মোট প্রশ্ন (200)

a দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
b হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
c চন্দ্রকুমার দে
d দীনেশচন্দ্র সেন
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) চন্দ্রকুমার দে ১. কেন সঠিক: - ‘পূর্ববঙ্গ গীতিকা’ গ্রন্থের লোকপালাসমূহ সংগ্রহ করেছিলেন চন্দ্রকুমার দে। - দীনেশচন্দ্র সেন সংগৃহীত এই লোকপালাগুলো সম্পাদনা ও প্রকাশ করেছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - চন্দ্রকুমার দে ময়মনসিংহ অঞ্চলের বিভিন্ন গ্রামীণ এলাকা ঘুরে লোকসাহিত্য সংগ্রহ করতেন। - দীনেশচন্দ্র সেনের অনুপ্রেরণায় তিনি এই লোকপালাগুলো সংগ্রহ করে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠান। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মহুয়া ব্যাখ্যা: এটি চন্দ্রকুমার দে সংগৃহীত বিখ্যাত একটি লোকপালা যা পূর্ববঙ্গ গীতিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। উদাহরণ ২: মলুয়া ব্যাখ্যা: এটিও চন্দ্রকুমার দে সংগৃহীত এবং পূর্ববঙ্গ গীতিকার অন্যতম প্রধান লোকপালা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার — তিনি বাংলার রূপকথা সংগ্রহ ও সংকলন করেছিলেন, লোকপালা নয়। B) হরপ্রসাদ শাস্ত্রী — তিনি প্রাচীন বাংলা চর্যাপদের আবিষ্কারক ও গবেষক ছিলেন। D) দীনেশচন্দ্র সেন — তিনি ‘পূর্ববঙ্গ গীতিকা’ সংকলন ও সম্পাদনা করেছিলেন, সংগ্রাহক চন্দ্রকুমার দে। ৫ মনে রাখার টিপস: - গীতিকা সংগ্রহ করেছেন চন্দ্রকুমার দে এবং প্রকাশ করেছেন দীনেশচন্দ্র সেন। - সংগ্রাহক চন্দ্রকুমার এবং সম্পাদক দীনেশচন্দ্র এভাবে মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ময়মনসিংহ গীতিকা এবং পূর্ববঙ্গ গীতিকার সংগ্রাহক ও সম্পাদকের নাম বারবার প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। - মূল সংগ্রাহকের নাম চন্দ্রকুমার দে এবং সম্পাদকের নাম দীনেশচন্দ্র সেন।
a শৈবধর্ম
b বৌদ্ধ সহজযান
c নাথধর্ম
d কোনোটি নয়
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নাথধর্ম কেন সঠিক: - এই কাব্যের মূল বিষয়বস্তু হলো নাথ সাহিত্যের অন্যতম প্রধান চরিত্র গোরক্ষনাথের মহিমা প্রচার। - এতে নাথ সম্প্রদায়ের গুরু মীননাথ ও গোরক্ষনাথের আধ্যাত্মিক সাধনার কাহিনি বর্ণিত হয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে নাথ সাহিত্য একটি বিশেষ ধারা হিসেবে পরিচিত। - এই ধারার প্রধান কবি ছিলেন ফৈজুল্লাহ এবং শেখ মীরান। - ‘গোরক্ষ বিজয়’ কাব্যটি মধ্যযুগের নাথ ধর্মের যোগসাধনা ও অলৌকিক শক্তির পরিচয় বহন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) শৈবধর্ম — এই ধর্মমতের প্রধান দেবতা শিব হলেও গোরক্ষ বিজয় কাব্যটি নির্দিষ্টভাবে নাথ সম্প্রদায়ের যোগসাধনাকে কেন্দ্র করে রচিত। - B) বৌদ্ধ সহজযান — চর্যাপদ বৌদ্ধ সহজযান ধর্মের সঙ্গে যুক্ত, কিন্তু গোরক্ষ বিজয় বৌদ্ধ ধর্মের পরিবর্তে নাথ ধর্মের কাহিনি নিয়ে লেখা। - C) নাথধর্ম — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। - D) কোনোটি নয় — সঠিক উত্তর নাথধর্ম অপশনে থাকায় এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: - গোরক্ষনাথ ও মীননাথের নাম দেখলে চোখ বন্ধ করে নাথধর্ম বা নাথ সাহিত্য দাগাবে।
a কোনটি চর্যাগান, আর কোনটি নয়
b কোনটি আচরণীয়, আর কোনটি নয়
c কোনটি চরাচরের, আর কোনটি নয়
d কোনটি আচার্যের, আর কোনটি নয়
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কোনটি আচরণীয়, আর কোনটি নয় কেন সঠিক: - চর্যা শব্দের মূল ধাতু চর যার অর্থ আচরণ এবং চর্য শব্দের অর্থ যা আচরণ করা উচিত। - বিনিশ্চয় শব্দের অর্থ নির্দিষ্ট করে বলা বা কোনটি করণীয় আর কোনটি বর্জনীয় তা নির্ধারণ করা। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - চর্যাপদ মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের সাধন সংগীত এবং তাদের আচার-আচরণ সংক্রান্ত গ্রন্থ। - সংস্কৃত উপসর্গ ও প্রত্যয় যোগে গঠিত এই নামের আক্ষরিক অর্থ দাঁড়ায় কোন আচরণ গ্রহণীয় এবং কোনটি বর্জনীয়। - মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে যে পুথি আবিষ্কার করেছিলেন তার আদি নাম ছিল চর্যাচর্যবিনিশ্চয়। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) কোনটি চর্যাগান, আর কোনটি নয় — এটি ভুল কারণ চর্যা শব্দের অর্থ গান নয় বরং এর অর্থ আচরণ। - C) কোনটি চরাচরের, আর কোনটি নয় — এটি ভুল কারণ চরাচর শব্দের সাথে এই গ্রন্থের নামের কোনো সম্পর্ক নেই। - D) কোনটি আচার্যের, আর কোনটি নয় — এটি ভুল কারণ এখানে আচার্য বা গুরুর পদের চেয়ে আচরণীয় বিষয় বেশি প্রধান। মনে রাখার টিপস: - চর্যা মানে আচরণ এবং বিনিশ্চয় মানে ঠিক করা, তাই এটি আচরণীয় ও অনাচরণীয় বিষয় নির্দেশ করে।
a আল মাহমুদ
b আব্দুল মান্নান সৈয়দ
c অমিয় চক্রবর্তী
d শামসুর রাহমান
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শামসুর রাহমান ১. কেন সঠিক: - 'আসাদের শার্ট' কবিতার লেখক আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি শামসুর রাহমান। - ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানে শহীদ আসাদের রক্তমাখা শার্টকে প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করে কবিতাটি রচিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শামসুর রাহমান বিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয় অর্ধে আবির্ভূত একজন প্রথিতযশা বাঙালি কবি ও সাংবাদিক। - মুক্তিযুদ্ধ ও বাঙালি জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত এই কবিতাটি বাংলা সাহিত্যে এক অনন্য সৃষ্টি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্মৃতিস্তম্ভ ব্যাখ্যা: এটিও শামসুর রাহমানের একটি বিখ্যাত কবিতা, যা ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে রচিত। উদাহরণ ২: তোমাকে পাওয়ার জন্য, হে স্বাধীনতা ব্যাখ্যা: শামসুর রাহমানের আরেকটি ঐতিহাসিক কবিতা, যেখানে মুক্তিযুদ্ধের বেদনা ও অর্জনের চিত্র ফুটে উঠেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আল মাহমুদ — তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি হলেও 'আসাদের শার্ট' কবিতার রচয়িতা নন, তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ লোকালয়। B) আব্দুল মান্নান সৈয়দ — তিনি বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্য গবেষক হলেও এই বিখ্যাত কবিতাটির লেখক নন, তার পরিচিতি মূলত মননশীল প্রবন্ধের জন্য। C) অমিয় চক্রবর্তী — তিনি রবীন্দ্রযুগের পরবর্তী প্রভাবশালী কবি হলেও এই বাঙালি জাতীয়তাবাদী প্রেক্ষাপটের কবিতার সঙ্গে যুক্ত নন। D) শামসুর রাহমান — তিনি এই কবিতার রচয়িতা এবং সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত। ৫. মনে রাখার টিপস: - আসাদ সম্পর্কিত ঐতিহাসিক কবিতা বা গান পেলে সহজে শামসুর রাহমানকে স্মরণ করবে। - গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপট মাথায় রাখলে কবির নাম মনে রাখা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধ ও গণঅভ্যুত্থানভিত্তিক সাহিত্যকর্ম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - কবির অন্যান্য বিখ্যাত কবিতার নাম ও প্রেক্ষাপট ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a ১৯১০
b ১৯১১
c ১৯১২
d ১৯১৩
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৯১০ ১. কেন সঠিক: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'গীতাঞ্জলি' বাংলা ১৩১৭ সনের কার্তিক মাসে (ইংরেজি ১৯১০ সালের নভেম্বর মাসে) প্রথম প্রকাশিত হয়। এই কাব্যগ্রন্থে মোট ১৫৭টি গান ও কবিতা রয়েছে, যা মূলত ভক্তি ও আধ্যাত্মিক চেতনার এক অনন্য প্রকাশ। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ কবি, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক যিনি ১৯১৩ সালে সাহিত্যে প্রথম নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। 'গীতাঞ্জলি' কাব্যের ইংরেজি অনুবাদ 'Song Offerings' প্রকাশের পরই মূলত তিনি বিশ্বসাহিত্যের দরবারে পরিচিতি লাভ করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'সোনার তরী' (প্রকাশকাল ১৮৯৪) ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অন্যতম প্রধান কাব্যগ্রন্থ, যার মধ্যে তাঁর বিখ্যাত কবিতা স্থান পেয়েছে। উদাহরণ ২: 'মানসী' (প্রকাশকাল ১৮৯০) ব্যাখ্যা: এই কাব্যগ্রন্থের মাধ্যমেই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রোমান্টিক কাব্যধারার পূর্ণ বিকাশ ঘটেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯১০ — এই সনটি সঠিক কারণ বাংলা 'গীতাঞ্জলি' কাব্যগ্রন্থটি এই সালেই প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল। B) ১৯১১ — এই সনটি ভুল কারণ এটি মূল বাংলা 'গীতাঞ্জলি' প্রকাশের বছর নয়। C) ১৯১২ — এই সনটি ভুল কারণ এই সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'গীতাঞ্জলি'র ইংরেজি অনুবাদ প্রকাশিত হয়। D) ১৯১৩ — এই সনটি ভুল কারণ এই সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। ৫ মনে রাখার টিপস: মূল বাংলা 'গীতাঞ্জলি' প্রকাশিত হয় ১৯১০ সালে, আর এর ইংরেজি অনুবাদ 'Song Offerings' প্রকাশিত হয় ১৯১২ সালে। এই দুটি সালের ব্যবধান দুই বছর মনে রাখলে পরীক্ষার বিভ্রান্তি দূর হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মূল বাংলা 'গীতাঞ্জলি' এবং ইংরেজি 'গীতাঞ্জলি' প্রকাশের সন নিয়ে প্রশ্ন আসে। তাই বাংলা প্রকাশকাল ১৯১০ এবং ইংরেজি প্রকাশকাল ১৯১২ ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a রহু চণ্ডালের হাড়
b কৈবর্ত খণ্ড
c ফুল বউ
d অলীক মানুষ
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অলীক মানুষ ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি সৈয়দ মুস্তফা সিরাজের একটি অত্যন্ত বিখ্যাত ও বহুল পঠিত উপন্যাস। - এই উপন্যাসটির জন্য তিনি অত্যন্ত prestigious সাহিত্যিক স্বীকৃতি ও সম্মাননা লাভ করেছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সৈয়দ মুস্তফা সিরাজ একজন বিশিষ্ট ভারতীয় বাঙালি কথাসাহিত্যিক যিনি মূলত তাঁর আঞ্চলিক উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত। - 'অলীক মানুষ' তাঁর একটি মাস্টারপিস উপন্যাস যা বাংলা কথাসাহিত্যে এক অনন্য স্থান দখল করে আছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তৃণা তৃণা শতধা ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ মুস্তফা সিরাজের অন্যতম একটি উল্লেখযোগ্য উপন্যাস। উদাহরণ ২: ইছামতীর রূপকথা ব্যাখ্যা: এটিও কথাসাহিত্যিক সৈয়দ মুস্তফা সিরাজের রচিত একটি জনপ্রিয় উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রহু চণ্ডালের হাড় — এটি সৈয়দ মুস্তফা সিরাজের গ্রন্থ নয়, এটি অন্য কোনো লেখকের সাহিত্যকর্ম। B) কৈবর্ত খণ্ড — এটি প্রশ্নে উল্লিখিত লেখকের প্রধান সাহিত্যকর্মের তালিকার অন্তর্ভুক্ত নয়। C) ফুল বউ — এটি সৈয়দ মুস্তফা সিরাজের মূল পরিচিতিমূলক গ্রন্থ হিসেবে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে না। D) অলীক মানুষ — এটি সৈয়দ মুস্তফা সিরাজের বিখ্যাত উপন্যাস এবং এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। ৫. মনে রাখার টিপস: - সৈয়দ মুস্তফা সিরাজের নামের সাথে 'অলীক মানুষ' উপন্যাসটি সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত হয়। - সিরাজ সাহেবের শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি মনে রাখতে 'অলীক মানুষ' নামটিকে ফোকাস করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই লেখকের নাম বা গ্রন্থের নাম জানতে আসে। - বিখ্যাত লেখকদের শ্রেষ্ঠ উপন্যাসগুলোর তালিকা আলাদা করে মুখস্থ রাখা পরীক্ষার জন্য খুবই উপকারী।
a পলাশীর যুদ্ধ
b তৃতীয় পানিপথের যুদ্ধ
c ১৯৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহ
d ছিয়াত্তরের মন্বন্তর
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) তৃতীয় পানিপথের যুদ্ধ ১. কেন সঠিক: মহাকবি কায়কোবাদ রচিত মহাশ্মশান কাব্যের মূল ঐতিহাসিক পটভূমি হলো ১৭৬১ সালে সংঘটিত তৃতীয় পানিপথের যুদ্ধ। এই যুদ্ধে মুসলিম শক্তির বিরুদ্ধে মারাঠা শক্তির ঐতিহাসিক পরাজয় এবং এর ফলে ভারতীয় উপমহাদেশে রাজনৈতিক পালাবদলের ঘটনা এই কাব্যে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: মহাশ্মশান বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ মহাকাব্য যা ১৯০৪ সালে প্রকাশিত হয়। এই কাব্যের রচয়িতা কবি কায়কোবাদ, যার আসল নাম মোহাম্মদ কাজেম আল কোরেশী। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মহাশ্মশান মহাকাব্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যে মুসলমান কবির রচিত প্রথম সার্থক মহাকাব্য। উদাহরণ ২: কবি কায়কোবাদ ব্যাখ্যা: তার বিখ্যাত প্রথম কাব্যগ্রন্থ হচ্ছে বিরহ বিলাপ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পলাশীর যুদ্ধ — এই ঐতিহাসিক পটভূমিতে মহাশ্মশান কাব্য রচিত হয়নি কারণ এটি ১৭৫৭ সালের ঘটনা এবং কায়কোবাদের কাব্যের বিষয়বস্তু আলাদা। B) তৃতীয় পানিপথের যুদ্ধ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) ১৯৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহ — এই সনটি সঠিক নয় কারণ সিপাহী বিদ্রোহ ১৮৫৭ সালে সংঘটিত হয়েছিল। D) ছিয়াত্তরের মন্বন্তর — এই ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে মহাশ্মশান কাব্য রচিত হয়নি কারণ এটি বাংলা ১১৭৬ সালের একটি ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ। ৫ মনে রাখার টিপস: মহাশ্মশান কাব্যের পটভূমি মনে রাখতে পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ এবং কায়কোবাদ নাম দুটি একসাথে স্মরণ রাখবে। মহাশ্মশান নামের সাথে ১৭৬১ সালের যুদ্ধের ভয়াবহতা যুক্ত আছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মহাশ্মশান মহাকাব্যটি তিন খণ্ডে সমাপ্ত এবং এতে ঐতিহাসিক সত্যের সাথে সাহিত্যিক কল্পনার অপূর্ব মিশ্রণ ঘটেছে। এই ধরনের সাহিত্যিক প্রশ্নের জন্য লেখকের উপাধি ও গ্রন্থ পরিচিতি ভালোভাবে পড়তে হবে।
a বিস্ময় দ্বারা আপন্ন
b বিস্ময়ে আপন্ন
c বিস্ময়কে আপন্ন
d বিস্ময়ে যে আপন্ন
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বিস্ময়কে আপন্ন ১. কেন সঠিক: - 'বিস্ময়াপন্ন' সমস্ত পদটি দ্বিতীয় তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ যেখানে পূর্বপদের দ্বিতীয় বিভক্তি (কে) লোপ পেয়েছে। - এখানে 'আপন্ন' শব্দের অর্থ প্রাপ্ত বা আক্রান্ত, অর্থাৎ যা বিস্ময়কে প্রাপ্ত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পেয়ে পরপদের অর্থ প্রধানরূপে প্রতিভাত হয় তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে। - কর্মকারকে দ্বিতীয় বিভক্তি (কে, রে) যুক্ত হয়ে দ্বিতীয় তৎপুরুষ সমাস গঠিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দুঃখকে প্রাপ্ত = দুঃখাপন্ন ব্যাখ্যা: এটি বিস্ময়াপন্ন শব্দের মতো একইভাবে দ্বিতীয় তৎপুরুষ সমাসের নিয়মে সাধিত হয়েছে। উদাহরণ ২: বিপদকে আপন্ন = বিপদাপন্ন ব্যাখ্যা: এখানেও দ্বিতীয় বিভক্তি 'কে' লোপ পেয়ে সমস্ত পদ গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিস্ময় দ্বারা আপন্ন — এটি তৃতীয় তৎপুরুষ সমাসের ব্যাসবাক্য হতে পারত, কিন্তু সঠিক সমস্ত পদ হবে বিস্ময়াহত বা বিস্ময় দ্বারা প্রাপ্ত। B) বিস্ময়ে আপন্ন — এটি সপ্তমী বা তৃতীয় তৎপুরুষের মতো শোনায়, কিন্তু 'আপন্ন' শব্দের সঙ্গে সাধারণত দ্বিতীয় বিভক্তি যুক্ত হয়। D) বিস্ময়ে যে আপন্ন — এটি কর্মধারয় বা অন্য কোনো সমাসের কাঠামো তৈরি করে, যা তৎপুরুষ সমাসের নিয়মের সঙ্গে মেলে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - আপন্ন যুক্ত শব্দ দেখলে সাধারণত দ্বিতীয় তৎপুরুষ সমাস হিসেবে দ্বিতীয় বিভক্তি (কে) ব্যবহার করে ব্যাসবাক্য করতে হয়। - যেমন দুঃখাপন্ন মানে দুঃখকে প্রাপ্ত, তেমনি বিস্ময়াপন্ন মানে বিস্ময়কে প্রাপ্ত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - তৎপুরুষ সমাস চেনার জন্য সমস্ত পদের পরের অংশ যেমন প্রাপ্ত, গত, আপন্ন ইত্যাদির অর্থ বুঝতে হবে। - বিভক্তির লোপ কোন কারk অনুযায়ী হচ্ছে তা নির্ধারণ করতে পারলে পরীক্ষার হলে সঠিক উত্তর সহজেই চিহ্নিত করা যায়।
a যৌগিক স্বরধ্বনি
b তালব্য স্বরধ্বনি
c মিলিত স্বরধ্বনি
d কোনোটি নয়
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) যৌগিক স্বরধ্বনি ১. কেন সঠিক: যেসব স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময় দুটি ভিন্ন স্বরধ্বনি একত্রিত হয়ে একটি একক স্বরধ্বনির মতো উচ্চারিত হয়, তাদেরকে যৌগিক স্বরধ্বনি বলে। 'ঔ' একটি যৌগিক স্বরধ্বনি কারণ এটি উচ্চারণের সময় 'ও' এবং 'উ' এই দুটি স্বরধ্বনি মিলে তৈরি হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা বর্ণমালায় মৌলিক স্বরধ্বনি সাতটি হলেও যৌগিক স্বরজ্ঞাপক বর্ণ বা দ্বিস্বর দুটি রয়েছে, যথা 'ঐ' এবং 'ঔ'। সন্ধি বা অন্য কোনো প্রক্রিয়ায় নয়, বরং বর্ণের দিক থেকেই 'ঔ' একটি যৌগিক স্বরধ্বনি যা দুটি স্বরের মিলিত রূপ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'ঐ' স্বরধ্বনি। ব্যাখ্যা: 'ঔ'-এর মতো 'ঐ' আরেকটি যৌগিক স্বরধ্বনি যা 'অ' এবং 'ই' মিলে গঠিত হয়। উদাহরণ ২: 'কৌতুহল' শব্দ। ব্যাখ্যা: এই শব্দের শুরুতে যৌগিক স্বরধ্বনি 'ঔ' ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যৌগিক স্বরধ্বনি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রশ্নানুযায়ী সঠিক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। B) তালব্য স্বরধ্বনি — তালু থেকে উচ্চারিত স্বরধ্বনিকে তালব্য স্বরধ্বনি বলে, কিন্তু 'ঔ' তালব্য ধ্বনি নয়। C) মিলিত স্বরধ্বনি — এটি ব্যাকরণের কোনো প্রমিত বা নির্দিষ্ট পরিভাষা নয়, তাই এই অপশনটি ভুল। D) কোনোটি নয় — সঠিক উত্তর অপশনে বিদ্যমান থাকায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: বাংলা বর্ণমালায় যৌগিক স্বরবর্ণ মাত্র দুটি, এগুলো হলো 'ঐ' এবং 'ঔ'। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই যৌগিক স্বরধ্বনি বা দ্বিস্বরধ্বনি সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে, তাই 'ঐ' এবং 'ঔ' এই দুটি বর্ণ ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a সমার্থক দ্বন্দ্ব
b বিপরীতার্থক দ্বন্দ্ব
c অলুক দ্বন্দ্ব
d একশেষ দ্বন্দ্ব
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অলুক দ্বন্দ্ব ১. কেন সঠিক: - যে দ্বন্দ্ব সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পায় না, তাকে অলুক দ্বন্দ্ব সমাস বলে। - এখানে জলে ও স্থলে শব্দ দুটির সাথে থাকা এ বিভক্তি সমাস সাধনের পরও অপরিবর্তিত থাকে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - দ্বন্দ্ব সমাসে উভয় পদের অর্থের সমান প্রাধান্য থাকে এবং সংবব্ধ পদে ও, এবং, বা অব্যয় ব্যবহৃত হয়। - অলুক শব্দের অর্থ হলো লোপ পায় না এমন, যা দ্বন্দ্ব সমাসের ক্ষেত্রে বিভক্তির লোপ না পাওয়ার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দেশে-বিদেশে ব্যাখ্যা: দেশে ও বিদেশে, যেখানে এ বিভক্তি বহাল থাকে। উদাহরণ ২: হাতে-কলমে ব্যাখ্যা: হাতে ও কলমে, যা অলুক দ্বন্দ্ব সমাসের আরেকটি সুপরিচিত উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সমার্থক দ্বন্দ্ব — এই সমাসে দুটি সমার্থক শব্দ মিলে দ্বন্দ্ব সমাস গঠন করে, যা এখানে হয়নি। B) বিপরীতার্থক দ্বন্দ্ব — এই সমাসে দুটি বিপরীতার্থক শব্দ ব্যবহৃত হয়, যেমন আয়-ব্যয়, কিন্তু জলে ও স্থলে বিপরীত শব্দ নয়। C) অলুক দ্বন্দ্ব — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি সঠিক। D) একশেষ দ্বন্দ্ব — এই সমাসে একাধিক পদের মধ্যে কেবল একটি পদ অবশিষ্ট থাকে, যেমন তুমি ও আমি সমান আমরা। ৫. মনে রাখার টিপস: - ব্যাসবাক্যে ও, এবং, বা থাকলে এবং সমস্ত পদে বিভক্তি অক্ষুণ্ণ থাকলে চোখ বন্ধ করে অলুক দ্বন্দ্ব সমাস দাগাবে। - বিভক্তি লোপ না পাওয়ার বিষয়টি মনে রাখলে এই সমাস নির্ণয় করা খুবই সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অলুক দ্বন্দ্ব সমাসের উদাহরণ প্রায়ই পরীক্ষাসমূহে আসে। - বিভক্তিযুক্ত পদ দেখলেই অলুক সমাসের কথা মাথায় রাখতে হবে।
a রামনিধি গুপ্ত
b দাশরথি রায়
c এন্টনি ফিরিঙ্গি
d রামপ্রসাদ সেন
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রামপ্রসাদ সেন ১. কেন সঠিক: - রামপ্রসাদ সেন বাংলা সাহিত্য ইতিহাসে শাক্ত পদাবলির প্রধান ও সর্বাধিক জনপ্রিয় আদি কবি হিসেবে পরিচিত। - শাক্ত পদাবলি বলতে দেবী দুর্গা বা কালীকে কেন্দ্র করে রচিত ভক্তিমূলক পদ বা গানকে বোঝায়, যা সাধক কবি রামপ্রসাদের হাত ধরেই পূর্ণতা লাভ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে বৈষ্ণব পদাবলির পাশাপাশি শাক্ত পদাবলি একটি স্বতন্ত্র ও গুরুত্বপূর্ণ ধারা সৃষ্টি করেছিল। - রামপ্রসাদ সেন দেবী কালীর সাধক ছিলেন এবং তাঁর রচিত পদগুলোতে মাতৃরূপী ঈশ্বরের প্রতি গভীর আকুলতা ও ভক্তি প্রকাশিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মন রে কৃষিকাজ জানো না ব্যাখ্যা: এটি রামপ্রসাদ সেনের একটি বিখ্যাত শাক্ত পদ, যেখানে মনকে কৃষিজমির সঙ্গে তুলনা করে ভক্তির সাধনা করতে বলা হয়েছে। উদাহরণ ২: ওরে আমার মনের মানুষ কেন রে করাস এত জ্বালা ব্যাখ্যা: এটিও রামপ্রসাদ সেন রচিত আধ্যাত্মিক চেতনায় সমৃদ্ধ একটি জনপ্রিয় শাক্ত পদ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রামনিধি গুপ্ত — রামনিধি গুপ্ত বা নিধু বাবু বাংলা টপ্পা গানের জন্য বিখ্যাত, শাক্ত পদাবলির জন্য নন। B) দাশরথি রায় — দাশরথি রায় বা দাশু রায় বাংলা সাহিত্যের পাঁচালি গানের জন্য সবচেয়ে বেশি বিখ্যাত। C) এন্টনি ফিরিঙ্গি — এন্টনি ফিরিঙ্গি বাংলার কবিয়াল বা কবিগানের একজন বিখ্যাত চর্চাকারী ও গীতিকার ছিলেন। D) রামপ্রসাদ সেন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - শাক্ত পদ মানেই দেবী কালী বা দুর্গার বন্দনা, আর এর আদি গুরু বা শ্রেষ্ঠ কবি হলেন সাধক রামপ্রসাদ সেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শাক্ত পদাবলি এবং রামপ্রসাদ সেন সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - পদাবলি সাহিত্য দুটি ধারায় বিভক্ত, যার একটি কৃষ্ণকে কেন্দ্র করে বৈষ্ণব পদাবলি এবং অন্যটি শক্তি দেবীকে কেন্দ্র করে শাক্ত পদাবলি।
a Buddhist Mystic Songs
b চর্যাগীতিকা
c চর্যাগীতিকোষ
d হাজার বছরের পুরাণ বাংলা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Buddhist Mystic Songs ১. কেন সঠিক: ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ চর্যাপদের পদগুলোকে ইংরেজিতে অনুবাদ করে 'Buddhist Mystic Songs' নামে প্রকাশ করেন। এই গ্রন্থে তিনি চর্যাপদের তাত্ত্বিক ও আধ্যাত্মিক দিকগুলো ইংরেজিভাষী পাঠকদের কাছে তুলে ধরেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম নিদর্শন ও কাব্য সংকলন। এটি চর্যাগীতিকা নামেও পরিচিত এবং বাংলা সাহিত্যের আদি যুগের একমাত্র প্রামাণিক দলিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হাজার বছরের পুরাণ বাংলা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা ব্যাখ্যা: এটি ড. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী কর্তৃক সম্পাদিত চর্যাপদের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ। উদাহরণ ২: চর্যাগীতিকা ব্যাখ্যা: এটি ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ও ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ সম্পাদিত চর্যাপদের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ নামকরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Buddhist Mystic Songs — এটি ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ সম্পাদিত চর্যাপদ বিষয়ক গ্রন্থ হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। B) চর্যাগীতিকা — এটি চর্যাপদের মূল নাম হলেও ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের সম্পাদিত গ্রন্থ হিসেবে বেশি পরিচিত। C) চর্যাগীতিকোষ — এটি চর্যাপদের কোনো নির্দিষ্ট সম্পাদিত গ্রন্থের নাম নয়, বরং এটি একটি ভুল বা বিভ্রান্তিকর অপশন। D) হাজার বছরের পুরাণ বাংলা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা — এটি ড. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী সম্পাদিত গ্রন্থ, ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্র নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: শহীদুল্লাহ্ নামের সাথে ইংরেজি নামের মিল মনে রাখতে পারো, শহীদুল্লাহ্ মানেই ইংরেজি ভাষার 'Buddhist Mystic Songs'। হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর ক্ষেত্রে মনে রাখবে তিনি হাজার বছরের পুরাণ আবিষ্কার ও প্রকাশ করেছিলেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: চর্যাপদ বিষয়ক গ্রন্থ এবং সম্পাদকদের নাম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কোন সম্পাদক কোন গ্রন্থ প্রকাশ করেছেন, তা আলাদা করে ছক তৈরি করে মুখস্থ রাখবে।
a ভাবরস
b মধুর রস
c প্রেমরস
d লীলারস
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মধুর রস ১. কেন সঠিক: বৈষ্ণব পদাবলিতে মানুষের সাধারণ লৌকিক প্রেমকে আধ্যাত্মিক রূপ দিয়ে ঈশ্বরের সঙ্গে জীবাত্মার মিলনের আকুতি প্রকাশ করা হয়েছে। সংস্কৃত অলংকার শাস্ত্রে যাকে শৃঙ্গার বা আদি রস বলা হয়, বৈষ্ণব পদাবলিতে ভক্ত ও ভগবানের সম্পর্কের ক্ষেত্রে তাকে মধুর রস বা উজ্জ্বল রস বলা হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: বৈষ্ণব পদাবলি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত সমৃদ্ধ শাখা যেখানে রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমলীলার আড়ালে পরমাত্মার সঙ্গে জীবাত্মার মিলন ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। রূপ গোস্বামী তাঁর উজ্জ্বলনীলমণি গ্রন্থে শৃঙ্গার বা মধুর রসকে ভক্তির প্রধান রূপ হিসেবে বিশ্লেষণ করেছেন এবং রাধা-কৃষ্ণের প্রেমকে এর সর্বশ্রেষ্ঠ প্রকাশ হিসেবে দেখিয়েছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিদ্যাপতি রচিত পদাবলি ব্যাখ্যা: বিদ্যাপতি মৈথিল কোকিল নামে পরিচিত এবং তাঁর পদে শৃঙ্গার বা মধুর রসের অপূর্ব প্রকাশ ঘটেছে। উদাহরণ ২: চণ্ডীদাস রচিত পদাবলি ব্যাখ্যা: চণ্ডীদাসের পদাবলিতে রাধার আকুলতা এবং প্রেমের গভীরতা মধুর রসের সুন্দর দৃষ্টান্ত উপস্থাপন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভাবরস — ভাবরস সামগ্রিক অনুভূতির একটি সাধারণ রূপ হলেও বৈষ্ণব পদাবলিতে শৃঙ্গার রসের নির্দিষ্ট কাব্যিক ও আধ্যাত্মিক নাম মধুর রস। B) মধুর রস — এটি সঠিক উত্তর। C) প্রেমরস — প্রেমরস সাধারণ অর্থে প্রেমের অনুভূতি বোঝায়, কিন্তু বৈষ্ণব পদাবলিতে শৃঙ্গার রসের নির্দিষ্ট ও প্রমিত পারিভাষিক নাম মধুর রস। ডি) লীলারস — লীলারস ঈশ্বরের নানাবিধ কাজের প্রকাশ বোঝায়, যা মধুর রসের নির্দিষ্ট অলংকারশাস্ত্রীয় প্রতিশব্দ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: শৃঙ্গার মানে সুন্দর বা প্রেম এবং এর বৈষ্ণব নাম মধুর রস। মনে রাখবে শৃঙ্গার রস মানেই মধুর রস। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রস ও পদাবলি সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। বৈষ্ণব পদাবলিতে রসের শ্রেণিবিভাগ এবং রূপ গোস্বামীদের অবদান সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখা জরুরি।
a একাগ্রতায়
b সমান ব্যবহারে
c সম ভাবনায়
d একযোগে
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) একযোগে কেন সঠিক: - সমভিব্যাহারে শব্দটির আক্ষরিক অর্থ একসঙ্গে বা একত্রে কোনো কাজ করা। - বাক্যে এটি অব্যয় পদ হিসেবে একযোগে বা একত্রে প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি একটি সংস্কৃত তৎসম শব্দ যা বাংলা ব্যাকরণে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে। - সম উপসর্গ যোগে গঠিত এই শব্দটির ভাবগত অর্থ অনেকের সঙ্গে বা সকলের যোগে বোঝায়। - যেমন, সবাই মিলে সমভিব্যাহারে কাজটি সম্পন্ন করল। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) একাগ্রতায় — এই শব্দের অর্থ মনঃসংযোগ বা গভীর মনোযোগ, যা সমভিব্যাহারে শব্দের অর্থ নয়। - B) সমান ব্যবহারে — এটি আচরণের সমতা বোঝায়, কিন্তু সমভিব্যাহারে শব্দের সঙ্গে এর কোনো মিল নেই। - C) সম ভাবনায় — একই রকম চিন্তা বা মানসিকতা প্রকাশ করতে এই অর্থ হয়, যা ভুল। - D) এটি তো সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: - সম শব্দের অর্থ সমান এবং ব্যহার শব্দের মূল অর্থ যোগ, যা থেকে একযোগে কথাটি মনে রাখা সহজ হয়।
a মমতাজউদদীন আহমদ
b আব্দুল্লাহ আল মামুন
c সেলিম আল দীন
d রামেন্দু মজুমদার
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সেলিম আল দীন ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশে গণনাট্য ও শিকড়সন্ধানী নাট্য আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব সেলিম আল দীন ১৯৮১ সালে 'গ্রাম থিয়েটার' প্রবর্তন করেন। - প্রান্তিক ও গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর সংস্কৃতিকে মূলধারার নাট্যচর্চায় যুক্ত করার মহৎ উদ্দেশ্যে এই আন্দোলন গড়ে তোলা হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - প্রখ্যাত নাট্যকার ও গবেষক সেলিম আল দীন বাংলা নাটকে বৈচিত্র্যময় আঙ্গিক ও লোকঐতিহ্যের সফল প্রয়োগ করেছেন। - তাঁর রচিত বিখ্যাত নাটকগুলির মধ্যে কিমচিন, কাসেম সাগরের জলে, এবং হরগজ বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঢাকা থিয়েটার ব্যাখ্যা: সেলিম আল দীন ১৯৭৮ সালে ঢাকা থিয়েটার প্রতিষ্ঠা করেন, যা বাংলাদেশের নাট্য আন্দোলনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে। উদাহরণ ২: বাংলা নাটকের শিকড়সন্ধান ব্যাখ্যা: তিনি ঐতিহ্যবাহী পালাগান ও যাত্রার আদলে আধুনিক নাটক রচনা করে বাংলা নাট্যসাহিত্যে নতুন ধারা সৃষ্টি করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মমতাজউদদীন আহমদ — তিনি বিশিষ্ট নাট্যকার ও নির্দেশক হলেও গ্রাম থিয়েটার আন্দোলনের প্রবর্তক নন। B) আব্দুল্লাহ আল মামুন — তিনি বিখ্যাত নাট্যকার ও চলচ্চিত্র নির্মাতা হলেও গ্রাম থিয়েটার প্রতিষ্ঠার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। C) সেলিম আল দীন — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি গ্রাম থিয়েটার প্রবর্তন করেন। D) রামেন্দু মজুমদার — তিনি প্রখ্যাত নাট্যব্যক্তিত্ব ও নির্দেশক হলেও গ্রাম থিয়েটারের মূল প্রবর্তক নন। ৫. মনে রাখার টিপস: গ্রাম থিয়েটারের 'গ' দিয়ে মনে রাখতে পারেন গ্রামীণ নাটকের রূপকার সেলিম আল দীন। নাটকের শিকড় খুঁজতে তিনি গ্রাম থিয়েটার গড়ে তোলেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলাদেশ ও বাঙালির নিজস্ব নাট্যরীতি গঠনে সেলিম আল দীনের অবদান অপরিসীম। বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তাঁর প্রতিষ্ঠিত নাট্যসংগঠন সম্পর্কে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
a নিক্কণ, সূচগ্র, অনুর্ধব
b অনূর্বর, ঊর্ধবগামী, শুদ্ধ্যশুদ্ধি
c ভূরিভূরি, ভূঁড়িওয়ালা, মাতৃশ্বসা
d রানি, বিকিরণ, দুরতিক্রম্য
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নিক্কণ, সূচগ্র, অনুর্ধব কেন সঠিক: - এই অপশনের প্রতিটি শব্দেই বানানগত ভুল রয়েছে এবং কোনো শব্দই সঠিক নয়। - প্রশ্নানুযায়ী এমন একটি গুচ্ছ চাওয়া হয়েছে যার সবগুলো বানানই অশুদ্ধ। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বানানের সঠিক নিয়মের ক্ষেত্রে দীর্ঘ স্বরবর্ণ এবং যুক্তবর্ণের সঠিক ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - বাংলা বানানে হ্রস্ব ও দীর্ঘ স্বরবর্ণের অপপ্রয়োগ প্রায়ই ভুল হিসেবে ধরা হয়। - উদাহরণস্বরূপ, সঠিক বানানগুলো হলো নিক্কণ, সূচিগ্র এবং অনূর্ধ্ব। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) নিক্কণ, সূচগ্র, অনুর্ধব — এর সবগুলো বানানই ভুল থাকায় এটি সঠিক উত্তর। - B) অনূর্বর, ঊর্ধবগামী, শুদ্ধ্যশুদ্ধি — এখানে কিছু ভুল থাকলেও সবগুলো বানান একসাথে অশুদ্ধ নয়। - C) ভূরিভূরি, ভূঁড়িওয়ালা, মাতৃশ্বসা — এই অপশনের শব্দগুলোতে প্রচলিত বানানরীতি সঠিক রয়েছে। - D) রানি, বিকিরণ, দুরতিক্রম্য — এই গুচ্ছের শব্দগুলো প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী সম্পূর্ণ শুদ্ধ। মনে রাখার টিপস: - দীর্ঘ উ-কার এবং হ্রস্ব উ-কার ব্যবহারের নিয়মগুলো বারবার চর্চা করলে বানান ভুল কমে যায়। - যুক্তবর্ণ লেখার সময় মূল বর্ণগুলোর সঠিক রূপ মনে রাখতে হবে।
a মুনীর চৌধুরী
b হাসান হাফিজুর রহমান
c শামসুর রাহমান
d গাজীউল হক
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) হাসান হাফিজুর রহমান ১. কেন সঠিক: - ভাষা আন্দোলনভিত্তিক প্রথম সংকলিত গ্রন্থ একুশে ফেব্রুয়ারি পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন হাসান হাফিজুর রহমান। - ১৯৫৩ সালে প্রকাশিত এই ঐতিহাসিক সংকলনটি ভাষা আন্দোলনের ওপর প্রকাশিত প্রথম প্রামাণ্য দলিল হিসেবে স্বীকৃত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পর সাহিত্যিক ও বুদ্ধিজীবীদের উদ্যোগে এই সংকলনটি প্রকাশের উদ্যোগ নেওয়া হয়। - এই গ্রন্থে ভাষা আন্দোলনভিত্তিক কবিতা, প্রবন্ধ, গল্প ও গান স্থান পেয়েছিল যা বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলনকে ত্বরান্বিত করেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অমর একুশে সংকলন ব্যাখ্যা: ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে প্রকাশিত এটি একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যিক দলিল। উদাহরণ ২: স্মৃতিস্তম্ভ ব্যাখ্যা: এটি ভাষা আন্দোলন নিয়ে লেখা আলাউদ্দিন আল আজাদের একটি বিখ্যাত কবিতা যা ওই সংকলনে স্থান পেয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুনীর চৌধুরী — তিনি ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে কবর নাটক রচনা করলেও এই পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন না। B) হাসান হাফিজুর রহমান — তিনি ভাষা আন্দোলনভিত্তিক প্রথম পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। C) শামসুর রাহমান — তিনি ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে বহু কবিতা লিখলেও এই পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। D) গাজীউল হক — তিনি ভাষা আন্দোলনের একজন সক্রিয় ছাত্রনেতা ও সংগঠক ছিলেন কিন্তু এই পত্রিকার সম্পাদক নন। ৫. মনে রাখার টিপস: - হাসান হাফিজুর রহমানের নাম মনে রাখতে ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংকলনের সঙ্গে তাঁর নাম যুক্ত করে একটি ছন্দ মনে রাখতে পারো। - পরীক্ষার হলে ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংকলন বা পত্রিকা দেখলে চোখ বন্ধ করে হাসান হাফিজুর রহমানকে বেছে নেবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - একুশে ফেব্রুয়ারি সংকলনটি প্রকাশিত হয় ১৯৫৩ সালে। - এই ধরনের সাহিত্যিক ও ঐতিহাসিক দলিলের সম্পাদক এবং প্রকাশের সন প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
a বঙ্গভাষা ও সাহিত্য
b বাঙ্গালা সাহিত্যের ইতিহাস
c বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত
d বাংলা সাহিত্যের কথা
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বাংলা সাহিত্যের কথা ১. কেন সঠিক: - 'বাংলা সাহিত্যের কথা' গ্রন্থটির রচয়িতা ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌, যা বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস বিষয়ক একটি অত্যন্ত প্রামাণিক গ্রন্থ। - এটি মূলত দুটি খণ্ডে প্রকাশিত হয়েছিল এবং এতে প্রাচীন ও মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্য নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌ ছিলেন একজন প্রখ্যাত বাঙালি ভাষাবিজ্ঞানী, গবেষক ও সাহিত্য ইতিহাসবিদ। - তাঁর রচিত 'বাংলা সাহিত্যের কথা' গ্রন্থে চর্যাপদ থেকে শুরু করে মধ্যযুগের বিভিন্ন সাহিত্যধারা সম্পর্কে গভীর পাণ্ডিত্যের পরিচয় পাওয়া যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌ সম্পাদিত চর্যাপদের গানগুলোর তাত্ত্বিক ও ভাষাতাত্ত্বিক বিশ্লেষণ। ব্যাখ্যা: তাঁর সম্পাদিত 'পদ্মাবতী' ও অন্যান্য প্রাচীন নিদর্শন বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস গবেষণায় মাইলফলক। উদাহরণ ২: বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত। ব্যাখ্যা: এটিও ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌ রচিত বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের ইতিহাস সম্পর্কিত একটি বিখ্যাত গ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বঙ্গভাষা ও সাহিত্য — এই গ্রন্থটির রচয়িতা দীনেশচন্দ্র সেন, যা ১৯০১ সালে প্রকাশিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস গ্রন্থ। B) বাঙ্গালা সাহিত্যের ইতিহাস — এই নামে একাধিক লেখকের গ্রন্থ রয়েছে, তবে সুকুমার সেনের লেখা 'বাঙ্গালা সাহিত্যের ইতিহাস' সর্বাধিক পরিচিত। C) বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত — এই গ্রন্থটির রচয়িতা ড. অসিতকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়, যা বাংলা সাহিত্যের একটি বৃহদায়তন ইতিহাস। D) বাংলা সাহিত্যের কথা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই গ্রন্থটি ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌ রচনা করেছেন। ৫ মনে রাখার টিপস: - শহীদুল্লাহ্‌ নামের সাথে 'কথা' শব্দটি মিলিয়ে মনে রাখতে পারো যে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌ লিখেছেন 'বাংলা সাহিত্যের কথা'। - দীনেশচন্দ্র সেন লিখেছেন 'বঙ্গভাষা ও সাহিত্য', আর সুকুমার সেন লিখেছেন 'বাঙ্গালা সাহিত্যের ইতিহাস'। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস গ্রন্থের রচয়িতাদের নাম জানতে চাওয়া হয়। - ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌র 'বাংলা সাহিত্যের কথা' প্রথম খণ্ড প্রকাশিত হয় ১৯৫৩ সালে এবং দ্বিতীয় খণ্ড প্রকাশিত হয় ১৯৬৫ সালে।
a মানব
b গোলাপ
c একাঙ্ক
d ধাতব
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গোলাপ ১. কেন সঠিক: যেসব শব্দ বিশ্লেষণ করা যায় না বা ভেঙে যার কোনো অর্থ পাওয়া যায় না, সেগুলোকে মৌলিক শব্দ বলে। গোলাপ শব্দটিকে ভাঙলে এমন কোনো অংশ পাওয়া যায় না যা আলাদাভাবে কোনো অর্থ প্রকাশ করে, তাই এটি একটি মৌলিক শব্দ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: উৎপত্তির দিক থেকে বাংলা ভাষার শব্দগুলোকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়, যথা: মৌলিক শব্দ, সাধিত শব্দ এবং বিদেশী শব্দ। যে শব্দগুলোকে কোনো প্রত্যয়, উপসর্গ বা সন্ধির সাহায্য ছাড়াই প্রাকৃতিকভাবে তৈরি করা হয়েছে এবং বিশ্লেষণ করা যায় না, তা মৌলিক শব্দ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নাক ব্যাখ্যা: নাক শব্দটিকে ভাঙলে কোনো অর্থপূর্ণ অংশ পাওয়া যায় না, তাই এটি মৌলিক শব্দ। উদাহরণ ২: লাল ব্যাখ্যা: লাল একটি রঙের নাম এবং একে বিশ্লেষণ করা যায় না, তাই এটি মৌলিক শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মানব — মানব শব্দটি মনু শব্দের সঙ্গে অ প্রত্যয় যোগে গঠিত একটি সাধিত শব্দ, তাই এটি মৌলিক শব্দ নয়। B) গোলাপ — এটি সঠিক উত্তর কারণ গোলাপ একটি মৌলিক শব্দ এবং একে বিশ্লেষণ করা যায় না। C) একাঙ্ক — একাঙ্ক শব্দটিতে উপসর্গ বা প্রত্যয়ের প্রভাব রয়েছে এবং এটি সাধিত শব্দ, তাই মৌলিক শব্দ নয়। D) ধাতব — ধাতু শব্দের সঙ্গে অ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ধাতব শব্দটি গঠিত হয়েছে, যা একটি সাধিত শব্দ। ৫. মনে রাখার টিপস: ফুল, পাখি, হাত, নাক, লাল, তিন ইত্যাদি ছোট এবং চেনা শব্দগুলো সাধারণত মৌলিক শব্দ হয়। সাধিত শব্দ চেনার জন্য শব্দের শেষে প্রত্যয় বা শুরুতে উপসর্গ খোঁজার অভ্যাস করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মৌলিক ও সাধিত শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। সাধিত শব্দগুলো সাধারণত সন্ধি, সমাস, উপসর্গ বা প্রত্যয় যোগে গঠিত হয়, আর মৌলিক শব্দগুলো স্বাধীনভাবে ব্যবহৃত হয়।
a চৈত্র সংক্রান্তি
b পৌষ সংক্রান্তি
c শিরে সংক্রান্তি
d শিব-সংক্রান্তি
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শিরে সংক্রান্তি ১. কেন সঠিক: - শিরে সংক্রান্তি একটি সুপরিচিত বাংলা বাগধারা, যার অর্থ আসন্ন বিপদ বা মাথার উপর বিপদ। - সংক্রান্তি শব্দের সাধারণ অর্থ বছরের শেষ দিন হলেও, শিরে সংক্রান্তি বিশেষ অর্থে মারাত্মক ও আসন্ন সংকটকে বোঝায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দ বা শব্দগুচ্ছ, যা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভাবার্থ প্রকাশ করে। - বাংলা ভাষায় বাগধারা বাক্যের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং ভাষার ভাবকে সংহত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অকালবোধন ব্যাখ্যা: অকালবোধন বাগধারাটির অর্থ অপ্রত্যাশিত বা অসময়ে ঘুম ভাঙানিয়া উপস্থিতি অথবা কোনো কিছুর অসাময়িক আয়োজন। উদাহরণ ২: ঢাকের কাঠি ব্যাখ্যা: ঢাকের কাঠি বাগধারাটির অর্থ সভাসদ, মোসাহেব বা কোনো কাজের তদারকি করার চাটুকার ব্যক্তি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চৈত্র সংক্রান্তি — এটি বাংলা সনের শেষ মাস চৈত্রের শেষ দিনকে বোঝায়, কোনো বাগধারা নয়। B) পৌষ সংক্রান্তি — এটি বাংলা পৌষ মাসের শেষ দিনে পালিত একটি উৎসব বা পার্বণ, বাগধারা নয়। D) শিব-সংক্রান্তি — এটি কোনো প্রমিত বাগধারা বা অর্থবহ শব্দগুচ্ছ নয়, তাই এটি সঠিক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - মাথায় বা শিরে যখন বিপদ এসে উপস্থিত হয়, তখন তাকে শিরে সংক্রান্তি বলা হয়। - সংক্রান্তি মানে শেষ দিন বা বিপদ ঘনিয়ে আসা, এই মিল দিয়ে সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সাধারণ শব্দের মতো দেখতে কিন্তু বিশেষ অর্থ প্রকাশকারী বাগধারাগুলো থেকে প্রশ্ন আসে। - শব্দের আক্ষরিক অর্থ না বুঝে বাগধারার প্রচলিত ভাবার্থ মুখস্থ রাখতে হবে।
a অহিংস – সহিংস
b প্রসন্ন – বিষন্ন
c দোষী – নির্দোষী
d নিষ্পাপ – পাপিনী
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দোষী – নির্দোষী ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত প্রশ্নটি বিপরীতার্থক শব্দের ভুল জোড় চিহ্নিতকরণ সম্পর্কিত ব্যাকরণ অংশ থেকে এসেছে। - দোষী শব্দের সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ হলো নির্দোষ, তাই নির্দোষী শব্দটি ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ ও অপ্রমিত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে বিশেষ্য বা বিশেষণের বিপরীত শব্দ গঠনের সময় অতিরিক্ত প্রত্যয় বা অংশ যোগ করে শব্দের মূল গঠন নষ্ট করা যায় না। - দোষী শব্দের অর্থ অপরাধী এবং এর বিপরীত হিসেবে নির্দোষ ব্যবহার করা হয়, যেখানে দোষ মুক্ত অবস্থা বোঝাতে নির্দোষী বলা সম্পূর্ণ ভুল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দোষ – গুণ ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল প্রচলিত ও সঠিক বিপরীতার্থক শব্দের জোড় যা বিশেষ্য পদে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: দোষী – নির্দোষ ব্যাখ্যা: দোষী শব্দের সঠিক বিপরীত শব্দ হলো নির্দোষ, যা প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী সম্পূর্ণ শুদ্ধ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অহিংস – সহিংস — এটি একটি সঠিক বিপরীতার্থক শব্দের জোড়, তাই এটি উত্তর হবে না। B) প্রসন্ন – বিষন্ন — এটিও একটি সঠিক বিপরীতার্থক শব্দের জোড়, তাই এটি উত্তর হবে না। C) দোষী – নির্দোষী — এটি অশুদ্ধ জোড় কারণ নির্দোষী প্রমিত নয়, সঠিক রূপ হলো নির্দোষ। D) নিষ্পাপ – পাপিনী — এটি একটি অর্থপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য বিপরীতার্থক শব্দের জোড়, তাই এটি উত্তর হবে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - দোষী শব্দের সাথে অতিরিক্ত ই প্রত্যয় যুক্ত করে নির্দোষী বানাবেন না। - মনে রাখবেন দোষী এর বিপরীত শুধু নির্দোষ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের প্রমিত রূপ ও বিপরীতার্থক শব্দ সংক্রান্ত প্রশ্নে বাড়তি প্রত্যয়যুক্ত ভুল শব্দগুলো প্রায়ই অপশনে থাকে। - তাই প্রমিত বিপরীত শব্দ চেনার অভ্যাস রাখতে হবে।
a সুবিদিত
b সুগঠিত
c সুবিনীত
d বিধিত
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সুগঠিত ১. কেন সঠিক: - বিভা শব্দের অর্থ কিরণ বা আলো, যা এই সাদৃশ্যমূলক প্রশ্নে সমার্থক শব্দের সম্পর্ক নির্দেশ করছে। - সুবলিত শব্দের অর্থ সুন্দরভাবে গঠিত, তাই এর সমার্থক বা ভাবার্থের দিক থেকে সঠিক উত্তর সুগঠিত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা শব্দভান্ডারে সমার্থক বা কাছাকাছি অর্থের শব্দের ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - এই ধরনের প্রশ্নে প্রথম দুটি শব্দের সম্পর্কের আদলে পরের শব্দটির সঠিক রূপ বা সমার্থক শব্দ নির্ধারণ করতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অনল : আগুন : : বারি : পানি ব্যাখ্যা: অনল এবং আগুন যেমন সমার্থক শব্দ, বারি এবং পানিও তেমনি সমার্থক শব্দ। উদাহরণ ২: কুঞ্জ : বাগান : : কানন : বন ব্যাখ্যা: এখানে প্রতিটি জোড়ায় সমার্থক শব্দের পারস্পরিক সম্পর্ক বিদ্যমান রয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুবিদিত — এই শব্দের অর্থ ভালোভাবে জানা, যা কিরণ বা সুবলিত শব্দের সমার্থক নয়। B) সুগঠিত — এটি প্রশ্নের চাহিদার সঙ্গে সরাসরি মিলে যায় এবং সুবলিত শব্দের সঠিক সমার্থক রূপ। C) সুবিনীত — এই শব্দের অর্থ অত্যন্ত বিনীত বা নম্র, যা সুবলিত শব্দের অর্থের সঙ্গে মেলে না। D) বিধিত — এই শব্দের অর্থ জ্ঞাত বা বিধান করা হয়েছে যা নির্দিষ্ট শব্দের ভাব প্রকাশ করে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - সমার্থক শব্দভিত্তিক সাদৃশ্য প্রশ্নের ক্ষেত্রে শব্দগুলোর মূল অর্থ পরিষ্কারভাবে বুঝতে হবে। - প্রতিটি শব্দের উৎস এবং প্রচলিত সমার্থক রূপগুলো চর্চা করলে এই ধরনের প্রশ্নে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ এবং সমার্থক শব্দ থেকে প্রায়ই সাদৃশ্যমূলক প্রশ্ন আসে। - অপরিচিত শব্দের ক্ষেত্রে মূল ধাতুর অর্থ এবং উপসর্গের কাজ খেয়াল করে উত্তর বের করতে হয়।
a Achivement
b Acheivment
c Achievement
d Acheivement
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Achievement ১. কেন সঠিক: - ইংরেজি বানান শুদ্ধিকরণ নিয়মের অধীনে এই প্রশ্নটি এসেছে। - achievement শব্দটির অর্থ অর্জন বা সাফল্য, যার সঠিক বানান ছকে e এবং v এর সঠিক বিন্যাস প্রয়োজন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ইংরেজি বানান মনে রাখার ক্ষেত্রে i এবং e ব্যবহারের একটি সাধারণ নিয়ম রয়েছে, যেখানে সাধারণত c এর পরে ei এবং অন্য বর্ণের পরে ie বসে। - achievement শব্দের ক্ষেত্রে root শব্দ achieve এর সঙ্গে ment প্রত্যয় যুক্ত হয়ে এই বানানটি গঠিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: Believe ব্যাখ্যা: এখানে l বর্ণের পরে ie বসেছে, যা সাধারণ বানান নিয়ম অনুসরণ করে। উদাহরণ ২: Receive ব্যাখ্যা: এখানে c বর্ণের পরে ei বসেছে, যা বানান নিয়মের সঠিক প্রয়োগ নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Achivement — এই বানানটিতে i এবং e এর স্থান পরিবর্তন করা হয়েছে যা ভুল। B) Acheivment — এই বানানে e এবং i এর ভুল বিন্যাস ব্যবহার করা হয়েছে। C) Achievement — এটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং প্রমিত বানান রূপ। D) Acheivement — এই বানানে অতিরিক্ত e যুক্ত করা হয়েছে যা নিয়মবহির্ভূত। ৫. মনে রাখার টিপস: - achieve বানানটি মনে রাখতে পারলে তার সঙ্গে ment যোগ করে খুব সহজেই achievement বানানটি লেখা যায়। - বানানটি মনে রাখার জন্য syllables ভেঙে পড়া যেতে পারে যেমন a-chie-ve-ment। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ ও ইংরেজি থেকে আগত শব্দের বানান প্রায়ই পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করে। - এই ধরনের বানানের ক্ষেত্রে প্রত্যয় যুক্ত হওয়ার সময় মূল শব্দের পরিবর্তন সম্পর্কে ধারণা রাখা জরুরি।
a পাবক
b বহ্নি
c হুতাশন
d প্রজ্বলিত
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রজ্বলিত ১. কেন সঠিক: প্রজ্বলিত শব্দটি একটি বিশেষণ পদ, যার অর্থ যা জ্বলছে বা প্রদীপ্ত করা হয়েছে। এটি আগুনের অবস্থা বোঝায়, কিন্তু অগ্নি শব্দের সরাসরি সমার্থক কোনো নামবাচক বিশেষ্য নয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: সমার্থক শব্দ বা প্রতিশব্দ হলো সেই শব্দগুলো যাদের অর্থ প্রায় একই রকম হয়ে থাকে। অগ্নি শব্দের ক্ষেত্রে পাবক, বহ্নি, হুতাশন, অনল, সর্বভুক ইত্যাদি বিশেষ্য পদগুলো সরাসরি আগুনকে বোঝায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অনল ব্যাখ্যা: অনল শব্দটি অগ্নি বা আগুনের একটি অত্যন্ত পরিচিত সমার্থক শব্দ। উদাহরণ ২: পাবক ব্যাখ্যা: পাবক শব্দটি পবিত্রকারী অর্থে অগ্নি বা আগুনের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পাবক — এটি আগুনের একটি বহুল ব্যবহৃত সমার্থক শব্দ যা পবিত্র করে বলে পরিচিত। B) বহ্নি — এটি সংস্কৃত ভাষা থেকে আসা আগুনের একটি সরাসরি সমার্থক শব্দ। C) হুতাশন — এটি যজ্ঞের আগুন বা সাধারণভাবে অগ্নির একটি প্রচলিত সমার্থক শব্দ। D) প্রজ্বলিত — এটি আগুনের সমার্থক বিশেষ্য নয়, বরং আগুন জ্বলার একটি বিশেষ অবস্থা নির্দেশক বিশেষণ। ৫. মনে রাখার টিপস: অগ্নিকে মনে রাখার জন্য অনল, পাবক, বহ্নি, হুতাশন এই চারটি প্রধান নাম বারবার চর্চা করবে। প্রজ্বলিত হলো কাজের বা অবস্থার প্রকাশ, আর বাকিগুলো হলো বস্তুর নাম। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সমার্থক ও বিশেষণের পার্থক্য থেকে প্রশ্ন আসে। শব্দটি বিশেষ্য নাকি বিশেষণ, তা ভালোভাবে খেয়াল করলে সঠিক উত্তর সহজে নির্ণয় করা যায়।
a বাংলা ধ্বনিবিজ্ঞান
b আধুনিক বাংলা ধ্বনিবিজ্ঞান
c ধ্বনিবিজ্ঞানের কথা
d ধ্বনিবিজ্ঞান ও বাংলা ধ্বনিতত্ত্ব
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ধ্বনিবিজ্ঞান ও বাংলা ধ্বনিতত্ত্ব ১. কেন সঠিক: ডক্টর মুহাম্মদ আবদুল হাই রচিত বাংলা ধ্বনিবিজ্ঞান বিষয়ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও প্রামাণ্য গ্রন্থটির নাম হলো ধ্বনিবিজ্ঞান ও বাংলা ধ্বনিতত্ত্ব। ভাষাবিজ্ঞানে ধ্বনির উচ্চারণ, প্রকৃতি ও রূপান্তর নিয়ে গবেষণায় এই গ্রন্থটি একটি মাইলফলক হিসেবে স্বীকৃত। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: ডক্টর মুহাম্মদ আবদুল হাই একজন প্রখ্যাত ভাষাবিজ্ঞানী, গবেষক ও অধ্যাপক যিনি বাংলা ভাষার ধ্বনিতত্ত্ব নিয়ে গভীর গবেষণা করেছেন। তার এই গ্রন্থটিতে বাংলা ধ্বনির বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ এবং বাংলা ধ্বনিতত্ত্বের বিস্তারিত রূপরেখা অত্যন্ত মুনিয়ানার সঙ্গে তুলে ধরা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ডক্টর মুহাম্মদ আবদুল হাই ও সৈয়দ আলী আহসান রচিত বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস বিষয়ক গ্রন্থ হলো বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত। ব্যাখ্যা: এটিও বাংলা সাহিত্যের গবেষকদের জন্য একটি অত্যন্ত মৌলিক ও অপরিহার্য গ্রন্থ। উদাহরণ ২: সুনীতি কুমার চট্টোপাধ্যায়ের লেখা ভাষা বিষয়ক বিখ্যাত গ্রন্থ হলো ওম সুনীতি কুমার চট্টোপাধ্যায় রচিত ওডিবিএল বা দ্য অরিজিন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অফ দ্য বেঙ্গলি ল্যাঙ্গুয়েজ। ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ নিয়ে রচিত সর্বকালের সেরা গবেষণা গ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাংলা ধ্বনিবিজ্ঞান — এটি মুহাম্মদ আবদুল হাইয়ের গ্রন্থটির সঠিক ও পূর্ণাঙ্গ নাম নয় বরং একটি কাল্পনিক বা অসম্পূর্ণ নাম। B) আধুনিক বাংলা ধ্বনিবিজ্ঞান — এই নামের কোনো প্রখ্যাত ভাষাতাত্ত্বিক গ্রন্থ ডক্টর মুহাম্মদ আবদুল হাই রচনা করেননি। C) ধ্বনিবিজ্ঞানের কথা — এটি ধ্বনিবিজ্ঞান বিষয়ক কোনো প্রখ্যাত লেখকের প্রধান গবেষণা গ্রন্থের নাম হিসেবে স্বীকৃত নয়। D) ধ্বনিবিজ্ঞান ও বাংলা ধ্বনিতত্ত্ব — এটি মুহাম্মদ আবদুল হাই রচিত ধ্বনিবিজ্ঞান বিষয়ক প্রকৃত ও সঠিক গ্রন্থের নাম। ৫. মনে রাখার টিপস: মুহাম্মদ আবদুল হাইয়ের নামের সঙ্গে ধ্বনিতত্ত্ব শব্দটি যুক্ত করে এই গ্রন্থটি মনে রাখা সবচেয়ে সহজ কৌশল। ভাষাবিজ্ঞান বা ধ্বনিতত্ত্ব বললেই ডক্টর মুহাম্মদ আবদুল হাই এবং তার এই বিখ্যাত গ্রন্থটির নাম মনে করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাষাবিজ্ঞান ও ব্যাকরণগ্রন্থ রচয়িতাদের নাম প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। ডক্টর মুহাম্মদ আবদুল হাইয়ের সাহিত্যকর্ম ও ভাষাতাত্ত্বিক গবেষণা সম্পর্কিত তথ্যগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করা চাকরি পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
a শোককবিতা
b পত্রকাব্য
c খণ্ড কবিতা
d কোরাসগান
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কোরাসগান ১. কেন সঠিক: Ode শব্দের মূল অর্থ হলো কোরাস গান বা স্তবগান যা প্রাচীন গ্রিসে ঐকতানে গাওয়া হতো। পরবর্তীকালে এটি নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি, বস্তু বা ভাবের প্রশংসায় রচিত উচ্চভাবের গীতিববিতা হিসেবে পরিচিত লাভ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: ইংরেজি সাহিত্যের ওড বা গীতিববিতা বাংলায় সার্থকভাবে প্রবর্তন করেন কবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত। এর মূল বৈশিষ্ট্য হলো গম্ভীর সুর, উন্নত ভাব এবং নির্দিষ্ট কোনো বিষয় বা সত্তার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা প্রকাশ করা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জন কীটসের ওড টু আ নাইটিনডেল ব্যাখ্যা: এটি একটি বিখ্যাত ইংরেজি ওড বা স্তবগান। উদাহরণ ২: শেলির ওড টু দ্য ওয়েস্ট উইন্ড ব্যাখ্যা: এটি প্রকৃতির পশ্চিম বায়ুর উদ্দেশ্যে রচিত বিশ্বখ্যাত ওড। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শোককবিতা — শোককবিতা বলতে এলিজিয়া বা মার্সিয়া বোঝায়, ওড নয়। B) পত্রকাব্য — পত্রকাব্য হলো চিঠির আকারে লেখা কাব্য, যা ওডের সংজ্ঞার সঙ্গে মেলে না। C) খণ্ড কবিতা — খণ্ড কবিতা একটি সাধারণ ছোট আকৃতির কবিতা, ওডের নির্দিষ্ট গম্ভীর রূপ এখানে থাকে না। D) কোরাসগান — এটি ওডের মূল ঐতিহাসিক ও আক্ষরিক অর্থকে নির্দেশ করে সঠিক হিসেবে বিবেচিত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: ওড শব্দ দেখলে মনে রাখবে এটি গ্রিক কোরাসগান থেকে আসা প্রশংসা বা স্তবমূলক কবিতা। শেকসপিয়র বা কীটসের ওডগুলোর কথা মাথায় রাখলে এই প্রশ্ন সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ইংরেজি কাব্যরূপের বাংলা প্রতিশব্দ প্রায়ই আসে। ওডের ক্ষেত্রে স্তবগান বা কোরাস গান এবং এলিজি শব্দের ক্ষেত্রে শোককবিতা বা মরমী গাথা ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a আপনি স্বপরিবারে আমন্ত্রিত।
b তার কথা শুনে আমি আশ্চার্যান্বিত হলাম।
c তোমার পরশ্রীকাতরতায় আমি মুগ্ধ।
d সেদিন থেকে তিনি সেখান আর যায় না।
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাক্য ও বাক্যশুদ্ধি সঠিক উত্তর: B) তার কথা শুনে আমি আশ্চার্যান্বিত হলাম। ১. কেন সঠিক: - 'আশ্চার্যান্বিত' শব্দটি বাক্যে সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে এবং এর ব্যাকরণগত গঠন ও অর্থ সম্পূর্ণ সঠিক। - এই বাক্যের প্রতিটি পদের মধ্যে অন্বয় বা পদের মিল যথাযথভাবে রক্ষিত হয়েছে, যা বাক্যকে অর্থপূর্ণ করে তুলেছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাক্যশুদ্ধির নিয়ম অনুযায়ী বাক্যে পদপ্রকরণ, কারক, বচন ও প্রত্যয়জনিত ভুল থাকা যাবে না। - বাংলা ব্যাকরণে কিছু শব্দের গঠন প্রমিত নিয়ম মেনে চলে, যা বাক্যের সৌন্দর্য ও শুদ্ধতা রক্ষা করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সব পাখিরা আকাশে ওড়ে। (ভুল) সব পাখি আকাশে ওড়ে। (শুদ্ধ) ব্যাখ্যা: 'সব' শব্দটি ব্যবহারের পর বহুবচনবাচক 'রা' যোগ করা বাহুল্য দোষ বা ভুল। উদাহরণ ২: তিনি সপরিবারে উপস্থিত ছিলেন। (শুদ্ধ) তিনি স্বপরিবারে উপস্থিত ছিলেন। (ভুল) ব্যাখ্যা: 'পরিবার' শব্দের সাথে 'সহ' যুক্ত হয়ে 'সপরিবারে' হয়, তাই 'স্বপরিবারে' লেখা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আপনি স্বপরিবারে আমন্ত্রিত। — 'স্বপরিবারে' শব্দটি ভুল, এর শুদ্ধ রূপ হবে 'সপরিবারে'। B) তার কথা শুনে আমি আশ্চার্যান্বিত হলাম। — এটি একটি সঠিক বাক্য এবং প্রশ্নে নির্দিষ্ট করা উত্তর। C) তোমার পরশ্রীকাতরতায় আমি মুগ্ধ। — 'পরশ্রীকাতরতা' একটি নেতিবাচক গুণ, তাই এর প্রতি মুগ্ধতা প্রকাশ করা ভাবগত দিক থেকে অসংগত। D) সেদিন থেকে তিনি সেখান আর যায় না। — বাক্যের ক্রিয়াপদ 'যায় না' এর সাথে কর্তা 'তিনি' এর পুরুষগত মিল নেই, শুদ্ধ রূপ হবে 'যান না'। ৫. মনে রাখার টিপস: বাক্য শুদ্ধ করার সময় প্রথমে বানান, এরপর পদের মিল এবং সবশেষে অর্থের সংগতি ভালোভাবে মিলিয়ে দেখতে হবে। বাধ্যতামূলকভাবে বাহুল্য দোষ এবং প্রমিত রূপের ব্যবহার সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই 'সপরিবারে' বনাম 'স্বপরিবারে' জাতীয় বানান বা প্রয়োগগত শুদ্ধি আসে। বাক্য শুদ্ধীকরণের ক্ষেত্রে পদের গঠন এবং অর্থগত দিক একসঙ্গে বিবেচনা করতে হয়।
a মোতাহের হোসেন চৌধুরী
b রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী
c প্রমথ চৌধুরী
d কাজী আব্দুল ওদুদ
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মোতাহের হোসেন চৌধুরী কেন সঠিক: - এই বিখ্যাত উক্তিটি মোতাহের হোসেন চৌধুরীর সংস্কৃতি বিষয়ক মননশীল প্রবন্ধ থেকে নেওয়া হয়েছে। - লেখক প্রবন্ধে ধর্ম ও সংস্কৃতির পারস্পরিক সম্পর্ক এবং তাদের গভীর রূপ ফুটিয়ে তুলতে এই উক্তিটি ব্যবহার করেছেন। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা প্রবন্ধ সাহিত্যের একটি অত্যন্ত পরিচিত দার্শনিক ও গভীর অর্থবহ উদ্ধৃতি। - এখানে লেখকের সাবলীল গদ্যশৈলী ও মননশীল চিন্তার প্রকাশ ঘটেছে যা উচ্চমাধ্যমিক বা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। - এই ধরনের উক্তিভিত্তিক প্রশ্ন সাধারণত প্রাবন্ধিকের মূল বক্তব্য যাচাই করার জন্য করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) মোতাহের হোসেন চৌধুরী — এই অপশনটি সঠিক কারণ উক্তিটি তারই রচিত প্রবন্ধের অংশ। - B) রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী — তিনি বিজ্ঞান ও বাংলা সাহিত্যে মননশীল প্রবন্ধের জন্য পরিচিত হলেও এই উক্তির প্রবক্তা নন। - C) প্রমথ চৌধুরী — তিনি বাংলা চলিত রীতির প্রবর্ক ও বীরবল ছদ্মনামের লেখক হলেও এই উক্তিটি তার নয়। - D) কাজী আব্দুল ওদুদ — তিনি বুদ্ধিমুক্তির আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা হলেও এই উক্তিটির রচয়িতা নন। মনে রাখার টিপস: - ধর্ম সাধারণ লোকের আর সংস্কৃতি শিক্ষিতদের এমন কথা বললে মোতাহের হোসেন চৌধুরীর কথা মনে রাখবে।
a অপনোদন অর্থে
b পূজা অর্থে
c বিলানো অর্থে
d উপহার অর্থে
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পূজা অর্থে ১. কেন সঠিক: - বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত গানের পঙক্তিতে নিছনি শব্দটি ভক্তি ও সমর্পণের অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। - এখানে চরণতলে নিছনি দেওয়ার অর্থ হলো নিজের সমস্ত সুখ ব্যাকুলতা ও আবেগ দেবতার বা প্রিয়জনের চরণে উৎসর্গ করা বা পূজা নিবেদন করা। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্য জগতের এক প্রবাদপ্রতিম ব্যক্তিত্ব যিনি কবিতা গান ছোটগল্প উপন্যাস ও প্রবন্ধ লিখে বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছেন। - এই গানটি তার ভক্তিমূলক ও পূজামুলক গানের ধারার অন্তর্ভুক্ত যেখানে আত্মনিবেদন ও ভক্তির গভীর প্রকাশ ঘটেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমার মাথা নত করে দাও হে তোমার চরণধুলার তলে। ব্যাখ্যা: এই গানেও ঈশ্বরের চরণে সম্পূর্ণ আত্মনিবেদন ও পূজার ভাব প্রকাশ পেয়েছে যা মূল প্রশ্নের ভাবার্থের সঙ্গে মিলে যায়। উদাহরণ ২: পূজা অচনার সমারোহে আমি তোমায় শুধু দেবো অঞ্জলি। ব্যাখ্যা: এই পঙক্তিতে পূজার মাধ্যমে ভক্তি নিবেদনের ঐতিহ্যবাহী সাহিত্যিক রূপ প্রকাশ পেয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অপনোদন অর্থে — অপনোদন শব্দের অর্থ দূর করা বা নিবারণ করা যা এই ভক্তিমূলক গানে প্রযোজ্য নয়। B) পূজা অর্থে — এই অপশনটি সঠিক কারণ গানে চরণতলে নিছনি দেওয়ার অর্থ ভক্তিভরে পূজা বা সমর্পণ করা বোঝায়। C) বিলানো অর্থে — বিলানো অর্থ বিতরণ করা বা ছড়িয়ে দেওয়া কিন্তু চরণতলে নিছনি দেওয়ার মাধ্যমে বিতরণ বোঝায় না। D) উপহার অর্থে — উপহার মানে উপঢৌকন বা হাদিয়া কিন্তু নিছনি শব্দটির গভীর আত্মিক ও পূজামুলক ভাব রয়েছে যা কেবল সাধারণ উপহারের চেয়ে ব্যাপক। ৫ মনে রাখার টিপস: - রবীন্দ্রনাথের গানে নিছনি বা নিছনি দেওয়া শব্দ পেলে বুঝতে হবে তা ভক্তি নিবেদন বা পূজা অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। - চরণতলে নিছনি দেওয়ার চিত্রটি সবসময় আত্মোৎসর্গ ও পূজার সঙ্গে সম্পর্কিত। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রবীন্দ্রনাথের গান ও কবিতার বিশেষ শব্দের অর্থ প্রায়ই আসে। - সাহিত্যিক উদ্ধৃতির ক্ষেত্রে শব্দের আক্ষরিক অর্থের চেয়ে কাব্যিক ও ভাবার্থের ওপর বেশি নজর দিতে হবে।
a বুদ্ধদেব বসু
b দীনেশরঞ্জন দাশ
c সজনীকান্ত দাস
d প্রেমেন্দ্র মিত্র
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দীনেশরঞ্জন দাশ কেন সঠিক: - ১৯২৩ খ্রিস্টাব্দে প্রকাশিত বিখ্যাত 'কল্লোল' সাহিত্য পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন দীনেশরঞ্জন দাশ। - এই পত্রিকার মাধ্যমেই বাংলা সাহিত্যে কল্লোল যুগের সূচনা হয়েছিল। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিংশ শতাব্দীর বিশ ও ত্রিশের দশকে বাংলা সাহিত্যে আধুনিকতার যে হাওয়া লেগেছিল তার কেন্দ্রবিন্দু ছিল এই পত্রিকা। - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রভাব থেকে বেরিয়ে নতুন ধারার বাস্তববাদী সাহিত্য সৃষ্টির ক্ষেত্রে কল্লোল পত্রিকার ভূমিকা ছিল অপরিসীম। - কাজী নজরুল ইসলাম, অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত, বুদ্ধদেব বসুর মতো অনেক প্রথিতযশা সাহিত্যিক এই পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) বুদ্ধদেব বসু — তিনি কল্লোল পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং পরবর্তী সময়ে বিখ্যাত 'কবিতা' পত্রিকার সম্পাদক হয়েছিলেন। - B) সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। - C) সজনীকান্ত দাস — তিনি কল্লোল যুগের তীব্র সমালোচক ছিলেন এবং শনিবারের চিঠি পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে পরিচিত ছিলেন। - D) প্রেমেন্দ্র মিত্র — তিনি কল্লোল যুগের অন্যতম প্রধান সাহিত্যিক ও কবি হলেও এই পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন না। মনে রাখার টিপস: - কল্লোল মানে ঢেউ, আর দীনেশরঞ্জন দাশ এই সাহিত্য আন্দোলনের প্রথম জোয়ার এনেছিলেন।
a মাত্রাবৃত্ত
b অক্ষরবৃত্ত
c মুক্তক
d স্বরবৃত্ত
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) স্বরবৃত্ত ১. কেন সঠিক: মুক্তাক্ষর এক মাত্রা এবং বদ্ধাক্ষরও এক মাত্রা গণনা করা হয় স্বরবৃত্ত ছন্দে। এই ছন্দে ধ্বনির স্বাভাবিক উচ্চারণ গুরুত্ব পায় এবং প্রতি চরণে শব্দের ঝংকার বা লয় প্রধান থাকে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: স্বরবৃত্ত ছন্দকে ছড়া ছন্দ, দলবৃত্ত ছন্দ বা লৌকিক ছন্দ বলা হয়। এই ছন্দে শব্দের আদি অক্ষর প্রবলভাবে উচ্চারিত হয় এবং প্রতিটি অক্ষর এক মাত্রা হিসেবে গণ্য করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আম পাতা জোড়া জোড়া। ব্যাখ্যা: এখানে প্রতিটি মুক্তাক্ষর ও বদ্ধাক্ষর এক মাত্রা হিসেবে গণনা করা হয়েছে। উদাহরণ ২: খুকুমণি ছানা জলে দিল বানা। ব্যাখ্যা: এই লাইনেও অক্ষর সংখ্যা এবং মাত্রা গণনা স্বরবৃত্ত ছন্দের নিয়মে সম্পন্ন হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাত্রাবৃত্ত — এই ছন্দে মুক্তাক্ষর এক মাত্রা হলেও দীর্ঘ স্বরান্ত বদ্ধাক্ষর দুই মাত্রা হিসেবে গণনা করা হয়। B) অক্ষরবৃত্ত — এই ছন্দে মুক্তাক্ষর এক মাত্রা এবং শব্দের অন্তে অবস্থিত বদ্ধাক্ষর ছাড়া অন্য বদ্ধাক্ষর দুই মাত্রা পায়। C) মুক্তক — এটি প্রথাগত ছন্দের কাঠামোগত নাম নয়, বরং ছন্দমুক্ত রচনার একটি আধুনিক রূপ। D) স্বরবৃত্ত — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এই ছন্দের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণভাবে প্রযোজ্য ও নির্ভুল। ৫. মনে রাখার টিপস: স্বরবৃত্ত ছন্দে সব সমান অর্থাৎ মুক্তাক্ষর ও বদ্ধাক্ষর উভয়েই এক মাত্রা পায়। ছড়া বা লোকগীতিতে এই ছন্দের ব্যবহার সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা কাব্যে স্বরবৃত্ত ছন্দকে প্রাচীনতম ও বাংলার মাটিঘেঁষা ছন্দ হিসেবে ধরা হয়। বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ছন্দ ও মাত্রা গণনা থেকে প্রায়ই এই ধরনের প্রশ্ন আসে।
a দেশি উপসর্গযোগে
b বিদেশি উপসর্গযোগে
c সংস্কৃত উপসর্গযোগে
d কোনোটি নয়
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কোনোটি নয় ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত সঠিক উত্তর অনুযায়ী 'কদাকার' শব্দটি যে উপসর্গযোগে গঠিত, তা অপশনগুলোর মধ্যে নেই। - কারণ 'কদাকার' শব্দটি একটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ 'কদ' যোগে গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - যে শব্দাংশ বা শব্দমূল ধাতুর পূর্বে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে তাকে উপসর্গ বলে। - 'কদাকার' শব্দটির গঠন হলো কু বা কদ যোগ আকার, যেখানে 'কদ' একটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কদবেল ব্যাখ্যা: এটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ 'কদ' যোগে গঠিত একটি পরিচিত শব্দ। উদাহরণ ২: কদাকার ব্যাখ্যা: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী 'কদ' হলো একটি স্বতন্ত্র খাঁটি বাংলা উপসর্গ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দেশি উপসর্গযোগে — সঠিক উত্তর 'কদ' একটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ হলেও সাধারণত প্রমিত ব্যাকরণে খাঁটি বাংলা ও বিদেশি উপসর্গ আলাদা শ্রেণিতে ধরা হয়। B) বিদেশি উপসর্গযোগে — 'কদ' কোনো বিদেশি বা আরবি ফারসি উপসর্গ নয়, এটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ। C) সংস্কৃত উপসর্গযোগে — সংস্কৃত উপসর্গ মোট কুড়িটি, যার মধ্যে 'কদ' উপসর্গ অন্তর্ভুক্ত নয়। D) কোনোটি নয় — কদাকার শব্দটি খাঁটি বাংলা উপসর্গযোগে গঠিত হওয়ায় তা ওপরের কোনো অপশনের সঙ্গেই মিলছে না। ৫ মনে রাখার টিপস: - খাঁটি বাংলা উপসর্গ একুশটি মনে রাখার জন্য ছক মুখস্থ রাখলে এই ধরনের উপসর্গ সহজেই আলাদা করা যায়। - কদ, সু, নি, রাম ইত্যাদি বহুল ব্যবহৃত খাঁটি বাংলা উপসর্গ ভালো করে চর্চা করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই উপসর্গ চিহ্নিত করার প্রশ্ন আসে, তাই খাঁটি বাংলা ও সংস্কৃত উপসর্গের তালিকা ভালোভাবে পড়তে হবে। - শব্দের প্রকৃতি ও প্রত্যয় বা উপসর্গ নির্ণয়ের সময় শব্দের মূল অংশ আলাদা করে দেখতে হবে।
a তৃতীয় বর্ণ
b দ্বিতীয় ও চতুর্থ বর্ণ
c প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ণ
d দ্বিতীয় ও তৃতীয় বর্ণ
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দ্বিতীয় ও চতুর্থ বর্ণ কেন সঠিক: - বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণের বর্গের বর্ণগুলোর উচ্চারণের সময় বাতাসের আধিক্যের ওপর ভিত্তি করে মহাপ্রাণধ্বনি নির্ধারিত হয়। - বর্গের দ্বিতীয় ও চতুর্থ বর্ণ উচ্চারণের সময় মুখ দিয়ে অতিরিক্ত বাতাস বা দীর্ঘশ্বাস নির্গত হয় বলে এগুলো মহাপ্রাণধ্বনি। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা বর্ণমালায় ক থেকে ম পর্যন্ত পঁচিশটি স্পর্শ বর্ণ বা বর্গীয় বর্ণকে পাঁচটি বর্গে ভাগ করা হয়েছে। - প্রাণ শব্দের অর্থ বাতাস বা নিঃশ্বাস, আর মহা অর্থ বেশি। - উদাহরণস্বরূপ ক বর্গের ক (অল্পপ্রাণ) ও খ (মহাপ্রাণ), গ (অল্পপ্রাণ) ও ঘ (মহাপ্রাণ)। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) তৃতীয় বর্ণ — এটি অল্পপ্রাণধ্বনি ও ঘোষধ্বনির অন্তর্ভুক্ত। - B) দ্বিতীয় ও চতুর্থ বর্ণ — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। - C) প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ণ — প্রথম বর্ণ অল্পপ্রাণধ্বনি হওয়ায় এই অপশন ভুল। - D) দ্বিতীয় ও চতুর্থ বর্ণ — এটি সঠিক অপশন। মনে রাখার টিপস: - বিজোড় বর্ণগুলো (প্রথম ও তৃতীয়) অল্পপ্রাণ এবং জোড় বর্ণগুলো (দ্বিতীয় ও চতুর্থ) মহাপ্রাণধ্বনি।
a মীর মশাররফ হোসেনের
b ইসমাইল হোসেন সিরাজীর
c রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের
d কাজী নজরুল ইসলাম
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মীর মশাররফ হোসেনের ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত উদ্ধৃতিটি বাংলা গদ্যের অন্যতম পথিকৃৎ মীর মশাররফ হোসেনের রচনা থেকে গৃহীত হয়েছে। - মাতৃভাষার প্রতি প্রগাঢ় ভক্তি ও ভালোবাসার গুরুত্ব বোঝাতে তিনি এই চিরন্তন বাণীটি প্রদান করেছেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মীর মশাররফ হোসেন উনিশ শতকের বাঙালি ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক হিসেবে অত্যন্ত বিখ্যাত। - তাঁর সাহিত্যকর্মে স্বদেশপ্রেম, সমাজসংস্কার এবং মাতৃভাষার প্রতি অগাধ ভালোবাসার প্রতিফলন স্পষ্টভাবে লক্ষ্য করা যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিষাদ সিন্ধু ব্যাখ্যা: এটি মীর মশাররফ হোসেনের সর্বশ্রেষ্ঠ ঐতিহাসিক উপন্যাস যা কারবালার বিষাদময় ঘটনার ওপর ভিত্তি করে রচিত। উদাহরণ ২: জমিদার দর্পণ ব্যাখ্যা: এটি নীলকর সাহেবদের অত্যাচারের বিরুদ্ধে রচিত তাঁর একটি বিখ্যাত ও প্রতিবাদী নাটক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মীর মশাররফ হোসেনের — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি মাতৃভাষার প্রতি ভক্তি ও গুরুত্ব নিয়ে এই উক্তিটি করেছেন। B) ইসমাইল হোসেন সিরাজীর — ইনি একজন প্রখ্যাত মুসলিম সাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক হলেও এই নির্দিষ্ট উদ্ধৃতিটি তাঁর নয়। C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের — ইনি বিশ্বকবি ও নোবেলজয়ী সাহিত্যিক হলেও এই উদ্ধৃতিটি তাঁর রচনা থেকে নেওয়া হয়নি। D) কাজী নজরুল ইসলাম — ইনি বাংলাদেশের জাতীয় কবি হলেও এই উক্তিটি তাঁর কোনো বিখ্যাত রচনার অংশ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: মাতৃভাষার প্রতি ভক্তির কথা এলেই উনিশ শতকের শক্তিমান লেখক মীর মশাররফ হোসেনকে মনে রাখবে। তাঁর বিখ্যাত রচনাগুলোর সঙ্গে এই দেশপ্রেমমূলক উক্তিটি মিলিয়ে পড়লে সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভিন্ন লেখকের বিখ্যাত উক্তি প্রায়ই আসে। লেখক পরিচিতি পড়ার সময় তাঁদের বিখ্যাত প্রবাদতুল্য উক্তি ও বাণীগুলো আলাদা করে নোট করে রাখা ভালো।
a বঙ্কিমচন্দ্রের ‘বিষবৃক্ষ’
b রবীন্দ্রনাথের ‘চোখের বালি’
c বঙ্কিমচন্দ্রের ‘কপালকুণ্ডলা’
d রবীন্দ্রনাথের ‘যোগাযোগ’
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বঙ্কিমচন্দ্রের ‘কপালকুণ্ডলা’ ১. কেন সঠিক: - ‘প্রদীপ নিবিয়া গেল!’ বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত বিখ্যাত ও নাটকীয় উদ্ধৃতি যা বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম সার্থক রোমান্সধর্মী উপন্যাস ‘কপালকুণ্ডলা’-র একেবারে শেষাংশে ব্যবহৃত হয়েছে। - উপন্যাসের প্রধান চরিত্র নবকুমার ও কপালকুণ্ডলার ট্র্যাজিক বা শোচনীয় পরিণতির মাধ্যমে উপন্যাসটির সমাপ্তি ঘটে, যেখানে এই অমর পঙ্ক্তিটি কাহিনীর চরম পরিণতি নির্দেশ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের জনক এবং বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক হিসেবে পরিচিত। - ‘কপালকুণ্ডলা’ প্রকাশিত হয় ১৮৬৬ সালে, যা তাঁর দ্বিতীয় এবং একটি সার্থক রোমান্টিক উপন্যাস। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘দুর্গেশনন্দিনী’ উপন্যাস। ব্যাখ্যা: এটি ১৮৬৫ সালে প্রকাশিত বঙ্কিমচন্দ্রের প্রথম উপন্যাস এবং বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস। উদাহরণ ২: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘বিষবৃক্ষ’ উপন্যাস। ব্যাখ্যা: এটি ১৮৭৩ সালে প্রকাশিত বঙ্কিমচন্দ্রের একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস যা বিধবা বিবাহ ও পরকীয়া প্রেম নিয়ে রচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বঙ্কিমচন্দ্রের ‘বিষবৃক্ষ’ — এটি বঙ্কিমচন্দ্রের লেখা একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস হলেও এতে ‘প্রদীপ নিবিয়া গেল!’ উদ্ধৃতিটি নেই। B) রবীন্দ্রনাথের ‘চোখের বাপী’ বা ‘চোখের বালি’ — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস, যার সঙ্গে এই উদ্ধৃতির কোনো সম্পর্ক নেই। C) বঙ্কিমচন্দ্রের ‘কপালকুণ্ডলা’ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই উপন্যাসের শেষ বাক্যে বিখ্যাত ‘প্রদীপ নিবিয়া গেল!’ বর্ণনাটি রয়েছে। D) রবীন্দ্রনাথের ‘যোগাযোগ’ — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিশিষ্ট উপন্যাস, যা যৌথ পরিবারের ভাঙন ও মনস্তত্ত্ব নিয়ে রচিত এবং এই প্রশ্নের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বঙ্কিমচন্দ্রের রোমান্টিক উপন্যাস ‘কপালকুণ্ডলা’ মনে রাখার জন্য এর শেষ পরিণতি ও ‘প্রদীপ নিবিয়া গেল’ লাইনটি মাথায় রাখতে পারো। - বঙ্কিমচন্দ্রের প্রথম উপন্যাস ‘দুর্গেশনন্দিনী’ (১৮৬৫) এবং দ্বিতীয় উপন্যাস ‘কপালকুণ্ডলা’ (১৮৬৬) পাশাপাশি মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপন্যাসের বিখ্যাত উদ্ধৃতি প্রায়ই আসে, তাই গুরুত্বপূর্ণ উপন্যাসের শেষ বা শুরুর লাইনগুলো ভালোভাবে পড়তে হবে। - বঙ্কিমচন্দ্রের উপন্যাসগুলোর প্রকাশের সাল এবং ধরন (রোমান্টিক নাকি সামাজিক) ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a ব্রাহ্মণ্যযুগে নব মুসলিম ছিলেন বলে
b ইসলামের গুণকীর্তন করেছিলেন বলে
c প্রাচীন বাংলার বিদ্রোহী ছিলেন বলে
d প্রচলিত ধর্ম ও সংস্কার-বিদ্বেষী ছিলেন বলে
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রচলিত ধর্ম ও সংস্কার-বিদ্বেষী ছিলেন বলে ১. কেন সঠিক: - কাজী নজরুল ইসলাম তাঁর বিভিন্ন লেখা ও কবিতায় প্রচলিত গোঁড়ামি, অন্ধবিশ্বাস এবং সামাজিকভাবে চাপিয়ে দেওয়া কুসংস্কারের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন। - ইতিহাসে 'কালাপাহাড়' নামে পরিচিত ঐতিহাসিক চরিত্রটি মূলত সনাতন ধর্মীয় গোঁড়ামি ও মূর্তিপূজার তীব্র সমালোচক ও বিদ্রোহী হিসেবে পরিচিত ছিলেন, যা নজরুলের বিদ্রোহী চেতনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যে বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত এবং তাঁর সাহিত্যকর্মে সাম্যবাদ, দ্রোহ ও সংস্কারমুক্ত সমাজের ডাক পাওয়া যায়। - ঐতিহাসিক কালাপাহাড়ের আসল নাম রাজচন্দ্র বা করাপাহাড়, যিনি ষোড়শ শতাব্দীতে প্রচলিত ধর্মীয় অনুশাসন ও রক্ষণশীলতার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাজী নজরুল ইসলামের 'বিদ্রোহী' কবিতা। ব্যাখ্যা: এই কবিতায় কবি প্রচলিত সামাজিক শৃঙ্খল ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে নিজের আপসহীন ও বিদ্রোহী মনোভাব প্রকাশ করেছেন। উদাহরণ ২: কাজী নজরুল ইসলামের প্রবন্ধগ্রন্থ 'যুগবাণী'। ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থে কবি সমাজের প্রচলিত কুসংস্কার ও গোঁড়ামির বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনামূলক বক্তব্য তুলে ধরেছেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্রাহ্মণ্যযুগে নব মুসলিম ছিলেন বলে — এই তথ্যটি ঐতিহাসিক দিক থেকে সঠিক হলেও নজরুল তাঁকে এই কারণে স্মরণ করেননি, বরং তাঁর বিদ্রোহী সত্তাকে ফুটিয়ে তুলতে স্মরণ করেছেন। B) ইসলামের গুণকীর্তন করেছিলেন বলে — কালাপাহাড় ইসলাম ধর্মের গুণকীর্তন করেছিলেন এমন কোনো জোরালো ঐতিহাসিক প্রমাণ নেই, তাই এটি সঠিক নয়। C) প্রাচীন বাংলার বিদ্রোহী ছিলেন বলে — কালাপাহাড় মধ্যযুগের ব্যক্তিত্ব ছিলেন, প্রাচীন যুগের নন, তাই এই অপশনটি কালগতভাবে সঠিক নয়। D) প্রচলিত ধর্ম ও সংস্কার-বিদ্বেষী ছিলেন বলে — এটিই সঠিক কারণ কালাপাহাড় তৎকালীন প্রচলিত ধর্মীয় আচার ও সংস্কার ভেঙেছিলেন। ৫ মনে রাখার টিপস: - নজরুল বিদ্রোহী কবি ছিলেন, তাই তিনি বাংলা সাহিত্যে বা ইতিহাসে যেসব চরিত্র প্রচলিত সংস্কার ও গোঁড়ামি ভেঙেছেন, তাঁদের নিজের দ্রোহের প্রতীকে স্মরণ করেছেন। - কালাপাহাড় নামটির সঙ্গে সংস্কার ভাঙার বা বিদ্রোহী মনোভাবের ইতিহাস জড়িত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ঐতিহাসিক চরিত্রের সাহিত্যিক ব্যবহার বা রূপক অর্থে ব্যবহারের প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - বিদ্রোহী কবির কবিতায় ব্যবহৃত ঐতিহাসিক বা পৌরাণিক চরিত্রগুলোর অন্তর্নিহিত তাৎপর্য ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a আইন
b প্রথা
c শুল্ক
d রাজস্বনীতি
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্রথা ১. কেন সঠিক: - 'Custom' ইংরেজি শব্দটির বাংলা পরিভাষা হিসেবে 'প্রথা' শব্দটি সবচেয়ে উপযুক্ত ও সর্বজনগ্রাহ্য। - সমাজে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা আচার, আচরণ ও নিয়মকে প্রথা বলা হয়, যা ইংরেজি কাস্টম শব্দের সঠিক ভাবার্থ প্রকাশ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি পারিভাষিক শব্দ সম্পর্কিত প্রশ্ন। - বিদেশি শব্দ বা আন্তর্জাতিক পরিভাষার সঠিক ও মানসম্মত বাংলা রূপ তৈরি করার জন্য বাংলা একাডেমি কর্তৃক নির্ধারিত পরিভাষা ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: Social custom ব্যাখ্যা: এর সঠিক বাংলা পরিভাষা হলো সামাজিক প্রথা। উদাহরণ ২: Cultural custom ব্যাখ্যা: এর সঠিক বাংলা পরিভাষা হলো সাংস্কৃতিক প্রথা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আইন — আইন শব্দের ইংরেজি পরিভাষা হলো Law, যা রাষ্ট্রের দ্বারা অনুমোদিত বাধ্যতামূলক নিয়ম। B) প্রথা — এটি সঠিক উত্তর কারণ কাস্টম শব্দের সঙ্গে এর সরাসরি অর্থ মিলে যায়। C) শুল্ক — শুল্ক শব্দের ইংরেজি পরিভাষা হলো Custom বা Duty, তবে কাস্টমস বা বহুবচনে শুল্ক বোঝায়। D) রাজস্বনীতি — রাজস্বনীতি শব্দের ইংরেজি পরিভাষা হলো Fiscal Policy বা Revenue Policy। ৫. মনে রাখার টিপস: - কাস্টম মানেই সমাজে প্রচলিত অভ্যাস বা প্রথা। - শুল্ক বা ট্যাক্সের ক্ষেত্রে কাস্টমস শব্দটি বহুবচনে ব্যবহৃত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পারিভাষিক শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - আইন সংক্রান্ত পরিভাষা এবং সামাজিক পরিভাষাগুলোর পার্থক্য ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a হুমায়ুন আজাদ
b হেলাল হাফিজ
c আসাদ চৌধুরী
d রফিক আজাদ
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) হুমায়ুন আজাদ ১. কেন সঠিক: প্রশ্নটিতে একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়েছে। 'অলৌকিক ইস্টিমার' হলো বিশিষ্ট লেখক ও গবেষক হুমায়ুন আজাদের লেখা একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও আলোচিত কাব্যগ্রন্থ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: হুমায়ুন আজাদ ছিলেন বিংশ শতাব্দীর শেষভাগের অন্যতম প্রধান আধুনিক বাংলা কবি, ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক ও ভাষাবিবিজ্ঞানী। তাঁর কবিতায় বুদ্ধিবৃত্তিক চেতনা, দ্রোহ, রোমান্টিকতা এবং সমসাময়িক সমাজের নানা অসঙ্গতির বিরুদ্ধে শক্তিশালী প্রকাশ দেখা যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'সব কিছু নষ্টদের অধিকারেও যাবে' ব্যাখ্যা: এটি হুমায়ুন আজাদের লেখা আরেকটি অত্যন্ত বিখ্যাত ও জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ, যা তাঁর কাব্য প্রতিভার অনন্য নিদর্শন। উদাহরণ ২: 'জলপাই রঙের অন্ধকার' ব্যাখ্যা: এটিও হুমায়ুন আজাদের রচিত একটি সাড়া জাগানো কাব্যগ্রন্থ, যেখানে আধুনিক কবির মননশীলতা প্রকাশ পেয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হুমায়ুন আজাদ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই কাব্যগ্রন্থটি তাঁরই সৃষ্টি। B) হেলাল হাফিজ — এই কবি তাঁর 'যে জলে আগুন জ্বলে' কাব্যগ্রন্থের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত, তাই এটি সঠিক নয়। C) আসাদ চৌধুরী — তিনি একজন প্রখ্যাত বাঙালি কবি ও সাহিত্যিক, তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'বাতাস ১০১টি বেদনার আব্রু', যা এই প্রশ্নের সঙ্গে মেলে না। D) রফিক আজাদ — এই বিশিষ্ট কবি 'হাতে মাত্র কটি দিন' এবং 'সীমাবদ্ধ জলে সীমিত সবুজ' কাব্যগ্রন্থের জন্য পরিচিত, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: হুমায়ুন আজাদের কবিতা ও কাব্যগ্রন্থ মনে রাখতে ইস্টিমার শব্দটি মাথায় রাখতে পারো, কারণ তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থের নামই 'অলৌকিক ইস্টিমার'। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই হুমায়ুন আজাদের প্রথম কাব্যগ্রন্থ বা জনপ্রিয় বইগুলোর নাম জানতে চাওয়া হয়। লেখকের অন্যান্য বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলোর নামও ভালোভাবে দেখে যাওয়া উচিত।
a in
b on
c like
d of
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: সি) like কেন সঠিক: এখানে ‘feel like’ একটি সঠিক ফ্রেজ বা শব্দগুচ্ছ যার অর্থ কোনো কিছু করার ইচ্ছা বা আগ্রহ থাকা। বাক্যে বলা হয়েছে পরিবারের এই মৌসুমে ঘুরতে যাওয়ার কোনো ইচ্ছা নেই। বাকি অপশন কেন ভুল: এ) ইন — 'feel in' বলতে ইংরেজিতে কোনো অর্থপূর্ণ ফ্রেজ বা নিয়ম নেই। বি) অন — 'feel on' সঠিক কোনো অর্থ প্রকাশ করে না এবং ব্যাকরণগতভাবে বেমানান। সি) এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। ডি) অফ — 'feel of' কোনো নির্দিষ্ট ভাব প্রকাশ করে না এবং এখানে অর্থহীন। মনে রাখার টিপস: কোনো কাজের ইচ্ছা প্রকাশ করতে 'feel like' এর পরে ভার্বের সাথে আইএনজি যোগ হয়।
a 11 a.m
b 11 p.m
c 7 a.m
d 7 p.m
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: দৈনন্দিন জীবনের সাধারণ তথ্য ও ইংরেজি ইডিয়ম বা শব্দার্থ সঠিক উত্তর: A) 11 a.m কেন সঠিক: - 'Night owl' একটি প্রচলিত ইংরেজি ইডিয়ম বা ফ্রেজ, যার অর্থ এমন একজন ব্যক্তি যিনি রাত জাগেন এবং খুব ভোറും ঘুম থেকে ওঠেন না। - যেহেতু ক্যাসাড্রা একজন নাইট আউল, তাই তিনি স্বাভাবিকভাবেই অনেক বেলা করে অর্থাৎ সকাল এগারোটার দিকে ঘুম থেকে ওঠেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 11 a.m — এটি সঠিক উত্তর কারণ একজন নাইট আউল সাধারণত দুপুর বা সকালের দিকে দেরিতে ঘুম থেকে ওঠে। B) 11 p.m — এটি রাতের সময়, যা ঘুম থেকে ওঠার সময় হতে পারে না কারণ এটি ঘুমাতে যাওয়ার বা রাতের কার্যক্রমের সময়। C) 7 a.m — এটি সকালের খুব early বা সকাল সকাল সময়, যা নাইট আউলদের জীবনধারার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। D) 7 p.m — এটি সন্ধ্যার সময়, যা ঘুম থেকে ওঠার সময় হিসেবে অস্বাভাবিক এবং এটি মূলত রাতের কার্যক্রমের শুরু। মনে রাখার টিপস: Night owl অর্থ নিশাচর পাখি বা রাতজাগা মানুষ, তাই তারা ভোরে নয় বরং অনেক বেলা করে ঘুম থেকে ওঠে।
a The Epic
b The Comic
c The Occult
d the Tragic
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) The Occult কেন সঠিক: অকাল্ট বা অতিপ্রাকৃত বিষয়বস্তু কোনো কাব্যিক ঐতিহ্য বা ধারা নয়। এটি মূলত যাদুবিদ্যা, গুপ্তবিদ্যা বা রহস্যময় বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The Epic — এপিক বা মহাকাব্য একটি সুপরিচিত প্রাচীন কাব্যিক ঐতিহ্য। B) The Comic — কমেডি বা হাস্যরসাত্মক রচনা সাহিত্যের একটি প্রধান কাব্যিক ধারা। C) The Occult — এটি কোনো কাব্যিক ঐতিহ্য নয় বরং একটি রহস্যময় বিশ্বাসের ক্ষেত্র। D) the Tragic — ট্র্যাজেডি বা বিয়োগান্তক রচনা একটি দীর্ঘস্থায়ী কাব্যিক ঐতিহ্য। মনে রাখার টিপস: মহাকাব্য, কমেডি এবং ট্র্যাজেডি কবিতার মূল ধারা হলেও অকাল্ট হলো গুপ্তবিদ্যা যা কবিতার ঐতিহ্য নয়।
a personification
b onomatopoeia
c alliteration
d rhyme
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) alliteration কেন সঠিক: - Alliteration হলো এমন একটি সাহিত্যিক অলংকার, যেখানে পাশাপাশি বা কাছাকাছি থাকা শব্দগুলোর শুরুতে একই ব্যঞ্জনবর্ণের ধ্বনির পুনরাবৃত্তি ঘটে। - বিখ্যাত প্রবাদ Peter Piper picked a peck of pickled peppers এই বাক্যে P ধ্বনির পুনরাবৃত্তি অলিম্পিক বা alliteration এর চমৎকার উদাহরণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) personification — এটি এমন একটি অলংকার যেখানে নির্জীব বস্তু বা ধারণাকে মানবীয় গুণ বা অনুভূতিসম্পন্ন হিসেবে উপস্থাপন করা হয়। B) onomatopoeia — এটি এমন শব্দ যা কোনো নির্দিষ্ট ধ্বনির অনুকরণে তৈরি হয় যেমন কুকুরের ডাক বা পানির শব্দ। C) alliteration — এটি প্রদত্ত প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো ভিন্ন প্রেক্ষাপট প্রযোজ্য নয়। D) rhyme — এটি কবিতার চরণের শেষে বা নির্দিষ্ট ছন্দে শব্দের মিল থাকার প্রক্রিয়াকে নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: Alliteration শব্দের শুরুতেই A অক্ষর আছে এবং এটি বারবার শুরুর consonant sound বা ব্যঞ্জনবর্ণের ধ্বনি মেলানোর কাজ করে।
a Alliterative
b Sonnet form
c Iambic pentameter
d Dactylic Hexameter
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Iambic pentameter কেন সঠিক: উইলিয়াম শেক্সপিয়র তার অধিকাংশ নাটক লেখার জন্য আইয়াম্বিক পেন্টামিটার ছন্দ ব্যবহার করেছেন। এই ছন্দে প্রতিটি লাইনে দশটি করে সিলেবল থাকে যা মানুষের স্বাভাবিক কথা বলার ছন্দের খুব কাছাকাছি। এটি নাটকের চরিত্রগুলোর সংলাপকে আরও নাটকীয় এবং প্রাণবন্ত করে তোলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Alliterative — এটি প্রাচীন ইংরেজি কবিতার একটি রূপ যেখানে একই ধ্বনির পুনরাবৃত্তি ঘটে, যা শেক্সপিয়রের নাটকের প্রধান মাধ্যম ছিল না। B) Sonnet form — সনেট হলো চৌদ্দ লাইনের কবিতা লেখার একটি বিশেষ রূপ, যা শেক্সপিয়র নাটক লেখার জন্য ব্যবহার করেননি। C) Iambic pentameter — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Dactylic Hexameter — এটি প্রাচীন গ্রিক ও রোমান মহাকাব্যের ছন্দ, যা শেক্সপিয়র তার নাটকে ব্যবহার করতেন না। মনে রাখার টিপস: শেক্সপিয়রের নাটক মনে রাখতে আইয়াম্বিক পেন্টামিটার শব্দটির সাথে তার নাম সবসময় একসাথে মনে রাখবে।
a John Webster
b Ben Jonson
c Christopher Marlowe
d William Shakespeare
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Ben Jonson কেন সঠিক: বেন জনসন ইংরেজি সাহিত্যের একজন বিখ্যাত নাট্যকার এবং কবি ছিলেন। তিনি ১৬০৫ সালে এই বিখ্যাত কমেডি নাটকটি রচনা করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) John Webster — তিনি এই নাটকটি লেখেননি, বরং তিনি 'The Duchess of Malfi' নাটকের জন্য বিখ্যাত। B) Ben Jonson — এটি সঠিক উত্তর এবং তিনিই এই বিখ্যাত নাটকটির রচয়িতা। C) Christopher Marlowe — তিনি এই নাটকটি লেখেননি, তিনি মূলত 'Doctor Faustus' নাটকের জন্য পরিচিত। D) William Shakespeare — তিনি এই নাটকটি লেখেননি, তার বিখ্যাত নাটকগুলোর মধ্যে 'Hamlet' অন্যতম। মনে রাখার টিপস: বেন জনসনের নাম এলে তার বিখ্যাত কমেডি নাটক ভলপনে কথাটি মনে রাখবে।
a Thomas Gray
b P. B Shelley
c Robert Frost
d Y. B Yeats
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Thomas Gray কেন সঠিক: - এই বিখ্যাত কবিতাটি অষ্টাদশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ ইংরেজি কবি থমাস গ্রে-র রচনা। - গ্রামীণ পরিবেশ ও মৃত্যুর সার্বজনীন সত্য নিয়ে লেখা এই কবিতাটি ইংরেজি সাহিত্যর গ্রেভইয়ার্ড পোয়েট্রি ধারার অন্তর্গত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Thomas Gray — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ তিনি এই কবিতাটি রচনা করেছেন। B) P. B Shelley — তিনি রোমান্টিক যুগের কবি, যার বিখ্যাত রচনার মধ্যে ওড টু দ্য ওয়েস্ট উইন্ড অন্যতম। C) Robert Frost — তিনি বিংশ শতাব্দীর আধুনিক আমেরিকান কবি, যিনি প্রকৃতি ও মানবজীবন নিয়ে লেখার জন্য পরিচিত। D) Y. B Yeats — তিনি বিংশ শতাব্দীর আইরিশ কবি ও নাট্যকার, যিনি নোবেল পুরস্কার লাভ করেছিলেন। মনে রাখার টিপস: গ্রেভইয়ার্ড বা কবরস্থানের সঙ্গে মিল রেখে মনে রাখতে পারেন গ্রে (Gray) অর্থাৎ থমাস গ্রে।
a As You Like It
b Macbeth
c Tempest
d Othello
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Tempest কেন সঠিক: উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের এককভাবে লেখা সর্বশেষ বা শেষ নাটক হলো দ্য টেম্পেস্ট। এটি ষোল শ দশ বা ষোল শ এগারো সালে রচিত হয়েছিল এবং এতে তার নাট্যজীবনের সমাপ্তি প্রতিফলিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) As You Like It — এটি উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের একটি বিখ্যাত কমেডি নাটক যা তার কর্মজীবনের মধ্যভাগে রচিত হয়েছিল। B) Macbeth — এটি শেক্সপিয়ারের অন্যতম সেরা ট্র্যাজেডি নাটক যা তার রচনার মধ্যবর্তী সময়ে প্রকাশিত হয়েছিল। C) Tempest — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না। D) Othello — এটি শেক্সপিয়ারের একটি বিখ্যাত ট্র্যাজেডি যা তার জীবনের শেষভাগের নাটক নয়। মনে রাখার টিপস: শেক্সপিয়ারের শেষ নাটক মনে রাখতে দ্য টেম্পেস্ট নামটি মনে রাখবে কারণ এর অর্থ ঝড়ের সাথে তার নাট্যজীবনের অবসান বোঝায়।
a T. S Eliot
b W. B Yeats
c Mathew Arnold
d Robert Browning
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) T. S Eliot কেন সঠিক: জিয়রনশিয়ন কবিতাটি বিশ শতকের বিখ্যাত আধুনিকতাবাদী কবি টি এস এলিয়টের একটি অত্যন্ত পরিচিত সাহিত্যকর্ম। ১৯২০ সালে প্রকাশিত এই কবিতাটি আধুনিক যুগের মানুষের নৈতিক অবক্ষয় এবং আত্মিক শূন্যতার এক নিখুঁত চিত্র তুলে ধরে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) T. S Eliot — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। B) W. B Yeats — ডব্লিউ বি ইয়েটস এই কবিতার রচয়িতা নন, তিনি সেলটিক রেনেসাঁ এবং প্রতীকী কবিতার জন্য বেশি পরিচিত। C) Mathew Arnold — ম্যাথু আর্নল্ড ভিক্টোরিয়ান যুগের কবি, তাই আধুনিক যুগের এই কবিতার সাথে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই। D) Robert Browning — রবার্ট ব্রাউনিং নাট্যধর্মী একক অভিনয়ের কবিতা লিখলেও জিয়রনশিয়ন কবিতাটি তাঁর লেখা নয়। মনে রাখার টিপস: এলিয়টের আধুনিক মনন ও হতাশার ছাপ রয়েছে জিয়রনশিয়ন কবিতায়।
a toxic
b spurious
c harmless
d lethal
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) harmless কেন সঠিক: DELETERIOUS শব্দটির অর্থ ক্ষতিকর বা বিষাক্ত। Harmless শব্দের অর্থ অক্ষতিকর, যা এর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) toxic — এই শব্দটির অর্থ বিষাক্ত, যা মূল শব্দের সমার্থক। B) spurious — এই শব্দটির অর্থ জাল বা কৃত্রিম, যা মূল শব্দের সাথে সম্পর্কিত নয়। C) harmless — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। D) lethal — এই শব্দটির অর্থ মারাত্মক বা প্রাণঘাতী, যা মূল শব্দের সমার্থক। মনে রাখার টিপস: Delete শব্দ থেকে Deleterious মনে রাখতে পারো, যা কোনো কিছু মুছে বা নষ্ট করে অর্থাৎ ক্ষতিকর।
a A noun
b An adjective
c An adverb
d A verb
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) A noun কেন সঠিক: ১. এই শব্দটি বাক্যে সাবজেক্ট বা কর্তা হিসেবে বসেছে এবং উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের হ্যামলেট নাটকের এই বিখ্যাত লাইনে এটি একটি দুর্বলতা গুণবাচক নাম বোঝাচ্ছে। ২. সাধারণত কোনো শব্দের পূর্বে দি যুক্ত হলে এবং তার পরে অবজেক্ট বা নাম বোঝালে তা নাউন হিসেবে কাজ করে। ৩. এটি কোনো কাজের নাম বা দোষের নাম প্রকাশ করছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A noun — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। B) An adjective — এটি কোনো দোষ বা গুণের নাম বোঝালেও কোনো প্রোনাউন বা নাউনের দোষ গুণ অবস্থা সরাসরি প্রকাশ করছে না। C) An adverb — এটি কোনো ক্রিয়া বা ভার্বকে বিশেষিত করছে না বা সময় স্থান নির্দেশ করছে না। D) A verb — এটি দ্বারা কোনো কাজ করা বোঝায় না বরং এটি একটি বিমূর্ত নাম। মনে রাখার টিপস: যে শব্দ কোনো কিছুর নাম বোঝায় এবং বাক্যে সাবজেক্ট বা অবজেক্টের কাজ করে, তাকে নাউন বলে।
a sanction
b substitute
c stipulation
d directive
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) stipulation কেন সঠিক: ‘Proviso’ শব্দটির অর্থ হলো কোনো চুক্তি বা আইনের শর্ত বা বিশেষ বিধান। অন্যদিকে ‘stipulation’ শব্দের অর্থও হলো চুক্তি বা শর্ত, যা এর সাথে সবচেয়ে বেশি মিলে যায়। এটি মূল শব্দের সঠিক সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এটি বাক্যের অর্থের সাথে নিখুঁতভাবে মিলে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) sanction — এর অর্থ অনুমোদন বা শাস্তি, যা শর্ত বোঝায় না। B) substitute — এর অর্থ বিকল্প, যা মূল শব্দের অর্থের সাথে মেলে না। C) stipulation — এটি নিজেই সঠিক উত্তর। D) directive — এর অর্থ নির্দেশিকা, যা শর্ত বা বিধানের সমার্থক নয়। মনে রাখার টিপস: Proviso শব্দটি শুনলে মনে রাখবে চুক্তিপত্রে থাকা কোনো ছোট শর্ত বা stipulation এর কথা।
a A noun clause
b An adverbial clause
c An adjective clause
d None of the three
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) An adjective clause কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যে 'I lost' অংশটি তার ঠিক আগের নাউন 'book' কে মডিফাই করছে বা এর দোষগুণ প্রকাশ করছে। - Relative pronoun 'that' উহ্য রেখে গঠিত এই clause-টি একটি Adjective-এর কাজ করায় এটি Adjective clause. বাকি অপশন কেন ভুল: A) A noun clause — এটি বাক্যে কোনো Noun-এর কাজ করছে না বা Verb-এর Object বা Subject হিসেবে বসেনি। B) An adverbial clause — এটি স্থান, সময়, কারণ বা শর্ত বোঝাচ্ছে না এবং Verb-কে বিশেষায়িত করছে না। C) An adjective clause — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক হওয়ায় এটি সঠিক অপশন হিসেবে বিবেচিত। D) None of the three — যেহেতু C নম্বর অপশনটি সঠিক, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: যে subordinate clause কোনো Noun বা Pronoun-কে মডিফাই করে Adjective-এর কাজ করে, তাকেই Adjective clause বলে।
a A noun phrase
b An adjective phrase
c An infinitive phrase
d An adverbial phrase
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) An adverbial phrase কেন সঠিক: বাক্যের মূল verb কে কীভাবে বা কোন উপায়ে কাজটি সম্পন্ন হলো তা বোঝাচ্ছে। এখানে with all sincerity phrase টি কাজের ধরন প্রকাশ করায় এটি Adverbial phrase হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A noun phrase — এটি বাক্যে কোনো noun এর কাজ করছে না এবং subject বা object হিসেবেও বসেনি। B) An adjective phrase — এটি কোনো noun বা pronoun কে বিশেষিত বা modify করছে না। C) An infinitive phrase — এর শুরুতে কোনো to নেই এবং verb এর base form ও এখানে ব্যবহৃত হয়নি। D) এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যের verb কে কীভাবে বা কেন প্রশ্ন করলে যে phrase পাওয়া যায়, তাই adverbial phrase।
a A strong point
b A weak point
c A permanent solution
d A serious idea
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) A weak point কেন সঠিক: গ্রিক পুরাণের বীর অ্যাকিলিসকে তাঁর মা শৈশবে নদীর জলে ডুবিয়েছিলেন যাতে তাঁর গায়ে কোনো অস্ত্র আঘাত করতে না পারে। কিন্তু যে গোড়ালি দিয়ে তাঁকে ধরে রাখা হয়েছিল, তা জলে ভেজা না থাকায় সেটিই তাঁর একমাত্র দুর্বল জায়গা হয়ে রয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A strong point — এটি অ্যাকিলিসের গোড়ালির পৌরাণিক গল্পের সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। C) A permanent solution — এই বাক্যাংশটির সাথে কোনো স্থায়ী সমাধানের ঐতিহাসিক বা আক্ষরিক সম্পর্ক নেই। D) A serious idea — এটি কোনো গুরুতর চিন্তাভাবনা বোঝাতে ব্যবহার করা হয় না, এটি মানুষের দুর্বলতা বোঝায়। মনে রাখার টিপস: অ্যাকিলিসের গোড়ালি মানেই মানুষের জীবনের এমন একটি গোপন দুর্বলতা যা দিয়ে তাকে সহজে ঘায়েল করা যায়।
a Watch out for falling animals.
b Make sure you take an umbrella.
c Keep your pets inside.
d Keep the windows open.
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Make sure you take an umbrella. কেন সঠিক: বাক্যে raining cats and dogs একটি প্রবাদ যার অর্থ খুব জোরে বৃষ্টি হচ্ছে। তাই বৃষ্টির হাত থেকে রক্ষা পেতে বাইরে যাওয়ার সময় অবশ্যই ছাতা নেওয়া উচিত। এই পরিস্থিতিতে ছাতা ব্যবহার করাই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Watch out for falling animals — raining cats and dogs অর্থ সত্যি সত্যি আকাশ থেকে বিড়াল বা কুকুর পড়া নয়, এটি একটি বৃষ্টির তীব্রতা বোঝানোর বাগধারা। B) Make sure you take an umbrella — এটি সঠিক উত্তর কারণ খুব বৃষ্টি হলে ছাতা ব্যবহার করতে হয়। C) Keep your pets inside — পোষা প্রাণীদের ভেতরে রাখার কথা বললেও মূলত এখানে বৃষ্টির তীব্রতা এবং মানুষের সুরক্ষার বিষয়টি প্রধান। D) Keep the windows open — প্রচণ্ড বৃষ্টির মধ্যে জানালা খোলা রাখলে ঘরের ভেতর পানি ঢুকে ঘর ভিজে যাবে। মনে রাখার টিপস: raining cats and dogs দেখলে বুঝবে মুষলধারে বৃষ্টি হচ্ছে এবং তখন ছাতার কথা মাথায় রাখবে।
a eating all types of food
b eating only fruits
c eating only meat
d eating grass and plants only
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) eating all types of food কেন সঠিক: ‘Omnivorous’ শব্দটির বাংলা অর্থ সর্বভুক বা সব ধরণের খাবার খায় যে প্রাণী। এর মূল অংশ ‘omni’ অর্থ সব এবং ‘vorare’ অর্থ খাওয়া। তাই সব ধরনের খাবার খাওয়া বোঝাতে এই অপশনটি সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) eating all types of food — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। B) eating only fruits — এটি শুধু ফল খাওয়া বোঝায়, যা সর্বভুক বোঝাতে ব্যবহার করা যায় না। C) eating only meat — এটি শুধু মাংস খাওয়া বোঝায়, যাকে মাংসাশী বলা হয়। D) eating grass and plants only — এটি শুধু ঘাস ও উদ্ভিদ খাওয়া বোঝায়, যাকে তৃণভোজী বলা হয়। মনে রাখার টিপস: ‘Omni’ অর্থ সব এবং ‘vor’ অর্থ খাওয়া, তাই সব খাবার খায় যে তা মনে রেখো।
a a
b an
c the
d no article is needed
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) a কেন সঠিক: - শূন্যস্থানের পরের শব্দ 'one-eyed' এর শুরুতে 'o' থাকা সত্ত্বেও উচ্চারণের সময় এটি বাংলার ব্যঞ্জনবর্ণ 'ওয়' (W) এর মতো শোনায়। - উচ্চারণের শুরুতে স্বরবর্ণের ধ্বনি না থেকে ব্যঞ্জনবর্ণের ধ্বনি থাকায় এর পূর্বে 'an' না বসে 'a' বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a — এটি সঠিক উত্তর কারণ শব্দের শুরুতে consonant sound বা ব্যঞ্জনবর্ণের উচ্চারণ থাকলে article হিসেবে 'a' বসে। B) an — এটি ভুল কারণ শব্দের শুরুতে vowel থাকলেও তার উচ্চারণ যদি স্বরবর্ণের মতো না হয়ে ব্যঞ্জনবর্ণের মতো হয়, তবে 'an' বসে না। C) the — এটি ভুল কারণ এখানে নির্দিষ্ট কোনো একচক্ষু বিশিষ্ট ব্যক্তিকে বোঝানো হয়নি, বরং যেকোনো একজন সাধারণ মানুষকে বোঝানো হয়েছে। D) no article is needed — এটি ভুল কারণ countable singular noun বা গণনযোগ্য একবচন বিশেষ্য পদ একা বসতে পারে না, তার পূর্বে article বসাতে হয়। মনে রাখার টিপস: শব্দে vowel (a, e, i, o, u) থাকলেও যদি তার উচ্চারণ 'ওয়' (w) বা 'ইউ' (y) এর মতো হয়, তবে তার পূর্বে 'an' না বসিয়ে সব সময় 'a' বসাতে হবে।
