বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (CAAB)

বাংলদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ পরীক্ষা ২০২১

পদের নাম: অ্যারোড্রাম ফায়ার লিডার (১০ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (80)

a আমজাদ হোসেন
b হুমায়ূন আহমেদ
c সৈয়দ শামসুল হক
d শওকত ওসমান
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) হুমায়ূন আহমেদ ১. কেন সঠিক: 'আগুনের পরশমণি' হলো কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ রচিত একটি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং অবরুদ্ধ ঢাকার একটি মধ্যবিত্ত পরিবারের বাস্তব অভিজ্ঞতা এই উপন্যাসের মূল বিষয়বস্তু। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: হুমায়ূন আহমেদ আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অত্যন্ত জনপ্রিয় একজন কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার ও চলচ্চিত্র নির্মাতা। ১৯৯৪ সালে প্রকাশিত 'আগুনের পরশমণি' উপন্যাসটি অবলম্বনে তিনি একই নামে একটি চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন, যা জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'জোছনা ও জননীর গল্প' ব্যাখ্যা: এটি হুমায়ূন আহমেদ রচিত ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক অপর একটি বিখ্যাত ও বৃহদায়তন উপন্যাস। উদাহরণ ২: 'শ্যামল ছায়া' ব্যাখ্যা: এটিও হুমায়ূন আহমেদ রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস, যা পরবর্তীতে চলচ্চিত্রে রূপায়িত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আমজাদ হোসেন — ইনি একজন প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা ও লেখক হলেও এই উপন্যাসের রচয়িতা নন। B) হুমায়ূন আহমেদ — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি সঠিক। C) সৈয়দ শামসুল হক — ইনি বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিক হলেও 'আগুনের পরশমণি' তাঁর রচনা নয়। D) শওকত ওসমান — ইনি প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক হলেও এই উপন্যাসটি তাঁর লেখা নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: হুমায়ূন আহমেদের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসগুলো মনে রাখার জন্য মূল চরিত্র ও পটভূমি মাথায় রাখতে হবে। 'আগুনের পরশমণি' উপন্যাসের রত্না ও ১৯৭১ সালের অবরুদ্ধ ঢাকা শহরের পটভূমি মনে রাখলে সহজে উত্তর করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। হুমায়ূন আহমেদের 'আগুনের পরশমণি', 'জোছনা ও জননীর গল্প' এবং 'শ্যামল ছায়া' মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসের তালিকাভুক্ত।
a সুবীর সাহা
b আব্দুল গাফফার চৌধুরী
c আলতাফ মাহমুদ
d হাসান হাফিজুর রহমান
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আলতাফ মাহমুদ ১. কেন সঠিক: - 'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি' বিখ্যাত গানটির সুরকার হলেন শহীদ বুদ্ধিজীবী আলতাফ মাহমুদ। - গানটির সুর সংযোজন করে বাঙালির ভাষা আন্দোলনের চেতনাকে সুরের মাধ্যমে চিরস্মরণীয় করে রেখেছেন তিনি। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - গানটির রচিয়তা বা গীতিকার হলেন বিশিষ্ট সাংবাদিক ও কলামিস্ট আব্দুল গাফফার চৌধুরী। - ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারির পর আব্দুল গাফফার চৌধুরী এই গানটির কথা লেখেন এবং প্রথমে এর সুর করেছিলেন আবদুল লতিফ, পরবর্তীতে আলতাফ মাহমুদ বর্তমানের জনপ্রিয় সুরটি করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি ব্যাখ্যা: এটি ভাষা আন্দোলন কেন্দ্রিক সবচেয়ে বিখ্যাত ও প্রমিজ গান। উদাহরণ ২: একুশে ফেব্রুয়ারি সংকলন ব্যাখ্যা: হাসান হাফিজুর রহমানের সম্পাদনায় প্রকাশিত ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংকলন গ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুবীর সাহা — ইনি এই গানের সুরকার নন, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়। B) আব্দুল গাফফার চৌধুরী — ইনি গানটির গীতিকার বা রচয়িতা, সুরকার নন। D) হাসান হাফিজুর রহমান — ইনি একুশে ফেব্রুয়ারি সংকলনের সম্পাদক, গানের সুরকার নন। ৫ মনে রাখার টিপস: গীতিকার গাফফার চৌধুরী এবং সুরকার আলতাফ মাহমুদ—এভাবে মনে রাখতে পারেন যে, নামের শুরুতে 'আ' বর্ণ আছে এবং সুরকারও আলতাফ মাহমুদ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় গানটির গীতিকার ও সুরকার সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে, তাই উভয় নাম মনে রাখা জরুরি। ভাষা আন্দোলনভিত্তিক সাহিত্যকর্ম থেকেও প্রশ্ন হয়ে থাকে।
a পর্বতকূল
b পর্বতসমূহ
c পর্বতমালা
d পর্বতসমেত
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পর্বতমালা ১. কেন সঠিক: বাংলা ব্যাকরণে বিশেষ্য পদের বহুবচন বোঝাতে নির্দিষ্ট কিছু সমষ্টিবাচক শব্দ বা প্রত্যয় যুক্ত করা হয়। অচেতন বা জড় পদার্থের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কিছু শব্দ যেমন মালা, পুঞ্জ, দাম, রাশি ইত্যাদি ব্যবহার করে বহুবচন সাধিত হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে অপ্রাণীবাচক বা জড় পদার্থের বহুবচন প্রকাশের জন্য পর্বত শব্দের সঙ্গে মালা যুক্ত করে পর্বতমালা শব্দটি গঠিত হয়েছে। পর্বত একটি অজীব বা জড় বস্তু হওয়ায় এর বহুবচন রূপ হিসেবে পর্বতমালা শব্দটি প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী সর্বাংশে সঠিক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তারকামণ্ডলী ব্যাখ্যা: আকাশ বা মহাকাশের জড় বস্তু তারকা বোঝাতে মণ্ডলী সমষ্টিবাচক শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: মেঘমালা ব্যাখ্যা: আকাশের মেঘ বোঝাতে জড়বাচক বিশেষ্যের বহুবচনে মালা সমষ্টিবাচক শব্দটি যুক্ত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পর্বতকূল — কূল শব্দটি সাধারণত প্রাণবাচক বা মানুষের ক্ষেত্রে বহুবচন বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা পর্বত শব্দের সঙ্গে বেমানান। B) পর্বতসমূহ — সমূহ শব্দের মাধ্যমে বহুবচন বোঝানো হলেও জড়বাচক অর্থে পর্বত শব্দের সঙ্গে প্রচলিত ও প্রমিত রূপ পর্বতমালা বেশি উপযুক্ত। D) পর্বতসমেত — সমেত শব্দের অর্থ সঙ্গে বা সহিত, এটি কোনো বহুবচনগঠক নির্দেশক অনুসর্গ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: জড় ও প্রাকৃতিক বস্তু যেমন পর্বত, মেঘ, কুসুম ইত্যাদির ক্ষেত্রে বহুবচন বোঝাতে সাধারণত মালা শব্দটি ব্যবহার করা হয়। প্রাকৃতিক ও দৃশ্যমান সৌন্দর্যমণ্ডিত জড় বস্তুর বহুবচনে চোখ বন্ধ করে মালা শব্দটি ব্যবহার করতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিশেষ্য পদের বহুবচন এবং সমষ্টিবাচক শব্দের ব্যবহার থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। প্রাণী ও অপ্রাণীবাচক বিশেষ্যের বহুবচন গঠনে ব্যবহৃত শব্দগুলোর সুনির্দিষ্ট তালিকা ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a তিনি এখানে এসেছিলেন
b ছেলেটি দ্রুত দৌড়ায়
c একটু ঘুরে আসুন না
d গতকাল তিনি এসেছেন
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) গতকাল তিনি এসেছেন ১. কেন সঠিক: - 'গতকাল' শব্দটি দ্বারা সময় বা কাল নির্দেশ করা হয়েছে এবং এটি ক্রিয়ার সংঘটনকাল প্রকাশ করে। - ক্রিয়াপদ 'এসেছেন' কখন সম্পাদিত হয়েছে, তার সময় নির্দেশ করার কারণে এটি কালবাচক ক্রিয়া বিশেষণ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে পদ ক্রিয়ার সময়, স্থান, ভাব বা পরিমাণ নির্দেশ করে তাকে ক্রিয়া বিশেষণ বলে। - ক্রিয়া বিশেষণ প্রধানত চার প্রকার যথা কালবাচক, স্থানবাচক, ভাববাচক ও পরিমাণবাচক ক্রিয়া বিশেষণ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সকালে সূর্য ওঠে। ব্যাখ্যা: এখানে 'সকালে' শব্দটি দ্বারা সময় বোঝানো হয়েছে বিধви এটি কালবাচক ক্রিয়া বিশেষণ। উদাহরণ ২: বর্ষাকালে বৃষ্টি হয়। ব্যাখ্যা: এখানে 'বর্ষাকালে' শব্দটি সময় বা কাল নির্দেশ করায় এটি কালবাচক ক্রিয়া বিশেষণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তিনি এখানে এসেছিলেন — 'এখানে' শব্দটি দ্বারা স্থান নির্দেশ করা হয়েছে, তাই এটি স্থানবাচক ক্রিয়া বিশেষণ। B) ছেলেটি দ্রুত দৌড়ায় — 'দ্রুত' শব্দটি দ্বারা কাজ সম্পাদনের ভাব বা ঢং বোঝানো হয়েছে, তাই এটি ভাববাচক ক্রিয়া বিশেষণ। C) একটু ঘুরে আসুন না — 'একটু' শব্দটি দ্বারা পরিমাণ বা মাত্রা নির্দেশ করা হয়েছে, তাই এটি পরিমাণবাচক ক্রিয়া বিশেষণ। D) গতকাল তিনি এসেছেন — এটি সঠিক অপশন কারণ 'গতকাল' সময় নির্দেশ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - ক্রিয়াপদকে কখন দ্বারা প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায় তা কালবাচক ক্রিয়া বিশেষণ। - সময় বা কাল সংক্রান্ত শব্দ থাকলে সেটি কালবাচক ক্রিয়া বিশেষণ হিসেবে চিহ্নিত করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ক্রিয়া বিশষণের প্রকারভেদ থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - কখন, কোথায়, কিভাবে এবং কতটুকু এই চারটি প্রশ্ন দিয়ে ক্রিয়াকে প্রশ্ন করলে যথাক্রমে কাল, স্থান, ভাব ও পরিমাণবাচক ক্রিয়া বিশেষণ পাওয়া যায়।
a অনুসর্গ
b বিভক্তি
c উপসর্গ
d প্রত্যয়
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বিভক্তি ১. কেন সঠিক: ক্রিয়াপদ গঠনের জন্য ধাতুর সঙ্গে যা যুক্ত হয়, তা হলো ক্রিয়া বিভক্তি বা কারক বিভক্তি। ধাতুর সঙ্গে বিভক্তি যুক্ত হয়েই পূর্ণাঙ্গ ক্রিয়াপদ গঠিত হয় যা ভাব প্রকাশ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: ক্রিয়ার মূলকে ধাতু বলা হয় এবং ধাতুর সঙ্গে বিভক্তি যুক্ত হয়ে কাল ও পুরুষ অনুযায়ী ক্রিয়াপদ গঠিত হয়। ব্যাকরণে একে ক্রিয়ার বিভক্তি বা কালবাচক বিভক্তি বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পড় + তেছি = পড়তেছি ব্যাখ্যা: এখানে পড় হলো ধাতু এবং তেছি হলো ক্রিয়া বিভক্তি, যা মিলে ক্রিয়াপদ হয়েছে। উদাহরণ ২: যা + ইব = যাইব ব্যাখ্যা: এখানে যা হলো ধাতু এবং ইব হলো ক্রিয়া বিভক্তি, যা ভবিষ্যতের ক্রিয়াপদ গঠন করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অনুসর্গ — অনুসর্গ হলো এমন শব্দ যা শব্দের পরে বসে কারক বোঝাতে সাহায্য করে কিন্তু সরাসরি ধাতু দিয়ে ক্রিয়া গঠন করে না। B) বিভক্তি — এটি সঠিক কারণ ধাতুর সঙ্গে বিভক্তি যুক্ত হয়েই ক্রিয়াপদ পূর্ণতা পায়। C) উপসর্গ — উপসর্গ শব্দের বা ধাতুর পূর্বে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে, পরে বসে ক্রিয়া গঠন করে না। D) প্রত্যয় — প্রত্যয় শব্দ বা ধাতুর পরে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ বা নামপদ গঠন করে, সরাসরি কাল ও পুরুষবাচক সমাপিকা ক্রিয়া গঠন করে না। ৫. মনে রাখার টিপস: ধাতুর সাথে বসে যে জন, ক্রিয়া বানায় সে কোন জন? উত্তর হলো বিভক্তি। ধাতু ও বিভক্তির মিলনেই সার্থক ক্রিয়াপদ তৈরি হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধাতু ও প্রত্যয়ের পার্থক্য এবং ক্রিয়াপদ গঠনের উপাদান সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। তাই ধাতু এবং বিভক্তির যোগফল যে ক্রিয়া, তা ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a চাঁদ
b গগন
c নক্ষত্র
d সূর্য
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চাঁদ কেন সঠিক: ১. এই শব্দটির উৎস প্রাকৃত ভাষা হয়ে পরিবর্তিত রূপ নিয়ে সরাসরি বাংলা ভাষায় স্থান লাভ করেছে। ২. মূল সংস্কৃত শব্দ চন্দ্র থেকে প্রাকৃত চন্দ্র এবং পরবর্তীতে তা পরিবর্তিত হয়ে আজকের এই রূপ ধারণ করেছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. যে শব্দগুলোর উৎস সংস্কৃত ভাষা থেকে প্রাকৃতের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে বাংলায় এসেছে সেগুলোকে এই বিশেষ শ্রেণিভুক্ত করা হয়। ২. বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ করার ক্ষেত্রে এই প্রকৃতির শব্দের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও বিশাল। ৩. যেমন, হস্ত থেকে হাত এবং মৎস্য থেকে মাছ এই নিয়মে তদ্ভব শব্দ হিসেবে গণ্য করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চাঁদ — এটি ভুল কারণ এটি সঠিক উত্তর হিসেবে ইতিমধ্যেই নির্ধারিত হয়েছে এবং এটি তদ্ভব শব্দ। B) গগন — এটি একটি তৎসম শব্দ কারণ এটি সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকে কোনো পরিবর্তন ছাড়া বাংলায় এসেছে। C) নক্ষত্র — এটি একটি তৎসম শব্দ কারণ এর বানান ও রূপ সংস্কৃত ভাষার শব্দের সাথে হুবহু মিলে যায়। D) সূর্য — এটি একটি তৎসম শব্দ কারণ এটি অপরিবর্তিত অবস্থায় সংস্কৃত থেকে বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হচ্ছে। মনে রাখার টিপস: ১. যেসব শব্দের রূপ প্রাকৃত ভাষা পার হয়ে একটু বদলে যায় সেগুলো সাধারণত এই শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত হয়। ২. চন্দ্র থেকে চাঁদ বা হস্ত থেকে হাত এ ধরনের রূপান্তর দেখলে খুব সহজেই চিনে নেওয়া সম্ভব।
a চির অশান্তি
b অরাজক দেশ
c অনিষ্ট লাড
d ঝগড়া বাধানো
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চির অশান্তি ১. কেন সঠিক: - রাবণের চিতা বাগধারাটির অন্তর্নিহিত অর্থ হলো এমন দুঃখ বা অশান্তি যা কখনো দূর হয় না বা চিরকাল ধরে চলতে থাকে। - পৌরাণিক বা লৌকিক বিশ্বাসের সঙ্গে মিল রেখে এই বাগধারাটি তৈরি হয়েছে যেখানে রাবণের চিতার আগুন কখনো নেভে না বলে কল্পনা করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি বহুল ব্যবহৃত প্রবাদ ও বাগধারা যা বিশেষ কোনো ভাব বা অবস্থাকে খুব সংক্ষেপে প্রকাশ করে। - এই ধরনের বাগধারাগুলো মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা এবং লোকসংস্কৃতির ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সংসারে তার অভাব যেন রাবণের চিতা। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে অভাবের স্থায়ী ও যন্ত্রণাদায়ক রূপ বোঝাতে বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: পারিবারিক কলহ তার জীবনে রাবণের চিতা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ব্যাখ্যা: এখানে পারিবারিক অশান্তির স্থায়ী রূপ প্রকাশ করতে রাবণের চিতা ব্যবহার করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চির অশান্তি — এই অপশনটি সঠিক কারণ রাবণের চিতা বাগধারাটির মূল অর্থ স্থায়ী ও চিরস্থায়ী অশান্তি। B) অরাজক দেশ — এই অপশনটি ভুল কারণ অরাজক দেশ বোঝাতে রামরাজত্ব বা অন্য কোনো বিশেষ বাগধারা ব্যবহৃত হয়। C) অনিষ্ট লাড — এই অপশনটি মুদ্রণজনিত ত্রুটিযুক্ত বা অপ্রাসঙ্গিক শব্দ, যা মূল বাগধারার অর্থের সঙ্গে মেলে না। D) ঝগড়া বাধানো — এই অপশনটি ভুল কারণ ঝগড়া বাধানো বোঝাতে উসকানি দেওয়া বা কান ভাঙানো বাগধারা ব্যবহার করা হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - রাবণের চিতার আগুন যেমন কখনো নেভে না, তেমনি মানুষের চির অশান্তি বা দীর্ঘস্থায়ী দুঃখও সহজে শেষ হয় না। - এই মিল মনে রাখলে পরীক্ষা এই প্রশ্নটি সহজেই উত্তর করা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই পৌরাণিক উৎস থেকে আসা বাগধারাগুলোর অর্থ জানতে চাওয়া হয়। - এ ধরনের প্রশ্ন সমাধানের জন্য বাগধারার সাধারণ অর্থের পাশাপাশি এর গভীর বা অন্তর্নিহিত অর্থ ভালোভাবে বুঝতে হবে।
a রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
b রাজশেখর বসু
c ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
d বিহারীলাল চক্রবর্তী
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বিহারীলাল চক্রবর্তী কেন সঠিক: ১. বিহারীলাল চক্রবর্তী বাংলা গীতি কবিতার ধারার এক অন্যতম প্রধান রূপকার ও অগ্রদূত। ২. রবীন্দ্রপূর্ব যুগে তাঁর কাব্যসাধনা ভোরে ফোটা ফুলের মতো নতুন আলোর বার্তা নিয়ে এসেছিল। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. উনিশ শতকের শেষভাগে রোমান্টিক ভাবধারার সূচনা ঘটিয়ে বাংলা কবিতায় নতুন যুগের সূত্রপাত করেন এই কবি। ২. রবীন্দ্রনাখ ঠাকুর নিজে তাঁকে বাংলা কবিতার ভোরের পাখি বলে গভীর শ্রদ্ধা ও সম্মান জানিয়ে গেছেন। ৩. তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে 'সারদামঙ্গল' এবং 'নিসর্গদর্শন' বাংলা সাহিত্যের অমূল্য সম্পদ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে বাংলা সাহিত্যের বিশ্বমঞ্চের রূপকার বলা হয়, তবে তাঁকে ভোরের পাখি উপাধি দেওয়া হয়নি। B) রাজশেখর বসু — পরশুরাম ছদ্মনামে লেখা হাস্যরসাত্মক ও ব্যঙ্গাত্মক ছোটগল্পের জন্য তিনি বাংলা সাহিত্যে বিশেষভাবে পরিচিত। C) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — বাংলা গদ্যের জনক ও সমাজ সংস্কারক হিসেবে তিনি পরিচিত, কোনো কাব্যিক উপাধির জন্য নন। D) বিহারীলাল চক্রবর্তী — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন কোনো ভুল কারণ প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: বিহারে সকালবেলা পাখি ডাকে সবার আগে, তাই 'ভোরের পাখি' বললে মনে রাখবে বিহারীলাল চক্রবর্তীকে।
a রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
b কাজী নজরুল ইসলাম
c শেখ ফজলল করিম
d শামসুর রাহমান
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শেখ ফজলল করিম ১. কেন সঠিক: - 'মানুষেরই মাঝে স্বর্গ-নরক, মানুষেতে সুরাসুর' বিখ্যাত পক্তিটি বাংলার খ্যাতনামা সাহিত্যিক শেখ ফজলল করিমের রচনা। - মানবপ্রেম ও মনুষ্যত্ববোধের জয়গান গাওয়া এই পক্তিতে মানুষকে সবকিছুর ঊর্ধ্বে স্থান দেওয়া হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শেখ ফজলল করিম ১৯ শতকের শেষভাগ ও ২০ শতকের প্রথমার্ধের একজন প্রখ্যাত মুসলিম সাহিত্যিক ও কবি। - তাঁকে সাহিত্যরত্ন উপাধিতে ভূষিত করা হয়েছিল এবং তাঁর লেখায় মূলত নৈতিকতা, মানবপ্রেম ও দেশাত্মবোধ ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ত্যজি পুণ্যবাণী হেন পুণ্যবান, মানুষ হইতে মানুষ মহীয়ান। ব্যাখ্যা: মানুষের শ্রেষ্ঠত্ব ও মনুষ্যত্বের জয়গান গাওয়ার ক্ষেত্রে এটি একটি অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক ও পরিচিত সাহিত্যিক পঙ্ক্তি। উদাহরণ ২: মানুষের চেয়ে বড় কিছু নাই, নহে কিছু মহীয়ান। ব্যাখ্যা: কাজী নজরুল ইসলামের এই পঙ্ক্তিটিও শেখ ফজলল করিমের পঙ্ক্তির মতো মানবতাবাদ ও মানুষের মর্যাদাকে প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বাংলা সাহিত্যের নোবেলজয়ী বিশ্বকবি হলেও এই নির্দিষ্ট পঙ্ক্তিটির রচয়িতা নন। B) কাজী নজরুল ইসলাম — বিদ্রোহী কবি মানবধর্মের কথা বললেও এই বিশেষ পঙ্ক্তিটি তাঁর কোনো কবিতার অংশ নয়। D) শামসুর রাহমান — আধুনিক যুগের বরেণ্য কবি হলেও তিনি এই প্রাচীন ধারার মানবতাবাদী পঙ্ক্তির রচয়িতা নন। ৫. মনে রাখার টিপস: - শেখ ফজলল করিমের নাম মনে রাখলে তাঁর অমর সৃষ্টি হিসেবে স্বর্গ-নরক ও মানুষের মহত্ত্ব বিষয়ক এই পঙ্ক্তিটি মনে রাখা সহজ হয়। - মানবতাবাদ সম্পর্কিত পঙ্ক্তিগুলোর ক্ষেত্রে সাহিত্যরত্ন শেখ ফজলল করিমের নাম বিশেষভাবে স্মরণ রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত পঙ্ক্তি ও তার রচয়িতা সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে। - মানবপ্রেমমূলক পঙ্ক্তিগুলোর ক্ষেত্রে প্রাচীন ও মধ্যবর্তী যুগের লেখকদের নাম ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a নিষ্ঠা
b সদাচর
c সততা
d সংযম
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সদাচর ১. কেন সঠিক: - 'শিষ্টাচার' শব্দের অর্থ ভালো আচরণ, ভদ্রতা বা সুরুচিসম্পন্ন ব্যবহার। - 'সদাচর' শব্দের অর্থও ভালো বা সৎ আচরণ, যা মূল শব্দের সমার্থক। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো সেই সব শব্দ, যা ভিন্ন বানান বা রূপের হলেও অর্থের দিক থেকে প্রায় সমান বা কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে। - বাংলা ভাষা সমৃদ্ধ করতে এবং ভাব প্রকাশের বৈচিত্র্য আনতে সমার্থক শব্দের ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভদ্রতা ব্যাখ্যা: এটি শিষ্টাচার বা সদাচরের সমার্থক হিসেবে দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: সৌজন্য ব্যাখ্যা: এটিও ভালো আচরণ বা শিষ্টাচারের একটি চমৎকার বিকল্প শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিষ্ঠা — এর অর্থ গভীর একাগ্রতা বা অনুরাগ, যা ভালো আচরণের সমার্থক নয়। B) সদাচর — এটি সঠিক উত্তর। C) সততা — এর অর্থ সাধুতা বা সত্যবাদিতা, যা আচরণের চেয়ে নৈতিকতার সঙ্গে সম্পর্কিত। D) সংযম — এর অর্থ নিজেকে নিয়ন্ত্রণে রাখা বা দমন করা, যা সরাসরি আচরণের সমার্থক নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - শিষ্টাচার শব্দের শুরুতে যে শিষ্ট আছে, তার অর্থ ভালো বা ভদ্র, তাই এর সমার্থক সদাচর সহজেই মেলানো যায়। - শব্দার্থ মুখস্থ না করে মূল শব্দের সঙ্গে মিল রেখে ভাবার্থ চিন্তা করলে উত্তর নির্ভুল হয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ ও সমার্থক শব্দ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - প্রমিত বাংলা শব্দের উৎস ও অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজেই সমাধান করা সম্ভব।
a অউক্ত
b অবক্ত
c অনুক্ত
d অব্যক্ত
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অনুক্ত ১. কেন সঠিক: - 'যা বলা হয়নি' বাক্যটির সংক্ষিপ্ত রূপ হলো অনুক্ত। - এখানে 'উক্ত' শব্দের অর্থ বলা হয়েছে এবং তার সঙ্গে 'অন' উপসর্গ যুক্ত হয়ে বিপরীত অর্থ প্রকাশ করেছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন হলো বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যম। - এটি বাংলা ব্যাকরণের শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ করার এবং বাক্যকে সংক্ষেপ করার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যা বলা হবে ব্যাখ্যা: এর বাক্য সংকোচন হলো উক্ত। উদাহরণ ২: যা কখনো নষ্ট হয় না ব্যাখ্যা: এর বাক্য সংকোচন হলো অবিনশ্বর। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অউক্ত — এটি কোনো প্রমিত বা ব্যাকরণগতভাবে শুদ্ধ বাংলা শব্দ নয়। B) অবক্ত — এই ধরনের কোনো শব্দ প্রমিত বাংলা ব্যাকরণে এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় না। C) অনুক্ত — এটি সঠিক কারণ এর অর্থ যা বলা হয়নি। D) অব্যক্ত — এর অর্থ যা স্পষ্টভাবে প্রকাশ করা হয়নি বা মনের ভাব যা ব্যক্ত করা হয়নি। ৫. মনে রাখার টিপস: - উক্ত মানে বলা হয়েছে এবং অনুক্ত মানে বলা হয়নি, এই বিপরীত সম্পর্কটি মনে রাখলেই উত্তর সহজ হবে। - উপসর্গের ব্যবহার খেয়াল করলে এককথায় প্রকাশের ভুল এড়ানো সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গ ও প্রত্যয়ভিত্তিক বাক্য সংকোচন প্রায়ই আসে। - মূল শব্দের অর্থ অনুধাবন করে সঠিক উপসর্গ বা প্রত্যয় যুক্ত শব্দ নির্বাচন করতে হয়।
a বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
b শেখ হাসিনা
c এ কে ফজলুল হক
d মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১. কেন সঠিক: - এই গ্রন্থটির রচিয়তা স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। - ১৯৫৬ থেকে ১৯৬৭ সালের মধ্যে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দि থাকা অবস্থায় তিনি এই আত্মজীবনী রচনা করেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি একটি আত্মজীবনীমূলক ঐতিহাসিক গ্রন্থ যা ২০১২ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়। - বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত এই গ্রন্থটি বাঙালির রাজনৈতিক ইতিহাস ও জীবনসংগ্রামের প্রামাণ্য দলিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কারাগারের রোজনামচা ব্যাখ্যা: এটিও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রচিত অপর একটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক গ্রন্থ। উদাহরণ ২: আমার দেখা নতুন চীন ব্যাখ্যা: এটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের চীন ভ্রমণের অভিজ্ঞতার ওপর রচিত গ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি নিজে এই আত্মজীবনী লিখেছেন। B) শেখ হাসিনা — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি বঙ্গবন্ধু তনয়া এবং এই গ্রন্থের রচয়িতা নন, তবে প্রকাশের নেপথ্যে তাঁর অবদান রয়েছে। C) এ কে ফজলুল হক — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি বাংলার প্রখ্যাত রাজনৈতিক নেতা হলেও এই গ্রন্থের লেখক নন। D) মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি বিখ্যাত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হলেও এই আত্মজীবনীর সঙ্গে যুক্ত নন। ৫. মনে রাখার টিপস: - বঙ্গবন্ধুর কারাগারের লেখা বইগুলোর মধ্যে আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ হলো অসমাপ্ত আত্মজীবনী। - বইটির নাম থেকেই বোঝা যায় এটি লেখকের অসমাপ্ত জীবনের প্রামাণ্য দলিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বইটি ২০১২ সালে প্রথম প্রকাশিত হয় এবং এটি ইতোমধ্যে পৃথিবীর অনেক ভাষায় অনূদিত হয়েছে। - মুক্তিযুদ্ধ ও বাঙালি জাতির ইতিহাসভিত্তিক প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই গ্রন্থ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
a লবণাক্ত
b নোনতা
c লাবণ্য
d লালত
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) লবণাক্ত ১. কেন সঠিক: - বিশেষ্য পদ 'লবণ' শব্দের সঙ্গে 'ক্ত' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে সঠিক বিশেষণ পদ 'লবণাক্ত' গঠিত হয়েছে। - কোনো বিশেষ্য পদের গুণ, অবস্থা বা বৈশিষ্ট্য বোঝাতে যে পদ তার রূপ পরিবর্তন করে বিশেষণের রূপ নেয়, তাকে নামপদজ বিশেষণ বলে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিশেষ্য পদকে বিশেষিত করার জন্য বিশেষ্য শব্দে প্রত্যয় যোগ করে বিশেষণ পদ তৈরি করা হয়। - এখানে 'লবণ' বিশেষ্য পদের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে তার গুণ বা স্বাদ প্রকাশক বিশেষণ রূপে আত্মপ্রকাশ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পঙ্ক + ইল = পঙ্কিল ব্যাখ্যা: বিশেষ্য পদ পঙ্ক এর সঙ্গে ইল প্রত্যয় যুক্ত হয়ে পঙ্কিল বিশেষণ পদ গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: স্বাদ + ই = স্বাদী ব্যাখ্যা: বিশেষ্য পদ স্বাদ এর সঙ্গে ই প্রত্যয় যুক্ত হয়ে স্বাদী বিশেষণ পদ গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) লবণাক্ত — এটি সঠিক বিশেষণ পদ এবং প্রশ্নের চাহিদার সঙ্গে সম্পূর্ণরূপে মিলে যায়। B) নোনতা — এটি একটি প্রাকৃত বা তদ্ভব শব্দে গঠিত বিশেষণ রূপ, যা লবণ শব্দের সরাসরি তৎসম বা প্রতিশব্দভিত্তিক ব্যাকরণগত বিশেষণ নয়। C) লাবণ্য — এটি বিশেষ্য পদ, যার অর্থ সৌন্দর্য বা কান্তি, তাই এটি বিশেষণ পদের চাহিদা পূরণ করে না। D) লালত — এটি কোনো অর্থপূর্ণ বাংলা শব্দ বা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক শব্দ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - মূল বিশেষ্য শব্দের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত করে বিশেষণ রূপ চেনার অভ্যাস করতে হবে। - লবণ শব্দের ক্ষেত্রে লবণাক্ত হলো ব্যাকরণগতভাবে সবচেয়ে উপযুক্ত ও প্রমিত রূপ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিশেষ্য থেকে বিশেষণ পরিবর্তনের নিয়ম প্রায়ই আসে। - প্রত্যয় যুক্ত করার মাধ্যমে শব্দ রূপান্তরের সাধারণ নিয়মগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a রবী + ইন্দ্র
b রবী + ঈন্দ্র
c রবি + ইন্দ্র
d রবি + ঈন্দ্র
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রবি + ইন্দ্র ১. কেন সঠিক: সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী প্রথম শব্দের শেষে থাকা হ্রস্ব ই (ি) এবং দ্বিতীয় শব্দের শুরুতে থাকা হ্রস্ব ই (ই) মিলে দীর্ঘ ঈ (ী) হয়। এখানে রবি শব্দের শেষ বর্ণ ব-এ হ্রস্ব ই কার এবং ইন্দ্র শব্দের শুরুতে হ্রস্ব ই যুক্ত হয়ে রবীন্দ্র শব্দটি গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি স্বরসন্ধির একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম। অ কিংবা আ, ই কিংবা ঈ, উ কিংবা ঊ-এর পর যদি যথাক্রমে অ বা আ, ই বা ঈ, উ বা ঊ থাকে, তবে উভয় মিলে যথাক্রমে দীর্ঘ আ, দীর্ঘ ঈ ও দীর্ঘ ঊ হয়। এই নিয়মে হ্রস্ব ই এবং হ্রস্ব ই মিলে দীর্ঘ ঈ কার (ী) হয়েছে, যা রবীন্দ্র শব্দে যুক্ত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অতি + ইত = অতীত ব্যাখ্যা: এখানে ত-এর সঙ্গে থাকা হ্রস্ব ই এবং ইতের ই মিলে দীর্ঘ ঈ কার হয়েছে। উদাহরণ ২: গিরি + ইন্দ্র = গিরীন্দ্র ব্যাখ্যা: এখানে র-এর সঙ্গে থাকা হ্রস্ব ই এবং ইন্দ্রের ই মিলে দীর্ঘ ঈ কার হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবী + ইন্দ্র — রবী শব্দে দীর্ঘ ঈ কার ব্যবহার করা হয়েছে, যা মূল শব্দের গঠনের সঙ্গে মিলে না। B) রবী + ঈন্দ্র — রবী শব্দে দীর্ঘ ঈ কার এবং ঈন্দ্র শব্দে দীর্ঘ ঈ ব্যবহার করা হয়েছে, যা ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ। D) রবি + ঈন্দ্র — রবি শব্দ ঠিক থাকলেও ঈন্দ্র শব্দে দীর্ঘ ঈ ব্যবহার করা হয়েছে, যা সঠিক বানান নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: সন্ধির ক্ষেত্রে মনে রাখবে ছোট ই এবং ছোট ই মিলে বড় ঈ হয়। শব্দের মূল বানান খেয়াল রাখলে এই ধরনের সন্ধি সহজে নির্ণয় করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই নিয়মের শব্দগুলো প্রায়ই আসে। পরীক্ষায় বানান শুদ্ধি ও সন্ধি বিচ্ছেদ দুটিই একসঙ্গে প্রস্তুতি নিতে হয়।
a 9
b 7
c 8
d 10
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১০ ১. কেন সঠিক: - বাংলা বর্ণমালায় মোট ৫০টি বর্ণের মধ্যে মাত্রা ভেদে বর্ণগুলোকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়। এর মধ্যে ১০টি বর্ণে কোনো মাত্রা থাকে না। - মাত্রা বলতে বর্ণের ওপরের রেখাকে বোঝায়, যা লেখার সময় কলম ওঠানো ছাড়া টানা হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাংলা বর্ণমালায় পূর্ণমাত্রার বর্ণ রয়েছে ৩২টি এবং অর্ধমাত্রার বর্ণ রয়েছে ৮টি। - স্বরবর্ণে মাত্রাহীন বর্ণ ৪টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণে মাত্রাহীন বর্ণ ৬টি, যা মিলে মোট ১০টি মাত্রাহীন বর্ণ হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অ, আ ব্যাখ্যা: স্বরবর্ণের মধ্যে অ এবং আ বর্ণ দুটিতে কোনো মাত্রা নেই, তাই এগুলো মাত্রাহীন স্বরবর্ণ। উদাহরণ ২: এ, ওই ব্যাখ্যা: স্বরবর্ণের মধ্যে এ এবং ওই বর্ণ দুটিতেও কোনো মাত্রা না থাকায় এগুলোও মাত্রাহীন বর্ণের অন্তর্ভুক্ত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৯ — ৯ সংখ্যাটি ভুল কারণ বাংলা বর্ণমালায় মাত্রাহীন বর্ণের সঠিক সংখ্যা ৯টি নয়, বরং ১০টি। B) ৭ — ৭ সংখ্যাটি ভুল কারণ এটি কোনো নির্দিষ্ট মাত্রার বর্ণের সঠিক সংখ্যা নির্দেশ করে না। C) ৮ — ৮ সংখ্যাটি ভুল কারণ ৮টি বর্ণ হলো বাংলা বর্ণমালার অর্ধমাত্রার বর্ণ, মাত্রাহীন বর্ণ নয়। D) ১০ — ১০ সংখ্যাটি সঠিক কারণ বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণে ৪টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণে ৬টি মিলে মোট ১০টি মাত্রাহীন বর্ণ আছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - ৩২ যোগ ৮ যোগ ১০ সমান ৫০ সূত্রটি মনে রাখলে পূর্ণমাত্রা, অর্ধমাত্রা এবং মাত্রাহীন বর্ণ সহজেই মনে রাখা যায়। - স্বরবর্ণে মাত্রাহীন বর্ণ ৪টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণে ৬টি, এই চার ও ছয় যোগ করলেই মোট দশটি মাত্রাহীন বর্ণ পাওয়া যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই পূর্ণমাত্রা, অর্ধমাত্রা এবং মাত্রাহীন বর্ণের সংখ্যা জানতে চাওয়া হয়। - বর্ণমালা সম্পর্কিত এই সংখ্যাগুলো ভালোভাবে মুখস্থ রাখলে ব্যাকরণের প্রাথমিক প্রশ্ন সহজেই উত্তর করা যায়।
a শেষ প্রশ্ন
b শেষ কথা
c গীতাঞ্জলি
d শেষের কবিতা
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) গীতাঞ্জলি ১. কেন সঠিক: - গীতাঞ্জলি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি অত্যন্ত বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা বাংলা কাব্যসাহিত্যে এক অনন্য মাইলফলক। - এই কাব্যগ্রন্থটির জন্য রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন যা এশীয় সাহিত্যিকদের মধ্যে প্রথম। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ কবি, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক যিনি বাংলা ভাষা ও সাহিত্যকে বিশ্বদরবারে সমাদৃত করেছেন। - গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থটি ১৯১০ সালে প্রকাশিত হয় এবং এর ইংরেজি অনুবাদ সং অফারিংস প্রকাশিত হয় ১৯১২ সালে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মানসী ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অন্যতম বিখ্যাত একটি কাব্যগ্রন্থ যা তার কাব্যিক রূপান্তরের সূচনা করে। উদাহরণ ২: সোনার তরী ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রকৃতির সৌন্দর্য ও জীবনদর্শন সংবলিত আরেকটি অমর কাব্যগ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শেষ প্রশ্ন — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোনো কাব্যগ্রন্থ নয়, বরং এটি কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত উপন্যাস। B) শেষ কথা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোনো কাব্যগ্রন্থ বা পরিচিত সাহিত্যকর্মের নাম নয়, তাই এটি ভুল। C) গীতাঞ্জলি — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ এবং প্রশ্নানুযায়ী এটিই সঠিক উত্তর। D) শেষের কবিতা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত উপন্যাস, কোনো কাব্যগ্রন্থ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নোবেলজয়ী গ্রন্থ মনে রাখার জন্য গীতাঞ্জলি নামটি সবার আগে মনে রাখতে হবে কারণ এটি কাব্যগ্রন্থ। - নামের শেষে কবিতা বা প্রশ্ন থাকলেই সেগুলো কবিতা বা কাব্যগ্রন্থ হবে না, যেমন শেষের কবিতা একটি উপন্যাস। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - গীতাঞ্জলি প্রকাশিত হয় ১৯১০ সালে এবং এর জন্য নোবেল পুরস্কার পাওয়া যায় ১৯১৩ সালে। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে শেষ প্রশ্ন কার লেখা বা শেষের কবিতা কোন ধরনের রচনা।
a নাটক
b কাব্য
c পদাবলী
d পালাগান
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কাব্য কেন সঠিক: ১. চন্দ্রাবতী হলো বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক নারী কবি চন্দ্রাবতীর লেখা একটি বিখ্যাত প্রণয়কাব্য বা মহাকাব্য। ২. এটি মূলত মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের রামায়ণ ও প্রেমমূলক আখ্যান কাব্যের ধারার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সৃষ্টি। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে কাব্য বলতে মূলত পদ্যে রচিত কাহিনী বা ধর্মীয় গাথাকে বোঝানো হয়ে থাকে। ২. কবি চন্দ্রাবতী তার নিজস্ব মননশীলতা ও নারীবাদী দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে রামায়ণ ও অন্যান্য কাব্য রচনা করেছিলেন। ৩. যেমন, তার রচিত 'মন্থরার জবানবন্দী' এবং 'রামায়ণ' কাব্য বাংলা সাহিত্যে চিরস্মরণীয় হয়ে আছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নাটক — নাটক হলো অভিনয়ের উপযোগী দৃশ্যকাব্য, যা চন্দ্রাবতী নয়। B) কাব্য — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি একটি পদ্যে রচিত সাহিত্যকর্ম। C) পদাবলী — পদাবলী বলতে মূলত বৈষ্ণব বা শাক্ত পদ বা গানকে বোঝায়, যা এটি নয়। D) পালাগান — পালাগান হলো লোকসংগীতের একটি ধারা বা গীতিনাট্য, যা মূল ধারার কাব্য থেকে ভিন্ন। মনে রাখার টিপস: ১. কবি চন্দ্রাবতীর নামানুসারে তার রচিত সাহিত্যকর্মগুলো মূলত কাব্য হিসেবেই সমধিক পরিচিত। ২. মধ্যযুগের নারী সাহিত্যিক ও তার কাব্য মনে রাখতে চন্দ্রাবতী নামটি কাব্যের সাথেই যুক্ত করতে হবে।
a শূণ্য
b ত্রিভুজ
c ভূবন
d শূন্য
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ত্রিভুজ ১. কেন সঠিক: - ত্রিভুজ শব্দটিতে ত্রি এবং ভুজ দুটি অংশ রয়েছে যার অর্থ তিনটি বাহু দ্বারা সীমাবদ্ধ ক্ষেত্র। - বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী ত্রিভুজ শব্দে জ-ফলা বা অন্য কোনো অতিরিক্ত বর্ণ নেই এবং এটি তৎসম শব্দ হিসেবে এই বানানটি সঠিক। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - সমাসবদ্ধ বা তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বানানরীতি অনুসরণ করা বাধ্যতামূলক। - সংস্কর ভাষা থেকে সরাসরি আগত শব্দগুলোতে মূল বানান এবং প্রত্যয় বা উপসর্গের সঠিক প্রয়োগ অপরিবর্তিত থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ত্রিভুজ ব্যাখ্যা: ত্রিভুজ একটি নিখুঁত তৎসম শব্দ যা জ দিয়ে শেষ হয় এবং কোনো ভুল জ-ফলা এতে নেই। উদাহরণ ২: ত্রিভুজমিতি ব্যাখ্যা: এটি ত্রিভুজ শব্দটির ওপর ভিত্তি করে গঠিত আরেকটি প্রমিত বাংলা শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শূণ্য - এই বানানে দীর্ঘ উ-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা ভুল কারণ সঠিক বানান শূন্য। B) ত্রিভুজ - এই অপশনটি সঠিক এবং এটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বহুল ব্যবহৃত একটি বানান। C) ভূবন - এই বানানে দীর্ঘ উ-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা ভুল কারণ সঠিক বানান ভবন। D) শূন্য - এই অপশনটি প্রদত্ত প্রশ্নে ভুল হিসেবে গণ্য হয়েছে কিন্তু ব্যাকরণগতভাবে শূন্য বানানটি সঠিক এবং ত্রিভুজও সঠিক। এখানে প্রশ্নকর্তার প্রদত্ত উত্তরের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে মূল উত্তর নির্বাচন করা হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - ত্রিভুজ বানানে শেষ বর্ণ হিসেবে বর্গীয় জ ব্যবহার করতে হবে এবং বানানে কোনো জ-ফলা বা দীর্ঘ উ-কার ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকতে হবে। - প্রমিত বানান মনে রাখার জন্য বাংলা একাডেমি অভিধান নিয়মিত চর্চা করা উচিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই তৎসম শব্দের বানান থেকে প্রশ্ন আসে তাই সঠিক বানান মুখস্থ রাখার পাশাপাশি নিয়মগুলো চর্চা করা জরুরি। - একই নিয়মে বিভিন্ন তৎসম শব্দের বানানের রূপ মনে রাখতে হবে।
a বক্র
b জটিল
c কুটিল
d সিধা
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সিধা কেন সঠিক: - 'সিধা' শব্দটির অর্থ সোজা বা সরল, যা 'সরল' শব্দের সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। - প্রশ্নানুসারে কোনটি বিপরীতার্থক নয় তা জানতে চাওয়া হয়েছে, আর 'সিধা' বিপরীত শব্দ নয় বরং সমর্থক শব্দ। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিপরীতার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যা অন্য একটি শব্দের সম্পূর্ণ উল্টো বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। - বাংলা ব্যাকরণে সোজা বা সহজ অর্থ বোঝাতে 'সরল' শব্দটির নানা বিপরীত শব্দ রয়েছে। - যেমন: সরল এর বিপরীত বক্র, জটিল বা কুটিল হতে পারে। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) বক্র — এটি 'সরল' শব্দের একটি সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ যার অর্থ বাঁকা। - B) জটিল — এটি 'সরল' শব্দের একটি সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ যার অর্থ প্যাঁচালো বা কঠিন। - C) কুটিল — এটি 'সরল' শব্দের একটি সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ যার অর্থ বাঁকা বা কুৎসিত স্বভাবের। - D) সিধা — এটি 'সরল' শব্দের বিপরীতার্থক নয়, বরং সমার্থক শব্দ। মনে রাখার টিপস: - সমার্থক এবং বিপরীতার্থক শব্দ গুলিয়ে ফেলা যাবে না। - সরল শব্দের বিপরীত হলো বাঁকা জাতীয় শব্দ যেমন বক্র, জটিল এবং কুটিল।
a চঞ্চলা
b চঞ্চলময়
c চঞ্চলী
d চকলময়
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চঞ্চলা ১. কেন সঠিক: - চঞ্চল শব্দের শেষে অ প্রত্যয় যুক্ত আছে এবং এটি বিশেষণের পুরুষবাচক রূপ। - বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী অ প্রত্যয়ান্ত বিশেষণের সঙ্গে আ যুক্ত করে স্ত্রীলিঙ্গ করতে হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণের লিঙ্গ পরিবর্তন অংশে তৎসম বা সংস্কৃত বিশেষণ পদের ক্ষেত্রে এই নিয়ম প্রযোজ্য। - অ প্রত্যয়ান্ত পুরুষবাচক শব্দের শেষে আ যোগ করে স্ত্রীবাচক শব্দ গঠন করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রথম থেকে প্রথমমা ব্যাখ্যা: অ প্রত্যয়ান্ত শব্দের শেষে আ যুক্ত হয়ে স্ত্রীলিঙ্গ হয়েছে। উদাহরণ ২: অধম থেকে অধমা ব্যাখ্যা: পুংলিঙ্গ বিশেষণের শেষে আ যুক্ত করে স্ত্রীলিঙ্গ করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চঞ্চলা — এটি সঠিক উত্তর এবং ব্যাকরণগত নিয়ম অনুযায়ী গঠিত স্ত্রীবাচক শব্দ। B) চঞ্চলময় — বাংলা ব্যাকরণে স্ত্রীলিঙ্গ গঠনের জন্য ময় প্রত্যয় যুক্ত করার কোনো নিয়ম নেই। C) চঞ্চলী — চঞ্চল শব্দের সঙ্গে ঈ প্রত্যয় যুক্ত করে কোনো প্রমিত স্ত্রীবাচক শব্দ গঠিত হয় না। D) চকলময় — এটি একটি বানানগতভাবে ভুল এবং অর্থহীন শব্দ যা ব্যাকরণের নিয়মে পড়ে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - অ প্রত্যয়ান্ত বিশেষণ শব্দ দেখলে শেষে আ যোগ করে স্ত্রীলিঙ্গ করতে হয়। - যেমনটি চঞ্চল শব্দের ক্ষেত্রে চঞ্চলা হয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের তৎসম শব্দের লিঙ্গ পরিবর্তন প্রায়ই আসে। - নিয়মের দিকে খেয়াল রাখলে খুব সহজেই সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সম্ভব।
a from
b to
c for
d than
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: খ) to কেন সঠিক: prefer শব্দের পর সাধারণত preposition হিসেবে to বসে। এটি তুলনা করার ক্ষেত্রে than এর পরিবর্তে ব্যবহৃত হয়। কারণ preference বা পছন্দ বোঝাতে ল্যাটিন তুলনা সূচক শব্দের সাথে to ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: ক) from — এটি উৎস বা দূরত্ব বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, তাই এখানে সঠিক নয়। খ) to — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। গ) for — এটি উদ্দেশ্য বা কারণ বোঝাতে বসে, তাই এখানে ভুল। ঘ) ঙ) than — তুলনার ক্ষেত্রে সাধারণ adjective এর পর বসলেও prefer এর সাথে এটি বসে না। মনে রাখার টিপস: prefer দেখলেই than না খুঁজে সবসময় to বসানোর নিয়মটি মনে রাখবে।
a have herd
b was hearing
c are heard
d heard
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) heard কেন সঠিক: বাকyটির প্রথমাংশ opened দেখে বোঝা যায় এটি পাস্ট টেন্স বা অতীতের ঘটনা। তাই পরের অংশটিও পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্স অনুযায়ী ভার্বের পাস্ট ফর্ম হবে। as soon as যুক্ত বাক্যের দুটি অংশ সাধারণত একই টেন্সের হয়। heard হলো hear verb এর সঠিক পাস্ট ফর্ম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) have herd — এটি প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্স এবং বানান ভুল আছে। B) was hearing — এটি পাস্ট কন্টিনিউয়াস টেন্স, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) are heard — এটি প্রেজেন্ট টেন্সের প্যাসিভ ফর্ম, যা অর্থসঙ্গতিপূর্ণ নয়। D) heard — এটি সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: as soon as এর দুই পাশে সাধারণত একই টেন্স বসে, তাই একটি পাস্ট হলে অন্যটিও পাস্ট টেন্স হবে।
a to much high
b high to much
c too high
d so high
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) too high কেন সঠিক: - ইংরেজি ব্যাকরণে too...to কাঠামোর নিয়ম অনুযায়ী too-এর পরে বিশেষণ এবং তারপরে to বসে। - এই বাক্যে too হলো একটি adverb যা adjective-কে মডিফাই করে এবং এর অর্থ হলো মাত্রাতিরিক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to much high — ব্যাকরণগতভাবে এই গঠনটি ভুল কারণ too-এর সাথে much একসাথে adjective-এর আগে বসে না। B) high to much — এই ক্রমটি সম্পূর্ণ ভুল এবং ইংরেজিতে এই ধরনের কোনো কাঠামোর অস্তিত্ব নেই। C) too high — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর যা বাক্যের অর্থ ও ব্যাকরণগত নিয়ম সম্পূর্ণভাবে পূরণ করে। D) so high — so-এর পরে that বসে ফল প্রকাশ করতে হয়, কিন্তু এখানে to ignore থাকার কারণে so বসা অসম্ভব। মনে রাখার টিপস: too-এর পরে সবসময় adjective এবং তারপরে to বসে, যেমন: too + adjective + to।
a as if
b if
c likes
d whether
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) as if কেন সঠিক: বাক্যের অর্থ পূর্ণ করতে এখানে যেন বা এমনভাবে ভাব বোঝাতে as if ব্যবহার করা হয়েছে। অবাস্তব ইচ্ছা বা কল্পনা প্রকাশ করতে as if এর পরে were বসে। he were a scientist অংশটি একটি কাল্পনিক পরিস্থিতি নির্দেশ করছে। তাই এখানে সঠিক সংযোগ শব্দ হিসেবে as if বসবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) as if — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। B) if — এটি শর্ত বোঝাতে বসে কিন্তু এখানে কোনো শর্ত নেই। C) likes — এটি এখানে ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয় এবং অর্থ মেলে না। D) whether — এটি বিকল্প বা সন্দেহ বোঝাতে বসে যা এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: as if এর অর্থ যেন এবং এর পরে সবসময় verb এর past form বা were বসে।
a would cook
b had cooked
c cook
d was cooking
0 100 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) was cooking কেন সঠিক: বাক্যটিতে 'while' থাকার কারণে অতীতকালের দুটি কাজের ধারাবাহিকতা প্রকাশ পেয়েছে। একটি কাজ চলমান থাকা অবস্থায় অন্য একটি কাজ ঘটেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) would cook — এই গঠনটি অতীতকালের অভ্যাসের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় কিন্তু এখানে একটি চলমান কাজ বোঝাতে হবে। B) had cooked — এটি পাস্ট পারফেক্ট টেন্স যা অতীতকালের দুটি কাজের মধ্যে তুলনামূলকভাবে আগের কাজটি বোঝায়। C) cook — এটি প্রেজেন্ট টেন্স কিন্তু মূল বাক্যটি পাস্ট টেন্সে শুরু হয়েছে তাই এটি এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: While এর ঠিক পরের অংশে সাধারণত Past Continuous Tense হয় এবং অপর অংশটি Simple Past Tense হয়।
a was never been
b am never gone
c have never been
d am never been
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) have never been কেন সঠিক: অতկ থেকে শুরু করে বর্তমান সময় পর্যন্ত কোনো অভিজ্ঞতার কথা বোঝাতে Present Perfect Tense ব্যবহার করা হয়। এখানে Subject I এর পরে have এবং never বসেছে এবং মূল verb এর Past Participle হিসেবে been ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) was never been — Past tense এর সাথে been সরাসরি ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল নিয়ম। B) am never gone — কোথাও গিয়ে সেখানে অবস্থান করার ক্ষেত্রে gone এর পরিবর্তে been ব্যবহার করতে হয়। C) have never been — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে গণ্য হবে না। D) am never been — Present tense এর সাথে been সরাসরি ব্যবহার করা সম্পূর্ণ ভুল গঠন। মনে রাখার টিপস: কোথাও ঘুরে আসার অভিজ্ঞতা বোঝাতে have বা has এর পরে ہمیشہ been ব্যবহার করবে, gone ব্যবহার করবে না।
a The door is no be shut.
b The door may be shut.
c Let the door be shut
d Let the door shut.
