পশ্চিমাঞ্চল গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড

পশ্চিমাঞ্চল গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড পরীক্ষা ২০২১

পদের নাম: সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) (৯ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (80)

a কথোপকথন নির্ভর সাহিত্য নাটক
b আবৃতি
c ছোটগল্প ও উপন্যাস
d কোনোটিই নয়
1 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ছোটগল্প ও উপন্যাস ১. কেন সঠিক: - কথাসাহিত্য বলতে মূলত গদ্যে রচিত কল্পকাহিনি বা আখ্যানমূলক সাহিত্যকে বোঝায়, যার প্রধান দুটি রূপ হলো ছোটগল্প ও উপন্যাস। - কথাসাহিত্য শব্দটির মধ্যে কথা অর্থাৎ গল্প বা কাহিনি এবং সাহিত্য অর্থাৎ শিল্পসম্মত রূপ এই দুটি ধারণার মিলন ঘটেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা সাহিত্যে গদ্যরীতির বিকাশের ফলে কথাসাহিত্যের সূচনা হয়েছে, যার মধ্যে উপন্যাস দীর্ঘ আকৃতির এবং ছোটগল্প সংক্ষিপ্ত আকৃতির হয়ে থাকে। - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের জনক এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আধুনিক ছোটগল্পের জনক হিসেবে বাংলা সাহিত্যে বিশেষ পরিচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিষবৃক্ষ ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা বাংলা কথাসাহিত্যের অন্যতম প্রধান নিদর্শন। উদাহরণ ২: দেনাপাওনা ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি জনপ্রিয় ছোটগল্প, যা কথাসাহিত্যের ক্ষুদ্র আকৃতির শিল্পসম্মত রূপ প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কথোপকথন নির্ভর সাহিত্য নাটক — নাটক কথাসাহিত্যের অন্তর্ভুক্ত নয়, এটি দৃশ্যকাব্য বা নাট্যসাহিত্য হিসেবে পরিচিত। B) আবৃতি — আবৃতি হলো কবিতা বা পদ্য কথন বা পরিবেশন শিল্প, এটি কোনো কথাসাহিত্য নয়। C) ছোটগল্প ও উপন্যাস — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং এটি কথাসাহিত্যের সঠিক পরিধি নির্দেশ করে। D) কোনোটিই নয় — যেহেতু সি অপশনটি সঠিক, তাই এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - কথাসাহিত্য মানেই মনে রাখবে গল্প বা কাহিনি, আর সাহিত্যের দুটি প্রধান গল্পরূপ হলো ছোটগল্প ও উপন্যাস। - নাটক হলো দৃশ্যকাব্য, তাই কথাসাহিত্য ও নাটকের পার্থক্য সহজে মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে বাংলা উপন্যাসের জনক কে, যার সঠিক উত্তর বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। - একই সঙ্গে ছোটগল্পের জনক রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, এই তথ্যটিও বিভিন্ন পরীক্ষায় বারবার আসে।
a নিঃ + ঠুর
b নি + ইর
c নিস + ঠুর
d নিশ + ঠুর
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নিঃ + ঠুর ১. কেন সঠিক: নিঃ + ঠুর মিলে 'নিষ্ঠুর' শব্দটি গঠিত হয়েছে। এটি বিসর্গ সন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম অনুযায়ী সাধিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী বিসর্গের পর চ, ছ বা ট, ঠ কিংবা ত, থ থাকলে বিসর্গ স্থানে স, শ বা ষ হয়। এই নিয়মে বিসর্গের পর ঠ থাকায় বিসর্গ পরিবর্তিত হয়ে ষ হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নিঃ + ঠিকা = নিঠিকা বা নিষ্কর্মা জাতীয় শব্দে এই নিয়মের প্রভাব দেখা যায়। ব্যাখ্যা: বিসর্গ সন্ধির এই বিশেষ নিয়মটি ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে বিসর্গের মিলনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়। উদাহরণ ২: আবিঃ + কার = আবিষ্কার ব্যাখ্যা: বিসর্গের পর ক থাকলে বিসর্গ স্থানে ষ হয়, যা একই সূত্রে গাঁথা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিঃ + ঠুর — এটি সঠিক কারণ বিসর্গ সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী নিঃ এবং ঠুর মিলে নিষ্ঠুর গঠিত হয়। B) নি + ইর — এই অপশনটি ভুল কারণ এতে সন্ধির সঠিক ধ্বনিগত পরিবর্তন ঘটেনি এবং অর্থপূর্ণ অংশ নেই। C) নিস + ঠুর — এটি ভুল কারণ এখানে বিসর্গের পরিবর্তে সরাসরি দন্ত স ব্যবহার করা হয়েছে, যা এই শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। D) নিশ + ঠুর — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে তালব্য শ ব্যবহার করা হয়েছে, অথচ নিয়মানুযায়ী মূর্ধন্য ষ হওয়ার কথা। ৫. মনে রাখার টিপস: বিসর্গের সাথে ঠ যুক্ত হলে মূর্ধন্য ষ হয়। এই নিয়মটি মনে রাখলে নিষ্ঠুর শব্দটি সহজে ভাঙা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসর্গ সন্ধির এই নিয়মটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। বিসর্গ ও ব্যঞ্জনের এই পরিবর্তন ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a উদক
b অরুণ
c পত্রগ
d অরোরা
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) উদক ১. কেন সঠিক: - 'উদক' শব্দটি সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত এবং এর অর্থ হলো পানি বা জল। - বাংলা ব্যাকরণে তৎসম শব্দের শব্দার্থ অনুধাবনে সমার্থক শব্দের গুরুত্ব অপরিসীম। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো সেই সব শব্দ যেগুলোর অর্থ প্রায় একই বা সমান। - 'পানি' বা 'জল' বোঝাতে বাংলা ভাষায় বহু তৎসম, অর্ধ-তৎসম ও দেশি শব্দ ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পানি পানের জন্য গ্লাসটি পরিষ্কার করা প্রয়োজন। ব্যাখ্যা: এখানে 'পানি' শব্দের সাধারণ ব্যবহার দেখানো হয়েছে। উদাহরণ ২: নদীটির উদক অত্যন্ত স্বচ্ছ ও নির্মল। ব্যাখ্যা: এখানে 'উদক' শব্দটি 'পানি' বা 'জল' অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উদক — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ পানি। B) অরুণ — এই অপশনটি ভুল কারণ অরুণের অর্থ সূর্য বা ভোরের লাল আভা। C) পত্রগ — এই অপশনটি ভুল কারণ পত্রগের অর্থ পাখি বা যা ডানায় ওড়ে। D) অরোরা — এই অপশনটি ভুল কারণ অরোরা হলো মেরুপ্রভা বা বায়ুমণ্ডলের এক ধরনের দীপ্তি। ৫ মনে রাখার টিপস: - পানি শব্দের সমার্থক শব্দগুলো মনে রাখতে জল, উদক, বারি ও সলিল এক সাথে চর্চা করতে পারো। - পরীক্ষায় তৎসম সমার্থক শব্দগুলো আলাদা করে মনে রাখা ভালো। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পানির সমার্থক শব্দ হিসেবে উদক, বারি, সলিল এবং অপ প্রায়ই আসে। - শব্দের মূল অর্থ এবং উৎস জানলে সমার্থক শব্দ নির্ণয় করা সহজ হয়।
a স্বরসন্ধি
b বিসর্গসন্ধি
c কোনোটিই নয়
d ব্যঞ্জনসন্ধি
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বিসর্গসন্ধি ১. কেন সঠিক: - খাঁটি বাংলায় বা তদ্ভব শব্দে বিসর্গসন্ধি অনুপস্থিত কারণ বিসর্গ মূলত তৎসম বা সংস্কৃত ব্যাকরণের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। - বাংলা ভাষায় শব্দের মিলন বা সন্ধি মূলত সংস্কৃত ভাষা থেকেই বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ব্যাকরণগত নিয়মে প্রবেশ করেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সন্ধি প্রধানত তিন প্রকার যেমন স্বরসন্ধি, ব্যঞ্জনসন্ধি ও বিসর্গসন্ধি। এর মধ্যে বিসর্গসন্ধি কেবল সংস্কৃত বা তৎসম শব্দের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। - খাঁটি বাংলা শব্দ বা দেশি ও তদ্ভব শব্দে বিসর্গের কোনো ব্যবহার নেই বলে সেখানে বিসর্গসন্ধি গঠিত হয় না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মন + কষ্ট = মনঃকষ্ট ব্যাখ্যা: এটি একটি তৎসম শব্দ যেখানে বিসর্গের ব্যবহার ও সন্ধি কার্যকর হয়েছে। উদাহরণ ২: অহংকার = অহম্ + কার ব্যাখ্যা: এটি সংস্কৃতির নিয়ম মেনে সাধিত বিসর্গ ও ব্যঞ্জনসন্ধির মিশ্রণজাত তৎসম শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্বরসন্ধি — এটি খাঁটি বাংলা ও তৎসম উভয় শব্দেই সক্রিয়ভাবে বিদ্যমান থাকে। B) বিসর্গসন্ধি — এটি একমাত্র সঠিক উত্তর কারণ এটি খাঁটি বাংলায় নেই। C) কোনোটিই নয় — যেহেতু বিসর্গসন্ধি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। D) ব্যঞ্জনসন্ধি — এটি খাঁটি বাংলা ও তৎসম উভয় শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - মনে রাখবে বিসর্গযুক্ত শব্দমাত্রই সংস্কৃত বা তৎসম শব্দ। তাই খাঁটি বাংলা শব্দে বিসর্গসন্ধি খোঁজার কোনো সুযোগ নেই। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জানতে চাওয়া হয় কোন সন্ধিটি বাংলা শব্দে পাওয়া যায় না। উত্তর সবসময় বিসর্গসন্ধি হবে।
a বড়
b ছোট
c মন্দ
d বিলা
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ছোট ১. কেন সঠিক: পাতিহাঁস শব্দটিতে পাতি উপসর্গটি ছোট বা ক্ষুদ্র অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। বাংলা ভাষায় কিছু বিদেশি বা দেশি উপসর্গ শব্দের পূর্বে বসে তার অর্থের সংকোচন ঘটায় এবং ক্ষুদ্রতা বোঝায়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে কিছু উপসর্গ ও শব্দের পূর্বে বসা শব্দাংশ রয়েছে যা মূল শব্দের আকার বা গুরুত্ব কমিয়ে ছোট বা সাধারণ বোঝায়। পাতি উপসর্গটি ঠিক এই কাজটিই করে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পাতিলেবু ব্যাখ্যা: লেবুর ছোট জাত বোঝাতে পাতি শব্দ যুক্ত হয়ে পাতিলেবু গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: পাতিশালিক ব্যাখ্যা: শালিক পাখির ছোট জাত বা সাধারণ শালিক বোঝাতে পাতি উপসর্গ ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বড় — পাতি উপসর্গ বড় বা বিশাল বোঝাতে ব্যবহৃত হয় না, এটি সবসময় ক্ষুদ্রতা প্রকাশ করে। C) মন্দ — মন্দ বা খারাপ অর্থ প্রকাশের জন্য কু বা আদা উপসর্গ ব্যবহৃত হয়, পাতি নয়। D) বিলা — বিলা বলতে এখানে কোনো সঠিক ব্যাকরণগত অর্থ বা উপসর্গ বোঝায় না। ৫ মনে রাখার টিপস: পাতি শব্দের অর্থ মনে রাখবে ছোট। পাতিহাঁস বা পাতিলেবু মানেই ছোট আকৃতির হাঁস বা লেবু। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গভিত্তিক শব্দগঠন থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। শব্দের মূল অর্থের সঙ্গে উপসর্গ কীভাবে নতুন অর্থ যোগ করে তা খেয়াল রাখবে।
a মৃন্ময়
b মেটেল
c চিন্ময়
d মন্ময়
0 91 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মৃন্ময় ১. কেন সঠিক: মৃত্তিকা দিয়ে তৈরি বা গঠিত বোঝাতে এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন করলে 'মৃন্ময়' শব্দটি ব্যবহার করা হয়। এখানে মৃৎ শব্দের সঙ্গে ময় প্রত্যয় যুক্ত হয়ে মৃন্ময় শব্দটি গঠিত হয়েছে, যা মূলত মাটি সংক্রান্ত উপাদানকে নির্দেশ করে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ব্যাকরণের প্রত্যয় সাধিত শব্দের অন্তর্ভুক্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ এককথায় প্রকাশ। সংস্কৃত নিয়ম অনুযায়ী বিশেষ বিশেষ অর্থে উপাদান বোঝাতে পদের সঙ্গে ময়ট প্রত্যয় যুক্ত হয় এবং ময় রূপে তা শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রস্তর দিয়ে তৈরি = প্রস্তরময় ব্যাখ্যা: পাথর বা প্রস্তর উপাদান দিয়ে তৈরি কোনো কিছু বোঝাতে প্রস্তরময় শব্দ ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: জল দিয়ে তৈরি বা জলময় = জলময় ব্যাখ্যা: জলের উপস্থিতি বা উপাদান বোঝাতে এই বাক্য সংকোচন করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মৃন্ময় - এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) মেটেল - এটি ধাতু বা মাটিজাতীয় কোনো বস্তু বা ক্ষেত্রকে বোঝায়, তবে প্রমিত বাক্য সংকোচন হিসেবে এটি সঠিক নয়। C) চিন্ময় - এর অর্থ চিন বা জ্ঞানময় বস্তু বা চেতনা দিয়ে তৈরি, যা মৃত্তিকার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) মন্ময় - এর অর্থ মন সম্পর্কিত বা মনে সংক্রামিত, যা মৃত্তিকার সমার্থক বা প্রতিশব্দ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: মৃত্তিকা শব্দের মৃৎ অংশটি মনে রাখলে মৃন্ময় শব্দটি সহজে মনে রাখা সম্ভব। ময় প্রত্যয়টি সাধারণত উপাদান বা তৈরি অর্থে ব্যবহৃত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপাদানবাচক এককথায় প্রকাশ প্রায়ই আসে। মৃত্তিকা দিয়ে তৈরি মৃন্ময় এবং স্বর্ণ দিয়ে তৈরি স্বর্ণময় বা সোনায় তৈরি সোনালি জাতীয় শব্দগুলো ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
a বাচীন
b নবীন
c প্রাচীন
d চেনা
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্রাচীন ১. কেন সঠিক: - 'অর্বাচীন' শব্দটির অর্থ হলো বর্তমানকালের, আধুনিক বা কম বয়সি। এর ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে অতীতকালের বা বহু পুরনো বোঝানো শব্দ 'প্রাচীন'। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিপরীতার্থক শব্দ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে শব্দের মূল অর্থ এবং তার প্রমিত বিপরীত রূপ জানা অত্যন্ত জরুরি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে বিপরীতার্থক শব্দ বলতে মূল শব্দের ঠিক উল্টো বা বিপরীত অর্থ প্রকাশকারী শব্দকে বোঝায়। শব্দের উৎস, অর্থ এবং ভাবের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই বিপরীত শব্দ নির্ধারণ করতে হয়। - তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ সাধারণত তৎসম শব্দ দিয়েই গঠিত হয়, যা এখানেও অনুসৃত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আধুনিক ব্যাখ্যা: আধুনিক শব্দের বিপরীত শব্দ প্রাচীন বা প্রত্নকাল বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: নতুন ব্যাখ্যা: নতুন শব্দের বিপরীত শব্দ পুরোনো বা পুরাতন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাচীন — এই নামে বাংলায় কোনো অর্থবহ প্রমিত শব্দ নেই। B) নবীন — নবীন শব্দের অর্থ নতুন বা তরুণ, যা অর্বাচীন শব্দের সমার্থক, বিপরীতার্থক নয়। C) প্রাচীন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) চেনা — চেনা শব্দের বিপরীত শব্দ অচেনা, যা কালবাচক বা বয়সভিত্তিক বিপরীত শব্দের আওতাভুক্ত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - অর্বাচীন মানে নতুন বা আধুনিক এবং প্রাচীন মানে পুরনো। এই দুই শব্দের যুগল মিলিয়ে পড়লে সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কালবাচক বিপরীত শব্দ প্রায়ই আসে। তাই শব্দার্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করা আবশ্যক।
a বিধান
b নিশ্চিত
c আগ্রহ
d কোনোটিই নয়
0 93 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিধান ১. কেন সঠিক: - 'নির্বন্ধ' শব্দটির মূল অর্থ হলো নিয়ম, বিধান, আবশ্যিকতা বা জোরপূর্বক প্রথা। - বাংলা শব্দকোষ অনুযায়ী এটি কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম বা বিধিনিষেধের ক্ষেত্রে প্রযুক্ত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি শব্দের অর্থ বা শব্দার্থ বিষয়ক একটি প্রশ্ন যা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - প্রমিত বাংলা বানানে 'নির্বন্ধ' শব্দটির অর্থ বিভিন্ন প্রেক্ষাপটে নিয়ম, অনুশাসন বা জিদ বোঝাতেও ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তার কাজের কোনো নির্বন্ধ নেই। ব্যাখ্যা: এখানে 'নির্বন্ধ' শব্দটি নিয়ম বা শৃঙ্খলার অনুপস্থিতি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: শাস্ত্রে নির্বন্ধ করা আছে যে মিথ্যা বলা পাপ। ব্যাখ্যা: এখানে 'নির্বন্ধ' শব্দটি বিধান বা বাধ্যতামূলক নিয়ম অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিধান — এটি সঠিক উত্তর কারণ নির্বন্ধ শব্দের অর্থ নিয়ম বা বিধান। B) নিশ্চিত — নিশ্চিত শব্দের অর্থ অবধারিত বা পাকা, যা নির্বন্ধ শব্দের সমার্থক নয়। C) আগ্রহ — আগ্রহ শব্দের অর্থ স্পৃহা বা কৌতূহল, যা নির্বন্ধ শব্দের সঙ্গে মেলে না। D) কোনোটিই নয় — যেহেতু অপশন এ সঠিক, তাই এটি প্রযোজ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - নির্বন্ধ শব্দটির সঙ্গে 'নিয়ম' বা 'বিধান' শব্দটি মনে রাখতে নি বর্ণটি মিলিয়ে নিতে পারো। - নির্বন্ধ মানে নিয়ম বা বিধান যা সবাইকে মানতে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - এ ধরনের শব্দ শেখার সময় তার প্রচলিত ও কাব্যিক উভয় অর্থই খেয়াল রাখা উচিত।
a উপন্যাস
b কবিতা
c নাটক
d গল্প
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) উপন্যাস ১. কেন সঠিক: - 'আরেক ফাল্গুন' জহির রায়হান রচিত একটি বিখ্যাত বাংলা উপন্যাস যা ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে লেখা। - এটি বাংলা সাহিত্যের একটি ঐতিহাসিক রাজনৈতিক উপন্যাস যেখানে একুশে ফেব্রুয়ারির চেতনা ও কারাবন্দী ভাষা সংগ্রামীদের জীবন সংগ্রাম ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - জহির রায়হান ছিলেন একাধারে প্রখ্যাত কথাশিল্পী, সাংবাদিক ও চলচ্চিত্র নির্মাতা যিনি ১৯৫৩ সালে ভাষা আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছিলেন। - এই উপন্যাসে ভাষা আন্দোলনের পরবর্তী সময়ের রাজনৈতিক পরিবেশ এবং বন্দী মুক্তি আন্দোলনের বাস্তব চিত্র অত্যন্ত নিখুঁতভাবে তুলে ধরা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বরফ গলা নদী ব্যাখ্যা: এটিও জহির রায়হান রচিত একটি জনপ্রিয় সামাজিক উপন্যাস যা মানুষের মনস্তত্ত্ব ও জীবন সংগ্রামের ওপর ভিত্তি করে লেখা। উদাহরণ ২: হাজার বছর ধরে ব্যাখ্যা: জহির রায়হান রচিত এই উপন্যাসটি আবহমান বাংলার গ্রামীণ সমাজ ও সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার এক অনন্য দলিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উপন্যাস — এটি সঠিক উত্তর কারণ 'আরেক ফাল্গুন' একটি পূর্ণাঙ্গ গদ্যভিত্তিক উপন্যাস। B) কবিতা — এটি ভুল কারণ জহির রায়হান মূলত ঔপন্যাসিক ও গল্পকার হিসেবে পরিচিত, কোনো কাব্যগ্রন্থ নয় এটি। C) নাটক — এটি ভুল কারণ এই রচনাটি মঞ্চে অভিনীত হওয়ার জন্য রচিত নাটক নয়, বরং পড়ার উপযোগী উপন্যাস। D) গল্প — এটি ভুল কারণ ছোটগল্পের চেয়ে এর পরিসর ও পটভূমি অনেক বেশি বিস্তৃত হওয়ায় এটি উপন্যাস হিসেবে গণ্য। ৫ মনে রাখার টিপস: - জহির রায়হানের নাম আসলেই ভাষা আন্দোলনের উপন্যাস 'আরেক ফাল্গুন' এবং চলচ্চিত্র 'জীবন থেকে নেয়া'র কথা মনে রাখতে হবে। - ফাল্গুন মাস এলেই একুশের ভাষা আন্দোলন ও জহির রায়হানের এই বিখ্যাত উপন্যাসের কথা স্মরণে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই 'আরেক ফাল্গুন' উপন্যাসের রচয়ীতা কে বা এটি কোন পটভূমির রচনা তা জানতে চাওয়া হয়। - ভাষাভিত্তিক বা ঐতিহাসিক পটভূমির উপন্যাসের ক্ষেত্রে জহির রায়হানের 'আরেক ফাল্গুন' এবং শওকত ওসমানের 'কৃতদাসের হাসি' অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a সাধু ও চলিত
b সাধু ও দেশী
c দেশী ও বিদেশী
d বাংলা ও ইংরেজি
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সাধু ও চলিত ১. কেন সঠিক: - গুরুচণ্ডালী দোষ বলতে মূলত সাধু ও চলিত রীতির শব্দের মিশ্রণকে বোঝানো হয়। - বাংলা লেখ্য ভাষার দুটি রূপের মিশ্রণে যখন একটি অসঙ্গত বাক্য গঠিত হয়, তখন তাকে এই ব্যাকরণগত ত্রুটিতে ফেলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সাধু রীতি ও চলিত রীতির মিশ্রণে সৃষ্ট এই দোষ বাংলা বাক্যরীতির ক্ষেত্রে একটি বড় ত্রুটি হিসেবে গণ্য করা হয়। - একটি বাক্যে সাধু শব্দের সঙ্গে চলিত পদের ব্যবহার ভাষাগত মাধুর্য নষ্ট করে এবং বাক্যটিকে অসুলভ করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শবটি পোড়াইল ব্যাখ্যা: এখানে শবটি তৎসম বা সাধু শব্দ কিন্তু পোড়াইল চলিত ক্রিয়ার রূপ হওয়ায় এটি গুরুচণ্ডালী দোষে দুষ্ট। উদাহরণ ২: গাড়িটা চলিতেছে ব্যাখ্যা: গাড়িটা চলিতেছে বাক্যে গাড়িটা চলিত পদ এবং চলিতেছে সাধু ক্রিয়াপদ হওয়ায় এটি গুরুচণ্ডালী দোষের উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাধু ও চলিত — এটি সঠিক কারণ এই দুই রীতির মিশ্রণেই গুরুচণ্ডালী দোষ ঘটে। B) সাধু ও দেশী — সাধু ও দেশী শব্দের মিশ্রণে গুরুচণ্ডালী দোষ হয় না, এটি ভিন্ন শব্দরীতির মিশ্রণ। C) দেশী ও বিদেশী — দেশী ও বিদেশী শব্দের ব্যবহারে গুরুচণ্ডালী দোষ ঘটে না, কারণ এগুলো ভাষার স্বাভাবিক শব্দভাণ্ডার। D) বাংলা ও ইংরেজি — বাংলা ও ইংরেজি ভাষার মিশ্রণে মিশ্র ভাষা বা খিচুড়ি ভাষা সৃষ্টি হয়, গুরুচণ্ডালী দোষ হয় না। ৫ মনে রাখার টিপস: - সাধু ও চলিতের মিলন, গুরুচণ্ডালী দোষের কারণ। - এক বাক্যে দুই রীতি ব্যবহার করা যাবে না, এটি মনে রাখলেই এই প্রশ্নের উত্তর সহজ হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্যশুদ্ধি অধ্যায়ে এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে। - সাধু ও চলিত রীতির মিশ্রণ বা ক্রিয়াপদের রূপ পরিবর্তনের নিয়ম ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a বারি
b নয়ন
c চক্ষু
d লোচন
0 91 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বারি ১. কেন সঠিক: - 'বারি' শব্দের অর্থ পানি বা জল, যা চোখের সমার্থক শব্দ নয়। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সমার্থক শব্দ থেকে এমন প্রশ্ন আসে যেখানে তিনটি অপশন একই অর্থ প্রকাশ করে এবং একটি ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যা ভিন্ন বানান ও উচ্চারণের হলেও একই বা প্রায় একই অর্থ প্রকাশ করে। - বাংলা ভাষায় শব্দের অর্থের বৈচিত্র্য বোঝাতে বহু সমার্থক শব্দ ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নীর ব্যাখ্যা: নীর শব্দের অর্থ পানি বা জল, যা বারি শব্দের মতো চোখের সমার্থক নয়। উদাহরণ ২: অক্ষি ব্যাখ্যা: অক্ষি শব্দের অর্থ চোখ, যা চোখের একটি অন্যতম প্রধান সমার্থক শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বারি — এই অপশনটি সঠিক কারণ বারি শব্দের অর্থ পানি, যা চোখের সমার্থক শব্দ নয়। B) নয়ন — এই অপশনটি ভুল কারণ নয়ন শব্দের অর্থ চোখ, যা চোখের একটি প্রচলিত সমার্থক শব্দ। C) চক্ষু — এই অপশনটি ভুল কারণ চক্ষু শব্দের অর্থ চোখ, যা চোখের একটি পরিচিত সমার্থক শব্দ। D) লোচন — এই অপশনটি ভুল কারণ লোচন শব্দের অর্থ চোখ, যা চোখের একটি অন্যতম সমার্থক শব্দ। ৫. মনে রাখার টিপস: - চোখের সমার্থক শব্দগুলো মনে রাখার জন্য নয়ন, চক্ষু, লোচন, অক্ষি এবং আখি একত্রে পড়তে পারো। - বারি, নীর, পানি ও জল হলো জলের সমার্থক শব্দ, তাই এদের গুলিয়ে ফেলা যাবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সমার্থক শব্দ নির্ণয়ের সময় শব্দের মূল অর্থ ভালোভাবে বুঝতে হবে। - একই জাতীয় শব্দ বা ভিন্নার্থক শব্দ আলাদা করার জন্য শব্দের উৎস ও অর্থ মুখস্থ না করে বুঝে পড়া উচিত।
a প্রাত + রাশ
b প্রাতঃ + রাশ
c প্রাত + আশ
d প্রাতঃ + আশ
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রাতঃ + আশ কেন সঠিক: - এটি বিসর্গ সন্ধির নিয়মের আওতাভুক্ত শব্দ। - অকারান্ত শব্দের পরে বিসর্গ এবং তার সাথে স্বরবর্ণ যুক্ত হলে এই পরিবর্তন ঘটে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিসর্গ সন্ধির নিয়মে অকারের পর বিসর্গ এবং পরবর্তীতে অ বা অন্য কোনো স্বরবর্ণ থাকলে বিসর্গ লুপ্ত হয়ে আকার যুক্ত হয়। - প্রাতঃ শব্দের শেষে বিসর্গ আছে এবং আশ শব্দের শুরুতে আ আছে। - যেমন অহঃ + অহ = অহরহ, বা নমঃ + কার = নমস্কার। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) প্রাত + রাশ — এখানে বিসর্গ নেই এবং রাশ শব্দটি সঠিক নয়। - B) প্রাতঃ + রাশ — এখানে দ্বিতীয় অংশ রাশ হওয়ায় অর্থ পরিবর্তন হয়ে যায়। - C) প্রাত + আশ — এখানে বিসর্গ চিহ্ন ব্যবহার করা হয়নি। - D) প্রাতঃ + আশ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: - সকালে খাওয়ার বা প্রাতঃক্বৃত বোঝাতে প্রাতঃ শব্দের সাথে আশ যুক্ত করে প্রাতরাশ শব্দটি গঠিত হয়।
a আরবি শব্দ
b ফরাসি শব্দ
c দেশি শব্দ
d স্পেনীয় শব্দ
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দেশি শব্দ কেন সঠিক: - 'ডাব' শব্দটি বাংলা ভাষার আদি নিবাসী কোল, অস্ট্রিক বা দ্রাবিড় ভাষাভাষীদের কাছ থেকে এসেছে। - এই ধরনের শব্দগুলো হাজার বছর ধরে বাংলা ভাষায় প্রচলিত রয়েছে এবং এদের কোনো সংস্কৃত মূল নেই। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে যেসব শব্দ প্রাক-আর্্য বা দেশীয় জনগোষ্ঠীর ভাষা থেকে সরাসরি বাংলা ভাষায় এসেছে, সেগুলোকে দেশি শব্দ বলা হয়। - বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডারের একটি অন্যতম উৎস হলো এই দেশি শব্দ বা অবাঙ্গালি ভাষা থেকে গৃহীত শব্দ। - দেশি শব্দের অন্যান্য সাধারণ উদাহরণ হলো কুলা, ঢেঁকি, চোঙা, পেট, কুঁড়ে ইত্যাদি। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) আরবি শব্দ — আরবি শব্দ হলো ইসলাম ধর্ম ও সংস্কৃতির সঙ্গে সম্পর্কিত এবং বাণিজ্য সূত্রে বাংলায় আসা শব্দ যেমন আল্লা, কিতাব, কলম ইত্যাদি। - B) ফরাসি শব্দ — ফরাসি শব্দগুলো মূলত ইউরোপীয় বণিক ও ফরাসিদের মাধ্যমে বাংলায় প্রবেশ করেছে যেমন কার্তুজ, রেস্তোরাঁ, কুপন ইত্যাদি। - C) দেশি শব্দ — এই অপশনটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল প্রমাণের সুযোগ নেই। - D) স্পেনীয় শব্দ — স্পেনীয় শব্দগুলো মূলত পর্তুগিজ বা অন্যান্য ইউরোপীয়দের মাধ্যমে বাংলায় এসেছে যেমন কার্তুজ বা আঞ্চো, যা ডাব শব্দের সঙ্গে মেলে না। মনে রাখার টিপস: - গ্রামের সাধারণ ফল ও দেশীয় জিনিসের নাম যেমন ডাব, ঢেঁকি, কুলা সাধারণত দেশি শব্দ হয়।
a বন্ধ্যা
b আগাছা
c উদ্বাস্থ
d বনস্পতি
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বনস্পতি কেন সঠিক: ১. বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী যে উদ্ভিদ বা গাছের ফুল হয় না কিন্তু সরাসরি ফল ধরে তাকে বনস্পতি বলা হয়। ২. সাহিত্য ও অভিধানের তথ্য অনুসারে বৃহৎ আকারের ঔষধি গাছ বা বনস্পতি জাতীয় উদ্ভিদের ক্ষেত্রে এই বিশেষ এককথায় প্রকাশটি ব্যবহার করা হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের মাধ্যমে বড় একটি বাক্যের ভাব একটি মাত্র সুন্দর শব্দে প্রকাশ করা হয়। ২. প্রাচীন বাংলা সাহিত্য এবং উদ্ভিদ বিজ্ঞানের পরিভাষায় ফুল ফোটার ধাপ ছাড়াই যে গাছে ফল আসে তাদের বনস্পতি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ৩. এর অনুরূপ কিছু সাহিত্যিক প্রয়োগে দেখা যায় বট এবং অশ্বত্থ গাছের মতো বিশাল আকৃতির উদ্ভিদ এই ক্যাটাগরিতে পড়ে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বন্ধ্যা — যে নারী বা জমির উর্বরতাশক্তি নেই এবং সন্তান বা ফসল জন্মদানে অক্ষম তাকে বন্ধ্যা বলা হয়। B) আগাছা — ফসলের জমির মধ্যে প্রাকৃতিকভাবে জন্ম নেওয়া অনাবশ্যক ও ক্ষতিকর গাছগুলোকে আগাছা বলা হয়। C) উদ্বাস্থ — রাজনৈতিক বা প্রাকৃতিক কারণে যারা নিজেদের ভিটেমাটি হারিয়ে অন্যত্র আশ্রয় নিতে বাধ্য হয় তাদের বোঝায়। D) বনস্পতি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের কোনো ভুল নেই এবং এটি নির্দিষ্ট গাছকে নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: ১. মনে রাখার জন্য মাথায় রাখতে হবে বন মানে জঙ্গল এবং স্পতি মানে বড় গাছ যা ফুল ছাড়া শুধু ফল দেয়। ২. উদ্ভিদের ধরন মনে রেখে বনস্পতি শব্দটি মাথায় আনলে খুব সহজেই পরীক্ষার হলে সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সম্ভব হবে।
a চন্দ্র
b সূর্য
c অগ্নি
d পাথার
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সূর্য ১. কেন সঠিক: মার্তণ্ড শব্দটির আভিধানিক অর্থ হলো সূর্য বা দিবাকর। সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত এই তৎসম শব্দটির উৎস মূলত সৌরদেবতার সঙ্গে সম্পর্কিত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি সমার্থক শব্দ বা প্রতিশব্দ সংক্রান্ত ব্যাকরণগত প্রশ্ন। সূর্য শব্দের বিভিন্ন সমার্থক শব্দ রয়েছে যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সবিতা ব্যাখ্যা: এটি সূর্যের অপর একটি বহুল ব্যবহৃত সমার্থক শব্দ। উদাহরণ ২: দিবাকর ব্যাখ্যা: দিন বা দিবসকে যে আলো দেয়, অর্থে সূর্যকে দিবাকর বলা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চন্দ্র — চন্দ্র শব্দের অর্থ চাঁদ, যা সূর্যের বিপরীত প্রকৃতির শীতল জ্যোতিষ্ক। B) সূর্য — এই অপশনটি সঠিক এবং মার্তণ্ড শব্দের সমার্থক। C) অগ্নি — অগ্নি শব্দের অর্থ আগুন বা অনল, যা সূর্য থেকে ভিন্ন একটি প্রাকৃতিক উপাদান। D) পাথার — পাথার শব্দের অর্থ সমুদ্র বা বিশাল জলরাশি, যার সঙ্গে মার্তণ্ড শব্দের কোনো মিল নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: মার্তণ্ড শুনলে মনে রাখবে এটি আকাশের মহা শক্তিশালী এক গোলকের নাম। সূর্যের নানা নামের মধ্যে এটি একটু কঠিন, তাই ভালোভাবে চর্চা করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সূর্য, চাঁদ, সমুদ্র, নদী ও আকাশ শব্দগুলোর সমার্থক শব্দ খুব বেশি আসে। প্রমিত বাংলা বানরীতি মেনে এসব শব্দের বানানও ভালো করে মুখস্থ রাখতে হবে।
a দল বেধে চলা
b একই স্বভাবের লোক
c দামী জিনিস
d হীনতা
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) একই স্বভাবের লোক ১. কেন সঠিক: 'ঝাকের কৈ' একটি জনপ্রিয় বাংলা বাগধারা, যার অর্থ হলো একই স্বভাবের লোক বা একই দলের অন্তর্ভুক্ত ব্যক্তি। পুকুরে কৈ মাছ যেমন দল বেঁধে বা ঝাঁক বেঁধে চলে এবং তাদের সবার স্বভাব ও বৈশিষ্ট্য একই রকম হয়, তেমনি মানবসমাজে যারা একই রকম চিন্তাচেতনা বা চরিত্রের অধিকারী, তাদের বোঝাতে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার অন্যতম একটি তুলনামূলক বা সাদৃশ্যমূলক বাগধারা, যেখানে প্রাণীর বিশেষ আচরণকে মানুষের স্বভাবের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে। বাগধারাটি কোনো সাধারণ শব্দের আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভাবার্থ প্রকাশ করে থাকে, যা বাক্যের সৌন্দর্য ও ভাবকে বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরেরা সবাই এক পাল্লায় মাপা, তারা যেন ঝাকের কৈ। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে অপরাধপ্রবণ একই দলের মানুষদের বোঝাতে বাগধারাটির সফল প্রয়োগ ঘটেছে। উদাহরণ ২: এই রাজনৈতিক দলের সব নেতার বক্তব্যই একরকম, তারা তো আর ঝাকের কৈ ছাড়া কিছু নন। ব্যাখ্যা: এখানে একই ধরনের মানসিকতা সম্পন্ন ব্যক্তিবর্গকে নির্দেশ করতে এই উদাহরণটি ব্যবহার করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দল বেধে চলা — এটি আক্ষরিক অর্থের কাছাকাছি হলেও বাগধারার প্রকৃত ভাবার্থ মানুষের স্বভাবের মিলকে নির্দেশ করে, তাই এটি সঠিক নয়। C) দামী জিনিস — এই অর্থের সঙ্গে 'ঝাকের কৈ' বাগধারার কোনো দূরতম সম্পর্ক বা ঐতিহাসিক ব্যবহার নেই। D) হীনতা — এই অপশনটি সম্পূর্ণ আলাদা একটি মানসিক অবস্থা বা অবস্থাকে নির্দেশ করে, যা এই বাগধারার সঙ্গে মেলে না। ৫. মনে রাখার টিপস: কৈ মাছ যেমন দল বা ঝাঁক বেঁধে চলে এবং সব কৈ মাছের স্বভাব একই রকম হয়, তেমনি 'ঝাকের কৈ' দেখলে মনে রাখবে এর অর্থ একই স্বভাবের লোক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রাণীর আচার-আচরণ সম্পর্কিত বাগধারাগুলো প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাবার্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে। একই ধরনের অন্যান্য বাগধারা যেমন শাঁখের করাত বা পালের গোদা ভালোভাবে অনুশীলন করলে পরীক্ষার হলে উত্তর করা সহজ হবে।
a ত্যক্ত
b গূঢ়
c গ্রাহ্য
d অকথ্য
