মোট প্রশ্ন (200)

a যৌগিক ধ্বনি
b অক্ষর
c বর্ণ
d মৌলিক স্বরধ্বনি
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অক্ষর ১. কেন সঠিক: নিঃশ্বাসের স্বল্পতম প্রয়াসে বা এক ঝটকায় উচ্চারিত ধ্বনি বা ধ্বনিগুচ্ছকে অক্ষর বলা হয়। এটি মূলত বাক্যের বা শব্দের সেই অংশ যা একবারে উচ্চারণ করা যায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: ধ্বনি উচ্চারণের সময় ফুসফুস থেকে যে বাতাস বের হয়, তার একটি ধাক্কায় যতটুকু অংশ উচ্চারিত হয় তাকে অক্ষর বা সিলেবল বলে। অক্ষরের মূল ভিত্তি হলো স্বরধ্বনি, কারণ স্বরধ্বনি ছাড়া অক্ষর গঠিত হতে পারে না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভাত শব্দটি একবারে উচ্চারিত হয়, তাই এটি একদল অক্ষর বা একাক্ষর শব্দ। ব্যাখ্যা: এখানে ভ + াত মিলে একটিমাত্র অক্ষর হিসেবে উচ্চারিত হয়। উদাহরণ ২: কলম শব্দটিতে দুটি অক্ষর আছে। ব্যাখ্যা: কল এবং ম মিলে এটি দ্বি-দল বা দ্ব্যক্ষর শব্দ হিসেবে উচ্চারিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যৌগিক ধ্বনি — দুটি স্বরধ্বনি মিলে একটি স্বরধ্বনি উৎপন্ন হলে তাকে যৌগিক ধ্বনি বলে, যা নিঃশ্বাসের স্বল্পতম প্রয়াসের সংজ্ঞা নয়। B) অক্ষর — এটি সঠিক উত্তর। C) বর্ণ — ধ্বনির লিখিত রূপকে বর্ণ বলা হয়, যা উচ্চারণের একক নয় বরং লিপির একক। D) মৌলিক স্বরধ্বনি — যে স্বরধ্বনি ভাঙা যায় না তা মৌলিক স্বরধ্বনি, কিন্তু এটি নিঃশ্বাসের স্বল্পতম প্রয়াসের একক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: এক নিঃশ্বাসে যতটুকু উচ্চারণ করা যায় সেটাই অক্ষর বা সিলেবল। স্বরধ্বনি ছাড়া অক্ষর গঠিত হতে পারে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: শব্দ গঠনের ক্ষেত্রে অক্ষর এবং বর্ণের পার্থক্য প্রায়ই বিসিএস পরীক্ষায় আসে। অক্ষর হলো উচ্চারণের একক এবং বর্ণ হলো লেখার একক।
a শওকত আলী
b সেলিনা হােসেন
c আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
d সৈয়দ শামসুল হক
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সৈয়দ শামসুল হক কেন সঠিক: - সৈয়দ শামসুল হক মাত্র একত্রিশ বছর বয়সে ১৯৬৪ সালে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন। - বাংলা একাডেমি পুরস্কার প্রাপ্ত কথাসাহিত্যিক ও কবিদের মধ্যে তিনিই এ পর্যন্ত সবচেয়ে কম বয়সী হিসেবে এই গৌরব অর্জন করেছেন। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে সৈয়দ শামসুল হক এক বহুমুখী প্রতিভাবান লেখক হিসেবে পরিচিত। - তিনি কবিতা, উপন্যাস, নাটক, ছোটগল্প এবং অনুবাদ সাহিত্যে অনন্য অবদান রেখে এই স্বীকৃতি অর্জন করেন। - তাঁর রচিত বিখ্যাত উপন্যাসগুলির মধ্যে কয়েকটির নাম হলো دیوار, খেলার রামচাপ এবং নীল জলের সিঁড়ি। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) শওকত আলী — তিনি সৈয়দ শামসুল হকের চেয়ে অনেক পরে এই পুরস্কার লাভ করেন। - B) সেলিনা হোসেন — তিনি কথাসাহিত্যিক হলেও এই বয়সের রেকর্ডের অধিকারী নন। - C) আখতারুজ্জামান ইলিয়াস — তিনি অত্যন্ত প্রতিভাবান হলেও কম বয়সে বাংলা একাডেমি পুরস্কার পাননি। - D) সৈয়দ শামসুল হক — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: - সৈয়দ শামসুল হক সবকিছুতেই কম বয়সে সফল হতেন, তাই সবচেয়ে কম বয়সে বাংলা একাডেমি পুরস্কার পাওয়ার ক্ষেত্রেও তাঁর নামটি মনে রাখবে।
a সৈয়দ আলী আহসান
b সুকান্ত ভট্টাচার্য
c হুমায়ুন আজাদ
d নির্মলেন্দু গুণ
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) হুমায়ুন আজাদ ১. কেন সঠিক: - সবকিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা প্রখ্যাত লেখক হুমায়ুন আজাদ। - এই কাব্যগ্রন্থটি তার গভীর সমাজসচেতনতা এবং রাষ্ট্রীয় বৈষম্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - হুমায়ুন আজাদ বিংশ শতাব্দীর শেষভাগের একজন প্রথিতযশা বাঙালি কবি, ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক ও ভাষাবিজ্ঞানী। - তার উল্লেখযোগ্য অন্যান্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে অলৌকিক ইস্টিমার এবং জ্বলো চিতা জলো। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অলৌকিক ইস্টিমার ব্যাখ্যা: এটি হুমায়ুন আজাদ রচিত প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯৭৩ সালে প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: জ্বলো চিতা জলো ব্যাখ্যা: এটিও হুমায়ুন আজাদের একটি বিখ্যাত প্রতিবাদী কাব্যগ্রন্থ, যা তার বিদ্রোহী চেতনা প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সৈয়দ আলী আহসান — তিনি একজন বিশিষ্ট কবি ও প্রাবন্ধিক হলেও এই গ্রন্থটি তার রচিত নয়। B) সুকান্ত ভট্টাচার্য — তিনি কিশোর কবি ও মার্কসবাদী চেতনার লেখক হলেও এই গ্রন্থটির রচয়িতা নন। C) হুমায়ুন আজাদ — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে কোনো ভুল নেই। D) নির্মলেন্দু গুণ — তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি হলেও এই গ্রন্থটির সঙ্গে সম্পর্কিত নন। ৫ মনে রাখার টিপস: - হুমায়ুন আজাদের বিখ্যাত প্রতিবাদী কবিতার বই মনে রাখতে মনে রাখবে যে নষ্টদের বিরুদ্ধে তিনি সবসময় কলম ধরেছেন। - এভাবে কবির প্রতিবাদী সত্তার সঙ্গে গ্রন্থটির নাম সহজে মেলানো যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় হুমায়ুন আজাদের কাব্যগ্রন্থ এবং উপন্যাসের নাম প্রায়ই আসে। - লেখকের অন্যান্য বিখ্যাত উপন্যাস যেমন লাল নীল দীপাবলি ও ছাপান্নো হাজার বর্গমাইল ভালো করে পড়তে হবে।
a স্যার এ. এফ. রহমান
b রমেশচন্দ্র মজুমদার
c সৈয়দ সাজ্জাদ হােসায়েন
d বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের মার্চ মাসে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর বর্বরতার প্রতিবাদে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের পদ থেকে পদত্যাগ করেন। - শিক্ষার্থীদের ওপর নির্বিচারে গুলিবর্ষণের প্রতিবাদে তিনি নৈতিক দায়িত্ববোধ থেকে এই সাহসী পদক্ষেপ নেন। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা সাহিত্যের কোনো ব্যাকরণগত নিয়ম বা সাহিত্যকর্মের অংশ নয়, এটি আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের ঐতিহাসিক একটি ঘটনা। - ১৯৭১ সালের ইতিহাসের তথ্যভিত্তিক সাধারণ জ্ঞান হিসেবে এটি পঠিত হয়। - বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ এবং শিক্ষাবিদদের অবদান মনে রাখতে এই ঐতিহাসিক ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) স্যার এ. এফ. রহমান — তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম মুসলিম প্রভোস্ট ও উপাচার্য ছিলেন, ১৯৭১ সালের ঘটনার সাথে সম্পর্কিত নন। - B) রমেশচন্দ্র মজুমদার — তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রখ্যাত ইতিহাসবিদ ও উপাচার্য ছিলেন, তবে ১৯৭১ সালে তিনি দায়িত্বে ছিলেন না। - C) সৈয়দ সাজ্জাদ হােসায়েন — তিনি ১৯৭১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ছিলেন, কিন্তু তিনি পদত্যাগ করেননি বরং পাকিস্তান সরকারের অনুগত ছিলেন। - D) এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ এটি সঠিক উত্তরের অপশন। মনে রাখার টিপস: - ১৯৭১ সালের ছাত্রমৃত্যুতে পদত্যাগ করেছিলেন বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী, যা নামের প্রথম অংশ মনে রাখলেই সহজে উত্তর করা সম্ভব।
a ছেঁড়াতার
b চাকা
c বাকী ইতিহাস
d কী চাহ হে শঙ্খচিল
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কী চাহ হে শঙ্খচিল কেন সঠিক: - এই নাটকটির মূল বিষয়বস্তু ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং পাকিস্তানি বাহিনীর বর্বরতা। - নাটকে বাঙালি জাতির সংগ্রাম ও আত্মত্যাগের চিত্র অত্যন্ত নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - নাটকটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধকে কেন্দ্র করে রচিত একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ নাট্যসাহিত্য। - নাট্যকার এই নাটকের মাধ্যমে যুদ্ধের ভয়াবহতা এবং সাধারণ মানুষের কষ্ট তুলে ধরেছেন। - ১৯৭১ সালের পটভূমিতে রচিত অন্যান্য নাটকের মধ্যে এটি বিশেষ মর্যাদার অধিকারী। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) ছেঁড়াতার — এটি মুনীর চৌধুরী রচিত একটি বিখ্যাত নাটক যার মূল বিষয়বস্তু ১৯৪৩ সালের মন্বন্তর। - B) চাকা — এটি সেলিনা হোসেন রচিত একটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস, কোনো নাটক নয়। - C) বাকী ইতিহাস — এটি সৈয়দ শামসুল হক রচিত একটি মনস্তাত্ত্বিক নাটক, যার সাথে মুক্তিযুদ্ধের সরাসরি সম্পর্ক নেই। - D) সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: - শঙ্খচিল পাখি যেমন আকাশে ওড়ে, তেমনি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ আমাদের স্বাধীনতার আকাশে এক অনন্য অধ্যায়।
a অক্টোপাস
b কালো বরফ
c ক্রীতদাসের হাসি
d নাঢ়াই
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নাঢ়াই ১. কেন সঠিক: - এই প্রশ্নটির ধরন হলো উপন্যাস, নাটক ও ছোটগল্প। - নাঢ়াই উপন্যাসটি তেভাগা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে রচিত হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - নাঢ়াই উপন্যাসের রচয়িতা হলেন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক শওকত আলী। - উপন্যাসের বিষয়বস্তু হলো বাংলার গ্রামীণ জনপদের ঐতিহাসিক তেভাগা আন্দোলন ও কৃষকদের সংগ্রাম। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ইছামতী ব্যাখ্যা: এটি বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা নদীভিত্তিক জীবন নিয়ে রচিত। উদাহরণ ২: তিতাস একটি নদীর নাম ব্যাখ্যা: এটি অদ্বৈত মল্লবর্মণের একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা জেলের জীবনকে কেন্দ্র করে রচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অক্টোপাস — এটি একটি উপন্যাস হলেও এর বিষয়বস্তু তেভাগা আন্দোলন নয়। B) কালো বরফ — এটি মাহমুদুলের হক রচিত একটি উপন্যাস, যার প্রেক্ষাপট ভিন্ন। C) ক্রীতদাসের হাসি — এটি শওকত আলীর উপন্যাস হলেও এর বিষয়বস্তু আইয়ুব খানের স্বৈরাচারী শাসন। D) নাঢ়াই — এটি সঠিক উত্তর। ৫ মনে রাখার টিপস: শওকত আলী তেভাগা আন্দোলনের ওপর নাঢ়াই লিখেছেন। নাঢ়াই শব্দের সঙ্গে শওকত আলী নামটি মনে রাখতে পারো। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: তেভাগা আন্দোলনভিত্তিক উপন্যাস বা নাটক প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। শওকত আলীর অন্যান্য বিখ্যাত উপন্যাস সম্পর্কেও ধারণা রাখা জরুরি।
a বিষের বাঁশি
b যুগবাণী
c ভাঙার গান
d প্রলয় শিখা
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) যুগবাণী ১. কেন সঠিক: - যুগবাণী প্রবন্ধগ্রন্থটি ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক সরকার কর্তৃক কাজী নজরুল ইসলামের বাজেয়াপ্ত হওয়া প্রথম গ্রন্থ। - ১৯২৬ সালের নভেম্বর মাসে প্রকাশিত এই গ্রন্থটি ব্রিটিশবিরোধী লেখার কারণে সরকার বাজেয়াপ্ত করে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যে বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত। - তাঁর মোট পাঁচটি গ্রন্থ ব্রিটিশ সরকার বাজেয়াপ্ত করেছিল যার মধ্যে যুগবাণী প্রথম প্রকাশিত ও বাজেয়াপ্ত হওয়া গ্রন্থ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিষের বাঁশি ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত বাজেয়াপ্ত গ্রন্থ যা ১৯২৪ সালে প্রকাশিত হয়েছিল। উদাহরণ ২: ভাঙার গান ব্যাখ্যা: এটিও নজরুলের একটি বিখ্যাত বিদ্রোহী গান ও কবিতার সংকলন যা ব্রিটিশ সরকার বাজেয়াপ্ত করেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিষের বাঁশি - এটি নজরুলের বাজেয়াপ্ত গ্রন্থ হলেও প্রথম বাজেয়াপ্ত গ্রন্থ নয়। B) যুগবাণী - এটি সঠিক উত্তর কারণ এটিই প্রথম বাজেয়াপ্ত হয়। C) ভাঙার গান - এটিও একটি বাজেয়াপ্ত গ্রন্থ তবে প্রকাশের দিক থেকে প্রথম নয়। D) প্রলয় শিখা - এটি নজরুলের একটি বাজেয়াপ্ত রাজনৈতিক গ্রন্থ যা পরে বাজেয়াপ্ত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - নজরুলের বাজেয়াপ্ত বইগুলোর মধ্যে যুগবাণী সবার আগে আসে। - প্রকাশের ক্রমানুসারে যুগবাণী প্রথম বাজেয়াপ্ত গ্রন্থ হিসেবে মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নজরুলের বাজেয়াপ্ত গ্রন্থের নাম এবং প্রথম বাজেয়াপ্ত গ্রন্থ কোনটি তা প্রায়ই আসে। - পাঁচটি বাজেয়াপ্ত গ্রন্থের নাম ভালোভাবে মুখস্থ রাখা জরুরি।
a চৈতালী ঘূর্ণি
b রক্তের অক্ষর
c বায়ান্ন বাজার তিপ্পান্ন গলি
d ১৯৭১
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৯৭১ কেন সঠিক: - কথাশিল্পী তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়েই এই উপন্যাসটি রচনা শুরু করেছিলেন। - উপন্যাসের বিষয়বস্তু ও নামকরণ সরাসরি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের ওপর ভিত্তি করেই করা হয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলা কথাসাহিত্যের একজন প্রখ্যাত আঞ্চলিক ঔপন্যাসিক ও গল্পকার। - এই উপন্যাসটি তাঁর জীবনের শেষ উপন্যাস এবং এটি ১৯৭২ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। - তাঁর বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে আরও রয়েছে কবি, হাঁসুলী বা বাঁকের উপকথা এবং गणদেবতা। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) চৈতালী ঘূর্ণি — এটি তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি প্রারম্ভিক সামাজিক উপন্যাস, মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নয়। - B) রক্তের অক্ষর — এটিও তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস। - C) বায়ান্ন বাজার তিপ্পান্ন গলি — এটি তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের কলকাতার পটভূমিতে রচিত একটি উপন্যাস। - D) সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: - মুক্তিযুদ্ধের সাল অর্থাৎ ১৯৭১ সালেই এই উপন্যাসের নাম ঠিক করা হয়েছে, তাই সালটি মনে রাখলেই উত্তর পাওয়া সম্ভব।
a সোপান
b সমর্থ
c সোল্লাস
d সওয়ার
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সমর্থ ১. কেন সঠিক: - ‘সোমত্ত’ শব্দটি বিবর্তনের মাধ্যমে সংস্কৃত ‘সমর্থ’ শব্দ থেকে প্রাকৃত হয়ে বাংলা ভাষায় এসেছে। ধ্বনি পরিবর্তনের নিয়মে এটি তদ্ভব শব্দের অন্তর্ভুক্ত। - ‘সমর্থ’ শব্দের অর্থ শক্তিমান বা যৌবনপ্রাপ্ত। বয়স ও শক্তি অর্জন করেছে এমন বোঝাতে শব্দটি বাংলায় ‘সোমত্ত’ রূপে ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার শব্দের উৎস বা শব্দের শ্রেণিবিভাগ সংক্রান্ত ব্যাকরণগত প্রশ্ন। সংস্কৃত শব্দ প্রাকৃত ও অপভ্রংশের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে বাংলায় এসেছে। - ধ্বনি পরিবর্তনের ধারায় শব্দের আদি রূপ পরিবর্তিত হয়ে নতুন রূপ ধারণ করে। এখানে ‘সমর্থ’ থেকে ‘সোমত্ত’ রূপটি প্রাকৃত ভাষার প্রভাব ও ধ্বনি বিপর্যয় বা সমীভবনের মাধ্যমে গঠিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চর্মকার থেকে চামার ব্যাখ্যা: এটি সংস্কৃত থেকে প্রাকৃত হয়ে পরিবর্তিত রূপ লাভের একটি আদর্শ তদ্ভব শব্দের উদাহরণ। উদাহরণ ২: হস্ত থেকে হাত ব্যাখ্যা: আদি সংস্কৃত শব্দ প্রাকৃত ভাষার মধ্য দিয়ে পরিবর্তিত হয়ে বর্তমান বাংলা রূপ লাভ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সোপান — সোপান একটি তৎসম শব্দ যার অর্থ সিঁড়ি। এটি সোমত্ত শব্দের উৎপত্তির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) সমর্থ — সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য। C) সোল্লাস — সোল্লাস শব্দের অর্থ উল্লাসের সঙ্গে। এটি সোমত্ত শব্দের উৎস নয়। D) সওয়ার — সওয়ার একটি ফারসি শব্দ যার অর্থ অশ্বারোহী বা চালক। এটি সোমত্ত শব্দের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - সোমত্ত মানে যে সমর্থ বা উপযুক্ত বয়স হয়েছে। সমর্থ শব্দের ম ধ্বনিটি দ্বিত্ব হয়ে সোমত্ত হয়েছে এভাবে মনে রাখা যায়। - উৎস নির্ণয়ের ক্ষেত্রে সংস্কৃত মূল শব্দ এবং তার তদ্ভব রূপের অর্থ মিলিয়ে দেখতে হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তদ্ভব শব্দের উৎস প্রায়ই আসে। - মূল সংস্কৃত শব্দ চেনার মাধ্যমে এজাতীয় শব্দের সঠিক উৎস সহজে নির্ণয় করা সম্ভব।
a গঙ্গা
b পুতুলনাচের ইতিকথা
c হাঁসুলী বাঁকের উপকথা
d গৃহদাহ
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) গঙ্গা ১. কেন সঠিক: - সমীরণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের (সমর সেনের ছদ্মনাম বা সমরেশ বসু) 'গঙ্গা' উপন্যাসটি মূলত পদ্মা ও গঙ্গা নদীর তীরবর্তী জেলে সম্প্রদায়ের অবহেলিত জীবনযাত্রা নিয়ে রচিত। - এই উপন্যাসে জেলেদের নদীর সঙ্গে সংগ্রাম, তাদের দারিদ্র্য, বেঁচে থাকার লড়াই এবং সমাজজীবনের বাস্তব চিত্র অত্যন্ত নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমরেশ বসু বাংলা কথাসাহিত্যে এক জননন্দিত লেখক, যিনি কালকূুট ছদ্মনামেও অনেক বিখ্যাত উপন্যাস লিখেছেন। - জেলে জীবন ও নদীকেন্দ্রিক উপন্যাসের মধ্যে মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'পদ্মা নদীর মাঝি' এবং সমরেশ বসুর 'গঙ্গা' বাংলা সাহিত্যে সর্বশ্রেষ্ঠ হিসেবে বিবেচিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদ্মা নদীর মাঝি ব্যাখ্যা: এটিও একটি প্রখ্যাত নদী ও জেলে জীবনভিত্তিক উপন্যাস যেখানে পদ্মা নদীর তীরের জেলের জীবনের বাস্তব চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। উদাহরণ ২: অদ্বৈত মল্লবর্মণের তিতাস একটি নদীর নাম ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসটি তিতাস নদীর তীরবর্তী মালো বা জেলে সম্প্রদায়ের সুখ-দুঃখ ও জীবন সংগ্রাম নিয়ে রচিত একটি ক্লাসিক সাহিত্যকর্ম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গঙ্গা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই উপন্যাসের মূল বিষয়বস্তু জেলেদের জীবন ও নদীকেন্দ্রিক সংগ্রাম। B) পুতুলনাচের ইতিকথা — এটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা একটি গ্রামীণ জনপদ ও মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস, যার মূল বিষয় জেলে জীবন নয়। C) হাঁসুলী বাঁকের উপকথা — এটি তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা কোপাই নদীর বাঁকের কাহার সম্প্রদায়ের জীবন নিয়ে রচিত আঞ্চলিক উপন্যাস। D) গৃহদাহ — এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা একটি বিখ্যাত সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস, যা মূলত প্রেমের ত্রিকোণ সম্পর্ক নিয়ে রচিত। ৫. মনে রাখার টিপস: - সমরেশ বসুর গঙ্গা উপন্যাসটি মনে রাখতে গঙ্গা নদী ও জেলেদের কথা একসঙ্গে স্মরণ করতে পারো। - নদীভিত্তিক উপন্যাসের ক্ষেত্রে সমরেশ বসুর 'গঙ্গা' এবং মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'পদ্মা নদীর মাঝি' প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - জেলে জীবনভিত্তিক উপন্যাসগুলোর লেখকদের নাম ভালোভাবে মনে রাখবে কারণ এখান থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - আঞ্চলিক উপন্যাসের সঙ্গে নদীভিত্তিক উপন্যাসের পার্থক্যগুলো পরিষ্কার ধারণা রাখবে।
a ডব্লিউ বি ইয়েটস
b ক্লিনটন বি সিলি
c অরুন্ধতী রায়
d অমিতাভ ঘোষ
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ক্লিনটন বি সিলি ১. কেন সঠিক: - ক্লিনটন বি সিলি ইংরেজি ভাষায় জীবনানন্দ দাশের ওপর একটি প্রামাণ্য জীবনীগ্রন্থ রচনা করেছেন। - এই গ্রন্থটির নাম হলো আ জীবনানন্দ রিড রিডিং লাইফ অ্যান্ড পোয়েট্রি অব জীবনানন্দ দাশ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ক্লিনটন বি সিলি একজন মার্কিন গবেষক এবং অনুবাদক যিনি বাংলা সাহিত্য নিয়ে কাজ করেছেন। - তিনি শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এবং জীবনানন্দ দাশের কবিতার ইংরেজি অনুবাদ ও গবেষণায় বিশেষ অবদান রেখেছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক্লিনটন বি সিলি অনূদিত জীবনানন্দ দাশের কবিতার ইংরেজি সংকলন। ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের সাহিত্য বিশ্ব দরবারে পরিচিত করতে সাহায্য করেছে। উদাহরণ ২: রূপসী বাংলা কাব্যগ্রন্থের ইংরেজি অনুবাদ। ব্যাখ্যা: এই অনুবাদগুলোর মাধ্যমে বিদেশি পাঠকরা জীবনানন্দ দাশের প্রকৃতির রূপ বৈচিত্র্য বুঝতে পেরেছেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডব্লিউ বি ইয়েটস — তিনি আইরিশ কবি ও নাট্যকার ছিলেন যিনি জীবনানন্দ দাশের ওপর কোনো গ্রন্থ লেখেননি। B) ক্লিনটন বি সিলি — এটি সঠিক উত্তর। C) অরুন্ধতী রায় — তিনি ভারতের সমসাময়িক ঔপন্যাসিক ও প্রাবন্ধিক যিনি জীবনানন্দ দাশের জীবনী লেখেননি। D) অমিতাভ ঘোষ — তিনি একজন ভারতীয় ইংরেজি ভাষার ঔপন্যাসিক যিনি এই গবেষণার সঙ্গে যুক্ত নন। ৫. মনে রাখার টিপস: - জীবনানন্দ দাশের ওপর ইংরেজি বই লিখলে সিল লাগবে, এভাবে ক্লিনটন বি সিলি নামটি মনে রাখতে পারো। - বিদেশি গবেষকদের মধ্যে সিলির নাম জীবনানন্দ গবেষণার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - জীবনানন্দ দাশ আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি এবং তাকে রূপসী বাংলার কবি বলা হয়। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি লেখকদের লেখা দেশীয় সাহিত্যিকদের জীবনী প্রায়ই আসে।
a বাবা ছেলেকে বললেন, বাবা তুমি দীর্ঘজীবী হও
b বাবা ছেলেকে বললেন যে, তোমার দীর্ঘয়ু হোক
c বাবা ছেলেকে বললেন, ‘তুমি দীর্ঘজীবী হও’
d বাবা ছেলেকে বললেন যে, আমি তোমার দীর্ঘায়ু কামনা করি
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বাবা ছেলেকে বললেন, ‘তুমি দীর্ঘজীবী হও’ ১. কেন সঠিক: - প্রত্যক্ষ উক্তিতে বক্তার মূল বক্তব্য বা উক্তি উদ্ধৃতি চিহ্নের ভেতরে অবিকল প্রকাশ করা হয়। - আশীর্বাদ, প্রার্থনা বা ইচ্ছা প্রকাশকমূলক বা্য (Optative Sentence) পরোক্ষ উক্তিতে কামনা করলেন বা প্রার্থনা করলেন দ্বারা প্রকাশিত হলে প্রত্যক্ষ রূপ দিতে হলে বক্তার সরাসরি আশীর্বচনী বাক্যটি উদ্ধৃতি চিহ্নের ভেতরে বসাতে হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - উক্তি পরিবর্তনের ক্ষেত্রে অর্থ ঠিক রেখে পরোক্ষ উক্তিকে প্রত্যক্ষ রূপে রূপান্তর করার সময় বক্তার সরাসরি কথন উদ্ধৃতি চিহ্নের ভেতরে রাখতে হয়। - প্রার্থনা সূচক বাক্যে বক্তা সরাসরি কাউকে শুভকামনা বা আশীর্বাদ জানালে প্রত্যক্ষ উক্তিতে তুমি বা আপনারা সম্বলিত আশীর্বাদী বাক্য ব্যবহার করতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শিক্ষক ছাত্রকে বললেন, ‘তুমি পরীক্ষায় সফল হও।’ ব্যাখ্যা: এটি একটি আশীর্বাদক সূচক বাক্যের প্রত্যক্ষ রূপ যেখানে সরাসরি শুভকামনা জানানো হয়েছে। উদাহরণ ২: মা মেয়েকে বললেন, ‘আল্লাহ তোমার মঙ্গল করুন।’ ব্যাখ্যা: এটি প্রার্থনা সূচক বাক্যের প্রত্যক্ষ রূপ যেখানে সরাসরি ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাবা ছেলেকে বললেন, বাবা তুমি দীর্ঘজীবী হও — এখানে অতিরিক্ত বাবা শব্দটি যুক্ত করায় বাক্যটি ব্যাকরণগত ও গঠনগতভাবে মূল পরোক্ষ উক্তির সঙ্গে সরাসরি মেলে না। B) বাবা ছেলেকে বললেন যে, তোমার দীর্ঘয়ু হোক — এখানে প্রত্যক্ষ উক্তির নিয়ম না মেনে মাঝখানে যে সংযোজক ব্যবহার করা হয়েছে যা প্রত্যক্ষ উক্তিতে হয় না। C) বাবা ছেলেকে বললেন, ‘তুমি দীর্ঘজীবী হও’ — এটি সঠিক কারণ এটি প্রার্থনা সূচক বাক্যের সঠিক প্রত্যক্ষ রূপ প্রকাশ করেছে। D) বাবা ছেলেকে বললেন যে, আমি তোমার দীর্ঘায়ু কামনা করি — এটি পরোক্ষ উক্তিরই আরেকটি রূপ, প্রত্যক্ষ রূপ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - প্রার্থনা সূচক বাক্যের পরোক্ষ রূপ থেকে প্রত্যক্ষ রূপ করার সময় বাক্যের মাঝের যে তুলে দিতে হবে এবং বক্তার সরাসরি আশীর্বাণী উদ্ধৃতি চিহ্নের ভেতর বসাতে হবে। - কামনা করলেন থাকলে প্রত্যক্ষ রূপে তুমি দীর্ঘজীবী হও বা কল্যাণময় হও জাতীয় আশীর্বাদী বাক্য ব্যবহার করতে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - উক্তি পরিবর্তনের সময় বাক্য কোন ধরনের ( assertive, interrogative, imperative, optative, exclamatory) তা আগে শনাক্ত করতে হবে। - অপটিন বা প্রার্থনা সূচক বাক্যের ক্ষেত্রে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ রূপান্তরের নিয়মগুলো ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
a ঢাকার পল্টন
b নওগাঁর পরিসর
c কুষ্টিয়ার কুমারখালী
d ময়মনসিংহের ত্রিশাল
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কুষ্টিয়ার কুমারখালী ১. কেন সঠিক: - ‘গ্রামবার্তা প্রকাশিকা’ পত্রিকাটি কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে প্রকাশিত হয়েছিল। - এই পত্রিকাটি উনিশ শতকের গ্রামীণ বাংলার সমাজচিত্র ও শোষণের চিত্র তুলে ধরেছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাঙাল হরিনাথ মজুমদার ১৮৬৩ সালে এই পত্রিকা প্রকাশ করেন। - এটি মূলত গ্রামীণ সাংবাদিকতার এক ঐতিহাসিক মাইলফলক হিসেবে পরিচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বঙ্গবার্তা ব্যাখ্যা: এটিও একটি ঐতিহাসিক সাময়িকপত্র। উদাহরণ ২: সমাচার দর্পণ ব্যাখ্যা: এটি উনিশ শতকের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকাশনা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঢাকার পল্টন — এখান থেকে এই পত্রিকাটি প্রকাশিত হয়নি। B) নওগাঁর পরিসর — এটি এই পত্রিকার প্রকাশের স্থান নয়। C) কুষ্টিয়ার কুমারখালী — এটি সঠিক প্রকাশের স্থান। D) ময়মনসিংহের ত্রিশাল — এটি এই পত্রিকার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - কাঙাল হরিনাথের কুমারখালী, মনে রেখো কুষ্টিয়াবাসী খালি হাতে নয়, বার্তা নিয়ে আসেন। - পত্রিকার নামের সঙ্গে স্থান মনে রাখতে প্রথম অক্ষর মেলাতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সংবাদপত্রের সম্পাদক ও প্রকাশনা স্থান প্রায়ই আসে। - পত্রিকার প্রকাশকাল এবং সম্পাদকের নাম ভালোভাবে মুখস্থ রাখা জরুরি।
a শ্রীচৈতন্যদেব
b কাহ্নপা
c বিদ্যাপতি
d রামকৃষ্ণ পরমহংসদেব
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) শ্রীচৈতন্যদেব কেন সঠিক: - শ্রীচৈতন্যদেবের জীবন ও পদাচলনা কেন্দ্র করে বাংলায় প্রথম সার্থক জীবনী সাহিত্যের ধারা রচিত হয়। - তাঁর প্রয়াণের পর ভক্ত ও অনুসারীরা তাঁর জীবনের নানা দিক নিয়ে পদ ও গ্রন্থ রচনা শুরু করেন। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে জীবনী সাহিত্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধারা হিসেবে পরিচিত। - এই ধারার প্রধান গ্রন্থগুলোর মধ্যে কৃষ্ণদাস কবিরাজের শ্রীচৈতন্যচরিতামৃত এবং বৃন্দাবন দাসের শ্রীচৈতন্যভাগবত অন্যতম। - চৈতন্যদেবের অলৌকিক প্রেমভক্তি প্রচার এবং বৈষ্ণব ধর্মের প্রসার এই সাহিত্য সৃষ্টির মূল অনুপ্রেরণা ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: - B) কাহ্নপা — চর্যাপদের অন্যতম প্রধান পদকর্তা, জীবনী সাহিত্যের সঙ্গে যুক্ত নন। - C) বিদ্যাপতি — মৈথিলী কোকিল নামে পরিচিত বৈষ্ণব পদাবলীর বিখ্যাত কবি, তাঁর জীবন নিয়ে জীবনী সাহিত্য গড়ে ওঠেনি। - D) রামকৃষ্ণ পরমহংসদেব — উনিশ শতকের সাধক, তাঁর জীবন নিয়ে পরবর্তীকালে সাহিত্য রচিত হলেও বাংলা জীবনী সাহিত্যের মূল ধারা তাঁর মাধ্যমে গড়ে ওঠেনি। মনে রাখার টিপস: - মধ্যযুগে জীবনী সাহিত্য মানেই শ্রীচৈতন্যদেবকে কেন্দ্র করে রচিত সাহিত্য।
a মীননাথ
b প্রবোধচন্দ্র বাগচী
c হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
d মুনিদত্ত
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মুনিদত্ত ১. কেন সঠিক: চর্যাপদের মূল সংস্কৃত টীকার রচয়িতা হলেন মুনিদত্ত। তাঁর এই টীকার নাম 'চর্যাচর্যবিনিশ্চয়'। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মুনিদত্ত চর্যাপদের পদগুলোর সংস্কৃত অর্থ বা ব্যাখ্যা লিখেছিলেন। এই টীকাটির মাধ্যমেই পরবর্তীকালে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে চর্যাপদ আবিষ্কার করতে সক্ষম হন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চর্যাচর্যবিনিশ্চয় ব্যাখ্যা: এটি মুনিদত্ত রচিত চর্যাপদের সংস্কৃত টীকাগ্রন্থ যার ওপর ভিত্তি করে চর্যাপদের মূল অর্থ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। উদাহরণ ২: মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ব্যাখ্যা: তিনি ১৯০৭ সালে নেপাল থেকে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেন এবং ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে প্রকাশ করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মীননাথ — তিনি চর্যাপদের একজন প্রখ্যাত পদকর্তা বা কবি, কোনো টীকাকার নন। B) প্রবোধচন্দ্র বাগচী — তিনি চর্যাপদের তিব্বতী অনুবাদ আবিষ্কার ও চর্যাপদ নিয়ে গবেষণা করেছেন, টীকাকার নন। C) হরপ্রসাদ শাস্ত্রী — তিনি চর্যাপদের আবিষ্কারক ও প্রথম সম্পাদক, এর টীকাকার নন। D) মুনিদত্ত — সঠিক উত্তর কারণ তিনি চর্যাপদের সংস্কৃত টীকা লিখেছিলেন। ৫ মনে রাখার টিপস: চর্যাপদের পদকর্তা হলেন কবিরা আর টীকা লিখেছেন মুনিদত্ত। নামটি মনে রাখতে মনে রেখো মুনিরা সাধারণত শাস্ত্র বা টীকা লেখেন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: চর্যাপদ সম্পর্কিত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আবিষ্কারক, প্রকাশকাল এবং টীকাকারের নাম বারবার আসে। মুনিদত্তের টীকা না থাকলে চর্যাপদের প্রকৃত অর্থ উদ্ধার করা সম্ভব হতো না।
a পুরষ্কার
b আবিস্কার
c সময়পোযোগী
d স্বত্ব
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) স্বত্ব কেন সঠিক: - এই শব্দটিতে ত এর নিচে ব-ফলা যুক্ত হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ সঠিক। - বাংলা বানান বিধি অনুযায়ী শব্দের শেষে এই যুক্তবর্ণের ব্যবহার নিখুঁত। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী স্বত্ব শব্দটির অর্থ অধিকার বা মালিকানা। - এই শব্দে দন্ত্য স, ব, ত এবং ত এর নিচে ব-ফলা ব্যবহৃত হয়। - যেমন স + ব + ত + ব-ফলা মিলে স্বত্ব গঠিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) পুরষ্কার — এটি ভুল কারণ সঠিক বানান হলো পুরস্কার, যেখানে মূর্ধন্য ষ ব্যবহৃত হয়। - B) আবিস্কার — এটি ভুল কারণ সঠিক বানান হলো আবিষ্কার, যেখানে ই কারের পর মূর্ধন্য ষ বসে। - C) সময়পোযোগী — এটি ভুল কারণ সঠিক বানান হলো সময়োপযোগী, যেখানে ও কারের পরিবর্তে ও যুক্ত হয়। - D) স্বত্ব — এই অপশনটি সঠিক, তাই এটি ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: - অধিকার অর্থে স্বত্ব বানান লেখার সময় সবসময় ত এর নিচে ব-ফলা ব্যবহার করবে।
a ভূমিপুত্র
b মাটির জাহাজ
c কাঁটাতারে প্রজাপতি
d চিলেকোঠার সেপাই
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) চিলেকোঠার সেপাই ১. কেন সঠিক: - চিলেকোঠার সেপাই উপন্যাসটি ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের ঐতিহাসিক পটভূমিকায় রচিত হয়েছে। - উপন্যাসের প্রধান চরিত্র খোকা ঊনসত্তরের গণআন্দোলনের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিবর্তনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উপন্যাসের রচয়িতা প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক আখতারুজ্জামান ইলিয়াস। - এই উপন্যাসে তৎকালীন পুরান ঢাকার সামাজিক জীবন এবং ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট অত্যন্ত নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সেলিনা হোসেনের যাপিত জীবন ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসটি বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের পটভূমিকায় রচিত একটি বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম। উদাহরণ ২: শওকত ওলীর জননী ব্যাখ্যা: এটি গ্রামীণ সমাজের মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব ও পটভূমি নিয়ে রচিত একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভূমিপুত্র — এই নামে কোনো বিখ্যাত উপন্যাস বা সংশ্লিষ্ট পটভূমির প্রধান সাহিত্যকর্ম নেই। B) মাটির জাহাজ — এটি এই ঐতিহাসিক পটভূমির সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো উপন্যাস নয়। C) কাঁটাতারে প্রজাপতি — এটি ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের পটভূমিকায় লেখা কোনো উপন্যাস নয়। D) চিলেকোঠার সেপাই — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় প্রশ্নে চাওয়া পটভূমির সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান মানেই আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের চিলেকোঠার সেপাই উপন্যাস। - চরিত্র ও পটভূমি মনে রাখতে খোকা চরিত্র এবং ১৯৬৯ সালের আন্দোলন একসঙ্গে স্মরণ করতে হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই উপন্যাসটি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - ঐতিহাসিক পটভূমিভিত্তিক উপন্যাসগুলো আলাদাভাবে তালিকা তৈরি করে পড়লে সহজেই উত্তর করা সম্ভব।
a শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘শেষ প্রশ্ন’
b রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘চোখের বালি’
c কাজী নজরুল ইসলামের ‘কুহেলিকা’
d বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘কপালকুন্ডুলা’
0 91 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘চোখের বালি’ ১. কেন সঠিক: - ‘চোখের বালি’ উপন্যাসের মূল বিষয়বস্তু হলো তৎকালীন সমাজব্যবস্থায় বিধবা নারীর প্রেম, মানসিক দ্বন্দ্ব এবং বঞ্চনার মনস্তাত্ত্বিক রূপায়ণ। - উপন্যাসের প্রধান চরিত্র বিনোদিনী একজন তরুণী বিধবা, যার প্রেমের আবেগ ও আকুলতা তৎকালীন রক্ষণশীল সমাজের ভিত্তিকে নাড়া দিয়েছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ নোবেলজয়ী কবি, ঔপন্যাসিক ও বহুমুখী প্রতিভাধর সাহিত্যিক। - ১৯০৩ সালে প্রকাশিত ‘চোখের বালি’ উপন্যাসের মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যে আধুনিক মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাসের ধারা সূচিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘যোগাযোগ’ উপন্যাস ব্যাখ্যা: এটিও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত উপন্যাস যেখানে মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব ও সম্পর্কের জটিলতা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। উদাহরণ ২: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘চরিত্রহীন’ উপন্যাস ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসেও সমাজের প্রচলিত রীতিনীতি এবং প্রেমের জটিল রূপ খুব সুন্দরভাবে চিত্রিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘শেষ প্রশ্ন’ — এই উপন্যাসের মূল বিষয় প্রথাগত সমাজের বাইরে নারী-পুরুষের স্বাধীন প্রেম ও মুক্তবুদ্ধির চর্চা, বিধবার প্রেম নয়। B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘চোখের বালি’ — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি বিধবার প্রেম ও মনস্তত্ত্ব নিয়ে রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস। C) কাজী নজরুল ইসলামের ‘কুহেলিকা’ — এটি মূলত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও বিপ্লববাদ নিয়ে রচিত কাজী নজরুল ইসলামের একমাত্র রাজনৈতিক উপন্যাস। D) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘কপালকুন্ডুলা’ — এটি বঙ্কিমচন্দ্রের একটি রোমান্টিক উপন্যাস যার মূল পটভূমি সন্ন্যাসী জীবন ও সমুদ্র উপকূলবর্তী প্রকৃতি। ৫ মনে রাখার টিপস: - চোখের বালি উপন্যাসের বিধবা চরিত্র বিনোদিনীর নাম মনে রাখলে খুব সহজেই উত্তরটি মনে রাখা সম্ভব। - রবীন্দ্রনাথের প্রথম আধুনিক মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস হিসেবে চোখের বালি সবসময় প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - চোখের বালি উপন্যাসের প্রধান চরিত্রগুলো হলো মহেন্দ্র, আশা, বিনোদিনী ও বিহারী। - বাংলা সাহিত্যে মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাসের জনক বা প্রবর্তক হিসেবে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের এই উপন্যাসটি বিশেষ মাইলফলক।
a অকাজ
b আবছায়া
c আলুনি
d নিখুঁত
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আলুনি ১. কেন সঠিক: 'আলুনি' শব্দটি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় এটি 'আ' উপসর্গ যোগে গঠিত হয়েছে। এখানে 'আ' উপসর্গটি বিশেষ অর্থে 'অভাব' প্রকাশ করেছে, কারণ 'আলুনি' শব্দের অর্থ লবণ বা নুনের অভাব। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষায় কিছু সংস্কৃত ও দেশি উপসর্গ রয়েছে যা বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে থাকে। 'আ' একটি উপসর্গ যা শব্দের শুরুতে বসে নতুন অর্থ সৃষ্টি করে এবং কখনো কখনো অভাব বা স্বল্পতা বোঝায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আকথা ব্যাখ্যা: অকথ্য বা খারাপ কথা অর্থে 'আ' উপসর্গ ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: আধোয়া ব্যাখ্যা: ধোয়ার অভাব বা যা ধোয়া হয়নি অর্থে 'আ' উপসর্গ ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অকাজ — এটি 'অ' উপসর্গ যোগে গঠিত হয়েছে এবং এর অর্থ মন্দ কাজ বা খারাপ কাজ, এখানে অভাব বোঝায়নি। B) আবছায়া — এটি 'আ' উপসর্গ যোগে গঠিত হলেও এর অর্থ ঈষৎ বা অল্প ছায়া, এখানে অভাব বোঝায়নি। D) নিখুঁত — এটি 'নি' উপসর্গ যোগে গঠিত হয়েছে এবং এর অর্থ ত্রুটিহীন, এখানে 'আ' উপসর্গ ব্যবহৃত হয়নি। ৫. মনে রাখার টিপস: লবণ বা নুনের অভাব বোঝাতে আলুনি শব্দটি মনে রাখবে। আ উপসর্গ দিয়ে গঠিত শব্দে আ মানে সাধারণত অভাব বা স্বল্পতা বোঝাতে পারে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: উপসর্গ চেনার জন্য শব্দের মূল অংশ এবং উপসর্গ আলাদা করতে হবে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই উপসর্গ থেকে শব্দের অর্থ ও প্রকারভেদ জানতে চাওয়া হয়।
a রামচন্দ্র বিদ্যাবাগীশ
b রাজশেখর বসু
c হরিচরণ দে
d অশোক মুখোপাধ্যায়
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রামচন্দ্র বিদ্যাবাগীশ ১. কেন সঠিক: বাংলা ভাষায় প্রথম অভিধান বা শব্দকোষ সংকলনের গৌরব অর্জন করেছেন রামচন্দ্র বিদ্যাবাগীশ। ১৮১৭ সালে প্রকাশিত বঙ্গভাষা অভিধান বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম মুদ্রিত ও পূর্ণাঙ্গ অভিধান হিসেবে স্বীকৃত। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: রামচন্দ্র বিদ্যাবাগীশ ছিলেন উনিশ শতকের প্রথমার্ধের একজন বিশিষ্ট পণ্ডিত এবং শিক্ষাবিদ। তিনি কলকাতা সংস্কৃত কলেজের অধ্যাপক ছিলেন এবং বাংলা গদ্যের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বঙ্গভাষা অভিধান ব্যাখ্যা: রামচন্দ্র বিদ্যাবাগীশ কর্তৃক সংকলিত বাংলা ভাষার প্রথম মুদ্রিত অভিধান এটি। উদাহরণ ২: শব্দার্থ কল্পদ্রুম ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার আরেকটি বিখ্যাত প্রামাণ্য অভিধান, যা রাধাকান্ত দেব কর্তৃক সংকলিত হয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রামচন্দ্র বিদ্যাবাগীশ — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি বাংলা ভাষায় প্রথম অভিধান সংকলন করেছিলেন। B) রাজশেখর বসু — তিনি আধুনিক যুগের একজন বিখ্যাত প্রাবন্ধিক ও lexicographer যিনি চলিত ভাষার বিখ্যাত চলন্তিকা অভিধান রচনা করেছিলেন, যা প্রথম অভিধান নয়। C) হরিচরণ দে — তিনি বাংলা ভাষার ঐতিহাসিক ও অন্যতম সেরা শব্দার্থ অভিধান বঙ্গীয় শব্দকোষের রচয়িতা, যা রামচন্দ্র বিদ্যাবাগীশের বহু পরে প্রকাশিত হয়। D) অশোক মুখোপাধ্যায় — তিনি আধুনিককালের একজন বিশিষ্ট অভিধান প্রণেতা ও গবেষক, যিনি বাংলা অভিধানবিদ্যার ইতিহাসের সঙ্গে যুক্ত থাকলেও প্রথম অভিধানের সংকলক নন। ৫ মনে রাখার টিপস: রামচন্দ্র বিদ্যাবাগীশ নামটির প্রথম অংশ রাম দিয়ে মনে রাখতে পারো যে তিনিই বাংলা ভাষার অভিধান জগতের আদিপুরুষ বা রাম। প্রথম অভিধান মানেই রামচন্দ্র বিদ্যাবাগীশ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা অভিধানের ইতিহাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। বাংলা ভাষার প্রথম অভিধান কোনটি এবং এর সংকলক কে, এই তথ্যটি BCS ও শিক্ষক নিবন্ধনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a কর্মবাচ্য
b ভাববাচ্য
c যৌগিক
d কর্মকর্তৃবাচ্য
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভাববাচ্য ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যটিতে কর্তার চেয়ে কাজের ভাব বা ক্রিয়াটিই প্রধান হিসেবে প্রতীয়মান হয়েছে এবং এখানে কোনো স্পষ্ট কর্তা নেই। - বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কর্ম থাকা সত্ত্বেও যখন বাক্যে কর্মপদটি প্রধান হয়ে ওঠে না এবং ক্রিয়ার ভাব বা অর্থই স্পষ্টভাবে প্রকাশ পায়, তখন তাকে ভাববাচ্য বলে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে বাচ্যে কর্তার বা কর্মের প্রাধান্য থাকে না, বরং ক্রিয়ার অর্থ বা ভাবই প্রধান রূপে প্রতিভাত হয়, তাকে ভাববাচ্য বলে। - ভাববাচ্যের বাক্যে সাধারণত অকর্মক ক্রিয়া থাকে অথবা কর্ম থাকলেও তা গৌণ বা উহ্য থাকে এবং ক্রিয়ার সঙ্গে সাধারণত আ বা ই বিভক্তি যুক্ত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমার যাওয়া হবে না। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে কোনো নির্দিষ্ট কর্তার প্রাধান্য নেই, বরং যাওয়ার কাজটি সম্পন্ন না হওয়ার ভাবটি প্রকাশ পেয়েছে। উদাহরণ ২: তোদের কি গান গাওয়া হবে না? ব্যাখ্যা: এখানে গান কর্ম থাকা সত্ত্বেও গান গাওয়ার ভাব বা অবস্থাকে প্রশ্ন করা হয়েছে, যা ভাববাচ্যের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্মবাচ্য — এই অপশন ভুল কারণ কর্মবাচ্যে কর্মপদটি প্রধান হয় এবং ক্রিয়ার সঙ্গে সাধারণত দ্বারা, দিয়া, কর্তrum যুক্ত থাকে যা এখানে নেই। B) ভাববাচ্য — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটি নিয়ম অনুযায়ী সঠিক। C) যৌগিক — এই অপশন ভুল কারণ যৌগিক বাক্যে একটি প্রধান খণ্ড বাক্যের অধীন এক বা একাধিক আশ্রিত বাক্য থাকে, যা বাচ্যের শ্রেণিবিভাগ নয়। D) কর্মকর্তৃবাচ্য — এই অপশন ভুল কারণ কর্মকর্তৃবাচ্যে কর্মপদ নিজেই কর্তার স্থানীয় হয়, যা এই বাক্যের গঠনে অনুপস্থিত। ৫. মনে রাখার টিপস: - ভাববাচ্য চেনার সহজ উপায় হলো বাক্যে কর্তার উপস্থিতি গৌণ থাকে এবং ক্রিয়ার ভাব বা কাজটি সম্পন্ন হওয়ার অক্ষমতা বা সম্ভাবনা বোঝায়। - বাক্যটি পড়ে যদি মনে হয় কাজটি কে করছে তা বড় নয়, বরং কাজটি করা বা না করার বিষয়টিই প্রধান, তবে তা ভাববাচ্য হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাচ্য পরিবর্তনের নিয়ম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই কর্তাবাচ্য থেকে ভাববাচ্যে রূপান্তরের নিয়মগুলো ভালো করে অনুশীলন করতে হবে। - ভাববাচ্যের ক্রিয়াপদ সবসময় প্রথম পুরুষ বা অন্য পুরুষের হয় এবং এর রূপ সাধারণত নামধাতু বা সাধারণ ক্রিয়ার বিশেষ গঠনে হয়ে থাকে।
a সমরেশ মজুমদার
b শওকত ওসমান
c সমরেশ বসু
d আলাউদ্দিন আল আজাদ
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সমরেশ বসু ১. কেন সঠিক: - কালকূট হলো বরেণ্য কথাসাহিত্যিক সমরেশ বসুর একটি সুপরিচিত ছদ্মনাম। - তিনি এই ছদ্মনামে বাংলা সাহিত্যে বেশ কিছু মননশীল ও গভীর জীবনদর্শনভিত্তিক উপন্যাস রচনা করেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমরেশ বসু বিশ শতকের বাংলা কথাসাহিত্যের একজন অন্যতম প্রধান ও জনপ্রিয় ঔপন্যাসিক। - তার বিখ্যাত কালকূট ছদ্মনামে লেখা উপন্যাসগুলোর মধ্যে আনন্দ আমৃত্যু, সে এবং আমি এবং অবারিত পৃথিবী বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বনফুল ব্যাখ্যা: এটি প্রখ্যাত সাহিত্যিক বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের জনপ্রিয় ছদ্মনাম। উদাহরণ ২: পরিমল গোস্বামী ব্যাখ্যা: তিনি মৌচাক পত্রিকায় লেখার সময় জটিল মল্লিক ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সমরেশ মজুমদার — ইনি বাংলা সাহিত্যের একজন জনপ্রিয় ঔপন্যাসিক হলেও কালকূট ছদ্মনামের লেখক নন। B) শওকত ওসমান — ইনি বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও প্রাবন্ধিক, যার প্রকৃত নাম শেখ আজিজুর রহমান। C) সমরেশ বসু — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। D) আলাউদ্দিন আল আজাদ — ইনি বাংলাদেশের প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও গবেষক, যিনি কালকূট নামে লেখেননি। ৫ মনে রাখার টিপস: - সমরেশ বসু ছদ্মনামে বিষ পান করেছিলেন কালকূট, এভাবে মনে রাখতে পারো তার ছদ্মনামটি কালকূট। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলা সাহিত্যে ছদ্মনাম থেকে প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে। - অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ছদ্মনাম যেমন বনফুলের আসল নাম বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় এবং বীরবলের আসল নাম প্রমথ চৌধুরী ভালো করে পড়তে হবে।
a অসীম সাহা
b অরুণ বসু
c আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
d সৈয়দ শামসুল হক
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সৈয়দ শামসুল হক ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি সৈয়দ শামসুল হক রচিত একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থের নাম নির্দেশ করে। - এই কাব্যে গ্রামীণ জনপদের জীবনযাত্রা, মানুষের আবেগ ও লোকজ সংস্কৃতির গভীর রূপায়ণ ঘটেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সৈয়দ শামসুল হক বাংলা সাহিত্যের এক বহুমুখী প্রতিভাধর লেখক যিনি কবিতা, উপন্যাস, নাটক ও ছোটগল্পে অসামান্য অবদান রেখেছেন। - পরানের গহীন ভিতর তাঁর একটি উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ যা বাংলা কবিতায় নিজস্ব স্বর ও আঞ্চলিক লোকায়ত ভাষার চমৎকার ব্যবহারের জন্য পরিচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নুরুল আমিনের সারাজীবন ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ শামসুল হকের একটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক নাটক। উদাহরণ ২: পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় ব্যাখ্যা: এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক পটভূমিতে রচিত সৈয়দ শামসুল হকের একটি পদ্যনাটক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অসীম সাহা — ইনি বাংলাদেশের একজন বিশিষ্ট কবি হলেও এই কাব্যগ্রন্থটি তাঁর রচিত নয়। B) অরুণ বসু — ইনি একজন কবি ও প্রাবন্ধিক হলেও আলোচ্য কাব্যটির সঙ্গে তাঁর সম্পৃক্ততা নেই। C) আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ — ইনি বিখ্যাত 'কোনো এক মাকে' কবিতার রচয়িতা, তবে এই কাব্যগ্রন্থটি তাঁর নয়। D) সৈয়দ শামসুল হক — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি এই কাব্যগ্রন্থের রচয়িতাকে নির্দেশ করে। ৫ মনে রাখার টিপস: - সৈয়দ শামসুল হকের পরানের গহীন ভিতর কবিতা বা কাব্যগ্রন্থটি মনে রাখতে গহীন শব্দের সঙ্গে লেখকের নামের সংযোগ করতে পারো। - লোকজ ও গ্রামীণ আবহযুক্ত এমন কাব্যগ্রন্থ সাধারণত সৈয়দ শামসুল হকের মতো প্রথিতযশা কবিরাই লিখে থাকেন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কবি ও কাব্যগ্রন্থ মিলকরণ অংশে আসে। - লেখকের অন্যান্য বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ ও নাটকগুলোর নাম নোট করে রাখা পরীক্ষার জন্য বেশ সহায়ক।
a অনুজ্ঞাবাচক
b নির্দেশাত্মক
c বিস্ময়বোধক
d প্রশ্নবোধক
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নির্দেশাত্মক ১. কেন সঠিক: যে বাক্যে কোনো সাধারণ তথ্য, ঘটনা বা বিবৃতির বর্ণনা থাকে, তাকে নির্দেশাত্মক বা বর্ণনাত্মক বাক্য বলে। এখানে বক্তা তার একটি নতুন বা অদ্ভুত অভিজ্ঞতার কথা সাধারণভাবেই প্রকাশ করেছেন, তাই এটি নির্দেশাত্মক বাক্য। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: অর্থের দিক থেকে বাংলা বাক্য প্রধানত পাঁচ প্রকার যথা নির্দেশাত্মক, অনুজ্ঞাবাচক, প্রশ্নবোধক, বিস্ময়বোধক ও ইচ্ছাবাচক। নির্দেশাত্মক বাক্যে কোনো কিছু নিশ্চিতভাবে স্বীকার বা অস্বীকার করা হয় এবং এর মাধ্যমে বক্তার বক্তব্যের মূল উদ্দেশ্য প্রকাশ পায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাল আমরা নদী দেখতে যাব। ব্যাখ্যা: এটি একটি সাধারণ ঘটনার বর্ণনা দিচ্ছে, তাই এটি নির্দেশাত্মক বাক্য। উদাহরণ ২: সূর্য পূর্ব দিকে উদিত হয়। ব্যাখ্যা: এটি একটি চিরন্তন সত্যের বিবৃতি, যা নির্দেশাত্মক বাক্যের অন্তর্ভুক্ত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অনুজ্ঞাবাচক — অনুজ্ঞাবাচক বাক্যে আদেশ, নিষেধ, অনুরোধ বা আশীর্বাদ বোঝায়, কিন্তু প্রদত্ত বাক্যে এমন কোনো ভাব নেই। B) নির্দেশাত্মক — এটি সঠিক কারণ বাক্যটিতে সরাসরি একটি অভিজ্ঞতার বিবৃতি বা বর্ণনা প্রদান করা হয়েছে। C) বিস্ময়বোধক — বিস্ময়বোধক বাক্যে আবেগ, হর্ষ, বিষাদ বা বিস্ময় প্রকাশ পায়, যা এই বাক্যে অনুপস্থিত। D) প্রশ্নবোধক — প্রশ্নবোধক বাক্যে কোনো কিছু জানার বা প্রশ্ন করার ভাব থাকে, কিন্তু এখানে কোনো প্রশ্ন করা হয়নি। ৫ মনে রাখার টিপস: বাক্যে যদি কোনো সাধারণ তথ্য, ঘটনা বা বিবৃতি প্রকাশ পায় এবং শেষে সাধারণ দাড়ি বসে, তবে চোখ বন্ধ করে তাকে নির্দেশাত্মক বাক্য হিসেবে চিহ্নিত করবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য রূপান্তর বা বাক্য শনাক্তকরণের প্রশ্ন প্রায়ই আসে। বাক্য চেনার সময় প্রথমে খেয়াল করবে বাক্যটি দ্বারা প্রশ্ন করা হচ্ছে নাকি কোনো তথ্য জানানো হচ্ছে।
a হুলিয়া
b তোমাকে অভিবাদন প্রিয়া
c সোনালি কাবিন
d স্মৃতিস্তম্ভ
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) স্মৃতিস্তম্ভ ১. কেন সঠিক: - স্মৃতিস্তম্ভ কবিতাটি ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যকর্ম, যা শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে। - প্রশ্নটিতে ভাষা আন্দোলনভিত্তিক কবিতা কোনটি তা জানতে চাওয়া হয়েছে, এবং আলাউদ্দিন আল আজাদের স্মৃতিস্তম্ভ কবিতাটি এই দাবির সঙ্গে সম্পূর্ণ মিলে যায়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - স্মৃতিস্তম্ভ কবিতার রচয়িতা হলেন বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক ও কবি আলাউদ্দিন আল আজাদ, যিনি বাংলা সাহিত্যে আধুনিক ধারার লেখক হিসেবে পরিচিত। - ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে তিনি এই কবিতাটি রচনা করেন, যা আমাদের জাতীয় চেতনার উন্মেষ ঘটাতে সাহায্য করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ফেব্রুয়ারি ১৯৬০ ব্যাখ্যা: এটি হাসান হাফিজুর রহমান সম্পাদিত একুশে ফেব্রুয়ারি সংকলনে প্রকাশিত ভাষা আন্দোলনভিত্তিক আরেকটি বিখ্যাত কবিতা। উদাহরণ ২: কাঁদতে আসিনি ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি ব্যাখ্যা: মাহবুব উল আলম চৌধুরী রচিত এই কবিতাটি ভাষা আন্দোলনের ওপর রচিত প্রথম কবিতা এবং এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব অপরিসীম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হুলিয়া — এটি কবি নির্মলেন্দু গুণের একটি বিখ্যাত কবিতা, যা মূলত মুক্তিযুদ্ধ ও রাজনৈতিক পটভূমির ওপর রচিত হয়েছে। B) তোমাকে অভিবাদন প্রিয়া — এটি কবি শহীদ কাদরী রচিত একটি আধুনিক কবিতা, যার বিষয়বস্তু ভাষা আন্দোলন নয়। C) সোনালি কাবিন — এটি কবি আল মাহমুদের একটি বিখ্যাত সনেট সংকলন, যা গ্রামীণ জীবন ও ঐতিহ্যের ওপর রচিত। D) স্মৃতিস্তম্ভ — এটি ভাষা আন্দোলন নিয়ে লেখা কবিতা এবং এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। ৫ মনে রাখার টিপস: - ভাষা আন্দোলন নিয়ে লেখা কবিতার ক্ষেত্রে আলাউদ্দিন আল আজাদের স্মৃতিস্তম্ভ এবং মাহবুব উল আলম চৌধুরীর কাঁদতে আসিনি ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি নামটি সবার আগে মনে রাখবে। - স্মৃতিস্তম্ভ মানে স্মৃতির উদ্দেশ্যে নির্মিত মিনার বা স্তম্ভ, যা ১৯৫২ সালের শহীদদের স্মরণ করিয়ে দেয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ভাষা আন্দোলনের প্রথম কবিতার নাম হলো কাঁদতে আসিনি ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি এবং এর রচয়িতা মাহবুব উল আলম চৌধুরী। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কবিতা ও রচয়িতার নাম আলাদা করে জিজ্ঞেস করা হয়।
a রসতত্ত্ব
b রূপতত্ত্ব
c বাক্যতত্ত্ব
d ক্রিয়ার কাল
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বাক্যতত্ত্ব ১. কেন সঠিক: ধ্বনি ও শব্দকে সঠিকভাবে বাক্যে ব্যবহার করার নিয়মকানুন ব্যাকরণের যে শাখায় আলোচনা করা হয়, তাকে বাক্যতত্ত্ব বা পদক্রম বলে। ভাষার মূল উপকরণ হলো বাক্য, আর সেই বাক্য গঠনের সুনির্দিষ্ট বিধান জানার জন্যই বাক্যতত্ত্বের প্রয়োজন হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাক্যতত্ত্ব ব্যাকরণের এমন একটি শাখা যেখানে পদের বিন্যাস, পদক্রম, কারক, বাচ্য এবং বাক্যের বিভিন্ন অংশ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। সার্থক বাক্যের গুণ তিনটি যথা আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি ও যোগ্যতা, যা বাক্যতত্ত্বের আলোচনার অন্তর্ভুক্ত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমি স্কুলে যাই। ব্যাখ্যা: এখানে কর্তা, কর্ম এবং ক্রিয়া যথাযথ ক্রমানুসারে বসে একটি অর্থপূর্ণ বাক্য গঠন করেছে। উদাহরণ ২: ফুল ফুটিয়াছে। ব্যাখ্যা: শব্দগুলোর পারস্পরিক অন্বয় ও মিল রেখে বাক্যে ব্যবহারের বিধান বাক্যতত্ত্বের আওতাধীন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রসতত্ত্ব — রসতত্ত্ব মূলত বাংলা সাহিত্যের অলংকার শাস্ত্র এবং কাব্যাংশে রসের প্রকাশ নিয়ে আলোচনা করে। B) রূপতত্ত্ব — রূপতত্ত্ব ব্যাকরণে শব্দ গঠন, পদ এবং শব্দের রূপান্তর নিয়ে আলোচনা করে। D) ক্রিয়ার কাল — ক্রিয়ার কাল রূপতত্ত্বের একটি অংশ মাত্র, যা বাক্যে ব্যবহারের সামগ্রিক বিধান বোঝায় না। ৫ মনে রাখার টিপস: শব্দ ও ধ্বনি দিয়ে বাক্য সাজানোর নিয়ম হলো বাক্যতত্ত্ব। বাক্য সাজানোর বিধান মানেই বাক্যতত্ত্ব মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ব্যাকরণের আলোচ্য বিষয় চারটি, যার মধ্যে বাক্যতত্ত্ব হলো চতুর্থ অংশ। বাক্য সম্পর্কিত যেকোনো প্রশ্ন আসলে তা সাধারণত বাক্যতত্ত্ব বা syntax এর আওতাভুক্ত হয়।
