সঠিক উত্তর: A) ধ্বনি, শব্দ, বাক্য
১. কেন সঠিক:
ভাষার মূল ভিত্তি বা উপাদান হলো ধ্বনি, শব্দ ও বাক্য। ধ্বনি মিলিত হয়ে শব্দ গঠন করে এবং শব্দ সুবিন্যস্ত হয়ে মনের ভাব প্রকাশের জন্য বাক্য তৈরি করে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
ভাষার মৌলিক উপাদান চারটি ধরা হলেও প্রধান অংশ তিনটি। ধ্বনি হলো ভাষার ক্ষুদ্রতম একক, শব্দ হলো অর্থের প্রকাশ এবং বাক্য হলো পূর্ণাঙ্গ ভাব প্রকাশের মাধ্যম।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অ+ব+ট (ধ্বনির মিলন) = অবট (শব্দ)।
ব্যাখ্যা: ধ্বনিগুলো একত্রিত হয়ে অর্থবোধক শব্দ তৈরি করেছে।
উদাহরণ ২: ছেলেরা ফুটবল খেলে।
ব্যাখ্যা: একাধিক শব্দ সুবিন্যস্ত হয়ে সম্পূর্ণ মনের ভাব প্রকাশ করায় এটি একটি বাক্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ধ্বনি, শব্দ, বাক্য — এটি সঠিক কারণ ভাষা এই তিনটি মূল স্তম্ভের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
B) ধ্বনি, বর্ণ, শব্দ — বর্ণ ভাষার মৌলিক অংশ নয়, এটি ধ্বনির লিখিত রূপ মাত্র।
C) উপসর্গ, অনুসর্গ, ধ্বনি — উপসর্গ ও অনুসর্গ ব্যাকরণের অংশ হলেও ভাষার মৌলিক অংশ নয়।
D) শব্দ, সন্ধি, বর্ণ — সন্ধি ব্যাকরণের একটি প্রক্রিয়া, ভাষার মৌলিক অংশ বা উপাদান নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
ভাষার মৌলিক অংশ মনে রাখার কৌশল হলো ধ্বনি দিয়ে শব্দ এবং শব্দ দিয়ে বাক্য তৈরি হয়। এভাবে ধ্বনি, শব্দ ও বাক্য ক্রমানুসারে মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ভাষার ক্ষুদ্রতম একক ধ্বনি এবং অর্থের দিক থেকে ক্ষুদ্রতম একক শব্দ। এই পার্থক্যটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: C) চার্লস উইলকিন্স
কেন সঠিক:
- চার্লস উইলকিন্স প্রথম বাংলা হরফ বা মুদ্রাক্ষর খোদাই করেছিলেন।
- তাঁর তৈরি কাঠের ব্লক বা ধাতব হরফ দিয়েই বাংলায় প্রথম মুদ্রণ যুগের সূচনা ঘটেছিল।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা মুদ্রণশিল্পের ইতিহাসে চার্লস উইলকিন্স হলেন অগ্রদূত যিনি প্রথম বাংলা অক্ষরের নকশা তৈরি করেন।
- বাংলা গদ্য ও মুদ্রণ শিল্পের বিকাশে তাঁর এই অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সাহিত্য ও ঐতিহাসিক প্রসঙ্গ।
- ১৭৭৮ সালে প্রকাশিত নাথানিয়েল ব্রাসি হ্যালহেডের 'এ গ্রামার অফ দ্য বেঙ্গল ভাষা' বইটির জন্য তিনি প্রথম বাংলা মুদ্রাক্ষর তৈরি করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — তিনি বাংলা গদ্যের জনক এবং বাংলা বর্ণমালা সংস্কারক, মুদ্রাক্ষরের জনক নন।
- B) জন ক্লার্ক মার্শম্যান — তিনি একজন বিশিষ্ট সাংবাদিক ও ইতিহাসবিদ ছিলেন, মুদ্রাক্ষর আবিষ্কারের সাথে যুক্ত নন।
- C) চার্লস উইলকিন্স — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি ভুল নয়।
- D) গৌর দাস — তিনি বাংলার মুদ্রণ ইতিহাসের সাথে প্রধান রূপকার হিসেবে যুক্ত ছিলেন না।
মনে রাখার টিপস:
- উইলকিন্স শব্দটির সাথে উইল বা ইচ্ছা শব্দটি মিলিয়ে মনে রেখো, যিনি বাংলা মুদ্রণ চালুর ইচ্ছা পূরণ করেছিলেন।
সঠিক উত্তর: A) বহুজ্ঞ
১. কেন সঠিক:
- 'যে বহু বিষয় জানে' বাক্যটিকে সংক্ষেপে প্রকাশ করতে 'বহুজ্ঞ' শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
- এখানে 'বহু' অর্থ অনেক এবং 'জ্ঞ' অর্থ যে জানে বা জ্ঞাতা।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন ব্যাকরণের শব্দার্থ বিষয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
- বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার প্রক্রিয়াকে বাক্য সংকোচন বলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: যে অনেক বিষয়ে অভিজ্ঞ — বহুদর্শী।
ব্যাখ্যা: এটিও এককথায় প্রকাশের একটি বহুল ব্যবহৃত উদাহরণ যা জ্ঞানের গভীরতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: যা সহজে জয় করা যায় না — দুর্জয়।
ব্যাখ্যা: এটি একটি বাক্যকে সুন্দর ও সংক্ষিপ্ত করার জন্য ব্যবহৃত এককথায় প্রকাশের উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বহুজ্ঞ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বহু বিষয় জানার অর্থ প্রকাশ করে।
B) সর্বজ্ঞ — এর অর্থ যিনি সবকিছু জানেন, যা 'বহু বিষয় জানে' এর চেয়ে ব্যাপক।
C) সবজান্তা — এটি একটি চলতি বা কথ্য শব্দ যা সব বিষয়ে নাক গলায় এমন ব্যক্তিকে বোঝায়।
D) বহুজ্ঞানী — ব্যাকরণগত দিক থেকে এটি প্রমিত বাক্য সংকোচন নয়, তাই এটি সঠিক নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- প্রশ্নটিতে 'বহু' শব্দ থাকায় উত্তর নির্বাচনেও 'বহু' যুক্ত শব্দটিকে (বহুজ্ঞ) বেছে নিতে হবে।
- 'সব' থাকলে 'সর্বজ্ঞ' হবে আর 'বহু' থাকলে 'বহুজ্ঞ' হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- 'সবকিছু জানে যে' এবং 'বহু বিষয় জানে যে' এই দুটি শব্দার্থের সূক্ষ্ম পার্থক্য মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) করণ কারক
১. কেন সঠিক:
বাক্যটিতে 'চিনিপাতা' শব্দটি দই তৈরির মাধ্যম বা উপায় বোঝাচ্ছে।
করণ শব্দের অর্থ সাহায্য, উপায় বা মাধ্যম। দই কী দিয়ে বা কোন উপায়ে পাতা হয়েছে, তার উত্তর হলো চিনিপাতা।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
বাক্যে যার সাহায্যে ক্রিয়া সম্পাদিত হয়, তাকে করণ কারক বলে।
ক্রিয়াকে কিসের দ্বারা বা কী উপায়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা করণ কারক হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কলম দিয়ে লেখা যায়।
ব্যাখ্যা: লেখার কাজটি কলমের মাধ্যমে সম্পাদিত হচ্ছে, তাই কলম হলো করণ কারক।
উদাহরণ ২: চোরা না শোনে ধর্মের কাহিনি।
ব্যাখ্যা: এখানে শোনার মাধ্যম হিসেবে ধর্ম বা উপদেশের কথা বলা হয়েছে, যা করণ কারকের উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কর্মকারক — যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে, তাকে কর্মকারক বলে। এখানে দই সুস্বাদু হওয়ার প্রক্রিয়া বা মাধ্যম বোঝানো হয়েছে, কর্ম নয়।
B) অধিকরণ কারক — ক্রিয়া সম্পাদনের স্থান, কাল বা আধারকে অধিকরণ কারক বলে। চিনিপাতা কোনো স্থান বা সময় নির্দেশ করছে না।
D) অপাদান কারক — যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, ভীত, রক্ষিত বা উৎপন্ন হয়, তাকে অপাদান কারক বলে। এখানে কোনো কিছু বিচ্যুত বা উৎপন্ন হওয়ার অর্থ নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
করণ কারক চেনার সহজ উপায় হলো ক্রিয়াকে কী দ্বারা বা কিসের মাধ্যমে প্রশ্ন করা। উত্তর মিলে গেলে তা নিঃসন্দেহে করণ কারক হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কারক নির্ণয়ের সময় শব্দের উৎস বা তৈরির মাধ্যম প্রায়ই করণ কারকের অন্তর্ভুক্ত হয়। এই নিয়মটি মাথায় রাখলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
সঠিক উত্তর: B) সাধারণ লোক বলে
১. কেন সঠিক:
- 'লোকে বলে' বাক্যাংশে 'লোক' শব্দের সঙ্গে 'এ' বিভক্তি যুক্ত হয়ে বহুবচন বা সাধারণ মানুষকে বুঝিয়েছে।
- এখানে কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে নির্দেশ না করে সমাজের সাধারণ মানুষের মৌখিক বা প্রচলিত মতকে প্রকাশ করা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণে পদের ব্যবহার ও বচন ভেদে শব্দের অর্থের পরিবর্তন ঘটে।
- এখানে 'লোক' বিশেষ্য পদের সঙ্গে 'এ' বিভক্তি যোগ হয়ে সর্বসাধারণের উপস্থিতি বা জনশ্রুতিকে নির্দেশ করছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: লোকে কি বলে তা শুনে লাভ নেই।
ব্যাখ্যা: এখানে 'লোকে' বলতে সমাজের সর্বস্তরের সাধারণ মানুষকে বোঝানো হয়েছে।
উদাহরণ ২: লোকে নদীটিকে বলে মরা নদী।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যেও সাধারণ মানুষের মুখে প্রচলিত একটি ধারণার কথা বলা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) একজন লোক বলে — এটি ভুল কারণ এখানে একাধিক বা সর্বসাধারণের কথা বলা হয়েছে, নির্দিষ্ট একজনের কথা নয়।
B) সাধারণ লোক বলে — এটি সঠিক কারণ 'লোকে' বলতে সমাজের সাধারণ মানুষকে বোঝায়।
C) নির্দিষ্ট কেউ বলে — এটি ভুল কারণ নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তির একক মত এখানে প্রকাশ পায়নি।
D) দুইজন লোক বলে — এটি ভুল কারণ নির্দিষ্ট কোনো সংখ্যা বা জুটির কথা বাক্যে নেই।
৫ মনে রাখার টিপস:
- 'লোকে বলে' বা 'লোকমুখে প্রচলিত' থাকলে বুঝতে হবে এটি সমাজের সাধারণ মানুষের মতামত।
- প্রবাদ বা জনশ্রুতির ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট ব্যক্তির বদলে সাধারণ মানুষের কথা বোঝানো হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্যের অন্তর্নিহিত অর্থ বা তাৎপর্য সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
- শব্দের সাধারণ অর্থের বাইরে তার ভাবার্থ বা তাৎপর্য ভালোভাবে অনুধাবন করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) ক্ষুধা + ঋত
১. কেন সঠিক:
- ক্ষুধা শব্দের অন্তস্থিত অ কার এবং ঋত শব্দের শুরুর ঋ কার মিলে আর কার বা রফলা সৃষ্টি হয় এবং পূর্ববর্ণে যুক্ত হয়।
- এটি স্বরসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম যেখানে অ অথবা আ এর পর ঋ থাকলে উভয়ে মিলে অর বা রফলা হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- অ বা আ এর পর ঋ থাকলে উভয়ে মিলে অর্ হয়, যা পরবর্তী বর্ণে রেফ বা পূর্ববর্ণে রফলা রূপে যুক্ত হয়।
- এখানে ক্ষুধা শব্দের শেষে অ এবং ঋত শব্দের শুরুতে ঋ মিলিত হয়ে রফলা গঠন করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দেব + ঋষি = দেবর্ষি
ব্যাখ্যা: অ কারের পর ঋ কার যুক্ত হয়ে অর্ বা রেফ তৈরি করেছে।
উদাহরণ ২: রাজা + ঋষি = রাজর্ষি
ব্যাখ্যা: আ কারের পর ঋ কার যুক্ত হয়ে অর্ বা রেফ তৈরি করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দুৎ + আর্ত — এই অপশনটি সম্পূর্ণ ভুল কারণ দুৎ কোনো অর্থপূর্ণ শব্দ নয় এবং এটি সন্ধির নিয়মের সাথে মিলে না।
B) ক্ষুধা + আর্ত — এই অপশনে আ এবং আ মিলে আ হয়, যার ফলে ক্ষুধার্ত না হয়ে ক্ষুধার্ত রূপটি আসত না।
D) ক্ষুধ + আর্ত — এই অপশনে ক্ষুধ হলো ব্যঞ্জনান্ত শব্দ, যা এই বিশেষ সন্ধির নিয়মের জন্য প্রযোজ্য নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
অ বা আ এর সাথে ঋ যোগ হলে সর্বদা রফলা বা রেফ যুক্ত শব্দ গঠিত হয়।
ক্ষুধার্ত শব্দের সন্ধি ভাঙলে ক্ষুধা এবং ঋত পাওয়া যায়, যেখানে ঋত শব্দের অর্থ সত্য বা কাঙ্ক্ষিত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের ব্যতিক্রমী স্বরসন্ধি প্রায়ই আসে।
পরীক্ষায় সঠিক সন্ধি নির্ণয়ের জন্য শব্দের মূল রূপ এবং অর্থ ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) আকৃষ্ট
১. কেন সঠিক:
- আকৃষ্ট শব্দটি ক্রুদ্ধ বা আকৃষ্ট করা অর্থে গঠিত হয়েছে যেখানে যুক্তবর্ণে ট-এর ব্যবহার সঠিক।
- এই শব্দটিতে কৃ ধাতু এবং ত প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত হয়েছে যা বাংলা একাডেমি বানানরীতি অনুযায়ী প্রমিত।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী তৎসম শব্দে ই-কার এবং ট-বর্গীয় ধ্বনির ব্যবহার ব্যাকরণের নিয়ম মেনে হয়।
- কৃ ধাতুর সাথে ত প্রত্যয় যোগ করলে ক-ঋ-কার-মূর্ধন্য ষ-ট যুক্ত হয়ে এই রূপ লাভ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সৃষ্টি
ব্যাখ্যা: সৃজ্ ধাতুর সাথে ত প্রত্যয় যুক্ত হয়ে এই শব্দটি গঠিত হয়েছে যেখানে ট-এর সঠিক ব্যবহার রয়েছে।
উদাহরণ ২: দৃষ্টি
ব্যাখ্যা: দৃশ ধাতুর সাথে ত প্রত্যয় যোগ করলে এই রূপটি পাওয়া যায় যা প্রমিত বানানের অন্তর্ভুক্ত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আকৃষ্ঠ — এখানে মূর্ধন্য ষ-এর সাথে ঠ যুক্ত হয়েছে যা এই শব্দের ক্ষেত্রে সঠিক নয়।
B) অকৃশট — এখানে বানানটিতে তালব্য শ এবং ট ব্যবহার করা হয়েছে যা মূল সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়মের পরিপন্থী।
C) আকৃষ্ট — এটি সঠিক উত্তর।
D) আকৃস্ট — এখানে দন্ত স-এর সাথে ট যুক্ত করা হয়েছে যা এই শব্দের সঠিক গঠন নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- আকৃষ্ট শব্দ লেখার সময় মনে রাখবে শেষে সর্বদা ট যুক্ত হয় ঠ বা স্ট নয়।
- কৃ ধাতুর সাথে ত প্রত্যয় যুক্ত শব্দগুলোতে সাধারণত মূর্ধন্য ষ-এর সাথে ট বসে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের কৃ ধাতুযুক্ত বানান প্রায়ই আসে।
- নিয়ম নিয়মিত চর্চা করলে বানান ভুলের সম্ভাবনা কমে যায়।
সঠিক উত্তর: C) ১টি
১. কেন সঠিক:
বর্ণের ওপর মাত্রা থাকার বা না থাকার ওপর ভিত্তি করে বাংলা বর্ণমালাকে তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়। অর্ধমাত্রার স্বরবর্ণ হলো এমন বর্ণ যার ওপর সম্পূর্ণ মাত্রা থাকে না, কেবল সামান্য অংশ বা অর্ধভাগ জুড়ে মাত্রা থাকে। বাংলা বর্ণমালায় অর্ধমাত্রার স্বরবর্ণ মাত্র একটি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণ ৫০টি যার মধ্যে স্বরবর্ণ ১১টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি। মাত্রা ভেদে স্বরবর্ণগুলোকে তিন ভাগে ভাগ করা যায় যেমন পূর্ণমাত্রার স্বরবর্ণ ৬টি, অর্ধমাত্রার স্বরবর্ণ ১টি এবং মাত্রাহীন স্বরবর্ণ ৪টি। অর্ধমাত্রার একমাত্র স্বরবর্ণটি হলো ঋ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ঋ
ব্যাখ্যা: ঋ হলো একমাত্র স্বরবর্ণ যার ওপর সম্পূর্ণ রেখা বা মাত্রা না থেকে শুধু বামপাশে একটি ছোট মাত্রা থাকে।
উদাহরণ ২: ঋষি
ব্যাখ্যা: ঋ বর্ণটি দিয়ে শুরু হওয়া শব্দের একটি সাধারণ উদাহরণ হলো ঋষি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৪টি — এই সংখ্যাটি মাত্রাহীন স্বরবর্ণের সংখ্যা নির্দেশ করে, অর্ধমাত্রার বর্ণ নয়।
B) ৫টি — এই সংখ্যাটি বাংলা বর্ণমালার অর্ধমাত্রার মোট বর্ণের সংখ্যা বোঝায় যার মধ্যে ১টি স্বরবর্ণ ও ৪টি ব্যঞ্জনবর্ণ রয়েছে।
D) ৬টি — এই সংখ্যাটি পূর্ণমাত্রার স্বরবর্ণের সংখ্যা নির্দেশ করে, অর্ধমাত্রার বর্ণ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
মাত্রার হিসাব মনে রাখতে পারেন ৬ যোগ ১ যোগ ৪ সমান ১১ এভাবে। যেখানে পূর্ণমাত্রা ৬, অর্ধমাত্রা ১ এবং মাত্রাহীন ৪।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই পূর্ণমাত্রা, অর্ধমাত্রা এবং মাত্রাহীন বর্ণের সংখ্যা আলাদা করে জানতে চাওয়া হয়। ব্যঞ্জনবর্ণের ক্ষেত্রে অর্ধমাত্রার বর্ণ হলো ৮টি এবং স্বরবর্ণে ১টি, সব মিলিয়ে অর্ধমাত্রার মোট বর্ণ ৯টি।
সঠিক উত্তর: C) বর্ণ
১. কেন সঠিক:
ধ্বনি দিয়ে আঁট বাধা শব্দই ভাষার ইট এখানে ভাষার ক্ষুদ্রতম একক বা মূল উপাদানকে ইটের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে।
যেমন একটি বাড়ি তৈরিতে ইটের প্রয়োজন হয়, তেমনি ভাষা তৈরিতে ধ্বনির লিখিত রূপ বা বর্ণ হলো মূল উপাদান।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
ভাষার মৌলিক বা ক্ষুদ্রতম একক হলো ধ্বনি এবং এর লিখিত রূপ হলো বর্ণ।
ভাষাকে সুশৃঙ্খলভাবে সাজাতে এবং শব্দের অর্থ প্রকাশ করতে বর্ণের ব্যবহার অপরিহার্য।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অ একটি স্বরবর্ণ এবং এটি শব্দের শুরুতে বসে অর্থ প্রকাশে সাহায্য করে।
ব্যাখ্যা: বর্ণ ছাড়া কোনো শব্দ বা ভাষা লিখিতভাবে প্রকাশ করা সম্ভব নয়।
উদাহরণ ২: ক একটি ব্যঞ্জনবর্ণ যা ধ্বনির লিখিত রূপ।
ব্যাখ্যা: ধ্বনি ও বর্ণ মিলে বাংলা ভাষার মূল ভিত্তি তৈরি করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কথা — কথা বা উক্তি হলো বক্তব্যের সমষ্টি, ভাষার ক্ষুদ্রতম নির্মাণ একক বা ইট নয়।
B) ব্যাকরণ — ব্যাকরণ হলো ভাষার শৃঙ্খলা ও নিয়ম শেখার শাস্ত্র, ভাষার মূল উপাদান বা ইট নয়।
D) বাক্য — বাক্য হলো ভাষার পূর্ণাঙ্গ প্রকাশ, যা ইট বা ক্ষুদ্রতম একক দিয়ে গঠিত হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
বাড়িতে যেমন ইট দিয়ে দেয়াল তৈরি হয়, তেমনি ভাষায় বর্ণ বা ধ্বনি দিয়ে শব্দ ও বাক্য তৈরি হয়।
বর্ণ হলো ভাষার সবচেয়ে ছোট ইট বা ভিত্তি।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ভাষার ক্ষুদ্রতম একক ধ্বনি এবং লেখার ক্ষুদ্রতম একক বর্ণ।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাষার উপাদান সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: D) অভিধানতত্ত্ব
১. কেন সঠিক:
- 'লেক্সিকোগ্রাফি' ইংরেজি শব্দ যার বাংলা পরিভাষা হলো অভিধানতত্ত্ব বা অভিধান প্রণয়ন বিদ্যা। এটি ভাষা বিজ্ঞানের একটি ফলিত শাখা যেখানে অভিধান সংকলন, শব্দচয়ন এবং শব্দের অর্থ ও ব্যবহার নিয়ে আলোচনা করা হয়।