a had it mended
b had it mend
c did it mend
d had mended
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) had it mended কেন সঠিক: বাক্যটিতে অন্য কাউকে দিয়ে কাজ করিয়ে নেওয়ার অর্থ প্রকাশ পেয়েছে। তাই এখানে Causative Verb হিসেবে have এর পাস্ট ফর্ম had এবং object এর পর Past Participle ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সঠিক উত্তর — এটি সঠিক Causative গঠন মেনে চলেছে। B) had it mend — ভুল কারণ এখানে verb এর base form রয়েছে, যা past participle হওয়া প্রয়োজন ছিল। C) did it mend — ভুল কারণ এটি সাধারণ Past Indefinite Tense এর গঠন, যা এখানে অর্থের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। D) had mended — ভুল কারণ এখানে Passive অর্থ প্রকাশ করতে mended এর আগে একটি object (it) থাকা আবশ্যক ছিল। মনে রাখার টিপস: নিজের কাজ নিজে না করে অন্যকে দিয়ে করালে Subject + have/get + Object + Verb-এর Past Participle ফর্ম বসে।
a Lord Byron
b P. B Shelley
c S. T Coleridge
d Charles Lamb
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) S. T Coleridge কেন সঠিক: এটি ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম বিখ্যাত একটি আত্মজীবনীমূলক ও সাহিত্য সমালোচনামূলক গ্রন্থ যা উনিশ শতকে প্রকাশিত হয়েছিল। প্রখ্যাত কবি ও সাহিত্য সমালোচক স্যামুয়েল টেলর কোলরিজ এই গ্রন্থটির রচয়িতা। এটি মূলত সাহিত্য তত্ত্ব এবং দার্শনিক আলোচনার জন্য বিশ্বজুড়ে সমাদৃত। এই বইটিতে কবির নিজস্ব সাহিত্যিক জীবন এবং মতবাদ সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Lord Byron — তিনি রোমান্টিক যুগের একজন প্রখ্যাত কবি হলেও এই সমালোচনামূলক গ্রন্থটি লেখেননি। B) P. B Shelley — তিনি রোমান্টিক ধারার বিখ্যাত কবি ও নাট্যকার হলেও এই বিখ্যাত গদ্য গ্রন্থটির রচয়িতা নন। C) S. T Coleridge — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। D) Charles Lamb — তিনি একজন জনপ্রিয় প্রাবন্ধিক ও সাহিত্যিক হলেও এই গ্রন্থটি তার রচনা নয়। মনে রাখার টিপস: কোলরিজের নামের সাথে বায়োগ্রাফিয়া লিটারারিয়া মনে রাখতে 'সি' বর্ণটি দিয়ে কোলরিজ এবং সমালোচনা মনে রাখতে পারো।
a Quartet
b Limerick
c Sixtet
d Haiku
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Limerick কেন সঠিক: Limerick হলো এক ধরনের মজার কবিতা যা ঠিক পাঁচ লাইনের হয়। এই কবিতাগুলোর একটি নির্দিষ্ট ছন্দের নিয়ম এবং হাসির রস থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Quartet — এই শব্দটি চার লাইনের যেকোনো কবিতাকে বোঝায়। B) Limerick — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) Sixtet — এই শব্দটি ছয় লাইনের কবিতাকে নির্দেশ করে। D) Haiku — এটি তিন লাইনের একটি ঐতিহ্যবাহী জাপানি কবিতা। মনে রাখার টিপস: পাঁচ লাইনের মজার কবিতাকে লিমেরিক বলা হয়।
a A gerund
b A participle
c An infinitive
d A finite verb
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: খ) A participle কেন সঠিক: এখানে enlightening শব্দটি Education নাউন সম্পর্কে অতিরিক্ত তথ্য দিচ্ছে এবং বাক্যে এডজেক্টিভের কাজ করছে। ভার্ব যখন একই সাথে ভার্ব এবং এডজেক্টিভের কাজ করে, তখন তাকে পার্টিসিপল বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: ক) A gerund — জেরাল্ড সবসময় নাউনের কাজ করে, কিন্তু এখানে শব্দটি এডজেক্টিভ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। খ) A participle — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। গ) A infinitive — ইনফিনিটিভ হতে হলে শব্দের আগে টু থাকতে হয়, যা এখানে নেই। ঘ) A finite verb — এটি মূল বা সমাপিকা ক্রিয়া নয়, কারণ এটি বাক্যের প্রধান কাজের নিয়ন্ত্রণ করে না। মনে রাখার টিপস: ভার্ব যখন আইএনজি যুক্ত হয়ে এডজেক্টিভের কাজ করে, তখন চোখ বন্ধ করে তাকে পার্টিসিপল দাগাবে।
a By whom was the tree planted here?
b Who the tree had been planted hereby?
c The tree was planted here by whom?
d By whom had the tree been planted here?
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) By whom was the tree planted here? কেন সঠিক: Active বাক্যে Who থাকলে Passive করার সময় তা পরিবর্তন হয়ে By whom হয়। বাক্যটি Past Indefinite Tense এ থাকায় সাহায্যকারী ভার্ব হিসেবে was ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) By whom was the tree planted here? — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) Who the tree had been planted hereby? — এখানে টেন্স ভুল দেওয়া হয়েছে এবং সাহায্যকারী ভার্বের গঠন সঠিক নয়। C) The tree was planted here by whom? — এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক প্রশ্নবোধক গঠন হয়নি। D) By whom had the tree been planted here? — এখানে Past Perfect Tense ব্যবহার করা হয়েছে যা মূল বাক্যের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: Active বাক্যে Who থাকলে Passive করার শুরুতে By whom বসাতে হয় এবং টেন্স অনুযায়ী সঠিক সাহায্যকারী ভার্ব নিতে হয়।
a unexpected
b tempting
c disappointing
d ordinary
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) tempting কেন সঠিক: alluring শব্দের অর্থ আকর্ষণীয় বা লোভনীয়, যা মানুষের মনোযোগ সহজে কেড়ে নেয়। tempting শব্দের অর্থও প্রলোভনসাকুল বা আকর্ষণীয়, যা চাকরির নতুন অফারের ক্ষেত্রে নিখুঁতভাবে মিলে যায়। এই দুটি শব্দের ভাবার্থ একই হওয়ায় অপশন বি সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) unexpected — এর অর্থ অপ্রত্যাশিত, যা alluring শব্দের অর্থের সাথে মেলে না। B) tempting — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) disappointing — এর অর্থ হতাশাজনক, যা আকর্ষণীয় শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত। D) ordinary — এর অর্থ সাধারণ, যা আকর্ষণীয় বা লোভনীয় পদের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: Alluring শুনলেই অলংকার বা সুন্দর কিছুর কথা মনে রাখবে, যা মানুষকে টানে বা Tempt করে।
a a noun
b an adverb
c an adjective
d none of the three
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) an adverb কেন সঠিক: এখানে 'vigilantly' শব্দটি বাক্যের মূল verb 'sat'-কে বিশেষিত বা modify করছে। কীভাবে বসেছিল তা বুঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a noun — এটি কোনো ব্যক্তি, বস্তু বা গুণের নাম বোঝাচ্ছে না, তাই এটি noun হতে পারে না। B) an adverb — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। C) an adjective — এটি কোনো noun বা pronoun-কে দোষ, গুণ বা অবস্থা বোঝাচ্ছে না, তাই এটি adjective নয়। D) none of the three — সঠিক উত্তরটি অপশনে থাকায় এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: যেসব শব্দের শেষে ly থাকে এবং তারা verb-কে বিশেষিত করে, সেগুলো সাধারণত adverb হয়।
a changed
b removed
c joined
d shortened
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) joined কেন সঠিক: - 'Append' শব্দটির অর্থ হলো কোনো কিছুর সঙ্গে যুক্ত করা, সংযুক্ত করা বা পরিশিষ্ট হিসেবে যোগ করা। - বাক্যে প্রতিবেদনের সঙ্গে একটি চার্ট যুক্ত করা বোঝাতে 'appended' শব্দটির সঠিক অর্থ হিসেবে 'joined' ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) changed — এর অর্থ পরিবর্তিত করা, যা মূল শব্দ 'appended' এর অর্থ বা সংযুক্তি ধারণার সঙ্গে মিল নেই। B) removed — এর অর্থ অপসারণ করা বা ফেলে দেওয়া, যা সংযুক্তি বোঝানোর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। C) joined — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ সংযুক্ত করা, যা 'appended' শব্দের সমার্থক। D) shortened — এর অর্থ সংক্ষিপ্ত করা, যা কোনো কিছু যোগ করার ধারণার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: Append শব্দটিকে Pend (ঝুলা বা যুক্ত করা) এর সঙ্গে মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন, যার অর্থ কোনো রিপোর্টের সঙ্গে অতিরিক্ত কিছু ঝুলিয়ে দেওয়া বা যুক্ত করা।
a Since a stone is rolling, it gathers no moss.
b Though a stone rolls, it gathers no moss.
c A stone what rolls gathers no moss.
d A stone that rolls, gathers no moss.
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) A stone that rolls, gathers no moss. কেন সঠিক: প্রদত্ত simple sentence-এর present participle অংশকে relative pronoun ব্যবহার করে complex-এ রূপান্তর করতে হয়। এখানে that relative pronoun যুক্ত clauseটি একটি adjective clause হিসেবে কাজ করে সঠিক অর্থ প্রকাশ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Since a stone is rolling, it gathers no moss. — এটি একটি cause and effect সম্পর্ক তৈরি করেছে, যা মূল বাক্যের ভাবার্থের সাথে মেলে না। B) Though a stone rolls, it gathers no moss. — এটি বিপরীতার্থক বা concession অর্থ প্রকাশ করেছে, যা মূল প্রবাদের মূল ভাবের সম্পূর্ণ বিপরীত। C) A stone what rolls gathers no moss. — এখানে what relative pronoun ব্যবহারের নিয়মটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক বা প্রযোজ্য নয়। D) এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: Simple sentence-এর participle অংশকে complex করার সময় that বা who যুক্ত adjective clause ব্যবহার করতে হয়।
a All of it depend on you
b All of it are depending on you
c All of it depends on you
d All of it are depended on you
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) All of it depends on you কেন সঠিক: বাক্যের শুরুতে All of it থাকলে it হলো singular pronoun। তাই এর পরের verb ও singular হবে এবং সাথে s বা es যুক্ত হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) All of it depend on you — এখানে depend হলো plural verb, যা singular subject-এর সাথে বসে না। B) All of it are depending on you — এখানে are depending ব্যবহার করা হয়েছে, যা অর্থ ও গঠনগত দিক থেকে সঠিক নয়। C) All of it depends on you — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়। D) All of it are depended on you — এখানে are depended ব্যবহার করা হয়েছে, যা passive voice-এর ভুল গঠন। মনে রাখার টিপস: All-এর পর uncountable noun বা pronoun থাকলে verb সবসময় singular হয়।
a formulae
b agenda
c oases
d radius
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) radius কেন সঠিক: radius শব্দটির শেষে us আছে এবং এটি একটি একবচন বা singular noun. এর বহুবচন বা plural রূপ হলো radii. বাকি অপশন কেন ভুল: A) formulae — এটি formula শব্দের বহুবচন রূপ যার শেষটি ae দিয়ে গঠিত। B) agenda — এটি agendum শব্দের বহুবচন রূপ এবং এর শেষে a আছে। C) oases — এটি oasis শব্দের বহুবচন রূপ যেখানে es ব্যবহৃত হয়েছে। D) radius — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি নিজেই singular বা একবচন শব্দ। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি শব্দে us থাকলে সাধারণত তা singular হয় এবং ae বা i থাকলে plural হয়।
a Microphone
b Wireless
c Electricity
d Wire
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Wireless কেন সঠিক: টেলিফোন যোগাযোগের ক্ষেত্রে ক্যাবল বা তার ব্যবহার করা হয়। ঠিক তেমনই রেডিও যোগাযোগের ক্ষেত্রে কোনো তার বা ক্যাবল লাগে না, যা মূলত ওয়্যারলেস বা বেতার প্রযুক্তির মাধ্যমে কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Microphone — এটি শব্দকে বৈদ্যুতিক সিগন্যালে রূপান্তর করার একটি যন্ত্র, যা রেডিওর মূল যোগাযোগের মাধ্যম নয়। B) Wireless — এটি সঠিক কারণ রেডিও তার ছাড়া বা বেতার প্রযুক্তির মাধ্যমে তথ্য আদান প্রদান করে। C) Electricity — এটি সব বৈদ্যুতিক যন্ত্রের জন্যই কমবেশি প্রয়োজন, তাই এটি সুনির্দিষ্ট সাদৃশ্য প্রকাশ করে না। D) Wire — টেলিফোনে তার ব্যবহৃত হলেও রেডিও সম্পূর্ণ তারবিহীন প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত হয়। মনে রাখার টিপস: টেলিফোন চলে ক্যাবল বা তারের সাহায্যে আর রেডিও চলে তারবিহীন বা ওয়্যারলেস প্রযুক্তির মাধ্যমে।
a Charles Dickens
b Herman Melville
c Earnest Hemingway
d Thomas Hardy
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Earnest Hemingway কেন সঠিক: - ‘The Sun Also Rises’ আমেরিকার বিখ্যাত ঔপন্যাসিক আর্নেস্ট হেমিংওয়ের প্রথম এবং অন্যতম শ্রেষ্ঠ উপন্যাস। - এই উপন্যাসে প্রথম বিশ্বযুদ্ধোত্তর প্রজন্মের হতাশা ও বিভ্রান্ত জীবন ফুটিয়ে তোলা হয়েছে, যা লস্ট জেনারেশন নামে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Charles Dickens — তিনি ভিক্টোরিয়ান যুগের ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক, যার বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে এ টেল অব টু সিটিজ। B) Herman Melville — তিনি বিখ্যাত আমেরিকান ঔপন্যাসিক, যিনি বিশ্বখ্যাত 'মবি ডিক' উপন্যাসের জন্য সর্বাধিক পরিচিত। C) Earnest Hemingway — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। D) Thomas Hardy — তিনি একজন প্রখ্যাত ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক ও কবি, যিনি টেক্স অব দ্য উর্বিলস রচনা করেছেন। মনে রাখার টিপস: হেমিংওয়ের নামের সাথে 'সান' বা সূর্য শব্দটি যুক্ত করে মনে রাখতে পারো, কারণ তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস হলো 'দ্য সান অলসো রাইজেস'।
a 1560
b 1660
c 1760
d 1866
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৬৬০ কেন সঠিক: ইংরেজি সাহিত্যে ১৬৬০ সালকে রিস্টোরেশন পিরিয়ড বা পুনরুত্থানকাল বলা হয় কারণ এই বছরে রাজা দ্বিতীয় চার্লস ইংল্যান্ডের সিংহাসনে পুনরায় আরোহণ করেন। এর মাধ্যমে দীর্ঘ Puritan শাসনের অবসান ঘটে এবং রাজতন্ত্র ও নাট্যচর্চা আবার ফিরে আসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৫৬০ — এটি রিস্টোরেশন পিরিয়ড নয়, কারণ তখন এলিজাবেথীয় যুগের শুরুর সময়কাল চলছিল। B) ১৬৬০ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) ১৭৬০ — এটি রিস্টোরেশন পিরিয়ড নয়, বরং এটি অষ্টাদশ শতাব্দীর মাঝামাঝি জর্জিয়ান যুগের সময়কাল। D) ১৮৬৬ — এটি রিস্টোরেশন পিরিয়ড নয়, কারণ এটি ভিক্টোরিয়ান যুগের মাঝামাঝি একটি বছর। মনে রাখার টিপস: ১৬৬০ সালে রাজা ফিরে আসেন এবং সাহিত্য আবার চালু হয়, তাই সালটি মনে রাখা খুব সহজ।
a metaphor
b simile
c alliteration
d personification
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) simile কেন সঠিক: ১. এই অলংকারটিতে সাধারণত দুইটি সম্পূর্ণ ভিন্ন জাতির বস্তুর মধ্যে তুলনা করা হয়। ২. তুলনা করার সময় বাক্যে বিশেষ শব্দ হিসেবে 'like' অথবা 'as' ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) metaphor — এটি এমন একটি তুলনা যেখানে 'like' বা 'as' ব্যবহার না করে সরাসরি এক বস্তুকে অন্য বস্তু বলে ঘোষণা করা হয়। B) simile — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল হিসেবে প্রযোজ্য নয়। C) alliteration — এটি শব্দের শুরুতে একই ব্যঞ্জনবর্ণের পুনরাবৃত্তি বোঝায়, যা কোনো তুলনার সাথে সম্পর্কিত নয়। D) personification — এটি জড়বস্তু বা ধারণাকে মানুষের গুণ বা মানবসত্তা দেওয়ার সাথে যুক্ত, তুলনার সাথে নয়। মনে রাখার টিপস: simile শব্দটিতে 'like' বা 'as' থাকে এবং এটি সরাসরি মিল বোঝায়।
a John Milton
b S. T. Coleridge
c John Keats
d Lord Byron
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) John Keats কেন সঠিক: - কবি পার্সি বিশি শেলি (P. B. Shelley) তার বন্ধু ও সহকবি জন কিটসের (John Keats) অকাল মৃত্যুতে এই বিখ্যাত শোককাব্য বা এলিজি রচনা করেন। - এটি ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ একটি প্যাস্টোরাল এলিজি হিসেবে গণ্য করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) John Milton — জন মিল্টনের মৃত্যুতে শেলি নয়, বরং ম্যাথু আর্নল্ড বা অন্য কবিরা শোকগাথা লিখেছেন এবং মিল্টন নিজে এডওয়ার্ড কিংয়ের স্মরণে 'লিসিডাস' লিখেছিলেন। B) S. T. Coleridge — কোলরিজের মৃত্যুতে শেলি এই কবিতা লেখেননি, কারণ কোলরিজ শেলির মৃত্যুর পরেও বেঁচে ছিলেন। C) John Keats — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়। D) Lord Byron — লর্ড বায়রণের মৃত্যুতে শেলি 'হেলাস' বা অন্যান্য শোকবার্তা লিখলেও 'অ্যাডোনাইস' বিশেষভাবে জন কিটসের জন্যই রচিত। মনে রাখার টিপস: শেলি (Shelley) ও কিটস (Keats) উভয়ই রোমান্টিক যুগের কবি, তাই শেলির লেখা এলিজিটি কিটসের মৃত্যুর স্মরণে রচিত হয়েছে এভাবে মনে রাখা যায়।
a Ring
b Handkerchief
c Pendant
d Bangles
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Handkerchief কেন সঠিক: শেকসপিয়ারের ওথেলো নাটকে ওথেলো তার ভালোবাসার নিদর্শন হিসেবে ডেসডিমোনাকে একটি রুমাল উপহার দিয়েছিলেন। এই বিশেষ রুমালটি পরবর্তীতে নাটকের মূল ট্রাজেডি তৈরি করতে প্রধান অনুঘটক হিসেবে কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Ring — নাটকের কাহিনীতে ওথেলো ডেসডিমোনাকে ভালোবাসার প্রতীক হিসেবে কোনো আংটি উপহার দেননি। B) Handkerchief — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) Pendant — নাটকের কোথাও ওথেলোর পক্ষ থেকে ডেসডিমোনাকে কোনো লকেট বা পেন্ডেন্ট উপহার দেওয়ার উল্লেখ নেই। D) Bangles — ওথেলো এবং ডেসডিমোনা নাটকের মূল কাহিনীতে চুড়ি আদান প্রদানের কোনো ঘটনা ঘটেনি। মনে রাখার টিপস: ওথেলো নাটকে রুমাল বা হ্যান্ডকারচিফ হলো বিশ্বাসের প্রতীক, যা হারানোর মাধ্যমেই সব সন্দেহের শুরু হয়।
a Romantic
b Victorian
c Modern
d Elizabethan
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Victorian কেন সঠিক: রবার্ট ব্রাউনিং ছিলেন ঊনবিংশ শতাব্দীর একজন বিখ্যাত ইংরেজ কবি, যা মূলত ভিক্টোরিয়ান যুগের অন্তর্ভুক্ত। তিনি তার অনন্য নাট্যসুলভ একক কবিতা বা ড্রামাটিক মনোলোগের জন্য সে যুগে বিশেষভাবে পরিচিতি লাভ করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Romantic — রোমান্টিক যুগ মূলত ভিক্টোরিয়ান যুগের ঠিক আগের সময়কালকে নির্দেশ করে এবং উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ এই ধারার কবি ছিলেন। B) Victorian — এই অপশনটি সঠিক কারণ ব্রাউনিং এই যুগেরই অন্যতম প্রধান এবং প্রভাবশালী প্রতিনিধি ছিলেন। C) Modern — আধুনিক যুগ শুরু হয়েছে বিংশ শতাব্দীতে, যা রবার্ট ব্রাউনিংয়ের জীবনকাল ও সাহিত্যকর্মের সময়ের অনেক পরে। D) Elizabethan — এলিজাবেথান যুগ ষোড়শ থেকে সপ্তদশ শতাব্দীর মধ্যবর্তী সময়কে বোঝায়, যা ব্রাউনিংয়ের সময় থেকে বহূ শতাব্দী প্রাচীন। মনে রাখার টিপস: রবার্ট ব্রাউনিংয়ের নাট্যসুলভ কবিতাগুলো ভিক্টোরিয়ান যুগের সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক জটিলতা সুন্দরভাবে তুলে ধরে।
a Vital
b Thin
c Careful
d Dangerous
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Thin কেন সঠিক: ‘TENUOUS’ শব্দটির অর্থ হলো অত্যন্ত দুর্বল, ক্ষীণ, পাতলা বা কম শক্তিশালী। এর সাথে মিল রেখে সঠিক সমার্থক শব্দ হিসেবে ‘Thin’ নির্বাচন করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Vital — এই শব্দটির অর্থ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বা জীবনরক্ষাকারী, যা ‘Tenuous’ শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) Thin — এই অপশনটি সঠিক কারণ এর অর্থ পাতলা বা ক্ষীণ, যা মূল শব্দের সমার্থক। C) Careful — এই শব্দটির অর্থ সাবধান বা সতর্ক, যা প্রদত্ত শব্দের অর্থের সাথে মেলে না। D) Dangerous — এই শব্দটির অর্থ বিপজ্জনক, যা মূল শব্দের অর্থ প্রকাশ করে না। মনে রাখার টিপস: টেনিস (Tennis) খেলার সময় অনেক সময় বল চিকন বা দুর্বল রেখার ওপর পড়ে, এভাবে TENUOUS অর্থ পাতলা বা ক্ষীণ মনে রাখা যায়।
a ভিটামিন ই
b ভিটামিন কে
c ভিটামিন বি কমপ্লিক্স
d ভিটামিন এ
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ভিটামিন বি কমপ্লিক্স ১. কেন সঠিক: চা পাতায় ভিটামিন বি গ্রুপের বেশ কিছু উপাদান যেমন ভিটামিন বি ওয়ান এবং ভিটামিন বি টু বা রিবোফ্লাভিন প্রাকৃতিকভাবে বিদ্যমান থাকে। ভিটামিন বি কমপ্লিক্স পানিতে দ্রবণীয় হওয়ায় চা তৈরির সময় গরম পানিতে এর কিছু অংশ সহজেই মিশে যায়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: চা পাতা বা ক্যামেলিয়া সাইনেনসিস উদ্ভিদের পাতায় বিভিন্ন ধরনের খনিজ ও ভিটামিন সংরক্ষিত থাকে যা মানবদেহের পুষ্টিতে ভূমিকা রাখে। কার্যপ্রণালি: চা পাতা ফোটানো পানিতে দেওয়ার পর তাপের কারণে পাতার কোষ প্রাচীর ভেঙে ভেতরের দ্রবণীয় ভিটামিন ও পুষ্টি উপাদান পানিতে চলে আসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সকালে এক কাপ চা পান করা ক্লান্তি দূর করতে সাহায্য করে। ব্যাখ্যা: চায়ে থাকা ভিটামিন বি কমপ্লিক্স শরীরের শক্তি উৎপাদনে এবং বিপাক ক্রিয়া সচল রাখতে সহায়তা করে। উদাহরণ ২: অতিরিক্ত চা পান করলে বুক ধড়ফড় করতে পারে। ব্যাখ্যা: অতিরিক্ত ক্যাফেইন স্নায়ুতন্ত্রকে অতিরিক্ত উদ্দীপিত করে, যদিও এতে ভিটামিন বি কমপ্লিক্সের পুষ্টিগুণও কিছুটা থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভিটামিন ই — এটি ফ্যাট বা চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিন যা চা পাতায় থাকে না বরং উদ্ভিজ্জ তেল ও বাদামে বেশি পাওয়া যায়। B) ভিটামিন কে — এটি রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে এবং সবুজ শাকসবজিতে থাকে, চা পাতায় এর উপস্থিতি প্রধান ভিটামিন হিসেবে বিবেচিত হয় না। C) ভিটামিন বি কমপ্লিক্স — এটি সঠিক উত্তর কারণ চা পাতায় পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন বি কমপ্লেক্সের উপস্থিতি পরীক্ষিত। D) ভিটামিন এ — এটি ক্যারোটিনয়েড থেকে আসে এবং গাজর বা মিষ্টি আলুতে প্রচুর পরিমাণে থাকে, চা পাতায় এটি প্রধান পুষ্টি উপাদান নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: চা পাতা পানিতে ভিজিয়ে পান করা হয় এবং ভিটামিন বি কমপ্লিক্স হলো পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন। এই মিলটি মনে রাখলে সহজে সঠিক উত্তরটি মনে রাখা সম্ভব হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: চা পাতায় ক্যাফেইন এবং ট্যানিন নামক গুরুত্বপূর্ণ রাসায়নিক উপাদানও থাকে যা উদ্দীপক হিসেবে কাজ করে। বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই খাদ্য ও পুষ্টি উপাদান থেকে এ ধরনের প্রশ্ন আসে।
a ৪০-৫০ ভাগ
b ৬০-৭০ ভাগ
c ৮০-৯০ ভাগ
d ৩০-২৫ ভাগ
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৮০-৯০ ভাগ ১. কেন সঠিক: প্রাকৃতিক গ্যাস হলো মূলত বিভিন্ন হালকা হাইড্রোকার্বনের একটি মিশ্রণ যা ভূগর্ভে খনির ভেতর জমা থাকে। এই মিশ্রণের প্রধান উপাদান হলো মিথেন, যার পরিমাণ সাধারণত শতকরা ৮০ থেকে ৯০ ভাগ হয়ে থাকে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: প্রাকৃতিক গ্যাস হলো জীবাশ্ম জ্বালানি। কার্যপ্রণালি: ভূগর্ভস্থ জীবাশ্ম থেকে উচ্চ চাপে এটি আহরণ করা হয়। বাস্তব প্রয়োগ: রান্নার কাজে এবং বিদ্যুৎ উৎপাদনে এটি জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাসাবাড়িতে রান্নার চুলায় যে গ্যাস ব্যবহার করা হয় তা প্রাকৃতিক গ্যাস। ব্যাখ্যা: এর মূল উপাদান মিথেন সহজে জ্বলে তাপশক্তি উৎপন্ন করে। উদাহরণ ২: সিএনজি চালিত যান চলাচল। ব্যাখ্যা: প্রাকৃতিক গ্যাসকে সংকুচিত করে যানবাহনের জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪০-৫০ ভাগ — এটি প্রাকৃতিক গ্যাসে মিথেনের সঠিক পরিমাণ নয়। এই পরিমাণটি প্রাকৃতিক গ্যাসের উপাদানের সঙ্গে মেলে না। B) ৬০-৭০ ভাগ — এই পরিমাণটি মিথেনের মূল পরিমাণের চেয়ে কম। প্রাকৃতিক গ্যাসে এর চেয়ে বেশি পরিমাণে মিথেন থাকে। C) ৮০-৯০ ভাগ — এটি প্রাকৃতিক গ্যাসে মিথেনের সঠিক শতকরা হার। তাই এটি সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়। D) ৩০-২৫ ভাগ — এই সংখ্যাটি শতকরা হারের নিয়মের দিক থেকে ভুল এবং অসংগত। এটি মিথেনের প্রকৃত পরিমাণের অনেক নিচে অবস্থান করে। ৫ মনে রাখার টিপস: প্রাকৃতিক গ্যাসে মিথেনের পরিমাণ মনে রাখতে আ থেকে স এই অক্ষর দুটি মনে রাখতে পারো। আ দিয়ে আশির ঘরে এবং স দিয়ে নব্বইয়ের ঘরে শতকরা পরিমাণ বোঝায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান কী, এই প্রশ্নটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। মিথেনের পাশাপাশি এতে ইথেন ও প্রোপেনও সামান্য পরিমাণে থাকে।
a মেরু অঞ্চলে
b বিষুব অঞ্চলে
c পাহাড়ের ওপর
d পৃথিবীর কেন্দ্রে
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মেরু অঞ্চলে ১. কেন সঠিক: - পৃথিবীর আকৃতি সম্পূর্ণ গোল নয়, এটি কমলালেবুর মতো মেরু অঞ্চলে কিছুটা চাপা এবং বিষুব অঞ্চলে কিছুটা স্ফীত। - কেন্দ্র থেকে মেরু অঞ্চলের দূরত্ব কম হওয়ায় সেখানে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান বেশি হয় এবং ওজনের সূত্র অনুযায়ী ওজনও বেশি হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: কোনো বস্তুর ভর নির্দিষ্ট থাকলেও অবস্থানের পরিবর্তনের কারণে তার ওপর অভিকর্ষজ ত্বরণের মান পরিবর্তিত হওয়ায় ওজনের তারতম্য ঘটে। - সূত্র বা তত্ত্ব: ওজন ডব্লিউ সমান ভর গুণ অভিকর্ষজ ত্বরণ, অর্থাৎ ডব্লিউ সমান এম গুণ জি। এখানে এম হলো বস্তুর ভর এবং জি হলো অভিকর্ষজ ত্বরণ। - কারণ ও ফলাফল: পৃথিবীর ব্যাসার্ধ মেরু অঞ্চলে কম হওয়ায় মহাকর্ষীয় টানের মান বৃদ্ধি পায়, যার ফলে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান সর্বোচ্চ হয় এবং বস্তুর ওজনও সর্বাধিক হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মেরু অঞ্চলে কোনো যন্ত্রের সাহায্যে কোনো বস্তুর পরিমাপ করলে যে মান পাওয়া যাবে, বিষুব অঞ্চলে নিয়ে গেলে সেই মান কিছুটা কম দেখাবে। ব্যাখ্যা: অবস্থানের পরিবর্তনের ফলে জি এর মানের তারতম্য ঘটায় বস্তুর প্রকৃত ভরের কোনো পরিবর্তন না হলেও তার ওজনে এই তারতম্য দেখা যায়। উদাহরণ ২: একজন মানুষের ওজন যদি উত্তর মেরুতে পরিমাপ করা হয়, তবে বিষুব অঞ্চলে তার ওজন সামান্য কম অনুভূত হবে। ব্যাখ্যা: পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে দূরত্বের তারতম্যের কারণে অভিকর্ষজ ত্বরণ ভিন্ন হওয়ায় ওজনের এই পরিবর্তন ঘটে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মেরু অঞ্চলে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে পৃথিবীর ব্যাসার্ধ সবচেয়ে কম এবং অভিকর্ষজ ত্বরণের মান সবচেয়ে বেশি। B) বিষুব অঞ্চলে — এই অঞ্চলে পৃথিবীর ব্যাসার্ধ সবচেয়ে বেশি হওয়ায় অভিকর্ষজ ত্বরণের মান সর্বনিম্ন হয়, ফলে এখানে বস্তুর ওজন সবচেয়ে কম হয়। C) পাহাড়ের ওপর — পাহাড়ের ওপর বা ভূপৃষ্ঠ থেকে উঁচুতে উঠলে কেন্দ্র থেকে দূরত্ব বৃদ্ধি পায়, যার ফলে অভিকর্ষজ ত্বরণ ও ওজন উভয়ই হ্রাস পায়। D) পৃথিবীর কেন্দ্রে — পৃথিবীর কেন্দ্রে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান শূন্য হয়ে যায়, তাই সেখানে বস্তুর ওজনও শূন্য হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - মেরু মানে ছোট দূরত্ব, তাই জি বেশি আর ওজনও বেশি। বিষুব মানে চওড়া বা বেশি দূরত্ব, তাই জি কম এবং ওজনও কম। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। পৃথিবীর কেন্দ্র এবং বিষুব অঞ্চলে ওজনের তারতম্য সম্পর্কিত প্রশ্নও এখান থেকে কমন পাওয়া যায়।
a ফিশন
b মেসন
c ফিউশন
d ফিউশন ও মেসন
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ফিশন ১. কেন সঠিক: নিউক্লিয়াসের বিভাজন বলতে একটি ভারী পরমাণুর নিউক্লিয়াস ভেঙে প্রায় সমমানের দুটি হালকা নিউক্লিয়াসে পরিণত হওয়ার প্রক্রিয়াকে বোঝায়। এই প্রক্রিয়ায় প্রচুর শক্তি উৎপন্ন হয় এবং এই ধারণার ওপর ভিত্তি করেই পারমাণবিক বোমা ও পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র তৈরি করা হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: নিউক্লীয় ফিশন হলো এমন একটি পারমাণবিক প্রক্রিয়া যেখানে একটি ভারী পরমাণুর নিউক্লিয়াস নিউট্রন দ্বারা আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে দুটি ছোট নিউক্লিয়াসে বিভক্ত হয়। কার্যপ্রণালি: ইউরেনিয়াম ২৩৫ আইসোটোপের ওপর একটি ধীর গতির নিউট্রন আঘাত হানলে এটি অস্থির হয়ে দুটি খণ্ডে বিভক্ত হয় এবং সাথে ৩টি নতুন নিউট্রন ও প্রচুর তাপশক্তি নির্গত হয়। বাস্তব প্রয়োগ: পারমাণবিক চুল্লিতে এই ফিশন বিক্রিয়া নিয়ন্ত্রিতভাবে ঘটিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয় এবং পারমাণবিক অস্ত্র তৈরিতে এর অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র। ব্যাখ্যা: এখানে ইউরেনিয়াম ফিশন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ তাপশক্তি উৎপন্ন করা হয়, যা দিয়ে পানি ফুটিয়ে বাষ্প তৈরি করে টারবাইন ঘোরানো হয়। উদাহরণ ২: পারমাণবিক বোমা বিস্ফোরণ। ব্যাখ্যা: এটি একটি অনিয়ন্ত্রিত ফিশন বিক্রিয়া, যেখানে মুহূর্তের মধ্যে কোটি কোটি ইউরেনিয়াম পরমাণু ভেঙে ধ্বংসাত্মক শক্তি ও তাপ উৎপন্ন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফিশন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি নিউক্লিয়াসের বিভাজন প্রক্রিয়াকে নির্দেশ করে। B) মেসন — এটি পারমাণবিক কণার একটি নাম, যা প্রোটন ও নিউট্রনকে একসাথে বেঁধে রাখতে সাহায্য করে এবং এটি কোনো বিভাজন প্রক্রিয়া নয়। C) ফিউশন — এটি নিউক্লিয়াসের বিভাজন নয়, বরং দুটি হালকা নিউক্লিয়াস মিলিত হয়ে একটি ভারী নিউক্লিয়াস গঠনের প্রক্রিয়া। D) ফিউশন ও মেসন — ফিউশন হলো সংযোজন এবং মেসন হলো কণা, তাই এই অপশনটি সম্পূর্ণ ভুল। ৫ মনে রাখার টিপস: ফিশন মানে ভেঙে যাওয়া বা খণ্ডিত হওয়া এবং ফিউশন মানে যুক্ত হওয়া বা জোড়া লাগা, এই দুটি শব্দের পার্থক্য মনে রাখলেই বিভ্রান্তি দূর হবে। ইউরেনিয়ামের নিউক্লিয়াস ভেঙে ছোট হয় বলেই একে ফিশন বলা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সূর্য ও নক্ষত্রসমূহের শক্তির উৎস হলো নিউক্লীয় ফিউশন, আর পারমাণবিক চুল্লির শক্তির উৎস হলো নিউক্লীয় ফিশন। এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই শক্তি ও পরমাণু অধ্যায় থেকে আসে।
a হাইড্রোজেন
b অক্সিজেন
c ক্লোরিন
d ব্রোমিন
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) হাইড্রোজেন ১. কেন সঠিক: - যে পদার্থ রাসায়নিক বিক্রিয়ায় ইলেকট্রন গ্রহণ করে তাকে জারক পদার্থ বলে, কিন্তু হাইড্রোজেন ইলেকট্রন গ্রহণ করে না বরং ত্যাগ করে বিজারক হিসেবে কাজ করে। - জারক পদার্থ নিজে বিজারিত হয় এবং অন্য পদার্থকে জারিত করে, অথচ হাইড্রোজেন সাধারণত অন্য মৌলকে বিজারিত করে থাকে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: জারণ হলো ইলেকট্রনের বর্জন এবং বিজারণ হলো ইলেকট্রনের গ্রহণ। জারক পদার্থ ইলেকট্রন গ্রহণ করে আর বিজারক পদার্থ ইলেকট্রন ত্যাগ করে। - কার্যপ্রণালি: রাসায়নিক বিক্রিয়ায় হাইড্রোজেন পরমাণু তার যোজ্যতা ইলেকট্রন ত্যাগ করে ধনাত্মক আয়নে পরিণত হয়, যা বিজারণ প্রক্রিয়ার বিপরীত। - বাস্তব প্রয়োগ: শিল্পক্ষেত্রে ধাতব অক্সাইড থেকে ধাতু নিষ্কাশনে হাইড্রোজেনকে শক্তিশালী বিজারক হিসেবে ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কপার অক্সাইডের সাথে হাইড্রোজেনের বিক্রিয়া। ব্যাখ্যা: উত্তপ্ত কপার অক্সাইডের উপর দিয়ে হাইড্রোজেন গ্যাস চালনা করলে হাইড্রোজেন অক্সিজেন কে কেড়ে নিয়ে জল উৎপন্ন করে এবং কপার ধাতু মুক্ত হয়, যা হাইড্রোজেনের বিজারক ধর্মের প্রমাণ। উদাহরণ ২: বনस्पति তেল থেকে বনস্পতি ঘি প্রস্তুতকরণ। ব্যাখ্যা: অসম্পৃক্ত ফ্যাট বা তেল হাইড্রোজেনের সাথে যুক্ত হয়ে সম্পৃক্ত ফ্যাট তৈরি করে, যেখানে হাইড্রোজেন নিজে জারিত হয় এবং তেলকে বিজারিত করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাইড্রোজেন — এটি জারক নয় বরং একটি সবল বিজারক পদার্থ কারণ এটি বিক্রিয়ায় ইলেকট্রন দান করে। B) অক্সিজেন — এটি একটি তীব্র জারক পদার্থ যা অন্য পদার্থ থেকে ইলেকট্রন গ্রহণ করে জারণ ঘটায়। C) ক্লোরিন — এটি শক্তিশালী হ্যালোজেন জারক যা সহজেই ইলেকট্রন গ্রহণ করে ক্লোরাইড আয়নে পরিণত হয়। D) ব্রোমিন — এটিও একটি সক্রিয় জারক পদার্থ যা হ্যালোজেন গ্রুপের অন্তর্ভুক্ত এবং ইলেকট্রন আকর্ষী। ৫ মনে রাখার টিপস: - জারক মানে ইলেকট্রন গ্রহীতা আর বিজারক মানে ইলেকট্রন দাতা। হাইড্রোজেন সব সময় ইলেকট্রন দিতে ভালোবাসে তাই এটি বিজারক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - পর্যায় সারণির হ্যালোজেন গ্রুপ বা অধাতুগুলো সাধারণত ভালো জারক হয়। - এই প্রশ্ন থেকে পরীক্ষাতে প্রায়ই বিজারক পদার্থ কোনটি বা জারণ বিজারণ সম্পর্কিত এমসিকিউ প্রশ্ন আসে।
a কাচের তৈরি ঘর
b সবুজ আলোর আলোকিত ঘর
c সবুজ ভবনের নাম
d সবুজ গাছপালা
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কাচের তৈরি ঘর ১. কেন সঠিক: গ্রিনহাউজ মূলত শীতপ্রধান দেশে গাছপালা বাঁচানোর জন্য তৈরি কাচের ঘর। কাচের বিশেষ বৈশিষ্ট্যের কারণে এটি ভেতরের তাপমাত্রা ধরে রাখতে পারে এবং উদ্ভিদকে রক্ষা করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: কাচ দৃশ্যমান আলোকে ভেতরে প্রবেশ করতে দেয় কিন্তু তাপ আটকে রাখে। কার্যপ্রণালি: সূর্যের সংক্ষিপ্ত তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো কাচ ভেদ করে ভেতরে ঢোকে এবং মাটি দ্বারা শোষিত হয়। কারণ ও ফলাফল: মাটি উত্তপ্ত হয়ে দীর্ঘ তরঙ্গদৈর্ঘ্যের তাপ বিকিরণ করে যা কাচ ভেদ করে বাইরে যেতে পারে না। বাস্তব প্রয়োগ: শীতপ্রধান দেশে এই নীতির সাহায্যে নিয়ন্ত্রিত তাপমাত্রায় সারা বছর শাকসবজি চাষ করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শীতপ্রধান দেশের কাচের ঘর। ব্যাখ্যা: এটি তীব্র শীতেও সূর্যের তাপ আটকে ঘরের ভেতরে গ্রীষ্মের মতো অনুকূল পরিবেশ তৈরি করে। উদাহরণ ২: রোদের মধ্যে বন্ধ রাখা গাড়ি। ব্যাখ্যা: গাড়ির কাচ ভেদ করে সূর্যালোক ঢুকে ভেতরে তাপ আটকে ফেলে, ফলে গাড়িটি বাইরের চেয়ে অনেক বেশি গরম হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাচের তৈরি ঘর — এটি সঠিক কারণ গ্রিনহাউজ আক্ষরিক ও বৈজ্ঞানিকভাবে কাচ বা স্বচ্ছ উপাদানের তৈরি ঘর। B) সবুজ আলোর আলোকিত ঘর — সবুজ আলোর সাথে গ্রিনহাউজের কোনো সম্পর্ক নেই, এটি উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণ সম্পর্কিত। C) সবুজ ভবনের নাম — সবুজ ভবন বা গ্রিন বিল্ডিং বলতে পরিবেশবান্ধব ও শক্তি সাশ্রয়ী ভবন বোঝায়। D) সবুজ গাছপালা — গাছপালা গ্রিনহাউজে চাষ করা হয়, কিন্তু গাছপালা নিজে গ্রিনহাউজ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: গ্রিন শব্দের অর্থ সবুজ এবং হাউজ অর্থ ঘর হলেও, এটি মূলত তাপ ধরে রাখার জন্য কাচের ঘর। শীতপ্রধান দেশে কাচঘর তাপ আটকে গাছ বাঁচায়, এই মূলনীতিটি মনে রাখলেই উত্তর নিশ্চিত করা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: গ্রিনহাউজ ইফেক্ট বা বিশ্ব উষ্ণায়নের প্রধান কারণ কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাস। একই ধারণা থেকে পরীক্ষায় আসতে পারে গ্রিনহাউজে কাচ কোন ধরনের তাপ আটকে রাখে।
a হাইপো-থাইরয়ডিজম
b রাতকানা
c এনিমিয়া
d কোয়াশিয়রকর
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) হাইপো-থাইরয়ডিজম ১. কেন সঠিক: - সামুদ্রিক মাছ ও শৈবালে প্রচুর পরিমাণে আয়োডিন থাকে যা থাইরয়েড হরমোন তৈরিতে সরাসরি সাহায্য করে। - শরীরে আয়োডিনের ঘাটতি দূর হলে থাইরয়েড গ্রন্থির কার্যকারিতা স্বাভাবিক থাকে এবং হাইপো-থাইরয়ডিজম রোগ প্রতিরোধ করা যায়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: হাইপো-থাইরয়ডিজম হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে থাইরয়েড গ্রন্থি পর্যাপ্ত পরিমাণ হরমোন উৎপাদন করতে পারে না। - কার্যপ্রণালি: থাইরয়েড হরমোন তৈরির জন্য আয়োডিন একটি অপরিহার্য উপাদান যা খাদ্যের মাধ্যমে শরীর গ্রহণ করে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের সামুদ্রিক মাছ খাওয়ার অভ্যাস থাকায় তাদের মাঝে আয়োডিনের অভাবজনিত রোগ কম দেখা যায়। ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে যে সামুদ্রিক খাবার শরীরের খনিজ উপাদানের চাহিদা পূরণে সরাসরি ভূমিকা পালন করে। উদাহরণ ২: আয়োডিনযুক্ত লবণ ও সামুদ্রিক শৈবাল গ্রহণে থাইরয়েড গ্রন্থির আকার স্বাভাবিক থাকে। ব্যাখ্যা: এটি দেখায় যে সুষম খাদ্যের মাধ্যমে গ্রন্থির রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাইপো-থাইরয়ডিজম — সঠিক উত্তর কারণ এটি আয়োডিনের ঘাটতিজনিত রোগ যা সামুদ্রিক মাছ ও শৈবাল খেলে কমে যায়। B) রাতকানা — ভিটামিন এ এর অভাবে এই রোগ হয় এবং এর সঙ্গে সামুদ্রিক মাছের আয়োডিনের সরাসরি সম্পর্ক নেই। C) এনিমিয়া — রক্তের হিমোগ্লোবিনের অভাবে এই রোগ হয় যা মূলত আয়রন বা লৌহের ঘাটতির সঙ্গে সম্পর্কিত। D) কোয়াশিয়রকর — খাদ্যে আমিষ বা প্রোটিনের তীব্র অভাবে শিশুদের এই পুষ্টিহীনতা জনিত রোগ হয়ে থাকে। ৫. মনে রাখার টিপস: - সমুদ্র মানেই লবণাক্ত পানি এবং সেখানে থাকা শৈবাল ও মাছে ভরপুর থাকে আয়োডিন। - আয়োডিনের অভাবে থাইরয়েড সমস্যা হয়, তাই সামুদ্রিক খাবার খেলেই হাইপো-থাইরয়ডিজম দূর হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - থাইরয়েড গ্রন্থির প্রধান কাজ হলো শরীরের বিপাকক্রিয়া বা মেটাবলিজম নিয়ন্ত্রণ করা। - গলগণ্ড বা গয়টার রোগও আয়োডিনের অভাবেই হয়ে থাকে যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
a ২৮০ m/s
b ০
c ৩৩২ m/s
d ১১২০ m/s
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ০ ১. কেন সঠিক: শব্দ একটি যান্ত্রিক তরঙ্গ, যা সঞ্চালনের জন্য মাধ্যম বা কণার কম্পন প্রয়োজন হয়। শূন্য মাধ্যম বা বায়ুশূন্য স্থানে কোনো কণা বা জড় মাধ্যম থাকে না, তাই শব্দ সেখানে চলতে পারে না। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: শব্দ এক প্রকার শক্তি যা সঞ্চালিত হওয়ার জন্য কঠিন, তরল বা বায়বীয় মাধ্যমের ওপর নির্ভর করে। মাধ্যম ছাড়া শব্দ তরঙ্গ এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যেতে পারে না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মহাশূন্যে মহাকাশচারীরা রেডিও বা বেতার তরঙ্গের সাহায্যে কথা বলেন কারণ সেখানে বায়ু না থাকায় সরাসরি শব্দ শোনা যায় না। ব্যাখ্যা: মহাশূন্য শূন্য মাধ্যম হওয়ায় মুখের কথা বাতাসে ছড়ায় না, তাই যন্ত্রের মাধ্যমে শব্দকে তড়িৎ চুম্বকীয় তরঙে রূপান্তর করে পাঠাতে হয়। উদাহরণ ২: একটি বায়ুশূন্য কাচ পাত্রের ভেতরে বৈদ্যুতিক ঘণ্টা বাজালে বাইরে থেকে শব্দ শোনা যায় না। ব্যাখ্যা: জারের ভেতর বাতাস বা কোনো মাধ্যম না থাকায় কম্পন কণার মাধ্যমে বাইরে আসতে পারে না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৮০ m/s — এটি কোনো নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় শব্দের স্বাভাবিক বেগ নয়, তাই এটি ভুল। B) ০ — এটি সঠিক কারণ শূন্য মাধ্যমে শব্দের বেগ শূন্য মিটার প্রতি সেকেন্ড। C) ৩৩২ m/s — এটি শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় বাতাসে শব্দের বেগ, শূন্য মাধ্যমে নয়। D) ১১২০ m/s — এটি ফুট এককে বাতাসে শব্দের প্রায় কাছাকাছি মান, শূন্য মাধ্যমের বেগ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: শূন্য মাধ্যম মানে মাধ্যম নাই, আর মাধ্যম না থাকলে শব্দও নাই। তাই শূন্য মাধ্যমের ক্ষেত্রে শব্দের মান সবসময় শূন্য হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: শব্দ সঞ্চালনের জন্য মাধ্যম আবশ্যক এবং কঠিন মাধ্যমে শব্দের বেগ সবচেয়ে বেশি। তাপমাত্রা বাড়লে বাতাসে শব্দের বেগ প্রতি ডিগ্রি সেলসিয়াসে শূন্য দশমিক ছয় মিটার প্রতি সেকেন্ড বৃদ্ধি পায়।
a যান্ত্রিকশক্তিকে তাপশক্তিতে রূপান্তর
b তাপশক্তিকে যান্ত্রিকশক্তিতে রূপান্তর
c বিদ্যুৎশক্তিকে যান্ত্রিকশক্তিতে রূপান্তর
d তাপশক্তিকে বিদ্যুৎশক্তিতে রূপান্তর
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) তাপশক্তিকে যান্ত্রিকশক্তিতে রূপান্তর ১. কেন সঠিক: তাপ ইঞ্জিন হলো এমন একটি যন্ত্র যা তাপশক্তিকে কাজে পরিণত করে তা থেকে যান্ত্রিক কাজ বা গতিশক্তি উৎপন্ন করে। এই প্রক্রিয়ায় উচ্চ তাপমাত্রার উৎস থেকে তাপ গ্রহণ করে এবং কাজের একটি অংশ সম্পন্ন করে বাকি তাপ নিম্ন তাপমাত্রার পরিবেশে বর্জন করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: তাপগতিবিদ্যার প্রথম ও দ্বিতীয় সূত্র অনুসারে তাপশক্তিকে সম্পূর্ণভাবে কাজে রূপান্তর করা সম্ভব নয়, তবে এর একটি অংশ যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। কার্যপ্রণালি: ইঞ্জিনের ভেতরে জ্বালানি পুড়িয়ে বা অন্য কোনো উপায়ে তাপ উৎপন্ন করা হয় এবং সেই তাপের প্রভাবে গ্যাসের প্রসারণ ঘটিয়ে পিস্টন বা চাকাকে ঘোরানো হয়। বাস্তব প্রয়োগ: গাড়ির ইঞ্জিন বা রেলগাড়ির ইঞ্জিন তাপশক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করে গাড়ি সামনে এগিয়ে নেয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পেট্রোল বা ডিজেল ইঞ্জিন চালিত মোটরগাড়ি। ব্যাখ্যা: ইঞ্জিনের ভেতরে জ্বালানি পোড়ার ফলে উৎপন্ন তাপশক্তি পিস্টনকে সচল করে এবং চাকা ঘুরিয়ে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করে। উদাহরণ ২: বাষ্পীয় ইঞ্জিন। ব্যাখ্যা: কয়লা বা কাঠ পুড়িয়ে পানি ফুটিয়ে যে বাষ্প তৈরি করা হয়, তার তাपीय চাপকে কাজে লাগিয়ে রেলগাড়ির চাকা ঘোরানো হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যান্ত্রিকশক্তিকে তাপশক্তিতে রূপান্তর — এটি তাপ ইঞ্জিনের কাজ নয়, বরং এটি ডাইনামো বা ব্রেক কষার সময় যান্ত্রিক ঘর্ষণের ফলে ঘটে। B) তাপশক্তিকে যান্ত্রিকশক্তিতে রূপান্তর — এটি সঠিক এবং তাপ ইঞ্জিনের মূল কাজ। C) বিদ্যুৎশক্তিকে যান্ত্রিকশক্তিতে রূপান্তর — এটি বৈদ্যুতিক মোটরের কাজ, তাপ ইঞ্জিনের কাজ নয়। D) তাপশক্তিকে বিদ্যুৎশক্তিতে রূপান্তর — এটি থার্মোকাপল বা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের কাজ, যেখানে তাপ থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: তাপ ইঞ্জিন সবসময় তাপকে গতি বা যান্ত্রিক কাজে লাগায়। গাড়ির ইঞ্জিন মনে রাখলেই মনে থাকবে যে তাপ থেকে গতি বা যান্ত্রিক শক্তি পাওয়া যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: তাপ ইঞ্জিন তাপগতিবিদ্যার দ্বিতীয় সূত্র মেনে চলে। একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে বৈদ্যুতিক মোটরের কাজ কী, যার উত্তর হবে বিদ্যুৎশক্তিকে যান্ত্রিকশক্তিতে রূপান্তর।
a ডিএনএ বা আরএনএ থাকে
b শুধুমাত্র জীবদেহের অভ্যন্তরে সংখ্যাবৃদ্ধি করে
c স্ফটিক দানায় রূপান্তরিত
d রাইবোজোম থাকে
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রাইবোজোম থাকে ১. কেন সঠিক: - ভাইরাসের দেহে কোনো বিপাকীয় অঙ্গাণু যেমন রাইবোজোম, মাইটোকন্ড্রিয়া বা গলগি বডি থাকে না। - রাইবোজোম না থাকার কারণে ভাইরাস নিজে নিজে আমিষ বা প্রোটিন তৈরি করতে পারে না। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: ভাইরাস হলো অকোষীয় অণুজীব যা প্রোটিন আবরণ এবং নিউক্লিক এসিড নিয়ে গঠিত। - কার্যপ্রণালি: ভাইরাস নিজের কোনো শক্তি উৎপাদন বা বিপাকীয় প্রক্রিয়া চালাতে পারে না। - বাস্তব প্রয়োগ: ভাইরাস জীবিত কোষের ভেতরে প্রবেশ করে কোষের নিজস্ব রাইবোজোম ব্যবহার করে সংখ্যাবৃদ্ধি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তামাক পাতার মোজাইক ভাইরাস। ব্যাখ্যা: এটি জীবদেহের বাইরে জড় পদার্থের মতো নিষ্ক্রিয় থাকে। উদাহরণ ২: মানুষের ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস। ব্যাখ্যা: এটি শ্বাসনালীর কোষে প্রবেশ করে সংখ্যাবৃদ্ধি করে রোগ সৃষ্টি করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডিএনএ বা আরএনএ থাকে — এটি সত্য কারণ ভাইরাসে বংশগত বস্তু হিসেবে ডিএনএ বা আরএনএ যেকোনো একটি থাকে। B) শুধুমাত্র জীবদেহের অভ্যন্তরে সংখ্যাবৃদ্ধি করে — এটি সত্য কারণ ভাইরাস পোষক কোষের বাইরে বংশবৃদ্ধি করতে পারে না। C) স্ফটিক দানায় রূপান্তরিত — এটি সত্য কারণ বিজ্ঞানী ডব্লিউ এম স্ট্যানলি ভাইরাসকে স্ফটিক দানায় রূপান্তরিত করেছিলেন। D) রাইবোজোম থাকে — এটি মিথ্যা এবং ভাইরাসের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়, তাই এটিই সঠিক উত্তর। ৫ মনে রাখার টিপস: ভাইরাস হলো জড় ও জীবের মধ্যবর্তী এক সেতু। এর কোনো কোষীয় অঙ্গাণু নেই, তাই এটি সম্পূর্ণ পরজীবী। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ভাইরাস কেবল জীবিত কোষের ভেতরেই সক্রিয় হয়। এই ধারণা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে যে কোন অণুজীবে প্রোটিন সংশ্লেষণকারী অঙ্গাণু নেই।
a লাইসোজাইম
b গ্যাসট্রিক জুস
c সিলিয়া
d লিস্ফোসাইট
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) লিস্ফোসাইট ১. কেন সঠিক: - লিস্ফোসাইট হলো এক প্রকার শ্বেত রক্তকণিকা যা মানবদেহের তৃতীয় বা অতিরঞ্জিত অনাক্রম্য প্রতিরক্ষাস্তরের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ। - এটি সরাসরি প্রথম প্রতিরক্ষাস্তরের অন্তর্ভুক্ত নয় কারণ প্রথম স্তরটি মূলত দেহের বাহ্যিক বাধা তৈরি করে রোগজীবাণু প্রবেশ রোধ করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: মানবদেহের প্রতিরক্ষাব্যবস্থা মূলত তিনটি স্তরে বিভক্ত যেখানে প্রথম স্তরে ত্বক, শ্লেষ্মা, এসিড ও এনজাইম কাজ করে। - কার্যপ্রণালি: লিস্ফোসাইট রক্তে ও লসিকাতন্ত্রে থেকে সুনির্দিষ্ট রোগজীবাণুকে ধ্বংস করে এবং স্মৃতি কোষ তৈরি করে যা তৃতীয় প্রতিরক্ষাস্তরের কাজ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ত্বকের উপরিভাগ ব্যাখ্যা: এটি প্রথম প্রতিরক্ষাস্তরের অংশ যা ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাসের মতো জীবাণুকে শরীরের ভেতরে প্রবেশ করতে দেয় না। উদাহরণ ২: চোখের পানি ও লালা ব্যাখ্যা: এগুলোতে উপস্থিত উপাদান প্রথম প্রতিরক্ষাস্তরের অংশ হিসেবে জীবাণু ধ্বংস করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) লাইসোজাইম — এটি চোখের পানি ও লালায় উপস্থিত এক প্রকার এনজাইম যা ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীর ভেঙে প্রথম প্রতিরক্ষাস্তরে সাহায্য করে। B) গ্যাসট্রিক জুস — এটি পাকস্থলীতে উৎপাদিত হয় এবং এর অম্লীয় পরিবেশ খাদ্যের সাথে প্রবেশকারী জীবাণু ধ্বংস করে প্রথম প্রতিরক্ষাস্তরে কাজ করে। C) সিলিয়া — এটি শ্বাসনালীর ক্ষুদ্র রোম যা ধূলিকণা ও জীবাণু আটকে বাইরে পাঠিয়ে প্রথম প্রতিরক্ষাস্তর গঠনে ভূমিকা রাখে। D) লিস্ফোসাইট — এটি তৃতীয় প্রতিরক্ষাস্তরের অংশ এবং অভিযোজিত অনাক্রম্যতার সাথে সরাসরি সম্পর্কিত। ৫ মনে রাখার টিপস: - প্রথম প্রতিরক্ষাস্তর মনে রাখতে টিজিএস বা ত্বক গ্যাসট্রিক সিলিয়া এই সংক্ষিপ্ত রূপটি ব্যবহার করতে পারো। - লিস্ফোসাইট সবসময় ভেতর থেকে রোগ প্রতিরোধ করে তাই এটি প্রথম স্তরে নেই। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মানবদেহের প্রতিরক্ষাস্তরের প্রথম দুটি স্তর সহজাত অনাক্রম্যতা এবং তৃতীয় স্তরটি অর্জিত অনাক্রম্যতা গঠন করে। - বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই প্রথম এবং তৃতীয় প্রতিরক্ষাস্তরের উপাদানগুলোর মধ্যে পার্থক্য করার প্রশ্ন আসে।
a দশ ভাগের একভাগ
b ছয় ভাগের একভাগ
c তিন ভাগের একভাগ
d চার ভাগের একভাগ
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ছয় ভাগের একভাগ ১. কেন সঠিক: - চাঁদের ভর ও ব্যাসার্ধ পৃথিবীর তুলনায় কম হওয়ায় চাঁদের অভিকর্ষজ ত্বরণ পৃথিবীর অভিকর্ষজ ত্বরণের ছয় ভাগের একভাগ। - কোনো বস্তুর ভর নির্দিষ্ট থাকলেও ওজন অভিকর্ষজ ত্বরণের ওপর নির্ভর করায় চাঁদে বস্তুর ওজন কমে যায়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: ভর হলো বস্তুতে থাকা পদার্থের পরিমাণ, যা সর্বত্র ধ্রুব থাকে। কিন্তু ওজন হলো কোনো বস্তুকে পৃথিবী বা অন্য কোনো গ্রহ নিজের কেন্দ্রের দিকে যে বল দিয়ে টানে। - সূত্র/তত্ত্ব: ওজন ডব্লিউ সমান ভর গুণ অভিকর্ষজ ত্বরণ, অর্থাৎ W = m × g। এখানে W হলো ওজন, m হলো ভর এবং g হলো অভিকর্ষজ ত্বরণ। - কারণ ও ফলাফল: পৃথিবীর অভিকর্ষজ ত্বরণ g এর মান প্রায় ৯.৮ মিটার প্রতি সেকেন্ড স্কয়ার এবং চাঁদের অভিকর্ষজ ত্বরণ এর প্রায় ছয় ভাগের একভাগ। ফলে চাঁদে ওজন পৃথিবীর ওজনের ছয় ভাগে একভাগ হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পৃথিবীতে কোনো মানুষের ওজন ষাট কেজি হলে চাঁদে তার ওজন হবে দশ কেজি। ব্যাখ্যা: কারণ তার ভর অপরিবর্তিত থাকলেও চাঁদের কম অভিকর্ষ বলের কারণে ওজনের পরিমাপ কমে যায়। উদাহরণ ২: নভোচারীরা চাঁদে গিয়ে সহজেই অনেক উঁচুতে লাফাতে পারেন। ব্যাখ্যা: চাঁদে অভিকর্ষ বল কম থাকায় নভোচারীদের দেহের ওজন অনেক কমে যায় এবং চলাফেরা হালকা মনে হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দশ ভাগের একভাগ — এটি ভুল কারণ চাঁদের অভিকর্ষজ ত্বরণ পৃথিবীর দশ ভাগের একভাগ নয়, বরং প্রায় ছয় ভাগের একভাগ। B) ছয় ভাগের একভাগ — এটি সঠিক উত্তর কারণ চাঁদের আকর্ষণ ক্ষমতা পৃথিবীর ছয় ভাগের একভাগ। C) তিন ভাগের একভাগ — এটি ভুল কারণ কোনো গ্রহ বা উপগ্রহের ক্ষেত্রে এই হিসাবটি প্রযোজ্য নয়। D) চার ভাগের একভাগ — এটি ভুল কারণ মহাকর্ষীয় ধ্রুবক ও দূরত্বের অনুপাতে চাঁদের বল চার ভাগের একভাগ হয় না। ৫. মনে রাখার টিপস: - চাঁদের ওজন মনে রাখতে সংখ্যা ছয় কে মনে রাখবে। পৃথিবী থেকে চাঁদে গেলে ওজনকে ছয় দিয়ে ভাগ করতে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বস্তুর ভর স্থানভেদে পরিবর্তিত হয় না কিন্তু ওজন স্থানভেদে পরিবর্তিত হয়। একই প্রশ্ন ঘুরে আসতে পারে যে চাঁদে কোনো বস্তুর ভর কত, সেক্ষেত্রে উত্তর হবে পৃথিবীর সমান।
a মদ্য শিল্পে
b রুটি শিল্পে
c সাইট্রিক এসিড উৎপাদন
d এক কোষীয় প্রোটিন তৈরিতে
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাইট্রিক এসিড উৎপাদন ১. কেন সঠিক: - সাইট্রিক এসিড উৎপাদনে ইস্টের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই কারণ এটি সাধারণত অ্যাসপারজিলাস নাইজার নামক ছত্রাক দ্বারা উৎপাদিত হয়। - ইস্ট এক প্রকার এককোষী ছত্রাক যা মূলত গাঁজন প্রক্রিয়ায় শর্করাকে অ্যালকোহল ও কার্বন ডাই অক্সাইডে রূপান্তর করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: অবাত শ্বসন বা গাঁজন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ইস্ট শর্করা ভেঙে শক্তি উৎপাদন করে এবং উপজাত হিসেবে ইথানল ও কার্বন ডাই অক্সাইড তৈরি করে। - কার্যপ্রণালি: ইস্ট কোষের ভেতরের এনজাইম গ্লুকোজকে ভেঙে পাইরুভিক এসিডে পরিণত করে এবং পরবর্তীতে তা অ্যালকোহল ও কার্বন ডাই অক্সাইডে রূপান্তরিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পাউরুটি তৈরি ব্যাখ্যা: আটার সাথে ইস্ট মেশালে কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাস উৎপন্ন হয় যা পাউরুটি ফোলাতে ও নরম করতে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: ইথানল বা মদ তৈরি ব্যাখ্যা: ফলের রস বা শর্করা জাতীয় দ্রবণে ইস্ট মিশিয়ে গাঁজন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বাণিজ্যিক উপায়ে মদ্য প্রস্তুত করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মদ্য শিল্পে — ইস্ট মদ্য শিল্পে প্রধান অণুজীব হিসেবে কাজ করে কারণ এটি শর্করাকে গাঁজন করে অ্যালকোহলে পরিণত করে। B) রুটি শিল্পে — ইস্ট রুটি ও বিস্কুট তৈরিতে ব্যবহৃত হয় কারণ এর ফলে উৎপন্ন গ্যাস ময়দাকে ফাঁপাতে সাহায্য করে। C) সাইট্রিক এসিড উৎপাদন — এটি ইস্টের পরিবর্তে অ্যাসপারজিলাস নাইজার ছত্রাক দিয়ে তৈরি করা হয় তাই এটি সঠিক উত্তর। D) এক কোষীয় প্রোটিন তৈরিতে — ইস্ট নিজেই এককোষী হওয়ায় খাদ্য ও প্রোটিন উৎপাদনে বিকল্প উৎস হিসেবে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ইস্ট মূলত খাবার ফোলাতে এবং অ্যালকোহল বানাতে কাজ করে, এসিড বানাতে নয়। - মনে রাখবে ইস্ট মানেই গাঁজন, যার ফল হলো অ্যালকোহল বা পাউরুটির বুদবুদ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় গাঁজন প্রক্রিয়ার প্রধান অণুজীব হিসেবে ইস্টের ভূমিকা প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়। - সাইট্রিক এসিড কোন অণুজীব থেকে উৎপন্ন হয়, এই প্রশ্নটি খাদ্য ও শিল্প রসায়ন অংশ থেকে খুব গুরুত্বপূর্ণ।
a ধুলিকণা
b বায়ুস্তর
c বৃষ্টির কণা
d অতিবেগুনি রশ্মি
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বৃষ্টির কণা ১. কেন সঠিক: - আকাশে রংধনু সৃষ্টির মূল কারণ হলো আকাশে ভেসে থাকা বৃষ্টির কণার ওপর সূর্যের আলোর আপতন। - বৃষ্টির কণা এখানে প্রিজমের মতো কাজ করে এবং আলোর প্রতিসরণ, অভ্যন্তরীণ পূর্ণ প্রতিফলন ও বিচ্ছুরণ ঘটায়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: আলোর বিচ্ছুরণ হলো সেই ঘটনা যেখানে সাদা আলো প্রিজম বা স্বচ্ছ মাধ্যমের ভেতর দিয়ে যাওয়ার সময় তার উপাদান সাতটি রঙে বিভক্ত হয়ে যায়। - কার্যপ্রণালি: সূর্যের আলো যখন বৃষ্টির ফোঁটায় প্রবেশ করে, তখন তা প্রতিসরিত হয়, ফোঁটার ভেতরে প্রতিফলিত হয় এবং ফোঁটা থেকে বের হওয়ার সময় আবার প্রতিসরিত হয়ে সাতটি রঙে বিভক্ত হয়। - কারণ ও ফলাফল: আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্যের পার্থক্যের কারণে লাল আলোর বাঁক নেওয়ার পরিমাণ সবচেয়ে কম এবং বেগুনি আলোর বাঁক নেওয়ার পরিমাণ সবচেয়ে বেশি হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সাবানের বুদ্বুদে রোদ পড়লে নানা রঙের আভা দেখা যাওয়া। ব্যাখ্যা: এটিও আলোর বিচ্ছুরণ এবং ব্যতিচারের একটি চমৎকার উদাহরণ, যা বৃষ্টির ফোঁটার মতো কাজ করে। উদাহরণ ২: বাগানে পানি দেওয়ার সময় হোস পাইপ থেকে কুয়াশার মতো পানি ছড়ালে বিপরীত দিকে রংধনু দেখা যাওয়া। ব্যাখ্যা: কৃত্রিম উপায়ে সূর্যের আলোর সামনে ক্ষুদ্র পানির কণা তৈরি করে রংধনু সৃষ্টি করা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধুলিকণা — ধুলিকণা আলোর বিক্ষেপণ ঘটাতে পারে যেমন আকাশের রঙ নীল দেখায়, কিন্তু রংধনু সৃষ্টি করে না। B) বায়ুস্তর — বায়ুস্তর আলোর প্রতিসরণ ঘটিয়ে তারার মিটমিট বা সূর্যোদয়ের আগে সূর্য দেখানোর মতো ঘটনা ঘটায়। C) বৃষ্টির কণা — এটি সঠিক কারণ, বৃষ্টির কণা আলো প্রতিসরণ ও বিচ্ছুরণ করে রংধনু তৈরি করে। D) অতিবেগুনি রশ্মি — অতিবেগুনি রশ্মি মানুষের চোখের অদৃশ্য এক ধরণের তড়িৎ চুম্বকীয় বিকিরণ, যা রংধনুর দৃশ্যমান বর্ণালির জন্য দায়ী নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - রংধনু মনে রাখতে হলে মনে রাখবেন বৃষ্টির ফোঁটা হলো প্রাকৃতিক প্রিজম। - প্রিজমের ভেতরে আলো ভেঙে সাত রঙ তৈরি হওয়ার প্রক্রিয়াটিই রংধনুর মূল চাবিকাঠি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - রংধনুর মাঝের রঙটি কি এবং প্রধান রঙ কয়টি এই প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে রংধনু দেখার সময় দর্শকের পিঠ কোন দিকে থাকে, উত্তর হবে সূর্যের দিকে।
a নাইট্রাস অক্সাইড
b কার্বন-ডাই-অক্সাইড
c অক্সিজেন
d মিথেন
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অক্সিজেন ১. কেন সঠিক: অক্সিজেন গ্যাস গ্রিনহাউস গ্যাস নয় কারণ এটি তাপ শোষণ করতে পারে না এবং পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে কোনো ভূমিকা রাখে না। গ্রিনহাউস গ্যাসগুলো সূর্য থেকে আসা শর্টওয়েভ বিকিরণ পৃথিবীতে প্রবেশ করতে দিলেও পৃথিবী থেকে নির্গত লংওয়েভ ইনফ্রারেড বা তাপীয় বিকিরণ শোষণ করে বায়ুমণ্ডলে আটকে রাখে, যা অক্সিজেন করতে পারে না। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: গ্রিনহাউস গ্যাস হলো সেইসব গ্যাস যা বায়ুমণ্ডলে উপস্থিত থেকে ইনফ্রারেড বিকিরণ শোষণ ও নির্গত করে গ্রিনহাউস প্রভাব তৈরি করে। কারণ ও ফলাফল: কার্বন ডাই-অক্সাইড, মিথেন, জলীয় বাষ্প ইত্যাদি গ্যাসের অণু তিন বা ততোধিক পরমাণু নিয়ে গঠিত এবং তাদের দ্বিপোল মোমেন্ট পরিবর্তনের ক্ষমতা থাকে, যা তাপ শোষণ করে। অক্সিজেন একটি দ্বি-পরমাণুক অণু হওয়ায় এটি ইনফ্রারেড বিকিরণ শোষণ করতে পারে না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেনের মাত্রা প্রায় একুশ শতাংশ হলেও এটি কখনো বৈশ্বিক উষ্ণতা বা গ্লোবাল ওয়ার্মিংয়ের জন্য দায়ী নয়। ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে যে বায়ুমণ্ডলে গ্যাসের উপস্থিতিই বড় কথা নয়, বরং গ্যাসটির তাপ শোষণ করার নির্দিষ্ট রাসায়নিক ধর্ম থাকাই গ্রিনহাউস গ্যাস হওয়ার মূল শর্ত। উদাহরণ ২: মানুষের শ্বাসপ্রশ্বাসের জন্য অক্সিজেন অত্যন্ত জরুরি হলেও এর কোনো তাপ আটকাগুন ক্ষমতা নেই। ব্যাখ্যা: জীবকুল বাঁচতে অক্সিজেন অপরিহার্য হলেও জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষেত্রে এর সরাসরি কোনো গ্রিনহাউস ভূমিকা নেই। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নাইট্রাস অক্সাইড — এটি একটি শক্তিশালী গ্রিনহাউস গ্যাস যা কৃষি কার্যক্রম ও রাসায়নিক সার ব্যবহারের ফলে বায়ুমণ্ডলে নির্গত হয় এবং তাপ আটকে রাখে। B) কার্বন-ডাই-অক্সাইড — এটি জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানোর ফলে উৎপন্ন হয় এবং বর্তমান বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির জন্য প্রধানত দায়ী একটি গ্রিনহাউস গ্যাস। C) অক্সিজেন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বায়ুমণ্ডলের প্রধান গ্যাসগুলোর একটি হওয়া সত্ত্বেও গ্রিনহাউস প্রভাব সৃষ্টিতে কোনো অংশ নেয় না। D) মিথেন — এটি একটি অত্যন্ত প্রভাবশালী গ্রিনহাউস গ্যাস যা প্রধানত পচনশীল জৈব পদার্থ এবং গবাদি পশুর মাধ্যমেই বায়ুমণ্ডলে নির্গত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: গ্রিনহাউস গ্যাস নয় এমন প্রধান গ্যাস হলো দুটি, যথা নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন, যেগুলো আমাদের বায়ুমণ্ডলের নিরানব্বই শতাংশের বেশি দখল করে আছে। মনে রাখবে যে গ্যাসগুলো বাতাসে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে থাকে যেমন নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন, সেগুলোর প্রধানগুলোই মূলত গ্রিনহাউস গ্যাস নয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বায়ুমণ্ডলে জলীয় বাষ্প হলো সবচেয়ে প্রাকৃতিকভাবে abundant গ্রিনহাউস গ্যাস। এই একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে কোন গ্যাসটি বায়ুমণ্ডলে সর্বাধিক পরিমাণে থাকে এবং তা গ্রিনহাউস গ্যাস কিনা।
a AND
b NOR
c Ex-OR
d OR
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Ex-OR ১. কেন সঠিক: - Ex-OR গেটের আউটপুট শূন্য হয় যখন এর ইনপুটগুলো সমান অর্থাৎ দুটি ইনপুটই শূন্য অথবা দুটি ইনপুটই এক হয়। - বুলিয়ান অ্যালজেব্রার নিয়م অনুযায়ী, সমান ইনপুটের ক্ষেত্রে Ex-OR গেটের লজিক অপারেশন শূন্য আউটপুট প্রদান করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: Ex-OR বা এক্সক্লুসিভ অর গেট এমন একটি ডিজিটাল লজিক গেট, যা ইনপুট অসমান হলে এক এবং ইনপুট সমান হলে শূন্য আউটপুট দেয়। - কার্যপদ্ধতি: এটি ইনপুটগুলোর মধ্যে পার্থক্যের উপস্থিতি যাচাই করে কাজ করে এবং বিশেষ লজিক সমীকরণ অনুসরণ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: একটি Ex-OR গেটে ইনপুট হিসেবে শূন্য ও শূন্য দেওয়া হলে আউটপুট শূন্য পাওয়া যায়। ব্যাখ্যা: ইনপুট দুটি পরস্পর সমান হওয়ায় গেটটির নিয়ম অনুযায়ী আউটপুট শূন্য হয়েছে। উদাহরণ ২: একটি Ex-OR গেটে ইনপুট হিসেবে এক ও এক প্রদান করলে আউটপুট শূন্য হয়। ব্যাখ্যা: এখানেও ইনপুট দুটি সমান হওয়ার কারণে আউটপুট শূন্য এসেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) AND — এই গেটে সব ইনপুট এক হলে কেবল আউটপুট এক হয়, অন্যথায় শূন্য হয়। B) NOR — এই গেটে সব ইনপুট শূন্য হলে কেবল আউটপুট এক হয়, ইনপুট সমান হলে সবসময় শূন্য হয় না। C) Ex-OR — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত রয়েছে। D) OR — এই গেটে যেকোনো একটি ইনপুট এক হলে আউটপুট এক হয়, সমান ইনপুটের শর্ত এখানে প্রযোজ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - Ex-OR গেট মনে রাখার সহজ উপায় হলো এটি অমিল খোঁজে। - ইনপুট মিললে শূন্য এবং অমিল হলে এক আউটপুট পাওয়া যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লজিক গেটের সত্যক সারণী থেকে প্রায়শই এই ধরনের প্রশ্ন আসে। - সমান ইনপুটে শূন্য আউটপুট দেওয়ার বৈশিষ্ট্যটি কেবল Ex-OR গেটের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
a Queue
b Stack
c Union
d Array
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Stack ১. কেন সঠিক: - Stack একটি ডেটা স্ট্রাকচার যা LIFO বা Last In First Out নীতিতে কাজ করে। - এখানে ডেটা সংযোজন ও অপসারণ শুধুমাত্র এক প্রান্ত থেকে সম্পন্ন হয়, যাকে যথাক্রমে Push এবং Pop বলা হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: Stack হলো এমন একটি লিনিয়ার ডেটা স্ট্রাকচার যেখানে সর্বশেষে প্রবেশ করা উপাদানটি সবার আগে বের হয়। - কার্যপদ্ধতি: Push অপারেশনের মাধ্যমে স্ট্যাকের উপরে নতুন ডেটা যোগ করা হয় এবং Pop অপারেশনের মাধ্যমে শীর্ষের ডেটা মুছে ফেলা হয়। - ব্যবহার: প্রোগ্রামিং ভাষার ফাংশন কল পরিচালনা, ব্রাউজারের হিস্ট্রি বা ব্যাক বোタনের কার্যকারিতায় এটি ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্লেটে রাখা থালার স্তূপ ব্যাখ্যা: একটির পর একটি থালা উপরে রাখাকে Push বলা হয় এবং উপর থেকে থালা তুলে নেওয়াকে Pop বলা হয়। উদাহরণ ২: ব্রাউজারের ব্যাক বাটন ব্যাখ্যা: পেজ ভিজিট করার সময় পেজগুলো স্ট্যাকে জমা হয় এবং ব্যাক চাপলে সর্বশেষ পেজটি Pop হয়ে আগের পেজে ফিরে যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Queue — এটি FIFO নীতিতে কাজ করে এবং এর অপারেশনগুলোর নাম Enqueue ও Dequeue। B) Stack — এটি সঠিক উত্তর এবং এখানে Push ও Pop ব্যবহৃত হয়। C) Union — এটি ডেটাবেজ বা প্রোগ্রামিংয়ে একাধিক ডেটা টাইপ বা সেটের সংযোগ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। D) Array — এটি সমজাতীয় ডেটার সংগ্রহ যার উপাদানগুলো সূচক বা ইনডেক্সের মাধ্যমে অ্যাক্সেস করা হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - স্ট্যাক মনে রাখতে লাইফোর কথা মাথায় রাখবে, যার অর্থ শেষ ইন প্রথম আউট। - পুশ মানে প্রবেশ করানো এবং পপ মানে বের করে আনা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - স্ট্যাক কাজ করে এলআইএফও বা এলআইএলও নীতিতে। - রিকার্সিভ ফাংশন এবং মেমরি ব্যবস্থাপনায় স্ট্যাক ডেটা স্ট্রাকচার অপরিহার্য।
a এএলইউ (ALU)
b কন্ট্রোল ইউনিট (control unit)
c রেজিস্টার সেট (Register set)
d কোনোটিই নয়
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) এএলইউ (ALU) ১. কেন সঠিক: - কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট বা সিপিইউ-এর ভেতরের অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট বা এএলইউ সমস্ত গাণিতিক এবং যৌক্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের কাজ পরিচালনা করে। - এটি যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগের মতো গাণিতিক কাজ এবং ছোট, বড় বা সমান কি না তা যাচাই করার মতো যৌক্তিক কাজ সম্পন্ন করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: এএলইউ হলো সিপিইউ-এর এমন একটি অংশ যা কম্পিউটারের সমস্ত গাণিতিক এবং লজিক্যাল অপারেশন সম্পন্ন করে। - কার্যপদ্ধতি: কন্ট্রোল ইউনিট থেকে ডেটা ও নির্দেশ পেয়ে এটি গণনা করে এবং ফলাফল মেমোরিতে পাঠিয়ে দেয়। - ব্যবহার: ক্যালকুলেটর সফটওয়্যার চালানো থেকে শুরু করে প্রাত্যহিক জীবনের সব ধরনের হিসাব-নিকাশে এটি কাজ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাইক্রোসফট এক্সেল ফাইলে দুটি সংখ্যার যোগফল নির্ণয় করা। ব্যাখ্যা: এক্সেল ফাইলে যোগ করার নির্দেশ দিলে এএলইউ সেই সংখ্যা দুটি যোগ করে সঠিক ফলাফল স্ক্রিনে প্রদর্শন করে। উদাহরণ ২: দুটি সংখ্যার মধ্যে কোনটি বড় তা তুলনা করা। ব্যাখ্যা: প্রোগ্রাম যখন যাচাই করে যে একটি সংখ্যা অন্যটির চেয়ে বড় কি না, তখন এএলইউ সেই লজিক্যাল সিদ্ধান্ত নেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) এএলইউ (ALU) — এটি গাণিতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের কাজ করে এবং এটিই সঠিক উত্তর। B) কন্ট্রোল ইউনিট (control unit) — এটি কম্পিউটারের বিভিন্ন অংশের মধ্যে সমন্বয় ও নিয়ন্ত্রণ করে কিন্তু গাণিতিক হিসাব করে না। C) রেজিস্টার সেট (Register set) — এটি খুব দ্রুত ডেটা সাময়িক ধরে রাখার মেমোরি হিসেবে কাজ করে, হিসাব করার কাজ করে না। D) কোনোটিই নয় — যেহেতু অপশন এ সঠিক, তাই এটি ভুল। ৫. মনে রাখার টিপস: - এএলইউ-এর পূর্ণরূপ হলো অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট, যেখানে অ্যারিথমেটিক মানে গণিত এবং লজিক মানে যুক্তি। - হিসাব-নিকাশ সংক্রান্ত যেকোনো প্রশ্ন দেখলে চোখ বন্ধ করে এএলইউ উত্তর নির্বাচন করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সিপিইউ-এর প্রধান তিনটি অংশ হলো কন্ট্রোল ইউনিট, এএলইউ এবং রেজিস্টার বা মেমোরি ইউনিট। - গাণিতিক কাজের জন্য এএলইউ এবং পরিচালনার জন্য কন্ট্রোল ইউনিট কাজ করে।
a C
b DOS
c CP/M
d XENIX
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) C ১. কেন সঠিক: - সি (C) কোনো অপারেটিং সিস্টেম নয়, এটি একটি উচ্চ স্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা (High Level Programming Language)। - এটি ১৯৭২ সালে ডেনিস রিচি বেল ল্যাবরেটরিতে তৈরি করেছিলেন এবং এর মাধ্যমে বিভিন্ন সিস্টেম সফটওয়্যার তৈরি করা হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: প্রোগ্রামিং ভাষা হলো কম্পিউটারকে নির্দেশ দেওয়ার মাধ্যম, যার মাধ্যমে সফটওয়্যার তৈরি করা হয়। - কার্যপদ্ধতি: সি ভাষার কোড কম্পাইলারের মাধ্যমে মেশিন ভাষায় রূপান্তরিত হয়ে কম্পিউটারের প্রসেসরে কাজ করে। - বৈশিষ্ট্য: এটি স্ট্রাকচার্ড প্রোগ্রামিং ভাষা এবং এর মাধ্যমে সরাসরি মেমোরি নিয়ে কাজ করা যায়। - ব্যবহার: অপারেটিং সিস্টেম, গেম ডেভেলপমেন্ট এবং ডিভাইস ড্রাইভার তৈরিতে এটি বহুল ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: উইন্ডোজ বা লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমের কোডিং সি ভাষায় করা হয়েছে। ব্যাখ্যা: অপারেটিং সিস্টেম নিজে একটি সিস্টেম সফটওয়্যার যা সি ভাষার মতো প্রোগ্রামিং ভাষা দিয়ে তৈরি হয়। উদাহরণ ২: মাইক্রোসফট ওয়ার্ড বা এক্সেল অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার তৈরিতে সি ভাষা ব্যবহৃত হয়। ব্যাখ্যা: কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারকে ব্যবহার উপযোগী করার জন্য অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার সি ভাষা দিয়ে লেখা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) C — এটি অপারেটিং সিস্টেম নয়, বরং একটি জনপ্রিয় কম্পিউটার প্রোগ্রামিং ভাষা। B) DOS — এটি একটি সুপরিচিত কমান্ড লাইন ভিত্তিক ডিস্ক অপারেটিং সিস্টেম (Disk Operating System)। C) CP/M — এটি মাইক্রোকম্পিউটারের জন্য তৈরি ইতিহাসের একটি প্রাথমিক অপারেটিং সিস্টেম (Control Program for Microcomputers)। D) XENIX — এটি মাইক্রোসফট কর্তৃক বিকশিত ইউনিক্স ভিত্তিক একটি অপারেটিং সিস্টেম। ৫. মনে রাখার টিপস: - সি হলো কোড লেখার ভাষা, আর ডস বা জেনিক্স হলো কম্পিউটার চালানোর অপারেটিং সিস্টেম। - প্রোগ্রামিং ভাষা চেনার সহজ উপায় হলো এর নামের শেষে বা কাজে কোডিং শব্দটি যুক্ত থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সি ভাষার জনক ডেনিস রিচি এবং এটি ১৯৭২ সালে তৈরি হয়। - অপারেটিং সিস্টেম কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও ব্যবহারকারীর মধ্যে সমন্বয় সাধন করে।
a নেটওয়ার্কের মাধ্যমে যুক্ত একাধিক কম্পিউটার সার্ভার
b একটি বিশাল ক্ষমতা সম্পন্ন কম্পিউটার সার্ভার
c ব্যবহারকারীর চাহিদা অনুযায়ী কম্পিউটিং সেবা দেয়া
d উপরের কোনোটিই নয়
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ব্যবহারকারীর চাহিদা অনুযায়ী কম্পিউটিং সেবা দেয়া ১. কেন সঠিক: - ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের মূল ভিত্তি হলো অন-ডিমান্ড বা চাহিদামাফিক সেবা প্রদান করা। - এর মাধ্যমে ব্যবহারকারী যেকোনো সময় প্রয়োজনমতো স্টোরেজ বা প্রসেসিং পাওয়ার ব্যবহার করতে পারে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: ইন্টারনেটভিত্তিক সার্ভারে ডেটা ও প্রোগ্রাম সংরক্ষণ এবং পরিচালনা করার ব্যবস্থাই হলো ক্লাউড কম্পিউটিং। - কার্যপদ্ধতি: ব্যবহারকারী নিজের কম্পিউটারের পরিবর্তে দূরবর্তী সার্ভার থেকে ইন্টারনেট সংযোগের মাধ্যমে রিসোর্স ব্যবহার করে। - ব্যবহার: গুগল ড্রাইভ বা মাইক্রোওয়্যার ওয়ানড্রাইভ ব্যবহার করে ফাইল সংরক্ষণ করা এবং বিভিন্ন অ্যাপস চালানো। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গুগল ড্রাইভ (Google Drive) ব্যাখ্যা: এটি ব্যবহারকারীকে নিজের কম্পিউটারে জায়গা না নিয়েও ইন্টারনেটে ফাইল জমা রাখার সুবিধা দেয়। উদাহরণ ২: নেটফ্লিক্স (Netflix) ব্যাখ্যা: ব্যবহারকারী নিজের কম্পিউটারে ভিডিও ডাউনলোড না করে ক্লাউড সার্ভার থেকে সরাসরি স্ট্রিম করে দেখে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নেটওয়ার্কের মাধ্যমে যুক্ত একাধিক কম্পিউটার সার্ভার — এটি সার্ভার ফার্ম বা ক্লাস্টারের বর্ণনা, যা ক্লাউড সার্ভারের মূল দর্শন বা সেবার রূপকে পুরোপুরি প্রকাশ করে না। B) একটি বিশাল ক্ষমতা সম্পন্ন কম্পিউটার সার্ভার — এটি শুধু একটি শক্তিশালী হার্ডওয়্যারের বিবরণ, কিন্তু ক্লাউড সার্ভার মূলত সেবামূলক ধারণার ওপর প্রতিষ্ঠিত। D) উপরের কোনোটিই নয় — সঠিক উত্তরটি সি অপশনে থাকায় এটি ভুল। ৫. মনে রাখার টিপস: - ক্লাউড মানে হলো ইন্টারনেটের মেঘ বা আকাশ, যেখানে নিজের হার্ডওয়্যার ছাড়াই অন্যের কম্পিউটার বা সার্ভার ভাড়া নিয়ে কাজ করা যায়। - অন-ডিমান্ড বা চাহিদামাফিক সেবাই হলো ক্লাউড সার্ভারের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ক্লাউড কম্পিউটিং মূলত তিন ধরনের সেবা দিয়ে থাকে, যেমন: IaaS, PaaS এবং SaaS। - এই প্রযুক্তির মাধ্যমে যেকোনো স্থান থেকে ইন্টারনেট সংযোগের সাহায্যে কাজ করা সম্ভব।
a তামার তার
b অপটিক্যাল ফাইবার
c তারহীন সংযোগ
d উপরের সবকটি
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) তারহীন সংযোগ ১. কেন সঠিক: ওয়াই-ফাই বা ওয়্যারলেস ফিডেলিটি একটি তারবিহীন লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি। এই প্রযুক্তিতে ডিভাইসগুলোর মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান করতে কোনো শারীরিক ক্যাবল বা তার ব্যবহার করা হয় না। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ওয়াই-ফাই হলো এমন একটি প্রযুক্তি যা রেডিও তরঙ্গের মাধ্যমে তার ছাড়াই কম্পিউটার ও অন্যান্য ডিভাইসে ইন্টারনেট সংযোগ প্রদান করে। কার্যপদ্ধতি: রাউটার রেডিও তরঙ্গের মাধ্যমে ডিজিটাল ডেটা সিগন্যালে রূপান্তর করে এবং ডিভাইসের ওয়্যারলেস অ্যাডাপ্টারের মাধ্যমে তা গ্রহণ করে। ব্যবহার: বাসা, অফিস, বিমানবন্দর ও কফি শপে ল্যাপটপ, মোবাইল বা স্মার্ট টিভি ইন্টারনেটে যুক্ত করতে বহুল ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্মার্টফোনে ওয়াই-ফাই অন করে বাসার রাউটারের সঙ্গে যুক্ত হওয়া। ব্যাখ্যা: এখানে কোনো তার ব্যবহার না করে অদৃশ্য রেডিও তরঙ্গের মাধ্যমে ইন্টারনেট সুবিধা ভোগ করা হয়। উদাহরণ ২: অফিস কক্ষে তারের ঝামেলা ছাড়াই ল্যাপটপ থেকে প্রিন্টারে ডেটা পাঠানো। ব্যাখ্যা: ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কের তারহীন সুবিধার কারণে একাধিক ডিভাইস কোনো ফিজিক্যাল কানেকশন ছাড়াই একে অপরের সাথে যুক্ত থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তামার তার — এটি ইথারনেট বা ল্যান ক্যাবলে ব্যবহৃত হয়, যা ওয়াই-ফাইয়ের তারহীন মাধ্যমের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। B) অপটিক্যাল ফাইবার — এটি কাঁচের তন্তু দিয়ে তৈরি উচ্চগতির তারযুক্ত মাধ্যম, যা ওয়াই-ফাই সংযোগে ব্যবহৃত হয় না। C) তারহীন সংযোগ — এই অপশনটি সঠিক কারণ ওয়াই-ফাই কেবল রেডিও তরঙ্গের মাধ্যমে কাজ করে। D) উপরের সবকটি — এই অপশনটি ভুল কারণ তামার তার ও অপটিক্যাল ফাইবার তারযুক্ত মাধ্যম, যা ওয়াই-ফাইয়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: ওয়াই-ফাই শব্দের পূর্ণরূপ হলো ওয়্যারলেস ফিডেলিটি। শব্দটির শুরুতেই ওয়্যারলেস বা তারহীন কথাটি রয়েছে, তাই উত্তর সবসময় তারহীন সংযোগ হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ওয়াই-ফাই প্রযুক্তিতে ডেটা আদান-প্রদানের জন্য রেডিও ওয়েভ বা রেডিও তরঙ্গ ব্যবহৃত হয়। পরীক্ষায় প্রায়ই ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কের স্ট্যান্ডার্ড বা রেঞ্জ সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে।
a ১২৮
b ৩২
c ১২
d ৬
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১২৮ ১. কেন সঠিক: - IP Address এর পূর্ণরূপ হলো Internet Protocol Address, যা ইন্টারনেটে সংযুক্ত প্রতিটি ডিভাইসের একটি অনন্য পরিচিতি। - IPv6 এড্রেস ১২৮ বিটের হয়ে থাকে, যা হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় প্রকাশ করা হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: IPv6 (Internet Protocol version 6) হলো ইন্টারনেট প্রোটোকলের সর্বশেষ সংস্করণ, যা বিপুল সংখ্যক ডিভাইসের নেটওয়ার্ক সংযোগ নিশ্চিত করতে তৈরি করা হয়েছে। - কার্যপদ্ধতি: এটি ১২৮ বিট ব্যবহার করে প্রায় ৩৬ এসিলিয়ন ইউনিক আইপি এড্রেস তৈরি করতে পারে, যা সমগ্র পৃথিবীর প্রতিটি ধূলিকণার জন্যও একটি করে আইপি বরাদ্দ করার সমান। - বৈশিষ্ট্য: এর দৈর্ঘ্য ১২৮ বিট এবং এটি কোলন (:) দ্বারা পৃথক করা আটটি গ্রুপে বিভক্ত থাকে। - ব্যবহার: বর্তমান বিশ্বের ইন্টারনেট অফ থিংস (IoT) এবং স্মার্ট ডিভাইসের সংখ্যা বৃদ্ধির কারণে বিশ্বব্যাপী IPv4 থেকে IPv6-এ রূপান্তর চলছে। - পার্থক্য: পূর্ববর্তী সংস্করণ IPv4 মাত্র ৩২ বিটের এবং দশমিক ভিত্তিক ছিল, অন্যদিকে IPv6 হলো ১২৮ বিটের এবং হেক্সাডেসিমেল ভিত্তিক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাড়িতে ব্যবহৃত ওয়াইফাই রাউটার ব্যাখ্যা: আধুনিক ব্রডব্যান্ড সংযোগ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো এখন গ্রাহকদের ইন্টারনেট সংযোগের জন্য IPv6 এড্রেস প্রদান করছে। উদাহরণ ২: স্মার্টফোন ও ল্যাপটপের ইন্টারনেট ব্রাউজিং ব্যাখ্যা: আমরা যখন ইন্টারনেটে প্রবেশ করি, তখন আমাদের ডিভাইসগুলোকে সঠিকভাবে ডেটা আদান-প্রদানের জন্য একটি অনন্য আইপি এড্রেস প্রয়োজন হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১২৮ — এটি সঠিক উত্তর কারণ IPv6 এড্রেস নির্ভুলভাবে ১২৮ বিটের হয়ে থাকে। B) ৩২ — এটি ভুল কারণ ৩২ বিট হলো পূর্ববর্তী সংস্করণ IPv4 এড্রেসের দৈর্ঘ্য। C) ১২ — এটি ভুল কারণ ১২ বিট বলতে নেটওয়ার্কিং এড্রেসিংয়ের কোনো প্রমিত মান বোঝায় না। D) ৬ — এটি ভুল কারণ ৬ বিট দিয়ে ইন্টারনেটের বিপুল সংখ্যক ডিভাইসের জন্য ইউনিক আইপি এড্রেস তৈরি করা সম্ভব নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - IPv4 মানে ৪ এর গুণিতক হিসেবে ৩২ বিট মনে রাখতে পারেন এবং IPv6 এর ক্ষেত্রে ১২৮ বিট মুখস্থ রাখতে হবে। - IPv4 হলো ৩২ বিট আর IPv6 হলো ১২৮ বিট। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই IPv4 ও IPv6 এর বিট সংখ্যা জানতে চাওয়া হয়। - IPv6 এর পূর্ণরূপ এবং এর হেক্সাডেসিমেল রূপায়ন সম্পর্কে ধারণা রাখা আবশ্যক।
a OMR
b COM
c Plotter
d Monitor
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) OMR ১. কেন সঠিক: - OMR (Optical Mark Recognition) একটি ইনপুট ডিভাইস, যা বিশেষ কালি দিয়ে খাতায় দাগানো বৃত্ত বা চিহ্ন পড়তে পারে। - এটি ব্যবহারকারীর দেওয়া তথ্য কম্পিউটার সিস্টেমে প্রবেশ করায় বলে এটিকে ইনপুট ডিভাইস হিসেবে গণ্য করা হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: OMR হলো এমন একটি প্রযুক্তি বা হার্ডওয়্যার ডিভাইস, যা অপটিক্যাল স্ক্যানার ব্যবহার করে কাগজের ওপর বিশেষ পেন্সিল বা কালির দাগ শনাক্ত করে। - কার্যপদ্ধতি: ডিভাইসের আলো দাগের ওপর প্রতিফলিত হয় এবং আলোর পরিবর্তনের তীব্রতা মপে এটি ডেটা প্রসেস করে কম্পিউটারে পাঠায়। - ব্যবহার: বহুনির্বাচনী পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়ন, জরিপ ফরম এবং উপস্থিতি নিবন্ধনে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার ওএমআর শিট। ব্যাখ্যা: পরীক্ষার্থীরা বৃত্ত ভরাট করার পর পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নের জন্য এই মেশিনে স্ক্যান করা হয়। উদাহরণ ২: বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার উত্তরপত্র যাচাই। ব্যাখ্যা: হাজার হাজার পরীক্ষার্থীর খাতা কম সময়ে নির্ভুলভাবে মূল্যায়ন করতে ওএমআর ডিভাইস ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) OMR — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ডেটা কম্পিউটারে প্রবেশ করায়। B) COM — এটি Computer Output Microfilm, যা কম্পিউটার প্রসেস করা ডেটা মাইক্রোফিল্মে আউটপুট হিসেবে সংরক্ষণ করে। C) Plotter — এটি একটি আউটপুট ডিভাইস, যা গ্রাফ, চার্ট বা বড় আকারের নকশা প্রিন্ট করতে ব্যবহৃত হয়। D) Monitor — এটি একটি আউটপুট ডিভাইস, যা কম্পিউটারের ভিজ্যুয়াল প্রদর্শন বা ফলাফল স্ক্রিনে দেখায়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ইনপুট ডিভাইস চেনার সহজ উপায় হলো এটি দিয়ে কম্পিউটারে ডেটা পাঠানো হয়। - OMR মানে হলো অপটিক্যাল মার্ক রিকগনিশন, যা দিয়ে খাতার গোল দাগ পড়া হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ওএমআর মেশিন সর্বপ্রথম অপটিক্যাল মার্ক রিডার হিসেবে পরীক্ষা মূল্যায়নে বিপ্লব আনে। - পেরিফেরাল ডিভাইস হিসেবে ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইসের পার্থক্য প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
a ২৫৬ টি
b ৪০৯৬ টি
c ৬৫৫৩৬ টি
d ৪২৯৪৯৬৭২৯৬ টি
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬৫৫৩৬ টি ১. কেন সঠিক: ইউনিকোড বা ইউনিভার্সাল কোড সিস্টেম হলো দুনিয়ার সব ভাষার বর্ণকে কম্পিউটারের বোধগম্য কোডে রূপান্তর করার আধুনিক মানদণ্ড। ইউনিকোডের প্রাথমিক সংস্করণে ১৬ বিট বা দুই বাইট ব্যবহার করা হতো, যা দিয়ে মোট দুই এর ষোল পাওয়ার বা ৬৫৫৩৬ টি অদ্বিতীয় চিহ্ন বা বর্ণ নির্দিষ্ট করা সম্ভব হয়েছিল। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ইউনিকোড হলো এমন একটি আন্তর্জাতিক কোডিং ব্যবস্থা যা সব ভাষার বর্ণ, সংখ্যা ও প্রতীককে একটি নির্দিষ্ট সংখ্যাগত মান দেয়। কার্যপদ্ধতি: প্রতিটি ভাষার অক্ষরকে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করতে বিট ব্যবহার করা হয় এবং ১৬ বিটের ইউনিকোড সিস্টেমে মোট ৬৫৫৩৬ টি আলাদা কোড তৈরি করা যায়। বৈশিষ্ট্য: এটি বিশ্বের প্রায় সব লিখিত ভাষাকে সমর্থন করে এবং আগের একক বাইটের কোডিং সীমাবদ্ধতা দূর করে। ব্যবহার: আধুনিক অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েবসাইট ডিজাইন এবং বিশ্বজুড়ে ডেটা প্রসেসিং ও টেক্সট সংরক্ষণে ইউনিকোড ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলা বর্ণমালার প্রতিটি অক্ষর যেমন অ, আ, ক, খ ইউনিকোড সিস্টেমে নির্দিষ্ট কোড দ্বারা সংরক্ষিত থাকে। ব্যাখ্যা: এর ফলে কম্পিউটারে বাংলা লেখা অন্য কোনো ডিভাইসে খুললেও অক্ষর ভেঙে যায় না এবং সঠিক দেখায়। উদাহরণ ২: ইংরেজি বর্ণমালার এ এবং বি অক্ষর ইউনিকোডের আওতায় নির্দিষ্ট বাইনারি মানে রূপান্তরিত হয়। ব্যাখ্যা: এই কোডিং ব্যবস্থার কারণে মাইক্রোসফট ওয়ার্ড বা ব্রাউজারে বিভিন্ন ভাষার লেখা একসঙ্গে ব্যবহার করা সম্ভব হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৫৬ টি — এটি স্ট্যান্ডার্ড এসকিউআইআই বা আট বিটের কোডিং ক্ষমতার হিসাব, যা ইউনিকোডের প্রাথমিক পরিমাণের চেয়ে অনেক কম। B) ৪০৯৬ টি — এটি ইউনিকোডের মূল ধারণার সঙ্গে মেলে না এবং এটি বারো বিটের বাইনারি বিন্যাসের হিসাব নির্দেশ করে। D) ৪২৯৪৯৬৭২৯৬ টি — এটি ইউনিকোডের ৩২ বিট সংস্করণের সম্ভাব্য চিহ্নের সংখ্যা, যা প্রাথমিক ষোল বিটের সংস্করণের জন্য সঠিক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: ইউনিকোডের আদি সংস্করণ ছিল ষোল বিটের এবং দুই এর ষোল পাওয়ার সমান হয় ৬৫৫৩৬। ১৬ বিট মানে দুটি বাইট এবং এর মাধ্যমেই মূলত প্রথম আন্তর্জাতিক ইউনিকোড স্ট্যান্ডার্ড চালু হয়েছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ইউনিকোডের পূর্ণরূপ হলো ইউনিভার্সাল কোড। বর্তমানে ইউনিকোডের আধুনিক সংস্করণে বিট সংখ্যা আরও বাড়ানো হয়েছে, যা দিয়ে লাখ লাখ প্রতীক ও ইমোজি নির্দিষ্ট করা যায়।
a অ্যাপল
b গুগল
c মাইক্রোসফট
d আইবিএম
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অ্যাপল ১. কেন সঠিক: আইওএস (iOS) হলো একটি মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম যা একচেটিয়াভাবে অ্যাপল (Apple) কোম্পানির নিজস্ব ডিভাইস যেমন আইফোন এবং আইপড টাচের জন্য তৈরি ও বাজারজাত করা হয়। অন্যান্য অপারেটিং সিস্টেমের মতো এটি অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের থার্ড-পার্টি স্মার্টফোনে ব্যবহার করা যায় না। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: iOS-এর পূর্ণরূপ হলো আইফোন অপারেটিং সিস্টেম (iPhone Operating System), যা অ্যাপল ইনকরপোরেটেড কর্তৃক বিকশিত একটি প্রোপ্রিটারি মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম। কার্যপদ্ধতি: এটি ব্যবহারকারী এবং মোবাইল ডিভাইসের হার্ডওয়্যারের মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করে টাচ স্ক্রিন ও অন্যান্য ইনপুটের মাধ্যমে সম্পূর্ণ সিস্টেম নিয়ন্ত্রণ করে। বৈশিষ্ট্য: এটি অত্যন্ত নিরাপদ, বন্ধ সোর্স কোড (Closed Source) বিশিষ্ট এবং এর ইন্টারফেস অত্যন্ত মসৃণ ও ব্যবহারবান্ধব। ব্যবহার: অ্যাপলের নিজস্ব মোবাইল ডিভাইস যেমন আইফোন (iPhone), আইপ্যাড (iPad - যার অপারেটিং সিস্টেম এখন আলাদাভাবে আইপ্যাডওএস নামে পরিচিত) এবং আইপড টাচে এটি ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আইফোন ১৩ বা ১৪ চালানো। ব্যাখ্যা: এই ফোনগুলোর ভেতরে অ্যাপলের তৈরি আইওএস চালিত হয়ে ব্যবহারকারীকে কল করা, অ্যাপ চালানো ও ইন্টারনেট ব্রাউজ করার সুযোগ দেয়। উদাহরণ ২: অ্যাপল অ্যাপ স্টোর থেকে অ্যাপ ডাউনলোড করা। ব্যাখ্যা: আইওএস প্ল্যাটফর্মের নিজস্ব অ্যাপ স্টোর থেকে নিরাপদে বিভিন্ন সফটওয়্যার বা গেম ইনস্টল করা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অ্যাপল — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই প্রতিষ্ঠানটিই আইওএস অপারেটিং সিস্টেম তৈরি ও বাজারজাত করে। B) গুগল — গুগল অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম বাজারজাত করে, আইওএস নয়। C) মাইক্রোসফট — মাইক্রোসফট অতীতে উইন্ডোজ ফোন অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করত, যা বর্তমানে বন্ধ রয়েছে। D) আইবিএম — আইবিএম প্রধানত এন্টারপ্রাইজ কম্পিউটার ও সার্ভার প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করে, মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম বাজারজাত করে না। ৫ মনে রাখার টিপস: আইওএস (iOS) শুনলেই মাথায় রাখবে অ্যাপল (Apple), যেমন অ্যান্ড্রয়েড শুনলে মাথায় আসে গুগল। অ্যাপলের নিজস্ব ডিভাইস ছাড়া অন্য কোনো কোম্পানির ফোনে আইওএস থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মোবাইল অপারেটিং সিস্টেমের ক্ষেত্রে অ্যান্ড্রয়েডের উৎস উন্মুক্ত (Open Source) হলেও আইওএস সম্পূর্ণ বন্ধ উৎস (Closed Source)। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোন অপারেটিং সিস্টেম কোন কোম্পানির তৈরি।
a RAM
b ROM
c Mercury Delay Lines
d Registors
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Mercury Delay Lines ১. কেন সঠিক: EDSAC কম্পিউটারে মূল মেমরি হিসেবে Mercury Delay Lines ব্যবহার করা হতো। এটি শব্দ তরঙ্গের মাধ্যমে ডেটা বা মেমরি রিফ্রেশ করে সংরক্ষণ করত। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: Mercury Delay Lines হলো এমন একটি প্রযুক্তি যেখানে পারদের মাধ্যমে শব্দ তরঙ্গ পাঠিয়ে ডেটা সংরক্ষণ করা হতো। কার্যপদ্ধতি: পারদ পূর্ণ টিউবের দুই প্রান্তে ক্রিস্টাল থাকে যা বৈদ্যুতিক সংকেতকে শব্দ তরঙ্গে রূপান্তর করে মেমরি ধরে রাখে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আধুনিক কম্পিউটারে আমরা যেমন RAM ব্যবহার করে তাৎক্ষণিক কাজ করি, EDSAC-এ পারদ কলাম ঠিক সেইভাবে কাজ করত। ব্যাখ্যা: এটি সে যুগের কম্পিউটারের জন্য অত্যন্ত কার্যকরী অস্থায়ী ডেটা স্টোরেজ ব্যবস্থা ছিল। উদাহরণ ২: একে আধুনিক ক্যাশ মেমরির আদি রূপ হিসেবে কল্পনা করা যায়। ব্যাখ্যা: প্রসেসর দ্রুত তথ্য আদানপ্রদানের জন্য এই পারদ পরিবাহী লাইন ব্যবহার করত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) RAM — আধুনিক কম্পিউটারে ব্যবহৃত হলেও প্রথম প্রজন্মের EDSAC-এ এটি ব্যবহৃত হতো না। B) ROM — এটি স্থায়ী মেমরি যা পড়ার কাজে ব্যবহৃত হয়, EDSAC-এর মূল কাজের জন্য এটি উপযোগী ছিল না। C) Mercury Delay Lines — এটি সঠিক উত্তর। D) Registors — প্রসেসরের ভেতরে সাময়িক ডেটা রাখার ছোট ঘর, যা EDSAC-এর প্রধান মেমরি হিসেবে ব্যবহৃত হয়নি। ৫ মনে রাখার টিপস: EDSAC কম্পিউটারের নামের সাথে পারদের সম্পর্ক মনে রাখতে হবে। প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারগুলোতে মেমরি হিসেবে পারদ বা ভ্যাকুয়াম টিউব ব্যবহার করা হতো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: EDSAC হলো বিশ্বের প্রথম পূর্ণাঙ্গ संग्रহিত প্রোগ্রামভিত্তিক কম্পিউটার। Maurice Wilkes ১৯৪৯ সালে এটি তৈরি করেন।
a ১৯৯০ সালে
b ১৯৮৮ সালে
c ১৯৯৪ সালে
d ১৯৯৮ সালে
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯৯৪ সালে ১. কেন সঠিক: আমাজন ডটকম একটি জনপ্রিয় ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান হিসেবে ১৯৯৪ সালের ৫ জুলাই জেফ বেজোস কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রথমে এটি কেবল অনলাইন বইয়ের দোকান হিসেবে যাত্রা শুরু করলেও বর্তমানে এটি বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম ই-কমার্স ও ক্লাউড কম্পিউটিং প্রতিষ্ঠান। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ই-কমার্স হলো ইন্টারনেট বা ইলেকট্রনিক নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে অনলাইনে পণ্য বা সেবা কেনাবেচা করার পদ্ধতি। কার্যপদ্ধতি: গ্রাহক ইন্টারনেট সংযুক্ত ডিভাইস ব্যবহার করে ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে পছন্দমতো পণ্য নির্বাচন করে ডিজিটাল পেমেন্টের মাধ্যমে অর্ডার করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দারাজ বা আমাজন থেকে ঘরে বসে মোবাইল বা বই কেনা। ব্যাখ্যা: ক্রেতা সরাসরি দোকানে না গিয়ে ইন্টারনেট ব্যবহার করে ঘরে বসে পণ্য ক্রয় ও পেমেন্ট সম্পন্ন করেন। উদাহরণ ২: অনলাইন ফুড ডেলিভারি সেবা থেকে খাবার অর্ডার করা। ব্যাখ্যা: ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে গ্রাহক ও বিক্রেতার মধ্যে সরাসরি বাণিজ্যিক লেনদেন সম্পাদিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৯০ সালে — এই সালে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব বা ডব্লিউডব্লিউডব্লিউ জনসাধারণের ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করা হয় কিন্তু আমাজন প্রতিষ্ঠিত হয়নি। B) ১৯৮৮ সালে — এটি আমাজনের প্রতিষ্ঠার বছর নয় বরং এই সময়ে ইন্টারনেট প্রযুক্তির বাণিজ্যিক সম্প্রসারণ সবে শুরু হচ্ছিল। D) ১৯৯৮ সালে — গুগল কোম্পানি প্রতিষ্ঠিত হয় কিন্তু আমাজন এর চার বছর আগেই কার্যক্রম শুরু করেছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: আমাজন ডটকম জেফ বেজোস কর্তৃক ১৯৯৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। সালটি মনে রাখতে পারেন ১৯৯ এর সাথে ৪ যোগ করে ১৯৯৪। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: আমাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোস এবং বর্তমান প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা অ্যান্ডি জ্যাসি। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই বিখ্যাত প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ও তাদের প্রতিষ্ঠার সাল বা প্রতিষ্ঠাতার নাম জিজ্ঞাসা করা হয়।
a Simple Message Transmission Protocol
b Strategic Mail Transfer Protocol
c Strategic Mail Transmission Protocol
d Simple Mail Transfer Protocol
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Simple Mail Transfer Protocol ১. কেন সঠিক: SMTP-এর পূর্ণরূপ হলো Simple Mail Transfer Protocol যার বাংলা অর্থ হলো সাধারণ মেইল স্থানান্তর প্রোটোকল। এটি ইন্টারনেট বা নেটওয়ার্কের মাধ্যমে এক ই-মেইল সার্ভার থেকে অন্য ই-মেইল সার্ভারে মেইল প্রেরণের জন্য ব্যবহৃত হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: SMTP হলো এমন একটি ইন্টারনেট প্রোটোকল যা ইন্টারনেট বা টিসিপিআইপি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ই-মেইল আদান প্রদানের কাজ করে। কার্যপদ্ধতি: ব্যবহারকারী যখন মেইল সেন্ড করেন তখন ক্লায়েন্ট বা প্রেরক সার্ভার এই প্রোটোকলের সাহায্যে প্রাপকের মেইল সার্ভারে বার্তা পৌঁছে দেয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জিমেইল থেকে ইয়াহুতে ইমেল পাঠানো। ব্যাখ্যা: জিমেইল অ্যাকাউন্ট থেকে ইয়াহু ঠিকানায় কোনো বার্তা পাঠালে এই প্রোটোকল সার্ভারগুলোর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে বার্তাটি সফলভাবে পৌঁছে দেয়। উদাহরণ ২: করপোরেট অফিসের নিজস্ব সার্ভার থেকে ক্লায়েন্টদের মেইল পাঠানো। ব্যাখ্যা: প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব ডোমেইন বা মেইল সার্ভার থেকে অন্য কোনো বাহ্যিক সার্ভারে বার্তা স্থানান্তর করতে এই প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Simple Message Transmission Protocol - এই নামে কোনো স্ট্যান্ডার্ড ইন্টারনেট প্রোটোকল নেই। B) Strategic Mail Transfer Protocol - এটি একটি ভুল শব্দগুচ্ছ বা বিভ্রান্তিকর অপশন। C) Strategic Mail Transmission Protocol - এটিও প্রোটোকলের সঠিক নাম নয়। D) Simple Mail Transfer Protocol - এটি ই-মেইল প্রেরণের স্বীকৃত ও সঠিক প্রোটোকল। ৫. মনে রাখার টিপস: SMTP নামের ভেতর কাজ লুকিয়ে আছে, যেখানে T দিয়ে Transfer বোঝায়। ই-মেইল পাঠানোর জন্য ট্রান্সফার বা স্থানান্তরের কাজটি এই প্রোটোকল করে থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ই-মেইল গ্রহণ বা রিড করার জন্য POP3 বা IMAP প্রোটোকল ব্যবহৃত হয়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ই-মেইল পাঠানো ও গ্রহণের প্রোটোকল আলাদাভাবে প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়।
a প্রোগ্রাম
b প্রোটোকল
c প্রোগ্রামিং
d ফ্লোচার্ট
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্রোটোকল ১. কেন সঠিক: TCP শব্দের পূর্ণরূপ হলো Transmission Control Protocol এবং বাংলা অর্থ হলো ট্রান্সমিশন কন্ট্রোল প্রোটোকল। এটি কম্পিউটার নেটওয়ার্কে ডেটা আদান-প্রদানের নিয়ম বা প্রোটোকল হিসেবে কাজ করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: প্রোটোকল হলো এক সেট নিয়ম যা ইন্টারনেটে ডিভাইসগুলোর মধ্যে যোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ করে। কার্যপদ্ধতি: এটি বড় ডেটাকে ছোট ছোট প্যাকেটে বিভক্ত করে এবং গন্তব্যে পৌঁছে তা পুনরায় সঠিকভাবে সাজায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চিঠি পাঠানোর নিয়ম। ব্যাখ্যা: খামে ঠিকানা লেখা এবং ডাকটিকিট লাগানোর যেমন নির্দিষ্ট নিয়ম আছে, টিসিপি ঠিক তেমনি ডেটা পাঠানোর নিয়ম নির্ধারণ করে। উদাহরণ ২: অনলাইন ব্রাউজিং। ব্যাখ্যা: আমরা যখন ইন্টারনেটে কোনো ওয়েবসাইট ভিজিট করি, তখন টিসিপি নিশ্চিত করে যে ডেটা নিখুঁতভাবে আমাদের ডিভাইসে এসে পৌঁছাচ্ছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রোগ্রাম — প্রোগ্রাম হলো কম্পিউটারের কোডের সমষ্টি যা কোনো নির্দিষ্ট কাজ সম্পন্ন করে, এটি যোগাযোগের নিয়ম নয়। C) প্রোগ্রামিং — প্রোগ্রামিং হলো কম্পিউটার সফটওয়্যার তৈরির প্রক্রিয়া বা ভাষা লেখার পদ্ধতি, যা প্রোটোকল নির্দেশ করে না। D) ফ্লোচার্ট — ফ্লোচার্ট হলো কোনো কাজের ধাপগুলো চিত্রের মাধ্যমে প্রকাশ করার পদ্ধতি, যা নেটওয়ার্ক যোগাযোগের নিয়ম নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: TCP নামের শেষ অংশ P দিয়ে Protocol বোঝায়। নেটওয়ার্কের ভাষা বা নিয়ম মানেই প্রোটোকল। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: TCP একটি কানেকশন-ওরিয়েন্টেড প্রোটোকল যা ডেটা আদান-প্রদানের সময় নিখুঁত ডেলিভারি নিশ্চিত করে। ইন্টারনেটে আইপি ঠিকানার সাথে এটি যৌথভাবে কাজ করে।
a এটির নির্মাতা গুগল
b এটি লিনাক্স কার্নেল নির্ভর
c এটি প্রধানত টাচস্ক্রিন মোবাইল ডিভাইসের জন্য তৈরি
d উপরের সবগুলো সঠিক
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উপরের সবগুলো সঠিক ১. কেন সঠিক: অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের মূল নির্মাতা গুগল এবং এটি লিনাক্স কার্নেলের ওপর ভিত্তি করে তৈরি মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম। এটি প্রাথমিকভাবে স্মার্টফোন এবং ট্যাবলেটের মতো টাচস্ক্রিন ডিভাইসের কথা মাথায় রেখে ডিজাইন করা হয়েছে, তাই প্রদত্ত তিনটি বিবৃতিই সত্য। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: অ্যান্ড্রয়েড হলো গুগল কর্তক ডেভেলপ করা একটি ওপেন সোর্স মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম। কার্যপদ্ধতি: এটি লিনাক্স কার্নেল ব্যবহার করে হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে যোগাযোগ রক্ষা করে এবং টাচ ইনপুট প্রসেস করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্যামসাং গ্যালাক্সি বা শাওমি স্মার্টফোন। ব্যাখ্যা: এই ফোনগুলোতে অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম চালিত ইউজার ইন্টারফেস ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: টাচস্ক্রিন ট্যাব বা এটিএম বুথের কিছু ডিসপ্লে। ব্যাখ্যা: এগুলোতে স্পর্শের মাধ্যমে কমান্ড দেওয়ার জন্য অ্যান্ড্রয়েডের মতো টাচ-ভিত্তিক ওএস কাজ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) এটির নির্মাতা গুগল — এটি সঠিক হলেও অন্য অপশনগুলোও সঠিক হওয়ায় এটি একা সম্পূর্ণ উত্তর নয়। B) এটি লিনাক্স কার্নেল নির্ভর — এটি সত্য, তবে এটি অ্যান্ড্রয়েডের একমাত্র বৈশিষ্ট্য নয়। C) এটি প্রধানত টাচস্ক্রিন মোবাইল ডিভাইসের জন্য তৈরি — এটিও সত্য, কিন্তু নির্মাতা এবং কার্নেল সম্পর্কিত তথ্য বাদ পড়ে যায়। D) উপরের সবগুলো সঠিক — যেহেতু প্রথম তিনটি অপশনই অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম সম্পর্কে সম্পূর্ণ সত্য, তাই এই অপশনটি সঠিক। ৫. মনে রাখার টিপস: অ্যান্ড্রয়েড মনে রাখতে জি-এল-টি সূত্র মনে রাখবে। জি মানে গুগল, এল মানে লিনাক্স এবং টি মানে টাচস্ক্রিন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের প্রথম বাণিজ্যিক সংস্করণ বাজারে আসে ২০০৮ সালে। এটি জাভা এবং কোটলিন ভাষা ব্যবহার করে অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট সমর্থন করে।
a সুশাসন
b আইনের শাসন
c রাজনীতি
d মানবাধিকার
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সুশাসন ১. কেন সঠিক: - সুশাসন এমন একটি ধারণা যা মূলত জনগণ, রাষ্ট্র এবং প্রশাসনের মধ্যে সুসংহত সম্পর্ক স্থাপন করে। এটি নিশ্চিত করে যে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা জনগণের কল্যাণে ব্যবহৃত হচ্ছে এবং প্রশাসন স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলকভাবে কাজ করছে। - সুশাসনের মাধ্যমে জনগণের অধিকার রক্ষা পায়, রাষ্ট্রে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয় এবং প্রশাসন ও জনগণের মধ্যে আস্থার সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: সুশাসন হলো এমন একটি শাসনব্যবস্থা যা অংশগ্রহণমূলক, consensus-oriented বা ঐকমত্যভিত্তিক, জবাবদিহিমূলক, স্বচ্ছ, প্রতিক্রিয়াশীল, কার্যকর ও দক্ষ, ন্যায়সংগত এবং অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করে। - গুরুত্ব: সুশাসন ছাড়া কোনো রাষ্ট্র তার কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন অর্জন করতে পারে না এবং সমাজে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা অসম্ভব হয়ে পড়ে। - প্রয়োগ: সরকারি সেবা প্রাপ্তিতে নাগরিকদের সমান সুযোগ সৃষ্টি এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমে দুর্নীতি দূর করার মাধ্যমে এর বাস্তব প্রয়োগ ঘটে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: একজন নাগরিক ভূমি অফিসে গিয়ে কোনো ঘুষ বা অতিরিক্ত হয়রানি ছাড়া নির্দিষ্ট ফি দিয়ে জমির নামজারি সম্পন্ন করতে পারলেন। ব্যাখ্যা: এটি সুশাসনের একটি বাস্তব রূপ যেখানে প্রশাসন স্বচ্ছ এবং নাগরিক তার অধিকার সহজে ভোগ করতে পেরেছেন। উদাহরণ ২: একটি স্থানীয় উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ নির্ধারিত সময়ে শেষ হলো এবং ব্যয়ের হিসাব জনগণের সামনে প্রকাশ করা হলো। ব্যাখ্যা: এটি জবাবদিহি ও স্বচ্ছতার চমৎকার উদাহরণ যা সুশাসনকে সুসংহত করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুশাসন — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি জনগণ, রাষ্ট্র ও প্রশাসনের মধ্যকার সামগ্রিক সম্পর্ককে নির্দেশ করে। B) আইনের শাসন — এটি সুশাসনের একটি অন্যতম স্তম্ভ মাত্র, যা কেবল আইনের সমান প্রয়োগ নিশ্চিত করে, কিন্তু জনগণ ও প্রশাসনের সামগ্রিক সম্পর্ককে সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ করে না। C) রাজনীতি — এটি মূলত ক্ষমতা অর্জন এবং রাষ্ট্র পরিচালনার প্রক্রিয়া, যা সবসময় জনগণ ও প্রশাসনের কল্যাণকর সম্পর্ক বা সুশাসন নিশ্চিত করে না। D) মানবাধিকার — এটি ব্যক্তির জন্মগত অধিকার ও স্বাধীনতার সঙ্গে সম্পর্কিত, যা সুশাসনের একটি অংশ হলেও সামগ্রিক রাষ্ট্র ও প্রশাসনের পরিধিকে সম্পূর্ণভাবে কভার করে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - প্রশ্নটিতে যখন জনগণ, রাষ্ট্র এবং প্রশাসন এই তিনটি মূল স্তম্ভ একসঙ্গে আসবে, তখন উত্তর সবসময় সুশাসন নির্বাচন করতে হবে। - সুশাসন মানেই হলো প্রশাসন ও জনগণের মেলবন্ধন যেখানে জবাবদিহি ও স্বচ্ছতা প্রধান শর্ত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সুশাসনের মূল উপাদানগুলো (যেমন স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও অংশগ্রহণ) সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখতে হবে। - একই নীতি থেকে প্রশাসন ও জনগণের আস্থার সম্পর্ক এবং গণতন্ত্রের কার্যকারিতা বিষয়ক প্রশ্নও পরীক্ষায় আসতে পারে।
a এরিস্টটল
b জন স্টুয়ার্ট মিল
c ম্যাককরনী
d মেকিয়াভেলি
