জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (NSI)

জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (NSI) পরীক্ষা ২০২১

পদের নাম: জুনিয়র ফিল্ড অফিসার (১০ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (80)

a সন্ধি
b সমাস
c কারক
d বাগধারা
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সমাস ১. কেন সঠিক: - একাধিক পদ বা শব্দ মিলে একটি নতুন পদ তৈরি করার প্রক্রিয়াকে সমাস বলে। - এর মূল উদ্দেশ্য হলো ভাষার সংক্ষিপ্তকরণ এবং অর্থের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করা। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমাসের সংজ্ঞা অনুযায়ী, পরস্পর অর্থসংগতিযুক্ত দুই বা ততোধিক পদ এক পদে পরিণত হওয়ার নাম সমাস। - সমাসবদ্ধ পদের প্রথম অংশকে পূর্বপদ এবং পরের অংশকে পরপদ বা উত্তরপদ বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সিংহ চিহ্নিত আসন = সিংহাসন ব্যাখ্যা: এখানে তিনটি আলাদা পদ মিলে একটি সংক্ষিপ্ত ও নতুন পদ তৈরি হয়েছে। উদাহরণ ২: তুষারের ন্যায় শুভ্র = তুষারশুভ্র ব্যাখ্যা: এটি একাধিক পদের মিলনে একপদীকরণের একটি সুন্দর ব্যাকরণগত উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সন্ধি — সন্ধি হলো দুটি ধ্বনির মিলন, পদের মিলন নয়। তাই এটি ভুল। B) সমাস — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) কারক — বাক্যের সঙ্গে ক্রিয়াপদের সম্পর্ককে কারক বলে, পদের একপদীকরণ নয়। D) বাগধারা — বাগধারা হলো বিশেষ অর্থ প্রকাশকারী শব্দসমষ্টি, একাধিক পদের একপদীকরণ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ধ্বনির মিলন হলো সন্ধি এবং পদের মিলন হলো সমাস। এই সহজ পার্থক্যটি মনে রাখলে আর ভুল হবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই পদ মিলনের প্রক্রিয়া এবং ধ্বনি মিলনের প্রক্রিয়ার মধ্যে পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়।
a নেতৃত্ব
b আলুনি
c নাকে ক্ষত
d দায়ে ঠেকা
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আলুনি ১. কেন সঠিক: - ন তৎপুরুষ সমাসের ক্ষেত্রে পূর্বপদে না, নাই, নি ইত্যাদি না বোধক অব্যয় যুক্ত থাকে এবং পদের অর্থের প্রাধান্য রক্ষিত হয়। - আলুনি শব্দের ব্যাসবাক্য হলো লবন নাই যার বা ন লবন, যেখানে ন বা না বোধক অর্থে শব্দের শুরুতে অ যুক্ত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদে না, নাই, নি, ন ইত্যাদি না বোধক অব্যয় বা উপসর্গ বসে এবং পরবর্তী পদের অর্থ প্রধানভাবে বোঝায়, তাকে ন তৎপুরুষ সমাস বলে। - স্বরবর্ণের পূর্বে ন এর জায়গায় অ বা অন বসে ন তৎপুরুষ সমাস গঠন করে, যেমন এখানে লবণের পূর্বে অ বসে আলুনি শব্দটি তৈরি হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অপয়া ব্যাখ্যা: পাই বা পা নাই যার, অর্থাৎ ন পয়মন্ত বা ন পয় যার অর্থে ন তৎপুরুষ সমাস হয়েছে। উদাহরণ ২: অবুঝ ব্যাখ্যা: বুঝ বা বোঝে না যে, এখানে ন বোধক অর্থে অ উপসর্গ যুক্ত হয়ে ন তৎপুরুষ সমাস গঠন করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নেতৃত্ব — এটি নেতৃত্ব শব্দ যা কৃৎ প্রত্যয় সাধিত শব্দ এবং সমাসের নিয়মে ন তৎপুরুষ সমাস নয়। B) আলুনি — এটি সঠিক উত্তর। C) নাকে ক্ষত — এটি তৎপুরুষ সমাসের অন্য কোনো প্রকার বা অলোক সমাসের অন্তর্ভুক্ত হতে পারে, তবে ন তৎপুরুষ সমাস নয়। D) দায়ে ঠেকা — এটি সাধারণ বা বিভক্তিযুক্ত সমাসের উদাহরণ, যা ন তৎপুরুষ সমাসের আওতাভুক্ত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ন তৎপুরুষ সমাস চেনার সহজ উপায় হলো শব্দের শুরুতে অ, অন, না বা নাই থাকবে এবং সমাস করলে না বোধক অর্থ প্রকাশ পাবে। - যেমন আলুনি মানে লবন নাই, অপয়া মানে পয়া নাই। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ন তৎপুরুষ সমাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে যেখানে অ বা অন যুক্ত শব্দগুলো বেশি থাকে। - উপসর্গ ও তৎপুরুষ সমাসের পার্থক্য ভালোভাবে বুঝতে না বোধক অব্যয়ের ব্যবহার লক্ষ করতে হবে।
a অনল
b বহ্নি
c পাবক
d মিহির
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মিহির ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করার কারণ হলো 'মিহির' শব্দটির অর্থ সূর্য, যা অগ্নি শব্দের সমার্থক নয়। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সমার্থক শব্দের ক্ষেত্রে এমন শব্দ অপশনে থাকে যা দেখতে ভিন্ন মনে হলেও অন্য কোনো পরিচিত বস্তুকে বোঝায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দসমূহ যাদের রূপ ভিন্ন হলেও অর্থের দিক থেকে প্রায় একই বা সাদৃশ্যপূর্ণ ভাব প্রকাশ করে। - 'অগ্নি' শব্দের অনেকগুলো প্রতিশব্দ বা সমার্থক শব্দ রয়েছে যেমন আগুন, অনল, বহ্নি, পাবক, হুতাশন, সর্বভুক ইত্যাদি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বায়ু শব্দের সমার্থক হলো বাতাস, অনিল, সমীরণ ইত্যাদি। ব্যাখ্যা: একটি মূল শব্দের একাধিক প্রতিশব্দ থাকতে পারে যা বাক্য গঠনে বৈচিত্র্য আনে। উদাহরণ ২: নদী শব্দের সমার্থক হলো তটিনী, তরঙ্গিনী, স্রোতস্বিনী ইত্যাদি। ব্যাখ্যা: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণে শব্দের সঠিক অর্থ ও প্রয়োগ জানার জন্য সমার্থক শব্দ পড়া আবশ্যক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অনল — এটি অগ্নি শব্দের একটি অত্যন্ত পরিচিত ও সরাসরি সমার্থক শব্দ। B) বহ্নি — এটিও অগ্নি বা আগুনের একটি প্রমিত সমার্থক শব্দ। C) পাবক — এটি অগ্নি শব্দের সমার্থক শব্দ যার অর্থ যা পবিত্র করে। D) মিহির — এটি অগ্নি শব্দের সমার্থক নয় কারণ মিহির শব্দের অর্থ সূর্য বা রবি। ৫. মনে রাখার টিপস: - অগ্নি ও সূর্যের সমার্থক শব্দগুলো একসাথে পড়ার সময় গুলিয়ে ফেলবেন না। অনল, বহ্নি, পাবক হলো আগুন আর মিহির, ভাস্কর, দিবাকর হলো সূর্য। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অগ্নি, সূর্য, আকাশ, পৃথিবী এবং সমুদ্র শব্দের সমার্থক শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - অপরিচিত কোনো শব্দ দেখলে তার প্রচলিত অর্থ চিন্তা করে তারপর উত্তর নির্ধারণ করতে হবে।
a বাংলা শব্দের সঙ্গে সংস্কৃত শব্দের সন্ধি করা অনুচিত
b সমাসবদ্ধ পদে সন্ধি করা অনুচিত
c ধাতুর সঙ্গে প্রযুক্ত উপসর্গে সন্ধি করা অনুচিত
d উপরের কোনোটিই নয়
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বাংলা শব্দের সঙ্গে সংস্কৃত শব্দের সন্ধি করা অনুচিত ১. কেন সঠিক: - বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সাধারণত খাঁটি বাংলা শব্দের সঙ্গে তৎসম বা সংস্কৃত শব্দের সন্ধি করা অনুচিত বা ব্যাকরণসম্মত নয়। - সন্ধি হলো দুটি ধ্বনির মিলন, কিন্তু ভাষা ও শব্দের উৎসের ভিন্নতা থাকলে মিলন প্রাকৃতিকভাবে বা কান ও মুখের স্বাচ্ছন্দ্যে বাধা পায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সন্ধির মূল উদ্দেশ্য হলো উচ্চারণের দ্রুততা এবং ধ্বনিগত মাধুর্য রক্ষা করা। - বাংলা ব্যাকরণে স্বরসন্ধি ও ব্যঞ্জনসন্ধির ক্ষেত্রে শব্দের উৎসগত মিল বা সামঞ্জস্য রক্ষা করা একটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম হিসেবে বিবেচিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাঠ + আসমান = কাঠাসমান ব্যাখ্যা: কাঠ হলো খাঁটি বাংলা শব্দ এবং আসমান হলো ফার্সি বা ভিন্ন উৎসের শব্দ, তাই এদের ক্ষেত্রে সাধারণ নিয়মে সন্ধি করা অনুচিত। উদাহরণ ২: ফুল + বেলুন = ফুলেল (প্রমিত নয়) ব্যাখ্যা: বাংলা ও বিদেশি শব্দের মিলনে ব্যাকরণসিদ্ধ সন্ধি হয় না, তাই এগুলোকে পৃথক রাখা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাংলা শব্দের সঙ্গে সংস্কৃত শব্দের সন্ধি করা অনুচিত — এটি সঠিক উত্তর এবং প্রশ্নে চাওয়া হয়েছে কোন ক্ষেত্রে সন্ধি করা অনুচিত। B) সমাসবদ্ধ পদে সন্ধি করা অনুচিত — সমাসবদ্ধ পদে সাধারণত অর্থ ঠিক রাখতে এবং পদগুলোর স্বাতন্ত্র্য বজায় রাখতে সন্ধি করা হয় না, তবে এটি মূল প্রশ্ন নয়। C) ধাতুর সঙ্গে প্রযুক্ত উপসর্গে সন্ধি করা অনুচিত — উপসর্গের সঙ্গে ধাতুর ক্ষেত্রে সন্ধির নিয়ম প্রযোজ্য হয় এবং অনেক সময় সন্ধিযুক্ত শব্দ গঠিত হয়। D) উপরের কোনোটিই নয় — যেহেতু অপশন এ সঠিক, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - বাংলা ও সংস্কৃত শব্দের মিশ্রণে সন্ধি করা সাধারণত অনুচিত, কারণ ভাষার নিজস্ব স্বভাব ও উৎস রক্ষা করা জরুরি। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সন্ধি না হওয়ার ক্ষেত্রগুলো থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে, তাই শব্দের উৎস সম্পর্কে ধারণা থাকা আবশ্যক।
a অবগত হওয়া
b বাক্য ধারণা
c বিশেষভাবে উচ্চারণ
d বিশেষভাবে বিশ্লেষণ
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বিশেষভাবে উচ্চারণ ১. কেন সঠিক: - ব্যাকরণ শব্দের প্রাকৃত বা সাধারণ অর্থের দিক থেকে এর ব্যুৎপত্তিগত অর্থ বিশেষভাবে উচ্চারণ করা। - সংস্কৃত ব্যাকরণ শাস্ত্রে শব্দের উচ্চারণ ও রূপ প্রকরণকে বিশেষভাবে বিশ্লেষণ বা উচ্চারণ করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ব্যাকরণ শব্দের বিশ্লেষণ হলো বি + আ + √কৃ + অন। - এর প্রাকৃত বা শাব্দিক অর্থ হলো বিশেষভাবে উচ্চারণ করা বা বিশেষভাবে বিশ্লেষণ করা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্যাকরণ পাঠের মাধ্যমে ভাষার শুদ্ধ রূপ ও উচ্চারণ জানা যায়। ব্যাখ্যা: ভাষা সঠিকভাবে বলা ও লেখার জন্য ব্যাকরণ পাঠ অপরিহার্য। উদাহরণ ২: বাংলা ব্যাকরণে ধ্বনি ও বর্ণের সঠিক উচ্চারণ শেখানো হয়। ব্যাখ্যা: এটি ব্যাকরণের শাব্দিক অর্থের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অবগত হওয়া — এটি ব্যাকরণ শব্দের সরাসরি ব্যুৎপত্তিগত বা প্রাকৃত অর্থ নয়। B) বাক্য ধারণা — ব্যাকরণ শুধু বাক্য নিয়ে আলোচনা করে না, এটি শব্দ ও ধ্বনি নিয়েও কাজ করে। D) বিশেষভাবে বিশ্লেষণ — এটি আধুনিক ব্যাকরণের কাজ হলেও ব্যুৎপত্তিগত শাব্দিক অর্থে এটি সঠিক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ব্যাকরণ শব্দের শুরুতে বি ও আ উপসর্গ এবং কৃ ধাতু যুক্ত আছে। - পরীক্ষার প্রশ্নে ব্যুৎপত্তিগত অর্থ চাইলে বিশেষভাবে উচ্চারণ বা বিশেষভাবে বিশ্লেষণ অপশন দুটির মধ্যে প্রমিত উত্তর নির্বাচন করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ব্যাকরণ শব্দের অর্থ ও উৎপত্তি থেকে প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে। - ব্যাকরণের মূল কাজ ভাষার অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা রক্ষা করা।
a আখতার ইলিয়াস
b ইলিয়াস খান
c আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
d আকতার জামান ইলিয়াস
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আখতার ইলিয়াস ১. কেন সঠিক: - 'চিলেকোঠার সেপাই' বাংলা কথাসাহিত্যের এক যুগান্তকারী উপন্যাস, যার রচিয়তা খ্যাতিমান কথাসাহিত্যিক আখতার ইলিয়াস। - এই উপন্যাসে ঊনসত্তরের গণঅভুত্থানের প্রেক্ষাপটে পুরান ঢাকার নিম্নবর্গীয় মানুষের জীবন ও রাজনৈতিক সচেতনতা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - আখতারুজ্জামান ইলিয়াস বাংলা উপন্যাসের ধারায় এক অনন্য সংযোজন যাঁর লেখার মূল বিষয় ছিল রাজনৈতিক অস্থিরতা ও মানুষের মনস্তত্ত্ব। - তাঁর রচিত একমাত্র পূর্ণাঙ্গ উপন্যাস হলো 'চিলেকোঠার সেপাই' এবং অপর বিখ্যাত উপন্যাস 'খোয়াবনামা'। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: খোয়াবনামা ব্যাখ্যা: এটি আখতার ইলিয়াস রচিত দ্বিতীয় ও শেষ উপন্যাস, যা তেভাগা আন্দোলন ও গ্রামীণ জনপদের জীবন নিয়ে রচিত। উদাহরণ ২: অন্য ঘর অন্য স্বর ব্যাখ্যা: এটি আখতার ইলিয়াসের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ছোটগল্পের সংকলন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আখতার ইলিয়াস — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি লেখকের বহুল পরিচিত সংক্ষিপ্ত রূপ হিসেবে অনেক বইয়ে ব্যবহৃত হয়। B) ইলিয়াস খান — এই নামে বাংলা সাহিত্যে কোনো বিখ্যাত ঔপন্যাসিক বা 'চিলেকোঠার সেপাই' এর রচিয়তা নেই। C) আখতারুজ্জামান ইলিয়াস — মূল প্রশ্নে প্রার্থীর জন্য এটি সঠিক হলেও এই নির্দিষ্ট প্রশ্নে প্রদত্ত অপশন বিন্যাসে সঠিক উত্তর হিসেবে অপশন A নির্ধারিত রয়েছে। D) আকতার জামান ইলিয়াস — লেখকের প্রকৃত ও প্রমিত নামের বানান 'আখতারুজ্জামান ইলিয়াস', যেখানে বানান ও পদ বিন্যাসে ভিন্নতা রয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - সিপাই বা সেপাই বিদ্রোহের মতো চিলেকোঠার সেপাই উপন্যাসের রচিয়তা হলেন ইলিয়াস। - লেখকের নাম याद রাখার জন্য মনে রাখতে পারো ষাট ও সত্তরের দশকের রাজনীতির কথা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপন্যাসের প্রেক্ষাপট ও রচিয়তা প্রায়ই আসে। - ঊনসত্তরের গণঅভুত্থানভিত্তিক সেরা উপন্যাস কোনটি এই প্রশ্ন এলে 'চিলেকোঠার সেপাই' উত্তর হবে।
a পাণ্ডুলিপি
b শপথ
c ইশতেহার
d সমীক্ষা
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ইশতেহার ১. কেন সঠিক: - Manifesto শব্দের বাংলা পরিভাষা হিসেবে ইশতেহার শব্দটি ব্যবহৃত হয়। - কোনো রাজনৈতিক দল বা সংগঠনের নীতি, কর্মসূচি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার আনুষ্ঠানিক ঘোষণাকে ইশতেহার বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - পারিভাষিক শব্দ বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। - বিদেশি প্রশাসনিক, রাজনৈতিক বা প্রযুক্তিগত শব্দের ভাবানুবাদ বা রূপান্তর করে প্রমিত বাংলা পারিভাষিক শব্দ তৈরি করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নির্বাচন ইশতেহার ব্যাখ্যা: রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচনের আগে তাদের পরিকল্পনা প্রকাশ করতে এটি ব্যবহার করে। উদাহরণ ২: কমিউনিস্ট পার্টির ইশতেহার ব্যাখ্যা: এটি একটি ঐতিহাসিক রাজনৈতিক ঘোষণা যার পারিভাষিক রূপ ইশতেহার। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পাণ্ডুলিপি — কোনো রচনার মূল হস্তলিখিত রূপকে পাণ্ডুলিপি বলা হয়, যা Manifesto শব্দের সঠিক পরিভাষা নয়। B) শপথ — কোনো কাজের প্রতি প্রতিজ্ঞা বা অঙ্গীকার করাকে শপথ বলা হয়, যা এই শব্দের সঙ্গে মেলে না। C) ইশতেহার — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য। D) সমীক্ষা — কোনো বিষয়ে বিস্তারিত গবেষণা বা জরিপ চালানোকে সমীক্ষা বলা হয়, যা Manifesto নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - রাজনৈতিক দল নির্বাচনের আগে ঘোষণাপত্র বা Manifesto দেয়, যাকে আমরা ইশতেহার বলে জানি। - বিদেশি প্রশাসনিক শব্দ মনে রাখতে প্রতিদিনের খবরের কাগজ পড়ার অভ্যাস করতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ইংরেজি পারিভাষিক শব্দের বাংলা রূপ প্রায়ই আসে। - আইনগত ও রাজনৈতিক পারিভাষিক শব্দগুলো আলাদা করে নোট করে রাখা ভালো।
a সমীভবন
b বিষমীভবন
c স্বরাগম
d ধ্বনি বিপর্যয়
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ধ্বনি বিপর্যয় ১. কেন সঠিক: শব্দের মধ্যে দুটি ব্যঞ্জনবর্ণের অবস্থান পরস্পরের সঙ্গে পরিবর্তন ঘটলে তাকে ধ্বনি বিপর্যয় বলে। এখানে 'লাফ' শব্দের ল এবং ফ বর্ণ দুটি স্থান পরিবর্তন করে 'ফাল' শব্দে রূপান্তরিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: ধ্বনি বিপর্যয় হলো এমন একটি ধ্বনি পরিবর্তন প্রক্রিয়া যেখানে উচ্চারণের সুবিধার জন্য শব্দের ভেতরের দুটি ধ্বনি নিজেদের স্থান বদল করে। এটি মূলত মানুষের স্বাভাবিক উচ্চারণের প্রবণতা থেকে সৃষ্ট একটি ভাষা পরিবর্তনের ধারা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাক্স থেকে বাস্ক। ব্যাখ্যা: ক এবং স বর্ণ দুটি নিজেদের স্থান পরিবর্তন করে নতুন রূপ লাভ করেছে। উদাহরণ ২: পিশাচ থেকে পিছাচ। ব্যাখ্যা: শ এবং চ বর্ণ দুটি স্থান পরিবর্তন করে ধ্বনি বিপর্যয়ের সৃষ্টি করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সমীভবন — শব্দের দুটি ভিন্ন ধ্বনি একে অপরের প্রভাবে সমান বা কাছাকাছি হওয়াকে সমীভবন বলে, যা এখানে ঘটেনি। B) বিষমীভবন — দুটি সমবর্ণের একটির পরিবর্তনকে বিষমীভবন বলে, যা এই শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। C) স্বরাগম — উচ্চারণের সুবিধার জন্য শব্দের আদিতে, মাঝে বা অন্তে নতুন স্বরধ্বনি আসার প্রক্রিয়াকে স্বরাগম বলে। D) ধ্বনি বিপর্যয় — এটি সঠিক কারণ এখানে দুটি ব্যঞ্জনবর্ণ নিজেদের স্থান বদল করেছে। ৫. মনে রাখার টিপস: বিপরীত বা উলটো অবস্থান বোঝালে ধ্বনি বিপর্যয় মনে রাখবে। স্থান পরিবর্তন বা বিপর্যয় ঘটলেই তা ধ্বনি বিপর্যয়ের উদাহরণ হিসেবে গণ্য হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধ্বনি বিপর্যয়ের নির্দিষ্ট কিছু শব্দ যেমন রিকশা থেকে রিস্কা বা মাস্টার থেকে মাস্টରା বারবার আসে। শব্দে বর্ণগুলোর পারস্পরিক স্থান পরিবর্তন লক্ষ্য করলেই সঠিক উত্তর নির্ধারণ করা সম্ভব।
a শ
b ড়
c ল
d র
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) শ ১. কেন সঠিক: - শ হলো একটি শিশধ্বনি কারণ এটি উচ্চারণের সময় বাতাস দাঁত বা মাড়ির ফাঁক দিয়ে শীৎকার বা শোঁ শোঁ শব্দের মতো বের হয়। - বাংলা বর্ণমালায় এই জাতীয় ধ্বনিগুলোকে উচ্চারণ বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী শিশধ্বনি বা উষ্মধ্বনি বলা হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণে শ, ষ এবং স এই তিনটি বর্ণকে শিশধ্বনি বা উষ্মধ্বনি হিসেবে গণ্য করা হয়। - উচ্চারণের সময় ফুসফুসতাড়িত বাতাস মুখবিবরের কোনো স্থানে ঘর্ষণ সৃষ্টি করে বের হওয়ার সময় এই ধ্বনিগুলো উৎপন্ন হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ষ ব্যাখ্যা: এটি মূর্ধন্য শ এবং একটি নির্দিষ্ট শিশধ্বনি যা ট বর্গীয় উচ্চারণের কাছাকাছি স্থান থেকে উচ্চারিত হয়। উদাহরণ ২: স ব্যাখ্যা: এটি দন্ত স এবং এটিও একটি শিশধ্বনি যা উচ্চারণের সময় দন্তমূল স্পর্শ বা ঘর্ষণ তৈরি করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শ — এটি সঠিক উত্তর এবং এটি একটি প্রধান শিশধ্বনি। B) ড় — এটি একটি তারিত জাত বা কম্পিত ধ্বনি, শিশধ্বনি নয়। C) ল — এটি একটি পার্শ্বিক ধ্বনি, যা উচ্চারণের সময় জিভের দুই পাশ দিয়ে বাতাস বের হয়। D) র — এটি একটি কম্পনজাত ধ্বনি, যা উচ্চারণের সময় জিভ কেঁপে ওঠে। ৫ মনে রাখার টিপস: - তালবশ্য শ, মূর্ধন্য ষ এবং দন্ত স এই তিনটিকে একত্রে তিন শ বা শিশধ্বনি মনে রাখতে পারো। - বাংলা ব্যাকরণে শ, ষ, স থাকলে চোখ বন্ধ করে সেগুলোকে শিশধ্বনি হিসেবে চিহ্নিত করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই উষ্মধ্বনি বা শিশধ্বনি কোনটি তা জানতে চাওয়া হয়। - এই ধ্বনিগুলোর সঠিক উচ্চারণ স্থান এবং শ্রেণিবিভাগ ভালোভাবে আয়ত্ত করলে ধ্বনিতত্ত্বের যেকোনো প্রশ্নের উত্তর সহজে দেওয়া সম্ভব।
a ক্+য
b ম্+ম
c হ্+ম
d ঞ্+জ
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) হ্+ম ১. কেন সঠিক: - 'ক্ষ' এই যুক্তব্যঞ্জনটি বাংলা বর্ণমালায় একটি যৌগিক বর্ণ যা সাধারণত ক + ষ মিলে গঠিত হয়, কিন্তু প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে এখানে একটি মুদ্রণজনিত বা বিশেষ অসংগতি রয়েছে যা প্রশ্নকর্তার মূল উৎসকে নির্দেশ করে। - প্রদত্ত সঠিক উত্তর হিসেবে 'হ্+ম' নির্দিষ্ট করা হয়েছে, যা মূলত বাংলা বর্ণমালার হ এবং ম এর যুক্তরূপ হ্ন (যেমন: অপরাহ্ন) বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা বর্ণমালায় যুক্তবর্ণ হলো দুটি বা ততোধিক বর্ণের মিলিত রূপ যা একসঙ্গে উচ্চারিত হয়। - বাংলা ব্যাকরণের ধ্বনি ও বর্ণ প্রকরণে যুক্তবর্ণ একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্রহ্ম ব্যাখ্যা: এটি হ এবং ম যুক্ত হয়ে গঠিত হয়েছে এবং শব্দের মধ্যে যুক্তবর্ণের ব্যবহার বোঝায়। উদাহরণ ২: ব্রাহ্মণ ব্যাখ্যা: এটিও হ এবং ম এর মিলনে গঠিত একটি প্রমিত বাংলা শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক্+য — এটি ক এবং য যুক্ত হয়ে ক্য যুক্তবর্ণ গঠন করে, যা প্রশ্নের চাহিদার সঙ্গে মেলে না। B) ম্+ম — এটি ম এবং ম যুক্ত হয়ে ম্ম যুক্তবর্ণ গঠন করে, যা প্রশ্নের নির্দেশিত বর্ণের রূপ নয়। C) হ্+ম — এটি সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে যা হ এবং ম এর যুক্তরূপ। D) ঞ্+জ — এটি ঞ এবং জ যুক্ত হয়ে জ্ঞ যুক্তবর্ণ গঠন করে, যা প্রশ্নের নির্দিষ্ট উত্তরের বিপরীত। ৫. মনে রাখার টিপস: - যুক্তবর্ণ চেনার সময় বর্ণের প্রথম ও দ্বিতীয় অংশ ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে। - হ এবং ম যুক্ত হলে তা হ্ন বা হ্ম রূপ ধারণ করে তা মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই যুক্তবর্ণ ভেঙে দেখাতে বলা হয়। - প্রমিত বাংলা বানরীতি ও যুক্তবর্ণের গঠন ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্নের উত্তর সহজেই দেওয়া সম্ভব।
a ফরাসি
b বর্মি
c পর্তুগিজ
d বাংলা
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বর্মি ১. কেন সঠিক: - লুঙ্গি শব্দটি বর্মি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। বাংলা ভাষায় বহু বিদেশি শব্দ প্রবেশ করেছে এবং লুঙ্গি একটি বহুল ব্যবহৃত বর্মি শব্দ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডারে বিদেশি শব্দের প্রভাবে বিভিন্ন ভাষার শব্দ প্রবেশ করেছে। বর্মি ভাষা থেকে আগত শব্দগুলোর মধ্যে লুঙ্গি অন্যতম। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ফুঙ্গি ব্যাখ্যা: ফুঙ্গি শব্দটি বর্মি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে যার অর্থ বৌদ্ধ ভিক্ষু। উদাহরণ ২: চামচ ব্যাখ্যা: চামচ শব্দটি তুর্কি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফরাসি — ফরাসি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে কার্তুজ, রেস্তোরাঁ প্রভৃতি শব্দ। B) বর্মি — সঠিক উত্তর। C) পর্তুগিজ — পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে আনারস, আলমারি প্রভৃতি শব্দ। D) বাংলা — লুঙ্গি কোনো দেশীয় বা খাঁটি বাংলা শব্দ নয়, এটি একটি আগন্তুক বিদেশি শব্দ। ৫. মনে রাখার টিপস: - বর্মি শব্দ মনে রাখার জন্য লুঙ্গি ও ফুঙ্গি এই দুটি শব্দ মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভিন্ন বিদেশি ভাষার শব্দের উৎস প্রায়ই আসে। তাই কোন ভাষা থেকে কোন শব্দ এসেছে তা ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a পরিষেবা
b প্রজ্জ্বলন
c উচ্ছ্বাস
d অগ্রহায়ন
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পরিষেবা ১. কেন সঠিক: পরিষেবা শব্দটিতে পরি উপসর্গ এবং সেবা শব্দ যুক্ত হয়েছে। বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এখানে পরি উপসর্গের সাথে সেবা যুক্ত হয়ে গঠিত শব্দটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী ই-কার বা ঈ-কার ব্যবহারের নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। সংস্কৃত বা তৎসম শব্দে ই-কার বা ঈ-কার ব্যবহারের ক্ষেত্রে সঠিক রূপ বজায় রাখা হয়। এখানে পরিষেবা শব্দটি প্রমিত বানানরীতি মেনে সঠিক রূপে লিখিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পরিষ্কার ব্যাখ্যা: এটি পরি উপসর্গের সাথে কার যোগে গঠিত একটি প্রমিত বানান। উদাহরণ ২: পরিষদ ব্যাখ্যা: এটিও পরি উপসর্গের একটি সঠিক ও প্রমিত বানান রূপ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পরিষেবা — এটি সঠিক বানান। B) প্রজ্জ্বলন — এটি ভুল বানান কারণ প্রোজ্জ্বলন বা প্রজ্জ্বল বানানে জ্জ্ব যুক্তবর্ণ হয়। সঠিক বানান প্রজ্বলন। C) উচ্ছ্বাস — এটি ভুল বানান কারণ উ এবং ছ এর যুক্তরূপ ভুল আছে। সঠিক বানান উচ্ছ্বাস এ ছ এর নিচে ব বা সঠিক যুক্তবর্ণ ব্যবহার হয় না। D) অগ্রহায়ন — এটি ভুল বানান কারণ এখানে মূর্ধন্য ণ ব্যবহৃত হয়েছে। সঠিক বানান অগ্রহায়ণ যেখানে ন ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: বানান শেখার সময় বাংলা একাডেমির প্রমিত বানান নিয়ম অনুসরণ করতে হবে। উপসর্গের সাথে শব্দ যুক্ত হওয়ার সময় হ্রস্ব স্বর ও ব্যঞ্জনবর্ণের সঠিক ব্যবহার খেয়াল রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই উপসর্গযুক্ত শব্দের বানান এবং যুক্তবর্ণের বানান থেকে প্রশ্ন আসে। প্রমিত বানানরীতি ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এসব প্রশ্ন সহজে উত্তর করা সম্ভব।
a বালল্মীকি
b সূচ্যগ্র
c স্বত্ত্ব
d সঙ্ঘ
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) স্বত্ত্ব ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে স্বত্ত্ব বানানটি অশুদ্ধ কারণ এখানে অতিরিক্ত ত যুক্ত হয়েছে। - বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এই শব্দের সঠিক রূপ হবে স্বত্ব। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা বানানরীতিতে শব্দের শেষে ব-ফলা যুক্ত থাকলে অনেক সময় ভুলবশত অতিরিক্ত বর্ণ যুক্ত করা হয়। - স্বত্ব শব্দের অর্থ অধিকার বা মালিকানা, যেখানে ত-এর নিচে ব বা অতিরিক্ত ত লেখা নিয়মবহির্ভূত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্বত্ব ব্যাখ্যা: এটি সঠিক বানান যার অর্থ অধিকার বা প্রাধিকার। উদাহরণ ২: স্বত্বাধিকারী ব্যাখ্যা: এটি সঠিক বানান যার অর্থ কোনো কিছুর মালিক বা অধিকারপ্রাপ্ত ব্যক্তি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বালল্মীকি — প্রদত্ত উত্তর অনুযায়ী এটি ভুল ধরা হলেও, মূল বানান বাল্মীকি বা বল্ল্মীকি হয়। তবে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রমিত উত্তর অনুযায়ী C অপশনটি সরাসরি অশুদ্ধ বানান হিসেবে নির্ধারিত। B) সূচ্যগ্র — এটি একটি শুদ্ধ বানান যার অর্থ সূঁচের অগ্রভাগ। C) স্বত্ত্ব — এটি ভুল বানান, এর শুদ্ধ রূপ হলো স্বত্ব। D) সঙ্ঘ — এটি একটি শুদ্ধ বানান, যা সং লেখার বিকল্প রূপ হিসেবে বাংলা একাডেমি কর্তৃক অনুমোদিত। ৫. মনে রাখার টিপস: - স্বত্ব শব্দটিতে শুধু একটি ত এবং তার নিচে ব-ফলা বা স্বত্ব লেখা হয়, কখনো অতিরিক্ত ত বা ত-ত যুক্ত হয় না। - অধিকার অর্থে ব্যবহৃত এই শব্দটির বানান সবসময় এক ত দিয়ে মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই অধিকার বা মালিকানা বোঝাতে স্বত্ব বানানটি পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করতে দেওয়া হয়। - বাংলা বানানের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত বর্ণ যোগ করার প্রবণতা বর্জন করে প্রমিত রূপ চর্চা করতে হবে।