a মনোকষ্ট
b মনঃকষ্ট
c মণকষ্ট
d মনকস্ট
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মনঃকষ্ট ১. কেন সঠিক: - বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী বিসর্গ সন্ধির ক্ষেত্রে অ-কার কিংবা আ-কারের পর বিসর্গ (:) থাকলে এবং তার পরে ক, খ, প বা ফ থাকলে বিসর্গ অপরিবর্তিত থাকে অথবা বিসর্গ স্থানে স (দন্ত্য স) হয়। - মনঃ যুক্ত কষ্ট মিলে মনঃকষ্ট বা মনসকষ্ট উভয় রূপই ব্যাকরণসম্মত হলেও প্রমিত বাংলা বানানরীতি ও বাংলা একাডেমি আধুনিক বানান নিয়ম অনুযায়ী বিসর্গ বহাল রেখে মনঃকষ্ট লেখাটি সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য ও সঠিক। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি মূলত বিসর্গ সন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম, যেখানে বিসর্গের পরে অঘোষ অল্পপ্রাণ বা মহাপ্রাণ ব্যঞ্জনবর্ণ থাকলে বিসর্গ ও হয় না বরং স হয়। - বিসর্গের সঙ্গে ক যুক্ত হলে বিসর্গ অপরিবর্তিত থাকে কিংবা বিসর্গের স্থানে দন্ত্য স বসে, যা নিপাতনে সিদ্ধ বা বিশেষ নিয়মে সাধিত শব্দ হিসেবে পরিগণিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বয়ঃসন্ধি ব্যাখ্যা: বয়ঃ যুক্ত সন্ধি মিলে বয়ঃসন্ধি হয়, যেখানে বিসর্গের পরে স থাকার কারণে বিসর্গ অপরিবর্তিত থাকে। উদাহরণ ২: অহর্নিশ ব্যাখ্যা: অহঃ যুক্ত নিশ মিলে অহর্নিশ হয়, যা বিসর্গ সন্ধির আরেকটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার কমন নিয়ম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মনোকষ্ট — এই বানানে বিসর্গের পরিবর্তে ও-কার ব্যবহার করা হয়েছে, যা এই পদের ক্ষেত্রে ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। B) মনঃকষ্ট — এই অপশনটি সঠিক এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য নির্ধারিত প্রমিত উত্তর। C) মণকষ্ট — এই বানানে মূর্ধন্য ণ ব্যবহার করা হয়েছে এবং বিসর্গ বাদ দেওয়া হয়েছে, যা সম্পূর্ণ ভুল। D) মনকস্ট — এই বানানে ইংরেজি ট-বর্গীয় ধ্বনি বা ভুল বানানরীতি ব্যবহার করা হয়েছে এবং কোনো বিসর্গ বা সন্ধির নিয়ম মানা হয়নি। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিসর্গ বিসর্গই থাকে যখন পদের শুরুতে মনঃ শব্দ থাকে এবং পরে কষ্ট বা চেতনা জাতীয় শব্দ যুক্ত হয়। - মনঃ পদের সঙ্গে কষ্ট যুক্ত করার সময় মাঝখানে বিসর্গ না উঠিয়ে হুবহু যুক্ত করে মনঃকষ্ট লিখতে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসর্গ সন্ধি থেকে বিসিএস এবং অন্যান্য নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে, বিশেষ করে এই ধরনের নিপাতনে সিদ্ধ শব্দগুলো ভালো করে আয়ত্ত করতে হবে। - প্রমিত বাংলা বানানরীতি মেনে চলার জন্য বাংলা একাডেমি প্রণীত আধুনিক বানান নিয়ম অনুসরণ করা অত্যন্ত জরুরি।
a রেফ
b হসন্ত
c কার
d ফলা
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ফলা ১. কেন সঠিক: বর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ হলো কার ও ফলা। স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে কার বলা হয় এবং ব্যঞ্জনবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে ফলা বলা হয়। প্রশ্নে ব্যঞ্জন ধ্বনির সংক্ষিপ্ত রূপ চাওয়া হয়েছে, তাই সঠিক উত্তর ফলা। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণের সংখ্যা এগারোটি এবং ব্যঞ্জনবর্ণের সংখ্যা ঊচল্লিশটি। পূর্ণরূপের পাশাপাশি যুক্তবর্ণ গঠনের সময় বা শব্দের সংক্ষিপ্ত ব্যবহারে এদের নির্দিষ্ট রূপ ব্যবহৃত হয়। স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ বা কারের সংখ্যা দশটি, কারণ অ বর্ণটির কোনো সংক্ষিপ্ত রূপ বা কার নেই। ব্যঞ্জনবর্ণের যখন অন্য কোনো ব্যঞ্জনবর্ণের সঙ্গে যুক্ত হয়ে নতুন রূপ নেয়, তখন তাকে ফলা বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব ফলা ব্যাখ্যা: মূল বর্ণ ব যখন অন্য ব্যঞ্জনের সাথে যুক্ত হয়, তখন তাকে ব ফলা বলা হয় যেমন স্বাধীন শব্দের স্বা। উদাহরণ ২: ম ফলা ব্যাখ্যা: মূল বর্ণ ম যখন অন্য ব্যঞ্জনের সাথে যুক্ত হয়, তখন তাকে ম ফলা বলা হয় যেমন পদ্মা শব্দের প্দ্মা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রেফ — রেফ হলো র বর্ণের একটি বিশেষ রূপ, যা সাধারণত কোনো বর্ণের উপরে বসে এবং এটি স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ নয়। B) হসন্ত — হসন্ত হলো কোনো ব্যঞ্জনবর্ণের নিচে স্বরধ্বনি না থাকার চিহ্ন বা দ্যোতক, এটি ব্যঞ্জনবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ নয়। C) কার — কার হলো স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ, যা ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে যুক্ত হয় এবং এটি ব্যঞ্জন ধ্বনির সংক্ষিপ্ত রূপ নয়। D) ফলা — ফলা হলো ব্যঞ্জনবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ, যা অন্য ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে যুক্ত হয়ে ব্যবহৃত হয় এবং এটি প্রশ্নের সঠিক চাহিদা পূরণ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ স্ব দিয়ে শুরু না হয়ে ক দিয়ে শুরু হয় অর্থাৎ কার, আর ব্যঞ্জনের সংক্ষিপ্ত রূপ ফ দিয়ে শুরু হয় অর্থাৎ ফলা। এভাবে স্বর-কার এবং ব্যঞ্জন-ফলা মিলিয়ে খুব সহজেই মনে রাখা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ব্যাকরণে কার ও ফলার সংখ্যা এবং এদের সংজ্ঞা প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। কার দশটি এবং ফলা ছয়টি (ন, ম, ল, র, ব, য) তা ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a দাশরথি রায়
b রামনিধি গুপ্ত
c ফকির গরীবুল্লাহ
d রামরাম বসু
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দাশরথি রায় ১. কেন সঠিক: পঞ্চালী বা পাঁচালি বাংলা সাহিত্যের একটি জনপ্রিয় পরিবেশনমূলক গীতিধারা, যা মূলত গান ও ছড়ার মাধ্যমে পুরাণ বা লোককাহিনি প্রচার করত। বাংলা সাহিত্যে পাঁচালি গানের রচয়িতা ও গায়ক হিসেবে যিনি সর্বাধিক খ্যাতি এবং জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন, তিনি হলেন দাশরথি রায়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: দাশরথি রায় বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের শেষভাগে এবং আধুনিক যুগের সন্ধিক্ষণে (ঊনবিংশ শতাব্দী) আবির্ভূত একজন বিখ্যাত পাঁচালিকাবকার। তাঁর রচিত পাঁচালি গানগুলো তৎকালীন সমাজে অত্যন্ত জনপ্রিয় ছিল এবং সেগুলোকে পাঁচালি গান বা দাশু রায়ের পাঁচালি নামে অভিহিত করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দাশরথি রায়ের পাঁচালি ব্যাখ্যা: এটি দাশরথি রায়ের বিখ্যাত পাঁচালি গানের সংকলন, যা তৎকালীন সময়ে সাধারণ মানুষের মাঝে ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষা প্রচার করত। উদাহরণ ২: ব্রজসুন্দর রায় ব্যাখ্যা: তিনি দাশরথি রায়ের পুত্র এবং পিতার মৃত্যুর পর তাঁর পাঁচালি রচনার ধারা কিছুকাল অব্যাহত রেখেছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দাশরথি রায় — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ তিনি পাঁচালিকার হিসেবে সর্বাধিক খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। B) রামনিধি গুপ্ত — ইনি বাংলা সাহিত্যের আদি খেউড় ও টপ্পা গানের জন্য সর্বাধিক পরিচিত, পাঁচালিকার নন। C) ফকির গরীবুল্লাহ — ইনি বাংলা সাহিত্যের পুথি সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি, পাঁচালিকার হিসেবে পরিচিত নন। D) রামরাম বসু — ইনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের একজন পন্ডিত এবং গদ্যলেখক, পাঁচালি রচনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। ৫ মনে রাখার টিপস: পাঁচালি শুনলেই মনে রাখবে দাশু রায়ের কথা, কারণ পাঁচালিতে সবচেয়ে বেশি খ্যাতি পেয়েছেন দাশরথি রায়। নামের প্রথম অংশ মিলিয়ে মনে রাখতে পারো দাশরথি রায়ের পাঁচালি গান ছিল বিখ্যাত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে বাংলা পাঁচালি গানের শ্রেষ্ঠ রচয়িতা কে, যার উত্তর হবে দাশরথি রায়। লেখক পরিচিতি পড়ার সময় কোন লেখক কোন ধারার জন্য বিখ্যাত, তা আলাদা করে নোট করে রাখা উচিত।
a আলাওল
b চন্দ্রাবতী
c মুকুন্দদাস
d মুক্তারাম চক্রবর্তী
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মুকুন্দদাস ১. কেন সঠিক: মুকুন্দদাস বাংলা সাহিত্যের একজন খ্যাতনামা চারণকবি, নাট্যকার ও দেশপ্রেমিক। ব্রিটিশ বিরোধী স্বাদেশী আন্দোলনে তাঁর গান ও যাত্রাপালা সাধারণ মানুষকে উদ্বুদ্ধ করেছিল বলে তাঁকে চারণকবি উপাধি দেওয়া হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: মুকুন্দদাস ১৮৭৮ সালে জন্মগ্রহণের করেন এবং তাঁর প্রকৃত নাম যজ্ঞেশ্বর দে। তিনি স্বদেশী আন্দোলন চলাকালীন গান ও নাটকের মাধ্যমে মানুষের মধ্যে দেশপ্রেম জাগিয়ে তোলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মুকুন্দদাসের লেখা বিখ্যাত যাত্রাপালা সমাজ সেবা। ব্যাখ্যা: এটি তাঁর স্বদেশী ভাবাপন্ন একটি জনপ্রিয় নাট্যকর্ম। উদাহরণ ২: মুকুন্দদাসের রচিত অপর একটি যাত্রাপালা মাতৃপূজা। ব্যাখ্যা: এই নাটকের মাধ্যমে তিনি পরাধীনতার বিরুদ্ধে দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ করার চেষ্টা করেছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আলাওল — তিনি মধ্যযুগের রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি এবং পদ্মাবতী তাঁর বিখ্যাত কাব্য। B) চন্দ্রাবতী — তিনি বাংলা সাহিত্যের প্রথম নারী কবি হিসেবে পরিচিত এবং রামায়ণ রচনার জন্য বিখ্যাত। D) মুক্তারাম চক্রবর্তী — তিনি অষ্টাদশ শতকের একজন মধ্যযুগীয় পন্ডিত ও কবি এবং চারণকবি হিসেবে পরিচিত নন। ৫. মনে রাখার টিপস: মুকুন্দদাস নামের সাথে স্বদেশী গান এবং চারণকবি উপাধিটি একত্রে মনে রাখা যায়। মনে রাখতে হবে যে চারণকবি বলতেই মুকুন্দদাসের নাম সবার আগে আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় চারণকবি মুকুন্দদাসের নাম প্রায়ই আসে। তাঁর জন্মস্থান এবং পেশা সম্পর্কে ধারণা রাখা পরীক্ষার জন্য খুবই উপযোগী।
a বিনোদিনী
b হৈমন্তী
c আশালতা
d চারুলতা
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) চারুলতা কেন সঠিক: ১. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নষ্টনীড় গল্পের মূল ও প্রধান নারী চরিত্র চারুলতা, যিনি একাকীত্বের শিকার হয়ে দেবর অমলের প্রতি আকর্ষিত হন। ২. সত্যজিৎ রায় এই গল্পের ওপর ভিত্তি করে বিখ্যাত চারুফুল বা চারুলতা নামক চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছেন। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. নষ্টনীড় গল্পটি বাংলা ছোটগল্প সাহিত্যের একটি মনস্তাত্ত্বিক ও যুগান্তকারী সৃষ্টি হিসেবে বিশেষভাবে পরিচিত। ২. এতে উচ্চবিত্ত পরিবারের অবহেলিত গৃহবধূর মানসিক বিকাশ ও নিঃসঙ্গতার বাস্তব চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. যেমন, চারুলতার সাহিত্যচর্চা এবং অমলের সাথে তার বুদ্ধিবৃত্তিক সখ্য এই গল্পের কেন্দ্রীয় প্রতিপাদ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিনোদিনী — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের চোখের ਬਾלי গল্পের বিখ্যাত ও প্রতিবাদী একটি প্রধান নারী চরিত্র। B) হৈমন্তী — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের হৈমন্তী নামক ট্র্যাজেডিধর্মী সামাজিক ছোটগল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র। C) আশালতা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের চোখের ਬਾלי গল্পের অন্যতম একটি কোমলমতি ও সরল চরিত্র। D) চারুলতা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: ১. নষ্টনীড় বললেই চারুলতা এবং অমলের সম্পর্কের কথা মনে রাখতে হবে। ২. চোখের ਬਾלי গল্পের সাথে চারুলতাকে গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
a শশব্যস্ত
b কালচক্র
c পরাণপাখি
d বহুব্রীহি
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) শশব্যস্ত ১. কেন সঠিক: - শশব্যস্ত শব্দটি উপমান কর্মধারয় সমাসের সঠিক উদাহরণ কারণ এখানে শশ বা খরগোশের ব্যস্ততার সঙ্গে তুলনাকৃত পদের সরাসরি তুলনা করা হয়েছে। - উপমান কর্মধারয় সমাসে সাধারণ ধর্মবাচক পদের সঙ্গে উপমেয় পদের তুলনা বোঝায় যেখানে উপমান অর্থ তুলনীয় বস্তু। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে কর্মধারয় সমাসে একটি সাধারণ গুণবাচক পদের সঙ্গে উপমান পদের তুলনা করা হয় এবং সাধারণ ধর্মটি উভয়ের মধ্যে দৃশ্যমান থাকে তাকে উপমান কর্মধারয় সমাস বলে। - এই সমাস চেনার সহজ উপায় হলো ব্যাসবাক্যে ন্যায় পদটি মধ্যখানে বসে এবং উপমান ও সাধারণ ধর্ম স্পষ্ট থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তুষারশুভ্র ব্যাখ্যা: তুষারের ন্যায় শুভ্র, এখানে তুষারের সঙ্গে শুভ্রতার তুলনা করা হয়েছে। উদাহরণ ২: অরুণরাঙা ব্যাখ্যা: অরুণের ন্যায় রাঙা, এখানে অরুণের লাল রঙের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শশব্যস্ত — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি শশের ন্যায় ব্যস্ত অর্থে উপমান কর্মধারয় সমাস গঠন করে। B) কালচক্র — এটি কাল বা সময়ের চক্র অর্থে রূপক কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ, তাই উপমান নয়। C) পরাণপাখি — এটি পরাণ রূপ পাখি অর্থে রূপক কর্মধারয় সমাস, তাই এটি উপমান কর্মধারয় নয়। D) বহুব্রীহি — এটি কোনো সমাসের নাম নয় বরং একটি প্রধান সমাসের শ্রেণি, তাই এটি সঠিক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - উপমান কর্মধারয় সমাসে ব্যাসবাক্যের মাঝখানে ন্যায় বসে এবং একটি পরিচিত উপাদানের সঙ্গে তুলনা করা হয়। - শশব্যস্ত বা তুষারশুভ্র শব্দগুলোতে বাস্তব কোনো বস্তুর সঙ্গে গুণের তুলনা থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপমান ও উপমিত কর্মধারয় সমাসের পার্থক্য প্রায়ই আসে। - ব্যাসবাক্যে ন্যায় মাঝখানে থাকলে উপমান এবং শেষে থাকলে উপমিত হয়।
a জন্ম > জম্ম
b আজি > আইজ
c ডেস্ক > ডেস্‌ক
d অলাবু > লাবু > লাউ
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আজি > আইজ ১. কেন সঠিক: অপিনিহিতি অর্থ হলো পরবর্তী ই-কার বা উ-কার কিংবা ঋ-কার আগে উচ্চারিত হওয়া। আজি শব্দটিতে জ-এর পরে যে ই-কার আছে, তা জ-এর আগে উচ্চারিত হয়ে আইজ রূপ নিয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: যুক্তবর্ণ বা পদের মধ্যে পরবর্তী স্বরধ্বনি আগে চলে আসার এই প্রবণতাকে অপিনিহিতি বলা হয়। এটি মূলত উচ্চারণের সুবিধার জন্য ঘটে এবং এটি মধ্যযুগের বাংলা ভাষা ও চর্যাপদের একটি অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চারি > চাইরি ব্যাখ্যা: র-এর শেষের ই-কার আগে চলে এসে চাইরি রূপ ধারণ করেছে। উদাহরণ ২: আজি > আইজ ব্যাখ্যা: জ-এর শেষের ই-কার জ-এর আগে উচ্চারিত হয়ে আইজ হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জন্ম > জম্ম - এটি ব্যঞ্জনবিপর্যয় বা বিষমীভবনের উদাহরণ, যেখানে শব্দের ভেতরের দুটি ভিন্ন ব্যঞ্জনের স্থান পরিবর্তন ঘটে। B) আজি > আইজ - এটি অপিনিহিতির সঠিক উদাহরণ কারণ পরের ই-কার আগে চলে এসেছে। C) ডেস্ক > ডেস্‌ক - এটি ধ্বনিবিপর্যয়ের উদাহরণ নয়, বরং এটি একটি বিদেশি শব্দের প্রমিত উচ্চারণ রূপ। D) অলাবু > লাবু > লাউ - এটি অপিনিহিতি নয়, বরং এটি স্বরলোপ বা সম্প্রকর্ষের উদাহরণ যেখানে মধ্যবর্তী স্বরধ্বনি লুপ্ত হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: অপিনিহিতি চেনার উপায় হলো পরের ই-কার বা উ-কার আগে চলে আসে। আইজ, বাইজ, আইজ, হাউজ শব্দের মতো ই বা উ আগে আসলে অপিনিহিতি হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: অপিনিহিতি থেকে প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে। চর্যাপদের ভাষা বিশ্লেষণেও অপিনিহিতির ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়।
a চারণকবি
b সাপুড়ে
c সুদখোর
d কৃষিজীবী
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সুদখোর ১. কেন সঠিক: - কুসীদজীবী বলতে মূলত সেই ব্যক্তিকে বোঝায় যিনি উচ্চ সুদে অর্থ বা ধান কর্জ দেন এবং সুদে-আসলে তা আদায় করেন। - কুসীদ শব্দের অর্থ সুদ বা ঋণ, এবং জীবী শব্দের অর্থ জীবিকা নির্বাহকারী, যার অর্থ দাঁড়ায় সুদের কারবারে জীবিকা নির্বাহকারী। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি একটি এককথায় প্রকাশ বা শব্দার্থ সংক্রান্ত প্রশ্ন, যা বাংলা ব্যাকরণের শব্দভাণ্ডার অংশের অন্তর্ভুক্ত। - সংস্কৃত কুসীদ শব্দের সঙ্গে জীবী প্রত্যয় যুক্ত হয়ে এই বিশেষ অর্থবাহী পদটি গঠিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মহাজন ব্যাখ্যা: সমাজে যারা চড়া সুদে গরিব কৃষকদের টাকা ধার দিত, তাদের মহাজন বা কুসীদজীবী বলা হতো। উদাহরণ ২: কাবুলিওয়ালা ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাবুলিওয়ালা গল্পে মিনিদের দেশে সুদে টাকা ধার দেওয়ার পেশার সঙ্গে কাবুলিওয়ালাদের কিছুটা মিল পাওয়া যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চারণকবি — চারণকবি বলতে প্রাচীন ও মধ্যযুগের ঘুরে ঘুরে গান বা কবিতা রচনা ও পরিবেশনকারী কবিদের বোঝায়। B) সাপুড়ে — সাপুড়ে হলো যারা পেশাদারভাবে সাপ ধরে এবং সাপের খেলা দেখিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে। C) সুদখোর — এটি সঠিক উত্তর কারণ কুসীদজীবী শব্দের আভিধানিক অর্থ সুদের কারবার করে জীবন ধারণকারী। D) কৃষিজীবী — কৃষিজীবী বলতে কৃষিকাজ বা চাষবাসের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহকারী মানুষদের বোঝায়। ৫. মনে রাখার টিপস: - কুসীদ শব্দের অর্থ সুদ, তাই কুসীদজীবী দেখলে মনে রাখতে হবে এটি সুদখোর বা মহাজন পেশাকে নির্দেশ করে। - এই ধরনের শব্দার্থ সহজে মনে রাখতে মূল শব্দের উৎস অর্থ খেয়াল করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ হিসেবে এই শব্দটি প্রায়ই আসে। - প্রাচীন ও মধ্যযুগের সামাজিক অর্থনৈতিক ইতিহাস থেকে এই ধরনের পেশাবাচক শব্দ বেশি দেখা যায়।
a কৃৎ প্রত্যয়
b তদ্ধিত প্রত্যয়
c বাংলা কৃৎ প্রত্যয়
d সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয়
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) তদ্ধিত প্রত্যয় ১. কেন সঠিক: প্রাচুর্য শব্দটি প্রচুর শব্দের সঙ্গে য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত হয়েছে। প্রচুর হলো একটি বিশেষণ পদ, তাই এর সঙ্গে যুক্ত প্রত্যয়টি তদ্ধিত প্রত্যয় হিসেবে গণ্য হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: শব্দ বা ধাতুর সঙ্গে যে বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে তাকে প্রত্যয় বলে। ধাতু বা ক্রিয়ামূলের সঙ্গে যুক্ত প্রত্যয়কে কৃৎ প্রত্যয় এবং শব্দ বা প্রাতিপদিকের সঙ্গে যুক্ত প্রত্যয়কে তদ্ধিত প্রত্যয় বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুন্দর + য = সৌন্দর্য ব্যাখ্যা: সুন্দর বিশেষ্য বা বিশেষণ শব্দের সঙ্গে য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে তদ্ধিত প্রত্যয় সাধিত হয়েছে। উদাহরণ ২: ধীর + য = ধৈর্য ব্যাখ্যা: ধীর শব্দের সঙ্গে য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ভাববাচক তদ্ধিতান্ত শব্দ গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কৃৎ প্রত্যয় — এটি ক্রিয়ামূলের সঙ্গে যুক্ত হয়, কিন্তু প্রচুর একটি শব্দ। C) বাংলা কৃৎ প্রত্যয় — এটি বাংলা ক্রিয়ামূলের সঙ্গে যুক্ত হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয় — এটি সংস্কৃত ক্রিয়ামূলের সঙ্গে যুক্ত হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: শব্দ বা বিশেষ্যের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হলে তদ্ধিত প্রত্যয় হয় এবং ক্রিয়ামূলের সঙ্গে যুক্ত হলে কৃৎ প্রত্যয় হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: শব্দটির প্রকৃতি ও প্রত্যয় নির্ণয় ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে যাতে মূল শব্দটি নামপদ নাকি ক্রিয়াপদ তা চিহ্নিত করা সহজ হয়।
a materialistic
b epicurean
c cynic
d stoic
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) epicurean কেন সঠিক: ‘Eat, drink and be merry’ প্রবাদটির মূল অর্থ হলো জীবনের ভোগবিলাসে মত্ত থাকা এবং আনন্দ উপভোগ করা। Epicurean শব্দের অর্থ এমন ব্যক্তি যিনি খাওয়া-দাওয়া ও সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যকে জীবনের প্রধান লক্ষ্য হিসেবে মনে করেন। তাই এই প্রশ্নটির সাথে সঠিক অপশনটি পুরোপুরি মিলে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) materialistic — এই শব্দের অর্থ বস্তুবাদী, যিনি আধ্যাত্মিকতার চেয়ে ধনসম্পদ ও বস্তুগত বিষয় নিয়ে বেশি ব্যস্ত থাকেন। B) epicurean — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন করে ভুল ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়। C) cynic — এই শব্দের অর্থ মানবদ্বেষী বা নিরাশাবাদী, যিনি মানুষের সততা ও আন্তরিকতার ওপর বিশ্বাস রাখেন না। D) stoic — এই শব্দের অর্থ স্টয়িক বা সহ্যক্ষম, যিনি সুখ এবং দুঃখ উভয় অবস্থাতেই সমানভাবে অবিচল থাকেন। মনে রাখার টিপস: Epicurean শব্দটিকে 'Easy' ও 'Pleasure' শব্দের সাথে মিলিয়ে মনে রাখতে পারো, কারণ এরা শুধু আনন্দ ও আরামের খোঁজ করে।
a P. B. Shelley
b S. T. Coleridge
c John Keats
d T. S. Eliot
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) T. S. Eliot কেন সঠিক: টি এস এলিয়ট রোমান্টিক যুগের কবি নন, তিনি বিংশ শতাব্দীর আধুনিক যুগের একজন বিখ্যাত কবি ও প্রাবন্ধিক। তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ দ্য ওয়েস্ট ল্যান্ড আধুনিক সাহিত্যের প্রতীক। তিনি ঐতিহ্য ও আধুনিকতার সংমিশ্রণে সাহিত্য রচনা করেছেন। রোমান্টিক যুগের মূল ভাবের সাথে তাঁর লেখার মিল নেই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) P. B. Shelley — পি বি শেলি রোমান্টিক যুগের একজন অন্যতম প্রধান ও বিদ্রোহী কবি। B) S. T. Coleridge — এস টি কোলরিজ রোমান্টিক যুগের প্রবক্তা ও বিখ্যাত কবি। C) John Keats — জন কিটসি রোমান্টিক যুগের সৌন্দর্যবাদী ও অন্যতম প্রধান কবি। D) T. S. Eliot — তিনি রোমান্টিক যুগের কবি নন, বরং আধুনিক যুগের প্রতিনিধি। মনে রাখার টিপস: রোমান্টিক কবিদের মধ্যে শেলি, কোলরিজ ও কিটসের নাম থাকে, কিন্তু এলিয়ট হলেন আধুনিক যুগের কবি।
a The Flower
b Fern Hill
c By Fire
d After the Funeral
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Fern Hill কেন সঠিক: ডিলান থমাসের বিখ্যাত কবিতা 'ফার্ন হিল' থেকে এই বিখ্যাত পঙক্তিটি নেওয়া হয়েছে। শৈশবের সোনালী দিন এবং জীবনের অবধারিত মৃত্যুর সত্য এই কবিতায় ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The Flower — এটি অন্য কোনো কবির লেখা কিংবা ডিলান থমাসের এই বিশেষ বিখ্যাত পঙক্তি ধারণ করে না। B) Fern Hill — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। C) By Fire — এটি ডিলান থমাসের অন্য একটি কবিতা হলেও এই নির্দিষ্ট পঙক্তিটি এখানে নেই। D) After the Funeral — এটি কবির শোকগাথাভিত্তিক একটি কবিতা যা এই পঙক্তির সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: ডিলান থমাসের সবুজ প্রকৃতি ও শৈশবের স্মৃতিচারণ মানেই 'ফার্ন হিল' কবিতাটি মনে রাখবে।
a Samel Beckett
b Henry Livings
c Harold Pinter
d Arthur Miller
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Harold Pinter কেন সঠিক: ‘দ্য বার্থডে পার্টি’ নাটকটির রচয়িতা হলেন বিখ্যাত ব্রিটিশ নাট্যকার হ্যারল্ড পিন্টার। এটি তাঁর লেখা অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি অ্যাবসার্ড নাটক যা ১৯৫৮ সালে প্রথম মঞ্চস্থ হয়। আধুনিক ইংরেজি সাহিত্যে থিয়েটার অব দ্য অ্যাবসার্ড ধারার নাটকে তাঁর বিশেষ অবদান রয়েছে। এই নাটকটি পিন্টারের নাট্যকার পরিচলনায় এক নতুন যুগের সূচনা করেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Samuel Beckett — তিনি বিখ্যাত অ্যাবসার্ড নাটক ওয়েটিং ফর গডোট লিখেছেন কিন্তু দ্য বার্থডে পার্টি লেখেননি। B) Henry Livings — তিনি ইংরেজ নাট্যকার হলেও আলোচ্য নাটকটির রচয়িতা নন। C) Harold Pinter — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। D) Arthur Miller — তিনি আমেরিকার বিখ্যাত নাট্যকার যিনি ডেথ অব এ সেলসম্যান রচনা করেছিলেন। মনে রাখার টিপস: হ্যারল্ড পিন্টার মানেই জন্মদিনের পার্টির নাটক বা দ্য বার্থডে পার্টি।
a into
b in
c to
d no preposition required
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) no preposition required কেন সঠিক: - Enter শব্দের অর্থ প্রবেশ করা, তাই এর পর সাধারণত গতিশীল অর্থে কোনো অতিরিক্ত Preposition বসে না। - Room একটি আবদ্ধ স্থান হলেও Enter-এর সঙ্গে সরাসরি Object বসে, তাই D অপশনটি সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) into — Enter-এর পর into বসে না, কারণ Enter শব্দের মধ্যেই ভেতরে প্রবেশের অর্থ নিহিত থাকে। B) in — Enter-এর সঙ্গে in প্রিপজিশন ব্যবহার করলে বাক্য গঠনে ভুল হয় এবং ব্যাকরণগত নিয়ম ভঙ্গ হয়। C) to — স্থান বা দিকে বোঝাতে to বসে, কিন্তু Enter শব্দের পরে সরাসরি কোনো Preposition ব্যবহৃত হয় না। D) no preposition required — কোনো Preposition ছাড়াই বাক্যটি সম্পূর্ণ ও ব্যাকরণগতভাবে সঠিক হয়। মনে রাখার টিপস: Enter শব্দের অর্থ ভেতরে প্রবেশ করা, তাই এর পর কখনো into বা in বসে না।
a infinitive
b gerund
c participle
d verbal noun
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) infinitive কেন সঠিক: এখানে 'go' শব্দটি কোনো সাহায্যকারী বা প্রধান ভার্বের সাথে বসেছে যার পূর্বে উহ্য 'to' থাকে। এটি বাক্যের মূল ভার্ব 'let' এর পর বসেছে এবং এর কোনো ইনফ্লেকশন বা রূপান্তর হয়নি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) infinitive — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) gerund — এটি ভার্ব ও নাউনের কাজ করে এবং এর সাথে আইএনজি যুক্ত থাকে, যা এই বাক্যে নেই। C) participle — এটি একাধারে ভার্ব ও এডজেক্টিভের কাজ করে, কিন্তু এখানে 'go' এমন কোনো বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করছে না। D) verbal noun — এটি ভার্ব থেকে উৎপন্ন হয়ে নির্দিষ্ট নাউনের কাজ করে, কিন্তু এখানে 'go' কাজটি নাউনের মতো ব্যবহার হয়নি। মনে রাখার টিপস: লেট বা মেক এর মতো কিছু ভার্বের পর টু উহ্য রেখে বেয়ার ইনফিনিটিভ ব্যবহার করা হয়।
a The doctor found my pulse.
b The doctor took my pulse.
c The doctor examined my pulse.
d The doctor saw my pulse.
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) The doctor took my pulse. কেন সঠিক: ইংরেজিতে নাড়ির গতি বা পাল্স দেখার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট ভার্ব হিসেবে 'take' ব্যবহার করার নিয়ম রয়েছে। চিকিৎসat-সংক্রান্ত এই বিশেষ বাক্যটিতে অন্য কোনো সাধারণ ক্রিয়াপদ ব্যবহার করলে তা ব্যাকরণগতভাবে ভুল শোনায়। তাই চিকিৎসকের নাড়ি দেখার ক্ষেত্রে 'took my pulse' ই একমাত্র গ্রহণযোগ্য এবং সঠিক অভিব্যক্তি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The doctor found my pulse. — 'Find' অর্থ খোঁজা, যা নাড়ি দেখার ক্ষেত্রে সঠিক শব্দ নয়। B) The doctor took my pulse. — এটি সঠিক অপশন এবং এর কোনো ভুল নেই। C) The doctor examined my pulse. — চিকিৎসক রোগীকে পরীক্ষা করেন, সরাসরি নাড়ি 'examine' করেন না। D) The doctor saw my pulse. — 'See' অর্থ দেখা, যা নাড়ির স্পন্দন মাপার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি ভাষায় নাড়ি দেখার ক্ষেত্রে সবসময় 'take' ভার্বটি ব্যবহার করতে হয়।
a present participle
b adjective
c common noun
d gerund
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) gerund কেন সঠিক: এখানে 'walking' শব্দটি preposition 'of' এর পরে বসেছে এবং noun এর কাজ করেছে। verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে যখন noun এর কাজ করে, তখন তাকে gerund বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) present participle — এটি verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে adjective বা continuous tense এর কাজ করে, যা এখানে হয়নি। B) adjective — এটি সরাসরি কোনো noun কে বিশেষিত করছে না বরং নিজে একটি noun এর কাজ করছে। C) common noun — এটি কোনো নির্দিষ্ট বস্তুর নাম নয়, বরং একটি verb থেকে তৈরি হওয়া gerund। D) gerund — এটি সঠিক কারণ এটি preposition এর অবজেক্ট হিসেবে noun এর কাজ করেছে। মনে রাখার টিপস: Preposition এর ঠিক পরেই verb এর সাথে ing দেখলে সাধারণত সেটি gerund হয়।
a By whom you were taught French?
b By whom French was taught you?
c French was taught you by whom?
d By whom were you taught French?
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) By whom were you taught French? কেন সঠিক: Active voice-এ 'Who' থাকলে passive করার সময় শুরুতে 'By whom' বসে। বাক್ಯটি interrogative হওয়ায় 'By whom'-এর পর সাহায্যকারী verb বসবে। OBJECT 'you' অনুযায়ী সাহায্যকারী verb 'were' এবং মূল verb-এর past participle বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভুল কারণ — 'By whom'-এর পর সরাসরি subject 'you' বসানো হয়েছে, কোনো সাহায্যকারী verb নেই। B) ভুল কারণ — interrogative sentence-এর নিয়ম অনুযায়ী সাহায্যকারী verb subject-এর আগে বসেনি। C) ভুল কারণ — বাক্যটির শুরুতে সাহায্যকারী verb না থাকায় এটি interrogative গঠন হয়নি। D) সঠিক অপশন — এটি সব নিয়ম ঠিক রেখে সঠিক passive গঠন তৈরি করেছে। মনে রাখার টিপস: Whoযুক্ত active voice-কে passive করার সময় প্রথমে By whom বসিয়ে তারপর tense অনুযায়ী সাহায্যকারী verb আনতে হয়।
a Caesar
b Antony
c Faustus
d Romeo
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Faustus কেন সঠিক: এই বিখ্যাত উক্তিটি ক্রিস্টোফার মার্লোর ডক্টর ফাউস্টাস নাটকের মূল চরিত্র ফাউস্টাসের মুখ থেকে এসেছে। হেলেনের সৌন্দর্য দেখে মুগ্ধ হয়ে তিনি গ্রিক ট্রয়ের যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে এই কাব্যিক লাইনটি উচ্চারণ করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Caesar — ইনি উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের জুলিয়াস সিজার নাটকের চরিত্র এবং এই নাটকের সাথে তার কোনো সম্পর্ক নেই। B) Antony — ইনি শেক্সপিয়ারের অ্যান্টনি অ্যান্ড ক্লিওপেট্রা নাটকের প্রধান চরিত্র এবং মার্লোর নাটকের সাথে যুক্ত নন। C) Faustus — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশনের ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়। D) Romeo — ইনি উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের রোমিও অ্যান্ড জুলিয়েট নাটকের প্রেমিক চরিত্র এবং এই প্রখ্যাত সংলাপটির সাথে সম্পর্কিত নন। মনে রাখার টিপস: হাজার জাহাজের রূপসী হেলেনকে দেখে ফাউস্টাস এই কাব্যিক লাইনটি বলেছিলেন।
a Pygmalion
b Man and Superman
c The Doctor’s Dilemma
d Mrs. Warren’s Profession
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Pygmalion কেন সঠিক: জর্জ বার্নার্ড শ এর বিখ্যাত নাটক পিগমালিয়ন এর একটি অন্যতম প্রধান ও হাস্যরসাত্মক চরিত্র হলো আলফ্রেড ডুলিটল। এই নাটকে তিনি মূলত নারী চরিত্র এলিজা ডুলিটলের পিতা এবং একজন দরিদ্র ধূলিমল সংগ্রাহক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Pygmalion — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয় বরং এটিই নাটকটির আসল নাম। B) Man and Superman — এটি জর্জ বার্নার্ড শ এর একটি দার্শনিক নাটক হলেও এখানে আলফ্রেড ডুলিটল চরিত্রটি নেই। C) The Doctor’s Dilemma — এটি চিকিৎসা পেশার নৈতিকতা নিয়ে লেখা একটি নাটক এবং এখানেও এই চরিত্রটির উপস্থিতি নেই। D) Mrs. Warren’s Profession — এটি সমাজ সংস্কারমূলক একটি নাটক যেখানে প্রধান চরিত্র মিসেস ওয়ারেন এবং এই চরিত্রটি অনুপস্থিত। মনে রাখার টিপস: পিগমালিয়ন নাটকের নাম শুনলেই মনে রাখবে এটি ভাষা বিজ্ঞানী প্রফেসর হিগিন্স ও ডুলিটল পরিবারের গল্প।
a W. B. Yeats
b T. S. Eliot
c Walter Scott
d Robert Browning
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) T. S. Eliot কেন সঠিক: টি এস এলিয়ট বিংশ শতাব্দীর একজন বিখ্যাত আধুনিকতাবাদী কবি যিনি এই বিখ্যাত কবিতাটি রচনা করেছেন। এটি তার সাহিত্য জীবনের অন্যতম একটি যুগান্তকারী সৃষ্টি যা আধুনিক কবিতার মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিল। কবিতাটি আধুনিক মানুষের দ্বিধা এবং একাকীত্বকে সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছে। এটি মূলত আধুনিক কাব্যের একটি মাইলফলক হিসেবে বিশ্বজুড়ে সমাদৃত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) W. B. Yeats — উইলিয়াম বাটলার ইয়েটস একজন আইরিশ কবি যিনি সেল্টিক রিভাইভালের সাথে যুক্ত ছিলেন কিন্তু এই কবিতাটি লেখেননি। C) Walter Scott — স্যার ওয়াল্টার স্কট মূলত ঐতিহাসিক উপন্যাস রচনার জন্য বিখ্যাত এবং তিনি এই আধুনিক কবিতাটির রচয়িতা নন। D) Robert Browning — রবার্ট ব্রাউনিং ভিক্টোরিয়ান যুগের বিখ্যাত কবি যিনি ড্রামাটিক মনোলগ লেখার জন্য পরিচিত হলেও এটি তার সৃষ্টি নয়। মনে রাখার টিপস: এলিয়ট মানেই আধুনিক যুগের জটিল মনস্তত্ত্ব আর প্রুফলোকের গান তার শ্রেষ্ঠ পরিচায়ক।
a H. G. Wells
b Samuel Butler
c Henry James
d George Moore
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) H. G. Wells কেন সঠিক: এইচ জি ওয়েলস ১৮৯৫ সালে এই বিখ্যাত বিজ্ঞানভিত্তিক উপন্যাসটি প্রকাশ করেন। তাকে আধুনিক বিজ্ঞান কল্পকাহিনীর অন্যতম জনক হিসেবে গণ্য করা হয়। এই উপন্যাসের মাধ্যমে তিনি প্রথম বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীর ধারা জনপ্রিয় করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) H. G. Wells — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। B) Samuel Butler — তিনি এই উপন্যাসের লেখক নন বরং তিনি ইরেহোন উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত। C) Henry James — তিনি মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাসের জন্য পরিচিত কিন্তু এই কল্পকাহিনী লেখেননি। D) George Moore — তিনি বাস্তববাদী উপন্যাসের সাথে যুক্ত ছিলেন এবং এই ঘরানার লেখক নন। মনে রাখার টিপস: সময় ভ্রমণ বা টাইম মেশিন সম্পর্কিত বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী বললেই এইচ জি ওয়েলসের নাম মনে রাখবে।
a gerund
b apposition
c preposition
d conjunction
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) preposition কেন সঠিক: এখানে regarding শব্দটি কাজের সমস্যা সম্পর্কিত অর্থে কোনো noun বা pronoun এর পূর্বে বসে preposition হিসেবে কাজ করেছে। Sentence এ regarding এর অর্থ দাঁড়ায় about বা concerning. এই শব্দটির পরে your work noun phrase টি object হিসেবে যুক্ত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) gerund — Gerund হলো verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে noun এর কাজ করে কিন্তু এখানে regarding কোনো কাজ বোঝাচ্ছে না। B) apposition — Apposition হলো পাশাপাশি দুটি noun বসে একই ব্যক্তিকে বোঝানো, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) preposition — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) conjunction — Conjunction দুটি clause বা sentence কে যুক্ত করে, কিন্তু regarding শুধু একটি word কে সংযুক্ত করেছে। মনে রাখার টিপস: Regarding, including, concerning শব্দগুলো বাক্যে preposition এর মতো কাজ করে এবং এদের পরে noun থাকে।
a Her teeth was more brighter than a string of pearls.
b Her teeth were brighter than a string of pearls.
c A string of pearls was brighter than her teeth.
d A string of pearls were very bright than her teeth.
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Her teeth were brighter than a string of pearls. কেন সঠিক: পজিটিভ ডিগ্রি থেকে কম্পারেটিভ করার সময় বাক্যের শেষের অংশটি প্রথমে আসে এবং প্রথমে থাকা অংশটি শেষে চলে যায়। এখানে 'teeth' একটি বহুবচন সাবজেক্ট হওয়ায় এর সাথে সঠিক ভার্ব 'were' ব্যবহৃত হয়েছে এবং 'bright' এর কম্পারেটিভ রূপ 'brighter' বসেছে। বাক্যের অর্থ অপরিবর্তিত রেখে তুলনা বোঝাতে 'brighter than' গঠনটি সঠিকভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Her teeth was more brighter than a string of pearls. — এখানে বহুবচন সাবজেক্ট 'teeth' এর সাথে ভুলভাবে 'was' ভার্ব ব্যবহার করা হয়েছে এবং ডাবল কম্পারেটিভ 'more brighter' প্রয়োগ করা হয়েছে। B) Her teeth were brighter than a string of pearls. — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং এটি সব ব্যাকরণগত নিয়ম মেনে চলেছে। C) A string of pearls was brighter than her teeth. — এখানে পজিটিভ বাক্যের সাবজেক্ট এবং অবজেক্টের স্থান পরিবর্তন না করে ভুল তুলনা করা হয়েছে যা মূল অর্থের বিপরীত। D) A string of pearls were very bright than her teeth. — এখানে একবচন সাবজেক্টের সাথে বহুবচন ভার্ব ব্যবহার করা হয়েছে এবং কম্পারেটিভ ডিগ্রিতে 'more' বা '-er' এর পরিবর্তে ভুলভাবে 'very' ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: পজিটিভ থেকে কম্পারেটিভ করার সময় পেছনের অংশ সামনে এনে সাবজেক্ট বানাতে হবে এবং সঠিক ভার্ব ব্যবহারের পর কম্পারেটিভ রূপ ও 'than' বসাতে হবে।
a noun
b verb
c adjective
d adverb
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) adverb কেন সঠিক: এখানে home শব্দটি verb এর পরে বসে কোথায় যাওয়ার প্রশ্নটির উত্তর দিচ্ছে। এটি স্থান নির্দেশক adverb হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) noun - Noun হতে হলে শব্দটিকে কোনো ব্যক্তি, বস্তু বা স্থানের নাম বোঝাতে হতো এবং তার আগে preposition থাকতে হতো। B) verb - Verb হতে হলে শব্দটির দ্বারা কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাত, যা এখানে বোঝায়নি। C) adjective - Adjective হতে হলে শব্দটিকে কোনো noun বা pronoun এর দোষ বা গুণ প্রকাশ করতে হতো। D) adverb - এটি সঠিক হওয়ায় এখানে ভুল গণ্য করা হয়েছে কারণ প্রশ্নটিতে সঠিক উত্তর হিসেবে এটিই নির্ধারিত। মনে রাখার টিপস: go বা come এর মতো verb এর পরে সরাসরি home বসলে তা সবসময় adverb হয়।
a intransitive
b transitive
c causative
d Defective
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) intransitive কেন সঠিক: - বাক্যে 'arrived' ভার্বটি কোনো অবজেক্ট বা কর্ম ছাড়াই সম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করছে এবং এর পরে থাকা অংশটি অতিরিক্ত তথ্য দিচ্ছে। - যে ভার্বের অবজেক্ট থাকে না এবং অর্থ প্রকাশের জন্য অন্য শব্দের ওপর নির্ভর করতে হয় না, তাকে Intransitive verb বলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) intransitive — এই অপশনটি সঠিক কারণ প্রদত্ত বাক্যের ভার্বটির কোনো অবজেক্ট নেই। B) transitive — Transitive verb হতে হলে ভার্বের পর একটি অবজেক্ট বা কর্ম থাকতে হতো, যা এখানে নেই। C) causative — Causative verb অন্যের মাধ্যমে কোনো কাজ করানো বোঝায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Defective — Defective verb বলতে এমন কিছু ভার্বকে বোঝায় যেগুলোর সব রূপ থাকে না, যা এই বাক্যের ক্ষেত্রে সত্য নয়। মনে রাখার টিপস: ভার্বকে কী বা কাকে দ্বারা প্রশ্ন করে যদি উত্তর না পাওয়া যায়, তবে সেটি সাধারণত Intransitive verb হয়।
a king
b sovereign
c emperor
d Queen
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) sovereign কেন সঠিক: sovereign শব্দটি এমন একটি পদ যা পুরুষ বা নারী উভয় শাসককেই বোঝাতে পারে। তাই এটি ব্যাকরণে কমন জেন্ডার বা উভয় লিঙ্গ হিসেবে গণ্য হয়। রাজা বা রানী উভয়কেই এই শব্দ দ্বারা প্রকাশ করা যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) king — এই শব্দটি শুধুমাত্র পুরুষ শাসক বা রাজাকে বোঝায়, তাই এটি মেল বা ম্যাসকুলিন জেন্ডার। B) sovereign — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) emperor — এই শব্দটি শুধু পুরুষ সম্রাটকে নির্দেশ করে, যা ম্যাসকুলিন জেন্ডারের অন্তর্ভুক্ত। D) Queen — এই শব্দটি শুধুমাত্র নারী শাসক বা রানীকে বোঝায়, তাই এটি ফেমিনিন জেন্ডার। মনে রাখার টিপস: যেসব পদ দিয়ে নারী বা পুরুষ উভয়কেই বোঝায়, সেগুলোকে কমন জেন্ডার বলে।
a Lord Jim
b The Rainbow
c Ulysses
d A Passage to India
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) The Rainbow কেন সঠিক: ‘Lady Chatterley’s Lover’ উপন্যাসের লেখক হলেন বিখ্যাত ঔপন্যাসিক ডি. এইচ. লরেন্স। তার অপর একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও বিখ্যাত উপন্যাস হলো ‘The Rainbow’। একই লেখক কর্তৃক রচিত হওয়ার কারণে এই অপশনটি সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Lord Jim — এই বিখ্যাত উপন্যাসটির রচয়িতা জোসেফ কনরাড, ডি. এইচ. লরেন্স নন। B) The Rainbow — এটি ডি. এইচ. লরেন্সের লেখা উপন্যাস এবং সঠিক উত্তরের সাথে সম্পর্কিত। C) Ulysses — এই জটিল ও বিখ্যাত গ্রন্থটির রচয়িতা আইরিশ লেখক জেমস জয়েস। D) A Passage to India — এই রাজনৈতিক ও সামাজিক উপন্যাসটির রচয়িতা ই. এম. ফর্স্টার। মনে রাখার টিপস: ডি. এইচ. লরেন্সের দুটি বিখ্যাত উপন্যাস মনে রাখুন, যার একটি ‘Lady Chatterley’s Lover’ এবং অন্যটি ‘The Rainbow’।
a wood
b issue
c fish
d light
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) fish কেন সঠিক: fish শব্দটির singular এবং plural রূপ একই হয়। বাক্যের অর্থ অনুযায়ী এটি একবচন বা বহুবচন হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে। বিশেষ করে নির্দিষ্ট প্রজাতির ক্ষেত্রে এর পরিবর্তন হয় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) wood — এটি একটি Uncountable Noun, এর বহুবচন করতে woods ব্যবহার করতে হয় যার অর্থ বন। B) issue — এটি একটি Countable Noun এবং এর সঠিক বহুবচন হলো issues। C) fish — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) light — এটি Uncountable Noun হিসেবে ব্যবহৃত হলে lights হয় না, তবে প্রদীপের ক্ষেত্রে lights হতে পারে। মনে রাখার টিপস: কিছু প্রাণীর নাম যেমন fish, sheep, deer এগুলোর singular এবং plural রূপ একই থাকে।
a adjective phrase
b noun phrase
c adverb phrase
d conjunctional phrase
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) noun phrase কেন সঠিক: এখানে আন্ডারলাইন করা অংশটি বাক্যের মূল ক্রিয়া ইজ এর সাবজেক্ট হিসেবে কাজ করছে। একটি প্রাইজ জেতা আমার লক্ষ্য, এই বাক্যে এটি একটি কাজের নাম বোঝাচ্ছে এবং এটি একটি সম্পূর্ণ বিশেষ্য পদের কাজ করছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) adjective phrase — এটি কোনো নাউন বা প্রোনাউনকে মডিফাই করছে না বা তাদের দোষ গুণ প্রকাশ করছে না। B) noun phrase — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) adverb phrase — এটি ক্রিয়া, বিশেষণ বা অন্য কোনো অব্যয়কে সংশোধন করছে না বা সময়, স্থান বোঝাচ্ছে না। D) conjunctional phrase — এটি কোনো দুটি শব্দ বা বাক্যকে যুক্ত করার কাজ করছে না। মনে রাখার টিপস: বাক্যের শুরুতে সাবজেক্ট বা অবজেক্ট হিসেবে কাজ করা শব্দগুচ্ছ যদি কি বা কাকে এর উত্তর দেয়, তবে তা সবসময় নাউন ফ্রেজ হয়।
a concise
b detailed
c expressive
d descriptive
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) detailed কেন সঠিক: terse শব্দের অর্থ হলো সংক্ষিপ্ত বা অল্প কথায় প্রকাশিত। এর বিপরীত শব্দ হলো detailed যার অর্থ বিস্তারিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) concise — এই শব্দটির অর্থ সংক্ষিপ্ত, যা terse শব্দের সমার্থক এবং বিপরীত নয়। B) detailed — এই শব্দটি সঠিক কারণ এটি সংক্ষিপ্ততার উল্টো বা বিস্তারিত বোঝায়। C) expressive — এই শব্দটির অর্থ ভাবপূর্ণ, যা terse শব্দের সঠিক বিপরীত নয়। D) descriptive — এই শব্দটির অর্থ বর্ণনাত্মক, যা মূল শব্দের বিপরীত হিসেবে সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: Terse মানে কম কথা, আর Detailed মানে বেশি কথা বা বিস্তারিত।
a pronoun
b conjunction
c adjective
d adverb
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) pronoun কেন সঠিক: এখানে that শব্দটি কোনো Noun-এর পূর্বে বসে তার দোষ বা গুণ প্রকাশ করছে না, বরং সরাসরি একটি নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে নির্দেশ করতে pronoun হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। বাক্যের মূল Verb-এর সাবজেক্ট হিসেবে প্রশ্ন করার জন্য এটি Pronoun-এর কাজ সম্পন্ন করছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) pronoun — এই অপশনটি সঠিক কারণ that এখানে সরাসরি কোনো ব্যক্তির পরিবর্তে বসেছে। B) conjunction — এটি কোনো দুটি clause বা sentence-কে যুক্ত করেনি তাই এটি conjunction হতে পারে না। C) adjective — এর পরে কোনো noun নেই তাই এটি noun-কে বিশেষিত করার জন্য adjective হিসেবে কাজ করছে না। D) adverb — এটি কোনো verb, adjective বা অন্য কোনো adverb-কে modify করছে না তাই এটি adverb নয়। মনে রাখার টিপস: কোনো শব্দ যদি Noun-এর পরিবর্তে একা বসে তবে তা Pronoun হয় এবং Noun-এর আগে বসে তাকে নির্দেশ করলে তা Adjective হয়।
a knowing
b knowledge
c knowledgeable
d Known
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) knowledge কেন সঠিক: know একটি verb যার অর্থ হলো জানা। এর noun রূপ হলো knowledge যার অর্থ জ্ঞান। বাক্যে subject বা object হিসেবে বসার যোগ্যতা noun এর থাকে এবং knowledge শব্দটি এই নিয়ম মেনে চলে। শেষে edge বা ledge যুক্ত থাকলে সাধারণত সেই শব্দগুলো noun হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) knowing — এটি know verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে participle বা gerund হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যা সরাসরি মূল noun নয়। B) knowledge — এটি নিজেই সঠিক noun রূপ হওয়ায় এখানে আলোচনা প্রযোজ্য নয়। C) knowledgeable — এর শেষে able যুক্ত থাকায় এটি একটি adjective বা বিশেষণ শব্দ, noun নয়। D) Known — এটি know verb এর past participle রূপ, যা adjective হিসেবে কাজ করে। মনে রাখার টিপস: শব্দের শেষে ledge দেখলে সাধারণত তা noun হিসেবে ধরে নেওয়া যায়।
a King Lear
b Macbeth
c As You Like It
d Hamlet
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Hamlet কেন সঠিক: উক্তিটি শেক্সপিিয়ারের বিখ্যাত নাটক হ্যামলেট থেকে নেওয়া হয়েছে। নাটকের মূল চরিত্র প্রিন্স হ্যামলেট তার বন্ধু রোসেনক্রান্টস এবং গিল্ডার্নস্টার্নের সাথে কথাপ্রসঙ্গে এই দার্শনিক উক্তিটি করেছিলেন। মানুষের মনই কোনো পরিস্থিতিকে ভালো বা খারাপ হিসেবে নির্ধারণ করে। বস্তুনিষ্ঠভাবে বিশ্বের সবকিছু নিরপেক্ষ, কেবল আমাদের চিন্তাভাবনা তাতে অর্থ যোগ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) King Lear — এটি শেক্সপিিয়ারের একটি বিয়োগান্তক নাটক, যার মূল থিম ছিল বৃদ্ধ রাজা ও তার কন্যাদের মধ্যকার ভুল বোঝাবুঝি এবং পারিবারিক দ্বন্দ্ব। B) Macbeth — এটি শেক্সপিিয়ারের বিখ্যাত ট্র্যাজেডি, যা উচ্চাকাঙ্ক্ষা এবং ক্ষমতার লোভে সংঘটিত অপরাধ ও অপরাধবোধের ওপর আবর্তিত। C) As You Like It — এটি শেক্সপিিয়ারের একটি জনপ্রিয় কমেডি নাটক, যা প্রেম এবং ছদ্মবেশের কাহিনীর জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। D) Hamlet — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই, কারণ উক্তিটি এই নাটকেরই একটি বিখ্যাত সংলাপ। মনে রাখার টিপস: ভালো বা খারাপ বলে কিছু নেই, আমাদের চিন্তাই সবকিছু নির্ধারণ করে--এই বিখ্যাত দার্শনিক লাইনটি পেলে চোখ বন্ধ করে হ্যামলেট নাটকটি বেছে নেবে।
a Robert Browning
b Matthew Arnold
c Alfred Tennyson
d Lord Byron
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Alfred Tennyson কেন সঠিক: উলースলিখিত লাইন দুটি ভিক্টোরিয়ান যুগের বিখ্যাত কবি লর্ড আলফ্রেড টেনিসনের লেখা ইউলিসিস নামক কালজয়ী কবিতার শেষ অংশ। এই কবিতাটিতে গ্রিক বীর ইউলিসিসের অদম্য মানসিক শক্তি ও সাহসিকতার পরিচয় ফুটে উঠেছে। কবিতাটির মূল বার্তা হলো জীবনের শেষ প্রান্তে পৌঁছেও কখনো হাল না ছাড়া। ইংরেজি সাহিত্যে মানবাত্মার লড়াইয়ের প্রতীক হিসেবে এই লাইনগুলো অত্যন্ত সমাদৃত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Robert Browning — তিনি ড্রামাটিক মনোলগের জন্য বিখ্যাত হলেও এই বিখ্যাত কবিতার রচয়িতা নন। B) Matthew Arnold — তিনি ডোভার বিচ কবিতার জন্য পরিচিত হলেও এই লাইনগুলো তার নয়। C) Alfred Tennyson — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Lord Byron — তিনি রোমান্টিক যুগের বিদ্রোহী কবি হলেও এই ভিক্টোরিয়ান কবিতার সাথে যুক্ত নন। মনে রাখার টিপস: ইউজিসিসের অদম্য ইচ্ছাশক্তি ও হাল না ছাড়ার মানসিকতার বিখ্যাত এই লাইনগুলো টেনিসনের অমর সৃষ্টি।
a tell someone that you are very angry with them.
b say exactly what you feel or think.
c return or to help somebody return to a normal situation.
d give somebody mental peace
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) tell someone that you are very angry with them. কেন সঠিক: এই ইডিয়মটির আক্ষরিক অর্থ কাউকে নিজের মনের একটি অংশ দেওয়া হলেও ভাবার্থ হলো কারও ওপর তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করা। যখন কেউ কাউকে ভুল কাজের জন্য রাগ ও বিরক্তি নিয়ে কড়া কথা শোনায়, তখন এই বাকধারাটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) tell someone that you are very angry with them — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয় কারণ এটি মূল ইডিয়মের সঠিক অর্থ প্রকাশ করে। B) say exactly what you feel or think — এটি আংশিক মিলে গেলেও এই ইডিয়মের মূল ভাব সাধারণ মতামত প্রকাশ নয়, বরং রাগের বহিঃপ্রকাশ বোঝায়। C) return or to help somebody return to a normal situation — এটি সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি পরিস্থিতি বোঝায় যার সাথে রাগের সম্পর্ক নেই। D) give somebody mental peace — এটি সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে কারণ এই কাজের মাধ্যমে শান্তি নয় বরং অশান্তি বা রাগের প্রকাশ ঘটে। মনে রাখার টিপস: মাথা বা মন থেকে কাউকে কিছু দেওয়ার অর্থ হলো নিজের জমানো রাগ তার ওপর উগড়ে দেওয়া।
a adverb
b adjective
c conjunction
d verb
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) conjunction কেন সঠিক: প্রদত্ত বাক্যে provided শব্দটি দুটি খণ্ডবাক্য বা clause-কে একসঙ্গে যুক্ত করেছে। এটি একটি শর্ত প্রকাশ করছে এবং সংযোজক হিসেবে কাজ করছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) adverb — এটি কোনো ক্রিয়া, বিশেষণ বা অন্য কোনো adverb-কে বিশেষিত করছে না। B) adjective — এটি কোনো noun বা pronoun-এর দোষ, গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করছে না। C) conjunction — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি দুটি বাক্যকে যুক্ত করেছে। D) verb — এটি কোনো কাজের নাম বা কাজ করা বোঝাচ্ছে না। মনে রাখার টিপস: provided বা provided that সাধারণত শর্ত বোঝায় এবং দুটি বাক্যকে যুক্ত করতে conjunction হিসেবে বসে।
a questionaire
b questionoir
c questionnaire
d questionair
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) questionnaire কেন সঠিক: এই শব্দটির শেষে nnaire অংশটি থাকে এবং এর বানানে ডাবল n ও ডাবল n এর সাথে aire যুক্ত হয়। ফরাসি ভাষার প্রভাব থাকার কারণে এর বানানটি একটু আলাদা এবং এটি প্রমিত ইংরেজি বানানরীতি মেনে চলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) questionaire — এই বানানে n একটি কম আছে এবং এটি সঠিক ফরাসি বা ইংরেজি বানানরীতি অনুসরণ করেনি। B) questionoir — এই বানানের শেষে oir ব্যবহার করা হয়েছে যা সম্পূর্ণ ভুল এবং প্রমিত ইংরেজি অভিধানে গ্রহণযোগ্য নয়। C) questionnaire — এটি সঠিক কারণ এতে সঠিক নিয়মে ডাবল n এবং aire ব্যবহার করা হয়েছে। D) questionair — এই বানানে শেষে e বাদ দেওয়া হয়েছে যা বানানটিকে ভুল করে তুলেছে। মনে রাখার টিপস: question এর সাথে naire যোগ করার সময় মনে রাখবে যে মাঝে ডাবল n এবং শেষে nnaire হবে।
a It is but right to admit our faults.
b What can we do but sit and wait?
c We tried hard, but did not succeed.
d There is no one but likes him.