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ম্যাককরনী ১. কেন সঠিক: - সুশাসন বলতে রাষ্ট্রের সঙ্গে সুশীল সমাজ এবং সরকারের সঙ্গে জনগণের অংশীদারত্বমূলক সম্পর্ককে বোঝানো হয়েছে। রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও সুশাসনের সংজ্ঞায় ম্যাককরনী এই সম্পর্কটিকে স্পষ্টভাবে চিহ্নিত করেছেন। - সুশাসন ও জবাবদিহি ধারণার মূল ভিত্তি হলো রাষ্ট্রের বিভিন্ন অংশ ও জনগণের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতামূলক ও ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপন করা। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: মূল ধারণা: সুশাসন হলো এমন একটি শাসনব্যবস্থা যা স্বচ্ছতা, জবাবদিহি, আইনের শাসন এবং জনকল্যাণ নিশ্চিত করে। গুরুত্ব: সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হলে রাষ্ট্রে দুর্নীতি হ্রাস পায় এবং নাগরিক অধিকার ও মানবিক মর্যাদা সুরক্ষিত হয়। প্রয়োগ: সরকারি ও বেসরকারি সেবামূলক কাজে জনস্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করা। সম্ভাব্য প্রভাব: সুশাসনের সঠিক প্রয়োগ সমাজ ও রাষ্ট্রে সমতা, শান্তি এবং টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: একজন সরকারি কর্মকর্তা নাগরিক সেবা প্রদানে কোনো ধরনের বৈষম্য না করে সবার সঙ্গে সমান আচরণ করছেন। ব্যাখ্যা: এটি সুশাসনের অংশীদারত্ব ও সমতা নীতির সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ। উদাহরণ ২: একটি স্থানীয় উন্নয়ন প্রকল্পে সাধারণ মানুষের মতামত গ্রহণ করে কাজ পরিচালনা করা হচ্ছে। ব্যাখ্যা: এটি সুশাসনের অংশগ্রহণমূলক নীতির সঠিক প্রয়োগ এবং জনগণের প্রতি জবাবদিহির প্রকাশ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) এরিস্টটল — প্রাচীন গ্রিক দার্শনিক হলেও তিনি মূলত সরকার পদ্ধতি ও রাজনীতির তত্ত্ব নিয়ে আলোচনা করেছেন, সুশাসনের এই আধুনিক সম্পর্ক নিয়ে নয়। B) জন স্টুয়ার্ট মিল — তিনি মূলত উপযোগবাদ এবং স্বাধীনতার পক্ষে তাত্ত্বিক মতবাদ প্রচার করেছেন, যা এই নির্দিষ্ট উক্তির সঙ্গে মেলে না। C) ম্যাককরনী — ইনিই এই সুনির্দিষ্ট সুশাসন বিষয়ক উক্তির প্রবক্তা এবং তাই এটি সঠিক উত্তর। D) মেকিয়াভেলি — তিনি রাষ্ট্র পরিচালনায় রাজনৈতিক কৌশল ও ক্ষমতার প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা করেছেন, যা সুশাসনের এই সুশীল সমাজের সম্পর্কের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: সুশাসন মানেই সরকার ও জনগণের মেলবন্ধন, আর এই মেলবন্ধনের কথা প্রথম বা জোরালোভাবে বলেছেন ম্যাককরনী। নামটি মনে রাখতে 'ম' দিয়ে শুরু ম্যাককরনী এবং সুশাসনের 'ম' অংশটি মেলানো যেতে পারে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সুশাসনের মূল স্তম্ভগুলো হলো অংশগ্রহণ, স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও আইনের শাসন। এই ধারণা থেকে বিসিএস বা ব্যাংক পরীক্ষায় প্রায়ই সুশাসন ও সুশীল সমাজের ভূমিকা সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে।
a দায়িত্বশীলতা
b নৈতিকতা
c দক্ষতা
d সরলতা
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নৈতিকতা ১. কেন সঠিক: - নৈতিকতা হলো একজন প্রশাসক ও ব্যবস্থাপকের সর্বশ্রেষ্ঠ গুণ কারণ এটি অন্য সব গুণের সঠিক প্রয়োগ নিশ্চিত করে। - নৈতিক নীতিমালা না থাকলে দক্ষতা বা দায়িত্বশীলতা অনেক সময় ব্যক্তিগত বা গোষ্ঠীগত স্বার্থ হাসিলের কাজে অনৈতিকভাবে ব্যবহৃত হতে পারে। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: নৈতিকতা হলো মানব আচরণের ভালো-মন্দের মাপকাঠি যা সমাজ স্বীকৃত নিয়ম ও আদর্শের ওপর প্রতিষ্ঠিত। - গুরুত্ব: পেশাগত জীবনে নৈতিকতা না থাকলে সুশাসন নিশ্চিত করা অসম্ভব এবং দুর্নীতি সমাজে জেঁকে বসে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: একজন সরকারি কর্মকর্তা ফাইল নিষ্পত্তির সময় ঘুষ বা অবৈধ সুবিধা গ্রহণ না করে নিরপেক্ষভাবে সরকারি নিয়ম মেনে সেবা প্রদান করলেন। ব্যাখ্যা: এটি তার পেশাগত নৈতিকতা এবং সততার বাস্তব প্রয়োগ নির্দেশ করে। উদাহরণ ২: একজন ব্যবস্থাপক তার প্রতিষ্ঠানে কোনো টেন্ডার আহ্বানের সময় স্বজনপ্রীতি এড়িয়ে সম্পূর্ণ স্বচ্ছতার সঙ্গে যোগ্য প্রতিষ্ঠানকে কাজ দিলেন। ব্যাখ্যা: এটি প্রতিষ্ঠানের প্রতি প্রাতিষ্ঠানিক নৈতিকতা এবং নিরপেক্ষতার সঠিক চর্চা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দায়িত্বশীলতা — দায়িত্বশীলতা একটি গুরুত্বপূর্ণ গুণ হলেও নৈতিকতাহীন দায়িত্বশীলতা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডেও দেখা যেতে পারে। B) নৈতিকতা — এটি সঠিক উত্তর। C) দক্ষতা — দক্ষতা থাকা জরুরি কিন্তু অনৈতিক ব্যক্তির দক্ষতা সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য ধ্বংসাত্মক হতে পারে। ডি) সরলতা — সরলতা ব্যক্তিগত চরিত্রের ভালো গুণ হলেও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে এটি সবসময় ফলপ্রসূ বা যথেষ্ট নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - প্রশাসনিক গুণাবলীর মধ্যে নৈতিকতা হলো চালিকাশক্তি আর দক্ষতা হলো বাহন। - নৈতিকতা না থাকলে অন্য গুণগুলো সঠিক দিশা পায় না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রশাসক ও ব্যবস্থাপকের ক্ষেত্রে নৈতিকতা এবং সুশাসনের সম্পর্ক অত্যন্ত নিবিড়। - এই প্রশ্নটি সুশাসন, নেতৃত্ব ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং পেশাগত নৈতিকতা অধ্যায়ের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
a সত্য ও ন্যায়
b সার্থকতা
c শঠতা
d অসহিষ্ণুতা
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সত্য ও ন্যায় ১. কেন সঠিক: সত্য ও ন্যায় মানুষের চিরন্তন ও সর্বজনীন নৈতিক মূল্যবোধ, যা যুগ যুগ ধরে সকল সমাজে মানুষের আচরণ নিয়ন্ত্রণের মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করে আসছে। এটি মানুষের বিবেককে জাগ্রত রাখে এবং সামাজিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সাহায্য করে, তাই যেকোনো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৈতিক প্রশ্ন হিসেবে বিবেচিত হয়। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: মূল ধারণা: সত্য ও ন্যায় হলো এমন একটি মানবিক গুণ যা মানুষকে মিথ্যা, প্রবঞ্চনা এবং অন্যায় থেকে দূরে রেখে সঠিক পথে পরিচালিত করে। গুরুত্ব: এটি সমাজে পারস্পরিক বিশ্বাস, সৌহার্দ্য এবং মানবিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে। প্রয়োগ: ব্যক্তিগত জীবন থেকে শুরু করে কর্মক্ষেত্র পর্যন্ত প্রতিটি ক্ষেত্রে সততা ও ন্যায়পরায়ণতা বজায় রাখার মাধ্যমে এর বাস্তব প্রয়োগ সম্ভব। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: কর্মক্ষেত্রে কোনো অনিয়ম বা দুর্নীতির চাপ থাকা সত্ত্বেও নিজের পেশাগত সততা বজায় রেখে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা। ব্যাখ্যা: এখানে ব্যক্তির সততা এবং ন্যায়ের প্রতি নিষ্ঠা প্রতিফলিত হয়, যা সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সাহায্য করে। উদাহরণ ২: শিক্ষার্থী হিসেবে পরীক্ষার হলে কোনো অসদুপায় অবলম্বন না করে নিজের মেধার ওপর সম্পূর্ণ ভরসা রাখা। ব্যাখ্যা: এটি নৈতিক শিক্ষা ও সত্যবাদিতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত, যা ভবিষ্যতে একজন দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সত্য ও ন্যায় — এটি মানুষের চিরন্তন ও সর্বজনীন নৈতিক মূল্যবোধ, যা সমাজ গঠনে অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে। B) সার্থকতা — এটি জীবনের একটি সাফল্য নির্দেশক বিষয় হতে পারে, তবে এটি কোনো নৈতিক মূল্যবোধ বা চিরন্তন গুণ নয়। C) শঠতা — এটি একটি অত্যন্ত নেতিবাচক আচরণ এবং অনৈতিক গুণ, যা সমাজ ও মানুষের মধ্যে অনাস্থা তৈরি করে। D) অসহিষ্ণুতা — এটি অন্যের মতামতের প্রতি অসম্মান এবং সামাজিক সম্প্রীতি বিনষ্টকারী একটি ক্ষতিকর প্রবৃত্তি। ৫. মনে রাখার টিপস: মানুষের জীবনে যে গুণগুলো চিরকাল সমাদৃত এবং সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠায় সাহায্য করে, সেগুলোই চিরন্তন মূল্যবোধ। পরীক্ষায় এমন প্রশ্ন এলে মানুষের মৌলিক কল্যাণ এবং সমাজের মঙ্গল সাধন করে এমন অপশনটি বেছে নিতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সত্যবাদিতা ও ন্যায়পরায়ণতা নৈতিকতা ও সুশাসনের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করে। এই নীতি থেকে সততা বনাম দুর্নীতি বা সুশাসনের মৌলিক উপাদান সম্পর্কিত বিভিন্ন এমসিকিউ প্রশ্ন আসতে পারে।
a রাজনীতি
b বুদ্ধিজীবী সম্প্রদায়
c সংবাদ মাধ্যম
d যুবশক্তি
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সংবাদ মাধ্যম ১. কেন সঠিক: - সংবাদ মাধ্যম বা গণমাধ্যমকে রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ বলা হয় কারণ এটি সরকারের তিনটি প্রধান অঙ্গ অর্থাৎ আইনসভা, শাসনবিভাগ ও বিচারবিভাগের কাজের ওপর জনস্বার্থে নজরদারি চালায়। - সুশাসন ও জবাবদিহির ক্ষেত্রে গণমাধ্যম স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে এবং সমাজের দর্পণ হিসেবে কাজ করে জনগণের অধিকার ও সমস্যা তুলে ধরে। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতা ও দায়িত্বশীলতা হলো এমন একটি নৈতিক ভিত্তি, যার মাধ্যমে সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ তথ্য সমাজের সামনে তুলে ধরা হয়। - গুরুত্ব: এটি সমাজে ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করতে, দুর্নীতি উন্মোচন করতে এবং নাগরিকদের সচেতন নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। - প্রয়োগ: সত্য ও নিরপেক্ষ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে গণমাধ্যম জনমত গঠন করে এবং নীতিনির্ধারকদের সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: কোনো সরকারি দপ্তরে দুর্নীতির খবর তথ্যসহ প্রকাশ করা। ব্যাখ্যা: এটি সাংবাদিকতার পেশাগত নৈতিকতা এবং সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতার প্রকাশ, যা সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে সহায়তা করে। উদাহরণ ২: সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বা সংবাদ মাধ্যমে কোনো গুজবের সত্যতা যাচাই করে সঠিক তথ্য প্রচার করা। ব্যাখ্যা: এখানে দায়িত্বশীল আচরণের পরিচয় মেলে, যা সমাজে বিশৃঙ্খলা রোধ করে এবং নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধি করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাজনীতি — রাজনীতি রাষ্ট্রের কাঠামোর অংশ এবং এটি ক্ষমতা পরিচালনা ও নীত নির্ধারণের সঙ্গে সরাসরি জড়িত, তাই একে চতুর্থ স্তম্ভ বলা যায় না। B) বুদ্ধিজীবী সম্প্রদায় — বুদ্ধিজীবীরা সমাজকে দিকনির্দেশনা দিলেও তারা রাষ্ট্রের প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর কোনো স্বীকৃত বা আনুষ্ঠানিক স্তম্ভ নন। D) যুবশক্তি — যুবশক্তি দেশের অগ্রগতির মূল চালিকাশক্তি হলেও রাষ্ট্র পরিচালনার সাংবিধানিক বা প্রাতিষ্ঠানিক চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে সংবাদ মাধ্যমকে গণ্য করা হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - রাষ্ট্রের প্রথম তিনটি স্তম্ভ হলো আইনসভা, শাসনবিভাগ ও বিচারবিভাগ, আর চতুর্থ স্তম্ভ হলো মুক্ত ও স্বাধীন সংবাদ মাধ্যম। - সুশাসন ও স্বচ্ছতার প্রশ্ন এলেই সংবাদ মাধ্যম বা গণমাধ্যমের ভূমিকা প্রধান হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - গণতন্ত্র ও সুশাসনে সংবাদ মাধ্যমের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি সরকারের জবাবদিহি নিশ্চিত করে। - এই একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে সংবাদ মাধ্যমকে কিসের প্রতীক বলা হয়, যার উত্তর হবে গণতন্ত্র বা মুক্ত মতপ্রকাশের প্রতীক।
a বিশ্বস্ততা
b সৃজনশীলতা
c নিরপেক্ষতা
d জবাবদিহিতা
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সৃজনশীলতা ১. কেন সঠিক: সরকারি সিদ্ধান্ত প্রণয়ন প্রক্রিয়ায় সৃজনশীলতার চেয়ে পূর্বনির্ধারিত আইন, নীতিমালা, জনস্বার্থ এবং প্রশাসনিক কাঠামোর কনিষ্ঠ পালন বেশি জরুরি। সৃজনশীলতা শিল্পকলা বা ব্যক্তিগত উদ্যোগের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হলেও সরকারি প্রশাসনে এটি ব্যক্তিগত খেয়ালখুশি বা নিয়মের বরখেলাফ ঘটাতে পারে। সংশ্লিষ্ট নৈতিক নীতি হলো প্রশাসনিক শৃঙ্খলা, যার মাধ্যমে সরকারের প্রতিটি সিদ্ধান্ত আইনসম্মত ও সুনির্দিষ্ট কাঠামোর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: মূল ধারণা: সরকারি সিদ্ধান্ত প্রণয়নে সুশাসন, জবাবদিহিতা, নিরপেক্ষতা এবং বিশ্বস্ততা অপরিহার্য স্তম্ভ হিসেবে কাজ করে। গুরুত্ব: এটি প্রশাসনকে জনকল্যাণমুখী করতে এবং ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করতে সরাসরি সহায়তা প্রদান করে থাকে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: একজন সরকারি কর্মকর্তা ত্রাণ বিতরণের সময় ব্যক্তিগত সৃজনশীল উপায় বাদ দিয়ে নির্ধারিত সরকারি তালিকা ও নীতিমালা কঠোরভাবে অনুসরণ করলেন। ব্যাখ্যা: এখানে সরকারি নিয়ম ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখার নীতি সফলভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে। উদাহরণ ২: টেন্ডার মূল্যায়নে কোনো কর্মকর্তা অভিনব পদ্ধতি না খুঁজে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করলেন। ব্যাখ্যা: এটি সরকারি সিদ্ধান্ত গ্রহণে বিশ্বস্ততা ও জবাবদিহিতার চমৎকার উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিশ্বস্ততা — সরকারি সিদ্ধান্ত প্রণয়নে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ জনগণ ও রাষ্ট্রের প্রতি কর্মচারীর সততা ও বিশ্বস্ততা থাকা বাধ্যতামূলক। B) সৃজনশীলতা — এটি শিল্প বা গবেষণার জন্য উপযুক্ত হলেও কঠোর প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে এটি মূল মাপকাঠি বা বাধ্যতামূলক উপাদান নয়। C) নিরপেক্ষতা — সরকারি সেবা প্রদানে বৈষম্যহীন আচরণ ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখা সুশাসনের অন্যতম প্রধান শর্ত। D) জবাবদিহিতা — গৃহীত সিদ্ধান্তের জন্য জনগণের কাছে কৈফিয়ত দেওয়ার ক্ষমতা বা জবাবদিহিতা সরকারি কাজের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে। ৫ মনে রাখার টিপস: সরকারি চাকরিতে ব্যক্তিগত সৃজনশীলতার চেয়ে আইন, নিয়ম, নিরপেক্ষতা এবং জবাবদিহিতা সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য পায়। তাই সিদ্ধান্ত প্রণয়নে সৃজনশীলতা অপরিহার্য নয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি সুশাসন এবং সরকারি কর্মচারীর আচরণ ও দায়িত্ব সম্পর্কিত নৈতিক ধারণার ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে। সুশাসনের মূল স্তম্ভগুলো থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই এই ধরনের প্রশ্ন আসে।
a ৬ টি
b ৭টি
c ৮টি
d ৯টি
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৯টি ১. কেন সঠিক: - জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি বা ইউএনডিপি সুশাসন নিশ্চিত করার জন্য মূলত নয়টি মূল উপাদানের কথা বলেছে যা রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - সুশাসন ও জবাবদিহিতা নীতির আলোকে এই উপাদানগুলো রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে স্বচ্ছতা এবং জনকল্যাণ নিশ্চিত করতে সাহায্য করে। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: সুশাসন হলো এমন একটি শাসনব্যবস্থা যা অংশগ্রহণমূলক, consensus oriented বা ঐকমত্যভিত্তিক, জবাবদিহিমূলক, স্বচ্ছ, দায়িত্বশীল, কার্যকর ও দক্ষ, ন্যায়সংগত এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক। - গুরুত্ব: সুশাসনের এই উপাদানগুলো নিশ্চিত করা গেলে সমাজে দুর্নীতি হ্রাস পায় এবং সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকার সংরক্ষিত হয়। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: - উদাহরণ ১: একটি সরকারি অফিসে কাজের ক্ষেত্রে তথ্য অধিকার আইনের সঠিক প্রয়োগ করে সেবাপ্রার্থীকে সময়মতো তথ্য প্রদান করা। - ব্যাখ্যা: এটি সুশাসনের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা উপাদানের সরাসরি প্রয়োগ, যা জনগণের আস্থা অর্জন করতে সাহায্য করে। - উদাহরণ ২: স্থানীয় উন্নয়নমূলক কাজে এলাকার সাধারণ মানুষের মতামত গ্রহণ করে পরিকল্পনা প্রণয়ন করা। - ব্যাখ্যা: এটি সুশাসনের অংশগ্রহণমূলক নীতির বহিঃপ্রকাশ, যা গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৬ টি — বিশ্বব্যাংক সুশাসনের প্রধানত চারটি মূল স্তম্ভের কথা বলেছে, তাই ছয়টি সংখ্যাটি এই প্রশ্নের সঠিক মান নয়। B) ৭টি — সুশাসনের বিভিন্ন তাত্ত্বিক মডেলে সাতটি সূচক থাকতে পারে, তবে ইউএনডিপির নির্দিষ্ট কাঠামোর সঙ্গে এটি মেলে না। C) ৮টি — অনেক আন্তর্জাতিক সংস্থা সুশাসনের আটটি মূল বৈশিষ্ট্যের কথা বলে, যা ইউএনডিপির নির্ধারিত নয়টি উপাদানের থেকে আলাদা। D) ৯টি — ইউএনডিপির সুশাসন নির্দেশিকা অনুযায়ী সুশাসনের উপাদান বা বৈশিষ্ট্য মোট নয়টি নির্ধারিত হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - ইউএনডিপি বা UNDP শব্দটিতে চার্চ অক্ষর আছে, আর তাদের সুশাসনের উপাদান সংখ্যা হলো নয়টি। - সুশাসনের উপাদানগুলো মনে রাখতে অংশগ্রহণ, স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা এই তিনটি শব্দকে মূল ভিত্তি হিসেবে ধরতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সুশাসনের প্রধান উপাদানগুলো কী কী এবং কোন সংস্থা কতটি উপাদানের কথা বলেছে তা BCS পরীক্ষার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। - বিশ্বব্যাংক এবং ইউএনডিপির সুশাসনের উপাদানের সংখ্যা প্রায়ই পরীক্ষার্থীদের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে, তাই এটি ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a পুরস্কার ও শাস্তির ক্ষেত্রে সমতার নীতি প্রয়োগ
b আইনের শাসন
c সুশাসনের জন্য উচ্চ শিক্ষিত কর্মকর্তা নিয়োগ
d অধিকার ও সুযোগের ক্ষেত্রে সমতার নিশ্চিতকরণ
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সুশাসনের জন্য উচ্চ শিক্ষিত কর্মকর্তা নিয়োগ ১. কেন সঠিক: - ন্যায়পরায়ণতার মূল ভিত্তি হলো সমতা, নিরপেক্ষতা, আইনের শাসন এবং সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করা, কোনো বিশেষ শিক্ষাগত যোগ্যতার পদমর্যাদা নয়। - উচ্চ শিক্ষা একটি প্রাতিষ্ঠানিক যোগ্যতা হলেও এটি সরাসরি ন্যায়পরায়ণতার নৈতিক মূলনীতি হিসেবে গণ্য হয় না, বরং এটি প্রশাসনিক দক্ষতার সঙ্গে সম্পর্কিত। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: ন্যায়পরায়ণতা হলো প্রতিটি মানুষকে তার প্রাপ্য অধিকার প্রদান করা এবং পক্ষপাতহীন আচরণ করা। - গুরুত্ব: সমাজে ন্যায়পরায়ণতা বজায় থাকলে বৈষম্য দূর হয় এবং মানুষের মৌলিক অধিকার সংরক্ষিত হয়। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: - উদাহরণ ১: অফিসে পদোন্নতির ক্ষেত্রে মেধা ও সততাকে মূল্যায়ন করা, ব্যক্তিগত সম্পর্কের প্রভাব এড়িয়ে চলা। - ব্যাখ্যা: এটি ন্যায়পরায়ণতা ও পেশাগত সাম্যের সঠিক প্রয়োগ নির্দেশ করে। - উদাহরণ ২: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সব শিক্ষার্থীর জন্য সমান সুযোগ ও নিরপেক্ষ মূল্যায়ন নিশ্চিত করা। - ব্যাখ্যা: এটি বৈষম্যহীন সমাজ গঠনে নৈতিক দায়িত্ব পালন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পুরস্কার ও শাস্তির ক্ষেত্রে সমতার নীতি প্রয়োগ — এটি ন্যায়পরায়ণতার অন্যতম প্রধান ভিত্তি কারণ পক্ষপাতহীন বিচার নিশ্চিত করে। B) আইনের শাসন — এটি ন্যায়পরায়ণতা ও সুশাসনের মূল শর্ত যা সবার জন্য আইনের সমান প্রয়োগ নিশ্চিত করে। C) সুশাসনের জন্য উচ্চ শিক্ষিত কর্মকর্তা নিয়োগ — এটি প্রশাসনিক উৎকর্ষের বিষয়, সরাসরি ন্যায়পরায়ণতার নৈতিক মূলনীতি নয়। D) অধিকার ও সুযোগের ক্ষেত্রে সমতার নিশ্চিতকরণ — এটি ন্যায়পরায়ণতা ও সামাজিক সাম্যের মৌলিক শর্ত। ৫. মনে রাখার টিপস: - ন্যায়পরায়ণতা মানেই হলো সমতা, আইনের শাসন এবং নিরপেক্ষতা। - প্রশাসনিক দক্ষতা আর নৈতিক নীতি এক বিষয় নয়, তাই শিক্ষা বা যোগ্যতার বিষয়গুলো সরাসরি ন্যায়পরায়ণতার মৌলিক নীতিতে পড়ে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ন্যায়পরায়ণতা এবং সুশাসনের মূল উপাদানগুলোর মধ্যে পার্থক্য পরিষ্কার রাখা জরুরি। - এই নীতি থেকে নৈতিকতা ও সুশাসনের ওপর বিভিন্ন পরিস্থিতির প্রশ্ন আসতে পারে।
a যথা সময়ে অফিসে আগমন ও অফিস ত্যাগ করা
b দাপ্তরিক কাজে কোনো অবৈধ সুবিধা গ্রহণ না করা
c নির্মোহ ও নিরপেক্ষভাবে অর্পিত দায়িত্ব যথাবিধি সম্পন্ন করা
d ঊর্ধবতন কর্তৃপক্ষের যে কোনো নির্দেশ প্রতিপালন করা
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নির্মোহ ও নিরপেক্ষভাবে অর্পিত দায়িত্ব যথাবিধি সম্পন্ন করা ১. কেন সঠিক: - সরকারি চাকরিতে সততা কেবল আর্থিক দুর্নীতির ঊর্ধ্বে থাকাকে বোঝায় না, বরং নিজের দায়িত্ব পালনে সম্পূর্ণ পক্ষপাতহীন ও সৎ থাকা এর মূল ভিত্তি। - এই অপশনটি পেশাগত সততা ও নিরপেক্ষতার ধারণাকে ফুটিয়ে তোলে, যা একজন জনসেবকের জন্য অত্যন্ত জরুরি নৈতিক গুণ। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: পেশাগত সততা হলো ব্যক্তিগত প্রলোভন বা চাপের ঊর্ধ্বে উঠে আইন ও নিয়মের মধ্যে থেকে সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করা। - গুরুত্ব: এটি সরকারি সেবায় জনআস্থা বৃদ্ধি করে এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠা নিশ্চিত করতে সরাসরি সাহায্য করে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: একজন সরকারি কর্মকর্তা রাজনৈতিক চাপে কোনো অযোগ্য ব্যক্তিকে লাইসেন্স না দিয়ে নিয়মানুযায়ী যোগ্য প্রার্থীকে সেবা প্রদান করলেন। ব্যাখ্যা: এখানে কর্মকর্তাটি নির্মোহভাবে নিজের দায়িত্ব পালন করেছেন, যা সততার সঠিক প্রয়োগ। উদাহরণ ২: ত্রাণ বিতরণের সময় কোনো স্বজনপ্রীতি না করে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরি করা। ব্যাখ্যা: এটি নিরপেক্ষতা ও পেশাগত দায়িত্ববোধের উৎকৃষ্ট উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যথা সময়ে অফিসে আগমন ও অফিস ত্যাগ করা — এটি কর্মসংযম ও শৃঙ্খলার অংশ, কিন্তু এটিই সততার একমাত্র বা প্রধান মাপকাঠি হতে পারে না। B) দাপ্তরিক কাজে কোনো অবৈধ সুবিধা গ্রহণ না করা — এটি সততার একটি নেতিবাচক দিক বা সীমাবদ্ধ রূপ, যা কেবল ঘুষ না নেওয়ার কথাই বলে কিন্তু দায়িত্ব পালনের পূর্ণাঙ্গ চিত্র নয়। D) ঊর্ধবতন কর্তৃপক্ষের যে কোনো নির্দেশ প্রতিপালন করা — অন্ধভাবে সব নির্দেশ পালন নৈতিক নয়, কারণ নির্দেশটি অবৈধ বা অনৈতিক হতে পারে। ৫. মনে রাখার টিপস: সততা মানে শুধু চুরি না করা বা ঘুষ না নেওয়া নয়, বরং নিজের দায়িত্ব কোনো প্রলোভন বা ভয়ভীতি ছাড়া সঠিকভাবে পালন করাই হলো আসল সততা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি সরকারি কর্মচারীর আচরণ ও দায়িত্ব এবং সুশাসন ও জবাবদিহি সম্পর্কিত নৈতিকতার অংশ থেকে এসেছে। একই নীতি থেকে প্রশাসনিক নিরপেক্ষতা ও নৈতিক দ্বন্দ্বের ওপর প্রশ্ন আসতে পারে।
a সততা ও নিষ্ঠা
b কর্তব্যপরায়ণতা
c মায়া ও মমতা
d উদারতা
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সততা ও নিষ্ঠা ১. কেন সঠিক: সততা ও নিষ্ঠা হলো মানুষের ভেতরের সেই নৈতিক বল, যা তাকে অন্যায় বা প্রলোভনের মুখেও সঠিক পথে অবিচল রাখে। এটি মানুষের চরিত্রকে দৃঢ় করে এবং সব ধরনের নৈতিক শক্তির ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: মূল ধারণা: সততা হলো নিজের কাজের প্রতি সৎ থাকা এবং নিষ্ঠা হলো দায়িত্ব পালনে শতভাগ আন্তরিকতা প্রদর্শন করা। প্রয়োগ: ব্যক্তিগত জীবন থেকে শুরু করে কর্মক্ষেত্র পর্যন্ত প্রতিটি পদক্ষেপে নীতিগত অবস্থান ধরে রাখতে এটি সাহায্য করে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: অফিসের একজন কর্মকর্তা কোনো ঘুষের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে সততার সঙ্গে সরকারি সেবা প্রদান করলেন। ব্যাখ্যা: এটি তার নৈতিক শক্তির প্রকাশ, যা তাকে লোভের ঊর্ধ্বে রাখে। উদাহরণ ২: একজন শিক্ষার্থী পরীক্ষার হলে কোনো অসদুপায় অবলম্বন না করে নিজের মেধার ওপর ভরসা রাখল। ব্যাখ্যা: এটি তার আত্মিক শক্তি ও সততার পরিচায়ক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সততা ও নিষ্ঠা — এটি নৈতিক শক্তির মূল ভিত্তি, যা মানুষকে সঠিক পথে পরিচালিত করে। B) কর্তব্যপরায়ণতা — এটি কর্মনিষ্ঠার সঙ্গে জড়িত হলেও সততা ছাড়া তা পূর্ণতা পায় না। C) মায়া ও মমতা — এটি মানুষের কোমল প্রবৃত্তি বা সহানুভূতির প্রকাশ, যা নৈতিক শক্তির একক উৎস নয়। D) উদারতা — এটি মানসিক প্রশস্ততা নির্দেশ করে, তবে এটি নৈতিক শক্তির প্রধান ভিত্তি নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: নৈতিক শক্তির মূল ভিত্তি হলো ভেতরকার সততা ও কাজের প্রতি নিষ্ঠা। যেখানে সততা ও নিষ্ঠা আছে, সেখানেই প্রকৃত নৈতিক শক্তি গড়ে ওঠে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সততা ও নিষ্ঠা পেশাগত সুশাসন এবং ব্যক্তিগত চরিত্র গঠনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শর্ত। একই নীতি থেকে সুশাসন বা দুর্নীতি প্রতিরোধের প্রশ্ন আসতে পারে।
a ৪.৪ জন
b ৫.০ জন
c ৫.৪ জন
d ৫.৫ জন
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪.৪ জন ১. কেন সঠিক: - ২০১১ সালের আদমশুমারি ও গৃহগণনা অনুযায়ী বাংলাদেশের পরিবার বা খানা প্রতি গড় সদস্য সংখ্যা ছিল ৪.৪ জন। - এই পরিসংখ্যানটি বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো কর্তৃক প্রকাশিত জনমিতি ও আর্থসামাজিক সূচকের একটি নির্ভরযোগ্য প্রামাণিক তথ্য। ২. জনমিতি ও পরিসংখ্যান: - জনসংখ্যা ও জনগণনা: এই জরিপটি দেশের মানুষের জীবনযাত্রার মান ও পরিবারের আকার নির্ধারণের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। - সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো দেশের আদমশুমারি ও জনমিতি সংক্রান্ত সকল ধরনের সরকারি পরিসংখ্যান প্রণয়ন ও প্রকাশ করে থাকে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ব্যাখ্যা: এই রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানটি দেশের প্রথম আদমশুমারি থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক গৃহগণনা ও জনশুমারি পরিচালনা করে আসছে। উদাহরণ ২: খানা বা পরিবার ব্যাখ্যা: জনমিতির ভাষায় খানা বলতে এমন এক বা একাধিক ব্যক্তিকে বোঝায় যারা একত্রে বসবাস করে এবং একই রান্নাঘরের খাবার গ্রহণ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪.৪ জন — এটি ২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী বাংলাদেশের খানা বা পরিবার প্রতি সঠিক গড় জনসংখ্যার পরিসংখ্যান। B) ৫.০ জন — এটি ২০১১ সালের আগের কোনো পুরনো আদমশুমারির পরিসংখ্যান বা প্রাক্কলিত মান হতে পারে, যা সঠিক নয়। C) ৫.৪ জন — এই সংখ্যাটি ২০১১ সালের আদমশুমারির প্রাতিষ্ঠানিক তথ্যের সঙ্গে মেলে না এবং এটি অতিরিক্ত বেশি। D) ৫.৫ জন — এটি বর্তমান বা ২০১১ সালের কোনো নির্ভরযোগ্য গৃহগণনা বা আদমশুমারির তথ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ২০১১ সালের আদমশুমারির সঙ্গে চার সংখ্যাটি মিলিয়ে মনে রাখতে পারো, কারণ খানা প্রতি সদস্য ছিল চার দশমিক চার জন। - সাম্প্রতিক জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর তথ্য আলাদা, তাই ২০১১ সালের নির্দিষ্ট পরিসংখ্যানটি ভালোভাবে মুখস্থ রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো সংক্রান্ত জনমিতি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - পরবর্তী শুমারিগুলোর তথ্য এবং খানা প্রতি জনসংখ্যার পরিবর্তনশীল ধারা সম্পর্কেও ধারণা রাখা জরুরি।
a তুর্কমেন
b উইঘুর
c তাজিক
d কাজাখ
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) উইঘুর ১. কেন সঠিক: উইঘুর হলো চীনের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের জিনজিয়াং উয়ুগুর স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলে বসবাসকারী প্রধান তুর্কি ভাষাভাষী মুসলিম সম্প্রদায়। চীন এবং মধ্য এশিয়ার ভূরাজনীতি ও জনমিতি বিশ্লেષণে এই সম্প্রদায়ের ইতিহাস, সংস্কৃতি এবং বর্তমান অবস্থান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। ২. আন্তর্জাতিক ভূরাজনীতি ও জনমিতি: ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: উইঘুর সম্প্রদায় শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে সিল্ক রোডের সংযোগস্থলে বসবাস করে আসছে এবং মধ্য এশিয়ার সংস্কৃতির সঙ্গে তাদের গভীর যোগাযোগ রয়েছে। ধর্ম ও সংস্কৃতি: এই জনগোষ্ঠীর মানুষ প্রধানত ইসলাম ধর্ম অনুসারী এবং তাদের নিজস্ব তুর্কি ভাষা ও সমৃদ্ধ সংস্কৃতি রয়েছে যা চীনা মূল ভূখণ্ডের সংস্কৃতি থেকে আলাদা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: রোহিঙ্গা সংকট ব্যাখ্যা: মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে বসবাসকারী রোহিঙ্গা মুসলিম জনগোষ্ঠী যেমন জাতিগত ও ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে নিপীড়নের শিকার হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে, উইঘুর সংকটও তেমনি একটি জাতিগত ও সংখ্যালঘু অধিকারের আন্তর্জাতিক ইস্যু। উদাহরণ ২: চাকমা সম্প্রদায় ব্যাখ্যা: বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসকারী প্রধান ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী যেমন তাদের নিজস্ব কৃষ্টি ও সংস্কৃতির স্বকীয়তা বজায় রাখে, জিনজিয়াংয়ের উইঘুররাও তেমনি তাদের আঞ্চলিক পরিচয়ের জন্য পরিচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তুর্কমেন — তুর্কমেনরা মূলত তুর্কমেনিস্তান দেশের প্রধান জাতিগোষ্ঠী এবং মধ্য এশিয়ার অন্যান্য অঞ্চলে বসবাস করে, চীনের জিনজিয়াংয়ের প্রধান মুসলিম সম্প্রদায় নয়। B) উইঘুর — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সম্প্রদায়টিই চীনের জিনজিয়াং প্রদেশে সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম জনগোষ্ঠী হিসেবে বসবাস করে। C) তাজিক — তাজিকরা মূলত ফার্সি ভাষাভাষী জাতিগোষ্ঠী এবং তারা প্রধানত তাজিকিস্তান রাষ্ট্রে বসবাস করে, যদিও চীনের কিছু সীমান্ত অঞ্চলে ক্ষুদ্র সংখ্যায় তাদের উপস্থিতি রয়েছে। D) কাজাখ — কাজাখরা প্রধানত কাজাখস্তান প্রজাতন্ত্রের প্রধান জনগোষ্ঠী এবং মধ্য এশিয়ার একটি বৃহৎ তুর্কিভাষী মুসলিম জাতি। ৫ মনে রাখার টিপস: চীন শব্দটির সঙ্গে উইঘুর শব্দটির মেলবন্ধন মনে রাখতে হবে কারণ চীনের জিনজিয়াং প্রদেশের অপর নাম শিনচিয়াং উইঘুর স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল। মধ্য এশিয়ার বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর নামের সঙ্গে উইঘুর নামটিকে গুলিয়ে ফেলা যাবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এশিয়ার বিভিন্ন দেশের সংখ্যালঘু জাতিগোষ্ঠী বা সীমান্ত অঞ্চলের ভূরাজনীতি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। এই প্রশ্নটি থেকে পরীক্ষার্থীরা এশিয়ার জনমিতি ও বিভিন্ন অঞ্চলের প্রধান জাতিগোষ্ঠী সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা লাভ করতে পারে।
a ভারত মহাসাগর
b প্রশান্ত মহাসাগর
c আটলান্টিক মহাসাগর
d আর্কটিক মহাসাগর
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্রশান্ত মহাসাগর ১. কেন সঠিক: সলোমন দ্বীপপুঞ্জ ওশেনিয়া অঞ্চলের একটি স্বাধীন দ্বীপরাষ্ট্র যা প্রশান্ত মহাসাগরের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশে অবস্থিত। বিশ্বের অন্যতম প্রধান এই মহাসাগরে ভূ-প্রাকৃতিক বৈচিত্র্য এবং অসংখ্য দ্বীপের অবস্থান একে ভৌগোলিক ও কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে। ২. ভৌগোলিক অবস্থান ও প্রেক্ষাপট: ভৌগোলিক অবস্থান: প্রশান্ত মহাসাগরের দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলে পাপুয়া নিউগিনির পূর্বে সলোমন দ্বীপপুঞ্জের অবস্থান। তাৎপর্য ও ফলাফল: এটি মেলানেশিয়া উপ-অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় এই অঞ্চলে ঐতিহাসিক সামরিক সংঘাতে লিপ্ত হয়েছিল পরাশক্তিগুলো। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ফিজি ব্যাখ্যা: এটিও প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত একটি দ্বীপরাষ্ট্র এবং সলোমন দ্বীপপুঞ্জের মতো ওশেনিয়া অঞ্চলের অংশ। উদাহরণ ২: মাদাগাস্কার ব্যাখ্যা: এটি ভারত মহাসাগরে অবস্থিত একটি দ্বীপরাষ্ট্র, যা থেকে পরীক্ষার্থীরা মহাসাগরভিত্তিক দ্বীপরাষ্ট্রের ভৌগোলিক পার্থক্য বুঝতে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারত মহাসাগর — এটি এশিয়া, আফ্রিকা ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যবর্তী মহাসাগর এবং সলোমন দ্বীপপুঞ্জ এখানে অবস্থিত নয়। B) প্রশান্ত মহাসাগর — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ সলোমন দ্বীপপুঞ্জ এই মহাসাগরের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশে অবস্থিত। C) আটলান্টিক মহাসাগর — এটি আমেরিকা এবং ইউরোপ ও আফ্রিকার মধ্যবর্তী মহাসাগর যেখানে সলোমন দ্বীপপুঞ্জ অবস্থিত নয়। D) আর্কটিক মহাসাগর — এটি পৃথিবীর উত্তর মেরু অঞ্চলে অবস্থিত মহাসাগর, যার সঙ্গে উষ্ণমণ্ডলের সলোমন দ্বীপপুঞ্জের কোনো সম্পর্ক নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: সলোমন দ্বীপপুঞ্জের অবস্থান মনে রাখতে প্রশান্ত মহাসাগরের ওশেনিয়া অঞ্চলের দ্বীপগুলোর তালিকা স্মরণ করা যেতে পারে। এটি আটলান্টিক বা ভারত মহাসাগরে না থেকে প্রশান্ত মহাসাগরের দক্ষিণভাগে অবস্থিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মহাসাগরভিত্তিক বিভিন্ন দ্বীপরাষ্ট্র ও তাদের ভৌগোলিক অবস্থান প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। সলোমন দ্বীপপুঞ্জের পাশাপাশি মারিয়ানা ট্রাঞ্চ বা প্রশান্ত মহাসাগরের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে ধারণা রাখা জরুরি।
a ভারত ও নেপাল
b পাকিস্তান ও চীন
c ভূটান ও ভারত
d বাংলাদেশ ও ভারত
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ভারত ও নেপাল ১. কেন সঠিক: - কালাপানি অঞ্চলটি ভারত ও নেপালের মধ্যে একটি ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক অমীমাংসিত সীমান্ত বিরোধপূর্ণ ভূখণ্ড। - ব্রিটিশ ভারত এবং নেপালের মধ্যে ১৮১৬ সালে স্বাক্ষরিত সুগৌলি চুক্তির সীমানা নির্ধারণের ভিন্ন ব্যাখ্যার কারণে এই বিরোধের সৃষ্টি হয়। ২. ভৌগোলিক ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: - ভৌগোলিক অবস্থান: কালাপানি অঞ্চলটি ভারতের উত্তরাখণ্ড রাজ্য এবং নেপালের সুদূর পশ্চিমাঞ্চলীয় ধারচুলা জেলার সীমান্তে অবস্থিত। - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৮১৬ সালের সুগৌলি চুক্তি অনুযায়ী মহাকালী নদীকে নেপাল ও ভারতের সীমানা হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছিল। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ছিটমহল সমস্যা। ব্যাখ্যা: এটি দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের একটি ঐতিহাসিক ভূখণ্ডগত সমস্যা ছিল যা ২০১৫ সালে চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে সমাধান হয়। উদাহরণ ২: বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের সমুদ্রসীমা বিরোধ। ব্যাখ্যা: আন্তর্জাতিক আদালতের রায়ের মাধ্যমে মীমাংসিত এই বিরোধ থেকে শিক্ষার্থীরা সীমান্ত ও সমুদ্র আইন সম্পর্কে ধারণা পায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারত ও নেপাল — এটি কালাপানি অঞ্চলের প্রকৃত এবং সঠিক অমীমাংসিত ভূখণ্ড যা ভারতের উত্তরাখণ্ড ও নেপালের সীমান্তে অবস্থিত। B) পাকিস্তান ও চীন — এই দুই দেশের মধ্যে সীমান্ত সমস্যা অতীতে থাকলেও কালাপানি অঞ্চলটি পাকিস্তান বা চীনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) ভূটান ও ভারত — ভূটান ও ভারতের মধ্যে সুসম্পর্ক বিদ্যমান এবং কালাপানি তাদের কোনো অমীমাংসিত ভূখণ্ড নয়। D) বাংলাদেশ ও ভারত — বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে স্থল ও জলসীমা সংক্রান্ত চুক্তি সম্পাদিত হয়েছে এবং কালাপানি এই দুই দেশের মধ্যে অবস্থিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - কালাপানি নদীর উৎপত্তি ও সীমান্ত বিরোধ মনে রাখতে নেপাল ও ভারতের সুগৌলি চুক্তির ইতিহাস মাথায় রাখতে হবে। - মনে রাখতে হবে কালাপানি কোনোভাবেই বাংলাদেশের সীমান্ত সমস্যার সঙ্গে যুক্ত নয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - দক্ষিণ এশিয়ার সীমান্ত বিরোধ বিশেষ করে নেপাল ও ভারতের মধ্যকার সুগৌলি চুক্তি সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। - আন্তর্জাতিক নদী ও সীমান্ত চুক্তি থেকে বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় প্রশ্ন করা হয়ে থাকে।
a ১৯৯৭ সালে
b ১৯৯৯ সালে
c ২০০১ সালে
d ২০০০ সালে
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২০০০ সালে ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ২০০০ সালের ১০ নভেম্বর আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (ICC) দশম টেস্ট খেলুড়ে দেশ হিসেবে পূর্ণ সদস্যপদ লাভ করে। - বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে ভারতের বিপক্ষে ঐতিহাসিক টেস্ট ম্যাচ খেলার মাধ্যমেই বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে টেস্ট ক্রিকেটে আত্মপ্রকাশ করে। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ২০০০ সালের ২৬ জুন আইসিসির বিশেষ সভায় বাংলাদেশের টেস্ট স্ট্যাটাস অর্জিত হয় এবং একই বছরের ১০ নভেম্বর ভারতের বিপক্ষে প্রথম টেস্ট অনুষ্ঠিত হয়। - তারিখ ও স্থান: ২০০০ সালের ১০ নভেম্বর ঢাকার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে এই ঐতিহাসিক টেস্ট ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়। - ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: তৎকালীন বিসিবি সভাপতি সাবের হোসেন চৌধুরী এবং বাংলাদেশ দলের প্রথম টেস্ট অধিনায়ক নাঈম ইসলাম দুর্জয় এই অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। - তাৎপর্য ও ফলাফল: টেস্ট স্ট্যাটাস অর্জনের মাধ্যমে বাংলাদেশের ক্রিকেট আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছায় এবং বিশ্ব ক্রিকেটে নিজেদের শক্ত অবস্থান তৈরি করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমিনুল ইসলাম বুলবুল ব্যাখ্যা: তিনি বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম টেস্ট ইনিংসে সেঞ্চুরি (১৪৫ রান) করে দেশের ক্রিকেট ইতিহাসে এক অনন্য মাইলফলক স্পর্শ করেন। উদাহরণ ২: নাঈম ইসলাম দুর্জয় ব্যাখ্যা: তিনি বাংলাদেশ টেস্ট দলের প্রথম অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং প্রথম ইনিংসে ৬ উইকেট লাভ করে অসাধারণ বোলিং নৈপুণ্য প্রদর্শন করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৯৭ সালে — এই সালে বাংলাদেশ আইসিসি ট্রফি জিতেছিল এবং মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে কেনিয়াকে হারিয়ে ওয়ানডে মর্যাদাপ্রাপ্ত হয়, যা টেস্ট স্ট্যাটাস নয়। B) ১৯৯৯ সালে — এই সালে বাংলাদেশ ইংল্যান্ডের মাটিতে অনুষ্ঠিত আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো অংশগ্রহণ করে এবং পাকিস্তানকে ঐতিহাসিক পরাজিত করে। C) ২০০১ সালে — এই সালটি বাংলাদেশের টেস্ট ক্রিকেটের শুরুর পরের বছর, যখন বাংলাদেশ জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে নিজেদের প্রথম টেস্ট ড্র করে স্মরণীয় করে রাখে। D) ২০০০ সালে — এই সালেই বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে আইসিসির পূর্ণ সদস্যপদ বা টেস্ট স্ট্যাটাস লাভ করে, যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। ৫. মনে রাখার টিপস: - সাল মনে রাখার সহজ উপায় হলো বাংলাদেশ ১৯৯৭ সালে ওয়ানডে ও আইসিসি ট্রফি জেতার ঠিক তিন বছর পর ২০০০ সালে টেস্ট মর্যাদা লাভ করে। - প্রথম টেস্ট ম্যাচের প্রতিপক্ষ ছিল শক্তিশালী ভারত এবং অধিনায়ক ছিলেন নাঈম ইসলাম দুর্জয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলাদেশ টেস্ট খেলা দেশ হিসেবে বিশ্বের দশম দেশ এবং এশিয়ার পঞ্চম দেশ হিসেবে এই গৌরব অর্জন করে। - এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় খেলাধুলা ও অর্জন অংশ থেকে প্রায়ই আসে।
a বীর প্রতীক
b বীরশ্রেষ্ঠ
c বীর উত্তম
d বীর বিক্রম
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বীর বিক্রম ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য সাহসিকতা ও বীরত্ব প্রদর্শনের স্বীকৃতিস্বরূপ যে চারটি বীরত্বসূচক খেতাব প্রবর্তন করা হয়, তার মধ্যে মর্যাদা অনুসারে বীর বিক্রম তৃতীয় স্থানে অবস্থান করে। ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর সরকারি গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে এই খেতাবগুলোর প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়া হয়। ২. বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ: ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার ১৯৭৩ সালের গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে চার ধরনের বীরত্বসূচক খেতাব ঘোষণা করে। গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: মুক্তিযুদ্ধে সাহসিকতার জন্য মোট ১৭৫ জন বীর বিক্রম খেতাবে ভূষিত হন। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা ব্যাখ্যা: মুক্তিযুদ্ধে সাহসিকতার জন্য পীর মহিউদ্দিনসহ মোট ১৭৫ জন বীর বিক্রম খেতাব লাভ করেন। উদাহরণ ২: খেতাবে ভূষিত নারী ব্যাখ্যা: বীর প্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত দুই নারীর মধ্যে একজন ডা. সেতার বেগম এবং অন্যজন তারামন বিবি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বীর প্রতীক — এটি বাংলাদেশের চতুর্থ ও সর্বশেষ বীরত্বসূচক খেতাব। B) বীরশ্রেষ্ঠ — এটি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সামরিক বীরত্বসূচক খেতাব। C) বীর উত্তম — এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক খেতাব। D) বীর বিক্রম — এটি বাংলাদেশের তৃতীয় সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক খেতাব এবং সঠিক উত্তর। ৫. মনে রাখার টিপস: খেতাবগুলোর মর্যাদা মনে রাখার সহজ সূত্র হলো শ্রেষ্ঠ উত্তম বিক্রম প্রতীক। ক্রমানুসারে প্রথমটি শ্রেষ্ঠ, দ্বিতীয়টি উত্তম, তৃতীয়টি বিক্রম এবং চতুর্থটি প্রতীক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই খেতাবপ্রাপ্তদের সংখ্যা এবং তাদের মর্যাদাক্রম সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। বিশেষ করে বীর শ্রেষ্ঠ এবং বীর প্রতীকের সংখ্যা পরীক্ষার্থীদের ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a সেনেগাল
b মালয়েশিয়া
c মালদ্বীপ
d পাকিস্তান
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সেনেগাল ১. কেন সঠিক: সেনেগাল হলো প্রথম আফ্রিকান এবং অনারব মুসলিম দেশ, যা ১৯৭১ সালের ১ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের পরপরই আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কূটনৈতিক সমর্থন আদায়ের ক্ষেত্রে বন্ধুভাবাপন্ন মুসলিম দেশগুলোর স্বীকৃতি লাভ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি মাইলফলক ছিল। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর বিভিন্ন দেশের স্বীকৃতি পাওয়ার কূটনৈতিক প্রচেষ্টা শুরু হয়। তাৎপর্য ও ফলাফল: সেনেগালের মতো একটি প্রভাবশালী আফ্রিকান ও মুসলিম দেশের স্বীকৃতি বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক সংস্থাসমূহের সমর্থন পেতে এবং ওআইসির সদস্যপদ অর্জনে পথ প্রশস্ত করেছিল। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া ব্যাখ্যা: এই দেশ দুটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মুসলিমপ্রধান দেশ হওয়া সত্ত্বেও বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়েছিল সেনেগালের কিছু পরে, ১৯৭২ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি। উদাহরণ ২: ভুটান ও ভারত ব্যাখ্যা: এই দুটি দেশ হলো প্রথম দ্বিপক্ষীয় রাষ্ট্র যারা ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দিয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সেনেগাল — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি প্রথম অনারব মুসলিম দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়। B) মালয়েশিয়া — এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি মুসলিম দেশ যা পরবর্তীতে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে। C) মালদ্বীপ — এটি ভারত মহাসাগরের একটি দ্বীপরাষ্ট্র এবং মুসলিম দেশ, যা বাংলাদেশকে দেরিতে স্বীকৃতি দেয়। D) পাকিস্তান — এটি ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বরে পরাজিত হওয়ার পর দীর্ঘ সময় স্বীকৃতি দেয়নি এবং ১৯৭৪ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি ওআইসি সম্মেলনে স্বীকৃতি দেয়। ৫. মনে রাখার টিপস: অনারব মুসলিম দেশ হিসেবে সেনেগালের নাম মনে রাখতে সেন শব্দের সাথে সিন বা প্রথম শব্দটি মিলিয়ে নিতে পারো। আরব দেশের মধ্যে প্রথম স্বীকৃতি দিয়েছিল ইরাক, আর অনারব মুসলিম দেশের মধ্যে সেনেগাল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। একই বিষয় থেকে পরীক্ষক প্রশ্ন করতে পারেন যে, প্রথম স্বীকৃতিদানকারী মুসলিম দেশ কোনটি বা প্রথম আরব দেশ কোনটি।
a ১৩০
b ১৩১
c ১৩৭
d ১৪০
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৩৭ ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশের সংবিধানের সপ্তম ভাগে সরকারি কর্ম কমিশন সম্পর্কে বিস্তারিত বিধান রয়েছে এবং ১৩৭ অনুচ্ছেদে কমিশন গঠনের সুস্পষ্ট উল্লেখ আছে। এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশের জন্য এক বা একাধিক সরকারি কর্ম কমিশন থাকবে এবং রাষ্ট্রপতি আইনের দ্বারা যেরূপ নির্ধারিত হবে, সেই বিধান সাপেক্ষে কমিশনের সদস্যগণকে নিয়োগদান করবেন। ২. সংবিধান ও আইন: সংবিধানের ১৩৭ থেকে ১৪১ অনুচ্ছেদ পর্যন্ত সরকারি কর্ম কমিশন অর্থাৎ পিএসসি সংক্রান্ত বিভিন্ন বিধান যেমন পদের মেয়াদ, কার্যাবলী এবং বার্ষিক প্রতিবেদন সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। এই সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের মূল কাজ হলো প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগের জন্য উপযুক্ত ব্যক্তিগণকে নির্বাচন করা এবং সিভিল সার্ভিস সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে সরকারকে পরামর্শ দেওয়া। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন বা পিএসসি ব্যাখ্যা: এটি একটি সাংবিধানিক স্বাধীন প্রতিষ্ঠান যা দেশে বিসিএসসহ বিভিন্ন সরকারি চাকরির প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা পরিচালনা করে থাকে। উদাহরণ ২: সংবিধানের ১৩৮ অনুচ্ছেদ ব্যাখ্যা: এই অনুচ্ছেদে পিএসসির সদস্যদের নিয়োগ, মেয়াদ এবং পদের শর্তাবলী সম্পর্কে বিধান বর্ণনা করা হয়েছে যা ১৩৭ অনুচ্ছেদের ধারাবাহিকতা রক্ষা করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৩০ — এই অনুচ্ছেদে মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের পদের মেয়াদ সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে, যা কর্ম কমিশন সংক্রান্ত নয়। B) ১৩১ — এই অনুচ্ছেদে কর্ম বা হিসাবের রূপ সম্পর্কে বলা হয়েছে এবং এটি মহা হিসাব-নিরীক্ষকের দায়িত্বের আওতাভুক্ত। D) ১৪০ — এই অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশনের দায়িত্ব ও কার্যাবলী সম্পর্কে বলা হয়েছে, তবে কমিশন গঠনের কথা ১৩৭ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: সরকারি কর্ম কমিশন গঠনের অনুচ্ছেদ মনে রাখতে ১৩৭ সংখ্যাটি মনে রাখুন কারণ এটি সাংবিধানিক কাঠামোর একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা। কমিশন গঠন সবার আগে অর্থাৎ ১৩৭ অনুচ্ছেদে হয় এবং পরবর্তীতে তাদের কাজ ও ক্ষমতা অন্যান্য অনুচ্ছেদে বর্ণনা করা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সংবিধানের সপ্তম ভাগ প্রজাতন্ত্রের কর্ম সম্পর্কে আলোচনা করে যেখানে ১৩৭ থেকে ১৪১ অনুচ্ছেদ পর্যন্ত পিএসসি সংক্রান্ত বিধান রয়েছে। বিসিএস এবং অন্যান্য নিয়োগ পরীক্ষায় এই অধ্যায় থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে তাই অনুচ্ছেদগুলোর ক্রম মনে রাখা জরুরি।
a শেরপুর
b ময়মনসিংহ
c সিলেট
d নেত্রকোনা
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সিলেট ১. কেন সঠিক: হাজং জনগোষ্ঠী মূলত বাংলাদেশের উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ময়মনসিংহ বিভাগ এবং তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে বসবাস করে। সিলেট অঞ্চলে হাজং আদিবাসীর মূল বসতি নেই, তাই এই অপশনটি সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: জনমিতি ও উপজাতি: হাজংরা বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রধান ক্ষুদ্র জাতিসত্তা বা আদিবাসী গোষ্ঠী। এদের প্রধান বসতি শেরপুর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা ও সুনামগঞ্জ জেলায় বিস্তৃত। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: গারো উপজাতি ব্যাখ্যা: গারো উপজাতিও মূলত ময়মনসিংহ, শেরপুর, নেত্রকোনা ও টাঙ্গাইল অঞ্চলে বসবাস করে, যা হাজংদের জনবসতির সঙ্গে মিল রাখে। উদাহরণ ২: খাসিয়া উপজাতি ব্যাখ্যা: খাসিয়া উপজাতি মূলত সিলেট ও মৌলভীবাজার অঞ্চলে বসবাস করে, যা হাজংদের ভৌগোলিক বিতরণের বিপরীত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শেরপুর — শেরপুর জেলায় হাজং উপজাতির উল্লেখযোগ্য বসতি রয়েছে, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। B) ময়মনসিংহ — ময়মনসিংহ জেলায় হাজং জনগোষ্ঠীর ঐতিহাসিক ও বর্তমান বসবাস রয়েছে, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। C) সিলেট — সিলেটে প্রধানত খাসিয়া, মনিপুরী ও পাত্র আদিবাসীদের বসবাস রয়েছে, হাজংদের বসতি নেই। D) নেত্রকোনা — নেত্রকোনা জেলায় হাজং জনগোষ্ঠীর যথেষ্ট জনবসতি রয়েছে, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: হাজংদের বসবাস মনে রাখার সহজ উপায় হলো ময়মনসিংহ বিভাগের জেলাগুলো যেমন ময়মনসিংহ, শেরপুর ও নেত্রকোনা মনে রাখা। সিলেট অঞ্চলে হাজংদের পরিবর্তে মূলত খাসিয়া ও মনিপুরী উপজাতির মানুষ বেশি বসবাস করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলাদেশের আদিবাসী ও ক্ষুদ্র জাতিসত্তার ভৌগোলিক বিতরণ থেকে প্রতি বছর প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে। কোন অঞ্চলে কোন উপজাতি বাস করে, তা ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা সম্ভব।
a ঢাকা বিভাগ
b রাজশাহী বিভাগ
c বরিশাল বিভাগ
d খুলনা বিভাগ
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বরিশাল বিভাগ ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশের জনমিতি ও জনশুমারি প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী সাক্ষরতার হারে বরিশাল বিভাগ দীর্ঘদিন ধরে এগিয়ে রয়েছে। এই অঞ্চলে শিক্ষার হার তুলনামূলক বেশি হওয়ার পেছনে সামাজিক সচেতনতা ও নারী শিক্ষার বিস্তার অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে কাজ করেছে। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: জনমিতি ও সামাজিক উন্নয়ন: সাক্ষরতার হার নির্ধারণ করা হয় সাত বছর বা তার বেশি বয়সের জনসংখ্যার ভিত্তিতে যারা পড়তে ও লিখতে পারে। তাৎপর্য ও ফলাফল: বরিশাল অঞ্চলে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ঘনত্ব বেশি থাকায় এবং শিক্ষার প্রতি সামাজিক আগ্রহ থাকায় সাক্ষরতার হার অন্যান্য বিভাগের তুলনায় শীর্ষস্থান দখল করেছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: জনশুমারি ও গৃহগণনা ব্যাখ্যা: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো পরিচালিত সর্বশেষ জনশুমারিতে দেশের বিভিন্ন বিভাগের সামাজিক সূচকগুলোর তুলনা করা হয়। উদাহরণ ২: নারী শিক্ষা ও সাক্ষরতা আন্দোলন ব্যাখ্যা: বরিশাল অঞ্চলে ঐতিহাসিকভাবে স্কুল ও কলেজ প্রতিষ্ঠার হার বেশি থাকায় নারী সাক্ষরতার হারও জাতীয় গড়ের চেয়ে উঁচুতে অবস্থান করছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঢাকা বিভাগ — অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিকভাবে রাজধানী হিসেবে ঢাকা গুরুত্বপূর্ণ হলেও সাক্ষরতার হারে এটি শীর্ষ স্থানে নেই। B) রাজশাহী বিভাগ — শিক্ষা নগরী রাজশাহী ও এর আশপাশের জেলাগুলোতে শিক্ষার মান ভালো হলেও সামগ্রিক সাক্ষরতার হারে বরিশাল এগিয়ে রয়েছে। D) খুলনা বিভাগ — দক্ষিণাঞ্চলের এই বিভাগে শিক্ষা ও সংস্কৃতির চর্চা বেশি থাকলেও সাক্ষরতার ক্ষেত্রে বরিশাল বিভাগের পেছনে অবস্থান করছে। ৫ মনে রাখার টিপস: সাক্ষরতার বিচারে শীর্ষ বিভাগ মনে রাখার সহজ কৌশল হলো ব তে বরিশাল এবং ব তে বেশি শিক্ষিত। অন্যান্য বিভাগের সঙ্গে তুলনার ক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে দক্ষিণ অঞ্চলের এই বিভাগটি শিক্ষা বিস্তারে এগিয়ে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জনশুমারি ও গৃহগণনা থেকে সাক্ষরতার হার সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। একই বিষয় থেকে কোন জেলায় সাক্ষরতার হার সর্বাধিক বা সর্বনিম্ন, তা নিয়েও প্রশ্ন হতে পারে।
a ৬.৮৫%
b ৬.৯৭%
c ৭.০০%
d ৭.১১%
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৭.১১% প্রদত্ত তথ্য: ২০১৫-১৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনের প্রবৃদ্ধি হিসাব করা হয় বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো এর চূড়ান্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী এই তথ্য প্রকাশ করা হয় ধরি, অর্থবছরের নির্ধারিত প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ছিল নির্দিষ্ট একটি সংখ্যা অর্জিত প্রবৃদ্ধির প্রকৃত হিসাব করা হয় জিডিপি এর অনুপাত থেকে অতএব, বিগত বছরের প্রবৃদ্ধির তুলনামূলক বিশ্লেষণ করা হয় সামষ্টিক অর্থনীতির বিভিন্ন খাতের অবদান যোগ করা হয় সুতরাং, কৃষি শিল্প ও সেবা খাতের সমন্বিত প্রবৃদ্ধি যোগ করা হয় উত্তর: ৭.১১%
a ফিনল্যান্ড
b ডেনমার্কে
c নরওয়েতে
d সুইডেনে
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ডেনমার্কে ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশ থেকে তৈরি জাহাজ রপ্তানির ক্ষেত্রে ডেনমার্ক একটি অন্যতম প্রধান ক্রেতা দেশ হিসেবে পরিচিত। - এ ধরনের জাহাজ রপ্তানি বাংলাদেশের ভারী শিল্প ও জাহাজ নির্মাণ খাতের সক্ষমতা আন্তর্জাতিক বাজারে প্রমাণ করে। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট: বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান জাহাজ নির্মাণ শিল্প আন্তর্জাতিক মানের জাহাজ তৈরি করে বিশ্ববাজারে সুনাম অর্জন করছে। - তাৎপর্য ও ফলাফল: এই ধরনের রপ্তানি দেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে এবং রপ্তানি বহুমুখীকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: হাই স্পিড শিপইয়ার্ড ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের একটি স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান যা আন্তর্জাতিক মানের জলযান তৈরি করে থাকে। উদাহরণ ২: ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড ব্যাখ্যা: এই প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশের প্রথম সমুদ্রগামী জাহাজ রপ্তানকারক হিসেবে ডেনমার্কে জাহাজ রপ্তানি করেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফিনল্যান্ড — এটি বাংলাদেশ থেকে এই নির্দিষ্ট জাহাজ আমদানির সঙ্গে যুক্ত নয়। B) ডেনমার্কে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দেশেই 'স্টেলা মেরিস' নামের জাহাজটি রপ্তানি করা হয়েছিল। C) নরওয়েতে — নরওয়ে বিশ্বের অন্যতম প্রধান সামুদ্রিক দেশ হলেও এই জাহাজটি সেখানে রপ্তানি করা হয়নি। D) সুইডেনে — সুইডেন বাংলাদেশের জাহাজ আমদানিকারক দেশগুলোর তালিকার অন্তর্ভুক্ত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - স্টেলা মেরিস জাহাজটি রপ্তানি হয়েছিল ডেনমার্কে, যা ড দিয়ে শুরু হয় এবং ডেনমার্কের প্রথম অক্ষরও ড। - জাহাজ নির্মাণ শিল্প ও রপ্তানি সংক্রান্ত প্রশ্ন দেখলে ইউরোপের স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ ডেনমার্ককে মনে রাখা নিরাপদ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলাদেশের জাহাজ নির্মাণ খাত দক্ষিণ এশিয়ায় একটি উদীয়মান অর্থনৈতিক শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করছে। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন সাধারণত অর্থনীতি, শিল্পায়ন বা রপ্তানি বাণিজ্য অংশ থেকে আসে।
a পেট্রাপোল
b কৃষ্ণনগড়
c ডউকি
d মোহাদিপুর
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পেট্রাপোল ১. কেন সঠিক: বেনাপোল স্থলবন্দর বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ এবং সর্বাধিক ব্যবহৃত স্থলবন্দর, যা যশোর জেলায় অবস্থিত। এর ঠিক বিপরীতে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের উত্তর ২৪ পরগনা জেলায় পেট্রাপোল স্থলবন্দর অবস্থিত। ২. ভৌগোলিক অবস্থান ও বাণিজ্য: বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের বাণিজ্যের সিংহভাগ এই বেনাপোল ও পেট্রাপোল বন্দর দিয়ে সম্পাদিত হয়। এটি দুই দেশের মধ্যে আমদানিকানি এবং যাত্রী পারাপারের একটি প্রধান রুট। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর। ব্যাখ্যা: এটি পঞ্চগড় জেলায় অবস্থিত এবং এর বিপরীতে ভারতের ফুলবাড়ি স্থলবন্দর রয়েছে। উদাহরণ ২: বুড়িমারি স্থলবন্দর। ব্যাখ্যা: এটি লালমনিরহাট জেলায় অবস্থিত এবং এর বিপরীতে ভারতের চ্যাংড়াবান্ধা স্থলবন্দর রয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পেট্রাপোল — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বেনাপোল স্থলবন্দরের বিপরীতে ভারতের অংশে অবস্থিত প্রধান স্থলবন্দর। B) কৃষ্ণনগড় — এটি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের একটি ঐতিহাসিক শহর ও নদিয়া জেলার সদর দপ্তর, কোনো স্থলবন্দর নয়। C) ডউকি — এটি ভারতের মেঘালয় রাজ্যে অবস্থিত এবং এটি বাংলাদেশের তামাবিল স্থলবন্দরের বিপরীতে অবস্থিত। D) মোহাদিপুর — এটি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মালদহ জেলায় অবস্থিত এবং এটি বাংলাদেশের সোনামসজিদ স্থলবন্দরের বিপরীতে অবস্থিত। ৫ মনে রাখার টিপস: বেনাপোল নামের সঙ্গে মিল রেখে এর ভারতীয় অংশ মনে রাখা সহজ, বেনাপোলের বিপরীতে পেট্রাপোল অবস্থিত। দুটি নামই বাংলা উচ্চারণ ও ধ্বনিতে বেশ মিলপূর্ণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বাংলাদেশ ও ভারতের প্রধান স্থলবন্দর এবং তাদের বিপরীতের ভারতীয় বন্দরগুলোর নাম জোড়ায় জোড়ায় প্রশ্ন হিসেবে আসে। বেনাপোল-পেট্রাপোল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় এটি বারবার পরীক্ষায় আসে।
a ৬টি
b ৮টি
c ১০টি
d ১২টি
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৮টি ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশে বর্তমানে সরকারি রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা বা ইপিজেড এর সংখ্যা আটটি। - বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ বা বেপজা এই সরকারি ইপিজেডগুলো পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করে। ২. অর্থনীতি, শিল্প ও প্রতিষ্ঠান: - প্রাতিষ্ঠানিক পরিচয়: বেপজা ১৯৭৮ সালে গঠিত এবং ১৯৮৩ সালের আইন দ্বারা প্রতিষ্ঠিত একটি সরকারি সংস্থা। - কার্যক্রমের উদ্দেশ্য: দেশে বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং রপ্তানি বহুমুখীকরণের মাধ্যমে অর্থনৈতিক উন্নয়ন সাধন করা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: চট্টগ্রাম ইপিজেড ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের প্রথম এবং সবচেয়ে সফল সরকারি ইপিজেড যা ১৯৮৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। উদাহরণ ২: ঢাকা ইপিজেড ব্যাখ্যা: সাভারে অবস্থিত এই ইপিজেডটি দেশের দ্বিতীয় সরকারি ইপিজেড এবং এখানে প্রচুর বৈদেশিক বিনিয়োগ রয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৬টি — এটি বর্তমান সরকারি ইপিজেড সংখ্যার চেয়ে কম এবং ভুল তথ্য। B) ৮টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলাদেশে বর্তমানে ৮টি সরকারি ইপিজেড চালু রয়েছে। C) ১০টি — এটি ভুল কারণ দেশে সরকারি ইপিজেডের সংখ্যা দশটি নয়, আটটি। D) ১২টি — এটি ভুল কারণ এই সংখ্যাটি প্রকৃত সরকারি ইপিজেড সংখ্যার সাথে মেলে না। ৫ মনে রাখার টিপস: - সরকারি ইপিজেড মনে রাখতে সংখ্যাটি আট বা ৮ মনে রাখুন। - চট্টগ্রাম ও ঢাকা দেশের প্রধান দুটি সরকারি ইপিজেড দিয়ে শুরু হয়েছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বেপজা ও ইপিজেড সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - বেসরকারি ইপিজেড বা হাইটেক পার্কের সাথে সরকারি ইপিজেড এর সংখ্যা যেন গুলিয়ে না যায় সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।
a চীন
b ভারত
c যুক্তরাজ্য
d থাইল্যান্ড
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চীন ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বিভিন্ন দেশ থেকে পণ্য আমদানি করে এবং বিভিন্ন দেশে পণ্য রপ্তানি করে। - রপ্তানি বাণিজ্যের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের প্রধান গন্তব্য বা একক দেশ হিসেবে সর্বাধিক পণ্য রপ্তানি হয় যুক্তরাষ্ট্রে, তবে আমদানির ক্ষেত্রে চীন শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে। প্রদত্ত প্রশ্নের ক্ষেত্রে পরীক্ষার প্রমিত মানদণ্ড অনুযায়ী চীনকে সঠিক হিসেবে ধরা হয়েছে। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: অর্থনীতি, শিল্প, অর্থনীতি ও উন্নয়ন - বাণিজ্য সম্পর্ক: বাংলাদেশ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সাথে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য পরিচালনা করে থাকে। - আমদানির উৎস: বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি পণ্য আমদানি করে চীন থেকে, যা দেশের মোট আমদানির একটি বড় অংশ দখল করে আছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: তৈরি পোশাক শিল্প ব্যাখ্যা: বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের সিংহভাগ আসে তৈরি পোশাক খাত থেকে, যা বিশ্ববাজারে দেশের অবস্থান শক্ত করেছে। উদাহরণ ২: দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ঘাটতি ব্যাখ্যা: চীন থেকে বাংলাদেশ প্রচুর পরিমাণ কাঁচামাল ও যন্ত্রপাতি আমদানি করায় বাণিজ্যে চীনের সাথে বাংলাদেশের বড় অঙ্কের বাণিজ্য ঘাটতি রয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চীন — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর হিসেবে চিহ্নিত, যা বাংলাদেশের সাথে বৃহৎ আমদানির অংশীদার। B) ভারত — ভারত বাংলাদেশের অন্যতম নিকটতম প্রতিবেশী এবং বাণিজ্যের অন্যতম প্রধান অংশীদার হলেও শীর্ষে নয়। C) যুক্তরাজ্য — যুক্তরাজ্য বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানির অন্যতম বড় একক বাজার হলেও সামগ্রিক রপ্তানি পরিসংখ্যানে এটি শীর্ষে নয়। D) থাইল্যান্ড — থাইল্যান্ডের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে কিন্তু তা শীর্ষ রপ্তানি বা আমদানির তালিকার শীর্ষে অবস্থান করে না। ৫ মনে রাখার টিপস: - আমদানি ও রপ্তানির হিসাব আলাদা করে মনে রাখতে হবে। - চীন থেকে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি পণ্য আমদানি করে এবং যুক্তরাষ্ট্র হলো বাংলাদেশের এককভাবে সবচেয়ে বড় রপ্তানি বাজার। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি বাজার এবং প্রধান আমদানি উৎসের দেশগুলোর নাম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - একই বিষয় থেকে একক দেশ হিসেবে শীর্ষ রপ্তানি গন্তব্য কোনটি, সে সম্পর্কিত প্রশ্নও পরীক্ষায় থাকতে পারে।
a ব্র্যাক ব্যাংক
b ডাচ-বাংলা ব্যাংক
c এবি ব্যাংক
d সোনালী ব্যাংক
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ডাচ-বাংলা ব্যাংক ১. কেন সঠিক: - ডাচ-বাংলা ব্যাংক বাংলাদেশের প্রথম মোবাইল ব্যাংকিং সেবা হিসেবে ২০১০ সালের ৩১ মার্চ ‘ডিবিবিএল মোবাইল ব্যাংকিং’ বা পরবর্তীতে ‘রকেট’ চালু করে। - এই সেবা চালুর মাধ্যমে বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতের ইতিহাসে মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের যুগান্তকারী সূচনা হয়। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও প্রযুক্তি: ব্যাংকিং সেবা দেশের প্রতিটি কোণে পৌঁছে দেওয়া এবং আর্থিক অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতি গড়ার ক্ষেত্রে এটি একটি বড় পদক্ষেপ। - প্রতিষ্ঠান: ডাচ-বাংলা ব্যাংক লিমিটেড বাংলাদেশের একটি স্বনামধন্য বাণিজ্যিক ব্যাংক যা তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক সেবা প্রদানে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিকাশ ব্যাখ্যা: এটি ব্র্যাক ব্যাংকের একটি সহযোগী প্রতিষ্ঠান যা ২০১১ সালে কার্যক্রম শুরু করে এবং বর্তমানে দেশের অন্যতম শীর্ষ মোবাইল আর্থিক সেবাদাতা। উদাহরণ ২: নগদ ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশ ডাক বিভাগের একটি ডিজিটাল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস যা ২০১৯ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্র্যাক ব্যাংক — এটি একটি বাণিজ্যিক ব্যাংক এবং এর মোবাইল ব্যাংকিং সাবসিডিয়ারি হলো বিকাশ, যা ২০১১ সালে চালু হয় কিন্তু প্রথম মোবাইল ব্যাংকিং সেবা দাতা নয়। B) ডাচ-বাংলা ব্যাংক — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই ব্যাংকটি ২০১০ সালে প্রথম মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু করেছিল। C) এবি ব্যাংক — এটি প্রথম প্রজন্মের একটি বেসরকারি ব্যাংক হলেও বাংলাদেশে প্রথম মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালুর কৃতিত্ব তাদের নয়। D) সোনালী ব্যাংক — এটি দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক হলেও প্রথম মোবাইল ব্যাংকিং চালুর ক্ষেত্রে এই ব্যাংকটি অগ্রগামী ছিল না। ৫ মনে রাখার টিপস: - মোবাইল ব্যাংকিংয়ের ক্ষেত্রে ডাচ-বাংলা ব্যাংক বা ডিবিবিএল হলো প্রথম প্রবক্তা। - সালটি মনে রাখতে পারো ২০১০ সাল, যখন ডিজিটাল বাংলাদেশের রূপরেখা বাস্তবায়নের কাজ শুরু হয়েছিল। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রথম মোবাইল ব্যাংকিং সেবা দাতা বা সাল সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। - মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস বা এমএফএস খাতের লাইসেন্স প্রদান করে থাকে বাংলাদেশ ব্যাংক।
a বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
b অর্থ মন্ত্রণালয়
c পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়
d শিল্প মন্ত্রণালয়
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি সংবিধিবদ্ধ সরকারি সংস্থা যা দেশের আমদানি ও রপ্তানি নীতি এবং শুল্কহার নির্ধারণে সরকারকে পরামর্শ দেয়। জাতীয় অর্থনীতি সুরক্ষা এবং দেশীয় শিল্পকে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় টিকিয়ে রাখতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী এই কমিশন কাজ করে থাকে। ২. প্রশাসন ও প্রতিষ্ঠান: প্রতিষ্ঠান: বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন দেশের বাণিজ্যের স্বার্থ রক্ষা ও শুল্ক যৌক্তিকীকরণের উদ্দেশ্যে ১৯৭৩ সালে গঠিত হয়। কার্যক্রম: দেশীয় শিল্পের সুরক্ষা প্রদান এবং পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে এই কমিশন সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে নিয়মিত সুপারিশমালা প্রদান করে থাকে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন ব্যাখ্যা: সাম্প্রতিক সময়ে এই কমিশন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারদর নিয়ন্ত্রণ এবং শুল্ক কমানোর বিষয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ দিয়েছে। উদাহরণ ২: রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানসমূহ ব্যাখ্যা: বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন শুধু ট্যারিফ কমিশন নয়, বরং টিসিবি এবং রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলোও বাণিজ্য খাতের নীতি বাস্তবায়নে কাজ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাণিজ্য মন্ত্রণালয় — এটি সঠিক কারণ বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন সরাসরি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণাধীনে পরিচালিত হয়। B) অর্থ মন্ত্রণালয় — এটি ভুল কারণ অর্থ মন্ত্রণালয় বাজেট প্রণয়ন, রাজস্ব নীতি এবং অভ্যন্তরীণ সম্পদ সংগ্রহ নিয়ে কাজ করলেও ট্যারিফ কমিশন সরাসরি এর অধীন নয়। C) পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় — এটি ভুল কারণ পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় দেশের পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা এবং উন্নয়ন প্রকল্প প্রণয়ন ও মূল্যায়ন করে থাকে। D) শিল্প মন্ত্রণালয় — এটি ভুল কারণ শিল্প মন্ত্রণালয় দেশে নতুন শিল্প স্থাপন এবং উৎপাদন খাতের বিকাশ নিয়ে কাজ করলেও শুল্ক ও বাণিজ্য নীতি এর আওতাভুক্ত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: বাণিজ্য ও শুল্ক সংক্রান্ত বিষয়গুলো সরাসরি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কাজের পরিধির অন্তর্ভুক্ত। ট্যারিফ শব্দটির অর্থ শুল্ক হার, যা আমদানি ও রপ্তানির সাথে জড়িত এবং এটি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মূল দায়িত্ব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন কোন মন্ত্রণালয়ের অধীন এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। একই বিষয় থেকে অন্য প্রশ্ন আসতে পারে যে বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
a ২ ভাগে
b ৪ ভাগে
c ৫ ভাগে
d ৮ ভাগে
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২ ভাগে ১. কেন সঠিক: - ভৌগোলিক অবস্থান ও ভূপ্রকৃতির ওপর ভিত্তি করে বাংলাদেশের টারশিয়ারি পাহাড়কে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে। - এই পাহাড়ি অঞ্চলগুলো প্লাইওসিন যুগের টারশিয়ারি পাহাড়ি অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত এবং দেশের মোট ভূখণ্ডের প্রায় বারো শতাংশ দখল করে আছে। ২. ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য: - ভৌগোলিক অবস্থান: এই পাহাড়গুলো বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল এবং উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সীমান্তজুড়ে বিস্তৃত রয়েছে। - ভূপ্রকৃতি: টারশিয়ারি যুগের পাহাড়গুলো মূলত আসামের পাহাড়ি অঞ্চলের দক্ষিণ সম্প্রসারণ এবং দেশের প্রাচীনতম ভূমিরূপের অংশবিশেষ। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড় ব্যাখ্যা: এর মধ্যে বান্দরবান, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও চট্টগ্রামের পাহাড়ি অংশ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে যা দেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ কেওক্রাডং ধারণ করে। উদাহরণ ২: উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড় ব্যাখ্যা: এর মধ্যে সিলেট, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার পাহাড়ি টিলা বা পাহাড়ি অঞ্চলগুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে যা চা চাষের জন্য বিখ্যাত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২ ভাগে — এটি সঠিক উত্তর কারণ টারশিয়ারি পাহাড় ভৌগোলিক অবস্থান ভেদে দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল এবং উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চল এই দুই ভাগে বিভক্ত। B) ৪ ভাগে — বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতিকে সামগ্রিকভাবে চার ভাগে ভাগ করা হয়, যা টারশিয়ারি পাহাড়ের নির্দিষ্ট ভৌগোলিক ভাগের সঙ্গে মিলে না। C) ৫ ভাগে — বাংলাদেশের নদনদী বা অন্য কোনো নির্দিষ্ট ভূপ্রাকৃতিক শ্রেণিবিন্যাসের সঙ্গে এই সংখ্যাটি সম্পর্কিত হতে পারে, কিন্তু টারশিয়ারি পাহাড়ের ক্ষেত্রে নয়। D) ৮ ভাগে — এই সংখ্যাটি বাংলাদেশের প্রশাসনিক বিভাগের সংখ্যা নির্দেশ করে, যা পাহাড়ি অঞ্চলের ভৌগোলিক বিভাজনের সঙ্গে সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক। ৫ মনে রাখার টিপস: - টারশিয়ারি পাহাড় বললেই মাথায় রাখবে এটি দুই ভাগে বিভক্ত একটি দক্ষিণ-পূর্বের বড় পাহাড়শ্রেণী এবং অন্যটি উত্তর-পূর্বের ছোট টিলা অঞ্চল। - ভূপ্রকৃতির এই বিভাজন মনে রাখতে দেশের মানচিত্রে চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলের পাহাড়ি অবস্থানকে মনে করতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় ভূপ্রকৃতি অংশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - একই বিষয় থেকে পাহাড়ি অঞ্চলের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ বা এর ভৌগোলিক নাম নিয়ে প্রশ্ন আসতে পারে।
a ২৬
b ২৭
c ২৮
d ৩১
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২৬ ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসে বর্তমানে ২৬টি ক্যাডার রয়েছে। ১৯৭২ সালের অর্ডিন্যান্সের মাধ্যমে গঠিত এই ক্যাডার সার্ভিস দেশের প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা করে। ২. প্রশাসন ও ক্যাডার কাঠামো: প্রশাসনিক কাঠামো: বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস বা বিসিএস ক্যাডারগুলো দেশের সামগ্রিক প্রশাসন, নীতি নির্ধারণ ও উন্নয়নমূলক কাজে সরাসরি যুক্ত থাকে। নিয়োগ প্রক্রিয়া: বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন বা পিএসসি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে এসব ক্যাডারে কর্মকর্তা নিয়োগের সুপারিশ করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রশাসন ক্যাডার ব্যাখ্যা: এটি মাঠ প্রশাসন ও সচিবালয়ে নীতিনির্ধারণী দায়িত্ব পালন করে। উদাহরণ ২: পররাষ্ট্র ক্যাডার ব্যাখ্যা: এটি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের স্বার্থ রক্ষা ও কূটনীতি পরিচালনা করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৬ — এটি সঠিক উত্তর কারণ বর্তমানে বাংলাদেশে সুনির্দিষ্টভাবে ২৬টি ক্যাডার রয়েছে। B) ২৭ — এটি ভুল কারণ বর্তমানে ক্যাডার সংখ্যা ২৭টি নয়। C) ২৮ — এটি ভুল কারণ অতীতে ক্যাডারের সংখ্যা ভিন্ন থাকলেও বর্তমানে তা ২৬টি। D) ৩১ — এটি ভুল কারণ ক্যাডারের সংখ্যা কখনোই ৩১টি ছিল না। ৫. মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের মোট ক্যাডার সংখ্যা মনে রাখতে ২৬ সংখ্যাটি মনে রাখুন। এটি প্রশাসন পরিচালনার প্রধান ভিত্তি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ক্যাডার কোন সাংবিধানিক বা আইনি কাঠamoর অধীনে পরিচালিত হয় তা জানা জরুরি। পিএসসি এর নিয়োগ সংক্রান্ত প্রধান সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান।
a National Information Legal Guide
b National Institute Local Government
c National Identity Licence Guide
d National Industrial League Group
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) National Institute Local Government ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার সঙ্গে সম্পর্কিত একটি জাতীয় প্রশিক্ষণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের ইংরেজি নামের পূর্ণরূপ নির্দেশ করে। - এই প্রতিষ্ঠানটি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের অধীন কাজ করে এবং স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার বিভিন্ন স্তরের জনপ্রতিনিধি ও কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ দেয়। ২. প্রশাসন ও প্রতিষ্ঠান: - প্রতিষ্ঠা: ১৯৭০ সালে এটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং পরবর্তীতে এর নাম ও কাঠামোগত পরিবর্তন ঘটে। - সদর দপ্তর: এটি ঢাকার আগারগাঁওয়ে অবস্থিত এবং স্থানীয় সরকার খাতের গবেষকদের জন্য এটি একটি প্রধান কেন্দ্র। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: BPATC ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশ লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, যা প্রজাতন্ত্রের সরকারি কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে। উদাহরণ ২: BARD ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমী, যা কুমিল্লায় অবস্থিত এবং পল্লী উন্নয়নে গবেষণা ও প্রশিক্ষণ পরিচালনা করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) National Information Legal Guide — এই নামে কোনো সরকারি বা সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে নেই। B) National Institute Local Government — এটি সঠিক এবং পরীক্ষিত পূর্ণরূপ। C) National Identity Licence Guide — জাতীয় পরিচয়পত্র বা লাইসেন্স সংক্রান্ত কোনো সরকারি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয় না। D) National Industrial League Group — শিল্প বা ক্রীড়া সংক্রান্ত কোনো সংস্থাকে এই নামে অভিহিত করা হয় না। ৫. মনে রাখার টিপস: - NILG শব্দের প্রথম অংশ স্থানীয় সরকার বা Local Government নির্দেশ করে। - ইনস্টিটিউট বা প্রতিষ্ঠানের ইংরেজি রূপ বুঝতে National Institute কথাটি মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান সংক্রান্ত বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের প্রতিষ্ঠানের পূর্ণরূপ প্রায়ই আসে। - প্রতিষ্ঠানটি কোন মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত হয়, তা থেকেও প্রশ্ন হতে পারে।
a সংসদ নেতার ভোট
b হুইপের ভোট
c স্পিকারের ভোট
d রাষ্ট্রপতির ভোট
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) স্পিকারের ভোট ১. কেন সঠিক: - জাতীয় সংসদে কোনো বিল বা প্রস্তাবের ওপর ভোটাভুটির সময় যদি পক্ষে ও বিপক্ষে সমান সংখ্যক ভোট পড়ে, তবে স্পিকার তার নির্ণায়ক ভোট প্রদান করেন, যা কাস্টিং ভোট নামে পরিচিত। - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংসদের কার্যপ্রণালী ও ভোটাভুটির বিধান পরিচালিত হয়, যেখানে স্পিকারের এই বিশেষ ক্ষমতার কথা বলা হয়েছে। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - সংবিধান ও আইন: বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৬ অনুচ্ছেদ এবং জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালী বিধি অনুযায়ী স্পিকার সমান ভোট পড়ার ক্ষেত্রে কাস্টিং ভোট প্রয়োগ করতে পারেন। - তাৎপর্য ও ফলাফল: সাধারণ অবস্থায় স্পিকার প্রথম দফায় কোনো ভোটাভুটিতে অংশ নেন না, তবে ফলাফল টাই হলে তার এই একটি ভোটই আইন পাস বা নাকচ করার ক্ষেত্রে চূড়ান্ত ভূমিকা পালন করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: জাতীয় সংসদের কোনো গুরুত্বপূর্ণ আইন পাসের সময় যদি ৫০% সদস্য পক্ষে এবং ৫০% সদস্য বিপক্ষে ভোট দেন। ব্যাখ্যা: এমন পরিস্থিতিতে অচলাবস্থা কাটাতে স্পিকার কাস্টিং ভোট ব্যবহার করে আইন পাসের পক্ষে বা বিপক্ষে রায় দিয়ে ভারসাম্য রক্ষা করেন। উদাহরণ ২: স্পিকারের অনুপস্থিতিতে ডেপুটি স্পিকার যখন সংসদ অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন। ব্যাখ্যা: ডেপুটি স্পিকার সভাপতির দায়িত্বে থাকাকালীন স্পিকারের ক্ষমতা প্রয়োগ করেন এবং সমান ভোট পড়লে তিনিও কাস্টিং ভোট দিতে পারেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সংসদ নেতার ভোট — সংসদ নেতা হলেন সাধারণত প্রধানমন্ত্রী, যিনি সাধারণ সদস্য হিসেবে নির্দিষ্ট আসনে ভোটাভুটির শুরুতেই তার মতামত বা ভোট প্রদান করেন। B) হুইপের ভোট — হুইপরা সংসদীয় দলের শৃঙ্খলা বজায় রাখেন এবং সাধারণ সদস্যদের মতো তারা তাদের নিজ নিজ ভোট প্রদান করেন। D) রাষ্ট্রপতির ভোট — রাষ্ট্রপতি দেশের রাষ্ট্রপ্রধান এবং তিনি আইনসভার বা জাতীয় সংসদের কোনো সদস্য নন, তাই সংসদে ভোট দেওয়ার তার কোনো সাংবিধানিক এখতিয়ার নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - কাস্টিং ভোট মানেই হলো টাই বা সমতা ভাঙার ভোট, যা কেবল স্পিকারই প্রদান করতে পারেন। - মনে রাখতে হবে, স্পিকার প্রথমে ভোট দেন না, কেবল সমতা হলেই তিনি এই ভোট দেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - জাতীয় সংসদের কোরাম সংকটে কত সদস্যের উপস্থিতি প্রয়োজন, তা প্রায়ই বিসিএস পরীক্ষায় আসে। - একই বিষয় থেকে স্পিকারের নির্বাচন, অপসারণ এবং সংসদ পরিচালনার ক্ষমতা সংক্রান্ত অনুচ্ছেদগুলো ভালোভাবে পড়তে হবে।
a আলমগীর কবির
b খান আতাউর রহমান
c হুমায়ূন আহমেদ
d সুভাষ দত্ত
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আলমগীর কবির ১. কেন সঠিক: - ধীরে বহে মেঘনা চলচ্চিত্রটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিকায় নির্মিত অন্যতম সেরা এবং শৈল্পিক একটি পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র। - বিশিষ্ট চলচ্চিত্র নির্মাতা ও বুদ্ধিজীবী আলমগীর কবির ১৯৭৩ সালে এই চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেন যা যুদ্ধকালীন ও যুদ্ধোত্তর বাংলাদেশের মনস্তাত্ত্বিক চিত্র তুলে ধরে। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: - ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং এর পরবর্তী সময়ের রাজনৈতিক ও সামাজিক বাস্তবতার ওপর ভিত্তি করে চলচ্চিত্রটির কাহিনী রচিত হয়েছে। - এই চলচ্চিত্রে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে বুদ্ধিজীবীদের ভূমিকা এবং শরণার্থীদের কষ্টের বাস্তবসম্মত চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্টॉप জেনোসাইড ব্যাখ্যা: এটি জহির রায়হান পরিচালিত মুক্তিযুদ্ধের ওপর নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্র যা আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের পক্ষে জনমত গঠনে বড় ভূমিকা রেখেছিল। উদাহরণ ২: আমার জন্মভূমি ব্যাখ্যা: এটিও মুক্তিযুদ্ধের সময়ে নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্র যা যুদ্ধের ভয়াবহতা ও বাঙালির প্রতিরোধ সংগ্রামকে তুলে ধরেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আলমগীর কবির — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি এই চলচ্চিত্রের পরিচালক। B) খান আতাউর রহমান — তিনি একজন প্রখ্যাত চলচ্চিত্রকার হলেও এই চলচ্চিত্রটি তিনি পরিচালনা করেননি, তবে তার নির্মিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র হলো আবার তরি লও। C) হুমায়ূন আহমেদ — তিনি জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক ও চলচ্চিত্র নির্মাতা হলেও তিনি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্রের মধ্যে আগুনের পরশমণি ও শ্যামল ছায়া পরিচালনা করেছেন। D) সুভাষ দত্ত — তিনি বাংলা চলচ্চিত্রের এক কিংবদন্তি নির্মাতা হলেও ধীরে বহে মেঘনা চলচ্চিত্রটি তিনি নির্মাণ করেননি, তার বিখ্যাত চলচ্চিত্র হলো অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী। ৫ মনে রাখার টিপস: - মেঘ দেখলে কবির কথা মনে পড়ে, আর ধীরে বহে মেঘনা চলচ্চিত্রের নির্মাতা হলেন চলচ্চিত্রকার আলমগীর কবির। - আলমগীর কবির মূলত প্রামাণ্যচিত্র ও প্রগতিশীল চলচ্চিত্র নির্মাণের জন্য বিখ্যাত ছিলেন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র এবং এর নির্মাতাদের নাম প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। - এই প্রশ্ন থেকে পরীক্ষার্থীরা জানতে পারেন যে আলমগীর কবির পরিচালিত একমাত্র মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র হলো ধীরে বহে মেঘনা।
a লক্ষ্মীপুর জেলায়
b মেহেরপুর জেলায়
c ঝালকাঠী জেলায়
d রাঙামাটি জেলায়
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রাঙামাটি জেলায় ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ৩০০টি সাধারণ নির্বাচনী আসন নিয়ে গঠিত এবং সংবিধানের ১১৯ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন এসব আসনে নির্বাচন পরিচালনা করে। - রাঙামাটি পার্বত্য জেলা আয়তনের দিক থেকে দেশের বৃহত্তম জেলা হওয়া সত্ত্বেও ভৌগোলিক ও জনমিতিক বিন্যাসের কারণে এই পুরো জেলাটি মিলে মাত্র ১টি সংসদীয় আসন গঠিত হয়েছে। ২. বাংলাদেশ বিষয়াবলি তথ্য: ভৌগোলিক অবস্থান ও সীমান্ত: রাঙামাটি পার্বত্য জেলা দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত এবং এর সঙ্গে ভারতের মিজোরাম ও ত্রিপুরা রাজ্য এবং মিয়ানমারের আন্তর্জাতিক সীমান্ত রয়েছে। সংবিধান ও আইন: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৫ অনুচ্ছেদের ১ দফায় সংসদ গঠন সম্পর্কে বলা হয়েছে যে ৩০০টি সাধারণ আসন নিয়ে সংসদ গঠিত হবে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঢাকা জেলা ব্যাখ্যা: ঢাকা জেলা বাংলাদেশের সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ ও জনবহুল অঞ্চল হওয়ায় এখানে সর্বাধিক সংখ্যক সংসদীয় আসন রয়েছে, যা রাঙামাটি জেলার সম্পূর্ণ বিপরীত চিত্র তুলে ধরে। উদাহরণ ২: সুন্দরবন সংলগ্ন এলাকা ব্যাখ্যা: ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য এবং জনসংখ্যার ঘনত্বের তারতম্যের কারণে বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রশাসনিক ইউনিটে সংসদীয় আসনের সংখ্যা ভিন্ন হয়ে থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) লক্ষ্মীপুর জেলায় — লক্ষ্মীপুর জেলায় মাত্র ১টি সংসদীয় আসন নেই, বরং এই ছোট জেলাটিতে মোট ৪টি সংসদীয় আসন রয়েছে। B) মেহেরপুর জেলায় — মেহেরপুর জেলায় ১টি সংসদীয় আসন নেই, এই সীমান্ত জেলাটিতে জাতীয় সংসদের মোট ২টি আসন রয়েছে। C) ঝালকাঠী জেলায় — ঝালকাঠী জেলায় ১টি সংসদীয় আসন নেই, দক্ষিণাঞ্চলের এই জেলাটিতে মোট ২টি সংসদীয় আসন রয়েছে। D) রাঙামাটি জেলায় — এটি সঠিক উত্তর কারণ রাঙামাটি জেলার পুরো এলাকা নিয়ে মাত্র ১টি সংসদীয় আসন গঠিত হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: আয়তনে সবচেয়ে বড় জেলা রাঙামাটিতে আসন সংখ্যা মাত্র ১টি। ক্ষুদ্রতম জেলা বা বিশেষ ভৌগোলিক অঞ্চলের আসন বিন্যাস মনে রাখার সময় পাহাড়ি অঞ্চলের কম জনঘনত্ব বিষয়টি খেয়াল রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: জাতীয় সংসদের মোট সাধারণ আসন সংখ্যা ৩০০টি এবং এটি সংবিধানের ৬৫ অনুচ্ছেদের সঙ্গে সম্পর্কিত। একই রকম প্রশ্ন আসতে পারে কোন জেলায় সর্বাধিক সংসদীয় আসন রয়েছে অথবা কোন জেলাগুলো ১টি মাত্র আসন নিয়ে গঠিত।
a প্রথম
b দ্বিতীয়
c সপ্তম
d অষ্টম
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সপ্তম ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশের সংসদীয় গণতন্ত্রের ইতিহাসে সপ্তম জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্ব আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করা হয়। - এর মাধ্যমে সংসদ সদস্যদের সরাসরি প্রশ্নের মুখে প্রধানমন্ত্রীর জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার প্রথা চালু হয় যা সংসদীয় গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করে। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯৯৬ সালে সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকার গঠনের পর সংসদীয় কার্যপ্রণালি বিধিতে এই পরিবর্তন আনা হয়। - সংবিধান ও আইন: এটি মূলত সংসদীয় কার্যপ্রণালি বিধির বিধান অনুযায়ী চালু করা হয় যা ব্রিটিশ পার্লামেন্টারি পদ্ধতির আদールে তৈরি। - তাৎপর্য ও ফলাফল: এই প্রথার ফলে জাতীয় সংসদে সরকারের জবাবদিহিতা বৃদ্ধি পায় এবং গণতন্ত্রের স্বচ্ছতা নিশ্চিত হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্রিটিশ পার্লামেন্ট ব্যাখ্যা: ব্রিটিশ হাউস অব কমন্সের প্রধানমন্ত্রী প্রশ্নোত্তর পর্বের অনুকরণে বাংলাদেশে এটি চালু করা হয়। উদাহরণ ২: সংসদীয় জবাবদিহিতা ব্যাখ্যা: মন্ত্রীদের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীকেও সরাসরি প্রশ্নের মুখোমুখি করার মাধ্যমে মন্ত্রিপরিষদের দায়িত্বশীলতা নিশ্চিত করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রথম — প্রথম জাতীয় সংসদ গঠিত হয়েছিল ১৯৭৩ সালে এবং সেখানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমানের জন্য এই নির্দিষ্ট প্রশ্নোত্তর পর্বের প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা ছিল না। B) দ্বিতীয় — ১৯৭৯ সালে গঠিত দ্বিতীয় জাতীয় সংসদে সামরিক শাসন ও এর পরবর্তী রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এই নিয়ম চালু হয়নি। D) অষ্টম — অষ্টম জাতীয় সংসদ ২০০১ সালে গঠিত হয়, কিন্তু এই ঐতিহাসিক প্রশ্নোত্তর পর্বটি তার আগের অর্থাৎ সপ্তম জাতীয় সংসদেই প্রথম প্রবর্তিত হয়েছিল। ৫. মনে রাখার টিপস: - সপ্তম সংসদ মানেই হলো সেভেন বা সাত, আর এই সপ্তম সংসদেই প্রধানমন্ত্রীকে প্রশ্ন করার যুগান্তকারী নিয়ম চালু হয়। - প্রথম বা দ্বিতীয় সংসদের কথা ভাববেন না, কারণ গণতন্ত্রের প্রাতিষ্ঠানিক রূপায়নে ১৯৯৬ সালের সপ্তম সংসদ বেশি পরিচিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সংসদীয় গণতন্ত্র ও প্রধানমন্ত্রীর জবাবদিহিতা সংক্রান্ত প্রশ্নে এই তথ্যটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - একই বিষয় থেকে ঘুরিয়ে আসতে পারে যে বাংলাদেশের কোন সংসদ থেকে সংসদীয় চর্চায় নতুন ধারা শুরু হয়।
a উদ্ধার পর্যায়ে
b প্রভাব পর্যায়ে
c সতর্কতা পর্যায়ে
d পুনর্বাসন পর্যায়ে
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পুনর্বাসন পর্যায়ে ১. কেন সঠিক: - দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্রের চূড়ান্ত ধাপ হলো পুনর্বাসন পর্যায়, যেখানে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জীবনযাত্রা ও অবকাঠামো স্থায়ীভাবে পুনর্গঠন করা হয়। - এই ধাপে দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার সামগ্রিক অর্থনৈতিক ও সামাজিক ক্ষতি নিখুঁতভাবে মূল্যায়ন করে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ: - বাংলাদেশে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন ২০১২ প্রণয়ন করা হয়েছে, যা দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও সাড়া দান কার্যক্রম পরিচালনা করে। - দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় বাংলাদেশে দুর্যোগ পূর্ববর্তী,কালীন ও পরবর্তী সব কার্যক্রমের মূল সমন্বয়ক হিসেবে কাজ করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: সিডর বা আইলার মতো প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড়। ব্যাখ্যা: এ ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগের পর সরকার ও বিভিন্ন সংস্থা ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ করে ঘরবাড়ি ও বাঁধ পুনর্বাসন করে। উদাহরণ ২: নদী ভাঙন কবলিত মানুষের পুনর্বাসন। ব্যাখ্যা: ভাঙনের শিকার মানুষের জন্য আশ্রয়ণ প্রকল্প বা স্থায়ী আবাসন তৈরি এই পুনর্বাসন ধাপের অন্তর্ভুক্ত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উদ্ধার পর্যায়ে — এই ধাপে মূলত বিপন্ন মানুষদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া এবং প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। B) প্রভাব পর্যায়ে — এই পর্যায়টি দুর্যোগ ঘটার ঠিক আগের বা চলাকালীন অবস্থাকে নির্দেশ করে, যখন ক্ষতির মূল্যায়ন করা সম্ভব হয় না। C) সতর্কতা পর্যায়ে — এই ধাপে আবহাওয়ার পূর্বাভাস বা সংকেত প্রচার করে মানুষকে সচেতন ও নিরাপদ করা হয়। D) পুনর্বাসন পর্যায়ে — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানেই সার্বিক ক্ষতি নিরূপণ করে দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়নের মাধ্যমে জীবনযাত্রা স্বাভাবিক করা হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার ধাপগুলো মনে রাখার জন্য ক্রমানুসারে মনে রাখতে হবে: সতর্কতা, উদ্ধার এবং সবশেষে পুনর্বাসন। - ক্ষতি মূল্যায়ন সাধারণত বড় পরিসরে পুনর্বাসন ও পুনর্গঠন পরিকল্পনা তৈরির জন্যই করা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্রের ধাপগুলো থেকে প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে। - দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন প্রণীত হয় ২০১২ সালে, যা প্রশাসন ও নীতি নির্ধারণী পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a ভূমিকম্প
b সমুদ্রের জলস্তরের বৃদ্ধি
c ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস
d খরা ও বন্যা
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সমুদ্রের জলস্তরের বৃদ্ধি ১. কেন সঠিক: জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সমুদ্রের পানির উচ্চতা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে যা বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের জীবিকা চিরতরে বদলে দিতে পারে। দীর্ঘমেয়াদী এই প্রভাবে কৃষিজমি লবণাক্ত হয়ে যায় এবং স্থায়ীভাবে বসতি ও মাছের উৎস ধ্বংস হয়। ২. ভৌগোলিক ও পরিবেশগত প্রেক্ষাপট: উপকূলীয় ভূপ্রকৃতি: বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের নিচু ভূখণ্ড সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে। অর্থনৈতিক প্রভাব: লবণাক্ততা বৃদ্ধির কারণে কৃষিকাজ ব্যাহত হয় এবং লক্ষাধিক মানুষের পেশা পরিবর্তনের বাধ্যবাধকতা তৈরি হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুন্দরবন ও উপকূলীয় এলাকা ব্যাখ্যা: সমুদ্রের জলস্তর বৃদ্ধির ফলে সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য ধ্বংসের মুখে পড়ছে এবং সেখানকার পেশাজীবী মানুষ বাধ্য হয়ে অন্য পেশায় চলে যাচ্ছে। উদাহরণ ২: সাতক্ষীরা ও খুলনা জেলার লবণাক্ততা ব্যাখ্যা: এই অঞ্চলের কৃষিজমিতে লবণাক্ত পানি ঢুকে পড়ায় ধান চাষ প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে, যা মানুষের দীর্ঘমেয়াদী জীবিকাকে অনিশ্চিত করে তুলছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভূমিকম্প — ভূমিকম্প আকস্মিক দুর্যোগ হলেও এটি দীর্ঘমেয়াদে জীবিকা পরিবর্তনের প্রধান বা স্থায়ী রূপকার হিসেবে কাজ করে না। B) সমুদ্রের জলস্তরের বৃদ্ধি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি দীর্ঘমেয়াদী ও স্থায়ী পরিবর্তন আনে। C) ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস — ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস তীব্র ক্ষয়ক্ষতি করলেও তা মূলত আকস্মিক এবং পুনর্বাসনের মাধ্যমে তা কাটিয়ে ওঠা সম্ভব। D) খরা ও বন্যা — খরা ও বন্যা কৃষির ক্ষতি করে তবে এগুলো সাধারণত মৌসুমী এবং জলস্তর বৃদ্ধির মতো চিরস্থায়ী ভৌগোলিক পরিবর্তন ঘটায় না। ৫. মনে রাখার টিপস: যে দুর্যোগটি আসার পর মানুষ চিরতরে পেশা বা এলাকা বদলাতে বাধ্য হয় এবং যার প্রভাব শতবর্ষ ধরে থাকে, তা হলো সমুদ্রের জলস্তর বৃদ্ধি। আকস্মিক দুর্যোগ সাময়িক ক্ষতি করলেও জলস্তর বৃদ্ধি হলো দীর্ঘমেয়াদী ও অপরিবর্তনীয় সংকট। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি এবং বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলের অভিযোকরিতা বা ক্ষয়ক্ষতি সংক্রান্ত প্রশ্ন বিসিএস ও ব্যাংকের লিখিত ও প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। একই বিষয় থেকে সামুদ্রিক লবণাক্ততা এবং কৃষির ওপর এর প্রভাব সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
a লর্ড রিপন
b লর্ড কার্জন
c লর্ড মিন্টো
d লর্ড হার্ডিঞ্জ
0 97 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) লর্ড কার্জন ১. কেন সঠিক: - লর্ড কার্জন ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেন এবং তার প্রশাসনিক পদক্ষেপের অংশ হিসেবে পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রদেশ গঠিত হয়। - ঔপনিবেশিক ব্রিটিশ স্বার্থ রক্ষা এবং তৎকালীন বৃহৎ বাংলা প্রদেশকে শাসন ও নিয়ন্ত্রণের সুবিধার্থে এই নতুন প্রশাসনিক একক তৈরি করা হয়েছিল। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ব্রিটিশ সরকার প্রশাসনিক অদক্ষতার অজুহাত দেখিয়ে এবং মূলত ভারতীয় জাতীয়তাবাদী আন্দোলনকে দুর্বল করার উদ্দেশ্যে বাংলা বিভাজনের সিদ্ধান্ত নেয়। তারিখ ও স্থান: নতুন এই পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে ১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর আত্মপ্রকাশ করে যার রাজধানী নির্ধারিত হয়েছিল ঢাকাতে। ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: লর্ড কার্জন ছিলেন এই বিভাজন পরিকল্পনার মূল প্রণেতা এবং তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের গভর্নর জেনারেল ও ভাইসরয়। তাৎপর্য ও ফলাফল: এই বিভাজনের ফলে ভারতীয় রাজনীতিতে তীব্র প্রতিক্রিয়া শুরু হয় এবং বাঙালি সমাজ গভীরভাবে বিভক্ত হয়ে পড়ে যা পরবর্তীতে স্বদেশী আন্দোলনের জন্ম দেয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বঙ্গভঙ্গ রদ ব্যাখ্যা: তীব্র গণআন্দোলনের মুখে ১৯১১ সালে ব্রিটিশ সম্রাট পঞ্চম জর্জের দিল্লি দরবারে বঙ্গভঙ্গ রদ করা হয় এবং পূর্ববঙ্গ ও আসাম পুনরায় বাংলার সঙ্গে যুক্ত হয়। উদাহরণ ২: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা ব্যাখ্যা: ১৯১১ সালে বঙ্গভঙ্গ রদের ফলে পূর্ববঙ্গের মানুষের যে ক্ষতি হয় তা পুষিয়ে দিতে ১৯২১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) লর্ড রিপন — তিনি ১৮৮০ থেকে ১৮৮৪ সাল পর্যন্ত ভারতের ভাইসরয় ছিলেন এবং স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন আইন প্রণয়নের জন্য বিখ্যাত। B) লর্ড কার্জন — তিনি ১৯০৫ সালে পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রদেশ গঠন করেন এবং বঙ্গভঙ্গ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেছিলেন। C) লর্ড মিন্টো — তিনি ১৯০৫ থেকে ১৯১০ সাল পর্যন্ত ভারতের ভাইসরয় ছিলেন এবং লর্ড কার্জনের পর দায়িত্ব গ্রহণ করে মূলত মন্ট্রি-মিন্টো সংস্কারের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। D) লর্ড হার্ডিঞ্জ — তিনি ১৯১০ থেকে ১৯১৬ সাল পর্যন্ত ভাইসরয় ছিলেন এবং তার আমলেই ১৯১১ সালে বঙ্গভঙ্গ রদ ও রাজধানী কলকাতায় থেকে দিল্লিতে স্থানান্তরিত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বঙ্গভঙ্গ মানেই লর্ড কার্জন এবং সালটি হলো ১৯০৫। - কার্জন কথাটির সঙ্গে ১৯০৫ সালের প্রশাসনিক বিভাজনের সম্পর্ক মনে রাখলে পরীক্ষার হলে উত্তর করা সহজ হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রদেশের প্রথম লেফটেন্যান্ট গভর্নর কে ছিলেন এই প্রশ্নটি বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই আসে এবং এর উত্তর হলো জোসেফ ব্যামফিল্ড ফুলার। - একই বিষয় থেকে ঘুরিয়ে প্রশ্ন আসতে পারে যে কার আমলের নীতিকে ডিভাইড অ্যান্ড রুল বা ভাগ কর ও শাসন কর নীতির চরম রূপ বলা হয়।
a ধানের শীষ
b নৌকা
c লাঙল
d বাইসাইকেল
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নৌকা ১. কেন সঠিক: ১৯৫৪ সালের পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক ছিল নৌকা। এই নির্বাচনে নৌকা প্রতীকটি সমগ্র পূর্ব বাংলার সাধারণ মানুষের মুক্তির প্রতীক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছিল। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯৫৪ সালের ৮ থেকে ১২ মার্চ পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এই নির্বাচনে মুসলিম লীগ সরকারের পতন ঘটানোর উদ্দেশ্যে তৎকালীন প্রধান বিরোধী দলগুলো মিলে যুক্তফ্রন্ট গঠন করে। তারিখ ও স্থান: নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৫৪ সালের মার্চ মাসে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের সমগ্র অঞ্চলে। এই নির্বাচনে মোট ২৩৭টি মুসলিম আসনের মধ্যে যুক্তফ্রন্ট একাই ২২৩ আসন লাভ করে নিরঙ্কুশ জয়লাভ করে। ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: যুক্তফ্রন্টের প্রধান চার নেতা ছিলেন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী, এ কে ফজলুল হক এবং শেখ মুজিবুর রহমান। যুক্তফ্রন্টের মূল শরিক দলগুলো ছিল আওয়ামী মুসলিম লীগ, কৃষক শ্রমিক পার্টি, নেজামে ইসলাম এবং বামপন্থী গণতন্ত্রী দল। তাৎপর্য ও ফলাফল: এই নির্বাচনের মাধ্যমে পূর্ব বাংলায় বাঙালি জাতির প্রথম রাজনৈতিক বিজয় অর্জিত হয় এবং দীর্ঘদিনের মুসলিম লীগের একচ্ছত্র ক্ষমতার অবসান ঘটে। এর ফলে যুক্তফ্রন্ট সরকার গঠিত হলেও ষড়যন্ত্রমূলকভাবে অল্প সময়ের মধ্যে তা ভেঙে দেওয়া হয়, যা পরবর্তীতে বাঙালি জাতীয়তাবাদ গঠনে গভীর প্রভাব ফেলে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচন ব্যাখ্যা: ১৯৭০ সালের জাতীয় ও প্রাদেশিক নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী প্রতীক ছিল নৌকা, যা বাঙালি জাতির স্বাধিকার আন্দোলনের প্রতীক হয়ে ওঠে। উদাহরণ ২: একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ ব্যাখ্যা: নৌকা প্রতীকযুক্ত ঐতিহাসিক নির্বাচনগুলোর ধারাবাহিকতায় বাঙালি জাতি মুক্তি সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং স্বাধীন বাংলাদেশ অর্জন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধানের শীষ — ধানের শীষ বর্তমান সময়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল অর্থাৎ বিএনপির দলীয় প্রতীক। এটি ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের প্রতীক ছিল না। B) নৌকা — এই অপশনটি সঠিক এবং যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক হিসেবে ইতিহাসের পাতায় সর্বস্বীকৃত। C) লাঙল — লাঙল বর্তমানে জাতীয় পার্টির দলীয় প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এটি ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে কোনো দলের প্রতীক ছিল না। D) বাইসাইকেল — বাইসাইকেল বাংলাদেশের কোনো প্রধান রাজনৈতিক দলের নির্বাচনী প্রতীক নয়। এটি এই প্রশ্নের জন্য সম্পূর্ণ অসংশ্লিষ্ট একটি অপশন। ৫ মনে রাখার টিপস: যুক্তফ্রন্টের নৌকা মনে রাখতে ৫৪ সালের নির্বাচন এবং নৌকা কথাটি একসাথে মনে রাখতে হবে। ৫৪ সালের নির্বাচন মানেই নৌকা প্রতীক এবং যুক্তফ্রন্টের ঐতিহাসিক জয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট মোট কতটি আসন পেয়েছিল এবং যুক্তফ্রন্টের ২১ দফা দাবির মূল প্রবক্তা কে ছিলেন, এই ধরনের প্রশ্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। এই নির্বাচনটি বাঙালি জাতির রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি টার্নিং পয়েন্ট হিসেবে বিবেচিত হয়।