- প্রশ্নে উল্লেখিত লেক্সিকোগ্রাফি শব্দটির মূল অর্থ হলো অভিধান তৈরি সংক্রান্ত বিজ্ঞান বা পদ্ধতি, যা সরাসরি অভিধানতত্ত্বের সঙ্গে সম্পর্কিত।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ভাষা বিজ্ঞানের আলোচনায় লেক্সিকোগ্রাফি বা অভিধানতত্ত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ক্ষেত্র। এর মাধ্যমে কোনো ভাষার শব্দভাণ্ডার সুবিন্যস্ত করা হয়।
- বাংলা অভিধান প্রণয়নের ইতিহাস বেশ প্রাচীন, যেখানে রামচন্দ্র তর্কালংকার থেকে শুরু করে ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর অবদান উল্লেখযোগ্য।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাংলা একাডেমির ব্যবহারিক বাংলা অভিধান প্রণয়ন।
ব্যাখ্যা: এটি লেক্সিকোগ্রাফি বা অভিধানতত্ত্বের প্রয়োগের মাধ্যমে তৈরি একটি প্রমিত গ্রন্থ।
উদাহরণ ২: ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ সম্পাদিত আঞ্চলিক ভাষার অভিধান।
ব্যাখ্যা: এই ধরনের গ্রন্থ তৈরিতে অভিধানতত্ত্বের নিয়ম ও পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ধ্বনিতত্ত্ব — ধ্বনিতত্ত্ব ভাষার ধ্বনি এবং এর উচ্চারণ নিয়ে আলোচনা করে, যা লেক্সিকোগ্রাফির আলোচ্য বিষয় নয়।
B) অর্থতত্ত্ব — অর্থতত্ত্ব শব্দের অর্থ ও এর পরিবর্তন নিয়ে কাজ করে, তবে এটি সরাসরি অভিধান প্রণয়নকে নির্দেশ করে না।
C) শব্দতত্ত্ব — শব্দতত্ত্ব বা রূপতত্ত্ব শব্দের গঠন ও রূপান্তর নিয়ে আলোচনা করে, যা অভিধানতত্ত্ব থেকে ভিন্ন।
D) অভিধানতত্ত্ব — এটি লেক্সিকোগ্রাফির সঠিক বাংলা পরিভাষা এবং সঠিক উত্তর।
৫. মনে রাখার টিপস:
- লেক্সিকন শব্দের অর্থ শব্দকোষ বা অভিধান। এর সাথে গ্রাফি যুক্ত হয়ে অভিধান প্রণয়ন বা অভিধানতত্ত্ব বুঝায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিদেশি শব্দের পরিভাষা বা সম্পর্কিত শাখা জানতে চাওয়া হয়। পরিভাষা মুখস্থ করার চেয়ে শব্দের উৎস ও মূল অর্থ বুঝে পড়লে মনে রাখা সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: C) Miserable
কেন সঠিক:
Deplorable শব্দটির অর্থ অত্যন্ত শোচনীয়, করুণ বা দুঃখজনক।
এর সাথে মিল রেখে Miserable শব্দটির অর্থও অত্যন্ত শোচনীয় বা করুণ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Adorable — এর অর্থ অত্যন্ত মনোরম বা আদুরে, যা দেপোরাবল শব্দের বিপরীত।
B) Respectable — এর অর্থ সম্মানজনক বা মর্যাদাপূর্ণ, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি অর্থ প্রকাশ করে।
C) Miserable — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে গণ্য হবে না।
D) Estirnate — এটি একটি ভুল বানানযুক্ত শব্দ এবং এর কোনো সঠিক অর্থ নেই।
মনে রাখার টিপস:
Deplorable শব্দটির ভেতরে ডিপ শব্দ আছে, যা গভীর দুঃখ বা শোচনীয় অবস্থাকে মনে করিয়ে দেয়।
সঠিক উত্তর: C) Peter Handke
কেন সঠিক:
- অস্ট্রিয়ান নাট্যকার ও ঔপন্যাসিক পিটার হ্যান্ডকে ২০১৯ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- ভাষাগত সীমানার পরিধি এবং মানুষের অভিজ্ঞতার স্বাতন্ত্র্য অন্বেষণের জন্য তাঁকে এই স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) V.S Naipaul — ব্রিটিশ-ত্রিনিদাদীয় এই লেখক ২০০১ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন, তাই এটি ২০১৯ সালের জন্য প্রযোজ্য নয়।
B) Svetlana Alexievich — বেলারুশীয় এই লেখক ২০১৫ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন, তাই এটি ২০১৯ সালের জন্য সঠিক উত্তর নয়।
C) Peter Handke — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য।
D) Orhan Pamuke — তুর্কি ঔপন্যাসিক ওরহান পামুক ২০০৬ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন, তাই এটি ২০১৯ সালের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
২০১৯ সালের নোবেল সাহিত্য পুরস্কারের সঙ্গে অস্ট্রিয়ার লেখক পিটার হ্যান্ডকে নামটি মনে রাখতে হ্যান্ডকে এবং ২০১৯ এর পিন্ড বা ছন্দ মিলিয়ে রাখা যেতে পারে।
সঠিক উত্তর: A) TS Eliot
কেন সঠিক:
দ্য ওয়েস্ট ল্যান্ড বইটি বিংশ শতাব্দীর অত্যন্ত প্রভাবশালী কবি টি এস এলিয়ট রচনা করেছেন। এটি আধুনিক ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ একটি দীর্ঘ কবিতা হিসেবে বিশ্বজুড়ে সমাদৃত। ১৯২২ সালে এই বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয়। আধুনিকতাবাদী সাহিত্যের ইতিহাসে এটি একটি যুগান্তকারী রচনা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
B) G.B Shaw — জর্জ বার্নার্ড শ মূলত তাঁর বিখ্যাত নাটক যেমন পাইিগম্যালিয়ন এবং ম্যান অ্যান্ড সুপারম্যান এর জন্য পরিচিত। তিনি কোনোভাবেই দ্য ওয়েস্ট ল্যান্ড কাব্যগ্রন্থের লেখক নন।
C) George Eliot — জর্জ এলিয়ট হলেন একজন ভিক্টোরিয়ান যুগের ঔপন্যাসিক যার আসল নাম মেরি অ্যান ইভান্স। মিডলমার্চ তাঁর লেখা বিখ্যাত উপন্যাস হলেও তিনি এই কবিতার রচয়িতা নন।
D) George Orwell — জর্জ অরওয়েল তাঁর রাজনৈতিক ব্যঙ্গরচনা এবং উপন্যাসের জন্য বিশ্বখ্যাত। নাইনটিন এইটি ফোর এবং অ্যানিম্যাল ফার্ম তাঁরই অমর সৃষ্টি।
মনে রাখার টিপস:
বিখ্যাত আধুনিক কবিতা দ্য ওয়েস্ট ল্যান্ড মনে রাখতে এলিয়ট পদবিটি মাথায় রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) William Blake
কেন সঠিক:
উইলিয়াম ব্লেক মূলত ইংরেজি সাহিত্যের একজন বিখ্যাত রোমান্টিক কবি ও চিত্রশিল্পী ছিলেন।
তিনি তাঁর কাব্যগ্রন্থ সongs অফ ইনোসেন্স এবং সongs অফ এক্সপেরিয়েন্স এর জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত।
তিনি কোনো উপন্যাস রচনা করেননি।
তিনি তাঁর জীবদ্দশায় মূলত পদ্য বা কবিতা লিখেই খ্যাতি অর্জন করেছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Charles Dickens — তিনি ভিক্টোরিয়ান যুগের একজন অত্যন্ত জনপ্রিয় ও বিশ্ববিখ্যাত ঔপন্যাসিক ছিলেন।
B) Emile Bronte — তিনি একজন বিখ্যাত ঔপন্যাসিক ছিলেন এবং তার অমর সৃষ্টি হলো উইদারিং হাইটস উপন্যাসটি।
C) William Blake — এই অপশনটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশনের কারণ প্রযোজ্য নয়।
D) Thomas Hard — তিনি ঊনবিংশ শতাব্দীর একজন বিখ্যাত ইংরেজ ঔপন্যাসিক ও কবি ছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
উইলিয়াম ব্লেকের নাম শুনলে মনে রাখবে তিনি কবিতা ও ছবির মানুষ, উপন্যাস তার কাজের তালিকাভুক্ত নয়।
সঠিক উত্তর: B) evidence of the witness
কেন সঠিক:
ফরাসি ভাষার এই আইনি শব্দটির মূল অর্থ হলো সত্য বলা বা পরীক্ষা করা।
আইনগতভাবে আদালতে সাক্ষী বা জুরিদের সত্যতা যাচাই করার প্রক্রিয়াকে এটি বোঝায়।
এটি সাক্ষীর সাক্ষ্য বা যোগ্যতা যাচাইয়ের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত।
সাক্ষীর সাক্ষ্য প্রমাণের ক্ষেত্রে এই শব্দগুচ্ছ ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) telling the truth — এটি সাধারণ ইংরেজি অর্থ হলেও আইনি পরিভাষায় নির্দিষ্ট কোনো সাক্ষীর প্রমাণ বোঝায় না।
B) evidence of the witness — এটি সঠিক কারণ আইনি বিচারে সাক্ষীর সাক্ষ্য বা প্রমাণকেই এই পরিভাষায় নির্দেশ করা হয়।
C) speaking lies — এর অর্থ মিথ্যা বলা যা আইনি শব্দের মূল ভাবের সাথে সম্পূর্ণ বিপরীত।
D) lying in the court — আদালতে মিথ্যা বলা এই ফরাসি আইনি শব্দগুচ্ছের সঠিক পরিভাষা নয়।
মনে রাখার টিপস:
Voir Dire একটি আইনি শব্দ যার সাথে সাক্ষীর সাক্ষ্য ও সত্যতা যাচাইয়ের বিষয়টি জড়িত থাকে।
সঠিক উত্তর: B) Etiquette
কেন সঠিক:
শব্দটির সঠিক বানান হলো ই-টি-কিউ-ইউ-ই-টি-টি-ই যা ফরাসি ভাষা থেকে ইংরেজি ভাষায় এসেছে।
এর মূল বানান কাঠামোর মধ্যে ডাবল টি এবং শেষের দিকে ই অক্ষরটি বিশেষভাবে লক্ষণীয়।
এই বানানটি ইংরেজি প্রমিত ডিকশনারি অনুযায়ী সম্পূর্ণ নির্ভুল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Eliquate — এই বানানে কিউ অক্ষরের জায়গায় এল ব্যবহার করা হয়েছে এবং শেষের অংশ সম্পূর্ণ ভুল।
B) Etiquette — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং এটি পরীক্ষিত বানান।
C) Eligwatte — এই বানানে জি এবং ডব্লিউ অক্ষর যুক্ত করে সম্পূর্ণ অর্থহীন বানান তৈরি করা হয়েছে।
D) Etiquete — এই বানানে শেষ টি এবং ই অক্ষরের সঠিক পুনরাবৃত্তি বা বিন্যাস করা হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
এই বানানটি মনে রাখতে মাঝখানে টিকিউ এবং শেষে ডাবল টি এবং একটি ই যুক্ত করার নিয়মটি বারবার লিখে চর্চা করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) Master
কেন সঠিক:
Master শব্দটির অর্থ কর্তা বা প্রভু হওয়া এবং এর ভার্ব রূপ হিসেবেও এটি বাক্যে ব্যবহৃত হয়।
বিশেষ করে কোনো বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করা বা শিক্ষা দেওয়া অর্থে এই শব্দটি ভার্ব হিসেবে কাজ করে।
এটি একই সাথে নাউন এবং ভার্ব উভয় হিসেবেই ইংরেজি বাক্যে সঠিকভাবেই ব্যবহৃত হতে পারে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Mister — এটি কোনো ভার্ব নয়, বরং এটি পুরুষদের নামের পূর্বে সম্মানসূচক উপাধি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
B) Mistress — এটি Master শব্দের ফেমিনিন জেন্ডার বা স্ত্রীবাচক রূপ, কোনো ভার্ব নয়।
C) Mastery — এটি Master শব্দটির নাউন রূপ যার অর্থ পারদর্শিতা বা দক্ষতা।
D) Master — এটি নিজেই সঠিক ভার্ব হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক বলে বিবেচিত হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
কিছু ইংরেজি শব্দ একই সাথে নাউন এবং ভার্ব হিসেবে কাজ করে, তাই তাদের রূপ পরিবর্তনের প্রয়োজন হয় না।
সঠিক উত্তর: B) Marine
কেন সঠিক:
Sea শব্দটির অর্থ সমুদ্র এবং এর বিশেষণ বা অ্যাডজেক্টিভ রূপ হলো মেরিন।
এটি সমুদ্রসংক্রান্ত বা সমুদ্রের সাথে সম্পর্কিত কোনো কিছু বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Navy — এটি একটি বিশেষ্য বা নাউন যার অর্থ নৌবাহিনী।
B) Marine — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি অ্যাডজেক্টিভ ফর্ম।
C) Ocean — এটিও একটি বিশেষ্য বা নাউন যার অর্থ মহাসাগর।
D) Shipping — এটি জাহাজে পণ্য পরিবহন বোঝায় এবং এর অর্থ আলাদা।
মনে রাখার টিপস:
Sea নাউনটির অ্যাডজেক্টিভ রূপ মনে রাখতে Marine শব্দটি মাথায় রাখবে যা সমুদ্র বোঝায়।
সঠিক উত্তর: C) lowest point
কেন সঠিক:
Zenith শব্দের বাংলা অর্থ হলো শীর্ষবিন্দু বা আকাশর সবচেয়ে উঁচু স্থান।
এর বিপরীতার্থক শব্দ হলো সর্বনিম্ন বিন্দু।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) top — এটি Zenith শব্দের সমার্থক শব্দ যার অর্থ চূড়া।
B) doubt — এটি সম্পূর্ণ আলাদা একটি শব্দ যার অর্থ সন্দেহ।
D) final — এটি অন্য একটি শব্দ যার অর্থ চূড়ান্ত।
মনে রাখার টিপস:
Zenith মানে জিরো থেকে অনেক উপরে, আর lowest point মানে সবচেয়ে নিচে।
সঠিক উত্তর: A) Thrifty
কেন সঠিক:
Prodigal শব্দটির অর্থ অপব্যয়ী বা যে ব্যক্তি অতিরিক্ত অর্থ খরচ করে।
Thrifty শব্দটির অর্থ মিতব্যয়ী বা যে বুঝে শুনে খরচ করে।
তাই অর্থের দিক থেকে Thrifty হলো Prodigal এর সঠিক বিপরীত শব্দ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Thrifty — এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ মিতব্যয়ী।
B) Peculiar — এই শব্দটির অর্থ অদ্ভুত বা অস্বাভাবিক, যা বিপরীত শব্দ নয়।
C) Amity — এই শব্দটির অর্থ বন্ধুত্ব বা সদ্ভাব, যা এর সাথে মিলে না।
D) Strange — এই শব্দটির অর্থ অচেনা বা অজানা, যা সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ নয়।
মনে রাখার টিপস:
Prodigal মানে প্রচুর টাকা ওড়ায় আর Thrifty মানে টাকা জমিয়ে রাখে।
সঠিক উত্তর: খ) Cure all
কেন সঠিক:
Panacea শব্দটির অর্থ হলো সর্বরোগহর ঔষুধ বা সব সমস্যার একমাত্র সমাধান।
Cure all কথাটির অর্থও সমস্ত রোগের ভালো করার উপায় বা সমাধান।
তাই এই দুটি শব্দের অর্থ হুবহু মিলে যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
ক) Inactivity — এর অর্থ নিষ্ক্রিয়তা বা অলসতা, যা মূল শব্দের সাথে মেলে না।
খ) Cure all — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
গ) Pancake — এর অর্থ এক ধরণের পিঠা, যার সাথে মূল শব্দের কোনো সম্পর্ক নেই।
ঘ) Analyse — এর অর্থ বিশ্লেষণ করা, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি কার্যবাচক শব্দ।
মনে রাখার টিপস:
Panacea শব্দের শুরুতেই 'Pan' আছে, যার অর্থ সব। তাই সব রোগের সমাধান বোঝাতে Cure all মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: B) There are less to every wine.
কেন সঠিক:
এই প্রবাদটির ভাবার্থ হলো প্রতিটি ভালো জিনিসের ভেতরেই কিছু না কিছু ত্রুটি বা দোষ লুকিয়ে থাকে।
ইংরেজিতে এই বিশেষ প্রবাদটির প্রচলিত ও সঠিক রূপ হিসেবে এই বাক্যটি ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) No smoke without fire — এই প্রবাদের বাংলা অর্থ হলো কুঁড়েলে আগুন জ্বলে না অথবা বিনা ধোঁয়ায় আগুন জ্বলে না।
B) There are less to every wine — এটি সঠিক প্রবাদ যা চাঁদেরও কলঙ্ক আছে অর্থ প্রকাশ করে।
C) Many drops make a shower — এই প্রবাদের অর্থ হলো বিন্দু বিন্দু জল থেকে সমুদ্র বা সাগরের সৃষ্টি হয়।
D) Where there is life, there is hope — এই প্রবাদের অর্থ হলো যতদিন শ্বাস ততদিন আশ বা জীবনে আশা আছে।
মনে রাখার টিপস:
প্রবাদের ক্ষেত্রে আক্ষরিক অনুবাদ না করে সবসময় ভাবানুবাদ বা প্রচলিত ইংরেজি প্রবাদ মুখস্থ রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) Birds of a feather flock together.
কেন সঠিক:
এটি একটি প্রচলিত প্রবাদ বাক্য যার অর্থ এক স্বভাবের মানুষ বা সমগোত্রীয় ব্যক্তিরা একত্রে থাকে। চোরে চোরে মাসতুতো ভাই বলতে একই রকম দোষযুক্ত ব্যক্তিদের বোঝায় এবং এই ভাবটি শুধু এই ইংরেজি প্রবাদের মাধ্যমেই প্রকাশ করা সম্ভব।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Two thieves are cousin. — এটি কোনো প্রবাদ নয় এবং এর ব্যাকরণগত গঠন ভুল।
B) Bird of the same group fly together. — এখানে শব্দের সঠিক প্রবাদ রূপ ব্যবহার করা হয়নি এবং বানান ভুল আছে।
C) Birds of a feather flock together. — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) Two birds fly together. — এটি সাধারণ একটি বাক্য যার কোনো প্রবাদগত অর্থ নেই।
মনে রাখার টিপস:
একই স্বভাবের মানুষদের ক্ষেত্রে প্রবাদ হিসেবে সর্বদা Birds of a feather flock together ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) Complex sentence
কেন সঠিক:
প্রদত্ত বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্য (I know) এবং একটি আশ্রিত খণ্ডবাক্য (who he is) রয়েছে।
এখানে 'who' একটিRelative Pronoun হিসেবে যুক্ত হয়ে দুটি clause-কে একত্রিত করেছে।
জটিল বাক্যের সংজ্ঞামতে, একটি Principal clause এবং এক বা একাধিক Subordinate clause মিলে Complex sentence গঠন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Complex sentence — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এখানে ভুল নয়, বরং এটিই নির্ণেয় উত্তর।
B) Simple sentence — এই বাক্যে একটিমাত্র Subject এবং একটিমাত্র Finite verb নেই, তাই এটি Simple sentence হতে পারে না।
C) Compound sentence — এখানে কোনো coordinating conjunction যেমন and বা but দিয়ে দুটি স্বাধীন বাক্য যুক্ত হয়নি।
D) Multiful sentence — ব্যাকরণের নিয়মে ইংরেজি বাক্যের নামকরণে এই জাতীয় কোনো নির্দিষ্ট শ্রেণিবিভাগ বা পরিভাষা নেই।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে who, what, which, that, if, because ইত্যাদি conjunction বা relative pronoun থাকলে সাধারণত সেটি Complex sentence হয়।
সঠিক উত্তর: A) Noun phrase
কেন সঠিক:
বাক্যে 'The cat on the mat' অংশটি সাবজেক্ট হিসেবে কাজ করছে এবং এর প্রধান শব্দ বা Head word হলো নাউন 'cat'।
এটি একটি শব্দগুচ্ছ যা বাক্যে সম্পূর্ণ একটি নাউনের মতো কাজ সম্পন্ন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Noun phrase — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয় কারণ এটিই সঠিক অপশন।
B) Adjective phrase — এটি কোনো নাউনের দোষ, গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করছে না বরং নিজেই মূল বিষয়।
C) Verbal phrase — এই শব্দগুচ্ছের মধ্যে কোনো মূল ভার্ব বা ক্রিয়াপদ প্রধান হিসেবে কাজ করছে না।