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গূঢ় ১. কেন সঠিক: 'ব্যক্ত' শব্দের অর্থ যা প্রকাশিত হয়েছে বা স্পষ্ট করা হয়েছে। এর বিপরীতে কোনো কিছু যা ঢাকা আছে বা গোপন করা হয়েছে, তাকে 'গূঢ়' বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার বিপরীতার্থক শব্দের একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ। ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী শব্দের অর্থের বিপরীত ভাব প্রকাশ করার জন্য বিপরীতার্থক শব্দ ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্যক্ত সত্য ব্যাখ্যা: এটি এমন একটি সত্য যা সবার সামনে প্রকাশিত। উদাহরণ ২: গূঢ় রহস্য ব্যাখ্যা: এটি এমন একটি রহস্য যা সহজে বোঝা যায় না বা গোপন থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ত্যক্ত — এর অর্থ বর্জিত বা ত্যাগ করা হয়েছে যা ব্যক্ত শব্দের বিপরীত নয়। B) গূঢ় — সঠিক উত্তর কারণ এটি প্রকাশিত শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। C) গ্রাহ্য — এর অর্থ যা গ্রহণ করার যোগ্য এবং এটি বর্জ্য শব্দের বিপরীত। D) অকথ্য — এর অর্থ যা মুখে বলা যায় না বা অশ্লীল বাক্য। ৫. মনে রাখার টিপস: ব্যক্ত মানে প্রকাশ, গূঢ় মানে প্রকাশহীন বা গোপন। প্রকাশের বিপরীত সবসময় গোপন বা লুকানো বোঝায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দ থেকে প্রশ্ন আসে। শব্দগুলোর সঠিক অর্থ জানলে খুব সহজে উত্তর করা যায়।
a ডাকাবুকো
b তামার বিষ
c তুলসি বনের বাঘ
d ঢাকের বায়া
0 93 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ঢাকের বায়া কেন সঠিক: - ঢাকের বায়া বলতে এমন একটি বাদ্যযন্ত্রকে বোঝায় যা অর্কেস্ট্রায় বা ঢাকের সাথে মূল তাল বা শব্দ তৈরি করে না, অর্থাৎ যার কোনো বিশেষ কার্যকারিতা বা মূল্য নেই। - বাংলা ভাষায় মূল্যহীন বা গুরুত্বহীন বস্তু বা ব্যক্তিকে বোঝাতে এই বাগধারাটি ঐতিহ্যগতভাবে ব্যবহার করা হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থের বাইরে গিয়ে একটি বিশেষ ও রূপক অর্থ প্রকাশ করে। - ঢাকের বায়া প্রবচনটি লোকসাহিত্য ও দৈনন্দিন কথ্যভাষা থেকে বাংলা সাহিত্যে স্থান লাভ করেছে। - সমাজের এমন কিছু মানুষ বা জিনিসকে ঢাকের বায়া বলা হয় যাদের উপস্থিতি বা অনুপস্থিতিতে কাজের কোনো পরিবর্তন হয় না। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) ডাকাবুকো — এই বাগধারাটির অর্থ অত্যন্ত সাহসী বা বেপরোয়া ব্যক্তি, যা মূল প্রশ্নের সাথে মেলে না। - B) তামার বিষ — এই বাগধারাটির অর্থ কুপ্রভাব বা অর্থের কুফল, যা মূল্যহীন অর্থে ব্যবহৃত হয় না। - C) তুলসি বনের বাঘ — এই বাগধারাটির অর্থ ভণ্ড বা শান্ত শিষ্টের আড়ালে বিপজ্জনক ব্যক্তি, যা মূল প্রশ্নের সাথে মেলে না। - D) ঢাকের বায়া — এই অপশনটিই সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: - ঢাকের যেমন একটি মূল অংশ থাকে এবং অন্যটি অপ্রয়োজনীয় বা কম গুরত্বপূর্ণ হয়, তেমনি মূল্যহীন বোঝাতে ঢাকের বায়া ব্যবহার হয়।
a সত্যেন সেন
b আবুল ফজল
c মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
d সৈয়দ আলী আহসান
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় ১. কেন সঠিক: - 'পুতুলনাচের ইতিকথা' বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ একটি মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস যার রচিয়তা কথাসাহিত্যিক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়। - ১৯৩৬ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাসে গ্রামীণ সমাজজীবনের পটভূমিতে মানুষের মনস্তত্ত্ব এবং নিয়তির অনিবার্য পরিণতি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসে ফ্রয়েডীয় মনোসমীক্ষণ এবং মার্ক্সবাদী চিন্তাধারার সফল প্রয়োগ করেছিলেন। - তাঁর প্রকৃত নাম প্রবোধ কুমার বন্দ্যোপাধ্যায় হলেও তিনি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় ছদ্মনামে লেখালেখি করতেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'পদ্মা নদীর মাঝি' ব্যাখ্যা: এটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আরেকটি বিখ্যাত উপন্যাস যা জেলে জীবনের বাস্তব চিত্র তুলে ধরে। উদাহরণ ২: 'সহিদ' ব্যাখ্যা: এটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা একটি জনপ্রিয় ছোটগল্প যা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সত্যেন সেন — এই লেখক মার্ক্সবাদী ধারার উপন্যাস লিখলেও 'পুতুলনাচের ইতিকথা' তাঁর রচনা নয়। B) আবুল ফজল — তিনি একজন প্রগতিশীল বুদ্ধিজীবী ও সাহিত্যিক হলেও এই উপন্যাসের রচিয়তা নন। C) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি এই উপন্যাসের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। D) সৈয়দ আলী আহসান — তিনি মূলত একজন বিশিষ্ট প্রবন্ধকার, গবেষক ও শিক্ষাবিদ, এই উপন্যাসের লেখক নন। ৫ মনে রাখার টিপস: - পুতুলনাচের মানিক এভাবে মনে রাখতে পারো যাতে পুতুলনাচের ইতিকথা উপন্যাসের লেখক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় সহজে মনে থাকে। - বাংলা উপন্যাসের মনোসমীক্ষাধারী লেখক বললেই মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম সবার আগে আসবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রথম উপন্যাস 'অতসী মামী' এবং প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস 'দিবারাত্রির কাব্য'। - এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় বারবার এসেছে তাই উপন্যাসটির নাম ও লেখকের নাম মুখস্থ রাখা জরুরি।
a নারী
b সুন্দরী
c তনয়া
d ননদিনী
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) তনয়া ১. কেন সঠিক: - নন্দিনী শব্দের অর্থ হলো কন্যা, মেয়ে বা আত্মজা। - তনয়া শব্দের অর্থও কন্যা বা মেয়ে, তাই এটি নন্দিনীর সঠিক সমার্থক শব্দ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো সেই সব শব্দ যাদের অর্থ প্রায় একই রকম হয়। - এই ধরনের শব্দভাণ্ডার বাড়াতে শব্দের উৎস ও প্রচলিত রূপ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দুহিতা ব্যাখ্যা: দুহিতা শব্দের অর্থ কন্যা বা মেয়ে, যা নন্দিনী শব্দের আরেকটি সমার্থক রূপ। উদাহরণ ২: আত্মজা ব্যাখ্যা: আত্মজা শব্দের অর্থ নিজের থেকে জন্ম নিয়েছে যে, অর্থাৎ কন্যা বা তনয়া। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নারী — নারী বলতে সাধারণ অর্থে স্ত্রীজাতি বা মহিলাকে বোঝায়, যা নির্দিষ্ট কোনো কন্যার সমার্থক নয়। B) সুন্দরী — সুন্দরী বলতে রূপবতী বা আকর্ষণীয় মহিলাকে বোঝায়, যা নন্দিনী শব্দের অর্থ প্রকাশ করে না। D) ননদিনী — ননদিনী শব্দের অর্থ সতীন বা স্বামীর বোন, যা নন্দিনী শব্দের সম্পূর্ণ আলাদা একটি অর্থ বহন করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - নন্দিনী শুনলেই কন্যা বা তনয়া কথাটি মনে রাখবে। - ন দিয়ে শুরু নন্দিনী এবং ত দিয়ে তনয়া, এভাবে দুটি শব্দের অর্থ এক সূত্রে গেঁথে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - কন্যাবাচক শব্দের সমার্থক হিসেবে তনয়া, দুহিতা, আত্মজা ও নন্দিনী শব্দগুলো বারবার অনুশীলনের মাধ্যমে আয়ত্ত করতে হবে।
a After
b Because
c Despite
d Neglecting
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: C) Despite কেন সঠিক: - Despite একটি Preposition যা সত্ত্বেও বা সত্যেও অর্থে বিপরীতধর্মী দুটি ভাবের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে। - শূন্যস্থানের পর noun phrase (all his attempt) থাকায় এখানে preposition বসেছে, conjunction বসেনি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) After — এর অর্থ পরে, যা বাক্যটির বিপরীত ভাব বা ব্যর্থতার কারণ প্রকাশ করতে পারে না। B) Because — এর অর্থ কারণ, এটি Conjunction হিসেবে বসে এবং এর পর Subject ও Verb থাকার প্রয়োজন হয়। C) Despite — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি প্রদত্ত শূন্যস্থানে নির্ভুলভাবে বসেছে এবং সঠিক অর্থ প্রকাশ করেছে। D) Neglecting — এটি Gerund বা Participle, যা এখানে বসালে বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ হয় না এবং ব্যাকরণগতভাবে বেমানান। মনে রাখার টিপস: Despite এর পরে কখনো of বসে না, কিন্তু In spite এর পরে অবধারিতভাবে of বসে।
a really
b exclusively
c equally
d commonly
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) exclusively কেন সঠিক: - Exclusively শব্দটির অর্থ বিশেষভাবে বা শুধুমাত্র, যা এখানে বোঝায় প্রশ্নগুলো কেবল এই পরীক্ষার জন্যই তৈরি করা হয়েছে। - প্রদত্ত বাক্যে that is এর মাধ্যমে পূর্বের বক্তব্যকে নির্দিষ্ট করে বলা হয়েছে, যা এই অপশনটিকে সম্পূর্ণভাবে সমর্থন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) really — এর অর্থ সত্যিই, যা এখানে মূল বাক্যের প্রেক্ষাপটের সাথে অর্থপূর্ণ হয় না। B) exclusively — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। C) equally — এর অর্থ একইভাবে, যা এখানে প্রশ্ন তৈরির বিশেষ উদ্দেশ্য প্রকাশ করে না। D) commonly — এর অর্থ সাধারণভাবে, যা original বা বিশেষভাবে তৈরির বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: কোনো নির্দিষ্ট কাজের জন্য বিশেষভাবে কিছু তৈরি করা বোঝালে exclusively ব্যবহার করতে হয়।
a Foolish
b Simple
c Expensive burdensome possession
d flatterer
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Expensive burdensome possession কেন সঠিক: - White Elephant একটি বহুল প্রচলিত ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা। - এর আক্ষরিক অর্থ সাদা হাতি হলেও রূপক অর্থে এটি এমন কোনো মূল্যবান বস্তু বোঝায়, যা রক্ষণাবেক্ষণ করা অত্যন্ত ব্যয়বহুল কিন্তু কোনো কাজে লাগে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Foolish — এর অর্থ বোকামি, যা এই ইডিয়মের নির্দিষ্ট অর্থ অর্থাৎ ব্যয়বহুল ও ঝামেলার অধিকারকে নির্দেশ করে না। B) Simple — এর অর্থ সহজ বা সরল, যা ব্যয়বহুল ও রক্ষণাবেক্ষণে কষ্টকর কোনো বস্তুর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। C) Expensive burdensome possession — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এই বাগধারার সঠিক রূপক অর্থ প্রকাশ করে। D) flatterer — এর অর্থ তোষামোদকারী বা চাটুকার, যা এই ইডিয়মের অর্থ বা প্রসঙ্গের সাথে সম্পূর্ণ অমিল। মনে রাখার টিপস: সাদা হাতি অনেক দামি কিন্তু পোষা বা রাখা খুব কষ্টের, তাই যেকোনো ব্যয়বহুল ও ঝামেলার জিনিসকে হোয়াইট এলিফ্যান্ট বলা হয়।
a relatives
b rivalry
c rivers and cannels
d enrolment
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) relatives কেন সঠিক: - "Kith and kin" একটি ইংরেজি ইডিয়ম যার অর্থ হলো পরিচিত জন, আপনজন বা আত্মীয়স্বজন। - অপশন এ তে থাকা relatives শব্দটির অর্থও আত্মীয়স্বজন। - তাই এই দুটি শব্দের অর্থ হুবহু মিলে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) relatives — এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ আত্মীয়স্বজন। B) rivalry — এর অর্থ প্রতিদ্বন্দ্বিতা বা শত্রুতা, যা মূল ইডিয়মের অর্থের সাথে মেলে না। C) rivers and cannels — এর অর্থ নদী ও খাল, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি বিষয়। D) enrolment — এর অর্থ ভর্তি বা নাম নথিভুক্তকরণ, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: কিন (kin) শব্দটির সাথে আমরা কিংকিন বা আত্মীয়তার সম্পর্ক মিলিয়ে মনে রাখতে পারি যে এটি আত্মীয় বোঝায়।
a relevant
b weak
c bulky
d magnitude
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) relevant কেন সঠিক: - Pertinent শব্দটির বাংলা অর্থ হলো প্রাসঙ্গিক বা অর্থপূর্ণ, যা কোনো বিষয়ের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ততা বোঝায়। - অপশনের relevant শব্দটির অর্থও প্রাসঙ্গিক বা সম্পর্কিত, তাই এটি সঠিক সমার্থক শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) relevant — এই অপশনটি সঠিক কারণ এর অর্থ Pertinent শব্দের অর্থের সঙ্গে হুবহু মিলে যায়। B) weak — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ দুর্বল, যা প্রাসঙ্গিক শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। C) bulky — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ স্থূল বা ভারী, যা আয়তন বা আকার বোঝায়। D) magnitude — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ বিশালতা বা গুরুত্ব, যা কোনো বস্তুর পরিমাপ বা মাত্রা নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: Pertinent এবং relevant দুটি সমার্থক শব্দ। মনে রাখতে পারেন পার্টিনেন্ট মানেই পয়েন্টে থাকা বা প্রাসঙ্গিক বিষয়।
a opponent
b obvious
c postpone
d top
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) top কেন সঠিক: Summit শব্দের বাংলা অর্থ হলো চূড়া বা সর্বোচ্চ স্থান। top শব্দটির অর্থও কোনো কিছুর ওপরের অংশ বা চূড়া বোঝায়। তাই এই দুটি শব্দের অর্থ প্রায় একই রকম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) opponent - এর অর্থ প্রতিপক্ষ বা বিরোধী ব্যক্তি, যা summit শব্দের সাথে মেলে না। B) obvious - এর অর্থ স্পষ্ট বা সহজবোধ্য, যা summit শব্দের সাথে সম্পর্কিত নয়। C) postpone - এর অর্থ কোনো কিছু স্থগিত করা বা পেছানো, যা শীর্ষ বোঝায় না। D) top - এই অপশনটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এর অর্থ মিলে যায়। মনে রাখার টিপস: পাহাড়ের চূড়াকে summit বা top বলা হয়, এই মিল মনে রাখলে উত্তর সহজে মনে থাকবে।
a bed made of roses
b comfortable situation
c small bed
d rose garden
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) comfortable situation কেন সঠিক: - এটি একটি ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা, যার আক্ষরিক অর্থ গোলাপের বিছানা হলেও রূপক অর্থে এটি আরামদায়ক পরিস্থিতি বোঝায়। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের ফ্রেজগুলোর আক্ষরিক অর্থ না ধরে এদের অন্তর্নিহিত ভাবার্থ বা রূপক অর্থ বিবেচনা করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) bed made of roses — এটি ইডিয়মের আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ করে, যা পরীক্ষার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) comfortable situation — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই বাগধারাটি জীবনের বা পরিস্থিতির সুখ ও স্বাচ্ছন্দ্যকে নির্দেশ করে। C) small bed — এটি বাক্যটির বা ইডিয়মটির অর্থকে সম্পূর্ণ ভুলভাবে একটি ছোট খাটের সঙ্গে তুলনা করেছে। D) rose garden — এটি গোলাপ বাগান বোঝায়, যা এই রূপক অর্থের সঙ্গে কোনোভাবেই মেলে না। মনে রাখার টিপস: গোলাপের বিছানায় শুলে যেমন কাঁটা বিঁধে কষ্ট পাওয়ার কথা নয় বরং আরাম পাওয়ার কথা, তেমনি Bed of rose মানে আরামদায়ক পরিস্থিতি।
a cat out of the bag
b cry wolf
c penny pincher
d hard of hearing
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) hard of hearing কেন সঠিক: শূন্যস্থানে এমন একটি শব্দগুচ্ছ দরকার যা কম শোনার সমস্যা বোঝায়। প্রশ্নানুযায়ী তার সাথে কথা বলার সময় গলা উঁচু করতে হয় কারণ সে কিছুটা কম শোনে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) cat out of the bag — এর অর্থ অনিচ্ছায় কোনো গোপন তথ্য প্রকাশ করে ফেলা যা এখানে অপ্রাসঙ্গিক। B) cry wolf — এর অর্থ মিথ্যা বিপদ সংকেত দেওয়া যা এখানে অর্থহীন। C) penny pincher — এর অর্থ অত্যন্ত কিপটে বা কৃপণ ব্যক্তি যার শোনার সাথে কোনো সম্পর্ক নেই। D) hard of hearing — এটি সঠিক কারণ এর অর্থ কানে কম শোনা। মনে রাখার টিপস: উচ্চস্বরে কথা বলার প্রয়োজন হলে বুঝতে হবে ব্যক্তিটির শুনতে সমস্যা হয় যাকে ইংরেজিতে hard of hearing বলা হয়।
a all
b too
c quiet
d quite
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) too কেন সঠিক: বাক્યটিতে too এবং to এর নিয়ম ব্যবহৃত হয়েছে যা নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ করে। এখানে he is too weak to go to office অর্থ তিনি অফিসে যাওয়ার জন্য এতটাই দুর্বল যে যেতে পারছেন না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) all — এই শব্দটি এখানে অর্থের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এবং ব্যাকরণগতভাবে বসে না। B) too — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) quiet — এর অর্থ শান্ত, যা বাক্যের শূন্যস্থানে বসালে কোনো অর্থ প্রকাশ করে না। D) quite — এর অর্থ বেশ, কিন্তু এটি too...to কাঠামোর সাথে ব্যবহারের নিয়ম অনুযায়ী সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: too এর পরে সাধারণত adjective এবং তারপরে to বসে যা না বোধক অর্থ প্রকাশ করে।
a less
b lesser
c fewer
d few get
0 98 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) fewer কেন সঠিক: people শব্দটি একটি কাউন্টেবল নাউন বা গণনা করা যায় এমন বিশেষ্য। তাই এর আগে পরিমাণের তুলনা বোঝাতে fewer বসাতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) less — এটি আনকাউন্টেবল বা গণনা করা যায় না এমন নাউনের আগে বসে। B) lesser — এটি সাধারণত গুরুত্ব বা পদের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। C) fewer — এটি নিজেই সঠিক উত্তর। D) few get — এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক শব্দগুচ্ছ নয়। মনে রাখার টিপস: গণনা করা যায় এমন কিছুর ক্ষেত্রে fewer এবং গণনা করা যায় না এমন কিছুর ক্ষেত্রে less ব্যবহার করবে।
a 17
b 14
c 0
d 3
0 91 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩ প্রদত্ত তথ্য: ৫ গুণ (২ক − ৩) = ২৯ ধরি, ৫ গুণ (২ক − ৩) = ২৯ ১০ক − ১৫ = ২৯ অতএব, ১০ক = ২৯ + ১৫ ১০ক = ৪৪ সুতরাং, ক = ৪৪ ÷ ১০ ক = ৪.৪ উত্তর: ৩ গুণ ৪.৪ − ৮ = ১৩.২ − ৮ = ৩.২ (এখানে সঠিক অপশন ৩)
a 0.1
b 0.12
c 0.2
d 0.25
0 98 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ০.২৫ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সম্পর্ক হলো ক = ৪ খ প্রশ্ন অনুসারে দুই ক এর কত শতাংশ দুই খ ধরি, খ এর মান সমান ১ অতএব, ক এর মান সমান ৪ × ১ সমান ৪ দুই ক এর মান সমান ২ × ৪ সমান ৮ দুই খ এর মান সমান ২ × ১ সমান ২ সুতরাং, নির্ণেয় শতাংশ সমান (২ ÷ ৮) × ১০০ % সমান ২৫ % বা ০.২৫ উত্তর: ০.২৫
a 500
b 400
c 300
d None
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) None প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের ব্যাস ১০০% হ্রাস করা হয়েছে ধরি, বৃত্তের আদি ব্যাসার্ধ = r আদি ক্ষেত্রফল = π × r × r অতএব, ব্যাস ১০০% হ্রাস পেলে নতুন ব্যাস হয় শূন্য নতুন ব্যাসার্ধ = ০ সুতরাং, নতুন ক্ষেত্রফল = π × ০ × ০ = ০ ক্ষেত্রফল হ্রাসের পরিমাণ = আদি ক্ষেত্রফল − ০ = আদি ক্ষেত্রফল উত্তর: ১০০% হ্রাস পেয়েছে
a 10
b 15
c 40
d 25
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪০ প্রদত্ত তথ্য: কোনো সংখ্যার এক চতুর্থাংশের সাথে নয় যোগ করলে ফল উনিশ হয় ধরি, অজানা সংখ্যাটি ক অতএব, সংখ্যার এক চতুর্থাংশ = ক ÷ ৪ শর্তানুযায়ী, (ক ÷ ৪) + ৯ = ১৯ সুতরাং, ক ÷ ৪ = ১৯ − ৯ ক ÷ ৪ = ১০ উত্তর: ক = ১০ × ৪ = ৪০
a 0.07
b 0.08
c 0.09
d 0.1
0 92 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ০.০৮ প্রদত্ত তথ্য: বইটির নিয়মিত দাম = ৩০০ টাকা বইটি বিক্রির দাম = ২৭৬ টাকা ধরি, ডিসকাউন্টের পরিমাণ = নিয়মিত দাম − বিক্রির দাম ডিসকাউন্টের হার = (ডিসকাউন্টের পরিমাণ ÷ নিয়মিত দাম) অতএব, ডিসকাউন্টের পরিমাণ = ৩০০ − ২৭৬ = ২৪ টাকা ডিসকাউন্টের হার = ২৪ ÷ ৩০০ হিসাব করে পাই = ০.০৮ সুতরাং, নির্ণেয় ডিসকাউন্ট হলো ০.০৮ অংশ উত্তর: ০.০৮
a 2
b 1
c 0
d -2
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো x − ১ = ১ − x ধরি, চলক x কে সমান চিহ্নের একদিকে আনতে হবে অতএব, x + x = ১ + ১ সুতরাং, ২x = ২ উত্তর: x = ১
a 1.55
b 2.05
c 1.8
d 3.6
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১.৮ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সমীকরণ ৭x + ৩x = ১৭ দ্বিতীয় সমীকরণ ৩x + ৭y = ১৯ ধরি, প্রথম সমীকরণটি থেকে পাই ৭x + ৩x = ১৭ দ্বিতীয় সমীকরণটি থেকে পাই ৩x + ৭y = ১৯ অতএব, দুটি সমীকরণ যোগ করে পাই ১০x + ১০y = ৩৬ উভয় পক্ষকে ১০ দ্বারা ভাগ করে পাই x + y = ৩.৬ সুতরাং, x এবং y এর গড় হলো (x + y) ÷ ২ উত্তর: ৩.৬ ÷ ২ = ১.৮
a 0.333
b 0.5
c 0.6
d 0.625
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ০.৩৩৩ প্রদত্ত তথ্য: শ্রেণিতে ছেলে ও মেয়ের অনুপাত ৬:৩ ধরি, ছেルの সংখ্যা = ৬ মেয়ের সংখ্যা = ৩ অতএব, মোট সদস্যের সংখ্যা = ৬ + ৩ = ৯ মেয়ের অনুপাত = ৩ ÷ ৯ সুতরাং, মেয়ের শতকরা হার = ৩ ÷ ৯ = ০.৩৩৩ উত্তর: A) ০.৩৩৩
a 10 years
b 16 years
c 20 years
d 24 years
0 103 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৬ বছর প্রদত্ত তথ্য: জুই এখন আজিমের বয়সের দ্বিগুণ ৬ বছর আগে জুইয়ের বয়স আজিমের বয়সের ৫ গুণ ছিল ধরি, আজিমের বর্তমান বয়স = ক বছর তাহলে জুইয়ের বর্তমান বয়স = ২ক বছর অতএব, ৬ বছর আগে আজিমের বয়স ছিল = ক − ৬ বছর ৬ বছর আগে জুইয়ের বয়স ছিল = ২ক − ৬ বছর সুতরাং, শর্তমতে, ২ক − ৬ = ৫ × (ক − ৬) সমাধান করে পাই, ৩ক = ২৪ এবং ক = ৮ উত্তর: জুইয়ের বর্তমান বয়স = ২ × ৮ = ১৬ বছর
a 5
b 10
c 15
d 20
0 94 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১০ প্রদত্ত তথ্য: A এবং B এর গড় = ৩০ B এবং C এর গড় = ২০ ধরি, A + B এর যোগফল = ৩০ × ২ = ৬০ B + C এর যোগফল = ২০ × ২ = ৪০ অতএব, (A + B) − (B + C) = ৬০ − ৪০ A + B − B − C = ২০ সুতরাং, A − C = ২০ উত্তর: (A − C) ÷ ২ = ২০ ÷ ২ = ১০
a India
b New Zealand
c South Africa
d England
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) New Zealand কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ক্রিকেট দল তাদের ইতিহাসের প্রথম টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক সিরিজ জিতেছিল নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ২০২১ সালে ঘরের মাঠে চার দুই ব্যবধানে। - এই জয়ে বাংলাদেশ দল বিশ্ব ক্রিকেটে নিজেদের টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে একটি শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) India — ভারত শক্তিশালী দল হলেও বাংলাদেশ তাদের বিপক্ষে প্রথম টি-টোয়েন্টি সিরিজ জয় লাভ করেনি। B) New Zealand — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাংলাদেশ তাদের বিপক্ষে প্রথম টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতেছিল। C) South Africa — দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে বাংলাদেশ দল ওয়ানডে সিরিজ জিতলেও প্রথম টি-টোয়েন্টি সিরিজ তাদের বিপক্ষে ছিল না। D) England — ইংল্যান্ডের বিপক্ষেও বাংলাদেশ পরবর্তী সময়ে সিরিজ জিতলেও প্রথম টি-টোয়েন্টি সিরিজ জয়ের রেকর্ড নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ দলের প্রথম টি-টোয়েন্টি সিরিজ জয়ের স্মরণীয় মুহূর্তটি নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ২০২১ সালের ঘরের মাঠে অর্জিত হয়েছিল।
a Artificial intelligence
b Internet of things
c Robotics
d A, B and C
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) A, B and C কেন সঠিক: - চতুর্থ শিল্প বিপ্লব মূলত ডিজিটাল, জৈব এবং ভৌত প্রযুক্তির সমন্বয়, যেখানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ইন্টারনেট অব থিংস এবং রোবটিক্স প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করে। - এই তিনটি প্রযুক্তি একে অপরের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত থেকে আধুনিক শিল্পায়নের রূপান্তর ঘটায়, তাই সঠিক উত্তর সবগুলো। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Artificial intelligence — এটি চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের একটি মূল প্রযুক্তি হলেও কেবল এটিই একমাত্র উপাদান নয়, কারণ এর সঙ্গে আরও অন্যান্য প্রযুক্তি যুক্ত থাকে। B) Internet of things — এটি ডিভাইসগুলোকে ইন্টারনেটের মাধ্যমে যুক্ত করার প্রযুক্তি এবং চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের একটি অংশ, তবে একা সম্পূর্ণ বিপ্লব নির্দেশ করে না। C) Robotics — এটি স্বয়ংক্রিয় উৎপাদনের অন্যতম ভিত্তি এবং চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের অংশ, তবে অন্যান্য প্রযুক্তির সাহায্য ছাড়া এটি একা সম্পূর্ণ ক্ষেত্র বোঝায় না। D) A, যেহেতু ক, খ এবং গ তিনটি অপশনই চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত, তাই এই সম্মিলিত অপশনটিই সঠিক। মনে রাখার টিপস: চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের প্রধান হাতি মনে রাখতে এআই, আইওটি এবং রোবটিক্স এই তিনটির সমন্বয় মাথায় রাখবে।
a 6
b 4
c 7
d 8
0 125 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: সাধারণ জ্ঞান ও বিজ্ঞানভিত্তিক তথ্য সঠিক উত্তর: C) 7 কেন সঠিক: - বাংলাদেশে মহামারী নিয়ন্ত্রণের বিভিন্ন পর্যায়ে সরকার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অনুমোদিত মোট সাতটি ভিন্ন ব্র্যান্ডের কভিড-১৯ টিকা ব্যবহারের অনুমোদন প্রদান করেছে। - এই টিকাগুলোর মধ্যে ফাইজার, মডার্না, অ্যাস্ট্রাজেনেকা, সিনোফার্ম, সিনোভ্যাক, জনসন অ্যান্ড জনসন এবং স্পুটনিক ভি অন্তর্ভুক্ত ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 6 — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ অনুমোদিত টিকার প্রকৃত সংখ্যা ছয়টি ছিল না। B) 4 — এই সংখ্যাটি অপর্যাপ্ত এবং বাংলাদেশে অনুমোদিত বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মোট টিকার সঠিক সংখ্যা নির্দেশ করে না। C) 7 — এটি সঠিক উত্তর এবং বাংলাদেশে কভিড-১৯ এর অনুমোদিত টিকার মোট সংখ্যা এটি। D) 8 — এই সংখ্যাটি বেশি এবং বাস্তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা সরকারের পক্ষ থেকে আটটি টিকা অনুমোদিত হয়নি। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশে কভিড টিকার অনুমোদিত সংখ্যা মনে রাখতে সাত দিন বা সপ্তাহের সাত দিনের কথা মাথায় রাখতে পারেন।
a Rugby
b Baseball
c Swimming
d Basketball
0 97 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Swimming কেন সঠিক: - মাইকেল ফেলপস ইতিহাসের অন্যতম সফল ও সর্বাধিক অলিম্পিক স্বর্ণপদক জয়ী সাঁতারু। - তিনি অলিম্পিক গেমসে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রতিনিধিত্ব করে সাঁতার প্রতিযোগিতায় সর্বমোট তেইশটি স্বর্ণপদক অর্জন করেছেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Rugby — এটি একটি দলীয় ও কন্টাক্ট স্পোর্ট, যা মাইকেল ফেলপসের সাঁতারের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) Baseball — এটি একটি ব্যাট ও বলের খেলা, যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে জনপ্রিয় হলেও সাঁতারের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। C) Swimming — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ ফেলপস এই ক্রীড়াবিধার সঙ্গে যুক্ত। D) Basketball — এটি একটি ইনডোর কোর্ট খেলা যেখানে বল ঝুড়িতে ফেলতে হয়, যা সাঁতার থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। মনে রাখার টিপস: মাইকেল ফেলপসকে বলা হয় দ্য বাল্টিমোর বুলেট এবং তিনি সাঁতার বা Swimming জগতের সর্বকালের সেরা তারকা।
a Washington DC
b New York
c Paris
d London
0 99 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) New York কেন সঠিক: - নিউ ইয়র্ক যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিখ্যাত ও জনবহুল শহর হলেও এটি দেশটির রাজধানী নয়। - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী হলো ওয়াশিংটন ডিসি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Washington DC — এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী শহর এবং সরকার পরিচালনার কেন্দ্রস্থল। B) New York — এটি যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী নয়, বরং এটি আমেরিকার বৃহত্তম শহর ও অর্থনৈতিক কেন্দ্র। C) Paris — এটি ফ্রান্সের রাজধানী এবং দেশটির রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র। D) London — এটি যুক্তরাজ্য বা ইংল্যান্ডের রাজধানী এবং প্রধান রাজনৈতিক কেন্দ্র। মনে রাখার টিপস: নিউ ইয়র্ক হলো আমেরিকার অর্থনীতির রাজধানী, আর আসল রাজধানী হলো ওয়াশিংটন ডিসি।
a 1998
b 1999
c 2000
d 2001
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) 2000 কেন সঠিক: - ইউনেসকো ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। - এই স্বীকৃতি লাভের পর ২০০০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে বিশ্বব্যাপী প্রথম আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1998 — এই সালে কানাডার প্রবাসীরা ইউনেসকোর কাছে মাতৃভাষা দিবস পালনের প্রস্তাব পাঠিয়েছিলেন কিন্তু দিবস পালন শুরু হয়নি। B) 1999 — এই সালে ইউনেসকো একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঐতিহাসিক স্বীকৃতি প্রদান করে। C) 2000 — এই সালে প্রথমবার আনুষ্ঠানিকভাবে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করা হয় যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। D) 2001 — এই সালের আগেই আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপনের সূচনা হয়ে গিয়েছিল। মনে রাখার টিপস: ইউনেসকো স্বীকৃতি দেয় ১৯৯৯ সালে আর পালন শুরু হয় তার ঠিক পরের বছর অর্থাৎ ২০০০ সালে।
a Planning Commission
b Ministry of Finance
c Minstry of Law
d ECNEC
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ECNEC কেন সঠিক: - এটি বাংলাদেশ সরকারের অর্থনৈতিক নীতিমালা ও উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদনের সর্বোচ্চ নির্বাহী কর্তৃপক্ষ। - প্রধানমন্ত্রী এই কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন এবং বড় আকারের উন্নয়ন প্রকল্প এখানে চূড়ান্ত অনুমোদন পায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Planning Commission — এটি দেশের পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা ও উন্নয়ন কৌশল প্রণয়ন করে, তবে প্রকল্প বা অর্থনৈতিক নীতি চূড়ান্ত অনুমোদনের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ নয়। B) Ministry of Finance — এটি দেশের বাজেট ও আর্থিক ব্যবস্থাপনা নিয়ন্ত্রণ করে, কিন্তু এটি এককভাবে সর্বোচ্চ উন্নয়ন নীতি অনুমোদনকারী কর্তৃপক্ষ নয়। C) Minstry of Law — এটি দেশের আইন প্রণয়ন, বিচার বিভাগীয় কার্যক্রম ও আইনি পরামর্শ প্রদানের সাথে যুক্ত, অর্থনৈতিক নীতির সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। D) ECNEC — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এটি অর্থনৈতিক পরিকল্পনা ও উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদনের সর্বোচ্চ নির্বাহী কমিটি। মনে রাখার টিপস: উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদনের সর্বোচ্চ কমিটি বা একনেক (ECNEC) এর প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী।
a India
b Bangladesh
c England
d The USA
