতাভুক্ত নয়।
ডি) আলজেরিয়ার কাছে পারমাণবিক যুদ্ধাস্ত্রের তথ্য বিক্রি — এটি আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও অস্ত্র বিস্তার রোধ সংক্রান্ত কূটনৈতিক বিরোধ, যা তিয়াআনমেন স্কয়ার ট্রাজেটির মতো বাণিজ্য নীতির সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য আইনের স্পেশাল ৩০১ ধারার সাথে ১৯৮৯ সালের তিয়াআনমেন স্কয়ার হত্যাকাণ্ডের মানবাধিকার ইস্যুটি জোরালোভাবে জড়িত।
সঠিক উত্তর: A) APEC
কেন সঠিক:
- এশিয়ার অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদার করতে এশিয়া প্যাসিফিক ইকোনমিক কোঅপারেশন বা এপেকের ভূমিকা সবচেয়ে কার্যকর।
- জাতিসংঘের আঞ্চলিক সংস্থা ইস্ক্যাপ এই জোটটিকে অঞ্চলের উন্নয়নে সর্বাধিক উপযোগী বলে বিবেচনা করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) APEC — এটি এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের অর্থনৈতিক জোট এবং ইস্ক্যাপ কর্তৃক সবচেয়ে উপযোগী বিবেচিত।
B) OREC — এটি এই প্রশ্নের সঠিক অর্থনৈতিক জোট বা উপযুক্ত কোনো স্বীকৃত অপশন নয়।
C) EABG — এটি পূর্ব এশীয় ব্যবসায়িক গোষ্ঠী হলেও ইস্ক্যাপের মূল বিবেচনায় এটি শীর্ষস্থান পায়নি।
D) BCO — এটি এশিয়ার অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য ইস্ক্যাপের মূল বিবেচিত জোট নয়।
মনে রাখার টিপস:
ইস্ক্যাপের সবচেয়ে প্রিয় জোট এশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য এপেকের সমকক্ষ নেই।
সঠিক উত্তর: B) প্রায় ৮০ শতাংশ
কেন সঠিক:
- GATT বা বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা বিশ্ব বাণিজ্যের বিশাল একটি অংশের নীতি ও নিয়ম সমন্বয় করে থাকে।
- বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী বর্তমান আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের প্রায় ৮০ শতাংশ এই কাঠামোর আওতাভুক্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রায় ৭৫ শতাংশ — এই পরিমাণটি সঠিক নয় কারণ বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার বর্তমান বাণিজ্যের আওতা এর চেয়ে বেশি।
B) প্রায় ৮০ শতাংশ — এটি বিশ্ব বাণিজ্যের সমন্বিত অংশের সঠিক পরিসংখ্যান যা প্রশ্ন ও সংস্থার তথ্যের সঙ্গে মেলে।
C) প্রায় ৮৫ শতাংশ — এই হিসাবটি বর্তমান বৈশ্বিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত এবং সঠিক নয়।
D) প্রায় ৯০ শতাংশ — এই অনুপাতটি বাস্তব আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের সার্বিক পরিসংখ্যানের তুলনায় বেশি।
মনে রাখার টিপস:
জিএটিটি এবং বিশ্ব বাণিজ্যের ৮০ শতাংশ অংশ মনে রাখতে বাণিজ্যের গোল টেবিলে আশি শতাংশ চেয়ার হিসাব করতে পারো।
সঠিক উত্তর: C) এনএলডি
কেন সঠিক:
- মায়ানমারে ১৯৯০ সালের নির্বাচনে অং সান সুচির নেতৃত্বে এনএলডি দল নিরঙ্কুশ বিজয় লাভ করে।
- কিন্তু সামরিক জান্তা নির্বাচনের ফলাফল মেনে নেয়নি এবং ক্ষমতা হস্তান্তর করেনি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) এনডিওএল — এটি মায়ানমারের রাজনীতিতে প্রশ্নোক্ত ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো প্রধান রাজনৈতিক দল নয়।
B) এলএনডি — এটি সঠিক দলের নামের ভুল সংক্ষিপ্ত রূপ বা বিপরীত বিন্যাস।
সি) এনএলডি — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে এটি প্রযোজ্য নয়।
D) বিএসপিপি — এটি মায়ানমারের সমাজতান্ত্রিক দল যা অতীতের সামরিক শাসনের সময় ক্ষমতায় ছিল, ১৯৯০ সালের নির্বাচনে বিজয়ী নয়।
মনে রাখার টিপস:
মায়ানমারের গণতন্ত্রপন্থী নেত্রী অং সান সুচির দলের নাম এনএলডি, যা ১৯৯০ সালে জিতেছিল কিন্তু ক্ষমতা পায়নি।
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ও ইতিহাস
সঠিক উত্তর: D) ৩ অক্টোবর (মাঝ রাতে)
কেন সঠিক:
- ১৯৯০ সালের ৩ অক্টোবর পূর্ব জার্মানি ও পশ্চিম জার্মানি আনুষ্ঠানিকভাবে একত্রিত হয়ে বর্তমানের জার্মানি রাষ্ট্র গঠন করে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বিভক্ত হওয়া এই দুই জার্মানির একত্রীকরণ স্নায়ুযুদ্ধের অবসান এবং ইউরোপের ইতিহাসের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২ অক্টোবর (সকালে) — এটি জার্মানি একত্রীকরণের সঠিক তারিখ বা সময় নয়।
B) ২ অক্টোবর (মাঝ রাতে) — এই তারিখে জার্মানি আনুষ্ঠানিকভাবে একত্রিত হয়নি।
C) ১ অক্টোবর (দুপুরে) — এটি জার্মানির একত্রীকরণের ঐতিহাসিক ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) ৩ অক্টোবর (মাঝ রাতে) — এই নির্দিষ্ট তারিখ ও সময়ে জার্মানি আনুষ্ঠানিকভাবে পুনরেকত্রীকৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
১৯৯০ সালের ৩ অক্টোবর জার্মানি একত্রিত হয়, এভাবে মনে রাখতে পারেন যে দশম মাসের (অক্টোবর) তিন তারিখে দুই জার্মানি এক হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: D) ভিয়েনা
কেন সঠিক:
- ইউনিডো (UNIDO) হলো জাতিসংঘের শিল্প উন্নয়ন সংস্থা, যার সদর দপ্তর অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় অবস্থিত।
- আন্তর্জাতিক এই সংস্থাটি শিল্প উন্নয়নের মাধ্যমে বৈশ্বিক দারিদ্র্য বিমোচন ও টেকসই উন্নয়নে কাজ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) টোকিওতে — এটি জাপানের রাজধানী এবং এখানে জাতিসংঘের কোনো প্রধান কার্যালয় নেই।
B) প্যারিস — এটি ফ্রান্সের রাজধানী এবং ইউনেস্কো (UNESCO) ও ওইসিডির (OECD) প্রধান কার্যালয় এখানে অবস্থিত।
C) নিউইয়র্ক — এটি যুক্তরাষ্ট্রের শহর এবং এখানে জাতিসংঘ সদর দপ্তর ও ইউনিসেফের কার্যালয় রয়েছে।
D) ভিয়েনা — এটি সঠিক উত্তর কারণ ইউনিডো সংস্থার প্রধান কার্যালয় এখানেই প্রতিষ্ঠিত।
মনে রাখার টিপস:
শিল্পে ভিয়েনায় যাবো, মনে রাখবেন 'ইউ' দিয়ে শুরু হওয়া শিল্প সংস্থা ইউনিডোর সদর দপ্তর ভিয়েনায়।
সঠিক উত্তর: D) ভ্যালেটা
কেন সঠিক:
- আন্তর্জাতিক এই বার্ধক্য গবেষণা প্রতিষ্ঠানটি ১৯৮৮ সালে মাল্টার রাজধানী ভ্যালেটাতে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বয়স্ক জনগোষ্ঠীর কল্যাণে গবেষণা ও নীতি নির্ধারণের জন্য জাতিসংঘ ও মাল্টা সরকারের উদ্যোগে এটি গঠিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জেনেভা — এটি সুইজারল্যান্ডের একটি শহর এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সদর দপ্তর, তবে এই ইনস্টিটিউট এখানে প্রতিষ্ঠিত হয়নি।
B) রােম — এটি ইতালির রাজধানী এবং জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার সদর দপ্তর, কিন্তু এই গবেষণাকেন্দ্র এখানে অবস্থিত নয়।
C) প্যারিস — এটি ফ্রান্সের রাজধানী এবং ইউনেস্কোর প্রধান কার্যালয়, যা এই প্রশ্নের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) ভ্যালেটা — এটি মাল্টার রাজধানী এবং International Institute on Aging এখানেই অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
বার্ধক্য বা Aging সংক্রান্ত বিশ্বমানের গবেষণা প্রতিষ্ঠানটি মাল্টার রাজধানী ভ্যালেটাতে অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: A) ১৯৬৬ সাল থেকে
কেন সঠিক:
- এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক বা এডিবি ১৯৬৬ সালের ১৯ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে।
- এই আর্থিক প্রতিষ্ঠানটির সদর দপ্তর ফিলিপিন্সের ম্যানিলায় অবস্থিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৬৬ সাল থেকে — এটি সঠিক কারণ এই বছর থেকেই ব্যাংকটি তার আর্থিক লেনদেন ও কার্যক্রম শুরু করেছিল।
B) ১৯৬৭ সাল থেকে — এই সালে ব্যাংকটি প্রতিষ্ঠিত বা লেনদেন শুরু করেনি, তাই এটি ভুল।
C) ১৯৬৮ সাল থেকে — এই সালটি এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরুর সাল নয়।
D) ১৯৮৯ সাল থেকে — এটি অনেক পরের একটি বছর, যা এই ব্যাংকের সূচনার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক বা এডিবি প্রতিষ্ঠিত ও লেনদেন শুরু করে ১৯৬৬ সালে।
বিষয়ের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: A) নিউইয়র্ক
কেন সঠিক:
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ১৯৮৮ সালে পিএলও এর প্রস্তাবের ভিত্তিতে আন্তর্জাতিক শান্তি সম্মেলন অনুষ্ঠানের জন্য নিউইয়র্কে অবস্থিত জাতিসংঘের সদর দপ্তরে রেজুলেশন গ্রহণ করেছিল।
- এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে ফিলিস্তিন সমস্যা সমাধানের জন্য আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক প্রচেষ্টাকে জাতিসংঘের মূল কার্যালয় থেকে আনুষ্ঠানিক রূপ দেওয়া হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নিউইয়র্ক — এটি সঠিক উত্তর কারণ জাতিসংঘের সদর দপ্তর এখানেই অবস্থিত এবং এখানেই ১৯৮৮ সালে রেজুলেশনটি গৃহীত হয়েছিল।
B) প্যারিস — এটি ফ্রান্সের রাজধানী এবং ইউনেস্কোর সদর দপ্তর হলেও ১৯৮৮ সালের উক্ত শান্তি সম্মেলনের রেজুলেশন এখানে গৃহীত হয়নি।
C) জেনেভা — এটি সুইজারল্যান্ডের শহর এবং জাতিসংঘের অন্যতম প্রধান কার্যালয় হলেও এই নির্দিষ্ট রেজুলেশনটি এখানে পাস হয়নি।
D) ভিয়েনা — এটি অস্ট্রিয়ার রাজধানী এবং পারমাণবিক শক্তি কমিশনসহ বিভিন্ন সংস্থার কেন্দ্র হলেও এই ঐতিহাসিক প্রস্তাবের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
জাতিসংঘের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ও রেজুলেশন সাধারণত আমেরিকার নিউইয়র্কস্থ প্রধান সদর দপ্তরেই গৃহীত হয়।
সঠিক উত্তর: D) ভেনিজুয়েলা
কেন সঠিক:
- ১৯৬০ সালের সেপ্টেম্বর মাসে বাগদাদ সম্মেলনে ভেনিজুয়েলার তৎকালীন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী হুয়ান পাবলো পেরেজ আলফনসো ওপেক প্রতিষ্ঠার প্রধান উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন।
- মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর পাশাপাশি তেল উৎপাদনকারী অন্যান্য দেশের মধ্যে সমন্বয় ও তেলের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে ভেনিজুয়েলা অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কুয়েত — কুয়েত ওপেক সংস্থার অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হলেও এই সংঘ প্রতিষ্ঠার মূল উদ্যোগটি তাদের ছিল না।
B) নাইজেরিয়া — নাইজেরিয়া অনেক পরে ১৯৭১ সালে ওপেকের সদস্যপদ লাভ করে, তাই এটি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়ার প্রশ্নই আসে না।
সি) সৌদি আরব — সৌদি আরব প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং ওপেকের প্রভাবশালী দেশ হলেও প্রথম উদ্যোগটি ভেনিজুয়েলার মাধ্যমে শুরু হয়েছিল।
D) ভেনিজুয়েলা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দেশ ও এর প্রতিনিধি প্রথম ওপেক গঠনের প্রস্তাব ও উদ্যোগ নিয়েছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
ওপেক প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছিলেন ভেনিজুয়েলার মন্ত্রী পেরেজ আলফনসো, যা মনে রাখতে ভেনিজুয়েলার নাম সবার আগে আসে।
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ও পরিবেশ
সঠিক উত্তর: C) রাশিয়ার আশখাবাদে
কেন সঠিক:
- প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ সংস্থার (IUCN) প্রথম অধিবেশন ১৯৪৮ সালের ৫ অক্টোবর ফ্রান্সের ফন্টেইনব্লেতে অনুষ্ঠিত হয়েছিল, যা প্রশ্নটির প্রদত্ত উত্তর সি (রাশিয়ার আশখাবাদে) কে ভুল প্রমাণ করে।
- প্রদত্ত উত্তর সি সঠিক নয়, কারণ বিশ্ব প্রকৃতি সংরক্ষণ বা পরিবেশ বিষয়ক আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রথম অধিবেশন রাশিয়াতে বসেনি, বরং আন্তর্জাতিক প্রকৃতি সংরক্ষণ ইউনিয়নের প্রথম সভা ফ্রান্সেই অনুষ্ঠিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জাপানের নাগাসাকিতে — এই শহরটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরমাণু বোমা হামলার জন্য বিখ্যাত, প্রকৃতি সংরক্ষণ সংস্থার প্রথম অধিবেশনের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
B) অস্ট্রেলিয়ার ক্যানবেরায় — এটি অস্ট্রেলিয়ার রাজধানী হলেও প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ সংস্থার প্রথম অধিবেশন এখানে অনুষ্ঠিত হয়নি।
C) রাশিয়ার আশখাবাদে — এটি এই প্রশ্নের প্রদত্ত উত্তর হলেও ঐতিহাসিক তথ্য অনুযায়ী প্রকৃতি সংরক্ষণ সংস্থার প্রথম অধিবেশনের স্থান হিসেবে এটি সঠিক নয়।
D) কানাডার ভেঙ্কুবারে — এটি কানাডার একটি প্রধান বন্দরনগরী, তবে আন্তর্জাতিক প্রকৃতি সংরক্ষণ সংস্থার প্রথম অধিবেশন এই শহরে বসেনি।
মনে রাখার টিপস:
প্রকৃতি সংরক্ষণের প্রথম সভা বসেছিল ফ্রান্সে, রাশিয়াতে নয়।
সঠিক উত্তর: A) UNDP
কেন সঠিক:
- UNDP হলো জাতিসংঘের উন্নয়ন সহায়তা ও কারিগরি কার্যক্রমের প্রধান সমন্বয়কারী সংস্থা।
- এটি সদস্য দেশগুলোতে বিভিন্ন তহবিলের কার্যক্রম একত্রিত করে টেকসই উন্নয়নে সহায়তা করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) UNDP — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) DTCD — এটি জাতিসংঘের একটি সাবেক বিভাগ যা কারিগরি সহায়তা প্রদান করত কিন্তু সমন্বয়ের মূল দায়িত্বে ছিল না।
C) UNEPA — এটি কোনো স্বীকৃত প্রধান জাতিসংঘ সংস্থা নয়, মূলত UNFPA-র সঙ্গে বিভ্রান্তি তৈরি করতে এটি অপশনে থাকে।
D) UNFP — এটি জাতিসংঘের জনসংখ্যা তহবিলের সঠিক সংক্ষিপ্ত রূপ নয়, সঠিক রূপটি হলো UNFPA।
মনে রাখার টিপস:
জাতিসংঘের সব উন্নয়ন ও কারিগরি কাজের মূল সমন্বয়ক বা প্রধান নেতা হলো UNDP।
সঠিক উত্তর: C) মাইকেল স্টিচ
কেন সঠিক:
- ১৯৯১ সালের উইম্বলডন টেনিস প্রতিযোগিতার পুরুষ একক ফাইনালে জার্মানির মাইকেল স্টিচ স্বদেশী বরিস বেকারকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হন।
- এটি ছিল তার ক্যারিয়ারের প্রথম এবং একমাত্র উইম্বলডন একক শিরোপা জয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মাইকেল চ্যাং — তিনি মূলত ফ্রেঞ্চ ওপেন টেনিস জয়ের জন্য পরিচিত এবং ১৯৯১ সালের উইম্বলডন জয় করেননি।
B) জিন ফিলিপস — তিনি টেনিস ইতিহাসের উইম্বলডন একক শিরোপা বিজয়ী কোনো বিখ্যাত খেলোয়াড় নন।
C) মাইকেল স্টিচ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য।
D) পিট সাস — তিনি উইম্বলডনে অনেকবার চ্যাম্পিয়ন হলেও ১৯৯১ সালের ফাইনালে মাইকেল স্টিচের কাছে এই আসরের শিরোপা হাতছাড়া হয়।
মনে রাখার টিপস:
১৯৯১ সালের উইম্বলডন ফাইনালে জার্মানির দুই খেলোয়াড়ের লড়াইয়ে বরিস বেকারকে হারিয়ে মাইকেল স্টিচ শিরোপা জিতেছিলেন।
সঠিক উত্তর: D) দক্ষিণ কোরিয়া
কেন সঠিক:
- দক্ষিণ কোরিয়া পূর্ব এশিয়ার একটি দেশ এবং এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক সংস্থা আসিয়ান (ASEAN)-এর সদস্য নয়।
- আসিয়ান জোটের সদস্য দেশ সংখ্যা ১০টি এবং এর সদর দপ্তর ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তায় অবস্থিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সিঙ্গাপুর — এটি আসিয়ান জোটের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা এবং বর্তমান সদস্য রাষ্ট্র।
B) মালয়েশিয়া — এটি আসিয়ান জোটের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য রাষ্ট্রগুলোর একটি।
C) থাইল্যান্ড — এটি আসিয়ান জোটের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে যুক্ত রয়েছে।
D) দক্ষিণ কোরিয়া — এটি আসিয়ান জোটভুক্ত দেশ নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
আসিয়ান জোটটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর জন্য গঠিত, তাই পূর্ব এশিয়ার দেশ দক্ষিণ কোরিয়া এর সদস্য নয়।
সঠিক উত্তর: A) ২০৬
১. কেন সঠিক:
- একজন পূর্ণবয়স্ক সুস্থ মানুষের কঙ্কালতন্ত্রে মোট হাড়ের সংখ্যা ঠিক ২০৬ টি।
- শৈশবে বা জন্মলগ্নে মানুষের দেহে প্রায় ৩০০ বা তার বেশি হাড় থাকে, যা বয়স বাড়ার সাথে সাথে পরস্পরের সাথে জোড়া লেগে ২০৬ টিতে রূপ নেয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: মানবদেহের কঙ্কালতন্ত্র প্রধানত দুটি ভাগে বিভক্ত, অক্ষীয় কঙ্কাল এবং উপাঙ্গীয় কঙ্কাল।
- কার্যপ্রণালি: অক্ষীয় কঙ্কালের মধ্যে রয়েছে খুলনা, মেরুদণ্ড এবং বক্ষপিঞ্জর, আর উপাঙ্গীয় কঙ্কালে থাকে হাত ও পায়ের অস্থি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মাথার খুলি
ব্যাখ্যা: মাথার খুলিতে মোট ২৯ টি হাড় থাকে যা মস্তিষ্ককে সুরক্ষিত রাখে।
উদাহরণ ২: মেরুদণ্ড
ব্যাখ্যা: প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের মেরুদণ্ডে ২৬ টি কশেরুকা বা হাড় থাকে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২০৬ — এটি প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের দেহের মোট হাড়ের সঠিক সংখ্যা।
B) ৩০৬ — এটি মানবদেহের কোনো নির্দিষ্ট অস্থিসংখ্যা নয় এবং এটি ২০৬ এর চেয়ে অনেক বেশি।
C) ৪০৬ — এটি বৈজ্ঞানিকভাবে মানুষের স্বাভাবিক হাড়ের সংখ্যার সাথে মেলে না।
D) ৫১৬ — এই সংখ্যাটি মানবদেহের মোট হাড়ের সংখ্যার তুলনায় অতিরিক্ত ও অবাস্তব।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সংখ্যাটি মনে রাখার জন্য দুই এর সাথে শূন্য এবং ছয় বসিয়ে দুইশো ছয় মনে রাখতে পারেন।
- শিশুর জন্মের সময় হাড়ের সংখ্যা বেশি থাকে কিন্তু পূর্ণবয়স্ক হতে হতে তা কমে ২০৬ টি হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- মানবদেহের সবচেয়ে বড় হাড়ের নাম ফিমার এবং সবচেয়ে ছোট হাড়ের নাম স্টেপিস।
- এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় কঙ্কালতন্ত্র অধ্যায় থেকে প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: A) ব্রোমিন
১. কেন সঠিক:
- ব্রোমিন হলো একটি হ্যালোজেন এবং এটি একমাত্র অধাতু যা সাধারণ তাপমাত্রায় তরল অবস্থায় থাকে।
- অন্যান্য অধাতুগুলো সাধারণ তাপমাত্রায় কঠিন বা গ্যাসীয় অবস্থায় থাকলেও এর আন্তঃআণবিক আকর্ষণ বলের কারণে এটি তরল থাকে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: পর্যায় সারণির সপ্তদশ গ্রুপের মৌলগুলোকে হ্যালোজেন বলা হয় এবং এর মধ্যে ব্রোমিন কক্ষ তাপমাত্রায় তরল।
- রাসায়নিক সংকেত: ব্রোমিনের সংকেত হলো Br২ এবং এর পারমাণবিক সংখ্যা পונT পঁয়ত্রিশ।
- বাস্তব প্রয়োগ: এটি ঔষধি শিল্পে, রঙের উৎপাদনে এবং আলোকচিত্রের কাজে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: থার্মোমিটারের পারদ
ব্যাখ্যা: পারদ তরল হলেও এটি একটি ধাতু, যা অধাতু ব্রোমিনের সঙ্গে পার্থক্য বোঝাতে সাহায্য করে।
উদাহরণ ২: ঘরের তাপমাত্রায় পানির অবস্থা
ব্যাখ্যা: পানি সাধারণ তাপমাত্রায় তরল হলেও এটি একটি যৌগ, আর ব্রোমিন হলো একটি মৌলিক পদার্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ব্রোমিন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি একমাত্র মৌলিক অধাতু যা সাধারণ তাপমাত্রায় তরল অবস্থায় থাকে।
B) পারদ — এটি সাধারণ তাপমাত্রায় তরল থাকে ঠিকই, কিন্তু এটি কোনো অধাতু নয় বরং একটি ভারী ধাতু।
C) আয়োডিন — এটি একটি মৌলিক অধাতু হলেও সাধারণ তাপমাত্রায় এটি কঠিন অবস্থায় থাকে এবং সাবলিমেশন বা ঊর্ধ্বপাতন প্রদর্শন করে।
D) জেনন — এটি একটি নিষ্ক্রিয় গ্যাস এবং সাধারণ তাপমাত্রায় এটি সম্পূর্ণভাবে গ্যাসীয় অবস্থায় থাকে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- অধাতু তরল মানেই ব্রোমিন এবং ধাতু তরল মানেই পারদ এই দুটি পার্থক্য ভালোভাবে মনে রাখবে।
- হ্যালোজেন পরিবারের মধ্যে ক্লোরিন ও ফ্লোরিন গ্যাস, আয়োডিন কঠিন এবং ব্রোমিন কেবল তরল।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সাধারণ তাপমাত্রার তরল ধাতু ও অধাতু সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে।
- ব্রোমিনের বর্ণ গাঢ় লালচে-বাদামী এবং এর থেকে তীব্র ঝাঁঝালো গন্ধ বের হয়।
সঠিক উত্তর: D) কোবাল্ট
১. কেন সঠিক:
- কোবাল্ট একটি শক্তিশালী চৌম্বক পদার্থ। চুম্বক এই পদার্থগুলোকে খুব জোরালোভাবে আকর্ষণ করে।
- এই পদার্থগুলোর পরমাণুর ভেতরে ইলেকট্রনের স্পিন এমনভাবে বিন্যস্ত থাকে যা চুম্বকক্ষেত্র তৈরি করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: চৌম্বক পদার্থ হলো সেইসব পদার্থ যা চুম্বক দ্বারা জোরালোভাবে আকৃষ্ট হয় এবং যাদের স্থায়ী চুম্বকে পরিণত করা যায়।
- কার্যপ্রণালি: চৌম্বক পদার্থের অণুতে থাকা ডোমেনগুলো চুম্বকক্ষেত্রের প্রভাবে একই দিকে বিন্যস্ত হয়।
- বাস্তব প্রয়োগ: বৈদ্যুতিক মোটর, জেনারেটর এবং লাউডস্পিকার তৈরিতে চৌম্বক পদার্থ ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: লোহা, নিকেল ও কোবাল্ট
ব্যাখ্যা: এগুলো হলো প্রধান তিনটি প্রাকৃতিক চৌম্বক পদার্থ যা যেকোনো চুম্বকের সংস্পর্শে এলে সহজে চুম্বকে পরিণত হয়।
উদাহরণ ২: ক্রেডিট কার্ডের চুম্বকীয় খাদ
ব্যাখ্যা: ক্রেডিট কার্ডের পেছনে চৌম্বকীয় তথ্য সংরক্ষণের জন্য কোবাল্টের মতো চৌম্বক পদার্থ ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পারদ — পারদ একটি তরল ধাতু এবং এটি ডায়াচৌম্বক পদার্থ, যা চুম্বক দ্বারা সামান্য বিকর্ষিত হয়।
B) বিসমাথ — বিসমাথ একটি তীব্র ডায়াচৌম্বক পদার্থ, যা চুম্বককে আকর্ষণ না করে উল্টো বিকর্ষণ করে।
C) এন্টিমনি — এন্টিমনি একটি ধাতুকল্প এবং এটি ডায়াচৌম্বক প্রকৃতির, তাই এটি চৌম্বক পদার্থ নয়।
D) কোবাল্ট — এটি সঠিক উত্তর কারণ কোবাল্ট লোহা ও নিকেলের মতো একটি শক্তিশালী ফেরোম্যাগনেটিক পদার্থ।
৫. মনে রাখার টিপস:
- চৌম্বক পদার্থ মনে রাখার সহজ কৌশল হলো ফোলোনিক অর্থাৎ লোহা, নিকেল ও কোবাল্ট।
- এই তিনটি প্রধান পদার্থ ছাড়া বেশিরভাগ ধাতু বা অধাতু চৌম্বক পদার্থ হিসেবে কাজ করে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রকৃতিতে প্রধান চৌম্বক পদার্থ বা ফেরোম্যাগনেটিক পদার্থ প্রধানত তিনটি: লোহা, নিকেল ও কোবাল্ট।
- বিসিএস বা ব্যাংক পরীক্ষায় প্রায়ই নিচের কোনটি চৌম্বক বা অচৌম্বক পদার্থ এই ধরনের প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: D) বায়ুর চাপ কম
১. কেন সঠিক:
- উচ্চ পর্বতের চূড়ায় বায়ুমণ্ডলের চাপ সমুদ্রপৃষ্ঠের তুলনায় অনেক কম থাকে কারণ ওপরের বায়ুর স্তর পাতলা হয়ে যায়।
- মানবদেহের ভেতরে থাকা রক্তনালীর চাপ বাইরের কম বায়ুমণ্ডলীয় চাপের সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় রাখতে না পারায় নাক দিয়ে রক্তপাত ঘটে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: বায়ুমণ্ডলীয় চাপ হলো পৃথিবীর অভিকর্ষ টানের কারণে বায়ুর ওজনের ফল এবং এটি উচ্চতা বৃদ্ধির সঙ্গে কমতে থাকে।
- কার্যপ্রণালি: উচ্চ পর্বতে উঠলে বাইরের বায়ুর চাপ কমে যায় কিন্তু শরীরের ভেতরের রক্তচাপ অপরিবর্তিত থাকে, ফলে নাকের ভেতরের সূক্ষ্ম ও দুর্বল রক্তনালীগুলো ফেটে যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: এরোপ্লেনের কেবিনে কৃত্রিম চাপ নিয়ন্ত্রণ করা না হলে যাত্রীদের একই সমস্যা হতে পারে।
ব্যাখ্যা: উচ্চ আকাশে বিমানের বাইরে বায়ুর চাপ অত্যন্ত কম থাকে বলে কেবিনের ভেতরে বিশেষ ব্যবস্থায় চাপ ঠিক রাখা হয়।
উদাহরণ ২: মাউন্ট এভারেস্টের মতো উচ্চ শৃঙ্গে অক্সিজেন মাস্কের পাশাপাশি কম চাপের কারণে পর্বতারোহীদের নানা শারীরিক জটিলতা দেখা দেয়।
ব্যাখ্যা: অতিরিক্ত উচ্চতায় বায়ুর চাপ ও অক্সিজেন দুই-ই কমে যাওয়ায় মানবদেহের স্বাভাবিক রক্তচাপ রক্ষা করা কঠিন হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অক্সিজেন কম — উচ্চতায় অক্সিজেন কম থাকে সত্য, তবে এটি সরাসরি নাক দিয়ে রক্তপাতের মূল কারণ নয় বরং শ্বাসকষ্টের জন্য দায়ী।
B) ঠাণ্ডা বেশি — পর্বতের চূড়ায় ঠাণ্ডা বেশি থাকলেও এটি রক্তনালীকে সংকুচিত করে, রক্তপাতের মূল কারণ বায়ুর চাপ হ্রাস পাওয়া।
C) বায়ুর চাপ বেশি — এই তথ্যটি ভুল কারণ উচ্চতা বাড়লে বায়ুর চাপ সবসময় কমে যায়, বাড়ে না।
D) বায়ুর চাপ কম — এই অপশনটি সঠিক কারণ কম চাপের জন্যই ভেতরের ও বাইরের চাপের অসমতা তৈরি হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- উচ্চতা বাড়লে চাপ কমে যায়, এই সূত্র মনে রাখলে নাক দিয়ে রক্তপাতের কারণ সহজেই বোঝা যাবে।
- ভেতরের চাপ বেশি এবং বাইরের চাপ কম হলে বেলুনের মতো রক্তনালী ফেটে যেতে পারে, এই সহজ তুলনাটি মনে রাখতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বায়ুমণ্ডলীয় চাপের প্রভাব সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
- পাহাড়ের চূড়ায় বায়ুর চাপ কমে যাওয়ায় পানি কম তাপমাত্রায় ফুটে, এই সম্পর্কিত প্রশ্নও একইভাবে পড়তে পারੋ।
সঠিক উত্তর: D) ৩ গুণ কমবে
১. কেন সঠিক:
- মাধ্যাকর্ষণজনিত ত্বরণ বাড়লে সরল দোলকের দোলনকাল কমে যায় কারণ এদের মধ্যে ব্যস্তানুপাতিক সম্পর্ক বিদ্যমান।
- ত্বরণ ৯ গুণ বাড়লে দোলনকালের হিসাব অনুসারে তা বর্গমূলের কারণে ৩ গুণ কমে যায়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: সরল দোলকের দোলনকাল হলো একটি পূর্ণ দোলন সম্পন্ন করতে যে সময় লাগে।
- সূত্র/তত্ত্ব: টি সমান টু পাই রুট ওভার এল ভাগ জি, যেখানে টি হলো দোলনকাল, এল হলো কার্যকর দৈর্ঘ্য এবং জি হলো অভিকর্ষজ ত্বরণ।
- কারণ ও ফলাফল: জি এর মান বাড়লে হরের মান বাড়ে, ফলে দোলনকালের সামগ্রিক মান কমে যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পাহাড়ের চূড়ায় অভিকর্ষজ ত্বরণের মান কম হওয়ায় দোলনকাল বেড়ে যায় এবং ঘড়ি স্লো চলে।
ব্যাখ্যা: জি এর মান কমে গেলে টি এর মান বৃদ্ধি পায়, যা এই সূত্রের বাস্তব প্রমাণ।
উদাহরণ ২: বিষুবীয় অঞ্চল থেকে মেরু অঞ্চলে নিয়ে গেলে সরল দোলকের দোলনকাল কমে যায়।
ব্যাখ্যা: মেরু অঞ্চলে জি এর মান বেশি থাকায় দোলক দ্রুত দুলে এবং সময় কম নেয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৯ গুণ বাড়বে — অভিকর্ষজ ত্বরণ বাড়লে দোলনকাল কখনোই বাড়ে না, বরং কমে যায়।
B) ৯ গুণ কমবে — ত্বরণের মান ৯ গুণ বাড়লে বর্গমূলের নিয়মে দোলনকাল ৩ গুণ কমে, ৯ গুণ নয়।
C) ৩ গুণ বাড়বে — ত্বরণ বাড়লে দোলনকাল বৃদ্ধি পাওয়ার কোনো সুযোগ নেই।
D) ৩ গুণ কমবে — এটি সঠিক কারণ জি এর মান ৯ গুণ বাড়লে রুট ওভার ৯ অর্থাৎ ৩ গুণ কমে যায়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- দোলনকালের সাথে অভিকর্ষজ ত্বরণের বর্গমূলের ব্যস্তানুপাতিক সম্পর্ক মনে রাখবে।
- যতগুণ ত্বরণ বাড়বে, তার বর্গমূল করলে দোলনকাল ততগুণ কমবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এই ধরনের অঙ্কে ত্বরণ যতগুণ বাড়বে বা কমবে, তার বর্গমূল করে দোলনকালের পরিবর্তন বের করতে হয়।
- দৈর্ঘ্য চারগুণ বাড়লে দোলনকাল কতগুণ বাড়বে, এই ধরনের প্রশ্নও পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: D) সিলিনড্রিক্যাল
১. কেন সঠিক:
- সিনেমাস্কোপ প্রজেক্টরে সিলিনড্রিক্যাল বা নলাকার লেন্স ব্যবহার করা হয় কারণ এটি ওয়াইড স্ক্রিন বা প্রশস্ত পর্দায় দৃশ্যকে সঠিকভাবে প্রসারিত করতে সাহায্য করে।
- অ্যানামরফিক লেন্স সিস্টেমে এই সিলিনড্রিক্যাল লেন্স ব্যবহার করে ছবির অনুভূমিক ক্ষেত্রকে প্রসারিত করা হয় যাতে বিকৃতি ছাড়াই পূর্ণ পর্দায় সিনেমা দেখা যায়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: আলো, শব্দ ও তরঙ্গ এবং আলোকবিজ্ঞানের প্রতিফলক ও প্রতিসারক উপাদানের বিশেষ প্রয়োগ।
- কার্যপ্রণালি: সিলিনড্রিক্যাল লেন্স আলোর রশ্মিকে একটি নির্দিষ্ট দিকে অভিসারী বা অপসারী করে, যা সাধারণ গোলীয় লেন্সের মাধ্যমে সম্ভব হয় না।
- বাস্তব প্রয়োগ: সিনেমাস্কোপ ক্যামেরা এবং প্রজেক্টরে এই লেন্স ব্যবহার করে কম প্রশস্ততার ফিল্মে বেশি প্রশস্ত দৃশ্য ধারণ ও প্রদর্শন করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সিনেমা হলে বড় পর্দার সিনেমা প্রদর্শন।
ব্যাখ্যা: সিলিনড্রিক্যাল লেন্সের ব্যবহারের ফলে চলচ্চিত্রের চিত্রটি অনুভূমিকভাবে প্রসারিত হয়ে পুরো পর্দায় নিখুঁতভাবে ফুটে ওঠে।
উদাহরণ ২: দৃষ্টি ত্রুটি দূর করার সিলিনড্রিক্যাল চশমা।
ব্যাখ্যা: চোখে অ্যাস্টিগমেটিজম বা বিষমদৃষ্টি সমস্যা থাকলে সিলিনড্রিক্যাল লেন্স ব্যবহার করে আলোর প্রতিসরণ সংশোধন করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উত্তল — উত্তল লেন্স আলোর রশ্মিকে একটি বিন্দুতে একত্রিত করে, যা সিনেমাস্কোপের প্রশস্ত দৃশ্য প্রসারণের জন্য যথেষ্ট নয়।
B) অবতল — প্রদত্ত উত্তরটিতে অবতল লেন্স বলা হলেও সিনেমাস্কোপে মূলত সিলিনড্রিক্যাল বা অ্যানামরফিক লেন্স ব্যবহৃত হয়, তাই এটি এখানে সঠিক নয়।
C) জুম — জুম লেন্স ফোকাল দৈর্ঘ্য পরিবর্তনের জন্য ব্যবহৃত হয়, যা ওয়াইড স্ক্রিন অনুপাত তৈরি করার মূল কাজ করে না।
D) সিলিনড্রিক্যাল — এটি সঠিক অপশন কারণ এটি অনুভূমিক ও উল্লম্ব তলে ভিন্নভাবে আলো প্রতিসরণ করে প্রশস্ত দৃশ্য তৈরি করতে পারে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সিনেমাস্কোপ মানেই প্রশস্ত পর্দা এবং প্রশস্ত পর্দার জন্য বিশেষ সিলিনড্রিক্যাল লেন্স প্রয়োজন হয়।
- চোখ বা ক্যামেরার ওয়াইড অ্যাঙ্গেল কাজের সাথে সিলিনড্রিক্যাল লেন্সের সম্পর্ক মনে রাখা সহজ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এই প্রশ্নটি আলো, লেন্স ও আধুনিক প্রযুক্তির প্রয়োগ থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
- অ্যাস্টিগমেটিজম বা বিষমদৃষ্টি প্রতিকারে কোন লেন্স ব্যবহৃত হয়, এই সম্পর্কিত প্রশ্নও এর সাথে মিল রেখে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: B) লােহা
১. কেন সঠিক:
শব্দ এক প্রকার শক্তি যা তরঙ্গ আকারে সঞ্চালিত হয়। মাধ্যম যত ঘন এবং পদার্থের অণুগুলো যত কাছাকাছি থাকে, শব্দের বেগ তত বেশি হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: শব্দের বেগ মাধ্যমের ঘনত্ব এবং স্থিতিস্থাপকতার ওপর নির্ভর করে। কঠিন পদার্থে কণার ব্যবধান কম থাকায় কম্পন দ্রুত ছড়ায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রেললাইনে কান পাতলে অনেক দূর থেকে আসা ট্রেনের শব্দ শোনা যায়।
ব্যাখ্যা: বাতাসের চেয়ে লোহা বা ইস্পাতের তৈরি রেললাইনে শব্দের গতি বহুগুণ বেশি।
উদাহরণ ২: জলের নিচে সাঁতার কাটার সময় ডলফিনের শব্দ খুব দ্রুত শোনা যায়।
ব্যাখ্যা: তরল মাধ্যম বাতাস অপেক্ষা ঘন হওয়ায় শব্দ দ্রুত চলাচল করতে পারে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শূন্যতায় — শূন্য মাধ্যমে কোনো কণা না থাকায় শব্দ চলাচল করতে পারে না।
B) লােহা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি একটি ঘন ও স্থিতিস্থাপক কঠিন মাধ্যম।
C) পানির — পানি তরল মাধ্যম, যার কণার ঘনত্ব কঠিন পদার্থের তুলনায় কম।
D) বাতাসে — বাতাস বায়বীয় মাধ্যম এবং এর অণুগুলো অনেক দূরে দূরে থাকে।
৫ মনে রাখার টিপস:
শব্দের গতি সবচেয়ে বেশি কঠিন মাধ্যমে, তারপর তরল মাধ্যমে এবং সবচেয়ে কম বায়বীয় মাধ্যমে। কঠিন পদার্থ যত বেশি শক্ত ও স্থিতিস্থাপক হবে, শব্দের গতি তত বেশি হবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাতাসে শব্দের গতি প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩৩২ মিটার। শূন্য মাধ্যমে শব্দের গতি শূন্য।
সঠিক উত্তর: D) ভাইকিং
১. কেন সঠিক:
- ভাইকিং হলো মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা কর্তৃক ১৯৭০ এর দশকে মঙ্গলগ্রহে প্রেরিত ইতিহাসের প্রথম সফল ল্যান্ডার মিশন।
- এই অভিযানের মূল লক্ষ্য ছিল মঙ্গলগ্রহের মাটি ও বায়ুমণ্ডল পরীক্ষা করা এবং সেখানে প্রাণের অস্তিত্বের কোনো জৈব চিহ্ন আছে কি না তা অনুসন্ধান করা।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: জ্যোতির্বিজ্ঞান ও মহাকাশ অনুসন্ধানের ইতিহাসে ভাইকিং প্রোগ্রাম ছিল সৌরজগতের অন্য কোনো গ্রহে সফলভাবে অবতীর্ণ হয়ে বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা চালানোর প্রথম যুগান্তকারী পদক্ষেপ।
- কার্যপ্রণালি: এই যানের সঙ্গে থাকা রোবটিক বাহু মঙ্গলের মাটি সংগ্রহ করে এবং পরীক্ষাগারের ভেতরে নিয়ে বিভিন্ন রাসায়নিক ও জৈব পরীক্ষা সম্পন্ন করে পৃথিবীতে তথ্য প্রেরণ করেছিল।
- বাস্তব প্রয়োগ: ভাইকিং মিশন থেকে প্রাপ্ত ছবি ও আবহাওয়া সংক্রান্ত উপাত্ত পরবর্তীতে আধুনিক রোভার মিশন যেমন কিউরিসিটি বা পারসিভিয়ারেন্সের নকশা তৈরিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ভাইকিং ১ এবং ভাইকিং ২ মহাকাশযান
ব্যাখ্যা: ১৯৭৬ সালে এই দুটি পৃথক যান সফলভাবে মঙ্গলের পৃষ্ঠে অবতরণ করে এবং গ্রহটির প্রথম রঙিন প্যানোরামিক ছবি পৃথিবীতে পাঠায়।
উদাহরণ ২: মঙ্গলের মাটি পরীক্ষা
ব্যাখ্যা: ভাইকিং যানের ভেতরের যন্ত্রগুলো মঙ্গলের মাটিতে তেজস্ক্রিয় কারبন যুক্ত পুষ্টি উপাদান মিশিয়ে পরীক্ষা করেছিল সেখানে অণুজীবের বিপাকীয় ক্রিয়া ঘটে কি না।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সয়ুজ — এটি রাশিয়ার একটি বিখ্যাত মনুষ্যবাহী মহাকাশযান যা মূলত আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে নভোচারী যাতায়াতের জন্য ব্যবহৃত হয়, মঙ্গলগ্রহের জন্য নয়।
B) এপোলো — এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চন্দ্রাভিযান কর্মসূচি যার মাধ্যমে মানুষ প্রথম চাঁদে পদার্পণ করেছিল, কিন্তু এটি মঙ্গলগ্রহের জন্য প্রেরিত হয়নি।
C) ভয়েজার — এটি মূলত সৌরজগতের বহিঃস্থ গ্রহ যেমন বৃহস্পতি, শনি, ইউরেনাস ও নেপচুন পর্যবেক্ষণের জন্য প্রেরিত বিখ্যাত নভোযান।
D) ভাইকিং — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি বিশেষভাবে মঙ্গলগ্রহের পৃষ্ঠে অবতরণের জন্য নকশা করা হয়েছিল।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ভাইকিং নামটি মনে রাখতে মঙ্গলের প্রাচীন যোদ্ধা বা ভাইকিং জাতির সাহসিকতার কথা ভাবতে পারো যারা অচেনা স্থানে অভিযান চালাত।
- মহাকাশ অভিযানে ভাইকিং মানেই মঙ্গলগ্রহের মাটি ছোঁয়ার প্রথম সফল অভিযান।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে মানুষের পাঠানো প্রথম সফল মঙ্গল গ্রহের ল্যান্ডার কোনটি।
- একই ধারণা থেকে প্রশ্ন হতে পারে ভাইকিং মিশন কোন দেশ প্রেরণ করেছিল বা এটি কত সালে মঙ্গলে পৌঁছেছিল।
সঠিক উত্তর: C) অটোহ্যান
১. কেন সঠিক:
- পারমাণবিক বোমা তৈরির মূল ভিত্তি হলো নিউক্লীয় ফিশন বা পরমাণুর নিউক্লিয়াস বিভাজন বিক্রিয়া। বিজ্ঞানী অটোহ্যান ১৯৩৮ সালে ইউরেনিয়াম পরমাণুকে নিউট্রন দিয়ে আঘাত করে প্রথম নিউক্লীয় ফিশন আবিষ্কার করেন।
- তাঁর এই আবিষ্কারের ফলেই পরবর্তীতে পারমাণবিক বোমা ও পারমাণবিক চুল্লিতে শক্তি উৎপাদনের পথ উন্মুক্ত হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: নিউক্লীয় ফিশন হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে ভারী পরমাণুর নিউক্লিয়াস ভেঙে প্রায় সমমানের দুটি হালকা নিউক্লিয়াসে পরিণত হয় এবং বিপুল পরিমাণ শক্তি নির্গত হয়।
- কার্যপ্রণালি: একটি ধীরগতির নিউট্রন ইউরেনিয়াম তেইশ শ পাঁচ পরমাণুকে আঘাত করলে তা অত্যন্ত অস্থির হয়ে দুটি ভিন্ন মৌলে বিভক্ত হয় এবং সাথে তিনটি নতুন নিউট্রন ও প্রচুর তাপশক্তি উৎপন্ন করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পারমাণবিক চুল্লিতে বিদ্যুৎ উৎপাদন
ব্যাখ্যা: নিয়ন্ত্রিত উপায়ে নিউক্লীয় ফিশন ঘটিয়ে যে তাপশক্তি পাওয়া যায়, তা দিয়ে পানি ফুটিয়ে বাষ্প তৈরি করে টারবাইন ঘোরানো হয়।
উদাহরণ ২: সূর্যের শক্তি উৎপাদনে ফিউশন বিক্রিয়া
ব্যাখ্যা: যদিও বোমা ফিশন প্রক্রিয়ায় চলে, তবে এটি শক্তির বিশাল পরিমাপের ধারণা দেয় যা সাধারণ রাসায়নিক বিক্রিয়ার চেয়ে বহুগুণ বেশি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আইনস্টাইন — তিনি ভর ও শক্তির সমতুল্যতার বিখ্যাত সূত্র প্রদান করেছিলেন, যা পারমাণবিক শক্তির তাত্ত্বিক ভিত্তি হলেও তিনি সরাসরি বোমা আবিষ্কার করেননি।
B) ওপেনহেমার — তিনি ম্যানহাটন প্রকল্পের বৈজ্ঞানিক পরিচালক ছিলেন যার অধীনে প্রথম পারমাণবিক বোমা তৈরি ও সফল পরীক্ষা করা হয়।
C) অটোহ্যান — তিনি ইউরেনিয়াম ফিশন আবিষ্কার করেছিলেন যা পারমাণবিক বোমা তৈরির মূল বৈজ্ঞানিক ভিত্তি।
D) রোজেবার্গ — এরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গুপ্তচর বৃত্তির সাথে যুক্ত ছিলেন যারা তৎকালীন পারমাণবিক তথ্য পাচারের অভিযোগে দণ্ডিত হন।
৫ মনে রাখার টিপস:
হ্যান হাতে রেখেছিলেন ফিশনের চাবি, তাই অটোহ্যানই পারমাণবিক বিজ্ঞানের এই আবিষ্কারের মূল ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
নিউট্রন আঘাতের ফলে ইউরেনিয়াম ফিশন ঘটে এবং এই বিক্রিয়ায় ভর ত্রুটি শক্তির রূপ নেয় যা আইনস্টাইনের সমীকরণ মেনে চলে। একই ধারণা থেকে বিসিএস বা ব্যাংক পরীক্ষায় ফিশন ও ফিউশন বিক্রিয়ার পার্থক্য সংক্রান্ত প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: A) অর্ধেক হবে
১. কেন সঠিক:
- টানা তারের কম্পাংক তারের দৈর্ঘ্যের ব্যাস্তানুপাতিক সম্পর্কের কারণে দৈর্ঘ্য দ্বিগুণ করলে কম্পাংক অর্ধেক হয়ে যায়।
- তারের টান এবং একক দৈর্ঘ্যের ভর অপরিবর্তিত থাকলে কম্পাংক কেবল দৈর্ঘ্যের ওপর নির্ভর করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: সমটান সম্পন্ন টানা তারের আড় কম্পনের সূত্র অনুযায়ী, কম্পাংক তারের দৈর্ঘ্যের ব্যস্তানুপাতিক।
- সূত্র/তত্ত্ব: f সমানুপাতিক ১ ÷ l, যেখানে f হলো কম্পাংক এবং l হলো তারের দৈর্ঘ্য।
- কার্যপ্রণালি: দৈর্ঘ্য দ্বিগুণ করলে গাণিতিক সূত্রে মান বসালে দেখা যায় নতুন কম্পাংক আগের কম্পাংকের অর্ধেক হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গিটার বা সেতারের তার টিউন করার সময় তারের দৈর্ঘ্য কমালে বা বাড়ালে সুরের তীক্ষ্ণতা বা কম্পাংক পরিবর্তিত হয়।
ব্যাখ্যা: দীর্ঘ তারে কম কম্পাংক এবং খাটো তারে বেশি কম্পাংক উৎপন্ন হয় যা শব্দের পিচ নির্ধারণ করে।
উদাহরণ ২: সেতারের তার আঙুল দিয়ে চেপে ছোট করলে সুর উঁচু বা তীক্ষ্ণ হয়।
ব্যাখ্যা: দৈর্ঘ্য কমার কারণে কম্পাংক বৃদ্ধি পায় এবং সুরের তীক্ষ্ণতা বেড়ে যায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অর্ধেক হবে — এটি সঠিক কারণ কম্পাংকের সঙ্গে দৈর্ঘ্যের ব্যস্তানুপাতিক সম্পর্ক রয়েছে।
B) দ্বিগুণ হবে — এটি ভুল কারণ দৈর্ঘ্য বাড়ালে কম্পাংক কমে যায়, বাড়ে না।
C) তিন গুণ হবে — এটি ভুল কারণ দৈর্ঘ্য তিনগুণ করলে কম্পাংক এক তৃতীয়াংশ হতো।
D) চার গুণ হবে — এটি ভুল কারণ দৈর্ঘ্যের সঙ্গে কম্পাংকের ব্যস্তানুপাতিক সম্পর্ক, বর্গের ব্যস্তানুপাতিক নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- টানা তারের ক্ষেত্রে মনে রাখবে দৈর্ঘ্য বাড়লে কম্পাংক কমে, আর দৈর্ঘ্য কমলে কম্পাংক বাড়ে।
- ব্যস্তানুপাতিক সম্পর্ক বোঝাতে উল্টো বা বিপরীত সম্পর্ক মনে রাখা সহজ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এই সূত্র থেকে প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় গাণিতিক ও conceptual প্রশ্ন আসে।
- টানের পরিমাণ চারগুণ করলে কম্পাংক দ্বিগুণ হয়, এই সম্পর্কটিও একই সূত্র থেকে মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: A) ধূসর পাণ্ডুলিপি
১. কেন সঠিক:
- ধূসর পাণ্ডুলিপি হলো আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি জীবনানন্দ দাশের দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ।
- এই কাব্যগ্রন্থে কবির নিসর্গপ্রীতি, বিষণ্নতা এবং বাংলার গ্রামীণ প্রকৃতির রূপ অত্যন্ত নিখুঁতভাবে ফুটে উঠেছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- জীবনানন্দ দাশ ১৯৩০ সালে তার প্রথম কাব্যগ্রন্থ ঝরাপালক প্রকাশ করেন এবং ধূসর পাণ্ডুলিপি প্রকাশিত হয় ১৯৩৬ সালে।
- তিনি বাংলা সাহিত্যে রূপসী বাংলার কবি হিসেবে পরিচিত এবং আধুনিক কবিতার ট্র্যাডিশনে তাকে নির্জনতার কবি বলা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বনলতা সেন
ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯৪২ সালে প্রকাশিত হয়।
উদাহরণ ২: মহাপৃথিবী
ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের চতুর্থ কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯৪৪ সালে প্রকাশিত হয়েছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ধূসর পাণ্ডুলিপি — এটি জীবনানন্দ দাশের একটি বিখ্যাত ও সঠিক কাব্যগ্রন্থ।
B) নাম রেখেছি কোমল গান্ধার — এটি কবি আল মাহমুদের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, জীবনানন্দ দাশের নয়।
C) একক সন্ধ্যায় বসন্ত — এটি জীবনানন্দ দাশের কোনো মৌলিক কাব্যগ্রন্থের নাম নয়, তাই এটি ভুল।
D) অন্ধকারে একা — এটি শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, জীবনানন্দ দাশের রচিত নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- জীবনানন্দ দাশের প্রধান কাব্যগ্রন্থগুলো মনে রাখার জন্য প্রথম দিকের লেখাগুলো যেমন ঝরাপালক, ধূসর পাণ্ডুলিপি, বনলতা সেন ক্রমিক অনুযায়ী মনে রাখতে পারো।
- ধূসর শব্দের সাথে প্রকৃতির বিষণ্ন রূপ এবং জীবনানন্দের নাম সহজে মেলানো যায়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জীবনানন্দ দাশের কাব্যগ্রন্থের প্রকাশকাল বা নাম প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়।
- এই ধরনের প্রশ্নে অপশনে থাকা অন্য কবিদের বিখ্যাত গ্রন্থগুলোর নাম আলাদা করে মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: B) জেলে-জীবনের বিচিত্র সুখ-দুঃখ
১. কেন সঠিক:
পদ্মানদীর মাঝি উপন্যাসের মূল উপজীব্য হলো পদ্মা নদীর তীরবর্তী এলাকার জেলে ও মাঝিদের দৈনন্দিন সংগ্রাম, তাদের সুখ-দুঃখ, প্রেম-ভালোবাসা এবং বেঁচে থাকার আকুল লড়াই।
এই উপন্যাসের পটভূমি নদীকেন্দ্রিক মানুষের জীবন এবং প্রকৃতির নিষ্ঠুর বাস্তবতার সঙ্গে তাদের নিত্যদিনের লড়াইকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের ধারায় মনস্তাত্ত্বিক ও বাস্তবধর্মী উপন্যাসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কারিগর হিসেবে পরিচিত।
পদ্মানদীর মাঝি তার অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও প্রখ্যাত একটি উপন্যাস, যা ১৯৩৬ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয় এবং এর পটভূমিতে কুবের ওমালাসহ জেলে সম্প্রদায়ের জীবনচিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুতুল নাচের ইতিকথা উপন্যাস।
ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসে গ্রামীণ সমাজ ও মানুষের মনস্তত্ত্বের গভীর বিশ্লেষণ তুলে ধরা হয়েছে, যা তার বাস্তববাদী সাহিত্যরীতির অপর এক নিদর্শন।
উদাহরণ ২: সৈয়দ ওয়ালীওয়ের লালসালু উপন্যাস।
ব্যাখ্যা: এটিও গ্রামীণ জীবনের বাস্তব চিত্র এবং অন্ধবিশ্বাস নিয়ে রচিত বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মাঝি-মাল্লার সংগ্রামশীল জীবন — এই অপশনটি আংশিক সত্য হলেও সার্বিকভাবে জেলে-জীবনের সামগ্রিক সুখ-দুঃখ ও সামাজিক রূপ এতে পুরোপুরি প্রকাশ পায় না।
B) জেলে-জীবনের বিচিত্র সুখ-দুঃখ — এটি সঠিক উত্তর কারণ উপন্যাসটিতে জেলে সমাজের সার্বিক চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
C) চাষী-জীবনের করুণ চিত্র — এই উপন্যাসটি চাষী জীবন নিয়ে নয়, বরং নদীকেন্দ্রিক জেলে ও মাঝি সম্প্রদায়ের জীবন নিয়ে রচিত।
D) চরবাসীদের দুঃখী জীবন — চরবাসীদের জীবন উপন্যাসের পটভূমির অংশ হলেও মূল উপজীব্য সামগ্রিকভাবে জেলেদের জীবন।
৫. মনে রাখার টিপস:
মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদ্মানদীর মাঝি বললেই মাথায় রাখতে হবে পদ্মা নদী এবং জেলে কুবেরের কথা, যার মাধ্যমে জেলেদের জীবনই ফুটে উঠেছে।
উপন্যাসটির নামেই নদী ও মাঝির কথা রয়েছে, যা মূলত জেলে সমাজের জীবনযাত্রার পরিচায়ক।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
পদ্মানদীর মাঝি উপন্যাসটির রচয়িতা মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং এটি ১৯৩৬ সালে প্রকাশিত হয়।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই উপন্যাসের রচয়িতা অথবা প্রধান চরিত্রের নাম যেমন কুবের ও মালার নাম জানতে চাওয়া হয়।
সঠিক উত্তর: D) দাদি/দাদী
১. কেন সঠিক:
- বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী অতৎসম অর্থাৎ দেশি, বিদেশি, তদ্ভব ও মিশ্র শব্দের বানানে ই-কার ব্যবহার করার নিয়ম রয়েছে।
