বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও দপ্তর

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় পরীক্ষা ২০২১

পদের নাম: সিনিয়র ইন্সট্রাক্টর (৯ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (60)

a মোহাম্মদ আকরম খাঁ
b আহমদ ছফা
c সিকান্দার আবু জাফর
d রাহাত খান
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মোহাম্মদ আকরম খাঁ ১. কেন সঠিক: - দৈনিক আজাদ পত্রিকার প্রথম সম্পাদক এবং প্রতিষ্ঠাতা হলেন মওলানা মোহাম্মদ আকরম খাঁ। - ১৯৩৬ সালে কলকাতা থেকে পত্রিকাটি প্রথম প্রকাশিত হয় এবং বাংলা ভাষা ও স্বাধিকার আন্দোলনে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মোহাম্মদ আকরম খাঁ ছিলেন একাধারে সাংবাদিক, সাহিত্যিক ও ইসলামী চিন্তাবিদ। - বাঙালি মুসলিম সমাজে আধুনিক সাংবাদিকতা ও সাহিত্যচর্চার প্রসারে তার অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ইত্তেফাক ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের আরেকটি ঐতিহাসিক দৈনিক পত্রিকা যার প্রতিষ্ঠাতা তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া। উদাহরণ ২: সংবাদ ব্যাখ্যা: ভাষা আন্দোলন ও পরবর্তী রাজনৈতিক সংকটে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনকারী আরেকটি প্রথিতযশা দৈনিক পত্রিকা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মোহাম্মদ আকরম খাঁ — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি দৈনিক আজাদ পত্রিকার সম্পাদক ও প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন। B) আহমদ ছফা — তিনি একজন প্রখ্যাত প্রাবন্ধিক, ঔপন্যাসিক ও চিন্তাবিদ ছিলেন, দৈনিক আজাদ পত্রিকার সম্পাদক নন। C) সিকান্দার আবু জাফর — তিনি বিখ্যাত সাহিত্যপত্রিকা সমকাল এর সম্পাদক ছিলেন, দৈনিক আজাদ পত্রিকার সম্পাদক নন। D) রাহাত খান — তিনি দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত বিশিষ্ট সাংবাদিক ও সাহিত্যিক ছিলেন। ৫ মনে রাখার টিপস: আজাদ পত্রিকার সম্পাদক মনে রাখতে আজাদের শুরুতে আ এবং আকরম খাঁর শুরুতে আ মনে রাখতে পারো। পত্রিকা ও সম্পাদকের নাম জোড়ায় জোড়ায় পড়লে পরীক্ষার হলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ঐতিহাসিক সংবাদপত্র এবং এর সম্পাদক বা প্রতিষ্ঠাতা সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। পত্রিকাগুলোর প্রকাশের সাল এবং প্রথম সম্পাদক বা পরিচালকের নাম আলাদা করে নোট করে রাখা উচিত।
a সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
b আবু জাফর শামসুদ্দীন
c শামসুদ্দীন আবুল কালাম
d জসীমউদ্‌দীন
0 92 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শামসুদ্দীন আবুল কালাম ১. কেন সঠিক: - 'কাশবনের কন্যা' হলো বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক শামসুদ্দীন আবুল কালাম রচিত একটি প্রখ্যাত সামাজিক উপন্যাস। - এই উপন্যাসে মূলত বাংলার গ্রামীণ জনপদ, সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা এবং নদীমাতৃক সংস্কৃতির নিখুঁত চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কথাসাহিত্যিক শামসুদ্দীন আবুল কালাম ১৯২৬ সালে বরিশালের জন্মগ্রহণ করেন এবং তিনি মূলত গ্রামীণ জীবনভিত্তিক উপন্যাসের জন্য বিশেষ পরিচিতি লাভ করেন। - তাঁর রচিত 'কাশবনের কন্যা' উপন্যাসটি বাংলা সাহিত্যে আঞ্চলিক উপন্যাসের ধারায় একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন হিসেবে বিবেচিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আল মাহমুদের 'কাবিলের বোন' ব্যাখ্যা: এটি লেখকের একটি অন্যতম বিখ্যাত উপন্যাস যা গ্রামীণ পটভূমিতে রচিত। উদাহরণ ২: শহীদুল্লাহ কায়সারের 'সংশপ্তক' ব্যাখ্যা: এটিও গ্রামীণ জনপদের সংগ্রাম ও জীবনযাত্রা নিয়ে লেখা একটি জনপ্রিয় বাংলা উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ — এটি সঠিক নয় কারণ সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে লালসালু ও কাঁদো নদী কাঁদো অন্তর্ভুক্ত। B) আবু জাফর শামসুদ্দীন — এটি সঠিক নয় কারণ আবু জাফর শামসুদ্দীনের উল্লেখযোগ্য উপন্যাস হলো ভে룡 ইব্রাহিম ও পলায়নী মন। C) শামসুদ্দীন আবুল কালাম — এটি সঠিক উত্তর এবং তিনি এই কাশবনের কন্যা উপন্যাসের রচয়িতা। D) জসীমউদ্‌দীন — এটি সঠিক নয় কারণ জসীমউদ্‌দীন মূলত তাঁর নকশী কাথার মাঠ ও সুজন বা দিয়ারের মতো কাব্যগ্রন্থের জন্য সর্বাধিক পরিচিত। ৫ মনে রাখার টিপস: - কাশবনে কলাম চলে গেল এভাবে মনে রাখতে পারেন, কাশবনের কন্যা উপন্যাসের লেখক শামসুদ্দীন আবুল কালাম। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় গ্রামীণ পটভূমির উপন্যাস এবং এর লেখকদের নাম প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। - লেখকদের বিখ্যাত উপন্যাসগুলোর একটি তালিকা তৈরি করে পড়লে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
a সুফিয়া কামাল
b রাজিয়া বেগম
c রাবেয়া খাতুন
d সেলিনা হোসেন
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সেলিনা হোসেন ১. কেন সঠিক: - 'নীল মহুত্রের যৌবন' একটি বিখ্যাত বাংলা উপন্যাস যার রচয়িতা কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন। - বাংলা কথাসাহিত্যে সমসাময়িক জীবন ও ইতিহাসের পটভূমিতে রচিত উপন্যাসের জন্য এই গ্রন্থটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সেলিনা হোসেন বাংলাদেশের প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক যিনি মূলত উপন্যাস ও ছোটগল্প রচনার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। - তাঁর উপন্যাসে সাধারণত সামাজিক বাস্তবতা, নারীর অধিকার, মুক্তিযুদ্ধ এবং ইতিহাস ফুটিয়ে ওঠে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'যাপিত জীবন' ব্যাখ্যা: এটি সেলিনা হোসেন রচিত অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি উপন্যাস। উদাহরণ ২: 'পোকামাকড়ের ঘরবসতি' ব্যাখ্যা: এটিও সেলিনা হোসেনের একটি প্রশংসিত উপন্যাস যা পরবর্তীতে চলচ্চিত্রে রূপায়িত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুফিয়া কামাল — তিনি মূলত একজন প্রখ্যাত কবি ও সাহিত্যিক ছিলেন, উপন্যাস রচয়িতা হিসেবে তিনি পরিচিত নন। B) রাজিয়া বেগম — তিনি এই উপন্যাসের রচয়িতা নন, তাঁর অন্যান্য সাহিত্যকর্ম রয়েছে। C) রাবেয়া খাতুন — তিনি খ্যাতিমান কথাসাহিত্যিক হলেও 'নীল মহুত্রের যৌবন' উপন্যাসের রচয়িতা সেলিনা হোসেন। D) সেলিনা হোসেন — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি প্রশ্নের চাহিদার সঙ্গে সম্পূর্ণ মিলে যায়। ৫. মনে রাখার টিপস: - সেলিনা হোসেনের উপন্যাস মনে রাখার জন্য তাঁর প্রধান রাজনৈতিক ও সামাজিক উপন্যাসগুলোর একটি তালিকা তৈরি করতে পারো। - 'নীল মহুত্রের যৌবন' নামটি মনে রাখলে সেলিনা হোসেনের রচনার বৈচিত্র্য সহজে বোঝা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সেলিনা হোসেনের উপন্যাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - লেখকদের বিখ্যাত উপন্যাসগুলোর নাম মুখস্থ রাখলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা সম্ভব।
a Spot facing
b Reaming
c Boring
d Drilling
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Drilling ১. কেন সঠিক: ড্রিিলং মেশিন বা ড্রিল প্রেস হলো এমন একটি যন্ত্র যা মূলত ধাতব বা অন্যান্য বস্তুর মধ্যে গোল ছিদ্র বা গর্ত করার কাজে ব্যবহার করা হয়। প্রশ্নে ড্রিলিং মেশিন দ্বারা সম্পন্ন প্রধান অপারেশন সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়েছে এবং এর মূল কাজ হলো ড্রিলিং বা ছিদ্র করা। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এই প্রশ্নটি মূলত প্রকৌশল বা যন্ত্রপ্রযুক্তি বিষয়ক সাধারণ জ্ঞান বা পারিভাষিক শব্দের অন্তর্ভুক্ত। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধারণ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অংশ থেকে এমন প্রশ্ন প্রায়ই আসে। যন্ত্রাংশের এই অপারেশনগুলো নির্দিষ্ট কাজের জন্য নির্দিষ্ট কাটিং টুল ব্যবহার করে সম্পন্ন করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লেদ মেশিনে ল্যাথ অপারেশন করা হয়। ব্যাখ্যা: লেদ মেশিন মূলত নলাকার বস্তু কাটার জন্য ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: মিলিং মেশিনে স্লট কাটা হয়। ব্যাখ্যা: মিলিং কাটার ঘুরিয়ে বস্তুর পৃষ্ঠতল মসৃণ বা কাটা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Spot facing — এই অপারেশনটি ড্রিল করা গর্তের মুখ প্রশস্ত ও সমতল করার জন্য করা হয়, যা ড্রিলিংয়ের পরের ধাপ। B) Reaming — এই অপারেশনটি ইতিমধ্যে করা গর্তের ব্যাস নিখুঁতভাবে বাড়ানোর এবং মসৃণ করার জন্য করা হয়। C) Boring — এই অপারেশনটি ওয়ার্কপিসের ভেতরের ছিদ্রকে আরও বড় ও সঠিক মাপে আনার জন্য ব্যবহার করা হয়। D) Drilling — এটি সরাসরি মূল ছিদ্র তৈরির অপারেশন বিধায় এটি সঠিক। ৫. মনে রাখার টিপস: যন্ত্রের নামের সঙ্গে কাজের মিল খুঁজলে উত্তর বের করা সহজ হয়। ড্রিিলং শব্দের অর্থই হলো ছিদ্র করা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ড্রিলিং মেশিনের মূল কাজ নতুন ছিদ্র তৈরি করা। অন্যান্য অপারেশনগুলো সাধারণত ড্রিলিংয়ের পরবর্তী ফিনিশিং কাজ হিসেবে বিবেচিত হয়।
a ১৯২২ সালে
b ১৯১৭ সালে
c ১৯২৫ সালে
d ১৯২৩ সালে
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯১৭ সালে ১. কেন সঠিক: শওকত ওসমান ১৯১৭ সালের ২ জানুয়ারি বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলার সববলপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকের জন্মসাল ও জন্মতারিখ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হিসেবে আসে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: শওকত ওসমানের প্রকৃত নাম শেখ আজিজুর রহমান এবং তার সাহিত্যিক ছদ্মনাম ছিল শওকত ওসমান। তিনি বাংলা উপন্যাসে ও ছোটগল্পে সমাজসচেতনতা, ইতিহাসাশ্রয়ী দৃষ্টিভঙ্গি এবং মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষনের জন্য বিশেষ পরিচিত লাভ করেছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কৃতদাস এর হাসি ব্যাখ্যা: এটি শওকত ওসমানের অন্যতম শ্রেষ্ঠ রূপক উপন্যাস যা আইয়ুব খানের সামরিক শাসনকে ব্যঙ্গ করে রচিত হয়েছিল। উদাহরণ ২: জাহান্নাম হইতে বিদায় ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি বিখ্যাত উপন্যাস যা লেখকের নিজের অভিজ্ঞতার আলোকে রচিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯২২ সালে — এই সালে শওকত ওসমানের জন্ম হয়নি, এটি ভুল তথ্য এবং অপশন বি সঠিক হওয়ায় এটি গ্রহণযোগ্য নয়। B) ১৯১৭ সালে — এটি লেখকের সঠিক জন্মসাল যা প্রশ্ন ও প্রামাণ্য জীবনীগ্রন্থ অনুযায়ী প্রমাণিত। C) ১৯২৫ সালে — এই সালে শওকত ওসমানের জন্ম হয়নি, তাই এটি সঠিক উত্তরের সঙ্গে মেলে না। D) ১৯২৩ সালে — এই সালটি শওকত ওসমানের জন্মসালের সঙ্গে মিলছে না, তাই এটি ভুল অপশন। ৫ মনে রাখার টিপস: শওকত ওসমানের জন্মসাল মনে রাখতে সংখ্যাটি মনে রাখুন এভাবে: তিনি প্রথম বিশ্বযুদ্ধের বছর অর্থাৎ ১৯১৭ সালে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। বাংলা সাহিত্যের প্রখ্যাত এই কথাসাহিত্যিকের জন্মতারিখ ও সাল এভাবে ঐতিহাসিক ঘটনার সঙ্গে মিলিয়ে পড়লে সহজে মনে থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রখ্যাত লেখকদের জন্ম ও মৃত্যুর সাল জিজ্ঞেস করা হয়। শওকত ওসমানের বিখ্যাত উপন্যাস ও গল্পগ্রন্থগুলোর নাম এবং পুরস্কার প্রাপ্তির সালগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করা উচিত।
a গোপালগঞ্জ
b ফরিদপুর
c পিরোজপুর
d বিক্রমপুর
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ফরিদপুর ১. কেন সঠিক: পল্লীকবি জসীমউদ্‌দীন ১৯০৩ সালের ১লা জানুয়ারি তৎকালীন বৃহত্তর ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার সাহিত্যকর্মে বাংলার পল্লিপ্রকৃতি ও সাধারণ মানুষের জীবন ফুফুটে ওঠায় তাকে পল্লীকবি উপাধিতে ভূষিত করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: জসীমউদ্‌দীন বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্জের অন্যতম প্রধান আধুনিক বাঙালি কবি ও লেখক। তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ নকশী কাথার মাঠ এবং সুজন بادিয়ার ঘাট বাংলা সাহিত্যের অমূল্য সম্পদ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নকশী কাথার মাঠ ব্যাখ্যা: এটি জসীমউদ্‌দীনের একটি বিখ্যাত কাহিনিকাব্য যা বিশ্বসাহিত্যে সমাদৃত। উদাহরণ ২: সোজন বাদের ঘাট ব্যাখ্যা: এটি কবির অপর একটি গ্রামীণ জীবনভিত্তিক জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গোপালগঞ্জ — এটি একটি জেলা হলেও জসীমউদ্‌দীনের জন্মস্থান এখানে নয়। B) ফরিদপুর — এটি সঠিক উত্তর কারণ কবির জন্ম বর্তমান ফরিদপুর জেলায়। C) পিরোজপুর — এটি দক্ষিণাঞ্চলের একটি জেলা যা জসীমউদ্‌দীনের জন্মস্থান নয়। D) বিক্রমপুর — এটি প্রাচীন বঙ্গ অঞ্চলের অংশ হলেও কবির জন্মস্থান নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: পল্লীকবি জসীমউদ্‌দীনের জন্মস্থান মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো পল্লি অঞ্চলের নদীমাতৃক ফরিদপুর জেলায় তার জন্ম হয়েছে। কবির নামের সঙ্গেই যেন বাংলার পল্লিগ্রামের মাটি ও মানুষের গন্ধ জড়িয়ে আছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবিদের জন্মস্থান ও উপাধি প্রায়ই আসে। জসীমউদ্‌দীনের ক্ষেত্রে তার পল্লীকবি উপাধি এবং ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রাম জন্মস্থান হিসেবে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
a আসার
b আশার
c আষাঢ়
d আষাড়
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আষাঢ় ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী সম্পূর্ণ নির্ভুল। - বাংলা বর্ণমালার মূর্ধন্য বর্ণ ব্যবহারের নিয়ম এবং যুক্তবর্ণের সঠিক রূপের কারণে এই বানানটি প্রমিত হিসেবে গৃহীত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা বানানরীতিতে তৎসম ও অর্ধ-তৎসম শব্দে মূর্ধন্য ণ এবং ষ এর ব্যবহার নির্দিষ্ট নিয়মে হয়। - আষাঢ় শব্দটি একটি তৎসম শব্দ যেখানে মূর্ধন্য ণ এর পরিবর্তে মূর্ধন্য ঢ় যুক্ত হয়েছে, যা বাংলা বর্ণমালার একটি মৌলিক বর্ণ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আশাড় ব্যাখ্যা: এটি একটি ভুল বানান কারণ এতে মূর্ধন্য ঢ় এর পরিবর্তে ড ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: আষাঢ় ব্যাখ্যা: আধুনিক প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এই শব্দটিতে মূর্ধন্য ঢ় এর স্থানে অনেক সময় ভুলবশত ড বিন্দু ড় ব্যবহার করা হয় যা অগ্রহণযোগ্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আসার — এই বানানটি ভুল কারণ এতে সঠিক বর্ণ বা ধ্বনি অর্থাৎ মূর্ধন্য ঢ় অনুপস্থিত রয়েছে। B) আশার — এই বানানটি ভুল কারণ এখানে মূর্ধন্য ঢ় এর বদলে ড ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ। C) আষাঢ় — এটি সঠিক বানান এবং বাংলা একাডেমি কর্তৃক অনুমোদিত প্রমিত রূপ। D) আষাড় — এই বানানটি ভুল কারণ এতে মূর্ধন্য ষ এর স্থলে অন্য বর্ণ বা ভুল ধ্বনি ব্যবহার করা হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - আষাঢ় বানানটি মনে রাখতে খেয়াল রাখবে যে ঋতুপঞ্জির এই মাসের নামে মূর্ধন্য ঢ় যুক্ত থাকে। - পরীক্ষার হলে বিভ্রান্ত হওয়ার জন্য দন্ত স বা ড বিন্দু র যুক্ত অপশনগুলোতে বেশি নজর দেওয়া হয়, তাই মূল বানানের মধ্যের অংশটি ভালোভাবে খেয়াল রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মাস এবং ঋতুর নাম সংক্রান্ত বানানগুলো প্রায়ই পরীক্ষণে আসে। - প্রমিত বানান শেখার জন্য বাংলা একাডেমির আধুনিক বানান অভিধান অনুসরণ করা সবচেয়ে নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য পথ।
a ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
b বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
c প্যারীচাঁদ মিত্র
d বিহারীলাল
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১. কেন সঠিক: - 'রচনার শিল্পগুণ' প্রবন্ধটির রচায়িতা বাংলা উপন্যাসের জনক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। - সাহিত্যকর্মে শিল্পসৌন্দর্য, ভাষা ও রচনার গুণগত মান ফুটিয়ে তোলার ক্ষেত্রে বঙ্কিমচন্দ্র এই প্রবন্ধে গভীর সাহিত্যিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ করেছেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের সার্থক স্রষ্টা এবং বাংলা সাহিত্য জগতের এক যুগান্তকারী ব্যক্তিত্ব। - তাঁর প্রবন্ধ সাহিত্য বাংলা গদ্যের পরিশীলিত রূপ গঠনে এবং মননশীলতা বিকাশে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কমলাকান্তের দপ্তর ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত মননশীল ও ব্যঙ্গাত্মক রচনা। উদাহরণ ২: লোকরহস্য ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের অপর একটি বিখ্যাত প্রবন্ধ গ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — তিনি বাংলা গদ্যের জনক ও প্রাবন্ধিক হলেও 'রচনার শিল্পগুণ' প্রবন্ধটির লেখক নন। B) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — এই অপশনটি সঠিক এবং প্রবন্ধটির রচায়িতা হিসেবে পরীক্ষিত সত্য। C) প্যারীচাঁদ মিত্র — তিনি প্রথম সার্থক সামাজিক উপন্যাস আলালের ঘরের দুলাল এর রচায়িতা কিন্তু এই প্রবন্ধের লেখক নন। D) বিহারীলাল — তিনি ভোরের পাখি নামে পরিচিত প্রধানত একজন গীতিকবি, কোনো প্রাবন্ধিক নন। ৫. মনে রাখার টিপস: - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের মননশীল প্রবন্ধ ও সাহিত্য সমালোচনামূলক রচনার তালিকা ভালোভাবে পড়লে এই প্রশ্ন সহজে আয়ত্ত করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা গদ্য ও প্রবন্ধের উৎস এবং প্রাবন্ধিকদের নাম প্রায়ই আসে। - বঙ্কিমচন্দ্রের প্রাবন্ধিক পরিচয় ও তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থগুলোর নাম বারবার অনুশীলনের মাধ্যমে মনে রাখতে হবে।
a উপন্যাস
b ছোটগল্প
c নাটক
d কাব্যগ্রন্থ
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) উপন্যাস ১. কেন সঠিক: 'লালসালু' বাংলা সাহিত্যের একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস যা ১৯৪৮ সালে প্রকাশিত হয়। উপন্যাসটি গ্রামীণ সমাজের গোঁড়ামি, কুসংস্কার এবং ধর্মান্ধতার বিরুদ্ধে এক শক্তিশালী শিল্পকর্ম হিসেবে পরিচিত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ বাংলা সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও নাট্যকার। এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র মাজেদ বা খালেক ব্যাপারী গ্রামীণ মানুষের সরলতার সুযোগ নিয়ে ধর্মের অপব্যবহার করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর আরেকটি বিখ্যাত উপন্যাস 'কাঁদো নদী কাঁদো'। ব্যাখ্যা: এটি লেখকের মনস্তাত্ত্বিক ও অস্তিত্ববাদী চেতনার এক অনন্য সৃষ্টি যা উপন্যাসের রূপ ধারণ করেছে। উদাহরণ ২: সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর বিখ্যাত নাটক 'বহিপীর'। ব্যাখ্যা: এটি নাট্য সাহিত্য ধারার রচনা এবং সামাজিক অসংগতি এর মূল বিষয়বস্তু। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উপন্যাস — এই অপশনটি সঠিক কারণ লালসালু একটি পূর্ণাঙ্গ সামাজিক উপন্যাস। B) ছোটগল্প — লালসালু আকারে ও পরিসরে অনেক বড় হওয়ায় এটি ছোটগল্প হতে পারে না। C) নাটক — এটি মঞ্চে অভিনীত নাটক নয় বরং গদ্যে রচিত দীর্ঘ আখ্যান বা উপন্যাস। D) কাব্যগ্রন্থ — এটি কোনো পদ্য বা কবিতার বই নয় বরং গদ্যে রচিত সাহিত্যকর্ম। ৫. মনে রাখার টিপস: ওয়ালীউল্লাহর উপন্যাস মনে রাখার কৌশল হলো ওয়ালীউল্লাহর 'লাল' (লালসালু) রঙের নদী (কাঁদো নদী কাঁদো) দেখার খুব শখ ছিল। এর মাধ্যমে তাঁর প্রধান দুটি উপন্যাস সহজে মনে রাখা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: লালসালু উপন্যাসের প্রকাশকাল ১৯৪৮ সাল এবং এটি বহুবার বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এসেছে। লেখক পরিচিতি এবং উপন্যাসের প্রকাশকাল মনে রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
a হুতোম প্যাঁচা
b অবধূত
c বীরবল
d টেকচাঁদ ঠাকুর