D) Prepositional phrase — এখানে প্রেপজিশন থাকলেও তা শুধু 'cat' কে নির্দেশ করছে, পুরো গুচ্ছটি প্রেপজিশনের কাজ করছে না।
মনে রাখার টিপস:
যে শব্দগুচ্ছ কোনো বাক্যে নাউনের মতো কাজ করে এবং যার মূল শব্দ একটি নাউন, তাকে Noun phrase বলে।
সঠিক উত্তর: A) are
কেন সঠিক:
শূন্যস্থানের আগের বাক্যটিতে বলা হয়েছে সব বই বিক্রি হয়ে গেছে, যার মানে হলো কোনো বই অবশিষ্ট নেই। Books একটি বহুবচন noun এবং এর সাথে verb হিসেবে are বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) are — এটি সঠিক কারণ books বহুবচন হওয়ার কারণে plural verb বসেছে।
B) is — এটি ভুল কারণ is শুধুমাত্র একবচন noun এর সাথে বসে।
C) not — এটি ভুল কারণ এখানে বাক্য গঠনে একটি verb প্রয়োজন।
D) any — এটি ভুল কারণ এখানে noun এর উপস্থিতি বোঝাতে verb এর দরকার ছিল।
মনে রাখার টিপস:
শূন্যস্থানের আগের noun যদি বহুবচন হয়, তবে verb ও বহুবচন হবে।
সঠিক উত্তর: D) Talking to you
কেন সঠিক:
feel like একটি বিশেষ বাক্যাংশ যার পরে সবসময় মূল verb-এর সাথে ing যুক্ত হয়।
তাই talk verb-এর সাথে ing যুক্ত হয়ে talking হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Talk to you — feel like এর পরে verb-এর সাথে ing না থাকায় এটি ভুল।
B) Talking at you — talk এর সাথে at preposition ব্যবহার করা হয় না কারণ কারো সাথে কথা বলার ক্ষেত্রে to বসে।
C) Talk at you — এখানে verb এর সাথে ing নেই এবং at preposition ভুলভাবে ব্যবহৃত হয়েছে।
D) Talking to you — এটি সঠিক কারণ এতে নিয়ম অনুযায়ী ing যুক্ত হয়েছে এবং সঠিক preposition ব্যবহার করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
feel like দেখলেই এর পরের verb-এর সাথে ing যোগ করতে হয় এবং কথা বলার ক্ষেত্রে to preposition ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) get
কেন সঠিক:
এটি একটি প্রথম শর্তমূলক বাক্য বা ফার্স্ট কন্ডিশনাল।
এর গঠন হলো বর্তমান কাল এবং ভবিষ্যৎ কাল যুক্ত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) may get — এই বাক্যে দুটি মডাল ভার্ব একসাথে বসে না।
B) may be got — এটি সঠিক নিয়মে গঠিত হয়নি এবং অর্থের সাথে মেলে না।
C) will get — একই বাক্যে দুটি ভবিষ্যৎ কাল একসাথে ব্যবহার করা যায় না।
D) get — এটি সঠিক কারণ শূন্যস্থানে প্রেজেন্ট ইনডিফিনিট টেন্স বসেছে।
মনে রাখার টিপস:
যদি কোনো বাক্যের একটি অংশ ভবিষ্যৎ কাল হয়, তবে অন্য অংশটি সবসময় প্রেজেন্ট ইনডিফিনিট টেন্স হবে।
সঠিক উত্তর: D) play
কেন সঠিক:
বাক্যে used to এর পর সবসময় মূল verb এর base form বা present form বসে।
এখানে প্রশ্নবোধک বাক্য গঠনের নিয়মানুযায়ী did ব্যবহারের কারণে মূল verb এর কোনো পরিবর্তন হয় না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) playies — এটি একটি ভুল শব্দ কারণ verb এর সাথে ies যুক্ত হয় না।
B) played — did থাকার পর verb এর past form বসানো ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
C) be played — এটি passive form যা এই সাধারণ অভ্যাসের বাক্যে অর্থহীন।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে do, does বা did থাকলে তার পরে সবসময় verb এর ১ নম্বর রূপ বা base form বসে।
সঠিক উত্তর: A) were nipped in the bud
কেন সঠিক:
বাক্যের অর্থ অনুযায়ী হোপস বা আশাগুলো নিজেই নিজের ক্ষতি করতে পারে না, তাই বাক্যটি প্যাসিভ ভয়েস হবে।
হোপস প্লুরাল বা বহুবচন হওয়ায় এর সাথে পাস্ট টেন্সে were এবং মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল বসে সঠিক গঠন তৈরি হয়েছে।
নিপড ইন দ্য বাট একটি প্রচলিত ইডিয়ম যার অর্থ অঙ্কুরে বিনাশ হওয়া।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) were nipped in the bud — এটি সঠিক উত্তর তাই এখানে ভুল নেই।
B) nipped in the bud — এখানে সাহায্যকারী ভাব না থাকায় এটি একটিভ মনে হয় যা অর্থহীন।
C) have nipped in the bud — এটি প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্স এবং এটিভ হওয়ায় সাবজেক্টের সাথে অর্থের মিল নেই।
D) has nipped in the bud — হোপস বহুবচন হওয়ায় এখানে সিঙ্গুলার ভার্ব হ্যাজ বসা সম্পূর্ণ ব্যাকরণগত ভুল।
মনে রাখার টিপস:
আশা বা এমন বস্তুবাচক সাবজেক্ট যখন নিজে কাজ করতে পারে না, তখন বাক্যটি প্যাসিভ ভয়েস করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) ৩৬০ ডিগ্রি
প্রদত্ত তথ্য:
ত্রিভুজের যেকোনো বাহুকে বর্ধিত করলে একটি বহিঃস্থ কোণ উৎপন্ন হয়।
ত্রিভুজের মোট তিনটি বাহু থাকে এবং তিনটি বহিঃস্থ কোণ উৎপন্ন হয়।
ধরি,
ত্রিভুজের তিনটি কোণ যথাক্রমে ক, খ এবং গ।
তিনটি অন্তঃস্থ কোণ এবং তাদের সংলগ্ন বহিঃস্থ কোণের সমষ্টি প্রতিটি ক্ষেত্রে ১৮০ ডিগ্রি।
অতএব,
প্রথম বহিঃস্থ কোণ = ১৮০ ডিগ্রি − ক
দ্বিতীয় বহিঃস্থ কোণ = ১৮০ ডিগ্রি − খ
তৃতীয় বহিঃস্থ কোণ = ১৮০ ডিগ্রি − গ
সুতরাং,
তিনটি বহিঃস্থ কোণের সমষ্টি = (১৮০ ডিগ্রি − ক) + (১৮০ ডিগ্রি − খ) + (১৮০ ডিগ্রি − গ)
উত্তর: ৩৬০ ডিগ্রি
সঠিক উত্তর: C) ২.৫
প্রদত্ত তথ্য:
প্রাথমিক কর্মী সংখ্যা = ২০ জন
কর্মী সংখ্যা কমে গেল = ৬০%
ধরি,
নতুন কর্মী সংখ্যা হবে = ২০ এর (১০০% − ৬০%)
নতুন কর্মী সংখ্যা = ২০ এর ৪০% = ৮ জন
অতএব,
প্রথম ক্ষেত্রে কাজের সময় ব্যস্তানুপাতিক সম্পর্ক বোঝায়
জনবল ও সময়ের গুণফল সবসময় সমান থাকে
দ্বিতীয় হিসাব:
ধরি, আগের সময় ছিল ১ একক
নতুন সময় হবে = (২০ ÷ ৮) একক
সুতরাং,
নতুন সময় = ২.৫ একক
উত্তর: ২.৫ গুণ বেশি সময় লাগবে
সঠিক উত্তর: C) x²y (x + y)
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম রাশি = x^৩ + x²y
দ্বিতীয় রাশি = x²y + xy²
ধরি,
প্রথম রাশি থেকে x² কমন নিলে পাই, x² (x + y)
দ্বিতীয় রাশি থেকে xy কমন নিলে পাই, xy (x + y)
অতএব,
লসাঘু নির্ণয়ের সময় সব উৎপাদকের সর্বোচ্চ ঘাত নিতে হয়
এখানে x এর সর্বোচ্চ ঘাত x², y এর সর্বোচ্চ ঘাত y এবং সাধারণ উৎপাদক (x + y)
সুতরাং,
নির্ণেয় লসাঘু হবে x², y এবং (x + y) এর গুণফল
উত্তর: x²y (x + y)
সঠিক উত্তর: B) ৩৬০০
প্রদত্ত তথ্য:
সৈন্যদলকে ৮, ১০ ও ১২ সারিতে সাজানো যায়
তাদেরকে বর্গাকারেও সাজানো যায়
ধরি,
সৈন্যসংখ্যা হবে ৮, ১০ ও ১২ এর লসাগু এর গুণিতক
৮, ১০ ও ১২ এর লসাগু বের করতে হবে
অতএব,
৮ এর উৎপাদক = ২ × ২ × ২
১০ এর উৎপাদক = ২ × ৫
১২ এর উৎপাদক = ২ × ২ × ৩
সুতরাং,
লসাগু = ২ × ২ × ২ × ৩ × ৫ = ১২০
১২০ কে বর্গসংখ্যা বানাতে হলে মৌলিক উৎপাদক জোড়ায় সাজাতে হবে
উত্তর: ১২০ কে ৩ ও ৫ অর্থাৎ ১৫ দ্বারা গুণ করলে ৩৬০০ হয় যা একটি পূর্ণবর্গ সংখ্যা
সঠিক উত্তর: C) ৬
প্রদত্ত তথ্য:
১ থেকে ১১ পর্যন্ত ক্রমিক স্বাভাবিক সংখ্যাগুলো হলো ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯, ১০, ১১
ধরি,
সংখ্যাগুলোর মোট সমষ্টি = ১ + ২ + ৩ + ৪ + ৫ + ৬ + ৭ + ৮ + ৯ + ১০ + ১১
মোট সংখ্যার পরিমাণ = ১১
অতএব,
১ থেকে ১১ পর্যন্ত সংখ্যাগুলোর যোগফল = ৬৬
গড় নির্ণয়ের সূত্র অনুযায়ী মোট যোগফলকে মোট সংখ্যা দিয়ে ভাগ করতে হবে
সুতরাং,
নির্ণয়ে গড় = ৬৬ ÷ ১১
উত্তর: ৬
সঠিক উত্তর: A) ১০
প্রদত্ত তথ্য:
রম্বসের একটি বাহুর দৈর্ঘ্য = ১৩ সেমি
রম্বসের প্রথম কর্ণের দৈর্ঘ্য = ২৪ সেমি
ধরি,
রম্বসটির অপর কর্ণের দৈর্ঘ্য = ২ক সেমি
রম্বসের কর্ণদ্বয় পরস্পরকে সমকোণে সমদ্বিখণ্ডিত করে
অতএব,
সমকোণী ত্রিভুজের অতিভুজ = বাহুর দৈর্ঘ্য = ১৩ সেমি
সমকোণী ত্রিভুজের একটি বাহু = প্রথম কর্ণের অর্ধেক = ২৪ ÷ ২ = ১২ সেমি
সমকোণী ত্রিভুজের অপর বাহু = ক সেমি
সুতরাং,
পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুসারে, ক স্কয়ার + ১২ স্কয়ার = ১৩ স্কয়ার
ক স্কয়ার + ১৪৪ = ১৬৯
ক স্কয়ার = ১৬৯ − ১৪৪ = ২৫
উত্তর: ক = √২৫ = ৫, অপর কর্ণের দৈর্ঘ্য = ৫ × ২ = ১০ সেমি
সঠিক উত্তর: B) ১
প্রদত্ত তথ্য:
পাঁচ অংকের ক্ষুদ্রতম সংখ্যা
চার অংকের বৃহত্তম সংখ্যা
ধরি,
পাঁচ অংকের ক্ষুদ্রতম সংখ্যাটি = ১০০০০০
চার অংকের বৃহত্তম সংখ্যাটি = ৯৯৯৯
অতএব,
সংখ্যা দুটির অন্তর বের করতে হবে
অর্থাৎ বড় সংখ্যাটি থেকে ছোট সংখ্যাটি বিয়োগ করতে হবে
সুতরাং,
১০০০শ − ৯৯৯৯ = ১
উত্তর: ১
সঠিক উত্তর: A) ২৫
প্রদত্ত তথ্য:
তালিকার প্রথম সংখ্যাটি ১
তালিকার দ্বিতীয় সংখ্যাটি ৭
তালিকার তৃতীয় সংখ্যাটি ১৩
তালিকার চতুর্থ সংখ্যাটি ১৯
ধরি,
প্রথম পদের সাথে যোগ করতে হবে সাধারণ অন্তর
দ্বিতীয় পদ থেকে প্রথম পদের বিয়োগফল = ৭ − ১ = ৬
তৃতীয় পদ থেকে দ্বিতীয় পদের বিয়োগফল = ১৩ − ৭ = ৬
অতএব,
চতুর্থ পদ থেকে তৃতীয় পদের বিয়োগফল = ১৯ − ১৩ = ৬
অর্থাৎ তালিকার সংখ্যাগুলোর সাধারণ অন্তর সমান ৬
পরবর্তী সংখ্যাটি পাওয়ার জন্য শেষ পদের সাথে যোগ করতে হবে ৬
সুতরাং,
নির্ণয়ে পরবর্তী সংখ্যাটি হবে ১৯ + ৬ = ২৫
উত্তর: ২৫
সঠিক উত্তর: A) ১০
প্রদত্ত তথ্য:
১ ডজন বা ১২টি কলার ক্রয়মূল্য = ৪৮ টাকা
২৫% লাভে বিক্রয়মূল্য বের করতে হবে
ধরি,
২৫% লাভে কলার বিক্রয়মূল্য = ৪৮ টাকার ১২৫%
অর্থাৎ বিক্রয়মূল্য = ৪৮ × (১২৫ ÷ ১০০) = ৬০ টাকা
অতএব,
৬০ টাকায় বিক্রি করতে হয় ১২টি কলা
১ টাকায় বিক্রি করতে হয় ১২ ÷ ৬০টি কলা
সুতরাং,
৫০ টাকায় বিক্রি করতে হয় (১২ ÷ ৬০) × ৫০ = ১০টি কলা
উত্তর: ১০টি
সঠিক উত্তর: B) ৬ঃ৭
প্রদত্ত তথ্য:
১২ বছর আগে জন ও পিয়ার বয়সের অনুপাত ছিল ৪ঃ৫
১২ বছর পর তাদের বয়সের অনুপাত হবে ৮ঃ৯
ধরি,
১২ বছর আগে জনের বয়স ছিল ৪ক বছর
১২ বছর আগে পিয়ার বয়স ছিল ৫ক বছর
অতএব,
বর্তমানে জনের বয়স = ৪ক + ১২ বছর
বর্তমানে পিয়ার বয়স = ৫ক + ১২ বছর
সুতরাং,
১২ বছর পর জনের বয়স হবে ৪ক + ২৪ বছর
১২ বছর পর পিয়ার বয়স হবে ৫ক + ২৪ বছর
শর্তমতে,
(৪ক + ২৪) ÷ (৫ক + ২৪) = ৮ ÷ ৯
বা, ৩৬ক + ২১৬ = ৪০ক + ১৯২
অতএব,
৪ক = ২৪
ক = ৬
সুতরাং,
বর্তমানে জনের বয়স = (৪ × ৬) + ১২ = ৩৬ বছর
বর্তমানে পিয়ার বয়স = (৫ × ৬) + ১২ = ৪২ বছর
উত্তর: বর্তমান বয়সের অনুপাত = ৩৬ঃ৪২ = ৬ঃ৭
সঠিক উত্তর: C) ৩x − ৫
প্রদত্ত তথ্য:
বহুপদী রাশিটি হলো ৩x² + x − ১০
রাশিটির একটি উৎপাদক হলো x + ২
ধরি,
অপর উৎপাদকটি হলো ax + b
প্রথম পদের গুণফল হলো ৩x²
অতএব,
ax এবং x গুণ করে ৩x² পেতে হলে a এর মান ৩ হতে হবে
ধ্রুবক পদ দুটি গুণ করে −১০ পেতে হবে
b এর মান −৫ হতে হবে
সুতরাং,
অপর উৎপাদকটি হলো ৩x − ৫
উত্তর: ৩x − ৫
সঠিক উত্তর: D) ১
প্রদত্ত তথ্য:
নির্দিষ্ট সংখ্যাটিকে ১১ দ্বারা ভাগ করলে ৩ অবশিষ্ট থাকে
সংখ্যাটির চারগুণকে ১১ দ্বারা ভাগ করতে হবে
ধরি,
সংখ্যাটি = ১১ × ক + ৩ (যেখানে ক একটি পূর্ণসংখ্যা)
অতএব,
সংখ্যাটির চারগুণ = ৪ × (১১ × ক + ৩)
সংখ্যাটির চারগুণ = ৪৪ × ক + ১২
সুতরাং,
সংখ্যাটির চারগুণ = ৪৪ × ক + ১১ + ১
সংখ্যাটির চারগুণ = ১১ × (৪ × ক + ১) + ১
উত্তর: ১
সঠিক উত্তর: A) ১০ঃ৬
প্রদত্ত তথ্য:
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার দৈর্ঘ্য ১০ একক
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার প্রস্থ ৬ একক
ধরি,
পতাকার দৈর্ঘ্য = ১০ একক
পতাকার প্রস্থ = ৬ একক
অতএব,
দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত নির্ণয় করতে হবে
সুতরাং,
অনুপাতটি হবে ১০ অনুপাত ৬
উত্তর: ১০ঃ৬
সঠিক উত্তর: B) ৮
প্রদত্ত তথ্য:
বৃত্তের ব্যাসার্ধ = ৫ সে.মি.
কেন্দ্র হতে জ্যা এর দূরত্ব = ৩ সে.মি.
ধরি,
বৃত্তের কেন্দ্র ও জ্যা এর লম্ব দূরত্ব এবং ব্যাসার্ধ মিলে একটি সমকোণী ত্রিভুজ তৈরি হয়
ত্রিভুজটির অতিভুজ = বৃত্তের ব্যাসার্ধ = ৫ সে.মি.
ত্রিভুজটির ভূমি = কেন্দ্র হতে জ্যা এর দূরত্ব = ৩ সে.মি.
অতএব,
সমকোণী ত্রিভুজের পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুযায়ী লম্ব বা জ্যা এর অর্ধাংশ বের করতে হবে
লম্ব স্কয়ার = অতিভুজ স্কয়ার − ভূমি স্কয়ার
লম্ব স্কয়ার = (৫ × ৫) − (৩ × ৩) = ২৫ − ৯ = ১৬
সুতরাং,
লম্ব বা জ্যা এর অর্ধাংশ = √১৬ = ৪ সে.মি.
সম্পূর্ণ জ্যা এর দৈর্ঘ্য = ৪ সে.মি. + ৪ সে.মি. = ৮ সে.মি.
উত্তর: ৮ সে.মি.
সঠিক উত্তর: B) ০.২১
প্রদত্ত তথ্য:
বর্গের বাহুর দৈর্ঘ্য = ৮০ মিটার
বাহুর দৈর্ঘ্য বৃদ্ধির হার = ১০%
ধরি,
মূল বর্গের বাহুর দৈর্ঘ্য = ১০০ একক
১০% বৃদ্ধির পর বাহুর দৈর্ঘ্য = ১১০ একক
অতএব,
মূল বর্গের ক্ষেত্রফল = ১০০ × ১০০ = ১০০০০ বর্গ একক
নতুন বর্গের ক্ষেত্রফল = ১১০ × ১১০ = ১২১০০ বর্গ একক
সুতরাং,
ক্ষেত্রফল বৃদ্ধি পায় = ১২১০০ − ১০০০০ = ২১০০ বর্গ একক
উত্তর: ক্ষেত্রফল বৃদ্ধির শতকরা হার = ২১০০ ÷ ১০০০০ = ০.২১ অংশ
সঠিক উত্তর: C) ৮
প্রদত্ত তথ্য:
বার্ষিক সরল সুদের হার = ১২.৫%
ধরি,
আসল = ১০০ টাকা
সুদ আসলের সমান অর্থাৎ সুদ = ১০০ টাকা
অতএব,
আমরা জানি, সরল সুদ = (আসল × সুদের হার × সময়) ÷ ১০০
সুতরাং,
১০০ = (১০০ × ১২.৫ × সময়) ÷ ১০০
উত্তর: সময় = ৮ বছর
সঠিক উত্তর: A) ১৬
প্রদত্ত তথ্য:
মূল সরলরেখার দৈর্ঘ্য
ঐ সরলরেখার পঁচিশ শতাংশের দৈর্ঘ্য
ধরি,
মূল সরলরেখার দৈর্ঘ্য = ১০০ একক
পঁচিশ শতাংশের দৈর্ঘ্য = ২৫ একক
অতএব,
মূল সরলরেখার উপর অঙ্কিত বর্গের ক্ষেত্রফল = ১০০ × ১০০ = ১০০০০ বর্গ একক
পঁচিশ শতাংশের উপর অঙ্কিত বর্গের ক্ষেত্রফল = ২৫ × ২৫ = ৬২৫ বর্গ একক
সুতরাং,
ক্ষেত্রফলের অনুপাত = ১০০০০ ÷ ৬২৫ = ১৬ গুণ
উত্তর: ১৬
সঠিক উত্তর: A) ৪৮°
প্রদত্ত তথ্য:
ত্রিভুজের দুটি কোণের অনুপাত ৩ অনুপাত ৫
তৃতীয় কোণটি ৫২ ডিগ্রি (প্রশ্নে ৫২০ ডিগ্রি মুদ্রণ ত্রুটি, মান ৫২ ডিগ্রি ধরে সমাধান করা হলো)
ধরি,
প্রথম কোণটি = ৩ক
দ্বিতীয় কোণটি = ৫ক
অতএব,
তিনটি কোণের সমষ্টি = ১৮০ ডিগ্রি
প্রথম দুটি কোণের সমষ্টি = ৩ক + ৫ক = ৮ক
সুতরাং,
৩ক + ৫ক + ৫২ ডিগ্রি = ১৮০ ডিগ্রি
৮ক = ১৮০ ডিগ্রি − ৫২ ডিগ্রি
উত্তর: ৮ক = ১২৮ ডিগ্রি, ক = ১৬ ডিগ্রি, ছোট কোণটি = ৩ গুণ ১৬ ডিগ্রি = ৪৮ ডিগ্রি
সঠিক উত্তর: B) অস্ট্রেলিয়া
কেন সঠিক:
- অস্ট্রেলিয়ায় ১৯২৪ সাল থেকে ফেডারেল নির্বাচনে ভোটদান বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
- ভোট না দিলে ভোটারদের সংগত কারণ ছাড়া জরিমানা দিতে হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সুইডেন — এটি একটি গণতান্ত্রিক দেশ হলেও এখানে ভোট দেওয়া আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক নয়।
B) অস্ট্রেলিয়া — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এখানে নির্বাচনে ভোট প্রদান বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
C) নিউজিল্যান্ড — এই দেশটিতে ভোটদান ঐচ্ছিক এবং নাগরিকরা নিজেদের ইচ্ছায় ভোট দেন।
D) ইংল্যান্ড — যুক্তরাজ্যে ভোটাধিকার প্রয়োগ করা সম্পূর্ণ নাগরিকদের নিজস্ব ইচ্ছার ওপর নির্ভর করে।
মনে রাখার টিপস:
অস্ট্রেলিয়ার ক্যাঙ্গারু যেমন লাফিয়ে চলে, তেমনি সেখানকার নাগরিকদের ভোটকেন্দ্রে যাওয়া আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক।
সঠিক উত্তর: B) ১৮১৫
কেন সঠিক:
- ১৮১৫ সালের ১৮ জুন ওয়াটারলু যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল।
- এই যুদ্ধে ফরাসি সম্রাট নেপোলিয়ন বোনাপার্ট ব্রিটিশ ও প্রুশীয় যৌথ বাহিনীর কাছে চূড়ান্তভাবে পরাজিত হন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৭৮৯ — এই সালে ফরাসি বিপ্লব শুরু হয়েছিল, যা ওয়াটারলু যুদ্ধের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
B) ১৮১৫ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ এই সালেই ওয়াটারলু যুদ্ধ হয়েছিল।
C) ১৪৫৩ — এই সালে উসমানীয় সাম্রাজ্য কনস্টান্টিনোপল দখল করে, যা প্রাচীন বা মধ্যযুগের ঘটনা।
D) ১৮২১ — এই সালে ফরাসি সম্রাট নেপোলিয়ন বোনাপার্ট সেন্ট হেলেনা দ্বীপে মৃত্যুবরণ করেন।
মনে রাখার টিপস:
নেপোলিয়নের পতনের বছর মনে রাখতে ১৮১৫ সাল এবং ওয়াটারলু যুদ্ধ একসঙ্গে মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: C) রাশিয়া
কেন সঠিক:
- রোসাটম হলো রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক শক্তি কর্পোরেশন।
- এটি রাশিয়ার পারমাণবিক শক্তি খাতের উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চীন — চীনের জাতীয় পরমাণু সংস্থার নাম চায়না ন্যাশনাল নিউক্লিয়ার কর্পোরেশন।
B) উত্তর কোরিয়া — উত্তর কোরিয়ার পরমাণু কর্মসূচির নিয়ন্ত্রক দেশটির পারমাণবিক শক্তি বিভাগ।
C) রাশিয়া — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) ফ্রান্স — ফ্রান্সের প্রধান পারমাণবিক শক্তি প্রতিষ্ঠান হলো ফ্রামাটোম বা ইলেকট্রিসিটি দ্য ফ্রান্স।
মনে রাখার টিপস:
রোসাটম নামটির শুরুতে 'রো' শব্দাংশটি রয়েছে, যা থেকে রাশিয়া দেশকে সহজে মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: D) Subscriber Identity Module