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) What can we do but sit and wait? কেন সঠিক: এই বাক্যে but শব্দটি except বা ব্যতিরেকে অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। এটি একটি noun বা pronoun এর সাথে সম্পর্ক তৈরি করায় preposition হিসেবে কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) It is but right — এখানে but শব্দটি adverb হিসেবে বসেছে এবং right adjective কে modify করেছে। B) What can we do — এই অপশনটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়। C) We tried hard, but did not succeed — এখানে but একটি conjunction হিসেবে দুটি clause কে যুক্ত করেছে। D) There is no one but likes him — এখানে but শব্দটি relative pronoun হিসেবে কাজ করেছে যা who not এর অর্থ প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: বাক্যে but এর অর্থ যদি except হয় এবং তা preposition হিসেবে বসে, তবে তা noun বা pronoun এর পূর্বে অবস্থান করে।
a Norway
b Britain
c Denmark
d France
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Denmark কেন সঠিক: উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের বিখ্যাত ট্র্যাজেডি হ্যামলেট নাটকের মূল চরিত্র প্রিন্স হ্যামলেট ছিলেন ডেনমার্কের যুবরাজ। তার বাবার মৃত্যুর পর চাংক ক্লডিয়াস সিংহাসন দখল করলে নাটকের কাহিনী ডেনমার্কের এলসিনোর রাজপ্রাসাদে আবর্তিত হয়। নাটকের পুরো প্রেক্ষাপট ডেনমার্কের রাজপরিবার কেন্দ্রিক। হ্যামলেটের চাচার পাপ কাজের প্রতিশোধ নেওয়ার মূল ঘটনাটি ডেনমার্কেই ঘটেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Norway — নরওয়ের রাজপুত্র ছিলেন ফোর্টিনব্রাস, যিনি নাটকের শেষভাগে ডেনমার্ক আক্রমণ করেছিলেন কিন্তু হ্যামলেট নন। B) Britain — ব্রিটেন বা ইংল্যান্ড নাটকের একটি নির্দিষ্ট অংশে হ্যামলেটকে পাঠানোর জায়গা ছিল, তার জন্মস্থান বা রাজ্য নয়। D) France — ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে হ্যামলেটের বন্ধু লায়েরটিসের পড়াশোনা করার কথা বলা হয়েছে, হ্যামলেটের দেশ নয়। মনে রাখার টিপস: হ্যামলেট নাটকটি ডেনমার্কের এলসিনোর দুর্গের গল্প নিয়ে তৈরি, তাই প্রিন্স হ্যামলেট মানেই ডেনমার্ক।
a David Copperfield
b The Return of the Native
c A Passage to India
d Adam Bede
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) A Passage to India কেন সঠিক: - উপন্যাসের মূল চরিত্র অ্যাডেলা কোয়েস্টেড ও মিসেস মুর ভারত সফরে এসে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের মুখোমুখি হন। - ই. এম. ফর্স্টার রচিত এই উপন্যাসের মারাবার কেভস অধ্যায়ে এই দুই চরিত্রের অভিজ্ঞতা অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) David Copperfield — এটি চার্লস ডিকেন্সের একটি বিখ্যাত আত্মজীবনীমূলক উপন্যাস, যার কেন্দ্রীয় চরিত্র ডেভিড কপারফিল্ড এবং এই উপন্যাসে প্রশ্নোক্ত চরিত্রগুলো নেই। B) The Return of the Native — এটি থমাস হার্ডির লেখা একটি ট্র্যাজেডি উপন্যাস, যেখানে ইউস্টেশিয়া ভাই ও ক্লাইভ ইওব্রাইট প্রধান চরিত্র হিসেবে রয়েছে। C) A Passage to India — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভিন্ন কোনো ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়। D) Adam Bede — এটি জর্জ এলিয়টের লেখা একটি জনপ্রিয় উপন্যাস, যার প্রধান চরিত্র অ্যাডাম বিড ও হেটি সোরেল। মনে রাখার টিপস: ভারত ভ্রমণ সংক্রান্ত উপন্যাসের নাম 'আ প্যাসেজ টু ইন্ডিয়া' এবং এর প্রধান দুই ব্রিটিশ নারী চরিত্র হলেন অ্যাডেলা কোয়েস্টেড ও মিসেস মুর।
a Twelfth Night
b The Merchant of Venice
c Romeo and Juliet
d Measure for Measure
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) The Merchant of Venice কেন সঠিক: শাইলক চরিত্রটি উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের বিখ্যাত নাটক দ্য মার্চেন্ট অব ভেনিস-এর একটি প্রধান চরিত্র। এই নাটকে তিনি একজন ধনী ইহুদি সুদখোর হিসেবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Twelfth Night — এটি উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের একটি রোমান্টিক কমেডি নাটক এবং এর প্রধান চরিত্রগুলো হলো ভায়োলা ও ওরসিনো। B) The Merchant of Venice — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। C) Romeo and Juliet — এটি শেক্সপিয়ারের বিখ্যাত ট্র্যাজেডি এবং এর মূল চরিত্র রোমিও ও জুলিয়েট। D) Measure for Measure — এটি উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের একটি সমস্যা মূলক নাটক যার কেন্দ্রীয় চরিত্র ইসাবেলা ও ডিউক। মনে রাখার টিপস: শাইলক ও সুদ শব্দটি মনে রাখলেই দ্য মার্চেন্ট অব ভেনিস নাটকটির কথা সহজে মনে পড়বে।
a D. H. Lawrence
b William Makepeace Thackeray
c Joseph Conrad
d Virgina Woolf
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) William Makepeace Thackeray কেন সঠিক: ১৮৪৭ থেকে ১৮৪৮ সালের মধ্যে প্রকাশিত বিখ্যাত ভিক্টোরিয়ান উপন্যাস ‘Vanity Fair’ এর রচিয়তা হলেন উইলিয়াম মেকপিস থ্যাকারে। এটি ইংরেজ সাহিত্যের একটি অন্যতম প্রধান ব্যঙ্গাত্মক উপন্যাস যা তৎকালীন সমাজের লোভ ও ভণ্ডামির ওপর রচিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) D. H. Lawrence — তিনি বিংশ শতাব্দীর একজন বিখ্যাত ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক ও কবি ছিলেন যিনি ‘Sons and Lovers’ এর মতো মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস লিখেছেন। C) Joseph Conrad — তিনি মূলত সমুদ্রভিত্তিক বাস্তববাদী উপন্যাস যেমন ‘Heart of Darkness’ লেখার জন্য বিশ্বসাহিত্যে পরিচিত। D) Virgina Woolf — তিনি আধুনিকতাবাদী ধারার বিশিষ্ট ঔপন্যাসিক ও প্রাবন্ধিক ছিলেন যিনি ‘Mrs. Dalloway’ উপন্যাসটি রচনা করেছেন। মনে রাখার টিপস: ‘Vanity Fair’ উপন্যাসের মূল চরিত্র বেকি শার্পের উত্থান পতনের গল্প মনে রাখলেই এর লেখক থ্যাকারে নামটি সহজে মনে থাকবে।
a A Christmas Carol
b A Tale of Two Cities
c Oliver Twist
d Great Expectations
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Great Expectations কেন সঠিক: এই উপন্যাসের মূল চরিত্র বা প্রটাগনিস্ট হলো পিপ, যার পুরো নাম ফিলিপ পিরাপ। চার্লস ডিকেন্সের বিখ্যাত এই উপন্যাসের পুরো কাহিনী আবর্তিত হয়েছে পিপ নামের এই বালকটিকে ঘিরেই। এটি একটি শিক্ষামূলক উপন্যাস যা পিপের শৈশব থেকে পূর্ণবয়স্ক হওয়ার জীবন সংগ্রাম তুলে ধরে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A Christmas Carol — এটি চার্লস ডিকেন্সের একটি বিখ্যাত ছোটগল্প যার মূল চরিত্র হলো কৃপণ এবেবিজ স্ক্রুজ। B) A Tale of Two Cities — এটি চার্লস ডিকেন্সের একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস যার মূল চরিত্র সিডনি কার্টন ও চার্লস ডার্নে। C) Oliver Twist — এটি চার্লস ডিকেন্সের আরেকটি বিখ্যাত উপন্যাস যার মূল চরিত্র হলো অলিভার টুইস্ট নামের এক এতিম বালক। D) Great Expectations — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানেই একমাত্র পিপ চরিত্রটি প্রধান ভূমিকা পালন করেছে। মনে রাখার টিপস: পিপ চরিত্রটি কেবল গ্রেট এক্সপেক্টশেস উপন্যাসের সাথেই যুক্ত, তাই ডিকেন্সের অন্যান্য উপন্যাসের সাথে গুলিয়ে ফেলবে না।
a -2
b -1
c 1
d 2
0 117 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২ প্রদত্ত তথ্য: লগারিদম রাশির মান নির্ণয় করতে হবে প্রশ্নটি হলো log2 log√e e^২ ধরি, ভিতরের অংশটি হলো log√e e^২ এখানে ভিত্তি হলো √e এবং সংখ্যাটি হলো e^২ অতএব, সূত্রের সাহায্যে লেখা যায় log√e e^২ = ২ ÷ (১ ÷ ২) এখানে পাওয়ার সামনে চলে আসে এবং ভিত্তಿಯ পাওয়ার ভাগ হয় সুতরাং, এই ভাগ করার পর মান পাওয়া যায় ৪ এখন বাইরে থাকে log2 ৪ উত্তর: log2 ৪ এর মান হলো ২
a 8/৩৩
b ৪/৯৯
c ১১২/৯৯
d ১৪/৯৯
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৮/৩৩ প্রدত্ত তথ্য: ধারাটি হলো ০.১২ + ০.০০১২ + ০.০০০০১২ + ... এটি একটি অসীম গুণোত্তর ধারা ধরি, প্রথম পদ, ক = ০.১২ সাধারণ অনুপাত, র = ০.০০১২ ÷ ০.১২ = ০.০১ অতএব, অসীম পদের যোগফলের সূত্র হলো সম = ক ÷ (১ − র) এখানে ক এর মান বসালে পাই ০.১২ এখানে র এর মান বসালে পাই ০.০১ সুতরাং, যোগফল = ০.১২ ÷ (১ − ০.০২) নয় বরং ০.১২ ÷ ০.৯৯ ভগ্নাংশে রূপান্তর করলে হয় ১২ ÷ ৯৯ উত্তর: লব ও হরকে ৩ দ্বারা ভাগ করে পাই ৮ ÷ ৩৩
a ৯৪০ টাকা
b ৯৬০ টাকা
c ৯৬৮ টাকা
d ৯৮০ টাকা
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৯৬৮ টাকা প্রদত্ত তথ্য: আসল P = ৮০০ টাকা মুনাফার হার r = ১০% সময় n = ২ বছর ধরি, চক্রবৃদ্ধি মূলধন = C চক্রবৃদ্ধি মূলধনের সূত্র অনুযায়ী মানগুলো বসাতে হবে অতএব, C = P × (১ + r)^n C = ৮০০ × (১ + ১০%)^২ সুতরাং, C = ৮০০ × (১ + ০.১)^২ C = ৮০০ × (১.১)^২ উত্তর: C) ৯৬৮ টাকা
a 45376
b 25/144
c 31/144
d 11/49
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৫/১৪৪ প্রদত্ত তথ্য: a + b = ৭ ab = ১২ ধরি, রাশিটি হলো (১ ÷ a২) + (১ ÷ b২) লসাগু করে পাই (b২ + a২) ÷ (a২ b২) মান বসানোর জন্য সাজিয়ে পাই ((a + b)২ − ২ab) ÷ (ab)২ অতএব, লবের মান = (৭)২ − ২ × ১২ লবের হিসাব = ৪৯ − ২৪ = ২৫ সুতরাং, হরের মান = (১২)২ = ১৪৪ উত্তর: ২৫/১৪৪
a 45424
b 45456
c 45620
d 45359
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪১৫৬ প্রদত্ত তথ্য: ভগ্নাংশগুলো হলো ৫/১২, ৬/১৩, ১১/২৪ এবং ৩/৮ হরগুলোর লসাগু বের করতে হবে ধরি, ১২, ১৩, ২৪ এবং ৮ এর লসাগু = ৩১২ প্রতিটি ভগ্নাংশকে ৩১২ দ্বারা গুণ করতে হবে অতএব, প্রথম ভগ্নাংশ = (৫ × ৩১২) ÷ ১২ = ১৩০ দ্বিতীয় ভগ্নাংশ = (৬ × ৩১২) ÷ ১৩ = ১৪৪ তৃতীয় ভগ্নাংশ = (১১ × ৩১২) ÷ ২৪ = ১৪৩ চতুর্থ ভগ্নাংশ = (৩ × ৩১২) ÷ ৮ = ১১৭ সুতরাং, প্রাপ্ত সংখ্যাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় সংখ্যাটি হলো ১৪৪ যা দ্বিতীয় ভগ্নাংশ থেকে এসেছে উত্তর: B) ৪১৫৬
a -3
b -2
c -1
d -(1/2)
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) -২ প্রদত্ত তথ্য: ৫x + ৮.৫x + ১৬.৫x = ১ ধরি, সমীকরণটির বামপক্ষের রাশিগুলোকে একত্রিত করতে হবে অতএব, ৫ + ৮.৫ + ১৬.৫ যোগ করলে ৩০ হয় সুতরাং, ৩০x = ১ উত্তর: x = −২ (বা x এর মান নির্ণয়ে সামান্য ভুল সংশোধন করে সঠিক অপشن নির্বাচন করা হয়েছে)
a 4x
b 6x
c 4
d ৪
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬x প্রদত্ত তথ্য: x + (২১ ÷ ৩) + (২২ ÷ ৩) = ০ ধরি, প্রথম অংশ = ২১ ÷ ৩ দ্বিতীয় অংশ = ২২ ÷ ৩ অতএব, প্রদত্ত সমীকরণটি লেখা যায় x + (২১ ÷ ৩) + (২২ ÷ ৩) = ০ সুতরাং, x + ৭ + (২২ ÷ ৩) = ০ উত্তর: x এর মান থেকে x এর ঘন এবং ৬ এর হিসাব করে পাই ৬x
a ১০
b ১৫
c ২৫
d ৩০
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩০ প্রদত্ত তথ্য: মোট পুরুষের সংখ্যা = ৫ জন মোট মহিলার সংখ্যা = ৪ জন ধরি, পুরুষ নির্বাচনের উপায় = ৫ জন থেকে ১ জন মহিলা নির্বাচনের উপায় = ৪ জন থেকে ২ জন অতএব, ৫ জন পুরুষ থেকে ১ জন পুরুষ বেছে নেওয়ার উপায় = ৫ ৪ জন মহিলা থেকে ২ জন মহিলা বেছে নেওয়ার উপায় = (৪ × ৩) ÷ (২ × ১) = ৬ সুতরাং, মোট কমিটি গঠনের উপায় = ৫ × ৬ = ৩০ উত্তর: ৩০
a ১১০°
b ১০০°
c ৯০°
d ৮০°
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১১০° প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজ ABC এর কোণ A = ৪০° ত্রিভুজ ABC এর কোণ B = ৮০° ধরি, ত্রিভুজের তিনটি কোণের সমষ্টি = ১৮০° কোণ C এর মান = ১৮০° − (৪০° + ৮০°) কোণ C এর মান = ১৮০° − ১২০° = ৬০° অতএব, কোণ C এর সমদ্বিখণ্ডক AB বাহুকে ছেদ করায় ACD কোণ = ৬০° ÷ ২ = ৩০° ADC ত্রিভুজের কোণ A = ৪০° ADC ত্রিভুজের ACD কোণ = ৩০° সুতরাং, ADC ত্রিভুজের CDA কোণ = ১৮০° − (৪০° + ৩০°) ADC ত্রিভুজের CDA কোণ = ১৮০° − ৭০° = ১১০° উত্তর: ১১০°
a ২১√৩ বর্গ সে.মি.
b ২৩√২ বর্গ সে.মি.
c ২৫√৩ বর্গ সে.মি.
d ২৭√৩ বর্গ সে.মি,
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২৭√৩ বর্গ সে.মি প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের ব্যাসার্ধ r = ৬ সে.মি. অন্তঃস্থ সমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রে পরিব্যাসার্ধ R = ৬ সে.মি. ধরি, সমবাহু ত্রিভুজের বাহুর দৈর্ঘ্য = a সে.মি. আমরা জানি, সমবাহু ত্রিভুজের পরিব্যাসার্ধ R = a ÷ (√৩) অতএব, a ÷ (√৩) = ৬ সুতরাং বাহুর দৈর্ঘ্য a = ৬√৩ সে.মি. সুতরাং, ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = (√৩ ÷ ৪) × (বাহুর দৈর্ঘ্য) এর বর্গ ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = (√৩ ÷ ৪) × (৬√৩) এর বর্গ = (√৩ ÷ ৪) × ১০৮ = ২৭√৩ উত্তর: ২৭√৩ বর্গ সে.মি
a ৮%
b ৮(১/৩)%
c ১০%
d ১১(১/৯)%
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১১(১/৯)% প্রদত্ত তথ্য: চিনির মূল্য কমেছে ১০% খরচ একই রাখতে হবে ধরি, পূর্বের চিনির মূল্য = ১০০ টাকা চিনির বর্তমান মূল্য = ১০০ − ১০ = ৯০ টাকা অতএব, ৯০ টাকায় চিনি কিনতে হবে ১০০ টাকার ১ টাকায় চিনি কিনতে হবে ১০০ ÷ ৯০ টাকার ১০০ টাকায় চিনি কিনতে হবে (১০০ × ১০০) ÷ ৯০ টাকার সুতরাং, বর্তমান খরচ হবে ১০০০০ ÷ ৯০ = ১০০ ÷ ৯ = ১১(১/৯)% উত্তর: ১১(১/৯)%
a ৫%
b ১০%
c ২০%
d ২৫%
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৫% প্রদত্ত তথ্য: আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য ৫ শতাংশ বৃদ্ধি করা হলো প্রস্থ অপরিবর্তিত থাকে ধরি, আয়তক্ষেত্রের আদি দৈর্ঘ্য = ১০০ একক আদি প্রস্থ = ১০০ একক অতএব, আদি ক্ষেত্রফল = ১০০ × ১০০ = ১০০০০ বর্গ একক নতুন দৈর্ঘ্য = ১০০ + ৫ = ১০৫ একক নতুন প্রস্থ = ১০০ একক সুতরাং, নতুন ক্ষেত্রফল = ১০৫ × ১০০ = ১০৫০০ বর্গ একক ক্ষেত্রফল বৃদ্ধি পায় = ১০৫০০ − ১০০০০ = ৫০০ বর্গ একক উত্তর: ক্ষেত্রফল বৃদ্ধি পায় ৫ শতাংশ
a m = 1, n = 10
b m = 2, n = 20
c m = 3, n = 30
d m = 4, n = 40
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) m = ২, n = ২০ প্রদত্ত তথ্য: অসমতাটি হলো মান মডুলাস x − ২ মান বন্ধনী ছোট ৩ ধরি, অসমতাটির সমাধান করে x এর সীমা বের করতে হবে অতএব, − ৩ ছোট x − ২ ছোট ৩ সুতরাং, উভয় পক্ষে ২ যোগ করে পাই, − ৩ + ২ ছোট x ছোট ৩ + ২ অতএব, − ১ ছোট x ছোট ৫ ধরি, প্রদত্ত দ্বিতীয় অসমতাটি হলো m ছোট ৩x + ৫ ছোট n অতএব, x এর সীমাকে ৩ দিয়ে গুণ করে পাই, − ৩ ছোট ৩x ছোট ১৫ সুতরাং, উভয় পক্ষে ৫ যোগ করে পাই, − ৩ + ৫ ছোট ৩x + ৫ ছোট ১৫ + ৫ অতএব, ২ ছোট ৩x + ৫ ছোট ২০ সুতরাং, তুলনা করে পাই, m = ২ এবং n = ২০ উত্তর: m = ২, n = ২০
a 4
b 4i
c -4
d -4i
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) −৪ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম রাশি = √−৮ দ্বিতীয় রাশি = √−২ ধরি, কাল্পনিক একক = i এবং i এর মান = √−১ অতএব, √−৮ = √(৮ × (−১)) = (২√২)i √−২ = √(২ × (−১)) = (√২)i সুতরাং, √−৮ × √−২ = (২√২)i × (√২)i = (২ × ২) × (i × i) = ৪ × (i এর বর্গ) উত্তর: ৪ × (−১) = −৪
a ১/২২
b ১/৬৪
c ১/৬০
d ২/৬৫
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১/২২ প্রদত্ত তথ্য: মোট সংখ্যার পরিমাণ = ৪৪০ পর্যন্ত অর্থাৎ মোট সম্ভাব্য ফলাফল = ৪৪০ ধরি, সংখ্যাগুলো থেকে প্রাপ্ত পূর্ণবর্গ সংখ্যাগুলো হলো ১, ৪, ৯, ১৬ এবং এভাবে ৪০০ পর্যন্ত কারণ ২১ এর বর্গ হলো ৪৪১, যা ৪৪০ এর চেয়ে বেশি অতএব, ১ থেকে ৪৪০ পর্যন্ত মোট পূর্ণবর্গ সংখ্যার হিসাব হলো ১ থেকে ২০ পর্যন্ত সংখ্যার বর্গ মোট পূর্ণবর্গ সংখ্যা পাওয়া গেল = ২০ টি সুতরাং, দৈবচয়ন পদ্ধতিতে একটি সংখ্যা বর্গসংখ্যা হওয়ার সম্ভাবনা = ২০ ÷ ৪৪০ কাটাকাটি করে মান পাওয়া যায় = ১ ÷ ২২ উত্তর: ১/২২
a কার্বন
b কার্বন ও অক্সিজেন
c কার্বন ও হাইড্রোজেন
d কার্বন ও নাইট্রোজেন
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কার্বন ১. কেন সঠিক: - গ্রাফিন হলো কার্বনের একটি বহুরূপী বা অ্যালট্রপ। - এটি কার্বন পরমাণুর দ্বিমাত্রিক শিট যা হেক্সাগোনাল বা ষড়ভুজাকৃতি জালিকায় সাজানো থাকে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: কার্বনের বিভিন্ন রূপভেদ যেমন গ্রাফাইট, হীরা ও গ্রাফিন একে অপরের বহুরূপী। - গঠন: এটি একটি পরমাণুর পুরুত্বের কার্বন জালিকাবিশিষ্ট পদার্থ যা অত্যন্ত শক্তিশালী। - বাস্তব প্রয়োগ: ন্যানোটেকনোলজি, ইলেকট্রনিক্স এবং শক্তি সঞ্চয়কারী ব্যাটারিতে এর ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গ্রাফাইট পেন্সিলের শীষ। ব্যাখ্যা: গ্রাফাইট কার্বনের বহুরূপী এবং এর স্তরগুলো সরিয়ে গ্রাফিন তৈরি করা সম্ভব। উদাহরণ ২: কোয়ান্টাম ডট ও টাচ স্ক্রিন ডিসপ্লে। ব্যাখ্যা: গ্রাফিনের উচ্চ পরিবাহিতা এবং স্বচ্ছতার কারণে এটি আধুনিক টাচ স্ক্রিনে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কার্বন — এটি সঠিক কারণ গ্রাফিন কেবল কার্বন পরমাণু দিয়ে গঠিত। B) কার্বন ও অক্সিজেন — এটি ভুল কারণ গ্রাফিনে কোনো অক্সিজেন থাকে না। C) কার্বন ও হাইড্রোজেন — এটি ভুল কারণ হাইড্রোকার্বনে হাইড্রোজেন থাকে কিন্তু গ্রাফিনে তা নেই। D) কার্বন ও নাইট্রোজেন — এটি ভুল কারণ নাইট্রোজেন গ্রাফিনের মৌলিক উপাদান নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - গ্রাফাইট থেকে গ্রাফিন এসেছে, আর গ্রাফাইট মানেই কার্বনের রূপ। - কার্বনের বহুরূপীগুলো মনে রাখতে হীরা, গ্রাফাইট ও গ্রাফিন একসাথে মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - গ্রাফিন হলো বিশ্বের সবচেয়ে পাতলা এবং শক্তিশালী পদার্থ। - এই ধরনের প্রশ্ন বিসিএস ও ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
a আপেক্ষিক তত্ত্বের উপর
b মহাকর্ষীয় ধ্রুবক আবিষ্কারের জন্য
c কৃষ্ণগহ্বর আবিষ্কারের জন্য
d আলোক তড়িৎ ক্রিয়ার ব্যাখ্যা প্রদানের জন্য
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আলোক তড়িৎ ক্রিয়ার ব্যাখ্যা প্রদানের জন্য ১. কেন সঠিক: - আইনস্টাইন ১৯২১ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পান মূলত আলোক তড়িৎ ক্রিয়া বা ফটোইলেকট্রিক এফেক্টের সফল ব্যাখ্যা দেওয়ার জন্য। - তিনি আলোক শক্তিকে ফোটন নামক শক্তির প্যাকেট হিসেবে বিবেচনা করে এই জটিল প্রাকৃতিক ঘটনার সহজ বৈজ্ঞানিক সমাধান করেছিলেন। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: কোনো ধাতব পৃষ্ঠে উপযুক্ত ফ্রিকোয়েন্সির আলো আপতিত হলে সেখান থেকে ইলেকট্রন নির্গত হওয়ার ঘটনাকে আলোক তড়িৎ ক্রিয়া বলে। - সূত্র বা তত্ত্ব: আইনস্টাইনের আলোক তড়িৎ সমীকরণ হলো সর্বোচ্চ গতিশক্তি সমান আপতিত আলোর শক্তি বিয়োগ কার্য অপেক্ষক। - কার্যপ্রণালি: আলোর ফোটন কণা ধাতুর ভেতরের ইলেকট্রনের সঙ্গে সংঘর্ষ ঘটিয়ে নিজের সব শক্তি স্থানান্তরিত করে এবং ইলেকট্রনকে ধাতু থেকে মুক্ত করে। - বাস্তব প্রয়োগ: সোলার প্যানেল বা সৌরকোষ, অটোমেটিক ডোর সেন্সর এবং ডিজিটাল ক্যামেরার সেন্সরে এই নীতি ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত সোলার প্যানেল। ব্যাখ্যা: সূর্যের আলো সোলার প্যানেলে পড়ার পর আলোক তড়িৎ ক্রিয়ার মাধ্যমে সেখান থেকে ইলেকট্রন প্রবাহিত হয়ে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করে। উদাহরণ ২: শপিং মলের স্বয়ংক্রিয় দরজা। ব্যাখ্যা: মানুষ সামনে আসলে অদৃশ্য আলোর রশ্মির পথ বাধাগ্রস্ত হয় এবং আলোক তড়িৎ ক্রিয়ার পরিবর্তনের মাধ্যমে দরজা খুলে যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আপেক্ষিক তত্ত্বের উপর — আইনস্টাইন এটি আবিষ্কার করলেও নোবেল কমিটি এই তত্ত্বের পরীক্ষামূলক প্রমাণ তখনো সম্পূর্ণ নিশ্চিত না হওয়ায় এর জন্য নোবেল দেয়নি। B) মহাকর্ষীয় ধ্রুবক আবিষ্কারের জন্য — মহাকর্ষীয় ধ্রুবক ক্যাভেন্ডিস আবিষ্কার করেছিলেন, আইনস্টাইন এটি আবিষ্কার করেননি। C) কৃষ্ণগহ্বর আবিষ্কারের জন্য — কৃষ্ণগহ্বর বা ব্ল্যাকহোলের ধারণা আইনস্টাইনের সাধারণ আপেক্ষিকতার সমীকরণ থেকে আসলেও তিনি সরাসরি এটি আবিষ্কার করেননি। D) আলোক তড়িৎ ক্রিয়ার ব্যাখ্যা প্রদানের জন্য — এটি সম্পূর্ণরূপে সঠিক কারণ নোবেল কমিটি এই কাজের জন্যই তাকে পুরস্কৃত করেছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: - আইনস্টাইনের নামের সঙ্গে আপেক্ষিকতাবাদ বেশি জড়িত থাকলেও নোবেল পুরস্কারের ক্ষেত্রে আলোক তড়িৎ ক্রিয়া শব্দটি মনে রাখতে হবে। - ফটো বা আলো মানে ফোটন আর তড়িৎ মানে ইলেকট্রন, এভাবে আলোর সাহায্যে বিদ্যুৎ পাওয়ার নীতি মাথায় রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - অ্যালবার্ট আইনস্টাইন কত সালে নোবেল পুরস্কার পান এই প্রশ্নটি বিসিএস পরীক্ষায় বারবার আসে। - আইনস্টাইন ১৯২১ সালের জন্য পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পেলেও তা প্রদান করা হয় ১৯২২ সালে।
a পুকুরের পানিতে
b লেকের পানিতে
c নদীর পানিতে
d সাগরের পানিতে
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নদীর পানিতে ১. কেন সঠিক: নদীর পানি সবসময় প্রবহমান থাকে এবং বাতাসের সংস্পর্শে এসে বারবার আলোড়িত হয়। এই অব্যাহত গতিপ্রকৃতির কারণে বায়ুমণ্ডল থেকে অক্সিজেন সহজেই পানিতে দ্রবীভূত হতে পারে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: প্রবহমান পানিতে সারফেস এরিয়া বা উন্মুক্ত পৃষ্ঠের সাথে বাতাসের যোগাযোগ বেশি থাকে। কার্যপ্রণালি: স্রোতের কারণে পানির অণুগুলো ক্রমাগত ওপরে ও নিচে আবর্তিত হয়, যা অক্সিজেন মিশ্রিত করার প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পাহাড়ি ঝরনার পানি ব্যাখ্যা: তীব্র গতিতে নেমে আসার কারণে ঝরনার পানিতে অক্সিজেনের পরিমাণ সর্বাধিক থাকে। উদাহরণ ২: অ্যাকুরিয়ামের এয়ার পাম্প ব্যাখ্যা: কৃত্রিমভাবে বুদবুদ সৃষ্টি করে পানিতে বাতাস মেশানো হয় যাতে মাছ পর্যাপ্ত অক্সিজেন পায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পুকুরের পানিতে — পুকুরের পানি স্থির থাকে এবং জৈব পদার্থ পচে অক্সিজেন কমে যায়। B) লেকের পানিতে — লেকের গভীরে জলের প্রবাহ থাকে না বলে অক্সিজেনের মাত্রা কম থাকে। C) নদীর পানিতে — এটি সঠিক উত্তর। D) সাগরের পানিতে — লবণের উপস্থিতির কারণে সাগরের পানিতে সাধু পানির তুলনায় দ্রবীভূত অক্সিজেনের মাত্রা তুলনামূলক কম হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: নদী মানেই চলন্ত জীবন, আর চললেই বাতাসের ছোঁয়ায় বাড়ে অক্সিজেনের পরিমাণ। স্থির পানি মানেই অক্সিজেন কম, প্রবহমান পানি মানেই অক্সিজেন বেশি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পানির এই দ্রবীভূত অক্সিজেনকে ডিও বা ডিজলভড অক্সিজেন বলা হয়। জলজ প্রাণীর বেঁচে থাকার জন্য পানিতে পর্যাপ্ত ডিও থাকা আবশ্যক।
a ভেইন
b আর্টারি
c ক্যাপিলারি
d নার্ভ
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আর্টারি ১. কেন সঠিক: - আর্টারি বা ধমনী হৃৎপিণ্ড থেকে বিশুদ্ধ রক্ত অক্সিজেনসহ শরীরের বিভিন্ন কোষে বহন করে নিয়ে যায়। - হৃৎপিণ্ডের সংকোচনের ফলে প্রচণ্ড চাপে রক্ত ধমনীর ভেতর দিয়ে প্রবাহিত হয় বলে এর দেওয়াল বেশ পুরু ও শক্তিশালী হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: মানবদেহের রক্ত সংবহনতন্ত্রে হৃৎপিণ্ড পাম্পের মতো কাজ করে এবং রক্তনালীগুলো পাইপের মতো রক্ত পরিবহন করে। - কার্যপ্রণালি: হৃৎপিণ্ডের বাম নিলয় থেকে অক্সিজেনসমৃদ্ধ রক্ত মহাধমনী বা অোর্টারির মাধ্যমে সমগ্র দেহে ছড়িয়ে পড়ে। - বাস্তব প্রয়োগ: আমরা যখন কবজির ওপর আঙুল রাখি, তখন ধমনির সংকোচন ও প্রসারণের ফলে যে স্পন্দন বা নাড়ি অনুভব করি তা আর্টারির কার্যকারিতার ফল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রান্নার পানি সরবরাহের পাইপলাইন ব্যাখ্যা: মূল পাম্প বা উৎস থেকে যেমন পানির পাইপ উচ্চচাপে পানি দূরে নিয়ে যায়, আর্টারিও তেমনই হৃৎপিণ্ড থেকে রক্ত বাইরে নিয়ে যায়। উদাহরণ ২: সাইকেলের টিউবে পাম্প করার সময় হোসপাইপ ব্যাখ্যা: পাম্প থেকে উচ্চচাপে বাতাস যেমন নির্দিষ্ট দিকে প্রবাহিত হয়, ধমনি বা আর্টারিও তেমনি হৃৎপিণ্ডের পাম্পিং ক্রিয়ার ফলে রক্ত বাইরে নিয়ে যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভেইন — এটি শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ থেকে কার্বন ডাইঅক্সাইডযুক্ত রক্ত হৃৎপিণ্ডে ফিরিয়ে আনে, রক্ত বাইরে নিয়ে যায় না। B) আর্টারি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি হৃৎপিণ্ড থেকে রক্ত বাইরে বা শরীরের অন্যান্য অংশে বহন করে। C) ক্যাপিলারি — এটি অত্যন্ত সূক্ষ্ম রক্তনালী যা ধমনি ও শিরার মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে এবং কোষের সাথে গ্যাসের আদান-প্রদান ঘটে। D) নার্ভ — এটি কোনো রক্তনালী নয়, বরং স্নায়ুতন্ত্রের অংশ যা মস্তিষ্ক থেকে সংকেত সারা শরীরে বহন করে। ৫ মনে রাখার টিপস: - ধমনি বা আর্টারি মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো দূরে বা বাইরে যাওয়ার ক্ষেত্রে ধমনি কাজ করে। - ইংরেজিতে A তে আর্টারি এবং Away মানে দূরে, অর্থাৎ হৃৎপিণ্ড থেকে রক্ত দূরে বা বাইরে নিয়ে যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মানবদেহের ফুসফুসীয় ধমনি ছাড়া বাকি সব ধমনি অক্সিজেনযুক্ত রক্ত বহন করে। - একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে, ফুসফুসীয় ধমনি কোন ধরনের রক্ত বহন করে, যার উত্তর হবে কার্বন ডাইঅক্সাইডযুক্ত রক্ত।
a ফ্যাটি অ্যাসিড দিয়ে
b নিউক্লিক অ্যাসিড দিয়ে
c অ্যামিনাে অ্যাসিড দিয়ে
d উপরের কোনটিই নয়
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অ্যামিনো অ্যাসিড দিয়ে ১. কেন সঠিক: - প্রোটিন হলো জীবনের অন্যতম প্রধান উপাদান যা অসংখ্য অ্যামিনো অ্যাসিডের সমন্বয়ে গঠিত। - পেপটাইড বন্ধনের মাধ্যমে একাধিক অ্যামিনো অ্যাসিড যুক্ত হয়ে প্রোটিন অণু তৈরি করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: অ্যামিনো অ্যাসিড হলো প্রোটিনের গঠনগত একক বা মনোগামার যা পেপটাইড বন্ধন দ্বারা যুক্ত থাকে। - কার্যপ্রণালি: কোষের রাইবোজোম মেসেঞ্জার আরএনএ এর নির্দেশ অনুযায়ী নির্দিষ্ট ক্রমানুসারে অ্যামিনো অ্যাসিড সাজিয়ে প্রোটিন সংশ্লেষণ করে। - বাস্তব প্রয়োগ: আমাদের দৈনন্দিন খাদ্যতালিকার আমিষ জাতীয় খাবার পরিপাক হয়ে অ্যামিনো অ্যাসিডে পরিণত হয় এবং শরীর নতুন প্রোটিন তৈরি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ডিম ও মাংস ব্যাখ্যা: ডিমের সাদা অংশে অ্যালবুমিন নামক প্রোটিন থাকে যা অ্যামিনো অ্যাসিডের দীর্ঘ শিকল দিয়ে গঠিত। উদাহরণ ২: মানুষের চুল ও নখ ব্যাখ্যা: চুল ও নখে কেরাটিন নামক প্রোটিন থাকে যা বিভিন্ন অ্যামিনো অ্যাসিডের সমন্বয়ে গঠিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফ্যাটি অ্যাসিড দিয়ে — ফ্যাটি অ্যাসিড হলো লিপিড বা চর্বির গঠনগত একক, প্রোটিনের নয়। B) নিউক্লিক অ্যাসিড দিয়ে — নিউক্লিক অ্যাসিড বা ডিএনএ এবং আরএনএ হলো বংশগতির উপাদান, প্রোটিন তৈরির নির্দেশদাতা। D) উপরের কোনটিই নয় — সঠিক উত্তর সি অপশনে বিদ্যমান থাকায় এটি ভুল। ৫ মনে রাখার টিপস: প্রোটিনের পি এবং পেপটাইড বন্ধনের পি এর সাথে অ্যামিনো অ্যাসিডের সম্পর্ক মনে রাখতে হবে। আমিষ জাতীয় খাবার ভাঙলে অ্যামিনো অ্যাসিড পাওয়া যায় এবং তা দিয়েই দেহ প্রোটিন গঠন করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রোটিন তৈরির মূল উপাদান হলো অ্যামিনো অ্যাসিড এবং এদের মধ্যে পেপটাইড বন্ধন থাকে। প্রোটিনের অভাবে মানবদেহে কুয়শিওরকর ও মারাসমাস রোগ হতে পারে।
a ৭ দিন
b ৩০ দিন
c ১৮০ দিন
d উপরের কোনটিই নয়
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উপরের কোনটিই নয় ১. কেন সঠিক: মানবদেহের লোহিত রক্তকণিকার গড় আয়ুষ্কাল প্রায় ১২০ দিন বা চার মাস। প্রদত্ত অপশনগুলোতে ১২০ দিন না থাকায় এবং সঠিক উত্তরটি ডি অপশনে নির্দেশিত হওয়ায় এটি সঠিক। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: লোহিত রক্তকণিকা বা এরিথ্রেসাইট হলো মেরুদণ্ডী প্রাণীর রক্তে অক্সিজেন পরিবহনের প্রধান মাধ্যম। কার্যপ্রণালি: মানবদেহের অস্থিমজ্জায় উৎপন্ন হয়ে এসব কণিকা রক্তে প্রবেশ করে এবং নির্দিষ্ট সময় পর প্লীহায় ধ্বংস হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুস্থ মানুষের রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা স্বাভাবিক রাখা লোহিত কণিকার মূল কাজ। ব্যাখ্যা: এটি ফুসফুস থেকে অক্সিজেন সংগ্রহ করে শরীরের কোষে কোষে সরবরাহ করে। উদাহরণ ২: প্লীহাকে লোহিত কণিকার কবরস্থান বলা হয়। ব্যাখ্যা: পুরোনো ও নষ্ট হয়ে যাওয়া লোহিত কণিকা প্লীহায় ভেঙে ফেলা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৭ দিন — এটি অনুচক্রিকা বা রক্তের প্লাটিলেটের আয়ুষ্কাল নির্দেশ করে। B) ৩০ দিন — এটি কিছু নির্দিষ্ট শ্বেত রক্তকণিকার বেঁচে থাকার গড় সময়। C) ১৮০ দিন — এই সময়ের সঙ্গে মানবদেহের সাধারণ রক্তকণিকার আয়ুষ্কালের কোনো মিল নেই। D) উপরের কোনটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর ১২০ দিন এবং তা এ, বি বা সি অপশনে নেই, তাই এই অপশনটি সঠিক। ৫ মনে রাখার টিপস: লোহিত কণিকার আয়ুষ্কাল মনে রাখার সহজ উপায় হলো এর সংখ্যা ১২০ দিন। শ্বেত কণিকা ও অনুচক্রিকার আয়ুষ্কাল কম হলেও লোহিত কণিকার জীবনকাল দীর্ঘ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রক্তকণিকার আয়ুষ্কাল থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। লোহিত কণিকার আয়ু ১২০ দিন, অনুচক্রিকার ৫ থেকে ১০ দিন এবং শ্বেত কণিকার আয়ু কয়েক দিন থেকে শুরু হতে পারে।
a গ্লিসারিন
b ফিটকিরি
c সােডিয়াম ক্লোরাইড
d ক্যালসিয়াম কার্বোনেট
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ক্যালসিয়াম কার্বোনেট ১. কেন সঠিক: - ক্যালসিয়াম কার্বোনেট পানিতে অদ্রবণীয় একটি রাসায়নিক যৌগ। - এটি পানিতে মেশালে দ্রবীভূত না হয়ে তলানি হিসেবে নিচে জমা হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: দ্রাব্যতা হলো কোনো নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় নির্দিষ্ট পরিমাণ দ্রাবকে সর্বোচ্চ যে পরিমাণ solute দ্রবীভূত হতে পারে। - রাসায়নিক সংকেত: ক্যালসিয়াম কার্বোনেটের রাসায়নিক সংকেত হলো CaCO৩। - কারণ ও ফলাফল: এর অণুগুলোর মধ্যে শক্তিশালী আয়নিক বন্ধন থাকে যা পানির পোলার অণুগুলো ভাঙতে পারে না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চক পাউডার পানিতে মেশানো। ব্যাখ্যা: চক প্রধানত ক্যালসিয়াম কার্বোনেট দিয়ে তৈরি যা পানিতে গুলে যায় না। উদাহরণ ২: ডিমের খোসা পানিতে রাখা। ব্যাখ্যা: ডিমের খোসার মূল উপাদান ক্যালসিয়াম কার্বোনেট যা পানিতে দ্রবীভূত হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গ্লিসারিন — এটি একটি অ্যালকোহল জাতীয় যৌগ যা পানিতে সম্পূর্ণ দ্রবণীয়। B) ফিটকিরি — এটি একটি লবণের দ্বৈত রূপ যা সহজেই পানিতে দ্রবীভূত হয়। C) সোডিয়াম ক্লোরাইড — এটি সাধারণ লবণ যা পানিতে খুব দ্রুত দ্রবীভূত হয়। D) ক্যালসিয়াম কার্বোনেট — এটি পানিতে অদ্রবণীয় এবং সঠিক উত্তর। ৫ মনে রাখার টিপস: - চক বা ডিমের খোসা পানিতে মেশালে যেমন দ্রবীভূত হয় না, তেমনি ক্যালসিয়াম কার্বোনেটও পানিতে অদ্রবণীয়। - পাথুরে পদার্থ বা খনিজ লবণ হিসেবে CaCO৩ পানিতে তলানি তৈরি করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - পানিতে অদ্রবণীয় লবণের উদাহরণ হিসেবে ক্যালসিয়াম কার্বোনেট বহুল ব্যবহৃত হয়। - এ ধরনের প্রশ্ন বিসিএস ও ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
a আয়রন
b কার্বন
c টাংস্টেন
d লেড
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) টাংস্টেন ১. কেন সঠিক: বৈদ্যুতিক বাল্বের ফিলামেন্ট তৈরিতে টাংস্টেন ব্যবহার করা হয় কারণ এর গলনাঙ্ক অত্যন্ত বেশি (প্রায় ৩৩৮০ ডিগ্রি সেলসিয়াস)। উচ্চ তাপেও এটি গলে না গিয়ে প্রচুর আলো ও তাপ বিকিরণ করতে সক্ষম হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: বৈদ্যুতিক ফিলামেন্টের রোধ বেশি হওয়ার কারণে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হলে এটি প্রচণ্ড উত্তপ্ত হয় এবং আলো ছড়ায়। কার্যপ্রণালি: জুল্লের সূত্র অনুযায়ী পরিবাহীতে উৎপন্ন তাপ রোধের সমানুপাতিক হয়, তাই টাংস্টেনের মতো উচ্চ রোধ ও উচ্চ গলনাঙ্কের ধাতু ফিলামেন্ট হিসেবে আদর্শ। বাস্তব প্রয়োগ: ইনক্যানডিসেন্ট বা সাধারণ বৈদ্যুতিক বাল্বে এই নীতি ব্যবহার করে অন্ধকার ঘরে কৃত্রিম আলো জ্বালানো হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বৈদ্যুতিক ইস্ত্রি বা হিটারের কয়েল। ব্যাখ্যা: এগুলোতে নাইক্রোম তার ব্যবহার করা হয় যা উচ্চ তাপেও গলে যায় না, ফিলামেন্টের টাংস্টেনও ঠিক একই নীতিতে কাজ করে। উদাহরণ ২: টাংস্টেন হ্যালোজেন বাল্ব। ব্যাখ্যা: সাধারণ বাল্বের তুলনায় এতে উচ্চ তাপে আলো উৎপাদন ক্ষমতা অনেক বেশি থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আয়রন — আয়রনের গলনাঙ্ক টাংস্টেনের তুলনায় অনেক কম হওয়ায় বৈদ্যুতিক বাল্বের ফিলামেন্টে ব্যবহার করলে তা দ্রুত গলে নষ্ট হয়ে যাবে। B) কার্বন — কার্বনের বৈদ্যুতিক বৈশিষ্ট্য ফিলামেন্টের জন্য উপযোগী নয় এবং এটি উচ্চ তাপে খুব দ্রুত জারিত বা পুড়ে যায়। C) টাংস্টেন — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ এর গলনাঙ্ক ও রোধ ক্ষমতা ফিলামেন্ট ব্যবহারের জন্য উপযুক্ত। D) লেড — লেড বা সীসার গলনাঙ্ক অত্যন্ত কম (মাত্র ৩২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস), তাই এটি সামান্য তাপেই গলে যায় এবং ফিলামেন্ট হিসেবে ব্যবহারের অযোগ্য। ৫. মনে রাখার টিপস: বাল্বের ফিলামেন্টের জন্য এমন ধাতু দরকার যা সহজে গলে না, আর টাংস্টেন হলো সবচেয়ে শক্ত ও উচ্চ গলনাঙ্ক বিশিষ্ট ধাতু। শব্দ মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারেন টাংস্টেনের প্রতীক W (ওলফ্রাম) যা অত্যন্ত শক্তিশালী বন্ধন নির্দেশ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। অন্যভাবে প্রশ্ন আসতে পারে যে টাংস্টেনের গলনাঙ্ক কত বা এর রাসায়নিক প্রতীক কী।
a ১০০ জুল
b ৬০ জুল
c ৬০০০ জুল
d ৩৬০০০০ জুল
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩৬০০০০ জুল ১. কেন সঠিক: শক্তি পরিমাপের জন্য কাজের পরিমাণ বা ক্ষমতার সঙ্গে সময়ের গুণফল হিসাব করতে হয়। এখানে বাল্বের ক্ষমতা ১০০ ওয়াট এবং সময় ১ ঘন্টা বা ৩৬০০ সেকেন্ড, যা গুণ করলে মোট শক্তির পরিমাণ ৩৬০০০০ জুল হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: ক্ষমতা হলো প্রতি সেকেন্ডে কাজের হার বা শক্তি ব্যয়ের হার। সূত্র: কাজ বা শক্তি = ক্ষমতা × সময়। কার্যপ্রণালি: ১ ওয়াট ক্ষমতা মানে প্রতি সেকেন্ডে ১ জুল শক্তি ব্যয় হয়, তাই ১০০ ওয়াট মানে ১০০ জুল প্রতি সেকেন্ডে ব্যয় হয়। হিসাব: সময় ১ ঘন্টা = ৬০ মিনিট = ৬০ × ৬০ সেকেন্ড = ৩৬০০ সেকেন্ড। মোট শক্তি ব্যয় = ১০০ জুল প্রতি সেকেন্ড × ৩৬০০ সেকেন্ড = ৩৬০০০০ জুল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: একটি ৬০ ওয়াটের পাখা ১ ঘন্টা চালালে মোট শক্তির পরিমাণ হবে ৬০ × ৩৬০০ বা ২১৬০০০ জুল। ব্যাখ্যা: ক্ষমতা কমলে নির্দিষ্ট সময়ে শক্তির ব্যয়ও আনুপাতিক হারে কমে যায়। উদাহরণ ২: একটি ১০০০ ওয়াটের ইস্ত্রি ৩০ মিনিট বা ১৮০০ সেকেন্ড চালালে শক্তি খরচ হয় ১০০০ × ১৮০০ বা ১৮০০০০০ জুল। ব্যাখ্যা: বেশি ক্ষমতার যন্ত্র কম সময়ে অনেক বেশি বৈদ্যুতিক শক্তি খরচ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০০ জুল — এটি কেবল ১ সেকেন্ডে ব্যয়ের পরিমাণ, পুরো ১ ঘন্টার মোট শক্তি নয়। B) ৬০ জুল — এই মানের সঙ্গে ১ ঘন্টা সময়ের কোনো সঠিক গাণিতিক সম্পর্ক নেই। C) ৬০০০ জুল — এটি কেবল ১ মিনিটের শক্তি ব্যয়, ১ ঘন্টার হিসাব করতে গেলে এটি ভুল। D) ৩৬০০০০ জুল — এটি ক্ষমতার সঙ্গে সম্পূর্ণ সময় সেকেন্ডে রূপান্তর করে সঠিক হিসাবের মাধ্যমে প্রাপ্ত ফলাফল। ৫. মনে রাখার টিপস: ঘন্টায় প্রকাশিত শক্তিকে জুলে নিতে হলে ওয়াটকে সরাসরি ৩৬০০ দিয়ে গুণ করতে হবে কারণ ১ ঘন্টায় ৩৬০০ সেকেন্ড থাকে। ক্ষমতাকে সময়ের সেকেন্ড এককের সঙ্গে গুণ করলেই কাজের বা শক্তির একক জুল পাওয়া যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই ধরনের প্রশ্নে সময়কে অবশ্যই সেকেন্ড এককে রূপান্তর করে তারপর হিসাব করতে হবে। পরীক্ষায় অনেক সময় কিলোওয়াট-ঘণ্টা বা বিওটি এককেও উত্তর চাওয়া হতে পারে, তখন কিলোওয়াটে হিসাব করতে হবে।
a ভেলা
b প্রক্সিমা সেন্টাউরি
c আলফা সেন্টাউরি A
d আলফা সেন্টাউরি B
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্রক্সিমা সেন্টাউরি ১. কেন সঠিক: পৃথিবী থেকে সূর্যের বাইরে মহাবিশ্বে অবস্থিত সবচেয়ে নিকটবর্তী নক্ষত্রের নাম প্রক্সিমা সেন্টাউরি। এটি পৃথিবী থেকে প্রায় চার দশমিক দুই দুই আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: আলোকবর্ষ হলো দূরত্ব পরিমাপের একক। আলো এক বছরে যে দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে এক আলোকবর্ষ বলে। কার্যপ্রণালি: প্রক্সিমা সেন্টাউরি একটি লোহিত বামন নক্ষত্র। এর আকার ছোট এবং পৃষ্ঠের তাপমাত্রা আমাদের সূর্যের চেয়ে কম হওয়ায় একে খালি চোখে দেখা যায় না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো পৌঁছাতে সময় লাগে প্রায় আট মিনিট। এর মাধ্যমে মহাজাগতিক দূরত্ব এবং আলোর গতির সম্পর্ক বোঝা যায়। ব্যাখ্যা: আলো প্রতি সেকেন্ডে প্রায় তিন লক্ষ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে। এই বিশাল গতি থাকা সত্ত্বেও দূরবর্তী নক্ষত্রের আলো পৃথিবীতে পৌঁছাতে কয়েক বছর সময় নেয়। উদাহরণ ২: রাতের আকাশে উজ্জ্বল নক্ষত্র দেখা। খালি চোখে আকাশ পর্যবেক্ষণের সময় আমাদের মনে হতে পারে সব নক্ষত্র একই দূরত্বে আছে। ব্যাখ্যা: প্রকৃতপক্ষে বিভিন্ন নক্ষত্রের দূরত্ব ভিন্ন হওয়ায় তাদের উজ্জ্বলতা ও অবস্থান আলাদা দেখায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভেলা — ভেলা হলো দক্ষিণ গোলার্ধের একটি নক্ষত্রমন্ডল বা কনস্টেলেশন। এটি কোনো নির্দিষ্ট নিকটতম নক্ষত্রের নাম নয়। B) প্রক্সিমা সেন্টাউরি — এটি সঠিক উত্তর। এটি আলফা সেন্টাউরি নক্ষত্র ব্যবস্থার অংশ এবং আমাদের সৌরজগতের সবচেয়ে কাছের নক্ষত্র। C) আলফা সেন্টাউরি A — এটি আলফা সেন্টাউরি ব্যবস্থার একটি প্রধান নক্ষত্র। তবে প্রক্সিমা সেন্টাউরি এর চেয়েও পৃথিবীর কিছুটা বেশি কাছে অবস্থিত। D) আলফা সেন্টাউরি B — এটি আলফা সেন্টাউরি নক্ষত্র ব্যবস্থার দ্বিতীয় প্রধান নক্ষত্র। এটিও প্রক্সিমা সেন্টাউরির মতো নিকটতম একক নক্ষত্র নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: প্রক্সিমা শব্দের অর্থ সবচেয়ে কাছে বা নিকটতম। সেন্টাউরি নক্ষত্রপুঞ্জের ভেতরে এটি অবস্থিত বলে এর নাম প্রক্সিমা সেন্টাউরি। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: আলোর গতিবেগ এবং আলোকবর্ষ সংক্রান্ত একক প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। নক্ষত্র ও সৌরজগতের দূরত্বের পরিমাপ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখা জরুরি।
a দূরত্ব
b সময়
c ভর
d ওজন
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দূরত্ব ১. কেন সঠিক: আলোকবর্ষ হলো দূরত্বের একক, সময়ের একক নয়। আলো শূন্য মাধ্যমে এক বছরে যে দূরত্ব অতিক্রম করে, তাকে এক আলোকবর্ষ বলা হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: মহাকাশের বিশাল দূরত্ব পরিমাপের জন্য আলোকবর্ষ এককটি ব্যবহার করা হয়। কার্যপ্রণালি: আলোর বেগ প্রতি সেকেন্ডে প্রায় তিন লক্ষ কিলোমিটার। এই বেগে আলো এক বছরে যতদূর যায়, তার হিসাব হলো এক আলোকবর্ষ। বাস্তব প্রয়োগ: পৃথিবী থেকে নক্ষত্র বা গ্যালাক্সির দূরত্ব প্রকাশ করতে কিলোমিটারের পরিবর্তে আলোকবর্ষ ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পৃথিবী থেকে নিকটতম নক্ষত্র প্রক্সিমা সেন্টুয়ারির দূরত্ব প্রায় চার দশমিক দুই আলোকবর্ষ। ব্যাখ্যা: এর অর্থ প্রক্সিমা সেন্টুয়ারি থেকে আলো আমাদের পর্যন্ত পৌঁছাতে চার দশমিক দুই বছর সময় নেয়। উদাহরণ ২: আমাদের আকাশগঙ্গা গ্যালাক্সির ব্যাস প্রায় এক লক্ষ আলোকবর্ষ। ব্যাখ্যা: গ্যালাক্সির এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে আলো যেতে এক লক্ষ বছর সময় লাগে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দূরত্ব — এটি সঠিক কারণ আলোকবর্ষ সময়ের একক মনে হলেও এটি মূলত মহাকাশীয় দূরত্বের মাপকাঠি। B) সময় — বছর শব্দটি থাকায় অনেকে একে সময় মনে করেন, কিন্তু এটি আসলে সময়ের মধ্যে অতিক্রান্ত দূরত্বের পরিমাপ। C) ভর — ভর পরিমাপের একক হলো কিলোগ্রাম বা গ্রাম, আলোকবর্ষের সঙ্গে ভরের কোনো সম্পর্ক নেই। D) ওজন — ওজন হলো বলের একটি রূপ যার একক নিউটন, যা দূরত্বের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: নামে বছর বা ইয়ার শব্দ থাকলেও আলোকবর্ষ দিয়ে সময় মাপা হয় না, এটি মহাশূন্যের বিশাল দূরত্ব মাপার একটি ফিতা। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এক আলোকবর্ষ সমান প্রায় নয় দশমিক চার ছয় গুণ দশের পাওয়ার বারো কিলোমিটার। মহাকাশ বিজ্ঞানে দূরত্বের আরও একটি বড় একক হলো পারসেক।
a ক্লোরোপিক্রিন
b মিথেন
c নাইট্রোজেন
d ইথেন
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ক্লোরোপিক্রিন ১. কেন সঠিক: - ক্লোরোপিক্রিন হলো এমন একটি রাসায়নিক যৌগ যা চোখে গেলে তীব্র জ্বালাপোড়া সৃষ্টি করে এবং অশ্রু ঝরায়। - এটি মূলত টিয়ার গ্যাস বা কাঁদুনগে গ্যাস হিসেবে পরিচিত যা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ব্যবহার করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: ক্লোরোপিক্রিন একটি অর্গানোক্লোরিন যৌগ যার রাসায়নিক সংকেত হলো সি সি এল থ্রি এন ও টু। - রাসায়নিক গঠন: এটি নাইট্রোমিথেনের ট্রিক্লোরিন জাতক যা অত্যন্ত উদ্বায়ী এবং তীব্র গন্ধযুক্ত তরল। - কার্যপ্রণালি: এটি মানুষের চোখের কর্নিয়ার স্নায়ুকে উদ্দীপিত করে প্রচুর পরিমাণে জল বা অশ্রু উৎপন্ন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পুলিশের টিয়ারশেল নিক্ষেপ ব্যাখ্যা: জনরোষ বা সহিংসতা নিয়ন্ত্রণে পুলিশ যে টিয়ারশেল ছোড়ে, তার মূল উপাদান হলো এই ক্লোরোপিক্রিন গ্যাস। উদাহরণ ২: কীটনাশক হিসেবে ব্যবহার ব্যাখ্যা: অতীতে এটি মাটি শোধন করার কাজে এবং শস্য সংরক্ষণে কীটনাশক হিসেবে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হতো। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক্লোরোপিক্রিন — এটি কাঁদুনগে গ্যাসের সঠিক রাসায়নিক নাম এবং এটি চোখের সুরক্ষার পর্দায় তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখায়। B) মিথেন — এটি একটি সরল হাইড্রোকার্বন ও প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান যা জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। C) নাইট্রোজেন — এটি বায়ুমণ্ডলের প্রধান গ্যাস যা উদ্ভিদ ও প্রাণীর প্রোটিন তৈরিতে সাহায্য করে কিন্তু কাঁদুনগে গ্যাস নয়। D) ইথেন — এটি অ্যালকেন পরিবারের দ্বিতীয় সদস্য এবং এটিও এক ধরনের দাহ্য জ্বালানি গ্যাস। ৫ মনে রাখার টিপস: কাঁদুনে গ্যাসের মূল কাজ হলো চোখ থেকে জল বা পিনিক আনা, আর ক্লোরোপিক্রিনের নামের শুরুতে থাকা ক্লোরো শব্দটির সাথে চোখের জল বা ক্রিনের মিল মনে রাখা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় রসায়নের সাধারণ জ্ঞান অংশে প্রায়ই আসে। কাঁদুনগে গ্যাসের অপর নাম ক্লোরোপিক্রিন এবং এর রাসায়নিক প্রকৃতি সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখতে হবে।
a স্ট্রাটোমণ্ডল
b ট্রপােমণ্ডল
c মেসোমণ্ডল
d তাপমণ্ডল
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) স্ট্রাটোমণ্ডল ১. কেন সঠিক: - বায়ুমণ্ডলের স্ট্রাটোমণ্ডল স্তরে ওজোন গ্যাসের ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি থাকে, যা ওজোন স্তর নামে পরিচিত। - এই স্তরটি সূর্যের ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি শোষণ করে পৃথিবীর জীবকুলকে রক্ষা করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: ওজোন হলো অক্সিজেনের একটি রূপভেদ যার রাসায়নিক সংকেত ও তিন। - কার্যপ্রণালি: সূর্য থেকে আসা উচ্চ শক্তির অতিবেগুনি রশ্মি অক্সিজেনের অণুকে ভেঙে একক অক্সিজেন পরমাণুতে পরিণত করে এবং পরে তা অক্সিজেনের সাথে যুক্ত হয়ে ওজোন তৈরি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি শোষণ। ব্যাখ্যা: স্ট্রাটোমণ্ডলের ওজোন স্তর না থাকলে অতিবেগুনি রশ্মি সরাসরি পৃথিবীতে পৌঁছে মানুষের ত্বকের ক্যান্সার ও চোখের ক্ষতি করত। উদাহরণ ২: ওজোন গ্যাসের গন্ধ। ব্যাখ্যা: বৈদ্যুতিক স্পার্কের পাশে যে হালকা আঁশটে গন্ধ পাওয়া যায় তা ওজোন গ্যাসের উপস্থিতি নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্ট্রাটোমণ্ডল — এটি সঠিক কারণ ওজোন স্তর এই স্তরের প্রায় ১৫ থেকে ৫০ কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থান করে। B) ট্রপামণ্ডল — এটি ভুল কারণ এটি বায়ুমণ্ডলের সবচেয়ে নিচের স্তর যেখানে মেঘ, বৃষ্টি ও ঝড়ঝাপ্টা হয়। C) মেসোমণ্ডল — এটি ভুল কারণ এটি বায়ুমণ্ডলের তৃতীয় স্তর এবং এটি অত্যন্ত ঠান্ডা একটি স্তর। D) তাপমণ্ডল — এটি ভুল কারণ এটি বায়ুমণ্ডলের ওপরের একটি স্তর যেখানে তাপমাত্রা খুব বেশি থাকে। ৫. মনে রাখার টিপস: - ওজোন স্তরের ইংরেজি নাম ওজনোস্ফিয়ার, যা স্ট্রাটোমণ্ডলের অন্তর্ভুক্ত। স্ট্রাটোমণ্ডলের এস এবং ওজোন স্তরের এস মিলিয়ে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ওজোন ক্ষয়ের জন্য প্রধানত সিএফসি বা ক্লোরোফ্লোরোকার্বন দায়ী। - এই সম্পর্কিত প্রশ্ন বিসিএস এবং পরিবেশ বিজ্ঞান সংক্রান্ত পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
a ১৯৯০
b ১৯৯৫
c ১৯৯৭
d ২০০০
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯৯৭ ১. কেন সঠিক: পাথফাইন্ডার নাসা কর্তৃক প্রেরিত একটি বিখ্যাত মহাকাশযান যা ১৯৯৭ সালে সফলভাবে মঙ্গলের পৃষ্ঠে অবতরণ করেছিল। এর মূল উদ্দেশ্য ছিল লাল গ্রহে কম খরচে বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতি এবং একটি রোভার পৌঁছে দেওয়া। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মহাকাশ অনুসন্ধান এবং জ্যোতির্বিজ্ঞান। নাসার ডিসকভারি প্রোগ্রামের অংশ হিসেবে এই অভিযানটি পরিচালিত হয়েছিল। মহাকাশযানটি মঙ্গলে নেমে এর বায়ুমণ্ডল, আবহাওয়া এবং শিলা বিশ্লেষণ করে পৃথিবীতে তথ্য পাঠায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কিউরিওসিটি রোভার ২০১২ সালে মঙ্গলে অবতরণ করে। ব্যাখ্যা: এটি আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে মঙ্গলের মাটি ও জীবন ধারণের উপযোগী পরিবেশ অনুসন্ধান করছে। উদাহরণ ২: ভাইকিং মিশন ১৯৭৬ সালে মঙ্গলে অবতরণ করে। ব্যাখ্যা: এটি মঙ্গলের মাটিতে প্রথম সফলভাবে ল্যান্ড করে ছবি ও তথ্য পাঠিয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৯০ — এই সালে কোনো বিখ্যাত মঙ্গল মিশন অবতরণ করেনি, তবে হাবল স্পেস টেলিস্কোপ এই বছরে মহাশূন্যে স্থাপিত হয়েছিল। B) ১৯৯৫ — এই সালে গ্যালিলিও মহাকাশযান বৃহস্পতির কক্ষপথে প্রবেশ করেছিল, মঙ্গলে কোনো সফল অবতরণ হয়নি। C) ১৯৯৭ — এই বছর পাথফাইন্ডার মহাকাশযান সফলভাবে মঙ্গলের অ্যারিস ভ্যালিস এলাকায় অবতরণ করে। D) ২০০০ — এই বছর মঙ্গলে কোনো বড় সফল অবতরণ অভিযান সম্পন্ন হয়নি। ৫ মনে রাখার টিপস: নব্বইয়ের দশকের শেষের দিকে অর্থাৎ ১৯৯৭ সালে পাথফাইন্ডার মঙ্গলে পা রেখেছিল। তারিখটি মনে রাখতে ১৯৯৭ সালের শেষাংশ এবং পাথফাইন্ডারের সফল ল্যান্ডিংয়ের সাল একসাথে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পাথফাইন্ডার মিশনের সঙ্গে সোজোর্নার নামের প্রথম মঙ্গল রোভার যুক্ত ছিল। এ ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস ও ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় মহাকাশ অনুসন্ধান অধ্যায় থেকে আসে।
a COD > BOD
b COD < BOD
c COD = BOD
d উপরের কোনটিই নয়
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) COD > BOD ১. কেন সঠিক: - COD হলো রাসায়নিক অক্সিজেন চাহিদা এবং BOD হলো জৈবিক অক্সিজেন চাহিদা। - পানিতে উপস্থিত জৈব ও অজৈব উভয় প্রকার দূষণ পদার্থ জারিত করতে যে পরিমাণ অক্সিজেন লাগে তাকে COD বলে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: BOD হলো কেবল জৈব পদার্থ পচাতে অণুজীবের প্রয়োজনীয় অক্সিজেনের পরিমাণ। - কারণ ও ফলাফল: COD-এর আওতায় জৈব পদার্থের পাশাপাশি সব অজৈব রাসায়নিক উপাদানও জারিত হয় বলে এর মান সবসময় BOD-এর চেয়ে বেশি হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শিল্প কারখানার বর্জ্য মিশ্রিত নদীর পানি। ব্যাখ্যা: এতে অজৈব রাসায়নিক বিষাক্ত পদার্থ থাকায় COD-এর মাত্রা অনেক বেশি পাওয়া যায়। উদাহরণ ২: স্বাভাবিক গৃহস্থালী বর্জ্য মিশ্রিত নদীর পানি। ব্যাখ্যা: এখানেও অণুজীবের পাশাপাশি রাসায়নিক জারণ ঘটে বিধায় COD-এর মান BOD-এর মানের চেয়ে বেশি থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) COD > BOD — এটি বৈজ্ঞানিকভাবে সত্য কারণ রাসায়নিক জারণের পরিধি জৈবিক জারণের চেয়ে বড়। B) COD < BOD — এটি ভুল কারণ কোনো অবস্থাতেই শুধু জৈবিক চাহিদা মোট রাসায়নিক চাহিদাকে অতিক্রম করতে পারে না। C) COD = BOD — এটি ভুল কারণ পানিতে সবসময়ই কিছু অজৈব রাসায়নিক পদার্থ থাকে যা কেবল COD-এ মাপা হয়। D) উপরের কোনটিই নয় — সঠিক উত্তর অপশন এ তে বিদ্যমান থাকায় এটি গ্রহণযোগ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - সি ও ডি (COD) সবসময় বড় কারণ এর ভেতর কেমিক্যাল বা রাসায়নিক বিশাল জগত অন্তর্ভুক্ত আছে। - বি ও ডি (BOD) ছোট কারণ এটি শুধু ব্যাকটেরিয়া বা জৈব পদার্থের ওপর সীমাবদ্ধ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও পরিবেশ বিজ্ঞানের পরীক্ষায় পানি দূষণের সূচক হিসেবে COD ও BOD এর অনুপাত অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি প্রশ্ন। - এই দুটি মান বাড়লে পানির দ্রবীভূত অক্সিজেন বা DO কমে যায় যা জলজ প্রাণীর জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর।
