বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (CAAB)

বাংলদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ পরীক্ষা ২০২১

পদের নাম: সহকারী নিরাপত্তা কর্মকর্তা (৯ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (80)

a নি + টুর
b নিঃ+ ঠুর
c নিঃ + টুর
d নি+ইর
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নিঃ + ঠুর ১. কেন সঠিক: নিষ্ঠুর শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ হলো নিঃ + ঠুর। এটি বিসর্গ সন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম অনুযায়ী সাধিত হয়েছে। এখানে বিসর্গের পর ঠ থাকার কারণে বিসর্গটি ষ এ রূপান্তরিত হয়েছে এবং শব্দের গঠনে তা যুক্ত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বিসর্গের পর চ, ছ বা শ থাকলে বিসর্গ স্থানে শ হয়। বিসর্গের পর ট, ঠ বা ষ থাকলে বিসর্গ স্থানে ষ হয়। এখানে নিঃ এর পর ঠ থাকার কারণে বিসর্গটি ষ এ পরিণত হয়ে নিষ্ঠুর শব্দ গঠন করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নিঃ + ঠক = নিষ্টক ব্যাখ্যা: বিসর্গের পর ঠ থাকার কারণে বিসর্গটি ষ এ রূপান্তরিত হয়ে নিষ্টক শব্দটি গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: চতুঃ + ঠিকা = চতুষ্টিকা ব্যাখ্যা: বিসর্গের পর ঠ থাকার নিয়ম অনুসারে বিসর্গ স্থানে ষ যুক্ত হয়ে এই শব্দটি তৈরি হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নি + টুর — এটি ভুল কারণ এখানে বিসর্গ চিহ্ন অনুপস্থিত এবং ব্যাকরণগত নিয়ম মানা হয়নি। C) নিঃ + টুর — এটি ভুল কারণ ট এর পূর্বে বিসর্গ থাকলে তা মূর্ধন্য ষ হওয়ার কথা, কিন্তু এখানে সঠিক উচ্চারণ ও নিয়ম রক্ষিত হয়নি। D) নি+ইর — এটি ভুল কারণ এই সন্ধি বিচ্ছেদের মাধ্যমে কখনো নিষ্ঠুর শব্দ গঠিত হতে পারে না। ৫. মনে রাখার টিপস: বিসর্গের সাথে ট বা ঠ যুক্ত হলে বিসর্গ তুলে দিয়ে মূর্ধন্য ষ বসাতে হয়। নিঃ যোগ ঠুর মিলে নিষ্ঠুর হয় এই সহজ সূত্রটি মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসর্গ সন্ধির এই নিয়মটি বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ট, ঠ এবং চ, ছ এর ক্ষেত্রে বিসর্গের পরিবর্তন ভালোভাবে আয়ত্ত করবে।
a আমি হব সকাল বেলার পাখি।
b তুমি বোধ হয় কঠিন অঙ্কটা বুঝবে।
c আমিনা কথা বলতে থাকবে।
d আমার ছোট ভাই লিখছে।
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আমি হব সকাল বেলার পাখি। ১. কেন সঠিক: ক্রিয়ার যে রূপ দ্বারা ভবিষ্যতে কোনো কাজ সাধারণভাবে সম্পন্ন হবে বোঝায়, তাকে সাধারণ ভবিষ্যৎ কাল বলে। এই বাক্যে 'হব' ক্রিয়াটি দ্বারা ভবিষ্যতের একটি সাধারণ ঘটনা বা ইচ্ছা প্রকাশ করা হয়েছে, যা সাধারণ ভবিষ্যৎ কালের নিয়মকে পুরোপুরি সমর্থন করে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: কালের দিক থেকে ভবিষ্যৎ কাল মূলত চার প্রকার, যথা সাধারণ ভবিষ্যৎ, ঘটমান ভবিষ্যৎ, পুরাঘটিত ভবিষ্যৎ ও ভবিষ্যৎ অনুজ্ঞা। সাধারণ ভবিষ্যৎ কালে ক্রিয়ার শেষে ব, বে, বেন ইত্যাদি বিভক্তি যুক্ত হয় এবং কাজটি ভবিষ্যতে স্বাভাবিকভাবে ঘটবে বোঝায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাল আমরা ঢাকা যাব। ব্যাখ্যা: এখানে 'যাব' ক্রিয়াটি ভবিষ্যতে সাধারণ অর্থে সম্পন্ন হওয়ার কারণে এটি সাধারণ ভবিষ্যৎ কালের উদাহরণ। উদাহরণ ২: সে আগামীকাল একটি চিঠি লিখবে। ব্যাখ্যা: এখানে 'লিখবে' ক্রিয়াটি ভবিষ্যৎকালের সাধারণ ঘটনা প্রকাশ করায় এটি সাধারণ ভবিষ্যৎ কাল হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আমি হব সকাল বেলার পাখি। — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি সাধারণ ভবিষ্যৎ কালের রূপ। B) তুমি বোধ হয় কঠিন অঙ্কটা বুঝবে। — এখানে 'বোধ হয়' পদের কারণে এটি সম্ভাবনাময় বা অনুমিত ভবিষ্যৎ কাল নির্দেশ করে, সাধারণ ভবিষ্যৎ নয়। C) আমিনা কথা বলতে থাকবে। — এখানে ক্রিয়াটি ভবিষ্যতে চলতে থাকা বোঝায়, যা ঘটমান ভবিষ্যৎ কালের অন্তর্গত। D) আমার ছোট ভাই লিখছে। — এখানে ক্রিয়াটি বর্তমানকালে চলমান থাকা বোঝায়, তাই এটি ঘটমান বর্তমান কাল। ৫. মনে রাখার টিপস: সাধারণ ভবিষ্যৎ কাল চেনার সহজ উপায় হলো ক্রিয়ার শেষে ব, বে বা বেন যুক্ত থাকা এবং বাক্যে কোনো সন্দেহ বা চলমানতা না থাকা। যেমন হবো, যাবে, করবে এগুলো সাধারণ ভবিষ্যৎ কালের রূপ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ভবিষ্যৎ কালের বিভিন্ন প্রকারভেদ থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। ক্রিয়ার গঠন ও বাক্যের অর্থ ভালোভাবে খেয়াল করে সাধারণ এবং ঘটমান ভবিষ্যতের পার্থক্য নির্ণয় করতে হবে।
a যতীন্দ্রমোহন বাগচী
b রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
c কাজী নজরুল ইসলাম
d জসীমউদদীন
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) যতীন্দ্রমোহন বাগচী কেন সঠিক: - এই কবিতাটি বিখ্যাত কবি যতীন্দ্রমোহন বাগচীর একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি। - গ্রামীণ পরিবারের মর্মান্তিক শোক ও নিখাদ ভাইবোনের ভালোবাসা এই কবিতায় ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা সাহিত্যের একটি শোকভিত্তিক ও করুণ রসাত্মক পল্লি কবিতা। - কবিতাটিতে প্রাত্যহিক জীবনের সহজ ভাষা ও ছন্দের সুনিপুণ প্রয়োগ দেখা যায়। - কাজলা দিদি হারানোর বেদনা একজন ছোট ভাইয়ের নিষ্পাপ জবানিতে প্রকাশ করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) যতীন্দ্রমোহন বাগচী — ইনিই এই কবিতার একমাত্র ও সঠিক রচয়িতা। - B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি নোবেলজয়ী বিশ্বকবি হলেও এই কবিতাটি লেখেননি। - C) কাজী নজরুল ইসলাম — ইনি আমাদের জাতীয় কবি যিনি মূলত বিদ্রোহী ও প্রেমের কবিতা লিখেছেন। - D) জসীমউদদীন — ইনি পল্লি কবি হিসেবে পরিচিত হলেও এই বিশেষ কবিতাটি তাঁর লেখা নয়। মনে রাখার টিপস: - কাজলা দিদি কবিতার দিদির জন্য মন পোড়ে, যতীন বাবুর কলমে তা জোড়ে।
a প্যারীচাঁদ মিত্র
b মাইকেল মধুসূদন দত্ত
c প্রমথ চৌধুরী
d দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১. কেন সঠিক: - দীনবন্ধু মিত্রের বিখ্যাত নাটক নীলদর্পণ ইংরেজিতে অনুবাদ করেন মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত। - ১৮৬০ সালে প্রকাশিত এই নাটকটি প্রকাশের পর এর ইংরেজি অনুবাদের মাধ্যমে বাংলার নীলকর সাহেবদের ওপর চালিত নির্মম অত্যাচারের চিত্র ইউরোপের মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক এবং প্রথম সার্থক নাট্যকার। - নীলদর্পণ নাটকটি রেভারেন্ড জেমসের নামে প্রকাশিত হলেও এর ইংরেজি অনুবাদ দ্য ইন্ডগো প্লান্টিং মিরর নামে প্রকাশ করেছিলেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মেঘনাদবধ কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচিত মহাকাব্য এবং বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য। উদাহরণ ২: একেই কি বলে সভ্যতা ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত একটি বিখ্যাত প্রহসন যা সমাজের কুসংস্কার নিয়ে লেখা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্যারীচাঁদ মিত্র — তিনি বাংলা উপন্যাসের জনক এবং আলালের ঘরের দুলাল উপন্যাসের রচয়িতা, নীলদর্পণ অনুবাদ করেননি। B) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — এটি সঠিক উত্তর এবং তিনি নীলদর্পণ নাটকটি ইংরেজিতে অনুবাদ করেছিলেন। C) প্রমথ চৌধুরী — তিনি বাংলা সাহিত্যে চলতি ভাষারীতির প্রবর্তক এবং সবুজপত্র পত্রিকার সম্পাদক, নীলদর্পণের সঙ্গে যুক্ত নন। D) দ্বিজেন্দ্রলাল রায় — তিনি একজন প্রখ্যাত নাট্যকার ও গীতিকার, তাঁর বিখ্যাত নাটকের মধ্যে চন্দ্রগুপ্ত ও শাহজাহান উল্লেখযোগ্য। ৫ মনে রাখার টিপস: - নাটকটি লিখেছিলেন দীনবন্ধু মিত্র আর তা ইংরেজিতে রূপান্তর করেছিলেন মধুসূদন দত্ত। - নামের মিল বা নামের প্রথম অক্ষর দিয়ে মনে রাখতে পারো দীনবন্ধুর নীলদর্পণ ইংরেজিতে রূপ দিয়েছেন মধুসূদন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই নীলদর্পণ নাটকের লেখক এবং এর ইংরেজি অনুবাদক সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। - একই সঙ্গে মনে রাখতে হবে এই নাটকটি প্রকাশের জন্য জেমস লং কারাবরণ করেছিলেন।
a পালাগান
b নাটক
c পদাবলি কাব্য
d কাব্য
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কাব্য ১. কেন সঠিক: - চন্দ্রাবতী একটি মহাকাব্য বা বর্ণনামূলক কাব্য হিসেবে পরিচিত যা মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের সঙ্গে সম্পর্কিত। - বদ্বীপ পাবলিশংসহ বিভিন্ন প্রকাশনায় ডক্টর দীনেশচন্দ্র সেনের মৈমনসিংহ গীতিকার অবলম্বনে বা অন্য কোনো কবির রচনার প্রেক্ষاپটে এটি কাব্য হিসেবে স্বীকৃত। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগে প্রথম বাঙালি নারী কবি হিসেবে চন্দ্রাবতীর বিশেষ পরিচিতি রয়েছে যিনি ষোড়শ শতাব্দীতে আবির্ভূত হন। - মহাকবি কৃত্তিবাস ও অন্যান্য সাহিত্যিক প্রেক্ষাপটে চন্দ্রাবতী নামটিকে নিয়ে পরবর্তীকালে আধুনিক যুগেও বিভিন্ন সাহিত্যকর্ম রচিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মহাশ্বেতার রামহরি ও অন্যান্য ব্যাখ্যা: এটি আধুনিক যুগের একটি উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ যা সাহিত্যিক ঐতিহ্য বহন করে। উদাহরণ ২: নকশী কাঁথার মাঠ ব্যাখ্যা: এটি জসীমউদ্দীনের একটি বিখ্যাত বর্ণনামূলক কাব্য বা গাথা কাব্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পালাগান — চন্দ্রাবতী কোনো পালাগান নয় যদিও মৈমনসিংহ গীতিকার পালাগুলোর সঙ্গে এর ঐতিহাসিক যোগসূত্র থাকতে পারে। B) নাটক — চন্দ্রাবতী কোনো নাটক বা মঞ্চনাটক নয় এটি মূলত একটি কাব্যগ্রন্থ। C) পদাবলি কাব্য — পদাবলি কাব্য সাধারণত রাধা-কৃষ্ণের প্রেমলীলা বা বৈষ্ণব পদ নিয়ে রচিত হয় যা চন্দ্রাবতীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। D) কাব্য — এটি সঠিক কারণ এটি একটি কাব্য বা সাহিত্যকর্ম হিসেবে পরীক্ষামূলক ও প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি পেয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - চন্দ্রাবতী নাম দেখলেই মনে রাখবে এটি মধ্যযুগের নারী কবি এবং এর সঙ্গে জড়িত সাহিত্যকর্ম মূলত কাব্য ধারার অন্তর্ভুক্ত। - পরীক্ষার হলে নাটকের সঙ্গে কাব্যকে গুলিয়ে ফেলবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মধ্যযুগের একমাত্র নারী কবি হিসেবে চন্দ্রাবতীর নাম এবং তার রামায়ণ অনুবাদের তথ্যটি খুব ভালোভাবে মনে রাখবে। - এই ধরনের সাহিত্যিক প্রশ্নের ক্ষেত্রে রচনার ধরন বা জেনার ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে।
a কাহ্নপা
b ঢেগুনপা
c লুইপা
d ভুসুকুপা
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) লুইপা কেন সঠিক: ডক্টর সুকুমার সেন এবং অন্যান্য প্রথিতযশা সাহিত্য গবেষকদের মতে লুইপাকে চর্যাপদের আদি কবি হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। চর্যাপদের প্রাপ্ত পদগুলোর মধ্যে লুইপার রচিত পদটিকে প্রথম পদ হিসেবে গণ্য করা হয় যা চর্যাপদের প্রাচীনত্ব প্রমাণ করে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম কাব্য নিদর্শন যা মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের সাধনা ও দর্শনের গান। ডক্টর মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেন। চর্যাপদের ভাষাকে সান্ধ্য ভাষা বা আলো-আঁধারি ভাষা বলা হয় এবং এর রচনাকাল আনুমানিক দশম থেকে দ্বাদশ শতাব্দী। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাহ্নপা — কাহ্নপা চর্যাপদের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও সর্বাধিক পদ রচয়িতা হলেও তিনি আদি কবি নন। B) ঢেগুনপা — ঢেগুনপা চর্যাপদের একজন বিশিষ্ট কবি হলেও তিনি এই সাহিত্যিক ধারার সূচনা করেননি। C) লুইপা — এই অপশনটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। D) ভুসুকুপা — ভুসুকুপা চর্যাপদের একজন জনপ্রিয় কবি যিনি বাঙালি কবি হিসেবে পরিচিত হলেও আদি কবি নন। মনে রাখার টিপস: চর্যাপদের আদি কবি মনে রাখার জন্য লুইপা নামের ল অক্ষরটি দিয়ে প্রথম বা শুরুর কথাটি মাথায় রাখতে হবে। লুইপা নামটি চর্যাপদের শুরুর দিকের পদগুলোর সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত যা সহজেই পরীক্ষার্থীদের মনে থাকে।
a দোহাতি
b কুশাল
c সব্যসাচী বল
d দ্বিজ
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সব্যসাচী বল ১. কেন সঠিক: - 'যার দুহাত সমান চলে' এই বাক্যের প্রমিত ও সংকুচিত রূপ হলো সব্যসাচী। - প্রদত্ত প্রশ্নে কিছুটা অসংগতি রয়েছে কারণ অপশনে শুধু সব্যসাচী থাকার কথা, কিন্তু এখানে সব্যসাচী বল লেখা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - এককথায় প্রকাশ ব্যাকরণের শব্দার্থ বা বাক্য সংকোচন অংশের অন্তর্ভুক্ত। - বড় একটি ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যমেই ভাষা সংক্ষিপ্ত ও সুন্দর হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যিনি অনেক বিষয়ে জানেন ব্যাখ্যা: একে এককথায় সর্বজ্ঞ বলা হয়। উদাহরণ ২: যা কখনো নষ্ট হয় না ব্যাখ্যা: একে এককথায় অবিনশ্বর বলা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দোহাতি — এটি কোনো প্রমিত এককথায় প্রকাশ নয়। B) কুশাল — এর অর্থ দক্ষ বা নিপুণ ব্যক্তি। C) সব্যসাচী বল — মূল উত্তর সব্যসাচী হলেও এখানে অতিরিক্ত বল যুক্ত করা হয়েছে। D) দ্বিজ — এর অর্থ যার জন্ম দুই বার হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - সবী অর্থ দুই এবং সাচী অর্থ দক্ষ, অর্থাৎ যার দুই হাত সমান চলে তাকে সব্যসাচী বলে। - অর্জুন ও ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহকে সব্যসাচী বলা হয় কারণ তারা উভয় হাতে লিখতে পারতেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - প্রমিত বাংলা একাডেমি বানানরীতি অনুসরণ করে এসব শব্দের সঠিক রূপ মুখস্থ রাখতে হবে।
a গাছে কাঁঠাল গোঁফে তেল
b ঝোপ বুঝে কোপ মারা
c খাল কেটে কুমির আনা
d ছাই ফেলতে ভাঙা কুলো
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) গাছে কাঁঠাল গোঁফে তেল কেন সঠিক: - এই প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো কাঁঠাল গাছে থাকা অবস্থাতেই গোঁফে তেল লাগানো। - কোনো বস্তু বা সাফল্য হাতে পাওয়ার আগেই তা ভোগ করার অতিরিক্ত প্রস্তুতি নেওয়া বোঝাতে এটি ব্যবহার করা হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় প্রবাদ ও প্রবচন। - প্রবচনগুলো মানুষের জীবনের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা ও সমাজচিত্র থেকে সৃষ্টি হয়। - এই প্রবাদটি মানুষের অতিশয় আশাবাদী ও অলীক কল্পনার অবস্থাকে সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলে। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) গাছে কাঁঠাল গোঁফে তেল — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। - B) ঝোপ বুঝে কোপ মারা — এর অর্থ সুযোগ বুঝে কাজ হাসিল করা। - C) খাল কেটে কুমির আনা — এর অর্থ বোকামির কারণে বিপদ ডেকে আনা। - D) ছাই ফেলতে ভাঙা কুলো — এর অর্থ সামান্য কাজের জন্য উপেক্ষিত বা অবহেলিত ব্যক্তি বা বস্তু। মনে রাখার টিপস: - কাঁঠাল খাওয়ার আগেই গোঁফে তেল মাখা মানেই নিশ্চিত হওয়ার আগেই আনন্দ প্রকাশ করা।
a অলক্ষ্মীর দশা
b অগ্নি পরীক্ষা
c অদৃষ্টের পরিহাস
d আটক
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অদৃষ্টের পরিহাস ১. কেন সঠিক: - 'বিধির বিড়ম্বনা' বাগধারাটির মূল অর্থ হলো ভাগ্যের নিষ্ঠুর পরিহাস বা দুর্ভাগ্যের নির্মম খেলা। - এখানে 'বিধি' শব্দের অর্থ ভাগ্য বা নিয়তি এবং 'বিড়ম্বনা' শব্দের অর্থ প্রতারণা বা ঠাট্টা। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি একটি জনপ্রিয় বাংলা বাগধারা যা মানুষের জীবনের অপ্রত্যাশিত ও নিষ্ঠুর misfortunes বা ট্র্যাজেডি প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়। - প্রমিত বাংলা শব্দভান্ডারে বিমূর্ত অনুভূতি বা ভাগ্যের নির্মম বাস্তবতাকে ফুটিয়ে তুলতে এই ধরনের বাগধারার বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সারাজীবন কঠোর পরিশ্রম করেও ব্যবসায় সফল হতে না পারা যেন বিধির বিড়ম্বনা। ব্যাখ্যা: অতিরিক্ত পরিশ্রমের পরও কাঙ্ক্ষিত ফল না পাওয়ার অবস্থাকে বোঝাতে এই বাক্যটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: পরীক্ষার ঠিক আগের রাতে অসুস্থ হয়ে পড়া আমার জন্য এক চরম বিধির বিড়ম্বনা। ব্যাখ্যা: সব প্রস্তুতি থাকার পরও হঠাৎ কোনো দুর্ভাগ্যের কারণে সুযোগ হাতছাড়া হওয়ার অবস্থাকে বোঝাতে এটি প্রযোজ্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অলক্ষ্মীর দশা — এই বাগধারাটির অর্থ দুর্ভাগ্যের আগমন বা অলক্ষ্মী ভর করা, যা বিধির বিড়ম্বনার সমার্থক নয়। B) অগ্নি পরীক্ষা — এই বাগধারাটির অর্থ কঠিন পরীক্ষা বা কঠোর সংকট, যা ভাগ্যের পরিহাসের অর্থে ব্যবহৃত হয় না। C) অদৃষ্টের পরিহাস — এটি সঠিক উত্তর। D) আটক — এটি কোনো বাগধারা নয়, বরং একটি সাধারণ ক্রিয়াপদের রূপ বা বিশেষ্য শব্দ। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিধি মানে ভাগ্য আর বিড়ম্বনা মানে ঠাট্টা। ভাগ্য যখন মানুষের সঙ্গে নিষ্ঠুর ঠাট্টা করে, তখন তাকে অদৃষ্টের পরিহাস বা বিধির বিড়ম্বনা বলা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সমার্থক বাগধারা থেকে প্রশ্ন আসে। - 'অদৃষ্টের পরিহাস', 'নিয়তির নির্মম খেলা' বা 'বিধির বিড়ম্বনা' প্রায় একই ভাব প্রকাশ করে।
a আয়ত্তে আনা
b হস্তচ্যুত হওয়া
c কার্যে বিরতি
d দক্ষতা
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কার্যে বিরতি কেন সঠিক: - বাক্যে হাত গুটিয়ে বসে থাকা একটি বিশেষ বাগধারা হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। - এর মাধ্যমে কোনো কাজ না করে অলসভাবে সময় কাটানো বা কাজ বন্ধ রাখাকে বোঝানো হয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ভাষায় শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দিয়ে অনেক অর্থবহ বাগধারা তৈরি হয়। - হাত শব্দটির সাথে গুটিয়ে নেওয়া যুক্ত হয়ে এখানে নিষ্ক্রিয়তা বা কাজের অভাব প্রকাশ পেয়েছে। - যেমন হাত গুটানো মানে কাজ বন্ধ করা বা গুটিয়ে নেওয়া। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) আয়ত্তে আনা — এই অর্থটি হাত করা বাগধারার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, যা এখানে খাপ খায় না। - B) হস্তচ্যুত হওয়া — এর অর্থ হাতছাড়া হওয়া, যা এই বাক্যের ভাবের সাথে মেলে না। - C) কার্যে বিরতি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। - D) দক্ষতা — এই অর্থটি হাত পাকা বা হাত সায় দেওয়া শব্দের সাথে সম্পর্কিত, যা এখানে অনুপস্থিত। মনে রাখার টিপস: - হাত গুটানো মানে কাজ বন্ধ রাখা এবং হাত খোলা মানে দানশীল হওয়া বা উদার হওয়া।
a তরল
b গরল
c কটু
d তিক্ত
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গরল ১. কেন সঠিক: 'অমৃত' শব্দের অর্থ সুধা, পিযূষ বা যা মৃত্যু নিবারণ করে। এর বিপরীতে 'গরল' শব্দের অর্থ বিষ বা যা জীবননাশ করে, তাই এটি সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি শব্দভাণ্ডার বা বিপরীতার্থক শব্দের একটি প্রশ্ন। বিপরীত শব্দ হলো এমন শব্দ যা অন্য একটি শব্দের সম্পূর্ণ উল্টো বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আলোক - অন্ধকার ব্যাখ্যা: আলোক বা আলোর সম্পূর্ণ বিপরীত অবস্থা হলো অন্ধকার। উদাহরণ ২: জন্ম - মৃত্যু ব্যাখ্যা: জন্ম শব্দের বিপরীত অর্থ হলো মৃত্যু বা অবসান। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তরল — তরল অর্থ যা কঠিন বা বায়বীয় নয়, এটি অমৃতের বিপরীত শব্দ নয়। B) গরল — এটি সঠিক উত্তর। C) কটু — কটু শব্দের অর্থ তিতা বা কর্কশ, এটি অমৃতের বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে যথাযথ নয়। D) তিক্ত — তিক্ত শব্দের অর্থ তিতা, যা মূলত মিষ্টি বা সুস্বাদু শব্দের বিপরীত। ৫. মনে রাখার টিপস: অমৃত অর্থ সুধা বা ভালো জিনিস, আর গরল অর্থ বিষ বা খারাপ জিনিস। সুধা ও বিষ যেভাবে পরস্পরের বিপরীত, অমৃত ও গরল সেভাবে বিপরীত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সংস্কৃত বা তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ জানতে চাওয়া হয়। তাই তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দগুলো আলাদাভাবে চর্চা করা উচিত।
a খরগোশ
b সমুদ্র
c সূর্য
d চাঁদ
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) চাঁদ ১. কেন সঠিক: 'শশাঙ্ক' শব্দটির অর্থ হলো চাঁদ। সংস্কৃতে শশ শব্দের অর্থ খরগোশ এবং অংক শব্দের অর্থ চিহ্ন, তাই যার গায়ে খরগোশের চিহ্ন বা দাগ আছে তাকে শশাঙ্ক বলা হয় এবং পৌরাণিক বিশ্বাস অনুযায়ী চাঁদের গায়ে খরগোশের আকৃতির দাগ দেখা যায় বলে চাঁদকে শশাঙ্ক বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডার বা সমার্থক শব্দের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। শশাঙ্ক শব্দটি মূলত সংস্কৃত ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে এবং এটি বিশেষ্য পদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুধাকর ব্যাখ্যা: সুধাকর শব্দের অর্থ চাঁদ, যা শশাঙ্ক শব্দের সমার্থক হিসেবে বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। উদাহরণ ২: শশধর ব্যাখ্যা: শশধর শব্দের অর্থ যার কোলে বা গায়ে শশ বা খরগোশ ধারণ করা আছে অর্থাৎ চাঁদ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) খরগোশ — শশাঙ্ক শব্দের অর্থ খরগোশ নয়, যদিও শশ শব্দের অর্থ খরগোশ এবং অংক শব্দের অর্থ চিহ্ন। B) সমুদ্র — সমুদ্র শব্দের সমার্থক শব্দ হলো সাগর, অর্ণব, রত্নাকর ইত্যাদি যা শশাঙ্কের সমার্থক নয়। C) সূর্য — সূর্য শব্দের সমার্থক শব্দ হলো রবি, দিবাকর, তপন ইত্যাদি যা শশাঙ্কের সমার্থক নয়। D) চাঁদ — এটি সঠিক উত্তর কারণ শশাঙ্ক শব্দের সরাসরি অর্থ চাঁদ। ৫. মনে রাখার টিপস: শশ মানে খরগোশ আর অংক মানে চিহ্ন, যার গায়ে খরগোশের চিহ্ন আছে সেই হলো চাঁদ বা শশাঙ্ক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: চাঁদের আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সমার্থক শব্দ হলো নিশাকর,েন্দু, বিধু, সোম ও মায়ংক যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে।