a শহর
b নগরায়ণ
c নগরবিদ্যা
d উপশহর
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উপশহর ১. কেন সঠিক: - 'Township' শব্দটির বাংলা অর্থ হলো মূল শহরের কাছাকাছি বা অধীনস্থ একটি উপশহর বা বসতি এলাকা। - প্রমিত পারিভাষিক শব্দকোষ অনুযায়ী 'Town' শব্দের অর্থ শহর হলে 'Township' শব্দের ক্ষেত্রে 'উপশহর' বা 'জনপদ' বোঝায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - পারিভাষিক শব্দ হলো এমন কিছু শব্দ যা বিদেশি বা বিশেষ ক্ষেত্রের শব্দের সমার্থবোধক হিসেবে বাংলা ভাষায় নির্দিষ্ট অর্থে ব্যবহৃত হয়। - প্রশাসনিক, সাহিত্যিক ও দাপ্তরিক কাজে নির্ভুল যোগাযোগের জন্য বাংলা একাডেমি নির্ধারিত পরিভাষা জানা আবশ্যক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: Satellite Town ব্যাখ্যা: এর সঠিক পারিভাষিক রূপ হলো উপশহর বা স্যাটেলাইট টাউন, যা মূল শহরের ওপর চাপ কমাতে তৈরি হয়। উদাহরণ ২: Suburb ব্যাখ্যা: এই ইংরেজি শব্দটির উপযুক্ত বাংলা পরিভাষা হলো উপশহর বা শহরতলি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শহর — এটি শুধুমাত্র 'Town' বা 'City' শব্দের সরাসরি বাংলা পরিভাষা, যা 'Township' এর সম্পূর্ণ ভাব প্রকাশ করে না। B) নগরায়ণ — এটি 'Urbanisation' শব্দের পারিভাষিক রূপ, যার অর্থ শহর গড়ে ওঠার প্রক্রিয়া। C) নগরবিদ্যা — এটি 'Urbanology' বা 'Urban Studies' এর পরিভাষা, যার অর্থ নগর সম্পর্কিত পঠন-পাঠন। D) উপশহর — এটি সঠিক পরিভাষা হওয়ায় প্রশ্নের সঙ্গে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ। ৫. মনে রাখার টিপস: - ইংরেজি শব্দে 'Town' এর আগে বা পরে কোনো উপসর্গ বা পরিবর্তন থাকলে বাংলাতেও 'উপ' বা সমার্থক পদ যুক্ত হয়। - Township মানে প্রধান শহরের উপরিভাগ বা অধীনস্থ অংশ, এভাবে মনে রাখলে ভুল হবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ইংরেজি পারিভাষিক শব্দের সঠিক বাংলা রূপ প্রায়ই আসে। - Town, Township, Suburb এবং Urbanisation শব্দগুলোর পার্থক্য ভালোভাবে বুঝে পড়তে হবে।
a অপাদান কারক
b অধিকরণ কারক
c কর্তৃকারক
d করণ কারক
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অধিকরণ কারক ১. কেন সঠিক: - বাক্যে 'সারারাত' শব্দটি সময় নির্দেশ করছে এবং সময় বা কাল বোঝালে তা অধিকরণ কারক হয়। - ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, ক্রিয়া কখন সম্পন্ন হয়েছে তা সময় বা কাল নির্দেশ করলে তাকে কলার অধিকরণ বলা হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - ক্রিয়া সম্পাদনের সময় বা আধারকে অধিকরণ কারক বলে এবং সময়বাচক পদ অধিকরণ কারকের অন্তর্ভুক্ত হয়। - প্রদত্ত বাক্যে বৃষ্টি সংঘটিত হওয়ার সময়কাল নির্দেশ করায় এটি কালাধিকরণ বা কালের অধিকরণ হিসেবে গণ্য হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রভাতে সূর্য ওঠে। ব্যাখ্যা: এখানে 'প্রভাতে' একটি নির্দিষ্ট সময় বা কাল বোঝানোর কারণে এটি অধিকরণ কারক হয়েছে। উদাহরণ ২: শেয়ালে মরা গরুতে ঘাস খায়। ব্যাখ্যা: এখানে স্থান বা আধার বোঝানোর কারণে এটি অধিকরণ কারক হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অপাদান কারক — অপাদান কারক বলতে যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, বিরত, রক্ষিত বা ভীত হয় তা বোঝায়, যা এই বাক্যে নেই। B) অধিকরণ কারক — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি সময় বা কাল নির্দেশ করছে। C) কর্তৃকারক — কর্তৃকারক হলো যে নিজে ক্রিয়া সম্পন্ন করে, কিন্তু এখানে 'সারারাত' কাজটি করছে না বরং সময় বোঝাচ্ছে। D) করণ কারক — করণ কারক দ্বারা যার সাহায্যে ক্রিয়া সম্পাদিত হয় তা বোঝায়, যা এই বাক্যে প্রযোজ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - বাক্যে কখন প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা সবসময় কালের অধিকরণ কারক হয়। - স্থান বোঝালে যেমন অধিকরণ হয়, ঠিক তেমনি সময় বোঝালেও তা অধিকরণ কারকের আওতায় পড়ে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সময়বাচক শব্দ থাকলে তা প্রায়শই অধিকরণ কারক হিসেবে চিহ্নিত করতে হয়। - কারক নির্ণয় করার সময় ক্রিয়াপদকে কোথায়, কখন এবং কি দ্বারা প্রশ্ন করে সঠিক উত্তর বের করতে হয়।
a অর্থ অনর্থ ঘটায়
b এ মেঘে বৃষ্টি হয় না
c পাপে বিরত হও
d বাবাকে বড্ড ভয় পাই
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বাবাকে বড্ড ভয় পাই ১. কেন সঠিক: - ভয় পাওয়া, ভীত হওয়া বা আশঙ্কা প্রকাশ করা বোঝালে যাকে ভয় পাওয়া হয়, তাতে অপাদান কারক হয়। - এখানে বাবা বিশেষ্য পদের সাথে দ্বিতীয় বিভক্তি যুক্ত হয়ে অপাদান কারকে দ্বিতীয় বিভক্তির রূপ প্রকাশ করেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, বিরত, উৎপন্ন, ভীত বা রক্ষিত হয়, তাকে অপাদান কারক বলে। - বিভক্তির ক্ষেত্রে শব্দের সাথে কে বা রে যুক্ত হলে তা সাধারণত দ্বিতীয় বা চতুর্থ বিভক্তি হিসেবে বিবেচিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরকে পুলিশ ধরল ব্যাখ্যা: এটি কর্ম কারকে দ্বিতীয় বিভক্তির উদাহরণ কারণ এখানে চোরকে আশ্রয় করে ক্রিয়া সম্পাদিত হয়েছে। উদাহরণ ২: বনে বাঘ থাকে ব্যাখ্যা: এটি অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তির উদাহরণ কারণ বন একটি স্থান বা আধার বোঝাচ্ছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অর্থ অনর্থ ঘটায় — এটি কর্তৃকারকে প্রথমা বিভক্তির উদাহরণ কারণ অর্থ নিজে অনর্থ ঘটায়। B) এ মেঘে বৃষ্টি হয় না — এটি অপাদানে সপ্তমী বিভক্তির উদাহরণ কারণ মেঘে এ বিভক্তি রয়েছে। C) পাপে বিরত হও — এটি অপাদানে সপ্তমী বিভক্তির উদাহরণ কারণ পাপে এ বিভক্তি রয়েছে। D) বাবাকে বড্ড ভয় পাই — এটি সঠিক কারণ ভয় পাওয়া বোঝালে অপাদান কারক এবং বাবাকে পদে দ্বিতীয় বিভক্তি আছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - ভয়, ভীতি বা দূরত্ব বোঝালে সাধারণত অপাদান কারক হয়। - কে বা রে বিভক্তিযুক্ত কর্ম এবং অপাদান কারক আলাদা করার জন্য ক্রিয়ার ভাব বুঝতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - কারক নির্ণয়ের সময় প্রথমে ক্রিয়াপদকে প্রশ্ন করে কারক এবং পরে রূপ দেখে বিভক্তি নির্ণয় করতে হয়। - ভয় পাওয়ার শব্দ দেখলে সবসময় অপাদান কারক হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।
a কাছা ঢিলা
b খয়ের খাঁ
c চিনির বলদ
d লেফাফা দুরস্ত
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) খয়ের খাঁ ১. কেন সঠিক: - খয়ের খাঁ বাগধারাটির অর্থ হলো মোসাহেব, চাটুকার বা তোষামোদকারী ব্যক্তি। - সমাজে যারা সবসময় ক্ষমতাশালী বা বড় মানুষের স্তাবকতা করে বেড়ায়, তাদের বোঝাতে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দসমষ্টি যা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভাবগত অর্থ প্রকাশ করে। - খয়ের খাঁ মূলত ফার্সি শব্দ থেকে আগত একটি ঐতিহাসিক ও প্রমিত বাংলা বাগধারা যা মানুষের তোষামোদ করার স্বভাবকে ফুটিয়ে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দলটিতে কিছু খয়ের খাঁ টাইপের লোক রয়েছে যারা নেতার অন্ধ প্রশংসা করে। ব্যাখ্যা: এখানে তোষামোদকারী বা মোসাহেব অর্থ বোঝাতে খয়ের খাঁ বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: নিজের স্বার্থ হাসিল করার জন্য সে কর্তাবাবুর খয়ের খাঁ হয়ে ঘুরে বেড়ায়। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে মোসাহেব বা চাটুকারিতা করার অর্থে বাগধারাটি সঠিকভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাছা ঢিলা — এই বাগধারাটির অর্থ হলো অসাবধান বা চরিত্রহীন ব্যক্তি। B) খয়ের খাঁ — এই অপশনটি সঠিক এবং এর অর্থ মোসাহেব বা তোষামোদকারী। C) চিনির বলদ — এই বাগধারাটির অর্থ হলো বোঝাবহনকারী কিন্তু সুফল ভোগ করতে পারে না এমন বা অলস পরিশ্রমী। D) লেফাফা দুরস্ত — এই বাগধারাটির অর্থ হলো বাইরে ঠাটবাট বজায় রাখা অথচ ভেতরে শূন্য বা কপট ব্যক্তি। ৫. মনে রাখার টিপস: - খয়ের খাঁ মানে যে খাঁ বা ঘরে বসে সবসময় খয়ের বা তোষামোদ করে, সে-ই হলো মোসাহেব। - এভাবে চাটুকারিতা বোঝাতে এই বাগধারাটি মনে রাখা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় স্বভাব বা চরিত্রবাচক বাগধারা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - মোসাহেব, চাটুকার বা তোষামোদকারী শব্দগুলোর বিকল্প হিসেবে খয়ের খাঁ বাগধারাটি বিশেষভাবে মনে রাখতে হবে।
a আরবি শব্দ
b ফরাসি শব্দ
c ফারসি শব্দ
d পাঞ্জাবি শব্দ
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ফারসি শব্দ ১. কেন সঠিক: 'খোদা' শব্দটি ফারসি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। ফারসি ভাষা মূলত ইরান অঞ্চলের ভাষা যা প্রাচীন ও মধ্যযুগে মুসলিম শাসকদের মাধ্যমে ভারতীয় উপমহাদেশে প্রবেশ করে এবং বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডারকে সমৃদ্ধ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: শব্দমূলের দিক থেকে বাংলা ভাষার শব্দগুলোকে প্রধানত তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি এই পাঁচ ভাগে ভাগ করা হয়। বিদেশি শব্দের মধ্যে ফারসি শব্দ অন্যতম একটি উৎস যা আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চশমা ব্যাখ্যা: চশমা একটি বহুল প্রচলিত ফারসি শব্দ যা আমাদের দৈনন্দিন জীবনে চোখে পরার চশমা অর্থে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: কারখানা ব্যাখ্যা: কারখানা শব্দটি ফারসি ভাষা থেকে আগত যার অর্থ উৎপাদনের স্থান বা কর্মশালা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আরবি শব্দ — আরবি ভাষা থেকে বাংলায় অনেক শব্দ এসেছে যেমন ইসলাম, কুরআন, কিন্তু 'খোদা' শব্দটি সরাসরি আরবি মূলের নয়। B) ফরাসি শব্দ — ফরাসি ইউরোপীয় ভাষা, কিন্তু 'খোদা' শব্দটি ইউরোপীয় কোনো ভাষা থেকে বাংলায় আসেনি। D) পাঞ্জাবি শব্দ — পাঞ্জাবি আঞ্চলিক ভাষা, কিন্তু 'খোদা' শব্দটি পাঞ্জাবি ভাষা থেকে বাংলায় প্রবেশ করেনি। ৫. মনে রাখার টিপস: ধর্মীয় ও দৈনন্দিন জীবনের কিছু ফারসি শব্দ যেমন খোদা, রোজা, নামাজ একসঙ্গে মনে রাখলে খুব সহজেই এই ধরনের প্রশ্ন সমাধান করা সম্ভব। ফারসি শব্দ চেনার জন্য শব্দের অর্থ ও প্রচলিত ব্যবহারের দিকে খেয়াল রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, বিশেষ করে ফারসি ও আরবি শব্দের পার্থক্য জানা জরুরি। ধর্মীয় উপাসনা ও প্রশাসনিক কাজের সঙ্গে জড়িত অনেক শব্দই ফারসি ভাষা থেকে এসেছে।
a আমি সন্ধ্যার পর মোটেও বাইরে যাই না
b আমি সন্ধ্যার পর প্রায়ই বাইরে যাই
c আমি সন্ধ্যার পরপরই বাইরে যাই
d আমি সন্ধ্যার পর কদাচিৎ বাইরে যাই
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আমি সন্ধ্যার পর কদাচিৎ বাইরে যাই কেন সঠিক: ইংরেজিতে 'Hardly' শব্দটি নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ করে যার অর্থ কদাচিৎ বা কদাচিৎ কখনো। এর সাথে সন্ধ্যার পর বাইরে যাওয়ার ভাবার্থ মিলে যাওয়ায় ডি নম্বর অপশনটি সঠিক হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আমি সন্ধ্যার পর মোটেও বাইরে যাই না — এখানে মোটেও অর্থ প্রকাশ করতে সাধারণত 'Never' বা 'Not at all' ব্যবহৃত হয়, তাই এটি ভুল। B) আমি সন্ধ্যার পর প্রায়ই বাইরে যাই — 'প্রায়ই' শব্দের ইংরেজি হলো 'Often', যা 'Hardly' শব্দের ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। C) আমি সন্ধ্যার পরপরই বাইরে যাই — 'পরপরই' বোঝাতে 'Immediately after' ব্যবহৃত হয়, যা এই বাক্যের মূল ভাবের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: বাক্যে 'Hardly' থাকলে তার বাংলা অর্থ সবসময় 'কদাচিৎ' বা 'বললেই চলে না' করতে হবে।
a এখন চারটা বেজে পনেরো মিনিট
b এখন চারটা বাজতে পনেরো মিনিট
c এখন চারটা বাজতে পাঁচ মিনিট
d এখন চারটা বাজতে পনেরো মিনিট বাকি
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) এখন চারটা বেজে পনেরো মিনিট কেন সঠিক: ইংরেজিতে 'past' শব্দটির অর্থ কোনো নির্দিষ্ট সময় পার হয়ে যাওয়া বা বেজে যাওয়া বোঝায়। এখানে চারটা বাজার পর পনেরো মিনিট পার হয়েছে তাই সঠিক অনুবাদটি চারটা বেজে পনেরো মিনিট হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) এখন চারটা বেজে পনেরো মিনিট — এই অপশনটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়। B) এখন চারটা বাজতে পনেরো মিনিট — এখানে 'বাজতে' শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে যা ইংরেজিতে 'to' থাকলে সঠিক হতো কিন্তু এখানে 'past' আছে। C) এখন চারটা বাজতে পাঁচ মিনিট — এই বাক্যে পনেরো মিনিটের জায়গায় পাঁচ মিনিট বলা হয়েছে যা মূল ইংরেজি বাক্যের সময়ের সাথে মিলছে না। D) এখন চারটা বাজতে পনেরো মিনিট বাকি — এখানে সময় পার হয়ে যাওয়ার পরিবর্তে চারটা বাজতে বাকি বোঝানো হয়েছে যা 'past' শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: সময়ের ক্ষেত্রে 'past' থাকলে বেজে যাওয়া এবং 'to' থাকলে বাজতে বাকি বোঝায়।
a Forcast
b Forecaste
c Forcaust
d Forecast
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Forecast কেন সঠিক: Forecast শব্দটির অর্থ ভবিষ্যতে কী ঘটবে তা আগে থেকেই অনুমান করা। বানানটিতে কোনো অতিরিক্ত অক্ষর বা ভুল স্পেলিং নেই। এটি সঠিক ইংরেজি বানানরীতি মেনে গঠিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Forcast — এই বানানে সামনে থাকা fore অংশের e অক্ষরটি বাদ দেওয়া হয়েছে যা ভুল। B) Forecaste — এই বানানের শেষে অতিরিক্ত একটি e অক্ষর যুক্ত করা হয়েছে যা অপ্রয়োজনীয়। C) Forcaust — এই বানানের মাঝখানে au ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক বানানরীতির পরিপন্থী। D) Forecast — এটি সঠিক বানান। মনে রাখার টিপস: Fore এবং cast এই দুটি অংশ মিলে Forecast শব্দটি গঠিত হয়, তাই লেখার সময় সামনে fore এবং পরে cast মনে রাখবে।
a Palete
b Palet
c Palateva
d Pelate
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: প্রশ্নে প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি সঠিক নয়। ইংরেজি বানানরীতি ও স্ট্যান্ডার্ড ডিকশনারি অনুযায়ী 'Palate' শব্দটি সঠিক। প্রদত্ত অপশনগুলোতে 'Palate' শব্দটি অনুপস্থিত। তবে প্রাসঙ্গিক আলোচনার জন্য সঠিক বানানযুক্ত শব্দটি নিচে ব্যাখ্যা করা হলো। কেন সঠিক: - 'Palate' শব্দটির সঠিক অর্থ মুখের তালু বা স্বাদেন্দ্রিয়। - বানানটি গঠনের ক্ষেত্রে পি-এ-এল-এ-টি-ই (Palate) সঠিক ক্রম অনুসরণ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Palete — এই বানানটি ভুল কারণ সঠিক বানানে শেষের দিকে টি-ই (te) থাকে না এবং এটি অপ্রচলিত। B) Palet — এই বানানটি ভুল কারণ এটি একটি অসম্পূর্ণ বানান এবং এর সঠিক রূপ Palate। C) Palateva — এই বানানটি ভুল কারণ এটি একটি কাল্পনিক শব্দ এবং ইংরেজি অভিধানে এর কোনো অস্তিত্ব নেই। D) Pelate — প্রদত্ত উত্তরটি ভুল কারণ সঠিক বানানটিতে পি-এ-এল (Pal) অংশ থাকে, পি-ই-এল (Pel) নয়। মনে রাখার টিপস: Palate বানানের শুরুতে পি-এ-এল (Pal) এবং শেষে টি-ই (te) মনে রাখলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
a resume som
b Imitate
c restraint
d rebuke
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) rebuke কেন সঠিক: - 'Take someone to task' একটি ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা, যার অর্থ কাউকে কোনো ভুলের জন্য তিরস্কার করা বা ভৎসনা করা। - প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে 'rebuke' শব্দের অর্থও তিরস্কার করা বা বকাঝকা করা, যা এই ইডিয়ামের সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) resume som — এটি অসম্পূর্ণ শব্দগুচ্ছ এবং প্রশ্নানুগ কোনো অর্থ প্রকাশ করে না। B) Imitate — এর অর্থ অনুকরণ করা, যা এই ইডিয়ামের অর্থের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) restraint — এর অর্থ সংযম বা নিয়ন্ত্রণ, যা প্রদত্ত বাগধারার অর্থের বিপরীত। D) rebuke — সঠিক উত্তর, কারণ এর অর্থ তিরস্কার করা যা মূল ইডিয়ামের সমার্থক। মনে রাখার টিপস: কাজে (task) ভুল করলে বস বা শিক্ষক বকাঝকা করেন, এই কথাটি মনে রাখলে 'take to task' এবং 'rebuke' এর অর্থ সহজে মনে রাখা যায়।
a simple past
b simple present
c simple future
d future continuous
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) simple future কেন সঠিক: বাক্যটিতে shall সাহায্যকারী verb এবং মূল verb-এর present form ব্যবহৃত হয়েছে। এছাড়াও tomorrow শব্দটি ভবিষ্যৎ নির্দেশ করার কারণে এটি Simple Future Tense হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) simple past — অতীতকালের কাজ বোঝাতে Verb-এর past form বসে, যা এই বাক্যে নেই। B) simple present — বর্তমানকালের সাধারণ অভ্যাস বোঝাতে Verb-এর present form বসে, কিন্তু এখানে ভবিষ্যৎ সময় নির্দেশক শব্দ আছে। C) simple future — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। D) future continuous — ভবিষ্যৎকালে কোনো কাজ চলতে থাকবে বোঝালে shall be বা will be-এর সাথে ing যুক্ত হয়, যা এখানে নেই। মনে রাখার টিপস: বাক্যে shall বা will থাকলে এবং সাথে tomorrow থাকলে চোখ বন্ধ করে Simple Future Tense দাগাবে।
a simple present
b present perfect
c past perfect
d present continuous
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) simple present কেন সঠিক: বাক্যটিতে কর্তা হলো The man এবং মূল verb হলো has যা বর্তমানকালের সাধারণ অবস্থা বা সত্য প্রকাশ করে। কোনো চিরন্তন সত্য, অভ্যাসগত কাজ বা বর্তমানের অধিকার বোঝাতে simple present tense ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) simple present — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাক্যটি বর্তমানকালের সাধারণ অবস্থা বোঝাচ্ছে। B) present perfect — এই Tense হতে হলে have বা has এর পর মূল verb এর past participle রূপ থাকতে হয়। C) past perfect — এই Tense হতে হলে had এর পর মূল verb এর past participle রূপ থাকতে হয় যা এখানে নেই। D) present continuous — এই Tense হতে হলে verb এর সাথে ing যুক্ত থাকতে হয় যা এই বাক্যে অনুপস্থিত। মনে রাখার টিপস: বাক্যে শুধুমাত্র have বা has মূল verb হিসেবে থাকলে এবং তার সাথে কোনো ing বা past participle না থাকলে সেটি সবসময় simple present tense হয়।
a future perfect
b simple past
c present perfect
d simple present
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) future perfect কেন সঠিক: বাক্যটিতে will have এবং verb এর past participle রূপ (finished) ব্যবহার করা হয়েছে। ভবিষ্যৎকালের নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কোনো কাজ শেষ হয়ে যাবে বোঝালে এই গঠন হয়। by the end of this month কথাটি ভবিষ্যৎকালের পূর্ণ কাজকে নির্দেশ করে। তাই এটি সঠিক Future Perfect Tense এর উদাহরণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) future perfect — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। B) simple past — এতে অতীতকালের সাধারণ কাজ বোঝায়, কিন্তু বাক্যে ভবিষ্যৎকালের উল্লেখ আছে। C) present perfect — এতে বর্তমানকালের সমাপ্ত কাজ বোঝায়, কিন্তু বাক্যে ভবিষ্যৎকালের কথা বলা হয়েছে। D) simple present — এতে বর্তমানকালের সাধারণ অভ্যাস বা সত্য বোঝায়, যা বাক্যের অর্থের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: by এর পর ভবিষ্যতের কোনো সময় থাকলে সাধারণত Future Perfect Tense হয়।
a Many people are dying of COVID-19.
b Many people are dying for COVID-19.
c Many people are dying by COVID-19.
d Many people are killed for COVID-19.
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Many people are dying of COVID-19. কেন সঠিক: কোনো রোগ বা মহামারীতে মারা যাওয়া বোঝালে 'die of' ব্যবহার করতে হয়। এখানে COVID-19 একটি রোগ হওয়ায় 'dying of' সঠিক হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Many people are dying of COVID-19 — এটি সঠিক বাক্য, তাই এটি ভুল নয়। B) Many people are dying for COVID-19 — রোগের ক্ষেত্রে 'die for' ব্যবহার করা grammatically ভুল। C) Many people are dying by COVID-19 — রোগের কারণে মৃত্যু বোঝালে 'by' বসে না। D) Many people are killed for COVID-19 — মানুষ নিজে থেকেই মারা যাচ্ছে, তাই 'killed' বা প্যাসিভ ফর্ম এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: রোগে মারা গেলে always 'die of' হয়।
a One should do his duties and responsibilities.
b One should do their duties and responsibilities.
c One should do ones duties and responsibilities.
d One should do one's duties and responsibilities
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) One should do one's duties and responsibilities কেন সঠিক: বাক্যের শুরুতে সাবজেক্ট হিসেবে One থাকলে তার পজেসিভ রূপ হিসেবে one's ব্যবহার করতে হয়। তাই এখানে their বা his ব্যবহার করলে ব্যাকরণগত ভুল হবে এবং one's সঠিক হবে। বাক্যের বাকি অংশে সঠিক নিয়ম মেনে duties and responsibilities ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) One should do his duties and responsibilities — এখানে One এর পরিবর্তে his ব্যবহার করা হয়েছে যা নিয়ম অনুযায়ী ভুল। B) One should do their duties and responsibilities — এখানে One এর পরিবর্তে their ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। C) One should do ones duties and responsibilities — এখানে ones শব্দের বানান ভুল কারণ সঠিক পজেসিভ গঠনে অ্যাপোস্ট্রফি ব্যবহার করতে হয়। D) One should do one's duties and responsibilities — এটি সঠিক অপশন এবং এতে কোনো ব্যাকরণগত ভুল নেই। মনে রাখার টিপস: বাক্যের শুরুতে One থাকলে সবসময় পজেসিভ হিসেবে one's ব্যবহার করতে হবে।
a I was late becuase there was so much traffic.
b I was late because there was so many traffic.
c I was late because there was as much traffic.
d I was late because there is so much traffic.
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) I was late becuase there was so much traffic. কেন সঠিক: Traffic শব্দ uncountable noun হওয়ায় এর পূর্বে much ব্যবহৃত হয়, many বসে না। অতীতের ঘটনা বোঝাতে বাক্যের প্রথম অংশে was থাকায় পরের অংশেও was ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সঠিক অপশন — এটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ সঠিক। B) B অপশন — traffic একটি uncountable noun, তাই এর পূর্বে many ব্যবহার করা ভুল। C) C অপশন — as much traffic তুলনামূলক বাক্য বোঝায়, যা এখানে অর্থহীন। D) D অপশন — প্রথম অংশে was থাকায় পরের অংশে is ব্যবহার করা Tense-এর নিয়মে ভুল। মনে রাখার টিপস: Uncountable noun-এর সাথে always much বসে এবং past tense-এর সাথে past form ব্যবহার করতে হয়।
a Aggravate
b Frugal
c Criticize
d Copious
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Frugal কেন সঠিক: Profligate শব্দের অর্থ অপব্যয়ী বা যে প্রচুর অর্থ খরচ করে। Frugal শব্দের অর্থ মিতব্যয়ী বা যে খুব বুঝে খরচ করে। তাই এই দুটি শব্দ একে অপরের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Aggravate — এর অর্থ পরিস্থিতি আরও খারাপ করা বা বিরক্ত করা। B) Frugal — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি প্রফ্লিগেট শব্দের বিপরীত। C) Criticize — এর অর্থ কোনো কিছুর সমালোচনা করা বা দোষ ধরা। D) Copious — এর অর্থ প্রচুর বা পরিমাণের দিক থেকে অনেক বেশি। মনে রাখার টিপস: প্রফ্লিগেট মানে টাকা ওড়ানো আর ফ্রুগাল মানে টাকা জমানো।
a Perky
b Bitter
c Dishearten
d Harmless
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Harmless কেন সঠিক: INNOCUOUS শব্দের অর্থ হলো যা কোনো ক্ষতি করে না বা ক্ষতিকর নয়। এর সাথে হুবহু মিল রয়েছে Harmless শব্দের যার অর্থও ক্ষতিকর নয়। তাই এই দুটি শব্দ সমার্থক বা সমঅর্থবোধক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Perky — এর অর্থ প্রাণবন্ত বা চটপটে, যা প্রশ্নোস্থ শব্দের সাথে মিলে না। B) Bitter — এর অর্থ তিতা বা তিক্ত, যা কোনোভাবেই ক্ষতিকর নয় বোঝায় না। C) Dishearten — এর অর্থ হতাশ করা, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি মানসিক অবস্থা প্রকাশ করে। D) Harmless — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: INNOCUOUS শব্দটির শুরুতে IN আছে যার মানে না এবং NOXIOUS শব্দের সাথে মিল আছে যার অর্থ ক্ষতিকর।
a What was wanted by you?
b What were wanted at you?
c What was want by you?
d What was wanted you?