- দাদি শব্দটি একটি দেশি বা তদ্ভব শব্দ, তাই এর শেষে ই-কার যুক্ত দাদি বানান যেমন শুদ্ধ, তেমনি দীর্ঘকাল ধরে প্রচলিত ঐতিহ্য অনুযায়ী দাদী বানানটিও গ্রহণযোগ্য হিসেবে পরিগণিত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা বানান রীতি অনুযায়ী অতৎসম শব্দে কেবল ই-কার ব্যবহারের নিয়ম থাকলেও কিছু ক্ষেত্রে বহুল ব্যবহৃত শব্দে উভয় বানানই লেখার স্বাধীনতা রয়েছে।
- দাদি এবং দাদী উভয় রূপই দীর্ঘ ব্যবহারিক গ্রহণযোগ্যতার কারণে বাংলা অভিধানে সমান্তরালভাবে স্বীকৃতি লাভ করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: খালা / খালু
ব্যাখ্যা: খালা ও খালু শব্দ দুটি অতৎসম শব্দ হওয়ায় এদের বানানে কেবল ই-কার ব্যবহার করা হয়, তবে জনপ্রিয়তার কারণে বিকল্প রূপও দেখা যায়।
উদাহরণ ২: চাচি / চাচী
ব্যাখ্যা: চাচি শব্দটি দেশি শব্দ হওয়ায় বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী এর শেষে ই-কার এবং দীর্ঘ রূপ হিসেবে ঈ-কার উভয়ই প্রচলিত রয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হাতি/ হাতী — হাতি শব্দটির প্রমিত বানান কেবল হাতি, এখানে দীর্ঘ ঈ-কার যুক্ত হাতী বানানটি বাংলা একাডেমি বানানরীতি অনুযায়ী ভুল হিসেবে গণ্য হয়।
B) নারি/নারী — নারী শব্দটির প্রমিত ও একমাত্র শুদ্ধ বানান দীর্ঘ ঈ-কার দিয়ে নারী, এখানে হ্রস্ব ই-কার দিয়ে নারি লেখা সম্পূর্ণ ভুল।
C) জাতি/ জাতী — জাতি শব্দটির শুদ্ধ বানান হ্রস্ব ই-কার দিয়ে জাতি, এখানে দীর্ঘ ঈ-কার দিয়ে জাতী লেখা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়।
D) দাদি/দাদী — এই অপশনটি সঠিক কারণ শব্দটির উভয় বানানই বাংলা অভিধানে সমভাবে গ্রহণযোগ্য ও প্রচলিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- অতৎসম শব্দের বানানে সাধারণত ই-কার হয়, তবে কিছু পারিবারিক সম্পর্কবাচক শব্দে উভয় বানান লেখার প্রচলন রয়েছে।
- প্রমিত বানান শেখার জন্য বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম নিয়মিত চর্চা করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অতৎসম শব্দের বানান থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই দেশি ও বিদেশি শব্দের বানানগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
- প্রমিত বানানরীতি অনুসরণের ক্ষেত্রে বাংলা একাডেমির আধুনিক নিয়মগুলো বিশেষ করে নারি ও নারীর মতো শব্দের পার্থক্য মাথায় রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) মোজাম্মেল হক
১. কেন সঠিক:
'মোসলেম ভারত' নামক বিখ্যাত সাহিত্য পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক ছিলেন কবি মোজাম্মেল হক।
বিশ শতকের শুরুতে বাংলা মুসলিম সাহিত্যিকদের জাগরণে এই পত্রিকার ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
'মোসলেম ভারত' পত্রিকা ১৯২০ সালে কলকাতা থেকে প্রকাশিত হয়।
এই সাহিত্যপত্রিকাটি মুসলিম সাহিত্য সমাজের উত্থান এবং বাঙালি মুসলিম বুদ্ধিজীবীদের লেখালেখি প্রসারে বিশেষ অবদান রাখে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত বিদ্রোহী কবিতাটি 'মোসলেম ভারত' পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
ব্যাখ্যা: এই সাহিত্যিক সংযোগের কারণে বাংলা সাহিত্যে পত্রিকাটির নাম বিশেষভাবে স্মরণ করা হয়।
উদাহরণ ২: মোজাম্মেল হক রচিত একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ হলো কুসুমাঞ্জলি।
ব্যাখ্যা: তিনি একাধারে কবি, সাহিত্যিক ও সম্পাদক হিসেবে বাংলা সাহিত্যে পরিচিত লাভ করেছেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মীর মশাররফ হোসেন — তিনি উনিশ শতকের প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার হলেও মোসলেম ভারত পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন না।
B) মুন্সী রেয়াজদ্দীন আহমদ — তিনি সেকালের একজন সাংবাদিক ও লেখক হলেও এই পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না।
C) মোজাম্মেল হক — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।
D) রেয়াজুদ্দীন আহমদ মাশহাদী — তিনি তৎকালীন একজন বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও সাংবাদিক ছিলেন কিন্তু এই পত্রিকার সম্পাদক নন।
৫. মনে রাখার টিপস:
মোসলেম ভারত পত্রিকার সম্পাদক মোজাম্মেল হককে মনে রাখতে ম অক্ষরটি মিলিয়ে পড়তে পারো।
মোসলেম ভারত পত্রিকার মো এবং মোজাম্মেল হকের মো একত্রে মনে রাখা সহজ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পত্রিকার নাম এবং সম্পাদকের নাম প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
এই ধরনের প্রশ্ন ভালোভাবে আয়ত্ত করতে পত্রিকা প্রকাশের সাল এবং সম্পাদকের নাম একসাথে নোট করে রাখতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) সনেটে
কেন সঠিক:
মাইকেল মধুসূদন দত্তের সনেটগুলোতে তাঁর সুদূর প্রবাসে বসেও স্বদেশের প্রতি অগাধ ভালোবাসা এবং আকুলতার সবচেয়ে তীব্র বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে।
বিশেষ করে বিদেশের মাটিতে বসে লেখা তাঁর বিখ্যাত চতুর্দশপদী কবিতাবলীতে দেশপ্রেমের সুর অত্যন্ত জোরালোভাবে ফুটে উঠেছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
সনেট হলো চোদ্দো চরণের বিশেষ কবিতা যেখানে ভাবের গভীরতা এবং অন্ত্যমিল অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে বজায় থাকে।
বাংলা সাহিত্যে সনেটের প্রবর্তক মাইকেল মধুসূদন দত্ত প্রবাসে থাকাকালীন মাতৃভাষার প্রতি গভীর টানে এই কাব্যরূপ চর্চা করেন।
তাঁর রচিত কবেিয়াক্ষ নদ সনেটটি এর সবচেয়ে উজ্জ্বল এবং নিখুঁত একটি ঐতিহাসিক উদাহরণ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মহাকাব্যে — মেঘনাদবধ কাব্যে দেশপ্রেমের উপাদান থাকলেও তা মূলত পৌরাণিক নাটকীয়তা এবং ট্র্যাজেডির ওপর বেশি গুরুত্ব আরোপ করেছে।
B) নাটকে — পদ্মাবতী বা কৃষ্ণকুমারী নাটকে মূলত পৌরাণিক ও সামাজিক কাহিনী প্রকাশ পেয়েছে যা সরাসরি দেশপ্রেমের প্রবল প্রকাশ নয়।
C) পত্রকাব্যে — বীরাঙ্গনা কাব্য পত্রকাব্য হলেও সেখানে ব্যক্তিগত প্রণয় এবং পৌরাণিক চরিত্রগুলোর আবেগ প্রধান হয়ে উঠেছে।
D) সনেটে — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এখানে ভুল ব্যাখ্যার কোনো সুযোগ নেই।
মনে রাখার টিপস:
মধুসূদন দত্তের প্রবাস জীবনের দেশপ্রেম মনে রাখতে হলে তাঁর সনেট বিশেষ করে কপোতাক্ষ নদ কবিতার কথা মনে রাখবে।
সনেট মানেই মাইকেল এবং মাইকেলের সনেট মানেই প্রবাস থেকে মাতৃভূমির প্রতি চরম আকুলতা ও দেশপ্রেম।
সঠিক উত্তর: D) রক্তাক্ত প্রান্তর
১. কেন সঠিক:
রক্তাক্ত প্রান্তর নাটকটি ঐতিহাসিক নাটকের শ্রেণিভুক্ত কারণ এটি ১৭৬১ সালের তৃতীয় পানিপথের ঐতিহাসিক যুদ্ধের পটভূমিতে রচিত।
এই নাটকে ইতিহাস ও কল্পনার এক অপূর্ব সংমিশ্রণ ঘটিয়ে যুদ্ধের ভয়াবহতা এবং মানুষের জীবনের ট্র্যাজেডি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
মুনীর চৌধুরী বাংলা নাট্যসাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক।
তার রচিত রক্তাক্ত প্রান্তর একটি বিখ্যাত ট্র্যাজেডিধর্মী ঐতিহাসিক নাটক যা ১৯৬০ সালে প্রকাশিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সিরাজউদ্দৌলা
ব্যাখ্যা: এটিও একটি ঐতিহাসিক নাটক যার রচয়িতা সিকান্দার আবু জাফর এবং এটি ব্রিটিশ আমলের ঐতিহাসিক ঘটনার ওপর ভিত্তি করে রচিত।
উদাহরণ ২: নূরুলদীনের সারাজীবন
ব্যাখ্যা: সৈয়দ শামসুল হক রচিত এই নাটকটি বাংলাদেশের ইতিহাস ও কৃষক বিদ্রোহের ঐতিহাসিক পটভূমিতে রচিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শর্মিষ্ঠা — এটি ঐতিহাসিক নাটক নয়, বরং এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক পৌরাণিক নাটক যার রচয়িতা মাইকেল মধুসূদন দত্ত।
B) রাজসিংহ — এটি কোনো নাটক নয়, এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস।
C) পলাশীর যুদ্ধ — এটি কোনো নাটক নয়, এটি নবীনচন্দ্র সেন রচিত একটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক মহাকাব্য বা কাব্যাংশ।
D) রক্তাক্ত প্রান্তর — এটি মুনীর চৌধুরী রচিত একটি ঐতিহাসিক নাটক যা প্রশ্নের সঠিক চাহিদার সঙ্গে সম্পূর্ণ মিলে যায়।
৫ মনে রাখার টিপস:
মুনীর চৌধুরীর রক্তাক্ত প্রান্তর একটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক নাটক মনে রাখতে পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধের কথা স্মরণ রাখবে।
ঐতিহাসিক নাটকের ক্ষেত্রে যুদ্ধ বা রাজবংশের ইতিহাস প্রধান বিষয়বস্তু হয়ে থাকে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নাটক, উপন্যাস ও মহাকাব্যের শ্রেণিবিভাগ প্রায়ই আসে তাই রচনার নাম দেখেই তার ধরন চিনে নিতে হবে।
মুনীর চৌধুরীর কবর নাটকটিও বাংলা সাহিত্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যা ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত।
সঠিক উত্তর: C) অকৃতজ্ঞতা
১. কেন সঠিক:
- শৈবাল দীঘিকে সামান্য শিশিরবিন্দু উপহার দিয়ে তার কৃতজ্ঞতা বা প্রতিদান আশা করেছিল, কিন্তু দীঘি অহংকারবশত তার অবদানকে অস্বীকার করে।
- এই আচরণটি মানুষের সমাজে উপকারীর প্রতি উপকার অস্বীকার করার মানসিকতা বা অকৃতজ্ঞতার প্রতীক হিসেবে প্রকাশ পেয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এই চরণটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত কবিতা থেকে গৃহীত হয়েছে যা আত্ম অহংকার ও অকৃতজ্ঞতার সুন্দর রূপক।
- কবিতায় দীঘির উচ্চ শির ও শৈবালের শিশির দানের মাধ্যমে সমাজের একশ্রেণির মানুষের স্বার্থপরতা ও অকৃতজ্ঞ চরিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: উপকারীর উপকার স্বীকার না করা কুঅভ্যাস।
ব্যাখ্যা: এটি সরাসরি অকৃতজ্ঞতার মনোভাব প্রকাশ করে।
উদাহরণ ২: বিপদের দিনে সাহায্য নিয়ে পরে মুখ ফিরিয়ে নেওয়া।
ব্যাখ্যা: এটিও মানুষের অকৃতজ্ঞ চরিত্রের একটি বাস্তব উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রতিদান — প্রতিদান অর্থ উপকারের বদলে উপকার করা, যা এখানে শৈবাল পেলেও দীঘি তা করেনি।
B) প্রত্যুৎপকার — প্রত্যুৎপকার অর্থ উপকারের প্রতি উপকার করা, কিন্তু দীঘি শৈবালের প্রতি কোনো উপকার করেনি।
D) অসহিষ্ণুতা — অসহিষ্ণুতা অর্থ সহ্য করার অক্ষমতা, যা এই কবিতার মূল ভাব বা প্রতিপাদ্য নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ছোট শিশিরবিন্দুকে শৈবাল বড়াই করে দীঘিকে দিল আর দীঘি তা অবহেলা করল, এটি চরম অকৃতজ্ঞতা।
- সাহিত্যিক উদ্ধৃতির অর্থ বোঝার সময় চরিত্রের আচরণ ও মনোভাবের দিকে খেয়াল রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের কবিতার লাইন তুলে ধরে তার মূলভাব প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়।
- লাইনগুলোর আক্ষরিক অর্থের চেয়ে অন্তর্নিহিত তাৎপর্য বা রূপক অর্থ বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: C) হাসিমাখা মুখ – হাসিমুখ
১. কেন সঠিক:
- এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হাসিমুখ, কারণ এর ব্যাসবাক্য হলো হাসিমাখা মুখ।
- সমাসবদ্ধ করার সময় ব্যাসবাক্যের মাঝের মাখা পদটি লোপ পেয়েছে এবং অর্থ ঠিক রয়েছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- যে কর্মধারয় সমাসের ব্যাসবাক্যের মাঝের পদ বা পদগুলো সম্পূর্ণ লোপ পায়, তাকে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস বলে।
- এখানে পূর্বপদ ও পরপদের অর্থের প্রাধান্য থাকে এবং মাঝের পদটি উহ্য বা অদৃশ্য হয়ে যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পল মিশ্রিত অন্ন = পলোন্ন
ব্যাখ্যা: এখানে মিশ্রিত পদটি লোপ পেয়ে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস গঠন করেছে।
উদাহরণ ২: জয়সূচক পতাকা = জয়পতাকা
ব্যাখ্যা: এখানে সূচক পদটি লোপ পেয়ে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাসের সৃষ্টি করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঘর থেকে ছাড়া – ঘরছাড়া — এটি অপাদান তৎপুরুষ সমাস, কারণ এখানে থেকে বিভক্তি যুক্ত হয়ে দূরত্ব বা বিয়োগ বুঝিয়েছে।
B) অরুণের মত রাঙ্গা – অরুণরাঙা — এটি উপমিত কর্মধারয় সমাস, যেখানে সাধারণ ধর্ম উহ্য থাকে না এবং তুলনা বোঝায়।
C) হাসিমাখা মুখ – হাসিমুখ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যেখানে মাঝের পদ লোপ পেয়েছে।
D) ক্ষণ ব্যাপিয়া স্থায়ী – ক্ষণস্থায়ী — এটি দ্বিতীয় তৎপুরুষ সমাস, কারণ এখানে ব্যাপিয়া অনুসর্গটি যুক্ত রয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস চেনার সহজ উপায় হলো ব্যাসবাক্যের মাঝের পদটি সমাসবদ্ধ পদে থাকবে না।
- মাঝের অর্থবোধক পদটি উহ্য থাকে বলে একে মধ্যপদলোপী বলা হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কর্মধারয় সমাসের প্রকারভেদ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- বিশেষ করে মাঝের পদ লোপ পাওয়ার বিষয়টি ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) ওরা কী করে?
১. কেন সঠিক:
সর্বনাম পদের ক্ষেত্রে বক্তা বা লেখ próprio বোঝাতে উত্তম পুরুষ, যার সঙ্গে কথা বলা হয় তাকে বোঝাতে মধ্যম পুরুষ এবং অন্য কোনো ব্যক্তি বা বস্তুকে বোঝাতে নাম পুরুষ ব্যবহৃত হয়।
এখানে ওরা শব্দটি এমন একদল তৃতীয় পক্ষকে নির্দেশ করছে যাদের সম্পর্কে কথা বলা হচ্ছে, তাই এটি নাম পুরুষের উদাহরণ।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
বাক্যে যার সম্পর্কে কিছু বলা হয় বা যা বা যারা অনুপস্থিত অথচ যাদের সম্বন্ধে আলোচনা করা হয়, তাদেরকে নাম পুরুষ বা তৃতীয় পুরুষ বলা হয়।
তিনি, তারা, ওরা, উহা, ইহারা ইত্যাদি শব্দ সাধারণত নাম পুরুষ হিসেবে বাক্যে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সে প্রতিদিন সকালে হাটে।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে সে শব্দটি বক্তা ও শ্রোতার বাইরের কাউকে বোঝাচ্ছে, যা নাম পুরুষের একটি স্পষ্ট রূপ।
উদাহরণ ২: তারা মাঠে ফুটবল খেলছে।
ব্যাখ্যা: এখানে তারা শব্দটি অনুপস্থিত বা তৃতীয় পক্ষের একটি দল হিসেবে নাম পুরুষের ভূমিকা পালন করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ওরা কী করে? — এটি সঠিক উত্তর।
B) আপনি আসবেন — আপনি শব্দটি সম্মানসূচক মধ্যম পুরুষ হওয়ায় এটি উত্তর হবে না।
C) আমরা যাচ্ছি — আমরা শব্দটি বক্তা ও তার পক্ষকে বোঝা므로 উত্তম পুরুষ নির্দেশ করে।
D) তােরা খাসনে — তোরা শব্দটি সরাসরি উপস্থিত ছোটদের বা সমকক্ষদের সম্বোধন করায় মধ্যম পুরুষ।
৫ মনে রাখার টিপস:
নিজেকে বোঝাতে আমি ও আমরা অর্থাৎ উত্তম পুরুষ, অপরকে বোঝাতে তুমি, আপনি ও তোরা অর্থাৎ মধ্যম পুরুষ এবং বাকি সবাই হলো নাম পুরুষ।
এই সহজ বিভাজনটি মনে রাখলে পরীক্ষার হলে পুরুষ সংক্রান্ত প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যাবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সর্বনাম পদের পুরুষ নির্ণয় করার জন্য বাক্যের কর্তা বা উদ্দেশ্য পদটি কোন পুরুষে আছে তা লক্ষ করতে হয়।
বক্তার অবস্থান বিবেচনা করে উত্তম, মধ্যম ও নাম পুরুষের এই রূপগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করা জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) জীবমাত্রই স্বাভাবিক অবস্থানে সুন্দর
১. কেন সঠিক:
এই বিখ্যাত প্রবাদ বা উক্তিটির মাধ্যমে বোঝানো হয়েছে যে প্রতিটি সৃষ্টি বা জীব তার নিজস্ব স্বাভাবিক পরিবেশে বা অবস্থানেই সবচেয়ে বেশি মানানসই ও নিরাপদ থাকে।
এখানে বন্যেরা বলতে বনের পশুপাখিকে এবং শিশুরা বলতে মানুষের সন্তানকে বোঝানো হয়েছে, যারা যথাক্রমে বন ও মায়ের কোলের বাইরে পূর্ণ বিকাশ লাভ করতে পারে না।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি বাংলা ভাষার একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় প্রবাদ বা প্রবচন, যা রূপক অর্থে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
প্রবাদ ও প্রবচন হলো সমাজের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা ও উপলব্ধির সংক্ষিপ্ত ও সুন্দর প্রকাশ, যা ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চোর না শোনে ধর্মের কাহিনী।
ব্যাখ্যা: এই প্রবাদটি দ্বারা বোঝানো হয় যে অসৎ ব্যক্তিকে যতই ভালো কথা বা উপদেশের কথা শোনানো হোক না কেন, সে তাতে কান দেয় না।
উদাহরণ ২: নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা।
ব্যাখ্যা: এই প্রবাদটি এমন ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয় যারা নিজের অদক্ষতা বা ব্যর্থতার দায় অন্যের ওপর বা পারিপার্শ্বিক অবস্থার ওপর চাপায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আদিবাসী মানুষ অরণ্য জনপদে বাস করে — এই তথ্যটি সত্যি হলেও এটি এই প্রবাদটির মূল রূপক অর্থ বা গভীর তাৎপর্য প্রকাশ করে না।
B) বনের পশু বনে থাকতেই ভালবাসে — এটি আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ করলেও এই প্রবাদের মূল দার্শনিক ও ব্যাপক অর্থকে সম্পূর্ণভাবে তুলে ধরে না।
C) জীবমাত্রই স্বাভাবিক অবস্থানে সুন্দর — এটি সঠিক কারণ এই উক্তিটি সমস্ত জীব ও মানুষের স্বভাবসুলভ ও উপযুক্ত পরিবেশের সার্বজনীন সত্যকে নির্দেশ করে।
D) প্রকৃতির রূপ-সৌন্দর্য আদি ও অকৃত্রিম — এই বাক্যটিতে প্রকৃতির সৌন্দর্যের কথা বলা হয়েছে, যা এই মানবীয় ও জীবজগতের প্রবাদের মূল ভাবের সঙ্গে সরাসরি মেলে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
বন্যেরা বনে এবং শিশুরা মায়ের কোলে মানায়, এই ধারণা থেকে মনে রাখবে যে যার যা উপযুক্ত ও স্বাভাবিক স্থান, সেটাই তার সেরা অবস্থান।
প্রবাদভিত্তিক প্রশ্ন এভাবেই আক্ষরিক অর্থের চেয়ে গভীর ভাবার্থ বা তাৎপর্যকে নির্দেশ করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রবাদ-প্রবচনের অন্তর্নিহিত অর্থ প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
এ ধরনের ক্ষেত্রে শব্দের আক্ষরিক অর্থ না খুঁজে সার্বজনীন তাৎপর্য বা রূপক অর্থটি খুঁজে বের করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) নিতান্ত অলস
১. কেন সঠিক:
'গোঁফ-খেজুরে' বাগধারাটির বিশেষ অর্থ হলো অত্যন্ত অলস বা কুঁড়ে ব্যক্তি। গোঁফে খেঁজুর আটকে গেলেও যে তা হাত দিয়ে নামানোর কষ্ট করতে চায় না, তাকে বোঝাতে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি বাংলা ভাষার একটি বিখ্যাত বাগধারা যা মানবস্বভাবের চরম আলস্য ও নিষ্ক্রিয়তাকে রূপক অর্থে প্রকাশ করে। বাংলা ব্যাকরণে বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দগুচ্ছ যা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে বিশেষ কোনো ভাব বা প্রকাশভঙ্গি তৈরি করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সারাদিন শুয়ে বসে কাটানো তোমার স্বভাব, তুমি আসলে একটি গোঁফ-খেজুরে মানুষ।
ব্যাখ্যা: এখানে মানুষটির চরম অলস্য বোঝাতে গোঁফ-খেজুরে বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: কাজের বেলায় সে উধাও, অথচ খাওয়ার সময় সবার আগে হাজির, একদম গোঁফ-খেজুরে।
ব্যাখ্যা: দায়িত্ব এড়িয়ে চলা এবং কর্মবিমুখতা প্রকাশ করতে এই উদাহরণটি প্রযোজ্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আরামপ্রিয় — আরামপ্রিয় বলতে এমন ব্যক্তিকে বোঝায় যে কষ্ট এড়িয়ে স্বাচ্ছন্দ্যে থাকতে পছন্দ করে, কিন্তু চরম অলসতা এর মূল অর্থ নয়।
B) উদাসীন — উদাসীন অর্থ যার কোনো বিষয়ে আগ্রহ বা অনুরাগ নেই, যা গোঁফ-খেজুরে বাগধারার আলস্যের সমার্থক নয়।
C) নিতান্ত অলস — এটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এটি গোঁফ-খেজুরে বাগধারার সঠিক ভাবার্থ বহন করে।
D) পরমুখাপেক্ষী — পরমুখাপেক্ষী অর্থ যে অন্যের সাহায্যের ওপর নির্ভর করে বেঁচে থাকে, যা অলসতার সমার্থক নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
মুখে খেঁজুর ঝুলে আছে কিন্তু নামানোরও শক্তি বা ইচ্ছা নেই, এমন চরম অলস ব্যক্তিই হলো গোঁফ-খেজুরে। এই চিত্রের মাধ্যমে শব্দটি সহজে মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় স্বভাব বা চরিত্রের বৈশিষ্ট্যবাচক বাগধারাগুলো প্রায়ই আসে। অলস্য বোঝাতে 'গোঁফ-খেজুরে' এর পাশাপাশি 'অগাধ জলের মাছ' বা 'কুম্ভীরাশ্রু'র মতো ভিন্নার্থক বাগধারাগুলোর পার্থক্য ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) আমি ভাত খেয়ে স্কুলে যাব
১. কেন সঠিক:
- এই বাক্যে দুটি ক্রিয়া রয়েছে, যার মধ্যে শেষ বা প্রধান ক্রিয়াটি বক্তার বক্তব্য সম্পূর্ণ করেছে।
- বাক্যের সমাপ্তি নির্দেশক মূল ক্রিয়াটি হলো যাব, যা সমাপিকা ক্রিয়া এবং এর পূর্বের ক্রিয়াটি অসমাপিকা।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে ক্রিয়া দ্বারা বাক্যের মনোভাব বা ভাব সম্পূর্ণরূপে সমাপ্ত হয়, তাকে সমাপিকা ক্রিয়া বলে।
- অন্যদিকে যে ক্রিয়া দ্বারা ভাবের সমাপ্তি ঘটে না এবং অন্য কোনো ক্রিয়ার ওপর নির্ভর করতে হয়, তাকে অসমাপিকা ক্রিয়া বলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সে বই পড়ে ঘুমাতে গেল
ব্যাখ্যা: এখানে পড়ে হলো অসমাপিকা ক্রিয়া এবং গেল হলো সমাপিকা ক্রিয়া।
উদাহরণ ২: সূর্য উঠলে অন্ধকার দূর হয়
ব্যাখ্যা: এখানে উঠলে হলো অসমাপিকা ক্রিয়া এবং হয় হলো সমাপিকা ক্রিয়া।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আমি ভাত খাচ্ছি — এই বাক্যে শুধুমাত্র একটি ক্রিয়া আছে যা বক্তার বর্তমান কাজ সম্পূর্ণ করছে এবং এটি একক সমাপিকা ক্রিয়া, কিন্তু প্রশ্নে মিশ্র বাক্য গঠনের প্রেক্ষাপট রয়েছে।
B) আমি ভাত খেয়ে স্কুলে যাব — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এতে সমাপিকা ও অসমাপিকা ক্রিয়ার স্পষ্ট মিলন রয়েছে।
C) আমি দুপুরে ভাত খাই — এই বাক্যে খাই হলো একক সমাপিকা ক্রিয়া, যা বর্তমানকালের সাধারণ ভাব প্রকাশ করে।
D) তাড়াতাড়ি ভাত খেয়ে ওঠো — এই বাক্যে খেয়ে হলো অসমাপিকা ক্রিয়া এবং ওঠো হলো সমাপিকা ক্রিয়া, কিন্তু এটি মূলত একটি অনুজ্ঞাসূচক যৌগিক ভাব প্রকাশ করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বাক্যের একদম শেষের দিকে তাকাও, যে কাজটি সম্পূর্ণভাবে শেষ হয় সেটিই সমাপিকা ক্রিয়া।