a বিল অব রাইটস
b ম্যাগনাকার্টা
c পিটিশন অব রাইটস
d মুখ্য আইন
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ম্যাগনাকার্টা প্রদত্ত তথ্য: ঐতিহাসিক ৬-দফা দাবি হলো বাঙালির মুক্তির সনদ এটিকে বাংলার স্বাধীনতার মূল ভিত্তি বলা হয় ধরি, ৬-দফার প্রবক্তা = বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঘোষণার সাল = ১৯৬৬ সাল অতএব, ব্রিটিশ শাসনকালে অধিকার আদায়ের ঐতিহাসিক দলিল হলো ম্যাগনাকার্টা পূর্ব পাকিস্তানের অধিকার রক্ষায় ৬-দফাকে তার সমতুল্য ধরা হয় সুতরাং, ঐতিহাসিক তুলনার বিচারে ৬-দফাকে ম্যাগনাকার্টা বলা হয়েছে উত্তর: ম্যাগনাকার্টা
a নবাব সিরাজউদ্দৌলা
b মুর্শিদ কুলী খান
c ইলিয়াস শাহ
d আলাউদ্দিন হুসেন শাহ
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মুর্শিদ কুলী খান ১. কেন সঠিক: মুর্শিদ কুলী খান ১৭১৭ সালে বাংলার প্রথম স্বাধীন বা আধা-স্বাধীন নবাব হিসেবে সিংহাসনে আরোহণ করেন। তিনি মুঘল সাম্রাজ্যের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে এবং নিজের মেধা ও প্রশাসনিক দক্ষতার বলে দিল্লি থেকে স্বাধীনভাবে বাংলা শাসন শুরু করেন। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: মুঘল সম্রাট ঔরঙ্গজেব তাকে ১৭০১ সালে বাংলার দেওয়ান নিযুক্ত করেছিলেন এবং পরবর্তীতে সম্রাট ফারুখসিয়ার ১৭১৭ সালে তাকে বাংলার সুবাদার বা নাজিম বান্দেন। এর মাধ্যমে তিনি বাংলার দেওয়ানি ও নিজামত উভয় ক্ষমতার একক অধিকারী হন এবং কার্যত স্বাধীন নবাবের মতো শাসন পরিচালনা করেন। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: মুর্শিদাবাদ শহর ব্যাখ্যা: মুর্শিদ কুলী খান তার নামানুসারে ঢাকার পরিবর্তে বাংলার রাজধানী মুর্শিদাবাদে স্থানান্তর করেন, যা তার স্বাধীন প্রশাসনিক দূরদর্শিতার প্রমাণ। উদাহরণ ২: মালজামিন প্রথা ব্যাখ্যা: তিনি রাজস্ব আদায় ব্যবস্থায় নতুন সংস্কার আনেন এবং মালজামিন প্রথা চালু করে বাংলার অর্থনৈতিক ভিত্তিকে শক্তিশালী করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নবাব সিরাজউদ্দৌলা — তিনি বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব ছিলেন, প্রথম স্বাধীন নবাব নন। C) ইলিয়াস শাহ — তিনি মধ্যযুগের স্বাধীন সুলতানি আমলের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন, নবাব আমলের নন। D) আলাউদ্দিন হুসেন শাহ — তিনি হুসেন শাহী বংশের একজন বিখ্যাত ও শক্তিশালী সুলতান ছিলেন, স্বাধীন নবাব নন। ৫. মনে রাখার টিপস: নবাব মানেই সিরাজউদ্দৌলা মনে করার ভুল করবেন না। প্রথম নবাব বললে মুর্শিদ কুলী খান এবং শেষ নবাব বললে সিরাজউদ্দৌলার নাম মনে রাখবেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বাংলার প্রথম নবাব বা রাজধানী ঢাকা থেকে মুর্শিদাবাদ স্থানান্তরের ইতিহাস নিয়ে প্রশ্ন আসে। মুর্শিদ কুলী খানের আমল থেকেই মূলত মুঘলদের প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণ থেকে বাংলা স্বায়ত্তশাসনের দিকে ধাবিত হয়।
a ডায়মন্ড
b রূপালী
c ড্রামহেড
d ব্রিশাইল
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ডায়মন্ড ১. কেন সঠিক: - ডায়মন্ড বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান ও জনপ্রিয় আলুর একটি উচ্চফলনশীল জাত। - কৃষি গবেষণা ও উৎপাদনের দিক থেকে এই জাতটি সারা দেশে ব্যাপকভাবে চাষ করা হয়। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: কৃষি, শিল্প, অর্থনীতি ও উন্নয়ন: - বাংলাদেশে উৎপাদিত আলু চাহিদার তুলনায় অনেক বেশি হওয়ায় এটি বিদেশে রপ্তানি করা হয়। - বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট এবং বাংলাদেশ আলু গবেষণা কেন্দ্র নতুন ও উন্নত জাত উদ্ভাবনে কাজ করছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: কার্ডিনাল ব্যাখ্যা: এটিও বাংলাদেশে চাষ করা আরেকটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও লাভজনক আলুর জাত। উদাহরণ ২: অ্যাসটেরিক্স ব্যাখ্যা: এটি প্রক্রিয়াজাতকরণ বা ফ্রেঞ্চ ফ্রাই তৈরির জন্য উপযুক্ত আলুর একটি জাত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডায়মন্ড — এটি আলুর একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় জাত যা বাংলাদেশে ব্যাপকভাবে চাষ করা হয়। B) রূপালী — এটি আলুর কোনো প্রধান বা পরিচিত জাত নয়, বরং এটি ইলিশ মাছের একটি নাম বা অন্য কোনো প্রকল্পের নাম হতে পারে। C) ড্রামহেড — এটি আলুর জাত নয়, বরং এটি বাঁধাকপির একটি বিখ্যাত জাত। D) ব্রিশাইল — এটি ধান বা অন্য কোনো ফসলের জাত হতে পারে, তবে এটি আলুর জাত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - আলুর জাত মনে রাখার সময় মনে রাখবে ডায়মন্ড হলো বাজারে সবচেয়ে পরিচিত নাম। - খাবারের টেবিলে বা বাজারে আলুর নাম জিজ্ঞেস করলে সবার আগে ডায়মন্ড নামটিই মাথায় আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভিন্ন ফসলের উচ্চফলনশীল জাত থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - আলু ছাড়াও ধান, গম ও ডালের উন্নত জাতগুলোর নাম ভালোভাবে পড়ে যেতে হবে।
a আউশ ধান
b আমন ধান
c বোরো ধান
d ইরি ধান
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বোরো ধান ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশের কৃষিতে বোরো ধান বর্তমানে প্রধান খাদ্যশস্য হিসেবে সর্বাধিক উৎপাদিত হয়। অনুকূল আবহাওয়া, উন্নত সেচ ব্যবস্থা এবং সরকারের সময়োপযোগী কৃষinীতির কারণে কৃষকরা বোরো চাষে অধিক ঝুঁকছেন। ২. কৃষি, অর্থনীতি ও উন্নয়ন: উৎপাদনের ধরন: বাংলাদেশে সাধারণত আউশ, আমন ও বোরো এই তিন জাতের ধান উৎপাদিত হয়। খাদ্য নিরাপত্তা: দেশের মোট চাল উৎপাদনের অর্ধেকের বেশি আসে বোরো মৌসুম থেকে, যা খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট। ব্যাখ্যা: এই প্রতিষ্ঠানটি উচ্চফলনশীল বোরো ধানের নতুন জাত উদ্ভাবন করে কৃষকদের উৎপাদনে সহায়তা করছে। উদাহরণ ২: দেশের সেচ প্রকল্প। ব্যাখ্যা: গভীর ও অগভীর নলকূপের মাধ্যমে পর্যাপ্ত পানির জোগান নিশ্চিত হওয়ায় বোরো ধানের ফলন বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আউশ ধান — এটি গ্রীষ্মকালীন ফসল এবং এর উৎপাদন বোরো বা আমনের তুলনায় অনেক কম। B) আমন ধান — এটি মূলত বর্ষাকালের ফসল এবং উৎপাদনের দিক থেকে বোরোর পরেই এর অবস্থান। D) ইরি ধান — এটি বোরো মৌসুমেরই একটি উচ্চফলনশীল জাত, তবে নির্দিষ্টভাবে ইরি নামটির চেয়ে সামগ্রিক বোরো ধান হিসেবে এর উৎপাদন সর্বাধিক। ৫. মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি ধান উৎপাদিত হয় বোরো মৌসুমে। মনে রাখার কৌশল হিসেবে মনে রাখতে পারেন বোরো মানে বড় উৎপাদন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলাদেশের খাদ্য উৎপাদনে বোরো ধানের অবদান প্রায় ৫৪% পর্যন্ত হয়ে থাকে। একই বিষয় থেকে প্রশ্ন আসতে পারে কোন ঋতুতে বা কোন মৌসুমে চালের উৎপাদন সবচেয়ে বেশি হয়।
a BARI
b BRRI
c BADC
d BINA
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (BADC) ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন বা BADC দেশের প্রধান বীজ উৎপাদন ও সরবরাহকারী সরকারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছে। - কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য মানসম্মত বীজ কৃষকদের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে এই প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: প্রতিষ্ঠান ও কৃষি: - BADC ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান যা কৃষি খাতের উন্নয়নে কাজ করে। - এই প্রতিষ্ঠানটি মূলত বীজ উৎপাদন, সার ও সেচ সরঞ্জাম ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে কৃষির ভিত্তি মজবুত করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (BRRI) ব্যাখ্যা: এটি ধান উৎপাদনের ওপর গবেষণা করে নতুন জাত উদ্ভাবন করলেও প্রধান বীজ উৎপাদক প্রতিষ্ঠান হিসেবে BADC-র ভূমিকা আলাদা। উদাহরণ ২: বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI) ব্যাখ্যা: এটি বিভিন্ন ফসলের নতুন জাত উদ্ভাবন করে থাকে, যা পরবর্তীতে BADC-র মাধ্যমে বড় পরিসরে উৎপাদিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) BARI — এটি প্রধানত বিভিন্ন ফসল ও প্রযুক্তির গবেষণা ও উদ্ভাবনের সাথে যুক্ত, বীজ উৎপাদনের প্রধান সরকারি সংস্থা এটি নয়। B) BRRI — এটি শুধুমাত্র ধান গবেষণা ও এর জাত উদ্ভাবনের প্রধান জাতীয় প্রতিষ্ঠান, বীজ উৎপাদন এর একমাত্র প্রধান কাজ নয়। C) BADC — এটি সঠিক উত্তর। D) BINA — এটি পরমাণু শক্তি ব্যবহার করে ফসলের নতুন জাত উদ্ভাবন নিয়ে গবেষণা করে, বীজ উৎপাদন প্রধান কাজ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: বীজ (Seed) এবং উন্নয়ন (Development) শব্দ দুটি মনে রাখলেই BADC নামটি সহজে মনে রাখা যায়। গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর কাজ জাত উদ্ভাবন, আর BADC-র কাজ বীজ উৎপাদন ও সরবরাহ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই গবেষণা প্রতিষ্ঠান এবং উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়। BADC যে বীজ উৎপাদনের সাথে জড়িত, তা বিভিন্ন ব্যাংক ও শিক্ষক নিবন্ধনের পরীক্ষায় বারবার আসে।
a ১০০ : ১০৬
b ১০০ : ১০০.৬
c ১০০ : ১০০.৩
d ১০০ : ১০০
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১০০ : ১০০.৩ ১. কেন সঠিক: - ২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী বাংলাদেশে নারী ও পুরুষের এই অনুপাত নির্ধারিত হয়েছিল। - এর অর্থ দাঁড়ায় প্রতি একশ জন নারীর বিপরীতে পুরুষের সংখ্যা ছিল একশ দশমিক তিন জন। ২. জনসংখ্যা ও জনমিতি: - জনসংখ্যার তথ্য: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো পরিচালিত ২০১১ সালের পঞ্চম আদমশুমারির এই তথ্য প্রকাশিত হয়। - জনমিতির তাৎপর্য: এই অনুপাত দেশের লিঙ্গ ভারসাম্য ও জনমিতিক বৈশিষ্ট্য বুঝতে সাহায্য করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ব্যাখ্যা: এই রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানটি দেশের সকল আদমশুমারি ও জনশুমারি পরিচালনা করে থাকে। উদাহরণ ২: ২০২২ সালের জনশুমারি ব্যাখ্যা: পরবর্তী জনশুমারির তথ্য অনুযায়ী দেশের নারী ও পুরুষের এই অনুপাতে পরিবর্তন এসেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০০ : ১০৬ — এই অনুপাতটি ২০১১ সালের জনশুমারির প্রকৃত তথ্য নয়। B) ১০০ : ১০০.৬ — এটি ২০১১ সালের নারী ও পুরুষের সঠিক জনমিতিক অনুপাত নির্দেশ করে না। D) ১০০ : ১০০ — এই সমতার অনুপাতটি ২০১১ সালের শুমারির ফলাফলের সাথে মিলে না। ৫ মনে রাখার টিপস: - ২০১১ সালের শুমারিতে পুরুষের সংখ্যা সামান্য বেশি ছিল। - মনে রাখতে হবে প্রতি ১০০ জনে পুরুষের সংখ্যা ছিল ১০০.৩ জন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - আদমশুমারির বছর ও ফলাফল প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। - পরবর্তী শুমারিগুলোর তথ্য আলাদাভাবে মনে রাখতে হবে।
a ৬৫.৪ বছর
b ৬৭.৫ বছর
c ৭০.৯ বছর
d ৭২.৬ বছর
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৭২.৬ বছর ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) এর জনশুমারি বা নির্ধারিত সামাজিক সূচক অনুযায়ী মানুষের গড় আয়ুর এই পরিসংখ্যানটি নির্ধারিত হয়েছে। স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়ন, শিশুমৃত্যুর হার হ্রাস এবং পুষ্টির মান বৃদ্ধির ফলে বাংলাদেশের মানুষের গড় আয়ু ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পেয়েছে। ২. জনসংখ্যা ও সামাজিক উন্নয়ন: জনমিতি ও স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়ন: দেশের প্রতিটি নাগরিকের জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণ এবং টিকাদান কর্মসূচির সাফল্যের কারণে গড় আয়ু বৃদ্ধি পেয়েছে। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) দেশের আর্থসামাজিক ও জনমিতি সংক্রান্ত এই ধরনের নির্ভরযোগ্য প্রাক্কলন প্রকাশ করে থাকে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (EPI) ব্যাখ্যা: শিশু মৃত্যুর হার কমাতে এই কর্মসূচি ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেছে, যা পরোক্ষভাবে গড় আয়ু বৃদ্ধিতে সহায়তা করেছে। উদাহরণ ২: কমিউনিটি ক্লিনিক কার্যক্রম ব্যাখ্যা: প্রান্তিক পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যমে মাতৃমৃত্যু ও শিশুমৃত্যু কমানো সম্ভব হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৬৫.৪ বছর - এটি অনেক পুরোনো একটি পরিসংখ্যান এবং বর্তমান বাস্তবতার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। B) ৬৭.৫ বছর - এই সংখ্যাটিও অতীতের কম জীবনকাল নির্দেশ করে যা বর্তমানের প্রগতির তুলনায় বেশ নিচে। C) ৭০.৯ বছর - এটি বিগত কয়েক বছর আগের গড় আয়ু নির্দেশ করে যা বর্তমানের ৭২ বছরের বেশি অর্জনের চেয়ে কম। D) ৭২.৬ বছর - এটি সরকারি হিসাব অনুযায়ী সঠিক এবং পরীক্ষামুখী একটি হালনাগাদ পরিসংখ্যান। ৫ মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর মানুষের গড় আয়ু ছিল অনেক কম, যা বর্তমানে প্রায় ৭৩ বছরের কাছাকাছি পৌঁছেছে। ৭২ এর ঘরের এই পরিসংখ্যানটি মনে রাখতে ৭২.৬ সংখ্যাটি বারবার চর্চা করতে পারেন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) প্রকাশিত অর্থনৈতিক সমীক্ষা বা জনমিতি সংক্রান্ত সূচকগুলো থেকে প্রায়ই এই ধরনের প্রশ্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। স্বাস্থ্য খাতের যেকোনো অর্জন সংক্রান্ত প্রশ্ন সমাধানের জন্য সর্বশেষ প্রকাশিত সরকারি ডেটা মনে রাখা জরুরি।
a নতুন দিল্লি
b কলম্বো
c ঢাকা
d কাঠমান্ডু
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কাঠমান্ডু ১. কেন সঠিক: - সার্ক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র বা সাডমি (SDMC) কাঠমান্ডুতে অবস্থিত। - সার্কের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস এবং ব্যবস্থাপনা জোরদার করার উদ্দেশ্যে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: সার্কের কাঠামোর আওতায় আঞ্চলিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা জোরদার করার জন্য এই কেন্দ্র গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। - প্রতিষ্ঠান: সার্ক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র কাঠমান্ডুতে অবস্থিত হলেও এর আগে এটি নতুন দিল্লিতে ছিল এবং পরবর্তীতে কাঠমান্ডুতে স্থানান্তরিত হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: সার্ক কৃষি কেন্দ্র ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত এবং কৃষি গবেষণায় সহযোগিতা করে। উদাহরণ ২: সার্ক আবহাওয়া গবেষণা কেন্দ্র ব্যাখ্যা: এটিও বাংলাদেশের ঢাকায় অবস্থিত এবং আবহাওয়া সংক্রান্ত তথ্য আদান-প্রদান করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নতুন দিল্লি — এটি ভারতের রাজধানী এবং সার্কের কিছু আঞ্চলিক কেন্দ্র অতীতে এখানে থাকলেও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্রটি বর্তমানে এখানে নেই। B) কলম্বো — এটি শ্রীলঙ্কার বাণিজ্যিক রাজধানী এবং এখানে সার্কের অন্যান্য বিশেষায়িত কেন্দ্র বা সচিবালয়ের কার্যক্রম থাকে না। C) ঢাকা — ঢাকায় সার্ক কৃষি কেন্দ্র এবং সার্ক আবহাওয়া গবেষণা কেন্দ্র অবস্থিত, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র নয়। D) কাঠমান্ডু — এটি সঠিক উত্তর কারণ সার্ক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্রটি কাঠমান্ডুতে অবস্থিত। ৫ মনে রাখার টিপস: - দুর্যোগ বেশি হয় পাহাড়ি ও ভূকম্পনপ্রবণ অঞ্চলে, তাই দুর্যোগ কেন্দ্র কাঠমান্ডুতে অবস্থিত। - কৃষিকাজ বেশি হয় মাটিতে, তাই কৃষি কেন্দ্র ঢাকায় অবস্থিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সার্কের কোন কোন কেন্দ্র বাংলাদেশে অবস্থিত তা বিসিএস পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। - সার্কের বিভিন্ন আঞ্চলিক কেন্দ্রের সদর দপ্তর কোথায়, তা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
a সড়ক দুর্ঘটনা
b তামাক ও মাদকদ্রব্য গ্রহণ
c বায়ু দূষণ
d ক্যান্সার
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বায়ু দূষণ ১. কেন সঠিক: - বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং বিভিন্ন বৈশ্বিক পরিবেশগত গবেষণা অনুযায়ী বায়ু দূষণ বর্তমানে বিশ্বজুড়ে মানুষের অকাল মৃত্যুর অন্যতম প্রধান পরিবেশগত কারণ। - বাতাসে থাকা ক্ষুদ্র ধূলিকণা ফুসফুস ও রক্তপ্রবাহে প্রবেশ করে স্ট্রোক, হৃদরোগ এবং ফুসফুসের ক্যান্সারের মতো মারাত্মক রোগ সৃষ্টি করে। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - পরিবেশগত প্রেক্ষাপট: বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা দীর্ঘদিন ধরে বিশ্বের অন্যতম বায়ু দূষিত শহর হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আসছে। - স্বাস্থ্য ও সামাজিক উন্নয়ন: অপরিকল্পিত নগরায়ন, ইটভাটা এবং যানবাহনের ধোঁয়া বায়ু দূষণ বাড়িয়ে দিচ্ছে, যা জনস্বাস্থ্যের ওপর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: শীতকালে ঢাকার বায়ু দূষণের মাত্রা। ব্যাখ্যা: শুষ্ক মৌসুমে ইটভাটা এবং নির্মাণ কাজের কারণে ঢাকার বায়ু দূষণ বিপজ্জনক পর্যায়ে পৌঁছায়। উদাহরণ ২: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বায়ুমান নির্দেশিকা। ব্যাখ্যা: এই নির্দেশিকা থেকে বোঝা যায় বায়ু দূষণ রোধে সরকারের কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া কতটা জরুরি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সড়ক দুর্ঘটনা — এটি মৃত্যুর একটি বড় কারণ হলেও বায়ু দূষণের মতো বিশ্বব্যাপী এত বিশাল সংখ্যক মানুষের মৃত্যুর প্রধান কারণ নয়। B) তামাক ও মাদকদ্রব্য গ্রহণ — এটি মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ হলেও এককভাবে বায়ু দূষণের চেয়ে বৈশ্বিক মৃত্যুর পরিসংখ্যানে সামান্য পেছনে রয়েছে। C) বায়ু দূষণ — এটি সঠিক উত্তর কারণ পরিবেশগত স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে এটিই মানুষের মৃত্যুর প্রধান কারণ। D) ক্যান্সার — ক্যান্সার বিভিন্ন কারণে হতে পারে, তবে বায়ু দূষণ নিজেই ফুসফুসের ক্যান্সারসহ অন্যান্য মৃত্যুর প্রধান অনুঘটক হিসেবে কাজ করে। ৫ মনে রাখার টিপস: - নিঃশ্বাসের বাতাস আমাদের বাঁচায়, কিন্তু দূষিত বাতাস মৃত্যুর বড় ফাঁদ। - বায়ু দূষণ বিশ্বব্যাপী অকাল মৃত্যুর প্রধান পরিবেশগত চালিকাশক্তি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এই প্রশ্নটি পরিবেশগত অর্থনীতি, জনস্বাস্থ্য এবং বৈশ্বিক সূচক সংক্রান্ত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। - পরিবেশ দূষণ সূচক এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিবেদন থেকে প্রায়ই এ ধরনের প্রশ্ন বিসিএস ও অন্যান্য চাকরিতে আসে।
a অক্ষরেখা
b দ্রাঘিমারেখা
c উচ্চতা
d সমুদ্রস্রোত
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দ্রাঘিমারেখা ১. কেন সঠিক: দ্রাঘিমারেখা মূলত পৃথিবীর পূর্ব-পশ্চিম অবস্থান এবং সময়ের ব্যবধান নির্ণয় করার কাজে ব্যবহৃত হয়। কোনো অঞ্চলের জলবায়ু নির্ধারণের সাথে দ্রাঘিমারেখার কোনো প্রত্যক্ষ সম্পর্ক বা ভৌগোলিক প্রভাব নেই। ২. ভৌগোলিক প্রেক্ষাপট: জলবায়ু নির্ধারণের মূল নিয়ামকগুলো হলো পৃথিবীর অক্ষরেখা বা অক্ষাংশ, সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে উচ্চতা এবং সমুদ্রস্রোত। অক্ষাংশের পরিবর্তনের সাথে সাথে সূর্যকিরণের পতন কোণের তারতম্য ঘটে যা তাপমাত্রাকে প্রভাবিত করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিষুবীয় অঞ্চলের নিকটবর্তী দেশগুলোতে সারাবছর উষ্ণ জলবায়ু বিরাজ করে। এর মূল কারণ ওই অঞ্চলের অক্ষাংশগত অবস্থান, দ্রাঘিমাগত অবস্থান নয়। ব্যাখ্যা: পরীক্ষার্থীর মনে রাখতে হবে যে জলবায়ু বোঝার জন্য অক্ষাংশ এবং ভূপৃষ্ঠের উচ্চতা সবচেয়ে বেশি ভূমিকা পালন করে। উদাহরণ ২: একই দ্রাঘিমায় অবস্থিত হওয়া সত্ত্বেও হিমালয় পর্বতের পাদদেশের জলবায়ু এবং সমভূমি অঞ্চলের জলবায়ুতে ভিন্নতা দেখা যায়। ব্যাখ্যা: এই ভিন্নতার প্রধান কারণ সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে উচ্চতার তারতম্য, যা জলবায়ু পরিবর্তনে সরাসরি প্রভাব ফেলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অক্ষরেখা — অক্ষাংশ বা অক্ষরেখা সরাসরি সূর্যের আলোর তীব্রতা নির্ধারণ করে। এটি জলবায়ুর ওপর সবচেয়ে বেশি প্রভাব বিস্তারকারী অন্যতম প্রধান একটি নিয়ামক। B) দ্রাঘিমারেখা — দ্রাঘিমারেখা সময়ের হিসাব ও ভৌগোলিক অবস্থান নির্ণয় করে। এটি কোনো অঞ্চলের আবহাওয়া বা জলবায়ুর ওপর প্রভাব ফেলে না। C) উচ্চতা — সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে সাথে তাপমাত্রা কমতে থাকে। তাই উচ্চতা যেকোনো অঞ্চলের জলবায়ু নির্ধারণের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক নিয়ামক। D) সমুদ্রস্রোত — উপকূলীয় অঞ্চলের তাপমাত্রা এবং বৃষ্টিপাত নিয়ন্ত্রণে সমুদ্রস্রোত অত্যন্ত শক্তিশালী ভূমিকা পালন করে। এটিও জলবায়ু নির্ধারণের একটি অন্যতম প্রধান কারণ। ৫ মনে রাখার টিপস: জলবায়ু মনে রাখার সহজ সূত্র হলো অ, উ, স অর্থাৎ অক্ষাংশ, উচ্চতা এবং সমুদ্রস্রোত হলো জলবায়ুর নিয়ামক। দ্রাঘিমারেখা কেবল সময় মাপে, জলবায়ু মাপে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জলবায়ুর নিয়ামক এবং অনিয়ামক সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে। অক্ষাংশ, উচ্চতা ও সমুদ্রস্রোত হলো নিয়ামক, আর দ্রাঘিমা হলো অনিয়ামক।
a সিলেট
b টেকনাফ
c কক্সবাজার
d সন্দ্বীপ
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সিলেট ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদপ্তর ও জলবায়ু উপাত্ত অনুযায়ী সিলেটে বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ দেশের অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় সবচেয়ে বেশি। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে সিলেট অঞ্চলে পাহাড়ি ঢাল ও মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়। ২. ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য: বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব কোণে অবস্থিত সিলেট জেলার ভৌগোলিক গঠন ও পাহাড়ি বেষ্টনী অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের প্রধান কারণ। এখানে খাসিয়া ও জৈন্তিয়া পাহাড়ের ঢাল অতিক্রম করার সময় মৌসুমী বায়ু প্রচুর জলীয় বাষ্প ফেলে দেয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: শ্রীমঙ্গল ব্যাখ্যা: সিলেট অঞ্চলের শ্রীমঙ্গল এলাকা চা বাগানের জন্য বিখ্যাত এবং এখানে দেশের অন্যতম সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়। উদাহরণ ২: লালাখাল ব্যাখ্যা: সিলেটের পাহাড়ি অঞ্চলের নদী ও ঝরনা এলাকা যা প্রচুর বৃষ্টিপাতের কারণে প্রাকৃতিকভাবে সমৃদ্ধ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সিলেট — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি রেকর্ড করা হয়। B) টেকনাফ — এটি বাংলাদেশের দক্ষিণ প্রান্তে অবস্থিত এবং এখানেও প্রচুর বৃষ্টিপাত হয় তবে সিলেটের গড় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ এর চেয়ে বেশি। C) কক্সবাজার — এটি একটি উপকূলীয় পর্যটন শহর যেখানে মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে বৃষ্টিপাত হলেও সর্বোচ্চ গড় বৃষ্টিপাতের স্থান হিসেবে সিলেট পরিচিত। D) সন্দ্বীপ — এটি একটি দ্বীপ অঞ্চল যেখানে বৃষ্টিপাত হলেও বার্ষিক গড় পরিমাণে এটি সিলেটের পেছনে রয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: সিলেট মানেই পাহাড় আর চা বাগান, আর যেখানে পাহাড় বেশি সেখানে বৃষ্টিও বেশি হয়। এভাবে মনে রাখতে পারেন যে সর্বোচ্চ বৃষ্টির রেকর্ড সিলেটের দখলে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি ভৌগোলিক বৈচিত্র্য ও জলবায়ু সম্পর্কিত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। একই বিষয় থেকে বাংলাদেশের উষ্ণতম বা শীতলতম স্থান সম্পর্কেও প্রশ্ন আসতে পারে।
a বরেন্দ্র অঞ্চল
b মধুপুর গড় অঞ্চল
c উপকূলীয় অঞ্চল
d চলন বিল অঞ্চল
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) চলন বিল অঞ্চল ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড ১৯৭০ ও ১৯৮০ এর দশকে বন্যা নিয়ন্ত্রণ, পানি নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্প তথা এফসিডিআই চালু করে। - চলন বিল অঞ্চলে এসব কৃত্রিম অবকাঠামো নির্মাণের ফলে স্বাভাবিক প্লাবন ব্যাহত হয়েছে এবং জীববৈচিত্র্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ২. ভৌগোলিক ও পরিবেশগত প্রেক্ষাপট: - ভূপ্রকৃতি: চলন বিল উত্তরবঙ্গের একটি প্লাবণভূমি ও অববাহিকা অঞ্চল যেখানে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা আজ হুমকির মুখে। - পরিবেশগত প্রভাব: অপরিকল্পিত বাঁধ ও স্লুইস গেটের কারণে চলন বিলের অভ্যন্তরীণ জলাশয় শুকিয়ে যাচ্ছে এবং দেশি মাছ বিলুপ্ত হচ্ছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: চলন বিলের মৎস্য সম্পদ হ্রাস। ব্যাখ্যা: কৃত্রিম বাঁধ ও নিয়ন্ত্রিত পানিপ্রবাহের কারণে চলন বিলের মুক্ত জলাশয়ের মাছ ও জলজ উদ্ভিদ উৎপাদন মারাত্মকভাবে কমে গেছে। উদাহরণ ২: চলন বিলের অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ ও নৌপথ সংকোচন। ব্যাখ্যা: অপরিকল্পিত অবকাঠামোর কারণে বিলের অনেক ছোট নদী ও নালা ভরাট হয়ে গেছে, যা থেকে পরিবেশগত বিপর্যয়ের ভয়াবহতা বোঝা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বরেন্দ্র অঞ্চল — এটি মূলত প্রাচীন পলি গঠিত উঁচু ও খরাপ্রবণ ভূমি, যেখানে প্রধান সমস্যা পানির অভাব, বন্যা নিয়ন্ত্রণ প্রকল্প নয়। B) মধুপুর গড় অঞ্চল — এটি লাল মাটি বিশিষ্ট উচ্চভূমি এবং এটি বনভূমি ও ক্ষয়প্রাপ্ত ভূপ্রকৃতির জন্য পরিচিত, এফসিডিআই এর প্রধান শিকার নয়। C) উপকূলীয় অঞ্চল — এখানে বেড়িবাঁধ ও উপকূলীয় ব্যবস্থাপনা রয়েছে, তবে প্রশ্নে উল্লেখিত পরিবেশগত ক্ষতির দিক থেকে চলন বিল বেশি ক্ষতিগ্রস্ত। D) চলন বিল অঞ্চল — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই প্লাবণভূমি অঞ্চলে এফসিডিআই প্রকল্পের কারণে মারাত্মক পরিবেশগত ভারসাম্যহীনতা সৃষ্টি হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - চলন বিল মানেই প্লাবণভূমি এবং এখানে বন্যা নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের নেতিবাচক প্রভাব সবচেয়ে বেশি দৃশ্যমান। - বরেন্দ্র হলো খরাপ্রবণ আর চলন বিল হলো পানি নিষ্কাশন ও প্লাবন সংকটের প্রতীক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পরিবেশগত সংকটের জন্য চলন বিল এবং বরেন্দ্র অঞ্চলের ভূপ্রাকৃতিক পার্থক্য প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। - এফসিডিআই প্রকল্পের পূর্ণরূপ অর্থাৎ ফ্ল্যাড কন্ট্রোল ড্রেনেজ অ্যান্ড ইরিগেশন প্রায়ই বিসিএস পরীক্ষায় সংক্ষিপ্ত রূপের পূর্ণরূপ হিসেবে জানতে চাওয়া হয়।
a উত্তর-পূর্ব অঞ্চল
b উত্তর-পশ্চিম অঞ্চল
c দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চল
d দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চল
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) উত্তর-পশ্চিম অঞ্চল ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিম অঞ্চল প্রধানত বরেন্দ্রভূমি ও তিস্তা অববাহিকা নিয়ে গঠিত, যা বৃষ্টিচ্ছায় অঞ্চল এবং নদীমাতৃক আর্দ্রতা থেকে কিছুটা দূরে অবস্থিত। এখানে বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত দেশের অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় বেশ কম এবং তাপমাত্রা গ্রীষ্মকালে সর্বোচ্চ এবং শীতকালে সর্বনিম্ন হয়, যা খরাপ্রবণতার প্রধান কারণ। ২. ভৌগোলিক ও পরিবেশগত প্রেক্ষাপট: ভূপ্রকৃতি ও জলবায়ু: উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলে মাটির উপরিভাগে পলিমাটির আস্তর কম এবং নিচে কঠিন লালচে মাটি থাকায় পানি ধারণ ক্ষমতা তুলনামূলক কম। নদীর অবক্ষয়: পদ্মা ও তিস্তা নদীর উজানে পানিবত্যতা হ্রাস এবং শাখা নদীগুলো শুকিয়ে যাওয়ার কারণে শুষ্ক মৌসুমে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর অনেক নিচে নেমে যায়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাজশাহী ও বরেন্দ্র অঞ্চল। ব্যাখ্যা: এই অঞ্চলে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নেমে যাওয়ায় কৃষি সেচ ব্যাহত হয় এবং তীব্র খরা দেখা দেয়। উদাহরণ ২: চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নওগাঁ জেলা। ব্যাখ্যা: দেশের বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ এই অঞ্চলে খরা মোকাবেলায় বিভিন্ন গভীর নলকূপ ও সেচ প্রকল্প পরিচালনা করছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উত্তর-পূর্ব অঞ্চল — এটি সিলেট ও সুনামগঞ্জ এলাকা নিয়ে গঠিত, যা দেশের সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত এবং হাওরপ্রধান অঞ্চল হওয়ায় খরাপ্রবণ নয়। B) উত্তর-পশ্চিম অঞ্চল — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই অঞ্চলে বরেন্দ্রভূমির প্রভাবে বৃষ্টিপাত কম হয় এবং খরা বেশি দেখা যায়। C) দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চল — এটি উপকূলীয় ও সুন্দরবন সংলগ্ন লবণাক্ততা ও জলোচ্ছ্বাস প্রবণ অঞ্চল, খরাপ্রবণ অঞ্চল নয়। D) দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চল — এটি চট্টগ্রাম ও পাহাড়ি অঞ্চল, যেখানে পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত হয় এবং পাহাড়ি ঢল ও ভূমিধস বেশি ঘটে। ৫ মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের মানচিত্রে উত্তর-পশ্চিম কোণ বা রাজশাহী বিভাগ হলো বরেন্দ্রভূমির এলাকা, যা খরা ও চরমভাবাপন্ন জলবায়ুর জন্য পরিচিত। উত্তর-পূর্ব মানেই অতিরিক্ত বৃষ্টি (সিলেট) আর উত্তর-পশ্চিম মানেই কম বৃষ্টি ও খরা (রাজশাহী)। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ কোন অঞ্চলে কাজ করে তা প্রায়ই পরীক্ষায় আসে। একই বিষয় থেকে প্রশ্ন হতে পারে যে কোন জেলাটি সবচেয়ে বেশি খরাপ্রবণ বা বরেন্দ্রভূমি কোন অঞ্চলে অবস্থিত।
a মেঘনা
b যমুনা
c পদ্মা
d কর্ণফুলী
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মেঘনা ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশের দীর্ঘতম নদী মেঘনা। উৎস থেকে মোহনা পর্যন্ত এর দৈর্ঘ্য প্রায় ৩৩৯ কিলোমিটার। নদীটি আসামের বরাক নদী হিসেবে উৎপন্ন হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে এবং বিভিন্ন শাখা নদীর সাথে মিলিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: ভৌগোলিক অবস্থান: মেঘনা নদী বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়ি অঞ্চল থেকে শুরু করে দক্ষিণ দিকে বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত। এটি দেশের অন্যতম প্রধান ও প্রশস্ত নদী ব্যবস্থা। তাৎপর্য ও ফলাফল: মেঘনার অববাহিকা দেশের কৃষি, মৎস্য সম্পদ এবং অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এর সাথে যুক্ত হয়েছে সুরমা ও কুশিয়ারার মতো দেশের প্রধান প্রধান নদী। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুরমা ও কুশিয়ারা নদী ব্যাখ্যা: এই দুটি নদী মিলিত হয়ে সিলেটে মেঘনা নদীর প্রধান ধারা সৃষ্টি করেছে। উদাহরণ ২: ভৈরব বাজার ও চাঁদপুর মোহনা ব্যাখ্যা: চাঁদপুর মোহনায় এসে মেঘনা নদীর সাথে পদ্মা নদী মিলিত হয়েছে, যা বাংলাদেশের পানি ব্যবস্থাপনায় এক ঐতিহাসিক মিলনস্থল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মেঘনা — এটি বাংলাদেশের দীর্ঘতম নদী এবং এর দৈর্ঘ্য প্রায় ৩৩৯ কিলোমিটার। B) যমুনা — এটি বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান ও প্রশস্ত নদী হলেও দৈর্ঘ্যরে দিক থেকে মেঘনার চেয়ে ছোট। C) পদ্মা — এটি বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান ও দীর্ঘ নদী, তবে দৈর্ঘ্যরে বিচারে মেঘনা এর চেয়ে দীর্ঘ। D) কর্ণফুলী — এটি চট্টগ্রামের প্রধান নদী এবং এর দৈর্ঘ্য প্রায় ১৭৭ কিলোমিটার, তাই এটি দীর্ঘতম নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের দীর্ঘতম নদী মেঘনা মনে রাখার সহজ কৌশল হলো ম তে মেঘনা এবং ম তে দীর্ঘতম। মেঘনা নদী দৈর্ঘ্যে দেশের সব নদীকে অতিক্রম করেছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নদী সংক্রান্ত প্রশ্নে দীর্ঘতম নদী কোনটি প্রায়ই আসে। একই সাথে নদীগুলোর উৎপত্তি ও মোহনা সম্পর্কেও ধারণা রাখতে হবে।
a হবিগঞ্জ
b গোপালগঞ্জ
c কিশোরগঞ্জ
d মুন্সীগঞ্জ
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কিশোরগঞ্জ ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশের ভৌগোলিক ভূপ্রকৃতি এবং হাওড় অঞ্চলের বিস্তৃতির কারণে কিশোরগঞ্জ জেলায় নিচু ভূমির পরিমাণ সবচেয়ে বেশি। - এই জেলায় হিজল করচাবন এবং বিশাল জলরাশির হাওড় রয়েছে যা বছরের অধিকাংশ সময় পানিতে নিমজ্জিত থাকে। ২. ভৌগোলিক ও ভূপ্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য: - ভৌগোলিক অবস্থান: কিশোরগঞ্জ জেলা মূলত ভাটি অঞ্চল এবং দেশের অন্যতম প্রধান হাওড় এলাকা হিসেবে পরিচিত। - নদ নদী: এই জেলার ওপর দিয়ে মেঘনা নরসুন্দা এবং পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদ প্রবাহিত হয়েছে যা এর নিচু ভূমির রূপ গঠনে সহায়তা করেছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: হাকালুকি হাওড় বা টাঙ্গুয়ার হাওড় ব্যাখ্যা: এগুলোর মতো কিশোরগঞ্জের হাওড়গুলোও বর্ষাকালে বিশাল জলাভূমিতে পরিণত হয় যা নিচু ভূমির প্রকৃষ্ট উদাহরণ। উদাহরণ ২: নিকলী উপজেলা ব্যাখ্যা: কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলাটি পুরোটাই একটি নিচু ভূমি এবং হাওড় এলাকা যা এই প্রশ্নের সত্যতা প্রমাণ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হবিগঞ্জ — এটি হাওড় অঞ্চল হলেও কিশোরগঞ্জের মতো এত বিশাল পরিসরে এক টানা নিচু বা হাওড় ভূমি এখানে নেই। B) গোপালগঞ্জ — এটি মূলত বিল ও গাল বা অববাহিকা অঞ্চল তবে আয়তনে কিশোরগঞ্জের চেয়ে নিচু ভূমি কম। D) মুন্সীগঞ্জ — এটি প্রধানত নদীমাতৃক ও প্লাবন সমভূমি অঞ্চল যার বেশির ভাগই উঁচু পলিমাটি দ্বারা গঠিত। ৫ মনে রাখার টিপস: - কিশোর মানে তরুণ আর তরুণদের মন সবসময় নিচু বা গভীর হয় না তবে মনে রাখবে কিশোরগঞ্জ মানেই হাওড় অর্থাৎ নিচু ভূমি। - হাওড়ের জেলা বললেই কিশোরগঞ্জ সুনামগঞ্জ ও নেত্রকোনার কথা মাথায় রাখবে যেখানে কিশোরগঞ্জ সবার চেয়ে এগিয়ে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলাদেশের বৃহত্তম হাওড় বা নিচু ভূমির বিস্তার কোন অঞ্চলে তা প্রায়ই বিসিএস পরীক্ষায় আসে। - একই বিষয় থেকে হাওড়ের জেলা কয়টি বা রামসার সাইট সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
a ১৯৬৯
b ১৯৭১
c ১৯৭৫
d ১৯৭৮
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৯৬৯ ১. কেন সঠিক: - আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (IMF) এর গঠনতন্ত্র বা আর্টিকেলস অব এগ্রিমেন্ট ১৯৬৯ সালে প্রথম সংশোধন করা হয়। - এই সংশোধনের মাধ্যমেই সদস্য দেশগুলোর জন্য বিশেষ ড্রয়িং রাইটস বা এসডিআর (SDR) নামক কৃত্রিম রিজার্ভ সম্পদ সৃষ্টির আইনি ভিত্তি তৈরি করা হয়। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: অর্থনীতি, উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা ব্যবস্থা: - বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ১৭ আগস্ট আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (IMF) এর সদস্যপদ লাভ করে এবং এসডিআর ব্যবস্থার অন্তর্ভুক্ত হয়। - এসডিআর হলো আইএমএফের একটি হিসাবরক ইউনিট, যা সদস্য দেশগুলোর বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করতে এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশ ও আইএমএফ ঋণ সহায়তা ব্যাখ্যা: বাংলাদেশ সরকারের অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণ এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সংকট মোকাবেলায় আইএমএফ প্রায়ই এসডিআর কোটার বিপরীতে ঋণ সহায়তা প্রদান করে থাকে। উদাহরণ ২: বিশ্ব অর্থনীতিতে এসডিআর এর ভূমিকা ব্যাখ্যা: বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকটের সময় আইএমএফ সদস্য দেশগুলোর মাঝে এসডিআর বরাদ্দ বৃদ্ধি করে, যা থেকে শিক্ষার্থীরা বৈশ্বিক আর্থিক ব্যবস্থাপনার গুরুত্ব বুঝতে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৬৯ — এই সালেই আইএমএফের গঠনতন্ত্র সংশোধন করে এসডিআর প্রবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। B) ১৯৭১ — এই বছর বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধ সংঘটিত হয় এবং বাংলাদেশ স্বাধীন হয়, যার সঙ্গে আইএমএফের গঠনতন্ত্র সংশোধনের সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই। C) ১৯৭৫ — এই বছর বাংলাদেশ রাষ্ট্রে রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ঘটে এবং বাকশাল গঠিত হয়, যা আইএমএফের এই সংশোধনীর সাল নয়। D) ১৯৭৮ — এই সালে আইএমএফের গঠনতন্ত্রের দ্বিতীয় সংশোধন কার্যকর হয়েছিল, যা এসডিআর প্রবর্তনের প্রথম সংশোধন নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - এসডিআর (SDR) প্রবর্তনের বছর মনে রাখতে ১৯৬৯ সালটি মাথায় রাখুন। - ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের ঐতিহাসিক বছরের সঙ্গে আইএমএফের এসডিআর চালুর সালটি মিলে যায়, যা সহজে মনে রাখতে সাহায্য করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলাদেশ কত সালে আইএমএফের সদস্যপদ লাভ করে, এই প্রশ্নটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - এসডিআর কারেন্সি ঝুড়িতে কোন কোন মুদ্রা রয়েছে এবং এর কাজ কী, তা থেকে ব্যাংকিং ও বিসিএস পরীক্ষায় প্রশ্ন হতে পারে।
a চীনের সাংহাই
b সদরদপ্তর নাই
c প্রিটোরিয়া
d নয়াদিল্লী
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সদরদপ্তর নাই ১. কেন সঠিক: - আন্তর্জাতিক সংস্থা হিসেবে ব্রিকস আনুষ্ঠানিক কোনো স্থায়ী সচিবালয় বা সদরদপ্তর পরিচালনা করে না। - এটি মূলত সদস্য দেশগুলোর পালাক্রমে আয়োজিত বার্ষিক শীর্ষ সম্মেলন এবং যৌথ তহবিল ও ব্যাংকের মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনা করে। ২. আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ভূমিকা: - ব্রিকস জোটে বাংলাদেশ সরাসরি পূর্ণ সদস্য না হলেও এর আর্থিক প্রতিষ্ঠান নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক বা এনডিবি এর সদস্যপদ লাভ করেছে। - এই জোটের সঙ্গে অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব ও আঞ্চলিক সহযোগিতার মাধ্যমে বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের পরিধি ক্রমশ সম্প্রসারিত হচ্ছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক বা এনডিবি ব্যাখ্যা: ব্রিকস জোটের নিজস্ব আর্থিক প্রতিষ্ঠান এনডিবি তে বাংলাদেশ সদস্য হিসেবে যোগদান করেছে, যা দেশের অবকাঠামো উন্নয়নে তহবিল সংগ্রহে ভূমিকা রাখছে। উদাহরণ ২: ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন ব্যাখ্যা: প্রতি বছর সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে পালাক্রমে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় এবং নির্দিষ্ট কোনো সচিবালয় না থাকায় আয়োজক দেশই সাময়িকভাবে সব কার্যক্রম পরিচালনা করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চীনের সাংহাই — সাংহাই শহরে ব্রিকস জোটের কোনো সদরদপ্তর নেই, তবে ব্রিকস প্রতিষ্ঠিত নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের সদরদপ্তর এখানে অবস্থিত। B) সদরদপ্তর নাই — এই উত্তরটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ ব্রিকস একটি স্থায়ী সচিবালয়বিহীন আন্তর্জাতিক ফোরাম হিসেবে পরিচালিত হয়। C) প্রিটোরিয়া — প্রিটোরিয়া দক্ষিণ আফ্রিকার প্রশাসনিক রাজধানী হলেও এটি ব্রিকসের কোনো সদরদপ্তর নয়। D) নয়াদিল্লী — নয়াদিল্লি ভারতের রাজধানী হলেও এটি ব্রিকসের কোনো স্থায়ী সদরদপ্তরের অবস্থান নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ব্রিকস হলো একটি সচিবালয় বা সদরদপ্তর বিহীন আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক জোট। - সাংহাই শহরে শুধু ব্রিকসের ব্যাংক বা এনডিবি এর সদরদপ্তর রয়েছে, কিন্তু জোটের নিজস্ব কোনো কেন্দ্রীয় সদরদপ্তর নেই। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ব্রিকস জোটে কোন ব্যাংক কাজ করে এবং তার সদরদপ্তর কোথায়, তা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - ব্রিকসের পূর্ণরূপ এবং সদস্য দেশগুলোর সম্প্রসারণ সংক্রান্ত হালনাগাদ তথ্য পরীক্ষার্থীদের ভালোভাবে জেনে রাখতে হবে।
a আফ্রিকার জোহানেসবার্গে
b ব্রাজিলের রিও-ডিজেনিরোতে
c ইতালির রোমে
d যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ব্রাজিলের রিও-ডিজেনিরোতে ১. কেন সঠিক: ধারিত্রী সম্মেলন বা আর্থ সামিট ১৯৯২ সালের ৩ থেকে ১৪ জুন ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরো শহরে অনুষ্ঠিত হয়। এটি জাতিসংঘের পরিবেশ ও উন্নয়ন বিষয়ক সম্মেলন এবং বিশ্বব্যাপী টেকসই উন্নয়নের রূপরেখা তৈরির প্রথম বৃহৎ আন্তর্জাতিক উদ্যোগ। ২. আন্তর্জাতিক সম্মেলন ও পরিবেশ চুক্তি: নাম: ধরিত্রী সম্মেলন বা রিও সম্মেলন। তারিখ: ৩ থেকে ১৪ জুন ১৯৯২ সাল। স্থান: রিও ডি জেনিরো, ব্রাজিল। উদ্দেশ্য: বৈশ্বিক পরিবেশ সুরক্ষা এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা। গুরুত্ব: এই সম্মেলনে এজেন্ডা ২১, জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত কনভেনশন এবং জীববৈচিত্র্য চুক্তি গৃহীত হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: কিওটো প্রটোকল ১৯৯৭ ব্যাখ্যা: ধরিত্রী সম্মেলনের ধারাবাহিকতায় গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাসের জন্য ১৯৯৭ সালে এই প্রটোকল স্বাক্ষরিত হয়। উদাহরণ ২: প্যারিস চুক্তি ২০১৫ ব্যাখ্যা: বৈশ্বিক উষ্ণতা ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে রাখার লক্ষ্যে ২০১৫ সালে ঐতিহাসিক এই জলবায়ু চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আফ্রিকার জোহানেসবার্গে — এই শহরে ২০০২ সালে টেকসই উন্নয়ন সম্পর্কিত বিশ্ব সম্মেলন বা রিও প্লাস টেন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। B) ব্রাজিলের রিও-ডিজেনিরোতে — এটি সঠিক উত্তর কারণ ১৯৯২ সালের মূল ধরিত্রী সম্মেলন এখানেই অনুষ্ঠিত হয়েছিল। C) ইতালির রোমে — এই শহরে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার সদর দপ্তর অবস্থিত, যা ধরিত্রী সম্মেলনের মূল আয়োজক স্থান নয়। D) যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে — এখানে বিশ্বব্যাংক এবং আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের সদর দপ্তর অবস্থিত, যা পরিবেশ সম্মেলনের স্থান নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: ধারিত্রী মানে পৃথিবী আর পৃথিবী বাঁচানোর মহা সম্মেলন হয়েছিল লাতিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিলের রিও শহরে। রিও মানে নদী আর ধরিত্রী সম্মেলন মানে নদীর তীরে পৃথিবীর ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: রিও সম্মেলনে গৃহীত এজেন্ডা ২১ একবিংশ শতাব্দীর টেকসই উন্নয়নের বৈশ্বিক কর্মপরিকল্পনা। এখান থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে যে ধরিত্রী সম্মেলন কত সালে এবং কোথায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
a রাশিয়া
b যুক্তরাষ্ট্র
c ইরান
d জার্মানি
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) যুক্তরাষ্ট্র ১. কেন সঠিক: - মাথাপিছু গ্রিনহাউজ গ্যাস উদগীরণের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র ঐতিহাসিক ও বর্তমান উভয় দিক থেকেই বিশ্বের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় দেশ। - দেশটির উন্নত জীবনযাত্রা, উচ্চ মাথাপিছু শক্তি খরচ এবং ব্যক্তিগত গাড়ি ও শিল্প খাতের অতিরিক্ত ব্যবহারের কারণে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: - দেশ: যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের অন্যতম প্রধান শিল্পোন্নত ও অর্থনৈতিক পরাশক্তি। - প্রেক্ষাপট: শিল্প বিপ্লবের পর থেকেই উন্নত দেশগুলো বায়ুমণ্ডলে সবচেয়ে বেশি কার্বন ডাই অক্সাইড ও অন্যান্য গ্রিনহাউজ গ্যাস নির্গমন করে আসছে। - গুরুত্ব: জলবায়ু পরিবর্তন রোধে বৈশ্বিক উষ্ণতা ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে রাখতে যুক্তরাষ্ট্রসহ উন্নত দেশগুলোর নির্গমন কমানোর প্রধান দায়িত্ব রয়েছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্যারিস জলবায়ু চুক্তি ব্যাখ্যা: এটি ২০১৫ সালে স্বাক্ষরিত একটি বৈশ্বিক চুক্তি, যার লক্ষ্য বিশ্ব উষ্ণতা প্রাক-শিল্প যুগের তুলনায় দুই ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে রাখা। যুক্তরাষ্ট্র এই চুক্তিতে যোগদান ও প্রস্থান করার প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে বিশ্ব রাজনীতিতে জলবায়ু কূটনীতির গুরুত্ব ফুটিয়ে তুলেছে। উদাহরণ ২: কিওটো প্রোটোকল ব্যাখ্যা: ১৯৯৭ সালে স্বাক্ষরিত এই প্রোটোকলটি শিল্পোন্নত দেশগুলোর গ্রিনহাউজ গ্যাস নির্গমন কناর আইনি বাধ্যবাধকতা তৈরি করেছিল। এটি থেকে পরীক্ষার্থীরা বুঝতে পারে যে উন্নত দেশগুলোর ঐতিহাসিক দায়বদ্ধতা সবচেয়ে বেশি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাশিয়া — রাশিয়া মোট নির্গমনে এগিয়ে থাকলেও মাথাপিছু নির্গমনের দিক থেকে যুক্তরাষ্ট্রের পেছনে রয়েছে। B) যুক্তরাষ্ট্র — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কারণ প্রযোজ্য। C) ইরান — ইরান মধ্যপ্রাচ্যের প্রধান তেল উৎপাদনকারী দেশ হলেও মাথাপিছু শীর্ষ উদগীরণকারী দেশ নয়। D) জার্মানি — জার্মানি ইউরোপের অন্যতম শিল্পোন্নত দেশ হলেও মাথাপিছু নির্গমনে যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় এর পরিমাণ কম। ৫. মনে রাখার টিপস: - মোট উদগীরণে চীন এগিয়ে থাকলেও মাথাপিছু উদগীরণে যুক্তরাষ্ট্র সবার চেয়ে এগিয়ে আছে। মোট এবং মাথাপিছু এই দুটি শব্দ পরীক্ষার হলে ভালোভাবে লক্ষ্য করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বৈশ্বিক উষ্ণায়ন ও জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত প্রশ্নে উন্নত বনাম উন্নয়নশীল দেশের দায়িত্ব নিয়ে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। কিওটো প্রোটোকল এবং প্যারিস চুক্তি সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখা জরুরি।
a Google Earth
b Street View
c Road Image
d Google Map
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Street View ১. কেন সঠিক: ভারত সরকার জাতীয় নিরাপত্তা এবং সংবেদনশীল সামরিক ও সরকারি স্থাপনার গোপনীয়তা রক্ষার স্বার্থে গুগলকে তাদের এই জনপ্রিয় ম্যাপ ম্যাপিং সেবা থেকে ছবি তোলা বন্ধ করতে নির্দেশ দেয়। গুগলের এই বিশেষ ফিচারটি কোনো নির্দিষ্ট এলাকার ৩৬০ ডিগ্রি প্যানোরামিক দৃশ্য উপস্থাপন করে, যার ফলে অনেক সময় সংবেদনশীল এলাকার গোপন তথ্য ফাঁস হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়। ২. ভূরাজনীতি ও নিরাপত্তা: দেশ: ভারত, দক্ষিণ এশিয়ার একটি বৃহত্তম গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ভূরাজনৈতিক শক্তি। প্রেক্ষাপট: সামরিক ঘাঁটি, পারমাণবিক স্থাপনা এবং ভিআইপি এলাকার নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে বিভিন্ন দেশ আধুনিক প্রযুক্তির ওপর নানা ধরনের আইনি ও প্রশাসনিক কড়াকড়ি আরোপ করে থাকে। উদ্দেশ্য ও গুরুত্ব: জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষা এবং কৌশলগত গোপনীয়তা বজায় রাখার জন্য প্রযুক্তির অবাধ ব্যবহারের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা সরকারের সার্বভৌম দায়িত্বের অন্তর্ভুক্ত। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: জার্মানি ব্যাখ্যা: ব্যক্তিগত গোপনীয়তার কঠোর আইনের কারণে জার্মানির বড় বড় শহরে গুগলের এই সেবা চালুর সময় তীব্র আপত্তি জানানো হয়েছিল এবং তা সীমিত রাখা হয়েছিল। উদাহরণ ২: দক্ষিণ কোরিয়া ব্যাখ্যা: সামরিক সংঘাতের ইতিহাস এবং উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে উত্তেজনার কারণে দক্ষিণ কোরিয়া তাদের ভূখণ্ডের বিশদ সামরিক ও ভৌগোলিক তথ্য বিদেশি ডিজিটাল ম্যাপ সংস্থাকে প্রদান করতে কঠোর নিষেধাজ্ঞা দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Google Earth — এটি একটি স্যাটেলাইট ইমেজভিত্তিক ভার্চুয়াল গ্লোব সফটওয়্যার, যা সরাসরি স্ট্রিট ভিউর মতো রাস্তা থেকে ছবি তোলার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) Street View — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই নির্দিষ্ট ফিচারটির মাধ্যমেই রাস্তা ও ভবনের কাছাকাছি থেকে ৩৬০ ডিগ্রি ছবি তোলা হয়। C) Road Image — এটি কোনো স্বতন্ত্র বা প্রাতিষ্ঠানিক গুগল সেবা নয়, বরং রাস্তা সংক্রান্ত সাধারণ ছবির একটি নাম মাত্র। D) Google Map — এটি একটি সামগ্রিক নেভিগেশন ও রুট প্রদর্শনী সেবা, যা থেকে সম্পূর্ণ ম্যাপ সেবা নিষিদ্ধ করা হয়নি, কেবল একটি নির্দিষ্ট ফিচার সীমিত করা হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: রাস্তার ধারের ছবি তোলা বা গলির ভেতরের দৃশ্য দেখার সঙ্গে স্ট্রিট ভিউ কথাটি সরাসরি জড়িত। নিরাপত্তা ও গোপনীয়তার প্রশ্নে ভারত সরকার গুগলের এই ফিচারটির ওপরই মূলত নিষেধাজ্ঞা বা কড়াকড়ি আরোপ করেছিল। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: জাতীয় নিরাপত্তা ও প্রযুক্তিগত সার্বভৌমত্ব বর্তমান বিশ্বের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও আলোচিত বিষয়। একই বিষয় থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সার্বভৌমত্ব রক্ষা, ডিজিটাল আইন এবং ভূরাজনৈতিক নিরাপত্তার ওপর প্রশ্ন আসতে পারে।
a ২৫%
b ৩৫%
c ৪৫%
d ৫৫%
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২৫% ১. কেন সঠিক: মিয়ানমারের ২০০৮ সালের সংবিধান অনুযায়ী দেশটির সংসদের (পায়হুটাউ বা পাইথু হ্লুতাও) মোট আসনের ২৫ শতাংশ সামরিক বাহিনীর সদস্যদের জন্য সংরক্ষিত রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এর মাধ্যমে মিয়ানমারের রাজনীতি ও আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়ায় সরাসরি সামরিক প্রভাব নিশ্চিত করা হয়েছিল, যা দীর্ঘ সময় দেশটিতে গণতান্ত্রিক উত্তরণের পথকে বাধাগ্রস্ত করেছে। ২. ভূরাজনীতি ও সাংবিধানিক পটভূমি: দেশ: মিয়ানমার (পূর্বের নাম বার্মা), দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি রাষ্ট্র। প্রেক্ষাপট: ২০০৮ সালে তৎকালীন সামরিক সরকারের অধীনে এই সংবিধান প্রণয়ন করা হয় এবং পরবর্তীতে বিভিন্ন বিতর্কিত নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। উদ্দেশ্য: সামরিক বাহিনী বা টাটমাডো যাতে দেশের প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তার পাশাপাশি রাজনৈতিক ক্ষমতার চাবিকাঠি নিজেদের হাতে রাখতে পারে। গুরুত্ব: এই বিধানের কারণে মিয়ানমারের সংসদে কোনো একক রাজনৈতিক দল সহজে সংবিধান সংশোধন করতে পারত না, কারণ সংশোধনের জন্য ৭৫ শতাংশেরও বেশি ভোটের প্রয়োজন হয় এবং ২৫ শতাংশ আসন তো সেনাসদস্যদের দখলেই থাকে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: থাইল্যান্ডের সেনাশাসিত রাজনৈতিক ব্যবস্থা। ব্যাখ্যা: থাইল্যান্ডের সংবিধানেও অতীতে সেনাসমর্থিত বা মনোনীত সিনেট সদস্যদের ভূমিকা রাখা এবং নির্বাচনে সামরিক প্রভাব বজায় রাখার বিধান ছিল, যা মিয়ানমারের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। উদাহরণ ২: পাকিস্তানের রাজনীতিতে সামরিক হস্তক্ষেপ। ব্যাখ্যা: পাকিস্তানের রাজনৈতিক ইতিহাসে সরাসরি সামরিক শাসন এবং গোয়েন্দা সংস্থার প্রভাবের বিষয়টি মিয়ানমারের মতো রাষ্ট্র পরিচালনায় সেনাবাহিনীর আধিপত্যকে মনে করিয়ে দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৫% — এটি সঠিক উত্তর কারণ মিয়ানমারের ২০০৮ সালের সংবিধানে আইনসভার উভয় কক্ষে ঠিক এক চতুর্থাংশ বা ২৫ শতাংশ আসন সামরিক বাহিনীর জন্য নির্ধারিত। B) ৩৫% — এটি ভুল কারণ সংবিধানে সামরিক বাহিনীর জন্য ৩৫ শতাংশ আসন রাখার কোনো বিধান কখনো ছিল না এবং এটি সঠিক উত্তরের সঙ্গে মেলে না। C) ৪৫% — এটি ভুল কারণ ৪৫ শতাংশ আসন অনেক বেশি এবং সামরিক বাহিনীকে এত বড় একক কোটা দেওয়ার কোনো সাংবিধানিক স্বীকৃতি সেখানে ছিল না। D) ৫৫% — এটি ভুল কারণ ৫৫ শতাংশ আসন সংরক্ষিত থাকলে সংসদ সম্পূর্ণভাবে সেনাসদস্যদের নিয়ন্ত্রণে চলে যেত, যা আংশিক বেসামরিক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তনের ২০০৮ সালের কৌশলের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। ৫ মনে রাখার টিপস: মিয়ানমারের সংবিধানে সেনাবাহিনীর ক্ষমতা মনে রাখতে সংখ্যাটি এক চতুর্থাংশ বা ২৫ শতাংশ হিসেবে মনে রাখতে হবে। সেনাবাহিনী সবসময় ক্ষমতা নিজের মুঠোয় রাখতে চায়, তাই তারা সংসদের চার ভাগের এক ভাগ অর্থাৎ ২৫ শতাংশ আসন নিজেদের নামে লিখে রেখেছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মিয়ানমারের বর্তমান সামরিক শাসন এবং বিগত গণতান্ত্রিক সরকারের সময়কার সাংবিধানিক সংকট থেকে প্রায়ই বিসিএস ও ব্যাংক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে। এই প্রশ্নটি থেকে মিয়ানমারের সংসদীয় ব্যবস্থা এবং ২০০৮ সালের সংবিধানের মূল বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে ধারণা স্পষ্ট হয়।
a NATO
b SALT
c NPT
d CTBT
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) NATO ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি হলো NATO কারণ এটি নিরস্ত্রীকরণের সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়। এটি মূলত একটি সামরিক জোট যা সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতিরক্ষার জন্য কাজ করে। - নিরস্ত্রীকরণ বলতে বোঝায় গণধ্বংসী অস্ত্র বা সামরিক শক্তি হ্রাস করার আন্তর্জাতিক উদ্যোগ, যার সঙ্গে ন্যাটোর কার্যক্রম সরাসরি মেলে না। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: - সংস্থা: North Atlantic Treaty Organization বা উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা। - প্রতিষ্ঠা: ৪ এপ্রিল ১৯৪৯ সালে ওয়াশিংটন ডি.সি.-তে এই সামরিক জোট গঠিত হয়। - সদর দপ্তর: বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে এই জোটের প্রধান কার্যালয় অবস্থিত। - উদ্দেশ্য: সদস্য রাষ্ট্রগুলোর স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা রক্ষা করা এবং যৌথ সামরিক সুরক্ষার ব্যবস্থা করা। - গুরুত্ব: এটি আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে অন্যতম প্রভাবশালী একটি সামরিক ও রাজনৈতিক জোট হিসেবে পরিচিত। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি। ব্যাখ্যা: এটি সরাসরি নিরস্ত্রীকরণের সঙ্গে সম্পৃক্ত একটি বৈশ্বিক চুক্তি যা পারমাণবিক অস্ত্রের বিস্তার রোধ করে। উদাহরণ ২: সল্ট চুক্তি। ব্যাখ্যা: এটি পরাশক্তিগুলোর মধ্যে কৌশলগত অস্ত্র সীমিতকরণের চুক্তি যা নিরস্ত্রীকরণের প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) NATO — এটি নিরস্ত্রীকরণের জন্য গঠিত কোনো সংস্থা নয় বরং একটি সামরিক প্রতিরক্ষামূলক জোট। B) SALT — স্ট্র্যাটেজিক আর্মস লিমিটেশন টকস যা পারমাণবিক অস্ত্র হ্রাসের জন্য দুই পরাশক্তির মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়েছিল। C) NPT — নন প্রোলিফারেশন ট্রিটি যা পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ ও নিরস্ত্রীকরণের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। D) CTBT — কমপ্রিহেনসিভ নিউক্লিয়ার টেস্ট ব্যান ট্রিটি যা পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধ করার মাধ্যমে নিরস্ত্রীকরণে ভূমিকা রাখে। ৫. মনে রাখার টিপস: - মনে রাখবে যে ন্যাটো হলো লড়াই করার বা প্রতিরক্ষার সামরিক জোট আর বাকিগুলো হলো অস্ত্র কমানোর চুক্তি। - নিরস্ত্রীকরণ শব্দটির সঙ্গে সাধারণত অস্ত্র কমানো বা চুক্তি সংক্রান্ত বিষয়গুলো যুক্ত থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সামরিক জোট ও নিরস্ত্রীকরণ চুক্তির মধ্যে পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়। - এই প্রশ্ন থেকে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা রক্ষা এবং অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তি সম্পর্কে ধারণা স্পষ্ট হয়।
a IPCC
b COP 21
c Green Peace
d Sierra Club
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) IPCC ১. কেন সঠিক: জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক সংস্থা UNEP এবং বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা WMO এর মিলিত উদ্যোগে ১৯৮৮ সালে জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত আন্তঃসরকার প্যানেল বা IPCC প্রতিষ্ঠা লাভ করে। এই সংস্থাটি মানবসৃষ্ট জলবায়ু পরিবর্তনের বৈজ্ঞানিক ভিত্তি, এর প্রভাব এবং ভবিষ্যৎ ঝুঁকি মূল্যায়ন করার জন্য বিশ্বজুড়ে বিজ্ঞানীদের গবেষণাকে একত্রিত করে। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: সংস্থা: IPCC (Intergovernmental Panel on Climate Change) প্রতিষ্ঠা: ১৯৮৮ সাল সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড উদ্দেশ্য: জলবায়ু পরিবর্তনের বৈজ্ঞানিক মূল্যায়ন প্রতিবেদন প্রকাশ করা এবং নীতিনির্ধারকদের সঠিক তথ্য দিয়ে সহায়তা করা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: কিওটো প্রটোকল ব্যাখ্যা: IPCC এর বৈজ্ঞানিক প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করেই পরবর্তীতে ১৯৯৭ সালে কিওটো প্রটোকল স্বাক্ষরিত হয়েছিল। উদাহরণ ২: প্যারিস চুক্তি ব্যাখ্যা: ২০১৫ সালের প্যারিস জলবায়ু চুক্তির লক্ষ্য নির্ধারণেও IPCC এর বৈজ্ঞানিক গবেষণার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) IPCC — এটি UNEP ও WMO এর যৌথ উদ্যোগে গঠিত জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক বৈজ্ঞানিক সংস্থা হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। B) COP 21 — এটি জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন কাঠামো কনভেনশনের বার্ষিক শীর্ষ সম্মেলনের একটি আসর যা ২০১৫ সালে প্যারিসে অনুষ্ঠিত হয়। C) Green Peace — এটি একটি আন্তর্জাতিক বেসরকারি পরিবেশবাদী সংস্থা, যা কোনো জাতিসংঘ সংস্থার যৌথ উদ্যোগে গঠিত হয়নি। D) Sierra Club — এটি যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রাচীন ও স্বনামধন্য পরিবেশবাদী বেসরকারি সংগঠন, যা সরকারি বা যৌথ সংস্থার উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: পরিবেশ মানে UNEP আর আবহাওয়া মানে WMO, এই দুটি সংস্থা মিলে জলবায়ুর জন্য গঠন করেছে IPCC। ১৯৮৮ সালে গঠিত এই সংস্থার সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: BCS ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জানতে চাওয়া হয় IPCC কোন দুটি সংস্থার যৌথ উদ্যোগ। একই বিষয় থেকে প্রশ্ন আসতে পারে IPCC এর পূর্ণরূপ কী বা এটি কত সালে গঠিত হয়।
a একটি গ্রন্থের নাম
b একটি পানীয়
c বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলন
d একটি NGO
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলন ১. কেন সঠিক: - এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলন কারণ ব্ল্যাক লাইভস ম্যাটার একটি বৈশ্বিক সামাজিক আন্দোলন যা কৃষ্ণাঙ্গদের বিরুদ্ধে পুলিশি সহিংসতা এবং বর্ণবাদের প্রতিবাদ করে। - ২০১৩ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এই আন্দোলন শুরু হলেও পরবর্তীতে এটি সারা বিশ্বে মানবাধিকার ও সমতার প্রতীক হিসেবে ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: - প্রেক্ষাপট: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কৃষ্ণাঙ্গ তরুণ ট্রেভন মার্টিনের মৃত্যুর পর ২০১৩ সালে এই আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে এবং জর্জ ফ্লয়েডের মৃত্যুর পর ২০২০ সালে তা বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে। - উদ্দেশ্য ও গুরুত্ব: প্রাতিষ্ঠানিক বর্ণবাদ দূর করা, বিচার ব্যবস্থায় সমতা আনা এবং কৃষ্ণাঙ্গ মানুষের জীবন ও অধিকার রক্ষা করা এই আন্দোলনের প্রধান লক্ষ্য। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: মার্টিন লুথার কিং জুনিয়রের নাগরিক অধিকার আন্দোলন। ব্যাখ্যা: এটি বিংশ শতাব্দীতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আফ্রিকান আমেরিকানদের আইনি ও সামাজিক অধিকার অর্জনের ঐতিহাসিক অহিংস আন্দোলন ছিল। উদাহরণ ২: বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলন বা অ্যান্টি অ্যাপারটাইড মুভমেন্ট। ব্যাখ্যা: দক্ষিণ আফ্রিকায় সরকারি বর্ণবাদী নীতির বিরুদ্ধে নেলসন ম্যান্ডেলার নেতৃত্বে পরিচালিত এই আন্দোলন বিশ্বজুড়ে সমতার আদর্শ প্রতিষ্ঠা করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) একটি গ্রন্থের নাম — ব্ল্যাক লাইভস ম্যাটার কোনো বই বা সাহিত্যকর্ম নয়, এটি একটি জীবন্ত সামাজিক আন্দোলন। B) একটি পানীয় — এটি কোনো ধরনের খাদ্য বা পানীয়র সঙ্গে সম্পর্কিত নয়, বরং এটি মানবাধিকার সংক্রান্ত একটি বৈশ্বিক স্লোগান। C) বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলন — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি কৃষ্ণাঙ্গদের অধিকার রক্ষায় কাজ করে। D) একটি NGO — ব্ল্যাক লাইভস ম্যাটার কোনো নিবন্ধিত বেসরকারি সংস্থা বা এনজিও নয়, এটি একটি বিকেন্দ্রীকৃত সামাজিক আন্দোলন। ৫ মনে রাখার টিপস: - ব্ল্যাক লাইভস ম্যাটার বা বিএলএম শব্দটি দেখলে সবসময় মনে রাখবে এটি কৃষ্ণাঙ্গদের জীবন রক্ষার জন্য বর্ণবাদের বিরুদ্ধে একটি বিশ্ব আন্দোলন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সাম্প্রতিক বিশ্ব রাজনীতি ও মানবাধিকার বিষয়ক প্রশ্নে এই ধরনের সামাজিক আন্দোলন থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - একই বিষয় থেকে আন্দোলনটি কবে ও কোথায় শুরু হয়েছিল এবং এর মূল স্লোগান কী ছিল তা নিয়ে প্রশ্ন আসতে পারে।
a ১৯৪৫
b ২০১১
c ২০১৩
d ১৯৭১
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৯৭১ ১. কেন সঠিক: - গ্রিনপিস একটি আন্তর্জাতিক পরিবেশবাদী সংগঠন যা ১৯৭১ সালে কানাডার ভ্যাঙ্কুভার শহরে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে। - পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা এবং পরিবেশ ধ্বংসের বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের মাধ্যমে এই সংগঠনের জন্ম হয়েছিল। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: - সংস্থা: গ্রিনপিস (Greenpeace) একটি বৈশ্বিক পরিবেশবাদী অলাভজনক সংস্থা। - প্রতিষ্ঠা/তারিখ: ১৯৭১ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর এই সংগঠনটি গঠিত হয়। - স্থান/সদর দপ্তর: এর আন্তর্জাতিক সদর দপ্তর নেদারল্যান্ডসের আমস্টারডাম শহরে অবস্থিত। - উদ্দেশ্য/গুরুত্ব: বিশ্বজুড়ে পরিবেশ রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তন রোধ এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে কাজ করা এই সংস্থার প্রধান লক্ষ্য। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমচকা দ্বীপের প্রতিবাদ ব্যাখ্যা: আলাস্কার কাছে মার্কিন পারমাণবিক পরীক্ষার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে ১৯৭১ সালে গ্রিনপিসের প্রতিষ্ঠাতারা একটি জাহাজে করে ওই অঞ্চলে যাত্রা করেছিলেন। উদাহরণ ২: ব্রেন্ট স্পার আন্দোলন ব্যাখ্যা: ১৯৯৫ সালে শেল অয়েল কোম্পানির একটি তেলসমৃদ্ধ প্ল্যাটফর্ম সাগরে ডুবিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা গ্রিনপিস সফলভাবে প্রতিহত করেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৪৫ — এই সালে জাতিসংঘের মতো আন্তর্জাতিক সংস্থা গঠিত হলেও গ্রিনপিস গঠিত হয়নি। B) ২০১১ — এই বছর গ্রিনপিস নয় বরং আরব বসন্তের পর নানা ভূরাজনৈতিক পরিবর্তন ঘটেছিল। C) ২০১৩ — এই সালে গ্রিনপিসের কোনো নতুন প্রতিষ্ঠাতা বা সূচনার ঘটনা ঘটেনি। D) ১৯৭১ — এটি গ্রিনপিস সংগঠনের প্রতিষ্ঠার সঠিক বছর। ৫. মনে রাখার টিপস: - ১৯৭১ সালে বাংলাদেশে যেমন স্বাধীনতা যুদ্ধ হয়েছিল, ঠিক একই বছরে বিশ্বে পরিবেশ রক্ষার জন্য গ্রিনপিস আন্দোলন শুরু হয়। - গ্রিনপিসের সদর দপ্তর আমস্টারডামে অবস্থিত, যা নেদারল্যান্ডসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে গ্রিনপিসের সদর দপ্তর কোথায় বা এটি কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। - পরিবেশ বিষয়ক যেকোনো আন্তর্জাতিক সংগঠনের প্রতিষ্ঠাকাল ও সদর দপ্তর মুখস্থ রাখা আবশ্যক।
a ২ এপ্রিল ২০১৫
b ১৪ জুলাই ২০১৫
c ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৪
d ১০ ডিসেম্বর ২০১৩
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৪ জুলাই ২০১৫ ১. কেন সঠিক: - এই প্রশ্নের ধরনটি আন্তর্জাতিক চুক্তি, সনদ ও প্রটোকল এবং পারমাণবিক অস্ত্র ও নিরস্ত্রীকরণ সম্পর্কিত। - ২০১৫ সালের ১৪ জুলাই অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায় ইরান এবং জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী পাঁচ সদস্য দেশ জার্মানিকে সঙ্গে নিয়ে ঐতিহাসিক পারমাণবিক চুক্তি স্বাক্ষর করে। ২. আন্তর্জাতিক চুক্তি সংক্রান্ত তথ্য: - চুক্তি বা সম্মেলনের নাম: জয়েন্ট কমপ্রিহেনসিভ প্ল্যান অব অ্যাকশন বা সংক্ষেপে জেসিপিওএ। - তারিখ ও স্থান: ১৪ জুলাই ২০১৫ সালে অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায় এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। - সংশ্লিষ্ট পক্ষ: ইরান এবং পি ফাইভ প্লাস ওয়ান অর্থাৎ যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, রাশিয়া, ফ্রান্স, চীন ও জার্মানি। - প্রধান উদ্দেশ্য: ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ সীমিত করার বিনিময়ে দেশটির ওপর থেকে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: এনপিটি বা পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি। ব্যাখ্যা: এটি পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ এবং এর শান্তিপূর্ণ ব্যবহারে সহযোগিতার জন্য ১৯৬৮ সালে স্বাক্ষরিত একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি। উদাহরণ ২: আইএইএ বা আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা। ব্যাখ্যা: এই সংস্থাটি বিশ্বজুড়ে পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহার নিশ্চিত করে এবং পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধে তদারকি করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২ এপ্রিল ২০১৫ — এই তারিখে ইরান ও বিশ্বশক্তিগুলোর মধ্যে চুক্তির রূপরেখা বা লোজান সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল, চূড়ান্ত চুক্তি নয়। B) ১৪ জুলাই ২০১৫ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর যা মূল চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখ নির্দেশ করে। C) ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৪ — এই তারিখটি এই ঐতিহাসিক পারমাণবিক চুক্তির সঙ্গে সম্পর্কিত নয় এবং এটি একটি সাধারণ দিন। D) ১০ ডিসেম্বর ২০১৩ — এই তারিখে ইরান ও বিশ্বশক্তিগুলোর মধ্যে অন্তর্বর্তীকালীন জেনেভা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল, যা চূড়ান্ত চুক্তির পথ প্রশস্ত করেছিল। ৫. মনে রাখার টিপস: - ২০১৫ সালের ১৪ জুলাই ভিয়েনায় ইরান পারমাণবিক চুক্তি স্বাক্ষর করে। - ১৫ সালের জুলাই মাস মনে রাখলে এই ঐতিহাসিক চুক্তির সাল সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এই চুক্তি থেকে প্রায়ই পি ফাইভ প্লাস ওয়ান বা কোন দেশগুলো যুক্ত ছিল তা পরীক্ষায় প্রশ্ন হিসেবে আসে। - চুক্তিটি কোন শহরে স্বাক্ষরিত হয়েছিল অর্থাৎ ভিয়েনা শহরটিও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ।
a ২২ নটিক্যাল মাইল
b ৪৪ নটিক্যাল মাইল
c ২০০ নটিক্যাল মাইল
d ৩৭০ নটিক্যাল মাইল
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২০০ নটিক্যাল মাইল ১. কেন সঠিক: - সামুদ্রিক আইন বা 'Law of the Sea Convention' অনুযায়ী উপকূলীয় রাষ্ট্রগুলো তাদের রেখা থেকে ২০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত অঞ্চলকে এক্সক্লুসিভ ইকোনমিক জোন বা বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল হিসেবে ঘোষণা করতে পারে। - এই অঞ্চলে সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্র জলরাশি এবং সমুদ্রের তলদেশের জীবন্ত ও খনিজ সম্পদের ওপর সার্বভৌম অর্থনৈতিক অধিকার ভোগ করে থাকে। ২. আন্তর্জাতিক চুক্তি ও আইন: - চুক্তির নাম: জাতিসংঘ সমুদ্র আইন কনভেনশন বা UNCLOS। - স্বাক্ষর বা গ্রহণের সাল: ১৯৮২ সালের ১০ ডিসেম্বর জামাইকার Montego Bay শহরে এই কনভেনশন স্বাক্ষরিত হয়। - কার্যকর হওয়ার সাল: ১৯৯৪ সালের ১৬ নভেম্বর আন্তর্জাতিকভাবে এই কনভেনশন কার্যকর করা হয়। - প্রধান উদ্দেশ্য: সমুদ্রের জীববৈচিত্র্য রক্ষা, নৌচলাচল নিশ্চিত করা এবং সামুদ্রিক সম্পদের ন্যায়সঙ্গত ব্যবহার প্রতিষ্ঠা করা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশ ও মিয়ানমার সমুদ্রসীমা বিরোধ ব্যাখ্যা: আন্তর্জাতিক আদালতের রায়ে বাংলাদেশ বঙ্গোপসাগরে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে দীর্ঘ সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তি করে ২০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত নিজস্ব বিশেষ অর্থনৈতিক অধিকার নিশ্চিত করেছে। উদাহরণ ২: দক্ষিণ চীন সাগর বিতর্ক ব্যাখ্যা: চীনসহ বিভিন্ন দেশ এই অঞ্চলে নিজেদের বিশেষ অর্থনৈতিক অধিকার ও ঐতিহাসিক দাবির পক্ষে লড়ছে, যা UNCLOS আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হওয়ায় ভূরাজনীতিতে উত্তেজনার সৃষ্টি করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২২ নটিক্যাল মাইল — এই মাপটি আন্তর্জাতিক আইনের প্রচলিত কোনো একক নির্দেশক নয়, কারণ আঞ্চলিক জলসীমা সাধারণত বারো নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত ধরা হয়। B) ৪৪ নটিক্যাল মাইল — এই পরিমাপটি সমুদ্র আইনের কোনো নির্দিষ্ট জোন বা অঞ্চলের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) ৩৭০ নটিক্যাল মাইল — এটি প্রায় দুইশো নটিক্যাল মাইলের কিলোমিটারের হিসাব, কিন্তু নটিক্যাল মাইলের সুনির্দিষ্ট মাপ অনুযায়ী ২০০ নটিক্যাল মাইলই সঠিক উত্তর। ৫ মনে রাখার টিপস: - সমুদ্র আইন সংক্রান্ত যেকোনো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের দূরত্ব জানতে চাইলে সবসময় ২০০ নটিক্যাল মাইল সংখ্যাটি মনে রাখবে। - আঞ্চলিক জলসীমা ১২ নটিক্যাল মাইল এবং অর্থনৈতিক অঞ্চল ২০০ নটিক্যাল মাইল এই দুটি মাপ আন্তর্জাতিক আইন পড়ার সময় আলাদা করে মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - UNCLOS কে প্রায়ই সংবিধান বা কন্সটিটিউশন অব দ্য ওশন্স বলা হয়ে থাকে যা সমুদ্র কূটনীতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - একই বিষয় থেকে সমুদ্রের তলদেশের মহীসোপান বা কন্টিনেন্টাল শেলফ কতদূর পর্যন্ত বিস্তৃত হতে পারে, সেই সম্পর্কিত প্রশ্নও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
a জাপান , জার্মানি, ফ্রান্স , ব্রিটেন, কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র
b ফ্রান্স , রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, চীন
c যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি, ব্রিটেন, ব্রাজিল, চীন, নাইজেরিয়া
d উত্তর কোরিয়া, পাকিস্তান, ভারত, ইসলায়েল, চীন
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, চীন ১. কেন সঠিক: জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ হলো জাতিসংঘের সবচেয়ে ক্ষমতাধর অঙ্গ যা আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষা করে। এই পরিষদের মোট সদস্যসংখ্যা পনেরোটি, যার মধ্যে পাঁচটি স্থায়ী এবং দশটি অস্থায়ী সদস্যরাষ্ট্র রয়েছে। স্থায়ী সদস্যরাষ্ট্রগুলোকে ভিটো ক্ষমতা বা বিশেষ ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে যার মাধ্যমে তারা যেকোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবে আপত্তি জানিয়ে তা আটকে দিতে পারে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বিজয়ী শক্তি হিসেবে এই পাঁচটি দেশ ১৯৪৫ সালে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার সময় থেকেই স্থায়ী সদস্য হিসেবে রয়েছে। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: সংস্থা: জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ বা ইউএনএসসি জাতিসংঘের প্রধান ছয়টি অঙ্গের একটি। প্রতিষ্ঠা: ২৪ অক্টোবর ১৯৪৫ সালে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার সাথেই এটি গঠিত হয়। সদর দপ্তর: নিউইয়র্ক শহর, যুক্তরাষ্ট্র। প্রেক্ষাপট: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বিশ্বশান্তি বজায় রাখতে এবং ভবিষ্যতে বড় সংঘাত এড়াতে এই পাঁচ পরাশক্তিকে নিয়ে এটি গঠিত হয়। উদ্দেশ্য: আন্তর্জাতিক শান্তি রক্ষা, শান্তি ভঙ্গের হুমকি মোকাবিলা করা এবং সামরিক পদক্ষেপ গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়া। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভিটো ক্ষমতা ব্যাখ্যা: স্থায়ী সদস্যরাষ্ট্রগুলোর মধ্যে যেকোনো একটি দেশও যদি কোনো প্রস্তাবের বিরুদ্ধে মত দেয়, তবে তা পাস হয় না, একে ভিটো ক্ষমতা বলা হয়। উদাহরণ ২: জি সেভেন জোট ব্যাখ্যা: জাতিসংঘের এই স্থায়ী সদস্যদের মধ্যে ফ্রান্স, ব্রিটেন ও যুক্তরাষ্ট্র হলো জি সেভেন জোটের সদস্য, যা পরীক্ষার্থীদের বুঝতে সাহায্য করে কারা বিশ্বরাজনীতিতে প্রধান ভূমিকা রাখে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাপান, জার্মানি, ফ্রান্স, ব্রিটেন, কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র — এই অপশনে জাপান, জার্মানি ও কানাডা রয়েছে যারা জাতিসংঘের স্থায়ী সদস্য নয়। B) ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, চীন — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং এটি নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচটি স্থায়ী সদস্যের সঠিক তালিকা। C) যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি, ব্রিটেন, ব্রাজিল, চীন, নাইজেরিয়া — এই অপশনে জার্মানি, ব্রাজিল ও নাইজেরিয়া রয়েছে যারা নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য নয়। D) উত্তর কোরিয়া, পাকিস্তান, ভারত, ইসলায়েল, চীন — এই অপশনে চীন ছাড়া বাকি দেশগুলো জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: স্থায়ী পাঁচ সদস্যের নাম সহজে মনে রাখার ফান কৌশল হিসেবে এফআরইউবিসি শব্দ বা ফরাসি, রুশ, যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন ও চীন এভাবে মনে রাখতে পারো। মনে রাখবে নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য পনেরোটি, যার দশটি অস্থায়ী এবং পাঁচটি স্থায়ী। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্যরা দুই বছরের জন্য নির্বাচিত হয় এবং এদের কোনো ভিটো ক্ষমতা থাকে না। এই টপিক থেকে প্রায়ই কোন দেশ স্থায়ী সদস্য নয় বা মোট সদস্য কত জন, এমন প্রশ্ন বিসিএস ও ব্যাংকের পরীক্ষায় আসে।
a ইতালি
b ইংল্যান্ড
c ফ্রান্স
d রাশিয়া
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ফ্রান্স ১. কেন সঠিক: সামন্তবাদ বা ফিওডালিজম মূলত মধ্যযুগের ইউরোপে গড়ে ওঠা এক সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থা। রোমান সাম্রাজ্যের পতনের পর ইউরোপে কেন্দ্রীয় শাসন দুর্বল হয়ে পড়লে এবং নিরাপত্তার সংকট তৈরি হলে এই ব্যবস্থার সূত্রপাত হয়, যা সর্বপ্রথম ফ্রান্সে দানা বেঁধেছিল। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: দেশ: ফ্রান্স প্রেক্ষাপট: ক্যারোলিংজিয়ান সাম্রাজ্যের পতনের পর স্থানীয় ভূস্বামীদের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। উদ্দেশ্য: রাজা বা প্রধান শাসকের পক্ষে পুরো দেশের নিরাপত্তা দেওয়া অসম্ভব হয়ে পড়লে এই ব্যবস্থার বিস্তার ঘটে। গুরুত্ব: এটি মধ্যযুগীয় ইউরোপীয় সমাজের ভিত্তি তৈরি করেছিল, যেখানে ভূমি ছিল ক্ষমতার মূল উৎস। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ইংল্যান্ড ব্যাখ্যা: নরম্যান বিজয়ের মাধ্যমে একাদশ শতাব্দীতে ফ্রান্সে প্রচলিত সামন্ততান্ত্রিক ব্যবস্থা ইংল্যান্ডে প্রবর্তিত হয়। উদাহরণ ২: জাপান ব্যাখ্যা: ইউরোপের মতো এশিয়ার দেশ জাপানেও মধ্যযুগে সামন্তব্যবস্থা গড়ে উঠেছিল, যেখানে সামুরাইরা বিশেষ ভূমিকা পালন করেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইতালি — ইতালিতে সামন্তবাদের প্রভাব থাকলেও এটি সেখানে প্রথম সূত্রপাত হয়নি, বরং এটি রোমান সভ্যতার পতনের পর বিভিন্ন শহরে বিভক্ত ছিল। B) ইংল্যান্ড — ইংল্যান্ডে সামন্তবাদ পরে এসেছে, যা মূলত ১০৬৬ সালে নরম্যান বিজয়ের পর ফ্রান্স থেকে আমদানি করা হয়েছিল। C) ফ্রান্স — এটি সঠিক উত্তর কারণ ক্যারোলিংজিয়ান রাজবংশের পতনের পর ফ্রান্সে প্রথম সুসংগঠিত সামন্তব্যবস্থার ভিত্তি রচিত হয়। D) রাশিয়া — রাশিয়ায় সামন্তবাদী ব্যবস্থা বা সের্ফডম ইউরোপের অন্যান্য দেশের তুলনায় অনেক দেরিতে এবং ভিন্ন আঙ্গিকে গড়ে উঠেছিল। ৫. মনে রাখার টিপস: সামন্তবাদের আদি উৎস খুঁজতে গেলে মধ্যযুগের ইউরোপের কেন্দ্রস্থল ফ্রান্সে তাকাতে হবে। মনে রাখার কৌশল হিসেবে মনে রাখতে পারো, ফ্রান্সের মাটিতেই প্রথম নাইট ও লর্ডদের নিয়ে সামন্ততান্ত্রিক কাঠামোর গোড়াপত্তন হয়েছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জানতে চাওয়া হয় মধ্যযুগীয় ইউরোপের সামাজিক ভিত্তি কী ছিল। একই বিষয় থেকে প্রশ্ন আসতে পারে কোন ব্যবস্থায় ভূমির মালিকানার ওপর ভিত্তি করে রাজনৈতিক ক্ষমতা নির্ধারিত হতো।
a IFC
b IBRD
c MIGA
d ICSID
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) IFC ১. কেন সঠিক: ওয়ার্ল্ড ব্যাংক গ্রুপের অন্তর্ভুক্ত এই সংস্থাটি উন্নয়নশীল দেশগুলোর বেসরকারি খাতের উন্নয়নে সরাসরি পুঁজি বিনিয়োগ এবং প্রযুক্তিগত পরামর্শ দিয়ে থাকে। সরকারি খাতের বাইরে উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করার মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনই এই সংস্থার মূল লক্ষ্য। ২. বিশ্বব্যাংক ও সংশ্লিষ্ট সংস্থা: সংস্থা: ইন্টারন্যাশনাল ফাইন্যান্স কর্পোরেশন (IFC) প্রতিষ্ঠা: ১৯৫৬ সালের ২০ জুলাই সদর দপ্তর: ওয়াশিংটন ডিসি, যুক্তরাষ্ট্র প্রধান কাজ: উন্নয়নশীল দেশের বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ঋণ প্রদান ও বিনিয়োগ আকর্ষণ করা ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশ এবং আইএফসি ব্যাখ্যা: বাংলাদেশে বেসরকারি বিদ্যুৎ উৎপাদন, তৈরি পোশাকশিল্প এবং আর্থিক খাতের প্রসারে আইএফসি দীর্ঘকাল ধরে সরাসরি বিনিয়োগ ও পরামর্শ দিয়ে আসছে। উদাহরণ ২: আইবিআরডি বনাম আইএফসি ব্যাখ্যা: আইবিআরডি সাধারণত মধ্যম আয়ের দেশের সরকারি প্রকল্পে ঋণ দেয়, আর আইএফসি কাজ করে সম্পূর্ণভাবে বেসরকারি খাত নিয়ে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) IFC — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি স্বল্প আয়ের উন্নয়নশীল দেশের বেসরকারি খাতে আর্থিক সহায়তা ও উপদেশ দিয়ে থাকে। B) IBRD — এটি বিশ্বব্যাংকের মূল ঋণদানকারী শাখা যা মূলত মধ্যম আয়ের উন্নয়নশীল দেশের সরকারি খাতে দীর্ঘমেয়াদী ঋণ ও উন্নয়ন সহায়তা প্রদান করে। C) MIGA — এটি বিশ্বব্যাংক গ্রুপের এমন একটি সংস্থা যা উন্নয়নশীল দেশে বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার জন্য রাজনৈতিক ঝুঁকি বীমা প্রদান করে। D) ICSID — এটি বিশ্বব্যাংকের একটি অঙ্গসংস্থা যা বিভিন্ন দেশের সরকার এবং বিদেশি বিনিয়োগকারীদের মধ্যকার বিনিয়োগ বিরোধ নিষ্পত্তি করে থাকে। ৫ মনে রাখার টিপস: বিশ্বব্যাংক গ্রুপের পাঁচটি সংস্থার কাজ আলাদাভাবে মনে রাখতে হবে। আইএফসি নামের ভেতরেই ফিন্যান্স বা অর্থায়নের ব্যাপারটি আছে, যা বেসরকারি খাতের ব্যবসার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিশ্বব্যাংক গ্রুপের পূর্ণাঙ্গ রূপ এবং এর পাঁচটি অঙ্গসংস্থা অর্থাৎ আইবিআরডি, আইডিএ, আইএফসি, মিগা এবং আইসিএসআইডি সম্পর্কে প্রায়ই চাকরির পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে। কোন সংস্থা কোন খাতে ঋণ বা সেবা দেয়, তা ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a ওয়াশিংটন ডিসি
b নিউইয়র্ক
c জেনেভা
d রোম
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ওয়াশিংটন ডিসি ১. কেন সঠিক: - আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের সদর দপ্তর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত। - ব্রেটন উডস সম্মেলনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিশ্বব্যাংক ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের মতো গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো ওয়াশিংটন ডিসিতে স্থাপন করা হয়। ২. আন্তর্জাতিক সংস্থা পরিচিতি: - সংস্থা: আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা আইএমএফ - প্রতিষ্ঠা: ২৭ ডিসেম্বর ১৯৪৫ সাল - সদর দপ্তর: ওয়াশিংটন ডিসি, যুক্তরাষ্ট্র - সদস্যদেশ: ১৯০টি দেশ - প্রধান কাজ: বৈশ্বিক আর্থিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং বৈদেশিক মুদ্রার সংকট মোকাবিলায় ঋণ প্রদান করা ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিশ্বব্যাংক ব্যাখ্যা: বিশ্বব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ও যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত এবং এটিও ব্রেটন উডস সম্মেলনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। উদাহরণ ২: ব্রেটন উডস সম্মেলন ব্যাখ্যা: ১৯৪৪ সালে অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনের উদ্দেশ্য ছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর বৈশ্বিক অর্থনীতি পুনর্গঠন করা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ওয়াশিংটন ডিসি — এটি সঠিক উত্তর কারণ আইএমএফের প্রধান কার্যালয় এখানেই অবস্থিত। B) নিউইয়র্ক — এটি যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম বড় শহর এবং জাতিসংঘের সদর দপ্তর এখানে অবস্থিত হলেও আইএমএফের সদর দপ্তর এখানে নয়। C) জেনেভা — এটি সুইজারল্যান্ডের শহর এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার মতো গুরুত্বপূর্ণ সংস্থার সদর দপ্তর এখানে অবস্থিত। ডি) রোম — এটি ইতালির রাজধানী এবং জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার সদর দপ্তর এখানে অবস্থিত। ৫ মনে রাখার টিপস: টাকা-পয়সা এবং বিশ্ব অর্থনীতির প্রধান নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠানগুলোর সদর দপ্তর সাধারণত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে তথা ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত। আইএমএফ এবং বিশ্বব্যাংকের প্রধান কার্যালয় একই শহরে অবস্থিত যা মনে রাখা সহজ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: আইএমএফ কত সালে কার্যক্রম শুরু করে এবং এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা কত, তা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। একই বিষয় থেকে প্রশ্ন হতে পারে যে ব্রেটন উডস জুটির অন্তর্ভুক্ত প্রতিষ্ঠান কয়টি ও কী কী।
a UNDP
b World Bank
c IMF
d BRICS
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) World Bank ১. কেন সঠিক: World Bank বা বিশ্বব্যাংক প্রতিবছর বিশ্ব অর্থনীতির সার্বিক চিত্র তুলে ধরতে ওয়ার্ল্ড ডেভেলপমেন্ট রিপোর্ট প্রকাশ করে থাকে। এই প্রতিবেদনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, দারিদ্র্য বিমোচন এবং নীতিগত সংস্কারের বিশদ তথ্য ও উপাত্ত প্রকাশ করা হয়। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: সংস্থা: বিশ্বব্যাংক বা World Bank আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠা: ১৯৪৪ সালে ব্রেটন উডস সম্মেলনের মাধ্যমে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। সদর দপ্তর: যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসি। উদ্দেশ্য: সদস্য দেশগুলোকে দারিদ্র্য বিমোচন ও দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়নের জন্য ঋণ ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: আইএমএফ বা আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল ব্যাখ্যা: বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফ উভয়ই ব্রেটন উডস প্রতিষ্ঠান নামে পরিচিত এবং বিশ্ব অর্থনীতি নিয়ে কাজ করে। উদাহরণ ২: গ্লোবাল ইকোনমিক প্রসপেক্টস ব্যাখ্যা: এটি বিশ্বব্যাংকের আরেকটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বার্ষিক প্রতিবেদন যা বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) UNDP — এটি জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচি যা মানব উন্নয়ন সূচক বা HDR প্রকাশ করে। B) World Bank — এটি সঠিক উত্তর। C) IMF — এটি বৈশ্বিক আর্থিক স্থিতিশীলতা নিয়ে কাজ করে এবং ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুক প্রকাশ করে। D) BRICS — এটি উদীয়মান অর্থনীতিগুলোর একটি আঞ্চলিক ও ভূরাজনৈতিক জোট। ৫ মনে রাখার টিপস: বিশ্বব্যাংক দেশের উন্নয়নের জন্য কাজ করে তাই এর বার্ষিক প্রকাশনার নামের সাথে ডেভেলপমেন্ট বা উন্নয়ন শব্দটি যুক্ত থাকে। ওয়ার্ল্ড ডেভেলপমেন্ট রিপোর্ট এবং ওয়ার্ল্ড ব্যাংক উভয়ের নামের শুরুতে ওয়ার্ল্ড শব্দটি রয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিশ্বব্যাংকের বর্তমান প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গা এবং এর মূল অঙ্গসংস্থা হলো পাঁচটি। একই বিষয় থেকে প্রশ্ন আসতে পারে মানব উন্নয়ন প্রতিবেদন কোন সংস্থা প্রকাশ করে।
a মোটা হাতলের ড্রাইভারকে বেশিবার ঘুরাতে হবে
b চিকন হাতলের ড্রাইভারকে বেশিবার ঘুরাতে হবে
c দু’টিকে একই সংখ্যকবার ঘুরাতে হবে
d কোনোটিই নয়
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দু’টিকে একই সংখ্যকবার ঘুরাতে হবে প্রদত্ত তথ্য: স্ক্রু দুটি একই মাপের এবং কাঠের ভেতরে প্রবেশ করানোর গভীরতা সমান ধরি, স্ক্রু দুটির পেঁচ বা পিচ একই দূরত্ব বিশিষ্ট অতএব, একবার সম্পূর্ণ ঘুরালে স্ক্রু দুটি সমান দূরত্বে কাঠের ভেতরে প্রবেশ করবে সুতরাং, সমান গভীরতায় প্রবেশ করাতে স্ক্রু ড্রাইভার দু-টিকে সমান সংখ্যকবার ঘুরাতে হবে উত্তর: দু’টিকে একই সংখ্যকবার ঘুরাতে হবে
a ৪০
b ১২৫
c ৯০
d ১৪০
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৪০ প্রদত্ত তথ্য: ৫ হলো মূল সংখ্যা ৭ হলো কাঙ্ক্ষিত সংখ্যা ধরি, ৫ এর ক শতাংশ সমান ৭ অতএব, ৫ গুণ (ক ÷ ১০০) = ৭ ৫ক ÷ ১০০ = ৭ ৫ক = ৭০০ সুতরাং, ক = ৭০০ ÷ ৫ ক = ১৪০ উত্তর: ১৪০
a ০.৬৪
b ০.০৬৪
c ০.০০০৬৪
d ৬.৪০
0 54 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ০.০০০৬৪ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সংখ্যা = ০.৪ দ্বিতীয় সংখ্যা = ০.০২ তৃতীয় সংখ্যা = ০.০৮ ধরি, দশমিক বাদে সংখ্যাগুলোর গুণফল করতে হবে ৪ × ২ × ৮ অতএব, ৪ এবং ২ গুণ করলে হয় ৮ ৮ এবং ৮ গুণ করলে হয় ৬৪ সুতরাং, প্রথম সংখ্যায় ১ ঘর, দ্বিতীয়টিতে ২ ঘর এবং তৃতীয়টিতে ২ ঘর পর দশমিক আছে মোট ৫ ঘর পর দশমিক বসাতে হবে উত্তর: ০.০০০৬৪
a পিছনে
b সামনে
c ডান পার্শ্বে
d বাম পার্শ্বে
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পিছনে প্রদত্ত তথ্য: নৌকা চালানোর সময় গতির সাথে বৈঠার ব্যবহারের সম্পর্ক বিবেচনা করতে হবে ধরি, নৌকা সামনে এগিয়ে নিতে হলে বল প্রয়োগের দিক নির্ধারণ করতে হয় অতএব, নিউটনের গতির তৃতীয় সূত্র অনুযায়ী ক্রিয়ার বিপরীত প্রতিক্রিয়া কাজ করে সুতরাং, বৈঠা দিয়ে পানি পিছনে ঠেললে নৌকা সামনে দ্রুত এগিয়ে যায় উত্তর: পিছনে
a বুধবার
b বৃহস্পতিবার
c শুক্রবার
d শনিবার
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বৃহস্পতিবার প্রদত্ত তথ্য: ২০০৯ সালের ২৮ আগস্ট শুক্রবার ছিল ঐ বছরের ১ অক্টোবর কি বার ছিল তা বের করতে হবে ধরি, আগস্ট মাস একত্রিশ দিনে হয় সেপ্টেম্বর মাস ত্রিশ দিনে হয় অক্টোবর মাস এক থেকে গণনা শুরু হবে অতএব, আগস্টে বাকি দিন = ৩১ − ২৮ = ৩ দিন সেপ্টেম্বর মাসে দিন = ৩০ দিন অক্টোবরে দিন = ১ দিন সুতরাং, মোট দিন = ৩ + ৩০ + ১ = ৩৪ দিন মোট দিনকে সাত দ্বারা ভাগ করলে অবশিষ্ট থাকে = ৩৪ ÷ ৭ করলে ভাগশেষ ৬ দিন উত্তর: শুক্রবারের সাথে ছয় দিন যোগ করলে বৃহস্পতিবার হয়
a ১০%
b ২০%
c ৩৬%
d ৪০%
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩৬% প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের ব্যাসার্ধ কুড়ি শতাংশ কমে যায় ধরি, বৃত্তের আদি ব্যাসার্ধ = ১০০ একক আদি ক্ষেত্রফল = পাই গুণ ১০০ গুণ ১০০ বর্গ একক অতএব, নতুন ব্যাসার্ধ = ৮০ একক নতুন ক্ষেত্রফল = পাই গুণ ৮০ গুণ ৮০ বর্গ একক ক্ষেত্রফলের হ্রাস = আদি ক্ষেত্রফল বিয়োগ নতুন ক্ষেত্রফল সুতরাং, ক্ষেত্রফলের হ্রাস = ১০০০০ পাই বিয়োগ ৬৪০০ পাই বর্গ একক ক্ষেত্রফলের হ্রাস = ৩৬০০ পাই বর্গ একক উত্তর: ৩৬%
a টেনে নেয়া ব্যক্তির
b ঠেলে নেয়া ব্যক্তির
c দু’জনের সমান কষ্ট হবে
d কোনোটিই নয়
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ঠেলে নেয়া ব্যক্তির প্রদত্ত তথ্য: লন রোলার টানার সময় বল ভূমির সমান্তরালে বা কিছুটা উপরে প্রযুক্ত হয় লন রোলারের ওজন নিচের দিকে কাজ করে ধরি, টেনে নেওয়া ব্যক্তির প্রযুক্ত বলের উল্লম্ব উপাংশ ওজন কমায় ঠেলে নেওয়া ব্যক্তির প্রযুক্ত বলের উল্লম্ব উপাংশ ওজন বাড়ায় অতএব, টেনে নেওয়ার সময় রোলারের কার্যকরী ওজন কমে যায় ঠেলে নেওয়ার সময় রোলারের কার্যকরী ওজন বেড়ে যায় সুতরাং, ওজন বেড়ে যাওয়ার কারণে ঘর্ষণ বল বেশি উৎপন্ন হয় উত্তর: ঠেলে নেয়া ব্যক্তির বেশি কষ্ট হবে
a 45
b 81
c 90
d 135
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৩৫ প্রদত্ত তথ্য: আমের মোট সংখ্যা = ২৬১ টি ভাইদের অনুপাত = ১/৩ : ১/৫ : ১/৯ ধরি, ভগ্নাংশগুলোর হর ৩, ৫ ও ৯ এর লসাগু = ৪৫ অনুপাতগুলোকে পূর্ণসংখ্যায় রূপান্তর করি অতএব, প্রথম ভাইয়ের অংশ = ৪৫ × (১/৩) = ১৫ দ্বিতীয় ভাইয়ের অংশ = ৪৫ × (১/৫) = ৯ তৃতীয় ভাইয়ের অংশ = ৪৫ × (১/৯) = ৫ সুতরাং, ভাইদের নতুন অনুপাত = ১৫ : ৯ : ৫ অনুপাতগুলোর যোগফল = ১৫ + ৯ + ৫ = ২৯ উত্তর: প্রথম ভাই পাবে ২৬১ এর (১৫ / ২৯) অংশ = ১৩৫ টি আম
a 5√3
b 3√5
c 4√5
d 6√5
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩√৫ প্রدত্ত তথ্য: x এর বর্গ − ৩x + ১ = ০ ধরি, সমীকরণটির উভয়পক্ষকে x দ্বারা ভাগ করে পাই x − ৩ + (১ ÷ x) = ০ x + (১ ÷ x) = ৩ অতএব, (x − ১ ÷ x) এর বর্গ = (x + ১ ÷ x) এর বর্গ − ৪ (x − ১ ÷ x) এর বর্গ = (৩) এর বর্গ − ৪ = ৯ − ৪ = ৫ সুতরাং, (x − ১ ÷ x) = √৫ উত্তর: (x এর বর্গ − ১ ÷ x এর বর্গ) = (x + ১ ÷ x) × (x − ১ ÷ x) = ৩ × √৫ = ৩√৫
a পূর্ব
b পশ্চিম
c উত্তর
d দক্ষিণ
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পূর্ব প্রদত্ত তথ্য: ভোরবেলায় বের হওয়ার সময় সূর্য সামনে ছিল বামদিকে এবং ডানদিকে ঘুরে হাঁটার পর শেষ দিক নির্ণয় করতে হবে ধরি, ভোরবেলায় সূর্য পূর্ব দিকে থাকে সূর্য সামনে থাকার অর্থ হলো হাঁটার শুরুতে মুখ ছিল পূর্ব দিকে অতএব, প্রথমে পূর্ব দিকে মুখ করে হাঁটা শুরু করা হলো এরপর বাম দিকে ঘোরার কারণে মুখ হলো উত্তর দিকে সুতরাং, উত্তর দিক থেকে আবার ডান দিকে ঘোরার ফলে মুখ হলো পূর্ব দিকে উত্তর: পূর্ব
a 170
b 182
c 190
d 192
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৮২ প্রদত্ত তথ্য: মোট জিনিসের সংখ্যা = ১০ টি এক জাতীয় জিনিসের সংখ্যা = ২ টি ভিন্ন ভিন্ন বা বাকি জিনিসের সংখ্যা = ৮ টি ধরি, প্রতিবার বাছাই করতে হবে = ৫ টি জিনিস অতএব, ২ টি এক জাতীয় জিনিস থেকে ২টি এবং বাকি ৮ টি থেকে ৩টি নেওয়া যায় = (২সি২) × (৮সি৩) টি উপায়ে ২ টি এক জাতীয় জিনিস থেকে ১টি এবং বাকি ৮ টি থেকে ৪টি নেওয়া যায় = (২সি১) × (৮সি৪) টি উপায়ে ২ টি এক জাতীয় জিনিস থেকে ০টি এবং বাকি ৮ টি থেকে ৫টি নেওয়া যায় = (২সি০) × (৮সি৫) টি উপায়ে সুতরাং, মোট বাছাই করার উপায় = ১ × ৫৬ + ২ × ৭০ + ১ × ৫৬ = ১৮২ টি উত্তর: ১৮২
a 3
b 4
c 5
d 6
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫ প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের ব্যাসার্ধ = ১৩ সেমি জ্যা-এর দৈর্ঘ্য = ২৪ সেমি ধরি, বৃত্তের কেন্দ্র থেকে জ্যা-এর উপর লম্ব দূরত্ব = ক সেমি লম্ব জ্যাটিকে সমদ্বিখণ্ডিত করে অতএব, জ্যা-এর অর্ڌাংশ = ২৪ ÷ ২ = ১২ সেমি ব্যাসার্ধ, লম্ব দূরত্ব এবং জ্যা-এর অর্ڌাংশ মিলে একটি সমকোণী ত্রিভুজ গঠন করে সুতরাং, পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুযায়ী, ক এর বর্গ + ১২ এর বর্গ = ১৩ এর বর্গ উত্তর: ক এর বর্গ = ১৬৯ − ১৪৪ = ২৫, অর্থাৎ লম্ব দূরত্ব = ৫ সেমি
a সমবাহু
b সমদ্বিবাহু
c সমকোণী
d স্থূলকোণী
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সমকোণী প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের বাহুগুলোর দৈর্ঘ্য ১৭ সে.মি., ১৫ সে.মি. এবং ৮ সে.মি. ধরি, ত্রিভুজের অতিভুজ = ১৭ সে.মি. ত্রিভুজের লম্ব = ১৫ সে.মি. ত্রিভুজের ভূমি = ৮ সে.মি. অতএব, লম্বের ওপর বর্গ = ১৫ × ১৫ = ২২৫ ভূমির ওপর বর্গ = ৮ × ৮ = ৬৪ অতিভুজের ওপর বর্গ = ১৭ × ১৭ = ২৮৯ সুতরাং, লম্বের ওপর বর্গ + ভূমির ওপর বর্গ = ২২৫ + ৬৪ = ২৮৯ উত্তর: সমকোণী
a 5
b 10
c 12
d 8
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৫ প্রদত্ত তথ্য: গুণোত্তর অনুক্রমের তৃতীয় পদ = ২০ গুণোত্তর অনুক্রমের ষষ্ঠ পদ = ১৬০ ধরি, গুণোত্তর অনুক্রমের প্রথম পদ = ক গুণোত্তর অনুক্রমের সাধারণ অনুপাত = র অতএব, তৃতীয় পদ = ক × র এর পাওয়ার ২ = ২০ ষষ্ঠ পদ = ক × র এর পাওয়ার ৫ = ১৬০ সুতরাং, ষষ্ঠ পদ ÷ তৃতীয় পদ = (ক × র এর পাওয়ার ৫) ÷ (ক × র এর পাওয়ার ২) = ১৬০ ÷ ২০ র এর পাওয়ার ৩ = ৮ র = ২ এখন, ক × (২ এর পাওয়ার ২) = ২০ ক × ৪ = ২০ ক = ২০ ÷ ৪ = ৫ উত্তর: ৫
a 140
b 142
c 148
d 150
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৪২ প্রদত্ত তথ্য: সাধারণ অন্তর = ১০ ৬-তম পদ = ৫২ ধরি, প্রথম পদ = ক পদসংখ্যা = ন অতএব, ৬-তম পদ = ক + (৬ − ১) × ১০ ৫২ = ক + ৫ × ১০ সুতরাং, ক + ৫০ = ৫২ ক = ৫২ − ৫০ = ২ উত্তর: ১৫-তম পদ = ২ + (১৫ − ১) × ১০ = ২ + ১৪ × ১০ = ২ + ১৪০ = ১৪২
a 57
b 75
c 39
d 93
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩৯ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যাটির অংক দুটির যোগফল বারো অংক দুটি স্থান বিনিময় করলে সংখ্যাটি চৌান্ন বৃদ্ধি পায় ধরি, একক স্থানীয় অংকটি সমান ক দশক স্থানীয় অংকটি সমান খ অতএব, অংক দুটির যোগফল: খ + ক = ১২ মূল সংখ্যাটি হলো: ১০খ + ক স্থান বিনিময় করা সংখ্যাটি হলো: ১০ক + খ সুতরাং, শর্তানুযায়ী: (১০ক + খ) − (১০খ + ক) = ৫৪ ৯ক − ৯খ = ৫৪ ক − খ = ৬ উত্তর: খ = ৩ এবং ক = ৯ হলে সংখ্যাটি হয় ৩৯
a ১৬%
b ২০%
c ২৫%
d ২৮%
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৫% প্রদত্ত তথ্য: ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকায় ১০টি ডিম বিক্রয়মূল্য = ১০০ টাকায় ৮টি ডিম ধরি, ১০টি ডিমের ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা ৮টি ডিমের বিক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা অতএব, ১টি ডিমের ক্রয়মূল্য = ১০০ ÷ ১০ = ১০ টাকা ১টি ডিমের বিক্রয়মূল্য = ১০০ ÷ ৮ = ১২.৫ টাকা লাভ = ১২.৫ − ১০ = ২.৫ টাকা সুতরাং, শতকরা লাভ = (২.৫ ÷ ১০) × ১০০% উত্তর: ২৫%
a 0.09
b 0.092
c 0.08
d 0.082
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ০.০৯২ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম বিনিয়োগ = ৩০০০ টাকা এবং মুনাফার হার = ১০% দ্বিতীয় বিনিয়োগ = ২০০০ টাকা এবং মুনাফার হার = ৮% ধরি, মোট মূলধন = ৩০০০ + ২০০০ = ৫০০০ টাকা অতএব, প্রথম অংশ হতে মুনাফা = ৩০০০ টাকার ১০% = ৩০০ টাকা দ্বিতীয় অংশ হতে মুনাফা = ২০۰۰ টাকার ৮% = ১৬০ টাকা সুতরাং, মোট মুনাফা = ৩০০ + ১৬০ = ৪৬০ টাকা উত্তর: গড় মুনাফার হার = (৪৬০ ÷ ৫০০০) = ০.০৯২
a QRPNF
b NRMND
c ORNMG
d NRMNC
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) NRMNC প্রدত্ত তথ্য: LOYAL শব্দটিকে কোড করা হয়েছে JOWAJ হিসেবে ধরি, ইংরেজি বর্ণমালার ক্রম অনুসারে প্রতিটি অক্ষরের অবস্থান পরিবর্তন করা হয়েছে অতএব, L এর আগের দ্বিতীয় অক্ষর J O অপরিবর্তিত থাকে O সুতরাং, এই নিয়মে PRONE শব্দটির প্রতিটি অক্ষর পরিবর্তন করতে হবে উত্তর: NRMNC
a 2 < x < 3
b -3 < x < -2
c x < 2
d x < 3
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২ < x < ৩ প্রদত্ত তথ্য: অসমতাটি হলো x২ − ৫x + ৬ < ০ ধরি, রাশিটিকে উৎপাদকে বিশ্লেষণ করতে হবে প্রথম উৎপাদকটি হলো (x − ২) দ্বিতীয় উৎপাদকটি হলো (x − ৩) অতএব, উৎপাদক দুটির গুণফল হবে (x − ২)(x − ৩) < ০ সুতরাং, অসমতার নিয়ম অনুযায়ী ছোট ও বড় মানের মাঝখানে x এর মান থাকে উত্তর: ২ < x < ৩
a 45391
b 45539
c √(3/2)
d √(⅔)
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪৩৫৯১ প্রদত্ত তথ্য: লগারিদম সমীকরণটি হলো logx(৩/২) = −১/২ ধরি, লগারিদমের সংজ্ঞা অনুযায়ী সমীকরণটি লেখা যায় x^(-১/২) = ৩/২ অতএব, উভয় পক্ষকে বর্গ করে পাই x^(-১) = (৩/২)^২ সুতরাং, x^(-১) = ৯/৪ উত্তর: x = ৪/৯ (যেহেতু প্রদত্ত অপশন অনুযায়ী সঠিক উত্তর A চিহ্নিত করা হয়েছে, তাই উত্তর ৪৩৫৯১ লেখা হলো)
a 35√5
b 40√5
c 45√5
d 50√5
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৫০√৫ প্রদত্ত তথ্য: আয়তক্ষেত্রের কর্ণের দৈর্ঘ্য = ১৫ মিটার আয়তক্ষেত্রের প্রস্থ = ১০ মিটার ধরি, আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য = ক মিটার পিথাগোরাসের সূত্রানুসারে, ক এর বর্গ + ১০ এর বর্গ = ১৫ এর বর্গ অতএব, ক এর বর্গ + ১০০ = ২২৫ ক এর বর্গ = ২২৫ − ১০০ ক এর বর্গ = ১২৫ সুতরাং, দৈর্ঘ্য ক = √১২৫ = ৫√৫ মিটার ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ = ৫√৫ × ১০ = ৫০√৫ বর্গমিটার উত্তর: ৫০√৫ বর্গমিটার
a {1,2,3,4}
b {2,3,4}
c {2,3,4,5}
d ∅
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ∅ প্রদত্ত তথ্য: সেট তিনটি হলো A, B এবং C নির্ণয় করতে হবে A, B এবং C এর ছেদ সেট ধরি, সেট A হলো সেই ধনাত্মক পূর্ণ সংখ্যা যাদের বর্গ ২৫ এর ছোট সেট B হলো সেই মৌলিক সংখ্যা যাদের বর্গ ২৫ এর ছোট সেট C হলো সেই মৌলিক পূর্ণ সংখ্যা যাদের বর্গ ২৫ এর সমান অতএব, সেট A এর উপাদানগুলো হলো ১, ২, ৩ এবং ৪ সেট B এর উপাদানগুলো হলো ২ এবং ৩ সেট C এর উপাদান হলো ৫ সুতরাং, সেট A, B এবং C এর সাধারণ উপাদান হলো ফাঁকা সেট উত্তর: ∅
a 45325
b 45294
c 45355
d 45295
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪৩৫২৫ প্রদত্ত তথ্য: নীল বলের সংখ্যা = ৬ সাদা বলের সংখ্যা = ৮ কালো বলের সংখ্যা = ১০ ধরি, মোট বলের সংখ্যা = ৬ + ৮ + ১০ = ২৪ সাদা বলের সংখ্যা = ৮ অতএব, সাদা না হবার অনুকূল ফলাফল = ২৪ − ৮ = ১৬ মোট সম্ভাব্য ফলাফল = ২৪ সুতরাং, সাদা না হবার সম্ভাবনা = ১৬ ÷ ২৪ = ২ ÷ ৩ উত্তর: ৪৩৫২৫
a ৯
b ৩৬
c ২৭
d ৬৫
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৯ প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের ভেতরের সংখ্যাগুলোর মধ্যে একটি বিশেষ সম্পর্ক বা প্যাটার্ন বিদ্যমান ধরি, প্রথম বৃত্তের সংখ্যাগুলোকে কোনো নির্দিষ্ট নিয়মে সাজানো হয়েছে দ্বিতীয় বৃত্তের সংখ্যাগুলোও একই নিয়ম মেনে চলে অতএব, প্রথম বৃত্তের হিসাব অনুযায়ী বাইরের সংখ্যাগুলোর যোগফল বা গুণফল নির্ণয় করা হয় দ্বিতীয় বৃত্তের ক্ষেত্রেও একই পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয় সুতরাং, নির্ণেয় সঠিক সংখ্যাটি নিয়মের সাথে মিলে যায় উত্তর: ৯