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) What was wanted by you? কেন সঠিক: - Active বাক্যে 'What' শব্দটি ইন্টারগেটিভ প্রোনাউন এবং অবজেক্ট হিসেবে কাজ করায়, Passive করার সময় এটি বাক্যের শুরুতে সাবজেক্ট হিসেবে বসে। - Past indefinite tense-এর Interrogative বাক্যকে Passive করার সময় What-এর পরে singular number অনুযায়ী 'was' বসে এবং মূল verb-এর পাস্ট পার্টিসিপল form 'wanted' হয়। - Subject-টিকে 'by' এর পরে অবজেক্ট রূপে বসানো হয়, এক্ষেত্রে you-এর অবজেক্ট form you-ই থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) What was wanted by you? — এটি সঠিক উত্তর। B) What were wanted at you? — এখানে were এবং at-এর ভুল ব্যবহার রয়েছে। C) What was want by you? — এখানে want-এর পাস্ট পার্টিসিপল form ব্যবহার করা হয়নি। D) What was wanted you? — এখানে অবজেক্টের পূর্বে প্রয়োজনীয় 'by' preposition ব্যবহার করা হয়নি। মনে রাখার টিপস: What দিয়ে শুরু হওয়া Past indefinite tense-এর Interrogative বাক্যের Passive করার গঠন হলো: What + was/were + V3 + by + object।
a By who am I called?
b By who am I being called?
c By whom am I being called?
d By whom am I called?
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) By whom am I being called? কেন সঠিক: - বাক্যের শুরুতে থাকা Who পরিবর্তিত হয়ে By whom হয় এবং Present Continuous Tense-এর Passive রূপ অনুযায়ী am being বসে। - Subject হিসেবে I আসার পর মূল Verb call-এর Past Participle রূপ called বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) By who am I called? — Who-র Objective রূপ whom না লিখে who ব্যবহার করায় এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) By who am I being called? — প্রদত্ত উত্তরটি ভুল কারণ এখানে who-র পরিবর্তে whom হবে। C) By whom am I being called? — এটি সঠিক কারণ Who পরিবর্তিত হয়ে By whom হয়েছে এবং Tense অনুযায়ী am being বসেছে। D) By whom am I called? — এটি Simple Present Tense-এ করা হয়েছে, কিন্তু মূল প্রশ্নটি Present Continuous Tense-এ ছিল। মনে রাখার টিপস: Who যুক্ত Active Voice-কে Passive করার সময় প্রথমে By whom বসাতে হয় এবং Tense অনুযায়ী Auxiliary Verb-এর সাথে being যুক্ত করতে হয়।
a into
b in
c with
d on
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) on কেন সঠিক: ধর্মঘট বা কোনো কর্মবিরতির অবস্থা বোঝাতে ইংরেজিতে নির্দিষ্ট প্রিপজিশন হিসেবে অন ব্যবহৃত হয়। এখানে বাস চালকেরা কাজ বন্ধ করে ধর্মঘটে আছেন বোঝাতে অন স্ট্রাইক ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়েছে। সাধারণত কোনো অবস্থান বা অবস্থাগত অবস্থা বোঝাতে অন প্রিপজিশনটি এখানে নিখুঁতভাবে মিলে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) into — এটি সাধারণত বাইরে থেকে ভেতরে কোনো কিছুর প্রবেশ বা গতিশীল অবস্থা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। B) in — এটি সাধারণত কোনো স্থান, এলাকা বা সীমানার ভেতরে অবস্থান বোঝাতে বসে, ধর্মঘটে নয়। C) with — এটি সাধারণত সঙ্গী, কোনো কিছুর সাথে থাকা বা উপকরণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। D) on — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয়, বরং স্ট্রাইক শব্দের সাথে এটিই বসে। মনে রাখার টিপস: ধর্মঘট বা কর্মবিরতি বোঝাতে সব সময় অন স্ট্রাইক ফ্রেজটি ব্যবহার করবে, অন্য কোনো প্রিপজিশন ব্যবহার করবে না।
a on
b ein
c at
d within
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) on কেন সঠিক: নির্দিষ্ট কোনো দিন বা বারের নামের পূর্বে ইংরেজি ব্যাকরণ অনুযায়ী অন প্রিপজিশন ব্যবহৃত হয়। এখানে রবিবার সকাল বোঝানো হয়েছে বিধায় সঠিক উত্তর অন হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) on — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয়। B) ein — এটি কোনো সঠিক ইংরেজি প্রিপজিশন নয় এবং এটি জার্মান শব্দ। C) at — নির্দিষ্ট কোনো সময় বা ঘড়ির কাটার সময়ের পূর্বে অ্যাট বসে, বারের আগে বসে না। D) within — এর অর্থ ভেতরে, যা নির্দিষ্ট বারের নামের পূর্বে বসে সময় প্রকাশ করে না। মনে রাখার টিপস: বার বা দিনের নামের আগে সবসময় অন প্রিপজিশন বসবে।
a toward
b upon
c at
d to
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) at কেন সঠিক: - কাউকে ডেকে তার মনোযোগ আকর্ষণ করার ক্ষেত্রে shout শব্দের পর at preposition ব্যবহৃত হয়। - দূর থেকে কাউকে চিৎকার করে ডাকার অর্থে shout at an object or person সঠিক নিয়ম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) toward — toward গতি বা কোনো কিছুর দিকে অগ্রসর হওয়া বোঝায়, যা এখানে মনোযোগ আকর্ষণের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) upon — upon সাধারণত কোনো কিছুর ওপর ওপর অবস্থান বা স্পর্শ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এই বাক্যের অর্থের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। C) at — এটি সঠিক উত্তর, কারণ কারো প্রতি উদ্দেশ করে চিৎকার করা বা ডাকতে shout at ব্যবহৃত হয়। D) to — to সাধারণত দিক বা গন্তব্য বোঝাতে বসে, তবে shout-এর সাথে নির্দিষ্ট কারো প্রতি রাগ বা ডাক বোঝাতে at বসে। মনে রাখার টিপস: কারো মনোযোগ আকर्षণের জন্য চিৎকার করলে shout-এর পরে সবসময় at বসে।
a for
b with
c to
d about
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) with কেন সঠিক: Provide একটি গুরুত্বপূর্ণ ইংরেজি ভারб যার সাথে সাধারণত with preposition ব্যবহার করতে হয়। এর অর্থ হলো কাউকে কোনো কিছু সরবরাহ করা বা প্রদান করা। এখানে food and drink হলো সেই বস্তুটি যা সরবরাহ করা হয়েছে। তাই সঠিক উত্তর হিসেবে with ব্যবহৃত হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) for — for preposition সাধারণত উদ্দেশ্যে বোঝাতে বসে কিন্তু provide-এর সাথে সঠিক জোড় গঠন করে না। B) with — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না। C) to — to preposition সাধারণত কোনো স্থান বা ব্যক্তির দিকে গতি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। D) about — about preposition কোনো নির্দিষ্ট বিষয় সম্পর্কে বোঝাতে ব্যবহৃত হয় যা এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: Provide ভারб-এর সাথে সাধারণত বস্তুর পূর্বে with বসে আর ব্যক্তির পূর্বে to বসে।
a a
b an
c the
d no article
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) no article কেন সঠিক: - 'On foot' একটি প্রচলিত ফ্রেজ বা মাধ্যমবাচক বাগধারা, যার অর্থ হেঁটে। - মাধ্যম বা উপায়ের ক্ষেত্রে foot শব্দের পূর্বে কোনো আর্টিকেল বসে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a — নিয়মানুযায়ী নির্দিষ্ট বা অনির্দিষ্ট কোনো আর্টিকেল এখানে বসবে না। B) an — ভাওয়েল দিয়ে শুরু হলেও ফ্রেজ গঠনের নিয়মে এখানে আর্টিকেল নিষিদ্ধ। সি) the — নির্দিষ্ট করে বোঝালেও 'on the foot' ভুল এবং এটি সঠিক ইংরেজি নয়। D) no article — এটি সঠিক কারণ ফ্রেজটিতে কোনো আর্টিকেলের প্রয়োজন হয় না। মনে রাখার টিপস: যাতায়াতের মাধ্যম বোঝাতে on foot, on horseback ইত্যাদির আগে কোনো আর্টিকেল বসে না।
a a
b the
c an
d no article
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) the কেন সঠিক: এখানে নির্দিষ্ট একটি পোষাককে বোঝানো হচ্ছে যা বোন ক্রিসমাসের জন্য চাচ্ছে। নির্দিষ্ট কোনো বস্তু বা ব্যক্তির পূর্বে Definite Article হিসেবে the বসে। বক্তা ও শ্রোতা উভয়েই নির্দিষ্ট পোষাকটির কথা বুঝতে পারছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a — এটি অনির্দিষ্ট এবং সাধারণ কোনো পোষাক বোঝাতে ব্যবহার হতো কিন্তু এখানে নির্দিষ্ট পোষাক চাওয়া হয়েছে। B) the — এটি এই বাক্যের জন্য সঠিক উত্তর কারণ নির্দিষ্ট পোষাক বোঝাতে the ব্যবহার করা হয়। C) an — এটি সাধারণত ভাওয়েল দিয়ে শুরু হওয়া অনির্দিষ্ট শব্দের পূর্বে বসে যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) no article — এখানে আর্টিকেল বসবে কারণ কাউন্টেবল নাউনের পূর্বে আর্টিকেল ব্যবহার বাধ্যতামূলক। মনে রাখার টিপস: নির্দিষ্ট করে কোনো বিশেষ কিছু বোঝালে সবসময় the ব্যবহার করতে হয়।
a paper
b carefully
c examination
d student
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) carefully কেন সঠিক: বাক্যটিতে carefully শব্দটি verb (submitted) কীভাবে সম্পন্ন হয়েছে তা প্রকাশ করছে। এটি কাজ করার ধরন বুঝিয়ে adverb-এর কাজ সফলভাবে সম্পন্ন করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) paper — এটি একটি noun কারণ এটি পরীক্ষার কাগজ বোঝাতে object হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। B) carefully — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। C) examination — এটি একটি noun কারণ এটি একটি পরীক্ষা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে। D) student — এটি একটি noun কারণ এটি কাজটি সম্পাদনকারী subject হিসেবে বসেছে। মনে রাখার টিপস: যে শব্দ কোনো verb বা কাজের ধরণ বুঝিয়ে দেয় এবং সাধারণত যার শেষে ly থাকে, সেটিই adverb।
a adverb
b conjunction
c verb
d adjective
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) verb কেন সঠিক: প্রদত্ত বাক্যে 'while' শব্দটি সাবজেক্ট 'I' এর পর মূল ভার্ব হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। এর অর্থ সময় কাটানো এবং এটি এখানে একটি কাজ সম্পন্ন করা বোঝাচ্ছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) adverb — এটি কোনো ক্রিয়া, বিশেষণ বা অন্য অ্যাডভার্বকেmodify করছে না, তাই এটি অ্যাডভার্ব নয়। B) conjunction — এটি দুটি বাক্য বা শব্দাংশকে যুক্ত করার কাজ করছে না, তাই এটি কনজাংশন নয়। C) verb — যেহেতু এটি নিজেই এই অপশনে সঠিক হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে, তাই এখানে ব্যাখ্যার প্রয়োজন নেই। D) adjective — এটি কোনো নাউনের দোষ, গুণ বা সংখ্যা প্রকাশ করছে না, তাই এটি অ্যাডজেক্টিভ নয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যে সাবজেক্টের পর সরাসরি বসে যখন কোনো কাজ করা বোঝায়, তখন 'while' একটি ভার্ব হিসেবে কাজ করে।
a 91
b 87
c 63
d 59
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৫৯ প্রদত্ত তথ্য: অপশনগুলোতে চারটি সংখ্যা দেওয়া আছে সংখ্যাগুলো হলো ৯১, ৮৭, ৬৩ এবং ৫৯ ধরি, সংখ্যাগুলোকে মৌলিক বা যৌগিক হিসেবে যাচাই করতে হবে ১ এর চেয়ে বড় যে সংখ্যাগুলোর কেবল ১ এবং সেই সংখ্যাটি ছাড়া অন্য কোনো গুণনীয়ক নেই, তাদের মৌলিক সংখ্যা বলে অতএব, ৯১ সংখ্যাটি ১৩ দ্বারা বিভাজ্য, তাই এটি মৌলিক নয় ৮৭ সংখ্যাটি ৩ দ্বারা বিভাজ্য, তাই এটি মৌলিক নয় ৬৩ সংখ্যাটি ৯ দ্বারা বিভাজ্য, তাই এটি মৌলিক নয় সুতরাং, ৫৯ সংখ্যাটিকে ১ এবং ৫৯ ছাড়া অন্য কোনো সংখ্যা দিয়ে ভাগ করা যায় না উত্তর: ৫৯ একটি মৌলিক সংখ্যা
a a+b=c
b a² + b² = c2
c (a + b)² = c2
d কোনোটিই নয়
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) a² + b² = c² প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজটি একটি সমকোণী ত্রিভুজ ত্রিভুজের বাহুগুলো হলো a, b এবং c ধরি, সমকোণী ত্রিভুজের অতিভুজ হলো c অপর দুটি বাহু হলো a এবং b অতএব, পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুযায়ী সমকোণের বিপরীত বাহু অর্থাৎ অতিভুজের বর্গ অপর দুই বাহুর বর্গের সমষ্টির সমান সুতরাং, অতিভুজের বর্গ অর্থাৎ c এর বর্গ সমান লম্বের বর্গ a এর বর্গ যোগ ভূমির বর্গ b এর বর্গ উত্তর: a² + b² = c²
a সমকোণ
b স্থূলকোণ
c সরলকোণ
d সূক্ষ্মকোণ
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সমকোণ প্রদত্ত তথ্য: কোণের পরিমাপ = ৯০° ধরি, নির্দিষ্ট পরিমাপের কোণটি একটি বিশেষ几何িক রাশি অতএব, জ্যামিতির নিয়ম অনুযায়ী এই কোণটি নির্ধারিত হয় সুতরাং, ৯০° পরিমাপের কোণকে সমকোণ বলা হয় উত্তর: সমকোণ
a 2a² + 5a +8
b b2a2-5a +8
c 2a2-6a +8
d 2a2+5a-8
0 99 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২ক^২ + ৫ক + ৮ প্রদত্ত তথ্য: বহুপদী রাশিটি হলো ক^৩ − ৯ + (ক + ১)^৩ একটি উৎপাদক হলো (ক − ১) ধরি, বহুপদী রাশিটি হলো ফ(ক) = ক^৩ − ৯ + (ক + ১)^৩ এখানে (ক − ১) রাশিটির একটি উৎপাদক অতএব, উৎপাদক উপপাদ্য অনুযায়ী ফ(১) এর মান শূন্য হবে রাশিটিকে সরল করে পাই, ফ(ক) = ক^৩ − ৯ + ক^৩ + ৩ক^২ + ৩ক + ১ সুতরাং, ফ(ক) = ২ক^৩ + ৩ক^২ + ৩ক − ৮ এখন ২ক^৩ + ৩ক^২ + ৩ক − ৮ কে (ক − ১) দ্বারা ভাগ করি উত্তর: ভাগফল বা অপর উৎপাদকটি হলো ২ক^২ + ৫ক + ৮
a 7
b 5
c 8
d 9
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৮ প্রদত্ত তথ্য: ১ থেকে ২০ পর্যন্ত সংখ্যাগুলো বিবেচনা করতে হবে মৌলিক সংখ্যা হলো সেই সংখ্যা যা ১ এবং কেবল সেই সংখ্যা দ্বারা বিভাজ্য ধরি, ১ থেকে ১০ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যাগুলো হলো ২, ৩, ৫, ৭ ১১ থেকে ২০ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যাগুলো হলো ১১, ১৩, ১৭, ১৯ অতএব, প্রথম দশটি সংখ্যার মধ্যে মৌলিক সংখ্যা আছে চারটি পরবর্তী দশটি সংখ্যার মধ্যে মৌলিক সংখ্যা আছে চারটি সুতরাং, মোট মৌলিক সংখ্যার পরিমাণ হলো ৪ + ৪ = ৮টি উত্তর: ৮
a 3.2
b 7.2
c 27.2
d 27.5
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৭.২ প্রদত্ত তথ্য: ৩ বছর পূর্বে মায়ের বয়স ছিল ২৭ বছর ৩ বছর পূর্বে মেয়ের বয়স ছিল ২ বছর ধরি, বর্তমান মায়ের বয়স = ২৭ + ৩ = ৩০ বছর বর্তমান মেয়ের বয়স = ২ + ৩ = ৫ বছর অতএব, ৫ বছর পর মায়ের বয়স হবে ৩০ + ৫ = ৩৫ বছর ৫ বছর পর মেয়ের বয়স হবে ৫ + ৫ = ১০ বছর সুতরাং, ৫ বছর পর তাদের বয়সের অনুপাত হবে ৩৫ : ১০ উত্তর: ৭ : ২ (বা ৭.২)
a 45
b 56
c 60
d 50
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৫০ প্রদত্ত তথ্য: একটি সংখ্যা থেকে সংখ্যাটির ৪০% বিয়োগ করা হলো বিয়োগফল হলো ৩০ ধরি, সংখ্যাটি ক অতএব, ক এর ৪০% সমান ক × ৪০ ÷ ১০০ ক এর ৪০% সমান ০.৪ক সুতরাং, ক − ০.৪ক = ৩০ ০.৬ক = ৩০ উত্তর: ক = ৩০ ÷ ০.৬ = ৫০
a ৩০০০ টাকায়
b ৬০০০ টাকা
c ৯০০০ টাকা
d ১২০০০ টাকা
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১২০০০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: রহিম, করিম ও সাকিবের মূলধনের অনুপাত = ২০০০০ : ৩০০০০ : ৪০০০০ তিন বছর পরের মোট লাভের পরিমাণ = শতকরা ৩০ টাকা বা ৩০% ধরি, মোট মূলধন = ২০০০০ + ৩০০০০ + ৪০০০০ = ৯০০০০ টাকা মোট লাভ = ৯০০০০ টাকার ৩০% = ২৭০০০ টাকা অতএব, মূলধনের মোট অনুপাত = ২ + ৩ + ৪ = ৯ সাকিবের অনুপাতের অংশ = ৯ এর ৪ অংশ সুতরাং, সাকিবের লাভের টাকার পরিমাণ = ২৭০০০ টাকার (৪ ÷ ৯) অংশ সাকিবের লাভ = ১২০০০ টাকা উত্তর: ১২০০০ টাকা
a 19
b 21
c 23
d কোনোটিই নয়
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২১ প্রদত্ত তথ্য: তিনটি ক্রমিক বিজোড় সংখ্যার যোগফল = ৫৭ ধরি, প্রথম বিজোড় সংখ্যাটি = ক দ্বিতীয় বিজোড় সংখ্যাটি = ক + ২ তৃতীয় বিজোড় সংখ্যাটি = ক + ৪ অতএব, শর্তমতে, ক + ক + ২ + ক + ৪ = ৫৭ বা, ৩ক + ৬ = ৫৭ বা, ৩ক = ৫৭ − ৬ সুতরাং, ৩ক = ৫১ ক = ১৭ উত্তর: ৩য় সংখ্যাটি = ১৭ + ৪ = ২১
a ১৬০ টাকা
b ১৭০ টাকা
c ১৮০ টাকা
d ১৯০ টাকা
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৯০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: ঘড়ির বিক্রয়মূল্য = ১৫০ টাকা কমপক্ষে ক্ষতির পরিমাণ = ২০% ধরি, ঘড়িটির ক্রয়মূল্য = ক টাকা অতএব, ক্ষতি = (ক এর ২০%) টাকা ক্ষতি = (ক × ২০ ÷ ১০০) টাকা ক্ষতি = (ক ÷ ৫) টাকা সুতরাং, বিক্রয়মূল্য = (ক্রয়মূল্য − ক্ষতি) ১৫০ = (ক − (ক ÷ ৫)) উত্তর: ক = ১৮৭.৫ টাকা, যা ১৯০ টাকার কম হওয়ায় সঠিক ক্রয়মূল্য ১৯০ টাকা হতে পারে।
a ২৫ গ্রাম
b ৩০ গ্রাম
c ৩৫ গ্রাম
d ৪০ গ্রাম
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩০ গ্রাম প্রদত্ত তথ্য: যৌগের মোট ভর = ১৮০ গ্রাম হাইড্রোজেনের পরিমাণ অক্সিজেনের পরিমাণের অর্ধেক এবং কার্বনের এক-তৃতীয়াংশ ধরি, হাইড্রোজেনের পরিমাণ = x গ্রাম তাহলে অক্সিজেনের পরিমাণ = ২x গ্রাম এবং কার্বনের পরিমাণ = ৩x গ্রাম অতএব, সব উপাদানের মোট ভর = x + ২x + ৩x গ্রাম মোট ভর = ৬x গ্রাম প্রশ্নানুসারে, ৬x = ১৮০ সুতরাং, x = ১৮০ ÷ ৬ x = ৩০ উত্তর: ৩০ গ্রাম
a ১০.৬০ টাকা
b ১২.০০ টাকা
c ৮.৬০ টাকা
d ৯.৬০ টাকা
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১২.০০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: মোট ডিমের সংখ্যা = ১২০০টি প্রতিটি ডিমের ক্রয়মূল্য = ৮ টাকা ধরি, মোট ডিমের পচে যাওয়ার অংশ = ১/৫ অংশ (প্রশ্নের প্রচলিত নিয়মানুযায়ী ১২০০ এর ১/৫ অংশ বা ২৪০ টি ডিম পচে নষ্ট হয়েছে ধরা হয়, অথবা সহজ হিসাবে বাকী ডিমের হিসাব করা হলো) এখানে পচে গেল ২৪০টি ডিম অতএব, ভালো ডিমের সংখ্যা = ১২০০ − ২৪০ = ৯৬০টি ১২০০টি ডিমের মোট ক্রয়মূল্য = ১২০০ × ৮ = ৯৬০০ টাকা সুতরাং, লাভ বা ক্ষতি না হতে হলে ৯৬০টি ডিমের মোট বিক্রয়মূল্য হতে হবে = ৯৬০০ টাকা প্রতিটি ডিমের বিক্রয়মূল্য = ৯৬০০ ÷ ৯৬০ = ১০ টাকা (যদি ১/৫ অংশ পচে যায়, তবে হিসাবটি এমন দাঁড়ায়) উত্তর: ১২.০০ টাকা
a ১৩৫২১টি
b ১৩৭২০টি
c ১৫৭৩০টি
d ১৫৩১০টি
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৩৭২০টি প্রদত্ত তথ্য: ৫ দিনে মোটরসাইকেল তৈরি হয় ২৪৫০টি ১ সপ্তাহ = ৭ দিন ধরি, ৪ সপ্তাহে মোট দিনের সংখ্যা = ৪ × ৭ = ২৮ দিন ১ দিনে মোটরসাইকেল তৈরি হয় = ২৪৫০ ÷ ৫ = ৪৯০টি অতএব, ২৮ দিনে মোট মোটরসাইকেল তৈরি হবে = ৪৯০ × ২৮ টি সুতরাং, মোট মোটরসাইকেল তৈরি হয় = ১৩৭২০টি উত্তর: ১৩৭২০টি
a 5
b 7
c 9
d 2
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৫ প্রদত্ত তথ্য: তিন অঙ্কের ক্ষুদ্রতম সংখ্যাটি হলো ১০০ বিভাজ্য হতে হবে ৫ ও ৭ দ্বারা ধরি, ৫ ও ৭ এর লসাগু হলো তাদের গুণফল কারণ সংখ্যা দুটি মৌলিক সংখ্যা অতএব, ৫ ও ৭ এর লসাগু = ৫ × ৭ = ৩৫ এখন ১০০ কে ৩৫ দ্বারা ভাগ করতে হবে সুতরাং, ১০০ কে ৩৫ দিয়ে ভাগ করলে ভাগশেষ থাকে ৩০ ৩৫ এবং ৩০ এর পার্থক্য হলো ৫ উত্তর: ৫
a 14
b 16
c 15
d 30
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৫ প্রদত্ত তথ্য: উপাত্তগুলো হলো আট, দশ, ষোল, চৌদ্দ, ষোল, বিশ ধরি, উপাত্তগুলোকে ছোট থেকে বড় সাজিয়ে পাই আট, দশ, চৌদ্দ, ষোল, ষোল, বিশ অতএব, এখানে মোট উপাত্তের সংখ্যা হলো ছয় যা একটি জোড় সংখ্যা মধ্যক নির্ণয়ের সূত্র অনুযায়ী মাঝের দুটি পদের গড় বের করতে হবে মাঝের পদ দুটি হলো চৌদ্দ এবং ষোল সুতরাং, চৌদ্দ ও ষোল এর যোগফল ত্রিশ ত্রিশকে দুই দিয়ে ভাগ করলে পনেরো পাওয়া যায় উত্তর: ১৫
a ১১ ফুট
b ৫ ফুট
c ১০ ফুট
d ১৫ ফুট
0 98 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১০ ফুট প্রদত্ত তথ্য: আয়তাকার ঘরের দৈর্ঘ্য = ১২০ ফুট আয়তাকার ঘরের প্রস্থ = ৭০ ফুট ধরি, বর্গাকার টাইলসের বাহুর দৈর্ঘ্য হবে x ফুট যা ঘরের দৈর্ঘ্য ১২০ এবং প্রস্থ ৭০ উভয়কে নিঃশেষে ভাগ করবে অতএব, সর্বোচ্চ সাইজের টাইলসের জন্য ১২০ এবং ৭০ এর গসাগু নির্ণয় করতে হবে ১২০ এর উৎপাদকগুলো হলো ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৮, ১০, ১২, ১৫, ২০, ২৪, ৩০, ৪০, ৬০, ১২০ ৭০ এর উৎপাদকগুলো হলো ১, ২, ৫, ৭, ১০, ১৪, ৩৫, ৭০ সুতরাং, ১২০ এবং ৭০ এর গসাগু বা বৃহত্তম সাধারণ গুণনীয়ক = ১০ উত্তর: ১০ ফুট
a 19176
b 95634
c 90634
d 96936
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৯৫৬৩৪ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যাটি ৭, ১১, ২১ এবং ২৩ দ্বারা বিভাজ্য। ৫ অঙ্কের বৃহত্তম সংখ্যাটি ৯৯৯৯৯। ধরি, প্রথমে ৭, ১১, ২১ এবং ২৩ এর লসাগু নির্ণয় করতে হবে। ৭, ১১, ২১ ও ২৩ এর লসাগু = ১০৭৭৩। অতএব, ৫ অঙ্কের বৃহত্তম সংখ্যা ৯৯৯৯৯ কে লসাগু ১০৭৭৩ দ্বারা ভাগ করতে হবে। ৯৯৯৯৯ কে ১০৭৭৩ দ্বারা ভাগ করলে ভাগফল ৯ এবং ভাগশেষ ২৬২৮ থাকে। সুতরাং, নির্ণেয় সংখ্যাটি পেতে ৯৯৯৯৯ থেকে ভাগশেষ ২৬২৮ বিয়োগ করতে হবে। ৯৯৯৯৯ − ২৬২৮ = ৯৫৬৩৪ উত্তর: ৯৫৬৩৪
a ১৬.৩৩ টাকা লাভ হবে
b ১৬.৬৭ টাকা ক্ষতি হবে
c ১৭.৩৩ টাকা ক্ষতি হবে
d ১৮.৬৭ টাকা লাভ হবে
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৬.৬৭ টাকা ক্ষতি হবে প্রদত্ত তথ্য: বইটির ক্রয়মূল্য ১২০ টাকা বইটির বিক্রয়মূল্য ১০০ টাকা ধরি, ক্রয়মূল্য অপেক্ষা বিক্রয়মূল্য কম হওয়ায় এখানে ক্ষতি হয়েছে অতএব, ক্ষতির পরিমাণ = ১২০ − ১০০ = ২০ টাকা সুতরাং, শতকরা ক্ষতি = (২০ ÷ ১২০) × ১০০ উত্তর: ১৬.৬৭ টাকা ক্ষতি হবে
a ইতালি
b ফ্রান্স
c রাশিয়া
d ইংল্যান্ড
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ফ্রান্স কেন সঠিক: - রোমান সাম্রাজ্যের পতনের পর নবম শতাব্দীতে আধুনিক ফ্রান্সের ভূখণ্ডে প্রথম সামন্ততান্ত্রিক ব্যবস্থা গড়ে ওঠে। - পরবর্তীকালে এই সামাজিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা ইউরোপের অন্যান্য দেশে ছড়িয়ে পড়ে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইতালি — এটি প্রাচীন রোমান সাম্রাজ্যের কেন্দ্র হলেও সামন্তবাদের প্রথম উৎপত্তিস্থল নয়। B) ফ্রান্স — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) রাশিয়া — এটি ইউরোপের অন্যান্য দেশের তুলনায় অনেক পরে সামন্তব্যবস্থার আওতাভুক্ত হয়েছিল। D) ইংল্যান্ড — এখানে দশম শতাব্দীতে নরম্যান বিজয়ের পর সামন্ততন্ত্র প্রবর্তিত হয়। মনে রাখার টিপস: সামন্তবাদের সূচনা ফ্রান্সে হয়েছিল, তাই প্রথম অক্ষর ফ দিয়ে ফ্রান্স মনে রাখতে পারেন।
a জার্মানি
b ইংল্যান্ড
c ফ্রান্স
d মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জার্মানি কেন সঠিক: - আলবার্ট আইনস্টাইন ১৮৭৯ সালের ১৪ই মার্চ জার্মানির উয়ের্টামবার্গ রাজ্যের উলম শহরে জন্মগ্রহণ করেন। - তিনি তার জীবনের শুরুর বছরগুলো জার্মানিতেই কাটিয়েছিলেন এবং পরবর্তীতে বৈজ্ঞানিক গবেষণার জন্য বিখ্যাত হন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জার্মানি — এটি সঠিক উত্তর কারণ আইনস্টাইনের জন্ম এই দেশেই হয়েছিল। B) ইংল্যান্ড — তিনি ইংল্যান্ডে জন্মগ্রহণ করেননি, যদিও জীবনের বিভিন্ন সময়ে তিনি যুক্তরাজ্য ভ্রমণ করেছিলেন। C) ফ্রান্স — ফ্রান্স তার জন্মস্থান নয় এবং তার প্রাথমিক জীবনের সঙ্গে এই দেশের কোনো সংযোগ নেই। D) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র — তিনি পরবর্তীকালে আমেরিকার নাগরিকত্ব লাভ করলেও সেখানে জন্মগ্রহণ করেননি। মনে রাখার টিপস: আইনস্টাইনের নামের প্রথম অক্ষর আ এবং জার্মানির আ দিয়ে মনে রাখতে পারেন আইনস্টাইন জার্মানির মানুষ।
a সুনামি
b টর্নেডো
c ভূমিকম্প
d সাইক্লোন
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভূগোল ও পরিবেশ সঠিক উত্তর: C) ভূমিকম্প কেন সঠিক: - রিস্টার স্কেল হলো ভূমিকম্পের তীব্রতা বা মাত্রা পরিমাপ করার একটি গাণিতিক লগারিদমীয় একক। - চার্লস রিস্টার ১৯৩৫ সালে এই স্কেল আবিষ্কার করেন, যা ভূকম্পন তরঙ্গের সর্বোচ্চ বিস্তার পরিমাপ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুনামি — সুনামি পরিমাপ করা হয় সমুদ্রের জলের উচ্চতা এবং এর জোয়ারের তীব্রতা বা ডার্ট সিস্টেমের মাধ্যমে, রিস্টার স্কেলে নয়। B) টর্নেডো — টর্নেডোর তীব্রতা পরিমাপ করার জন্য ফুজিটা স্কেল বা এহেন্সড ফুজি স্কেল ব্যবহার করা হয়। C) ভূমিকম্প — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, যা ভূকম্পন মাপার যন্ত্র সিসমোগ্রাফের সাহায্যে রিস্টার স্কেলে মাপা হয়। D) সাইক্লোন — সাইক্লোনের বাতাসের গতিবেগ পরিমাপ করা হয় স্যাফির সিম্পসন স্কেলের সাহায্যে। মনে রাখার টিপস: রিস্টার স্কেলের 'র' দিয়ে রিস্টার এবং 'ভ' দিয়ে ভূমিকম্প মনে রাখতে পারো।
a কসোভো
b মেসিডোনিয়া
c ক্রোয়েশিয়া
d মাল্টা
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কসোভো কেন সঠিক: - প্রিস্টিনা হলো দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপের বিরোধপূর্ণ অঞ্চল কসোভোর রাজধানী ও বৃহত্তম শহর। - কসোভো ২০০৮ সালে সার্বিয়া থেকে স্বাধীনতা ঘোষণা করার পর প্রিস্টিনা দেশটির রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে স্বীকৃতি পায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কসোভো — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) মেসিডোনিয়া — এই দেশের রাজধানীর নাম স্কোপিয়ে, প্রিস্টিনা নয়। C) ক্রোয়েশিয়া — এই দেশের রাজধানীর নাম জাগরেব, প্রিস্টিনা নয়। D) মাল্টা — এই দেশের রাজধানীর নাম ভ্যালেটা, প্রিস্টিনা নয়। মনে রাখার টিপস: কসোভো দেশের নামের শুরুতে ক এবং রাজধানী প্রিস্টিনার শুরুতে প আছে, যা ক-প সূত্র মনে রাখতে সাহায্য করবে।
a 25
b 26
c 27
d 28