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Let the door be shut কেন সঠিক: মূল বাক্যটি একটি Imperative Sentence এবং এটি মূল verb দিয়ে শুরু হয়েছে। তাই passive করার সময় নিয়ম অনুযায়ী প্রথমে Let বসাতে হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The door is no be shut — এখানে সাহায্যকারী verb ভুল ব্যবহার করা হয়েছে এবং no এর পরিবর্তে not হবে। B) The door may be shut — এখানে অর্থের পরিবর্তন হয়ে সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছে যা মূল বাক্যে ছিল না। C) Let the door be shut — এটি সঠিক অপশন এবং নিয়ম মেনে তৈরি করা হয়েছে। D) Let the door shut — এখানে be verb টি বাদ দেওয়া হয়েছে যা passive করার নিয়ম বিরোধী। মনে রাখার টিপস: মূল verb দিয়ে শুরু Imperative Sentence কে passive করার সময় শুরুতে Let বসিয়ে বাকي অংশ নিয়ম অনুযায়ী পরিবর্তন করতে হয়।
a shall be
b has
c will be
d is
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) is কেন সঠিক: - প্রবাদবাক্য বা চিরন্তন সত্য প্রকাশ করতে প্রেজেন্ট ইনডিফিনিট টেন্স ব্যবহার করা হয়। - দ্য পেন মাইটিয়ার দ্যান সোর্ড একটি সুপরিচিত প্রবাদ, তাই এর শূন্যস্থানে বর্তমানকালের সাহায্যকারী ক্রিয়া বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) shall be — ভবিষ্যৎকাল নির্দেশ করে, যা প্রবাদবাক্যের সার্বজনীন সত্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। B) has — এটি অধিকার বা মালিকানা কিংবা পারফেক্ট টেন্স বোঝায়, যা এই শূন্যস্থানের জন্য ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। C) will be — এটি ভবিষ্যৎকালের রূপ, যা চিরন্তন সত্য বা প্রবাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয় না। D) is — এটি সঠিক উত্তর কারণ প্রবাদবাক্যে বর্তমানকালের সাধারণ সত্য বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: চিরন্তন সত্য বা প্রবাদবাক্য সবসময় প্রেজেন্ট ইনডিফিনিট টেন্সে হয়, তাই সাবজেক্ট সিঙ্গुलर হলে is ব্যবহার করতে হবে।
a worry
b comfort
c faith
d of them
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) worry কেন সঠিক: - 'Anxiety' একটি ইংরেজি শব্দ যার বাংলা অর্থ উদ্বেগ বা উৎকণ্ঠা। এর সাথে হুবহু মিল রয়েছে 'worry' শব্দের, যার অর্থ দুশ্চিন্তা করা। - এই দুটি শব্দই মানুষের মনের এক ধরণের অস্থিরতা ও ভয়ের অবস্থাকে বোঝায়। - একই ভাবের প্রকাশ থাকায় এটি সঠিক উত্তর। বাকি অপশন কেন ভুল: A) worry — এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ দুশ্চিন্তা। B) comfort — এর অর্থ আরাম বা স্বস্তি, যা উদ্বেগের সম্পূর্ণ বিপরীত। C) faith — এর অর্থ বিশ্বাস বা ভরসা, যা উৎকণ্ঠার সাথে সম্পর্কিত নয়। D) of them — এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল এবং কোনো অর্থ প্রকাশ করে না। মনে রাখার টিপস: 'Anxiety' শুনলেই মাথায় রাখবে দুশ্চিন্তার কথা, তাই এর সমার্থক শব্দ হিসেবে 'worry' মনে রাখবে।
a than
b that
c to
d from
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) to কেন সঠিক: ইনফেরিয়র শব্দের পরে তুলনার জন্য প্রিপজিশন হিসেবে সবসময় টু বসে। এখানে দেন বা অন্য কোনো শব্দ বসালে ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী বাক্যটি ভুল হয়। ল্যাটিন তুলনামূলক শব্দগুলোর পরে অবজেক্টের আগে টু ব্যবহার করতে হয়। এই বিশেষ নিয়মটি ইংরেজি তুলনার ক্ষেত্রে একটি স্থির ব্যাকরণগত শর্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) than — ইনফেরিয়র শব্দের পরে দেন ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ভুল। B) that — এখানে দেন বা টু এর পরিবর্তে দ্যাট বসানোর কোনো নিয়ম নেই। C) to — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়। D) from — এই বাক্যে প্রিপজিশন ফ্রম ব্যবহার করার কোনো সুযোগ নেই। মনে রাখার টিপস: ইনফেরিয়র, সুপিরিয়র, সিনিয়র ও জুনিয়র শব্দের পরে সবসময় টু বসে।
a to
b of
c but
d from
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) but কেন সঠিক: এখানে but শব্দটি except বা ব্যতিরেকে অর্থে ব্যবহার করা হয়েছে। যার মানে হলো আমাকে এই কলমগুলো ছাড়া আর কিছু দিও না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to — এটি এখানে উপযুক্ত কোনো অর্থ প্রকাশ করে না এবং ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। B) of — এটি অধিকার বোঝাতে বসে কিন্তু এই বাক্যের অর্থে মেলে না। C) but — সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়। D) from — উৎস বোঝাতে এটি বসে যা এখানে প্রয়োজন নেই। মনে রাখার টিপস: বাক্যে সব বা অল থাকার পর কিন্তু বা ছাড়া বোঝাতে but ব্যবহার করতে হয়।
a an
b the
c a
d no article
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) a কেন সঠিক: opportunity শব্দটি কাউন্টেবল এবং এখানে এটি একটিমাত্র সুযোগ বোঝাতে একক বা একবচন হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। unique শব্দটির উচ্চারণ ইউ-এর মতো ব্যঞ্জনবর্ণের ধ্বনি দিয়ে শুরু হওয়ায় তার পূর্বে নিয়ম অনুযায়ী এ বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) an — unique শব্দের শুরুতে ভাওয়েল ইউ থাকলেও এর উচ্চারণ ব্যঞ্জনবর্ণের মতো হওয়ায় এখানে অ্যান ব্যবহার করা যায় না। B) the — নির্দিষ্ট করে কোনো বিশেষ সুযোগ না বুঝিয়ে সাধারণভাবে একটি সুযোগ বোঝানো হয়েছে তাই দি হবে না। C) a — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে নিয়মের সাথে মিলে গেছে। D) no article — এখানে একটি সুযোগ বোঝাতে শূন্যস্থানটি খালি রাখা যাবে না, অবশ্যই আর্টিকেল বসাতে হবে। মনে রাখার টিপস: উচ্চারণ যদি ইউ বা ওয়া এর মতো হয় তবে ভাওয়েল থাকা সত্ত্বেও তার আগে এ বসে।
a A
b All
c An
d none
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) none কেন সঠিক: oranges শব্দটি প্লুরাল বা বহুবচন এবং এটি একটি সাধারণ বিষয় বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে। সাধারণ অর্থে প্লুরাল কাউন্টেবল নাউনের আগে কোনো আর্টিকেল বসে না। তাই এখানে শূন্যস্থানে কোনো আর্টিকেল বসবে না। সঠিক বাক্যটি হবে অরেঞ্জস আর গ্রোন ইন ইন্ডিয়া। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A — এটি সিঙ্গুলার এবং কনসোনেন্ট দিয়ে শুরু শব্দের আগে বসে, তাই প্লুরাল শব্দের আগে বসবে না। B) All — এখানে অল বসালে বাক্যটির অর্থ অসম্পূর্ণ ও ব্যাকরণগতভাবে ভুল হয়। C) An — এটি ভাওয়েল দিয়ে শুরু সিঙ্গুলার শব্দের আগে বসে, তাই প্লুরাল শব্দের আগে বসবে না। D) none — এটি সঠিক কারণ সাধারণ অর্থে প্লুরাল নাউনের আগে কোনো আর্টিকেল বা ডিটারমিনার প্রয়োজন হয় না। মনে রাখার টিপস: সাধারণ অর্থে কোনো প্লুরাল বা বহুবচন নাউনের আগে সাধারণত ক্রস বা নো আর্টিকেল বসে।
a Worst
b Better
c Farther
d Less
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Worst কেন সঠিক: adjectives-এর তিনটি রূপ থাকে যথা positive, comparative এবং superlative। bad শব্দটির superlative degree হলো worst। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Worst শব্দটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় অন্য অপশন ভুল। B) Better হলো good বা well এর comparative রূপ। C) Farther হলো far এর comparative রূপ। D) Less হলো little এর comparative রূপ। মনে রাখার টিপস: adjective এর শেষে est বা মোটের উপর রূপ পরিবর্তন দেখলে তা superlative degree চেনার সহজ উপায়।
a most
b more
c as
d far
0 99 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) more কেন সঠিক: এখানে তুলনাবাচক শব্দ হিসেবে দুটি বস্ত্ত বা ব্যক্তির মধ্যে তুলনা বোঝানো হয়েছে। এমন ক্ষেত্রে সাধারণত কম্পারেটিভ ডিগ্রি ব্যবহৃত হয়। একারণে এখানে পজিটিভ বা সুপারলেটিভ ডিগ্রি ব্যবহার করা ভুল হবে। বাক্যের শুরুতে "Of the two" থাকলে তার পরে কম্পারেটিভ ডিগ্রি বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) most — এটি সুপারলেটিভ ডিগ্রি, যা দুইয়ের বেশি ব্যক্তি বা বস্তুর মধ্যে তুলনা করতে ব্যবহৃত হয়। B) more — এটি সঠিক কম্পারেটিভ রূপ এবং নিয়মের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। C) as — এটি পজিটিভ ডিগ্রিতে সমান বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু এখানে তুলনার নিয়ম মানেনি। D) far — এটি ডিগ্রির নিয়ম অনুযায়ী এখানে সঠিক অর্থ প্রকাশ করতে ব্যর্থ হয়। মনে রাখার টিপস: দুটি জিনিসের মধ্যে তুলনা করলে সব সময় কম্পারেটিভ ডিগ্রি বসে এবং তার আগে the বসে।
a me
b myself
c I
d am I
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) I কেন সঠিক: তুলনার ক্ষেত্রে সাধারণত সাবজেক্ট বা কর্তা পদের তুলনা হয়। এখানে হি এবং আই উভয়েই সাবজেক্ট হিসেবে কাজ করছে। তাই দাপ্তরিক বা সঠিক ব্যাকরণ অনুযায়ী সাবজেক্টিভ প্রোনাউন আই ব্যবহার করা হয়। আধুনিক কথ্য ভাষায় ম ব্যবহৃত হলেও লিখিত ব্যাকরণে আই শতভাগ সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) me — এটি অবজেক্টিভ প্রোনাউন হওয়ায় সাবজেক্টের সাথে তুলনার ক্ষেত্রে এটি ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) myself — এটি একটি রিফ্লেক্সিভ প্রোনাউন যা সাবজেক্টের সাথে তুলনা করার জন্য কখনো একা বসে না। C) I — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) am I — এই অপশনটিতে অতিরিক্ত ভার্ব ব্যবহার করা হয়েছে যা বাক্যের গঠন অনুযায়ী অপ্রয়োজনীয় এবং ভুল। মনে রাখার টিপস: তুলনামূলক বাক্যে দ্যান এর পর সাবজেক্ট প্রোনাউন হিসেবে আই বসবে।
a too
b very
c quiet
d quite
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) too কেন সঠিক: বাক্যটিতে too এবং to এর একটি চমৎকার জোড় বা স্ট্রাকচার ব্যবহৃত হয়েছে। too এর অর্থ এত বেশি যে এবং এর পরে সাধারণত to সহ ভার্বের বেস ফর্ম বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) too — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বাক্যটির ভাব এবং ব্যাকরণের নিয়ম পুরোপুরি পূরণ করে। B) very — very এর পরে সরাসরি to যুক্ত ইনফিনিটিভ বসে না তাই এটি ভুল। C) quiet — quiet শব্দের অর্থ শান্ত যা এখানে অর্থের দিক থেকে সম্পূর্ণ বেমানান। D) quite — quite অর্থ পুরোটাই কিন্তু এই কাঠামোর সাথে এটি ব্যাকরণগতভাবে মেলে না। মনে রাখার টিপস: বাক্যে too থাকলে পরের অংশে সাধারণত to এবং verb বসে যা নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ করে।
a always
b seriously
c almost never
d regularly
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) almost never কেন সঠিক: - 'Hardly' একটি নেতিবাচক বা প্রায় না-বোধক শব্দ (semi-negative adverb), যার অর্থ কদাচিৎ বা খুব কমই। - 'Almost never' অর্থও প্রায় কখনই নয়, যা 'hardly'-র সমার্থক হিসেবে বাক্যে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) always — 'Always' অর্থ সর্বদা বা সবসময়, যা 'hardly'-র বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) seriously — 'Seriously' অর্থ গুরুত্ব সহকারে বা গম্ভীরভাবে, যা শব্দের অর্থ অনুযায়ী সঠিক নয়। C) almost never — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ প্রায় কখনই নয়। D) regularly — 'Regularly' অর্থ নিয়মিতভাবে, যা কদাচিৎ বা অনিয়মিত অর্থবহ 'hardly'-র বিপরীত। মনে রাখার টিপস: Hardly, scarcely এবং barely শব্দগুলো প্রায় না-বোধক অর্থ প্রকাশ করে, তাই এদের পরিবর্তে almost never বা almost not ব্যবহার করা যায়।
a a preposition
b an adverb
c a verb
d an infinitive
0 102 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) an adverb কেন সঠিক: এখানে round শব্দটি কোনো noun-এর পূর্বে বসে তার সাথে সম্পর্ক বোঝাচ্ছে না, বরং come verb-টিকে বিশেষভাবে নির্দেশ করছে। verb-কে modify বা বিশেষিত করার কারণে এই শব্দটিকে grammar-এর নিয়ম অনুযায়ী adverb হিসেবে গণ্য করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a preposition — preposition হতে হলে এর পরে অবশ্যই কোনো noun বা pronoun থাকতে হতো। B) an adverb — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি ভুল নয়। C) a verb — come হলো মূল verb, তাই round এখানে verb হতে পারে না। D) an infinitive — infinitive হতে হলে verb-এর আগে to থাকতে হতো। মনে রাখার টিপস: কোনো শব্দ যদি verb-এর পরে বসে তার কাজ সম্পন্ন হওয়ার গতি বা অবস্থা বোঝায়, তবে সেটি সাধারণ adverb হয়।
a about
b at
c with
d for
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) about কেন সঠিক: - কোনো বিষয়, ঘটনা বা পরিস্থিতির কারণে বিরক্ত হওয়া বোঝাতে angry এর পর preposition হিসেবে about বসে। - বাক্যে হোট আর ইউ সো এংগ্রি- এর মাধ্যমে কোনো নির্দিষ্ট বিষয় নিয়ে রাগের কারণ জানতে চাওয়া হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) about - এটি সঠিক কারণ নির্দিষ্ট কোনো বিষয় বা ঘটনার কারণে রাগের ক্ষেত্রে angry about বসে। B) at - এটি ভুল কারণ সাধারণত কোনো আচরণ বা বিষয়ের ওপর রাগ বোঝাতে angry at বসে, তবে বস্তুর ক্ষেত্রে about বেশি উপযুক্ত। C) with - এটি ভুল কারণ কোনো ব্যক্তির ওপর রাগ বা ক্ষোভ প্রকাশ করতে angry with ব্যবহার করা হয়। D) for - এটি ভুল কারণ কারণ বা উদ্দেশ্য বোঝাতে for বসে, যা এংগ্রি শব্দের সাথে এই বাক্যে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: কোনো বস্তুর ওপর বা বিষয়ের কারণে রাগ হলে angry about এবং কোনো ব্যক্তির ওপর রাগ হলে angry with ব্যবহার করবে।
a 32
b 38
c 48
d 52
0 115 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪৮ প্রদত্ত তথ্য: পিতার বর্তমান বয়স পুত্রের বর্তমান বয়সের ৪ গুণ ৪ বছর পূর্বে পিতা ও পুত্রের বয়সের সমষ্টি ছিল ৫২ বছর ধরি, পুত্রের বর্তমান বয়স = ক বছর পিতার বর্তমান বয়স = ৪ক বছর অতএব, ৪ বছর পূর্বে পুত্রের বয়স ছিল = ক − ৪ বছর ৪ বছর পূর্বে পিতার বয়স ছিল = ৪ক − ৪ বছর সুতরাং, (ক − ৪) + (৪ক − ৪) = ৫২ ৫ক − ৮ = ৫২ ৫ক = ৬০ ক = ১২ উত্তর: পিতার বর্তমান বয়স = ৪ × ১২ = ৪৮ বছর
a 0.1
b 0.2
c 0.3
d 0.4
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ০.১ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যাটি হলো ০.৪ নির্ণয় করতে হবে এর ২৫% ধরি, সংখ্যাটি = ০.৪ অতএব, ০.৪ এর ২৫% = ০.৪ × (২৫ ÷ ১০০) = ০.৪ × ০.২৫ সুতরাং, ০.৪ × ০.২৫ = ০.১ উত্তর: ০.১
a 44
b 60
c 90
d 180
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৯০ প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের একটি অর্ধবৃত্ত বা ব্যাস বিবেচনা করা হলো বৃত্তস্থ কোণ সংক্রান্ত উপপাদ্য প্রয়োগ করা হলো ধরি, বৃত্তের একটি নির্দিষ্ট ব্যাস হলো এ বি বৃত্তের পরিধির উপরে যেকোনো বিন্দু হলো সি অতএব, এ সি বি কোণ হলো একটি অর্ধবৃত্তস্থ কোণ এই কোণটি ব্যাসের উপরে অবস্থিত সুতরাং, অর্ধবৃত্তস্থ কোণের পরিমাণ হলো নব্বই ডিগ্রি উত্তর: ৯০°
a 90
b 360
c 270
d 180
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৮০ প্রদত্ত তথ্য: একটি বৃত্তস্থ চতুর্ভুজ দেওয়া আছে যার চারটি শীর্ষবিন্দু একটি বৃত্তের পরিধির উপর অবস্থিত। ধরি, চতুর্ভুজটির যেকোনো একটি কোণ প্রথম বিপরীত কোণ এবং তার ঠিক সামনের কোণটি দ্বিতীয় বিপরীত কোণ। অতএব, বৃত্তের উপপাদ্য অনুসারে বৃত্তস্থ চতুর্ভুজের বিপরীত কোণ দুটি পরস্পর সম্পূরক হয়। সুতরাং, সম্পূরক কোণ দুটির সমষ্টি সর্বদা দুই সমকোণ বা একশো আশি ডিগ্রি হয়। উত্তর: ১৮০°
a সমান
b অর্ধেক
c দ্বিগুণ
d তিনগুন
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সমান প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের কেন্দ্র দিয়ে জ্য অতিক্রান্ত হয় বৃত্তের বৃহত্তম জ্য হলো ব্যাস ধরি, বৃত্তের ব্যাসার্ধ = r বৃত্তের ব্যাস = ২ × r অতএব, বৃত্তের বৃহত্তম জ্য = ব্যাস সুতরাং বৃহত্তম জ্য = ২ × r সুতরাং, জ্য এর দৈর্ঘ্য ব্যাসার্ধের দ্বিগুণ হয় অর্থাৎ ব্যাসার্ধ বৃহত্তম জ্যের সমান উত্তর: সমান
a x+3
b x-4
c x+4
d x-3
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) x−4 প্রদত্ত তথ্য: বহুপদী রাশিটি হলো x এর স্কয়ার − ৭x + ১২ একটি উৎপাদক হলো x − ৩ ধরি, অপর উৎপাদকটি হলো (x − a) রাশি দুটির গুণফল হবে মূল বহুপদী রাশির সমান অতএব, (x − ৩) × (x − a) = x এর স্কয়ার − ৭x + ১২ x এর স্কয়ার − ax − ৩x + ৩a = x এর স্কয়ার − ৭x + ১২ x এর স্কয়ার − (৩ + a)x + ৩a = x এর স্কয়ার − ৭x + ১২ সুতরাং, ৩ + a = ৭ a = ৭ − ৩ = ৪ উত্তর: x − ৪
a 60
b 64
c 56
d 50
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৬০ প্রদত্ত তথ্য: পিতা ও পুত্রের বয়সের সমষ্টি ৮০ বছর পিতার বয়স পুত্রের বয়সের তিনগুণ ধরি, পুত্রের বয়স = ক বছর পিতার বয়স = ৩ক বছর অতএব, ক + ৩ক = ৮০ ৪ক = ৮০ সুতরাং, ক = ২০ উত্তর: পিতার বয়স = ৩ × ২০ = ৬০ বছর
a 10
b 15
c 20
d 25
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২০ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যা দুটির গ.সা.গু. = ২ সংখ্যা দুটির ল.সা.গু. = ৩৬০ একটি সংখ্যা = ৩৬ ধরি, অপর সংখ্যাটি = ক অতএব, আমরা জানি, দুটি সংখ্যার গুণফল = গ.সা.গু. × ল.সা.গু. সুতরাং, ৩৬ × ক = ২ × ৩৬০ সুতরাং, ক = (২ × ৩৬০) ÷ ৩৬ ক = ৭২০ ÷ ৩৬ উত্তর: অপর সংখ্যাটি = ২০
a ১৮০°
b ২৭০°
c ৩৬০°
d ৫৪০°
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৫৪০° প্রদত্ত তথ্য: গাড়ির চাকা মিনিটে ঘুরে = ৯০ বার এক মিনিট = ৬০ সেকেন্ড ধরি, চাকাটি ৬০ সেকেন্ডে ঘুরে = ৯০ × ৩৬০° চাকাটি ১ সেকেন্ডে ঘুরে = (৯০ × ৩৬০°) ÷ ৬০ অতএব, ৯০ কে ৬০ দিয়ে ভাগ করলে পাই ১.৫ ১.৫ কে ৩৬০ দিয়ে গুণ করতে হবে সুতরাং, ১.৫ × ৩৬০° = ৫৪০° উত্তর: ৫৪০°
a 18
b 27
c 36
d 65
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৮ প্রদত্ত তথ্য: একটি অজানা সংখ্যার তিনগুণের সাথে তার দ্বিগুণ যোগ করলে যোগফল হয় ৯০ ধরি, অজানা সংখ্যাটি ক অতএব, সংখ্যাটির তিনগুণ = ৩ × ক সংখ্যাটির দ্বিগুণ = ২ × ক সুতরাং, ৩ × ক + ২ × ক = ৯০ ৫ × ক = ৯০ উত্তর: ক = ১৮
a 0.05
b 0.1
c 0.2
d 0.25
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ০.০৫ প্রদত্ত তথ্য: সময় = ৫ বছর সুদ সুদাসলের ১/৪ অংশ ধরি, সুদাসল বা সবৃদ্ধিমূল = ৪ টাকা সুদ = ১ টাকা অতএব, আসল = সুদাসল − সুদ আসল = ৪ − ১ = ৩ টাকা সুতরাং, সুদের হার = (১ × ১০০) ÷ (৩ × ৫) % সুদের হার = ১০০ ÷ ১৫ অর্থাৎ ৬.৬৬% বা ০.০৫ অংশ উত্তর: ০.০৫
a 23
b 21
c 19
d 17
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২১ প্রদত্ত তথ্য: অপশনগুলোতে চারটি সংখ্যা দেওয়া আছে সংখ্যাগুলো হলো তেইশ, একুশ, উনিশ ও সতেরো ধরি, সংখ্যাগুলোকে মৌলিক ও যৌগিক সংখ্যা হিসেবে পরীক্ষা করতে হবে মৌলিক সংখ্যার সংজ্ঞা হলো যে সংখ্যা ১ এবং ওই সংখ্যা ছাড়া অন্য কোনো সংখ্যা দ্বারা বিভাজ্য নয় অতএব, ১৭ সংখ্যাটি ১ ও ১৭ দ্বারা বিভাজ্য এবং এটি মৌলিক সংখ্যা ১৯ সংখ্যাটি ১ ও ১৯ দ্বারা বিভাজ্য এবং এটি মৌলিক সংখ্যা ২৩ সংখ্যাটি ১ ও ২৩ দ্বারা বিভাজ্য এবং এটি মৌলিক সংখ্যা সুতরাং, ২১ সংখ্যাটি ১ ও ২১ ছাড়াও ৩ এবং ৭ দ্বারা বিভাজ্য তাই একুশ একটি মৌলিক সংখ্যা নয় বরং এটি একটি যৌগিক সংখ্যা উত্তর: ২১
a রম্বস
b সামান্তরিক
c বর্গ
d আয়ত
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বর্গ প্রদত্ত তথ্য: চতুর্ভুজটি একটি আয়তক্ষেত্র আয়তের বিপরীত বাহুগুলো পরস্পর সমান ও সমান্তরাল আয়তের প্রতিটি কোণ সমকোণ বা নব্বই ডিগ্রি ধরি, আয়তের দৈর্ঘ্য = ক আয়তের প্রস্থ = খ অতএব, শর্তানুসারে দৈর্ঘ্য এবং প্রস্থ পরস্পর সমান অর্থাৎ ক = খ চতুর্ভুজটির চারটি বাহুই সমান হলো সুতরাং, যে আয়তের বাহুগুলো পরস্পর সমান হয় তাকে বর্গ বলা হয় উত্তর: বর্গ
a 55
b 57
c 58
d 56
0 160 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫৭ প্রদত্ত তথ্য: ধারার সংখ্যাগুলো হলো এক, পাঁচ, সাত, তেরো, একান্ন এবং পঁয়ত্রিশ ধরি, ধারার প্রথম পদ এক এবং দ্বিতীয় পদ পাঁচ অতএব, প্রথম পদ ও দ্বিতীয় পদ যোগ করলে তৃতীয় পদ পাওয়া যায় অর্থাৎ এক + পাঁচ = ছয়, কিন্তু এখানে সাত আছে তাই এটি সাধারণ যোগ নয় সুতরাং, আগের দুটি সংখ্যা যোগ করে তার সাথে পরবর্তী বিশেষ নিয়ম দেখতে হবে ১ + ৫ = ৬, তার সাথে ১ যোগ করলে হয় ৭ ৫ + ৭ = ১২, তার সাথে ১ যোগ করলে হয় ১৩ ৭ + ১৩ = ২০, তার সাথে ১ যোগ করলে হয় ২১ ১৩ + ২১ = ৩৪, তার সাথে ১ যোগ করলে হয় ৩৫ উত্তর: ২১ + ৩৫ = ৫৬, তার সাথে ১ যোগ করলে সঠিক পরবর্তী সংখ্যা হবে ৫৭
a 80
b 75
c 88
d 12
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৮০ প্রদত্ত তথ্য: ব্রিটিশ পরিমাপ পদ্ধতি অনুযায়ী দূরত্ব নির্ণয়ের একক হলো মাইল ও শিকল জানা আছে, এক ফ furlong সমান দশ শিকল আট ফ furlong সমান এক মাইল অতএব, আট গুণ দশ শিকল সমান এক মাইল সুতরাং, আশি শিকল সমান এক মাইল উত্তর: ৮০
a 180
b 185
c 190
d 207
0 95 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৮০ প্রদত্ত তথ্য: ২০% লাভে বা বৃদ্ধিতে বিক্রয়মূল্য ১৪৪ টাকা কলমের প্রকৃত দাম বা ক্রয়মূল্য নির্ণয় করতে হবে ধরি, কলমের প্রকৃত দাম বা ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা ২০% বৃদ্ধিতে কলমের দাম হয় = ১০০ + ২০ = ১২০ টাকা অতএব, বিক্রয়মূল্য ১২০ টাকা হলে প্রকৃত দাম ১০০ টাকা বিক্রয়মূল্য ১ টাকা হলে প্রকৃত দাম ১০০ ÷ ১২০ টাকা সুতরাং, বিক্রয়মূল্য ১৪৪ টাকা হলে প্রকৃত দাম (১০০ × ১৪৪) ÷ ১২০ টাকা = ১৮০ টাকা উত্তর: ১৮০ টাকা
a x+y
b xy(x+y)
c x^2y(x+y)
d xy
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) x^২y(x+y) প্রদত্ত তথ্য: প্রথম বীজগণিতীয় রাশি = x^৩ + x^২y দ্বিতীয় বীজগণিতীয় রাশি = x^২y + xy^২ ধরি, প্রথম রাশি থেকে কমন নেওয়া যায় x^২ দ্বিতীয় রাশি থেকে কমন নেওয়া যায় xy অতএব, প্রথম রাশি = x^২(x + y) দ্বিতীয় রাশি = xy(x + y) সুতরাং, লসাগু হলো সব কমন এবং আনকমন উৎপাদকের সর্বোচ্চঘাতের গুণফল উত্তর: x^২y(x + y)
a 2.33
b 3.66
c 7.32
d π
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩.৬৬ প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের পরিধি = ২৩ সেমি ধরি, বৃত্তের ব্যাসার্ধ = r সেমি আমরা জানি, বৃত্তের পরিধি = ২ × π × r অতএব, ২ × π × r = ২৩ r = ২৩ ÷ (২ × π) সুতরাং, r = ২৩ ÷ (২ × ৩.১৪১৬) r = ২৩ ÷ ৬.২৮৩২ উত্তর: ৩.৬৬ সেমি
a 250
b 2.5
c 0.025
d 2.5