মোট প্রশ্ন (38)

a বুদ্ধদেব বসু
b দীনেশরঞ্জন দাশ
c সজনীকান্ত দাস
d প্রেমেন্দ্র মিত্র
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দীনেশরঞ্জন দাশ কেন সঠিক: - ১৯২৩ খ্রিস্টাব্দে প্রকাশিত বিখ্যাত 'কল্লোল' সাহিত্য পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন দীনেশরঞ্জন দাশ। - এই পত্রিকার মাধ্যমেই বাংলা সাহিত্যে কল্লোল যুগের সূচনা হয়েছিল। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিংশ শতাব্দীর বিশ ও ত্রিশের দশকে বাংলা সাহিত্যে আধুনিকতার যে হাওয়া লেগেছিল তার কেন্দ্রবিন্দু ছিল এই পত্রিকা। - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রভাব থেকে বেরিয়ে নতুন ধারার বাস্তববাদী সাহিত্য সৃষ্টির ক্ষেত্রে কল্লোল পত্রিকার ভূমিকা ছিল অপরিসীম। - কাজী নজরুল ইসলাম, অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত, বুদ্ধদেব বসুর মতো অনেক প্রথিতযশা সাহিত্যিক এই পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) বুদ্ধদেব বসু — তিনি কল্লোল পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং পরবর্তী সময়ে বিখ্যাত 'কবিতা' পত্রিকার সম্পাদক হয়েছিলেন। - B) সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। - C) সজনীকান্ত দাস — তিনি কল্লোল যুগের তীব্র সমালোচক ছিলেন এবং শনিবারের চিঠি পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে পরিচিত ছিলেন। - D) প্রেমেন্দ্র মিত্র — তিনি কল্লোল যুগের অন্যতম প্রধান সাহিত্যিক ও কবি হলেও এই পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন না। মনে রাখার টিপস: - কল্লোল মানে ঢেউ, আর দীনেশরঞ্জন দাশ এই সাহিত্য আন্দোলনের প্রথম জোয়ার এনেছিলেন।
a হুমায়ুন আজাদ
b হেলাল হাফিজ
c আসাদ চৌধুরী
d রফিক আজাদ
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) হুমায়ুন আজাদ ১. কেন সঠিক: প্রশ্নটিতে একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়েছে। 'অলৌকিক ইস্টিমার' হলো বিশিষ্ট লেখক ও গবেষক হুমায়ুন আজাদের লেখা একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও আলোচিত কাব্যগ্রন্থ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: হুমায়ুন আজাদ ছিলেন বিংশ শতাব্দীর শেষভাগের অন্যতম প্রধান আধুনিক বাংলা কবি, ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক ও ভাষাবিবিজ্ঞানী। তাঁর কবিতায় বুদ্ধিবৃত্তিক চেতনা, দ্রোহ, রোমান্টিকতা এবং সমসাময়িক সমাজের নানা অসঙ্গতির বিরুদ্ধে শক্তিশালী প্রকাশ দেখা যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'সব কিছু নষ্টদের অধিকারেও যাবে' ব্যাখ্যা: এটি হুমায়ুন আজাদের লেখা আরেকটি অত্যন্ত বিখ্যাত ও জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ, যা তাঁর কাব্য প্রতিভার অনন্য নিদর্শন। উদাহরণ ২: 'জলপাই রঙের অন্ধকার' ব্যাখ্যা: এটিও হুমায়ুন আজাদের রচিত একটি সাড়া জাগানো কাব্যগ্রন্থ, যেখানে আধুনিক কবির মননশীলতা প্রকাশ পেয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হুমায়ুন আজাদ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই কাব্যগ্রন্থটি তাঁরই সৃষ্টি। B) হেলাল হাফিজ — এই কবি তাঁর 'যে জলে আগুন জ্বলে' কাব্যগ্রন্থের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত, তাই এটি সঠিক নয়। C) আসাদ চৌধুরী — তিনি একজন প্রখ্যাত বাঙালি কবি ও সাহিত্যিক, তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'বাতাস ১০১টি বেদনার আব্রু', যা এই প্রশ্নের সঙ্গে মেলে না। D) রফিক আজাদ — এই বিশিষ্ট কবি 'হাতে মাত্র কটি দিন' এবং 'সীমাবদ্ধ জলে সীমিত সবুজ' কাব্যগ্রন্থের জন্য পরিচিত, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: হুমায়ুন আজাদের কবিতা ও কাব্যগ্রন্থ মনে রাখতে ইস্টিমার শব্দটি মাথায় রাখতে পারো, কারণ তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থের নামই 'অলৌকিক ইস্টিমার'। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই হুমায়ুন আজাদের প্রথম কাব্যগ্রন্থ বা জনপ্রিয় বইগুলোর নাম জানতে চাওয়া হয়। লেখকের অন্যান্য বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলোর নামও ভালোভাবে দেখে যাওয়া উচিত।
a আইন
b প্রথা
c শুল্ক
d রাজস্বনীতি
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্রথা ১. কেন সঠিক: - 'Custom' ইংরেজি শব্দটির বাংলা পরিভাষা হিসেবে 'প্রথা' শব্দটি সবচেয়ে উপযুক্ত ও সর্বজনগ্রাহ্য। - সমাজে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা আচার, আচরণ ও নিয়মকে প্রথা বলা হয়, যা ইংরেজি কাস্টম শব্দের সঠিক ভাবার্থ প্রকাশ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি পারিভাষিক শব্দ সম্পর্কিত প্রশ্ন। - বিদেশি শব্দ বা আন্তর্জাতিক পরিভাষার সঠিক ও মানসম্মত বাংলা রূপ তৈরি করার জন্য বাংলা একাডেমি কর্তৃক নির্ধারিত পরিভাষা ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: Social custom ব্যাখ্যা: এর সঠিক বাংলা পরিভাষা হলো সামাজিক প্রথা। উদাহরণ ২: Cultural custom ব্যাখ্যা: এর সঠিক বাংলা পরিভাষা হলো সাংস্কৃতিক প্রথা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আইন — আইন শব্দের ইংরেজি পরিভাষা হলো Law, যা রাষ্ট্রের দ্বারা অনুমোদিত বাধ্যতামূলক নিয়ম। B) প্রথা — এটি সঠিক উত্তর কারণ কাস্টম শব্দের সঙ্গে এর সরাসরি অর্থ মিলে যায়। C) শুল্ক — শুল্ক শব্দের ইংরেজি পরিভাষা হলো Custom বা Duty, তবে কাস্টমস বা বহুবচনে শুল্ক বোঝায়। D) রাজস্বনীতি — রাজস্বনীতি শব্দের ইংরেজি পরিভাষা হলো Fiscal Policy বা Revenue Policy। ৫. মনে রাখার টিপস: - কাস্টম মানেই সমাজে প্রচলিত অভ্যাস বা প্রথা। - শুল্ক বা ট্যাক্সের ক্ষেত্রে কাস্টমস শব্দটি বহুবচনে ব্যবহৃত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পারিভাষিক শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - আইন সংক্রান্ত পরিভাষা এবং সামাজিক পরিভাষাগুলোর পার্থক্য ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a ব্রাহ্মণ্যযুগে নব মুসলিম ছিলেন বলে
b ইসলামের গুণকীর্তন করেছিলেন বলে
c প্রাচীন বাংলার বিদ্রোহী ছিলেন বলে
d প্রচলিত ধর্ম ও সংস্কার-বিদ্বেষী ছিলেন বলে
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রচলিত ধর্ম ও সংস্কার-বিদ্বেষী ছিলেন বলে ১. কেন সঠিক: - কাজী নজরুল ইসলাম তাঁর বিভিন্ন লেখা ও কবিতায় প্রচলিত গোঁড়ামি, অন্ধবিশ্বাস এবং সামাজিকভাবে চাপিয়ে দেওয়া কুসংস্কারের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন। - ইতিহাসে 'কালাপাহাড়' নামে পরিচিত ঐতিহাসিক চরিত্রটি মূলত সনাতন ধর্মীয় গোঁড়ামি ও মূর্তিপূজার তীব্র সমালোচক ও বিদ্রোহী হিসেবে পরিচিত ছিলেন, যা নজরুলের বিদ্রোহী চেতনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যে বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত এবং তাঁর সাহিত্যকর্মে সাম্যবাদ, দ্রোহ ও সংস্কারমুক্ত সমাজের ডাক পাওয়া যায়। - ঐতিহাসিক কালাপাহাড়ের আসল নাম রাজচন্দ্র বা করাপাহাড়, যিনি ষোড়শ শতাব্দীতে প্রচলিত ধর্মীয় অনুশাসন ও রক্ষণশীলতার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাজী নজরুল ইসলামের 'বিদ্রোহী' কবিতা। ব্যাখ্যা: এই কবিতায় কবি প্রচলিত সামাজিক শৃঙ্খল ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে নিজের আপসহীন ও বিদ্রোহী মনোভাব প্রকাশ করেছেন। উদাহরণ ২: কাজী নজরুল ইসলামের প্রবন্ধগ্রন্থ 'যুগবাণী'। ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থে কবি সমাজের প্রচলিত কুসংস্কার ও গোঁড়ামির বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনামূলক বক্তব্য তুলে ধরেছেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্রাহ্মণ্যযুগে নব মুসলিম ছিলেন বলে — এই তথ্যটি ঐতিহাসিক দিক থেকে সঠিক হলেও নজরুল তাঁকে এই কারণে স্মরণ করেননি, বরং তাঁর বিদ্রোহী সত্তাকে ফুটিয়ে তুলতে স্মরণ করেছেন। B) ইসলামের গুণকীর্তন করেছিলেন বলে — কালাপাহাড় ইসলাম ধর্মের গুণকীর্তন করেছিলেন এমন কোনো জোরালো ঐতিহাসিক প্রমাণ নেই, তাই এটি সঠিক নয়। C) প্রাচীন বাংলার বিদ্রোহী ছিলেন বলে — কালাপাহাড় মধ্যযুগের ব্যক্তিত্ব ছিলেন, প্রাচীন যুগের নন, তাই এই অপশনটি কালগতভাবে সঠিক নয়। D) প্রচলিত ধর্ম ও সংস্কার-বিদ্বেষী ছিলেন বলে — এটিই সঠিক কারণ কালাপাহাড় তৎকালীন প্রচলিত ধর্মীয় আচার ও সংস্কার ভেঙেছিলেন। ৫ মনে রাখার টিপস: - নজরুল বিদ্রোহী কবি ছিলেন, তাই তিনি বাংলা সাহিত্যে বা ইতিহাসে যেসব চরিত্র প্রচলিত সংস্কার ও গোঁড়ামি ভেঙেছেন, তাঁদের নিজের দ্রোহের প্রতীকে স্মরণ করেছেন। - কালাপাহাড় নামটির সঙ্গে সংস্কার ভাঙার বা বিদ্রোহী মনোভাবের ইতিহাস জড়িত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ঐতিহাসিক চরিত্রের সাহিত্যিক ব্যবহার বা রূপক অর্থে ব্যবহারের প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - বিদ্রোহী কবির কবিতায় ব্যবহৃত ঐতিহাসিক বা পৌরাণিক চরিত্রগুলোর অন্তর্নিহিত তাৎপর্য ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a বঙ্কিমচন্দ্রের ‘বিষবৃক্ষ’
b রবীন্দ্রনাথের ‘চোখের বালি’
c বঙ্কিমচন্দ্রের ‘কপালকুণ্ডলা’
d রবীন্দ্রনাথের ‘যোগাযোগ’
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বঙ্কিমচন্দ্রের ‘কপালকুণ্ডলা’ ১. কেন সঠিক: - ‘প্রদীপ নিবিয়া গেল!’ বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত বিখ্যাত ও নাটকীয় উদ্ধৃতি যা বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম সার্থক রোমান্সধর্মী উপন্যাস ‘কপালকুণ্ডলা’-র একেবারে শেষাংশে ব্যবহৃত হয়েছে। - উপন্যাসের প্রধান চরিত্র নবকুমার ও কপালকুণ্ডলার ট্র্যাজিক বা শোচনীয় পরিণতির মাধ্যমে উপন্যাসটির সমাপ্তি ঘটে, যেখানে এই অমর পঙ্ক্তিটি কাহিনীর চরম পরিণতি নির্দেশ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের জনক এবং বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক হিসেবে পরিচিত। - ‘কপালকুণ্ডলা’ প্রকাশিত হয় ১৮৬৬ সালে, যা তাঁর দ্বিতীয় এবং একটি সার্থক রোমান্টিক উপন্যাস। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘দুর্গেশনন্দিনী’ উপন্যাস। ব্যাখ্যা: এটি ১৮৬৫ সালে প্রকাশিত বঙ্কিমচন্দ্রের প্রথম উপন্যাস এবং বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস। উদাহরণ ২: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘বিষবৃক্ষ’ উপন্যাস। ব্যাখ্যা: এটি ১৮৭৩ সালে প্রকাশিত বঙ্কিমচন্দ্রের একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস যা বিধবা বিবাহ ও পরকীয়া প্রেম নিয়ে রচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বঙ্কিমচন্দ্রের ‘বিষবৃক্ষ’ — এটি বঙ্কিমচন্দ্রের লেখা একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস হলেও এতে ‘প্রদীপ নিবিয়া গেল!’ উদ্ধৃতিটি নেই। B) রবীন্দ্রনাথের ‘চোখের বাপী’ বা ‘চোখের বালি’ — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস, যার সঙ্গে এই উদ্ধৃতির কোনো সম্পর্ক নেই। C) বঙ্কিমচন্দ্রের ‘কপালকুণ্ডলা’ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই উপন্যাসের শেষ বাক্যে বিখ্যাত ‘প্রদীপ নিবিয়া গেল!’ বর্ণনাটি রয়েছে। D) রবীন্দ্রনাথের ‘যোগাযোগ’ — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিশিষ্ট উপন্যাস, যা যৌথ পরিবারের ভাঙন ও মনস্তত্ত্ব নিয়ে রচিত এবং এই প্রশ্নের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বঙ্কিমচন্দ্রের রোমান্টিক উপন্যাস ‘কপালকুণ্ডলা’ মনে রাখার জন্য এর শেষ পরিণতি ও ‘প্রদীপ নিবিয়া গেল’ লাইনটি মাথায় রাখতে পারো। - বঙ্কিমচন্দ্রের প্রথম উপন্যাস ‘দুর্গেশনন্দিনী’ (১৮৬৫) এবং দ্বিতীয় উপন্যাস ‘কপালকুণ্ডলা’ (১৮৬৬) পাশাপাশি মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপন্যাসের বিখ্যাত উদ্ধৃতি প্রায়ই আসে, তাই গুরুত্বপূর্ণ উপন্যাসের শেষ বা শুরুর লাইনগুলো ভালোভাবে পড়তে হবে। - বঙ্কিমচন্দ্রের উপন্যাসগুলোর প্রকাশের সাল এবং ধরন (রোমান্টিক নাকি সামাজিক) ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a মীর মশাররফ হোসেনের
b ইসমাইল হোসেন সিরাজীর
c রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের
d কাজী নজরুল ইসলাম
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মীর মশাররফ হোসেনের ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত উদ্ধৃতিটি বাংলা গদ্যের অন্যতম পথিকৃৎ মীর মশাররফ হোসেনের রচনা থেকে গৃহীত হয়েছে। - মাতৃভাষার প্রতি প্রগাঢ় ভক্তি ও ভালোবাসার গুরুত্ব বোঝাতে তিনি এই চিরন্তন বাণীটি প্রদান করেছেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মীর মশাররফ হোসেন উনিশ শতকের বাঙালি ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক হিসেবে অত্যন্ত বিখ্যাত। - তাঁর সাহিত্যকর্মে স্বদেশপ্রেম, সমাজসংস্কার এবং মাতৃভাষার প্রতি অগাধ ভালোবাসার প্রতিফলন স্পষ্টভাবে লক্ষ্য করা যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিষাদ সিন্ধু ব্যাখ্যা: এটি মীর মশাররফ হোসেনের সর্বশ্রেষ্ঠ ঐতিহাসিক উপন্যাস যা কারবালার বিষাদময় ঘটনার ওপর ভিত্তি করে রচিত। উদাহরণ ২: জমিদার দর্পণ ব্যাখ্যা: এটি নীলকর সাহেবদের অত্যাচারের বিরুদ্ধে রচিত তাঁর একটি বিখ্যাত ও প্রতিবাদী নাটক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মীর মশাররফ হোসেনের — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি মাতৃভাষার প্রতি ভক্তি ও গুরুত্ব নিয়ে এই উক্তিটি করেছেন। B) ইসমাইল হোসেন সিরাজীর — ইনি একজন প্রখ্যাত মুসলিম সাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক হলেও এই নির্দিষ্ট উদ্ধৃতিটি তাঁর নয়। C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের — ইনি বিশ্বকবি ও নোবেলজয়ী সাহিত্যিক হলেও এই উদ্ধৃতিটি তাঁর রচনা থেকে নেওয়া হয়নি। D) কাজী নজরুল ইসলাম — ইনি বাংলাদেশের জাতীয় কবি হলেও এই উক্তিটি তাঁর কোনো বিখ্যাত রচনার অংশ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: মাতৃভাষার প্রতি ভক্তির কথা এলেই উনিশ শতকের শক্তিমান লেখক মীর মশাররফ হোসেনকে মনে রাখবে। তাঁর বিখ্যাত রচনাগুলোর সঙ্গে এই দেশপ্রেমমূলক উক্তিটি মিলিয়ে পড়লে সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভিন্ন লেখকের বিখ্যাত উক্তি প্রায়ই আসে। লেখক পরিচিতি পড়ার সময় তাঁদের বিখ্যাত প্রবাদতুল্য উক্তি ও বাণীগুলো আলাদা করে নোট করে রাখা ভালো।
a তৃতীয় বর্ণ
b দ্বিতীয় ও চতুর্থ বর্ণ
c প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ণ
d দ্বিতীয় ও তৃতীয় বর্ণ
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দ্বিতীয় ও চতুর্থ বর্ণ কেন সঠিক: - বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণের বর্গের বর্ণগুলোর উচ্চারণের সময় বাতাসের আধিক্যের ওপর ভিত্তি করে মহাপ্রাণধ্বনি নির্ধারিত হয়। - বর্গের দ্বিতীয় ও চতুর্থ বর্ণ উচ্চারণের সময় মুখ দিয়ে অতিরিক্ত বাতাস বা দীর্ঘশ্বাস নির্গত হয় বলে এগুলো মহাপ্রাণধ্বনি। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা বর্ণমালায় ক থেকে ম পর্যন্ত পঁচিশটি স্পর্শ বর্ণ বা বর্গীয় বর্ণকে পাঁচটি বর্গে ভাগ করা হয়েছে। - প্রাণ শব্দের অর্থ বাতাস বা নিঃশ্বাস, আর মহা অর্থ বেশি। - উদাহরণস্বরূপ ক বর্গের ক (অল্পপ্রাণ) ও খ (মহাপ্রাণ), গ (অল্পপ্রাণ) ও ঘ (মহাপ্রাণ)। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) তৃতীয় বর্ণ — এটি অল্পপ্রাণধ্বনি ও ঘোষধ্বনির অন্তর্ভুক্ত। - B) দ্বিতীয় ও চতুর্থ বর্ণ — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। - C) প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ণ — প্রথম বর্ণ অল্পপ্রাণধ্বনি হওয়ায় এই অপশন ভুল। - D) দ্বিতীয় ও চতুর্থ বর্ণ — এটি সঠিক অপশন। মনে রাখার টিপস: - বিজোড় বর্ণগুলো (প্রথম ও তৃতীয়) অল্পপ্রাণ এবং জোড় বর্ণগুলো (দ্বিতীয় ও চতুর্থ) মহাপ্রাণধ্বনি।
a দেশি উপসর্গযোগে
b বিদেশি উপসর্গযোগে
c সংস্কৃত উপসর্গযোগে
d কোনোটি নয়
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কোনোটি নয় ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত সঠিক উত্তর অনুযায়ী 'কদাকার' শব্দটি যে উপসর্গযোগে গঠিত, তা অপশনগুলোর মধ্যে নেই। - কারণ 'কদাকার' শব্দটি একটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ 'কদ' যোগে গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - যে শব্দাংশ বা শব্দমূল ধাতুর পূর্বে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে তাকে উপসর্গ বলে। - 'কদাকার' শব্দটির গঠন হলো কু বা কদ যোগ আকার, যেখানে 'কদ' একটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কদবেল ব্যাখ্যা: এটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ 'কদ' যোগে গঠিত একটি পরিচিত শব্দ। উদাহরণ ২: কদাকার ব্যাখ্যা: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী 'কদ' হলো একটি স্বতন্ত্র খাঁটি বাংলা উপসর্গ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দেশি উপসর্গযোগে — সঠিক উত্তর 'কদ' একটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ হলেও সাধারণত প্রমিত ব্যাকরণে খাঁটি বাংলা ও বিদেশি উপসর্গ আলাদা শ্রেণিতে ধরা হয়। B) বিদেশি উপসর্গযোগে — 'কদ' কোনো বিদেশি বা আরবি ফারসি উপসর্গ নয়, এটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ। C) সংস্কৃত উপসর্গযোগে — সংস্কৃত উপসর্গ মোট কুড়িটি, যার মধ্যে 'কদ' উপসর্গ অন্তর্ভুক্ত নয়। D) কোনোটি নয় — কদাকার শব্দটি খাঁটি বাংলা উপসর্গযোগে গঠিত হওয়ায় তা ওপরের কোনো অপশনের সঙ্গেই মিলছে না। ৫ মনে রাখার টিপস: - খাঁটি বাংলা উপসর্গ একুশটি মনে রাখার জন্য ছক মুখস্থ রাখলে এই ধরনের উপসর্গ সহজেই আলাদা করা যায়। - কদ, সু, নি, রাম ইত্যাদি বহুল ব্যবহৃত খাঁটি বাংলা উপসর্গ ভালো করে চর্চা করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই উপসর্গ চিহ্নিত করার প্রশ্ন আসে, তাই খাঁটি বাংলা ও সংস্কৃত উপসর্গের তালিকা ভালোভাবে পড়তে হবে। - শব্দের প্রকৃতি ও প্রত্যয় বা উপসর্গ নির্ণয়ের সময় শব্দের মূল অংশ আলাদা করে দেখতে হবে।
a মাত্রাবৃত্ত
b অক্ষরবৃত্ত
c মুক্তক
d স্বরবৃত্ত
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) স্বরবৃত্ত ১. কেন সঠিক: মুক্তাক্ষর এক মাত্রা এবং বদ্ধাক্ষরও এক মাত্রা গণনা করা হয় স্বরবৃত্ত ছন্দে। এই ছন্দে ধ্বনির স্বাভাবিক উচ্চারণ গুরুত্ব পায় এবং প্রতি চরণে শব্দের ঝংকার বা লয় প্রধান থাকে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: স্বরবৃত্ত ছন্দকে ছড়া ছন্দ, দলবৃত্ত ছন্দ বা লৌকিক ছন্দ বলা হয়। এই ছন্দে শব্দের আদি অক্ষর প্রবলভাবে উচ্চারিত হয় এবং প্রতিটি অক্ষর এক মাত্রা হিসেবে গণ্য করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আম পাতা জোড়া জোড়া। ব্যাখ্যা: এখানে প্রতিটি মুক্তাক্ষর ও বদ্ধাক্ষর এক মাত্রা হিসেবে গণনা করা হয়েছে। উদাহরণ ২: খুকুমণি ছানা জলে দিল বানা। ব্যাখ্যা: এই লাইনেও অক্ষর সংখ্যা এবং মাত্রা গণনা স্বরবৃত্ত ছন্দের নিয়মে সম্পন্ন হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাত্রাবৃত্ত — এই ছন্দে মুক্তাক্ষর এক মাত্রা হলেও দীর্ঘ স্বরান্ত বদ্ধাক্ষর দুই মাত্রা হিসেবে গণনা করা হয়। B) অক্ষরবৃত্ত — এই ছন্দে মুক্তাক্ষর এক মাত্রা এবং শব্দের অন্তে অবস্থিত বদ্ধাক্ষর ছাড়া অন্য বদ্ধাক্ষর দুই মাত্রা পায়। C) মুক্তক — এটি প্রথাগত ছন্দের কাঠামোগত নাম নয়, বরং ছন্দমুক্ত রচনার একটি আধুনিক রূপ। D) স্বরবৃত্ত — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এই ছন্দের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণভাবে প্রযোজ্য ও নির্ভুল। ৫. মনে রাখার টিপস: স্বরবৃত্ত ছন্দে সব সমান অর্থাৎ মুক্তাক্ষর ও বদ্ধাক্ষর উভয়েই এক মাত্রা পায়। ছড়া বা লোকগীতিতে এই ছন্দের ব্যবহার সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা কাব্যে স্বরবৃত্ত ছন্দকে প্রাচীনতম ও বাংলার মাটিঘেঁষা ছন্দ হিসেবে ধরা হয়। বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ছন্দ ও মাত্রা গণনা থেকে প্রায়ই এই ধরনের প্রশ্ন আসে।
a অহিংস – সহিংস
b প্রসন্ন – বিষন্ন
c দোষী – নির্দোষী
d নিষ্পাপ – পাপিনী
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দোষী – নির্দোষী ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত প্রশ্নটি বিপরীতার্থক শব্দের ভুল জোড় চিহ্নিতকরণ সম্পর্কিত ব্যাকরণ অংশ থেকে এসেছে। - দোষী শব্দের সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ হলো নির্দোষ, তাই নির্দোষী শব্দটি ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ ও অপ্রমিত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে বিশেষ্য বা বিশেষণের বিপরীত শব্দ গঠনের সময় অতিরিক্ত প্রত্যয় বা অংশ যোগ করে শব্দের মূল গঠন নষ্ট করা যায় না। - দোষী শব্দের অর্থ অপরাধী এবং এর বিপরীত হিসেবে নির্দোষ ব্যবহার করা হয়, যেখানে দোষ মুক্ত অবস্থা বোঝাতে নির্দোষী বলা সম্পূর্ণ ভুল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দোষ – গুণ ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল প্রচলিত ও সঠিক বিপরীতার্থক শব্দের জোড় যা বিশেষ্য পদে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: দোষী – নির্দোষ ব্যাখ্যা: দোষী শব্দের সঠিক বিপরীত শব্দ হলো নির্দোষ, যা প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী সম্পূর্ণ শুদ্ধ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অহিংস – সহিংস — এটি একটি সঠিক বিপরীতার্থক শব্দের জোড়, তাই এটি উত্তর হবে না। B) প্রসন্ন – বিষন্ন — এটিও একটি সঠিক বিপরীতার্থক শব্দের জোড়, তাই এটি উত্তর হবে না। C) দোষী – নির্দোষী — এটি অশুদ্ধ জোড় কারণ নির্দোষী প্রমিত নয়, সঠিক রূপ হলো নির্দোষ। D) নিষ্পাপ – পাপিনী — এটি একটি অর্থপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য বিপরীতার্থক শব্দের জোড়, তাই এটি উত্তর হবে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - দোষী শব্দের সাথে অতিরিক্ত ই প্রত্যয় যুক্ত করে নির্দোষী বানাবেন না। - মনে রাখবেন দোষী এর বিপরীত শুধু নির্দোষ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের প্রমিত রূপ ও বিপরীতার্থক শব্দ সংক্রান্ত প্রশ্নে বাড়তি প্রত্যয়যুক্ত ভুল শব্দগুলো প্রায়ই অপশনে থাকে। - তাই প্রমিত বিপরীত শব্দ চেনার অভ্যাস রাখতে হবে।
a রামনিধি গুপ্ত
b দাশরথি রায়
c এন্টনি ফিরিঙ্গি
d রামপ্রসাদ সেন
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রামপ্রসাদ সেন ১. কেন সঠিক: - রামপ্রসাদ সেন বাংলা সাহিত্য ইতিহাসে শাক্ত পদাবলির প্রধান ও সর্বাধিক জনপ্রিয় আদি কবি হিসেবে পরিচিত। - শাক্ত পদাবলি বলতে দেবী দুর্গা বা কালীকে কেন্দ্র করে রচিত ভক্তিমূলক পদ বা গানকে বোঝায়, যা সাধক কবি রামপ্রসাদের হাত ধরেই পূর্ণতা লাভ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে বৈষ্ণব পদাবলির পাশাপাশি শাক্ত পদাবলি একটি স্বতন্ত্র ও গুরুত্বপূর্ণ ধারা সৃষ্টি করেছিল। - রামপ্রসাদ সেন দেবী কালীর সাধক ছিলেন এবং তাঁর রচিত পদগুলোতে মাতৃরূপী ঈশ্বরের প্রতি গভীর আকুলতা ও ভক্তি প্রকাশিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মন রে কৃষিকাজ জানো না ব্যাখ্যা: এটি রামপ্রসাদ সেনের একটি বিখ্যাত শাক্ত পদ, যেখানে মনকে কৃষিজমির সঙ্গে তুলনা করে ভক্তির সাধনা করতে বলা হয়েছে। উদাহরণ ২: ওরে আমার মনের মানুষ কেন রে করাস এত জ্বালা ব্যাখ্যা: এটিও রামপ্রসাদ সেন রচিত আধ্যাত্মিক চেতনায় সমৃদ্ধ একটি জনপ্রিয় শাক্ত পদ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রামনিধি গুপ্ত — রামনিধি গুপ্ত বা নিধু বাবু বাংলা টপ্পা গানের জন্য বিখ্যাত, শাক্ত পদাবলির জন্য নন। B) দাশরথি রায় — দাশরথি রায় বা দাশু রায় বাংলা সাহিত্যের পাঁচালি গানের জন্য সবচেয়ে বেশি বিখ্যাত। C) এন্টনি ফিরিঙ্গি — এন্টনি ফিরিঙ্গি বাংলার কবিয়াল বা কবিগানের একজন বিখ্যাত চর্চাকারী ও গীতিকার ছিলেন। D) রামপ্রসাদ সেন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - শাক্ত পদ মানেই দেবী কালী বা দুর্গার বন্দনা, আর এর আদি গুরু বা শ্রেষ্ঠ কবি হলেন সাধক রামপ্রসাদ সেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শাক্ত পদাবলি এবং রামপ্রসাদ সেন সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - পদাবলি সাহিত্য দুটি ধারায় বিভক্ত, যার একটি কৃষ্ণকে কেন্দ্র করে বৈষ্ণব পদাবলি এবং অন্যটি শক্তি দেবীকে কেন্দ্র করে শাক্ত পদাবলি।
a অপনোদন অর্থে
b পূজা অর্থে
c বিলানো অর্থে
d উপহার অর্থে
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পূজা অর্থে ১. কেন সঠিক: - বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত গানের পঙক্তিতে নিছনি শব্দটি ভক্তি ও সমর্পণের অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। - এখানে চরণতলে নিছনি দেওয়ার অর্থ হলো নিজের সমস্ত সুখ ব্যাকুলতা ও আবেগ দেবতার বা প্রিয়জনের চরণে উৎসর্গ করা বা পূজা নিবেদন করা। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্য জগতের এক প্রবাদপ্রতিম ব্যক্তিত্ব যিনি কবিতা গান ছোটগল্প উপন্যাস ও প্রবন্ধ লিখে বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছেন। - এই গানটি তার ভক্তিমূলক ও পূজামুলক গানের ধারার অন্তর্ভুক্ত যেখানে আত্মনিবেদন ও ভক্তির গভীর প্রকাশ ঘটেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমার মাথা নত করে দাও হে তোমার চরণধুলার তলে। ব্যাখ্যা: এই গানেও ঈশ্বরের চরণে সম্পূর্ণ আত্মনিবেদন ও পূজার ভাব প্রকাশ পেয়েছে যা মূল প্রশ্নের ভাবার্থের সঙ্গে মিলে যায়। উদাহরণ ২: পূজা অচনার সমারোহে আমি তোমায় শুধু দেবো অঞ্জলি। ব্যাখ্যা: এই পঙক্তিতে পূজার মাধ্যমে ভক্তি নিবেদনের ঐতিহ্যবাহী সাহিত্যিক রূপ প্রকাশ পেয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অপনোদন অর্থে — অপনোদন শব্দের অর্থ দূর করা বা নিবারণ করা যা এই ভক্তিমূলক গানে প্রযোজ্য নয়। B) পূজা অর্থে — এই অপশনটি সঠিক কারণ গানে চরণতলে নিছনি দেওয়ার অর্থ ভক্তিভরে পূজা বা সমর্পণ করা বোঝায়। C) বিলানো অর্থে — বিলানো অর্থ বিতরণ করা বা ছড়িয়ে দেওয়া কিন্তু চরণতলে নিছনি দেওয়ার মাধ্যমে বিতরণ বোঝায় না। D) উপহার অর্থে — উপহার মানে উপঢৌকন বা হাদিয়া কিন্তু নিছনি শব্দটির গভীর আত্মিক ও পূজামুলক ভাব রয়েছে যা কেবল সাধারণ উপহারের চেয়ে ব্যাপক। ৫ মনে রাখার টিপস: - রবীন্দ্রনাথের গানে নিছনি বা নিছনি দেওয়া শব্দ পেলে বুঝতে হবে তা ভক্তি নিবেদন বা পূজা অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। - চরণতলে নিছনি দেওয়ার চিত্রটি সবসময় আত্মোৎসর্গ ও পূজার সঙ্গে সম্পর্কিত। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রবীন্দ্রনাথের গান ও কবিতার বিশেষ শব্দের অর্থ প্রায়ই আসে। - সাহিত্যিক উদ্ধৃতির ক্ষেত্রে শব্দের আক্ষরিক অর্থের চেয়ে কাব্যিক ও ভাবার্থের ওপর বেশি নজর দিতে হবে।
a মোতাহের হোসেন চৌধুরী
b রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী
c প্রমথ চৌধুরী
d কাজী আব্দুল ওদুদ
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মোতাহের হোসেন চৌধুরী কেন সঠিক: - এই বিখ্যাত উক্তিটি মোতাহের হোসেন চৌধুরীর সংস্কৃতি বিষয়ক মননশীল প্রবন্ধ থেকে নেওয়া হয়েছে। - লেখক প্রবন্ধে ধর্ম ও সংস্কৃতির পারস্পরিক সম্পর্ক এবং তাদের গভীর রূপ ফুটিয়ে তুলতে এই উক্তিটি ব্যবহার করেছেন। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা প্রবন্ধ সাহিত্যের একটি অত্যন্ত পরিচিত দার্শনিক ও গভীর অর্থবহ উদ্ধৃতি। - এখানে লেখকের সাবলীল গদ্যশৈলী ও মননশীল চিন্তার প্রকাশ ঘটেছে যা উচ্চমাধ্যমিক বা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। - এই ধরনের উক্তিভিত্তিক প্রশ্ন সাধারণত প্রাবন্ধিকের মূল বক্তব্য যাচাই করার জন্য করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) মোতাহের হোসেন চৌধুরী — এই অপশনটি সঠিক কারণ উক্তিটি তারই রচিত প্রবন্ধের অংশ। - B) রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী — তিনি বিজ্ঞান ও বাংলা সাহিত্যে মননশীল প্রবন্ধের জন্য পরিচিত হলেও এই উক্তির প্রবক্তা নন। - C) প্রমথ চৌধুরী — তিনি বাংলা চলিত রীতির প্রবর্ক ও বীরবল ছদ্মনামের লেখক হলেও এই উক্তিটি তার নয়। - D) কাজী আব্দুল ওদুদ — তিনি বুদ্ধিমুক্তির আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা হলেও এই উক্তিটির রচয়িতা নন। মনে রাখার টিপস: - ধর্ম সাধারণ লোকের আর সংস্কৃতি শিক্ষিতদের এমন কথা বললে মোতাহের হোসেন চৌধুরীর কথা মনে রাখবে।
a আপনি স্বপরিবারে আমন্ত্রিত।
b তার কথা শুনে আমি আশ্চার্যান্বিত হলাম।
c তোমার পরশ্রীকাতরতায় আমি মুগ্ধ।
d সেদিন থেকে তিনি সেখান আর যায় না।
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাক্য ও বাক্যশুদ্ধি সঠিক উত্তর: B) তার কথা শুনে আমি আশ্চার্যান্বিত হলাম। ১. কেন সঠিক: - 'আশ্চার্যান্বিত' শব্দটি বাক্যে সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে এবং এর ব্যাকরণগত গঠন ও অর্থ সম্পূর্ণ সঠিক। - এই বাক্যের প্রতিটি পদের মধ্যে অন্বয় বা পদের মিল যথাযথভাবে রক্ষিত হয়েছে, যা বাক্যকে অর্থপূর্ণ করে তুলেছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাক্যশুদ্ধির নিয়ম অনুযায়ী বাক্যে পদপ্রকরণ, কারক, বচন ও প্রত্যয়জনিত ভুল থাকা যাবে না। - বাংলা ব্যাকরণে কিছু শব্দের গঠন প্রমিত নিয়ম মেনে চলে, যা বাক্যের সৌন্দর্য ও শুদ্ধতা রক্ষা করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সব পাখিরা আকাশে ওড়ে। (ভুল) সব পাখি আকাশে ওড়ে। (শুদ্ধ) ব্যাখ্যা: 'সব' শব্দটি ব্যবহারের পর বহুবচনবাচক 'রা' যোগ করা বাহুল্য দোষ বা ভুল। উদাহরণ ২: তিনি সপরিবারে উপস্থিত ছিলেন। (শুদ্ধ) তিনি স্বপরিবারে উপস্থিত ছিলেন। (ভুল) ব্যাখ্যা: 'পরিবার' শব্দের সাথে 'সহ' যুক্ত হয়ে 'সপরিবারে' হয়, তাই 'স্বপরিবারে' লেখা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আপনি স্বপরিবারে আমন্ত্রিত। — 'স্বপরিবারে' শব্দটি ভুল, এর শুদ্ধ রূপ হবে 'সপরিবারে'। B) তার কথা শুনে আমি আশ্চার্যান্বিত হলাম। — এটি একটি সঠিক বাক্য এবং প্রশ্নে নির্দিষ্ট করা উত্তর। C) তোমার পরশ্রীকাতরতায় আমি মুগ্ধ। — 'পরশ্রীকাতরতা' একটি নেতিবাচক গুণ, তাই এর প্রতি মুগ্ধতা প্রকাশ করা ভাবগত দিক থেকে অসংগত। D) সেদিন থেকে তিনি সেখান আর যায় না। — বাক্যের ক্রিয়াপদ 'যায় না' এর সাথে কর্তা 'তিনি' এর পুরুষগত মিল নেই, শুদ্ধ রূপ হবে 'যান না'। ৫. মনে রাখার টিপস: বাক্য শুদ্ধ করার সময় প্রথমে বানান, এরপর পদের মিল এবং সবশেষে অর্থের সংগতি ভালোভাবে মিলিয়ে দেখতে হবে। বাধ্যতামূলকভাবে বাহুল্য দোষ এবং প্রমিত রূপের ব্যবহার সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই 'সপরিবারে' বনাম 'স্বপরিবারে' জাতীয় বানান বা প্রয়োগগত শুদ্ধি আসে। বাক্য শুদ্ধীকরণের ক্ষেত্রে পদের গঠন এবং অর্থগত দিক একসঙ্গে বিবেচনা করতে হয়।
a শোককবিতা
b পত্রকাব্য
c খণ্ড কবিতা
d কোরাসগান
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কোরাসগান ১. কেন সঠিক: Ode শব্দের মূল অর্থ হলো কোরাস গান বা স্তবগান যা প্রাচীন গ্রিসে ঐকতানে গাওয়া হতো। পরবর্তীকালে এটি নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি, বস্তু বা ভাবের প্রশংসায় রচিত উচ্চভাবের গীতিববিতা হিসেবে পরিচিত লাভ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: ইংরেজি সাহিত্যের ওড বা গীতিববিতা বাংলায় সার্থকভাবে প্রবর্তন করেন কবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত। এর মূল বৈশিষ্ট্য হলো গম্ভীর সুর, উন্নত ভাব এবং নির্দিষ্ট কোনো বিষয় বা সত্তার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা প্রকাশ করা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জন কীটসের ওড টু আ নাইটিনডেল ব্যাখ্যা: এটি একটি বিখ্যাত ইংরেজি ওড বা স্তবগান। উদাহরণ ২: শেলির ওড টু দ্য ওয়েস্ট উইন্ড ব্যাখ্যা: এটি প্রকৃতির পশ্চিম বায়ুর উদ্দেশ্যে রচিত বিশ্বখ্যাত ওড। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শোককবিতা — শোককবিতা বলতে এলিজিয়া বা মার্সিয়া বোঝায়, ওড নয়। B) পত্রকাব্য — পত্রকাব্য হলো চিঠির আকারে লেখা কাব্য, যা ওডের সংজ্ঞার সঙ্গে মেলে না। C) খণ্ড কবিতা — খণ্ড কবিতা একটি সাধারণ ছোট আকৃতির কবিতা, ওডের নির্দিষ্ট গম্ভীর রূপ এখানে থাকে না। D) কোরাসগান — এটি ওডের মূল ঐতিহাসিক ও আক্ষরিক অর্থকে নির্দেশ করে সঠিক হিসেবে বিবেচিত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: ওড শব্দ দেখলে মনে রাখবে এটি গ্রিক কোরাসগান থেকে আসা প্রশংসা বা স্তবমূলক কবিতা। শেকসপিয়র বা কীটসের ওডগুলোর কথা মাথায় রাখলে এই প্রশ্ন সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ইংরেজি কাব্যরূপের বাংলা প্রতিশব্দ প্রায়ই আসে। ওডের ক্ষেত্রে স্তবগান বা কোরাস গান এবং এলিজি শব্দের ক্ষেত্রে শোককবিতা বা মরমী গাথা ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a বাংলা ধ্বনিবিজ্ঞান
b আধুনিক বাংলা ধ্বনিবিজ্ঞান
c ধ্বনিবিজ্ঞানের কথা
d ধ্বনিবিজ্ঞান ও বাংলা ধ্বনিতত্ত্ব
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ধ্বনিবিজ্ঞান ও বাংলা ধ্বনিতত্ত্ব ১. কেন সঠিক: ডক্টর মুহাম্মদ আবদুল হাই রচিত বাংলা ধ্বনিবিজ্ঞান বিষয়ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও প্রামাণ্য গ্রন্থটির নাম হলো ধ্বনিবিজ্ঞান ও বাংলা ধ্বনিতত্ত্ব। ভাষাবিজ্ঞানে ধ্বনির উচ্চারণ, প্রকৃতি ও রূপান্তর নিয়ে গবেষণায় এই গ্রন্থটি একটি মাইলফলক হিসেবে স্বীকৃত। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: ডক্টর মুহাম্মদ আবদুল হাই একজন প্রখ্যাত ভাষাবিজ্ঞানী, গবেষক ও অধ্যাপক যিনি বাংলা ভাষার ধ্বনিতত্ত্ব নিয়ে গভীর গবেষণা করেছেন। তার এই গ্রন্থটিতে বাংলা ধ্বনির বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ এবং বাংলা ধ্বনিতত্ত্বের বিস্তারিত রূপরেখা অত্যন্ত মুনিয়ানার সঙ্গে তুলে ধরা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ডক্টর মুহাম্মদ আবদুল হাই ও সৈয়দ আলী আহসান রচিত বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস বিষয়ক গ্রন্থ হলো বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত। ব্যাখ্যা: এটিও বাংলা সাহিত্যের গবেষকদের জন্য একটি অত্যন্ত মৌলিক ও অপরিহার্য গ্রন্থ। উদাহরণ ২: সুনীতি কুমার চট্টোপাধ্যায়ের লেখা ভাষা বিষয়ক বিখ্যাত গ্রন্থ হলো ওম সুনীতি কুমার চট্টোপাধ্যায় রচিত ওডিবিএল বা দ্য অরিজিন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অফ দ্য বেঙ্গলি ল্যাঙ্গুয়েজ। ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ নিয়ে রচিত সর্বকালের সেরা গবেষণা গ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাংলা ধ্বনিবিজ্ঞান — এটি মুহাম্মদ আবদুল হাইয়ের গ্রন্থটির সঠিক ও পূর্ণাঙ্গ নাম নয় বরং একটি কাল্পনিক বা অসম্পূর্ণ নাম। B) আধুনিক বাংলা ধ্বনিবিজ্ঞান — এই নামের কোনো প্রখ্যাত ভাষাতাত্ত্বিক গ্রন্থ ডক্টর মুহাম্মদ আবদুল হাই রচনা করেননি। C) ধ্বনিবিজ্ঞানের কথা — এটি ধ্বনিবিজ্ঞান বিষয়ক কোনো প্রখ্যাত লেখকের প্রধান গবেষণা গ্রন্থের নাম হিসেবে স্বীকৃত নয়। D) ধ্বনিবিজ্ঞান ও বাংলা ধ্বনিতত্ত্ব — এটি মুহাম্মদ আবদুল হাই রচিত ধ্বনিবিজ্ঞান বিষয়ক প্রকৃত ও সঠিক গ্রন্থের নাম। ৫. মনে রাখার টিপস: মুহাম্মদ আবদুল হাইয়ের নামের সঙ্গে ধ্বনিতত্ত্ব শব্দটি যুক্ত করে এই গ্রন্থটি মনে রাখা সবচেয়ে সহজ কৌশল। ভাষাবিজ্ঞান বা ধ্বনিতত্ত্ব বললেই ডক্টর মুহাম্মদ আবদুল হাই এবং তার এই বিখ্যাত গ্রন্থটির নাম মনে করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাষাবিজ্ঞান ও ব্যাকরণগ্রন্থ রচয়িতাদের নাম প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। ডক্টর মুহাম্মদ আবদুল হাইয়ের সাহিত্যকর্ম ও ভাষাতাত্ত্বিক গবেষণা সম্পর্কিত তথ্যগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করা চাকরি পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
a পাবক
b বহ্নি
c হুতাশন
d প্রজ্বলিত
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রজ্বলিত ১. কেন সঠিক: প্রজ্বলিত শব্দটি একটি বিশেষণ পদ, যার অর্থ যা জ্বলছে বা প্রদীপ্ত করা হয়েছে। এটি আগুনের অবস্থা বোঝায়, কিন্তু অগ্নি শব্দের সরাসরি সমার্থক কোনো নামবাচক বিশেষ্য নয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: সমার্থক শব্দ বা প্রতিশব্দ হলো সেই শব্দগুলো যাদের অর্থ প্রায় একই রকম হয়ে থাকে। অগ্নি শব্দের ক্ষেত্রে পাবক, বহ্নি, হুতাশন, অনল, সর্বভুক ইত্যাদি বিশেষ্য পদগুলো সরাসরি আগুনকে বোঝায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অনল ব্যাখ্যা: অনল শব্দটি অগ্নি বা আগুনের একটি অত্যন্ত পরিচিত সমার্থক শব্দ। উদাহরণ ২: পাবক ব্যাখ্যা: পাবক শব্দটি পবিত্রকারী অর্থে অগ্নি বা আগুনের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পাবক — এটি আগুনের একটি বহুল ব্যবহৃত সমার্থক শব্দ যা পবিত্র করে বলে পরিচিত। B) বহ্নি — এটি সংস্কৃত ভাষা থেকে আসা আগুনের একটি সরাসরি সমার্থক শব্দ। C) হুতাশন — এটি যজ্ঞের আগুন বা সাধারণভাবে অগ্নির একটি প্রচলিত সমার্থক শব্দ। D) প্রজ্বলিত — এটি আগুনের সমার্থক বিশেষ্য নয়, বরং আগুন জ্বলার একটি বিশেষ অবস্থা নির্দেশক বিশেষণ। ৫. মনে রাখার টিপস: অগ্নিকে মনে রাখার জন্য অনল, পাবক, বহ্নি, হুতাশন এই চারটি প্রধান নাম বারবার চর্চা করবে। প্রজ্বলিত হলো কাজের বা অবস্থার প্রকাশ, আর বাকিগুলো হলো বস্তুর নাম। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সমার্থক ও বিশেষণের পার্থক্য থেকে প্রশ্ন আসে। শব্দটি বিশেষ্য নাকি বিশেষণ, তা ভালোভাবে খেয়াল করলে সঠিক উত্তর সহজে নির্ণয় করা যায়।
a Achivement
b Acheivment
c Achievement
d Acheivement
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Achievement ১. কেন সঠিক: - ইংরেজি বানান শুদ্ধিকরণ নিয়মের অধীনে এই প্রশ্নটি এসেছে। - achievement শব্দটির অর্থ অর্জন বা সাফল্য, যার সঠিক বানান ছকে e এবং v এর সঠিক বিন্যাস প্রয়োজন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ইংরেজি বানান মনে রাখার ক্ষেত্রে i এবং e ব্যবহারের একটি সাধারণ নিয়ম রয়েছে, যেখানে সাধারণত c এর পরে ei এবং অন্য বর্ণের পরে ie বসে। - achievement শব্দের ক্ষেত্রে root শব্দ achieve এর সঙ্গে ment প্রত্যয় যুক্ত হয়ে এই বানানটি গঠিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: Believe ব্যাখ্যা: এখানে l বর্ণের পরে ie বসেছে, যা সাধারণ বানান নিয়ম অনুসরণ করে। উদাহরণ ২: Receive ব্যাখ্যা: এখানে c বর্ণের পরে ei বসেছে, যা বানান নিয়মের সঠিক প্রয়োগ নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Achivement — এই বানানটিতে i এবং e এর স্থান পরিবর্তন করা হয়েছে যা ভুল। B) Acheivment — এই বানানে e এবং i এর ভুল বিন্যাস ব্যবহার করা হয়েছে। C) Achievement — এটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং প্রমিত বানান রূপ। D) Acheivement — এই বানানে অতিরিক্ত e যুক্ত করা হয়েছে যা নিয়মবহির্ভূত। ৫. মনে রাখার টিপস: - achieve বানানটি মনে রাখতে পারলে তার সঙ্গে ment যোগ করে খুব সহজেই achievement বানানটি লেখা যায়। - বানানটি মনে রাখার জন্য syllables ভেঙে পড়া যেতে পারে যেমন a-chie-ve-ment। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ ও ইংরেজি থেকে আগত শব্দের বানান প্রায়ই পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করে। - এই ধরনের বানানের ক্ষেত্রে প্রত্যয় যুক্ত হওয়ার সময় মূল শব্দের পরিবর্তন সম্পর্কে ধারণা রাখা জরুরি।
a সুবিদিত
b সুগঠিত
c সুবিনীত
d বিধিত
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সুগঠিত ১. কেন সঠিক: - বিভা শব্দের অর্থ কিরণ বা আলো, যা এই সাদৃশ্যমূলক প্রশ্নে সমার্থক শব্দের সম্পর্ক নির্দেশ করছে। - সুবলিত শব্দের অর্থ সুন্দরভাবে গঠিত, তাই এর সমার্থক বা ভাবার্থের দিক থেকে সঠিক উত্তর সুগঠিত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা শব্দভান্ডারে সমার্থক বা কাছাকাছি অর্থের শব্দের ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - এই ধরনের প্রশ্নে প্রথম দুটি শব্দের সম্পর্কের আদলে পরের শব্দটির সঠিক রূপ বা সমার্থক শব্দ নির্ধারণ করতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অনল : আগুন : : বারি : পানি ব্যাখ্যা: অনল এবং আগুন যেমন সমার্থক শব্দ, বারি এবং পানিও তেমনি সমার্থক শব্দ। উদাহরণ ২: কুঞ্জ : বাগান : : কানন : বন ব্যাখ্যা: এখানে প্রতিটি জোড়ায় সমার্থক শব্দের পারস্পরিক সম্পর্ক বিদ্যমান রয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুবিদিত — এই শব্দের অর্থ ভালোভাবে জানা, যা কিরণ বা সুবলিত শব্দের সমার্থক নয়। B) সুগঠিত — এটি প্রশ্নের চাহিদার সঙ্গে সরাসরি মিলে যায় এবং সুবলিত শব্দের সঠিক সমার্থক রূপ। C) সুবিনীত — এই শব্দের অর্থ অত্যন্ত বিনীত বা নম্র, যা সুবলিত শব্দের অর্থের সঙ্গে মেলে না। D) বিধিত — এই শব্দের অর্থ জ্ঞাত বা বিধান করা হয়েছে যা নির্দিষ্ট শব্দের ভাব প্রকাশ করে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - সমার্থক শব্দভিত্তিক সাদৃশ্য প্রশ্নের ক্ষেত্রে শব্দগুলোর মূল অর্থ পরিষ্কারভাবে বুঝতে হবে। - প্রতিটি শব্দের উৎস এবং প্রচলিত সমার্থক রূপগুলো চর্চা করলে এই ধরনের প্রশ্নে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ এবং সমার্থক শব্দ থেকে প্রায়ই সাদৃশ্যমূলক প্রশ্ন আসে। - অপরিচিত শব্দের ক্ষেত্রে মূল ধাতুর অর্থ এবং উপসর্গের কাজ খেয়াল করে উত্তর বের করতে হয়।
a সমার্থক দ্বন্দ্ব
b বিপরীতার্থক দ্বন্দ্ব
c অলুক দ্বন্দ্ব
d একশেষ দ্বন্দ্ব
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অলুক দ্বন্দ্ব ১. কেন সঠিক: - যে দ্বন্দ্ব সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পায় না, তাকে অলুক দ্বন্দ্ব সমাস বলে। - এখানে জলে ও স্থলে শব্দ দুটির সাথে থাকা এ বিভক্তি সমাস সাধনের পরও অপরিবর্তিত থাকে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - দ্বন্দ্ব সমাসে উভয় পদের অর্থের সমান প্রাধান্য থাকে এবং সংবব্ধ পদে ও, এবং, বা অব্যয় ব্যবহৃত হয়। - অলুক শব্দের অর্থ হলো লোপ পায় না এমন, যা দ্বন্দ্ব সমাসের ক্ষেত্রে বিভক্তির লোপ না পাওয়ার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দেশে-বিদেশে ব্যাখ্যা: দেশে ও বিদেশে, যেখানে এ বিভক্তি বহাল থাকে। উদাহরণ ২: হাতে-কলমে ব্যাখ্যা: হাতে ও কলমে, যা অলুক দ্বন্দ্ব সমাসের আরেকটি সুপরিচিত উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সমার্থক দ্বন্দ্ব — এই সমাসে দুটি সমার্থক শব্দ মিলে দ্বন্দ্ব সমাস গঠন করে, যা এখানে হয়নি। B) বিপরীতার্থক দ্বন্দ্ব — এই সমাসে দুটি বিপরীতার্থক শব্দ ব্যবহৃত হয়, যেমন আয়-ব্যয়, কিন্তু জলে ও স্থলে বিপরীত শব্দ নয়। C) অলুক দ্বন্দ্ব — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি সঠিক। D) একশেষ দ্বন্দ্ব — এই সমাসে একাধিক পদের মধ্যে কেবল একটি পদ অবশিষ্ট থাকে, যেমন তুমি ও আমি সমান আমরা। ৫. মনে রাখার টিপস: - ব্যাসবাক্যে ও, এবং, বা থাকলে এবং সমস্ত পদে বিভক্তি অক্ষুণ্ণ থাকলে চোখ বন্ধ করে অলুক দ্বন্দ্ব সমাস দাগাবে। - বিভক্তি লোপ না পাওয়ার বিষয়টি মনে রাখলে এই সমাস নির্ণয় করা খুবই সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অলুক দ্বন্দ্ব সমাসের উদাহরণ প্রায়ই পরীক্ষাসমূহে আসে। - বিভক্তিযুক্ত পদ দেখলেই অলুক সমাসের কথা মাথায় রাখতে হবে।
a মানব
b গোলাপ
c একাঙ্ক
d ধাতব
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গোলাপ ১. কেন সঠিক: যেসব শব্দ বিশ্লেষণ করা যায় না বা ভেঙে যার কোনো অর্থ পাওয়া যায় না, সেগুলোকে মৌলিক শব্দ বলে। গোলাপ শব্দটিকে ভাঙলে এমন কোনো অংশ পাওয়া যায় না যা আলাদাভাবে কোনো অর্থ প্রকাশ করে, তাই এটি একটি মৌলিক শব্দ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: উৎপত্তির দিক থেকে বাংলা ভাষার শব্দগুলোকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়, যথা: মৌলিক শব্দ, সাধিত শব্দ এবং বিদেশী শব্দ। যে শব্দগুলোকে কোনো প্রত্যয়, উপসর্গ বা সন্ধির সাহায্য ছাড়াই প্রাকৃতিকভাবে তৈরি করা হয়েছে এবং বিশ্লেষণ করা যায় না, তা মৌলিক শব্দ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নাক ব্যাখ্যা: নাক শব্দটিকে ভাঙলে কোনো অর্থপূর্ণ অংশ পাওয়া যায় না, তাই এটি মৌলিক শব্দ। উদাহরণ ২: লাল ব্যাখ্যা: লাল একটি রঙের নাম এবং একে বিশ্লেষণ করা যায় না, তাই এটি মৌলিক শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মানব — মানব শব্দটি মনু শব্দের সঙ্গে অ প্রত্যয় যোগে গঠিত একটি সাধিত শব্দ, তাই এটি মৌলিক শব্দ নয়। B) গোলাপ — এটি সঠিক উত্তর কারণ গোলাপ একটি মৌলিক শব্দ এবং একে বিশ্লেষণ করা যায় না। C) একাঙ্ক — একাঙ্ক শব্দটিতে উপসর্গ বা প্রত্যয়ের প্রভাব রয়েছে এবং এটি সাধিত শব্দ, তাই মৌলিক শব্দ নয়। D) ধাতব — ধাতু শব্দের সঙ্গে অ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ধাতব শব্দটি গঠিত হয়েছে, যা একটি সাধিত শব্দ। ৫. মনে রাখার টিপস: ফুল, পাখি, হাত, নাক, লাল, তিন ইত্যাদি ছোট এবং চেনা শব্দগুলো সাধারণত মৌলিক শব্দ হয়। সাধিত শব্দ চেনার জন্য শব্দের শেষে প্রত্যয় বা শুরুতে উপসর্গ খোঁজার অভ্যাস করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মৌলিক ও সাধিত শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। সাধিত শব্দগুলো সাধারণত সন্ধি, সমাস, উপসর্গ বা প্রত্যয় যোগে গঠিত হয়, আর মৌলিক শব্দগুলো স্বাধীনভাবে ব্যবহৃত হয়।
a বঙ্গভাষা ও সাহিত্য
b বাঙ্গালা সাহিত্যের ইতিহাস
c বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত
d বাংলা সাহিত্যের কথা
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বাংলা সাহিত্যের কথা ১. কেন সঠিক: - 'বাংলা সাহিত্যের কথা' গ্রন্থটির রচয়িতা ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌, যা বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস বিষয়ক একটি অত্যন্ত প্রামাণিক গ্রন্থ। - এটি মূলত দুটি খণ্ডে প্রকাশিত হয়েছিল এবং এতে প্রাচীন ও মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্য নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌ ছিলেন একজন প্রখ্যাত বাঙালি ভাষাবিজ্ঞানী, গবেষক ও সাহিত্য ইতিহাসবিদ। - তাঁর রচিত 'বাংলা সাহিত্যের কথা' গ্রন্থে চর্যাপদ থেকে শুরু করে মধ্যযুগের বিভিন্ন সাহিত্যধারা সম্পর্কে গভীর পাণ্ডিত্যের পরিচয় পাওয়া যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌ সম্পাদিত চর্যাপদের গানগুলোর তাত্ত্বিক ও ভাষাতাত্ত্বিক বিশ্লেষণ। ব্যাখ্যা: তাঁর সম্পাদিত 'পদ্মাবতী' ও অন্যান্য প্রাচীন নিদর্শন বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস গবেষণায় মাইলফলক। উদাহরণ ২: বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত। ব্যাখ্যা: এটিও ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌ রচিত বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের ইতিহাস সম্পর্কিত একটি বিখ্যাত গ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বঙ্গভাষা ও সাহিত্য — এই গ্রন্থটির রচয়িতা দীনেশচন্দ্র সেন, যা ১৯০১ সালে প্রকাশিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস গ্রন্থ। B) বাঙ্গালা সাহিত্যের ইতিহাস — এই নামে একাধিক লেখকের গ্রন্থ রয়েছে, তবে সুকুমার সেনের লেখা 'বাঙ্গালা সাহিত্যের ইতিহাস' সর্বাধিক পরিচিত। C) বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত — এই গ্রন্থটির রচয়িতা ড. অসিতকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়, যা বাংলা সাহিত্যের একটি বৃহদায়তন ইতিহাস। D) বাংলা সাহিত্যের কথা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই গ্রন্থটি ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌ রচনা করেছেন। ৫ মনে রাখার টিপস: - শহীদুল্লাহ্‌ নামের সাথে 'কথা' শব্দটি মিলিয়ে মনে রাখতে পারো যে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌ লিখেছেন 'বাংলা সাহিত্যের কথা'। - দীনেশচন্দ্র সেন লিখেছেন 'বঙ্গভাষা ও সাহিত্য', আর সুকুমার সেন লিখেছেন 'বাঙ্গালা সাহিত্যের ইতিহাস'। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস গ্রন্থের রচয়িতাদের নাম জানতে চাওয়া হয়। - ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌র 'বাংলা সাহিত্যের কথা' প্রথম খণ্ড প্রকাশিত হয় ১৯৫৩ সালে এবং দ্বিতীয় খণ্ড প্রকাশিত হয় ১৯৬৫ সালে।
a মুনীর চৌধুরী
b হাসান হাফিজুর রহমান
c শামসুর রাহমান
d গাজীউল হক
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) হাসান হাফিজুর রহমান ১. কেন সঠিক: - ভাষা আন্দোলনভিত্তিক প্রথম সংকলিত গ্রন্থ একুশে ফেব্রুয়ারি পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন হাসান হাফিজুর রহমান। - ১৯৫৩ সালে প্রকাশিত এই ঐতিহাসিক সংকলনটি ভাষা আন্দোলনের ওপর প্রকাশিত প্রথম প্রামাণ্য দলিল হিসেবে স্বীকৃত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পর সাহিত্যিক ও বুদ্ধিজীবীদের উদ্যোগে এই সংকলনটি প্রকাশের উদ্যোগ নেওয়া হয়। - এই গ্রন্থে ভাষা আন্দোলনভিত্তিক কবিতা, প্রবন্ধ, গল্প ও গান স্থান পেয়েছিল যা বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলনকে ত্বরান্বিত করেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অমর একুশে সংকলন ব্যাখ্যা: ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে প্রকাশিত এটি একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যিক দলিল। উদাহরণ ২: স্মৃতিস্তম্ভ ব্যাখ্যা: এটি ভাষা আন্দোলন নিয়ে লেখা আলাউদ্দিন আল আজাদের একটি বিখ্যাত কবিতা যা ওই সংকলনে স্থান পেয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুনীর চৌধুরী — তিনি ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে কবর নাটক রচনা করলেও এই পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন না। B) হাসান হাফিজুর রহমান — তিনি ভাষা আন্দোলনভিত্তিক প্রথম পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। C) শামসুর রাহমান — তিনি ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে বহু কবিতা লিখলেও এই পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। D) গাজীউল হক — তিনি ভাষা আন্দোলনের একজন সক্রিয় ছাত্রনেতা ও সংগঠক ছিলেন কিন্তু এই পত্রিকার সম্পাদক নন। ৫. মনে রাখার টিপস: - হাসান হাফিজুর রহমানের নাম মনে রাখতে ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংকলনের সঙ্গে তাঁর নাম যুক্ত করে একটি ছন্দ মনে রাখতে পারো। - পরীক্ষার হলে ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংকলন বা পত্রিকা দেখলে চোখ বন্ধ করে হাসান হাফিজুর রহমানকে বেছে নেবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - একুশে ফেব্রুয়ারি সংকলনটি প্রকাশিত হয় ১৯৫৩ সালে। - এই ধরনের সাহিত্যিক ও ঐতিহাসিক দলিলের সম্পাদক এবং প্রকাশের সন প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
a নিক্কণ, সূচগ্র, অনুর্ধব
b অনূর্বর, ঊর্ধবগামী, শুদ্ধ্যশুদ্ধি
c ভূরিভূরি, ভূঁড়িওয়ালা, মাতৃশ্বসা
d রানি, বিকিরণ, দুরতিক্রম্য
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নিক্কণ, সূচগ্র, অনুর্ধব কেন সঠিক: - এই অপশনের প্রতিটি শব্দেই বানানগত ভুল রয়েছে এবং কোনো শব্দই সঠিক নয়। - প্রশ্নানুযায়ী এমন একটি গুচ্ছ চাওয়া হয়েছে যার সবগুলো বানানই অশুদ্ধ। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বানানের সঠিক নিয়মের ক্ষেত্রে দীর্ঘ স্বরবর্ণ এবং যুক্তবর্ণের সঠিক ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - বাংলা বানানে হ্রস্ব ও দীর্ঘ স্বরবর্ণের অপপ্রয়োগ প্রায়ই ভুল হিসেবে ধরা হয়। - উদাহরণস্বরূপ, সঠিক বানানগুলো হলো নিক্কণ, সূচিগ্র এবং অনূর্ধ্ব। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) নিক্কণ, সূচগ্র, অনুর্ধব — এর সবগুলো বানানই ভুল থাকায় এটি সঠিক উত্তর। - B) অনূর্বর, ঊর্ধবগামী, শুদ্ধ্যশুদ্ধি — এখানে কিছু ভুল থাকলেও সবগুলো বানান একসাথে অশুদ্ধ নয়। - C) ভূরিভূরি, ভূঁড়িওয়ালা, মাতৃশ্বসা — এই অপশনের শব্দগুলোতে প্রচলিত বানানরীতি সঠিক রয়েছে। - D) রানি, বিকিরণ, দুরতিক্রম্য — এই গুচ্ছের শব্দগুলো প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী সম্পূর্ণ শুদ্ধ। মনে রাখার টিপস: - দীর্ঘ উ-কার এবং হ্রস্ব উ-কার ব্যবহারের নিয়মগুলো বারবার চর্চা করলে বানান ভুল কমে যায়। - যুক্তবর্ণ লেখার সময় মূল বর্ণগুলোর সঠিক রূপ মনে রাখতে হবে।
a মমতাজউদদীন আহমদ
b আব্দুল্লাহ আল মামুন
c সেলিম আল দীন
d রামেন্দু মজুমদার
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সেলিম আল দীন ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশে গণনাট্য ও শিকড়সন্ধানী নাট্য আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব সেলিম আল দীন ১৯৮১ সালে 'গ্রাম থিয়েটার' প্রবর্তন করেন। - প্রান্তিক ও গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর সংস্কৃতিকে মূলধারার নাট্যচর্চায় যুক্ত করার মহৎ উদ্দেশ্যে এই আন্দোলন গড়ে তোলা হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - প্রখ্যাত নাট্যকার ও গবেষক সেলিম আল দীন বাংলা নাটকে বৈচিত্র্যময় আঙ্গিক ও লোকঐতিহ্যের সফল প্রয়োগ করেছেন। - তাঁর রচিত বিখ্যাত নাটকগুলির মধ্যে কিমচিন, কাসেম সাগরের জলে, এবং হরগজ বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঢাকা থিয়েটার ব্যাখ্যা: সেলিম আল দীন ১৯৭৮ সালে ঢাকা থিয়েটার প্রতিষ্ঠা করেন, যা বাংলাদেশের নাট্য আন্দোলনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে। উদাহরণ ২: বাংলা নাটকের শিকড়সন্ধান ব্যাখ্যা: তিনি ঐতিহ্যবাহী পালাগান ও যাত্রার আদলে আধুনিক নাটক রচনা করে বাংলা নাট্যসাহিত্যে নতুন ধারা সৃষ্টি করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মমতাজউদদীন আহমদ — তিনি বিশিষ্ট নাট্যকার ও নির্দেশক হলেও গ্রাম থিয়েটার আন্দোলনের প্রবর্তক নন। B) আব্দুল্লাহ আল মামুন — তিনি বিখ্যাত নাট্যকার ও চলচ্চিত্র নির্মাতা হলেও গ্রাম থিয়েটার প্রতিষ্ঠার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। C) সেলিম আল দীন — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি গ্রাম থিয়েটার প্রবর্তন করেন। D) রামেন্দু মজুমদার — তিনি প্রখ্যাত নাট্যব্যক্তিত্ব ও নির্দেশক হলেও গ্রাম থিয়েটারের মূল প্রবর্তক নন। ৫. মনে রাখার টিপস: গ্রাম থিয়েটারের 'গ' দিয়ে মনে রাখতে পারেন গ্রামীণ নাটকের রূপকার সেলিম আল দীন। নাটকের শিকড় খুঁজতে তিনি গ্রাম থিয়েটার গড়ে তোলেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলাদেশ ও বাঙালির নিজস্ব নাট্যরীতি গঠনে সেলিম আল দীনের অবদান অপরিসীম। বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তাঁর প্রতিষ্ঠিত নাট্যসংগঠন সম্পর্কে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
a একাগ্রতায়
b সমান ব্যবহারে
c সম ভাবনায়
d একযোগে
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) একযোগে কেন সঠিক: - সমভিব্যাহারে শব্দটির আক্ষরিক অর্থ একসঙ্গে বা একত্রে কোনো কাজ করা। - বাক্যে এটি অব্যয় পদ হিসেবে একযোগে বা একত্রে প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি একটি সংস্কৃত তৎসম শব্দ যা বাংলা ব্যাকরণে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে। - সম উপসর্গ যোগে গঠিত এই শব্দটির ভাবগত অর্থ অনেকের সঙ্গে বা সকলের যোগে বোঝায়। - যেমন, সবাই মিলে সমভিব্যাহারে কাজটি সম্পন্ন করল। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) একাগ্রতায় — এই শব্দের অর্থ মনঃসংযোগ বা গভীর মনোযোগ, যা সমভিব্যাহারে শব্দের অর্থ নয়। - B) সমান ব্যবহারে — এটি আচরণের সমতা বোঝায়, কিন্তু সমভিব্যাহারে শব্দের সঙ্গে এর কোনো মিল নেই। - C) সম ভাবনায় — একই রকম চিন্তা বা মানসিকতা প্রকাশ করতে এই অর্থ হয়, যা ভুল। - D) এটি তো সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: - সম শব্দের অর্থ সমান এবং ব্যহার শব্দের মূল অর্থ যোগ, যা থেকে একযোগে কথাটি মনে রাখা সহজ হয়।
a ভাবরস
b মধুর রস
c প্রেমরস
d লীলারস
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মধুর রস ১. কেন সঠিক: বৈষ্ণব পদাবলিতে মানুষের সাধারণ লৌকিক প্রেমকে আধ্যাত্মিক রূপ দিয়ে ঈশ্বরের সঙ্গে জীবাত্মার মিলনের আকুতি প্রকাশ করা হয়েছে। সংস্কৃত অলংকার শাস্ত্রে যাকে শৃঙ্গার বা আদি রস বলা হয়, বৈষ্ণব পদাবলিতে ভক্ত ও ভগবানের সম্পর্কের ক্ষেত্রে তাকে মধুর রস বা উজ্জ্বল রস বলা হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: বৈষ্ণব পদাবলি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত সমৃদ্ধ শাখা যেখানে রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমলীলার আড়ালে পরমাত্মার সঙ্গে জীবাত্মার মিলন ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। রূপ গোস্বামী তাঁর উজ্জ্বলনীলমণি গ্রন্থে শৃঙ্গার বা মধুর রসকে ভক্তির প্রধান রূপ হিসেবে বিশ্লেষণ করেছেন এবং রাধা-কৃষ্ণের প্রেমকে এর সর্বশ্রেষ্ঠ প্রকাশ হিসেবে দেখিয়েছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিদ্যাপতি রচিত পদাবলি ব্যাখ্যা: বিদ্যাপতি মৈথিল কোকিল নামে পরিচিত এবং তাঁর পদে শৃঙ্গার বা মধুর রসের অপূর্ব প্রকাশ ঘটেছে। উদাহরণ ২: চণ্ডীদাস রচিত পদাবলি ব্যাখ্যা: চণ্ডীদাসের পদাবলিতে রাধার আকুলতা এবং প্রেমের গভীরতা মধুর রসের সুন্দর দৃষ্টান্ত উপস্থাপন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভাবরস — ভাবরস সামগ্রিক অনুভূতির একটি সাধারণ রূপ হলেও বৈষ্ণব পদাবলিতে শৃঙ্গার রসের নির্দিষ্ট কাব্যিক ও আধ্যাত্মিক নাম মধুর রস। B) মধুর রস — এটি সঠিক উত্তর। C) প্রেমরস — প্রেমরস সাধারণ অর্থে প্রেমের অনুভূতি বোঝায়, কিন্তু বৈষ্ণব পদাবলিতে শৃঙ্গার রসের নির্দিষ্ট ও প্রমিত পারিভাষিক নাম মধুর রস। ডি) লীলারস — লীলারস ঈশ্বরের নানাবিধ কাজের প্রকাশ বোঝায়, যা মধুর রসের নির্দিষ্ট অলংকারশাস্ত্রীয় প্রতিশব্দ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: শৃঙ্গার মানে সুন্দর বা প্রেম এবং এর বৈষ্ণব নাম মধুর রস। মনে রাখবে শৃঙ্গার রস মানেই মধুর রস। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রস ও পদাবলি সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। বৈষ্ণব পদাবলিতে রসের শ্রেণিবিভাগ এবং রূপ গোস্বামীদের অবদান সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখা জরুরি।
a Buddhist Mystic Songs
b চর্যাগীতিকা
c চর্যাগীতিকোষ
d হাজার বছরের পুরাণ বাংলা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Buddhist Mystic Songs ১. কেন সঠিক: ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ চর্যাপদের পদগুলোকে ইংরেজিতে অনুবাদ করে 'Buddhist Mystic Songs' নামে প্রকাশ করেন। এই গ্রন্থে তিনি চর্যাপদের তাত্ত্বিক ও আধ্যাত্মিক দিকগুলো ইংরেজিভাষী পাঠকদের কাছে তুলে ধরেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম নিদর্শন ও কাব্য সংকলন। এটি চর্যাগীতিকা নামেও পরিচিত এবং বাংলা সাহিত্যের আদি যুগের একমাত্র প্রামাণিক দলিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হাজার বছরের পুরাণ বাংলা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা ব্যাখ্যা: এটি ড. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী কর্তৃক সম্পাদিত চর্যাপদের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ। উদাহরণ ২: চর্যাগীতিকা ব্যাখ্যা: এটি ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ও ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ সম্পাদিত চর্যাপদের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ নামকরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Buddhist Mystic Songs — এটি ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ সম্পাদিত চর্যাপদ বিষয়ক গ্রন্থ হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। B) চর্যাগীতিকা — এটি চর্যাপদের মূল নাম হলেও ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের সম্পাদিত গ্রন্থ হিসেবে বেশি পরিচিত। C) চর্যাগীতিকোষ — এটি চর্যাপদের কোনো নির্দিষ্ট সম্পাদিত গ্রন্থের নাম নয়, বরং এটি একটি ভুল বা বিভ্রান্তিকর অপশন। D) হাজার বছরের পুরাণ বাংলা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা — এটি ড. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী সম্পাদিত গ্রন্থ, ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্র নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: শহীদুল্লাহ্ নামের সাথে ইংরেজি নামের মিল মনে রাখতে পারো, শহীদুল্লাহ্ মানেই ইংরেজি ভাষার 'Buddhist Mystic Songs'। হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর ক্ষেত্রে মনে রাখবে তিনি হাজার বছরের পুরাণ আবিষ্কার ও প্রকাশ করেছিলেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: চর্যাপদ বিষয়ক গ্রন্থ এবং সম্পাদকদের নাম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কোন সম্পাদক কোন গ্রন্থ প্রকাশ করেছেন, তা আলাদা করে ছক তৈরি করে মুখস্থ রাখবে।
a দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
b হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
c চন্দ্রকুমার দে
d দীনেশচন্দ্র সেন
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) চন্দ্রকুমার দে ১. কেন সঠিক: - ‘পূর্ববঙ্গ গীতিকা’ গ্রন্থের লোকপালাসমূহ সংগ্রহ করেছিলেন চন্দ্রকুমার দে। - দীনেশচন্দ্র সেন সংগৃহীত এই লোকপালাগুলো সম্পাদনা ও প্রকাশ করেছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - চন্দ্রকুমার দে ময়মনসিংহ অঞ্চলের বিভিন্ন গ্রামীণ এলাকা ঘুরে লোকসাহিত্য সংগ্রহ করতেন। - দীনেশচন্দ্র সেনের অনুপ্রেরণায় তিনি এই লোকপালাগুলো সংগ্রহ করে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠান। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মহুয়া ব্যাখ্যা: এটি চন্দ্রকুমার দে সংগৃহীত বিখ্যাত একটি লোকপালা যা পূর্ববঙ্গ গীতিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। উদাহরণ ২: মলুয়া ব্যাখ্যা: এটিও চন্দ্রকুমার দে সংগৃহীত এবং পূর্ববঙ্গ গীতিকার অন্যতম প্রধান লোকপালা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার — তিনি বাংলার রূপকথা সংগ্রহ ও সংকলন করেছিলেন, লোকপালা নয়। B) হরপ্রসাদ শাস্ত্রী — তিনি প্রাচীন বাংলা চর্যাপদের আবিষ্কারক ও গবেষক ছিলেন। D) দীনেশচন্দ্র সেন — তিনি ‘পূর্ববঙ্গ গীতিকা’ সংকলন ও সম্পাদনা করেছিলেন, সংগ্রাহক চন্দ্রকুমার দে। ৫ মনে রাখার টিপস: - গীতিকা সংগ্রহ করেছেন চন্দ্রকুমার দে এবং প্রকাশ করেছেন দীনেশচন্দ্র সেন। - সংগ্রাহক চন্দ্রকুমার এবং সম্পাদক দীনেশচন্দ্র এভাবে মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ময়মনসিংহ গীতিকা এবং পূর্ববঙ্গ গীতিকার সংগ্রাহক ও সম্পাদকের নাম বারবার প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। - মূল সংগ্রাহকের নাম চন্দ্রকুমার দে এবং সম্পাদকের নাম দীনেশচন্দ্র সেন।
a চৈত্র সংক্রান্তি
b পৌষ সংক্রান্তি
c শিরে সংক্রান্তি
d শিব-সংক্রান্তি
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শিরে সংক্রান্তি ১. কেন সঠিক: - শিরে সংক্রান্তি একটি সুপরিচিত বাংলা বাগধারা, যার অর্থ আসন্ন বিপদ বা মাথার উপর বিপদ। - সংক্রান্তি শব্দের সাধারণ অর্থ বছরের শেষ দিন হলেও, শিরে সংক্রান্তি বিশেষ অর্থে মারাত্মক ও আসন্ন সংকটকে বোঝায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দ বা শব্দগুচ্ছ, যা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভাবার্থ প্রকাশ করে। - বাংলা ভাষায় বাগধারা বাক্যের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং ভাষার ভাবকে সংহত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অকালবোধন ব্যাখ্যা: অকালবোধন বাগধারাটির অর্থ অপ্রত্যাশিত বা অসময়ে ঘুম ভাঙানিয়া উপস্থিতি অথবা কোনো কিছুর অসাময়িক আয়োজন। উদাহরণ ২: ঢাকের কাঠি ব্যাখ্যা: ঢাকের কাঠি বাগধারাটির অর্থ সভাসদ, মোসাহেব বা কোনো কাজের তদারকি করার চাটুকার ব্যক্তি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চৈত্র সংক্রান্তি — এটি বাংলা সনের শেষ মাস চৈত্রের শেষ দিনকে বোঝায়, কোনো বাগধারা নয়। B) পৌষ সংক্রান্তি — এটি বাংলা পৌষ মাসের শেষ দিনে পালিত একটি উৎসব বা পার্বণ, বাগধারা নয়। D) শিব-সংক্রান্তি — এটি কোনো প্রমিত বাগধারা বা অর্থবহ শব্দগুচ্ছ নয়, তাই এটি সঠিক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - মাথায় বা শিরে যখন বিপদ এসে উপস্থিত হয়, তখন তাকে শিরে সংক্রান্তি বলা হয়। - সংক্রান্তি মানে শেষ দিন বা বিপদ ঘনিয়ে আসা, এই মিল দিয়ে সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সাধারণ শব্দের মতো দেখতে কিন্তু বিশেষ অর্থ প্রকাশকারী বাগধারাগুলো থেকে প্রশ্ন আসে। - শব্দের আক্ষরিক অর্থ না বুঝে বাগধারার প্রচলিত ভাবার্থ মুখস্থ রাখতে হবে।
a যৌগিক স্বরধ্বনি
b তালব্য স্বরধ্বনি
c মিলিত স্বরধ্বনি
d কোনোটি নয়
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) যৌগিক স্বরধ্বনি ১. কেন সঠিক: যেসব স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময় দুটি ভিন্ন স্বরধ্বনি একত্রিত হয়ে একটি একক স্বরধ্বনির মতো উচ্চারিত হয়, তাদেরকে যৌগিক স্বরধ্বনি বলে। 'ঔ' একটি যৌগিক স্বরধ্বনি কারণ এটি উচ্চারণের সময় 'ও' এবং 'উ' এই দুটি স্বরধ্বনি মিলে তৈরি হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা বর্ণমালায় মৌলিক স্বরধ্বনি সাতটি হলেও যৌগিক স্বরজ্ঞাপক বর্ণ বা দ্বিস্বর দুটি রয়েছে, যথা 'ঐ' এবং 'ঔ'। সন্ধি বা অন্য কোনো প্রক্রিয়ায় নয়, বরং বর্ণের দিক থেকেই 'ঔ' একটি যৌগিক স্বরধ্বনি যা দুটি স্বরের মিলিত রূপ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'ঐ' স্বরধ্বনি। ব্যাখ্যা: 'ঔ'-এর মতো 'ঐ' আরেকটি যৌগিক স্বরধ্বনি যা 'অ' এবং 'ই' মিলে গঠিত হয়। উদাহরণ ২: 'কৌতুহল' শব্দ। ব্যাখ্যা: এই শব্দের শুরুতে যৌগিক স্বরধ্বনি 'ঔ' ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যৌগিক স্বরধ্বনি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রশ্নানুযায়ী সঠিক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। B) তালব্য স্বরধ্বনি — তালু থেকে উচ্চারিত স্বরধ্বনিকে তালব্য স্বরধ্বনি বলে, কিন্তু 'ঔ' তালব্য ধ্বনি নয়। C) মিলিত স্বরধ্বনি — এটি ব্যাকরণের কোনো প্রমিত বা নির্দিষ্ট পরিভাষা নয়, তাই এই অপশনটি ভুল। D) কোনোটি নয় — সঠিক উত্তর অপশনে বিদ্যমান থাকায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: বাংলা বর্ণমালায় যৌগিক স্বরবর্ণ মাত্র দুটি, এগুলো হলো 'ঐ' এবং 'ঔ'। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই যৌগিক স্বরধ্বনি বা দ্বিস্বরধ্বনি সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে, তাই 'ঐ' এবং 'ঔ' এই দুটি বর্ণ ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a বিস্ময় দ্বারা আপন্ন
b বিস্ময়ে আপন্ন
c বিস্ময়কে আপন্ন
d বিস্ময়ে যে আপন্ন
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বিস্ময়কে আপন্ন ১. কেন সঠিক: - 'বিস্ময়াপন্ন' সমস্ত পদটি দ্বিতীয় তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ যেখানে পূর্বপদের দ্বিতীয় বিভক্তি (কে) লোপ পেয়েছে। - এখানে 'আপন্ন' শব্দের অর্থ প্রাপ্ত বা আক্রান্ত, অর্থাৎ যা বিস্ময়কে প্রাপ্ত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পেয়ে পরপদের অর্থ প্রধানরূপে প্রতিভাত হয় তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে। - কর্মকারকে দ্বিতীয় বিভক্তি (কে, রে) যুক্ত হয়ে দ্বিতীয় তৎপুরুষ সমাস গঠিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দুঃখকে প্রাপ্ত = দুঃখাপন্ন ব্যাখ্যা: এটি বিস্ময়াপন্ন শব্দের মতো একইভাবে দ্বিতীয় তৎপুরুষ সমাসের নিয়মে সাধিত হয়েছে। উদাহরণ ২: বিপদকে আপন্ন = বিপদাপন্ন ব্যাখ্যা: এখানেও দ্বিতীয় বিভক্তি 'কে' লোপ পেয়ে সমস্ত পদ গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিস্ময় দ্বারা আপন্ন — এটি তৃতীয় তৎপুরুষ সমাসের ব্যাসবাক্য হতে পারত, কিন্তু সঠিক সমস্ত পদ হবে বিস্ময়াহত বা বিস্ময় দ্বারা প্রাপ্ত। B) বিস্ময়ে আপন্ন — এটি সপ্তমী বা তৃতীয় তৎপুরুষের মতো শোনায়, কিন্তু 'আপন্ন' শব্দের সঙ্গে সাধারণত দ্বিতীয় বিভক্তি যুক্ত হয়। D) বিস্ময়ে যে আপন্ন — এটি কর্মধারয় বা অন্য কোনো সমাসের কাঠামো তৈরি করে, যা তৎপুরুষ সমাসের নিয়মের সঙ্গে মেলে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - আপন্ন যুক্ত শব্দ দেখলে সাধারণত দ্বিতীয় তৎপুরুষ সমাস হিসেবে দ্বিতীয় বিভক্তি (কে) ব্যবহার করে ব্যাসবাক্য করতে হয়। - যেমন দুঃখাপন্ন মানে দুঃখকে প্রাপ্ত, তেমনি বিস্ময়াপন্ন মানে বিস্ময়কে প্রাপ্ত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - তৎপুরুষ সমাস চেনার জন্য সমস্ত পদের পরের অংশ যেমন প্রাপ্ত, গত, আপন্ন ইত্যাদির অর্থ বুঝতে হবে। - বিভক্তির লোপ কোন কারk অনুযায়ী হচ্ছে তা নির্ধারণ করতে পারলে পরীক্ষার হলে সঠিক উত্তর সহজেই চিহ্নিত করা যায়।
a পলাশীর যুদ্ধ
b তৃতীয় পানিপথের যুদ্ধ
c ১৯৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহ
d ছিয়াত্তরের মন্বন্তর
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) তৃতীয় পানিপথের যুদ্ধ ১. কেন সঠিক: মহাকবি কায়কোবাদ রচিত মহাশ্মশান কাব্যের মূল ঐতিহাসিক পটভূমি হলো ১৭৬১ সালে সংঘটিত তৃতীয় পানিপথের যুদ্ধ। এই যুদ্ধে মুসলিম শক্তির বিরুদ্ধে মারাঠা শক্তির ঐতিহাসিক পরাজয় এবং এর ফলে ভারতীয় উপমহাদেশে রাজনৈতিক পালাবদলের ঘটনা এই কাব্যে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: মহাশ্মশান বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ মহাকাব্য যা ১৯০৪ সালে প্রকাশিত হয়। এই কাব্যের রচয়িতা কবি কায়কোবাদ, যার আসল নাম মোহাম্মদ কাজেম আল কোরেশী। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মহাশ্মশান মহাকাব্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যে মুসলমান কবির রচিত প্রথম সার্থক মহাকাব্য। উদাহরণ ২: কবি কায়কোবাদ ব্যাখ্যা: তার বিখ্যাত প্রথম কাব্যগ্রন্থ হচ্ছে বিরহ বিলাপ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পলাশীর যুদ্ধ — এই ঐতিহাসিক পটভূমিতে মহাশ্মশান কাব্য রচিত হয়নি কারণ এটি ১৭৫৭ সালের ঘটনা এবং কায়কোবাদের কাব্যের বিষয়বস্তু আলাদা। B) তৃতীয় পানিপথের যুদ্ধ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) ১৯৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহ — এই সনটি সঠিক নয় কারণ সিপাহী বিদ্রোহ ১৮৫৭ সালে সংঘটিত হয়েছিল। D) ছিয়াত্তরের মন্বন্তর — এই ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে মহাশ্মশান কাব্য রচিত হয়নি কারণ এটি বাংলা ১১৭৬ সালের একটি ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ। ৫ মনে রাখার টিপস: মহাশ্মশান কাব্যের পটভূমি মনে রাখতে পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ এবং কায়কোবাদ নাম দুটি একসাথে স্মরণ রাখবে। মহাশ্মশান নামের সাথে ১৭৬১ সালের যুদ্ধের ভয়াবহতা যুক্ত আছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মহাশ্মশান মহাকাব্যটি তিন খণ্ডে সমাপ্ত এবং এতে ঐতিহাসিক সত্যের সাথে সাহিত্যিক কল্পনার অপূর্ব মিশ্রণ ঘটেছে। এই ধরনের সাহিত্যিক প্রশ্নের জন্য লেখকের উপাধি ও গ্রন্থ পরিচিতি ভালোভাবে পড়তে হবে।
a রহু চণ্ডালের হাড়
b কৈবর্ত খণ্ড
c ফুল বউ
d অলীক মানুষ
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অলীক মানুষ ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি সৈয়দ মুস্তফা সিরাজের একটি অত্যন্ত বিখ্যাত ও বহুল পঠিত উপন্যাস। - এই উপন্যাসটির জন্য তিনি অত্যন্ত prestigious সাহিত্যিক স্বীকৃতি ও সম্মাননা লাভ করেছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সৈয়দ মুস্তফা সিরাজ একজন বিশিষ্ট ভারতীয় বাঙালি কথাসাহিত্যিক যিনি মূলত তাঁর আঞ্চলিক উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত। - 'অলীক মানুষ' তাঁর একটি মাস্টারপিস উপন্যাস যা বাংলা কথাসাহিত্যে এক অনন্য স্থান দখল করে আছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তৃণা তৃণা শতধা ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ মুস্তফা সিরাজের অন্যতম একটি উল্লেখযোগ্য উপন্যাস। উদাহরণ ২: ইছামতীর রূপকথা ব্যাখ্যা: এটিও কথাসাহিত্যিক সৈয়দ মুস্তফা সিরাজের রচিত একটি জনপ্রিয় উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রহু চণ্ডালের হাড় — এটি সৈয়দ মুস্তফা সিরাজের গ্রন্থ নয়, এটি অন্য কোনো লেখকের সাহিত্যকর্ম। B) কৈবর্ত খণ্ড — এটি প্রশ্নে উল্লিখিত লেখকের প্রধান সাহিত্যকর্মের তালিকার অন্তর্ভুক্ত নয়। C) ফুল বউ — এটি সৈয়দ মুস্তফা সিরাজের মূল পরিচিতিমূলক গ্রন্থ হিসেবে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে না। D) অলীক মানুষ — এটি সৈয়দ মুস্তফা সিরাজের বিখ্যাত উপন্যাস এবং এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। ৫. মনে রাখার টিপস: - সৈয়দ মুস্তফা সিরাজের নামের সাথে 'অলীক মানুষ' উপন্যাসটি সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত হয়। - সিরাজ সাহেবের শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি মনে রাখতে 'অলীক মানুষ' নামটিকে ফোকাস করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই লেখকের নাম বা গ্রন্থের নাম জানতে আসে। - বিখ্যাত লেখকদের শ্রেষ্ঠ উপন্যাসগুলোর তালিকা আলাদা করে মুখস্থ রাখা পরীক্ষার জন্য খুবই উপকারী।
a ১৯১০
b ১৯১১
c ১৯১২
d ১৯১৩
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৯১০ ১. কেন সঠিক: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'গীতাঞ্জলি' বাংলা ১৩১৭ সনের কার্তিক মাসে (ইংরেজি ১৯১০ সালের নভেম্বর মাসে) প্রথম প্রকাশিত হয়। এই কাব্যগ্রন্থে মোট ১৫৭টি গান ও কবিতা রয়েছে, যা মূলত ভক্তি ও আধ্যাত্মিক চেতনার এক অনন্য প্রকাশ। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ কবি, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক যিনি ১৯১৩ সালে সাহিত্যে প্রথম নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। 'গীতাঞ্জলি' কাব্যের ইংরেজি অনুবাদ 'Song Offerings' প্রকাশের পরই মূলত তিনি বিশ্বসাহিত্যের দরবারে পরিচিতি লাভ করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'সোনার তরী' (প্রকাশকাল ১৮৯৪) ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অন্যতম প্রধান কাব্যগ্রন্থ, যার মধ্যে তাঁর বিখ্যাত কবিতা স্থান পেয়েছে। উদাহরণ ২: 'মানসী' (প্রকাশকাল ১৮৯০) ব্যাখ্যা: এই কাব্যগ্রন্থের মাধ্যমেই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রোমান্টিক কাব্যধারার পূর্ণ বিকাশ ঘটেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯১০ — এই সনটি সঠিক কারণ বাংলা 'গীতাঞ্জলি' কাব্যগ্রন্থটি এই সালেই প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল। B) ১৯১১ — এই সনটি ভুল কারণ এটি মূল বাংলা 'গীতাঞ্জলি' প্রকাশের বছর নয়। C) ১৯১২ — এই সনটি ভুল কারণ এই সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'গীতাঞ্জলি'র ইংরেজি অনুবাদ প্রকাশিত হয়। D) ১৯১৩ — এই সনটি ভুল কারণ এই সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। ৫ মনে রাখার টিপস: মূল বাংলা 'গীতাঞ্জলি' প্রকাশিত হয় ১৯১০ সালে, আর এর ইংরেজি অনুবাদ 'Song Offerings' প্রকাশিত হয় ১৯১২ সালে। এই দুটি সালের ব্যবধান দুই বছর মনে রাখলে পরীক্ষার বিভ্রান্তি দূর হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মূল বাংলা 'গীতাঞ্জলি' এবং ইংরেজি 'গীতাঞ্জলি' প্রকাশের সন নিয়ে প্রশ্ন আসে। তাই বাংলা প্রকাশকাল ১৯১০ এবং ইংরেজি প্রকাশকাল ১৯১২ ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a আল মাহমুদ
b আব্দুল মান্নান সৈয়দ
c অমিয় চক্রবর্তী
d শামসুর রাহমান
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শামসুর রাহমান ১. কেন সঠিক: - 'আসাদের শার্ট' কবিতার লেখক আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি শামসুর রাহমান। - ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানে শহীদ আসাদের রক্তমাখা শার্টকে প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করে কবিতাটি রচিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শামসুর রাহমান বিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয় অর্ধে আবির্ভূত একজন প্রথিতযশা বাঙালি কবি ও সাংবাদিক। - মুক্তিযুদ্ধ ও বাঙালি জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত এই কবিতাটি বাংলা সাহিত্যে এক অনন্য সৃষ্টি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্মৃতিস্তম্ভ ব্যাখ্যা: এটিও শামসুর রাহমানের একটি বিখ্যাত কবিতা, যা ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে রচিত। উদাহরণ ২: তোমাকে পাওয়ার জন্য, হে স্বাধীনতা ব্যাখ্যা: শামসুর রাহমানের আরেকটি ঐতিহাসিক কবিতা, যেখানে মুক্তিযুদ্ধের বেদনা ও অর্জনের চিত্র ফুটে উঠেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আল মাহমুদ — তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি হলেও 'আসাদের শার্ট' কবিতার রচয়িতা নন, তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ লোকালয়। B) আব্দুল মান্নান সৈয়দ — তিনি বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্য গবেষক হলেও এই বিখ্যাত কবিতাটির লেখক নন, তার পরিচিতি মূলত মননশীল প্রবন্ধের জন্য। C) অমিয় চক্রবর্তী — তিনি রবীন্দ্রযুগের পরবর্তী প্রভাবশালী কবি হলেও এই বাঙালি জাতীয়তাবাদী প্রেক্ষাপটের কবিতার সঙ্গে যুক্ত নন। D) শামসুর রাহমান — তিনি এই কবিতার রচয়িতা এবং সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত। ৫. মনে রাখার টিপস: - আসাদ সম্পর্কিত ঐতিহাসিক কবিতা বা গান পেলে সহজে শামসুর রাহমানকে স্মরণ করবে। - গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপট মাথায় রাখলে কবির নাম মনে রাখা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধ ও গণঅভ্যুত্থানভিত্তিক সাহিত্যকর্ম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - কবির অন্যান্য বিখ্যাত কবিতার নাম ও প্রেক্ষাপট ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a কোনটি চর্যাগান, আর কোনটি নয়
b কোনটি আচরণীয়, আর কোনটি নয়
c কোনটি চরাচরের, আর কোনটি নয়
d কোনটি আচার্যের, আর কোনটি নয়
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কোনটি আচরণীয়, আর কোনটি নয় কেন সঠিক: - চর্যা শব্দের মূল ধাতু চর যার অর্থ আচরণ এবং চর্য শব্দের অর্থ যা আচরণ করা উচিত। - বিনিশ্চয় শব্দের অর্থ নির্দিষ্ট করে বলা বা কোনটি করণীয় আর কোনটি বর্জনীয় তা নির্ধারণ করা। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - চর্যাপদ মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের সাধন সংগীত এবং তাদের আচার-আচরণ সংক্রান্ত গ্রন্থ। - সংস্কৃত উপসর্গ ও প্রত্যয় যোগে গঠিত এই নামের আক্ষরিক অর্থ দাঁড়ায় কোন আচরণ গ্রহণীয় এবং কোনটি বর্জনীয়। - মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে যে পুথি আবিষ্কার করেছিলেন তার আদি নাম ছিল চর্যাচর্যবিনিশ্চয়। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) কোনটি চর্যাগান, আর কোনটি নয় — এটি ভুল কারণ চর্যা শব্দের অর্থ গান নয় বরং এর অর্থ আচরণ। - C) কোনটি চরাচরের, আর কোনটি নয় — এটি ভুল কারণ চরাচর শব্দের সাথে এই গ্রন্থের নামের কোনো সম্পর্ক নেই। - D) কোনটি আচার্যের, আর কোনটি নয় — এটি ভুল কারণ এখানে আচার্য বা গুরুর পদের চেয়ে আচরণীয় বিষয় বেশি প্রধান। মনে রাখার টিপস: - চর্যা মানে আচরণ এবং বিনিশ্চয় মানে ঠিক করা, তাই এটি আচরণীয় ও অনাচরণীয় বিষয় নির্দেশ করে।
a শৈবধর্ম
b বৌদ্ধ সহজযান
c নাথধর্ম
d কোনোটি নয়
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নাথধর্ম কেন সঠিক: - এই কাব্যের মূল বিষয়বস্তু হলো নাথ সাহিত্যের অন্যতম প্রধান চরিত্র গোরক্ষনাথের মহিমা প্রচার। - এতে নাথ সম্প্রদায়ের গুরু মীননাথ ও গোরক্ষনাথের আধ্যাত্মিক সাধনার কাহিনি বর্ণিত হয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে নাথ সাহিত্য একটি বিশেষ ধারা হিসেবে পরিচিত। - এই ধারার প্রধান কবি ছিলেন ফৈজুল্লাহ এবং শেখ মীরান। - ‘গোরক্ষ বিজয়’ কাব্যটি মধ্যযুগের নাথ ধর্মের যোগসাধনা ও অলৌকিক শক্তির পরিচয় বহন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) শৈবধর্ম — এই ধর্মমতের প্রধান দেবতা শিব হলেও গোরক্ষ বিজয় কাব্যটি নির্দিষ্টভাবে নাথ সম্প্রদায়ের যোগসাধনাকে কেন্দ্র করে রচিত। - B) বৌদ্ধ সহজযান — চর্যাপদ বৌদ্ধ সহজযান ধর্মের সঙ্গে যুক্ত, কিন্তু গোরক্ষ বিজয় বৌদ্ধ ধর্মের পরিবর্তে নাথ ধর্মের কাহিনি নিয়ে লেখা। - C) নাথধর্ম — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। - D) কোনোটি নয় — সঠিক উত্তর নাথধর্ম অপশনে থাকায় এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: - গোরক্ষনাথ ও মীননাথের নাম দেখলে চোখ বন্ধ করে নাথধর্ম বা নাথ সাহিত্য দাগাবে।