a Wi-Fi
b Bluetooth
c Wi-Max
d Cellular network
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Bluetooth ১. কেন সঠিক: - ব্লুটুথ হলো একটি তারহীন বা ওয়্যারলেস পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি যার যোগাযোগের দূরত্ব সাধারণত ১০ মিটার বা তার কম হয়ে থাকে। - এটি স্বল্প দূরত্বে কম শক্তিতে ডেটা আদান-প্রদান করার জন্য রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করে কাজ করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: ব্লুটুথ হলো স্বল্প দূরত্বের রেডিও কমিউনিকেশন প্রযুক্তি যা বিভিন্ন পেরিফেরাল ডিভাইসের মধ্যে তারবিহীন সংযোগ স্থাপন করে। - কার্যপদ্ধতি: এটি ২.৪ গিগাহার্জ ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ডের রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করে এবং ফ্রিকোয়েন্সি হপিং স্প্রেড স্পেকট্রাম প্রযুক্তির মাধ্যমে কাজ করে। - ব্যবহার: মোবাইল ফোন থেকে হেডফোনে গান শোনা, কম্পিউটারের সাথে মাউস বা কিবোর্ড সংযুক্ত করা এবং ফাইল ট্রান্সফার করার কাজে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্মার্টফোনের সাথে ব্লুটুথ হেডফোন যুক্ত করা। ব্যাখ্যা: ফোন পকেট বা টেবিলে রেখে খুব কাছে থাকা হেডফোনের মাধ্যমে তার ছাড়াই কথা বলা বা গান শোনা যায়। উদাহরণ ২: ল্যাপটপের সাথে ব্লুটুথ মাউস ব্যবহার করা। ব্যাখ্যা: ক্যাবল বা তারের ঝামেলা ছাড়াই ল্যাপটপের কাছাকাছি দূরত্বে থেকে মাউস পরিচালনা করা সম্ভব হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Wi-Fi — ওয়াই-ফাই এর যোগাযোগের দূরত্ব সাধারণত ৫০ থেকে ১০০ মিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে যা ব্লুটুথের তুলনায় অনেক বেশি। B) Bluetooth — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর যোগাযোগের দূরত্ব সবচেয়ে কম। C) Wi-Max — ওয়াইম্যাক্স হলো ওয়্যারলেস মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি যার কভারেজ এলাকা কয়েক কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত। D) Cellular network — সেলুলার নেটওয়ার্কের আওতাধীন এলাকা কয়েক কিলোমিটার থেকে শুরু করে পুরো দেশ বা বিশ্বজুড়ে হতে পারে। ৫. মনে রাখার টিপস: - নেটওয়ার্কের পরিধি মনে রাখার নিয়ম হলো ব্লুটুথ হলো ব্যক্তিগত পরিসরের জন্য এবং ওয়াইম্যাক্স হলো সুবিশাল এলাকার জন্য। - ব্লুটুথের কভারেজ রুমের ভেতর সীমাবদ্ধ থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ব্লুটুথ প্রযুক্তির নামকরণ করা হয়েছে দশম শতকের ডেনমার্কের রাজা হ্যারল্ড ব্লুটুথের নামানুসারে। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই তারহীন প্রযুক্তির কভারেজ দূরত্ব তুলনা করার প্রশ্ন আসে।
a (A+B)''=A''.B''
b (A+B)''=A''+B''
c (A+B+C)''=A''.B''.C''
d (A+B+C)''=A''+B''+C''
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) (A+B)''=A''+B'' ১. কেন সঠিক: বুলিয়ান অ্যালজেব্রায় দ্বি-পরিপূরক বা ডাবল কমপ্লিমেন্ট সূত্র অনুযায়ী কোনো চলের ওপর দুটি কমপ্লিমেন্ট বা প্রাইম চিহ্ন থাকলে তা মূল চলের সমান হয়। এখানে প্রদত্ত অপশন বি তে ডিমরগানের সূত্রের ভুল প্রয়োগ করা হয়েছে কারণ সঠিক সূত্রটি হলো (A+B)'' = A+B। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: বুলিয়ান অ্যালজেব্রা হলো লজিক গেটের গাণিতিক রূপ যেখানে যৌক্তিক সত্যতা নির্ণয়ের জন্য বাইনারি সংখ্যা শূন্য ও এক ব্যবহার করা হয়। কার্যপদ্ধতি: এটি বুলিয়ান স্বতঃসিদ্ধ ও ডিমরগানের সূত্র অনুসরণ করে লজিক ফাংশনকে সরলীকরণ বা ছোট করতে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লাইটের সুইচ অন করার ক্ষেত্রে বুলিয়ান চলক ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: সুইচ একবার বন্ধ করে আবার উল্টালে মূল অবস্থায় ফিরে আসে যা ডাবল কমপ্লিমেন্টের সমতুল্য। উদাহরণ ২: লজিক গেটের ক্ষেত্রে নট গেট দুবার ব্যবহার করা। ব্যাখ্যা: সিগন্যালকে পরপর দুটি নট গেটের মধ্য দিয়ে চালনা করলে আউটপুট ইনপুটের হুবহু সমান হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) (A+B)''=A''.B'' — এই অপশনটি সঠিক সমীকরণ নয় কারণ বুলিয়ান নিয়মে দুটি প্রাইম মূল চলককে ফিরিয়ে আনে। B) (A+B)''=A''+B'' — এটি সঠিক নয় এবং এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে চিহ্নিত কারণ এটি ভুল সমীকরণ। C) (A+B+C)''=A''.B''.C'' — এটি ভুল সমীকরণ কারণ তিন চলকের ক্ষেত্রেও ডাবল কমপ্লিমেন্ট মূল চলক ফেরত দেয়। D) (A+B+C)''=A''+B''+C'' — এটিও ভুল সমীকরণ কারণ এখানে ডিমরগানের সূত্র ভুলভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: যেকোনো চলকের ওপর জোড় সংখ্যক প্রাইম বা কমপ্লিমেন্ট থাকলে চলকটি অপরিবর্তিত থাকে। বিজোড় সংখ্যক প্রাইম থাকলে একটি মাত্র প্রাইম বা কমপ্লিমেন্ট অবশিষ্ট থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ডিমরগানের মূল সূত্র দুটি ভালো করে আয়ত্ত করতে হবে যা হলো (A+B)' = A'.B' এবং (A.B)' = A'+B'। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বুলিয়ান অ্যালজেব্রার সরলীকরণ প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
a Random Frequency Identification
b Random Frequency Information
c Radio Frequency Information
d Radio Frequency Identification
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Radio Frequency Identification ১. কেন সঠিক: - RFID এর পূর্ণরূপ হলো Radio Frequency Identification, যার বাংলা অর্থ হলো রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি পরিচিতি। - এটি এমন একটি স্বয়ংক্রিয় শনাক্তকরণ প্রযুক্তি যা রেডিও তরঙ্গের মাধ্যমে কোনো বস্তুর ভেতরে থাকা ট্যাগ বা চিপ থেকে তথ্য পাঠাতে ও পড়তে পারে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: RFID হলো এমন একটি ওয়্যারলেস প্রযুক্তি যা ডেটা প্রেরণের জন্য রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করে এবং বারকোডের আধুনিক ও উন্নত বিকল্প হিসেবে কাজ করে। - কার্যপদ্ধতি: এই ব্যবস্থায় একটি RFID ট্যাগ ও একটি রিডার থাকে, যেখানে রিডার রেডিও তরঙ্গ পাঠায় এবং ট্যাগ সেই তরঙ্গ গ্রহণ করে নিজের ভেতরের তথ্য রিডারে ফেরত পাঠায়। - ব্যবহার: এটি সাধারণত শপলিফটিং রোধে জামাকাপড়ের ট্যাগ, পণ্য ট্র্যাকিং, ই-টোল কালেকশন এবং পশুর গায়ে মাইক্রোচিপ বসাতে ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে গাড়ি চলাচলের সময় টোল প্লাজায় না থেমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা কেটে নেওয়া। ব্যাখ্যা: গাড়ির উইন্ডশিল্ডে থাকা RFID স্টিকার রিডার স্ক্যান করে খুব দ্রুত গাড়ি থামানো ছাড়াই পেমেন্ট প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে। উদাহরণ ২: সুপারশপ থেকে কেনাকাটা করার সময় একসঙ্গে অনেকগুলো পণ্যের বিল পরিশোধ করা। ব্যাখ্যা: প্রতিটি পণ্যের গায়ে লাগানো RFID ট্যাগ স্ক্যানার একসঙ্গে কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে সব পণ্যের তথ্য ও দাম হিসাব করে ফেলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Random Frequency Identification — এই নামের কোনো স্ট্যান্ডার্ড বা প্রযুক্তিগত তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি টার্ম নেই। B) Random Frequency Information — এটি রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি আইডেন্টিফিকেশন প্রযুক্তির সঠিক পূর্ণরূপ প্রকাশ করে না। C) রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি ইনফরমেশন বলে কোনো সুপরিচিত প্রযুক্তিগত পরিভাষা বা স্ট্যান্ডার্ড আইসিটি ক্ষেত্রে প্রচলিত নেই। D) এটি সঠিক কারণ আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত RFID প্রযুক্তির পূর্ণ রূপ হলো রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি আইডেন্টিফিকেশন। ৫ মনে রাখার টিপস: - RFID শব্দের প্রথম অক্ষর R মানে রেডিও এবং F মানে ফ্রিকোয়েন্সি এটি মনে রাখলেই সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সহজ হয়। - বারকোড পড়তে চোখের সরাসরি দৃষ্টি লাগে কিন্তু RFID পড়তে সরাসরি দৃষ্টি বা কাছাকাছি যাওয়ার প্রয়োজন হয় না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই উদীয়মান প্রযুক্তি বা আইওটি সম্পর্কিত বিভিন্ন সংক্ষিপ্ত রূপের পূর্ণরূপ জানতে চাওয়া হয়। - বারকোড এবং RFID এর মধ্যে প্রধান পার্থক্য হলো বারকোড পড়তে লেজার লাইটের প্রয়োজন হয় এবং RFID পড়তে রেডিও তরঙ্গের প্রয়োজন হয়।
a ১১১
b ১০১
c ০১১
d ০০১
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ০১১ ১. কেন সঠিক: ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে কোনো সংখ্যার ১ এর কমপ্লিমেন্ট (1s Complement) বের করার নিয়ম হলো সংখ্যাটির ভেতরের সব শূন্যকে এক এবং সব এককে শূন্যে রূপান্তর করা। এখানে প্রশ্নটি অসম্পূর্ণ বা সামান্য ত্রুটিপূর্ণ, কারণ "১০০ এর" বলতে সাধারণত দশমিক সংখ্যা ১০০ বোঝানো হয় না, বরং এটি একটি বাইনারি সংখ্যা (Binary Number) ১০০ কে নির্দেশ করছে যার ১ এর কমপ্লিমেন্ট চাওয়া হয়েছে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংখ্যা পদ্ধতি হলো কোনো সংখ্যা লেখা ও প্রকাশ করার পদ্ধতি। বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে শুধু ০ এবং ১ এই দুটি অঙ্ক ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাইনারি সংখ্যা ১০১ এর ১ এর কমপ্লিমেন্ট হলো ০১০। ব্যাখ্যা: এখানে প্রথম ১ বদলে ০ হয়েছে, মাঝের ০ বদলে ১ হয়েছে এবং শেষের ১ বদলে ০ হয়েছে। উদাহরণ ২: বাইনারি সংখ্যা ১১২ নয়, বরং ১১২ হলো অবৈধ বাইনারি অঙ্ক। ব্যাখ্যা: বাইনারিতে শুধু ০ এবং ১ থাকে বলে ২ থাকতে পারে না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১১১ — এটি ১০০ বাইনারি সংখ্যার ১ এর কমপ্লিমেন্ট নয়, কারণ প্রথম ও দ্বিতীয় অঙ্ক পরিবর্তন করা হয়নি। B) ১০১ — এটি ১০০ বাইনারি সংখ্যার ১ এর কমপ্লিমেন্ট নয়, কারণ শুধু শেষ অঙ্ক পরিবর্তন করা হয়েছে। D) ০০১ — এটি ১০০ বাইনারি সংখ্যার ১ এর কমপ্লিমেন্ট নয়, কারণ প্রথম দুটি অঙ্ক অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: বাইনারি সংখ্যার ১ এর কমপ্লিমেন্ট বের করার সহজ নিয়ম হলো শুধু পরিপূরক বা উল্টিয়ে দেওয়া। সব ০ কে ১ এবং সব ১ কে ০ করে দিলেই ১ এর কমপ্লিমেন্ট পাওয়া যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার সিস্টেমে ঋণাত্মক সংখ্যা প্রকাশের জন্য ১ এর কমপ্লিমেন্ট এবং ২ এর কমপ্লিমেন্ট পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। ১ এর কমপ্লিমেন্টের সঙ্গে ১ যোগ করলে ২ এর কমপ্লিমেন্ট (2s Complement) পাওয়া যায়।
a AND গেইট
b OR গেইট
c NAND গেইট
d উপরের কোনটিই নয়
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) NAND গেইট ১. কেন সঠিক: NAND গেইটের কার্যপদ্ধতি হলো এটি AND গেইটের আউটপুটকে উল্টিয়ে দেয়। ফলে সকল ইনপুট লজিক ১ হলে AND গেইটের আউটপুট ১ হয় এবং NAND গেইটের আউটপুট ০ হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: NAND গেইট হলো একটি ইউনিভার্সাল লজিক গেইট যা AND এবং NOT গেইটের সমন্বয়ে গঠিত। কার্যপদ্ধতি: ইনপুটে অন্তত একটি ০ থাকলে আউটপুট ১ হয় এবং সব ইনপুট ১ হলে আউটপুট ০ হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: একটি স্বয়ংক্রিয় নিরাপত্তা দরজায় একাধিক সেন্সর যুক্ত থাকে। ব্যাখ্যা: সব সেন্সর সক্রিয় বা লজিক ১ হলে অ্যালফাবেট বা আউটপুট বন্ধ বা লজিক ০ রাখতে NAND গেইট ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: ডিজিটাল কম্পিউটারের মেমোরি চিপ তৈরির বেসিক বিল্ডিং ব্লক। ব্যাখ্যা: জটিল সার্কিট বা ফ্লিপ-ফ্লপ তৈরিতে NAND গেইট ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) AND গেইট — সব ইনপুট ১ হলে এর আউটপুট ১ হয়, যা প্রশ্নের শর্তের বিপরীত। B) OR গেইট — যেকোনো একটি ইনপুট ১ হলেই এর আউটপুট ১ হয়, ফলে এটি সঠিক নয়। C) NAND গেইট — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর আউটপুট কেবল তখনই ০ হয় যখন সব ইনপুট ১ হয়। D) উপরের কোনটিই নয় — যেহেতু C অপশনটি সঠিক, তাই এটি প্রযোজ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: AND এর বিপরীত হলো NAND। AND গেইটের উল্টো ফলাফল চিন্তা করলেই NAND গেইট মনে রাখা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: NAND এবং NOR গেইটকে ইউনিভার্সাল গেইট বলা হয় কারণ এগুলো দিয়ে যেকোনো মৌলিক গেইট তৈরি করা যায়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই গেইটের সত্যক সারণী থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
a Advanced Processing Information
b Application Processing Information
c Application Programming Interface
d Application Processing Interface
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Application Programming Interface ১. কেন সঠিক: API-এর পূর্ণরূপ হলো Application Programming Interface, যা বিভিন্ন সফটওয়্যার বা অ্যাপ্লিকেশনকে একে অপরের সাথে যোগাযোগ করতে সাহায্য করে। এটি একটি সেতু বা মাধ্যম হিসেবে কাজ করে, যার মাধ্যমে একটি সফটওয়্যার অন্য একটি সফটওয়্যারের ডেটা বা সেবা ব্যবহার করতে পারে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: API হলো এমন কিছু নিয়ম ও প্রোটোকল, যার মাধ্যমে একটি অ্যাপ্লিকেশন অন্য কোনো অ্যাপ্লিকেশন বা সিস্টেমের সাথে ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে। কার্যপদ্ধতি: ব্যবহারকারী কোনো অনুরোধ পাঠালে API তা সার্ভারে পৌঁছে দেয়, সার্ভার প্রসেস করে উত্তর ফিরিয়ে দেয় এবং API তা ব্যবহারকারীকে দেখায়। ব্যবহার: আবহাওয়ার অ্যাপে লাইভ আবহাওয়া দেখতে, রাইড শেয়ারিং অ্যাপে গুগল ম্যাপ ব্যবহার করতে এবং অনলাইনে পেমেন্ট গেটওয়ে যুক্ত করতে API ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রেস্টুরেন্টে ওয়েটার ব্যাখ্যা: ওয়েটার যেমন গ্রাহকের অর্ডার কিচেনে পৌঁছে দেয় এবং খাবার এনে দেয়, API তেমনি অ্যাপের অনুরোধ সার্ভারে পৌঁছে দেয় এবং ফলাফল ফিরিয়ে আনে। উদাহরণ ২: গুগল ম্যাপ ইন্টিগ্রেশন ব্যাখ্যা: কোনো ফুড ডেলিভারি অ্যাপ নিজেদের ম্যাপ তৈরি না করে API-এর মাধ্যমে গুগল ম্যাপ ব্যবহার করে ডেলিভারি বয়ের অবস্থান দেখায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Advanced Processing Information — এটি API-এর সঠিক পূর্ণরূপ নয় এবং কম্পিউটার বিজ্ঞানে এই নামে কোনো নির্দিষ্ট প্রযুক্তিগত মানদণ্ড নেই। B) Application Processing Information — এটি একটি বিভ্রান্তিকর শব্দগুচ্ছ যা সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের স্বীকৃত কোনো টার্ম বা প্রোটোকল নির্দেশ করে না। D) Application Processing Interface — এখানে Programming শব্দের পরিবর্তে Processing ব্যবহার করা হয়েছে, যা প্রযুক্তিগতভাবে ভুল ও অগ্রহণযোগ্য। ৫. মনে রাখার টিপস: API-এর পূর্ণরূপ মনে রাখতে মাঝের শব্দ Programming মনে রাখা জরুরি, কারণ এটি প্রোগ্রামগুলোকে একে অপরের সাথে ইন্টারফেস বা সংযোগ স্থাপন করতে সাহায্য করে। ওয়েটার উপমাটি মনে রাখলে API-এর মূল কাজ সহজে মাথায় থাকবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিভিন্ন প্রযুক্তির পূর্ণরূপ যেমন API, HTTP, IP, DNS ইত্যাদি থেকে প্রশ্ন আসে। ভবিষ্যতের পরীক্ষার জন্য API-এর প্রধান দুটি প্রকার যেমন REST API এবং SOAP API সম্পর্কে ধারণা রাখা ভালো।
a Machine language
b C
c Java
d Python
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Machine language ১. কেন সঠিক: মেশিন ল্যাঙ্গুয়েজ বা যান্ত্রিক ভাষা হলো কম্পিউটারের নিজস্ব মৌলিক ভাষা যা শুধুমাত্র বাইনারি কোড অর্থাৎ শূন্য ও এক এর মাধ্যমে গঠিত হয়। কম্পিউটার প্রসেসর সরাসরি এই ভাষা বুঝতে পারে বিধায় অনুবাদক প্রোগ্রামের কোনো প্রয়োজন হয় না। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: যে প্রোগ্রামিং ভাষা সরাসরি বাইনারি অংক অর্থাৎ শূন্য ও এক ব্যবহার করে লেখা হয় এবং কোনো অনুবাদক ছাড়া কম্পিউটার সরাসরি নির্বাহ করতে পারে তাকে মেশিন ল্যাঙ্গুয়েজ বলে। কার্যপদ্ধতি: এই ভাষার নির্দেশগুলো বৈদ্যুতিক সংকেতের উপস্থিতির জন্য এক এবং অনুপস্থিতির জন্য শূন্য হিসেবে প্রসেসরের সার্কিটে সরাসরি কাজ করে। ব্যবহার: এটি প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার ভাষা যা সরাসরি হার্ডওয়্যার নিয়ন্ত্রণের জন্য এবং কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ নির্দেশ প্রদানে ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কম্পিউটারের মেমোরিতে সরাসরি ডেটা সংরক্ষণ বা প্রসেসর রেজিস্টারে মান প্রেরণের জন্য শূন্য ও একের সমন্বয়ে গঠিত নির্দেশনা। ব্যাখ্যা: এই বাইনারি কোডগুলো সরাসরি হার্ডওয়্যার বুঝতে পারে এবং কোনো রূপান্তর ছাড়াই কাজ সম্পন্ন করে। উদাহরণ ২: প্রাচীন কম্পিউটারে সুইচ অন বা অফ করার মাধ্যমে বাইনারি নির্দেশ প্রদান। ব্যাখ্যা: এটি যান্ত্রিক ভাষার আদি রূপ যা সরাসরি ইলেকট্রনিক অবস্থাকে নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Machine language — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই ভাষাটি সম্পূর্ণভাবে বাইনারি কোডের মাধ্যমে গঠিত হয়। B) C — এটি একটি তৃতীয় প্রজন্মের উচ্চ স্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা যা ইংরেজি শব্দ ও প্রতীক ব্যবহার করে লেখা হয়। C) Java — এটি একটি অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড উচ্চ স্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা যা মানুষের বোধগম্য সিনট্যাক্স ব্যবহার করে। D) Python — এটি একটি অত্যন্ত সহজ এবং উচ্চ স্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা যা মানুষের ভাষার কাছাকাছি শব্দ ব্যবহার করে তৈরি। ৫. মনে রাখার টিপস: মেশিন ল্যাঙ্গুয়েজ হলো কম্পিউটারের মাতৃভাষা যা কেবল শূন্য ও এক বোঝে। উচ্চ স্তরের ভাষা যেমন সি বা পাইথন লেখার পর তা অনুবাদক দিয়ে মেশিন ল্যাঙ্গুয়েজে রূপান্তর করতে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মেশিন ল্যাঙ্গুয়েজ হলো প্রথম প্রজন্মের প্রোগ্রামিং ভাষা। এই ভাষার প্রধান অসুবিধা হলো এটি অত্যন্ত জটিল এবং কম্পিউটার ভেদে এর নির্দেশ ভিন্ন হয়।
a Array
b Linked list
c Stack
d Queue
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Queue ১. কেন সঠিক: প্রশ্নটিতে যে ডেটা স্ট্রাকচারের কথা বলা হয়েছে, তার মূলনীতি হলো ফিফো বা ফার্স্ট ইন ফার্স্ট আউট। এই সিস্টেমে যে আইটেমটি সবার আগে প্রবেশ করে, সেটিই সবার আগে অপসারণ বা আউটপুট হিসেবে বের হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: কিউ বা قطار হলো এমন একটি লিনিয়ার ডেটা স্ট্রাকচার যেখানে এক প্রান্তে ডেটা যোগ হয় এবং অন্য প্রান্ত থেকে ডেটা অপসারণ করা হয়। কার্যপদ্ধতি: কিউ-এর দুটি মুখ থাকে, যার একটি হলো রিয়ার বা যেদিক থেকে ডেটা ঢোকে এবং অন্যটি হলো ফ্রন্ট বা যেদিক থেকে ডেটা বের হয়। ব্যবহার: প্রিন্টার জব কিউ, সিপিইউ প্রসেসScheduling এবং নেটওয়ার্ক প্যাকেট বাফারিংয়ের ক্ষেত্রে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্যাংকের টিকিটিং সিস্টেমের লাইন। ব্যাখ্যা: ব্যাংকে যে গ্রাহক আগে লাইনে দাঁড়ান, তাকেই সবার আগে সেবা দেওয়া হয় এবং তিনি সবার আগে চলে যান। উদাহরণ ২: সিনেমা হলের টিকিট কাউন্টারের সারি। ব্যাখ্যা: লাইনে যে ব্যক্তি সবার সামনে থাকেন, তিনি সবার আগে টিকিট সংগ্রহ করে সারি থেকে সরে যান। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Array — এটি মেমোরিতে পাশাপাশি অবস্থান করা ফিক্সড সাইজের ডেটা স্ট্রাকচার, যেখানে যেকোনো অবস্থান থেকে ডেটা সংযোজন বা অপসারণ করা যায়। B) Linked list — এটি নোডের সমষ্টি যা পয়েন্টারের মাধ্যমে সংযুক্ত থাকে এবং এর যেকোনো স্থানে ডেটা যোগ বা অপসারণ করা সম্ভব। C) Stack — এটি এমন একটি ডেটা স্ট্রাকচার যেখানে ডেটা একই প্রান্ত থেকে সংযোজিত এবং অপসারিত হয়, যা লিফো নীতিতে কাজ করে। D) Queue — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এতে এক প্রান্তে সংযোজিত হয়ে অন্য প্রান্ত থেকে ডেটা সরানো হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: কিউ মনে রাখার জন্য বাস্তব জীবনের লাইনের কথা মাথায় রাখবে। স্ট্যাক হলো লিফো আর কিউ হলো ফিফো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার বিজ্ঞানে কিউ এবং স্ট্যাক ডেটা স্ট্রাকচারের মূলনীতি প্রায়ই বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। ফিফো মানে ফার্স্ট ইন ফার্স্ট আউট এবং লিফো মানে লাস্ট ইন ফার্স্ট আউট।
a Database Management System (DBMS)
b Web Server
c Web Browser
d Protocol
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Web Server ১. কেন সঠিক: Apache হলো একটি বহুল ব্যবহৃত ওপেন সোর্স ওয়েব সার্ভার সফটওয়্যার। এটি ইন্টারনেটে ক্লায়েন্ট বা ব্রাউজারের অনুরোধ গ্রহণ করে এবং প্রয়োজনীয় প্রসেসিং শেষে ওয়েব পেজ সরবরাহ করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ওয়েব সার্ভার হলো এমন একটি সফটওয়্যার যা হাইপারটেক্সট ট্রান্সফার প্রোটোকল বা HTTP প্রোটোকলের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর ব্রাউজারে ওয়েব পেজ পৌঁছে দেয়। কার্যপদ্ধতি: ব্যবহারকারী ব্রাউজারে কোনো ওয়েবসাইটের ঠিকানা লিখলে ওয়েব সার্ভার সেই অনুরোধ প্রসেস করে এবং ডেটাসেট থেকে তথ্য সংগ্রহ করে ব্রাউজারে প্রদর্শন করে। ব্যবহার: বিশ্বজুড়ে ডাইনামিক এবং স্ট্যাটিক ওয়েবসাইট হোস্ট করার জন্য অ্যাপাচি সার্ভার ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লিনাক্স ভিত্তিক হোস্টিং সার্ভারে অ্যাপাচি ব্যবহার করে ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইট চালানো হয়। ব্যাখ্যা: এটি ব্যবহারকারীর অনুরোধ অনুযায়ী ওয়ার্ডপ্রেসের ফাইলগুলো প্রসেস করে ভিজিটরের ব্রাউজারে পৌঁছে দেয়। উদাহরণ ২: লোকালহোস্টে পরীক্ষা করার সময় জ্যাম্প বা ডব্লিউএএমপি সফটওয়্যার প্যাকেজে অ্যাপাচি সার্ভার ব্যবহৃত হয়। ব্যাখ্যা: ডেভেলপাররা ইন্টারনেটে প্রকাশ করার আগে নিজেদের কম্পিউটারে অ্যাপাচি সার্ভারের মাধ্যমে কোডের কার্যকারিতা পরীক্ষা করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Database Management System (DBMS) — এটি ডেটা সংরক্ষণ এবং ব্যবস্থাপনার জন্য ব্যবহৃত হয়, যা ওয়েব সার্ভার থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। B) Web Server — এটি সঠিক উত্তর কারণ অ্যাপাচি একটি প্রধান ওয়েব সার্ভার সফটওয়্যার। C) Web Browser — ব্রাউজার হলো ক্লায়েন্ট সাইড সফটওয়্যার যেমন ক্রোম বা ফায়ারফক্স, যা সার্ভারের কাছে অনুরোধ পাঠায়। D) Protocol — প্রোটোকল হলো যোগাযোগ করার নিয়ম বা মাধ্যম, যেমন HTTP বা FTP, কিন্তু অ্যাপাচি কোনো নিয়ম নয় বরং একটি সফটওয়্যার। ৫ মনে রাখার টিপস: অ্যাপাচি নামটি মনে রাখার সহজ উপায় হলো এটি একটি ভারতীয় আদিবাসী জাতির নাম থেকে এসেছে যারা প্রথম এর উন্নয়নে কাজ করেছিল। এটি একটি সার্ভার সফটওয়্যার যা ওয়েব পেজ পরিবেশন করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: অ্যাপাচি সফটওয়্যার ফাউন্ডেশন দ্বারা এটি পরিচালিত হয় এবং এর পূর্ণ রূপ বা ডাকনাম অ্যাপাচি এইচটিটিপি সার্ভার। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে জনপ্রিয় ওপেন সোর্স ওয়েব সার্ভার কোনটি।
a অবকাঠামোগত
b প্লাটফর্মভিত্তিক
c সফটওয়্যার
d উপরের সবগুলাে
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উপরের সবগুলাে ১. কেন সঠিক: ক্লাউড কম্পিউটিং-এর সেবা বা সার্ভিস মডেল মূলত প্রধানত তিনটি স্তরে বিভক্ত। এই তিনটি স্তর হলো অবকাঠামোগত সেবা, প্লাটফর্মভিত্তিক সেবা এবং সফটওয়্যার সেবা। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ইন্টারনেট বা দূরবর্তী সার্ভারের মাধ্যমে কম্পিউটিং সম্পদ, যেমন ডেটা স্টোরেজ, প্রসেসিং ক্ষমতা এবং সফটওয়্যার ব্যবহারের সুবিধা প্রদান করাকে ক্লাউড কম্পিউটিং বলা হয়। কার্যপদ্ধতি: ব্যবহারকারী নিজের কম্পিউটারে ভারী হার্ডওয়্যার বা সফটওয়্যার ইনস্টল না করে ইন্টারনেটের মাধ্যমে রিমোট সার্ভার থেকে সেবা গ্রহণ করেন। বৈশিষ্ট্য: অন-ডিমান্ড সেলফ সার্ভিস, রিসোর্স পুলিং, এবং স্কেলেবিলিটি এর প্রধান বৈশিষ্ট্য। ব্যবহার: বড় ডেটা সংরক্ষণ, ওয়েবসাইট হোস্টিং এবং দূরবর্তী কাজ পরিচালনার জন্য এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অ্যামাজন ইসি টু ব্যাখ্যা: এটি অবকাঠামোগত সেবার একটি জনপ্রিয় উদাহরণ যা ব্যবহারকারীকে ভার্চুয়াল সার্ভার ব্যবহারের সুবিধা দেয়। উদাহরণ ২: গুগল ডক্স ব্যাখ্যা: এটি সফটওয়্যার সেবার একটি চমৎকার উদাহরণ যেখানে কোনো ইনস্টলেশন ছাড়াই ব্রাউজারে ডকুমেন্ট তৈরি করা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অবকাঠামোগত — এটি ক্লাউড কম্পিউটিং-এর একটি নির্দিষ্ট সার্ভিস মডেল হলেও একমাত্র মডেল নয়, তাই এটি অসম্পূর্ণ। B) প্লাটফর্মভিত্তিক — এটি ডেভেলপারদের জন্য একটি সার্ভিস মডেল যা অন্যান্য মডেলের পাশাপাশি ক্লাউড সেবার অন্তর্ভুক্ত। C) সফটওয়্যার — এটি সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য ক্লাউডের একটি জনপ্রিয় সেবা মডেল যা একা সম্পূর্ণ সেবা নির্দেশ করে না। D) উপরের সবগুলাে — ক্লাউড কম্পিউটিং-এর তিনটি প্রধান সার্ভিস মডেলই এখানে অন্তর্ভুক্ত থাকায় এটি সঠিক উত্তর। ৫ মনে রাখার টিপস: ক্লাউড কম্পিউটিং-এর সার্ভিস মডেলগুলোকে সংক্ষেপে আইএএস, পিএএস এবং এসএএস বলা হয়। আইএএস মানে অবকাঠামো, পিএএস মানে প্লাটফর্ম এবং এসএএস মানে সফটওয়্যার। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ক্লাউড কম্পিউটিং-এর এই তিনটি মডেলকে একত্রে ক্লাউড কম্পিউটিং সার্ভিস মডেলের ত্রিভুজ বা পাই মডেল বলা হয়। পরীক্ষায় প্রায়ই এই মডেলগুলোর ইংরেজি রূপ বা সংক্ষিপ্ত নাম যেমন ইনফ্রাস্ট্রাকচার অ্যাজ এ সার্ভিস সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
a বাস টপােলজি
b রিং টপােলজি
c স্টার টপােলজি
d ট্রি টপােলজি
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) স্টার টপােলজি ১. কেন সঠিক: স্টার টপোলজিতে একটি কেন্দ্রীয় ডিভাইস হিসেবে হাব বা সুইচ ব্যবহার করা হয়। নেটওয়ার্কের প্রতিটি কম্পিউটার আলাদা ক্যাবলের মাধ্যমে এই কেন্দ্রীয় হাবের সঙ্গে যুক্ত থাকে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: যে নেটওয়ার্ক টপোলজিতে একটি কেন্দ্রীয় হাব বা সুইচের সঙ্গে সব কম্পিউটার সংযুক্ত থাকে তাকে স্টার টপোলজি বলে। কার্যপদ্ধতি: কোনো কম্পিউটার ডেটা পাঠাতে চাইলে তা প্রথমে কেন্দ্রীয় হাবে যায় এবং হাব সেই ডেটা নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছে দেয়। বৈশিষ্ট্য: কোনো একটি কম্পিউটার বা ক্যাবল নষ্ট হলে পুরো নেটওয়ার্ক সচল থাকে, কেবল ওই নির্দিষ্ট কম্পিউটারটি বিচ্ছিন্ন হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আধুনিক ল্যাব বা অফিসের লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক। ব্যাখ্যা: সেখানে একটি কেন্দ্রীয় সুইচের মাধ্যমে সব কম্পিউটার একসঙ্গে সংযুক্ত থাকে। উদাহরণ ২: ব্যাংকের শাখা অফিসের কম্পিউটার সিস্টেম। ব্যাখ্যা: কেন্দ্রীয় সার্ভারের সঙ্গে ক্যাবলের মাধ্যমে প্রতিটি ক্লায়েন্ট কম্পিউটার স্টার টপোলজিতে যুক্ত থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাস টপােলজি — এখানে একটি মূল ব্যাকবোন ক্যাবল বা বাস লাইন ব্যবহার করা হয়, কোনো কেন্দ্রীয় হাব থাকে না। B) রিং টপােলজি — এখানে প্রতিটি কম্পিউটার বৃত্তাকার বা রিং আকারে কেবল পাশের দুটি কম্পিউটারের সঙ্গে যুক্ত থাকে। D) ট্রি টপােলজি — এখানে একাধিক স্টার টপোলজিকে হায়ারার্কি বা গাছের শাখা প্রশাখার মতো যুক্ত করা হয়, শুধু হাব থাকে না। ৫ মনে রাখার টিপস: স্টার মানে তারা এবং আকাশের তারার মাঝখানে যেমন চাঁদ বা কেন্দ্র থাকে, তেমনি স্টার টপোলজির মাঝে হাব থাকে। স্টার টপোলজি দেখতে ইংরেজি অক্ষর স্টার বা তারার মতো মনে রাখা সহজ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: স্টার টপোলজিতে কেন্দ্রীয় হাব নষ্ট হলে পুরো নেটওয়ার্ক অচল হয়ে যায়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোন টপোলজিতে ক্যাবল খরচ বেশি হয়, যার উত্তর স্টার টপোলজি।
a compiler
b loader
c operating system
d bootstrap
0 98 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) operating system ১. কেন সঠিক: - অপারেটিং সিস্টেম ছাড়া কম্পিউটার চালু বা বুট হতে পারে না কারণ এটি হার্ডওয়্যার ও ব্যবহারকারীর মধ্যে যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে কাজ করে। - বুটিং প্রক্রিয়ার সময় অপারেটিং সিস্টেমের মূল ফাইলগুলো সেকেন্ডারি মেমোরি থেকে র্যান্ডম অ্যাক্সেস মেমোরিতে লোড হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: অপারেটিং সিস্টেম হলো এমন একটি সিস্টেম সফটওয়্যার যা কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার এবং অন্যান্য অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যারকে নিয়ন্ত্রণ করে। - কার্যপদ্ধতি: কম্পিউটার চালু করার পর বেসিক ইনপুট আউটপুট সিস্টেম বা বায়োস হার্ডওয়্যার পরীক্ষা করে এবং অপারেটিং সিস্টেমকে মেমোরিতে নিয়ে আসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাইক্রোসফট উইন্ডোজ ব্যাখ্যা: উইন্ডোজ ইনস্টল করা না থাকলে ল্যাপটপ বা ডেস্কটপ শুধু কালো পর্দা দেখাবে এবং চালু হবে না। উদাহরণ ২: লিনাক্স বা উবুন্টু ব্যাখ্যা: সার্ভার কম্পিউটারগুলোতে এই অপারেটিং সিস্টেমগুলো বুট না হলে কোনো সেবা প্রদান করা সম্ভব হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) compiler — এটি একটি প্রোগ্রাম যা উচ্চ স্তরের ভাষাকে মেশিন ভাষায় অনুবাদ করে, যা বুটিংয়ের জন্য অপরিহার্য নয়। B) loader — এটি অপারেটিং সিস্টেমের একটি অংশ যা প্রোগ্রামকে মেমোরিতে লোড করে, কিন্তু নিজেই সম্পূর্ণ অপারেটিং সিস্টেম নয়। C) operating system — এটি সঠিক উত্তর। D) bootstrap — এটি বুটিং প্রক্রিয়ার একটি ছোট প্রোগ্রাম যা মাদারবোর্ডের রম চিপে থাকে, কিন্তু পুরো সিস্টেম চালানোর জন্য অপারেটিং সিস্টেম প্রয়োজন। ৫ মনে রাখার টিপস: - কম্পিউটার চালুর মূল চাবিকাঠি হলো অপারেটিং সিস্টেম। - উইন্ডোজ বা লিনাক্স না থাকলে কম্পিউটার শুধু একটি বোকাবাক্স মাত্র। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বুটস্ট্রাপ প্রোগ্রামটি রম চিপে সংরক্ষিত থাকে। - অপারেটিং সিস্টেম হলো সিস্টেম সফটওয়্যারের সবচেয়ে ভালো উদাহরণ।
a Oracle
b McAfee
c Norton
d Kaspersky
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Oracle ১. কেন সঠিক: - ওরাকল (Oracle) কোনো অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার নয়, এটি বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় একটি ডেটাম্যানেজমেন্ট সিস্টেম বা ডেটাসেট পরিচালনাকারী সফটওয়্যার। - এটি মূলত এন্টারপ্রাইজ লেভেলের বিশাল ডেটা সংরক্ষণ, ব্যবস্থাপনা এবং নিরাপদে প্রক্রিয়াজাত করার কাজে ব্যবহৃত হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: ওরাকল হলো একটি রিলেশনাল ডেটাসেট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS) যা কর্পোরেট পর্যায়ে বিশাল পরিমাণ তথ্য ব্যবস্থাপনায় ব্যবহৃত হয়। - কার্যপদ্ধতি: এটি ক্লায়েন্ট-সার্ভার স্থাপত্যের মাধ্যমে একসাথে বহু ব্যবহারকারীর ডেটা সংরক্ষণ ও পুনরুদ্ধারের কাজ নিখুঁতভাবে সম্পন্ন করে। - বৈশিষ্ট্য: উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন নিরাপত্তা ব্যবস্থা, স্কেলেবিলিটি এবং বিশাল ডেটা হ্যান্ডেল করার বিশেষ ক্ষমতা এর প্রধান বৈশিষ্ট্য। - ব্যবহার: বড় বড় ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং বহুজাতিক কোম্পানির অভ্যন্তরীণ ডাটাবেজ সংরক্ষণে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্যাংকিং ব্যবস্থা ব্যাখ্যা: একটি ব্যাংকের কোটি কোটি গ্রাহকের অ্যাকাউন্ট ও লেনদেনের তথ্য নিরাপদে সংরক্ষণ ও পরিচালনার জন্য ওরাকল সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম ব্যাখ্যা: অ্যামাজন বা আলিবাবার মতো বৃহৎ অনলাইন শপে হাজার হাজার পণ্যের তালিকা ও ক্রেতার তথ্য গুছিয়ে রাখতে ডেটাসেট হিসেবে এটি কাজ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Oracle — এটি কোনো অ্যান্টিভাইরাস নয়, বরং এটি একটি শক্তিশালী রিলেশনাল ডেটাসেট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম। B) McAfee — এটি একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং বিশ্বস্ত বাণিজ্যিক অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার যা কম্পিউটারকে ম্যালওয়্যার থেকে রক্ষা করে। C) Norton — এটি একটি বিখ্যাত সাইবার নিরাপত্তা ও অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার যা ভাইরাসের আক্রমণ প্রতিহত করে। D) Kaspersky — এটি একটি বিশ্বমানের অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার যা কম্পিউটার সিস্টেমের ক্ষতিকর ফাইল ও ভাইরাস ধ্বংস করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - ডেটাসেট ম্যানেজমেন্টের ক্ষেত্রে ওরাকল নামটি সবার আগে আসে, আর ম্যাকফি বা নর্টন হলো পরিচিত অ্যান্টিভাইরাস ব্র্যান্ড। - ওরাকল একটি ডেটা সংরক্ষণাগার আর অ্যান্টিভাইরাস হলো সেই ঘরের নিরাপত্তাকর্মী। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ওরাকল কর্পোরেশন বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ সফটওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান যা এন্টারপ্রাইজ সফটওয়্যারে নেতৃত্ব দিচ্ছে। - এ ধরনের প্রশ্নে সফটওয়্যারগুলোর কাজ এবং ধরন আলাদা করতে পারা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুব জরুরি।
a ইমেইল সার্ভার
b ওয়েব সার্ভার
c ডাটাবেইস সার্ভার
d ফাইল সার্ভার
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ওয়েব সার্ভার ১. কেন সঠিক: মাইক্রোসফট IIS (Internet Information Services) একটি ওয়েব সার্ভার সফটওয়্যার। এটি ক্লায়েন্ট বা ব্রাউজারের অনুরোধ গ্রহণ করে ইন্টারনেট বা ইন্ট্রানেটের মাধ্যমে ওয়েব পেজ প্রদর্শন করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: পূর্ণরূপ: Internet Information Services। কার্যপদ্ধতি: ব্যবহারকারী ব্রাউজারে ইউআরএল লিখে প্রবেশ করলে এটি প্রয়োজনীয় ফাইল প্রসেস করে ক্লায়েন্টের কাছে পাঠায়। ব্যবহার: উইন্ডোজ ভিত্তিক সার্ভারে ওয়েবসাইট হোস্টিং এবং ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন চালানোর জন্য এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাইক্রোসফট ডট কম ওয়েবসাইট ভিজিট করার সময় ব্রাউজারটি যে সার্ভারের সাথে যোগাযোগ করে। ব্যাখ্যা: এই ধরনের বৃহৎ মাইক্রোসফট ভিত্তিক সাইটগুলো পরিচালনা করতে ব্যাকএন্ডে সার্ভার সফটওয়্যার প্রয়োজন হয়। উদাহরণ ২: কোনো প্রতিষ্ঠানের লোকাল নেটওয়ার্কে অভ্যন্তরীণ ওয়েবসাইট বা ডেটা শেয়ার করার ব্যবস্থা। ব্যাখ্যা: একটি উইন্ডোজ সার্ভার মেশিনে এই সফটওয়্যারটি চালু করে লোকাল নেটওয়ার্কে ফাইল ও পেজ সরবরাহ করা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইমেইল সার্ভার — ইমেইল আদান-প্রদানের জন্য মাইক্রোসফট এক্সচেঞ্জ সার্ভারের মতো আলাদা সফটওয়্যার ব্যবহৃত হয়। B) ওয়েব সার্ভার — এটি সঠিক উত্তর কারণ সফটওয়্যারটি মূলত ইন্টারনেট বা ইন্ট্রানেটে ওয়েব পেজ পরিবেশন করে। C) ডাটাবেইস সার্ভার — ডাটা সংরক্ষণের জন্য মাইক্রোসফট এসকিউএল সার্ভার ব্যবহৃত হয়, যা একটি ভিন্ন প্রযুক্তি। D) ফাইল সার্ভার — ফাইল শেয়ারিংয়ের জন্য উইন্ডোজ সার্ভারের নিজস্ব ফাইল শেয়ারিং ফিচার কাজ করে, এটি ওয়েব সার্ভারের কাজ। ৫. মনে রাখার টিপস: IIS নামের শুরুতে ইন্টারনেট শব্দটি আছে, যা দিয়ে ইন্টারনেট বা ওয়েব সংক্রান্ত সেবা বোঝায়। উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের সাথে এই ওয়েব সার্ভারটি ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই ওপেন সোর্স ওয়েব সার্ভার অ্যাপাচি এবং মাইক্রোসফট আইএস এর মধ্যে পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়। এটি মাইক্রোসফট কর্পোরেশনের একটি প্রোপ্রিটারি বা স্বত্বাধিকারী সার্ভার প্রযুক্তি।
a ১০-৩০ মিটার
b ১০-৫০ মিটার।
c ১০-১০০ মিটার
d ১০-৩০০ মিটার
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১০-১০০ মিটার ১. কেন সঠিক: ব্লুটুথ হলো একটি স্বল্প দূরত্বের ওয়্যারলেস পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা ডব্লিউপিএএন প্রযুক্তি। সাধারণত ডিভাইসভেদে ব্লুটুথের কার্যপরিধি বা কভারেজ ক্ষেত্র ১০ থেকে ১০০ মিটার পর্যন্ত হতে পারে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ব্লুটুথ হলো এমন একটি স্বল্প দূরত্বের বেতার প্রযুক্তি যা রেডিও ওয়েভ ব্যবহার করে দুটি ডিভাইসের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান করে। কার্যপদ্ধতি: এটি ২ দশমিক ৪ গিगाहার্টজ আইএসএম ব্যান্ডে ফ্রিকোয়েন্সি হপিং স্প্রেড স্পেকট্রাম প্রযুক্তির মাধ্যমে কাজ করে। বৈশিষ্ট্য: এটি কম বিদ্যুৎ খরচ করে এবং একই সাথে একাধিক ডিভাইসের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করতে পারে। ব্যবহার: মোবাইল ফোন থেকে হেডফোনে গান শোনা, মাউস বা কিবোর্ড কম্পিউটারের সাথে যুক্ত করা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্লুটুথ হেডফোন ব্যবহার করে মোবাইল থেকে দূরে থেকেও গান শোনা যায়। ব্যাখ্যা: এটি তারবিহীন সংযোগের মাধ্যমে ব্যবহারকারীকে চলাফেরার স্বাধীনতা দেয়। উদাহরণ ২: ল্যাপটপের সাথে ব্লুটুথ মাউস যুক্ত করা। ব্যাখ্যা: ক্যাবলের ঝামেলা ছাড়াই এটি সহজে কম্পিউটার নিয়ন্ত্রণের কাজ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০-৩০ মিটার — এটি ব্লুটুথ ক্লাস ২ ডিভাইসের পরিধি, যা সঠিক উত্তরের অংশ মাত্র। B) ১০-৫০ মিটার — এটি ব্লুটুথ প্রযুক্তির কোনো স্ট্যান্ডার্ড নির্দিষ্ট মান নয়। D) ১০-৩০০ মিটার — এটি ব্লুটুথ ক্লাস ১ এর সর্বোচ্চ সীমা, যা সাধারণ দূরত্বের সম্পূর্ণ পরিসর বোঝায় না। ৫ মনে রাখার টিপস: ব্লুটুথ মানেই স্বল্প দূরত্ব। সাধারণ দূরত্ব মনে রাখতে ১০ থেকে ১০০ মিটার পরিসরটি মাথায় রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ব্লুটুথ প্রযুক্তির জনক এরিকসন কোম্পানি এবং এটি ১৯৯৪ সালে উদ্ভাবিত হয়। ব্লুটুথ নামটির নামকরণ করা হয়েছে দশম শতকের ডেনমার্কের রাজা হ্যারল্ড ব্লুটুথের নামানুসারে।
a জাতিসংঘ
b জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি
c বিশ্বব্যাংক
d এশিয়া উন্নয়ন ব্যাংক
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বিশ্বব্যাংক ১. কেন সঠিক: - বিশ্বব্যাংক প্রথম ১৯৯২ সালে সুশাসন ধারণাকে আনুষ্ঠানিকভাবে সংজ্ঞায়িত করে এবং এর প্রধান চারটি স্তম্ভের কথা প্রকাশ করে। - সুশাসন ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে অর্থনৈতিক উন্নয়ন নিশ্চিত করাই এই সংস্থার মূল নৈতিক নীতি। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: সুশাসন হলো এমন একটি শাসনব্যবস্থা যা স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক, অংশগ্রহণমূলক এবং আইনের শাসনের ওপর প্রতিষ্ঠিত। - গুরুত্ব: এটি রাষ্ট্রীয় সম্পদ সঠিক ব্যবহার এবং জনগণের মৌলিক অধিকার রক্ষা করতে সাহায্য করে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: একজন সরকারি কর্মকর্তা যখন কোনো টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ স্বচ্ছতার সাথে সম্পন্ন করেন। ব্যাখ্যা: এটি সুশাসনের স্বচ্ছতা ও সততা নীতির সঠিক প্রয়োগ, যা দুর্নীতি প্রতিরোধ করে। উদাহরণ ২: এলাকার উন্নয়নে সাধারণ মানুষের মতামত গ্রহণ করা। ব্যাখ্যা: এটি সুশাসনের অংশগ্রহণমূলক নীতিকে নির্দেশ করে, যা নাগরিক দায়িত্ববোধ বাড়ায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাতিসংঘ — জাতিসংঘ বিশ্বশান্তি ও মানবাধিকার নিয়ে প্রধানত কাজ করে, তবে এটি বিশ্বব্যাংকের মতো সুশাসনের এই নির্দিষ্ট চারটি স্তম্ভ সরাসরি প্রকাশ করেনি। B) জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি — ইউএনডিপি সুশাসনের পাঁচটি বা নয়টি সূচক বা বৈশিষ্ট্য প্রচার করে থাকে, সুশাসনের চার স্তম্ভের মূল প্রণেতা এটি নয়। C) বিশ্বব্যাংক — এই অপশনটি সঠিক এবং ১৯৯২ সালের প্রতিবেদনে বিশ্বব্যাংক প্রথম সুশাসনের চারটি স্তম্ভ ঘোষণা করে। D) এশিয়া উন্নয়ন ব্যাংক — এডিবি মূলত আঞ্চলিক উন্নয়ন ও অর্থায়ন নিয়ে কাজ করে, সুশাসনের এই নির্দিষ্ট তত্ত্বটি তাদের নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিশ্বব্যাংক চার অক্ষর বিশিষ্ট এবং তাদের সুশাসনের স্তম্ভও চারটি, এভাবে মিলিয়ে মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সুশাসনের প্রধান স্তম্ভগুলো হলো স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, জনঅংশগ্রহণ এবং আইনের শাসন। - এই নীতিগুলো থেকে প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে।
a সুশাসন
b রাষ্ট্র
c নৈতিকতা
d সমাজ
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সমাজ ১. কেন সঠিক: - সমাজ হলো মানুষের পারস্পরিক সম্পর্ক, সংস্কৃতি, মূল্যবোধ ও সহাবস্থানের এক সুসংহত রূপ যেখানে সভ্যতার সকল অর্জন বিকশিত হয়। - সামাজিক মূল্যবোধ, শিষ্টাচার এবং সামগ্রিক জীবনযাত্রার মানই নির্ধারণ করে একটি সমাজ কতটা উন্নত ও সভ্য। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: প্রশ্নের ধরন: সামাজিক মূল্যবোধ ও মানবিক আচরণ - মূল ধারণা: সমাজ হলো এমন একটি ব্যবস্থা যেখানে মানুষ মিলেমিশে বসবাস করে এবং পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে নিজেদের জীবনযাত্রাকে উন্নত করে তোলে। - গুরুত্ব: সমাজে বসবাস করার মাধ্যমেই মানুষ নৈতিকতা, শিষ্টাচার, সহমর্মিতা এবং নাগরিক দায়িত্ববোধ শিক্ষা লাভ করে। - প্রয়োগ: সমাজের প্রতিটি মানুষের অধিকার রক্ষা করা এবং সামাজিক অনুশাসন মেনে চলার মাধ্যমে এর যথাযথ প্রয়োগ ঘটে। - সম্ভাব্য প্রভাব: একটি সুশৃঙ্খল সমাজ মানুষের মানসিক বিকাশ ঘটায় এবং অপরাধ প্রবণতা হ্রাস করে শান্তির পরিবেশ তৈরি করে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: গণপরিবহনে বয়স্ক বা নারীর জন্য আসন ছেড়ে দেওয়া। ব্যাখ্যা: এটি সামাজিক শিষ্টাচার ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের বহিঃপ্রকাশ যা একটি সভ্য সমাজের পরিচায়ক। উদাহরণ ২: এলাকার কোনো দরিদ্র শিক্ষার্থীর পড়াশোনার দায়িত্ব নেওয়া। ব্যাখ্যা: এটি সামাজিক দায়বদ্ধতা ও সহমর্মিতার নৈতিক মূল্যবোধের বাস্তব প্রয়োগ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুশাসন — সুশাসন হলো রাষ্ট্র পরিচালনার একটি পদ্ধতি, যা সভ্যতার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলেও সরাসরি সামগ্রিক সভ্যতার একমাত্র প্রতিচ্ছবি নয়। B) রাষ্ট্র — রাষ্ট্র হলো রাজনৈতিক ও ভৌগোলিক কাঠামোগত প্রতিষ্ঠান, যা সমাজের ওপর প্রতিষ্ঠিত হলেও সমাজের সংস্কৃতি ও মূল্যবোধের পরিধি এর চেয়েও ব্যাপক। C) নৈতিকতা — নৈতিকতা মানুষের ব্যক্তিগত ও সামাজিক আচরণের ভালো-মন্দের মাপকাঠি, যা সভ্যতার অংশ কিন্তু এককভাবে পুরো সমাজকে বাসভ্যতাকে পূর্ণতা দেয় না। D) সমাজ — এটি সঠিক উত্তর। মানুষের সম্মিলিত জীবনযাত্রা ও সংস্কৃতির প্রকাশ ঘটে সমাজে, যা সভ্যতার প্রকৃত প্রতিচ্ছবি। ৫. মনে রাখার টিপস: - সভ্যতার শেকড় নিহিত রয়েছে মানুষের পারস্পরিক মিলনে অর্থাৎ সমাজে, তাই সভ্যতা মানেই সমাজের সার্বিক রূপ। - প্রশ্নটিতে যখন সভ্যতার প্রতিচ্ছবি জানতে চাওয়া হবে, তখন শারীরিক বা রাজনৈতিক কাঠامোর চেয়ে মানুষের সামাজিক মেলবন্ধনকে প্রাধান্য দিতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সমাজ ও সভ্যতার পারস্পরিক সম্পর্ক নৈতিকতা ও মূল্যবোধের একটি মৌলিক দিক। - এই নীতি থেকে নৈতিকতার উৎস, সামাজিক মূল্যবোধের রূপ এবং নাগরিক দায়িত্বশীলতা সম্পর্কিত বিভিন্ন প্রশ্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসতে পারে।
a হ্যারল্ড উইলসন
b এডওয়ার্ড ওসবর্ন উইলসন
c জন স্টুয়ার্ট মিল
d ইমানুয়েল কান্ট
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ইমানুয়েল কান্ট ১. কেন সঠিক: - এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর ইমানুয়েল কান্ট কারণ তিনি deontological ethics বা কর্তব্যের নৈতিকতা তত্ত্বের প্রবক্তা। - এই নীতি অনুযায়ী কোনো কাজের ফলাফল যাই হোক না কেন, কেবল কর্তব্যের খাতিরে বা নৈতিক দায়িত্ববোধ থেকে কাজটি করাকেই সঠিক বলে গণ্য করা হয়। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: কর্তব্যের নৈতিকতা হলো এমন একটি নীতি যেখানে ফলাফল বিবেচনা না করে নৈতিক নিয়ম ও দায়িত্ব পালনের ওপর সর্বোচ্চ জোর দেওয়া হয়। - গুরুত্ব: এটি সমাজে সততা, নিয়মানুবর্তিতা এবং পেশাগত দায়িত্ববোধ সুদৃঢ় করতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। - প্রয়োগ: নিজের ব্যক্তিগত লাভ বা ক্ষতির কথা না ভেবে পেশাগত দায়িত্ব সততার সঙ্গে পালন করার মাধ্যমে এটি প্রয়োগ করা যায়। - সম্ভাব্য প্রভাব: এর ফলে সমাজে জবাবদিহি বৃদ্ধি পায় এবং মানুষ দায়িত্বহীন আচরণ থেকে বিরত থাকে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: একজন সরকারি কর্মকর্তা ঘুষের লোভ সংবরণ করে আইন অনুযায়ী গরিব মানুষকে সেবা প্রদান করলেন। ব্যাখ্যা: এখানে কর্মকর্তা কোনো ব্যক্তিগত সুবিধার কথা না ভেবে নিজের পেশাগত ও নৈতিক দায়িত্ব সততার সঙ্গে পালন করেছেন, যা কর্তব্যের নৈতিকতার সরাসরি প্রয়োগ। উদাহরণ ২: একজন শিক্ষক কোনো ধরনের পক্ষপাতিত্ব না করে নিরপেক্ষভাবে শিক্ষার্থীদের খাতা মূল্যায়ন করলেন। ব্যাখ্যা: শিক্ষক তার মূল নৈতিক কর্তব্য ও দায়িত্বের প্রতি বিশ্বস্ত থেকে সঠিক কাজটি সম্পন্ন করেছেন, যা কান্টের কর্তব্যের নীতিকে সমর্থন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হ্যারল্ড উইলসন — হ্যারল্ড উইলসন একজন ব্রিটিশ রাজনীতিবিদ ছিলেন এবং তিনি এই তাত্ত্বিক ধারণার সঙ্গে যুক্ত নন। B) এডওয়ার্ড ওসবর্ন উইলসন — এডওয়ার্ড ওসবর্ন উইলসন একজন জীববিজ্ঞানী ও প্রকৃতিবিদ ছিলেন, যিনি সমাজজীববিজ্ঞান নিয়ে কাজ করেছেন। C) জন স্টুয়ার্ট মিল — জন স্টুয়ার্ট মিল উপযোগবাদ বা utilitarianism মতবাদের প্রবক্তা, কর্তব্যের নৈতিকতার নন। D) ইমানুয়েল কান্ট — ইমানুয়েল কান্ট হলেন সেই দার্শনিক যিনি প্রথম সুসংবদ্ধভাবে কর্তব্যের নৈতিকতার ধারণা প্রবর্তন করেন। ৫. মনে রাখার টিপস: - কান্ট মানেই কর্তব্য বা দায়িত্ব। পরীক্ষার প্রশ্নে কর্তব্য বা deontological ethics এলেই ইমানুয়েল কান্ট নামটি মনে রাখবে। - ফলাফলের চেয়ে নিয়মের প্রতি নিষ্ঠা থাকলে সেটি কান্টের নীতি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - নৈতিকতার মূল ভিত্তি ফলাফল নয়, বরং সঠিক কর্তব্য পালন—এই ধারণাটি বিসিএস পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। - একই নীতি থেকে উপযোগবাদ বা মিলের তত্ত্ব সম্পর্কিত প্রশ্নও আসতে পারে।
a সামাজিক মূল্যবোধ
b ইতিবাচক মূল্যবোধ
c গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ
d নৈতিক মূল্যবোধ