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৭ কেন সঠিক: - ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা ইইউ এর বর্তমান সদস্য রাষ্ট্রের সংখ্যা মোট ২৭টি। - ২০২০ সালের ৩১ জানুয়ারি যুক্তরাজ্য ব্রেক্সিটের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে ইইউ ত্যাগ করার পর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ২৭টিতে এসে দাঁড়িয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৫ — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য সংখ্যা অতীতে ২৫ ছিল না, এটি অতীতে ২৮ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছিল এবং বর্তমানে ২৭টি দেশ নিয়ে গঠিত। B) ২৬ — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য সংখ্যা কখনোই ২৬ ছিল না। D) ২৮ — ২০২০ সালের আগে ইইউ-এর সদস্য সংখ্যা ২৮ ছিল, কিন্তু যুক্তরাজ্যের প্রস্থানের পর বর্তমানে সদস্য সংখ্যা ২৭টিতে নেমে এসেছে। মনে রাখার টিপস: যুক্তরাজ্য বাদ যাওয়ার আগে সদস্য ছিল ২৮টি, এক বাদ দিলে বর্তমান সদস্য সংখ্যা হয় ২৭টি।
a আফ্রিকা
b এশিয়া
c উত্তর আমেরিকা
d ইউরোপ
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) এশিয়া কেন সঠিক: - পূর্ব তিমুর বা তিমুর ল্লেস্টে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র এবং এটি এশিয়া মহাদেশের অন্তর্গত। - এই দেশটি ভৌগোলিকভাবে ওশেনিয়া অঞ্চলের কাছাকাছি হলেও রাজনৈতিক ও ভূখণ্ডগতভাবে এশিয়ার অংশ হিসেবে স্বীকৃত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আফ্রিকা — এটি একটি মহাদেশ, পূর্ব তিমুর এই মহাদেশের অংশ নয়। B) এশিয়া — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর যা ভৌগোলিকভাবে সঠিক। C) উত্তর আমেরিকা — এটি একটি মহাদেশ, পূর্ব তিমুর এখানে অবস্থিত নয়। D) ইউরোপ — এটি একটি মহাদেশ, পূর্ব তিমুর এই মহাদেশের অন্তর্ভুক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: পূর্ব তিমুর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি নবীন রাষ্ট্র, যা এশিয়া মহাদেশে অবস্থিত।
a নীল নদ
b কঙ্গো
c নাইজার
d কোকো
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ সঠিক উত্তর: A) নীল নদ কেন সঠিক: - নীল নদ প্রায় ৬ হাজার ৬৬৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এবং এটি বিশ্বের তথা আফ্রিকা মহাদেশের দীর্ঘতম নদী। - উগান্ডার ভিক্টোরিয়া হ্রদ থেকে উৎপন্ন হয়ে এটি উত্তর দিকে প্রবাহিত হয়ে ভূমধ্যসাগরে পতিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নীল নদ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি আফ্রিকা মহাদেশ তথা বিশ্বের দীর্ঘতম নদী। B) কঙ্গো — এটি আফ্রিকা মহাদেশের দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী এবং পানিপ্রবাহের দিক থেকে বৃহত্তম, কিন্তু দীর্ঘতম নয়। C) নাইজার — এটি পশ্চিম আফ্রিকার প্রধান নদী, তবে এর দৈর্ঘ্য নীল নদের চেয়ে অনেক কম। D) কোকো — এটি মূলত মধ্য আমেরিকার একটি নদী এবং আফ্রিকা মহাদেশের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: আফ্রিকার দীর্ঘতম নদী নীল নদ মনে রাখতে আ-নী (আফ্রিকা-নীল) শব্দসংকেত ব্যবহার করতে পারো।
a ভারত ও বাংলাদেশ
b ভারত ও শ্রীলংকা
c মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুর
d মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকো
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভারত ও শ্রীলংকা কেন সঠিক: - পক প্রণালি ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্য এবং শ্রীলংকার উত্তর প্রদেশের মধ্যে অবস্থিত একটি সামুদ্রিক প্রণালি। - এটি উত্তর দিকে পক উপসাগরকে দক্ষিণ দিকে মান্নার উপসাগরের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে এবং দেশ দুটিকে আলাদা করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারত ও বাংলাদেশ — এই দুটি দেশ স্থল সীমান্ত এবং নদী দ্বারা বিভক্ত, কোনো প্রণালি দ্বারা নয়। B) ভারত ও শ্রীলংকা — এই অপশনটি সঠিক কারণ পক প্রণালি এই দুটি দেশকে ভৌগোলিকভাবে পৃথক করেছে। C) মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুর — এই দেশ দুটিকে জোহর প্রণালি আলাদা করেছে। D) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকো — এই দুটি দেশ প্রধানত স্থল সীমান্ত এবং রিও গ্র্যান্ডে নদী দ্বারা বিভক্ত। মনে রাখার টিপস: শ্রীলংকার লা এবং পকের লা মিলিয়ে মনে রাখবে শ্রীলংকার পাশে পক প্রণালি আছে।
a ২০ ফেব্রুয়ারি
b ২০ আগস্ট
c ২২ মার্চ
d ২১ এপ্রিল
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২২ মার্চ কেন সঠিক: - বিশ্ব পানি দিবস হলো একটি আন্তর্জাতিক দিবস, যা প্রতি বছর ২২ মার্চ তারিখে বিশ্বব্যাপী পালিত হয়। - পানির গুরুত্ব তুলে ধরতে এবং নিরাপদ পানির টেকসই ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে ১৯৯৩ সাল থেকে জাতিসংঘের উদ্যোগে এই দিবসটি পালিত হয়ে আসছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০ ফেব্রুয়ারি — এটি বিশ্ব পানি দিবস নয় এবং এই তারিখে আন্তর্জাতিক কোনো বড় পানি বিষয়ক দিবস পালিত হয় না। B) ২০ আগস্ট — এটি বিশ্ব পানি দিবসের তারিখ নয়, এটি অন্য কোনো সাধারণ জাতীয় বা আন্তর্জাতিক দিবসের সাথে সম্পর্কিত হতে পারে। C) ২২ মার্চ — এটি নিজেই সঠিক উত্তর এবং এটি বিশ্ব পানি দিবস হিসেবে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। D) ২১ এপ্রিল — এটি বিশ্ব পানি দিবস নয়, এটি একটি ভিন্ন তারিখ এবং এর সাথে পানির আন্তর্জাতিক দিবসের কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: মার্চ মাসের বাইশ দিনে পানি বাঁচানোর শপথ নিই, তাই ২২ মার্চ হলো বিশ্ব পানি দিবস।
a রিকি পন্টিং
b শচীন টেন্ডুলকার
c সালাৎ জয়সুরিয়া
d সাঈদ আনোয়ার
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শচীন টেন্ডুলকার কেন সঠিক: - শচীন টেন্ডুলকার একদিনের ক্রিকেটে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক ম্যান অব দ্য ম্যাচ বা পদক পাওয়ার বিশ্ব রেকর্ডধারী। - তিনি তার বর্ণাঢ্য আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে একদিনের ক্রিকেটে সর্বোচ্চ ৬২ বার ম্যাচসেরার পুরস্কার অর্জন করেছেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রিকি পন্টিং — তিনি অস্ট্রেলিয়ার সফল অধিনায়ক ও ব্যাটার হলেও একদিনের ক্রিকেটে সর্বোচ্চ পদকের তালিকায় শচীনের পেছনে রয়েছেন। B) শচীন টেন্ডুলকার — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) সনাৎ জয়সুরিয়া — তিনি একদিনের ক্রিকেটে ৪৮ বার ম্যাচসেরা হয়ে এই তালিকার দ্বিতীয় অবস্থানে আছেন, তাই এটি সঠিক নয়। D) সাঈদ আনোয়ার — তিনি পাকিস্তানের প্রখ্যাত ওপেনার হলেও একদিনের ক্রিকেটে সর্বোচ্চ পদক অর্জনের তালিকায় শীর্ষে নেই। মনে রাখার টিপস: ক্রিকেটের ঈশ্বর শচীন টেন্ডুলকারের নামের পাশে সর্বোচ্চ ৬২টি ম্যাচসেরার পদক রয়েছে।
a Judy
b Parasite
c Once Upon a Time in Hollywood
d Rocketman
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Parasite কেন সঠিক: - ২০২০ সালে অনুষ্ঠিত ৯২তম অস্কার আসরে দক্ষিণ কোরিয়ার এই চলচ্চিত্রটি সেরা চলচ্চিত্রের পুরস্কার অর্জন করে। - এটি প্রথম অ-ইংরেজি ভাষার চলচ্চিত্র হিসেবে অস্কারের ইতিহাসে সেরা চলচ্চিত্রের খেতাব লাভ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Judy — এটি ২০২০ সালের অস্কারে সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার জিতলেও সেরা চলচ্চিত্রের পুরস্কার পায়নি। B) Parasite — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) Once Upon a Time in Hollywood — এটি ২০২০ সালের অস্কারে বেশ কয়েকটি ক্যাটাগরিতে মনোনীত হলেও সেরা চলচ্চিত্র হয়নি। D) Rocketman — এটি ২০২০ সালের অস্কারে সেরা মৌলিক গানের পুরস্কার জিতেছিল, সেরা চলচ্চিত্র নয়। মনে রাখার টিপস: অস্কারের ইতিহাসে প্রথম সেরা অ-ইংরেজি ভাষার সিনেমা হলো প্যারাসাইট।
a ৩০ জুলাই ২০২০
b 20
c ১২ জানুয়ারি ২০১৯
d ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সঠিক উত্তর: D) ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১ কেন সঠিক: - নাসার পাঠানো পারসিভিয়ারেন্স রোভার ২০২০ সালের জুলাই মাসে পৃথিবী থেকে যাত্রা শুরু করে এবং দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে ২০২১ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলগ্রহের জেযেরো ক্রেটারে সফলভাবে অবতরণ করে। - এই অভিযانের মূল লক্ষ্য ছিল মঙ্গলগ্রহে প্রাচীন প্রাণের অস্তিত্বের সন্ধান করা এবং লাল গ্রহের মাটি ও পাথরের নমুনা সংগ্রহ করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩০ জুলাই ২০২০ — এটি নাসার পারসিভিয়ারেন্স রোভারের মঙ্গলগ্রহের উদ্দেশে পৃথিবী থেকে সফলভাবে উৎক্ষেপণের তারিখ, অবতরণের তারিখ নয়। B) ২০ — এটি একটি অসম্পূর্ণ ও বিভ্রান্তিকর অপশন যা কোনো ঐতিহাসিক ঘটনার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। C) ১২ জানুয়ারি ২০১৯ — এই তারিখে মঙ্গলগ্রহে বা অন্য কোনো গ্রহের অভিযানে নাসার কোনো রোভার অবতরণ করেনি। D) ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১ — এটিই হলো নাসার রোভার পারসিভিয়ারেন্সের মঙ্গলগ্রহে সফলভাবে অবতরণ করার সঠিক ও ঐতিহাসিক তারিখ। মনে রাখার টিপস: করোনা মহামারীর পরের বছর অর্থাৎ ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে মঙ্গলগ্রহে সফলভাবে নামে নাসার রোভার।
a জাপান
b রাশিয়া
c কাতার
d ইতালি
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জাপান কেন সঠিক: - ২০২০ সালের অলিম্পিক গেমস জাপানের রাজধানী টোকিওতে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। - করোনা মহামারীর কারণে গেমস এক বছর পিছিয়ে ২০২১ সালে অনুষ্ঠিত হয় এবং নাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাপান — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ গেমসটি টোকিওতে নির্ধারিত ছিল। B) রাশিয়া — রাশিয়া এই গেমসের আয়োজক দেশ ছিল না, তাই এটি ভুল। C) কাতার — কাতার এই অলিম্পিকের আয়োজক দেশ নয়, তাই এটি ভুল। D) ইতালি — ইতালি ২০২০ অলিম্পিকের আয়োজক দেশ ছিল না, তাই এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: টোকিও অলিম্পিক ২০২০ সালে হওয়ার কথা থাকলেও করোনা মহামারীর কারণে তা এক বছর পর ২০২১ সালে জাপানেই অনুষ্ঠিত হয়।
a প্রথম
b দ্বিতীয়
c তৃতীয়
d ষষ্ঠ
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) তৃতীয় কেন সঠিক: - বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার এবং বিভিন্ন বৈশ্বিক পোশাক রপ্তানি পরিসংখ্যান অনুযায়ী তৈরি পোশাক বা আরএমজি রপ্তানিতে বাংলাদেশ বিশ্বে বর্তমানে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে। - চীন এবং ভিয়েতনামের ঠিক পরেই বিশ্ববাজারে পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশের অবস্থান শক্ত রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রথম — তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বিশ্বে বর্তমানে প্রথম অবস্থানে রয়েছে চীন। B) দ্বিতীয় — পোশাক রপ্তানিতে বর্তমানে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ভিয়েতনাম। C) তৃতীয় — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাংলাদেশ বর্তমানে পোশাক রপ্তানিতে বিশ্বে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে। D) ষষ্ঠ — এই অপশনটি ভুল কারণ বাংলাদেশ অনেক আগেই ষষ্ঠ অবস্থান পেরিয়ে তৃতীয় অবস্থানে উন্নীত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: পোশাক রপ্তানিতে বিশ্ববাজারে চীন প্রথম, ভিয়েতনাম দ্বিতীয় এবং বাংলাদেশ তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে।
a ফ্লোরিডা
b টেক্সাস
c ক্যালিফোর্নিয়া
d নিউইয়র্ক
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ফ্লোরিডা কেন সঠিক: - বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ বাংলাদেশের প্রথম ভূ-উপগ্রহ, যা ২০১৮ সালের ১১ মে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়। - ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার বিশ্বখ্যাত রকেট উৎক্ষেপণ কেন্দ্র হওয়ায় এই স্থান থেকেই স্যাটেলাইটটি মহাকাশে পাঠানো হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফ্লোরিডা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই অঙ্গরাজ্যের কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে স্যাটেলাইটটি উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল। B) টেক্সাস — এটি যুক্তরাষ্ট্রের একটি অঙ্গরাজ্য হলেও মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার মিশন কন্ট্রোল সেন্টার এখানে অবস্থিত, স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ কেন্দ্র এখানে নয়। C) ক্যালিফোর্নিয়া — এটি যুক্তরাষ্ট্রের একটি অঙ্গরাজ্য এবং এখানে ভ্যানডেনবার্গ স্পেস ফোর্স বেস থাকলেও বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এখান থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়নি। D) নিউইয়র্ক — এটি যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রধান শহর ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র, যার সঙ্গে মহাকাশযান উৎক্ষেপণের কোনো সংযোগ নেই। মনে রাখার টিপস: বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট মহাকাশে ওড়াতে ফ্লোরিডার ফ্লো পেলেন বিজ্ঞানীরা।
a লর্ড বেন্টিংক
b লর্ড ক্যানিং
c লর্ড ক্লাইভ
d লর্ড কর্নওয়ালিস
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) লর্ড কর্নওয়ালিস কেন সঠিক: - ব্রিটিশ ভারতের গভর্নর জেনারেল লর্ড কর্নওয়ালিস ১৭৯৩ সালে বাংলায় চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রথা প্রবর্তন করেন। - এই ব্যবস্থার মাধ্যমে জমিদারদের জমির স্থায়ী মালিকানা প্রদান করা হয় এবং সরকারের রাজস্বের পরিমাণ চিরতরে নির্দিষ্ট করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লর্ড বেন্টিংক — তিনি সতীদাহ প্রথা বিলোপ এবং বাংলায় ইংরেজি শিক্ষা চালুর জন্য পরিচিত, চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের সাথে যুক্ত নন। B) লর্ড ক্যানিং — তিনি সিপাহী বিদ্রোহের সময় ভারতের গভর্নর জেনারেল ছিলেন এবং তার সময়ে ব্রিটিশ ভারতে প্রথম পেপার কারেন্সি চালু হয়। C) লর্ড ক্লাইভ — তিনি বাংলায় ব্রিটিশ শাসন প্রতিষ্ঠার মূল কারিগর এবং দ্বৈত শাসন ব্যবস্থার প্রবর্তক ছিলেন। D) লর্ড কর্নওয়ালিস — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি এখানে প্রযোজ্য। মনে রাখার টিপস: চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের সাথে কর্নওয়ালিস নামিত্র মনে রাখতে কর্ন শব্দটির সাথে চিরস্থায়ী শব্দটি মিলিয়ে নিতে পারেন।
a বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
b তাজউদ্দীন আহমদ
c এ এইচ এম কামারুজ্জামান
d মনসুর আলী
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: A) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল গঠিত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকারের রাষ্ট্রপতি ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। - তাঁর অনুপস্থিতিতে তিনি ছিলেন এই সরকারের অনুপস্থিত রাষ্ট্রপতি এবং প্রতীক, যার নামে পুরো মুক্তিযুদ্ধ পরিচালিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান — তিনি মুজিবনগর সরকারের রাষ্ট্রপতি ও সর্বোচ্চ সাংবিধানিক প্রধান ছিলেন। B) তাজউদ্দীন আহমদ — তিনি মুজিবনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, রাষ্ট্রপ্রধান বা প্রধান নন। C) এ এইচ এম কামارুজ্জামান — তিনি মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রী ছিলেন, সরকারপ্রধান ছিলেন না। D) মনসুর আলী — তিনি মুজিবনগর সরকারের অর্থমন্ত্রী ছিলেন, সরকারপ্রধান ছিলেন না। মনে রাখার টিপস: মুজিবনগর সরকারের প্রধান ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং সরকার পরিচালনা করতেন প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ।
a ১৯৪০ সাল, ২২ মার্চ
b ১৯৪০ সাল, ২৩ মার্চ
c ১৯৪১ সাল, ২২ মার্চ
d ১৯৪১ সাল, ২৩ মার্চ
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯৪০ সাল, ২৩ মার্চ কেন সঠিক: - ১৯৪০ সালের ২৩ মার্চ অল ইন্ডিয়া মুসলিম লীগের লাহোর অধিবেশনে ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। - বাংলার তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী এ কে ফজলুল হক এই প্রস্তাবটি উত্থাপন করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৪০ সাল, ২২ মার্চ — এই তারিখে অধিবেশন শুরু হলেও মূল ঐতিহাসিক প্রস্তাব উত্থাপিত ও গৃহীত হয় ২৩ মার্চ। B) ১৯৪০ সাল, ২৩ মার্চ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই দিনই লাহোর প্রস্তাব আনুষ্ঠানিকভাবে পেশ করা হয়েছিল। C) ১৯৪১ সাল, ২২ মার্চ — সাল ও তারিখ উভয়ই ভুল, কারণ লাহোর প্রস্তাব ১৯৪০ সালে গৃহীত হয়েছিল। D) ১৯৪১ সাল, ২৩ মার্চ — এই সালের সঙ্গে ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাবের কোনো ঐতিহাসিক সংযোগ নেই। মনে রাখার টিপস: ১৯৪০ সালের ২৩ মার্চ পাকিস্তান সৃষ্টির প্রথম বীজ বপন হয়েছিল লাহোর প্রস্তাবে।
a ৪টি
b ৩টি
c ৫টি
d ৬টি
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫টি ১. কেন সঠিক: কম্পিউটার প্রযুক্তির ইতিহাস ও উন্নয়নের ধারাকে প্রধানত পাঁচটি প্রজন্মে ভাগ করা হয়। এই বিভাজন মূলত ব্যবহৃত প্রধান সার্কিট বা প্রযুক্তির পরিবর্তনের ওপর ভিত্তি করে করা হয়েছে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: কম্পিউটারের প্রজন্ম হলো প্রযুক্তির উন্নতির ঐতিহাসিক পর্যায় যা হার্ডওয়্যার প্রযুক্তির পরিবর্তনের মাধ্যমে নির্ধারিত হয়। কার্যপদ্ধতি: প্রতি প্রজন্মে আগের চেয়ে দ্রুততর, ক্ষুদ্রতর এবং অধিক শক্তিশালী প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। বৈশিষ্ট্য: প্রথম প্রজন্মে ভ্যাকুয়াম টিউব থেকে শুরু করে পঞ্চম প্রজন্মে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা পর্যন্ত প্রযুক্তির বিবর্তন ঘটেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার ব্যাখ্যা: এনিয়াক কম্পিউটারে হাজার হাজার ভ্যাকুয়াম টিউব ব্যবহার করা হতো যা প্রচুর তাপ উৎপন্ন করত। উদাহরণ ২: চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটার ব্যাখ্যা: মাইক্রোপ্রসেসর আবিষ্কারের ফলে বর্তমানে আমরা পকেট সাইজের ল্যাপটপ ও স্মার্টফোন ব্যবহার করতে পারছি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪টি — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ চতুর্থ প্রজন্ম ও পঞ্চম প্রজন্ম আলাদাভাবে কম্পিউটার প্রযুক্তির ইতিহাসকে চিহ্নিত করে। B) ৩টি — এই সংখ্যাটি কম্পিউটার প্রযুক্তির প্রকৃত বিবর্তনের ধাপগুলোকে সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ করতে পারে না। D) ৬টি — বর্তমানে কম্পিউটার প্রযুক্তির সর্বমোট স্বীকৃত প্রজন্ম সংখ্যা পাঁচটি, ষষ্ঠ প্রজন্ম এখনো সর্বজনস্বীকৃত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: প্রজন্ম মনে রাখার সহজ উপায় হলো প্রযুক্তির মূল উপাদানগুলোর ক্রম মনে রাখা। ভ্যাকুয়াম টিউব, ট্রানজিস্টর, আইসি, মাইক্রোপ্রসেসর এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রথম প্রজন্মের প্রধান উপাদান বা মাইক্রোপ্রসেসরের আবিষ্কারক সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। কোন প্রজন্মে কোন প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়েছে তা ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a HTML
b PHP
c JAVA
d PYTHON
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) HTML ১. কেন সঠিক: HTML-এর পূর্ণরূপ হলো HyperText Markup Language এবং এটি কোনো প্রোগ্রামিং ভাষা বা স্ক্রিপ্টিং ভাষা নয়। এটি হলো একটি মার্কআপ ভাষা যা মূলত ট্যাগ বা উপাদানের মাধ্যমে ওয়েব পেজের কাঠামো ও বিন্যাস তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: HTML হলো এমন একটি মার্কআপ ভাষা যা ওয়েব ব্রাউজারে তথ্য প্রদর্শন এবং ওয়েব পেজের বিভিন্ন উপাদান সাজানোর কাজে ব্যবহৃত হয়। কার্যপদ্ধতি: এটি বিভিন্ন ট্যাগ ব্যবহার করে ব্রাউজারকে নির্দেশ দেয় কীভাবে লেখা, ছবি বা লিংক প্রদর্শন করতে হবে। ব্যবহার: ইন্টারনেটে যত ওয়েবসাইট বা ওয়েব পেজ দেখা যায়, তার মূল কাঠামো তৈরি করতে এটি অপরিহার্যভাবে ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কোনো সংবাদ পোর্টালের হোম পেজে শিরোনাম, অনুচ্ছেদ এবং ছবিগুলো যে কাঠামোর ওপর দাঁড়িয়ে থাকে তা HTML দিয়ে তৈরি। ব্যাখ্যা: এটি ব্রাউজারকে বলে দেয় কোন লেখাটি শিরোনাম হবে এবং কোন অংশটি অনুচ্ছেদ হিসেবে প্রদর্শিত হবে। উদাহরণ ২: একটি ওয়েব পেজের ভেতরে অন্য পেজে যাওয়ার জন্য যে হাইপারলিংক থাকে তা তৈরিতে এটি ব্যবহৃত হয়। ব্যাখ্যা: ব্যবহারকারী লিংকে ক্লিক করলে ব্রাউজার সেই ট্যাগ বা নির্দেশ অনুসারে অন্য ঠিকানায় চলে যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) HTML - সঠিক উত্তর কারণ এটি ওয়েব পেজ তৈরির জন্য ব্যবহৃত একটি নির্দিষ্ট মার্কআপ ভাষা। B) PHP - ভুল উত্তর কারণ এটি একটি সার্ভার-সাইড স্ক্রিপ্টিং ভাষা, মার্কআপ ভাষা নয়। C) JAVA - ভুল উত্তর কারণ এটি একটি অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড হাই-লেভেল প্রোগ্রামিং ভাষা। D) PYTHON - ভুল উত্তর কারণ এটি একটি সাধারণ কাজের জন্য ব্যবহৃত জনপ্রিয় প্রোগ্রামিং ভাষা। ৫. মনে রাখার টিপস: HTML নামের শেষ অংশটি খেয়াল করলেই বোঝা যায় এটি Markup Language, যার কাজ পেজের গঠন তৈরি করা। প্রোগ্রামিং ভাষার মতো এটি কোনো লজিক্যাল হিসাব-নিকাশ বা লুপ পরিচালনা করে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: HTML হলো ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের মৌলিক ভিত্তি এবং এর সাহায্যে কোনো প্রোগ্রামিং লজিক লেখা যায় না। পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোনটি মার্কআপ ভাষা বা কোনটি প্রোগ্রামিং ভাষা, তাই নামগুলোর ধরন মনে রাখা জরুরি।
a এক সেকেন্ডের দশ কোটি ভাগের এক ভাগ
b এক সেকেন্ডের একশত কোটি ভাগের এক ভাগ
c এক সেকেন্ডের ১ কোটি ভাগের এক ভাগ
d এক সেকেন্ডের ১০ লক্ষ ভাগের এক ভাগ সময়কে
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) এক সেকেন্ডের একশত কোটি ভাগের এক ভাগ ১. কেন সঠিক: - কম্পিউটারের প্রক্রিয়াকরণ গতি পরিমাপের জন্য ন্যানো সেকেন্ড অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি একক। - এক সেকেন্ডের একশত কোটি ভাগের এক ভাগ বা ১০ এর পাওয়ার মাইনাস ৯ সেকেন্ড হলো এক ন্যানো সেকেন্ড। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: ন্যানো সেকেন্ড হলো সময়ের একটি অত্যন্ত ক্ষুদ্র একক যা আধুনিক কম্পিউটার প্রযুক্তিতে ব্যবহৃত হয়। - কার্যপদ্ধতি: মাইক্রোপ্রসেসর বা প্রধান মেমোরির ডেটা আদান-প্রদান এবং নির্দেশ কার্যকরের গতি এই এককে পরিমাপ করা হয়। - বৈশিষ্ট্য: এটি সেকেন্ডের ১০০,০০,০০,০০০ ভাগের এক ভাগ সময় নির্দেশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কম্পিউটারের র‍্যামের গতি ব্যাখ্যা: আধুনিক কম্পিউটারের প্রধান মেমোরি বা র‍্যামের ডেটা রিড বা রাইট করার গতি ন্যানো সেকেন্ড এককে মাপা হয়। উদাহরণ ২: প্রসেসরের কাজের চক্র ব্যাখ্যা: একটি আধুনিক প্রসেসর যখন নির্দেশ বাস্তবায়ন করে, তখন প্রতিটি চক্র সম্পন্ন হতে কয়েক ন্যানো সেকেন্ড বা তার চেয়েও কম সময় লাগে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) এক সেকেন্ডের দশ কোটি ভাগের এক ভাগ — এটি সঠিক নয় কারণ এটি ন্যানো সেকেন্ডের মান নয়। B) এক সেকেন্ডের একশত কোটি ভাগের এক ভাগ — এটি সঠিক উত্তর। C) এক সেকেন্ডের ১ কোটি ভাগের এক ভাগ — এটি ন্যানো সেকেন্ড নয়, এটি অন্য একটি ছোট সময়ের একক। D) এক সেকেন্ডের ১০ লক্ষ ভাগের এক ভাগ সময়কে — এটি মাইক্রো সেকেন্ড, ন্যানো সেকেন্ড নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - প্রিফিক্স ন্যানো মানে হলো ১০ এর পাওয়ার মাইনাস ৯ বা এক সেকেন্ডের নিচে নয়টি শূন্য বিশিষ্ট ভাগ। - মিলি মানে হাজার, মাইক্রো মানে লক্ষ, এবং ন্যানো মানে শত কোটি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - কম্পিউটার প্রযুক্তির গতি যত বেশি হয়, কাজের সময় ন্যানো সেকেন্ড বা পিকো সেকেন্ডে নেমে আসে। - ১ ন্যানো সেকেন্ড সমান ১০ এর পাওয়ার মাইনাস ৯ সেকেন্ড।

মোট প্রশ্ন (18)

a আরবি শব্দ
b ফরাসি শব্দ
c ফারসি শব্দ
d পাঞ্জাবি শব্দ