মোট প্রশ্ন (37)

a formulae
b agenda
c oases
d radius
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) radius কেন সঠিক: radius শব্দটির শেষে us আছে এবং এটি একটি একবচন বা singular noun. এর বহুবচন বা plural রূপ হলো radii. বাকি অপশন কেন ভুল: A) formulae — এটি formula শব্দের বহুবচন রূপ যার শেষটি ae দিয়ে গঠিত। B) agenda — এটি agendum শব্দের বহুবচন রূপ এবং এর শেষে a আছে। C) oases — এটি oasis শব্দের বহুবচন রূপ যেখানে es ব্যবহৃত হয়েছে। D) radius — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি নিজেই singular বা একবচন শব্দ। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি শব্দে us থাকলে সাধারণত তা singular হয় এবং ae বা i থাকলে plural হয়।
a Lord Byron
b P. B Shelley
c S. T Coleridge
d Charles Lamb
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) S. T Coleridge কেন সঠিক: এটি ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম বিখ্যাত একটি আত্মজীবনীমূলক ও সাহিত্য সমালোচনামূলক গ্রন্থ যা উনিশ শতকে প্রকাশিত হয়েছিল। প্রখ্যাত কবি ও সাহিত্য সমালোচক স্যামুয়েল টেলর কোলরিজ এই গ্রন্থটির রচয়িতা। এটি মূলত সাহিত্য তত্ত্ব এবং দার্শনিক আলোচনার জন্য বিশ্বজুড়ে সমাদৃত। এই বইটিতে কবির নিজস্ব সাহিত্যিক জীবন এবং মতবাদ সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Lord Byron — তিনি রোমান্টিক যুগের একজন প্রখ্যাত কবি হলেও এই সমালোচনামূলক গ্রন্থটি লেখেননি। B) P. B Shelley — তিনি রোমান্টিক ধারার বিখ্যাত কবি ও নাট্যকার হলেও এই বিখ্যাত গদ্য গ্রন্থটির রচয়িতা নন। C) S. T Coleridge — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। D) Charles Lamb — তিনি একজন জনপ্রিয় প্রাবন্ধিক ও সাহিত্যিক হলেও এই গ্রন্থটি তার রচনা নয়। মনে রাখার টিপস: কোলরিজের নামের সাথে বায়োগ্রাফিয়া লিটারারিয়া মনে রাখতে 'সি' বর্ণটি দিয়ে কোলরিজ এবং সমালোচনা মনে রাখতে পারো।
a Romantic
b Victorian
c Modern
d Elizabethan
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Victorian কেন সঠিক: রবার্ট ব্রাউনিং ছিলেন ঊনবিংশ শতাব্দীর একজন বিখ্যাত ইংরেজ কবি, যা মূলত ভিক্টোরিয়ান যুগের অন্তর্ভুক্ত। তিনি তার অনন্য নাট্যসুলভ একক কবিতা বা ড্রামাটিক মনোলোগের জন্য সে যুগে বিশেষভাবে পরিচিতি লাভ করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Romantic — রোমান্টিক যুগ মূলত ভিক্টোরিয়ান যুগের ঠিক আগের সময়কালকে নির্দেশ করে এবং উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ এই ধারার কবি ছিলেন। B) Victorian — এই অপশনটি সঠিক কারণ ব্রাউনিং এই যুগেরই অন্যতম প্রধান এবং প্রভাবশালী প্রতিনিধি ছিলেন। C) Modern — আধুনিক যুগ শুরু হয়েছে বিংশ শতাব্দীতে, যা রবার্ট ব্রাউনিংয়ের জীবনকাল ও সাহিত্যকর্মের সময়ের অনেক পরে। D) Elizabethan — এলিজাবেথান যুগ ষোড়শ থেকে সপ্তদশ শতাব্দীর মধ্যবর্তী সময়কে বোঝায়, যা ব্রাউনিংয়ের সময় থেকে বহূ শতাব্দী প্রাচীন। মনে রাখার টিপস: রবার্ট ব্রাউনিংয়ের নাট্যসুলভ কবিতাগুলো ভিক্টোরিয়ান যুগের সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক জটিলতা সুন্দরভাবে তুলে ধরে।
a Ring
b Handkerchief
c Pendant
d Bangles
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Handkerchief কেন সঠিক: শেকসপিয়ারের ওথেলো নাটকে ওথেলো তার ভালোবাসার নিদর্শন হিসেবে ডেসডিমোনাকে একটি রুমাল উপহার দিয়েছিলেন। এই বিশেষ রুমালটি পরবর্তীতে নাটকের মূল ট্রাজেডি তৈরি করতে প্রধান অনুঘটক হিসেবে কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Ring — নাটকের কাহিনীতে ওথেলো ডেসডিমোনাকে ভালোবাসার প্রতীক হিসেবে কোনো আংটি উপহার দেননি। B) Handkerchief — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) Pendant — নাটকের কোথাও ওথেলোর পক্ষ থেকে ডেসডিমোনাকে কোনো লকেট বা পেন্ডেন্ট উপহার দেওয়ার উল্লেখ নেই। D) Bangles — ওথেলো এবং ডেসডিমোনা নাটকের মূল কাহিনীতে চুড়ি আদান প্রদানের কোনো ঘটনা ঘটেনি। মনে রাখার টিপস: ওথেলো নাটকে রুমাল বা হ্যান্ডকারচিফ হলো বিশ্বাসের প্রতীক, যা হারানোর মাধ্যমেই সব সন্দেহের শুরু হয়।
a John Milton
b S. T. Coleridge
c John Keats
d Lord Byron
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) John Keats কেন সঠিক: - কবি পার্সি বিশি শেলি (P. B. Shelley) তার বন্ধু ও সহকবি জন কিটসের (John Keats) অকাল মৃত্যুতে এই বিখ্যাত শোককাব্য বা এলিজি রচনা করেন। - এটি ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ একটি প্যাস্টোরাল এলিজি হিসেবে গণ্য করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) John Milton — জন মিল্টনের মৃত্যুতে শেলি নয়, বরং ম্যাথু আর্নল্ড বা অন্য কবিরা শোকগাথা লিখেছেন এবং মিল্টন নিজে এডওয়ার্ড কিংয়ের স্মরণে 'লিসিডাস' লিখেছিলেন। B) S. T. Coleridge — কোলরিজের মৃত্যুতে শেলি এই কবিতা লেখেননি, কারণ কোলরিজ শেলির মৃত্যুর পরেও বেঁচে ছিলেন। C) John Keats — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়। D) Lord Byron — লর্ড বায়রণের মৃত্যুতে শেলি 'হেলাস' বা অন্যান্য শোকবার্তা লিখলেও 'অ্যাডোনাইস' বিশেষভাবে জন কিটসের জন্যই রচিত। মনে রাখার টিপস: শেলি (Shelley) ও কিটস (Keats) উভয়ই রোমান্টিক যুগের কবি, তাই শেলির লেখা এলিজিটি কিটসের মৃত্যুর স্মরণে রচিত হয়েছে এভাবে মনে রাখা যায়।
a metaphor
b simile
c alliteration
d personification
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) simile কেন সঠিক: ১. এই অলংকারটিতে সাধারণত দুইটি সম্পূর্ণ ভিন্ন জাতির বস্তুর মধ্যে তুলনা করা হয়। ২. তুলনা করার সময় বাক্যে বিশেষ শব্দ হিসেবে 'like' অথবা 'as' ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) metaphor — এটি এমন একটি তুলনা যেখানে 'like' বা 'as' ব্যবহার না করে সরাসরি এক বস্তুকে অন্য বস্তু বলে ঘোষণা করা হয়। B) simile — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল হিসেবে প্রযোজ্য নয়। C) alliteration — এটি শব্দের শুরুতে একই ব্যঞ্জনবর্ণের পুনরাবৃত্তি বোঝায়, যা কোনো তুলনার সাথে সম্পর্কিত নয়। D) personification — এটি জড়বস্তু বা ধারণাকে মানুষের গুণ বা মানবসত্তা দেওয়ার সাথে যুক্ত, তুলনার সাথে নয়। মনে রাখার টিপস: simile শব্দটিতে 'like' বা 'as' থাকে এবং এটি সরাসরি মিল বোঝায়।
a 1560
b 1660
c 1760
d 1866
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৬৬০ কেন সঠিক: ইংরেজি সাহিত্যে ১৬৬০ সালকে রিস্টোরেশন পিরিয়ড বা পুনরুত্থানকাল বলা হয় কারণ এই বছরে রাজা দ্বিতীয় চার্লস ইংল্যান্ডের সিংহাসনে পুনরায় আরোহণ করেন। এর মাধ্যমে দীর্ঘ Puritan শাসনের অবসান ঘটে এবং রাজতন্ত্র ও নাট্যচর্চা আবার ফিরে আসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৫৬০ — এটি রিস্টোরেশন পিরিয়ড নয়, কারণ তখন এলিজাবেথীয় যুগের শুরুর সময়কাল চলছিল। B) ১৬৬০ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) ১৭৬০ — এটি রিস্টোরেশন পিরিয়ড নয়, বরং এটি অষ্টাদশ শতাব্দীর মাঝামাঝি জর্জিয়ান যুগের সময়কাল। D) ১৮৬৬ — এটি রিস্টোরেশন পিরিয়ড নয়, কারণ এটি ভিক্টোরিয়ান যুগের মাঝামাঝি একটি বছর। মনে রাখার টিপস: ১৬৬০ সালে রাজা ফিরে আসেন এবং সাহিত্য আবার চালু হয়, তাই সালটি মনে রাখা খুব সহজ।
a Charles Dickens
b Herman Melville
c Earnest Hemingway
d Thomas Hardy
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Earnest Hemingway কেন সঠিক: - ‘The Sun Also Rises’ আমেরিকার বিখ্যাত ঔপন্যাসিক আর্নেস্ট হেমিংওয়ের প্রথম এবং অন্যতম শ্রেষ্ঠ উপন্যাস। - এই উপন্যাসে প্রথম বিশ্বযুদ্ধোত্তর প্রজন্মের হতাশা ও বিভ্রান্ত জীবন ফুটিয়ে তোলা হয়েছে, যা লস্ট জেনারেশন নামে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Charles Dickens — তিনি ভিক্টোরিয়ান যুগের ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক, যার বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে এ টেল অব টু সিটিজ। B) Herman Melville — তিনি বিখ্যাত আমেরিকান ঔপন্যাসিক, যিনি বিশ্বখ্যাত 'মবি ডিক' উপন্যাসের জন্য সর্বাধিক পরিচিত। C) Earnest Hemingway — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। D) Thomas Hardy — তিনি একজন প্রখ্যাত ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক ও কবি, যিনি টেক্স অব দ্য উর্বিলস রচনা করেছেন। মনে রাখার টিপস: হেমিংওয়ের নামের সাথে 'সান' বা সূর্য শব্দটি যুক্ত করে মনে রাখতে পারো, কারণ তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস হলো 'দ্য সান অলসো রাইজেস'।
a Microphone
b Wireless
c Electricity
d Wire
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Wireless কেন সঠিক: টেলিফোন যোগাযোগের ক্ষেত্রে ক্যাবল বা তার ব্যবহার করা হয়। ঠিক তেমনই রেডিও যোগাযোগের ক্ষেত্রে কোনো তার বা ক্যাবল লাগে না, যা মূলত ওয়্যারলেস বা বেতার প্রযুক্তির মাধ্যমে কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Microphone — এটি শব্দকে বৈদ্যুতিক সিগন্যালে রূপান্তর করার একটি যন্ত্র, যা রেডিওর মূল যোগাযোগের মাধ্যম নয়। B) Wireless — এটি সঠিক কারণ রেডিও তার ছাড়া বা বেতার প্রযুক্তির মাধ্যমে তথ্য আদান প্রদান করে। C) Electricity — এটি সব বৈদ্যুতিক যন্ত্রের জন্যই কমবেশি প্রয়োজন, তাই এটি সুনির্দিষ্ট সাদৃশ্য প্রকাশ করে না। D) Wire — টেলিফোনে তার ব্যবহৃত হলেও রেডিও সম্পূর্ণ তারবিহীন প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত হয়। মনে রাখার টিপস: টেলিফোন চলে ক্যাবল বা তারের সাহায্যে আর রেডিও চলে তারবিহীন বা ওয়্যারলেস প্রযুক্তির মাধ্যমে।
a Vital
b Thin
c Careful
d Dangerous
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Thin কেন সঠিক: ‘TENUOUS’ শব্দটির অর্থ হলো অত্যন্ত দুর্বল, ক্ষীণ, পাতলা বা কম শক্তিশালী। এর সাথে মিল রেখে সঠিক সমার্থক শব্দ হিসেবে ‘Thin’ নির্বাচন করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Vital — এই শব্দটির অর্থ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বা জীবনরক্ষাকারী, যা ‘Tenuous’ শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) Thin — এই অপশনটি সঠিক কারণ এর অর্থ পাতলা বা ক্ষীণ, যা মূল শব্দের সমার্থক। C) Careful — এই শব্দটির অর্থ সাবধান বা সতর্ক, যা প্রদত্ত শব্দের অর্থের সাথে মেলে না। D) Dangerous — এই শব্দটির অর্থ বিপজ্জনক, যা মূল শব্দের অর্থ প্রকাশ করে না। মনে রাখার টিপস: টেনিস (Tennis) খেলার সময় অনেক সময় বল চিকন বা দুর্বল রেখার ওপর পড়ে, এভাবে TENUOUS অর্থ পাতলা বা ক্ষীণ মনে রাখা যায়।
a Quartet
b Limerick
c Sixtet
d Haiku
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Limerick কেন সঠিক: Limerick হলো এক ধরনের মজার কবিতা যা ঠিক পাঁচ লাইনের হয়। এই কবিতাগুলোর একটি নির্দিষ্ট ছন্দের নিয়ম এবং হাসির রস থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Quartet — এই শব্দটি চার লাইনের যেকোনো কবিতাকে বোঝায়। B) Limerick — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) Sixtet — এই শব্দটি ছয় লাইনের কবিতাকে নির্দেশ করে। D) Haiku — এটি তিন লাইনের একটি ঐতিহ্যবাহী জাপানি কবিতা। মনে রাখার টিপস: পাঁচ লাইনের মজার কবিতাকে লিমেরিক বলা হয়।
a All of it depend on you
b All of it are depending on you
c All of it depends on you
d All of it are depended on you
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) All of it depends on you কেন সঠিক: বাক্যের শুরুতে All of it থাকলে it হলো singular pronoun। তাই এর পরের verb ও singular হবে এবং সাথে s বা es যুক্ত হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) All of it depend on you — এখানে depend হলো plural verb, যা singular subject-এর সাথে বসে না। B) All of it are depending on you — এখানে are depending ব্যবহার করা হয়েছে, যা অর্থ ও গঠনগত দিক থেকে সঠিক নয়। C) All of it depends on you — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়। D) All of it are depended on you — এখানে are depended ব্যবহার করা হয়েছে, যা passive voice-এর ভুল গঠন। মনে রাখার টিপস: All-এর পর uncountable noun বা pronoun থাকলে verb সবসময় singular হয়।
a Since a stone is rolling, it gathers no moss.
b Though a stone rolls, it gathers no moss.
c A stone what rolls gathers no moss.
d A stone that rolls, gathers no moss.
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) A stone that rolls, gathers no moss. কেন সঠিক: প্রদত্ত simple sentence-এর present participle অংশকে relative pronoun ব্যবহার করে complex-এ রূপান্তর করতে হয়। এখানে that relative pronoun যুক্ত clauseটি একটি adjective clause হিসেবে কাজ করে সঠিক অর্থ প্রকাশ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Since a stone is rolling, it gathers no moss. — এটি একটি cause and effect সম্পর্ক তৈরি করেছে, যা মূল বাক্যের ভাবার্থের সাথে মেলে না। B) Though a stone rolls, it gathers no moss. — এটি বিপরীতার্থক বা concession অর্থ প্রকাশ করেছে, যা মূল প্রবাদের মূল ভাবের সম্পূর্ণ বিপরীত। C) A stone what rolls gathers no moss. — এখানে what relative pronoun ব্যবহারের নিয়মটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক বা প্রযোজ্য নয়। D) এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: Simple sentence-এর participle অংশকে complex করার সময় that বা who যুক্ত adjective clause ব্যবহার করতে হয়।
a changed
b removed
c joined
d shortened
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) joined কেন সঠিক: - 'Append' শব্দটির অর্থ হলো কোনো কিছুর সঙ্গে যুক্ত করা, সংযুক্ত করা বা পরিশিষ্ট হিসেবে যোগ করা। - বাক্যে প্রতিবেদনের সঙ্গে একটি চার্ট যুক্ত করা বোঝাতে 'appended' শব্দটির সঠিক অর্থ হিসেবে 'joined' ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) changed — এর অর্থ পরিবর্তিত করা, যা মূল শব্দ 'appended' এর অর্থ বা সংযুক্তি ধারণার সঙ্গে মিল নেই। B) removed — এর অর্থ অপসারণ করা বা ফেলে দেওয়া, যা সংযুক্তি বোঝানোর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। C) joined — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ সংযুক্ত করা, যা 'appended' শব্দের সমার্থক। D) shortened — এর অর্থ সংক্ষিপ্ত করা, যা কোনো কিছু যোগ করার ধারণার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: Append শব্দটিকে Pend (ঝুলা বা যুক্ত করা) এর সঙ্গে মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন, যার অর্থ কোনো রিপোর্টের সঙ্গে অতিরিক্ত কিছু ঝুলিয়ে দেওয়া বা যুক্ত করা।
a a noun
b an adverb
c an adjective
d none of the three
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) an adverb কেন সঠিক: এখানে 'vigilantly' শব্দটি বাক্যের মূল verb 'sat'-কে বিশেষিত বা modify করছে। কীভাবে বসেছিল তা বুঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a noun — এটি কোনো ব্যক্তি, বস্তু বা গুণের নাম বোঝাচ্ছে না, তাই এটি noun হতে পারে না। B) an adverb — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। C) an adjective — এটি কোনো noun বা pronoun-কে দোষ, গুণ বা অবস্থা বোঝাচ্ছে না, তাই এটি adjective নয়। D) none of the three — সঠিক উত্তরটি অপশনে থাকায় এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: যেসব শব্দের শেষে ly থাকে এবং তারা verb-কে বিশেষিত করে, সেগুলো সাধারণত adverb হয়।
a unexpected
b tempting
c disappointing
d ordinary
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) tempting কেন সঠিক: alluring শব্দের অর্থ আকর্ষণীয় বা লোভনীয়, যা মানুষের মনোযোগ সহজে কেড়ে নেয়। tempting শব্দের অর্থও প্রলোভনসাকুল বা আকর্ষণীয়, যা চাকরির নতুন অফারের ক্ষেত্রে নিখুঁতভাবে মিলে যায়। এই দুটি শব্দের ভাবার্থ একই হওয়ায় অপশন বি সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) unexpected — এর অর্থ অপ্রত্যাশিত, যা alluring শব্দের অর্থের সাথে মেলে না। B) tempting — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) disappointing — এর অর্থ হতাশাজনক, যা আকর্ষণীয় শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত। D) ordinary — এর অর্থ সাধারণ, যা আকর্ষণীয় বা লোভনীয় পদের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: Alluring শুনলেই অলংকার বা সুন্দর কিছুর কথা মনে রাখবে, যা মানুষকে টানে বা Tempt করে।
a By whom was the tree planted here?
b Who the tree had been planted hereby?
c The tree was planted here by whom?
d By whom had the tree been planted here?
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) By whom was the tree planted here? কেন সঠিক: Active বাক্যে Who থাকলে Passive করার সময় তা পরিবর্তন হয়ে By whom হয়। বাক্যটি Past Indefinite Tense এ থাকায় সাহায্যকারী ভার্ব হিসেবে was ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) By whom was the tree planted here? — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) Who the tree had been planted hereby? — এখানে টেন্স ভুল দেওয়া হয়েছে এবং সাহায্যকারী ভার্বের গঠন সঠিক নয়। C) The tree was planted here by whom? — এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক প্রশ্নবোধক গঠন হয়নি। D) By whom had the tree been planted here? — এখানে Past Perfect Tense ব্যবহার করা হয়েছে যা মূল বাক্যের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: Active বাক্যে Who থাকলে Passive করার শুরুতে By whom বসাতে হয় এবং টেন্স অনুযায়ী সঠিক সাহায্যকারী ভার্ব নিতে হয়।
a A noun
b An adjective
c An adverb
d A verb
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) A noun কেন সঠিক: ১. এই শব্দটি বাক্যে সাবজেক্ট বা কর্তা হিসেবে বসেছে এবং উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের হ্যামলেট নাটকের এই বিখ্যাত লাইনে এটি একটি দুর্বলতা গুণবাচক নাম বোঝাচ্ছে। ২. সাধারণত কোনো শব্দের পূর্বে দি যুক্ত হলে এবং তার পরে অবজেক্ট বা নাম বোঝালে তা নাউন হিসেবে কাজ করে। ৩. এটি কোনো কাজের নাম বা দোষের নাম প্রকাশ করছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A noun — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। B) An adjective — এটি কোনো দোষ বা গুণের নাম বোঝালেও কোনো প্রোনাউন বা নাউনের দোষ গুণ অবস্থা সরাসরি প্রকাশ করছে না। C) An adverb — এটি কোনো ক্রিয়া বা ভার্বকে বিশেষিত করছে না বা সময় স্থান নির্দেশ করছে না। D) A verb — এটি দ্বারা কোনো কাজ করা বোঝায় না বরং এটি একটি বিমূর্ত নাম। মনে রাখার টিপস: যে শব্দ কোনো কিছুর নাম বোঝায় এবং বাক্যে সাবজেক্ট বা অবজেক্টের কাজ করে, তাকে নাউন বলে।
a A gerund
b A participle
c An infinitive
d A finite verb
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: খ) A participle কেন সঠিক: এখানে enlightening শব্দটি Education নাউন সম্পর্কে অতিরিক্ত তথ্য দিচ্ছে এবং বাক্যে এডজেক্টিভের কাজ করছে। ভার্ব যখন একই সাথে ভার্ব এবং এডজেক্টিভের কাজ করে, তখন তাকে পার্টিসিপল বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: ক) A gerund — জেরাল্ড সবসময় নাউনের কাজ করে, কিন্তু এখানে শব্দটি এডজেক্টিভ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। খ) A participle — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। গ) A infinitive — ইনফিনিটিভ হতে হলে শব্দের আগে টু থাকতে হয়, যা এখানে নেই। ঘ) A finite verb — এটি মূল বা সমাপিকা ক্রিয়া নয়, কারণ এটি বাক্যের প্রধান কাজের নিয়ন্ত্রণ করে না। মনে রাখার টিপস: ভার্ব যখন আইএনজি যুক্ত হয়ে এডজেক্টিভের কাজ করে, তখন চোখ বন্ধ করে তাকে পার্টিসিপল দাগাবে।
a 11 a.m
b 11 p.m
c 7 a.m
d 7 p.m
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: দৈনন্দিন জীবনের সাধারণ তথ্য ও ইংরেজি ইডিয়ম বা শব্দার্থ সঠিক উত্তর: A) 11 a.m কেন সঠিক: - 'Night owl' একটি প্রচলিত ইংরেজি ইডিয়ম বা ফ্রেজ, যার অর্থ এমন একজন ব্যক্তি যিনি রাত জাগেন এবং খুব ভোറും ঘুম থেকে ওঠেন না। - যেহেতু ক্যাসাড্রা একজন নাইট আউল, তাই তিনি স্বাভাবিকভাবেই অনেক বেলা করে অর্থাৎ সকাল এগারোটার দিকে ঘুম থেকে ওঠেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 11 a.m — এটি সঠিক উত্তর কারণ একজন নাইট আউল সাধারণত দুপুর বা সকালের দিকে দেরিতে ঘুম থেকে ওঠে। B) 11 p.m — এটি রাতের সময়, যা ঘুম থেকে ওঠার সময় হতে পারে না কারণ এটি ঘুমাতে যাওয়ার বা রাতের কার্যক্রমের সময়। C) 7 a.m — এটি সকালের খুব early বা সকাল সকাল সময়, যা নাইট আউলদের জীবনধারার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। D) 7 p.m — এটি সন্ধ্যার সময়, যা ঘুম থেকে ওঠার সময় হিসেবে অস্বাভাবিক এবং এটি মূলত রাতের কার্যক্রমের শুরু। মনে রাখার টিপস: Night owl অর্থ নিশাচর পাখি বা রাতজাগা মানুষ, তাই তারা ভোরে নয় বরং অনেক বেলা করে ঘুম থেকে ওঠে।
a had it mended
b had it mend
c did it mend
d had mended
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) had it mended কেন সঠিক: বাক্যটিতে অন্য কাউকে দিয়ে কাজ করিয়ে নেওয়ার অর্থ প্রকাশ পেয়েছে। তাই এখানে Causative Verb হিসেবে have এর পাস্ট ফর্ম had এবং object এর পর Past Participle ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সঠিক উত্তর — এটি সঠিক Causative গঠন মেনে চলেছে। B) had it mend — ভুল কারণ এখানে verb এর base form রয়েছে, যা past participle হওয়া প্রয়োজন ছিল। C) did it mend — ভুল কারণ এটি সাধারণ Past Indefinite Tense এর গঠন, যা এখানে অর্থের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। D) had mended — ভুল কারণ এখানে Passive অর্থ প্রকাশ করতে mended এর আগে একটি object (it) থাকা আবশ্যক ছিল। মনে রাখার টিপস: নিজের কাজ নিজে না করে অন্যকে দিয়ে করালে Subject + have/get + Object + Verb-এর Past Participle ফর্ম বসে।
a a
b an
c the
d no article is needed
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) a কেন সঠিক: - শূন্যস্থানের পরের শব্দ 'one-eyed' এর শুরুতে 'o' থাকা সত্ত্বেও উচ্চারণের সময় এটি বাংলার ব্যঞ্জনবর্ণ 'ওয়' (W) এর মতো শোনায়। - উচ্চারণের শুরুতে স্বরবর্ণের ধ্বনি না থেকে ব্যঞ্জনবর্ণের ধ্বনি থাকায় এর পূর্বে 'an' না বসে 'a' বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a — এটি সঠিক উত্তর কারণ শব্দের শুরুতে consonant sound বা ব্যঞ্জনবর্ণের উচ্চারণ থাকলে article হিসেবে 'a' বসে। B) an — এটি ভুল কারণ শব্দের শুরুতে vowel থাকলেও তার উচ্চারণ যদি স্বরবর্ণের মতো না হয়ে ব্যঞ্জনবর্ণের মতো হয়, তবে 'an' বসে না। C) the — এটি ভুল কারণ এখানে নির্দিষ্ট কোনো একচক্ষু বিশিষ্ট ব্যক্তিকে বোঝানো হয়নি, বরং যেকোনো একজন সাধারণ মানুষকে বোঝানো হয়েছে। D) no article is needed — এটি ভুল কারণ countable singular noun বা গণনযোগ্য একবচন বিশেষ্য পদ একা বসতে পারে না, তার পূর্বে article বসাতে হয়। মনে রাখার টিপস: শব্দে vowel (a, e, i, o, u) থাকলেও যদি তার উচ্চারণ 'ওয়' (w) বা 'ইউ' (y) এর মতো হয়, তবে তার পূর্বে 'an' না বসিয়ে সব সময় 'a' বসাতে হবে।
a eating all types of food
b eating only fruits
c eating only meat
d eating grass and plants only
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) eating all types of food কেন সঠিক: ‘Omnivorous’ শব্দটির বাংলা অর্থ সর্বভুক বা সব ধরণের খাবার খায় যে প্রাণী। এর মূল অংশ ‘omni’ অর্থ সব এবং ‘vorare’ অর্থ খাওয়া। তাই সব ধরনের খাবার খাওয়া বোঝাতে এই অপশনটি সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) eating all types of food — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। B) eating only fruits — এটি শুধু ফল খাওয়া বোঝায়, যা সর্বভুক বোঝাতে ব্যবহার করা যায় না। C) eating only meat — এটি শুধু মাংস খাওয়া বোঝায়, যাকে মাংসাশী বলা হয়। D) eating grass and plants only — এটি শুধু ঘাস ও উদ্ভিদ খাওয়া বোঝায়, যাকে তৃণভোজী বলা হয়। মনে রাখার টিপস: ‘Omni’ অর্থ সব এবং ‘vor’ অর্থ খাওয়া, তাই সব খাবার খায় যে তা মনে রেখো।
a Watch out for falling animals.
b Make sure you take an umbrella.
c Keep your pets inside.
d Keep the windows open.
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Make sure you take an umbrella. কেন সঠিক: বাক্যে raining cats and dogs একটি প্রবাদ যার অর্থ খুব জোরে বৃষ্টি হচ্ছে। তাই বৃষ্টির হাত থেকে রক্ষা পেতে বাইরে যাওয়ার সময় অবশ্যই ছাতা নেওয়া উচিত। এই পরিস্থিতিতে ছাতা ব্যবহার করাই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Watch out for falling animals — raining cats and dogs অর্থ সত্যি সত্যি আকাশ থেকে বিড়াল বা কুকুর পড়া নয়, এটি একটি বৃষ্টির তীব্রতা বোঝানোর বাগধারা। B) Make sure you take an umbrella — এটি সঠিক উত্তর কারণ খুব বৃষ্টি হলে ছাতা ব্যবহার করতে হয়। C) Keep your pets inside — পোষা প্রাণীদের ভেতরে রাখার কথা বললেও মূলত এখানে বৃষ্টির তীব্রতা এবং মানুষের সুরক্ষার বিষয়টি প্রধান। D) Keep the windows open — প্রচণ্ড বৃষ্টির মধ্যে জানালা খোলা রাখলে ঘরের ভেতর পানি ঢুকে ঘর ভিজে যাবে। মনে রাখার টিপস: raining cats and dogs দেখলে বুঝবে মুষলধারে বৃষ্টি হচ্ছে এবং তখন ছাতার কথা মাথায় রাখবে।
a A strong point
b A weak point
c A permanent solution
d A serious idea
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) A weak point কেন সঠিক: গ্রিক পুরাণের বীর অ্যাকিলিসকে তাঁর মা শৈশবে নদীর জলে ডুবিয়েছিলেন যাতে তাঁর গায়ে কোনো অস্ত্র আঘাত করতে না পারে। কিন্তু যে গোড়ালি দিয়ে তাঁকে ধরে রাখা হয়েছিল, তা জলে ভেজা না থাকায় সেটিই তাঁর একমাত্র দুর্বল জায়গা হয়ে রয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A strong point — এটি অ্যাকিলিসের গোড়ালির পৌরাণিক গল্পের সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। C) A permanent solution — এই বাক্যাংশটির সাথে কোনো স্থায়ী সমাধানের ঐতিহাসিক বা আক্ষরিক সম্পর্ক নেই। D) A serious idea — এটি কোনো গুরুতর চিন্তাভাবনা বোঝাতে ব্যবহার করা হয় না, এটি মানুষের দুর্বলতা বোঝায়। মনে রাখার টিপস: অ্যাকিলিসের গোড়ালি মানেই মানুষের জীবনের এমন একটি গোপন দুর্বলতা যা দিয়ে তাকে সহজে ঘায়েল করা যায়।
a A noun phrase
b An adjective phrase
c An infinitive phrase
d An adverbial phrase
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) An adverbial phrase কেন সঠিক: বাক্যের মূল verb কে কীভাবে বা কোন উপায়ে কাজটি সম্পন্ন হলো তা বোঝাচ্ছে। এখানে with all sincerity phrase টি কাজের ধরন প্রকাশ করায় এটি Adverbial phrase হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A noun phrase — এটি বাক্যে কোনো noun এর কাজ করছে না এবং subject বা object হিসেবেও বসেনি। B) An adjective phrase — এটি কোনো noun বা pronoun কে বিশেষিত বা modify করছে না। C) An infinitive phrase — এর শুরুতে কোনো to নেই এবং verb এর base form ও এখানে ব্যবহৃত হয়নি। D) এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যের verb কে কীভাবে বা কেন প্রশ্ন করলে যে phrase পাওয়া যায়, তাই adverbial phrase।
a A noun clause
b An adverbial clause
c An adjective clause
d None of the three
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) An adjective clause কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যে 'I lost' অংশটি তার ঠিক আগের নাউন 'book' কে মডিফাই করছে বা এর দোষগুণ প্রকাশ করছে। - Relative pronoun 'that' উহ্য রেখে গঠিত এই clause-টি একটি Adjective-এর কাজ করায় এটি Adjective clause. বাকি অপশন কেন ভুল: A) A noun clause — এটি বাক্যে কোনো Noun-এর কাজ করছে না বা Verb-এর Object বা Subject হিসেবে বসেনি। B) An adverbial clause — এটি স্থান, সময়, কারণ বা শর্ত বোঝাচ্ছে না এবং Verb-কে বিশেষায়িত করছে না। C) An adjective clause — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক হওয়ায় এটি সঠিক অপশন হিসেবে বিবেচিত। D) None of the three — যেহেতু C নম্বর অপশনটি সঠিক, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: যে subordinate clause কোনো Noun বা Pronoun-কে মডিফাই করে Adjective-এর কাজ করে, তাকেই Adjective clause বলে।
a sanction
b substitute
c stipulation
d directive
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) stipulation কেন সঠিক: ‘Proviso’ শব্দটির অর্থ হলো কোনো চুক্তি বা আইনের শর্ত বা বিশেষ বিধান। অন্যদিকে ‘stipulation’ শব্দের অর্থও হলো চুক্তি বা শর্ত, যা এর সাথে সবচেয়ে বেশি মিলে যায়। এটি মূল শব্দের সঠিক সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এটি বাক্যের অর্থের সাথে নিখুঁতভাবে মিলে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) sanction — এর অর্থ অনুমোদন বা শাস্তি, যা শর্ত বোঝায় না। B) substitute — এর অর্থ বিকল্প, যা মূল শব্দের অর্থের সাথে মেলে না। C) stipulation — এটি নিজেই সঠিক উত্তর। D) directive — এর অর্থ নির্দেশিকা, যা শর্ত বা বিধানের সমার্থক নয়। মনে রাখার টিপস: Proviso শব্দটি শুনলে মনে রাখবে চুক্তিপত্রে থাকা কোনো ছোট শর্ত বা stipulation এর কথা।
a in
b on
c like
d of
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: সি) like কেন সঠিক: এখানে ‘feel like’ একটি সঠিক ফ্রেজ বা শব্দগুচ্ছ যার অর্থ কোনো কিছু করার ইচ্ছা বা আগ্রহ থাকা। বাক্যে বলা হয়েছে পরিবারের এই মৌসুমে ঘুরতে যাওয়ার কোনো ইচ্ছা নেই। বাকি অপশন কেন ভুল: এ) ইন — 'feel in' বলতে ইংরেজিতে কোনো অর্থপূর্ণ ফ্রেজ বা নিয়ম নেই। বি) অন — 'feel on' সঠিক কোনো অর্থ প্রকাশ করে না এবং ব্যাকরণগতভাবে বেমানান। সি) এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। ডি) অফ — 'feel of' কোনো নির্দিষ্ট ভাব প্রকাশ করে না এবং এখানে অর্থহীন। মনে রাখার টিপস: কোনো কাজের ইচ্ছা প্রকাশ করতে 'feel like' এর পরে ভার্বের সাথে আইএনজি যোগ হয়।
a toxic
b spurious
c harmless
d lethal
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) harmless কেন সঠিক: DELETERIOUS শব্দটির অর্থ ক্ষতিকর বা বিষাক্ত। Harmless শব্দের অর্থ অক্ষতিকর, যা এর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) toxic — এই শব্দটির অর্থ বিষাক্ত, যা মূল শব্দের সমার্থক। B) spurious — এই শব্দটির অর্থ জাল বা কৃত্রিম, যা মূল শব্দের সাথে সম্পর্কিত নয়। C) harmless — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। D) lethal — এই শব্দটির অর্থ মারাত্মক বা প্রাণঘাতী, যা মূল শব্দের সমার্থক। মনে রাখার টিপস: Delete শব্দ থেকে Deleterious মনে রাখতে পারো, যা কোনো কিছু মুছে বা নষ্ট করে অর্থাৎ ক্ষতিকর।
a T. S Eliot
b W. B Yeats
c Mathew Arnold
d Robert Browning
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) T. S Eliot কেন সঠিক: জিয়রনশিয়ন কবিতাটি বিশ শতকের বিখ্যাত আধুনিকতাবাদী কবি টি এস এলিয়টের একটি অত্যন্ত পরিচিত সাহিত্যকর্ম। ১৯২০ সালে প্রকাশিত এই কবিতাটি আধুনিক যুগের মানুষের নৈতিক অবক্ষয় এবং আত্মিক শূন্যতার এক নিখুঁত চিত্র তুলে ধরে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) T. S Eliot — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। B) W. B Yeats — ডব্লিউ বি ইয়েটস এই কবিতার রচয়িতা নন, তিনি সেলটিক রেনেসাঁ এবং প্রতীকী কবিতার জন্য বেশি পরিচিত। C) Mathew Arnold — ম্যাথু আর্নল্ড ভিক্টোরিয়ান যুগের কবি, তাই আধুনিক যুগের এই কবিতার সাথে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই। D) Robert Browning — রবার্ট ব্রাউনিং নাট্যধর্মী একক অভিনয়ের কবিতা লিখলেও জিয়রনশিয়ন কবিতাটি তাঁর লেখা নয়। মনে রাখার টিপস: এলিয়টের আধুনিক মনন ও হতাশার ছাপ রয়েছে জিয়রনশিয়ন কবিতায়।
a As You Like It
b Macbeth
c Tempest
d Othello
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Tempest কেন সঠিক: উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের এককভাবে লেখা সর্বশেষ বা শেষ নাটক হলো দ্য টেম্পেস্ট। এটি ষোল শ দশ বা ষোল শ এগারো সালে রচিত হয়েছিল এবং এতে তার নাট্যজীবনের সমাপ্তি প্রতিফলিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) As You Like It — এটি উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের একটি বিখ্যাত কমেডি নাটক যা তার কর্মজীবনের মধ্যভাগে রচিত হয়েছিল। B) Macbeth — এটি শেক্সপিয়ারের অন্যতম সেরা ট্র্যাজেডি নাটক যা তার রচনার মধ্যবর্তী সময়ে প্রকাশিত হয়েছিল। C) Tempest — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না। D) Othello — এটি শেক্সপিয়ারের একটি বিখ্যাত ট্র্যাজেডি যা তার জীবনের শেষভাগের নাটক নয়। মনে রাখার টিপস: শেক্সপিয়ারের শেষ নাটক মনে রাখতে দ্য টেম্পেস্ট নামটি মনে রাখবে কারণ এর অর্থ ঝড়ের সাথে তার নাট্যজীবনের অবসান বোঝায়।
a Thomas Gray
b P. B Shelley
c Robert Frost
d Y. B Yeats
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Thomas Gray কেন সঠিক: - এই বিখ্যাত কবিতাটি অষ্টাদশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ ইংরেজি কবি থমাস গ্রে-র রচনা। - গ্রামীণ পরিবেশ ও মৃত্যুর সার্বজনীন সত্য নিয়ে লেখা এই কবিতাটি ইংরেজি সাহিত্যর গ্রেভইয়ার্ড পোয়েট্রি ধারার অন্তর্গত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Thomas Gray — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ তিনি এই কবিতাটি রচনা করেছেন। B) P. B Shelley — তিনি রোমান্টিক যুগের কবি, যার বিখ্যাত রচনার মধ্যে ওড টু দ্য ওয়েস্ট উইন্ড অন্যতম। C) Robert Frost — তিনি বিংশ শতাব্দীর আধুনিক আমেরিকান কবি, যিনি প্রকৃতি ও মানবজীবন নিয়ে লেখার জন্য পরিচিত। D) Y. B Yeats — তিনি বিংশ শতাব্দীর আইরিশ কবি ও নাট্যকার, যিনি নোবেল পুরস্কার লাভ করেছিলেন। মনে রাখার টিপস: গ্রেভইয়ার্ড বা কবরস্থানের সঙ্গে মিল রেখে মনে রাখতে পারেন গ্রে (Gray) অর্থাৎ থমাস গ্রে।
a John Webster
b Ben Jonson
c Christopher Marlowe
d William Shakespeare
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Ben Jonson কেন সঠিক: বেন জনসন ইংরেজি সাহিত্যের একজন বিখ্যাত নাট্যকার এবং কবি ছিলেন। তিনি ১৬০৫ সালে এই বিখ্যাত কমেডি নাটকটি রচনা করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) John Webster — তিনি এই নাটকটি লেখেননি, বরং তিনি 'The Duchess of Malfi' নাটকের জন্য বিখ্যাত। B) Ben Jonson — এটি সঠিক উত্তর এবং তিনিই এই বিখ্যাত নাটকটির রচয়িতা। C) Christopher Marlowe — তিনি এই নাটকটি লেখেননি, তিনি মূলত 'Doctor Faustus' নাটকের জন্য পরিচিত। D) William Shakespeare — তিনি এই নাটকটি লেখেননি, তার বিখ্যাত নাটকগুলোর মধ্যে 'Hamlet' অন্যতম। মনে রাখার টিপস: বেন জনসনের নাম এলে তার বিখ্যাত কমেডি নাটক ভলপনে কথাটি মনে রাখবে।
a Alliterative
b Sonnet form
c Iambic pentameter
d Dactylic Hexameter
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Iambic pentameter কেন সঠিক: উইলিয়াম শেক্সপিয়র তার অধিকাংশ নাটক লেখার জন্য আইয়াম্বিক পেন্টামিটার ছন্দ ব্যবহার করেছেন। এই ছন্দে প্রতিটি লাইনে দশটি করে সিলেবল থাকে যা মানুষের স্বাভাবিক কথা বলার ছন্দের খুব কাছাকাছি। এটি নাটকের চরিত্রগুলোর সংলাপকে আরও নাটকীয় এবং প্রাণবন্ত করে তোলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Alliterative — এটি প্রাচীন ইংরেজি কবিতার একটি রূপ যেখানে একই ধ্বনির পুনরাবৃত্তি ঘটে, যা শেক্সপিয়রের নাটকের প্রধান মাধ্যম ছিল না। B) Sonnet form — সনেট হলো চৌদ্দ লাইনের কবিতা লেখার একটি বিশেষ রূপ, যা শেক্সপিয়র নাটক লেখার জন্য ব্যবহার করেননি। C) Iambic pentameter — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Dactylic Hexameter — এটি প্রাচীন গ্রিক ও রোমান মহাকাব্যের ছন্দ, যা শেক্সপিয়র তার নাটকে ব্যবহার করতেন না। মনে রাখার টিপস: শেক্সপিয়রের নাটক মনে রাখতে আইয়াম্বিক পেন্টামিটার শব্দটির সাথে তার নাম সবসময় একসাথে মনে রাখবে।
a personification
b onomatopoeia
c alliteration
d rhyme
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) alliteration কেন সঠিক: - Alliteration হলো এমন একটি সাহিত্যিক অলংকার, যেখানে পাশাপাশি বা কাছাকাছি থাকা শব্দগুলোর শুরুতে একই ব্যঞ্জনবর্ণের ধ্বনির পুনরাবৃত্তি ঘটে। - বিখ্যাত প্রবাদ Peter Piper picked a peck of pickled peppers এই বাক্যে P ধ্বনির পুনরাবৃত্তি অলিম্পিক বা alliteration এর চমৎকার উদাহরণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) personification — এটি এমন একটি অলংকার যেখানে নির্জীব বস্তু বা ধারণাকে মানবীয় গুণ বা অনুভূতিসম্পন্ন হিসেবে উপস্থাপন করা হয়। B) onomatopoeia — এটি এমন শব্দ যা কোনো নির্দিষ্ট ধ্বনির অনুকরণে তৈরি হয় যেমন কুকুরের ডাক বা পানির শব্দ। C) alliteration — এটি প্রদত্ত প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো ভিন্ন প্রেক্ষাপট প্রযোজ্য নয়। D) rhyme — এটি কবিতার চরণের শেষে বা নির্দিষ্ট ছন্দে শব্দের মিল থাকার প্রক্রিয়াকে নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: Alliteration শব্দের শুরুতেই A অক্ষর আছে এবং এটি বারবার শুরুর consonant sound বা ব্যঞ্জনবর্ণের ধ্বনি মেলানোর কাজ করে।
a The Epic
b The Comic
c The Occult
d the Tragic
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) The Occult কেন সঠিক: অকাল্ট বা অতিপ্রাকৃত বিষয়বস্তু কোনো কাব্যিক ঐতিহ্য বা ধারা নয়। এটি মূলত যাদুবিদ্যা, গুপ্তবিদ্যা বা রহস্যময় বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The Epic — এপিক বা মহাকাব্য একটি সুপরিচিত প্রাচীন কাব্যিক ঐতিহ্য। B) The Comic — কমেডি বা হাস্যরসাত্মক রচনা সাহিত্যের একটি প্রধান কাব্যিক ধারা। C) The Occult — এটি কোনো কাব্যিক ঐতিহ্য নয় বরং একটি রহস্যময় বিশ্বাসের ক্ষেত্র। D) the Tragic — ট্র্যাজেডি বা বিয়োগান্তক রচনা একটি দীর্ঘস্থায়ী কাব্যিক ঐতিহ্য। মনে রাখার টিপস: মহাকাব্য, কমেডি এবং ট্র্যাজেডি কবিতার মূল ধারা হলেও অকাল্ট হলো গুপ্তবিদ্যা যা কবিতার ঐতিহ্য নয়।

মোট প্রশ্ন (0)

মোট প্রশ্ন (15)

a ধুলিকণা
b বায়ুস্তর
c বৃষ্টির কণা
d অতিবেগুনি রশ্মি
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বৃষ্টির কণা ১. কেন সঠিক: - আকাশে রংধনু সৃষ্টির মূল কারণ হলো আকাশে ভেসে থাকা বৃষ্টির কণার ওপর সূর্যের আলোর আপতন। - বৃষ্টির কণা এখানে প্রিজমের মতো কাজ করে এবং আলোর প্রতিসরণ, অভ্যন্তরীণ পূর্ণ প্রতিফলন ও বিচ্ছুরণ ঘটায়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: আলোর বিচ্ছুরণ হলো সেই ঘটনা যেখানে সাদা আলো প্রিজম বা স্বচ্ছ মাধ্যমের ভেতর দিয়ে যাওয়ার সময় তার উপাদান সাতটি রঙে বিভক্ত হয়ে যায়। - কার্যপ্রণালি: সূর্যের আলো যখন বৃষ্টির ফোঁটায় প্রবেশ করে, তখন তা প্রতিসরিত হয়, ফোঁটার ভেতরে প্রতিফলিত হয় এবং ফোঁটা থেকে বের হওয়ার সময় আবার প্রতিসরিত হয়ে সাতটি রঙে বিভক্ত হয়। - কারণ ও ফলাফল: আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্যের পার্থক্যের কারণে লাল আলোর বাঁক নেওয়ার পরিমাণ সবচেয়ে কম এবং বেগুনি আলোর বাঁক নেওয়ার পরিমাণ সবচেয়ে বেশি হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সাবানের বুদ্বুদে রোদ পড়লে নানা রঙের আভা দেখা যাওয়া। ব্যাখ্যা: এটিও আলোর বিচ্ছুরণ এবং ব্যতিচারের একটি চমৎকার উদাহরণ, যা বৃষ্টির ফোঁটার মতো কাজ করে। উদাহরণ ২: বাগানে পানি দেওয়ার সময় হোস পাইপ থেকে কুয়াশার মতো পানি ছড়ালে বিপরীত দিকে রংধনু দেখা যাওয়া। ব্যাখ্যা: কৃত্রিম উপায়ে সূর্যের আলোর সামনে ক্ষুদ্র পানির কণা তৈরি করে রংধনু সৃষ্টি করা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধুলিকণা — ধুলিকণা আলোর বিক্ষেপণ ঘটাতে পারে যেমন আকাশের রঙ নীল দেখায়, কিন্তু রংধনু সৃষ্টি করে না। B) বায়ুস্তর — বায়ুস্তর আলোর প্রতিসরণ ঘটিয়ে তারার মিটমিট বা সূর্যোদয়ের আগে সূর্য দেখানোর মতো ঘটনা ঘটায়। C) বৃষ্টির কণা — এটি সঠিক কারণ, বৃষ্টির কণা আলো প্রতিসরণ ও বিচ্ছুরণ করে রংধনু তৈরি করে। D) অতিবেগুনি রশ্মি — অতিবেগুনি রশ্মি মানুষের চোখের অদৃশ্য এক ধরণের তড়িৎ চুম্বকীয় বিকিরণ, যা রংধনুর দৃশ্যমান বর্ণালির জন্য দায়ী নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - রংধনু মনে রাখতে হলে মনে রাখবেন বৃষ্টির ফোঁটা হলো প্রাকৃতিক প্রিজম। - প্রিজমের ভেতরে আলো ভেঙে সাত রঙ তৈরি হওয়ার প্রক্রিয়াটিই রংধনুর মূল চাবিকাঠি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - রংধনুর মাঝের রঙটি কি এবং প্রধান রঙ কয়টি এই প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে রংধনু দেখার সময় দর্শকের পিঠ কোন দিকে থাকে, উত্তর হবে সূর্যের দিকে।
a মদ্য শিল্পে
b রুটি শিল্পে
c সাইট্রিক এসিড উৎপাদন
d এক কোষীয় প্রোটিন তৈরিতে
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাইট্রিক এসিড উৎপাদন ১. কেন সঠিক: - সাইট্রিক এসিড উৎপাদনে ইস্টের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই কারণ এটি সাধারণত অ্যাসপারজিলাস নাইজার নামক ছত্রাক দ্বারা উৎপাদিত হয়। - ইস্ট এক প্রকার এককোষী ছত্রাক যা মূলত গাঁজন প্রক্রিয়ায় শর্করাকে অ্যালকোহল ও কার্বন ডাই অক্সাইডে রূপান্তর করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: অবাত শ্বসন বা গাঁজন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ইস্ট শর্করা ভেঙে শক্তি উৎপাদন করে এবং উপজাত হিসেবে ইথানল ও কার্বন ডাই অক্সাইড তৈরি করে। - কার্যপ্রণালি: ইস্ট কোষের ভেতরের এনজাইম গ্লুকোজকে ভেঙে পাইরুভিক এসিডে পরিণত করে এবং পরবর্তীতে তা অ্যালকোহল ও কার্বন ডাই অক্সাইডে রূপান্তরিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পাউরুটি তৈরি ব্যাখ্যা: আটার সাথে ইস্ট মেশালে কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাস উৎপন্ন হয় যা পাউরুটি ফোলাতে ও নরম করতে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: ইথানল বা মদ তৈরি ব্যাখ্যা: ফলের রস বা শর্করা জাতীয় দ্রবণে ইস্ট মিশিয়ে গাঁজন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বাণিজ্যিক উপায়ে মদ্য প্রস্তুত করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মদ্য শিল্পে — ইস্ট মদ্য শিল্পে প্রধান অণুজীব হিসেবে কাজ করে কারণ এটি শর্করাকে গাঁজন করে অ্যালকোহলে পরিণত করে। B) রুটি শিল্পে — ইস্ট রুটি ও বিস্কুট তৈরিতে ব্যবহৃত হয় কারণ এর ফলে উৎপন্ন গ্যাস ময়দাকে ফাঁপাতে সাহায্য করে। C) সাইট্রিক এসিড উৎপাদন — এটি ইস্টের পরিবর্তে অ্যাসপারজিলাস নাইজার ছত্রাক দিয়ে তৈরি করা হয় তাই এটি সঠিক উত্তর। D) এক কোষীয় প্রোটিন তৈরিতে — ইস্ট নিজেই এককোষী হওয়ায় খাদ্য ও প্রোটিন উৎপাদনে বিকল্প উৎস হিসেবে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ইস্ট মূলত খাবার ফোলাতে এবং অ্যালকোহল বানাতে কাজ করে, এসিড বানাতে নয়। - মনে রাখবে ইস্ট মানেই গাঁজন, যার ফল হলো অ্যালকোহল বা পাউরুটির বুদবুদ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় গাঁজন প্রক্রিয়ার প্রধান অণুজীব হিসেবে ইস্টের ভূমিকা প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়। - সাইট্রিক এসিড কোন অণুজীব থেকে উৎপন্ন হয়, এই প্রশ্নটি খাদ্য ও শিল্প রসায়ন অংশ থেকে খুব গুরুত্বপূর্ণ।
a দশ ভাগের একভাগ
b ছয় ভাগের একভাগ
c তিন ভাগের একভাগ
d চার ভাগের একভাগ
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ছয় ভাগের একভাগ ১. কেন সঠিক: - চাঁদের ভর ও ব্যাসার্ধ পৃথিবীর তুলনায় কম হওয়ায় চাঁদের অভিকর্ষজ ত্বরণ পৃথিবীর অভিকর্ষজ ত্বরণের ছয় ভাগের একভাগ। - কোনো বস্তুর ভর নির্দিষ্ট থাকলেও ওজন অভিকর্ষজ ত্বরণের ওপর নির্ভর করায় চাঁদে বস্তুর ওজন কমে যায়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: ভর হলো বস্তুতে থাকা পদার্থের পরিমাণ, যা সর্বত্র ধ্রুব থাকে। কিন্তু ওজন হলো কোনো বস্তুকে পৃথিবী বা অন্য কোনো গ্রহ নিজের কেন্দ্রের দিকে যে বল দিয়ে টানে। - সূত্র/তত্ত্ব: ওজন ডব্লিউ সমান ভর গুণ অভিকর্ষজ ত্বরণ, অর্থাৎ W = m × g। এখানে W হলো ওজন, m হলো ভর এবং g হলো অভিকর্ষজ ত্বরণ। - কারণ ও ফলাফল: পৃথিবীর অভিকর্ষজ ত্বরণ g এর মান প্রায় ৯.৮ মিটার প্রতি সেকেন্ড স্কয়ার এবং চাঁদের অভিকর্ষজ ত্বরণ এর প্রায় ছয় ভাগের একভাগ। ফলে চাঁদে ওজন পৃথিবীর ওজনের ছয় ভাগে একভাগ হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পৃথিবীতে কোনো মানুষের ওজন ষাট কেজি হলে চাঁদে তার ওজন হবে দশ কেজি। ব্যাখ্যা: কারণ তার ভর অপরিবর্তিত থাকলেও চাঁদের কম অভিকর্ষ বলের কারণে ওজনের পরিমাপ কমে যায়। উদাহরণ ২: নভোচারীরা চাঁদে গিয়ে সহজেই অনেক উঁচুতে লাফাতে পারেন। ব্যাখ্যা: চাঁদে অভিকর্ষ বল কম থাকায় নভোচারীদের দেহের ওজন অনেক কমে যায় এবং চলাফেরা হালকা মনে হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দশ ভাগের একভাগ — এটি ভুল কারণ চাঁদের অভিকর্ষজ ত্বরণ পৃথিবীর দশ ভাগের একভাগ নয়, বরং প্রায় ছয় ভাগের একভাগ। B) ছয় ভাগের একভাগ — এটি সঠিক উত্তর কারণ চাঁদের আকর্ষণ ক্ষমতা পৃথিবীর ছয় ভাগের একভাগ। C) তিন ভাগের একভাগ — এটি ভুল কারণ কোনো গ্রহ বা উপগ্রহের ক্ষেত্রে এই হিসাবটি প্রযোজ্য নয়। D) চার ভাগের একভাগ — এটি ভুল কারণ মহাকর্ষীয় ধ্রুবক ও দূরত্বের অনুপাতে চাঁদের বল চার ভাগের একভাগ হয় না। ৫. মনে রাখার টিপস: - চাঁদের ওজন মনে রাখতে সংখ্যা ছয় কে মনে রাখবে। পৃথিবী থেকে চাঁদে গেলে ওজনকে ছয় দিয়ে ভাগ করতে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বস্তুর ভর স্থানভেদে পরিবর্তিত হয় না কিন্তু ওজন স্থানভেদে পরিবর্তিত হয়। একই প্রশ্ন ঘুরে আসতে পারে যে চাঁদে কোনো বস্তুর ভর কত, সেক্ষেত্রে উত্তর হবে পৃথিবীর সমান।
a লাইসোজাইম
b গ্যাসট্রিক জুস
c সিলিয়া
d লিস্ফোসাইট
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) লিস্ফোসাইট ১. কেন সঠিক: - লিস্ফোসাইট হলো এক প্রকার শ্বেত রক্তকণিকা যা মানবদেহের তৃতীয় বা অতিরঞ্জিত অনাক্রম্য প্রতিরক্ষাস্তরের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ। - এটি সরাসরি প্রথম প্রতিরক্ষাস্তরের অন্তর্ভুক্ত নয় কারণ প্রথম স্তরটি মূলত দেহের বাহ্যিক বাধা তৈরি করে রোগজীবাণু প্রবেশ রোধ করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: মানবদেহের প্রতিরক্ষাব্যবস্থা মূলত তিনটি স্তরে বিভক্ত যেখানে প্রথম স্তরে ত্বক, শ্লেষ্মা, এসিড ও এনজাইম কাজ করে। - কার্যপ্রণালি: লিস্ফোসাইট রক্তে ও লসিকাতন্ত্রে থেকে সুনির্দিষ্ট রোগজীবাণুকে ধ্বংস করে এবং স্মৃতি কোষ তৈরি করে যা তৃতীয় প্রতিরক্ষাস্তরের কাজ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ত্বকের উপরিভাগ ব্যাখ্যা: এটি প্রথম প্রতিরক্ষাস্তরের অংশ যা ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাসের মতো জীবাণুকে শরীরের ভেতরে প্রবেশ করতে দেয় না। উদাহরণ ২: চোখের পানি ও লালা ব্যাখ্যা: এগুলোতে উপস্থিত উপাদান প্রথম প্রতিরক্ষাস্তরের অংশ হিসেবে জীবাণু ধ্বংস করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) লাইসোজাইম — এটি চোখের পানি ও লালায় উপস্থিত এক প্রকার এনজাইম যা ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীর ভেঙে প্রথম প্রতিরক্ষাস্তরে সাহায্য করে। B) গ্যাসট্রিক জুস — এটি পাকস্থলীতে উৎপাদিত হয় এবং এর অম্লীয় পরিবেশ খাদ্যের সাথে প্রবেশকারী জীবাণু ধ্বংস করে প্রথম প্রতিরক্ষাস্তরে কাজ করে। C) সিলিয়া — এটি শ্বাসনালীর ক্ষুদ্র রোম যা ধূলিকণা ও জীবাণু আটকে বাইরে পাঠিয়ে প্রথম প্রতিরক্ষাস্তর গঠনে ভূমিকা রাখে। D) লিস্ফোসাইট — এটি তৃতীয় প্রতিরক্ষাস্তরের অংশ এবং অভিযোজিত অনাক্রম্যতার সাথে সরাসরি সম্পর্কিত। ৫ মনে রাখার টিপস: - প্রথম প্রতিরক্ষাস্তর মনে রাখতে টিজিএস বা ত্বক গ্যাসট্রিক সিলিয়া এই সংক্ষিপ্ত রূপটি ব্যবহার করতে পারো। - লিস্ফোসাইট সবসময় ভেতর থেকে রোগ প্রতিরোধ করে তাই এটি প্রথম স্তরে নেই। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মানবদেহের প্রতিরক্ষাস্তরের প্রথম দুটি স্তর সহজাত অনাক্রম্যতা এবং তৃতীয় স্তরটি অর্জিত অনাক্রম্যতা গঠন করে। - বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই প্রথম এবং তৃতীয় প্রতিরক্ষাস্তরের উপাদানগুলোর মধ্যে পার্থক্য করার প্রশ্ন আসে।
a ডিএনএ বা আরএনএ থাকে
b শুধুমাত্র জীবদেহের অভ্যন্তরে সংখ্যাবৃদ্ধি করে
c স্ফটিক দানায় রূপান্তরিত
d রাইবোজোম থাকে
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রাইবোজোম থাকে ১. কেন সঠিক: - ভাইরাসের দেহে কোনো বিপাকীয় অঙ্গাণু যেমন রাইবোজোম, মাইটোকন্ড্রিয়া বা গলগি বডি থাকে না। - রাইবোজোম না থাকার কারণে ভাইরাস নিজে নিজে আমিষ বা প্রোটিন তৈরি করতে পারে না। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: ভাইরাস হলো অকোষীয় অণুজীব যা প্রোটিন আবরণ এবং নিউক্লিক এসিড নিয়ে গঠিত। - কার্যপ্রণালি: ভাইরাস নিজের কোনো শক্তি উৎপাদন বা বিপাকীয় প্রক্রিয়া চালাতে পারে না। - বাস্তব প্রয়োগ: ভাইরাস জীবিত কোষের ভেতরে প্রবেশ করে কোষের নিজস্ব রাইবোজোম ব্যবহার করে সংখ্যাবৃদ্ধি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তামাক পাতার মোজাইক ভাইরাস। ব্যাখ্যা: এটি জীবদেহের বাইরে জড় পদার্থের মতো নিষ্ক্রিয় থাকে। উদাহরণ ২: মানুষের ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস। ব্যাখ্যা: এটি শ্বাসনালীর কোষে প্রবেশ করে সংখ্যাবৃদ্ধি করে রোগ সৃষ্টি করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডিএনএ বা আরএনএ থাকে — এটি সত্য কারণ ভাইরাসে বংশগত বস্তু হিসেবে ডিএনএ বা আরএনএ যেকোনো একটি থাকে। B) শুধুমাত্র জীবদেহের অভ্যন্তরে সংখ্যাবৃদ্ধি করে — এটি সত্য কারণ ভাইরাস পোষক কোষের বাইরে বংশবৃদ্ধি করতে পারে না। C) স্ফটিক দানায় রূপান্তরিত — এটি সত্য কারণ বিজ্ঞানী ডব্লিউ এম স্ট্যানলি ভাইরাসকে স্ফটিক দানায় রূপান্তরিত করেছিলেন। D) রাইবোজোম থাকে — এটি মিথ্যা এবং ভাইরাসের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়, তাই এটিই সঠিক উত্তর। ৫ মনে রাখার টিপস: ভাইরাস হলো জড় ও জীবের মধ্যবর্তী এক সেতু। এর কোনো কোষীয় অঙ্গাণু নেই, তাই এটি সম্পূর্ণ পরজীবী। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ভাইরাস কেবল জীবিত কোষের ভেতরেই সক্রিয় হয়। এই ধারণা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে যে কোন অণুজীবে প্রোটিন সংশ্লেষণকারী অঙ্গাণু নেই।
a যান্ত্রিকশক্তিকে তাপশক্তিতে রূপান্তর
b তাপশক্তিকে যান্ত্রিকশক্তিতে রূপান্তর
c বিদ্যুৎশক্তিকে যান্ত্রিকশক্তিতে রূপান্তর
d তাপশক্তিকে বিদ্যুৎশক্তিতে রূপান্তর
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) তাপশক্তিকে যান্ত্রিকশক্তিতে রূপান্তর ১. কেন সঠিক: তাপ ইঞ্জিন হলো এমন একটি যন্ত্র যা তাপশক্তিকে কাজে পরিণত করে তা থেকে যান্ত্রিক কাজ বা গতিশক্তি উৎপন্ন করে। এই প্রক্রিয়ায় উচ্চ তাপমাত্রার উৎস থেকে তাপ গ্রহণ করে এবং কাজের একটি অংশ সম্পন্ন করে বাকি তাপ নিম্ন তাপমাত্রার পরিবেশে বর্জন করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: তাপগতিবিদ্যার প্রথম ও দ্বিতীয় সূত্র অনুসারে তাপশক্তিকে সম্পূর্ণভাবে কাজে রূপান্তর করা সম্ভব নয়, তবে এর একটি অংশ যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। কার্যপ্রণালি: ইঞ্জিনের ভেতরে জ্বালানি পুড়িয়ে বা অন্য কোনো উপায়ে তাপ উৎপন্ন করা হয় এবং সেই তাপের প্রভাবে গ্যাসের প্রসারণ ঘটিয়ে পিস্টন বা চাকাকে ঘোরানো হয়। বাস্তব প্রয়োগ: গাড়ির ইঞ্জিন বা রেলগাড়ির ইঞ্জিন তাপশক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করে গাড়ি সামনে এগিয়ে নেয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পেট্রোল বা ডিজেল ইঞ্জিন চালিত মোটরগাড়ি। ব্যাখ্যা: ইঞ্জিনের ভেতরে জ্বালানি পোড়ার ফলে উৎপন্ন তাপশক্তি পিস্টনকে সচল করে এবং চাকা ঘুরিয়ে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করে। উদাহরণ ২: বাষ্পীয় ইঞ্জিন। ব্যাখ্যা: কয়লা বা কাঠ পুড়িয়ে পানি ফুটিয়ে যে বাষ্প তৈরি করা হয়, তার তাपीय চাপকে কাজে লাগিয়ে রেলগাড়ির চাকা ঘোরানো হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যান্ত্রিকশক্তিকে তাপশক্তিতে রূপান্তর — এটি তাপ ইঞ্জিনের কাজ নয়, বরং এটি ডাইনামো বা ব্রেক কষার সময় যান্ত্রিক ঘর্ষণের ফলে ঘটে। B) তাপশক্তিকে যান্ত্রিকশক্তিতে রূপান্তর — এটি সঠিক এবং তাপ ইঞ্জিনের মূল কাজ। C) বিদ্যুৎশক্তিকে যান্ত্রিকশক্তিতে রূপান্তর — এটি বৈদ্যুতিক মোটরের কাজ, তাপ ইঞ্জিনের কাজ নয়। D) তাপশক্তিকে বিদ্যুৎশক্তিতে রূপান্তর — এটি থার্মোকাপল বা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের কাজ, যেখানে তাপ থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: তাপ ইঞ্জিন সবসময় তাপকে গতি বা যান্ত্রিক কাজে লাগায়। গাড়ির ইঞ্জিন মনে রাখলেই মনে থাকবে যে তাপ থেকে গতি বা যান্ত্রিক শক্তি পাওয়া যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: তাপ ইঞ্জিন তাপগতিবিদ্যার দ্বিতীয় সূত্র মেনে চলে। একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে বৈদ্যুতিক মোটরের কাজ কী, যার উত্তর হবে বিদ্যুৎশক্তিকে যান্ত্রিকশক্তিতে রূপান্তর।
a ২৮০ m/s
b ০
c ৩৩২ m/s
d ১১২০ m/s
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ০ ১. কেন সঠিক: শব্দ একটি যান্ত্রিক তরঙ্গ, যা সঞ্চালনের জন্য মাধ্যম বা কণার কম্পন প্রয়োজন হয়। শূন্য মাধ্যম বা বায়ুশূন্য স্থানে কোনো কণা বা জড় মাধ্যম থাকে না, তাই শব্দ সেখানে চলতে পারে না। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: শব্দ এক প্রকার শক্তি যা সঞ্চালিত হওয়ার জন্য কঠিন, তরল বা বায়বীয় মাধ্যমের ওপর নির্ভর করে। মাধ্যম ছাড়া শব্দ তরঙ্গ এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যেতে পারে না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মহাশূন্যে মহাকাশচারীরা রেডিও বা বেতার তরঙ্গের সাহায্যে কথা বলেন কারণ সেখানে বায়ু না থাকায় সরাসরি শব্দ শোনা যায় না। ব্যাখ্যা: মহাশূন্য শূন্য মাধ্যম হওয়ায় মুখের কথা বাতাসে ছড়ায় না, তাই যন্ত্রের মাধ্যমে শব্দকে তড়িৎ চুম্বকীয় তরঙে রূপান্তর করে পাঠাতে হয়। উদাহরণ ২: একটি বায়ুশূন্য কাচ পাত্রের ভেতরে বৈদ্যুতিক ঘণ্টা বাজালে বাইরে থেকে শব্দ শোনা যায় না। ব্যাখ্যা: জারের ভেতর বাতাস বা কোনো মাধ্যম না থাকায় কম্পন কণার মাধ্যমে বাইরে আসতে পারে না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৮০ m/s — এটি কোনো নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় শব্দের স্বাভাবিক বেগ নয়, তাই এটি ভুল। B) ০ — এটি সঠিক কারণ শূন্য মাধ্যমে শব্দের বেগ শূন্য মিটার প্রতি সেকেন্ড। C) ৩৩২ m/s — এটি শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় বাতাসে শব্দের বেগ, শূন্য মাধ্যমে নয়। D) ১১২০ m/s — এটি ফুট এককে বাতাসে শব্দের প্রায় কাছাকাছি মান, শূন্য মাধ্যমের বেগ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: শূন্য মাধ্যম মানে মাধ্যম নাই, আর মাধ্যম না থাকলে শব্দও নাই। তাই শূন্য মাধ্যমের ক্ষেত্রে শব্দের মান সবসময় শূন্য হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: শব্দ সঞ্চালনের জন্য মাধ্যম আবশ্যক এবং কঠিন মাধ্যমে শব্দের বেগ সবচেয়ে বেশি। তাপমাত্রা বাড়লে বাতাসে শব্দের বেগ প্রতি ডিগ্রি সেলসিয়াসে শূন্য দশমিক ছয় মিটার প্রতি সেকেন্ড বৃদ্ধি পায়।
a হাইপো-থাইরয়ডিজম
b রাতকানা
c এনিমিয়া
d কোয়াশিয়রকর
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) হাইপো-থাইরয়ডিজম ১. কেন সঠিক: - সামুদ্রিক মাছ ও শৈবালে প্রচুর পরিমাণে আয়োডিন থাকে যা থাইরয়েড হরমোন তৈরিতে সরাসরি সাহায্য করে। - শরীরে আয়োডিনের ঘাটতি দূর হলে থাইরয়েড গ্রন্থির কার্যকারিতা স্বাভাবিক থাকে এবং হাইপো-থাইরয়ডিজম রোগ প্রতিরোধ করা যায়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: হাইপো-থাইরয়ডিজম হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে থাইরয়েড গ্রন্থি পর্যাপ্ত পরিমাণ হরমোন উৎপাদন করতে পারে না। - কার্যপ্রণালি: থাইরয়েড হরমোন তৈরির জন্য আয়োডিন একটি অপরিহার্য উপাদান যা খাদ্যের মাধ্যমে শরীর গ্রহণ করে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের সামুদ্রিক মাছ খাওয়ার অভ্যাস থাকায় তাদের মাঝে আয়োডিনের অভাবজনিত রোগ কম দেখা যায়। ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে যে সামুদ্রিক খাবার শরীরের খনিজ উপাদানের চাহিদা পূরণে সরাসরি ভূমিকা পালন করে। উদাহরণ ২: আয়োডিনযুক্ত লবণ ও সামুদ্রিক শৈবাল গ্রহণে থাইরয়েড গ্রন্থির আকার স্বাভাবিক থাকে। ব্যাখ্যা: এটি দেখায় যে সুষম খাদ্যের মাধ্যমে গ্রন্থির রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাইপো-থাইরয়ডিজম — সঠিক উত্তর কারণ এটি আয়োডিনের ঘাটতিজনিত রোগ যা সামুদ্রিক মাছ ও শৈবাল খেলে কমে যায়। B) রাতকানা — ভিটামিন এ এর অভাবে এই রোগ হয় এবং এর সঙ্গে সামুদ্রিক মাছের আয়োডিনের সরাসরি সম্পর্ক নেই। C) এনিমিয়া — রক্তের হিমোগ্লোবিনের অভাবে এই রোগ হয় যা মূলত আয়রন বা লৌহের ঘাটতির সঙ্গে সম্পর্কিত। D) কোয়াশিয়রকর — খাদ্যে আমিষ বা প্রোটিনের তীব্র অভাবে শিশুদের এই পুষ্টিহীনতা জনিত রোগ হয়ে থাকে। ৫. মনে রাখার টিপস: - সমুদ্র মানেই লবণাক্ত পানি এবং সেখানে থাকা শৈবাল ও মাছে ভরপুর থাকে আয়োডিন। - আয়োডিনের অভাবে থাইরয়েড সমস্যা হয়, তাই সামুদ্রিক খাবার খেলেই হাইপো-থাইরয়ডিজম দূর হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - থাইরয়েড গ্রন্থির প্রধান কাজ হলো শরীরের বিপাকক্রিয়া বা মেটাবলিজম নিয়ন্ত্রণ করা। - গলগণ্ড বা গয়টার রোগও আয়োডিনের অভাবেই হয়ে থাকে যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
a কাচের তৈরি ঘর
b সবুজ আলোর আলোকিত ঘর
c সবুজ ভবনের নাম
d সবুজ গাছপালা
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কাচের তৈরি ঘর ১. কেন সঠিক: গ্রিনহাউজ মূলত শীতপ্রধান দেশে গাছপালা বাঁচানোর জন্য তৈরি কাচের ঘর। কাচের বিশেষ বৈশিষ্ট্যের কারণে এটি ভেতরের তাপমাত্রা ধরে রাখতে পারে এবং উদ্ভিদকে রক্ষা করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: কাচ দৃশ্যমান আলোকে ভেতরে প্রবেশ করতে দেয় কিন্তু তাপ আটকে রাখে। কার্যপ্রণালি: সূর্যের সংক্ষিপ্ত তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো কাচ ভেদ করে ভেতরে ঢোকে এবং মাটি দ্বারা শোষিত হয়। কারণ ও ফলাফল: মাটি উত্তপ্ত হয়ে দীর্ঘ তরঙ্গদৈর্ঘ্যের তাপ বিকিরণ করে যা কাচ ভেদ করে বাইরে যেতে পারে না। বাস্তব প্রয়োগ: শীতপ্রধান দেশে এই নীতির সাহায্যে নিয়ন্ত্রিত তাপমাত্রায় সারা বছর শাকসবজি চাষ করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শীতপ্রধান দেশের কাচের ঘর। ব্যাখ্যা: এটি তীব্র শীতেও সূর্যের তাপ আটকে ঘরের ভেতরে গ্রীষ্মের মতো অনুকূল পরিবেশ তৈরি করে। উদাহরণ ২: রোদের মধ্যে বন্ধ রাখা গাড়ি। ব্যাখ্যা: গাড়ির কাচ ভেদ করে সূর্যালোক ঢুকে ভেতরে তাপ আটকে ফেলে, ফলে গাড়িটি বাইরের চেয়ে অনেক বেশি গরম হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাচের তৈরি ঘর — এটি সঠিক কারণ গ্রিনহাউজ আক্ষরিক ও বৈজ্ঞানিকভাবে কাচ বা স্বচ্ছ উপাদানের তৈরি ঘর। B) সবুজ আলোর আলোকিত ঘর — সবুজ আলোর সাথে গ্রিনহাউজের কোনো সম্পর্ক নেই, এটি উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণ সম্পর্কিত। C) সবুজ ভবনের নাম — সবুজ ভবন বা গ্রিন বিল্ডিং বলতে পরিবেশবান্ধব ও শক্তি সাশ্রয়ী ভবন বোঝায়। D) সবুজ গাছপালা — গাছপালা গ্রিনহাউজে চাষ করা হয়, কিন্তু গাছপালা নিজে গ্রিনহাউজ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: গ্রিন শব্দের অর্থ সবুজ এবং হাউজ অর্থ ঘর হলেও, এটি মূলত তাপ ধরে রাখার জন্য কাচের ঘর। শীতপ্রধান দেশে কাচঘর তাপ আটকে গাছ বাঁচায়, এই মূলনীতিটি মনে রাখলেই উত্তর নিশ্চিত করা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: গ্রিনহাউজ ইফেক্ট বা বিশ্ব উষ্ণায়নের প্রধান কারণ কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাস। একই ধারণা থেকে পরীক্ষায় আসতে পারে গ্রিনহাউজে কাচ কোন ধরনের তাপ আটকে রাখে।
a হাইড্রোজেন
b অক্সিজেন
c ক্লোরিন
d ব্রোমিন
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) হাইড্রোজেন ১. কেন সঠিক: - যে পদার্থ রাসায়নিক বিক্রিয়ায় ইলেকট্রন গ্রহণ করে তাকে জারক পদার্থ বলে, কিন্তু হাইড্রোজেন ইলেকট্রন গ্রহণ করে না বরং ত্যাগ করে বিজারক হিসেবে কাজ করে। - জারক পদার্থ নিজে বিজারিত হয় এবং অন্য পদার্থকে জারিত করে, অথচ হাইড্রোজেন সাধারণত অন্য মৌলকে বিজারিত করে থাকে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: জারণ হলো ইলেকট্রনের বর্জন এবং বিজারণ হলো ইলেকট্রনের গ্রহণ। জারক পদার্থ ইলেকট্রন গ্রহণ করে আর বিজারক পদার্থ ইলেকট্রন ত্যাগ করে। - কার্যপ্রণালি: রাসায়নিক বিক্রিয়ায় হাইড্রোজেন পরমাণু তার যোজ্যতা ইলেকট্রন ত্যাগ করে ধনাত্মক আয়নে পরিণত হয়, যা বিজারণ প্রক্রিয়ার বিপরীত। - বাস্তব প্রয়োগ: শিল্পক্ষেত্রে ধাতব অক্সাইড থেকে ধাতু নিষ্কাশনে হাইড্রোজেনকে শক্তিশালী বিজারক হিসেবে ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কপার অক্সাইডের সাথে হাইড্রোজেনের বিক্রিয়া। ব্যাখ্যা: উত্তপ্ত কপার অক্সাইডের উপর দিয়ে হাইড্রোজেন গ্যাস চালনা করলে হাইড্রোজেন অক্সিজেন কে কেড়ে নিয়ে জল উৎপন্ন করে এবং কপার ধাতু মুক্ত হয়, যা হাইড্রোজেনের বিজারক ধর্মের প্রমাণ। উদাহরণ ২: বনस्पति তেল থেকে বনস্পতি ঘি প্রস্তুতকরণ। ব্যাখ্যা: অসম্পৃক্ত ফ্যাট বা তেল হাইড্রোজেনের সাথে যুক্ত হয়ে সম্পৃক্ত ফ্যাট তৈরি করে, যেখানে হাইড্রোজেন নিজে জারিত হয় এবং তেলকে বিজারিত করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাইড্রোজেন — এটি জারক নয় বরং একটি সবল বিজারক পদার্থ কারণ এটি বিক্রিয়ায় ইলেকট্রন দান করে। B) অক্সিজেন — এটি একটি তীব্র জারক পদার্থ যা অন্য পদার্থ থেকে ইলেকট্রন গ্রহণ করে জারণ ঘটায়। C) ক্লোরিন — এটি শক্তিশালী হ্যালোজেন জারক যা সহজেই ইলেকট্রন গ্রহণ করে ক্লোরাইড আয়নে পরিণত হয়। D) ব্রোমিন — এটিও একটি সক্রিয় জারক পদার্থ যা হ্যালোজেন গ্রুপের অন্তর্ভুক্ত এবং ইলেকট্রন আকর্ষী। ৫ মনে রাখার টিপস: - জারক মানে ইলেকট্রন গ্রহীতা আর বিজারক মানে ইলেকট্রন দাতা। হাইড্রোজেন সব সময় ইলেকট্রন দিতে ভালোবাসে তাই এটি বিজারক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - পর্যায় সারণির হ্যালোজেন গ্রুপ বা অধাতুগুলো সাধারণত ভালো জারক হয়। - এই প্রশ্ন থেকে পরীক্ষাতে প্রায়ই বিজারক পদার্থ কোনটি বা জারণ বিজারণ সম্পর্কিত এমসিকিউ প্রশ্ন আসে।
a ফিশন
b মেসন
c ফিউশন
d ফিউশন ও মেসন
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ফিশন ১. কেন সঠিক: নিউক্লিয়াসের বিভাজন বলতে একটি ভারী পরমাণুর নিউক্লিয়াস ভেঙে প্রায় সমমানের দুটি হালকা নিউক্লিয়াসে পরিণত হওয়ার প্রক্রিয়াকে বোঝায়। এই প্রক্রিয়ায় প্রচুর শক্তি উৎপন্ন হয় এবং এই ধারণার ওপর ভিত্তি করেই পারমাণবিক বোমা ও পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র তৈরি করা হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: নিউক্লীয় ফিশন হলো এমন একটি পারমাণবিক প্রক্রিয়া যেখানে একটি ভারী পরমাণুর নিউক্লিয়াস নিউট্রন দ্বারা আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে দুটি ছোট নিউক্লিয়াসে বিভক্ত হয়। কার্যপ্রণালি: ইউরেনিয়াম ২৩৫ আইসোটোপের ওপর একটি ধীর গতির নিউট্রন আঘাত হানলে এটি অস্থির হয়ে দুটি খণ্ডে বিভক্ত হয় এবং সাথে ৩টি নতুন নিউট্রন ও প্রচুর তাপশক্তি নির্গত হয়। বাস্তব প্রয়োগ: পারমাণবিক চুল্লিতে এই ফিশন বিক্রিয়া নিয়ন্ত্রিতভাবে ঘটিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয় এবং পারমাণবিক অস্ত্র তৈরিতে এর অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র। ব্যাখ্যা: এখানে ইউরেনিয়াম ফিশন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ তাপশক্তি উৎপন্ন করা হয়, যা দিয়ে পানি ফুটিয়ে বাষ্প তৈরি করে টারবাইন ঘোরানো হয়। উদাহরণ ২: পারমাণবিক বোমা বিস্ফোরণ। ব্যাখ্যা: এটি একটি অনিয়ন্ত্রিত ফিশন বিক্রিয়া, যেখানে মুহূর্তের মধ্যে কোটি কোটি ইউরেনিয়াম পরমাণু ভেঙে ধ্বংসাত্মক শক্তি ও তাপ উৎপন্ন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফিশন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি নিউক্লিয়াসের বিভাজন প্রক্রিয়াকে নির্দেশ করে। B) মেসন — এটি পারমাণবিক কণার একটি নাম, যা প্রোটন ও নিউট্রনকে একসাথে বেঁধে রাখতে সাহায্য করে এবং এটি কোনো বিভাজন প্রক্রিয়া নয়। C) ফিউশন — এটি নিউক্লিয়াসের বিভাজন নয়, বরং দুটি হালকা নিউক্লিয়াস মিলিত হয়ে একটি ভারী নিউক্লিয়াস গঠনের প্রক্রিয়া। D) ফিউশন ও মেসন — ফিউশন হলো সংযোজন এবং মেসন হলো কণা, তাই এই অপশনটি সম্পূর্ণ ভুল। ৫ মনে রাখার টিপস: ফিশন মানে ভেঙে যাওয়া বা খণ্ডিত হওয়া এবং ফিউশন মানে যুক্ত হওয়া বা জোড়া লাগা, এই দুটি শব্দের পার্থক্য মনে রাখলেই বিভ্রান্তি দূর হবে। ইউরেনিয়ামের নিউক্লিয়াস ভেঙে ছোট হয় বলেই একে ফিশন বলা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সূর্য ও নক্ষত্রসমূহের শক্তির উৎস হলো নিউক্লীয় ফিউশন, আর পারমাণবিক চুল্লির শক্তির উৎস হলো নিউক্লীয় ফিশন। এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই শক্তি ও পরমাণু অধ্যায় থেকে আসে।
a মেরু অঞ্চলে
b বিষুব অঞ্চলে
c পাহাড়ের ওপর
d পৃথিবীর কেন্দ্রে
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মেরু অঞ্চলে ১. কেন সঠিক: - পৃথিবীর আকৃতি সম্পূর্ণ গোল নয়, এটি কমলালেবুর মতো মেরু অঞ্চলে কিছুটা চাপা এবং বিষুব অঞ্চলে কিছুটা স্ফীত। - কেন্দ্র থেকে মেরু অঞ্চলের দূরত্ব কম হওয়ায় সেখানে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান বেশি হয় এবং ওজনের সূত্র অনুযায়ী ওজনও বেশি হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: কোনো বস্তুর ভর নির্দিষ্ট থাকলেও অবস্থানের পরিবর্তনের কারণে তার ওপর অভিকর্ষজ ত্বরণের মান পরিবর্তিত হওয়ায় ওজনের তারতম্য ঘটে। - সূত্র বা তত্ত্ব: ওজন ডব্লিউ সমান ভর গুণ অভিকর্ষজ ত্বরণ, অর্থাৎ ডব্লিউ সমান এম গুণ জি। এখানে এম হলো বস্তুর ভর এবং জি হলো অভিকর্ষজ ত্বরণ। - কারণ ও ফলাফল: পৃথিবীর ব্যাসার্ধ মেরু অঞ্চলে কম হওয়ায় মহাকর্ষীয় টানের মান বৃদ্ধি পায়, যার ফলে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান সর্বোচ্চ হয় এবং বস্তুর ওজনও সর্বাধিক হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মেরু অঞ্চলে কোনো যন্ত্রের সাহায্যে কোনো বস্তুর পরিমাপ করলে যে মান পাওয়া যাবে, বিষুব অঞ্চলে নিয়ে গেলে সেই মান কিছুটা কম দেখাবে। ব্যাখ্যা: অবস্থানের পরিবর্তনের ফলে জি এর মানের তারতম্য ঘটায় বস্তুর প্রকৃত ভরের কোনো পরিবর্তন না হলেও তার ওজনে এই তারতম্য দেখা যায়। উদাহরণ ২: একজন মানুষের ওজন যদি উত্তর মেরুতে পরিমাপ করা হয়, তবে বিষুব অঞ্চলে তার ওজন সামান্য কম অনুভূত হবে। ব্যাখ্যা: পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে দূরত্বের তারতম্যের কারণে অভিকর্ষজ ত্বরণ ভিন্ন হওয়ায় ওজনের এই পরিবর্তন ঘটে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মেরু অঞ্চলে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে পৃথিবীর ব্যাসার্ধ সবচেয়ে কম এবং অভিকর্ষজ ত্বরণের মান সবচেয়ে বেশি। B) বিষুব অঞ্চলে — এই অঞ্চলে পৃথিবীর ব্যাসার্ধ সবচেয়ে বেশি হওয়ায় অভিকর্ষজ ত্বরণের মান সর্বনিম্ন হয়, ফলে এখানে বস্তুর ওজন সবচেয়ে কম হয়। C) পাহাড়ের ওপর — পাহাড়ের ওপর বা ভূপৃষ্ঠ থেকে উঁচুতে উঠলে কেন্দ্র থেকে দূরত্ব বৃদ্ধি পায়, যার ফলে অভিকর্ষজ ত্বরণ ও ওজন উভয়ই হ্রাস পায়। D) পৃথিবীর কেন্দ্রে — পৃথিবীর কেন্দ্রে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান শূন্য হয়ে যায়, তাই সেখানে বস্তুর ওজনও শূন্য হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - মেরু মানে ছোট দূরত্ব, তাই জি বেশি আর ওজনও বেশি। বিষুব মানে চওড়া বা বেশি দূরত্ব, তাই জি কম এবং ওজনও কম। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। পৃথিবীর কেন্দ্র এবং বিষুব অঞ্চলে ওজনের তারতম্য সম্পর্কিত প্রশ্নও এখান থেকে কমন পাওয়া যায়।
a ৪০-৫০ ভাগ
b ৬০-৭০ ভাগ
c ৮০-৯০ ভাগ
d ৩০-২৫ ভাগ
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৮০-৯০ ভাগ ১. কেন সঠিক: প্রাকৃতিক গ্যাস হলো মূলত বিভিন্ন হালকা হাইড্রোকার্বনের একটি মিশ্রণ যা ভূগর্ভে খনির ভেতর জমা থাকে। এই মিশ্রণের প্রধান উপাদান হলো মিথেন, যার পরিমাণ সাধারণত শতকরা ৮০ থেকে ৯০ ভাগ হয়ে থাকে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: প্রাকৃতিক গ্যাস হলো জীবাশ্ম জ্বালানি। কার্যপ্রণালি: ভূগর্ভস্থ জীবাশ্ম থেকে উচ্চ চাপে এটি আহরণ করা হয়। বাস্তব প্রয়োগ: রান্নার কাজে এবং বিদ্যুৎ উৎপাদনে এটি জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাসাবাড়িতে রান্নার চুলায় যে গ্যাস ব্যবহার করা হয় তা প্রাকৃতিক গ্যাস। ব্যাখ্যা: এর মূল উপাদান মিথেন সহজে জ্বলে তাপশক্তি উৎপন্ন করে। উদাহরণ ২: সিএনজি চালিত যান চলাচল। ব্যাখ্যা: প্রাকৃতিক গ্যাসকে সংকুচিত করে যানবাহনের জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪০-৫০ ভাগ — এটি প্রাকৃতিক গ্যাসে মিথেনের সঠিক পরিমাণ নয়। এই পরিমাণটি প্রাকৃতিক গ্যাসের উপাদানের সঙ্গে মেলে না। B) ৬০-৭০ ভাগ — এই পরিমাণটি মিথেনের মূল পরিমাণের চেয়ে কম। প্রাকৃতিক গ্যাসে এর চেয়ে বেশি পরিমাণে মিথেন থাকে। C) ৮০-৯০ ভাগ — এটি প্রাকৃতিক গ্যাসে মিথেনের সঠিক শতকরা হার। তাই এটি সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়। D) ৩০-২৫ ভাগ — এই সংখ্যাটি শতকরা হারের নিয়মের দিক থেকে ভুল এবং অসংগত। এটি মিথেনের প্রকৃত পরিমাণের অনেক নিচে অবস্থান করে। ৫ মনে রাখার টিপস: প্রাকৃতিক গ্যাসে মিথেনের পরিমাণ মনে রাখতে আ থেকে স এই অক্ষর দুটি মনে রাখতে পারো। আ দিয়ে আশির ঘরে এবং স দিয়ে নব্বইয়ের ঘরে শতকরা পরিমাণ বোঝায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান কী, এই প্রশ্নটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। মিথেনের পাশাপাশি এতে ইথেন ও প্রোপেনও সামান্য পরিমাণে থাকে।
a ভিটামিন ই
b ভিটামিন কে
c ভিটামিন বি কমপ্লিক্স
d ভিটামিন এ
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ভিটামিন বি কমপ্লিক্স ১. কেন সঠিক: চা পাতায় ভিটামিন বি গ্রুপের বেশ কিছু উপাদান যেমন ভিটামিন বি ওয়ান এবং ভিটামিন বি টু বা রিবোফ্লাভিন প্রাকৃতিকভাবে বিদ্যমান থাকে। ভিটামিন বি কমপ্লিক্স পানিতে দ্রবণীয় হওয়ায় চা তৈরির সময় গরম পানিতে এর কিছু অংশ সহজেই মিশে যায়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: চা পাতা বা ক্যামেলিয়া সাইনেনসিস উদ্ভিদের পাতায় বিভিন্ন ধরনের খনিজ ও ভিটামিন সংরক্ষিত থাকে যা মানবদেহের পুষ্টিতে ভূমিকা রাখে। কার্যপ্রণালি: চা পাতা ফোটানো পানিতে দেওয়ার পর তাপের কারণে পাতার কোষ প্রাচীর ভেঙে ভেতরের দ্রবণীয় ভিটামিন ও পুষ্টি উপাদান পানিতে চলে আসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সকালে এক কাপ চা পান করা ক্লান্তি দূর করতে সাহায্য করে। ব্যাখ্যা: চায়ে থাকা ভিটামিন বি কমপ্লিক্স শরীরের শক্তি উৎপাদনে এবং বিপাক ক্রিয়া সচল রাখতে সহায়তা করে। উদাহরণ ২: অতিরিক্ত চা পান করলে বুক ধড়ফড় করতে পারে। ব্যাখ্যা: অতিরিক্ত ক্যাফেইন স্নায়ুতন্ত্রকে অতিরিক্ত উদ্দীপিত করে, যদিও এতে ভিটামিন বি কমপ্লিক্সের পুষ্টিগুণও কিছুটা থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভিটামিন ই — এটি ফ্যাট বা চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিন যা চা পাতায় থাকে না বরং উদ্ভিজ্জ তেল ও বাদামে বেশি পাওয়া যায়। B) ভিটামিন কে — এটি রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে এবং সবুজ শাকসবজিতে থাকে, চা পাতায় এর উপস্থিতি প্রধান ভিটামিন হিসেবে বিবেচিত হয় না। C) ভিটামিন বি কমপ্লিক্স — এটি সঠিক উত্তর কারণ চা পাতায় পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন বি কমপ্লেক্সের উপস্থিতি পরীক্ষিত। D) ভিটামিন এ — এটি ক্যারোটিনয়েড থেকে আসে এবং গাজর বা মিষ্টি আলুতে প্রচুর পরিমাণে থাকে, চা পাতায় এটি প্রধান পুষ্টি উপাদান নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: চা পাতা পানিতে ভিজিয়ে পান করা হয় এবং ভিটামিন বি কমপ্লিক্স হলো পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন। এই মিলটি মনে রাখলে সহজে সঠিক উত্তরটি মনে রাখা সম্ভব হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: চা পাতায় ক্যাফেইন এবং ট্যানিন নামক গুরুত্বপূর্ণ রাসায়নিক উপাদানও থাকে যা উদ্দীপক হিসেবে কাজ করে। বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই খাদ্য ও পুষ্টি উপাদান থেকে এ ধরনের প্রশ্ন আসে।
a নাইট্রাস অক্সাইড
b কার্বন-ডাই-অক্সাইড
c অক্সিজেন
d মিথেন
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অক্সিজেন ১. কেন সঠিক: অক্সিজেন গ্যাস গ্রিনহাউস গ্যাস নয় কারণ এটি তাপ শোষণ করতে পারে না এবং পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে কোনো ভূমিকা রাখে না। গ্রিনহাউস গ্যাসগুলো সূর্য থেকে আসা শর্টওয়েভ বিকিরণ পৃথিবীতে প্রবেশ করতে দিলেও পৃথিবী থেকে নির্গত লংওয়েভ ইনফ্রারেড বা তাপীয় বিকিরণ শোষণ করে বায়ুমণ্ডলে আটকে রাখে, যা অক্সিজেন করতে পারে না। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: গ্রিনহাউস গ্যাস হলো সেইসব গ্যাস যা বায়ুমণ্ডলে উপস্থিত থেকে ইনফ্রারেড বিকিরণ শোষণ ও নির্গত করে গ্রিনহাউস প্রভাব তৈরি করে। কারণ ও ফলাফল: কার্বন ডাই-অক্সাইড, মিথেন, জলীয় বাষ্প ইত্যাদি গ্যাসের অণু তিন বা ততোধিক পরমাণু নিয়ে গঠিত এবং তাদের দ্বিপোল মোমেন্ট পরিবর্তনের ক্ষমতা থাকে, যা তাপ শোষণ করে। অক্সিজেন একটি দ্বি-পরমাণুক অণু হওয়ায় এটি ইনফ্রারেড বিকিরণ শোষণ করতে পারে না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেনের মাত্রা প্রায় একুশ শতাংশ হলেও এটি কখনো বৈশ্বিক উষ্ণতা বা গ্লোবাল ওয়ার্মিংয়ের জন্য দায়ী নয়। ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে যে বায়ুমণ্ডলে গ্যাসের উপস্থিতিই বড় কথা নয়, বরং গ্যাসটির তাপ শোষণ করার নির্দিষ্ট রাসায়নিক ধর্ম থাকাই গ্রিনহাউস গ্যাস হওয়ার মূল শর্ত। উদাহরণ ২: মানুষের শ্বাসপ্রশ্বাসের জন্য অক্সিজেন অত্যন্ত জরুরি হলেও এর কোনো তাপ আটকাগুন ক্ষমতা নেই। ব্যাখ্যা: জীবকুল বাঁচতে অক্সিজেন অপরিহার্য হলেও জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষেত্রে এর সরাসরি কোনো গ্রিনহাউস ভূমিকা নেই। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নাইট্রাস অক্সাইড — এটি একটি শক্তিশালী গ্রিনহাউস গ্যাস যা কৃষি কার্যক্রম ও রাসায়নিক সার ব্যবহারের ফলে বায়ুমণ্ডলে নির্গত হয় এবং তাপ আটকে রাখে। B) কার্বন-ডাই-অক্সাইড — এটি জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানোর ফলে উৎপন্ন হয় এবং বর্তমান বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির জন্য প্রধানত দায়ী একটি গ্রিনহাউস গ্যাস। C) অক্সিজেন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বায়ুমণ্ডলের প্রধান গ্যাসগুলোর একটি হওয়া সত্ত্বেও গ্রিনহাউস প্রভাব সৃষ্টিতে কোনো অংশ নেয় না। D) মিথেন — এটি একটি অত্যন্ত প্রভাবশালী গ্রিনহাউস গ্যাস যা প্রধানত পচনশীল জৈব পদার্থ এবং গবাদি পশুর মাধ্যমেই বায়ুমণ্ডলে নির্গত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: গ্রিনহাউস গ্যাস নয় এমন প্রধান গ্যাস হলো দুটি, যথা নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন, যেগুলো আমাদের বায়ুমণ্ডলের নিরানব্বই শতাংশের বেশি দখল করে আছে। মনে রাখবে যে গ্যাসগুলো বাতাসে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে থাকে যেমন নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন, সেগুলোর প্রধানগুলোই মূলত গ্রিনহাউস গ্যাস নয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বায়ুমণ্ডলে জলীয় বাষ্প হলো সবচেয়ে প্রাকৃতিকভাবে abundant গ্রিনহাউস গ্যাস। এই একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে কোন গ্যাসটি বায়ুমণ্ডলে সর্বাধিক পরিমাণে থাকে এবং তা গ্রিনহাউস গ্যাস কিনা।

মোট প্রশ্ন (15)

a এএলইউ (ALU)
b কন্ট্রোল ইউনিট (control unit)
c রেজিস্টার সেট (Register set)
d কোনোটিই নয়
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) এএলইউ (ALU) ১. কেন সঠিক: - কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট বা সিপিইউ-এর ভেতরের অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট বা এএলইউ সমস্ত গাণিতিক এবং যৌক্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের কাজ পরিচালনা করে। - এটি যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগের মতো গাণিতিক কাজ এবং ছোট, বড় বা সমান কি না তা যাচাই করার মতো যৌক্তিক কাজ সম্পন্ন করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: এএলইউ হলো সিপিইউ-এর এমন একটি অংশ যা কম্পিউটারের সমস্ত গাণিতিক এবং লজিক্যাল অপারেশন সম্পন্ন করে। - কার্যপদ্ধতি: কন্ট্রোল ইউনিট থেকে ডেটা ও নির্দেশ পেয়ে এটি গণনা করে এবং ফলাফল মেমোরিতে পাঠিয়ে দেয়। - ব্যবহার: ক্যালকুলেটর সফটওয়্যার চালানো থেকে শুরু করে প্রাত্যহিক জীবনের সব ধরনের হিসাব-নিকাশে এটি কাজ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাইক্রোসফট এক্সেল ফাইলে দুটি সংখ্যার যোগফল নির্ণয় করা। ব্যাখ্যা: এক্সেল ফাইলে যোগ করার নির্দেশ দিলে এএলইউ সেই সংখ্যা দুটি যোগ করে সঠিক ফলাফল স্ক্রিনে প্রদর্শন করে। উদাহরণ ২: দুটি সংখ্যার মধ্যে কোনটি বড় তা তুলনা করা। ব্যাখ্যা: প্রোগ্রাম যখন যাচাই করে যে একটি সংখ্যা অন্যটির চেয়ে বড় কি না, তখন এএলইউ সেই লজিক্যাল সিদ্ধান্ত নেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) এএলইউ (ALU) — এটি গাণিতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের কাজ করে এবং এটিই সঠিক উত্তর। B) কন্ট্রোল ইউনিট (control unit) — এটি কম্পিউটারের বিভিন্ন অংশের মধ্যে সমন্বয় ও নিয়ন্ত্রণ করে কিন্তু গাণিতিক হিসাব করে না। C) রেজিস্টার সেট (Register set) — এটি খুব দ্রুত ডেটা সাময়িক ধরে রাখার মেমোরি হিসেবে কাজ করে, হিসাব করার কাজ করে না। D) কোনোটিই নয় — যেহেতু অপশন এ সঠিক, তাই এটি ভুল। ৫. মনে রাখার টিপস: - এএলইউ-এর পূর্ণরূপ হলো অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট, যেখানে অ্যারিথমেটিক মানে গণিত এবং লজিক মানে যুক্তি। - হিসাব-নিকাশ সংক্রান্ত যেকোনো প্রশ্ন দেখলে চোখ বন্ধ করে এএলইউ উত্তর নির্বাচন করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সিপিইউ-এর প্রধান তিনটি অংশ হলো কন্ট্রোল ইউনিট, এএলইউ এবং রেজিস্টার বা মেমোরি ইউনিট। - গাণিতিক কাজের জন্য এএলইউ এবং পরিচালনার জন্য কন্ট্রোল ইউনিট কাজ করে।
a AND
b NOR
c Ex-OR
d OR
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Ex-OR ১. কেন সঠিক: - Ex-OR গেটের আউটপুট শূন্য হয় যখন এর ইনপুটগুলো সমান অর্থাৎ দুটি ইনপুটই শূন্য অথবা দুটি ইনপুটই এক হয়। - বুলিয়ান অ্যালজেব্রার নিয়م অনুযায়ী, সমান ইনপুটের ক্ষেত্রে Ex-OR গেটের লজিক অপারেশন শূন্য আউটপুট প্রদান করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: Ex-OR বা এক্সক্লুসিভ অর গেট এমন একটি ডিজিটাল লজিক গেট, যা ইনপুট অসমান হলে এক এবং ইনপুট সমান হলে শূন্য আউটপুট দেয়। - কার্যপদ্ধতি: এটি ইনপুটগুলোর মধ্যে পার্থক্যের উপস্থিতি যাচাই করে কাজ করে এবং বিশেষ লজিক সমীকরণ অনুসরণ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: একটি Ex-OR গেটে ইনপুট হিসেবে শূন্য ও শূন্য দেওয়া হলে আউটপুট শূন্য পাওয়া যায়। ব্যাখ্যা: ইনপুট দুটি পরস্পর সমান হওয়ায় গেটটির নিয়ম অনুযায়ী আউটপুট শূন্য হয়েছে। উদাহরণ ২: একটি Ex-OR গেটে ইনপুট হিসেবে এক ও এক প্রদান করলে আউটপুট শূন্য হয়। ব্যাখ্যা: এখানেও ইনপুট দুটি সমান হওয়ার কারণে আউটপুট শূন্য এসেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) AND — এই গেটে সব ইনপুট এক হলে কেবল আউটপুট এক হয়, অন্যথায় শূন্য হয়। B) NOR — এই গেটে সব ইনপুট শূন্য হলে কেবল আউটপুট এক হয়, ইনপুট সমান হলে সবসময় শূন্য হয় না। C) Ex-OR — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত রয়েছে। D) OR — এই গেটে যেকোনো একটি ইনপুট এক হলে আউটপুট এক হয়, সমান ইনপুটের শর্ত এখানে প্রযোজ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - Ex-OR গেট মনে রাখার সহজ উপায় হলো এটি অমিল খোঁজে। - ইনপুট মিললে শূন্য এবং অমিল হলে এক আউটপুট পাওয়া যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লজিক গেটের সত্যক সারণী থেকে প্রায়শই এই ধরনের প্রশ্ন আসে। - সমান ইনপুটে শূন্য আউটপুট দেওয়ার বৈশিষ্ট্যটি কেবল Ex-OR গেটের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
a C
b DOS
c CP/M
d XENIX
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) C ১. কেন সঠিক: - সি (C) কোনো অপারেটিং সিস্টেম নয়, এটি একটি উচ্চ স্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা (High Level Programming Language)। - এটি ১৯৭২ সালে ডেনিস রিচি বেল ল্যাবরেটরিতে তৈরি করেছিলেন এবং এর মাধ্যমে বিভিন্ন সিস্টেম সফটওয়্যার তৈরি করা হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: প্রোগ্রামিং ভাষা হলো কম্পিউটারকে নির্দেশ দেওয়ার মাধ্যম, যার মাধ্যমে সফটওয়্যার তৈরি করা হয়। - কার্যপদ্ধতি: সি ভাষার কোড কম্পাইলারের মাধ্যমে মেশিন ভাষায় রূপান্তরিত হয়ে কম্পিউটারের প্রসেসরে কাজ করে। - বৈশিষ্ট্য: এটি স্ট্রাকচার্ড প্রোগ্রামিং ভাষা এবং এর মাধ্যমে সরাসরি মেমোরি নিয়ে কাজ করা যায়। - ব্যবহার: অপারেটিং সিস্টেম, গেম ডেভেলপমেন্ট এবং ডিভাইস ড্রাইভার তৈরিতে এটি বহুল ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: উইন্ডোজ বা লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমের কোডিং সি ভাষায় করা হয়েছে। ব্যাখ্যা: অপারেটিং সিস্টেম নিজে একটি সিস্টেম সফটওয়্যার যা সি ভাষার মতো প্রোগ্রামিং ভাষা দিয়ে তৈরি হয়। উদাহরণ ২: মাইক্রোসফট ওয়ার্ড বা এক্সেল অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার তৈরিতে সি ভাষা ব্যবহৃত হয়। ব্যাখ্যা: কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারকে ব্যবহার উপযোগী করার জন্য অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার সি ভাষা দিয়ে লেখা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) C — এটি অপারেটিং সিস্টেম নয়, বরং একটি জনপ্রিয় কম্পিউটার প্রোগ্রামিং ভাষা। B) DOS — এটি একটি সুপরিচিত কমান্ড লাইন ভিত্তিক ডিস্ক অপারেটিং সিস্টেম (Disk Operating System)। C) CP/M — এটি মাইক্রোকম্পিউটারের জন্য তৈরি ইতিহাসের একটি প্রাথমিক অপারেটিং সিস্টেম (Control Program for Microcomputers)। D) XENIX — এটি মাইক্রোসফট কর্তৃক বিকশিত ইউনিক্স ভিত্তিক একটি অপারেটিং সিস্টেম। ৫. মনে রাখার টিপস: - সি হলো কোড লেখার ভাষা, আর ডস বা জেনিক্স হলো কম্পিউটার চালানোর অপারেটিং সিস্টেম। - প্রোগ্রামিং ভাষা চেনার সহজ উপায় হলো এর নামের শেষে বা কাজে কোডিং শব্দটি যুক্ত থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সি ভাষার জনক ডেনিস রিচি এবং এটি ১৯৭২ সালে তৈরি হয়। - অপারেটিং সিস্টেম কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও ব্যবহারকারীর মধ্যে সমন্বয় সাধন করে।
a নেটওয়ার্কের মাধ্যমে যুক্ত একাধিক কম্পিউটার সার্ভার
b একটি বিশাল ক্ষমতা সম্পন্ন কম্পিউটার সার্ভার
c ব্যবহারকারীর চাহিদা অনুযায়ী কম্পিউটিং সেবা দেয়া
d উপরের কোনোটিই নয়
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ব্যবহারকারীর চাহিদা অনুযায়ী কম্পিউটিং সেবা দেয়া ১. কেন সঠিক: - ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের মূল ভিত্তি হলো অন-ডিমান্ড বা চাহিদামাফিক সেবা প্রদান করা। - এর মাধ্যমে ব্যবহারকারী যেকোনো সময় প্রয়োজনমতো স্টোরেজ বা প্রসেসিং পাওয়ার ব্যবহার করতে পারে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: ইন্টারনেটভিত্তিক সার্ভারে ডেটা ও প্রোগ্রাম সংরক্ষণ এবং পরিচালনা করার ব্যবস্থাই হলো ক্লাউড কম্পিউটিং। - কার্যপদ্ধতি: ব্যবহারকারী নিজের কম্পিউটারের পরিবর্তে দূরবর্তী সার্ভার থেকে ইন্টারনেট সংযোগের মাধ্যমে রিসোর্স ব্যবহার করে। - ব্যবহার: গুগল ড্রাইভ বা মাইক্রোওয়্যার ওয়ানড্রাইভ ব্যবহার করে ফাইল সংরক্ষণ করা এবং বিভিন্ন অ্যাপস চালানো। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গুগল ড্রাইভ (Google Drive) ব্যাখ্যা: এটি ব্যবহারকারীকে নিজের কম্পিউটারে জায়গা না নিয়েও ইন্টারনেটে ফাইল জমা রাখার সুবিধা দেয়। উদাহরণ ২: নেটফ্লিক্স (Netflix) ব্যাখ্যা: ব্যবহারকারী নিজের কম্পিউটারে ভিডিও ডাউনলোড না করে ক্লাউড সার্ভার থেকে সরাসরি স্ট্রিম করে দেখে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নেটওয়ার্কের মাধ্যমে যুক্ত একাধিক কম্পিউটার সার্ভার — এটি সার্ভার ফার্ম বা ক্লাস্টারের বর্ণনা, যা ক্লাউড সার্ভারের মূল দর্শন বা সেবার রূপকে পুরোপুরি প্রকাশ করে না। B) একটি বিশাল ক্ষমতা সম্পন্ন কম্পিউটার সার্ভার — এটি শুধু একটি শক্তিশালী হার্ডওয়্যারের বিবরণ, কিন্তু ক্লাউড সার্ভার মূলত সেবামূলক ধারণার ওপর প্রতিষ্ঠিত। D) উপরের কোনোটিই নয় — সঠিক উত্তরটি সি অপশনে থাকায় এটি ভুল। ৫. মনে রাখার টিপস: - ক্লাউড মানে হলো ইন্টারনেটের মেঘ বা আকাশ, যেখানে নিজের হার্ডওয়্যার ছাড়াই অন্যের কম্পিউটার বা সার্ভার ভাড়া নিয়ে কাজ করা যায়। - অন-ডিমান্ড বা চাহিদামাফিক সেবাই হলো ক্লাউড সার্ভারের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ক্লাউড কম্পিউটিং মূলত তিন ধরনের সেবা দিয়ে থাকে, যেমন: IaaS, PaaS এবং SaaS। - এই প্রযুক্তির মাধ্যমে যেকোনো স্থান থেকে ইন্টারনেট সংযোগের সাহায্যে কাজ করা সম্ভব।
a ১২৮
b ৩২
c ১২
d ৬
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১২৮ ১. কেন সঠিক: - IP Address এর পূর্ণরূপ হলো Internet Protocol Address, যা ইন্টারনেটে সংযুক্ত প্রতিটি ডিভাইসের একটি অনন্য পরিচিতি। - IPv6 এড্রেস ১২৮ বিটের হয়ে থাকে, যা হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় প্রকাশ করা হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: IPv6 (Internet Protocol version 6) হলো ইন্টারনেট প্রোটোকলের সর্বশেষ সংস্করণ, যা বিপুল সংখ্যক ডিভাইসের নেটওয়ার্ক সংযোগ নিশ্চিত করতে তৈরি করা হয়েছে। - কার্যপদ্ধতি: এটি ১২৮ বিট ব্যবহার করে প্রায় ৩৬ এসিলিয়ন ইউনিক আইপি এড্রেস তৈরি করতে পারে, যা সমগ্র পৃথিবীর প্রতিটি ধূলিকণার জন্যও একটি করে আইপি বরাদ্দ করার সমান। - বৈশিষ্ট্য: এর দৈর্ঘ্য ১২৮ বিট এবং এটি কোলন (:) দ্বারা পৃথক করা আটটি গ্রুপে বিভক্ত থাকে। - ব্যবহার: বর্তমান বিশ্বের ইন্টারনেট অফ থিংস (IoT) এবং স্মার্ট ডিভাইসের সংখ্যা বৃদ্ধির কারণে বিশ্বব্যাপী IPv4 থেকে IPv6-এ রূপান্তর চলছে। - পার্থক্য: পূর্ববর্তী সংস্করণ IPv4 মাত্র ৩২ বিটের এবং দশমিক ভিত্তিক ছিল, অন্যদিকে IPv6 হলো ১২৮ বিটের এবং হেক্সাডেসিমেল ভিত্তিক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাড়িতে ব্যবহৃত ওয়াইফাই রাউটার ব্যাখ্যা: আধুনিক ব্রডব্যান্ড সংযোগ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো এখন গ্রাহকদের ইন্টারনেট সংযোগের জন্য IPv6 এড্রেস প্রদান করছে। উদাহরণ ২: স্মার্টফোন ও ল্যাপটপের ইন্টারনেট ব্রাউজিং ব্যাখ্যা: আমরা যখন ইন্টারনেটে প্রবেশ করি, তখন আমাদের ডিভাইসগুলোকে সঠিকভাবে ডেটা আদান-প্রদানের জন্য একটি অনন্য আইপি এড্রেস প্রয়োজন হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১২৮ — এটি সঠিক উত্তর কারণ IPv6 এড্রেস নির্ভুলভাবে ১২৮ বিটের হয়ে থাকে। B) ৩২ — এটি ভুল কারণ ৩২ বিট হলো পূর্ববর্তী সংস্করণ IPv4 এড্রেসের দৈর্ঘ্য। C) ১২ — এটি ভুল কারণ ১২ বিট বলতে নেটওয়ার্কিং এড্রেসিংয়ের কোনো প্রমিত মান বোঝায় না। D) ৬ — এটি ভুল কারণ ৬ বিট দিয়ে ইন্টারনেটের বিপুল সংখ্যক ডিভাইসের জন্য ইউনিক আইপি এড্রেস তৈরি করা সম্ভব নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - IPv4 মানে ৪ এর গুণিতক হিসেবে ৩২ বিট মনে রাখতে পারেন এবং IPv6 এর ক্ষেত্রে ১২৮ বিট মুখস্থ রাখতে হবে। - IPv4 হলো ৩২ বিট আর IPv6 হলো ১২৮ বিট। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই IPv4 ও IPv6 এর বিট সংখ্যা জানতে চাওয়া হয়। - IPv6 এর পূর্ণরূপ এবং এর হেক্সাডেসিমেল রূপায়ন সম্পর্কে ধারণা রাখা আবশ্যক।
a OMR
b COM
c Plotter
d Monitor
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) OMR ১. কেন সঠিক: - OMR (Optical Mark Recognition) একটি ইনপুট ডিভাইস, যা বিশেষ কালি দিয়ে খাতায় দাগানো বৃত্ত বা চিহ্ন পড়তে পারে। - এটি ব্যবহারকারীর দেওয়া তথ্য কম্পিউটার সিস্টেমে প্রবেশ করায় বলে এটিকে ইনপুট ডিভাইস হিসেবে গণ্য করা হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: OMR হলো এমন একটি প্রযুক্তি বা হার্ডওয়্যার ডিভাইস, যা অপটিক্যাল স্ক্যানার ব্যবহার করে কাগজের ওপর বিশেষ পেন্সিল বা কালির দাগ শনাক্ত করে। - কার্যপদ্ধতি: ডিভাইসের আলো দাগের ওপর প্রতিফলিত হয় এবং আলোর পরিবর্তনের তীব্রতা মপে এটি ডেটা প্রসেস করে কম্পিউটারে পাঠায়। - ব্যবহার: বহুনির্বাচনী পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়ন, জরিপ ফরম এবং উপস্থিতি নিবন্ধনে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার ওএমআর শিট। ব্যাখ্যা: পরীক্ষার্থীরা বৃত্ত ভরাট করার পর পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নের জন্য এই মেশিনে স্ক্যান করা হয়। উদাহরণ ২: বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার উত্তরপত্র যাচাই। ব্যাখ্যা: হাজার হাজার পরীক্ষার্থীর খাতা কম সময়ে নির্ভুলভাবে মূল্যায়ন করতে ওএমআর ডিভাইস ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) OMR — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ডেটা কম্পিউটারে প্রবেশ করায়। B) COM — এটি Computer Output Microfilm, যা কম্পিউটার প্রসেস করা ডেটা মাইক্রোফিল্মে আউটপুট হিসেবে সংরক্ষণ করে। C) Plotter — এটি একটি আউটপুট ডিভাইস, যা গ্রাফ, চার্ট বা বড় আকারের নকশা প্রিন্ট করতে ব্যবহৃত হয়। D) Monitor — এটি একটি আউটপুট ডিভাইস, যা কম্পিউটারের ভিজ্যুয়াল প্রদর্শন বা ফলাফল স্ক্রিনে দেখায়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ইনপুট ডিভাইস চেনার সহজ উপায় হলো এটি দিয়ে কম্পিউটারে ডেটা পাঠানো হয়। - OMR মানে হলো অপটিক্যাল মার্ক রিকগনিশন, যা দিয়ে খাতার গোল দাগ পড়া হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ওএমআর মেশিন সর্বপ্রথম অপটিক্যাল মার্ক রিডার হিসেবে পরীক্ষা মূল্যায়নে বিপ্লব আনে। - পেরিফেরাল ডিভাইস হিসেবে ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইসের পার্থক্য প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
a ২৫৬ টি
b ৪০৯৬ টি
c ৬৫৫৩৬ টি
d ৪২৯৪৯৬৭২৯৬ টি
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬৫৫৩৬ টি ১. কেন সঠিক: ইউনিকোড বা ইউনিভার্সাল কোড সিস্টেম হলো দুনিয়ার সব ভাষার বর্ণকে কম্পিউটারের বোধগম্য কোডে রূপান্তর করার আধুনিক মানদণ্ড। ইউনিকোডের প্রাথমিক সংস্করণে ১৬ বিট বা দুই বাইট ব্যবহার করা হতো, যা দিয়ে মোট দুই এর ষোল পাওয়ার বা ৬৫৫৩৬ টি অদ্বিতীয় চিহ্ন বা বর্ণ নির্দিষ্ট করা সম্ভব হয়েছিল। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ইউনিকোড হলো এমন একটি আন্তর্জাতিক কোডিং ব্যবস্থা যা সব ভাষার বর্ণ, সংখ্যা ও প্রতীককে একটি নির্দিষ্ট সংখ্যাগত মান দেয়। কার্যপদ্ধতি: প্রতিটি ভাষার অক্ষরকে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করতে বিট ব্যবহার করা হয় এবং ১৬ বিটের ইউনিকোড সিস্টেমে মোট ৬৫৫৩৬ টি আলাদা কোড তৈরি করা যায়। বৈশিষ্ট্য: এটি বিশ্বের প্রায় সব লিখিত ভাষাকে সমর্থন করে এবং আগের একক বাইটের কোডিং সীমাবদ্ধতা দূর করে। ব্যবহার: আধুনিক অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েবসাইট ডিজাইন এবং বিশ্বজুড়ে ডেটা প্রসেসিং ও টেক্সট সংরক্ষণে ইউনিকোড ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলা বর্ণমালার প্রতিটি অক্ষর যেমন অ, আ, ক, খ ইউনিকোড সিস্টেমে নির্দিষ্ট কোড দ্বারা সংরক্ষিত থাকে। ব্যাখ্যা: এর ফলে কম্পিউটারে বাংলা লেখা অন্য কোনো ডিভাইসে খুললেও অক্ষর ভেঙে যায় না এবং সঠিক দেখায়। উদাহরণ ২: ইংরেজি বর্ণমালার এ এবং বি অক্ষর ইউনিকোডের আওতায় নির্দিষ্ট বাইনারি মানে রূপান্তরিত হয়। ব্যাখ্যা: এই কোডিং ব্যবস্থার কারণে মাইক্রোসফট ওয়ার্ড বা ব্রাউজারে বিভিন্ন ভাষার লেখা একসঙ্গে ব্যবহার করা সম্ভব হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৫৬ টি — এটি স্ট্যান্ডার্ড এসকিউআইআই বা আট বিটের কোডিং ক্ষমতার হিসাব, যা ইউনিকোডের প্রাথমিক পরিমাণের চেয়ে অনেক কম। B) ৪০৯৬ টি — এটি ইউনিকোডের মূল ধারণার সঙ্গে মেলে না এবং এটি বারো বিটের বাইনারি বিন্যাসের হিসাব নির্দেশ করে। D) ৪২৯৪৯৬৭২৯৬ টি — এটি ইউনিকোডের ৩২ বিট সংস্করণের সম্ভাব্য চিহ্নের সংখ্যা, যা প্রাথমিক ষোল বিটের সংস্করণের জন্য সঠিক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: ইউনিকোডের আদি সংস্করণ ছিল ষোল বিটের এবং দুই এর ষোল পাওয়ার সমান হয় ৬৫৫৩৬। ১৬ বিট মানে দুটি বাইট এবং এর মাধ্যমেই মূলত প্রথম আন্তর্জাতিক ইউনিকোড স্ট্যান্ডার্ড চালু হয়েছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ইউনিকোডের পূর্ণরূপ হলো ইউনিভার্সাল কোড। বর্তমানে ইউনিকোডের আধুনিক সংস্করণে বিট সংখ্যা আরও বাড়ানো হয়েছে, যা দিয়ে লাখ লাখ প্রতীক ও ইমোজি নির্দিষ্ট করা যায়।
a এটির নির্মাতা গুগল
b এটি লিনাক্স কার্নেল নির্ভর
c এটি প্রধানত টাচস্ক্রিন মোবাইল ডিভাইসের জন্য তৈরি
d উপরের সবগুলো সঠিক
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উপরের সবগুলো সঠিক ১. কেন সঠিক: অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের মূল নির্মাতা গুগল এবং এটি লিনাক্স কার্নেলের ওপর ভিত্তি করে তৈরি মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম। এটি প্রাথমিকভাবে স্মার্টফোন এবং ট্যাবলেটের মতো টাচস্ক্রিন ডিভাইসের কথা মাথায় রেখে ডিজাইন করা হয়েছে, তাই প্রদত্ত তিনটি বিবৃতিই সত্য। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: অ্যান্ড্রয়েড হলো গুগল কর্তক ডেভেলপ করা একটি ওপেন সোর্স মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম। কার্যপদ্ধতি: এটি লিনাক্স কার্নেল ব্যবহার করে হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে যোগাযোগ রক্ষা করে এবং টাচ ইনপুট প্রসেস করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্যামসাং গ্যালাক্সি বা শাওমি স্মার্টফোন। ব্যাখ্যা: এই ফোনগুলোতে অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম চালিত ইউজার ইন্টারফেস ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: টাচস্ক্রিন ট্যাব বা এটিএম বুথের কিছু ডিসপ্লে। ব্যাখ্যা: এগুলোতে স্পর্শের মাধ্যমে কমান্ড দেওয়ার জন্য অ্যান্ড্রয়েডের মতো টাচ-ভিত্তিক ওএস কাজ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) এটির নির্মাতা গুগল — এটি সঠিক হলেও অন্য অপশনগুলোও সঠিক হওয়ায় এটি একা সম্পূর্ণ উত্তর নয়। B) এটি লিনাক্স কার্নেল নির্ভর — এটি সত্য, তবে এটি অ্যান্ড্রয়েডের একমাত্র বৈশিষ্ট্য নয়। C) এটি প্রধানত টাচস্ক্রিন মোবাইল ডিভাইসের জন্য তৈরি — এটিও সত্য, কিন্তু নির্মাতা এবং কার্নেল সম্পর্কিত তথ্য বাদ পড়ে যায়। D) উপরের সবগুলো সঠিক — যেহেতু প্রথম তিনটি অপশনই অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম সম্পর্কে সম্পূর্ণ সত্য, তাই এই অপশনটি সঠিক। ৫. মনে রাখার টিপস: অ্যান্ড্রয়েড মনে রাখতে জি-এল-টি সূত্র মনে রাখবে। জি মানে গুগল, এল মানে লিনাক্স এবং টি মানে টাচস্ক্রিন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের প্রথম বাণিজ্যিক সংস্করণ বাজারে আসে ২০০৮ সালে। এটি জাভা এবং কোটলিন ভাষা ব্যবহার করে অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট সমর্থন করে।
a অ্যাপল
b গুগল
c মাইক্রোসফট
d আইবিএম
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অ্যাপল ১. কেন সঠিক: আইওএস (iOS) হলো একটি মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম যা একচেটিয়াভাবে অ্যাপল (Apple) কোম্পানির নিজস্ব ডিভাইস যেমন আইফোন এবং আইপড টাচের জন্য তৈরি ও বাজারজাত করা হয়। অন্যান্য অপারেটিং সিস্টেমের মতো এটি অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের থার্ড-পার্টি স্মার্টফোনে ব্যবহার করা যায় না। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: iOS-এর পূর্ণরূপ হলো আইফোন অপারেটিং সিস্টেম (iPhone Operating System), যা অ্যাপল ইনকরপোরেটেড কর্তৃক বিকশিত একটি প্রোপ্রিটারি মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম। কার্যপদ্ধতি: এটি ব্যবহারকারী এবং মোবাইল ডিভাইসের হার্ডওয়্যারের মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করে টাচ স্ক্রিন ও অন্যান্য ইনপুটের মাধ্যমে সম্পূর্ণ সিস্টেম নিয়ন্ত্রণ করে। বৈশিষ্ট্য: এটি অত্যন্ত নিরাপদ, বন্ধ সোর্স কোড (Closed Source) বিশিষ্ট এবং এর ইন্টারফেস অত্যন্ত মসৃণ ও ব্যবহারবান্ধব। ব্যবহার: অ্যাপলের নিজস্ব মোবাইল ডিভাইস যেমন আইফোন (iPhone), আইপ্যাড (iPad - যার অপারেটিং সিস্টেম এখন আলাদাভাবে আইপ্যাডওএস নামে পরিচিত) এবং আইপড টাচে এটি ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আইফোন ১৩ বা ১৪ চালানো। ব্যাখ্যা: এই ফোনগুলোর ভেতরে অ্যাপলের তৈরি আইওএস চালিত হয়ে ব্যবহারকারীকে কল করা, অ্যাপ চালানো ও ইন্টারনেট ব্রাউজ করার সুযোগ দেয়। উদাহরণ ২: অ্যাপল অ্যাপ স্টোর থেকে অ্যাপ ডাউনলোড করা। ব্যাখ্যা: আইওএস প্ল্যাটফর্মের নিজস্ব অ্যাপ স্টোর থেকে নিরাপদে বিভিন্ন সফটওয়্যার বা গেম ইনস্টল করা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অ্যাপল — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই প্রতিষ্ঠানটিই আইওএস অপারেটিং সিস্টেম তৈরি ও বাজারজাত করে। B) গুগল — গুগল অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম বাজারজাত করে, আইওএস নয়। C) মাইক্রোসফট — মাইক্রোসফট অতীতে উইন্ডোজ ফোন অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করত, যা বর্তমানে বন্ধ রয়েছে। D) আইবিএম — আইবিএম প্রধানত এন্টারপ্রাইজ কম্পিউটার ও সার্ভার প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করে, মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম বাজারজাত করে না। ৫ মনে রাখার টিপস: আইওএস (iOS) শুনলেই মাথায় রাখবে অ্যাপল (Apple), যেমন অ্যান্ড্রয়েড শুনলে মাথায় আসে গুগল। অ্যাপলের নিজস্ব ডিভাইস ছাড়া অন্য কোনো কোম্পানির ফোনে আইওএস থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মোবাইল অপারেটিং সিস্টেমের ক্ষেত্রে অ্যান্ড্রয়েডের উৎস উন্মুক্ত (Open Source) হলেও আইওএস সম্পূর্ণ বন্ধ উৎস (Closed Source)। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোন অপারেটিং সিস্টেম কোন কোম্পানির তৈরি।
a RAM
b ROM
c Mercury Delay Lines
d Registors
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Mercury Delay Lines ১. কেন সঠিক: EDSAC কম্পিউটারে মূল মেমরি হিসেবে Mercury Delay Lines ব্যবহার করা হতো। এটি শব্দ তরঙ্গের মাধ্যমে ডেটা বা মেমরি রিফ্রেশ করে সংরক্ষণ করত। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: Mercury Delay Lines হলো এমন একটি প্রযুক্তি যেখানে পারদের মাধ্যমে শব্দ তরঙ্গ পাঠিয়ে ডেটা সংরক্ষণ করা হতো। কার্যপদ্ধতি: পারদ পূর্ণ টিউবের দুই প্রান্তে ক্রিস্টাল থাকে যা বৈদ্যুতিক সংকেতকে শব্দ তরঙ্গে রূপান্তর করে মেমরি ধরে রাখে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আধুনিক কম্পিউটারে আমরা যেমন RAM ব্যবহার করে তাৎক্ষণিক কাজ করি, EDSAC-এ পারদ কলাম ঠিক সেইভাবে কাজ করত। ব্যাখ্যা: এটি সে যুগের কম্পিউটারের জন্য অত্যন্ত কার্যকরী অস্থায়ী ডেটা স্টোরেজ ব্যবস্থা ছিল। উদাহরণ ২: একে আধুনিক ক্যাশ মেমরির আদি রূপ হিসেবে কল্পনা করা যায়। ব্যাখ্যা: প্রসেসর দ্রুত তথ্য আদানপ্রদানের জন্য এই পারদ পরিবাহী লাইন ব্যবহার করত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) RAM — আধুনিক কম্পিউটারে ব্যবহৃত হলেও প্রথম প্রজন্মের EDSAC-এ এটি ব্যবহৃত হতো না। B) ROM — এটি স্থায়ী মেমরি যা পড়ার কাজে ব্যবহৃত হয়, EDSAC-এর মূল কাজের জন্য এটি উপযোগী ছিল না। C) Mercury Delay Lines — এটি সঠিক উত্তর। D) Registors — প্রসেসরের ভেতরে সাময়িক ডেটা রাখার ছোট ঘর, যা EDSAC-এর প্রধান মেমরি হিসেবে ব্যবহৃত হয়নি। ৫ মনে রাখার টিপস: EDSAC কম্পিউটারের নামের সাথে পারদের সম্পর্ক মনে রাখতে হবে। প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারগুলোতে মেমরি হিসেবে পারদ বা ভ্যাকুয়াম টিউব ব্যবহার করা হতো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: EDSAC হলো বিশ্বের প্রথম পূর্ণাঙ্গ संग्रহিত প্রোগ্রামভিত্তিক কম্পিউটার। Maurice Wilkes ১৯৪৯ সালে এটি তৈরি করেন।
a ১৯৯০ সালে
b ১৯৮৮ সালে
c ১৯৯৪ সালে
d ১৯৯৮ সালে
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯৯৪ সালে ১. কেন সঠিক: আমাজন ডটকম একটি জনপ্রিয় ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান হিসেবে ১৯৯৪ সালের ৫ জুলাই জেফ বেজোস কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রথমে এটি কেবল অনলাইন বইয়ের দোকান হিসেবে যাত্রা শুরু করলেও বর্তমানে এটি বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম ই-কমার্স ও ক্লাউড কম্পিউটিং প্রতিষ্ঠান। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ই-কমার্স হলো ইন্টারনেট বা ইলেকট্রনিক নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে অনলাইনে পণ্য বা সেবা কেনাবেচা করার পদ্ধতি। কার্যপদ্ধতি: গ্রাহক ইন্টারনেট সংযুক্ত ডিভাইস ব্যবহার করে ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে পছন্দমতো পণ্য নির্বাচন করে ডিজিটাল পেমেন্টের মাধ্যমে অর্ডার করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দারাজ বা আমাজন থেকে ঘরে বসে মোবাইল বা বই কেনা। ব্যাখ্যা: ক্রেতা সরাসরি দোকানে না গিয়ে ইন্টারনেট ব্যবহার করে ঘরে বসে পণ্য ক্রয় ও পেমেন্ট সম্পন্ন করেন। উদাহরণ ২: অনলাইন ফুড ডেলিভারি সেবা থেকে খাবার অর্ডার করা। ব্যাখ্যা: ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে গ্রাহক ও বিক্রেতার মধ্যে সরাসরি বাণিজ্যিক লেনদেন সম্পাদিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৯০ সালে — এই সালে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব বা ডব্লিউডব্লিউডব্লিউ জনসাধারণের ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করা হয় কিন্তু আমাজন প্রতিষ্ঠিত হয়নি। B) ১৯৮৮ সালে — এটি আমাজনের প্রতিষ্ঠার বছর নয় বরং এই সময়ে ইন্টারনেট প্রযুক্তির বাণিজ্যিক সম্প্রসারণ সবে শুরু হচ্ছিল। D) ১৯৯৮ সালে — গুগল কোম্পানি প্রতিষ্ঠিত হয় কিন্তু আমাজন এর চার বছর আগেই কার্যক্রম শুরু করেছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: আমাজন ডটকম জেফ বেজোস কর্তৃক ১৯৯৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। সালটি মনে রাখতে পারেন ১৯৯ এর সাথে ৪ যোগ করে ১৯৯৪। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: আমাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোস এবং বর্তমান প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা অ্যান্ডি জ্যাসি। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই বিখ্যাত প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ও তাদের প্রতিষ্ঠার সাল বা প্রতিষ্ঠাতার নাম জিজ্ঞাসা করা হয়।
a Simple Message Transmission Protocol
b Strategic Mail Transfer Protocol
c Strategic Mail Transmission Protocol
d Simple Mail Transfer Protocol
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Simple Mail Transfer Protocol ১. কেন সঠিক: SMTP-এর পূর্ণরূপ হলো Simple Mail Transfer Protocol যার বাংলা অর্থ হলো সাধারণ মেইল স্থানান্তর প্রোটোকল। এটি ইন্টারনেট বা নেটওয়ার্কের মাধ্যমে এক ই-মেইল সার্ভার থেকে অন্য ই-মেইল সার্ভারে মেইল প্রেরণের জন্য ব্যবহৃত হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: SMTP হলো এমন একটি ইন্টারনেট প্রোটোকল যা ইন্টারনেট বা টিসিপিআইপি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ই-মেইল আদান প্রদানের কাজ করে। কার্যপদ্ধতি: ব্যবহারকারী যখন মেইল সেন্ড করেন তখন ক্লায়েন্ট বা প্রেরক সার্ভার এই প্রোটোকলের সাহায্যে প্রাপকের মেইল সার্ভারে বার্তা পৌঁছে দেয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জিমেইল থেকে ইয়াহুতে ইমেল পাঠানো। ব্যাখ্যা: জিমেইল অ্যাকাউন্ট থেকে ইয়াহু ঠিকানায় কোনো বার্তা পাঠালে এই প্রোটোকল সার্ভারগুলোর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে বার্তাটি সফলভাবে পৌঁছে দেয়। উদাহরণ ২: করপোরেট অফিসের নিজস্ব সার্ভার থেকে ক্লায়েন্টদের মেইল পাঠানো। ব্যাখ্যা: প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব ডোমেইন বা মেইল সার্ভার থেকে অন্য কোনো বাহ্যিক সার্ভারে বার্তা স্থানান্তর করতে এই প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Simple Message Transmission Protocol - এই নামে কোনো স্ট্যান্ডার্ড ইন্টারনেট প্রোটোকল নেই। B) Strategic Mail Transfer Protocol - এটি একটি ভুল শব্দগুচ্ছ বা বিভ্রান্তিকর অপশন। C) Strategic Mail Transmission Protocol - এটিও প্রোটোকলের সঠিক নাম নয়। D) Simple Mail Transfer Protocol - এটি ই-মেইল প্রেরণের স্বীকৃত ও সঠিক প্রোটোকল। ৫. মনে রাখার টিপস: SMTP নামের ভেতর কাজ লুকিয়ে আছে, যেখানে T দিয়ে Transfer বোঝায়। ই-মেইল পাঠানোর জন্য ট্রান্সফার বা স্থানান্তরের কাজটি এই প্রোটোকল করে থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ই-মেইল গ্রহণ বা রিড করার জন্য POP3 বা IMAP প্রোটোকল ব্যবহৃত হয়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ই-মেইল পাঠানো ও গ্রহণের প্রোটোকল আলাদাভাবে প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়।
a প্রোগ্রাম
b প্রোটোকল
c প্রোগ্রামিং
d ফ্লোচার্ট
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্রোটোকল ১. কেন সঠিক: TCP শব্দের পূর্ণরূপ হলো Transmission Control Protocol এবং বাংলা অর্থ হলো ট্রান্সমিশন কন্ট্রোল প্রোটোকল। এটি কম্পিউটার নেটওয়ার্কে ডেটা আদান-প্রদানের নিয়ম বা প্রোটোকল হিসেবে কাজ করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: প্রোটোকল হলো এক সেট নিয়ম যা ইন্টারনেটে ডিভাইসগুলোর মধ্যে যোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ করে। কার্যপদ্ধতি: এটি বড় ডেটাকে ছোট ছোট প্যাকেটে বিভক্ত করে এবং গন্তব্যে পৌঁছে তা পুনরায় সঠিকভাবে সাজায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চিঠি পাঠানোর নিয়ম। ব্যাখ্যা: খামে ঠিকানা লেখা এবং ডাকটিকিট লাগানোর যেমন নির্দিষ্ট নিয়ম আছে, টিসিপি ঠিক তেমনি ডেটা পাঠানোর নিয়ম নির্ধারণ করে। উদাহরণ ২: অনলাইন ব্রাউজিং। ব্যাখ্যা: আমরা যখন ইন্টারনেটে কোনো ওয়েবসাইট ভিজিট করি, তখন টিসিপি নিশ্চিত করে যে ডেটা নিখুঁতভাবে আমাদের ডিভাইসে এসে পৌঁছাচ্ছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রোগ্রাম — প্রোগ্রাম হলো কম্পিউটারের কোডের সমষ্টি যা কোনো নির্দিষ্ট কাজ সম্পন্ন করে, এটি যোগাযোগের নিয়ম নয়। C) প্রোগ্রামিং — প্রোগ্রামিং হলো কম্পিউটার সফটওয়্যার তৈরির প্রক্রিয়া বা ভাষা লেখার পদ্ধতি, যা প্রোটোকল নির্দেশ করে না। D) ফ্লোচার্ট — ফ্লোচার্ট হলো কোনো কাজের ধাপগুলো চিত্রের মাধ্যমে প্রকাশ করার পদ্ধতি, যা নেটওয়ার্ক যোগাযোগের নিয়ম নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: TCP নামের শেষ অংশ P দিয়ে Protocol বোঝায়। নেটওয়ার্কের ভাষা বা নিয়ম মানেই প্রোটোকল। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: TCP একটি কানেকশন-ওরিয়েন্টেড প্রোটোকল যা ডেটা আদান-প্রদানের সময় নিখুঁত ডেলিভারি নিশ্চিত করে। ইন্টারনেটে আইপি ঠিকানার সাথে এটি যৌথভাবে কাজ করে।
a Queue
b Stack
c Union
d Array
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Stack ১. কেন সঠিক: - Stack একটি ডেটা স্ট্রাকচার যা LIFO বা Last In First Out নীতিতে কাজ করে। - এখানে ডেটা সংযোজন ও অপসারণ শুধুমাত্র এক প্রান্ত থেকে সম্পন্ন হয়, যাকে যথাক্রমে Push এবং Pop বলা হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: Stack হলো এমন একটি লিনিয়ার ডেটা স্ট্রাকচার যেখানে সর্বশেষে প্রবেশ করা উপাদানটি সবার আগে বের হয়। - কার্যপদ্ধতি: Push অপারেশনের মাধ্যমে স্ট্যাকের উপরে নতুন ডেটা যোগ করা হয় এবং Pop অপারেশনের মাধ্যমে শীর্ষের ডেটা মুছে ফেলা হয়। - ব্যবহার: প্রোগ্রামিং ভাষার ফাংশন কল পরিচালনা, ব্রাউজারের হিস্ট্রি বা ব্যাক বোタনের কার্যকারিতায় এটি ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্লেটে রাখা থালার স্তূপ ব্যাখ্যা: একটির পর একটি থালা উপরে রাখাকে Push বলা হয় এবং উপর থেকে থালা তুলে নেওয়াকে Pop বলা হয়। উদাহরণ ২: ব্রাউজারের ব্যাক বাটন ব্যাখ্যা: পেজ ভিজিট করার সময় পেজগুলো স্ট্যাকে জমা হয় এবং ব্যাক চাপলে সর্বশেষ পেজটি Pop হয়ে আগের পেজে ফিরে যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Queue — এটি FIFO নীতিতে কাজ করে এবং এর অপারেশনগুলোর নাম Enqueue ও Dequeue। B) Stack — এটি সঠিক উত্তর এবং এখানে Push ও Pop ব্যবহৃত হয়। C) Union — এটি ডেটাবেজ বা প্রোগ্রামিংয়ে একাধিক ডেটা টাইপ বা সেটের সংযোগ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। D) Array — এটি সমজাতীয় ডেটার সংগ্রহ যার উপাদানগুলো সূচক বা ইনডেক্সের মাধ্যমে অ্যাক্সেস করা হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - স্ট্যাক মনে রাখতে লাইফোর কথা মাথায় রাখবে, যার অর্থ শেষ ইন প্রথম আউট। - পুশ মানে প্রবেশ করানো এবং পপ মানে বের করে আনা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - স্ট্যাক কাজ করে এলআইএফও বা এলআইএলও নীতিতে। - রিকার্সিভ ফাংশন এবং মেমরি ব্যবস্থাপনায় স্ট্যাক ডেটা স্ট্রাকচার অপরিহার্য।
a তামার তার
b অপটিক্যাল ফাইবার
c তারহীন সংযোগ
d উপরের সবকটি
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) তারহীন সংযোগ ১. কেন সঠিক: ওয়াই-ফাই বা ওয়্যারলেস ফিডেলিটি একটি তারবিহীন লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি। এই প্রযুক্তিতে ডিভাইসগুলোর মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান করতে কোনো শারীরিক ক্যাবল বা তার ব্যবহার করা হয় না। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ওয়াই-ফাই হলো এমন একটি প্রযুক্তি যা রেডিও তরঙ্গের মাধ্যমে তার ছাড়াই কম্পিউটার ও অন্যান্য ডিভাইসে ইন্টারনেট সংযোগ প্রদান করে। কার্যপদ্ধতি: রাউটার রেডিও তরঙ্গের মাধ্যমে ডিজিটাল ডেটা সিগন্যালে রূপান্তর করে এবং ডিভাইসের ওয়্যারলেস অ্যাডাপ্টারের মাধ্যমে তা গ্রহণ করে। ব্যবহার: বাসা, অফিস, বিমানবন্দর ও কফি শপে ল্যাপটপ, মোবাইল বা স্মার্ট টিভি ইন্টারনেটে যুক্ত করতে বহুল ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্মার্টফোনে ওয়াই-ফাই অন করে বাসার রাউটারের সঙ্গে যুক্ত হওয়া। ব্যাখ্যা: এখানে কোনো তার ব্যবহার না করে অদৃশ্য রেডিও তরঙ্গের মাধ্যমে ইন্টারনেট সুবিধা ভোগ করা হয়। উদাহরণ ২: অফিস কক্ষে তারের ঝামেলা ছাড়াই ল্যাপটপ থেকে প্রিন্টারে ডেটা পাঠানো। ব্যাখ্যা: ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কের তারহীন সুবিধার কারণে একাধিক ডিভাইস কোনো ফিজিক্যাল কানেকশন ছাড়াই একে অপরের সাথে যুক্ত থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তামার তার — এটি ইথারনেট বা ল্যান ক্যাবলে ব্যবহৃত হয়, যা ওয়াই-ফাইয়ের তারহীন মাধ্যমের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। B) অপটিক্যাল ফাইবার — এটি কাঁচের তন্তু দিয়ে তৈরি উচ্চগতির তারযুক্ত মাধ্যম, যা ওয়াই-ফাই সংযোগে ব্যবহৃত হয় না। C) তারহীন সংযোগ — এই অপশনটি সঠিক কারণ ওয়াই-ফাই কেবল রেডিও তরঙ্গের মাধ্যমে কাজ করে। D) উপরের সবকটি — এই অপশনটি ভুল কারণ তামার তার ও অপটিক্যাল ফাইবার তারযুক্ত মাধ্যম, যা ওয়াই-ফাইয়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: ওয়াই-ফাই শব্দের পূর্ণরূপ হলো ওয়্যারলেস ফিডেলিটি। শব্দটির শুরুতেই ওয়্যারলেস বা তারহীন কথাটি রয়েছে, তাই উত্তর সবসময় তারহীন সংযোগ হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ওয়াই-ফাই প্রযুক্তিতে ডেটা আদান-প্রদানের জন্য রেডিও ওয়েভ বা রেডিও তরঙ্গ ব্যবহৃত হয়। পরীক্ষায় প্রায়ই ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কের স্ট্যান্ডার্ড বা রেঞ্জ সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে।