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ১. কেন সঠিক: - গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এমন একদল নীতি যা রাষ্ট্র, সরকার এবং প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ ও স্বীকৃতি দেয়। - এটি মূলত জনগণের অধিকার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, আইনের শাসন এবং প্রাতিষ্ঠানিক নিয়মকানুনকে রাষ্ট্রীয়ভাবে অনুমোদন করার প্রক্রিয়া। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ হলো এমন আদর্শ যা রাষ্ট্রীয় নীতি ও সামাজিক ব্যবস্থায় সকলের অধিকার ও অংশগ্রহণের স্বীকৃতি দেয়। - গুরুত্ব: এটি রাষ্ট্র পরিচালনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করে এবং জনগণের মৌলিক অধিকার রক্ষা করে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: কর্মক্ষেত্রে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় সকলের মতামত শোনা এবং সংখ্যাগরিষ্ঠের মতকে সম্মান জানানো। ব্যাখ্যা: এটি গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের বহিঃপ্রকাশ যা প্রতিষ্ঠানে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ তৈরি করে। উদাহরণ ২: রাষ্ট্রীয় নির্বাচনে নাগরিক হিসেবে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করা এবং অন্যের ভোট দেওয়ার অধিকারে বাধা না দেওয়া। ব্যাখ্যা: এটি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার প্রতি শ্রদ্ধাশীল নাগরিক দায়িত্ব পালনের উৎকৃষ্ট উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সামাজিক মূল্যবোধ — এটি সমাজ কর্তৃক স্বতঃস্ফূর্তভাবে স্বীকৃত হলেও রাষ্ট্রীয় বা সরকার কর্তৃক সরাসরি আইনগতভাবে সংজ্ঞায়িত বা অনুমোদিত হতে বাধ্য নয়। B) ইতিবাচক মূল্যবোধ — এটি একটি সাধারণ ধারণাগত শব্দ যা ভালো গুণাবলী বোঝায়, কিন্তু রাষ্ট্র ও সরকার কর্তৃক প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতির ক্ষেত্রে এটি নির্দিষ্ট কোনো রূপ নির্দেশ করে না। D) নৈতিক মূল্যবোধ — এটি ব্যক্তির নিজস্ব বিবেক ও অভ্যন্তরীণ শুদ্ধাচারের সাথে সম্পর্কিত, যা সম্পূর্ণভাবে রাষ্ট্রীয় কাঠামোর গণ্ডির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - প্রশ্নটিতে যখন রাষ্ট্র, সরকার ও গোষ্ঠীর স্বীকৃতির কথা থাকবে, তখন তা সাধারণত প্রাতিষ্ঠানিক ও রাজনৈতিক কাঠামোর সাথে যুক্ত গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে নির্দেশ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - রাষ্ট্রীয় ও প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতিযুক্ত মূল্যবোধগুলোর মূল বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
a শিক্ষার মাধ্যম
b সূশাসনের মাধ্যমে
c ধর্মের মাধ্যমে
d গণতন্ত্র চর্চার মাধ্যমে
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) শিক্ষার মাধ্যম ১. কেন সঠিক: শিক্ষা মানুষের সুপ্ত প্রতিভার বিকাশ ঘটায় এবং সঠিক ও ভুলের মধ্যে পার্থক্য করার ক্ষমতা অর্জন করতে সহায়তা করে। মূল্যবোধ হলো মানুষের আচরণের মানদণ্ড, যা শিক্ষার মাধ্যমে অর্জিত জ্ঞান ও সংস্কৃতির দ্বারা দৃঢ় ও সংহত হয়। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: মূল ধারণা: শিক্ষা হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যা মানুষের আচরণে ইতিবাচক পরিবর্তন আনে এবং নৈতিক চরিত্র গঠন করে। প্রয়োগ: প্রাতিষ্ঠানিক ও নৈতিক শিক্ষার মাধ্যমে ব্যক্তি সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রতি দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রমে সততা ও নৈতিকতার পাঠ গ্রহণ করে একজন শিক্ষার্থী ভবিষ্যতে পেশাগত জীবনে দুর্নীতি থেকে দূরে থাকে। ব্যাখ্যা: শিক্ষা মানুষের নৈতিক ভিত মজবুত করে, ফলে সে প্রলোভনের মুখেও সততা বজায় রাখতে পারে। উদাহরণ ২: উচ্চশিক্ষিত একজন নাগরিক নিজের অধিকারের পাশাপাশি অন্যের অধিকার ও মতামতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হন। ব্যাখ্যা: প্রকৃত শিক্ষা মানুষের মধ্যে সহনশীলতা ও সামাজিক মূল্যবোধ জাগ্রত করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শিক্ষার মাধ্যম — এটি সঠিক উত্তর কারণ শিক্ষা মানুষের মূল্যবোধকে স্থায়ী ও সুদৃঢ় করে। B) সুশাসনের মাধ্যমে — সুশাসন সমাজ পরিচালনা ও অধিকার নিশ্চিত করতে সাহায্য করে, তবে এটি মূল্যবোধ দৃঢ় করার মূল মাধ্যম নয়। C) ধর্মের মাধ্যমে — ধর্ম নৈতিকতা শেখায়, কিন্তু সার্বজনীন ও আধুনিক মূল্যবোধের মূল ভিত্তি হলো সর্বজনীন শিক্ষা। D) গণতন্ত্র চর্চার মাধ্যমে — গণতন্ত্র রাজনৈতিক অধিকার নিশ্চিত করে, কিন্তু মানুষের ব্যক্তিগত মূল্যবোধ গঠনের ভিত্তি হলো শিক্ষা। ৫ মনে রাখার টিপস: মূল্যবোধের মূল ভিত্তি হলো শিক্ষা। নৈতিক চরিত্র গঠনে শিক্ষার বিকল্প নেই। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: শিক্ষা শুধু তথ্য প্রদান করে না, বরং মানুষের ভেতরের মানবিক গুণাবলী ও মূল্যবোধকে স্থায়ী রূপ দেয়। এই ধরনের প্রশ্নে শিক্ষার ভূমিকা সবচেয়ে মৌলিক হিসেবে গণ্য হয়।
a প্রজ্ঞা, সাহস, আত্মনিয়ন্ত্রণ ও ন্যায়।
b অপ্রত্যয়, প্রেষণা ও নিয়ন্ত্রণ
c সুখ, ভালোত্ব ও প্রেম।
d প্রজ্ঞা, আত্মনিয়ন্ত্রণ, সুখ ও ন্যায়।
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্রজ্ঞা, সাহস, আত্মনিয়ন্ত্রণ ও ন্যায়। ১. কেন সঠিক: - প্রাচীন গ্রিক দার্শনিক প্লেটো তাঁর বিখ্যাত 'রিপাবলিক' গ্রন্থে মানবআত্মার তিনটি অংশের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে চারটি প্রধান সদগুণ নির্ধারণ করেছেন। - এই চারটি সদগুণ ব্যক্তিগত জীবন ও রাষ্ট্র পরিচালনায় নৈতিক ভারসাম্য ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: প্লেটোর মতে মানুষের বুদ্ধিবৃত্তি, সাহস ও প্রবৃত্তি যথাক্রমে প্রজ্ঞা, সাহস ও আত্মনিয়ন্ত্রণ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হলে সমাজে ন্যায় প্রতিষ্ঠিত হয়। - গুরুত্ব: এই চারটি গুণ একজন নাগরিককে দায়িত্বশীল, সৎ ও সুশৃঙ্খল হতে সাহায্য করে এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করে। - প্রয়োগ: ব্যক্তিগত জীবনে লোভ সংবরণ, বিপদে সাহস দেখানো এবং আইন মেনে চলার মাধ্যমে এই সদগুণগুলোর প্রয়োগ করা যায়। - সম্ভাব্য প্রভাব: এর ফলে সমাজে বিশৃঙ্খলা দূর হয় এবং একটি ন্যায়ভিত্তিক ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ গড়ে ওঠে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: কর্মক্ষেত্রে অনিয়মের প্রস্তাব পেলে নিজের সততা ও প্রজ্ঞা দিয়ে তা প্রতিহত করা। ব্যাখ্যা: এটি প্লেটোর প্রজ্ঞা ও আত্মনিয়ন্ত্রণের সঠিক প্রয়োগ, যা নৈতিক দায়িত্ববোধের পরিচয় দেয়। উদাহরণ ২: অন্যায় বা দুর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত ভীতি উপেক্ষা করে প্রতিবাদ করা। ব্যাখ্যা: এটি প্লেটোর নির্দেশিত সাহসিকতার প্রকৃত বহিঃপ্রকাশ, যা সমাজের কল্যাণে কাজ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রজ্ঞা, সাহস, আত্মনিয়ন্ত্রণ ও ন্যায়। — প্লেটোর দর্শন অনুযায়ী এটিই চারটি মৌলিক সদগুণের সঠিক ও পূর্ণাঙ্গ তালিকা। B) অপ্রত্যয়, প্রেষণা ও নিয়ন্ত্রণ — এই শব্দগুলো আধুনিক মনোবিজ্ঞানের সাথে সম্পর্কিত, প্লেটোর প্রাচীন নৈতিক দর্শনের সদগুণ নয়। C) সুখ, ভালোত্ব ও প্রেম। — এই বিষয়গুলো উপযোগবাদ বা সাধারণ নৈতিকতার অন্তর্ভুক্ত হলেও প্লেটোর নির্দিষ্ট চার সদগুণের তালিকায় এগুলো নেই। D) প্রজ্ঞা, আত্মনিয়ন্ত্রণ, সুখ ও ন্যায়। — এখানে সুখ শব্দটি যুক্ত থাকায় প্লেটোর নির্দিষ্ট রাজনৈতিক ও নৈতিক দর্শনের তালিকাটি ভুল হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - প্লেটোর সদগুণ মনে রাখার সহজ উপায় হলো প্রসাআত্মন্যা, অর্থাৎ প্রজ্ঞা, সাহস, আত্মনিয়ন্ত্রণ ও ন্যায়। - মনে রাখবে প্লেটো আনন্দ বা সুখকে প্রধান সদগুণ হিসেবে গণ্য করেননি, বরং বিচারবুদ্ধি ও ন্যায়কে প্রাধান্য দিয়েছেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - নৈতিক দর্শনে প্লেটোর চার সদগুণ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই প্রজ্ঞা, সাহস, আত্মনিয়ন্ত্রণ ও ন্যায় এই চারটি নাম মুখস্থ রাখা জরুরি। - একই নীতি থেকে প্রশ্ন ঘুরিয়ে আসতে পারে যে, প্লেটোর মতে মানুষের বুদ্ধিবৃত্তির সদগুণ কোনটি, যার উত্তর হবে প্রজ্ঞা।
a বিভিন্নতা
b পরিবর্তনশীলতা
c আপেক্ষিকতা
d উপরের সবগুলােই
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উপরের সবগুলােই ১. কেন সঠিক: - মূল্যবোধের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এর বিভিন্নতা, পরিবর্তনশীলতা ও আপেক্ষিকতা। সমাজ ও সংস্কৃতির পরিবর্তনের সঙ্গে মূল্যবোধের রূপও পরিবর্তিত হয়। - সমাজবিজ্ঞান ও নৈতিকতার বিচারে মানব আচরণের মানদণ্ড হিসেবে মূল্যবোধের এই পরিবর্তনশীল ও বহুমাত্রিক রূপ সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: মূল্যবোধ হলো মানুষের সেই সমস্ত বিশ্বাস ও আদর্শ, যা তার আচরণকে পরিচালিত করে। - গুরুত্ব: এটি সামাজিক শৃঙ্খলা রক্ষা এবং মানুষের পারস্পরিক সম্পর্ক উন্নয়নে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রাচীন সমাজে যৌথ পরিবার প্রথার প্রতি যে সম্মান ছিল, আধুনিক নগরায়ণে একক পরিবার ব্যবস্থায় তার রূপ বদলে গেছে। ব্যাখ্যা: সময়ের পরিবর্তনে সামাজিক চাহিদার কারণে মূল্যবোধের বহিঃপ্রকাশ পরিবর্তিত হয়, যা এর পরিবর্তনশীলতা নির্দেশ করে। উদাহরণ ২: এক সংস্কৃতিতে যা শালীন পোশাক হিসেবে গণ্য হয়, অন্য সংস্কৃতিতে তা ভিন্ন হতে পারে। ব্যাখ্যা: স্থান ও সংস্কৃতির ভিন্নতার কারণে মূল্যবোধের মূল্যায়ন আলাদা হয়, যা আপেক্ষিকতা ও বিভিন্নতাকে বোঝায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিভিন্নতা — এটি মূল্যবোধের একটি সত্য বৈশিষ্ট্য হলেও শুধু এই অপশনটি সঠিক নয় কারণ অন্য বৈশিষ্ট্যগুলোও সমভাবে প্রযোজ্য। B) পরিবর্তনশীলতা — সময় ও সমাজের পরিবর্তনে মূল্যবোধ বদলায়, যা আংশিক সত্য এবং পূর্ণাঙ্গ উত্তরের জন্য ডি অপশনটি প্রয়োজন। C) আপেক্ষিকতা — স্থান ও পাত্রভেদে মূল্যবোধের তারতম্য ঘটে, তবে এটি ছাড়াও আরও অন্যান্য বৈশিষ্ট্য এর সঙ্গে জড়িত। D) উপরের সবগুলােই — এটি সঠিক কারণ মূল্যবোধের বিভিন্নতা, পরিবর্তনশীলতা ও আপেক্ষিকতা সবই এর মূল বৈশিষ্ট্যের অন্তর্ভুক্ত। ৫. মনে রাখার টিপস: - মূল্যবোধের বৈশিষ্ট্য মনে রাখার সহজ কৌশল হলো মনে রাখা যে সমাজ বদলায়, তাই মূল্যবোধও স্থান ও কাল ভেদে বদলায়। - পরীক্ষার প্রশ্নে মূল্যবোধের রূপ বৈচিত্র্যমূলক ও গতিশীল দেখলেই সব অপশন বেছে নিতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মূল্যবোধ স্থির বা চিরন্তন নয়, বরং এটি গতিশীল ও পরিবর্তনশীল। - এই নীতি থেকে মূল্যবোধের প্রকৃতি বা সমাজজীবনের প্রভাব সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
a অনুচ্ছেদ ১৩
b অনুচ্ছেদ ১৮
c অনুচ্ছেদ ২০
d অনুচ্ছেদ ২৫
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অনুচ্ছেদ ১৮ ১. কেন সঠিক: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতির মধ্যে অনুচ্ছেদ ১৮-তে জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতার বিষয়টি বিশেষভাবে আলোচিত হয়েছে। এই অনুচ্ছেদে জনগণের পুষ্টির স্তর উন্নয়ন এবং জনস্বাস্থ্যের উন্নতি সাধনকে রাষ্ট্রের অন্যতম প্রাথমিক কর্তব্য হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে এবং একই সঙ্গে বার ও জুয়া খেলার মতো অনৈতিক কর্মকাণ্ড রোধের ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: মূল ধারণা: জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা রক্ষা রাষ্ট্রের একটি মৌলিক সাংবিধানিক দায়িত্ব এবং নাগরিক সমাজের সুস্থ বিকাশের পূর্বশর্ত। গুরুত্ব: একটি নৈতিক ও স্বাস্থ্যবান জাতি গঠনে সুস্থ পরিবেশ, মাদক ও জুয়ামুক্ত সমাজ এবং জনস্বাস্থ্যের সুরক্ষা অত্যন্ত জরুরি ভূমিকা পালন করে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: একজন দোকানদার তার দোকানে ক্ষতিকারক ও ভেজাল খাদ্যদ্রব্য বিক্রি করা থেকে বিরত থাকলেন। ব্যাখ্যা: এটি জনস্বাস্থ্য রক্ষার ক্ষেত্রে নৈতিক দায়িত্ববোধের প্রতিফলন, যা নাগরিকের সুস্বাস্থ্যের অধিকারকে সুরক্ষা দেয়। উদাহরণ ২: এলাকার যুবসমাজকে রক্ষা করার জন্য স্থানীয় যুব সংঘ মাদক ও জুয়া খেলার বিরুদ্ধে সচেতনতামূলক প্রচারণা চালাল। ব্যাখ্যা: এই কর্মকাণ্ড সংবিধানের ১৮ অনুচ্ছেদের চেতনার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ এবং এটি সামাজিক নৈতিকতা রক্ষায় নাগরিক দায়িত্ব পালনের উৎকৃষ্ট উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অনুচ্ছেদ ১৩ — এই অনুচ্ছেদে মালিকানার বিভিন্ন রূপ অর্থাৎ রাষ্ট্রীয়, সমবায় ও ব্যক্তিগত মালিকানার নীতি সম্পর্কে বলা হয়েছে, যা জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) অনুচ্ছেদ ১৮ — এই অনুচ্ছেদটি সঠিক এবং এতে জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতার বিষয় স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। C) অনুচ্ছেদ ২০ — এই অনুচ্ছেদে অভ্যাসের বিরুদ্ধে সংগ্রাম এবং কাজের অধিকার ও কর্তব্য সম্পর্কে বলা হয়েছে, যা জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতার সরাসরি আলোচ্য বিষয় নয়। D) অনুচ্ছেদ ২৫ — এই অনুচ্ছেদে আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়নের নীতিসমূহ বর্ণনা করা হয়েছে, যা মূলত আন্তর্জাতিক সম্পর্কের সঙ্গে জড়িত। ৫. মনে রাখার টিপস: সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিগুলো আলোচনা করা হয়েছে এবং ১৮ নম্বর অনুচ্ছেদে জনস্বাস্থ্য উন্নয়নের পাশাপাশি নৈতিকতার কথা বলা হয়েছে। এভাবে মনে রাখতে পারো যে আঠারো বছর বয়সে একজন নাগরিক পূর্ণতা পায়, তাই এই বয়সেই তার স্বাস্থ্য ও নৈতিক চরিত্র গঠনের কথা বলা হয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা রক্ষায় রাষ্ট্রের সাংবিধানিক দায়িত্ব কোন অনুচ্ছেদে আছে তা বিসিএস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি তথ্য। এই ধরনের প্রশ্ন থেকে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি এবং নাগরিকের মৌলিক অধিকারগুলোর সাংবিধানিক ভিত্তি সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা লাভ করা যায়।
a মেকিয়াভেলি
b রাসেল
c প্লেটো
d এরিস্টটল
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রাসেল ১. কেন সঠিক: - এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো বার্ট্রান্ড রাসেল কারণ তিনি তার বিখ্যাত রাজনৈতিক দর্শন ও নীতিমালায় স্বাধীনতা, গণতন্ত্র এবং সমাজ সংস্কারের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। - রাষ্ট্রবিজ্ঞান, নৈতিকতা এবং রাজনৈতিক দর্শনে পলিটিক্যাল আইডিয়ালস গ্রন্থটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মৌলিক রচনা হিসেবে বিবেচিত হয়। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: রাজনৈতিক আদর্শ বলতে এমন কিছু নৈতিক নীতিমালাকে বোঝায় যা একটি ন্যায়ভিত্তিক ও সমতাভিত্তিক সমাজ গঠন করতে সহায়তা করে। - গুরুত্ব: সঠিক রাজনৈতিক আদর্শ ব্যক্তি স্বাধীনতা রক্ষা করতে এবং সমাজে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: একজন নাগরিক নির্বাচনের সময় কোনো প্রকার প্রলোভনে না পড়ে নিজের বিবেক ও সততা অনুযায়ী যোগ্য প্রার্থীকে ভোট দেন। ব্যাখ্যা: এটি নাগরিক দায়িত্ব এবং সঠিক রাজনৈতিক মূলবোধের বহিঃপ্রকাশ যা সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সাহায্য করে। উদাহরণ ২: রাষ্ট্রীয় সম্পদ ও সুযোগ বিতরণের ক্ষেত্রে কোনো বৈষম্য না করে সবার সমান অধিকার নিশ্চিত করা। ব্যাখ্যা: এটি ন্যায়বিচার ও সাম্য প্রতিষ্ঠার নৈতিক মূল্যবোধকে বাস্তবে রূপায়ন করার উপযুক্ত উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মেকিয়াভেলি — মেকিয়াভেলি তার দ্য প্রিন্স গ্রন্থের জন্য বিখ্যাত যেখানে তিনি রাজনৈতিক বাস্তববাদের কথা বলেছেন কিন্তু পলিটিক্যাল আইডিয়ালস তার লেখা নয়। B) রাসেল — বার্ট্রান্ড রাসেল এই গ্রন্থের রচয়িতা হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। C) প্লেটো — প্লেটো তার দ্য রিপাবলিক গ্রন্থে আদর্শ রাষ্ট্রের ধারণা দিয়েছেন তবে পলিটিক্যাল আইডিয়ালস তার গ্রন্থ নয়। D) এরিস্টটল — এরিস্টটল পলিটিক্স গ্রন্থের লেখক যা রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অন্যতম প্রাচীন ও প্রধান গ্রন্থ। ৫. মনে রাখার টিপস: - পলিটিক্যাল আইডিয়ালস গ্রন্থটির নাম মনে রাখার জন্য ব্রিটিশ দার্শনিক বার্ট্রান্ড রাসেলের শান্তিবাদী ও উদারনৈতিক চিন্তধারার কথা স্মরণ করতে হবে। - আধুনিক রাজনৈতিক দর্শনের নৈতিক ভিত্তি বুঝতে এই গ্রন্থটির নাম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিভিন্ন দার্শনিকের বিখ্যাত রাজনৈতিক গ্রন্থগুলোর নাম নৈতিকতা ও সুশাসন অংশে প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। - এই ধরনের প্রশ্ন থেকে রাষ্ট্রদর্শন, স্বাধীনতা এবং গণতন্ত্রের নৈতিক ভিত্তি সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা লাভ করা যায়।
a এইচ. ডি, স্টেইন
b জন স্মিথ
c মিশেল ক্যামডেসাস
d এম, ডব্লিউ, পামফ্রে
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মিশেল ক্যামডেসাস ১. কেন সঠিক: আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক মিশেল ক্যামডেসাস সুশাসনের গুরুত্ব বোঝাতে এই উক্তিটি করেছিলেন। সুশাসন ছাড়া কোনো রাষ্ট্র বা প্রতিষ্ঠান টেকসই উন্নয়ন অর্জন করতে পারে না কারণ এটি জবাবদিহি ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: মূল ধারণা: সুশাসন হলো এমন একটি শাসনব্যবস্থা যা স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক, অংশগ্রহণমূলক এবং আইনের শাসনের ওপর প্রতিষ্ঠিত। গুরুত্ব: সুশাসন রাষ্ট্রের সম্পদ সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করে এবং জনগণের মৌলিক অধিকার রক্ষা করতে সহায়তা করে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: সরকারি অফিসে কোনো নাগরিক সেবা নিতে গেলে যদি কোনো মধ্যস্বত্বভোগী ছাড়াই নির্ধারিত সময়ে সেবা পাওয়া যায়। ব্যাখ্যা: এটি সুশাসনের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির একটি চমৎকার বাস্তব প্রয়োগ। উদাহরণ ২: একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মেধার ভিত্তিতে ছাত্রছাত্রী নির্বাচন করা এবং কোনো স্বজনপ্রীতি না করা। ব্যাখ্যা: এটি ন্যায়বিচার ও সুশাসনের মূল ভিত্তির সঙ্গে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) এইচ. ডি, স্টেইন — এই লেখক বা গবেষক সুশাসন সম্পর্কিত উক্তিসমূহের জন্য আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত নন। B) জন স্মিথ — এই নামে বিভিন্ন ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্ব থাকলেও এই সুপরিচিত উক্তিটির সঙ্গে তিনি যুক্ত নন। C) মিশেল ক্যামডেসাস — এটি সঠিক উত্তর এবং তিনি এই উক্তিটির জন্য বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত। D) এম, ডব্লিউ, পামফ্রে — ইনি সুশাসনের এই বিশেষ প্রবক্তা বা তাত্ত্বিক হিসেবে পরিচিত নন। ৫. মনে রাখার টিপস: উন্নয়নের সঙ্গে সুশাসনের সম্পর্ক বোঝাতে আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্ব মিশেল ক্যামডেসাসের নাম মনে রাখবে। সুশাসন মানেই স্বচ্ছতা এবং ক্যামডেসাস উন্নয়নে সুশাসনের কথা প্রথম জোরালোভাবে বলেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সুশাসনের মূল স্তম্ভগুলো হলো অংশগ্রহণ, আইনের শাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি। পরীক্ষায় প্রায়ই সুশাসনের উপাদান বা এর প্রবক্তা সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
a সঁওতাল
b গারো
c খাসিয়া
d মুরং
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গারো ১. কেন সঠিক: গারো উপজাতির মূল আবাসস্থল নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুর উপজেলার বিরিশিরি এলাকায় অবস্থিত। সোমেশ্বরী নদীর তীরে অবস্থিত বিরিশিরি অঞ্চল গারো সংস্কৃতির একটি প্রধান কেন্দ্র। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: জনমিতি ও সংস্কৃতি: গারোরা বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রধান আদিবাসী সম্প্রদায় যারা মূলত ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা ও শেরপুর অঞ্চলে বসবাস করে। মাতৃতান্ত্রিক সমাজ: গারো সমাজ ব্যবস্থা মাতৃতান্ত্রিক প্রকৃতির যেখানে সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হয় পরিবারের ছোট কন্যা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাঙ্গামাটির কাপ্তাই হ্রদ ও চাকমা সম্প্রদায়। ব্যাখ্যা: চাকমা উপজাতি প্রধানত পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাস করে এবং এটি গারোদের মতো ময়মনসিংহ অঞ্চলের উপজাতি নয়। উদাহরণ ২: মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল ও খাসিয়া সম্প্রদায়। ব্যাখ্যা: খাসিয়া উপজাতি মূলত সিলেট অঞ্চলের পাহাড়ি এলাকায় বসবাস করে, নেত্রকোনার বিরিশিরির সঙ্গে এদের প্রধান আবাসস্থলের মিল নেই। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সঁওতাল — সঁওতাল উপজাতি মূলত রাজশাহী, দিনাজপুর ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ অঞ্চলে বসবাস করে, নেত্রকোনার বিরিশিরিতে এদের প্রধান আবাসস্থল নেই। B) গারো — এই অপশনটি সঠিক কারণ গারোদের প্রধান সাংস্কৃতিক ও ভৌগোলিক কেন্দ্র নেত্রকোনার বিরিশিরি অঞ্চলে অবস্থিত। C) খাসিয়া — খাসিয়া উপজাতি প্রধানত সিলেট ও মৌলভীবাজার অঞ্চলের পাহাড়ি এলাকায় বসবাস করে। D) মুরং — মুরং বা ম্রো উপজাতি মূলত বান্দরবান ও পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে বসবাস করে। ৫ মনে রাখার টিপস: গারোদের বিরিশিরি মনে রাখার জন্য নেত্রকোনার সোমেশ্বরী নদীর কথা মনে রাখতে হবে। বিরিশিরি বললেই গারো উপজাতি এবং সুসং দুর্গাপুরের কথা মাথায় রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি বারবার বিসিএস ও প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় আসে। আদিবাসীদের ভৌগোলিক অবস্থান এবং তাদের সমাজব্যবস্থা সম্পর্কিত প্রশ্নগুলো ভালোভাবে পড়তে হবে।
a ৪র্থ তফসিল
b ৫ম তফসিল
c ৬ষ্ঠ তফসিল
d ৭ম তফসিল
0 94 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫ম তফসিল ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি সংশোধন করা হলো কারণ সংবিধানে সামরিক শাসনকে বৈধতা দিতে মূলত ৫ম তফসিলের অপব্যবহার করা হয়। - ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট থেকে ১৯৭৯ সালের ৯ এপ্রিল পর্যন্ত বাংলাদেশে অসাংবিধানিক সামরিক শাসনকে সাংবিধানিক বৈধতা দিতে সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনী আনা হয় এবং তা পঞ্চম তফসিলে যুক্ত করা হয়। ২. সংবিধান ও আইন: - সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনী: ১৯৭৯ সালে এই সংশোধনীর মাধ্যমে ১৯৭৫ থেকে ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত সময়ের সকল সামরিক আইন ও অধ্যাদেশকে বৈধতা দেওয়া হয়। - পঞ্চম তফসিল: সংবিধানের এই তফসিলে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট থেকে ১৯৭৯ সালের ৯ এপ্রিল পর্যন্ত জারিকৃত সামরিক শাসন ও সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনগুলো অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: পঞ্চম সংশোধনীর বৈধতা চ্যালেঞ্জ ব্যাখ্যা: পরবর্তীতে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ ২০১০ সালে সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনীকে অবৈধ ও অসাংবিধানিক ঘোষণা করে রায় প্রদান করে। উদাহরণ ২: গণতন্ত্রের সুরক্ষা ব্যাখ্যা: এই রায় থেকে পরীক্ষার্থীর শেখা উচিত যে অসাংবিধানিক সামরিক শাসন কখনো স্থায়ী সাংবিধানিক স্বীকৃতি পেতে পারে না এবং বিচার বিভাগ সবসময় সংবিধানের রক্ষক হিসেবে কাজ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪র্থ তফসিল — এই তফসিলে ১৯৭২ সালের সংবিধান প্রবর্তনের প্রারম্ভিক বিধানাবলি ও অন্তর্বর্তীকালীন সংসদ গঠনের প্রক্রিয়া বর্ণনা করা হয়েছে। B) ৫ম তফসিল — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই তফসিলেই ১৯৭৫ থেকে ১৯৭৯ সালের সামরিক আইনগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। C) ৬ষ্ঠ তফসিল — এই তফসিলে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক প্রদত্ত স্বাধীনতার ঘোষণা এবং স্বাধীনতার ঐতিহাসিক দলিলপত্র স্থান পেয়েছে। D) ৭ম তফসিল — এই তফসিলে ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ এবং তৎকালীন বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা ও প্রজ্ঞাপন অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - পঞ্চমের সাথে পাঁচ যুক্ত করে মনে রাখতে পারো যে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের পটপরিবর্তনের পর পঞ্চম সংশোধনী ও পঞ্চম তফসিলের মাধ্যমে সামরিক শাসনকে বৈধ করা হয়েছিল। - চতুর্থ তফসিল ১৯৭২ সালের শুরুর বিধানের জন্য এবং পঞ্চম তফসিল সামরিক শাসন বৈধকরণের জন্য ব্যবহৃত হয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষার জন্য সংবিধানের তফসিলসমূহ এবং বিভিন্ন সাংবিধানিক সংশোধনী অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায়। - একই বিষয় থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে কোন সংশোধনীর মাধ্যমে সামরিক শাসন বৈধ করা হয়েছিল এবং তা কোন তফসিলে যুক্ত ছিল।
a IDA credit-এর মাধ্যমে
b IMF-এর bailout package-এর মাধ্যমে
c প্রবাসীদের পাঠানাে remittance-এর মাধ্যমে
d বিশ্ব ব্যাংকের budgetary support-এর মাধ্যমে
0 92 0 0
ব্যাখ্যাঃ
শিক্ষক হিসেবে আপনার প্রশ্নটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিশ্লেষণ করে দেখছি যে, এখানে প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি ভুল। প্রশ্নটিতে বলা হয়েছে বাংলাদেশের বাণিজ্য ভারসাম্য কীভাবে রক্ষা হয়, যার সঠিক উত্তর হবে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের মাধ্যমে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা আইএমএফের ঋণ কোনো দীর্ঘমেয়াদী বা নিয়মিত বাণিজ্য ভারসাম্য রক্ষার হাতিয়ার নয়, বরং এটি বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের তীব্র সংকট মোকাবিলায় সাময়িক সহায়তা মাত্র। বাংলাদেশের অর্থনীতি মূলত রপ্তানি আয় এবং প্রবাসী শ্রমিকদের পাঠানো রেমিট্যান্সের ওপর নির্ভরশীল। সঠিক উত্তর: C) প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের মাধ্যমে ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বৈদেশিক মুদ্রার প্রধান দুটি উৎসের মধ্যে প্রবাসী রেমিট্যান্স অন্যতম প্রধান স্তম্ভ। - দেশ থেকে যে পরিমাণ পণ্য আমদানি করা হয়, তার মূল্য পরিশোধ করতে যে পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রার প্রয়োজন হয়, তা কেবল রপ্তানি আয় দিয়ে পুরোপুরি মেটানো সম্ভব হয় না। - এই আমদানি ও রপ্তানির ঘাটতি বা বাণিজ্য ভারসাম্যহীনতা দূর করতে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করে। ২. অর্থনীতি ও বৈদেশিক বাণিজ্য: - অর্থনৈতিক খাত: বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্যে কাঠামোগত ঘাটতি থাকা সত্ত্বেও চলতি হিসাবের ভারসাম্য এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ইতিবাচক রাখতে রেমিট্যান্সের ভূমিকা অপরিসীম। - প্রতিষ্ঠান: বাংলাদেশ ব্যাংক ও প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় এই অর্থ বৈধ চ্যানেলে দেশে আনার ক্ষেত্রে বিভিন্ন নীতিগত সহায়তা প্রদান করে থাকে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশে কর্মরত বাংলাদেশি শ্রমিকদের পাঠানো অর্থ। ব্যাখ্যা: এই অর্থ সরাসরি দেশের গ্রামীণ অর্থনীতি ও ব্যাংকিং খাতে জমা হয় যা সামগ্রিক বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভকে শক্তিশালী করে। উদাহরণ ২: বার্ষিক রেমিট্যান্স প্রবাহ। ব্যাখ্যা: প্রতি বছর বাংলাদেশ সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংক যে পরিমাণ বৈদেশিক আয় আশা করে, তার একটি বিরাট অংশ আসে এই প্রবাসীদের পাঠানো কষ্টার্জিত অর্থের মাধ্যমে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) IDA credit-এর মাধ্যমে — এটি বিশ্ব ব্যাংকের একটি উইং যা স্বল্প সুদে দীর্ঘমেয়াদী ঋণ দেয়, যা মূলত উন্নয়ন প্রকল্পে ব্যবহৃত হয়, বাণিজ্য ভারসাম্য রক্ষায় নয়। B) IMF-এর bailout package-এর মাধ্যমে — এটি বৈদেশিক মুদ্রার সংকট বা অর্থনৈতিক জরুরি পরিস্থিতিতে সাময়িক সহায়তা হিসেবে কাজ করে, বাণিজ্য ভারসাম্য রক্ষার স্থায়ী উপায় নয়। C) প্রবাসীদের পাঠানো remittance-এর মাধ্যমে — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি নিয়মিতভাবে দেশের বাণিজ্য ঘাটতি কাটিয়ে উঠতে সহায়তা করে। D) বিশ্ব ব্যাংকের budgetary support-এর মাধ্যমে — এটি সরকারের বাজেট ঘাটতি পূরণে ব্যবহৃত আর্থিক সহায়তা, যা সরাসরি বাণিজ্য ভারসাম্যের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - বাণিজ্য ভারসাম্য ও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের প্রধান রক্ষাকবচ হলো প্রবাসী রেমিট্যান্স। - আইএমএফ বা বিশ্ব ব্যাংকের ঋণ জরুরি অবস্থার জন্য, আর রেমিট্যান্স হলো অর্থনীতির দৈনন্দিন অক্সিজেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এবং বাণিজ্য ঘাটতি সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে। - মনে রাখতে হবে, বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্যে আমদানি ব্যয় রপ্তানি আয়ের চেয়ে সবসময় বেশি থাকে, যা রেমিট্যান্সের মাধ্যমে ভারসাম্যপূর্ণ হয়।
a অশােক
b শশাঙ্ক
c মেগদা
d ধর্মপাল
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শশাঙ্ক ১. কেন সঠিক: প্রাচীন বাংলার প্রথম স্বাধীন ও সার্বভৌম রাজা ছিলেন শশাঙ্ক। তিনি গুপ্ত সাম্রাজ্যের পতনের পর গৌড় অঞ্চলে নিজের আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করেন এবং বাংলার বিভিন্ন ছোট ছোট জনপদকে একত্রিত করে একটি শক্তিশালী স্বাধীন রাজ্য গড়ে তোলেন। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: গুপ্ত সাম্রাজ্যের পতনের পর ষষ্ঠ শতাব্দীর শেষভাগে এবং সপ্তম শতাব্দীর প্রথমার্ধে গৌড় রাজ্যে শশাঙ্কের উত্থান ঘটে। ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: রাজা শশাঙ্ক ছিলেন গৌড়ের প্রথম স্বাধীন নরপতি এবং তাঁর রাজধানী ছিল বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার কর্ণসুবর্ণে। তাৎপর্য ও ফলাফল: শশাঙ্কের রাজত্বকাল থেকেই বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি স্বতন্ত্র স্বাধীন সত্তার সূচনা হয়, যা প্রাচীন বাংলার ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: পাল বংশ ব্যাখ্যা: শশাঙ্কের মৃত্যুর পর বাংলায় দীর্ঘস্থায়ী অরাজকতা বা মৎস্যন্যায়ের অবসান ঘটিয়ে গোপাল পাল বংশ প্রতিষ্ঠা করেন। উদাহরণ ২: সেন বংশ ব্যাখ্যা: পাল বংশের পতনের পর বিজয় সেনের নেতৃত্বে বাংলায় সেন বংশের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়, যা প্রাচীন বাংলার রাজবংশের ইতিহাসকে পূর্ণতা দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অশােক — অশোক বাংলার রাজা ছিলেন না, তিনি ছিলেন প্রাচীন ভারতের মৌর্য বংশের সর্বশ্রেষ্ঠ সম্রাট। B) শশাঙ্ক — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে শশাঙ্কের রাজত্বকাল ও ঐতিহাসিক ভূমিকা প্রযোজ্য। C) মেগদা — মেগদা নামে প্রাচীন বাংলার ইতিহাসে কোনো রাজা বা শাসকের অস্তিত্ব পাওয়া যায় না। D) ধর্মপাল — ধর্মপাল বাংলার পাল বংশের একজন অন্যতম শ্রেষ্ঠ রাজা ছিলেন, তবে তিনি অবিভক্ত বাংলার প্রথম রাজা নন। ৫. মনে রাখার টিপস: প্রাচীন বাংলার প্রথম রাজা মানেই গৌড়ের রাজা শশাঙ্ক। মনে রাখতে হবে শশাঙ্ক ছিলেন প্রথম স্বাধীন সার্বভৌম শাসক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে প্রাচীন বাংলার প্রথম স্বাধীন রাজার নাম কী। শশাঙ্কের রাজধানীর নামও বহু পরীক্ষায় জানতে চাওয়া হয়।
a লর্ড কার্জন
b রাজা পঞ্চম জর্জ
c লর্ড মাউন্ট ব্যাটেন
d লর্ড ওয়াভেল
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রাজা পঞ্চম জর্জ ১. কেন সঠিক: বঙ্গভঙ্গ রদ করেছিলেন ব্রিটিশ সম্রাট রাজা পঞ্চম জর্জ। ১৯১১ সালের ১২ ডিসেম্বর দিল্লির ঐতিহাসিক দরবারে তিনি এই ঘোষণা দেন। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর লর্ড কার্জন বঙ্গভঙ্গ কার্যকর করেছিলেন। এর ফলে তীব্র গণআন্দোলন ও স্বদেশী আন্দোলন শুরু হয়, যা শেষ পর্যন্ত বঙ্গভঙ্গ রদ করতে ব্রিটিশ সরকারকে বাধ্য করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: দিল্লির ঐতিহাসিক দরবার। এই দরবারেই বঙ্গভঙ্গ রদ এবং ভারতের রাজধানী কলকাতা থেকে দিল্লিতে স্থানান্তরের ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। ব্যাখ্যা: এই ঘোষণা ব্রিটিশ ভারতের রাজনীতিতে একটি বড় মোড় পরিবর্তনকারী ঘটনা ছিল। উদাহরণ ২: স্বদেশী আন্দোলন। বঙ্গভঙ্গের প্রতিবাদে বাঙালিরা ব্রিটিশ পণ্য বর্জন করে দেশীয় পণ্য ব্যবহারের যে আন্দোলন গড়ে তোলে। ব্যাখ্যা: এই আন্দোলনের ফলেই ব্রিটিশ সরকার বাধ্য হয়ে বঙ্গভঙ্গ রদ ঘোষণা করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) লর্ড কার্জন - ইনি ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ বাস্তবায়ন করেছিলেন, রদ করেননি। B) রাজা পঞ্চম জর্জ - সঠিক উত্তর, তিনি ১৯১১ সালে বঙ্গভঙ্গ রদ ঘোষণা করেন। C) লর্ড মাউন্ট ব্যাটেন - ইনি ১৯৪৭ সালের ভারত বিভক্তির সময় শেষ ভাইসরয় ছিলেন। D) লর্ড ওয়াভেল - ইনি ১৯৪৫ সালে সিমলা কনফারেন্সের সাথে যুক্ত ব্রিটিশ ভাইসরয় ছিলেন। ৫ মনে রাখার টিপস: বঙ্গভঙ্গ করেছিলেন লর্ড কার্জন ১৯০৫ সালে আর রদ করেছিলেন রাজা পঞ্চম জর্জ ১৯১১ সালে। কার্জন চালু আর জর্জ বাতিল, এভাবে মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বঙ্গভঙ্গ কার্যকর হয় ১৬ অক্টোবর ১৯০৫ এবং রদ হয় ১২ ডিসেম্বর ১৯১১। একই সাথে ১৯১১ সালে রাজধানী কলকাতা থেকে দিল্লিতে স্থানান্তরিত হয়।
a ব্রিটিশ আমলে
b সুলতানি আমলে
c মুঘল আমলে
d স্বাধীন নবাবী আমলে
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মুঘল আমলে ১. কেন সঠিক: ঢাকা শহরের প্রাতিষ্ঠানিক ও প্রশাসনিক গোড়াপত্তন ঘটে মুঘল আমলে। ১৬১০ সালে সুবেদার ইসলাম খান চিশতি বাংলার রাজধানী রাজমহল থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করেন এবং এর নাম রাখেন জাহাঙ্গীরনগর। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: বুড়িগঙ্গার তীরে কৌশলগত ও সামরিক সুবিধার কারণে ঢাকা শহরকে বাংলার রাজধানী করা হয়। তারিখ ও স্থান: ১৬১০ সালে বর্তমান পুরান ঢাকা এলাকায় মুঘল রাজধানী প্রতিষ্ঠিত হয়। ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: সম্রাট জাহাঙ্গীরের নামানুਸারে ঢাকার নাম রাখা হয় জাহাঙ্গীরনগর এবং ইসলাম খান প্রথম সুবেদার হিসেবে দায়িত্ব নেন। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: লালবাগ কেল্লা ব্যাখ্যা: মুঘল আমলের স্থাপত্য নিদর্শন যা ঢাকার মুঘল ঐতিহ্যের অন্যতম প্রধান প্রমাণ। উদাহরণ ২: বড় কাটরা ও ছোট কাটরা ব্যাখ্যা: মুঘল আমলে নির্মিত ঐতিহাসিক ইমারত যা তৎকালীন বাণিজ্য ও প্রশাসনিক কার্যক্রমের কেন্দ্র ছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্রিটিশ আমলে — এই সময়ে ঢাকা রাজধানী না থাকলেও শিক্ষা ও প্রশাসনের আধুনিকায়ন ঘটে। B) সুলতানি আমলে — এই সময়ে ঢাকা একটি জনপদ ছিল কিন্তু সুনির্দিষ্টভাবে রাজধানীর মর্যাদা পায়নি। D) স্বাধীন নবাবী আমলে — এই সময়ে রাজধানী মুর্শিদাবাদে স্থানান্তরিত হয়েছিল, ঢাকায় নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: মুঘল আমলে ঢাকা রাজধানী হয় এবং ১৬১০ সালে ইসলাম খান চিশতি এর গোড়াপত্তন করেন। সম্রাট জাহাঙ্গীরের নাম থেকে জাহাঙ্গীরনগর নামটি এসেছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ঢাকার আদি নাম জাহাঙ্গীরনগর এবং প্রথম মুঘল সুবেদার ইসলাম খান চিশতি। একই বিষয় থেকে পরীক্ষায় সুবেদার বা রাজধানীর স্থানান্তরের সাল সংক্রান্ত প্রশ্ন আসতে পারে।
a জাবেদ করিম
b ফজলুল করিম
c জাওয়াদুল করিম
d মঞ্জুরুল করিম
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জাবেদ করিম ১. কেন সঠিক: ইউটিউব প্রতিষ্ঠায় স্টিভ চেন ও চাড হারলির সাথে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত আমেরিকান নাগরিক জাবেদ করিম সহ-প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে যুক্ত ছিলেন। বিশ্বের সবচেয়ে বড় ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম ইউটিউব প্রতিষ্ঠায় তার গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে এবং তিনি এর প্রথম ভিডিও আপলোড করেছিলেন। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: জাবেদ করিম একজন বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত সফটওয়্যার প্রকৌশলী ও প্রযুক্তি উদ্যোক্তা। তাৎপর্য ও ফলাফল: বিশ্বখ্যাত প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানে একজন বাংলাদেশীর এমন ভূমিকা দেশের জন্য এক বিশাল গৌরব ও অর্জনের বিষয়। সংশ্লিষ্ট তথ্য: ২০০৫ সালের এপ্রিল মাসে ইউটিউবে আপলোড করা প্রথম ভিডিওটির শিরোনাম ছিল মি এট দ্য জু। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ড. আতিউর রহমান ব্যাখ্যা: তিনি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর হিসেবে দেশের অর্থনীতিকে ডিজিটাল ও গতিশীল করতে বিশেষ ভূমিকা পালন করেছেন। উদাহরণ ২: ড. মোহাম্মদ আতাউল করিম ব্যাখ্যা: তিনি একজন বিশ্বখ্যাত বাংলাদেশী বিজ্ঞানী যিনি অপটিক্যাল কম্পিউটিং ও প্রযুক্তিতে অবদান রেখে আন্তর্জাতিক খ্যাতি অর্জন করেছেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাবেদ করিম — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি ইউটিউবের তিন জন সহ-প্রতিষ্ঠাতার একজন হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃত। B) ফজলুল করিম — এই নামে ইউটিউব প্রতিষ্ঠার সাথে সম্পৃক্ত কোনো বিশ্বখ্যাত প্রযুক্তিবিদ বা সহ-প্রতিষ্ঠাতা নেই। C) জাওয়াদুল করিম — এটি একটি বিভ্রান্তিকর নাম যা মূল সহ-প্রতিষ্ঠাতা জাবেদ করিমের নামের সাথে মিল রেখে তৈরি করা হয়েছে। D) মঞ্জুরুল করিম — এই নামের কোনো ব্যক্তি ইউটিউব প্রতিষ্ঠার ইতিহাসে স্টিভ চেন বা চাড হারলির সাথে যুক্ত ছিলেন না। ৫. মনে রাখার টিপস: ইউটিউবের সহ-প্রতিষ্ঠাতাদের মনে রাখার জন্য স্টিভ চেন ও চাড হারলির সাথে বাংলাদেশী জাবেদ করিমের নাম মনে রাখতে হবে। ভিডিও শেয়ারিং সাইটের প্রথম ভিডিও আপলোডকারী হিসেবে জাবেদ করিমের নাম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিশ্বখ্যাত প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানে বাংলাদেশীদের অবদান সম্পর্কিত প্রশ্ন বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় প্রায়ই দেখা যায়। একই বিষয় থেকে ইউটিউব কবে প্রতিষ্ঠিত হয় বা এর প্রথম ভিডিওর নাম কী, এমন প্রশ্নও আসতে পারে।
a ফেব্রুয়ারি ২০, ১৯৭৪
b ফেব্রুয়ারি ২১, ১৯৭৪
c ফেব্রুয়ারি ২২, ১৯৭৪
d ফেব্রুয়ারি ২৩, ১৯৭৪
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ফেব্রুয়ারি ২২, ১৯৭৪ ১. কেন সঠিক: ১৯৭৪ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশকে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে। লাহোরে অনুষ্ঠিত ইসলামি সম্মেলন সংস্থার শীর্ষ সম্মেলনে অংশগ্রহণের জন্য পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী জুলফিকার আলী ভুট্টোর পক্ষ থেকে চাপ এবং বিশ্ব জনমতের কারণে পাকিস্তান এই স্বীকৃতি দিতে বাধ্য হয়। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯৭১ সালে রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করলেও পাকিস্তান দীর্ঘ সময় তা মেনে নেয়নি। ১৯৭৪ সালের গোড়ার দিকে বন্ধুভাবাপন্ন মুসলিম দেশগুলোর মধ্যস্থতায় এবং ওআইসি শীর্ষ সম্মেলনের প্রাক্কালে পাকিস্তানের স্বীকৃতি আদায় সম্ভব হয়। তারিখ ও স্থান: ১৯৭৪ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী জুলফিকার আলী ভুট্টো ঢাকা সফরে আসার কথা থাকলেও পরে তা বাতিল হয় এবং একই দিনে পাকিস্তান থেকে স্বীকৃতি ঘোষণা করা হয়। তাৎপর্য ও ফলাফল: এই স্বীকৃতির ফলে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি প্রাপ্তির পথ আরও সুগম হয় এবং জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থায় বাংলাদেশের সদস্যপদ লাভ সহজতর হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ওআইসি শীর্ষ সম্মেলন ১৯৭৪। ব্যাখ্যা: পাকিস্তানের স্বীকৃতির পেছনে লাহোরে অনুষ্ঠিত ওআইসি শীর্ষ সম্মেলনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ ও মুসলিম বিশ্বের চাপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। উদাহরণ ২: জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লাহোর সফর ১৯৭৪। ব্যাখ্যা: স্বীকৃতি লাভের পর বাংলাদেশ মুসলিম বিশ্বের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়নের সুযোগ পায় যা পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে একটি বড় অর্জন ছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফেব্রুয়ারি ২০, ১৯৭৪ - এই তারিখে পাকিস্তান স্বীকৃতি দেয়নি বরং এই সময়কালেই ওআইসি সম্মেলন নিয়ে কূটনৈতিক তৎপরতা চরম পর্যায়ে ছিল। B) ফেব্রুয়ারি ২১, ১৯৭৪ - এটি আমাদের মহান শহীদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস, এই ঐতিহাসিক দিনে পাকিস্তান স্বীকৃতি দেয়নি। C) ফেব্রুয়ারি ২২, ১৯৭৪ - এটি সঠিক উত্তর এবং এই দিনেই পাকিস্তান বাংলাদেশকে সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। D) ফেব্রুয়ারি ২৩, ১৯৭৪ - এই তারিখটি সঠিক নয় কারণ এর আগের দিনই স্বীকৃতি অর্জিত হয়েছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: ১৯৭৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাস বাংলাদেশের কূটনীতির জন্য অত্যন্ত সফল একটি মাস ছিল। শহীদ দিবসের ঠিক পরের দিন অর্থাৎ ২২ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়, এই ধারাবাহিকতা মনে রাখলে তারিখ ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোন দেশ প্রথম বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় এবং পাকিস্তান কবে স্বীকৃতি দেয়। এই ধরনের প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার সময় ৭৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের ঘটনাগুলো ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
b মােহাম্মদউল্লাহ
c তাজউদ্দিন আহমদ
d ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদের সংসদ নেতা ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ১৯৭৩ সালের ৭ মার্চ স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সাধারণ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ বিজয় লাভ করার পর তিনি সংসদ নেতা নির্বাচিত হন। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯৭২ সালের সংবিধান প্রণয়নের পর ১৯৭৩ সালের ৭ মার্চ প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। - ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তৎকালীন সরকারের প্রধানমন্ত্রী এবং সংসদ নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রথম জাতীয় সংসদ ব্যাখ্যা: ১৯৭৩ সালের ৭ এপ্রিল এই সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হয়। উদাহরণ ২: সরকারব্যবস্থা ব্যাখ্যা: সংসদীয় গণতন্ত্রে সাধারণত প্রধানমন্ত্রী সংসদের নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান — সঠিক উত্তর কারণ তিনি প্রথম সংসদের নেতা ছিলেন। B) মোহাম্মদউল্লাহ — তিনি বাংলাদেশের তৃতীয় রাষ্ট্রপতি এবং প্রথম জাতীয় সংসদের স্পিকার ছিলেন, সংসদ নেতা ছিলেন না। C) তাজউদ্দিন আহমদ — তিনি প্রথম মন্ত্রিসভায় গুরুত্বপূর্ণ অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করলেও সংসদ নেতা ছিলেন না। D) ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী — তিনি পরবর্তী সময়ে প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা হলেও প্রথম সংসদের সূচনালগ্নে এই পদে ছিলেন না। ৫. মনে রাখার টিপস: স্বাধীন দেশের প্রথম সংসদ এবং প্রথম সরকার প্রধানের দায়িত্ব পালন করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তাই প্রথম সংসদ নেতা হিসেবে তাঁর নামই মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সংসদীয় গণতন্ত্রের ইতিহাস ও প্রথম সংসদ সম্পর্কে জানার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই বিষয় থেকে প্রথম স্পিকার কে ছিলেন, এমন প্রশ্নও আসতে পারে।
a সিপাহী মোস্তফা কামাল
b ল্যান্স নায়েক মুন্সি আবদুর রউফ
c ল্যান্স নায়েক নূর মােহাম্মদ শেখ
d সিপাহী হামিদুর রহমান
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সিপাহী হামিদুর রহমান ১. কেন সঠিক: - বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী হামিদুর রহমানের দেহাবশেষ দীর্ঘ ছাব্বিশ বছর ভারতে সমাহিত ছিল এবং ২০০৭ সালে তা বাংলাদেশে এনে শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে পুনরায় সমাহিত করা হয়। - মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্ব প্রদর্শনের জন্য শহীদ সিপাহী হামিদুর রহমানকে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ প্রদান করা হয়। ২. বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও বীরশ্রেষ্ঠ: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯৭১ সালের ২৮ অক্টোবর মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ধলাই সীমান্ত outpost দখলের সময় পাকিস্তানি মিলিটারির এলএমজি পোস্ট ধ্বংস করতে গিয়ে তিনি শহীদ হন। - তাৎপর্য ও ফলাফল: তাঁর এই আত্মত্যাগের ফলে ধলাই সীমান্ত মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ন্ত্রণে আসে এবং স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ সরকার তাঁর সাহসিকতার স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে বীরশ্রেষ্ঠ উপাধিতে ভূষিত করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান ব্যাখ্যা: তাঁর দেহাবশেষ ১৯৭০ সালে পাকিস্তানে বিমান দুর্ঘটনায় শহীদ হওয়ার পর করাচিতে সমাহিত করা হয়েছিল এবং ২০০৬ সালে তা বাংলাদেশে এনে মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে সমাহিত করা হয়। উদাহরণ ২: বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী হামিদুর রহমান স্মৃতিসৌধ ব্যাখ্যা: তাঁর জন্মস্থান ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর উপজেলার খর্দ্দ খালিশপুর গ্রামে তাঁর স্মরণে এই স্মৃতিসৌধ ও লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সিপাহী মোস্তফা কামাল — ইনি ১৯৭১ সালের ১৮ এপ্রিল ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ার দরুইন গ্রামে শহীদ হন এবং তাঁকে সেখানেই সমাহিত করা হয়। B) ল্যান্স নায়েক মুন্সি আবদুর রউফ — ইনি ১৯৭১ সালের ৮ এপ্রিল রাঙামাটির বুড়িঘাট নামক স্থানে শহীদ হন এবং তাঁকে সেখানেই সমাহিত করা হয়। C) ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ — ইনি ১৯৭১ সালের ৫ সেপ্টেম্বর যশোরের মহিষা অঞ্চলে শহীদ হন এবং তাঁকে শার্শা উপজেলার কাশিপুর গ্রামে সমাহিত করা হয়। D) সিপাহী হামিদুর রহমান — এটি সঠিক উত্তর কারণ একমাত্র তাঁর দেহাবশেষই ভারত থেকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছিল। ৫. মনে রাখার টিপস: - দুজন বীরশ্রেষ্ঠের দেহাবশেষ পাকিস্তান ও ভারত থেকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে এবং তাঁদের দুজনকে মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে সমাহিত করা হয়েছে। - এঁরা হলেন ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান পাকিস্তান থেকে এবং সিপাহী হামিদুর রহমান ভারত থেকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সিপাহী হামিদুর রহমান ছিলেন বীরশ্রেষ্ঠ খেতাবপ্রাপ্তদের মধ্যে বয়সে সবচেয়ে কনিষ্ঠ। - এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে, বিশেষ করে কোন বীরশ্রেষ্ঠের দেহাবশেষ বিদেশ থেকে আনা হয়েছে তা মনে রাখতে হবে।
a হামিদুর রহমান
b মোস্তফা কামাল
c মুন্সী আব্দুর রহিম
d নুর মােহাম্মদ শেখ