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বীরবল ১. কেন সঠিক: প্রমথ চৌধুরী বাংলা সাহিত্যে ছদ্মনাম ব্যবহারের এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন। তিনি তার সাহিত্যকর্মে 'বীরবল' ছদ্মনামটি ব্যবহার করতেন এবং এই নামেই তিনি বাংলা সাহিত্যে চলতি রীতির প্রবর্তক হিসেবে অমর হয়ে আছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: প্রমথ চৌধুরী ছিলেন বিশ শতকের প্রথমার্ধের এক বিশিষ্ট বাঙালি সাহিত্যিক, প্রাবন্ধিক ও চিন্তাবিদ। তিনি বাংলা গদ্যে সাধু ভাষার পরিবর্তে চলতি বা কথ্য রীতির প্রবর্তন করেন এবং তার সম্পাদিত 'সবুজপত্র' পত্রিকার মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যে বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন গড়ে তোলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বীরবল ছদ্মনামে প্রমথ চৌধুরীর রচিত বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ হলো 'বীরবলের হালখাতা'। ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থটিতে তার তীক্ষ্ণ বুদ্ধিদীপ্ত ও রম্য গদ্যশৈলীর অপূর্ব প্রকাশ ঘটেছে যা বাংলা প্রবন্ধ সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছে। উদাহরণ ২: প্রমথ চৌধুরীর আরেকটি জনপ্রিয় প্রবন্ধগ্রন্থ হলো 'চরমপত্র'। ব্যাখ্যা: এটি তার অন্যতম শ্রেষ্ঠ সাহিত্যকর্ম যেখানে তিনি সমাজের নানা অসংগতি ও সমকালীন রাজনৈতিক পরিস্থিতি অত্যন্ত মুন্সিয়ানার সঙ্গে তুলে ধরেছেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হুতোম প্যাঁচা — এটি কালীপ্রসন্ন সিংহের বিখ্যাত ছদ্মনাম, যিনি 'হুতোম প্যাঁচার নকশা' লিখে বিখ্যাত হয়েছেন। B) অবধূত — এটি মূলত ঔপন্যাসিক ও আধ্যাত্মিক সাধক কালিপপদ মুখোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম যিনি 'মরুতীর্থ বায়বৈদ্য' উপন্যাস লিখেছেন। D) টেকচাঁদ ঠাকুর — এটি প্রখ্যাত সাহিত্যিক প্যারিচাঁদ মিত্রের ছদ্মনাম যিনি 'আলালের ঘরের দুলাল' উপন্যাসের রচয়িতা। ৫ মনে রাখার টিপস: প্রমথ চৌধুরীর 'প্র' অক্ষর এবং 'বীরবল' নামের শেষাংশ মিলিয়ে মনে রাখতে পারো যে প্রমথ চৌধুরী মানেই বুদ্ধিদীপ্ত বীরবল। অথবা এভাবে মনে রেখো যে চলিতরীতির প্রবক্তা প্রমথ চৌধুরী সবসময় বীরের মতো সাহসিকতার সঙ্গে নতুন ধারা নিয়ে এসেছিলেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ছদ্মনাম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম 'বীরবল' এবং তার সম্পাদিত পত্রিকার নাম 'সবুজপত্র' অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দুটি তথ্য যা বারবার বিভিন্ন পরীক্ষায় আসে।
a ফররুখ আহমদ
b মহাদেব সাহা
c আল মাহমুদ
d কাজী নজরুল ইসলাম
0 95 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কাজী নজরুল ইসলাম ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশের রণসঙ্গীতের রচয়িতা জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম। ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর তাঁর 'চল চল চল, ঊর্ধ্ব গগনে বাজে মাদল' গানটিকে বাংলাদেশের রণসঙ্গীত হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করা হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি ও আমাদের জাতীয় কবি। তাঁর রচিত 'সন্ধ্যা' কাব্যের অন্তর্গত 'চল চল চল' গানটি রণসঙ্গীত হিসেবে নির্বাচিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের গান। উদাহরণ ২: সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি ব্যাখ্যা: এটি আমাদের জাতীয় সঙ্গীত এবং এর রচয়িতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফররুখ আহমদ — তিনি একজন প্রখ্যাত পাকিস্তানি ও বাঙালি কবি হলেও রণসঙ্গীতের রচয়িতা নন। B) মহাদেব সাহা — তিনি বাংলাদেশের একজন আধুনিক ও বিশিষ্ট কবি হলেও রণসঙ্গীত রচনা করেননি। C) আল মাহমুদ — তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি হলেও এই গানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নন। ৫ মনে রাখার টিপস: রণসঙ্গীত মানেই যুদ্ধের গান বা উদ্দীপনামূলক গান, আর উদ্দীপনামূলক লেখার জন্য বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম সবার আগে মনে রাখবেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: জাতীয় সঙ্গীত ও রণসঙ্গীতের রচয়িতা আলাদা, এই বিষয়টি গুলিয়ে ফেলা যাবে না। জাতীয় সঙ্গীতের রচয়িতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং রণসঙ্গীতের রচয়িতা কাজী নজরুল ইসলাম।
a আকাঙ্ক্ষা
b আসক্তি
c যোগ্যতা
d আসত্তি
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আসক্তি কেন সঠিক: - একটি সার্থক বাক্য গঠনের জন্য ব্যাকরণগতভাবে প্রধান তিনটি গুণের প্রয়োজন হয়, যার মধ্যে আসক্তি কোনো গুণ নয়। - বাক্যে শব্দগুলোর সঠিক বিন্যাস বা পদবিন্যাসকে আসত্তি বলা হয়, কিন্তু আসক্তি বলতে মনের ভাব প্রকাশের আকাঙ্ক্ষাকে বোঝায় যা বাক্যের একটি মূল গুণ হলেও এই প্রশ্নে বানান বা শব্দের পার্থক্যের কারণে এটি সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - একটি সার্থক বাক্যের প্রধান তিনটি গুণ হলো আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি এবং যোগ্যতা। - আকাঙ্ক্ষা হলো বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণভাবে বোঝার জন্য এক পদের পর অন্য পদ শোনার ইচ্ছা। - যোগ্যতা হলো বাক্যের পদগুলোর অর্থের সংগতি ও ভাবগত মিলবন্ধন। - আসত্তি হলো বাক্যের অর্থ পরিষ্কার করার জন্য সুশৃঙ্খল পদবিন্যাস বা পরপর পদ সাজিয়ে বসার নিয়ম। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) আকাঙ্ক্ষা — এটি সার্থক বাক্যের একটি অন্যতম প্রধান গুণ। - B) আসক্তি — এই শব্দটি বাক্যের গুণের ক্ষেত্রে সাধারণত ব্যাকরণে গ্রহণযোগ্য নয়, এখানে সঠিক শব্দটি আসত্তি। - C) যোগ্যতা — এটি সার্থক বাক্যের অর্থগত মিল ও ভাব প্রকাশের প্রধান একটি গুণ। - D) আসত্তি — এটি সার্থক বাক্যের সুশৃঙ্খল পদবিন্যাস বা গুণের অন্তর্ভুক্ত। মনে রাখার টিপস: - সার্থক বাক্যের তিনটি গুণ মনে রাখার সহজ উপায় হলো আআয বা আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি এবং যোগ্যতা। - আসত্তি মানে সাজিয়ে বসা এবং আসক্তি মানে কোনো কিছুর প্রতি তীব্র টান, তাই বাক্যের ক্ষেত্রে আসত্তি শব্দটি সঠিক।
a রাজপুত্র
b গৃহান্তর
c সস্ত্রীক
d গায়ে হলুদ
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গৃহান্তর ১. কেন সঠিক: - যে সমাসে ব্যাসবাক্য হয় না কিংবা ব্যাসবাক্য করতে গেলে অন্য পদের সাহায্য নিতে হয় এবং সমস্তপদটি নিত্যকাল বা সর্বদা সমাসবদ্ধ থাকে, তাকে নিত্য সমাস বলে। - 'গৃহান্তর' শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো অন্য গৃহ, যা নিত্য সমাসের নিয়ম অনুসারে গঠিত হয়েছে এবং এটি অন্য কোনো সাধারণ সমাসের নিয়মে পড়ে না। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - নিত্য সমাসের ক্ষেত্রে কোনো পদের ব্যাসবাক্য হয় না বা হলেও তা কেবল অন্য পদের সাহায্যে বুঝাতে হয়, যেখানে সমস্তপদটি নিজেই নিজের ভাব প্রকাশ করে। - বাংলায় নিত্য সমাসের নির্দিষ্ট কিছু শব্দ রয়েছে যেমন গ্রামান্তর, অন্য গ্রাম; কেবল দর্শন, দর্শনমাত্র ইত্যাদি, যা মুখস্থ রাখতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গ্রামান্তর ব্যাখ্যা: এটি নিত্য সমাসের একটি শব্দ যার ব্যাসবাক্য হলো অন্য গ্রাম, এবং এটি গৃহান্তর শব্দের মতোই একই ব্যাকরণগত নিয়ম অনুসরণ করে। উদাহরণ ২: দর্শনমাত্র ব্যাখ্যা: এটিও নিত্য সমাসের উদাহরণ যেখানে কেবল দর্শন বোঝাতে অন্য পদের সাহায্যে ব্যাসবাক্য করা হয় এবং এটি নিত্য সমাসের অন্তর্ভুক্ত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাজপুত্র — এটি ষষ্টি তৎপুরুষ সমাস কারণ এর ব্যাসবাক্য হলো রাজার পুত্র এবং এখানে সম্বন্ধ পদের বিভক্তি লোপ পেয়েছে। B) গৃহান্তর — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ব্যাখ্যা প্রথম অংশে দেওয়া হয়েছে এবং এটি নিত্য সমাস। C) সস্ত্রীক — এটি বহুব্রীহি সমাসের অন্তর্গত কারণ এর ব্যাসবাক্য সহ স্ত্রী বর্তমান যার, যা অন্য পদকে বোঝায়। D) গায়ে হলুদ — এটি অলুক মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি সমাস কারণ এর ব্যাসবাক্য গায়ে হলুদ দেওয়া হয় যে অনুষ্ঠানে এবং এর বিভক্তি লোপ পায় না। ৫. মনে রাখার টিপস: - নিত্য সমাসের শব্দগুলো চেনার সহজ উপায় হলো সমস্তপদে 'অন্য' বা 'মাত্র' শব্দের উপস্থিতি থাকা। -ান্তর যুক্ত শব্দ যেমন গৃহান্তর বা গ্রামান্তর দেখলে সাধারণত নিত্য সমাস হিসেবে ধরে নেওয়া যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিত্য সমাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই 'অন্য' যুক্ত শব্দগুলোর তালিকা ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে। - সমাস নির্ণয়ের সময় প্রথমে ব্যাসবাক্য চিন্তা করে দেখতে হবে সেটি সাধারণ নিয়ম নাকি বিশেষ নিয়মের আওতাভুক্ত।
a রবি
b শশী
c পবন
d বসুধা
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রবি ১. কেন সঠিক: - রবি শব্দের অর্থ সূর্য যা তাপ ও আলো প্রদানকারী একটি নক্ষত্র। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ হিসেবে সূর্য বা রবি প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দ যা ভিন্ন বানান ও উচ্চারণের হলেও একই বা প্রায় একই অর্থ প্রকাশ করে। - বাংলা ভাষায় সমার্থক শব্দ মূলত সংস্কৃত ভাষা থেকে প্রাকৃত ও অপভ্রংশের মাধ্যমে কিংবা সরাসরি তৎসম শব্দ হিসেবে এসেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তপন ব্যাখ্যা: তপন শব্দের অর্থ সূর্য যা তাপ দেয় এবং এটি সূর্যের একটি বহুল প্রচলিত তৎসম সমার্থক শব্দ। উদাহরণ ২: দিনমণি ব্যাখ্যা: দিনমণি শব্দের অর্থ দিনের মণি বা সূর্য যা আকাশকে আলোকিত করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবি — এটি সূর্যের সঠিক সমার্থক শব্দ এবং প্রশ্নানুযায়ী সঠিক উত্তর। B) শশী — শশী শব্দের অর্থ চাঁদ, যা সূর্যের বিপরীত বা ভিন্ন একটি জ্যোতিষ্ক। C) পবন — পবন শব্দের অর্থ বাতাস বা বায়ু, যা সূর্যের সমার্থক শব্দ নয়। D) বসুধা — বসুধা শব্দের অর্থ পৃথিবী বা ভূতল, যা সূর্যের সমার্থক শব্দ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - সূর্যের সমার্থক শব্দ মনে রাখার সহজ কৌশল হলো প্রকৃতির উপাদান যেমন রবি, তপন, দিনেশ, ভাস্কর শব্দগুলো একসঙ্গে চর্চা করা। - চন্দ্র বা শশীর সঙ্গে সূর্যের সমার্থক শব্দগুলো গুলিয়ে ফেলা যাবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সূর্য, চাঁদ, বাতাস ও পৃথিবী সংক্রান্ত সমার্থক শব্দ প্রায়ই ভিন্ন অপশনে সাজিয়ে দেওয়া হয়। - প্রতিটি শব্দের মূল অর্থ পরিষ্কার রাখলে সহজেই সঠিক সমার্থক শব্দ নির্বাচন করা সম্ভব।
a ধ্বনী
b বর্ণ
c শব্দ
d বাক্য
0 92 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ধ্বনি (উল্লেখ্য, প্রশ্নে 'ধ্বনি' বানানটি 'ধ্বনী' লেখা হয়েছে, যা প্রমিত বানরীতি অনুযায়ী 'ধ্বনি' হবে) ১. কেন সঠিক: - ভাষার ক্ষুদ্রতম একক হলো ধ্বনি, যা মুখ দিয়ে উচ্চারিত আওয়াজ বা বোধগম্য শব্দের মূল ভিত্তি। - মানুষের বাকযন্ত্রের সাহায্যে উৎপাদিত মৌলিক শব্দ বা আওয়াজই হলো ধ্বনি, যা ভাষার বুনিয়াদ তৈরি করে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - ধ্বনি হলো ভাষার মৌলিক একক এবং কান দিয়ে শোনার ও মুখ দিয়ে উচ্চারণ করার বিষয়। - বর্ণ হলো ধ্বনির লিখিত রূপ, যা চোখের দেখার সাথে সম্পর্কিত কিন্তু ভাষার মূল একক হিসেবে ধ্বনিকেই ধরা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অ, আ, ক, খ ব্যাখ্যা: এগুলো একেকটি মৌলিক ধ্বনি ও বর্ণ, যা ভাষা গঠনের প্রথম উপাদান। উদাহরণ ২: বাবা, মা ব্যাখ্যা: একাধিক ধ্বনি মিলিত হয়ে শব্দ তৈরি করে, যেমন ব এবং আ ধ্বনি মিলে তৈরি হয় বাবা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধ্বনি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ভাষার মৌলিক ও ক্ষুদ্রতম একক। B) বর্ণ — এটি ধ্বনির লিখিত রূপ, মৌলিক বা ক্ষুদ্রতম একক নয়। C) শব্দ — শব্দ হলো একাধিক ধ্বনি বা বর্ণের সমষ্টি, যা ক্ষুদ্রতম একক হতে পারে না। D) বাক্য — বাক্য হলো ভাষার বৃহত্তম একক, যা পদ বা শব্দের মিলনে গঠিত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - কান দিয়ে যা শুনি তা ধ্বনি এবং চোখ দিয়ে যা দেখি তা বর্ণ। - ভাষার ক্ষুদ্রতম একক চাইলে উত্তর হবে ধ্বনি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি বারবার আসে। - ধ্বনি হলো শ্রুতিগ্রাহ্য এবং বর্ণ হলো দৃশ্যগ্রাহ্য, এই পার্থক্যটি মনে রাখা জরুরি।
a ১টি
b ১১টি
c ৭টি
d ৫টি
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১১টি কেন সঠিক: বাংলা বর্ণমালায় মৌলিক স্বরবর্ণ বা স্বরধ্বনির মোট সংখ্যা ১১টি নির্ধারিত আছে। এই বর্ণগুলো অন্য কোনো বর্ণের সাহায্য ছাড়াই নিজে নিজে উচ্চারিত হতে পারে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী অ, আ, ই, ঈ, উ, ঊ, ঋ, এ, ঐ, ও, ঔ এই এগারোটি হলো স্বরবর্ণ। বাংলা সাহিত্যে ও ভাষা পঠন পাঠনে এই এগারোটি স্বরধ্বনিকে প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। যেমন: অ, আ, ই ইত্যাদি হলো বাংলা স্বরধ্বনির নির্দিষ্ট রূপ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১টি — এটি ভুল কারণ বাংলা স্বরধ্বনি মাত্র একটি নয়। B) ১১টি — এটি সঠিক উত্তর যা বর্ণমালায় নির্ধারিত আছে। C) ৭টি — এটি ভুল কারণ মৌলিক স্বরধ্বনির সংখ্যা সাতটি হলেও মোট স্বরবর্ণ এগারোটি। D) ৫টি — এটি ভুল কারণ হ্রস্বস্বর বা অন্য কোনো নির্দিষ্ট ভাগে মাত্র পাঁচটি বর্ণ সীমিত নয়। মনে রাখার টিপস: বাংলা স্বরবর্ণ মনে রাখার সহজ উপায় হলো অ থেকে ঔ পর্যন্ত মোট বর্ণগুলো গণনা করা। স্বরবর্ণ কয়টি তা মনে রাখতে এগারো সংখ্যাটি ভালোভাবে মুখস্থ রাখবে।
a ধ্বনিতত্ত্ব
b রূপতত্ত্ব
c বাক্যতত্ত্ব
d বাগার্থ তত্ত্ব
0 93 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ধ্বনিতত্ত্ব ১. কেন সঠিক: সন্ধি শব্দের অর্থ মিলন। ব্যাকরণের যে অংশে ধ্বনির পরিবর্তন, ধ্বনির মিলন এবং ধ্বনি সম্পর্কিত নিয়মাবলী আলোচনা করা হয়, তাকে ধ্বনিতত্ত্ব বলে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে ধ্বনি সংক্রান্ত আলোচনা ধ্বনিতত্ত্বে করা হয়। দুটি ধ্বনির মিলন বা পরিবর্তনের মাধ্যমে শব্দের উচ্চারণ সহজ করা সন্ধির প্রধান কাজ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিদ্যা + আলয় = বিদ্যালয়। ব্যাখ্যা: এখানে আ এবং আ মিলে একটি আ ধ্বনি হয়েছে, যা ধ্বনিতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়। উদাহরণ ২: হিম + আলয় = হিমালয়। ব্যাখ্যা: এখানে অ এবং আ মিলে আ ধ্বনি তৈরি হয়েছে, যা ধ্বনির মিলন ও পরিবর্তনের উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধ্বনিতত্ত্ব — সঠিক উত্তর কারণ সন্ধি ধ্বনি ও তার পরিবর্তন নিয়ে কাজ করে। B) রূপতত্ত্ব — ভুল কারণ রূপতত্ত্বে শব্দ, পদ, বচন ও লিঙ্গ ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করা হয়। C) বাক্যতত্ত্ব — ভুল কারণ বাক্যতত্ত্বে পদের বিন্যাস এবং বাক্য গঠন নিয়ে আলোচনা করা হয়। D) বাগার্থ তত্ত্ব — ভুল কারণ বাগার্থ তত্ত্বে শব্দের অর্থ ও অর্থের পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা করা হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: সন্ধি মানে শব্দের বা ধ্বনির মিলন। ধ্বনির মিলন বা পরিবর্তন মানেই ধ্বনিতত্ত্ব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ব্যাকরণের আলোচ্য বিষয় থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। ধ্বনিতত্ত্বের অন্য প্রধান আলোচ্য বিষয়গুলো হলো বর্ণ, নত্ব বিধান, ষত্ব বিধান ও সন্ধি।
a of
b to
c on
d about
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) of কেন সঠিক: - remind ভার্বটির পর কোনো বিষয় স্মরণ করিয়ে দিতে সাধারণত অবজেক্টের পূর্বে of প্রিপজিশন ব্যবহৃত হয়। - এখানে appointmet বা সাক্ষাতের বিষয়টি স্মরণ করিয়ে দেওয়ার অর্থে সঠিক প্রিপজিশন হিসেবে of ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) of - এটি সঠিক কারণ remind এর সাথে উপযুক্ত প্রিপজিশন হিসেবে অবজেক্টের পূর্বে এটি বসে। B) to - এটি সঠিক নয় কারণ remind এর পর সাধারণত টু প্রিপজিশন বসে না। C) on - এটি সঠিক নয় কারণ নির্দিষ্ট কোনো বার বা তারিখের পূর্বে অন বসে, কিন্তু এখানে রিমাইন্ডের নিয়ম প্রযোজ্য। D) about - যদিও অর্থগতভাবে মনে হতে পারে এবাউট বসবে, তবে ব্যাকরণগত নিয়মে remind এর সাথে of বলাই প্রমিত। মনে রাখার টিপস: Remind এর সাথে সবসময় অবজেক্টের আগে of বসে, যেমন- remind me of that।
a ought to obey
b what a pity
c at the point of
d with black eyes
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ought to obey কেন সঠিক: এই অপশনে একটি মূল verb (obey) এবং একটি modal auxiliary verb (ought to) একসাথে বসে একটি verb phrase গঠন করেছে। বাক্যে এটি মূল verb হিসেবে কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ought to obey — এটি সঠিক উত্তর। B) what a pity — এটি একটি exclamation বা বিস্ময়সূচক বাক্যাংশ, এখানে কোনো verb নেই। C) at the point of — এটি একটি prepositional phrase, কারণ এটি preposition দিয়ে শুরু হয়েছে। D) with black eyes — এটি একটি prepositional phrase, যা noun-কে modify করে। মনে রাখার টিপস: যে বাক্যাংশে সাহায্যকারী ভাব ও মূল ভাব মিলে কাজ করে, সেটাই verb phrase।
a a gerund
b an adverb
c a vero
d an adjective
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) an adjective কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যে 'barking' শব্দটি একটি নাউনের (dog) ঠিক পূর্বে বসে তার দোষ, গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করছে। - ভার্ব যখন নাউনের পূর্বে বসে অ্যাডজেক্টিভের কাজ করে, তখন তাকে পার্টিসিপল বলা হয়, যা মূলত অ্যাডজেক্টিভ হিসেবে কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a gerund — এটি জেরান্ড হতে পারত যদি এটি ভার্বের সাথে ing যুক্ত হয়ে বাক্যে নাউনের কাজ করত, কিন্তু এখানে এটি নাউনকে মডিফাই করছে। B) an adverb — এটি অ্যাডভার্ব নয়, কারণ এটি কোনো ভার্ব, অ্যাডজেক্টিভ বা অন্য কোনো অ্যাডভার্বকে বিশেষিত করছে না। C) a vero — এটি মূলত সঠিক বানান অনুযায়ী verb নয়, এবং এখানে এটি মূল ক্রিয়া হিসেবে কাজ করছে না। D) an adjective — এটি সঠিক, কারণ 'dog' নাউনটি কেমন তা প্রকাশ করতে এটি অ্যাডজেক্টিভ হিসেবে কাজ করেছে। মনে রাখার টিপস: কোনো ing যুক্ত শব্দ নাউনের ঠিক আগে বসে যদি সেই নাউনের দোষ বা গুণ বোঝায়, তবে তা অ্যাডজেক্টিভ বা পার্টিসিপল হয়।
a to open
b open
c opened
d opening
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) opening কেন সঠিক: ইংরেজি ব্যাকরণ অনুযায়ী Would you mind একটি বিশেষ ফ্রেজ, যার পরে যে ভার্ব আসে তার সাথে ing যুক্ত করতে হয়। তাই এখানে open ভার্বের সাথে ing যুক্ত হয়ে opening সঠিক রূপ হয়েছে এবং বাক্যটি সম্পন্ন করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to open — Would you mind এর পরে ইনফিনিটিভ বা to বসে না, তাই এটি ভুল। B) open — এখানে ভার্বের বেস ফর্ম বসেছে, যা নিয়মের বাইরে এবং ভুল। C) opened — এটি ভার্বের পাস্ট ফর্ম, যা এই ফ্রেজের পরে ব্যবহার করা যায় না। D) opening — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। মনে রাখার টিপস: Would you mind দেখলে চোখ বন্ধ করে পরের ভার্বের সাথে ing যোগ করে দেবে।
a long ago
b occasionally
c long since
d recently
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) recently কেন সঠিক: ইংরেজিতে 'of late' একটি অতি পরিচিত ফ্রেজ বা বাগধারা। এর সাধারণ বাংলা অর্থ হলো সম্প্রতি বা ইদানীং। বাকি অপশন কেন ভুল: A) long ago — এর অর্থ অনেক দিন আগে, যা 'recently' শব্দের বিপরীত। B) occasionally — এর অর্থ মাঝে মাঝে, যা এই ফ্রেজের সাথে মেলে না। C) long since — এর অর্থ অনেক দিন থেকে, যা বর্তমান সময়ের কাছাকাছি ঘটনা বোঝায় না। D) recently — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: 'Late' শব্দের অর্থ দেরি হলেও 'of late' একসাথে থাকলে তার অর্থ হয় সম্প্রতি।
a I owed it to him to be honest
b I know that he is an honest man.