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) England কেন সঠিক: - ইংল্যান্ড বা যুক্তরাজ্যের সংবিধান প্রথাগত ও আইনভিত্তিক, যা কোনো একক দলিলে লিপিবদ্ধ নয়। - বিভিন্ন ঐতিহাসিক সনদ, রীতিনীতি এবং পার্লামেন্টের আইনের সমন্বয়ে এর সংবিধান গঠিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) India — ভারতের সংবিধান একটি লিখিত দলিল এবং এটি বিশ্বের দীর্ঘতম লিখিত সংবিধান। B) Bangladesh — বাংলাদেশের সংবিধান একটি লিখিত দলিল যা ১৯৭২ সালে প্রণীত হয়। C) England — ইংল্যান্ডের কোনো লিখিত সংবিধান নেই, এটি সম্পূর্ণ প্রথার ওপর নির্ভরশীল। D) The USA — মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান বিশ্বের প্রথম আধুনিক লিখিত সংবিধান। মনে রাখার টিপস: যুক্তরাজ্যের (England) সংবিধান কোনো বইয়ে লেখা নেই, এটি চলে ঐতিহাসিক রীতিনীতি ও প্রথার ওপর।
a OIC
b IPCC
c MIGA
d WMO
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) IPCC কেন সঠিক: - IPCC হলো জাতিসংঘের একটি সংস্থা যা জলবায়ু পরিবর্তনের বৈজ্ঞানিক ভিত্তি মূল্যায়ন করে। - এটি পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কিত ঝুঁকি ও এর প্রভাব নিয়ে বৈজ্ঞানিক প্রতিবেদন প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) OIC — এটি মুসলিম দেশগুলোর একটি আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা সংস্থা, পরিবেশগত সংস্থা নয়। B) IPCC — এটি সরাসরি পরিবেশ এবং জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত গবেষণার সাথে যুক্ত একমাত্র সঠিক অপশন। C) MIGA — এটি বিশ্বব্যাংক গ্রুপের একটি সংস্থা যা উন্নয়নশীল দেশগুলোতে বিদেশি বিনিয়োগে বীমা প্রদান করে। D) WMO — এটি আবহাওয়া সংক্রান্ত বিশ্ব সংস্থা, যা মূলত আবহাওয়া ও জলবায়ু পর্যবেক্ষণ করে কিন্তু পরিবেশগত মূল্যায়নের প্রধান সংস্থা নয়। মনে রাখার টিপস: IPCC নামের ভেতরেই Climate Change কথাটি লুকিয়ে আছে, যা পরিবেশ ও জলবায়ু সংক্রান্ত বিষয় নির্দেশ করে।
a Venice of Bangal
b Chandra Deep
c Islampur
d Fatehabad
0 91 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Chandra Deep কেন সঠিক: - প্রাচীনকালে বর্তমান বরিশাল অঞ্চলটি চন্দ্রদ্বীপ নামক একটি স্বাধীন রাজ্য বা জনপদ হিসেবে পরিচিত ছিল। - মুঘল আমলে এই অঞ্চলের নাম বাকলা বা ইসমাইলপুর হলেও ঐতিহাসিক ও প্রাচীন নাম হিসেবে চন্দ্রদ্বীপ সর্বাধিক পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Venice of Bangal — এটি বরিশালের প্রাচীন নাম নয়, বরং নদীমাতৃক ভূপ্রকৃতির কারণে বরিশালকে এই উপাধিতে ভূষিত করা হয়। B) Chandra Deep — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) Islampur — এটি বাকলা পরগণার মুঘল আমল নামকরণ, তবে এটি বরিশালের প্রাচীনতম নাম হিসেবে পরিচিত নয়। D) Fatehabad — এটি বর্তমান ফরিদপুর অঞ্চলের প্রাচীন নাম, বরিশাল অঞ্চলের প্রাচীন নাম নয়। মনে রাখার টিপস: বরিশালের আকাশে চাঁদের আলো পড়ে, তাই মনে রাখুন বরিশালের প্রাচীন নাম চন্দ্রদ্বীপ।
a Cox's Bazar-Teknaf
b Mumbai
c Nova-Scotia
d Kochi
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Cox's Bazar-Teknaf কেন সঠিক: - এটি বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলায় অবস্থিত বিশ্বের দীর্ঘতম অবিচ্ছিন্ন মেরিন ড্রাইভ বা সমুদ্রসৈকত সড়ক। - এই সড়কটির দৈর্ঘ্য প্রায় আশি কিলোমিটার এবং এটি বঙ্গোপসাগরের কোল ঘেয়ে টেকনাফ পর্যন্ত বিস্তৃত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Cox's Bazar-Teknaf — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এটি বিশ্বের দীর্ঘতম মেরিন ড্রাইভ সড়ক। B) Mumbai — এটি ভারতের একটি উপকূলীয় শহর এবং এখানে বিখ্যাত মেরিন ড্রাইভ থাকলেও তা কক্সবাজারের মতো দীর্ঘ নয়। C) Nova-Scotia — এটি কানাডার একটি প্রদেশ এবং এর উপকূলীয় সড়ক সুন্দর হলেও তা বিশ্বের দীর্ঘতম মেরিন ড্রাইভ নয়। D) Kochi — এটি ভারতের কেরালার একটি বন্দরনগরী এবং এর উপকূলীয় পথ এই রেকর্ডের অন্তর্ভুক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: বিশ্বের দীর্ঘতম মেরিন ড্রাইভ মনে রাখতে কক্সবাজার থেকে টেকনাফের আশি কিলোমিটার সমুদ্রসৈকতের কথা স্মরণ রাখবে।
a 30
b 45
c 50
d 10
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) 50 কেন সঠিক: - সংবিধানে প্রদত্ত বিধান অনুযায়ী বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে নারীদের জন্য ৫০টি আসন সংরক্ষিত আছে। - সরাসরি নির্বাচিত ৩০০টি আসনের পাশাপাশি আনুপাতিক প্রতিনিধিত্বের ভিত্তিতে এই সংরক্ষিত আসনগুলো বণ্টন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 30 — এটি সংবিধানের মূল বিধান ছিল না এবং বর্তমানে নারীদের সংরক্ষিত আসনের সংখ্যা ৩০টি নয়। B) 45 — এটি অতীতে কিছু সময়ের জন্য নারীদের সংরক্ষিত আসনের সংখ্যা ছিল, যা বর্তমানের সঠিক সংখ্যা নয়। C) 50 — এটি বর্তমান বিধান অনুযায়ী সম্পূর্ণ সঠিক উত্তর। D) 10 — এই সংখ্যাটি বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে নারীদের সংরক্ষিত আসনের সংখ্যার সঙ্গে কোনোভাবেই মেলে না। মনে রাখার টিপস: জাতীয় সংসদের সাধারণ আসন ৩০০ এবং নারীদের সংরক্ষিত আসন ৫০, এই দুটি সংখ্যা একত্রে মনে রাখলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
a Bakhrabad
b Sangu
c Semutang
d Srikail
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও ভূগোল সঠিক উত্তর: B) Sangu কেন সঠিক: - এটি বাংলাদেশের প্রথম অফশোর বা সমুদ্র উপকূলে অবস্থিত প্রাকৃতিক গ্যাসক্ষেত্র। - বঙ্গোপসাগরের তলদেশে অবস্থিত এই গ্যাসক্ষেত্র থেকে ১৯৯৮ সালে বাণিজ্যিকভাবে গ্যাস উত্তোলন শুরু হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Bakhrabad — এটি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অবস্থিত একটি স্থলভিত্তিক (onshore) গ্যাসক্ষেত্র, সমুদ্র উপকূলীয় নয়। B) Sangu — এটি নিজেই সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি সঠিক। C) Semutang — এটি খাগড়াছড়িতে অবস্থিত একটি পাহাড়ি ও স্থলভিত্তিক গ্যাসক্ষেত্র। D) Srikail — এটি কুমিল্লায় অবস্থিত একটি স্থলভিত্তিক গ্যাসক্ষেত্র। মনে রাখার টিপস: সমুদ্রের সাথে সম্পৃক্ত একমাত্র গ্যাসক্ষেত্র হলো সাঙ্গু (Sangu), যার নামের সাথে সমুদ্র বা সাগরের ভাব রয়েছে।
a Bangla Academy
b Asiatic Society of Bangladesh
c University of Dhaka
d BG Press
0 94 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Asiatic Society of Bangladesh কেন সঠিক: - এশিয়াটিক সোসাইটি অব বাংলাদেশ ২০০৩ সালে বাংলাদেশের ইতিহাস, সংস্কৃতি ও সমাজভিত্তিক এই বিশ্বকোষটি প্রথম প্রকাশ করে। - এটি বাংলা এবং ইংরেজি উভয় ভাষায় প্রকাশিত বাংলাদেশের জাতীয় জ্ঞানকোষ বা এনসাইক্লোপিডিয়া। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Bangla Academy — এটি বাংলা ভাষা ও সাহিত্য নিয়ে কাজ করলেও বাংলাপিডিয়া প্রকাশ করে না। B) Asiatic Society of Bangladesh — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) University of Dhaka — এটি দেশের প্রাচীনতম বিশ্ববিদ্যালয় হলেও বাংলাপিডিয়ার প্রকাশক নয়। D) BG Press — এটি সরকারি মুদ্রণালয়, যা বিভিন্ন সরকারি দলিল ও বই ছাপায় কিন্তু বাংলাপিডিয়া প্রকাশ করে না। মনে রাখার টিপস: বাংলাপিডিয়া প্রকাশ করেছে এশিয়াটিক সোসাইটি, মনে রাখতে সোসাইটির নামের সাথে বিশ্বকোষ শব্দটি মিলিয়ে নিন।
a Ozone layer
b Glaciers
c Wetlands
d Soil productivity
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Ozone layer কেন সঠিক: - ওজোন স্তর রক্ষার্থে ১৯৮৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর মন্ট্রিলে এই আন্তর্জাতিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। - ক্ষতিকারক ক্লোরোফ্লোরো কার্বন বা সিএফসি গ্যাসের ব্যবহার কমিয়ে ওজোন স্তরের ক্ষয় রোধ করা এর মূল উদ্দেশ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Ozone layer — এটি সঠিক উত্তর কারণ চুক্তিটির মূল লক্ষ্য ওজোন স্তর রক্ষা করা। B) Glaciers — গ্লেসিয়ার বা হিমবাহ গলন রোধ এর মূল উদ্দেশ্য নয়, যদিও জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে এটি পরোক্ষভাবে জড়িত। C) Wetlands — জলাভূমি রক্ষা সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক চুক্তি হলো রামসার কনভেনশন, মন্ট্রিলে এটি স্বাক্ষরিত হয়নি। D) Soil productivity — মাটির উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এই চুক্তির আলোচ্য বিষয় বা প্রধান লক্ষ্য নয়। মনে রাখার টিপস: মন্ট্রিলে ওজন মাপার মেশিন পাওয়া যায়, এভাবে মনে রাখলে মন্ট্রিলে ওজোন স্তর রক্ষার চুক্তি সহজে মনে থাকবে।
a Bir Protik
b Bir Sreshtha
c Bir Bikram
d Bir Uttam
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Bir Bikram কেন সঠিক: - বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে সাহসিকতা ও বীরত্বের জন্য প্রদত্ত তৃতীয় সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব হলো বীর বিক্রম। - এই খেতাবে ভূষিত হয়েছেন মোট ১৭৫ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Bir Protik — এটি বাংলাদেশের চতুর্থ ও সর্বশেষ বীরত্বসূচক সামরিক খেতাব। B) Bir Sreshtha — এটি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক সামরিক খেতাব, যা ৭ জনকে প্রদান করা হয়েছে। C) Bir Bikram — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়। D) Bir Uttam — এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক সামরিক খেতাব। মনে রাখার টিপস: বীরত্ব খেতাবের ক্রম মনে রাখুন এভাবে: বীরশ্রেষ্ঠ, বীর উত্তম, বীর বিক্রম ও বীর প্রতীক।
a New York
b Geneva
c Paris
d Rome
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Paris কেন সঠিক: - ইউনেস্কো একটি জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থা যার পূর্ণরূপ হলো জাতিসংঘ শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা। - এই গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধান কার্যালয় ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) New York — এটি যুক্তরাষ্ট্রের শহর এবং এখানে জাতিসংঘের প্রধান কার্যালয় অবস্থিত, ইউনেস্কোর নয়। B) Geneva — এটি সুইজারল্যান্ডের শহর এবং এখানে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার প্রধান কার্যালয় অবস্থিত। C) Paris — এটি সঠিক উত্তর এবং এখানেই ইউনেস্কোর প্রধান কার্যালয় অবস্থিত। D) Rome — এটি ইতালির রাজধানী এবং এখানে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: প্যারিসকে বলা হয় ফ্যাশনের শহর এবং সংস্কৃতির কেন্দ্র, আর তাই সংস্কৃতির অভিভাবক ইউনেস্কোর সদর দপ্তর সেখানেই অবস্থিত।
a Maria
b Ida
c Irma
d Dorian
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Ida কেন সঠিক: - ২০২১ সালের আগস্ট মাসে ক্যাটাগরি চার মাত্রার হারিকেন ইডা যুক্তরাষ্ট্রের লুইজিয়ানা উপকূলে আঘাত হানে। - এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি সাধন করে এবং সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় হিসেবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Maria — এটি ২০১৭ সালে ক্যারিবিয়ান অঞ্চল ও পুয়ের্তোরিকোতে আঘাত হেনেছিল, যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডে নয়। B) Ida — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যা ২০২১ সালে যুক্তরাষ্ট্রে আঘাত হেনেছিল। C) Irma — এটি ২০১৭ সালে আঘাত হানার কারণে বর্তমান সময়ের সাম্প্রতিক হারিকেন নয়। D) Dorian — এটি ২০১৯ সালে মূলত বাহামা দ্বীপপুঞ্জে মারাত্মক ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছিল। মনে রাখার টিপস: যুক্তরাষ্ট্রে আঘাত হানা সাম্প্রতিক শক্তিশালী হারিকেন মনে রাখতে ইডা নামের অক্ষরটি প্রধান হিসেবে স্মরণ রাখা যায়।
a The Chakma
b The Marma
c The Monipuri
d The Garo
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) The Chakma কেন সঠিক: - বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো বা জনশুমারির তথ্য অনুযায়ী চাকমা সম্প্রদায় দেশের সংখ্যায় সবচেয়ে বড় ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী। - এদের মূল বসবাস রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান পার্বত্য জেলায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The Chakma — এটি সঠিক উত্তর কারণ জনসংখ্যার দিক থেকে এরা ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে শীর্ষস্থানে রয়েছে। B) The Marma — এটি ভুল অপশন কারণ মারমা সম্প্রদায় জনসংখ্যার দিক থেকে চাকমাদের পরে দ্বিতীয় বৃহত্তম। C) The Monipuri — এটি ভুল অপশন কারণ মনিপুরি সম্প্রদায় মূলত সিলেট অঞ্চলে বসবাস করে এবং সংখ্যায় চাকমাদের চেয়ে অনেক কম। D) The Garo — এটি ভুল অপশন কারণ গারো সম্প্রদায় ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইল অঞ্চলে বসবাস করে এবং এটি চাকমার মতো বৃহত্তম নয়। মনে রাখার টিপস: চ চাকমা দিয়ে মনে রাখবে চাকমা হলো সবচেয়ে বড় বা শীর্ষ ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী।
a Reserve Bank of India
b Central Bank of India
c State Bank of India
d Bank of India
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Reserve Bank of India কেন সঠিক: - রিজার্ভ ব্যাংক অব ইন্ডিয়া ভারতের কেন্দ্রীয় ব্যাংক এবং এটি দেশের মুদ্রা ও মুদ্রানীতি নিয়ন্ত্রণ করে। - এটি হিলটন ইয়ং কমিশনের সুপারিশে ১৯৩৫ সালের ১ এপ্রিল প্রতিষ্ঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Reserve Bank of India — এটি ভারতের কেন্দ্রীয় ব্যাংক এবং সঠিক উত্তর। B) Central Bank of India — এটি ভারতের একটি বাণিজ্যিক ব্যাংক, কেন্দ্রীয় ব্যাংক নয়। C) State Bank of India — এটি ভারতের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক। D) Bank of India — এটি একটি বাণিজ্যিক ব্যাংক, যা ভারতের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের দায়িত্ব পালন করে না। মনে রাখার টিপস: ভারতের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নামের শুরুতে রিজার্ভ বা সংরক্ষিত শব্দটি থাকে, যা থেকে Reserve Bank of India মনে রাখা সহজ হয়।
a F2
b F3
c F4
d F5
0 99 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) F5 ১. কেন সঠিক: মাইক্রোসফট পাওয়ারপয়েন্ট সফটওয়্যারে কীবোর্ডের F5 ফাংশন কি প্রেস করলে প্রথম স্লাইড থেকে প্রেজেন্টেশন বা স্লাইডশো শুরু হয়। এটি মাইক্রোসফট অফিস প্যাকেজের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং বহুল ব্যবহৃত শর্টকাট কমান্ড। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: মাইক্রোসফট পাওয়ারপয়েন্ট হলো একটি জনপ্রিয় প্রেজেন্টেশন প্রোগ্রাম যা স্লাইডের মাধ্যমে তথ্য উপস্থাপন করতে ব্যবহৃত হয়। কার্যপদ্ধতি: F5 কি প্রেস করার সাথে সাথে পাওয়ারপয়েন্ট অ্যাপ্লিকেশনটি স্বাভাবিক এডিটিং ভিউ থেকে ফুল স্ক্রিন স্লাইডশো মোডে রূপান্তরিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক্লাসে মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টরের মাধ্যমে প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করার সময় শিক্ষক শুরুতে F5 কি প্রেস করেন। ব্যাখ্যা: এর ফলে পুরো স্ক্রিন জুড়ে প্রথম স্লাইডটি প্রদর্শিত হতে শুরু করে। উদাহরণ ২: কোনো সেমিনারে তথ্য উপস্থাপনের প্রাক্কালে উপস্থাপক স্লাইডশো মোডে যাওয়ার জন্য F5 ব্যবহার করেন। ব্যাখ্যা: এটি মাউস ব্যবহার না করে কিবোর্ডের মাধ্যমে দ্রুত স্লাইডশো চালুর মাধ্যম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) F2 — এই কি সাধারণত কোনো ফাইল, ফোল্ডার বা টেক্সট রিনেম বা সম্পাদনা করার জন্য ব্যবহৃত হয়। B) F3 — এই কি সাধারণত বিভিন্ন সফটওয়্যারে কোনো নির্দিষ্ট শব্দ বা ফাইল খোঁজার সার্চ অপশন চালু করে। C) F4 — এই কি মাইক্রোসফট ওয়ার্ড বা এক্সেলে সর্বশেষ কমান্ড পুনরাবৃত্তি করতে অথবা ব্রাউজারে অ্যাড্রেস বার সক্রিয় করতে ব্যবহৃত হয়। D) সঠিক অপশন হিসেবে এটি স্লাইডশো শুরু করতে কাজ করে। ৫ মনে রাখার টিপস: পাওয়ারপয়েন্টে প্রেজেন্টেশনের প্রথম অক্ষর P এবং F5 এর সাথে মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন যে F5 চেপে presentation শুরু হয়। কীবোর্ডের ওপরের সারির ফাংশন কি গুলোর মধ্যে F5 স্লাইডশোর জন্য নির্দিষ্ট। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বর্তমান স্লাইড থেকে স্লাইডশো শুরু করার শর্টকাট কমান্ড হলো Shift এবং F5 একসাথে প্রেস করা। এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস ও বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
a Save
b Save as
c Backup
d Auto Save
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Auto Save ১. কেন সঠিক: - মাইক্রোসফট অফিসে নির্দিষ্ট সময় পরপর ডকুমেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংরক্ষণ করার ফিচারটির নাম অটো সেভ। - হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে গেলে বা কম্পিউটার বন্ধ হয়ে গেলে এই ফিচারের কারণে কাজের ডেটা নষ্ট হয় না। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: ব্যবহারকারীর নির্দিষ্ট করে দেওয়া সময়ের ব্যবধানে ব্যাকগ্রাউন্ডে ডকুমেন্ট আপডেট করার প্রক্রিয়াকে অটো সেভ বলে। - কার্যপদ্ধতি: সফটওয়্যার নির্দিষ্ট সেকেন্ড বা মিনিট পর পর ফাইলের পরিবর্তিত অংশ টেম্পোরারি ফোল্ডারে জমা করে। - ব্যবহার: মাইক্রোসফট ওয়ার্ড, এক্সেল বা পাওয়ারপয়েন্টে দীর্ঘ কাজ নিরাপদ রাখতে এটি ব্যাকগ্রাউন্ডে চালু থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে রিপোর্ট লেখার সময় হঠাৎ কারেন্ট চলে গেলে অটো সেভের মাধ্যমে শেষ দশ মিনিটের ডেটা ফিরে পাওয়া যায়। ব্যাখ্যা: এই ফিচারের কারণে পুরো কাজের ফাইল নতুন করে আর লিখতে হয় না। উদাহরণ ২: মাইক্রোসফট এক্সেলে বিশাল হিসাবের ডেটা এন্ট্রি করার সময় সিস্টেম ক্র্যাশ করলেও আগের সংরক্ষিত অংশ পাওয়া যায়। ব্যাখ্যা: এটি ব্যবহারকারীকে ম্যানুয়ালি বারবার সেভ করার ঝামেলা থেকে মুক্তি দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Save — এটি একটি ম্যানুয়াল কমান্ড যা ব্যবহারকারী কিবোর্ডের শর্টকাট চেপে বা ক্লিক করে নিজে সম্পন্ন করেন। B) Save as — এটি একই ফাইলের নতুন নাম বা নতুন লোকেশনে ভিন্ন একটি কপি তৈরি করার কাজে ব্যবহার করা হয়। C) Backup — এটি মূল ফাইলের একটি অতিরিক্ত কপি অন্য কোনো স্থানে নিরাপদে সংরক্ষণ করার সার্বিক প্রক্রিয়া। D) Auto Save — নির্দিষ্ট সময় পরপর নিজে থেকেই ডকুমেন্ট সংরক্ষণ করার নির্দিষ্ট ফিচারটির নাম এটি। ৫. মনে রাখার টিপস: - শব্দের শুরুতে অটো শব্দটি থাকার অর্থ হলো কাজটি নিজে নিজে বা স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্পন্ন হচ্ছে। - ম্যানুয়াল সেভের জন্য কন্ট্রোল এস শর্টকাট ব্যবহার করা হয় কিন্তু অটো সেভ ব্যাকগ্রাউন্ডে নিজে চলে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মাইক্রোসফট অফিসে ফাইল ডিফল্টভাবে কোথায় জমা হয় তা জেনে রাখা জরুরি। - সাম্প্রতিক ক্লাউড ভিত্তিক ডকুমেন্টে অটো সেভ ফিচারটি রিয়েল টাইম ডেটা সিংক করতে সাহায্য করে।
a First page
b Last page
c Odd pages
d All pages
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) All pages ১. কেন সঠিক: এমএস ওয়ার্ড (MS Word) বা মাইক্রোসফট ওয়ার্ড সফটওয়্যারে ফুটার (Footer) যুক্ত করলে তা ডিফল্ট বা স্বাভাবিক নিয়ম অনুযায়ী ডকুমেন্টের প্রতিটি পৃষ্ঠায় স্বয়ংক্রিয়ভাবে মুদ্রিত হয়। ব্যবহারকারীর বিশেষ কোনো নির্দেশ বা পেজ সেটআপ পরিবর্তন না করা পর্যন্ত এই নিয়মটি অপরিবর্তিত থাকে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ফুটার হলো ওয়ার্ড ডকুমেন্টের প্রতিটি পৃষ্ঠার নিচের মার্জিনে অবস্থিত নির্দিষ্ট অংশ, যেখানে পেজ নম্বর, লেখকের নাম বা ডকুমেন্টের শিরোনাম যুক্ত করা হয়। কার্যপদ্ধতি: একবার ফুটার অপশনে কোনো লেখা বা অবজেক্ট ইনসার্ট করলে সফটওয়্যারটি কোডিংয়ের মাধ্যমে তা ডকুমেন্টের প্রথম পাতা থেকে শেষ পাতা পর্যন্ত সব পাতায় ডুপ্লিকেট বা প্রদর্শন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: একটি গবেষণাপত্র তৈরি করার সময় পাতার নিচে ফুটার অপশনে যদি পৃষ্ঠা নম্বর যোগ করা হয়, তবে তা ডকুমেন্টের প্রথম পৃষ্ঠা থেকে শুরু করে শততম পৃষ্ঠা পর্যন্ত সব পৃষ্ঠায় দৃশ্যমান হবে। ব্যাখ্যা: এটি বারবার প্রতিটি পৃষ্ঠায় আলাদা করে লেখার ঝামেলা দূর করে এবং পুরো ডকুমেন্টে একরৈখিক বিন্যাস বজায় রাখে। উদাহরণ ২: অফিশিয়াল কোনো চুক্তিপত্রে ফুটার অংশে প্রতিষ্ঠানের নাম ও পাতার নম্বর যুক্ত করলে তা সব পৃষ্ঠায় প্রিন্ট হয়ে বের হয়। ব্যাখ্যা: এর ফলে ডকুমেন্টের প্রতিটি পাতার সত্যতা ও ধারাবাহিকতা রক্ষা পায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) First page — প্রথম পৃষ্ঠায় ফুটার প্রিন্ট হতে পারে, তবে তা কেবল প্রথম পৃষ্ঠাতেই সীমাবদ্ধ থাকে না, বরং অন্য পৃষ্ঠাগুলোতেও প্রিন্ট হয়। B) Last page — ফুটার কখনোই শুধু শেষ পৃষ্ঠায় প্রিন্ট হয় না, কারণ শেষ পৃষ্ঠা ফুটারের মূল উদ্দেশ্য নয়। C) Odd pages — বিজোড় পৃষ্ঠাসমূহে ফুটার প্রিন্ট করার জন্য আলাদা সেটিং বা ডিফারেন্ট ওড অ্যান্ড ইভেন পেজ অপশন চালু করতে হয়, যা ডিফল্ট নয়। D) All pages — এই অপশনটি সঠিক কারণ এমএস ওয়ার্ডের ডিফল্ট বা প্রাক-নির্ধারিত নিয়ম হলো ফুটার সব পৃষ্ঠায় প্রিন্ট হওয়া। ৫. মনে রাখার টিপস: এমএস ওয়ার্ডে হেডার ও ফুটার হলো গ্লোবাল উপাদান, যা একবার সেট করলে পুরো ডকুমেন্টের সব পাতার ওপর এবং নিচে ছড়িয়ে পড়ে। মনে রাখতে হবে যে, ফুটার মানেই ডকুমেন্টের সব পাতা বা অল পেজে তার উপস্থিতি নিশ্চিত করা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এমএস ওয়ার্ডের হেডার ও ফুটারের শর্টকাট বা পেজ সেটআপ অপশন থেকে প্রথম পৃষ্ঠায় ভিন্ন ফুটার ব্যবহারের জন্য ডিফারেন্ট ফার্স্ট পেজ অপশন নির্বাচন করতে হয়। এই ধরনের প্রশ্নগুলো বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই এমএস অফিস ক্যাটাগরিতে আসে।
a Paper size
b Page rotation
c Paper orientation
d Page layout
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Paper orientation ১. কেন সঠিক: মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে ডকুমেন্টের পৃষ্ঠা লম্বালম্বি বা আড়াআড়িভাবে সাজানোর পদ্ধতিকে পেপার ওরিয়েন্টেশন বলা হয়। পোর্ট্রেট ও ল্যান্ডস্কেপ এই দুই ধরনের ওরিয়েন্টেশনের মাধ্যমে ডকুমেন্টের লেআউট নির্ধারণ করা হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: পেপার ওরিয়েন্টেশন হলো প্রিন্ট করার সময় কাগজের দিক বা বিন্যাস নির্ধারণ করার একটি বৈশিষ্ট্য। কার্যপদ্ধতি: এর মাধ্যমে ব্যবহারকারী প্রিন্টারের জন্য পৃষ্ঠা লম্বালম্বি বা অনুভূমিকভাবে প্রদর্শন ও বিন্যাস করতে পারেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সাধারণ জীবনবৃত্তান্ত বা চিঠি লেখার সময় পোর্ট্রেট ওরিয়েন্টেশন ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: এতে পৃষ্ঠা লম্বালম্বি থাকে এবং স্বাভাবিক লেখার জন্য এটি উপযোগী। উদাহরণ ২: বড় কোনো চার্ট বা টেবিল তৈরির সময় ল্যান্ডস্কেপ ওরিয়েন্টেশন ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: এতে পৃষ্ঠা আড়াআড়িভাবে বড় জায়গা পায় এবং ডেটা সহজে ধারণ করতে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Paper size — পেপার সাইজ বলতে কাগজের পরিমাপ বোঝায়, যেমন লেটার, এ ফোর বা লিগ্যাল সাইজ। B) Page rotation — পেপার রোটেশন বলতে সাধারণত কোনো নির্দিষ্ট অবজেক্ট বা ইমেজ ঘোরানো বোঝায়, পুরো পৃষ্ঠার বিন্যাস নয়। D) Page layout — পেপার লেআউট একটি সামগ্রিক ধারণা যার মধ্যে মার্জিন, কলাম ও ওরিয়েন্টেশন সবই অন্তর্ভুক্ত থাকে। ৫. মনে রাখার টিপস: ওরিয়েন্টেশন মানেই পৃষ্ঠার দিক পরিবর্তন করা। পোর্ট্রেট মানে লম্বালম্বি এবং ল্যান্ডস্কেপ মানে আড়াআড়ি দিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের পেজ সেটআপ গ্রুপ থেকে পেপার ওরিয়েন্টেশন পরিবর্তন করা যায়। কম্পিউটার পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের ডকুমেন্ট ফরম্যাটিং সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে।
a Tab
b Cell
c Box
d Range
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Cell ১. কেন সঠিক: - মাইক্রোসফট এক্সেলে ডেটা এন্ট্রি করার সবচেয়ে ছোট এবং মৌলিক একক হলো সেল। - সারি এবং কলামের ছেদ বিন্দুতে গঠিত একটি বাক্সের মতো ক্ষেত্রকে সেল বলা হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: স্প্রেডশিট প্রোগ্রামে রো ও কলামের মিলিত রূপ হলো সেল যেখানে নির্দিষ্ট তথ্য সংরক্ষণ করা হয়। - কার্যপদ্ধতি: ব্যবহারকারী কীবোর্ড বা মাউসের মাধ্যমে সরাসরি সেল সিলেクト করে ডেটা বা সূত্র ইনপুট প্রদান করেন। - ব্যবহার: হিসাব-নিকাশ, বাজেট তৈরি এবং গ্রাফ বা চার্ট তৈরির মূল ভিত্তি হিসেবে সেল ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাইক্রোসফট এক্সেলের প্রথম সেলটির নাম এ ওয়ান (A1)। ব্যাখ্যা: এখানে এ (A) হলো কলাম এবং ওয়ান (1) হলো রো, যা নির্দেশ করে সেলটি প্রথম কলাম ও প্রথম সারিতে অবস্থিত। উদাহরণ ২: মাসিক খরচের হিসাবের টেবিলে পণ্যের নাম বা দাম লেখার জন্য নির্দিষ্ট সেল ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: প্রতিটি সেল একটি স্বাধীন খামের মতো কাজ করে যেখানে একক মান বা সূত্র বসানো যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Tab — ট্যাব হলো স্প্রেডশিট ফাইলের নিচের অংশে অবস্থিত পাতা বা শিট পরিবর্তনের মাধ্যম, সরাসরি ডেটা এন্ট্রি করার একক নয়। C) Box — বক্স একটি সাধারণ জ্যামিতিক বা দৃশ্যমান রূপ, এটি মাইক্রোসফট এক্সেলে ডেটা এন্ট্রি করার কোনো প্রাতিষ্ঠানিক বা সফটওয়্যারভিত্তিক নাম নয়। D) Range — রেঞ্জ হলো একাধিক সেলের সমষ্টি বা গুচ্ছ, যা একক কোনো ডেটা এন্ট্রি করার মৌলিক একক হিসেবে গণ্য হয় না। ৫. মনে রাখার টিপস: - ঘরের ভেতরে যেমন ছোট ছোট ইটের ব্লক থাকে, তেমনি এক্সেলে ডেটা রাখার ছোট ব্লক হলো সেল। - কলাম ও সারির মিলনেই সেল তৈরি হয়, এটি মনে রাখলে পরীক্ষার উত্তর ভুল হবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মাইক্রোসফট এক্সেলের প্রতিটি সেলের নিজস্ব একটি অনন্য ঠিকানা বা সেল রেফারেন্স থাকে। - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় স্প্রেডশিট ও ডেটাবেজ সম্পর্কিত মৌলিক প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
a Line chart
b Dot chart
c Pic chart
d Column chart
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Column chart ১. কেন সঠিক: - মাইক্রোসফট এক্সেল স্প্রেডশিট প্রোগ্রামে বিভিন্ন ক্যাটাগরি বা শ্রেণির ডেটার মান তুলনা করার জন্য কলাম চার্ট সবচেয়ে উপযোগী গ্রাফিক্যাল মাধ্যম। - এটি উল্লম্ব আয়তক্ষেত্র বা কলামের মাধ্যমে বিভিন্ন আইটেমের মধ্যে সহজে দৃশ্যমান পার্থক্য ও তুলনা ফুটিয়ে তোলে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: কলাম চার্ট হলো এক ধরণের ডেটা ভিজ্যুয়ালাইজেশন টুল যা অনুভূমিক অক্ষে ক্যাটাগরি এবং উল্লম্ব অক্ষে সংখ্যাগত মান প্রদর্শন করে। - কার্যপদ্ধতি: এক্সেল ব্যবহারকারী ডেটা সিলেক্ট করার পর ইনসার্ট মেনু থেকে কলাম চার্ট নির্বাচন করলে, প্রতিটি সারির মান অনুযায়ী আলাদা কলাম তৈরি হয়। - ব্যবহার: ব্যবসায়িক প্রতিবেদন, পরীক্ষার ফলাফল তুলনা এবং মাসিক আয়-ব্যয়ের বিশ্লেষণে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিভিন্ন বিষয়ের প্রাপ্ত নম্বর ব্যাখ্যা: বাংলা, ইংরেজি ও গণিত বিষয়ে একজন শিক্ষার্থীর প্রাপ্ত নম্বর তুলনা করতে কলাম চার্ট ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: মাসিক বিক্রয় হিসাব ব্যাখ্যা: জানুয়ারি থেকে জুন মাসের পণ্যের বিক্রয় পরিমাণ পাশাপাশি রেখে তুলনা করতে এই চার্ট ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Line chart — লাইন চার্ট মূলত একটি নির্দিষ্ট সময় ধরে ডেটার পরিবর্তনের ধারা বা ট্রেন্ড বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, ক্যাটাগরি ভিত্তিক সরাসরি তুলনার জন্য নয়। B) Dot chart — ডট চার্ট ডেটার বিস্তার বা ডিস্ট্রিবিউশন দেখাতে ব্যবহৃত হয়, যা ক্যাটাগরি তুলনার জন্য এক্সেলের প্রধান বা আদর্শ চার্ট নয়। C) Pic chart — পাই চার্ট একটি সম্পূর্ণ বৃত্তের অংশ হিসেবে বিভিন্ন উপাদানের শতকরা বা আনুপাতিক ভাগ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, সামগ্রিক ক্যাটাগরি তুলনার জন্য নয়। D) Column chart — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ক্যাটাগরিভিত্তিক ডেটা তুলনার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত এবং সরাসরি মান তুলনা করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - ক্যাটাগরি তুলনা মানেই কলাম চার্ট বা বার চার্ট মাথায় রাখবে। - সময়ের পরিবর্তন দেখলে লাইন চার্ট এবং শতকরা অংশ দেখলে পাই চার্ট নির্বাচন করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মাইক্রোসফট এক্সেলে চার্ট তৈরির শর্টকাট কি হলো এফ ইলেভেন (F11)। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কোন চার্ট কোন কাজে ব্যবহৃত হয় তা থেকে প্রশ্ন আসে।
a Equal
b Colon
c Comma
d Semi-colon
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Equal ১. কেন সঠিক: মাইক্রোসফট এক্সেলে যেকোনো সূত্র বা ফর্মুলা লেখার শুরুতেই সমান চিহ্ন বা ইকুয়াল সাইন ব্যবহার করতে হয়। এই চিহ্নটি প্রোগ্রামকে নির্দেশ দেয় যে পরবর্তী ডেটা কোনো সাধারণ লেখা নয়, বরং একটি গাণিতিক হিসাব। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: এক্সেলে ডেটা প্রসেসিং ও হিসাব-নিকাশের জন্য ব্যবহৃত সমীকরণকে ফর্মুলা বলে। কার্যপদ্ধতি: সমান চিহ্ন ব্যবহার করার পর সেল রেফারেন্স ও অপারেটর যেমন যোগ বা বিয়োগ লিখে হিসাব সম্পন্ন করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: `=A1+A2` ব্যাখ্যা: এই ফর্মুলাটি এ ওয়ান এবং এ টু সেলের মান যোগ করে ফলাফল প্রদর্শন করে। উদাহরণ ২: `=SUM(B1:B10)` ব্যাখ্যা: এটি বি ওয়ান থেকে বি দশ পর্যন্ত সেলগুলোর সমষ্টি নির্ণয় করতে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: B) Colon — এটি এক্সেলে রেঞ্জ নির্দেশ করতে ব্যবহৃত হয়, যেমন এ ওয়ান থেকে বি দশ। তবে এটি দিয়ে কোনো ফর্মুলা শুরু করা যায় না। C) Comma — এটি এক্সেলে ফাংশনের ভেতরে আর্গুমেন্ট আলাদা করতে ব্যবহৃত হয়। এর মাধ্যমে ফর্মুলা শুরু করা যায় না। D) Semi-colon — এটি সাধারণত স্প্রেডশিটে সরাসরি ফর্মুলা শুরুর জন্য ব্যবহৃত হয় না। এটি ভুল সিনট্যাক্স তৈরি করবে। ৫. মনে রাখার টিপস: এক্সেলে হিসাব করতে চাইলে সবার আগে ইকুয়াল সাইন বসাতে হবে। সমান চিহ্ন ছাড়া এক্সেল কখনো বুঝতে পারবে না যে আপনি যোগ বা বিয়োগ করতে চান। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় স্প্রেডশিট সফটওয়্যারের মৌলিক সিনট্যাক্স নিয়ে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। ফর্মুলার পাশাপাশি এক্সেলে ব্যবহৃত বিভিন্ন ফাংশন যেমন সাম ও এভারেজ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখতে হবে।