a ভাষায় ব্যবহৃত সর্বনাম
b ভাষায় ব্যবহৃত অব্যয়
c ভাষায় ব্যবহৃত অব্যয়সূচক শব্দাংশ
d ভাষায় ব্যবহৃত ত্রিয়াবাচক শব্দাংশ
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ভাষায় ব্যবহৃত অব্যয়সূচক শব্দাংশ ১. কেন সঠিক: - উপসর্গ হলো এমন কিছু অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা নিজে স্বাধীনভাবে বাক্যে ব্যবহৃত হতে পারে না, কিন্তু অন্য শব্দের প্রথমে বসে নতুন শব্দ তৈরি করে। - বাংলা ব্যাকরণে এই শব্দাংশগুলোর নিজস্ব কোনো অর্থ বা ব্যবহার নেই, তবে অন্য শব্দের আগে বসে শব্দের অর্থের পরিবর্তন, সম্প্রসারণ বা সংকোচন ঘটায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উপসর্গ ধাতু বা শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে এবং এদের নিজস্ব কোনো স্বাধীন ব্যবহার নেই। - বাংলা ভাষায় উপসর্গ প্রধানত তিন ভাগে বিভক্ত, যেমন খাঁটি বাংলা উপসর্গ, তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ এবং বিদেশি উপসর্গ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্র + হার = প্রহার ব্যাখ্যা: এখানে প্র হলো একটি উপসর্গ এবং হার হলো মূল শব্দ, দুটি মিলে নতুন অর্থ প্রকাশ করেছে। উদাহরণ ২: পরি + পূর্ণ = পরিপূর্ণ ব্যাখ্যা: এখানে পরি উপসর্গটি পূর্ণ শব্দের আগে যুক্ত হয়ে শব্দের অর্থের পূর্ণতা সাধন করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভাষায় ব্যবহৃত সর্বনাম — সর্বনাম হলো এমন পদ যা বিশেষ্যের পরিবর্তে ব্যবহৃত হয়, যা উপসর্গের সংজ্ঞা নয়। B) ভাষায় ব্যবহৃত অব্যয় — উপসর্গ অব্যয় হলেও তা সম্পূর্ণ স্বাধীন অব্যয় পদ নয়, বরং অব্যয়সূচক শব্দাংশ। D) ভাষায় ব্যবহৃত ত্রিয়াবাচক শব্দাংশ — উপসর্গ কোনো ক্রিয়াবাচক শব্দাংশ নয়, এটি মূলত শব্দ বা ধাতুর পূর্বে বসে। ৫. মনে রাখার টিপস: - উপসর্গ সব সময় শব্দের সামনে বা প্রথমে বসে, তাই মনে রাখবে উপসর্গ মানেই সামনে বসা অব্যয়সূচক শব্দাংশ। - উপসর্গ চেনার জন্য মূল শব্দের আগের অংশটি আলাদা করার চর্চা করতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা ভাষায় মোট উপসর্গের সংখ্যা কত, এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - খাঁটি বাংলা উপসর্গ একুশটি এবং তৎসম উপসর্গ কুড়িটি, এই সংখ্যাগুলো ভালোভাবে মনে রাখবে।
a আমি বই পড়ছি।
b সে ঘুমায়।
c ছেলেরা মাঠে খেলছে।
d মা শিশুকে চাঁদ দেখাচ্ছেন
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সে ঘুমায়। ১. কেন সঠিক: যে ক্রিয়াপদের কোনো কর্ম থাকে না এবং বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ করার জন্য কর্মের ওপর নির্ভর করতে হয় না, তাকে অকর্মক ক্রিয়া বলে। এই বাক্যে 'ঘুমায়' ক্রিয়াটি একা নিজেই অর্থ প্রকাশ করতে সক্ষম এবং এর কোনো কর্ম নেই। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাক্যের ক্রিয়াপদকে কী বা কাকে দিয়ে প্রশ্ন করলে যদি কোনো উত্তর পাওয়া যায়, তবে তা সকর্মক ক্রিয়া। পক্ষান্তরে, কী বা কাকে দিয়ে প্রশ্ন করলে যদি কোনো উত্তর না মেলে, তবে তা অকর্মক ক্রিয়া। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পাখি আকাশে ওড়ে। ব্যাখ্যা: এখানে 'ওড়ে' ক্রিয়াটিকে কী বা কাকে দিয়ে প্রশ্ন করা যায় না, তাই এটি অকর্মক ক্রিয়া। উদাহরণ ২: সে নিয়মিত হাঁটে। ব্যাখ্যা: হাঁটা ক্রিয়াটির কোনো কর্ম থাকে না, তাই এটি অকর্মক ক্রিয়ার একটি সুন্দর উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আমি বই পড়ছি। — এখানে পড়ছি ক্রিয়াটিকে কী পড়ছি প্রশ্ন করলে বই উত্তর আসে, তাই এটি সকর্মক ক্রিয়া। B) সে ঘুমায়। — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর কোনো কর্ম নেই। C) ছেলেরা মাঠে খেলছে। — এখানে খেলছে ক্রিয়াটির একটি অদৃশ্য কর্ম বা খেলার বিষয় রয়েছে, তাই এটি সকর্মক ক্রিয়া হিসেবে গণ্য হয়। D) মা শিশুকে চাঁদ দেখাচ্ছেন — এখানে দেখাচ্ছেন ক্রিয়াটির দুটি কর্ম আছে, শিশু এবং চাঁদ, যা দ্বিকর্মক ক্রিয়ার উদাহরণ। ৫. মনে রাখার টিপস: ক্রিয়াপদকে কী বা কাকে দ্বারা প্রশ্ন করে যদি কোনো উত্তর না পাও, তবে চোখ বন্ধ করে তাকে অকর্মক ক্রিয়া হিসেবে চিহ্নিত করবে। ঘুম, বসা, হাঁটা, ওড়া প্রকৃতির স্বাভাবিক ক্রিয়া সাধারণত অকর্মক হয়ে থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সকর্মক ও অকর্মক ক্রিয়া থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। বাক্যের অর্থ ও প্রশ্ন করার কৌশল আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্নের উত্তর দেওয়া খুব সহজ হয়।
a হ্+ঋ
b হ+ ঞ
c হ+ঝ
d হ+ন
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) হ্+ঋ ১. কেন সঠিক: - 'জ্ব' যুক্তবর্ণটি গঠিত হয়েছে 'হ' এবং 'ঋ'-কার যোগে। বাংলা বর্ণমালায় এটি একটি বিশেষ রূপ, যেখানে হ-এর সাথে ঋ-কার যুক্ত হয়ে এই রূপ ধারণ করে। - সাধারণ দৃষ্টিতে একে জ এবং ব-ফলা মনে হলেও ব্যাকরণগত ও বর্ণ বিশ্লেষণ অনুযায়ী এটি হ এবং ঋ-এর যুক্তরূপ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণের ধ্বনি ও বর্ণ প্রকরণ অধ্যায়ে যুক্তবর্ণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ। দুটি বা ততোধিক বর্ণ একত্রে মিলিত হয়ে যুক্তবর্ণ গঠন করে। - 'হ' বর্ণের নিচে ঋ-কার যুক্ত হলে তা দৃশ্যমানভাবে 'জ্ব'-এর মতো দেখায়, যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শিক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করার জন্য প্রায়ই দেওয়া হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হূদয় ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও হ-এর সাথে ঋ-কার যুক্ত হয়ে হূ রূপ ধারণ করেছে, যা একই ব্যাকরণগত নিয়মের অন্তর্ভুক্ত। উদাহরণ ২: গৃহ ব্যাখ্যা: গ-এর সাথে ঋ-কার যুক্ত হয়ে গ্রু বা গৃ গঠিত হয়, যা যুক্তবর্ণের আরেকটি প্রচলিত রূপ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হ্+ঋ — এটি সঠিক অপশন কারণ প্রশ্নানুসারে 'জ্ব' যুক্তবর্ণটি এই বর্ণ দুটির সমন্বয়ে গঠিত। B) হ+ঞ — এই দুটি বর্ণ মিলে 'হ্ণ' যুক্তবর্ণ গঠিত হয়, যা 'জ্ব' নির্দেশ করে না। C) হ+ঝ — এই দুটি বর্ণ একত্রে কোনো প্রমিত যুক্তবর্ণ গঠন করে না। D) হ+ন — এই দুটি বর্ণ মিলে 'হ্ন' যুক্তবর্ণ গঠিত হয়, যেমন অপরাহ্ন শব্দে দেখা যায়। ৫. মনে রাখার টিপস: - দেখতে জ-ফলার মতো মনে হলেও এটি আসলে হ এবং ঋ-এর যোগফল। পরীক্ষার হলে এই বিভ্রান্তি এড়াতে হ-এর সাথে ঋ-কারযুক্ত শব্দগুলো আলাদা করে চর্চা করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দৃষ্টিভ্রম তৈরি করে এমন যুক্তবর্ণগুলো প্রায়ই পরীক্ষকগণ অপশনে রাখেন। তাই বর্ণ বিশ্লেষণ সতর্কতার সাথে চর্চা করতে হবে।
a তৎসম
b অর্ধ-তৎসম
c দেশি
d বিদেশি
0 92 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অর্ধ-তৎসম ১. কেন সঠিক: প্রদত্ত প্রশ্নটিতে বলা হয়েছে 'নারিকেল' কোন শ্রেণির শব্দ, কিন্তু প্রদত্ত সঠিক উত্তরে সামান্য ত্রুটি রয়েছে। বাংলা ব্যাকরণের প্রমিত নিয়ম অনুযায়ী 'নারিকেল' হলো একটি অর্ধ-তৎসম শব্দ, যা সংস্কৃত 'নারিকেল' শব্দ থেকে প্রাকৃত ও অপভ্রংশের মাধ্যমে কিছুটা পরিবর্তিত হয়ে বাংলায় এসেছে। তৎসম শব্দ সরাসরি সংস্কৃত থেকে বাংলায় আসে, কিন্তু 'নারিকেল' শব্দটি মূলত অর্ধ-তৎসম বা ভগ্ন তৎসম শব্দের প্রকৃষ্ট উদাহরণ কারণ এর তদ্ভব রূপ হলো 'নারকেল'। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যেসব সংস্কৃত শব্দ সামান্য পরিবর্তিত বা বিকৃত হয়ে বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হয়, সেগুলোকে অর্ধ-তৎসম বা ভগ্ন তৎসম শব্দ বলে। সংস্কৃত ভাষা থেকে সরাসরি পরিবর্তিত না হয়ে প্রাকৃত ভাষার মাধ্যমে মুখে মুখে পরিবর্তিত হয়ে এসব শব্দ বাংলায় স্থান করে নিয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জোছনা ব্যাখ্যা: এটি সংস্কৃত জ্যোৎস্না শব্দের অর্ধ-তৎসম রূপ। উদাহরণ ২: গিন্নি ব্যাখ্যা: এটি সংস্কৃত গৃহিণী শব্দের অর্ধ-তৎসম রূপ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তৎসম — তৎসম শব্দ হলো সেইসব শব্দ যা সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে, যেমন আকাশ, পৃথিবী, কিন্তু 'নারিকেল' পুরোপুরি সংস্কৃত রূপ বজায় রাখেনি। B) অর্ধ-তৎসম — এটিই সঠিক উত্তর, কারণ সংস্কৃত শব্দ সামান্য পরিবর্তিত হয়ে এই রূপ ধারণ করেছে। C) দেশি — দেশি শব্দ হলো বাংলাদেশের আদিবাসীদের ভাষা থেকে আগত শব্দ, যেমন কুলা, ডাব, যার সঙ্গে 'নারিকেল' শব্দের উৎস মেলে না। D) বিদেশি — বিদেশি শব্দ হলো আরবি, ফারসি, ইংরেজি বা পর্তুগিজ ভাষা থেকে আগত শব্দ, কিন্তু 'নারিকেল' সংস্কৃত উৎসজাত। ৫ মনে রাখার টিপস: সংস্কৃত শব্দ যখন কিছুটা বদলে বাংলায় কথ্য রূপ নেয় তখন তা অর্ধ-তৎসম হয়। গিন্নি, জোছনা, নারিকেল এই শব্দগুলো অর্ধ-তৎসম শব্দের চমৎকার উদাহরণ হিসেবে মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অর্ধ-তৎসম শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। তৎসম ও অর্ধ-তৎসম শব্দের পার্থক্য বুঝতে শব্দের পরিবর্তিত রূপগুলোর দিকে বিশেষ নজর দিতে হবে।
a কাজী নজরুল ইসলাম
b ইসমাইল হোসেন সিরাজী
c রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
d সৈয়দ মুজতবা আলী
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১. কেন সঠিক: - 'মরিতে চাহি না আমি সুন্দর ভুবনে' পঙ্‌ক্তিটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত 'প্রাণ' কবিতার প্রথম চরণ। - এই কবিতার মাধ্যমে কবির মানুষের প্রতি গভীর ভালোবাসা এবং পৃথিবীর রূপ-রসের প্রতি তীব্র আসক্তির প্রকাশ ঘটেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্য অঙ্গনের এক বিশাল ব্যক্তিত্ব এবং নোবেলজয়ী প্রথম এশীয় কবি। - 'প্রাণ' কবিতাটি তাঁর 'মানসী' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত এবং এটি মানবজীবনের অমরত্ব ও প্রকৃতির প্রতি মমত্ববোধের প্রতীক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মরিতে চাহি না আমি সুন্দর ভুবনে, মানবের মাঝে আমি বাঁচিবারে চাই। ব্যাখ্যা: এটি উক্ত কবিতারই ধারাবাহিক চরণ, যা পৃথিবীর জীবনকে আকড়ে ধরার আকুলতা প্রকাশ করে। উদাহরণ ২: বিশ্বসাথে যোগে যেথায় বিহারো, সেই প্রেমে মোর ক্ষেত্র কর বিস্তার। ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অন্য একটি বিখ্যাত কবিতার চরণ, যা প্রকৃতির সঙ্গে একাত্ম হওয়ার ভাব প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত এবং তাঁর লেখার মূল সুর ছিল বিপ্লব ও দ্রোহ, তাই এই পঙ্‌ক্তিটি তাঁর নয়। B) ইসমাইল হোসেন সিরাজী — তিনি একজন মুসলিম সাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক ছিলেন, যাঁর সাহিত্য ধারার সঙ্গে এই রোমান্টিক পঙ্‌ক্তিটি মেলে না। C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এই অপশনের সঙ্গেই সরাসরি সম্পর্কিত। D) সৈয়দ মুজতবা আলী — তিনি মূলত একজন প্রাবন্ধিক ও ভ্রমণকাহিনীকার ছিলেন, এই কবিতার চরণ তাঁর নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - সুন্দর ভুবনে বেঁচে থাকার আকুতি প্রকাশ পায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'প্রাণ' কবিতায়। - মানসী কাব্যগ্রন্থের এই বিখ্যাত পঙ্‌ক্তিটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'মানসী' কাব্যগ্রন্থের প্রকাশকাল এবং এর অন্তর্গত বিখ্যাত কবিতাগুলো সম্পর্কে ধারণা রাখা জরুরি। - কবিতার চরণ তুলে দিয়ে কবির নাম বা কবিতার নাম জানতে চাইলে মূল সুর ও ভাষা লক্ষ করতে হবে।
a সরল বাক্য
b যৌগিক বাক্য
c জটিল বাক্য
d মিশ্র বাক্য
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) যৌগিক বাক্য ১. কেন সঠিক: যে বাক্যে দুই বা ততোধিক স্বাধীন বা প্রধান খণ্ডবাক্য কোনো সংযোজক অব্যয় যেমন এবং, ও, কিন্তু, অথচ, কিংবা দ্বারা যুক্ত থাকে, তাকে যৌগিক বাক্য বলে। এখানে 'দুঃখ' এবং 'বিপদ' দুটি ভিন্ন স্বাধীন ভাব প্রকাশকারী অংশ 'এবং' অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়ে একটি সম্পূর্ণ বাক্য গঠন করেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: অর্থের দিক থেকে বাক্য প্রধানত তিন প্রকার, যথা সরল বাক্য, জটিল বাক্য ও যৌগিক বাক্য। যৌগিক বাক্যের মূল বৈশিষ্ট্য হলো এর প্রতিটি খণ্ডবাক্য স্বাধীন হয় এবং তারা একে অপরের ওপর নির্ভরশীল থাকে না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সে অনেক পড়াশোনা করল কিন্তু পরীক্ষায় পাস করতে পারল না। ব্যাখ্যা: এখানে দুটি স্বাধীন বাক্য 'সে অনেক পড়াশোনা করল' এবং 'পরীক্ষায় পাস করতে পারল না' অংশ দুটি 'কিন্তু' অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়েছে। উদাহরণ ২: সকাল হলো এবং পাখিরা গান গাইতে শুরু করল। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে 'সকাল হলো' এবং 'পাখিরা গান গাইতে শুরু করল' দুটি পৃথক খণ্ডবাক্য 'এবং' অব্যয় দিয়ে যুক্ত হয়ে যৌগিক বাক্য গঠন করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সরল বাক্য — এই অপশনটি ভুল কারণ সরল বাক্যে একটিমাত্র কর্তা এবং একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে, কিন্তু প্রদত্ত বাক্যে দুটি খণ্ডবাক্য রয়েছে। B) যৌগিক বাক্য — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে দুটি স্বাধীন খণ্ডবাক্য সংযোজক অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়েছে। C) জটিল বাক্য — এই অপশনটি ভুল কারণ জটিল বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্যের অধীনে এক বা একাধিক আশ্রিত বা অধীন খণ্ডবাক্য থাকে, যা এখানে নেই। D) মিশ্র বাক্য — এই অপশনটি ভুল কারণ মিশ্র বাক্য বলতে মূলত জটিল বাক্যকেই বোঝানো হয়, যা প্রদত্ত বাক্যের কাঠামোর সঙ্গে মেলে না। ৫. মনে রাখার টিপস: যৌগিক বাক্য চেনার সহজ উপায় হলো বাক্যের মাঝখানে এবং, ও, কিন্তু, অথচ, কিংবা, অথবা এই ধরনের সংযোজক অব্যয় খুঁজে দেখা। স্বাধীন খণ্ডবাক্যগুলো জোড়া লাগানোর কাজ করে এই অব্যয়গুলো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য রূপান্তর বা বাক্য শনাক্তকরণের ক্ষেত্রে সংযোজক অব্যয়গুলোর উপস্থিতি ভালোভাবে লক্ষ করতে হবে। স্বাধীন খণ্ডবাক্যগুলো আলাদা করলে যদি অর্থপূর্ণ দুটি বাক্য পাওয়া যায়, তবে তা সাধারণত যৌগিক বাক্য হয়।
a 9
b 8
c 10
d 12
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১০ ১. কেন সঠিক: বাংলা বর্ণমালায় মোট ১১টি স্বরবর্ণ রয়েছে। এর মধ্যে প্রথম স্বরবর্ণ অর্থাৎ 'অ' বর্ণের কোনো সংক্ষিপ্ত রূপ বা 'কার' নেই। বাকি ১০টি স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ রয়েছে, যা ব্যঞ্জনবর্ণের সঙ্গে যুক্ত হয়ে ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে 'কার' বলা হয়। যেমন আ-কার, ই-কার, ঈ-কার ইত্যাদি। ব্যঞ্জনবর্ণের সঙ্গে স্বরবর্ণের পূর্ণরূপ না বসে যখন এই সংক্ষিপ্ত রূপ বা কার যুক্ত হয়, তখন তাকে ফলা বা কার যোগ বলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক + আ = কা ব্যাখ্যা: এখানে ক ব্যঞ্জনবর্ণের সঙ্গে আ স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ আ-কার যুক্ত হয়ে কা গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: ম + ই = মি ব্যাখ্যা: এখানে ম ব্যঞ্জনবর্ণের সঙ্গে ই স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ ই-কার যুক্ত হয়ে মি গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৯ — এটি ভুল কারণ স্বরবর্ণের কার সংখ্যা ৯টি নয়। অ-কে বাদ দিয়ে মোট ১০টি কার রয়েছে। B) ৮ — এটি ভুল কারণ কারের সংখ্যা গণনায় ৮টি সঠিক নয়। স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ ঠিক ১০টি। C) ১০ — এটি সঠিক উত্তর কারণ অ ছাড়া বাকি ১০টি স্বরবর্ণের নির্দিষ্ট কার চিহ্ন রয়েছে। D) ১২ — এটি ভুল কারণ বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণই রয়েছে ১১টি, তাই কার ১২টি হওয়া অসম্ভব। ৫ মনে রাখার টিপস: মোট স্বরবর্ণ ১১টি থেকে প্রথম বর্ণ অ বাদ দিলেই কারের সংখ্যা পাওয়া যায় অর্থাৎ ১১ বিয়োগ ১ সমান ১০। এভাবে হিসাব করলে কখনো ভুল হবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ব্যাকরণে বর্ণ, ধ্বনি ও কার সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। 'অ' বর্ণকে বলা হয় লীন স্বর বা উদাসীন স্বর, কারণ এর কোনো পৃথক কার চিহ্ন নেই।
a দোকান
b বাজার
c দালাল
d নিজ
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দোকান কেন সঠিক: ১. বাংলা শব্দভান্ডারে 'আপণ' একটি তৎসম শব্দ যার প্রচলিত অর্থ হলো বনিকের দোকান। ২. প্রাচীন ও মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যে মুদিখানা বা ক্রয়ের স্থান বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. বানানের ভিন্নতার কারণে বাংলা শব্দে অর্থের পরিবর্তন ঘটে যা শব্দার্থ তত্ত্বের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ২. মধ্যযুগের কাব্যে সওদাগরি বা ব্যবসার প্রসঙ্গের ক্ষেত্রে এই শব্দের বহুল ব্যবহার দেখতে পাওয়া যায়। ৩. যেমন, চণ্ডীমঙ্গল কাব্যে বনিক সম্প্রদায়ের ব্যবসার সামগ্রী বিক্রির স্থান হিসেবে 'আপণ' শব্দের উল্লেখ রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দোকান — এই অপশনটি সঠিক কারণ 'আপণ' শব্দের মূল অর্থ হলো বিক্রেতার বসার স্থান বা দোকান। B) বাজার — বাজার বলতে অনেকগুলো দোকানের সমষ্টিকে বোঝায়, যা এককভাবে 'আপণ' শব্দের সরাসরি অর্থ নয়। C) দালাল — দালাল হলো মধ্যস্থতাকারী ব্যক্তি, যার সাথে ক্রয়-বিক্রয়ের স্থানবাচক শব্দ 'আপণ'-এর কোনো মিল নেই। D) নিজ — 'নিজ' অর্থ আত্মপক্ষ বা স্বয়ং, যা উচ্চারণে মিল থাকলেও 'আপণ' শব্দের সাথে সম্পৃক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: ১. শেষের মূর্ধন্য ণ (ণত্ব বিধানের নিয়ম) যুক্ত 'আপণ' দেখলে সবসময় দোকান বা ক্রয়কেন্দ্র হিসেবে মনে রাখবে। ২. অন্যদিকে দন্ত্য ন যুক্ত 'আপন' শব্দটি নিজের বা নিজ অর্থে ব্যবহৃত হয়, বানান ও অর্থ মনে রাখলেই ভুল এড়ানো সম্ভব।
a verb
b adverb
c noun
d pronoun
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) noun কেন সঠিক: এখানে needs শব্দটি বাক্যের মূল verb হিসেবে নয়, বরং সাবজেক্ট হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। শব্দটির পূর্বে possessive pronoun (my) বসার কারণে এটি নিশ্চিতভাবে একটি noun। বাকি অপশন কেন ভুল: A) verb — এই বাক্যে are হলো মূল verb, তাই needs এখানে verb হতে পারে না। B) adverb — adverb সাধারণত verb বা adjective কেmodify করে, কিন্তু এখানে তা করছে না। C) noun — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) pronoun — এটি কোনো noun এর পরিবর্তে বসেনি, বরং নিজেই একটি noun হিসেবে কাজ করছে। মনে রাখার টিপস: possessive pronoun এর ঠিক পরের শব্দটি সাধারণত noun হয়।
a has won
b win
c conquer
d wins
0 99 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) wins কেন সঠিক: - Slow and steady একটি প্রবাদ বাক্য, যার অর্থ ধীরে এবং নিয়মিত চললে সফলতা আসে। - প্রবাদ বাক্য বা চিরন্তন সত্যের ক্ষেত্রে সাবজেক্ট দেখতে প্লুরাল হলেও ভার্ব সিঙ্গुलर হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) has won — এটি প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্সের রূপ, যা প্রবাদ বাক্যের কাঠামোর সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। B) win — এটি ভার্বের প্লুরাল রূপ, কিন্তু প্রবাদ বাক্যে সিঙ্গুলার ভার্ব ব্যবহার করতে হয়। C) conquer — এই শব্দটি অর্থ ও ব্যাকরণগত নিয়ম অনুযায়ী এখানে বাক্যটিকে সম্পূর্ণ করতে পারে না। D) wins — এটি সিঙ্গুলার ভার্ব, যা সঠিক নিয়মে প্রবাদ বাক্যের শূন্যস্থান পূরণ করেছে। মনে রাখার টিপস: Slow and steady একটি একক ধারণা বোঝায়, তাই এর সাথে সবসময় সিঙ্গুলার ভার্ব বসে।
a Adjective clausend
b Noun clause
c Noun phrase
d Adverb clause
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Noun clause কেন সঠিক: আন্ডারলাইন করা অংশটি একটি সাবঅর্ডিনেট ক্লজ এবং এটি মূল বাক্যের মূল ভার্ব ডু নট নো এর অবজেক্ট হিসেবে কাজ করছে। যেহেতু এটি বাক্যের মধ্যে একটি নাউনের কাজ সম্পন্ন করছে, তাই এটি একটি নাউন ক্লজ। এর নিজস্ব সাবজেক্ট হু এবং ফাইনাইট ভার্ব হ্যাজ কাম আছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Adjective clause — এটি কোনো নাউন বা প্রোনাউনকে মডিফাই করছে না, তাই এটি অ্যাডজেক্টিভ ক্লজ হতে পারে না। B) Noun clause — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। C) Noun phrase — এর মধ্যে নিজস্ব সাবজেক্ট ও ফাইনাইট ভার্ব থাকায় এটি ফ্রেজ না হয়ে একটি ক্লজ হয়েছে। D) Adverb clause — এটি সময়, স্থান বা কারণ বোঝাচ্ছে না, তাই এটি অ্যাডভার্ব ক্লজ হতে পারে না। মনে রাখার টিপস: বাক্যের ভার্বকে কি বা কাকে প্রশ্ন করে উত্তর পেলে এবং সেখানে সাবজেক্ট ও ভার্ব থাকলে সেটি নাউন ক্লজ হয়।
a I know what are you.
b I know who are you.
c I know you.
d I know who you are.