c They know that he was honest. -
d He know him to be honest
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) He know him to be honest কেন সঠিক: এখানে সাবজেক্ট বা কর্তা থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার হওয়া সত্ত্বেও ভার্বের সাথে এস বা ইএস যোগ করা হয়নি। তাই বাক্যটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল এবং এটিই সঠিক উত্তর। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I owed it to him to be honest — এই বাক্যের গঠন সঠিক আছে এবং এটি একটি অর্থপূর্ণ সরল বাক্য। B) I know that he is an honest man. — প্রেজেন্ট টেন্সের নিয়ম অনুযায়ী এখানে সাবজেক্ট ও ভার্বের মিল সঠিক আছে। C) They know that he was honest. — পাস্ট টেন্সের সঠিক ব্যবহার থাকায় এই বাক্যটিও ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ সঠিক। D) He know him to be honest — সাবজেক্ট থার্ড পারসন সিঙ্গুলার হওয়ায় ভার্বের সাথে এস যুক্ত হওয়া আবশ্যক ছিল। মনে রাখার টিপস: সাবজেক্ট থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার হলে প্রেজেন্ট ইনডিফিনিট টেন্সে মূল ভার্বের সাথে এস বা ইএস যুক্ত করতে হয়।
a will
b not will
c won't
d don't
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) won't কেন সঠিক: এখানে বাক্যের অর্থ অনুযায়ী ভবিষ্যতের না বোধক প্রকাশ বোঝাতে সাহায্যকারী ভার্ব হিসেবে 'will not' বা এর সংক্ষিপ্ত রূপ 'won't' ব্যবহার করা হয়েছে। ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী মডাল অক্সিলিয়ারি ভার্ব 'will' এর সাথে 'not' যুক্ত করে সংক্ষেপে 'won't' লেখা হয়। ভবিষ্যতের অনিশচয়তা বা নিষেধ প্রকাশ করতে এটি সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) will — এটি শুধু হ্যাঁ বোধক ভবিষ্যৎকাল বোঝায়, তাই না বোধক বাক্যের অর্থের সাথে এটি মিলে না। B) not will — ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী 'will' এর আগে 'not' বসানো সম্পূর্ণ ভুল এবং অগ্রহণযোগ্য। C) won't — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে গণ্য হবে না। D) don't — এটি বর্তমান কালের সাধারণ বাক্যে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু ভবিষ্যৎকালের জন্য এটি একেবারেই বেমানান। মনে রাখার টিপস: ভবিষ্যৎকালের না বোধক রূপ লিখতে হলে 'will' এর সাথে 'not' যুক্ত করে এক সাথে 'won't' লিখতে হয়।
a condemn
b accuse
c forgive
d convic
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) forgive কেন সঠিক: pardon শব্দের অর্থ হলো ক্ষমা করা বা মার্জনা করা। forgive শব্দের অর্থও ক্ষমা করা, তাই এটি এর সঠিক সমার্থক শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) condemn — এর অর্থ নিন্দা করা বা শাস্তি ঘোষণা করা, যা ক্ষমার বিপরীত। B) accuse — এর অর্থ কাউকে অভিযুক্ত করা বা দোষারোপ করা। C) forgive — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে গণ্য নয়। D) convic — এর সঠিক বানান convict এবং এর অর্থ অপরাধী সাব্যস্ত করা। মনে রাখার টিপস: Pardon এবং forgive দুটি শব্দই কোনো দোষ বা অপরাধ ক্ষমা করার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
a He, I and you
b You, he and I
c I, you and he
d He, you and I
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) You, he and I কেন সঠিক: সাধারণ বাক্যে বিভিন্ন পারসন বা পুরুষ একসাথে বসলে ক্রমটি হয় দ্বিতীয় পারসন, তৃতীয় পারসন এবং প্রথম পারসন। এখানে You হলো দ্বিতীয় পারসন, he হলো তৃতীয় পারসন এবং I হলো প্রথম পারসন যা সঠিক ক্রম মেনে চলেছে। এই বাক্যটিতে কোনো দোষ স্বীকার করা বোঝায়নি, তাই সাধারণ নিয়মের ক্রমটি এখানে প্রযোজ্য হবে। ক্রিয়ার বহুবচন রূপ (are) এবং সঠিক পারসন সাজানোর কারণে এই অপশনটি সম্পূর্ণ ব্যাকরণগতভাবে সঠিক হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He, I and you — এখানে পারসন সাজানোর সাধারণ নিয়মটি মানা হয়নি কারণ তৃতীয় পারসনের পর প্রথম পারসন বসানো হয়েছে। B) You, he and I — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। C) I, you and he — এখানে প্রথমে প্রথম পারসন বসার কারণে পারসন সাজানোর স্বাভাবিক নিয়ম লঙ্ঘিত হয়েছে। D) He, you and I — এখানে শুরুতে তৃতীয় পারসন ব্যবহার করায় সঠিক পারসন বিন্যাসের নিয়মটি ভেঙে গেছে। মনে রাখার টিপস: সাধারণ বা ভালো কাজে পারসন সাজানোর নিয়ম হলো ২৩১ অর্থাৎ প্রথমে দ্বিতীয় পারসন, পরে তৃতীয় পারসন এবং শেষে প্রথম পারসন বসবে।
a have
b shall have
c have had
d had
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) had কেন সঠিক: বাক্যে 'I wish' থাকলে তা অবাস্তব ইচ্ছা প্রকাশ করে এবং এর পরের অংশে verb এর পাস্ট ফর্ম বসে। এখানে বর্তমানের কোনো অপূর্ণ ইচ্ছা বোঝাতে Past Indefinite Tense ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) have — এটি Present Indefinite Tense যা 'I wish' এর পরের অংশের জন্য সঠিক নয়। B) shall have — এটি Future Tense যা এই ধরণের অবাস্তব কল্পনার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যায় না। C) have had — এটি Present Perfect Tense যা অবাস্তব ইচ্ছanın নিয়ম অনুযায়ী এখানে বসে না। D) সঠিক উত্তর — এটি Past Indefinite Tense হওয়ায় অবাস্তব ইচ্ছা প্রকাশ করতে সম্পূর্ণ সঠিক। মনে রাখার টিপস: বাক্যে I wish থাকলে সবসময় verb এর পাস্ট ফর্ম (যেমন had বা were) বসাতে হয়।
a at
b about
c of
d to
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) of কেন সঠিক: ১. Aware শব্দটির পর নির্দিষ্ট প্রিপজিশন হিসেবে সবসময় of বসে। এটি একটি ফিক্সড প্রিপজিশন এবং এর অর্থ হলো কোনো কিছু সম্পর্কে সচেতন থাকা। ২. বাক্যের অর্থ হলো মিথ্যার ব্যাপারে সতর্ক হও। ৩. এখানে অন্য কোনো প্রিপজিশন বসালে তা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক হয় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) at — Aware শব্দের পরে কখনো at প্রিপজিশন বসে না তাই এটি ভুল। B) about — বাংলায় সম্পর্কে বোঝালেও ইংরেজী ব্যাকরণ অনুযায়ী Aware শব্দের সাথে about বসে না। D) to — এই বাক্যের ক্ষেত্রে to প্রিপজিশন ব্যবহার করলে অর্থ সম্পূর্ণ ভুল হয়। মনে রাখার টিপস: Aware শব্দের সাথেই সবসময় of প্রিপজিশন বসে, তাই এটি মুখস্থ রাখা সবচেয়ে ভালো উপায়।
a proper
b abstract
c collective
d common
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) common কেন সঠিক: River শব্দটি পৃথিবীর যেকোনো নদীকে বোঝাতে পারে। এটি নির্দিষ্ট কোনো একটি নদী যেমন পদ্মা বা মেঘনাকে না বুঝিয়ে সব নদীর সাধারণ নাম প্রকাশ করে। তাই এটি Common Noun। বাকি অপশন কেন ভুল: A) proper — Proper Noun হয় যখন কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি, বস্তু বা স্থানের নাম বোঝায়, যা এখানে নেই। B) abstract — Abstract Noun হলো যা ধরা বা ছোঁয়া যায় না, কেবল অনুভব করা যায়, কিন্তু নদী দৃশ্যমান। C) collective — Collective Noun বোঝায় সমজাতীয় কিছু ব্যক্তি বা বস্তুর সমষ্টিকে, যা নদী একা বোঝায় না। D) common — এটি সঠিক অপশন কারণ নদী হলো সব নদীর সাধারণ নাম। মনে রাখার টিপস: যে নাম দিয়ে একই জাতীয় অনেককে আলাদা না করে সবার জন্য একটি সাধারণ নাম বোঝায়, সেটাই Common Noun।
a desiase
b disease
c desease
d disese
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) disease কেন সঠিক: এই বানানটিতে প্রথমে 'dis' এবং পরে 'ease' যুক্ত হয়ে সঠিক শব্দটি গঠিত হয়েছে। 'Disease' শব্দের অর্থ হলো রোগ বা অসুস্থতা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) desiase — এখানে বানানটিতে 's' এর পরে ভুলভাবে 'i' এর বদলে 'a' ব্যবহার করা হয়েছে। B) disease — এটি সঠিক বানান এবং এর অর্থ হলো রোগ বা অসুস্থতা। C) desease — এখানে প্রথম অংশে 'dis' এর বদলে ভুলভাবে 'de' লেখা হয়েছে। D) disese — এখানে বানানের শেষ অংশে একটি 'a' অক্ষর বাদ পড়েছে। মনে রাখার টিপস: 'Dis' এবং 'ease' আলাদা করে মনে রাখলে এই বানানটি আর ভুল হবে না।
a are
b is
c were
d has
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) are কেন সঠিক: এখানে 'The' এর সাথে adjective বসে একটি বিশেষ শ্রেণী বা সম্প্রদায়কে বোঝানো হয়েছে। তাই এটি প্লুরাল সাবজেক্ট হিসেবে গণ্য হয় এবং এর সাথে প্লুরাল ভার্ব 'are' বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) are — এটি সঠিক উত্তর কারণ সাবজেক্ট প্লুরাল হওয়ায় প্লুরাল ভার্ব ব্যবহৃত হয়েছে। B) is — এটি সিঙ্গुलर ভার্ব হওয়ায় প্লুরাল সাবজেক্টের সাথে বসে না। C) were — এটি পাস্ট টেন্স নির্দেশ করে, যা বর্তমানের সাধারণ সত্য প্রকাশের জন্য উপযুক্ত নয়। D) has — এটি সিঙ্গুলার ভার্ব এবং এখানে এর কোনো ব্যাকরণগত ভিত্তি নেই। মনে রাখার টিপস: The এর পর কোনো adjective বসলে তা পুরো জাতিকে বোঝায় এবং সবসময় প্লুরাল ভার্ব গ্রহণ করে।
a maintenance
b maintainence
c maintinance
d maintaince
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) maintenance কেন সঠিক: - maintain ভার্বটির সঙ্গে ance প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নাউন গঠিত হয়েছে। - এখানে মূল শব্দের বানান অপরিবর্তিত থাকে এবং সঠিক উচ্চারণ বজায় রাখতে maintenance বানানটি নির্ধারিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) maintenance — এটি সঠিক বানান এবং সঠিক নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে। B) maintainence — এখানে maintain অংশের সঙ্গে ভুলভাবে 'ence' যুক্ত করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) maintinance — এখানে মূল শব্দের বানান পরিবর্তন করে 'mainti' লেখা হয়েছে যা ভুল। D) maintaince — এখানে প্রয়োজনীয় বর্ণ বাদ দিয়ে বানান অসম্পূর্ণ রাখা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: maintain লেখার পর ance যোগ করলে maintenance হয়।
a 16th December
b 17th April
c 26th March
d 14th December
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৬ই ডিসেম্বর কেন সঠিক: ১৯৭১ সালের এই দিনে বাংলাদেশ পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করে। তাই প্রতি বছর ১৬ই ডিসেম্বর বাংলাদেশে বিজয় দিবস হিসেবে পালন করা হয়। এটি আমাদের জাতীয় জীবনের একটি ঐতিহাসিক দিন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৬ই ডিসেম্বর — এটি সঠিক উত্তর এবং এই দিনেই বাংলাদেশ বিজয় অর্জন করেছিল। B) ১৭ই এপ্রিল — এটি বাংলাদেশের ঐতিহাসিক মুজিবনগর সরকারের শপথ গ্রহণের দিন। C) ২৬শে মার্চ — এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস হিসেবে পালিত হয়। D) ১৪ই ডিসেম্বর — এটি বাংলাদেশের শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস হিসেবে পালিত হয়। মনে রাখার টিপস: বিজয় অর্জিত হয়েছিল ১৬ই ডিসেম্বর, তাই এটি বিজয় দিবস এবং ২৬শে মার্চ হলো আমাদের স্বাধীনতা দিবস।
a Look before you leap.
b Do or die.
c All's well that ends well.
d A drowning man catches at a straw
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Do or die. কেন সঠিক: এই বাক্যে দুটি স্বাধীন ক্লজ বা খণ্ডবাক্য রয়েছে যা 'or' কনজাংশন দ্বারা যুক্ত হয়েছে। এটি একটি যৌগিক বাক্য বা কম্পাউন্ড সেন্টেন্স গঠন করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Look before you leap. — এটি একটি কমপ্লেক্স সেন্টেন্স কারণ এখানে একটি সাবঅর্ডিনেট কনজাংশন ব্যবহৃত হয়েছে। C) All's well that ends well. — এটি একটি কমপ্লেক্স সেন্টেন্স কারণ এখানে 'that' একটি সাবঅর্ডিনেট ক্লজ যুক্ত করেছে। D) A drowning man catches at a straw — এটি একটি সিম্পল সেন্টেন্স কারণ এখানে একটিমাত্র সাবজেক্ট ও ফাইনাইট ভার্ব রয়েছে। মনে রাখার টিপস: যৌগিক বাক্যে সাধারণত and, but, or ইত্যাদি কনজাংশন দিয়ে দুটি স্বাধীন খণ্ডবাক্য যুক্ত থাকে।
a phenomenon
b lice
c mice
d crises
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) phenomenon কেন সঠিক: phenomenon শব্দটি গ্রিক মূলের একটি একক বা একবচন বিশেষ্য পদ। এর বহুবচন রূপ হলো phenomena। এটি সাধারণত প্রাকৃতিক কোনো ঘটনা বোঝাতে একবচন হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) phenomenon — এটি সঠিক উত্তর এবং এটি একটি একবচন রূপ। B) lice — এটি louse শব্দের বহুবচন রূপ যার অর্থ উকুন। C) mice — এটি mouse শব্দের বহুবচন রূপ যার অর্থ ইঁদুর। D) crises — এটি crisis শব্দের বহুবচন রূপ যার অর্থ সংকটসমূহ। মনে রাখার টিপস: যেসব শব্দের শেষে on থাকে, সাধারণত সেগুলোর বহুবচন করতে on বাদ দিয়ে a যোগ করতে হয়।
a ২০ ডিসেম্বর ২০১৯
b ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০
c ০৮ মার্চ ২০২০
d ০১ এপ্রিল ২০২০
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ০৮ মার্চ ২০২০ কেন সঠিক: - বিশ্বজুড়ে মহামারি হিসেবে ছড়িয়ে পড়া করোনা ভাইরাস বা কোভিড-১৯ বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রথম ৩ জন আক্রান্ত ব্যক্তির দেহে শনাক্ত হয় ২০২০ সালের ০৮ মার্চ। - আইইডিসিআর এর তৎকালীন তথ্য অনুযায়ী বিদেশফেরত ব্যক্তিদের মাধ্যমে এই ভাইরাসটি প্রথম দেশে প্রবেশ করে এবং স্থানীয়ভাবে বিস্তার লাভ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০ ডিসেম্বর ২০১৯ — এটি সেই সময়কাল যখন চীনের উহান শহরে প্রথম নতুন এই ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয় কিন্তু বাংলাদেশে তখনো এর কোনো অস্তিত্ব ছিল না। B) ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ — এটি বাংলাদেশ সম্পর্কিত কোনো ঐতিহাসিক বা করোনা শনাক্তকরণের নির্ধারিত দিন নয়। ডি) ০১ এপ্রিল ২০২০ — এটি বাংলাদেশে প্রথম করোনা শনাক্ত হওয়ার তারিখ নয় বরং শনাক্তকরণের প্রায় তিন সপ্তাহ পরের একটি সাধারণ তারিখ। মনে রাখার টিপস: আন্তর্জাতিক নারী দিবসের দিন অর্থাৎ ৮ মার্চ ২০২০ সালে বাংলাদেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয়।
a অর্থ সচিব
b বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর
c অর্থমন্ত্রী
d প্রধানমন্ত্রী
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অর্থ সচিব কেন সঠিক: - বাংলাদেশের প্রচলিত মুদ্রানীতি অনুযায়ী দুই টাকা এবং এর চেয়ে কম মূল্যমানের নোট ও ধাতব মুদ্রা সরকারি মুদ্রা হিসেবে বিবেচিত হয়। - আইন অনুযায়ী এই ধরনের সরকারি মুদ্রা বা নোটগুলোতে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের পরিবর্তে সরকারের অর্থ সচিব স্বাক্ষর করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অর্থ সচিব — এটি সঠিক উত্তর কারণ দুই টাকার নোটে সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে অর্থ সচিব স্বাক্ষর করেন। B) বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর — এটি ভুল কারণ গভর্নর শুধু পাঁচ টাকা বা তার চেয়ে বেশি মূল্যমানের ব্যাংক নোটে স্বাক্ষর করেন। C) অর্থমন্ত্রী — এটি ভুল কারণ বাংলাদেশের কোনো কাগুজে নোট বা মুদ্রায় অর্থমন্ত্রীর স্বাক্ষর থাকে না। D) প্রধানমন্ত্রী — এটি ভুল কারণ দেশের নির্বাহী প্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর স্বাক্ষর নোট বা মুদ্রায় থাকে না। মনে রাখার টিপস: কম মানের নোট মানে দুই টাকার নোটে থাকে সচিবের স্বাক্ষর, আর বড় নোটে থাকে গভর্নরের স্বাক্ষর।
a মানসী
b সোনার তরী
c চোখের বালি
d গীতাঞ্জলি
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) চোখের বালি কেন সঠিক: - চোখের বালি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোনো কাব্যগ্রন্থ নয়, এটি তাঁর একটি বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস। - এই উপন্যাসে তৎকালীন সমাজব্যবস্থা, পরকীয়া প্রেম এবং পারিবারিক সম্পর্কের জটিলতা সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মানসী — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা ১৮৯০ সালে প্রকাশিত হয়। B) সোনার তরী — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি কাব্যগ্রন্থ যা ১৮৯৪ সালে প্রকাশিত হয়। C) চোখের বালি — এটি কোনো কাব্যগ্রন্থ নয়, বরং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম সার্থক বাংলা মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস। D) গীতাঞ্জলি — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিশ্বসেরা কাব্যগ্রন্থ যার জন্য তিনি নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। মনে রাখার টিপস: চোখের বালি একটি উপন্যাস, আর মানসী, সোনার তরী ও গীতাঞ্জলি হলো রবীন্দ্রনাথের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।
a চট্টগ্রাম
b ভোলা
c নোয়াখালী
d কক্সবাজার
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নোয়াখালী কেন সঠিক: - ভাসানচর নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার অন্তর্গত মেঘনা নদী ও বঙ্গোপসাগরের মোহনায় অবস্থিত একটি কৃত্রিম দ্বীপ। - সরকারের আশ্রয়ণ প্রকল্পের অংশ হিসেবে রোহিঙ্গাদের পুনর্বাসনের জন্য এই চরে আধুনিক আবাসন অবকাঠামো তৈরি করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চট্টগ্রাম — চট্টগ্রাম একটি বিভাগ ও জেলা হলেও ভাসানচর এর প্রশাসনিক সীমানার অন্তর্ভুক্ত নয়, এটি নোয়াখালীর হাতিয়ার অধীন। B) ভোলা — ভোলা বাংলাদেশের একটি দ্বীপ জেলা হলেও ভাসানচর ভৌগোলিকভাবে ভোলার সীমানায় অবস্থিত নয়। D) কক্সবাজার — কক্সবাজার উখিয়া ও টেকনাফে রোহিঙ্গা ক্যাম্পসমূহ অবস্থিত হলেও ভাসানচর এই জেলায় অবস্থিত নয়। মনে রাখার টিপস: নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলায় মেঘনার মোহনায় ভাসানচর অবস্থিত, যেখানে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়া হয়েছে।
a ১৪.৭ কেজি/সেমি^2
b ১০৩৩৯ কেজি/সেমি^2
c ১০.৩৩৯ কেজি/সেমি^2
d ১০০.৩৯ কেজি/সেমি^2
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
**প্রশ্নের ধরন:** বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (পদার্থবিজ্ঞান) সঠিক উত্তর: B) ১০৩৩৯ কেজি/সেমি^২ কেন সঠিক: - প্রতি বর্গ সেন্টিমিটার ক্ষেত্রফলের উপর বায়ু প্রায় ১০৩৩৯ কিলোগ্রাম বল বা ওজন প্রয়োগ করে। - সমুদ্রপৃষ্ঠে বায়ুমণ্ডলের এই স্বাভাবিক চাপকে এক বায়ুমণ্ডলীয় চাপ বা ১ এটিএম বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৪.৭ কেজি/সেমি^২ — এটি প্রতি বর্গ ইঞ্চিতে পাউন্ড এককে বায়ুমণ্ডলীয় চাপের মান, সেন্টিমিটারে নয়। B) ১০৩৩৯ কেজি/সেমি^২ — এটি প্রতি বর্গ সেন্টিমিটার ক্ষেত্রফলের উপর বায়ুমণ্ডলীয় চাপের সঠিক মান। C) ১০.৩৩৯ কেজি/সেমি^২ — এটি দশমিকের ভুল অবস্থানের কারণে একটি অবাস্তব ও কম চাপের মান নির্দেশ করে। D) ১০০.৩৯ কেজি/সেমি^২ — এটিও সঠিক হিসাবের তুলনায় অনেক কম এবং ত্রুটিপূর্ণ মান। মনে রাখার টিপস: দশমিক ছাড়াই মনে রাখুন যে ১ বর্গ সেন্টিমিটারে বায়ুর চাপ ১০৩৩৯ কিলোগ্রাম।
a রোম
b প্যারিস
c হেগ
d জেনেভা
0 91 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জেনেভা কেন সঠিক: - বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা ডব্লিউএইচও জাতিসংঘ খাতের একটি বিশেষায়িত সংস্থা, যার প্রধান কার্যালয় সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে অবস্থিত। - আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য নীতি নির্ধারণ এবং বিশ্বব্যাপী জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় সংস্থাটি এই কার্যালয় থেকে কার্যক্রম পরিচালনা করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রোম — ইতালির রোম শহরে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা বা এফএও-র সদর দপ্তর অবস্থিত, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নয়। B) প্যারিস — ফ্রান্সের প্যারিস শহরে ইউনেস্কোর সদর দপ্তর অবস্থিত, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নয়। C) হেগ — নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে আন্তর্জাতিক বিচার আদালত বা আইসিজে-র সদর দপ্তর অবস্থিত, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নয়। D) জেনেভা — এটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সদর দপ্তর অবস্থিত সঠিক শহর। মনে রাখার টিপস: স্বাস্থ্য সচেতনতার দিক থেকে জেনেভা শহরটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে।
a রেঙ্গুন
b আরাকান
c কাচিন
d শান
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আরাকান কেন সঠিক: - মিয়ানমারের একটি ঐতিহাসিক ও প্রশাসনিক অঞ্চলের নাম রাখাইন, যা অতীতে আরাকান নামে পরিচিত ছিল। - ভৌগোলিক ও ঐতিহাসিক উভয় কারণেই অঞ্চলটি দীর্ঘদিন ধরে আরাকান নামেই বিশ্বজুড়ে পরিচিত ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রেঙ্গুন — এটি মিয়ানমারের সাবেক রাজধানী ইয়াংওনের ঐতিহাসিক নাম, রাখাইনের পূর্বনাম নয়। B) আরাকান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। সি) কাচিন — এটি মিয়ানমারের উত্তরভাগের একটি পাহাড়ি প্রদেশ বা রাজ্যের নাম, রাখাইন নয়। D) শান — এটি মিয়ানমারের একটি বৃহত্তম রাজ্যের নাম, যা রাখাইন অঞ্চলের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: রাখাইন রাজ্যের প্রাচীন ইতিহাস মনে রাখতে আ অক্ষরটি দিয়ে মনে রাখুন আরাকান।
a ১৩৩টি
b ১৪৩টি
c ১৫৩টি
d ১৭৩টি
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৫৩টি কেন সঠিক: - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মূল মোট ১৫৩টি অনুচ্ছেদ রয়েছে। - ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে সংবিধান গৃহীত হয় এবং একই বছরের ১৬ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৩৩টি — এটি বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদের সঠিক সংখ্যা নয় এবং এটি একটি ভুল তথ্য। B) ১৪৩টি — এই সংখ্যাটি বাংলাদেশের সংবিধানের মোট অনুচ্ছেদ সংখ্যার সঙ্গে মিলছে না। সি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি এখানে প্রযোজ্য নয়। D) ১৭৩টি — এটি বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদের সংখ্যার চেয়ে বেশি এবং কাল্পনিক একটি সংখ্যা। মনে রাখার টিপস: সংবিধানের অনুচ্ছেদ সংখ্যা মনে রাখতে মনে রাখুন ১৫৩, যার শেষ অঙ্ক ৩ এবং শুরুতে ১৫।
a মাতৃ মৎস্য ভাণ্ডার
b পর্যটন
c রামসার সাইট
d নদী বন্দর