a Pic chart
b Line chart
c Row chart
d Dot chart
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Line chart ১. কেন সঠিক: স্টক মার্কেটের শেয়ারের দাম বা সূচক প্রতিদিন কীভাবে পরিবর্তিত হচ্ছে, তা সময়ের সঙ্গে ট্র্যাক বা পর্যবেক্ষণ করার জন্য লাইন চার্ট বা রেখাচিত্র সবচেয়ে উপযুক্ত। সময় বা ধারাবাহিক ডেটার প্রবণতা (Trend) এবং ওঠানামা স্পষ্টভাবে দেখানোর জন্যই এই চার্ট ব্যবহার করা হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: লাইন চার্ট হলো এমন একটি গ্রাফ যা ডেটা পয়েন্টগুলোকে সরলরেখা দিয়ে সংযুক্ত করে সময়ের ধারাবাহিকতায় মান পরিবর্তনের গতিপ্রকৃতি প্রদর্শন করে। কার্যপদ্ধতি: অনুভূমিক অক্ষে সময় এবং লম্ব অক্ষে ডেটার মান স্থাপন করে বিন্দুগুলো রেখা দিয়ে যুক্ত করা হয়। ব্যবহার: স্টক মার্কেটের দৈনিক সূচক, তাপমাত্রা পরিবর্তন এবং শেয়ারের দামের গতিবিধি বিশ্লেषণে বহুল ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের গত এক মাসের প্রতিদিনের সূচকের উত্থান-পতনের গ্রাফ তৈরি করা। ব্যাখ্যা: এটি একটি নির্দিষ্ট সময়সীমায় বাজারের গতিবিধি বুঝতে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: বিগত এক বছরের মাসিক মুদ্রাস্ফীতির হার প্রদর্শন করা। ব্যাখ্যা: সময়ের সঙ্গে অর্থনৈতিক সূচকের পরিবর্তনের ধারা স্পষ্টভাবে বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Pic chart — এটি পাই চার্ট (Pie chart) হওয়া উচিত ছিল, যা একটি নির্দিষ্ট সময়ের মোট পরিমাণের শতকরা অংশ বা অনুপাত বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, দৈনিক প্রবণতা দেখাতে নয়। B) Line chart — এটি সঠিক উত্তর। C) Row chart — এটি সাধারণত অনুভূমিক বার চার্ট (Bar chart) বোঝায়, যা বিভিন্ন বিভাগের তুলনামূলক বিশ্লেষণে ব্যবহৃত হয়, সময়ের ধারাবাহিক পরিবর্তনে নয়। D) Dot chart — এটি ডেটার বিস্তার বা ফ্রিকোয়েন্সি দেখাতে ব্যবহৃত হয়, সময়ের ধারাবাহিক ট্রেন্ড বা ওঠানামা ট্র্যাক করার জন্য এটি উপযোগী নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: সময়ের সঙ্গে কোনো কিছুর ওঠানামা বা ট্রেন্ড ট্র্যাক করার কথা থাকলেই চোখ বন্ধ করে লাইন চার্ট নির্বাচন করবে। মনে রাখবে, লাইন মানেই সময়ের রেখা বরাবর ওঠানামার চিত্র। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার ও স্প্রেডশিট বিশ্লেষণে ডেটা ভিজ্যুয়ালাইজেশনের জন্য বিভিন্ন ধরনের চার্টের সুনির্দিষ্ট ব্যবহার প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। সময়ের ধারাবাহিকতা বোঝাতে লাইন চার্ট এবং অংশের তুলনা বোঝাতে পাই চার্ট ব্যবহার করা হয়।
a FIP
b HTTP
c HTML
d URL
0 96 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) HTML ১. কেন সঠিক: - ওয়েব পেজ তৈরি বা ডিজাইন করার জন্য যে স্ট্যান্ডার্ড মার্কআপ ভাষা ব্যবহার করা হয়, তার নাম HTML। - ব্রাউজার এই ভাষার ট্যাগগুলো পড়ে স্ক্রিনে একটি পূর্ণাঙ্গ ওয়েব পেজ প্রদর্শন করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: HTML এর পূর্ণরূপ HyperText Markup Language। এটি কোনো প্রোগ্রামিং ভাষা নয়, বরং একটি মার্কআপ ভাষা। - কার্যপদ্ধতি: এটি বিভিন্ন ট্যাগ ব্যবহার করে ওয়েবসাইটের টেক্সট, ছবি ও অন্যান্য উপাদান সাজায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কোনো ওয়েবসাইটের শিরোনাম লেখার জন্য HTML এ h১ ট্যাগ ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: ব্রাউজার এই ট্যাগ চিনে লেখাটিকে বড় শিরোনাম হিসেবে প্রদর্শন করে। উদাহরণ ২: ওয়েব পেজে কোনো ছবি যুক্ত করার জন্য img ট্যাগ ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: এই ট্যাগের মাধ্যমে ব্রাউজার বুঝতে পারে কোথায় কোন ছবিটি দেখাতে হবে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) FIP — এটি কোনো স্ট্যান্ডার্ড প্রোটোকল বা ওয়েব ভাষা নয়। B) HTTP — এটি একটি প্রোটোকল যা ইন্টারনেটে ডেটা আদান-প্রদান করে। D) URL — এটি ইন্টারনেটে কোনো ফাইলের বা ওয়েব ঠিকানার অবস্থান নির্দেশ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - ওয়েব পেজ তৈরির মূল ভিত্তি হলো এইচটিএমএল বা HTML। - মনে রাখবে, এটি ডেটা প্রদর্শন বা বিন্যস্ত করার কাজ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - টিম বার্নার্স লি ১৯৯১ সালে HTML আবিষ্কার করেন। - পরীক্ষার জন্য HTML এর পূর্ণরূপটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
a Ctrl + 1
b Ctrl + C
c Crtl+M
d None
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) None ১. কেন সঠিক: - প্রশ্নে প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি হলো ডি (None)। কারণ এমএস ওয়ার্ড (MS Word) বা মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে লেখা বা টেক্সট মাঝ বরাবর বা সেন্টারে অ্যালাইন করার সঠিক শর্টকাট কি হলো কন্ট্রোল প্লাস ই (Ctrl + E)। - প্রদত্ত অপশনগুলোতে সঠিক উত্তর বা কন্ট্রোল প্লাস ই না থাকায় ডি অপশনটি সঠিক হয়েছে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: টেক্সট অ্যালাইনমেন্ট হলো ডকুমেন্টের পৃষ্ঠায় লেখা ডান, বাম বা মাঝখানে সাজানোর প্রক্রিয়া। - কার্যপদ্ধতি: কিবোর্ড থেকে নির্দিষ্ট শর্টকাট চাপলে মাইক্রোসফট ওয়ার্ড সফটওয়্যারটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্বাচিত অনুচ্ছেদটি নির্ধারিত অবস্থানে বিন্যস্ত করে। - ব্যবহার: দাপ্তরিক চিঠি, প্রচ্ছদ পৃষ্ঠা, শিরোনাম এবং কবিতা তৈরির সময় টেক্সট মাঝখানে রাখার জন্য এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গবেষণা পত্রের শিরোনাম ব্যাখ্যা: গবেষণাপত্রের মূল শিরোনামটি পৃষ্ঠার একদম মাঝখানে সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলতে এই কমান্ড ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: আবেদনপত্রের মূল বিষয় ব্যাখ্যা: সরকারি বা বেসরকারি চাকরির আবেদনপত্রের বিষয় অংশটি পাতার মাঝখানে রাখার জন্য এটি প্রয়োজন হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Ctrl + 1 — এটি টেক্সট অ্যালাইনমেন্টের জন্য নয়, বরং মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে অনুচ্ছেদগুলোর মাঝে একক লাইন স্পেসিং প্রয়োগ করতে ব্যবহৃত হয়। B) Ctrl + C — এই শর্টকাট কি মাইক্রোসফট ওয়ার্ড বা যেকোনো অপারেটিং সিস্টেমে কোনো লেখা বা ফাইল কপি করার জন্য ব্যবহৃত হয়। C) Crtl+M — এই শর্টকাট কি মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে অনুচ্ছেদের বাম দিক থেকে মার্জিন বা ইনডেন্ট এক ধাপ ডানে সরানোর জন্য ব্যবহার করা হয়। D) None — অপশনটি সঠিক কারণ মূল সঠিক উত্তরটি অপশনগুলোতে বিদ্যমান নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - সি ফর সেন্টার বা মাঝ বরাবর অ্যালাইনমেন্টের ক্ষেত্রে কন্ট্রোল প্লাস ই মনে রাখতে হবে। কারণ সি অক্ষরটি কপি কমান্ডের জন্য আগেই নির্ধারিত। - বামে অ্যালাইনমেন্টের জন্য কন্ট্রোল প্লাস এল এবং ডানে অ্যালাইনমেন্টের জন্য কন্ট্রোল প্লাস আর ব্যবহার করা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে জাস্টিফাইড বা উভয় পাশ সমান করার শর্টকাট হলো কন্ট্রোল প্লাস জে। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের বিভ্রান্তিকর শর্টকাট কি সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে।
a SUM
b AVG
c MAX
d MIN
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) AVG ১. কেন সঠিক: মাইক্রোসফট এক্সেলে কোনো রেঞ্জের গাণিতিক গড় বা Average বের করার জন্য সরাসরি AVG নামে কোনো ফাংশন নেই। এক্সেলে গড় নির্ণয়ের সঠিক ফাংশনটি হলো AVERAGE, তাই প্রদত্ত অপশনে AVG একটি ভুল বা অপ্রাসঙ্গিক ফাংশন। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: মাইক্রোসফট এক্সেল ফাংশন হলো কিছু পূর্বনির্ধারিত সূত্র যা নির্দিষ্ট ইনপুট বা আর্গুমেন্ট নিয়ে স্বয়ংক্রিয়ভাবে জটিল গণনা সম্পন্ন করে। কার্যপদ্ধতি: `=AVERAGE(A১:A৫)` লেখার মাধ্যমে এক্সেল নির্দিষ্ট সেলগুলোর মান যোগ করে এবং মোট সেল সংখ্যা দিয়ে ভাগ করে গড় ফলাফল প্রদান করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: `=AVERAGE(১০, ২০, ৩০)` ব্যাখ্যা: এই ফাংশনটি তিনটি সংখ্যার যোগফল ৬০ কে ৩ দিয়ে ভাগ করে ফলাফল হিসেবে ২০ প্রদান করে। উদাহরণ ২: `=SUM(A১:A৫)` ব্যাখ্যা: এটি নির্দিষ্ট রেঞ্জের সেলগুলোর মান যোগ করার জন্য একটি বৈধ এক্সেলে ব্যবহৃত ফাংশন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) SUM — এটি এক্সেলে সংখ্যাগুলোর যোগফল নির্ণয়ের একটি অত্যন্ত পরিচিত ও বৈধ ফাংশন। B) AVG — এটি এক্সেলে সরাসরি কাজ করে না কারণ সঠিক ফাংশনের নাম হলো AVERAGE। C) MAX — এটি প্রদত্ত সংখ্যাগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ বা বৃহত্তম মান নির্ণয় করার বৈধ ফাংশন। D) MIN — এটি প্রদত্ত সংখ্যাগুলোর মধ্যে সর্বনিম্ন বা ক্ষুদ্রতম মান নির্ণয় করার বৈধ ফাংশন। ৫ মনে রাখার টিপস: এক্সেল কখনো সংক্ষিপ্ত রূপ বা শর্টকাট নাম পছন্দ করে না, তাই গড় বের করতে পুরো AVERAGE লিখতে হবে। AVG দেখতে সঠিক মনে হলেও এটি এক্সেলের স্ট্যান্ডার্ড ফাংশন লাইব্রেরির অংশ নয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এক্সেলে ভুল ফাংশন নাম দিয়ে প্রশ্ন করা হয়। AVERAGE বানানটি ঠিকভাবে মনে রাখা এবং SUM, MAX, MIN এর সঠিক ব্যবহার জানা জরুরি।
a Round function
b Sandwich function
c Switch function
d Nested function
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Nested function ১. কেন সঠিক: একটি ফাংশনের ভেতরে যখন অন্য আরেকটি ফাংশন ব্যবহার করা হয়, তখন তাকে নেস্টেড ফাংশন বলা হয়। প্রোগ্রামিং বা স্প্রেডশিট সফটওয়্যারে জটিল গাণিতিক ও লজিকভিত্তিক হিসাব সম্পন্ন করার জন্য এই পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: কোনো ফাংশনের আর্গুমেন্ট হিসেবে যখন আরেকটি ফাংশনকে কল করা হয়, তাকে নেস্টেড ফাংশন বলে। কার্যপদ্ধতি: অভ্যন্তরীণ বা ভেতরের ফাংশনটি প্রথমে নিজে কাজ করে এবং তার ফলাফল বাইরের ফাংশনকে প্রদান করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: এক্সেলের ফর্মুলা, যেমন AVERAGE(A১:A১০)-এর ভেতর যদি IF ফাংশন ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: ভেতরের শর্ত যাচাই করে বাইরের ফাংশনটি তার মূল গড় নির্ণয়ের কাজটি সম্পন্ন করে। উদাহরণ ২: প্রোগ্রামিং ভাষায় একটি প্রিন্ট ফাংশনের ভেতরে আরেকটি গাণিতিক ফাংশন লেখা। ব্যাখ্যা: ভেতরের গাণিতিক ফলাফলটি প্রস্তুত হয়ে প্রিন্ট ফাংশনের মাধ্যমে প্রদর্শিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Round function — এটি কোনো ফাংশনের ভেতরে আরেকটি ফাংশন নির্দেশ করে না, বরং এটি একটি নির্দিষ্ট দশমিক স্থান পর্যন্ত সংখ্যাকে পূর্ণসংখ্যায় রূপান্তর করার একক কাজ করে। B) Sandwich function — কম্পিউটার বিজ্ঞান বা প্রোগ্রামিংয়ে এই নামে কোনো স্ট্যান্ডার্ড ফাংশন বা প্রোগ্রামিং টার্ম নেই। C) Switch function — এটি শর্ত যাচাই করার জন্য ব্যবহৃত একটি পৃথক কন্ট্রোল স্টেটমেন্ট বা ফাংশন, যা নেস্টিংয়ের ধারণার সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: নেস্টেড শব্দটির অর্থ হলো একটির ভেতরে আরেকটি বা খোসার ভেতরে খোসা। কোডিং বা এক্সেলের ক্ষেত্রে ভেতরের ব্র্যাকেট থেকে কাজ শুরু করে বাইরের দিকে আসতে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রোগ্রামিং ও এক্সেল ফাংশন থেকে এই ধরনের ধারণামূলক প্রশ্ন প্রায়ই আসে। ফাংশন ব্যবহারের সময় ব্র্যাকেটের সঠিক ব্যবহার না করলে সিনট্যাক্স এরর দেখা দিতে পারে।
a !B!1
b $B$1
c #b#1
d B!1
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) B1 ১. কেন সঠিক: - মাইক্রোসফট এক্সেলে সেল রেফারেন্স নির্দিষ্ট করার জন্য ডলার চিহ্ন ব্যবহার করা হয়। - এই ফরম্যাটে কলাম ও সারি উভয়ের আগেই ডলার চিহ্ন থাকায় এটি অ্যাবসোলিউট বা স্থায়ী রেফারেন্স হিসেবে কাজ করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: অ্যাবসোলিউট সেল রেফারেন্স হলো এমন একটি সেল ঠিকানা যা ফর্মুলা অন্য সেলে কপি বা ড্র্যাগ করলেও অপরিবর্তিত থাকে। - কার্যপদ্ধতি: কলাম অক্ষর এবং রো নম্বরের আগে ডলার চিহ্ন যুক্ত করে এক্সেলকে নির্দেশ দেওয়া হয় যেন ঠিকানাটি ফিক্সড থাকে। - ব্যবহার: নির্দিষ্ট কোনো ঘরের ধ্রুবক মান, যেমন করের হার বা নির্দিষ্ট মূল্য বারবার ব্যবহারের জন্য এটি ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নির্দিষ্ট মূল্য গণনা ব্যাখ্যা: একটি ফর্মুলায় মোট দাম বের করতে পণ্যের পরিমাণের সাথে একটি নির্দিষ্ট দামের সেল অ্যাবসোলিউট হিসেবে গুণ করা হয়। উদাহরণ ২: বেতন হিসাব ব্যাখ্যা: মূল বেতনের সাথে নির্দিষ্ট বোনাসের হার যোগ করার সময় বোনাসের সেলটি পরিবর্তন রোধ করতে এই রেফারেন্স দেওয়া হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) !B!1 — এই ধরনের সিনট্যাক্স মাইক্রোসফট এক্সেলে সেল রেফারেন্সের জন্য বৈধ নয় এবং এক্সেল এটি গ্রহণ করে না। B) B1 — এটি সঠিক উত্তর। C) #b#1 — হ্যাশ চিহ্ন এক্সেলে এরর বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, তাই এটি কোনো সেল রেফারেন্স নয়। D) B!1 — বিস্ময় সূচক চিহ্ন এক্সেলে ওয়ার্কশিটের নাম আলাদা করতে ব্যবহৃত হয়, সেল রেফারেন্সে নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ডলার চিহ্ন মানেই লক বা ফিক্সড করা, যা সেল অ্যাড্রেস নড়চড় হতে দেয় না। - কিবোর্ডের এফ ফোর কি চাপলে খুব সহজে রিলেটিভ রেফারেন্স থেকে অ্যাবসোলিউট রেফারেন্সে রূপান্তর করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এক্সেলে তিন ধরনের সেল রেফারেন্স থাকে, যেমন রিলেটিভ, অ্যাবসোলিউট এবং মিক্সড রেফারেন্স। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ডলার চিহ্নের অবস্থান পরিবর্তন করে মিক্সড ও অ্যাবসোলিউট রেফারেন্সের পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়।
a Conditional formatting
b Merge
c Wrap text
d Justify
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Wrap text ১. কেন সঠিক: স্প্রেডশিট বা এক্সেল ফাইলে একটি সেলের ভেতরের লেখা অনেক লম্বা হলে তা সেলের বাইরে চলে যায় অথবা ডানপাশের সেল ঢেকে ফেলে। Wrap text ফিচারটি ব্যবহার করলে লম্বা লেখাটি ভেঙে স্বয়ংক্রিয়ভাবে একাধিক লাইনে একই সেলের ভেতরে বিন্যস্ত হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: Wrap text হলো স্প্রেডশিট সফটওয়্যারের এমন একটি ফরম্যাটিং টুল যা সেলের সীমানার ভেতর লেখা স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিচে নামিয়ে প্রদর্শন করে। কার্যপদ্ধতি: যখন কোনো সেলের টেক্সট সেলের প্রস্থ অতিক্রম করে, তখন এই কমান্ড সক্রিয় করলে সফটওয়্যার নিজেই শব্দের শেষে লাইন ব্রেক করে লেখা নিচে নামিয়ে দেয়। ব্যবহার: বড় নাম, ঠিকানা বা বিবরণ একটি সেলের ভেতরেই সুন্দরভাবে প্রদর্শনের জন্য মাইক্রোসফট এক্সেল বা গুগল শিট-এ এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: একটি সেলে বাংলাদেশ লেখাটি খুব বড় হওয়ায় পাশের সেল ঢেকে ফেলছিল। ব্যাখ্যা: Wrap text অপশন চালু করার পর বাংলাদেশ লেখাটি ভেঙে একই সেলের ভেতরে দুটি লাইনে চলে আসে এবং দৃশ্যমান হয়। উদাহরণ ২: কোনো কর্মীর পুরো নাম একটিমাত্র কলামের ভেতরে ধরে রাখার প্রয়োজন হলো। ব্যাখ্যা: কলামের প্রস্থ না বাড়িয়ে Wrap text ব্যবহার করলে নামটি ভেঙে একাধিক লাইনে একই সেলে সুন্দরভাবে সেট হয়ে যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Conditional formatting — এই ফিচারের মাধ্যমে শর্ত সাপেক্ষে সেলের রঙ পরিবর্তন বা ডেটা হাইলাইট করা হয়, যা লেখা ভাঙার কাজ করে না। B) Merge — এই কমান্ডের মাধ্যমে একাধিক আলাদা সেলকে একত্রিত করে একটি বড় সেল তৈরি করা হয়, কিন্তু লম্বা লেখা ভাঙার কাজ এটি করে না। C) Wrap text — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি একই সেলের ভেতরে লম্বা লেখা একাধিক লাইনে ভেঙে দেখাতে সাহায্য করে। D) Justify — এটি প্যারাগ্রাফের দুই পাশ সমান করার টেক্সট অ্যালাইনমেন্ট টুল, এক্সেল সেলে লম্বা লেখা নিচে নামানোর জন্য Wrap text ব্যবহার করা হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: লেখা নিচে নামানোর বা মোড়ানোর জন্য Wrap শব্দটি ব্যবহার করা হয়। এক্সেলের হোম ট্যাবের অ্যালাইনমেন্ট গ্রুপে Wrap text অপশনটি পাওয়া যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মাইক্রোসফট এক্সেলে একটি সেলের ভেতরে লাইন ব্রেক করতে কিবোর্ড শর্টকাট হিসেবে Alt এবং Enter একসাথে চাপতে হয়। কম্পিউটার ও বিসিএস পরীক্ষায় স্প্রেডশিট ফরম্যাটিং সম্পর্কিত প্রশ্নে এই ফিচারটি প্রায়ই দেখা যায়।
a Counts cells having alphabets
b Counts cells meeting certain condition
c Counts empty cells
d Counts non-empty cells
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Counts non-empty cells ১. কেন সঠিক: - COUNTA ফাংশনটি মাইক্রোসফট এক্সেলে ডেটা সম্বলিত বা খালি নয় এমন সেলগুলোর সংখ্যা গণনা করতে ব্যবহৃত হয়। - এটি টেক্সট, নম্বর, এরর বা যেকোনো ধরনের ডেটা থাকা সেল গণনা করতে পারে কিন্তু সম্পূর্ণ খালি সেল এড়িয়ে চলে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: COUNTA হলো মাইক্রোসফট এক্সেলের এমন একটি ফাংশন যার পূর্ণরূপ হলো Count All, অর্থাৎ এটি সব ধরনের ডেটা যুক্ত সেল গণনা করে। - কার্যপদ্ধতি: ব্যবহারকারী যখন কোনো রেঞ্জ নির্ধারণ করে দেন, তখন এই ফাংশন সেই রেঞ্জের প্রতিটি সেল পরীক্ষা করে দেখে কোনটিতে ডেটা আছে এবং কোনগুলো ফাঁকা। - ব্যবহার: উপস্থিতি রেজিস্টার, ইনভেন্টরি বা ডেটাবেজে কতটি এন্ট্রি আছে তা দ্রুত বের করতে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: একটি কলামে ১০, ২০, এবং একটি নাম আছে। ব্যাখ্যা: এই তিনটি সেলেই ডেটা থাকায় COUNTA ফাংশন ফলাফল ৩ প্রদর্শন করবে। উদাহরণ ২: একটি এক্সেল শিটের পাঁচটি সেলের মধ্যে দুটি সেল ফাঁকা এবং বাকি তিনটিতে টেক্সট ও সংখ্যা আছে। ব্যাখ্যা: ফাঁকা সেল দুটি বাদ দিয়ে কেবল ডেটা থাকা তিনটি সেল গণনা করে ফলাফল ৩ দেখাবে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Counts cells having alphabets — এটি শুধু অক্ষর বা বর্ণমালা থাকা সেল গণনা করে না, সংখ্যা বা অন্যান্য ডেটাও গণনা করে। B) Counts cells meeting certain condition — নির্দিষ্ট শর্তের ভিত্তিতে সেল গণনার জন্য COUNTIF ফাংশন ব্যবহার করা হয়, COUNTA নয়। C) Counts empty cells — খালি সেল গণনা করার জন্য আলাদা ফাংশন রয়েছে যার নাম COUNTBLANK। D) Counts non-empty cells — এটি সঠিক কারণ এই ফাংশনটি ডেটা আছে এমন সেলগুলোই কেবল গণনা করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - COUNT মানে সংখ্যা গণনা করা এবং এর সাথে A যোগ করে COUNTA বানানোর অর্থ হলো All বা সব ধরনের ডেটা গণনা করা। - ফাঁকা সেল গণনার জন্য BLANK শব্দটি যুক্ত থাকে, আর শর্তের জন্য IF যুক্ত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মাইক্রোসফট এক্সেলে কেবল সংখ্যা গণনা করতে COUNT ফাংশন ব্যবহার করা হয়। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় COUNT, COUNTA এবং COUNTIF এর পার্থক্য নিয়ে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
a HIGH (A1:A10)
b MIN (A1:A10)
c MAX (A1:A10)
d SUM (A1:A10)
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) MAX (A1:A10) ১. কেন সঠিক: - মাইক্রোসফট এক্সেলে কোনো নির্দিষ্ট রেঞ্জের সেলগুলোর মধ্যে থাকা সর্বোচ্চ বা সবচেয়ে বড় সংখ্যাটি খুঁজে বের করার জন্য MAX ফাংশন ব্যবহার করা হয়। - এখানে A1:A10 হলো সেল রেঞ্জ যার মধ্যে ১ থেকে ১০ নম্বর সেল পর্যন্ত সমস্ত মানের ওপর এই ফাংশনটি কাজ করবে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: এক্সেলে ব্যবহৃত গাণিতিক ও পরিসংখ্যানগত ফাংশন যা একাধিক সংখ্যার মধ্য থেকে বৃহত্তম মান প্রদান করে। - কার্যপদ্ধতি: নির্দিষ্ট সেল রেঞ্জের প্রতিটি সংখ্যা একে একে তুলনা করে সর্বোচ্চ মানটি আউটপুট হিসেবে প্রদর্শন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কোনো ক্লাসের দশজন শিক্ষার্থীর প্রাপ্ত নম্বরের তালিকা থেকে সর্বোচ্চ নম্বর বের করতে এই ফাংশন লেখা হয় =MAX(A1:A10)। ব্যাখ্যা: এটি পুরো তালিকার সব নম্বর যাচাই করে সবচেয়ে বেশি নম্বরটি স্ক্রিনে দেখাবে। উদাহরণ ২: একটি কোম্পানির মাসিক বিক্রির হিসাব থেকে সর্বোচ্চ বিক্রির পরিমাণ বের করা। ব্যাখ্যা: এটি নির্দিষ্ট মাসের সেল ডেটা স্ক্যান করে সর্বোচ্চ বিক্রির অঙ্কটি আলাদা করে দেবে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) HIGH (A1:A10) — এক্সেলে এই নামে কোনো স্ট্যান্ডার্ড ফাংশন নেই। B) MIN (A1:A10) — এটি নির্দিষ্ট রেঞ্জের সেলগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ছোট বা সর্বনিম্ন সংখ্যা খুঁজে বের করার জন্য ব্যবহৃত হয়। C) MAX (A1:A10) — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি সর্বোচ্চ সংখ্যা নির্ণয় করে। D) SUM (A1:A10) — এটি নির্দিষ্ট রেঞ্জের সেলগুলোর সমস্ত সংখ্যার যোগফল নির্ণয় করতে ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - MAX শব্দটি এসেছে ম্যাক্সিমাম থেকে যার অর্থ সর্বোচ্চ। - ঠিক বিপরীত কাজের জন্য MIN ব্যবহার করা হয় যা মিনিমাম বা সর্বনিম্ন বোঝায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মাইক্রোসফট এক্সেল ফাংশনে টেক্সট মান উপেক্ষা করা হয় এবং শুধুমাত্র সংখ্যা নিয়ে কাজ করা হয়। - ব্যাংক ও বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই SUM, AVERAGE, MAX এবং MIN ফাংশনের কাজ সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
a equal sum(a20:c20)
b sum(a20,c20)
c sum(a20+c20)
d :sum(a20:c20)
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) equal sum(a20:c20) ১. কেন সঠিক: - মাইক্রোসফট এক্সেলে কোনো ফর্মুলা লেখার শুরুতে সমান চিহ্ন ব্যবহার করতে হয়। - প্রশ্নটিতে ইংরেজি শব্দ 'equal' ব্যবহার করে সমান চিহ্ন বোঝানো হয়েছে এবং সিনট্যাক্সটি সঠিক রাখা হয়েছে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: স্প্রেডশিট সফটওয়্যারে একাধিক ঘরের মান যোগ করার জন্য সাম ফাংশন ব্যবহার করা হয়। - কার্যপদ্ধতি: কোলন চিহ্নের মাধ্যমে প্রথম সেল থেকে শেষ সেল পর্যন্ত পরিসর নির্ধারণ করে হিসাব সম্পন্ন করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সেল এ দশ থেকে সেল সি দশ পর্যন্ত মান যোগ করতে সাম ফাংশন লেখা হয়। ব্যাখ্যা: রেঞ্জ বা পরিসর ব্যবহারের মাধ্যমে বিশাল ডেটাসেটের যোগফল খুব সহজে নির্ণয় করা যায়। উদাহরণ ২: মাসিক খরচের হিসাব বের করতে এক্সেলে এই সূত্র প্রয়োগ করা হয়। ব্যাখ্যা: কলাম বা সারির ধারাবাহিক উপাত্ত দ্রুত প্রক্রিয়াজাত করতে এটি সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) equal sum(a20:c20) — এটি সঠিক কারণ এতে নিয়ম অনুযায়ী যোগ করার ফাংশন এবং সেল রেঞ্জ সঠিকভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। B) sum(a20,c20) — এটি ভুল কারণ এখানে কোলনের পরিবর্তে কমা ব্যবহার করায় শুধু দুটি পৃথক সেল যোগ হবে, পুরো রেঞ্জ যোগ হবে না। C) sum(a20+c20) — এটি ভুল কারণ ফাংশনের ভেতরে প্লাস চিহ্ন ব্যবহার করা অপ্রয়োজনীয় এবং এটি এক্সেলে সিনট্যাক্স ত্রুটি দেখাবে। D) :sum(a20:c20) — এটি ভুল কারণ সাম লেখার আগে কোলন চিহ্ন ব্যবহার করার কোনো নিয়ম এক্সেলে নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - এক্সেলে যেকোনো সূত্র লেখার শুরুতেই সমান চিহ্ন বা ইকুয়াল দিতে হয়। - একাধিক সেল একসাথে যোগ করতে কোলন চিহ্ন ব্যবহার করতে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মাইক্রোসফট এক্সেলে ফাংশন লেখার সঠিক সিনট্যাক্স প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। - কমা এবং কোলনের পার্থক্যের ওপর ভিত্তি করে অনেক সময় বিভ্রান্তিকর অপশন দেওয়া হয়।
a Section break
b Section formatting
c Page break
d Page section
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Section break ১. কেন সঠিক: MS Word-এ পুরো ডকুমেন্টের বিভিন্ন অংশে আলাদা মার্জিন, হেডার, ফুটার বা পেজ ওরিয়েন্টেশন সেট করতে Section break ব্যবহার করা হয়। এর মাধ্যমে একটি ডকুমেন্টের ভেতরেই বিভিন্ন সেকশন তৈরি করে একেক সেকশনে একেক রকম ফরম্যাটিং প্রয়োগ করা যায়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: Section break হলো ডকুমেন্টের ভেতরে অদৃশ্য এক বিভাজন রেখা যা ভিন্ন ভিন্ন ফরম্যাটিং প্রয়োগের সুযোগ দেয়। কার্যপদ্ধতি: ব্যবহারকারী যখন নতুন সেকশন ব্রেক ইনসার্ট করেন, তখন ওয়ার্ড প্রসেসর নতুন সেকশনের জন্য আলাদা ফরম্যাটিং প্রপার্টি সংরক্ষণ করে। ব্যবহার: গবেষণাপত্রের প্রথম অংশে রোমান সংখ্যা এবং মূল অংশে সাধারণ সংখ্যায় পেজ নম্বর দিতে এটি ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: থিসিস পেপারের কভার পেজে হেডার না রাখা এবং মূল অধ্যায়ে হেডার রাখা। ব্যাখ্যা: সেקশন ব্রেক ব্যবহার করে কভার পেজকে আলাদা সেকশনে রেখে হেডার বন্ধ রাখা যায় এবং পরের সেকশনে হেডার চালু করা যায়। উদাহরণ ২: একই ডকুমেন্টের একটি পৃষ্ঠায় পোর্ট্রেট পেজ ওরিয়েন্টেশন এবং অন্য পৃষ্ঠায় ল্যান্ডস্কেপ পেজ ওরিয়েন্টেশন ব্যবহার করা। ব্যাখ্যা: সেকশন ব্রেকের মাধ্যমে পৃষ্ঠার বিন্যাস আলাদা করা সম্ভব হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Section break — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বিভিন্ন সেকশনে আলাদা ফরম্যাটিং তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়। B) Section formatting — এটি কোনো স্ট্যান্ডার্ড বা প্রচলিত কমান্ড নয়, বরং এটি একটি ভুল শব্দগুচ্ছ। C) Page break — এটি শুধুমাত্র পরবর্তী পৃষ্ঠায় লেখা নিয়ে যাওয়ার জন্য ব্যবহৃত হয়, আলাদা ফরম্যাটিং তৈরি করে না। D) Page section — এটি MS Word-এর কোনো মেনু বা ফিচারের নাম নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: পৃষ্ঠা বদলাতে Page break এবং ফরম্যাটিং বদলাতে Section break ব্যবহার করতে হয়। মনে রাখবেন যে সেকশন পরিবর্তন করলে পুরো ডকুমেন্টের বাকি অংশের ওপর প্রভাব না ফেলে নির্দিষ্ট অংশের স্টাইল পরিবর্তন করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার ও আইসিটি পরীক্ষায় এমএস ওয়ার্ডের বিভিন্ন ব্রেক যেমন পেজ ব্রেক, কলাম ব্রেক এবং সেকশন ব্রেকের কাজের পার্থক্য প্রায়ই আসে। ডকুমেন্ট ফরম্যাটিং সংক্রান্ত প্রশ্ন সমাধানের সময় সেকশন ব্রেকের বহুমুখী ব্যবহারের ধারণাটি পরিষ্কার রাখা জরুরি।
a SUM
b COUNT
c IF
d AVERAGE
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) IF ১. কেন সঠিক: - মাইক্রোসফট এক্সেলে কোনো শর্ত বা লজিক্যাল টেস্ট যাচাই করার জন্য IF ফাংশন ব্যবহার করা হয়। - শর্ত পূর্ণ হলে এক ফল এবং না হলে অন্য ফল প্রদান করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: IF হলো এক্সেলের এমন একটি লজিক্যাল ফাংশন যা প্রদত্ত শর্ত সত্য না মিথ্যা তা যাচাই করে। - কার্যপদ্ধতি: এটি প্রথমে একটি শর্ত পরীক্ষা করে এবং শর্তের সত্যতার ওপর ভিত্তি করে দুটি ভিন্ন মান রিটার্ন করে। - ব্যবহার: কোনো শিক্ষার্থীর পাস বা ফেল নির্ধারণ করতে অথবা কর্মচারীর বোনাস হিসাব করতে এটি ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: =IF(A১>৩৩, "Pass", "Fail") ব্যাখ্যা: কোষ A১ এর মান ৩৩ এর বেশি হলে Pass দেখাবে, অন্যথায় Fail দেখাবে। উদাহরণ ২: =IF(B১=100, "Bonus", "No Bonus") ব্যাখ্যা: কোষ B১ এর মান ১০০ এর সমান হলে Bonus দেখাবে, অন্যথায় No Bonus দেখাবে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) SUM — এটি এক্সেলে একাধিক সংখ্যা বা কোষের যোগফল নির্ণয় করার জন্য ব্যবহার করা হয়, কোনো শর্ত যাচাই করে না। B) COUNT — এটি নির্ধারিত পরিসরে কেবল সংখ্যা ধারণকারী কোষগুলোর মোট সংখ্যা গণনা করে, শর্ত যাচাই করে না। D) AVERAGE — এটি এক্সেলে নির্দিষ্ট সংখ্যক মানের গড় নির্ণয় করার জন্য ব্যবহার করা হয়, কোনো লজিক্যাল শর্ত পরীক্ষা করে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - IF মানে যদি। যদি শর্ত সত্য হয়, তবে প্রথম মান দেখাবে। - এক্সেলে যেকোনো লজিক্যাল ফর্মুলা লেখার সময় সমান চিহ্ন দিয়ে শুরু করতে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এক্সেলের ফাংশন থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - AND, OR এবং NOT হলো এক্সেলের অন্যান্য লজিক্যাল ফাংশন।
a A, B, C, etc
b 1,2,3, etc
c A1, A2, etc
d $A$1, $A$2, etc
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) 1, 2, 3, etc ১. কেন সঠিক: এমএস এক্সেল স্প্রেডশিট প্রোগ্রামে অনুভূমিক সারি বা রো চিহ্নিত করার জন্য ইংরেজি বর্ণমালার পরিবর্তে সাধারণত ১, ২, ৩ ইত্যাদি সংখ্যা ব্যবহার করা হয়। এর মাধ্যমে প্রতিটি রো বা সারির সুনির্দিষ্ট অবস্থান সহজে শনাক্ত করা যায় এবং বড় ডেটাসেট নিয়ে কাজ করা সুবিধাজনক হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: এক্সেল শিটে বাম পাশে উপর থেকে নিচে লম্বালম্বিভাবে বিস্তৃত অংশ হলো রো এবং উপরে বাম থেকে ডানে বিস্তৃত অংশ হলো কলাম। কার্যপদ্ধতি: একটি এক্সেল ওয়ার্কশিটে রো গুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে ১ থেকে শুরু হয়ে ক্রমানুসারে সংখ্যা দ্বারা চিহ্নিত থাকে এবং নতুন রো যোগ করলে সংখ্যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বৃদ্ধি পায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রোল নম্বর তালিকা ব্যাখ্যা: একটি ক্লাসের শিক্ষার্থীদের নামের তালিকার ক্ষেত্রে প্রতিটি শিক্ষার্থীর তথ্য এক্সেলের একটি নির্দিষ্ট রো-তে ১, ২, ৩ ইত্যাদি নম্বর দিয়ে সাজানো হয়। উদাহরণ ২: মাসিক হিসাবের খাতা ব্যাখ্যা: আয়ের হিসাব রাখার সময় প্রথম লাইনে ১ নম্বর রো-তে শিরোনাম এবং পরবর্তী রো-গুলোতে ক্রমানুসারে সংখ্যা দিয়ে তথ্য এন্ট্রি করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) A, B, C, etc — এটি এক্সেলের কলাম বা স্তম্ভ চিহ্নিত করার জন্য ব্যবহৃত হয়, রো এর জন্য নয়। B) 1, 2, 3, etc — এটি সঠিক উত্তর কারণ এক্সেলের রো বা সারি সংখ্যা দিয়ে লেবেল করা হয়। C) A1, A2, etc — এটি সেল অ্যাড্রেস বা কোষের ঠিকানা নির্দেশ করে, যা কলাম ও রো এর মিলনে তৈরি হয়। D) A1, A2, etc — এটি সেল রেফারেন্সকে স্থায়ী বা অ্যাবসোলিউট করার জন্য ব্যবহৃত হয়, সাধারণ রো লেবেল নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: রো এবং কলাম মনে রাখার সহজ কৌশল হলো আরসি বা রো-কলাম এবং এ-১ নিয়ম। কলাম হলো ইংরেজি বর্ণমালা এ, বি, সি দ্বারা এবং রো হলো সংখ্যা ১, ২, ৩ দ্বারা চিহ্নিত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মাইক্রোসফট এক্সেলের আধুনিক সংস্করণে মোট রো এর সংখ্যা প্রায় দশ লক্ষ আটষট্টি হাজার সাতশো ছাপ্পানটি। বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এক্সেল শিটের রো ও কলামের সীমা সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।