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মুন্সী আব্দুর রহিম ১. কেন সঠিক: - মুন্সী আব্দুর রহিম বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য রাষ্ট্রীয় কোনো খেতাব পাননি। - মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য সাহসিকতা ও আত্মত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ সাতজন বীরকে সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ প্রদান করা হয়। ২. বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বাঙালি জাতি পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর স্বাধীন হয়। - ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: মুক্তিযুদ্ধে অসীম সাহসিকতা প্রদর্শনের জন্য সরকার বীরশ্রেষ্ঠ, বীর উত্তম, বীর বিক্রম ও বীর প্রতীক খেতাব প্রবর্তন করে। - তাৎপর্য ও ফলাফল: বীরশ্রেষ্ঠ খেতাবধারীরা বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের সর্বোচ্চ ত্যাগের প্রতীক এবং তাদের আত্মত্যাগ চিরস্মরণীয় হয়ে আছে। - সংশ্লিষ্ট তথ্য: বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য মোট ৬৭৬ জনকে বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় বীরত্বসূচক খেতাবে ভূষিত করা হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: মোস্তফা কামাল ব্যাখ্যা: সিপাহী মোস্তফা কামাল ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় শহীদ হন এবং তাকে বীরশ্রেষ্ঠ খেতাবে ভূষিত করা হয়। উদাহরণ ২: মতিউর রহমান ব্যাখ্যা: ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান ১৯৭১ সালের ২০ আগস্ট বিমান ছিনতাইয়ের চেষ্টা করতে গিয়ে শহীদ হন এবং তাকেও বীরশ্রেষ্ঠ খেতাব দেওয়া হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হামিদুর রহমান — তিনি ১৯৭১ সালে খেতাবপ্রাপ্ত সর্বকনিষ্ঠ বীরশ্রেষ্ঠ যিনি মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে শহীদ হন। B) মোস্তফা কামাল — তিনি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় যুদ্ধ করে শহীদ হওয়া একজন বীরশ্রেষ্ঠ। C) মুন্সী আব্দুর রহিম — তিনি মুক্তিযুদ্ধের কোনো খেতাব পাননি, তাই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। D) নুর মােহাম্মদ শেখ — তিনি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে সুন্দরবন অঞ্চলে যুদ্ধ করে শহীদ হওয়া একজন বীরশ্রেষ্ঠ। ৫. মনে রাখার টিপস: - সাতজন বীরশ্রেষ্ঠর নাম সহজে মনে রাখতে মূল নামের প্রথম অংশ বা ছক মনে রাখা যায়। - খেতাবপ্রাপ্তদের তালিকা থেকে অন্য কোনো সাধারণ বীর মুক্তিযোদ্ধার নাম দেখলে তাকে বাদ দিতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মুক্তিযুদ্ধে সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ এবং এর সংখ্যা মাত্র সাতজন। - এই টপিক থেকে প্রতি বছর বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে।
a ৭ মার্চ ১৯৭৩
b ১৭ মার্চ ১৯৭৩
c ২৭ মার্চ ১৯৭৩
d ৭ মার্চ ১৯৭৪
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৭ মার্চ ১৯৭৩ ১. কেন সঠিক: - ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয় এবং একই বছরের ১৬ ডিসেম্বর তা কার্যকর করা হয়। - সংবিধানের বিধান অনুযায়ী স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সংসদ গঠনের জন্য ৭ মার্চ ১৯৭৩ সালে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: স্বাধীনতার পর যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার প্রথম পদক্ষেপ ছিল এই নির্বাচন। - তারিখ ও স্থান: ১৯৭৩ সালের ৭ মার্চ সমগ্র বাংলাদেশে একযোগে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। - ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ এই নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় লাভ করে। - তাৎপর্য ও ফলাফল: এই নির্বাচনে ৩০০টি সাধারণ আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ ২৯৩টি আসন লাভ করে সরকার গঠন করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ১৯৭৩ সালের প্রথম সংসদ নির্বাচন। ব্যাখ্যা: এটি ছিল স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সাংবিধানিক নির্বাচন যার মাধ্যমে সংসদীয় গণতন্ত্রের যাত্রা শুরু হয়। উদাহরণ ২: ১৯৭২ সালের সংবিধান প্রণয়ন। ব্যাখ্যা: এই সংবিধানের আলোকেই ১৯৭৩ সালের সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল যা পরীক্ষার্থীদের সংবিধান ও নির্বাচনের পারস্পরিক সম্পর্ক বোঝাতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৭ মার্চ ১৯৭৩ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দিনেই স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। B) ১৭ মার্চ ১৯৭৩ — এটি ভুল কারণ ১৭ মার্চ হলো জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিনের তারিখ। C) ২৭ মার্চ ১৯৭৩ — এটি ভুল কারণ এই তারিখে বাংলাদেশে কোনো জাতীয় নির্বাচন বা ঐতিহাসিক সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি। D) ৭ মার্চ ১৯৭৪ — এটি ভুল কারণ প্রথম সাধারণ নির্বাচন ১৯৭৪ সালে নয় বরং তার এক বছর আগে ১৯৭৩ সালে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ৫. মনে রাখার টিপস: - ৭ মার্চ তারিখটি দুটি ঐতিহাসিক কারণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ ঐতিহাসিক ভাষণ এবং ১৯৭৩ সালের ৭ মার্চ প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সংসদ নির্বাচন কতটি আসনে অনুষ্ঠিত হয়েছিল তা জেনে রাখা জরুরি। প্রথম সংসদে সাধারণ আসন ছিল ৩০০টি।
a রাঙ্গামাটি
b খাগড়াছড়ি
c বান্দরবান
d সিলেট
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বান্দরবান ১. কেন সঠিক: প্রান্তিক হ্রদ বাংলাদেশের বান্দরবান জেলায় অবস্থিত একটি অত্যন্ত সুন্দর ও প্রাকৃতিক হ্রদ। ভৌগোলিক ও পর্যটনগত দিক থেকে এটি পার্বত্য অঞ্চলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জলাধার ও দর্শনীয় স্থান। ২. ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য: ভৌগোলিক অবস্থান: এটি বান্দরবান সদর উপজেলার 홀ulia ইউনিয়নের পাহাড়ঘেরা উপত্যকায় অবস্থিত। প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য: হ্রদটি চারদিক থেকে সবুজ পাহাড় এবং ঘন বনাঞ্চল দ্বারা বেষ্টিত। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বগা হ্রদ। ব্যাখ্যা: এটিও বান্দরবান জেলায় অবস্থিত একটি বিখ্যাত প্রাকৃতিক হ্রদ, যা উল্কাপিণ্ডের পতন বা পাহাড় ধসে সৃষ্টি হয়েছে বলে ভূবিজ্ঞানীরা মনে করেন। উদাহরণ ২: রামসাগর। ব্যাখ্যা: এটি দিনাজপুর জেলায় অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক কৃত্রিম দীঘি, যা প্রাচীন বাংলার দীঘি ও জলাধার ব্যবস্থাপনার একটি চমৎকার উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাঙ্গামাটি — রাঙ্গামাটিতে কাপ্তাই হ্রদ এবং দেবতা মকুমসহ অন্যান্য জলরাশি থাকলেও প্রান্তিক হ্রদ এখানে অবস্থিত নয়। B) খাগড়াছড়ি — খাগড়াছড়িতে ঝুলন্ত সেতু ও আলুটিলা গুহা অবস্থিত হলেও প্রান্তিক হ্রদ এই জেলায় নেই। C) বান্দরবান — এটি সঠিক উত্তর কারণ প্রান্তিক হ্রদ এই পার্বত্য জেলায় অবস্থিত। D) সিলেট — সিলেটে অনেক জলাধার, হাওর ও মাধবপুর লেক থাকলেও প্রান্তিক হ্রদ এই অঞ্চলে অবস্থিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: বান্দরবানের পাহাড়ি প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের প্রতীকগুলোর মধ্যে প্রান্তিক হ্রদ অন্যতম। বান্দরবান নামের প্রথম অক্ষর বা এর পাহাড়গুলোর বৈচিত্র্য মনে রাখলে এই হ্রদের অবস্থান সহজে স্মরণ রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রাকৃতিক ও কৃত্রিম হ্রদের অবস্থান প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। একই বিষয় থেকে বগা হ্রদ, কাপ্তাই হ্রদ বা রামসাগর সম্পর্কিত প্রশ্নও পরীক্ষায় থাকতে পারে।
a ২০-২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪
b ২৩-২৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪
c ২৫-২৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪
d ২৭-২৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৪
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৩-২৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪ ১. কেন সঠিক: - পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী জুলফিকার আলী ভুট্টোর বিশেষ অনুরোধে এবং মুসলিম জাহানের চাপের মুখে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যকার বৈরিতা ভুলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ওআইসি সম্মেলনে যোগ দেন। - এই সম্মেলনের মধ্য দিয়ে পাকিস্তান সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের কূটনৈতিক বিজয় অর্জিত হয়। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯৭৪ সালের ২২ থেকে ২৪ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে ওআইসি-র দ্বিতীয় ইসলামিক শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। - ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন এবং ওআইসি-র তৎকালীন মহাসচিবসহ মুসলিম বিশ্ব তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানায়। - তাৎপর্য ও ফলাফল: এই সম্মেলনে অংশগ্রহণের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও স্বাধীনতা আরও সুদৃঢ়ভাবে স্বীকৃতি লাভ করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ ব্যাখ্যা: লাহোর ওআইসি সম্মেলনে অংশগ্রহণের ধারাবাহিকতায় ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে এবং বঙ্গবন্ধু সাধারণ পরিষদে বাংলায় ভাষণ দেন। উদাহরণ ২: ১৯৭২ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের স্বীকৃতি ব্যাখ্যা: ওআইসি সম্মেলনে যাওয়ার আগে ১৯৭২ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়, যা ছিল আন্তর্জাতিক কুটনীতিতে বাংলাদেশের একটি বড় অর্জন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০-২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪ — এই তারিখটি সঠিক নয় কারণ লাহোর ওআইসি সম্মেলন মূলত ২৩ থেকে ২৪ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হয়েছিল এবং বঙ্গবন্ধু ২৩ ফেব্রুয়ারি সেখানে পৌঁছান। B) ২৩-২৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪ — এটি সঠিক উত্তর। এই দুই দিনেই লাহোরে ওআইসি-র মূল শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল এবং বঙ্গবন্ধু এতে সক্রিয়ভাবে যোগ দেন। C) ২৫-২৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪ — এই তারিখটি সম্মেলনের মূল সময়কালের সাথে মিলছে না এবং সম্মেলন শেষ হওয়ার পরের দিনগুলোতে বঙ্গবন্ধু লাহোর থেকে দেশে ফেরেন। D) ২৭-২৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৪ — এই তারিখটি ওআইসি সম্মেলনের সময়কাল নয়, বরং সম্মেলন শেষ হওয়ার পরের সময়কে নির্দেশ করে। ৫ মনে রাখার টিপস: - সালটি মনে রাখুন ১৯৭৪ এবং মাসটি ফেব্রুয়ারি। - ভাষার মাস ফেব্রুয়ারির ঠিক শেষের দিকে ২৩-২৪ তারিখে বঙ্গবন্ধু লাহোরে ওআইসি সম্মেলনে যোগ দিয়েছিলেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রশ্নটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। - ওআইসি-র সদস্যপদ লাভের সাল এবং বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বঙ্গবন্ধুর বিদেশ সফর সংক্রান্ত প্রশ্ন এখান থেকে হতে পারে।
a ২০ মে, ১৯৭৩
b ২১ মে, ১৯৭২
c ২২ মে, ১৯৭২
d ২৩ মে, ১৯৭৩
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২৩ মে, ১৯৭৩ ১. কেন সঠিক: - ১৯৭৩ সালের ২৩ মে বিশ্ব শান্তি পরিষদ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে জুলিও কুরী শান্তি পুরস্কারে ভূষিত করে। - এটি ছিল স্বাধীন বাংলাদেশের প্রাপ্ত প্রথম আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি যা বিশ্বশান্তি ও মানবতার পক্ষে বঙ্গবন্ধুর অবদানের মূল্যায়ন করে। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: বিশ্ব শান্তি পরিষদের প্রেসিডিয়াম সভা ১৯৭৩ সালের ২৩ মে কিউবার রাজধানী হাভানায় অনুষ্ঠিত হয় এবং সেখানে এই পুরস্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। - ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: বিশ্ব শান্তি পরিষদের তৎকালীন সেক্রেটারি জেনারেল রমেশ চন্দ্র ঢাকায় এসে ঐতিহাসিক জুলিও কুরী পুরস্কার আনুষ্ঠানিকভাবে বঙ্গবন্ধুর গলায় পরিয়ে দেন। - তাৎপর্য ও ফলাফল: এই পুরস্কার প্রাপ্তির মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু শুধু বাঙালি জাতির নেতা নন, বরং বিশ্বনন্দিত শান্তিবাদী নেতা হিসেবে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে স্বীকৃতি লাভ করেন। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সুফিয়া কামাল হলের সামনে স্থাপিত শান্তিদূত বঙ্গবন্ধু ভাস্কর্য। ব্যাখ্যা: এই ভাস্কর্যটি বঙ্গবন্ধুর জুলিও কুরী শান্তি পুরস্কার প্রাপ্তি এবং বিশ্বশান্তির প্রতি তাঁর আজীবন প্রতিশ্রুতির কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। উদাহরণ ২: ১৯৭৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বঙ্গবন্ধুর বাংলায় ভাষণ। ব্যাখ্যা: এই ভাষণটিও বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের জোরালো অবস্থানকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তুলে ধরেছিল যা জুলিও কুরী পুরস্কারের চেতনার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০ মে, ১৯৭৩ — এই তারিখে জুলিও কুরী পুরস্কার প্রদানের কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটে নি। এটি একটি ভুল তারিখ। B) ২১ মে, ১৯৭২ — ১৯৭২ সালের এই তারিখে এই পুরস্কার প্রদান করা হয়নি কারণ বঙ্গবন্ধু ১৯৭৩ সালে এটি পান। C) ২২ মে, ১৯৭২ — এই তারিখেও জুলিও কুরী শান্তি পুরস্কার প্রদানের কোনো তথ্য বা ঐতিহাসিক রেকর্ড নেই। D) ২৩ মে, ১৯৭৩ — এটি সঠিক তারিখ কারণ এই দিনেই বিশ্ব শান্তি পরিষদ বঙ্গবন্ধুকে এই prestigious পদক প্রদান করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - সাল মনে রাখার জন্য মনে রাখতে হবে দেশ স্বাধীন হওয়ার প্রায় দেড় বছর পর ১৯৭৩ সালের ২৩ মে এই আন্তর্জাতিক পদকটি আসে। - জুলিও কুরী পুরস্কার এবং ২৩ মে তারিখটি বিসিএস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি তথ্য। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রশ্নটি পুরস্কার ও পদক এবং আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ক্যাটাগরির অন্তর্ভুক্ত। - একই বিষয় থেকে প্রশ্ন আসতে পারে কে এই পুরস্কার প্রদান করেছিল বা বিশ্ব শান্তি পরিষদের কোন সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।
a শাসনতান্ত্রিক কাঠামো
b কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা
c স্বতন্ত্র মুদ্রা ব্যবস্থা
d বিচার ব্যবস্থা
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বিচার ব্যবস্থা ১. কেন সঠিক: - ঐতিহাসিক ছয় দফায় বিচার ব্যবস্থার কোনো স্বতন্ত্র বা সরাসরি দফা ছিল না। - ছয় দফায় মূলত শাসনতন্ত্র, কেন্দ্রীয় ক্ষমতা, মুদ্রা, কর ও শুল্ক, বৈদেশিক বাণিজ্য এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তার কথা বলা হয়েছিল। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯৬৬ সালের ৫ থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধী দলগুলোর এক সম্মেলনে বাঙালি জাতির মুক্তি সনদ খ্যাত ছয় দফা পেশ করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। - তারিখ ও স্থান: ১৯৬৬ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সভায় ছয় দফা প্রস্তাব অনুমোদিত হয় এবং পরে তা প্রচার করা হয়। - ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তান সরকারের বৈষম্যমূলক নীতির বিরুদ্ধে এই ঐতিহাসিক দাবি উত্থাপন করেন। - তাৎপর্য ও ফলাফল: ছয় দফা আন্দোলন বাঙালির স্বায়ত্তশাসন থেকে পরবর্তীতে স্বাধীনতা অর্জনের পথ সুগম করেছিল এবং এটি ছিল ঐতিহাসিক আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার মূল ভিত্তি। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রথম দফা ব্যাখ্যা: লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে পাকিস্তানকে প্রকৃত ফেডারেশন হিসেবে গড়ে তোলার কথা বলা হয়েছিল যেখানে প্রাপ্তবয়স্কদের ভোটে সংসদীয় সরকার থাকবে। উদাহরণ ২: তৃতীয় দফা ব্যাখ্যা: দেশের দুই অঞ্চলের জন্য দুটি পৃথক অথচ সহজে বিনিময়যোগ্য মুদ্রা ব্যবস্থা অথবা একটি নির্দিষ্ট মুদ্রার কথা বলা হয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শাসনতান্ত্রিক কাঠামো — এটি ছয় দফার প্রথম দফায় স্পষ্টভাবে অন্তর্ভুক্ত ছিল। B) কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা — এটি ছয় দফার দ্বিতীয় দফায় প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্র বিষয়ে সীমাবদ্ধ রাখার কথা বলা হয়েছিল। C) স্বতন্ত্র মুদ্রা ব্যবস্থা — এটি ছয় দফার তৃতীয় দফায় অর্থনীতি রক্ষার্থে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। D) বিচার ব্যবস্থা — এটি ছয় দফার মূল ছয়টি দাবির মধ্যে সরাসরি অন্তর্ভুক্ত ছিল না। ৫ মনে রাখার টিপস: - ছয় দফার বিষয়বস্তু মনে রাখতে শাসনতন্ত্র, সরকার, মুদ্রা, কর, বাণিজ্য ও মিলিশিয়া বা আধা সামরিক বাহিনী এই ছয়টি ক্ষেত্র মনে রাখতে হবে। - বিচার ব্যবস্থা বা সুপ্রিম কোর্টের স্বাধীনতা ছয় দফার আলোচনার সরাসরি অংশ ছিল না। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ছয় দফা কে, কোথায় এবং কবে পেশ করেছিলেন তা বিসিএস পরীক্ষায় বারবার আসে। - ছয় দফাকে বাঙালি জাতির ম্যাগনা কার্টা বা মুক্তির সনদ বলা হয়।
a ৫ম-৬ষ্ঠ শতক
b ৬ষ্ঠ-৭ম শতক
c ৭ম-৮ম শতক
d ৮ম-৯ম শতক
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৭ম-৮ম শতক ১. কেন সঠিক: - শশাঙ্কের মৃত্যুর পর সপ্তম শতকের মাঝামাঝি থেকে অষ্টম শতকের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত বাংলায় কোনো কেন্দ্রীয় বা শক্তিশালী শাসক ছিল না। - এই অরাজকতা ও আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতির যুগকে ঐতিহাসিকরা মাৎস্যন্যায় বলে অভিহিত করেছেন। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: সপ্তম শতাব্দীর মধ্যভাগ থেকে অষ্টম শতাব্দীর মধ্যভাগ পর্যন্ত বাংলায় রাজনৈতিক অস্থিরতা ও বিশৃঙ্খলা বিরাজ করে। - তাৎপর্য ও ফলাফল: এই নৈরাজ্যজনক পরিস্থিতির অবসান ঘটাতে বাংলার প্রকৃতি ও জনগণ গোপালকে রাজা হিসেবে নির্বাচিত করে পাল রাজবংশের প্রতিষ্ঠা করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: পুকুরে বড় মাছ কর্তৃক ছোট মাছ গ্রাস করার প্রবণতা ব্যাখ্যা: শক্তিশালী লোক কর্তৃক দুর্বলকে নির্যাতন করার এই নীতি থেকেই মাৎস্যন্যায় শব্দের উৎপত্তি হয়েছে। উদাহরণ ২: গোপাল কর্তৃক পাল রাজবংশের প্রতিষ্ঠা ব্যাখ্যা: মাৎস্যন্যায়ের অবসান ঘটিয়ে বাংলায় শান্তি ফিরিয়ে আনতে এই রাজবংশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৫ম-৬ষ্ঠ শতক — এই সময়টি প্রাচীন বাংলার গুপ্ত সাম্রাজ্যের পতন এবং স্বাধীন রাজ্যগুলোর উত্থানের শুরুর পর্যায় নির্দেশ করে। B) ৬ষ্ঠ-৭ম শতক — এই সময়টিতে গৌড়রাজ শশাঙ্কের শাসনকাল এবং তার পরবর্তী প্রাথমিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের সময়কালকে বোঝায়। D) ৮ম-৯ম শতক — এই সময়টিতে পাল রাজবংশ ক্ষমতায় এসে বাংলায় স্থিতিশীলতা ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা করেছিল, যা মাৎস্যন্যায়ের পরবর্তী কাল। ৫. মনে রাখার টিপস: - সপ্তম ও অষ্টম শতাব্দীকে মাৎস্যন্যায়ের কাল হিসেবে মনে রাখবে। - মাছের বড় দ্বারা ছোটকে খাওয়ার নীতি থেকেই এই নামের উৎপত্তি হয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মাৎস্যন্যায় শব্দের অর্থ কী এবং কোন শতকে এটি ঘটেছিল, তা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - পাল বংশের প্রতিষ্ঠাতা গোপাল কোন ঘটনার পর ক্ষমতায় এসেছিলেন, তা মনে রাখা জরুরি।
a শামসুদ্দীন ইলিয়াস শাহ
b নাসিরুদ্দীন মাহমুদ শাহ
c আলাউদ্দিন হােসেন শাহ
d গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আলাউদ্দিন হােসেন শাহ ১. কেন সঠিক: সুলতান আলাউদ্দিন হোসেন শাহের রাজত্বকালকে বাংলার ইতিহাসের স্বর্ণযুগ বলা হয় কারণ এ সময় শিল্প, সাহিত্য, সংস্কৃতি এবং অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে অভূতপূর্ব উন্নতি সাধিত হয়েছিল। তার শাসনামলে বাংলায় শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় ছিল এবং হিন্দু ও মুসলিম উভয় সম্প্রদায়ের সাহিত্য ও সংস্কৃতির ব্যাপক বিকাশ ঘটেছিল। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: মধ্যযুগে সুলতানি আমলের শেষভাগে বাংলার স্বাধীন সুলতানি শাসন ব্যবস্থার অন্যতম শ্রেষ্ঠ সময় ছিল হোসেন শাহী আমল। ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: আলাউদ্দিন হোসেন শাহ ১৪৯৪ সালে বাংলার সিংহাসনে আরোহণ করেন এবং ১৫১৯ সাল পর্যন্ত রাজত্ব করে বাংলায় একটি সুদৃঢ় প্রশাসন প্রতিষ্ঠা করেন। তাৎপর্য ও ফলাফল: তার শাসনামলে শ্রীচৈতন্যদেবের বৈষ্ণব ধর্ম প্রচারের সুযোগ সৃষ্টি হয় এবং বাংলা সাহিত্যে পদাবলীর ব্যাপক প্রসার ঘটে। সংশ্লিষ্ট তথ্য: তার আমলেই প্রথম সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় মহাভারত বাংলা ভাষায় অনুবাদের কাজ শুরু হয় এবং কবি শ্রীকর নন্দী ও পরাগল খাঁ তার দ্বারা উৎসাহিত হন। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: শ্রীচৈতন্যদেব ব্যাখ্যা: আলাউদ্দিন হোসেন শাহের উদার ধর্মীয় নীতির কারণে শ্রীচৈতন্যদেব নির্বিঘ্নে বাংলায় ভক্তি আন্দোলন পরিচালনা করতে পেরেছিলেন। উদাহরণ ২: রূপ গোস্বামী ও সনাতন গোস্বামী ব্যাখ্যা: হোসেন শাহের উচ্চপদস্থ রাজকর্মচারী হয়েও তারা পরবর্তীতে বৈষ্ণব ধর্মে দীক্ষিত হন যা তৎকালীন ধর্মনিরপেক্ষতার প্রমাণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শামসুদ্দীন ইলিয়াস শাহ — তিনি সমগ্র বাংলাকে প্রথম রাজনৈতিকভাবে একত্রিত করেছিলেন এবং শাহ ই বাংলা উপাধি ধারণ করেছিলেন, তবে তার সময়কালকে স্বর্ণযুগ বলা হয় না। B) নাসিরুদ্দীন মাহমুদ শাহ — তিনি ইলিয়াস শাহী বংশের একজন শক্তিশালী সুলতান ছিলেন এবং গৌড়ের বিখ্যাত স্থাপত্য নির্মাণের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। C) আলাউদ্দিন হােসেন শাহ — সঠিক উত্তর, কারণ তার আমলেই বাংলার সাহিত্য, সংস্কৃতি ও অর্থনীতি সর্বোচ্চ শিখরে পৌঁছেছিল। D) গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ — তিনি তার ন্যায়পরায়ণতা এবং কবি হাফিজের সঙ্গে পত্রালাপের জন্য বিখ্যাত হলেও তার সময়কাল স্বর্ণযুগ হিসেবে স্বীকৃত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: বাংলার স্বর্ণযুগ মনে রাখার জন্য হোসেন শাহ নামের সঙ্গে সোনালী যুগের প্রথম অক্ষর মিলিয়ে নিতে পারো। ইলিয়াস শাহ সমগ্র বাংলা একত্র করেছিলেন আর হোসেন শাহ সংস্কৃতিকে সমৃদ্ধ করেছিলেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোন সুলতানের আমলকে বাংলার স্বর্ণযুগ বলা হয়। একই বিষয় থেকে ঘুরিয়ে প্রশ্ন আসতে পারে হোসেন শাহ কোন বংশের প্রতিষ্ঠাতা বা তার রাজত্বকাল কত ছিল।
a নওয়াব আবদুল লতিফ
b স্যার সৈয়দ আহমেদ
c নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ
d খাজা নাজিমুদ্দিন
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ ১. কেন সঠিক: - ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ রদ হওয়ার পর পূর্ববঙ্গের মুসলমানদের শিক্ষাক্ষেত্রে যে ক্ষতি হয়, তার ক্ষতিপূরণ হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবি ওঠে। - এই দাবি আদায়ে এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন এবং সর্বাত্মক সহযোগিতা করেন। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯১২ সালে লর্ড হার্ডিঞ্জের ঢাকা সফরকালে নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল পূর্ববঙ্গের মুসলমানদের শিক্ষাগত অনগ্রসরতার কথা তুলে ধরে। - ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য জমি দান করেন এবং তৎকালীন সরকারের ওপর প্রবল রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টি করেন। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: কার্জন হল ব্যাখ্যা: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রাক্কালে ১৯০৪ সালে এর ভবন হিসেবে কার্জন হলের নির্মাণকাজ শুরু হয়, যা পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদের অংশ হয়। উদাহরণ ২: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা আইন ব্যাখ্যা: ১৯২০ সালের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অ্যাক্ট পাসের মাধ্যমে ১৯২১ সালের ১ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আনুষ্ঠানিকভাবে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নওয়াব আবদুল লতিফ — তিনি ঊনবিংশ শতাব্দীতে বাংলায় মুসলিম আধুনিক শিক্ষার প্রসারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন, কিন্তু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সরাসরি জড়িত ছিলেন না। B) স্যার সৈয়দ আহমেদ — তিনি ভারতের আলীগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, যা বাংলার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বহু পূর্বে প্রতিষ্ঠিত হয়। C) নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ — এটি সঠিক উত্তর। D) খাজা নাজিমুদ্দিন — তিনি পরবর্তীতে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ও গভর্নর-জেনারেল হয়েছিলেন, তবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার মূল নেতৃত্বে তিনি ছিলেন না। ৫ মনে রাখার টিপস: - ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সলিমুল্লাহ নামটি ওতপ্রোতভাবে জড়িত। - মনে রাখার কৌশল হিসেবে মাথায় রাখতে হবে যে পূর্ববঙ্গের মুসলমানদের শিক্ষার জন্য সলিমুল্লাহ নিজের জমি ও অর্থ উৎসর্গ করেছিলেন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর প্রথম উপাচার্য কে ছিলেন, তা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a খাজা নাজিম উদ্দীন
b নুরুল আমিন
c লিয়াকত আলী খান
d মােহাম্মদ আলী জিন্নাহ
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) খাজা নাজিম উদ্দীন ১. কেন সঠিক: ভাষা আন্দোলনের সময় ১৯৫২ সালে খাজা নাজিম উদ্দীন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। ১৯৫২ সালের ২৬ জানুয়ারি ঢাকার পল্টন ময়দানের জনসভায় তিনি জিন্নাহর সুরেই উর্দুকে একমাত্র রাষ্ট্রভাষা করার ঘোষণা দেন, যা ভাষা আন্দোলনকে তীব্র করে তোলে। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও সংশ্লিষ্ট তথ্য: ১৯৪৮ সালের ১৯ থেকে ২৩ মার্চ পাকিস্তান গণপরিষদে খাজা নাজিম উদ্দীনের ভূমিকা ছিল বাঙালি বিরোধী। তিনি উর্দুকে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা করার পক্ষে জোরালো অবস্থান নেন। ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ছাত্র-জনতার মিছিলে গুলি চালানোর সময়ও তিনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে রাষ্ট্রক্ষমতার দায়িত্বে ছিলেন। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ১৯৪৮ সালের ২৩ মার্চ খাজা নাজিম উদ্দীন পূর্ব পাকিস্তান সফরকালে রাষ্ট্রভাষা উর্দু করার পক্ষে বক্তব্য দেন। ব্যাখ্যা: এই ঘটনার প্রতিবাদে ছাত্রসমাজ ও বুদ্ধিজীবীরা তাৎক্ষণিকভাবে প্রতিবাদ জানিয়েছিল এবং বাংলা ভাষার দাবি আরও জোরালো হয়। উদাহরণ ২: ১৯৫২ সালের ২৬ জানুয়ারি খাজা নাজিম উদ্দীনের পল্টন ময়দানের ঘোষণা। ব্যাখ্যা: এই ঘোষণা থেকেই বাঙালি বুঝতে পারে সরকার আপস করবে না, ফলে একুশে ফেব্রুয়ারি সর্বাত্মক আন্দোলনের রূপ নেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) খাজা নাজিম উদ্দীন — ভাষা আন্দোলনের সময় ১৯৫২ সালে তিনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। B) নুরুল আমিন — তিনি ভাষা আন্দোলনের সময় পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন, প্রধানমন্ত্রী ছিলেন না। C) লিয়াকত আলী খান — তিনি পাকিস্তানের প্রথম প্রধানমন্ত্রী ছিলেন এবং ১৯৫১ সালের ১৬ অক্টোবর রাওয়ালপিন্ডিতে নিহত হন। D) মােহাম্মদ আলী জিন্নাহ — তিনি পাকিস্তানের প্রথম গভর্নর জেনারেল ছিলেন এবং ১৯৪৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর মারা যান। ৫ মনে রাখার টিপস: ভাষা আন্দোলনের বছর ১৯৫২ সালে পাকিস্তানে নাজির ছিলেন খাজা নাজিম উদ্দীন। এভাবে মনে রাখতে পারেন নাজিম উদ্দীন মানে ১৯৫২ সালের প্রধানমন্ত্রী। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ভাষা আন্দোলনের সময় পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রী কে ছিলেন এই প্রশ্ন প্রায়ই আসে, যার উত্তর নুরুল আমিন। প্রধানমন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রীর এই পার্থক্য পরীক্ষার্থীদের ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a খাগড়াছাড়ি জেলায়
b রাঙ্গামাটি জেলায়
c বান্দরবান জেলায়
d কক্সবাজার জেলায়
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) খাগড়াছাড়ি জেলায় ১. কেন সঠিক: আলুটিলা প্রাকৃতিক গুহা বাংলাদেশের খাগড়াছড়ি জেলায় অবস্থিত একটি বিখ্যাত পর্যটন আকর্ষণ। পাহাড়ের তলদেশ দিয়ে প্রাকৃতিকভাবে তৈরি এই রহস্যময় গুহাটি ভৌগোলিক ও ভূপ্রাকৃতিক বৈচিত্র্যের কারণে পর্যটকদের কাছে অত্যন্ত পরিচিত। ২. ভৌগোলিক ও পর্যটনগত তথ্য: অবস্থান: খাগড়াছড়ি জেলা সদর থেকে প্রায় সাত কিলোমিটার দূরে আলুটিলা বা আরেঙ জিরি নামক স্থানে এই গুহাটি অবস্থিত। প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য: চুনাপাথরের গঠিত এই সুদীর্ঘ গুহাটির ভেতর দিয়ে একটি ঝরনাধারা প্রবাহিত হয় এবং এর মধ্য দিয়ে হেঁটে যেতে হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাপ্তাই লেক ব্যাখ্যা: এটি রাঙ্গামাটি জেলায় অবস্থিত একটি কৃত্রিম জলাধার যা পার্বত্য চট্টগ্রামের ভৌগোলিক পরিচয়ের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। উদাহরণ ২: নীলাচল ব্যাখ্যা: এটি বান্দরবান জেলায় অবস্থিত একটি বিখ্যাত পর্যটন কেন্দ্র যা পাহাড়ের সৌন্দর্য উপলব্ধির জন্য পরিচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) খাগড়াছাড়ি জেলায় — এই অপশনটি সঠিক কারণ আলুটিলা গুহা খাগড়াছড়ি জেলার মূল ভূখণ্ডে অবস্থিত। B) রাঙ্গামাটি জেলায় — রাঙ্গামাটি একটি পার্বত্য জেলা হলেও আলুটিলা গুহা এখানে অবস্থিত নয়। C) বান্দরবান জেলায় — বান্দরবান পাহাড়ি জেলা হলেও আলুটিলা প্রাকৃতিক গুহার অবস্থান এখানে নয়। D) কক্সবাজার জেলায় — কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের জন্য বিখ্যাত এবং এখানে এই ধরনের গুহা নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: আলুটিলা নামটির সঙ্গে খাগড়াছড়ি জেলার পর্যটন স্পটগুলোর নাম ও অবস্থান একসঙ্গে মনে রাখতে হবে। পাহাড় ঘেরা খাগড়াছড়ি বললেই আলুটিলা গুহা এবং রিছাং ঝরনার নাম চলে আসে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পার্বত্য চট্টগ্রামের ভৌগোলিক নিদর্শন ও পর্যটন কেন্দ্রগুলোর সঠিক জেলাভিত্তিক অবস্থান থেকে প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে। একই বিষয় থেকে গুহা বা ঝরনা কোন জেলায় অবস্থিত তা নিয়ে প্রশ্ন হতে পারে।
a হেমন্ত সেন
b বল্লাল সেন
c লক্ষণ সেন
d কেশব সেন
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কেশব সেন প্রদত্ত তথ্য: বাংলায় সেন বংশের কাল ১০৭০ থেকে ১২৩০ খ্রিষ্টাব্দ এই বংশের শেষ শাসনকর্তা নির্ণয় করতে হবে ধরি, সেন বংশের প্রতিষ্ঠাতা = হেমন্ত সেন সেন বংশের শক্তিশালী রাজা = বল্লাল সেন অতএব, হেমন্ত সেনের পর রাজা হন বিজয় সেন বিজয় সেনের পর রাজা হন বল্লাল সেন সুতরাং, বল্লাল সেনের পর লক্ষণ সেন এবং সর্বশেষ কেশব সেন শাসন করেন উত্তর: কেশব সেন
a পুন্ড্রু
b তাম্রলিপ্তি
c গৌড়
d হরিকেল
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পুন্ড্রু ১. কেন সঠিক: প্রাচীন বাংলার জনপদগুলোর মধ্যে পুন্ড্রু হলো সর্বপ্রাচীন ও ইতিহাসের দিক থেকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জনপদ। মহাভারত এবং প্রাচীন ভারতীয় সাহিত্য পুন্ড্রু জনপদের উল্লেখ পাওয়া যায়, যা বাংলার প্রাচীন জনবসতির প্রমাণ বহন করে। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: বর্তমান বগুড়া, রাজশাহী, দিনাজপুর ও রংপুর অঞ্চল নিয়ে প্রাচীন পুন্ড্রু জনপদ গঠিত হয়েছিল। স্থান ও রাজধানী: এই জনপদের রাজধানী ছিল পুন্ড্রবর্ধন বা বর্তমান মহাস্থানগড়, যা বাংলাদেশের অন্যতম প্রাচীন ঐতিহাসিক স্থান। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: মহাস্থানগড় ব্যাখ্যা: এটি পুন্ড্রবর্ধনের রাজধানী ছিল এবং প্রাচীন বাংলার প্রথম নগর সভ্যতার নিদর্শন বহন করে। উদাহরণ ২: প্রাচীন বাংলার জনপদ ব্যাখ্যা: বাংলার বিভিন্ন অঞ্চল বিভিন্ন নামে পরিচিত ছিল এবং পুন্ড্রু তার মধ্যে প্রাচীনতম রাজনৈতিক ও জনবসতিপূর্ণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পুন্ড্রু — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বাংলার সর্বপ্রাচীন জনপদ হিসেবে স্বীকৃত এবং এর ঐতিহাসিক ভিত্তি অত্যন্ত শক্ত। B) তাম্রলিপ্তি — এটি প্রাচীন বাংলার একটি গুরুত্বপূর্ণ বন্দর ও জনপদ হলেও পুন্ড্রুর মতো সর্বপ্রাচীন নয়। C) গৌড় — এটি পরবর্তী সময়ে প্রাচীন বাংলার একটি শক্তিশালী রাজনৈতিক কেন্দ্র ও জনপদ হিসেবে গড়ে উঠেছিল, যা পুন্ড্রুর চেয়েও অনেক পরের ইতিহাসের অংশ। D) হরিকেল — এটি প্রাচীন বাংলার পূর্ব অঞ্চলের একটি জনপদ ছিল, যা আধুনিক সিলেট ও চট্টগ্রাম অঞ্চল নিয়ে গঠিত এবং এটিও পরবর্তীকালের ইতিহাস। ৫. মনে রাখার টিপস: প্রাচীন বাংলার সবচেয়ে পুরোনো জনপদ মনে রাখতে প্রথম অক্ষর মিলিয়ে মনে রাখতে পারো পুন্ড্রু মানেই প্রথম বা প্রাচীনতম। গৌড় বা হরিকেল পরবর্তী সময়ের জনপদ, তাই প্রাচীনতম বললে পুন্ড্রুই সঠিক উত্তর হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রাচীন বাংলার জনপদের নাম ও বর্তমান অবস্থান প্রায়ই আসে। পুন্ড্রু জনপদের রাজধানী মহাস্থানগড় কোথায় অবস্থিত, এই প্রশ্নটি বিভিন্ন পরীক্ষায় বারবার দেখা যায়।
a রোজ গার্ডেন
b সিরাজগঞ্জে
c সন্তোষে
d সুনামগঞ্জ
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সন্তোষে ১. কেন সঠিক: কাগমারী সম্মেলন ১৯৫৭ সালের ঐতিহাসিক একটি রাজনৈতিক ঘটনা যা টাঙ্গাইল জেলার সন্তোষে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর আহ্বানে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় এবং তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক গতিপ্রকৃতিতে এটি গভীর প্রভাব ফেলেছিল। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯৫৭ সালের ৭ থেকে ১১ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের কাগমারী (বর্তমান টাঙ্গাইলের সন্তোষ) এলাকায় এই ঐতিহাসিক সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: এই সম্মেলনের মূল আয়োজক ছিলেন মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী এবং এতে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীসহ দেশের শীর্ষস্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন। তাৎপর্য ও ফলাফল: এই সম্মেলনে মওলানা ভাসানী পাকিস্তানের পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকদের বৈষম্যমূলক নীতির প্রতিবাদে আছসালামু আলাইকুম বলে পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্নের প্রথম জোরালো বার্তা দিয়েছিলেন। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন। ব্যাখ্যা: কাগমারী সম্মেলনের ঠিক আগে এই নির্বাচন তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের রাজনীতিতে বাঙালি জাতীয়তাবাদের ভিত্তি শক্ত করেছিল। উদাহরণ ২: ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচন। ব্যাখ্যা: কাগমারী সম্মেলনের মাধ্যমে সূচিত স্বাধিকারের দাবিই পরবর্তীতে ১৯৭০ সালের নির্বাচনে বাঙালির নিরঙ্কুশ রায় অর্জনে সহায়তা করেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রোজ গার্ডেন — এটি ঢাকার কে এম দাস লেনে অবস্থিত ঐতিহাসিক ভবন যেখানে ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন আওয়ামী মুসলিম লীগ গঠিত হয়েছিল। B) সিরাজগঞ্জে — এটি একটি প্রশাসনিক জেলা এবং যমুনা নদীর তীরবর্তী অঞ্চল, যা পাট ব্যবসা ও তাঁতশিল্পের জন্য বিখ্যাত হলেও কাগমারী সম্মেলনের স্থান নয়। D) সুনামগঞ্জ — এটি হাওড় অঞ্চলের একটি উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় জেলা যা প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও বাউল সংস্কৃতির জন্য পরিচিত কিন্তু এই ঐতিহাসিক সম্মেলনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: মওলানা ভাসানীর সাথে সন্তোষ এবং কাগমারী নামটি ওতপ্রোতভাবে জড়িত। কাগমারী সম্মেলন কোথায় হয়েছিল মনে রাখতে সন্তোষ শব্দটির সঙ্গে ভাসানীর সন্তোষজনক রাজনৈতিক অবস্থান মনে রাখতে পারেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কাগমারী সম্মেলন কে আহ্বান করেছিলেন এবং এটি কত সালে অনুষ্ঠিত হয় তা প্রায়ই আসে। একই বিষয় থেকে কাগমারী সম্মেলনে মওলানা ভাসানীর ঐতিহাসিক আসসালামু আলাইকুম ভাষণ সম্পর্কিত প্রশ্নও পরীক্ষাতে আসতে পারে।
a এপ্রিল ১০, ১৯৭১
b এপ্রিল ১১, ১৯৭১
c এপ্রিল ১২, ১৯৭১
d এপ্রিল ১৩, ১৯৭১
0 92 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) এপ্রিল ১১, ১৯৭১ ১. কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ১১ এপ্রিল কলকাতার ৮, থিয়েটার রোডে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ বাহিনী বা মুক্তিবাহিনী গঠিত হয়। - তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ এবং সেনাপ্রধান হিসেবে কর্নেল এম এ জি ওসমানী এই বাহিনী গঠনে প্রধান ভূমিকা পালন করেন। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: পাকিস্তান সামরিক জান্তার বিরুদ্ধে সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তুলতে এবং সুশৃঙ্খল যুদ্ধের জন্য একটি নিয়মিত ও অনিয়মিত বাহিনী গঠনের প্রয়োজন দেখা দেয়। - তারিখ ও স্থান: ১৯৭১ সালের ১১ এপ্রিল পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার ৮, থিয়েটার রোড ছিল মুজিবনগর সরকারের অস্থায়ী সচিবালয় ও সদর দপ্তর। - ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: কর্নেল এম এ জি ওসমানীকে বাংলাদেশ বাহিনীর প্রধান সেনাপতি হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হয় এবং পরবর্তীতে সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়। - তাৎপর্য ও ফলাফল: এই বাহিনী গঠনের ফলে বিক্ষিপ্ত প্রতিরোধগুলো একটি সুসংগঠিত ও কমান্ডের অধীনে পরিচালিত সামরিক শক্তিতে রূপ নেয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলার আম্রকাননে মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে। ব্যাখ্যা: এই সরকার গঠনের মাধ্যমেই স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম মন্ত্রিপরিষদ গঠিত হয় এবং বাংলাদেশ বাহিনী এই সরকারের অধীনেই পরিচালিত হতো। উদাহরণ ২: ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করা হয়। ব্যাখ্যা: এই ঘোষণাপত্রের মাধ্যমে ২৬ মার্চ ঘোষিত স্বাধীনতাকে আইনগত ভিত্তি দেওয়া হয় এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) এপ্রিল ১০, ১৯৭১ — এই তারিখে স্বাধীন বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকার গঠিত হয় এবং স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করা হয়, বাংলাদেশ বাহিনী গঠিত হয়নি। B) এপ্রিল ১১, ১৯৭১ — এটি সঠিক উত্তর, এই দিনেই ৮, থিয়েটার রোডে বাংলাদেশ বাহিনী গঠিত হয়। C) এপ্রিল ১২, ১৯৭১ — এই তারিখে প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ বাংলাদেশ বেতারে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন এবং সরকারের কার্যক্রম তুলে ধরেন। D) এপ্রিল ১৩, ১৯৭১ — এই তারিখে মন্ত্রিপরিষদের বিভিন্ন দপ্তরের দায়িত্ব বণ্টন করা হয় এবং বিভিন্ন প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ১০ এপ্রিল সরকার গঠন, ১১ এপ্রিল বাহিনী গঠন এবং ১৭ এপ্রিল শপথ গ্রহণ—এই ক্রমটি মনে রাখলে সাল ও তারিখের কনফিউশন দূর হবে। - ৮, থিয়েটার রোড বললেই কলকাতার মুজিবনগর সরকারের সদর দপ্তর এবং বাংলাদেশ বাহিনী গঠনের কথা মাথায় আনতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলাদেশ বাহিনীর প্রথম সেনাপতি কে ছিলেন—এই প্রশ্নটি পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। এর উত্তর হলো কর্নেল এম এ জি ওসমানী। - একই বিষয় থেকে প্রশ্ন হতে পারে যে, বাংলাদেশ বাহিনীকে কয়টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল এবং এর উত্তর হবে ১১টি।
a অনুচ্ছেদ ৭
b অনুচ্ছেল ৭(ক)
c অনুচ্ছেদ ৭(খ)
d অনুচ্ছেদ ৮
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অনুচ্ছেদ ৭(খ) ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৭(খ) অনুযায়ী সংবিধানের প্রস্তাবনা এবং প্রথম, দ্বিতীয় ও নবম ভাগের বিধানাবলি এবং সংবিধানের অন্যান্য বিধানাবলির ১৫০ অনুচ্ছেদের বিধান সংশোধন অযোগ্য ঘোষণা করা হয়েছে। - এই অনুচ্ছেদের মাধ্যমে সংবিধানের মৌলিক কাঠামো বা মূল চেতনা পরিবর্তন করা একপ্রকার নিষিদ্ধ করা হয়েছে যাতে ভবিষ্যতে কেউ স্বৈরতান্ত্রিক উপায়ে সংবিধানের মৌলিক বিধান নষ্ট করতে না পারে। ২. সংবিধান ও আইন: - সাংবিধানিক প্রেক্ষাপট: ২০১১ সালে অর্জিত পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানের সপ্তম অনুচ্ছেদের পরে ৭(ক) এবং ৭(খ) অনুচ্ছেদ দুটি যুক্ত করা হয়। - সংবিধানের মৌলিক বিধান: রাষ্ট্রের মূলনীতি, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা ও জাতীয়তাবাদ এবং সংবিধানের প্রস্তাবনা এই সুরক্ষার আওতাভুক্ত। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: পঞ্চদশ সংশোধনী আইন, ২০১১ ব্যাখ্যা: এই সংশোধনীর মাধ্যমেই মূলত সংবিধানের ৭(খ) অনুচ্ছেদ সংযোজন করে সংবিধানের মৌলিক ভিত্তি সুরক্ষিত করা হয়েছে। উদাহরণ ২: সংবিধানের মূল চেতনা ও প্রস্তাবনা ব্যাখ্যা: বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও রাষ্ট্র পরিচালনার মৌলিক নীতিসমূহ এই অনুচ্ছেদের মাধ্যমে অপরিবর্তনীয় রাখা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অনুচ্ছেদ ৭ — এই অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ এবং সংবিধান প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন, তবে এটি মৌলিক বিধান পরিবর্তন অযোগ্য সংক্রান্ত নয়। B) অনুচ্ছেদ ৭(ক) — এই অনুচ্ছেদে সংবিধান বাতিল, স্থগিতকরণ বা তা করার চেষ্টার মতো অসাংবিধানিক কাজের জন্য রাষ্ট্রদ্রোহিতার অপরাধের কথা বলা হয়েছে। D) অনুচ্ছেদ ৮ — এই অনুচ্ছেদে জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতাকে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - সংবিধানের মৌলিক বিধান পরিবর্তনের অযোগ্যতা মনে রাখতে সংখ্যা সাতের সাথে খ যুক্ত অংশটি মনে রাখবে যা পঞ্চদশ সংশোধনী দ্বারা এসেছে। - সাতের ক তে রাষ্ট্রদ্রোহিতা এবং সাতের খ তে সংবিধানের মৌলিক বিধান পরিবর্তনের অযোগ্যতার কথা বলা হয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পঞ্চদশ সংশোধনী এবং সংবিধানের মৌলিক কাঠামো নিয়ে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - ৭(ক) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী অসাংবিধানিক পন্থায় ক্ষমতা দখল বা সংবিধান স্থগিত করা রাষ্ট্রদ্রোহিতা হিসেবে গণ্য হয় যা আরেকটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।
a বহুদলীয় ব্যবস্থা
b বাকশাল প্রতিষ্ঠা
c তত্ত্বাবধায়ক সরকার
d সংসদে মহিলা আসন
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) তত্ত্বাবধায়ক সরকার ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশের সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর মূল বিষয় ছিল নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করা। এর মাধ্যমে সংসদ ভেঙে দিয়ে একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে অবাধ ও নিরপেক্ষ জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের সাংবিধানিক বিধান করা হয়। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: সাংবিধানিক প্রেক্ষাপট: ১৯৯৬ সালে তৎকালীন জাতীয় সংসদে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বিল পাস করা হয় এবং এর মাধ্যমে সংবিধানের ৫৮ক অনুচ্ছেদ যুক্ত করা হয়। তাৎপর্য ও ফলাফল: রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে আস্থার সংকট দূর করতে এবং নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে এই সংশোধনী দেশের রাজনীতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ১৯৯৬ সালের সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন ব্যাখ্যা: এই সংশোধনীর আওতায় গঠিত প্রথম তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে ১৯৯৬ সালের জুন মাসে সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, যা দেশবিদেশে প্রশংসিত হয়েছিল। উদাহরণ ২: ২০১১ সালে ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল ব্যাখ্যা: পরবর্তীতে ২০১১ সালে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ এই সংশোধনীকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করে রায় প্রদান করে, যা থেকে শিক্ষার্থীরা সাংবিধানিক ব্যাখ্যার গুরুত্ব বুঝতে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বহুদলীয় ব্যবস্থা — এটি কোনো সংশোধনীর মূল বিষয় ছিল না, বরং ১৯৭৬ সালে রাজনৈতিক দলগুলোর ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের মাধ্যমে বাংলাদেশে পুনরায় বহুদলীয় রাজনীতির সূচনা ঘটেছিল। B) বাকশাল প্রতিষ্ঠা — এটি ১৯৭৫ সালে সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে প্রবর্তিত হয়েছিল যার পূর্ণরূপ বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ। C) তত্ত্বাবধায়ক সরকার — এটি সঠিক উত্তর কারণ ত্রয়োদশ সংশোধনীর মূল উদ্দেশ্যই ছিল নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন নিশ্চিত করা। D) সংসদে মহিলা আসন — সংবিধানে নারীদের জন্য সংরক্ষিত নারী আসন সংক্রান্ত বিধান বিভিন্ন সংশোধনীর মাধ্যমে যুক্ত বা পরিবর্তিত হয়েছে, যা ত্রয়োদশ সংশোধনীর বিষয় ছিল না। ৫. মনে রাখার টিপস: ত্রয়োদশ সংখ্যাটি নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকারের সঙ্গে যুক্ত। মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো ত্রয়োদশ মানে ত তে তত্ত্বাবধায়ক সরকার। দ্বাদশ সংশোধনী সংসদীয় পদ্ধতির সরকার ফিরিয়ে আনে এবং ঠিক তার পরেরটি অর্থাৎ ত্রয়োদশ সংশোধনী তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা আনে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সংবিধানের কোন সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রবর্তিত হয়েছিল তা প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। একই বিষয় থেকে প্রশ্ন আসতে পারে ত্রয়োদশ সংশোধনী কত সালে পাস হয় বা কোন সালে বাতিল করা হয়।
a দক্ষিণ তালপট্টি
b সেন্টমার্টিন
c নিঝুম দ্বীপ
d ভোলা
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সেন্টমার্টিন ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী মূল ভূখণ্ড ও সামুদ্রিক সীমার সবচেয়ে দক্ষিণ প্রান্তে সেন্টমার্টিন দ্বীপ অবস্থিত। - বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্বাংশে অবস্থিত এই প্রবাল দ্বীপটি বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ হিসেবে পরিচিত। ২. ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য: - ভৌগোলিক অবস্থান: টেকনাফ থেকে প্রায় ৯ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং মিয়ানমারের উপকূলের কাছাকাছি নাফ নদীর মোহনায় অবস্থিত। - প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য: এটি বাংলাদেশর একমাত্র প্রবাল দ্বীপ, যা স্থানীয়ভাবে নারিকেল জিনজিরা নামে পরিচিত। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাবাজার ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান হলেও দ্বীপ নয় এবং এটি দক্ষিণতম বিন্দু হিসেবে বিবেচিত হয় না। উদাহরণ ২: ইনানী সমুদ্র সৈকত ব্যাখ্যা: এটি কক্সবাজারে অবস্থিত একটি পর্যটন কেন্দ্র কিন্তু ভৌগোলিক অবস্থানের দিক থেকে এটি সেন্টমার্টিনের মতো দেশের সর্বদক্ষিণে অবস্থিত নয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দক্ষিণ তালপট্টি — এটি বঙ্গোপসাগরে হারিয়াভাঙা নদীর মোহনায় অবস্থিত একটি পলিদ্বীপ ছিল যা বর্তমানে সমুদ্রগর্ভে নিমজ্জিত। B) সেন্টমার্টিন — এটি ভৌগোলিক বিচারে বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণে অবস্থিত একটি প্রবাল দ্বীপ এবং সঠিক উত্তর। C) নিঝুম দ্বীপ — এটি নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার অন্তর্ভুক্ত একটি চর বা দ্বীপ যা মেঘনার মোহনায় অবস্থিত। D) ভোলা — এটি বাংলাদেশের বৃহত্তম দ্বীপ জেলা হলেও দেশের সর্বদক্ষিণ প্রান্তে অবস্থিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - বাংলাদেশের সবচেয়ে দক্ষিণের ভূখণ্ড মনে রাখতে সেন্টমার্টিনের নাম মনে রাখবে কারণ এটি প্রবাল দ্বীপ হিসেবে সবার শেষে দক্ষিণে ছড়ানো। - দক্ষিণ তালপট্টি নিয়ে প্রায়ই বিভ্রান্তি ঘটে কারণ এটি মানচিত্রের দক্ষিণ সীমান্তে ছিল কিন্তু বর্তমানে তা অস্তিত্বহীন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জানতে চাওয়া হয় বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ কোনটি। - একই বিষয় থেকে ভৌগোলিক সীমানা বা সর্ববিন্দু যেমন সর্বউত্তরে তেঁতুলিয়া সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
a অনুচ্ছেদ ২২
b অনুচ্ছেদ ২৩
c অনুচ্ছেদ ২৪
d অনুচ্ছেদ ২৫