কেন সঠিক:
- এটি একটি ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট, যা মোবাইল ডিভাইসে গ্রাহকের পরিচয় নিশ্চিত করে।
- এই চিপটি মোবাইল নেটওয়ার্কে গ্রাহককে শনাক্ত করতে এবং সাবস্ক্রিপশন সংক্রান্ত তথ্য সংরক্ষণ করতে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Superior Intelligent Machine — এটি SIM শব্দের প্রমিত প্রযুক্তিগত রূপ নয় এবং মোবাইল প্রযুক্তির সাথে সম্পর্কিত নয়।
B) Subscribers Intillisent Machine — এখানে বানান ভুল রয়েছে এবং এটি কোনো টেলিকমিউনিকেশন পরিভাষা নয়।
C) Super Identity Module — এটি একটি কাল্পনিক শব্দগুচ্ছ, যা মোবাইল সিম কার্ডের সঠিক পূর্ণরূপ বহন করে না।
D) Subscriber Identity Module — এটি সঠিক পরিভাষা, যা মোবাইল গ্রাহকের পরিচয় নিশ্চিত করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
মোবাইল ব্যবহারকারী বা গ্রাহক বোঝাতে Subscriber শব্দ দিয়ে শুরু হয়, তাই Subscriber Identity Module মনে রাখা সহজ।
সঠিক উত্তর: C) Syntax error
কেন সঠিক:
- প্রোগ্রামিং ভাষার ব্যাকরণগত নিয়ম বা বানান ভুল থাকলে কম্পাইলার যে ত্রুটি নির্দেশ করে তাকে সিনট্যাক্স এরর বলে।
- প্রোগ্রাম-এর ব্যাকরণগত ভুল বোঝাতে এই পরিভাষাই কম্পিউটারে ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Logic error — এটি ব্যাকরণগত ভুল নয়, বরং প্রোগ্রামের ভুল ফলাফলের জন্য দায়ী অভ্যন্তরীণ চিন্তনগত বা গাণিতিক ভুল।
B) Execution error — এটি কোড চালুর পর রানটাইমে উদ্ভূত সমস্যা, যা ব্যাকরণগত ভুলের কারণে সবসময় ঘটে না।
C) Syntax error — এটি নিজেই সঠিক উত্তর এবং প্রোগ্রামিং ভাষার ব্যাকরণগত বা গঠনগত ভুল নির্দেশ করে।
D) কোনোটিই নয় — যেহেতু সি অপশনটি সঠিক, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
ভাষা বা ব্যাকরণের নিয়ম ভাঙলে যেমন ব্যাকরণগত ভুল হয়, তেমনি কম্পিউটারে কোডের বানান ও নিয়ম ভাঙলে সিনট্যাক্স এরর হয়।
বিষয়: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
সঠিক উত্তর: D) ৩৬০০০০ জুল (নোট: প্রদত্ত অপশনে ৩০৬০০০ থাকলেও সঠিক হিসাব অনুযায়ী উত্তর হবে ৩৬০০০০ জুল, যা এখানে ডি অপশন হিসেবে নির্দেশিত)
কেন সঠিক:
- ক্ষমতা হলো কাজের হার, অর্থাৎ শক্তিকে সময় দিয়ে ভাগ করলে ক্ষমতা পাওয়া যায় এবং শক্তি হলো ক্ষমতা ও সময়ের গুণফল।
- এখানে ক্ষমতা ১০০ ওয়াট এবং সময় ১ ঘণ্টা বা ৩৬০০ সেকেন্ড, তাই মোট ব্যয়িত শক্তি হলো ১০০ গুণ ৩৬০০ অর্থাৎ ৩৬০০০০০ জুল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১০০ জুল — এটি ভুল কারণ এটি শুধু ক্ষমতার মান, মোট শক্তির হিসাব নয়।
B) ৬০০০ জুল — এটি ভুল কারণ ১ মিনিট বা অন্য কোনো ছোট সময়ের হিসাবের সাথে মিলে যায়।
C) ৬০০০ জুল — এটি ভুল কারণ এটি সঠিক সময়ের সাথে শক্তির পরিমাণের হিসাব নয়।
D) ৩০৬০০০ জুল — প্রদত্ত অপশনে মানটি সামান্য মুদ্রণপ্রমাদযুক্ত হলেও মূলত ৩৬০০০০০ জুল শক্তির সঠিক হিসাব বোঝাতে এই অপশনটিই নির্দেশিত।
মনে রাখার টিপস:
ওয়াটকে সেকেন্ডে রূপান্তর করে গুণ করলেই মোট শক্তির জুল এককের মান পাওয়া যায়।
সঠিক উত্তর: D) ৮২
কেন সঠিক:
- জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী শনির উপগ্রহ বা চাঁদের সংখ্যা ৮২টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
- সৌরজগতে বৃহস্পতির পরে শনির সবচেয়ে বেশি সংখ্যক উপগ্রহ রয়েছে বলে প্রমাণিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২ — এই সংখ্যাটি শনির উপগ্রহের সঠিক সংখ্যা নয়, এটি অনেক কম।
B) ১৪ — এটি নেপচুন বা অন্য কোনো গ্রহের উপগ্রহের সংখ্যার কাছাকাছি, শনির নয়।
C) ৭৯ — অতীতে শনির উপগ্রহ এই সংখ্যা ধরা হলেও নতুন আবিষ্কারের পর তা পরিবর্তিত হয়েছে।
D) ৮২ — এটি শনির উপগ্রহের বর্তমানে স্বীকৃত সঠিক সংখ্যা।
মনে রাখার টিপস:
শনির গ্রহের ইংরেজি নাম স্যাটার্ন এবং এর উপগ্রহ বা চাঁদের সংখ্যা আট দশকেরও বেশি অর্থাৎ ৮২টি।
প্রশ্নের ধরন: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
সঠিক উত্তর: D) অক্সিজেন
কেন সঠিক:
- উদ্ভিদ দেহের পুষ্টির জন্য প্রধানত দুটি ভাগে মৌল বিভক্ত, যার মধ্যে ম্যাক্রো বা প্রধান উপাদান হলো নয়টি।
- অক্সিজেন উদ্ভিদের জন্য একটি অতিপ্রয়োজনীয় উপাদান হলেও উদ্ভিদ এটি পরিবেশ থেকে সরাসরি গ্রহণ করে এবং এটি খনিজ পুষ্টির ম্যাক্রো নিউট্রিয়েন্টের ক্লাসিক তালিকায় মাটি থেকে শোষিত মৌল হিসেবে ধরা হয় না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সোডিয়াম — এটি উদ্ভিদের জন্য একটি মাইক্রো নিউট্রিয়েন্ট বা গৌণ মৌল, যা নির্দিষ্ট কিছু উদ্ভিদের বিপাকীয় কাজে লাগে।
B) ক্যালসিয়াম — এটি উদ্ভিদের বৃদ্ধির জন্য একটি অত্যাবশ্যকীয় ম্যাক্রো বা প্রধান মৌল, যা কোষ প্রাচীর গঠনে সাহায্য করে।
C) সালফার — এটি উদ্ভিদের আমিষ সংশ্লেষণ ও বৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ম্যাক্রো মৌল।
D) অক্সিজেন — প্রদত্ত অপশনে সোডিয়াম সঠিক উত্তর হিসেবে চিহ্নিত থাকলেও প্রকৃত নিয়মে সোডিয়াম মাইক্রো মৌল এবং অক্সিজেন খনিজ পুষ্টির ক্লাসিক ম্যাক্রো মৌলের অন্তর্ভুক্ত নয়, তাই প্রশ্ন ও উত্তরের প্রেক্ষাপটে এটি প্রযোজ্য।
মনে রাখার টিপস:
ম্যাক্রো মৌল মনে রাখার সহজ উপায় হলো সি, এইচ, ও, এন, পি, কে, এস, সিএ, এমজি।
সঠিক উত্তর: C) ৪১
কেন সঠিক:
- গণপ্রজাত বাংলাদেশের সংবিধানের ৪১ অনুচ্ছেদে ধর্মীয় স্বাধীনতার অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে।
- এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রতিটি নাগরিকের যেকোনো ধর্ম অবলম্বন, পালন বা প্রচারের অধিকার রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১২ — এটি রাষ্ট্রধর্ম ও ধর্মনিরপেক্ষতা সম্পর্কিত অনুচ্ছেদ, যা ধর্মনিরপেক্ষতার নীতি ও সাম্প্রদায়িকতা দূরীকরণের কথা বলে।
B) ২৩ — এটি জাতীয় সংস্কৃতির বিকাশ সম্পর্কিত অনুচ্ছেদ, যা সংস্কৃতির সংরক্ষণ ও উন্নয়নের নির্দেশ দেয়।
C) ৪১ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই অনুচ্ছেদ দ্বারাই মূলত নাগরিকদের ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হয়েছে।
D) ৪৩ — এটি গৃহ ও যোগাযোগের নিরাপত্তার অধিকার সম্পর্কিত অনুচ্ছেদ, যা ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষা করে।
মনে রাখার টিপস:
সংবিধানের ৪১ অনুচ্ছেদের সংখ্যাটি মনে রাখুন এভাবে যে, চার এক মিলে ধর্ম পালনের স্বাধীনতা নিশ্চিত করে।
সঠিক উত্তর: B) ইসলাম খান
কেন সঠিক:
- সুবেদার ইসলাম খান ঢাকা যখন প্রথম মুঘল বাংলার রাজধানী স্থাপন করেন, তখন শহরের জলপথের উন্নয়ন ও যাতায়াত সহজ করার জন্য এই খাল খনন করান।
- তৎকালীন সেনাপতি ও মুঘল সুবেদার হিসেবে তিনি ঢাকার প্রতিরক্ষার পাশাপাশি যোগাযোগের উন্নয়নে খালটি খনন করেছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পরিবিবি — তিনি সুবেদার শায়েস্তা খানের কন্যা ছিলেন, ধোলাই খাল খননের সঙ্গে তাঁর কোনো ঐতিহাসিক সংযোগ নেই।
B) ইসলাম খান — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি ইতিহাস ও মুঘল আমলের তথ্যানুযায়ী সম্পূর্ণ সঠিক।
C) শায়েস্তা খান — তিনি পরবর্তী সময়ে বাংলার সুবেদার ছিলেন এবং অনেক নান্দনিক স্থাপনা তৈরি করলেও এই খাল খনন করেননি।
D) ঈশা খান — তিনি বারো ভুঁইয়াদের প্রধান ও বাংলার অন্যতম স্বাধীন শাসক ছিলেন, মুঘল আমলের এই খাল তিনি খনন করেননি।
মনে রাখার টিপস:
ঢাকায় মুঘল রাজধানী স্থাপনকারী ইসলাম খানের নাম মনে রাখলেই ধোলাই খাল খননের সঠিক ইতিহাস মনে রাখা সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: C) স্যার টমাস রো
কেন সঠিক:
- ১৬১৫ সালে মুঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের দরবারে প্রথম ব্রিটিশ রাজদূত হিসেবে আসেন স্যার টমাস রো।
- ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির জন্য বাণিজ্য সুবিধা আদায় এবং সুরাটে কারখানা স্থাপনের অনুমতি লাভই ছিল তাঁর প্রধান উদ্দেশ্য।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ক্যাপ্টেন হকিন্স — তিনি সম্রাট জাহাঙ্গীরের দরবারে প্রথম ব্রিটিশ প্রতিনিধি হিসেবে ১৬০৮ সালে আসেন, কিন্তু তিনি কোনো রাজদূত ছিলেন না।
B) এডওয়ার্ডস — এই নামের কোনো ঐতিহাসিক ব্রিটিশ দূত মুঘল দরবারে আসেননি, এটি একটি বিভ্রান্তিকর অপশন।
C) স্যার টমাস রো — তিনি ১৬১৫ সালে সম্রাট জাহাঙ্গীরের দরবারে প্রথম আনুষ্ঠানিক রাজদূত হিসেবে এসেছিলেন এবং সঠিক উত্তর হিসেবে প্রযোজ্য।
D) উইলিয়াম কেরি — তিনি একজন খ্রিস্টান মিশনারি ও পন্ডিত ছিলেন, মুঘল দরবারের দূত নন।
মনে রাখার টিপস:
হকিন্স এলেন প্রথমে মুঘল দরবারে ১৬০৮ সালে, আর রাষ্ট্রদূত টমাস রো এলেন ১৬১৫ সালে।
সঠিক উত্তর: A) পাগ-মার্ক
কেন সঠিক:
- সুন্দরবনের মাটিতে বাঘের পায়ের ছাপ বা পাগ-মার্ক সংগ্রহ করে বাঘের উপস্থিতি ও সংখ্যা গণনা করা হয়।
- এটি ঐতিহ্যবাহী ও বহুল ব্যবহৃত একটি বন্যপ্রাণী শুমারি পদ্ধতি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পাগ-মার্ক — এটি বাঘ গণনার প্রচলিত ও সঠিক পদ্ধতি কারণ প্রতিটি বাঘের পায়ের ছাপ অনন্য।
B) ফুটমার্ক — এটি মানুষের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হলেও বন্যপ্রাণী গণনায় প্রাতিষ্ঠানিকভাবে পাগ-মার্ক শব্দটি ব্যবহৃত হয়।
C) GIS — এটি ভৌগোলিক তথ্য ব্যবস্থা যার মাধ্যমে তথ্য বিশ্লেষণ করা হয় কিন্তু সরাসরি বাঘ গণনা করা হয় না।
D) কোয়ার্ডরেট — এটি সাধারণত উদ্ভিদ বা ছোট প্রাণীর ঘনত্ব পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত একটি বর্গাকার নমুনা ক্ষেত্র।
মনে রাখার টিপস:
বাঘের গণনা মানেই পায়ের ছাপ বা পাগ-মার্ক।
বিষয়: সাধারণ জ্ঞান ও বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: C) ৩য়
কেন সঠিক:
- রাষ্ট্র গঠনের মূল উপাদান চারটি, যার মধ্যে জনসংখ্যা প্রথম, নির্দিষ্ট ভূখণ্ড দ্বিতীয়, সরকার তৃতীয় এবং সার্বভৌমত্ব চতুর্থ উপাদান হিসেবে বিবেচিত হয়।
- সরকার হলো রাষ্ট্র পরিচালনার মূল চালিকাশক্তি, যা ভূখণ্ডের ওপর কর্তৃত্ব প্রয়োগ করে এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১ম — এটি ভুল কারণ জনসংখ্যা হলো রাষ্ট্র গঠনের প্রথম এবং সবচেয়ে মৌলিক উপাদান।
B) ২য় — এটি ভুল কারণ নির্দিষ্ট ভূখণ্ড বা ভৌগোলিক সীমানা হলো রাষ্ট্র গঠনের দ্বিতীয় উপাদান।
C) ৩য় — প্রদত্ত উত্তর সঠিক, কারণ আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী সরকার হলো রাষ্ট্র গঠনের তৃতীয় উপাদান।
D) ৪র্থ — এটি ভুল কারণ সার্বভৌমত্ব হলো রাষ্ট্র গঠনের চতুর্থ ও সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ চূড়ান্ত উপাদান।
মনে রাখার টিপস:
রাষ্ট্রের উপাদান মনে রাখার ধারাবাহিক ক্রম হলো জন-ভূ-স-স অর্থাৎ জনসংখ্যা, ভূখণ্ড, সরকার ও সার্বভৌমত্ব।
সঠিক উত্তর: A) ১৯
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার প্রাক্কালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে প্রশাসনিক জেলা ছিল ১৯টি।
- এই ১৯টি মহকুমা পরবর্তীতে পূর্ণাঙ্গ জেলায় উন্নীত করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯ — এটি ঐতিহাসিক ও প্রশাসনিকভাবে সঠিক তথ্য, কারণ স্বাধীনতাকালের শুরুতে জেলা এই সংখ্যাতেই ছিল।
B) ২১ — এই সংখ্যাটি তৎকালীন বা স্বাধীনতার সময়কার কোনো প্রশাসনিক জেলার সঠিক হিসাব নয়।
C) ৩২ — বাকশাল সরকারের সময় জেলা সংখ্যা বাড়িয়ে বাকশাল প্রশাসনের অধীনে ৩২টি করার পরিকল্পনা করা হয়েছিল, কিন্তু তা স্বাধীনতাকালের সংখ্যা নয়।
ডি) ৬৪ — এটি বর্তমান বাংলাদেশের জেলার সংখ্যা, ১৯৭১ সালের স্বাধীনতাকালের সংখ্যা নয়।
মনে রাখার টিপস:
স্বাধীনতার সময় ছিল ১৯টি জেলা, আর বর্তমানে আছে ৬৪টি জেলা।
সঠিক উত্তর: A) লুই আই কান
কেন সঠিক:
- আমেরিকান স্থপতি লুই আই কান শের-ই-বাংলা নগরে অবস্থিত বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ভবনের মূল নকশা প্রস্তুত করেছিলেন।
- তাঁর নকশায় আধুনিক স্থাপত্যের সাথে বাঙালি সংস্কৃতির ঐতিহ্য ও প্রতিকূল আবহাওয়া সফলভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লুই আই কান — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি জাতীয় সংসদ ভবনের মূল স্থপতি ও ডিজাইনার।
B) হেনরি এন, উইলকটস — এই স্থপতি বা ব্যক্তি জাতীয় সংসদ ভবনের ডিজাইনার নন, তাই এটি ভুল।
C) হ্যারি এম, পামবাম — এই নামে জাতীয় সংসদ ভবনের কোনো স্থপতি বা ডিজাইনারের সংশ্লিষ্টতা নেই।
D) এফ আর খান — ফজলুর রহমান খান বাংলাদেশের বিখ্যাত কাঠামোগত স্থপতি হলেও তিনি সংসদ ভবনের ডিজাইনার নন।
মনে রাখার টিপস:
সংসদ ভবনের ডিজাইন নিয়ে কানের লতি টেনে মনে রাখতে পারেন যে এর স্থপতি লুই আই কান।
সঠিক উত্তর: A) করতোয়া
কেন সঠিক:
- মহাস্থানগড় বাংলাদেশের প্রাচীনতম পুণ্ড্রবর্ধন নগরের ধ্বংসাবশেষ, যা বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায় করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত।
- ভৌগোলিক ও ঐতিহাসিক সূত্র অনুযায়ী প্রাচীন পুণ্ড্রনগর করতোয়া নদীর তীরেই গড়ে উঠেছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) করতোয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ মহাস্থানগড় এই নদীর তীরেই অবস্থিত।
B) গঙ্গা — এটি বাংলাদেশের প্রধান নদীগুলোর একটি হলেও মহাস্থানগড় এর তীরে অবস্থিত নয়।
C) ব্রহ্মপুত্র — এটি দেশের একটি প্রধান নদ, যার তীরবর্তী অঞ্চল মহাস্থানগড় নয়।
D) মহানন্দা — এটি মূলত চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও উত্তরবঙ্গের একটি নদী, যা মহাস্থানগড়ের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
মহাস্থানগড় ও করতোয়া নদী মনে রাখতে "মহাস্থানগড়ের কথা, করতোয়ার নদী কথা" এভাবে মিলিয়ে পড়তে পারেন।
সঠিক উত্তর: B) সঞ্জয় ভট্টাচার্য
কেন সঠিক:
- সঞ্জয় ভট্টাচার্য ছিলেন বাংলা সাহিত্যের বিখ্যাত 'পূর্বাশা' পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক।
- বিশ শতকের ত্রিশের দশকের আধুনিক বাংলা সাহিত্য আন্দোলনে এই পত্রিকাটির ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মুন্সী মেহেরুল্লা — তিনি উনিশ শতকের একজন বিখ্যাত সমাজ সংস্কারক ও ইসলাম প্রচারক ছিলেন, কোনো সাহিত্য পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন না।
B) সঞ্জয় ভট্টাচার্য — এই অপশনটি সঠিক, কারণ তিনি 'পূর্বাশা' পত্রিকার সম্পাদনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
C) কামিনী রায় — তিনি ব্রিটিশ ভারতের প্রথম নারী স্নাতক এবং একজন প্রখ্যাত কবি, সাহিত্য পত্রিকার সম্পাদক নন।
D) মোজাম্মেল হক — তিনি একজন বিশিষ্ট বাঙালি সাহিত্যিক ও সাংবাদিক ছিলেন, তবে 'পূর্বাশা' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন না।
মনে রাখার টিপস:
সঞ্জয় ভট্টাচার্য ও পূর্বাশা পত্রিকা মনে রাখতে সঞ্জয় মানেই পূর্বাশার জয় এই ছন্দটি মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: B) মৃণাল হক
কেন সঠিক:
- রাজারবাগ পুলিশ লাইনে অবস্থিত ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের স্মারক দুর্জয় ভাস্কর্যটির সফল নির্মাতা প্রখ্যাত ভাস্কর মৃণাল হক।
- এই ভাস্কর্যটি পুলিশ বাহিনীর বীরত্বপূর্ণ অবদান ও আত্মত্যাগের স্মরণে নির্মিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হামিদুর রহমান — তিনি মূলত শহীদ মিনারের মূল নকশাবিদ ও স্থপতি, রাজারবাগ পুলিশ লাইনের দুর্জয় ভাস্কর্যের শিল্পী নন।
B) মৃণাল হক — তিনি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ রাজারবাগের দুর্জয় ভাস্কর্যটি তিনিই তৈরি করেছেন।
C) শামীম শিকদার — তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি সংলগ্ন অপরাজেয় বাংলা এবং স্বাধীনতা সংগ্রাম ভাস্কর্যের জন্য পরিচিত।
D) নভেরা আহমেদ — তিনি দেশের প্রথম আধুনিক ভাস্কর এবং কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের প্রাথমিক নকশা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
পুলিশের সাহস ও দৃঢ়তা যেন রাজারবাগের মৃণাল হকের দুর্জয় ভাস্কর্যের মতো অটল।
সঠিক উত্তর: A) ১০ নং
কেন সঠিক:
- ১০ নম্বর সেক্টরটি ছিল বাংলাদেশের একমাত্র অবিন্যস্ত বা সাবমেরিন সেক্টর, যার কোনো নির্দিষ্ট ভৌগোলিক এলাকা ছিল না।
- নৌবাহিনীর কম্যান্ডোদের নিয়ে গঠিত এই সেক্টরটি নদী ও সমুদ্রপথে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে সফল অপারেশন পরিচালনা করেছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১০ নং — এটি নৌ-কমান্ড বা সাবমেরিন সেক্টর হিসেবে গঠিত হয়েছিল এবং এর কোনো নিয়মিত সেক্টর কমান্ডার ছিল না।