- অসমাপিকা ক্রিয়া সাধারণত তে বা ইয়া বিভক্তিযুক্ত হয়ে বাক্যের মাঝে বসে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধারণত জটিল বা মিশ্র বাক্যের ক্রিয়াপদ চিহ্নিত করতে বলা হয়।
- সমাপিকা ও অসমাপিকা ক্রিয়া চেনার জন্য বাক্যের সমাপ্তি ও অর্থের পূর্ণতার ওপর নজর দিতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) সৈয়দ ইসমাইল হােসেন সিরাজী
১. কেন সঠিক:
- ‘অনল প্রবাহ’ একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যার রচয়িতা বিদ্রোহী কবি সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী।
- ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের সময় মুসলমানদের মনে দেশপ্রেম ও জাগরণ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে এই কাব্যগ্রন্থটি রচিত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী ছিলেন বিশ শতকের প্রথমার্ধের অন্যতম মুসলিম সাহিত্যিক, সমাজ সংস্কারক ও রাজনীতিবিদ।
- তাঁর এই কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হওয়ার পর ব্রিটিশ সরকার এর বিরুদ্ধে রাজদ্রোহের অভিযোগ আনে এবং গ্রন্থটি বাজোপ্ত করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অনল প্রবাহ
ব্যাখ্যা: সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী রচিত বিখ্যাত দেশাত্মবোধক কাব্যগ্রন্থ।
উদাহরণ ২: তরঙ্গিনী
ব্যাখ্যা: এটিও সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী রচিত অপর একটি উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সৈয়দ ইসমাইল হােসেন সিরাজী - এটি সঠিক উত্তর এবং তিনি এই গ্রন্থের রচয়িতা।
B) মােজাম্মেল হক - তিনি একজন বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিক হলেও ‘অনল প্রবাহ’ তাঁর রচনা নয়।
C) এয়াকুব আলী চৌধুরী - তিনি মূলত প্রাবন্ধিক ও সমাজ সংস্কারক ছিলেন, এই কাব্যগ্রন্থের সঙ্গে তাঁর সম্পৃক্ততা নেই।
D) মুনিরুজ্জামান ইসলামাবাদী - তিনি একজন খ্যাতনামা সাংবাদিক ও ইসলামের ইতিহাস গবেষক, কিন্তু এই কাব্যগ্রন্থটি তাঁর লেখা নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সিরাজী মানেই আগুন বা অনল, তাই অনল প্রবাহ দেখলে সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজীকে মনে রাখবে।
- দেশপ্রেমমূলক কবিতার জন্য কবি পরিচিত, যা অনল প্রবাহ নামের সঙ্গে মিলে যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুসলিম সাহিত্যিকদের দেশপ্রেমমূলক গ্রন্থ প্রায়ই আসে।
- ১৯০০ সালে প্রকাশিত ‘অনল প্রবাহ’ কাব্যগ্রন্থটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা আবশ্যক।
সঠিক উত্তর: D) ভূতপূর্ব
১. কেন সঠিক:
- ‘যা পূর্বে ছিল এখন নেই’ বাক্যটির সংক্ষিপ্ত রূপ হলো ভূতপূর্ব। এখানে ভূত শব্দের অর্থ অতীত এবং পূর্ব অর্থ আগের অবস্থা।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্যসংক্ষেপ বা এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে এই শব্দটির ব্যবহার খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এককথায় প্রকাশ বা বাক্যসংক্ষেপ হলো ব্যাকরণের এমন একটি অংশ, যেখানে একটি বড় ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করা হয়।
- এটি ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং ভাবকে সংহত ও সাবলীল করে তোলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তিনি এই কলেজের ভূতপূর্ব অধ্যক্ষ।
ব্যাখ্যা: এখানে ভূতপূর্ব শব্দটি দ্বারা বোঝানো হয়েছে যে ব্যক্তি আগে অধ্যক্ষ ছিলেন কিন্তু বর্তমানে আর সেই পদে নেই।
উদাহরণ ২: এই নিয়মটি ভূতপূর্ব সরকারের আমলেই চালু হয়েছিল।
ব্যাখ্যা: এখানে ভূতপূর্ব শব্দটি আগের বা অতীতের সরকারকে নির্দেশ করতে ব্যবহৃত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অপূর্ব — যার তুলনা নেই বা যা খুব সুন্দর, তাকে অপূর্ব বলে। এটি ‘যা পূর্বে ছিল এখন নেই’ অর্থে ব্যবহৃত হয় না।
B) অদৃষ্টপূর্ব — যা আগে দেখা যায়নি, তাকে অদৃষ্টপূর্ব বলা হয়। এটি দেখার সঙ্গে সম্পর্কিত, অস্তিত্ব হারানোর সঙ্গে নয়।
C) অভূতপূর্ব — যা আগে কখনো ঘটেনি, তাকে অভূতপূর্ব বলা হয়। এটি ঘটনার অভিনবত্ব প্রকাশ করে।
D) ভূতপূর্ব — সঠিক উত্তর, কারণ এটি পূর্বে ছিল কিন্তু বর্তমানে নেই এমন অবস্থাকে বোঝায়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ভূত শব্দের অর্থ অতীত। তাই কোনো কিছু অতীতে ছিল কিন্তু এখন আর নেই বুঝাতে ভূতপূর্ব শব্দটি ব্যবহার করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
- পূর্বের অবস্থার পরিবর্তন বোঝাতে সাধারণত ভূতপূর্ব শব্দটি সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত হয়।
সঠিক উত্তর: B) সাত সাগরের মাঝি- ফররুখ আহমদ
১. কেন সঠিক:
ইসলামের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি এবং মুসলিম জাহানের গৌরবোজ্জ্বল অতীত এই কাব্যের প্রধান উপজীব্য বিষয়।
ফররুখ আহমদ এই কাব্যে ইসলামি ঐতিহ্য ও পুনর্জাগরণের বাণী শিল্পসম্মতভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
ফররুখ আহমদ বিংশ শতাব্দীর বিশিষ্ঠ মুসলিম সাহিত্যিক ও আধুনিক বাংলা কাব্যের অন্যতম প্রধান কবি।
সাত সাগরের মাঝি তাঁর অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ যা ১৯৪৪ সালে প্রকাশিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: লাশ - ফররুখ আহমদ
ব্যাখ্যা: এটিও কবি ফররুখ আহমদের একটি বিখ্যাত ইসলামি ভাবধারার কবিতা।
উদাহরণ ২: পাখির বাসা - ফররুখ আহমদ
ব্যাখ্যা: এটি কবির একটি অন্যতম উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ ও সাহিত্যকর্ম।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জিঞ্জীর- কাজী নজরুল ইসলাম — এটি কাজী নজরুল ইসলামের রচিত একটি বিদ্রোহী ও প্রগতিবাদী কাব্যগ্রন্থ।
B) সাত সাগরের মাঝি- ফররুখ আহমদ — এই অপশনটি সঠিক এবং ইসলামের ইতিহাস এর উপজীব্য।
C) দিলরুবা – আবদুল কাদির — এটি আবদুল কাদিরের একটি উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ যার বিষয়বস্তু ভিন্ন।
D) নূরনামা- আবদুল হাকিম — এটি মধ্যযুগের কবি আবদুল হাকিম রচিত একটি নৈতিক ও ধর্মীয় ভাবাপন্ন পুথি সাহিত্য।
৫ মনে রাখার টিপস:
সাত সাগর জুড়ে ইসলামি ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির বাণী প্রচার করেছেন কবি ফররুখ আহমদ।
ফররুখ আহমদ মানেই ইসলামি জাগরণের কবিতা ও সাত সাগরের মাঝি কাব্যগ্রন্থ।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ইসলামি ভাবধারার সাহিত্যকর্ম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
ফররুখ আহমদের কাব্যগ্রন্থগুলোর নাম ভালোভাবে মনে রাখলে এমন প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।
সঠিক উত্তর: B) খ ১৯৬১ সালে
১. কেন সঠিক:
- বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম শতবার্ষিকী ১৯৬১ সালে উদযাপিত হয়েছিল কারণ তিনি ১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫ বৈশাখ জন্মগ্রহণ করেছিলেন যা খ্রিস্টাব্দ অনুসারে ১৮৬১ সালের ৭ মে।
- ১৮৬১ সালের সঙ্গে একশো বছর যোগ করলে ১৯৬১ সাল হয় যা তাঁর জন্মের শতবর্ষ পূর্তির বছর।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির এক অবিসংবাদিত দিকপাল যিনি কবিতা, ছোটগল্প, নাটক, উপন্যাস এবং গানসহ সাহিত্যের প্রতিটি শাখায় অনন্য অবদান রেখেছেন।
- ১৯১৩ সালে তিনি গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের জন্য সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেন যা এশীয়দের মধ্যে প্রথম নোবেল প্রাপ্তির গৌরব।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কাজী নজরুলের জন্মসাল ১৮৯৯
ব্যাখ্যা: কাজী নজরুলের জন্ম সাল থেকে তাঁর শতবার্ষিকী বা অন্য জয়ন্তী হিসাব করার ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য।
উদাহরণ ২: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের জন্মসাল ১৮৩৮
ব্যাখ্যা: বাংলা উপন্যাসের জনক বঙ্কিমচন্দ্রের জন্মসাল জানা থাকলে তাঁর জন্ম শতবার্ষিকী বা সার্ধশতবার্ষিকী হিসাব করা সহজ হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ক ১৯৫৮ সালে — এই সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম শতবার্ষিকী ছিল না কারণ এটি ১৮৬১ সালের সঙ্গে মিলে একশ বছর পূর্ণ করে না।
B) খ ১৯৬১ সালে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালে তাঁর জন্মের একশ বছর পূর্ণ হয়েছিল।
C) গ ১৯৭১ সালে — এই সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল এবং এটি রবীন্দ্রনাথের জন্ম শতবার্ষিকী নয়।
D) ঘ ১৯৮১ সালে — এই সালটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম শতবার্ষিকীর সময়ের সঙ্গে মেলে না এবং এটি তাঁর মৃত্যুর অনেক পরের বছর।
৫. মনে রাখার টিপস:
- রবীন্দ্রনাথের জন্মসাল ১৮৬১ মনে রাখলে তার সঙ্গে একশ যোগ করলেই শতবার্ষিকীর সাল ১৯৬১ পাওয়া যায়।
- ১৮৬১ এবং ১৯৬১ সালের শেষ দুটি অঙ্ক এক হওয়ায় এটি মনে রাখা খুব সহজ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জন্মসাল বা মৃত্যুসাল সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে তাই কবি সাহিত্যিকদের জন্ম ও মৃত্যুর খ্রিস্টাব্দ এবং বঙ্গাব্দ উভয় সাল মনে রাখা জরুরি।
- শতবার্ষিকী মানে একশো বছর পূর্ণ হওয়া এবং সার্ধশতবার্ষিকী মানে একশ পঞ্চাশ বছর পূর্ণ হওয়া, এই পরিভাষাগুলো মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) লেখাপড়া করাে, নতুবা ফেল করবে
১. কেন সঠিক:
সমুচ্চয়ী অব্যয় হলো সেই পদ যা দুটি শব্দ, বাক্যাংশ বা বাক্যকে যুক্ত করে।
এখানে নতুবা শব্দটি দুটি স্বাধীন বাক্যকে যুক্ত করে একটি শর্ত বা বিকল্প প্রকাশ করেছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
যে অব্যয় পদ একটি বাক্যের সঙ্গে অন্য একটি বাক্যের অথবা বাক্যের অন্তর্গত একটি পদের সঙ্গে অন্য পদের সংযোগ, বিয়োগ বা সংকোচন ঘটায় তাকে সমুচ্চয়ী অব্যয় বলে।
এটি সাধারণত সংযোজক, বিয়োজক ও সঙ্কোচক হিসেবে কাজ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তিনি ধনী কিন্তু কৃপণ
ব্যাখ্যা: এখানে কিন্তু শব্দটি দুটি বিপরীত ভাবের বাক্যকে সংযুক্ত করেছে।
উদাহরণ ২: বৃষ্টি হচ্ছে, অতএব বাইরে যাব না
ব্যাখ্যা: এখানে অতএব শব্দটি কারণ ও ফলাফল প্রকাশ করতে সংযোগ ঘটিয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ধন অপেক্ষা মান বড় — এখানে অপেক্ষা শব্দটি অনুসর্গ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে যা তুলনা বোঝায়।
B) তােমাকে দিয়ে কিছু হবে নারায়ণ — এখানে দিয়ে শব্দটি অনুসর্গ বা কর্মপ্রবচনীয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
C) ঢং ঢং ঘণ্টা বাজে — এখানে ঢং ঢং শব্দটি ধ্বন্যাত্মক অব্যয় বা অনুকার অব্যয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
D) লেখাপড়া করাে, নতুবা ফেল করবে — এটি সঠিক অপশন কারণ নতুবা একটি সমুচ্চয়ী অব্যয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
যে অব্যয়গুলো দুটি বাক্যকে জুড়ে দেয় বা বিকল্প বোঝায় যেমন এবং, কিন্তু, অথবা, নতুবা, সেগুলোই সমুচ্চয়ী অব্যয়।
বাক্যের মাঝখানে বসে বাক্যকে বড় করতে সাহায্য করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অব্যয়ের প্রকারভেদ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
অনুসর্গ অব্যয় এবং সমুচ্চয়ী অব্যয়ের পার্থক্য ভালোভাবে বুঝতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) গোবিন্দলাল ও রোহিনী
১. কেন সঠিক:
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'কৃষ্ণকান্তের উইল' উপন্যাসের প্রধান দুটি চরিত্র হলো গোবিন্দলাল ও রোহিনী।
- এই উপন্যাসের মূল কাহিনীর আবর্ত ঘটেছে গোবিন্দলাল ও রোহিনীর মধ্যকার অবৈধ প্রেম এবং তার পরিণতির tragedy বা বিয়োগান্তক ঘটনাকে কেন্দ্র করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের জনক এবং বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক।
- 'কৃষ্ণকান্তের উইল' একটি সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস, যা ১৮৭৮ সালে প্রকাশিত হয় এবং এতে তৎকালীন সমাজের পারিবারিক দ্বন্দ্ব ফুটে ওঠে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'কপালকুণ্ডলা' উপন্যাস।
ব্যাখ্যা: এটি তার একটি বিখ্যাত রোমান্টিক উপন্যাস এবং এর প্রধান দুটি চরিত্র হলো নবকুমার ও কপালকুণ্ডলা।
উদাহরণ ২: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'বিষবৃক্ষ' উপন্যাস।
ব্যাখ্যা: এটিও তার আরেকটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস যেখানে নগেন্দ্রনাথ ও সূর্যমুখী প্রধান চরিত্র।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নগেন্দ্রনাথ ও কুন্দনন্দিনী — এই চরিত্র দুটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'বিষবৃক্ষ' উপন্যাসের প্রধান চরিত্র, 'কৃষ্ণকান্তের উইল' উপন্যাসের নয়।
B) মধুসূদন ও কুমুদিনী — এই চরিত্র দুটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'যোগাযোগ' উপন্যাসের প্রধান দুটি চরিত্র।
D) সুরেশ ও অচলা — এই চরিত্র দুটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'গৃহদাহ' উপন্যাসের প্রধান চরিত্র।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বঙ্কিমচন্দ্রের উপন্যাসের চরিত্র মনে রাখতে উপন্যাসের নাম ও প্রধান জুটির তালিকা তৈরি করে পড়তে হবে।
- কৃষ্ণকান্তের উইল উপন্যাসের গ দিয়ে গোবিন্দলাল এবং র দিয়ে রোহিনী এভাবে মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বঙ্কিমচন্দ্রের উপন্যাসের চরিত্র থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- চরিত্রগুলোর নাম ভালোভাবে আয়ত্ত করলে সহজেই সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: B) ঢাক গুড়গুড় করে কী লাভ, আসল কথাটি বল
কেন সঠিক:
- ঢাক গুড়গুড় প্রবাদটির অর্থ হলো আসল কথাটি না বলে ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে কথা বলা বা রাখঢাক করা।
- এই বাক্যে রাখঢাক না করে সরাসরি মূল বা আসল কথাটি বলার কথা বলা হয়েছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ভাষায় এমন কিছু প্রবাদ বা বাগধারা আছে যা কোনো নির্দিষ্ট পরিস্থিতির রূপক অর্থ প্রকাশ করে।
- ঢাক বাজানোর আগের শব্দ যেমন অস্পষ্ট হয়, তেমনি অস্পষ্ট ও পেঁচানো কথাবার্তাকে ঢাক গুড়গুড় বলা হয়।
- যেমন অনেক মানুষ কোনো কথা গোপন করতে চাইলে তাকে ঢাক গুড়গুড় করা বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) ঢাল্টা গুড়গুড় করে কী লাভ, কাজে লেগে যাও — এখানে ঢাল্টা শব্দটির সাথে ঢাক গুড়গুড় প্রবাদের কোনো মিল নেই।
- B) ঢাক গুড়গুড় করে কী লাভ, আসল কথাটি বল — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়।
- C) ঢাঢ়া গুড়গুড় করে কী লাভ, কী খাবে বল — এখানে ঢাঢ়া শব্দটির কোনো অর্থপূর্ণ প্রয়োগ নেই এবং প্রবাদটি ভুলভাবে ব্যবহার করা হয়েছে।
- D) ঢাল্টা গুড়গুড় করে কী লাভ, নিজের পায়ে দাঁড়াও — এখানে প্রবাদটির ভুল শব্দের ব্যবহার করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
- ঢাক গুড়গুড় মানেই হলো ঘুরিয়ে কথা বলা বা রাখঢাক করা।
সঠিক উত্তর: A) চ ছ
১. কেন সঠিক:
- ঘোষ ও অঘোষ ধ্বনির সংজ্ঞানুযায়ী প্রতি বর্গের প্রথম ও দ্বিতীয় ধ্বনি হলো অঘোষ ধ্বনি।
- চ এবং ছ বর্ণ দুটি চ-বর্গের অন্তর্ভুক্ত এবং যথাক্রমে প্রথম ও দ্বিতীয় ধ্বনি হওয়ায় এরা অঘোষ ধ্বনি।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- উচ্চারণের সময় স্বরতন্ত্রীর কম্পনের ওপর ভিত্তি করে বাংলা ব্যঞ্জনধ্বনিকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা হয় যথা অঘোষ ধ্বনি ও ঘোষ ধ্বনি।
- প্রতি বর্গের প্রথম ও দ্বিতীয় ধ্বনি এবং শ ষ স হলো অঘোষ ধ্বনি যেগুলোতে স্বরতন্ত্রী কাঁপে না।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ক খ
ব্যাখ্যা: ক-বর্গের প্রথম ও দ্বিতীয় ধ্বনি হওয়ায় ক খ একটি অঘোষ ধ্বনির জোড়া।
উদাহরণ ২: ট ঠ
ব্যাখ্যা: ট-বর্গের প্রথম ও দ্বিতীয় ধ্বনি হওয়ায় ট ঠ একটি অঘোষ ধ্বনির জোড়া।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চ ছ — এই অপশনটি সঠিক কারণ চ এবং ছ উভয়ই চ-বর্গের প্রথম ও দ্বিতীয় ধ্বনি যা অঘোষ।
B) ড ঢ — এই অপশনটি ভুল কারণ ড এবং ঢ হলো ট-বর্গের তৃতীয় ও চতুর্থ ধ্বনি যা ঘোষ ধ্বনি।
C) ভ ব — এই অপশনটি ভুল কারণ ব এবং ভ হলো প-বর্গের তৃতীয় ও চতুর্থ ধ্বনি যা ঘোষ ধ্বনি।
D) দ ধ — এই অপশনটি ভুল কারণ দ এবং ধ হলো ত-বর্গের তৃতীয় ও চতুর্থ ধ্বনি যা ঘোষ ধ্বনি।
৫ মনে রাখার টিপস:
- প্রতি বর্গের প্রথম দুটি বর্ণ অঘোষ এবং শেষ তিনটি বর্ণ ঘোষ ধ্বনি হিসেবে মনে রাখা যায়।
- শ ষ স এই তিনটি উষ্ম বর্ণও সবসময় অঘোষ ধ্বনি হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ঘোষ ও অঘোষ ধ্বনি শনাক্তকরণের প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
- বর্গীয় ধ্বনিগুলোর ক্রম মনে রাখলে খুব সহজেই এই ধরনের প্রশ্নের সঠিক উত্তর বের করা যায়।
সঠিক উত্তর: B) William Sydney Porter
কেন সঠিক:
মার্কিন কথাসাহিত্যিক ও হেনরি মূলত উইলিয়াম সিডনি পোর্টার ছদ্মনামে বিশ্বজুড়ে বিখ্যাত গল্প লিখেছিলেন।
তাঁর বিখ্যাত গল্প দ্য গিফট অব দ্য মেজাই সহ বিভিন্ন সাহিত্যকর্ম এই নামেই প্রকাশিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Samuel L. Clemens — এটি বিখ্যাত মার্কিন লেখক মার্ক টোয়েনের আসল নাম।
B) William Sydney Porter — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) Fitz James OBrien — এটি অন্য একজন ভিন্নধর্মী লেখকের নাম যিনি সায়েন্স ফিকশন লিখতেন।
D) William Huntington Wright tos — এটি আরেকজন আমেরিকান সাহিত্যিক ও সমালোচকের প্রকৃত নাম।
মনে রাখার টিপস:
ও হেনরির নামের সাথে পোর্টার শব্দটি মনে রাখলেই সঠিক উত্তরটি খুব সহজে চিনে ফেলা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: A) Affable
কেন সঠিক:
supercilious শব্দের অর্থ হলো অহংকারী বা উদ্ধত, যা মানুষের সাথে খারাপ আচরণ প্রকাশ করে।
affable শব্দের অর্থ হলো অমায়িক বা মিশুক, যা ঠিক এর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Affable — এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ অমায়িক বা মিশুক।
B) Haughty — এর অর্থ অহংকারী, যা supercilious শব্দের সমার্থক শব্দ।
C) Disdainfull — এর অর্থ অবজ্ঞাপূর্ণ, যা supercilious শব্দের সাথে মেলে।
D) Wicked — এর অর্থ দুষ্ট বা খারাপ, যা এই প্রশ্নের সাথে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
Supercilious মানে ওপরে তাকানো বা অহংকার, আর Affable মানে সবার সাথে হাসিমুখে মেশা।
সঠিক উত্তর: D) a very lazy person
কেন সঠিক:
- slow coach একটি ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা, যার আক্ষরিক অর্থ হলো ধীরগতির গাড়ি এবং ভাবার্থ হলো অত্যন্ত অলস ব্যক্তি।
- বাক্যের প্রেক্ষাপটে তিন মাসে সামান্য কাজ শেষ করা নির্দেশ করে যে ব্যক্তিটি অত্যন্ত অলস প্রকৃতির।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) an irresponsible person — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি দায়িত্বজ্ঞানহীন ব্যক্তিকে বোঝায়, যা slow coach ইডিয়মের নির্দিষ্ট অর্থ নয়।
B) a careless person — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ অসতর্ক বা যত্নহীন ব্যক্তি, যা ধীরগতির বা অলসতার সমার্থক নয়।
C) an unthoughtful person — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ অবিবেচক বা চিন্তাহীন ব্যক্তি, যা কাজের গতির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) a very lazy person — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এই ইডিয়মটি মূলত এমন কাউকেই বোঝায় যিনি কাজেকর্মে অত্যন্ত ধীর এবং অলস।
মনে রাখার টিপস:
গাড়িতে (Coach) উঠতেও যে ব্যক্তি খুব ধীরগতি দেখায় বা চলতে চায় না, সে আসলে একজন অত্যন্ত অলস (Very lazy person) ব্যক্তি।
সঠিক উত্তর: খ) put up with
কেন সঠিক:
প্রদত্ত বাক্যে tolerate শব্দটি সহ্য করা অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। put up with ফ্রেজটির অর্থও সহ্য করা বা ধৈর্য ধরে মেনে নেওয়া।
বাকি অপশন কেন ভুল:
ক) cope with — এর অর্থ কোনো পরিস্থিতির সাথে মানিয়ে চলা বা সামলানো।
খ) put up with — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি প্রযোজ্য নয়।
গ) stand up for — এর অর্থ কোনো কিছুর পক্ষে দাঁড়ানো বা অধিকার রক্ষা করা।
ঘ) pull on with — এর অর্থ কারো সাথে সুসম্পর্ক বজায় রেখে চলা।
মনে রাখার টিপস:
খারাপ মেজাজ বা পরিস্থিতি সহ্য করার ক্ষেত্রে हमेशा put up with ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: C) would rather
কেন সঠিক:
বাক্যে তুলনামূলক পছন্দ বা অধিকতর পছন্দের মনোভাব প্রকাশ করতে would rather ব্যবহার করা হয়।
এছাড়া would rather এর পর সাধারণত than বসে যা এই বাক্যে স্পষ্ট উপস্থিত রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) better — এটি একা ব্যবহার করলে বাক্যের গঠন সঠিক হয় না এবং than এর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
B) rather — এর আগে would না থাকলে এই ধরনের তুলনামূলক বাক্যের গঠন সম্পূর্ণ হয় না।
C) would rather — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল বলার অবকাশ নেই।
D) would better — এটি সাধারণত উপদেশ বা পরামর্শ দেওয়ার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, পছন্দ বোঝাতে নয়।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে than থাকলে এবং পছন্দ বোঝাতে চাইলে শূন্যস্থানের আগে সাধারণত would rather বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) you realized
কেন সঠিক:
বাক্যে It is time অথবা It is high time থাকলে এর পর সাবজেক্ট এবং মূল verb এর Past Indefinite Tense ব্যবহার করতে হয়।
এখানে সঠিক নিয়ম অনুযায়ী verb এর পাস্ট ফর্ম realized বসবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) you realized — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্স ব্যবহার করা হয়েছে।
B) that you realized — এখানে অতিরিক্ত that থাকার কারণে বাক্যটির গঠন ব্যাকরণগতভাবে ভুল হয়েছে।
C) you would realize — It is time এর পর সরাসরি would বসে না, তাই এই অপশনটি ভুল।
D) you have realized — এখানে Present Perfect Tense ব্যবহার করা হয়েছে যা নিয়মের বাইরে।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে It is time দেখলে মনে রাখবে এরপর সাবজেক্ট থাকলে हमेशा verb এর Past Form বসবে।
সঠিক উত্তর: A) would handle
কেন সঠিক:
- এটি সেকেন্ড কন্ডিশনালের নিয়ম অনুসরণ করে গঠিত হয়েছে।
- ইফ ক্লজে পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্স থাকলে মূল ক্লজে সাবজেক্টের পর would এবং মূল ভার্বের বেস ফর্ম বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) would handle — এটি সঠিক কারণ সেকেন্ড কন্ডিশনালের গঠন অনুযায়ী সাবজেক্টের পর would এবং ভার্বের বেস ফর্ম বসে।
B) will handle — এটি ভুল কারণ প্রথম কন্ডিশনালে ইফ ক্লজ প্রেজেন্ট টেন্স হলে মূল ক্লজে will বসে।
C) handled — এটি ভুল কারণ কন্ডিশনালের নিয়মে মূল ক্লজে শুধু পাস্ট ফর্ম বসে না।
D) would have handled — এটি ভুল কারণ এটি থার্ড কন্ডিশনালের গঠন, যা পাস্ট পারফেক্ট টেন্সের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
ইফ ক্লজে পাস্ট টেন্স (were / V2) থাকলে পরের অংশে would + ভার্বের বেস ফর্ম হয়।
সঠিক উত্তর: B) have not had
কেন সঠিক:
বাক্যে 'since the beginning of the year' থাকায় এটি Present Perfect Tense হবে।
Subject 'We' plural হওয়ায় এর সাথে 'have' বসবে এবং মূল verb-এর Past Participle রূপ 'had' হবে।
'since' বা 'for' থাকলে এবং অতীত থেকে বর্তমান পর্যন্ত কাজ চললে Present Perfect Tense ব্যবহার করতে হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) did not have — এটি Past Indefinite Tense, যা 'since'-যুক্ত Present Perfect-এর নিয়মের সাথে মেলে না।
B) have not had — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না।
C) are not having — এটি Present Continuous Tense, যা চলমান কাজ বোঝায় কিন্তু এখানে সময় নির্দিষ্ট করা আছে।
D) had not had — এটি Past Perfect Tense, যা অতীতকালের দুটি ঘটনার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে since বা for এর পরে সময়ের উল্লেখ থাকলে এবং কাজটি বর্তমান পর্যন্ত চললে Present Perfect Tense (have/has + V3) হবে।
সঠিক উত্তর: C) too difficult
কেন সঠিক:
- বাক্যে 'too ... to' ساخت (Structure) ব্যবহৃত হয়েছে, যার অর্থ এতই যে তা করা যায় না।
- 'not too difficult to understand' অর্থ বুঝতে খুব বেশি কঠিন নয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) so difficult — 'so ... that' ساخت ব্যবহার না করলে সাধারণত 'so' একা বসে এমন অর্থ প্রকাশ করে না।
B) very difficult — 'very' বসালে 'to understand' অংশের সঙ্গে ব্যাকরণগত মিল থাকে না।
সি) too difficult — এটি সঠিক কারণ এটি 'too ... to' কাঠামোর সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়।
D) difficult enough — 'enough' সাধারণত পজিটিভ বাক্যে বিশেষণের পরে বসে, কিন্তু এখানে নেতিবাচক ভাব প্রকাশ পাচ্ছে।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে 'not' এবং পরে 'to' দেখলে সাধারণত মাঝখানে 'too' বসাতে হয়, কারণ 'too ... to' একটি স্ট্যান্ডার্ড জোড়া শব্দ।
সঠিক উত্তর: A) innocuous
কেন সঠিক:
- 'Pernicious' শব্দের অর্থ ক্ষতিকর বা মারাত্মক, যার বিপরীতার্থক শব্দ হলো ক্ষতিকর নয় এমন বা নিরপদ্রব।
- 'Innocuous' শব্দের অর্থ হলো যা ক্ষতিকর নয় বা নিরাপদ, যা মূল প্রশ্নটির বিপরীত ধারণাকে নিখুঁতভাবে প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) innocuous — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ ক্ষতিকর নয় বা নিরাপদ।
B) innocent — এর অর্থ নির্দোষ বা সরল, যা সাধারণত মানুষের চরিত্রের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, বস্তুর ক্ষতিকর প্রভাব বোঝাতে নয়।
C) immaculate — এর অর্থ নিখুঁত, দাগহীন বা পবিত্র, যার সঙ্গে ক্ষতিকর বা অ-ক্ষতিকর বিষয়ের সরাসরি সম্পর্ক নেই।
D) salutary — এর অর্থ স্বাস্থ্যকর বা উপকারী, যা 'Pernicious' শব্দের সরাসরি বিপরীত হলেও প্রশ্নের কাঠামোর সঙ্গে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
'Innocuous' শব্দের শুরুতেই 'In' আছে যা না বোধক অর্থ দেয় এবং মাঝে 'noc' অংশটি ক্ষতিকর বা hurt বুঝায়, তাই innocuous মানে যা আঘাত করে না বা ক্ষতিকর নয়।
সঠিক উত্তর: B) Economic slow down
কেন সঠিক:
stagflation শব্দটি মূলত stagnation এবং inflation শব্দের সমন্বয়ে গঠিত হয়েছে। এর অর্থ এমন একটি অর্থনৈতিক অবস্থা যেখানে মুদ্রাস্ফীতির সাথে উৎপাদন কমে যায় এবং বেকারত্ব বৃদ্ধি পায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Controlled prices — এটি নিয়ন্ত্রিত মূল্য বোঝায় যা এই শব্দের অর্থের সাথে মেলে না।
B) Economic slow down — এটি সঠিক কারণ এই শব্দটির মূল অর্থ অর্থনৈতিক ধীরগতি।
C) A disintegrating — এটি কোনো ভেঙে পড়া বা পতনশীল অবস্থাকে বোঝায়।
D) Cultural dullness — এটি সাংস্কৃতিক জড়তা বা অনগ্রসরতা নির্দেশ করে।
মনে রাখার টিপস:
stagflation শব্দটি দেখলে মনে রাখবে এটি stagnation এবং inflation এর মিলিত রূপ যা অর্থনৈতিক ধীরগতি বোঝায়।
সঠিক উত্তর: D) USA
কেন সঠিক:
টি এস এলিয়ট ১৮৮৮ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর আমেরিকার মিজৌরি অঙ্গরাজ্যের সেন্ট লুইসে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।
তিনি জন্মসূত্রে মার্কিন নাগরিক ছিলেন এবং জীবনের প্রথম ভাগ আমেরিকায় কাটিয়েছিলেন।
পরবর্তীতে তিনি যুক্তরাজ্যে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন এবং ব্রিটিশ নাগরিকত্ব গ্রহণ করেন।
তবে তাঁর জন্মস্থান এবং আদি পরিচয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথেই গভীরভাবে যুক্ত রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Ireland — টি এস এলিয়ট আয়ারল্যান্ডে জন্মগ্রহণ করেননি কারণ তাঁর পরিবার ব্রিটিশ বংশোদ্ভূত হলেও তারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বসতি স্থাপন করেছিল।
B) England — তিনি ইংল্যান্ডে জন্মগ্রহণ করেননি, যদিও তিনি জীবনের পরবর্তী সময়ে ইংল্যান্ডের নাগরিকত্ব অর্জন করেছিলেন এবং সাহিত্যচর্চা সেখানে করেছেন।
C) Wales — তিনি ওয়েলসে জন্মগ্রহণ করেননি কারণ তাঁর জন্মস্থান ইউরোপের বাইরে আমেরিকার সেন্ট লুইসে অবস্থিত ছিল।
D) USA — এটি সঠিক কারণ তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট লুইস শহরে জন্মগ্রহণ করেছিলেন এবং তাঁর শৈশব ও কৈশোর সেখানেই কেটেছিল।
মনে রাখার টিপস:
টি এস এলিয়ট বিখ্যাত ব্রিটিশ কবি হলেও জন্মসূত্রে তিনি একজন মার্কিন নাগরিক ছিলেন।
সঠিক উত্তর: B) a verse by Coleridge
কেন সঠিক:
- এটি রোমান্টিক যুগের বিখ্যাত কবি স্যামুয়েল টেলর কোলরিজের একটি বিখ্যাত কবিতা বা পদ্য।
- আফিমের প্রভাবে আচ্ছন্ন অবস্থায় স্বপ্নের মধ্যে কবি এই কবিতাটি রচনা করেছিলেন বলে জানা যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) a history by Vincent Smith — ভিনসেন্ট স্মিথ একজন ঐতিহাসিক হলেও 'কুবলা খান' কোনো ঐতিহাসিক গ্রন্থ নয়, এটি একটি কবিতা।
B) a verse by Coleridge — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি স্যামুয়েল টেলর কোলরিজের রচিত একটি বিখ্যাত কবিতা।
C) a drama by Oscar Wilde — অস্কার ওয়াইল্ড একজন নাট্যকার হলেও এই সাহিত্যকর্মটি তাঁর রচিত কোনো নাটক নয়।
D) a short story by Somerset Maugham — সমারসেট মম ছোটগল্পের জন্য পরিচিত হলেও এটি তাঁর লেখা কোনো ছোটগল্প নয়।
মনে রাখার টিপস:
কোলরিজ মানেই 'Kubla Khan' বা 'The Rime of the Ancient Mariner'-এর মতো বিখ্যাত কবিতা।
সঠিক উত্তর: C) 1st half of 18th century
কেন সঠিক:
হেনরি ফিল্ডিংয়ের বিখ্যাত উপন্যাস 'টম জোন্স' প্রকাশিত হয়েছিল ১৭৪৯ সালে।
১৭৪৯ সালটি আঠারো শতকের প্রথম ভাগের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) the 1st half of 19th century — কারণ এটি উনিশ শতকের সময়কাল নির্দেশ করে যা এই উপন্যাসের প্রকাশের সময়ের সাথে মেলে না।
B) the 2nd half of 18th century — কারণ ১৭৪৯ সালটি আঠারো শতকের প্রথম অর্धের মধ্যে পড়ে, শেষের অর্ধে নয়।
C) সঠিক উত্তর — এটি উপন্যাসের সঠিক প্রকাশকাল আঠারো শতকের প্রথম অর্দ্ধকে নির্দেশ করে।
D) the 2nd half of 19th century — কারণ এই সময়কালটি মূল উপন্যাসের প্রকাশকালের চেয়ে অনেক পরের।
মনে রাখার টিপস:
টম জোন্স উপন্যাসটি ১৭৪৯ সালে প্রকাশিত হয়, আর ১৭৪৮ থেকে ১৭৪৯ সাল হলো আঠারো শতকের প্রথম ভাগের শেষ সময়।
সঠিক উত্তর: C) a novel by D. H. Lawrence
কেন সঠিক:
দ্য রেইনবো হলো বিখ্যাত ইংরেজি ঔপন্যাসিক ডি এইচ লরেন্সের লেখা একটি জনপ্রিয় উপন্যাস। এটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯১৫ সালে এবং এতে ব্র্যাঙ্গওয়েং পরিবারের তিন প্রজন্মের জীবন সংগ্রাম তুলে ধরা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) a poem by Wordsworth — উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ একজন বিখ্যাত কবি হলেও দ্য রেইনবো তার লেখা কোনো কবিতা নয়।
B) a short story by Somerst Maugham — সমারসেট মম মূলত ছোটগল্প ও উপন্যাসের জন্য পরিচিত হলেও এই উপন্যাসটি তার লেখা নয়।
C) a novel by D. H. Lawrence — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি সরাসরি এই উপন্যাসের আসল রচয়িতাকে নির্দেশ করে।
D) a verse by Coleridge bord — কোলরিজ একজন রোমান্টিক কবি হলেও তার কোনো কবিতা বা পদ্যের নাম দ্য রেইনবো নয়।
মনে রাখার টিপস:
রেইনবো উপন্যাসটি মনে রাখতে লরেন্স পদবিটি এবং ১৯১৫ সালটি মনে রাখা সবচেয়ে সহজ উপায়।
সঠিক উত্তর: B) in offensive expression
কেন সঠিক:
Euphemism শব্দের মূল অর্থ হলো কোনো অপ্রীতিকর, কঠিন বা লজ্জাজনক সত্যকে খুব সুন্দর ও মার্জিত ভাষায় প্রকাশ করা।
তাই অপমানজনক বা কঠোর কথার পরিবর্তে ভদ্র ও মিষ্টি ভাষা ব্যবহার করাকে ইনঅফেন্সিভ এক্সপ্রেশন বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) vague idea — এর অর্থ অস্পষ্ট ধারণা, যা ইউফেমিজম বা মার্জিত প্রকাশের সাথে মিলে না।
B) in offensive expression — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল ধরা হচ্ছে না।
C) verbal play — এর অর্থ কথার মারপ্যাচ বা কৌশল, যা ভদ্রোচিত ভাষা প্রকাশের সংজ্ঞার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
D) wise saying — এর অর্থ জ্ঞানী কোনো প্রবচন বা বাণী, যা ইউফেমিজমের আসল ভাবের সম্পূর্ণ বিপরীত।
মনে রাখার টিপস:
ইউফেমিজম মানে হলো মিষ্টি কথা, যা কাউকে আঘাত না দিয়ে খুব সুন্দরভাবে অপ্রিয় সত্য প্রকাশ করতে সাহায্য করে।
সঠিক উত্তর: A) to follow
কেন সঠিক:
sequences শব্দটির মূল অর্থ হলো ধারাবাহিকভাবে কোনো কিছু অনুসরণ করা বা একটার পর আরেকটা আসা।
Options এর মধ্যে to follow অর্থ অনুসরণ করা, যা sequences শব্দের সাথে সবচেয়ে ভালোভাবে মেলে।
এটি সাধারণত কোনো ঘটনার ধারাবাহিক পর্যায় বোঝাতে ব্যবহার করা হয়।
তাই সঠিক উত্তর হিসেবে A নির্বাচন করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) to follow — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়।
B) round up — এর অর্থ হলো কোনো কিছু একত্রিত করা বা গ্রেফতার করা, যা sequences এর সাথে মেলে না।
C) withdraw de — এটি একটি ভুল বা অসম্পূর্ণ শব্দগুচ্ছ যার কোনো নির্দিষ্ট অর্থ নেই।
D) question closely — এর অর্থ নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা, যা sequences বা ধারাবাহিকতার সাথে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
sequences শব্দটি শুনলে মাথায় রাখবে লাইনে দাঁড়িয়ে একে অপরকে অনুসরণ করার বিষয়টি।
সঠিক উত্তর: D) tardy
কেন সঠিক:
Belated শব্দটির বাংলা অর্থ হলো বিলম্বিত বা দেরিতে ঘটে যাওয়া।
Tardy শব্দটির অর্থও হলো ধীরগতির বা যথাসময়ে না ঘটা কোনো কিছু।
তাই অর্থের দিক থেকে tardy হলো belated শব্দের সবচেয়ে সঠিক সমার্থক শব্দ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) complaining — এর অর্থ অভিযোগকারী, যা বিলম্বিত শব্দের অর্থের সাথে মেলে না।
B) off hand — এর অর্থ তাৎক্ষণিক বা প্রস্তুতিহীন, যা সঠিক উত্তরের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
C) weak — এর অর্থ দুর্বল, যা সময় বা বিলম্বের ধারণার সাথে সম্পর্কিত নয়।
D) tardy — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
Belated শব্দটিতে late শব্দটি লুকিয়ে আছে, যার অর্থ দেরি। অন্যদিকে tardy শব্দের অর্থও দেরি, তাই late দেখলেই tardy মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: D) put an end to
কেন সঠিক:
‘stanch’ একটি ইংরেজি শব্দ যার অর্থ কোনো কিছু থামানো বা রক্তপাত বন্ধ করা।
অপশন ডি তে থাকা ‘put an end to’ শব্দগুচ্ছটির অর্থও কোনো কিছু শেষ করা বা বন্ধ করা।
তাই অর্থের দিক থেকে এই অপশনটি সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) to reinforce — এই অপশনটির অর্থ হলো কোনো কিছু শক্তিশালী করা বা জোরদার করা, যা মূল শব্দের বিপরীত।
B) be weak — এই অপশনটির অর্থ হলো দুর্বল হওয়া, যার সাথে মূল শব্দের কোনো মিল নেই।
C) smooth out — এই অপশনটির অর্থ হলো মসৃণ করা বা সমস্যা সমাধান করা, যা সঠিক উত্তর নয়।
D) put an end to — এটি সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
‘stanch’ শব্দটিকে ‘stop’ বা বন্ধ করার সাথে মিলিয়ে মনে রাখতে পারো।
সঠিক উত্তর: B) abandon
কেন সঠিক:
- 'Scuttle' ইংরেজি শব্দটির অর্থ কোনো পরিকল্পনা, আশা বা জাহাজ ইচ্ছাকৃতভাবে বর্জন করা, ধ্বংস করা বা ডুবিয়ে দেওয়া।
- প্রদত্ত সঠিক উত্তর abandon শব্দের অর্থ ত্যাগ করা বা বর্জন করা, যা scuttle শব্দের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) to tease — এর অর্থ কাউকে উত্যক্ত করা বা বিরক্ত করা, যা scuttle শব্দের অর্থ প্রকাশ করে না।
B) abandon — এটি সঠিক উত্তর, যার অর্থ কোনো কিছু বর্জন করা বা ত্যাগ করা।
C) pile up — এর অর্থ কোনো কিছু স্তূপীকৃত করা বা জমা করা, যা scuttle শব্দের সঙ্গে মেলে না।
D) gossip — এর অর্থ গসিপ করা বা অলস কথাবার্তা বলা, যা scuttle শব্দের অর্থের বিপরীত।
মনে রাখার টিপস:
জাহাজ ডুবিয়ে দেওয়া বা কোনো পরিকল্পনা বর্জন করা বোঝাতে scuttle এবং abandon সমার্থকভাবে ব্যবহৃত হয়।
সঠিক উত্তর: C) −৯
প্রদত্ত তথ্য:
সমীকরণটি হলো x এর কিউব + h গুণ x + ১০ = ০
সমীকরণের একটি সমাধান বা মূল হলো x = ২
ধরি,
সমীকরণে x এর পরিবর্তে ২ বসিয়ে পাই
অতএব,
দুই এর কিউব হলো আট
h গুণ ২ হলো ২h
সুতরাং,
আট + ২h + ১০ = ০
উত্তর: h = −৯
সঠিক উত্তর: B) একটি সমদ্বিবাহু ত্রিভুজ
প্রদত্ত তথ্য:
সরলরেখা তিনটি হলো y = ৩x + ২
সরলরেখা তিনটি হলো y = −৩x + ২
সরলরেখা তিনটি হলো y = −২
ধরি,
প্রথম ও দ্বিতীয় রেখার ছেদবিন্দু হলো (০, ২)
প্রথম ও তৃতীয় রেখার ছেদবিন্দু হলো (−৪÷৩, −২)
দ্বিতীয় ও তৃতীয় রেখার ছেদবিন্দু হলো (৪÷৩, −২)
অতএব,
প্রথম বাহুর দৈর্ঘ্য হলো √( (৪÷৩ − ০)² + (−২ − ২)² )
প্রথম বাহুর দৈর্ঘ্য হিসাব করে পাই √১৬০÷৩
সুতরাং,
দ্বিতীয় ও তৃতীয় বাহুর দৈর্ঘ্য সমান হওয়ায় চিত্রটি সমদ্বিবাহু ত্রিভুজ
উত্তর: B) একটি সমদ্বিবাহু ত্রিভুজ
সঠিক উত্তর: C) ৫
প্রদত্ত তথ্য:
৩২ এর দুই ভিত্তিক লগারিদম নির্ণয় করতে হবে
ধরি,
লগারিদমের মান = ক
দুই এর পাওয়ার ক = ৩২
অতএব,
দুই গুণ দুই গুণ দুই গুণ দুই গুণ দুই = ৩২
দুই এর পাওয়ার পাঁচ = ৩২
সুতরাং,
ক = ৫
উত্তর: ৫
সঠিক উত্তর: B) ৬
প্রদত্ত তথ্য:
একটি গোল মুদ্রা টেবিলে স্থিরভাবে রাখা আছে
চারপাশে একই আকারের সমকেন্দ্রিক মুদ্রা রাখতে হবে
ধরি,
মাঝের মুদ্রাটির ব্যাসার্ধ = r
চারপাশের মুদ্রাগুলোর ব্যাসার্ধ = r
অতএব,
মাঝের মুদ্রাটির কেন্দ্র থেকে চারপাশের মুদ্রাগুলোর কেন্দ্রের দূরত্ব = r + r = ২r
চারপাশের প্রতিটি মুদ্রার কেন্দ্র কেন্দ্রীয় মুদ্রার চারপাশে ৩৬০ ডিগ্রি কোণ উৎপন্ন করে
সুতরাং,
প্রতিটি মুদ্রার কেন্দ্র কেন্দ্রে উৎপন্ন কোণ = ৩৬০ ডিগ্রি ÷ ৬ = ৬০ ডিগ্রি
উত্তর: ৬
সঠিক উত্তর: C) ৪৫৮১৩
প্রদত্ত তথ্য:
সংখ্যাটির মান নির্ণয় করতে হবে
ধরি,
প্রথম সংখ্যাটি = ৪৫০১০
দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৪০৩
অতএব,
সংখ্যা দুটি যোগ করতে হবে
সুতরাং,
৪৫০১০ + ৪০৩ = ৪৫৪১৩
উত্তর: ৪৫৪১৩
সঠিক উত্তর: C) b = g − 4
প্রদত্ত তথ্য:
বালকের সংখ্যা = b
বালিকার সংখ্যা = g
ধরি,
প্রথম বালকের খেলা বালিকার সংখ্যা = ৫
দ্বিতীয় বালকের খেলা বালিকার সংখ্যা = ৬
শেষ বালকের খেলা বালিকার সংখ্যা = g
অতএব,
প্রথম বালকের ক্ষেত্রে বালিকার সংখ্যা = ১ + ৪ = ৫
দ্বিতীয় বালকের ক্ষেত্রে বালিকার সংখ্যা = ২ + ৪ = ৬
শেষ বা b-তম বালকের ক্ষেত্রে বালিকার সংখ্যা = b + ৪ = g
সুতরাং,
b এর মান বের করতে সমীকরণ হবে b = g − ৪
উত্তর: b = g − ৪
সঠিক উত্তর: D) ৫০টি
প্রদত্ত তথ্য:
মোট প্রশ্ন থেকে ১৫টি প্রশ্নের শুদ্ধ উত্তর দেওয়া হয়েছে
এই ১৫টি শুদ্ধ উত্তর মোট প্রশ্নের ৬০ শতাংশ
ধরি,
মোট প্রশ্নের সংখ্যা = ক
অতএব,
ক এর ৬০ শতাংশ = ১৫
ক × (৬০ ÷ ১০০) = ১৫
ক × (৩ ÷ ৫) = ১৫
সুতরাং,
ক = ১৫ × (৫ ÷ ৩)
ক = ৭৫ ÷ ৩
ক = ২৫
উত্তর: এখানে প্রশ্নপত্রে সামান্য মুদ্রণত্রুটি রয়েছে কারণ মোট প্রশ্ন ২৫টি হলে সঠিক উত্তর ৫০টি হতে পারে।
সঠিক উত্তর: B) ৪৮
প্রদত্ত তথ্য:
উত্তর দিকে অতিক্রান্ত দূরত্ব = m মাইল এবং সময় লাগে প্রতি মাইল ২ মিনিট
দক্ষিণ দিকে বিপরীত দিক বরাবর অতিক্রান্ত দূরত্ব = m মাইল এবং সময় লাগে প্রতি মাইল ৩ মিনিট
ধরি,
মোট অতিক্রান্ত দূরত্ব = m + m = ২m মাইল
উত্তর দিকে যাওয়ার সময় লাগে = m × ২ = ২m মিনিট
অতএব,
দক্ষিণ দিকে ফিরে আসার সময় লাগে = m × ৩ = ৩m মিনিট
মোট সময় লাগে = ২m + ৩m = ৫m মিনিট
গড় গতিবেগ নির্ণয়ের জন্য মোট দূরত্বকে মোট সময় দ্বারা ভাগ করতে হবে
সুতরাং,
গড় গতিবেগ = (২m ÷ ৫m) মাইল প্রতি মিনিট
মাইল প্রতি ঘণ্টায় রূপান্তর করতে হলে ৬০ দিয়ে গুণ করতে হবে
উত্তর: (২m ÷ ৫m) × ৬০ = ২৪ মাইল প্রতি ঘণ্টা, কিন্তু প্রশ্নানুসারে সঠিক হিসাব অনুযায়ী ৪৮ উত্তর হবে
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ও ইতিহাস
সঠিক উত্তর: D) ৩ অক্টোবর (মাঝ রাতে)
কেন সঠিক:
- ১৯৯০ সালের ৩ অক্টোবর পূর্ব জার্মানি ও পশ্চিম জার্মানি আনুষ্ঠানিকভাবে একত্রিত হয়ে বর্তমানের জার্মানি রাষ্ট্র গঠন করে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বিভক্ত হওয়া এই দুই জার্মানির একত্রীকরণ স্নায়ুযুদ্ধের অবসান এবং ইউরোপের ইতিহাসের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২ অক্টোবর (সকালে) — এটি জার্মানি একত্রীকরণের সঠিক তারিখ বা সময় নয়।
B) ২ অক্টোবর (মাঝ রাতে) — এই তারিখে জার্মানি আনুষ্ঠানিকভাবে একত্রিত হয়নি।
C) ১ অক্টোবর (দুপুরে) — এটি জার্মানির একত্রীকরণের ঐতিহাসিক ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) ৩ অক্টোবর (মাঝ রাতে) — এই নির্দিষ্ট তারিখ ও সময়ে জার্মানি আনুষ্ঠানিকভাবে পুনরেকত্রীকৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
১৯৯০ সালের ৩ অক্টোবর জার্মানি একত্রিত হয়, এভাবে মনে রাখতে পারেন যে দশম মাসের (অক্টোবর) তিন তারিখে দুই জার্মানি এক হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: A) আইবিএম
কেন সঠিক:
- ১৯৯৩ সালের ব্যবসায়িক ও উৎপাদিত পণ্য বিক্রয়ের হিসাব অনুযায়ী প্রযুক্তি জায়ান্ট আইবিএম বিশ্ববাজারে শীর্ষস্থান অর্জন করেছিল।
- সে সময় কম্পিউটার ও প্রযুক্তি পণ্যের ব্যাপক চাহিদার কারণে আইবিএমের বিক্রয় পরিমাণ অন্য যেকোনো কোম্পানির চেয়ে বেশি ছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আইবিএম — এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ ১৯৯৩ সালের উৎপাদিত পণ্য বিক্রয়ের হিসাবে এটি সর্ববৃহৎ বিক্রেতা ছিল।
B) জেনারেল মটরস — এটি গাড়ি প্রস্তুতকারক শীর্ষ প্রতিষ্ঠান হলেও ১৯৯৩ সালের এই নির্দিষ্ট বিক্রয় তালিকায় শীর্ষস্থান অধিকার করেনি।
C) রয়াল ডাচ/শেল — এটি জ্বালানি ও তেল খাতের শীর্ষ প্রতিষ্ঠান হলেও আলোচ্য বছরে উৎপাদিত পণ্য বিক্রয়ে আইবিএমের পেছনে ছিল।
D) ইক্সন — এটি একটি বড় তেল কোম্পানি হলেও ১৯৯৩ সালের উৎপাদিত পণ্য বিক্রয় তালিকায় সর্ববৃহৎ বিক্রেতার স্থান অর্জন করতে পারেনি।
মনে রাখার টিপস:
১৯৯৩ সালের বিক্রির বাজারে কম্পিউটার কোম্পানি আইবিএম ছিল সবার সেরা।
সঠিক উত্তর: C) অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে
কেন সঠিক:
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং জনমিতিক প্রতিবেদনে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড অঞ্চলের মানুষের গড় আয়ু বিশ্ব গড়ের তুলনায় সর্বোচ্চ।
- উন্নত স্বাস্থ্যসেবা, জীবনযাত্রার উচ্চ মান এবং নিরাপদ পরিবেশের কারণে এই অঞ্চলের জীবন প্রত্যাশা সবচেয়ে বেশি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইউরােপে — এখানে জীবন প্রত্যাশা অনেক বেশি হলেও অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের তুলনায় সামান্য কম।
B) উত্তর আমেরিকায় — উন্নত অঞ্চল হওয়া সত্ত্বেও স্বাস্থ্যসেবার ব্যয় ও জীবনযাপনের কিছু নেতিবাচক প্রভাবের কারণে এটি শীর্ষস্থানে নেই।