মোট প্রশ্ন (20)

a উদক
b অরুণ
c পত্রগ
d অরোরা
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) উদক ১. কেন সঠিক: - 'উদক' শব্দটি সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত এবং এর অর্থ হলো পানি বা জল। - বাংলা ব্যাকরণে তৎসম শব্দের শব্দার্থ অনুধাবনে সমার্থক শব্দের গুরুত্ব অপরিসীম। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো সেই সব শব্দ যেগুলোর অর্থ প্রায় একই বা সমান। - 'পানি' বা 'জল' বোঝাতে বাংলা ভাষায় বহু তৎসম, অর্ধ-তৎসম ও দেশি শব্দ ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পানি পানের জন্য গ্লাসটি পরিষ্কার করা প্রয়োজন। ব্যাখ্যা: এখানে 'পানি' শব্দের সাধারণ ব্যবহার দেখানো হয়েছে। উদাহরণ ২: নদীটির উদক অত্যন্ত স্বচ্ছ ও নির্মল। ব্যাখ্যা: এখানে 'উদক' শব্দটি 'পানি' বা 'জল' অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উদক — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ পানি। B) অরুণ — এই অপশনটি ভুল কারণ অরুণের অর্থ সূর্য বা ভোরের লাল আভা। C) পত্রগ — এই অপশনটি ভুল কারণ পত্রগের অর্থ পাখি বা যা ডানায় ওড়ে। D) অরোরা — এই অপশনটি ভুল কারণ অরোরা হলো মেরুপ্রভা বা বায়ুমণ্ডলের এক ধরনের দীপ্তি। ৫ মনে রাখার টিপস: - পানি শব্দের সমার্থক শব্দগুলো মনে রাখতে জল, উদক, বারি ও সলিল এক সাথে চর্চা করতে পারো। - পরীক্ষায় তৎসম সমার্থক শব্দগুলো আলাদা করে মনে রাখা ভালো। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পানির সমার্থক শব্দ হিসেবে উদক, বারি, সলিল এবং অপ প্রায়ই আসে। - শব্দের মূল অর্থ এবং উৎস জানলে সমার্থক শব্দ নির্ণয় করা সহজ হয়।
a নারী
b সুন্দরী
c তনয়া
d ননদিনী
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) তনয়া ১. কেন সঠিক: - নন্দিনী শব্দের অর্থ হলো কন্যা, মেয়ে বা আত্মজা। - তনয়া শব্দের অর্থও কন্যা বা মেয়ে, তাই এটি নন্দিনীর সঠিক সমার্থক শব্দ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো সেই সব শব্দ যাদের অর্থ প্রায় একই রকম হয়। - এই ধরনের শব্দভাণ্ডার বাড়াতে শব্দের উৎস ও প্রচলিত রূপ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দুহিতা ব্যাখ্যা: দুহিতা শব্দের অর্থ কন্যা বা মেয়ে, যা নন্দিনী শব্দের আরেকটি সমার্থক রূপ। উদাহরণ ২: আত্মজা ব্যাখ্যা: আত্মজা শব্দের অর্থ নিজের থেকে জন্ম নিয়েছে যে, অর্থাৎ কন্যা বা তনয়া। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নারী — নারী বলতে সাধারণ অর্থে স্ত্রীজাতি বা মহিলাকে বোঝায়, যা নির্দিষ্ট কোনো কন্যার সমার্থক নয়। B) সুন্দরী — সুন্দরী বলতে রূপবতী বা আকর্ষণীয় মহিলাকে বোঝায়, যা নন্দিনী শব্দের অর্থ প্রকাশ করে না। D) ননদিনী — ননদিনী শব্দের অর্থ সতীন বা স্বামীর বোন, যা নন্দিনী শব্দের সম্পূর্ণ আলাদা একটি অর্থ বহন করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - নন্দিনী শুনলেই কন্যা বা তনয়া কথাটি মনে রাখবে। - ন দিয়ে শুরু নন্দিনী এবং ত দিয়ে তনয়া, এভাবে দুটি শব্দের অর্থ এক সূত্রে গেঁথে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - কন্যাবাচক শব্দের সমার্থক হিসেবে তনয়া, দুহিতা, আত্মজা ও নন্দিনী শব্দগুলো বারবার অনুশীলনের মাধ্যমে আয়ত্ত করতে হবে।
a সত্যেন সেন
b আবুল ফজল
c মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
d সৈয়দ আলী আহসান
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় ১. কেন সঠিক: - 'পুতুলনাচের ইতিকথা' বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ একটি মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস যার রচিয়তা কথাসাহিত্যিক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়। - ১৯৩৬ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাসে গ্রামীণ সমাজজীবনের পটভূমিতে মানুষের মনস্তত্ত্ব এবং নিয়তির অনিবার্য পরিণতি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসে ফ্রয়েডীয় মনোসমীক্ষণ এবং মার্ক্সবাদী চিন্তাধারার সফল প্রয়োগ করেছিলেন। - তাঁর প্রকৃত নাম প্রবোধ কুমার বন্দ্যোপাধ্যায় হলেও তিনি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় ছদ্মনামে লেখালেখি করতেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'পদ্মা নদীর মাঝি' ব্যাখ্যা: এটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আরেকটি বিখ্যাত উপন্যাস যা জেলে জীবনের বাস্তব চিত্র তুলে ধরে। উদাহরণ ২: 'সহিদ' ব্যাখ্যা: এটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা একটি জনপ্রিয় ছোটগল্প যা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সত্যেন সেন — এই লেখক মার্ক্সবাদী ধারার উপন্যাস লিখলেও 'পুতুলনাচের ইতিকথা' তাঁর রচনা নয়। B) আবুল ফজল — তিনি একজন প্রগতিশীল বুদ্ধিজীবী ও সাহিত্যিক হলেও এই উপন্যাসের রচিয়তা নন। C) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি এই উপন্যাসের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। D) সৈয়দ আলী আহসান — তিনি মূলত একজন বিশিষ্ট প্রবন্ধকার, গবেষক ও শিক্ষাবিদ, এই উপন্যাসের লেখক নন। ৫ মনে রাখার টিপস: - পুতুলনাচের মানিক এভাবে মনে রাখতে পারো যাতে পুতুলনাচের ইতিকথা উপন্যাসের লেখক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় সহজে মনে থাকে। - বাংলা উপন্যাসের মনোসমীক্ষাধারী লেখক বললেই মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম সবার আগে আসবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রথম উপন্যাস 'অতসী মামী' এবং প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস 'দিবারাত্রির কাব্য'। - এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় বারবার এসেছে তাই উপন্যাসটির নাম ও লেখকের নাম মুখস্থ রাখা জরুরি।
a ডাকাবুকো
b তামার বিষ
c তুলসি বনের বাঘ
d ঢাকের বায়া
0 93 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ঢাকের বায়া কেন সঠিক: - ঢাকের বায়া বলতে এমন একটি বাদ্যযন্ত্রকে বোঝায় যা অর্কেস্ট্রায় বা ঢাকের সাথে মূল তাল বা শব্দ তৈরি করে না, অর্থাৎ যার কোনো বিশেষ কার্যকারিতা বা মূল্য নেই। - বাংলা ভাষায় মূল্যহীন বা গুরুত্বহীন বস্তু বা ব্যক্তিকে বোঝাতে এই বাগধারাটি ঐতিহ্যগতভাবে ব্যবহার করা হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থের বাইরে গিয়ে একটি বিশেষ ও রূপক অর্থ প্রকাশ করে। - ঢাকের বায়া প্রবচনটি লোকসাহিত্য ও দৈনন্দিন কথ্যভাষা থেকে বাংলা সাহিত্যে স্থান লাভ করেছে। - সমাজের এমন কিছু মানুষ বা জিনিসকে ঢাকের বায়া বলা হয় যাদের উপস্থিতি বা অনুপস্থিতিতে কাজের কোনো পরিবর্তন হয় না। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) ডাকাবুকো — এই বাগধারাটির অর্থ অত্যন্ত সাহসী বা বেপরোয়া ব্যক্তি, যা মূল প্রশ্নের সাথে মেলে না। - B) তামার বিষ — এই বাগধারাটির অর্থ কুপ্রভাব বা অর্থের কুফল, যা মূল্যহীন অর্থে ব্যবহৃত হয় না। - C) তুলসি বনের বাঘ — এই বাগধারাটির অর্থ ভণ্ড বা শান্ত শিষ্টের আড়ালে বিপজ্জনক ব্যক্তি, যা মূল প্রশ্নের সাথে মেলে না। - D) ঢাকের বায়া — এই অপশনটিই সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: - ঢাকের যেমন একটি মূল অংশ থাকে এবং অন্যটি অপ্রয়োজনীয় বা কম গুরত্বপূর্ণ হয়, তেমনি মূল্যহীন বোঝাতে ঢাকের বায়া ব্যবহার হয়।
a ত্যক্ত
b গূঢ়
c গ্রাহ্য
d অকথ্য
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গূঢ় ১. কেন সঠিক: 'ব্যক্ত' শব্দের অর্থ যা প্রকাশিত হয়েছে বা স্পষ্ট করা হয়েছে। এর বিপরীতে কোনো কিছু যা ঢাকা আছে বা গোপন করা হয়েছে, তাকে 'গূঢ়' বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার বিপরীতার্থক শব্দের একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ। ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী শব্দের অর্থের বিপরীত ভাব প্রকাশ করার জন্য বিপরীতার্থক শব্দ ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্যক্ত সত্য ব্যাখ্যা: এটি এমন একটি সত্য যা সবার সামনে প্রকাশিত। উদাহরণ ২: গূঢ় রহস্য ব্যাখ্যা: এটি এমন একটি রহস্য যা সহজে বোঝা যায় না বা গোপন থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ত্যক্ত — এর অর্থ বর্জিত বা ত্যাগ করা হয়েছে যা ব্যক্ত শব্দের বিপরীত নয়। B) গূঢ় — সঠিক উত্তর কারণ এটি প্রকাশিত শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। C) গ্রাহ্য — এর অর্থ যা গ্রহণ করার যোগ্য এবং এটি বর্জ্য শব্দের বিপরীত। D) অকথ্য — এর অর্থ যা মুখে বলা যায় না বা অশ্লীল বাক্য। ৫. মনে রাখার টিপস: ব্যক্ত মানে প্রকাশ, গূঢ় মানে প্রকাশহীন বা গোপন। প্রকাশের বিপরীত সবসময় গোপন বা লুকানো বোঝায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দ থেকে প্রশ্ন আসে। শব্দগুলোর সঠিক অর্থ জানলে খুব সহজে উত্তর করা যায়।
a দল বেধে চলা
b একই স্বভাবের লোক
c দামী জিনিস
d হীনতা
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) একই স্বভাবের লোক ১. কেন সঠিক: 'ঝাকের কৈ' একটি জনপ্রিয় বাংলা বাগধারা, যার অর্থ হলো একই স্বভাবের লোক বা একই দলের অন্তর্ভুক্ত ব্যক্তি। পুকুরে কৈ মাছ যেমন দল বেঁধে বা ঝাঁক বেঁধে চলে এবং তাদের সবার স্বভাব ও বৈশিষ্ট্য একই রকম হয়, তেমনি মানবসমাজে যারা একই রকম চিন্তাচেতনা বা চরিত্রের অধিকারী, তাদের বোঝাতে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার অন্যতম একটি তুলনামূলক বা সাদৃশ্যমূলক বাগধারা, যেখানে প্রাণীর বিশেষ আচরণকে মানুষের স্বভাবের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে। বাগধারাটি কোনো সাধারণ শব্দের আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভাবার্থ প্রকাশ করে থাকে, যা বাক্যের সৌন্দর্য ও ভাবকে বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরেরা সবাই এক পাল্লায় মাপা, তারা যেন ঝাকের কৈ। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে অপরাধপ্রবণ একই দলের মানুষদের বোঝাতে বাগধারাটির সফল প্রয়োগ ঘটেছে। উদাহরণ ২: এই রাজনৈতিক দলের সব নেতার বক্তব্যই একরকম, তারা তো আর ঝাকের কৈ ছাড়া কিছু নন। ব্যাখ্যা: এখানে একই ধরনের মানসিকতা সম্পন্ন ব্যক্তিবর্গকে নির্দেশ করতে এই উদাহরণটি ব্যবহার করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দল বেধে চলা — এটি আক্ষরিক অর্থের কাছাকাছি হলেও বাগধারার প্রকৃত ভাবার্থ মানুষের স্বভাবের মিলকে নির্দেশ করে, তাই এটি সঠিক নয়। C) দামী জিনিস — এই অর্থের সঙ্গে 'ঝাকের কৈ' বাগধারার কোনো দূরতম সম্পর্ক বা ঐতিহাসিক ব্যবহার নেই। D) হীনতা — এই অপশনটি সম্পূর্ণ আলাদা একটি মানসিক অবস্থা বা অবস্থাকে নির্দেশ করে, যা এই বাগধারার সঙ্গে মেলে না। ৫. মনে রাখার টিপস: কৈ মাছ যেমন দল বা ঝাঁক বেঁধে চলে এবং সব কৈ মাছের স্বভাব একই রকম হয়, তেমনি 'ঝাকের কৈ' দেখলে মনে রাখবে এর অর্থ একই স্বভাবের লোক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রাণীর আচার-আচরণ সম্পর্কিত বাগধারাগুলো প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাবার্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে। একই ধরনের অন্যান্য বাগধারা যেমন শাঁখের করাত বা পালের গোদা ভালোভাবে অনুশীলন করলে পরীক্ষার হলে উত্তর করা সহজ হবে।
a চন্দ্র
b সূর্য
c অগ্নি
d পাথার
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সূর্য ১. কেন সঠিক: মার্তণ্ড শব্দটির আভিধানিক অর্থ হলো সূর্য বা দিবাকর। সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত এই তৎসম শব্দটির উৎস মূলত সৌরদেবতার সঙ্গে সম্পর্কিত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি সমার্থক শব্দ বা প্রতিশব্দ সংক্রান্ত ব্যাকরণগত প্রশ্ন। সূর্য শব্দের বিভিন্ন সমার্থক শব্দ রয়েছে যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সবিতা ব্যাখ্যা: এটি সূর্যের অপর একটি বহুল ব্যবহৃত সমার্থক শব্দ। উদাহরণ ২: দিবাকর ব্যাখ্যা: দিন বা দিবসকে যে আলো দেয়, অর্থে সূর্যকে দিবাকর বলা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চন্দ্র — চন্দ্র শব্দের অর্থ চাঁদ, যা সূর্যের বিপরীত প্রকৃতির শীতল জ্যোতিষ্ক। B) সূর্য — এই অপশনটি সঠিক এবং মার্তণ্ড শব্দের সমার্থক। C) অগ্নি — অগ্নি শব্দের অর্থ আগুন বা অনল, যা সূর্য থেকে ভিন্ন একটি প্রাকৃতিক উপাদান। D) পাথার — পাথার শব্দের অর্থ সমুদ্র বা বিশাল জলরাশি, যার সঙ্গে মার্তণ্ড শব্দের কোনো মিল নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: মার্তণ্ড শুনলে মনে রাখবে এটি আকাশের মহা শক্তিশালী এক গোলকের নাম। সূর্যের নানা নামের মধ্যে এটি একটু কঠিন, তাই ভালোভাবে চর্চা করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সূর্য, চাঁদ, সমুদ্র, নদী ও আকাশ শব্দগুলোর সমার্থক শব্দ খুব বেশি আসে। প্রমিত বাংলা বানরীতি মেনে এসব শব্দের বানানও ভালো করে মুখস্থ রাখতে হবে।
a বন্ধ্যা
b আগাছা
c উদ্বাস্থ
d বনস্পতি
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বনস্পতি কেন সঠিক: ১. বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী যে উদ্ভিদ বা গাছের ফুল হয় না কিন্তু সরাসরি ফল ধরে তাকে বনস্পতি বলা হয়। ২. সাহিত্য ও অভিধানের তথ্য অনুসারে বৃহৎ আকারের ঔষধি গাছ বা বনস্পতি জাতীয় উদ্ভিদের ক্ষেত্রে এই বিশেষ এককথায় প্রকাশটি ব্যবহার করা হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের মাধ্যমে বড় একটি বাক্যের ভাব একটি মাত্র সুন্দর শব্দে প্রকাশ করা হয়। ২. প্রাচীন বাংলা সাহিত্য এবং উদ্ভিদ বিজ্ঞানের পরিভাষায় ফুল ফোটার ধাপ ছাড়াই যে গাছে ফল আসে তাদের বনস্পতি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ৩. এর অনুরূপ কিছু সাহিত্যিক প্রয়োগে দেখা যায় বট এবং অশ্বত্থ গাছের মতো বিশাল আকৃতির উদ্ভিদ এই ক্যাটাগরিতে পড়ে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বন্ধ্যা — যে নারী বা জমির উর্বরতাশক্তি নেই এবং সন্তান বা ফসল জন্মদানে অক্ষম তাকে বন্ধ্যা বলা হয়। B) আগাছা — ফসলের জমির মধ্যে প্রাকৃতিকভাবে জন্ম নেওয়া অনাবশ্যক ও ক্ষতিকর গাছগুলোকে আগাছা বলা হয়। C) উদ্বাস্থ — রাজনৈতিক বা প্রাকৃতিক কারণে যারা নিজেদের ভিটেমাটি হারিয়ে অন্যত্র আশ্রয় নিতে বাধ্য হয় তাদের বোঝায়। D) বনস্পতি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের কোনো ভুল নেই এবং এটি নির্দিষ্ট গাছকে নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: ১. মনে রাখার জন্য মাথায় রাখতে হবে বন মানে জঙ্গল এবং স্পতি মানে বড় গাছ যা ফুল ছাড়া শুধু ফল দেয়। ২. উদ্ভিদের ধরন মনে রেখে বনস্পতি শব্দটি মাথায় আনলে খুব সহজেই পরীক্ষার হলে সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সম্ভব হবে।
a আরবি শব্দ
b ফরাসি শব্দ
c দেশি শব্দ
d স্পেনীয় শব্দ
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দেশি শব্দ কেন সঠিক: - 'ডাব' শব্দটি বাংলা ভাষার আদি নিবাসী কোল, অস্ট্রিক বা দ্রাবিড় ভাষাভাষীদের কাছ থেকে এসেছে। - এই ধরনের শব্দগুলো হাজার বছর ধরে বাংলা ভাষায় প্রচলিত রয়েছে এবং এদের কোনো সংস্কৃত মূল নেই। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে যেসব শব্দ প্রাক-আর্্য বা দেশীয় জনগোষ্ঠীর ভাষা থেকে সরাসরি বাংলা ভাষায় এসেছে, সেগুলোকে দেশি শব্দ বলা হয়। - বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডারের একটি অন্যতম উৎস হলো এই দেশি শব্দ বা অবাঙ্গালি ভাষা থেকে গৃহীত শব্দ। - দেশি শব্দের অন্যান্য সাধারণ উদাহরণ হলো কুলা, ঢেঁকি, চোঙা, পেট, কুঁড়ে ইত্যাদি। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) আরবি শব্দ — আরবি শব্দ হলো ইসলাম ধর্ম ও সংস্কৃতির সঙ্গে সম্পর্কিত এবং বাণিজ্য সূত্রে বাংলায় আসা শব্দ যেমন আল্লা, কিতাব, কলম ইত্যাদি। - B) ফরাসি শব্দ — ফরাসি শব্দগুলো মূলত ইউরোপীয় বণিক ও ফরাসিদের মাধ্যমে বাংলায় প্রবেশ করেছে যেমন কার্তুজ, রেস্তোরাঁ, কুপন ইত্যাদি। - C) দেশি শব্দ — এই অপশনটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল প্রমাণের সুযোগ নেই। - D) স্পেনীয় শব্দ — স্পেনীয় শব্দগুলো মূলত পর্তুগিজ বা অন্যান্য ইউরোপীয়দের মাধ্যমে বাংলায় এসেছে যেমন কার্তুজ বা আঞ্চো, যা ডাব শব্দের সঙ্গে মেলে না। মনে রাখার টিপস: - গ্রামের সাধারণ ফল ও দেশীয় জিনিসের নাম যেমন ডাব, ঢেঁকি, কুলা সাধারণত দেশি শব্দ হয়।
a নিঃ + ঠুর
b নি + ইর
c নিস + ঠুর
d নিশ + ঠুর
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নিঃ + ঠুর ১. কেন সঠিক: নিঃ + ঠুর মিলে 'নিষ্ঠুর' শব্দটি গঠিত হয়েছে। এটি বিসর্গ সন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম অনুযায়ী সাধিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী বিসর্গের পর চ, ছ বা ট, ঠ কিংবা ত, থ থাকলে বিসর্গ স্থানে স, শ বা ষ হয়। এই নিয়মে বিসর্গের পর ঠ থাকায় বিসর্গ পরিবর্তিত হয়ে ষ হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নিঃ + ঠিকা = নিঠিকা বা নিষ্কর্মা জাতীয় শব্দে এই নিয়মের প্রভাব দেখা যায়। ব্যাখ্যা: বিসর্গ সন্ধির এই বিশেষ নিয়মটি ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে বিসর্গের মিলনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়। উদাহরণ ২: আবিঃ + কার = আবিষ্কার ব্যাখ্যা: বিসর্গের পর ক থাকলে বিসর্গ স্থানে ষ হয়, যা একই সূত্রে গাঁথা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিঃ + ঠুর — এটি সঠিক কারণ বিসর্গ সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী নিঃ এবং ঠুর মিলে নিষ্ঠুর গঠিত হয়। B) নি + ইর — এই অপশনটি ভুল কারণ এতে সন্ধির সঠিক ধ্বনিগত পরিবর্তন ঘটেনি এবং অর্থপূর্ণ অংশ নেই। C) নিস + ঠুর — এটি ভুল কারণ এখানে বিসর্গের পরিবর্তে সরাসরি দন্ত স ব্যবহার করা হয়েছে, যা এই শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। D) নিশ + ঠুর — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে তালব্য শ ব্যবহার করা হয়েছে, অথচ নিয়মানুযায়ী মূর্ধন্য ষ হওয়ার কথা। ৫. মনে রাখার টিপস: বিসর্গের সাথে ঠ যুক্ত হলে মূর্ধন্য ষ হয়। এই নিয়মটি মনে রাখলে নিষ্ঠুর শব্দটি সহজে ভাঙা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসর্গ সন্ধির এই নিয়মটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। বিসর্গ ও ব্যঞ্জনের এই পরিবর্তন ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a প্রাত + রাশ
b প্রাতঃ + রাশ
c প্রাত + আশ
d প্রাতঃ + আশ
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রাতঃ + আশ কেন সঠিক: - এটি বিসর্গ সন্ধির নিয়মের আওতাভুক্ত শব্দ। - অকারান্ত শব্দের পরে বিসর্গ এবং তার সাথে স্বরবর্ণ যুক্ত হলে এই পরিবর্তন ঘটে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিসর্গ সন্ধির নিয়মে অকারের পর বিসর্গ এবং পরবর্তীতে অ বা অন্য কোনো স্বরবর্ণ থাকলে বিসর্গ লুপ্ত হয়ে আকার যুক্ত হয়। - প্রাতঃ শব্দের শেষে বিসর্গ আছে এবং আশ শব্দের শুরুতে আ আছে। - যেমন অহঃ + অহ = অহরহ, বা নমঃ + কার = নমস্কার। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) প্রাত + রাশ — এখানে বিসর্গ নেই এবং রাশ শব্দটি সঠিক নয়। - B) প্রাতঃ + রাশ — এখানে দ্বিতীয় অংশ রাশ হওয়ায় অর্থ পরিবর্তন হয়ে যায়। - C) প্রাত + আশ — এখানে বিসর্গ চিহ্ন ব্যবহার করা হয়নি। - D) প্রাতঃ + আশ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: - সকালে খাওয়ার বা প্রাতঃক্বৃত বোঝাতে প্রাতঃ শব্দের সাথে আশ যুক্ত করে প্রাতরাশ শব্দটি গঠিত হয়।
a স্বরসন্ধি
b বিসর্গসন্ধি
c কোনোটিই নয়
d ব্যঞ্জনসন্ধি
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বিসর্গসন্ধি ১. কেন সঠিক: - খাঁটি বাংলায় বা তদ্ভব শব্দে বিসর্গসন্ধি অনুপস্থিত কারণ বিসর্গ মূলত তৎসম বা সংস্কৃত ব্যাকরণের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। - বাংলা ভাষায় শব্দের মিলন বা সন্ধি মূলত সংস্কৃত ভাষা থেকেই বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ব্যাকরণগত নিয়মে প্রবেশ করেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সন্ধি প্রধানত তিন প্রকার যেমন স্বরসন্ধি, ব্যঞ্জনসন্ধি ও বিসর্গসন্ধি। এর মধ্যে বিসর্গসন্ধি কেবল সংস্কৃত বা তৎসম শব্দের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। - খাঁটি বাংলা শব্দ বা দেশি ও তদ্ভব শব্দে বিসর্গের কোনো ব্যবহার নেই বলে সেখানে বিসর্গসন্ধি গঠিত হয় না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মন + কষ্ট = মনঃকষ্ট ব্যাখ্যা: এটি একটি তৎসম শব্দ যেখানে বিসর্গের ব্যবহার ও সন্ধি কার্যকর হয়েছে। উদাহরণ ২: অহংকার = অহম্ + কার ব্যাখ্যা: এটি সংস্কৃতির নিয়ম মেনে সাধিত বিসর্গ ও ব্যঞ্জনসন্ধির মিশ্রণজাত তৎসম শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্বরসন্ধি — এটি খাঁটি বাংলা ও তৎসম উভয় শব্দেই সক্রিয়ভাবে বিদ্যমান থাকে। B) বিসর্গসন্ধি — এটি একমাত্র সঠিক উত্তর কারণ এটি খাঁটি বাংলায় নেই। C) কোনোটিই নয় — যেহেতু বিসর্গসন্ধি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। D) ব্যঞ্জনসন্ধি — এটি খাঁটি বাংলা ও তৎসম উভয় শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - মনে রাখবে বিসর্গযুক্ত শব্দমাত্রই সংস্কৃত বা তৎসম শব্দ। তাই খাঁটি বাংলা শব্দে বিসর্গসন্ধি খোঁজার কোনো সুযোগ নেই। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জানতে চাওয়া হয় কোন সন্ধিটি বাংলা শব্দে পাওয়া যায় না। উত্তর সবসময় বিসর্গসন্ধি হবে।
a বড়
b ছোট
c মন্দ
d বিলা
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ছোট ১. কেন সঠিক: পাতিহাঁস শব্দটিতে পাতি উপসর্গটি ছোট বা ক্ষুদ্র অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। বাংলা ভাষায় কিছু বিদেশি বা দেশি উপসর্গ শব্দের পূর্বে বসে তার অর্থের সংকোচন ঘটায় এবং ক্ষুদ্রতা বোঝায়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে কিছু উপসর্গ ও শব্দের পূর্বে বসা শব্দাংশ রয়েছে যা মূল শব্দের আকার বা গুরুত্ব কমিয়ে ছোট বা সাধারণ বোঝায়। পাতি উপসর্গটি ঠিক এই কাজটিই করে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পাতিলেবু ব্যাখ্যা: লেবুর ছোট জাত বোঝাতে পাতি শব্দ যুক্ত হয়ে পাতিলেবু গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: পাতিশালিক ব্যাখ্যা: শালিক পাখির ছোট জাত বা সাধারণ শালিক বোঝাতে পাতি উপসর্গ ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বড় — পাতি উপসর্গ বড় বা বিশাল বোঝাতে ব্যবহৃত হয় না, এটি সবসময় ক্ষুদ্রতা প্রকাশ করে। C) মন্দ — মন্দ বা খারাপ অর্থ প্রকাশের জন্য কু বা আদা উপসর্গ ব্যবহৃত হয়, পাতি নয়। D) বিলা — বিলা বলতে এখানে কোনো সঠিক ব্যাকরণগত অর্থ বা উপসর্গ বোঝায় না। ৫ মনে রাখার টিপস: পাতি শব্দের অর্থ মনে রাখবে ছোট। পাতিহাঁস বা পাতিলেবু মানেই ছোট আকৃতির হাঁস বা লেবু। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গভিত্তিক শব্দগঠন থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। শব্দের মূল অর্থের সঙ্গে উপসর্গ কীভাবে নতুন অর্থ যোগ করে তা খেয়াল রাখবে।
a মৃন্ময়
b মেটেল
c চিন্ময়
d মন্ময়
0 91 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মৃন্ময় ১. কেন সঠিক: মৃত্তিকা দিয়ে তৈরি বা গঠিত বোঝাতে এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন করলে 'মৃন্ময়' শব্দটি ব্যবহার করা হয়। এখানে মৃৎ শব্দের সঙ্গে ময় প্রত্যয় যুক্ত হয়ে মৃন্ময় শব্দটি গঠিত হয়েছে, যা মূলত মাটি সংক্রান্ত উপাদানকে নির্দেশ করে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ব্যাকরণের প্রত্যয় সাধিত শব্দের অন্তর্ভুক্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ এককথায় প্রকাশ। সংস্কৃত নিয়ম অনুযায়ী বিশেষ বিশেষ অর্থে উপাদান বোঝাতে পদের সঙ্গে ময়ট প্রত্যয় যুক্ত হয় এবং ময় রূপে তা শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রস্তর দিয়ে তৈরি = প্রস্তরময় ব্যাখ্যা: পাথর বা প্রস্তর উপাদান দিয়ে তৈরি কোনো কিছু বোঝাতে প্রস্তরময় শব্দ ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: জল দিয়ে তৈরি বা জলময় = জলময় ব্যাখ্যা: জলের উপস্থিতি বা উপাদান বোঝাতে এই বাক্য সংকোচন করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মৃন্ময় - এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) মেটেল - এটি ধাতু বা মাটিজাতীয় কোনো বস্তু বা ক্ষেত্রকে বোঝায়, তবে প্রমিত বাক্য সংকোচন হিসেবে এটি সঠিক নয়। C) চিন্ময় - এর অর্থ চিন বা জ্ঞানময় বস্তু বা চেতনা দিয়ে তৈরি, যা মৃত্তিকার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) মন্ময় - এর অর্থ মন সম্পর্কিত বা মনে সংক্রামিত, যা মৃত্তিকার সমার্থক বা প্রতিশব্দ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: মৃত্তিকা শব্দের মৃৎ অংশটি মনে রাখলে মৃন্ময় শব্দটি সহজে মনে রাখা সম্ভব। ময় প্রত্যয়টি সাধারণত উপাদান বা তৈরি অর্থে ব্যবহৃত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপাদানবাচক এককথায় প্রকাশ প্রায়ই আসে। মৃত্তিকা দিয়ে তৈরি মৃন্ময় এবং স্বর্ণ দিয়ে তৈরি স্বর্ণময় বা সোনায় তৈরি সোনালি জাতীয় শব্দগুলো ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
a বাচীন
b নবীন
c প্রাচীন
d চেনা
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্রাচীন ১. কেন সঠিক: - 'অর্বাচীন' শব্দটির অর্থ হলো বর্তমানকালের, আধুনিক বা কম বয়সি। এর ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে অতীতকালের বা বহু পুরনো বোঝানো শব্দ 'প্রাচীন'। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিপরীতার্থক শব্দ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে শব্দের মূল অর্থ এবং তার প্রমিত বিপরীত রূপ জানা অত্যন্ত জরুরি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে বিপরীতার্থক শব্দ বলতে মূল শব্দের ঠিক উল্টো বা বিপরীত অর্থ প্রকাশকারী শব্দকে বোঝায়। শব্দের উৎস, অর্থ এবং ভাবের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই বিপরীত শব্দ নির্ধারণ করতে হয়। - তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ সাধারণত তৎসম শব্দ দিয়েই গঠিত হয়, যা এখানেও অনুসৃত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আধুনিক ব্যাখ্যা: আধুনিক শব্দের বিপরীত শব্দ প্রাচীন বা প্রত্নকাল বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: নতুন ব্যাখ্যা: নতুন শব্দের বিপরীত শব্দ পুরোনো বা পুরাতন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাচীন — এই নামে বাংলায় কোনো অর্থবহ প্রমিত শব্দ নেই। B) নবীন — নবীন শব্দের অর্থ নতুন বা তরুণ, যা অর্বাচীন শব্দের সমার্থক, বিপরীতার্থক নয়। C) প্রাচীন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) চেনা — চেনা শব্দের বিপরীত শব্দ অচেনা, যা কালবাচক বা বয়সভিত্তিক বিপরীত শব্দের আওতাভুক্ত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - অর্বাচীন মানে নতুন বা আধুনিক এবং প্রাচীন মানে পুরনো। এই দুই শব্দের যুগল মিলিয়ে পড়লে সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কালবাচক বিপরীত শব্দ প্রায়ই আসে। তাই শব্দার্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করা আবশ্যক।
a বিধান
b নিশ্চিত
c আগ্রহ
d কোনোটিই নয়
0 93 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিধান ১. কেন সঠিক: - 'নির্বন্ধ' শব্দটির মূল অর্থ হলো নিয়ম, বিধান, আবশ্যিকতা বা জোরপূর্বক প্রথা। - বাংলা শব্দকোষ অনুযায়ী এটি কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম বা বিধিনিষেধের ক্ষেত্রে প্রযুক্ত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি শব্দের অর্থ বা শব্দার্থ বিষয়ক একটি প্রশ্ন যা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - প্রমিত বাংলা বানানে 'নির্বন্ধ' শব্দটির অর্থ বিভিন্ন প্রেক্ষাপটে নিয়ম, অনুশাসন বা জিদ বোঝাতেও ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তার কাজের কোনো নির্বন্ধ নেই। ব্যাখ্যা: এখানে 'নির্বন্ধ' শব্দটি নিয়ম বা শৃঙ্খলার অনুপস্থিতি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: শাস্ত্রে নির্বন্ধ করা আছে যে মিথ্যা বলা পাপ। ব্যাখ্যা: এখানে 'নির্বন্ধ' শব্দটি বিধান বা বাধ্যতামূলক নিয়ম অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিধান — এটি সঠিক উত্তর কারণ নির্বন্ধ শব্দের অর্থ নিয়ম বা বিধান। B) নিশ্চিত — নিশ্চিত শব্দের অর্থ অবধারিত বা পাকা, যা নির্বন্ধ শব্দের সমার্থক নয়। C) আগ্রহ — আগ্রহ শব্দের অর্থ স্পৃহা বা কৌতূহল, যা নির্বন্ধ শব্দের সঙ্গে মেলে না। D) কোনোটিই নয় — যেহেতু অপশন এ সঠিক, তাই এটি প্রযোজ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - নির্বন্ধ শব্দটির সঙ্গে 'নিয়ম' বা 'বিধান' শব্দটি মনে রাখতে নি বর্ণটি মিলিয়ে নিতে পারো। - নির্বন্ধ মানে নিয়ম বা বিধান যা সবাইকে মানতে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - এ ধরনের শব্দ শেখার সময় তার প্রচলিত ও কাব্যিক উভয় অর্থই খেয়াল রাখা উচিত।
a উপন্যাস
b কবিতা
c নাটক
d গল্প
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) উপন্যাস ১. কেন সঠিক: - 'আরেক ফাল্গুন' জহির রায়হান রচিত একটি বিখ্যাত বাংলা উপন্যাস যা ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে লেখা। - এটি বাংলা সাহিত্যের একটি ঐতিহাসিক রাজনৈতিক উপন্যাস যেখানে একুশে ফেব্রুয়ারির চেতনা ও কারাবন্দী ভাষা সংগ্রামীদের জীবন সংগ্রাম ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - জহির রায়হান ছিলেন একাধারে প্রখ্যাত কথাশিল্পী, সাংবাদিক ও চলচ্চিত্র নির্মাতা যিনি ১৯৫৩ সালে ভাষা আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছিলেন। - এই উপন্যাসে ভাষা আন্দোলনের পরবর্তী সময়ের রাজনৈতিক পরিবেশ এবং বন্দী মুক্তি আন্দোলনের বাস্তব চিত্র অত্যন্ত নিখুঁতভাবে তুলে ধরা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বরফ গলা নদী ব্যাখ্যা: এটিও জহির রায়হান রচিত একটি জনপ্রিয় সামাজিক উপন্যাস যা মানুষের মনস্তত্ত্ব ও জীবন সংগ্রামের ওপর ভিত্তি করে লেখা। উদাহরণ ২: হাজার বছর ধরে ব্যাখ্যা: জহির রায়হান রচিত এই উপন্যাসটি আবহমান বাংলার গ্রামীণ সমাজ ও সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার এক অনন্য দলিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উপন্যাস — এটি সঠিক উত্তর কারণ 'আরেক ফাল্গুন' একটি পূর্ণাঙ্গ গদ্যভিত্তিক উপন্যাস। B) কবিতা — এটি ভুল কারণ জহির রায়হান মূলত ঔপন্যাসিক ও গল্পকার হিসেবে পরিচিত, কোনো কাব্যগ্রন্থ নয় এটি। C) নাটক — এটি ভুল কারণ এই রচনাটি মঞ্চে অভিনীত হওয়ার জন্য রচিত নাটক নয়, বরং পড়ার উপযোগী উপন্যাস। D) গল্প — এটি ভুল কারণ ছোটগল্পের চেয়ে এর পরিসর ও পটভূমি অনেক বেশি বিস্তৃত হওয়ায় এটি উপন্যাস হিসেবে গণ্য। ৫ মনে রাখার টিপস: - জহির রায়হানের নাম আসলেই ভাষা আন্দোলনের উপন্যাস 'আরেক ফাল্গুন' এবং চলচ্চিত্র 'জীবন থেকে নেয়া'র কথা মনে রাখতে হবে। - ফাল্গুন মাস এলেই একুশের ভাষা আন্দোলন ও জহির রায়হানের এই বিখ্যাত উপন্যাসের কথা স্মরণে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই 'আরেক ফাল্গুন' উপন্যাসের রচয়ীতা কে বা এটি কোন পটভূমির রচনা তা জানতে চাওয়া হয়। - ভাষাভিত্তিক বা ঐতিহাসিক পটভূমির উপন্যাসের ক্ষেত্রে জহির রায়হানের 'আরেক ফাল্গুন' এবং শওকত ওসমানের 'কৃতদাসের হাসি' অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a সাধু ও চলিত