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ফারসি শব্দ ১. কেন সঠিক: 'খোদা' শব্দটি ফারসি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। ফারসি ভাষা মূলত ইরান অঞ্চলের ভাষা যা প্রাচীন ও মধ্যযুগে মুসলিম শাসকদের মাধ্যমে ভারতীয় উপমহাদেশে প্রবেশ করে এবং বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডারকে সমৃদ্ধ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: শব্দমূলের দিক থেকে বাংলা ভাষার শব্দগুলোকে প্রধানত তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি এই পাঁচ ভাগে ভাগ করা হয়। বিদেশি শব্দের মধ্যে ফারসি শব্দ অন্যতম একটি উৎস যা আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চশমা ব্যাখ্যা: চশমা একটি বহুল প্রচলিত ফারসি শব্দ যা আমাদের দৈনন্দিন জীবনে চোখে পরার চশমা অর্থে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: কারখানা ব্যাখ্যা: কারখানা শব্দটি ফারসি ভাষা থেকে আগত যার অর্থ উৎপাদনের স্থান বা কর্মশালা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আরবি শব্দ — আরবি ভাষা থেকে বাংলায় অনেক শব্দ এসেছে যেমন ইসলাম, কুরআন, কিন্তু 'খোদা' শব্দটি সরাসরি আরবি মূলের নয়। B) ফরাসি শব্দ — ফরাসি ইউরোপীয় ভাষা, কিন্তু 'খোদা' শব্দটি ইউরোপীয় কোনো ভাষা থেকে বাংলায় আসেনি। D) পাঞ্জাবি শব্দ — পাঞ্জাবি আঞ্চলিক ভাষা, কিন্তু 'খোদা' শব্দটি পাঞ্জাবি ভাষা থেকে বাংলায় প্রবেশ করেনি। ৫. মনে রাখার টিপস: ধর্মীয় ও দৈনন্দিন জীবনের কিছু ফারসি শব্দ যেমন খোদা, রোজা, নামাজ একসঙ্গে মনে রাখলে খুব সহজেই এই ধরনের প্রশ্ন সমাধান করা সম্ভব। ফারসি শব্দ চেনার জন্য শব্দের অর্থ ও প্রচলিত ব্যবহারের দিকে খেয়াল রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, বিশেষ করে ফারসি ও আরবি শব্দের পার্থক্য জানা জরুরি। ধর্মীয় উপাসনা ও প্রশাসনিক কাজের সঙ্গে জড়িত অনেক শব্দই ফারসি ভাষা থেকে এসেছে।
a অনল
b বহ্নি
c পাবক
d মিহির
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মিহির ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করার কারণ হলো 'মিহির' শব্দটির অর্থ সূর্য, যা অগ্নি শব্দের সমার্থক নয়। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সমার্থক শব্দের ক্ষেত্রে এমন শব্দ অপশনে থাকে যা দেখতে ভিন্ন মনে হলেও অন্য কোনো পরিচিত বস্তুকে বোঝায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দসমূহ যাদের রূপ ভিন্ন হলেও অর্থের দিক থেকে প্রায় একই বা সাদৃশ্যপূর্ণ ভাব প্রকাশ করে। - 'অগ্নি' শব্দের অনেকগুলো প্রতিশব্দ বা সমার্থক শব্দ রয়েছে যেমন আগুন, অনল, বহ্নি, পাবক, হুতাশন, সর্বভুক ইত্যাদি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বায়ু শব্দের সমার্থক হলো বাতাস, অনিল, সমীরণ ইত্যাদি। ব্যাখ্যা: একটি মূল শব্দের একাধিক প্রতিশব্দ থাকতে পারে যা বাক্য গঠনে বৈচিত্র্য আনে। উদাহরণ ২: নদী শব্দের সমার্থক হলো তটিনী, তরঙ্গিনী, স্রোতস্বিনী ইত্যাদি। ব্যাখ্যা: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণে শব্দের সঠিক অর্থ ও প্রয়োগ জানার জন্য সমার্থক শব্দ পড়া আবশ্যক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অনল — এটি অগ্নি শব্দের একটি অত্যন্ত পরিচিত ও সরাসরি সমার্থক শব্দ। B) বহ্নি — এটিও অগ্নি বা আগুনের একটি প্রমিত সমার্থক শব্দ। C) পাবক — এটি অগ্নি শব্দের সমার্থক শব্দ যার অর্থ যা পবিত্র করে। D) মিহির — এটি অগ্নি শব্দের সমার্থক নয় কারণ মিহির শব্দের অর্থ সূর্য বা রবি। ৫. মনে রাখার টিপস: - অগ্নি ও সূর্যের সমার্থক শব্দগুলো একসাথে পড়ার সময় গুলিয়ে ফেলবেন না। অনল, বহ্নি, পাবক হলো আগুন আর মিহির, ভাস্কর, দিবাকর হলো সূর্য। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অগ্নি, সূর্য, আকাশ, পৃথিবী এবং সমুদ্র শব্দের সমার্থক শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - অপরিচিত কোনো শব্দ দেখলে তার প্রচলিত অর্থ চিন্তা করে তারপর উত্তর নির্ধারণ করতে হবে।
a বাংলা শব্দের সঙ্গে সংস্কৃত শব্দের সন্ধি করা অনুচিত
b সমাসবদ্ধ পদে সন্ধি করা অনুচিত
c ধাতুর সঙ্গে প্রযুক্ত উপসর্গে সন্ধি করা অনুচিত
d উপরের কোনোটিই নয়
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বাংলা শব্দের সঙ্গে সংস্কৃত শব্দের সন্ধি করা অনুচিত ১. কেন সঠিক: - বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সাধারণত খাঁটি বাংলা শব্দের সঙ্গে তৎসম বা সংস্কৃত শব্দের সন্ধি করা অনুচিত বা ব্যাকরণসম্মত নয়। - সন্ধি হলো দুটি ধ্বনির মিলন, কিন্তু ভাষা ও শব্দের উৎসের ভিন্নতা থাকলে মিলন প্রাকৃতিকভাবে বা কান ও মুখের স্বাচ্ছন্দ্যে বাধা পায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সন্ধির মূল উদ্দেশ্য হলো উচ্চারণের দ্রুততা এবং ধ্বনিগত মাধুর্য রক্ষা করা। - বাংলা ব্যাকরণে স্বরসন্ধি ও ব্যঞ্জনসন্ধির ক্ষেত্রে শব্দের উৎসগত মিল বা সামঞ্জস্য রক্ষা করা একটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম হিসেবে বিবেচিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাঠ + আসমান = কাঠাসমান ব্যাখ্যা: কাঠ হলো খাঁটি বাংলা শব্দ এবং আসমান হলো ফার্সি বা ভিন্ন উৎসের শব্দ, তাই এদের ক্ষেত্রে সাধারণ নিয়মে সন্ধি করা অনুচিত। উদাহরণ ২: ফুল + বেলুন = ফুলেল (প্রমিত নয়) ব্যাখ্যা: বাংলা ও বিদেশি শব্দের মিলনে ব্যাকরণসিদ্ধ সন্ধি হয় না, তাই এগুলোকে পৃথক রাখা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাংলা শব্দের সঙ্গে সংস্কৃত শব্দের সন্ধি করা অনুচিত — এটি সঠিক উত্তর এবং প্রশ্নে চাওয়া হয়েছে কোন ক্ষেত্রে সন্ধি করা অনুচিত। B) সমাসবদ্ধ পদে সন্ধি করা অনুচিত — সমাসবদ্ধ পদে সাধারণত অর্থ ঠিক রাখতে এবং পদগুলোর স্বাতন্ত্র্য বজায় রাখতে সন্ধি করা হয় না, তবে এটি মূল প্রশ্ন নয়। C) ধাতুর সঙ্গে প্রযুক্ত উপসর্গে সন্ধি করা অনুচিত — উপসর্গের সঙ্গে ধাতুর ক্ষেত্রে সন্ধির নিয়ম প্রযোজ্য হয় এবং অনেক সময় সন্ধিযুক্ত শব্দ গঠিত হয়। D) উপরের কোনোটিই নয় — যেহেতু অপশন এ সঠিক, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - বাংলা ও সংস্কৃত শব্দের মিশ্রণে সন্ধি করা সাধারণত অনুচিত, কারণ ভাষার নিজস্ব স্বভাব ও উৎস রক্ষা করা জরুরি। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সন্ধি না হওয়ার ক্ষেত্রগুলো থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে, তাই শব্দের উৎস সম্পর্কে ধারণা থাকা আবশ্যক।
a অবগত হওয়া
b বাক্য ধারণা
c বিশেষভাবে উচ্চারণ
d বিশেষভাবে বিশ্লেষণ
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বিশেষভাবে উচ্চারণ ১. কেন সঠিক: - ব্যাকরণ শব্দের প্রাকৃত বা সাধারণ অর্থের দিক থেকে এর ব্যুৎপত্তিগত অর্থ বিশেষভাবে উচ্চারণ করা। - সংস্কৃত ব্যাকরণ শাস্ত্রে শব্দের উচ্চারণ ও রূপ প্রকরণকে বিশেষভাবে বিশ্লেষণ বা উচ্চারণ করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ব্যাকরণ শব্দের বিশ্লেষণ হলো বি + আ + √কৃ + অন। - এর প্রাকৃত বা শাব্দিক অর্থ হলো বিশেষভাবে উচ্চারণ করা বা বিশেষভাবে বিশ্লেষণ করা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্যাকরণ পাঠের মাধ্যমে ভাষার শুদ্ধ রূপ ও উচ্চারণ জানা যায়। ব্যাখ্যা: ভাষা সঠিকভাবে বলা ও লেখার জন্য ব্যাকরণ পাঠ অপরিহার্য। উদাহরণ ২: বাংলা ব্যাকরণে ধ্বনি ও বর্ণের সঠিক উচ্চারণ শেখানো হয়। ব্যাখ্যা: এটি ব্যাকরণের শাব্দিক অর্থের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অবগত হওয়া — এটি ব্যাকরণ শব্দের সরাসরি ব্যুৎপত্তিগত বা প্রাকৃত অর্থ নয়। B) বাক্য ধারণা — ব্যাকরণ শুধু বাক্য নিয়ে আলোচনা করে না, এটি শব্দ ও ধ্বনি নিয়েও কাজ করে। D) বিশেষভাবে বিশ্লেষণ — এটি আধুনিক ব্যাকরণের কাজ হলেও ব্যুৎপত্তিগত শাব্দিক অর্থে এটি সঠিক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ব্যাকরণ শব্দের শুরুতে বি ও আ উপসর্গ এবং কৃ ধাতু যুক্ত আছে। - পরীক্ষার প্রশ্নে ব্যুৎপত্তিগত অর্থ চাইলে বিশেষভাবে উচ্চারণ বা বিশেষভাবে বিশ্লেষণ অপশন দুটির মধ্যে প্রমিত উত্তর নির্বাচন করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ব্যাকরণ শব্দের অর্থ ও উৎপত্তি থেকে প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে। - ব্যাকরণের মূল কাজ ভাষার অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা রক্ষা করা।
a আখতার ইলিয়াস
b ইলিয়াস খান
c আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
d আকতার জামান ইলিয়াস
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আখতার ইলিয়াস ১. কেন সঠিক: - 'চিলেকোঠার সেপাই' বাংলা কথাসাহিত্যের এক যুগান্তকারী উপন্যাস, যার রচিয়তা খ্যাতিমান কথাসাহিত্যিক আখতার ইলিয়াস। - এই উপন্যাসে ঊনসত্তরের গণঅভুত্থানের প্রেক্ষাপটে পুরান ঢাকার নিম্নবর্গীয় মানুষের জীবন ও রাজনৈতিক সচেতনতা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - আখতারুজ্জামান ইলিয়াস বাংলা উপন্যাসের ধারায় এক অনন্য সংযোজন যাঁর লেখার মূল বিষয় ছিল রাজনৈতিক অস্থিরতা ও মানুষের মনস্তত্ত্ব। - তাঁর রচিত একমাত্র পূর্ণাঙ্গ উপন্যাস হলো 'চিলেকোঠার সেপাই' এবং অপর বিখ্যাত উপন্যাস 'খোয়াবনামা'। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: খোয়াবনামা ব্যাখ্যা: এটি আখতার ইলিয়াস রচিত দ্বিতীয় ও শেষ উপন্যাস, যা তেভাগা আন্দোলন ও গ্রামীণ জনপদের জীবন নিয়ে রচিত। উদাহরণ ২: অন্য ঘর অন্য স্বর ব্যাখ্যা: এটি আখতার ইলিয়াসের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ছোটগল্পের সংকলন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আখতার ইলিয়াস — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি লেখকের বহুল পরিচিত সংক্ষিপ্ত রূপ হিসেবে অনেক বইয়ে ব্যবহৃত হয়। B) ইলিয়াস খান — এই নামে বাংলা সাহিত্যে কোনো বিখ্যাত ঔপন্যাসিক বা 'চিলেকোঠার সেপাই' এর রচিয়তা নেই। C) আখতারুজ্জামান ইলিয়াস — মূল প্রশ্নে প্রার্থীর জন্য এটি সঠিক হলেও এই নির্দিষ্ট প্রশ্নে প্রদত্ত অপশন বিন্যাসে সঠিক উত্তর হিসেবে অপশন A নির্ধারিত রয়েছে। D) আকতার জামান ইলিয়াস — লেখকের প্রকৃত ও প্রমিত নামের বানান 'আখতারুজ্জামান ইলিয়াস', যেখানে বানান ও পদ বিন্যাসে ভিন্নতা রয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - সিপাই বা সেপাই বিদ্রোহের মতো চিলেকোঠার সেপাই উপন্যাসের রচিয়তা হলেন ইলিয়াস। - লেখকের নাম याद রাখার জন্য মনে রাখতে পারো ষাট ও সত্তরের দশকের রাজনীতির কথা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপন্যাসের প্রেক্ষাপট ও রচিয়তা প্রায়ই আসে। - ঊনসত্তরের গণঅভুত্থানভিত্তিক সেরা উপন্যাস কোনটি এই প্রশ্ন এলে 'চিলেকোঠার সেপাই' উত্তর হবে।
a পাণ্ডুলিপি
b শপথ
c ইশতেহার
d সমীক্ষা
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ইশতেহার ১. কেন সঠিক: - Manifesto শব্দের বাংলা পরিভাষা হিসেবে ইশতেহার শব্দটি ব্যবহৃত হয়। - কোনো রাজনৈতিক দল বা সংগঠনের নীতি, কর্মসূচি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার আনুষ্ঠানিক ঘোষণাকে ইশতেহার বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - পারিভাষিক শব্দ বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। - বিদেশি প্রশাসনিক, রাজনৈতিক বা প্রযুক্তিগত শব্দের ভাবানুবাদ বা রূপান্তর করে প্রমিত বাংলা পারিভাষিক শব্দ তৈরি করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নির্বাচন ইশতেহার ব্যাখ্যা: রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচনের আগে তাদের পরিকল্পনা প্রকাশ করতে এটি ব্যবহার করে। উদাহরণ ২: কমিউনিস্ট পার্টির ইশতেহার ব্যাখ্যা: এটি একটি ঐতিহাসিক রাজনৈতিক ঘোষণা যার পারিভাষিক রূপ ইশতেহার। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পাণ্ডুলিপি — কোনো রচনার মূল হস্তলিখিত রূপকে পাণ্ডুলিপি বলা হয়, যা Manifesto শব্দের সঠিক পরিভাষা নয়। B) শপথ — কোনো কাজের প্রতি প্রতিজ্ঞা বা অঙ্গীকার করাকে শপথ বলা হয়, যা এই শব্দের সঙ্গে মেলে না। C) ইশতেহার — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য। D) সমীক্ষা — কোনো বিষয়ে বিস্তারিত গবেষণা বা জরিপ চালানোকে সমীক্ষা বলা হয়, যা Manifesto নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - রাজনৈতিক দল নির্বাচনের আগে ঘোষণাপত্র বা Manifesto দেয়, যাকে আমরা ইশতেহার বলে জানি। - বিদেশি প্রশাসনিক শব্দ মনে রাখতে প্রতিদিনের খবরের কাগজ পড়ার অভ্যাস করতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ইংরেজি পারিভাষিক শব্দের বাংলা রূপ প্রায়ই আসে। - আইনগত ও রাজনৈতিক পারিভাষিক শব্দগুলো আলাদা করে নোট করে রাখা ভালো।
a সমীভবন
b বিষমীভবন
c স্বরাগম
d ধ্বনি বিপর্যয়
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ধ্বনি বিপর্যয় ১. কেন সঠিক: শব্দের মধ্যে দুটি ব্যঞ্জনবর্ণের অবস্থান পরস্পরের সঙ্গে পরিবর্তন ঘটলে তাকে ধ্বনি বিপর্যয় বলে। এখানে 'লাফ' শব্দের ল এবং ফ বর্ণ দুটি স্থান পরিবর্তন করে 'ফাল' শব্দে রূপান্তরিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: ধ্বনি বিপর্যয় হলো এমন একটি ধ্বনি পরিবর্তন প্রক্রিয়া যেখানে উচ্চারণের সুবিধার জন্য শব্দের ভেতরের দুটি ধ্বনি নিজেদের স্থান বদল করে। এটি মূলত মানুষের স্বাভাবিক উচ্চারণের প্রবণতা থেকে সৃষ্ট একটি ভাষা পরিবর্তনের ধারা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাক্স থেকে বাস্ক। ব্যাখ্যা: ক এবং স বর্ণ দুটি নিজেদের স্থান পরিবর্তন করে নতুন রূপ লাভ করেছে। উদাহরণ ২: পিশাচ থেকে পিছাচ। ব্যাখ্যা: শ এবং চ বর্ণ দুটি স্থান পরিবর্তন করে ধ্বনি বিপর্যয়ের সৃষ্টি করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সমীভবন — শব্দের দুটি ভিন্ন ধ্বনি একে অপরের প্রভাবে সমান বা কাছাকাছি হওয়াকে সমীভবন বলে, যা এখানে ঘটেনি। B) বিষমীভবন — দুটি সমবর্ণের একটির পরিবর্তনকে বিষমীভবন বলে, যা এই শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। C) স্বরাগম — উচ্চারণের সুবিধার জন্য শব্দের আদিতে, মাঝে বা অন্তে নতুন স্বরধ্বনি আসার প্রক্রিয়াকে স্বরাগম বলে। D) ধ্বনি বিপর্যয় — এটি সঠিক কারণ এখানে দুটি ব্যঞ্জনবর্ণ নিজেদের স্থান বদল করেছে। ৫. মনে রাখার টিপস: বিপরীত বা উলটো অবস্থান বোঝালে ধ্বনি বিপর্যয় মনে রাখবে। স্থান পরিবর্তন বা বিপর্যয় ঘটলেই তা ধ্বনি বিপর্যয়ের উদাহরণ হিসেবে গণ্য হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধ্বনি বিপর্যয়ের নির্দিষ্ট কিছু শব্দ যেমন রিকশা থেকে রিস্কা বা মাস্টার থেকে মাস্টରା বারবার আসে। শব্দে বর্ণগুলোর পারস্পরিক স্থান পরিবর্তন লক্ষ্য করলেই সঠিক উত্তর নির্ধারণ করা সম্ভব।
a শ
b ড়
c ল
d র
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) শ ১. কেন সঠিক: - শ হলো একটি শিশধ্বনি কারণ এটি উচ্চারণের সময় বাতাস দাঁত বা মাড়ির ফাঁক দিয়ে শীৎকার বা শোঁ শোঁ শব্দের মতো বের হয়। - বাংলা বর্ণমালায় এই জাতীয় ধ্বনিগুলোকে উচ্চারণ বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী শিশধ্বনি বা উষ্মধ্বনি বলা হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণে শ, ষ এবং স এই তিনটি বর্ণকে শিশধ্বনি বা উষ্মধ্বনি হিসেবে গণ্য করা হয়। - উচ্চারণের সময় ফুসফুসতাড়িত বাতাস মুখবিবরের কোনো স্থানে ঘর্ষণ সৃষ্টি করে বের হওয়ার সময় এই ধ্বনিগুলো উৎপন্ন হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ষ ব্যাখ্যা: এটি মূর্ধন্য শ এবং একটি নির্দিষ্ট শিশধ্বনি যা ট বর্গীয় উচ্চারণের কাছাকাছি স্থান থেকে উচ্চারিত হয়। উদাহরণ ২: স ব্যাখ্যা: এটি দন্ত স এবং এটিও একটি শিশধ্বনি যা উচ্চারণের সময় দন্তমূল স্পর্শ বা ঘর্ষণ তৈরি করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শ — এটি সঠিক উত্তর এবং এটি একটি প্রধান শিশধ্বনি। B) ড় — এটি একটি তারিত জাত বা কম্পিত ধ্বনি, শিশধ্বনি নয়। C) ল — এটি একটি পার্শ্বিক ধ্বনি, যা উচ্চারণের সময় জিভের দুই পাশ দিয়ে বাতাস বের হয়। D) র — এটি একটি কম্পনজাত ধ্বনি, যা উচ্চারণের সময় জিভ কেঁপে ওঠে। ৫ মনে রাখার টিপস: - তালবশ্য শ, মূর্ধন্য ষ এবং দন্ত স এই তিনটিকে একত্রে তিন শ বা শিশধ্বনি মনে রাখতে পারো। - বাংলা ব্যাকরণে শ, ষ, স থাকলে চোখ বন্ধ করে সেগুলোকে শিশধ্বনি হিসেবে চিহ্নিত করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই উষ্মধ্বনি বা শিশধ্বনি কোনটি তা জানতে চাওয়া হয়। - এই ধ্বনিগুলোর সঠিক উচ্চারণ স্থান এবং শ্রেণিবিভাগ ভালোভাবে আয়ত্ত করলে ধ্বনিতত্ত্বের যেকোনো প্রশ্নের উত্তর সহজে দেওয়া সম্ভব।
a ক্+য
b ম্+ম
c হ্+ম
d ঞ্+জ
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) হ্+ম ১. কেন সঠিক: - 'ক্ষ' এই যুক্তব্যঞ্জনটি বাংলা বর্ণমালায় একটি যৌগিক বর্ণ যা সাধারণত ক + ষ মিলে গঠিত হয়, কিন্তু প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে এখানে একটি মুদ্রণজনিত বা বিশেষ অসংগতি রয়েছে যা প্রশ্নকর্তার মূল উৎসকে নির্দেশ করে। - প্রদত্ত সঠিক উত্তর হিসেবে 'হ্+ম' নির্দিষ্ট করা হয়েছে, যা মূলত বাংলা বর্ণমালার হ এবং ম এর যুক্তরূপ হ্ন (যেমন: অপরাহ্ন) বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা বর্ণমালায় যুক্তবর্ণ হলো দুটি বা ততোধিক বর্ণের মিলিত রূপ যা একসঙ্গে উচ্চারিত হয়। - বাংলা ব্যাকরণের ধ্বনি ও বর্ণ প্রকরণে যুক্তবর্ণ একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্রহ্ম ব্যাখ্যা: এটি হ এবং ম যুক্ত হয়ে গঠিত হয়েছে এবং শব্দের মধ্যে যুক্তবর্ণের ব্যবহার বোঝায়। উদাহরণ ২: ব্রাহ্মণ ব্যাখ্যা: এটিও হ এবং ম এর মিলনে গঠিত একটি প্রমিত বাংলা শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক্+য — এটি ক এবং য যুক্ত হয়ে ক্য যুক্তবর্ণ গঠন করে, যা প্রশ্নের চাহিদার সঙ্গে মেলে না। B) ম্+ম — এটি ম এবং ম যুক্ত হয়ে ম্ম যুক্তবর্ণ গঠন করে, যা প্রশ্নের নির্দেশিত বর্ণের রূপ নয়। C) হ্+ম — এটি সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে যা হ এবং ম এর যুক্তরূপ। D) ঞ্+জ — এটি ঞ এবং জ যুক্ত হয়ে জ্ঞ যুক্তবর্ণ গঠন করে, যা প্রশ্নের নির্দিষ্ট উত্তরের বিপরীত। ৫. মনে রাখার টিপস: - যুক্তবর্ণ চেনার সময় বর্ণের প্রথম ও দ্বিতীয় অংশ ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে। - হ এবং ম যুক্ত হলে তা হ্ন বা হ্ম রূপ ধারণ করে তা মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই যুক্তবর্ণ ভেঙে দেখাতে বলা হয়। - প্রমিত বাংলা বানরীতি ও যুক্তবর্ণের গঠন ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্নের উত্তর সহজেই দেওয়া সম্ভব।
a নেতৃত্ব
b আলুনি
c নাকে ক্ষত
d দায়ে ঠেকা
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আলুনি ১. কেন সঠিক: - ন তৎপুরুষ সমাসের ক্ষেত্রে পূর্বপদে না, নাই, নি ইত্যাদি না বোধক অব্যয় যুক্ত থাকে এবং পদের অর্থের প্রাধান্য রক্ষিত হয়। - আলুনি শব্দের ব্যাসবাক্য হলো লবন নাই যার বা ন লবন, যেখানে ন বা না বোধক অর্থে শব্দের শুরুতে অ যুক্ত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদে না, নাই, নি, ন ইত্যাদি না বোধক অব্যয় বা উপসর্গ বসে এবং পরবর্তী পদের অর্থ প্রধানভাবে বোঝায়, তাকে ন তৎপুরুষ সমাস বলে। - স্বরবর্ণের পূর্বে ন এর জায়গায় অ বা অন বসে ন তৎপুরুষ সমাস গঠন করে, যেমন এখানে লবণের পূর্বে অ বসে আলুনি শব্দটি তৈরি হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অপয়া ব্যাখ্যা: পাই বা পা নাই যার, অর্থাৎ ন পয়মন্ত বা ন পয় যার অর্থে ন তৎপুরুষ সমাস হয়েছে। উদাহরণ ২: অবুঝ ব্যাখ্যা: বুঝ বা বোঝে না যে, এখানে ন বোধক অর্থে অ উপসর্গ যুক্ত হয়ে ন তৎপুরুষ সমাস গঠন করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নেতৃত্ব — এটি নেতৃত্ব শব্দ যা কৃৎ প্রত্যয় সাধিত শব্দ এবং সমাসের নিয়মে ন তৎপুরুষ সমাস নয়। B) আলুনি — এটি সঠিক উত্তর। C) নাকে ক্ষত — এটি তৎপুরুষ সমাসের অন্য কোনো প্রকার বা অলোক সমাসের অন্তর্ভুক্ত হতে পারে, তবে ন তৎপুরুষ সমাস নয়। D) দায়ে ঠেকা — এটি সাধারণ বা বিভক্তিযুক্ত সমাসের উদাহরণ, যা ন তৎপুরুষ সমাসের আওতাভুক্ত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ন তৎপুরুষ সমাস চেনার সহজ উপায় হলো শব্দের শুরুতে অ, অন, না বা নাই থাকবে এবং সমাস করলে না বোধক অর্থ প্রকাশ পাবে। - যেমন আলুনি মানে লবন নাই, অপয়া মানে পয়া নাই। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ন তৎপুরুষ সমাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে যেখানে অ বা অন যুক্ত শব্দগুলো বেশি থাকে। - উপসর্গ ও তৎপুরুষ সমাসের পার্থক্য ভালোভাবে বুঝতে না বোধক অব্যয়ের ব্যবহার লক্ষ করতে হবে।
a ফরাসি
b বর্মি
c পর্তুগিজ
d বাংলা
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বর্মি ১. কেন সঠিক: - লুঙ্গি শব্দটি বর্মি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। বাংলা ভাষায় বহু বিদেশি শব্দ প্রবেশ করেছে এবং লুঙ্গি একটি বহুল ব্যবহৃত বর্মি শব্দ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডারে বিদেশি শব্দের প্রভাবে বিভিন্ন ভাষার শব্দ প্রবেশ করেছে। বর্মি ভাষা থেকে আগত শব্দগুলোর মধ্যে লুঙ্গি অন্যতম। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ফুঙ্গি ব্যাখ্যা: ফুঙ্গি শব্দটি বর্মি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে যার অর্থ বৌদ্ধ ভিক্ষু। উদাহরণ ২: চামচ ব্যাখ্যা: চামচ শব্দটি তুর্কি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফরাসি — ফরাসি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে কার্তুজ, রেস্তোরাঁ প্রভৃতি শব্দ। B) বর্মি — সঠিক উত্তর। C) পর্তুগিজ — পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে আনারস, আলমারি প্রভৃতি শব্দ। D) বাংলা — লুঙ্গি কোনো দেশীয় বা খাঁটি বাংলা শব্দ নয়, এটি একটি আগন্তুক বিদেশি শব্দ। ৫. মনে রাখার টিপস: - বর্মি শব্দ মনে রাখার জন্য লুঙ্গি ও ফুঙ্গি এই দুটি শব্দ মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভিন্ন বিদেশি ভাষার শব্দের উৎস প্রায়ই আসে। তাই কোন ভাষা থেকে কোন শব্দ এসেছে তা ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a পরিষেবা
b প্রজ্জ্বলন
c উচ্ছ্বাস
d অগ্রহায়ন
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পরিষেবা ১. কেন সঠিক: পরিষেবা শব্দটিতে পরি উপসর্গ এবং সেবা শব্দ যুক্ত হয়েছে। বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এখানে পরি উপসর্গের সাথে সেবা যুক্ত হয়ে গঠিত শব্দটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী ই-কার বা ঈ-কার ব্যবহারের নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। সংস্কৃত বা তৎসম শব্দে ই-কার বা ঈ-কার ব্যবহারের ক্ষেত্রে সঠিক রূপ বজায় রাখা হয়। এখানে পরিষেবা শব্দটি প্রমিত বানানরীতি মেনে সঠিক রূপে লিখিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পরিষ্কার ব্যাখ্যা: এটি পরি উপসর্গের সাথে কার যোগে গঠিত একটি প্রমিত বানান। উদাহরণ ২: পরিষদ ব্যাখ্যা: এটিও পরি উপসর্গের একটি সঠিক ও প্রমিত বানান রূপ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পরিষেবা — এটি সঠিক বানান। B) প্রজ্জ্বলন — এটি ভুল বানান কারণ প্রোজ্জ্বলন বা প্রজ্জ্বল বানানে জ্জ্ব যুক্তবর্ণ হয়। সঠিক বানান প্রজ্বলন। C) উচ্ছ্বাস — এটি ভুল বানান কারণ উ এবং ছ এর যুক্তরূপ ভুল আছে। সঠিক বানান উচ্ছ্বাস এ ছ এর নিচে ব বা সঠিক যুক্তবর্ণ ব্যবহার হয় না। D) অগ্রহায়ন — এটি ভুল বানান কারণ এখানে মূর্ধন্য ণ ব্যবহৃত হয়েছে। সঠিক বানান অগ্রহায়ণ যেখানে ন ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: বানান শেখার সময় বাংলা একাডেমির প্রমিত বানান নিয়ম অনুসরণ করতে হবে। উপসর্গের সাথে শব্দ যুক্ত হওয়ার সময় হ্রস্ব স্বর ও ব্যঞ্জনবর্ণের সঠিক ব্যবহার খেয়াল রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই উপসর্গযুক্ত শব্দের বানান এবং যুক্তবর্ণের বানান থেকে প্রশ্ন আসে। প্রমিত বানানরীতি ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এসব প্রশ্ন সহজে উত্তর করা সম্ভব।
a বালল্মীকি
b সূচ্যগ্র
c স্বত্ত্ব
d সঙ্ঘ