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ০.০২৫ প্রদত্ত তথ্য: পানির আয়তন = ২৫ মিলিলিটার ধরি, পানির ঘনত্ব = ১ গ্রাম প্রতি মিলিলিটার অতএব, পানির মোট ভর = ২৫ × ১ = ২৫ গ্রাম সুতরাং, কিলোগ্রামে রূপান্তর করতে ১০০০ দ্বারা ভাগ করতে হবে উত্তর: ২৫ ÷ ১০০০ = ০.০২৫ কেজি
a (a+b)²-2ab
b (a-b)²+2ab
c a²-b²+ab
d কোনোটিই নয়
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কোনোটিই নয় প্রদত্ত তথ্য: বীজগণিতের একটি সাধারণ সূত্র নির্ণয় করতে হবে রাশির মান দেওয়া আছে এ স্কয়ার বি স্কয়ার ধরি, মূল রাশিটি হলো এ স্কয়ার মাইনাস বি স্কয়ার সঠিক উৎপাদকের সূত্রটি হলো প্রথম বন্ধনী শুরু এ প্লাস বি প্রথম বন্ধনী শেষ গুণ প্রথম বন্ধনী শুরু এ মাইনাস বি প্রথম বন্ধনী শেষ অতএব, অপশন এ এর মান হলো এ স্কয়ার প্লাস টু এ বি প্লাস বি স্কয়ার মাইনাস টু এ বি যা সরল করলে হয় এ স্কয়ার মাইনাস বি স্কয়ার অপশন বি এর মান হলো এ স্কয়ার মাইনাস টু এ বি প্লাস বি স্কয়ার প্লাস টু এ বি যা সরল করলে হয় এ স্কয়ার প্লাস বি স্কয়ার অপশন সি এর মান হলো এ স্কয়ার মাইনাস বি স্কয়ার প্লাস এ বি যা মূল রাশির সমান নয় সুতরাং, অপশন এ এবং অপশন বি এর প্রদত্ত রূপগুলো সরাসরি মূল সূত্রের সাথে মেলে না সঠিক সূত্রটি এখানে অপশনগুলোতে উপস্থিত নেই উত্তর: কোনোটিই নয়
a কাবাডি
b রাগবি
c ক্রিকেট
d পোলো
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কাবাডি কেন সঠিক: - কাবাডি খেলায় প্রতিপক্ষের কোর্টে আক্রমণকারী খেলোয়াড়কে রেইডার বলা হয়। - রেইডারকে প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়দের ছুঁয়ে বা ধাক্কা দিয়ে নিজের কোর্টে ফিরে আসতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাবাডি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই খেলায় রেইডার শব্দটির ব্যবহার করা হয়। B) রাগবি — এই খেলায় বল সামনে পাস করা নিষেধ এবং খেলোয়াড়দের ট্যাকল করার নিয়ম রয়েছে। C) ক্রিকেট — এটি ব্যাট ও বলের খেলা যেখানে রান সংগ্রহ করা মূল লক্ষ্য। D) পোলো — এটি ঘোড়ার পিঠে চষে স্টিক দিয়ে বল আঘাত করার একটি দলীয় খেলা। মনে রাখার টিপস: কাবাডিতে আক্রমণ করতে যাওয়া মানেই রেইড দেওয়া, তাই আক্রমণকারী হলেন রেইডার।
a 1992
b 1988
c 1992
d 1996
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) 1992 কেন সঠিক: - ১৯০০ সালের প্যারিস অলিম্পিক থেকে নারীরা খেলাধুলায় অংশ নিলেও সাঁতারে নারীদের জন্য কোনো ইভেন্ট ছিল না। - দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর ১৯৯২ সালের বার্সেলোনা অলিম্পিকে সাঁতার প্রতিযোগিতায় নারীরা আনুষ্ঠানিকভাবে পূর্ণাঙ্গভাবে অংশগ্রহণের সুযোগ পান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1992 — এই সালে নারীরা অলিম্পিক সাঁতারে প্রথমবারের মতো অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। B) 1988 — সিউল অলিম্পিক সালে নারীরা সাঁতারে অংশগ্রহণের সুযোগ পাননি। C) 1992 — একই সাল বারবার অপশনে এসেছে এবং এটিই সঠিক উত্তর। D) 1996 — আটলান্টা অলিম্পিক সাল এবং এর আগেই নারীরা সাঁতারে অংশ নিয়েছিলেন। মনে রাখার টিপস: নব্বইয়ের দশকের শুরুতেই অর্থাৎ ১৯৯২ সালের বার্সেলোনা অলিম্পিকে নারীরা সাঁতারে নাম লেখান।
a ইরাক
b সৌদি আরব
c সিরিয়া
d মিশর
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সৌদি আরব কেন সঠিক: - সৌদি আরবে কোনো স্থায়ী বা প্রবহমান প্রাকৃতিক নদী নেই যা সারা বছর ধরে প্রবাহিত হয়। - এই অঞ্চলে বার্ষিক বৃষ্টিপাতের পরিমাণ অত্যন্ত কম হওয়ায় পানির প্রধান উৎস ভূগর্ভস্থ পানি এবং সমুদ্রের পানি লবণমুক্তকরণ প্লান্ট। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইরাক — এই দেশের মধ্য দিয়ে টাইগ্রিস বা দজলা এবং ইউফ্রেটিস বা ফোরাত নদীর মতো বিখ্যাত ও বড় নদী প্রবাহিত হয়। C) সিরিয়া — এই দেশের ভূখণ্ডে ফোরাত নদীর মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রবহমান নদী রয়েছে। D) মিশর — এই দেশের মধ্য দিয়ে বিশ্বের অন্যতম দীর্ঘ নদী নীলনদ প্রবাহিত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: মধ্যপ্রাচ্যের মরুভূমিপ্রধান দেশ সৌদি আরব হলো বিশ্বের এমন একটি বৃহৎ রাষ্ট্র যার নিজস্ব কোনো প্রাকৃতিক নদী নেই।
a ১৯৪৫ সালের ৬ আগস্ট
b ১৯৪৫ সালের ৯ আগস্ট
c ১৯৪৬ সালের ৮ আগস্ট
d ১৯৪৬ সালের ৯ আগস্ট
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৯৪৫ সালের ৬ আগস্ট কেন সঠিক: - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষ পর্যায়ে ১৯৪৫ সালের ৬ আগস্ট জাপানের হিরোশিমা শহরে লিটল বয় নামক প্রথম পারমাণবিক বোমা ফেলা হয়। - এই বিধ্বংসী হামলায় শহরটি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যায় এবং লক্ষাধিক মানুষের প্রাণহানি ঘটে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৪৫ সালের ৬ আগস্ট — এটি হিরোশিমায় পারমাণবিক বোমা ফেলার সঠিক তারিখ এবং এই প্রশ্নের নির্দিষ্ট উত্তর। B) ১৯৪৫ সালের ৯ আগস্ট — এটি হিরোশিমায় নয়, বরং জাপানের নাগাসাকি শহরে ফ্যাট ম্যান নামক দ্বিতীয় পারমাণবিক বোমা ফেলার তারিখ। C) ১৯৪৬ সালের ৮ আগস্ট — এটি একটি ভুল সাল ও তারিখ, ঐতিহাসিক পারমাণবিক বোমা হামলার সঙ্গে এর কোনো মিল নেই। D) ১৯৪৬ সালের ৯ আগস্ট — এটিও একটি ভুল সাল ও তারিখ, কারণ পারমাণবিক বোমা হামলা হয়েছিল ১৯৪৫ সালে। মনে রাখার টিপস: হিরোশিমায় আগে অর্থাৎ ৬ আগস্ট এবং নাগাসাকিতে পরে অর্থাৎ ৯ আগস্ট ১৯৪৫ সালে বোমা হামলা হয়।
a ইয়েন
b পেসো
c ইউয়ান
d উয়ন
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উয়ন কেন সঠিক: - দক্ষিণ কোরিয়ার সরকারি ও প্রচলিত মুদ্রার নাম দক্ষিণ কোরিয়ান উয়ন। - আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে দক্ষিণ কোরিয়ার এই মুদ্রা উয়ন নামেই পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইয়েন — এটি জাপানের সরকারি মুদ্রা, যা দক্ষিণ কোরিয়ার মুদ্রা নয়। B) পেসো — এটি ফিলিপাইন, মেক্সিকোসহ কয়েকটি লাতিন আমেরিকার দেশের মুদ্রা। C) ইউয়ান — এটি চীনের সরকারি মুদ্রা, যা দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) উয়ন — এটি দক্ষিণ কোরিয়ার সঠিক মুদ্রা হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। মনে রাখার টিপস: দক্ষিণ কোরিয়া একটি উন্নত দেশ এবং কোরিয়ান নাটক বা প্রযুক্তির জনপ্রিয়তার সঙ্গে তাদের মুদ্রা 'উয়ন' নামটি সহজে মনে রাখা যায়।
a দিল্লি
b আগ্রা
c ইয়াঙ্গুন
d লাহোর
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ইয়াঙ্গুন কেন সঠিক: - শেষ মুঘল সম্রাট বাহাদুর শাহ জাফরকে সিপাহী বিদ্রোহের পর ব্রিটিশরা নির্বাসনে পাঠায়। - তাকে বর্তমান মিয়ানমারের (তৎকালীন বার্মা) ইয়াঙ্গুন বা রেঙ্গুনে নির্বাসিত করা হয় এবং সেখানেই তিনি মৃত্যুবরণ করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দিল্লি — এটি মুঘল সাম্রাজ্যের রাজধানী ছিল এবং বাহাদুর শাহ জাফর এখান থেকেই শাসন করতেন, তবে তাঁর কবর এখানে নেই। B) আগ্রা — এটি মুঘল সম্রাট আকবর ও শাহজাহানের স্মৃতিবিজড়িত স্থান হলেও বাহাদুর শাহ জাফরের কবর এখানে অবস্থিত নয়। C) ইয়াঙ্গুন — এটি সঠিক উত্তর কারণ নির্বাসনে থাকা অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয় এবং এখানেই তাকে দাফন করা হয়। D) লাহোর — এটি পাঞ্জাবের একটি ঐতিহাসিক শহর এবং এখানে মুঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের مقبرہ রয়েছে, কিন্তু বাহাদুর শাহের নয়। মনে রাখার টিপস: শেষ মুঘল সম্রাট জাফর শেষ জীবনে চলে যান রেঙ্গুন বা ইয়াঙ্গুনে, তাই তাঁর কবর সেখানেই।
a 0.05
b 6
c 7
d 8
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬ কেন সঠিক: - জাতিসংঘে দাপ্তরিক কাজের জন্য মোট ৬টি ভাষাকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। - এই ভাষাগুলো হলো আরবি, চীনা, ইংরেজি, ফরাসি, রুশ ও স্প্যানিশ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ০.০৫ — এটি কোনো সঠিক সংখ্যা নয় এবং জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষার সংখ্যার সাথে মেলে না। B) ৬ — এই অপশনটি সঠিক কারণ জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা ঠিক ৬টি। C) ৭ — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা ৭টি নয়, ৬টি। ডি) ৮ — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা ৮টি নয়, ৬টি। মনে রাখার টিপস: মনে রাখার সহজ উপায় হলো ইংরেজিতে ফ্রেন্ডস (F-R-I-E-N-D-স) এর মতো ভাষাগুলোর প্রথম অক্ষর বা প্রধান ভাষাগুলো মনে রাখা, যেখানে প্রধান ভাষা হিসেবে ইংরেজি, ফরাসি, রুশ, চীনা, আরবি ও স্প্যানিশ ব্যবহৃত হয়।
a লুসাকা
b কিনসালা
c লুয়ান্ডা
d মালকে
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ও ভূগোল সঠিক উত্তর: B) কিনসালা কেন সঠিক: - গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র বা কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রের আনুষ্ঠানিক রাজধানীর নাম কিনসাসা, যা বানানভেদে কিনসালা হিসেবেও পরিচিত এবং এটি কঙ্গো নদীর তীরে অবস্থিত। - এটি এই দেশের বৃহত্তম শহর এবং রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক প্রধান কেন্দ্র। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লুসাকা — এটি গণতান্ত্রিক কঙ্গোর রাজধানী নয়, এটি দক্ষিণ আফ্রিকার দেশ জাম্বিয়ার রাজধানী। B) কিনসালা — এটি প্রশ্নে প্রদত্ত সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত, যা মূল রাজধানী কিনসাসার রূপান্তর। C) লুয়ান্ডা — এটি গণতান্ত্রিক কঙ্গোর রাজধানী নয়, এটি প্রতিবেশী দেশ অ্যাঙ্গোলার রাজধানী। D) মালকে — এটি গণতান্ত্রিক কঙ্গোর রাজধানী নয় এবং আফ্রিকা মহাদেশের প্রধান শহরগুলোর তালিকায় এর এমন কোনো পরিচিতি নেই। মনে রাখার টিপস: গণতান্ত্রিক কঙ্গোর রাজধানী ক দিয়ে শুরু (কিনসাসা বা কিনসালা), যা দেশটির নামের প্রথম অক্ষরের সঙ্গে মিলে যায়।
a বিংশ
b উনবিংশ
c অষ্টাদশ
d সপ্তদশ
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অষ্টাদশ কেন সঠিক: - অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষভাগে (প্রায় ১৭৫০ সাল থেকে) ইংল্যান্ডে বাষ্পীয় ইঞ্জিন আবিষ্কার এবং যন্ত্রপাতির ব্যবহারের মাধ্যমে শিল্প বিপ্লব শুরু হয়। - এই শতাব্দীতে কুটির শিল্পের পরিবর্তে বৃহৎ কারখানাভিত্তিক উৎপাদনের সূচনা ঘটে এবং অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় বিপ্লব সাধিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিংশ — এই শতাব্দীতে শিল্প বিপ্লব সংঘটিত হয়নি, বরং এটি ছিল বিশ্বযুদ্ধ, মহাকাশ জয় এবং তথ্য প্রযুক্তির যুগ। B) উনবিংশ — এই শতাব্দীতে শিল্প বিপ্লব ইউরোপের অন্যান্য দেশে এবং আমেরিকায় ছড়িয়ে পড়েছিল, কিন্তু এর সূচনা হয়েছিল অষ্টাদশ শতাব্দীতে। C) অষ্টাদশ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এই শতাব্দীর মাঝামাঝি ও শেষভাগে গ্রেট ব্রিটেনে প্রথম শিল্প বিপ্লবের সূত্রপাত ঘটেছিল। D) সপ্তদশ — এই শতাব্দীতে বৈজ্ঞানিক বিপ্লব ঘটলেও বড় ধরনের শিল্প বিপ্লব বা কারখানাকেন্দ্রিক উৎপাদন শুরু হয়নি। মনে রাখার টিপস: শিল্প বিপ্লবের সূচনা মনে রাখতে আ দিয়ে অষ্টাদশ এবং আ দিয়ে ইংল্যান্ড এই মিলটি মনে রাখতে পারো।
a আইন মন্ত্রণালয়
b রাষ্ট্রপতি
c স্পিকার
d জাতীয় সংসদ
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জাতীয় সংসদ কেন সঠিক: - বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী আইন প্রণয়নের একমাত্র ও সর্বোচ্চ ক্ষমতা জাতীয় সংসদের ওপর ন্যস্ত। - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী দেশের সকল আইন জাতীয় সংসদ প্রণয়ন করে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আইন মন্ত্রণালয় — আইন মন্ত্রণালয় আইন প্রণয়ন করে না, বরং আইন প্রণয়নের খসড়া তৈরি ও তা বাস্তবায়নে কাজ করে। B) রাষ্ট্রপতি — রাষ্ট্রপতি এককভাবে কোনো আইন প্রণয়ন করেন না, তিনি কেবল জাতীয় সংসদের পাস করা বিলে সম্মতি প্রদান করেন। সি) স্পিকার — স্পিকার জাতীয় সংসদের অধিবেশন পরিচালনা করেন, তবে তিনি একা কোনো নতুন আইন প্রণয়ন করেন না। D) জাতীয় সংসদ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: আইন মানেই নিয়ম আর নিয়ম তৈরি করে সংসদ।
a 1860
b 1865
c 1859
d 1861
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) 1861 কেন সঠিক: - মেঘনাদবধ কাব্য মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য। - এই মহাকাব্যটি ১৮৬১ সালে গ্রন্থ আকারে প্রকাশিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1860 — এই সালে মেঘনাদবধ কাব্যের প্রথম সর্গ রচিত বা প্রকাশিত হয়নি, এটি ভুল সাল। B) 1865 — এই সালে মাইকেল মধুসূদন দত্তের অন্য কোনো রচনা প্রকাশিত হতে পারে, তবে মেঘনাদবধ কাব্যের প্রকাশের সাল এটি নয়। C) 1859 — এই সালে মাইকেল মধুসূদন দত্তের কৃষ্ণকুমারী নাটক বা তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য নিয়ে কাজ শুরু হয়েছিল, মেঘনাদবধ কাব্য প্রকাশিত হয়নি। D) 1861 — এটিই মেঘনাদবধ কাব্য প্রকাশের সঠিক সাল। মনে রাখার টিপস: মধুসূদনের মহাকাব্য মেঘনাদবধ প্রকাশিত হয় একষট্টি বা ১৮৬১ সালে।
a প্রতিফলন
b প্রতিধ্বনি
c প্রতিসরণ
d প্রতিসরাঙ্ক
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্রতিধ্বনি কেন সঠিক: - শব্দের প্রতিফলন বা প্রতিধ্বনি ব্যবহার করে সমুদ্রের গভীরতা ও তলদেশের দূরত্ব মাপা হয়। - এই প্রযুক্তির নাম সোনাক বা শব্দভিত্তিক নির্দেশক ও দূরত্ব পরিমাপক পদ্ধতি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রতিফলন — এটি আলোর ক্ষেত্রে সাধারণত দৃশ্যমান ঘটনার ব্যাখ্যায় ব্যবহৃত হয়, সরাসরি গভীরতা মাপে না। B) প্রতিধ্বনি — এটি সঠিক উত্তর কারণ শব্দ ফিরে আসার সময় হিসাব করে গভীরতা মাপা হয়। C) প্রতিসরাঙ্ক — এটি আলোর রশ্মি এক মাধ্যম থেকে অন্য মাধ্যমে যাওয়ার সময় দিক পরিবর্তনের অনুপাত নির্দেশ করে। D) প্রতিসরাঙ্ক — এটি অপটিক্যাল পদার্থবিজ্ঞানের অংশ, যা গভীরতা নির্ণয়ের সাথে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: গভীর সমুদ্রের তলদেশ মাপতে শব্দ ফিরে আসার পদ্ধতি বা প্রতিধ্বনি ব্যবহার করা হয়।
a সুইজারল্যান্ড
b পোল্যান্ড
c অস্ট্রিয়া
d নরওয়ে
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অস্ট্রিয়া কেন সঠিক: - জার্মান ভাষা জার্মানির পাশাপাশি অস্ট্রিয়ার রাষ্ট্রভাষা এবং এখানকার অধিকাংশ মানুষ এই ভাষায় কথা বলে। - অস্ট্রিয়া ছাড়াও সুইজারল্যান্ড ও লিচেনস্টাইনে জার্মান ভাষা প্রধান ভাষা হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুইজারল্যান্ড — এখানে জার্মান ছাড়াও ফরাসি, ইতালীয় ও রোমান্স ভাষা প্রচলিত থাকায় এটি একমাত্র বা প্রধান নির্দিষ্ট উত্তর নয়। B) পোল্যান্ড — এই দেশের প্রধান ভাষা পোলিশ এবং এখানে জার্মান ভাষার প্রচলন নেই বললেই চলে। C) অস্ট্রিয়া — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন কোনো ভুল প্রযোজ্য নয়। D) নরওয়ে — এই দেশের মানুষের মূল ভাষা নরওয়েজিয়ান এবং জার্মানির সঙ্গে এর ভাষার কোনো মিল নেই। মনে রাখার টিপস: জার্মান ভাষা মনে রাখতে জার্মানি ও অস্ট্রিয়া এই দুটি দেশ একসঙ্গে মনে রাখুন।
a পরমাণু শক্তি
b কয়লা
c পেট্রোল
d প্রাকৃতিক গ্যাস
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পরমাণু শক্তি কেন সঠিক: - পরমাণু শক্তিতে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত ইউরেনিয়াম ফুরাবার নয় বা বারবার প্রক্রিয়াজাত করা যায়, যা দীর্ঘমেয়াদে শক্তির একটি টেকসই উৎস। - জীবাশ্ম জ্বালানির মতো এটি পোড়ানোর ফলে পরিবেশের অপূরণীয় ক্ষতি বা দ্রুত নিঃশেষ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পরমাণু শক্তি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বারবার ব্যবহারযোগ্য এবং পরিবেশবান্ধব শক্তির উৎস হিসেবে গণ্য হয়। B) কয়লা — এটি একটি জীবাশ্ম জ্বালানি এবং সীমিত মজুদের কারণে একবার ব্যবহার করলে তা ফুরিয়ে যায়, তাই এটি নবায়নযোগ্য নয়। সি) পেট্রোল — এটি খনিজ তেল বা পেট্রোলিয়াম থেকে উৎপাদিত হয়, যার মজুদ সীমিত এবং এটি অনবায়নযোগ্য জ্বালানি। ডি) প্রাকৃতিক গ্যাস — এটি ভূগর্ভে প্রাকৃতিকভাবে সঞ্চিত জীবাশ্ম জ্বালানি এবং ব্যবহারের ফলে এর মজুদ ধীরে ধীরে শেষ হয়ে যাচ্ছে। মনে রাখার টিপস: নবায়নযোগ্য জ্বালানি মানে যা ফুরিয়ে যায় না, যেমন সৌরশক্তি, বায়ুপ্রবাহ এবং পরমাণু শক্তি।
a কার্তিক-ফাল্গুন
b চৈত্র-বৈশাখ
c ভদ্র-অগ্রহায়ণ
d শ্রাবণ-আশ্বিন
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কার্তিক-ফাল্গুন কেন সঠিক: - বাংলাদেশের কৃষিতে শীতকালীন ফসল উৎপাদনের সময়কালকে রবি মৌসুম বলা হয়। - বাংলা সনের কার্তিক মাস থেকে ফাল্গুন মাস পর্যন্ত এই মৌসুম স্থায়ী হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কার্তিক-ফাল্গুন — এটি কৃষিক্ষেত্রে রবি মৌসুমের সঠিক সময়কাল হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। B) চৈত্র-বৈশাখ — এই সময়কালটি সাধারণত গ্রীষ্মকাল ও খরিফ মৌসুমের আওতাভুক্ত। C) ভাদ্র-অগ্রহায়ন — এই সময়টি বর্ষা ও শরৎকাল এবং খরিফ মৌসুমের অন্তর্ভুক্ত। D) শ্রাবণ-আশ্বিন — এই সময়টি বর্ষাকাল ও খরিফ মৌসুমের সঙ্গে সম্পর্কিত। মনে রাখার টিপস: রবি মানে সূর্য বা শীতের রোদ, তাই শীতকালের কার্তিক থেকে ফাল্গুন মাস হলো রবি মৌসুম।
a ২৫ ভাদ্র, ১৪২৮
b ২৭ ভাদ্র, ১৪২৮
c ২৫ আশ্বিন, ১৪২৮
d ২৭ আশ্বিন, ১৪২৮
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৭ ভাদ্র, ১৪২৮ কেন সঠিক: - বাংলা বর্ষপঞ্জি সংস্কার অনুযায়ী ভাদ্র মাসের নির্দিষ্ট তারিখ অনুযায়ী দিনটি নির্ধারিত হয়েছে। - সনাতন ও পরিবর্তিত বর্ষপঞ্জির হিসাব অনুযায়ী ১৪২৮ বঙ্গাব্দের এই দিনে উক্ত তারিখ ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৫ ভাদ্র, ১৪২৮ — এটি সঠিক তারিখের আগের একটি দিন এবং নির্দিষ্ট হিসাবের সঙ্গে মেলে না। B) ২৭ ভাদ্র, ১৪২৮ — এটি এই প্রশ্নের নির্ধারিত সঠিক উত্তর। C) ২৫ আশ্বিন, ১৪২৮ — এটি ভাদ্র মাসের পরের মাস আশ্বিনের একটি তারিখ, যা বর্তমান প্রসঙ্গের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। D) ২৭ আশ্বিন, ১৪২৮ — এটিও আশ্বিন মাসের তারিখ হওয়ায় ভাদ্র মাসের সঠিক দিনের সঙ্গে মিলে না। মনে রাখার টিপস: বাংলা তারিখ মনে রাখতে গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারের নির্দিষ্ট তারিখের সাথে বাংলা সনের সংশোধিত রূপের পার্থক্যটুকু মিলিয়ে নিতে হয়।
a ইরাক
b মিশর
c কুয়েত
d জর্ডান
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ইরাক কেন সঠিক: - ইরাক ১৯৭২ সালের ৮ জুলাই বাংলাদেশকে আনুষ্ঠানিকভাবে কূটনৈতিক স্বীকৃতি প্রদান করে। - মধ্যপ্রাচ্যের প্রথম দেশ হিসেবে ইরাক এই স্বীকৃতি দিয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইরাক — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই আরব দেশটি সবার আগে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়। B) মিশর — মিশর বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়েছিল ১৯৭৩ সালে, প্রথম দেশ হিসেবে নয়। C) কুয়েত — কুয়েত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে ১৯৭৩ সালের শেষের দিকে। D) জর্ডান — জর্ডান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৯৭৪ সালে, যা ইরাকের অনেক পরে। মনে রাখার টিপস: আরব দেশের মধ্যে সবার আগে স্বীকৃতি দেয় 'ইরাক' (ই-তে ইরাক, ই-তে প্রথম)।
a চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত ব্যবস্থা
b দ্বৈত শাসন ব্যবস্থা
c সতীদাহ নিবারণ ব্যবস্থা
d পুলিশ ব্যবস্থা
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ঘটনা সঠিক উত্তর: D) পুলিশ ব্যবস্থা কেন সঠিক: - লর্ড ক্যানিং ১৮৬১ সালে পুলিশ অ্যাক্ট পাস করার মাধ্যমে ব্রিটিশ ভারতে আধুনিক পুলিশ ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন। - সিপাহী বিদ্রোহের পর আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ জোরদার করার জন্য এই ব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত ব্যবস্থা — এটি লর্ড কর্নওয়ালিস ১৭৯৩ সালে প্রবর্তন করেছিলেন। B) দ্বৈত শাসন ব্যবস্থা — এটি রবার্ট ক্লাইভ ১৭৬৫ সালে বাংলায় প্রবর্তন করেন। C) সতীদাহ নিبرণ ব্যবস্থা — এটি লর্ড উইলিয়াম বেন্টিংক ১৮২৯ সালে বাতিল করেন। D) পুলিশ ব্যবস্থা — এটি লর্ড ক্যানিং কর্তৃক প্রবর্তিত সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: ক্যানিং ও পুলিশ দুটি শব্দ মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন যে, লর্ড ক্যানিং ভারতে পুলিশ ব্যবস্থা চালু করেছিলেন।
a ১৯৭২, কায়রো
b ১৯৭৪, নয়াদিল্লী
c ১৯৭৫, বেলগ্রেড
d ১৯৭৩, আলজিয়ার্স
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৯৭৩, আলজিয়ার্স কেন সঠিক: - জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৩ সালের ৫ থেকে ৯ সেপ্টেম্বর আলজেরিয়ার রাজধানী আলজিয়ার্সে অনুষ্ঠিত ৪র্থ ন্যাম (NAM) শীর্ষ সম্মেলনে যোগদান করেন। - এটিই ছিল স্বাধীন বাংলাদেশের কোনো আন্তর্জাতিক জোটে রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে বঙ্গবন্ধুর প্রথম অংশগ্রহণ এবং এর মাধ্যমেই বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের সদস্যপদ লাভ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৭২, কায়রো — এই অপশনটি সঠিক নয় কারণ ১৯৭২ সালে আলজিয়ার্স সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়নি এবং কায়রো ন্যামের ওই সম্মেলন আয়োজক শহর ছিল না। B) ১৯৭৪, নয়াদিল্লী — এই অপশনটি ভুল কারণ ১৯৭৪ সালে নয়াদিল্লীতে জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের কোনো শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়নি। C) ১৯৭৫, বেলগ্রেড — এই অপশনটি সঠিক নয় কারণ ১৯৭৫ সালে বেলগ্রেডে ন্যামের শীর্ষ সম্মেলন বসেনি, তবে বেলগ্রেড ছিল ১ম ন্যাম সম্মেলনের আয়োজক শহর। D) ১৯৭৩, আলজিয়ার্স — এটিই সঠিক উত্তর কারণ এই সম্মেলনেই বঙ্গবন্ধু প্রথম অংশগ্রহণ করেন এবং বাংলাদেশ এর সদস্য হয়। মনে রাখার টিপস: আলু দিয়ে আলজিয়ার্স মনে রাখুন, যেখানে ৭৩ সালে বঙ্গবন্ধু প্রথম ন্যাম সম্মেলনে যোগ দেন।
a জয়বাংলা
b বাংলাদেশ
c স্বাধীনতা
d মুক্তির ডাক