b সাধু ও দেশী
c দেশী ও বিদেশী
d বাংলা ও ইংরেজি
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সাধু ও চলিত ১. কেন সঠিক: - গুরুচণ্ডালী দোষ বলতে মূলত সাধু ও চলিত রীতির শব্দের মিশ্রণকে বোঝানো হয়। - বাংলা লেখ্য ভাষার দুটি রূপের মিশ্রণে যখন একটি অসঙ্গত বাক্য গঠিত হয়, তখন তাকে এই ব্যাকরণগত ত্রুটিতে ফেলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সাধু রীতি ও চলিত রীতির মিশ্রণে সৃষ্ট এই দোষ বাংলা বাক্যরীতির ক্ষেত্রে একটি বড় ত্রুটি হিসেবে গণ্য করা হয়। - একটি বাক্যে সাধু শব্দের সঙ্গে চলিত পদের ব্যবহার ভাষাগত মাধুর্য নষ্ট করে এবং বাক্যটিকে অসুলভ করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শবটি পোড়াইল ব্যাখ্যা: এখানে শবটি তৎসম বা সাধু শব্দ কিন্তু পোড়াইল চলিত ক্রিয়ার রূপ হওয়ায় এটি গুরুচণ্ডালী দোষে দুষ্ট। উদাহরণ ২: গাড়িটা চলিতেছে ব্যাখ্যা: গাড়িটা চলিতেছে বাক্যে গাড়িটা চলিত পদ এবং চলিতেছে সাধু ক্রিয়াপদ হওয়ায় এটি গুরুচণ্ডালী দোষের উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাধু ও চলিত — এটি সঠিক কারণ এই দুই রীতির মিশ্রণেই গুরুচণ্ডালী দোষ ঘটে। B) সাধু ও দেশী — সাধু ও দেশী শব্দের মিশ্রণে গুরুচণ্ডালী দোষ হয় না, এটি ভিন্ন শব্দরীতির মিশ্রণ। C) দেশী ও বিদেশী — দেশী ও বিদেশী শব্দের ব্যবহারে গুরুচণ্ডালী দোষ ঘটে না, কারণ এগুলো ভাষার স্বাভাবিক শব্দভাণ্ডার। D) বাংলা ও ইংরেজি — বাংলা ও ইংরেজি ভাষার মিশ্রণে মিশ্র ভাষা বা খিচুড়ি ভাষা সৃষ্টি হয়, গুরুচণ্ডালী দোষ হয় না। ৫ মনে রাখার টিপস: - সাধু ও চলিতের মিলন, গুরুচণ্ডালী দোষের কারণ। - এক বাক্যে দুই রীতি ব্যবহার করা যাবে না, এটি মনে রাখলেই এই প্রশ্নের উত্তর সহজ হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্যশুদ্ধি অধ্যায়ে এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে। - সাধু ও চলিত রীতির মিশ্রণ বা ক্রিয়াপদের রূপ পরিবর্তনের নিয়ম ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a বারি
b নয়ন
c চক্ষু
d লোচন
0 91 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বারি ১. কেন সঠিক: - 'বারি' শব্দের অর্থ পানি বা জল, যা চোখের সমার্থক শব্দ নয়। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সমার্থক শব্দ থেকে এমন প্রশ্ন আসে যেখানে তিনটি অপশন একই অর্থ প্রকাশ করে এবং একটি ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যা ভিন্ন বানান ও উচ্চারণের হলেও একই বা প্রায় একই অর্থ প্রকাশ করে। - বাংলা ভাষায় শব্দের অর্থের বৈচিত্র্য বোঝাতে বহু সমার্থক শব্দ ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নীর ব্যাখ্যা: নীর শব্দের অর্থ পানি বা জল, যা বারি শব্দের মতো চোখের সমার্থক নয়। উদাহরণ ২: অক্ষি ব্যাখ্যা: অক্ষি শব্দের অর্থ চোখ, যা চোখের একটি অন্যতম প্রধান সমার্থক শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বারি — এই অপশনটি সঠিক কারণ বারি শব্দের অর্থ পানি, যা চোখের সমার্থক শব্দ নয়। B) নয়ন — এই অপশনটি ভুল কারণ নয়ন শব্দের অর্থ চোখ, যা চোখের একটি প্রচলিত সমার্থক শব্দ। C) চক্ষু — এই অপশনটি ভুল কারণ চক্ষু শব্দের অর্থ চোখ, যা চোখের একটি পরিচিত সমার্থক শব্দ। D) লোচন — এই অপশনটি ভুল কারণ লোচন শব্দের অর্থ চোখ, যা চোখের একটি অন্যতম সমার্থক শব্দ। ৫. মনে রাখার টিপস: - চোখের সমার্থক শব্দগুলো মনে রাখার জন্য নয়ন, চক্ষু, লোচন, অক্ষি এবং আখি একত্রে পড়তে পারো। - বারি, নীর, পানি ও জল হলো জলের সমার্থক শব্দ, তাই এদের গুলিয়ে ফেলা যাবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সমার্থক শব্দ নির্ণয়ের সময় শব্দের মূল অর্থ ভালোভাবে বুঝতে হবে। - একই জাতীয় শব্দ বা ভিন্নার্থক শব্দ আলাদা করার জন্য শব্দের উৎস ও অর্থ মুখস্থ না করে বুঝে পড়া উচিত।
a কথোপকথন নির্ভর সাহিত্য নাটক
b আবৃতি
c ছোটগল্প ও উপন্যাস
d কোনোটিই নয়
1 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ছোটগল্প ও উপন্যাস ১. কেন সঠিক: - কথাসাহিত্য বলতে মূলত গদ্যে রচিত কল্পকাহিনি বা আখ্যানমূলক সাহিত্যকে বোঝায়, যার প্রধান দুটি রূপ হলো ছোটগল্প ও উপন্যাস। - কথাসাহিত্য শব্দটির মধ্যে কথা অর্থাৎ গল্প বা কাহিনি এবং সাহিত্য অর্থাৎ শিল্পসম্মত রূপ এই দুটি ধারণার মিলন ঘটেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা সাহিত্যে গদ্যরীতির বিকাশের ফলে কথাসাহিত্যের সূচনা হয়েছে, যার মধ্যে উপন্যাস দীর্ঘ আকৃতির এবং ছোটগল্প সংক্ষিপ্ত আকৃতির হয়ে থাকে। - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের জনক এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আধুনিক ছোটগল্পের জনক হিসেবে বাংলা সাহিত্যে বিশেষ পরিচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিষবৃক্ষ ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা বাংলা কথাসাহিত্যের অন্যতম প্রধান নিদর্শন। উদাহরণ ২: দেনাপাওনা ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি জনপ্রিয় ছোটগল্প, যা কথাসাহিত্যের ক্ষুদ্র আকৃতির শিল্পসম্মত রূপ প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কথোপকথন নির্ভর সাহিত্য নাটক — নাটক কথাসাহিত্যের অন্তর্ভুক্ত নয়, এটি দৃশ্যকাব্য বা নাট্যসাহিত্য হিসেবে পরিচিত। B) আবৃতি — আবৃতি হলো কবিতা বা পদ্য কথন বা পরিবেশন শিল্প, এটি কোনো কথাসাহিত্য নয়। C) ছোটগল্প ও উপন্যাস — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং এটি কথাসাহিত্যের সঠিক পরিধি নির্দেশ করে। D) কোনোটিই নয় — যেহেতু সি অপশনটি সঠিক, তাই এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - কথাসাহিত্য মানেই মনে রাখবে গল্প বা কাহিনি, আর সাহিত্যের দুটি প্রধান গল্পরূপ হলো ছোটগল্প ও উপন্যাস। - নাটক হলো দৃশ্যকাব্য, তাই কথাসাহিত্য ও নাটকের পার্থক্য সহজে মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে বাংলা উপন্যাসের জনক কে, যার সঠিক উত্তর বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। - একই সঙ্গে ছোটগল্পের জনক রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, এই তথ্যটিও বিভিন্ন পরীক্ষায় বারবার আসে।

মোট প্রশ্ন (10)

a really
b exclusively
c equally
d commonly
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) exclusively কেন সঠিক: - Exclusively শব্দটির অর্থ বিশেষভাবে বা শুধুমাত্র, যা এখানে বোঝায় প্রশ্নগুলো কেবল এই পরীক্ষার জন্যই তৈরি করা হয়েছে। - প্রদত্ত বাক্যে that is এর মাধ্যমে পূর্বের বক্তব্যকে নির্দিষ্ট করে বলা হয়েছে, যা এই অপশনটিকে সম্পূর্ণভাবে সমর্থন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) really — এর অর্থ সত্যিই, যা এখানে মূল বাক্যের প্রেক্ষাপটের সাথে অর্থপূর্ণ হয় না। B) exclusively — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। C) equally — এর অর্থ একইভাবে, যা এখানে প্রশ্ন তৈরির বিশেষ উদ্দেশ্য প্রকাশ করে না। D) commonly — এর অর্থ সাধারণভাবে, যা original বা বিশেষভাবে তৈরির বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: কোনো নির্দিষ্ট কাজের জন্য বিশেষভাবে কিছু তৈরি করা বোঝালে exclusively ব্যবহার করতে হয়।
a After
b Because
c Despite
d Neglecting
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: C) Despite কেন সঠিক: - Despite একটি Preposition যা সত্ত্বেও বা সত্যেও অর্থে বিপরীতধর্মী দুটি ভাবের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে। - শূন্যস্থানের পর noun phrase (all his attempt) থাকায় এখানে preposition বসেছে, conjunction বসেনি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) After — এর অর্থ পরে, যা বাক্যটির বিপরীত ভাব বা ব্যর্থতার কারণ প্রকাশ করতে পারে না। B) Because — এর অর্থ কারণ, এটি Conjunction হিসেবে বসে এবং এর পর Subject ও Verb থাকার প্রয়োজন হয়। C) Despite — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি প্রদত্ত শূন্যস্থানে নির্ভুলভাবে বসেছে এবং সঠিক অর্থ প্রকাশ করেছে। D) Neglecting — এটি Gerund বা Participle, যা এখানে বসালে বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ হয় না এবং ব্যাকরণগতভাবে বেমানান। মনে রাখার টিপস: Despite এর পরে কখনো of বসে না, কিন্তু In spite এর পরে অবধারিতভাবে of বসে।
a less
b lesser
c fewer
d few get
0 98 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) fewer কেন সঠিক: people শব্দটি একটি কাউন্টেবল নাউন বা গণনা করা যায় এমন বিশেষ্য। তাই এর আগে পরিমাণের তুলনা বোঝাতে fewer বসাতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) less — এটি আনকাউন্টেবল বা গণনা করা যায় না এমন নাউনের আগে বসে। B) lesser — এটি সাধারণত গুরুত্ব বা পদের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। C) fewer — এটি নিজেই সঠিক উত্তর। D) few get — এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক শব্দগুচ্ছ নয়। মনে রাখার টিপস: গণনা করা যায় এমন কিছুর ক্ষেত্রে fewer এবং গণনা করা যায় না এমন কিছুর ক্ষেত্রে less ব্যবহার করবে।
a all
b too
c quiet
d quite
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) too কেন সঠিক: বাক્યটিতে too এবং to এর নিয়ম ব্যবহৃত হয়েছে যা নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ করে। এখানে he is too weak to go to office অর্থ তিনি অফিসে যাওয়ার জন্য এতটাই দুর্বল যে যেতে পারছেন না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) all — এই শব্দটি এখানে অর্থের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এবং ব্যাকরণগতভাবে বসে না। B) too — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) quiet — এর অর্থ শান্ত, যা বাক্যের শূন্যস্থানে বসালে কোনো অর্থ প্রকাশ করে না। D) quite — এর অর্থ বেশ, কিন্তু এটি too...to কাঠামোর সাথে ব্যবহারের নিয়ম অনুযায়ী সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: too এর পরে সাধারণত adjective এবং তারপরে to বসে যা না বোধক অর্থ প্রকাশ করে।
a cat out of the bag
b cry wolf
c penny pincher
d hard of hearing
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) hard of hearing কেন সঠিক: শূন্যস্থানে এমন একটি শব্দগুচ্ছ দরকার যা কম শোনার সমস্যা বোঝায়। প্রশ্নানুযায়ী তার সাথে কথা বলার সময় গলা উঁচু করতে হয় কারণ সে কিছুটা কম শোনে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) cat out of the bag — এর অর্থ অনিচ্ছায় কোনো গোপন তথ্য প্রকাশ করে ফেলা যা এখানে অপ্রাসঙ্গিক। B) cry wolf — এর অর্থ মিথ্যা বিপদ সংকেত দেওয়া যা এখানে অর্থহীন। C) penny pincher — এর অর্থ অত্যন্ত কিপটে বা কৃপণ ব্যক্তি যার শোনার সাথে কোনো সম্পর্ক নেই। D) hard of hearing — এটি সঠিক কারণ এর অর্থ কানে কম শোনা। মনে রাখার টিপস: উচ্চস্বরে কথা বলার প্রয়োজন হলে বুঝতে হবে ব্যক্তিটির শুনতে সমস্যা হয় যাকে ইংরেজিতে hard of hearing বলা হয়।
a bed made of roses
b comfortable situation
c small bed
d rose garden
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) comfortable situation কেন সঠিক: - এটি একটি ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা, যার আক্ষরিক অর্থ গোলাপের বিছানা হলেও রূপক অর্থে এটি আরামদায়ক পরিস্থিতি বোঝায়। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের ফ্রেজগুলোর আক্ষরিক অর্থ না ধরে এদের অন্তর্নিহিত ভাবার্থ বা রূপক অর্থ বিবেচনা করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) bed made of roses — এটি ইডিয়মের আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ করে, যা পরীক্ষার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) comfortable situation — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই বাগধারাটি জীবনের বা পরিস্থিতির সুখ ও স্বাচ্ছন্দ্যকে নির্দেশ করে। C) small bed — এটি বাক্যটির বা ইডিয়মটির অর্থকে সম্পূর্ণ ভুলভাবে একটি ছোট খাটের সঙ্গে তুলনা করেছে। D) rose garden — এটি গোলাপ বাগান বোঝায়, যা এই রূপক অর্থের সঙ্গে কোনোভাবেই মেলে না। মনে রাখার টিপস: গোলাপের বিছানায় শুলে যেমন কাঁটা বিঁধে কষ্ট পাওয়ার কথা নয় বরং আরাম পাওয়ার কথা, তেমনি Bed of rose মানে আরামদায়ক পরিস্থিতি।
a opponent
b obvious
c postpone
d top
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) top কেন সঠিক: Summit শব্দের বাংলা অর্থ হলো চূড়া বা সর্বোচ্চ স্থান। top শব্দটির অর্থও কোনো কিছুর ওপরের অংশ বা চূড়া বোঝায়। তাই এই দুটি শব্দের অর্থ প্রায় একই রকম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) opponent - এর অর্থ প্রতিপক্ষ বা বিরোধী ব্যক্তি, যা summit শব্দের সাথে মেলে না। B) obvious - এর অর্থ স্পষ্ট বা সহজবোধ্য, যা summit শব্দের সাথে সম্পর্কিত নয়। C) postpone - এর অর্থ কোনো কিছু স্থগিত করা বা পেছানো, যা শীর্ষ বোঝায় না। D) top - এই অপশনটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এর অর্থ মিলে যায়। মনে রাখার টিপস: পাহাড়ের চূড়াকে summit বা top বলা হয়, এই মিল মনে রাখলে উত্তর সহজে মনে থাকবে।
a relevant
b weak
c bulky
d magnitude
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) relevant কেন সঠিক: - Pertinent শব্দটির বাংলা অর্থ হলো প্রাসঙ্গিক বা অর্থপূর্ণ, যা কোনো বিষয়ের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ততা বোঝায়। - অপশনের relevant শব্দটির অর্থও প্রাসঙ্গিক বা সম্পর্কিত, তাই এটি সঠিক সমার্থক শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) relevant — এই অপশনটি সঠিক কারণ এর অর্থ Pertinent শব্দের অর্থের সঙ্গে হুবহু মিলে যায়। B) weak — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ দুর্বল, যা প্রাসঙ্গিক শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। C) bulky — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ স্থূল বা ভারী, যা আয়তন বা আকার বোঝায়। D) magnitude — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ বিশালতা বা গুরুত্ব, যা কোনো বস্তুর পরিমাপ বা মাত্রা নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: Pertinent এবং relevant দুটি সমার্থক শব্দ। মনে রাখতে পারেন পার্টিনেন্ট মানেই পয়েন্টে থাকা বা প্রাসঙ্গিক বিষয়।
a relatives
b rivalry
c rivers and cannels
d enrolment
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) relatives কেন সঠিক: - "Kith and kin" একটি ইংরেজি ইডিয়ম যার অর্থ হলো পরিচিত জন, আপনজন বা আত্মীয়স্বজন। - অপশন এ তে থাকা relatives শব্দটির অর্থও আত্মীয়স্বজন। - তাই এই দুটি শব্দের অর্থ হুবহু মিলে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) relatives — এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ আত্মীয়স্বজন। B) rivalry — এর অর্থ প্রতিদ্বন্দ্বিতা বা শত্রুতা, যা মূল ইডিয়মের অর্থের সাথে মেলে না। C) rivers and cannels — এর অর্থ নদী ও খাল, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি বিষয়। D) enrolment — এর অর্থ ভর্তি বা নাম নথিভুক্তকরণ, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: কিন (kin) শব্দটির সাথে আমরা কিংকিন বা আত্মীয়তার সম্পর্ক মিলিয়ে মনে রাখতে পারি যে এটি আত্মীয় বোঝায়।
a Foolish
b Simple
c Expensive burdensome possession
d flatterer
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Expensive burdensome possession কেন সঠিক: - White Elephant একটি বহুল প্রচলিত ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা। - এর আক্ষরিক অর্থ সাদা হাতি হলেও রূপক অর্থে এটি এমন কোনো মূল্যবান বস্তু বোঝায়, যা রক্ষণাবেক্ষণ করা অত্যন্ত ব্যয়বহুল কিন্তু কোনো কাজে লাগে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Foolish — এর অর্থ বোকামি, যা এই ইডিয়মের নির্দিষ্ট অর্থ অর্থাৎ ব্যয়বহুল ও ঝামেলার অধিকারকে নির্দেশ করে না। B) Simple — এর অর্থ সহজ বা সরল, যা ব্যয়বহুল ও রক্ষণাবেক্ষণে কষ্টকর কোনো বস্তুর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। C) Expensive burdensome possession — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এই বাগধারার সঠিক রূপক অর্থ প্রকাশ করে। D) flatterer — এর অর্থ তোষামোদকারী বা চাটুকার, যা এই ইডিয়মের অর্থ বা প্রসঙ্গের সাথে সম্পূর্ণ অমিল। মনে রাখার টিপস: সাদা হাতি অনেক দামি কিন্তু পোষা বা রাখা খুব কষ্টের, তাই যেকোনো ব্যয়বহুল ও ঝামেলার জিনিসকে হোয়াইট এলিফ্যান্ট বলা হয়।

মোট প্রশ্ন (10)

a 17
b 14
c 0
d 3
0 91 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩ প্রদত্ত তথ্য: ৫ গুণ (২ক − ৩) = ২৯ ধরি, ৫ গুণ (২ক − ৩) = ২৯ ১০ক − ১৫ = ২৯ অতএব, ১০ক = ২৯ + ১৫ ১০ক = ৪৪ সুতরাং, ক = ৪৪ ÷ ১০ ক = ৪.৪ উত্তর: ৩ গুণ ৪.৪ − ৮ = ১৩.২ − ৮ = ৩.২ (এখানে সঠিক অপশন ৩)
a 10 years
b 16 years
c 20 years
d 24 years
0 103 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৬ বছর প্রদত্ত তথ্য: জুই এখন আজিমের বয়সের দ্বিগুণ ৬ বছর আগে জুইয়ের বয়স আজিমের বয়সের ৫ গুণ ছিল ধরি, আজিমের বর্তমান বয়স = ক বছর তাহলে জুইয়ের বর্তমান বয়স = ২ক বছর অতএব, ৬ বছর আগে আজিমের বয়স ছিল = ক − ৬ বছর ৬ বছর আগে জুইয়ের বয়স ছিল = ২ক − ৬ বছর সুতরাং, শর্তমতে, ২ক − ৬ = ৫ × (ক − ৬) সমাধান করে পাই, ৩ক = ২৪ এবং ক = ৮ উত্তর: জুইয়ের বর্তমান বয়স = ২ × ৮ = ১৬ বছর
a 0.333
b 0.5
c 0.6
d 0.625
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ০.৩৩৩ প্রদত্ত তথ্য: শ্রেণিতে ছেলে ও মেয়ের অনুপাত ৬:৩ ধরি, ছেルの সংখ্যা = ৬ মেয়ের সংখ্যা = ৩ অতএব, মোট সদস্যের সংখ্যা = ৬ + ৩ = ৯ মেয়ের অনুপাত = ৩ ÷ ৯ সুতরাং, মেয়ের শতকরা হার = ৩ ÷ ৯ = ০.৩৩৩ উত্তর: A) ০.৩৩৩
a 1.55
b 2.05
c 1.8
d 3.6
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১.৮ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সমীকরণ ৭x + ৩x = ১৭ দ্বিতীয় সমীকরণ ৩x + ৭y = ১৯ ধরি, প্রথম সমীকরণটি থেকে পাই ৭x + ৩x = ১৭ দ্বিতীয় সমীকরণটি থেকে পাই ৩x + ৭y = ১৯ অতএব, দুটি সমীকরণ যোগ করে পাই ১০x + ১০y = ৩৬ উভয় পক্ষকে ১০ দ্বারা ভাগ করে পাই x + y = ৩.৬ সুতরাং, x এবং y এর গড় হলো (x + y) ÷ ২ উত্তর: ৩.৬ ÷ ২ = ১.৮
a 2
b 1
c 0
d -2
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো x − ১ = ১ − x ধরি, চলক x কে সমান চিহ্নের একদিকে আনতে হবে অতএব, x + x = ১ + ১ সুতরাং, ২x = ২ উত্তর: x = ১
a 5
b 10
c 15
d 20
0 94 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১০ প্রদত্ত তথ্য: A এবং B এর গড় = ৩০ B এবং C এর গড় = ২০ ধরি, A + B এর যোগফল = ৩০ × ২ = ৬০ B + C এর যোগফল = ২০ × ২ = ৪০ অতএব, (A + B) − (B + C) = ৬০ − ৪০ A + B − B − C = ২০ সুতরাং, A − C = ২০ উত্তর: (A − C) ÷ ২ = ২০ ÷ ২ = ১০
a 0.07
b 0.08
c 0.09
d 0.1
0 92 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ০.০৮ প্রদত্ত তথ্য: বইটির নিয়মিত দাম = ৩০০ টাকা বইটি বিক্রির দাম = ২৭৬ টাকা ধরি, ডিসকাউন্টের পরিমাণ = নিয়মিত দাম − বিক্রির দাম ডিসকাউন্টের হার = (ডিসকাউন্টের পরিমাণ ÷ নিয়মিত দাম) অতএব, ডিসকাউন্টের পরিমাণ = ৩০০ − ২৭৬ = ২৪ টাকা ডিসকাউন্টের হার = ২৪ ÷ ৩০০ হিসাব করে পাই = ০.০৮ সুতরাং, নির্ণেয় ডিসকাউন্ট হলো ০.০৮ অংশ উত্তর: ০.০৮
a 10
b 15
c 40
d 25
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪০ প্রদত্ত তথ্য: কোনো সংখ্যার এক চতুর্থাংশের সাথে নয় যোগ করলে ফল উনিশ হয় ধরি, অজানা সংখ্যাটি ক অতএব, সংখ্যার এক চতুর্থাংশ = ক ÷ ৪ শর্তানুযায়ী, (ক ÷ ৪) + ৯ = ১৯ সুতরাং, ক ÷ ৪ = ১৯ − ৯ ক ÷ ৪ = ১০ উত্তর: ক = ১০ × ৪ = ৪০
a 500
b 400
c 300
d None
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) None প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের ব্যাস ১০০% হ্রাস করা হয়েছে ধরি, বৃত্তের আদি ব্যাসার্ধ = r আদি ক্ষেত্রফল = π × r × r অতএব, ব্যাস ১০০% হ্রাস পেলে নতুন ব্যাস হয় শূন্য নতুন ব্যাসার্ধ = ০ সুতরাং, নতুন ক্ষেত্রফল = π × ০ × ০ = ০ ক্ষেত্রফল হ্রাসের পরিমাণ = আদি ক্ষেত্রফল − ০ = আদি ক্ষেত্রফল উত্তর: ১০০% হ্রাস পেয়েছে
a 0.1
b 0.12
c 0.2
d 0.25
0 98 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ০.২৫ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সম্পর্ক হলো ক = ৪ খ প্রশ্ন অনুসারে দুই ক এর কত শতাংশ দুই খ ধরি, খ এর মান সমান ১ অতএব, ক এর মান সমান ৪ × ১ সমান ৪ দুই ক এর মান সমান ২ × ৪ সমান ৮ দুই খ এর মান সমান ২ × ১ সমান ২ সুতরাং, নির্ণেয় শতাংশ সমান (২ ÷ ৮) × ১০০ % সমান ২৫ % বা ০.২৫ উত্তর: ০.২৫

মোট প্রশ্ন (20)

a Cox's Bazar-Teknaf
b Mumbai
c Nova-Scotia
d Kochi
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Cox's Bazar-Teknaf কেন সঠিক: - এটি বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলায় অবস্থিত বিশ্বের দীর্ঘতম অবিচ্ছিন্ন মেরিন ড্রাইভ বা সমুদ্রসৈকত সড়ক। - এই সড়কটির দৈর্ঘ্য প্রায় আশি কিলোমিটার এবং এটি বঙ্গোপসাগরের কোল ঘেয়ে টেকনাফ পর্যন্ত বিস্তৃত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Cox's Bazar-Teknaf — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এটি বিশ্বের দীর্ঘতম মেরিন ড্রাইভ সড়ক। B) Mumbai — এটি ভারতের একটি উপকূলীয় শহর এবং এখানে বিখ্যাত মেরিন ড্রাইভ থাকলেও তা কক্সবাজারের মতো দীর্ঘ নয়। C) Nova-Scotia — এটি কানাডার একটি প্রদেশ এবং এর উপকূলীয় সড়ক সুন্দর হলেও তা বিশ্বের দীর্ঘতম মেরিন ড্রাইভ নয়। D) Kochi — এটি ভারতের কেরালার একটি বন্দরনগরী এবং এর উপকূলীয় পথ এই রেকর্ডের অন্তর্ভুক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: বিশ্বের দীর্ঘতম মেরিন ড্রাইভ মনে রাখতে কক্সবাজার থেকে টেকনাফের আশি কিলোমিটার সমুদ্রসৈকতের কথা স্মরণ রাখবে।
a Reserve Bank of India
b Central Bank of India
c State Bank of India
d Bank of India
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Reserve Bank of India কেন সঠিক: - রিজার্ভ ব্যাংক অব ইন্ডিয়া ভারতের কেন্দ্রীয় ব্যাংক এবং এটি দেশের মুদ্রা ও মুদ্রানীতি নিয়ন্ত্রণ করে। - এটি হিলটন ইয়ং কমিশনের সুপারিশে ১৯৩৫ সালের ১ এপ্রিল প্রতিষ্ঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Reserve Bank of India — এটি ভারতের কেন্দ্রীয় ব্যাংক এবং সঠিক উত্তর। B) Central Bank of India — এটি ভারতের একটি বাণিজ্যিক ব্যাংক, কেন্দ্রীয় ব্যাংক নয়। C) State Bank of India — এটি ভারতের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক। D) Bank of India — এটি একটি বাণিজ্যিক ব্যাংক, যা ভারতের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের দায়িত্ব পালন করে না। মনে রাখার টিপস: ভারতের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নামের শুরুতে রিজার্ভ বা সংরক্ষিত শব্দটি থাকে, যা থেকে Reserve Bank of India মনে রাখা সহজ হয়।
a The Chakma
b The Marma
c The Monipuri
d The Garo
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) The Chakma কেন সঠিক: - বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো বা জনশুমারির তথ্য অনুযায়ী চাকমা সম্প্রদায় দেশের সংখ্যায় সবচেয়ে বড় ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী। - এদের মূল বসবাস রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান পার্বত্য জেলায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The Chakma — এটি সঠিক উত্তর কারণ জনসংখ্যার দিক থেকে এরা ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে শীর্ষস্থানে রয়েছে। B) The Marma — এটি ভুল অপশন কারণ মারমা সম্প্রদায় জনসংখ্যার দিক থেকে চাকমাদের পরে দ্বিতীয় বৃহত্তম। C) The Monipuri — এটি ভুল অপশন কারণ মনিপুরি সম্প্রদায় মূলত সিলেট অঞ্চলে বসবাস করে এবং সংখ্যায় চাকমাদের চেয়ে অনেক কম। D) The Garo — এটি ভুল অপশন কারণ গারো সম্প্রদায় ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইল অঞ্চলে বসবাস করে এবং এটি চাকমার মতো বৃহত্তম নয়। মনে রাখার টিপস: চ চাকমা দিয়ে মনে রাখবে চাকমা হলো সবচেয়ে বড় বা শীর্ষ ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী।
a Maria
b Ida
c Irma
d Dorian
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Ida কেন সঠিক: - ২০২১ সালের আগস্ট মাসে ক্যাটাগরি চার মাত্রার হারিকেন ইডা যুক্তরাষ্ট্রের লুইজিয়ানা উপকূলে আঘাত হানে। - এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি সাধন করে এবং সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় হিসেবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Maria — এটি ২০১৭ সালে ক্যারিবিয়ান অঞ্চল ও পুয়ের্তোরিকোতে আঘাত হেনেছিল, যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডে নয়। B) Ida — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যা ২০২১ সালে যুক্তরাষ্ট্রে আঘাত হেনেছিল। C) Irma — এটি ২০১৭ সালে আঘাত হানার কারণে বর্তমান সময়ের সাম্প্রতিক হারিকেন নয়। D) Dorian — এটি ২০১৯ সালে মূলত বাহামা দ্বীপপুঞ্জে মারাত্মক ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছিল। মনে রাখার টিপস: যুক্তরাষ্ট্রে আঘাত হানা সাম্প্রতিক শক্তিশালী হারিকেন মনে রাখতে ইডা নামের অক্ষরটি প্রধান হিসেবে স্মরণ রাখা যায়।
a New York
b Geneva
c Paris
d Rome
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Paris কেন সঠিক: - ইউনেস্কো একটি জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থা যার পূর্ণরূপ হলো জাতিসংঘ শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা। - এই গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধান কার্যালয় ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) New York — এটি যুক্তরাষ্ট্রের শহর এবং এখানে জাতিসংঘের প্রধান কার্যালয় অবস্থিত, ইউনেস্কোর নয়। B) Geneva — এটি সুইজারল্যান্ডের শহর এবং এখানে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার প্রধান কার্যালয় অবস্থিত। C) Paris — এটি সঠিক উত্তর এবং এখানেই ইউনেস্কোর প্রধান কার্যালয় অবস্থিত। D) Rome — এটি ইতালির রাজধানী এবং এখানে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: প্যারিসকে বলা হয় ফ্যাশনের শহর এবং সংস্কৃতির কেন্দ্র, আর তাই সংস্কৃতির অভিভাবক ইউনেস্কোর সদর দপ্তর সেখানেই অবস্থিত।
a Bir Protik
b Bir Sreshtha
c Bir Bikram
d Bir Uttam
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Bir Bikram কেন সঠিক: - বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে সাহসিকতা ও বীরত্বের জন্য প্রদত্ত তৃতীয় সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব হলো বীর বিক্রম। - এই খেতাবে ভূষিত হয়েছেন মোট ১৭৫ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Bir Protik — এটি বাংলাদেশের চতুর্থ ও সর্বশেষ বীরত্বসূচক সামরিক খেতাব। B) Bir Sreshtha — এটি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক সামরিক খেতাব, যা ৭ জনকে প্রদান করা হয়েছে। C) Bir Bikram — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়। D) Bir Uttam — এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক সামরিক খেতাব। মনে রাখার টিপস: বীরত্ব খেতাবের ক্রম মনে রাখুন এভাবে: বীরশ্রেষ্ঠ, বীর উত্তম, বীর বিক্রম ও বীর প্রতীক।
a Ozone layer
b Glaciers
c Wetlands
d Soil productivity
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Ozone layer কেন সঠিক: - ওজোন স্তর রক্ষার্থে ১৯৮৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর মন্ট্রিলে এই আন্তর্জাতিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। - ক্ষতিকারক ক্লোরোফ্লোরো কার্বন বা সিএফসি গ্যাসের ব্যবহার কমিয়ে ওজোন স্তরের ক্ষয় রোধ করা এর মূল উদ্দেশ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Ozone layer — এটি সঠিক উত্তর কারণ চুক্তিটির মূল লক্ষ্য ওজোন স্তর রক্ষা করা। B) Glaciers — গ্লেসিয়ার বা হিমবাহ গলন রোধ এর মূল উদ্দেশ্য নয়, যদিও জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে এটি পরোক্ষভাবে জড়িত। C) Wetlands — জলাভূমি রক্ষা সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক চুক্তি হলো রামসার কনভেনশন, মন্ট্রিলে এটি স্বাক্ষরিত হয়নি। D) Soil productivity — মাটির উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এই চুক্তির আলোচ্য বিষয় বা প্রধান লক্ষ্য নয়। মনে রাখার টিপস: মন্ট্রিলে ওজন মাপার মেশিন পাওয়া যায়, এভাবে মনে রাখলে মন্ট্রিলে ওজোন স্তর রক্ষার চুক্তি সহজে মনে থাকবে।
a Bangla Academy
b Asiatic Society of Bangladesh
c University of Dhaka
d BG Press
0 94 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Asiatic Society of Bangladesh কেন সঠিক: - এশিয়াটিক সোসাইটি অব বাংলাদেশ ২০০৩ সালে বাংলাদেশের ইতিহাস, সংস্কৃতি ও সমাজভিত্তিক এই বিশ্বকোষটি প্রথম প্রকাশ করে। - এটি বাংলা এবং ইংরেজি উভয় ভাষায় প্রকাশিত বাংলাদেশের জাতীয় জ্ঞানকোষ বা এনসাইক্লোপিডিয়া। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Bangla Academy — এটি বাংলা ভাষা ও সাহিত্য নিয়ে কাজ করলেও বাংলাপিডিয়া প্রকাশ করে না। B) Asiatic Society of Bangladesh — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) University of Dhaka — এটি দেশের প্রাচীনতম বিশ্ববিদ্যালয় হলেও বাংলাপিডিয়ার প্রকাশক নয়। D) BG Press — এটি সরকারি মুদ্রণালয়, যা বিভিন্ন সরকারি দলিল ও বই ছাপায় কিন্তু বাংলাপিডিয়া প্রকাশ করে না। মনে রাখার টিপস: বাংলাপিডিয়া প্রকাশ করেছে এশিয়াটিক সোসাইটি, মনে রাখতে সোসাইটির নামের সাথে বিশ্বকোষ শব্দটি মিলিয়ে নিন।
a Bakhrabad
b Sangu
c Semutang
d Srikail