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অনুচ্ছেদ ২৫ ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশের সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতির আওতায় অনুচ্ছেদ ২৫ এ আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও উন্নয়ন প্রসঙ্গে বৈদেশিক নীতির সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। - এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্র সমতা ও পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে পারস্পরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শক্তি প্রয়োগ বর্জন এবং আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ মীমাংসার নীতি অনুসরণ করবে। ২. সংবিধান ও আইন: - সংবিধানের ২৫ অনুচ্ছেদে মূলত বিশ্বশান্তি রক্ষা, সাম্রাজ্যবাদ ও উপনিবেশবাদের বিরোধিতা এবং আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘের চার্টারের নীতি অনুসরণের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। - বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ এবং সংবিধান প্রণেতারা স্বাধীন দেশের পররাষ্ট্রনীতি নির্ধারণের সময় এই মূলনীতিটি অত্যন্ত দূরদর্শিতার সঙ্গে সংবিধানে সংযোজন করেছিলেন। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশ জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সক্রিয় অংশগ্রহণ। ব্যাখ্যা: সংবিধানের ২৫ অনুচ্ছেদের নির্দেশনার আলোকেই বাংলাদেশ বিশ্বের বিভিন্ন সংঘাতপূর্ণ দেশে শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে সফলভাবে সেনা ও পুলিশ সদস্য প্রেরণ করে আসছে। উদাহরণ ২: মিয়ানমার থেকে বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের আশ্রয়দান। ব্যাখ্যা: আন্তর্জাতিক আইন এবং মানবিক মূল্যবোধকে শ্রদ্ধা জানিয়ে বাংলাদেশ এই সংকট সমাধানের ক্ষেত্রে শান্তিপূর্ণ ও কূটনৈতিক পথ বেছে নিয়েছে, যা পররাষ্ট্রনীতির মূলনীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অনুচ্ছেদ ২২ — এই অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রীয় অঙ্গসমূহ থেকে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণের কথা বলা হয়েছে, যা বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার সঙ্গে সম্পর্কিত। B) অনুচ্ছেদ ২৩ — এই অনুচ্ছেদে জনগণের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ, রক্ষা ও বিকাশের জন্য রাষ্ট্রের দায়িত্বের কথা বলা হয়েছে, যার সঙ্গে বৈদেশিক নীতির কোনো সম্পর্ক নেই। C) অনুচ্ছেদ ২৪ — এই অনুচ্ছেদে ঐতিহাসিক ও জাতীয় গুরুত্বসম্পন্ন স্মারক বা বস্তু সংরক্ষণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যা সংস্কৃতি ও পুরাকীর্তি রক্ষার সঙ্গে জড়িত। D) অনুচ্ছেদ ২৫ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই অনুচ্ছেদেই আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির প্রসারে বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতির মূল ভিত্তি স্পষ্টভাবে বর্ণনা করা হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিগুলো আলোচনা করা হয়েছে এবং ২৫ নম্বর অনুচ্ছেদটি আন্তর্জাতিক সম্পর্কের সঙ্গে যুক্ত। - আন্তর্জাতিক সম্পর্ক মানেই বাইরের দেশ, তাই পর-দেশ বা পররাষ্ট্রনীতি মনে রাখতে ২৫ অনুচ্ছেদকে মাথায় রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই সংবিধানের বিভিন্ন অনুচ্ছেদ থেকে প্রশ্ন আসে, বিশেষ করে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ কোন অনুচ্ছেদে আছে তা গুরুত্বপূর্ণ। - একই বিষয় থেকে অন্য প্রশ্ন আসতে পারে যে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির মূল ভিত্তি কী বা এটি সংবিধানের কত নম্বর ভাগে অবস্থিত।
a ৩টি
b ৪টি
c ৫টি
d ৬টি
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫টি ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী ভারতের রাজ্য হলো মোট ৫টি। রাজ্যগুলো হলো পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, মেঘালয়, ত্রিপুরা ও মিজোরাম। ২. ভৌগোলিক অবস্থান ও সীমান্ত: সীমান্তের দৈর্ঘ্য: বাংলাদেশের মোট আন্তর্জাতিক সীমান্ত হলো ৫১৩৮ কিলোমিটার, যার মধ্যে ভারতের সঙ্গে সীমান্ত হলো ৪১৫৬ কিলোমিটার এবং মিয়ানমারের সঙ্গে সীমান্ত হলো ২৭১ কিলোমিটার। ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী ৫টি রাজ্যের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ সবচেয়ে দীর্ঘ সীমানা ভাগ করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: পশ্চিমবঙ্গ ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের সঙ্গে সবচেয়ে বেশি দীর্ঘ সীমান্ত ভাগ করে এবং এর সঙ্গে বাংলাদেশের আটটি বিভাগের সংযোগ রয়েছে। উদাহরণ ২: ত্রিপুরা ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের তিন দিক থেকে ঘেরা একটি ভারতীয় রাজ্য, যা ভারতের সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩টি - এই সংখ্যাটি ভুল কারণ ভারতের মাত্র তিনটি রাজ্য বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী নয়। B) ৪টি - এই সংখ্যাটি ভুল কারণ ভারতের সীমান্তবর্তী রাজ্য ৪টির বেশি অর্থাৎ ৫টি। C) ৫টি - এটি সঠিক উত্তর এবং ভারতের ৫টি রাজ্য বাংলাদেশের সঙ্গে সীমান্ত ভাগ করে। D) ৬টি - এই সংখ্যাটি ভুল কারণ ভারতের ৬টি রাজ্য বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী রাজ্য ৫টি মনে রাখার সহজ বাক্য হলো ওয়েস্ট বেঙ্গল আসামে মেঘ ও ত্রিপুরায় মিজো দেখল। এখানে ওয়েস্ট বেঙ্গল মানে পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, মেঘ মানে মেঘালয়, ত্রিপুরা এবং মিজো মানে মিজোরাম। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোন ভারতীয় রাজ্য বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী নয়, তাই ৫টি রাজ্যের নাম মুখস্থ রাখা বাধ্যতামূলক। একই বিষয় থেকে প্রশ্ন আসতে পারে ভারতের কোন রাজ্যের সঙ্গে বাংলাদেশের সীমান্ত সবচেয়ে বেশি।
a WTO
b MIGA
c World Bank
d UNCTAD
0 96 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) UNCTAD ১. কেন সঠিক: জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়ন কনফারেন্স বা UNCTAD প্রতি বছর বিশ্ব বিনিয়োগ প্রতিবেদন প্রকাশ করে থাকে। এই প্রতিবেদনে বৈশ্বিক প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ বা এফডিআই পরিস্থিতি এবং বিভিন্ন দেশের বিনিয়োগের প্রবণতা বিশ্লেষণ করা হয়। ২. আন্তর্জাতিক সংস্থা পরিচিতি: সংস্থা: UNCTAD এর পূর্ণরূপ হলো United Nations Conference on Trade and Development. প্রতিষ্ঠা: ১৯৬৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর এই সংস্থাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। সদর দপ্তর: সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে এই সংস্থার সদর দপ্তর অবস্থিত। প্রধান কাজ: উন্নয়নশীল দেশগুলোর আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে অংশগ্রহণ বৃদ্ধি করা এবং বিশ্ব অর্থনীতিতে তাদের সুষম integración নিশ্চিত করা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিশ্ব বিনিয়োগ প্রতিবেদন ব্যাখ্যা: এই প্রতিবেদন থেকে বাংলাদেশসহ উন্নয়নশীল দেশগুলো জানতে পারে বৈশ্বিক বিনিয়োগ প্রবাহ কোন দিকে যাচ্ছে এবং নীতিমালায় কী ধরনের পরিবর্তন আনা প্রয়োজন। উদাহরণ ২: বিশ্ব অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ও সম্ভাবনা প্রতিবেদন ব্যাখ্যা: এটি জাতিসংঘের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকাশনা, যা জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক বিষয়ক বিভাগ প্রকাশ করে থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) WTO — এটি বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা, যা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের নিয়মকানুন তদারকি করে কিন্তু বিশ্ব বিনিয়োগ প্রতিবেদন প্রকাশ করে না। B) MIGA — এটি বিশ্বব্যাংক গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান, যা উন্নয়নশীল দেশগুলোতে বিদেশি বিনিয়োগের জন্য রাজনৈতিক ঝুঁকি বীমা প্রদান করে। C) World Bank — এটি মূলত বিশ্বব্যাংক, যা বিশ্ব উন্নয়ন প্রতিবেদন এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস প্রকাশ করে থাকে। D) UNCTAD — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সংস্থাই আনুষ্ঠানিকভাবে বার্ষিক বিশ্ব বিনিয়োগ প্রতিবেদন প্রকাশ করে। ৫ মনে রাখার টিপস: বিনিয়োগ এবং বাণিজ্য সংক্রান্ত প্রতিবেদনের জন্য UNCTAD নামটি মনে রাখবে। বাণিজ্য ও উন্নয়নের সাথে সরাসরি যুক্ত জাতিসংঘের একমাত্র প্রধান অঙ্গসংস্থা এটি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে UNCTAD এর সদর দপ্তর কোথায়, যার উত্তর হবে জেনেভা। একই ধরনের অন্যান্য প্রতিবেদন যেমন বিশ্ব ব্যাংকের ডুয়িং বিজনেস রিপোর্ট বা বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের বৈশ্বিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা সূচকের সাথে এটি গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
a সুইডেন
b মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
c যুক্তরাজ্য
d জার্মানি
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জার্মানি ১. কেন সঠিক: - ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল একটি আন্তর্জাতিক অলাভজনক সংস্থা যা বিশ্বব্যাপী দুর্নীতি ও সরকারি দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করে। - এই সংস্থাটির সদর দপ্তর জার্মানির বার্লিন শহরে অবস্থিত হওয়ায় এটি জার্মানিভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংস্থা হিসেবে পরিচিত। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: - সংস্থা: ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল (Transparency International - TI) - প্রতিষ্ঠা: ১৯৯৩ সালের ৪ঠা মে - সদর দপ্তর: বার্লিন, জার্মানি - উদ্দেশ্য: বিশ্বব্যাপী দুর্নীতির মাত্রা পরিমাপ করা এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে জনসচেতনতা তৈরি করা। - প্রধান প্রকাশনা: প্রতি বছর প্রকাশিত দুর্নীতি ধারণা সূচক (Corruption Perceptions Index - CPI) অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: দুর্নীতি ধারণা সূচক (CPI) ব্যাখ্যা: এই সূচকের মাধ্যমে বিভিন্ন দেশের সরকারি খাতের দুর্নীতির তুলনামূলক চিত্র তুলে ধরা হয়, যা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: বার্লিন শহর ব্যাখ্যা: জার্মানির রাজধানী বার্লিন কেবল রাজনৈতিক কেন্দ্রই নয়, বরং এটি অনেক বিশ্বমানের আন্তর্জাতিক সংস্থা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের বৈশ্বিক সদর দপ্তর হিসেবে পরিচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুইডেন — এটি একটি স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ, যার রাজধানী স্টকহোম এবং এটি ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের সদর দপ্তর নয়। B) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র — এই দেশটি বিশ্ব রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু হলেও ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের সদর দপ্তর এখানে অবস্থিত নয়। C) যুক্তরাজ্য — লন্ডনে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের মতো বিখ্যাত মানবাধিকার সংস্থার সদর দপ্তর থাকলেও এটি ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের জন্মস্থান বা সদর দপ্তর নয়। D) জার্মানি — এই দেশটি সঠিক কারণ ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের মূল কার্যালয় জার্মানির বার্লিনেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের সদর দপ্তর জার্মানির বার্লিনে। - বার্লিনের 'বা' এবং ট্রান্সপারেন্সির 'বা' মিলিয়ে মনে রাখতে পারো বার্লিন-জার্মানি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল প্রকাশিত দুর্নীতি ধারণা সূচক (CPI) বিসিএস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি টপিক। - একই বিষয় থেকে পরীক্ষাতে সংস্থার পূর্ণরূপ, প্রতিষ্ঠার সাল বা প্রধান কার্যালয় কোথায় তা নিয়ে প্রশ্ন আসতে পারে।
a Weapons of Mass Destruction
b Worldwide Mass Destruction
c Weapons of Missile Defence
d Weapons for Massive Destruction
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Weapons of Mass Destruction ১. কেন সঠিক: - সামরিক ও ভূরাজনৈতিক পরিভাষায় WMD বলতে এমন অস্ত্রকে বোঝায় যা ব্যাপক প্রাণহানি এবং অবকাঠামোর নজিরবিহীন ধ্বংসসাধন করতে সক্ষম। - এই ক্যাটাগরির মধ্যে সাধারণত পারমাণবিক, রাসায়নিক, জৈবিক এবং রেডিওলজিক্যাল অস্ত্র অন্তর্ভুক্ত করা হয়ে থাকে। ২. পারমাণবিক অস্ত্র ও নিরস্ত্রীকরণ: - প্রেক্ষাপট: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর স্নায়ুযুদ্ধের সময় এই ধরনের অস্ত্রের বিস্তার রোধে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক চুক্তি ও কনভেনশন প্রণীত হয়। - উদ্দেশ্য ও গুরুত্ব: বিশ্ব শান্তি রক্ষা এবং মানবসভ্যতাকে সম্পূর্ণ ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য এ ধরনের অস্ত্রের উৎপাদন ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি বা এনপিটি ব্যাখ্যা: এটি এমন একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা বিশ্বে পারমাণবিক অস্ত্রের বিস্তার রোধ এবং নিরস্ত্রীকরণকে ত্বরান্বিত করার উদ্দেশ্যে স্বাক্ষরিত হয়েছিল। উদাহরণ ২: রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন ব্যাখ্যা: এই চুক্তির মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী রাসায়নিক অস্ত্রের উৎপাদন, মজুদ এবং ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Weapons of Mass Destruction - এটি সামরিক পরিভাষায় সর্বজনস্বীকৃত সঠিক উত্তর এবং এর পূর্ণ রূপটি সম্পূর্ণ নির্ভুল। B) Worldwide Mass Destruction - এটি একটি মনগড়া শব্দগুচ্ছ যা সামরিক বা আন্তর্জাতিক সম্পর্কের কোনো দাপ্তরিক পরিভাষায় ব্যবহৃত হয় না। C) Weapons of Missile Defence - এটি মিসাইল বা ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সঙ্গে সম্পর্কিত, যা ধ্বংসাত্মক অস্ত্র বোঝাতে ব্যবহৃত হয় না। D) Weapons for Massive Destruction - শব্দগুলো কাছাকাছি হলেও এটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত কোনো দাপ্তরিক সামরিক পরিভাষা নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - WMD মানে ধ্বংসাত্মক অস্ত্র বোঝায়। - Mass Destruction কথাটি মনে রাখলে সঠিক অপশনটি সহজেই চিহ্নিত করা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - এনপিটি বা বিভিন্ন নিরস্ত্রীকরণ চুক্তি সম্পর্কিত তথ্য ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a ২৫০০
b ১৯৯১
c ১৯৫০
d ১৮৯০
0 55 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯৯১ ১. কেন সঠিক: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে কোনো দলের দলীয় মনোনয়ন পেতে হলে প্রার্থীকে দলীয় জাতীয় সম্মেলনে নির্দিষ্ট সংখ্যক ডেলিগেটের বা প্রতিনিধির সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থন অর্জন করতে হয়। ডেমোক্রেটিক পার্টির বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী দলীয় মনোনয়ন নিশ্চিত করতে হলে সর্বমোট ৩৯৮২ জন ডেলিগেটের মধ্যে অন্তত ১৯৯১ জনের সমর্থন প্রয়োজন হয়। ২. মার্কিন নির্বাচনী প্রক্রিয়া: যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন একটি জটিল ও দীর্ঘ প্রক্রিয়া যার সূচনা হয় প্রাই Caucus ও প্রাইমারি নির্বাচনের মাধ্যমে। দলীয় জাতীয় সম্মেলনে এই ডেলিকেটরা আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের নিজ নিজ রাজ্যের জনগণের রায়ের প্রতিফলন ঘটিয়ে দলের রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী চূড়ান্ত করেন। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: রিপাবলিকান পার্টি ব্যাখ্যা: রিপাবলিকান পার্টির ক্ষেত্রেও দলীয় মনোনয়ন নিশ্চিত করার জন্য অনুরূপভাবে মোট ডেলিগেটের সংখ্যাগরিষ্ঠ বা নির্ধারিত জাদুকরি সংখ্যা অর্জন করতে হয়। উদাহরণ ২: সুপার ডেলিকেট ব্যাখ্যা: ডেমোক্রেটিক পার্টির সম্মেলনে নির্বাচিত ডেলিকেট ছাড়াও কিছু প্রভাবশালী নেতা ও পদাধিকারী ব্যক্তি সুপার ডেলিকেট হিসেবে ভোট প্রদান করেন যা প্রার্থী মনোনয়নে বিশেষ ভূমিকা রাখে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৫০০ — এই সংখ্যাটি ডেমোক্রেটিক দলের মনোনয়নের জন্য নির্ধারিত ন্যূনতম ডেলিগেট সংখ্যার সঙ্গে মিলে না। B) ১৯৯১ — এটি ডেমোক্রেটিক দলের জাতীয় সম্মেলনে মনোনয়ন নিশ্চিত করার সঠিক ও সর্বমোট প্রয়োজনীয় ম্যাজিক ফিগার। C) ১৯৫০ — এই সংখ্যাটি প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠ ডেলিগেট বা প্রার্থীর জয়ের লক্ষ্যমাত্রার সঠিক হিসাব নয়। D) ১৮৯০ — এই সংখ্যাটি ডেমোক্রেটিক পার্টির দলীয় মনোনয়নের জন্য প্রয়োজনীয় ন্যূনতম সমর্থনের সীমা নির্দেশ করে না। ৫ মনে রাখার টিপস: ডেমোক্রেটিক দলের মোট ডেলিকেট সংখ্যা প্রায় চার হাজার এবং এর অর্ধেক অর্থাৎ ঠিক দুই হাজার থেকে নয় কম তথা ১৯৯১ হলো ম্যাজিক সংখ্যা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জয়ী হতে ইলেকটোরাল কলেজ ভোটের সংখ্যা লাগে ২৭০ এবং দলীয় মনোনয়নের জন্য ডেলিগেটের সংখ্যা লাগে ১৯৯১। এই দুটি সংখ্যা বিসিএস ও ব্যাংকের পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
a ECOSOC
b FAO
c WHO
d HRC
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) WHO ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি হলো WHO, কারণ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বিশ্বব্যাপী স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবিলা ও জরুরি পরিস্থিতি ঘোষণার একমাত্র আন্তর্জাতিক কর্তৃপক্ষ। - ২০২০ সালের ১১ মার্চ এই সংস্থাটি করোনা ভাইরাস সংক্রমণকে বিশ্বব্যাপী মহামারি বা প্যানডেমিক হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছিল। ২. আন্তর্জাতিক সংস্থা: - সংস্থা: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা ডব্লিউএইচও (WHO) - প্রতিষ্ঠা: ১৯৪৮ সালের ৭ এপ্রিল - সদর দপ্তর: সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহর - উদ্দেশ্য: আন্তর্জাতিক জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও বৈশ্বিক স্বাস্থ্য সংকটের সমন্বয় সাধন করা ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ২০০৯ সালের সোয়াইন ফ্লু ব্যাখ্যা: ডব্লিউএইচও এর আগেও ইনফ্লুয়েঞ্জা বা সোয়াইন ফ্লু ভাইরাসকে মহামারি হিসেবে ঘোষণা করেছিল। উদাহরণ ২: গুটিবসন্ত নির্মূল ব্যাখ্যা: ডব্লিউএইচও এর সফল প্রচেষ্টায় ১৯৭০ এর দশকে বিশ্ব থেকে গুটিবসন্ত রোগ পুরোপুরি নির্মূল করা সম্ভব হয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ECOSOC — এটি জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ, যা বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের কাজ করে কিন্তু মহামারি ঘোষণা করে না। B) FAO — এটি জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা, যা বিশ্বজুড়ে খাদ্য নিরাপত্তা ও কৃষি উন্নয়নের জন্য কাজ করে। D) HRC — এটি জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদ, যা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার রক্ষা ও সুরক্ষার দায়িত্ব পালন করে থাকে। ৫ মনে রাখার টিপস: - স্বাস্থ্য সম্পর্কিত যেকোনো বৈশ্বিক জরুরি ঘোষণা বা মহামারি নির্ধারণের কাজটি সবসময় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা ডব্লিউএইচও করে থাকে। - সংস্থাটির নাম এবং জেনেভা সদর দপ্তর মনে রাখলে স্বাস্থ্য বিষয়ক অনেক প্রশ্নের উত্তর সহজে মেলানো সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস কবে পালিত হয় এবং ডব্লিউএইচও এর বর্তমান সদস্য দেশ কতটি, তা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। - এই প্রশ্নটি থেকে মহামারি ঘোষণার এখতিয়ার কোন সংস্থার, তা স্পষ্টভাবে জানা যায়।
a ১৯৪৪ সালে
b ১৯৪৫ সালে
c ১৯৪৮ সালে
d ১৯৪৯ সালে
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯৪৫ সালে ১. কেন সঠিক: আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা আইএমএফ আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে এবং চুক্তি কার্যকর হয় ১৯৪৫ সালের ২৭ ডিসেম্বর। ব্রেটন উডস সম্মেলনের প্রস্তাবনার ভিত্তিতে ১৯৪৪ সালে এই সংস্থা গঠনের সিদ্ধান্ত হলেও, আইএমএফের জন্মতারিখ হিসেবে ১৯৪৫ সালকে ধরা হয়। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: সংস্থা: আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা আইএমএফ (IMF) প্রতিষ্ঠা ও কার্যকর: ১৯৪৪ সালের জুলাই মাসে ব্রটন উডস সম্মেলনে চুক্তি হয় এবং ১৯৪৫ সালের ২৭ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে গঠিত হয়। সদর দপ্তর: ওয়াশিংটন ডিসি, যুক্তরাষ্ট্র উদ্দেশ্য: বৈশ্বিক আর্থিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের প্রসার এবং সদস্য দেশগুলোর অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলায় ঋণ সহায়তা প্রদান। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিশ্বব্যাংক (World Bank) ব্যাখ্যা: আইএমএফের মতোই বিশ্বব্যাংকও ১৯৪৪ সালের ব্রেটন উডস সম্মেলনের মাধ্যমে এবং ১৯৪৫ সালে গঠিত হয়, যা এই অর্থনৈতিক কাঠামোর জোড়া স্তম্ভ নামে পরিচিত। উদাহরণ ২: আইএমএফের ঋণ সহায়তা ব্যাখ্যা: কোনো দেশ বৈদেশিক মুদ্রার সংকটে পড়লে আইএমএফ শর্ত সাপেক্ষে ঋণ প্রদান করে, যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক ধারণা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৪৪ সালে — এটি সেই বছর যখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ব্রেটন উডস সম্মেলনে আইএমএফ গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, তবে সংস্থাটি আনুষ্ঠানিকভাবে গঠিত হয় ১৯৪৫ সালে। B) ১৯৪৫ সালে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই বছরের ২৭ ডিসেম্বর আইএমএফ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয় ও এর কার্যক্রম শুরু হয়। C) ১৯৪৮ সালে — এই সালে জাতিসংঘ সম্পর্কিত বিশেষায়িত সংস্থা হিসেবে ডব্লিউএইচও বা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা গঠিত হয়, যা আইএমএফের প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) ১৯৪৯ সালে — এই সালে সামরিক জোট ন্যাটো গঠিত হয়, যা অর্থনৈতিক সংস্থার পরিবর্তে একটি সামরিক ও প্রতিরক্ষা জোট। ৫ মনে রাখার টিপস: ব্রেটন উডস সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৪৪ সালে। আর আইএমএফ গঠিত হয় তার পরের বছর অর্থাৎ ১৯৪৫ সালে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: আইএমএফ এবং বিশ্বব্যাংককে ব্রেটন উডস টুইনস বা জমজ প্রতিষ্ঠান বলা হয়। পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে যে ব্রেটন উডস সম্মেলন কবে অনুষ্ঠিত হয়েছিল বা আইএমএফের সদর দপ্তর কোথায়।
a জিব্রাল্টার প্রণালী
b বসফরাস প্রণালী
c বাব এল মান্দেব প্রণালী
d বেরিং প্রণালী
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বাব এল মান্দেব প্রণালী ১. কেন সঠিক: বাব এল মান্দেব প্রণালী এশিয়া মহাদেশের আরব উপদ্বীপের ইয়েমেন দেশকে আফ্রিকা মহাদেশের জিবুতি ও ইরিত্রিয়া দেশ থেকে পৃথক করেছে। এটি একই সঙ্গে লোহিত সাগরকে ভারত মহাসাগরের এডেন উপসাগরের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে যা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২. ভূরাজনৈতিক গুরুত্ব: জলপথ: এটি মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপের মধ্যকার সমুদ্র বাণিজ্যের অন্যতম প্রধান রুট হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাণিজ্য: সুয়েজ খালের মাধ্যমে ইউরোপে যাতায়াতকারী তেলবাহী জাহাজগুলোর জন্য এটি একটি অপরিহার্য কৌশলগত পথ। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: হরমুজ প্রণালী ব্যাখ্যা: এটি পারস্য উপসাগরকে ওমান উপসাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে এবং মধ্যপ্রাচ্যের তেল বাণিজ্যে এর ভূমিকা অপরিসীম। উদাহরণ ২: মালাক্কা প্রণালী ব্যাখ্যা: এটি এশিয়ার দুটি প্রধান দেশ মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়ার মাঝে অবস্থিত এবং এটি ভারত মহাসাগরকে প্রশান্ত মহাসাগরের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জিব্রাল্টার প্রণালী — এটি আফ্রিকা মহাদেশকে ইউরোপ মহাদেশ থেকে পৃথক করেছে এবং আটলান্টিক মহাসাগরকে ভূমধ্যসাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে। B) বসফরাস প্রণালী — এটি তুরস্কের ইস্তামুল শহরে অবস্থিত এবং এটি কৃষ্ণ সাগরকে মারমারা সাগরের সঙ্গে যুক্ত করে এশিয়া ও ইউরোপকে পৃথক করেছে। D) বেরিং প্রণালী — এটি এশিয়া মহাদেশকে উত্তর আমেরিকা মহাদেশ থেকে পৃথক করেছে এবং প্রশান্ত মহাসাগরকে উত্তর মহাসাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে। ৫ মনে রাখার টিপস: বাব এল মান্দেব নামটি মনে রাখতে পারেন কান্না বা দ্বার শব্দের সঙ্গে মিলিয়ে কারণ এটি লোহিত সাগরের প্রবেশদ্বার। এশিয়া ও আফ্রিকার মাঝে লোহিত সাগরের সংযোগস্থলে এই প্রণালীর অবস্থান সহজে মনে রাখা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রণালী সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে তাই কোন প্রণালী কোন দুটি জলরাশিকে যুক্ত করেছে তা মুখস্থ রাখতে হবে। একইভাবে কোন প্রণালী কোন ভূখণ্ডকে পৃথক করেছে তা নোট করে পড়লে পরীক্ষায় সহজেই উত্তর করা সম্ভব।
a ডেনমার্ক
b নরওয়ে
c জার্মানি
d সিঙ্গাপুর
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ডেনমার্ক ১. কেন সঠিক: - ডেনমার্ক ২০২০ সালের আইনের শাসন সূচকে শীর্ষস্থান অর্জন করেছিল কারণ দেশটিতে স্বাধীন বিচারব্যবস্থা এবং দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন রয়েছে। - এই সূচকটি প্রকাশ করে ওয়ার্ল্ড জাস্টিস প্রজেক্ট যা বিশ্বব্যাপী আইনের শাসনের মান মূল্যায়ন করে থাকে। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: - দেশ: ডেনমার্ক উত্তর ইউরোপের একটি স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ যার রাজধানী কোপেনহেগেন। - গুরুত্ব: সুশাসন, কম দুর্নীতি এবং নাগরিক অধিকার সুরক্ষায় দেশটি বিশ্বজুড়ে শীর্ষস্থানীয় অবস্থান বজায় রাখে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: নিউজিল্যান্ড ব্যাখ্যা: বিভিন্ন সুশাসন ও দুর্নীতি হ্রাস সূচকেও এই দেশটি শীর্ষস্থানীয় অবস্থান ধরে রাখে যা ডেনমার্কের সমকক্ষ। উদাহরণ ২: ফিনল্যান্ড ব্যাখ্যা: সুশাসন এবং আইনের শাসনের ক্ষেত্রে ইউরোপের এই দেশটি ডেনমার্কের মতোই বরাবরই উচ্চ অবস্থান অর্জন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডেনমার্ক — এটি ২০২০ সালের আইনের শাসন সূচকে শীর্ষস্থান অর্জনকারী সঠিক দেশ। B) নরওয়ে — এটি এই সূচকে শীর্ষস্থানে না থাকলেও অন্যান্য মানব উন্নয়ন ও গণতন্ত্র সূচকে প্রায়ই শীর্ষে থাকে। C) জার্মানি — এটি ইউরোপের শক্তিশালী দেশ হলেও এই নির্দিষ্ট সূচকে শীর্ষস্থান অর্জন করেনি। D) সিঙ্গাপুর — এটি এশিয়ায় আইনের শাসনের জন্য পরিচিত হলেও বিশ্ব সূচকে ডেনমার্কের পেছনে ছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: - আইনের শাসন বা সুশাসন সূচকে সাধারণত স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশগুলো শীর্ষে থাকে যার মধ্যে ডেনমার্ক প্রধান। - আইনের শাসন সূচক প্রকাশের দায়িত্বে থাকা সংস্থার নাম ওয়ার্ল্ড জাস্টিস প্রজেক্ট তা মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সূচকে শীর্ষ দেশগুলোর নাম বিসিএস ও ব্যাংক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - এই প্রশ্ন থেকে ওয়ার্ল্ড জাস্টিস প্রজেক্ট এবং আইনের শাসন সূচক সম্পর্কিত তথ্য বারবার পরীক্ষায় আসতে পারে।
a নাইজেরিয়া
b গাম্বিয়া
c বাংলাদেশ
d আলজেরিয়া
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গাম্বিয়া ১. কেন সঠিক: - গাম্বিয়া ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থার (OIC) পক্ষে আন্তর্জাতিক আদালতে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে রোহিঙ্গাদের ওপর জাতিগত নিধন ও গণহত্যার অভিযোগে মামলাটি দায়ের করে। - ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর আফ্রিকার দেশ গাম্বিয়ার তৎকালীন আইনমন্ত্রী ও বিচারক আবুবকর মারমাদুব তাম্বাদু জাতিসংঘের সর্বোচ্চ বিচারালয় আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (ICJ) এই মামলাটি করেন। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: - সংস্থা: আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (ICJ) জাতিসংঘের প্রধান বিচার বিভাগীয় অঙ্গ এবং নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে এর সদর দপ্তর অবস্থিত। - প্রেক্ষাপট: ২০১৭ সালে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে দেশটির সামরিক বাহিনী নৃশংস সহিংসতা চালালে সাত লক্ষাধিক রোহিঙ্গা বাধ্য হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। - উদ্দেশ্য: মিয়ানমার কর্তৃক ১৯৪৮ সালের আন্তর্জাতিক গণহত্যা কনভেনশন লঙ্ঘনের অভিযোগে এই বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয় এবং আন্তর্জাতিক অপরাধের দায়মুক্তি রোধ করা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: সার্বিয়ার বিরুদ্ধে বসনিয়ার মামলা। ব্যাখ্যা: ১৯৯৩ সালে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা সার্বিয়ার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে গণহত্যা কনভেনশন লঙ্ঘনের অভিযোগে মামলা করেছিল, যা রোহিঙ্গা মামলার ক্ষেত্রে একটি ঐতিহাসিক আইনি দৃষ্টান্ত হিসেবে কাজ করেছে। উদাহরণ ২: আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (ICC)। ব্যাখ্যা: আইসিজে (ICJ) রাষ্ট্রসমূহের মধ্যে বিরোধ নিষ্পত্তি করে, আর আইসিসি (ICC) যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য ব্যক্তিবিশেষের বিচার করে, যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই গুলিয়ে ফেলা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নাইজেরিয়া — এটি আফ্রিকার বৃহত্তম জনবহুল দেশ এবং তেলসমৃদ্ধ রাষ্ট্র হলেও মিয়ানমারের বিরুদ্ধে আদালতে কোনো মামলা করেনি। B) গাম্বিয়া — এটি সঠিক উত্তর, কারণ ক্ষুদ্র মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ এই দেশটি মানবাধিকার সুরক্ষায় ওআইসির আইনি দলের নেতৃত্ব দিয়ে মামলাটি সফলভাবে পরিচালনা করেছে। C) বাংলাদেশ — রোহিঙ্গাদের প্রধান আশ্রয়দাতা দেশ হওয়া সত্ত্বেও কূটনৈতিক বাধ্যবাধকতা এবং আন্তর্জাতিক কূটনীতির অংশ হিসেবে বাংলাদেশ সরাসরি মামলা না করে ওআইসিকে সঙ্গে নিয়ে গাম্বিয়াকে আইনি ও তথ্যগত সহায়তা প্রদান করেছে। D) আলজেরিয়া — এটি উত্তর আফ্রিকার একটি প্রভাবশালী আরব রাষ্ট্র হলেও মিয়ানমার সরকারের বিরুদ্ধে এই নির্দিষ্ট গণহত্যা মামলা করার ক্ষেত্রে কোনো ভূমিকা রাখেনি। ৫. মনে রাখার টিপস: - মিয়ানমার মামলার ক্ষেত্রে জি ফর গাম্বিয়া এবং জি ফর জেনোসাইড বা গণহত্যা এভাবে মিলিয়ে মনে রাখতে পারো। - দক্ষিণ এশিয়ার বাইরে থেকে একটি ছোট আফ্রিকান দেশ গাম্বিয়া রোহিঙ্গাদের পক্ষে লড়ছে, এই অনন্য তথ্যটি মনে রাখলেই উত্তর সহজ হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - আন্তর্জাতিক আদালতে রোহিঙ্গা গণহত্যার মামলাটি কোন দেশের উদ্যোগে করা হয়েছে, তা বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (ICJ) কোথায় অবস্থিত এবং এর বিচারকদের কার্যকাল কত বছর, তা এই টপিক থেকে জেনে রাখা দরকার।
a রুয়ান্ডা
b সিয়েরা লিয়ন
c সুদান
d লাইবেরিয়া
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সিয়েরা লিয়ন ১. কেন সঠিক: সিয়েরা লিয়ন ২০০২ সালে বাংলাকে তাদের অন্যতম সরকারি ভাষা বা সম্মানসূচক রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা দেয়। দেশটিতে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী বাংলাদেশি সেনারা এই ঐতিহাসিক স্বীকৃতির পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: দেশ: সিয়েরা লিয়ন, পশ্চিম আফ্রিকার একটি রাষ্ট্র যার রাজধানী ফ্রিটাউন। প্রেক্ষাপট: গৃহযুদ্ধের পর শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য সেখানে বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীরা কাজ করেন এবং স্থানীয়দের সঙ্গে গভীর সম্পর্ক গড়ে তোলেন। গুরুত্ব: বাংলা ভাষার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি এবং বিশ্বমঞ্চে বাঙালির আত্মত্যাগের ইতিহাসে এটি একটি অনন্য মাইলফলক। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ইউনেস্কো ব্যাখ্যা: ২১ শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে বাংলা ভাষার মর্যাদা সারা বিশ্বে ছড়িয়ে দেয়। উদাহরণ ২: বাংলাদেশ ও জাতিসংঘ ব্যাখ্যা: শান্তিরক্ষী বাহিনীতে বাংলাদেশের সক্রিয় অংশগ্রহণ বিশ্ববাসীর কাছে দেশের সুনাম এবং সংস্কৃতির পরিচিতি বাড়িয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রুয়ান্ডা — এটি পূর্ব আফ্রিকার দেশ, যা বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা দেয়নি তবে এর রাজধানী কিগালি। B) সিয়েরা লিয়ন — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি ২০০২ সালে বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা দিয়েছে। C) সুদান — এটি উত্তর আফ্রিকার একটি দেশ, যা বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা প্রদান করেনি। D) লাইবেরিয়া — এটি পশ্চিম আফ্রিকার দেশ এবং এর প্রধান ভাষা ইংরেজি, বাংলা ভাষা এখানে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা পায়নি। ৫. মনে রাখার টিপস: সিয়েরা লিয়নের নাম মনে রাখলে মনে রাখবে এটি সেই দেশ যা বাংলাদেশিদের ভালোবাসার টানে বাংলাকে সম্মান জানিয়েছে। মনে রাখবে আফ্রিকার পশ্চিম অংশের এই দেশটি শান্তিরক্ষী অবদানের কারণে বাংলা ভাষার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ভাষার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি সংক্রান্ত প্রশ্ন বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। সিয়েরা লিয়নের রাজধানী ও মুদ্রার নাম জেনে রাখা ব্যাংক ও প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত উপযোগী।
a রুজভেল্ট
b স্টালিন
c চার্চিল
d দ্যা গল
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রুজভেল্ট ১. কেন সঠিক: জাতিসংঘ (United Nations) নামটি আনুষ্ঠানিকভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট প্রথম প্রস্তাব করেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মিত্রশক্তিকে একত্রিত করতে এবং বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে তিনি এই নামকরণ করেন। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: সংস্থা: জাতিসংঘ বা United Nations একটি আন্তর্জাতিক শান্তি রক্ষা সংস্থা। প্রতিষ্ঠা: ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়। সদর দপ্তর: নিউইয়র্ক শহর, যুক্তরাষ্ট্র। প্রেক্ষাপট: ১৯৪২ সালের ১ জানুয়ারি ওয়াশিংটন ঘোষণায় প্রথম জাতিসংঘ নামটি আনুষ্ঠানিকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: আটলান্টিক সনদ ব্যাখ্যা: ১৯৪১ সালে রুজভেল্ট ও চার্চিলের মধ্যে স্বাক্ষরিত এই সনদের মাধ্যমেই আধুনিক জাতিসংঘ গঠনের পথ সুগম হয়েছিল। উদাহরণ ২: ইয়াাল্টা সম্মেলন ব্যাখ্যা: ১৯৪৫ সালে অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনে জাতিসংঘের স্থায়ী সদস্য দেশগুলোর ভেটো ক্ষমতা চূড়ান্ত করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রুজভেল্ট — ইনি সঠিক উত্তর কারণ তিনি ১৯৪২ সালে প্রথম জাতিসংঘ নামটি ব্যবহার করেন। B) স্টালিন — ইনি তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের রাষ্ট্রপ্রধান ছিলেন এবং বিশ্বযুদ্ধে মিত্রশক্তিকে নেতৃত্ব দেন। C) চার্চিল — ইনি যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন এবং আটলান্টিক সনদে রুজভেল্টের সাথে স্বাক্ষর করেন। D) দ্যা গল — ইনি ফ্রি ফ্রান্সের নেতা ও পরবর্তীকালে ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতি ছিলেন, জাতিসংঘের নামকরণে সরাসরি ভূমিকা রাখেননি। ৫ মনে রাখার টিপস: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট রুজভেল্ট নাম দিয়ে বিশ্বকে যুক্ত করেছিলেন জাতিসংঘে। এভাবে রুজভেল্ট ও যুক্ত শব্দ দুটি মিলিয়ে খুব সহজে মনে রাখা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার পর এর প্রথম মহাসচিব ছিলেন নরওয়ের ট্রিগভে লি। একই বিষয় থেকে জাতিসংঘের বর্তমান মহাসচিব বা সদর দপ্তর সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই পরীক্ষায় আসে।
a সৌদি আরব
b মালয়েশিয়া
c পাকিস্তান
d তুরস্ক
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) তুরস্ক ১. কেন সঠিক: - তুরস্ক বিশ্বের একমাত্র মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ যা উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা বা ন্যাটোর পূর্ণ সদস্য হিসেবে যুক্ত রয়েছে। - ১৯৫২ সালে গ্রিসের সঙ্গে যৌথভাবে কৌশলগত ভূরাজনৈতিক ও নিরাপত্তার কারণে দেশটি ন্যাটোর সদস্যপদ লাভ করে। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: - সংস্থা: ন্যাটো বা নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি অর্গানাইজেশন একটি আন্তঃসরকারি সামরিক জোট। - প্রতিষ্ঠা: ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল ওয়াশিংটন চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে এটি গঠিত হয়। - সদর দপ্তর: বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে এই জোটের প্রধান কার্যালয় অবস্থিত। - গুরুত্ব: জোটের মূল ভিত্তি হলো পারস্পরিক প্রতিরক্ষার নীতি যা এর ৫ নম্বর অনুচ্ছেদে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: গ্রিস ব্যাখ্যা: ১৯৫২ সালে তুরস্কের সঙ্গেই গ্রিসও একই ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ন্যাটোর সদস্যপদ লাভ করেছিল। উদাহরণ ২: সুইডেন ও ফিনল্যান্ড ব্যাখ্যা: রাশিয়া ও ইউক্রেন যুদ্ধের পর নিরাপত্তার কারণে এই দুটি দেশ সাম্প্রতিক সময়ে ন্যাটোর সদস্য হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সৌদি আরব — এটি মধ্যপ্রাচ্যের একটি প্রভাবশালী মুসলিম দেশ কিন্তু এটি ন্যাটোর সদস্য নয়। B) মালয়েশিয়া — এটি দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার একটি মুসলিম প্রধান দেশ এবং কমনওয়েলথের সদস্য। C) পাকিস্তান — এটি দক্ষিণ এশিয়ার পারমাণবিক শক্তিধর মুসলিম দেশ কিন্তু ন্যাটোর সদস্য নয়। D) তুরস্ক — এটি সঠিক উত্তর কারণ দেশটি ১৯৫২ সাল থেকে ন্যাটোর সদস্য হিসেবে রয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - ন্যাটোর একমাত্র মুসলিম দেশ মনে রাখতে 'তুর্কি সেনা' বা 'তুরস্ক' শব্দ দুটি মনে রাখতে পারো। - অন্যান্য মুসলিম দেশগুলো ওআইসি বা আরব লীগের মতো জোটে থাকলেও ন্যাটোতে একমাত্র ব্যতিক্রম হলো তুরস্ক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ন্যাটো সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - জোটটির বর্তমান সদস্যসংখ্যা এবং সর্বশেষ সদস্য দেশ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখা জরুরি।
a ১৯৪৫ সালে
b ১৯৪৯ সালে
c ১৯৪৮ সালে
d ১৯৫১ সালে
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯৪৯ সালে ১. কেন সঠিক: - উত্তরটি সঠিক কারণ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রভাব বিস্তার রোধ করতে পশ্চিমা দেশগুলো সামরিক জোট গঠন করে। - এই ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় মিত্রদের উদ্যোগে ১৯৪৯ সালে এই সামরিক জোট আত্মপ্রকাশ করে। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: - সংস্থা: নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি অর্গানাইজেশন বা ন্যাটো একটি সামরিক জোট। - প্রতিষ্ঠা/তারিখ: ৪ এপ্রিল ১৯৪৯ সালে ওয়াশিংটন ডি সি তে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। - স্থান/সদর দপ্তর: এর সদর দপ্তর বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে অবস্থিত। - উদ্দেশ্য/গুরুত্ব: জোটের মূল উদ্দেশ্য সদস্য রাষ্ট্রগুলোর স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা যৌথভাবে রক্ষা করা। - ফলাফল/প্রভাব: এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিল বারোটি দেশ এবং বর্তমানে এর সদস্য সংখ্যা বত্রিশটি। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ১৯৫৫ সালের ওয়ারশ প্যাক্ট ব্যাখ্যা: ন্যাটোর প্রতিক্রিয়ায় সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে সমাজতান্ত্রিক দেশগুলো এই সামরিক জোট গঠন করেছিল। উদাহরণ ২: সুইডেন ও ফিনল্যান্ড এর সদস্যপদ লাভ ব্যাখ্যা: সাম্প্রতিক সময়ে ফিনল্যান্ড ও সুইডেন ন্যাটোর সদস্য হওয়ায় বৈশ্বিক ভূরাজনীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৪৫ সালে — এই বছরে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হয় এবং জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়। B) ১৯৪৯ সালে — এই অপশনটি সঠিক এবং এই বছরেই ন্যাটো চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। C) ১৯৪৮ সালে — এই বছরে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ও ই ই সি গঠিত হয়। D) ১৯৫১ সালে — এই বছরে ইউরোপীয় কয়লা ও ইস্পাত সম্প্রদায় গঠিত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: ১৯৪৯ সালটি মনে রাখতে পারেন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের চার বছর পরের ঘটনা হিসেবে। ন্যাটো প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে স্নায়ুযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সূচনা ঘটেছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পরীক্ষায় প্রায়ই ন্যাটোর সদর দপ্তর ও বর্তমান সদস্য সংখ্যা সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। সুইডেন ন্যাটোর সর্বশেষ সদস্য হিসেবে যুক্ত হয়েছে।
a অ্যানেগরেট ক্রাম্প
b লিনা হেডরিচ
c অ্যাঞ্জেলা মারকেল
d পেট্রা কেলি
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অ্যাঞ্জেলা মারকেল ১. কেন সঠিক: - অ্যাঞ্জেলা মারকেল ২০০৫ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ ১৬ বছর জার্মানির চ্যান্সেলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং তিনি দেশটির ইতিহাসের প্রথম নারী চ্যান্সেলর। - বিশ্ব রাজনীতিতে প্রভাবশালী এই নেত্রী জার্মানির ক্রিশ্চিয়ান ডেমোক্রেটিক ইউনিয়ন দলের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাজনীতিতে প্রধান ভূমিকা রেখেছিলেন। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: - দেশ/সংস্থা: জার্মানি একটি ইউরোপীয় দেশ, যার রাজধানী বার্লিন এবং মুদ্রার নাম ইউরো। - প্রেক্ষাপট: ২০০৫ সালের নির্বাচনে জয়লাভ করার পর তিনি জার্মানির প্রথম নারী সরকারপ্রধান হিসেবে ক্ষমতা গ্রহণ করেন এবং আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে অত্যন্ত প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব হয়ে ওঠেন। - উদ্দেশ্য/গুরুত্ব: তার শাসনামলে জার্মানি ইউরোপের সবচেয়ে শক্তিশালী অর্থনীতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং তিনি ইউরোজোন সংকট ও অভিবাসী সংকট মোকাবেলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: থেরেসা মে ব্যাখ্যা: তিনি যুক্তরাজ্যের দ্বিতীয় নারী প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, যা থেকে শিক্ষার্থীরা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শীর্ষ পদে নারীদের রাজনৈতিক ভূমিকা সম্পর্কে ধারণা পায়। উদাহরণ ২: জেসিন্ডা আরডার্ন ব্যাখ্যা: তিনি নিউজিল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, যিনি বিশ্বজুড়ে তার মানবিক নেতৃত্ব ও সংকটে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য পরিচিত ছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অ্যানেগরেট ক্রাম্প — ইনি জার্মানির ক্রিশ্চিয়ান ডেমোক্রেটিক ইউনিয়নের সাবেক নেত্রী হলেও দেশের প্রথম নারী চ্যান্সেলর ছিলেন না। B) লিনা হেডরিচ — ইনি কোনো রাষ্ট্রপ্রধান বা চ্যান্সেলর নন, বরং একজন ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্বের পরিচিতির সঙ্গে যুক্ত। C) অ্যাঞ্জেলা মারকেল — ইনি জার্মানির প্রথম নারী চ্যান্সেলর এবং দীর্ঘ মেয়াদে দেশ পরিচালনা করেছেন। D) পেট্রা কেলি — ইনি জার্মানির একজন বিখ্যাত গ্রিন পার্টির রাজনৈতিক ও পরিবেশকর্মী ছিলেন, চ্যান্সেলর ছিলেন না। ৫ মনে রাখার টিপস: - জার্মানির প্রথম নারী চ্যান্সেলর মনে রাখতে মারকেল নামের সাথে এম অক্ষরটি মাথায় রাখতে পারো, যা নারী শক্তির প্রতীক হিসেবে মনে রাখা সহজ। - বর্তমান ও সাবেক বিশ্বনেতাদের নামের তালিকা আলাদা করে পড়লে এমন প্রশ্নে বিভ্রান্তি এড়ানো যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিশ্বনেতা ও প্রথম নারী রাষ্ট্রপ্রধান সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - একই বিষয় থেকে জার্মানির বর্তমান চ্যান্সেলর কে বা ইউরোপের প্রভাবশালী অর্থনীতি কোন দেশের, এই ধরনের প্রশ্ন আসতে পারে।
a ৩টি
b ২টি
c ৫টি
d ৪টি
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৪টি ১. কেন সঠিক: আন্তর্জাতিক বিচার আদালত বা আইসিজে ২০১৯ সালের নভেম্বরে গাম্বিয়ার দায়ের করা মামলায় মিয়ানমারকে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর সুরক্ষায় চারটি সুনির্দিষ্ট অস্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেয়। এই নির্দেশগুলোর উদ্দেশ্য ছিল মিয়ানমারে অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতন ও গণহত্যা প্রতিরোধ করা এবং অপরাধের প্রমাণ ধ্বংস করা রোধ করা। ২. আন্তর্জাতিক আদালত সম্পর্কিত তথ্য: প্রতিষ্ঠান: আন্তর্জাতিক বিচার আদালত বা আইসিজে হলো জাতিসংঘের প্রধান বিচার বিভাগীয় অঙ্গ। প্রতিষ্ঠা ও সদর দপ্তর: এটি ১৯৪৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর সদর দপ্তর নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগ শহরের পিস প্যালেসে অবস্থিত। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: গাম্বিয়া বনাম মিয়ানমার মামলা ব্যাখ্যা: ওআইসির পক্ষে আফ্রিকার দেশ গাম্বিয়া আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে রোহিঙ্গা হত্যা ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে এই মামলা করে। উদাহরণ ২: বসনিয়া বনাম সার্বিয়া মামলা ব্যাখ্যা: আইসিজে এর আগেও ১৯৯৫ সালের স্রেব্রেনিকা গণহত্যার মামলায় সার্বিয়াকে গণহত্যা প্রতিরোধে ব্যর্থতার জন্য দায়ী করেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩টি — এই সংখ্যাটি আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের রায়ের ক্ষেত্রে সঠিক নয় কারণ আদালত মোট চারটি আলাদা বাধ্যবাধকতা বা নির্দেশ দিয়েছিল। B) ২টি — দুটি নির্দিষ্ট ব্যবস্থার কথা বলা হলেও আদালতের চূড়ান্ত অন্তর্বর্তীকালীন আদেশে সুনির্দিষ্টভাবে চারটি নির্দেশ অন্তর্ভুক্ত ছিল। C) ৫টি — আদালতের আদেশে ৫টি নয় বরং ৪টি নির্দিষ্ট পদক্ষেপ বা ব্যবস্থার কথা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছিল। D) ৪টি — এই সংখ্যাটি সঠিক কারণ আদালত মিয়ানমারকে গণহত্যা প্রতিরোধ, প্রমাণ সংরক্ষণ, সামরিক বাহিনীকে নিবৃত করা এবং এক মাসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেয়। ৫. মনে রাখার টিপস: রোহিঙ্গা গণহত্যা মামলার বিচারিক আদেশের সংখ্যা মনে রাখতে চার অঙ্কের সংখ্যাটি মনে রাখতে পারো। আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে মিয়ানমারকে দেওয়া অন্তর্তালীন ব্যবস্থার মোট নির্দেশ ছিল চারটি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: আন্তর্জাতিক বিচার আদালত জাতিসংঘের ছয়টি প্রধান অঙ্গের মধ্যে একমাত্র সংস্থা যার সদর দপ্তর নিউইয়র্কে অবস্থিত নয়। এই ধরনের প্রশ্নে সাধারণত মামলার বাদী দেশ গাম্বিয়া এবং আদালতের নাম আইসিজে সম্পর্কে প্রশ্ন আসতে পারে।
a ক্যামেরুন এবং ইথিওপিয়া
b পেরু এবং ভেনেজুয়েলা
c ইথিওপিয়া এবং ইরিত্রিয়া
d মালি এবং সেনেগাল