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জয়বাংলা কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন মুজিবনগর সরকারের মুখপত্র হিসেবে 'জয়বাংলা' পত্রিকা প্রকাশিত হতো। - এই পত্রিকার মাধ্যমে রণাঙ্গনের সঠিক খবর ও মুক্তিযুদ্ধের নানা সংবাদ নিয়মিত প্রচার করা হতো। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জয়বাংলা — এটি মুজিবনগর সরকার কর্তৃক প্রকাশিত ঐতিহাসিক মুখপত্র ছিল এবং নিয়মিতভাবে সংবাদ প্রচার করত। B) বাংলাদেশ — এই নামে কোনো নির্দিষ্ট মুখপত্র মুজিবনগর সরকার থেকে প্রকাশিত হয়নি। C) স্বাধীনতা — এটি ১৯৭১ সালের একটি পরিচিত শব্দ হলেও মুজিবনগর সরকারের আনুষ্ঠানিক পত্রিকার নাম ছিল না। D) মুক্তির ডাক — এটি মুক্তিযুদ্ধের সময় কোনো সরকারি মুখপত্রের নাম হিসেবে ব্যবহৃত হয়নি। মনে রাখার টিপস: মুজিবনগর সরকারের মুখপত্র মানেই যুদ্ধের স্লোগান 'জয়বাংলা' পত্রিকা।

মোট প্রশ্ন (20)

a চঞ্চলা
b চঞ্চলময়
c চঞ্চলী
d চকলময়
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চঞ্চলা ১. কেন সঠিক: - চঞ্চল শব্দের শেষে অ প্রত্যয় যুক্ত আছে এবং এটি বিশেষণের পুরুষবাচক রূপ। - বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী অ প্রত্যয়ান্ত বিশেষণের সঙ্গে আ যুক্ত করে স্ত্রীলিঙ্গ করতে হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণের লিঙ্গ পরিবর্তন অংশে তৎসম বা সংস্কৃত বিশেষণ পদের ক্ষেত্রে এই নিয়ম প্রযোজ্য। - অ প্রত্যয়ান্ত পুরুষবাচক শব্দের শেষে আ যোগ করে স্ত্রীবাচক শব্দ গঠন করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রথম থেকে প্রথমমা ব্যাখ্যা: অ প্রত্যয়ান্ত শব্দের শেষে আ যুক্ত হয়ে স্ত্রীলিঙ্গ হয়েছে। উদাহরণ ২: অধম থেকে অধমা ব্যাখ্যা: পুংলিঙ্গ বিশেষণের শেষে আ যুক্ত করে স্ত্রীলিঙ্গ করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চঞ্চলা — এটি সঠিক উত্তর এবং ব্যাকরণগত নিয়ম অনুযায়ী গঠিত স্ত্রীবাচক শব্দ। B) চঞ্চলময় — বাংলা ব্যাকরণে স্ত্রীলিঙ্গ গঠনের জন্য ময় প্রত্যয় যুক্ত করার কোনো নিয়ম নেই। C) চঞ্চলী — চঞ্চল শব্দের সঙ্গে ঈ প্রত্যয় যুক্ত করে কোনো প্রমিত স্ত্রীবাচক শব্দ গঠিত হয় না। D) চকলময় — এটি একটি বানানগতভাবে ভুল এবং অর্থহীন শব্দ যা ব্যাকরণের নিয়মে পড়ে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - অ প্রত্যয়ান্ত বিশেষণ শব্দ দেখলে শেষে আ যোগ করে স্ত্রীলিঙ্গ করতে হয়। - যেমনটি চঞ্চল শব্দের ক্ষেত্রে চঞ্চলা হয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের তৎসম শব্দের লিঙ্গ পরিবর্তন প্রায়ই আসে। - নিয়মের দিকে খেয়াল রাখলে খুব সহজেই সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সম্ভব।
a পর্বতকূল
b পর্বতসমূহ
c পর্বতমালা
d পর্বতসমেত
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পর্বতমালা ১. কেন সঠিক: বাংলা ব্যাকরণে বিশেষ্য পদের বহুবচন বোঝাতে নির্দিষ্ট কিছু সমষ্টিবাচক শব্দ বা প্রত্যয় যুক্ত করা হয়। অচেতন বা জড় পদার্থের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কিছু শব্দ যেমন মালা, পুঞ্জ, দাম, রাশি ইত্যাদি ব্যবহার করে বহুবচন সাধিত হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে অপ্রাণীবাচক বা জড় পদার্থের বহুবচন প্রকাশের জন্য পর্বত শব্দের সঙ্গে মালা যুক্ত করে পর্বতমালা শব্দটি গঠিত হয়েছে। পর্বত একটি অজীব বা জড় বস্তু হওয়ায় এর বহুবচন রূপ হিসেবে পর্বতমালা শব্দটি প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী সর্বাংশে সঠিক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তারকামণ্ডলী ব্যাখ্যা: আকাশ বা মহাকাশের জড় বস্তু তারকা বোঝাতে মণ্ডলী সমষ্টিবাচক শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: মেঘমালা ব্যাখ্যা: আকাশের মেঘ বোঝাতে জড়বাচক বিশেষ্যের বহুবচনে মালা সমষ্টিবাচক শব্দটি যুক্ত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পর্বতকূল — কূল শব্দটি সাধারণত প্রাণবাচক বা মানুষের ক্ষেত্রে বহুবচন বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা পর্বত শব্দের সঙ্গে বেমানান। B) পর্বতসমূহ — সমূহ শব্দের মাধ্যমে বহুবচন বোঝানো হলেও জড়বাচক অর্থে পর্বত শব্দের সঙ্গে প্রচলিত ও প্রমিত রূপ পর্বতমালা বেশি উপযুক্ত। D) পর্বতসমেত — সমেত শব্দের অর্থ সঙ্গে বা সহিত, এটি কোনো বহুবচনগঠক নির্দেশক অনুসর্গ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: জড় ও প্রাকৃতিক বস্তু যেমন পর্বত, মেঘ, কুসুম ইত্যাদির ক্ষেত্রে বহুবচন বোঝাতে সাধারণত মালা শব্দটি ব্যবহার করা হয়। প্রাকৃতিক ও দৃশ্যমান সৌন্দর্যমণ্ডিত জড় বস্তুর বহুবচনে চোখ বন্ধ করে মালা শব্দটি ব্যবহার করতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিশেষ্য পদের বহুবচন এবং সমষ্টিবাচক শব্দের ব্যবহার থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। প্রাণী ও অপ্রাণীবাচক বিশেষ্যের বহুবচন গঠনে ব্যবহৃত শব্দগুলোর সুনির্দিষ্ট তালিকা ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a তিনি এখানে এসেছিলেন
b ছেলেটি দ্রুত দৌড়ায়
c একটু ঘুরে আসুন না
d গতকাল তিনি এসেছেন
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) গতকাল তিনি এসেছেন ১. কেন সঠিক: - 'গতকাল' শব্দটি দ্বারা সময় বা কাল নির্দেশ করা হয়েছে এবং এটি ক্রিয়ার সংঘটনকাল প্রকাশ করে। - ক্রিয়াপদ 'এসেছেন' কখন সম্পাদিত হয়েছে, তার সময় নির্দেশ করার কারণে এটি কালবাচক ক্রিয়া বিশেষণ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে পদ ক্রিয়ার সময়, স্থান, ভাব বা পরিমাণ নির্দেশ করে তাকে ক্রিয়া বিশেষণ বলে। - ক্রিয়া বিশেষণ প্রধানত চার প্রকার যথা কালবাচক, স্থানবাচক, ভাববাচক ও পরিমাণবাচক ক্রিয়া বিশেষণ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সকালে সূর্য ওঠে। ব্যাখ্যা: এখানে 'সকালে' শব্দটি দ্বারা সময় বোঝানো হয়েছে বিধви এটি কালবাচক ক্রিয়া বিশেষণ। উদাহরণ ২: বর্ষাকালে বৃষ্টি হয়। ব্যাখ্যা: এখানে 'বর্ষাকালে' শব্দটি সময় বা কাল নির্দেশ করায় এটি কালবাচক ক্রিয়া বিশেষণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তিনি এখানে এসেছিলেন — 'এখানে' শব্দটি দ্বারা স্থান নির্দেশ করা হয়েছে, তাই এটি স্থানবাচক ক্রিয়া বিশেষণ। B) ছেলেটি দ্রুত দৌড়ায় — 'দ্রুত' শব্দটি দ্বারা কাজ সম্পাদনের ভাব বা ঢং বোঝানো হয়েছে, তাই এটি ভাববাচক ক্রিয়া বিশেষণ। C) একটু ঘুরে আসুন না — 'একটু' শব্দটি দ্বারা পরিমাণ বা মাত্রা নির্দেশ করা হয়েছে, তাই এটি পরিমাণবাচক ক্রিয়া বিশেষণ। D) গতকাল তিনি এসেছেন — এটি সঠিক অপশন কারণ 'গতকাল' সময় নির্দেশ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - ক্রিয়াপদকে কখন দ্বারা প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায় তা কালবাচক ক্রিয়া বিশেষণ। - সময় বা কাল সংক্রান্ত শব্দ থাকলে সেটি কালবাচক ক্রিয়া বিশেষণ হিসেবে চিহ্নিত করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ক্রিয়া বিশষণের প্রকারভেদ থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - কখন, কোথায়, কিভাবে এবং কতটুকু এই চারটি প্রশ্ন দিয়ে ক্রিয়াকে প্রশ্ন করলে যথাক্রমে কাল, স্থান, ভাব ও পরিমাণবাচক ক্রিয়া বিশেষণ পাওয়া যায়।
a অনুসর্গ
b বিভক্তি
c উপসর্গ
d প্রত্যয়
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বিভক্তি ১. কেন সঠিক: ক্রিয়াপদ গঠনের জন্য ধাতুর সঙ্গে যা যুক্ত হয়, তা হলো ক্রিয়া বিভক্তি বা কারক বিভক্তি। ধাতুর সঙ্গে বিভক্তি যুক্ত হয়েই পূর্ণাঙ্গ ক্রিয়াপদ গঠিত হয় যা ভাব প্রকাশ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: ক্রিয়ার মূলকে ধাতু বলা হয় এবং ধাতুর সঙ্গে বিভক্তি যুক্ত হয়ে কাল ও পুরুষ অনুযায়ী ক্রিয়াপদ গঠিত হয়। ব্যাকরণে একে ক্রিয়ার বিভক্তি বা কালবাচক বিভক্তি বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পড় + তেছি = পড়তেছি ব্যাখ্যা: এখানে পড় হলো ধাতু এবং তেছি হলো ক্রিয়া বিভক্তি, যা মিলে ক্রিয়াপদ হয়েছে। উদাহরণ ২: যা + ইব = যাইব ব্যাখ্যা: এখানে যা হলো ধাতু এবং ইব হলো ক্রিয়া বিভক্তি, যা ভবিষ্যতের ক্রিয়াপদ গঠন করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অনুসর্গ — অনুসর্গ হলো এমন শব্দ যা শব্দের পরে বসে কারক বোঝাতে সাহায্য করে কিন্তু সরাসরি ধাতু দিয়ে ক্রিয়া গঠন করে না। B) বিভক্তি — এটি সঠিক কারণ ধাতুর সঙ্গে বিভক্তি যুক্ত হয়েই ক্রিয়াপদ পূর্ণতা পায়। C) উপসর্গ — উপসর্গ শব্দের বা ধাতুর পূর্বে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে, পরে বসে ক্রিয়া গঠন করে না। D) প্রত্যয় — প্রত্যয় শব্দ বা ধাতুর পরে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ বা নামপদ গঠন করে, সরাসরি কাল ও পুরুষবাচক সমাপিকা ক্রিয়া গঠন করে না। ৫. মনে রাখার টিপস: ধাতুর সাথে বসে যে জন, ক্রিয়া বানায় সে কোন জন? উত্তর হলো বিভক্তি। ধাতু ও বিভক্তির মিলনেই সার্থক ক্রিয়াপদ তৈরি হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধাতু ও প্রত্যয়ের পার্থক্য এবং ক্রিয়াপদ গঠনের উপাদান সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। তাই ধাতু এবং বিভক্তির যোগফল যে ক্রিয়া, তা ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a চাঁদ
b গগন
c নক্ষত্র
d সূর্য
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চাঁদ কেন সঠিক: ১. এই শব্দটির উৎস প্রাকৃত ভাষা হয়ে পরিবর্তিত রূপ নিয়ে সরাসরি বাংলা ভাষায় স্থান লাভ করেছে। ২. মূল সংস্কৃত শব্দ চন্দ্র থেকে প্রাকৃত চন্দ্র এবং পরবর্তীতে তা পরিবর্তিত হয়ে আজকের এই রূপ ধারণ করেছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. যে শব্দগুলোর উৎস সংস্কৃত ভাষা থেকে প্রাকৃতের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে বাংলায় এসেছে সেগুলোকে এই বিশেষ শ্রেণিভুক্ত করা হয়। ২. বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ করার ক্ষেত্রে এই প্রকৃতির শব্দের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও বিশাল। ৩. যেমন, হস্ত থেকে হাত এবং মৎস্য থেকে মাছ এই নিয়মে তদ্ভব শব্দ হিসেবে গণ্য করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চাঁদ — এটি ভুল কারণ এটি সঠিক উত্তর হিসেবে ইতিমধ্যেই নির্ধারিত হয়েছে এবং এটি তদ্ভব শব্দ। B) গগন — এটি একটি তৎসম শব্দ কারণ এটি সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকে কোনো পরিবর্তন ছাড়া বাংলায় এসেছে। C) নক্ষত্র — এটি একটি তৎসম শব্দ কারণ এর বানান ও রূপ সংস্কৃত ভাষার শব্দের সাথে হুবহু মিলে যায়। D) সূর্য — এটি একটি তৎসম শব্দ কারণ এটি অপরিবর্তিত অবস্থায় সংস্কৃত থেকে বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হচ্ছে। মনে রাখার টিপস: ১. যেসব শব্দের রূপ প্রাকৃত ভাষা পার হয়ে একটু বদলে যায় সেগুলো সাধারণত এই শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত হয়। ২. চন্দ্র থেকে চাঁদ বা হস্ত থেকে হাত এ ধরনের রূপান্তর দেখলে খুব সহজেই চিনে নেওয়া সম্ভব।
a চির অশান্তি
b অরাজক দেশ
c অনিষ্ট লাড
d ঝগড়া বাধানো
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চির অশান্তি ১. কেন সঠিক: - রাবণের চিতা বাগধারাটির অন্তর্নিহিত অর্থ হলো এমন দুঃখ বা অশান্তি যা কখনো দূর হয় না বা চিরকাল ধরে চলতে থাকে। - পৌরাণিক বা লৌকিক বিশ্বাসের সঙ্গে মিল রেখে এই বাগধারাটি তৈরি হয়েছে যেখানে রাবণের চিতার আগুন কখনো নেভে না বলে কল্পনা করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি বহুল ব্যবহৃত প্রবাদ ও বাগধারা যা বিশেষ কোনো ভাব বা অবস্থাকে খুব সংক্ষেপে প্রকাশ করে। - এই ধরনের বাগধারাগুলো মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা এবং লোকসংস্কৃতির ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সংসারে তার অভাব যেন রাবণের চিতা। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে অভাবের স্থায়ী ও যন্ত্রণাদায়ক রূপ বোঝাতে বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: পারিবারিক কলহ তার জীবনে রাবণের চিতা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ব্যাখ্যা: এখানে পারিবারিক অশান্তির স্থায়ী রূপ প্রকাশ করতে রাবণের চিতা ব্যবহার করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চির অশান্তি — এই অপশনটি সঠিক কারণ রাবণের চিতা বাগধারাটির মূল অর্থ স্থায়ী ও চিরস্থায়ী অশান্তি। B) অরাজক দেশ — এই অপশনটি ভুল কারণ অরাজক দেশ বোঝাতে রামরাজত্ব বা অন্য কোনো বিশেষ বাগধারা ব্যবহৃত হয়। C) অনিষ্ট লাড — এই অপশনটি মুদ্রণজনিত ত্রুটিযুক্ত বা অপ্রাসঙ্গিক শব্দ, যা মূল বাগধারার অর্থের সঙ্গে মেলে না। D) ঝগড়া বাধানো — এই অপশনটি ভুল কারণ ঝগড়া বাধানো বোঝাতে উসকানি দেওয়া বা কান ভাঙানো বাগধারা ব্যবহার করা হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - রাবণের চিতার আগুন যেমন কখনো নেভে না, তেমনি মানুষের চির অশান্তি বা দীর্ঘস্থায়ী দুঃখও সহজে শেষ হয় না। - এই মিল মনে রাখলে পরীক্ষা এই প্রশ্নটি সহজেই উত্তর করা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই পৌরাণিক উৎস থেকে আসা বাগধারাগুলোর অর্থ জানতে চাওয়া হয়। - এ ধরনের প্রশ্ন সমাধানের জন্য বাগধারার সাধারণ অর্থের পাশাপাশি এর গভীর বা অন্তর্নিহিত অর্থ ভালোভাবে বুঝতে হবে।
a রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
b রাজশেখর বসু
c ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
d বিহারীলাল চক্রবর্তী
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বিহারীলাল চক্রবর্তী কেন সঠিক: ১. বিহারীলাল চক্রবর্তী বাংলা গীতি কবিতার ধারার এক অন্যতম প্রধান রূপকার ও অগ্রদূত। ২. রবীন্দ্রপূর্ব যুগে তাঁর কাব্যসাধনা ভোরে ফোটা ফুলের মতো নতুন আলোর বার্তা নিয়ে এসেছিল। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. উনিশ শতকের শেষভাগে রোমান্টিক ভাবধারার সূচনা ঘটিয়ে বাংলা কবিতায় নতুন যুগের সূত্রপাত করেন এই কবি। ২. রবীন্দ্রনাখ ঠাকুর নিজে তাঁকে বাংলা কবিতার ভোরের পাখি বলে গভীর শ্রদ্ধা ও সম্মান জানিয়ে গেছেন। ৩. তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে 'সারদামঙ্গল' এবং 'নিসর্গদর্শন' বাংলা সাহিত্যের অমূল্য সম্পদ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে বাংলা সাহিত্যের বিশ্বমঞ্চের রূপকার বলা হয়, তবে তাঁকে ভোরের পাখি উপাধি দেওয়া হয়নি। B) রাজশেখর বসু — পরশুরাম ছদ্মনামে লেখা হাস্যরসাত্মক ও ব্যঙ্গাত্মক ছোটগল্পের জন্য তিনি বাংলা সাহিত্যে বিশেষভাবে পরিচিত। C) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — বাংলা গদ্যের জনক ও সমাজ সংস্কারক হিসেবে তিনি পরিচিত, কোনো কাব্যিক উপাধির জন্য নন। D) বিহারীলাল চক্রবর্তী — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন কোনো ভুল কারণ প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: বিহারে সকালবেলা পাখি ডাকে সবার আগে, তাই 'ভোরের পাখি' বললে মনে রাখবে বিহারীলাল চক্রবর্তীকে।
a রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
b কাজী নজরুল ইসলাম
c শেখ ফজলল করিম
d শামসুর রাহমান
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শেখ ফজলল করিম ১. কেন সঠিক: - 'মানুষেরই মাঝে স্বর্গ-নরক, মানুষেতে সুরাসুর' বিখ্যাত পক্তিটি বাংলার খ্যাতনামা সাহিত্যিক শেখ ফজলল করিমের রচনা। - মানবপ্রেম ও মনুষ্যত্ববোধের জয়গান গাওয়া এই পক্তিতে মানুষকে সবকিছুর ঊর্ধ্বে স্থান দেওয়া হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শেখ ফজলল করিম ১৯ শতকের শেষভাগ ও ২০ শতকের প্রথমার্ধের একজন প্রখ্যাত মুসলিম সাহিত্যিক ও কবি। - তাঁকে সাহিত্যরত্ন উপাধিতে ভূষিত করা হয়েছিল এবং তাঁর লেখায় মূলত নৈতিকতা, মানবপ্রেম ও দেশাত্মবোধ ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ত্যজি পুণ্যবাণী হেন পুণ্যবান, মানুষ হইতে মানুষ মহীয়ান। ব্যাখ্যা: মানুষের শ্রেষ্ঠত্ব ও মনুষ্যত্বের জয়গান গাওয়ার ক্ষেত্রে এটি একটি অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক ও পরিচিত সাহিত্যিক পঙ্ক্তি। উদাহরণ ২: মানুষের চেয়ে বড় কিছু নাই, নহে কিছু মহীয়ান। ব্যাখ্যা: কাজী নজরুল ইসলামের এই পঙ্ক্তিটিও শেখ ফজলল করিমের পঙ্ক্তির মতো মানবতাবাদ ও মানুষের মর্যাদাকে প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বাংলা সাহিত্যের নোবেলজয়ী বিশ্বকবি হলেও এই নির্দিষ্ট পঙ্ক্তিটির রচয়িতা নন। B) কাজী নজরুল ইসলাম — বিদ্রোহী কবি মানবধর্মের কথা বললেও এই বিশেষ পঙ্ক্তিটি তাঁর কোনো কবিতার অংশ নয়। D) শামসুর রাহমান — আধুনিক যুগের বরেণ্য কবি হলেও তিনি এই প্রাচীন ধারার মানবতাবাদী পঙ্ক্তির রচয়িতা নন। ৫. মনে রাখার টিপস: - শেখ ফজলল করিমের নাম মনে রাখলে তাঁর অমর সৃষ্টি হিসেবে স্বর্গ-নরক ও মানুষের মহত্ত্ব বিষয়ক এই পঙ্ক্তিটি মনে রাখা সহজ হয়। - মানবতাবাদ সম্পর্কিত পঙ্ক্তিগুলোর ক্ষেত্রে সাহিত্যরত্ন শেখ ফজলল করিমের নাম বিশেষভাবে স্মরণ রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত পঙ্ক্তি ও তার রচয়িতা সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে। - মানবপ্রেমমূলক পঙ্ক্তিগুলোর ক্ষেত্রে প্রাচীন ও মধ্যবর্তী যুগের লেখকদের নাম ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a নিষ্ঠা
b সদাচর
c সততা
d সংযম
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সদাচর ১. কেন সঠিক: - 'শিষ্টাচার' শব্দের অর্থ ভালো আচরণ, ভদ্রতা বা সুরুচিসম্পন্ন ব্যবহার। - 'সদাচর' শব্দের অর্থও ভালো বা সৎ আচরণ, যা মূল শব্দের সমার্থক। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো সেই সব শব্দ, যা ভিন্ন বানান বা রূপের হলেও অর্থের দিক থেকে প্রায় সমান বা কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে। - বাংলা ভাষা সমৃদ্ধ করতে এবং ভাব প্রকাশের বৈচিত্র্য আনতে সমার্থক শব্দের ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভদ্রতা ব্যাখ্যা: এটি শিষ্টাচার বা সদাচরের সমার্থক হিসেবে দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: সৌজন্য ব্যাখ্যা: এটিও ভালো আচরণ বা শিষ্টাচারের একটি চমৎকার বিকল্প শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিষ্ঠা — এর অর্থ গভীর একাগ্রতা বা অনুরাগ, যা ভালো আচরণের সমার্থক নয়। B) সদাচর — এটি সঠিক উত্তর। C) সততা — এর অর্থ সাধুতা বা সত্যবাদিতা, যা আচরণের চেয়ে নৈতিকতার সঙ্গে সম্পর্কিত। D) সংযম — এর অর্থ নিজেকে নিয়ন্ত্রণে রাখা বা দমন করা, যা সরাসরি আচরণের সমার্থক নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - শিষ্টাচার শব্দের শুরুতে যে শিষ্ট আছে, তার অর্থ ভালো বা ভদ্র, তাই এর সমার্থক সদাচর সহজেই মেলানো যায়। - শব্দার্থ মুখস্থ না করে মূল শব্দের সঙ্গে মিল রেখে ভাবার্থ চিন্তা করলে উত্তর নির্ভুল হয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ ও সমার্থক শব্দ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - প্রমিত বাংলা শব্দের উৎস ও অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজেই সমাধান করা সম্ভব।
a অউক্ত
b অবক্ত
c অনুক্ত
d অব্যক্ত
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অনুক্ত ১. কেন সঠিক: - 'যা বলা হয়নি' বাক্যটির সংক্ষিপ্ত রূপ হলো অনুক্ত। - এখানে 'উক্ত' শব্দের অর্থ বলা হয়েছে এবং তার সঙ্গে 'অন' উপসর্গ যুক্ত হয়ে বিপরীত অর্থ প্রকাশ করেছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন হলো বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যম। - এটি বাংলা ব্যাকরণের শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ করার এবং বাক্যকে সংক্ষেপ করার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যা বলা হবে ব্যাখ্যা: এর বাক্য সংকোচন হলো উক্ত। উদাহরণ ২: যা কখনো নষ্ট হয় না ব্যাখ্যা: এর বাক্য সংকোচন হলো অবিনশ্বর। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অউক্ত — এটি কোনো প্রমিত বা ব্যাকরণগতভাবে শুদ্ধ বাংলা শব্দ নয়। B) অবক্ত — এই ধরনের কোনো শব্দ প্রমিত বাংলা ব্যাকরণে এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় না। C) অনুক্ত — এটি সঠিক কারণ এর অর্থ যা বলা হয়নি। D) অব্যক্ত — এর অর্থ যা স্পষ্টভাবে প্রকাশ করা হয়নি বা মনের ভাব যা ব্যক্ত করা হয়নি। ৫. মনে রাখার টিপস: - উক্ত মানে বলা হয়েছে এবং অনুক্ত মানে বলা হয়নি, এই বিপরীত সম্পর্কটি মনে রাখলেই উত্তর সহজ হবে। - উপসর্গের ব্যবহার খেয়াল করলে এককথায় প্রকাশের ভুল এড়ানো সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গ ও প্রত্যয়ভিত্তিক বাক্য সংকোচন প্রায়ই আসে। - মূল শব্দের অর্থ অনুধাবন করে সঠিক উপসর্গ বা প্রত্যয় যুক্ত শব্দ নির্বাচন করতে হয়।
a সুবীর সাহা
b আব্দুল গাফফার চৌধুরী
c আলতাফ মাহমুদ
d হাসান হাফিজুর রহমান
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আলতাফ মাহমুদ ১. কেন সঠিক: - 'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি' বিখ্যাত গানটির সুরকার হলেন শহীদ বুদ্ধিজীবী আলতাফ মাহমুদ। - গানটির সুর সংযোজন করে বাঙালির ভাষা আন্দোলনের চেতনাকে সুরের মাধ্যমে চিরস্মরণীয় করে রেখেছেন তিনি। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - গানটির রচিয়তা বা গীতিকার হলেন বিশিষ্ট সাংবাদিক ও কলামিস্ট আব্দুল গাফফার চৌধুরী। - ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারির পর আব্দুল গাফফার চৌধুরী এই গানটির কথা লেখেন এবং প্রথমে এর সুর করেছিলেন আবদুল লতিফ, পরবর্তীতে আলতাফ মাহমুদ বর্তমানের জনপ্রিয় সুরটি করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি ব্যাখ্যা: এটি ভাষা আন্দোলন কেন্দ্রিক সবচেয়ে বিখ্যাত ও প্রমিজ গান। উদাহরণ ২: একুশে ফেব্রুয়ারি সংকলন ব্যাখ্যা: হাসান হাফিজুর রহমানের সম্পাদনায় প্রকাশিত ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংকলন গ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুবীর সাহা — ইনি এই গানের সুরকার নন, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়। B) আব্দুল গাফফার চৌধুরী — ইনি গানটির গীতিকার বা রচয়িতা, সুরকার নন। D) হাসান হাফিজুর রহমান — ইনি একুশে ফেব্রুয়ারি সংকলনের সম্পাদক, গানের সুরকার নন। ৫ মনে রাখার টিপস: গীতিকার গাফফার চৌধুরী এবং সুরকার আলতাফ মাহমুদ—এভাবে মনে রাখতে পারেন যে, নামের শুরুতে 'আ' বর্ণ আছে এবং সুরকারও আলতাফ মাহমুদ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় গানটির গীতিকার ও সুরকার সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে, তাই উভয় নাম মনে রাখা জরুরি। ভাষা আন্দোলনভিত্তিক সাহিত্যকর্ম থেকেও প্রশ্ন হয়ে থাকে।
a বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
b শেখ হাসিনা
c এ কে ফজলুল হক
d মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১. কেন সঠিক: - এই গ্রন্থটির রচিয়তা স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। - ১৯৫৬ থেকে ১৯৬৭ সালের মধ্যে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দि থাকা অবস্থায় তিনি এই আত্মজীবনী রচনা করেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি একটি আত্মজীবনীমূলক ঐতিহাসিক গ্রন্থ যা ২০১২ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়। - বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত এই গ্রন্থটি বাঙালির রাজনৈতিক ইতিহাস ও জীবনসংগ্রামের প্রামাণ্য দলিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কারাগারের রোজনামচা ব্যাখ্যা: এটিও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রচিত অপর একটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক গ্রন্থ। উদাহরণ ২: আমার দেখা নতুন চীন ব্যাখ্যা: এটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের চীন ভ্রমণের অভিজ্ঞতার ওপর রচিত গ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি নিজে এই আত্মজীবনী লিখেছেন। B) শেখ হাসিনা — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি বঙ্গবন্ধু তনয়া এবং এই গ্রন্থের রচয়িতা নন, তবে প্রকাশের নেপথ্যে তাঁর অবদান রয়েছে। C) এ কে ফজলুল হক — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি বাংলার প্রখ্যাত রাজনৈতিক নেতা হলেও এই গ্রন্থের লেখক নন। D) মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি বিখ্যাত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হলেও এই আত্মজীবনীর সঙ্গে যুক্ত নন। ৫. মনে রাখার টিপস: - বঙ্গবন্ধুর কারাগারের লেখা বইগুলোর মধ্যে আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ হলো অসমাপ্ত আত্মজীবনী। - বইটির নাম থেকেই বোঝা যায় এটি লেখকের অসমাপ্ত জীবনের প্রামাণ্য দলিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বইটি ২০১২ সালে প্রথম প্রকাশিত হয় এবং এটি ইতোমধ্যে পৃথিবীর অনেক ভাষায় অনূদিত হয়েছে। - মুক্তিযুদ্ধ ও বাঙালি জাতির ইতিহাসভিত্তিক প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই গ্রন্থ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
a লবণাক্ত
b নোনতা
c লাবণ্য
d লালত
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) লবণাক্ত ১. কেন সঠিক: - বিশেষ্য পদ 'লবণ' শব্দের সঙ্গে 'ক্ত' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে সঠিক বিশেষণ পদ 'লবণাক্ত' গঠিত হয়েছে। - কোনো বিশেষ্য পদের গুণ, অবস্থা বা বৈশিষ্ট্য বোঝাতে যে পদ তার রূপ পরিবর্তন করে বিশেষণের রূপ নেয়, তাকে নামপদজ বিশেষণ বলে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিশেষ্য পদকে বিশেষিত করার জন্য বিশেষ্য শব্দে প্রত্যয় যোগ করে বিশেষণ পদ তৈরি করা হয়। - এখানে 'লবণ' বিশেষ্য পদের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে তার গুণ বা স্বাদ প্রকাশক বিশেষণ রূপে আত্মপ্রকাশ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পঙ্ক + ইল = পঙ্কিল ব্যাখ্যা: বিশেষ্য পদ পঙ্ক এর সঙ্গে ইল প্রত্যয় যুক্ত হয়ে পঙ্কিল বিশেষণ পদ গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: স্বাদ + ই = স্বাদী ব্যাখ্যা: বিশেষ্য পদ স্বাদ এর সঙ্গে ই প্রত্যয় যুক্ত হয়ে স্বাদী বিশেষণ পদ গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) লবণাক্ত — এটি সঠিক বিশেষণ পদ এবং প্রশ্নের চাহিদার সঙ্গে সম্পূর্ণরূপে মিলে যায়। B) নোনতা — এটি একটি প্রাকৃত বা তদ্ভব শব্দে গঠিত বিশেষণ রূপ, যা লবণ শব্দের সরাসরি তৎসম বা প্রতিশব্দভিত্তিক ব্যাকরণগত বিশেষণ নয়। C) লাবণ্য — এটি বিশেষ্য পদ, যার অর্থ সৌন্দর্য বা কান্তি, তাই এটি বিশেষণ পদের চাহিদা পূরণ করে না। D) লালত — এটি কোনো অর্থপূর্ণ বাংলা শব্দ বা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক শব্দ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - মূল বিশেষ্য শব্দের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত করে বিশেষণ রূপ চেনার অভ্যাস করতে হবে। - লবণ শব্দের ক্ষেত্রে লবণাক্ত হলো ব্যাকরণগতভাবে সবচেয়ে উপযুক্ত ও প্রমিত রূপ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিশেষ্য থেকে বিশেষণ পরিবর্তনের নিয়ম প্রায়ই আসে। - প্রত্যয় যুক্ত করার মাধ্যমে শব্দ রূপান্তরের সাধারণ নিয়মগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a রবী + ইন্দ্র
b রবী + ঈন্দ্র
c রবি + ইন্দ্র
d রবি + ঈন্দ্র
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রবি + ইন্দ্র ১. কেন সঠিক: সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী প্রথম শব্দের শেষে থাকা হ্রস্ব ই (ি) এবং দ্বিতীয় শব্দের শুরুতে থাকা হ্রস্ব ই (ই) মিলে দীর্ঘ ঈ (ী) হয়। এখানে রবি শব্দের শেষ বর্ণ ব-এ হ্রস্ব ই কার এবং ইন্দ্র শব্দের শুরুতে হ্রস্ব ই যুক্ত হয়ে রবীন্দ্র শব্দটি গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি স্বরসন্ধির একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম। অ কিংবা আ, ই কিংবা ঈ, উ কিংবা ঊ-এর পর যদি যথাক্রমে অ বা আ, ই বা ঈ, উ বা ঊ থাকে, তবে উভয় মিলে যথাক্রমে দীর্ঘ আ, দীর্ঘ ঈ ও দীর্ঘ ঊ হয়। এই নিয়মে হ্রস্ব ই এবং হ্রস্ব ই মিলে দীর্ঘ ঈ কার (ী) হয়েছে, যা রবীন্দ্র শব্দে যুক্ত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অতি + ইত = অতীত ব্যাখ্যা: এখানে ত-এর সঙ্গে থাকা হ্রস্ব ই এবং ইতের ই মিলে দীর্ঘ ঈ কার হয়েছে। উদাহরণ ২: গিরি + ইন্দ্র = গিরীন্দ্র ব্যাখ্যা: এখানে র-এর সঙ্গে থাকা হ্রস্ব ই এবং ইন্দ্রের ই মিলে দীর্ঘ ঈ কার হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবী + ইন্দ্র — রবী শব্দে দীর্ঘ ঈ কার ব্যবহার করা হয়েছে, যা মূল শব্দের গঠনের সঙ্গে মিলে না। B) রবী + ঈন্দ্র — রবী শব্দে দীর্ঘ ঈ কার এবং ঈন্দ্র শব্দে দীর্ঘ ঈ ব্যবহার করা হয়েছে, যা ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ। D) রবি + ঈন্দ্র — রবি শব্দ ঠিক থাকলেও ঈন্দ্র শব্দে দীর্ঘ ঈ ব্যবহার করা হয়েছে, যা সঠিক বানান নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: সন্ধির ক্ষেত্রে মনে রাখবে ছোট ই এবং ছোট ই মিলে বড় ঈ হয়। শব্দের মূল বানান খেয়াল রাখলে এই ধরনের সন্ধি সহজে নির্ণয় করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই নিয়মের শব্দগুলো প্রায়ই আসে। পরীক্ষায় বানান শুদ্ধি ও সন্ধি বিচ্ছেদ দুটিই একসঙ্গে প্রস্তুতি নিতে হয়।
a 9
b 7
c 8
d 10
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১০ ১. কেন সঠিক: - বাংলা বর্ণমালায় মোট ৫০টি বর্ণের মধ্যে মাত্রা ভেদে বর্ণগুলোকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়। এর মধ্যে ১০টি বর্ণে কোনো মাত্রা থাকে না। - মাত্রা বলতে বর্ণের ওপরের রেখাকে বোঝায়, যা লেখার সময় কলম ওঠানো ছাড়া টানা হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাংলা বর্ণমালায় পূর্ণমাত্রার বর্ণ রয়েছে ৩২টি এবং অর্ধমাত্রার বর্ণ রয়েছে ৮টি। - স্বরবর্ণে মাত্রাহীন বর্ণ ৪টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণে মাত্রাহীন বর্ণ ৬টি, যা মিলে মোট ১০টি মাত্রাহীন বর্ণ হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অ, আ ব্যাখ্যা: স্বরবর্ণের মধ্যে অ এবং আ বর্ণ দুটিতে কোনো মাত্রা নেই, তাই এগুলো মাত্রাহীন স্বরবর্ণ। উদাহরণ ২: এ, ওই ব্যাখ্যা: স্বরবর্ণের মধ্যে এ এবং ওই বর্ণ দুটিতেও কোনো মাত্রা না থাকায় এগুলোও মাত্রাহীন বর্ণের অন্তর্ভুক্ত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৯ — ৯ সংখ্যাটি ভুল কারণ বাংলা বর্ণমালায় মাত্রাহীন বর্ণের সঠিক সংখ্যা ৯টি নয়, বরং ১০টি। B) ৭ — ৭ সংখ্যাটি ভুল কারণ এটি কোনো নির্দিষ্ট মাত্রার বর্ণের সঠিক সংখ্যা নির্দেশ করে না। C) ৮ — ৮ সংখ্যাটি ভুল কারণ ৮টি বর্ণ হলো বাংলা বর্ণমালার অর্ধমাত্রার বর্ণ, মাত্রাহীন বর্ণ নয়। D) ১০ — ১০ সংখ্যাটি সঠিক কারণ বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণে ৪টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণে ৬টি মিলে মোট ১০টি মাত্রাহীন বর্ণ আছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - ৩২ যোগ ৮ যোগ ১০ সমান ৫০ সূত্রটি মনে রাখলে পূর্ণমাত্রা, অর্ধমাত্রা এবং মাত্রাহীন বর্ণ সহজেই মনে রাখা যায়। - স্বরবর্ণে মাত্রাহীন বর্ণ ৪টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণে ৬টি, এই চার ও ছয় যোগ করলেই মোট দশটি মাত্রাহীন বর্ণ পাওয়া যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই পূর্ণমাত্রা, অর্ধমাত্রা এবং মাত্রাহীন বর্ণের সংখ্যা জানতে চাওয়া হয়। - বর্ণমালা সম্পর্কিত এই সংখ্যাগুলো ভালোভাবে মুখস্থ রাখলে ব্যাকরণের প্রাথমিক প্রশ্ন সহজেই উত্তর করা যায়।
a শেষ প্রশ্ন
b শেষ কথা
c গীতাঞ্জলি
d শেষের কবিতা
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) গীতাঞ্জলি ১. কেন সঠিক: - গীতাঞ্জলি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি অত্যন্ত বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা বাংলা কাব্যসাহিত্যে এক অনন্য মাইলফলক। - এই কাব্যগ্রন্থটির জন্য রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন যা এশীয় সাহিত্যিকদের মধ্যে প্রথম। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ কবি, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক যিনি বাংলা ভাষা ও সাহিত্যকে বিশ্বদরবারে সমাদৃত করেছেন। - গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থটি ১৯১০ সালে প্রকাশিত হয় এবং এর ইংরেজি অনুবাদ সং অফারিংস প্রকাশিত হয় ১৯১২ সালে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মানসী ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অন্যতম বিখ্যাত একটি কাব্যগ্রন্থ যা তার কাব্যিক রূপান্তরের সূচনা করে। উদাহরণ ২: সোনার তরী ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রকৃতির সৌন্দর্য ও জীবনদর্শন সংবলিত আরেকটি অমর কাব্যগ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শেষ প্রশ্ন — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোনো কাব্যগ্রন্থ নয়, বরং এটি কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত উপন্যাস। B) শেষ কথা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোনো কাব্যগ্রন্থ বা পরিচিত সাহিত্যকর্মের নাম নয়, তাই এটি ভুল। C) গীতাঞ্জলি — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ এবং প্রশ্নানুযায়ী এটিই সঠিক উত্তর। D) শেষের কবিতা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত উপন্যাস, কোনো কাব্যগ্রন্থ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নোবেলজয়ী গ্রন্থ মনে রাখার জন্য গীতাঞ্জলি নামটি সবার আগে মনে রাখতে হবে কারণ এটি কাব্যগ্রন্থ। - নামের শেষে কবিতা বা প্রশ্ন থাকলেই সেগুলো কবিতা বা কাব্যগ্রন্থ হবে না, যেমন শেষের কবিতা একটি উপন্যাস। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - গীতাঞ্জলি প্রকাশিত হয় ১৯১০ সালে এবং এর জন্য নোবেল পুরস্কার পাওয়া যায় ১৯১৩ সালে। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে শেষ প্রশ্ন কার লেখা বা শেষের কবিতা কোন ধরনের রচনা।
a নাটক
b কাব্য
c পদাবলী
d পালাগান
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কাব্য কেন সঠিক: ১. চন্দ্রাবতী হলো বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক নারী কবি চন্দ্রাবতীর লেখা একটি বিখ্যাত প্রণয়কাব্য বা মহাকাব্য। ২. এটি মূলত মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের রামায়ণ ও প্রেমমূলক আখ্যান কাব্যের ধারার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সৃষ্টি। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে কাব্য বলতে মূলত পদ্যে রচিত কাহিনী বা ধর্মীয় গাথাকে বোঝানো হয়ে থাকে। ২. কবি চন্দ্রাবতী তার নিজস্ব মননশীলতা ও নারীবাদী দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে রামায়ণ ও অন্যান্য কাব্য রচনা করেছিলেন। ৩. যেমন, তার রচিত 'মন্থরার জবানবন্দী' এবং 'রামায়ণ' কাব্য বাংলা সাহিত্যে চিরস্মরণীয় হয়ে আছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নাটক — নাটক হলো অভিনয়ের উপযোগী দৃশ্যকাব্য, যা চন্দ্রাবতী নয়। B) কাব্য — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি একটি পদ্যে রচিত সাহিত্যকর্ম। C) পদাবলী — পদাবলী বলতে মূলত বৈষ্ণব বা শাক্ত পদ বা গানকে বোঝায়, যা এটি নয়। D) পালাগান — পালাগান হলো লোকসংগীতের একটি ধারা বা গীতিনাট্য, যা মূল ধারার কাব্য থেকে ভিন্ন। মনে রাখার টিপস: ১. কবি চন্দ্রাবতীর নামানুসারে তার রচিত সাহিত্যকর্মগুলো মূলত কাব্য হিসেবেই সমধিক পরিচিত। ২. মধ্যযুগের নারী সাহিত্যিক ও তার কাব্য মনে রাখতে চন্দ্রাবতী নামটি কাব্যের সাথেই যুক্ত করতে হবে।
a শূণ্য
b ত্রিভুজ
c ভূবন
d শূন্য
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ত্রিভুজ ১. কেন সঠিক: - ত্রিভুজ শব্দটিতে ত্রি এবং ভুজ দুটি অংশ রয়েছে যার অর্থ তিনটি বাহু দ্বারা সীমাবদ্ধ ক্ষেত্র। - বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী ত্রিভুজ শব্দে জ-ফলা বা অন্য কোনো অতিরিক্ত বর্ণ নেই এবং এটি তৎসম শব্দ হিসেবে এই বানানটি সঠিক। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - সমাসবদ্ধ বা তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বানানরীতি অনুসরণ করা বাধ্যতামূলক। - সংস্কর ভাষা থেকে সরাসরি আগত শব্দগুলোতে মূল বানান এবং প্রত্যয় বা উপসর্গের সঠিক প্রয়োগ অপরিবর্তিত থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ত্রিভুজ ব্যাখ্যা: ত্রিভুজ একটি নিখুঁত তৎসম শব্দ যা জ দিয়ে শেষ হয় এবং কোনো ভুল জ-ফলা এতে নেই। উদাহরণ ২: ত্রিভুজমিতি ব্যাখ্যা: এটি ত্রিভুজ শব্দটির ওপর ভিত্তি করে গঠিত আরেকটি প্রমিত বাংলা শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শূণ্য - এই বানানে দীর্ঘ উ-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা ভুল কারণ সঠিক বানান শূন্য। B) ত্রিভুজ - এই অপশনটি সঠিক এবং এটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বহুল ব্যবহৃত একটি বানান। C) ভূবন - এই বানানে দীর্ঘ উ-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা ভুল কারণ সঠিক বানান ভবন। D) শূন্য - এই অপশনটি প্রদত্ত প্রশ্নে ভুল হিসেবে গণ্য হয়েছে কিন্তু ব্যাকরণগতভাবে শূন্য বানানটি সঠিক এবং ত্রিভুজও সঠিক। এখানে প্রশ্নকর্তার প্রদত্ত উত্তরের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে মূল উত্তর নির্বাচন করা হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - ত্রিভুজ বানানে শেষ বর্ণ হিসেবে বর্গীয় জ ব্যবহার করতে হবে এবং বানানে কোনো জ-ফলা বা দীর্ঘ উ-কার ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকতে হবে। - প্রমিত বানান মনে রাখার জন্য বাংলা একাডেমি অভিধান নিয়মিত চর্চা করা উচিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই তৎসম শব্দের বানান থেকে প্রশ্ন আসে তাই সঠিক বানান মুখস্থ রাখার পাশাপাশি নিয়মগুলো চর্চা করা জরুরি। - একই নিয়মে বিভিন্ন তৎসম শব্দের বানানের রূপ মনে রাখতে হবে।
a বক্র
b জটিল
c কুটিল
d সিধা
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সিধা কেন সঠিক: - 'সিধা' শব্দটির অর্থ সোজা বা সরল, যা 'সরল' শব্দের সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। - প্রশ্নানুসারে কোনটি বিপরীতার্থক নয় তা জানতে চাওয়া হয়েছে, আর 'সিধা' বিপরীত শব্দ নয় বরং সমর্থক শব্দ। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিপরীতার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যা অন্য একটি শব্দের সম্পূর্ণ উল্টো বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। - বাংলা ব্যাকরণে সোজা বা সহজ অর্থ বোঝাতে 'সরল' শব্দটির নানা বিপরীত শব্দ রয়েছে। - যেমন: সরল এর বিপরীত বক্র, জটিল বা কুটিল হতে পারে। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) বক্র — এটি 'সরল' শব্দের একটি সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ যার অর্থ বাঁকা। - B) জটিল — এটি 'সরল' শব্দের একটি সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ যার অর্থ প্যাঁচালো বা কঠিন। - C) কুটিল — এটি 'সরল' শব্দের একটি সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ যার অর্থ বাঁকা বা কুৎসিত স্বভাবের। - D) সিধা — এটি 'সরল' শব্দের বিপরীতার্থক নয়, বরং সমার্থক শব্দ। মনে রাখার টিপস: - সমার্থক এবং বিপরীতার্থক শব্দ গুলিয়ে ফেলা যাবে না। - সরল শব্দের বিপরীত হলো বাঁকা জাতীয় শব্দ যেমন বক্র, জটিল এবং কুটিল।
a আমজাদ হোসেন
b হুমায়ূন আহমেদ
c সৈয়দ শামসুল হক
d শওকত ওসমান
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) হুমায়ূন আহমেদ ১. কেন সঠিক: 'আগুনের পরশমণি' হলো কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ রচিত একটি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং অবরুদ্ধ ঢাকার একটি মধ্যবিত্ত পরিবারের বাস্তব অভিজ্ঞতা এই উপন্যাসের মূল বিষয়বস্তু। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: হুমায়ূন আহমেদ আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অত্যন্ত জনপ্রিয় একজন কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার ও চলচ্চিত্র নির্মাতা। ১৯৯৪ সালে প্রকাশিত 'আগুনের পরশমণি' উপন্যাসটি অবলম্বনে তিনি একই নামে একটি চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন, যা জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'জোছনা ও জননীর গল্প' ব্যাখ্যা: এটি হুমায়ূন আহমেদ রচিত ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক অপর একটি বিখ্যাত ও বৃহদায়তন উপন্যাস। উদাহরণ ২: 'শ্যামল ছায়া' ব্যাখ্যা: এটিও হুমায়ূন আহমেদ রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস, যা পরবর্তীতে চলচ্চিত্রে রূপায়িত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আমজাদ হোসেন — ইনি একজন প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা ও লেখক হলেও এই উপন্যাসের রচয়িতা নন। B) হুমায়ূন আহমেদ — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি সঠিক। C) সৈয়দ শামসুল হক — ইনি বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিক হলেও 'আগুনের পরশমণি' তাঁর রচনা নয়। D) শওকত ওসমান — ইনি প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক হলেও এই উপন্যাসটি তাঁর লেখা নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: হুমায়ূন আহমেদের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসগুলো মনে রাখার জন্য মূল চরিত্র ও পটভূমি মাথায় রাখতে হবে। 'আগুনের পরশমণি' উপন্যাসের রত্না ও ১৯৭১ সালের অবরুদ্ধ ঢাকা শহরের পটভূমি মনে রাখলে সহজে উত্তর করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। হুমায়ূন আহমেদের 'আগুনের পরশমণি', 'জোছনা ও জননীর গল্প' এবং 'শ্যামল ছায়া' মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসের তালিকাভুক্ত।

মোট প্রশ্ন (20)

a about
b at
c with
d for
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) about কেন সঠিক: - কোনো বিষয়, ঘটনা বা পরিস্থিতির কারণে বিরক্ত হওয়া বোঝাতে angry এর পর preposition হিসেবে about বসে। - বাক্যে হোট আর ইউ সো এংগ্রি- এর মাধ্যমে কোনো নির্দিষ্ট বিষয় নিয়ে রাগের কারণ জানতে চাওয়া হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) about - এটি সঠিক কারণ নির্দিষ্ট কোনো বিষয় বা ঘটনার কারণে রাগের ক্ষেত্রে angry about বসে। B) at - এটি ভুল কারণ সাধারণত কোনো আচরণ বা বিষয়ের ওপর রাগ বোঝাতে angry at বসে, তবে বস্তুর ক্ষেত্রে about বেশি উপযুক্ত। C) with - এটি ভুল কারণ কোনো ব্যক্তির ওপর রাগ বা ক্ষোভ প্রকাশ করতে angry with ব্যবহার করা হয়। D) for - এটি ভুল কারণ কারণ বা উদ্দেশ্য বোঝাতে for বসে, যা এংগ্রি শব্দের সাথে এই বাক্যে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: কোনো বস্তুর ওপর বা বিষয়ের কারণে রাগ হলে angry about এবং কোনো ব্যক্তির ওপর রাগ হলে angry with ব্যবহার করবে।
a worry
b comfort
c faith
d of them
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) worry কেন সঠিক: - 'Anxiety' একটি ইংরেজি শব্দ যার বাংলা অর্থ উদ্বেগ বা উৎকণ্ঠা। এর সাথে হুবহু মিল রয়েছে 'worry' শব্দের, যার অর্থ দুশ্চিন্তা করা। - এই দুটি শব্দই মানুষের মনের এক ধরণের অস্থিরতা ও ভয়ের অবস্থাকে বোঝায়। - একই ভাবের প্রকাশ থাকায় এটি সঠিক উত্তর। বাকি অপশন কেন ভুল: A) worry — এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ দুশ্চিন্তা। B) comfort — এর অর্থ আরাম বা স্বস্তি, যা উদ্বেগের সম্পূর্ণ বিপরীত। C) faith — এর অর্থ বিশ্বাস বা ভরসা, যা উৎকণ্ঠার সাথে সম্পর্কিত নয়। D) of them — এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল এবং কোনো অর্থ প্রকাশ করে না। মনে রাখার টিপস: 'Anxiety' শুনলেই মাথায় রাখবে দুশ্চিন্তার কথা, তাই এর সমার্থক শব্দ হিসেবে 'worry' মনে রাখবে।
a shall be
b has
c will be
d is
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) is কেন সঠিক: - প্রবাদবাক্য বা চিরন্তন সত্য প্রকাশ করতে প্রেজেন্ট ইনডিফিনিট টেন্স ব্যবহার করা হয়। - দ্য পেন মাইটিয়ার দ্যান সোর্ড একটি সুপরিচিত প্রবাদ, তাই এর শূন্যস্থানে বর্তমানকালের সাহায্যকারী ক্রিয়া বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) shall be — ভবিষ্যৎকাল নির্দেশ করে, যা প্রবাদবাক্যের সার্বজনীন সত্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। B) has — এটি অধিকার বা মালিকানা কিংবা পারফেক্ট টেন্স বোঝায়, যা এই শূন্যস্থানের জন্য ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। C) will be — এটি ভবিষ্যৎকালের রূপ, যা চিরন্তন সত্য বা প্রবাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয় না। D) is — এটি সঠিক উত্তর কারণ প্রবাদবাক্যে বর্তমানকালের সাধারণ সত্য বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: চিরন্তন সত্য বা প্রবাদবাক্য সবসময় প্রেজেন্ট ইনডিফিনিট টেন্সে হয়, তাই সাবজেক্ট সিঙ্গुलर হলে is ব্যবহার করতে হবে।
a The door is no be shut.
b The door may be shut.
c Let the door be shut
d Let the door shut.