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও ভূগোল সঠিক উত্তর: B) Sangu কেন সঠিক: - এটি বাংলাদেশের প্রথম অফশোর বা সমুদ্র উপকূলে অবস্থিত প্রাকৃতিক গ্যাসক্ষেত্র। - বঙ্গোপসাগরের তলদেশে অবস্থিত এই গ্যাসক্ষেত্র থেকে ১৯৯৮ সালে বাণিজ্যিকভাবে গ্যাস উত্তোলন শুরু হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Bakhrabad — এটি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অবস্থিত একটি স্থলভিত্তিক (onshore) গ্যাসক্ষেত্র, সমুদ্র উপকূলীয় নয়। B) Sangu — এটি নিজেই সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি সঠিক। C) Semutang — এটি খাগড়াছড়িতে অবস্থিত একটি পাহাড়ি ও স্থলভিত্তিক গ্যাসক্ষেত্র। D) Srikail — এটি কুমিল্লায় অবস্থিত একটি স্থলভিত্তিক গ্যাসক্ষেত্র। মনে রাখার টিপস: সমুদ্রের সাথে সম্পৃক্ত একমাত্র গ্যাসক্ষেত্র হলো সাঙ্গু (Sangu), যার নামের সাথে সমুদ্র বা সাগরের ভাব রয়েছে।
a 30
b 45
c 50
d 10
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) 50 কেন সঠিক: - সংবিধানে প্রদত্ত বিধান অনুযায়ী বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে নারীদের জন্য ৫০টি আসন সংরক্ষিত আছে। - সরাসরি নির্বাচিত ৩০০টি আসনের পাশাপাশি আনুপাতিক প্রতিনিধিত্বের ভিত্তিতে এই সংরক্ষিত আসনগুলো বণ্টন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 30 — এটি সংবিধানের মূল বিধান ছিল না এবং বর্তমানে নারীদের সংরক্ষিত আসনের সংখ্যা ৩০টি নয়। B) 45 — এটি অতীতে কিছু সময়ের জন্য নারীদের সংরক্ষিত আসনের সংখ্যা ছিল, যা বর্তমানের সঠিক সংখ্যা নয়। C) 50 — এটি বর্তমান বিধান অনুযায়ী সম্পূর্ণ সঠিক উত্তর। D) 10 — এই সংখ্যাটি বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে নারীদের সংরক্ষিত আসনের সংখ্যার সঙ্গে কোনোভাবেই মেলে না। মনে রাখার টিপস: জাতীয় সংসদের সাধারণ আসন ৩০০ এবং নারীদের সংরক্ষিত আসন ৫০, এই দুটি সংখ্যা একত্রে মনে রাখলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
a India
b New Zealand
c South Africa
d England
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) New Zealand কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ক্রিকেট দল তাদের ইতিহাসের প্রথম টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক সিরিজ জিতেছিল নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ২০২১ সালে ঘরের মাঠে চার দুই ব্যবধানে। - এই জয়ে বাংলাদেশ দল বিশ্ব ক্রিকেটে নিজেদের টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে একটি শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) India — ভারত শক্তিশালী দল হলেও বাংলাদেশ তাদের বিপক্ষে প্রথম টি-টোয়েন্টি সিরিজ জয় লাভ করেনি। B) New Zealand — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাংলাদেশ তাদের বিপক্ষে প্রথম টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতেছিল। C) South Africa — দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে বাংলাদেশ দল ওয়ানডে সিরিজ জিতলেও প্রথম টি-টোয়েন্টি সিরিজ তাদের বিপক্ষে ছিল না। D) England — ইংল্যান্ডের বিপক্ষেও বাংলাদেশ পরবর্তী সময়ে সিরিজ জিতলেও প্রথম টি-টোয়েন্টি সিরিজ জয়ের রেকর্ড নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ দলের প্রথম টি-টোয়েন্টি সিরিজ জয়ের স্মরণীয় মুহূর্তটি নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ২০২১ সালের ঘরের মাঠে অর্জিত হয়েছিল।
a Venice of Bangal
b Chandra Deep
c Islampur
d Fatehabad
0 91 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Chandra Deep কেন সঠিক: - প্রাচীনকালে বর্তমান বরিশাল অঞ্চলটি চন্দ্রদ্বীপ নামক একটি স্বাধীন রাজ্য বা জনপদ হিসেবে পরিচিত ছিল। - মুঘল আমলে এই অঞ্চলের নাম বাকলা বা ইসমাইলপুর হলেও ঐতিহাসিক ও প্রাচীন নাম হিসেবে চন্দ্রদ্বীপ সর্বাধিক পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Venice of Bangal — এটি বরিশালের প্রাচীন নাম নয়, বরং নদীমাতৃক ভূপ্রকৃতির কারণে বরিশালকে এই উপাধিতে ভূষিত করা হয়। B) Chandra Deep — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) Islampur — এটি বাকলা পরগণার মুঘল আমল নামকরণ, তবে এটি বরিশালের প্রাচীনতম নাম হিসেবে পরিচিত নয়। D) Fatehabad — এটি বর্তমান ফরিদপুর অঞ্চলের প্রাচীন নাম, বরিশাল অঞ্চলের প্রাচীন নাম নয়। মনে রাখার টিপস: বরিশালের আকাশে চাঁদের আলো পড়ে, তাই মনে রাখুন বরিশালের প্রাচীন নাম চন্দ্রদ্বীপ।
a OIC
b IPCC
c MIGA
d WMO
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) IPCC কেন সঠিক: - IPCC হলো জাতিসংঘের একটি সংস্থা যা জলবায়ু পরিবর্তনের বৈজ্ঞানিক ভিত্তি মূল্যায়ন করে। - এটি পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কিত ঝুঁকি ও এর প্রভাব নিয়ে বৈজ্ঞানিক প্রতিবেদন প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) OIC — এটি মুসলিম দেশগুলোর একটি আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা সংস্থা, পরিবেশগত সংস্থা নয়। B) IPCC — এটি সরাসরি পরিবেশ এবং জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত গবেষণার সাথে যুক্ত একমাত্র সঠিক অপশন। C) MIGA — এটি বিশ্বব্যাংক গ্রুপের একটি সংস্থা যা উন্নয়নশীল দেশগুলোতে বিদেশি বিনিয়োগে বীমা প্রদান করে। D) WMO — এটি আবহাওয়া সংক্রান্ত বিশ্ব সংস্থা, যা মূলত আবহাওয়া ও জলবায়ু পর্যবেক্ষণ করে কিন্তু পরিবেশগত মূল্যায়নের প্রধান সংস্থা নয়। মনে রাখার টিপস: IPCC নামের ভেতরেই Climate Change কথাটি লুকিয়ে আছে, যা পরিবেশ ও জলবায়ু সংক্রান্ত বিষয় নির্দেশ করে।
a India
b Bangladesh
c England
d The USA
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) England কেন সঠিক: - ইংল্যান্ড বা যুক্তরাজ্যের সংবিধান প্রথাগত ও আইনভিত্তিক, যা কোনো একক দলিলে লিপিবদ্ধ নয়। - বিভিন্ন ঐতিহাসিক সনদ, রীতিনীতি এবং পার্লামেন্টের আইনের সমন্বয়ে এর সংবিধান গঠিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) India — ভারতের সংবিধান একটি লিখিত দলিল এবং এটি বিশ্বের দীর্ঘতম লিখিত সংবিধান। B) Bangladesh — বাংলাদেশের সংবিধান একটি লিখিত দলিল যা ১৯৭২ সালে প্রণীত হয়। C) England — ইংল্যান্ডের কোনো লিখিত সংবিধান নেই, এটি সম্পূর্ণ প্রথার ওপর নির্ভরশীল। D) The USA — মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান বিশ্বের প্রথম আধুনিক লিখিত সংবিধান। মনে রাখার টিপস: যুক্তরাজ্যের (England) সংবিধান কোনো বইয়ে লেখা নেই, এটি চলে ঐতিহাসিক রীতিনীতি ও প্রথার ওপর।
a Planning Commission
b Ministry of Finance
c Minstry of Law
d ECNEC
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ECNEC কেন সঠিক: - এটি বাংলাদেশ সরকারের অর্থনৈতিক নীতিমালা ও উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদনের সর্বোচ্চ নির্বাহী কর্তৃপক্ষ। - প্রধানমন্ত্রী এই কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন এবং বড় আকারের উন্নয়ন প্রকল্প এখানে চূড়ান্ত অনুমোদন পায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Planning Commission — এটি দেশের পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা ও উন্নয়ন কৌশল প্রণয়ন করে, তবে প্রকল্প বা অর্থনৈতিক নীতি চূড়ান্ত অনুমোদনের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ নয়। B) Ministry of Finance — এটি দেশের বাজেট ও আর্থিক ব্যবস্থাপনা নিয়ন্ত্রণ করে, কিন্তু এটি এককভাবে সর্বোচ্চ উন্নয়ন নীতি অনুমোদনকারী কর্তৃপক্ষ নয়। C) Minstry of Law — এটি দেশের আইন প্রণয়ন, বিচার বিভাগীয় কার্যক্রম ও আইনি পরামর্শ প্রদানের সাথে যুক্ত, অর্থনৈতিক নীতির সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। D) ECNEC — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এটি অর্থনৈতিক পরিকল্পনা ও উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদনের সর্বোচ্চ নির্বাহী কমিটি। মনে রাখার টিপস: উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদনের সর্বোচ্চ কমিটি বা একনেক (ECNEC) এর প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী।
a 1998
b 1999
c 2000
d 2001
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) 2000 কেন সঠিক: - ইউনেসকো ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। - এই স্বীকৃতি লাভের পর ২০০০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে বিশ্বব্যাপী প্রথম আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1998 — এই সালে কানাডার প্রবাসীরা ইউনেসকোর কাছে মাতৃভাষা দিবস পালনের প্রস্তাব পাঠিয়েছিলেন কিন্তু দিবস পালন শুরু হয়নি। B) 1999 — এই সালে ইউনেসকো একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঐতিহাসিক স্বীকৃতি প্রদান করে। C) 2000 — এই সালে প্রথমবার আনুষ্ঠানিকভাবে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করা হয় যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। D) 2001 — এই সালের আগেই আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপনের সূচনা হয়ে গিয়েছিল। মনে রাখার টিপস: ইউনেসকো স্বীকৃতি দেয় ১৯৯৯ সালে আর পালন শুরু হয় তার ঠিক পরের বছর অর্থাৎ ২০০০ সালে।
a Washington DC
b New York
c Paris
d London
0 99 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) New York কেন সঠিক: - নিউ ইয়র্ক যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিখ্যাত ও জনবহুল শহর হলেও এটি দেশটির রাজধানী নয়। - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী হলো ওয়াশিংটন ডিসি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Washington DC — এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী শহর এবং সরকার পরিচালনার কেন্দ্রস্থল। B) New York — এটি যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী নয়, বরং এটি আমেরিকার বৃহত্তম শহর ও অর্থনৈতিক কেন্দ্র। C) Paris — এটি ফ্রান্সের রাজধানী এবং দেশটির রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র। D) London — এটি যুক্তরাজ্য বা ইংল্যান্ডের রাজধানী এবং প্রধান রাজনৈতিক কেন্দ্র। মনে রাখার টিপস: নিউ ইয়র্ক হলো আমেরিকার অর্থনীতির রাজধানী, আর আসল রাজধানী হলো ওয়াশিংটন ডিসি।
a Rugby
b Baseball
c Swimming
d Basketball
0 97 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Swimming কেন সঠিক: - মাইকেল ফেলপস ইতিহাসের অন্যতম সফল ও সর্বাধিক অলিম্পিক স্বর্ণপদক জয়ী সাঁতারু। - তিনি অলিম্পিক গেমসে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রতিনিধিত্ব করে সাঁতার প্রতিযোগিতায় সর্বমোট তেইশটি স্বর্ণপদক অর্জন করেছেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Rugby — এটি একটি দলীয় ও কন্টাক্ট স্পোর্ট, যা মাইকেল ফেলপসের সাঁতারের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) Baseball — এটি একটি ব্যাট ও বলের খেলা, যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে জনপ্রিয় হলেও সাঁতারের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। C) Swimming — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ ফেলপস এই ক্রীড়াবিধার সঙ্গে যুক্ত। D) Basketball — এটি একটি ইনডোর কোর্ট খেলা যেখানে বল ঝুড়িতে ফেলতে হয়, যা সাঁতার থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। মনে রাখার টিপস: মাইকেল ফেলপসকে বলা হয় দ্য বাল্টিমোর বুলেট এবং তিনি সাঁতার বা Swimming জগতের সর্বকালের সেরা তারকা।
a 6
b 4
c 7
d 8
0 125 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: সাধারণ জ্ঞান ও বিজ্ঞানভিত্তিক তথ্য সঠিক উত্তর: C) 7 কেন সঠিক: - বাংলাদেশে মহামারী নিয়ন্ত্রণের বিভিন্ন পর্যায়ে সরকার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অনুমোদিত মোট সাতটি ভিন্ন ব্র্যান্ডের কভিড-১৯ টিকা ব্যবহারের অনুমোদন প্রদান করেছে। - এই টিকাগুলোর মধ্যে ফাইজার, মডার্না, অ্যাস্ট্রাজেনেকা, সিনোফার্ম, সিনোভ্যাক, জনসন অ্যান্ড জনসন এবং স্পুটনিক ভি অন্তর্ভুক্ত ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 6 — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ অনুমোদিত টিকার প্রকৃত সংখ্যা ছয়টি ছিল না। B) 4 — এই সংখ্যাটি অপর্যাপ্ত এবং বাংলাদেশে অনুমোদিত বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মোট টিকার সঠিক সংখ্যা নির্দেশ করে না। C) 7 — এটি সঠিক উত্তর এবং বাংলাদেশে কভিড-১৯ এর অনুমোদিত টিকার মোট সংখ্যা এটি। D) 8 — এই সংখ্যাটি বেশি এবং বাস্তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা সরকারের পক্ষ থেকে আটটি টিকা অনুমোদিত হয়নি। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশে কভিড টিকার অনুমোদিত সংখ্যা মনে রাখতে সাত দিন বা সপ্তাহের সাত দিনের কথা মাথায় রাখতে পারেন।
a Artificial intelligence
b Internet of things
c Robotics
d A, B and C
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) A, B and C কেন সঠিক: - চতুর্থ শিল্প বিপ্লব মূলত ডিজিটাল, জৈব এবং ভৌত প্রযুক্তির সমন্বয়, যেখানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ইন্টারনেট অব থিংস এবং রোবটিক্স প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করে। - এই তিনটি প্রযুক্তি একে অপরের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত থেকে আধুনিক শিল্পায়নের রূপান্তর ঘটায়, তাই সঠিক উত্তর সবগুলো। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Artificial intelligence — এটি চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের একটি মূল প্রযুক্তি হলেও কেবল এটিই একমাত্র উপাদান নয়, কারণ এর সঙ্গে আরও অন্যান্য প্রযুক্তি যুক্ত থাকে। B) Internet of things — এটি ডিভাইসগুলোকে ইন্টারনেটের মাধ্যমে যুক্ত করার প্রযুক্তি এবং চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের একটি অংশ, তবে একা সম্পূর্ণ বিপ্লব নির্দেশ করে না। C) Robotics — এটি স্বয়ংক্রিয় উৎপাদনের অন্যতম ভিত্তি এবং চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের অংশ, তবে অন্যান্য প্রযুক্তির সাহায্য ছাড়া এটি একা সম্পূর্ণ ক্ষেত্র বোঝায় না। D) A, যেহেতু ক, খ এবং গ তিনটি অপশনই চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত, তাই এই সম্মিলিত অপশনটিই সঠিক। মনে রাখার টিপস: চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের প্রধান হাতি মনে রাখতে এআই, আইওটি এবং রোবটিক্স এই তিনটির সমন্বয় মাথায় রাখবে।

মোট প্রশ্ন (20)

a Round function
b Sandwich function
c Switch function
d Nested function
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Nested function ১. কেন সঠিক: একটি ফাংশনের ভেতরে যখন অন্য আরেকটি ফাংশন ব্যবহার করা হয়, তখন তাকে নেস্টেড ফাংশন বলা হয়। প্রোগ্রামিং বা স্প্রেডশিট সফটওয়্যারে জটিল গাণিতিক ও লজিকভিত্তিক হিসাব সম্পন্ন করার জন্য এই পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: কোনো ফাংশনের আর্গুমেন্ট হিসেবে যখন আরেকটি ফাংশনকে কল করা হয়, তাকে নেস্টেড ফাংশন বলে। কার্যপদ্ধতি: অভ্যন্তরীণ বা ভেতরের ফাংশনটি প্রথমে নিজে কাজ করে এবং তার ফলাফল বাইরের ফাংশনকে প্রদান করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: এক্সেলের ফর্মুলা, যেমন AVERAGE(A১:A১০)-এর ভেতর যদি IF ফাংশন ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: ভেতরের শর্ত যাচাই করে বাইরের ফাংশনটি তার মূল গড় নির্ণয়ের কাজটি সম্পন্ন করে। উদাহরণ ২: প্রোগ্রামিং ভাষায় একটি প্রিন্ট ফাংশনের ভেতরে আরেকটি গাণিতিক ফাংশন লেখা। ব্যাখ্যা: ভেতরের গাণিতিক ফলাফলটি প্রস্তুত হয়ে প্রিন্ট ফাংশনের মাধ্যমে প্রদর্শিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Round function — এটি কোনো ফাংশনের ভেতরে আরেকটি ফাংশন নির্দেশ করে না, বরং এটি একটি নির্দিষ্ট দশমিক স্থান পর্যন্ত সংখ্যাকে পূর্ণসংখ্যায় রূপান্তর করার একক কাজ করে। B) Sandwich function — কম্পিউটার বিজ্ঞান বা প্রোগ্রামিংয়ে এই নামে কোনো স্ট্যান্ডার্ড ফাংশন বা প্রোগ্রামিং টার্ম নেই। C) Switch function — এটি শর্ত যাচাই করার জন্য ব্যবহৃত একটি পৃথক কন্ট্রোল স্টেটমেন্ট বা ফাংশন, যা নেস্টিংয়ের ধারণার সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: নেস্টেড শব্দটির অর্থ হলো একটির ভেতরে আরেকটি বা খোসার ভেতরে খোসা। কোডিং বা এক্সেলের ক্ষেত্রে ভেতরের ব্র্যাকেট থেকে কাজ শুরু করে বাইরের দিকে আসতে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রোগ্রামিং ও এক্সেল ফাংশন থেকে এই ধরনের ধারণামূলক প্রশ্ন প্রায়ই আসে। ফাংশন ব্যবহারের সময় ব্র্যাকেটের সঠিক ব্যবহার না করলে সিনট্যাক্স এরর দেখা দিতে পারে।
a SUM
b AVG
c MAX
d MIN
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) AVG ১. কেন সঠিক: মাইক্রোসফট এক্সেলে কোনো রেঞ্জের গাণিতিক গড় বা Average বের করার জন্য সরাসরি AVG নামে কোনো ফাংশন নেই। এক্সেলে গড় নির্ণয়ের সঠিক ফাংশনটি হলো AVERAGE, তাই প্রদত্ত অপশনে AVG একটি ভুল বা অপ্রাসঙ্গিক ফাংশন। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: মাইক্রোসফট এক্সেল ফাংশন হলো কিছু পূর্বনির্ধারিত সূত্র যা নির্দিষ্ট ইনপুট বা আর্গুমেন্ট নিয়ে স্বয়ংক্রিয়ভাবে জটিল গণনা সম্পন্ন করে। কার্যপদ্ধতি: `=AVERAGE(A১:A৫)` লেখার মাধ্যমে এক্সেল নির্দিষ্ট সেলগুলোর মান যোগ করে এবং মোট সেল সংখ্যা দিয়ে ভাগ করে গড় ফলাফল প্রদান করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: `=AVERAGE(১০, ২০, ৩০)` ব্যাখ্যা: এই ফাংশনটি তিনটি সংখ্যার যোগফল ৬০ কে ৩ দিয়ে ভাগ করে ফলাফল হিসেবে ২০ প্রদান করে। উদাহরণ ২: `=SUM(A১:A৫)` ব্যাখ্যা: এটি নির্দিষ্ট রেঞ্জের সেলগুলোর মান যোগ করার জন্য একটি বৈধ এক্সেলে ব্যবহৃত ফাংশন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) SUM — এটি এক্সেলে সংখ্যাগুলোর যোগফল নির্ণয়ের একটি অত্যন্ত পরিচিত ও বৈধ ফাংশন। B) AVG — এটি এক্সেলে সরাসরি কাজ করে না কারণ সঠিক ফাংশনের নাম হলো AVERAGE। C) MAX — এটি প্রদত্ত সংখ্যাগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ বা বৃহত্তম মান নির্ণয় করার বৈধ ফাংশন। D) MIN — এটি প্রদত্ত সংখ্যাগুলোর মধ্যে সর্বনিম্ন বা ক্ষুদ্রতম মান নির্ণয় করার বৈধ ফাংশন। ৫ মনে রাখার টিপস: এক্সেল কখনো সংক্ষিপ্ত রূপ বা শর্টকাট নাম পছন্দ করে না, তাই গড় বের করতে পুরো AVERAGE লিখতে হবে। AVG দেখতে সঠিক মনে হলেও এটি এক্সেলের স্ট্যান্ডার্ড ফাংশন লাইব্রেরির অংশ নয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এক্সেলে ভুল ফাংশন নাম দিয়ে প্রশ্ন করা হয়। AVERAGE বানানটি ঠিকভাবে মনে রাখা এবং SUM, MAX, MIN এর সঠিক ব্যবহার জানা জরুরি।
a A, B, C, etc
b 1,2,3, etc
c A1, A2, etc
d $A$1, $A$2, etc
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) 1, 2, 3, etc ১. কেন সঠিক: এমএস এক্সেল স্প্রেডশিট প্রোগ্রামে অনুভূমিক সারি বা রো চিহ্নিত করার জন্য ইংরেজি বর্ণমালার পরিবর্তে সাধারণত ১, ২, ৩ ইত্যাদি সংখ্যা ব্যবহার করা হয়। এর মাধ্যমে প্রতিটি রো বা সারির সুনির্দিষ্ট অবস্থান সহজে শনাক্ত করা যায় এবং বড় ডেটাসেট নিয়ে কাজ করা সুবিধাজনক হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: এক্সেল শিটে বাম পাশে উপর থেকে নিচে লম্বালম্বিভাবে বিস্তৃত অংশ হলো রো এবং উপরে বাম থেকে ডানে বিস্তৃত অংশ হলো কলাম। কার্যপদ্ধতি: একটি এক্সেল ওয়ার্কশিটে রো গুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে ১ থেকে শুরু হয়ে ক্রমানুসারে সংখ্যা দ্বারা চিহ্নিত থাকে এবং নতুন রো যোগ করলে সংখ্যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বৃদ্ধি পায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রোল নম্বর তালিকা ব্যাখ্যা: একটি ক্লাসের শিক্ষার্থীদের নামের তালিকার ক্ষেত্রে প্রতিটি শিক্ষার্থীর তথ্য এক্সেলের একটি নির্দিষ্ট রো-তে ১, ২, ৩ ইত্যাদি নম্বর দিয়ে সাজানো হয়। উদাহরণ ২: মাসিক হিসাবের খাতা ব্যাখ্যা: আয়ের হিসাব রাখার সময় প্রথম লাইনে ১ নম্বর রো-তে শিরোনাম এবং পরবর্তী রো-গুলোতে ক্রমানুসারে সংখ্যা দিয়ে তথ্য এন্ট্রি করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) A, B, C, etc — এটি এক্সেলের কলাম বা স্তম্ভ চিহ্নিত করার জন্য ব্যবহৃত হয়, রো এর জন্য নয়। B) 1, 2, 3, etc — এটি সঠিক উত্তর কারণ এক্সেলের রো বা সারি সংখ্যা দিয়ে লেবেল করা হয়। C) A1, A2, etc — এটি সেল অ্যাড্রেস বা কোষের ঠিকানা নির্দেশ করে, যা কলাম ও রো এর মিলনে তৈরি হয়। D) A1, A2, etc — এটি সেল রেফারেন্সকে স্থায়ী বা অ্যাবসোলিউট করার জন্য ব্যবহৃত হয়, সাধারণ রো লেবেল নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: রো এবং কলাম মনে রাখার সহজ কৌশল হলো আরসি বা রো-কলাম এবং এ-১ নিয়ম। কলাম হলো ইংরেজি বর্ণমালা এ, বি, সি দ্বারা এবং রো হলো সংখ্যা ১, ২, ৩ দ্বারা চিহ্নিত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মাইক্রোসফট এক্সেলের আধুনিক সংস্করণে মোট রো এর সংখ্যা প্রায় দশ লক্ষ আটষট্টি হাজার সাতশো ছাপ্পানটি। বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এক্সেল শিটের রো ও কলামের সীমা সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
a SUM
b COUNT
c IF
d AVERAGE
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) IF ১. কেন সঠিক: - মাইক্রোসফট এক্সেলে কোনো শর্ত বা লজিক্যাল টেস্ট যাচাই করার জন্য IF ফাংশন ব্যবহার করা হয়। - শর্ত পূর্ণ হলে এক ফল এবং না হলে অন্য ফল প্রদান করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: IF হলো এক্সেলের এমন একটি লজিক্যাল ফাংশন যা প্রদত্ত শর্ত সত্য না মিথ্যা তা যাচাই করে। - কার্যপদ্ধতি: এটি প্রথমে একটি শর্ত পরীক্ষা করে এবং শর্তের সত্যতার ওপর ভিত্তি করে দুটি ভিন্ন মান রিটার্ন করে। - ব্যবহার: কোনো শিক্ষার্থীর পাস বা ফেল নির্ধারণ করতে অথবা কর্মচারীর বোনাস হিসাব করতে এটি ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: =IF(A১>৩৩, "Pass", "Fail") ব্যাখ্যা: কোষ A১ এর মান ৩৩ এর বেশি হলে Pass দেখাবে, অন্যথায় Fail দেখাবে। উদাহরণ ২: =IF(B১=100, "Bonus", "No Bonus") ব্যাখ্যা: কোষ B১ এর মান ১০০ এর সমান হলে Bonus দেখাবে, অন্যথায় No Bonus দেখাবে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) SUM — এটি এক্সেলে একাধিক সংখ্যা বা কোষের যোগফল নির্ণয় করার জন্য ব্যবহার করা হয়, কোনো শর্ত যাচাই করে না। B) COUNT — এটি নির্ধারিত পরিসরে কেবল সংখ্যা ধারণকারী কোষগুলোর মোট সংখ্যা গণনা করে, শর্ত যাচাই করে না। D) AVERAGE — এটি এক্সেলে নির্দিষ্ট সংখ্যক মানের গড় নির্ণয় করার জন্য ব্যবহার করা হয়, কোনো লজিক্যাল শর্ত পরীক্ষা করে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - IF মানে যদি। যদি শর্ত সত্য হয়, তবে প্রথম মান দেখাবে। - এক্সেলে যেকোনো লজিক্যাল ফর্মুলা লেখার সময় সমান চিহ্ন দিয়ে শুরু করতে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এক্সেলের ফাংশন থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - AND, OR এবং NOT হলো এক্সেলের অন্যান্য লজিক্যাল ফাংশন।
a Section break
b Section formatting
c Page break
d Page section
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Section break ১. কেন সঠিক: MS Word-এ পুরো ডকুমেন্টের বিভিন্ন অংশে আলাদা মার্জিন, হেডার, ফুটার বা পেজ ওরিয়েন্টেশন সেট করতে Section break ব্যবহার করা হয়। এর মাধ্যমে একটি ডকুমেন্টের ভেতরেই বিভিন্ন সেকশন তৈরি করে একেক সেকশনে একেক রকম ফরম্যাটিং প্রয়োগ করা যায়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: Section break হলো ডকুমেন্টের ভেতরে অদৃশ্য এক বিভাজন রেখা যা ভিন্ন ভিন্ন ফরম্যাটিং প্রয়োগের সুযোগ দেয়। কার্যপদ্ধতি: ব্যবহারকারী যখন নতুন সেকশন ব্রেক ইনসার্ট করেন, তখন ওয়ার্ড প্রসেসর নতুন সেকশনের জন্য আলাদা ফরম্যাটিং প্রপার্টি সংরক্ষণ করে। ব্যবহার: গবেষণাপত্রের প্রথম অংশে রোমান সংখ্যা এবং মূল অংশে সাধারণ সংখ্যায় পেজ নম্বর দিতে এটি ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: থিসিস পেপারের কভার পেজে হেডার না রাখা এবং মূল অধ্যায়ে হেডার রাখা। ব্যাখ্যা: সেקশন ব্রেক ব্যবহার করে কভার পেজকে আলাদা সেকশনে রেখে হেডার বন্ধ রাখা যায় এবং পরের সেকশনে হেডার চালু করা যায়। উদাহরণ ২: একই ডকুমেন্টের একটি পৃষ্ঠায় পোর্ট্রেট পেজ ওরিয়েন্টেশন এবং অন্য পৃষ্ঠায় ল্যান্ডস্কেপ পেজ ওরিয়েন্টেশন ব্যবহার করা। ব্যাখ্যা: সেকশন ব্রেকের মাধ্যমে পৃষ্ঠার বিন্যাস আলাদা করা সম্ভব হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Section break — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বিভিন্ন সেকশনে আলাদা ফরম্যাটিং তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়। B) Section formatting — এটি কোনো স্ট্যান্ডার্ড বা প্রচলিত কমান্ড নয়, বরং এটি একটি ভুল শব্দগুচ্ছ। C) Page break — এটি শুধুমাত্র পরবর্তী পৃষ্ঠায় লেখা নিয়ে যাওয়ার জন্য ব্যবহৃত হয়, আলাদা ফরম্যাটিং তৈরি করে না। D) Page section — এটি MS Word-এর কোনো মেনু বা ফিচারের নাম নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: পৃষ্ঠা বদলাতে Page break এবং ফরম্যাটিং বদলাতে Section break ব্যবহার করতে হয়। মনে রাখবেন যে সেকশন পরিবর্তন করলে পুরো ডকুমেন্টের বাকি অংশের ওপর প্রভাব না ফেলে নির্দিষ্ট অংশের স্টাইল পরিবর্তন করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার ও আইসিটি পরীক্ষায় এমএস ওয়ার্ডের বিভিন্ন ব্রেক যেমন পেজ ব্রেক, কলাম ব্রেক এবং সেকশন ব্রেকের কাজের পার্থক্য প্রায়ই আসে। ডকুমেন্ট ফরম্যাটিং সংক্রান্ত প্রশ্ন সমাধানের সময় সেকশন ব্রেকের বহুমুখী ব্যবহারের ধারণাটি পরিষ্কার রাখা জরুরি।
a equal sum(a20:c20)
b sum(a20,c20)
c sum(a20+c20)
d :sum(a20:c20)
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) equal sum(a20:c20) ১. কেন সঠিক: - মাইক্রোসফট এক্সেলে কোনো ফর্মুলা লেখার শুরুতে সমান চিহ্ন ব্যবহার করতে হয়। - প্রশ্নটিতে ইংরেজি শব্দ 'equal' ব্যবহার করে সমান চিহ্ন বোঝানো হয়েছে এবং সিনট্যাক্সটি সঠিক রাখা হয়েছে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: স্প্রেডশিট সফটওয়্যারে একাধিক ঘরের মান যোগ করার জন্য সাম ফাংশন ব্যবহার করা হয়। - কার্যপদ্ধতি: কোলন চিহ্নের মাধ্যমে প্রথম সেল থেকে শেষ সেল পর্যন্ত পরিসর নির্ধারণ করে হিসাব সম্পন্ন করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সেল এ দশ থেকে সেল সি দশ পর্যন্ত মান যোগ করতে সাম ফাংশন লেখা হয়। ব্যাখ্যা: রেঞ্জ বা পরিসর ব্যবহারের মাধ্যমে বিশাল ডেটাসেটের যোগফল খুব সহজে নির্ণয় করা যায়। উদাহরণ ২: মাসিক খরচের হিসাব বের করতে এক্সেলে এই সূত্র প্রয়োগ করা হয়। ব্যাখ্যা: কলাম বা সারির ধারাবাহিক উপাত্ত দ্রুত প্রক্রিয়াজাত করতে এটি সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) equal sum(a20:c20) — এটি সঠিক কারণ এতে নিয়ম অনুযায়ী যোগ করার ফাংশন এবং সেল রেঞ্জ সঠিকভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। B) sum(a20,c20) — এটি ভুল কারণ এখানে কোলনের পরিবর্তে কমা ব্যবহার করায় শুধু দুটি পৃথক সেল যোগ হবে, পুরো রেঞ্জ যোগ হবে না। C) sum(a20+c20) — এটি ভুল কারণ ফাংশনের ভেতরে প্লাস চিহ্ন ব্যবহার করা অপ্রয়োজনীয় এবং এটি এক্সেলে সিনট্যাক্স ত্রুটি দেখাবে। D) :sum(a20:c20) — এটি ভুল কারণ সাম লেখার আগে কোলন চিহ্ন ব্যবহার করার কোনো নিয়ম এক্সেলে নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - এক্সেলে যেকোনো সূত্র লেখার শুরুতেই সমান চিহ্ন বা ইকুয়াল দিতে হয়। - একাধিক সেল একসাথে যোগ করতে কোলন চিহ্ন ব্যবহার করতে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মাইক্রোসফট এক্সেলে ফাংশন লেখার সঠিক সিনট্যাক্স প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। - কমা এবং কোলনের পার্থক্যের ওপর ভিত্তি করে অনেক সময় বিভ্রান্তিকর অপশন দেওয়া হয়।
a HIGH (A1:A10)
b MIN (A1:A10)
c MAX (A1:A10)
d SUM (A1:A10)
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) MAX (A1:A10) ১. কেন সঠিক: - মাইক্রোসফট এক্সেলে কোনো নির্দিষ্ট রেঞ্জের সেলগুলোর মধ্যে থাকা সর্বোচ্চ বা সবচেয়ে বড় সংখ্যাটি খুঁজে বের করার জন্য MAX ফাংশন ব্যবহার করা হয়। - এখানে A1:A10 হলো সেল রেঞ্জ যার মধ্যে ১ থেকে ১০ নম্বর সেল পর্যন্ত সমস্ত মানের ওপর এই ফাংশনটি কাজ করবে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: এক্সেলে ব্যবহৃত গাণিতিক ও পরিসংখ্যানগত ফাংশন যা একাধিক সংখ্যার মধ্য থেকে বৃহত্তম মান প্রদান করে। - কার্যপদ্ধতি: নির্দিষ্ট সেল রেঞ্জের প্রতিটি সংখ্যা একে একে তুলনা করে সর্বোচ্চ মানটি আউটপুট হিসেবে প্রদর্শন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কোনো ক্লাসের দশজন শিক্ষার্থীর প্রাপ্ত নম্বরের তালিকা থেকে সর্বোচ্চ নম্বর বের করতে এই ফাংশন লেখা হয় =MAX(A1:A10)। ব্যাখ্যা: এটি পুরো তালিকার সব নম্বর যাচাই করে সবচেয়ে বেশি নম্বরটি স্ক্রিনে দেখাবে। উদাহরণ ২: একটি কোম্পানির মাসিক বিক্রির হিসাব থেকে সর্বোচ্চ বিক্রির পরিমাণ বের করা। ব্যাখ্যা: এটি নির্দিষ্ট মাসের সেল ডেটা স্ক্যান করে সর্বোচ্চ বিক্রির অঙ্কটি আলাদা করে দেবে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) HIGH (A1:A10) — এক্সেলে এই নামে কোনো স্ট্যান্ডার্ড ফাংশন নেই। B) MIN (A1:A10) — এটি নির্দিষ্ট রেঞ্জের সেলগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ছোট বা সর্বনিম্ন সংখ্যা খুঁজে বের করার জন্য ব্যবহৃত হয়। C) MAX (A1:A10) — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি সর্বোচ্চ সংখ্যা নির্ণয় করে। D) SUM (A1:A10) — এটি নির্দিষ্ট রেঞ্জের সেলগুলোর সমস্ত সংখ্যার যোগফল নির্ণয় করতে ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - MAX শব্দটি এসেছে ম্যাক্সিমাম থেকে যার অর্থ সর্বোচ্চ। - ঠিক বিপরীত কাজের জন্য MIN ব্যবহার করা হয় যা মিনিমাম বা সর্বনিম্ন বোঝায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মাইক্রোসফট এক্সেল ফাংশনে টেক্সট মান উপেক্ষা করা হয় এবং শুধুমাত্র সংখ্যা নিয়ে কাজ করা হয়। - ব্যাংক ও বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই SUM, AVERAGE, MAX এবং MIN ফাংশনের কাজ সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
a Counts cells having alphabets
b Counts cells meeting certain condition
c Counts empty cells
d Counts non-empty cells