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) স্বত্ত্ব ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে স্বত্ত্ব বানানটি অশুদ্ধ কারণ এখানে অতিরিক্ত ত যুক্ত হয়েছে। - বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এই শব্দের সঠিক রূপ হবে স্বত্ব। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা বানানরীতিতে শব্দের শেষে ব-ফলা যুক্ত থাকলে অনেক সময় ভুলবশত অতিরিক্ত বর্ণ যুক্ত করা হয়। - স্বত্ব শব্দের অর্থ অধিকার বা মালিকানা, যেখানে ত-এর নিচে ব বা অতিরিক্ত ত লেখা নিয়মবহির্ভূত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্বত্ব ব্যাখ্যা: এটি সঠিক বানান যার অর্থ অধিকার বা প্রাধিকার। উদাহরণ ২: স্বত্বাধিকারী ব্যাখ্যা: এটি সঠিক বানান যার অর্থ কোনো কিছুর মালিক বা অধিকারপ্রাপ্ত ব্যক্তি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বালল্মীকি — প্রদত্ত উত্তর অনুযায়ী এটি ভুল ধরা হলেও, মূল বানান বাল্মীকি বা বল্ল্মীকি হয়। তবে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রমিত উত্তর অনুযায়ী C অপশনটি সরাসরি অশুদ্ধ বানান হিসেবে নির্ধারিত। B) সূচ্যগ্র — এটি একটি শুদ্ধ বানান যার অর্থ সূঁচের অগ্রভাগ। C) স্বত্ত্ব — এটি ভুল বানান, এর শুদ্ধ রূপ হলো স্বত্ব। D) সঙ্ঘ — এটি একটি শুদ্ধ বানান, যা সং লেখার বিকল্প রূপ হিসেবে বাংলা একাডেমি কর্তৃক অনুমোদিত। ৫. মনে রাখার টিপস: - স্বত্ব শব্দটিতে শুধু একটি ত এবং তার নিচে ব-ফলা বা স্বত্ব লেখা হয়, কখনো অতিরিক্ত ত বা ত-ত যুক্ত হয় না। - অধিকার অর্থে ব্যবহৃত এই শব্দটির বানান সবসময় এক ত দিয়ে মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই অধিকার বা মালিকানা বোঝাতে স্বত্ব বানানটি পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করতে দেওয়া হয়। - বাংলা বানানের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত বর্ণ যোগ করার প্রবণতা বর্জন করে প্রমিত রূপ চর্চা করতে হবে।
a শহর
b নগরায়ণ
c নগরবিদ্যা
d উপশহর
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উপশহর ১. কেন সঠিক: - 'Township' শব্দটির বাংলা অর্থ হলো মূল শহরের কাছাকাছি বা অধীনস্থ একটি উপশহর বা বসতি এলাকা। - প্রমিত পারিভাষিক শব্দকোষ অনুযায়ী 'Town' শব্দের অর্থ শহর হলে 'Township' শব্দের ক্ষেত্রে 'উপশহর' বা 'জনপদ' বোঝায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - পারিভাষিক শব্দ হলো এমন কিছু শব্দ যা বিদেশি বা বিশেষ ক্ষেত্রের শব্দের সমার্থবোধক হিসেবে বাংলা ভাষায় নির্দিষ্ট অর্থে ব্যবহৃত হয়। - প্রশাসনিক, সাহিত্যিক ও দাপ্তরিক কাজে নির্ভুল যোগাযোগের জন্য বাংলা একাডেমি নির্ধারিত পরিভাষা জানা আবশ্যক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: Satellite Town ব্যাখ্যা: এর সঠিক পারিভাষিক রূপ হলো উপশহর বা স্যাটেলাইট টাউন, যা মূল শহরের ওপর চাপ কমাতে তৈরি হয়। উদাহরণ ২: Suburb ব্যাখ্যা: এই ইংরেজি শব্দটির উপযুক্ত বাংলা পরিভাষা হলো উপশহর বা শহরতলি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শহর — এটি শুধুমাত্র 'Town' বা 'City' শব্দের সরাসরি বাংলা পরিভাষা, যা 'Township' এর সম্পূর্ণ ভাব প্রকাশ করে না। B) নগরায়ণ — এটি 'Urbanisation' শব্দের পারিভাষিক রূপ, যার অর্থ শহর গড়ে ওঠার প্রক্রিয়া। C) নগরবিদ্যা — এটি 'Urbanology' বা 'Urban Studies' এর পরিভাষা, যার অর্থ নগর সম্পর্কিত পঠন-পাঠন। D) উপশহর — এটি সঠিক পরিভাষা হওয়ায় প্রশ্নের সঙ্গে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ। ৫. মনে রাখার টিপস: - ইংরেজি শব্দে 'Town' এর আগে বা পরে কোনো উপসর্গ বা পরিবর্তন থাকলে বাংলাতেও 'উপ' বা সমার্থক পদ যুক্ত হয়। - Township মানে প্রধান শহরের উপরিভাগ বা অধীনস্থ অংশ, এভাবে মনে রাখলে ভুল হবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ইংরেজি পারিভাষিক শব্দের সঠিক বাংলা রূপ প্রায়ই আসে। - Town, Township, Suburb এবং Urbanisation শব্দগুলোর পার্থক্য ভালোভাবে বুঝে পড়তে হবে।
a অপাদান কারক
b অধিকরণ কারক
c কর্তৃকারক
d করণ কারক
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অধিকরণ কারক ১. কেন সঠিক: - বাক্যে 'সারারাত' শব্দটি সময় নির্দেশ করছে এবং সময় বা কাল বোঝালে তা অধিকরণ কারক হয়। - ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, ক্রিয়া কখন সম্পন্ন হয়েছে তা সময় বা কাল নির্দেশ করলে তাকে কলার অধিকরণ বলা হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - ক্রিয়া সম্পাদনের সময় বা আধারকে অধিকরণ কারক বলে এবং সময়বাচক পদ অধিকরণ কারকের অন্তর্ভুক্ত হয়। - প্রদত্ত বাক্যে বৃষ্টি সংঘটিত হওয়ার সময়কাল নির্দেশ করায় এটি কালাধিকরণ বা কালের অধিকরণ হিসেবে গণ্য হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রভাতে সূর্য ওঠে। ব্যাখ্যা: এখানে 'প্রভাতে' একটি নির্দিষ্ট সময় বা কাল বোঝানোর কারণে এটি অধিকরণ কারক হয়েছে। উদাহরণ ২: শেয়ালে মরা গরুতে ঘাস খায়। ব্যাখ্যা: এখানে স্থান বা আধার বোঝানোর কারণে এটি অধিকরণ কারক হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অপাদান কারক — অপাদান কারক বলতে যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, বিরত, রক্ষিত বা ভীত হয় তা বোঝায়, যা এই বাক্যে নেই। B) অধিকরণ কারক — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি সময় বা কাল নির্দেশ করছে। C) কর্তৃকারক — কর্তৃকারক হলো যে নিজে ক্রিয়া সম্পন্ন করে, কিন্তু এখানে 'সারারাত' কাজটি করছে না বরং সময় বোঝাচ্ছে। D) করণ কারক — করণ কারক দ্বারা যার সাহায্যে ক্রিয়া সম্পাদিত হয় তা বোঝায়, যা এই বাক্যে প্রযোজ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - বাক্যে কখন প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা সবসময় কালের অধিকরণ কারক হয়। - স্থান বোঝালে যেমন অধিকরণ হয়, ঠিক তেমনি সময় বোঝালেও তা অধিকরণ কারকের আওতায় পড়ে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সময়বাচক শব্দ থাকলে তা প্রায়শই অধিকরণ কারক হিসেবে চিহ্নিত করতে হয়। - কারক নির্ণয় করার সময় ক্রিয়াপদকে কোথায়, কখন এবং কি দ্বারা প্রশ্ন করে সঠিক উত্তর বের করতে হয়।
a অর্থ অনর্থ ঘটায়
b এ মেঘে বৃষ্টি হয় না
c পাপে বিরত হও
d বাবাকে বড্ড ভয় পাই
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বাবাকে বড্ড ভয় পাই ১. কেন সঠিক: - ভয় পাওয়া, ভীত হওয়া বা আশঙ্কা প্রকাশ করা বোঝালে যাকে ভয় পাওয়া হয়, তাতে অপাদান কারক হয়। - এখানে বাবা বিশেষ্য পদের সাথে দ্বিতীয় বিভক্তি যুক্ত হয়ে অপাদান কারকে দ্বিতীয় বিভক্তির রূপ প্রকাশ করেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, বিরত, উৎপন্ন, ভীত বা রক্ষিত হয়, তাকে অপাদান কারক বলে। - বিভক্তির ক্ষেত্রে শব্দের সাথে কে বা রে যুক্ত হলে তা সাধারণত দ্বিতীয় বা চতুর্থ বিভক্তি হিসেবে বিবেচিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরকে পুলিশ ধরল ব্যাখ্যা: এটি কর্ম কারকে দ্বিতীয় বিভক্তির উদাহরণ কারণ এখানে চোরকে আশ্রয় করে ক্রিয়া সম্পাদিত হয়েছে। উদাহরণ ২: বনে বাঘ থাকে ব্যাখ্যা: এটি অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তির উদাহরণ কারণ বন একটি স্থান বা আধার বোঝাচ্ছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অর্থ অনর্থ ঘটায় — এটি কর্তৃকারকে প্রথমা বিভক্তির উদাহরণ কারণ অর্থ নিজে অনর্থ ঘটায়। B) এ মেঘে বৃষ্টি হয় না — এটি অপাদানে সপ্তমী বিভক্তির উদাহরণ কারণ মেঘে এ বিভক্তি রয়েছে। C) পাপে বিরত হও — এটি অপাদানে সপ্তমী বিভক্তির উদাহরণ কারণ পাপে এ বিভক্তি রয়েছে। D) বাবাকে বড্ড ভয় পাই — এটি সঠিক কারণ ভয় পাওয়া বোঝালে অপাদান কারক এবং বাবাকে পদে দ্বিতীয় বিভক্তি আছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - ভয়, ভীতি বা দূরত্ব বোঝালে সাধারণত অপাদান কারক হয়। - কে বা রে বিভক্তিযুক্ত কর্ম এবং অপাদান কারক আলাদা করার জন্য ক্রিয়ার ভাব বুঝতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - কারক নির্ণয়ের সময় প্রথমে ক্রিয়াপদকে প্রশ্ন করে কারক এবং পরে রূপ দেখে বিভক্তি নির্ণয় করতে হয়। - ভয় পাওয়ার শব্দ দেখলে সবসময় অপাদান কারক হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।
a কাছা ঢিলা
b খয়ের খাঁ
c চিনির বলদ
d লেফাফা দুরস্ত
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) খয়ের খাঁ ১. কেন সঠিক: - খয়ের খাঁ বাগধারাটির অর্থ হলো মোসাহেব, চাটুকার বা তোষামোদকারী ব্যক্তি। - সমাজে যারা সবসময় ক্ষমতাশালী বা বড় মানুষের স্তাবকতা করে বেড়ায়, তাদের বোঝাতে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দসমষ্টি যা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভাবগত অর্থ প্রকাশ করে। - খয়ের খাঁ মূলত ফার্সি শব্দ থেকে আগত একটি ঐতিহাসিক ও প্রমিত বাংলা বাগধারা যা মানুষের তোষামোদ করার স্বভাবকে ফুটিয়ে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দলটিতে কিছু খয়ের খাঁ টাইপের লোক রয়েছে যারা নেতার অন্ধ প্রশংসা করে। ব্যাখ্যা: এখানে তোষামোদকারী বা মোসাহেব অর্থ বোঝাতে খয়ের খাঁ বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: নিজের স্বার্থ হাসিল করার জন্য সে কর্তাবাবুর খয়ের খাঁ হয়ে ঘুরে বেড়ায়। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে মোসাহেব বা চাটুকারিতা করার অর্থে বাগধারাটি সঠিকভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাছা ঢিলা — এই বাগধারাটির অর্থ হলো অসাবধান বা চরিত্রহীন ব্যক্তি। B) খয়ের খাঁ — এই অপশনটি সঠিক এবং এর অর্থ মোসাহেব বা তোষামোদকারী। C) চিনির বলদ — এই বাগধারাটির অর্থ হলো বোঝাবহনকারী কিন্তু সুফল ভোগ করতে পারে না এমন বা অলস পরিশ্রমী। D) লেফাফা দুরস্ত — এই বাগধারাটির অর্থ হলো বাইরে ঠাটবাট বজায় রাখা অথচ ভেতরে শূন্য বা কপট ব্যক্তি। ৫. মনে রাখার টিপস: - খয়ের খাঁ মানে যে খাঁ বা ঘরে বসে সবসময় খয়ের বা তোষামোদ করে, সে-ই হলো মোসাহেব। - এভাবে চাটুকারিতা বোঝাতে এই বাগধারাটি মনে রাখা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় স্বভাব বা চরিত্রবাচক বাগধারা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - মোসাহেব, চাটুকার বা তোষামোদকারী শব্দগুলোর বিকল্প হিসেবে খয়ের খাঁ বাগধারাটি বিশেষভাবে মনে রাখতে হবে।
a সন্ধি
b সমাস
c কারক
d বাগধারা
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সমাস ১. কেন সঠিক: - একাধিক পদ বা শব্দ মিলে একটি নতুন পদ তৈরি করার প্রক্রিয়াকে সমাস বলে। - এর মূল উদ্দেশ্য হলো ভাষার সংক্ষিপ্তকরণ এবং অর্থের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করা। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমাসের সংজ্ঞা অনুযায়ী, পরস্পর অর্থসংগতিযুক্ত দুই বা ততোধিক পদ এক পদে পরিণত হওয়ার নাম সমাস। - সমাসবদ্ধ পদের প্রথম অংশকে পূর্বপদ এবং পরের অংশকে পরপদ বা উত্তরপদ বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সিংহ চিহ্নিত আসন = সিংহাসন ব্যাখ্যা: এখানে তিনটি আলাদা পদ মিলে একটি সংক্ষিপ্ত ও নতুন পদ তৈরি হয়েছে। উদাহরণ ২: তুষারের ন্যায় শুভ্র = তুষারশুভ্র ব্যাখ্যা: এটি একাধিক পদের মিলনে একপদীকরণের একটি সুন্দর ব্যাকরণগত উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সন্ধি — সন্ধি হলো দুটি ধ্বনির মিলন, পদের মিলন নয়। তাই এটি ভুল। B) সমাস — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) কারক — বাক্যের সঙ্গে ক্রিয়াপদের সম্পর্ককে কারক বলে, পদের একপদীকরণ নয়। D) বাগধারা — বাগধারা হলো বিশেষ অর্থ প্রকাশকারী শব্দসমষ্টি, একাধিক পদের একপদীকরণ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ধ্বনির মিলন হলো সন্ধি এবং পদের মিলন হলো সমাস। এই সহজ পার্থক্যটি মনে রাখলে আর ভুল হবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই পদ মিলনের প্রক্রিয়া এবং ধ্বনি মিলনের প্রক্রিয়ার মধ্যে পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়।

মোট প্রশ্ন (23)

a Perky
b Bitter
c Dishearten
d Harmless
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Harmless কেন সঠিক: INNOCUOUS শব্দের অর্থ হলো যা কোনো ক্ষতি করে না বা ক্ষতিকর নয়। এর সাথে হুবহু মিল রয়েছে Harmless শব্দের যার অর্থও ক্ষতিকর নয়। তাই এই দুটি শব্দ সমার্থক বা সমঅর্থবোধক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Perky — এর অর্থ প্রাণবন্ত বা চটপটে, যা প্রশ্নোস্থ শব্দের সাথে মিলে না। B) Bitter — এর অর্থ তিতা বা তিক্ত, যা কোনোভাবেই ক্ষতিকর নয় বোঝায় না। C) Dishearten — এর অর্থ হতাশ করা, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি মানসিক অবস্থা প্রকাশ করে। D) Harmless — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: INNOCUOUS শব্দটির শুরুতে IN আছে যার মানে না এবং NOXIOUS শব্দের সাথে মিল আছে যার অর্থ ক্ষতিকর।
a I was late becuase there was so much traffic.
b I was late because there was so many traffic.
c I was late because there was as much traffic.
d I was late because there is so much traffic.
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) I was late becuase there was so much traffic. কেন সঠিক: Traffic শব্দ uncountable noun হওয়ায় এর পূর্বে much ব্যবহৃত হয়, many বসে না। অতীতের ঘটনা বোঝাতে বাক্যের প্রথম অংশে was থাকায় পরের অংশেও was ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সঠিক অপশন — এটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ সঠিক। B) B অপশন — traffic একটি uncountable noun, তাই এর পূর্বে many ব্যবহার করা ভুল। C) C অপশন — as much traffic তুলনামূলক বাক্য বোঝায়, যা এখানে অর্থহীন। D) D অপশন — প্রথম অংশে was থাকায় পরের অংশে is ব্যবহার করা Tense-এর নিয়মে ভুল। মনে রাখার টিপস: Uncountable noun-এর সাথে always much বসে এবং past tense-এর সাথে past form ব্যবহার করতে হয়।
a One should do his duties and responsibilities.
b One should do their duties and responsibilities.
c One should do ones duties and responsibilities.
d One should do one's duties and responsibilities
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) One should do one's duties and responsibilities কেন সঠিক: বাক্যের শুরুতে সাবজেক্ট হিসেবে One থাকলে তার পজেসিভ রূপ হিসেবে one's ব্যবহার করতে হয়। তাই এখানে their বা his ব্যবহার করলে ব্যাকরণগত ভুল হবে এবং one's সঠিক হবে। বাক্যের বাকি অংশে সঠিক নিয়ম মেনে duties and responsibilities ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) One should do his duties and responsibilities — এখানে One এর পরিবর্তে his ব্যবহার করা হয়েছে যা নিয়ম অনুযায়ী ভুল। B) One should do their duties and responsibilities — এখানে One এর পরিবর্তে their ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। C) One should do ones duties and responsibilities — এখানে ones শব্দের বানান ভুল কারণ সঠিক পজেসিভ গঠনে অ্যাপোস্ট্রফি ব্যবহার করতে হয়। D) One should do one's duties and responsibilities — এটি সঠিক অপশন এবং এতে কোনো ব্যাকরণগত ভুল নেই। মনে রাখার টিপস: বাক্যের শুরুতে One থাকলে সবসময় পজেসিভ হিসেবে one's ব্যবহার করতে হবে।
a Many people are dying of COVID-19.
b Many people are dying for COVID-19.
c Many people are dying by COVID-19.
d Many people are killed for COVID-19.
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Many people are dying of COVID-19. কেন সঠিক: কোনো রোগ বা মহামারীতে মারা যাওয়া বোঝালে 'die of' ব্যবহার করতে হয়। এখানে COVID-19 একটি রোগ হওয়ায় 'dying of' সঠিক হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Many people are dying of COVID-19 — এটি সঠিক বাক্য, তাই এটি ভুল নয়। B) Many people are dying for COVID-19 — রোগের ক্ষেত্রে 'die for' ব্যবহার করা grammatically ভুল। C) Many people are dying by COVID-19 — রোগের কারণে মৃত্যু বোঝালে 'by' বসে না। D) Many people are killed for COVID-19 — মানুষ নিজে থেকেই মারা যাচ্ছে, তাই 'killed' বা প্যাসিভ ফর্ম এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: রোগে মারা গেলে always 'die of' হয়।
a future perfect
b simple past
c present perfect
d simple present
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) future perfect কেন সঠিক: বাক্যটিতে will have এবং verb এর past participle রূপ (finished) ব্যবহার করা হয়েছে। ভবিষ্যৎকালের নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কোনো কাজ শেষ হয়ে যাবে বোঝালে এই গঠন হয়। by the end of this month কথাটি ভবিষ্যৎকালের পূর্ণ কাজকে নির্দেশ করে। তাই এটি সঠিক Future Perfect Tense এর উদাহরণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) future perfect — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। B) simple past — এতে অতীতকালের সাধারণ কাজ বোঝায়, কিন্তু বাক্যে ভবিষ্যৎকালের উল্লেখ আছে। C) present perfect — এতে বর্তমানকালের সমাপ্ত কাজ বোঝায়, কিন্তু বাক্যে ভবিষ্যৎকালের কথা বলা হয়েছে। D) simple present — এতে বর্তমানকালের সাধারণ অভ্যাস বা সত্য বোঝায়, যা বাক্যের অর্থের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: by এর পর ভবিষ্যতের কোনো সময় থাকলে সাধারণত Future Perfect Tense হয়।
a simple present
b present perfect
c past perfect
d present continuous
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) simple present কেন সঠিক: বাক্যটিতে কর্তা হলো The man এবং মূল verb হলো has যা বর্তমানকালের সাধারণ অবস্থা বা সত্য প্রকাশ করে। কোনো চিরন্তন সত্য, অভ্যাসগত কাজ বা বর্তমানের অধিকার বোঝাতে simple present tense ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) simple present — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাক্যটি বর্তমানকালের সাধারণ অবস্থা বোঝাচ্ছে। B) present perfect — এই Tense হতে হলে have বা has এর পর মূল verb এর past participle রূপ থাকতে হয়। C) past perfect — এই Tense হতে হলে had এর পর মূল verb এর past participle রূপ থাকতে হয় যা এখানে নেই। D) present continuous — এই Tense হতে হলে verb এর সাথে ing যুক্ত থাকতে হয় যা এই বাক্যে অনুপস্থিত। মনে রাখার টিপস: বাক্যে শুধুমাত্র have বা has মূল verb হিসেবে থাকলে এবং তার সাথে কোনো ing বা past participle না থাকলে সেটি সবসময় simple present tense হয়।
a simple past
b simple present
c simple future
d future continuous
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) simple future কেন সঠিক: বাক্যটিতে shall সাহায্যকারী verb এবং মূল verb-এর present form ব্যবহৃত হয়েছে। এছাড়াও tomorrow শব্দটি ভবিষ্যৎ নির্দেশ করার কারণে এটি Simple Future Tense হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) simple past — অতীতকালের কাজ বোঝাতে Verb-এর past form বসে, যা এই বাক্যে নেই। B) simple present — বর্তমানকালের সাধারণ অভ্যাস বোঝাতে Verb-এর present form বসে, কিন্তু এখানে ভবিষ্যৎ সময় নির্দেশক শব্দ আছে। C) simple future — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। D) future continuous — ভবিষ্যৎকালে কোনো কাজ চলতে থাকবে বোঝালে shall be বা will be-এর সাথে ing যুক্ত হয়, যা এখানে নেই। মনে রাখার টিপস: বাক্যে shall বা will থাকলে এবং সাথে tomorrow থাকলে চোখ বন্ধ করে Simple Future Tense দাগাবে।
a resume som
b Imitate
c restraint
d rebuke
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) rebuke কেন সঠিক: - 'Take someone to task' একটি ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা, যার অর্থ কাউকে কোনো ভুলের জন্য তিরস্কার করা বা ভৎসনা করা। - প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে 'rebuke' শব্দের অর্থও তিরস্কার করা বা বকাঝকা করা, যা এই ইডিয়ামের সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) resume som — এটি অসম্পূর্ণ শব্দগুচ্ছ এবং প্রশ্নানুগ কোনো অর্থ প্রকাশ করে না। B) Imitate — এর অর্থ অনুকরণ করা, যা এই ইডিয়ামের অর্থের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) restraint — এর অর্থ সংযম বা নিয়ন্ত্রণ, যা প্রদত্ত বাগধারার অর্থের বিপরীত। D) rebuke — সঠিক উত্তর, কারণ এর অর্থ তিরস্কার করা যা মূল ইডিয়ামের সমার্থক। মনে রাখার টিপস: কাজে (task) ভুল করলে বস বা শিক্ষক বকাঝকা করেন, এই কথাটি মনে রাখলে 'take to task' এবং 'rebuke' এর অর্থ সহজে মনে রাখা যায়।
a Palete
b Palet
c Palateva
d Pelate
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: প্রশ্নে প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি সঠিক নয়। ইংরেজি বানানরীতি ও স্ট্যান্ডার্ড ডিকশনারি অনুযায়ী 'Palate' শব্দটি সঠিক। প্রদত্ত অপশনগুলোতে 'Palate' শব্দটি অনুপস্থিত। তবে প্রাসঙ্গিক আলোচনার জন্য সঠিক বানানযুক্ত শব্দটি নিচে ব্যাখ্যা করা হলো। কেন সঠিক: - 'Palate' শব্দটির সঠিক অর্থ মুখের তালু বা স্বাদেন্দ্রিয়। - বানানটি গঠনের ক্ষেত্রে পি-এ-এল-এ-টি-ই (Palate) সঠিক ক্রম অনুসরণ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Palete — এই বানানটি ভুল কারণ সঠিক বানানে শেষের দিকে টি-ই (te) থাকে না এবং এটি অপ্রচলিত। B) Palet — এই বানানটি ভুল কারণ এটি একটি অসম্পূর্ণ বানান এবং এর সঠিক রূপ Palate। C) Palateva — এই বানানটি ভুল কারণ এটি একটি কাল্পনিক শব্দ এবং ইংরেজি অভিধানে এর কোনো অস্তিত্ব নেই। D) Pelate — প্রদত্ত উত্তরটি ভুল কারণ সঠিক বানানটিতে পি-এ-এল (Pal) অংশ থাকে, পি-ই-এল (Pel) নয়। মনে রাখার টিপস: Palate বানানের শুরুতে পি-এ-এল (Pal) এবং শেষে টি-ই (te) মনে রাখলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
a Forcast
b Forecaste
c Forcaust
d Forecast
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Forecast কেন সঠিক: Forecast শব্দটির অর্থ ভবিষ্যতে কী ঘটবে তা আগে থেকেই অনুমান করা। বানানটিতে কোনো অতিরিক্ত অক্ষর বা ভুল স্পেলিং নেই। এটি সঠিক ইংরেজি বানানরীতি মেনে গঠিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Forcast — এই বানানে সামনে থাকা fore অংশের e অক্ষরটি বাদ দেওয়া হয়েছে যা ভুল। B) Forecaste — এই বানানের শেষে অতিরিক্ত একটি e অক্ষর যুক্ত করা হয়েছে যা অপ্রয়োজনীয়। C) Forcaust — এই বানানের মাঝখানে au ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক বানানরীতির পরিপন্থী। D) Forecast — এটি সঠিক বানান। মনে রাখার টিপস: Fore এবং cast এই দুটি অংশ মিলে Forecast শব্দটি গঠিত হয়, তাই লেখার সময় সামনে fore এবং পরে cast মনে রাখবে।
a এখন চারটা বেজে পনেরো মিনিট
b এখন চারটা বাজতে পনেরো মিনিট
c এখন চারটা বাজতে পাঁচ মিনিট
d এখন চারটা বাজতে পনেরো মিনিট বাকি
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) এখন চারটা বেজে পনেরো মিনিট কেন সঠিক: ইংরেজিতে 'past' শব্দটির অর্থ কোনো নির্দিষ্ট সময় পার হয়ে যাওয়া বা বেজে যাওয়া বোঝায়। এখানে চারটা বাজার পর পনেরো মিনিট পার হয়েছে তাই সঠিক অনুবাদটি চারটা বেজে পনেরো মিনিট হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) এখন চারটা বেজে পনেরো মিনিট — এই অপশনটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়। B) এখন চারটা বাজতে পনেরো মিনিট — এখানে 'বাজতে' শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে যা ইংরেজিতে 'to' থাকলে সঠিক হতো কিন্তু এখানে 'past' আছে। C) এখন চারটা বাজতে পাঁচ মিনিট — এই বাক্যে পনেরো মিনিটের জায়গায় পাঁচ মিনিট বলা হয়েছে যা মূল ইংরেজি বাক্যের সময়ের সাথে মিলছে না। D) এখন চারটা বাজতে পনেরো মিনিট বাকি — এখানে সময় পার হয়ে যাওয়ার পরিবর্তে চারটা বাজতে বাকি বোঝানো হয়েছে যা 'past' শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: সময়ের ক্ষেত্রে 'past' থাকলে বেজে যাওয়া এবং 'to' থাকলে বাজতে বাকি বোঝায়।
a আমি সন্ধ্যার পর মোটেও বাইরে যাই না
b আমি সন্ধ্যার পর প্রায়ই বাইরে যাই
c আমি সন্ধ্যার পরপরই বাইরে যাই
d আমি সন্ধ্যার পর কদাচিৎ বাইরে যাই
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আমি সন্ধ্যার পর কদাচিৎ বাইরে যাই কেন সঠিক: ইংরেজিতে 'Hardly' শব্দটি নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ করে যার অর্থ কদাচিৎ বা কদাচিৎ কখনো। এর সাথে সন্ধ্যার পর বাইরে যাওয়ার ভাবার্থ মিলে যাওয়ায় ডি নম্বর অপশনটি সঠিক হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আমি সন্ধ্যার পর মোটেও বাইরে যাই না — এখানে মোটেও অর্থ প্রকাশ করতে সাধারণত 'Never' বা 'Not at all' ব্যবহৃত হয়, তাই এটি ভুল। B) আমি সন্ধ্যার পর প্রায়ই বাইরে যাই — 'প্রায়ই' শব্দের ইংরেজি হলো 'Often', যা 'Hardly' শব্দের ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। C) আমি সন্ধ্যার পরপরই বাইরে যাই — 'পরপরই' বোঝাতে 'Immediately after' ব্যবহৃত হয়, যা এই বাক্যের মূল ভাবের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: বাক্যে 'Hardly' থাকলে তার বাংলা অর্থ সবসময় 'কদাচিৎ' বা 'বললেই চলে না' করতে হবে।
a What was wanted by you?
b What were wanted at you?
c What was want by you?
d What was wanted you?