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Let the door be shut কেন সঠিক: মূল বাক্যটি একটি Imperative Sentence এবং এটি মূল verb দিয়ে শুরু হয়েছে। তাই passive করার সময় নিয়ম অনুযায়ী প্রথমে Let বসাতে হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The door is no be shut — এখানে সাহায্যকারী verb ভুল ব্যবহার করা হয়েছে এবং no এর পরিবর্তে not হবে। B) The door may be shut — এখানে অর্থের পরিবর্তন হয়ে সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছে যা মূল বাক্যে ছিল না। C) Let the door be shut — এটি সঠিক অপশন এবং নিয়ম মেনে তৈরি করা হয়েছে। D) Let the door shut — এখানে be verb টি বাদ দেওয়া হয়েছে যা passive করার নিয়ম বিরোধী। মনে রাখার টিপস: মূল verb দিয়ে শুরু Imperative Sentence কে passive করার সময় শুরুতে Let বসিয়ে বাকي অংশ নিয়ম অনুযায়ী পরিবর্তন করতে হয়।
a was never been
b am never gone
c have never been
d am never been
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) have never been কেন সঠিক: অতկ থেকে শুরু করে বর্তমান সময় পর্যন্ত কোনো অভিজ্ঞতার কথা বোঝাতে Present Perfect Tense ব্যবহার করা হয়। এখানে Subject I এর পরে have এবং never বসেছে এবং মূল verb এর Past Participle হিসেবে been ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) was never been — Past tense এর সাথে been সরাসরি ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল নিয়ম। B) am never gone — কোথাও গিয়ে সেখানে অবস্থান করার ক্ষেত্রে gone এর পরিবর্তে been ব্যবহার করতে হয়। C) have never been — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে গণ্য হবে না। D) am never been — Present tense এর সাথে been সরাসরি ব্যবহার করা সম্পূর্ণ ভুল গঠন। মনে রাখার টিপস: কোথাও ঘুরে আসার অভিজ্ঞতা বোঝাতে have বা has এর পরে ہمیشہ been ব্যবহার করবে, gone ব্যবহার করবে না।
a would cook
b had cooked
c cook
d was cooking
0 100 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) was cooking কেন সঠিক: বাক্যটিতে 'while' থাকার কারণে অতীতকালের দুটি কাজের ধারাবাহিকতা প্রকাশ পেয়েছে। একটি কাজ চলমান থাকা অবস্থায় অন্য একটি কাজ ঘটেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) would cook — এই গঠনটি অতীতকালের অভ্যাসের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় কিন্তু এখানে একটি চলমান কাজ বোঝাতে হবে। B) had cooked — এটি পাস্ট পারফেক্ট টেন্স যা অতীতকালের দুটি কাজের মধ্যে তুলনামূলকভাবে আগের কাজটি বোঝায়। C) cook — এটি প্রেজেন্ট টেন্স কিন্তু মূল বাক্যটি পাস্ট টেন্সে শুরু হয়েছে তাই এটি এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: While এর ঠিক পরের অংশে সাধারণত Past Continuous Tense হয় এবং অপর অংশটি Simple Past Tense হয়।
a as if
b if
c likes
d whether
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) as if কেন সঠিক: বাক্যের অর্থ পূর্ণ করতে এখানে যেন বা এমনভাবে ভাব বোঝাতে as if ব্যবহার করা হয়েছে। অবাস্তব ইচ্ছা বা কল্পনা প্রকাশ করতে as if এর পরে were বসে। he were a scientist অংশটি একটি কাল্পনিক পরিস্থিতি নির্দেশ করছে। তাই এখানে সঠিক সংযোগ শব্দ হিসেবে as if বসবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) as if — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। B) if — এটি শর্ত বোঝাতে বসে কিন্তু এখানে কোনো শর্ত নেই। C) likes — এটি এখানে ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয় এবং অর্থ মেলে না। D) whether — এটি বিকল্প বা সন্দেহ বোঝাতে বসে যা এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: as if এর অর্থ যেন এবং এর পরে সবসময় verb এর past form বা were বসে।
a to much high
b high to much
c too high
d so high
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) too high কেন সঠিক: - ইংরেজি ব্যাকরণে too...to কাঠামোর নিয়ম অনুযায়ী too-এর পরে বিশেষণ এবং তারপরে to বসে। - এই বাক্যে too হলো একটি adverb যা adjective-কে মডিফাই করে এবং এর অর্থ হলো মাত্রাতিরিক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to much high — ব্যাকরণগতভাবে এই গঠনটি ভুল কারণ too-এর সাথে much একসাথে adjective-এর আগে বসে না। B) high to much — এই ক্রমটি সম্পূর্ণ ভুল এবং ইংরেজিতে এই ধরনের কোনো কাঠামোর অস্তিত্ব নেই। C) too high — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর যা বাক্যের অর্থ ও ব্যাকরণগত নিয়ম সম্পূর্ণভাবে পূরণ করে। D) so high — so-এর পরে that বসে ফল প্রকাশ করতে হয়, কিন্তু এখানে to ignore থাকার কারণে so বসা অসম্ভব। মনে রাখার টিপস: too-এর পরে সবসময় adjective এবং তারপরে to বসে, যেমন: too + adjective + to।
a have herd
b was hearing
c are heard
d heard
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) heard কেন সঠিক: বাকyটির প্রথমাংশ opened দেখে বোঝা যায় এটি পাস্ট টেন্স বা অতীতের ঘটনা। তাই পরের অংশটিও পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্স অনুযায়ী ভার্বের পাস্ট ফর্ম হবে। as soon as যুক্ত বাক্যের দুটি অংশ সাধারণত একই টেন্সের হয়। heard হলো hear verb এর সঠিক পাস্ট ফর্ম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) have herd — এটি প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্স এবং বানান ভুল আছে। B) was hearing — এটি পাস্ট কন্টিনিউয়াস টেন্স, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) are heard — এটি প্রেজেন্ট টেন্সের প্যাসিভ ফর্ম, যা অর্থসঙ্গতিপূর্ণ নয়। D) heard — এটি সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: as soon as এর দুই পাশে সাধারণত একই টেন্স বসে, তাই একটি পাস্ট হলে অন্যটিও পাস্ট টেন্স হবে।
a from
b to
c for
d than
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: খ) to কেন সঠিক: prefer শব্দের পর সাধারণত preposition হিসেবে to বসে। এটি তুলনা করার ক্ষেত্রে than এর পরিবর্তে ব্যবহৃত হয়। কারণ preference বা পছন্দ বোঝাতে ল্যাটিন তুলনা সূচক শব্দের সাথে to ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: ক) from — এটি উৎস বা দূরত্ব বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, তাই এখানে সঠিক নয়। খ) to — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। গ) for — এটি উদ্দেশ্য বা কারণ বোঝাতে বসে, তাই এখানে ভুল। ঘ) ঙ) than — তুলনার ক্ষেত্রে সাধারণ adjective এর পর বসলেও prefer এর সাথে এটি বসে না। মনে রাখার টিপস: prefer দেখলেই than না খুঁজে সবসময় to বসানোর নিয়মটি মনে রাখবে।
a an
b the
c a
d no article
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) a কেন সঠিক: opportunity শব্দটি কাউন্টেবল এবং এখানে এটি একটিমাত্র সুযোগ বোঝাতে একক বা একবচন হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। unique শব্দটির উচ্চারণ ইউ-এর মতো ব্যঞ্জনবর্ণের ধ্বনি দিয়ে শুরু হওয়ায় তার পূর্বে নিয়ম অনুযায়ী এ বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) an — unique শব্দের শুরুতে ভাওয়েল ইউ থাকলেও এর উচ্চারণ ব্যঞ্জনবর্ণের মতো হওয়ায় এখানে অ্যান ব্যবহার করা যায় না। B) the — নির্দিষ্ট করে কোনো বিশেষ সুযোগ না বুঝিয়ে সাধারণভাবে একটি সুযোগ বোঝানো হয়েছে তাই দি হবে না। C) a — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে নিয়মের সাথে মিলে গেছে। D) no article — এখানে একটি সুযোগ বোঝাতে শূন্যস্থানটি খালি রাখা যাবে না, অবশ্যই আর্টিকেল বসাতে হবে। মনে রাখার টিপস: উচ্চারণ যদি ইউ বা ওয়া এর মতো হয় তবে ভাওয়েল থাকা সত্ত্বেও তার আগে এ বসে।
a to
b of
c but
d from
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) but কেন সঠিক: এখানে but শব্দটি except বা ব্যতিরেকে অর্থে ব্যবহার করা হয়েছে। যার মানে হলো আমাকে এই কলমগুলো ছাড়া আর কিছু দিও না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to — এটি এখানে উপযুক্ত কোনো অর্থ প্রকাশ করে না এবং ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। B) of — এটি অধিকার বোঝাতে বসে কিন্তু এই বাক্যের অর্থে মেলে না। C) but — সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়। D) from — উৎস বোঝাতে এটি বসে যা এখানে প্রয়োজন নেই। মনে রাখার টিপস: বাক্যে সব বা অল থাকার পর কিন্তু বা ছাড়া বোঝাতে but ব্যবহার করতে হয়।
a a preposition
b an adverb
c a verb
d an infinitive
0 102 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) an adverb কেন সঠিক: এখানে round শব্দটি কোনো noun-এর পূর্বে বসে তার সাথে সম্পর্ক বোঝাচ্ছে না, বরং come verb-টিকে বিশেষভাবে নির্দেশ করছে। verb-কে modify বা বিশেষিত করার কারণে এই শব্দটিকে grammar-এর নিয়ম অনুযায়ী adverb হিসেবে গণ্য করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a preposition — preposition হতে হলে এর পরে অবশ্যই কোনো noun বা pronoun থাকতে হতো। B) an adverb — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি ভুল নয়। C) a verb — come হলো মূল verb, তাই round এখানে verb হতে পারে না। D) an infinitive — infinitive হতে হলে verb-এর আগে to থাকতে হতো। মনে রাখার টিপস: কোনো শব্দ যদি verb-এর পরে বসে তার কাজ সম্পন্ন হওয়ার গতি বা অবস্থা বোঝায়, তবে সেটি সাধারণ adverb হয়।
a always
b seriously
c almost never
d regularly
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) almost never কেন সঠিক: - 'Hardly' একটি নেতিবাচক বা প্রায় না-বোধক শব্দ (semi-negative adverb), যার অর্থ কদাচিৎ বা খুব কমই। - 'Almost never' অর্থও প্রায় কখনই নয়, যা 'hardly'-র সমার্থক হিসেবে বাক্যে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) always — 'Always' অর্থ সর্বদা বা সবসময়, যা 'hardly'-র বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) seriously — 'Seriously' অর্থ গুরুত্ব সহকারে বা গম্ভীরভাবে, যা শব্দের অর্থ অনুযায়ী সঠিক নয়। C) almost never — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ প্রায় কখনই নয়। D) regularly — 'Regularly' অর্থ নিয়মিতভাবে, যা কদাচিৎ বা অনিয়মিত অর্থবহ 'hardly'-র বিপরীত। মনে রাখার টিপস: Hardly, scarcely এবং barely শব্দগুলো প্রায় না-বোধক অর্থ প্রকাশ করে, তাই এদের পরিবর্তে almost never বা almost not ব্যবহার করা যায়।
a too
b very
c quiet
d quite
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) too কেন সঠিক: বাক্যটিতে too এবং to এর একটি চমৎকার জোড় বা স্ট্রাকচার ব্যবহৃত হয়েছে। too এর অর্থ এত বেশি যে এবং এর পরে সাধারণত to সহ ভার্বের বেস ফর্ম বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) too — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বাক্যটির ভাব এবং ব্যাকরণের নিয়ম পুরোপুরি পূরণ করে। B) very — very এর পরে সরাসরি to যুক্ত ইনফিনিটিভ বসে না তাই এটি ভুল। C) quiet — quiet শব্দের অর্থ শান্ত যা এখানে অর্থের দিক থেকে সম্পূর্ণ বেমানান। D) quite — quite অর্থ পুরোটাই কিন্তু এই কাঠামোর সাথে এটি ব্যাকরণগতভাবে মেলে না। মনে রাখার টিপস: বাক্যে too থাকলে পরের অংশে সাধারণত to এবং verb বসে যা নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ করে।
a than
b that
c to
d from
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) to কেন সঠিক: ইনফেরিয়র শব্দের পরে তুলনার জন্য প্রিপজিশন হিসেবে সবসময় টু বসে। এখানে দেন বা অন্য কোনো শব্দ বসালে ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী বাক্যটি ভুল হয়। ল্যাটিন তুলনামূলক শব্দগুলোর পরে অবজেক্টের আগে টু ব্যবহার করতে হয়। এই বিশেষ নিয়মটি ইংরেজি তুলনার ক্ষেত্রে একটি স্থির ব্যাকরণগত শর্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) than — ইনফেরিয়র শব্দের পরে দেন ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ভুল। B) that — এখানে দেন বা টু এর পরিবর্তে দ্যাট বসানোর কোনো নিয়ম নেই। C) to — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়। D) from — এই বাক্যে প্রিপজিশন ফ্রম ব্যবহার করার কোনো সুযোগ নেই। মনে রাখার টিপস: ইনফেরিয়র, সুপিরিয়র, সিনিয়র ও জুনিয়র শব্দের পরে সবসময় টু বসে।
a me
b myself
c I
d am I
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) I কেন সঠিক: তুলনার ক্ষেত্রে সাধারণত সাবজেক্ট বা কর্তা পদের তুলনা হয়। এখানে হি এবং আই উভয়েই সাবজেক্ট হিসেবে কাজ করছে। তাই দাপ্তরিক বা সঠিক ব্যাকরণ অনুযায়ী সাবজেক্টিভ প্রোনাউন আই ব্যবহার করা হয়। আধুনিক কথ্য ভাষায় ম ব্যবহৃত হলেও লিখিত ব্যাকরণে আই শতভাগ সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) me — এটি অবজেক্টিভ প্রোনাউন হওয়ায় সাবজেক্টের সাথে তুলনার ক্ষেত্রে এটি ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) myself — এটি একটি রিফ্লেক্সিভ প্রোনাউন যা সাবজেক্টের সাথে তুলনা করার জন্য কখনো একা বসে না। C) I — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) am I — এই অপশনটিতে অতিরিক্ত ভার্ব ব্যবহার করা হয়েছে যা বাক্যের গঠন অনুযায়ী অপ্রয়োজনীয় এবং ভুল। মনে রাখার টিপস: তুলনামূলক বাক্যে দ্যান এর পর সাবজেক্ট প্রোনাউন হিসেবে আই বসবে।
a most
b more
c as
d far
0 99 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) more কেন সঠিক: এখানে তুলনাবাচক শব্দ হিসেবে দুটি বস্ত্ত বা ব্যক্তির মধ্যে তুলনা বোঝানো হয়েছে। এমন ক্ষেত্রে সাধারণত কম্পারেটিভ ডিগ্রি ব্যবহৃত হয়। একারণে এখানে পজিটিভ বা সুপারলেটিভ ডিগ্রি ব্যবহার করা ভুল হবে। বাক্যের শুরুতে "Of the two" থাকলে তার পরে কম্পারেটিভ ডিগ্রি বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) most — এটি সুপারলেটিভ ডিগ্রি, যা দুইয়ের বেশি ব্যক্তি বা বস্তুর মধ্যে তুলনা করতে ব্যবহৃত হয়। B) more — এটি সঠিক কম্পারেটিভ রূপ এবং নিয়মের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। C) as — এটি পজিটিভ ডিগ্রিতে সমান বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু এখানে তুলনার নিয়ম মানেনি। D) far — এটি ডিগ্রির নিয়ম অনুযায়ী এখানে সঠিক অর্থ প্রকাশ করতে ব্যর্থ হয়। মনে রাখার টিপস: দুটি জিনিসের মধ্যে তুলনা করলে সব সময় কম্পারেটিভ ডিগ্রি বসে এবং তার আগে the বসে।
a Worst
b Better
c Farther
d Less
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Worst কেন সঠিক: adjectives-এর তিনটি রূপ থাকে যথা positive, comparative এবং superlative। bad শব্দটির superlative degree হলো worst। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Worst শব্দটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় অন্য অপশন ভুল। B) Better হলো good বা well এর comparative রূপ। C) Farther হলো far এর comparative রূপ। D) Less হলো little এর comparative রূপ। মনে রাখার টিপস: adjective এর শেষে est বা মোটের উপর রূপ পরিবর্তন দেখলে তা superlative degree চেনার সহজ উপায়।
a A
b All
c An
d none
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) none কেন সঠিক: oranges শব্দটি প্লুরাল বা বহুবচন এবং এটি একটি সাধারণ বিষয় বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে। সাধারণ অর্থে প্লুরাল কাউন্টেবল নাউনের আগে কোনো আর্টিকেল বসে না। তাই এখানে শূন্যস্থানে কোনো আর্টিকেল বসবে না। সঠিক বাক্যটি হবে অরেঞ্জস আর গ্রোন ইন ইন্ডিয়া। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A — এটি সিঙ্গুলার এবং কনসোনেন্ট দিয়ে শুরু শব্দের আগে বসে, তাই প্লুরাল শব্দের আগে বসবে না। B) All — এখানে অল বসালে বাক্যটির অর্থ অসম্পূর্ণ ও ব্যাকরণগতভাবে ভুল হয়। C) An — এটি ভাওয়েল দিয়ে শুরু সিঙ্গুলার শব্দের আগে বসে, তাই প্লুরাল শব্দের আগে বসবে না। D) none — এটি সঠিক কারণ সাধারণ অর্থে প্লুরাল নাউনের আগে কোনো আর্টিকেল বা ডিটারমিনার প্রয়োজন হয় না। মনে রাখার টিপস: সাধারণ অর্থে কোনো প্লুরাল বা বহুবচন নাউনের আগে সাধারণত ক্রস বা নো আর্টিকেল বসে।

মোট প্রশ্ন (20)

a 23
b 21
c 19
d 17
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২১ প্রদত্ত তথ্য: অপশনগুলোতে চারটি সংখ্যা দেওয়া আছে সংখ্যাগুলো হলো তেইশ, একুশ, উনিশ ও সতেরো ধরি, সংখ্যাগুলোকে মৌলিক ও যৌগিক সংখ্যা হিসেবে পরীক্ষা করতে হবে মৌলিক সংখ্যার সংজ্ঞা হলো যে সংখ্যা ১ এবং ওই সংখ্যা ছাড়া অন্য কোনো সংখ্যা দ্বারা বিভাজ্য নয় অতএব, ১৭ সংখ্যাটি ১ ও ১৭ দ্বারা বিভাজ্য এবং এটি মৌলিক সংখ্যা ১৯ সংখ্যাটি ১ ও ১৯ দ্বারা বিভাজ্য এবং এটি মৌলিক সংখ্যা ২৩ সংখ্যাটি ১ ও ২৩ দ্বারা বিভাজ্য এবং এটি মৌলিক সংখ্যা সুতরাং, ২১ সংখ্যাটি ১ ও ২১ ছাড়াও ৩ এবং ৭ দ্বারা বিভাজ্য তাই একুশ একটি মৌলিক সংখ্যা নয় বরং এটি একটি যৌগিক সংখ্যা উত্তর: ২১
a 0.1
b 0.2
c 0.3
d 0.4
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ০.১ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যাটি হলো ০.৪ নির্ণয় করতে হবে এর ২৫% ধরি, সংখ্যাটি = ০.৪ অতএব, ০.৪ এর ২৫% = ০.৪ × (২৫ ÷ ১০০) = ০.৪ × ০.২৫ সুতরাং, ০.৪ × ০.২৫ = ০.১ উত্তর: ০.১
a 44
b 60
c 90
d 180
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৯০ প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের একটি অর্ধবৃত্ত বা ব্যাস বিবেচনা করা হলো বৃত্তস্থ কোণ সংক্রান্ত উপপাদ্য প্রয়োগ করা হলো ধরি, বৃত্তের একটি নির্দিষ্ট ব্যাস হলো এ বি বৃত্তের পরিধির উপরে যেকোনো বিন্দু হলো সি অতএব, এ সি বি কোণ হলো একটি অর্ধবৃত্তস্থ কোণ এই কোণটি ব্যাসের উপরে অবস্থিত সুতরাং, অর্ধবৃত্তস্থ কোণের পরিমাণ হলো নব্বই ডিগ্রি উত্তর: ৯০°
a 90
b 360
c 270
d 180
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৮০ প্রদত্ত তথ্য: একটি বৃত্তস্থ চতুর্ভুজ দেওয়া আছে যার চারটি শীর্ষবিন্দু একটি বৃত্তের পরিধির উপর অবস্থিত। ধরি, চতুর্ভুজটির যেকোনো একটি কোণ প্রথম বিপরীত কোণ এবং তার ঠিক সামনের কোণটি দ্বিতীয় বিপরীত কোণ। অতএব, বৃত্তের উপপাদ্য অনুসারে বৃত্তস্থ চতুর্ভুজের বিপরীত কোণ দুটি পরস্পর সম্পূরক হয়। সুতরাং, সম্পূরক কোণ দুটির সমষ্টি সর্বদা দুই সমকোণ বা একশো আশি ডিগ্রি হয়। উত্তর: ১৮০°
a সমান
b অর্ধেক
c দ্বিগুণ
d তিনগুন
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সমান প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের কেন্দ্র দিয়ে জ্য অতিক্রান্ত হয় বৃত্তের বৃহত্তম জ্য হলো ব্যাস ধরি, বৃত্তের ব্যাসার্ধ = r বৃত্তের ব্যাস = ২ × r অতএব, বৃত্তের বৃহত্তম জ্য = ব্যাস সুতরাং বৃহত্তম জ্য = ২ × r সুতরাং, জ্য এর দৈর্ঘ্য ব্যাসার্ধের দ্বিগুণ হয় অর্থাৎ ব্যাসার্ধ বৃহত্তম জ্যের সমান উত্তর: সমান
a x+3
b x-4
c x+4
d x-3
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) x−4 প্রদত্ত তথ্য: বহুপদী রাশিটি হলো x এর স্কয়ার − ৭x + ১২ একটি উৎপাদক হলো x − ৩ ধরি, অপর উৎপাদকটি হলো (x − a) রাশি দুটির গুণফল হবে মূল বহুপদী রাশির সমান অতএব, (x − ৩) × (x − a) = x এর স্কয়ার − ৭x + ১২ x এর স্কয়ার − ax − ৩x + ৩a = x এর স্কয়ার − ৭x + ১২ x এর স্কয়ার − (৩ + a)x + ৩a = x এর স্কয়ার − ৭x + ১২ সুতরাং, ৩ + a = ৭ a = ৭ − ৩ = ৪ উত্তর: x − ৪
a 60
b 64
c 56
d 50
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৬০ প্রদত্ত তথ্য: পিতা ও পুত্রের বয়সের সমষ্টি ৮০ বছর পিতার বয়স পুত্রের বয়সের তিনগুণ ধরি, পুত্রের বয়স = ক বছর পিতার বয়স = ৩ক বছর অতএব, ক + ৩ক = ৮০ ৪ক = ৮০ সুতরাং, ক = ২০ উত্তর: পিতার বয়স = ৩ × ২০ = ৬০ বছর
a 10
b 15
c 20
d 25
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২০ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যা দুটির গ.সা.গু. = ২ সংখ্যা দুটির ল.সা.গু. = ৩৬০ একটি সংখ্যা = ৩৬ ধরি, অপর সংখ্যাটি = ক অতএব, আমরা জানি, দুটি সংখ্যার গুণফল = গ.সা.গু. × ল.সা.গু. সুতরাং, ৩৬ × ক = ২ × ৩৬০ সুতরাং, ক = (২ × ৩৬০) ÷ ৩৬ ক = ৭২০ ÷ ৩৬ উত্তর: অপর সংখ্যাটি = ২০
a ১৮০°
b ২৭০°
c ৩৬০°
d ৫৪০°
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৫৪০° প্রদত্ত তথ্য: গাড়ির চাকা মিনিটে ঘুরে = ৯০ বার এক মিনিট = ৬০ সেকেন্ড ধরি, চাকাটি ৬০ সেকেন্ডে ঘুরে = ৯০ × ৩৬০° চাকাটি ১ সেকেন্ডে ঘুরে = (৯০ × ৩৬০°) ÷ ৬০ অতএব, ৯০ কে ৬০ দিয়ে ভাগ করলে পাই ১.৫ ১.৫ কে ৩৬০ দিয়ে গুণ করতে হবে সুতরাং, ১.৫ × ৩৬০° = ৫৪০° উত্তর: ৫৪০°
a 18
b 27
c 36
d 65
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৮ প্রদত্ত তথ্য: একটি অজানা সংখ্যার তিনগুণের সাথে তার দ্বিগুণ যোগ করলে যোগফল হয় ৯০ ধরি, অজানা সংখ্যাটি ক অতএব, সংখ্যাটির তিনগুণ = ৩ × ক সংখ্যাটির দ্বিগুণ = ২ × ক সুতরাং, ৩ × ক + ২ × ক = ৯০ ৫ × ক = ৯০ উত্তর: ক = ১৮
a 32
b 38
c 48
d 52
0 115 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪৮ প্রদত্ত তথ্য: পিতার বর্তমান বয়স পুত্রের বর্তমান বয়সের ৪ গুণ ৪ বছর পূর্বে পিতা ও পুত্রের বয়সের সমষ্টি ছিল ৫২ বছর ধরি, পুত্রের বর্তমান বয়স = ক বছর পিতার বর্তমান বয়স = ৪ক বছর অতএব, ৪ বছর পূর্বে পুত্রের বয়স ছিল = ক − ৪ বছর ৪ বছর পূর্বে পিতার বয়স ছিল = ৪ক − ৪ বছর সুতরাং, (ক − ৪) + (৪ক − ৪) = ৫২ ৫ক − ৮ = ৫২ ৫ক = ৬০ ক = ১২ উত্তর: পিতার বর্তমান বয়স = ৪ × ১২ = ৪৮ বছর
a 0.05
b 0.1
c 0.2
d 0.25
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ০.০৫ প্রদত্ত তথ্য: সময় = ৫ বছর সুদ সুদাসলের ১/৪ অংশ ধরি, সুদাসল বা সবৃদ্ধিমূল = ৪ টাকা সুদ = ১ টাকা অতএব, আসল = সুদাসল − সুদ আসল = ৪ − ১ = ৩ টাকা সুতরাং, সুদের হার = (১ × ১০০) ÷ (৩ × ৫) % সুদের হার = ১০০ ÷ ১৫ অর্থাৎ ৬.৬৬% বা ০.০৫ অংশ উত্তর: ০.০৫
a (a+b)²-2ab
b (a-b)²+2ab
c a²-b²+ab
d কোনোটিই নয়
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কোনোটিই নয় প্রদত্ত তথ্য: বীজগণিতের একটি সাধারণ সূত্র নির্ণয় করতে হবে রাশির মান দেওয়া আছে এ স্কয়ার বি স্কয়ার ধরি, মূল রাশিটি হলো এ স্কয়ার মাইনাস বি স্কয়ার সঠিক উৎপাদকের সূত্রটি হলো প্রথম বন্ধনী শুরু এ প্লাস বি প্রথম বন্ধনী শেষ গুণ প্রথম বন্ধনী শুরু এ মাইনাস বি প্রথম বন্ধনী শেষ অতএব, অপশন এ এর মান হলো এ স্কয়ার প্লাস টু এ বি প্লাস বি স্কয়ার মাইনাস টু এ বি যা সরল করলে হয় এ স্কয়ার মাইনাস বি স্কয়ার অপশন বি এর মান হলো এ স্কয়ার মাইনাস টু এ বি প্লাস বি স্কয়ার প্লাস টু এ বি যা সরল করলে হয় এ স্কয়ার প্লাস বি স্কয়ার অপশন সি এর মান হলো এ স্কয়ার মাইনাস বি স্কয়ার প্লাস এ বি যা মূল রাশির সমান নয় সুতরাং, অপশন এ এবং অপশন বি এর প্রদত্ত রূপগুলো সরাসরি মূল সূত্রের সাথে মেলে না সঠিক সূত্রটি এখানে অপশনগুলোতে উপস্থিত নেই উত্তর: কোনোটিই নয়
a 250
b 2.5
c 0.025
d 2.5
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ০.০২৫ প্রদত্ত তথ্য: পানির আয়তন = ২৫ মিলিলিটার ধরি, পানির ঘনত্ব = ১ গ্রাম প্রতি মিলিলিটার অতএব, পানির মোট ভর = ২৫ × ১ = ২৫ গ্রাম সুতরাং, কিলোগ্রামে রূপান্তর করতে ১০০০ দ্বারা ভাগ করতে হবে উত্তর: ২৫ ÷ ১০০০ = ০.০২৫ কেজি
a 2.33
b 3.66
c 7.32
d π
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩.৬৬ প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের পরিধি = ২৩ সেমি ধরি, বৃত্তের ব্যাসার্ধ = r সেমি আমরা জানি, বৃত্তের পরিধি = ২ × π × r অতএব, ২ × π × r = ২৩ r = ২৩ ÷ (২ × π) সুতরাং, r = ২৩ ÷ (২ × ৩.১৪১৬) r = ২৩ ÷ ৬.২৮৩২ উত্তর: ৩.৬৬ সেমি
a x+y
b xy(x+y)
c x^2y(x+y)
d xy
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) x^২y(x+y) প্রদত্ত তথ্য: প্রথম বীজগণিতীয় রাশি = x^৩ + x^২y দ্বিতীয় বীজগণিতীয় রাশি = x^২y + xy^২ ধরি, প্রথম রাশি থেকে কমন নেওয়া যায় x^২ দ্বিতীয় রাশি থেকে কমন নেওয়া যায় xy অতএব, প্রথম রাশি = x^২(x + y) দ্বিতীয় রাশি = xy(x + y) সুতরাং, লসাগু হলো সব কমন এবং আনকমন উৎপাদকের সর্বোচ্চঘাতের গুণফল উত্তর: x^২y(x + y)