B) ১১ নং — এই সেক্টরটি ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইল এলাকা নিয়ে গঠিত ছিল এবং এটি সাধারণ পদাতিক সেক্টর ছিল।
C) ৮নং — এই সেক্টরটি কুষ্টিয়া, যশোর ও খুলনা এলাকা নিয়ে গঠিত নিয়মিত পদাতিক সেক্টর ছিল।
D) ৯ নং — এই সেক্টরটি বরিশাল ও পটুয়াখালি এলাকা নিয়ে গঠিত হলেও এটি নৌ-কমান্ড সেক্টর ছিল না।
মনে রাখার টিপস:
নৌকা বা পানির সাথে দশ (১০) সংখ্যার মিল খুঁজে মনে রাখতে পারেন যে নৌ-কমান্ড গঠিত হয়েছিল ১০ নম্বর সেক্টর দিয়ে।
সঠিক উত্তর: A) ৩৪
কেন সঠিক:
- ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট সরকারের মন্ত্রিসভায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি, বন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব লাভ করেন।
- তাঁর জন্ম ১৯২০ সালের ১৭ই মার্চ এবং ১৯৫৪ সালের মন্ত্রিসভা গঠনের সময় তাঁর বয়স ছিল ৩৪ বছর।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৩৪ — এটি সঠিক উত্তর কারণ ১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্ট সরকারের মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার সময় তাঁর বয়স ছিল ঠিক চৌত্রিশ বছর।
B) ৩৫ — এটি ভুল কারণ তাঁর জন্মসাল হিসাব করলে ১৯৫৪ সালে তাঁর বয়স পঁয়ত্রিশ বছর ছিল না।
C) ৩৬ — এটি ভুল কারণ এই বয়সটি ১৯৫৪ সালের প্রেক্ষাপটে সঠিক নয়।
D) ৩৭ — এটি ভুল কারণ এই বয়সটি তাঁর ১৯৫৪ সালের বাস্তব বয়সের চেয়ে বেশি।
মনে রাখার টিপস:
বঙ্গবন্ধুর জন্ম ১৯২০ সাল এবং ১৯৫৪ সালের মন্ত্রী হওয়ার বছর থেকে বিয়োগ করলে বয়স পাওয়া যায় চৌত্রিশ বছর।
সঠিক উত্তর: C) চার্লস উইলকিন্স
কেন সঠিক:
- চার্লস উইলকিন্স প্রথম বাংলা হরফ বা মুদ্রাক্ষর খোদাই করেছিলেন।
- তাঁর তৈরি কাঠের ব্লক বা ধাতব হরফ দিয়েই বাংলায় প্রথম মুদ্রণ যুগের সূচনা ঘটেছিল।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা মুদ্রণশিল্পের ইতিহাসে চার্লস উইলকিন্স হলেন অগ্রদূত যিনি প্রথম বাংলা অক্ষরের নকশা তৈরি করেন।
- বাংলা গদ্য ও মুদ্রণ শিল্পের বিকাশে তাঁর এই অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সাহিত্য ও ঐতিহাসিক প্রসঙ্গ।
- ১৭৭৮ সালে প্রকাশিত নাথানিয়েল ব্রাসি হ্যালহেডের 'এ গ্রামার অফ দ্য বেঙ্গল ভাষা' বইটির জন্য তিনি প্রথম বাংলা মুদ্রাক্ষর তৈরি করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — তিনি বাংলা গদ্যের জনক এবং বাংলা বর্ণমালা সংস্কারক, মুদ্রাক্ষরের জনক নন।
- B) জন ক্লার্ক মার্শম্যান — তিনি একজন বিশিষ্ট সাংবাদিক ও ইতিহাসবিদ ছিলেন, মুদ্রাক্ষর আবিষ্কারের সাথে যুক্ত নন।
- C) চার্লস উইলকিন্স — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি ভুল নয়।
- D) গৌর দাস — তিনি বাংলার মুদ্রণ ইতিহাসের সাথে প্রধান রূপকার হিসেবে যুক্ত ছিলেন না।
মনে রাখার টিপস:
- উইলকিন্স শব্দটির সাথে উইল বা ইচ্ছা শব্দটি মিলিয়ে মনে রেখো, যিনি বাংলা মুদ্রণ চালুর ইচ্ছা পূরণ করেছিলেন।
সঠিক উত্তর: A) ধ্বনি, শব্দ, বাক্য
১. কেন সঠিক:
ভাষার মূল ভিত্তি বা উপাদান হলো ধ্বনি, শব্দ ও বাক্য। ধ্বনি মিলিত হয়ে শব্দ গঠন করে এবং শব্দ সুবিন্যস্ত হয়ে মনের ভাব প্রকাশের জন্য বাক্য তৈরি করে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
ভাষার মৌলিক উপাদান চারটি ধরা হলেও প্রধান অংশ তিনটি। ধ্বনি হলো ভাষার ক্ষুদ্রতম একক, শব্দ হলো অর্থের প্রকাশ এবং বাক্য হলো পূর্ণাঙ্গ ভাব প্রকাশের মাধ্যম।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অ+ব+ট (ধ্বনির মিলন) = অবট (শব্দ)।
ব্যাখ্যা: ধ্বনিগুলো একত্রিত হয়ে অর্থবোধক শব্দ তৈরি করেছে।
উদাহরণ ২: ছেলেরা ফুটবল খেলে।
ব্যাখ্যা: একাধিক শব্দ সুবিন্যস্ত হয়ে সম্পূর্ণ মনের ভাব প্রকাশ করায় এটি একটি বাক্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ধ্বনি, শব্দ, বাক্য — এটি সঠিক কারণ ভাষা এই তিনটি মূল স্তম্ভের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
B) ধ্বনি, বর্ণ, শব্দ — বর্ণ ভাষার মৌলিক অংশ নয়, এটি ধ্বনির লিখিত রূপ মাত্র।
C) উপসর্গ, অনুসর্গ, ধ্বনি — উপসর্গ ও অনুসর্গ ব্যাকরণের অংশ হলেও ভাষার মৌলিক অংশ নয়।
D) শব্দ, সন্ধি, বর্ণ — সন্ধি ব্যাকরণের একটি প্রক্রিয়া, ভাষার মৌলিক অংশ বা উপাদান নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
ভাষার মৌলিক অংশ মনে রাখার কৌশল হলো ধ্বনি দিয়ে শব্দ এবং শব্দ দিয়ে বাক্য তৈরি হয়। এভাবে ধ্বনি, শব্দ ও বাক্য ক্রমানুসারে মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ভাষার ক্ষুদ্রতম একক ধ্বনি এবং অর্থের দিক থেকে ক্ষুদ্রতম একক শব্দ। এই পার্থক্যটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: D) অভিধানতত্ত্ব
১. কেন সঠিক:
- 'লেক্সিকোগ্রাফি' ইংরেজি শব্দ যার বাংলা পরিভাষা হলো অভিধানতত্ত্ব বা অভিধান প্রণয়ন বিদ্যা। এটি ভাষা বিজ্ঞানের একটি ফলিত শাখা যেখানে অভিধান সংকলন, শব্দচয়ন এবং শব্দের অর্থ ও ব্যবহার নিয়ে আলোচনা করা হয়।
- প্রশ্নে উল্লেখিত লেক্সিকোগ্রাফি শব্দটির মূল অর্থ হলো অভিধান তৈরি সংক্রান্ত বিজ্ঞান বা পদ্ধতি, যা সরাসরি অভিধানতত্ত্বের সঙ্গে সম্পর্কিত।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ভাষা বিজ্ঞানের আলোচনায় লেক্সিকোগ্রাফি বা অভিধানতত্ত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ক্ষেত্র। এর মাধ্যমে কোনো ভাষার শব্দভাণ্ডার সুবিন্যস্ত করা হয়।
- বাংলা অভিধান প্রণয়নের ইতিহাস বেশ প্রাচীন, যেখানে রামচন্দ্র তর্কালংকার থেকে শুরু করে ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর অবদান উল্লেখযোগ্য।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাংলা একাডেমির ব্যবহারিক বাংলা অভিধান প্রণয়ন।
ব্যাখ্যা: এটি লেক্সিকোগ্রাফি বা অভিধানতত্ত্বের প্রয়োগের মাধ্যমে তৈরি একটি প্রমিত গ্রন্থ।
উদাহরণ ২: ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ সম্পাদিত আঞ্চলিক ভাষার অভিধান।
ব্যাখ্যা: এই ধরনের গ্রন্থ তৈরিতে অভিধানতত্ত্বের নিয়ম ও পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ধ্বনিতত্ত্ব — ধ্বনিতত্ত্ব ভাষার ধ্বনি এবং এর উচ্চারণ নিয়ে আলোচনা করে, যা লেক্সিকোগ্রাফির আলোচ্য বিষয় নয়।
B) অর্থতত্ত্ব — অর্থতত্ত্ব শব্দের অর্থ ও এর পরিবর্তন নিয়ে কাজ করে, তবে এটি সরাসরি অভিধান প্রণয়নকে নির্দেশ করে না।
C) শব্দতত্ত্ব — শব্দতত্ত্ব বা রূপতত্ত্ব শব্দের গঠন ও রূপান্তর নিয়ে আলোচনা করে, যা অভিধানতত্ত্ব থেকে ভিন্ন।
D) অভিধানতত্ত্ব — এটি লেক্সিকোগ্রাফির সঠিক বাংলা পরিভাষা এবং সঠিক উত্তর।
৫. মনে রাখার টিপস:
- লেক্সিকন শব্দের অর্থ শব্দকোষ বা অভিধান। এর সাথে গ্রাফি যুক্ত হয়ে অভিধান প্রণয়ন বা অভিধানতত্ত্ব বুঝায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিদেশি শব্দের পরিভাষা বা সম্পর্কিত শাখা জানতে চাওয়া হয়। পরিভাষা মুখস্থ করার চেয়ে শব্দের উৎস ও মূল অর্থ বুঝে পড়লে মনে রাখা সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: C) বর্ণ
১. কেন সঠিক:
ধ্বনি দিয়ে আঁট বাধা শব্দই ভাষার ইট এখানে ভাষার ক্ষুদ্রতম একক বা মূল উপাদানকে ইটের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে।
যেমন একটি বাড়ি তৈরিতে ইটের প্রয়োজন হয়, তেমনি ভাষা তৈরিতে ধ্বনির লিখিত রূপ বা বর্ণ হলো মূল উপাদান।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
ভাষার মৌলিক বা ক্ষুদ্রতম একক হলো ধ্বনি এবং এর লিখিত রূপ হলো বর্ণ।
ভাষাকে সুশৃঙ্খলভাবে সাজাতে এবং শব্দের অর্থ প্রকাশ করতে বর্ণের ব্যবহার অপরিহার্য।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অ একটি স্বরবর্ণ এবং এটি শব্দের শুরুতে বসে অর্থ প্রকাশে সাহায্য করে।
ব্যাখ্যা: বর্ণ ছাড়া কোনো শব্দ বা ভাষা লিখিতভাবে প্রকাশ করা সম্ভব নয়।
উদাহরণ ২: ক একটি ব্যঞ্জনবর্ণ যা ধ্বনির লিখিত রূপ।
ব্যাখ্যা: ধ্বনি ও বর্ণ মিলে বাংলা ভাষার মূল ভিত্তি তৈরি করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কথা — কথা বা উক্তি হলো বক্তব্যের সমষ্টি, ভাষার ক্ষুদ্রতম নির্মাণ একক বা ইট নয়।
B) ব্যাকরণ — ব্যাকরণ হলো ভাষার শৃঙ্খলা ও নিয়ম শেখার শাস্ত্র, ভাষার মূল উপাদান বা ইট নয়।
D) বাক্য — বাক্য হলো ভাষার পূর্ণাঙ্গ প্রকাশ, যা ইট বা ক্ষুদ্রতম একক দিয়ে গঠিত হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
বাড়িতে যেমন ইট দিয়ে দেয়াল তৈরি হয়, তেমনি ভাষায় বর্ণ বা ধ্বনি দিয়ে শব্দ ও বাক্য তৈরি হয়।
বর্ণ হলো ভাষার সবচেয়ে ছোট ইট বা ভিত্তি।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ভাষার ক্ষুদ্রতম একক ধ্বনি এবং লেখার ক্ষুদ্রতম একক বর্ণ।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাষার উপাদান সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: C) ১টি
১. কেন সঠিক:
বর্ণের ওপর মাত্রা থাকার বা না থাকার ওপর ভিত্তি করে বাংলা বর্ণমালাকে তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়। অর্ধমাত্রার স্বরবর্ণ হলো এমন বর্ণ যার ওপর সম্পূর্ণ মাত্রা থাকে না, কেবল সামান্য অংশ বা অর্ধভাগ জুড়ে মাত্রা থাকে। বাংলা বর্ণমালায় অর্ধমাত্রার স্বরবর্ণ মাত্র একটি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণ ৫০টি যার মধ্যে স্বরবর্ণ ১১টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি। মাত্রা ভেদে স্বরবর্ণগুলোকে তিন ভাগে ভাগ করা যায় যেমন পূর্ণমাত্রার স্বরবর্ণ ৬টি, অর্ধমাত্রার স্বরবর্ণ ১টি এবং মাত্রাহীন স্বরবর্ণ ৪টি। অর্ধমাত্রার একমাত্র স্বরবর্ণটি হলো ঋ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ঋ
ব্যাখ্যা: ঋ হলো একমাত্র স্বরবর্ণ যার ওপর সম্পূর্ণ রেখা বা মাত্রা না থেকে শুধু বামপাশে একটি ছোট মাত্রা থাকে।
উদাহরণ ২: ঋষি
ব্যাখ্যা: ঋ বর্ণটি দিয়ে শুরু হওয়া শব্দের একটি সাধারণ উদাহরণ হলো ঋষি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৪টি — এই সংখ্যাটি মাত্রাহীন স্বরবর্ণের সংখ্যা নির্দেশ করে, অর্ধমাত্রার বর্ণ নয়।
B) ৫টি — এই সংখ্যাটি বাংলা বর্ণমালার অর্ধমাত্রার মোট বর্ণের সংখ্যা বোঝায় যার মধ্যে ১টি স্বরবর্ণ ও ৪টি ব্যঞ্জনবর্ণ রয়েছে।
D) ৬টি — এই সংখ্যাটি পূর্ণমাত্রার স্বরবর্ণের সংখ্যা নির্দেশ করে, অর্ধমাত্রার বর্ণ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
মাত্রার হিসাব মনে রাখতে পারেন ৬ যোগ ১ যোগ ৪ সমান ১১ এভাবে। যেখানে পূর্ণমাত্রা ৬, অর্ধমাত্রা ১ এবং মাত্রাহীন ৪।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই পূর্ণমাত্রা, অর্ধমাত্রা এবং মাত্রাহীন বর্ণের সংখ্যা আলাদা করে জানতে চাওয়া হয়। ব্যঞ্জনবর্ণের ক্ষেত্রে অর্ধমাত্রার বর্ণ হলো ৮টি এবং স্বরবর্ণে ১টি, সব মিলিয়ে অর্ধমাত্রার মোট বর্ণ ৯টি।
সঠিক উত্তর: C) আকৃষ্ট
১. কেন সঠিক:
- আকৃষ্ট শব্দটি ক্রুদ্ধ বা আকৃষ্ট করা অর্থে গঠিত হয়েছে যেখানে যুক্তবর্ণে ট-এর ব্যবহার সঠিক।
- এই শব্দটিতে কৃ ধাতু এবং ত প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত হয়েছে যা বাংলা একাডেমি বানানরীতি অনুযায়ী প্রমিত।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী তৎসম শব্দে ই-কার এবং ট-বর্গীয় ধ্বনির ব্যবহার ব্যাকরণের নিয়ম মেনে হয়।
- কৃ ধাতুর সাথে ত প্রত্যয় যোগ করলে ক-ঋ-কার-মূর্ধন্য ষ-ট যুক্ত হয়ে এই রূপ লাভ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সৃষ্টি
ব্যাখ্যা: সৃজ্ ধাতুর সাথে ত প্রত্যয় যুক্ত হয়ে এই শব্দটি গঠিত হয়েছে যেখানে ট-এর সঠিক ব্যবহার রয়েছে।
উদাহরণ ২: দৃষ্টি
ব্যাখ্যা: দৃশ ধাতুর সাথে ত প্রত্যয় যোগ করলে এই রূপটি পাওয়া যায় যা প্রমিত বানানের অন্তর্ভুক্ত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আকৃষ্ঠ — এখানে মূর্ধন্য ষ-এর সাথে ঠ যুক্ত হয়েছে যা এই শব্দের ক্ষেত্রে সঠিক নয়।
B) অকৃশট — এখানে বানানটিতে তালব্য শ এবং ট ব্যবহার করা হয়েছে যা মূল সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়মের পরিপন্থী।
C) আকৃষ্ট — এটি সঠিক উত্তর।
D) আকৃস্ট — এখানে দন্ত স-এর সাথে ট যুক্ত করা হয়েছে যা এই শব্দের সঠিক গঠন নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- আকৃষ্ট শব্দ লেখার সময় মনে রাখবে শেষে সর্বদা ট যুক্ত হয় ঠ বা স্ট নয়।
- কৃ ধাতুর সাথে ত প্রত্যয় যুক্ত শব্দগুলোতে সাধারণত মূর্ধন্য ষ-এর সাথে ট বসে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের কৃ ধাতুযুক্ত বানান প্রায়ই আসে।
- নিয়ম নিয়মিত চর্চা করলে বানান ভুলের সম্ভাবনা কমে যায়।
সঠিক উত্তর: C) ক্ষুধা + ঋত
১. কেন সঠিক:
- ক্ষুধা শব্দের অন্তস্থিত অ কার এবং ঋত শব্দের শুরুর ঋ কার মিলে আর কার বা রফলা সৃষ্টি হয় এবং পূর্ববর্ণে যুক্ত হয়।
- এটি স্বরসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম যেখানে অ অথবা আ এর পর ঋ থাকলে উভয়ে মিলে অর বা রফলা হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- অ বা আ এর পর ঋ থাকলে উভয়ে মিলে অর্ হয়, যা পরবর্তী বর্ণে রেফ বা পূর্ববর্ণে রফলা রূপে যুক্ত হয়।
- এখানে ক্ষুধা শব্দের শেষে অ এবং ঋত শব্দের শুরুতে ঋ মিলিত হয়ে রফলা গঠন করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দেব + ঋষি = দেবর্ষি
ব্যাখ্যা: অ কারের পর ঋ কার যুক্ত হয়ে অর্ বা রেফ তৈরি করেছে।
উদাহরণ ২: রাজা + ঋষি = রাজর্ষি
ব্যাখ্যা: আ কারের পর ঋ কার যুক্ত হয়ে অর্ বা রেফ তৈরি করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দুৎ + আর্ত — এই অপশনটি সম্পূর্ণ ভুল কারণ দুৎ কোনো অর্থপূর্ণ শব্দ নয় এবং এটি সন্ধির নিয়মের সাথে মিলে না।
B) ক্ষুধা + আর্ত — এই অপশনে আ এবং আ মিলে আ হয়, যার ফলে ক্ষুধার্ত না হয়ে ক্ষুধার্ত রূপটি আসত না।
D) ক্ষুধ + আর্ত — এই অপশনে ক্ষুধ হলো ব্যঞ্জনান্ত শব্দ, যা এই বিশেষ সন্ধির নিয়মের জন্য প্রযোজ্য নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
অ বা আ এর সাথে ঋ যোগ হলে সর্বদা রফলা বা রেফ যুক্ত শব্দ গঠিত হয়।
ক্ষুধার্ত শব্দের সন্ধি ভাঙলে ক্ষুধা এবং ঋত পাওয়া যায়, যেখানে ঋত শব্দের অর্থ সত্য বা কাঙ্ক্ষিত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের ব্যতিক্রমী স্বরসন্ধি প্রায়ই আসে।
পরীক্ষায় সঠিক সন্ধি নির্ণয়ের জন্য শব্দের মূল রূপ এবং অর্থ ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) সাধারণ লোক বলে
১. কেন সঠিক:
- 'লোকে বলে' বাক্যাংশে 'লোক' শব্দের সঙ্গে 'এ' বিভক্তি যুক্ত হয়ে বহুবচন বা সাধারণ মানুষকে বুঝিয়েছে।
- এখানে কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে নির্দেশ না করে সমাজের সাধারণ মানুষের মৌখিক বা প্রচলিত মতকে প্রকাশ করা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণে পদের ব্যবহার ও বচন ভেদে শব্দের অর্থের পরিবর্তন ঘটে।
- এখানে 'লোক' বিশেষ্য পদের সঙ্গে 'এ' বিভক্তি যোগ হয়ে সর্বসাধারণের উপস্থিতি বা জনশ্রুতিকে নির্দেশ করছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: লোকে কি বলে তা শুনে লাভ নেই।
ব্যাখ্যা: এখানে 'লোকে' বলতে সমাজের সর্বস্তরের সাধারণ মানুষকে বোঝানো হয়েছে।
উদাহরণ ২: লোকে নদীটিকে বলে মরা নদী।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যেও সাধারণ মানুষের মুখে প্রচলিত একটি ধারণার কথা বলা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) একজন লোক বলে — এটি ভুল কারণ এখানে একাধিক বা সর্বসাধারণের কথা বলা হয়েছে, নির্দিষ্ট একজনের কথা নয়।
B) সাধারণ লোক বলে — এটি সঠিক কারণ 'লোকে' বলতে সমাজের সাধারণ মানুষকে বোঝায়।
C) নির্দিষ্ট কেউ বলে — এটি ভুল কারণ নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তির একক মত এখানে প্রকাশ পায়নি।
D) দুইজন লোক বলে — এটি ভুল কারণ নির্দিষ্ট কোনো সংখ্যা বা জুটির কথা বাক্যে নেই।
৫ মনে রাখার টিপস:
- 'লোকে বলে' বা 'লোকমুখে প্রচলিত' থাকলে বুঝতে হবে এটি সমাজের সাধারণ মানুষের মতামত।
- প্রবাদ বা জনশ্রুতির ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট ব্যক্তির বদলে সাধারণ মানুষের কথা বোঝানো হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্যের অন্তর্নিহিত অর্থ বা তাৎপর্য সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
- শব্দের সাধারণ অর্থের বাইরে তার ভাবার্থ বা তাৎপর্য ভালোভাবে অনুধাবন করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) করণ কারক