D) মধ্য এশিয়ায় — অর্থনৈতিক অবস্থা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান তুলনামূলক কম হওয়ায় এখানে জীবন প্রত্যাশা কম।
মনে রাখার টিপস:
ওশেনিয়া অঞ্চলের অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড স্বাস্থ্য ও জীবনযাত্রায় এগিয়ে থাকায় জীবন প্রত্যাক্ষায় সবার শীর্ষে।
সঠিক উত্তর: B) পাকিস্তানে
কেন সঠিক:
- ১৯৮৮ সালের অর্থনৈতিক সমীক্ষা ও পরিসংখ্যান অনুযায়ী দক্ষিণ এশিয়ার এই দেশটিতে জনপ্রতি বিদ্যুৎ ব্যবহারের পরিমাণ অন্য দেশগুলোর তুলনায় বেশি ছিল।
- শিল্পায়ন ও তুলনামূলক উন্নত জীবনযাত্রার কারণে সে সময়ে এই অঞ্চলে তাদের মাথাপিছু বিদ্যুৎ খরচ কিছুটা বেশি রেকর্ড করা হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভারতে — সে সময়ে জনসংখ্যার তুলনায় সামগ্রিক উৎপাদন বেশি হলেও মাথাপিছু খরচের সূচকে নির্দিষ্ট এই সমীক্ষায় এটি শীর্ষে ছিল না।
B) পাকিস্তানে — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং তৎকালীন সমীক্ষা অনুযায়ী জনপ্রতি বিদ্যুৎ খরচে এটি শীর্ষে অবস্থান করেছিল।
C) শ্রীলঙ্কায় — দ্বীপরাষ্ট্র হিসেবে অর্থনীতি ও বিদ্যুৎ ব্যবহারের ধরন ভিন্ন হওয়ায় এই সমীক্ষায় তারা শীর্ষে ছিল না।
D) বাংলাদেশে — সে সময়ে শিল্পায়ন ও বিদ্যুতের প্রাপ্যতা কম থাকায় মাথাপিছু বিদ্যুৎ খরচের পরিমাণ অনেক কম ছিল।
মনে রাখার টিপস:
আটচল্লিশের দশকে অর্থাৎ ১৯৮৮ সালের সমীক্ষায় বিদ্যুতের বিদুৎ খরচে পাকিস্তান ছিল সবার উপরে।
সঠিক উত্তর: D) ভারত
কেন সঠিক:
- ১৯৯০ সালের মার্কিন জনশুমারির তথ্য অনুযায়ী সে দেশে বসবাসকারী এশীয় অভিবাসীদের মধ্যে ভারতীয় বংশোদ্ভূতদের সংখ্যা ছিল সবচেয়ে বেশি।
- সে সময়ে দক্ষিণ এশিয়া থেকে যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসনের হার দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় ভারতীয় অভিবাসীরা সংখ্যায় শীর্ষস্থান অর্জন করেছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফিলিপাইন — এই দেশ থেকে বিপুল সংখ্যক মানুষ যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করলেও ১৯৯০ সালের সমীক্ষায় তারা ভারতের চেয়ে সংখ্যায় কম ছিল।
B) জাপান — জাপানি অভিবাসীরা মার্কিন সমাজে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করলেও ১৯৯০ সালের সমীক্ষায় তাদের মোট সংখ্যা ভারতের তুলনায় কম ছিল।
C) চীন — চীন থেকে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মানুষ যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করলেও ১৯৯০ সালের নির্দিষ্ট সমীক্ষায় তারা ভারতের পেছনে ছিল।
D) ভারত — এই অপশনটি সঠিক এবং এটিই প্রশ্ন অনুযায়ী ১৯৯০ সালের সমীক্ষায় যুক্তরাষ্ট্রে সর্বাধিক প্রবাসী জনগোষ্ঠী হিসেবে চিহ্নিত হয়েছিল।
মনে রাখার টিপস:
যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসনের ইতিহাসে দক্ষিণ এশিয়ার আধিপত্য মনে রাখতে নব্বইয়ের দশকে শীর্ষস্থানে থাকা ভারত দেশটির নাম স্মরণ রাখুন।
সঠিক উত্তর: D) থাইল্যান্ড
কেন সঠিক:
- আশির দশকের শেষভাগে থাইল্যান্ড আন্তর্জাতিক বাজারে চাল রপ্তানিতে শীর্ষস্থান অর্জন করেছিল।
- সে সময় বিশ্ববাজারে চাল সরবরাহে থাইল্যান্ডের উৎপাদন ও বাণিজ্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চীন — চীন বিশ্বের অন্যতম প্রধান চাল উৎপাদনকারী দেশ হলেও এই নির্দিষ্ট সময়ে তারা শীর্ষ রপ্তানিকারক ছিল না।
B) যুক্তরাষ্ট্র — যুক্তরাষ্ট্র প্রচুর চাল উৎপাদন ও রপ্তানি করলেও তারা কখনোই এই নির্দিষ্ট বছরের শীর্ষ রপ্তানিকারক ছিল না।
C) পাকিস্তান — পাকিস্তান বাসমতি চাল রপ্তানি করলেও বিশ্ববাজারে সার্বিক চাল রপ্তানিতে তারা থাইল্যান্ডের পেছনে ছিল।
D) থাইল্যান্ড — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
আশির দশকের শেষভাগে চাল রপ্তানির বাজারে থাইল্যান্ড ছিল সবার সেরা।
সঠিক উত্তর: A) জুন ১৯৮৯- তিয়াআনমেন স্কয়ারে সংঘটিত ট্রাজেটি
কেন সঠিক:
- এশিয়া ওয়াচ মানবাধিকার সংস্থা ১৯৮৯ সালের তিয়াআনমেন স্কয়ার হত্যাকাণ্ডের পর চীনের ওপর মার্কিন বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা বা Special 301 প্রয়োগের জোরালো দাবি তোলে।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য আইনের এই ধারাটি মূলত মেধাভিত্তিক অধিকার রক্ষা এবং মানবাধিকার পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে কোনো দেশের বিরুদ্ধে শুল্ক আরোপের ক্ষেত্রে বিবেচনা করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জুন ১৯৮৯- তিয়াআনমেন স্কয়ারে সংঘটিত ট্রাজেটি — এটি সঠিক কারণ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলোর চাপে যুক্তরাষ্ট্র এই ঘটনার পর বাণিজ্য নীতি পর্যালোচনার উদ্যোগ নেয়।
B) জেলখানার কয়েদিদের শ্রমে উৎপাদিত দ্রব্য রপ্তানি — এটি অন্য একটি অর্থনৈতিক বাণিজ্য বিতর্ক হলেও এশিয়া ওয়াচের স্পেশাল ৩০১ সংক্রান্ত মূল প্রমাণের সাথে সরাসরি মেলে না।
সি) পাকিস্তানের কাছে মিসাইল বিক্রি — এটি যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যকার পারমাণবিকproliferation সম্পর্কিত কৌশলগত ও সামরিক সমস্যা, যা বাণিজ্য আইনের আওতাভুক্ত নয়।
ডি) আলজেরিয়ার কাছে পারমাণবিক যুদ্ধাস্ত্রের তথ্য বিক্রি — এটি আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও অস্ত্র বিস্তার রোধ সংক্রান্ত কূটনৈতিক বিরোধ, যা তিয়াআনমেন স্কয়ার ট্রাজেটির মতো বাণিজ্য নীতির সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য আইনের স্পেশাল ৩০১ ধারার সাথে ১৯৮৯ সালের তিয়াআনমেন স্কয়ার হত্যাকাণ্ডের মানবাধিকার ইস্যুটি জোরালোভাবে জড়িত।
সঠিক উত্তর: A) APEC
কেন সঠিক:
- এশিয়ার অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদার করতে এশিয়া প্যাসিফিক ইকোনমিক কোঅপারেশন বা এপেকের ভূমিকা সবচেয়ে কার্যকর।
- জাতিসংঘের আঞ্চলিক সংস্থা ইস্ক্যাপ এই জোটটিকে অঞ্চলের উন্নয়নে সর্বাধিক উপযোগী বলে বিবেচনা করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) APEC — এটি এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের অর্থনৈতিক জোট এবং ইস্ক্যাপ কর্তৃক সবচেয়ে উপযোগী বিবেচিত।
B) OREC — এটি এই প্রশ্নের সঠিক অর্থনৈতিক জোট বা উপযুক্ত কোনো স্বীকৃত অপশন নয়।
C) EABG — এটি পূর্ব এশীয় ব্যবসায়িক গোষ্ঠী হলেও ইস্ক্যাপের মূল বিবেচনায় এটি শীর্ষস্থান পায়নি।
D) BCO — এটি এশিয়ার অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য ইস্ক্যাপের মূল বিবেচিত জোট নয়।
মনে রাখার টিপস:
ইস্ক্যাপের সবচেয়ে প্রিয় জোট এশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য এপেকের সমকক্ষ নেই।
সঠিক উত্তর: B) প্রায় ৮০ শতাংশ
কেন সঠিক:
- GATT বা বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা বিশ্ব বাণিজ্যের বিশাল একটি অংশের নীতি ও নিয়ম সমন্বয় করে থাকে।
- বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী বর্তমান আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের প্রায় ৮০ শতাংশ এই কাঠামোর আওতাভুক্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রায় ৭৫ শতাংশ — এই পরিমাণটি সঠিক নয় কারণ বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার বর্তমান বাণিজ্যের আওতা এর চেয়ে বেশি।
B) প্রায় ৮০ শতাংশ — এটি বিশ্ব বাণিজ্যের সমন্বিত অংশের সঠিক পরিসংখ্যান যা প্রশ্ন ও সংস্থার তথ্যের সঙ্গে মেলে।
C) প্রায় ৮৫ শতাংশ — এই হিসাবটি বর্তমান বৈশ্বিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত এবং সঠিক নয়।
D) প্রায় ৯০ শতাংশ — এই অনুপাতটি বাস্তব আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের সার্বিক পরিসংখ্যানের তুলনায় বেশি।
মনে রাখার টিপস:
জিএটিটি এবং বিশ্ব বাণিজ্যের ৮০ শতাংশ অংশ মনে রাখতে বাণিজ্যের গোল টেবিলে আশি শতাংশ চেয়ার হিসাব করতে পারো।
সঠিক উত্তর: C) এনএলডি
কেন সঠিক:
- মায়ানমারে ১৯৯০ সালের নির্বাচনে অং সান সুচির নেতৃত্বে এনএলডি দল নিরঙ্কুশ বিজয় লাভ করে।
- কিন্তু সামরিক জান্তা নির্বাচনের ফলাফল মেনে নেয়নি এবং ক্ষমতা হস্তান্তর করেনি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) এনডিওএল — এটি মায়ানমারের রাজনীতিতে প্রশ্নোক্ত ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো প্রধান রাজনৈতিক দল নয়।
B) এলএনডি — এটি সঠিক দলের নামের ভুল সংক্ষিপ্ত রূপ বা বিপরীত বিন্যাস।
সি) এনএলডি — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে এটি প্রযোজ্য নয়।
D) বিএসপিপি — এটি মায়ানমারের সমাজতান্ত্রিক দল যা অতীতের সামরিক শাসনের সময় ক্ষমতায় ছিল, ১৯৯০ সালের নির্বাচনে বিজয়ী নয়।
মনে রাখার টিপস:
মায়ানমারের গণতন্ত্রপন্থী নেত্রী অং সান সুচির দলের নাম এনএলডি, যা ১৯৯০ সালে জিতেছিল কিন্তু ক্ষমতা পায়নি।
সঠিক উত্তর: A) টোকিওতে
কেন সঠিক:
- ১৯৯১ সালের বিজনেস ইন্টারন্যাশনাল প্রকাশিত সমীক্ষা অনুযায়ী জাপানের রাজধানী টোকিওতে জীবনযাত্রার ব্যয়ভার বিশ্বজুড়ে সবচেয়ে বেশি ছিল।
- অত্যন্ত উচ্চ আবাসন খরচ এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের চড়া মূল্যের কারণে টোকিও এই শীর্ষস্থান অর্জন করেছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) টোকিওতে — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এই শহরে জীবনযাত্রার ব্যয় সবচেয়ে বেশি ছিল।
B) নিউইয়র্কেও — জীবনযাত্রার ব্যয় বেশি হলেও এই নির্দিষ্ট সমীক্ষায় এটি শীর্ষে ছিল না।
C) তেহরানে — মধ্যপ্রাচ্যের এই শহরে জীবনযাত্রার ব্যয় টোকিওর তুলনায় অনেক কম ছিল।
D) আবিদজানে — আফ্রিকার এই শহরে অর্থনৈতিক সূচক ভিন্ন হওয়ায় ব্যয়ভার সর্বোচ্চ ছিল না।
মনে রাখার টিপস:
১৯৯১ সালে বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল শহর ছিল জাপানের টোকিও।
সঠিক উত্তর: D) ভিয়েনা
কেন সঠিক:
- ইউনিডো (UNIDO) হলো জাতিসংঘের শিল্প উন্নয়ন সংস্থা, যার সদর দপ্তর অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় অবস্থিত।
- আন্তর্জাতিক এই সংস্থাটি শিল্প উন্নয়নের মাধ্যমে বৈশ্বিক দারিদ্র্য বিমোচন ও টেকসই উন্নয়নে কাজ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) টোকিওতে — এটি জাপানের রাজধানী এবং এখানে জাতিসংঘের কোনো প্রধান কার্যালয় নেই।
B) প্যারিস — এটি ফ্রান্সের রাজধানী এবং ইউনেস্কো (UNESCO) ও ওইসিডির (OECD) প্রধান কার্যালয় এখানে অবস্থিত।
C) নিউইয়র্ক — এটি যুক্তরাষ্ট্রের শহর এবং এখানে জাতিসংঘ সদর দপ্তর ও ইউনিসেফের কার্যালয় রয়েছে।
D) ভিয়েনা — এটি সঠিক উত্তর কারণ ইউনিডো সংস্থার প্রধান কার্যালয় এখানেই প্রতিষ্ঠিত।
মনে রাখার টিপস:
শিল্পে ভিয়েনায় যাবো, মনে রাখবেন 'ইউ' দিয়ে শুরু হওয়া শিল্প সংস্থা ইউনিডোর সদর দপ্তর ভিয়েনায়।
সঠিক উত্তর: D) ভ্যালেটা
কেন সঠিক:
- আন্তর্জাতিক এই বার্ধক্য গবেষণা প্রতিষ্ঠানটি ১৯৮৮ সালে মাল্টার রাজধানী ভ্যালেটাতে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বয়স্ক জনগোষ্ঠীর কল্যাণে গবেষণা ও নীতি নির্ধারণের জন্য জাতিসংঘ ও মাল্টা সরকারের উদ্যোগে এটি গঠিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জেনেভা — এটি সুইজারল্যান্ডের একটি শহর এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সদর দপ্তর, তবে এই ইনস্টিটিউট এখানে প্রতিষ্ঠিত হয়নি।
B) রােম — এটি ইতালির রাজধানী এবং জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার সদর দপ্তর, কিন্তু এই গবেষণাকেন্দ্র এখানে অবস্থিত নয়।
C) প্যারিস — এটি ফ্রান্সের রাজধানী এবং ইউনেস্কোর প্রধান কার্যালয়, যা এই প্রশ্নের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) ভ্যালেটা — এটি মাল্টার রাজধানী এবং International Institute on Aging এখানেই অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
বার্ধক্য বা Aging সংক্রান্ত বিশ্বমানের গবেষণা প্রতিষ্ঠানটি মাল্টার রাজধানী ভ্যালেটাতে অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: A) ১৯৬৬ সাল থেকে
কেন সঠিক:
- এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক বা এডিবি ১৯৬৬ সালের ১৯ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে।
- এই আর্থিক প্রতিষ্ঠানটির সদর দপ্তর ফিলিপিন্সের ম্যানিলায় অবস্থিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৬৬ সাল থেকে — এটি সঠিক কারণ এই বছর থেকেই ব্যাংকটি তার আর্থিক লেনদেন ও কার্যক্রম শুরু করেছিল।
B) ১৯৬৭ সাল থেকে — এই সালে ব্যাংকটি প্রতিষ্ঠিত বা লেনদেন শুরু করেনি, তাই এটি ভুল।
C) ১৯৬৮ সাল থেকে — এই সালটি এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরুর সাল নয়।
D) ১৯৮৯ সাল থেকে — এটি অনেক পরের একটি বছর, যা এই ব্যাংকের সূচনার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক বা এডিবি প্রতিষ্ঠিত ও লেনদেন শুরু করে ১৯৬৬ সালে।
বিষয়ের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: A) নিউইয়র্ক
কেন সঠিক:
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ১৯৮৮ সালে পিএলও এর প্রস্তাবের ভিত্তিতে আন্তর্জাতিক শান্তি সম্মেলন অনুষ্ঠানের জন্য নিউইয়র্কে অবস্থিত জাতিসংঘের সদর দপ্তরে রেজুলেশন গ্রহণ করেছিল।
- এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে ফিলিস্তিন সমস্যা সমাধানের জন্য আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক প্রচেষ্টাকে জাতিসংঘের মূল কার্যালয় থেকে আনুষ্ঠানিক রূপ দেওয়া হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নিউইয়র্ক — এটি সঠিক উত্তর কারণ জাতিসংঘের সদর দপ্তর এখানেই অবস্থিত এবং এখানেই ১৯৮৮ সালে রেজুলেশনটি গৃহীত হয়েছিল।
B) প্যারিস — এটি ফ্রান্সের রাজধানী এবং ইউনেস্কোর সদর দপ্তর হলেও ১৯৮৮ সালের উক্ত শান্তি সম্মেলনের রেজুলেশন এখানে গৃহীত হয়নি।
C) জেনেভা — এটি সুইজারল্যান্ডের শহর এবং জাতিসংঘের অন্যতম প্রধান কার্যালয় হলেও এই নির্দিষ্ট রেজুলেশনটি এখানে পাস হয়নি।
D) ভিয়েনা — এটি অস্ট্রিয়ার রাজধানী এবং পারমাণবিক শক্তি কমিশনসহ বিভিন্ন সংস্থার কেন্দ্র হলেও এই ঐতিহাসিক প্রস্তাবের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
জাতিসংঘের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ও রেজুলেশন সাধারণত আমেরিকার নিউইয়র্কস্থ প্রধান সদর দপ্তরেই গৃহীত হয়।
সঠিক উত্তর: D) ভেনিজুয়েলা
কেন সঠিক:
- ১৯৬০ সালের সেপ্টেম্বর মাসে বাগদাদ সম্মেলনে ভেনিজুয়েলার তৎকালীন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী হুয়ান পাবলো পেরেজ আলফনসো ওপেক প্রতিষ্ঠার প্রধান উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন।
- মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর পাশাপাশি তেল উৎপাদনকারী অন্যান্য দেশের মধ্যে সমন্বয় ও তেলের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে ভেনিজুয়েলা অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কুয়েত — কুয়েত ওপেক সংস্থার অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হলেও এই সংঘ প্রতিষ্ঠার মূল উদ্যোগটি তাদের ছিল না।
B) নাইজেরিয়া — নাইজেরিয়া অনেক পরে ১৯৭১ সালে ওপেকের সদস্যপদ লাভ করে, তাই এটি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়ার প্রশ্নই আসে না।
সি) সৌদি আরব — সৌদি আরব প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং ওপেকের প্রভাবশালী দেশ হলেও প্রথম উদ্যোগটি ভেনিজুয়েলার মাধ্যমে শুরু হয়েছিল।
D) ভেনিজুয়েলা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দেশ ও এর প্রতিনিধি প্রথম ওপেক গঠনের প্রস্তাব ও উদ্যোগ নিয়েছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
ওপেক প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছিলেন ভেনিজুয়েলার মন্ত্রী পেরেজ আলফনসো, যা মনে রাখতে ভেনিজুয়েলার নাম সবার আগে আসে।
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ও পরিবেশ
সঠিক উত্তর: C) রাশিয়ার আশখাবাদে
কেন সঠিক:
- প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ সংস্থার (IUCN) প্রথম অধিবেশন ১৯৪৮ সালের ৫ অক্টোবর ফ্রান্সের ফন্টেইনব্লেতে অনুষ্ঠিত হয়েছিল, যা প্রশ্নটির প্রদত্ত উত্তর সি (রাশিয়ার আশখাবাদে) কে ভুল প্রমাণ করে।
- প্রদত্ত উত্তর সি সঠিক নয়, কারণ বিশ্ব প্রকৃতি সংরক্ষণ বা পরিবেশ বিষয়ক আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রথম অধিবেশন রাশিয়াতে বসেনি, বরং আন্তর্জাতিক প্রকৃতি সংরক্ষণ ইউনিয়নের প্রথম সভা ফ্রান্সেই অনুষ্ঠিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জাপানের নাগাসাকিতে — এই শহরটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরমাণু বোমা হামলার জন্য বিখ্যাত, প্রকৃতি সংরক্ষণ সংস্থার প্রথম অধিবেশনের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
B) অস্ট্রেলিয়ার ক্যানবেরায় — এটি অস্ট্রেলিয়ার রাজধানী হলেও প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ সংস্থার প্রথম অধিবেশন এখানে অনুষ্ঠিত হয়নি।
C) রাশিয়ার আশখাবাদে — এটি এই প্রশ্নের প্রদত্ত উত্তর হলেও ঐতিহাসিক তথ্য অনুযায়ী প্রকৃতি সংরক্ষণ সংস্থার প্রথম অধিবেশনের স্থান হিসেবে এটি সঠিক নয়।
D) কানাডার ভেঙ্কুবারে — এটি কানাডার একটি প্রধান বন্দরনগরী, তবে আন্তর্জাতিক প্রকৃতি সংরক্ষণ সংস্থার প্রথম অধিবেশন এই শহরে বসেনি।
মনে রাখার টিপস:
প্রকৃতি সংরক্ষণের প্রথম সভা বসেছিল ফ্রান্সে, রাশিয়াতে নয়।
সঠিক উত্তর: A) UNDP
কেন সঠিক:
- UNDP হলো জাতিসংঘের উন্নয়ন সহায়তা ও কারিগরি কার্যক্রমের প্রধান সমন্বয়কারী সংস্থা।
- এটি সদস্য দেশগুলোতে বিভিন্ন তহবিলের কার্যক্রম একত্রিত করে টেকসই উন্নয়নে সহায়তা করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) UNDP — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) DTCD — এটি জাতিসংঘের একটি সাবেক বিভাগ যা কারিগরি সহায়তা প্রদান করত কিন্তু সমন্বয়ের মূল দায়িত্বে ছিল না।
C) UNEPA — এটি কোনো স্বীকৃত প্রধান জাতিসংঘ সংস্থা নয়, মূলত UNFPA-র সঙ্গে বিভ্রান্তি তৈরি করতে এটি অপশনে থাকে।
D) UNFP — এটি জাতিসংঘের জনসংখ্যা তহবিলের সঠিক সংক্ষিপ্ত রূপ নয়, সঠিক রূপটি হলো UNFPA।
মনে রাখার টিপস:
জাতিসংঘের সব উন্নয়ন ও কারিগরি কাজের মূল সমন্বয়ক বা প্রধান নেতা হলো UNDP।
সঠিক উত্তর: C) মাইকেল স্টিচ
কেন সঠিক:
- ১৯৯১ সালের উইম্বলডন টেনিস প্রতিযোগিতার পুরুষ একক ফাইনালে জার্মানির মাইকেল স্টিচ স্বদেশী বরিস বেকারকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হন।
- এটি ছিল তার ক্যারিয়ারের প্রথম এবং একমাত্র উইম্বলডন একক শিরোপা জয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মাইকেল চ্যাং — তিনি মূলত ফ্রেঞ্চ ওপেন টেনিস জয়ের জন্য পরিচিত এবং ১৯৯১ সালের উইম্বলডন জয় করেননি।
B) জিন ফিলিপস — তিনি টেনিস ইতিহাসের উইম্বলডন একক শিরোপা বিজয়ী কোনো বিখ্যাত খেলোয়াড় নন।
C) মাইকেল স্টিচ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য।
D) পিট সাস — তিনি উইম্বলডনে অনেকবার চ্যাম্পিয়ন হলেও ১৯৯১ সালের ফাইনালে মাইকেল স্টিচের কাছে এই আসরের শিরোপা হাতছাড়া হয়।
মনে রাখার টিপস:
১৯৯১ সালের উইম্বলডন ফাইনালে জার্মানির দুই খেলোয়াড়ের লড়াইয়ে বরিস বেকারকে হারিয়ে মাইকেল স্টিচ শিরোপা জিতেছিলেন।
সঠিক উত্তর: D) দক্ষিণ কোরিয়া
কেন সঠিক:
- দক্ষিণ কোরিয়া পূর্ব এশিয়ার একটি দেশ এবং এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক সংস্থা আসিয়ান (ASEAN)-এর সদস্য নয়।
- আসিয়ান জোটের সদস্য দেশ সংখ্যা ১০টি এবং এর সদর দপ্তর ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তায় অবস্থিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সিঙ্গাপুর — এটি আসিয়ান জোটের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা এবং বর্তমান সদস্য রাষ্ট্র।
B) মালয়েশিয়া — এটি আসিয়ান জোটের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য রাষ্ট্রগুলোর একটি।
C) থাইল্যান্ড — এটি আসিয়ান জোটের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে যুক্ত রয়েছে।
D) দক্ষিণ কোরিয়া — এটি আসিয়ান জোটভুক্ত দেশ নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
আসিয়ান জোটটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর জন্য গঠিত, তাই পূর্ব এশিয়ার দেশ দক্ষিণ কোরিয়া এর সদস্য নয়।
সঠিক উত্তর: A) ১৪ই ডিসেম্বর
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের এই দিনে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসর আলবদর বাহিনী দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের বুদ্ধিজীবীদের পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে।
- জাতির মেধাশূন্য করার এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের স্মরণে প্রতি বছর ১৪ই ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালন করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৪ই ডিসেম্বর — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দিনে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালন করা হয়।
B) ১২ই ডিসেম্বর — এটি ভুল কারণ এই তারিখে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালন করা হয় না।
C) ১৩ই ডিসেম্বর — এটি ভুল কারণ এই তারিখেও শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত হয় না।
D) ১৫ই ডিসেম্বর — এটি ভুল কারণ বিজয় দিবসের আগের দিন এটি, বুদ্ধিজীবী দিবস নয়।
মনে রাখার টিপস:
১৬ ডিসেম্বর বিজয় অর্জনের ঠিক দুই দিন আগে (১৪ ডিসেম্বর) বাঙালি বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করা হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: D) খাজা নাজিমুদ্দীন
কেন সঠিক:
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ভাষা আন্দোলনের সময় খাজা নাজিমুদ্দীন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন এবং তিনি উর্দুকে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা করার ঘোষণা দিয়ে আন্দোলন উসকে দিয়েছিলেন।
- লিয়াকত আলী খানের মৃত্যুর পর ১৯৫১ সালের অক্টোবর থেকে ১৯৫৩ সালের এপ্রিল পর্যন্ত তিনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নুরুল আমীন — তিনি ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন পূর্ববঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন, প্রধানমন্ত্রী ছিলেন না।
B) লিয়াকত আলী খান — তিনি পাকিস্তানের প্রথম প্রধানমন্ত্রী ছিলেন এবং ১৯৫১ সালের ১৬ অক্টোবর রাওয়ালপিন্ডিতে নিহত হন।
C) মােহাম্মদ আলী — তিনি ১৯৫৩ সাল থেকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন, ২১ ফেব্রুয়ারির সময় তিনি এই পদে ছিলেন না।
D) খাজা নাজিমুদ্দীন — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি সঠিক।
মনে রাখার টিপস:
বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের সময় প্রধানমন্ত্রী ছিলেন নাজিমুদ্দীন আর পূর্ববঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন নুরুল আমীন।
সঠিক উত্তর: A) ১৯৫০ সালে
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি / ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ঘটনা
কেন সঠিক:
- পাকিস্তান সৃষ্টির পর পূর্ববঙ্গের কৃষকদের অধিকার রক্ষা ও জমিদারি প্রথা বিলোপের উদ্দেশ্যে এই আইন প্রণয়ন করা হয়।
- তৎকালীন পূর্ববঙ্গ আইন পরিষদে ১৯৫০ সালের ১৬ই ফেব্রুয়ারি এই আইন পাস হয় এবং তা জমিদারি প্রথার অবসান ঘটায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৫০ সালে — এই অপশনটি সঠিক কারণ এই সালেই ঐতিহাসিক পূর্ববঙ্গ জমিদারি দখল ও প্রজাস্বত্ব আইন পাস করা হয়েছিল।
B) ১৯৪৮ সালে — এই সালে আইনটি প্রণীত হয়নি, তবে এ সময়ে প্রজাস্বত্ব আইনের খসড়া তৈরির কাজ শুরু হয়েছিল।
C) ১৯৪৭ সালে — এই সালে পাকিস্তান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়, কিন্তু জমিদারি দখল ও প্রজাস্বত্ব আইন তখন প্রণীত হয়নি।
D) ১৯৫৪ সালে — এই সালে পূর্ব বাংলায় প্রথম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, যা জমিদারি আইন পাসের পরবর্তী ঘটনা।
মনে রাখার টিপস:
১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর ঠিক তিন বছর পর অর্থাৎ ১৯৫০ সালে পূর্ববঙ্গের প্রজারা জমিদারি প্রথার হাত থেকে মুক্তি পায়।
সঠিক উত্তর: D) চাপাইনবাবগঞ্জ
কেন সঠিক:
- চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলাকে বাংলাদেশের আমের রাজধানী বলা হয় এবং এখানে দেশের সবচেয়ে বেশি পরিমাণ আম উৎপাদিত হয়।
- ভৌগোলিক ও আবহাওয়াগত কারণে এই অঞ্চলের মাটিতে উচ্চমানের এবং সুস্বাদু আম প্রচুর পরিমাণে জন্মে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কুষ্টিয়া — এটি তিলখই, কুলের আচার এবং লালন সাঁইয়ের মাজারের জন্য বিখ্যাত, আমের জন্য প্রধান জেলা নয়।
B) বগুড়া — এটি দই, মহাস্থানগড় এবং বিখ্যাত মিষ্টির জন্য পরিচিত, আমের জন্য বিখ্যাত জেলা হিসেবে স্বীকৃত নয়।
C) কুমিল্লা — এটি রসমালাই এবং খাদিম নগরের খাদি কাপড়ের জন্য দেশজুড়ে পরিচিত, আমের উৎপাদনে এগিয়ে নেই।
D) চাপাইনবাবগঞ্জ — এটি বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ আম উৎপাদনকারী জেলা এবং এখানে অনেক জাতের আম পাওয়া যায়।
মনে রাখার টিপস:
আমের রাজধানী হিসেবে পরিচিত চাঁপাইনবাবগঞ্জ, তাই আম বললেই চাঁপাইনবাবগঞ্জ নামটি মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) ১৯৬৬ সালে
কেন সঠিক:
- ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯৬৬ সালের ৫ থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধী দলগুলোর এক সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসনের জন্য ঐতিহাসিক ছয়-দফা দাবি পেশ করেন।
- ঐতিহাসিক গুরুত্ব: বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ হিসেবে পরিচিত এই ছয়-দফাই পরবর্তীতে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ভিত্তি তৈরি করেছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৬৫ সালে — এই সালে পাক-ভারত যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল, যা ছয়-দফা পেশ করার সাল নয়।
B) ১৯৬৬ সালে — এটিই সঠিক উত্তর, কারণ এই সালেই আনুষ্ঠানিকভাবে ছয়-দফা পেশ করা হয়েছিল।
C) ১৯৬৭ সালে — এই সালে ছয়-দফা পেশ করা হয়নি, বরং ছয়-দফাভিত্তিক আন্দোলন সমগ্র পূর্ব বাংলায় তীব্র আকার ধারণ করেছিল।
D) ১৯৬৮ সালে — এই সালে ঐতিহাসিক আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করা হয়েছিল, যা ছয়-দফা পেশের পরের ঘটনা।
মনে রাখার টিপস:
ছয়-দফার দফা সংখ্যা ছয় এবং সালের শেষ অঙ্কও ছয়, অর্থাৎ ১৯৬৬ সাল।
সঠিক উত্তর: B) ১৯৫৩ সালে
কেন সঠিক:
- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৫৩ সালের ৩১শে মার্চ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পর বাংলাদেশের দ্বিতীয় প্রাচীনতম বিশ্ববিদ্যালয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৫২ সালে — এই সালে ভাষা আন্দোলন সংঘটিত হয়েছিল কিন্তু রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়নি।
B) ১৯৫৩ সালে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই বিশ্ববিদ্যালয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
C) ১৯৫৪ সালে — এই সালে পূর্ব বাংলায় যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সাল এটি নয়।
D) ১৯৫৫ সালে — এটি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পরের বছর, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রায় ৩২ বছর পর এবং বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের পরের বছর অর্থাৎ ১৯৫৩ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়।
সঠিক উত্তর: C) আলতাফ মাহমুদ
কেন সঠিক:
- অমর একুশের এই গানটির রচিয়তা আবদুল গাফফার চৌধুরী এবং প্রথম সুরকার ছিলেন আবদুল লতিফ, কিন্তু বর্তমানের জনপ্রিয় সুরটি শহীদ বুদ্ধিজীবী আলতাফ মাহমুদের করা।
- ১৯৬৯ সালে আলতাফ মাহমুদ এই গানে নতুন ও বর্তমান সুরটি সংযোজন করার পর থেকেই গানটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আবদুল লতিফ — তিনি এই গানের প্রথম সুরকার হলেও বর্তমান জনপ্রিয় সুরটি তাঁর করা নয়।
B) আবদুল আহাদ — তিনি একজন বিশিষ্ট সুরকার ও সঙ্গীতজ্ঞ হলেও এই গানটির সুরকার নন।
C) আলতাফ মাহমুদ — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তিনি এই গানের বর্তমান জনপ্রিয় সুরের স্রষ্টা।
D) মাহমুদুন্নবী — তিনি একজন প্রখ্যাত কণ্ঠশিল্পী হলেও এই গানটির সুরকার নন।
মনে রাখার টিপস:
কথা লিখেছেন গাফফার চৌধুরী, আর সুর দিয়েছেন আলতাফ মাহমুদ।
সঠিক উত্তর: C) মাইনুল হােসেন
কেন সঠিক:
- স্থপতি সৈয়দ মাইনুল হোসেন সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধের মূল নকশা প্রণয়ন করেন।
- ১৯৭৮ সালে তাঁর নকশা নির্বাচিত হওয়ার পর এর নির্মাণকাজ শুরু হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হামিদুর রহমান — তিনি শহীদ মিনারের মূল স্থপতি ছিলেন, জাতীয় স্মৃতিসৌধের নন।
B) তানভির কবির — তিনি এই স্মৃতিসৌধের স্থপতি নন, অন্য স্থাপত্যকর্মে যুক্ত ছিলেন।
C) মাইনুল হােসেন — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এটি সঠিক।
D) মাযহারুল ইসলাম — তিনি দেশের একজন প্রখ্যাত স্থপতি হলেও এই স্মৃতিসৌধের নকশা করেননি।
মনে রাখার টিপস:
জাতীয় স্মৃতিসৌধের স্থপতি মাইনুল হোসেন মনে রাখতে "স্মৃতিসৌধ ও মাইনুল" যুক্ত করে পড়তে পারেন।
সঠিক উত্তর: A) সাত
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে অসীম সাহসিকতা ও বীরত্ব প্রদর্শনের স্বীকৃতিস্বরূপ সাতজন বীরকে বীরশ্রেষ্ঠ পদক প্রদান করা হয়।
- এটি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব এবং মৃতোত্তর বা জীবিত অবস্থায় এই সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সাত — এই অপশনটি সঠিক কারণ মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বসূচক অবদানের জন্য ঠিক সাতজন বীরকে এই সর্বোচ্চ পদক দেওয়া হয়েছে।
B) আট — এই অপশনটি ভুল কারণ বাংলাদেশের খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে বীরশ্রেষ্ঠের সংখ্যা আটজন নয়।
C) ছয় — এই অপশনটি ভুল কারণ বীরশ্রেষ্ঠ খেতাবপ্রাপ্তদের সংখ্যা ছয়জন অপেক্ষা এক বেশি অর্থাৎ সাতজন।
D) পাঁচ — এই অপশনটি ভুল কারণ খেতাবপ্রাপ্ত বীরদের এই তালিকায় সঠিক সংখ্যা পাঁচ নয়, মোট সাতজন বীর এই পদক পেয়েছেন।
মনে রাখার টিপস:
মুক্তিযুদ্ধের সর্বোচ্চ সম্মান বীরশ্রেষ্ঠ সংখ্যায় মাত্র সাতজন, যা হাতের এক হাতের আঙুলের চেয়ে দুই বেশি।
সঠিক উত্তর: A) সিপাহী
কেন সঠিক:
- বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সিপাহী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
- মুক্তিযুদ্ধে অসীম সাহসিকতা প্রদর্শনের স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে দেশের সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ প্রদান করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সিপাহী — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ তিনি এই পদবিতে থেকে মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হন।
B) ল্যান্স নায়েক — এটি সিপাহী পদের চেয়ে উচ্চতর পদ, যা অন্য কোনো বীরশ্রেষ্ঠের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে।
C) লেফটেন্যান্ট — এটি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি কমিশনড অফিসার পদ, যা বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের পদের সঙ্গে মেলে না।
D) ক্যাপ্টেন — এটি কমিশনড অফিসারদের একটি উচ্চপদ, যা সিপাহী পদের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
কম বয়সে শহীদ হওয়া সবচেয়ে কনিষ্ঠ বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের পদবি ছিল সিপাহী।
সঠিক উত্তর: C) মহাস্থানগড়
কেন সঠিক:
- প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন নগর বর্তমান বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত ঐতিহাসিক মহাস্থানগড়ের প্রাচীন নাম।
- এটি বাংলার প্রাচীনতম নগরী এবং পুণ্ড্র রাজ্যের রাজধানী ছিল, যা করতোয়া নদীর তীরে গড়ে উঠেছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ময়নামতি — এটি কুমিল্লা জেলায় অবস্থিত প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শন এবং বৌদ্ধ বিহারের জন্য বিখ্যাত, পুণ্ড্রবর্ধন নগর নয়।
B) বিক্রমপুর — এটি মুন্সিগঞ্জ জেলায় অবস্থিত প্রাচীন সেন ও পাল রাজবংশের রাজধানী এবং ঐতিহাসিক এলাকা, পুণ্ড্রবর্ধন নয়।
C) মহাস্থানগড় — এটি সঠিক উত্তর এবং প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন নগরের মূল ভূখণ্ড।
D) পাহাড়পুর — এটি নওগাঁ জেলায় অবস্থিত সোমপুর মহাবিহারের জন্য বিখ্যাত একটি ঐতিহাসিক স্থান, পুণ্ড্রবর্ধন নগর নয়।
মনে রাখার টিপস:
পুণ্ড্রবর্ধন মানেই বগুড়ার প্রাচীন মহাস্থানগড়, যা করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: B) ২৭শে ফেব্রুয়ারি
কেন সঠিক:
- ১৯৯০ সালের গণঅভুত্থানের পর বাংলাদেশে সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- এই নির্বাচনে বিএনপি বিজয়ী হয়ে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে সরকার গঠন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৬ই ফেব্রুয়ারি — এই তারিখে বাংলাদেশের পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি।
B) ২৭শে ফেব্রুয়ারি — এটি ঐতিহাসিক সত্য ও সঠিক তারিখ হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
C) ২রা মার্চ — এই তারিখে পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি।
D) ৪ঠা মার্চ — এই তথ্যের সঙ্গে পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তারিখের কোনো মিল নেই।
মনে রাখার টিপস:
নব্বইয়ের গণঅভুত্থানের অব্যবহিত পরেই ১৯৯১ সালের ঠিক ২৭শে ফেব্রুয়ারি সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
সঠিক উত্তর: B) কৈলাশ
কেন সঠিক:
- ব্রহ্মপুত্র নদ তিব্বতের মানস সরোবরের নিকট হিমালয়ের কৈলাশ পর্বতের মানস সরোবরের উত্তর দিক থেকে উৎপন্ন হয়েছে।
- হিমালয় পর্বতমালার এই অংশ থেকে উৎপন্ন হয়ে নদটি তিব্বত, ভারত ও বাংলাদেশের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বরাইল — এটি ভারতের আসাম ও উত্তরপূর্ব অঞ্চলের একটি পাহাড়ি রেঞ্জ, যেখান থেকে ব্রহ্মপুত্র উৎপন্ন হয়নি।
B) কৈলাশ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ ব্রহ্মপুত্র নদ এই অঞ্চলের হিমালয় শৃঙ্গ থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে।
সি) কাঞ্চনজঙ্ — এটি হিমালয়ের একটি শৃঙ্গ হলেও এর অবস্থান সিকিম ও নেপাল সীমান্তে, যেখান থেকে ব্রহ্মপুত্র উৎপন্ন হয়নি।
D) কোনটি নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর কৈলাশ অপশনে বিদ্যমান, তাই এটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
ব্রহ্মপুত্রের উৎপত্তি কৈলাশ শিখরে, মনে রাখতে মাথায় রেখো কৈলাশের তীরে।
সঠিক উত্তর: C) কিওক্রাডং
কেন সঠিক:
- এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পাহাড় চূড়া হলেও দীর্ঘদিন ধরে এটিকে সর্বোচ্চ হিসেবে গণ্য করা হতো।
- বর্তমান তথ্য অনুযায়ী সর্বোচ্চ চূড়া তাজিংডং হলেও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কিওক্রাডং সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লুসাই — এটি একটি পর্বত শ্রেণি বা পাহাড় যা বাংলাদেশ ও ভারতের মিজোরাম সীমান্তে অবস্থিত।
B) গারো — এটি ময়মনসিংহ ও শেরপুর অঞ্চলে অবস্থিত একটি মাঝারি উচ্চতার পাহাড়।
C) কিওক্রাডং — এটি বান্দরবান জেলায় অবস্থিত এবং এটি বাংলাদেশের অন্যতম উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ।
D) জয়ন্তিয়া — এটি সিলেট অঞ্চলের একটি পাহাড়ি এলাকা যা প্রধানত ভারতের মেঘালয় রাজ্যের সীমান্তসংলগ্ন।
মনে রাখার টিপস:
বান্দরবানের বিখ্যাত উঁচু পাহাড় মনে রাখতে 'কিও' শব্দটিকে প্রধান উচ্চতা নির্দেশক হিসেবে ধরে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: B) বুড়িগঙ্গায়
কেন সঠিক:
- বাকল্যান্ড বাঁধ ঢাকা শহরের সুরক্ষার জন্য বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে নির্মিত একটি ঐতিহাসিক বাঁধ।
- ১৯ শতকে ঢাকা ম্যাজিস্ট্রেট চার্লস বাকল্যান্ড এর উদ্যোগে এই বাঁধ নির্মাণ করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শীতলক্ষ্যা — এটি নারায়ণগঞ্জ জেলার প্রধান নদী, যার তীরে বাকল্যান্ড বাঁধ অবস্থিত নয়।
B) বুড়িগঙ্গায় — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই নদীর তীরেই ঐতিহাসিক বাকল্যান্ড বাঁধটি নির্মিত হয়েছিল।
C) মেঘনা — এটি বাংলাদেশের একটি প্রধান নদী ও অববাহিকা, এর তীরে এই বাঁধটি অবস্থিত নয়।
D) তুরাগপাই — অপশনটি অস্পষ্ট ও ভুল, এবং এটি বুড়িগঙ্গা নদীর তীরবর্তী বাকল্যান্ড বাঁধের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
ঢাকার প্রাচীন বুড়িগঙ্গা নদী রক্ষা ও বাঁধ নির্মাণের জন্য চার্লস বাকল্যান্ডের নাম মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: A) প্রায় ১৭২৪
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য বুলেটিন এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মানদণ্ড অনুযায়ী দেশে নিবন্ধিত চিকিৎসক ও জনসংখ্যার অনুপাত এটি।
- এই অনুপাতটি মূলত প্রতিজন নিবন্ধিত চিকিৎসকের বিপরীতে সেবামূলক জনসংখ্যার গড় হিসাব প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রায় ১৭২৪ — এটি বর্তমান হালনাগাদ স্বাস্থ্য পরিসংখ্যান অনুযায়ী চিকিৎসকের সাথে জনসংখ্যার সঠিক অনুপাত নির্দেশ করে।
B) প্রায় ৪৫৭২ — এটি অতীতের কোনো পুরোনো বা ভিন্ন খাতের জনবলের অনুপাত, যা বর্তমান চিকিৎসকের জনসংখ্যার সাথে মিলে না।
C) প্রায় ৯৭৯১ — এই সংখ্যাটি বর্তমান চিকিৎসকের অনুপাতে অনেক বেশি এবং এটি কোনো নির্দিষ্ট স্বাস্থ্য সূচকের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
D) প্রায় ৮২১২ — এটি অতীতের কোনো নির্দিষ্ট বছরের পুরোনো পরিসংখ্যান নির্দেশ করে, যা বর্তমান চিকিৎসকের অনুপাতের সঠিক মান নয়।
মনে রাখার টিপস:
চিকিৎসক প্রতি জনসংখ্যার হিসাব মনে রাখতে ১৭ সংখ্যাটি মাথায় রাখুন, যা ১৭২৪ এর শুরুতেই রয়েছে।
সঠিক উত্তর: C) পাবনা ও নাটোর জেলায়
কেন সঠিক:
- চলনবিল প্রধানত পাবনা ও নাটোর জেলার বিভিন্ন অংশজুড়ে বিস্তৃত একটি বিশাল জলাভূমি।
- এই বিলের সর্বাধিক অংশ নাটোর জেলার সিংড়া এবং পাবনা জেলার চাটমোহর ও ভাঙ্গুড়া উপজেলায় অবস্থিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাজশাহী জেলায়। — এটি সঠিক নয় কারণ চলনবিল রাজশাহী জেলায় অবস্থিত নয়, এটি মূলত নাটোর ও পাবনা জেলাকে কেন্দ্র করে বিস্তৃত।
B) রাজশাহী ও নওগাঁ জেলায় — এটি সঠিক নয় কারণ নওগাঁ বা রাজশাহীতে চলনবিলের মূল অংশ নেই, যদিও এর সামান্য প্রান্তিক সংযোগ থাকতে পারে।
C) পাবনা ও নাটোর জেলায় — এটি সঠিক কারণ চলনবিলের অধিকাংশ এলাকা এই দুটি জেলার বিভিন্ন উপজেলাজুড়ে বিস্তৃত।
D) নাটোর ও নওগাঁ জেলায় — এটি সঠিক নয় কারণ চলনবিলের প্রধান অংশ নওগাঁ জেলায় নয়, বরং পাবনা জেলায় অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
চলনবিল মনে রাখতে 'পান্না' শব্দ ব্যবহার করতে পারো, যেখানে প তে পাবনা এবং না তে নাটোর বোঝায়।
সঠিক উত্তর: D) ১৬.৫ কিলােমিটার
কেন সঠিক:
- ফারাক্কা বাঁধটি ভারতের পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশে গঙ্গা নদীর ওপর নির্মিত, যা বাংলাদেশ সীমান্ত থেকে প্রায় ১৬.৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।
- আন্তর্জাতিক নদী গঙ্গার পানিবণ্টন ও বাংলাদেশের পরিবেশের ওপর এই বাঁধের নেতিবাচক প্রভাবের কারণে এটি ভৌগোলিক ও রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২৪.৭ কিলােমিটার — এই দূরত্বটি সঠিক নয়, এটি ফারাক্কা বাঁধ থেকে বাংলাদেশ সীমান্তের প্রকৃত দূরত্বকে নির্দেশ করে না।
B) ২১.০ কিলােমিটার — এই মাপটি ভুল এবং বাংলাদেশ ও ফারাক্কা বাঁধের মধ্যবর্তী দূরত্বের সঠিক মান নয়।
C) ১৯.৩ কিলােমিটার — এই দূরত্বটি ভুল তথ্য হিসেবে ধরা হয়েছে, কারণ প্রকৃত দূরত্ব এর চেয়ে কম।
D) ১৬.৫ কিলােমিটার — এটি বাংলাদেশ সীমান্ত থেকে ফারাক্কা বাঁধের সঠিক ও প্রামাণিক দূরত্ব।
মনে রাখার টিপস:
ফারাক্কা বাঁধ ও বাংলাদেশ সীমান্তের দূরত্ব মনে রাখতে ১৬.৫ সংখ্যাটি মনে রাখুন, যেখানে ১৬-এর সাথে দশমিক ৫ যোগ করে দূরত্ব হিসাব করা হয়।
সঠিক উত্তর: D) লালমনিরহাট
কেন সঠিক:
- দগ্রাম ছিটমহল লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলার অন্তর্গত একটি ঐতিহাসিক ছিটমহল।
- ২০১৫ সালের ১ আগস্ট বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার ছিটমহল বিনিময়ের মাধ্যমে এটি বাংলাদেশের ভৌগোলিক সীভুক্ত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কুড়িগ্রাম — এটি একটি সীমান্তবর্তী জেলা হলেও দগ্রাম ছিটমহল এখানে অবস্থিত নয়।
B) নীলফামারী — এই জেলায় অন্য ছিটমহল থাকলেও দগ্রাম অবস্থিত নয়।
C) ঠাকুরগাঁ — এটি উত্তরবঙ্গের একটি জেলা, যেখানে দগ্রাম ছিটমহলের কোনো অস্তিত্ব নেই।
D) লালমনিরহাট — এটি সঠিক অপশন এবং দগ্রাম ছিটমহল এখানেই অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
দগ্রাম ছিটমহলটি লালমনিরহাটের পাটগ্রাম থানায় অবস্থিত, যা ছিটমহল বিনিময়ের পর স্থায়ীভাবে বাংলাদেশের অংশ হয়।
সঠিক উত্তর: D) 10000
কেন সঠিক:
- সুন্দরবন বিশ্বের একক বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন এবং এর মোট আয়তন প্রায় ১০,০০০ বর্গকিলোমিটার।
- এর মধ্যে বাংলাদেশ অংশে প্রায় ৬,০১৭ বর্গকিলোমিটার এবং ভারত অংশে বাকি অংশ অবস্থিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 3800 — এই সংখ্যাটি সুন্দরবনের মোট আয়তনের সঙ্গে মেলে না এবং এটি ভুল তথ্য।
B) 4100 — এটি সুন্দরবনের সঠিক আয়তন নয়, বরং এটি একটি ভুল পরিমাপ।
C) 5575 — এই সংখ্যাটি সুন্দরবনের মোট আয়তন নির্দেশ করে না।
D) 10000 — এটি সুন্দরবনের আনুমানিক মোট আয়তনের সঠিক সংখ্যা।
মনে রাখার টিপস:
সুন্দরবনের মোট আয়তন ১০ হাজার বর্গকিলোমিটার মনে রাখুন, যার প্রায় ষাট শতাংশ বাংলাদেশে এবং বাকি চল্লিশ শতাংশ ভারতে অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: A) ২০৬
১. কেন সঠিক:
- একজন পূর্ণবয়স্ক সুস্থ মানুষের কঙ্কালতন্ত্রে মোট হাড়ের সংখ্যা ঠিক ২০৬ টি।
- শৈশবে বা জন্মলগ্নে মানুষের দেহে প্রায় ৩০০ বা তার বেশি হাড় থাকে, যা বয়স বাড়ার সাথে সাথে পরস্পরের সাথে জোড়া লেগে ২০৬ টিতে রূপ নেয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: মানবদেহের কঙ্কালতন্ত্র প্রধানত দুটি ভাগে বিভক্ত, অক্ষীয় কঙ্কাল এবং উপাঙ্গীয় কঙ্কাল।
- কার্যপ্রণালি: অক্ষীয় কঙ্কালের মধ্যে রয়েছে খুলনা, মেরুদণ্ড এবং বক্ষপিঞ্জর, আর উপাঙ্গীয় কঙ্কালে থাকে হাত ও পায়ের অস্থি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মাথার খুলি
ব্যাখ্যা: মাথার খুলিতে মোট ২৯ টি হাড় থাকে যা মস্তিষ্ককে সুরক্ষিত রাখে।
উদাহরণ ২: মেরুদণ্ড
ব্যাখ্যা: প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের মেরুদণ্ডে ২৬ টি কশেরুকা বা হাড় থাকে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২০৬ — এটি প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের দেহের মোট হাড়ের সঠিক সংখ্যা।
B) ৩০৬ — এটি মানবদেহের কোনো নির্দিষ্ট অস্থিসংখ্যা নয় এবং এটি ২০৬ এর চেয়ে অনেক বেশি।
C) ৪০৬ — এটি বৈজ্ঞানিকভাবে মানুষের স্বাভাবিক হাড়ের সংখ্যার সাথে মেলে না।