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মাতৃ মৎস্য ভাণ্ডার কেন সঠিক: - এটি একমাত্র প্রাকৃতিক প্রজনন ক্ষেত্র যেখানে রুই, কাতলা ও মৃগেলের মতো কার্প জাতীয় মাছের মা মাছ ডিম ছাড়ে। - নদীটির বিশেষ ভৌগোলিক ও জোয়ারভাটার বৈশিষ্ট্যের কারণে জীবন্ত রেনু পোনা সংগ্রহ করা সম্ভব হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাতৃ মৎস্য ভাণ্ডার — এটি সঠিক উত্তর কারণ নদীটি প্রাকৃতিকভাবে রেনু পোনা উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত। B) পর্যটন — নদীটি সুন্দর হলেও এটি প্রধানত মৎস্য প্রজননের জন্য বিখ্যাত, পর্যটনের জন্য নয়। C) রামসার সাইট — এটি রামসার কনভেনশনের আওতাভুক্ত কোনো wetlands বা সংরক্ষিত জলাভূমি নয়। D) নদী বন্দর — এটি কোনো প্রধান বাণিজ্যিক নদী বন্দর বা নৌপরিবহনের কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত নয়। মনে রাখার টিপস: হালদা নদী মানেই মা মাছের ডিম ছাড়ার স্থান বা মাতৃ মৎস্য ভাণ্ডার।
a ৬টি
b ৭টি
c ৪টি
d ৫টি
0 92 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৫টি কেন সঠিক: - ২০২০ সালে অনুষ্ঠিত বঙ্গবন্ধু টি-২০ কাপ টুর্নামেন্টে মোট ৫টি দল অংশ নিয়েছিল। - দলগুলো হলো গাজী গ্রুপ চট্টগ্রাম, জেমকন খুলনা, মিনিস্টার গ্রুপ রাজশাহী, ফরচুন বরিশাল এবং বেক্সিমকো ঢাকা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৬টি — এই টুর্নামেন্টে ৬টি দল ছিল না, সঠিক সংখ্যাটি হলো ৫টি। B) ৭টি — বিপিএল টুর্নামেন্টে সাধারণত ৭টি দল অংশ নিলেও এই বিশেষ টুর্নামেন্টে দল ছিল ৫টি। C) ৪টি — দলসংখ্যা ৪টি নয়, সঠিক সংখ্যাটি ৫টি। D) ৫টি — এটি সঠিক উত্তর এবং এই টুর্নামেন্টে মোট ৫টি দল অংশ নিয়েছিল। মনে রাখার টিপস: বঙ্গবন্ধু টি-২০ কাপের দলসংখ্যা মনে রাখতে হাতের পাঁচ আঙুলের কথা স্মরণ করতে পারেন, কারণ এতে দল ছিল ঠিক ৫টি।
a ইসলামাবাদ
b ঢাকা
c লাহোর
d করাচি
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) লাহোর কেন সঠিক: - ১৯৬৬ সালের ৫ থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে বিরোধী দলগুলোর একটি জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। - এই সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠার ঐতিহাসিক ছয় দফা দাবি পেশ ও ঘোষণা করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইসলামাবাদ — এটি পাকিস্তানের বর্তমান রাজধানী হলেও ঐতিহাসিক ছয় দফা কর্মসূচি এখানে ঘোষিত হয়নি। B) ঢাকা — ছয় দফা লাহোরে পেশ করার পর বঙ্গবন্ধু ঢাকায় ফিরে ৬ দফা কর্মসূচি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রচার করেন, কিন্তু ঘোষণা লাহোরে হয়েছিল। C) লাহোর — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানেই ঐতিহাসিক ছয় দফা কর্মসূচি প্রথম উত্থাপন করা হয়েছিল। D) করাচি — এটি পাকিস্তানের একটি প্রধান বন্দর ও সাবেক রাজধানী, তবে ছয় দফা ঘোষণার সঙ্গে এর কোনো ঐতিহাসিক সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: লাহোরে বসে বঙ্গবন্ধু বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ ছয় দফা ঘোষণা করেছিলেন।
a ঢাকা
b বরেন্দ্র
c সিলেট
d চট্টগ্রাম
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বরেন্দ্র কেন সঠিক: - বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর ১৯১০ সালে রাজশাহীতে প্রতিষ্ঠিত হয়, যা বাংলাদেশের তথা সমগ্র অঞ্চলের প্রাচীনতম জাদুঘর। - এটি মূলত প্রত্নতত্ত্ব সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এবং এর প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন কুমার শরৎ কুমার রায় ও অক্ষয় কুমার মৈত্রেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঢাকা — এটি প্রাচীনতম জাদুঘর নয়, ১৯১৩ সালে প্রতিষ্ঠিত ঢাকা জাদুঘর পরবর্তী সময়ের প্রতিষ্ঠান। C) সিলেট — সিলেটে এ ধরনের কোনো প্রাচীন বা প্রথম জাদুঘর প্রতিষ্ঠিত হয়নি। D) চট্টগ্রাম — চট্টগ্রামে প্রাচীনতম জাদুঘর প্রতিষ্ঠিত হয়নি, এটি সঠিক উত্তর নয়। মনে রাখার টিপস: প্রথম জাদুঘরের জন্য বরেন্দ্র বা রাজশাহী নামটি মনে রাখবে।
a নবীনচন্দ্র
b মাইকেল মধুসূদন
c মীর মশাররফ হোসেন
d কায়কোবাদ
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মাইকেল মধুসুদন কেন সঠিক: - মাইকেল মধুসুদন দত্তের মেঘনাদবধ কাব্য বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য। - অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত এই মহাকাব্যটি ১৮৬১ সালে প্রকাশিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নবীনচন্দ্র — তিনি একজন বিখ্যাত কবি ও মহাকাব্য রচয়িতা হলেও তার কাব্যগুলো সার্থক মহাকাব্যের পূর্ণাঙ্গ মর্যাদা পায়নি। B) মাইকেল মধুসুদন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) মীর মশাররফ হোসেন — তিনি মূলত ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক হিসেবে পরিচিত, মহাকাব্য রচয়িতা নন। D) কায়কোবাদ — তার মহাশ্মশান একটি মহাকাব্য হলেও এটি মাইকেল মধুসুদন দত্তের পর রচিত এবং সার্থকতার বিচারে দ্বিতীয়। মনে রাখার টিপস: সার্থক মহাকাব্য মানেই মাইকেল মধুসুদন দত্ত এবং তার মেঘনাদবধ কাব্য।
a অক্সফোর্ড অ্যাস্ট্রাজেনেকা-কোভিশিল্ড
b সিনোভ্যাক্সের করোনাভ্যাক
c ফাইজারের বায়োএনটেক জনসন
d এন্ড জনসন-জনসেন
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অক্সফোর্ড অ্যাস্ট্রাজেনেকা-কোভিশিল্ড প্রদত্ত তথ্য: বাংলাদেশে প্রথম ব্যবহৃত কোভিড-১৯ ভ্যাক্সিন হলো অক্সফোর্ড অ্যাস্ট্রাজেনেকা-কোভিশিল্ড সিরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়া এই ভ্যাক্সিন তৈরি করেছিল ধরি, প্রথম টিকাদান কর্মসূচির শুরুর তারিখ = ২৭শে জানুয়ারি, ২০২১ দেশব্যাপী টিকাদান শুরুর তারিখ = ৭ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ অতএব, প্রথম ধیাবে ভারত থেকে উপহার হিসেবে এই ভ্যাক্সিন আসে পরবর্তীতে বাণিজ্যিক চুক্তির মাধ্যমে এই ভ্যাক্সিন আনা হয় সুতরাং, বাংলাদেশে সর্বપ્રथम ব্যবহৃত প্রতিষেধক হিসেবে এটি চিহ্নিত হয় উত্তর: A) অক্সফোর্ড অ্যাস্ট্রাজেনেকা-কোভিশিল্ড
a চট্টগ্রাম
b খুলনা
c ঢাকা
d বরিশাল
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ঢাকা কেন সঠিক: - ক্র্যাক প্লাটুন ছিল ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে ঢাকায় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে গেরিলা আক্রমণ পরিচালনাকারী একটি বিশেষ দল। - এই শহুরে গেরিলা দলটির মূল লক্ষ্য ছিল অপারেশন বা ঝটিকা আক্রমণের মাধ্যমে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীকে আতঙ্কিত রাখা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চট্টগ্রাম — চট্টগ্রাম সেক্টরে অন্যান্য নিয়মিত ও অনিয়মিত বাহিনী যুদ্ধ করলেও ক্র্যাক প্লাটুন এখানে সক্রিয় ছিল না। B) খুলনা — খুলনা অঞ্চলে বিভিন্ন মুক্তিসংগ্রামের দল কার্যক্রম চালালেও ক্র্যাক প্লাটুন এই শহরে মোতায়েন ছিল না। C) ঢাকা — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এই অপশনের সঙ্গেই সম্পর্কিত বিধায় এটি ঢাকা শহরেই সক্রিয় ছিল। D) বরিশাল — বরিশাল মূলত সুন্দরবন সংলগ্ন এবং দক্ষিণ অঞ্চলের সেক্টরের অধীনে পরিচালিত হতো, যেখানে ক্র্যাক প্লাটুন ছিল না। মনে রাখার টিপস: ক্র্যাক প্লাটুন মানেই নগর যুদ্ধ, আর বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে এই নগর গেরিলা ইউনিটটি শুধু ঢাকা শহরেই বিখ্যাত সব অপারেশন পরিচালনা করেছিল।
a ১৯২৬ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি
b ১৯২৮ সালের ১০ এপ্রিল
c ১৯৩০ সালের ১০ মে
d ১৯৩২ সালের ১০ আগস্ট
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৯২৬ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি কেন সঠিক: - ১৯২৬ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রথমবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শন করেন এবং কার্জন হলে মুসলিম সাহিত্য সমাজের অনুষ্ঠানে বক্তৃতা দেন। - এই বক্তৃতার মূল বিষয়বস্তু ছিল সাহিত্য এবং বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯২৬ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি — এটি সঠিক সাল ও তারিখ হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। B) ১৯২৮ সালের ১০ এপ্রিল — এই তারিখে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আসেননি বা এই বক্তৃতাটি দেননি। C) ১৯৩০ সালের ১০ মে — এটি ভুল সাল ও তারিখ, কারণ তিনি ১৯২৬ সালেই প্রথম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বক্তৃতা দিয়েছিলেন। D) ১৯৩২ সালের ১০ আগস্ট — এই তারিখে কোনো ঐতিহাসিক বক্তৃতা বা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শনের ঘটনা ঘটেনি। মনে রাখার টিপস: রবীন্দ্রনাথ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম এসেছিলেন ১৯২৬ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি, সালটি মনে রাখলেই উত্তর নিশ্চিত করা সম্ভব।
a নেকড়ে অরণ্য
b নিষিদ্ধ লোবান
c বন্দী শিবির থেকে
d রাত্রিশেষ
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বন্দী শিবির থেকে কেন সঠিক: - শহীদ বুদ্ধিজীবী ও কবি শামসুর রাহমান রচিত বন্দী শিবির থেকে কাব্যগ্রন্থটি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত। - এই কাব্যগ্রন্থে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বরতা এবং বাঙালির মুক্তির সংগ্রামের চিত্র অত্যন্ত শিল্পসম্মতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নেকড়ে অরণ্য — এটি শওকত ওসমানের একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক হলেও কোনো কাব্যগ্রন্থ নয়। B) নিষিদ্ধ লোবান — এটি সৈয়দ শামসুল হকের একটি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস, কোনো কাব্যগ্রন্থ নয়। D) রাত্রিশেষ — এটি আলাউদ্দিন আল আজাদের একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয়। মনে রাখার টিপস: মুক্তিযুদ্ধের সময় কবি শামসুর রাহমান বন্দী ঢাকায় থেকেও কবিতায় বিদ্রোহ করেছিলেন, তাই কাব্যগ্রন্থটির নাম বন্দী শিবির থেকে।
a ইউনেস্কো
b বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি
c ইউনিসেফ
d নিরাপত্তা পরিষদ
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি কেন সঠিক: - বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি ২০২০ সালে সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে ক্ষুধা নিবারণ ও শান্তি প্রতিষ্ঠার অবদানের জন্য নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে। - এই সংস্থাটি বিশ্বজুড়ে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং মানবিক সহায়তা প্রদানে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইউনেস্কো — এটি শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতির প্রসারে কাজ করে, ২০২০ সালের শান্তিতে নোবেল পায়নি। B) বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি — এটি ২০২০ সালের শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করে। C) ইউনিসেফ — এটি শিশুদের অধিকার ও কল্যাণ রক্ষায় কাজ করে, ২০২০ সালের শান্তিতে নোবেল পায়নি। D) নিরাপত্তা পরিষদ — এটি জাতিসংঘের একটি মূল অঙ্গসংগঠন যা বিশ্বশান্তি রক্ষায় কাজ করে, নোবেল পুরস্কার লাভ করেনি। মনে রাখার টিপস: খাদ্য দিয়েই শান্তি আসে, তাই ২০২০ সালে শান্তির নোবেল পেয়েছিল বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি।
a সাতক্ষীরা
b রাঙামাটি
c সিলেট
d কক্সবাজার
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সিলেট কেন সঠিক: - রাতারগুল বাংলাদেশের একমাত্র সোয়াম্প ফরেস্ট বা জলাবন, যা সিলেট জেলার গোয়াইনঘাট উপজেলায় অবস্থিত। - প্রাকৃতিকভাবে গড়ে ওঠা এই বনের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এখানকার গাছপালা বছরের বেশিরভাগ সময় জলের নিচে ডুবে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাতক্ষীরা — এটি বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের একটি জেলা, যা সুন্দরবনের জন্য পরিচিত এবং এখানে কোনো সোয়াম্প ফরেস্ট নেই। B) রাঙামাটি — এটি পাহাড়ি জেলা এবং কাপ্তাই হ্রদের জন্য বিখ্যাত, কিন্তু এটি কোনো জলাবন বা রাতারগুল নয়। C) সিলেট — এটি সঠিক উত্তর কারণ রাতারগুল জলাবনটি এই জেলার গোয়াইনঘাটেই অবস্থিত। D) কক্সবাজার — এটি সমুদ্রসৈকত ও পাহাড়ের জন্য পরিচিত দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের জেলা, এখানে রাতারগুল অবস্থিত নয়। মনে রাখার টিপস: সিলেট অঞ্চলের সোয়াম্প ফরেস্ট বা জলাবন মনে রাখতে রাতারগুল নামটি মাথায় রাখুন।
a প্রীতিলতা
b লক্ষীরাণী
c কাদম্বিনী
d ইলা মিত্র
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ইলা মিত্র কেন সঠিক: - ইলা মিত্র তেভাগা আন্দোলনের সময় চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে কৃষকদের সংগঠিত করেন এবং নাচোল বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেন। - তিনি সংগ্রামী কৃষক ও সাঁওতালদের অধিকার আদায়ের জন্য জমিদার ও ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রীতিলতা — তিনি ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের বীর নারী শহীদ এবং পাহাড়তলী ইউরোপীয় ক্লাব আক্রমণের নেত্রী ছিলেন, নাচোল বিদ্রোহের সাথে যুক্ত নন। B) লক্ষীরাণী — এটি এই প্রশ্নের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো ঐতিহাসিক নেত্রীর নাম নয়। C) কাদম্বিনী — কাদম্বিনী গাঙ্গুলী ব্রিটিশ ভারতের প্রথম দুই জন নারী স্নাতকদের একজন ও প্রথম নারী চিকিৎসক ছিলেন। D) ইলা মিত্র — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি নাচোল বিদ্রোহের নেত্রী হিসেবে পরিচিত। মনে রাখার টিপস: নাচোল বিদ্রোহের নেত্রীকে মনে রাখতে 'নাচোল' ও 'ইলা মিত্র' এই দুটি নাম একত্রে মনে রাখুন।
a 2024
b 2028
c 2026
d 2030
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২০২৬ কেন সঠিক: - জাতিসংঘ ঘোষিত নীতিমালা অনুযায়ী বাংলাদেশ এলডিসি থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের জন্য নির্ধারিত সময় পার করছে। - কোভিড মহামারীজনিত কারণে উত্তরণের এই সময়সীমা দুই বছর বাড়িয়ে ২০২৬ সাল নির্ধারণ করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০২৪ — এই সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কাউন্সিলের মূল্যায়ন সভা ছিল, যা উত্তরণের মূল বছর নয়। B) ২০২৮ — এটি কোনো অফিসিয়াল উত্তরণের বছর নয়, যদিও দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক প্রক্ষেপণে এই সাল নিয়ে নানা আলোচনা হয়। C) ২০২৬ — এটি সঠিক উত্তরণের বছর হওয়ায় এই অপশনটি এই প্রশ্নের ক্ষেত্রে সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়। D) ২০৩০ — এটি এসডিজি বা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের নির্ধারিত বছর, যা উন্নয়নশীল দেশ হওয়ার সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পাবে দুই হাজার ছাব্বিশ সালে।
a ভারত
b যুক্তরাজ্য
c অস্ট্রেলিয়া
d জাপান
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অস্ট্রেলিয়া কেন সঠিক: - উইলিয়াম এ এস ওডারল্যান্ড ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে সাহসিকতার জন্য বীর প্রতীক খেতাব লাভ করেন। - তিনি একমাত্র বিদেশি নাগরিক যিনি মুক্তিযুদ্ধে অসাধারণ অবদানের জন্য বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় খেতাবে ভূষিত হন এবং তিনি অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক ছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারত — ভারত মুক্তিযুদ্ধে সর্বাত্মক সহযোগিতা করলেও এই খেতাবপ্রাপ্ত একমাত্র বিদেশি নাগরিক অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক ছিলেন। B) যুক্তরাজ্য — যুক্তরাজ্য কূটনৈতিক সহায়তা দিলেও এই খেতাবের প্রাপ্ত ব্যক্তি এই দেশের নাগরিক ছিলেন না। C) অস্ট্রেলিয়া — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশন ভুল নয়। D) জাপান — জাপান এই যুদ্ধের সঙ্গে সরাসরি এই ধরনের খেতাব অর্জনের ক্ষেত্রে সম্পৃক্ত ছিল না। মনে রাখার টিপস: বিদেশি বীর প্রতীক ওডারল্যান্ড অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক ছিলেন, যা মনে রাখতে অস্ট্রেলিয়ার প্রথম অক্ষর অ এবং ওডারল্যান্ডের ও যুক্ত করে মনে রাখা যায়।
a বিল গেটস
b স্টিভ জবস
c টিম বার্নাস লি
d জেফ বেজোস
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) টিম বার্নাস লি ১. কেন সঠিক: ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব বা ডব্লিউডব্লিউডব্লিউ এর জনক হলেন টিম বার্নাস লি। তিনি ১৯৮৯ সালে সুইজারল্যান্ডের সার্ন ল্যাবরেটরিতে এই বৈপ্লবিক প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেন। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে সংযুক্ত হাইপারটেক্সট ডকুমেন্টের একটি বিশাল ভাণ্ডার। কার্যপদ্ধতি: এটি ক্লায়েন্ট সার্ভার আর্কিটেকচারের মাধ্যমে কাজ করে যেখানে ব্রাউজার সার্ভার থেকে তথ্য এনে প্রদর্শন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গুগল ক্রোম বা মজিলা ফায়ারফক্স ব্রাউজারে কোনো ঠিকানা লেখা। ব্যাখ্যা: এটি ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের মাধ্যমেই ইন্টারনেটের বিভিন্ন পেজ বা ওয়েবসাইট আমাদের স্ক্রিনে নিয়ে আসে। উদাহরণ ২: কোনো অনলাইন পত্রিকার লিংকে ক্লিক করে খবর পড়া। ব্যাখ্যা: এটি ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের হাইপারলিংক কাঠামোর সুবাদে এক পৃষ্ঠা থেকে অন্য পৃষ্ঠায় সহজে নিয়ে যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিল গেটস — তিনি মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা এবং এমএস ডস ও উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের উন্নয়নে প্রধান ভূমিকা পালন করেছিলেন। B) স্টিভ জবস — তিনি অ্যাপল কোম্পানির সহ-প্রতিষ্ঠাতা এবং ম্যাকিনটশ কম্পিউটার ও আইফোন উদ্ভাবনে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। D) জেফ বেজোস — তিনি বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান অ্যামাজনের প্রতিষ্ঠাতা এবং ক্লাউড কম্পিউটিং সেবা এডব্লিউএস এর প্রবক্তা। ৫ মনে রাখার টিপস: টিমের ওয়েবসাইট বা ওয়েব বানিয়েছেন টিম বার্নাস লি এই কৌশলটি মনে রাখতে পারেন। ডব্লিউডব্লিউডব্লিউ এর পূর্ণরূপ ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব এবং ইন্টারনেট দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন ধারণা। ইন্টারনেট হলো সংযোগ ব্যবস্থা আর ডব্লিউডব্লিউডব্লিউ হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য আদান প্রদানের মাধ্যম।
a DVU
b UVD
c VDU
d CCTV
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) VDU ১. কেন সঠিক: - কম্পিউটার মনিটরকে VDU বলা হয় কারণ এর পূর্ণরূপ হলো Visual Display Unit। - এটি কম্পিউটারের প্রধান আউটপুট ডিভাইস হিসেবে প্রসেসিং করা ডেটা বা তথ্য মানুষের দৃশ্যমান রূপ বা ছবির মাধ্যমে প্রদর্শন করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: VDU হলো এমন একটি ইলেকট্রনিক ডিসপ্লে ডিভাইস যা কম্পিউটারের ভেতর থেকে আসা সিগন্যালকে রিসিভ করে ব্যবহারকারীর চোখের সামনে দৃশ্যমান টেক্সট, ছবি বা ভিডিও আকারে প্রকাশ করে। - কার্যপদ্ধতি: এটি গ্রাফিক্স কার্ড বা প্রসেসর থেকে ভিডিও সিগন্যাল গ্রহণ করে পিক্সেল বা উপাদানের সাহায্যে স্ক্রিনে আলো ও রঙের সমন্বয়ে চিত্র তৈরি করে। - বৈশিষ্ট্য: এটি সফট কপি বা অস্থায়ী আউটপুট প্রদান করে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী রেজুলেশন ও রিফ্রেশ রেট পরিবর্তন করা যায়। - ব্যবহার: ব্যক্তিগত কম্পিউটার, ল্যাপটপ, সার্ভার টার্মিনাল এবং বিভিন্ন নিয়ন্ত্রণ কক্ষে ভিজ্যুয়াল আউটপুট দেখার জন্য মনিটর বা VDU ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ডেস্কটপ কম্পিউটার চালু করার পর স্ক্রিনে যে উইন্ডোজ বা ডেস্কটপ ব্যাকগ্রাউন্ড দেখা যায়। ব্যাখ্যা: প্রসেসর থেকে নির্দেশ পাওয়ার পর মনিটর বা VDU সেই গ্রাফিকাল ইন্টারফেসটি ব্যবহারকারীর সামনে দৃশ্যমান করে তোলে। উদাহরণ ২: ল্যাপটপের সাথে যুক্ত ডিসপ্লে স্ক্রিন। ব্যাখ্যা: এটি ইন্টারনাল গ্রাফিক্স কার্ডের সাহায্যে প্রসেসিং করা সমস্ত ভিজ্যুয়াল ডেটা রিয়েল-টাইমে প্রদর্শন করতে কাজ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) DVU — এটি কোনো স্ট্যান্ডার্ড কম্পিউটার প্রযুক্তি বা ডিভাইসের নাম নয়। B) UVD — এটি মনিটরের সঠিক পূর্ণরূপ বা সমার্থক শব্দ নয়। D) CCTV — এর পূর্ণরূপ Closed-Circuit Television, যা মূলত নিরাপত্তা নজরদারির জন্য ব্যবহৃত ক্যামেরা ও ডিসপ্লে সিস্টেম। ৫. মনে রাখার টিপস: - মনিটর মানেই যা দেখা যায়, আর দেখার ইংরেজি শব্দ ভিউ থেকে VDU বা Visual Display Unit এসেছে। - ইনপুট ডিভাইসের সাথে আউটপুট ডিভাইস হিসেবে মনিটরের বিকল্প নাম মনে রাখতে VDU সংক্ষিপ্ত রূপটি মাথায় রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - কম্পিউটার মনিটর হলো একটি বহুল ব্যবহৃত আউটপুট ডিভাইস এবং সফট কপি আউটপুটের প্রধান মাধ্যম। - এই ধরনের প্রশ্নে প্রায়শই বিভ্রান্তিকর সংক্ষিপ্ত রূপ অপশনে দেওয়া হয়, তাই পূর্ণরূপগুলো ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a CD Rom
b Floppy
c Blue Ray Disk
d Red Ray Disk
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Blue Ray Disk ১. কেন সঠিক: - ব্লু-রে ডিস্ক একটি অপটিক্যাল স্টোরেজ ডিভাইস যাতে সাধারণ ডিভিডি বা সিডির তুলনায় অনেক বেশি তথ্য ধারণ করা যায়। - এতে নীল রঙের লেজার রশ্মি ব্যবহার করা হয় যার তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম হওয়ায় ডেটা অনেক ঘন করে সংরক্ষণ করা সম্ভব হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: ব্লু-রে ডিস্ক হলো একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন ডিজিটাল অপটিক্যাল ডিস্ক ফরম্যাট যা মূলত হাই-ডেফিনেশন ভিডিও এবং বিশাল পরিমাণ ডেটা সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়। - কার্যপদ্ধতি: এটি ডেটা রিড ও রাইট করার জন্য সংক্ষিপ্ত তরঙ্গদৈর্ঘ্যের ৪০৫ ন্যানোমিটার নীল-বেগুনি লেজার রশ্মি ব্যবহার করে যা ছোট আকারের পিট তৈরি করতে পারে। - বৈশিষ্ট্য: একটি সিঙ্গেল লেয়ার ব্লু-রে ডিস্কে সাধারণত ২৫ গিগাবাইট এবং ডুয়েল লেয়ারে ৫০ গিগাবাইট পর্যন্ত ডেটা সংরক্ষণ করা সম্ভব। - ব্যবহার: আধুনিক ভিডিও গেম কনসোল, উচ্চ মানের চলচ্চিত্র বা মুভি সংরক্ষণ এবং বড় আকারের ব্যাকআপ রাখতে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: একটি পূর্ণদৈর্ঘ্য হাই-ডেফিনেশন চলচ্চিত্র। ব্যাখ্যা: চমৎকার মানের একটি ভিডিও ফাইল আকারে অনেক বড় হওয়ায় তা সাধারণ ডিভিডিতে ধরে না, কিন্তু ব্লু-রে ডিস্কে খুব সহজে রাখা যায়। উদাহরণ ২: প্লেস্টেশন গেম ডিস্ক। ব্যাখ্যা: আধুনিক ভিডিও গেমগুলোতে প্রচুর গ্রাফিক্স ও ডেটা থাকে যা ব্লু-রে ডিস্কের মাধ্যমে চালনা করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) CD Rom - সিডি রম বা কম্প্যাক্ট ডিস্ক রিড অনলি মেমরির ধারণক্ষমতা মাত্র প্রায় ৭০০ মেগাবাইট যা ডিভিডির চেয়েও অনেক কম। B) Floppy - ফ্লপি ডিস্ক একটি প্রাচীন ও অত্যন্ত সীমিত ক্ষমতাসম্পন্ন চৌম্বকীয় স্টোরেজ ডিভাইস যার ধারণক্ষমতা মাত্র ১.৪৪ মেগাবাইট। D) Red Ray Disk - এটি কোনো স্ট্যান্ডার্ড বা প্রচলিত অপটিক্যাল ডিস্ক ফরম্যাট নয়, মূলত বিভ্রান্ত করার জন্য এই অপশনটি তৈরি করা হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - সিডি ধারণ করে ৭০০ মেগাবাইট, ডিভিডি ধারণ করে ৪.৭ গিগাবাইট এবং ব্লু-রে ডিস্ক ধারণ করে ২৫ গিগাবাইট বা তার বেশি। - লেজারের তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত কম হয়, ডেটা ধারণ ক্ষমতা তত বেশি হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ব্লু-রে ডিস্কে নীল লেজার ব্যবহারের কারণে এর নাম ব্লু-রে রাখা হয়েছে। - অপটিক্যাল ডিস্কগুলোর মধ্যে বর্তমানে ব্লু-রে ডিস্ক সর্বোচ্চ ধারণক্ষমতার জন্য পরিচিত।