১. কেন সঠিক:
বাক্যটিতে 'চিনিপাতা' শব্দটি দই তৈরির মাধ্যম বা উপায় বোঝাচ্ছে।
করণ শব্দের অর্থ সাহায্য, উপায় বা মাধ্যম। দই কী দিয়ে বা কোন উপায়ে পাতা হয়েছে, তার উত্তর হলো চিনিপাতা।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
বাক্যে যার সাহায্যে ক্রিয়া সম্পাদিত হয়, তাকে করণ কারক বলে।
ক্রিয়াকে কিসের দ্বারা বা কী উপায়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা করণ কারক হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কলম দিয়ে লেখা যায়।
ব্যাখ্যা: লেখার কাজটি কলমের মাধ্যমে সম্পাদিত হচ্ছে, তাই কলম হলো করণ কারক।
উদাহরণ ২: চোরা না শোনে ধর্মের কাহিনি।
ব্যাখ্যা: এখানে শোনার মাধ্যম হিসেবে ধর্ম বা উপদেশের কথা বলা হয়েছে, যা করণ কারকের উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কর্মকারক — যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে, তাকে কর্মকারক বলে। এখানে দই সুস্বাদু হওয়ার প্রক্রিয়া বা মাধ্যম বোঝানো হয়েছে, কর্ম নয়।
B) অধিকরণ কারক — ক্রিয়া সম্পাদনের স্থান, কাল বা আধারকে অধিকরণ কারক বলে। চিনিপাতা কোনো স্থান বা সময় নির্দেশ করছে না।
D) অপাদান কারক — যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, ভীত, রক্ষিত বা উৎপন্ন হয়, তাকে অপাদান কারক বলে। এখানে কোনো কিছু বিচ্যুত বা উৎপন্ন হওয়ার অর্থ নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
করণ কারক চেনার সহজ উপায় হলো ক্রিয়াকে কী দ্বারা বা কিসের মাধ্যমে প্রশ্ন করা। উত্তর মিলে গেলে তা নিঃসন্দেহে করণ কারক হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কারক নির্ণয়ের সময় শব্দের উৎস বা তৈরির মাধ্যম প্রায়ই করণ কারকের অন্তর্ভুক্ত হয়। এই নিয়মটি মাথায় রাখলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
সঠিক উত্তর: A) বহুজ্ঞ
১. কেন সঠিক:
- 'যে বহু বিষয় জানে' বাক্যটিকে সংক্ষেপে প্রকাশ করতে 'বহুজ্ঞ' শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
- এখানে 'বহু' অর্থ অনেক এবং 'জ্ঞ' অর্থ যে জানে বা জ্ঞাতা।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন ব্যাকরণের শব্দার্থ বিষয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
- বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার প্রক্রিয়াকে বাক্য সংকোচন বলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: যে অনেক বিষয়ে অভিজ্ঞ — বহুদর্শী।
ব্যাখ্যা: এটিও এককথায় প্রকাশের একটি বহুল ব্যবহৃত উদাহরণ যা জ্ঞানের গভীরতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: যা সহজে জয় করা যায় না — দুর্জয়।
ব্যাখ্যা: এটি একটি বাক্যকে সুন্দর ও সংক্ষিপ্ত করার জন্য ব্যবহৃত এককথায় প্রকাশের উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বহুজ্ঞ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বহু বিষয় জানার অর্থ প্রকাশ করে।
B) সর্বজ্ঞ — এর অর্থ যিনি সবকিছু জানেন, যা 'বহু বিষয় জানে' এর চেয়ে ব্যাপক।
C) সবজান্তা — এটি একটি চলতি বা কথ্য শব্দ যা সব বিষয়ে নাক গলায় এমন ব্যক্তিকে বোঝায়।
D) বহুজ্ঞানী — ব্যাকরণগত দিক থেকে এটি প্রমিত বাক্য সংকোচন নয়, তাই এটি সঠিক নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- প্রশ্নটিতে 'বহু' শব্দ থাকায় উত্তর নির্বাচনেও 'বহু' যুক্ত শব্দটিকে (বহুজ্ঞ) বেছে নিতে হবে।
- 'সব' থাকলে 'সর্বজ্ঞ' হবে আর 'বহু' থাকলে 'বহুজ্ঞ' হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- 'সবকিছু জানে যে' এবং 'বহু বিষয় জানে যে' এই দুটি শব্দার্থের সূক্ষ্ম পার্থক্য মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: খ) Cure all
কেন সঠিক:
Panacea শব্দটির অর্থ হলো সর্বরোগহর ঔষুধ বা সব সমস্যার একমাত্র সমাধান।
Cure all কথাটির অর্থও সমস্ত রোগের ভালো করার উপায় বা সমাধান।
তাই এই দুটি শব্দের অর্থ হুবহু মিলে যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
ক) Inactivity — এর অর্থ নিষ্ক্রিয়তা বা অলসতা, যা মূল শব্দের সাথে মেলে না।
খ) Cure all — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
গ) Pancake — এর অর্থ এক ধরণের পিঠা, যার সাথে মূল শব্দের কোনো সম্পর্ক নেই।
ঘ) Analyse — এর অর্থ বিশ্লেষণ করা, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি কার্যবাচক শব্দ।
মনে রাখার টিপস:
Panacea শব্দের শুরুতেই 'Pan' আছে, যার অর্থ সব। তাই সব রোগের সমাধান বোঝাতে Cure all মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) Peter Handke
কেন সঠিক:
- অস্ট্রিয়ান নাট্যকার ও ঔপন্যাসিক পিটার হ্যান্ডকে ২০১৯ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- ভাষাগত সীমানার পরিধি এবং মানুষের অভিজ্ঞতার স্বাতন্ত্র্য অন্বেষণের জন্য তাঁকে এই স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) V.S Naipaul — ব্রিটিশ-ত্রিনিদাদীয় এই লেখক ২০০১ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন, তাই এটি ২০১৯ সালের জন্য প্রযোজ্য নয়।
B) Svetlana Alexievich — বেলারুশীয় এই লেখক ২০১৫ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন, তাই এটি ২০১৯ সালের জন্য সঠিক উত্তর নয়।
C) Peter Handke — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য।
D) Orhan Pamuke — তুর্কি ঔপন্যাসিক ওরহান পামুক ২০০৬ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন, তাই এটি ২০১৯ সালের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
২০১৯ সালের নোবেল সাহিত্য পুরস্কারের সঙ্গে অস্ট্রিয়ার লেখক পিটার হ্যান্ডকে নামটি মনে রাখতে হ্যান্ডকে এবং ২০১৯ এর পিন্ড বা ছন্দ মিলিয়ে রাখা যেতে পারে।
সঠিক উত্তর: A) TS Eliot
কেন সঠিক:
দ্য ওয়েস্ট ল্যান্ড বইটি বিংশ শতাব্দীর অত্যন্ত প্রভাবশালী কবি টি এস এলিয়ট রচনা করেছেন। এটি আধুনিক ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ একটি দীর্ঘ কবিতা হিসেবে বিশ্বজুড়ে সমাদৃত। ১৯২২ সালে এই বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয়। আধুনিকতাবাদী সাহিত্যের ইতিহাসে এটি একটি যুগান্তকারী রচনা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
B) G.B Shaw — জর্জ বার্নার্ড শ মূলত তাঁর বিখ্যাত নাটক যেমন পাইিগম্যালিয়ন এবং ম্যান অ্যান্ড সুপারম্যান এর জন্য পরিচিত। তিনি কোনোভাবেই দ্য ওয়েস্ট ল্যান্ড কাব্যগ্রন্থের লেখক নন।
C) George Eliot — জর্জ এলিয়ট হলেন একজন ভিক্টোরিয়ান যুগের ঔপন্যাসিক যার আসল নাম মেরি অ্যান ইভান্স। মিডলমার্চ তাঁর লেখা বিখ্যাত উপন্যাস হলেও তিনি এই কবিতার রচয়িতা নন।
D) George Orwell — জর্জ অরওয়েল তাঁর রাজনৈতিক ব্যঙ্গরচনা এবং উপন্যাসের জন্য বিশ্বখ্যাত। নাইনটিন এইটি ফোর এবং অ্যানিম্যাল ফার্ম তাঁরই অমর সৃষ্টি।
মনে রাখার টিপস:
বিখ্যাত আধুনিক কবিতা দ্য ওয়েস্ট ল্যান্ড মনে রাখতে এলিয়ট পদবিটি মাথায় রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) William Blake
কেন সঠিক:
উইলিয়াম ব্লেক মূলত ইংরেজি সাহিত্যের একজন বিখ্যাত রোমান্টিক কবি ও চিত্রশিল্পী ছিলেন।
তিনি তাঁর কাব্যগ্রন্থ সongs অফ ইনোসেন্স এবং সongs অফ এক্সপেরিয়েন্স এর জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত।
তিনি কোনো উপন্যাস রচনা করেননি।
তিনি তাঁর জীবদ্দশায় মূলত পদ্য বা কবিতা লিখেই খ্যাতি অর্জন করেছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Charles Dickens — তিনি ভিক্টোরিয়ান যুগের একজন অত্যন্ত জনপ্রিয় ও বিশ্ববিখ্যাত ঔপন্যাসিক ছিলেন।
B) Emile Bronte — তিনি একজন বিখ্যাত ঔপন্যাসিক ছিলেন এবং তার অমর সৃষ্টি হলো উইদারিং হাইটস উপন্যাসটি।
C) William Blake — এই অপশনটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশনের কারণ প্রযোজ্য নয়।
D) Thomas Hard — তিনি ঊনবিংশ শতাব্দীর একজন বিখ্যাত ইংরেজ ঔপন্যাসিক ও কবি ছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
উইলিয়াম ব্লেকের নাম শুনলে মনে রাখবে তিনি কবিতা ও ছবির মানুষ, উপন্যাস তার কাজের তালিকাভুক্ত নয়।
সঠিক উত্তর: B) evidence of the witness
কেন সঠিক:
ফরাসি ভাষার এই আইনি শব্দটির মূল অর্থ হলো সত্য বলা বা পরীক্ষা করা।
আইনগতভাবে আদালতে সাক্ষী বা জুরিদের সত্যতা যাচাই করার প্রক্রিয়াকে এটি বোঝায়।
এটি সাক্ষীর সাক্ষ্য বা যোগ্যতা যাচাইয়ের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত।
সাক্ষীর সাক্ষ্য প্রমাণের ক্ষেত্রে এই শব্দগুচ্ছ ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) telling the truth — এটি সাধারণ ইংরেজি অর্থ হলেও আইনি পরিভাষায় নির্দিষ্ট কোনো সাক্ষীর প্রমাণ বোঝায় না।
B) evidence of the witness — এটি সঠিক কারণ আইনি বিচারে সাক্ষীর সাক্ষ্য বা প্রমাণকেই এই পরিভাষায় নির্দেশ করা হয়।
C) speaking lies — এর অর্থ মিথ্যা বলা যা আইনি শব্দের মূল ভাবের সাথে সম্পূর্ণ বিপরীত।
D) lying in the court — আদালতে মিথ্যা বলা এই ফরাসি আইনি শব্দগুচ্ছের সঠিক পরিভাষা নয়।
মনে রাখার টিপস:
Voir Dire একটি আইনি শব্দ যার সাথে সাক্ষীর সাক্ষ্য ও সত্যতা যাচাইয়ের বিষয়টি জড়িত থাকে।
সঠিক উত্তর: B) Etiquette
কেন সঠিক:
শব্দটির সঠিক বানান হলো ই-টি-কিউ-ইউ-ই-টি-টি-ই যা ফরাসি ভাষা থেকে ইংরেজি ভাষায় এসেছে।
এর মূল বানান কাঠামোর মধ্যে ডাবল টি এবং শেষের দিকে ই অক্ষরটি বিশেষভাবে লক্ষণীয়।
এই বানানটি ইংরেজি প্রমিত ডিকশনারি অনুযায়ী সম্পূর্ণ নির্ভুল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Eliquate — এই বানানে কিউ অক্ষরের জায়গায় এল ব্যবহার করা হয়েছে এবং শেষের অংশ সম্পূর্ণ ভুল।
B) Etiquette — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং এটি পরীক্ষিত বানান।
C) Eligwatte — এই বানানে জি এবং ডব্লিউ অক্ষর যুক্ত করে সম্পূর্ণ অর্থহীন বানান তৈরি করা হয়েছে।
D) Etiquete — এই বানানে শেষ টি এবং ই অক্ষরের সঠিক পুনরাবৃত্তি বা বিন্যাস করা হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
এই বানানটি মনে রাখতে মাঝখানে টিকিউ এবং শেষে ডাবল টি এবং একটি ই যুক্ত করার নিয়মটি বারবার লিখে চর্চা করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) Master
কেন সঠিক:
Master শব্দটির অর্থ কর্তা বা প্রভু হওয়া এবং এর ভার্ব রূপ হিসেবেও এটি বাক্যে ব্যবহৃত হয়।
বিশেষ করে কোনো বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করা বা শিক্ষা দেওয়া অর্থে এই শব্দটি ভার্ব হিসেবে কাজ করে।
এটি একই সাথে নাউন এবং ভার্ব উভয় হিসেবেই ইংরেজি বাক্যে সঠিকভাবেই ব্যবহৃত হতে পারে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Mister — এটি কোনো ভার্ব নয়, বরং এটি পুরুষদের নামের পূর্বে সম্মানসূচক উপাধি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
B) Mistress — এটি Master শব্দের ফেমিনিন জেন্ডার বা স্ত্রীবাচক রূপ, কোনো ভার্ব নয়।
C) Mastery — এটি Master শব্দটির নাউন রূপ যার অর্থ পারদর্শিতা বা দক্ষতা।
D) Master — এটি নিজেই সঠিক ভার্ব হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক বলে বিবেচিত হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
কিছু ইংরেজি শব্দ একই সাথে নাউন এবং ভার্ব হিসেবে কাজ করে, তাই তাদের রূপ পরিবর্তনের প্রয়োজন হয় না।
সঠিক উত্তর: B) Marine
কেন সঠিক:
Sea শব্দটির অর্থ সমুদ্র এবং এর বিশেষণ বা অ্যাডজেক্টিভ রূপ হলো মেরিন।
এটি সমুদ্রসংক্রান্ত বা সমুদ্রের সাথে সম্পর্কিত কোনো কিছু বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Navy — এটি একটি বিশেষ্য বা নাউন যার অর্থ নৌবাহিনী।
B) Marine — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি অ্যাডজেক্টিভ ফর্ম।
C) Ocean — এটিও একটি বিশেষ্য বা নাউন যার অর্থ মহাসাগর।
D) Shipping — এটি জাহাজে পণ্য পরিবহন বোঝায় এবং এর অর্থ আলাদা।
মনে রাখার টিপস:
Sea নাউনটির অ্যাডজেক্টিভ রূপ মনে রাখতে Marine শব্দটি মাথায় রাখবে যা সমুদ্র বোঝায়।
সঠিক উত্তর: C) lowest point
কেন সঠিক:
Zenith শব্দের বাংলা অর্থ হলো শীর্ষবিন্দু বা আকাশর সবচেয়ে উঁচু স্থান।
এর বিপরীতার্থক শব্দ হলো সর্বনিম্ন বিন্দু।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) top — এটি Zenith শব্দের সমার্থক শব্দ যার অর্থ চূড়া।
B) doubt — এটি সম্পূর্ণ আলাদা একটি শব্দ যার অর্থ সন্দেহ।
D) final — এটি অন্য একটি শব্দ যার অর্থ চূড়ান্ত।
মনে রাখার টিপস:
Zenith মানে জিরো থেকে অনেক উপরে, আর lowest point মানে সবচেয়ে নিচে।
সঠিক উত্তর: A) Thrifty
কেন সঠিক:
Prodigal শব্দটির অর্থ অপব্যয়ী বা যে ব্যক্তি অতিরিক্ত অর্থ খরচ করে।
Thrifty শব্দটির অর্থ মিতব্যয়ী বা যে বুঝে শুনে খরচ করে।
তাই অর্থের দিক থেকে Thrifty হলো Prodigal এর সঠিক বিপরীত শব্দ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Thrifty — এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ মিতব্যয়ী।
B) Peculiar — এই শব্দটির অর্থ অদ্ভুত বা অস্বাভাবিক, যা বিপরীত শব্দ নয়।
C) Amity — এই শব্দটির অর্থ বন্ধুত্ব বা সদ্ভাব, যা এর সাথে মিলে না।
D) Strange — এই শব্দটির অর্থ অচেনা বা অজানা, যা সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ নয়।
মনে রাখার টিপস:
Prodigal মানে প্রচুর টাকা ওড়ায় আর Thrifty মানে টাকা জমিয়ে রাখে।
সঠিক উত্তর: A) were nipped in the bud
কেন সঠিক:
বাক্যের অর্থ অনুযায়ী হোপস বা আশাগুলো নিজেই নিজের ক্ষতি করতে পারে না, তাই বাক্যটি প্যাসিভ ভয়েস হবে।
হোপস প্লুরাল বা বহুবচন হওয়ায় এর সাথে পাস্ট টেন্সে were এবং মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল বসে সঠিক গঠন তৈরি হয়েছে।
নিপড ইন দ্য বাট একটি প্রচলিত ইডিয়ম যার অর্থ অঙ্কুরে বিনাশ হওয়া।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) were nipped in the bud — এটি সঠিক উত্তর তাই এখানে ভুল নেই।
B) nipped in the bud — এখানে সাহায্যকারী ভাব না থাকায় এটি একটিভ মনে হয় যা অর্থহীন।
C) have nipped in the bud — এটি প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্স এবং এটিভ হওয়ায় সাবজেক্টের সাথে অর্থের মিল নেই।
D) has nipped in the bud — হোপস বহুবচন হওয়ায় এখানে সিঙ্গুলার ভার্ব হ্যাজ বসা সম্পূর্ণ ব্যাকরণগত ভুল।
মনে রাখার টিপস:
আশা বা এমন বস্তুবাচক সাবজেক্ট যখন নিজে কাজ করতে পারে না, তখন বাক্যটি প্যাসিভ ভয়েস করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) Miserable
কেন সঠিক:
Deplorable শব্দটির অর্থ অত্যন্ত শোচনীয়, করুণ বা দুঃখজনক।
এর সাথে মিল রেখে Miserable শব্দটির অর্থও অত্যন্ত শোচনীয় বা করুণ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Adorable — এর অর্থ অত্যন্ত মনোরম বা আদুরে, যা দেপোরাবল শব্দের বিপরীত।
B) Respectable — এর অর্থ সম্মানজনক বা মর্যাদাপূর্ণ, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি অর্থ প্রকাশ করে।
C) Miserable — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে গণ্য হবে না।
D) Estirnate — এটি একটি ভুল বানানযুক্ত শব্দ এবং এর কোনো সঠিক অর্থ নেই।
মনে রাখার টিপস:
Deplorable শব্দটির ভেতরে ডিপ শব্দ আছে, যা গভীর দুঃখ বা শোচনীয় অবস্থাকে মনে করিয়ে দেয়।
সঠিক উত্তর: B) There are less to every wine.
কেন সঠিক:
এই প্রবাদটির ভাবার্থ হলো প্রতিটি ভালো জিনিসের ভেতরেই কিছু না কিছু ত্রুটি বা দোষ লুকিয়ে থাকে।
ইংরেজিতে এই বিশেষ প্রবাদটির প্রচলিত ও সঠিক রূপ হিসেবে এই বাক্যটি ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) No smoke without fire — এই প্রবাদের বাংলা অর্থ হলো কুঁড়েলে আগুন জ্বলে না অথবা বিনা ধোঁয়ায় আগুন জ্বলে না।
B) There are less to every wine — এটি সঠিক প্রবাদ যা চাঁদেরও কলঙ্ক আছে অর্থ প্রকাশ করে।
C) Many drops make a shower — এই প্রবাদের অর্থ হলো বিন্দু বিন্দু জল থেকে সমুদ্র বা সাগরের সৃষ্টি হয়।
D) Where there is life, there is hope — এই প্রবাদের অর্থ হলো যতদিন শ্বাস ততদিন আশ বা জীবনে আশা আছে।
মনে রাখার টিপস:
প্রবাদের ক্ষেত্রে আক্ষরিক অনুবাদ না করে সবসময় ভাবানুবাদ বা প্রচলিত ইংরেজি প্রবাদ মুখস্থ রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) Birds of a feather flock together.