D) ৫১৬ — এই সংখ্যাটি মানবদেহের মোট হাড়ের সংখ্যার তুলনায় অতিরিক্ত ও অবাস্তব।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সংখ্যাটি মনে রাখার জন্য দুই এর সাথে শূন্য এবং ছয় বসিয়ে দুইশো ছয় মনে রাখতে পারেন।
- শিশুর জন্মের সময় হাড়ের সংখ্যা বেশি থাকে কিন্তু পূর্ণবয়স্ক হতে হতে তা কমে ২০৬ টি হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- মানবদেহের সবচেয়ে বড় হাড়ের নাম ফিমার এবং সবচেয়ে ছোট হাড়ের নাম স্টেপিস।
- এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় কঙ্কালতন্ত্র অধ্যায় থেকে প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: A) ব্রোমিন
১. কেন সঠিক:
- ব্রোমিন হলো একটি হ্যালোজেন এবং এটি একমাত্র অধাতু যা সাধারণ তাপমাত্রায় তরল অবস্থায় থাকে।
- অন্যান্য অধাতুগুলো সাধারণ তাপমাত্রায় কঠিন বা গ্যাসীয় অবস্থায় থাকলেও এর আন্তঃআণবিক আকর্ষণ বলের কারণে এটি তরল থাকে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: পর্যায় সারণির সপ্তদশ গ্রুপের মৌলগুলোকে হ্যালোজেন বলা হয় এবং এর মধ্যে ব্রোমিন কক্ষ তাপমাত্রায় তরল।
- রাসায়নিক সংকেত: ব্রোমিনের সংকেত হলো Br২ এবং এর পারমাণবিক সংখ্যা পונT পঁয়ত্রিশ।
- বাস্তব প্রয়োগ: এটি ঔষধি শিল্পে, রঙের উৎপাদনে এবং আলোকচিত্রের কাজে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: থার্মোমিটারের পারদ
ব্যাখ্যা: পারদ তরল হলেও এটি একটি ধাতু, যা অধাতু ব্রোমিনের সঙ্গে পার্থক্য বোঝাতে সাহায্য করে।
উদাহরণ ২: ঘরের তাপমাত্রায় পানির অবস্থা
ব্যাখ্যা: পানি সাধারণ তাপমাত্রায় তরল হলেও এটি একটি যৌগ, আর ব্রোমিন হলো একটি মৌলিক পদার্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ব্রোমিন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি একমাত্র মৌলিক অধাতু যা সাধারণ তাপমাত্রায় তরল অবস্থায় থাকে।
B) পারদ — এটি সাধারণ তাপমাত্রায় তরল থাকে ঠিকই, কিন্তু এটি কোনো অধাতু নয় বরং একটি ভারী ধাতু।
C) আয়োডিন — এটি একটি মৌলিক অধাতু হলেও সাধারণ তাপমাত্রায় এটি কঠিন অবস্থায় থাকে এবং সাবলিমেশন বা ঊর্ধ্বপাতন প্রদর্শন করে।
D) জেনন — এটি একটি নিষ্ক্রিয় গ্যাস এবং সাধারণ তাপমাত্রায় এটি সম্পূর্ণভাবে গ্যাসীয় অবস্থায় থাকে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- অধাতু তরল মানেই ব্রোমিন এবং ধাতু তরল মানেই পারদ এই দুটি পার্থক্য ভালোভাবে মনে রাখবে।
- হ্যালোজেন পরিবারের মধ্যে ক্লোরিন ও ফ্লোরিন গ্যাস, আয়োডিন কঠিন এবং ব্রোমিন কেবল তরল।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সাধারণ তাপমাত্রার তরল ধাতু ও অধাতু সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে।
- ব্রোমিনের বর্ণ গাঢ় লালচে-বাদামী এবং এর থেকে তীব্র ঝাঁঝালো গন্ধ বের হয়।
সঠিক উত্তর: D) কোবাল্ট
১. কেন সঠিক:
- কোবাল্ট একটি শক্তিশালী চৌম্বক পদার্থ। চুম্বক এই পদার্থগুলোকে খুব জোরালোভাবে আকর্ষণ করে।
- এই পদার্থগুলোর পরমাণুর ভেতরে ইলেকট্রনের স্পিন এমনভাবে বিন্যস্ত থাকে যা চুম্বকক্ষেত্র তৈরি করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: চৌম্বক পদার্থ হলো সেইসব পদার্থ যা চুম্বক দ্বারা জোরালোভাবে আকৃষ্ট হয় এবং যাদের স্থায়ী চুম্বকে পরিণত করা যায়।
- কার্যপ্রণালি: চৌম্বক পদার্থের অণুতে থাকা ডোমেনগুলো চুম্বকক্ষেত্রের প্রভাবে একই দিকে বিন্যস্ত হয়।
- বাস্তব প্রয়োগ: বৈদ্যুতিক মোটর, জেনারেটর এবং লাউডস্পিকার তৈরিতে চৌম্বক পদার্থ ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: লোহা, নিকেল ও কোবাল্ট
ব্যাখ্যা: এগুলো হলো প্রধান তিনটি প্রাকৃতিক চৌম্বক পদার্থ যা যেকোনো চুম্বকের সংস্পর্শে এলে সহজে চুম্বকে পরিণত হয়।
উদাহরণ ২: ক্রেডিট কার্ডের চুম্বকীয় খাদ
ব্যাখ্যা: ক্রেডিট কার্ডের পেছনে চৌম্বকীয় তথ্য সংরক্ষণের জন্য কোবাল্টের মতো চৌম্বক পদার্থ ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পারদ — পারদ একটি তরল ধাতু এবং এটি ডায়াচৌম্বক পদার্থ, যা চুম্বক দ্বারা সামান্য বিকর্ষিত হয়।
B) বিসমাথ — বিসমাথ একটি তীব্র ডায়াচৌম্বক পদার্থ, যা চুম্বককে আকর্ষণ না করে উল্টো বিকর্ষণ করে।
C) এন্টিমনি — এন্টিমনি একটি ধাতুকল্প এবং এটি ডায়াচৌম্বক প্রকৃতির, তাই এটি চৌম্বক পদার্থ নয়।
D) কোবাল্ট — এটি সঠিক উত্তর কারণ কোবাল্ট লোহা ও নিকেলের মতো একটি শক্তিশালী ফেরোম্যাগনেটিক পদার্থ।
৫. মনে রাখার টিপস:
- চৌম্বক পদার্থ মনে রাখার সহজ কৌশল হলো ফোলোনিক অর্থাৎ লোহা, নিকেল ও কোবাল্ট।
- এই তিনটি প্রধান পদার্থ ছাড়া বেশিরভাগ ধাতু বা অধাতু চৌম্বক পদার্থ হিসেবে কাজ করে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রকৃতিতে প্রধান চৌম্বক পদার্থ বা ফেরোম্যাগনেটিক পদার্থ প্রধানত তিনটি: লোহা, নিকেল ও কোবাল্ট।
- বিসিএস বা ব্যাংক পরীক্ষায় প্রায়ই নিচের কোনটি চৌম্বক বা অচৌম্বক পদার্থ এই ধরনের প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: D) বায়ুর চাপ কম
১. কেন সঠিক:
- উচ্চ পর্বতের চূড়ায় বায়ুমণ্ডলের চাপ সমুদ্রপৃষ্ঠের তুলনায় অনেক কম থাকে কারণ ওপরের বায়ুর স্তর পাতলা হয়ে যায়।
- মানবদেহের ভেতরে থাকা রক্তনালীর চাপ বাইরের কম বায়ুমণ্ডলীয় চাপের সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় রাখতে না পারায় নাক দিয়ে রক্তপাত ঘটে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: বায়ুমণ্ডলীয় চাপ হলো পৃথিবীর অভিকর্ষ টানের কারণে বায়ুর ওজনের ফল এবং এটি উচ্চতা বৃদ্ধির সঙ্গে কমতে থাকে।
- কার্যপ্রণালি: উচ্চ পর্বতে উঠলে বাইরের বায়ুর চাপ কমে যায় কিন্তু শরীরের ভেতরের রক্তচাপ অপরিবর্তিত থাকে, ফলে নাকের ভেতরের সূক্ষ্ম ও দুর্বল রক্তনালীগুলো ফেটে যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: এরোপ্লেনের কেবিনে কৃত্রিম চাপ নিয়ন্ত্রণ করা না হলে যাত্রীদের একই সমস্যা হতে পারে।
ব্যাখ্যা: উচ্চ আকাশে বিমানের বাইরে বায়ুর চাপ অত্যন্ত কম থাকে বলে কেবিনের ভেতরে বিশেষ ব্যবস্থায় চাপ ঠিক রাখা হয়।
উদাহরণ ২: মাউন্ট এভারেস্টের মতো উচ্চ শৃঙ্গে অক্সিজেন মাস্কের পাশাপাশি কম চাপের কারণে পর্বতারোহীদের নানা শারীরিক জটিলতা দেখা দেয়।
ব্যাখ্যা: অতিরিক্ত উচ্চতায় বায়ুর চাপ ও অক্সিজেন দুই-ই কমে যাওয়ায় মানবদেহের স্বাভাবিক রক্তচাপ রক্ষা করা কঠিন হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অক্সিজেন কম — উচ্চতায় অক্সিজেন কম থাকে সত্য, তবে এটি সরাসরি নাক দিয়ে রক্তপাতের মূল কারণ নয় বরং শ্বাসকষ্টের জন্য দায়ী।
B) ঠাণ্ডা বেশি — পর্বতের চূড়ায় ঠাণ্ডা বেশি থাকলেও এটি রক্তনালীকে সংকুচিত করে, রক্তপাতের মূল কারণ বায়ুর চাপ হ্রাস পাওয়া।
C) বায়ুর চাপ বেশি — এই তথ্যটি ভুল কারণ উচ্চতা বাড়লে বায়ুর চাপ সবসময় কমে যায়, বাড়ে না।
D) বায়ুর চাপ কম — এই অপশনটি সঠিক কারণ কম চাপের জন্যই ভেতরের ও বাইরের চাপের অসমতা তৈরি হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- উচ্চতা বাড়লে চাপ কমে যায়, এই সূত্র মনে রাখলে নাক দিয়ে রক্তপাতের কারণ সহজেই বোঝা যাবে।
- ভেতরের চাপ বেশি এবং বাইরের চাপ কম হলে বেলুনের মতো রক্তনালী ফেটে যেতে পারে, এই সহজ তুলনাটি মনে রাখতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বায়ুমণ্ডলীয় চাপের প্রভাব সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
- পাহাড়ের চূড়ায় বায়ুর চাপ কমে যাওয়ায় পানি কম তাপমাত্রায় ফুটে, এই সম্পর্কিত প্রশ্নও একইভাবে পড়তে পারੋ।
সঠিক উত্তর: D) ৩ গুণ কমবে
১. কেন সঠিক:
- মাধ্যাকর্ষণজনিত ত্বরণ বাড়লে সরল দোলকের দোলনকাল কমে যায় কারণ এদের মধ্যে ব্যস্তানুপাতিক সম্পর্ক বিদ্যমান।
- ত্বরণ ৯ গুণ বাড়লে দোলনকালের হিসাব অনুসারে তা বর্গমূলের কারণে ৩ গুণ কমে যায়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: সরল দোলকের দোলনকাল হলো একটি পূর্ণ দোলন সম্পন্ন করতে যে সময় লাগে।
- সূত্র/তত্ত্ব: টি সমান টু পাই রুট ওভার এল ভাগ জি, যেখানে টি হলো দোলনকাল, এল হলো কার্যকর দৈর্ঘ্য এবং জি হলো অভিকর্ষজ ত্বরণ।
- কারণ ও ফলাফল: জি এর মান বাড়লে হরের মান বাড়ে, ফলে দোলনকালের সামগ্রিক মান কমে যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পাহাড়ের চূড়ায় অভিকর্ষজ ত্বরণের মান কম হওয়ায় দোলনকাল বেড়ে যায় এবং ঘড়ি স্লো চলে।
ব্যাখ্যা: জি এর মান কমে গেলে টি এর মান বৃদ্ধি পায়, যা এই সূত্রের বাস্তব প্রমাণ।
উদাহরণ ২: বিষুবীয় অঞ্চল থেকে মেরু অঞ্চলে নিয়ে গেলে সরল দোলকের দোলনকাল কমে যায়।
ব্যাখ্যা: মেরু অঞ্চলে জি এর মান বেশি থাকায় দোলক দ্রুত দুলে এবং সময় কম নেয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৯ গুণ বাড়বে — অভিকর্ষজ ত্বরণ বাড়লে দোলনকাল কখনোই বাড়ে না, বরং কমে যায়।
B) ৯ গুণ কমবে — ত্বরণের মান ৯ গুণ বাড়লে বর্গমূলের নিয়মে দোলনকাল ৩ গুণ কমে, ৯ গুণ নয়।
C) ৩ গুণ বাড়বে — ত্বরণ বাড়লে দোলনকাল বৃদ্ধি পাওয়ার কোনো সুযোগ নেই।
D) ৩ গুণ কমবে — এটি সঠিক কারণ জি এর মান ৯ গুণ বাড়লে রুট ওভার ৯ অর্থাৎ ৩ গুণ কমে যায়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- দোলনকালের সাথে অভিকর্ষজ ত্বরণের বর্গমূলের ব্যস্তানুপাতিক সম্পর্ক মনে রাখবে।
- যতগুণ ত্বরণ বাড়বে, তার বর্গমূল করলে দোলনকাল ততগুণ কমবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এই ধরনের অঙ্কে ত্বরণ যতগুণ বাড়বে বা কমবে, তার বর্গমূল করে দোলনকালের পরিবর্তন বের করতে হয়।
- দৈর্ঘ্য চারগুণ বাড়লে দোলনকাল কতগুণ বাড়বে, এই ধরনের প্রশ্নও পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: D) সিলিনড্রিক্যাল
১. কেন সঠিক:
- সিনেমাস্কোপ প্রজেক্টরে সিলিনড্রিক্যাল বা নলাকার লেন্স ব্যবহার করা হয় কারণ এটি ওয়াইড স্ক্রিন বা প্রশস্ত পর্দায় দৃশ্যকে সঠিকভাবে প্রসারিত করতে সাহায্য করে।
- অ্যানামরফিক লেন্স সিস্টেমে এই সিলিনড্রিক্যাল লেন্স ব্যবহার করে ছবির অনুভূমিক ক্ষেত্রকে প্রসারিত করা হয় যাতে বিকৃতি ছাড়াই পূর্ণ পর্দায় সিনেমা দেখা যায়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: আলো, শব্দ ও তরঙ্গ এবং আলোকবিজ্ঞানের প্রতিফলক ও প্রতিসারক উপাদানের বিশেষ প্রয়োগ।
- কার্যপ্রণালি: সিলিনড্রিক্যাল লেন্স আলোর রশ্মিকে একটি নির্দিষ্ট দিকে অভিসারী বা অপসারী করে, যা সাধারণ গোলীয় লেন্সের মাধ্যমে সম্ভব হয় না।
- বাস্তব প্রয়োগ: সিনেমাস্কোপ ক্যামেরা এবং প্রজেক্টরে এই লেন্স ব্যবহার করে কম প্রশস্ততার ফিল্মে বেশি প্রশস্ত দৃশ্য ধারণ ও প্রদর্শন করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সিনেমা হলে বড় পর্দার সিনেমা প্রদর্শন।
ব্যাখ্যা: সিলিনড্রিক্যাল লেন্সের ব্যবহারের ফলে চলচ্চিত্রের চিত্রটি অনুভূমিকভাবে প্রসারিত হয়ে পুরো পর্দায় নিখুঁতভাবে ফুটে ওঠে।
উদাহরণ ২: দৃষ্টি ত্রুটি দূর করার সিলিনড্রিক্যাল চশমা।
ব্যাখ্যা: চোখে অ্যাস্টিগমেটিজম বা বিষমদৃষ্টি সমস্যা থাকলে সিলিনড্রিক্যাল লেন্স ব্যবহার করে আলোর প্রতিসরণ সংশোধন করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উত্তল — উত্তল লেন্স আলোর রশ্মিকে একটি বিন্দুতে একত্রিত করে, যা সিনেমাস্কোপের প্রশস্ত দৃশ্য প্রসারণের জন্য যথেষ্ট নয়।
B) অবতল — প্রদত্ত উত্তরটিতে অবতল লেন্স বলা হলেও সিনেমাস্কোপে মূলত সিলিনড্রিক্যাল বা অ্যানামরফিক লেন্স ব্যবহৃত হয়, তাই এটি এখানে সঠিক নয়।
C) জুম — জুম লেন্স ফোকাল দৈর্ঘ্য পরিবর্তনের জন্য ব্যবহৃত হয়, যা ওয়াইড স্ক্রিন অনুপাত তৈরি করার মূল কাজ করে না।
D) সিলিনড্রিক্যাল — এটি সঠিক অপশন কারণ এটি অনুভূমিক ও উল্লম্ব তলে ভিন্নভাবে আলো প্রতিসরণ করে প্রশস্ত দৃশ্য তৈরি করতে পারে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সিনেমাস্কোপ মানেই প্রশস্ত পর্দা এবং প্রশস্ত পর্দার জন্য বিশেষ সিলিনড্রিক্যাল লেন্স প্রয়োজন হয়।
- চোখ বা ক্যামেরার ওয়াইড অ্যাঙ্গেল কাজের সাথে সিলিনড্রিক্যাল লেন্সের সম্পর্ক মনে রাখা সহজ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এই প্রশ্নটি আলো, লেন্স ও আধুনিক প্রযুক্তির প্রয়োগ থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
- অ্যাস্টিগমেটিজম বা বিষমদৃষ্টি প্রতিকারে কোন লেন্স ব্যবহৃত হয়, এই সম্পর্কিত প্রশ্নও এর সাথে মিল রেখে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: B) লােহা
১. কেন সঠিক:
শব্দ এক প্রকার শক্তি যা তরঙ্গ আকারে সঞ্চালিত হয়। মাধ্যম যত ঘন এবং পদার্থের অণুগুলো যত কাছাকাছি থাকে, শব্দের বেগ তত বেশি হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: শব্দের বেগ মাধ্যমের ঘনত্ব এবং স্থিতিস্থাপকতার ওপর নির্ভর করে। কঠিন পদার্থে কণার ব্যবধান কম থাকায় কম্পন দ্রুত ছড়ায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রেললাইনে কান পাতলে অনেক দূর থেকে আসা ট্রেনের শব্দ শোনা যায়।
ব্যাখ্যা: বাতাসের চেয়ে লোহা বা ইস্পাতের তৈরি রেললাইনে শব্দের গতি বহুগুণ বেশি।
উদাহরণ ২: জলের নিচে সাঁতার কাটার সময় ডলফিনের শব্দ খুব দ্রুত শোনা যায়।
ব্যাখ্যা: তরল মাধ্যম বাতাস অপেক্ষা ঘন হওয়ায় শব্দ দ্রুত চলাচল করতে পারে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শূন্যতায় — শূন্য মাধ্যমে কোনো কণা না থাকায় শব্দ চলাচল করতে পারে না।
B) লােহা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি একটি ঘন ও স্থিতিস্থাপক কঠিন মাধ্যম।
C) পানির — পানি তরল মাধ্যম, যার কণার ঘনত্ব কঠিন পদার্থের তুলনায় কম।
D) বাতাসে — বাতাস বায়বীয় মাধ্যম এবং এর অণুগুলো অনেক দূরে দূরে থাকে।
৫ মনে রাখার টিপস:
শব্দের গতি সবচেয়ে বেশি কঠিন মাধ্যমে, তারপর তরল মাধ্যমে এবং সবচেয়ে কম বায়বীয় মাধ্যমে। কঠিন পদার্থ যত বেশি শক্ত ও স্থিতিস্থাপক হবে, শব্দের গতি তত বেশি হবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাতাসে শব্দের গতি প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩৩২ মিটার। শূন্য মাধ্যমে শব্দের গতি শূন্য।
সঠিক উত্তর: D) ভাইকিং
১. কেন সঠিক:
- ভাইকিং হলো মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা কর্তৃক ১৯৭০ এর দশকে মঙ্গলগ্রহে প্রেরিত ইতিহাসের প্রথম সফল ল্যান্ডার মিশন।
- এই অভিযানের মূল লক্ষ্য ছিল মঙ্গলগ্রহের মাটি ও বায়ুমণ্ডল পরীক্ষা করা এবং সেখানে প্রাণের অস্তিত্বের কোনো জৈব চিহ্ন আছে কি না তা অনুসন্ধান করা।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: জ্যোতির্বিজ্ঞান ও মহাকাশ অনুসন্ধানের ইতিহাসে ভাইকিং প্রোগ্রাম ছিল সৌরজগতের অন্য কোনো গ্রহে সফলভাবে অবতীর্ণ হয়ে বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা চালানোর প্রথম যুগান্তকারী পদক্ষেপ।
- কার্যপ্রণালি: এই যানের সঙ্গে থাকা রোবটিক বাহু মঙ্গলের মাটি সংগ্রহ করে এবং পরীক্ষাগারের ভেতরে নিয়ে বিভিন্ন রাসায়নিক ও জৈব পরীক্ষা সম্পন্ন করে পৃথিবীতে তথ্য প্রেরণ করেছিল।
- বাস্তব প্রয়োগ: ভাইকিং মিশন থেকে প্রাপ্ত ছবি ও আবহাওয়া সংক্রান্ত উপাত্ত পরবর্তীতে আধুনিক রোভার মিশন যেমন কিউরিসিটি বা পারসিভিয়ারেন্সের নকশা তৈরিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ভাইকিং ১ এবং ভাইকিং ২ মহাকাশযান
ব্যাখ্যা: ১৯৭৬ সালে এই দুটি পৃথক যান সফলভাবে মঙ্গলের পৃষ্ঠে অবতরণ করে এবং গ্রহটির প্রথম রঙিন প্যানোরামিক ছবি পৃথিবীতে পাঠায়।
উদাহরণ ২: মঙ্গলের মাটি পরীক্ষা
ব্যাখ্যা: ভাইকিং যানের ভেতরের যন্ত্রগুলো মঙ্গলের মাটিতে তেজস্ক্রিয় কারبন যুক্ত পুষ্টি উপাদান মিশিয়ে পরীক্ষা করেছিল সেখানে অণুজীবের বিপাকীয় ক্রিয়া ঘটে কি না।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সয়ুজ — এটি রাশিয়ার একটি বিখ্যাত মনুষ্যবাহী মহাকাশযান যা মূলত আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে নভোচারী যাতায়াতের জন্য ব্যবহৃত হয়, মঙ্গলগ্রহের জন্য নয়।
B) এপোলো — এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চন্দ্রাভিযান কর্মসূচি যার মাধ্যমে মানুষ প্রথম চাঁদে পদার্পণ করেছিল, কিন্তু এটি মঙ্গলগ্রহের জন্য প্রেরিত হয়নি।
C) ভয়েজার — এটি মূলত সৌরজগতের বহিঃস্থ গ্রহ যেমন বৃহস্পতি, শনি, ইউরেনাস ও নেপচুন পর্যবেক্ষণের জন্য প্রেরিত বিখ্যাত নভোযান।
D) ভাইকিং — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি বিশেষভাবে মঙ্গলগ্রহের পৃষ্ঠে অবতরণের জন্য নকশা করা হয়েছিল।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ভাইকিং নামটি মনে রাখতে মঙ্গলের প্রাচীন যোদ্ধা বা ভাইকিং জাতির সাহসিকতার কথা ভাবতে পারো যারা অচেনা স্থানে অভিযান চালাত।
- মহাকাশ অভিযানে ভাইকিং মানেই মঙ্গলগ্রহের মাটি ছোঁয়ার প্রথম সফল অভিযান।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে মানুষের পাঠানো প্রথম সফল মঙ্গল গ্রহের ল্যান্ডার কোনটি।
- একই ধারণা থেকে প্রশ্ন হতে পারে ভাইকিং মিশন কোন দেশ প্রেরণ করেছিল বা এটি কত সালে মঙ্গলে পৌঁছেছিল।
সঠিক উত্তর: C) অটোহ্যান
১. কেন সঠিক:
- পারমাণবিক বোমা তৈরির মূল ভিত্তি হলো নিউক্লীয় ফিশন বা পরমাণুর নিউক্লিয়াস বিভাজন বিক্রিয়া। বিজ্ঞানী অটোহ্যান ১৯৩৮ সালে ইউরেনিয়াম পরমাণুকে নিউট্রন দিয়ে আঘাত করে প্রথম নিউক্লীয় ফিশন আবিষ্কার করেন।
- তাঁর এই আবিষ্কারের ফলেই পরবর্তীতে পারমাণবিক বোমা ও পারমাণবিক চুল্লিতে শক্তি উৎপাদনের পথ উন্মুক্ত হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: নিউক্লীয় ফিশন হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে ভারী পরমাণুর নিউক্লিয়াস ভেঙে প্রায় সমমানের দুটি হালকা নিউক্লিয়াসে পরিণত হয় এবং বিপুল পরিমাণ শক্তি নির্গত হয়।
- কার্যপ্রণালি: একটি ধীরগতির নিউট্রন ইউরেনিয়াম তেইশ শ পাঁচ পরমাণুকে আঘাত করলে তা অত্যন্ত অস্থির হয়ে দুটি ভিন্ন মৌলে বিভক্ত হয় এবং সাথে তিনটি নতুন নিউট্রন ও প্রচুর তাপশক্তি উৎপন্ন করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পারমাণবিক চুল্লিতে বিদ্যুৎ উৎপাদন
ব্যাখ্যা: নিয়ন্ত্রিত উপায়ে নিউক্লীয় ফিশন ঘটিয়ে যে তাপশক্তি পাওয়া যায়, তা দিয়ে পানি ফুটিয়ে বাষ্প তৈরি করে টারবাইন ঘোরানো হয়।
উদাহরণ ২: সূর্যের শক্তি উৎপাদনে ফিউশন বিক্রিয়া
ব্যাখ্যা: যদিও বোমা ফিশন প্রক্রিয়ায় চলে, তবে এটি শক্তির বিশাল পরিমাপের ধারণা দেয় যা সাধারণ রাসায়নিক বিক্রিয়ার চেয়ে বহুগুণ বেশি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আইনস্টাইন — তিনি ভর ও শক্তির সমতুল্যতার বিখ্যাত সূত্র প্রদান করেছিলেন, যা পারমাণবিক শক্তির তাত্ত্বিক ভিত্তি হলেও তিনি সরাসরি বোমা আবিষ্কার করেননি।
B) ওপেনহেমার — তিনি ম্যানহাটন প্রকল্পের বৈজ্ঞানিক পরিচালক ছিলেন যার অধীনে প্রথম পারমাণবিক বোমা তৈরি ও সফল পরীক্ষা করা হয়।
C) অটোহ্যান — তিনি ইউরেনিয়াম ফিশন আবিষ্কার করেছিলেন যা পারমাণবিক বোমা তৈরির মূল বৈজ্ঞানিক ভিত্তি।
D) রোজেবার্গ — এরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গুপ্তচর বৃত্তির সাথে যুক্ত ছিলেন যারা তৎকালীন পারমাণবিক তথ্য পাচারের অভিযোগে দণ্ডিত হন।
৫ মনে রাখার টিপস:
হ্যান হাতে রেখেছিলেন ফিশনের চাবি, তাই অটোহ্যানই পারমাণবিক বিজ্ঞানের এই আবিষ্কারের মূল ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
নিউট্রন আঘাতের ফলে ইউরেনিয়াম ফিশন ঘটে এবং এই বিক্রিয়ায় ভর ত্রুটি শক্তির রূপ নেয় যা আইনস্টাইনের সমীকরণ মেনে চলে। একই ধারণা থেকে বিসিএস বা ব্যাংক পরীক্ষায় ফিশন ও ফিউশন বিক্রিয়ার পার্থক্য সংক্রান্ত প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: A) অর্ধেক হবে
১. কেন সঠিক:
- টানা তারের কম্পাংক তারের দৈর্ঘ্যের ব্যাস্তানুপাতিক সম্পর্কের কারণে দৈর্ঘ্য দ্বিগুণ করলে কম্পাংক অর্ধেক হয়ে যায়।
- তারের টান এবং একক দৈর্ঘ্যের ভর অপরিবর্তিত থাকলে কম্পাংক কেবল দৈর্ঘ্যের ওপর নির্ভর করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: সমটান সম্পন্ন টানা তারের আড় কম্পনের সূত্র অনুযায়ী, কম্পাংক তারের দৈর্ঘ্যের ব্যস্তানুপাতিক।
- সূত্র/তত্ত্ব: f সমানুপাতিক ১ ÷ l, যেখানে f হলো কম্পাংক এবং l হলো তারের দৈর্ঘ্য।
- কার্যপ্রণালি: দৈর্ঘ্য দ্বিগুণ করলে গাণিতিক সূত্রে মান বসালে দেখা যায় নতুন কম্পাংক আগের কম্পাংকের অর্ধেক হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গিটার বা সেতারের তার টিউন করার সময় তারের দৈর্ঘ্য কমালে বা বাড়ালে সুরের তীক্ষ্ণতা বা কম্পাংক পরিবর্তিত হয়।
ব্যাখ্যা: দীর্ঘ তারে কম কম্পাংক এবং খাটো তারে বেশি কম্পাংক উৎপন্ন হয় যা শব্দের পিচ নির্ধারণ করে।
উদাহরণ ২: সেতারের তার আঙুল দিয়ে চেপে ছোট করলে সুর উঁচু বা তীক্ষ্ণ হয়।
ব্যাখ্যা: দৈর্ঘ্য কমার কারণে কম্পাংক বৃদ্ধি পায় এবং সুরের তীক্ষ্ণতা বেড়ে যায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অর্ধেক হবে — এটি সঠিক কারণ কম্পাংকের সঙ্গে দৈর্ঘ্যের ব্যস্তানুপাতিক সম্পর্ক রয়েছে।
B) দ্বিগুণ হবে — এটি ভুল কারণ দৈর্ঘ্য বাড়ালে কম্পাংক কমে যায়, বাড়ে না।
C) তিন গুণ হবে — এটি ভুল কারণ দৈর্ঘ্য তিনগুণ করলে কম্পাংক এক তৃতীয়াংশ হতো।
D) চার গুণ হবে — এটি ভুল কারণ দৈর্ঘ্যের সঙ্গে কম্পাংকের ব্যস্তানুপাতিক সম্পর্ক, বর্গের ব্যস্তানুপাতিক নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- টানা তারের ক্ষেত্রে মনে রাখবে দৈর্ঘ্য বাড়লে কম্পাংক কমে, আর দৈর্ঘ্য কমলে কম্পাংক বাড়ে।
- ব্যস্তানুপাতিক সম্পর্ক বোঝাতে উল্টো বা বিপরীত সম্পর্ক মনে রাখা সহজ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এই সূত্র থেকে প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় গাণিতিক ও conceptual প্রশ্ন আসে।
- টানের পরিমাণ চারগুণ করলে কম্পাংক দ্বিগুণ হয়, এই সম্পর্কটিও একই সূত্র থেকে মনে রাখবে।
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)