মোট প্রশ্ন (10)

a দায়িত্বশীলতা
b নৈতিকতা
c দক্ষতা
d সরলতা
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নৈতিকতা ১. কেন সঠিক: - নৈতিকতা হলো একজন প্রশাসক ও ব্যবস্থাপকের সর্বশ্রেষ্ঠ গুণ কারণ এটি অন্য সব গুণের সঠিক প্রয়োগ নিশ্চিত করে। - নৈতিক নীতিমালা না থাকলে দক্ষতা বা দায়িত্বশীলতা অনেক সময় ব্যক্তিগত বা গোষ্ঠীগত স্বার্থ হাসিলের কাজে অনৈতিকভাবে ব্যবহৃত হতে পারে। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: নৈতিকতা হলো মানব আচরণের ভালো-মন্দের মাপকাঠি যা সমাজ স্বীকৃত নিয়ম ও আদর্শের ওপর প্রতিষ্ঠিত। - গুরুত্ব: পেশাগত জীবনে নৈতিকতা না থাকলে সুশাসন নিশ্চিত করা অসম্ভব এবং দুর্নীতি সমাজে জেঁকে বসে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: একজন সরকারি কর্মকর্তা ফাইল নিষ্পত্তির সময় ঘুষ বা অবৈধ সুবিধা গ্রহণ না করে নিরপেক্ষভাবে সরকারি নিয়ম মেনে সেবা প্রদান করলেন। ব্যাখ্যা: এটি তার পেশাগত নৈতিকতা এবং সততার বাস্তব প্রয়োগ নির্দেশ করে। উদাহরণ ২: একজন ব্যবস্থাপক তার প্রতিষ্ঠানে কোনো টেন্ডার আহ্বানের সময় স্বজনপ্রীতি এড়িয়ে সম্পূর্ণ স্বচ্ছতার সঙ্গে যোগ্য প্রতিষ্ঠানকে কাজ দিলেন। ব্যাখ্যা: এটি প্রতিষ্ঠানের প্রতি প্রাতিষ্ঠানিক নৈতিকতা এবং নিরপেক্ষতার সঠিক চর্চা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দায়িত্বশীলতা — দায়িত্বশীলতা একটি গুরুত্বপূর্ণ গুণ হলেও নৈতিকতাহীন দায়িত্বশীলতা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডেও দেখা যেতে পারে। B) নৈতিকতা — এটি সঠিক উত্তর। C) দক্ষতা — দক্ষতা থাকা জরুরি কিন্তু অনৈতিক ব্যক্তির দক্ষতা সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য ধ্বংসাত্মক হতে পারে। ডি) সরলতা — সরলতা ব্যক্তিগত চরিত্রের ভালো গুণ হলেও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে এটি সবসময় ফলপ্রসূ বা যথেষ্ট নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - প্রশাসনিক গুণাবলীর মধ্যে নৈতিকতা হলো চালিকাশক্তি আর দক্ষতা হলো বাহন। - নৈতিকতা না থাকলে অন্য গুণগুলো সঠিক দিশা পায় না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রশাসক ও ব্যবস্থাপকের ক্ষেত্রে নৈতিকতা এবং সুশাসনের সম্পর্ক অত্যন্ত নিবিড়। - এই প্রশ্নটি সুশাসন, নেতৃত্ব ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং পেশাগত নৈতিকতা অধ্যায়ের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
a সত্য ও ন্যায়
b সার্থকতা
c শঠতা
d অসহিষ্ণুতা
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সত্য ও ন্যায় ১. কেন সঠিক: সত্য ও ন্যায় মানুষের চিরন্তন ও সর্বজনীন নৈতিক মূল্যবোধ, যা যুগ যুগ ধরে সকল সমাজে মানুষের আচরণ নিয়ন্ত্রণের মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করে আসছে। এটি মানুষের বিবেককে জাগ্রত রাখে এবং সামাজিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সাহায্য করে, তাই যেকোনো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৈতিক প্রশ্ন হিসেবে বিবেচিত হয়। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: মূল ধারণা: সত্য ও ন্যায় হলো এমন একটি মানবিক গুণ যা মানুষকে মিথ্যা, প্রবঞ্চনা এবং অন্যায় থেকে দূরে রেখে সঠিক পথে পরিচালিত করে। গুরুত্ব: এটি সমাজে পারস্পরিক বিশ্বাস, সৌহার্দ্য এবং মানবিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে। প্রয়োগ: ব্যক্তিগত জীবন থেকে শুরু করে কর্মক্ষেত্র পর্যন্ত প্রতিটি ক্ষেত্রে সততা ও ন্যায়পরায়ণতা বজায় রাখার মাধ্যমে এর বাস্তব প্রয়োগ সম্ভব। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: কর্মক্ষেত্রে কোনো অনিয়ম বা দুর্নীতির চাপ থাকা সত্ত্বেও নিজের পেশাগত সততা বজায় রেখে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা। ব্যাখ্যা: এখানে ব্যক্তির সততা এবং ন্যায়ের প্রতি নিষ্ঠা প্রতিফলিত হয়, যা সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সাহায্য করে। উদাহরণ ২: শিক্ষার্থী হিসেবে পরীক্ষার হলে কোনো অসদুপায় অবলম্বন না করে নিজের মেধার ওপর সম্পূর্ণ ভরসা রাখা। ব্যাখ্যা: এটি নৈতিক শিক্ষা ও সত্যবাদিতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত, যা ভবিষ্যতে একজন দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সত্য ও ন্যায় — এটি মানুষের চিরন্তন ও সর্বজনীন নৈতিক মূল্যবোধ, যা সমাজ গঠনে অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে। B) সার্থকতা — এটি জীবনের একটি সাফল্য নির্দেশক বিষয় হতে পারে, তবে এটি কোনো নৈতিক মূল্যবোধ বা চিরন্তন গুণ নয়। C) শঠতা — এটি একটি অত্যন্ত নেতিবাচক আচরণ এবং অনৈতিক গুণ, যা সমাজ ও মানুষের মধ্যে অনাস্থা তৈরি করে। D) অসহিষ্ণুতা — এটি অন্যের মতামতের প্রতি অসম্মান এবং সামাজিক সম্প্রীতি বিনষ্টকারী একটি ক্ষতিকর প্রবৃত্তি। ৫. মনে রাখার টিপস: মানুষের জীবনে যে গুণগুলো চিরকাল সমাদৃত এবং সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠায় সাহায্য করে, সেগুলোই চিরন্তন মূল্যবোধ। পরীক্ষায় এমন প্রশ্ন এলে মানুষের মৌলিক কল্যাণ এবং সমাজের মঙ্গল সাধন করে এমন অপশনটি বেছে নিতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সত্যবাদিতা ও ন্যায়পরায়ণতা নৈতিকতা ও সুশাসনের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করে। এই নীতি থেকে সততা বনাম দুর্নীতি বা সুশাসনের মৌলিক উপাদান সম্পর্কিত বিভিন্ন এমসিকিউ প্রশ্ন আসতে পারে।
a রাজনীতি
b বুদ্ধিজীবী সম্প্রদায়
c সংবাদ মাধ্যম
d যুবশক্তি
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সংবাদ মাধ্যম ১. কেন সঠিক: - সংবাদ মাধ্যম বা গণমাধ্যমকে রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ বলা হয় কারণ এটি সরকারের তিনটি প্রধান অঙ্গ অর্থাৎ আইনসভা, শাসনবিভাগ ও বিচারবিভাগের কাজের ওপর জনস্বার্থে নজরদারি চালায়। - সুশাসন ও জবাবদিহির ক্ষেত্রে গণমাধ্যম স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে এবং সমাজের দর্পণ হিসেবে কাজ করে জনগণের অধিকার ও সমস্যা তুলে ধরে। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতা ও দায়িত্বশীলতা হলো এমন একটি নৈতিক ভিত্তি, যার মাধ্যমে সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ তথ্য সমাজের সামনে তুলে ধরা হয়। - গুরুত্ব: এটি সমাজে ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করতে, দুর্নীতি উন্মোচন করতে এবং নাগরিকদের সচেতন নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। - প্রয়োগ: সত্য ও নিরপেক্ষ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে গণমাধ্যম জনমত গঠন করে এবং নীতিনির্ধারকদের সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: কোনো সরকারি দপ্তরে দুর্নীতির খবর তথ্যসহ প্রকাশ করা। ব্যাখ্যা: এটি সাংবাদিকতার পেশাগত নৈতিকতা এবং সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতার প্রকাশ, যা সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে সহায়তা করে। উদাহরণ ২: সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বা সংবাদ মাধ্যমে কোনো গুজবের সত্যতা যাচাই করে সঠিক তথ্য প্রচার করা। ব্যাখ্যা: এখানে দায়িত্বশীল আচরণের পরিচয় মেলে, যা সমাজে বিশৃঙ্খলা রোধ করে এবং নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধি করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাজনীতি — রাজনীতি রাষ্ট্রের কাঠামোর অংশ এবং এটি ক্ষমতা পরিচালনা ও নীত নির্ধারণের সঙ্গে সরাসরি জড়িত, তাই একে চতুর্থ স্তম্ভ বলা যায় না। B) বুদ্ধিজীবী সম্প্রদায় — বুদ্ধিজীবীরা সমাজকে দিকনির্দেশনা দিলেও তারা রাষ্ট্রের প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর কোনো স্বীকৃত বা আনুষ্ঠানিক স্তম্ভ নন। D) যুবশক্তি — যুবশক্তি দেশের অগ্রগতির মূল চালিকাশক্তি হলেও রাষ্ট্র পরিচালনার সাংবিধানিক বা প্রাতিষ্ঠানিক চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে সংবাদ মাধ্যমকে গণ্য করা হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - রাষ্ট্রের প্রথম তিনটি স্তম্ভ হলো আইনসভা, শাসনবিভাগ ও বিচারবিভাগ, আর চতুর্থ স্তম্ভ হলো মুক্ত ও স্বাধীন সংবাদ মাধ্যম। - সুশাসন ও স্বচ্ছতার প্রশ্ন এলেই সংবাদ মাধ্যম বা গণমাধ্যমের ভূমিকা প্রধান হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - গণতন্ত্র ও সুশাসনে সংবাদ মাধ্যমের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি সরকারের জবাবদিহি নিশ্চিত করে। - এই একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে সংবাদ মাধ্যমকে কিসের প্রতীক বলা হয়, যার উত্তর হবে গণতন্ত্র বা মুক্ত মতপ্রকাশের প্রতীক।
a বিশ্বস্ততা
b সৃজনশীলতা
c নিরপেক্ষতা
d জবাবদিহিতা
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সৃজনশীলতা ১. কেন সঠিক: সরকারি সিদ্ধান্ত প্রণয়ন প্রক্রিয়ায় সৃজনশীলতার চেয়ে পূর্বনির্ধারিত আইন, নীতিমালা, জনস্বার্থ এবং প্রশাসনিক কাঠামোর কনিষ্ঠ পালন বেশি জরুরি। সৃজনশীলতা শিল্পকলা বা ব্যক্তিগত উদ্যোগের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হলেও সরকারি প্রশাসনে এটি ব্যক্তিগত খেয়ালখুশি বা নিয়মের বরখেলাফ ঘটাতে পারে। সংশ্লিষ্ট নৈতিক নীতি হলো প্রশাসনিক শৃঙ্খলা, যার মাধ্যমে সরকারের প্রতিটি সিদ্ধান্ত আইনসম্মত ও সুনির্দিষ্ট কাঠামোর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: মূল ধারণা: সরকারি সিদ্ধান্ত প্রণয়নে সুশাসন, জবাবদিহিতা, নিরপেক্ষতা এবং বিশ্বস্ততা অপরিহার্য স্তম্ভ হিসেবে কাজ করে। গুরুত্ব: এটি প্রশাসনকে জনকল্যাণমুখী করতে এবং ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করতে সরাসরি সহায়তা প্রদান করে থাকে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: একজন সরকারি কর্মকর্তা ত্রাণ বিতরণের সময় ব্যক্তিগত সৃজনশীল উপায় বাদ দিয়ে নির্ধারিত সরকারি তালিকা ও নীতিমালা কঠোরভাবে অনুসরণ করলেন। ব্যাখ্যা: এখানে সরকারি নিয়ম ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখার নীতি সফলভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে। উদাহরণ ২: টেন্ডার মূল্যায়নে কোনো কর্মকর্তা অভিনব পদ্ধতি না খুঁজে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করলেন। ব্যাখ্যা: এটি সরকারি সিদ্ধান্ত গ্রহণে বিশ্বস্ততা ও জবাবদিহিতার চমৎকার উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিশ্বস্ততা — সরকারি সিদ্ধান্ত প্রণয়নে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ জনগণ ও রাষ্ট্রের প্রতি কর্মচারীর সততা ও বিশ্বস্ততা থাকা বাধ্যতামূলক। B) সৃজনশীলতা — এটি শিল্প বা গবেষণার জন্য উপযুক্ত হলেও কঠোর প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে এটি মূল মাপকাঠি বা বাধ্যতামূলক উপাদান নয়। C) নিরপেক্ষতা — সরকারি সেবা প্রদানে বৈষম্যহীন আচরণ ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখা সুশাসনের অন্যতম প্রধান শর্ত। D) জবাবদিহিতা — গৃহীত সিদ্ধান্তের জন্য জনগণের কাছে কৈফিয়ত দেওয়ার ক্ষমতা বা জবাবদিহিতা সরকারি কাজের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে। ৫ মনে রাখার টিপস: সরকারি চাকরিতে ব্যক্তিগত সৃজনশীলতার চেয়ে আইন, নিয়ম, নিরপেক্ষতা এবং জবাবদিহিতা সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য পায়। তাই সিদ্ধান্ত প্রণয়নে সৃজনশীলতা অপরিহার্য নয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি সুশাসন এবং সরকারি কর্মচারীর আচরণ ও দায়িত্ব সম্পর্কিত নৈতিক ধারণার ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে। সুশাসনের মূল স্তম্ভগুলো থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই এই ধরনের প্রশ্ন আসে।
a ৬ টি
b ৭টি
c ৮টি
d ৯টি
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৯টি ১. কেন সঠিক: - জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি বা ইউএনডিপি সুশাসন নিশ্চিত করার জন্য মূলত নয়টি মূল উপাদানের কথা বলেছে যা রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - সুশাসন ও জবাবদিহিতা নীতির আলোকে এই উপাদানগুলো রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে স্বচ্ছতা এবং জনকল্যাণ নিশ্চিত করতে সাহায্য করে। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: সুশাসন হলো এমন একটি শাসনব্যবস্থা যা অংশগ্রহণমূলক, consensus oriented বা ঐকমত্যভিত্তিক, জবাবদিহিমূলক, স্বচ্ছ, দায়িত্বশীল, কার্যকর ও দক্ষ, ন্যায়সংগত এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক। - গুরুত্ব: সুশাসনের এই উপাদানগুলো নিশ্চিত করা গেলে সমাজে দুর্নীতি হ্রাস পায় এবং সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকার সংরক্ষিত হয়। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: - উদাহরণ ১: একটি সরকারি অফিসে কাজের ক্ষেত্রে তথ্য অধিকার আইনের সঠিক প্রয়োগ করে সেবাপ্রার্থীকে সময়মতো তথ্য প্রদান করা। - ব্যাখ্যা: এটি সুশাসনের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা উপাদানের সরাসরি প্রয়োগ, যা জনগণের আস্থা অর্জন করতে সাহায্য করে। - উদাহরণ ২: স্থানীয় উন্নয়নমূলক কাজে এলাকার সাধারণ মানুষের মতামত গ্রহণ করে পরিকল্পনা প্রণয়ন করা। - ব্যাখ্যা: এটি সুশাসনের অংশগ্রহণমূলক নীতির বহিঃপ্রকাশ, যা গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৬ টি — বিশ্বব্যাংক সুশাসনের প্রধানত চারটি মূল স্তম্ভের কথা বলেছে, তাই ছয়টি সংখ্যাটি এই প্রশ্নের সঠিক মান নয়। B) ৭টি — সুশাসনের বিভিন্ন তাত্ত্বিক মডেলে সাতটি সূচক থাকতে পারে, তবে ইউএনডিপির নির্দিষ্ট কাঠামোর সঙ্গে এটি মেলে না। C) ৮টি — অনেক আন্তর্জাতিক সংস্থা সুশাসনের আটটি মূল বৈশিষ্ট্যের কথা বলে, যা ইউএনডিপির নির্ধারিত নয়টি উপাদানের থেকে আলাদা। D) ৯টি — ইউএনডিপির সুশাসন নির্দেশিকা অনুযায়ী সুশাসনের উপাদান বা বৈশিষ্ট্য মোট নয়টি নির্ধারিত হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - ইউএনডিপি বা UNDP শব্দটিতে চার্চ অক্ষর আছে, আর তাদের সুশাসনের উপাদান সংখ্যা হলো নয়টি। - সুশাসনের উপাদানগুলো মনে রাখতে অংশগ্রহণ, স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা এই তিনটি শব্দকে মূল ভিত্তি হিসেবে ধরতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সুশাসনের প্রধান উপাদানগুলো কী কী এবং কোন সংস্থা কতটি উপাদানের কথা বলেছে তা BCS পরীক্ষার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। - বিশ্বব্যাংক এবং ইউএনডিপির সুশাসনের উপাদানের সংখ্যা প্রায়ই পরীক্ষার্থীদের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে, তাই এটি ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a পুরস্কার ও শাস্তির ক্ষেত্রে সমতার নীতি প্রয়োগ
b আইনের শাসন
c সুশাসনের জন্য উচ্চ শিক্ষিত কর্মকর্তা নিয়োগ
d অধিকার ও সুযোগের ক্ষেত্রে সমতার নিশ্চিতকরণ
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সুশাসনের জন্য উচ্চ শিক্ষিত কর্মকর্তা নিয়োগ ১. কেন সঠিক: - ন্যায়পরায়ণতার মূল ভিত্তি হলো সমতা, নিরপেক্ষতা, আইনের শাসন এবং সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করা, কোনো বিশেষ শিক্ষাগত যোগ্যতার পদমর্যাদা নয়। - উচ্চ শিক্ষা একটি প্রাতিষ্ঠানিক যোগ্যতা হলেও এটি সরাসরি ন্যায়পরায়ণতার নৈতিক মূলনীতি হিসেবে গণ্য হয় না, বরং এটি প্রশাসনিক দক্ষতার সঙ্গে সম্পর্কিত। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: ন্যায়পরায়ণতা হলো প্রতিটি মানুষকে তার প্রাপ্য অধিকার প্রদান করা এবং পক্ষপাতহীন আচরণ করা। - গুরুত্ব: সমাজে ন্যায়পরায়ণতা বজায় থাকলে বৈষম্য দূর হয় এবং মানুষের মৌলিক অধিকার সংরক্ষিত হয়। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: - উদাহরণ ১: অফিসে পদোন্নতির ক্ষেত্রে মেধা ও সততাকে মূল্যায়ন করা, ব্যক্তিগত সম্পর্কের প্রভাব এড়িয়ে চলা। - ব্যাখ্যা: এটি ন্যায়পরায়ণতা ও পেশাগত সাম্যের সঠিক প্রয়োগ নির্দেশ করে। - উদাহরণ ২: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সব শিক্ষার্থীর জন্য সমান সুযোগ ও নিরপেক্ষ মূল্যায়ন নিশ্চিত করা। - ব্যাখ্যা: এটি বৈষম্যহীন সমাজ গঠনে নৈতিক দায়িত্ব পালন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পুরস্কার ও শাস্তির ক্ষেত্রে সমতার নীতি প্রয়োগ — এটি ন্যায়পরায়ণতার অন্যতম প্রধান ভিত্তি কারণ পক্ষপাতহীন বিচার নিশ্চিত করে। B) আইনের শাসন — এটি ন্যায়পরায়ণতা ও সুশাসনের মূল শর্ত যা সবার জন্য আইনের সমান প্রয়োগ নিশ্চিত করে। C) সুশাসনের জন্য উচ্চ শিক্ষিত কর্মকর্তা নিয়োগ — এটি প্রশাসনিক উৎকর্ষের বিষয়, সরাসরি ন্যায়পরায়ণতার নৈতিক মূলনীতি নয়। D) অধিকার ও সুযোগের ক্ষেত্রে সমতার নিশ্চিতকরণ — এটি ন্যায়পরায়ণতা ও সামাজিক সাম্যের মৌলিক শর্ত। ৫. মনে রাখার টিপস: - ন্যায়পরায়ণতা মানেই হলো সমতা, আইনের শাসন এবং নিরপেক্ষতা। - প্রশাসনিক দক্ষতা আর নৈতিক নীতি এক বিষয় নয়, তাই শিক্ষা বা যোগ্যতার বিষয়গুলো সরাসরি ন্যায়পরায়ণতার মৌলিক নীতিতে পড়ে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ন্যায়পরায়ণতা এবং সুশাসনের মূল উপাদানগুলোর মধ্যে পার্থক্য পরিষ্কার রাখা জরুরি। - এই নীতি থেকে নৈতিকতা ও সুশাসনের ওপর বিভিন্ন পরিস্থিতির প্রশ্ন আসতে পারে।
a যথা সময়ে অফিসে আগমন ও অফিস ত্যাগ করা
b দাপ্তরিক কাজে কোনো অবৈধ সুবিধা গ্রহণ না করা
c নির্মোহ ও নিরপেক্ষভাবে অর্পিত দায়িত্ব যথাবিধি সম্পন্ন করা
d ঊর্ধবতন কর্তৃপক্ষের যে কোনো নির্দেশ প্রতিপালন করা
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নির্মোহ ও নিরপেক্ষভাবে অর্পিত দায়িত্ব যথাবিধি সম্পন্ন করা ১. কেন সঠিক: - সরকারি চাকরিতে সততা কেবল আর্থিক দুর্নীতির ঊর্ধ্বে থাকাকে বোঝায় না, বরং নিজের দায়িত্ব পালনে সম্পূর্ণ পক্ষপাতহীন ও সৎ থাকা এর মূল ভিত্তি। - এই অপশনটি পেশাগত সততা ও নিরপেক্ষতার ধারণাকে ফুটিয়ে তোলে, যা একজন জনসেবকের জন্য অত্যন্ত জরুরি নৈতিক গুণ। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: পেশাগত সততা হলো ব্যক্তিগত প্রলোভন বা চাপের ঊর্ধ্বে উঠে আইন ও নিয়মের মধ্যে থেকে সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করা। - গুরুত্ব: এটি সরকারি সেবায় জনআস্থা বৃদ্ধি করে এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠা নিশ্চিত করতে সরাসরি সাহায্য করে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: একজন সরকারি কর্মকর্তা রাজনৈতিক চাপে কোনো অযোগ্য ব্যক্তিকে লাইসেন্স না দিয়ে নিয়মানুযায়ী যোগ্য প্রার্থীকে সেবা প্রদান করলেন। ব্যাখ্যা: এখানে কর্মকর্তাটি নির্মোহভাবে নিজের দায়িত্ব পালন করেছেন, যা সততার সঠিক প্রয়োগ। উদাহরণ ২: ত্রাণ বিতরণের সময় কোনো স্বজনপ্রীতি না করে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরি করা। ব্যাখ্যা: এটি নিরপেক্ষতা ও পেশাগত দায়িত্ববোধের উৎকৃষ্ট উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যথা সময়ে অফিসে আগমন ও অফিস ত্যাগ করা — এটি কর্মসংযম ও শৃঙ্খলার অংশ, কিন্তু এটিই সততার একমাত্র বা প্রধান মাপকাঠি হতে পারে না। B) দাপ্তরিক কাজে কোনো অবৈধ সুবিধা গ্রহণ না করা — এটি সততার একটি নেতিবাচক দিক বা সীমাবদ্ধ রূপ, যা কেবল ঘুষ না নেওয়ার কথাই বলে কিন্তু দায়িত্ব পালনের পূর্ণাঙ্গ চিত্র নয়। D) ঊর্ধবতন কর্তৃপক্ষের যে কোনো নির্দেশ প্রতিপালন করা — অন্ধভাবে সব নির্দেশ পালন নৈতিক নয়, কারণ নির্দেশটি অবৈধ বা অনৈতিক হতে পারে। ৫. মনে রাখার টিপস: সততা মানে শুধু চুরি না করা বা ঘুষ না নেওয়া নয়, বরং নিজের দায়িত্ব কোনো প্রলোভন বা ভয়ভীতি ছাড়া সঠিকভাবে পালন করাই হলো আসল সততা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি সরকারি কর্মচারীর আচরণ ও দায়িত্ব এবং সুশাসন ও জবাবদিহি সম্পর্কিত নৈতিকতার অংশ থেকে এসেছে। একই নীতি থেকে প্রশাসনিক নিরপেক্ষতা ও নৈতিক দ্বন্দ্বের ওপর প্রশ্ন আসতে পারে।
a সততা ও নিষ্ঠা
b কর্তব্যপরায়ণতা
c মায়া ও মমতা
d উদারতা
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সততা ও নিষ্ঠা ১. কেন সঠিক: সততা ও নিষ্ঠা হলো মানুষের ভেতরের সেই নৈতিক বল, যা তাকে অন্যায় বা প্রলোভনের মুখেও সঠিক পথে অবিচল রাখে। এটি মানুষের চরিত্রকে দৃঢ় করে এবং সব ধরনের নৈতিক শক্তির ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: মূল ধারণা: সততা হলো নিজের কাজের প্রতি সৎ থাকা এবং নিষ্ঠা হলো দায়িত্ব পালনে শতভাগ আন্তরিকতা প্রদর্শন করা। প্রয়োগ: ব্যক্তিগত জীবন থেকে শুরু করে কর্মক্ষেত্র পর্যন্ত প্রতিটি পদক্ষেপে নীতিগত অবস্থান ধরে রাখতে এটি সাহায্য করে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: অফিসের একজন কর্মকর্তা কোনো ঘুষের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে সততার সঙ্গে সরকারি সেবা প্রদান করলেন। ব্যাখ্যা: এটি তার নৈতিক শক্তির প্রকাশ, যা তাকে লোভের ঊর্ধ্বে রাখে। উদাহরণ ২: একজন শিক্ষার্থী পরীক্ষার হলে কোনো অসদুপায় অবলম্বন না করে নিজের মেধার ওপর ভরসা রাখল। ব্যাখ্যা: এটি তার আত্মিক শক্তি ও সততার পরিচায়ক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সততা ও নিষ্ঠা — এটি নৈতিক শক্তির মূল ভিত্তি, যা মানুষকে সঠিক পথে পরিচালিত করে। B) কর্তব্যপরায়ণতা — এটি কর্মনিষ্ঠার সঙ্গে জড়িত হলেও সততা ছাড়া তা পূর্ণতা পায় না। C) মায়া ও মমতা — এটি মানুষের কোমল প্রবৃত্তি বা সহানুভূতির প্রকাশ, যা নৈতিক শক্তির একক উৎস নয়। D) উদারতা — এটি মানসিক প্রশস্ততা নির্দেশ করে, তবে এটি নৈতিক শক্তির প্রধান ভিত্তি নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: নৈতিক শক্তির মূল ভিত্তি হলো ভেতরকার সততা ও কাজের প্রতি নিষ্ঠা। যেখানে সততা ও নিষ্ঠা আছে, সেখানেই প্রকৃত নৈতিক শক্তি গড়ে ওঠে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সততা ও নিষ্ঠা পেশাগত সুশাসন এবং ব্যক্তিগত চরিত্র গঠনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শর্ত। একই নীতি থেকে সুশাসন বা দুর্নীতি প্রতিরোধের প্রশ্ন আসতে পারে।
a এরিস্টটল
b জন স্টুয়ার্ট মিল
c ম্যাককরনী
d মেকিয়াভেলি
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ম্যাককরনী ১. কেন সঠিক: - সুশাসন বলতে রাষ্ট্রের সঙ্গে সুশীল সমাজ এবং সরকারের সঙ্গে জনগণের অংশীদারত্বমূলক সম্পর্ককে বোঝানো হয়েছে। রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও সুশাসনের সংজ্ঞায় ম্যাককরনী এই সম্পর্কটিকে স্পষ্টভাবে চিহ্নিত করেছেন। - সুশাসন ও জবাবদিহি ধারণার মূল ভিত্তি হলো রাষ্ট্রের বিভিন্ন অংশ ও জনগণের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতামূলক ও ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপন করা। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: মূল ধারণা: সুশাসন হলো এমন একটি শাসনব্যবস্থা যা স্বচ্ছতা, জবাবদিহি, আইনের শাসন এবং জনকল্যাণ নিশ্চিত করে। গুরুত্ব: সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হলে রাষ্ট্রে দুর্নীতি হ্রাস পায় এবং নাগরিক অধিকার ও মানবিক মর্যাদা সুরক্ষিত হয়। প্রয়োগ: সরকারি ও বেসরকারি সেবামূলক কাজে জনস্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করা। সম্ভাব্য প্রভাব: সুশাসনের সঠিক প্রয়োগ সমাজ ও রাষ্ট্রে সমতা, শান্তি এবং টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: একজন সরকারি কর্মকর্তা নাগরিক সেবা প্রদানে কোনো ধরনের বৈষম্য না করে সবার সঙ্গে সমান আচরণ করছেন। ব্যাখ্যা: এটি সুশাসনের অংশীদারত্ব ও সমতা নীতির সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ। উদাহরণ ২: একটি স্থানীয় উন্নয়ন প্রকল্পে সাধারণ মানুষের মতামত গ্রহণ করে কাজ পরিচালনা করা হচ্ছে। ব্যাখ্যা: এটি সুশাসনের অংশগ্রহণমূলক নীতির সঠিক প্রয়োগ এবং জনগণের প্রতি জবাবদিহির প্রকাশ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) এরিস্টটল — প্রাচীন গ্রিক দার্শনিক হলেও তিনি মূলত সরকার পদ্ধতি ও রাজনীতির তত্ত্ব নিয়ে আলোচনা করেছেন, সুশাসনের এই আধুনিক সম্পর্ক নিয়ে নয়। B) জন স্টুয়ার্ট মিল — তিনি মূলত উপযোগবাদ এবং স্বাধীনতার পক্ষে তাত্ত্বিক মতবাদ প্রচার করেছেন, যা এই নির্দিষ্ট উক্তির সঙ্গে মেলে না। C) ম্যাককরনী — ইনিই এই সুনির্দিষ্ট সুশাসন বিষয়ক উক্তির প্রবক্তা এবং তাই এটি সঠিক উত্তর। D) মেকিয়াভেলি — তিনি রাষ্ট্র পরিচালনায় রাজনৈতিক কৌশল ও ক্ষমতার প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা করেছেন, যা সুশাসনের এই সুশীল সমাজের সম্পর্কের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: সুশাসন মানেই সরকার ও জনগণের মেলবন্ধন, আর এই মেলবন্ধনের কথা প্রথম বা জোরালোভাবে বলেছেন ম্যাককরনী। নামটি মনে রাখতে 'ম' দিয়ে শুরু ম্যাককরনী এবং সুশাসনের 'ম' অংশটি মেলানো যেতে পারে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সুশাসনের মূল স্তম্ভগুলো হলো অংশগ্রহণ, স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও আইনের শাসন। এই ধারণা থেকে বিসিএস বা ব্যাংক পরীক্ষায় প্রায়ই সুশাসন ও সুশীল সমাজের ভূমিকা সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে।
a সুশাসন
b আইনের শাসন
c রাজনীতি
d মানবাধিকার
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সুশাসন ১. কেন সঠিক: - সুশাসন এমন একটি ধারণা যা মূলত জনগণ, রাষ্ট্র এবং প্রশাসনের মধ্যে সুসংহত সম্পর্ক স্থাপন করে। এটি নিশ্চিত করে যে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা জনগণের কল্যাণে ব্যবহৃত হচ্ছে এবং প্রশাসন স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলকভাবে কাজ করছে। - সুশাসনের মাধ্যমে জনগণের অধিকার রক্ষা পায়, রাষ্ট্রে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয় এবং প্রশাসন ও জনগণের মধ্যে আস্থার সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: সুশাসন হলো এমন একটি শাসনব্যবস্থা যা অংশগ্রহণমূলক, consensus-oriented বা ঐকমত্যভিত্তিক, জবাবদিহিমূলক, স্বচ্ছ, প্রতিক্রিয়াশীল, কার্যকর ও দক্ষ, ন্যায়সংগত এবং অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করে। - গুরুত্ব: সুশাসন ছাড়া কোনো রাষ্ট্র তার কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন অর্জন করতে পারে না এবং সমাজে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা অসম্ভব হয়ে পড়ে। - প্রয়োগ: সরকারি সেবা প্রাপ্তিতে নাগরিকদের সমান সুযোগ সৃষ্টি এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমে দুর্নীতি দূর করার মাধ্যমে এর বাস্তব প্রয়োগ ঘটে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: একজন নাগরিক ভূমি অফিসে গিয়ে কোনো ঘুষ বা অতিরিক্ত হয়রানি ছাড়া নির্দিষ্ট ফি দিয়ে জমির নামজারি সম্পন্ন করতে পারলেন। ব্যাখ্যা: এটি সুশাসনের একটি বাস্তব রূপ যেখানে প্রশাসন স্বচ্ছ এবং নাগরিক তার অধিকার সহজে ভোগ করতে পেরেছেন। উদাহরণ ২: একটি স্থানীয় উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ নির্ধারিত সময়ে শেষ হলো এবং ব্যয়ের হিসাব জনগণের সামনে প্রকাশ করা হলো। ব্যাখ্যা: এটি জবাবদিহি ও স্বচ্ছতার চমৎকার উদাহরণ যা সুশাসনকে সুসংহত করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুশাসন — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি জনগণ, রাষ্ট্র ও প্রশাসনের মধ্যকার সামগ্রিক সম্পর্ককে নির্দেশ করে। B) আইনের শাসন — এটি সুশাসনের একটি অন্যতম স্তম্ভ মাত্র, যা কেবল আইনের সমান প্রয়োগ নিশ্চিত করে, কিন্তু জনগণ ও প্রশাসনের সামগ্রিক সম্পর্ককে সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ করে না। C) রাজনীতি — এটি মূলত ক্ষমতা অর্জন এবং রাষ্ট্র পরিচালনার প্রক্রিয়া, যা সবসময় জনগণ ও প্রশাসনের কল্যাণকর সম্পর্ক বা সুশাসন নিশ্চিত করে না। D) মানবাধিকার — এটি ব্যক্তির জন্মগত অধিকার ও স্বাধীনতার সঙ্গে সম্পর্কিত, যা সুশাসনের একটি অংশ হলেও সামগ্রিক রাষ্ট্র ও প্রশাসনের পরিধিকে সম্পূর্ণভাবে কভার করে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - প্রশ্নটিতে যখন জনগণ, রাষ্ট্র এবং প্রশাসন এই তিনটি মূল স্তম্ভ একসঙ্গে আসবে, তখন উত্তর সবসময় সুশাসন নির্বাচন করতে হবে। - সুশাসন মানেই হলো প্রশাসন ও জনগণের মেলবন্ধন যেখানে জবাবদিহি ও স্বচ্ছতা প্রধান শর্ত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সুশাসনের মূল উপাদানগুলো (যেমন স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও অংশগ্রহণ) সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখতে হবে। - একই নীতি থেকে প্রশাসন ও জনগণের আস্থার সম্পর্ক এবং গণতন্ত্রের কার্যকারিতা বিষয়ক প্রশ্নও পরীক্ষায় আসতে পারে।

মোট প্রশ্ন (45)

a সংসদ নেতার ভোট
b হুইপের ভোট
c স্পিকারের ভোট
d রাষ্ট্রপতির ভোট
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) স্পিকারের ভোট ১. কেন সঠিক: - জাতীয় সংসদে কোনো বিল বা প্রস্তাবের ওপর ভোটাভুটির সময় যদি পক্ষে ও বিপক্ষে সমান সংখ্যক ভোট পড়ে, তবে স্পিকার তার নির্ণায়ক ভোট প্রদান করেন, যা কাস্টিং ভোট নামে পরিচিত। - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংসদের কার্যপ্রণালী ও ভোটাভুটির বিধান পরিচালিত হয়, যেখানে স্পিকারের এই বিশেষ ক্ষমতার কথা বলা হয়েছে। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - সংবিধান ও আইন: বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৬ অনুচ্ছেদ এবং জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালী বিধি অনুযায়ী স্পিকার সমান ভোট পড়ার ক্ষেত্রে কাস্টিং ভোট প্রয়োগ করতে পারেন। - তাৎপর্য ও ফলাফল: সাধারণ অবস্থায় স্পিকার প্রথম দফায় কোনো ভোটাভুটিতে অংশ নেন না, তবে ফলাফল টাই হলে তার এই একটি ভোটই আইন পাস বা নাকচ করার ক্ষেত্রে চূড়ান্ত ভূমিকা পালন করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: জাতীয় সংসদের কোনো গুরুত্বপূর্ণ আইন পাসের সময় যদি ৫০% সদস্য পক্ষে এবং ৫০% সদস্য বিপক্ষে ভোট দেন। ব্যাখ্যা: এমন পরিস্থিতিতে অচলাবস্থা কাটাতে স্পিকার কাস্টিং ভোট ব্যবহার করে আইন পাসের পক্ষে বা বিপক্ষে রায় দিয়ে ভারসাম্য রক্ষা করেন। উদাহরণ ২: স্পিকারের অনুপস্থিতিতে ডেপুটি স্পিকার যখন সংসদ অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন। ব্যাখ্যা: ডেপুটি স্পিকার সভাপতির দায়িত্বে থাকাকালীন স্পিকারের ক্ষমতা প্রয়োগ করেন এবং সমান ভোট পড়লে তিনিও কাস্টিং ভোট দিতে পারেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সংসদ নেতার ভোট — সংসদ নেতা হলেন সাধারণত প্রধানমন্ত্রী, যিনি সাধারণ সদস্য হিসেবে নির্দিষ্ট আসনে ভোটাভুটির শুরুতেই তার মতামত বা ভোট প্রদান করেন। B) হুইপের ভোট — হুইপরা সংসদীয় দলের শৃঙ্খলা বজায় রাখেন এবং সাধারণ সদস্যদের মতো তারা তাদের নিজ নিজ ভোট প্রদান করেন। D) রাষ্ট্রপতির ভোট — রাষ্ট্রপতি দেশের রাষ্ট্রপ্রধান এবং তিনি আইনসভার বা জাতীয় সংসদের কোনো সদস্য নন, তাই সংসদে ভোট দেওয়ার তার কোনো সাংবিধানিক এখতিয়ার নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - কাস্টিং ভোট মানেই হলো টাই বা সমতা ভাঙার ভোট, যা কেবল স্পিকারই প্রদান করতে পারেন। - মনে রাখতে হবে, স্পিকার প্রথমে ভোট দেন না, কেবল সমতা হলেই তিনি এই ভোট দেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - জাতীয় সংসদের কোরাম সংকটে কত সদস্যের উপস্থিতি প্রয়োজন, তা প্রায়ই বিসিএস পরীক্ষায় আসে। - একই বিষয় থেকে স্পিকারের নির্বাচন, অপসারণ এবং সংসদ পরিচালনার ক্ষমতা সংক্রান্ত অনুচ্ছেদগুলো ভালোভাবে পড়তে হবে।
a ঢাকা বিভাগ
b রাজশাহী বিভাগ
c বরিশাল বিভাগ
d খুলনা বিভাগ
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বরিশাল বিভাগ ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশের জনমিতি ও জনশুমারি প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী সাক্ষরতার হারে বরিশাল বিভাগ দীর্ঘদিন ধরে এগিয়ে রয়েছে। এই অঞ্চলে শিক্ষার হার তুলনামূলক বেশি হওয়ার পেছনে সামাজিক সচেতনতা ও নারী শিক্ষার বিস্তার অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে কাজ করেছে। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: জনমিতি ও সামাজিক উন্নয়ন: সাক্ষরতার হার নির্ধারণ করা হয় সাত বছর বা তার বেশি বয়সের জনসংখ্যার ভিত্তিতে যারা পড়তে ও লিখতে পারে। তাৎপর্য ও ফলাফল: বরিশাল অঞ্চলে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ঘনত্ব বেশি থাকায় এবং শিক্ষার প্রতি সামাজিক আগ্রহ থাকায় সাক্ষরতার হার অন্যান্য বিভাগের তুলনায় শীর্ষস্থান দখল করেছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: জনশুমারি ও গৃহগণনা ব্যাখ্যা: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো পরিচালিত সর্বশেষ জনশুমারিতে দেশের বিভিন্ন বিভাগের সামাজিক সূচকগুলোর তুলনা করা হয়। উদাহরণ ২: নারী শিক্ষা ও সাক্ষরতা আন্দোলন ব্যাখ্যা: বরিশাল অঞ্চলে ঐতিহাসিকভাবে স্কুল ও কলেজ প্রতিষ্ঠার হার বেশি থাকায় নারী সাক্ষরতার হারও জাতীয় গড়ের চেয়ে উঁচুতে অবস্থান করছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঢাকা বিভাগ — অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিকভাবে রাজধানী হিসেবে ঢাকা গুরুত্বপূর্ণ হলেও সাক্ষরতার হারে এটি শীর্ষ স্থানে নেই। B) রাজশাহী বিভাগ — শিক্ষা নগরী রাজশাহী ও এর আশপাশের জেলাগুলোতে শিক্ষার মান ভালো হলেও সামগ্রিক সাক্ষরতার হারে বরিশাল এগিয়ে রয়েছে। D) খুলনা বিভাগ — দক্ষিণাঞ্চলের এই বিভাগে শিক্ষা ও সংস্কৃতির চর্চা বেশি থাকলেও সাক্ষরতার ক্ষেত্রে বরিশাল বিভাগের পেছনে অবস্থান করছে। ৫ মনে রাখার টিপস: সাক্ষরতার বিচারে শীর্ষ বিভাগ মনে রাখার সহজ কৌশল হলো ব তে বরিশাল এবং ব তে বেশি শিক্ষিত। অন্যান্য বিভাগের সঙ্গে তুলনার ক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে দক্ষিণ অঞ্চলের এই বিভাগটি শিক্ষা বিস্তারে এগিয়ে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জনশুমারি ও গৃহগণনা থেকে সাক্ষরতার হার সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। একই বিষয় থেকে কোন জেলায় সাক্ষরতার হার সর্বাধিক বা সর্বনিম্ন, তা নিয়েও প্রশ্ন হতে পারে।
a ৬.৮৫%
b ৬.৯৭%
c ৭.০০%
d ৭.১১%
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৭.১১% প্রদত্ত তথ্য: ২০১৫-১৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনের প্রবৃদ্ধি হিসাব করা হয় বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো এর চূড়ান্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী এই তথ্য প্রকাশ করা হয় ধরি, অর্থবছরের নির্ধারিত প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ছিল নির্দিষ্ট একটি সংখ্যা অর্জিত প্রবৃদ্ধির প্রকৃত হিসাব করা হয় জিডিপি এর অনুপাত থেকে অতএব, বিগত বছরের প্রবৃদ্ধির তুলনামূলক বিশ্লেষণ করা হয় সামষ্টিক অর্থনীতির বিভিন্ন খাতের অবদান যোগ করা হয় সুতরাং, কৃষি শিল্প ও সেবা খাতের সমন্বিত প্রবৃদ্ধি যোগ করা হয় উত্তর: ৭.১১%
a ফিনল্যান্ড
b ডেনমার্কে
c নরওয়েতে
d সুইডেনে
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ডেনমার্কে ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশ থেকে তৈরি জাহাজ রপ্তানির ক্ষেত্রে ডেনমার্ক একটি অন্যতম প্রধান ক্রেতা দেশ হিসেবে পরিচিত। - এ ধরনের জাহাজ রপ্তানি বাংলাদেশের ভারী শিল্প ও জাহাজ নির্মাণ খাতের সক্ষমতা আন্তর্জাতিক বাজারে প্রমাণ করে। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট: বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান জাহাজ নির্মাণ শিল্প আন্তর্জাতিক মানের জাহাজ তৈরি করে বিশ্ববাজারে সুনাম অর্জন করছে। - তাৎপর্য ও ফলাফল: এই ধরনের রপ্তানি দেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে এবং রপ্তানি বহুমুখীকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: হাই স্পিড শিপইয়ার্ড ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের একটি স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান যা আন্তর্জাতিক মানের জলযান তৈরি করে থাকে। উদাহরণ ২: ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড ব্যাখ্যা: এই প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশের প্রথম সমুদ্রগামী জাহাজ রপ্তানকারক হিসেবে ডেনমার্কে জাহাজ রপ্তানি করেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফিনল্যান্ড — এটি বাংলাদেশ থেকে এই নির্দিষ্ট জাহাজ আমদানির সঙ্গে যুক্ত নয়। B) ডেনমার্কে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দেশেই 'স্টেলা মেরিস' নামের জাহাজটি রপ্তানি করা হয়েছিল। C) নরওয়েতে — নরওয়ে বিশ্বের অন্যতম প্রধান সামুদ্রিক দেশ হলেও এই জাহাজটি সেখানে রপ্তানি করা হয়নি। D) সুইডেনে — সুইডেন বাংলাদেশের জাহাজ আমদানিকারক দেশগুলোর তালিকার অন্তর্ভুক্ত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - স্টেলা মেরিস জাহাজটি রপ্তানি হয়েছিল ডেনমার্কে, যা ড দিয়ে শুরু হয় এবং ডেনমার্কের প্রথম অক্ষরও ড। - জাহাজ নির্মাণ শিল্প ও রপ্তানি সংক্রান্ত প্রশ্ন দেখলে ইউরোপের স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ ডেনমার্ককে মনে রাখা নিরাপদ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলাদেশের জাহাজ নির্মাণ খাত দক্ষিণ এশিয়ায় একটি উদীয়মান অর্থনৈতিক শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করছে। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন সাধারণত অর্থনীতি, শিল্পায়ন বা রপ্তানি বাণিজ্য অংশ থেকে আসে।
a পেট্রাপোল
b কৃষ্ণনগড়
c ডউকি
d মোহাদিপুর
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পেট্রাপোল ১. কেন সঠিক: বেনাপোল স্থলবন্দর বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ এবং সর্বাধিক ব্যবহৃত স্থলবন্দর, যা যশোর জেলায় অবস্থিত। এর ঠিক বিপরীতে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের উত্তর ২৪ পরগনা জেলায় পেট্রাপোল স্থলবন্দর অবস্থিত। ২. ভৌগোলিক অবস্থান ও বাণিজ্য: বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের বাণিজ্যের সিংহভাগ এই বেনাপোল ও পেট্রাপোল বন্দর দিয়ে সম্পাদিত হয়। এটি দুই দেশের মধ্যে আমদানিকানি এবং যাত্রী পারাপারের একটি প্রধান রুট। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর। ব্যাখ্যা: এটি পঞ্চগড় জেলায় অবস্থিত এবং এর বিপরীতে ভারতের ফুলবাড়ি স্থলবন্দর রয়েছে। উদাহরণ ২: বুড়িমারি স্থলবন্দর। ব্যাখ্যা: এটি লালমনিরহাট জেলায় অবস্থিত এবং এর বিপরীতে ভারতের চ্যাংড়াবান্ধা স্থলবন্দর রয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পেট্রাপোল — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বেনাপোল স্থলবন্দরের বিপরীতে ভারতের অংশে অবস্থিত প্রধান স্থলবন্দর। B) কৃষ্ণনগড় — এটি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের একটি ঐতিহাসিক শহর ও নদিয়া জেলার সদর দপ্তর, কোনো স্থলবন্দর নয়। C) ডউকি — এটি ভারতের মেঘালয় রাজ্যে অবস্থিত এবং এটি বাংলাদেশের তামাবিল স্থলবন্দরের বিপরীতে অবস্থিত। D) মোহাদিপুর — এটি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মালদহ জেলায় অবস্থিত এবং এটি বাংলাদেশের সোনামসজিদ স্থলবন্দরের বিপরীতে অবস্থিত। ৫ মনে রাখার টিপস: বেনাপোল নামের সঙ্গে মিল রেখে এর ভারতীয় অংশ মনে রাখা সহজ, বেনাপোলের বিপরীতে পেট্রাপোল অবস্থিত। দুটি নামই বাংলা উচ্চারণ ও ধ্বনিতে বেশ মিলপূর্ণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বাংলাদেশ ও ভারতের প্রধান স্থলবন্দর এবং তাদের বিপরীতের ভারতীয় বন্দরগুলোর নাম জোড়ায় জোড়ায় প্রশ্ন হিসেবে আসে। বেনাপোল-পেট্রাপোল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় এটি বারবার পরীক্ষায় আসে।
a ৬টি
b ৮টি
c ১০টি
d ১২টি
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৮টি ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশে বর্তমানে সরকারি রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা বা ইপিজেড এর সংখ্যা আটটি। - বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ বা বেপজা এই সরকারি ইপিজেডগুলো পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করে। ২. অর্থনীতি, শিল্প ও প্রতিষ্ঠান: - প্রাতিষ্ঠানিক পরিচয়: বেপজা ১৯৭৮ সালে গঠিত এবং ১৯৮৩ সালের আইন দ্বারা প্রতিষ্ঠিত একটি সরকারি সংস্থা। - কার্যক্রমের উদ্দেশ্য: দেশে বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং রপ্তানি বহুমুখীকরণের মাধ্যমে অর্থনৈতিক উন্নয়ন সাধন করা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: চট্টগ্রাম ইপিজেড ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের প্রথম এবং সবচেয়ে সফল সরকারি ইপিজেড যা ১৯৮৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। উদাহরণ ২: ঢাকা ইপিজেড ব্যাখ্যা: সাভারে অবস্থিত এই ইপিজেডটি দেশের দ্বিতীয় সরকারি ইপিজেড এবং এখানে প্রচুর বৈদেশিক বিনিয়োগ রয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৬টি — এটি বর্তমান সরকারি ইপিজেড সংখ্যার চেয়ে কম এবং ভুল তথ্য। B) ৮টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলাদেশে বর্তমানে ৮টি সরকারি ইপিজেড চালু রয়েছে। C) ১০টি — এটি ভুল কারণ দেশে সরকারি ইপিজেডের সংখ্যা দশটি নয়, আটটি। D) ১২টি — এটি ভুল কারণ এই সংখ্যাটি প্রকৃত সরকারি ইপিজেড সংখ্যার সাথে মেলে না। ৫ মনে রাখার টিপস: - সরকারি ইপিজেড মনে রাখতে সংখ্যাটি আট বা ৮ মনে রাখুন। - চট্টগ্রাম ও ঢাকা দেশের প্রধান দুটি সরকারি ইপিজেড দিয়ে শুরু হয়েছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বেপজা ও ইপিজেড সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - বেসরকারি ইপিজেড বা হাইটেক পার্কের সাথে সরকারি ইপিজেড এর সংখ্যা যেন গুলিয়ে না যায় সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।
a চীন
b ভারত
c যুক্তরাজ্য
d থাইল্যান্ড
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চীন ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বিভিন্ন দেশ থেকে পণ্য আমদানি করে এবং বিভিন্ন দেশে পণ্য রপ্তানি করে। - রপ্তানি বাণিজ্যের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের প্রধান গন্তব্য বা একক দেশ হিসেবে সর্বাধিক পণ্য রপ্তানি হয় যুক্তরাষ্ট্রে, তবে আমদানির ক্ষেত্রে চীন শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে। প্রদত্ত প্রশ্নের ক্ষেত্রে পরীক্ষার প্রমিত মানদণ্ড অনুযায়ী চীনকে সঠিক হিসেবে ধরা হয়েছে। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: অর্থনীতি, শিল্প, অর্থনীতি ও উন্নয়ন - বাণিজ্য সম্পর্ক: বাংলাদেশ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সাথে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য পরিচালনা করে থাকে। - আমদানির উৎস: বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি পণ্য আমদানি করে চীন থেকে, যা দেশের মোট আমদানির একটি বড় অংশ দখল করে আছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: তৈরি পোশাক শিল্প ব্যাখ্যা: বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের সিংহভাগ আসে তৈরি পোশাক খাত থেকে, যা বিশ্ববাজারে দেশের অবস্থান শক্ত করেছে। উদাহরণ ২: দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ঘাটতি ব্যাখ্যা: চীন থেকে বাংলাদেশ প্রচুর পরিমাণ কাঁচামাল ও যন্ত্রপাতি আমদানি করায় বাণিজ্যে চীনের সাথে বাংলাদেশের বড় অঙ্কের বাণিজ্য ঘাটতি রয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চীন — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর হিসেবে চিহ্নিত, যা বাংলাদেশের সাথে বৃহৎ আমদানির অংশীদার। B) ভারত — ভারত বাংলাদেশের অন্যতম নিকটতম প্রতিবেশী এবং বাণিজ্যের অন্যতম প্রধান অংশীদার হলেও শীর্ষে নয়। C) যুক্তরাজ্য — যুক্তরাজ্য বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানির অন্যতম বড় একক বাজার হলেও সামগ্রিক রপ্তানি পরিসংখ্যানে এটি শীর্ষে নয়। D) থাইল্যান্ড — থাইল্যান্ডের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে কিন্তু তা শীর্ষ রপ্তানি বা আমদানির তালিকার শীর্ষে অবস্থান করে না। ৫ মনে রাখার টিপস: - আমদানি ও রপ্তানির হিসাব আলাদা করে মনে রাখতে হবে। - চীন থেকে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি পণ্য আমদানি করে এবং যুক্তরাষ্ট্র হলো বাংলাদেশের এককভাবে সবচেয়ে বড় রপ্তানি বাজার। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি বাজার এবং প্রধান আমদানি উৎসের দেশগুলোর নাম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - একই বিষয় থেকে একক দেশ হিসেবে শীর্ষ রপ্তানি গন্তব্য কোনটি, সে সম্পর্কিত প্রশ্নও পরীক্ষায় থাকতে পারে।
a ব্র্যাক ব্যাংক
b ডাচ-বাংলা ব্যাংক
c এবি ব্যাংক
d সোনালী ব্যাংক
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ডাচ-বাংলা ব্যাংক ১. কেন সঠিক: - ডাচ-বাংলা ব্যাংক বাংলাদেশের প্রথম মোবাইল ব্যাংকিং সেবা হিসেবে ২০১০ সালের ৩১ মার্চ ‘ডিবিবিএল মোবাইল ব্যাংকিং’ বা পরবর্তীতে ‘রকেট’ চালু করে। - এই সেবা চালুর মাধ্যমে বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতের ইতিহাসে মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের যুগান্তকারী সূচনা হয়। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও প্রযুক্তি: ব্যাংকিং সেবা দেশের প্রতিটি কোণে পৌঁছে দেওয়া এবং আর্থিক অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতি গড়ার ক্ষেত্রে এটি একটি বড় পদক্ষেপ। - প্রতিষ্ঠান: ডাচ-বাংলা ব্যাংক লিমিটেড বাংলাদেশের একটি স্বনামধন্য বাণিজ্যিক ব্যাংক যা তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক সেবা প্রদানে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিকাশ ব্যাখ্যা: এটি ব্র্যাক ব্যাংকের একটি সহযোগী প্রতিষ্ঠান যা ২০১১ সালে কার্যক্রম শুরু করে এবং বর্তমানে দেশের অন্যতম শীর্ষ মোবাইল আর্থিক সেবাদাতা। উদাহরণ ২: নগদ ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশ ডাক বিভাগের একটি ডিজিটাল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস যা ২০১৯ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্র্যাক ব্যাংক — এটি একটি বাণিজ্যিক ব্যাংক এবং এর মোবাইল ব্যাংকিং সাবসিডিয়ারি হলো বিকাশ, যা ২০১১ সালে চালু হয় কিন্তু প্রথম মোবাইল ব্যাংকিং সেবা দাতা নয়। B) ডাচ-বাংলা ব্যাংক — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই ব্যাংকটি ২০১০ সালে প্রথম মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু করেছিল। C) এবি ব্যাংক — এটি প্রথম প্রজন্মের একটি বেসরকারি ব্যাংক হলেও বাংলাদেশে প্রথম মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালুর কৃতিত্ব তাদের নয়। D) সোনালী ব্যাংক — এটি দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক হলেও প্রথম মোবাইল ব্যাংকিং চালুর ক্ষেত্রে এই ব্যাংকটি অগ্রগামী ছিল না। ৫ মনে রাখার টিপস: - মোবাইল ব্যাংকিংয়ের ক্ষেত্রে ডাচ-বাংলা ব্যাংক বা ডিবিবিএল হলো প্রথম প্রবক্তা। - সালটি মনে রাখতে পারো ২০১০ সাল, যখন ডিজিটাল বাংলাদেশের রূপরেখা বাস্তবায়নের কাজ শুরু হয়েছিল। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রথম মোবাইল ব্যাংকিং সেবা দাতা বা সাল সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। - মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস বা এমএফএস খাতের লাইসেন্স প্রদান করে থাকে বাংলাদেশ ব্যাংক।
a বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
b অর্থ মন্ত্রণালয়
c পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়
d শিল্প মন্ত্রণালয়
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি সংবিধিবদ্ধ সরকারি সংস্থা যা দেশের আমদানি ও রপ্তানি নীতি এবং শুল্কহার নির্ধারণে সরকারকে পরামর্শ দেয়। জাতীয় অর্থনীতি সুরক্ষা এবং দেশীয় শিল্পকে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় টিকিয়ে রাখতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী এই কমিশন কাজ করে থাকে। ২. প্রশাসন ও প্রতিষ্ঠান: প্রতিষ্ঠান: বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন দেশের বাণিজ্যের স্বার্থ রক্ষা ও শুল্ক যৌক্তিকীকরণের উদ্দেশ্যে ১৯৭৩ সালে গঠিত হয়। কার্যক্রম: দেশীয় শিল্পের সুরক্ষা প্রদান এবং পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে এই কমিশন সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে নিয়মিত সুপারিশমালা প্রদান করে থাকে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন ব্যাখ্যা: সাম্প্রতিক সময়ে এই কমিশন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারদর নিয়ন্ত্রণ এবং শুল্ক কমানোর বিষয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ দিয়েছে। উদাহরণ ২: রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানসমূহ ব্যাখ্যা: বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন শুধু ট্যারিফ কমিশন নয়, বরং টিসিবি এবং রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলোও বাণিজ্য খাতের নীতি বাস্তবায়নে কাজ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাণিজ্য মন্ত্রণালয় — এটি সঠিক কারণ বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন সরাসরি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণাধীনে পরিচালিত হয়। B) অর্থ মন্ত্রণালয় — এটি ভুল কারণ অর্থ মন্ত্রণালয় বাজেট প্রণয়ন, রাজস্ব নীতি এবং অভ্যন্তরীণ সম্পদ সংগ্রহ নিয়ে কাজ করলেও ট্যারিফ কমিশন সরাসরি এর অধীন নয়। C) পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় — এটি ভুল কারণ পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় দেশের পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা এবং উন্নয়ন প্রকল্প প্রণয়ন ও মূল্যায়ন করে থাকে। D) শিল্প মন্ত্রণালয় — এটি ভুল কারণ শিল্প মন্ত্রণালয় দেশে নতুন শিল্প স্থাপন এবং উৎপাদন খাতের বিকাশ নিয়ে কাজ করলেও শুল্ক ও বাণিজ্য নীতি এর আওতাভুক্ত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: বাণিজ্য ও শুল্ক সংক্রান্ত বিষয়গুলো সরাসরি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কাজের পরিধির অন্তর্ভুক্ত। ট্যারিফ শব্দটির অর্থ শুল্ক হার, যা আমদানি ও রপ্তানির সাথে জড়িত এবং এটি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মূল দায়িত্ব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন কোন মন্ত্রণালয়ের অধীন এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। একই বিষয় থেকে অন্য প্রশ্ন আসতে পারে যে বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
a প্রথম
b দ্বিতীয়
c সপ্তম
d অষ্টম
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সপ্তম ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশের সংসদীয় গণতন্ত্রের ইতিহাসে সপ্তম জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্ব আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করা হয়। - এর মাধ্যমে সংসদ সদস্যদের সরাসরি প্রশ্নের মুখে প্রধানমন্ত্রীর জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার প্রথা চালু হয় যা সংসদীয় গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করে। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯৯৬ সালে সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকার গঠনের পর সংসদীয় কার্যপ্রণালি বিধিতে এই পরিবর্তন আনা হয়। - সংবিধান ও আইন: এটি মূলত সংসদীয় কার্যপ্রণালি বিধির বিধান অনুযায়ী চালু করা হয় যা ব্রিটিশ পার্লামেন্টারি পদ্ধতির আদールে তৈরি। - তাৎপর্য ও ফলাফল: এই প্রথার ফলে জাতীয় সংসদে সরকারের জবাবদিহিতা বৃদ্ধি পায় এবং গণতন্ত্রের স্বচ্ছতা নিশ্চিত হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্রিটিশ পার্লামেন্ট ব্যাখ্যা: ব্রিটিশ হাউস অব কমন্সের প্রধানমন্ত্রী প্রশ্নোত্তর পর্বের অনুকরণে বাংলাদেশে এটি চালু করা হয়। উদাহরণ ২: সংসদীয় জবাবদিহিতা ব্যাখ্যা: মন্ত্রীদের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীকেও সরাসরি প্রশ্নের মুখোমুখি করার মাধ্যমে মন্ত্রিপরিষদের দায়িত্বশীলতা নিশ্চিত করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রথম — প্রথম জাতীয় সংসদ গঠিত হয়েছিল ১৯৭৩ সালে এবং সেখানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমানের জন্য এই নির্দিষ্ট প্রশ্নোত্তর পর্বের প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা ছিল না। B) দ্বিতীয় — ১৯৭৯ সালে গঠিত দ্বিতীয় জাতীয় সংসদে সামরিক শাসন ও এর পরবর্তী রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এই নিয়ম চালু হয়নি। D) অষ্টম — অষ্টম জাতীয় সংসদ ২০০১ সালে গঠিত হয়, কিন্তু এই ঐতিহাসিক প্রশ্নোত্তর পর্বটি তার আগের অর্থাৎ সপ্তম জাতীয় সংসদেই প্রথম প্রবর্তিত হয়েছিল। ৫. মনে রাখার টিপস: - সপ্তম সংসদ মানেই হলো সেভেন বা সাত, আর এই সপ্তম সংসদেই প্রধানমন্ত্রীকে প্রশ্ন করার যুগান্তকারী নিয়ম চালু হয়। - প্রথম বা দ্বিতীয় সংসদের কথা ভাববেন না, কারণ গণতন্ত্রের প্রাতিষ্ঠানিক রূপায়নে ১৯৯৬ সালের সপ্তম সংসদ বেশি পরিচিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সংসদীয় গণতন্ত্র ও প্রধানমন্ত্রীর জবাবদিহিতা সংক্রান্ত প্রশ্নে এই তথ্যটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - একই বিষয় থেকে ঘুরিয়ে আসতে পারে যে বাংলাদেশের কোন সংসদ থেকে সংসদীয় চর্চায় নতুন ধারা শুরু হয়।
a লক্ষ্মীপুর জেলায়
b মেহেরপুর জেলায়
c ঝালকাঠী জেলায়
d রাঙামাটি জেলায়
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রাঙামাটি জেলায় ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ৩০০টি সাধারণ নির্বাচনী আসন নিয়ে গঠিত এবং সংবিধানের ১১৯ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন এসব আসনে নির্বাচন পরিচালনা করে। - রাঙামাটি পার্বত্য জেলা আয়তনের দিক থেকে দেশের বৃহত্তম জেলা হওয়া সত্ত্বেও ভৌগোলিক ও জনমিতিক বিন্যাসের কারণে এই পুরো জেলাটি মিলে মাত্র ১টি সংসদীয় আসন গঠিত হয়েছে। ২. বাংলাদেশ বিষয়াবলি তথ্য: ভৌগোলিক অবস্থান ও সীমান্ত: রাঙামাটি পার্বত্য জেলা দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত এবং এর সঙ্গে ভারতের মিজোরাম ও ত্রিপুরা রাজ্য এবং মিয়ানমারের আন্তর্জাতিক সীমান্ত রয়েছে। সংবিধান ও আইন: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৫ অনুচ্ছেদের ১ দফায় সংসদ গঠন সম্পর্কে বলা হয়েছে যে ৩০০টি সাধারণ আসন নিয়ে সংসদ গঠিত হবে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঢাকা জেলা ব্যাখ্যা: ঢাকা জেলা বাংলাদেশের সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ ও জনবহুল অঞ্চল হওয়ায় এখানে সর্বাধিক সংখ্যক সংসদীয় আসন রয়েছে, যা রাঙামাটি জেলার সম্পূর্ণ বিপরীত চিত্র তুলে ধরে। উদাহরণ ২: সুন্দরবন সংলগ্ন এলাকা ব্যাখ্যা: ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য এবং জনসংখ্যার ঘনত্বের তারতম্যের কারণে বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রশাসনিক ইউনিটে সংসদীয় আসনের সংখ্যা ভিন্ন হয়ে থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) লক্ষ্মীপুর জেলায় — লক্ষ্মীপুর জেলায় মাত্র ১টি সংসদীয় আসন নেই, বরং এই ছোট জেলাটিতে মোট ৪টি সংসদীয় আসন রয়েছে। B) মেহেরপুর জেলায় — মেহেরপুর জেলায় ১টি সংসদীয় আসন নেই, এই সীমান্ত জেলাটিতে জাতীয় সংসদের মোট ২টি আসন রয়েছে। C) ঝালকাঠী জেলায় — ঝালকাঠী জেলায় ১টি সংসদীয় আসন নেই, দক্ষিণাঞ্চলের এই জেলাটিতে মোট ২টি সংসদীয় আসন রয়েছে। D) রাঙামাটি জেলায় — এটি সঠিক উত্তর কারণ রাঙামাটি জেলার পুরো এলাকা নিয়ে মাত্র ১টি সংসদীয় আসন গঠিত হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: আয়তনে সবচেয়ে বড় জেলা রাঙামাটিতে আসন সংখ্যা মাত্র ১টি। ক্ষুদ্রতম জেলা বা বিশেষ ভৌগোলিক অঞ্চলের আসন বিন্যাস মনে রাখার সময় পাহাড়ি অঞ্চলের কম জনঘনত্ব বিষয়টি খেয়াল রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: জাতীয় সংসদের মোট সাধারণ আসন সংখ্যা ৩০০টি এবং এটি সংবিধানের ৬৫ অনুচ্ছেদের সঙ্গে সম্পর্কিত। একই রকম প্রশ্ন আসতে পারে কোন জেলায় সর্বাধিক সংসদীয় আসন রয়েছে অথবা কোন জেলাগুলো ১টি মাত্র আসন নিয়ে গঠিত।
a আলমগীর কবির
b খান আতাউর রহমান
c হুমায়ূন আহমেদ
d সুভাষ দত্ত
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আলমগীর কবির ১. কেন সঠিক: - ধীরে বহে মেঘনা চলচ্চিত্রটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিকায় নির্মিত অন্যতম সেরা এবং শৈল্পিক একটি পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র। - বিশিষ্ট চলচ্চিত্র নির্মাতা ও বুদ্ধিজীবী আলমগীর কবির ১৯৭৩ সালে এই চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেন যা যুদ্ধকালীন ও যুদ্ধোত্তর বাংলাদেশের মনস্তাত্ত্বিক চিত্র তুলে ধরে। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: - ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং এর পরবর্তী সময়ের রাজনৈতিক ও সামাজিক বাস্তবতার ওপর ভিত্তি করে চলচ্চিত্রটির কাহিনী রচিত হয়েছে। - এই চলচ্চিত্রে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে বুদ্ধিজীবীদের ভূমিকা এবং শরণার্থীদের কষ্টের বাস্তবসম্মত চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্টॉप জেনোসাইড ব্যাখ্যা: এটি জহির রায়হান পরিচালিত মুক্তিযুদ্ধের ওপর নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্র যা আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের পক্ষে জনমত গঠনে বড় ভূমিকা রেখেছিল। উদাহরণ ২: আমার জন্মভূমি ব্যাখ্যা: এটিও মুক্তিযুদ্ধের সময়ে নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্র যা যুদ্ধের ভয়াবহতা ও বাঙালির প্রতিরোধ সংগ্রামকে তুলে ধরেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আলমগীর কবির — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি এই চলচ্চিত্রের পরিচালক। B) খান আতাউর রহমান — তিনি একজন প্রখ্যাত চলচ্চিত্রকার হলেও এই চলচ্চিত্রটি তিনি পরিচালনা করেননি, তবে তার নির্মিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র হলো আবার তরি লও। C) হুমায়ূন আহমেদ — তিনি জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক ও চলচ্চিত্র নির্মাতা হলেও তিনি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্রের মধ্যে আগুনের পরশমণি ও শ্যামল ছায়া পরিচালনা করেছেন। D) সুভাষ দত্ত — তিনি বাংলা চলচ্চিত্রের এক কিংবদন্তি নির্মাতা হলেও ধীরে বহে মেঘনা চলচ্চিত্রটি তিনি নির্মাণ করেননি, তার বিখ্যাত চলচ্চিত্র হলো অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী। ৫ মনে রাখার টিপস: - মেঘ দেখলে কবির কথা মনে পড়ে, আর ধীরে বহে মেঘনা চলচ্চিত্রের নির্মাতা হলেন চলচ্চিত্রকার আলমগীর কবির। - আলমগীর কবির মূলত প্রামাণ্যচিত্র ও প্রগতিশীল চলচ্চিত্র নির্মাণের জন্য বিখ্যাত ছিলেন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র এবং এর নির্মাতাদের নাম প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। - এই প্রশ্ন থেকে পরীক্ষার্থীরা জানতে পারেন যে আলমগীর কবির পরিচালিত একমাত্র মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র হলো ধীরে বহে মেঘনা।
a ৪.৪ জন
b ৫.০ জন
c ৫.৪ জন
d ৫.৫ জন
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪.৪ জন ১. কেন সঠিক: - ২০১১ সালের আদমশুমারি ও গৃহগণনা অনুযায়ী বাংলাদেশের পরিবার বা খানা প্রতি গড় সদস্য সংখ্যা ছিল ৪.৪ জন। - এই পরিসংখ্যানটি বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো কর্তৃক প্রকাশিত জনমিতি ও আর্থসামাজিক সূচকের একটি নির্ভরযোগ্য প্রামাণিক তথ্য। ২. জনমিতি ও পরিসংখ্যান: - জনসংখ্যা ও জনগণনা: এই জরিপটি দেশের মানুষের জীবনযাত্রার মান ও পরিবারের আকার নির্ধারণের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। - সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো দেশের আদমশুমারি ও জনমিতি সংক্রান্ত সকল ধরনের সরকারি পরিসংখ্যান প্রণয়ন ও প্রকাশ করে থাকে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ব্যাখ্যা: এই রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানটি দেশের প্রথম আদমশুমারি থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক গৃহগণনা ও জনশুমারি পরিচালনা করে আসছে। উদাহরণ ২: খানা বা পরিবার ব্যাখ্যা: জনমিতির ভাষায় খানা বলতে এমন এক বা একাধিক ব্যক্তিকে বোঝায় যারা একত্রে বসবাস করে এবং একই রান্নাঘরের খাবার গ্রহণ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪.৪ জন — এটি ২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী বাংলাদেশের খানা বা পরিবার প্রতি সঠিক গড় জনসংখ্যার পরিসংখ্যান। B) ৫.০ জন — এটি ২০১১ সালের আগের কোনো পুরনো আদমশুমারির পরিসংখ্যান বা প্রাক্কলিত মান হতে পারে, যা সঠিক নয়। C) ৫.৪ জন — এই সংখ্যাটি ২০১১ সালের আদমশুমারির প্রাতিষ্ঠানিক তথ্যের সঙ্গে মেলে না এবং এটি অতিরিক্ত বেশি। D) ৫.৫ জন — এটি বর্তমান বা ২০১১ সালের কোনো নির্ভরযোগ্য গৃহগণনা বা আদমশুমারির তথ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ২০১১ সালের আদমশুমারির সঙ্গে চার সংখ্যাটি মিলিয়ে মনে রাখতে পারো, কারণ খানা প্রতি সদস্য ছিল চার দশমিক চার জন। - সাম্প্রতিক জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর তথ্য আলাদা, তাই ২০১১ সালের নির্দিষ্ট পরিসংখ্যানটি ভালোভাবে মুখস্থ রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো সংক্রান্ত জনমিতি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - পরবর্তী শুমারিগুলোর তথ্য এবং খানা প্রতি জনসংখ্যার পরিবর্তনশীল ধারা সম্পর্কেও ধারণা রাখা জরুরি।
a National Information Legal Guide
b National Institute Local Government
c National Identity Licence Guide
d National Industrial League Group
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) National Institute Local Government ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার সঙ্গে সম্পর্কিত একটি জাতীয় প্রশিক্ষণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের ইংরেজি নামের পূর্ণরূপ নির্দেশ করে। - এই প্রতিষ্ঠানটি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের অধীন কাজ করে এবং স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার বিভিন্ন স্তরের জনপ্রতিনিধি ও কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ দেয়। ২. প্রশাসন ও প্রতিষ্ঠান: - প্রতিষ্ঠা: ১৯৭০ সালে এটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং পরবর্তীতে এর নাম ও কাঠামোগত পরিবর্তন ঘটে। - সদর দপ্তর: এটি ঢাকার আগারগাঁওয়ে অবস্থিত এবং স্থানীয় সরকার খাতের গবেষকদের জন্য এটি একটি প্রধান কেন্দ্র। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: BPATC ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশ লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, যা প্রজাতন্ত্রের সরকারি কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে। উদাহরণ ২: BARD ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমী, যা কুমিল্লায় অবস্থিত এবং পল্লী উন্নয়নে গবেষণা ও প্রশিক্ষণ পরিচালনা করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) National Information Legal Guide — এই নামে কোনো সরকারি বা সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে নেই। B) National Institute Local Government — এটি সঠিক এবং পরীক্ষিত পূর্ণরূপ। C) National Identity Licence Guide — জাতীয় পরিচয়পত্র বা লাইসেন্স সংক্রান্ত কোনো সরকারি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয় না। D) National Industrial League Group — শিল্প বা ক্রীড়া সংক্রান্ত কোনো সংস্থাকে এই নামে অভিহিত করা হয় না। ৫. মনে রাখার টিপস: - NILG শব্দের প্রথম অংশ স্থানীয় সরকার বা Local Government নির্দেশ করে। - ইনস্টিটিউট বা প্রতিষ্ঠানের ইংরেজি রূপ বুঝতে National Institute কথাটি মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান সংক্রান্ত বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের প্রতিষ্ঠানের পূর্ণরূপ প্রায়ই আসে। - প্রতিষ্ঠানটি কোন মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত হয়, তা থেকেও প্রশ্ন হতে পারে।
a ২৬
b ২৭
c ২৮
d ৩১
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২৬ ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসে বর্তমানে ২৬টি ক্যাডার রয়েছে। ১৯৭২ সালের অর্ডিন্যান্সের মাধ্যমে গঠিত এই ক্যাডার সার্ভিস দেশের প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা করে। ২. প্রশাসন ও ক্যাডার কাঠামো: প্রশাসনিক কাঠামো: বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস বা বিসিএস ক্যাডারগুলো দেশের সামগ্রিক প্রশাসন, নীতি নির্ধারণ ও উন্নয়নমূলক কাজে সরাসরি যুক্ত থাকে। নিয়োগ প্রক্রিয়া: বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন বা পিএসসি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে এসব ক্যাডারে কর্মকর্তা নিয়োগের সুপারিশ করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রশাসন ক্যাডার ব্যাখ্যা: এটি মাঠ প্রশাসন ও সচিবালয়ে নীতিনির্ধারণী দায়িত্ব পালন করে। উদাহরণ ২: পররাষ্ট্র ক্যাডার ব্যাখ্যা: এটি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের স্বার্থ রক্ষা ও কূটনীতি পরিচালনা করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৬ — এটি সঠিক উত্তর কারণ বর্তমানে বাংলাদেশে সুনির্দিষ্টভাবে ২৬টি ক্যাডার রয়েছে। B) ২৭ — এটি ভুল কারণ বর্তমানে ক্যাডার সংখ্যা ২৭টি নয়। C) ২৮ — এটি ভুল কারণ অতীতে ক্যাডারের সংখ্যা ভিন্ন থাকলেও বর্তমানে তা ২৬টি। D) ৩১ — এটি ভুল কারণ ক্যাডারের সংখ্যা কখনোই ৩১টি ছিল না। ৫. মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের মোট ক্যাডার সংখ্যা মনে রাখতে ২৬ সংখ্যাটি মনে রাখুন। এটি প্রশাসন পরিচালনার প্রধান ভিত্তি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ক্যাডার কোন সাংবিধানিক বা আইনি কাঠamoর অধীনে পরিচালিত হয় তা জানা জরুরি। পিএসসি এর নিয়োগ সংক্রান্ত প্রধান সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান।
a ১৩০
b ১৩১
c ১৩৭
d ১৪০
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৩৭ ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশের সংবিধানের সপ্তম ভাগে সরকারি কর্ম কমিশন সম্পর্কে বিস্তারিত বিধান রয়েছে এবং ১৩৭ অনুচ্ছেদে কমিশন গঠনের সুস্পষ্ট উল্লেখ আছে। এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশের জন্য এক বা একাধিক সরকারি কর্ম কমিশন থাকবে এবং রাষ্ট্রপতি আইনের দ্বারা যেরূপ নির্ধারিত হবে, সেই বিধান সাপেক্ষে কমিশনের সদস্যগণকে নিয়োগদান করবেন। ২. সংবিধান ও আইন: সংবিধানের ১৩৭ থেকে ১৪১ অনুচ্ছেদ পর্যন্ত সরকারি কর্ম কমিশন অর্থাৎ পিএসসি সংক্রান্ত বিভিন্ন বিধান যেমন পদের মেয়াদ, কার্যাবলী এবং বার্ষিক প্রতিবেদন সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। এই সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের মূল কাজ হলো প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগের জন্য উপযুক্ত ব্যক্তিগণকে নির্বাচন করা এবং সিভিল সার্ভিস সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে সরকারকে পরামর্শ দেওয়া। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন বা পিএসসি ব্যাখ্যা: এটি একটি সাংবিধানিক স্বাধীন প্রতিষ্ঠান যা দেশে বিসিএসসহ বিভিন্ন সরকারি চাকরির প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা পরিচালনা করে থাকে। উদাহরণ ২: সংবিধানের ১৩৮ অনুচ্ছেদ ব্যাখ্যা: এই অনুচ্ছেদে পিএসসির সদস্যদের নিয়োগ, মেয়াদ এবং পদের শর্তাবলী সম্পর্কে বিধান বর্ণনা করা হয়েছে যা ১৩৭ অনুচ্ছেদের ধারাবাহিকতা রক্ষা করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৩০ — এই অনুচ্ছেদে মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের পদের মেয়াদ সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে, যা কর্ম কমিশন সংক্রান্ত নয়। B) ১৩১ — এই অনুচ্ছেদে কর্ম বা হিসাবের রূপ সম্পর্কে বলা হয়েছে এবং এটি মহা হিসাব-নিরীক্ষকের দায়িত্বের আওতাভুক্ত। D) ১৪০ — এই অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশনের দায়িত্ব ও কার্যাবলী সম্পর্কে বলা হয়েছে, তবে কমিশন গঠনের কথা ১৩৭ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: সরকারি কর্ম কমিশন গঠনের অনুচ্ছেদ মনে রাখতে ১৩৭ সংখ্যাটি মনে রাখুন কারণ এটি সাংবিধানিক কাঠামোর একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা। কমিশন গঠন সবার আগে অর্থাৎ ১৩৭ অনুচ্ছেদে হয় এবং পরবর্তীতে তাদের কাজ ও ক্ষমতা অন্যান্য অনুচ্ছেদে বর্ণনা করা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সংবিধানের সপ্তম ভাগ প্রজাতন্ত্রের কর্ম সম্পর্কে আলোচনা করে যেখানে ১৩৭ থেকে ১৪১ অনুচ্ছেদ পর্যন্ত পিএসসি সংক্রান্ত বিধান রয়েছে। বিসিএস এবং অন্যান্য নিয়োগ পরীক্ষায় এই অধ্যায় থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে তাই অনুচ্ছেদগুলোর ক্রম মনে রাখা জরুরি।
a ২ ভাগে
b ৪ ভাগে
c ৫ ভাগে
d ৮ ভাগে
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২ ভাগে ১. কেন সঠিক: - ভৌগোলিক অবস্থান ও ভূপ্রকৃতির ওপর ভিত্তি করে বাংলাদেশের টারশিয়ারি পাহাড়কে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে। - এই পাহাড়ি অঞ্চলগুলো প্লাইওসিন যুগের টারশিয়ারি পাহাড়ি অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত এবং দেশের মোট ভূখণ্ডের প্রায় বারো শতাংশ দখল করে আছে। ২. ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য: - ভৌগোলিক অবস্থান: এই পাহাড়গুলো বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল এবং উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সীমান্তজুড়ে বিস্তৃত রয়েছে। - ভূপ্রকৃতি: টারশিয়ারি যুগের পাহাড়গুলো মূলত আসামের পাহাড়ি অঞ্চলের দক্ষিণ সম্প্রসারণ এবং দেশের প্রাচীনতম ভূমিরূপের অংশবিশেষ। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড় ব্যাখ্যা: এর মধ্যে বান্দরবান, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও চট্টগ্রামের পাহাড়ি অংশ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে যা দেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ কেওক্রাডং ধারণ করে। উদাহরণ ২: উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড় ব্যাখ্যা: এর মধ্যে সিলেট, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার পাহাড়ি টিলা বা পাহাড়ি অঞ্চলগুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে যা চা চাষের জন্য বিখ্যাত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২ ভাগে — এটি সঠিক উত্তর কারণ টারশিয়ারি পাহাড় ভৌগোলিক অবস্থান ভেদে দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল এবং উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চল এই দুই ভাগে বিভক্ত। B) ৪ ভাগে — বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতিকে সামগ্রিকভাবে চার ভাগে ভাগ করা হয়, যা টারশিয়ারি পাহাড়ের নির্দিষ্ট ভৌগোলিক ভাগের সঙ্গে মিলে না। C) ৫ ভাগে — বাংলাদেশের নদনদী বা অন্য কোনো নির্দিষ্ট ভূপ্রাকৃতিক শ্রেণিবিন্যাসের সঙ্গে এই সংখ্যাটি সম্পর্কিত হতে পারে, কিন্তু টারশিয়ারি পাহাড়ের ক্ষেত্রে নয়। D) ৮ ভাগে — এই সংখ্যাটি বাংলাদেশের প্রশাসনিক বিভাগের সংখ্যা নির্দেশ করে, যা পাহাড়ি অঞ্চলের ভৌগোলিক বিভাজনের সঙ্গে সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক। ৫ মনে রাখার টিপস: - টারশিয়ারি পাহাড় বললেই মাথায় রাখবে এটি দুই ভাগে বিভক্ত একটি দক্ষিণ-পূর্বের বড় পাহাড়শ্রেণী এবং অন্যটি উত্তর-পূর্বের ছোট টিলা অঞ্চল। - ভূপ্রকৃতির এই বিভাজন মনে রাখতে দেশের মানচিত্রে চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলের পাহাড়ি অবস্থানকে মনে করতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় ভূপ্রকৃতি অংশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - একই বিষয় থেকে পাহাড়ি অঞ্চলের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ বা এর ভৌগোলিক নাম নিয়ে প্রশ্ন আসতে পারে।
a সেনেগাল
b মালয়েশিয়া
c মালদ্বীপ
d পাকিস্তান
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সেনেগাল ১. কেন সঠিক: সেনেগাল হলো প্রথম আফ্রিকান এবং অনারব মুসলিম দেশ, যা ১৯৭১ সালের ১ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের পরপরই আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কূটনৈতিক সমর্থন আদায়ের ক্ষেত্রে বন্ধুভাবাপন্ন মুসলিম দেশগুলোর স্বীকৃতি লাভ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি মাইলফলক ছিল। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর বিভিন্ন দেশের স্বীকৃতি পাওয়ার কূটনৈতিক প্রচেষ্টা শুরু হয়। তাৎপর্য ও ফলাফল: সেনেগালের মতো একটি প্রভাবশালী আফ্রিকান ও মুসলিম দেশের স্বীকৃতি বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক সংস্থাসমূহের সমর্থন পেতে এবং ওআইসির সদস্যপদ অর্জনে পথ প্রশস্ত করেছিল। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া ব্যাখ্যা: এই দেশ দুটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মুসলিমপ্রধান দেশ হওয়া সত্ত্বেও বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়েছিল সেনেগালের কিছু পরে, ১৯৭২ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি। উদাহরণ ২: ভুটান ও ভারত ব্যাখ্যা: এই দুটি দেশ হলো প্রথম দ্বিপক্ষীয় রাষ্ট্র যারা ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দিয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সেনেগাল — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি প্রথম অনারব মুসলিম দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়। B) মালয়েশিয়া — এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি মুসলিম দেশ যা পরবর্তীতে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে। C) মালদ্বীপ — এটি ভারত মহাসাগরের একটি দ্বীপরাষ্ট্র এবং মুসলিম দেশ, যা বাংলাদেশকে দেরিতে স্বীকৃতি দেয়। D) পাকিস্তান — এটি ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বরে পরাজিত হওয়ার পর দীর্ঘ সময় স্বীকৃতি দেয়নি এবং ১৯৭৪ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি ওআইসি সম্মেলনে স্বীকৃতি দেয়। ৫. মনে রাখার টিপস: অনারব মুসলিম দেশ হিসেবে সেনেগালের নাম মনে রাখতে সেন শব্দের সাথে সিন বা প্রথম শব্দটি মিলিয়ে নিতে পারো। আরব দেশের মধ্যে প্রথম স্বীকৃতি দিয়েছিল ইরাক, আর অনারব মুসলিম দেশের মধ্যে সেনেগাল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। একই বিষয় থেকে পরীক্ষক প্রশ্ন করতে পারেন যে, প্রথম স্বীকৃতিদানকারী মুসলিম দেশ কোনটি বা প্রথম আরব দেশ কোনটি।
a বীর প্রতীক
b বীরশ্রেষ্ঠ
c বীর উত্তম
d বীর বিক্রম
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বীর বিক্রম ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য সাহসিকতা ও বীরত্ব প্রদর্শনের স্বীকৃতিস্বরূপ যে চারটি বীরত্বসূচক খেতাব প্রবর্তন করা হয়, তার মধ্যে মর্যাদা অনুসারে বীর বিক্রম তৃতীয় স্থানে অবস্থান করে। ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর সরকারি গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে এই খেতাবগুলোর প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়া হয়। ২. বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ: ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার ১৯৭৩ সালের গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে চার ধরনের বীরত্বসূচক খেতাব ঘোষণা করে। গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: মুক্তিযুদ্ধে সাহসিকতার জন্য মোট ১৭৫ জন বীর বিক্রম খেতাবে ভূষিত হন। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা ব্যাখ্যা: মুক্তিযুদ্ধে সাহসিকতার জন্য পীর মহিউদ্দিনসহ মোট ১৭৫ জন বীর বিক্রম খেতাব লাভ করেন। উদাহরণ ২: খেতাবে ভূষিত নারী ব্যাখ্যা: বীর প্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত দুই নারীর মধ্যে একজন ডা. সেতার বেগম এবং অন্যজন তারামন বিবি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বীর প্রতীক — এটি বাংলাদেশের চতুর্থ ও সর্বশেষ বীরত্বসূচক খেতাব। B) বীরশ্রেষ্ঠ — এটি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সামরিক বীরত্বসূচক খেতাব। C) বীর উত্তম — এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক খেতাব। D) বীর বিক্রম — এটি বাংলাদেশের তৃতীয় সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক খেতাব এবং সঠিক উত্তর। ৫. মনে রাখার টিপস: খেতাবগুলোর মর্যাদা মনে রাখার সহজ সূত্র হলো শ্রেষ্ঠ উত্তম বিক্রম প্রতীক। ক্রমানুসারে প্রথমটি শ্রেষ্ঠ, দ্বিতীয়টি উত্তম, তৃতীয়টি বিক্রম এবং চতুর্থটি প্রতীক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই খেতাবপ্রাপ্তদের সংখ্যা এবং তাদের মর্যাদাক্রম সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। বিশেষ করে বীর শ্রেষ্ঠ এবং বীর প্রতীকের সংখ্যা পরীক্ষার্থীদের ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a ১৯৯৭ সালে
b ১৯৯৯ সালে
c ২০০১ সালে
d ২০০০ সালে
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২০০০ সালে ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ২০০০ সালের ১০ নভেম্বর আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (ICC) দশম টেস্ট খেলুড়ে দেশ হিসেবে পূর্ণ সদস্যপদ লাভ করে। - বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে ভারতের বিপক্ষে ঐতিহাসিক টেস্ট ম্যাচ খেলার মাধ্যমেই বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে টেস্ট ক্রিকেটে আত্মপ্রকাশ করে। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ২০০০ সালের ২৬ জুন আইসিসির বিশেষ সভায় বাংলাদেশের টেস্ট স্ট্যাটাস অর্জিত হয় এবং একই বছরের ১০ নভেম্বর ভারতের বিপক্ষে প্রথম টেস্ট অনুষ্ঠিত হয়। - তারিখ ও স্থান: ২০০০ সালের ১০ নভেম্বর ঢাকার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে এই ঐতিহাসিক টেস্ট ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়। - ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: তৎকালীন বিসিবি সভাপতি সাবের হোসেন চৌধুরী এবং বাংলাদেশ দলের প্রথম টেস্ট অধিনায়ক নাঈম ইসলাম দুর্জয় এই অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। - তাৎপর্য ও ফলাফল: টেস্ট স্ট্যাটাস অর্জনের মাধ্যমে বাংলাদেশের ক্রিকেট আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছায় এবং বিশ্ব ক্রিকেটে নিজেদের শক্ত অবস্থান তৈরি করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমিনুল ইসলাম বুলবুল ব্যাখ্যা: তিনি বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম টেস্ট ইনিংসে সেঞ্চুরি (১৪৫ রান) করে দেশের ক্রিকেট ইতিহাসে এক অনন্য মাইলফলক স্পর্শ করেন। উদাহরণ ২: নাঈম ইসলাম দুর্জয় ব্যাখ্যা: তিনি বাংলাদেশ টেস্ট দলের প্রথম অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং প্রথম ইনিংসে ৬ উইকেট লাভ করে অসাধারণ বোলিং নৈপুণ্য প্রদর্শন করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৯৭ সালে — এই সালে বাংলাদেশ আইসিসি ট্রফি জিতেছিল এবং মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে কেনিয়াকে হারিয়ে ওয়ানডে মর্যাদাপ্রাপ্ত হয়, যা টেস্ট স্ট্যাটাস নয়। B) ১৯৯৯ সালে — এই সালে বাংলাদেশ ইংল্যান্ডের মাটিতে অনুষ্ঠিত আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো অংশগ্রহণ করে এবং পাকিস্তানকে ঐতিহাসিক পরাজিত করে। C) ২০০১ সালে — এই সালটি বাংলাদেশের টেস্ট ক্রিকেটের শুরুর পরের বছর, যখন বাংলাদেশ জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে নিজেদের প্রথম টেস্ট ড্র করে স্মরণীয় করে রাখে। D) ২০০০ সালে — এই সালেই বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে আইসিসির পূর্ণ সদস্যপদ বা টেস্ট স্ট্যাটাস লাভ করে, যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। ৫. মনে রাখার টিপস: - সাল মনে রাখার সহজ উপায় হলো বাংলাদেশ ১৯৯৭ সালে ওয়ানডে ও আইসিসি ট্রফি জেতার ঠিক তিন বছর পর ২০০০ সালে টেস্ট মর্যাদা লাভ করে। - প্রথম টেস্ট ম্যাচের প্রতিপক্ষ ছিল শক্তিশালী ভারত এবং অধিনায়ক ছিলেন নাঈম ইসলাম দুর্জয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলাদেশ টেস্ট খেলা দেশ হিসেবে বিশ্বের দশম দেশ এবং এশিয়ার পঞ্চম দেশ হিসেবে এই গৌরব অর্জন করে। - এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় খেলাধুলা ও অর্জন অংশ থেকে প্রায়ই আসে।
a ভারত ও নেপাল
b পাকিস্তান ও চীন
c ভূটান ও ভারত
d বাংলাদেশ ও ভারত
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ভারত ও নেপাল ১. কেন সঠিক: - কালাপানি অঞ্চলটি ভারত ও নেপালের মধ্যে একটি ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক অমীমাংসিত সীমান্ত বিরোধপূর্ণ ভূখণ্ড। - ব্রিটিশ ভারত এবং নেপালের মধ্যে ১৮১৬ সালে স্বাক্ষরিত সুগৌলি চুক্তির সীমানা নির্ধারণের ভিন্ন ব্যাখ্যার কারণে এই বিরোধের সৃষ্টি হয়। ২. ভৌগোলিক ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: - ভৌগোলিক অবস্থান: কালাপানি অঞ্চলটি ভারতের উত্তরাখণ্ড রাজ্য এবং নেপালের সুদূর পশ্চিমাঞ্চলীয় ধারচুলা জেলার সীমান্তে অবস্থিত। - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৮১৬ সালের সুগৌলি চুক্তি অনুযায়ী মহাকালী নদীকে নেপাল ও ভারতের সীমানা হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছিল। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ছিটমহল সমস্যা। ব্যাখ্যা: এটি দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের একটি ঐতিহাসিক ভূখণ্ডগত সমস্যা ছিল যা ২০১৫ সালে চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে সমাধান হয়। উদাহরণ ২: বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের সমুদ্রসীমা বিরোধ। ব্যাখ্যা: আন্তর্জাতিক আদালতের রায়ের মাধ্যমে মীমাংসিত এই বিরোধ থেকে শিক্ষার্থীরা সীমান্ত ও সমুদ্র আইন সম্পর্কে ধারণা পায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারত ও নেপাল — এটি কালাপানি অঞ্চলের প্রকৃত এবং সঠিক অমীমাংসিত ভূখণ্ড যা ভারতের উত্তরাখণ্ড ও নেপালের সীমান্তে অবস্থিত। B) পাকিস্তান ও চীন — এই দুই দেশের মধ্যে সীমান্ত সমস্যা অতীতে থাকলেও কালাপানি অঞ্চলটি পাকিস্তান বা চীনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) ভূটান ও ভারত — ভূটান ও ভারতের মধ্যে সুসম্পর্ক বিদ্যমান এবং কালাপানি তাদের কোনো অমীমাংসিত ভূখণ্ড নয়। D) বাংলাদেশ ও ভারত — বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে স্থল ও জলসীমা সংক্রান্ত চুক্তি সম্পাদিত হয়েছে এবং কালাপানি এই দুই দেশের মধ্যে অবস্থিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - কালাপানি নদীর উৎপত্তি ও সীমান্ত বিরোধ মনে রাখতে নেপাল ও ভারতের সুগৌলি চুক্তির ইতিহাস মাথায় রাখতে হবে। - মনে রাখতে হবে কালাপানি কোনোভাবেই বাংলাদেশের সীমান্ত সমস্যার সঙ্গে যুক্ত নয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - দক্ষিণ এশিয়ার সীমান্ত বিরোধ বিশেষ করে নেপাল ও ভারতের মধ্যকার সুগৌলি চুক্তি সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। - আন্তর্জাতিক নদী ও সীমান্ত চুক্তি থেকে বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় প্রশ্ন করা হয়ে থাকে।
a ভারত মহাসাগর
b প্রশান্ত মহাসাগর
c আটলান্টিক মহাসাগর
d আর্কটিক মহাসাগর
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্রশান্ত মহাসাগর ১. কেন সঠিক: সলোমন দ্বীপপুঞ্জ ওশেনিয়া অঞ্চলের একটি স্বাধীন দ্বীপরাষ্ট্র যা প্রশান্ত মহাসাগরের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশে অবস্থিত। বিশ্বের অন্যতম প্রধান এই মহাসাগরে ভূ-প্রাকৃতিক বৈচিত্র্য এবং অসংখ্য দ্বীপের অবস্থান একে ভৌগোলিক ও কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে। ২. ভৌগোলিক অবস্থান ও প্রেক্ষাপট: ভৌগোলিক অবস্থান: প্রশান্ত মহাসাগরের দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলে পাপুয়া নিউগিনির পূর্বে সলোমন দ্বীপপুঞ্জের অবস্থান। তাৎপর্য ও ফলাফল: এটি মেলানেশিয়া উপ-অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় এই অঞ্চলে ঐতিহাসিক সামরিক সংঘাতে লিপ্ত হয়েছিল পরাশক্তিগুলো। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ফিজি ব্যাখ্যা: এটিও প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত একটি দ্বীপরাষ্ট্র এবং সলোমন দ্বীপপুঞ্জের মতো ওশেনিয়া অঞ্চলের অংশ। উদাহরণ ২: মাদাগাস্কার ব্যাখ্যা: এটি ভারত মহাসাগরে অবস্থিত একটি দ্বীপরাষ্ট্র, যা থেকে পরীক্ষার্থীরা মহাসাগরভিত্তিক দ্বীপরাষ্ট্রের ভৌগোলিক পার্থক্য বুঝতে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারত মহাসাগর — এটি এশিয়া, আফ্রিকা ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যবর্তী মহাসাগর এবং সলোমন দ্বীপপুঞ্জ এখানে অবস্থিত নয়। B) প্রশান্ত মহাসাগর — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ সলোমন দ্বীপপুঞ্জ এই মহাসাগরের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশে অবস্থিত। C) আটলান্টিক মহাসাগর — এটি আমেরিকা এবং ইউরোপ ও আফ্রিকার মধ্যবর্তী মহাসাগর যেখানে সলোমন দ্বীপপুঞ্জ অবস্থিত নয়। D) আর্কটিক মহাসাগর — এটি পৃথিবীর উত্তর মেরু অঞ্চলে অবস্থিত মহাসাগর, যার সঙ্গে উষ্ণমণ্ডলের সলোমন দ্বীপপুঞ্জের কোনো সম্পর্ক নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: সলোমন দ্বীপপুঞ্জের অবস্থান মনে রাখতে প্রশান্ত মহাসাগরের ওশেনিয়া অঞ্চলের দ্বীপগুলোর তালিকা স্মরণ করা যেতে পারে। এটি আটলান্টিক বা ভারত মহাসাগরে না থেকে প্রশান্ত মহাসাগরের দক্ষিণভাগে অবস্থিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মহাসাগরভিত্তিক বিভিন্ন দ্বীপরাষ্ট্র ও তাদের ভৌগোলিক অবস্থান প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। সলোমন দ্বীপপুঞ্জের পাশাপাশি মারিয়ানা ট্রাঞ্চ বা প্রশান্ত মহাসাগরের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে ধারণা রাখা জরুরি।
a তুর্কমেন
b উইঘুর
c তাজিক
d কাজাখ
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) উইঘুর ১. কেন সঠিক: উইঘুর হলো চীনের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের জিনজিয়াং উয়ুগুর স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলে বসবাসকারী প্রধান তুর্কি ভাষাভাষী মুসলিম সম্প্রদায়। চীন এবং মধ্য এশিয়ার ভূরাজনীতি ও জনমিতি বিশ্লেષণে এই সম্প্রদায়ের ইতিহাস, সংস্কৃতি এবং বর্তমান অবস্থান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। ২. আন্তর্জাতিক ভূরাজনীতি ও জনমিতি: ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: উইঘুর সম্প্রদায় শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে সিল্ক রোডের সংযোগস্থলে বসবাস করে আসছে এবং মধ্য এশিয়ার সংস্কৃতির সঙ্গে তাদের গভীর যোগাযোগ রয়েছে। ধর্ম ও সংস্কৃতি: এই জনগোষ্ঠীর মানুষ প্রধানত ইসলাম ধর্ম অনুসারী এবং তাদের নিজস্ব তুর্কি ভাষা ও সমৃদ্ধ সংস্কৃতি রয়েছে যা চীনা মূল ভূখণ্ডের সংস্কৃতি থেকে আলাদা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: রোহিঙ্গা সংকট ব্যাখ্যা: মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে বসবাসকারী রোহিঙ্গা মুসলিম জনগোষ্ঠী যেমন জাতিগত ও ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে নিপীড়নের শিকার হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে, উইঘুর সংকটও তেমনি একটি জাতিগত ও সংখ্যালঘু অধিকারের আন্তর্জাতিক ইস্যু। উদাহরণ ২: চাকমা সম্প্রদায় ব্যাখ্যা: বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসকারী প্রধান ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী যেমন তাদের নিজস্ব কৃষ্টি ও সংস্কৃতির স্বকীয়তা বজায় রাখে, জিনজিয়াংয়ের উইঘুররাও তেমনি তাদের আঞ্চলিক পরিচয়ের জন্য পরিচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তুর্কমেন — তুর্কমেনরা মূলত তুর্কমেনিস্তান দেশের প্রধান জাতিগোষ্ঠী এবং মধ্য এশিয়ার অন্যান্য অঞ্চলে বসবাস করে, চীনের জিনজিয়াংয়ের প্রধান মুসলিম সম্প্রদায় নয়। B) উইঘুর — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সম্প্রদায়টিই চীনের জিনজিয়াং প্রদেশে সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম জনগোষ্ঠী হিসেবে বসবাস করে। C) তাজিক — তাজিকরা মূলত ফার্সি ভাষাভাষী জাতিগোষ্ঠী এবং তারা প্রধানত তাজিকিস্তান রাষ্ট্রে বসবাস করে, যদিও চীনের কিছু সীমান্ত অঞ্চলে ক্ষুদ্র সংখ্যায় তাদের উপস্থিতি রয়েছে। D) কাজাখ — কাজাখরা প্রধানত কাজাখস্তান প্রজাতন্ত্রের প্রধান জনগোষ্ঠী এবং মধ্য এশিয়ার একটি বৃহৎ তুর্কিভাষী মুসলিম জাতি। ৫ মনে রাখার টিপস: চীন শব্দটির সঙ্গে উইঘুর শব্দটির মেলবন্ধন মনে রাখতে হবে কারণ চীনের জিনজিয়াং প্রদেশের অপর নাম শিনচিয়াং উইঘুর স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল। মধ্য এশিয়ার বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর নামের সঙ্গে উইঘুর নামটিকে গুলিয়ে ফেলা যাবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এশিয়ার বিভিন্ন দেশের সংখ্যালঘু জাতিগোষ্ঠী বা সীমান্ত অঞ্চলের ভূরাজনীতি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। এই প্রশ্নটি থেকে পরীক্ষার্থীরা এশিয়ার জনমিতি ও বিভিন্ন অঞ্চলের প্রধান জাতিগোষ্ঠী সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা লাভ করতে পারে।
a ভূমিকম্প
b সমুদ্রের জলস্তরের বৃদ্ধি
c ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস
d খরা ও বন্যা
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সমুদ্রের জলস্তরের বৃদ্ধি ১. কেন সঠিক: জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সমুদ্রের পানির উচ্চতা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে যা বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের জীবিকা চিরতরে বদলে দিতে পারে। দীর্ঘমেয়াদী এই প্রভাবে কৃষিজমি লবণাক্ত হয়ে যায় এবং স্থায়ীভাবে বসতি ও মাছের উৎস ধ্বংস হয়। ২. ভৌগোলিক ও পরিবেশগত প্রেক্ষাপট: উপকূলীয় ভূপ্রকৃতি: বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের নিচু ভূখণ্ড সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে। অর্থনৈতিক প্রভাব: লবণাক্ততা বৃদ্ধির কারণে কৃষিকাজ ব্যাহত হয় এবং লক্ষাধিক মানুষের পেশা পরিবর্তনের বাধ্যবাধকতা তৈরি হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুন্দরবন ও উপকূলীয় এলাকা ব্যাখ্যা: সমুদ্রের জলস্তর বৃদ্ধির ফলে সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য ধ্বংসের মুখে পড়ছে এবং সেখানকার পেশাজীবী মানুষ বাধ্য হয়ে অন্য পেশায় চলে যাচ্ছে। উদাহরণ ২: সাতক্ষীরা ও খুলনা জেলার লবণাক্ততা ব্যাখ্যা: এই অঞ্চলের কৃষিজমিতে লবণাক্ত পানি ঢুকে পড়ায় ধান চাষ প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে, যা মানুষের দীর্ঘমেয়াদী জীবিকাকে অনিশ্চিত করে তুলছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভূমিকম্প — ভূমিকম্প আকস্মিক দুর্যোগ হলেও এটি দীর্ঘমেয়াদে জীবিকা পরিবর্তনের প্রধান বা স্থায়ী রূপকার হিসেবে কাজ করে না। B) সমুদ্রের জলস্তরের বৃদ্ধি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি দীর্ঘমেয়াদী ও স্থায়ী পরিবর্তন আনে। C) ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস — ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস তীব্র ক্ষয়ক্ষতি করলেও তা মূলত আকস্মিক এবং পুনর্বাসনের মাধ্যমে তা কাটিয়ে ওঠা সম্ভব। D) খরা ও বন্যা — খরা ও বন্যা কৃষির ক্ষতি করে তবে এগুলো সাধারণত মৌসুমী এবং জলস্তর বৃদ্ধির মতো চিরস্থায়ী ভৌগোলিক পরিবর্তন ঘটায় না। ৫. মনে রাখার টিপস: যে দুর্যোগটি আসার পর মানুষ চিরতরে পেশা বা এলাকা বদলাতে বাধ্য হয় এবং যার প্রভাব শতবর্ষ ধরে থাকে, তা হলো সমুদ্রের জলস্তর বৃদ্ধি। আকস্মিক দুর্যোগ সাময়িক ক্ষতি করলেও জলস্তর বৃদ্ধি হলো দীর্ঘমেয়াদী ও অপরিবর্তনীয় সংকট। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি এবং বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলের অভিযোকরিতা বা ক্ষয়ক্ষতি সংক্রান্ত প্রশ্ন বিসিএস ও ব্যাংকের লিখিত ও প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। একই বিষয় থেকে সামুদ্রিক লবণাক্ততা এবং কৃষির ওপর এর প্রভাব সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
a ১৯৬৯
b ১৯৭১
c ১৯৭৫
d ১৯৭৮
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৯৬৯ ১. কেন সঠিক: - আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (IMF) এর গঠনতন্ত্র বা আর্টিকেলস অব এগ্রিমেন্ট ১৯৬৯ সালে প্রথম সংশোধন করা হয়। - এই সংশোধনের মাধ্যমেই সদস্য দেশগুলোর জন্য বিশেষ ড্রয়িং রাইটস বা এসডিআর (SDR) নামক কৃত্রিম রিজার্ভ সম্পদ সৃষ্টির আইনি ভিত্তি তৈরি করা হয়। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: অর্থনীতি, উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা ব্যবস্থা: - বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ১৭ আগস্ট আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (IMF) এর সদস্যপদ লাভ করে এবং এসডিআর ব্যবস্থার অন্তর্ভুক্ত হয়। - এসডিআর হলো আইএমএফের একটি হিসাবরক ইউনিট, যা সদস্য দেশগুলোর বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করতে এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশ ও আইএমএফ ঋণ সহায়তা ব্যাখ্যা: বাংলাদেশ সরকারের অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণ এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সংকট মোকাবেলায় আইএমএফ প্রায়ই এসডিআর কোটার বিপরীতে ঋণ সহায়তা প্রদান করে থাকে। উদাহরণ ২: বিশ্ব অর্থনীতিতে এসডিআর এর ভূমিকা ব্যাখ্যা: বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকটের সময় আইএমএফ সদস্য দেশগুলোর মাঝে এসডিআর বরাদ্দ বৃদ্ধি করে, যা থেকে শিক্ষার্থীরা বৈশ্বিক আর্থিক ব্যবস্থাপনার গুরুত্ব বুঝতে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৬৯ — এই সালেই আইএমএফের গঠনতন্ত্র সংশোধন করে এসডিআর প্রবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। B) ১৯৭১ — এই বছর বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধ সংঘটিত হয় এবং বাংলাদেশ স্বাধীন হয়, যার সঙ্গে আইএমএফের গঠনতন্ত্র সংশোধনের সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই। C) ১৯৭৫ — এই বছর বাংলাদেশ রাষ্ট্রে রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ঘটে এবং বাকশাল গঠিত হয়, যা আইএমএফের এই সংশোধনীর সাল নয়। D) ১৯৭৮ — এই সালে আইএমএফের গঠনতন্ত্রের দ্বিতীয় সংশোধন কার্যকর হয়েছিল, যা এসডিআর প্রবর্তনের প্রথম সংশোধন নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - এসডিআর (SDR) প্রবর্তনের বছর মনে রাখতে ১৯৬৯ সালটি মাথায় রাখুন। - ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের ঐতিহাসিক বছরের সঙ্গে আইএমএফের এসডিআর চালুর সালটি মিলে যায়, যা সহজে মনে রাখতে সাহায্য করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলাদেশ কত সালে আইএমএফের সদস্যপদ লাভ করে, এই প্রশ্নটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - এসডিআর কারেন্সি ঝুড়িতে কোন কোন মুদ্রা রয়েছে এবং এর কাজ কী, তা থেকে ব্যাংকিং ও বিসিএস পরীক্ষায় প্রশ্ন হতে পারে।
a হবিগঞ্জ
b গোপালগঞ্জ
c কিশোরগঞ্জ
d মুন্সীগঞ্জ
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কিশোরগঞ্জ ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশের ভৌগোলিক ভূপ্রকৃতি এবং হাওড় অঞ্চলের বিস্তৃতির কারণে কিশোরগঞ্জ জেলায় নিচু ভূমির পরিমাণ সবচেয়ে বেশি। - এই জেলায় হিজল করচাবন এবং বিশাল জলরাশির হাওড় রয়েছে যা বছরের অধিকাংশ সময় পানিতে নিমজ্জিত থাকে। ২. ভৌগোলিক ও ভূপ্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য: - ভৌগোলিক অবস্থান: কিশোরগঞ্জ জেলা মূলত ভাটি অঞ্চল এবং দেশের অন্যতম প্রধান হাওড় এলাকা হিসেবে পরিচিত। - নদ নদী: এই জেলার ওপর দিয়ে মেঘনা নরসুন্দা এবং পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদ প্রবাহিত হয়েছে যা এর নিচু ভূমির রূপ গঠনে সহায়তা করেছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: হাকালুকি হাওড় বা টাঙ্গুয়ার হাওড় ব্যাখ্যা: এগুলোর মতো কিশোরগঞ্জের হাওড়গুলোও বর্ষাকালে বিশাল জলাভূমিতে পরিণত হয় যা নিচু ভূমির প্রকৃষ্ট উদাহরণ। উদাহরণ ২: নিকলী উপজেলা ব্যাখ্যা: কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলাটি পুরোটাই একটি নিচু ভূমি এবং হাওড় এলাকা যা এই প্রশ্নের সত্যতা প্রমাণ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হবিগঞ্জ — এটি হাওড় অঞ্চল হলেও কিশোরগঞ্জের মতো এত বিশাল পরিসরে এক টানা নিচু বা হাওড় ভূমি এখানে নেই। B) গোপালগঞ্জ — এটি মূলত বিল ও গাল বা অববাহিকা অঞ্চল তবে আয়তনে কিশোরগঞ্জের চেয়ে নিচু ভূমি কম। D) মুন্সীগঞ্জ — এটি প্রধানত নদীমাতৃক ও প্লাবন সমভূমি অঞ্চল যার বেশির ভাগই উঁচু পলিমাটি দ্বারা গঠিত। ৫ মনে রাখার টিপস: - কিশোর মানে তরুণ আর তরুণদের মন সবসময় নিচু বা গভীর হয় না তবে মনে রাখবে কিশোরগঞ্জ মানেই হাওড় অর্থাৎ নিচু ভূমি। - হাওড়ের জেলা বললেই কিশোরগঞ্জ সুনামগঞ্জ ও নেত্রকোনার কথা মাথায় রাখবে যেখানে কিশোরগঞ্জ সবার চেয়ে এগিয়ে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলাদেশের বৃহত্তম হাওড় বা নিচু ভূমির বিস্তার কোন অঞ্চলে তা প্রায়ই বিসিএস পরীক্ষায় আসে। - একই বিষয় থেকে হাওড়ের জেলা কয়টি বা রামসার সাইট সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
a মেঘনা
b যমুনা
c পদ্মা
d কর্ণফুলী
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মেঘনা ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশের দীর্ঘতম নদী মেঘনা। উৎস থেকে মোহনা পর্যন্ত এর দৈর্ঘ্য প্রায় ৩৩৯ কিলোমিটার। নদীটি আসামের বরাক নদী হিসেবে উৎপন্ন হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে এবং বিভিন্ন শাখা নদীর সাথে মিলিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: ভৌগোলিক অবস্থান: মেঘনা নদী বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়ি অঞ্চল থেকে শুরু করে দক্ষিণ দিকে বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত। এটি দেশের অন্যতম প্রধান ও প্রশস্ত নদী ব্যবস্থা। তাৎপর্য ও ফলাফল: মেঘনার অববাহিকা দেশের কৃষি, মৎস্য সম্পদ এবং অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এর সাথে যুক্ত হয়েছে সুরমা ও কুশিয়ারার মতো দেশের প্রধান প্রধান নদী। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুরমা ও কুশিয়ারা নদী ব্যাখ্যা: এই দুটি নদী মিলিত হয়ে সিলেটে মেঘনা নদীর প্রধান ধারা সৃষ্টি করেছে। উদাহরণ ২: ভৈরব বাজার ও চাঁদপুর মোহনা ব্যাখ্যা: চাঁদপুর মোহনায় এসে মেঘনা নদীর সাথে পদ্মা নদী মিলিত হয়েছে, যা বাংলাদেশের পানি ব্যবস্থাপনায় এক ঐতিহাসিক মিলনস্থল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মেঘনা — এটি বাংলাদেশের দীর্ঘতম নদী এবং এর দৈর্ঘ্য প্রায় ৩৩৯ কিলোমিটার। B) যমুনা — এটি বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান ও প্রশস্ত নদী হলেও দৈর্ঘ্যরে দিক থেকে মেঘনার চেয়ে ছোট। C) পদ্মা — এটি বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান ও দীর্ঘ নদী, তবে দৈর্ঘ্যরে বিচারে মেঘনা এর চেয়ে দীর্ঘ। D) কর্ণফুলী — এটি চট্টগ্রামের প্রধান নদী এবং এর দৈর্ঘ্য প্রায় ১৭৭ কিলোমিটার, তাই এটি দীর্ঘতম নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের দীর্ঘতম নদী মেঘনা মনে রাখার সহজ কৌশল হলো ম তে মেঘনা এবং ম তে দীর্ঘতম। মেঘনা নদী দৈর্ঘ্যে দেশের সব নদীকে অতিক্রম করেছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নদী সংক্রান্ত প্রশ্নে দীর্ঘতম নদী কোনটি প্রায়ই আসে। একই সাথে নদীগুলোর উৎপত্তি ও মোহনা সম্পর্কেও ধারণা রাখতে হবে।
a উত্তর-পূর্ব অঞ্চল
b উত্তর-পশ্চিম অঞ্চল
c দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চল
d দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চল
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) উত্তর-পশ্চিম অঞ্চল ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিম অঞ্চল প্রধানত বরেন্দ্রভূমি ও তিস্তা অববাহিকা নিয়ে গঠিত, যা বৃষ্টিচ্ছায় অঞ্চল এবং নদীমাতৃক আর্দ্রতা থেকে কিছুটা দূরে অবস্থিত। এখানে বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত দেশের অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় বেশ কম এবং তাপমাত্রা গ্রীষ্মকালে সর্বোচ্চ এবং শীতকালে সর্বনিম্ন হয়, যা খরাপ্রবণতার প্রধান কারণ। ২. ভৌগোলিক ও পরিবেশগত প্রেক্ষাপট: ভূপ্রকৃতি ও জলবায়ু: উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলে মাটির উপরিভাগে পলিমাটির আস্তর কম এবং নিচে কঠিন লালচে মাটি থাকায় পানি ধারণ ক্ষমতা তুলনামূলক কম। নদীর অবক্ষয়: পদ্মা ও তিস্তা নদীর উজানে পানিবত্যতা হ্রাস এবং শাখা নদীগুলো শুকিয়ে যাওয়ার কারণে শুষ্ক মৌসুমে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর অনেক নিচে নেমে যায়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাজশাহী ও বরেন্দ্র অঞ্চল। ব্যাখ্যা: এই অঞ্চলে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নেমে যাওয়ায় কৃষি সেচ ব্যাহত হয় এবং তীব্র খরা দেখা দেয়। উদাহরণ ২: চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নওগাঁ জেলা। ব্যাখ্যা: দেশের বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ এই অঞ্চলে খরা মোকাবেলায় বিভিন্ন গভীর নলকূপ ও সেচ প্রকল্প পরিচালনা করছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উত্তর-পূর্ব অঞ্চল — এটি সিলেট ও সুনামগঞ্জ এলাকা নিয়ে গঠিত, যা দেশের সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত এবং হাওরপ্রধান অঞ্চল হওয়ায় খরাপ্রবণ নয়। B) উত্তর-পশ্চিম অঞ্চল — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই অঞ্চলে বরেন্দ্রভূমির প্রভাবে বৃষ্টিপাত কম হয় এবং খরা বেশি দেখা যায়। C) দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চল — এটি উপকূলীয় ও সুন্দরবন সংলগ্ন লবণাক্ততা ও জলোচ্ছ্বাস প্রবণ অঞ্চল, খরাপ্রবণ অঞ্চল নয়। D) দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চল — এটি চট্টগ্রাম ও পাহাড়ি অঞ্চল, যেখানে পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত হয় এবং পাহাড়ি ঢল ও ভূমিধস বেশি ঘটে। ৫ মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের মানচিত্রে উত্তর-পশ্চিম কোণ বা রাজশাহী বিভাগ হলো বরেন্দ্রভূমির এলাকা, যা খরা ও চরমভাবাপন্ন জলবায়ুর জন্য পরিচিত। উত্তর-পূর্ব মানেই অতিরিক্ত বৃষ্টি (সিলেট) আর উত্তর-পশ্চিম মানেই কম বৃষ্টি ও খরা (রাজশাহী)। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ কোন অঞ্চলে কাজ করে তা প্রায়ই পরীক্ষায় আসে। একই বিষয় থেকে প্রশ্ন হতে পারে যে কোন জেলাটি সবচেয়ে বেশি খরাপ্রবণ বা বরেন্দ্রভূমি কোন অঞ্চলে অবস্থিত।
a বরেন্দ্র অঞ্চল
b মধুপুর গড় অঞ্চল
c উপকূলীয় অঞ্চল
d চলন বিল অঞ্চল
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) চলন বিল অঞ্চল ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড ১৯৭০ ও ১৯৮০ এর দশকে বন্যা নিয়ন্ত্রণ, পানি নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্প তথা এফসিডিআই চালু করে। - চলন বিল অঞ্চলে এসব কৃত্রিম অবকাঠামো নির্মাণের ফলে স্বাভাবিক প্লাবন ব্যাহত হয়েছে এবং জীববৈচিত্র্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ২. ভৌগোলিক ও পরিবেশগত প্রেক্ষাপট: - ভূপ্রকৃতি: চলন বিল উত্তরবঙ্গের একটি প্লাবণভূমি ও অববাহিকা অঞ্চল যেখানে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা আজ হুমকির মুখে। - পরিবেশগত প্রভাব: অপরিকল্পিত বাঁধ ও স্লুইস গেটের কারণে চলন বিলের অভ্যন্তরীণ জলাশয় শুকিয়ে যাচ্ছে এবং দেশি মাছ বিলুপ্ত হচ্ছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: চলন বিলের মৎস্য সম্পদ হ্রাস। ব্যাখ্যা: কৃত্রিম বাঁধ ও নিয়ন্ত্রিত পানিপ্রবাহের কারণে চলন বিলের মুক্ত জলাশয়ের মাছ ও জলজ উদ্ভিদ উৎপাদন মারাত্মকভাবে কমে গেছে। উদাহরণ ২: চলন বিলের অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ ও নৌপথ সংকোচন। ব্যাখ্যা: অপরিকল্পিত অবকাঠামোর কারণে বিলের অনেক ছোট নদী ও নালা ভরাট হয়ে গেছে, যা থেকে পরিবেশগত বিপর্যয়ের ভয়াবহতা বোঝা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বরেন্দ্র অঞ্চল — এটি মূলত প্রাচীন পলি গঠিত উঁচু ও খরাপ্রবণ ভূমি, যেখানে প্রধান সমস্যা পানির অভাব, বন্যা নিয়ন্ত্রণ প্রকল্প নয়। B) মধুপুর গড় অঞ্চল — এটি লাল মাটি বিশিষ্ট উচ্চভূমি এবং এটি বনভূমি ও ক্ষয়প্রাপ্ত ভূপ্রকৃতির জন্য পরিচিত, এফসিডিআই এর প্রধান শিকার নয়। C) উপকূলীয় অঞ্চল — এখানে বেড়িবাঁধ ও উপকূলীয় ব্যবস্থাপনা রয়েছে, তবে প্রশ্নে উল্লেখিত পরিবেশগত ক্ষতির দিক থেকে চলন বিল বেশি ক্ষতিগ্রস্ত। D) চলন বিল অঞ্চল — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই প্লাবণভূমি অঞ্চলে এফসিডিআই প্রকল্পের কারণে মারাত্মক পরিবেশগত ভারসাম্যহীনতা সৃষ্টি হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - চলন বিল মানেই প্লাবণভূমি এবং এখানে বন্যা নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের নেতিবাচক প্রভাব সবচেয়ে বেশি দৃশ্যমান। - বরেন্দ্র হলো খরাপ্রবণ আর চলন বিল হলো পানি নিষ্কাশন ও প্লাবন সংকটের প্রতীক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পরিবেশগত সংকটের জন্য চলন বিল এবং বরেন্দ্র অঞ্চলের ভূপ্রাকৃতিক পার্থক্য প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। - এফসিডিআই প্রকল্পের পূর্ণরূপ অর্থাৎ ফ্ল্যাড কন্ট্রোল ড্রেনেজ অ্যান্ড ইরিগেশন প্রায়ই বিসিএস পরীক্ষায় সংক্ষিপ্ত রূপের পূর্ণরূপ হিসেবে জানতে চাওয়া হয়।
a সিলেট
b টেকনাফ
c কক্সবাজার
d সন্দ্বীপ
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সিলেট ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদপ্তর ও জলবায়ু উপাত্ত অনুযায়ী সিলেটে বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ দেশের অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় সবচেয়ে বেশি। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে সিলেট অঞ্চলে পাহাড়ি ঢাল ও মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়। ২. ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য: বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব কোণে অবস্থিত সিলেট জেলার ভৌগোলিক গঠন ও পাহাড়ি বেষ্টনী অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের প্রধান কারণ। এখানে খাসিয়া ও জৈন্তিয়া পাহাড়ের ঢাল অতিক্রম করার সময় মৌসুমী বায়ু প্রচুর জলীয় বাষ্প ফেলে দেয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: শ্রীমঙ্গল ব্যাখ্যা: সিলেট অঞ্চলের শ্রীমঙ্গল এলাকা চা বাগানের জন্য বিখ্যাত এবং এখানে দেশের অন্যতম সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়। উদাহরণ ২: লালাখাল ব্যাখ্যা: সিলেটের পাহাড়ি অঞ্চলের নদী ও ঝরনা এলাকা যা প্রচুর বৃষ্টিপাতের কারণে প্রাকৃতিকভাবে সমৃদ্ধ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সিলেট — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি রেকর্ড করা হয়। B) টেকনাফ — এটি বাংলাদেশের দক্ষিণ প্রান্তে অবস্থিত এবং এখানেও প্রচুর বৃষ্টিপাত হয় তবে সিলেটের গড় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ এর চেয়ে বেশি। C) কক্সবাজার — এটি একটি উপকূলীয় পর্যটন শহর যেখানে মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে বৃষ্টিপাত হলেও সর্বোচ্চ গড় বৃষ্টিপাতের স্থান হিসেবে সিলেট পরিচিত। D) সন্দ্বীপ — এটি একটি দ্বীপ অঞ্চল যেখানে বৃষ্টিপাত হলেও বার্ষিক গড় পরিমাণে এটি সিলেটের পেছনে রয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: সিলেট মানেই পাহাড় আর চা বাগান, আর যেখানে পাহাড় বেশি সেখানে বৃষ্টিও বেশি হয়। এভাবে মনে রাখতে পারেন যে সর্বোচ্চ বৃষ্টির রেকর্ড সিলেটের দখলে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি ভৌগোলিক বৈচিত্র্য ও জলবায়ু সম্পর্কিত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। একই বিষয় থেকে বাংলাদেশের উষ্ণতম বা শীতলতম স্থান সম্পর্কেও প্রশ্ন আসতে পারে।
a অক্ষরেখা
b দ্রাঘিমারেখা
c উচ্চতা
d সমুদ্রস্রোত
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দ্রাঘিমারেখা ১. কেন সঠিক: দ্রাঘিমারেখা মূলত পৃথিবীর পূর্ব-পশ্চিম অবস্থান এবং সময়ের ব্যবধান নির্ণয় করার কাজে ব্যবহৃত হয়। কোনো অঞ্চলের জলবায়ু নির্ধারণের সাথে দ্রাঘিমারেখার কোনো প্রত্যক্ষ সম্পর্ক বা ভৌগোলিক প্রভাব নেই। ২. ভৌগোলিক প্রেক্ষাপট: জলবায়ু নির্ধারণের মূল নিয়ামকগুলো হলো পৃথিবীর অক্ষরেখা বা অক্ষাংশ, সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে উচ্চতা এবং সমুদ্রস্রোত। অক্ষাংশের পরিবর্তনের সাথে সাথে সূর্যকিরণের পতন কোণের তারতম্য ঘটে যা তাপমাত্রাকে প্রভাবিত করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিষুবীয় অঞ্চলের নিকটবর্তী দেশগুলোতে সারাবছর উষ্ণ জলবায়ু বিরাজ করে। এর মূল কারণ ওই অঞ্চলের অক্ষাংশগত অবস্থান, দ্রাঘিমাগত অবস্থান নয়। ব্যাখ্যা: পরীক্ষার্থীর মনে রাখতে হবে যে জলবায়ু বোঝার জন্য অক্ষাংশ এবং ভূপৃষ্ঠের উচ্চতা সবচেয়ে বেশি ভূমিকা পালন করে। উদাহরণ ২: একই দ্রাঘিমায় অবস্থিত হওয়া সত্ত্বেও হিমালয় পর্বতের পাদদেশের জলবায়ু এবং সমভূমি অঞ্চলের জলবায়ুতে ভিন্নতা দেখা যায়। ব্যাখ্যা: এই ভিন্নতার প্রধান কারণ সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে উচ্চতার তারতম্য, যা জলবায়ু পরিবর্তনে সরাসরি প্রভাব ফেলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অক্ষরেখা — অক্ষাংশ বা অক্ষরেখা সরাসরি সূর্যের আলোর তীব্রতা নির্ধারণ করে। এটি জলবায়ুর ওপর সবচেয়ে বেশি প্রভাব বিস্তারকারী অন্যতম প্রধান একটি নিয়ামক। B) দ্রাঘিমারেখা — দ্রাঘিমারেখা সময়ের হিসাব ও ভৌগোলিক অবস্থান নির্ণয় করে। এটি কোনো অঞ্চলের আবহাওয়া বা জলবায়ুর ওপর প্রভাব ফেলে না। C) উচ্চতা — সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে সাথে তাপমাত্রা কমতে থাকে। তাই উচ্চতা যেকোনো অঞ্চলের জলবায়ু নির্ধারণের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক নিয়ামক। D) সমুদ্রস্রোত — উপকূলীয় অঞ্চলের তাপমাত্রা এবং বৃষ্টিপাত নিয়ন্ত্রণে সমুদ্রস্রোত অত্যন্ত শক্তিশালী ভূমিকা পালন করে। এটিও জলবায়ু নির্ধারণের একটি অন্যতম প্রধান কারণ। ৫ মনে রাখার টিপস: জলবায়ু মনে রাখার সহজ সূত্র হলো অ, উ, স অর্থাৎ অক্ষাংশ, উচ্চতা এবং সমুদ্রস্রোত হলো জলবায়ুর নিয়ামক। দ্রাঘিমারেখা কেবল সময় মাপে, জলবায়ু মাপে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জলবায়ুর নিয়ামক এবং অনিয়ামক সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে। অক্ষাংশ, উচ্চতা ও সমুদ্রস্রোত হলো নিয়ামক, আর দ্রাঘিমা হলো অনিয়ামক।
a সড়ক দুর্ঘটনা
b তামাক ও মাদকদ্রব্য গ্রহণ
c বায়ু দূষণ
d ক্যান্সার
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বায়ু দূষণ ১. কেন সঠিক: - বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং বিভিন্ন বৈশ্বিক পরিবেশগত গবেষণা অনুযায়ী বায়ু দূষণ বর্তমানে বিশ্বজুড়ে মানুষের অকাল মৃত্যুর অন্যতম প্রধান পরিবেশগত কারণ। - বাতাসে থাকা ক্ষুদ্র ধূলিকণা ফুসফুস ও রক্তপ্রবাহে প্রবেশ করে স্ট্রোক, হৃদরোগ এবং ফুসফুসের ক্যান্সারের মতো মারাত্মক রোগ সৃষ্টি করে। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - পরিবেশগত প্রেক্ষাপট: বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা দীর্ঘদিন ধরে বিশ্বের অন্যতম বায়ু দূষিত শহর হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আসছে। - স্বাস্থ্য ও সামাজিক উন্নয়ন: অপরিকল্পিত নগরায়ন, ইটভাটা এবং যানবাহনের ধোঁয়া বায়ু দূষণ বাড়িয়ে দিচ্ছে, যা জনস্বাস্থ্যের ওপর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: শীতকালে ঢাকার বায়ু দূষণের মাত্রা। ব্যাখ্যা: শুষ্ক মৌসুমে ইটভাটা এবং নির্মাণ কাজের কারণে ঢাকার বায়ু দূষণ বিপজ্জনক পর্যায়ে পৌঁছায়। উদাহরণ ২: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বায়ুমান নির্দেশিকা। ব্যাখ্যা: এই নির্দেশিকা থেকে বোঝা যায় বায়ু দূষণ রোধে সরকারের কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া কতটা জরুরি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সড়ক দুর্ঘটনা — এটি মৃত্যুর একটি বড় কারণ হলেও বায়ু দূষণের মতো বিশ্বব্যাপী এত বিশাল সংখ্যক মানুষের মৃত্যুর প্রধান কারণ নয়। B) তামাক ও মাদকদ্রব্য গ্রহণ — এটি মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ হলেও এককভাবে বায়ু দূষণের চেয়ে বৈশ্বিক মৃত্যুর পরিসংখ্যানে সামান্য পেছনে রয়েছে। C) বায়ু দূষণ — এটি সঠিক উত্তর কারণ পরিবেশগত স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে এটিই মানুষের মৃত্যুর প্রধান কারণ। D) ক্যান্সার — ক্যান্সার বিভিন্ন কারণে হতে পারে, তবে বায়ু দূষণ নিজেই ফুসফুসের ক্যান্সারসহ অন্যান্য মৃত্যুর প্রধান অনুঘটক হিসেবে কাজ করে। ৫ মনে রাখার টিপস: - নিঃশ্বাসের বাতাস আমাদের বাঁচায়, কিন্তু দূষিত বাতাস মৃত্যুর বড় ফাঁদ। - বায়ু দূষণ বিশ্বব্যাপী অকাল মৃত্যুর প্রধান পরিবেশগত চালিকাশক্তি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এই প্রশ্নটি পরিবেশগত অর্থনীতি, জনস্বাস্থ্য এবং বৈশ্বিক সূচক সংক্রান্ত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। - পরিবেশ দূষণ সূচক এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিবেদন থেকে প্রায়ই এ ধরনের প্রশ্ন বিসিএস ও অন্যান্য চাকরিতে আসে।
a নতুন দিল্লি
b কলম্বো
c ঢাকা
d কাঠমান্ডু
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কাঠমান্ডু ১. কেন সঠিক: - সার্ক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র বা সাডমি (SDMC) কাঠমান্ডুতে অবস্থিত। - সার্কের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস এবং ব্যবস্থাপনা জোরদার করার উদ্দেশ্যে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: সার্কের কাঠামোর আওতায় আঞ্চলিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা জোরদার করার জন্য এই কেন্দ্র গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। - প্রতিষ্ঠান: সার্ক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র কাঠমান্ডুতে অবস্থিত হলেও এর আগে এটি নতুন দিল্লিতে ছিল এবং পরবর্তীতে কাঠমান্ডুতে স্থানান্তরিত হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: সার্ক কৃষি কেন্দ্র ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত এবং কৃষি গবেষণায় সহযোগিতা করে। উদাহরণ ২: সার্ক আবহাওয়া গবেষণা কেন্দ্র ব্যাখ্যা: এটিও বাংলাদেশের ঢাকায় অবস্থিত এবং আবহাওয়া সংক্রান্ত তথ্য আদান-প্রদান করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নতুন দিল্লি — এটি ভারতের রাজধানী এবং সার্কের কিছু আঞ্চলিক কেন্দ্র অতীতে এখানে থাকলেও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্রটি বর্তমানে এখানে নেই। B) কলম্বো — এটি শ্রীলঙ্কার বাণিজ্যিক রাজধানী এবং এখানে সার্কের অন্যান্য বিশেষায়িত কেন্দ্র বা সচিবালয়ের কার্যক্রম থাকে না। C) ঢাকা — ঢাকায় সার্ক কৃষি কেন্দ্র এবং সার্ক আবহাওয়া গবেষণা কেন্দ্র অবস্থিত, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র নয়। D) কাঠমান্ডু — এটি সঠিক উত্তর কারণ সার্ক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্রটি কাঠমান্ডুতে অবস্থিত। ৫ মনে রাখার টিপস: - দুর্যোগ বেশি হয় পাহাড়ি ও ভূকম্পনপ্রবণ অঞ্চলে, তাই দুর্যোগ কেন্দ্র কাঠমান্ডুতে অবস্থিত। - কৃষিকাজ বেশি হয় মাটিতে, তাই কৃষি কেন্দ্র ঢাকায় অবস্থিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সার্কের কোন কোন কেন্দ্র বাংলাদেশে অবস্থিত তা বিসিএস পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। - সার্কের বিভিন্ন আঞ্চলিক কেন্দ্রের সদর দপ্তর কোথায়, তা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
a উদ্ধার পর্যায়ে
b প্রভাব পর্যায়ে
c সতর্কতা পর্যায়ে
d পুনর্বাসন পর্যায়ে
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পুনর্বাসন পর্যায়ে ১. কেন সঠিক: - দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্রের চূড়ান্ত ধাপ হলো পুনর্বাসন পর্যায়, যেখানে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জীবনযাত্রা ও অবকাঠামো স্থায়ীভাবে পুনর্গঠন করা হয়। - এই ধাপে দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার সামগ্রিক অর্থনৈতিক ও সামাজিক ক্ষতি নিখুঁতভাবে মূল্যায়ন করে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ: - বাংলাদেশে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন ২০১২ প্রণয়ন করা হয়েছে, যা দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও সাড়া দান কার্যক্রম পরিচালনা করে। - দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় বাংলাদেশে দুর্যোগ পূর্ববর্তী,কালীন ও পরবর্তী সব কার্যক্রমের মূল সমন্বয়ক হিসেবে কাজ করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: সিডর বা আইলার মতো প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড়। ব্যাখ্যা: এ ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগের পর সরকার ও বিভিন্ন সংস্থা ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ করে ঘরবাড়ি ও বাঁধ পুনর্বাসন করে। উদাহরণ ২: নদী ভাঙন কবলিত মানুষের পুনর্বাসন। ব্যাখ্যা: ভাঙনের শিকার মানুষের জন্য আশ্রয়ণ প্রকল্প বা স্থায়ী আবাসন তৈরি এই পুনর্বাসন ধাপের অন্তর্ভুক্ত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উদ্ধার পর্যায়ে — এই ধাপে মূলত বিপন্ন মানুষদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া এবং প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। B) প্রভাব পর্যায়ে — এই পর্যায়টি দুর্যোগ ঘটার ঠিক আগের বা চলাকালীন অবস্থাকে নির্দেশ করে, যখন ক্ষতির মূল্যায়ন করা সম্ভব হয় না। C) সতর্কতা পর্যায়ে — এই ধাপে আবহাওয়ার পূর্বাভাস বা সংকেত প্রচার করে মানুষকে সচেতন ও নিরাপদ করা হয়। D) পুনর্বাসন পর্যায়ে — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানেই সার্বিক ক্ষতি নিরূপণ করে দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়নের মাধ্যমে জীবনযাত্রা স্বাভাবিক করা হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার ধাপগুলো মনে রাখার জন্য ক্রমানুসারে মনে রাখতে হবে: সতর্কতা, উদ্ধার এবং সবশেষে পুনর্বাসন। - ক্ষতি মূল্যায়ন সাধারণত বড় পরিসরে পুনর্বাসন ও পুনর্গঠন পরিকল্পনা তৈরির জন্যই করা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্রের ধাপগুলো থেকে প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে। - দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন প্রণীত হয় ২০১২ সালে, যা প্রশাসন ও নীতি নির্ধারণী পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a চীনের সাংহাই
b সদরদপ্তর নাই
c প্রিটোরিয়া
d নয়াদিল্লী
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সদরদপ্তর নাই ১. কেন সঠিক: - আন্তর্জাতিক সংস্থা হিসেবে ব্রিকস আনুষ্ঠানিক কোনো স্থায়ী সচিবালয় বা সদরদপ্তর পরিচালনা করে না। - এটি মূলত সদস্য দেশগুলোর পালাক্রমে আয়োজিত বার্ষিক শীর্ষ সম্মেলন এবং যৌথ তহবিল ও ব্যাংকের মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনা করে। ২. আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ভূমিকা: - ব্রিকস জোটে বাংলাদেশ সরাসরি পূর্ণ সদস্য না হলেও এর আর্থিক প্রতিষ্ঠান নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক বা এনডিবি এর সদস্যপদ লাভ করেছে। - এই জোটের সঙ্গে অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব ও আঞ্চলিক সহযোগিতার মাধ্যমে বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের পরিধি ক্রমশ সম্প্রসারিত হচ্ছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক বা এনডিবি ব্যাখ্যা: ব্রিকস জোটের নিজস্ব আর্থিক প্রতিষ্ঠান এনডিবি তে বাংলাদেশ সদস্য হিসেবে যোগদান করেছে, যা দেশের অবকাঠামো উন্নয়নে তহবিল সংগ্রহে ভূমিকা রাখছে। উদাহরণ ২: ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন ব্যাখ্যা: প্রতি বছর সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে পালাক্রমে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় এবং নির্দিষ্ট কোনো সচিবালয় না থাকায় আয়োজক দেশই সাময়িকভাবে সব কার্যক্রম পরিচালনা করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চীনের সাংহাই — সাংহাই শহরে ব্রিকস জোটের কোনো সদরদপ্তর নেই, তবে ব্রিকস প্রতিষ্ঠিত নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের সদরদপ্তর এখানে অবস্থিত। B) সদরদপ্তর নাই — এই উত্তরটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ ব্রিকস একটি স্থায়ী সচিবালয়বিহীন আন্তর্জাতিক ফোরাম হিসেবে পরিচালিত হয়। C) প্রিটোরিয়া — প্রিটোরিয়া দক্ষিণ আফ্রিকার প্রশাসনিক রাজধানী হলেও এটি ব্রিকসের কোনো সদরদপ্তর নয়। D) নয়াদিল্লী — নয়াদিল্লি ভারতের রাজধানী হলেও এটি ব্রিকসের কোনো স্থায়ী সদরদপ্তরের অবস্থান নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ব্রিকস হলো একটি সচিবালয় বা সদরদপ্তর বিহীন আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক জোট। - সাংহাই শহরে শুধু ব্রিকসের ব্যাংক বা এনডিবি এর সদরদপ্তর রয়েছে, কিন্তু জোটের নিজস্ব কোনো কেন্দ্রীয় সদরদপ্তর নেই। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ব্রিকস জোটে কোন ব্যাংক কাজ করে এবং তার সদরদপ্তর কোথায়, তা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - ব্রিকসের পূর্ণরূপ এবং সদস্য দেশগুলোর সম্প্রসারণ সংক্রান্ত হালনাগাদ তথ্য পরীক্ষার্থীদের ভালোভাবে জেনে রাখতে হবে।
a লর্ড রিপন
b লর্ড কার্জন
c লর্ড মিন্টো
d লর্ড হার্ডিঞ্জ
0 97 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) লর্ড কার্জন ১. কেন সঠিক: - লর্ড কার্জন ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেন এবং তার প্রশাসনিক পদক্ষেপের অংশ হিসেবে পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রদেশ গঠিত হয়। - ঔপনিবেশিক ব্রিটিশ স্বার্থ রক্ষা এবং তৎকালীন বৃহৎ বাংলা প্রদেশকে শাসন ও নিয়ন্ত্রণের সুবিধার্থে এই নতুন প্রশাসনিক একক তৈরি করা হয়েছিল। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ব্রিটিশ সরকার প্রশাসনিক অদক্ষতার অজুহাত দেখিয়ে এবং মূলত ভারতীয় জাতীয়তাবাদী আন্দোলনকে দুর্বল করার উদ্দেশ্যে বাংলা বিভাজনের সিদ্ধান্ত নেয়। তারিখ ও স্থান: নতুন এই পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে ১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর আত্মপ্রকাশ করে যার রাজধানী নির্ধারিত হয়েছিল ঢাকাতে। ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: লর্ড কার্জন ছিলেন এই বিভাজন পরিকল্পনার মূল প্রণেতা এবং তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের গভর্নর জেনারেল ও ভাইসরয়। তাৎপর্য ও ফলাফল: এই বিভাজনের ফলে ভারতীয় রাজনীতিতে তীব্র প্রতিক্রিয়া শুরু হয় এবং বাঙালি সমাজ গভীরভাবে বিভক্ত হয়ে পড়ে যা পরবর্তীতে স্বদেশী আন্দোলনের জন্ম দেয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বঙ্গভঙ্গ রদ ব্যাখ্যা: তীব্র গণআন্দোলনের মুখে ১৯১১ সালে ব্রিটিশ সম্রাট পঞ্চম জর্জের দিল্লি দরবারে বঙ্গভঙ্গ রদ করা হয় এবং পূর্ববঙ্গ ও আসাম পুনরায় বাংলার সঙ্গে যুক্ত হয়। উদাহরণ ২: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা ব্যাখ্যা: ১৯১১ সালে বঙ্গভঙ্গ রদের ফলে পূর্ববঙ্গের মানুষের যে ক্ষতি হয় তা পুষিয়ে দিতে ১৯২১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) লর্ড রিপন — তিনি ১৮৮০ থেকে ১৮৮৪ সাল পর্যন্ত ভারতের ভাইসরয় ছিলেন এবং স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন আইন প্রণয়নের জন্য বিখ্যাত। B) লর্ড কার্জন — তিনি ১৯০৫ সালে পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রদেশ গঠন করেন এবং বঙ্গভঙ্গ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেছিলেন। C) লর্ড মিন্টো — তিনি ১৯০৫ থেকে ১৯১০ সাল পর্যন্ত ভারতের ভাইসরয় ছিলেন এবং লর্ড কার্জনের পর দায়িত্ব গ্রহণ করে মূলত মন্ট্রি-মিন্টো সংস্কারের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। D) লর্ড হার্ডিঞ্জ — তিনি ১৯১০ থেকে ১৯১৬ সাল পর্যন্ত ভাইসরয় ছিলেন এবং তার আমলেই ১৯১১ সালে বঙ্গভঙ্গ রদ ও রাজধানী কলকাতায় থেকে দিল্লিতে স্থানান্তরিত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বঙ্গভঙ্গ মানেই লর্ড কার্জন এবং সালটি হলো ১৯০৫। - কার্জন কথাটির সঙ্গে ১৯০৫ সালের প্রশাসনিক বিভাজনের সম্পর্ক মনে রাখলে পরীক্ষার হলে উত্তর করা সহজ হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রদেশের প্রথম লেফটেন্যান্ট গভর্নর কে ছিলেন এই প্রশ্নটি বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই আসে এবং এর উত্তর হলো জোসেফ ব্যামফিল্ড ফুলার। - একই বিষয় থেকে ঘুরিয়ে প্রশ্ন আসতে পারে যে কার আমলের নীতিকে ডিভাইড অ্যান্ড রুল বা ভাগ কর ও শাসন কর নীতির চরম রূপ বলা হয়।
a ধানের শীষ
b নৌকা
c লাঙল
d বাইসাইকেল
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নৌকা ১. কেন সঠিক: ১৯৫৪ সালের পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক ছিল নৌকা। এই নির্বাচনে নৌকা প্রতীকটি সমগ্র পূর্ব বাংলার সাধারণ মানুষের মুক্তির প্রতীক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছিল। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯৫৪ সালের ৮ থেকে ১২ মার্চ পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এই নির্বাচনে মুসলিম লীগ সরকারের পতন ঘটানোর উদ্দেশ্যে তৎকালীন প্রধান বিরোধী দলগুলো মিলে যুক্তফ্রন্ট গঠন করে। তারিখ ও স্থান: নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৫৪ সালের মার্চ মাসে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের সমগ্র অঞ্চলে। এই নির্বাচনে মোট ২৩৭টি মুসলিম আসনের মধ্যে যুক্তফ্রন্ট একাই ২২৩ আসন লাভ করে নিরঙ্কুশ জয়লাভ করে। ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: যুক্তফ্রন্টের প্রধান চার নেতা ছিলেন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী, এ কে ফজলুল হক এবং শেখ মুজিবুর রহমান। যুক্তফ্রন্টের মূল শরিক দলগুলো ছিল আওয়ামী মুসলিম লীগ, কৃষক শ্রমিক পার্টি, নেজামে ইসলাম এবং বামপন্থী গণতন্ত্রী দল। তাৎপর্য ও ফলাফল: এই নির্বাচনের মাধ্যমে পূর্ব বাংলায় বাঙালি জাতির প্রথম রাজনৈতিক বিজয় অর্জিত হয় এবং দীর্ঘদিনের মুসলিম লীগের একচ্ছত্র ক্ষমতার অবসান ঘটে। এর ফলে যুক্তফ্রন্ট সরকার গঠিত হলেও ষড়যন্ত্রমূলকভাবে অল্প সময়ের মধ্যে তা ভেঙে দেওয়া হয়, যা পরবর্তীতে বাঙালি জাতীয়তাবাদ গঠনে গভীর প্রভাব ফেলে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচন ব্যাখ্যা: ১৯৭০ সালের জাতীয় ও প্রাদেশিক নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী প্রতীক ছিল নৌকা, যা বাঙালি জাতির স্বাধিকার আন্দোলনের প্রতীক হয়ে ওঠে। উদাহরণ ২: একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ ব্যাখ্যা: নৌকা প্রতীকযুক্ত ঐতিহাসিক নির্বাচনগুলোর ধারাবাহিকতায় বাঙালি জাতি মুক্তি সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং স্বাধীন বাংলাদেশ অর্জন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধানের শীষ — ধানের শীষ বর্তমান সময়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল অর্থাৎ বিএনপির দলীয় প্রতীক। এটি ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের প্রতীক ছিল না। B) নৌকা — এই অপশনটি সঠিক এবং যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক হিসেবে ইতিহাসের পাতায় সর্বস্বীকৃত। C) লাঙল — লাঙল বর্তমানে জাতীয় পার্টির দলীয় প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এটি ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে কোনো দলের প্রতীক ছিল না। D) বাইসাইকেল — বাইসাইকেল বাংলাদেশের কোনো প্রধান রাজনৈতিক দলের নির্বাচনী প্রতীক নয়। এটি এই প্রশ্নের জন্য সম্পূর্ণ অসংশ্লিষ্ট একটি অপশন। ৫ মনে রাখার টিপস: যুক্তফ্রন্টের নৌকা মনে রাখতে ৫৪ সালের নির্বাচন এবং নৌকা কথাটি একসাথে মনে রাখতে হবে। ৫৪ সালের নির্বাচন মানেই নৌকা প্রতীক এবং যুক্তফ্রন্টের ঐতিহাসিক জয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট মোট কতটি আসন পেয়েছিল এবং যুক্তফ্রন্টের ২১ দফা দাবির মূল প্রবক্তা কে ছিলেন, এই ধরনের প্রশ্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। এই নির্বাচনটি বাঙালি জাতির রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি টার্নিং পয়েন্ট হিসেবে বিবেচিত হয়।
a বিল অব রাইটস
b ম্যাগনাকার্টা
c পিটিশন অব রাইটস
d মুখ্য আইন
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ম্যাগনাকার্টা প্রদত্ত তথ্য: ঐতিহাসিক ৬-দফা দাবি হলো বাঙালির মুক্তির সনদ এটিকে বাংলার স্বাধীনতার মূল ভিত্তি বলা হয় ধরি, ৬-দফার প্রবক্তা = বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঘোষণার সাল = ১৯৬৬ সাল অতএব, ব্রিটিশ শাসনকালে অধিকার আদায়ের ঐতিহাসিক দলিল হলো ম্যাগনাকার্টা পূর্ব পাকিস্তানের অধিকার রক্ষায় ৬-দফাকে তার সমতুল্য ধরা হয় সুতরাং, ঐতিহাসিক তুলনার বিচারে ৬-দফাকে ম্যাগনাকার্টা বলা হয়েছে উত্তর: ম্যাগনাকার্টা
a নবাব সিরাজউদ্দৌলা
b মুর্শিদ কুলী খান
c ইলিয়াস শাহ
d আলাউদ্দিন হুসেন শাহ
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মুর্শিদ কুলী খান ১. কেন সঠিক: মুর্শিদ কুলী খান ১৭১৭ সালে বাংলার প্রথম স্বাধীন বা আধা-স্বাধীন নবাব হিসেবে সিংহাসনে আরোহণ করেন। তিনি মুঘল সাম্রাজ্যের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে এবং নিজের মেধা ও প্রশাসনিক দক্ষতার বলে দিল্লি থেকে স্বাধীনভাবে বাংলা শাসন শুরু করেন। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: মুঘল সম্রাট ঔরঙ্গজেব তাকে ১৭০১ সালে বাংলার দেওয়ান নিযুক্ত করেছিলেন এবং পরবর্তীতে সম্রাট ফারুখসিয়ার ১৭১৭ সালে তাকে বাংলার সুবাদার বা নাজিম বান্দেন। এর মাধ্যমে তিনি বাংলার দেওয়ানি ও নিজামত উভয় ক্ষমতার একক অধিকারী হন এবং কার্যত স্বাধীন নবাবের মতো শাসন পরিচালনা করেন। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: মুর্শিদাবাদ শহর ব্যাখ্যা: মুর্শিদ কুলী খান তার নামানুসারে ঢাকার পরিবর্তে বাংলার রাজধানী মুর্শিদাবাদে স্থানান্তর করেন, যা তার স্বাধীন প্রশাসনিক দূরদর্শিতার প্রমাণ। উদাহরণ ২: মালজামিন প্রথা ব্যাখ্যা: তিনি রাজস্ব আদায় ব্যবস্থায় নতুন সংস্কার আনেন এবং মালজামিন প্রথা চালু করে বাংলার অর্থনৈতিক ভিত্তিকে শক্তিশালী করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নবাব সিরাজউদ্দৌলা — তিনি বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব ছিলেন, প্রথম স্বাধীন নবাব নন। C) ইলিয়াস শাহ — তিনি মধ্যযুগের স্বাধীন সুলতানি আমলের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন, নবাব আমলের নন। D) আলাউদ্দিন হুসেন শাহ — তিনি হুসেন শাহী বংশের একজন বিখ্যাত ও শক্তিশালী সুলতান ছিলেন, স্বাধীন নবাব নন। ৫. মনে রাখার টিপস: নবাব মানেই সিরাজউদ্দৌলা মনে করার ভুল করবেন না। প্রথম নবাব বললে মুর্শিদ কুলী খান এবং শেষ নবাব বললে সিরাজউদ্দৌলার নাম মনে রাখবেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বাংলার প্রথম নবাব বা রাজধানী ঢাকা থেকে মুর্শিদাবাদ স্থানান্তরের ইতিহাস নিয়ে প্রশ্ন আসে। মুর্শিদ কুলী খানের আমল থেকেই মূলত মুঘলদের প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণ থেকে বাংলা স্বায়ত্তশাসনের দিকে ধাবিত হয়।
a ডায়মন্ড
b রূপালী
c ড্রামহেড
d ব্রিশাইল
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ডায়মন্ড ১. কেন সঠিক: - ডায়মন্ড বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান ও জনপ্রিয় আলুর একটি উচ্চফলনশীল জাত। - কৃষি গবেষণা ও উৎপাদনের দিক থেকে এই জাতটি সারা দেশে ব্যাপকভাবে চাষ করা হয়। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: কৃষি, শিল্প, অর্থনীতি ও উন্নয়ন: - বাংলাদেশে উৎপাদিত আলু চাহিদার তুলনায় অনেক বেশি হওয়ায় এটি বিদেশে রপ্তানি করা হয়। - বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট এবং বাংলাদেশ আলু গবেষণা কেন্দ্র নতুন ও উন্নত জাত উদ্ভাবনে কাজ করছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: কার্ডিনাল ব্যাখ্যা: এটিও বাংলাদেশে চাষ করা আরেকটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও লাভজনক আলুর জাত। উদাহরণ ২: অ্যাসটেরিক্স ব্যাখ্যা: এটি প্রক্রিয়াজাতকরণ বা ফ্রেঞ্চ ফ্রাই তৈরির জন্য উপযুক্ত আলুর একটি জাত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডায়মন্ড — এটি আলুর একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় জাত যা বাংলাদেশে ব্যাপকভাবে চাষ করা হয়। B) রূপালী — এটি আলুর কোনো প্রধান বা পরিচিত জাত নয়, বরং এটি ইলিশ মাছের একটি নাম বা অন্য কোনো প্রকল্পের নাম হতে পারে। C) ড্রামহেড — এটি আলুর জাত নয়, বরং এটি বাঁধাকপির একটি বিখ্যাত জাত। D) ব্রিশাইল — এটি ধান বা অন্য কোনো ফসলের জাত হতে পারে, তবে এটি আলুর জাত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - আলুর জাত মনে রাখার সময় মনে রাখবে ডায়মন্ড হলো বাজারে সবচেয়ে পরিচিত নাম। - খাবারের টেবিলে বা বাজারে আলুর নাম জিজ্ঞেস করলে সবার আগে ডায়মন্ড নামটিই মাথায় আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভিন্ন ফসলের উচ্চফলনশীল জাত থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - আলু ছাড়াও ধান, গম ও ডালের উন্নত জাতগুলোর নাম ভালোভাবে পড়ে যেতে হবে।
a আউশ ধান
b আমন ধান
c বোরো ধান
d ইরি ধান
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বোরো ধান ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশের কৃষিতে বোরো ধান বর্তমানে প্রধান খাদ্যশস্য হিসেবে সর্বাধিক উৎপাদিত হয়। অনুকূল আবহাওয়া, উন্নত সেচ ব্যবস্থা এবং সরকারের সময়োপযোগী কৃষinীতির কারণে কৃষকরা বোরো চাষে অধিক ঝুঁকছেন। ২. কৃষি, অর্থনীতি ও উন্নয়ন: উৎপাদনের ধরন: বাংলাদেশে সাধারণত আউশ, আমন ও বোরো এই তিন জাতের ধান উৎপাদিত হয়। খাদ্য নিরাপত্তা: দেশের মোট চাল উৎপাদনের অর্ধেকের বেশি আসে বোরো মৌসুম থেকে, যা খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট। ব্যাখ্যা: এই প্রতিষ্ঠানটি উচ্চফলনশীল বোরো ধানের নতুন জাত উদ্ভাবন করে কৃষকদের উৎপাদনে সহায়তা করছে। উদাহরণ ২: দেশের সেচ প্রকল্প। ব্যাখ্যা: গভীর ও অগভীর নলকূপের মাধ্যমে পর্যাপ্ত পানির জোগান নিশ্চিত হওয়ায় বোরো ধানের ফলন বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আউশ ধান — এটি গ্রীষ্মকালীন ফসল এবং এর উৎপাদন বোরো বা আমনের তুলনায় অনেক কম। B) আমন ধান — এটি মূলত বর্ষাকালের ফসল এবং উৎপাদনের দিক থেকে বোরোর পরেই এর অবস্থান। D) ইরি ধান — এটি বোরো মৌসুমেরই একটি উচ্চফলনশীল জাত, তবে নির্দিষ্টভাবে ইরি নামটির চেয়ে সামগ্রিক বোরো ধান হিসেবে এর উৎপাদন সর্বাধিক। ৫. মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি ধান উৎপাদিত হয় বোরো মৌসুমে। মনে রাখার কৌশল হিসেবে মনে রাখতে পারেন বোরো মানে বড় উৎপাদন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলাদেশের খাদ্য উৎপাদনে বোরো ধানের অবদান প্রায় ৫৪% পর্যন্ত হয়ে থাকে। একই বিষয় থেকে প্রশ্ন আসতে পারে কোন ঋতুতে বা কোন মৌসুমে চালের উৎপাদন সবচেয়ে বেশি হয়।
a BARI
b BRRI
c BADC
d BINA
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (BADC) ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন বা BADC দেশের প্রধান বীজ উৎপাদন ও সরবরাহকারী সরকারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছে। - কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য মানসম্মত বীজ কৃষকদের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে এই প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: প্রতিষ্ঠান ও কৃষি: - BADC ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান যা কৃষি খাতের উন্নয়নে কাজ করে। - এই প্রতিষ্ঠানটি মূলত বীজ উৎপাদন, সার ও সেচ সরঞ্জাম ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে কৃষির ভিত্তি মজবুত করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (BRRI) ব্যাখ্যা: এটি ধান উৎপাদনের ওপর গবেষণা করে নতুন জাত উদ্ভাবন করলেও প্রধান বীজ উৎপাদক প্রতিষ্ঠান হিসেবে BADC-র ভূমিকা আলাদা। উদাহরণ ২: বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI) ব্যাখ্যা: এটি বিভিন্ন ফসলের নতুন জাত উদ্ভাবন করে থাকে, যা পরবর্তীতে BADC-র মাধ্যমে বড় পরিসরে উৎপাদিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) BARI — এটি প্রধানত বিভিন্ন ফসল ও প্রযুক্তির গবেষণা ও উদ্ভাবনের সাথে যুক্ত, বীজ উৎপাদনের প্রধান সরকারি সংস্থা এটি নয়। B) BRRI — এটি শুধুমাত্র ধান গবেষণা ও এর জাত উদ্ভাবনের প্রধান জাতীয় প্রতিষ্ঠান, বীজ উৎপাদন এর একমাত্র প্রধান কাজ নয়। C) BADC — এটি সঠিক উত্তর। D) BINA — এটি পরমাণু শক্তি ব্যবহার করে ফসলের নতুন জাত উদ্ভাবন নিয়ে গবেষণা করে, বীজ উৎপাদন প্রধান কাজ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: বীজ (Seed) এবং উন্নয়ন (Development) শব্দ দুটি মনে রাখলেই BADC নামটি সহজে মনে রাখা যায়। গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর কাজ জাত উদ্ভাবন, আর BADC-র কাজ বীজ উৎপাদন ও সরবরাহ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই গবেষণা প্রতিষ্ঠান এবং উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়। BADC যে বীজ উৎপাদনের সাথে জড়িত, তা বিভিন্ন ব্যাংক ও শিক্ষক নিবন্ধনের পরীক্ষায় বারবার আসে।
a ১০০ : ১০৬
b ১০০ : ১০০.৬
c ১০০ : ১০০.৩
d ১০০ : ১০০
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১০০ : ১০০.৩ ১. কেন সঠিক: - ২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী বাংলাদেশে নারী ও পুরুষের এই অনুপাত নির্ধারিত হয়েছিল। - এর অর্থ দাঁড়ায় প্রতি একশ জন নারীর বিপরীতে পুরুষের সংখ্যা ছিল একশ দশমিক তিন জন। ২. জনসংখ্যা ও জনমিতি: - জনসংখ্যার তথ্য: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো পরিচালিত ২০১১ সালের পঞ্চম আদমশুমারির এই তথ্য প্রকাশিত হয়। - জনমিতির তাৎপর্য: এই অনুপাত দেশের লিঙ্গ ভারসাম্য ও জনমিতিক বৈশিষ্ট্য বুঝতে সাহায্য করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ব্যাখ্যা: এই রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানটি দেশের সকল আদমশুমারি ও জনশুমারি পরিচালনা করে থাকে। উদাহরণ ২: ২০২২ সালের জনশুমারি ব্যাখ্যা: পরবর্তী জনশুমারির তথ্য অনুযায়ী দেশের নারী ও পুরুষের এই অনুপাতে পরিবর্তন এসেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০০ : ১০৬ — এই অনুপাতটি ২০১১ সালের জনশুমারির প্রকৃত তথ্য নয়। B) ১০০ : ১০০.৬ — এটি ২০১১ সালের নারী ও পুরুষের সঠিক জনমিতিক অনুপাত নির্দেশ করে না। D) ১০০ : ১০০ — এই সমতার অনুপাতটি ২০১১ সালের শুমারির ফলাফলের সাথে মিলে না। ৫ মনে রাখার টিপস: - ২০১১ সালের শুমারিতে পুরুষের সংখ্যা সামান্য বেশি ছিল। - মনে রাখতে হবে প্রতি ১০০ জনে পুরুষের সংখ্যা ছিল ১০০.৩ জন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - আদমশুমারির বছর ও ফলাফল প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। - পরবর্তী শুমারিগুলোর তথ্য আলাদাভাবে মনে রাখতে হবে।
a ৬৫.৪ বছর
b ৬৭.৫ বছর
c ৭০.৯ বছর
d ৭২.৬ বছর
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৭২.৬ বছর ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) এর জনশুমারি বা নির্ধারিত সামাজিক সূচক অনুযায়ী মানুষের গড় আয়ুর এই পরিসংখ্যানটি নির্ধারিত হয়েছে। স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়ন, শিশুমৃত্যুর হার হ্রাস এবং পুষ্টির মান বৃদ্ধির ফলে বাংলাদেশের মানুষের গড় আয়ু ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পেয়েছে। ২. জনসংখ্যা ও সামাজিক উন্নয়ন: জনমিতি ও স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়ন: দেশের প্রতিটি নাগরিকের জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণ এবং টিকাদান কর্মসূচির সাফল্যের কারণে গড় আয়ু বৃদ্ধি পেয়েছে। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) দেশের আর্থসামাজিক ও জনমিতি সংক্রান্ত এই ধরনের নির্ভরযোগ্য প্রাক্কলন প্রকাশ করে থাকে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (EPI) ব্যাখ্যা: শিশু মৃত্যুর হার কমাতে এই কর্মসূচি ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেছে, যা পরোক্ষভাবে গড় আয়ু বৃদ্ধিতে সহায়তা করেছে। উদাহরণ ২: কমিউনিটি ক্লিনিক কার্যক্রম ব্যাখ্যা: প্রান্তিক পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যমে মাতৃমৃত্যু ও শিশুমৃত্যু কমানো সম্ভব হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৬৫.৪ বছর - এটি অনেক পুরোনো একটি পরিসংখ্যান এবং বর্তমান বাস্তবতার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। B) ৬৭.৫ বছর - এই সংখ্যাটিও অতীতের কম জীবনকাল নির্দেশ করে যা বর্তমানের প্রগতির তুলনায় বেশ নিচে। C) ৭০.৯ বছর - এটি বিগত কয়েক বছর আগের গড় আয়ু নির্দেশ করে যা বর্তমানের ৭২ বছরের বেশি অর্জনের চেয়ে কম। D) ৭২.৬ বছর - এটি সরকারি হিসাব অনুযায়ী সঠিক এবং পরীক্ষামুখী একটি হালনাগাদ পরিসংখ্যান। ৫ মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর মানুষের গড় আয়ু ছিল অনেক কম, যা বর্তমানে প্রায় ৭৩ বছরের কাছাকাছি পৌঁছেছে। ৭২ এর ঘরের এই পরিসংখ্যানটি মনে রাখতে ৭২.৬ সংখ্যাটি বারবার চর্চা করতে পারেন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) প্রকাশিত অর্থনৈতিক সমীক্ষা বা জনমিতি সংক্রান্ত সূচকগুলো থেকে প্রায়ই এই ধরনের প্রশ্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। স্বাস্থ্য খাতের যেকোনো অর্জন সংক্রান্ত প্রশ্ন সমাধানের জন্য সর্বশেষ প্রকাশিত সরকারি ডেটা মনে রাখা জরুরি।
a শেরপুর
b ময়মনসিংহ
c সিলেট
d নেত্রকোনা
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সিলেট ১. কেন সঠিক: হাজং জনগোষ্ঠী মূলত বাংলাদেশের উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ময়মনসিংহ বিভাগ এবং তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে বসবাস করে। সিলেট অঞ্চলে হাজং আদিবাসীর মূল বসতি নেই, তাই এই অপশনটি সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: জনমিতি ও উপজাতি: হাজংরা বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রধান ক্ষুদ্র জাতিসত্তা বা আদিবাসী গোষ্ঠী। এদের প্রধান বসতি শেরপুর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা ও সুনামগঞ্জ জেলায় বিস্তৃত। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: গারো উপজাতি ব্যাখ্যা: গারো উপজাতিও মূলত ময়মনসিংহ, শেরপুর, নেত্রকোনা ও টাঙ্গাইল অঞ্চলে বসবাস করে, যা হাজংদের জনবসতির সঙ্গে মিল রাখে। উদাহরণ ২: খাসিয়া উপজাতি ব্যাখ্যা: খাসিয়া উপজাতি মূলত সিলেট ও মৌলভীবাজার অঞ্চলে বসবাস করে, যা হাজংদের ভৌগোলিক বিতরণের বিপরীত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শেরপুর — শেরপুর জেলায় হাজং উপজাতির উল্লেখযোগ্য বসতি রয়েছে, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। B) ময়মনসিংহ — ময়মনসিংহ জেলায় হাজং জনগোষ্ঠীর ঐতিহাসিক ও বর্তমান বসবাস রয়েছে, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। C) সিলেট — সিলেটে প্রধানত খাসিয়া, মনিপুরী ও পাত্র আদিবাসীদের বসবাস রয়েছে, হাজংদের বসতি নেই। D) নেত্রকোনা — নেত্রকোনা জেলায় হাজং জনগোষ্ঠীর যথেষ্ট জনবসতি রয়েছে, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: হাজংদের বসবাস মনে রাখার সহজ উপায় হলো ময়মনসিংহ বিভাগের জেলাগুলো যেমন ময়মনসিংহ, শেরপুর ও নেত্রকোনা মনে রাখা। সিলেট অঞ্চলে হাজংদের পরিবর্তে মূলত খাসিয়া ও মনিপুরী উপজাতির মানুষ বেশি বসবাস করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলাদেশের আদিবাসী ও ক্ষুদ্র জাতিসত্তার ভৌগোলিক বিতরণ থেকে প্রতি বছর প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে। কোন অঞ্চলে কোন উপজাতি বাস করে, তা ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা সম্ভব।