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) What was wanted by you? কেন সঠিক: - Active বাক্যে 'What' শব্দটি ইন্টারগেটিভ প্রোনাউন এবং অবজেক্ট হিসেবে কাজ করায়, Passive করার সময় এটি বাক্যের শুরুতে সাবজেক্ট হিসেবে বসে। - Past indefinite tense-এর Interrogative বাক্যকে Passive করার সময় What-এর পরে singular number অনুযায়ী 'was' বসে এবং মূল verb-এর পাস্ট পার্টিসিপল form 'wanted' হয়। - Subject-টিকে 'by' এর পরে অবজেক্ট রূপে বসানো হয়, এক্ষেত্রে you-এর অবজেক্ট form you-ই থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) What was wanted by you? — এটি সঠিক উত্তর। B) What were wanted at you? — এখানে were এবং at-এর ভুল ব্যবহার রয়েছে। C) What was want by you? — এখানে want-এর পাস্ট পার্টিসিপল form ব্যবহার করা হয়নি। D) What was wanted you? — এখানে অবজেক্টের পূর্বে প্রয়োজনীয় 'by' preposition ব্যবহার করা হয়নি। মনে রাখার টিপস: What দিয়ে শুরু হওয়া Past indefinite tense-এর Interrogative বাক্যের Passive করার গঠন হলো: What + was/were + V3 + by + object।
a Aggravate
b Frugal
c Criticize
d Copious
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Frugal কেন সঠিক: Profligate শব্দের অর্থ অপব্যয়ী বা যে প্রচুর অর্থ খরচ করে। Frugal শব্দের অর্থ মিতব্যয়ী বা যে খুব বুঝে খরচ করে। তাই এই দুটি শব্দ একে অপরের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Aggravate — এর অর্থ পরিস্থিতি আরও খারাপ করা বা বিরক্ত করা। B) Frugal — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি প্রফ্লিগেট শব্দের বিপরীত। C) Criticize — এর অর্থ কোনো কিছুর সমালোচনা করা বা দোষ ধরা। D) Copious — এর অর্থ প্রচুর বা পরিমাণের দিক থেকে অনেক বেশি। মনে রাখার টিপস: প্রফ্লিগেট মানে টাকা ওড়ানো আর ফ্রুগাল মানে টাকা জমানো।
a adverb
b conjunction
c verb
d adjective
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) verb কেন সঠিক: প্রদত্ত বাক্যে 'while' শব্দটি সাবজেক্ট 'I' এর পর মূল ভার্ব হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। এর অর্থ সময় কাটানো এবং এটি এখানে একটি কাজ সম্পন্ন করা বোঝাচ্ছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) adverb — এটি কোনো ক্রিয়া, বিশেষণ বা অন্য অ্যাডভার্বকেmodify করছে না, তাই এটি অ্যাডভার্ব নয়। B) conjunction — এটি দুটি বাক্য বা শব্দাংশকে যুক্ত করার কাজ করছে না, তাই এটি কনজাংশন নয়। C) verb — যেহেতু এটি নিজেই এই অপশনে সঠিক হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে, তাই এখানে ব্যাখ্যার প্রয়োজন নেই। D) adjective — এটি কোনো নাউনের দোষ, গুণ বা সংখ্যা প্রকাশ করছে না, তাই এটি অ্যাডজেক্টিভ নয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যে সাবজেক্টের পর সরাসরি বসে যখন কোনো কাজ করা বোঝায়, তখন 'while' একটি ভার্ব হিসেবে কাজ করে।
a paper
b carefully
c examination
d student
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) carefully কেন সঠিক: বাক্যটিতে carefully শব্দটি verb (submitted) কীভাবে সম্পন্ন হয়েছে তা প্রকাশ করছে। এটি কাজ করার ধরন বুঝিয়ে adverb-এর কাজ সফলভাবে সম্পন্ন করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) paper — এটি একটি noun কারণ এটি পরীক্ষার কাগজ বোঝাতে object হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। B) carefully — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। C) examination — এটি একটি noun কারণ এটি একটি পরীক্ষা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে। D) student — এটি একটি noun কারণ এটি কাজটি সম্পাদনকারী subject হিসেবে বসেছে। মনে রাখার টিপস: যে শব্দ কোনো verb বা কাজের ধরণ বুঝিয়ে দেয় এবং সাধারণত যার শেষে ly থাকে, সেটিই adverb।
a a
b the
c an
d no article
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) the কেন সঠিক: এখানে নির্দিষ্ট একটি পোষাককে বোঝানো হচ্ছে যা বোন ক্রিসমাসের জন্য চাচ্ছে। নির্দিষ্ট কোনো বস্তু বা ব্যক্তির পূর্বে Definite Article হিসেবে the বসে। বক্তা ও শ্রোতা উভয়েই নির্দিষ্ট পোষাকটির কথা বুঝতে পারছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a — এটি অনির্দিষ্ট এবং সাধারণ কোনো পোষাক বোঝাতে ব্যবহার হতো কিন্তু এখানে নির্দিষ্ট পোষাক চাওয়া হয়েছে। B) the — এটি এই বাক্যের জন্য সঠিক উত্তর কারণ নির্দিষ্ট পোষাক বোঝাতে the ব্যবহার করা হয়। C) an — এটি সাধারণত ভাওয়েল দিয়ে শুরু হওয়া অনির্দিষ্ট শব্দের পূর্বে বসে যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) no article — এখানে আর্টিকেল বসবে কারণ কাউন্টেবল নাউনের পূর্বে আর্টিকেল ব্যবহার বাধ্যতামূলক। মনে রাখার টিপস: নির্দিষ্ট করে কোনো বিশেষ কিছু বোঝালে সবসময় the ব্যবহার করতে হয়।
a a
b an
c the
d no article
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) no article কেন সঠিক: - 'On foot' একটি প্রচলিত ফ্রেজ বা মাধ্যমবাচক বাগধারা, যার অর্থ হেঁটে। - মাধ্যম বা উপায়ের ক্ষেত্রে foot শব্দের পূর্বে কোনো আর্টিকেল বসে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a — নিয়মানুযায়ী নির্দিষ্ট বা অনির্দিষ্ট কোনো আর্টিকেল এখানে বসবে না। B) an — ভাওয়েল দিয়ে শুরু হলেও ফ্রেজ গঠনের নিয়মে এখানে আর্টিকেল নিষিদ্ধ। সি) the — নির্দিষ্ট করে বোঝালেও 'on the foot' ভুল এবং এটি সঠিক ইংরেজি নয়। D) no article — এটি সঠিক কারণ ফ্রেজটিতে কোনো আর্টিকেলের প্রয়োজন হয় না। মনে রাখার টিপস: যাতায়াতের মাধ্যম বোঝাতে on foot, on horseback ইত্যাদির আগে কোনো আর্টিকেল বসে না।
a for
b with
c to
d about
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) with কেন সঠিক: Provide একটি গুরুত্বপূর্ণ ইংরেজি ভারб যার সাথে সাধারণত with preposition ব্যবহার করতে হয়। এর অর্থ হলো কাউকে কোনো কিছু সরবরাহ করা বা প্রদান করা। এখানে food and drink হলো সেই বস্তুটি যা সরবরাহ করা হয়েছে। তাই সঠিক উত্তর হিসেবে with ব্যবহৃত হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) for — for preposition সাধারণত উদ্দেশ্যে বোঝাতে বসে কিন্তু provide-এর সাথে সঠিক জোড় গঠন করে না। B) with — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না। C) to — to preposition সাধারণত কোনো স্থান বা ব্যক্তির দিকে গতি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। D) about — about preposition কোনো নির্দিষ্ট বিষয় সম্পর্কে বোঝাতে ব্যবহৃত হয় যা এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: Provide ভারб-এর সাথে সাধারণত বস্তুর পূর্বে with বসে আর ব্যক্তির পূর্বে to বসে।
a toward
b upon
c at
d to
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) at কেন সঠিক: - কাউকে ডেকে তার মনোযোগ আকর্ষণ করার ক্ষেত্রে shout শব্দের পর at preposition ব্যবহৃত হয়। - দূর থেকে কাউকে চিৎকার করে ডাকার অর্থে shout at an object or person সঠিক নিয়ম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) toward — toward গতি বা কোনো কিছুর দিকে অগ্রসর হওয়া বোঝায়, যা এখানে মনোযোগ আকর্ষণের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) upon — upon সাধারণত কোনো কিছুর ওপর ওপর অবস্থান বা স্পর্শ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এই বাক্যের অর্থের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। C) at — এটি সঠিক উত্তর, কারণ কারো প্রতি উদ্দেশ করে চিৎকার করা বা ডাকতে shout at ব্যবহৃত হয়। D) to — to সাধারণত দিক বা গন্তব্য বোঝাতে বসে, তবে shout-এর সাথে নির্দিষ্ট কারো প্রতি রাগ বা ডাক বোঝাতে at বসে। মনে রাখার টিপস: কারো মনোযোগ আকर्षণের জন্য চিৎকার করলে shout-এর পরে সবসময় at বসে।
a on
b ein
c at
d within
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) on কেন সঠিক: নির্দিষ্ট কোনো দিন বা বারের নামের পূর্বে ইংরেজি ব্যাকরণ অনুযায়ী অন প্রিপজিশন ব্যবহৃত হয়। এখানে রবিবার সকাল বোঝানো হয়েছে বিধায় সঠিক উত্তর অন হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) on — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয়। B) ein — এটি কোনো সঠিক ইংরেজি প্রিপজিশন নয় এবং এটি জার্মান শব্দ। C) at — নির্দিষ্ট কোনো সময় বা ঘড়ির কাটার সময়ের পূর্বে অ্যাট বসে, বারের আগে বসে না। D) within — এর অর্থ ভেতরে, যা নির্দিষ্ট বারের নামের পূর্বে বসে সময় প্রকাশ করে না। মনে রাখার টিপস: বার বা দিনের নামের আগে সবসময় অন প্রিপজিশন বসবে।
a into
b in
c with
d on
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) on কেন সঠিক: ধর্মঘট বা কোনো কর্মবিরতির অবস্থা বোঝাতে ইংরেজিতে নির্দিষ্ট প্রিপজিশন হিসেবে অন ব্যবহৃত হয়। এখানে বাস চালকেরা কাজ বন্ধ করে ধর্মঘটে আছেন বোঝাতে অন স্ট্রাইক ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়েছে। সাধারণত কোনো অবস্থান বা অবস্থাগত অবস্থা বোঝাতে অন প্রিপজিশনটি এখানে নিখুঁতভাবে মিলে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) into — এটি সাধারণত বাইরে থেকে ভেতরে কোনো কিছুর প্রবেশ বা গতিশীল অবস্থা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। B) in — এটি সাধারণত কোনো স্থান, এলাকা বা সীমানার ভেতরে অবস্থান বোঝাতে বসে, ধর্মঘটে নয়। C) with — এটি সাধারণত সঙ্গী, কোনো কিছুর সাথে থাকা বা উপকরণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। D) on — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয়, বরং স্ট্রাইক শব্দের সাথে এটিই বসে। মনে রাখার টিপস: ধর্মঘট বা কর্মবিরতি বোঝাতে সব সময় অন স্ট্রাইক ফ্রেজটি ব্যবহার করবে, অন্য কোনো প্রিপজিশন ব্যবহার করবে না।
a By who am I called?
b By who am I being called?
c By whom am I being called?
d By whom am I called?
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) By whom am I being called? কেন সঠিক: - বাক্যের শুরুতে থাকা Who পরিবর্তিত হয়ে By whom হয় এবং Present Continuous Tense-এর Passive রূপ অনুযায়ী am being বসে। - Subject হিসেবে I আসার পর মূল Verb call-এর Past Participle রূপ called বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) By who am I called? — Who-র Objective রূপ whom না লিখে who ব্যবহার করায় এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) By who am I being called? — প্রদত্ত উত্তরটি ভুল কারণ এখানে who-র পরিবর্তে whom হবে। C) By whom am I being called? — এটি সঠিক কারণ Who পরিবর্তিত হয়ে By whom হয়েছে এবং Tense অনুযায়ী am being বসেছে। D) By whom am I called? — এটি Simple Present Tense-এ করা হয়েছে, কিন্তু মূল প্রশ্নটি Present Continuous Tense-এ ছিল। মনে রাখার টিপস: Who যুক্ত Active Voice-কে Passive করার সময় প্রথমে By whom বসাতে হয় এবং Tense অনুযায়ী Auxiliary Verb-এর সাথে being যুক্ত করতে হয়।

মোট প্রশ্ন (18)

a 19
b 21
c 23
d কোনোটিই নয়
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২১ প্রদত্ত তথ্য: তিনটি ক্রমিক বিজোড় সংখ্যার যোগফল = ৫৭ ধরি, প্রথম বিজোড় সংখ্যাটি = ক দ্বিতীয় বিজোড় সংখ্যাটি = ক + ২ তৃতীয় বিজোড় সংখ্যাটি = ক + ৪ অতএব, শর্তমতে, ক + ক + ২ + ক + ৪ = ৫৭ বা, ৩ক + ৬ = ৫৭ বা, ৩ক = ৫৭ − ৬ সুতরাং, ৩ক = ৫১ ক = ১৭ উত্তর: ৩য় সংখ্যাটি = ১৭ + ৪ = ২১
a 91
b 87
c 63
d 59
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৫৯ প্রদত্ত তথ্য: অপশনগুলোতে চারটি সংখ্যা দেওয়া আছে সংখ্যাগুলো হলো ৯১, ৮৭, ৬৩ এবং ৫৯ ধরি, সংখ্যাগুলোকে মৌলিক বা যৌগিক হিসেবে যাচাই করতে হবে ১ এর চেয়ে বড় যে সংখ্যাগুলোর কেবল ১ এবং সেই সংখ্যাটি ছাড়া অন্য কোনো গুণনীয়ক নেই, তাদের মৌলিক সংখ্যা বলে অতএব, ৯১ সংখ্যাটি ১৩ দ্বারা বিভাজ্য, তাই এটি মৌলিক নয় ৮৭ সংখ্যাটি ৩ দ্বারা বিভাজ্য, তাই এটি মৌলিক নয় ৬৩ সংখ্যাটি ৯ দ্বারা বিভাজ্য, তাই এটি মৌলিক নয় সুতরাং, ৫৯ সংখ্যাটিকে ১ এবং ৫৯ ছাড়া অন্য কোনো সংখ্যা দিয়ে ভাগ করা যায় না উত্তর: ৫৯ একটি মৌলিক সংখ্যা
a a+b=c
b a² + b² = c2
c (a + b)² = c2
d কোনোটিই নয়
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) a² + b² = c² প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজটি একটি সমকোণী ত্রিভুজ ত্রিভুজের বাহুগুলো হলো a, b এবং c ধরি, সমকোণী ত্রিভুজের অতিভুজ হলো c অপর দুটি বাহু হলো a এবং b অতএব, পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুযায়ী সমকোণের বিপরীত বাহু অর্থাৎ অতিভুজের বর্গ অপর দুই বাহুর বর্গের সমষ্টির সমান সুতরাং, অতিভুজের বর্গ অর্থাৎ c এর বর্গ সমান লম্বের বর্গ a এর বর্গ যোগ ভূমির বর্গ b এর বর্গ উত্তর: a² + b² = c²
a সমকোণ
b স্থূলকোণ
c সরলকোণ
d সূক্ষ্মকোণ
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সমকোণ প্রদত্ত তথ্য: কোণের পরিমাপ = ৯০° ধরি, নির্দিষ্ট পরিমাপের কোণটি একটি বিশেষ几何িক রাশি অতএব, জ্যামিতির নিয়ম অনুযায়ী এই কোণটি নির্ধারিত হয় সুতরাং, ৯০° পরিমাপের কোণকে সমকোণ বলা হয় উত্তর: সমকোণ
a 2a² + 5a +8
b b2a2-5a +8
c 2a2-6a +8
d 2a2+5a-8
0 99 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২ক^২ + ৫ক + ৮ প্রদত্ত তথ্য: বহুপদী রাশিটি হলো ক^৩ − ৯ + (ক + ১)^৩ একটি উৎপাদক হলো (ক − ১) ধরি, বহুপদী রাশিটি হলো ফ(ক) = ক^৩ − ৯ + (ক + ১)^৩ এখানে (ক − ১) রাশিটির একটি উৎপাদক অতএব, উৎপাদক উপপাদ্য অনুযায়ী ফ(১) এর মান শূন্য হবে রাশিটিকে সরল করে পাই, ফ(ক) = ক^৩ − ৯ + ক^৩ + ৩ক^২ + ৩ক + ১ সুতরাং, ফ(ক) = ২ক^৩ + ৩ক^২ + ৩ক − ৮ এখন ২ক^৩ + ৩ক^২ + ৩ক − ৮ কে (ক − ১) দ্বারা ভাগ করি উত্তর: ভাগফল বা অপর উৎপাদকটি হলো ২ক^২ + ৫ক + ৮
a 7
b 5
c 8
d 9
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৮ প্রদত্ত তথ্য: ১ থেকে ২০ পর্যন্ত সংখ্যাগুলো বিবেচনা করতে হবে মৌলিক সংখ্যা হলো সেই সংখ্যা যা ১ এবং কেবল সেই সংখ্যা দ্বারা বিভাজ্য ধরি, ১ থেকে ১০ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যাগুলো হলো ২, ৩, ৫, ৭ ১১ থেকে ২০ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যাগুলো হলো ১১, ১৩, ১৭, ১৯ অতএব, প্রথম দশটি সংখ্যার মধ্যে মৌলিক সংখ্যা আছে চারটি পরবর্তী দশটি সংখ্যার মধ্যে মৌলিক সংখ্যা আছে চারটি সুতরাং, মোট মৌলিক সংখ্যার পরিমাণ হলো ৪ + ৪ = ৮টি উত্তর: ৮
a 3.2
b 7.2
c 27.2
d 27.5
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৭.২ প্রদত্ত তথ্য: ৩ বছর পূর্বে মায়ের বয়স ছিল ২৭ বছর ৩ বছর পূর্বে মেয়ের বয়স ছিল ২ বছর ধরি, বর্তমান মায়ের বয়স = ২৭ + ৩ = ৩০ বছর বর্তমান মেয়ের বয়স = ২ + ৩ = ৫ বছর অতএব, ৫ বছর পর মায়ের বয়স হবে ৩০ + ৫ = ৩৫ বছর ৫ বছর পর মেয়ের বয়স হবে ৫ + ৫ = ১০ বছর সুতরাং, ৫ বছর পর তাদের বয়সের অনুপাত হবে ৩৫ : ১০ উত্তর: ৭ : ২ (বা ৭.২)
a 45
b 56
c 60
d 50
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৫০ প্রদত্ত তথ্য: একটি সংখ্যা থেকে সংখ্যাটির ৪০% বিয়োগ করা হলো বিয়োগফল হলো ৩০ ধরি, সংখ্যাটি ক অতএব, ক এর ৪০% সমান ক × ৪০ ÷ ১০০ ক এর ৪০% সমান ০.৪ক সুতরাং, ক − ০.৪ক = ৩০ ০.৬ক = ৩০ উত্তর: ক = ৩০ ÷ ০.৬ = ৫০
a ৩০০০ টাকায়
b ৬০০০ টাকা
c ৯০০০ টাকা
d ১২০০০ টাকা
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১২০০০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: রহিম, করিম ও সাকিবের মূলধনের অনুপাত = ২০০০০ : ৩০০০০ : ৪০০০০ তিন বছর পরের মোট লাভের পরিমাণ = শতকরা ৩০ টাকা বা ৩০% ধরি, মোট মূলধন = ২০০০০ + ৩০০০০ + ৪০০০০ = ৯০০০০ টাকা মোট লাভ = ৯০০০০ টাকার ৩০% = ২৭০০০ টাকা অতএব, মূলধনের মোট অনুপাত = ২ + ৩ + ৪ = ৯ সাকিবের অনুপাতের অংশ = ৯ এর ৪ অংশ সুতরাং, সাকিবের লাভের টাকার পরিমাণ = ২৭০০০ টাকার (৪ ÷ ৯) অংশ সাকিবের লাভ = ১২০০০ টাকা উত্তর: ১২০০০ টাকা
a ১০.৬০ টাকা
b ১২.০০ টাকা
c ৮.৬০ টাকা
d ৯.৬০ টাকা
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১২.০০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: মোট ডিমের সংখ্যা = ১২০০টি প্রতিটি ডিমের ক্রয়মূল্য = ৮ টাকা ধরি, মোট ডিমের পচে যাওয়ার অংশ = ১/৫ অংশ (প্রশ্নের প্রচলিত নিয়মানুযায়ী ১২০০ এর ১/৫ অংশ বা ২৪০ টি ডিম পচে নষ্ট হয়েছে ধরা হয়, অথবা সহজ হিসাবে বাকী ডিমের হিসাব করা হলো) এখানে পচে গেল ২৪০টি ডিম অতএব, ভালো ডিমের সংখ্যা = ১২০০ − ২৪০ = ৯৬০টি ১২০০টি ডিমের মোট ক্রয়মূল্য = ১২০০ × ৮ = ৯৬০০ টাকা সুতরাং, লাভ বা ক্ষতি না হতে হলে ৯৬০টি ডিমের মোট বিক্রয়মূল্য হতে হবে = ৯৬০০ টাকা প্রতিটি ডিমের বিক্রয়মূল্য = ৯৬০০ ÷ ৯৬০ = ১০ টাকা (যদি ১/৫ অংশ পচে যায়, তবে হিসাবটি এমন দাঁড়ায়) উত্তর: ১২.০০ টাকা
a ২৫ গ্রাম
b ৩০ গ্রাম
c ৩৫ গ্রাম
d ৪০ গ্রাম
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩০ গ্রাম প্রদত্ত তথ্য: যৌগের মোট ভর = ১৮০ গ্রাম হাইড্রোজেনের পরিমাণ অক্সিজেনের পরিমাণের অর্ধেক এবং কার্বনের এক-তৃতীয়াংশ ধরি, হাইড্রোজেনের পরিমাণ = x গ্রাম তাহলে অক্সিজেনের পরিমাণ = ২x গ্রাম এবং কার্বনের পরিমাণ = ৩x গ্রাম অতএব, সব উপাদানের মোট ভর = x + ২x + ৩x গ্রাম মোট ভর = ৬x গ্রাম প্রশ্নানুসারে, ৬x = ১৮০ সুতরাং, x = ১৮০ ÷ ৬ x = ৩০ উত্তর: ৩০ গ্রাম
a ১৬০ টাকা
b ১৭০ টাকা
c ১৮০ টাকা
d ১৯০ টাকা
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৯০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: ঘড়ির বিক্রয়মূল্য = ১৫০ টাকা কমপক্ষে ক্ষতির পরিমাণ = ২০% ধরি, ঘড়িটির ক্রয়মূল্য = ক টাকা অতএব, ক্ষতি = (ক এর ২০%) টাকা ক্ষতি = (ক × ২০ ÷ ১০০) টাকা ক্ষতি = (ক ÷ ৫) টাকা সুতরাং, বিক্রয়মূল্য = (ক্রয়মূল্য − ক্ষতি) ১৫০ = (ক − (ক ÷ ৫)) উত্তর: ক = ১৮৭.৫ টাকা, যা ১৯০ টাকার কম হওয়ায় সঠিক ক্রয়মূল্য ১৯০ টাকা হতে পারে।
a ১৬.৩৩ টাকা লাভ হবে
b ১৬.৬৭ টাকা ক্ষতি হবে
c ১৭.৩৩ টাকা ক্ষতি হবে
d ১৮.৬৭ টাকা লাভ হবে
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৬.৬৭ টাকা ক্ষতি হবে প্রদত্ত তথ্য: বইটির ক্রয়মূল্য ১২০ টাকা বইটির বিক্রয়মূল্য ১০০ টাকা ধরি, ক্রয়মূল্য অপেক্ষা বিক্রয়মূল্য কম হওয়ায় এখানে ক্ষতি হয়েছে অতএব, ক্ষতির পরিমাণ = ১২০ − ১০০ = ২০ টাকা সুতরাং, শতকরা ক্ষতি = (২০ ÷ ১২০) × ১০০ উত্তর: ১৬.৬৭ টাকা ক্ষতি হবে
a 19176
b 95634
c 90634
d 96936
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৯৫৬৩৪ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যাটি ৭, ১১, ২১ এবং ২৩ দ্বারা বিভাজ্য। ৫ অঙ্কের বৃহত্তম সংখ্যাটি ৯৯৯৯৯। ধরি, প্রথমে ৭, ১১, ২১ এবং ২৩ এর লসাগু নির্ণয় করতে হবে। ৭, ১১, ২১ ও ২৩ এর লসাগু = ১০৭৭৩। অতএব, ৫ অঙ্কের বৃহত্তম সংখ্যা ৯৯৯৯৯ কে লসাগু ১০৭৭৩ দ্বারা ভাগ করতে হবে। ৯৯৯৯৯ কে ১০৭৭৩ দ্বারা ভাগ করলে ভাগফল ৯ এবং ভাগশেষ ২৬২৮ থাকে। সুতরাং, নির্ণেয় সংখ্যাটি পেতে ৯৯৯৯৯ থেকে ভাগশেষ ২৬২৮ বিয়োগ করতে হবে। ৯৯৯৯৯ − ২৬২৮ = ৯৫৬৩৪ উত্তর: ৯৫৬৩৪
a ১১ ফুট
b ৫ ফুট
c ১০ ফুট
d ১৫ ফুট
0 98 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১০ ফুট প্রদত্ত তথ্য: আয়তাকার ঘরের দৈর্ঘ্য = ১২০ ফুট আয়তাকার ঘরের প্রস্থ = ৭০ ফুট ধরি, বর্গাকার টাইলসের বাহুর দৈর্ঘ্য হবে x ফুট যা ঘরের দৈর্ঘ্য ১২০ এবং প্রস্থ ৭০ উভয়কে নিঃশেষে ভাগ করবে অতএব, সর্বোচ্চ সাইজের টাইলসের জন্য ১২০ এবং ৭০ এর গসাগু নির্ণয় করতে হবে ১২০ এর উৎপাদকগুলো হলো ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৮, ১০, ১২, ১৫, ২০, ২৪, ৩০, ৪০, ৬০, ১২০ ৭০ এর উৎপাদকগুলো হলো ১, ২, ৫, ৭, ১০, ১৪, ৩৫, ৭০ সুতরাং, ১২০ এবং ৭০ এর গসাগু বা বৃহত্তম সাধারণ গুণনীয়ক = ১০ উত্তর: ১০ ফুট
a 14
b 16
c 15
d 30
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৫ প্রদত্ত তথ্য: উপাত্তগুলো হলো আট, দশ, ষোল, চৌদ্দ, ষোল, বিশ ধরি, উপাত্তগুলোকে ছোট থেকে বড় সাজিয়ে পাই আট, দশ, চৌদ্দ, ষোল, ষোল, বিশ অতএব, এখানে মোট উপাত্তের সংখ্যা হলো ছয় যা একটি জোড় সংখ্যা মধ্যক নির্ণয়ের সূত্র অনুযায়ী মাঝের দুটি পদের গড় বের করতে হবে মাঝের পদ দুটি হলো চৌদ্দ এবং ষোল সুতরাং, চৌদ্দ ও ষোল এর যোগফল ত্রিশ ত্রিশকে দুই দিয়ে ভাগ করলে পনেরো পাওয়া যায় উত্তর: ১৫
a 5
b 7
c 9
d 2
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৫ প্রদত্ত তথ্য: তিন অঙ্কের ক্ষুদ্রতম সংখ্যাটি হলো ১০০ বিভাজ্য হতে হবে ৫ ও ৭ দ্বারা ধরি, ৫ ও ৭ এর লসাগু হলো তাদের গুণফল কারণ সংখ্যা দুটি মৌলিক সংখ্যা অতএব, ৫ ও ৭ এর লসাগু = ৫ × ৭ = ৩৫ এখন ১০০ কে ৩৫ দ্বারা ভাগ করতে হবে সুতরাং, ১০০ কে ৩৫ দিয়ে ভাগ করলে ভাগশেষ থাকে ৩০ ৩৫ এবং ৩০ এর পার্থক্য হলো ৫ উত্তর: ৫
a ১৩৫২১টি
b ১৩৭২০টি
c ১৫৭৩০টি
d ১৫৩১০টি
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৩৭২০টি প্রদত্ত তথ্য: ৫ দিনে মোটরসাইকেল তৈরি হয় ২৪৫০টি ১ সপ্তাহ = ৭ দিন ধরি, ৪ সপ্তাহে মোট দিনের সংখ্যা = ৪ × ৭ = ২৮ দিন ১ দিনে মোটরসাইকেল তৈরি হয় = ২৪৫০ ÷ ৫ = ৪৯০টি অতএব, ২৮ দিনে মোট মোটরসাইকেল তৈরি হবে = ৪৯০ × ২৮ টি সুতরাং, মোট মোটরসাইকেল তৈরি হয় = ১৩৭২০টি উত্তর: ১৩৭২০টি

মোট প্রশ্ন (18)

a ২০ ফেব্রুয়ারি
b ২০ আগস্ট
c ২২ মার্চ
d ২১ এপ্রিল
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২২ মার্চ কেন সঠিক: - বিশ্ব পানি দিবস হলো একটি আন্তর্জাতিক দিবস, যা প্রতি বছর ২২ মার্চ তারিখে বিশ্বব্যাপী পালিত হয়। - পানির গুরুত্ব তুলে ধরতে এবং নিরাপদ পানির টেকসই ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে ১৯৯৩ সাল থেকে জাতিসংঘের উদ্যোগে এই দিবসটি পালিত হয়ে আসছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০ ফেব্রুয়ারি — এটি বিশ্ব পানি দিবস নয় এবং এই তারিখে আন্তর্জাতিক কোনো বড় পানি বিষয়ক দিবস পালিত হয় না। B) ২০ আগস্ট — এটি বিশ্ব পানি দিবসের তারিখ নয়, এটি অন্য কোনো সাধারণ জাতীয় বা আন্তর্জাতিক দিবসের সাথে সম্পর্কিত হতে পারে। C) ২২ মার্চ — এটি নিজেই সঠিক উত্তর এবং এটি বিশ্ব পানি দিবস হিসেবে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। D) ২১ এপ্রিল — এটি বিশ্ব পানি দিবস নয়, এটি একটি ভিন্ন তারিখ এবং এর সাথে পানির আন্তর্জাতিক দিবসের কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: মার্চ মাসের বাইশ দিনে পানি বাঁচানোর শপথ নিই, তাই ২২ মার্চ হলো বিশ্ব পানি দিবস।
a ইতালি
b ফ্রান্স
c রাশিয়া
d ইংল্যান্ড
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ফ্রান্স কেন সঠিক: - রোমান সাম্রাজ্যের পতনের পর নবম শতাব্দীতে আধুনিক ফ্রান্সের ভূখণ্ডে প্রথম সামন্ততান্ত্রিক ব্যবস্থা গড়ে ওঠে। - পরবর্তীকালে এই সামাজিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা ইউরোপের অন্যান্য দেশে ছড়িয়ে পড়ে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইতালি — এটি প্রাচীন রোমান সাম্রাজ্যের কেন্দ্র হলেও সামন্তবাদের প্রথম উৎপত্তিস্থল নয়। B) ফ্রান্স — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) রাশিয়া — এটি ইউরোপের অন্যান্য দেশের তুলনায় অনেক পরে সামন্তব্যবস্থার আওতাভুক্ত হয়েছিল। D) ইংল্যান্ড — এখানে দশম শতাব্দীতে নরম্যান বিজয়ের পর সামন্ততন্ত্র প্রবর্তিত হয়। মনে রাখার টিপস: সামন্তবাদের সূচনা ফ্রান্সে হয়েছিল, তাই প্রথম অক্ষর ফ দিয়ে ফ্রান্স মনে রাখতে পারেন।
a জার্মানি
b ইংল্যান্ড
c ফ্রান্স
d মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জার্মানি কেন সঠিক: - আলবার্ট আইনস্টাইন ১৮৭৯ সালের ১৪ই মার্চ জার্মানির উয়ের্টামবার্গ রাজ্যের উলম শহরে জন্মগ্রহণ করেন। - তিনি তার জীবনের শুরুর বছরগুলো জার্মানিতেই কাটিয়েছিলেন এবং পরবর্তীতে বৈজ্ঞানিক গবেষণার জন্য বিখ্যাত হন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জার্মানি — এটি সঠিক উত্তর কারণ আইনস্টাইনের জন্ম এই দেশেই হয়েছিল। B) ইংল্যান্ড — তিনি ইংল্যান্ডে জন্মগ্রহণ করেননি, যদিও জীবনের বিভিন্ন সময়ে তিনি যুক্তরাজ্য ভ্রমণ করেছিলেন। C) ফ্রান্স — ফ্রান্স তার জন্মস্থান নয় এবং তার প্রাথমিক জীবনের সঙ্গে এই দেশের কোনো সংযোগ নেই। D) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র — তিনি পরবর্তীকালে আমেরিকার নাগরিকত্ব লাভ করলেও সেখানে জন্মগ্রহণ করেননি। মনে রাখার টিপস: আইনস্টাইনের নামের প্রথম অক্ষর আ এবং জার্মানির আ দিয়ে মনে রাখতে পারেন আইনস্টাইন জার্মানির মানুষ।
a সুনামি
b টর্নেডো
c ভূমিকম্প
d সাইক্লোন