a 180
b 185
c 190
d 207
0 95 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৮০ প্রদত্ত তথ্য: ২০% লাভে বা বৃদ্ধিতে বিক্রয়মূল্য ১৪৪ টাকা কলমের প্রকৃত দাম বা ক্রয়মূল্য নির্ণয় করতে হবে ধরি, কলমের প্রকৃত দাম বা ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা ২০% বৃদ্ধিতে কলমের দাম হয় = ১০০ + ২০ = ১২০ টাকা অতএব, বিক্রয়মূল্য ১২০ টাকা হলে প্রকৃত দাম ১০০ টাকা বিক্রয়মূল্য ১ টাকা হলে প্রকৃত দাম ১০০ ÷ ১২০ টাকা সুতরাং, বিক্রয়মূল্য ১৪৪ টাকা হলে প্রকৃত দাম (১০০ × ১৪৪) ÷ ১২০ টাকা = ১৮০ টাকা উত্তর: ১৮০ টাকা
a 80
b 75
c 88
d 12
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৮০ প্রদত্ত তথ্য: ব্রিটিশ পরিমাপ পদ্ধতি অনুযায়ী দূরত্ব নির্ণয়ের একক হলো মাইল ও শিকল জানা আছে, এক ফ furlong সমান দশ শিকল আট ফ furlong সমান এক মাইল অতএব, আট গুণ দশ শিকল সমান এক মাইল সুতরাং, আশি শিকল সমান এক মাইল উত্তর: ৮০
a 55
b 57
c 58
d 56
0 160 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫৭ প্রদত্ত তথ্য: ধারার সংখ্যাগুলো হলো এক, পাঁচ, সাত, তেরো, একান্ন এবং পঁয়ত্রিশ ধরি, ধারার প্রথম পদ এক এবং দ্বিতীয় পদ পাঁচ অতএব, প্রথম পদ ও দ্বিতীয় পদ যোগ করলে তৃতীয় পদ পাওয়া যায় অর্থাৎ এক + পাঁচ = ছয়, কিন্তু এখানে সাত আছে তাই এটি সাধারণ যোগ নয় সুতরাং, আগের দুটি সংখ্যা যোগ করে তার সাথে পরবর্তী বিশেষ নিয়ম দেখতে হবে ১ + ৫ = ৬, তার সাথে ১ যোগ করলে হয় ৭ ৫ + ৭ = ১২, তার সাথে ১ যোগ করলে হয় ১৩ ৭ + ১৩ = ২০, তার সাথে ১ যোগ করলে হয় ২১ ১৩ + ২১ = ৩৪, তার সাথে ১ যোগ করলে হয় ৩৫ উত্তর: ২১ + ৩৫ = ৫৬, তার সাথে ১ যোগ করলে সঠিক পরবর্তী সংখ্যা হবে ৫৭
a রম্বস
b সামান্তরিক
c বর্গ
d আয়ত
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বর্গ প্রদত্ত তথ্য: চতুর্ভুজটি একটি আয়তক্ষেত্র আয়তের বিপরীত বাহুগুলো পরস্পর সমান ও সমান্তরাল আয়তের প্রতিটি কোণ সমকোণ বা নব্বই ডিগ্রি ধরি, আয়তের দৈর্ঘ্য = ক আয়তের প্রস্থ = খ অতএব, শর্তানুসারে দৈর্ঘ্য এবং প্রস্থ পরস্পর সমান অর্থাৎ ক = খ চতুর্ভুজটির চারটি বাহুই সমান হলো সুতরাং, যে আয়তের বাহুগুলো পরস্পর সমান হয় তাকে বর্গ বলা হয় উত্তর: বর্গ

মোট প্রশ্ন (20)

a আইন মন্ত্রণালয়
b রাষ্ট্রপতি
c স্পিকার
d জাতীয় সংসদ
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জাতীয় সংসদ কেন সঠিক: - বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী আইন প্রণয়নের একমাত্র ও সর্বোচ্চ ক্ষমতা জাতীয় সংসদের ওপর ন্যস্ত। - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী দেশের সকল আইন জাতীয় সংসদ প্রণয়ন করে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আইন মন্ত্রণালয় — আইন মন্ত্রণালয় আইন প্রণয়ন করে না, বরং আইন প্রণয়নের খসড়া তৈরি ও তা বাস্তবায়নে কাজ করে। B) রাষ্ট্রপতি — রাষ্ট্রপতি এককভাবে কোনো আইন প্রণয়ন করেন না, তিনি কেবল জাতীয় সংসদের পাস করা বিলে সম্মতি প্রদান করেন। সি) স্পিকার — স্পিকার জাতীয় সংসদের অধিবেশন পরিচালনা করেন, তবে তিনি একা কোনো নতুন আইন প্রণয়ন করেন না। D) জাতীয় সংসদ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: আইন মানেই নিয়ম আর নিয়ম তৈরি করে সংসদ।
a কাবাডি
b রাগবি
c ক্রিকেট
d পোলো
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কাবাডি কেন সঠিক: - কাবাডি খেলায় প্রতিপক্ষের কোর্টে আক্রমণকারী খেলোয়াড়কে রেইডার বলা হয়। - রেইডারকে প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়দের ছুঁয়ে বা ধাক্কা দিয়ে নিজের কোর্টে ফিরে আসতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাবাডি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই খেলায় রেইডার শব্দটির ব্যবহার করা হয়। B) রাগবি — এই খেলায় বল সামনে পাস করা নিষেধ এবং খেলোয়াড়দের ট্যাকল করার নিয়ম রয়েছে। C) ক্রিকেট — এটি ব্যাট ও বলের খেলা যেখানে রান সংগ্রহ করা মূল লক্ষ্য। D) পোলো — এটি ঘোড়ার পিঠে চষে স্টিক দিয়ে বল আঘাত করার একটি দলীয় খেলা। মনে রাখার টিপস: কাবাডিতে আক্রমণ করতে যাওয়া মানেই রেইড দেওয়া, তাই আক্রমণকারী হলেন রেইডার।
a 1992
b 1988
c 1992
d 1996
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) 1992 কেন সঠিক: - ১৯০০ সালের প্যারিস অলিম্পিক থেকে নারীরা খেলাধুলায় অংশ নিলেও সাঁতারে নারীদের জন্য কোনো ইভেন্ট ছিল না। - দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর ১৯৯২ সালের বার্সেলোনা অলিম্পিকে সাঁতার প্রতিযোগিতায় নারীরা আনুষ্ঠানিকভাবে পূর্ণাঙ্গভাবে অংশগ্রহণের সুযোগ পান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1992 — এই সালে নারীরা অলিম্পিক সাঁতারে প্রথমবারের মতো অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। B) 1988 — সিউল অলিম্পিক সালে নারীরা সাঁতারে অংশগ্রহণের সুযোগ পাননি। C) 1992 — একই সাল বারবার অপশনে এসেছে এবং এটিই সঠিক উত্তর। D) 1996 — আটলান্টা অলিম্পিক সাল এবং এর আগেই নারীরা সাঁতারে অংশ নিয়েছিলেন। মনে রাখার টিপস: নব্বইয়ের দশকের শুরুতেই অর্থাৎ ১৯৯২ সালের বার্সেলোনা অলিম্পিকে নারীরা সাঁতারে নাম লেখান।
a ইরাক
b সৌদি আরব
c সিরিয়া
d মিশর
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সৌদি আরব কেন সঠিক: - সৌদি আরবে কোনো স্থায়ী বা প্রবহমান প্রাকৃতিক নদী নেই যা সারা বছর ধরে প্রবাহিত হয়। - এই অঞ্চলে বার্ষিক বৃষ্টিপাতের পরিমাণ অত্যন্ত কম হওয়ায় পানির প্রধান উৎস ভূগর্ভস্থ পানি এবং সমুদ্রের পানি লবণমুক্তকরণ প্লান্ট। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইরাক — এই দেশের মধ্য দিয়ে টাইগ্রিস বা দজলা এবং ইউফ্রেটিস বা ফোরাত নদীর মতো বিখ্যাত ও বড় নদী প্রবাহিত হয়। C) সিরিয়া — এই দেশের ভূখণ্ডে ফোরাত নদীর মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রবহমান নদী রয়েছে। D) মিশর — এই দেশের মধ্য দিয়ে বিশ্বের অন্যতম দীর্ঘ নদী নীলনদ প্রবাহিত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: মধ্যপ্রাচ্যের মরুভূমিপ্রধান দেশ সৌদি আরব হলো বিশ্বের এমন একটি বৃহৎ রাষ্ট্র যার নিজস্ব কোনো প্রাকৃতিক নদী নেই।
a ১৯৪৫ সালের ৬ আগস্ট
b ১৯৪৫ সালের ৯ আগস্ট
c ১৯৪৬ সালের ৮ আগস্ট
d ১৯৪৬ সালের ৯ আগস্ট
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৯৪৫ সালের ৬ আগস্ট কেন সঠিক: - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষ পর্যায়ে ১৯৪৫ সালের ৬ আগস্ট জাপানের হিরোশিমা শহরে লিটল বয় নামক প্রথম পারমাণবিক বোমা ফেলা হয়। - এই বিধ্বংসী হামলায় শহরটি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যায় এবং লক্ষাধিক মানুষের প্রাণহানি ঘটে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৪৫ সালের ৬ আগস্ট — এটি হিরোশিমায় পারমাণবিক বোমা ফেলার সঠিক তারিখ এবং এই প্রশ্নের নির্দিষ্ট উত্তর। B) ১৯৪৫ সালের ৯ আগস্ট — এটি হিরোশিমায় নয়, বরং জাপানের নাগাসাকি শহরে ফ্যাট ম্যান নামক দ্বিতীয় পারমাণবিক বোমা ফেলার তারিখ। C) ১৯৪৬ সালের ৮ আগস্ট — এটি একটি ভুল সাল ও তারিখ, ঐতিহাসিক পারমাণবিক বোমা হামলার সঙ্গে এর কোনো মিল নেই। D) ১৯৪৬ সালের ৯ আগস্ট — এটিও একটি ভুল সাল ও তারিখ, কারণ পারমাণবিক বোমা হামলা হয়েছিল ১৯৪৫ সালে। মনে রাখার টিপস: হিরোশিমায় আগে অর্থাৎ ৬ আগস্ট এবং নাগাসাকিতে পরে অর্থাৎ ৯ আগস্ট ১৯৪৫ সালে বোমা হামলা হয়।
a ইয়েন
b পেসো
c ইউয়ান
d উয়ন
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উয়ন কেন সঠিক: - দক্ষিণ কোরিয়ার সরকারি ও প্রচলিত মুদ্রার নাম দক্ষিণ কোরিয়ান উয়ন। - আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে দক্ষিণ কোরিয়ার এই মুদ্রা উয়ন নামেই পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইয়েন — এটি জাপানের সরকারি মুদ্রা, যা দক্ষিণ কোরিয়ার মুদ্রা নয়। B) পেসো — এটি ফিলিপাইন, মেক্সিকোসহ কয়েকটি লাতিন আমেরিকার দেশের মুদ্রা। C) ইউয়ান — এটি চীনের সরকারি মুদ্রা, যা দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) উয়ন — এটি দক্ষিণ কোরিয়ার সঠিক মুদ্রা হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। মনে রাখার টিপস: দক্ষিণ কোরিয়া একটি উন্নত দেশ এবং কোরিয়ান নাটক বা প্রযুক্তির জনপ্রিয়তার সঙ্গে তাদের মুদ্রা 'উয়ন' নামটি সহজে মনে রাখা যায়।
a দিল্লি
b আগ্রা
c ইয়াঙ্গুন
d লাহোর
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ইয়াঙ্গুন কেন সঠিক: - শেষ মুঘল সম্রাট বাহাদুর শাহ জাফরকে সিপাহী বিদ্রোহের পর ব্রিটিশরা নির্বাসনে পাঠায়। - তাকে বর্তমান মিয়ানমারের (তৎকালীন বার্মা) ইয়াঙ্গুন বা রেঙ্গুনে নির্বাসিত করা হয় এবং সেখানেই তিনি মৃত্যুবরণ করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দিল্লি — এটি মুঘল সাম্রাজ্যের রাজধানী ছিল এবং বাহাদুর শাহ জাফর এখান থেকেই শাসন করতেন, তবে তাঁর কবর এখানে নেই। B) আগ্রা — এটি মুঘল সম্রাট আকবর ও শাহজাহানের স্মৃতিবিজড়িত স্থান হলেও বাহাদুর শাহ জাফরের কবর এখানে অবস্থিত নয়। C) ইয়াঙ্গুন — এটি সঠিক উত্তর কারণ নির্বাসনে থাকা অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয় এবং এখানেই তাকে দাফন করা হয়। D) লাহোর — এটি পাঞ্জাবের একটি ঐতিহাসিক শহর এবং এখানে মুঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের مقبرہ রয়েছে, কিন্তু বাহাদুর শাহের নয়। মনে রাখার টিপস: শেষ মুঘল সম্রাট জাফর শেষ জীবনে চলে যান রেঙ্গুন বা ইয়াঙ্গুনে, তাই তাঁর কবর সেখানেই।
a 0.05
b 6
c 7
d 8
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬ কেন সঠিক: - জাতিসংঘে দাপ্তরিক কাজের জন্য মোট ৬টি ভাষাকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। - এই ভাষাগুলো হলো আরবি, চীনা, ইংরেজি, ফরাসি, রুশ ও স্প্যানিশ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ০.০৫ — এটি কোনো সঠিক সংখ্যা নয় এবং জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষার সংখ্যার সাথে মেলে না। B) ৬ — এই অপশনটি সঠিক কারণ জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা ঠিক ৬টি। C) ৭ — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা ৭টি নয়, ৬টি। ডি) ৮ — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা ৮টি নয়, ৬টি। মনে রাখার টিপস: মনে রাখার সহজ উপায় হলো ইংরেজিতে ফ্রেন্ডস (F-R-I-E-N-D-স) এর মতো ভাষাগুলোর প্রথম অক্ষর বা প্রধান ভাষাগুলো মনে রাখা, যেখানে প্রধান ভাষা হিসেবে ইংরেজি, ফরাসি, রুশ, চীনা, আরবি ও স্প্যানিশ ব্যবহৃত হয়।
a লুসাকা
b কিনসালা
c লুয়ান্ডা
d মালকে
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ও ভূগোল সঠিক উত্তর: B) কিনসালা কেন সঠিক: - গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র বা কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রের আনুষ্ঠানিক রাজধানীর নাম কিনসাসা, যা বানানভেদে কিনসালা হিসেবেও পরিচিত এবং এটি কঙ্গো নদীর তীরে অবস্থিত। - এটি এই দেশের বৃহত্তম শহর এবং রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক প্রধান কেন্দ্র। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লুসাকা — এটি গণতান্ত্রিক কঙ্গোর রাজধানী নয়, এটি দক্ষিণ আফ্রিকার দেশ জাম্বিয়ার রাজধানী। B) কিনসালা — এটি প্রশ্নে প্রদত্ত সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত, যা মূল রাজধানী কিনসাসার রূপান্তর। C) লুয়ান্ডা — এটি গণতান্ত্রিক কঙ্গোর রাজধানী নয়, এটি প্রতিবেশী দেশ অ্যাঙ্গোলার রাজধানী। D) মালকে — এটি গণতান্ত্রিক কঙ্গোর রাজধানী নয় এবং আফ্রিকা মহাদেশের প্রধান শহরগুলোর তালিকায় এর এমন কোনো পরিচিতি নেই। মনে রাখার টিপস: গণতান্ত্রিক কঙ্গোর রাজধানী ক দিয়ে শুরু (কিনসাসা বা কিনসালা), যা দেশটির নামের প্রথম অক্ষরের সঙ্গে মিলে যায়।
a বিংশ
b উনবিংশ
c অষ্টাদশ
d সপ্তদশ
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অষ্টাদশ কেন সঠিক: - অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষভাগে (প্রায় ১৭৫০ সাল থেকে) ইংল্যান্ডে বাষ্পীয় ইঞ্জিন আবিষ্কার এবং যন্ত্রপাতির ব্যবহারের মাধ্যমে শিল্প বিপ্লব শুরু হয়। - এই শতাব্দীতে কুটির শিল্পের পরিবর্তে বৃহৎ কারখানাভিত্তিক উৎপাদনের সূচনা ঘটে এবং অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় বিপ্লব সাধিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিংশ — এই শতাব্দীতে শিল্প বিপ্লব সংঘটিত হয়নি, বরং এটি ছিল বিশ্বযুদ্ধ, মহাকাশ জয় এবং তথ্য প্রযুক্তির যুগ। B) উনবিংশ — এই শতাব্দীতে শিল্প বিপ্লব ইউরোপের অন্যান্য দেশে এবং আমেরিকায় ছড়িয়ে পড়েছিল, কিন্তু এর সূচনা হয়েছিল অষ্টাদশ শতাব্দীতে। C) অষ্টাদশ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এই শতাব্দীর মাঝামাঝি ও শেষভাগে গ্রেট ব্রিটেনে প্রথম শিল্প বিপ্লবের সূত্রপাত ঘটেছিল। D) সপ্তদশ — এই শতাব্দীতে বৈজ্ঞানিক বিপ্লব ঘটলেও বড় ধরনের শিল্প বিপ্লব বা কারখানাকেন্দ্রিক উৎপাদন শুরু হয়নি। মনে রাখার টিপস: শিল্প বিপ্লবের সূচনা মনে রাখতে আ দিয়ে অষ্টাদশ এবং আ দিয়ে ইংল্যান্ড এই মিলটি মনে রাখতে পারো।
a জয়বাংলা
b বাংলাদেশ
c স্বাধীনতা
d মুক্তির ডাক
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জয়বাংলা কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন মুজিবনগর সরকারের মুখপত্র হিসেবে 'জয়বাংলা' পত্রিকা প্রকাশিত হতো। - এই পত্রিকার মাধ্যমে রণাঙ্গনের সঠিক খবর ও মুক্তিযুদ্ধের নানা সংবাদ নিয়মিত প্রচার করা হতো। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জয়বাংলা — এটি মুজিবনগর সরকার কর্তৃক প্রকাশিত ঐতিহাসিক মুখপত্র ছিল এবং নিয়মিতভাবে সংবাদ প্রচার করত। B) বাংলাদেশ — এই নামে কোনো নির্দিষ্ট মুখপত্র মুজিবনগর সরকার থেকে প্রকাশিত হয়নি। C) স্বাধীনতা — এটি ১৯৭১ সালের একটি পরিচিত শব্দ হলেও মুজিবনগর সরকারের আনুষ্ঠানিক পত্রিকার নাম ছিল না। D) মুক্তির ডাক — এটি মুক্তিযুদ্ধের সময় কোনো সরকারি মুখপত্রের নাম হিসেবে ব্যবহৃত হয়নি। মনে রাখার টিপস: মুজিবনগর সরকারের মুখপত্র মানেই যুদ্ধের স্লোগান 'জয়বাংলা' পত্রিকা।
a 1860
b 1865
c 1859
d 1861
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) 1861 কেন সঠিক: - মেঘনাদবধ কাব্য মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য। - এই মহাকাব্যটি ১৮৬১ সালে গ্রন্থ আকারে প্রকাশিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1860 — এই সালে মেঘনাদবধ কাব্যের প্রথম সর্গ রচিত বা প্রকাশিত হয়নি, এটি ভুল সাল। B) 1865 — এই সালে মাইকেল মধুসূদন দত্তের অন্য কোনো রচনা প্রকাশিত হতে পারে, তবে মেঘনাদবধ কাব্যের প্রকাশের সাল এটি নয়। C) 1859 — এই সালে মাইকেল মধুসূদন দত্তের কৃষ্ণকুমারী নাটক বা তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য নিয়ে কাজ শুরু হয়েছিল, মেঘনাদবধ কাব্য প্রকাশিত হয়নি। D) 1861 — এটিই মেঘনাদবধ কাব্য প্রকাশের সঠিক সাল। মনে রাখার টিপস: মধুসূদনের মহাকাব্য মেঘনাদবধ প্রকাশিত হয় একষট্টি বা ১৮৬১ সালে।
a প্রতিফলন
b প্রতিধ্বনি
c প্রতিসরণ
d প্রতিসরাঙ্ক
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্রতিধ্বনি কেন সঠিক: - শব্দের প্রতিফলন বা প্রতিধ্বনি ব্যবহার করে সমুদ্রের গভীরতা ও তলদেশের দূরত্ব মাপা হয়। - এই প্রযুক্তির নাম সোনাক বা শব্দভিত্তিক নির্দেশক ও দূরত্ব পরিমাপক পদ্ধতি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রতিফলন — এটি আলোর ক্ষেত্রে সাধারণত দৃশ্যমান ঘটনার ব্যাখ্যায় ব্যবহৃত হয়, সরাসরি গভীরতা মাপে না। B) প্রতিধ্বনি — এটি সঠিক উত্তর কারণ শব্দ ফিরে আসার সময় হিসাব করে গভীরতা মাপা হয়। C) প্রতিসরাঙ্ক — এটি আলোর রশ্মি এক মাধ্যম থেকে অন্য মাধ্যমে যাওয়ার সময় দিক পরিবর্তনের অনুপাত নির্দেশ করে। D) প্রতিসরাঙ্ক — এটি অপটিক্যাল পদার্থবিজ্ঞানের অংশ, যা গভীরতা নির্ণয়ের সাথে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: গভীর সমুদ্রের তলদেশ মাপতে শব্দ ফিরে আসার পদ্ধতি বা প্রতিধ্বনি ব্যবহার করা হয়।
a সুইজারল্যান্ড
b পোল্যান্ড
c অস্ট্রিয়া
d নরওয়ে
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অস্ট্রিয়া কেন সঠিক: - জার্মান ভাষা জার্মানির পাশাপাশি অস্ট্রিয়ার রাষ্ট্রভাষা এবং এখানকার অধিকাংশ মানুষ এই ভাষায় কথা বলে। - অস্ট্রিয়া ছাড়াও সুইজারল্যান্ড ও লিচেনস্টাইনে জার্মান ভাষা প্রধান ভাষা হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুইজারল্যান্ড — এখানে জার্মান ছাড়াও ফরাসি, ইতালীয় ও রোমান্স ভাষা প্রচলিত থাকায় এটি একমাত্র বা প্রধান নির্দিষ্ট উত্তর নয়। B) পোল্যান্ড — এই দেশের প্রধান ভাষা পোলিশ এবং এখানে জার্মান ভাষার প্রচলন নেই বললেই চলে। C) অস্ট্রিয়া — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন কোনো ভুল প্রযোজ্য নয়। D) নরওয়ে — এই দেশের মানুষের মূল ভাষা নরওয়েজিয়ান এবং জার্মানির সঙ্গে এর ভাষার কোনো মিল নেই। মনে রাখার টিপস: জার্মান ভাষা মনে রাখতে জার্মানি ও অস্ট্রিয়া এই দুটি দেশ একসঙ্গে মনে রাখুন।
a পরমাণু শক্তি
b কয়লা
c পেট্রোল
d প্রাকৃতিক গ্যাস
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পরমাণু শক্তি কেন সঠিক: - পরমাণু শক্তিতে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত ইউরেনিয়াম ফুরাবার নয় বা বারবার প্রক্রিয়াজাত করা যায়, যা দীর্ঘমেয়াদে শক্তির একটি টেকসই উৎস। - জীবাশ্ম জ্বালানির মতো এটি পোড়ানোর ফলে পরিবেশের অপূরণীয় ক্ষতি বা দ্রুত নিঃশেষ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পরমাণু শক্তি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বারবার ব্যবহারযোগ্য এবং পরিবেশবান্ধব শক্তির উৎস হিসেবে গণ্য হয়। B) কয়লা — এটি একটি জীবাশ্ম জ্বালানি এবং সীমিত মজুদের কারণে একবার ব্যবহার করলে তা ফুরিয়ে যায়, তাই এটি নবায়নযোগ্য নয়। সি) পেট্রোল — এটি খনিজ তেল বা পেট্রোলিয়াম থেকে উৎপাদিত হয়, যার মজুদ সীমিত এবং এটি অনবায়নযোগ্য জ্বালানি। ডি) প্রাকৃতিক গ্যাস — এটি ভূগর্ভে প্রাকৃতিকভাবে সঞ্চিত জীবাশ্ম জ্বালানি এবং ব্যবহারের ফলে এর মজুদ ধীরে ধীরে শেষ হয়ে যাচ্ছে। মনে রাখার টিপস: নবায়নযোগ্য জ্বালানি মানে যা ফুরিয়ে যায় না, যেমন সৌরশক্তি, বায়ুপ্রবাহ এবং পরমাণু শক্তি।
a কার্তিক-ফাল্গুন
b চৈত্র-বৈশাখ
c ভদ্র-অগ্রহায়ণ
d শ্রাবণ-আশ্বিন
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কার্তিক-ফাল্গুন কেন সঠিক: - বাংলাদেশের কৃষিতে শীতকালীন ফসল উৎপাদনের সময়কালকে রবি মৌসুম বলা হয়। - বাংলা সনের কার্তিক মাস থেকে ফাল্গুন মাস পর্যন্ত এই মৌসুম স্থায়ী হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কার্তিক-ফাল্গুন — এটি কৃষিক্ষেত্রে রবি মৌসুমের সঠিক সময়কাল হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। B) চৈত্র-বৈশাখ — এই সময়কালটি সাধারণত গ্রীষ্মকাল ও খরিফ মৌসুমের আওতাভুক্ত। C) ভাদ্র-অগ্রহায়ন — এই সময়টি বর্ষা ও শরৎকাল এবং খরিফ মৌসুমের অন্তর্ভুক্ত। D) শ্রাবণ-আশ্বিন — এই সময়টি বর্ষাকাল ও খরিফ মৌসুমের সঙ্গে সম্পর্কিত। মনে রাখার টিপস: রবি মানে সূর্য বা শীতের রোদ, তাই শীতকালের কার্তিক থেকে ফাল্গুন মাস হলো রবি মৌসুম।
a ২৫ ভাদ্র, ১৪২৮
b ২৭ ভাদ্র, ১৪২৮
c ২৫ আশ্বিন, ১৪২৮
d ২৭ আশ্বিন, ১৪২৮
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৭ ভাদ্র, ১৪২৮ কেন সঠিক: - বাংলা বর্ষপঞ্জি সংস্কার অনুযায়ী ভাদ্র মাসের নির্দিষ্ট তারিখ অনুযায়ী দিনটি নির্ধারিত হয়েছে। - সনাতন ও পরিবর্তিত বর্ষপঞ্জির হিসাব অনুযায়ী ১৪২৮ বঙ্গাব্দের এই দিনে উক্ত তারিখ ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৫ ভাদ্র, ১৪২৮ — এটি সঠিক তারিখের আগের একটি দিন এবং নির্দিষ্ট হিসাবের সঙ্গে মেলে না। B) ২৭ ভাদ্র, ১৪২৮ — এটি এই প্রশ্নের নির্ধারিত সঠিক উত্তর। C) ২৫ আশ্বিন, ১৪২৮ — এটি ভাদ্র মাসের পরের মাস আশ্বিনের একটি তারিখ, যা বর্তমান প্রসঙ্গের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। D) ২৭ আশ্বিন, ১৪২৮ — এটিও আশ্বিন মাসের তারিখ হওয়ায় ভাদ্র মাসের সঠিক দিনের সঙ্গে মিলে না। মনে রাখার টিপস: বাংলা তারিখ মনে রাখতে গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারের নির্দিষ্ট তারিখের সাথে বাংলা সনের সংশোধিত রূপের পার্থক্যটুকু মিলিয়ে নিতে হয়।
a ইরাক
b মিশর
c কুয়েত
d জর্ডান
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ইরাক কেন সঠিক: - ইরাক ১৯৭২ সালের ৮ জুলাই বাংলাদেশকে আনুষ্ঠানিকভাবে কূটনৈতিক স্বীকৃতি প্রদান করে। - মধ্যপ্রাচ্যের প্রথম দেশ হিসেবে ইরাক এই স্বীকৃতি দিয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইরাক — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই আরব দেশটি সবার আগে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়। B) মিশর — মিশর বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়েছিল ১৯৭৩ সালে, প্রথম দেশ হিসেবে নয়। C) কুয়েত — কুয়েত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে ১৯৭৩ সালের শেষের দিকে। D) জর্ডান — জর্ডান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৯৭৪ সালে, যা ইরাকের অনেক পরে। মনে রাখার টিপস: আরব দেশের মধ্যে সবার আগে স্বীকৃতি দেয় 'ইরাক' (ই-তে ইরাক, ই-তে প্রথম)।
a চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত ব্যবস্থা
b দ্বৈত শাসন ব্যবস্থা
c সতীদাহ নিবারণ ব্যবস্থা
d পুলিশ ব্যবস্থা
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ঘটনা সঠিক উত্তর: D) পুলিশ ব্যবস্থা কেন সঠিক: - লর্ড ক্যানিং ১৮৬১ সালে পুলিশ অ্যাক্ট পাস করার মাধ্যমে ব্রিটিশ ভারতে আধুনিক পুলিশ ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন। - সিপাহী বিদ্রোহের পর আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ জোরদার করার জন্য এই ব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত ব্যবস্থা — এটি লর্ড কর্নওয়ালিস ১৭৯৩ সালে প্রবর্তন করেছিলেন। B) দ্বৈত শাসন ব্যবস্থা — এটি রবার্ট ক্লাইভ ১৭৬৫ সালে বাংলায় প্রবর্তন করেন। C) সতীদাহ নিبرণ ব্যবস্থা — এটি লর্ড উইলিয়াম বেন্টিংক ১৮২৯ সালে বাতিল করেন। D) পুলিশ ব্যবস্থা — এটি লর্ড ক্যানিং কর্তৃক প্রবর্তিত সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: ক্যানিং ও পুলিশ দুটি শব্দ মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন যে, লর্ড ক্যানিং ভারতে পুলিশ ব্যবস্থা চালু করেছিলেন।
a ১৯৭২, কায়রো
b ১৯৭৪, নয়াদিল্লী
c ১৯৭৫, বেলগ্রেড
d ১৯৭৩, আলজিয়ার্স
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৯৭৩, আলজিয়ার্স কেন সঠিক: - জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৩ সালের ৫ থেকে ৯ সেপ্টেম্বর আলজেরিয়ার রাজধানী আলজিয়ার্সে অনুষ্ঠিত ৪র্থ ন্যাম (NAM) শীর্ষ সম্মেলনে যোগদান করেন। - এটিই ছিল স্বাধীন বাংলাদেশের কোনো আন্তর্জাতিক জোটে রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে বঙ্গবন্ধুর প্রথম অংশগ্রহণ এবং এর মাধ্যমেই বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের সদস্যপদ লাভ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৭২, কায়রো — এই অপশনটি সঠিক নয় কারণ ১৯৭২ সালে আলজিয়ার্স সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়নি এবং কায়রো ন্যামের ওই সম্মেলন আয়োজক শহর ছিল না। B) ১৯৭৪, নয়াদিল্লী — এই অপশনটি ভুল কারণ ১৯৭৪ সালে নয়াদিল্লীতে জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের কোনো শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়নি। C) ১৯৭৫, বেলগ্রেড — এই অপশনটি সঠিক নয় কারণ ১৯৭৫ সালে বেলগ্রেডে ন্যামের শীর্ষ সম্মেলন বসেনি, তবে বেলগ্রেড ছিল ১ম ন্যাম সম্মেলনের আয়োজক শহর। D) ১৯৭৩, আলজিয়ার্স — এটিই সঠিক উত্তর কারণ এই সম্মেলনেই বঙ্গবন্ধু প্রথম অংশগ্রহণ করেন এবং বাংলাদেশ এর সদস্য হয়। মনে রাখার টিপস: আলু দিয়ে আলজিয়ার্স মনে রাখুন, যেখানে ৭৩ সালে বঙ্গবন্ধু প্রথম ন্যাম সম্মেলনে যোগ দেন।