মোট প্রশ্ন (15)

a আফ্রিকার জোহানেসবার্গে
b ব্রাজিলের রিও-ডিজেনিরোতে
c ইতালির রোমে
d যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ব্রাজিলের রিও-ডিজেনিরোতে ১. কেন সঠিক: ধারিত্রী সম্মেলন বা আর্থ সামিট ১৯৯২ সালের ৩ থেকে ১৪ জুন ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরো শহরে অনুষ্ঠিত হয়। এটি জাতিসংঘের পরিবেশ ও উন্নয়ন বিষয়ক সম্মেলন এবং বিশ্বব্যাপী টেকসই উন্নয়নের রূপরেখা তৈরির প্রথম বৃহৎ আন্তর্জাতিক উদ্যোগ। ২. আন্তর্জাতিক সম্মেলন ও পরিবেশ চুক্তি: নাম: ধরিত্রী সম্মেলন বা রিও সম্মেলন। তারিখ: ৩ থেকে ১৪ জুন ১৯৯২ সাল। স্থান: রিও ডি জেনিরো, ব্রাজিল। উদ্দেশ্য: বৈশ্বিক পরিবেশ সুরক্ষা এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা। গুরুত্ব: এই সম্মেলনে এজেন্ডা ২১, জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত কনভেনশন এবং জীববৈচিত্র্য চুক্তি গৃহীত হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: কিওটো প্রটোকল ১৯৯৭ ব্যাখ্যা: ধরিত্রী সম্মেলনের ধারাবাহিকতায় গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাসের জন্য ১৯৯৭ সালে এই প্রটোকল স্বাক্ষরিত হয়। উদাহরণ ২: প্যারিস চুক্তি ২০১৫ ব্যাখ্যা: বৈশ্বিক উষ্ণতা ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে রাখার লক্ষ্যে ২০১৫ সালে ঐতিহাসিক এই জলবায়ু চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আফ্রিকার জোহানেসবার্গে — এই শহরে ২০০২ সালে টেকসই উন্নয়ন সম্পর্কিত বিশ্ব সম্মেলন বা রিও প্লাস টেন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। B) ব্রাজিলের রিও-ডিজেনিরোতে — এটি সঠিক উত্তর কারণ ১৯৯২ সালের মূল ধরিত্রী সম্মেলন এখানেই অনুষ্ঠিত হয়েছিল। C) ইতালির রোমে — এই শহরে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার সদর দপ্তর অবস্থিত, যা ধরিত্রী সম্মেলনের মূল আয়োজক স্থান নয়। D) যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে — এখানে বিশ্বব্যাংক এবং আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের সদর দপ্তর অবস্থিত, যা পরিবেশ সম্মেলনের স্থান নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: ধারিত্রী মানে পৃথিবী আর পৃথিবী বাঁচানোর মহা সম্মেলন হয়েছিল লাতিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিলের রিও শহরে। রিও মানে নদী আর ধরিত্রী সম্মেলন মানে নদীর তীরে পৃথিবীর ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: রিও সম্মেলনে গৃহীত এজেন্ডা ২১ একবিংশ শতাব্দীর টেকসই উন্নয়নের বৈশ্বিক কর্মপরিকল্পনা। এখান থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে যে ধরিত্রী সম্মেলন কত সালে এবং কোথায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
a Google Earth
b Street View
c Road Image
d Google Map
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Street View ১. কেন সঠিক: ভারত সরকার জাতীয় নিরাপত্তা এবং সংবেদনশীল সামরিক ও সরকারি স্থাপনার গোপনীয়তা রক্ষার স্বার্থে গুগলকে তাদের এই জনপ্রিয় ম্যাপ ম্যাপিং সেবা থেকে ছবি তোলা বন্ধ করতে নির্দেশ দেয়। গুগলের এই বিশেষ ফিচারটি কোনো নির্দিষ্ট এলাকার ৩৬০ ডিগ্রি প্যানোরামিক দৃশ্য উপস্থাপন করে, যার ফলে অনেক সময় সংবেদনশীল এলাকার গোপন তথ্য ফাঁস হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়। ২. ভূরাজনীতি ও নিরাপত্তা: দেশ: ভারত, দক্ষিণ এশিয়ার একটি বৃহত্তম গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ভূরাজনৈতিক শক্তি। প্রেক্ষাপট: সামরিক ঘাঁটি, পারমাণবিক স্থাপনা এবং ভিআইপি এলাকার নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে বিভিন্ন দেশ আধুনিক প্রযুক্তির ওপর নানা ধরনের আইনি ও প্রশাসনিক কড়াকড়ি আরোপ করে থাকে। উদ্দেশ্য ও গুরুত্ব: জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষা এবং কৌশলগত গোপনীয়তা বজায় রাখার জন্য প্রযুক্তির অবাধ ব্যবহারের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা সরকারের সার্বভৌম দায়িত্বের অন্তর্ভুক্ত। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: জার্মানি ব্যাখ্যা: ব্যক্তিগত গোপনীয়তার কঠোর আইনের কারণে জার্মানির বড় বড় শহরে গুগলের এই সেবা চালুর সময় তীব্র আপত্তি জানানো হয়েছিল এবং তা সীমিত রাখা হয়েছিল। উদাহরণ ২: দক্ষিণ কোরিয়া ব্যাখ্যা: সামরিক সংঘাতের ইতিহাস এবং উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে উত্তেজনার কারণে দক্ষিণ কোরিয়া তাদের ভূখণ্ডের বিশদ সামরিক ও ভৌগোলিক তথ্য বিদেশি ডিজিটাল ম্যাপ সংস্থাকে প্রদান করতে কঠোর নিষেধাজ্ঞা দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Google Earth — এটি একটি স্যাটেলাইট ইমেজভিত্তিক ভার্চুয়াল গ্লোব সফটওয়্যার, যা সরাসরি স্ট্রিট ভিউর মতো রাস্তা থেকে ছবি তোলার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) Street View — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই নির্দিষ্ট ফিচারটির মাধ্যমেই রাস্তা ও ভবনের কাছাকাছি থেকে ৩৬০ ডিগ্রি ছবি তোলা হয়। C) Road Image — এটি কোনো স্বতন্ত্র বা প্রাতিষ্ঠানিক গুগল সেবা নয়, বরং রাস্তা সংক্রান্ত সাধারণ ছবির একটি নাম মাত্র। D) Google Map — এটি একটি সামগ্রিক নেভিগেশন ও রুট প্রদর্শনী সেবা, যা থেকে সম্পূর্ণ ম্যাপ সেবা নিষিদ্ধ করা হয়নি, কেবল একটি নির্দিষ্ট ফিচার সীমিত করা হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: রাস্তার ধারের ছবি তোলা বা গলির ভেতরের দৃশ্য দেখার সঙ্গে স্ট্রিট ভিউ কথাটি সরাসরি জড়িত। নিরাপত্তা ও গোপনীয়তার প্রশ্নে ভারত সরকার গুগলের এই ফিচারটির ওপরই মূলত নিষেধাজ্ঞা বা কড়াকড়ি আরোপ করেছিল। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: জাতীয় নিরাপত্তা ও প্রযুক্তিগত সার্বভৌমত্ব বর্তমান বিশ্বের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও আলোচিত বিষয়। একই বিষয় থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সার্বভৌমত্ব রক্ষা, ডিজিটাল আইন এবং ভূরাজনৈতিক নিরাপত্তার ওপর প্রশ্ন আসতে পারে।
a ২৫%
b ৩৫%
c ৪৫%
d ৫৫%
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২৫% ১. কেন সঠিক: মিয়ানমারের ২০০৮ সালের সংবিধান অনুযায়ী দেশটির সংসদের (পায়হুটাউ বা পাইথু হ্লুতাও) মোট আসনের ২৫ শতাংশ সামরিক বাহিনীর সদস্যদের জন্য সংরক্ষিত রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এর মাধ্যমে মিয়ানমারের রাজনীতি ও আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়ায় সরাসরি সামরিক প্রভাব নিশ্চিত করা হয়েছিল, যা দীর্ঘ সময় দেশটিতে গণতান্ত্রিক উত্তরণের পথকে বাধাগ্রস্ত করেছে। ২. ভূরাজনীতি ও সাংবিধানিক পটভূমি: দেশ: মিয়ানমার (পূর্বের নাম বার্মা), দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি রাষ্ট্র। প্রেক্ষাপট: ২০০৮ সালে তৎকালীন সামরিক সরকারের অধীনে এই সংবিধান প্রণয়ন করা হয় এবং পরবর্তীতে বিভিন্ন বিতর্কিত নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। উদ্দেশ্য: সামরিক বাহিনী বা টাটমাডো যাতে দেশের প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তার পাশাপাশি রাজনৈতিক ক্ষমতার চাবিকাঠি নিজেদের হাতে রাখতে পারে। গুরুত্ব: এই বিধানের কারণে মিয়ানমারের সংসদে কোনো একক রাজনৈতিক দল সহজে সংবিধান সংশোধন করতে পারত না, কারণ সংশোধনের জন্য ৭৫ শতাংশেরও বেশি ভোটের প্রয়োজন হয় এবং ২৫ শতাংশ আসন তো সেনাসদস্যদের দখলেই থাকে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: থাইল্যান্ডের সেনাশাসিত রাজনৈতিক ব্যবস্থা। ব্যাখ্যা: থাইল্যান্ডের সংবিধানেও অতীতে সেনাসমর্থিত বা মনোনীত সিনেট সদস্যদের ভূমিকা রাখা এবং নির্বাচনে সামরিক প্রভাব বজায় রাখার বিধান ছিল, যা মিয়ানমারের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। উদাহরণ ২: পাকিস্তানের রাজনীতিতে সামরিক হস্তক্ষেপ। ব্যাখ্যা: পাকিস্তানের রাজনৈতিক ইতিহাসে সরাসরি সামরিক শাসন এবং গোয়েন্দা সংস্থার প্রভাবের বিষয়টি মিয়ানমারের মতো রাষ্ট্র পরিচালনায় সেনাবাহিনীর আধিপত্যকে মনে করিয়ে দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৫% — এটি সঠিক উত্তর কারণ মিয়ানমারের ২০০৮ সালের সংবিধানে আইনসভার উভয় কক্ষে ঠিক এক চতুর্থাংশ বা ২৫ শতাংশ আসন সামরিক বাহিনীর জন্য নির্ধারিত। B) ৩৫% — এটি ভুল কারণ সংবিধানে সামরিক বাহিনীর জন্য ৩৫ শতাংশ আসন রাখার কোনো বিধান কখনো ছিল না এবং এটি সঠিক উত্তরের সঙ্গে মেলে না। C) ৪৫% — এটি ভুল কারণ ৪৫ শতাংশ আসন অনেক বেশি এবং সামরিক বাহিনীকে এত বড় একক কোটা দেওয়ার কোনো সাংবিধানিক স্বীকৃতি সেখানে ছিল না। D) ৫৫% — এটি ভুল কারণ ৫৫ শতাংশ আসন সংরক্ষিত থাকলে সংসদ সম্পূর্ণভাবে সেনাসদস্যদের নিয়ন্ত্রণে চলে যেত, যা আংশিক বেসামরিক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তনের ২০০৮ সালের কৌশলের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। ৫ মনে রাখার টিপস: মিয়ানমারের সংবিধানে সেনাবাহিনীর ক্ষমতা মনে রাখতে সংখ্যাটি এক চতুর্থাংশ বা ২৫ শতাংশ হিসেবে মনে রাখতে হবে। সেনাবাহিনী সবসময় ক্ষমতা নিজের মুঠোয় রাখতে চায়, তাই তারা সংসদের চার ভাগের এক ভাগ অর্থাৎ ২৫ শতাংশ আসন নিজেদের নামে লিখে রেখেছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মিয়ানমারের বর্তমান সামরিক শাসন এবং বিগত গণতান্ত্রিক সরকারের সময়কার সাংবিধানিক সংকট থেকে প্রায়ই বিসিএস ও ব্যাংক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে। এই প্রশ্নটি থেকে মিয়ানমারের সংসদীয় ব্যবস্থা এবং ২০০৮ সালের সংবিধানের মূল বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে ধারণা স্পষ্ট হয়।
a IPCC
b COP 21
c Green Peace
d Sierra Club
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) IPCC ১. কেন সঠিক: জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক সংস্থা UNEP এবং বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা WMO এর মিলিত উদ্যোগে ১৯৮৮ সালে জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত আন্তঃসরকার প্যানেল বা IPCC প্রতিষ্ঠা লাভ করে। এই সংস্থাটি মানবসৃষ্ট জলবায়ু পরিবর্তনের বৈজ্ঞানিক ভিত্তি, এর প্রভাব এবং ভবিষ্যৎ ঝুঁকি মূল্যায়ন করার জন্য বিশ্বজুড়ে বিজ্ঞানীদের গবেষণাকে একত্রিত করে। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: সংস্থা: IPCC (Intergovernmental Panel on Climate Change) প্রতিষ্ঠা: ১৯৮৮ সাল সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড উদ্দেশ্য: জলবায়ু পরিবর্তনের বৈজ্ঞানিক মূল্যায়ন প্রতিবেদন প্রকাশ করা এবং নীতিনির্ধারকদের সঠিক তথ্য দিয়ে সহায়তা করা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: কিওটো প্রটোকল ব্যাখ্যা: IPCC এর বৈজ্ঞানিক প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করেই পরবর্তীতে ১৯৯৭ সালে কিওটো প্রটোকল স্বাক্ষরিত হয়েছিল। উদাহরণ ২: প্যারিস চুক্তি ব্যাখ্যা: ২০১৫ সালের প্যারিস জলবায়ু চুক্তির লক্ষ্য নির্ধারণেও IPCC এর বৈজ্ঞানিক গবেষণার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) IPCC — এটি UNEP ও WMO এর যৌথ উদ্যোগে গঠিত জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক বৈজ্ঞানিক সংস্থা হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। B) COP 21 — এটি জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন কাঠামো কনভেনশনের বার্ষিক শীর্ষ সম্মেলনের একটি আসর যা ২০১৫ সালে প্যারিসে অনুষ্ঠিত হয়। C) Green Peace — এটি একটি আন্তর্জাতিক বেসরকারি পরিবেশবাদী সংস্থা, যা কোনো জাতিসংঘ সংস্থার যৌথ উদ্যোগে গঠিত হয়নি। D) Sierra Club — এটি যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রাচীন ও স্বনামধন্য পরিবেশবাদী বেসরকারি সংগঠন, যা সরকারি বা যৌথ সংস্থার উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: পরিবেশ মানে UNEP আর আবহাওয়া মানে WMO, এই দুটি সংস্থা মিলে জলবায়ুর জন্য গঠন করেছে IPCC। ১৯৮৮ সালে গঠিত এই সংস্থার সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: BCS ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জানতে চাওয়া হয় IPCC কোন দুটি সংস্থার যৌথ উদ্যোগ। একই বিষয় থেকে প্রশ্ন আসতে পারে IPCC এর পূর্ণরূপ কী বা এটি কত সালে গঠিত হয়।
a UNDP
b World Bank
c IMF
d BRICS
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) World Bank ১. কেন সঠিক: World Bank বা বিশ্বব্যাংক প্রতিবছর বিশ্ব অর্থনীতির সার্বিক চিত্র তুলে ধরতে ওয়ার্ল্ড ডেভেলপমেন্ট রিপোর্ট প্রকাশ করে থাকে। এই প্রতিবেদনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, দারিদ্র্য বিমোচন এবং নীতিগত সংস্কারের বিশদ তথ্য ও উপাত্ত প্রকাশ করা হয়। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: সংস্থা: বিশ্বব্যাংক বা World Bank আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠা: ১৯৪৪ সালে ব্রেটন উডস সম্মেলনের মাধ্যমে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। সদর দপ্তর: যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসি। উদ্দেশ্য: সদস্য দেশগুলোকে দারিদ্র্য বিমোচন ও দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়নের জন্য ঋণ ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: আইএমএফ বা আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল ব্যাখ্যা: বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফ উভয়ই ব্রেটন উডস প্রতিষ্ঠান নামে পরিচিত এবং বিশ্ব অর্থনীতি নিয়ে কাজ করে। উদাহরণ ২: গ্লোবাল ইকোনমিক প্রসপেক্টস ব্যাখ্যা: এটি বিশ্বব্যাংকের আরেকটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বার্ষিক প্রতিবেদন যা বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) UNDP — এটি জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচি যা মানব উন্নয়ন সূচক বা HDR প্রকাশ করে। B) World Bank — এটি সঠিক উত্তর। C) IMF — এটি বৈশ্বিক আর্থিক স্থিতিশীলতা নিয়ে কাজ করে এবং ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুক প্রকাশ করে। D) BRICS — এটি উদীয়মান অর্থনীতিগুলোর একটি আঞ্চলিক ও ভূরাজনৈতিক জোট। ৫ মনে রাখার টিপস: বিশ্বব্যাংক দেশের উন্নয়নের জন্য কাজ করে তাই এর বার্ষিক প্রকাশনার নামের সাথে ডেভেলপমেন্ট বা উন্নয়ন শব্দটি যুক্ত থাকে। ওয়ার্ল্ড ডেভেলপমেন্ট রিপোর্ট এবং ওয়ার্ল্ড ব্যাংক উভয়ের নামের শুরুতে ওয়ার্ল্ড শব্দটি রয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিশ্বব্যাংকের বর্তমান প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গা এবং এর মূল অঙ্গসংস্থা হলো পাঁচটি। একই বিষয় থেকে প্রশ্ন আসতে পারে মানব উন্নয়ন প্রতিবেদন কোন সংস্থা প্রকাশ করে।
a ওয়াশিংটন ডিসি
b নিউইয়র্ক
c জেনেভা
d রোম
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ওয়াশিংটন ডিসি ১. কেন সঠিক: - আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের সদর দপ্তর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত। - ব্রেটন উডস সম্মেলনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিশ্বব্যাংক ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের মতো গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো ওয়াশিংটন ডিসিতে স্থাপন করা হয়। ২. আন্তর্জাতিক সংস্থা পরিচিতি: - সংস্থা: আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা আইএমএফ - প্রতিষ্ঠা: ২৭ ডিসেম্বর ১৯৪৫ সাল - সদর দপ্তর: ওয়াশিংটন ডিসি, যুক্তরাষ্ট্র - সদস্যদেশ: ১৯০টি দেশ - প্রধান কাজ: বৈশ্বিক আর্থিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং বৈদেশিক মুদ্রার সংকট মোকাবিলায় ঋণ প্রদান করা ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিশ্বব্যাংক ব্যাখ্যা: বিশ্বব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ও যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত এবং এটিও ব্রেটন উডস সম্মেলনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। উদাহরণ ২: ব্রেটন উডস সম্মেলন ব্যাখ্যা: ১৯৪৪ সালে অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনের উদ্দেশ্য ছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর বৈশ্বিক অর্থনীতি পুনর্গঠন করা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ওয়াশিংটন ডিসি — এটি সঠিক উত্তর কারণ আইএমএফের প্রধান কার্যালয় এখানেই অবস্থিত। B) নিউইয়র্ক — এটি যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম বড় শহর এবং জাতিসংঘের সদর দপ্তর এখানে অবস্থিত হলেও আইএমএফের সদর দপ্তর এখানে নয়। C) জেনেভা — এটি সুইজারল্যান্ডের শহর এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার মতো গুরুত্বপূর্ণ সংস্থার সদর দপ্তর এখানে অবস্থিত। ডি) রোম — এটি ইতালির রাজধানী এবং জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার সদর দপ্তর এখানে অবস্থিত। ৫ মনে রাখার টিপস: টাকা-পয়সা এবং বিশ্ব অর্থনীতির প্রধান নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠানগুলোর সদর দপ্তর সাধারণত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে তথা ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত। আইএমএফ এবং বিশ্বব্যাংকের প্রধান কার্যালয় একই শহরে অবস্থিত যা মনে রাখা সহজ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: আইএমএফ কত সালে কার্যক্রম শুরু করে এবং এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা কত, তা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। একই বিষয় থেকে প্রশ্ন হতে পারে যে ব্রেটন উডস জুটির অন্তর্ভুক্ত প্রতিষ্ঠান কয়টি ও কী কী।
a IFC
b IBRD
c MIGA
d ICSID
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) IFC ১. কেন সঠিক: ওয়ার্ল্ড ব্যাংক গ্রুপের অন্তর্ভুক্ত এই সংস্থাটি উন্নয়নশীল দেশগুলোর বেসরকারি খাতের উন্নয়নে সরাসরি পুঁজি বিনিয়োগ এবং প্রযুক্তিগত পরামর্শ দিয়ে থাকে। সরকারি খাতের বাইরে উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করার মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনই এই সংস্থার মূল লক্ষ্য। ২. বিশ্বব্যাংক ও সংশ্লিষ্ট সংস্থা: সংস্থা: ইন্টারন্যাশনাল ফাইন্যান্স কর্পোরেশন (IFC) প্রতিষ্ঠা: ১৯৫৬ সালের ২০ জুলাই সদর দপ্তর: ওয়াশিংটন ডিসি, যুক্তরাষ্ট্র প্রধান কাজ: উন্নয়নশীল দেশের বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ঋণ প্রদান ও বিনিয়োগ আকর্ষণ করা ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশ এবং আইএফসি ব্যাখ্যা: বাংলাদেশে বেসরকারি বিদ্যুৎ উৎপাদন, তৈরি পোশাকশিল্প এবং আর্থিক খাতের প্রসারে আইএফসি দীর্ঘকাল ধরে সরাসরি বিনিয়োগ ও পরামর্শ দিয়ে আসছে। উদাহরণ ২: আইবিআরডি বনাম আইএফসি ব্যাখ্যা: আইবিআরডি সাধারণত মধ্যম আয়ের দেশের সরকারি প্রকল্পে ঋণ দেয়, আর আইএফসি কাজ করে সম্পূর্ণভাবে বেসরকারি খাত নিয়ে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) IFC — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি স্বল্প আয়ের উন্নয়নশীল দেশের বেসরকারি খাতে আর্থিক সহায়তা ও উপদেশ দিয়ে থাকে। B) IBRD — এটি বিশ্বব্যাংকের মূল ঋণদানকারী শাখা যা মূলত মধ্যম আয়ের উন্নয়নশীল দেশের সরকারি খাতে দীর্ঘমেয়াদী ঋণ ও উন্নয়ন সহায়তা প্রদান করে। C) MIGA — এটি বিশ্বব্যাংক গ্রুপের এমন একটি সংস্থা যা উন্নয়নশীল দেশে বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার জন্য রাজনৈতিক ঝুঁকি বীমা প্রদান করে। D) ICSID — এটি বিশ্বব্যাংকের একটি অঙ্গসংস্থা যা বিভিন্ন দেশের সরকার এবং বিদেশি বিনিয়োগকারীদের মধ্যকার বিনিয়োগ বিরোধ নিষ্পত্তি করে থাকে। ৫ মনে রাখার টিপস: বিশ্বব্যাংক গ্রুপের পাঁচটি সংস্থার কাজ আলাদাভাবে মনে রাখতে হবে। আইএফসি নামের ভেতরেই ফিন্যান্স বা অর্থায়নের ব্যাপারটি আছে, যা বেসরকারি খাতের ব্যবসার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিশ্বব্যাংক গ্রুপের পূর্ণাঙ্গ রূপ এবং এর পাঁচটি অঙ্গসংস্থা অর্থাৎ আইবিআরডি, আইডিএ, আইএফসি, মিগা এবং আইসিএসআইডি সম্পর্কে প্রায়ই চাকরির পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে। কোন সংস্থা কোন খাতে ঋণ বা সেবা দেয়, তা ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a ইতালি
b ইংল্যান্ড
c ফ্রান্স
d রাশিয়া
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ফ্রান্স ১. কেন সঠিক: সামন্তবাদ বা ফিওডালিজম মূলত মধ্যযুগের ইউরোপে গড়ে ওঠা এক সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থা। রোমান সাম্রাজ্যের পতনের পর ইউরোপে কেন্দ্রীয় শাসন দুর্বল হয়ে পড়লে এবং নিরাপত্তার সংকট তৈরি হলে এই ব্যবস্থার সূত্রপাত হয়, যা সর্বপ্রথম ফ্রান্সে দানা বেঁধেছিল। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: দেশ: ফ্রান্স প্রেক্ষাপট: ক্যারোলিংজিয়ান সাম্রাজ্যের পতনের পর স্থানীয় ভূস্বামীদের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। উদ্দেশ্য: রাজা বা প্রধান শাসকের পক্ষে পুরো দেশের নিরাপত্তা দেওয়া অসম্ভব হয়ে পড়লে এই ব্যবস্থার বিস্তার ঘটে। গুরুত্ব: এটি মধ্যযুগীয় ইউরোপীয় সমাজের ভিত্তি তৈরি করেছিল, যেখানে ভূমি ছিল ক্ষমতার মূল উৎস। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ইংল্যান্ড ব্যাখ্যা: নরম্যান বিজয়ের মাধ্যমে একাদশ শতাব্দীতে ফ্রান্সে প্রচলিত সামন্ততান্ত্রিক ব্যবস্থা ইংল্যান্ডে প্রবর্তিত হয়। উদাহরণ ২: জাপান ব্যাখ্যা: ইউরোপের মতো এশিয়ার দেশ জাপানেও মধ্যযুগে সামন্তব্যবস্থা গড়ে উঠেছিল, যেখানে সামুরাইরা বিশেষ ভূমিকা পালন করেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইতালি — ইতালিতে সামন্তবাদের প্রভাব থাকলেও এটি সেখানে প্রথম সূত্রপাত হয়নি, বরং এটি রোমান সভ্যতার পতনের পর বিভিন্ন শহরে বিভক্ত ছিল। B) ইংল্যান্ড — ইংল্যান্ডে সামন্তবাদ পরে এসেছে, যা মূলত ১০৬৬ সালে নরম্যান বিজয়ের পর ফ্রান্স থেকে আমদানি করা হয়েছিল। C) ফ্রান্স — এটি সঠিক উত্তর কারণ ক্যারোলিংজিয়ান রাজবংশের পতনের পর ফ্রান্সে প্রথম সুসংগঠিত সামন্তব্যবস্থার ভিত্তি রচিত হয়। D) রাশিয়া — রাশিয়ায় সামন্তবাদী ব্যবস্থা বা সের্ফডম ইউরোপের অন্যান্য দেশের তুলনায় অনেক দেরিতে এবং ভিন্ন আঙ্গিকে গড়ে উঠেছিল। ৫. মনে রাখার টিপস: সামন্তবাদের আদি উৎস খুঁজতে গেলে মধ্যযুগের ইউরোপের কেন্দ্রস্থল ফ্রান্সে তাকাতে হবে। মনে রাখার কৌশল হিসেবে মনে রাখতে পারো, ফ্রান্সের মাটিতেই প্রথম নাইট ও লর্ডদের নিয়ে সামন্ততান্ত্রিক কাঠামোর গোড়াপত্তন হয়েছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জানতে চাওয়া হয় মধ্যযুগীয় ইউরোপের সামাজিক ভিত্তি কী ছিল। একই বিষয় থেকে প্রশ্ন আসতে পারে কোন ব্যবস্থায় ভূমির মালিকানার ওপর ভিত্তি করে রাজনৈতিক ক্ষমতা নির্ধারিত হতো।
a জাপান , জার্মানি, ফ্রান্স , ব্রিটেন, কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র
b ফ্রান্স , রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, চীন
c যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি, ব্রিটেন, ব্রাজিল, চীন, নাইজেরিয়া
d উত্তর কোরিয়া, পাকিস্তান, ভারত, ইসলায়েল, চীন
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, চীন ১. কেন সঠিক: জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ হলো জাতিসংঘের সবচেয়ে ক্ষমতাধর অঙ্গ যা আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষা করে। এই পরিষদের মোট সদস্যসংখ্যা পনেরোটি, যার মধ্যে পাঁচটি স্থায়ী এবং দশটি অস্থায়ী সদস্যরাষ্ট্র রয়েছে। স্থায়ী সদস্যরাষ্ট্রগুলোকে ভিটো ক্ষমতা বা বিশেষ ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে যার মাধ্যমে তারা যেকোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবে আপত্তি জানিয়ে তা আটকে দিতে পারে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বিজয়ী শক্তি হিসেবে এই পাঁচটি দেশ ১৯৪৫ সালে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার সময় থেকেই স্থায়ী সদস্য হিসেবে রয়েছে। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: সংস্থা: জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ বা ইউএনএসসি জাতিসংঘের প্রধান ছয়টি অঙ্গের একটি। প্রতিষ্ঠা: ২৪ অক্টোবর ১৯৪৫ সালে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার সাথেই এটি গঠিত হয়। সদর দপ্তর: নিউইয়র্ক শহর, যুক্তরাষ্ট্র। প্রেক্ষাপট: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বিশ্বশান্তি বজায় রাখতে এবং ভবিষ্যতে বড় সংঘাত এড়াতে এই পাঁচ পরাশক্তিকে নিয়ে এটি গঠিত হয়। উদ্দেশ্য: আন্তর্জাতিক শান্তি রক্ষা, শান্তি ভঙ্গের হুমকি মোকাবিলা করা এবং সামরিক পদক্ষেপ গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়া। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভিটো ক্ষমতা ব্যাখ্যা: স্থায়ী সদস্যরাষ্ট্রগুলোর মধ্যে যেকোনো একটি দেশও যদি কোনো প্রস্তাবের বিরুদ্ধে মত দেয়, তবে তা পাস হয় না, একে ভিটো ক্ষমতা বলা হয়। উদাহরণ ২: জি সেভেন জোট ব্যাখ্যা: জাতিসংঘের এই স্থায়ী সদস্যদের মধ্যে ফ্রান্স, ব্রিটেন ও যুক্তরাষ্ট্র হলো জি সেভেন জোটের সদস্য, যা পরীক্ষার্থীদের বুঝতে সাহায্য করে কারা বিশ্বরাজনীতিতে প্রধান ভূমিকা রাখে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাপান, জার্মানি, ফ্রান্স, ব্রিটেন, কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র — এই অপশনে জাপান, জার্মানি ও কানাডা রয়েছে যারা জাতিসংঘের স্থায়ী সদস্য নয়। B) ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, চীন — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং এটি নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচটি স্থায়ী সদস্যের সঠিক তালিকা। C) যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি, ব্রিটেন, ব্রাজিল, চীন, নাইজেরিয়া — এই অপশনে জার্মানি, ব্রাজিল ও নাইজেরিয়া রয়েছে যারা নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য নয়। D) উত্তর কোরিয়া, পাকিস্তান, ভারত, ইসলায়েল, চীন — এই অপশনে চীন ছাড়া বাকি দেশগুলো জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: স্থায়ী পাঁচ সদস্যের নাম সহজে মনে রাখার ফান কৌশল হিসেবে এফআরইউবিসি শব্দ বা ফরাসি, রুশ, যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন ও চীন এভাবে মনে রাখতে পারো। মনে রাখবে নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য পনেরোটি, যার দশটি অস্থায়ী এবং পাঁচটি স্থায়ী। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্যরা দুই বছরের জন্য নির্বাচিত হয় এবং এদের কোনো ভিটো ক্ষমতা থাকে না। এই টপিক থেকে প্রায়ই কোন দেশ স্থায়ী সদস্য নয় বা মোট সদস্য কত জন, এমন প্রশ্ন বিসিএস ও ব্যাংকের পরীক্ষায় আসে।
a ২২ নটিক্যাল মাইল
b ৪৪ নটিক্যাল মাইল
c ২০০ নটিক্যাল মাইল
d ৩৭০ নটিক্যাল মাইল
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২০০ নটিক্যাল মাইল ১. কেন সঠিক: - সামুদ্রিক আইন বা 'Law of the Sea Convention' অনুযায়ী উপকূলীয় রাষ্ট্রগুলো তাদের রেখা থেকে ২০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত অঞ্চলকে এক্সক্লুসিভ ইকোনমিক জোন বা বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল হিসেবে ঘোষণা করতে পারে। - এই অঞ্চলে সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্র জলরাশি এবং সমুদ্রের তলদেশের জীবন্ত ও খনিজ সম্পদের ওপর সার্বভৌম অর্থনৈতিক অধিকার ভোগ করে থাকে। ২. আন্তর্জাতিক চুক্তি ও আইন: - চুক্তির নাম: জাতিসংঘ সমুদ্র আইন কনভেনশন বা UNCLOS। - স্বাক্ষর বা গ্রহণের সাল: ১৯৮২ সালের ১০ ডিসেম্বর জামাইকার Montego Bay শহরে এই কনভেনশন স্বাক্ষরিত হয়। - কার্যকর হওয়ার সাল: ১৯৯৪ সালের ১৬ নভেম্বর আন্তর্জাতিকভাবে এই কনভেনশন কার্যকর করা হয়। - প্রধান উদ্দেশ্য: সমুদ্রের জীববৈচিত্র্য রক্ষা, নৌচলাচল নিশ্চিত করা এবং সামুদ্রিক সম্পদের ন্যায়সঙ্গত ব্যবহার প্রতিষ্ঠা করা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশ ও মিয়ানমার সমুদ্রসীমা বিরোধ ব্যাখ্যা: আন্তর্জাতিক আদালতের রায়ে বাংলাদেশ বঙ্গোপসাগরে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে দীর্ঘ সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তি করে ২০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত নিজস্ব বিশেষ অর্থনৈতিক অধিকার নিশ্চিত করেছে। উদাহরণ ২: দক্ষিণ চীন সাগর বিতর্ক ব্যাখ্যা: চীনসহ বিভিন্ন দেশ এই অঞ্চলে নিজেদের বিশেষ অর্থনৈতিক অধিকার ও ঐতিহাসিক দাবির পক্ষে লড়ছে, যা UNCLOS আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হওয়ায় ভূরাজনীতিতে উত্তেজনার সৃষ্টি করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২২ নটিক্যাল মাইল — এই মাপটি আন্তর্জাতিক আইনের প্রচলিত কোনো একক নির্দেশক নয়, কারণ আঞ্চলিক জলসীমা সাধারণত বারো নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত ধরা হয়। B) ৪৪ নটিক্যাল মাইল — এই পরিমাপটি সমুদ্র আইনের কোনো নির্দিষ্ট জোন বা অঞ্চলের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) ৩৭০ নটিক্যাল মাইল — এটি প্রায় দুইশো নটিক্যাল মাইলের কিলোমিটারের হিসাব, কিন্তু নটিক্যাল মাইলের সুনির্দিষ্ট মাপ অনুযায়ী ২০০ নটিক্যাল মাইলই সঠিক উত্তর। ৫ মনে রাখার টিপস: - সমুদ্র আইন সংক্রান্ত যেকোনো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের দূরত্ব জানতে চাইলে সবসময় ২০০ নটিক্যাল মাইল সংখ্যাটি মনে রাখবে। - আঞ্চলিক জলসীমা ১২ নটিক্যাল মাইল এবং অর্থনৈতিক অঞ্চল ২০০ নটিক্যাল মাইল এই দুটি মাপ আন্তর্জাতিক আইন পড়ার সময় আলাদা করে মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - UNCLOS কে প্রায়ই সংবিধান বা কন্সটিটিউশন অব দ্য ওশন্স বলা হয়ে থাকে যা সমুদ্র কূটনীতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - একই বিষয় থেকে সমুদ্রের তলদেশের মহীসোপান বা কন্টিনেন্টাল শেলফ কতদূর পর্যন্ত বিস্তৃত হতে পারে, সেই সম্পর্কিত প্রশ্নও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
a ২ এপ্রিল ২০১৫
b ১৪ জুলাই ২০১৫
c ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৪
d ১০ ডিসেম্বর ২০১৩
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৪ জুলাই ২০১৫ ১. কেন সঠিক: - এই প্রশ্নের ধরনটি আন্তর্জাতিক চুক্তি, সনদ ও প্রটোকল এবং পারমাণবিক অস্ত্র ও নিরস্ত্রীকরণ সম্পর্কিত। - ২০১৫ সালের ১৪ জুলাই অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায় ইরান এবং জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী পাঁচ সদস্য দেশ জার্মানিকে সঙ্গে নিয়ে ঐতিহাসিক পারমাণবিক চুক্তি স্বাক্ষর করে। ২. আন্তর্জাতিক চুক্তি সংক্রান্ত তথ্য: - চুক্তি বা সম্মেলনের নাম: জয়েন্ট কমপ্রিহেনসিভ প্ল্যান অব অ্যাকশন বা সংক্ষেপে জেসিপিওএ। - তারিখ ও স্থান: ১৪ জুলাই ২০১৫ সালে অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায় এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। - সংশ্লিষ্ট পক্ষ: ইরান এবং পি ফাইভ প্লাস ওয়ান অর্থাৎ যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, রাশিয়া, ফ্রান্স, চীন ও জার্মানি। - প্রধান উদ্দেশ্য: ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ সীমিত করার বিনিময়ে দেশটির ওপর থেকে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: এনপিটি বা পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি। ব্যাখ্যা: এটি পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ এবং এর শান্তিপূর্ণ ব্যবহারে সহযোগিতার জন্য ১৯৬৮ সালে স্বাক্ষরিত একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি। উদাহরণ ২: আইএইএ বা আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা। ব্যাখ্যা: এই সংস্থাটি বিশ্বজুড়ে পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহার নিশ্চিত করে এবং পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধে তদারকি করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২ এপ্রিল ২০১৫ — এই তারিখে ইরান ও বিশ্বশক্তিগুলোর মধ্যে চুক্তির রূপরেখা বা লোজান সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল, চূড়ান্ত চুক্তি নয়। B) ১৪ জুলাই ২০১৫ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর যা মূল চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখ নির্দেশ করে। C) ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৪ — এই তারিখটি এই ঐতিহাসিক পারমাণবিক চুক্তির সঙ্গে সম্পর্কিত নয় এবং এটি একটি সাধারণ দিন। D) ১০ ডিসেম্বর ২০১৩ — এই তারিখে ইরান ও বিশ্বশক্তিগুলোর মধ্যে অন্তর্বর্তীকালীন জেনেভা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল, যা চূড়ান্ত চুক্তির পথ প্রশস্ত করেছিল। ৫. মনে রাখার টিপস: - ২০১৫ সালের ১৪ জুলাই ভিয়েনায় ইরান পারমাণবিক চুক্তি স্বাক্ষর করে। - ১৫ সালের জুলাই মাস মনে রাখলে এই ঐতিহাসিক চুক্তির সাল সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এই চুক্তি থেকে প্রায়ই পি ফাইভ প্লাস ওয়ান বা কোন দেশগুলো যুক্ত ছিল তা পরীক্ষায় প্রশ্ন হিসেবে আসে। - চুক্তিটি কোন শহরে স্বাক্ষরিত হয়েছিল অর্থাৎ ভিয়েনা শহরটিও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ।
a ১৯৪৫
b ২০১১
c ২০১৩
d ১৯৭১
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৯৭১ ১. কেন সঠিক: - গ্রিনপিস একটি আন্তর্জাতিক পরিবেশবাদী সংগঠন যা ১৯৭১ সালে কানাডার ভ্যাঙ্কুভার শহরে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে। - পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা এবং পরিবেশ ধ্বংসের বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের মাধ্যমে এই সংগঠনের জন্ম হয়েছিল। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: - সংস্থা: গ্রিনপিস (Greenpeace) একটি বৈশ্বিক পরিবেশবাদী অলাভজনক সংস্থা। - প্রতিষ্ঠা/তারিখ: ১৯৭১ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর এই সংগঠনটি গঠিত হয়। - স্থান/সদর দপ্তর: এর আন্তর্জাতিক সদর দপ্তর নেদারল্যান্ডসের আমস্টারডাম শহরে অবস্থিত। - উদ্দেশ্য/গুরুত্ব: বিশ্বজুড়ে পরিবেশ রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তন রোধ এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে কাজ করা এই সংস্থার প্রধান লক্ষ্য। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমচকা দ্বীপের প্রতিবাদ ব্যাখ্যা: আলাস্কার কাছে মার্কিন পারমাণবিক পরীক্ষার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে ১৯৭১ সালে গ্রিনপিসের প্রতিষ্ঠাতারা একটি জাহাজে করে ওই অঞ্চলে যাত্রা করেছিলেন। উদাহরণ ২: ব্রেন্ট স্পার আন্দোলন ব্যাখ্যা: ১৯৯৫ সালে শেল অয়েল কোম্পানির একটি তেলসমৃদ্ধ প্ল্যাটফর্ম সাগরে ডুবিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা গ্রিনপিস সফলভাবে প্রতিহত করেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৪৫ — এই সালে জাতিসংঘের মতো আন্তর্জাতিক সংস্থা গঠিত হলেও গ্রিনপিস গঠিত হয়নি। B) ২০১১ — এই বছর গ্রিনপিস নয় বরং আরব বসন্তের পর নানা ভূরাজনৈতিক পরিবর্তন ঘটেছিল। C) ২০১৩ — এই সালে গ্রিনপিসের কোনো নতুন প্রতিষ্ঠাতা বা সূচনার ঘটনা ঘটেনি। D) ১৯৭১ — এটি গ্রিনপিস সংগঠনের প্রতিষ্ঠার সঠিক বছর। ৫. মনে রাখার টিপস: - ১৯৭১ সালে বাংলাদেশে যেমন স্বাধীনতা যুদ্ধ হয়েছিল, ঠিক একই বছরে বিশ্বে পরিবেশ রক্ষার জন্য গ্রিনপিস আন্দোলন শুরু হয়। - গ্রিনপিসের সদর দপ্তর আমস্টারডামে অবস্থিত, যা নেদারল্যান্ডসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে গ্রিনপিসের সদর দপ্তর কোথায় বা এটি কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। - পরিবেশ বিষয়ক যেকোনো আন্তর্জাতিক সংগঠনের প্রতিষ্ঠাকাল ও সদর দপ্তর মুখস্থ রাখা আবশ্যক।
a একটি গ্রন্থের নাম
b একটি পানীয়
c বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলন
d একটি NGO
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলন ১. কেন সঠিক: - এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলন কারণ ব্ল্যাক লাইভস ম্যাটার একটি বৈশ্বিক সামাজিক আন্দোলন যা কৃষ্ণাঙ্গদের বিরুদ্ধে পুলিশি সহিংসতা এবং বর্ণবাদের প্রতিবাদ করে। - ২০১৩ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এই আন্দোলন শুরু হলেও পরবর্তীতে এটি সারা বিশ্বে মানবাধিকার ও সমতার প্রতীক হিসেবে ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: - প্রেক্ষাপট: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কৃষ্ণাঙ্গ তরুণ ট্রেভন মার্টিনের মৃত্যুর পর ২০১৩ সালে এই আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে এবং জর্জ ফ্লয়েডের মৃত্যুর পর ২০২০ সালে তা বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে। - উদ্দেশ্য ও গুরুত্ব: প্রাতিষ্ঠানিক বর্ণবাদ দূর করা, বিচার ব্যবস্থায় সমতা আনা এবং কৃষ্ণাঙ্গ মানুষের জীবন ও অধিকার রক্ষা করা এই আন্দোলনের প্রধান লক্ষ্য। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: মার্টিন লুথার কিং জুনিয়রের নাগরিক অধিকার আন্দোলন। ব্যাখ্যা: এটি বিংশ শতাব্দীতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আফ্রিকান আমেরিকানদের আইনি ও সামাজিক অধিকার অর্জনের ঐতিহাসিক অহিংস আন্দোলন ছিল। উদাহরণ ২: বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলন বা অ্যান্টি অ্যাপারটাইড মুভমেন্ট। ব্যাখ্যা: দক্ষিণ আফ্রিকায় সরকারি বর্ণবাদী নীতির বিরুদ্ধে নেলসন ম্যান্ডেলার নেতৃত্বে পরিচালিত এই আন্দোলন বিশ্বজুড়ে সমতার আদর্শ প্রতিষ্ঠা করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) একটি গ্রন্থের নাম — ব্ল্যাক লাইভস ম্যাটার কোনো বই বা সাহিত্যকর্ম নয়, এটি একটি জীবন্ত সামাজিক আন্দোলন। B) একটি পানীয় — এটি কোনো ধরনের খাদ্য বা পানীয়র সঙ্গে সম্পর্কিত নয়, বরং এটি মানবাধিকার সংক্রান্ত একটি বৈশ্বিক স্লোগান। C) বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলন — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি কৃষ্ণাঙ্গদের অধিকার রক্ষায় কাজ করে। D) একটি NGO — ব্ল্যাক লাইভস ম্যাটার কোনো নিবন্ধিত বেসরকারি সংস্থা বা এনজিও নয়, এটি একটি বিকেন্দ্রীকৃত সামাজিক আন্দোলন। ৫ মনে রাখার টিপস: - ব্ল্যাক লাইভস ম্যাটার বা বিএলএম শব্দটি দেখলে সবসময় মনে রাখবে এটি কৃষ্ণাঙ্গদের জীবন রক্ষার জন্য বর্ণবাদের বিরুদ্ধে একটি বিশ্ব আন্দোলন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সাম্প্রতিক বিশ্ব রাজনীতি ও মানবাধিকার বিষয়ক প্রশ্নে এই ধরনের সামাজিক আন্দোলন থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - একই বিষয় থেকে আন্দোলনটি কবে ও কোথায় শুরু হয়েছিল এবং এর মূল স্লোগান কী ছিল তা নিয়ে প্রশ্ন আসতে পারে।
a রাশিয়া
b যুক্তরাষ্ট্র
c ইরান
d জার্মানি
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) যুক্তরাষ্ট্র ১. কেন সঠিক: - মাথাপিছু গ্রিনহাউজ গ্যাস উদগীরণের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র ঐতিহাসিক ও বর্তমান উভয় দিক থেকেই বিশ্বের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় দেশ। - দেশটির উন্নত জীবনযাত্রা, উচ্চ মাথাপিছু শক্তি খরচ এবং ব্যক্তিগত গাড়ি ও শিল্প খাতের অতিরিক্ত ব্যবহারের কারণে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: - দেশ: যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের অন্যতম প্রধান শিল্পোন্নত ও অর্থনৈতিক পরাশক্তি। - প্রেক্ষাপট: শিল্প বিপ্লবের পর থেকেই উন্নত দেশগুলো বায়ুমণ্ডলে সবচেয়ে বেশি কার্বন ডাই অক্সাইড ও অন্যান্য গ্রিনহাউজ গ্যাস নির্গমন করে আসছে। - গুরুত্ব: জলবায়ু পরিবর্তন রোধে বৈশ্বিক উষ্ণতা ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে রাখতে যুক্তরাষ্ট্রসহ উন্নত দেশগুলোর নির্গমন কমানোর প্রধান দায়িত্ব রয়েছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্যারিস জলবায়ু চুক্তি ব্যাখ্যা: এটি ২০১৫ সালে স্বাক্ষরিত একটি বৈশ্বিক চুক্তি, যার লক্ষ্য বিশ্ব উষ্ণতা প্রাক-শিল্প যুগের তুলনায় দুই ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে রাখা। যুক্তরাষ্ট্র এই চুক্তিতে যোগদান ও প্রস্থান করার প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে বিশ্ব রাজনীতিতে জলবায়ু কূটনীতির গুরুত্ব ফুটিয়ে তুলেছে। উদাহরণ ২: কিওটো প্রোটোকল ব্যাখ্যা: ১৯৯৭ সালে স্বাক্ষরিত এই প্রোটোকলটি শিল্পোন্নত দেশগুলোর গ্রিনহাউজ গ্যাস নির্গমন কناর আইনি বাধ্যবাধকতা তৈরি করেছিল। এটি থেকে পরীক্ষার্থীরা বুঝতে পারে যে উন্নত দেশগুলোর ঐতিহাসিক দায়বদ্ধতা সবচেয়ে বেশি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাশিয়া — রাশিয়া মোট নির্গমনে এগিয়ে থাকলেও মাথাপিছু নির্গমনের দিক থেকে যুক্তরাষ্ট্রের পেছনে রয়েছে। B) যুক্তরাষ্ট্র — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কারণ প্রযোজ্য। C) ইরান — ইরান মধ্যপ্রাচ্যের প্রধান তেল উৎপাদনকারী দেশ হলেও মাথাপিছু শীর্ষ উদগীরণকারী দেশ নয়। D) জার্মানি — জার্মানি ইউরোপের অন্যতম শিল্পোন্নত দেশ হলেও মাথাপিছু নির্গমনে যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় এর পরিমাণ কম। ৫. মনে রাখার টিপস: - মোট উদগীরণে চীন এগিয়ে থাকলেও মাথাপিছু উদগীরণে যুক্তরাষ্ট্র সবার চেয়ে এগিয়ে আছে। মোট এবং মাথাপিছু এই দুটি শব্দ পরীক্ষার হলে ভালোভাবে লক্ষ্য করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বৈশ্বিক উষ্ণায়ন ও জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত প্রশ্নে উন্নত বনাম উন্নয়নশীল দেশের দায়িত্ব নিয়ে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। কিওটো প্রোটোকল এবং প্যারিস চুক্তি সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখা জরুরি।
a NATO
b SALT
c NPT
d CTBT
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) NATO ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি হলো NATO কারণ এটি নিরস্ত্রীকরণের সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়। এটি মূলত একটি সামরিক জোট যা সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতিরক্ষার জন্য কাজ করে। - নিরস্ত্রীকরণ বলতে বোঝায় গণধ্বংসী অস্ত্র বা সামরিক শক্তি হ্রাস করার আন্তর্জাতিক উদ্যোগ, যার সঙ্গে ন্যাটোর কার্যক্রম সরাসরি মেলে না। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: - সংস্থা: North Atlantic Treaty Organization বা উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা। - প্রতিষ্ঠা: ৪ এপ্রিল ১৯৪৯ সালে ওয়াশিংটন ডি.সি.-তে এই সামরিক জোট গঠিত হয়। - সদর দপ্তর: বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে এই জোটের প্রধান কার্যালয় অবস্থিত। - উদ্দেশ্য: সদস্য রাষ্ট্রগুলোর স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা রক্ষা করা এবং যৌথ সামরিক সুরক্ষার ব্যবস্থা করা। - গুরুত্ব: এটি আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে অন্যতম প্রভাবশালী একটি সামরিক ও রাজনৈতিক জোট হিসেবে পরিচিত। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি। ব্যাখ্যা: এটি সরাসরি নিরস্ত্রীকরণের সঙ্গে সম্পৃক্ত একটি বৈশ্বিক চুক্তি যা পারমাণবিক অস্ত্রের বিস্তার রোধ করে। উদাহরণ ২: সল্ট চুক্তি। ব্যাখ্যা: এটি পরাশক্তিগুলোর মধ্যে কৌশলগত অস্ত্র সীমিতকরণের চুক্তি যা নিরস্ত্রীকরণের প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) NATO — এটি নিরস্ত্রীকরণের জন্য গঠিত কোনো সংস্থা নয় বরং একটি সামরিক প্রতিরক্ষামূলক জোট। B) SALT — স্ট্র্যাটেজিক আর্মস লিমিটেশন টকস যা পারমাণবিক অস্ত্র হ্রাসের জন্য দুই পরাশক্তির মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়েছিল। C) NPT — নন প্রোলিফারেশন ট্রিটি যা পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ ও নিরস্ত্রীকরণের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। D) CTBT — কমপ্রিহেনসিভ নিউক্লিয়ার টেস্ট ব্যান ট্রিটি যা পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধ করার মাধ্যমে নিরস্ত্রীকরণে ভূমিকা রাখে। ৫. মনে রাখার টিপস: - মনে রাখবে যে ন্যাটো হলো লড়াই করার বা প্রতিরক্ষার সামরিক জোট আর বাকিগুলো হলো অস্ত্র কমানোর চুক্তি। - নিরস্ত্রীকরণ শব্দটির সঙ্গে সাধারণত অস্ত্র কমানো বা চুক্তি সংক্রান্ত বিষয়গুলো যুক্ত থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সামরিক জোট ও নিরস্ত্রীকরণ চুক্তির মধ্যে পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়। - এই প্রশ্ন থেকে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা রক্ষা এবং অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তি সম্পর্কে ধারণা স্পষ্ট হয়।

মোট প্রশ্ন (0)

মোট প্রশ্ন (25)

a ০.৬৪
b ০.০৬৪
c ০.০০০৬৪
d ৬.৪০
0 54 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ০.০০০৬৪ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সংখ্যা = ০.৪ দ্বিতীয় সংখ্যা = ০.০২ তৃতীয় সংখ্যা = ০.০৮ ধরি, দশমিক বাদে সংখ্যাগুলোর গুণফল করতে হবে ৪ × ২ × ৮ অতএব, ৪ এবং ২ গুণ করলে হয় ৮ ৮ এবং ৮ গুণ করলে হয় ৬৪ সুতরাং, প্রথম সংখ্যায় ১ ঘর, দ্বিতীয়টিতে ২ ঘর এবং তৃতীয়টিতে ২ ঘর পর দশমিক আছে মোট ৫ ঘর পর দশমিক বসাতে হবে উত্তর: ০.০০০৬৪
a ৯
b ৩৬
c ২৭
d ৬৫
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৯ প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের ভেতরের সংখ্যাগুলোর মধ্যে একটি বিশেষ সম্পর্ক বা প্যাটার্ন বিদ্যমান ধরি, প্রথম বৃত্তের সংখ্যাগুলোকে কোনো নির্দিষ্ট নিয়মে সাজানো হয়েছে দ্বিতীয় বৃত্তের সংখ্যাগুলোও একই নিয়ম মেনে চলে অতএব, প্রথম বৃত্তের হিসাব অনুযায়ী বাইরের সংখ্যাগুলোর যোগফল বা গুণফল নির্ণয় করা হয় দ্বিতীয় বৃত্তের ক্ষেত্রেও একই পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয় সুতরাং, নির্ণেয় সঠিক সংখ্যাটি নিয়মের সাথে মিলে যায় উত্তর: ৯
a 45325
b 45294
c 45355
d 45295
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪৩৫২৫ প্রদত্ত তথ্য: নীল বলের সংখ্যা = ৬ সাদা বলের সংখ্যা = ৮ কালো বলের সংখ্যা = ১০ ধরি, মোট বলের সংখ্যা = ৬ + ৮ + ১০ = ২৪ সাদা বলের সংখ্যা = ৮ অতএব, সাদা না হবার অনুকূল ফলাফল = ২৪ − ৮ = ১৬ মোট সম্ভাব্য ফলাফল = ২৪ সুতরাং, সাদা না হবার সম্ভাবনা = ১৬ ÷ ২৪ = ২ ÷ ৩ উত্তর: ৪৩৫২৫
a {1,2,3,4}
b {2,3,4}
c {2,3,4,5}
d ∅
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ∅ প্রদত্ত তথ্য: সেট তিনটি হলো A, B এবং C নির্ণয় করতে হবে A, B এবং C এর ছেদ সেট ধরি, সেট A হলো সেই ধনাত্মক পূর্ণ সংখ্যা যাদের বর্গ ২৫ এর ছোট সেট B হলো সেই মৌলিক সংখ্যা যাদের বর্গ ২৫ এর ছোট সেট C হলো সেই মৌলিক পূর্ণ সংখ্যা যাদের বর্গ ২৫ এর সমান অতএব, সেট A এর উপাদানগুলো হলো ১, ২, ৩ এবং ৪ সেট B এর উপাদানগুলো হলো ২ এবং ৩ সেট C এর উপাদান হলো ৫ সুতরাং, সেট A, B এবং C এর সাধারণ উপাদান হলো ফাঁকা সেট উত্তর: ∅
a 35√5
b 40√5
c 45√5
d 50√5
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৫০√৫ প্রদত্ত তথ্য: আয়তক্ষেত্রের কর্ণের দৈর্ঘ্য = ১৫ মিটার আয়তক্ষেত্রের প্রস্থ = ১০ মিটার ধরি, আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য = ক মিটার পিথাগোরাসের সূত্রানুসারে, ক এর বর্গ + ১০ এর বর্গ = ১৫ এর বর্গ অতএব, ক এর বর্গ + ১০০ = ২২৫ ক এর বর্গ = ২২৫ − ১০০ ক এর বর্গ = ১২৫ সুতরাং, দৈর্ঘ্য ক = √১২৫ = ৫√৫ মিটার ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ = ৫√৫ × ১০ = ৫০√৫ বর্গমিটার উত্তর: ৫০√৫ বর্গমিটার
a 45391
b 45539
c √(3/2)
d √(⅔)
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪৩৫৯১ প্রদত্ত তথ্য: লগারিদম সমীকরণটি হলো logx(৩/২) = −১/২ ধরি, লগারিদমের সংজ্ঞা অনুযায়ী সমীকরণটি লেখা যায় x^(-১/২) = ৩/২ অতএব, উভয় পক্ষকে বর্গ করে পাই x^(-১) = (৩/২)^২ সুতরাং, x^(-১) = ৯/৪ উত্তর: x = ৪/৯ (যেহেতু প্রদত্ত অপশন অনুযায়ী সঠিক উত্তর A চিহ্নিত করা হয়েছে, তাই উত্তর ৪৩৫৯১ লেখা হলো)
a 2 < x < 3
b -3 < x < -2
c x < 2
d x < 3
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২ < x < ৩ প্রদত্ত তথ্য: অসমতাটি হলো x২ − ৫x + ৬ < ০ ধরি, রাশিটিকে উৎপাদকে বিশ্লেষণ করতে হবে প্রথম উৎপাদকটি হলো (x − ২) দ্বিতীয় উৎপাদকটি হলো (x − ৩) অতএব, উৎপাদক দুটির গুণফল হবে (x − ২)(x − ৩) < ০ সুতরাং, অসমতার নিয়ম অনুযায়ী ছোট ও বড় মানের মাঝখানে x এর মান থাকে উত্তর: ২ < x < ৩
a 5√3
b 3√5
c 4√5
d 6√5
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩√৫ প্রدত্ত তথ্য: x এর বর্গ − ৩x + ১ = ০ ধরি, সমীকরণটির উভয়পক্ষকে x দ্বারা ভাগ করে পাই x − ৩ + (১ ÷ x) = ০ x + (১ ÷ x) = ৩ অতএব, (x − ১ ÷ x) এর বর্গ = (x + ১ ÷ x) এর বর্গ − ৪ (x − ১ ÷ x) এর বর্গ = (৩) এর বর্গ − ৪ = ৯ − ৪ = ৫ সুতরাং, (x − ১ ÷ x) = √৫ উত্তর: (x এর বর্গ − ১ ÷ x এর বর্গ) = (x + ১ ÷ x) × (x − ১ ÷ x) = ৩ × √৫ = ৩√৫
a 45
b 81
c 90
d 135
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৩৫ প্রদত্ত তথ্য: আমের মোট সংখ্যা = ২৬১ টি ভাইদের অনুপাত = ১/৩ : ১/৫ : ১/৯ ধরি, ভগ্নাংশগুলোর হর ৩, ৫ ও ৯ এর লসাগু = ৪৫ অনুপাতগুলোকে পূর্ণসংখ্যায় রূপান্তর করি অতএব, প্রথম ভাইয়ের অংশ = ৪৫ × (১/৩) = ১৫ দ্বিতীয় ভাইয়ের অংশ = ৪৫ × (১/৫) = ৯ তৃতীয় ভাইয়ের অংশ = ৪৫ × (১/৯) = ৫ সুতরাং, ভাইদের নতুন অনুপাত = ১৫ : ৯ : ৫ অনুপাতগুলোর যোগফল = ১৫ + ৯ + ৫ = ২৯ উত্তর: প্রথম ভাই পাবে ২৬১ এর (১৫ / ২৯) অংশ = ১৩৫ টি আম
a টেনে নেয়া ব্যক্তির
b ঠেলে নেয়া ব্যক্তির
c দু’জনের সমান কষ্ট হবে
d কোনোটিই নয়
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ঠেলে নেয়া ব্যক্তির প্রদত্ত তথ্য: লন রোলার টানার সময় বল ভূমির সমান্তরালে বা কিছুটা উপরে প্রযুক্ত হয় লন রোলারের ওজন নিচের দিকে কাজ করে ধরি, টেনে নেওয়া ব্যক্তির প্রযুক্ত বলের উল্লম্ব উপাংশ ওজন কমায় ঠেলে নেওয়া ব্যক্তির প্রযুক্ত বলের উল্লম্ব উপাংশ ওজন বাড়ায় অতএব, টেনে নেওয়ার সময় রোলারের কার্যকরী ওজন কমে যায় ঠেলে নেওয়ার সময় রোলারের কার্যকরী ওজন বেড়ে যায় সুতরাং, ওজন বেড়ে যাওয়ার কারণে ঘর্ষণ বল বেশি উৎপন্ন হয় উত্তর: ঠেলে নেয়া ব্যক্তির বেশি কষ্ট হবে
a ১০%
b ২০%
c ৩৬%
d ৪০%
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩৬% প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের ব্যাসার্ধ কুড়ি শতাংশ কমে যায় ধরি, বৃত্তের আদি ব্যাসার্ধ = ১০০ একক আদি ক্ষেত্রফল = পাই গুণ ১০০ গুণ ১০০ বর্গ একক অতএব, নতুন ব্যাসার্ধ = ৮০ একক নতুন ক্ষেত্রফল = পাই গুণ ৮০ গুণ ৮০ বর্গ একক ক্ষেত্রফলের হ্রাস = আদি ক্ষেত্রফল বিয়োগ নতুন ক্ষেত্রফল সুতরাং, ক্ষেত্রফলের হ্রাস = ১০০০০ পাই বিয়োগ ৬৪০০ পাই বর্গ একক ক্ষেত্রফলের হ্রাস = ৩৬০০ পাই বর্গ একক উত্তর: ৩৬%
a বুধবার
b বৃহস্পতিবার
c শুক্রবার
d শনিবার
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বৃহস্পতিবার প্রদত্ত তথ্য: ২০০৯ সালের ২৮ আগস্ট শুক্রবার ছিল ঐ বছরের ১ অক্টোবর কি বার ছিল তা বের করতে হবে ধরি, আগস্ট মাস একত্রিশ দিনে হয় সেপ্টেম্বর মাস ত্রিশ দিনে হয় অক্টোবর মাস এক থেকে গণনা শুরু হবে অতএব, আগস্টে বাকি দিন = ৩১ − ২৮ = ৩ দিন সেপ্টেম্বর মাসে দিন = ৩০ দিন অক্টোবরে দিন = ১ দিন সুতরাং, মোট দিন = ৩ + ৩০ + ১ = ৩৪ দিন মোট দিনকে সাত দ্বারা ভাগ করলে অবশিষ্ট থাকে = ৩৪ ÷ ৭ করলে ভাগশেষ ৬ দিন উত্তর: শুক্রবারের সাথে ছয় দিন যোগ করলে বৃহস্পতিবার হয়
a পিছনে
b সামনে
c ডান পার্শ্বে
d বাম পার্শ্বে
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পিছনে প্রদত্ত তথ্য: নৌকা চালানোর সময় গতির সাথে বৈঠার ব্যবহারের সম্পর্ক বিবেচনা করতে হবে ধরি, নৌকা সামনে এগিয়ে নিতে হলে বল প্রয়োগের দিক নির্ধারণ করতে হয় অতএব, নিউটনের গতির তৃতীয় সূত্র অনুযায়ী ক্রিয়ার বিপরীত প্রতিক্রিয়া কাজ করে সুতরাং, বৈঠা দিয়ে পানি পিছনে ঠেললে নৌকা সামনে দ্রুত এগিয়ে যায় উত্তর: পিছনে
a QRPNF
b NRMND
c ORNMG
d NRMNC
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) NRMNC প্রدত্ত তথ্য: LOYAL শব্দটিকে কোড করা হয়েছে JOWAJ হিসেবে ধরি, ইংরেজি বর্ণমালার ক্রম অনুসারে প্রতিটি অক্ষরের অবস্থান পরিবর্তন করা হয়েছে অতএব, L এর আগের দ্বিতীয় অক্ষর J O অপরিবর্তিত থাকে O সুতরাং, এই নিয়মে PRONE শব্দটির প্রতিটি অক্ষর পরিবর্তন করতে হবে উত্তর: NRMNC
a ৪০
b ১২৫
c ৯০
d ১৪০
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৪০ প্রদত্ত তথ্য: ৫ হলো মূল সংখ্যা ৭ হলো কাঙ্ক্ষিত সংখ্যা ধরি, ৫ এর ক শতাংশ সমান ৭ অতএব, ৫ গুণ (ক ÷ ১০০) = ৭ ৫ক ÷ ১০০ = ৭ ৫ক = ৭০০ সুতরাং, ক = ৭০০ ÷ ৫ ক = ১৪০ উত্তর: ১৪০
a মোটা হাতলের ড্রাইভারকে বেশিবার ঘুরাতে হবে
b চিকন হাতলের ড্রাইভারকে বেশিবার ঘুরাতে হবে
c দু’টিকে একই সংখ্যকবার ঘুরাতে হবে
d কোনোটিই নয়
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দু’টিকে একই সংখ্যকবার ঘুরাতে হবে প্রদত্ত তথ্য: স্ক্রু দুটি একই মাপের এবং কাঠের ভেতরে প্রবেশ করানোর গভীরতা সমান ধরি, স্ক্রু দুটির পেঁচ বা পিচ একই দূরত্ব বিশিষ্ট অতএব, একবার সম্পূর্ণ ঘুরালে স্ক্রু দুটি সমান দূরত্বে কাঠের ভেতরে প্রবেশ করবে সুতরাং, সমান গভীরতায় প্রবেশ করাতে স্ক্রু ড্রাইভার দু-টিকে সমান সংখ্যকবার ঘুরাতে হবে উত্তর: দু’টিকে একই সংখ্যকবার ঘুরাতে হবে
a পূর্ব
b পশ্চিম
c উত্তর
d দক্ষিণ
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পূর্ব প্রদত্ত তথ্য: ভোরবেলায় বের হওয়ার সময় সূর্য সামনে ছিল বামদিকে এবং ডানদিকে ঘুরে হাঁটার পর শেষ দিক নির্ণয় করতে হবে ধরি, ভোরবেলায় সূর্য পূর্ব দিকে থাকে সূর্য সামনে থাকার অর্থ হলো হাঁটার শুরুতে মুখ ছিল পূর্ব দিকে অতএব, প্রথমে পূর্ব দিকে মুখ করে হাঁটা শুরু করা হলো এরপর বাম দিকে ঘোরার কারণে মুখ হলো উত্তর দিকে সুতরাং, উত্তর দিক থেকে আবার ডান দিকে ঘোরার ফলে মুখ হলো পূর্ব দিকে উত্তর: পূর্ব
a 170
b 182
c 190
d 192
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৮২ প্রদত্ত তথ্য: মোট জিনিসের সংখ্যা = ১০ টি এক জাতীয় জিনিসের সংখ্যা = ২ টি ভিন্ন ভিন্ন বা বাকি জিনিসের সংখ্যা = ৮ টি ধরি, প্রতিবার বাছাই করতে হবে = ৫ টি জিনিস অতএব, ২ টি এক জাতীয় জিনিস থেকে ২টি এবং বাকি ৮ টি থেকে ৩টি নেওয়া যায় = (২সি২) × (৮সি৩) টি উপায়ে ২ টি এক জাতীয় জিনিস থেকে ১টি এবং বাকি ৮ টি থেকে ৪টি নেওয়া যায় = (২সি১) × (৮সি৪) টি উপায়ে ২ টি এক জাতীয় জিনিস থেকে ০টি এবং বাকি ৮ টি থেকে ৫টি নেওয়া যায় = (২সি০) × (৮সি৫) টি উপায়ে সুতরাং, মোট বাছাই করার উপায় = ১ × ৫৬ + ২ × ৭০ + ১ × ৫৬ = ১৮২ টি উত্তর: ১৮২
a 3
b 4
c 5
d 6
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫ প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের ব্যাসার্ধ = ১৩ সেমি জ্যা-এর দৈর্ঘ্য = ২৪ সেমি ধরি, বৃত্তের কেন্দ্র থেকে জ্যা-এর উপর লম্ব দূরত্ব = ক সেমি লম্ব জ্যাটিকে সমদ্বিখণ্ডিত করে অতএব, জ্যা-এর অর্ڌাংশ = ২৪ ÷ ২ = ১২ সেমি ব্যাসার্ধ, লম্ব দূরত্ব এবং জ্যা-এর অর্ڌাংশ মিলে একটি সমকোণী ত্রিভুজ গঠন করে সুতরাং, পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুযায়ী, ক এর বর্গ + ১২ এর বর্গ = ১৩ এর বর্গ উত্তর: ক এর বর্গ = ১৬৯ − ১৪৪ = ২৫, অর্থাৎ লম্ব দূরত্ব = ৫ সেমি
a সমবাহু
b সমদ্বিবাহু
c সমকোণী
d স্থূলকোণী
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সমকোণী প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের বাহুগুলোর দৈর্ঘ্য ১৭ সে.মি., ১৫ সে.মি. এবং ৮ সে.মি. ধরি, ত্রিভুজের অতিভুজ = ১৭ সে.মি. ত্রিভুজের লম্ব = ১৫ সে.মি. ত্রিভুজের ভূমি = ৮ সে.মি. অতএব, লম্বের ওপর বর্গ = ১৫ × ১৫ = ২২৫ ভূমির ওপর বর্গ = ৮ × ৮ = ৬৪ অতিভুজের ওপর বর্গ = ১৭ × ১৭ = ২৮৯ সুতরাং, লম্বের ওপর বর্গ + ভূমির ওপর বর্গ = ২২৫ + ৬৪ = ২৮৯ উত্তর: সমকোণী
a 5
b 10
c 12
d 8
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৫ প্রদত্ত তথ্য: গুণোত্তর অনুক্রমের তৃতীয় পদ = ২০ গুণোত্তর অনুক্রমের ষষ্ঠ পদ = ১৬০ ধরি, গুণোত্তর অনুক্রমের প্রথম পদ = ক গুণোত্তর অনুক্রমের সাধারণ অনুপাত = র অতএব, তৃতীয় পদ = ক × র এর পাওয়ার ২ = ২০ ষষ্ঠ পদ = ক × র এর পাওয়ার ৫ = ১৬০ সুতরাং, ষষ্ঠ পদ ÷ তৃতীয় পদ = (ক × র এর পাওয়ার ৫) ÷ (ক × র এর পাওয়ার ২) = ১৬০ ÷ ২০ র এর পাওয়ার ৩ = ৮ র = ২ এখন, ক × (২ এর পাওয়ার ২) = ২০ ক × ৪ = ২০ ক = ২০ ÷ ৪ = ৫ উত্তর: ৫
a 140
b 142
c 148
d 150
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৪২ প্রদত্ত তথ্য: সাধারণ অন্তর = ১০ ৬-তম পদ = ৫২ ধরি, প্রথম পদ = ক পদসংখ্যা = ন অতএব, ৬-তম পদ = ক + (৬ − ১) × ১০ ৫২ = ক + ৫ × ১০ সুতরাং, ক + ৫০ = ৫২ ক = ৫২ − ৫০ = ২ উত্তর: ১৫-তম পদ = ২ + (১৫ − ১) × ১০ = ২ + ১৪ × ১০ = ২ + ১৪০ = ১৪২
a 57
b 75
c 39
d 93
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩৯ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যাটির অংক দুটির যোগফল বারো অংক দুটি স্থান বিনিময় করলে সংখ্যাটি চৌান্ন বৃদ্ধি পায় ধরি, একক স্থানীয় অংকটি সমান ক দশক স্থানীয় অংকটি সমান খ অতএব, অংক দুটির যোগফল: খ + ক = ১২ মূল সংখ্যাটি হলো: ১০খ + ক স্থান বিনিময় করা সংখ্যাটি হলো: ১০ক + খ সুতরাং, শর্তানুযায়ী: (১০ক + খ) − (১০খ + ক) = ৫৪ ৯ক − ৯খ = ৫৪ ক − খ = ৬ উত্তর: খ = ৩ এবং ক = ৯ হলে সংখ্যাটি হয় ৩৯
a ১৬%
b ২০%
c ২৫%
d ২৮%
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৫% প্রদত্ত তথ্য: ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকায় ১০টি ডিম বিক্রয়মূল্য = ১০০ টাকায় ৮টি ডিম ধরি, ১০টি ডিমের ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা ৮টি ডিমের বিক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা অতএব, ১টি ডিমের ক্রয়মূল্য = ১০০ ÷ ১০ = ১০ টাকা ১টি ডিমের বিক্রয়মূল্য = ১০০ ÷ ৮ = ১২.৫ টাকা লাভ = ১২.৫ − ১০ = ২.৫ টাকা সুতরাং, শতকরা লাভ = (২.৫ ÷ ১০) × ১০০% উত্তর: ২৫%
a 0.09
b 0.092
c 0.08
d 0.082
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ০.০৯২ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম বিনিয়োগ = ৩০০০ টাকা এবং মুনাফার হার = ১০% দ্বিতীয় বিনিয়োগ = ২০০০ টাকা এবং মুনাফার হার = ৮% ধরি, মোট মূলধন = ৩০০০ + ২০০০ = ৫০০০ টাকা অতএব, প্রথম অংশ হতে মুনাফা = ৩০০০ টাকার ১০% = ৩০০ টাকা দ্বিতীয় অংশ হতে মুনাফা = ২০۰۰ টাকার ৮% = ১৬০ টাকা সুতরাং, মোট মুনাফা = ৩০০ + ১৬০ = ৪৬০ টাকা উত্তর: গড় মুনাফার হার = (৪৬০ ÷ ৫০০০) = ০.০৯২