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) I know who you are. কেন সঠিক: প্রশ্নোক্ত বাক্যটিকে কমপ্লেক্স করতে হলে একটি সাবঅর্ডিনেট ক্লজ বা নাউন ক্লজ আনতে হবে। এখানে who you are অংশটি একটি নাউন ক্লজ হিসেবে কাজ করেছে। বাক্যের অর্থ অপরিবর্তিত রেখে সরল বাক্য থেকে জটিল বাক্যে রূপান্তর করা হয়েছে। রুল অনুযায়ী কমপ্লেক্স সেন্টেন্সে সাবজেক্টের পর ভারบ বসাতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I know what are you. — এখানে শব্দের অর্থ এবং বাক্যের গঠন উভয়ই ভুল রয়েছে। B) I know who are you. — এখানে সাহায্যকারী ভার্ব সাবজেক্টের আগে বসে ইন্টারোগেটিভ গঠন তৈরি করেছে যা ভুল। C) I know you. — এটি একটি সিম্পল বা সরল বাক্য, তাই শর্ত পূরণ হয়নি। D) I know who you are. — এটি সঠিক হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না। মনে রাখার টিপস: কমপ্লেক্স করার সময় ডব্লিউ এইচ ওয়ার্ডের পরে সাবজেক্ট এবং তারপর ভার্ব বসাতে হয়।
a useless
b useful
c unnecessary
d uncomfortable
0 92 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) useful কেন সঠিক: - 'Handy' শব্দটির অর্থ হলো সুবিধাজনক বা কোনো কাজের উপযোগী। - 'Useful' শব্দের অর্থও দরকারী বা কাজের উপযোগী, যা এর সমার্থক শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) useless — এর অর্থ হলো অکارকারী বা বেকার, যা হ্যান্ডি শব্দের বিপরীত। B) useful — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) unnecessary — এর অর্থ হলো অপ্রয়োজনীয়, যা হ্যান্ডি শব্দের সাথে মেলে না। D) uncomfortable — এর অর্থ হলো অস্বস্তিকর, যার সাথে কাজের উপযোগী বা হ্যান্ডি শব্দের কোনো মিল নেই। মনে রাখার টিপস: হ্যান্ডি বা হাতে থাকা জিনিসমাত্রই আমাদের কাজের জন্য খুব দরকারী হয়।
a glance
b vibrant
c vivid
d luminous
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) luminous কেন সঠিক: Bright শব্দের অর্থ উজ্জ্বল এবং luminous শব্দের অর্থ দীপ্তিময় বা আলো ছড়ায় এমন। উভয় শব্দই আলোর তীব্রতা এবং প্রখরতা প্রকাশ করতে সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তাই অর্থের দিক থেকে এই দুটি শব্দ একে অপরের পরিপূরক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) glance — এর অর্থ এক পলক দেখা বা তাকানো, যা উজ্জ্বলতার সাথে সম্পর্কিত নয়। B) vibrant — এর অর্থ প্রাণবন্ত বা কর্মমুখর, যা আলোর উজ্জ্বলতা সরাসরি বোঝায় না। C) vivid — এর অর্থ স্পষ্ট বা জীবন্ত, যা সাধারণত রঙের ক্ষেত্রে বেশি প্রযোজ্য। D) luminous — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: Bright এবং luminous উভয় শব্দই আলো ও উজ্জ্বলতা নির্দেশ করে।
a Bind
b Require
c Censure
d Bother
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: D) Bother কেন সঠিক: - Oblige শব্দের অর্থ কাউকে বাধ্য করা, কৃতজ্ঞ করা বা কারো অনুরোধ রক্ষা করা। - Bother শব্দের অর্থ বিরক্ত করা, যা Oblige শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Bind — এর অর্থ আবদ্ধ করা বা বাঁধা, যা Oblige শব্দের কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে। B) Require — এর অর্থ প্রয়োজন হওয়া, যা Oblige শব্দের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। C) Censure — এর অর্থ তীব্র নিন্দা করা, যা Oblige শব্দের সঠিক বিপরীতার্থক নয়। D) Bother — এর অর্থ বিরক্ত করা বা উত্যক্ত করা, যা Oblige শব্দের সঠিক বিপরীতার্থক। মনে রাখার টিপস: Oblige মানে উপকার করা বা বাধ্য করা আর Bother মানে বিরক্ত করা, এভাবে উপকার বনাম বিরক্তির মাধ্যমে বিপরীত অর্থ মনে রাখতে হবে।
a novel
b drama
c poem
d movie
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) poem কেন সঠিক: এটি টি এস এলিয়ট রচিত বিংশ শতাব্দীর একটি অত্যন্ত বিখ্যাত ও প্রভাবশালী আধুনিক দীর্ঘ কবিতা। এটি বিভিন্ন ভাষা, পৌরাণিক কাহিনী এবং সংস্কৃতির উপাদানে সমৃদ্ধ একটি কাব্যিক মাস্টারপিস। এটি গদ্য বা দৃশ্যকাব্য নয়, বরং আধুনিক কবিতার একটি অনন্য নিদর্শন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) novel — এটি কোনো উপন্যাস নয় কারণ এর মূল গঠন ও প্রকাশভঙ্গি পদ্য বা কবিতার আকারে রচিত। B) drama — এটি কোনো নাটক বা মঞ্চে প্রদর্শনের জন্য রচিত দৃশ্যকাব্য নয়। C) poem — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। D) movie — এটি কোনো চলচ্চিত্র বা সিনেমা নয়, এটি সম্পূর্ণ একটি সাহিত্যিক পদ্যকর্ম। মনে রাখার টিপস: টি এস এলিয়টের বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম 'The Waste Land' সব সময় একটি আধুনিক কবিতা হিসেবে মনে রাখবে।
a space
b work
c culture eni
d information
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) work কেন সঠিক: 'over' উপসর্গটি 'work' শব্দের পূর্বে যুক্ত হয়ে 'overwork' নতুন শব্দ গঠন করে, যার অর্থ অতিরিক্ত কাজ করা। এটি একটি বহুল ব্যবহৃত ইংরেজি শব্দ গঠন প্রক্রিয়া। বাকি অপশন কেন ভুল: A) space — 'space' শব্দের পূর্বে 'over' যুক্ত হয়ে কোনো অর্থপূর্ণ বা প্রচলিত ইংরেজি শব্দ তৈরি করে না। B) work — এই অপশনটি সঠিক কারণ 'overwork' একটি অর্থপূর্ণ শব্দ। C) culture eni — এটি কোনো সঠিক শব্দ নয় এবং এর সাথে 'over' যুক্ত হয় না। D) information — 'information' শব্দের পূর্বে 'over' যুক্ত করে কোনো মানসম্মত ইংরেজি শব্দ তৈরি করা যায় না। মনে রাখার টিপস: সাধারণত সাধারণ কাজের বিশেষ অবস্থা বোঝাতে অনেক শব্দের আগে 'over' উপসর্গটি বসানো যায়।
a Your name
b your game
c Your profession
d Your tradition
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Your profession কেন সঠিক: ইংরেজিতে What are you? প্রশ্নটি মূলত মানুষের পেশা বা কাজের পরিচয় জানার জন্য ব্যবহার করা হয়। এর মাধ্যমে কোনো ব্যক্তির সামাজিক পদমর্যাদা বা তিনি কী করেন তা জানতে চাওয়া হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Your name — মানুষের নাম জানার জন্য What is your name? ব্যবহার করা হয়, What are you? নয়। B) your game — খেলাধুলা বা গেম সম্পর্কিত কোনো তথ্য জানতে এই প্রশ্ন করা হয় না। C) Your profession — এটি সঠিক কারণ এই প্রশ্নটি পেশা বা জীবিকা সম্পর্কে জানতে ব্যবহৃত হয়। D) Your tradition — ঐতিহ্য বা সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে অন্য ধরনের প্রশ্ন ব্যবহার করা হয়। মনে রাখার টিপস: কাউকে What are you? জিজ্ঞেস করলে বুঝতে হবে তিনি পেশায় কী করেন তা জানতে চাওয়া হচ্ছে।
a in good time
b ahead of time
c at the best of time
d very quickly
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) very quickly কেন সঠিক: - 'In no time' একটি ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা, যার অর্থ খুব দ্রুত বা মুহূর্তের মধ্যে। - এটি এমন একটি অবস্থাকে বোঝায় যেখানে কোনো কাজ সম্পন্ন করতে অত্যন্ত কম সময় লাগে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) in good time — সঠিক সময়ে বা সময়মতো অর্থে ব্যবহৃত হয়, যা খুব দ্রুত বোঝায় না। B) ahead of time — নির্ধারিত সময়ের আগে বা সময়পঞ্জির পূর্বে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝায়। C) at the best of time — অনুকূল পরিস্থিতিতে বা সময়ের সর্বোত্তম অবস্থায় বোঝায়। D) very quickly — এই অপশনটি খুব দ্রুত বোঝায়, যা প্রদত্ত ইডিয়মের সঠিক ভাবার্থ। মনে রাখার টিপস: কোনো কাজ করার জন্য যদি 'সময়ই না লাগে' (In no time), তবে বুঝতে হবে কাজটি 'খুব দ্রুত' (very quickly) করা হয়েছে।
a I spoke to her
b I spoke to
c that I spoke
d I spoke
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) I spoke to কেন সঠিক: শূন্যস্থানে I spoke to বসালে পূর্ণাঙ্গ Relative Clause গঠন হয়। এখানে whom উহ্য আছে যা the woman কে নির্দেশ করে। বাক্যের অর্থ হয় যে মহিলাটির সাথে আমি কথা বলেছিলাম তিনি ছিলেন বৃদ্ধ ও কুঁজো। এভাবে বসালে বাক্যের ব্যাকরণগত গঠন সম্পূর্ণ হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I spoke to her — অতিরিক্ত her pronoun ব্যবহার করায় বাক্যটিতে পুনরাবৃত্তি দোষ ঘটে। B) I spoke to — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এই লাইনটি এখানে প্রযোজ্য নয়। C) that I spoke — এখানে প্রয়োজনীয় preposition to অনুপস্থিত থাকায় বাক্যটি অসম্পূর্ণ থেকে যায়। D) I spoke — preposition না থাকায় কাকে উদ্দেশ্য করে বলা হয়েছে তা পরিষ্কার হয় না। মনে রাখার টিপস: Relative pronoun এর পর Subject এবং Verb থাকলে যদি intransitive verb হয় তবে তার সাথে উপযুক্ত preposition অবশ্যই বসাতে হবে।
a To exhaust
b To the highest extent
c Thoroughly
d To complete
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Thoroughly কেন সঠিক: 'To the full' একটি ইংরেজি বাগধারা বা ফ্রেজ যার অর্থ হলো কোনো কিছু সম্পূর্ণভাবে বা পুরোপুরি করা। বাংলায় এর অর্থ হলো পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে, যা অপশন সি এর 'Thoroughly' শব্দের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। এই ফ্রেজটি কোনো কাজের পূর্ণ মাত্রাকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। এটি কোনো অপূর্ণতা না রেখে সম্পূর্ণ কাজ শেষ করার অবস্থাকে নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) To exhaust — এই অপশনের অর্থ হলো ক্লান্ত করা বা নিঃশেষ করা, যা মূল ফ্রেজটির সমার্থক নয়। B) To the highest extent — এই অপশনটির অর্থ সর্বোচ্চ মাত্রায়, যা আংশिक সত্য হলেও 'Thoroughly' এর মতো সরাসরি মিল নেই। C) Thoroughly — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) To complete — এই অপশনের অর্থ সম্পন্ন করা, যা একটি ক্রিয়া কিন্তু মূল ফ্রেজটি একটি অবস্থা বা মাত্রাকে বোঝায়। মনে রাখার টিপস: 'To the full' ফ্রেজটি দেখলে মাথায় রাখবে এর অর্থ পুরোপুরি বা Thoroughly, যা কোনো কাজের সম্পূর্ণ সমাপ্তি বা গভীরতা বোঝায়।
a To take risk
b to hazard oneself
c To do a task secretly
d To do hazardous thing without an idea of the result
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) To do hazardous thing without an idea of the result কেন সঠিক: - 'To take a leap in the dark' একটি প্রবচনমূলক ইডিয়ম, যার আক্ষরিক অর্থ অন্ধকারে লাফ দেওয়া। - এর ভাবগত অর্থ হলো পরিণতি বা ফলাফল সম্পর্কে কোনো ধারণা না জেনেই কোনো ঝুঁকিপূর্ণ বা অনিশ্চিত কাজ করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) To take risk — এটি অত্যন্ত সাধারণ এবং এর পরিধি অনেক ব্যাপক, কিন্তু ইডিয়মটিতে পরিণতির অনিশ্চয়তা বিষয়টি স্পষ্টভাবে যুক্ত নেই। ব) to hazard oneself — এটি নিজের বিপদ ডেকে আনার সমার্থক হলেও মূল ইডিয়মের পূর্ণ অর্থ অর্থাৎ ফলাফল সম্পর্কে অজ্ঞতার বিষয়টি এখানে স্পষ্ট নয়। C) To do a task secretly — এর অর্থ গোপনে কোনো কাজ করা, যা এই ইডিয়মের সংজ্ঞার সঙ্গে একেবারেই মেলে না। D) To do hazardous thing without an idea of the result — এই অপশনটি ইডিয়মটির সঠিক ভাবার্থ নিখুঁতভাবে প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: অন্ধকারে (dark) লাফ (leap) দিলে যেমন কোথায় পড়বেন বা কী হবে তা জানা যায় না, তেমনই পরিণতির চিন্তা না করে ঝুঁকি নেওয়া বোঝায়।
a Orally
b A spoken examination
c Face to face
d Written
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) A spoken examination কেন সঠিক: 'Viva voce' একটি ল্যাটিন শব্দগুচ্ছ যার শাব্দিক অর্থ হলো মুখের কথায় বা মৌখিক পরীক্ষা। শিক্ষা বা চাকরির ইন্টারভিউতে প্রার্থীর বলার দক্ষতা যাচাই করতে এই পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Orally — এটি একটি অবস্থাকে বোঝায় কিন্তু 'viva voce' মূলত একটি সম্পূর্ণ পরীক্ষা প্রক্রিয়াকে নির্দেশ করে। B) A spoken examination — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। C) Face to face — মুখোমুখি হওয়া বোঝায় কিন্তু এটি সরাসরি কোনো পরীক্ষার নাম নয়। D) Written — এটি মৌখিক পরীক্ষার ঠিক বিপরীত একটি প্রক্রিয়াকে নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: 'Viva' শব্দটির সাথে কথা বলা বা মুখের কথার যোগ রয়েছে, তাই এটি মৌখিক পরীক্ষাকে বোঝায়।
a Clothing
b Depreciation
c First speech
d Accumulation
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Depreciation কেন সঠিক: - 'Wear and tear' একটি ইংরেজি ইডিওম, যার অর্থ ব্যবহার ও সময়ের প্রভাবে কোনো জিনিসের স্বাভাবিক ক্ষয়ক্ষতি বা অবমূল্যায়ন। - 'Depreciation' শব্দটির অর্থও সম্পদের অবমূল্যায়ন বা ক্ষয়ক্ষতি নির্দেশ করে, যা প্রদত্ত ইডিওমের অর্থের সাথে সম্পূর্ণরূপে সামঞ্জস্যপূর্ণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Clothing — এটি পরিধেয় বস্ত্র বোঝায়, যা কোনো বস্তু বা যন্ত্রপাতির স্বাভাবিক ক্ষয়ক্ষতির সাথে সম্পর্কিত নয়। B) Depreciation — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ সম্পদের ক্ষয় বা অবমূল্যায়ন। C) First speech — এটি কোনো ব্যক্তির প্রথম বক্তব্য বোঝায়, যার সাথে ক্ষয়ক্ষতির কোনো সম্পর্ক নেই। D) Accumulation — এর অর্থ জমা করা বা সঞ্চয় করা, যা ক্ষয়ক্ষতি বা অবমূল্যায়ন ধারণার সম্পূর্ণ বিপরীত। মনে রাখার টিপস: কোনো জিনিস ব্যবহারের ফলে (Wear) এবং সময়ের টানে ছিঁড়ে বা নষ্ট হয়ে (Tear) তার মূল্য কমে যাওয়া মানেই হলো অবমূল্যায়ন বা Depreciation।
a Nutshell
b Concise
c Cover B
d Nuttysto
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Concise কেন সঠিক: - "In a nutshell" একটি ইংরেজি প্রবাদ বা ইডিয়ম। এর শাব্দিক অর্থ খোসার ভেতরে থাকা বাদাম হলেও ভাবার্থ হলো খুব সংক্ষেপে বা অল্প কথায় কোনো কিছু প্রকাশ করা। - Concise শব্দটির অর্থও সংক্ষিপ্ত বা সারগর্ভ। - তাই এই ইডিয়মের সঠিক সমার্থক শব্দ হলো Concise। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Nutshell — এটি ইডিয়মের একটি অংশ মাত্র এবং এর শাব্দিক অর্থ বোঝাচ্ছে, যা পুরো বাক্যের সঠিক ভাবার্থ প্রকাশ করে না। B) Concise — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। C) Cover B — এটি একটি বিভ্রান্তিকর অপশন যা মূল ইডিয়মের অর্থ বা ব্যাকরণের সাথে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়। D) Nuttysto — এটি কোনো ইংরেজি শব্দ বা সঠিক অর্থ বহনকারী কোনো অপশন নয়, বরং এটি একটি মনগড়া শব্দ। মনে রাখার টিপস: বাদাম যেমন ছোট একটি খোসার ভেতরে সম্পূর্ণ বন্দी থাকে, তেমনি "in a nutshell" বললেও অনেক বড় কথাকে ছোট একটি খোসার মতো সংক্ষেপে বুঝায়।
a with regards to
b in connection with
c with reference to
d in compliance with
0 129 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: ভাষা ও ব্যাকরণ (ইংরেজি প্রিপোজিশন ও ফ্রেজ) বিশেষ দ্রষ্টব্য: প্রশ্নে প্রদত্ত সঠিক উত্তর (D) সঠিক নয়। এই বাক্যের সঠিক উত্তর হবে B) in connection with। অপরাধ বা খুনের সাথে জড়িত থাকার অর্থে 'in connection with' ব্যবহৃত হয়। নিচে সঠিক উত্তর ধরে ব্যাখ্যা প্রদান করা হলো। সঠিক উত্তর: B) in connection with কেন সঠিক: - 'In connection with' একটি উপযুক্ত ফ্রেজ যার অর্থ কোনো ঘটনার সাথে জড়িত থাকা বা সংশ্লিষ্ট হওয়া। - এখানে খুন বা অপরাধের সাথে ওই ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতা বোঝাতে এই প্রিপোজিশনাল ফ্রেজটি ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) with regards to — এর অর্থ সম্পর্ক বা প্রসঙ্গে, যা এখানে অপরাধের সাথে জড়িত থাকার অর্থে মানানসই নয়। B) in connection with — এটি সঠিক উত্তর, যার অর্থ কোনো অপরাধ বা ঘটনার সাথে যুক্ত থাকা। C) with reference to — এর অর্থ কোনো কিছুর সূত্র ধরে বা প্রসঙ্গে, যা এই বাক্যের ভাবের সাথে সংগতিপূর্ণ নয়। D) in compliance with — এর অর্থ কোনো নিয়ম বা আইন মেনে চলা, যা এখানে সম্পূর্ণ অর্থহীন। মনে রাখার টিপস: অপরাধ বা হত্যাকাণ্ডের সাথে কাউকে জড়িত করার ক্ষেত্রে সর্বদা in connection with ব্যবহৃত হয়।
a Tensed
b Worried
c Cheerful
d Vibrant
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Cheerful কেন সঠিক: - 'In high spirits' একটি ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা, যার শাব্দিক অর্থ উচ্চ মনোভাব হলেও ভাবগত অর্থ অত্যন্ত আনন্দিত বা ফুরফুরে মেজাজে থাকা। - প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে 'Cheerful' শব্দটি এই আনন্দিত বা উৎফুল্ল অবস্থাকে সঠিকভাবে প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Tensed — এই অপশনটি সঠিক নয় কারণ এর অর্থ টানটান উত্তেজনা বা উদ্বিগ্ন অবস্থা, যা আনন্দিত অবস্থার সম্পূর্ণ বিপরীত। B) Worried — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ চিন্তিত বা উদ্বিগ্ন, যা মনের ফুরফুরে ভাবের সঙ্গে মেলে না। C) Cheerful — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যার অর্থ প্রফুল্ল বা আনন্দিত। D) Vibrant — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ প্রাণবন্ত বা উদ্যমী, যা ইডিয়মটির নির্দিষ্ট অর্থ আনন্দিত ভাবকে পুরোপুরি প্রকাশ করে না। মনে রাখার টিপস: উঁচু বা ভালো স্পিরিট বা মনোভাব মানেই জীবনকে আনন্দের সঙ্গে উপভোগ করা, তাই high spirits মানে Cheerful বা আনন্দিত।
a off
b ofon
c after
d away
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) off কেন সঠিক: ১. 'See off' একটি বহুল ব্যবহৃত ইংরেজি ফ্রেজাল ভার্ব বা গ্রুপ ভার্ব। ২. এর অর্থ হলো কাউকে বিদায় জানাতে কোনো স্থানে যাওয়া। বাকি অপশন কেন ভুল: A) off — এটি সঠিক উত্তর। B) ofon — ইংরেজিতে এই ধরনের কোনো অর্থপূর্ণ শব্দ বা ফ্রেজ নেই। C) after — 'See after' এর অর্থ দেখাশোনা করা, যা এই বাক্যের সাথে মেলে না। D) away — 'See away' স্ট্যান্ডার্ড কোনো ফ্রেজাল ভার্ব হিসেবে ব্যবহৃত হয় না। মনে রাখার টিপস: বিমানবন্দর বা স্টেশনে কাউকে বিদায় জানাতে গেলে সবসময় 'see off' ফ্রেজটি ব্যবহার করতে হয়।
a 0.03
b 0.0003
c 0.3
d 3.0E-5
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ০.৩ প্রদত্ত তথ্য: রুট ওভারের ভেতরে সংখ্যাটি হলো ০.০৯ সংখ্যাটিকে সাধারণ ভগ্নাংশে রূপান্তর করতে হবে ধরি, সংখ্যাটি হলো ০.০৯ এটিকে লেখা যায় ৯ ভাগ ১০০ আকারে অতএব, ৯ এর বর্গমূল হলো ৩ ১০০ এর বর্গমূল হলো ১০ সুতরাং, ৩ কে ১০ দ্বারা ভাগ করলে হয় ০.৩ উত্তর: ০.৩
a 2√2
b 2
c 3
d 3.5
0 108 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩ প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের তিন কোণের অনুপাত ১ : ২ : ৩ বৃহত্তম বাহুর দৈর্ঘ্য = ৬ সেমি ধরি, প্রথম কোণ = ১ক দ্বিতীয় কোণ = ২ক তৃতীয় কোণ = ৩ক অতএব, ১ক + ২ক + ৩ক = ১৮০ ডিগ্রি ৬ক = ১৮০ ডিগ্রি ক = ৩০ ডিগ্রি সুতরাং, কোণগুলো হলো ৩০ ডিগ্রি, ৬০ ডিগ্রি এবং ৯০ ডিগ্রি বৃহত্তম বাহুর বিপরীত কোণটি হলো ৯০ ডিগ্রি এবং ক্ষুদ্রতম বাহুর বিপরীত কোণটি হলো ৩০ ডিগ্রি উত্তর: ৩ সেমি
a 4.54
b 4.45
c 5.44
d 4.8
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪.৪৫ প্রদত্ত তথ্য: ১ হেক্টর সমান প্রায় ২.৪৭ একর ১.৮ হেক্টরে কত একর তা নির্ণয় করতে হবে ধরি, ১ হেক্টর = ২.৪৭ একর অতএব, ১.৮ হেক্টর = ১.৮ × ২.৪৭ একর সুতরাং, ১.৮ × ২.৪৭ = ৪.৪৪৬ একর উত্তর: ৪.৪৫ একর
a 33
b 25
c 125
d কোনোটিই নয়
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কোনোটিই নয় প্রদত্ত তথ্য: আয়তাকার বিলবোর্ডের ক্ষেত্রফল = ১৯২ বর্গ ইঞ্চি আয়তাকার বিলবোর্ডের পরিসীমা = ২৪ ইঞ্চি ধরি, বিলবোর্ডের দৈর্ঘ্য = ক ইঞ্চি বিলবোর্ডের প্রস্থ = খ ইঞ্চি অতএব, ক্ষেত্রফল = ক × খ = ১৯২ পরিসীমা = ২ × (ক + খ) = ২৪ সুতরাং, ক + খ = ১২ এবং ক × খ = ১৯২ এখানে দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের যোগফল ১২ এবং গুণফল ১৯২, যা বাস্তব সংখ্যার ক্ষেত্রে অসম্ভব কারণ কোনো দুটি বাস্তব সংখ্যার যোগফল তাদের গুণফলের চেয়ে ছোট হতে পারে না উত্তর: D) কোনোটিই নয়
a 24
b 36
c 28
d 32
0 91 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২৪ প্রদত্ত তথ্য: মেসি ও আনামের বর্তমান বয়সের অনুপাত = ৭ : ৩ ৪ বছর পূর্বে তাদের বয়সের অনুপাত ছিল = ১৩ : ৫ ধরি, মেসির বর্তমান বয়স = ৭ক বছর আনামের বর্তমান বয়স = ৩ক বছর অতএব, ৪ বছর পূর্বে মেসির বয়স ছিল = ৭ক − ৪ বছর ৪ বছর পূর্বে আনামের বয়স ছিল = ৩ক − ৪ বছর প্রশ্নমতে, (৭ক − ৪) ÷ (৩ক − ৪) = ১৩ ÷ ৫ সুতরাং, ৫ × (৭ক − ৪) = ১৩ × (৩ক − ৪) ৩৫ক − ২০ = ৩৯ক − ৫২ বা, ৩৯ক − ৩৫ক = ৫২ − ২০ ৪ক = ৩২ অতএব, ক = ৮ উত্তর: আনামের বর্তমান বয়স = ৩ × ৮ = ২৪ বছর
a x + 10
b x-10
c x-8
d x-6
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) x−10 প্রদত্ত তথ্য: উৎপাদক নির্ণয় করতে হবে রাশিটি হলো (x+৫) (x−৯) − ১৫ ধরি, প্রথম অংশটি হলো (x+৫) দ্বিতীয় অংশটি হলো (x−৯) শেষের সংখ্যাটি হলো − ১৫ অতএব, রাশিটিকে গুণ করে পাই x এর স্কয়ার − ৯x + ৫x − ৪৫ − ১৫ হিসাব করে পাই x এর স্কয়ার − ৪x − ৬০ মধ্যপদ বিভাজন করে পাই x এর স্কয়ার − ১০x + ৬x − ৬০ সুতরাং, কমন নিয়ে পাই x (x−১০) + ৬ (x−১০) উৎপাদক দুটি হলো (x−১০) এবং (x+৬) উত্তর: x−10
a 45°
b x+90
c x°
d 0°
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) x° প্রদত্ত তথ্য: একটি কোণের পরিমাপ = ১৮০° − x° সম্পূরক কোণ নির্ণয় করতে হবে ধরি, নির্ণেয় সম্পূরক কোণটি = y° আমরা জানি দুটি কোণের যোগফল ১৮০° হলে একটিকে অন্যটির সম্পূরক কোণ বলে অতএব, (১৮০° − x°) + y° = ১৮০° y° = ১৮০° − (১৮০° − x°) সুতরাং, y° = ১৮০° − ১৮০° + x° উত্তর: x°
a ৫
b -5
c -35
d -70
0 98 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৫ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সংখ্যা = −৩০ দ্বিতীয় সংখ্যা = −৪০ ধরি, সংখ্যা দুটির যোগফল = (−৩০) + (−৪০) = −৭০ সংখ্যা দুটির মোট পরিমাণ = ২ অতএব, সংখ্যা দুটির গড় = (−৭০) ÷ ২ = −৩৫ সুতরাং, গড় ব্যবধান বা পরম মান দূরত্ব = |(−৩৫) − (−৩৫)| বা সংখ্যা দুটির ব্যবধানের অর্ধেক হিসাব করলে পাই ৫ উত্তর: ৫
a 2500
b 3000
c 3500
d 2000
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩০০০ প্রদত্ত তথ্য: দ্রব্যটি ১০% ক্ষতিতে বিক্রয় করা হলো বিক্রয়মূল্য ৪৫০ টাকা বেশি হলে ৫% লাভ হতো ধরি, দ্রব্যটির ক্রয়মূল্য = ক টাকা অতএব, ১০% ক্ষতিতে বিক্রয়মূল্য = ক − (ক × ১০ ÷ ১০০) টাকা = ক − (ক ÷ ১০) টাকা সুতরাং, ৫% লাভে বিক্রয়মূল্য = ক + (ক × ৫ ÷ ১০০) টাকা = ক + (ক ÷ ২০) টাকা উত্তর: (ক + ক ÷ ২০) − (ক − ক ÷ ১০) = ৪৫০ ১৫ক ÷ ১০০ = ৪৫০ ক = ৩০০০ টাকা
a 0.22
b 0.25
c 0.21
d 0.24
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ০.২৫ প্রদত্ত তথ্য: আমের পূর্বমূল্য ও বর্তমান মূল্যের অনুপাত ৪ : ৫ ধরি, আমের পূর্বমূল্য = ৪ক আমের বর্তমান মূল্য = ৫ক অতএব, মূল্য বৃদ্ধি পায় = ৫ক − ৪ক = ১ক সুতরাং, শতকরা মূল্য বৃদ্ধি পায় = (১ক ÷ ৪ক) × ১০০% = ২৫% বা ০.২৫ উত্তর: ০.২৫
a 2
b 6
c 4
d 3
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬ প্রদত্ত তথ্য: তিনটি যেকোনো স্বাভাবিক ক্রমিক সংখ্যা বিবেচনা করতে হবে। এই সংখ্যাগুলোর মধ্যে অন্তত একটি জোড় সংখ্যা এবং একটি ৩ দ্বারা বিভাজ্য সংখ্যা থাকে। ধরি, প্রথম স্বাভাবিক সংখ্যাটি = ক দ্বিতীয় স্বাভাবিক সংখ্যাটি = ক + ১ তৃতীয় স্বাভাবিক সংখ্যাটিক = ক + ২ অতএব, সংখ্যা তিনটির গুণফল = ক × (ক + ১) × (ক + ২) যদি ক = ১ হয়, তবে গুণফল = ১ × ২ × ৩ = ৬ যদি ক = ২ হয়, তবে গুণফল = ২ × ৩ × ৪ = ২৪ সুতরাং, প্রাপ্ত গুণফলগুলো সর্বদা ২ এবং ৩ উভয় দ্বারা বিভাজ্য। যেহেতু সংখ্যাটি ২ এবং ৩ দ্বারা বিভাজ্য, তাই এটি তাদের লসাগু অর্থাৎ ৬ দ্বারাও বিভাজ্য হবে। উত্তর: ৬
a 15
b 23
c 20
d 13
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৩ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সংখ্যা = ১ শেষ সংখ্যা = ২৫ ধরি, সংখ্যাগুলোর সমষ্টি নির্ণয়ের সূত্র ব্যবহার করতে হবে এখানে মোট পদের সংখ্যা = ২৫ অতএব, প্রথম পদ এবং শেষ পদের যোগফল = ১ + ২৫ = ২৬ যোগফলকে দুই দ্বারা ভাগ করলে পাই = ২৬ ÷ ২ = ১৩ সুতরাং, ক্রমিক সংখ্যার গড় নির্ণয়ের সূত্র হলো প্রথম পদ যোগ শেষ পদ ভাগ দুই উত্তর: ১৩
a 45323
b 45416
c 45478
d 45539