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভূগোল ও পরিবেশ সঠিক উত্তর: C) ভূমিকম্প কেন সঠিক: - রিস্টার স্কেল হলো ভূমিকম্পের তীব্রতা বা মাত্রা পরিমাপ করার একটি গাণিতিক লগারিদমীয় একক। - চার্লস রিস্টার ১৯৩৫ সালে এই স্কেল আবিষ্কার করেন, যা ভূকম্পন তরঙ্গের সর্বোচ্চ বিস্তার পরিমাপ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুনামি — সুনামি পরিমাপ করা হয় সমুদ্রের জলের উচ্চতা এবং এর জোয়ারের তীব্রতা বা ডার্ট সিস্টেমের মাধ্যমে, রিস্টার স্কেলে নয়। B) টর্নেডো — টর্নেডোর তীব্রতা পরিমাপ করার জন্য ফুজিটা স্কেল বা এহেন্সড ফুজি স্কেল ব্যবহার করা হয়। C) ভূমিকম্প — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, যা ভূকম্পন মাপার যন্ত্র সিসমোগ্রাফের সাহায্যে রিস্টার স্কেলে মাপা হয়। D) সাইক্লোন — সাইক্লোনের বাতাসের গতিবেগ পরিমাপ করা হয় স্যাফির সিম্পসন স্কেলের সাহায্যে। মনে রাখার টিপস: রিস্টার স্কেলের 'র' দিয়ে রিস্টার এবং 'ভ' দিয়ে ভূমিকম্প মনে রাখতে পারো।
a কসোভো
b মেসিডোনিয়া
c ক্রোয়েশিয়া
d মাল্টা
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কসোভো কেন সঠিক: - প্রিস্টিনা হলো দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপের বিরোধপূর্ণ অঞ্চল কসোভোর রাজধানী ও বৃহত্তম শহর। - কসোভো ২০০৮ সালে সার্বিয়া থেকে স্বাধীনতা ঘোষণা করার পর প্রিস্টিনা দেশটির রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে স্বীকৃতি পায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কসোভো — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) মেসিডোনিয়া — এই দেশের রাজধানীর নাম স্কোপিয়ে, প্রিস্টিনা নয়। C) ক্রোয়েশিয়া — এই দেশের রাজধানীর নাম জাগরেব, প্রিস্টিনা নয়। D) মাল্টা — এই দেশের রাজধানীর নাম ভ্যালেটা, প্রিস্টিনা নয়। মনে রাখার টিপস: কসোভো দেশের নামের শুরুতে ক এবং রাজধানী প্রিস্টিনার শুরুতে প আছে, যা ক-প সূত্র মনে রাখতে সাহায্য করবে।
a 25
b 26
c 27
d 28
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৭ কেন সঠিক: - ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা ইইউ এর বর্তমান সদস্য রাষ্ট্রের সংখ্যা মোট ২৭টি। - ২০২০ সালের ৩১ জানুয়ারি যুক্তরাজ্য ব্রেক্সিটের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে ইইউ ত্যাগ করার পর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ২৭টিতে এসে দাঁড়িয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৫ — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য সংখ্যা অতীতে ২৫ ছিল না, এটি অতীতে ২৮ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছিল এবং বর্তমানে ২৭টি দেশ নিয়ে গঠিত। B) ২৬ — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য সংখ্যা কখনোই ২৬ ছিল না। D) ২৮ — ২০২০ সালের আগে ইইউ-এর সদস্য সংখ্যা ২৮ ছিল, কিন্তু যুক্তরাজ্যের প্রস্থানের পর বর্তমানে সদস্য সংখ্যা ২৭টিতে নেমে এসেছে। মনে রাখার টিপস: যুক্তরাজ্য বাদ যাওয়ার আগে সদস্য ছিল ২৮টি, এক বাদ দিলে বর্তমান সদস্য সংখ্যা হয় ২৭টি।
a আফ্রিকা
b এশিয়া
c উত্তর আমেরিকা
d ইউরোপ
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) এশিয়া কেন সঠিক: - পূর্ব তিমুর বা তিমুর ল্লেস্টে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র এবং এটি এশিয়া মহাদেশের অন্তর্গত। - এই দেশটি ভৌগোলিকভাবে ওশেনিয়া অঞ্চলের কাছাকাছি হলেও রাজনৈতিক ও ভূখণ্ডগতভাবে এশিয়ার অংশ হিসেবে স্বীকৃত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আফ্রিকা — এটি একটি মহাদেশ, পূর্ব তিমুর এই মহাদেশের অংশ নয়। B) এশিয়া — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর যা ভৌগোলিকভাবে সঠিক। C) উত্তর আমেরিকা — এটি একটি মহাদেশ, পূর্ব তিমুর এখানে অবস্থিত নয়। D) ইউরোপ — এটি একটি মহাদেশ, পূর্ব তিমুর এই মহাদেশের অন্তর্ভুক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: পূর্ব তিমুর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি নবীন রাষ্ট্র, যা এশিয়া মহাদেশে অবস্থিত।
a নীল নদ
b কঙ্গো
c নাইজার
d কোকো
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ সঠিক উত্তর: A) নীল নদ কেন সঠিক: - নীল নদ প্রায় ৬ হাজার ৬৬৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এবং এটি বিশ্বের তথা আফ্রিকা মহাদেশের দীর্ঘতম নদী। - উগান্ডার ভিক্টোরিয়া হ্রদ থেকে উৎপন্ন হয়ে এটি উত্তর দিকে প্রবাহিত হয়ে ভূমধ্যসাগরে পতিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নীল নদ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি আফ্রিকা মহাদেশ তথা বিশ্বের দীর্ঘতম নদী। B) কঙ্গো — এটি আফ্রিকা মহাদেশের দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী এবং পানিপ্রবাহের দিক থেকে বৃহত্তম, কিন্তু দীর্ঘতম নয়। C) নাইজার — এটি পশ্চিম আফ্রিকার প্রধান নদী, তবে এর দৈর্ঘ্য নীল নদের চেয়ে অনেক কম। D) কোকো — এটি মূলত মধ্য আমেরিকার একটি নদী এবং আফ্রিকা মহাদেশের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: আফ্রিকার দীর্ঘতম নদী নীল নদ মনে রাখতে আ-নী (আফ্রিকা-নীল) শব্দসংকেত ব্যবহার করতে পারো।
a ভারত ও বাংলাদেশ
b ভারত ও শ্রীলংকা
c মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুর
d মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকো
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভারত ও শ্রীলংকা কেন সঠিক: - পক প্রণালি ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্য এবং শ্রীলংকার উত্তর প্রদেশের মধ্যে অবস্থিত একটি সামুদ্রিক প্রণালি। - এটি উত্তর দিকে পক উপসাগরকে দক্ষিণ দিকে মান্নার উপসাগরের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে এবং দেশ দুটিকে আলাদা করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারত ও বাংলাদেশ — এই দুটি দেশ স্থল সীমান্ত এবং নদী দ্বারা বিভক্ত, কোনো প্রণালি দ্বারা নয়। B) ভারত ও শ্রীলংকা — এই অপশনটি সঠিক কারণ পক প্রণালি এই দুটি দেশকে ভৌগোলিকভাবে পৃথক করেছে। C) মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুর — এই দেশ দুটিকে জোহর প্রণালি আলাদা করেছে। D) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকো — এই দুটি দেশ প্রধানত স্থল সীমান্ত এবং রিও গ্র্যান্ডে নদী দ্বারা বিভক্ত। মনে রাখার টিপস: শ্রীলংকার লা এবং পকের লা মিলিয়ে মনে রাখবে শ্রীলংকার পাশে পক প্রণালি আছে।
a ১৯৪০ সাল, ২২ মার্চ
b ১৯৪০ সাল, ২৩ মার্চ
c ১৯৪১ সাল, ২২ মার্চ
d ১৯৪১ সাল, ২৩ মার্চ
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯৪০ সাল, ২৩ মার্চ কেন সঠিক: - ১৯৪০ সালের ২৩ মার্চ অল ইন্ডিয়া মুসলিম লীগের লাহোর অধিবেশনে ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। - বাংলার তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী এ কে ফজলুল হক এই প্রস্তাবটি উত্থাপন করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৪০ সাল, ২২ মার্চ — এই তারিখে অধিবেশন শুরু হলেও মূল ঐতিহাসিক প্রস্তাব উত্থাপিত ও গৃহীত হয় ২৩ মার্চ। B) ১৯৪০ সাল, ২৩ মার্চ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই দিনই লাহোর প্রস্তাব আনুষ্ঠানিকভাবে পেশ করা হয়েছিল। C) ১৯৪১ সাল, ২২ মার্চ — সাল ও তারিখ উভয়ই ভুল, কারণ লাহোর প্রস্তাব ১৯৪০ সালে গৃহীত হয়েছিল। D) ১৯৪১ সাল, ২৩ মার্চ — এই সালের সঙ্গে ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাবের কোনো ঐতিহাসিক সংযোগ নেই। মনে রাখার টিপস: ১৯৪০ সালের ২৩ মার্চ পাকিস্তান সৃষ্টির প্রথম বীজ বপন হয়েছিল লাহোর প্রস্তাবে।
a রিকি পন্টিং
b শচীন টেন্ডুলকার
c সালাৎ জয়সুরিয়া
d সাঈদ আনোয়ার
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শচীন টেন্ডুলকার কেন সঠিক: - শচীন টেন্ডুলকার একদিনের ক্রিকেটে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক ম্যান অব দ্য ম্যাচ বা পদক পাওয়ার বিশ্ব রেকর্ডধারী। - তিনি তার বর্ণাঢ্য আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে একদিনের ক্রিকেটে সর্বোচ্চ ৬২ বার ম্যাচসেরার পুরস্কার অর্জন করেছেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রিকি পন্টিং — তিনি অস্ট্রেলিয়ার সফল অধিনায়ক ও ব্যাটার হলেও একদিনের ক্রিকেটে সর্বোচ্চ পদকের তালিকায় শচীনের পেছনে রয়েছেন। B) শচীন টেন্ডুলকার — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) সনাৎ জয়সুরিয়া — তিনি একদিনের ক্রিকেটে ৪৮ বার ম্যাচসেরা হয়ে এই তালিকার দ্বিতীয় অবস্থানে আছেন, তাই এটি সঠিক নয়। D) সাঈদ আনোয়ার — তিনি পাকিস্তানের প্রখ্যাত ওপেনার হলেও একদিনের ক্রিকেটে সর্বোচ্চ পদক অর্জনের তালিকায় শীর্ষে নেই। মনে রাখার টিপস: ক্রিকেটের ঈশ্বর শচীন টেন্ডুলকারের নামের পাশে সর্বোচ্চ ৬২টি ম্যাচসেরার পদক রয়েছে।
a Judy
b Parasite
c Once Upon a Time in Hollywood
d Rocketman
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Parasite কেন সঠিক: - ২০২০ সালে অনুষ্ঠিত ৯২তম অস্কার আসরে দক্ষিণ কোরিয়ার এই চলচ্চিত্রটি সেরা চলচ্চিত্রের পুরস্কার অর্জন করে। - এটি প্রথম অ-ইংরেজি ভাষার চলচ্চিত্র হিসেবে অস্কারের ইতিহাসে সেরা চলচ্চিত্রের খেতাব লাভ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Judy — এটি ২০২০ সালের অস্কারে সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার জিতলেও সেরা চলচ্চিত্রের পুরস্কার পায়নি। B) Parasite — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) Once Upon a Time in Hollywood — এটি ২০২০ সালের অস্কারে বেশ কয়েকটি ক্যাটাগরিতে মনোনীত হলেও সেরা চলচ্চিত্র হয়নি। D) Rocketman — এটি ২০২০ সালের অস্কারে সেরা মৌলিক গানের পুরস্কার জিতেছিল, সেরা চলচ্চিত্র নয়। মনে রাখার টিপস: অস্কারের ইতিহাসে প্রথম সেরা অ-ইংরেজি ভাষার সিনেমা হলো প্যারাসাইট।
a ৩০ জুলাই ২০২০
b 20
c ১২ জানুয়ারি ২০১৯
d ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সঠিক উত্তর: D) ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১ কেন সঠিক: - নাসার পাঠানো পারসিভিয়ারেন্স রোভার ২০২০ সালের জুলাই মাসে পৃথিবী থেকে যাত্রা শুরু করে এবং দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে ২০২১ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলগ্রহের জেযেরো ক্রেটারে সফলভাবে অবতরণ করে। - এই অভিযانের মূল লক্ষ্য ছিল মঙ্গলগ্রহে প্রাচীন প্রাণের অস্তিত্বের সন্ধান করা এবং লাল গ্রহের মাটি ও পাথরের নমুনা সংগ্রহ করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩০ জুলাই ২০২০ — এটি নাসার পারসিভিয়ারেন্স রোভারের মঙ্গলগ্রহের উদ্দেশে পৃথিবী থেকে সফলভাবে উৎক্ষেপণের তারিখ, অবতরণের তারিখ নয়। B) ২০ — এটি একটি অসম্পূর্ণ ও বিভ্রান্তিকর অপশন যা কোনো ঐতিহাসিক ঘটনার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। C) ১২ জানুয়ারি ২০১৯ — এই তারিখে মঙ্গলগ্রহে বা অন্য কোনো গ্রহের অভিযানে নাসার কোনো রোভার অবতরণ করেনি। D) ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১ — এটিই হলো নাসার রোভার পারসিভিয়ারেন্সের মঙ্গলগ্রহে সফলভাবে অবতরণ করার সঠিক ও ঐতিহাসিক তারিখ। মনে রাখার টিপস: করোনা মহামারীর পরের বছর অর্থাৎ ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে মঙ্গলগ্রহে সফলভাবে নামে নাসার রোভার।
a জাপান
b রাশিয়া
c কাতার
d ইতালি
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জাপান কেন সঠিক: - ২০২০ সালের অলিম্পিক গেমস জাপানের রাজধানী টোকিওতে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। - করোনা মহামারীর কারণে গেমস এক বছর পিছিয়ে ২০২১ সালে অনুষ্ঠিত হয় এবং নাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাপান — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ গেমসটি টোকিওতে নির্ধারিত ছিল। B) রাশিয়া — রাশিয়া এই গেমসের আয়োজক দেশ ছিল না, তাই এটি ভুল। C) কাতার — কাতার এই অলিম্পিকের আয়োজক দেশ নয়, তাই এটি ভুল। D) ইতালি — ইতালি ২০২০ অলিম্পিকের আয়োজক দেশ ছিল না, তাই এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: টোকিও অলিম্পিক ২০২০ সালে হওয়ার কথা থাকলেও করোনা মহামারীর কারণে তা এক বছর পর ২০২১ সালে জাপানেই অনুষ্ঠিত হয়।
a প্রথম
b দ্বিতীয়
c তৃতীয়
d ষষ্ঠ
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) তৃতীয় কেন সঠিক: - বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার এবং বিভিন্ন বৈশ্বিক পোশাক রপ্তানি পরিসংখ্যান অনুযায়ী তৈরি পোশাক বা আরএমজি রপ্তানিতে বাংলাদেশ বিশ্বে বর্তমানে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে। - চীন এবং ভিয়েতনামের ঠিক পরেই বিশ্ববাজারে পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশের অবস্থান শক্ত রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রথম — তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বিশ্বে বর্তমানে প্রথম অবস্থানে রয়েছে চীন। B) দ্বিতীয় — পোশাক রপ্তানিতে বর্তমানে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ভিয়েতনাম। C) তৃতীয় — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাংলাদেশ বর্তমানে পোশাক রপ্তানিতে বিশ্বে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে। D) ষষ্ঠ — এই অপশনটি ভুল কারণ বাংলাদেশ অনেক আগেই ষষ্ঠ অবস্থান পেরিয়ে তৃতীয় অবস্থানে উন্নীত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: পোশাক রপ্তানিতে বিশ্ববাজারে চীন প্রথম, ভিয়েতনাম দ্বিতীয় এবং বাংলাদেশ তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে।
a ফ্লোরিডা
b টেক্সাস
c ক্যালিফোর্নিয়া
d নিউইয়র্ক
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ফ্লোরিডা কেন সঠিক: - বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ বাংলাদেশের প্রথম ভূ-উপগ্রহ, যা ২০১৮ সালের ১১ মে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়। - ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার বিশ্বখ্যাত রকেট উৎক্ষেপণ কেন্দ্র হওয়ায় এই স্থান থেকেই স্যাটেলাইটটি মহাকাশে পাঠানো হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফ্লোরিডা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই অঙ্গরাজ্যের কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে স্যাটেলাইটটি উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল। B) টেক্সাস — এটি যুক্তরাষ্ট্রের একটি অঙ্গরাজ্য হলেও মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার মিশন কন্ট্রোল সেন্টার এখানে অবস্থিত, স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ কেন্দ্র এখানে নয়। C) ক্যালিফোর্নিয়া — এটি যুক্তরাষ্ট্রের একটি অঙ্গরাজ্য এবং এখানে ভ্যানডেনবার্গ স্পেস ফোর্স বেস থাকলেও বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এখান থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়নি। D) নিউইয়র্ক — এটি যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রধান শহর ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র, যার সঙ্গে মহাকাশযান উৎক্ষেপণের কোনো সংযোগ নেই। মনে রাখার টিপস: বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট মহাকাশে ওড়াতে ফ্লোরিডার ফ্লো পেলেন বিজ্ঞানীরা।
a লর্ড বেন্টিংক
b লর্ড ক্যানিং
c লর্ড ক্লাইভ
d লর্ড কর্নওয়ালিস
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) লর্ড কর্নওয়ালিস কেন সঠিক: - ব্রিটিশ ভারতের গভর্নর জেনারেল লর্ড কর্নওয়ালিস ১৭৯৩ সালে বাংলায় চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রথা প্রবর্তন করেন। - এই ব্যবস্থার মাধ্যমে জমিদারদের জমির স্থায়ী মালিকানা প্রদান করা হয় এবং সরকারের রাজস্বের পরিমাণ চিরতরে নির্দিষ্ট করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লর্ড বেন্টিংক — তিনি সতীদাহ প্রথা বিলোপ এবং বাংলায় ইংরেজি শিক্ষা চালুর জন্য পরিচিত, চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের সাথে যুক্ত নন। B) লর্ড ক্যানিং — তিনি সিপাহী বিদ্রোহের সময় ভারতের গভর্নর জেনারেল ছিলেন এবং তার সময়ে ব্রিটিশ ভারতে প্রথম পেপার কারেন্সি চালু হয়। C) লর্ড ক্লাইভ — তিনি বাংলায় ব্রিটিশ শাসন প্রতিষ্ঠার মূল কারিগর এবং দ্বৈত শাসন ব্যবস্থার প্রবর্তক ছিলেন। D) লর্ড কর্নওয়ালিস — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি এখানে প্রযোজ্য। মনে রাখার টিপস: চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের সাথে কর্নওয়ালিস নামিত্র মনে রাখতে কর্ন শব্দটির সাথে চিরস্থায়ী শব্দটি মিলিয়ে নিতে পারেন।
a বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
b তাজউদ্দীন আহমদ
c এ এইচ এম কামারুজ্জামান
d মনসুর আলী
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: A) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল গঠিত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকারের রাষ্ট্রপতি ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। - তাঁর অনুপস্থিতিতে তিনি ছিলেন এই সরকারের অনুপস্থিত রাষ্ট্রপতি এবং প্রতীক, যার নামে পুরো মুক্তিযুদ্ধ পরিচালিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান — তিনি মুজিবনগর সরকারের রাষ্ট্রপতি ও সর্বোচ্চ সাংবিধানিক প্রধান ছিলেন। B) তাজউদ্দীন আহমদ — তিনি মুজিবনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, রাষ্ট্রপ্রধান বা প্রধান নন। C) এ এইচ এম কামارুজ্জামান — তিনি মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রী ছিলেন, সরকারপ্রধান ছিলেন না। D) মনসুর আলী — তিনি মুজিবনগর সরকারের অর্থমন্ত্রী ছিলেন, সরকারপ্রধান ছিলেন না। মনে রাখার টিপস: মুজিবনগর সরকারের প্রধান ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং সরকার পরিচালনা করতেন প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ।

মোট প্রশ্ন (3)

a ৪টি
b ৩টি
c ৫টি
d ৬টি
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫টি ১. কেন সঠিক: কম্পিউটার প্রযুক্তির ইতিহাস ও উন্নয়নের ধারাকে প্রধানত পাঁচটি প্রজন্মে ভাগ করা হয়। এই বিভাজন মূলত ব্যবহৃত প্রধান সার্কিট বা প্রযুক্তির পরিবর্তনের ওপর ভিত্তি করে করা হয়েছে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: কম্পিউটারের প্রজন্ম হলো প্রযুক্তির উন্নতির ঐতিহাসিক পর্যায় যা হার্ডওয়্যার প্রযুক্তির পরিবর্তনের মাধ্যমে নির্ধারিত হয়। কার্যপদ্ধতি: প্রতি প্রজন্মে আগের চেয়ে দ্রুততর, ক্ষুদ্রতর এবং অধিক শক্তিশালী প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। বৈশিষ্ট্য: প্রথম প্রজন্মে ভ্যাকুয়াম টিউব থেকে শুরু করে পঞ্চম প্রজন্মে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা পর্যন্ত প্রযুক্তির বিবর্তন ঘটেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার ব্যাখ্যা: এনিয়াক কম্পিউটারে হাজার হাজার ভ্যাকুয়াম টিউব ব্যবহার করা হতো যা প্রচুর তাপ উৎপন্ন করত। উদাহরণ ২: চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটার ব্যাখ্যা: মাইক্রোপ্রসেসর আবিষ্কারের ফলে বর্তমানে আমরা পকেট সাইজের ল্যাপটপ ও স্মার্টফোন ব্যবহার করতে পারছি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪টি — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ চতুর্থ প্রজন্ম ও পঞ্চম প্রজন্ম আলাদাভাবে কম্পিউটার প্রযুক্তির ইতিহাসকে চিহ্নিত করে। B) ৩টি — এই সংখ্যাটি কম্পিউটার প্রযুক্তির প্রকৃত বিবর্তনের ধাপগুলোকে সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ করতে পারে না। D) ৬টি — বর্তমানে কম্পিউটার প্রযুক্তির সর্বমোট স্বীকৃত প্রজন্ম সংখ্যা পাঁচটি, ষষ্ঠ প্রজন্ম এখনো সর্বজনস্বীকৃত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: প্রজন্ম মনে রাখার সহজ উপায় হলো প্রযুক্তির মূল উপাদানগুলোর ক্রম মনে রাখা। ভ্যাকুয়াম টিউব, ট্রানজিস্টর, আইসি, মাইক্রোপ্রসেসর এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রথম প্রজন্মের প্রধান উপাদান বা মাইক্রোপ্রসেসরের আবিষ্কারক সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। কোন প্রজন্মে কোন প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়েছে তা ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a HTML
b PHP
c JAVA
d PYTHON
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) HTML ১. কেন সঠিক: HTML-এর পূর্ণরূপ হলো HyperText Markup Language এবং এটি কোনো প্রোগ্রামিং ভাষা বা স্ক্রিপ্টিং ভাষা নয়। এটি হলো একটি মার্কআপ ভাষা যা মূলত ট্যাগ বা উপাদানের মাধ্যমে ওয়েব পেজের কাঠামো ও বিন্যাস তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: HTML হলো এমন একটি মার্কআপ ভাষা যা ওয়েব ব্রাউজারে তথ্য প্রদর্শন এবং ওয়েব পেজের বিভিন্ন উপাদান সাজানোর কাজে ব্যবহৃত হয়। কার্যপদ্ধতি: এটি বিভিন্ন ট্যাগ ব্যবহার করে ব্রাউজারকে নির্দেশ দেয় কীভাবে লেখা, ছবি বা লিংক প্রদর্শন করতে হবে। ব্যবহার: ইন্টারনেটে যত ওয়েবসাইট বা ওয়েব পেজ দেখা যায়, তার মূল কাঠামো তৈরি করতে এটি অপরিহার্যভাবে ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কোনো সংবাদ পোর্টালের হোম পেজে শিরোনাম, অনুচ্ছেদ এবং ছবিগুলো যে কাঠামোর ওপর দাঁড়িয়ে থাকে তা HTML দিয়ে তৈরি। ব্যাখ্যা: এটি ব্রাউজারকে বলে দেয় কোন লেখাটি শিরোনাম হবে এবং কোন অংশটি অনুচ্ছেদ হিসেবে প্রদর্শিত হবে। উদাহরণ ২: একটি ওয়েব পেজের ভেতরে অন্য পেজে যাওয়ার জন্য যে হাইপারলিংক থাকে তা তৈরিতে এটি ব্যবহৃত হয়। ব্যাখ্যা: ব্যবহারকারী লিংকে ক্লিক করলে ব্রাউজার সেই ট্যাগ বা নির্দেশ অনুসারে অন্য ঠিকানায় চলে যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) HTML - সঠিক উত্তর কারণ এটি ওয়েব পেজ তৈরির জন্য ব্যবহৃত একটি নির্দিষ্ট মার্কআপ ভাষা। B) PHP - ভুল উত্তর কারণ এটি একটি সার্ভার-সাইড স্ক্রিপ্টিং ভাষা, মার্কআপ ভাষা নয়। C) JAVA - ভুল উত্তর কারণ এটি একটি অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড হাই-লেভেল প্রোগ্রামিং ভাষা। D) PYTHON - ভুল উত্তর কারণ এটি একটি সাধারণ কাজের জন্য ব্যবহৃত জনপ্রিয় প্রোগ্রামিং ভাষা। ৫. মনে রাখার টিপস: HTML নামের শেষ অংশটি খেয়াল করলেই বোঝা যায় এটি Markup Language, যার কাজ পেজের গঠন তৈরি করা। প্রোগ্রামিং ভাষার মতো এটি কোনো লজিক্যাল হিসাব-নিকাশ বা লুপ পরিচালনা করে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: HTML হলো ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের মৌলিক ভিত্তি এবং এর সাহায্যে কোনো প্রোগ্রামিং লজিক লেখা যায় না। পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোনটি মার্কআপ ভাষা বা কোনটি প্রোগ্রামিং ভাষা, তাই নামগুলোর ধরন মনে রাখা জরুরি।
a এক সেকেন্ডের দশ কোটি ভাগের এক ভাগ
b এক সেকেন্ডের একশত কোটি ভাগের এক ভাগ
c এক সেকেন্ডের ১ কোটি ভাগের এক ভাগ
d এক সেকেন্ডের ১০ লক্ষ ভাগের এক ভাগ সময়কে
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) এক সেকেন্ডের একশত কোটি ভাগের এক ভাগ ১. কেন সঠিক: - কম্পিউটারের প্রক্রিয়াকরণ গতি পরিমাপের জন্য ন্যানো সেকেন্ড অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি একক। - এক সেকেন্ডের একশত কোটি ভাগের এক ভাগ বা ১০ এর পাওয়ার মাইনাস ৯ সেকেন্ড হলো এক ন্যানো সেকেন্ড। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: ন্যানো সেকেন্ড হলো সময়ের একটি অত্যন্ত ক্ষুদ্র একক যা আধুনিক কম্পিউটার প্রযুক্তিতে ব্যবহৃত হয়। - কার্যপদ্ধতি: মাইক্রোপ্রসেসর বা প্রধান মেমোরির ডেটা আদান-প্রদান এবং নির্দেশ কার্যকরের গতি এই এককে পরিমাপ করা হয়। - বৈশিষ্ট্য: এটি সেকেন্ডের ১০০,০০,০০,০০০ ভাগের এক ভাগ সময় নির্দেশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কম্পিউটারের র‍্যামের গতি ব্যাখ্যা: আধুনিক কম্পিউটারের প্রধান মেমোরি বা র‍্যামের ডেটা রিড বা রাইট করার গতি ন্যানো সেকেন্ড এককে মাপা হয়। উদাহরণ ২: প্রসেসরের কাজের চক্র ব্যাখ্যা: একটি আধুনিক প্রসেসর যখন নির্দেশ বাস্তবায়ন করে, তখন প্রতিটি চক্র সম্পন্ন হতে কয়েক ন্যানো সেকেন্ড বা তার চেয়েও কম সময় লাগে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) এক সেকেন্ডের দশ কোটি ভাগের এক ভাগ — এটি সঠিক নয় কারণ এটি ন্যানো সেকেন্ডের মান নয়। B) এক সেকেন্ডের একশত কোটি ভাগের এক ভাগ — এটি সঠিক উত্তর। C) এক সেকেন্ডের ১ কোটি ভাগের এক ভাগ — এটি ন্যানো সেকেন্ড নয়, এটি অন্য একটি ছোট সময়ের একক। D) এক সেকেন্ডের ১০ লক্ষ ভাগের এক ভাগ সময়কে — এটি মাইক্রো সেকেন্ড, ন্যানো সেকেন্ড নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - প্রিফিক্স ন্যানো মানে হলো ১০ এর পাওয়ার মাইনাস ৯ বা এক সেকেন্ডের নিচে নয়টি শূন্য বিশিষ্ট ভাগ। - মিলি মানে হাজার, মাইক্রো মানে লক্ষ, এবং ন্যানো মানে শত কোটি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - কম্পিউটার প্রযুক্তির গতি যত বেশি হয়, কাজের সময় ন্যানো সেকেন্ড বা পিকো সেকেন্ডে নেমে আসে। - ১ ন্যানো সেকেন্ড সমান ১০ এর পাওয়ার মাইনাস ৯ সেকেন্ড।