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Counts non-empty cells ১. কেন সঠিক: - COUNTA ফাংশনটি মাইক্রোসফট এক্সেলে ডেটা সম্বলিত বা খালি নয় এমন সেলগুলোর সংখ্যা গণনা করতে ব্যবহৃত হয়। - এটি টেক্সট, নম্বর, এরর বা যেকোনো ধরনের ডেটা থাকা সেল গণনা করতে পারে কিন্তু সম্পূর্ণ খালি সেল এড়িয়ে চলে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: COUNTA হলো মাইক্রোসফট এক্সেলের এমন একটি ফাংশন যার পূর্ণরূপ হলো Count All, অর্থাৎ এটি সব ধরনের ডেটা যুক্ত সেল গণনা করে। - কার্যপদ্ধতি: ব্যবহারকারী যখন কোনো রেঞ্জ নির্ধারণ করে দেন, তখন এই ফাংশন সেই রেঞ্জের প্রতিটি সেল পরীক্ষা করে দেখে কোনটিতে ডেটা আছে এবং কোনগুলো ফাঁকা। - ব্যবহার: উপস্থিতি রেজিস্টার, ইনভেন্টরি বা ডেটাবেজে কতটি এন্ট্রি আছে তা দ্রুত বের করতে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: একটি কলামে ১০, ২০, এবং একটি নাম আছে। ব্যাখ্যা: এই তিনটি সেলেই ডেটা থাকায় COUNTA ফাংশন ফলাফল ৩ প্রদর্শন করবে। উদাহরণ ২: একটি এক্সেল শিটের পাঁচটি সেলের মধ্যে দুটি সেল ফাঁকা এবং বাকি তিনটিতে টেক্সট ও সংখ্যা আছে। ব্যাখ্যা: ফাঁকা সেল দুটি বাদ দিয়ে কেবল ডেটা থাকা তিনটি সেল গণনা করে ফলাফল ৩ দেখাবে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Counts cells having alphabets — এটি শুধু অক্ষর বা বর্ণমালা থাকা সেল গণনা করে না, সংখ্যা বা অন্যান্য ডেটাও গণনা করে। B) Counts cells meeting certain condition — নির্দিষ্ট শর্তের ভিত্তিতে সেল গণনার জন্য COUNTIF ফাংশন ব্যবহার করা হয়, COUNTA নয়। C) Counts empty cells — খালি সেল গণনা করার জন্য আলাদা ফাংশন রয়েছে যার নাম COUNTBLANK। D) Counts non-empty cells — এটি সঠিক কারণ এই ফাংশনটি ডেটা আছে এমন সেলগুলোই কেবল গণনা করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - COUNT মানে সংখ্যা গণনা করা এবং এর সাথে A যোগ করে COUNTA বানানোর অর্থ হলো All বা সব ধরনের ডেটা গণনা করা। - ফাঁকা সেল গণনার জন্য BLANK শব্দটি যুক্ত থাকে, আর শর্তের জন্য IF যুক্ত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মাইক্রোসফট এক্সেলে কেবল সংখ্যা গণনা করতে COUNT ফাংশন ব্যবহার করা হয়। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় COUNT, COUNTA এবং COUNTIF এর পার্থক্য নিয়ে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
a Conditional formatting
b Merge
c Wrap text
d Justify
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Wrap text ১. কেন সঠিক: স্প্রেডশিট বা এক্সেল ফাইলে একটি সেলের ভেতরের লেখা অনেক লম্বা হলে তা সেলের বাইরে চলে যায় অথবা ডানপাশের সেল ঢেকে ফেলে। Wrap text ফিচারটি ব্যবহার করলে লম্বা লেখাটি ভেঙে স্বয়ংক্রিয়ভাবে একাধিক লাইনে একই সেলের ভেতরে বিন্যস্ত হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: Wrap text হলো স্প্রেডশিট সফটওয়্যারের এমন একটি ফরম্যাটিং টুল যা সেলের সীমানার ভেতর লেখা স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিচে নামিয়ে প্রদর্শন করে। কার্যপদ্ধতি: যখন কোনো সেলের টেক্সট সেলের প্রস্থ অতিক্রম করে, তখন এই কমান্ড সক্রিয় করলে সফটওয়্যার নিজেই শব্দের শেষে লাইন ব্রেক করে লেখা নিচে নামিয়ে দেয়। ব্যবহার: বড় নাম, ঠিকানা বা বিবরণ একটি সেলের ভেতরেই সুন্দরভাবে প্রদর্শনের জন্য মাইক্রোসফট এক্সেল বা গুগল শিট-এ এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: একটি সেলে বাংলাদেশ লেখাটি খুব বড় হওয়ায় পাশের সেল ঢেকে ফেলছিল। ব্যাখ্যা: Wrap text অপশন চালু করার পর বাংলাদেশ লেখাটি ভেঙে একই সেলের ভেতরে দুটি লাইনে চলে আসে এবং দৃশ্যমান হয়। উদাহরণ ২: কোনো কর্মীর পুরো নাম একটিমাত্র কলামের ভেতরে ধরে রাখার প্রয়োজন হলো। ব্যাখ্যা: কলামের প্রস্থ না বাড়িয়ে Wrap text ব্যবহার করলে নামটি ভেঙে একাধিক লাইনে একই সেলে সুন্দরভাবে সেট হয়ে যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Conditional formatting — এই ফিচারের মাধ্যমে শর্ত সাপেক্ষে সেলের রঙ পরিবর্তন বা ডেটা হাইলাইট করা হয়, যা লেখা ভাঙার কাজ করে না। B) Merge — এই কমান্ডের মাধ্যমে একাধিক আলাদা সেলকে একত্রিত করে একটি বড় সেল তৈরি করা হয়, কিন্তু লম্বা লেখা ভাঙার কাজ এটি করে না। C) Wrap text — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি একই সেলের ভেতরে লম্বা লেখা একাধিক লাইনে ভেঙে দেখাতে সাহায্য করে। D) Justify — এটি প্যারাগ্রাফের দুই পাশ সমান করার টেক্সট অ্যালাইনমেন্ট টুল, এক্সেল সেলে লম্বা লেখা নিচে নামানোর জন্য Wrap text ব্যবহার করা হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: লেখা নিচে নামানোর বা মোড়ানোর জন্য Wrap শব্দটি ব্যবহার করা হয়। এক্সেলের হোম ট্যাবের অ্যালাইনমেন্ট গ্রুপে Wrap text অপশনটি পাওয়া যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মাইক্রোসফট এক্সেলে একটি সেলের ভেতরে লাইন ব্রেক করতে কিবোর্ড শর্টকাট হিসেবে Alt এবং Enter একসাথে চাপতে হয়। কম্পিউটার ও বিসিএস পরীক্ষায় স্প্রেডশিট ফরম্যাটিং সম্পর্কিত প্রশ্নে এই ফিচারটি প্রায়ই দেখা যায়।
a !B!1
b $B$1
c #b#1
d B!1
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) B1 ১. কেন সঠিক: - মাইক্রোসফট এক্সেলে সেল রেফারেন্স নির্দিষ্ট করার জন্য ডলার চিহ্ন ব্যবহার করা হয়। - এই ফরম্যাটে কলাম ও সারি উভয়ের আগেই ডলার চিহ্ন থাকায় এটি অ্যাবসোলিউট বা স্থায়ী রেফারেন্স হিসেবে কাজ করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: অ্যাবসোলিউট সেল রেফারেন্স হলো এমন একটি সেল ঠিকানা যা ফর্মুলা অন্য সেলে কপি বা ড্র্যাগ করলেও অপরিবর্তিত থাকে। - কার্যপদ্ধতি: কলাম অক্ষর এবং রো নম্বরের আগে ডলার চিহ্ন যুক্ত করে এক্সেলকে নির্দেশ দেওয়া হয় যেন ঠিকানাটি ফিক্সড থাকে। - ব্যবহার: নির্দিষ্ট কোনো ঘরের ধ্রুবক মান, যেমন করের হার বা নির্দিষ্ট মূল্য বারবার ব্যবহারের জন্য এটি ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নির্দিষ্ট মূল্য গণনা ব্যাখ্যা: একটি ফর্মুলায় মোট দাম বের করতে পণ্যের পরিমাণের সাথে একটি নির্দিষ্ট দামের সেল অ্যাবসোলিউট হিসেবে গুণ করা হয়। উদাহরণ ২: বেতন হিসাব ব্যাখ্যা: মূল বেতনের সাথে নির্দিষ্ট বোনাসের হার যোগ করার সময় বোনাসের সেলটি পরিবর্তন রোধ করতে এই রেফারেন্স দেওয়া হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) !B!1 — এই ধরনের সিনট্যাক্স মাইক্রোসফট এক্সেলে সেল রেফারেন্সের জন্য বৈধ নয় এবং এক্সেল এটি গ্রহণ করে না। B) B1 — এটি সঠিক উত্তর। C) #b#1 — হ্যাশ চিহ্ন এক্সেলে এরর বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, তাই এটি কোনো সেল রেফারেন্স নয়। D) B!1 — বিস্ময় সূচক চিহ্ন এক্সেলে ওয়ার্কশিটের নাম আলাদা করতে ব্যবহৃত হয়, সেল রেফারেন্সে নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ডলার চিহ্ন মানেই লক বা ফিক্সড করা, যা সেল অ্যাড্রেস নড়চড় হতে দেয় না। - কিবোর্ডের এফ ফোর কি চাপলে খুব সহজে রিলেটিভ রেফারেন্স থেকে অ্যাবসোলিউট রেফারেন্সে রূপান্তর করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এক্সেলে তিন ধরনের সেল রেফারেন্স থাকে, যেমন রিলেটিভ, অ্যাবসোলিউট এবং মিক্সড রেফারেন্স। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ডলার চিহ্নের অবস্থান পরিবর্তন করে মিক্সড ও অ্যাবসোলিউট রেফারেন্সের পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়।
a Save
b Save as
c Backup
d Auto Save
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Auto Save ১. কেন সঠিক: - মাইক্রোসফট অফিসে নির্দিষ্ট সময় পরপর ডকুমেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংরক্ষণ করার ফিচারটির নাম অটো সেভ। - হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে গেলে বা কম্পিউটার বন্ধ হয়ে গেলে এই ফিচারের কারণে কাজের ডেটা নষ্ট হয় না। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: ব্যবহারকারীর নির্দিষ্ট করে দেওয়া সময়ের ব্যবধানে ব্যাকগ্রাউন্ডে ডকুমেন্ট আপডেট করার প্রক্রিয়াকে অটো সেভ বলে। - কার্যপদ্ধতি: সফটওয়্যার নির্দিষ্ট সেকেন্ড বা মিনিট পর পর ফাইলের পরিবর্তিত অংশ টেম্পোরারি ফোল্ডারে জমা করে। - ব্যবহার: মাইক্রোসফট ওয়ার্ড, এক্সেল বা পাওয়ারপয়েন্টে দীর্ঘ কাজ নিরাপদ রাখতে এটি ব্যাকগ্রাউন্ডে চালু থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে রিপোর্ট লেখার সময় হঠাৎ কারেন্ট চলে গেলে অটো সেভের মাধ্যমে শেষ দশ মিনিটের ডেটা ফিরে পাওয়া যায়। ব্যাখ্যা: এই ফিচারের কারণে পুরো কাজের ফাইল নতুন করে আর লিখতে হয় না। উদাহরণ ২: মাইক্রোসফট এক্সেলে বিশাল হিসাবের ডেটা এন্ট্রি করার সময় সিস্টেম ক্র্যাশ করলেও আগের সংরক্ষিত অংশ পাওয়া যায়। ব্যাখ্যা: এটি ব্যবহারকারীকে ম্যানুয়ালি বারবার সেভ করার ঝামেলা থেকে মুক্তি দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Save — এটি একটি ম্যানুয়াল কমান্ড যা ব্যবহারকারী কিবোর্ডের শর্টকাট চেপে বা ক্লিক করে নিজে সম্পন্ন করেন। B) Save as — এটি একই ফাইলের নতুন নাম বা নতুন লোকেশনে ভিন্ন একটি কপি তৈরি করার কাজে ব্যবহার করা হয়। C) Backup — এটি মূল ফাইলের একটি অতিরিক্ত কপি অন্য কোনো স্থানে নিরাপদে সংরক্ষণ করার সার্বিক প্রক্রিয়া। D) Auto Save — নির্দিষ্ট সময় পরপর নিজে থেকেই ডকুমেন্ট সংরক্ষণ করার নির্দিষ্ট ফিচারটির নাম এটি। ৫. মনে রাখার টিপস: - শব্দের শুরুতে অটো শব্দটি থাকার অর্থ হলো কাজটি নিজে নিজে বা স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্পন্ন হচ্ছে। - ম্যানুয়াল সেভের জন্য কন্ট্রোল এস শর্টকাট ব্যবহার করা হয় কিন্তু অটো সেভ ব্যাকগ্রাউন্ডে নিজে চলে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মাইক্রোসফট অফিসে ফাইল ডিফল্টভাবে কোথায় জমা হয় তা জেনে রাখা জরুরি। - সাম্প্রতিক ক্লাউড ভিত্তিক ডকুমেন্টে অটো সেভ ফিচারটি রিয়েল টাইম ডেটা সিংক করতে সাহায্য করে।
a F2
b F3
c F4
d F5
0 99 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) F5 ১. কেন সঠিক: মাইক্রোসফট পাওয়ারপয়েন্ট সফটওয়্যারে কীবোর্ডের F5 ফাংশন কি প্রেস করলে প্রথম স্লাইড থেকে প্রেজেন্টেশন বা স্লাইডশো শুরু হয়। এটি মাইক্রোসফট অফিস প্যাকেজের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং বহুল ব্যবহৃত শর্টকাট কমান্ড। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: মাইক্রোসফট পাওয়ারপয়েন্ট হলো একটি জনপ্রিয় প্রেজেন্টেশন প্রোগ্রাম যা স্লাইডের মাধ্যমে তথ্য উপস্থাপন করতে ব্যবহৃত হয়। কার্যপদ্ধতি: F5 কি প্রেস করার সাথে সাথে পাওয়ারপয়েন্ট অ্যাপ্লিকেশনটি স্বাভাবিক এডিটিং ভিউ থেকে ফুল স্ক্রিন স্লাইডশো মোডে রূপান্তরিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক্লাসে মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টরের মাধ্যমে প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করার সময় শিক্ষক শুরুতে F5 কি প্রেস করেন। ব্যাখ্যা: এর ফলে পুরো স্ক্রিন জুড়ে প্রথম স্লাইডটি প্রদর্শিত হতে শুরু করে। উদাহরণ ২: কোনো সেমিনারে তথ্য উপস্থাপনের প্রাক্কালে উপস্থাপক স্লাইডশো মোডে যাওয়ার জন্য F5 ব্যবহার করেন। ব্যাখ্যা: এটি মাউস ব্যবহার না করে কিবোর্ডের মাধ্যমে দ্রুত স্লাইডশো চালুর মাধ্যম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) F2 — এই কি সাধারণত কোনো ফাইল, ফোল্ডার বা টেক্সট রিনেম বা সম্পাদনা করার জন্য ব্যবহৃত হয়। B) F3 — এই কি সাধারণত বিভিন্ন সফটওয়্যারে কোনো নির্দিষ্ট শব্দ বা ফাইল খোঁজার সার্চ অপশন চালু করে। C) F4 — এই কি মাইক্রোসফট ওয়ার্ড বা এক্সেলে সর্বশেষ কমান্ড পুনরাবৃত্তি করতে অথবা ব্রাউজারে অ্যাড্রেস বার সক্রিয় করতে ব্যবহৃত হয়। D) সঠিক অপশন হিসেবে এটি স্লাইডশো শুরু করতে কাজ করে। ৫ মনে রাখার টিপস: পাওয়ারপয়েন্টে প্রেজেন্টেশনের প্রথম অক্ষর P এবং F5 এর সাথে মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন যে F5 চেপে presentation শুরু হয়। কীবোর্ডের ওপরের সারির ফাংশন কি গুলোর মধ্যে F5 স্লাইডশোর জন্য নির্দিষ্ট। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বর্তমান স্লাইড থেকে স্লাইডশো শুরু করার শর্টকাট কমান্ড হলো Shift এবং F5 একসাথে প্রেস করা। এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস ও বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
a Ctrl + 1
b Ctrl + C
c Crtl+M
d None
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) None ১. কেন সঠিক: - প্রশ্নে প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি হলো ডি (None)। কারণ এমএস ওয়ার্ড (MS Word) বা মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে লেখা বা টেক্সট মাঝ বরাবর বা সেন্টারে অ্যালাইন করার সঠিক শর্টকাট কি হলো কন্ট্রোল প্লাস ই (Ctrl + E)। - প্রদত্ত অপশনগুলোতে সঠিক উত্তর বা কন্ট্রোল প্লাস ই না থাকায় ডি অপশনটি সঠিক হয়েছে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: টেক্সট অ্যালাইনমেন্ট হলো ডকুমেন্টের পৃষ্ঠায় লেখা ডান, বাম বা মাঝখানে সাজানোর প্রক্রিয়া। - কার্যপদ্ধতি: কিবোর্ড থেকে নির্দিষ্ট শর্টকাট চাপলে মাইক্রোসফট ওয়ার্ড সফটওয়্যারটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্বাচিত অনুচ্ছেদটি নির্ধারিত অবস্থানে বিন্যস্ত করে। - ব্যবহার: দাপ্তরিক চিঠি, প্রচ্ছদ পৃষ্ঠা, শিরোনাম এবং কবিতা তৈরির সময় টেক্সট মাঝখানে রাখার জন্য এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গবেষণা পত্রের শিরোনাম ব্যাখ্যা: গবেষণাপত্রের মূল শিরোনামটি পৃষ্ঠার একদম মাঝখানে সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলতে এই কমান্ড ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: আবেদনপত্রের মূল বিষয় ব্যাখ্যা: সরকারি বা বেসরকারি চাকরির আবেদনপত্রের বিষয় অংশটি পাতার মাঝখানে রাখার জন্য এটি প্রয়োজন হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Ctrl + 1 — এটি টেক্সট অ্যালাইনমেন্টের জন্য নয়, বরং মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে অনুচ্ছেদগুলোর মাঝে একক লাইন স্পেসিং প্রয়োগ করতে ব্যবহৃত হয়। B) Ctrl + C — এই শর্টকাট কি মাইক্রোসফট ওয়ার্ড বা যেকোনো অপারেটিং সিস্টেমে কোনো লেখা বা ফাইল কপি করার জন্য ব্যবহৃত হয়। C) Crtl+M — এই শর্টকাট কি মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে অনুচ্ছেদের বাম দিক থেকে মার্জিন বা ইনডেন্ট এক ধাপ ডানে সরানোর জন্য ব্যবহার করা হয়। D) None — অপশনটি সঠিক কারণ মূল সঠিক উত্তরটি অপশনগুলোতে বিদ্যমান নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - সি ফর সেন্টার বা মাঝ বরাবর অ্যালাইনমেন্টের ক্ষেত্রে কন্ট্রোল প্লাস ই মনে রাখতে হবে। কারণ সি অক্ষরটি কপি কমান্ডের জন্য আগেই নির্ধারিত। - বামে অ্যালাইনমেন্টের জন্য কন্ট্রোল প্লাস এল এবং ডানে অ্যালাইনমেন্টের জন্য কন্ট্রোল প্লাস আর ব্যবহার করা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে জাস্টিফাইড বা উভয় পাশ সমান করার শর্টকাট হলো কন্ট্রোল প্লাস জে। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের বিভ্রান্তিকর শর্টকাট কি সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে।
a FIP
b HTTP
c HTML
d URL
0 96 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) HTML ১. কেন সঠিক: - ওয়েব পেজ তৈরি বা ডিজাইন করার জন্য যে স্ট্যান্ডার্ড মার্কআপ ভাষা ব্যবহার করা হয়, তার নাম HTML। - ব্রাউজার এই ভাষার ট্যাগগুলো পড়ে স্ক্রিনে একটি পূর্ণাঙ্গ ওয়েব পেজ প্রদর্শন করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: HTML এর পূর্ণরূপ HyperText Markup Language। এটি কোনো প্রোগ্রামিং ভাষা নয়, বরং একটি মার্কআপ ভাষা। - কার্যপদ্ধতি: এটি বিভিন্ন ট্যাগ ব্যবহার করে ওয়েবসাইটের টেক্সট, ছবি ও অন্যান্য উপাদান সাজায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কোনো ওয়েবসাইটের শিরোনাম লেখার জন্য HTML এ h১ ট্যাগ ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: ব্রাউজার এই ট্যাগ চিনে লেখাটিকে বড় শিরোনাম হিসেবে প্রদর্শন করে। উদাহরণ ২: ওয়েব পেজে কোনো ছবি যুক্ত করার জন্য img ট্যাগ ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: এই ট্যাগের মাধ্যমে ব্রাউজার বুঝতে পারে কোথায় কোন ছবিটি দেখাতে হবে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) FIP — এটি কোনো স্ট্যান্ডার্ড প্রোটোকল বা ওয়েব ভাষা নয়। B) HTTP — এটি একটি প্রোটোকল যা ইন্টারনেটে ডেটা আদান-প্রদান করে। D) URL — এটি ইন্টারনেটে কোনো ফাইলের বা ওয়েব ঠিকানার অবস্থান নির্দেশ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - ওয়েব পেজ তৈরির মূল ভিত্তি হলো এইচটিএমএল বা HTML। - মনে রাখবে, এটি ডেটা প্রদর্শন বা বিন্যস্ত করার কাজ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - টিম বার্নার্স লি ১৯৯১ সালে HTML আবিষ্কার করেন। - পরীক্ষার জন্য HTML এর পূর্ণরূপটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
a Pic chart
b Line chart
c Row chart
d Dot chart
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Line chart ১. কেন সঠিক: স্টক মার্কেটের শেয়ারের দাম বা সূচক প্রতিদিন কীভাবে পরিবর্তিত হচ্ছে, তা সময়ের সঙ্গে ট্র্যাক বা পর্যবেক্ষণ করার জন্য লাইন চার্ট বা রেখাচিত্র সবচেয়ে উপযুক্ত। সময় বা ধারাবাহিক ডেটার প্রবণতা (Trend) এবং ওঠানামা স্পষ্টভাবে দেখানোর জন্যই এই চার্ট ব্যবহার করা হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: লাইন চার্ট হলো এমন একটি গ্রাফ যা ডেটা পয়েন্টগুলোকে সরলরেখা দিয়ে সংযুক্ত করে সময়ের ধারাবাহিকতায় মান পরিবর্তনের গতিপ্রকৃতি প্রদর্শন করে। কার্যপদ্ধতি: অনুভূমিক অক্ষে সময় এবং লম্ব অক্ষে ডেটার মান স্থাপন করে বিন্দুগুলো রেখা দিয়ে যুক্ত করা হয়। ব্যবহার: স্টক মার্কেটের দৈনিক সূচক, তাপমাত্রা পরিবর্তন এবং শেয়ারের দামের গতিবিধি বিশ্লেषণে বহুল ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের গত এক মাসের প্রতিদিনের সূচকের উত্থান-পতনের গ্রাফ তৈরি করা। ব্যাখ্যা: এটি একটি নির্দিষ্ট সময়সীমায় বাজারের গতিবিধি বুঝতে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: বিগত এক বছরের মাসিক মুদ্রাস্ফীতির হার প্রদর্শন করা। ব্যাখ্যা: সময়ের সঙ্গে অর্থনৈতিক সূচকের পরিবর্তনের ধারা স্পষ্টভাবে বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Pic chart — এটি পাই চার্ট (Pie chart) হওয়া উচিত ছিল, যা একটি নির্দিষ্ট সময়ের মোট পরিমাণের শতকরা অংশ বা অনুপাত বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, দৈনিক প্রবণতা দেখাতে নয়। B) Line chart — এটি সঠিক উত্তর। C) Row chart — এটি সাধারণত অনুভূমিক বার চার্ট (Bar chart) বোঝায়, যা বিভিন্ন বিভাগের তুলনামূলক বিশ্লেষণে ব্যবহৃত হয়, সময়ের ধারাবাহিক পরিবর্তনে নয়। D) Dot chart — এটি ডেটার বিস্তার বা ফ্রিকোয়েন্সি দেখাতে ব্যবহৃত হয়, সময়ের ধারাবাহিক ট্রেন্ড বা ওঠানামা ট্র্যাক করার জন্য এটি উপযোগী নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: সময়ের সঙ্গে কোনো কিছুর ওঠানামা বা ট্রেন্ড ট্র্যাক করার কথা থাকলেই চোখ বন্ধ করে লাইন চার্ট নির্বাচন করবে। মনে রাখবে, লাইন মানেই সময়ের রেখা বরাবর ওঠানামার চিত্র। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার ও স্প্রেডশিট বিশ্লেষণে ডেটা ভিজ্যুয়ালাইজেশনের জন্য বিভিন্ন ধরনের চার্টের সুনির্দিষ্ট ব্যবহার প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। সময়ের ধারাবাহিকতা বোঝাতে লাইন চার্ট এবং অংশের তুলনা বোঝাতে পাই চার্ট ব্যবহার করা হয়।
a Equal
b Colon
c Comma
d Semi-colon
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Equal ১. কেন সঠিক: মাইক্রোসফট এক্সেলে যেকোনো সূত্র বা ফর্মুলা লেখার শুরুতেই সমান চিহ্ন বা ইকুয়াল সাইন ব্যবহার করতে হয়। এই চিহ্নটি প্রোগ্রামকে নির্দেশ দেয় যে পরবর্তী ডেটা কোনো সাধারণ লেখা নয়, বরং একটি গাণিতিক হিসাব। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: এক্সেলে ডেটা প্রসেসিং ও হিসাব-নিকাশের জন্য ব্যবহৃত সমীকরণকে ফর্মুলা বলে। কার্যপদ্ধতি: সমান চিহ্ন ব্যবহার করার পর সেল রেফারেন্স ও অপারেটর যেমন যোগ বা বিয়োগ লিখে হিসাব সম্পন্ন করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: `=A1+A2` ব্যাখ্যা: এই ফর্মুলাটি এ ওয়ান এবং এ টু সেলের মান যোগ করে ফলাফল প্রদর্শন করে। উদাহরণ ২: `=SUM(B1:B10)` ব্যাখ্যা: এটি বি ওয়ান থেকে বি দশ পর্যন্ত সেলগুলোর সমষ্টি নির্ণয় করতে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: B) Colon — এটি এক্সেলে রেঞ্জ নির্দেশ করতে ব্যবহৃত হয়, যেমন এ ওয়ান থেকে বি দশ। তবে এটি দিয়ে কোনো ফর্মুলা শুরু করা যায় না। C) Comma — এটি এক্সেলে ফাংশনের ভেতরে আর্গুমেন্ট আলাদা করতে ব্যবহৃত হয়। এর মাধ্যমে ফর্মুলা শুরু করা যায় না। D) Semi-colon — এটি সাধারণত স্প্রেডশিটে সরাসরি ফর্মুলা শুরুর জন্য ব্যবহৃত হয় না। এটি ভুল সিনট্যাক্স তৈরি করবে। ৫. মনে রাখার টিপস: এক্সেলে হিসাব করতে চাইলে সবার আগে ইকুয়াল সাইন বসাতে হবে। সমান চিহ্ন ছাড়া এক্সেল কখনো বুঝতে পারবে না যে আপনি যোগ বা বিয়োগ করতে চান। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় স্প্রেডশিট সফটওয়্যারের মৌলিক সিনট্যাক্স নিয়ে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। ফর্মুলার পাশাপাশি এক্সেলে ব্যবহৃত বিভিন্ন ফাংশন যেমন সাম ও এভারেজ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখতে হবে।
a Line chart
b Dot chart
c Pic chart
d Column chart
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Column chart ১. কেন সঠিক: - মাইক্রোসফট এক্সেল স্প্রেডশিট প্রোগ্রামে বিভিন্ন ক্যাটাগরি বা শ্রেণির ডেটার মান তুলনা করার জন্য কলাম চার্ট সবচেয়ে উপযোগী গ্রাফিক্যাল মাধ্যম। - এটি উল্লম্ব আয়তক্ষেত্র বা কলামের মাধ্যমে বিভিন্ন আইটেমের মধ্যে সহজে দৃশ্যমান পার্থক্য ও তুলনা ফুটিয়ে তোলে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: কলাম চার্ট হলো এক ধরণের ডেটা ভিজ্যুয়ালাইজেশন টুল যা অনুভূমিক অক্ষে ক্যাটাগরি এবং উল্লম্ব অক্ষে সংখ্যাগত মান প্রদর্শন করে। - কার্যপদ্ধতি: এক্সেল ব্যবহারকারী ডেটা সিলেক্ট করার পর ইনসার্ট মেনু থেকে কলাম চার্ট নির্বাচন করলে, প্রতিটি সারির মান অনুযায়ী আলাদা কলাম তৈরি হয়। - ব্যবহার: ব্যবসায়িক প্রতিবেদন, পরীক্ষার ফলাফল তুলনা এবং মাসিক আয়-ব্যয়ের বিশ্লেষণে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিভিন্ন বিষয়ের প্রাপ্ত নম্বর ব্যাখ্যা: বাংলা, ইংরেজি ও গণিত বিষয়ে একজন শিক্ষার্থীর প্রাপ্ত নম্বর তুলনা করতে কলাম চার্ট ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: মাসিক বিক্রয় হিসাব ব্যাখ্যা: জানুয়ারি থেকে জুন মাসের পণ্যের বিক্রয় পরিমাণ পাশাপাশি রেখে তুলনা করতে এই চার্ট ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Line chart — লাইন চার্ট মূলত একটি নির্দিষ্ট সময় ধরে ডেটার পরিবর্তনের ধারা বা ট্রেন্ড বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, ক্যাটাগরি ভিত্তিক সরাসরি তুলনার জন্য নয়। B) Dot chart — ডট চার্ট ডেটার বিস্তার বা ডিস্ট্রিবিউশন দেখাতে ব্যবহৃত হয়, যা ক্যাটাগরি তুলনার জন্য এক্সেলের প্রধান বা আদর্শ চার্ট নয়। C) Pic chart — পাই চার্ট একটি সম্পূর্ণ বৃত্তের অংশ হিসেবে বিভিন্ন উপাদানের শতকরা বা আনুপাতিক ভাগ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, সামগ্রিক ক্যাটাগরি তুলনার জন্য নয়। D) Column chart — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ক্যাটাগরিভিত্তিক ডেটা তুলনার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত এবং সরাসরি মান তুলনা করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - ক্যাটাগরি তুলনা মানেই কলাম চার্ট বা বার চার্ট মাথায় রাখবে। - সময়ের পরিবর্তন দেখলে লাইন চার্ট এবং শতকরা অংশ দেখলে পাই চার্ট নির্বাচন করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মাইক্রোসফট এক্সেলে চার্ট তৈরির শর্টকাট কি হলো এফ ইলেভেন (F11)। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কোন চার্ট কোন কাজে ব্যবহৃত হয় তা থেকে প্রশ্ন আসে।
a Tab
b Cell
c Box
d Range
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Cell ১. কেন সঠিক: - মাইক্রোসফট এক্সেলে ডেটা এন্ট্রি করার সবচেয়ে ছোট এবং মৌলিক একক হলো সেল। - সারি এবং কলামের ছেদ বিন্দুতে গঠিত একটি বাক্সের মতো ক্ষেত্রকে সেল বলা হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: স্প্রেডশিট প্রোগ্রামে রো ও কলামের মিলিত রূপ হলো সেল যেখানে নির্দিষ্ট তথ্য সংরক্ষণ করা হয়। - কার্যপদ্ধতি: ব্যবহারকারী কীবোর্ড বা মাউসের মাধ্যমে সরাসরি সেল সিলেクト করে ডেটা বা সূত্র ইনপুট প্রদান করেন। - ব্যবহার: হিসাব-নিকাশ, বাজেট তৈরি এবং গ্রাফ বা চার্ট তৈরির মূল ভিত্তি হিসেবে সেল ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাইক্রোসফট এক্সেলের প্রথম সেলটির নাম এ ওয়ান (A1)। ব্যাখ্যা: এখানে এ (A) হলো কলাম এবং ওয়ান (1) হলো রো, যা নির্দেশ করে সেলটি প্রথম কলাম ও প্রথম সারিতে অবস্থিত। উদাহরণ ২: মাসিক খরচের হিসাবের টেবিলে পণ্যের নাম বা দাম লেখার জন্য নির্দিষ্ট সেল ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: প্রতিটি সেল একটি স্বাধীন খামের মতো কাজ করে যেখানে একক মান বা সূত্র বসানো যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Tab — ট্যাব হলো স্প্রেডশিট ফাইলের নিচের অংশে অবস্থিত পাতা বা শিট পরিবর্তনের মাধ্যম, সরাসরি ডেটা এন্ট্রি করার একক নয়। C) Box — বক্স একটি সাধারণ জ্যামিতিক বা দৃশ্যমান রূপ, এটি মাইক্রোসফট এক্সেলে ডেটা এন্ট্রি করার কোনো প্রাতিষ্ঠানিক বা সফটওয়্যারভিত্তিক নাম নয়। D) Range — রেঞ্জ হলো একাধিক সেলের সমষ্টি বা গুচ্ছ, যা একক কোনো ডেটা এন্ট্রি করার মৌলিক একক হিসেবে গণ্য হয় না। ৫. মনে রাখার টিপস: - ঘরের ভেতরে যেমন ছোট ছোট ইটের ব্লক থাকে, তেমনি এক্সেলে ডেটা রাখার ছোট ব্লক হলো সেল। - কলাম ও সারির মিলনেই সেল তৈরি হয়, এটি মনে রাখলে পরীক্ষার উত্তর ভুল হবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মাইক্রোসফট এক্সেলের প্রতিটি সেলের নিজস্ব একটি অনন্য ঠিকানা বা সেল রেফারেন্স থাকে। - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় স্প্রেডশিট ও ডেটাবেজ সম্পর্কিত মৌলিক প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
a Paper size
b Page rotation
c Paper orientation
d Page layout
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Paper orientation ১. কেন সঠিক: মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে ডকুমেন্টের পৃষ্ঠা লম্বালম্বি বা আড়াআড়িভাবে সাজানোর পদ্ধতিকে পেপার ওরিয়েন্টেশন বলা হয়। পোর্ট্রেট ও ল্যান্ডস্কেপ এই দুই ধরনের ওরিয়েন্টেশনের মাধ্যমে ডকুমেন্টের লেআউট নির্ধারণ করা হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: পেপার ওরিয়েন্টেশন হলো প্রিন্ট করার সময় কাগজের দিক বা বিন্যাস নির্ধারণ করার একটি বৈশিষ্ট্য। কার্যপদ্ধতি: এর মাধ্যমে ব্যবহারকারী প্রিন্টারের জন্য পৃষ্ঠা লম্বালম্বি বা অনুভূমিকভাবে প্রদর্শন ও বিন্যাস করতে পারেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সাধারণ জীবনবৃত্তান্ত বা চিঠি লেখার সময় পোর্ট্রেট ওরিয়েন্টেশন ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: এতে পৃষ্ঠা লম্বালম্বি থাকে এবং স্বাভাবিক লেখার জন্য এটি উপযোগী। উদাহরণ ২: বড় কোনো চার্ট বা টেবিল তৈরির সময় ল্যান্ডস্কেপ ওরিয়েন্টেশন ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: এতে পৃষ্ঠা আড়াআড়িভাবে বড় জায়গা পায় এবং ডেটা সহজে ধারণ করতে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Paper size — পেপার সাইজ বলতে কাগজের পরিমাপ বোঝায়, যেমন লেটার, এ ফোর বা লিগ্যাল সাইজ। B) Page rotation — পেপার রোটেশন বলতে সাধারণত কোনো নির্দিষ্ট অবজেক্ট বা ইমেজ ঘোরানো বোঝায়, পুরো পৃষ্ঠার বিন্যাস নয়। D) Page layout — পেপার লেআউট একটি সামগ্রিক ধারণা যার মধ্যে মার্জিন, কলাম ও ওরিয়েন্টেশন সবই অন্তর্ভুক্ত থাকে। ৫. মনে রাখার টিপস: ওরিয়েন্টেশন মানেই পৃষ্ঠার দিক পরিবর্তন করা। পোর্ট্রেট মানে লম্বালম্বি এবং ল্যান্ডস্কেপ মানে আড়াআড়ি দিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের পেজ সেটআপ গ্রুপ থেকে পেপার ওরিয়েন্টেশন পরিবর্তন করা যায়। কম্পিউটার পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের ডকুমেন্ট ফরম্যাটিং সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে।
a First page
b Last page
c Odd pages
d All pages
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) All pages ১. কেন সঠিক: এমএস ওয়ার্ড (MS Word) বা মাইক্রোসফট ওয়ার্ড সফটওয়্যারে ফুটার (Footer) যুক্ত করলে তা ডিফল্ট বা স্বাভাবিক নিয়ম অনুযায়ী ডকুমেন্টের প্রতিটি পৃষ্ঠায় স্বয়ংক্রিয়ভাবে মুদ্রিত হয়। ব্যবহারকারীর বিশেষ কোনো নির্দেশ বা পেজ সেটআপ পরিবর্তন না করা পর্যন্ত এই নিয়মটি অপরিবর্তিত থাকে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ফুটার হলো ওয়ার্ড ডকুমেন্টের প্রতিটি পৃষ্ঠার নিচের মার্জিনে অবস্থিত নির্দিষ্ট অংশ, যেখানে পেজ নম্বর, লেখকের নাম বা ডকুমেন্টের শিরোনাম যুক্ত করা হয়। কার্যপদ্ধতি: একবার ফুটার অপশনে কোনো লেখা বা অবজেক্ট ইনসার্ট করলে সফটওয়্যারটি কোডিংয়ের মাধ্যমে তা ডকুমেন্টের প্রথম পাতা থেকে শেষ পাতা পর্যন্ত সব পাতায় ডুপ্লিকেট বা প্রদর্শন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: একটি গবেষণাপত্র তৈরি করার সময় পাতার নিচে ফুটার অপশনে যদি পৃষ্ঠা নম্বর যোগ করা হয়, তবে তা ডকুমেন্টের প্রথম পৃষ্ঠা থেকে শুরু করে শততম পৃষ্ঠা পর্যন্ত সব পৃষ্ঠায় দৃশ্যমান হবে। ব্যাখ্যা: এটি বারবার প্রতিটি পৃষ্ঠায় আলাদা করে লেখার ঝামেলা দূর করে এবং পুরো ডকুমেন্টে একরৈখিক বিন্যাস বজায় রাখে। উদাহরণ ২: অফিশিয়াল কোনো চুক্তিপত্রে ফুটার অংশে প্রতিষ্ঠানের নাম ও পাতার নম্বর যুক্ত করলে তা সব পৃষ্ঠায় প্রিন্ট হয়ে বের হয়। ব্যাখ্যা: এর ফলে ডকুমেন্টের প্রতিটি পাতার সত্যতা ও ধারাবাহিকতা রক্ষা পায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) First page — প্রথম পৃষ্ঠায় ফুটার প্রিন্ট হতে পারে, তবে তা কেবল প্রথম পৃষ্ঠাতেই সীমাবদ্ধ থাকে না, বরং অন্য পৃষ্ঠাগুলোতেও প্রিন্ট হয়। B) Last page — ফুটার কখনোই শুধু শেষ পৃষ্ঠায় প্রিন্ট হয় না, কারণ শেষ পৃষ্ঠা ফুটারের মূল উদ্দেশ্য নয়। C) Odd pages — বিজোড় পৃষ্ঠাসমূহে ফুটার প্রিন্ট করার জন্য আলাদা সেটিং বা ডিফারেন্ট ওড অ্যান্ড ইভেন পেজ অপশন চালু করতে হয়, যা ডিফল্ট নয়। D) All pages — এই অপশনটি সঠিক কারণ এমএস ওয়ার্ডের ডিফল্ট বা প্রাক-নির্ধারিত নিয়ম হলো ফুটার সব পৃষ্ঠায় প্রিন্ট হওয়া। ৫. মনে রাখার টিপস: এমএস ওয়ার্ডে হেডার ও ফুটার হলো গ্লোবাল উপাদান, যা একবার সেট করলে পুরো ডকুমেন্টের সব পাতার ওপর এবং নিচে ছড়িয়ে পড়ে। মনে রাখতে হবে যে, ফুটার মানেই ডকুমেন্টের সব পাতা বা অল পেজে তার উপস্থিতি নিশ্চিত করা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এমএস ওয়ার্ডের হেডার ও ফুটারের শর্টকাট বা পেজ সেটআপ অপশন থেকে প্রথম পৃষ্ঠায় ভিন্ন ফুটার ব্যবহারের জন্য ডিফারেন্ট ফার্স্ট পেজ অপশন নির্বাচন করতে হয়। এই ধরনের প্রশ্নগুলো বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই এমএস অফিস ক্যাটাগরিতে আসে।