মোট প্রশ্ন (17)

a Spot facing
b Reaming
c Boring
d Drilling
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Drilling ১. কেন সঠিক: ড্রিিলং মেশিন বা ড্রিল প্রেস হলো এমন একটি যন্ত্র যা মূলত ধাতব বা অন্যান্য বস্তুর মধ্যে গোল ছিদ্র বা গর্ত করার কাজে ব্যবহার করা হয়। প্রশ্নে ড্রিলিং মেশিন দ্বারা সম্পন্ন প্রধান অপারেশন সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়েছে এবং এর মূল কাজ হলো ড্রিলিং বা ছিদ্র করা। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এই প্রশ্নটি মূলত প্রকৌশল বা যন্ত্রপ্রযুক্তি বিষয়ক সাধারণ জ্ঞান বা পারিভাষিক শব্দের অন্তর্ভুক্ত। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধারণ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অংশ থেকে এমন প্রশ্ন প্রায়ই আসে। যন্ত্রাংশের এই অপারেশনগুলো নির্দিষ্ট কাজের জন্য নির্দিষ্ট কাটিং টুল ব্যবহার করে সম্পন্ন করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লেদ মেশিনে ল্যাথ অপারেশন করা হয়। ব্যাখ্যা: লেদ মেশিন মূলত নলাকার বস্তু কাটার জন্য ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: মিলিং মেশিনে স্লট কাটা হয়। ব্যাখ্যা: মিলিং কাটার ঘুরিয়ে বস্তুর পৃষ্ঠতল মসৃণ বা কাটা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Spot facing — এই অপারেশনটি ড্রিল করা গর্তের মুখ প্রশস্ত ও সমতল করার জন্য করা হয়, যা ড্রিলিংয়ের পরের ধাপ। B) Reaming — এই অপারেশনটি ইতিমধ্যে করা গর্তের ব্যাস নিখুঁতভাবে বাড়ানোর এবং মসৃণ করার জন্য করা হয়। C) Boring — এই অপারেশনটি ওয়ার্কপিসের ভেতরের ছিদ্রকে আরও বড় ও সঠিক মাপে আনার জন্য ব্যবহার করা হয়। D) Drilling — এটি সরাসরি মূল ছিদ্র তৈরির অপারেশন বিধায় এটি সঠিক। ৫. মনে রাখার টিপস: যন্ত্রের নামের সঙ্গে কাজের মিল খুঁজলে উত্তর বের করা সহজ হয়। ড্রিিলং শব্দের অর্থই হলো ছিদ্র করা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ড্রিলিং মেশিনের মূল কাজ নতুন ছিদ্র তৈরি করা। অন্যান্য অপারেশনগুলো সাধারণত ড্রিলিংয়ের পরবর্তী ফিনিশিং কাজ হিসেবে বিবেচিত হয়।
a রবি
b শশী
c পবন
d বসুধা
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রবি ১. কেন সঠিক: - রবি শব্দের অর্থ সূর্য যা তাপ ও আলো প্রদানকারী একটি নক্ষত্র। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ হিসেবে সূর্য বা রবি প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দ যা ভিন্ন বানান ও উচ্চারণের হলেও একই বা প্রায় একই অর্থ প্রকাশ করে। - বাংলা ভাষায় সমার্থক শব্দ মূলত সংস্কৃত ভাষা থেকে প্রাকৃত ও অপভ্রংশের মাধ্যমে কিংবা সরাসরি তৎসম শব্দ হিসেবে এসেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তপন ব্যাখ্যা: তপন শব্দের অর্থ সূর্য যা তাপ দেয় এবং এটি সূর্যের একটি বহুল প্রচলিত তৎসম সমার্থক শব্দ। উদাহরণ ২: দিনমণি ব্যাখ্যা: দিনমণি শব্দের অর্থ দিনের মণি বা সূর্য যা আকাশকে আলোকিত করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবি — এটি সূর্যের সঠিক সমার্থক শব্দ এবং প্রশ্নানুযায়ী সঠিক উত্তর। B) শশী — শশী শব্দের অর্থ চাঁদ, যা সূর্যের বিপরীত বা ভিন্ন একটি জ্যোতিষ্ক। C) পবন — পবন শব্দের অর্থ বাতাস বা বায়ু, যা সূর্যের সমার্থক শব্দ নয়। D) বসুধা — বসুধা শব্দের অর্থ পৃথিবী বা ভূতল, যা সূর্যের সমার্থক শব্দ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - সূর্যের সমার্থক শব্দ মনে রাখার সহজ কৌশল হলো প্রকৃতির উপাদান যেমন রবি, তপন, দিনেশ, ভাস্কর শব্দগুলো একসঙ্গে চর্চা করা। - চন্দ্র বা শশীর সঙ্গে সূর্যের সমার্থক শব্দগুলো গুলিয়ে ফেলা যাবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সূর্য, চাঁদ, বাতাস ও পৃথিবী সংক্রান্ত সমার্থক শব্দ প্রায়ই ভিন্ন অপশনে সাজিয়ে দেওয়া হয়। - প্রতিটি শব্দের মূল অর্থ পরিষ্কার রাখলে সহজেই সঠিক সমার্থক শব্দ নির্বাচন করা সম্ভব।
a সুফিয়া কামাল
b রাজিয়া বেগম
c রাবেয়া খাতুন
d সেলিনা হোসেন
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সেলিনা হোসেন ১. কেন সঠিক: - 'নীল মহুত্রের যৌবন' একটি বিখ্যাত বাংলা উপন্যাস যার রচয়িতা কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন। - বাংলা কথাসাহিত্যে সমসাময়িক জীবন ও ইতিহাসের পটভূমিতে রচিত উপন্যাসের জন্য এই গ্রন্থটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সেলিনা হোসেন বাংলাদেশের প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক যিনি মূলত উপন্যাস ও ছোটগল্প রচনার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। - তাঁর উপন্যাসে সাধারণত সামাজিক বাস্তবতা, নারীর অধিকার, মুক্তিযুদ্ধ এবং ইতিহাস ফুটিয়ে ওঠে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'যাপিত জীবন' ব্যাখ্যা: এটি সেলিনা হোসেন রচিত অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি উপন্যাস। উদাহরণ ২: 'পোকামাকড়ের ঘরবসতি' ব্যাখ্যা: এটিও সেলিনা হোসেনের একটি প্রশংসিত উপন্যাস যা পরবর্তীতে চলচ্চিত্রে রূপায়িত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুফিয়া কামাল — তিনি মূলত একজন প্রখ্যাত কবি ও সাহিত্যিক ছিলেন, উপন্যাস রচয়িতা হিসেবে তিনি পরিচিত নন। B) রাজিয়া বেগম — তিনি এই উপন্যাসের রচয়িতা নন, তাঁর অন্যান্য সাহিত্যকর্ম রয়েছে। C) রাবেয়া খাতুন — তিনি খ্যাতিমান কথাসাহিত্যিক হলেও 'নীল মহুত্রের যৌবন' উপন্যাসের রচয়িতা সেলিনা হোসেন। D) সেলিনা হোসেন — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি প্রশ্নের চাহিদার সঙ্গে সম্পূর্ণ মিলে যায়। ৫. মনে রাখার টিপস: - সেলিনা হোসেনের উপন্যাস মনে রাখার জন্য তাঁর প্রধান রাজনৈতিক ও সামাজিক উপন্যাসগুলোর একটি তালিকা তৈরি করতে পারো। - 'নীল মহুত্রের যৌবন' নামটি মনে রাখলে সেলিনা হোসেনের রচনার বৈচিত্র্য সহজে বোঝা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সেলিনা হোসেনের উপন্যাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - লেখকদের বিখ্যাত উপন্যাসগুলোর নাম মুখস্থ রাখলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা সম্ভব।
a ধ্বনিতত্ত্ব
b রূপতত্ত্ব
c বাক্যতত্ত্ব
d বাগার্থ তত্ত্ব
0 93 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ধ্বনিতত্ত্ব ১. কেন সঠিক: সন্ধি শব্দের অর্থ মিলন। ব্যাকরণের যে অংশে ধ্বনির পরিবর্তন, ধ্বনির মিলন এবং ধ্বনি সম্পর্কিত নিয়মাবলী আলোচনা করা হয়, তাকে ধ্বনিতত্ত্ব বলে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে ধ্বনি সংক্রান্ত আলোচনা ধ্বনিতত্ত্বে করা হয়। দুটি ধ্বনির মিলন বা পরিবর্তনের মাধ্যমে শব্দের উচ্চারণ সহজ করা সন্ধির প্রধান কাজ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিদ্যা + আলয় = বিদ্যালয়। ব্যাখ্যা: এখানে আ এবং আ মিলে একটি আ ধ্বনি হয়েছে, যা ধ্বনিতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়। উদাহরণ ২: হিম + আলয় = হিমালয়। ব্যাখ্যা: এখানে অ এবং আ মিলে আ ধ্বনি তৈরি হয়েছে, যা ধ্বনির মিলন ও পরিবর্তনের উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধ্বনিতত্ত্ব — সঠিক উত্তর কারণ সন্ধি ধ্বনি ও তার পরিবর্তন নিয়ে কাজ করে। B) রূপতত্ত্ব — ভুল কারণ রূপতত্ত্বে শব্দ, পদ, বচন ও লিঙ্গ ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করা হয়। C) বাক্যতত্ত্ব — ভুল কারণ বাক্যতত্ত্বে পদের বিন্যাস এবং বাক্য গঠন নিয়ে আলোচনা করা হয়। D) বাগার্থ তত্ত্ব — ভুল কারণ বাগার্থ তত্ত্বে শব্দের অর্থ ও অর্থের পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা করা হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: সন্ধি মানে শব্দের বা ধ্বনির মিলন। ধ্বনির মিলন বা পরিবর্তন মানেই ধ্বনিতত্ত্ব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ব্যাকরণের আলোচ্য বিষয় থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। ধ্বনিতত্ত্বের অন্য প্রধান আলোচ্য বিষয়গুলো হলো বর্ণ, নত্ব বিধান, ষত্ব বিধান ও সন্ধি।
a আকাঙ্ক্ষা
b আসক্তি
c যোগ্যতা
d আসত্তি
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আসক্তি কেন সঠিক: - একটি সার্থক বাক্য গঠনের জন্য ব্যাকরণগতভাবে প্রধান তিনটি গুণের প্রয়োজন হয়, যার মধ্যে আসক্তি কোনো গুণ নয়। - বাক্যে শব্দগুলোর সঠিক বিন্যাস বা পদবিন্যাসকে আসত্তি বলা হয়, কিন্তু আসক্তি বলতে মনের ভাব প্রকাশের আকাঙ্ক্ষাকে বোঝায় যা বাক্যের একটি মূল গুণ হলেও এই প্রশ্নে বানান বা শব্দের পার্থক্যের কারণে এটি সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - একটি সার্থক বাক্যের প্রধান তিনটি গুণ হলো আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি এবং যোগ্যতা। - আকাঙ্ক্ষা হলো বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণভাবে বোঝার জন্য এক পদের পর অন্য পদ শোনার ইচ্ছা। - যোগ্যতা হলো বাক্যের পদগুলোর অর্থের সংগতি ও ভাবগত মিলবন্ধন। - আসত্তি হলো বাক্যের অর্থ পরিষ্কার করার জন্য সুশৃঙ্খল পদবিন্যাস বা পরপর পদ সাজিয়ে বসার নিয়ম। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) আকাঙ্ক্ষা — এটি সার্থক বাক্যের একটি অন্যতম প্রধান গুণ। - B) আসক্তি — এই শব্দটি বাক্যের গুণের ক্ষেত্রে সাধারণত ব্যাকরণে গ্রহণযোগ্য নয়, এখানে সঠিক শব্দটি আসত্তি। - C) যোগ্যতা — এটি সার্থক বাক্যের অর্থগত মিল ও ভাব প্রকাশের প্রধান একটি গুণ। - D) আসত্তি — এটি সার্থক বাক্যের সুশৃঙ্খল পদবিন্যাস বা গুণের অন্তর্ভুক্ত। মনে রাখার টিপস: - সার্থক বাক্যের তিনটি গুণ মনে রাখার সহজ উপায় হলো আআয বা আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি এবং যোগ্যতা। - আসত্তি মানে সাজিয়ে বসা এবং আসক্তি মানে কোনো কিছুর প্রতি তীব্র টান, তাই বাক্যের ক্ষেত্রে আসত্তি শব্দটি সঠিক।
a হুতোম প্যাঁচা
b অবধূত
c বীরবল
d টেকচাঁদ ঠাকুর
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বীরবল ১. কেন সঠিক: প্রমথ চৌধুরী বাংলা সাহিত্যে ছদ্মনাম ব্যবহারের এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন। তিনি তার সাহিত্যকর্মে 'বীরবল' ছদ্মনামটি ব্যবহার করতেন এবং এই নামেই তিনি বাংলা সাহিত্যে চলতি রীতির প্রবর্তক হিসেবে অমর হয়ে আছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: প্রমথ চৌধুরী ছিলেন বিশ শতকের প্রথমার্ধের এক বিশিষ্ট বাঙালি সাহিত্যিক, প্রাবন্ধিক ও চিন্তাবিদ। তিনি বাংলা গদ্যে সাধু ভাষার পরিবর্তে চলতি বা কথ্য রীতির প্রবর্তন করেন এবং তার সম্পাদিত 'সবুজপত্র' পত্রিকার মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যে বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন গড়ে তোলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বীরবল ছদ্মনামে প্রমথ চৌধুরীর রচিত বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ হলো 'বীরবলের হালখাতা'। ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থটিতে তার তীক্ষ্ণ বুদ্ধিদীপ্ত ও রম্য গদ্যশৈলীর অপূর্ব প্রকাশ ঘটেছে যা বাংলা প্রবন্ধ সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছে। উদাহরণ ২: প্রমথ চৌধুরীর আরেকটি জনপ্রিয় প্রবন্ধগ্রন্থ হলো 'চরমপত্র'। ব্যাখ্যা: এটি তার অন্যতম শ্রেষ্ঠ সাহিত্যকর্ম যেখানে তিনি সমাজের নানা অসংগতি ও সমকালীন রাজনৈতিক পরিস্থিতি অত্যন্ত মুন্সিয়ানার সঙ্গে তুলে ধরেছেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হুতোম প্যাঁচা — এটি কালীপ্রসন্ন সিংহের বিখ্যাত ছদ্মনাম, যিনি 'হুতোম প্যাঁচার নকশা' লিখে বিখ্যাত হয়েছেন। B) অবধূত — এটি মূলত ঔপন্যাসিক ও আধ্যাত্মিক সাধক কালিপপদ মুখোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম যিনি 'মরুতীর্থ বায়বৈদ্য' উপন্যাস লিখেছেন। D) টেকচাঁদ ঠাকুর — এটি প্রখ্যাত সাহিত্যিক প্যারিচাঁদ মিত্রের ছদ্মনাম যিনি 'আলালের ঘরের দুলাল' উপন্যাসের রচয়িতা। ৫ মনে রাখার টিপস: প্রমথ চৌধুরীর 'প্র' অক্ষর এবং 'বীরবল' নামের শেষাংশ মিলিয়ে মনে রাখতে পারো যে প্রমথ চৌধুরী মানেই বুদ্ধিদীপ্ত বীরবল। অথবা এভাবে মনে রেখো যে চলিতরীতির প্রবক্তা প্রমথ চৌধুরী সবসময় বীরের মতো সাহসিকতার সঙ্গে নতুন ধারা নিয়ে এসেছিলেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ছদ্মনাম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম 'বীরবল' এবং তার সম্পাদিত পত্রিকার নাম 'সবুজপত্র' অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দুটি তথ্য যা বারবার বিভিন্ন পরীক্ষায় আসে।
a ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
b বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
c প্যারীচাঁদ মিত্র
d বিহারীলাল
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১. কেন সঠিক: - 'রচনার শিল্পগুণ' প্রবন্ধটির রচায়িতা বাংলা উপন্যাসের জনক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। - সাহিত্যকর্মে শিল্পসৌন্দর্য, ভাষা ও রচনার গুণগত মান ফুটিয়ে তোলার ক্ষেত্রে বঙ্কিমচন্দ্র এই প্রবন্ধে গভীর সাহিত্যিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ করেছেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের সার্থক স্রষ্টা এবং বাংলা সাহিত্য জগতের এক যুগান্তকারী ব্যক্তিত্ব। - তাঁর প্রবন্ধ সাহিত্য বাংলা গদ্যের পরিশীলিত রূপ গঠনে এবং মননশীলতা বিকাশে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কমলাকান্তের দপ্তর ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত মননশীল ও ব্যঙ্গাত্মক রচনা। উদাহরণ ২: লোকরহস্য ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের অপর একটি বিখ্যাত প্রবন্ধ গ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — তিনি বাংলা গদ্যের জনক ও প্রাবন্ধিক হলেও 'রচনার শিল্পগুণ' প্রবন্ধটির লেখক নন। B) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — এই অপশনটি সঠিক এবং প্রবন্ধটির রচায়িতা হিসেবে পরীক্ষিত সত্য। C) প্যারীচাঁদ মিত্র — তিনি প্রথম সার্থক সামাজিক উপন্যাস আলালের ঘরের দুলাল এর রচায়িতা কিন্তু এই প্রবন্ধের লেখক নন। D) বিহারীলাল — তিনি ভোরের পাখি নামে পরিচিত প্রধানত একজন গীতিকবি, কোনো প্রাবন্ধিক নন। ৫. মনে রাখার টিপস: - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের মননশীল প্রবন্ধ ও সাহিত্য সমালোচনামূলক রচনার তালিকা ভালোভাবে পড়লে এই প্রশ্ন সহজে আয়ত্ত করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা গদ্য ও প্রবন্ধের উৎস এবং প্রাবন্ধিকদের নাম প্রায়ই আসে। - বঙ্কিমচন্দ্রের প্রাবন্ধিক পরিচয় ও তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থগুলোর নাম বারবার অনুশীলনের মাধ্যমে মনে রাখতে হবে।
a আসার
b আশার
c আষাঢ়
d আষাড়
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আষাঢ় ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী সম্পূর্ণ নির্ভুল। - বাংলা বর্ণমালার মূর্ধন্য বর্ণ ব্যবহারের নিয়ম এবং যুক্তবর্ণের সঠিক রূপের কারণে এই বানানটি প্রমিত হিসেবে গৃহীত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা বানানরীতিতে তৎসম ও অর্ধ-তৎসম শব্দে মূর্ধন্য ণ এবং ষ এর ব্যবহার নির্দিষ্ট নিয়মে হয়। - আষাঢ় শব্দটি একটি তৎসম শব্দ যেখানে মূর্ধন্য ণ এর পরিবর্তে মূর্ধন্য ঢ় যুক্ত হয়েছে, যা বাংলা বর্ণমালার একটি মৌলিক বর্ণ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আশাড় ব্যাখ্যা: এটি একটি ভুল বানান কারণ এতে মূর্ধন্য ঢ় এর পরিবর্তে ড ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: আষাঢ় ব্যাখ্যা: আধুনিক প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এই শব্দটিতে মূর্ধন্য ঢ় এর স্থানে অনেক সময় ভুলবশত ড বিন্দু ড় ব্যবহার করা হয় যা অগ্রহণযোগ্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আসার — এই বানানটি ভুল কারণ এতে সঠিক বর্ণ বা ধ্বনি অর্থাৎ মূর্ধন্য ঢ় অনুপস্থিত রয়েছে। B) আশার — এই বানানটি ভুল কারণ এখানে মূর্ধন্য ঢ় এর বদলে ড ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ। C) আষাঢ় — এটি সঠিক বানান এবং বাংলা একাডেমি কর্তৃক অনুমোদিত প্রমিত রূপ। D) আষাড় — এই বানানটি ভুল কারণ এতে মূর্ধন্য ষ এর স্থলে অন্য বর্ণ বা ভুল ধ্বনি ব্যবহার করা হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - আষাঢ় বানানটি মনে রাখতে খেয়াল রাখবে যে ঋতুপঞ্জির এই মাসের নামে মূর্ধন্য ঢ় যুক্ত থাকে। - পরীক্ষার হলে বিভ্রান্ত হওয়ার জন্য দন্ত স বা ড বিন্দু র যুক্ত অপশনগুলোতে বেশি নজর দেওয়া হয়, তাই মূল বানানের মধ্যের অংশটি ভালোভাবে খেয়াল রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মাস এবং ঋতুর নাম সংক্রান্ত বানানগুলো প্রায়ই পরীক্ষণে আসে। - প্রমিত বানান শেখার জন্য বাংলা একাডেমির আধুনিক বানান অভিধান অনুসরণ করা সবচেয়ে নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য পথ।
a সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
b আবু জাফর শামসুদ্দীন
c শামসুদ্দীন আবুল কালাম
d জসীমউদ্‌দীন
0 92 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শামসুদ্দীন আবুল কালাম ১. কেন সঠিক: - 'কাশবনের কন্যা' হলো বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক শামসুদ্দীন আবুল কালাম রচিত একটি প্রখ্যাত সামাজিক উপন্যাস। - এই উপন্যাসে মূলত বাংলার গ্রামীণ জনপদ, সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা এবং নদীমাতৃক সংস্কৃতির নিখুঁত চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কথাসাহিত্যিক শামসুদ্দীন আবুল কালাম ১৯২৬ সালে বরিশালের জন্মগ্রহণ করেন এবং তিনি মূলত গ্রামীণ জীবনভিত্তিক উপন্যাসের জন্য বিশেষ পরিচিতি লাভ করেন। - তাঁর রচিত 'কাশবনের কন্যা' উপন্যাসটি বাংলা সাহিত্যে আঞ্চলিক উপন্যাসের ধারায় একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন হিসেবে বিবেচিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আল মাহমুদের 'কাবিলের বোন' ব্যাখ্যা: এটি লেখকের একটি অন্যতম বিখ্যাত উপন্যাস যা গ্রামীণ পটভূমিতে রচিত। উদাহরণ ২: শহীদুল্লাহ কায়সারের 'সংশপ্তক' ব্যাখ্যা: এটিও গ্রামীণ জনপদের সংগ্রাম ও জীবনযাত্রা নিয়ে লেখা একটি জনপ্রিয় বাংলা উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ — এটি সঠিক নয় কারণ সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে লালসালু ও কাঁদো নদী কাঁদো অন্তর্ভুক্ত। B) আবু জাফর শামসুদ্দীন — এটি সঠিক নয় কারণ আবু জাফর শামসুদ্দীনের উল্লেখযোগ্য উপন্যাস হলো ভে룡 ইব্রাহিম ও পলায়নী মন। C) শামসুদ্দীন আবুল কালাম — এটি সঠিক উত্তর এবং তিনি এই কাশবনের কন্যা উপন্যাসের রচয়িতা। D) জসীমউদ্‌দীন — এটি সঠিক নয় কারণ জসীমউদ্‌দীন মূলত তাঁর নকশী কাথার মাঠ ও সুজন বা দিয়ারের মতো কাব্যগ্রন্থের জন্য সর্বাধিক পরিচিত। ৫ মনে রাখার টিপস: - কাশবনে কলাম চলে গেল এভাবে মনে রাখতে পারেন, কাশবনের কন্যা উপন্যাসের লেখক শামসুদ্দীন আবুল কালাম। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় গ্রামীণ পটভূমির উপন্যাস এবং এর লেখকদের নাম প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। - লেখকদের বিখ্যাত উপন্যাসগুলোর একটি তালিকা তৈরি করে পড়লে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
a ধ্বনী
b বর্ণ
c শব্দ
d বাক্য
0 92 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ধ্বনি (উল্লেখ্য, প্রশ্নে 'ধ্বনি' বানানটি 'ধ্বনী' লেখা হয়েছে, যা প্রমিত বানরীতি অনুযায়ী 'ধ্বনি' হবে) ১. কেন সঠিক: - ভাষার ক্ষুদ্রতম একক হলো ধ্বনি, যা মুখ দিয়ে উচ্চারিত আওয়াজ বা বোধগম্য শব্দের মূল ভিত্তি। - মানুষের বাকযন্ত্রের সাহায্যে উৎপাদিত মৌলিক শব্দ বা আওয়াজই হলো ধ্বনি, যা ভাষার বুনিয়াদ তৈরি করে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - ধ্বনি হলো ভাষার মৌলিক একক এবং কান দিয়ে শোনার ও মুখ দিয়ে উচ্চারণ করার বিষয়। - বর্ণ হলো ধ্বনির লিখিত রূপ, যা চোখের দেখার সাথে সম্পর্কিত কিন্তু ভাষার মূল একক হিসেবে ধ্বনিকেই ধরা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অ, আ, ক, খ ব্যাখ্যা: এগুলো একেকটি মৌলিক ধ্বনি ও বর্ণ, যা ভাষা গঠনের প্রথম উপাদান। উদাহরণ ২: বাবা, মা ব্যাখ্যা: একাধিক ধ্বনি মিলিত হয়ে শব্দ তৈরি করে, যেমন ব এবং আ ধ্বনি মিলে তৈরি হয় বাবা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধ্বনি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ভাষার মৌলিক ও ক্ষুদ্রতম একক। B) বর্ণ — এটি ধ্বনির লিখিত রূপ, মৌলিক বা ক্ষুদ্রতম একক নয়। C) শব্দ — শব্দ হলো একাধিক ধ্বনি বা বর্ণের সমষ্টি, যা ক্ষুদ্রতম একক হতে পারে না। D) বাক্য — বাক্য হলো ভাষার বৃহত্তম একক, যা পদ বা শব্দের মিলনে গঠিত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - কান দিয়ে যা শুনি তা ধ্বনি এবং চোখ দিয়ে যা দেখি তা বর্ণ। - ভাষার ক্ষুদ্রতম একক চাইলে উত্তর হবে ধ্বনি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি বারবার আসে। - ধ্বনি হলো শ্রুতিগ্রাহ্য এবং বর্ণ হলো দৃশ্যগ্রাহ্য, এই পার্থক্যটি মনে রাখা জরুরি।
a ১৯২২ সালে
b ১৯১৭ সালে
c ১৯২৫ সালে
d ১৯২৩ সালে