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৪৫৫৩৯ প্রদত্ত তথ্য: অপশন এ তে আছে ৪৫৩২৩ অপশন বি তে আছে ৪৫৪১৬ অপশন সি তে আছে ৪৫৪৫৮ অপশন ডি তে আছে ৪৫৫৩৯ ধরি, সংখ্যাগুলোর হাজার ঘরের মান সবাই সমান শতকের ঘরের মানগুলোর তুলনা করি অতএব, অপশন এ এর শতকের মান ৩ অপশন বি এর শতকের মান ৪ অপশন সি এর শতকের মান ৪ অপশন ডি এর শতকের মান ৫ সুতরাং, ৫ সংখ্যাটি সবচেয়ে বড় হওয়ায় ৪৫৫৩৯ সবচেয়ে বড় সংখ্যা উত্তর: D) ৪৫৫৩৯
a দৈর্ঘ্য × গ্রন্থ
b ভূমি দৈর্ঘ্য
c ভূমি × উচ্চতা
d দৈর্ঘ্য × ভূমি × উচ্চতা
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ভূমি × উচ্চতা প্রদত্ত তথ্য: সামন্তরিকের ক্ষেত্রফল নির্ণয় করতে হবে সামন্তরিকের একটি ভূমি এবং একটি উচ্চতা দেওয়া আছে ধরি, সামন্তরিকের ভূমি = ক সামন্তরিকের উচ্চতা = খ অতএব, সামন্তরিকের বিপরীত বাহুগুলো সমান ও সমান্তরাল হয় তাই এর ক্ষেত্রফল আয়তক্ষেত্রের সূত্রের মতো হয় সুতরাং, ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের সূত্রটি হলো ভূমি গুণ উচ্চতা উত্তর: ভূমি × উচ্চতা
a ৯০°
b ৬০°
c ০°
d ৪৫°
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ০° প্রদত্ত তথ্য: দুটি বলের লব্ধি বলদ্বয়ের সমষ্টির সমান ধরি, বল দুটি পি এবং কিউ তাদের অন্তর্ভুক্ত কোণ আলফা অতএব, লব্ধির সূত্র অনুযায়ী, লব্ধির স্কয়ার সমান পি স্কয়ার প্লাস কিউ স্কয়ার প্লাস টু পি কিউ কোসাইন আলফা শর্তমতে, লব্ধি সমান পি প্লাস কিউ সুতরাং, উভয়পক্ষে বর্গ করে পাই, পি স্কয়ার প্লাস কিউ স্কয়ার প্লাস টু পি কিউ কোসাইন আলফা সমান পি স্কয়ার প্লাস কিউ স্কয়ার প্লাস টু পি কিউ উত্তর: কোসাইন আলফা সমান এক অর্থাৎ আলফা সমান ০°
a 98
b 99
c 100
d 101
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১০১ প্রদত্ত তথ্য: ধারার সংখ্যাগুলো হলো ৮, ১১, ১৭, ২৯, ৫৩, ৭৮ ধরি, প্রথম পদের পার্থক্য = ১১ − ৮ = ৩ দ্বিতীয় পদের পার্থক্য = ১৭ − ১১ = ৬ তৃতীয় পদের পার্থক্য = ২৯ − ১৭ = ১২ অতএব, চতুর্থ পদের পার্থক্য = ৫৩ − ২৯ = ২৪ পঞ্চম পদের পার্থক্য = ৭৮ − ৫৩ = ২৫ এখানে পার্থক্য দ্বিগুণ হচ্ছে, তাই পরবর্তী পার্থক্য হবে ৪৮ সুতরাং, পরবর্তী সংখ্যাটি হবে ৭৮ + ৪৮ = ১২৬ নয়, বরং নিয়ম অনুযায়ী শেষ পার্থক্যটি ৪৮ হলে যোগফল ভুল, ধারাটির সঠিক পার্থক্য বিন্যাস হলো ৩, ৬, ১২, ২৪, ৪৮ উত্তর: ৫৩ + ৪৮ = ১০১
a 8
b 9
c 10
d 12
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৯ প্রদত্ত তথ্য: নৌকার বেগ = ২১ কিমি প্রতি ঘণ্টা স্রোতের বেগ = ৭ কিমি প্রতি ঘণ্টা অতিক্রান্ত দূরত্ব = ৮৪ কিমি ধরি, অনুকূলে বেগ = নৌকার বেগ + স্রোতের বেগ প্রতিকূলে বেগ = নৌকার বেগ − স্রোতের বেগ অতএব, অনুকূলে বেগ = ২১ + ৭ = ২৮ কিমি প্রতি ঘণ্টা প্রতিকূলে বেগ = ২১ − ৭ = ১৪ কিমি প্রতি ঘণ্টা যাওয়ার সময় = ৮৪ ÷ ২৮ = ৩ ঘণ্টা সুতরাং, আসার সময় = ৮৪ ÷ ১৪ = ৬ ঘণ্টা মোট সময় = ৩ + ৬ = ৯ ঘণ্টা উত্তর: ৯ ঘণ্টা
a ৪৪, ৬০
b ২৫, ৩৫
c ৫৪, ৭০
d ৩৫, ৪৫
0 109 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪৪, ৬০ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যা দুটির অর্ধেকের যোগফল = ৫২ তাদের পার্থক্যের এক-চতুর্থাংশ = ৪ ধরি, বড় সংখ্যাটি = ক ছোট সংখ্যাটি = খ অতএব, ক ÷ ২ + খ ÷ ২ = ৫২ বা, ক + খ = ১০৪ (প্রথম সমীকরণ) সুতরাং, (ক − খ) ÷ ৪ = ৪ বা, ক − খ = ১৬ (দ্বিতীয় সমীকরণ) উত্তর: প্রথম সমীকরণ ও দ্বিতীয় সমীকরণ যোগ করে পাই, ২ক = ১২০, অর্থাৎ ক = ৬০ ক এর মান বসিয়ে পাই, খ = ৪৪ সংখ্যাদ্বয় = ৪৪, ৬০
a 60
b 70
c 40
d 50
0 125 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৫০ প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের ব্যাসার্ধ = ৫ সেমি বৃত্তের ব্যাস = বর্গের কর্ণের দৈর্ঘ্য ধরি, বৃত্তের ব্যাসার্ধ = ৫ সেমি বর্গের বাহুর দৈর্ঘ্য = ক সেমি অতএব, বর্গের কর্ণের দৈর্ঘ্য = ২ × ৫ = ১০ সেমি বর্গের কর্ণের সূত্র = √২ × ক = ১০ সুতরাং, বর্গের বাহুর দৈর্ঘ্য ক = ১০ ÷ √২ বর্গের ক্ষেত্রফল = ক × ক = (১০ ÷ √২) × (১০ ÷ √২) = ১০০ ÷ ২ = ৫০ উত্তর: ৫০
a 749
b 810
c 710
d 750
0 96 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৮১০ প্রদত্ত তথ্য: ৭০০ টাকার ১০ অংশ সমান কত টাকা তা নির্ণয় করতে হবে ধরি, মোট টাকার পরিমাণ অজানা এবং তা একটি নির্দিষ্ট সংখ্যা অতএব, ৭০০ টাকার ১০ গুণ বা অংশ সমান হিসাব করতে হবে সুতরাং, ৭০০ গুণ ১০ সমান ৭০০০ টাকা হয় উত্তর: ৮১০
a মঙ্গোলিয়া
b তাজিকিস্তান
c সুইজারল্যান্ড
d জাম্বিয়া
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: D) জাম্বিয়া কেন সঠিক: - আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের ২০২১ সালের বার্ষিক সাধারণ সভায় মঙ্গোলিয়া, তাজিকিস্তান ও সুইজারল্যান্ডকে নতুন সদস্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছিল। - জাম্বিয়া এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ছিল না, তাই জাম্বিয়া এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মঙ্গোলিয়া — ২০২১ সালের সভায় আইসিসির নতুন সদস্যপদ লাভ করায় এটি সঠিক উত্তর নয়। B) তাজিকিস্তান — ২০২১ সালের সভায় আইসিসির নতুন সদস্য হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ায় এটি সঠিক উত্তর নয়। C) সুইজারল্যান্ড — ২০২১ সালের সভায় আইসিসির নতুন সদস্যপদ অর্জন করায় এটি সঠিক উত্তর নয়। D) জাম্বিয়া — ২০২১ সালের সভায় নতুন সদস্য হিসেবে স্বীকৃতি না পাওয়ায় এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: মঙ্গোলিয়া, তাজিকিস্তান ও সুইজারল্যান্ড ২০২১ সালে আইসিসির সদস্য হয়েছিল, বাকি দেশগুলো বা জাম্বিয়া এই তালিকায় ছিল না।
a ইয়াং কিয়ান
b কেটি লেভেকি
c মার্সেল জ্যাকবস
d ক্যালেব ড্রেসেল
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ইয়াং কিয়ান কেন সঠিক: - ২০২১ সালের টোকিও অলিম্পিক গেমসের প্রথম ইভেন্ট হিসেবে নারীদের ১০ মিটার এয়ার রাইফেল প্রতিযোগিতায় তিনি স্বর্ণপদক লাভ করেন। - চীনের এই শুটার অলিম্পিকের মূল আসরে প্রথম স্বর্ণ জিতে নিজের দেশকে প্রতিযোগিতার শুরুতেই পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে নিয়ে যান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইয়াং কিয়ান — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি টোকিও অলিম্পিকের প্রথম স্বর্ণপদক জয় করেছিলেন। B) কেটি লেভেকি — ইনি আমেরিকার প্রখ্যাত সাঁতারু হলেও টোকিও অলিম্পিকের প্রথম স্বর্ণপদক জয়ী নন। C) মার্সেল জ্যাকবস — ইনি ইতালির স্প্রিন্টার এবং ১০০ মিটার দৌড়ে স্বর্ণ জিতলেও তা অলিম্পিকের প্রথম স্বর্ণ ছিল না। D) ক্যালেব ড্রেসেল — ইনি আমেরিকার সাতারু যিনি একাধিক স্বর্ণপদক জিতলেও উদ্বোধনী স্বর্ণপদক জয়ী নন। মনে রাখার টিপস: টোকিও অলিম্পিকের শুরুতে ইয়ং (Young) চীনের শ্যুটার ইয়াং কিয়ান নিশানভেদ করে প্রথম স্বর্ণ জিতেছিলেন।
a Carbon Copy
b Close Contact
c Close Circuit
d Contact Centre
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Carbon Copy কেন সঠিক: - ই-মেইল পাঠানোর সময় মূল প্রাপক ছাড়াও অন্য কাউকে অবগতির জন্য একই বার্তা পাঠানোর ক্ষেত্রে সিজি বা কার্বন কপি ব্যবহার করা হয়। - প্রাচীনকালে কাগজের নিচে কার্বন পেপার রেখে যেমন প্রতিলিপি তৈরি করা হতো, ই-মেইলের এই প্রযুক্তির নামকরণ সেখান থেকেই করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Carbon Copy - এটি সঠিক উত্তর কারণ ই-মেইলে অনুলিপি পাঠানোর ক্ষেত্রে এই পরিভাষাটি ব্যবহার করা হয়। B) Close Contact - এটি মানব সম্পর্কের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত একটি শব্দগুচ্ছ, ই-মেইল প্রযুক্তির সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। C) Close Circuit - এটি মূলত টেলিভিশন বা ইলেকট্রনিক্স ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, যেমন সিসি ক্যামেরা বা ক্লোজ সার্কিট টিভি। D) Contact Centre - এটি গ্রাহক সেবা বা তথ্য প্রদানের কোনো নির্দিষ্ট অফিস বা কেন্দ্রকে বোঝায়। মনে রাখার টিপস: ই-মেইলে কার্বন পেপারের কাজ মনে রাখলেই সিজি বা কার্বন কপি বিষয়টি সহজে মনে রাখা যায়।
a দশ ভাগের এক ভাগ
b ছয় ভাগের এক ভাগ
c চার ভাগের এক ভাগ
d তিন ভাগের এক ভাগ
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ছয় ভাগের এক ভাগ কেন সঠিক: - চাঁদের অভিকর্ষ বল বা মাধ্যাকর্ষণ শক্তি পৃথিবীর তুলনায় প্রায় ছয় ভাগের এক ভাগ। - কোনো বস্তুর ওজন নির্ভর করে সেই স্থানের অভিকর্ষ বলের ওপর, তাই চাঁদে বস্তুর ওজন কমে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দশ ভাগের এক ভাগ — এটি চাঁদের অভিকর্ষ বলের সঠিক মান নয় এবং বৈজ্ঞানিকভাবে ভুল। B) ছয় ভাগের এক ভাগ — এটি সঠিক উত্তর কারণ চাঁদের অভিকর্ষ বল পৃথিবীর ছয় ভাগের এক ভাগ। C) চার ভাগের এক ভাগ — এটি ভুল কারণ চাঁদের মাধ্যাকর্ষণ টান পৃথিবীর এক চতুর্থাংশ নয়। D) তিন ভাগের এক ভাগ — এটি ভুল হিসাব এবং এর সাথে চাঁদের ওজনের কোনো মিল নেই। মনে রাখার টিপস: পৃথিবীতে ওজন যা, চাঁদে গেলে তাকে ছয় দিয়ে ভাগ করলেই চাঁদের ওজন পাওয়া যাবে।
a ব্রোমিন
b পারদ
c আয়োডিন
d জেনন
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ব্রোমিন কেন সঠিক: - ব্রোমিন হলো একমাত্র অধাতু যা সাধারণ তাপমাত্রায় তরল অবস্থায় থাকে। - এটি হ্যালোজেন গ্রুপের একটি মৌল এবং এর রাসায়নিক সংকেত Br। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্রোমিন — এটি সাধারণ তাপমাত্রায় তরল এবং একটি মৌলিক অধাতু হওয়ায় এটিই সঠিক উত্তর। B) পারদ — এটি সাধারণ তাপমাত্রায় তরল হলেও এটি কোনো অধাতু নয়, বরং একটি মৌলিক ধাতু। C) আয়োডিন — এটি সাধারণ তাপমাত্রায় কঠিন অবস্থায় থাকে এবং এটি একটি হ্যালোজেন অধাতু। D) জেনন — এটি সাধারণ তাপমাত্রায় গ্যাসীয় অবস্থায় থাকে এবং এটি একটি নিষ্ক্রিয় গ্যাস। মনে রাখার টিপস: অধাতু তরল বললে ব্রোমিন এবং ধাতু তরল বললে পারদ মনে রাখবে।
a এটা আমি মানি না
b এটা আমি জানি না
c আমি সমর্থন কবি
d আমি মতামত দির না
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) এটা আমি মানি না কেন সঠিক: - ভেটো একটি ল্যাটিন শব্দ যার আক্ষরিক অর্থ হলো আমি নিষেধ করি বা আমি মানি না। - আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে বিশেষ করে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে কোনো প্রস্তাব পাসে স্থায়ী সদস্যের অমত প্রকাশ করাকে বোঝায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) এটা আমি মানি না — এটি 'Veto' শব্দের আক্ষরিক ও সঠিক অর্থ প্রকাশ করে। B) এটা আমি জানি না — এটি অজ্ঞতা প্রকাশ করে, যা ভেটো শব্দের অর্থের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) আমি সমর্থন কবি — এটি বিরোধিতার বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে, যা ভেটো শব্দের ঠিক উল্টো। D) আমি মতামত দির না — এটি নিরপেক্ষতা প্রকাশ করে, কিন্তু ভেটো একটি সক্রিয় অস্বীকৃতি। মনে রাখার টিপস: ভেটো শব্দের শুরুতেই না বোধক ভাব আছে, তাই মনে রাখবেন ভেটো মানেই হলো কোনো কিছুতে আমি মানি না বা নিষেধ করছি।
a আলজেরিয়া
b বেলজিয়াম
c সুইজারল্যান্ড
d মিশর
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সুইজারল্যান্ড কেন সঠিক: - সুইজারল্যান্ড একটি সম্পূর্ণ ভূবেষ্টিত বা স্থলবেষ্টিত রাষ্ট্র, যার কোনো সমুদ্র উপকূলরেখা বা সমুদ্র বন্দর নেই। - দেশটি ইউরোপের আল্পস পর্বতমালায় অবস্থিত এবং এর আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য প্রতিবেশী দেশের বন্দর ও রাইন নদীর ওপর নির্ভর করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আলজেরিয়া — এটি উত্তর আফ্রিকার একটি দেশ যার ভূমধ্যসাগরে বিশাল উপকূলরেখা ও বেশ কয়েকটি সমুদ্র বন্দর রয়েছে। B) বেলজিয়াম — এটি ইউরোপের একটি দেশ যার উত্তর সাগরে উপকূল রয়েছে এবং এর অ্যান্টিওয়ার্প একটি বিশ্বখ্যাত সমুদ্র বন্দর। C) সুইজারল্যান্ড — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি সম্পূর্ণ স্থলবেষ্টিত এবং এর নিজস্ব কোনো সমুদ্র বন্দর নেই। D) মিশর — এটি উত্তর আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশ যার উত্তরে ভূমধ্যসাগর এবং পূর্বে লোহিত সাগরে বন্দর রয়েছে। মনে রাখার টিপস: ইউরোপের পাহাড়ি দেশ সুইজারল্যান্ড হলো ল্যান্ডলকড বা ভূবেষ্টিত, তাই এর কোনো সমুদ্র বন্দর নেই।
a সায়গন
b ভিয়েনতিন
c হ্যানয়
d ভিয়েনতিয়েন
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সায়গন কেন সঠিক: - ১৯৭৫ সালে ভিয়েতনাম যুদ্ধের সমাপ্তির পর দক্ষিণ ভিয়েতনামের রাজধানী সায়গনের নাম পরিবর্তন করে কমিউনিস্ট নেতা হো চি মিনের নামানুসারে হো চি মিন সিটি রাখা হয়। - এটি ভিয়েতনামের বৃহত্তম শহর এবং ঐতিহাসিক ও অর্থনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি জনবহুল নগরী। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সায়গন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই শহরটির পূর্ব নামই হো চি মিন নগরী রাখা হয়েছিল। B) ভিয়েনতিন — এটি লাওসের রাজধানী শহর, যা ভিয়েতনামের কোনো শহরের পূর্ব নাম নয়। C) হ্যানয় — এটি বর্তমান ভিয়েতনামের রাজধানী, যার পূর্ব নাম হো চি মিন নগরী ছিল না। D) ভিয়েনতিয়েন — এটি লাওসের রাজধানী ভিয়েনতিনের আরেকটি বানান রূপ, যা এই প্রশ্নের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: ভিয়েতনামের বিপ্লবী নেতা হো চি মিনের নাম যুক্ত হওয়ার আগে দেশটির প্রধান বাণিজ্যিক শহরটির নাম ছিল সায়গন।
a জন বার্ডিন
b লিনাস পাওলি
c পিয়েরে কুরি
d মেরি কুরি
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মেরি কুরি কেন সঠিক: - মেরি কুরি ১৯০৩ সালে তেজস্ক্রিয়তা আবিষ্কারের জন্য পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। - তিনি পরবর্তীতে ১৯১১ সালে রেডিয়াম ও পোলোনিয়াম আবিষ্কার এবং তাদের যৌগ নিয়ে গবেষণার জন্য রসায়ন বিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জন বার্ডিন — তিনি পদার্থবিজ্ঞানে দুইবার নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন, রসায়নে পাননি। B) লিনাস পাওলি — তিনি রসায়ন ও শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন, পদার্থবিজ্ঞানে পাননি। C) পিয়েরে কুরি — তিনি কেবল পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন, রসায়নে পাননি। D) মেরি কুরি — তিনি পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়ন উভয় বিষয়ে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন। মনে রাখার টিপস: পদার্থ ও রসায়নের প্রথম দ্বৈত নোবেলজয়ী মেরি কুরি, যিনি পদার্থে একবার ও রসায়নে একবার এই সম্মান পান।
a জেনেভা
b মন্ট্রিল
c নিউইয়র্ক
d বন
0 146 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মন্ট্রিল কেন সঠিক: - ICAO-এর পূর্ণরূপ হলো ইন্টারন্যাশনাল সিভিল এভিয়েশন অর্গানাইজেশন। - এই সংস্থাটির প্রধান কার্যালয় কানাডার মন্ট্রিল শহরে অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জেনেভা — এটি সুইজারল্যান্ডের শহর এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার সদর দপ্তর। B) মন্ট্রিল — এটি কানাডার শহর এবং এখানেই ICAO-এর সদর দপ্তর অবস্থিত। C) নিউইয়র্ক — এটি যুক্তরাষ্ট্রের শহর এবং জাতিসংঘের প্রধান সদর দপ্তর এখানে অবস্থিত। D) বন — এটি জার্মানির শহর এবং পূর্বে পশ্চিম জার্মানির রাজধানী ছিল। মনে রাখার টিপস: এভিয়েশন বা বিমান চলাচল সংস্থার সদর দপ্তর কানাডার মন্ট্রিল শহরে অবস্থিত।
a গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রভাষা বাংলা
b প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা
c বাংলাদেশের রাষ্ট্রভাষা বাংলা
d সরকারের রাষ্ট্রভাষা বাংলা
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: B) প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা কেন সঠিক: - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৩ নম্বর অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রভাষা সম্পর্কে স্পষ্ট বিধান রয়েছে। - এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা হলো বাংলা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রভাষা বাংলা — সংবিধানের মূল পাঠে 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের' শব্দগুলো ব্যবহার করা হয়নি। B) প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা — এটি সংবিধানের ৩ নম্বর অনুচ্ছেদের হুবহু সঠিক বিধান। C) বাংলাদেশের রাষ্ট্রভাষা বাংলা — এখানে রাষ্ট্রীয় সাংবিধানিক পরিভাষা 'প্রজাতন্ত্রের' পরিবর্তে 'বাংলাদেশের' ব্যবহার করা হয়েছে। D) সরকারের রাষ্ট্রভাষা বাংলা — সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রভাষা সরকারের নয়, বরং সমগ্র প্রজাতন্ত্রের। মনে রাখার টিপস: সংবিধানের ৩ নম্বর অনুচ্ছেদ মনে রাখতে 'প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা' বাক্যটি মনে রাখুন।
a বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ
b বেসরকারি বিনিয়োগ বোর্ড
c বিনিয়োগ বোর্ড
d বাংলাদেশ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বিনিয়োগ বোর্ড কেন সঠিক: - বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন ২০১৬ পাস হওয়ার পর তৎকালীন বিনিয়োগ বোর্ড ও প্রাইভেটাইজেশন কমিশন একীভূত করা হয়। - ২০১৬ সালে এই দুটি প্রতিষ্ঠানকে একীভূত করে বর্তমান বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বা বিডা গঠন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ — এটি বিডা-এর পূর্বতন নাম নয়, বরং বর্তমান সংক্ষিপ্ত রূপের পূর্ণরূপ। B) বেসরকারি বিনিয়োগ বোর্ড — এটি কোনো সরকারি আনুষ্ঠানিক প্রতিষ্ঠানের সঠিক নাম নয়, তাই এটি ভুল। C) বিনিয়োগ বোর্ড — এটি ২০১৬ সালের পূর্বে দেশের বিনিয়োগ সংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালনা করত এবং পরবর্তীতে বিডা নামে রূপ নেয়। D) বাংলাদেশ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ — এটি একটি বিভ্রান্তিকর নাম এবং এমন নামে কোনো সরকারি প্রতিষ্ঠান অতীতে ছিল না। মনে রাখার টিপস: বিডা গঠনের আগে এর নাম ছিল শুধু বিনিয়োগ বোর্ড, যা ২০১৬ সালে পরিবর্তিত হয়।
a পদ্মা
b মেঘনা
c যমুনা
d তিস্তা
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মেঘনা কেন সঠিক: - ভারতের আসাম ও মনিপুর রাজ্যে উৎপন্ন বরাক নদী নদীটি সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর মিলিত প্রবাহ হিসেবে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। - বাংলাদেশে প্রবেশ করার পর এই মিলিত নদীটি মেঘনা নদী নামে পরিচিত লাভ করে দক্ষিণ দিকে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পদ্মা — এটি হিমালয়ের গঙ্গোত্রী হিমবাহ থেকে উৎপন্ন হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে এবং এর ভারতীয় অংশের নাম গঙ্গা। B) মেঘনা — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই নদীটির ভারতীয় অংশের নাম বরাক। C) যমুনা — এটি ব্রহ্মপুত্র নদের ভারতীয় অংশের নাম যা বাংলাদেশে প্রবেশের পর যমুনা নাম ধারণ করেছে। D) তিস্তা — এটি সিকিম ও পশ্চিমবঙ্গ হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করা একটি অভিন্ন নদী যার ভারতীয় অংশের নাম পরিবর্তন হয়নি। মনে রাখার টিপস: বরাক নদী বাংলাদেশে এসে মেঘনা নাম ধারণ করেছে, তাই মনে রাখুন বরাক মানেই মেঘনা।
a মুহাম্মদ সামাদ
b ইমতিয়ার শামীম
c সাহিদা বেগম
d অপরেশ বন্দ্যোপাধ্যায়
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়ের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: C) সাহিদা বেগম কেন সঠিক: - ২০২১ সালে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কারের মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক গবেষণা বিভাগে সাহিদা বেগম এই পুরস্কার লাভ করেন। - তাঁর মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গবেষণা ও সাহিত্যকর্মের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলা একাডেমি তাঁকে এই সম্মাননা প্রদান করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুহাম্মদ সামাদ — তিনি ২০২১ সালে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার পেলেও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক গবেষণার জন্য পাননি, তিনি কবিতা বিভাগে ভূষিত হয়েছিলেন। B) ইমতিয়ার শামীম — তিনি কথাসাহিত্য বা অন্য কোনো শাখায় পরিচিত হলেও ২০২১ সালের মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক গবেষণা পুরস্কারপ্রাপ্ত নন। C) সাহিদা বেগম — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। D) অপরেশ বন্দ্যোপাধ্যায় — তিনি ২০২১ সালের বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কারপ্রাপ্ত মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক গবেষক নন। মনে রাখার টিপস: মুক্তিযুদ্ধ গবেষণায় ২০২১ সালের বাংলা একাডেমি পুরস্কারের জন্য সাহিদা বেগমের নামটি মনে রাখতে মুক্তিযুদ্ধ ও সাহিদা এই দুটি শব্দ একসাথে মনে রাখুন।
a ০১ আশ্বিন
b ০৩ আশ্বিন
c ০১ অগ্রাহায়ণ
d কোনোটিই নয়
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কোনোটিই নয় কেন সঠিক: - প্রশ্নটিতে আজকের তারিখ জানতে চাওয়া হয়েছে, যা একটি পরিবর্তনশীল এবং চলমান বিষয়। - আজকের প্রকৃত তারিখের সঙ্গে প্রদত্ত অপশনগুলোর কোনো মিল নেই, তাই সঠিক উত্তর কোনোটিই নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ০১ আশ্বিন — এটি বাংলা সনের একটি নির্দিষ্ট মাসের প্রথম দিন, যা আজকের তারিখের সঙ্গে মিলে না। B) ০৩ আশ্বিন — এটিও বাংলা সনের একটি নির্দিষ্ট তারিখ, যা আজকের প্রকৃত তারিখ নয়। C) ০১ অগ্রাহায়ণ — এটি বাংলা সনের অন্য একটি মাসের প্রথম দিন, যা বর্তমান তারিখের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ। D) কোনোটিই নয় — যেহেতু আগের কোনো অপশনই আজকের সঠিক তারিখ প্রকাশ করছে না, তাই এটিই সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: পরিবর্তনশীল বা চলতি তারিখের প্রশ্নের ক্ষেত্রে ক্যালেন্ডার বা বর্তমান সময়ের সঙ্গে মিলিয়ে সঠিক উত্তর নির্ধারণ করতে হবে।
a বাংলাদেশ লিবারেশন ফোর্স
b ঢাকা গেরিলা
c সার্বভৌম বাংলা
d জ্যাক প্লাটুন
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জ্যাক প্লাটুন কেন সঠিক: - শহিদ মুক্তিযোদ্ধা শাফি ইমাম রুমী ১৯৭১ সালে সেক্টর ২ এর অধীনে ঢাকা শহরের গেরিলা অপারেশনের জন্য গঠিত ক্র্যাক প্লাটুনের একজন বীর যোদ্ধা ছিলেন। - প্রশ্নে জ্যাক প্লাটুন উল্লেখ করা হয়েছে যা ক্র্যাক প্লাটুনের একটি ভুল বা পরিবর্তিত রূপ, তবে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ক্র্যাক প্লাটুনের যোদ্ধাদের নামের ক্ষেত্রে এই অপশনটিকে নির্দেশ করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাংলাদেশ লিবারেশন ফোর্স — এটি মূলত মুজিব বাহিনী হিসেবে পরিচিত ছিল, যা কোনো নির্দিষ্ট গেরিলা প্লাটুনের নাম নয়। B) ঢাকা গেরিলা — এটি কোনো নির্দিষ্ট গেরিলা দলের প্রাতিষ্ঠানিক নাম নয়, এটি ঢাকা শহরের সামগ্রিক গেরিলা কার্যক্রমকে বোঝায়। C) সার্বভৌম বাংলা — এটি মুক্তিযুদ্ধের সময়কার কোনো গেরিলা দলের নাম ছিল না। D) জ্যাক প্লাটুন — প্রদত্ত প্রশ্নানুযায়ী এটি ক্র্যাক প্লাটুনের বিকল্প নাম হিসেবে সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: শাফি ইমাম রুমী ছিলেন বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক জাহানারা ইমামের পুত্র এবং তিনি ক্র্যাক প্লাটুনের ঢাকাভিত্তিক গেরিলা যোদ্ধা ছিলেন।
a অধ্যাপক ইউসুফ আলী
b জেনারেল এম. এ. জি ওসমানী
c এইচ টি ইমাম
d আতাউর রহমান খান
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অধ্যাপক ইউসুফ আলী কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলা (বর্তমান মুজিবনগর) আমবাগানে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রথম সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান হয়। - উক্ত অনুষ্ঠানে নবগঠিত সরকারের মন্ত্রী ও অন্যান্যদের অধ্যাপক ইউসুফ আলী শপথবাক্য পাঠ করান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অধ্যাপক ইউসুফ আলী — ইনি মুজিবনগর সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে শপথবাক্য পাঠ করিয়েছিলেন বিধায় এটি সঠিক উত্তর। B) জেনারেল এম. এ. জি ওসমানী — ইনি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি ছিলেন, তবে শপথবাক্য পাঠ করাননি। C) এইচ টি ইমাম — ইনি মুজিবনগর সরকারের প্রথম মন্ত্রিপরিষদ সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন, শপথ পাঠ করাননি। D) আতাউর রহমান খান — ইনি তৎকালীন একজন বিশিষ্ট রাজনৈতিক নেতা ছিলেন, তবে মুজিবনগর সরকারের শপথ পাঠের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। মনে রাখার টিপস: শপথ পাঠ করিয়েছিলেন ইউসুফ আলী, আর সরকারের ঘোষণা পত্র পাঠ করেছিলেন অধ্যাপক ইউসুফ আলীর পাশাপাশি আইনগত ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন অন্য কেউ; সহজ কথায় শপথের জন্য 'ইউসুফ' নামটা মনে রাখবেন।
a বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী
b বিচারপতি এস এম হুদা
c বিচারপতি এবি সিদ্দিক
d বিচারপতি আব্দুস সাত্তার
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বিচারপতি আব্দুস সাত্তার কেন সঠিক: - ১৯৭০ সালের পাকিস্তান সাধারণ নির্বাচনের সময় বিচারপতি আব্দুস সাত্তার প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। - তার পরিচালনায় পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদ এবং প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী — তিনি ১৯৭০ সালের নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ছিলেন না, তিনি পরবর্তীতে বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ছিলেন। B) বিচারপতি এস এম হুদা — তিনি ১৯৭০ সালের নির্বাচনের প্রধান নির্বাচন কমিশনার ছিলেন না এবং এই পদের সঙ্গে তার ঐতিহাসিক কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। C) বিচারপতি এবি সিদ্দিক — তিনি এই পদের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না এবং ১৯৭০ সালের নির্বাচনের সময় প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেননি। D) বিচারপতি আব্দুস সাত্তার — এটি সঠিক উত্তর, কারণ তিনি এই নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব সফলভাবে পালন করেছিলেন। মনে রাখার টিপস: সাত্তার মানে নির্বাচন সাতাত্তর বা সত্তরের নির্বাচন, মনে রাখুন ১৯৭০ সালের নির্বাচন পরিচালনা করেছিলেন বিচারপতি আব্দুস সাত্তার।
a সব্যসাচী হাজরা
b উত্তম সেন
c শিশির ভট্টাচার্য্য
d ধ্রুব এষ
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সব্যসাচী হাজরা কেন সঠিক: - জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনের জন্য নির্ধারিত লোগোটির চূড়ান্ত নকশা তৈরি করেছেন শিল্পী সব্যসাচী হাজরা। - এই লোগোতে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি এবং শতবর্ষের থিম অত্যন্ত শৈল্পিক ও অর্থবহভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সব্যসাচী হাজরা — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি মুজিব শতবর্ষ লোগোর মূল ডিজাইনার বা নকশাকার। B) উত্তম সেন — তিনি একজন প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী হলেও মুজিব শতবর্ষ লোগোর ডিজাইনার নন। C) শিশির ভট্টাচার্য্য — তিনি দেশের একজন খ্যাতনামা কার্টুনিস্ট ও চিত্রশিল্পী, তবে এই লোগোটির সাথে যুক্ত নন। D) ধ্রুব এষ — তিনি বিখ্যাত প্রচ্ছদ শিল্পী ও লেখক হলেও মুজিব শতবর্ষের লোগোটি তিনি ডিজাইন করেননি। মনে রাখার টিপস: মুজিব শতবর্ষ লোগোর ডিজাইন করেছেন সব্যসাচী হাজরা, নামের শুরুতে 'স' দিয়ে শতবর্ষ এবং সব্যসাচী মনে রাখতে পারেন।
a জেনারেল এম. এ. জি ওসমানী
b সৈয়দ নজরুল ইসলাম
c বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
d তাজউদ্দীন আহমেদ
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয় ও ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও ইতিহাস সঠিক উত্তর: C) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল গঠিত প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের (মুজিবনগর সরকার) ঘোষণাপত্র অনুযায়ী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক। - ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল গঠিত সরকারের কেবিনেট মিটিংয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে তাকে সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক হিসেবে ঘোষণা করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জেনারেল এম. এ. জি ওসমানী — তিনি মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি ছিলেন, সর্বাধিনায়ক ছিলেন না। B) সৈয়দ নজরুল ইসলাম — তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন। C) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি ভুল নয়। D) তাজউদ্দীন আহমেদ — তিনি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। মনে রাখার টিপস: সরকারের প্রধান বা রাষ্ট্রপতি ছিলেন বঙ্গবন্ধু, তাই তিনি সর্বাধিনায়ক এবং ওসমানী ছিলেন সেনাপ্রধান।

মোট প্রশ্ন (20)

a দোকান
b বাজার
c দালাল
d নিজ
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দোকান কেন সঠিক: ১. বাংলা শব্দভান্ডারে 'আপণ' একটি তৎসম শব্দ যার প্রচলিত অর্থ হলো বনিকের দোকান। ২. প্রাচীন ও মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যে মুদিখানা বা ক্রয়ের স্থান বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. বানানের ভিন্নতার কারণে বাংলা শব্দে অর্থের পরিবর্তন ঘটে যা শব্দার্থ তত্ত্বের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ২. মধ্যযুগের কাব্যে সওদাগরি বা ব্যবসার প্রসঙ্গের ক্ষেত্রে এই শব্দের বহুল ব্যবহার দেখতে পাওয়া যায়। ৩. যেমন, চণ্ডীমঙ্গল কাব্যে বনিক সম্প্রদায়ের ব্যবসার সামগ্রী বিক্রির স্থান হিসেবে 'আপণ' শব্দের উল্লেখ রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দোকান — এই অপশনটি সঠিক কারণ 'আপণ' শব্দের মূল অর্থ হলো বিক্রেতার বসার স্থান বা দোকান। B) বাজার — বাজার বলতে অনেকগুলো দোকানের সমষ্টিকে বোঝায়, যা এককভাবে 'আপণ' শব্দের সরাসরি অর্থ নয়। C) দালাল — দালাল হলো মধ্যস্থতাকারী ব্যক্তি, যার সাথে ক্রয়-বিক্রয়ের স্থানবাচক শব্দ 'আপণ'-এর কোনো মিল নেই। D) নিজ — 'নিজ' অর্থ আত্মপক্ষ বা স্বয়ং, যা উচ্চারণে মিল থাকলেও 'আপণ' শব্দের সাথে সম্পৃক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: ১. শেষের মূর্ধন্য ণ (ণত্ব বিধানের নিয়ম) যুক্ত 'আপণ' দেখলে সবসময় দোকান বা ক্রয়কেন্দ্র হিসেবে মনে রাখবে। ২. অন্যদিকে দন্ত্য ন যুক্ত 'আপন' শব্দটি নিজের বা নিজ অর্থে ব্যবহৃত হয়, বানান ও অর্থ মনে রাখলেই ভুল এড়ানো সম্ভব।
a যতীন্দ্রমোহন বাগচী
b রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
c কাজী নজরুল ইসলাম
d জসীমউদদীন
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) যতীন্দ্রমোহন বাগচী কেন সঠিক: - এই কবিতাটি বিখ্যাত কবি যতীন্দ্রমোহন বাগচীর একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি। - গ্রামীণ পরিবারের মর্মান্তিক শোক ও নিখাদ ভাইবোনের ভালোবাসা এই কবিতায় ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা সাহিত্যের একটি শোকভিত্তিক ও করুণ রসাত্মক পল্লি কবিতা। - কবিতাটিতে প্রাত্যহিক জীবনের সহজ ভাষা ও ছন্দের সুনিপুণ প্রয়োগ দেখা যায়। - কাজলা দিদি হারানোর বেদনা একজন ছোট ভাইয়ের নিষ্পাপ জবানিতে প্রকাশ করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) যতীন্দ্রমোহন বাগচী — ইনিই এই কবিতার একমাত্র ও সঠিক রচয়িতা। - B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি নোবেলজয়ী বিশ্বকবি হলেও এই কবিতাটি লেখেননি। - C) কাজী নজরুল ইসলাম — ইনি আমাদের জাতীয় কবি যিনি মূলত বিদ্রোহী ও প্রেমের কবিতা লিখেছেন। - D) জসীমউদদীন — ইনি পল্লি কবি হিসেবে পরিচিত হলেও এই বিশেষ কবিতাটি তাঁর লেখা নয়। মনে রাখার টিপস: - কাজলা দিদি কবিতার দিদির জন্য মন পোড়ে, যতীন বাবুর কলমে তা জোড়ে।
a প্যারীচাঁদ মিত্র
b মাইকেল মধুসূদন দত্ত
c প্রমথ চৌধুরী
d দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১. কেন সঠিক: - দীনবন্ধু মিত্রের বিখ্যাত নাটক নীলদর্পণ ইংরেজিতে অনুবাদ করেন মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত। - ১৮৬০ সালে প্রকাশিত এই নাটকটি প্রকাশের পর এর ইংরেজি অনুবাদের মাধ্যমে বাংলার নীলকর সাহেবদের ওপর চালিত নির্মম অত্যাচারের চিত্র ইউরোপের মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক এবং প্রথম সার্থক নাট্যকার। - নীলদর্পণ নাটকটি রেভারেন্ড জেমসের নামে প্রকাশিত হলেও এর ইংরেজি অনুবাদ দ্য ইন্ডগো প্লান্টিং মিরর নামে প্রকাশ করেছিলেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মেঘনাদবধ কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচিত মহাকাব্য এবং বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য। উদাহরণ ২: একেই কি বলে সভ্যতা ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত একটি বিখ্যাত প্রহসন যা সমাজের কুসংস্কার নিয়ে লেখা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্যারীচাঁদ মিত্র — তিনি বাংলা উপন্যাসের জনক এবং আলালের ঘরের দুলাল উপন্যাসের রচয়িতা, নীলদর্পণ অনুবাদ করেননি। B) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — এটি সঠিক উত্তর এবং তিনি নীলদর্পণ নাটকটি ইংরেজিতে অনুবাদ করেছিলেন। C) প্রমথ চৌধুরী — তিনি বাংলা সাহিত্যে চলতি ভাষারীতির প্রবর্তক এবং সবুজপত্র পত্রিকার সম্পাদক, নীলদর্পণের সঙ্গে যুক্ত নন। D) দ্বিজেন্দ্রলাল রায় — তিনি একজন প্রখ্যাত নাট্যকার ও গীতিকার, তাঁর বিখ্যাত নাটকের মধ্যে চন্দ্রগুপ্ত ও শাহজাহান উল্লেখযোগ্য। ৫ মনে রাখার টিপস: - নাটকটি লিখেছিলেন দীনবন্ধু মিত্র আর তা ইংরেজিতে রূপান্তর করেছিলেন মধুসূদন দত্ত। - নামের মিল বা নামের প্রথম অক্ষর দিয়ে মনে রাখতে পারো দীনবন্ধুর নীলদর্পণ ইংরেজিতে রূপ দিয়েছেন মধুসূদন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই নীলদর্পণ নাটকের লেখক এবং এর ইংরেজি অনুবাদক সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। - একই সঙ্গে মনে রাখতে হবে এই নাটকটি প্রকাশের জন্য জেমস লং কারাবরণ করেছিলেন।
a পালাগান
b নাটক
c পদাবলি কাব্য
d কাব্য
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কাব্য ১. কেন সঠিক: - চন্দ্রাবতী একটি মহাকাব্য বা বর্ণনামূলক কাব্য হিসেবে পরিচিত যা মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের সঙ্গে সম্পর্কিত। - বদ্বীপ পাবলিশংসহ বিভিন্ন প্রকাশনায় ডক্টর দীনেশচন্দ্র সেনের মৈমনসিংহ গীতিকার অবলম্বনে বা অন্য কোনো কবির রচনার প্রেক্ষاپটে এটি কাব্য হিসেবে স্বীকৃত। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগে প্রথম বাঙালি নারী কবি হিসেবে চন্দ্রাবতীর বিশেষ পরিচিতি রয়েছে যিনি ষোড়শ শতাব্দীতে আবির্ভূত হন। - মহাকবি কৃত্তিবাস ও অন্যান্য সাহিত্যিক প্রেক্ষাপটে চন্দ্রাবতী নামটিকে নিয়ে পরবর্তীকালে আধুনিক যুগেও বিভিন্ন সাহিত্যকর্ম রচিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মহাশ্বেতার রামহরি ও অন্যান্য ব্যাখ্যা: এটি আধুনিক যুগের একটি উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ যা সাহিত্যিক ঐতিহ্য বহন করে। উদাহরণ ২: নকশী কাঁথার মাঠ ব্যাখ্যা: এটি জসীমউদ্দীনের একটি বিখ্যাত বর্ণনামূলক কাব্য বা গাথা কাব্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পালাগান — চন্দ্রাবতী কোনো পালাগান নয় যদিও মৈমনসিংহ গীতিকার পালাগুলোর সঙ্গে এর ঐতিহাসিক যোগসূত্র থাকতে পারে। B) নাটক — চন্দ্রাবতী কোনো নাটক বা মঞ্চনাটক নয় এটি মূলত একটি কাব্যগ্রন্থ। C) পদাবলি কাব্য — পদাবলি কাব্য সাধারণত রাধা-কৃষ্ণের প্রেমলীলা বা বৈষ্ণব পদ নিয়ে রচিত হয় যা চন্দ্রাবতীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। D) কাব্য — এটি সঠিক কারণ এটি একটি কাব্য বা সাহিত্যকর্ম হিসেবে পরীক্ষামূলক ও প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি পেয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - চন্দ্রাবতী নাম দেখলেই মনে রাখবে এটি মধ্যযুগের নারী কবি এবং এর সঙ্গে জড়িত সাহিত্যকর্ম মূলত কাব্য ধারার অন্তর্ভুক্ত। - পরীক্ষার হলে নাটকের সঙ্গে কাব্যকে গুলিয়ে ফেলবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মধ্যযুগের একমাত্র নারী কবি হিসেবে চন্দ্রাবতীর নাম এবং তার রামায়ণ অনুবাদের তথ্যটি খুব ভালোভাবে মনে রাখবে। - এই ধরনের সাহিত্যিক প্রশ্নের ক্ষেত্রে রচনার ধরন বা জেনার ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে।
a কাহ্নপা
b ঢেগুনপা
c লুইপা
d ভুসুকুপা
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) লুইপা কেন সঠিক: ডক্টর সুকুমার সেন এবং অন্যান্য প্রথিতযশা সাহিত্য গবেষকদের মতে লুইপাকে চর্যাপদের আদি কবি হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। চর্যাপদের প্রাপ্ত পদগুলোর মধ্যে লুইপার রচিত পদটিকে প্রথম পদ হিসেবে গণ্য করা হয় যা চর্যাপদের প্রাচীনত্ব প্রমাণ করে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম কাব্য নিদর্শন যা মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের সাধনা ও দর্শনের গান। ডক্টর মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেন। চর্যাপদের ভাষাকে সান্ধ্য ভাষা বা আলো-আঁধারি ভাষা বলা হয় এবং এর রচনাকাল আনুমানিক দশম থেকে দ্বাদশ শতাব্দী। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাহ্নপা — কাহ্নপা চর্যাপদের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও সর্বাধিক পদ রচয়িতা হলেও তিনি আদি কবি নন। B) ঢেগুনপা — ঢেগুনপা চর্যাপদের একজন বিশিষ্ট কবি হলেও তিনি এই সাহিত্যিক ধারার সূচনা করেননি। C) লুইপা — এই অপশনটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। D) ভুসুকুপা — ভুসুকুপা চর্যাপদের একজন জনপ্রিয় কবি যিনি বাঙালি কবি হিসেবে পরিচিত হলেও আদি কবি নন। মনে রাখার টিপস: চর্যাপদের আদি কবি মনে রাখার জন্য লুইপা নামের ল অক্ষরটি দিয়ে প্রথম বা শুরুর কথাটি মাথায় রাখতে হবে। লুইপা নামটি চর্যাপদের শুরুর দিকের পদগুলোর সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত যা সহজেই পরীক্ষার্থীদের মনে থাকে।
a দোহাতি
b কুশাল
c সব্যসাচী বল
d দ্বিজ
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সব্যসাচী বল ১. কেন সঠিক: - 'যার দুহাত সমান চলে' এই বাক্যের প্রমিত ও সংকুচিত রূপ হলো সব্যসাচী। - প্রদত্ত প্রশ্নে কিছুটা অসংগতি রয়েছে কারণ অপশনে শুধু সব্যসাচী থাকার কথা, কিন্তু এখানে সব্যসাচী বল লেখা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - এককথায় প্রকাশ ব্যাকরণের শব্দার্থ বা বাক্য সংকোচন অংশের অন্তর্ভুক্ত। - বড় একটি ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যমেই ভাষা সংক্ষিপ্ত ও সুন্দর হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যিনি অনেক বিষয়ে জানেন ব্যাখ্যা: একে এককথায় সর্বজ্ঞ বলা হয়। উদাহরণ ২: যা কখনো নষ্ট হয় না ব্যাখ্যা: একে এককথায় অবিনশ্বর বলা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দোহাতি — এটি কোনো প্রমিত এককথায় প্রকাশ নয়। B) কুশাল — এর অর্থ দক্ষ বা নিপুণ ব্যক্তি। C) সব্যসাচী বল — মূল উত্তর সব্যসাচী হলেও এখানে অতিরিক্ত বল যুক্ত করা হয়েছে। D) দ্বিজ — এর অর্থ যার জন্ম দুই বার হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - সবী অর্থ দুই এবং সাচী অর্থ দক্ষ, অর্থাৎ যার দুই হাত সমান চলে তাকে সব্যসাচী বলে। - অর্জুন ও ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহকে সব্যসাচী বলা হয় কারণ তারা উভয় হাতে লিখতে পারতেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - প্রমিত বাংলা একাডেমি বানানরীতি অনুসরণ করে এসব শব্দের সঠিক রূপ মুখস্থ রাখতে হবে।
a গাছে কাঁঠাল গোঁফে তেল
b ঝোপ বুঝে কোপ মারা
c খাল কেটে কুমির আনা
d ছাই ফেলতে ভাঙা কুলো
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) গাছে কাঁঠাল গোঁফে তেল কেন সঠিক: - এই প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো কাঁঠাল গাছে থাকা অবস্থাতেই গোঁফে তেল লাগানো। - কোনো বস্তু বা সাফল্য হাতে পাওয়ার আগেই তা ভোগ করার অতিরিক্ত প্রস্তুতি নেওয়া বোঝাতে এটি ব্যবহার করা হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় প্রবাদ ও প্রবচন। - প্রবচনগুলো মানুষের জীবনের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা ও সমাজচিত্র থেকে সৃষ্টি হয়। - এই প্রবাদটি মানুষের অতিশয় আশাবাদী ও অলীক কল্পনার অবস্থাকে সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলে। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) গাছে কাঁঠাল গোঁফে তেল — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। - B) ঝোপ বুঝে কোপ মারা — এর অর্থ সুযোগ বুঝে কাজ হাসিল করা। - C) খাল কেটে কুমির আনা — এর অর্থ বোকামির কারণে বিপদ ডেকে আনা। - D) ছাই ফেলতে ভাঙা কুলো — এর অর্থ সামান্য কাজের জন্য উপেক্ষিত বা অবহেলিত ব্যক্তি বা বস্তু। মনে রাখার টিপস: - কাঁঠাল খাওয়ার আগেই গোঁফে তেল মাখা মানেই নিশ্চিত হওয়ার আগেই আনন্দ প্রকাশ করা।
a অলক্ষ্মীর দশা
b অগ্নি পরীক্ষা
c অদৃষ্টের পরিহাস
d আটক
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অদৃষ্টের পরিহাস ১. কেন সঠিক: - 'বিধির বিড়ম্বনা' বাগধারাটির মূল অর্থ হলো ভাগ্যের নিষ্ঠুর পরিহাস বা দুর্ভাগ্যের নির্মম খেলা। - এখানে 'বিধি' শব্দের অর্থ ভাগ্য বা নিয়তি এবং 'বিড়ম্বনা' শব্দের অর্থ প্রতারণা বা ঠাট্টা। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি একটি জনপ্রিয় বাংলা বাগধারা যা মানুষের জীবনের অপ্রত্যাশিত ও নিষ্ঠুর misfortunes বা ট্র্যাজেডি প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়। - প্রমিত বাংলা শব্দভান্ডারে বিমূর্ত অনুভূতি বা ভাগ্যের নির্মম বাস্তবতাকে ফুটিয়ে তুলতে এই ধরনের বাগধারার বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সারাজীবন কঠোর পরিশ্রম করেও ব্যবসায় সফল হতে না পারা যেন বিধির বিড়ম্বনা। ব্যাখ্যা: অতিরিক্ত পরিশ্রমের পরও কাঙ্ক্ষিত ফল না পাওয়ার অবস্থাকে বোঝাতে এই বাক্যটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: পরীক্ষার ঠিক আগের রাতে অসুস্থ হয়ে পড়া আমার জন্য এক চরম বিধির বিড়ম্বনা। ব্যাখ্যা: সব প্রস্তুতি থাকার পরও হঠাৎ কোনো দুর্ভাগ্যের কারণে সুযোগ হাতছাড়া হওয়ার অবস্থাকে বোঝাতে এটি প্রযোজ্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অলক্ষ্মীর দশা — এই বাগধারাটির অর্থ দুর্ভাগ্যের আগমন বা অলক্ষ্মী ভর করা, যা বিধির বিড়ম্বনার সমার্থক নয়। B) অগ্নি পরীক্ষা — এই বাগধারাটির অর্থ কঠিন পরীক্ষা বা কঠোর সংকট, যা ভাগ্যের পরিহাসের অর্থে ব্যবহৃত হয় না। C) অদৃষ্টের পরিহাস — এটি সঠিক উত্তর। D) আটক — এটি কোনো বাগধারা নয়, বরং একটি সাধারণ ক্রিয়াপদের রূপ বা বিশেষ্য শব্দ। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিধি মানে ভাগ্য আর বিড়ম্বনা মানে ঠাট্টা। ভাগ্য যখন মানুষের সঙ্গে নিষ্ঠুর ঠাট্টা করে, তখন তাকে অদৃষ্টের পরিহাস বা বিধির বিড়ম্বনা বলা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সমার্থক বাগধারা থেকে প্রশ্ন আসে। - 'অদৃষ্টের পরিহাস', 'নিয়তির নির্মম খেলা' বা 'বিধির বিড়ম্বনা' প্রায় একই ভাব প্রকাশ করে।
a আয়ত্তে আনা
b হস্তচ্যুত হওয়া
c কার্যে বিরতি
d দক্ষতা
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কার্যে বিরতি কেন সঠিক: - বাক্যে হাত গুটিয়ে বসে থাকা একটি বিশেষ বাগধারা হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। - এর মাধ্যমে কোনো কাজ না করে অলসভাবে সময় কাটানো বা কাজ বন্ধ রাখাকে বোঝানো হয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ভাষায় শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দিয়ে অনেক অর্থবহ বাগধারা তৈরি হয়। - হাত শব্দটির সাথে গুটিয়ে নেওয়া যুক্ত হয়ে এখানে নিষ্ক্রিয়তা বা কাজের অভাব প্রকাশ পেয়েছে। - যেমন হাত গুটানো মানে কাজ বন্ধ করা বা গুটিয়ে নেওয়া। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) আয়ত্তে আনা — এই অর্থটি হাত করা বাগধারার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, যা এখানে খাপ খায় না। - B) হস্তচ্যুত হওয়া — এর অর্থ হাতছাড়া হওয়া, যা এই বাক্যের ভাবের সাথে মেলে না। - C) কার্যে বিরতি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। - D) দক্ষতা — এই অর্থটি হাত পাকা বা হাত সায় দেওয়া শব্দের সাথে সম্পর্কিত, যা এখানে অনুপস্থিত। মনে রাখার টিপস: - হাত গুটানো মানে কাজ বন্ধ রাখা এবং হাত খোলা মানে দানশীল হওয়া বা উদার হওয়া।
a তরল
b গরল
c কটু
d তিক্ত
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গরল ১. কেন সঠিক: 'অমৃত' শব্দের অর্থ সুধা, পিযূষ বা যা মৃত্যু নিবারণ করে। এর বিপরীতে 'গরল' শব্দের অর্থ বিষ বা যা জীবননাশ করে, তাই এটি সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি শব্দভাণ্ডার বা বিপরীতার্থক শব্দের একটি প্রশ্ন। বিপরীত শব্দ হলো এমন শব্দ যা অন্য একটি শব্দের সম্পূর্ণ উল্টো বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আলোক - অন্ধকার ব্যাখ্যা: আলোক বা আলোর সম্পূর্ণ বিপরীত অবস্থা হলো অন্ধকার। উদাহরণ ২: জন্ম - মৃত্যু ব্যাখ্যা: জন্ম শব্দের বিপরীত অর্থ হলো মৃত্যু বা অবসান। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তরল — তরল অর্থ যা কঠিন বা বায়বীয় নয়, এটি অমৃতের বিপরীত শব্দ নয়। B) গরল — এটি সঠিক উত্তর। C) কটু — কটু শব্দের অর্থ তিতা বা কর্কশ, এটি অমৃতের বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে যথাযথ নয়। D) তিক্ত — তিক্ত শব্দের অর্থ তিতা, যা মূলত মিষ্টি বা সুস্বাদু শব্দের বিপরীত। ৫. মনে রাখার টিপস: অমৃত অর্থ সুধা বা ভালো জিনিস, আর গরল অর্থ বিষ বা খারাপ জিনিস। সুধা ও বিষ যেভাবে পরস্পরের বিপরীত, অমৃত ও গরল সেভাবে বিপরীত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সংস্কৃত বা তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ জানতে চাওয়া হয়। তাই তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দগুলো আলাদাভাবে চর্চা করা উচিত।
a আমি হব সকাল বেলার পাখি।
b তুমি বোধ হয় কঠিন অঙ্কটা বুঝবে।
c আমিনা কথা বলতে থাকবে।
d আমার ছোট ভাই লিখছে।
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আমি হব সকাল বেলার পাখি। ১. কেন সঠিক: ক্রিয়ার যে রূপ দ্বারা ভবিষ্যতে কোনো কাজ সাধারণভাবে সম্পন্ন হবে বোঝায়, তাকে সাধারণ ভবিষ্যৎ কাল বলে। এই বাক্যে 'হব' ক্রিয়াটি দ্বারা ভবিষ্যতের একটি সাধারণ ঘটনা বা ইচ্ছা প্রকাশ করা হয়েছে, যা সাধারণ ভবিষ্যৎ কালের নিয়মকে পুরোপুরি সমর্থন করে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: কালের দিক থেকে ভবিষ্যৎ কাল মূলত চার প্রকার, যথা সাধারণ ভবিষ্যৎ, ঘটমান ভবিষ্যৎ, পুরাঘটিত ভবিষ্যৎ ও ভবিষ্যৎ অনুজ্ঞা। সাধারণ ভবিষ্যৎ কালে ক্রিয়ার শেষে ব, বে, বেন ইত্যাদি বিভক্তি যুক্ত হয় এবং কাজটি ভবিষ্যতে স্বাভাবিকভাবে ঘটবে বোঝায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাল আমরা ঢাকা যাব। ব্যাখ্যা: এখানে 'যাব' ক্রিয়াটি ভবিষ্যতে সাধারণ অর্থে সম্পন্ন হওয়ার কারণে এটি সাধারণ ভবিষ্যৎ কালের উদাহরণ। উদাহরণ ২: সে আগামীকাল একটি চিঠি লিখবে। ব্যাখ্যা: এখানে 'লিখবে' ক্রিয়াটি ভবিষ্যৎকালের সাধারণ ঘটনা প্রকাশ করায় এটি সাধারণ ভবিষ্যৎ কাল হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আমি হব সকাল বেলার পাখি। — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি সাধারণ ভবিষ্যৎ কালের রূপ। B) তুমি বোধ হয় কঠিন অঙ্কটা বুঝবে। — এখানে 'বোধ হয়' পদের কারণে এটি সম্ভাবনাময় বা অনুমিত ভবিষ্যৎ কাল নির্দেশ করে, সাধারণ ভবিষ্যৎ নয়। C) আমিনা কথা বলতে থাকবে। — এখানে ক্রিয়াটি ভবিষ্যতে চলতে থাকা বোঝায়, যা ঘটমান ভবিষ্যৎ কালের অন্তর্গত। D) আমার ছোট ভাই লিখছে। — এখানে ক্রিয়াটি বর্তমানকালে চলমান থাকা বোঝায়, তাই এটি ঘটমান বর্তমান কাল। ৫. মনে রাখার টিপস: সাধারণ ভবিষ্যৎ কাল চেনার সহজ উপায় হলো ক্রিয়ার শেষে ব, বে বা বেন যুক্ত থাকা এবং বাক্যে কোনো সন্দেহ বা চলমানতা না থাকা। যেমন হবো, যাবে, করবে এগুলো সাধারণ ভবিষ্যৎ কালের রূপ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ভবিষ্যৎ কালের বিভিন্ন প্রকারভেদ থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। ক্রিয়ার গঠন ও বাক্যের অর্থ ভালোভাবে খেয়াল করে সাধারণ এবং ঘটমান ভবিষ্যতের পার্থক্য নির্ণয় করতে হবে।
a খরগোশ
b সমুদ্র
c সূর্য
d চাঁদ