কেন সঠিক:
এটি একটি প্রচলিত প্রবাদ বাক্য যার অর্থ এক স্বভাবের মানুষ বা সমগোত্রীয় ব্যক্তিরা একত্রে থাকে। চোরে চোরে মাসতুতো ভাই বলতে একই রকম দোষযুক্ত ব্যক্তিদের বোঝায় এবং এই ভাবটি শুধু এই ইংরেজি প্রবাদের মাধ্যমেই প্রকাশ করা সম্ভব।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Two thieves are cousin. — এটি কোনো প্রবাদ নয় এবং এর ব্যাকরণগত গঠন ভুল।
B) Bird of the same group fly together. — এখানে শব্দের সঠিক প্রবাদ রূপ ব্যবহার করা হয়নি এবং বানান ভুল আছে।
C) Birds of a feather flock together. — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) Two birds fly together. — এটি সাধারণ একটি বাক্য যার কোনো প্রবাদগত অর্থ নেই।
মনে রাখার টিপস:
একই স্বভাবের মানুষদের ক্ষেত্রে প্রবাদ হিসেবে সর্বদা Birds of a feather flock together ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) Complex sentence
কেন সঠিক:
প্রদত্ত বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্য (I know) এবং একটি আশ্রিত খণ্ডবাক্য (who he is) রয়েছে।
এখানে 'who' একটিRelative Pronoun হিসেবে যুক্ত হয়ে দুটি clause-কে একত্রিত করেছে।
জটিল বাক্যের সংজ্ঞামতে, একটি Principal clause এবং এক বা একাধিক Subordinate clause মিলে Complex sentence গঠন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Complex sentence — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এখানে ভুল নয়, বরং এটিই নির্ণেয় উত্তর।
B) Simple sentence — এই বাক্যে একটিমাত্র Subject এবং একটিমাত্র Finite verb নেই, তাই এটি Simple sentence হতে পারে না।
C) Compound sentence — এখানে কোনো coordinating conjunction যেমন and বা but দিয়ে দুটি স্বাধীন বাক্য যুক্ত হয়নি।
D) Multiful sentence — ব্যাকরণের নিয়মে ইংরেজি বাক্যের নামকরণে এই জাতীয় কোনো নির্দিষ্ট শ্রেণিবিভাগ বা পরিভাষা নেই।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে who, what, which, that, if, because ইত্যাদি conjunction বা relative pronoun থাকলে সাধারণত সেটি Complex sentence হয়।
সঠিক উত্তর: A) Noun phrase
কেন সঠিক:
বাক্যে 'The cat on the mat' অংশটি সাবজেক্ট হিসেবে কাজ করছে এবং এর প্রধান শব্দ বা Head word হলো নাউন 'cat'।
এটি একটি শব্দগুচ্ছ যা বাক্যে সম্পূর্ণ একটি নাউনের মতো কাজ সম্পন্ন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Noun phrase — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয় কারণ এটিই সঠিক অপশন।
B) Adjective phrase — এটি কোনো নাউনের দোষ, গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করছে না বরং নিজেই মূল বিষয়।
C) Verbal phrase — এই শব্দগুচ্ছের মধ্যে কোনো মূল ভার্ব বা ক্রিয়াপদ প্রধান হিসেবে কাজ করছে না।
D) Prepositional phrase — এখানে প্রেপজিশন থাকলেও তা শুধু 'cat' কে নির্দেশ করছে, পুরো গুচ্ছটি প্রেপজিশনের কাজ করছে না।
মনে রাখার টিপস:
যে শব্দগুচ্ছ কোনো বাক্যে নাউনের মতো কাজ করে এবং যার মূল শব্দ একটি নাউন, তাকে Noun phrase বলে।
সঠিক উত্তর: A) are
কেন সঠিক:
শূন্যস্থানের আগের বাক্যটিতে বলা হয়েছে সব বই বিক্রি হয়ে গেছে, যার মানে হলো কোনো বই অবশিষ্ট নেই। Books একটি বহুবচন noun এবং এর সাথে verb হিসেবে are বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) are — এটি সঠিক কারণ books বহুবচন হওয়ার কারণে plural verb বসেছে।
B) is — এটি ভুল কারণ is শুধুমাত্র একবচন noun এর সাথে বসে।
C) not — এটি ভুল কারণ এখানে বাক্য গঠনে একটি verb প্রয়োজন।
D) any — এটি ভুল কারণ এখানে noun এর উপস্থিতি বোঝাতে verb এর দরকার ছিল।
মনে রাখার টিপস:
শূন্যস্থানের আগের noun যদি বহুবচন হয়, তবে verb ও বহুবচন হবে।
সঠিক উত্তর: D) Talking to you
কেন সঠিক:
feel like একটি বিশেষ বাক্যাংশ যার পরে সবসময় মূল verb-এর সাথে ing যুক্ত হয়।
তাই talk verb-এর সাথে ing যুক্ত হয়ে talking হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Talk to you — feel like এর পরে verb-এর সাথে ing না থাকায় এটি ভুল।
B) Talking at you — talk এর সাথে at preposition ব্যবহার করা হয় না কারণ কারো সাথে কথা বলার ক্ষেত্রে to বসে।
C) Talk at you — এখানে verb এর সাথে ing নেই এবং at preposition ভুলভাবে ব্যবহৃত হয়েছে।
D) Talking to you — এটি সঠিক কারণ এতে নিয়ম অনুযায়ী ing যুক্ত হয়েছে এবং সঠিক preposition ব্যবহার করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
feel like দেখলেই এর পরের verb-এর সাথে ing যোগ করতে হয় এবং কথা বলার ক্ষেত্রে to preposition ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) get
কেন সঠিক:
এটি একটি প্রথম শর্তমূলক বাক্য বা ফার্স্ট কন্ডিশনাল।
এর গঠন হলো বর্তমান কাল এবং ভবিষ্যৎ কাল যুক্ত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) may get — এই বাক্যে দুটি মডাল ভার্ব একসাথে বসে না।
B) may be got — এটি সঠিক নিয়মে গঠিত হয়নি এবং অর্থের সাথে মেলে না।
C) will get — একই বাক্যে দুটি ভবিষ্যৎ কাল একসাথে ব্যবহার করা যায় না।
D) get — এটি সঠিক কারণ শূন্যস্থানে প্রেজেন্ট ইনডিফিনিট টেন্স বসেছে।
মনে রাখার টিপস:
যদি কোনো বাক্যের একটি অংশ ভবিষ্যৎ কাল হয়, তবে অন্য অংশটি সবসময় প্রেজেন্ট ইনডিফিনিট টেন্স হবে।
সঠিক উত্তর: D) play
কেন সঠিক:
বাক্যে used to এর পর সবসময় মূল verb এর base form বা present form বসে।
এখানে প্রশ্নবোধک বাক্য গঠনের নিয়মানুযায়ী did ব্যবহারের কারণে মূল verb এর কোনো পরিবর্তন হয় না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) playies — এটি একটি ভুল শব্দ কারণ verb এর সাথে ies যুক্ত হয় না।
B) played — did থাকার পর verb এর past form বসানো ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
C) be played — এটি passive form যা এই সাধারণ অভ্যাসের বাক্যে অর্থহীন।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে do, does বা did থাকলে তার পরে সবসময় verb এর ১ নম্বর রূপ বা base form বসে।
সঠিক উত্তর: C) ৩x − ৫
প্রদত্ত তথ্য:
বহুপদী রাশিটি হলো ৩x² + x − ১০
রাশিটির একটি উৎপাদক হলো x + ২
ধরি,
অপর উৎপাদকটি হলো ax + b
প্রথম পদের গুণফল হলো ৩x²
অতএব,
ax এবং x গুণ করে ৩x² পেতে হলে a এর মান ৩ হতে হবে
ধ্রুবক পদ দুটি গুণ করে −১০ পেতে হবে
b এর মান −৫ হতে হবে
সুতরাং,
অপর উৎপাদকটি হলো ৩x − ৫
উত্তর: ৩x − ৫
সঠিক উত্তর: A) ২৫
প্রদত্ত তথ্য:
তালিকার প্রথম সংখ্যাটি ১
তালিকার দ্বিতীয় সংখ্যাটি ৭
তালিকার তৃতীয় সংখ্যাটি ১৩
তালিকার চতুর্থ সংখ্যাটি ১৯
ধরি,
প্রথম পদের সাথে যোগ করতে হবে সাধারণ অন্তর
দ্বিতীয় পদ থেকে প্রথম পদের বিয়োগফল = ৭ − ১ = ৬
তৃতীয় পদ থেকে দ্বিতীয় পদের বিয়োগফল = ১৩ − ৭ = ৬
অতএব,
চতুর্থ পদ থেকে তৃতীয় পদের বিয়োগফল = ১৯ − ১৩ = ৬
অর্থাৎ তালিকার সংখ্যাগুলোর সাধারণ অন্তর সমান ৬
পরবর্তী সংখ্যাটি পাওয়ার জন্য শেষ পদের সাথে যোগ করতে হবে ৬
সুতরাং,
নির্ণয়ে পরবর্তী সংখ্যাটি হবে ১৯ + ৬ = ২৫
উত্তর: ২৫
সঠিক উত্তর: B) ১
প্রদত্ত তথ্য:
পাঁচ অংকের ক্ষুদ্রতম সংখ্যা
চার অংকের বৃহত্তম সংখ্যা
ধরি,
পাঁচ অংকের ক্ষুদ্রতম সংখ্যাটি = ১০০০০০
চার অংকের বৃহত্তম সংখ্যাটি = ৯৯৯৯
অতএব,
সংখ্যা দুটির অন্তর বের করতে হবে
অর্থাৎ বড় সংখ্যাটি থেকে ছোট সংখ্যাটি বিয়োগ করতে হবে
সুতরাং,
১০০০শ − ৯৯৯৯ = ১
উত্তর: ১
সঠিক উত্তর: A) ১০
প্রদত্ত তথ্য:
রম্বসের একটি বাহুর দৈর্ঘ্য = ১৩ সেমি
রম্বসের প্রথম কর্ণের দৈর্ঘ্য = ২৪ সেমি
ধরি,
রম্বসটির অপর কর্ণের দৈর্ঘ্য = ২ক সেমি
রম্বসের কর্ণদ্বয় পরস্পরকে সমকোণে সমদ্বিখণ্ডিত করে
অতএব,
সমকোণী ত্রিভুজের অতিভুজ = বাহুর দৈর্ঘ্য = ১৩ সেমি
সমকোণী ত্রিভুজের একটি বাহু = প্রথম কর্ণের অর্ধেক = ২৪ ÷ ২ = ১২ সেমি
সমকোণী ত্রিভুজের অপর বাহু = ক সেমি
সুতরাং,
পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুসারে, ক স্কয়ার + ১২ স্কয়ার = ১৩ স্কয়ার
ক স্কয়ার + ১৪৪ = ১৬৯
ক স্কয়ার = ১৬৯ − ১৪৪ = ২৫
উত্তর: ক = √২৫ = ৫, অপর কর্ণের দৈর্ঘ্য = ৫ × ২ = ১০ সেমি
সঠিক উত্তর: C) ৬
প্রদত্ত তথ্য:
১ থেকে ১১ পর্যন্ত ক্রমিক স্বাভাবিক সংখ্যাগুলো হলো ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯, ১০, ১১
ধরি,
সংখ্যাগুলোর মোট সমষ্টি = ১ + ২ + ৩ + ৪ + ৫ + ৬ + ৭ + ৮ + ৯ + ১০ + ১১
মোট সংখ্যার পরিমাণ = ১১
অতএব,
১ থেকে ১১ পর্যন্ত সংখ্যাগুলোর যোগফল = ৬৬
গড় নির্ণয়ের সূত্র অনুযায়ী মোট যোগফলকে মোট সংখ্যা দিয়ে ভাগ করতে হবে
সুতরাং,
নির্ণয়ে গড় = ৬৬ ÷ ১১
উত্তর: ৬
সঠিক উত্তর: B) ৩৬০০
প্রদত্ত তথ্য:
সৈন্যদলকে ৮, ১০ ও ১২ সারিতে সাজানো যায়
তাদেরকে বর্গাকারেও সাজানো যায়
ধরি,
সৈন্যসংখ্যা হবে ৮, ১০ ও ১২ এর লসাগু এর গুণিতক
৮, ১০ ও ১২ এর লসাগু বের করতে হবে
অতএব,
৮ এর উৎপাদক = ২ × ২ × ২
১০ এর উৎপাদক = ২ × ৫
১২ এর উৎপাদক = ২ × ২ × ৩
সুতরাং,
লসাগু = ২ × ২ × ২ × ৩ × ৫ = ১২০
১২০ কে বর্গসংখ্যা বানাতে হলে মৌলিক উৎপাদক জোড়ায় সাজাতে হবে
উত্তর: ১২০ কে ৩ ও ৫ অর্থাৎ ১৫ দ্বারা গুণ করলে ৩৬০০ হয় যা একটি পূর্ণবর্গ সংখ্যা
সঠিক উত্তর: C) x²y (x + y)
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম রাশি = x^৩ + x²y
দ্বিতীয় রাশি = x²y + xy²
ধরি,
প্রথম রাশি থেকে x² কমন নিলে পাই, x² (x + y)
দ্বিতীয় রাশি থেকে xy কমন নিলে পাই, xy (x + y)
অতএব,
লসাঘু নির্ণয়ের সময় সব উৎপাদকের সর্বোচ্চ ঘাত নিতে হয়
এখানে x এর সর্বোচ্চ ঘাত x², y এর সর্বোচ্চ ঘাত y এবং সাধারণ উৎপাদক (x + y)
সুতরাং,
নির্ণেয় লসাঘু হবে x², y এবং (x + y) এর গুণফল
উত্তর: x²y (x + y)
সঠিক উত্তর: C) ২.৫
প্রদত্ত তথ্য:
প্রাথমিক কর্মী সংখ্যা = ২০ জন
কর্মী সংখ্যা কমে গেল = ৬০%
ধরি,
নতুন কর্মী সংখ্যা হবে = ২০ এর (১০০% − ৬০%)
নতুন কর্মী সংখ্যা = ২০ এর ৪০% = ৮ জন
অতএব,
প্রথম ক্ষেত্রে কাজের সময় ব্যস্তানুপাতিক সম্পর্ক বোঝায়
জনবল ও সময়ের গুণফল সবসময় সমান থাকে
দ্বিতীয় হিসাব:
ধরি, আগের সময় ছিল ১ একক
নতুন সময় হবে = (২০ ÷ ৮) একক
সুতরাং,
নতুন সময় = ২.৫ একক
উত্তর: ২.৫ গুণ বেশি সময় লাগবে
সঠিক উত্তর: D) ৩৬০ ডিগ্রি
প্রদত্ত তথ্য:
ত্রিভুজের যেকোনো বাহুকে বর্ধিত করলে একটি বহিঃস্থ কোণ উৎপন্ন হয়।
ত্রিভুজের মোট তিনটি বাহু থাকে এবং তিনটি বহিঃস্থ কোণ উৎপন্ন হয়।
ধরি,
ত্রিভুজের তিনটি কোণ যথাক্রমে ক, খ এবং গ।
তিনটি অন্তঃস্থ কোণ এবং তাদের সংলগ্ন বহিঃস্থ কোণের সমষ্টি প্রতিটি ক্ষেত্রে ১৮০ ডিগ্রি।
অতএব,
প্রথম বহিঃস্থ কোণ = ১৮০ ডিগ্রি − ক
দ্বিতীয় বহিঃস্থ কোণ = ১৮০ ডিগ্রি − খ
তৃতীয় বহিঃস্থ কোণ = ১৮০ ডিগ্রি − গ
সুতরাং,
তিনটি বহিঃস্থ কোণের সমষ্টি = (১৮০ ডিগ্রি − ক) + (১৮০ ডিগ্রি − খ) + (১৮০ ডিগ্রি − গ)
উত্তর: ৩৬০ ডিগ্রি
সঠিক উত্তর: D) ১
প্রদত্ত তথ্য:
নির্দিষ্ট সংখ্যাটিকে ১১ দ্বারা ভাগ করলে ৩ অবশিষ্ট থাকে
সংখ্যাটির চারগুণকে ১১ দ্বারা ভাগ করতে হবে
ধরি,
সংখ্যাটি = ১১ × ক + ৩ (যেখানে ক একটি পূর্ণসংখ্যা)
অতএব,
সংখ্যাটির চারগুণ = ৪ × (১১ × ক + ৩)
সংখ্যাটির চারগুণ = ৪৪ × ক + ১২
সুতরাং,
সংখ্যাটির চারগুণ = ৪৪ × ক + ১১ + ১
সংখ্যাটির চারগুণ = ১১ × (৪ × ক + ১) + ১
উত্তর: ১
সঠিক উত্তর: B) ৬ঃ৭
প্রদত্ত তথ্য:
১২ বছর আগে জন ও পিয়ার বয়সের অনুপাত ছিল ৪ঃ৫
১২ বছর পর তাদের বয়সের অনুপাত হবে ৮ঃ৯
ধরি,
১২ বছর আগে জনের বয়স ছিল ৪ক বছর
১২ বছর আগে পিয়ার বয়স ছিল ৫ক বছর
অতএব,
বর্তমানে জনের বয়স = ৪ক + ১২ বছর
বর্তমানে পিয়ার বয়স = ৫ক + ১২ বছর
সুতরাং,
১২ বছর পর জনের বয়স হবে ৪ক + ২৪ বছর
১২ বছর পর পিয়ার বয়স হবে ৫ক + ২৪ বছর
শর্তমতে,
(৪ক + ২৪) ÷ (৫ক + ২৪) = ৮ ÷ ৯
বা, ৩৬ক + ২১৬ = ৪০ক + ১৯২
অতএব,
৪ক = ২৪
ক = ৬
সুতরাং,
বর্তমানে জনের বয়স = (৪ × ৬) + ১২ = ৩৬ বছর
বর্তমানে পিয়ার বয়স = (৫ × ৬) + ১২ = ৪২ বছর
উত্তর: বর্তমান বয়সের অনুপাত = ৩৬ঃ৪২ = ৬ঃ৭
সঠিক উত্তর: A) ৪৮°
প্রদত্ত তথ্য:
ত্রিভুজের দুটি কোণের অনুপাত ৩ অনুপাত ৫
তৃতীয় কোণটি ৫২ ডিগ্রি (প্রশ্নে ৫২০ ডিগ্রি মুদ্রণ ত্রুটি, মান ৫২ ডিগ্রি ধরে সমাধান করা হলো)
ধরি,
প্রথম কোণটি = ৩ক
দ্বিতীয় কোণটি = ৫ক
অতএব,
তিনটি কোণের সমষ্টি = ১৮০ ডিগ্রি
প্রথম দুটি কোণের সমষ্টি = ৩ক + ৫ক = ৮ক
সুতরাং,
৩ক + ৫ক + ৫২ ডিগ্রি = ১৮০ ডিগ্রি
৮ক = ১৮০ ডিগ্রি − ৫২ ডিগ্রি
উত্তর: ৮ক = ১২৮ ডিগ্রি, ক = ১৬ ডিগ্রি, ছোট কোণটি = ৩ গুণ ১৬ ডিগ্রি = ৪৮ ডিগ্রি
সঠিক উত্তর: A) ১৬
প্রদত্ত তথ্য:
মূল সরলরেখার দৈর্ঘ্য
ঐ সরলরেখার পঁচিশ শতাংশের দৈর্ঘ্য
ধরি,
মূল সরলরেখার দৈর্ঘ্য = ১০০ একক
পঁচিশ শতাংশের দৈর্ঘ্য = ২৫ একক
অতএব,
মূল সরলরেখার উপর অঙ্কিত বর্গের ক্ষেত্রফল = ১০০ × ১০০ = ১০০০০ বর্গ একক
পঁচিশ শতাংশের উপর অঙ্কিত বর্গের ক্ষেত্রফল = ২৫ × ২৫ = ৬২৫ বর্গ একক
সুতরাং,
ক্ষেত্রফলের অনুপাত = ১০০০০ ÷ ৬২৫ = ১৬ গুণ
উত্তর: ১৬
সঠিক উত্তর: C) ৮
প্রদত্ত তথ্য:
বার্ষিক সরল সুদের হার = ১২.৫%
ধরি,
আসল = ১০০ টাকা
সুদ আসলের সমান অর্থাৎ সুদ = ১০০ টাকা
অতএব,
আমরা জানি, সরল সুদ = (আসল × সুদের হার × সময়) ÷ ১০০
সুতরাং,
১০০ = (১০০ × ১২.৫ × সময়) ÷ ১০০
উত্তর: সময় = ৮ বছর
সঠিক উত্তর: A) ১০
প্রদত্ত তথ্য:
১ ডজন বা ১২টি কলার ক্রয়মূল্য = ৪৮ টাকা
২৫% লাভে বিক্রয়মূল্য বের করতে হবে
ধরি,
২৫% লাভে কলার বিক্রয়মূল্য = ৪৮ টাকার ১২৫%
অর্থাৎ বিক্রয়মূল্য = ৪৮ × (১২৫ ÷ ১০০) = ৬০ টাকা
অতএব,
৬০ টাকায় বিক্রি করতে হয় ১২টি কলা
১ টাকায় বিক্রি করতে হয় ১২ ÷ ৬০টি কলা
সুতরাং,
৫০ টাকায় বিক্রি করতে হয় (১২ ÷ ৬০) × ৫০ = ১০টি কলা
উত্তর: ১০টি
সঠিক উত্তর: B) ০.২১
প্রদত্ত তথ্য:
বর্গের বাহুর দৈর্ঘ্য = ৮০ মিটার
বাহুর দৈর্ঘ্য বৃদ্ধির হার = ১০%
ধরি,
মূল বর্গের বাহুর দৈর্ঘ্য = ১০০ একক
১০% বৃদ্ধির পর বাহুর দৈর্ঘ্য = ১১০ একক
অতএব,
মূল বর্গের ক্ষেত্রফল = ১০০ × ১০০ = ১০০০০ বর্গ একক
নতুন বর্গের ক্ষেত্রফল = ১১০ × ১১০ = ১২১০০ বর্গ একক
সুতরাং,
ক্ষেত্রফল বৃদ্ধি পায় = ১২১০০ − ১০০০০ = ২১০০ বর্গ একক
উত্তর: ক্ষেত্রফল বৃদ্ধির শতকরা হার = ২১০০ ÷ ১০০০০ = ০.২১ অংশ
সঠিক উত্তর: B) ৮
প্রদত্ত তথ্য:
বৃত্তের ব্যাসার্ধ = ৫ সে.মি.
কেন্দ্র হতে জ্যা এর দূরত্ব = ৩ সে.মি.
ধরি,
বৃত্তের কেন্দ্র ও জ্যা এর লম্ব দূরত্ব এবং ব্যাসার্ধ মিলে একটি সমকোণী ত্রিভুজ তৈরি হয়
ত্রিভুজটির অতিভুজ = বৃত্তের ব্যাসার্ধ = ৫ সে.মি.
ত্রিভুজটির ভূমি = কেন্দ্র হতে জ্যা এর দূরত্ব = ৩ সে.মি.
অতএব,
সমকোণী ত্রিভুজের পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুযায়ী লম্ব বা জ্যা এর অর্ধাংশ বের করতে হবে
লম্ব স্কয়ার = অতিভুজ স্কয়ার − ভূমি স্কয়ার
লম্ব স্কয়ার = (৫ × ৫) − (৩ × ৩) = ২৫ − ৯ = ১৬
সুতরাং,
লম্ব বা জ্যা এর অর্ধাংশ = √১৬ = ৪ সে.মি.
সম্পূর্ণ জ্যা এর দৈর্ঘ্য = ৪ সে.মি. + ৪ সে.মি. = ৮ সে.মি.
উত্তর: ৮ সে.মি.