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯১৭ সালে ১. কেন সঠিক: শওকত ওসমান ১৯১৭ সালের ২ জানুয়ারি বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলার সববলপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকের জন্মসাল ও জন্মতারিখ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হিসেবে আসে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: শওকত ওসমানের প্রকৃত নাম শেখ আজিজুর রহমান এবং তার সাহিত্যিক ছদ্মনাম ছিল শওকত ওসমান। তিনি বাংলা উপন্যাসে ও ছোটগল্পে সমাজসচেতনতা, ইতিহাসাশ্রয়ী দৃষ্টিভঙ্গি এবং মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষনের জন্য বিশেষ পরিচিত লাভ করেছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কৃতদাস এর হাসি ব্যাখ্যা: এটি শওকত ওসমানের অন্যতম শ্রেষ্ঠ রূপক উপন্যাস যা আইয়ুব খানের সামরিক শাসনকে ব্যঙ্গ করে রচিত হয়েছিল। উদাহরণ ২: জাহান্নাম হইতে বিদায় ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি বিখ্যাত উপন্যাস যা লেখকের নিজের অভিজ্ঞতার আলোকে রচিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯২২ সালে — এই সালে শওকত ওসমানের জন্ম হয়নি, এটি ভুল তথ্য এবং অপশন বি সঠিক হওয়ায় এটি গ্রহণযোগ্য নয়। B) ১৯১৭ সালে — এটি লেখকের সঠিক জন্মসাল যা প্রশ্ন ও প্রামাণ্য জীবনীগ্রন্থ অনুযায়ী প্রমাণিত। C) ১৯২৫ সালে — এই সালে শওকত ওসমানের জন্ম হয়নি, তাই এটি সঠিক উত্তরের সঙ্গে মেলে না। D) ১৯২৩ সালে — এই সালটি শওকত ওসমানের জন্মসালের সঙ্গে মিলছে না, তাই এটি ভুল অপশন। ৫ মনে রাখার টিপস: শওকত ওসমানের জন্মসাল মনে রাখতে সংখ্যাটি মনে রাখুন এভাবে: তিনি প্রথম বিশ্বযুদ্ধের বছর অর্থাৎ ১৯১৭ সালে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। বাংলা সাহিত্যের প্রখ্যাত এই কথাসাহিত্যিকের জন্মতারিখ ও সাল এভাবে ঐতিহাসিক ঘটনার সঙ্গে মিলিয়ে পড়লে সহজে মনে থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রখ্যাত লেখকদের জন্ম ও মৃত্যুর সাল জিজ্ঞেস করা হয়। শওকত ওসমানের বিখ্যাত উপন্যাস ও গল্পগ্রন্থগুলোর নাম এবং পুরস্কার প্রাপ্তির সালগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করা উচিত।
a গোপালগঞ্জ
b ফরিদপুর
c পিরোজপুর
d বিক্রমপুর
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ফরিদপুর ১. কেন সঠিক: পল্লীকবি জসীমউদ্‌দীন ১৯০৩ সালের ১লা জানুয়ারি তৎকালীন বৃহত্তর ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার সাহিত্যকর্মে বাংলার পল্লিপ্রকৃতি ও সাধারণ মানুষের জীবন ফুফুটে ওঠায় তাকে পল্লীকবি উপাধিতে ভূষিত করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: জসীমউদ্‌দীন বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্জের অন্যতম প্রধান আধুনিক বাঙালি কবি ও লেখক। তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ নকশী কাথার মাঠ এবং সুজন بادিয়ার ঘাট বাংলা সাহিত্যের অমূল্য সম্পদ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নকশী কাথার মাঠ ব্যাখ্যা: এটি জসীমউদ্‌দীনের একটি বিখ্যাত কাহিনিকাব্য যা বিশ্বসাহিত্যে সমাদৃত। উদাহরণ ২: সোজন বাদের ঘাট ব্যাখ্যা: এটি কবির অপর একটি গ্রামীণ জীবনভিত্তিক জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গোপালগঞ্জ — এটি একটি জেলা হলেও জসীমউদ্‌দীনের জন্মস্থান এখানে নয়। B) ফরিদপুর — এটি সঠিক উত্তর কারণ কবির জন্ম বর্তমান ফরিদপুর জেলায়। C) পিরোজপুর — এটি দক্ষিণাঞ্চলের একটি জেলা যা জসীমউদ্‌দীনের জন্মস্থান নয়। D) বিক্রমপুর — এটি প্রাচীন বঙ্গ অঞ্চলের অংশ হলেও কবির জন্মস্থান নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: পল্লীকবি জসীমউদ্‌দীনের জন্মস্থান মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো পল্লি অঞ্চলের নদীমাতৃক ফরিদপুর জেলায় তার জন্ম হয়েছে। কবির নামের সঙ্গেই যেন বাংলার পল্লিগ্রামের মাটি ও মানুষের গন্ধ জড়িয়ে আছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবিদের জন্মস্থান ও উপাধি প্রায়ই আসে। জসীমউদ্‌দীনের ক্ষেত্রে তার পল্লীকবি উপাধি এবং ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রাম জন্মস্থান হিসেবে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
a উপন্যাস
b ছোটগল্প
c নাটক
d কাব্যগ্রন্থ
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) উপন্যাস ১. কেন সঠিক: 'লালসালু' বাংলা সাহিত্যের একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস যা ১৯৪৮ সালে প্রকাশিত হয়। উপন্যাসটি গ্রামীণ সমাজের গোঁড়ামি, কুসংস্কার এবং ধর্মান্ধতার বিরুদ্ধে এক শক্তিশালী শিল্পকর্ম হিসেবে পরিচিত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ বাংলা সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও নাট্যকার। এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র মাজেদ বা খালেক ব্যাপারী গ্রামীণ মানুষের সরলতার সুযোগ নিয়ে ধর্মের অপব্যবহার করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর আরেকটি বিখ্যাত উপন্যাস 'কাঁদো নদী কাঁদো'। ব্যাখ্যা: এটি লেখকের মনস্তাত্ত্বিক ও অস্তিত্ববাদী চেতনার এক অনন্য সৃষ্টি যা উপন্যাসের রূপ ধারণ করেছে। উদাহরণ ২: সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর বিখ্যাত নাটক 'বহিপীর'। ব্যাখ্যা: এটি নাট্য সাহিত্য ধারার রচনা এবং সামাজিক অসংগতি এর মূল বিষয়বস্তু। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উপন্যাস — এই অপশনটি সঠিক কারণ লালসালু একটি পূর্ণাঙ্গ সামাজিক উপন্যাস। B) ছোটগল্প — লালসালু আকারে ও পরিসরে অনেক বড় হওয়ায় এটি ছোটগল্প হতে পারে না। C) নাটক — এটি মঞ্চে অভিনীত নাটক নয় বরং গদ্যে রচিত দীর্ঘ আখ্যান বা উপন্যাস। D) কাব্যগ্রন্থ — এটি কোনো পদ্য বা কবিতার বই নয় বরং গদ্যে রচিত সাহিত্যকর্ম। ৫. মনে রাখার টিপস: ওয়ালীউল্লাহর উপন্যাস মনে রাখার কৌশল হলো ওয়ালীউল্লাহর 'লাল' (লালসালু) রঙের নদী (কাঁদো নদী কাঁদো) দেখার খুব শখ ছিল। এর মাধ্যমে তাঁর প্রধান দুটি উপন্যাস সহজে মনে রাখা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: লালসালু উপন্যাসের প্রকাশকাল ১৯৪৮ সাল এবং এটি বহুবার বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এসেছে। লেখক পরিচিতি এবং উপন্যাসের প্রকাশকাল মনে রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
a ফররুখ আহমদ
b মহাদেব সাহা
c আল মাহমুদ
d কাজী নজরুল ইসলাম
0 95 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কাজী নজরুল ইসলাম ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশের রণসঙ্গীতের রচয়িতা জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম। ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর তাঁর 'চল চল চল, ঊর্ধ্ব গগনে বাজে মাদল' গানটিকে বাংলাদেশের রণসঙ্গীত হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করা হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি ও আমাদের জাতীয় কবি। তাঁর রচিত 'সন্ধ্যা' কাব্যের অন্তর্গত 'চল চল চল' গানটি রণসঙ্গীত হিসেবে নির্বাচিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের গান। উদাহরণ ২: সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি ব্যাখ্যা: এটি আমাদের জাতীয় সঙ্গীত এবং এর রচয়িতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফররুখ আহমদ — তিনি একজন প্রখ্যাত পাকিস্তানি ও বাঙালি কবি হলেও রণসঙ্গীতের রচয়িতা নন। B) মহাদেব সাহা — তিনি বাংলাদেশের একজন আধুনিক ও বিশিষ্ট কবি হলেও রণসঙ্গীত রচনা করেননি। C) আল মাহমুদ — তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি হলেও এই গানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নন। ৫ মনে রাখার টিপস: রণসঙ্গীত মানেই যুদ্ধের গান বা উদ্দীপনামূলক গান, আর উদ্দীপনামূলক লেখার জন্য বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম সবার আগে মনে রাখবেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: জাতীয় সঙ্গীত ও রণসঙ্গীতের রচয়িতা আলাদা, এই বিষয়টি গুলিয়ে ফেলা যাবে না। জাতীয় সঙ্গীতের রচয়িতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং রণসঙ্গীতের রচয়িতা কাজী নজরুল ইসলাম।
a মোহাম্মদ আকরম খাঁ
b আহমদ ছফা
c সিকান্দার আবু জাফর
d রাহাত খান
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মোহাম্মদ আকরম খাঁ ১. কেন সঠিক: - দৈনিক আজাদ পত্রিকার প্রথম সম্পাদক এবং প্রতিষ্ঠাতা হলেন মওলানা মোহাম্মদ আকরম খাঁ। - ১৯৩৬ সালে কলকাতা থেকে পত্রিকাটি প্রথম প্রকাশিত হয় এবং বাংলা ভাষা ও স্বাধিকার আন্দোলনে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মোহাম্মদ আকরম খাঁ ছিলেন একাধারে সাংবাদিক, সাহিত্যিক ও ইসলামী চিন্তাবিদ। - বাঙালি মুসলিম সমাজে আধুনিক সাংবাদিকতা ও সাহিত্যচর্চার প্রসারে তার অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ইত্তেফাক ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের আরেকটি ঐতিহাসিক দৈনিক পত্রিকা যার প্রতিষ্ঠাতা তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া। উদাহরণ ২: সংবাদ ব্যাখ্যা: ভাষা আন্দোলন ও পরবর্তী রাজনৈতিক সংকটে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনকারী আরেকটি প্রথিতযশা দৈনিক পত্রিকা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মোহাম্মদ আকরম খাঁ — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি দৈনিক আজাদ পত্রিকার সম্পাদক ও প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন। B) আহমদ ছফা — তিনি একজন প্রখ্যাত প্রাবন্ধিক, ঔপন্যাসিক ও চিন্তাবিদ ছিলেন, দৈনিক আজাদ পত্রিকার সম্পাদক নন। C) সিকান্দার আবু জাফর — তিনি বিখ্যাত সাহিত্যপত্রিকা সমকাল এর সম্পাদক ছিলেন, দৈনিক আজাদ পত্রিকার সম্পাদক নন। D) রাহাত খান — তিনি দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত বিশিষ্ট সাংবাদিক ও সাহিত্যিক ছিলেন। ৫ মনে রাখার টিপস: আজাদ পত্রিকার সম্পাদক মনে রাখতে আজাদের শুরুতে আ এবং আকরম খাঁর শুরুতে আ মনে রাখতে পারো। পত্রিকা ও সম্পাদকের নাম জোড়ায় জোড়ায় পড়লে পরীক্ষার হলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ঐতিহাসিক সংবাদপত্র এবং এর সম্পাদক বা প্রতিষ্ঠাতা সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। পত্রিকাগুলোর প্রকাশের সাল এবং প্রথম সম্পাদক বা পরিচালকের নাম আলাদা করে নোট করে রাখা উচিত।
a রাজপুত্র
b গৃহান্তর
c সস্ত্রীক
d গায়ে হলুদ
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গৃহান্তর ১. কেন সঠিক: - যে সমাসে ব্যাসবাক্য হয় না কিংবা ব্যাসবাক্য করতে গেলে অন্য পদের সাহায্য নিতে হয় এবং সমস্তপদটি নিত্যকাল বা সর্বদা সমাসবদ্ধ থাকে, তাকে নিত্য সমাস বলে। - 'গৃহান্তর' শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো অন্য গৃহ, যা নিত্য সমাসের নিয়ম অনুসারে গঠিত হয়েছে এবং এটি অন্য কোনো সাধারণ সমাসের নিয়মে পড়ে না। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - নিত্য সমাসের ক্ষেত্রে কোনো পদের ব্যাসবাক্য হয় না বা হলেও তা কেবল অন্য পদের সাহায্যে বুঝাতে হয়, যেখানে সমস্তপদটি নিজেই নিজের ভাব প্রকাশ করে। - বাংলায় নিত্য সমাসের নির্দিষ্ট কিছু শব্দ রয়েছে যেমন গ্রামান্তর, অন্য গ্রাম; কেবল দর্শন, দর্শনমাত্র ইত্যাদি, যা মুখস্থ রাখতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গ্রামান্তর ব্যাখ্যা: এটি নিত্য সমাসের একটি শব্দ যার ব্যাসবাক্য হলো অন্য গ্রাম, এবং এটি গৃহান্তর শব্দের মতোই একই ব্যাকরণগত নিয়ম অনুসরণ করে। উদাহরণ ২: দর্শনমাত্র ব্যাখ্যা: এটিও নিত্য সমাসের উদাহরণ যেখানে কেবল দর্শন বোঝাতে অন্য পদের সাহায্যে ব্যাসবাক্য করা হয় এবং এটি নিত্য সমাসের অন্তর্ভুক্ত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাজপুত্র — এটি ষষ্টি তৎপুরুষ সমাস কারণ এর ব্যাসবাক্য হলো রাজার পুত্র এবং এখানে সম্বন্ধ পদের বিভক্তি লোপ পেয়েছে। B) গৃহান্তর — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ব্যাখ্যা প্রথম অংশে দেওয়া হয়েছে এবং এটি নিত্য সমাস। C) সস্ত্রীক — এটি বহুব্রীহি সমাসের অন্তর্গত কারণ এর ব্যাসবাক্য সহ স্ত্রী বর্তমান যার, যা অন্য পদকে বোঝায়। D) গায়ে হলুদ — এটি অলুক মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি সমাস কারণ এর ব্যাসবাক্য গায়ে হলুদ দেওয়া হয় যে অনুষ্ঠানে এবং এর বিভক্তি লোপ পায় না। ৫. মনে রাখার টিপস: - নিত্য সমাসের শব্দগুলো চেনার সহজ উপায় হলো সমস্তপদে 'অন্য' বা 'মাত্র' শব্দের উপস্থিতি থাকা। -ান্তর যুক্ত শব্দ যেমন গৃহান্তর বা গ্রামান্তর দেখলে সাধারণত নিত্য সমাস হিসেবে ধরে নেওয়া যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিত্য সমাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই 'অন্য' যুক্ত শব্দগুলোর তালিকা ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে। - সমাস নির্ণয়ের সময় প্রথমে ব্যাসবাক্য চিন্তা করে দেখতে হবে সেটি সাধারণ নিয়ম নাকি বিশেষ নিয়মের আওতাভুক্ত।
a ১টি
b ১১টি
c ৭টি
d ৫টি
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১১টি কেন সঠিক: বাংলা বর্ণমালায় মৌলিক স্বরবর্ণ বা স্বরধ্বনির মোট সংখ্যা ১১টি নির্ধারিত আছে। এই বর্ণগুলো অন্য কোনো বর্ণের সাহায্য ছাড়াই নিজে নিজে উচ্চারিত হতে পারে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী অ, আ, ই, ঈ, উ, ঊ, ঋ, এ, ঐ, ও, ঔ এই এগারোটি হলো স্বরবর্ণ। বাংলা সাহিত্যে ও ভাষা পঠন পাঠনে এই এগারোটি স্বরধ্বনিকে প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। যেমন: অ, আ, ই ইত্যাদি হলো বাংলা স্বরধ্বনির নির্দিষ্ট রূপ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১টি — এটি ভুল কারণ বাংলা স্বরধ্বনি মাত্র একটি নয়। B) ১১টি — এটি সঠিক উত্তর যা বর্ণমালায় নির্ধারিত আছে। C) ৭টি — এটি ভুল কারণ মৌলিক স্বরধ্বনির সংখ্যা সাতটি হলেও মোট স্বরবর্ণ এগারোটি। D) ৫টি — এটি ভুল কারণ হ্রস্বস্বর বা অন্য কোনো নির্দিষ্ট ভাগে মাত্র পাঁচটি বর্ণ সীমিত নয়। মনে রাখার টিপস: বাংলা স্বরবর্ণ মনে রাখার সহজ উপায় হলো অ থেকে ঔ পর্যন্ত মোট বর্ণগুলো গণনা করা। স্বরবর্ণ কয়টি তা মনে রাখতে এগারো সংখ্যাটি ভালোভাবে মুখস্থ রাখবে।

মোট প্রশ্ন (18)

a to open
b open
c opened
d opening
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) opening কেন সঠিক: ইংরেজি ব্যাকরণ অনুযায়ী Would you mind একটি বিশেষ ফ্রেজ, যার পরে যে ভার্ব আসে তার সাথে ing যুক্ত করতে হয়। তাই এখানে open ভার্বের সাথে ing যুক্ত হয়ে opening সঠিক রূপ হয়েছে এবং বাক্যটি সম্পন্ন করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to open — Would you mind এর পরে ইনফিনিটিভ বা to বসে না, তাই এটি ভুল। B) open — এখানে ভার্বের বেস ফর্ম বসেছে, যা নিয়মের বাইরে এবং ভুল। C) opened — এটি ভার্বের পাস্ট ফর্ম, যা এই ফ্রেজের পরে ব্যবহার করা যায় না। D) opening — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। মনে রাখার টিপস: Would you mind দেখলে চোখ বন্ধ করে পরের ভার্বের সাথে ing যোগ করে দেবে।
a maintenance
b maintainence
c maintinance
d maintaince
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) maintenance কেন সঠিক: - maintain ভার্বটির সঙ্গে ance প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নাউন গঠিত হয়েছে। - এখানে মূল শব্দের বানান অপরিবর্তিত থাকে এবং সঠিক উচ্চারণ বজায় রাখতে maintenance বানানটি নির্ধারিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) maintenance — এটি সঠিক বানান এবং সঠিক নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে। B) maintainence — এখানে maintain অংশের সঙ্গে ভুলভাবে 'ence' যুক্ত করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) maintinance — এখানে মূল শব্দের বানান পরিবর্তন করে 'mainti' লেখা হয়েছে যা ভুল। D) maintaince — এখানে প্রয়োজনীয় বর্ণ বাদ দিয়ে বানান অসম্পূর্ণ রাখা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: maintain লেখার পর ance যোগ করলে maintenance হয়।
a Look before you leap.
b Do or die.
c All's well that ends well.
d A drowning man catches at a straw
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Do or die. কেন সঠিক: এই বাক্যে দুটি স্বাধীন ক্লজ বা খণ্ডবাক্য রয়েছে যা 'or' কনজাংশন দ্বারা যুক্ত হয়েছে। এটি একটি যৌগিক বাক্য বা কম্পাউন্ড সেন্টেন্স গঠন করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Look before you leap. — এটি একটি কমপ্লেক্স সেন্টেন্স কারণ এখানে একটি সাবঅর্ডিনেট কনজাংশন ব্যবহৃত হয়েছে। C) All's well that ends well. — এটি একটি কমপ্লেক্স সেন্টেন্স কারণ এখানে 'that' একটি সাবঅর্ডিনেট ক্লজ যুক্ত করেছে। D) A drowning man catches at a straw — এটি একটি সিম্পল সেন্টেন্স কারণ এখানে একটিমাত্র সাবজেক্ট ও ফাইনাইট ভার্ব রয়েছে। মনে রাখার টিপস: যৌগিক বাক্যে সাধারণত and, but, or ইত্যাদি কনজাংশন দিয়ে দুটি স্বাধীন খণ্ডবাক্য যুক্ত থাকে।
a a gerund
b an adverb
c a vero
d an adjective
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) an adjective কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যে 'barking' শব্দটি একটি নাউনের (dog) ঠিক পূর্বে বসে তার দোষ, গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করছে। - ভার্ব যখন নাউনের পূর্বে বসে অ্যাডজেক্টিভের কাজ করে, তখন তাকে পার্টিসিপল বলা হয়, যা মূলত অ্যাডজেক্টিভ হিসেবে কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a gerund — এটি জেরান্ড হতে পারত যদি এটি ভার্বের সাথে ing যুক্ত হয়ে বাক্যে নাউনের কাজ করত, কিন্তু এখানে এটি নাউনকে মডিফাই করছে। B) an adverb — এটি অ্যাডভার্ব নয়, কারণ এটি কোনো ভার্ব, অ্যাডজেক্টিভ বা অন্য কোনো অ্যাডভার্বকে বিশেষিত করছে না। C) a vero — এটি মূলত সঠিক বানান অনুযায়ী verb নয়, এবং এখানে এটি মূল ক্রিয়া হিসেবে কাজ করছে না। D) an adjective — এটি সঠিক, কারণ 'dog' নাউনটি কেমন তা প্রকাশ করতে এটি অ্যাডজেক্টিভ হিসেবে কাজ করেছে। মনে রাখার টিপস: কোনো ing যুক্ত শব্দ নাউনের ঠিক আগে বসে যদি সেই নাউনের দোষ বা গুণ বোঝায়, তবে তা অ্যাডজেক্টিভ বা পার্টিসিপল হয়।
a long ago
b occasionally
c long since
d recently
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) recently কেন সঠিক: ইংরেজিতে 'of late' একটি অতি পরিচিত ফ্রেজ বা বাগধারা। এর সাধারণ বাংলা অর্থ হলো সম্প্রতি বা ইদানীং। বাকি অপশন কেন ভুল: A) long ago — এর অর্থ অনেক দিন আগে, যা 'recently' শব্দের বিপরীত। B) occasionally — এর অর্থ মাঝে মাঝে, যা এই ফ্রেজের সাথে মেলে না। C) long since — এর অর্থ অনেক দিন থেকে, যা বর্তমান সময়ের কাছাকাছি ঘটনা বোঝায় না। D) recently — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: 'Late' শব্দের অর্থ দেরি হলেও 'of late' একসাথে থাকলে তার অর্থ হয় সম্প্রতি।
a will
b not will
c won't
d don't
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) won't কেন সঠিক: এখানে বাক্যের অর্থ অনুযায়ী ভবিষ্যতের না বোধক প্রকাশ বোঝাতে সাহায্যকারী ভার্ব হিসেবে 'will not' বা এর সংক্ষিপ্ত রূপ 'won't' ব্যবহার করা হয়েছে। ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী মডাল অক্সিলিয়ারি ভার্ব 'will' এর সাথে 'not' যুক্ত করে সংক্ষেপে 'won't' লেখা হয়। ভবিষ্যতের অনিশচয়তা বা নিষেধ প্রকাশ করতে এটি সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) will — এটি শুধু হ্যাঁ বোধক ভবিষ্যৎকাল বোঝায়, তাই না বোধক বাক্যের অর্থের সাথে এটি মিলে না। B) not will — ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী 'will' এর আগে 'not' বসানো সম্পূর্ণ ভুল এবং অগ্রহণযোগ্য। C) won't — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে গণ্য হবে না। D) don't — এটি বর্তমান কালের সাধারণ বাক্যে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু ভবিষ্যৎকালের জন্য এটি একেবারেই বেমানান। মনে রাখার টিপস: ভবিষ্যৎকালের না বোধক রূপ লিখতে হলে 'will' এর সাথে 'not' যুক্ত করে এক সাথে 'won't' লিখতে হয়।
a of
b to
c on
d about
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) of কেন সঠিক: - remind ভার্বটির পর কোনো বিষয় স্মরণ করিয়ে দিতে সাধারণত অবজেক্টের পূর্বে of প্রিপজিশন ব্যবহৃত হয়। - এখানে appointmet বা সাক্ষাতের বিষয়টি স্মরণ করিয়ে দেওয়ার অর্থে সঠিক প্রিপজিশন হিসেবে of ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) of - এটি সঠিক কারণ remind এর সাথে উপযুক্ত প্রিপজিশন হিসেবে অবজেক্টের পূর্বে এটি বসে। B) to - এটি সঠিক নয় কারণ remind এর পর সাধারণত টু প্রিপজিশন বসে না। C) on - এটি সঠিক নয় কারণ নির্দিষ্ট কোনো বার বা তারিখের পূর্বে অন বসে, কিন্তু এখানে রিমাইন্ডের নিয়ম প্রযোজ্য। D) about - যদিও অর্থগতভাবে মনে হতে পারে এবাউট বসবে, তবে ব্যাকরণগত নিয়মে remind এর সাথে of বলাই প্রমিত। মনে রাখার টিপস: Remind এর সাথে সবসময় অবজেক্টের আগে of বসে, যেমন- remind me of that।
a He, I and you
b You, he and I
c I, you and he
d He, you and I
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) You, he and I কেন সঠিক: সাধারণ বাক্যে বিভিন্ন পারসন বা পুরুষ একসাথে বসলে ক্রমটি হয় দ্বিতীয় পারসন, তৃতীয় পারসন এবং প্রথম পারসন। এখানে You হলো দ্বিতীয় পারসন, he হলো তৃতীয় পারসন এবং I হলো প্রথম পারসন যা সঠিক ক্রম মেনে চলেছে। এই বাক্যটিতে কোনো দোষ স্বীকার করা বোঝায়নি, তাই সাধারণ নিয়মের ক্রমটি এখানে প্রযোজ্য হবে। ক্রিয়ার বহুবচন রূপ (are) এবং সঠিক পারসন সাজানোর কারণে এই অপশনটি সম্পূর্ণ ব্যাকরণগতভাবে সঠিক হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He, I and you — এখানে পারসন সাজানোর সাধারণ নিয়মটি মানা হয়নি কারণ তৃতীয় পারসনের পর প্রথম পারসন বসানো হয়েছে। B) You, he and I — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। C) I, you and he — এখানে প্রথমে প্রথম পারসন বসার কারণে পারসন সাজানোর স্বাভাবিক নিয়ম লঙ্ঘিত হয়েছে। D) He, you and I — এখানে শুরুতে তৃতীয় পারসন ব্যবহার করায় সঠিক পারসন বিন্যাসের নিয়মটি ভেঙে গেছে। মনে রাখার টিপস: সাধারণ বা ভালো কাজে পারসন সাজানোর নিয়ম হলো ২৩১ অর্থাৎ প্রথমে দ্বিতীয় পারসন, পরে তৃতীয় পারসন এবং শেষে প্রথম পারসন বসবে।
a I owed it to him to be honest
b I know that he is an honest man.