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) চাঁদ ১. কেন সঠিক: 'শশাঙ্ক' শব্দটির অর্থ হলো চাঁদ। সংস্কৃতে শশ শব্দের অর্থ খরগোশ এবং অংক শব্দের অর্থ চিহ্ন, তাই যার গায়ে খরগোশের চিহ্ন বা দাগ আছে তাকে শশাঙ্ক বলা হয় এবং পৌরাণিক বিশ্বাস অনুযায়ী চাঁদের গায়ে খরগোশের আকৃতির দাগ দেখা যায় বলে চাঁদকে শশাঙ্ক বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডার বা সমার্থক শব্দের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। শশাঙ্ক শব্দটি মূলত সংস্কৃত ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে এবং এটি বিশেষ্য পদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুধাকর ব্যাখ্যা: সুধাকর শব্দের অর্থ চাঁদ, যা শশাঙ্ক শব্দের সমার্থক হিসেবে বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। উদাহরণ ২: শশধর ব্যাখ্যা: শশধর শব্দের অর্থ যার কোলে বা গায়ে শশ বা খরগোশ ধারণ করা আছে অর্থাৎ চাঁদ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) খরগোশ — শশাঙ্ক শব্দের অর্থ খরগোশ নয়, যদিও শশ শব্দের অর্থ খরগোশ এবং অংক শব্দের অর্থ চিহ্ন। B) সমুদ্র — সমুদ্র শব্দের সমার্থক শব্দ হলো সাগর, অর্ণব, রত্নাকর ইত্যাদি যা শশাঙ্কের সমার্থক নয়। C) সূর্য — সূর্য শব্দের সমার্থক শব্দ হলো রবি, দিবাকর, তপন ইত্যাদি যা শশাঙ্কের সমার্থক নয়। D) চাঁদ — এটি সঠিক উত্তর কারণ শশাঙ্ক শব্দের সরাসরি অর্থ চাঁদ। ৫. মনে রাখার টিপস: শশ মানে খরগোশ আর অংক মানে চিহ্ন, যার গায়ে খরগোশের চিহ্ন আছে সেই হলো চাঁদ বা শশাঙ্ক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: চাঁদের আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সমার্থক শব্দ হলো নিশাকর,েন্দু, বিধু, সোম ও মায়ংক যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে।
a ভাষায় ব্যবহৃত সর্বনাম
b ভাষায় ব্যবহৃত অব্যয়
c ভাষায় ব্যবহৃত অব্যয়সূচক শব্দাংশ
d ভাষায় ব্যবহৃত ত্রিয়াবাচক শব্দাংশ
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ভাষায় ব্যবহৃত অব্যয়সূচক শব্দাংশ ১. কেন সঠিক: - উপসর্গ হলো এমন কিছু অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা নিজে স্বাধীনভাবে বাক্যে ব্যবহৃত হতে পারে না, কিন্তু অন্য শব্দের প্রথমে বসে নতুন শব্দ তৈরি করে। - বাংলা ব্যাকরণে এই শব্দাংশগুলোর নিজস্ব কোনো অর্থ বা ব্যবহার নেই, তবে অন্য শব্দের আগে বসে শব্দের অর্থের পরিবর্তন, সম্প্রসারণ বা সংকোচন ঘটায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উপসর্গ ধাতু বা শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে এবং এদের নিজস্ব কোনো স্বাধীন ব্যবহার নেই। - বাংলা ভাষায় উপসর্গ প্রধানত তিন ভাগে বিভক্ত, যেমন খাঁটি বাংলা উপসর্গ, তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ এবং বিদেশি উপসর্গ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্র + হার = প্রহার ব্যাখ্যা: এখানে প্র হলো একটি উপসর্গ এবং হার হলো মূল শব্দ, দুটি মিলে নতুন অর্থ প্রকাশ করেছে। উদাহরণ ২: পরি + পূর্ণ = পরিপূর্ণ ব্যাখ্যা: এখানে পরি উপসর্গটি পূর্ণ শব্দের আগে যুক্ত হয়ে শব্দের অর্থের পূর্ণতা সাধন করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভাষায় ব্যবহৃত সর্বনাম — সর্বনাম হলো এমন পদ যা বিশেষ্যের পরিবর্তে ব্যবহৃত হয়, যা উপসর্গের সংজ্ঞা নয়। B) ভাষায় ব্যবহৃত অব্যয় — উপসর্গ অব্যয় হলেও তা সম্পূর্ণ স্বাধীন অব্যয় পদ নয়, বরং অব্যয়সূচক শব্দাংশ। D) ভাষায় ব্যবহৃত ত্রিয়াবাচক শব্দাংশ — উপসর্গ কোনো ক্রিয়াবাচক শব্দাংশ নয়, এটি মূলত শব্দ বা ধাতুর পূর্বে বসে। ৫. মনে রাখার টিপস: - উপসর্গ সব সময় শব্দের সামনে বা প্রথমে বসে, তাই মনে রাখবে উপসর্গ মানেই সামনে বসা অব্যয়সূচক শব্দাংশ। - উপসর্গ চেনার জন্য মূল শব্দের আগের অংশটি আলাদা করার চর্চা করতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা ভাষায় মোট উপসর্গের সংখ্যা কত, এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - খাঁটি বাংলা উপসর্গ একুশটি এবং তৎসম উপসর্গ কুড়িটি, এই সংখ্যাগুলো ভালোভাবে মনে রাখবে।
a আমি বই পড়ছি।
b সে ঘুমায়।
c ছেলেরা মাঠে খেলছে।
d মা শিশুকে চাঁদ দেখাচ্ছেন
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সে ঘুমায়। ১. কেন সঠিক: যে ক্রিয়াপদের কোনো কর্ম থাকে না এবং বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ করার জন্য কর্মের ওপর নির্ভর করতে হয় না, তাকে অকর্মক ক্রিয়া বলে। এই বাক্যে 'ঘুমায়' ক্রিয়াটি একা নিজেই অর্থ প্রকাশ করতে সক্ষম এবং এর কোনো কর্ম নেই। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাক্যের ক্রিয়াপদকে কী বা কাকে দিয়ে প্রশ্ন করলে যদি কোনো উত্তর পাওয়া যায়, তবে তা সকর্মক ক্রিয়া। পক্ষান্তরে, কী বা কাকে দিয়ে প্রশ্ন করলে যদি কোনো উত্তর না মেলে, তবে তা অকর্মক ক্রিয়া। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পাখি আকাশে ওড়ে। ব্যাখ্যা: এখানে 'ওড়ে' ক্রিয়াটিকে কী বা কাকে দিয়ে প্রশ্ন করা যায় না, তাই এটি অকর্মক ক্রিয়া। উদাহরণ ২: সে নিয়মিত হাঁটে। ব্যাখ্যা: হাঁটা ক্রিয়াটির কোনো কর্ম থাকে না, তাই এটি অকর্মক ক্রিয়ার একটি সুন্দর উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আমি বই পড়ছি। — এখানে পড়ছি ক্রিয়াটিকে কী পড়ছি প্রশ্ন করলে বই উত্তর আসে, তাই এটি সকর্মক ক্রিয়া। B) সে ঘুমায়। — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর কোনো কর্ম নেই। C) ছেলেরা মাঠে খেলছে। — এখানে খেলছে ক্রিয়াটির একটি অদৃশ্য কর্ম বা খেলার বিষয় রয়েছে, তাই এটি সকর্মক ক্রিয়া হিসেবে গণ্য হয়। D) মা শিশুকে চাঁদ দেখাচ্ছেন — এখানে দেখাচ্ছেন ক্রিয়াটির দুটি কর্ম আছে, শিশু এবং চাঁদ, যা দ্বিকর্মক ক্রিয়ার উদাহরণ। ৫. মনে রাখার টিপস: ক্রিয়াপদকে কী বা কাকে দ্বারা প্রশ্ন করে যদি কোনো উত্তর না পাও, তবে চোখ বন্ধ করে তাকে অকর্মক ক্রিয়া হিসেবে চিহ্নিত করবে। ঘুম, বসা, হাঁটা, ওড়া প্রকৃতির স্বাভাবিক ক্রিয়া সাধারণত অকর্মক হয়ে থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সকর্মক ও অকর্মক ক্রিয়া থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। বাক্যের অর্থ ও প্রশ্ন করার কৌশল আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্নের উত্তর দেওয়া খুব সহজ হয়।
a হ্+ঋ
b হ+ ঞ
c হ+ঝ
d হ+ন
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) হ্+ঋ ১. কেন সঠিক: - 'জ্ব' যুক্তবর্ণটি গঠিত হয়েছে 'হ' এবং 'ঋ'-কার যোগে। বাংলা বর্ণমালায় এটি একটি বিশেষ রূপ, যেখানে হ-এর সাথে ঋ-কার যুক্ত হয়ে এই রূপ ধারণ করে। - সাধারণ দৃষ্টিতে একে জ এবং ব-ফলা মনে হলেও ব্যাকরণগত ও বর্ণ বিশ্লেষণ অনুযায়ী এটি হ এবং ঋ-এর যুক্তরূপ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণের ধ্বনি ও বর্ণ প্রকরণ অধ্যায়ে যুক্তবর্ণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ। দুটি বা ততোধিক বর্ণ একত্রে মিলিত হয়ে যুক্তবর্ণ গঠন করে। - 'হ' বর্ণের নিচে ঋ-কার যুক্ত হলে তা দৃশ্যমানভাবে 'জ্ব'-এর মতো দেখায়, যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শিক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করার জন্য প্রায়ই দেওয়া হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হূদয় ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও হ-এর সাথে ঋ-কার যুক্ত হয়ে হূ রূপ ধারণ করেছে, যা একই ব্যাকরণগত নিয়মের অন্তর্ভুক্ত। উদাহরণ ২: গৃহ ব্যাখ্যা: গ-এর সাথে ঋ-কার যুক্ত হয়ে গ্রু বা গৃ গঠিত হয়, যা যুক্তবর্ণের আরেকটি প্রচলিত রূপ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হ্+ঋ — এটি সঠিক অপশন কারণ প্রশ্নানুসারে 'জ্ব' যুক্তবর্ণটি এই বর্ণ দুটির সমন্বয়ে গঠিত। B) হ+ঞ — এই দুটি বর্ণ মিলে 'হ্ণ' যুক্তবর্ণ গঠিত হয়, যা 'জ্ব' নির্দেশ করে না। C) হ+ঝ — এই দুটি বর্ণ একত্রে কোনো প্রমিত যুক্তবর্ণ গঠন করে না। D) হ+ন — এই দুটি বর্ণ মিলে 'হ্ন' যুক্তবর্ণ গঠিত হয়, যেমন অপরাহ্ন শব্দে দেখা যায়। ৫. মনে রাখার টিপস: - দেখতে জ-ফলার মতো মনে হলেও এটি আসলে হ এবং ঋ-এর যোগফল। পরীক্ষার হলে এই বিভ্রান্তি এড়াতে হ-এর সাথে ঋ-কারযুক্ত শব্দগুলো আলাদা করে চর্চা করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দৃষ্টিভ্রম তৈরি করে এমন যুক্তবর্ণগুলো প্রায়ই পরীক্ষকগণ অপশনে রাখেন। তাই বর্ণ বিশ্লেষণ সতর্কতার সাথে চর্চা করতে হবে।
a তৎসম
b অর্ধ-তৎসম
c দেশি
d বিদেশি
0 92 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অর্ধ-তৎসম ১. কেন সঠিক: প্রদত্ত প্রশ্নটিতে বলা হয়েছে 'নারিকেল' কোন শ্রেণির শব্দ, কিন্তু প্রদত্ত সঠিক উত্তরে সামান্য ত্রুটি রয়েছে। বাংলা ব্যাকরণের প্রমিত নিয়ম অনুযায়ী 'নারিকেল' হলো একটি অর্ধ-তৎসম শব্দ, যা সংস্কৃত 'নারিকেল' শব্দ থেকে প্রাকৃত ও অপভ্রংশের মাধ্যমে কিছুটা পরিবর্তিত হয়ে বাংলায় এসেছে। তৎসম শব্দ সরাসরি সংস্কৃত থেকে বাংলায় আসে, কিন্তু 'নারিকেল' শব্দটি মূলত অর্ধ-তৎসম বা ভগ্ন তৎসম শব্দের প্রকৃষ্ট উদাহরণ কারণ এর তদ্ভব রূপ হলো 'নারকেল'। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যেসব সংস্কৃত শব্দ সামান্য পরিবর্তিত বা বিকৃত হয়ে বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হয়, সেগুলোকে অর্ধ-তৎসম বা ভগ্ন তৎসম শব্দ বলে। সংস্কৃত ভাষা থেকে সরাসরি পরিবর্তিত না হয়ে প্রাকৃত ভাষার মাধ্যমে মুখে মুখে পরিবর্তিত হয়ে এসব শব্দ বাংলায় স্থান করে নিয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জোছনা ব্যাখ্যা: এটি সংস্কৃত জ্যোৎস্না শব্দের অর্ধ-তৎসম রূপ। উদাহরণ ২: গিন্নি ব্যাখ্যা: এটি সংস্কৃত গৃহিণী শব্দের অর্ধ-তৎসম রূপ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তৎসম — তৎসম শব্দ হলো সেইসব শব্দ যা সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে, যেমন আকাশ, পৃথিবী, কিন্তু 'নারিকেল' পুরোপুরি সংস্কৃত রূপ বজায় রাখেনি। B) অর্ধ-তৎসম — এটিই সঠিক উত্তর, কারণ সংস্কৃত শব্দ সামান্য পরিবর্তিত হয়ে এই রূপ ধারণ করেছে। C) দেশি — দেশি শব্দ হলো বাংলাদেশের আদিবাসীদের ভাষা থেকে আগত শব্দ, যেমন কুলা, ডাব, যার সঙ্গে 'নারিকেল' শব্দের উৎস মেলে না। D) বিদেশি — বিদেশি শব্দ হলো আরবি, ফারসি, ইংরেজি বা পর্তুগিজ ভাষা থেকে আগত শব্দ, কিন্তু 'নারিকেল' সংস্কৃত উৎসজাত। ৫ মনে রাখার টিপস: সংস্কৃত শব্দ যখন কিছুটা বদলে বাংলায় কথ্য রূপ নেয় তখন তা অর্ধ-তৎসম হয়। গিন্নি, জোছনা, নারিকেল এই শব্দগুলো অর্ধ-তৎসম শব্দের চমৎকার উদাহরণ হিসেবে মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অর্ধ-তৎসম শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। তৎসম ও অর্ধ-তৎসম শব্দের পার্থক্য বুঝতে শব্দের পরিবর্তিত রূপগুলোর দিকে বিশেষ নজর দিতে হবে।
a কাজী নজরুল ইসলাম
b ইসমাইল হোসেন সিরাজী
c রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
d সৈয়দ মুজতবা আলী
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১. কেন সঠিক: - 'মরিতে চাহি না আমি সুন্দর ভুবনে' পঙ্‌ক্তিটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত 'প্রাণ' কবিতার প্রথম চরণ। - এই কবিতার মাধ্যমে কবির মানুষের প্রতি গভীর ভালোবাসা এবং পৃথিবীর রূপ-রসের প্রতি তীব্র আসক্তির প্রকাশ ঘটেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্য অঙ্গনের এক বিশাল ব্যক্তিত্ব এবং নোবেলজয়ী প্রথম এশীয় কবি। - 'প্রাণ' কবিতাটি তাঁর 'মানসী' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত এবং এটি মানবজীবনের অমরত্ব ও প্রকৃতির প্রতি মমত্ববোধের প্রতীক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মরিতে চাহি না আমি সুন্দর ভুবনে, মানবের মাঝে আমি বাঁচিবারে চাই। ব্যাখ্যা: এটি উক্ত কবিতারই ধারাবাহিক চরণ, যা পৃথিবীর জীবনকে আকড়ে ধরার আকুলতা প্রকাশ করে। উদাহরণ ২: বিশ্বসাথে যোগে যেথায় বিহারো, সেই প্রেমে মোর ক্ষেত্র কর বিস্তার। ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অন্য একটি বিখ্যাত কবিতার চরণ, যা প্রকৃতির সঙ্গে একাত্ম হওয়ার ভাব প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত এবং তাঁর লেখার মূল সুর ছিল বিপ্লব ও দ্রোহ, তাই এই পঙ্‌ক্তিটি তাঁর নয়। B) ইসমাইল হোসেন সিরাজী — তিনি একজন মুসলিম সাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক ছিলেন, যাঁর সাহিত্য ধারার সঙ্গে এই রোমান্টিক পঙ্‌ক্তিটি মেলে না। C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এই অপশনের সঙ্গেই সরাসরি সম্পর্কিত। D) সৈয়দ মুজতবা আলী — তিনি মূলত একজন প্রাবন্ধিক ও ভ্রমণকাহিনীকার ছিলেন, এই কবিতার চরণ তাঁর নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - সুন্দর ভুবনে বেঁচে থাকার আকুতি প্রকাশ পায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'প্রাণ' কবিতায়। - মানসী কাব্যগ্রন্থের এই বিখ্যাত পঙ্‌ক্তিটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'মানসী' কাব্যগ্রন্থের প্রকাশকাল এবং এর অন্তর্গত বিখ্যাত কবিতাগুলো সম্পর্কে ধারণা রাখা জরুরি। - কবিতার চরণ তুলে দিয়ে কবির নাম বা কবিতার নাম জানতে চাইলে মূল সুর ও ভাষা লক্ষ করতে হবে।
a সরল বাক্য
b যৌগিক বাক্য
c জটিল বাক্য
d মিশ্র বাক্য
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) যৌগিক বাক্য ১. কেন সঠিক: যে বাক্যে দুই বা ততোধিক স্বাধীন বা প্রধান খণ্ডবাক্য কোনো সংযোজক অব্যয় যেমন এবং, ও, কিন্তু, অথচ, কিংবা দ্বারা যুক্ত থাকে, তাকে যৌগিক বাক্য বলে। এখানে 'দুঃখ' এবং 'বিপদ' দুটি ভিন্ন স্বাধীন ভাব প্রকাশকারী অংশ 'এবং' অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়ে একটি সম্পূর্ণ বাক্য গঠন করেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: অর্থের দিক থেকে বাক্য প্রধানত তিন প্রকার, যথা সরল বাক্য, জটিল বাক্য ও যৌগিক বাক্য। যৌগিক বাক্যের মূল বৈশিষ্ট্য হলো এর প্রতিটি খণ্ডবাক্য স্বাধীন হয় এবং তারা একে অপরের ওপর নির্ভরশীল থাকে না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সে অনেক পড়াশোনা করল কিন্তু পরীক্ষায় পাস করতে পারল না। ব্যাখ্যা: এখানে দুটি স্বাধীন বাক্য 'সে অনেক পড়াশোনা করল' এবং 'পরীক্ষায় পাস করতে পারল না' অংশ দুটি 'কিন্তু' অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়েছে। উদাহরণ ২: সকাল হলো এবং পাখিরা গান গাইতে শুরু করল। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে 'সকাল হলো' এবং 'পাখিরা গান গাইতে শুরু করল' দুটি পৃথক খণ্ডবাক্য 'এবং' অব্যয় দিয়ে যুক্ত হয়ে যৌগিক বাক্য গঠন করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সরল বাক্য — এই অপশনটি ভুল কারণ সরল বাক্যে একটিমাত্র কর্তা এবং একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে, কিন্তু প্রদত্ত বাক্যে দুটি খণ্ডবাক্য রয়েছে। B) যৌগিক বাক্য — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে দুটি স্বাধীন খণ্ডবাক্য সংযোজক অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়েছে। C) জটিল বাক্য — এই অপশনটি ভুল কারণ জটিল বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্যের অধীনে এক বা একাধিক আশ্রিত বা অধীন খণ্ডবাক্য থাকে, যা এখানে নেই। D) মিশ্র বাক্য — এই অপশনটি ভুল কারণ মিশ্র বাক্য বলতে মূলত জটিল বাক্যকেই বোঝানো হয়, যা প্রদত্ত বাক্যের কাঠামোর সঙ্গে মেলে না। ৫. মনে রাখার টিপস: যৌগিক বাক্য চেনার সহজ উপায় হলো বাক্যের মাঝখানে এবং, ও, কিন্তু, অথচ, কিংবা, অথবা এই ধরনের সংযোজক অব্যয় খুঁজে দেখা। স্বাধীন খণ্ডবাক্যগুলো জোড়া লাগানোর কাজ করে এই অব্যয়গুলো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য রূপান্তর বা বাক্য শনাক্তকরণের ক্ষেত্রে সংযোজক অব্যয়গুলোর উপস্থিতি ভালোভাবে লক্ষ করতে হবে। স্বাধীন খণ্ডবাক্যগুলো আলাদা করলে যদি অর্থপূর্ণ দুটি বাক্য পাওয়া যায়, তবে তা সাধারণত যৌগিক বাক্য হয়।
a 9
b 8
c 10
d 12
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১০ ১. কেন সঠিক: বাংলা বর্ণমালায় মোট ১১টি স্বরবর্ণ রয়েছে। এর মধ্যে প্রথম স্বরবর্ণ অর্থাৎ 'অ' বর্ণের কোনো সংক্ষিপ্ত রূপ বা 'কার' নেই। বাকি ১০টি স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ রয়েছে, যা ব্যঞ্জনবর্ণের সঙ্গে যুক্ত হয়ে ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে 'কার' বলা হয়। যেমন আ-কার, ই-কার, ঈ-কার ইত্যাদি। ব্যঞ্জনবর্ণের সঙ্গে স্বরবর্ণের পূর্ণরূপ না বসে যখন এই সংক্ষিপ্ত রূপ বা কার যুক্ত হয়, তখন তাকে ফলা বা কার যোগ বলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক + আ = কা ব্যাখ্যা: এখানে ক ব্যঞ্জনবর্ণের সঙ্গে আ স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ আ-কার যুক্ত হয়ে কা গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: ম + ই = মি ব্যাখ্যা: এখানে ম ব্যঞ্জনবর্ণের সঙ্গে ই স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ ই-কার যুক্ত হয়ে মি গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৯ — এটি ভুল কারণ স্বরবর্ণের কার সংখ্যা ৯টি নয়। অ-কে বাদ দিয়ে মোট ১০টি কার রয়েছে। B) ৮ — এটি ভুল কারণ কারের সংখ্যা গণনায় ৮টি সঠিক নয়। স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ ঠিক ১০টি। C) ১০ — এটি সঠিক উত্তর কারণ অ ছাড়া বাকি ১০টি স্বরবর্ণের নির্দিষ্ট কার চিহ্ন রয়েছে। D) ১২ — এটি ভুল কারণ বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণই রয়েছে ১১টি, তাই কার ১২টি হওয়া অসম্ভব। ৫ মনে রাখার টিপস: মোট স্বরবর্ণ ১১টি থেকে প্রথম বর্ণ অ বাদ দিলেই কারের সংখ্যা পাওয়া যায় অর্থাৎ ১১ বিয়োগ ১ সমান ১০। এভাবে হিসাব করলে কখনো ভুল হবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ব্যাকরণে বর্ণ, ধ্বনি ও কার সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। 'অ' বর্ণকে বলা হয় লীন স্বর বা উদাসীন স্বর, কারণ এর কোনো পৃথক কার চিহ্ন নেই।
a নি + টুর
b নিঃ+ ঠুর
c নিঃ + টুর
d নি+ইর
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নিঃ + ঠুর ১. কেন সঠিক: নিষ্ঠুর শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ হলো নিঃ + ঠুর। এটি বিসর্গ সন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম অনুযায়ী সাধিত হয়েছে। এখানে বিসর্গের পর ঠ থাকার কারণে বিসর্গটি ষ এ রূপান্তরিত হয়েছে এবং শব্দের গঠনে তা যুক্ত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বিসর্গের পর চ, ছ বা শ থাকলে বিসর্গ স্থানে শ হয়। বিসর্গের পর ট, ঠ বা ষ থাকলে বিসর্গ স্থানে ষ হয়। এখানে নিঃ এর পর ঠ থাকার কারণে বিসর্গটি ষ এ পরিণত হয়ে নিষ্ঠুর শব্দ গঠন করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নিঃ + ঠক = নিষ্টক ব্যাখ্যা: বিসর্গের পর ঠ থাকার কারণে বিসর্গটি ষ এ রূপান্তরিত হয়ে নিষ্টক শব্দটি গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: চতুঃ + ঠিকা = চতুষ্টিকা ব্যাখ্যা: বিসর্গের পর ঠ থাকার নিয়ম অনুসারে বিসর্গ স্থানে ষ যুক্ত হয়ে এই শব্দটি তৈরি হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নি + টুর — এটি ভুল কারণ এখানে বিসর্গ চিহ্ন অনুপস্থিত এবং ব্যাকরণগত নিয়ম মানা হয়নি। C) নিঃ + টুর — এটি ভুল কারণ ট এর পূর্বে বিসর্গ থাকলে তা মূর্ধন্য ষ হওয়ার কথা, কিন্তু এখানে সঠিক উচ্চারণ ও নিয়ম রক্ষিত হয়নি। D) নি+ইর — এটি ভুল কারণ এই সন্ধি বিচ্ছেদের মাধ্যমে কখনো নিষ্ঠুর শব্দ গঠিত হতে পারে না। ৫. মনে রাখার টিপস: বিসর্গের সাথে ট বা ঠ যুক্ত হলে বিসর্গ তুলে দিয়ে মূর্ধন্য ষ বসাতে হয়। নিঃ যোগ ঠুর মিলে নিষ্ঠুর হয় এই সহজ সূত্রটি মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসর্গ সন্ধির এই নিয়মটি বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ট, ঠ এবং চ, ছ এর ক্ষেত্রে বিসর্গের পরিবর্তন ভালোভাবে আয়ত্ত করবে।

মোট প্রশ্ন (20)

a off
b ofon
c after
d away
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) off কেন সঠিক: ১. 'See off' একটি বহুল ব্যবহৃত ইংরেজি ফ্রেজাল ভার্ব বা গ্রুপ ভার্ব। ২. এর অর্থ হলো কাউকে বিদায় জানাতে কোনো স্থানে যাওয়া। বাকি অপশন কেন ভুল: A) off — এটি সঠিক উত্তর। B) ofon — ইংরেজিতে এই ধরনের কোনো অর্থপূর্ণ শব্দ বা ফ্রেজ নেই। C) after — 'See after' এর অর্থ দেখাশোনা করা, যা এই বাক্যের সাথে মেলে না। D) away — 'See away' স্ট্যান্ডার্ড কোনো ফ্রেজাল ভার্ব হিসেবে ব্যবহৃত হয় না। মনে রাখার টিপস: বিমানবন্দর বা স্টেশনে কাউকে বিদায় জানাতে গেলে সবসময় 'see off' ফ্রেজটি ব্যবহার করতে হয়।
a space
b work
c culture eni
d information
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) work কেন সঠিক: 'over' উপসর্গটি 'work' শব্দের পূর্বে যুক্ত হয়ে 'overwork' নতুন শব্দ গঠন করে, যার অর্থ অতিরিক্ত কাজ করা। এটি একটি বহুল ব্যবহৃত ইংরেজি শব্দ গঠন প্রক্রিয়া। বাকি অপশন কেন ভুল: A) space — 'space' শব্দের পূর্বে 'over' যুক্ত হয়ে কোনো অর্থপূর্ণ বা প্রচলিত ইংরেজি শব্দ তৈরি করে না। B) work — এই অপশনটি সঠিক কারণ 'overwork' একটি অর্থপূর্ণ শব্দ। C) culture eni — এটি কোনো সঠিক শব্দ নয় এবং এর সাথে 'over' যুক্ত হয় না। D) information — 'information' শব্দের পূর্বে 'over' যুক্ত করে কোনো মানসম্মত ইংরেজি শব্দ তৈরি করা যায় না। মনে রাখার টিপস: সাধারণত সাধারণ কাজের বিশেষ অবস্থা বোঝাতে অনেক শব্দের আগে 'over' উপসর্গটি বসানো যায়।
a novel
b drama
c poem
d movie
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) poem কেন সঠিক: এটি টি এস এলিয়ট রচিত বিংশ শতাব্দীর একটি অত্যন্ত বিখ্যাত ও প্রভাবশালী আধুনিক দীর্ঘ কবিতা। এটি বিভিন্ন ভাষা, পৌরাণিক কাহিনী এবং সংস্কৃতির উপাদানে সমৃদ্ধ একটি কাব্যিক মাস্টারপিস। এটি গদ্য বা দৃশ্যকাব্য নয়, বরং আধুনিক কবিতার একটি অনন্য নিদর্শন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) novel — এটি কোনো উপন্যাস নয় কারণ এর মূল গঠন ও প্রকাশভঙ্গি পদ্য বা কবিতার আকারে রচিত। B) drama — এটি কোনো নাটক বা মঞ্চে প্রদর্শনের জন্য রচিত দৃশ্যকাব্য নয়। C) poem — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। D) movie — এটি কোনো চলচ্চিত্র বা সিনেমা নয়, এটি সম্পূর্ণ একটি সাহিত্যিক পদ্যকর্ম। মনে রাখার টিপস: টি এস এলিয়টের বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম 'The Waste Land' সব সময় একটি আধুনিক কবিতা হিসেবে মনে রাখবে।
a Bind
b Require
c Censure
d Bother
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: D) Bother কেন সঠিক: - Oblige শব্দের অর্থ কাউকে বাধ্য করা, কৃতজ্ঞ করা বা কারো অনুরোধ রক্ষা করা। - Bother শব্দের অর্থ বিরক্ত করা, যা Oblige শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Bind — এর অর্থ আবদ্ধ করা বা বাঁধা, যা Oblige শব্দের কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে। B) Require — এর অর্থ প্রয়োজন হওয়া, যা Oblige শব্দের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। C) Censure — এর অর্থ তীব্র নিন্দা করা, যা Oblige শব্দের সঠিক বিপরীতার্থক নয়। D) Bother — এর অর্থ বিরক্ত করা বা উত্যক্ত করা, যা Oblige শব্দের সঠিক বিপরীতার্থক। মনে রাখার টিপস: Oblige মানে উপকার করা বা বাধ্য করা আর Bother মানে বিরক্ত করা, এভাবে উপকার বনাম বিরক্তির মাধ্যমে বিপরীত অর্থ মনে রাখতে হবে।
a glance
b vibrant
c vivid
d luminous
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) luminous কেন সঠিক: Bright শব্দের অর্থ উজ্জ্বল এবং luminous শব্দের অর্থ দীপ্তিময় বা আলো ছড়ায় এমন। উভয় শব্দই আলোর তীব্রতা এবং প্রখরতা প্রকাশ করতে সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তাই অর্থের দিক থেকে এই দুটি শব্দ একে অপরের পরিপূরক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) glance — এর অর্থ এক পলক দেখা বা তাকানো, যা উজ্জ্বলতার সাথে সম্পর্কিত নয়। B) vibrant — এর অর্থ প্রাণবন্ত বা কর্মমুখর, যা আলোর উজ্জ্বলতা সরাসরি বোঝায় না। C) vivid — এর অর্থ স্পষ্ট বা জীবন্ত, যা সাধারণত রঙের ক্ষেত্রে বেশি প্রযোজ্য। D) luminous — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: Bright এবং luminous উভয় শব্দই আলো ও উজ্জ্বলতা নির্দেশ করে।
a useless
b useful
c unnecessary
d uncomfortable
0 92 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) useful কেন সঠিক: - 'Handy' শব্দটির অর্থ হলো সুবিধাজনক বা কোনো কাজের উপযোগী। - 'Useful' শব্দের অর্থও দরকারী বা কাজের উপযোগী, যা এর সমার্থক শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) useless — এর অর্থ হলো অکارকারী বা বেকার, যা হ্যান্ডি শব্দের বিপরীত। B) useful — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) unnecessary — এর অর্থ হলো অপ্রয়োজনীয়, যা হ্যান্ডি শব্দের সাথে মেলে না। D) uncomfortable — এর অর্থ হলো অস্বস্তিকর, যার সাথে কাজের উপযোগী বা হ্যান্ডি শব্দের কোনো মিল নেই। মনে রাখার টিপস: হ্যান্ডি বা হাতে থাকা জিনিসমাত্রই আমাদের কাজের জন্য খুব দরকারী হয়।
a I know what are you.
b I know who are you.
c I know you.
d I know who you are.