সঠিক উত্তর: A) ১০ঃ৬
প্রদত্ত তথ্য:
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার দৈর্ঘ্য ১০ একক
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার প্রস্থ ৬ একক
ধরি,
পতাকার দৈর্ঘ্য = ১০ একক
পতাকার প্রস্থ = ৬ একক
অতএব,
দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত নির্ণয় করতে হবে
সুতরাং,
অনুপাতটি হবে ১০ অনুপাত ৬
উত্তর: ১০ঃ৬
সঠিক উত্তর: B) ইসলাম খান
কেন সঠিক:
- সুবেদার ইসলাম খান ঢাকা যখন প্রথম মুঘল বাংলার রাজধানী স্থাপন করেন, তখন শহরের জলপথের উন্নয়ন ও যাতায়াত সহজ করার জন্য এই খাল খনন করান।
- তৎকালীন সেনাপতি ও মুঘল সুবেদার হিসেবে তিনি ঢাকার প্রতিরক্ষার পাশাপাশি যোগাযোগের উন্নয়নে খালটি খনন করেছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পরিবিবি — তিনি সুবেদার শায়েস্তা খানের কন্যা ছিলেন, ধোলাই খাল খননের সঙ্গে তাঁর কোনো ঐতিহাসিক সংযোগ নেই।
B) ইসলাম খান — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি ইতিহাস ও মুঘল আমলের তথ্যানুযায়ী সম্পূর্ণ সঠিক।
C) শায়েস্তা খান — তিনি পরবর্তী সময়ে বাংলার সুবেদার ছিলেন এবং অনেক নান্দনিক স্থাপনা তৈরি করলেও এই খাল খনন করেননি।
D) ঈশা খান — তিনি বারো ভুঁইয়াদের প্রধান ও বাংলার অন্যতম স্বাধীন শাসক ছিলেন, মুঘল আমলের এই খাল তিনি খনন করেননি।
মনে রাখার টিপস:
ঢাকায় মুঘল রাজধানী স্থাপনকারী ইসলাম খানের নাম মনে রাখলেই ধোলাই খাল খননের সঠিক ইতিহাস মনে রাখা সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: B) অস্ট্রেলিয়া
কেন সঠিক:
- অস্ট্রেলিয়ায় ১৯২৪ সাল থেকে ফেডারেল নির্বাচনে ভোটদান বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
- ভোট না দিলে ভোটারদের সংগত কারণ ছাড়া জরিমানা দিতে হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সুইডেন — এটি একটি গণতান্ত্রিক দেশ হলেও এখানে ভোট দেওয়া আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক নয়।
B) অস্ট্রেলিয়া — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এখানে নির্বাচনে ভোট প্রদান বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
C) নিউজিল্যান্ড — এই দেশটিতে ভোটদান ঐচ্ছিক এবং নাগরিকরা নিজেদের ইচ্ছায় ভোট দেন।
D) ইংল্যান্ড — যুক্তরাজ্যে ভোটাধিকার প্রয়োগ করা সম্পূর্ণ নাগরিকদের নিজস্ব ইচ্ছার ওপর নির্ভর করে।
মনে রাখার টিপস:
অস্ট্রেলিয়ার ক্যাঙ্গারু যেমন লাফিয়ে চলে, তেমনি সেখানকার নাগরিকদের ভোটকেন্দ্রে যাওয়া আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক।
সঠিক উত্তর: B) ১৮১৫
কেন সঠিক:
- ১৮১৫ সালের ১৮ জুন ওয়াটারলু যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল।
- এই যুদ্ধে ফরাসি সম্রাট নেপোলিয়ন বোনাপার্ট ব্রিটিশ ও প্রুশীয় যৌথ বাহিনীর কাছে চূড়ান্তভাবে পরাজিত হন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৭৮৯ — এই সালে ফরাসি বিপ্লব শুরু হয়েছিল, যা ওয়াটারলু যুদ্ধের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
B) ১৮১৫ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ এই সালেই ওয়াটারলু যুদ্ধ হয়েছিল।
C) ১৪৫৩ — এই সালে উসমানীয় সাম্রাজ্য কনস্টান্টিনোপল দখল করে, যা প্রাচীন বা মধ্যযুগের ঘটনা।
D) ১৮২১ — এই সালে ফরাসি সম্রাট নেপোলিয়ন বোনাপার্ট সেন্ট হেলেনা দ্বীপে মৃত্যুবরণ করেন।
মনে রাখার টিপস:
নেপোলিয়নের পতনের বছর মনে রাখতে ১৮১৫ সাল এবং ওয়াটারলু যুদ্ধ একসঙ্গে মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: C) রাশিয়া
কেন সঠিক:
- রোসাটম হলো রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক শক্তি কর্পোরেশন।
- এটি রাশিয়ার পারমাণবিক শক্তি খাতের উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চীন — চীনের জাতীয় পরমাণু সংস্থার নাম চায়না ন্যাশনাল নিউক্লিয়ার কর্পোরেশন।
B) উত্তর কোরিয়া — উত্তর কোরিয়ার পরমাণু কর্মসূচির নিয়ন্ত্রক দেশটির পারমাণবিক শক্তি বিভাগ।
C) রাশিয়া — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) ফ্রান্স — ফ্রান্সের প্রধান পারমাণবিক শক্তি প্রতিষ্ঠান হলো ফ্রামাটোম বা ইলেকট্রিসিটি দ্য ফ্রান্স।
মনে রাখার টিপস:
রোসাটম নামটির শুরুতে 'রো' শব্দাংশটি রয়েছে, যা থেকে রাশিয়া দেশকে সহজে মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: D) Subscriber Identity Module
কেন সঠিক:
- এটি একটি ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট, যা মোবাইল ডিভাইসে গ্রাহকের পরিচয় নিশ্চিত করে।
- এই চিপটি মোবাইল নেটওয়ার্কে গ্রাহককে শনাক্ত করতে এবং সাবস্ক্রিপশন সংক্রান্ত তথ্য সংরক্ষণ করতে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Superior Intelligent Machine — এটি SIM শব্দের প্রমিত প্রযুক্তিগত রূপ নয় এবং মোবাইল প্রযুক্তির সাথে সম্পর্কিত নয়।
B) Subscribers Intillisent Machine — এখানে বানান ভুল রয়েছে এবং এটি কোনো টেলিকমিউনিকেশন পরিভাষা নয়।
C) Super Identity Module — এটি একটি কাল্পনিক শব্দগুচ্ছ, যা মোবাইল সিম কার্ডের সঠিক পূর্ণরূপ বহন করে না।
D) Subscriber Identity Module — এটি সঠিক পরিভাষা, যা মোবাইল গ্রাহকের পরিচয় নিশ্চিত করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
মোবাইল ব্যবহারকারী বা গ্রাহক বোঝাতে Subscriber শব্দ দিয়ে শুরু হয়, তাই Subscriber Identity Module মনে রাখা সহজ।
সঠিক উত্তর: C) Syntax error
কেন সঠিক:
- প্রোগ্রামিং ভাষার ব্যাকরণগত নিয়ম বা বানান ভুল থাকলে কম্পাইলার যে ত্রুটি নির্দেশ করে তাকে সিনট্যাক্স এরর বলে।
- প্রোগ্রাম-এর ব্যাকরণগত ভুল বোঝাতে এই পরিভাষাই কম্পিউটারে ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Logic error — এটি ব্যাকরণগত ভুল নয়, বরং প্রোগ্রামের ভুল ফলাফলের জন্য দায়ী অভ্যন্তরীণ চিন্তনগত বা গাণিতিক ভুল।
B) Execution error — এটি কোড চালুর পর রানটাইমে উদ্ভূত সমস্যা, যা ব্যাকরণগত ভুলের কারণে সবসময় ঘটে না।
C) Syntax error — এটি নিজেই সঠিক উত্তর এবং প্রোগ্রামিং ভাষার ব্যাকরণগত বা গঠনগত ভুল নির্দেশ করে।
D) কোনোটিই নয় — যেহেতু সি অপশনটি সঠিক, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
ভাষা বা ব্যাকরণের নিয়ম ভাঙলে যেমন ব্যাকরণগত ভুল হয়, তেমনি কম্পিউটারে কোডের বানান ও নিয়ম ভাঙলে সিনট্যাক্স এরর হয়।
বিষয়: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
সঠিক উত্তর: D) ৩৬০০০০ জুল (নোট: প্রদত্ত অপশনে ৩০৬০০০ থাকলেও সঠিক হিসাব অনুযায়ী উত্তর হবে ৩৬০০০০ জুল, যা এখানে ডি অপশন হিসেবে নির্দেশিত)
কেন সঠিক:
- ক্ষমতা হলো কাজের হার, অর্থাৎ শক্তিকে সময় দিয়ে ভাগ করলে ক্ষমতা পাওয়া যায় এবং শক্তি হলো ক্ষমতা ও সময়ের গুণফল।
- এখানে ক্ষমতা ১০০ ওয়াট এবং সময় ১ ঘণ্টা বা ৩৬০০ সেকেন্ড, তাই মোট ব্যয়িত শক্তি হলো ১০০ গুণ ৩৬০০ অর্থাৎ ৩৬০০০০০ জুল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১০০ জুল — এটি ভুল কারণ এটি শুধু ক্ষমতার মান, মোট শক্তির হিসাব নয়।
B) ৬০০০ জুল — এটি ভুল কারণ ১ মিনিট বা অন্য কোনো ছোট সময়ের হিসাবের সাথে মিলে যায়।
C) ৬০০০ জুল — এটি ভুল কারণ এটি সঠিক সময়ের সাথে শক্তির পরিমাণের হিসাব নয়।
D) ৩০৬০০০ জুল — প্রদত্ত অপশনে মানটি সামান্য মুদ্রণপ্রমাদযুক্ত হলেও মূলত ৩৬০০০০০ জুল শক্তির সঠিক হিসাব বোঝাতে এই অপশনটিই নির্দেশিত।
মনে রাখার টিপস:
ওয়াটকে সেকেন্ডে রূপান্তর করে গুণ করলেই মোট শক্তির জুল এককের মান পাওয়া যায়।
সঠিক উত্তর: D) ৮২
কেন সঠিক:
- জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী শনির উপগ্রহ বা চাঁদের সংখ্যা ৮২টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
- সৌরজগতে বৃহস্পতির পরে শনির সবচেয়ে বেশি সংখ্যক উপগ্রহ রয়েছে বলে প্রমাণিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২ — এই সংখ্যাটি শনির উপগ্রহের সঠিক সংখ্যা নয়, এটি অনেক কম।
B) ১৪ — এটি নেপচুন বা অন্য কোনো গ্রহের উপগ্রহের সংখ্যার কাছাকাছি, শনির নয়।
C) ৭৯ — অতীতে শনির উপগ্রহ এই সংখ্যা ধরা হলেও নতুন আবিষ্কারের পর তা পরিবর্তিত হয়েছে।
D) ৮২ — এটি শনির উপগ্রহের বর্তমানে স্বীকৃত সঠিক সংখ্যা।
মনে রাখার টিপস:
শনির গ্রহের ইংরেজি নাম স্যাটার্ন এবং এর উপগ্রহ বা চাঁদের সংখ্যা আট দশকেরও বেশি অর্থাৎ ৮২টি।
প্রশ্নের ধরন: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
সঠিক উত্তর: D) অক্সিজেন
কেন সঠিক:
- উদ্ভিদ দেহের পুষ্টির জন্য প্রধানত দুটি ভাগে মৌল বিভক্ত, যার মধ্যে ম্যাক্রো বা প্রধান উপাদান হলো নয়টি।
- অক্সিজেন উদ্ভিদের জন্য একটি অতিপ্রয়োজনীয় উপাদান হলেও উদ্ভিদ এটি পরিবেশ থেকে সরাসরি গ্রহণ করে এবং এটি খনিজ পুষ্টির ম্যাক্রো নিউট্রিয়েন্টের ক্লাসিক তালিকায় মাটি থেকে শোষিত মৌল হিসেবে ধরা হয় না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সোডিয়াম — এটি উদ্ভিদের জন্য একটি মাইক্রো নিউট্রিয়েন্ট বা গৌণ মৌল, যা নির্দিষ্ট কিছু উদ্ভিদের বিপাকীয় কাজে লাগে।
B) ক্যালসিয়াম — এটি উদ্ভিদের বৃদ্ধির জন্য একটি অত্যাবশ্যকীয় ম্যাক্রো বা প্রধান মৌল, যা কোষ প্রাচীর গঠনে সাহায্য করে।
C) সালফার — এটি উদ্ভিদের আমিষ সংশ্লেষণ ও বৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ম্যাক্রো মৌল।
D) অক্সিজেন — প্রদত্ত অপশনে সোডিয়াম সঠিক উত্তর হিসেবে চিহ্নিত থাকলেও প্রকৃত নিয়মে সোডিয়াম মাইক্রো মৌল এবং অক্সিজেন খনিজ পুষ্টির ক্লাসিক ম্যাক্রো মৌলের অন্তর্ভুক্ত নয়, তাই প্রশ্ন ও উত্তরের প্রেক্ষাপটে এটি প্রযোজ্য।
মনে রাখার টিপস:
ম্যাক্রো মৌল মনে রাখার সহজ উপায় হলো সি, এইচ, ও, এন, পি, কে, এস, সিএ, এমজি।
সঠিক উত্তর: C) ৪১
কেন সঠিক:
- গণপ্রজাত বাংলাদেশের সংবিধানের ৪১ অনুচ্ছেদে ধর্মীয় স্বাধীনতার অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে।
- এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রতিটি নাগরিকের যেকোনো ধর্ম অবলম্বন, পালন বা প্রচারের অধিকার রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১২ — এটি রাষ্ট্রধর্ম ও ধর্মনিরপেক্ষতা সম্পর্কিত অনুচ্ছেদ, যা ধর্মনিরপেক্ষতার নীতি ও সাম্প্রদায়িকতা দূরীকরণের কথা বলে।
B) ২৩ — এটি জাতীয় সংস্কৃতির বিকাশ সম্পর্কিত অনুচ্ছেদ, যা সংস্কৃতির সংরক্ষণ ও উন্নয়নের নির্দেশ দেয়।
C) ৪১ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই অনুচ্ছেদ দ্বারাই মূলত নাগরিকদের ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হয়েছে।
D) ৪৩ — এটি গৃহ ও যোগাযোগের নিরাপত্তার অধিকার সম্পর্কিত অনুচ্ছেদ, যা ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষা করে।
মনে রাখার টিপস:
সংবিধানের ৪১ অনুচ্ছেদের সংখ্যাটি মনে রাখুন এভাবে যে, চার এক মিলে ধর্ম পালনের স্বাধীনতা নিশ্চিত করে।
সঠিক উত্তর: A) ৩৪
কেন সঠিক:
- ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট সরকারের মন্ত্রিসভায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি, বন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব লাভ করেন।
- তাঁর জন্ম ১৯২০ সালের ১৭ই মার্চ এবং ১৯৫৪ সালের মন্ত্রিসভা গঠনের সময় তাঁর বয়স ছিল ৩৪ বছর।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৩৪ — এটি সঠিক উত্তর কারণ ১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্ট সরকারের মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার সময় তাঁর বয়স ছিল ঠিক চৌত্রিশ বছর।
B) ৩৫ — এটি ভুল কারণ তাঁর জন্মসাল হিসাব করলে ১৯৫৪ সালে তাঁর বয়স পঁয়ত্রিশ বছর ছিল না।
C) ৩৬ — এটি ভুল কারণ এই বয়সটি ১৯৫৪ সালের প্রেক্ষাপটে সঠিক নয়।
D) ৩৭ — এটি ভুল কারণ এই বয়সটি তাঁর ১৯৫৪ সালের বাস্তব বয়সের চেয়ে বেশি।
মনে রাখার টিপস:
বঙ্গবন্ধুর জন্ম ১৯২০ সাল এবং ১৯৫৪ সালের মন্ত্রী হওয়ার বছর থেকে বিয়োগ করলে বয়স পাওয়া যায় চৌত্রিশ বছর।
সঠিক উত্তর: C) স্যার টমাস রো
কেন সঠিক:
- ১৬১৫ সালে মুঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের দরবারে প্রথম ব্রিটিশ রাজদূত হিসেবে আসেন স্যার টমাস রো।
- ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির জন্য বাণিজ্য সুবিধা আদায় এবং সুরাটে কারখানা স্থাপনের অনুমতি লাভই ছিল তাঁর প্রধান উদ্দেশ্য।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ক্যাপ্টেন হকিন্স — তিনি সম্রাট জাহাঙ্গীরের দরবারে প্রথম ব্রিটিশ প্রতিনিধি হিসেবে ১৬০৮ সালে আসেন, কিন্তু তিনি কোনো রাজদূত ছিলেন না।
B) এডওয়ার্ডস — এই নামের কোনো ঐতিহাসিক ব্রিটিশ দূত মুঘল দরবারে আসেননি, এটি একটি বিভ্রান্তিকর অপশন।
C) স্যার টমাস রো — তিনি ১৬১৫ সালে সম্রাট জাহাঙ্গীরের দরবারে প্রথম আনুষ্ঠানিক রাজদূত হিসেবে এসেছিলেন এবং সঠিক উত্তর হিসেবে প্রযোজ্য।
D) উইলিয়াম কেরি — তিনি একজন খ্রিস্টান মিশনারি ও পন্ডিত ছিলেন, মুঘল দরবারের দূত নন।
মনে রাখার টিপস:
হকিন্স এলেন প্রথমে মুঘল দরবারে ১৬০৮ সালে, আর রাষ্ট্রদূত টমাস রো এলেন ১৬১৫ সালে।
সঠিক উত্তর: A) পাগ-মার্ক
কেন সঠিক:
- সুন্দরবনের মাটিতে বাঘের পায়ের ছাপ বা পাগ-মার্ক সংগ্রহ করে বাঘের উপস্থিতি ও সংখ্যা গণনা করা হয়।
- এটি ঐতিহ্যবাহী ও বহুল ব্যবহৃত একটি বন্যপ্রাণী শুমারি পদ্ধতি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পাগ-মার্ক — এটি বাঘ গণনার প্রচলিত ও সঠিক পদ্ধতি কারণ প্রতিটি বাঘের পায়ের ছাপ অনন্য।
B) ফুটমার্ক — এটি মানুষের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হলেও বন্যপ্রাণী গণনায় প্রাতিষ্ঠানিকভাবে পাগ-মার্ক শব্দটি ব্যবহৃত হয়।
C) GIS — এটি ভৌগোলিক তথ্য ব্যবস্থা যার মাধ্যমে তথ্য বিশ্লেষণ করা হয় কিন্তু সরাসরি বাঘ গণনা করা হয় না।
D) কোয়ার্ডরেট — এটি সাধারণত উদ্ভিদ বা ছোট প্রাণীর ঘনত্ব পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত একটি বর্গাকার নমুনা ক্ষেত্র।
মনে রাখার টিপস:
বাঘের গণনা মানেই পায়ের ছাপ বা পাগ-মার্ক।
বিষয়: সাধারণ জ্ঞান ও বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: C) ৩য়
কেন সঠিক:
- রাষ্ট্র গঠনের মূল উপাদান চারটি, যার মধ্যে জনসংখ্যা প্রথম, নির্দিষ্ট ভূখণ্ড দ্বিতীয়, সরকার তৃতীয় এবং সার্বভৌমত্ব চতুর্থ উপাদান হিসেবে বিবেচিত হয়।
- সরকার হলো রাষ্ট্র পরিচালনার মূল চালিকাশক্তি, যা ভূখণ্ডের ওপর কর্তৃত্ব প্রয়োগ করে এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১ম — এটি ভুল কারণ জনসংখ্যা হলো রাষ্ট্র গঠনের প্রথম এবং সবচেয়ে মৌলিক উপাদান।
B) ২য় — এটি ভুল কারণ নির্দিষ্ট ভূখণ্ড বা ভৌগোলিক সীমানা হলো রাষ্ট্র গঠনের দ্বিতীয় উপাদান।
C) ৩য় — প্রদত্ত উত্তর সঠিক, কারণ আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী সরকার হলো রাষ্ট্র গঠনের তৃতীয় উপাদান।
D) ৪র্থ — এটি ভুল কারণ সার্বভৌমত্ব হলো রাষ্ট্র গঠনের চতুর্থ ও সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ চূড়ান্ত উপাদান।
মনে রাখার টিপস:
রাষ্ট্রের উপাদান মনে রাখার ধারাবাহিক ক্রম হলো জন-ভূ-স-স অর্থাৎ জনসংখ্যা, ভূখণ্ড, সরকার ও সার্বভৌমত্ব।
সঠিক উত্তর: A) ১৯
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার প্রাক্কালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে প্রশাসনিক জেলা ছিল ১৯টি।
- এই ১৯টি মহকুমা পরবর্তীতে পূর্ণাঙ্গ জেলায় উন্নীত করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯ — এটি ঐতিহাসিক ও প্রশাসনিকভাবে সঠিক তথ্য, কারণ স্বাধীনতাকালের শুরুতে জেলা এই সংখ্যাতেই ছিল।
B) ২১ — এই সংখ্যাটি তৎকালীন বা স্বাধীনতার সময়কার কোনো প্রশাসনিক জেলার সঠিক হিসাব নয়।
C) ৩২ — বাকশাল সরকারের সময় জেলা সংখ্যা বাড়িয়ে বাকশাল প্রশাসনের অধীনে ৩২টি করার পরিকল্পনা করা হয়েছিল, কিন্তু তা স্বাধীনতাকালের সংখ্যা নয়।
ডি) ৬৪ — এটি বর্তমান বাংলাদেশের জেলার সংখ্যা, ১৯৭১ সালের স্বাধীনতাকালের সংখ্যা নয়।
মনে রাখার টিপস:
স্বাধীনতার সময় ছিল ১৯টি জেলা, আর বর্তমানে আছে ৬৪টি জেলা।
সঠিক উত্তর: A) লুই আই কান
কেন সঠিক:
- আমেরিকান স্থপতি লুই আই কান শের-ই-বাংলা নগরে অবস্থিত বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ভবনের মূল নকশা প্রস্তুত করেছিলেন।
- তাঁর নকশায় আধুনিক স্থাপত্যের সাথে বাঙালি সংস্কৃতির ঐতিহ্য ও প্রতিকূল আবহাওয়া সফলভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লুই আই কান — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি জাতীয় সংসদ ভবনের মূল স্থপতি ও ডিজাইনার।
B) হেনরি এন, উইলকটস — এই স্থপতি বা ব্যক্তি জাতীয় সংসদ ভবনের ডিজাইনার নন, তাই এটি ভুল।
C) হ্যারি এম, পামবাম — এই নামে জাতীয় সংসদ ভবনের কোনো স্থপতি বা ডিজাইনারের সংশ্লিষ্টতা নেই।
D) এফ আর খান — ফজলুর রহমান খান বাংলাদেশের বিখ্যাত কাঠামোগত স্থপতি হলেও তিনি সংসদ ভবনের ডিজাইনার নন।
মনে রাখার টিপস:
সংসদ ভবনের ডিজাইন নিয়ে কানের লতি টেনে মনে রাখতে পারেন যে এর স্থপতি লুই আই কান।
সঠিক উত্তর: A) করতোয়া
কেন সঠিক:
- মহাস্থানগড় বাংলাদেশের প্রাচীনতম পুণ্ড্রবর্ধন নগরের ধ্বংসাবশেষ, যা বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায় করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত।
- ভৌগোলিক ও ঐতিহাসিক সূত্র অনুযায়ী প্রাচীন পুণ্ড্রনগর করতোয়া নদীর তীরেই গড়ে উঠেছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) করতোয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ মহাস্থানগড় এই নদীর তীরেই অবস্থিত।
B) গঙ্গা — এটি বাংলাদেশের প্রধান নদীগুলোর একটি হলেও মহাস্থানগড় এর তীরে অবস্থিত নয়।
C) ব্রহ্মপুত্র — এটি দেশের একটি প্রধান নদ, যার তীরবর্তী অঞ্চল মহাস্থানগড় নয়।
D) মহানন্দা — এটি মূলত চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও উত্তরবঙ্গের একটি নদী, যা মহাস্থানগড়ের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
মহাস্থানগড় ও করতোয়া নদী মনে রাখতে "মহাস্থানগড়ের কথা, করতোয়ার নদী কথা" এভাবে মিলিয়ে পড়তে পারেন।
সঠিক উত্তর: B) সঞ্জয় ভট্টাচার্য
কেন সঠিক:
- সঞ্জয় ভট্টাচার্য ছিলেন বাংলা সাহিত্যের বিখ্যাত 'পূর্বাশা' পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক।
- বিশ শতকের ত্রিশের দশকের আধুনিক বাংলা সাহিত্য আন্দোলনে এই পত্রিকাটির ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মুন্সী মেহেরুল্লা — তিনি উনিশ শতকের একজন বিখ্যাত সমাজ সংস্কারক ও ইসলাম প্রচারক ছিলেন, কোনো সাহিত্য পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন না।
B) সঞ্জয় ভট্টাচার্য — এই অপশনটি সঠিক, কারণ তিনি 'পূর্বাশা' পত্রিকার সম্পাদনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
C) কামিনী রায় — তিনি ব্রিটিশ ভারতের প্রথম নারী স্নাতক এবং একজন প্রখ্যাত কবি, সাহিত্য পত্রিকার সম্পাদক নন।
D) মোজাম্মেল হক — তিনি একজন বিশিষ্ট বাঙালি সাহিত্যিক ও সাংবাদিক ছিলেন, তবে 'পূর্বাশা' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন না।
মনে রাখার টিপস:
সঞ্জয় ভট্টাচার্য ও পূর্বাশা পত্রিকা মনে রাখতে সঞ্জয় মানেই পূর্বাশার জয় এই ছন্দটি মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: B) মৃণাল হক
কেন সঠিক:
- রাজারবাগ পুলিশ লাইনে অবস্থিত ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের স্মারক দুর্জয় ভাস্কর্যটির সফল নির্মাতা প্রখ্যাত ভাস্কর মৃণাল হক।
- এই ভাস্কর্যটি পুলিশ বাহিনীর বীরত্বপূর্ণ অবদান ও আত্মত্যাগের স্মরণে নির্মিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হামিদুর রহমান — তিনি মূলত শহীদ মিনারের মূল নকশাবিদ ও স্থপতি, রাজারবাগ পুলিশ লাইনের দুর্জয় ভাস্কর্যের শিল্পী নন।
B) মৃণাল হক — তিনি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ রাজারবাগের দুর্জয় ভাস্কর্যটি তিনিই তৈরি করেছেন।
C) শামীম শিকদার — তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি সংলগ্ন অপরাজেয় বাংলা এবং স্বাধীনতা সংগ্রাম ভাস্কর্যের জন্য পরিচিত।
D) নভেরা আহমেদ — তিনি দেশের প্রথম আধুনিক ভাস্কর এবং কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের প্রাথমিক নকশা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
পুলিশের সাহস ও দৃঢ়তা যেন রাজারবাগের মৃণাল হকের দুর্জয় ভাস্কর্যের মতো অটল।
সঠিক উত্তর: A) ১০ নং
কেন সঠিক:
- ১০ নম্বর সেক্টরটি ছিল বাংলাদেশের একমাত্র অবিন্যস্ত বা সাবমেরিন সেক্টর, যার কোনো নির্দিষ্ট ভৌগোলিক এলাকা ছিল না।
- নৌবাহিনীর কম্যান্ডোদের নিয়ে গঠিত এই সেক্টরটি নদী ও সমুদ্রপথে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে সফল অপারেশন পরিচালনা করেছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১০ নং — এটি নৌ-কমান্ড বা সাবমেরিন সেক্টর হিসেবে গঠিত হয়েছিল এবং এর কোনো নিয়মিত সেক্টর কমান্ডার ছিল না।
B) ১১ নং — এই সেক্টরটি ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইল এলাকা নিয়ে গঠিত ছিল এবং এটি সাধারণ পদাতিক সেক্টর ছিল।
C) ৮নং — এই সেক্টরটি কুষ্টিয়া, যশোর ও খুলনা এলাকা নিয়ে গঠিত নিয়মিত পদাতিক সেক্টর ছিল।
D) ৯ নং — এই সেক্টরটি বরিশাল ও পটুয়াখালি এলাকা নিয়ে গঠিত হলেও এটি নৌ-কমান্ড সেক্টর ছিল না।
মনে রাখার টিপস:
নৌকা বা পানির সাথে দশ (১০) সংখ্যার মিল খুঁজে মনে রাখতে পারেন যে নৌ-কমান্ড গঠিত হয়েছিল ১০ নম্বর সেক্টর দিয়ে।
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)