c They know that he was honest. -
d He know him to be honest
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) He know him to be honest কেন সঠিক: এখানে সাবজেক্ট বা কর্তা থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার হওয়া সত্ত্বেও ভার্বের সাথে এস বা ইএস যোগ করা হয়নি। তাই বাক্যটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল এবং এটিই সঠিক উত্তর। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I owed it to him to be honest — এই বাক্যের গঠন সঠিক আছে এবং এটি একটি অর্থপূর্ণ সরল বাক্য। B) I know that he is an honest man. — প্রেজেন্ট টেন্সের নিয়ম অনুযায়ী এখানে সাবজেক্ট ও ভার্বের মিল সঠিক আছে। C) They know that he was honest. — পাস্ট টেন্সের সঠিক ব্যবহার থাকায় এই বাক্যটিও ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ সঠিক। D) He know him to be honest — সাবজেক্ট থার্ড পারসন সিঙ্গুলার হওয়ায় ভার্বের সাথে এস যুক্ত হওয়া আবশ্যক ছিল। মনে রাখার টিপস: সাবজেক্ট থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার হলে প্রেজেন্ট ইনডিফিনিট টেন্সে মূল ভার্বের সাথে এস বা ইএস যুক্ত করতে হয়।
a at
b about
c of
d to
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) of কেন সঠিক: ১. Aware শব্দটির পর নির্দিষ্ট প্রিপজিশন হিসেবে সবসময় of বসে। এটি একটি ফিক্সড প্রিপজিশন এবং এর অর্থ হলো কোনো কিছু সম্পর্কে সচেতন থাকা। ২. বাক্যের অর্থ হলো মিথ্যার ব্যাপারে সতর্ক হও। ৩. এখানে অন্য কোনো প্রিপজিশন বসালে তা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক হয় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) at — Aware শব্দের পরে কখনো at প্রিপজিশন বসে না তাই এটি ভুল। B) about — বাংলায় সম্পর্কে বোঝালেও ইংরেজী ব্যাকরণ অনুযায়ী Aware শব্দের সাথে about বসে না। D) to — এই বাক্যের ক্ষেত্রে to প্রিপজিশন ব্যবহার করলে অর্থ সম্পূর্ণ ভুল হয়। মনে রাখার টিপস: Aware শব্দের সাথেই সবসময় of প্রিপজিশন বসে, তাই এটি মুখস্থ রাখা সবচেয়ে ভালো উপায়।
a ought to obey
b what a pity
c at the point of
d with black eyes
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ought to obey কেন সঠিক: এই অপশনে একটি মূল verb (obey) এবং একটি modal auxiliary verb (ought to) একসাথে বসে একটি verb phrase গঠন করেছে। বাক্যে এটি মূল verb হিসেবে কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ought to obey — এটি সঠিক উত্তর। B) what a pity — এটি একটি exclamation বা বিস্ময়সূচক বাক্যাংশ, এখানে কোনো verb নেই। C) at the point of — এটি একটি prepositional phrase, কারণ এটি preposition দিয়ে শুরু হয়েছে। D) with black eyes — এটি একটি prepositional phrase, যা noun-কে modify করে। মনে রাখার টিপস: যে বাক্যাংশে সাহায্যকারী ভাব ও মূল ভাব মিলে কাজ করে, সেটাই verb phrase।
a condemn
b accuse
c forgive
d convic
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) forgive কেন সঠিক: pardon শব্দের অর্থ হলো ক্ষমা করা বা মার্জনা করা। forgive শব্দের অর্থও ক্ষমা করা, তাই এটি এর সঠিক সমার্থক শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) condemn — এর অর্থ নিন্দা করা বা শাস্তি ঘোষণা করা, যা ক্ষমার বিপরীত। B) accuse — এর অর্থ কাউকে অভিযুক্ত করা বা দোষারোপ করা। C) forgive — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে গণ্য নয়। D) convic — এর সঠিক বানান convict এবং এর অর্থ অপরাধী সাব্যস্ত করা। মনে রাখার টিপস: Pardon এবং forgive দুটি শব্দই কোনো দোষ বা অপরাধ ক্ষমা করার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
a have
b shall have
c have had
d had
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) had কেন সঠিক: বাক্যে 'I wish' থাকলে তা অবাস্তব ইচ্ছা প্রকাশ করে এবং এর পরের অংশে verb এর পাস্ট ফর্ম বসে। এখানে বর্তমানের কোনো অপূর্ণ ইচ্ছা বোঝাতে Past Indefinite Tense ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) have — এটি Present Indefinite Tense যা 'I wish' এর পরের অংশের জন্য সঠিক নয়। B) shall have — এটি Future Tense যা এই ধরণের অবাস্তব কল্পনার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যায় না। C) have had — এটি Present Perfect Tense যা অবাস্তব ইচ্ছanın নিয়ম অনুযায়ী এখানে বসে না। D) সঠিক উত্তর — এটি Past Indefinite Tense হওয়ায় অবাস্তব ইচ্ছা প্রকাশ করতে সম্পূর্ণ সঠিক। মনে রাখার টিপস: বাক্যে I wish থাকলে সবসময় verb এর পাস্ট ফর্ম (যেমন had বা were) বসাতে হয়।
a phenomenon
b lice
c mice
d crises
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) phenomenon কেন সঠিক: phenomenon শব্দটি গ্রিক মূলের একটি একক বা একবচন বিশেষ্য পদ। এর বহুবচন রূপ হলো phenomena। এটি সাধারণত প্রাকৃতিক কোনো ঘটনা বোঝাতে একবচন হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) phenomenon — এটি সঠিক উত্তর এবং এটি একটি একবচন রূপ। B) lice — এটি louse শব্দের বহুবচন রূপ যার অর্থ উকুন। C) mice — এটি mouse শব্দের বহুবচন রূপ যার অর্থ ইঁদুর। D) crises — এটি crisis শব্দের বহুবচন রূপ যার অর্থ সংকটসমূহ। মনে রাখার টিপস: যেসব শব্দের শেষে on থাকে, সাধারণত সেগুলোর বহুবচন করতে on বাদ দিয়ে a যোগ করতে হয়।
a 16th December
b 17th April
c 26th March
d 14th December
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৬ই ডিসেম্বর কেন সঠিক: ১৯৭১ সালের এই দিনে বাংলাদেশ পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করে। তাই প্রতি বছর ১৬ই ডিসেম্বর বাংলাদেশে বিজয় দিবস হিসেবে পালন করা হয়। এটি আমাদের জাতীয় জীবনের একটি ঐতিহাসিক দিন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৬ই ডিসেম্বর — এটি সঠিক উত্তর এবং এই দিনেই বাংলাদেশ বিজয় অর্জন করেছিল। B) ১৭ই এপ্রিল — এটি বাংলাদেশের ঐতিহাসিক মুজিবনগর সরকারের শপথ গ্রহণের দিন। C) ২৬শে মার্চ — এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস হিসেবে পালিত হয়। D) ১৪ই ডিসেম্বর — এটি বাংলাদেশের শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস হিসেবে পালিত হয়। মনে রাখার টিপস: বিজয় অর্জিত হয়েছিল ১৬ই ডিসেম্বর, তাই এটি বিজয় দিবস এবং ২৬শে মার্চ হলো আমাদের স্বাধীনতা দিবস।
a are
b is
c were
d has
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) are কেন সঠিক: এখানে 'The' এর সাথে adjective বসে একটি বিশেষ শ্রেণী বা সম্প্রদায়কে বোঝানো হয়েছে। তাই এটি প্লুরাল সাবজেক্ট হিসেবে গণ্য হয় এবং এর সাথে প্লুরাল ভার্ব 'are' বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) are — এটি সঠিক উত্তর কারণ সাবজেক্ট প্লুরাল হওয়ায় প্লুরাল ভার্ব ব্যবহৃত হয়েছে। B) is — এটি সিঙ্গुलर ভার্ব হওয়ায় প্লুরাল সাবজেক্টের সাথে বসে না। C) were — এটি পাস্ট টেন্স নির্দেশ করে, যা বর্তমানের সাধারণ সত্য প্রকাশের জন্য উপযুক্ত নয়। D) has — এটি সিঙ্গুলার ভার্ব এবং এখানে এর কোনো ব্যাকরণগত ভিত্তি নেই। মনে রাখার টিপস: The এর পর কোনো adjective বসলে তা পুরো জাতিকে বোঝায় এবং সবসময় প্লুরাল ভার্ব গ্রহণ করে।
a desiase
b disease
c desease
d disese
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) disease কেন সঠিক: এই বানানটিতে প্রথমে 'dis' এবং পরে 'ease' যুক্ত হয়ে সঠিক শব্দটি গঠিত হয়েছে। 'Disease' শব্দের অর্থ হলো রোগ বা অসুস্থতা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) desiase — এখানে বানানটিতে 's' এর পরে ভুলভাবে 'i' এর বদলে 'a' ব্যবহার করা হয়েছে। B) disease — এটি সঠিক বানান এবং এর অর্থ হলো রোগ বা অসুস্থতা। C) desease — এখানে প্রথম অংশে 'dis' এর বদলে ভুলভাবে 'de' লেখা হয়েছে। D) disese — এখানে বানানের শেষ অংশে একটি 'a' অক্ষর বাদ পড়েছে। মনে রাখার টিপস: 'Dis' এবং 'ease' আলাদা করে মনে রাখলে এই বানানটি আর ভুল হবে না।
a proper
b abstract
c collective
d common
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) common কেন সঠিক: River শব্দটি পৃথিবীর যেকোনো নদীকে বোঝাতে পারে। এটি নির্দিষ্ট কোনো একটি নদী যেমন পদ্মা বা মেঘনাকে না বুঝিয়ে সব নদীর সাধারণ নাম প্রকাশ করে। তাই এটি Common Noun। বাকি অপশন কেন ভুল: A) proper — Proper Noun হয় যখন কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি, বস্তু বা স্থানের নাম বোঝায়, যা এখানে নেই। B) abstract — Abstract Noun হলো যা ধরা বা ছোঁয়া যায় না, কেবল অনুভব করা যায়, কিন্তু নদী দৃশ্যমান। C) collective — Collective Noun বোঝায় সমজাতীয় কিছু ব্যক্তি বা বস্তুর সমষ্টিকে, যা নদী একা বোঝায় না। D) common — এটি সঠিক অপশন কারণ নদী হলো সব নদীর সাধারণ নাম। মনে রাখার টিপস: যে নাম দিয়ে একই জাতীয় অনেককে আলাদা না করে সবার জন্য একটি সাধারণ নাম বোঝায়, সেটাই Common Noun।

মোট প্রশ্ন (22)

a 2024
b 2028
c 2026
d 2030
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২০২৬ কেন সঠিক: - জাতিসংঘ ঘোষিত নীতিমালা অনুযায়ী বাংলাদেশ এলডিসি থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের জন্য নির্ধারিত সময় পার করছে। - কোভিড মহামারীজনিত কারণে উত্তরণের এই সময়সীমা দুই বছর বাড়িয়ে ২০২৬ সাল নির্ধারণ করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০২৪ — এই সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কাউন্সিলের মূল্যায়ন সভা ছিল, যা উত্তরণের মূল বছর নয়। B) ২০২৮ — এটি কোনো অফিসিয়াল উত্তরণের বছর নয়, যদিও দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক প্রক্ষেপণে এই সাল নিয়ে নানা আলোচনা হয়। C) ২০২৬ — এটি সঠিক উত্তরণের বছর হওয়ায় এই অপশনটি এই প্রশ্নের ক্ষেত্রে সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়। D) ২০৩০ — এটি এসডিজি বা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের নির্ধারিত বছর, যা উন্নয়নশীল দেশ হওয়ার সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পাবে দুই হাজার ছাব্বিশ সালে।
a ১৩৩টি
b ১৪৩টি
c ১৫৩টি
d ১৭৩টি
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৫৩টি কেন সঠিক: - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মূল মোট ১৫৩টি অনুচ্ছেদ রয়েছে। - ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে সংবিধান গৃহীত হয় এবং একই বছরের ১৬ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৩৩টি — এটি বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদের সঠিক সংখ্যা নয় এবং এটি একটি ভুল তথ্য। B) ১৪৩টি — এই সংখ্যাটি বাংলাদেশের সংবিধানের মোট অনুচ্ছেদ সংখ্যার সঙ্গে মিলছে না। সি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি এখানে প্রযোজ্য নয়। D) ১৭৩টি — এটি বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদের সংখ্যার চেয়ে বেশি এবং কাল্পনিক একটি সংখ্যা। মনে রাখার টিপস: সংবিধানের অনুচ্ছেদ সংখ্যা মনে রাখতে মনে রাখুন ১৫৩, যার শেষ অঙ্ক ৩ এবং শুরুতে ১৫।
a মানসী
b সোনার তরী
c চোখের বালি
d গীতাঞ্জলি
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) চোখের বালি কেন সঠিক: - চোখের বালি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোনো কাব্যগ্রন্থ নয়, এটি তাঁর একটি বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস। - এই উপন্যাসে তৎকালীন সমাজব্যবস্থা, পরকীয়া প্রেম এবং পারিবারিক সম্পর্কের জটিলতা সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মানসী — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা ১৮৯০ সালে প্রকাশিত হয়। B) সোনার তরী — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি কাব্যগ্রন্থ যা ১৮৯৪ সালে প্রকাশিত হয়। C) চোখের বালি — এটি কোনো কাব্যগ্রন্থ নয়, বরং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম সার্থক বাংলা মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস। D) গীতাঞ্জলি — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিশ্বসেরা কাব্যগ্রন্থ যার জন্য তিনি নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। মনে রাখার টিপস: চোখের বালি একটি উপন্যাস, আর মানসী, সোনার তরী ও গীতাঞ্জলি হলো রবীন্দ্রনাথের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।
a ২০ ডিসেম্বর ২০১৯
b ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০
c ০৮ মার্চ ২০২০
d ০১ এপ্রিল ২০২০
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ০৮ মার্চ ২০২০ কেন সঠিক: - বিশ্বজুড়ে মহামারি হিসেবে ছড়িয়ে পড়া করোনা ভাইরাস বা কোভিড-১৯ বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রথম ৩ জন আক্রান্ত ব্যক্তির দেহে শনাক্ত হয় ২০২০ সালের ০৮ মার্চ। - আইইডিসিআর এর তৎকালীন তথ্য অনুযায়ী বিদেশফেরত ব্যক্তিদের মাধ্যমে এই ভাইরাসটি প্রথম দেশে প্রবেশ করে এবং স্থানীয়ভাবে বিস্তার লাভ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০ ডিসেম্বর ২০১৯ — এটি সেই সময়কাল যখন চীনের উহান শহরে প্রথম নতুন এই ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয় কিন্তু বাংলাদেশে তখনো এর কোনো অস্তিত্ব ছিল না। B) ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ — এটি বাংলাদেশ সম্পর্কিত কোনো ঐতিহাসিক বা করোনা শনাক্তকরণের নির্ধারিত দিন নয়। ডি) ০১ এপ্রিল ২০২০ — এটি বাংলাদেশে প্রথম করোনা শনাক্ত হওয়ার তারিখ নয় বরং শনাক্তকরণের প্রায় তিন সপ্তাহ পরের একটি সাধারণ তারিখ। মনে রাখার টিপস: আন্তর্জাতিক নারী দিবসের দিন অর্থাৎ ৮ মার্চ ২০২০ সালে বাংলাদেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয়।
a অর্থ সচিব
b বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর
c অর্থমন্ত্রী
d প্রধানমন্ত্রী
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অর্থ সচিব কেন সঠিক: - বাংলাদেশের প্রচলিত মুদ্রানীতি অনুযায়ী দুই টাকা এবং এর চেয়ে কম মূল্যমানের নোট ও ধাতব মুদ্রা সরকারি মুদ্রা হিসেবে বিবেচিত হয়। - আইন অনুযায়ী এই ধরনের সরকারি মুদ্রা বা নোটগুলোতে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের পরিবর্তে সরকারের অর্থ সচিব স্বাক্ষর করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অর্থ সচিব — এটি সঠিক উত্তর কারণ দুই টাকার নোটে সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে অর্থ সচিব স্বাক্ষর করেন। B) বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর — এটি ভুল কারণ গভর্নর শুধু পাঁচ টাকা বা তার চেয়ে বেশি মূল্যমানের ব্যাংক নোটে স্বাক্ষর করেন। C) অর্থমন্ত্রী — এটি ভুল কারণ বাংলাদেশের কোনো কাগুজে নোট বা মুদ্রায় অর্থমন্ত্রীর স্বাক্ষর থাকে না। D) প্রধানমন্ত্রী — এটি ভুল কারণ দেশের নির্বাহী প্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর স্বাক্ষর নোট বা মুদ্রায় থাকে না। মনে রাখার টিপস: কম মানের নোট মানে দুই টাকার নোটে থাকে সচিবের স্বাক্ষর, আর বড় নোটে থাকে গভর্নরের স্বাক্ষর।
a রোম
b প্যারিস
c হেগ
d জেনেভা
0 91 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জেনেভা কেন সঠিক: - বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা ডব্লিউএইচও জাতিসংঘ খাতের একটি বিশেষায়িত সংস্থা, যার প্রধান কার্যালয় সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে অবস্থিত। - আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য নীতি নির্ধারণ এবং বিশ্বব্যাপী জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় সংস্থাটি এই কার্যালয় থেকে কার্যক্রম পরিচালনা করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রোম — ইতালির রোম শহরে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা বা এফএও-র সদর দপ্তর অবস্থিত, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নয়। B) প্যারিস — ফ্রান্সের প্যারিস শহরে ইউনেস্কোর সদর দপ্তর অবস্থিত, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নয়। C) হেগ — নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে আন্তর্জাতিক বিচার আদালত বা আইসিজে-র সদর দপ্তর অবস্থিত, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নয়। D) জেনেভা — এটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সদর দপ্তর অবস্থিত সঠিক শহর। মনে রাখার টিপস: স্বাস্থ্য সচেতনতার দিক থেকে জেনেভা শহরটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে।
a রেঙ্গুন
b আরাকান
c কাচিন
d শান
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আরাকান কেন সঠিক: - মিয়ানমারের একটি ঐতিহাসিক ও প্রশাসনিক অঞ্চলের নাম রাখাইন, যা অতীতে আরাকান নামে পরিচিত ছিল। - ভৌগোলিক ও ঐতিহাসিক উভয় কারণেই অঞ্চলটি দীর্ঘদিন ধরে আরাকান নামেই বিশ্বজুড়ে পরিচিত ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রেঙ্গুন — এটি মিয়ানমারের সাবেক রাজধানী ইয়াংওনের ঐতিহাসিক নাম, রাখাইনের পূর্বনাম নয়। B) আরাকান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। সি) কাচিন — এটি মিয়ানমারের উত্তরভাগের একটি পাহাড়ি প্রদেশ বা রাজ্যের নাম, রাখাইন নয়। D) শান — এটি মিয়ানমারের একটি বৃহত্তম রাজ্যের নাম, যা রাখাইন অঞ্চলের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: রাখাইন রাজ্যের প্রাচীন ইতিহাস মনে রাখতে আ অক্ষরটি দিয়ে মনে রাখুন আরাকান।
a চট্টগ্রাম
b ভোলা
c নোয়াখালী
d কক্সবাজার
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নোয়াখালী কেন সঠিক: - ভাসানচর নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার অন্তর্গত মেঘনা নদী ও বঙ্গোপসাগরের মোহনায় অবস্থিত একটি কৃত্রিম দ্বীপ। - সরকারের আশ্রয়ণ প্রকল্পের অংশ হিসেবে রোহিঙ্গাদের পুনর্বাসনের জন্য এই চরে আধুনিক আবাসন অবকাঠামো তৈরি করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চট্টগ্রাম — চট্টগ্রাম একটি বিভাগ ও জেলা হলেও ভাসানচর এর প্রশাসনিক সীমানার অন্তর্ভুক্ত নয়, এটি নোয়াখালীর হাতিয়ার অধীন। B) ভোলা — ভোলা বাংলাদেশের একটি দ্বীপ জেলা হলেও ভাসানচর ভৌগোলিকভাবে ভোলার সীমানায় অবস্থিত নয়। D) কক্সবাজার — কক্সবাজার উখিয়া ও টেকনাফে রোহিঙ্গা ক্যাম্পসমূহ অবস্থিত হলেও ভাসানচর এই জেলায় অবস্থিত নয়। মনে রাখার টিপস: নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলায় মেঘনার মোহনায় ভাসানচর অবস্থিত, যেখানে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়া হয়েছে।
a ১৪.৭ কেজি/সেমি^2
b ১০৩৩৯ কেজি/সেমি^2
c ১০.৩৩৯ কেজি/সেমি^2
d ১০০.৩৯ কেজি/সেমি^2
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
**প্রশ্নের ধরন:** বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (পদার্থবিজ্ঞান) সঠিক উত্তর: B) ১০৩৩৯ কেজি/সেমি^২ কেন সঠিক: - প্রতি বর্গ সেন্টিমিটার ক্ষেত্রফলের উপর বায়ু প্রায় ১০৩৩৯ কিলোগ্রাম বল বা ওজন প্রয়োগ করে। - সমুদ্রপৃষ্ঠে বায়ুমণ্ডলের এই স্বাভাবিক চাপকে এক বায়ুমণ্ডলীয় চাপ বা ১ এটিএম বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৪.৭ কেজি/সেমি^২ — এটি প্রতি বর্গ ইঞ্চিতে পাউন্ড এককে বায়ুমণ্ডলীয় চাপের মান, সেন্টিমিটারে নয়। B) ১০৩৩৯ কেজি/সেমি^২ — এটি প্রতি বর্গ সেন্টিমিটার ক্ষেত্রফলের উপর বায়ুমণ্ডলীয় চাপের সঠিক মান। C) ১০.৩৩৯ কেজি/সেমি^২ — এটি দশমিকের ভুল অবস্থানের কারণে একটি অবাস্তব ও কম চাপের মান নির্দেশ করে। D) ১০০.৩৯ কেজি/সেমি^২ — এটিও সঠিক হিসাবের তুলনায় অনেক কম এবং ত্রুটিপূর্ণ মান। মনে রাখার টিপস: দশমিক ছাড়াই মনে রাখুন যে ১ বর্গ সেন্টিমিটারে বায়ুর চাপ ১০৩৩৯ কিলোগ্রাম।
a নেকড়ে অরণ্য
b নিষিদ্ধ লোবান
c বন্দী শিবির থেকে
d রাত্রিশেষ
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বন্দী শিবির থেকে কেন সঠিক: - শহীদ বুদ্ধিজীবী ও কবি শামসুর রাহমান রচিত বন্দী শিবির থেকে কাব্যগ্রন্থটি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত। - এই কাব্যগ্রন্থে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বরতা এবং বাঙালির মুক্তির সংগ্রামের চিত্র অত্যন্ত শিল্পসম্মতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নেকড়ে অরণ্য — এটি শওকত ওসমানের একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক হলেও কোনো কাব্যগ্রন্থ নয়। B) নিষিদ্ধ লোবান — এটি সৈয়দ শামসুল হকের একটি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস, কোনো কাব্যগ্রন্থ নয়। D) রাত্রিশেষ — এটি আলাউদ্দিন আল আজাদের একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয়। মনে রাখার টিপস: মুক্তিযুদ্ধের সময় কবি শামসুর রাহমান বন্দী ঢাকায় থেকেও কবিতায় বিদ্রোহ করেছিলেন, তাই কাব্যগ্রন্থটির নাম বন্দী শিবির থেকে।
a ভারত
b যুক্তরাজ্য
c অস্ট্রেলিয়া
d জাপান