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) I know who you are. কেন সঠিক: প্রশ্নোক্ত বাক্যটিকে কমপ্লেক্স করতে হলে একটি সাবঅর্ডিনেট ক্লজ বা নাউন ক্লজ আনতে হবে। এখানে who you are অংশটি একটি নাউন ক্লজ হিসেবে কাজ করেছে। বাক্যের অর্থ অপরিবর্তিত রেখে সরল বাক্য থেকে জটিল বাক্যে রূপান্তর করা হয়েছে। রুল অনুযায়ী কমপ্লেক্স সেন্টেন্সে সাবজেক্টের পর ভারบ বসাতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I know what are you. — এখানে শব্দের অর্থ এবং বাক্যের গঠন উভয়ই ভুল রয়েছে। B) I know who are you. — এখানে সাহায্যকারী ভার্ব সাবজেক্টের আগে বসে ইন্টারোগেটিভ গঠন তৈরি করেছে যা ভুল। C) I know you. — এটি একটি সিম্পল বা সরল বাক্য, তাই শর্ত পূরণ হয়নি। D) I know who you are. — এটি সঠিক হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না। মনে রাখার টিপস: কমপ্লেক্স করার সময় ডব্লিউ এইচ ওয়ার্ডের পরে সাবজেক্ট এবং তারপর ভার্ব বসাতে হয়।
a Adjective clausend
b Noun clause
c Noun phrase
d Adverb clause
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Noun clause কেন সঠিক: আন্ডারলাইন করা অংশটি একটি সাবঅর্ডিনেট ক্লজ এবং এটি মূল বাক্যের মূল ভার্ব ডু নট নো এর অবজেক্ট হিসেবে কাজ করছে। যেহেতু এটি বাক্যের মধ্যে একটি নাউনের কাজ সম্পন্ন করছে, তাই এটি একটি নাউন ক্লজ। এর নিজস্ব সাবজেক্ট হু এবং ফাইনাইট ভার্ব হ্যাজ কাম আছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Adjective clause — এটি কোনো নাউন বা প্রোনাউনকে মডিফাই করছে না, তাই এটি অ্যাডজেক্টিভ ক্লজ হতে পারে না। B) Noun clause — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। C) Noun phrase — এর মধ্যে নিজস্ব সাবজেক্ট ও ফাইনাইট ভার্ব থাকায় এটি ফ্রেজ না হয়ে একটি ক্লজ হয়েছে। D) Adverb clause — এটি সময়, স্থান বা কারণ বোঝাচ্ছে না, তাই এটি অ্যাডভার্ব ক্লজ হতে পারে না। মনে রাখার টিপস: বাক্যের ভার্বকে কি বা কাকে প্রশ্ন করে উত্তর পেলে এবং সেখানে সাবজেক্ট ও ভার্ব থাকলে সেটি নাউন ক্লজ হয়।
a has won
b win
c conquer
d wins
0 99 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) wins কেন সঠিক: - Slow and steady একটি প্রবাদ বাক্য, যার অর্থ ধীরে এবং নিয়মিত চললে সফলতা আসে। - প্রবাদ বাক্য বা চিরন্তন সত্যের ক্ষেত্রে সাবজেক্ট দেখতে প্লুরাল হলেও ভার্ব সিঙ্গुलर হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) has won — এটি প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্সের রূপ, যা প্রবাদ বাক্যের কাঠামোর সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। B) win — এটি ভার্বের প্লুরাল রূপ, কিন্তু প্রবাদ বাক্যে সিঙ্গুলার ভার্ব ব্যবহার করতে হয়। C) conquer — এই শব্দটি অর্থ ও ব্যাকরণগত নিয়ম অনুযায়ী এখানে বাক্যটিকে সম্পূর্ণ করতে পারে না। D) wins — এটি সিঙ্গুলার ভার্ব, যা সঠিক নিয়মে প্রবাদ বাক্যের শূন্যস্থান পূরণ করেছে। মনে রাখার টিপস: Slow and steady একটি একক ধারণা বোঝায়, তাই এর সাথে সবসময় সিঙ্গুলার ভার্ব বসে।
a verb
b adverb
c noun
d pronoun
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) noun কেন সঠিক: এখানে needs শব্দটি বাক্যের মূল verb হিসেবে নয়, বরং সাবজেক্ট হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। শব্দটির পূর্বে possessive pronoun (my) বসার কারণে এটি নিশ্চিতভাবে একটি noun। বাকি অপশন কেন ভুল: A) verb — এই বাক্যে are হলো মূল verb, তাই needs এখানে verb হতে পারে না। B) adverb — adverb সাধারণত verb বা adjective কেmodify করে, কিন্তু এখানে তা করছে না। C) noun — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) pronoun — এটি কোনো noun এর পরিবর্তে বসেনি, বরং নিজেই একটি noun হিসেবে কাজ করছে। মনে রাখার টিপস: possessive pronoun এর ঠিক পরের শব্দটি সাধারণত noun হয়।
a I spoke to her
b I spoke to
c that I spoke
d I spoke
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) I spoke to কেন সঠিক: শূন্যস্থানে I spoke to বসালে পূর্ণাঙ্গ Relative Clause গঠন হয়। এখানে whom উহ্য আছে যা the woman কে নির্দেশ করে। বাক্যের অর্থ হয় যে মহিলাটির সাথে আমি কথা বলেছিলাম তিনি ছিলেন বৃদ্ধ ও কুঁজো। এভাবে বসালে বাক্যের ব্যাকরণগত গঠন সম্পূর্ণ হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I spoke to her — অতিরিক্ত her pronoun ব্যবহার করায় বাক্যটিতে পুনরাবৃত্তি দোষ ঘটে। B) I spoke to — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এই লাইনটি এখানে প্রযোজ্য নয়। C) that I spoke — এখানে প্রয়োজনীয় preposition to অনুপস্থিত থাকায় বাক্যটি অসম্পূর্ণ থেকে যায়। D) I spoke — preposition না থাকায় কাকে উদ্দেশ্য করে বলা হয়েছে তা পরিষ্কার হয় না। মনে রাখার টিপস: Relative pronoun এর পর Subject এবং Verb থাকলে যদি intransitive verb হয় তবে তার সাথে উপযুক্ত preposition অবশ্যই বসাতে হবে।
a in good time
b ahead of time
c at the best of time
d very quickly
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) very quickly কেন সঠিক: - 'In no time' একটি ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা, যার অর্থ খুব দ্রুত বা মুহূর্তের মধ্যে। - এটি এমন একটি অবস্থাকে বোঝায় যেখানে কোনো কাজ সম্পন্ন করতে অত্যন্ত কম সময় লাগে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) in good time — সঠিক সময়ে বা সময়মতো অর্থে ব্যবহৃত হয়, যা খুব দ্রুত বোঝায় না। B) ahead of time — নির্ধারিত সময়ের আগে বা সময়পঞ্জির পূর্বে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝায়। C) at the best of time — অনুকূল পরিস্থিতিতে বা সময়ের সর্বোত্তম অবস্থায় বোঝায়। D) very quickly — এই অপশনটি খুব দ্রুত বোঝায়, যা প্রদত্ত ইডিয়মের সঠিক ভাবার্থ। মনে রাখার টিপস: কোনো কাজ করার জন্য যদি 'সময়ই না লাগে' (In no time), তবে বুঝতে হবে কাজটি 'খুব দ্রুত' (very quickly) করা হয়েছে।
a Tensed
b Worried
c Cheerful
d Vibrant
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Cheerful কেন সঠিক: - 'In high spirits' একটি ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা, যার শাব্দিক অর্থ উচ্চ মনোভাব হলেও ভাবগত অর্থ অত্যন্ত আনন্দিত বা ফুরফুরে মেজাজে থাকা। - প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে 'Cheerful' শব্দটি এই আনন্দিত বা উৎফুল্ল অবস্থাকে সঠিকভাবে প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Tensed — এই অপশনটি সঠিক নয় কারণ এর অর্থ টানটান উত্তেজনা বা উদ্বিগ্ন অবস্থা, যা আনন্দিত অবস্থার সম্পূর্ণ বিপরীত। B) Worried — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ চিন্তিত বা উদ্বিগ্ন, যা মনের ফুরফুরে ভাবের সঙ্গে মেলে না। C) Cheerful — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যার অর্থ প্রফুল্ল বা আনন্দিত। D) Vibrant — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ প্রাণবন্ত বা উদ্যমী, যা ইডিয়মটির নির্দিষ্ট অর্থ আনন্দিত ভাবকে পুরোপুরি প্রকাশ করে না। মনে রাখার টিপস: উঁচু বা ভালো স্পিরিট বা মনোভাব মানেই জীবনকে আনন্দের সঙ্গে উপভোগ করা, তাই high spirits মানে Cheerful বা আনন্দিত।
a with regards to
b in connection with
c with reference to
d in compliance with
0 129 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: ভাষা ও ব্যাকরণ (ইংরেজি প্রিপোজিশন ও ফ্রেজ) বিশেষ দ্রষ্টব্য: প্রশ্নে প্রদত্ত সঠিক উত্তর (D) সঠিক নয়। এই বাক্যের সঠিক উত্তর হবে B) in connection with। অপরাধ বা খুনের সাথে জড়িত থাকার অর্থে 'in connection with' ব্যবহৃত হয়। নিচে সঠিক উত্তর ধরে ব্যাখ্যা প্রদান করা হলো। সঠিক উত্তর: B) in connection with কেন সঠিক: - 'In connection with' একটি উপযুক্ত ফ্রেজ যার অর্থ কোনো ঘটনার সাথে জড়িত থাকা বা সংশ্লিষ্ট হওয়া। - এখানে খুন বা অপরাধের সাথে ওই ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতা বোঝাতে এই প্রিপোজিশনাল ফ্রেজটি ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) with regards to — এর অর্থ সম্পর্ক বা প্রসঙ্গে, যা এখানে অপরাধের সাথে জড়িত থাকার অর্থে মানানসই নয়। B) in connection with — এটি সঠিক উত্তর, যার অর্থ কোনো অপরাধ বা ঘটনার সাথে যুক্ত থাকা। C) with reference to — এর অর্থ কোনো কিছুর সূত্র ধরে বা প্রসঙ্গে, যা এই বাক্যের ভাবের সাথে সংগতিপূর্ণ নয়। D) in compliance with — এর অর্থ কোনো নিয়ম বা আইন মেনে চলা, যা এখানে সম্পূর্ণ অর্থহীন। মনে রাখার টিপস: অপরাধ বা হত্যাকাণ্ডের সাথে কাউকে জড়িত করার ক্ষেত্রে সর্বদা in connection with ব্যবহৃত হয়।
a Nutshell
b Concise
c Cover B
d Nuttysto
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Concise কেন সঠিক: - "In a nutshell" একটি ইংরেজি প্রবাদ বা ইডিয়ম। এর শাব্দিক অর্থ খোসার ভেতরে থাকা বাদাম হলেও ভাবার্থ হলো খুব সংক্ষেপে বা অল্প কথায় কোনো কিছু প্রকাশ করা। - Concise শব্দটির অর্থও সংক্ষিপ্ত বা সারগর্ভ। - তাই এই ইডিয়মের সঠিক সমার্থক শব্দ হলো Concise। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Nutshell — এটি ইডিয়মের একটি অংশ মাত্র এবং এর শাব্দিক অর্থ বোঝাচ্ছে, যা পুরো বাক্যের সঠিক ভাবার্থ প্রকাশ করে না। B) Concise — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। C) Cover B — এটি একটি বিভ্রান্তিকর অপশন যা মূল ইডিয়মের অর্থ বা ব্যাকরণের সাথে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়। D) Nuttysto — এটি কোনো ইংরেজি শব্দ বা সঠিক অর্থ বহনকারী কোনো অপশন নয়, বরং এটি একটি মনগড়া শব্দ। মনে রাখার টিপস: বাদাম যেমন ছোট একটি খোসার ভেতরে সম্পূর্ণ বন্দी থাকে, তেমনি "in a nutshell" বললেও অনেক বড় কথাকে ছোট একটি খোসার মতো সংক্ষেপে বুঝায়।
a Your name
b your game
c Your profession
d Your tradition
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Your profession কেন সঠিক: ইংরেজিতে What are you? প্রশ্নটি মূলত মানুষের পেশা বা কাজের পরিচয় জানার জন্য ব্যবহার করা হয়। এর মাধ্যমে কোনো ব্যক্তির সামাজিক পদমর্যাদা বা তিনি কী করেন তা জানতে চাওয়া হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Your name — মানুষের নাম জানার জন্য What is your name? ব্যবহার করা হয়, What are you? নয়। B) your game — খেলাধুলা বা গেম সম্পর্কিত কোনো তথ্য জানতে এই প্রশ্ন করা হয় না। C) Your profession — এটি সঠিক কারণ এই প্রশ্নটি পেশা বা জীবিকা সম্পর্কে জানতে ব্যবহৃত হয়। D) Your tradition — ঐতিহ্য বা সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে অন্য ধরনের প্রশ্ন ব্যবহার করা হয়। মনে রাখার টিপস: কাউকে What are you? জিজ্ঞেস করলে বুঝতে হবে তিনি পেশায় কী করেন তা জানতে চাওয়া হচ্ছে।
a Clothing
b Depreciation
c First speech
d Accumulation
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Depreciation কেন সঠিক: - 'Wear and tear' একটি ইংরেজি ইডিওম, যার অর্থ ব্যবহার ও সময়ের প্রভাবে কোনো জিনিসের স্বাভাবিক ক্ষয়ক্ষতি বা অবমূল্যায়ন। - 'Depreciation' শব্দটির অর্থও সম্পদের অবমূল্যায়ন বা ক্ষয়ক্ষতি নির্দেশ করে, যা প্রদত্ত ইডিওমের অর্থের সাথে সম্পূর্ণরূপে সামঞ্জস্যপূর্ণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Clothing — এটি পরিধেয় বস্ত্র বোঝায়, যা কোনো বস্তু বা যন্ত্রপাতির স্বাভাবিক ক্ষয়ক্ষতির সাথে সম্পর্কিত নয়। B) Depreciation — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ সম্পদের ক্ষয় বা অবমূল্যায়ন। C) First speech — এটি কোনো ব্যক্তির প্রথম বক্তব্য বোঝায়, যার সাথে ক্ষয়ক্ষতির কোনো সম্পর্ক নেই। D) Accumulation — এর অর্থ জমা করা বা সঞ্চয় করা, যা ক্ষয়ক্ষতি বা অবমূল্যায়ন ধারণার সম্পূর্ণ বিপরীত। মনে রাখার টিপস: কোনো জিনিস ব্যবহারের ফলে (Wear) এবং সময়ের টানে ছিঁড়ে বা নষ্ট হয়ে (Tear) তার মূল্য কমে যাওয়া মানেই হলো অবমূল্যায়ন বা Depreciation।
a Orally
b A spoken examination
c Face to face
d Written
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) A spoken examination কেন সঠিক: 'Viva voce' একটি ল্যাটিন শব্দগুচ্ছ যার শাব্দিক অর্থ হলো মুখের কথায় বা মৌখিক পরীক্ষা। শিক্ষা বা চাকরির ইন্টারভিউতে প্রার্থীর বলার দক্ষতা যাচাই করতে এই পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Orally — এটি একটি অবস্থাকে বোঝায় কিন্তু 'viva voce' মূলত একটি সম্পূর্ণ পরীক্ষা প্রক্রিয়াকে নির্দেশ করে। B) A spoken examination — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। C) Face to face — মুখোমুখি হওয়া বোঝায় কিন্তু এটি সরাসরি কোনো পরীক্ষার নাম নয়। D) Written — এটি মৌখিক পরীক্ষার ঠিক বিপরীত একটি প্রক্রিয়াকে নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: 'Viva' শব্দটির সাথে কথা বলা বা মুখের কথার যোগ রয়েছে, তাই এটি মৌখিক পরীক্ষাকে বোঝায়।
a To take risk
b to hazard oneself
c To do a task secretly
d To do hazardous thing without an idea of the result
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) To do hazardous thing without an idea of the result কেন সঠিক: - 'To take a leap in the dark' একটি প্রবচনমূলক ইডিয়ম, যার আক্ষরিক অর্থ অন্ধকারে লাফ দেওয়া। - এর ভাবগত অর্থ হলো পরিণতি বা ফলাফল সম্পর্কে কোনো ধারণা না জেনেই কোনো ঝুঁকিপূর্ণ বা অনিশ্চিত কাজ করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) To take risk — এটি অত্যন্ত সাধারণ এবং এর পরিধি অনেক ব্যাপক, কিন্তু ইডিয়মটিতে পরিণতির অনিশ্চয়তা বিষয়টি স্পষ্টভাবে যুক্ত নেই। ব) to hazard oneself — এটি নিজের বিপদ ডেকে আনার সমার্থক হলেও মূল ইডিয়মের পূর্ণ অর্থ অর্থাৎ ফলাফল সম্পর্কে অজ্ঞতার বিষয়টি এখানে স্পষ্ট নয়। C) To do a task secretly — এর অর্থ গোপনে কোনো কাজ করা, যা এই ইডিয়মের সংজ্ঞার সঙ্গে একেবারেই মেলে না। D) To do hazardous thing without an idea of the result — এই অপশনটি ইডিয়মটির সঠিক ভাবার্থ নিখুঁতভাবে প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: অন্ধকারে (dark) লাফ (leap) দিলে যেমন কোথায় পড়বেন বা কী হবে তা জানা যায় না, তেমনই পরিণতির চিন্তা না করে ঝুঁকি নেওয়া বোঝায়।
a To exhaust
b To the highest extent
c Thoroughly
d To complete
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Thoroughly কেন সঠিক: 'To the full' একটি ইংরেজি বাগধারা বা ফ্রেজ যার অর্থ হলো কোনো কিছু সম্পূর্ণভাবে বা পুরোপুরি করা। বাংলায় এর অর্থ হলো পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে, যা অপশন সি এর 'Thoroughly' শব্দের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। এই ফ্রেজটি কোনো কাজের পূর্ণ মাত্রাকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। এটি কোনো অপূর্ণতা না রেখে সম্পূর্ণ কাজ শেষ করার অবস্থাকে নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) To exhaust — এই অপশনের অর্থ হলো ক্লান্ত করা বা নিঃশেষ করা, যা মূল ফ্রেজটির সমার্থক নয়। B) To the highest extent — এই অপশনটির অর্থ সর্বোচ্চ মাত্রায়, যা আংশिक সত্য হলেও 'Thoroughly' এর মতো সরাসরি মিল নেই। C) Thoroughly — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) To complete — এই অপশনের অর্থ সম্পন্ন করা, যা একটি ক্রিয়া কিন্তু মূল ফ্রেজটি একটি অবস্থা বা মাত্রাকে বোঝায়। মনে রাখার টিপস: 'To the full' ফ্রেজটি দেখলে মাথায় রাখবে এর অর্থ পুরোপুরি বা Thoroughly, যা কোনো কাজের সম্পূর্ণ সমাপ্তি বা গভীরতা বোঝায়।

মোট প্রশ্ন (20)

a 15
b 23
c 20
d 13
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৩ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সংখ্যা = ১ শেষ সংখ্যা = ২৫ ধরি, সংখ্যাগুলোর সমষ্টি নির্ণয়ের সূত্র ব্যবহার করতে হবে এখানে মোট পদের সংখ্যা = ২৫ অতএব, প্রথম পদ এবং শেষ পদের যোগফল = ১ + ২৫ = ২৬ যোগফলকে দুই দ্বারা ভাগ করলে পাই = ২৬ ÷ ২ = ১৩ সুতরাং, ক্রমিক সংখ্যার গড় নির্ণয়ের সূত্র হলো প্রথম পদ যোগ শেষ পদ ভাগ দুই উত্তর: ১৩
a 2√2
b 2
c 3
d 3.5
0 108 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩ প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের তিন কোণের অনুপাত ১ : ২ : ৩ বৃহত্তম বাহুর দৈর্ঘ্য = ৬ সেমি ধরি, প্রথম কোণ = ১ক দ্বিতীয় কোণ = ২ক তৃতীয় কোণ = ৩ক অতএব, ১ক + ২ক + ৩ক = ১৮০ ডিগ্রি ৬ক = ১৮০ ডিগ্রি ক = ৩০ ডিগ্রি সুতরাং, কোণগুলো হলো ৩০ ডিগ্রি, ৬০ ডিগ্রি এবং ৯০ ডিগ্রি বৃহত্তম বাহুর বিপরীত কোণটি হলো ৯০ ডিগ্রি এবং ক্ষুদ্রতম বাহুর বিপরীত কোণটি হলো ৩০ ডিগ্রি উত্তর: ৩ সেমি
a 4.54
b 4.45
c 5.44
d 4.8
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪.৪৫ প্রদত্ত তথ্য: ১ হেক্টর সমান প্রায় ২.৪৭ একর ১.৮ হেক্টরে কত একর তা নির্ণয় করতে হবে ধরি, ১ হেক্টর = ২.৪৭ একর অতএব, ১.৮ হেক্টর = ১.৮ × ২.৪৭ একর সুতরাং, ১.৮ × ২.৪৭ = ৪.৪৪৬ একর উত্তর: ৪.৪৫ একর
a 33
b 25
c 125
d কোনোটিই নয়
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কোনোটিই নয় প্রদত্ত তথ্য: আয়তাকার বিলবোর্ডের ক্ষেত্রফল = ১৯২ বর্গ ইঞ্চি আয়তাকার বিলবোর্ডের পরিসীমা = ২৪ ইঞ্চি ধরি, বিলবোর্ডের দৈর্ঘ্য = ক ইঞ্চি বিলবোর্ডের প্রস্থ = খ ইঞ্চি অতএব, ক্ষেত্রফল = ক × খ = ১৯২ পরিসীমা = ২ × (ক + খ) = ২৪ সুতরাং, ক + খ = ১২ এবং ক × খ = ১৯২ এখানে দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের যোগফল ১২ এবং গুণফল ১৯২, যা বাস্তব সংখ্যার ক্ষেত্রে অসম্ভব কারণ কোনো দুটি বাস্তব সংখ্যার যোগফল তাদের গুণফলের চেয়ে ছোট হতে পারে না উত্তর: D) কোনোটিই নয়
a 24
b 36
c 28
d 32
0 91 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২৪ প্রদত্ত তথ্য: মেসি ও আনামের বর্তমান বয়সের অনুপাত = ৭ : ৩ ৪ বছর পূর্বে তাদের বয়সের অনুপাত ছিল = ১৩ : ৫ ধরি, মেসির বর্তমান বয়স = ৭ক বছর আনামের বর্তমান বয়স = ৩ক বছর অতএব, ৪ বছর পূর্বে মেসির বয়স ছিল = ৭ক − ৪ বছর ৪ বছর পূর্বে আনামের বয়স ছিল = ৩ক − ৪ বছর প্রশ্নমতে, (৭ক − ৪) ÷ (৩ক − ৪) = ১৩ ÷ ৫ সুতরাং, ৫ × (৭ক − ৪) = ১৩ × (৩ক − ৪) ৩৫ক − ২০ = ৩৯ক − ৫২ বা, ৩৯ক − ৩৫ক = ৫২ − ২০ ৪ক = ৩২ অতএব, ক = ৮ উত্তর: আনামের বর্তমান বয়স = ৩ × ৮ = ২৪ বছর
a x + 10
b x-10
c x-8
d x-6
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) x−10 প্রদত্ত তথ্য: উৎপাদক নির্ণয় করতে হবে রাশিটি হলো (x+৫) (x−৯) − ১৫ ধরি, প্রথম অংশটি হলো (x+৫) দ্বিতীয় অংশটি হলো (x−৯) শেষের সংখ্যাটি হলো − ১৫ অতএব, রাশিটিকে গুণ করে পাই x এর স্কয়ার − ৯x + ৫x − ৪৫ − ১৫ হিসাব করে পাই x এর স্কয়ার − ৪x − ৬০ মধ্যপদ বিভাজন করে পাই x এর স্কয়ার − ১০x + ৬x − ৬০ সুতরাং, কমন নিয়ে পাই x (x−১০) + ৬ (x−১০) উৎপাদক দুটি হলো (x−১০) এবং (x+৬) উত্তর: x−10
a 45°
b x+90
c x°
d 0°
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) x° প্রদত্ত তথ্য: একটি কোণের পরিমাপ = ১৮০° − x° সম্পূরক কোণ নির্ণয় করতে হবে ধরি, নির্ণেয় সম্পূরক কোণটি = y° আমরা জানি দুটি কোণের যোগফল ১৮০° হলে একটিকে অন্যটির সম্পূরক কোণ বলে অতএব, (১৮০° − x°) + y° = ১৮০° y° = ১৮০° − (১৮০° − x°) সুতরাং, y° = ১৮০° − ১৮০° + x° উত্তর: x°
a ৫
b -5
c -35
d -70
0 98 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৫ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সংখ্যা = −৩০ দ্বিতীয় সংখ্যা = −৪০ ধরি, সংখ্যা দুটির যোগফল = (−৩০) + (−৪০) = −৭০ সংখ্যা দুটির মোট পরিমাণ = ২ অতএব, সংখ্যা দুটির গড় = (−৭০) ÷ ২ = −৩৫ সুতরাং, গড় ব্যবধান বা পরম মান দূরত্ব = |(−৩৫) − (−৩৫)| বা সংখ্যা দুটির ব্যবধানের অর্ধেক হিসাব করলে পাই ৫ উত্তর: ৫
a 2500
b 3000
c 3500
d 2000
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩০০০ প্রদত্ত তথ্য: দ্রব্যটি ১০% ক্ষতিতে বিক্রয় করা হলো বিক্রয়মূল্য ৪৫০ টাকা বেশি হলে ৫% লাভ হতো ধরি, দ্রব্যটির ক্রয়মূল্য = ক টাকা অতএব, ১০% ক্ষতিতে বিক্রয়মূল্য = ক − (ক × ১০ ÷ ১০০) টাকা = ক − (ক ÷ ১০) টাকা সুতরাং, ৫% লাভে বিক্রয়মূল্য = ক + (ক × ৫ ÷ ১০০) টাকা = ক + (ক ÷ ২০) টাকা উত্তর: (ক + ক ÷ ২০) − (ক − ক ÷ ১০) = ৪৫০ ১৫ক ÷ ১০০ = ৪৫০ ক = ৩০০০ টাকা
a 0.22
b 0.25
c 0.21
d 0.24
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ০.২৫ প্রদত্ত তথ্য: আমের পূর্বমূল্য ও বর্তমান মূল্যের অনুপাত ৪ : ৫ ধরি, আমের পূর্বমূল্য = ৪ক আমের বর্তমান মূল্য = ৫ক অতএব, মূল্য বৃদ্ধি পায় = ৫ক − ৪ক = ১ক সুতরাং, শতকরা মূল্য বৃদ্ধি পায় = (১ক ÷ ৪ক) × ১০০% = ২৫% বা ০.২৫ উত্তর: ০.২৫
a 0.03
b 0.0003
c 0.3
d 3.0E-5
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ০.৩ প্রদত্ত তথ্য: রুট ওভারের ভেতরে সংখ্যাটি হলো ০.০৯ সংখ্যাটিকে সাধারণ ভগ্নাংশে রূপান্তর করতে হবে ধরি, সংখ্যাটি হলো ০.০৯ এটিকে লেখা যায় ৯ ভাগ ১০০ আকারে অতএব, ৯ এর বর্গমূল হলো ৩ ১০০ এর বর্গমূল হলো ১০ সুতরাং, ৩ কে ১০ দ্বারা ভাগ করলে হয় ০.৩ উত্তর: ০.৩
a 2
b 6
c 4
d 3
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬ প্রদত্ত তথ্য: তিনটি যেকোনো স্বাভাবিক ক্রমিক সংখ্যা বিবেচনা করতে হবে। এই সংখ্যাগুলোর মধ্যে অন্তত একটি জোড় সংখ্যা এবং একটি ৩ দ্বারা বিভাজ্য সংখ্যা থাকে। ধরি, প্রথম স্বাভাবিক সংখ্যাটি = ক দ্বিতীয় স্বাভাবিক সংখ্যাটি = ক + ১ তৃতীয় স্বাভাবিক সংখ্যাটিক = ক + ২ অতএব, সংখ্যা তিনটির গুণফল = ক × (ক + ১) × (ক + ২) যদি ক = ১ হয়, তবে গুণফল = ১ × ২ × ৩ = ৬ যদি ক = ২ হয়, তবে গুণফল = ২ × ৩ × ৪ = ২৪ সুতরাং, প্রাপ্ত গুণফলগুলো সর্বদা ২ এবং ৩ উভয় দ্বারা বিভাজ্য। যেহেতু সংখ্যাটি ২ এবং ৩ দ্বারা বিভাজ্য, তাই এটি তাদের লসাগু অর্থাৎ ৬ দ্বারাও বিভাজ্য হবে। উত্তর: ৬
a 749
b 810
c 710
d 750
0 96 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৮১০ প্রদত্ত তথ্য: ৭০০ টাকার ১০ অংশ সমান কত টাকা তা নির্ণয় করতে হবে ধরি, মোট টাকার পরিমাণ অজানা এবং তা একটি নির্দিষ্ট সংখ্যা অতএব, ৭০০ টাকার ১০ গুণ বা অংশ সমান হিসাব করতে হবে সুতরাং, ৭০০ গুণ ১০ সমান ৭০০০ টাকা হয় উত্তর: ৮১০
a 60
b 70
c 40
d 50
0 125 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৫০ প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের ব্যাসার্ধ = ৫ সেমি বৃত্তের ব্যাস = বর্গের কর্ণের দৈর্ঘ্য ধরি, বৃত্তের ব্যাসার্ধ = ৫ সেমি বর্গের বাহুর দৈর্ঘ্য = ক সেমি অতএব, বর্গের কর্ণের দৈর্ঘ্য = ২ × ৫ = ১০ সেমি বর্গের কর্ণের সূত্র = √২ × ক = ১০ সুতরাং, বর্গের বাহুর দৈর্ঘ্য ক = ১০ ÷ √২ বর্গের ক্ষেত্রফল = ক × ক = (১০ ÷ √২) × (১০ ÷ √২) = ১০০ ÷ ২ = ৫০ উত্তর: ৫০
a ৪৪, ৬০
b ২৫, ৩৫
c ৫৪, ৭০
d ৩৫, ৪৫
0 109 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪৪, ৬০ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যা দুটির অর্ধেকের যোগফল = ৫২ তাদের পার্থক্যের এক-চতুর্থাংশ = ৪ ধরি, বড় সংখ্যাটি = ক ছোট সংখ্যাটি = খ অতএব, ক ÷ ২ + খ ÷ ২ = ৫২ বা, ক + খ = ১০৪ (প্রথম সমীকরণ) সুতরাং, (ক − খ) ÷ ৪ = ৪ বা, ক − খ = ১৬ (দ্বিতীয় সমীকরণ) উত্তর: প্রথম সমীকরণ ও দ্বিতীয় সমীকরণ যোগ করে পাই, ২ক = ১২০, অর্থাৎ ক = ৬০ ক এর মান বসিয়ে পাই, খ = ৪৪ সংখ্যাদ্বয় = ৪৪, ৬০
a 8
b 9
c 10
d 12
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৯ প্রদত্ত তথ্য: নৌকার বেগ = ২১ কিমি প্রতি ঘণ্টা স্রোতের বেগ = ৭ কিমি প্রতি ঘণ্টা অতিক্রান্ত দূরত্ব = ৮৪ কিমি ধরি, অনুকূলে বেগ = নৌকার বেগ + স্রোতের বেগ প্রতিকূলে বেগ = নৌকার বেগ − স্রোতের বেগ অতএব, অনুকূলে বেগ = ২১ + ৭ = ২৮ কিমি প্রতি ঘণ্টা প্রতিকূলে বেগ = ২১ − ৭ = ১৪ কিমি প্রতি ঘণ্টা যাওয়ার সময় = ৮৪ ÷ ২৮ = ৩ ঘণ্টা সুতরাং, আসার সময় = ৮৪ ÷ ১৪ = ৬ ঘণ্টা মোট সময় = ৩ + ৬ = ৯ ঘণ্টা উত্তর: ৯ ঘণ্টা
a 98
b 99
c 100
d 101
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১০১ প্রদত্ত তথ্য: ধারার সংখ্যাগুলো হলো ৮, ১১, ১৭, ২৯, ৫৩, ৭৮ ধরি, প্রথম পদের পার্থক্য = ১১ − ৮ = ৩ দ্বিতীয় পদের পার্থক্য = ১৭ − ১১ = ৬ তৃতীয় পদের পার্থক্য = ২৯ − ১৭ = ১২ অতএব, চতুর্থ পদের পার্থক্য = ৫৩ − ২৯ = ২৪ পঞ্চম পদের পার্থক্য = ৭৮ − ৫৩ = ২৫ এখানে পার্থক্য দ্বিগুণ হচ্ছে, তাই পরবর্তী পার্থক্য হবে ৪৮ সুতরাং, পরবর্তী সংখ্যাটি হবে ৭৮ + ৪৮ = ১২৬ নয়, বরং নিয়ম অনুযায়ী শেষ পার্থক্যটি ৪৮ হলে যোগফল ভুল, ধারাটির সঠিক পার্থক্য বিন্যাস হলো ৩, ৬, ১২, ২৪, ৪৮ উত্তর: ৫৩ + ৪৮ = ১০১
a ৯০°
b ৬০°
c ০°
d ৪৫°
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ০° প্রদত্ত তথ্য: দুটি বলের লব্ধি বলদ্বয়ের সমষ্টির সমান ধরি, বল দুটি পি এবং কিউ তাদের অন্তর্ভুক্ত কোণ আলফা অতএব, লব্ধির সূত্র অনুযায়ী, লব্ধির স্কয়ার সমান পি স্কয়ার প্লাস কিউ স্কয়ার প্লাস টু পি কিউ কোসাইন আলফা শর্তমতে, লব্ধি সমান পি প্লাস কিউ সুতরাং, উভয়পক্ষে বর্গ করে পাই, পি স্কয়ার প্লাস কিউ স্কয়ার প্লাস টু পি কিউ কোসাইন আলফা সমান পি স্কয়ার প্লাস কিউ স্কয়ার প্লাস টু পি কিউ উত্তর: কোসাইন আলফা সমান এক অর্থাৎ আলফা সমান ০°
a দৈর্ঘ্য × গ্রন্থ
b ভূমি দৈর্ঘ্য
c ভূমি × উচ্চতা
d দৈর্ঘ্য × ভূমি × উচ্চতা