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অস্ট্রেলিয়া কেন সঠিক: - উইলিয়াম এ এস ওডারল্যান্ড ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে সাহসিকতার জন্য বীর প্রতীক খেতাব লাভ করেন। - তিনি একমাত্র বিদেশি নাগরিক যিনি মুক্তিযুদ্ধে অসাধারণ অবদানের জন্য বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় খেতাবে ভূষিত হন এবং তিনি অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক ছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারত — ভারত মুক্তিযুদ্ধে সর্বাত্মক সহযোগিতা করলেও এই খেতাবপ্রাপ্ত একমাত্র বিদেশি নাগরিক অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক ছিলেন। B) যুক্তরাজ্য — যুক্তরাজ্য কূটনৈতিক সহায়তা দিলেও এই খেতাবের প্রাপ্ত ব্যক্তি এই দেশের নাগরিক ছিলেন না। C) অস্ট্রেলিয়া — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশন ভুল নয়। D) জাপান — জাপান এই যুদ্ধের সঙ্গে সরাসরি এই ধরনের খেতাব অর্জনের ক্ষেত্রে সম্পৃক্ত ছিল না। মনে রাখার টিপস: বিদেশি বীর প্রতীক ওডারল্যান্ড অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক ছিলেন, যা মনে রাখতে অস্ট্রেলিয়ার প্রথম অক্ষর অ এবং ওডারল্যান্ডের ও যুক্ত করে মনে রাখা যায়।
a ৬টি
b ৭টি
c ৪টি
d ৫টি
0 92 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৫টি কেন সঠিক: - ২০২০ সালে অনুষ্ঠিত বঙ্গবন্ধু টি-২০ কাপ টুর্নামেন্টে মোট ৫টি দল অংশ নিয়েছিল। - দলগুলো হলো গাজী গ্রুপ চট্টগ্রাম, জেমকন খুলনা, মিনিস্টার গ্রুপ রাজশাহী, ফরচুন বরিশাল এবং বেক্সিমকো ঢাকা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৬টি — এই টুর্নামেন্টে ৬টি দল ছিল না, সঠিক সংখ্যাটি হলো ৫টি। B) ৭টি — বিপিএল টুর্নামেন্টে সাধারণত ৭টি দল অংশ নিলেও এই বিশেষ টুর্নামেন্টে দল ছিল ৫টি। C) ৪টি — দলসংখ্যা ৪টি নয়, সঠিক সংখ্যাটি ৫টি। D) ৫টি — এটি সঠিক উত্তর এবং এই টুর্নামেন্টে মোট ৫টি দল অংশ নিয়েছিল। মনে রাখার টিপস: বঙ্গবন্ধু টি-২০ কাপের দলসংখ্যা মনে রাখতে হাতের পাঁচ আঙুলের কথা স্মরণ করতে পারেন, কারণ এতে দল ছিল ঠিক ৫টি।
a প্রীতিলতা
b লক্ষীরাণী
c কাদম্বিনী
d ইলা মিত্র
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ইলা মিত্র কেন সঠিক: - ইলা মিত্র তেভাগা আন্দোলনের সময় চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে কৃষকদের সংগঠিত করেন এবং নাচোল বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেন। - তিনি সংগ্রামী কৃষক ও সাঁওতালদের অধিকার আদায়ের জন্য জমিদার ও ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রীতিলতা — তিনি ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের বীর নারী শহীদ এবং পাহাড়তলী ইউরোপীয় ক্লাব আক্রমণের নেত্রী ছিলেন, নাচোল বিদ্রোহের সাথে যুক্ত নন। B) লক্ষীরাণী — এটি এই প্রশ্নের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো ঐতিহাসিক নেত্রীর নাম নয়। C) কাদম্বিনী — কাদম্বিনী গাঙ্গুলী ব্রিটিশ ভারতের প্রথম দুই জন নারী স্নাতকদের একজন ও প্রথম নারী চিকিৎসক ছিলেন। D) ইলা মিত্র — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি নাচোল বিদ্রোহের নেত্রী হিসেবে পরিচিত। মনে রাখার টিপস: নাচোল বিদ্রোহের নেত্রীকে মনে রাখতে 'নাচোল' ও 'ইলা মিত্র' এই দুটি নাম একত্রে মনে রাখুন।
a সাতক্ষীরা
b রাঙামাটি
c সিলেট
d কক্সবাজার
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সিলেট কেন সঠিক: - রাতারগুল বাংলাদেশের একমাত্র সোয়াম্প ফরেস্ট বা জলাবন, যা সিলেট জেলার গোয়াইনঘাট উপজেলায় অবস্থিত। - প্রাকৃতিকভাবে গড়ে ওঠা এই বনের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এখানকার গাছপালা বছরের বেশিরভাগ সময় জলের নিচে ডুবে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাতক্ষীরা — এটি বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের একটি জেলা, যা সুন্দরবনের জন্য পরিচিত এবং এখানে কোনো সোয়াম্প ফরেস্ট নেই। B) রাঙামাটি — এটি পাহাড়ি জেলা এবং কাপ্তাই হ্রদের জন্য বিখ্যাত, কিন্তু এটি কোনো জলাবন বা রাতারগুল নয়। C) সিলেট — এটি সঠিক উত্তর কারণ রাতারগুল জলাবনটি এই জেলার গোয়াইনঘাটেই অবস্থিত। D) কক্সবাজার — এটি সমুদ্রসৈকত ও পাহাড়ের জন্য পরিচিত দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের জেলা, এখানে রাতারগুল অবস্থিত নয়। মনে রাখার টিপস: সিলেট অঞ্চলের সোয়াম্প ফরেস্ট বা জলাবন মনে রাখতে রাতারগুল নামটি মাথায় রাখুন।
a ইউনেস্কো
b বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি
c ইউনিসেফ
d নিরাপত্তা পরিষদ
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি কেন সঠিক: - বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি ২০২০ সালে সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে ক্ষুধা নিবারণ ও শান্তি প্রতিষ্ঠার অবদানের জন্য নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে। - এই সংস্থাটি বিশ্বজুড়ে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং মানবিক সহায়তা প্রদানে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইউনেস্কো — এটি শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতির প্রসারে কাজ করে, ২০২০ সালের শান্তিতে নোবেল পায়নি। B) বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি — এটি ২০২০ সালের শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করে। C) ইউনিসেফ — এটি শিশুদের অধিকার ও কল্যাণ রক্ষায় কাজ করে, ২০২০ সালের শান্তিতে নোবেল পায়নি। D) নিরাপত্তা পরিষদ — এটি জাতিসংঘের একটি মূল অঙ্গসংগঠন যা বিশ্বশান্তি রক্ষায় কাজ করে, নোবেল পুরস্কার লাভ করেনি। মনে রাখার টিপস: খাদ্য দিয়েই শান্তি আসে, তাই ২০২০ সালে শান্তির নোবেল পেয়েছিল বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি।
a মাতৃ মৎস্য ভাণ্ডার
b পর্যটন
c রামসার সাইট
d নদী বন্দর
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মাতৃ মৎস্য ভাণ্ডার কেন সঠিক: - এটি একমাত্র প্রাকৃতিক প্রজনন ক্ষেত্র যেখানে রুই, কাতলা ও মৃগেলের মতো কার্প জাতীয় মাছের মা মাছ ডিম ছাড়ে। - নদীটির বিশেষ ভৌগোলিক ও জোয়ারভাটার বৈশিষ্ট্যের কারণে জীবন্ত রেনু পোনা সংগ্রহ করা সম্ভব হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাতৃ মৎস্য ভাণ্ডার — এটি সঠিক উত্তর কারণ নদীটি প্রাকৃতিকভাবে রেনু পোনা উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত। B) পর্যটন — নদীটি সুন্দর হলেও এটি প্রধানত মৎস্য প্রজননের জন্য বিখ্যাত, পর্যটনের জন্য নয়। C) রামসার সাইট — এটি রামসার কনভেনশনের আওতাভুক্ত কোনো wetlands বা সংরক্ষিত জলাভূমি নয়। D) নদী বন্দর — এটি কোনো প্রধান বাণিজ্যিক নদী বন্দর বা নৌপরিবহনের কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত নয়। মনে রাখার টিপস: হালদা নদী মানেই মা মাছের ডিম ছাড়ার স্থান বা মাতৃ মৎস্য ভাণ্ডার।
a ১৯২৬ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি
b ১৯২৮ সালের ১০ এপ্রিল
c ১৯৩০ সালের ১০ মে
d ১৯৩২ সালের ১০ আগস্ট
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৯২৬ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি কেন সঠিক: - ১৯২৬ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রথমবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শন করেন এবং কার্জন হলে মুসলিম সাহিত্য সমাজের অনুষ্ঠানে বক্তৃতা দেন। - এই বক্তৃতার মূল বিষয়বস্তু ছিল সাহিত্য এবং বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯২৬ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি — এটি সঠিক সাল ও তারিখ হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। B) ১৯২৮ সালের ১০ এপ্রিল — এই তারিখে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আসেননি বা এই বক্তৃতাটি দেননি। C) ১৯৩০ সালের ১০ মে — এটি ভুল সাল ও তারিখ, কারণ তিনি ১৯২৬ সালেই প্রথম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বক্তৃতা দিয়েছিলেন। D) ১৯৩২ সালের ১০ আগস্ট — এই তারিখে কোনো ঐতিহাসিক বক্তৃতা বা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শনের ঘটনা ঘটেনি। মনে রাখার টিপস: রবীন্দ্রনাথ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম এসেছিলেন ১৯২৬ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি, সালটি মনে রাখলেই উত্তর নিশ্চিত করা সম্ভব।
a চট্টগ্রাম
b খুলনা
c ঢাকা
d বরিশাল
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ঢাকা কেন সঠিক: - ক্র্যাক প্লাটুন ছিল ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে ঢাকায় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে গেরিলা আক্রমণ পরিচালনাকারী একটি বিশেষ দল। - এই শহুরে গেরিলা দলটির মূল লক্ষ্য ছিল অপারেশন বা ঝটিকা আক্রমণের মাধ্যমে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীকে আতঙ্কিত রাখা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চট্টগ্রাম — চট্টগ্রাম সেক্টরে অন্যান্য নিয়মিত ও অনিয়মিত বাহিনী যুদ্ধ করলেও ক্র্যাক প্লাটুন এখানে সক্রিয় ছিল না। B) খুলনা — খুলনা অঞ্চলে বিভিন্ন মুক্তিসংগ্রামের দল কার্যক্রম চালালেও ক্র্যাক প্লাটুন এই শহরে মোতায়েন ছিল না। C) ঢাকা — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এই অপশনের সঙ্গেই সম্পর্কিত বিধায় এটি ঢাকা শহরেই সক্রিয় ছিল। D) বরিশাল — বরিশাল মূলত সুন্দরবন সংলগ্ন এবং দক্ষিণ অঞ্চলের সেক্টরের অধীনে পরিচালিত হতো, যেখানে ক্র্যাক প্লাটুন ছিল না। মনে রাখার টিপস: ক্র্যাক প্লাটুন মানেই নগর যুদ্ধ, আর বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে এই নগর গেরিলা ইউনিটটি শুধু ঢাকা শহরেই বিখ্যাত সব অপারেশন পরিচালনা করেছিল।
a অক্সফোর্ড অ্যাস্ট্রাজেনেকা-কোভিশিল্ড
b সিনোভ্যাক্সের করোনাভ্যাক
c ফাইজারের বায়োএনটেক জনসন
d এন্ড জনসন-জনসেন
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অক্সফোর্ড অ্যাস্ট্রাজেনেকা-কোভিশিল্ড প্রদত্ত তথ্য: বাংলাদেশে প্রথম ব্যবহৃত কোভিড-১৯ ভ্যাক্সিন হলো অক্সফোর্ড অ্যাস্ট্রাজেনেকা-কোভিশিল্ড সিরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়া এই ভ্যাক্সিন তৈরি করেছিল ধরি, প্রথম টিকাদান কর্মসূচির শুরুর তারিখ = ২৭শে জানুয়ারি, ২০২১ দেশব্যাপী টিকাদান শুরুর তারিখ = ৭ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ অতএব, প্রথম ধیাবে ভারত থেকে উপহার হিসেবে এই ভ্যাক্সিন আসে পরবর্তীতে বাণিজ্যিক চুক্তির মাধ্যমে এই ভ্যাক্সিন আনা হয় সুতরাং, বাংলাদেশে সর্বપ્રथम ব্যবহৃত প্রতিষেধক হিসেবে এটি চিহ্নিত হয় উত্তর: A) অক্সফোর্ড অ্যাস্ট্রাজেনেকা-কোভিশিল্ড
a নবীনচন্দ্র
b মাইকেল মধুসূদন
c মীর মশাররফ হোসেন
d কায়কোবাদ
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মাইকেল মধুসুদন কেন সঠিক: - মাইকেল মধুসুদন দত্তের মেঘনাদবধ কাব্য বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য। - অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত এই মহাকাব্যটি ১৮৬১ সালে প্রকাশিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নবীনচন্দ্র — তিনি একজন বিখ্যাত কবি ও মহাকাব্য রচয়িতা হলেও তার কাব্যগুলো সার্থক মহাকাব্যের পূর্ণাঙ্গ মর্যাদা পায়নি। B) মাইকেল মধুসুদন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) মীর মশাররফ হোসেন — তিনি মূলত ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক হিসেবে পরিচিত, মহাকাব্য রচয়িতা নন। D) কায়কোবাদ — তার মহাশ্মশান একটি মহাকাব্য হলেও এটি মাইকেল মধুসুদন দত্তের পর রচিত এবং সার্থকতার বিচারে দ্বিতীয়। মনে রাখার টিপস: সার্থক মহাকাব্য মানেই মাইকেল মধুসুদন দত্ত এবং তার মেঘনাদবধ কাব্য।
a ঢাকা
b বরেন্দ্র
c সিলেট
d চট্টগ্রাম
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বরেন্দ্র কেন সঠিক: - বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর ১৯১০ সালে রাজশাহীতে প্রতিষ্ঠিত হয়, যা বাংলাদেশের তথা সমগ্র অঞ্চলের প্রাচীনতম জাদুঘর। - এটি মূলত প্রত্নতত্ত্ব সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এবং এর প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন কুমার শরৎ কুমার রায় ও অক্ষয় কুমার মৈত্রেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঢাকা — এটি প্রাচীনতম জাদুঘর নয়, ১৯১৩ সালে প্রতিষ্ঠিত ঢাকা জাদুঘর পরবর্তী সময়ের প্রতিষ্ঠান। C) সিলেট — সিলেটে এ ধরনের কোনো প্রাচীন বা প্রথম জাদুঘর প্রতিষ্ঠিত হয়নি। D) চট্টগ্রাম — চট্টগ্রামে প্রাচীনতম জাদুঘর প্রতিষ্ঠিত হয়নি, এটি সঠিক উত্তর নয়। মনে রাখার টিপস: প্রথম জাদুঘরের জন্য বরেন্দ্র বা রাজশাহী নামটি মনে রাখবে।
a ইসলামাবাদ
b ঢাকা
c লাহোর
d করাচি
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) লাহোর কেন সঠিক: - ১৯৬৬ সালের ৫ থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে বিরোধী দলগুলোর একটি জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। - এই সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠার ঐতিহাসিক ছয় দফা দাবি পেশ ও ঘোষণা করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইসলামাবাদ — এটি পাকিস্তানের বর্তমান রাজধানী হলেও ঐতিহাসিক ছয় দফা কর্মসূচি এখানে ঘোষিত হয়নি। B) ঢাকা — ছয় দফা লাহোরে পেশ করার পর বঙ্গবন্ধু ঢাকায় ফিরে ৬ দফা কর্মসূচি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রচার করেন, কিন্তু ঘোষণা লাহোরে হয়েছিল। C) লাহোর — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানেই ঐতিহাসিক ছয় দফা কর্মসূচি প্রথম উত্থাপন করা হয়েছিল। D) করাচি — এটি পাকিস্তানের একটি প্রধান বন্দর ও সাবেক রাজধানী, তবে ছয় দফা ঘোষণার সঙ্গে এর কোনো ঐতিহাসিক সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: লাহোরে বসে বঙ্গবন্ধু বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ ছয় দফা ঘোষণা করেছিলেন।

মোট প্রশ্ন (3)

a CD Rom
b Floppy
c Blue Ray Disk
d Red Ray Disk
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Blue Ray Disk ১. কেন সঠিক: - ব্লু-রে ডিস্ক একটি অপটিক্যাল স্টোরেজ ডিভাইস যাতে সাধারণ ডিভিডি বা সিডির তুলনায় অনেক বেশি তথ্য ধারণ করা যায়। - এতে নীল রঙের লেজার রশ্মি ব্যবহার করা হয় যার তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম হওয়ায় ডেটা অনেক ঘন করে সংরক্ষণ করা সম্ভব হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: ব্লু-রে ডিস্ক হলো একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন ডিজিটাল অপটিক্যাল ডিস্ক ফরম্যাট যা মূলত হাই-ডেফিনেশন ভিডিও এবং বিশাল পরিমাণ ডেটা সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়। - কার্যপদ্ধতি: এটি ডেটা রিড ও রাইট করার জন্য সংক্ষিপ্ত তরঙ্গদৈর্ঘ্যের ৪০৫ ন্যানোমিটার নীল-বেগুনি লেজার রশ্মি ব্যবহার করে যা ছোট আকারের পিট তৈরি করতে পারে। - বৈশিষ্ট্য: একটি সিঙ্গেল লেয়ার ব্লু-রে ডিস্কে সাধারণত ২৫ গিগাবাইট এবং ডুয়েল লেয়ারে ৫০ গিগাবাইট পর্যন্ত ডেটা সংরক্ষণ করা সম্ভব। - ব্যবহার: আধুনিক ভিডিও গেম কনসোল, উচ্চ মানের চলচ্চিত্র বা মুভি সংরক্ষণ এবং বড় আকারের ব্যাকআপ রাখতে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: একটি পূর্ণদৈর্ঘ্য হাই-ডেফিনেশন চলচ্চিত্র। ব্যাখ্যা: চমৎকার মানের একটি ভিডিও ফাইল আকারে অনেক বড় হওয়ায় তা সাধারণ ডিভিডিতে ধরে না, কিন্তু ব্লু-রে ডিস্কে খুব সহজে রাখা যায়। উদাহরণ ২: প্লেস্টেশন গেম ডিস্ক। ব্যাখ্যা: আধুনিক ভিডিও গেমগুলোতে প্রচুর গ্রাফিক্স ও ডেটা থাকে যা ব্লু-রে ডিস্কের মাধ্যমে চালনা করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) CD Rom - সিডি রম বা কম্প্যাক্ট ডিস্ক রিড অনলি মেমরির ধারণক্ষমতা মাত্র প্রায় ৭০০ মেগাবাইট যা ডিভিডির চেয়েও অনেক কম। B) Floppy - ফ্লপি ডিস্ক একটি প্রাচীন ও অত্যন্ত সীমিত ক্ষমতাসম্পন্ন চৌম্বকীয় স্টোরেজ ডিভাইস যার ধারণক্ষমতা মাত্র ১.৪৪ মেগাবাইট। D) Red Ray Disk - এটি কোনো স্ট্যান্ডার্ড বা প্রচলিত অপটিক্যাল ডিস্ক ফরম্যাট নয়, মূলত বিভ্রান্ত করার জন্য এই অপশনটি তৈরি করা হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - সিডি ধারণ করে ৭০০ মেগাবাইট, ডিভিডি ধারণ করে ৪.৭ গিগাবাইট এবং ব্লু-রে ডিস্ক ধারণ করে ২৫ গিগাবাইট বা তার বেশি। - লেজারের তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত কম হয়, ডেটা ধারণ ক্ষমতা তত বেশি হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ব্লু-রে ডিস্কে নীল লেজার ব্যবহারের কারণে এর নাম ব্লু-রে রাখা হয়েছে। - অপটিক্যাল ডিস্কগুলোর মধ্যে বর্তমানে ব্লু-রে ডিস্ক সর্বোচ্চ ধারণক্ষমতার জন্য পরিচিত।
a বিল গেটস
b স্টিভ জবস
c টিম বার্নাস লি
d জেফ বেজোস
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) টিম বার্নাস লি ১. কেন সঠিক: ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব বা ডব্লিউডব্লিউডব্লিউ এর জনক হলেন টিম বার্নাস লি। তিনি ১৯৮৯ সালে সুইজারল্যান্ডের সার্ন ল্যাবরেটরিতে এই বৈপ্লবিক প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেন। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে সংযুক্ত হাইপারটেক্সট ডকুমেন্টের একটি বিশাল ভাণ্ডার। কার্যপদ্ধতি: এটি ক্লায়েন্ট সার্ভার আর্কিটেকচারের মাধ্যমে কাজ করে যেখানে ব্রাউজার সার্ভার থেকে তথ্য এনে প্রদর্শন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গুগল ক্রোম বা মজিলা ফায়ারফক্স ব্রাউজারে কোনো ঠিকানা লেখা। ব্যাখ্যা: এটি ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের মাধ্যমেই ইন্টারনেটের বিভিন্ন পেজ বা ওয়েবসাইট আমাদের স্ক্রিনে নিয়ে আসে। উদাহরণ ২: কোনো অনলাইন পত্রিকার লিংকে ক্লিক করে খবর পড়া। ব্যাখ্যা: এটি ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের হাইপারলিংক কাঠামোর সুবাদে এক পৃষ্ঠা থেকে অন্য পৃষ্ঠায় সহজে নিয়ে যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিল গেটস — তিনি মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা এবং এমএস ডস ও উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের উন্নয়নে প্রধান ভূমিকা পালন করেছিলেন। B) স্টিভ জবস — তিনি অ্যাপল কোম্পানির সহ-প্রতিষ্ঠাতা এবং ম্যাকিনটশ কম্পিউটার ও আইফোন উদ্ভাবনে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। D) জেফ বেজোস — তিনি বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান অ্যামাজনের প্রতিষ্ঠাতা এবং ক্লাউড কম্পিউটিং সেবা এডব্লিউএস এর প্রবক্তা। ৫ মনে রাখার টিপস: টিমের ওয়েবসাইট বা ওয়েব বানিয়েছেন টিম বার্নাস লি এই কৌশলটি মনে রাখতে পারেন। ডব্লিউডব্লিউডব্লিউ এর পূর্ণরূপ ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব এবং ইন্টারনেট দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন ধারণা। ইন্টারনেট হলো সংযোগ ব্যবস্থা আর ডব্লিউডব্লিউডব্লিউ হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য আদান প্রদানের মাধ্যম।
a DVU
b UVD
c VDU
d CCTV
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) VDU ১. কেন সঠিক: - কম্পিউটার মনিটরকে VDU বলা হয় কারণ এর পূর্ণরূপ হলো Visual Display Unit। - এটি কম্পিউটারের প্রধান আউটপুট ডিভাইস হিসেবে প্রসেসিং করা ডেটা বা তথ্য মানুষের দৃশ্যমান রূপ বা ছবির মাধ্যমে প্রদর্শন করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: VDU হলো এমন একটি ইলেকট্রনিক ডিসপ্লে ডিভাইস যা কম্পিউটারের ভেতর থেকে আসা সিগন্যালকে রিসিভ করে ব্যবহারকারীর চোখের সামনে দৃশ্যমান টেক্সট, ছবি বা ভিডিও আকারে প্রকাশ করে। - কার্যপদ্ধতি: এটি গ্রাফিক্স কার্ড বা প্রসেসর থেকে ভিডিও সিগন্যাল গ্রহণ করে পিক্সেল বা উপাদানের সাহায্যে স্ক্রিনে আলো ও রঙের সমন্বয়ে চিত্র তৈরি করে। - বৈশিষ্ট্য: এটি সফট কপি বা অস্থায়ী আউটপুট প্রদান করে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী রেজুলেশন ও রিফ্রেশ রেট পরিবর্তন করা যায়। - ব্যবহার: ব্যক্তিগত কম্পিউটার, ল্যাপটপ, সার্ভার টার্মিনাল এবং বিভিন্ন নিয়ন্ত্রণ কক্ষে ভিজ্যুয়াল আউটপুট দেখার জন্য মনিটর বা VDU ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ডেস্কটপ কম্পিউটার চালু করার পর স্ক্রিনে যে উইন্ডোজ বা ডেস্কটপ ব্যাকগ্রাউন্ড দেখা যায়। ব্যাখ্যা: প্রসেসর থেকে নির্দেশ পাওয়ার পর মনিটর বা VDU সেই গ্রাফিকাল ইন্টারফেসটি ব্যবহারকারীর সামনে দৃশ্যমান করে তোলে। উদাহরণ ২: ল্যাপটপের সাথে যুক্ত ডিসপ্লে স্ক্রিন। ব্যাখ্যা: এটি ইন্টারনাল গ্রাফিক্স কার্ডের সাহায্যে প্রসেসিং করা সমস্ত ভিজ্যুয়াল ডেটা রিয়েল-টাইমে প্রদর্শন করতে কাজ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) DVU — এটি কোনো স্ট্যান্ডার্ড কম্পিউটার প্রযুক্তি বা ডিভাইসের নাম নয়। B) UVD — এটি মনিটরের সঠিক পূর্ণরূপ বা সমার্থক শব্দ নয়। D) CCTV — এর পূর্ণরূপ Closed-Circuit Television, যা মূলত নিরাপত্তা নজরদারির জন্য ব্যবহৃত ক্যামেরা ও ডিসপ্লে সিস্টেম। ৫. মনে রাখার টিপস: - মনিটর মানেই যা দেখা যায়, আর দেখার ইংরেজি শব্দ ভিউ থেকে VDU বা Visual Display Unit এসেছে। - ইনপুট ডিভাইসের সাথে আউটপুট ডিভাইস হিসেবে মনিটরের বিকল্প নাম মনে রাখতে VDU সংক্ষিপ্ত রূপটি মাথায় রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - কম্পিউটার মনিটর হলো একটি বহুল ব্যবহৃত আউটপুট ডিভাইস এবং সফট কপি আউটপুটের প্রধান মাধ্যম। - এই ধরনের প্রশ্নে প্রায়শই বিভ্রান্তিকর সংক্ষিপ্ত রূপ অপশনে দেওয়া হয়, তাই পূর্ণরূপগুলো ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।