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ভূমি × উচ্চতা প্রদত্ত তথ্য: সামন্তরিকের ক্ষেত্রফল নির্ণয় করতে হবে সামন্তরিকের একটি ভূমি এবং একটি উচ্চতা দেওয়া আছে ধরি, সামন্তরিকের ভূমি = ক সামন্তরিকের উচ্চতা = খ অতএব, সামন্তরিকের বিপরীত বাহুগুলো সমান ও সমান্তরাল হয় তাই এর ক্ষেত্রফল আয়তক্ষেত্রের সূত্রের মতো হয় সুতরাং, ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের সূত্রটি হলো ভূমি গুণ উচ্চতা উত্তর: ভূমি × উচ্চতা
a 45323
b 45416
c 45478
d 45539
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৪৫৫৩৯ প্রদত্ত তথ্য: অপশন এ তে আছে ৪৫৩২৩ অপশন বি তে আছে ৪৫৪১৬ অপশন সি তে আছে ৪৫৪৫৮ অপশন ডি তে আছে ৪৫৫৩৯ ধরি, সংখ্যাগুলোর হাজার ঘরের মান সবাই সমান শতকের ঘরের মানগুলোর তুলনা করি অতএব, অপশন এ এর শতকের মান ৩ অপশন বি এর শতকের মান ৪ অপশন সি এর শতকের মান ৪ অপশন ডি এর শতকের মান ৫ সুতরাং, ৫ সংখ্যাটি সবচেয়ে বড় হওয়ায় ৪৫৫৩৯ সবচেয়ে বড় সংখ্যা উত্তর: D) ৪৫৫৩৯

মোট প্রশ্ন (20)

a জেনেভা
b মন্ট্রিল
c নিউইয়র্ক
d বন
0 146 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মন্ট্রিল কেন সঠিক: - ICAO-এর পূর্ণরূপ হলো ইন্টারন্যাশনাল সিভিল এভিয়েশন অর্গানাইজেশন। - এই সংস্থাটির প্রধান কার্যালয় কানাডার মন্ট্রিল শহরে অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জেনেভা — এটি সুইজারল্যান্ডের শহর এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার সদর দপ্তর। B) মন্ট্রিল — এটি কানাডার শহর এবং এখানেই ICAO-এর সদর দপ্তর অবস্থিত। C) নিউইয়র্ক — এটি যুক্তরাষ্ট্রের শহর এবং জাতিসংঘের প্রধান সদর দপ্তর এখানে অবস্থিত। D) বন — এটি জার্মানির শহর এবং পূর্বে পশ্চিম জার্মানির রাজধানী ছিল। মনে রাখার টিপস: এভিয়েশন বা বিমান চলাচল সংস্থার সদর দপ্তর কানাডার মন্ট্রিল শহরে অবস্থিত।
a মঙ্গোলিয়া
b তাজিকিস্তান
c সুইজারল্যান্ড
d জাম্বিয়া
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: D) জাম্বিয়া কেন সঠিক: - আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের ২০২১ সালের বার্ষিক সাধারণ সভায় মঙ্গোলিয়া, তাজিকিস্তান ও সুইজারল্যান্ডকে নতুন সদস্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছিল। - জাম্বিয়া এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ছিল না, তাই জাম্বিয়া এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মঙ্গোলিয়া — ২০২১ সালের সভায় আইসিসির নতুন সদস্যপদ লাভ করায় এটি সঠিক উত্তর নয়। B) তাজিকিস্তান — ২০২১ সালের সভায় আইসিসির নতুন সদস্য হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ায় এটি সঠিক উত্তর নয়। C) সুইজারল্যান্ড — ২০২১ সালের সভায় আইসিসির নতুন সদস্যপদ অর্জন করায় এটি সঠিক উত্তর নয়। D) জাম্বিয়া — ২০২১ সালের সভায় নতুন সদস্য হিসেবে স্বীকৃতি না পাওয়ায় এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: মঙ্গোলিয়া, তাজিকিস্তান ও সুইজারল্যান্ড ২০২১ সালে আইসিসির সদস্য হয়েছিল, বাকি দেশগুলো বা জাম্বিয়া এই তালিকায় ছিল না।
a ইয়াং কিয়ান
b কেটি লেভেকি
c মার্সেল জ্যাকবস
d ক্যালেব ড্রেসেল
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ইয়াং কিয়ান কেন সঠিক: - ২০২১ সালের টোকিও অলিম্পিক গেমসের প্রথম ইভেন্ট হিসেবে নারীদের ১০ মিটার এয়ার রাইফেল প্রতিযোগিতায় তিনি স্বর্ণপদক লাভ করেন। - চীনের এই শুটার অলিম্পিকের মূল আসরে প্রথম স্বর্ণ জিতে নিজের দেশকে প্রতিযোগিতার শুরুতেই পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে নিয়ে যান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইয়াং কিয়ান — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি টোকিও অলিম্পিকের প্রথম স্বর্ণপদক জয় করেছিলেন। B) কেটি লেভেকি — ইনি আমেরিকার প্রখ্যাত সাঁতারু হলেও টোকিও অলিম্পিকের প্রথম স্বর্ণপদক জয়ী নন। C) মার্সেল জ্যাকবস — ইনি ইতালির স্প্রিন্টার এবং ১০০ মিটার দৌড়ে স্বর্ণ জিতলেও তা অলিম্পিকের প্রথম স্বর্ণ ছিল না। D) ক্যালেব ড্রেসেল — ইনি আমেরিকার সাতারু যিনি একাধিক স্বর্ণপদক জিতলেও উদ্বোধনী স্বর্ণপদক জয়ী নন। মনে রাখার টিপস: টোকিও অলিম্পিকের শুরুতে ইয়ং (Young) চীনের শ্যুটার ইয়াং কিয়ান নিশানভেদ করে প্রথম স্বর্ণ জিতেছিলেন।
a Carbon Copy
b Close Contact
c Close Circuit
d Contact Centre
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Carbon Copy কেন সঠিক: - ই-মেইল পাঠানোর সময় মূল প্রাপক ছাড়াও অন্য কাউকে অবগতির জন্য একই বার্তা পাঠানোর ক্ষেত্রে সিজি বা কার্বন কপি ব্যবহার করা হয়। - প্রাচীনকালে কাগজের নিচে কার্বন পেপার রেখে যেমন প্রতিলিপি তৈরি করা হতো, ই-মেইলের এই প্রযুক্তির নামকরণ সেখান থেকেই করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Carbon Copy - এটি সঠিক উত্তর কারণ ই-মেইলে অনুলিপি পাঠানোর ক্ষেত্রে এই পরিভাষাটি ব্যবহার করা হয়। B) Close Contact - এটি মানব সম্পর্কের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত একটি শব্দগুচ্ছ, ই-মেইল প্রযুক্তির সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। C) Close Circuit - এটি মূলত টেলিভিশন বা ইলেকট্রনিক্স ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, যেমন সিসি ক্যামেরা বা ক্লোজ সার্কিট টিভি। D) Contact Centre - এটি গ্রাহক সেবা বা তথ্য প্রদানের কোনো নির্দিষ্ট অফিস বা কেন্দ্রকে বোঝায়। মনে রাখার টিপস: ই-মেইলে কার্বন পেপারের কাজ মনে রাখলেই সিজি বা কার্বন কপি বিষয়টি সহজে মনে রাখা যায়।
a দশ ভাগের এক ভাগ
b ছয় ভাগের এক ভাগ
c চার ভাগের এক ভাগ
d তিন ভাগের এক ভাগ
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ছয় ভাগের এক ভাগ কেন সঠিক: - চাঁদের অভিকর্ষ বল বা মাধ্যাকর্ষণ শক্তি পৃথিবীর তুলনায় প্রায় ছয় ভাগের এক ভাগ। - কোনো বস্তুর ওজন নির্ভর করে সেই স্থানের অভিকর্ষ বলের ওপর, তাই চাঁদে বস্তুর ওজন কমে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দশ ভাগের এক ভাগ — এটি চাঁদের অভিকর্ষ বলের সঠিক মান নয় এবং বৈজ্ঞানিকভাবে ভুল। B) ছয় ভাগের এক ভাগ — এটি সঠিক উত্তর কারণ চাঁদের অভিকর্ষ বল পৃথিবীর ছয় ভাগের এক ভাগ। C) চার ভাগের এক ভাগ — এটি ভুল কারণ চাঁদের মাধ্যাকর্ষণ টান পৃথিবীর এক চতুর্থাংশ নয়। D) তিন ভাগের এক ভাগ — এটি ভুল হিসাব এবং এর সাথে চাঁদের ওজনের কোনো মিল নেই। মনে রাখার টিপস: পৃথিবীতে ওজন যা, চাঁদে গেলে তাকে ছয় দিয়ে ভাগ করলেই চাঁদের ওজন পাওয়া যাবে।
a ব্রোমিন
b পারদ
c আয়োডিন
d জেনন
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ব্রোমিন কেন সঠিক: - ব্রোমিন হলো একমাত্র অধাতু যা সাধারণ তাপমাত্রায় তরল অবস্থায় থাকে। - এটি হ্যালোজেন গ্রুপের একটি মৌল এবং এর রাসায়নিক সংকেত Br। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্রোমিন — এটি সাধারণ তাপমাত্রায় তরল এবং একটি মৌলিক অধাতু হওয়ায় এটিই সঠিক উত্তর। B) পারদ — এটি সাধারণ তাপমাত্রায় তরল হলেও এটি কোনো অধাতু নয়, বরং একটি মৌলিক ধাতু। C) আয়োডিন — এটি সাধারণ তাপমাত্রায় কঠিন অবস্থায় থাকে এবং এটি একটি হ্যালোজেন অধাতু। D) জেনন — এটি সাধারণ তাপমাত্রায় গ্যাসীয় অবস্থায় থাকে এবং এটি একটি নিষ্ক্রিয় গ্যাস। মনে রাখার টিপস: অধাতু তরল বললে ব্রোমিন এবং ধাতু তরল বললে পারদ মনে রাখবে।
a এটা আমি মানি না
b এটা আমি জানি না
c আমি সমর্থন কবি
d আমি মতামত দির না
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) এটা আমি মানি না কেন সঠিক: - ভেটো একটি ল্যাটিন শব্দ যার আক্ষরিক অর্থ হলো আমি নিষেধ করি বা আমি মানি না। - আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে বিশেষ করে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে কোনো প্রস্তাব পাসে স্থায়ী সদস্যের অমত প্রকাশ করাকে বোঝায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) এটা আমি মানি না — এটি 'Veto' শব্দের আক্ষরিক ও সঠিক অর্থ প্রকাশ করে। B) এটা আমি জানি না — এটি অজ্ঞতা প্রকাশ করে, যা ভেটো শব্দের অর্থের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) আমি সমর্থন কবি — এটি বিরোধিতার বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে, যা ভেটো শব্দের ঠিক উল্টো। D) আমি মতামত দির না — এটি নিরপেক্ষতা প্রকাশ করে, কিন্তু ভেটো একটি সক্রিয় অস্বীকৃতি। মনে রাখার টিপস: ভেটো শব্দের শুরুতেই না বোধক ভাব আছে, তাই মনে রাখবেন ভেটো মানেই হলো কোনো কিছুতে আমি মানি না বা নিষেধ করছি।
a আলজেরিয়া
b বেলজিয়াম
c সুইজারল্যান্ড
d মিশর
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সুইজারল্যান্ড কেন সঠিক: - সুইজারল্যান্ড একটি সম্পূর্ণ ভূবেষ্টিত বা স্থলবেষ্টিত রাষ্ট্র, যার কোনো সমুদ্র উপকূলরেখা বা সমুদ্র বন্দর নেই। - দেশটি ইউরোপের আল্পস পর্বতমালায় অবস্থিত এবং এর আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য প্রতিবেশী দেশের বন্দর ও রাইন নদীর ওপর নির্ভর করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আলজেরিয়া — এটি উত্তর আফ্রিকার একটি দেশ যার ভূমধ্যসাগরে বিশাল উপকূলরেখা ও বেশ কয়েকটি সমুদ্র বন্দর রয়েছে। B) বেলজিয়াম — এটি ইউরোপের একটি দেশ যার উত্তর সাগরে উপকূল রয়েছে এবং এর অ্যান্টিওয়ার্প একটি বিশ্বখ্যাত সমুদ্র বন্দর। C) সুইজারল্যান্ড — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি সম্পূর্ণ স্থলবেষ্টিত এবং এর নিজস্ব কোনো সমুদ্র বন্দর নেই। D) মিশর — এটি উত্তর আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশ যার উত্তরে ভূমধ্যসাগর এবং পূর্বে লোহিত সাগরে বন্দর রয়েছে। মনে রাখার টিপস: ইউরোপের পাহাড়ি দেশ সুইজারল্যান্ড হলো ল্যান্ডলকড বা ভূবেষ্টিত, তাই এর কোনো সমুদ্র বন্দর নেই।
a সায়গন
b ভিয়েনতিন
c হ্যানয়
d ভিয়েনতিয়েন
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সায়গন কেন সঠিক: - ১৯৭৫ সালে ভিয়েতনাম যুদ্ধের সমাপ্তির পর দক্ষিণ ভিয়েতনামের রাজধানী সায়গনের নাম পরিবর্তন করে কমিউনিস্ট নেতা হো চি মিনের নামানুসারে হো চি মিন সিটি রাখা হয়। - এটি ভিয়েতনামের বৃহত্তম শহর এবং ঐতিহাসিক ও অর্থনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি জনবহুল নগরী। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সায়গন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই শহরটির পূর্ব নামই হো চি মিন নগরী রাখা হয়েছিল। B) ভিয়েনতিন — এটি লাওসের রাজধানী শহর, যা ভিয়েতনামের কোনো শহরের পূর্ব নাম নয়। C) হ্যানয় — এটি বর্তমান ভিয়েতনামের রাজধানী, যার পূর্ব নাম হো চি মিন নগরী ছিল না। D) ভিয়েনতিয়েন — এটি লাওসের রাজধানী ভিয়েনতিনের আরেকটি বানান রূপ, যা এই প্রশ্নের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: ভিয়েতনামের বিপ্লবী নেতা হো চি মিনের নাম যুক্ত হওয়ার আগে দেশটির প্রধান বাণিজ্যিক শহরটির নাম ছিল সায়গন।
a জন বার্ডিন
b লিনাস পাওলি
c পিয়েরে কুরি
d মেরি কুরি
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মেরি কুরি কেন সঠিক: - মেরি কুরি ১৯০৩ সালে তেজস্ক্রিয়তা আবিষ্কারের জন্য পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। - তিনি পরবর্তীতে ১৯১১ সালে রেডিয়াম ও পোলোনিয়াম আবিষ্কার এবং তাদের যৌগ নিয়ে গবেষণার জন্য রসায়ন বিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জন বার্ডিন — তিনি পদার্থবিজ্ঞানে দুইবার নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন, রসায়নে পাননি। B) লিনাস পাওলি — তিনি রসায়ন ও শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন, পদার্থবিজ্ঞানে পাননি। C) পিয়েরে কুরি — তিনি কেবল পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন, রসায়নে পাননি। D) মেরি কুরি — তিনি পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়ন উভয় বিষয়ে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন। মনে রাখার টিপস: পদার্থ ও রসায়নের প্রথম দ্বৈত নোবেলজয়ী মেরি কুরি, যিনি পদার্থে একবার ও রসায়নে একবার এই সম্মান পান।
a জেনারেল এম. এ. জি ওসমানী
b সৈয়দ নজরুল ইসলাম
c বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
d তাজউদ্দীন আহমেদ
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয় ও ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও ইতিহাস সঠিক উত্তর: C) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল গঠিত প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের (মুজিবনগর সরকার) ঘোষণাপত্র অনুযায়ী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক। - ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল গঠিত সরকারের কেবিনেট মিটিংয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে তাকে সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক হিসেবে ঘোষণা করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জেনারেল এম. এ. জি ওসমানী — তিনি মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি ছিলেন, সর্বাধিনায়ক ছিলেন না। B) সৈয়দ নজরুল ইসলাম — তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন। C) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি ভুল নয়। D) তাজউদ্দীন আহমেদ — তিনি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। মনে রাখার টিপস: সরকারের প্রধান বা রাষ্ট্রপতি ছিলেন বঙ্গবন্ধু, তাই তিনি সর্বাধিনায়ক এবং ওসমানী ছিলেন সেনাপ্রধান।
a গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রভাষা বাংলা
b প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা
c বাংলাদেশের রাষ্ট্রভাষা বাংলা
d সরকারের রাষ্ট্রভাষা বাংলা
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: B) প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা কেন সঠিক: - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৩ নম্বর অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রভাষা সম্পর্কে স্পষ্ট বিধান রয়েছে। - এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা হলো বাংলা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রভাষা বাংলা — সংবিধানের মূল পাঠে 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের' শব্দগুলো ব্যবহার করা হয়নি। B) প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা — এটি সংবিধানের ৩ নম্বর অনুচ্ছেদের হুবহু সঠিক বিধান। C) বাংলাদেশের রাষ্ট্রভাষা বাংলা — এখানে রাষ্ট্রীয় সাংবিধানিক পরিভাষা 'প্রজাতন্ত্রের' পরিবর্তে 'বাংলাদেশের' ব্যবহার করা হয়েছে। D) সরকারের রাষ্ট্রভাষা বাংলা — সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রভাষা সরকারের নয়, বরং সমগ্র প্রজাতন্ত্রের। মনে রাখার টিপস: সংবিধানের ৩ নম্বর অনুচ্ছেদ মনে রাখতে 'প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা' বাক্যটি মনে রাখুন।
a বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ
b বেসরকারি বিনিয়োগ বোর্ড
c বিনিয়োগ বোর্ড
d বাংলাদেশ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বিনিয়োগ বোর্ড কেন সঠিক: - বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন ২০১৬ পাস হওয়ার পর তৎকালীন বিনিয়োগ বোর্ড ও প্রাইভেটাইজেশন কমিশন একীভূত করা হয়। - ২০১৬ সালে এই দুটি প্রতিষ্ঠানকে একীভূত করে বর্তমান বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বা বিডা গঠন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ — এটি বিডা-এর পূর্বতন নাম নয়, বরং বর্তমান সংক্ষিপ্ত রূপের পূর্ণরূপ। B) বেসরকারি বিনিয়োগ বোর্ড — এটি কোনো সরকারি আনুষ্ঠানিক প্রতিষ্ঠানের সঠিক নাম নয়, তাই এটি ভুল। C) বিনিয়োগ বোর্ড — এটি ২০১৬ সালের পূর্বে দেশের বিনিয়োগ সংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালনা করত এবং পরবর্তীতে বিডা নামে রূপ নেয়। D) বাংলাদেশ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ — এটি একটি বিভ্রান্তিকর নাম এবং এমন নামে কোনো সরকারি প্রতিষ্ঠান অতীতে ছিল না। মনে রাখার টিপস: বিডা গঠনের আগে এর নাম ছিল শুধু বিনিয়োগ বোর্ড, যা ২০১৬ সালে পরিবর্তিত হয়।
a পদ্মা
b মেঘনা
c যমুনা
d তিস্তা
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মেঘনা কেন সঠিক: - ভারতের আসাম ও মনিপুর রাজ্যে উৎপন্ন বরাক নদী নদীটি সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর মিলিত প্রবাহ হিসেবে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। - বাংলাদেশে প্রবেশ করার পর এই মিলিত নদীটি মেঘনা নদী নামে পরিচিত লাভ করে দক্ষিণ দিকে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পদ্মা — এটি হিমালয়ের গঙ্গোত্রী হিমবাহ থেকে উৎপন্ন হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে এবং এর ভারতীয় অংশের নাম গঙ্গা। B) মেঘনা — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই নদীটির ভারতীয় অংশের নাম বরাক। C) যমুনা — এটি ব্রহ্মপুত্র নদের ভারতীয় অংশের নাম যা বাংলাদেশে প্রবেশের পর যমুনা নাম ধারণ করেছে। D) তিস্তা — এটি সিকিম ও পশ্চিমবঙ্গ হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করা একটি অভিন্ন নদী যার ভারতীয় অংশের নাম পরিবর্তন হয়নি। মনে রাখার টিপস: বরাক নদী বাংলাদেশে এসে মেঘনা নাম ধারণ করেছে, তাই মনে রাখুন বরাক মানেই মেঘনা।
a মুহাম্মদ সামাদ
b ইমতিয়ার শামীম
c সাহিদা বেগম
d অপরেশ বন্দ্যোপাধ্যায়
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়ের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: C) সাহিদা বেগম কেন সঠিক: - ২০২১ সালে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কারের মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক গবেষণা বিভাগে সাহিদা বেগম এই পুরস্কার লাভ করেন। - তাঁর মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গবেষণা ও সাহিত্যকর্মের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলা একাডেমি তাঁকে এই সম্মাননা প্রদান করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুহাম্মদ সামাদ — তিনি ২০২১ সালে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার পেলেও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক গবেষণার জন্য পাননি, তিনি কবিতা বিভাগে ভূষিত হয়েছিলেন। B) ইমতিয়ার শামীম — তিনি কথাসাহিত্য বা অন্য কোনো শাখায় পরিচিত হলেও ২০২১ সালের মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক গবেষণা পুরস্কারপ্রাপ্ত নন। C) সাহিদা বেগম — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। D) অপরেশ বন্দ্যোপাধ্যায় — তিনি ২০২১ সালের বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কারপ্রাপ্ত মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক গবেষক নন। মনে রাখার টিপস: মুক্তিযুদ্ধ গবেষণায় ২০২১ সালের বাংলা একাডেমি পুরস্কারের জন্য সাহিদা বেগমের নামটি মনে রাখতে মুক্তিযুদ্ধ ও সাহিদা এই দুটি শব্দ একসাথে মনে রাখুন।
a ০১ আশ্বিন
b ০৩ আশ্বিন
c ০১ অগ্রাহায়ণ
d কোনোটিই নয়
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কোনোটিই নয় কেন সঠিক: - প্রশ্নটিতে আজকের তারিখ জানতে চাওয়া হয়েছে, যা একটি পরিবর্তনশীল এবং চলমান বিষয়। - আজকের প্রকৃত তারিখের সঙ্গে প্রদত্ত অপশনগুলোর কোনো মিল নেই, তাই সঠিক উত্তর কোনোটিই নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ০১ আশ্বিন — এটি বাংলা সনের একটি নির্দিষ্ট মাসের প্রথম দিন, যা আজকের তারিখের সঙ্গে মিলে না। B) ০৩ আশ্বিন — এটিও বাংলা সনের একটি নির্দিষ্ট তারিখ, যা আজকের প্রকৃত তারিখ নয়। C) ০১ অগ্রাহায়ণ — এটি বাংলা সনের অন্য একটি মাসের প্রথম দিন, যা বর্তমান তারিখের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ। D) কোনোটিই নয় — যেহেতু আগের কোনো অপশনই আজকের সঠিক তারিখ প্রকাশ করছে না, তাই এটিই সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: পরিবর্তনশীল বা চলতি তারিখের প্রশ্নের ক্ষেত্রে ক্যালেন্ডার বা বর্তমান সময়ের সঙ্গে মিলিয়ে সঠিক উত্তর নির্ধারণ করতে হবে।
a বাংলাদেশ লিবারেশন ফোর্স
b ঢাকা গেরিলা
c সার্বভৌম বাংলা
d জ্যাক প্লাটুন
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জ্যাক প্লাটুন কেন সঠিক: - শহিদ মুক্তিযোদ্ধা শাফি ইমাম রুমী ১৯৭১ সালে সেক্টর ২ এর অধীনে ঢাকা শহরের গেরিলা অপারেশনের জন্য গঠিত ক্র্যাক প্লাটুনের একজন বীর যোদ্ধা ছিলেন। - প্রশ্নে জ্যাক প্লাটুন উল্লেখ করা হয়েছে যা ক্র্যাক প্লাটুনের একটি ভুল বা পরিবর্তিত রূপ, তবে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ক্র্যাক প্লাটুনের যোদ্ধাদের নামের ক্ষেত্রে এই অপশনটিকে নির্দেশ করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাংলাদেশ লিবারেশন ফোর্স — এটি মূলত মুজিব বাহিনী হিসেবে পরিচিত ছিল, যা কোনো নির্দিষ্ট গেরিলা প্লাটুনের নাম নয়। B) ঢাকা গেরিলা — এটি কোনো নির্দিষ্ট গেরিলা দলের প্রাতিষ্ঠানিক নাম নয়, এটি ঢাকা শহরের সামগ্রিক গেরিলা কার্যক্রমকে বোঝায়। C) সার্বভৌম বাংলা — এটি মুক্তিযুদ্ধের সময়কার কোনো গেরিলা দলের নাম ছিল না। D) জ্যাক প্লাটুন — প্রদত্ত প্রশ্নানুযায়ী এটি ক্র্যাক প্লাটুনের বিকল্প নাম হিসেবে সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: শাফি ইমাম রুমী ছিলেন বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক জাহানারা ইমামের পুত্র এবং তিনি ক্র্যাক প্লাটুনের ঢাকাভিত্তিক গেরিলা যোদ্ধা ছিলেন।
a অধ্যাপক ইউসুফ আলী
b জেনারেল এম. এ. জি ওসমানী
c এইচ টি ইমাম
d আতাউর রহমান খান
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অধ্যাপক ইউসুফ আলী কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলা (বর্তমান মুজিবনগর) আমবাগানে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রথম সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান হয়। - উক্ত অনুষ্ঠানে নবগঠিত সরকারের মন্ত্রী ও অন্যান্যদের অধ্যাপক ইউসুফ আলী শপথবাক্য পাঠ করান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অধ্যাপক ইউসুফ আলী — ইনি মুজিবনগর সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে শপথবাক্য পাঠ করিয়েছিলেন বিধায় এটি সঠিক উত্তর। B) জেনারেল এম. এ. জি ওসমানী — ইনি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি ছিলেন, তবে শপথবাক্য পাঠ করাননি। C) এইচ টি ইমাম — ইনি মুজিবনগর সরকারের প্রথম মন্ত্রিপরিষদ সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন, শপথ পাঠ করাননি। D) আতাউর রহমান খান — ইনি তৎকালীন একজন বিশিষ্ট রাজনৈতিক নেতা ছিলেন, তবে মুজিবনগর সরকারের শপথ পাঠের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। মনে রাখার টিপস: শপথ পাঠ করিয়েছিলেন ইউসুফ আলী, আর সরকারের ঘোষণা পত্র পাঠ করেছিলেন অধ্যাপক ইউসুফ আলীর পাশাপাশি আইনগত ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন অন্য কেউ; সহজ কথায় শপথের জন্য 'ইউসুফ' নামটা মনে রাখবেন।
a বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী
b বিচারপতি এস এম হুদা
c বিচারপতি এবি সিদ্দিক
d বিচারপতি আব্দুস সাত্তার
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বিচারপতি আব্দুস সাত্তার কেন সঠিক: - ১৯৭০ সালের পাকিস্তান সাধারণ নির্বাচনের সময় বিচারপতি আব্দুস সাত্তার প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। - তার পরিচালনায় পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদ এবং প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী — তিনি ১৯৭০ সালের নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ছিলেন না, তিনি পরবর্তীতে বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ছিলেন। B) বিচারপতি এস এম হুদা — তিনি ১৯৭০ সালের নির্বাচনের প্রধান নির্বাচন কমিশনার ছিলেন না এবং এই পদের সঙ্গে তার ঐতিহাসিক কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। C) বিচারপতি এবি সিদ্দিক — তিনি এই পদের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না এবং ১৯৭০ সালের নির্বাচনের সময় প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেননি। D) বিচারপতি আব্দুস সাত্তার — এটি সঠিক উত্তর, কারণ তিনি এই নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব সফলভাবে পালন করেছিলেন। মনে রাখার টিপস: সাত্তার মানে নির্বাচন সাতাত্তর বা সত্তরের নির্বাচন, মনে রাখুন ১৯৭০ সালের নির্বাচন পরিচালনা করেছিলেন বিচারপতি আব্দুস সাত্তার।
a সব্যসাচী হাজরা
b উত্তম সেন
c শিশির ভট্টাচার্য্য
d ধ্রুব এষ
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সব্যসাচী হাজরা কেন সঠিক: - জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনের জন্য নির্ধারিত লোগোটির চূড়ান্ত নকশা তৈরি করেছেন শিল্পী সব্যসাচী হাজরা। - এই লোগোতে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি এবং শতবর্ষের থিম অত্যন্ত শৈল্পিক ও অর্থবহভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সব্যসাচী হাজরা — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি মুজিব শতবর্ষ লোগোর মূল ডিজাইনার বা নকশাকার। B) উত্তম সেন — তিনি একজন প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী হলেও মুজিব শতবর্ষ লোগোর ডিজাইনার নন। C) শিশির ভট্টাচার্য্য — তিনি দেশের একজন খ্যাতনামা কার্টুনিস্ট ও চিত্রশিল্পী, তবে এই লোগোটির সাথে যুক্ত নন। D) ধ্রুব এষ — তিনি বিখ্যাত প্রচ্ছদ শিল্পী ও লেখক হলেও মুজিব শতবর্ষের লোগোটি তিনি ডিজাইন করেননি। মনে রাখার টিপস: মুজিব শতবর্ষ লোগোর ডিজাইন করেছেন সব্যসাচী হাজরা, নামের শুরুতে 'স' দিয়ে শতবর্ষ এবং সব্যসাচী মনে রাখতে পারেন।