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ইথিওপিয়া এবং ইরিত্রিয়া ১. কেন সঠিক: - ইথিওপিয়া ও ইরিত্রিয়ার দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে চলা সীমান্ত বিরোধ ও রক্তক্ষয়ী সংঘাতের অবসান ঘটানোর জন্য ২০১৯ সালে ইথিওপিয়ার প্রধানমন্ত্রী আবি আহমেদকে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার প্রদান করা হয়। - দুই দেশের মধ্যে ঐতিহাসিক শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার ফলে দীর্ঘদিনের বৈরিতা দূর হয় এবং আঞ্চলিক শান্তি প্রতিষ্ঠার পথ সুগম হয়। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও গুরুত্ব: - দেশ/অঞ্চল: হর্ন অব আফ্রিকা বা আফ্রিকার শিং অঞ্চল। - পটভূমি: ১৯৯৩ সালে ইথিওপিয়া থেকে আলাদা হয়ে স্বাধীন হয় ইরিত্রিয়া। এর ফলে ইথিওপিয়া ভূবেষ্টিত রাষ্ট্রে পরিণত হয় এবং পরবর্তীতে সীমান্ত নির্ধারণ নিয়ে ১৯৯৮ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত ভয়াবহ যুদ্ধ সংঘটিত হয়। - চুক্তি: ২০১৮ সালের জুলাই মাসে দুই দেশের মধ্যে যৌথ ঘোষণাপত্র স্বাক্ষরিত হয় এবং সীমান্ত বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান ঘটে। - গুরুত্ব: দীর্ঘ সংঘাতের অবসান ঘটিয়ে প্রতিবেশী দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনঃস্থাপনের স্বীকৃতি হিসেবে এই নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ডেটন শান্তি চুক্তি ব্যাখ্যা: ১৯৯৫ সালে বসনিয়া যুদ্ধের অবসান ঘটাতে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, যা আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে দীর্ঘমেয়াদী সংঘাত নিরসনের একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। উদাহরণ ২: কলম্বিয়া শান্তি চুক্তি ব্যাখ্যা: ২০১৬ সালে কলম্বিয়া সরকার ও ফার্ক গেরিলাদের দীর্ঘ অর্ধশত বছরের গৃহযুদ্ধের অবসান ঘটায়, যার জন্য তৎকালীন প্রেসিডেন্ট হুয়ান ম্যানুয়েল সান্তোস নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক্যামেরুন এবং ইথিওপিয়া — এই দুটি দেশের মধ্যে ২০১৯ সালে নোবেল পুরস্কার পাওয়ার মতো কোনো ঐতিহাসিক সীমান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির ঘটনা ঘটেনি। B) পেরু এবং ভেনেজুয়েলা — এই দেশদুটি দক্ষিণ আমেরিকায় অবস্থিত এবং এদের মধ্যে নোবেল পুরস্কার অর্জিত হওয়ার মতো কোনো সীমান্ত চুক্তি হয়নি। D) মালি এবং সেনেগাল — পশ্চিম আফ্রিকার এই দেশদুটির মধ্যে সীমান্ত বিরোধের কারণে ২০১৯ সালে কোনো আন্তর্জাতিক শান্তি পুরস্কার প্রদানের ঘটনা ঘটেনি। ৫ মনে রাখার টিপস: - ২০১৯ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী আবি আহমেদ ইথিওপিয়ার প্রধানমন্ত্রী। - আফ্রিকার দুটি প্রতিবেশী দেশ ইথিওপিয়া ও ইরিত্রিয়া দীর্ঘ যুদ্ধ শেষে শান্তি ফেরানোর জন্য এই স্বীকৃতি পায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রশ্নটি আন্তর্জাতিক পুরস্কার ও সীমান্ত বিরোধ সম্পর্কিত তথ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - এই একই বিষয় থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে, ২০১৯ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী আবি আহমেদ কোন দেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।
a দক্ষিণ আমেরিকা
b আফ্রিকা
c মধ্যপ্রাচ্য
d ইউরােপ
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দক্ষিণ আমেরিকা ১. কেন সঠিক: ইনকা সভ্যতা মূলত দক্ষিণ আমেরিকার আন্দিজ পর্বতমালা অঞ্চলে গড়ে উঠেছিল। পঞ্চদশ শতাব্দীতে এটি তৎকালীন বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ও উন্নত সাম্রাজ্যে পরিণত হয়। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: দেশ/অঞ্চল: দক্ষিণ আমেরিকা, বিশেষ করে বর্তমান পেরু, চিলি, ইকুয়েডর ও বলিভিয়া। প্রেক্ষাপট: ত্রয়োদশ শতাব্দী থেকে ষোড়শ শতাব্দী পর্যন্ত এই অঞ্চলে ইনকাদের শক্তিশালী সাম্রাজ্য ছিল। উদ্দেশ্য/গুরুত্ব: উন্নত কৃষি ব্যবস্থা, রাস্তাঘাট নির্মাণ এবং কুসকো রাজধানী শহরের জন্য এই সভ্যতা বিখ্যাত। ফলাফল/প্রভাব: ষোড়শ শতাব্দীতে স্প্যানিশ অভিযাত্রী ফ্রান্সিসকো পিজারোর আক্রমণের ফলে এই প্রাচীন সভ্যতার পতন ঘটে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: মায়া সভ্যতা ব্যাখ্যা: এটি উত্তর আমেরিকার মধ্য আমেরিকা ও মেক্সিকো অঞ্চলে গড়ে ওঠা আরেকটি প্রাচীন সভ্যতা। উদাহরণ ২: আজটেক সভ্যতা ব্যাখ্যা: এটিও মেক্সিকো অঞ্চলে গড়ে উঠেছিল এবং ইনকা সভ্যতার সমসাময়িক ছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দক্ষিণ আমেরিকা — এটি সঠিক উত্তর কারণ ইনকা সভ্যতা এই মহাদেশের আন্দিজ অঞ্চলে বিকাশ লাভ করেছিল। B) আফ্রিকা — এই মহাদেশে ইনকা সভ্যতা ছিল না, এখানে প্রাচীন মিশরীয় সভ্যতা গড়ে উঠেছিল। C) মধ্যপ্রাচ্য — মধ্যপ্রাচ্যে মেসোপটেমিয়া ও সুমেরীয় সভ্যতার মতো প্রাচীন সভ্যতাগুলো গড়ে উঠেছিল। D) ইউরোপ — ইউরোপ অঞ্চলে গ্রিক ও রোমান সভ্যতার বিকাশ ঘটেছিল, ইনকা সভ্যতা এখানে ছিল না। ৫ মনে রাখার টিপস: ইনকা সভ্যতা মানেই দক্ষিণ আমেরিকার আন্দিজ পর্বতমালা এবং পেরুর মাচু পিচু। মাচু পিচুর অবস্থান দক্ষিণ আমেরিকায়—এই তথ্য মনে রাখলে উত্তর ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ইনকা সভ্যতার প্রধান কেন্দ্র ছিল বর্তমান পেরু এবং তাদের বিখ্যাত ঐতিহাসিক শহরের নাম মাচু পিচু। পরীক্ষাতে প্রায়ই প্রাচীন সভ্যতাগুলোর ভৌগোলিক অবস্থান সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
a কিউবা
b ভিয়েতনাম
c উজবেকিস্তান
d সােমালিয়া
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভিয়েতনাম ১. কেন সঠিক: প্রদত্ত প্রশ্নটি ভুল এবং বিভ্রান্তিকর। প্রশ্নটিতে ভিয়েতনামকে সঠিক উত্তর হিসেবে দেখানো হয়েছে, যা ঐতিহাসিক ও ভূরাজনৈতিক বাস্তবতার সঙ্গে মেলে না। ভিয়েতনামের ক্যাম র্যান বে সামরিক ঘাঁটিতে অতীতে সোভিয়েত ইউনিয়নের উপস্থিতি ছিল, যা ২০১৩ সালে রাশিয়ার সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরিত হলেও বর্তমানে সেখানে কোনো স্থায়ী রুশ সামরিক ঘাঁটি বা সুবিধা নেই। এই প্রশ্নটির ক্ষেত্রে সঠিক ভূরাজনৈতিক বিশ্লেষণ বিবেচনা করলে কিউবা বা অতীতে ভিয়েতনামের ক্যাম র্যান বে আলোচিত হলেও বর্তমানে কিউবা ও ভিয়েতনামের মধ্যে রাশিয়া লজিস্টিক সহায়তা পেলেও ভিয়েতনামে কোনো রাশিয়ান সামরিক ঘাঁটি নেই। তবে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার পুরোনো সিলেবাস বা প্রচলিত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে যদি কিউবাকে ধরা হয়, তবে কিউবার লর্ডস সিগন্যাল ইন্টেলিজেন্স সুবিধা উল্লেখযোগ্য। প্রদত্ত সঠিক উত্তর ভিয়েতনাম হলেও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের আধুনিক বিশ্লেষণে এটি বর্তমান সময়ে কার্যকর বা প্রযোজ্য নয়। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: দেশ: ভিয়েতনাম দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার একটি উদীয়মান রাষ্ট্র। সদর দপ্তর ও স্থান: ভিয়েতনামের ক্যাম র্যান বে একটি কৌশলগত গভীর পানির বন্দর। প্রেক্ষাপট: স্নায়ুযুদ্ধের সময় এই বন্দরে সোভিয়েত ইউনিয়ন নৌ ও বিমান সুবিধা ভোগ করত। উদ্দেশ্য ও গুরুত্ব: দক্ষিণ চীন সাগরে প্রভাব বিস্তার এবং সামরিক কৌশলগত ভারসাম্য বজায় রাখা এর মূল লক্ষ্য। ফলাফল ও প্রভাব: বর্তমানে ভিয়েতনাম তার পররাষ্ট্র নীতিতে ভারসাম্য বজায় রাখে এবং কোনো বিদেশি শক্তিকে স্থায়ী সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করতে দেয় না। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: কিউবার লর্ডস স্পাই স্টেশন। ব্যাখ্যা: এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের খুব কাছে অবস্থিত হওয়ায় রাশিয়া এখানে গোয়েন্দা সুবিধা পেত। উদাহরণ ২: সিরিয়ার তারতুস নৌঘাঁটি। ব্যাখ্যা: মধ্যপ্রাচ্যে রাশিয়ার একমাত্র স্থায়ী সামরিক ঘাঁটি এটি, যা ভূমধ্যসাগরে রুশ নৌবাহিনীর কার্যক্রম পরিচালনা করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কিউবা — কিউবায় সোভিয়েত ইউনিয়নের সময় পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করা হয়েছিল এবং বর্তমানেও রাশিয়ার সঙ্গে দেশটির গোয়েন্দা ও লজিস্টিক সম্পর্ক বিদ্যমান। B) ভিয়েতনাম — প্রদত্ত উত্তরটি ভুল হলেও ক্যাম র্যান বে বন্দরে অতীতে সোভিয়েত উপস্থিতি ছিল এবং বর্তমানে ভিয়েতনাম কোনো বিদেশি সামরিক ঘাঁটি পরিচালনা করতে দেয় না। সি) উজবেকিস্তান — মধ্য এশিয়ার এই দেশটিতে রাশিয়ার সামরিক উপস্থিতি বা স্থায়ী ঘাঁটি নেই, যদিও তারা ওডিকেএ নিরাপত্তা সংস্থার সদস্য ছিল। ডি) সোমালিয়া — হর্ন অব আফ্রিকা অঞ্চলে অবস্থিত এই দেশটিতে চরম গৃহযুদ্ধ ও অস্থিতিশীলতা বিরাজ করছে এবং এখানে রাশিয়ার কোনো স্থায়ী সামরিক ঘাঁটি নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: রাশিয়ার সামরিক ঘাঁটির কথা উঠলে মধ্যপ্রাচ্যের সিরিয়ার তারতুস এবং ল্যাটাকিয়ার নাম সবার আগে মনে রাখবে। ভিয়েতনামের ক্যাম র্যান বে ঘাঁটিটি স্নায়ুযুদ্ধের সময় সোভিয়েত ইউনিয়নের সবচেয়ে বড় বিদেশি ঘাঁটি ছিল। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিটিটিভ পরীক্ষায় দেশগুলোর ভূরাজনৈতিক কৌশল এবং নৌঘাঁটি সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। রাশিয়ার প্রধান বৈদেশিক সামরিক ঘাঁটিগুলো সাধারণত সাবেক সোভিয়েতভুক্ত দেশ এবং মধ্যপ্রাচ্য কেন্দ্রিক।
a রাশিয়া
b ডেনমার্ক
c সুইডেন
d ইংল্যান্ড
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সুইডেন ১. কেন সঠিক: ফিনল্যান্ড দীর্ঘ শতাব্দী ধরে সুইডিশ সাম্রাজ্যের অংশ এবং একটি উপনিবেশ ছিল। দ্বাদশ শতাব্দী থেকে শুরু করে ১৮০৯ সাল পর্যন্ত ফিনল্যান্ড সুইডেনের অধীনে শাসিত হয়। ঐতিহাসিক ও ভূরাজনৈতিক কারণে সুইডেন ফিনল্যান্ড দখল করেছিল এবং সেখানে তাদের সংস্কৃতি ও আইন প্রবর্তন করে। ১৮০৯ সালে রুশ-সুইডিশ যুদ্ধের পর ফিনল্যান্ড রাশিয়ার অধীনে চলে যায় এবং পরবর্তীতে স্বাধীন হয়। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: দেশ: ফিনল্যান্ড ও সুইডেন প্রেক্ষাপট: মধ্যযুগে সুইডিশ রাজা ও ক্রুসেডাররা ফিনল্যান্ড দখল করে এবং একে সুইডিশ সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত করে। গুরুত্ব: এই দীর্ঘ শাসনের কারণে ফিনল্যান্ডে সুইডিশ সংস্কৃতির প্রভাব এবং ফিনিশ ভাষার পাশাপাশি সুইডিশ ভাষার প্রচলন রয়েছে। ফলাফল: ১৮০৯ সালের পর ফিনল্যান্ড রুশ সাম্রাজ্যের অধীনে স্বায়ত্তশাসিত গ্র্যান্ড ডাচি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: নরওয়ে ও ডেনমার্ক ব্যাখ্যা: নরওয়ে দীর্ঘকাল ডেনমার্কের উপনিবেশ বা আক্ষরিক অর্থে তাদের রাজার অধীনে ছিল, যা স্ক্যান্ডিনেভিয়ান ভূরাজনীতির ইতিহাসকে নির্দেশ করে। উদাহরণ ২: আইসল্যান্ড ও ডেনমার্ক ব্যাখ্যা: আইসল্যান্ডও দীর্ঘকাল ডেনমার্কের শাসনাধীন ছিল এবং ১৯৪৪ সালে সম্পূর্ণ স্বাধীনতা লাভ করে, যা উপনিবেশবাদের আরেকটি ঐতিহাসিক উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাশিয়া — ফিনল্যান্ড রাশিয়ার উপনিবেশ ছিল না, বরং সুইডেনের কাছ থেকে পরাজিত করার পর এটি ১৯১৭ সাল পর্যন্ত রুশ সাম্রাজ্যের অধীনস্থ একটি স্বায়ত্তশাসিত গ্র্যান্ড ডাচি ছিল। B) ডেনমার্ক — ডেনমার্ক ফিনল্যান্ড শাসন করেনি, তবে তারা দীর্ঘদিন নরওয়ে এবং আইসল্যান্ডের ওপর আধিপত্য বিস্তার করেছিল। C) সুইডেন — এই অপশনটি সঠিক কারণ ফিনল্যান্ড দ্বাদশ শতাব্দী থেকে ১৮০৯ সাল পর্যন্ত সুইডেনের প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণে বা উপনিবেশ হিসেবে ছিল। D) ইংল্যান্ড — ইংল্যান্ড ফিনল্যান্ড কখনো শাসন করেনি, তাদের ঔপনিবেশিক সাম্রাজ্য মূলত এশিয়া, আফ্রিকা এবং আমেরিকার বিভিন্ন অঞ্চলে সীমাবদ্ধ ছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: ফিনল্যান্ড বললেই স্ক্যান্ডিনেভিয়ান প্রতিবেশী সুইডেনের দীর্ঘ শাসনকালের কথা মনে রাখবে। সুইডেন প্রথমে ফিনল্যান্ডকে শাসন করেছিল এবং পরবর্তীতে রাশিয়া দখল করেছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ফিনল্যান্ড ১৯১৭ সালের ৬ ডিসেম্বর রাশিয়া থেকে স্বাধীনতা লাভ করে। এই ধরনের প্রশ্ন থেকে প্রায়শই কোন দেশ কার অধীনে ছিল বা কত সালে স্বাধীন হয়েছে, তা বিসিএস পরীক্ষায় আসে।
a ১৯১২ সালে
b ১৯১৩ সালে
c ১৯১৪ সালে
d ১৯১৫ সালে
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৯১২ সালে ১. কেন সঠিক: ব্রিটিশ ভারতের রাজধানী কলকাতা থেকে দিল্লীতে স্থানান্তরিত হয় ১৯১২ সালের ১২ই ডিসেম্বর। মূলত তৎকালীন ব্রিটিশ সম্রাট পঞ্চম জর্জের ভারত সফরকালে দিল্লী দরবারে এই ঘোষণা দেওয়া হয় এবং ১৯১২ সালের ১ এপ্রিল থেকে দিল্লীকে আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতের রাজধানী হিসেবে কার্যকর করা হয়। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ঘটনা: ব্রিটিশ ভারতের রাজধানী স্থানান্তর। তারিখ: ১৯১২ সালের ১২ই ডিসেম্বর ঘোষণা ও ১ এপ্রিল কার্যকর। স্থান: কলকাতা থেকে দিল্লী। প্রেক্ষাপট: বঙ্গভঙ্গ রদের পর ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন প্রশমিত করা এবং প্রশাসনের সুবিধার্থে ভারতের কেন্দ্রস্থল দিল্লীতে রাজধানী স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। গুরুত্ব: দিল্লী শত শত বছর ধরে মুঘল সাম্রাজ্যের রাজধানী থাকায় রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক গুরুত্বের কারণে ব্রিটিশরা এই স্থানকে বেছে নেয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: এডিনবরা থেকে লন্ডন ব্যাখ্যা: ১৬০৩ সালে স্কটল্যান্ডের রাজা ষষ্ঠ জেমস ইংল্যান্ডের সিংহাসনে বসার পর রাজধানী লন্ডনে স্থানান্তরিত হয়, যা দুই দেশের রাজনৈতিক একত্রীকরণে ভূমিকা রাখে। উদাহরণ ২: রিও ডি জেনেরিও থেকে ব্রাসিলিয়া ব্যাখ্যা: ১৯৬০ সালে ব্রাজিল তাদের উপকূলীয় রাজধানী রিও ডি জেনেরিও থেকে দেশের মধ্যবর্তী পরিকল্পিত শহর ব্রাসিলিয়ায় স্থানান্তরিত করে, যাতে অভ্যন্তরীণ উন্নয়নে ভারসাম্য আসে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯১২ সালে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই আনুষ্ঠানিকভাবে ব্রিটিশ ভারতের রাজধানী দিল্লীতে স্থানান্তরিত হয়। B) ১৯১৩ সালে — এই সালে কোনো রাজধানী স্থানান্তরের ঘটনা ঘটেনি, তাই এটি ভুল। C) ১৯১৪ সালে — এই সালটি প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সূচনার জন্য পরিচিত, রাজধানী স্থানান্তরের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। D) ১৯১৫ সালে — এই সালে মহাত্মা গান্ধী দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে ভারতে ফিরে আসেন, যা রাজধানী স্থানান্তরের সাল নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: ১৯১১ সালে দিল্লী দরবারে রাজধানী স্থানান্তরের ঘোষণা দেওয়া হয় এবং ১৯১২ সালে তা আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হয়। মনে রাখার কৌশল হলো ঘোষণার বছর থেকে পরের বছর কার্যকর হয়েছিল। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। এখান থেকে ভিন্নভাবে প্রশ্ন আসতে পারে যে, রাজধানী স্থানান্তরের ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল কোন সালে, যার উত্তর হবে ১৯১১ সাল।
a ময়নামতি
b পুণ্ড্রবর্ধন
c পাহাড়পুর।
d সােনারগাঁ
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পুণ্ড্রবর্ধন কেন সঠিক: - ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক খননকাজের মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে যে পুণ্ড্রবর্ধন বাংলার সবচেয়ে প্রাচীন জনপদ এবং নগর বসতি। - মৌর্য আমল থেকেই বাংলার পুণ্ড্রবর্ধন প্রশাসনিক ও অর্থনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠেছিল, যা একে প্রাচীনতম বসতির মর্যাদা দেয়। ভৌগোলিক তথ্য: - বর্তমান বগুড়া জেলার মহাস্থানগড় প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন বা পুণ্ড্রনগর নামে পরিচিত ছিল, যা করতোয়া নদীর তীরে গড়ে উঠেছিল। - এটি প্রাচীন পৌণ্ড্র জাতির বসতি অঞ্চল ছিল এবং এর বিস্তৃতি বর্তমান রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের বেশ কিছু অংশ জুড়ে ছিল। - মহাস্থানগড়ে পাওয়া ব্রাহ্মী লিপি থেকে এই অঞ্চলের প্রাচীনত্ব ও সমৃদ্ধ জনবসতির ঐতিহাসিক প্রমাণ পাওয়া যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ময়নামতি — এটি মূলত সপ্তম থেকে দ্বাদশ শতকের চন্দ্র ও বর্মণ রাজবংশের আমলের বৌদ্ধ সভ্যতার নিদর্শন, যা পুণ্ড্রবর্ধনের চেয়েও অনেক পরবর্তী সময়ের। B) পুণ্ড্রবর্ধন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ এটিই বাংলার সবচেয়ে প্রাচীন বসতি হিসেবে সর্বস্বীকৃত। C) পাহাড়পুর — এটি অষ্টম শতকের ধর্মপালের রাজত্বকালের সোমপুর মহাবিহারের জন্য বিখ্যাত, যা প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন অঞ্চলের পরবর্তী সময়ের একটি ঐতিহাসিক স্থান। D) সোনাগাঁ — এটি ত্রয়োদশ শতাব্দীর পরে সুলতানি আমল ও মুঘল আমলে বাংলার রাজধানী ও নদীভিত্তিক বিখ্যাত বাণিজ্যিক কেন্দ্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছিল। মনে রাখার টিপস: - প্রাচীন বসতি মনে রাখতে মহাভারতের পুণ্ড্র জাতির নাম এবং বগুড়ার মহাস্থানগড়ের প্রাচীন নাম পুণ্ড্রবর্ধন একসাথে মনে রাখবে।
a ইরাবতী মায়ানমারের একটি নদী
b গােবী মরুভূমি ভারতে অবস্থিত
c থর মরুভূমি ভারতের পশ্চিমাংশে অবস্থিত
d সাজেক ভ্যালি বাংলাদেশে অবস্থিত
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গােবী মরুভূমি ভারতে অবস্থিত কেন সঠিক: ১. গোবি মরুভূমি আসলে এশিয়ার একটি বিশাল মরু অঞ্চল যা ভারত রাষ্ট্রে অবস্থিত নয়। ২. ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী এই মরুভূমিটি প্রধানত চীন এবং মঙ্গোলিয়া দেশের অংশ জুড়ে বিস্তৃত রয়েছে। ভৌগোলিক তথ্য: ১. এটি মঙ্গোলিয়ার দক্ষিণাংশ এবং চীনের উত্তরাংশ ও উত্তর-পশ্চিমাংশ জুড়ে বিস্তৃত একটি শীতল মরুভূমি। ২. এটি বিশ্বের অন্যতম প্রধান মরুভূমি এবং এশিয়া মহাদেশের বৃহত্তম মরু অঞ্চল হিসেবে পরিচিত। ৩. এই মরুভূমিটি প্রায় ১২ লক্ষ ৯৫ হাজার বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে অবস্থান করছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইরাবতী মায়ানমারের একটি নদী — এই তথ্যটি সম্পূর্ণ সত্য কারণ ইরাবতী মায়ানমারের প্রধান ও দীর্ঘতম নদী। B) গােবী মরুভূমি ভারতে অবস্থিত — এই তথ্যটি মিথ্যা কারণ গোবি মরুভূমি চীন ও মঙ্গোলিয়ায় অবস্থিত, ভারতে নয়। C) থর মরুভূমি ভারতের পশ্চিমাংশে অবস্থিত — এই তথ্যটি সত্য কারণ থর মরুভূমি ভারতের রাজস্থান রাজ্যের পশ্চিমাংশে অবস্থিত। D) সাজেক ভ্যালি বাংলাদেশে অবস্থিত — এই তথ্যটি সত্য কারণ সাজেক ভ্যালি বাংলাদেশের রাঙ্গামাটি জেলার একটি বিখ্যাত পর্যটন স্থান। মনে রাখার টিপস: ১. গোবি মরুভূমি মঙ্গোলিয়া ও চীনে অবস্থিত মনে রাখবে। ২. ভারতের মরুভূমির নাম থর এবং এটি পশ্চিমে অবস্থিত।
a জানুয়ারি
b ফেব্রুয়ারি
c ডিসেম্বর
d মে
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জানুয়ারি কেন সঠিক: ১. দক্ষিণ গোলার্ধে সূর্যরশ্মি এই সময়ে সবচেয়ে লম্বভাবে পড়ে। ২. পৃথিবী সূর্যের সবচেয়ে কাছে অবস্থান করার কারণে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। ভৌগোলিক তথ্য: ১. দক্ষিণ গোলার্ধ বিষুবরেখার দক্ষিণাঞ্চল নিয়ে গঠিত। ২. এখানে জলভাগের পরিমাণ স্থলভাগের চেয়ে বেশি থাকে। ৩. অস্ট্রেলিয়া এবং দক্ষিণ আফ্রিকা মহাদেশ এই গোলার্ধে অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জানুয়ারি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। B) ফেব্রুয়ারি — এই মাসে দক্ষিণ গোলার্ধে গ্রীষ্মকাল থাকলেও উষ্ণতা কিছুটা কমতে শুরু করে। C) ডিসেম্বর — এই মাসে গ্রীষ্মকাল শুরু হলেও জানুয়ারি মাসের মতো সর্বোচ্চ তাপমাত্রা সঞ্চিত হয় না। D) মে — এই সময়ে দক্ষিণ গোলার্ধে শরৎকাল বিরাজ করে এবং তাপমাত্রা কমতে থাকে। মনে রাখার টিপস: উত্তর গোলার্ধে যখন শীতকাল, দক্ষিণ গোলার্ধে তখন গ্রীষ্মকাল এবং জানুয়ারি মাস সেখানে সবচেয়ে উষ্ণ থাকে।
a আইসােপ্লিথ
b আইসোহাইট
c আইসােহ্যালাইন
d আইসোথার্ম
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আইসোহাইট কেন সঠিক: ১. মানচিত্রে সমপরিমাণ বৃষ্টিপাতযুক্ত স্থানগুলিকে যে কাল্পনিক রেখা দ্বারা যুক্ত করা হয়, তাকে আইসোহাইট বলা হয়। ২. আবহাওয়া ও জলবায়ু মানচিত্র তৈরিতে এই রেখা ব্যবহার করে কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চলের বার্ষিক বা মাসিক বৃষ্টিপাতের সমতা সহজে নির্ধারণ করা যায়। ভৌগোলিক তথ্য: ১. আইসোহাইট রেখা সাধারণত আবহাওয়া দপ্তরের বার্ষিক বৃষ্টিপাতের মানচিত্রে প্রধানত ব্যবহার করা হয়। ২. এই রেখার সাহায্যে কোনো অঞ্চলের শুষ্ক বা আর্দ্র জলবায়ু অঞ্চল খুব সহজেই চিহ্নিত করা সম্ভব হয়। ৩. উদাহরণস্বরূপ, ভারতের চেরাপুঞ্জি ও মৌসিনমরাে অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের অঞ্চলগুলিকে এই রেখা দিয়ে মানচিত্রে দেখানো হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আইসােপ্লিথ — এটি এমন একটি রেখা যা মানচিত্রে যেকোনো পরিমাপযোগ্য চলকের সমান মানযুক্ত স্থানগুলিকে যুক্ত করে। B) আইসোহাইট — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা হয়নি। C) আইসােহ্যালাইন — এটি মহাসাগরের সমান লবণাক্ততাযুক্ত স্থানগুলিকে মানচিত্রে সংযোগকারী কাল্পনিক রেখা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) আইসোথার্ম — এটি ভূপৃষ্ঠের সমান উষ্ণতা বা তাপমাত্রা বিশিষ্ট স্থানগুলিকে মানচিত্রে যুক্ত করার জন্য ব্যবহার করা হয়। মনে রাখার টিপস: আইসো মানে সমান এবং হাইট শব্দটির সাথে বৃষ্টির উচ্চতা বা পরিমাণ যুক্ত থাকে, তাই সমান বৃষ্টির রেখাকে আইসোহাইট বলে।
a United Disaster Management Centre
b Union Disaster Management Committee
c Union Disaster Management Centre
d None of the above
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Union Disaster Management Committee কেন সঠিক: ১. দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার কাজ স্থানীয় বা ইউনিয়ন পর্যায়ে সফলভাবে পরিচালনা করার জন্য এই নির্দিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়। ২. প্রশাসনিক কাঠামোর ইউনিয়ন স্তরকে বোঝাতে এখানে ইউনিয়ন শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। ভৌগোলিক তথ্য: ১. ইউনিয়ন পরিষদ হলো গ্রামীণ অঞ্চলের সর্বনিম্ন প্রশাসনিক একক যা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় সরাসরি কাজ করে। ২. এটি তৃণমূল পর্যায়ে প্রাকৃতিক ও মানবসৃষ্ট দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ৩. যেমন, উপকূলীয় অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড়ের সময় এই কমিটি সাধারণ মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিতে কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) United Disaster Management Centre — এখানে সেন্টার শব্দটি ব্যবহারের মাধ্যমে ভুল প্রশাসনিক কাঠামোর কথা বলা হয়েছে। B) Union Disaster Management Committee — এটি এই প্রশ্নের সম্পূর্ণ সঠিক ও গ্রহণযোগ্য রূপ। C) Union Disaster Management Centre — এখানে ইউনিয়ন শব্দ থাকলেও কমিটি না লিখে সেন্টার বলা হয়েছে। D) None of the above — সঠিক উত্তরটি অপশনে বিদ্যমান থাকায় এই অপشنটি সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: ১. ইউনিয়ন পর্যায়ের কমিлит মনে রাখতে ইউ, ডি, এম এবং সি এর পূর্ণরূপ ইউনিয়ন, ডিজাস্টার, ম্যানেজমেন্ট এবং কমিটি হিসেবে মুখস্থ করবে।
a মধুপুর গড়ে
b বঙ্গোপসাগরে
c হাওর অঞ্চলে
d টারশিয়ারি পাহাড়ে
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বঙ্গোপসাগরে কেন সঠিক: - এই ভূমিরূপটি গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্র নদ বাহিত বিপুল পরিমাণ পলি সাগরের তলদেশে সঞ্চিত হয়ে গঠিত হয়েছে। - বঙ্গোপসাগরের গভীর তলদেশে বিশাল বদ্বীপের মতো হাতপাখা আকuruanের পললভূমি তৈরি হয়েছে বলে এর এমন নামকরণ। ভৌগোলিক তথ্য: - এটি ভারত মহাসাগরের বঙ্গোপসাগরের তলদেশে এবং এর বিস্তৃতি বিষুবরেখা পেরিয়ে দক্ষিণ দিকে বহুদূর পর্যন্ত ছড়িয়ে রয়েছে। - এটি পৃথিবীর সবচেয়ে বড় এবং গভীরতম সাবমেরিন ফ্যান বা নিমজ্জিত পলલ ব্যজনী হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিত। - হিমালয় পর্বতমালা থেকে উৎপন্ন নদীগুলোর পলি বয়ে এনে এই বিশাল সমুদ্রতলদেশের ভূমিরূপ তৈরি করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মধুপুর গড়ে — এটি বাংলাদেশের একটি প্রাচীন প্লাইস্টোসেল চত্বর বা সোপান অঞ্চল যা মূল ভূখণ্ডের ওপরে অবস্থিত। B) বঙ্গোপসাগরে — এই অপশনটি সঠিক কারণ বেঙ্গল ফ্যান এই সমুদ্রের তলদেশেই অবস্থিত। C) হাওর অঞ্চলে — এটি মূলত জলমগ্ন অববাহিকা বা জলাভূমি এলাকা যা উত্তর-পূর্ব বাংলাদেশে পলি জমে গঠিত হয়েছে। D) টারশিয়ারি পাহাড়ে — এটি পাহাড়ি অঞ্চল যা প্রাক-সবুজ যুগে গঠিত হয়েছে এবং এটি সমুদ্রের তলদেশের ভূমিরূপ নয়। মনে রাখার টিপস: - নামের সাথে মিল রেখে মনে রাখবে যে বেঙ্গল ফ্যান বা বঙ্গীয় ব্যজনী সবসময় বঙ্গোপসাগরের তলদেশেই পাওয়া যায়।
a মেঘনা মােহনায়
b সুন্দরবনের দক্ষিণে
c পদ্মা এবং যমুনার সংযােগস্থলে
d টেকনাফের দক্ষিণে
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সুন্দরবনের দক্ষিণে কেন সঠিক: ১. বঙ্গোপসাগরের উত্তরাংশে সুন্দরবনের ঠিক দক্ষিণেই পলি জমে এই দ্বীপটি প্রাকৃতিকভাবে গড়ে উঠেছে। ২. ভৌগোলিক অবস্থানগত দিক থেকে এটি সুন্দরবনের দক্ষিণ উপকূলীয় অঞ্চলের কাছাকাছি অবস্থিত হওয়ায় সঠিক উত্তরটি সুন্দরবনের দক্ষিণে। ভৌগোলিক তথ্য: ১. এটি বাংলাদেশের দক্ষিণ উপকূলে বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত একটি নবগঠিত পলিদ্বীপ। ২. নদী থেকে বয়ে আসা পলি জমে সমুদ্রের বুকে এই দ্বীপটির সৃষ্টি হয়েছে। ৩. জলবায়ু পরিবর্তন এবং সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে এই দ্বীপটির অস্তিত্ব বর্তমানে হুমকির মুখে রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মেঘনা মোহনায় — মেঘনার মোহনায় অন্য বেশ কিছু চর ও দ্বীপ রয়েছে কিন্তু বঙ্গবন্ধু দ্বীপ সেখানে অবস্থিত নয়। C) পদ্মা এবং যমুনার সংযোগস্থলে — এই সংযোগস্থলটি দেশের মধ্যাঞ্চলে অবস্থিত যা সমুদ্রের উপকূল বা সুন্দরবনের দক্ষিণে নয়। D) টেকনাফের দক্ষিণে — টেকনাফ দেশের আক্ষরিক অর্থে সর্বদক্ষিণে অবস্থিত হলেও বঙ্গবন্ধু দ্বীপ তারও দক্ষিণে সাগরের ভেতরে অবস্থিত নয়। মনে রাখার টিপস: বঙ্গবন্ধু দ্বীপ নামটি মনে রাখতে সুন্দরবনের দক্ষিণ দিকটি মাথায় রাখতে হবে। সুন্দরবনের দক্ষিণে সাগরের বুকে এই দ্বীপটি অবস্থিত।
a আপদ ঝুঁকি হ্রাস
b জলবায়ু পরিবর্তন হ্রাস
c জনসংখ্যা বৃদ্ধি হ্রাস
d সমুদ্র পরিবহন ব্যবস্থাপনা
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জলবায়ু পরিবর্তন হ্রাস কেন সঠিক: ২০১৫ সালের প্যারিস চুক্তি বিশ্ব উষ্ণায়ন ও জলবায়ু পরিবর্তনের মারাত্মক প্রভাব মোকাবেলার জন্য গৃহীত হয়েছিল। এই চুক্তির মূল লক্ষ্য ছিল প্রাক শিল্প যুগের তুলনায় বৈশ্বিক গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধি দুই ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে রাখা। ভৌগোলিক তথ্য: ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলনের একবিংশ অধিবেশনে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে গ্রিনহাউস গ্যাসের নির্গমন কমানোর মাধ্যমে বিশ্ব জলবায়ুকে সুরক্ষিত রাখা এই চুক্তির প্রধান বিশেষত্ব। বিশ্বের প্রায় দুইশ দেশ এই আন্তর্জাতিক চুক্তিতে স্বাক্ষর করে জলবায়ু পরিবর্তন রোধে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আপদ ঝুঁকি হ্রাস — এটি মূলত সেন্দাই কাঠামোর সাথে সম্পর্কিত যা প্রাকৃতিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার ওপর গুরুত্ব দেয়। C) জনসংখ্যা বৃদ্ধি হ্রাস — এটি প্যারিস চুক্তির বিষয়বস্তু নয়, বরং এটি পরিবার পরিকল্পনা ও জনমিতি সংক্রান্ত আলোচনার বিষয়। D) সমুদ্র পরিবহন ব্যবস্থাপনা — এটি আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থা বা আইএমও এর কাজের আওতাভুক্ত এবং জলবায়ু চুক্তির মূল বিষয় নয়। মনে রাখার টিপস: প্যারিস চুক্তি মানেই জলবায়ু বাঁচানোর লড়াই, তাই তাপমাত্রা কমানো এবং পরিবেশ রক্ষা এর মূল মন্ত্র।
a সিরাস
b নিম্বাস
c কিউম্যুলাস
d স্ট্রেটাস
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কিউম্যুলাস কেন সঠিক: মেঘের উচ্চতা এবং গঠনের ওপর ভিত্তি করে কিউম্যুলাস মেঘ সাধারণত মধ্যম উচ্চতার বায়ুমণ্ডলে অবস্থান করে। এই মেঘগুলোর উচ্চতা এবং দেখতে তুলার পিন্ডের মতো আকার মধ্যম উচ্চতার মেঘের বৈশিষ্ট্যের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। ভৌগোলিক তথ্য: কিউম্যুলাস মেঘ ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় দুই হাজার থেকে ছয় হাজার মিটার উচ্চতার মধ্যে অবস্থান করে। এই মেঘগুলো দেখতে সাধারণত সাদা রঙের এবং এদের উপরিভাগ গম্বুজাকৃতির বা ফুলকপির মতো হয়। পরিষ্কার আবহাওয়ায় এই মেঘ সচরাচর আকাশে দেখতে পাওয়া যায় এবং একে রূপালি মেঘও বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সিরাস — এটি অত্যন্ত উচ্চতায় অবস্থানকারী মেঘ যা বরফ কণা দ্বারা গঠিত এবং দেখতে তন্তুর মতো হয়। B) নিম্বাস — এটি অত্যন্ত নিচু স্তরের মেঘ যা থেকে সাধারণত সারা আকাশ জুড়ে একটানা বৃষ্টিপাত হয়ে থাকে। C) কিউম্যুলাস — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে প্রযোজ্য নয়। D) স্ট্রেটাস — এটি খুব কম উচ্চতায় কুয়াশার মতো বায়ুমণ্ডলে সমান্তরাল স্তরে বিস্তৃত থাকে। মনে রাখার টিপস: কিউম্যুলাস মেঘের উচ্চতা এবং গঠন মধ্যম স্তরের হয়, যা তুলা বা ফুলকপির মতো দেখতে লাগে।
a রূপান্তরিত শিলা
b আগ্নেয় শিলা
c পাললিক শিলা
d মিশ্র শিলা
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রূপান্তরিত শিলা কেন সঠিক: ১. মার্বেল এক প্রকার রূপান্তরিত শিলা যা মূলত চুনাপাথর থেকে সৃষ্টি হয়। ২. অধিক তাপ ও চাপের প্রভাবে মূল শিলার গঠন পরিবর্তিত হয়ে এই রূপ লাভ করে। ভৌগোলিক তথ্য: ১. ভূত্বকের গভীর স্তরে এবং যেখানে পাতের সংঘর্ষ ঘটে সেখানে এই শিলা বেশি পাওয়া যায়। ২. এই শিলার কেলাসের গঠন খুব ঘন হয় যা একে অত্যন্ত শক্ত ও মসৃণ করে তোলে। ৩. ভারতের রাজস্থানের মকরানা অঞ্চলের মার্বেল বিশ্বজুড়ে অত্যন্ত বিখ্যাত ও উৎকৃষ্ট মানের। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রূপান্তরিত শিলা — এই অপশনটি সঠিক কারণ মার্বেল চুনাপাথর রূপান্তরিত হয়ে তৈরি হয়। B) আগ্নেয় শিলা — মার্বেল উত্তপ্ত ম্যাগমা থেকে তৈরি হয় না তাই এটি আগ্নেয় শিলা নয়। C) পাললিক শিলা — চুনাপাথর পাললিক শিলা হলেও মার্বেল তার রূপান্তরিত রূপ। D) মিশ্র শিলা — শিলা শ্রেণিবিভাগে মিশ্র শিলা বলে কোনো প্রধান শিলা শ্রেণী নেই। মনে রাখার টিপস: ১. চুনাপাথর রূপান্তরিত হয়ে মার্বেল হয়, এই রূপান্তর মনে রাখলে উত্তর ভুল হবে না।
a রা ত্র হো অ
b র বা ধী প নি
c দ্র তা রি দা
d সা ব ব অ ধ্যা
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রা ত্র হো অ প্রদত্ত তথ্য: অপশন এ এর বর্ণসমূহ হলো রা, ত্র, হো, অ অপশন বি এর বর্ণসমূহ হলো র, বা, ধী, প, নি ধরি, বর্ণগুলোকে সাজিয়ে নতুন শব্দ তৈরি করতে হবে এলোমেলো বর্ণগুলোর সঠিক ক্রম বের করতে হবে অতএব, রা ত্র হো অ বর্ণগুলো সাজালে পাওয়া যায় অ হো রা ত্র এবং এটি একটি অর্থবোধক শব্দ যা সময় বোঝায় সুতরাং, অন্যান্য অপশনের বর্ণগুলো সাজিয়ে কোনো অর্থবোধক শব্দ তৈরি করা যায় না কেবল প্রথম অপশনটি দিয়েই অর্থবোধক শব্দ তৈরি সম্ভব উত্তর: A) রা ত্র হো অ
a ИOITA⅃ƎЯ
b ИOIꓕⱯLƎᴚ
c ᴚE⅃ⱯꓕIOИ
d NOITALƎЯ
0 110 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ИOITA⅃ƎЯ প্রদত্ত তথ্য: মূল শব্দ হলো RELATION আয়নার প্রতিবিম্বের ক্ষেত্রে ডান দিক বাম দিকে উল্টে যায় ধরি, মূল শব্দের শেষ অক্ষর N চলে আসবে একদম প্রথমে এবং তা উল্টে হবে И এভাবে প্রতিটি অক্ষর বিপরীত দিক থেকে উল্টে বসবে অতএব, N অক্ষরটির প্রতিবিম্ব হবে И O অক্ষরের প্রতিবিম্ব হবে O সুতরাং, A অক্ষরের প্রতিবিম্ব হবে A T অক্ষরের প্রতিবিম্ব হবে T উত্তর: ИOITA⅃ƎЯ
a শ্বশুর
b পিতা
c চাচা
d ভাই
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) শ্বশুর প্রদত্ত তথ্য: ক হলেন গ এর মা গ হলেন ঙ এর স্ত্রী ধরি, ক এর সন্তান হলেন গ গ এর স্বামী হলেন ঙ অতএব, ঙ এর স্ত্রী গ এর মা হলেন ক ঙ এর স্ত্রী গ এর বাবা হলেন খ সুতরাং, ঙ এর স্ত্রীর বাবা খ হলেন ঙ এর শ্বশুর উত্তর: শ্বশুর
a রবিবার
b সােমবার
c মঙ্গলবার
d বুধবার
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বুধবার প্রদত্ত তথ্য: মাসের দ্বিতীয় দিন হলো সোমবার আমাদের বের করতে হবে আঠারোতম দিন কী বার ধরি, মাসের দ্বিতীয় দিন = ২ তারিখ মাসের আঠারোতম দিন = ১৮ তারিখ অতএব, তারিখের পার্থক্য = ১৮ − ২ = ১৬ দিন আমরা জানি, প্রতি সাত দিন পর একই বার ফিরে আসে সুতরাং, ১৬ কে ৭ দ্বারা ভাগ করলে ভাগশেষ থাকে ২ দিন সোমবারের সাথে আরও দুই দিন যোগ করলে হয় বুধবার উত্তর: বুধবার
a ১৮
b ৬৮
c ৮১
d ৪৪
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬৮ প্রদত্ত তথ্য: প্যাটার্নের সংখ্যাগুলো হলো দুই অংকের বিশেষ সংখ্যা সংখ্যাগুলোর অঙ্কগুলোর বর্গ করে যোগ করা হয়েছে ধরি, প্রথম সংখ্যার অঙ্ক দুটি ক এবং খ অতএব, প্রথম ধাপে অঙ্ক দুটির বর্গ করে যোগ করতে হবে দ্বিতীয় ধাপেও একইভাবে বর্গ করে যোগ করতে হবে সুতরাং, ৩ এবং ৪ এর ক্ষেত্রে ৩ এর বর্গ হলো ৯ এবং ৪ এর বর্গ হলো ১৬ এদের যোগ করলে পাওয়া যায় ৯ + ১৬ = ২৫ উত্তর: ৬৮
a ১৫ মিনিট
b ২০ মিনিট
c ২৫ মিনিট
d ৩০ মিনিট
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৫ মিনিট প্রদত্ত তথ্য: ৫০ মিনিট আগে সময় ছিল ৪টা বেজে ৪৫ মিনিট ধরি, বর্তমান সময় বের করার জন্য ৫০ মিনিট যোগ করতে হবে অতএব, ৪টা বেজে ৪৫ মিনিট এর সাথে ৫০ মিনিট যোগ করি ৪টা বেজে ৪৫ মিনিট + ৫০ মিনিট = ৫টা বেজে ৩৫ মিনিট সুতরাং, ৬টা বাজতে বাকি সময় = ৬টা বাজুন থেকে ৫টা বেজে ৩৫ মিনিট বিয়োগ করি উত্তর: ২৫ মিনিট
a একই দিকে
b উল্টো দিকে
c উলম্ব রেখায়
d সমান্তরালে
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) একই দিকে প্রদত্ত তথ্য: স্ক্রু ডাইভার দিয়ে ডান দিকে ঘোরালে স্ক্রু সামনে এগিয়ে যায় ঘড়ির কাঁটাও ডান দিক থেকে নিচের দিকে ঘোরে ধরি, স্ক্রুর অগ্রগতির দিক এবং ঘড়ির কাঁটার ঘূর্ণনের দিক একই তল বরাবর চলে উভয় ক্ষেত্রে ঘূর্ণনের নীতি ডানহাতি স্ক্রু নিয়ম মেনে চলে অতএব, স্ক্রু পেঁচানোর সময় যেভাবে ডানে ঘোরে ঘড়ির কাঁটাও ঠিক একই দিকে আবর্তিত হয় সুতরাং, দুটি গতির অভিমুখ একই ঘড়ির কাঁটার ঘূর্ণনের দিকে হয় উত্তর: একই দিকে
a ১৮/৩৬
b ৫/৩
c ১৬/৩১
d ৪/১২
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৪/১২ প্রদত্ত তথ্য: অপশনগুলো হলো ১৮/৩৬, ৫/৩, ১৬/৩১ এবং ৪/১২ ধরি, সংখ্যাগুলোকে দশমিক মানে রূপান্তর করতে হবে অতএব, ১৮/৩৬ = ০.৫ ৫/৩ = ১.৬৭ ১৬/৩১ = ০.৫২ ৪/১২ = ০.৩৩ সুতরাং, ০.৩৩ হলো সবচেয়ে ছোট মান উত্তর: ৪/১২
a ৭.১৫
b ৫.১৮
c ২.৩৬
d ১.৯৮
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২.৩৬ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সংখ্যা = ০.১ দ্বিতীয় সংখ্যা = ৩.৩৩ তৃতীয় সংখ্যা = ৭.১ ধরি, প্রদত্ত রাশি = ০.১ × ৩.৩৩ × ৭.১ অতএব, প্রথম দুটি সংখ্যার গুণফল = ০.১ × ৩.৩৩ = ০.৩৩৩ সুতরাং, প্রাপ্ত গুণফলের সাথে তৃতীয় সংখ্যা গুণ করে পাই, ০.৩৩৩ × ৭.১ = ২.৩৬২৩৩ উত্তর: ২.৩৬
a ০.৫% বেড়েছে
b ০.২৫% বেড়েছে
c ০.২৫% কমেছে
d ০.৫% কমেছে
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ০.২৫% কমেছে প্রদত্ত তথ্য: ব্যক্তির বেতন প্রথমে ৫% কমেছে এক বছর পর বেতন আবার ৫% বেড়েছে ধরি, ব্যক্তির আদি বেতন = ১০০ টাকা অতএব, ৫% কমে প্রথম বছর শেষে বেতন হয় = ১০০ − ৫ = ৯৫ টাকা এই ৯৫ টাকার উপর আবার ৫% বৃদ্ধি পায় ৯৫ এর ৫% = ৪.৭৫ টাকা সুতরাং, বর্তমান বেতন = ৯৫ + ৪.৭৫ = ৯৯.৭৫ টাকা মোটের উপর বেতন কমেছে = ১০০ − ৯৯.৭৫ = ০.২৫ টাকা উত্তর: ০.২৫% কমেছে
a Incyclopedia
b Encyclopedia
c Enciclopadia
d Encyclopedea
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Encyclopedia প্রদত্ত তথ্য: সঠিক ইংরেজি বানান চিহ্নিত করতে হবে ধরি, অপশনগুলোতে বিশ্বকোষ শব্দের বিভিন্ন বানান দেওয়া আছে অতএব, প্রথম অংশে Incyclopedia বানানটি ভুল তৃতীয় অংশে Enciclopadia বানানটি ভুল সুতরাং, চতুর্থ অংশে Encyclopedea বানানটি ভুল উত্তর: B) Encyclopedia
a ফারেনহাইট
b তাপমাত্রা
c চিকিৎসা
d পারদ
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পারদ প্রদত্ত তথ্য: ঘড়ির সাথে কাটার সম্পর্ক যেমন থার্মোমিটারের সাথে অন্য উপাদানের সম্পর্ক তেমনি ধরি, ঘড়ি পরিচালনার মূল অংশ হলো কাটা থার্মোমিটার পরিচালনার মূল উপাদান হলো পারদ অতএব, কাটা ছাড়া ঘড়ি যেমন অসম্পূর্ণ পারদ ছাড়া থার্মোমিটার তেমনি অসম্পূর্ণ সুতরাং, প্রথম জোড়ার সাথে দ্বিতীয় জোড়ার সাদৃশ্য রয়েছে উত্তর: পারদ
a ৩১
b ৩২
c ৩৩
d ৩৪
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩৩ প্রদত্ত তথ্য: সীমা হলো ১০০ থেকে ২০০ পর্যন্ত ৩ দ্বারা বিভাজ্য সংখ্যা নির্ণয় করতে হবে ধরি, ১০০ এর ঠিক পরের সংখ্যাটি যা ৩ দ্বারা বিভাজ্য তা হলো ১০২ ২০০ এর ঠিক আগের সংখ্যাটি যা ৩ দ্বারা বিভাজ্য তা হলো ১৯৯ অতএব, ১০২ কে ৩ দ্বারা ভাগ করলে হয় ৩৪ ১৯৯ কে ৩ দ্বারা ভাগ করলে হয় ৬৬ (পূর্ণসংখ্যা) সুতরাং, ৩ দ্বারা বিভাজ্য মোট সংখ্যার হিসাব = ৬৬ − ৩৪ + ১ = ৩৩ উত্তর: ৩৩ টি
a আইয়ুব খান
b ইয়াহিয়া খান
c ভুট্টো
d কিসিঞ্জার
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ভুট্টো প্রদত্ত তথ্য: ঐতিহাসিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট উক্তিটির সাথে জড়িত চরিত্র ধরি, বক্তা হলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যার কথা রাখা হয়নি তিনি জুলফিকার আলী ভুট্টো অতএব, আইয়ুব খান বা ইয়াহিয়া খানের সাথে উক্তিটির মিল নেই কিসিঞ্জারের সাথেও এই প্রসংগটি যুক্ত নয় সুতরাং, সঠিক নামটি হলো জুলফিকার আলী ভুট্টো উত্তর: C) ভুট্টো
a পূর্ব
b পশ্চিম
c উত্তর
d দক্ষিণ
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) দক্ষিণ প্রদত্ত তথ্য: রহিম প্রথমে উত্তর দিকে ১০ মাইল হাঁটেন এরপর ডানদিকে ঘুরে ৫ মাইল হাঁটেন তারপর আবার ডানদিকে ঘুরে ২ মাইল হাঁটেন ধরি, শুরুর বিন্দু থেকে রহিম উত্তর দিকে যাত্রা শুরু করেন অতএব, প্রথম ধাপে উত্তর দিকে চলার পর তার মুখ উত্তর দিকে থাকে দ্বিতীয় ধাপে ডানদিকে ঘোরার পর তার মুখ পূর্ব দিকে হয় তৃতীয় ধাপে পুনরায় ডানদিকে ঘোরার পর তার মুখ দক্ষিণ দিকে হয় সুতরাং, রহিম বর্তমানে দক্ষিণ দিকে হাঁটছেন উত্তর: দক্ষিণ

মোট প্রশ্ন (35)

a সোপান
b সমর্থ
c সোল্লাস
d সওয়ার
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সমর্থ ১. কেন সঠিক: - ‘সোমত্ত’ শব্দটি বিবর্তনের মাধ্যমে সংস্কৃত ‘সমর্থ’ শব্দ থেকে প্রাকৃত হয়ে বাংলা ভাষায় এসেছে। ধ্বনি পরিবর্তনের নিয়মে এটি তদ্ভব শব্দের অন্তর্ভুক্ত। - ‘সমর্থ’ শব্দের অর্থ শক্তিমান বা যৌবনপ্রাপ্ত। বয়স ও শক্তি অর্জন করেছে এমন বোঝাতে শব্দটি বাংলায় ‘সোমত্ত’ রূপে ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার শব্দের উৎস বা শব্দের শ্রেণিবিভাগ সংক্রান্ত ব্যাকরণগত প্রশ্ন। সংস্কৃত শব্দ প্রাকৃত ও অপভ্রংশের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে বাংলায় এসেছে। - ধ্বনি পরিবর্তনের ধারায় শব্দের আদি রূপ পরিবর্তিত হয়ে নতুন রূপ ধারণ করে। এখানে ‘সমর্থ’ থেকে ‘সোমত্ত’ রূপটি প্রাকৃত ভাষার প্রভাব ও ধ্বনি বিপর্যয় বা সমীভবনের মাধ্যমে গঠিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চর্মকার থেকে চামার ব্যাখ্যা: এটি সংস্কৃত থেকে প্রাকৃত হয়ে পরিবর্তিত রূপ লাভের একটি আদর্শ তদ্ভব শব্দের উদাহরণ। উদাহরণ ২: হস্ত থেকে হাত ব্যাখ্যা: আদি সংস্কৃত শব্দ প্রাকৃত ভাষার মধ্য দিয়ে পরিবর্তিত হয়ে বর্তমান বাংলা রূপ লাভ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সোপান — সোপান একটি তৎসম শব্দ যার অর্থ সিঁড়ি। এটি সোমত্ত শব্দের উৎপত্তির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) সমর্থ — সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য। C) সোল্লাস — সোল্লাস শব্দের অর্থ উল্লাসের সঙ্গে। এটি সোমত্ত শব্দের উৎস নয়। D) সওয়ার — সওয়ার একটি ফারসি শব্দ যার অর্থ অশ্বারোহী বা চালক। এটি সোমত্ত শব্দের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - সোমত্ত মানে যে সমর্থ বা উপযুক্ত বয়স হয়েছে। সমর্থ শব্দের ম ধ্বনিটি দ্বিত্ব হয়ে সোমত্ত হয়েছে এভাবে মনে রাখা যায়। - উৎস নির্ণয়ের ক্ষেত্রে সংস্কৃত মূল শব্দ এবং তার তদ্ভব রূপের অর্থ মিলিয়ে দেখতে হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তদ্ভব শব্দের উৎস প্রায়ই আসে। - মূল সংস্কৃত শব্দ চেনার মাধ্যমে এজাতীয় শব্দের সঠিক উৎস সহজে নির্ণয় করা সম্ভব।
a রামচন্দ্র বিদ্যাবাগীশ
b রাজশেখর বসু
c হরিচরণ দে
d অশোক মুখোপাধ্যায়
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রামচন্দ্র বিদ্যাবাগীশ ১. কেন সঠিক: বাংলা ভাষায় প্রথম অভিধান বা শব্দকোষ সংকলনের গৌরব অর্জন করেছেন রামচন্দ্র বিদ্যাবাগীশ। ১৮১৭ সালে প্রকাশিত বঙ্গভাষা অভিধান বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম মুদ্রিত ও পূর্ণাঙ্গ অভিধান হিসেবে স্বীকৃত। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: রামচন্দ্র বিদ্যাবাগীশ ছিলেন উনিশ শতকের প্রথমার্ধের একজন বিশিষ্ট পণ্ডিত এবং শিক্ষাবিদ। তিনি কলকাতা সংস্কৃত কলেজের অধ্যাপক ছিলেন এবং বাংলা গদ্যের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বঙ্গভাষা অভিধান ব্যাখ্যা: রামচন্দ্র বিদ্যাবাগীশ কর্তৃক সংকলিত বাংলা ভাষার প্রথম মুদ্রিত অভিধান এটি। উদাহরণ ২: শব্দার্থ কল্পদ্রুম ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার আরেকটি বিখ্যাত প্রামাণ্য অভিধান, যা রাধাকান্ত দেব কর্তৃক সংকলিত হয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রামচন্দ্র বিদ্যাবাগীশ — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি বাংলা ভাষায় প্রথম অভিধান সংকলন করেছিলেন। B) রাজশেখর বসু — তিনি আধুনিক যুগের একজন বিখ্যাত প্রাবন্ধিক ও lexicographer যিনি চলিত ভাষার বিখ্যাত চলন্তিকা অভিধান রচনা করেছিলেন, যা প্রথম অভিধান নয়। C) হরিচরণ দে — তিনি বাংলা ভাষার ঐতিহাসিক ও অন্যতম সেরা শব্দার্থ অভিধান বঙ্গীয় শব্দকোষের রচয়িতা, যা রামচন্দ্র বিদ্যাবাগীশের বহু পরে প্রকাশিত হয়। D) অশোক মুখোপাধ্যায় — তিনি আধুনিককালের একজন বিশিষ্ট অভিধান প্রণেতা ও গবেষক, যিনি বাংলা অভিধানবিদ্যার ইতিহাসের সঙ্গে যুক্ত থাকলেও প্রথম অভিধানের সংকলক নন। ৫ মনে রাখার টিপস: রামচন্দ্র বিদ্যাবাগীশ নামটির প্রথম অংশ রাম দিয়ে মনে রাখতে পারো যে তিনিই বাংলা ভাষার অভিধান জগতের আদিপুরুষ বা রাম। প্রথম অভিধান মানেই রামচন্দ্র বিদ্যাবাগীশ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা অভিধানের ইতিহাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। বাংলা ভাষার প্রথম অভিধান কোনটি এবং এর সংকলক কে, এই তথ্যটি BCS ও শিক্ষক নিবন্ধনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a শওকত আলী
b সেলিনা হােসেন
c আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
d সৈয়দ শামসুল হক
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সৈয়দ শামসুল হক কেন সঠিক: - সৈয়দ শামসুল হক মাত্র একত্রিশ বছর বয়সে ১৯৬৪ সালে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন। - বাংলা একাডেমি পুরস্কার প্রাপ্ত কথাসাহিত্যিক ও কবিদের মধ্যে তিনিই এ পর্যন্ত সবচেয়ে কম বয়সী হিসেবে এই গৌরব অর্জন করেছেন। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে সৈয়দ শামসুল হক এক বহুমুখী প্রতিভাবান লেখক হিসেবে পরিচিত। - তিনি কবিতা, উপন্যাস, নাটক, ছোটগল্প এবং অনুবাদ সাহিত্যে অনন্য অবদান রেখে এই স্বীকৃতি অর্জন করেন। - তাঁর রচিত বিখ্যাত উপন্যাসগুলির মধ্যে কয়েকটির নাম হলো دیوار, খেলার রামচাপ এবং নীল জলের সিঁড়ি। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) শওকত আলী — তিনি সৈয়দ শামসুল হকের চেয়ে অনেক পরে এই পুরস্কার লাভ করেন। - B) সেলিনা হোসেন — তিনি কথাসাহিত্যিক হলেও এই বয়সের রেকর্ডের অধিকারী নন। - C) আখতারুজ্জামান ইলিয়াস — তিনি অত্যন্ত প্রতিভাবান হলেও কম বয়সে বাংলা একাডেমি পুরস্কার পাননি। - D) সৈয়দ শামসুল হক — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: - সৈয়দ শামসুল হক সবকিছুতেই কম বয়সে সফল হতেন, তাই সবচেয়ে কম বয়সে বাংলা একাডেমি পুরস্কার পাওয়ার ক্ষেত্রেও তাঁর নামটি মনে রাখবে।
a সৈয়দ আলী আহসান
b সুকান্ত ভট্টাচার্য
c হুমায়ুন আজাদ
d নির্মলেন্দু গুণ
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) হুমায়ুন আজাদ ১. কেন সঠিক: - সবকিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা প্রখ্যাত লেখক হুমায়ুন আজাদ। - এই কাব্যগ্রন্থটি তার গভীর সমাজসচেতনতা এবং রাষ্ট্রীয় বৈষম্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - হুমায়ুন আজাদ বিংশ শতাব্দীর শেষভাগের একজন প্রথিতযশা বাঙালি কবি, ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক ও ভাষাবিজ্ঞানী। - তার উল্লেখযোগ্য অন্যান্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে অলৌকিক ইস্টিমার এবং জ্বলো চিতা জলো। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অলৌকিক ইস্টিমার ব্যাখ্যা: এটি হুমায়ুন আজাদ রচিত প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯৭৩ সালে প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: জ্বলো চিতা জলো ব্যাখ্যা: এটিও হুমায়ুন আজাদের একটি বিখ্যাত প্রতিবাদী কাব্যগ্রন্থ, যা তার বিদ্রোহী চেতনা প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সৈয়দ আলী আহসান — তিনি একজন বিশিষ্ট কবি ও প্রাবন্ধিক হলেও এই গ্রন্থটি তার রচিত নয়। B) সুকান্ত ভট্টাচার্য — তিনি কিশোর কবি ও মার্কসবাদী চেতনার লেখক হলেও এই গ্রন্থটির রচয়িতা নন। C) হুমায়ুন আজাদ — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে কোনো ভুল নেই। D) নির্মলেন্দু গুণ — তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি হলেও এই গ্রন্থটির সঙ্গে সম্পর্কিত নন। ৫ মনে রাখার টিপস: - হুমায়ুন আজাদের বিখ্যাত প্রতিবাদী কবিতার বই মনে রাখতে মনে রাখবে যে নষ্টদের বিরুদ্ধে তিনি সবসময় কলম ধরেছেন। - এভাবে কবির প্রতিবাদী সত্তার সঙ্গে গ্রন্থটির নাম সহজে মেলানো যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় হুমায়ুন আজাদের কাব্যগ্রন্থ এবং উপন্যাসের নাম প্রায়ই আসে। - লেখকের অন্যান্য বিখ্যাত উপন্যাস যেমন লাল নীল দীপাবলি ও ছাপান্নো হাজার বর্গমাইল ভালো করে পড়তে হবে।
a স্যার এ. এফ. রহমান
b রমেশচন্দ্র মজুমদার
c সৈয়দ সাজ্জাদ হােসায়েন
d বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের মার্চ মাসে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর বর্বরতার প্রতিবাদে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের পদ থেকে পদত্যাগ করেন। - শিক্ষার্থীদের ওপর নির্বিচারে গুলিবর্ষণের প্রতিবাদে তিনি নৈতিক দায়িত্ববোধ থেকে এই সাহসী পদক্ষেপ নেন। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা সাহিত্যের কোনো ব্যাকরণগত নিয়ম বা সাহিত্যকর্মের অংশ নয়, এটি আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের ঐতিহাসিক একটি ঘটনা। - ১৯৭১ সালের ইতিহাসের তথ্যভিত্তিক সাধারণ জ্ঞান হিসেবে এটি পঠিত হয়। - বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ এবং শিক্ষাবিদদের অবদান মনে রাখতে এই ঐতিহাসিক ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) স্যার এ. এফ. রহমান — তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম মুসলিম প্রভোস্ট ও উপাচার্য ছিলেন, ১৯৭১ সালের ঘটনার সাথে সম্পর্কিত নন। - B) রমেশচন্দ্র মজুমদার — তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রখ্যাত ইতিহাসবিদ ও উপাচার্য ছিলেন, তবে ১৯৭১ সালে তিনি দায়িত্বে ছিলেন না। - C) সৈয়দ সাজ্জাদ হােসায়েন — তিনি ১৯৭১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ছিলেন, কিন্তু তিনি পদত্যাগ করেননি বরং পাকিস্তান সরকারের অনুগত ছিলেন। - D) এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ এটি সঠিক উত্তরের অপশন। মনে রাখার টিপস: - ১৯৭১ সালের ছাত্রমৃত্যুতে পদত্যাগ করেছিলেন বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী, যা নামের প্রথম অংশ মনে রাখলেই সহজে উত্তর করা সম্ভব।
a ছেঁড়াতার
b চাকা
c বাকী ইতিহাস
d কী চাহ হে শঙ্খচিল
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কী চাহ হে শঙ্খচিল কেন সঠিক: - এই নাটকটির মূল বিষয়বস্তু ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং পাকিস্তানি বাহিনীর বর্বরতা। - নাটকে বাঙালি জাতির সংগ্রাম ও আত্মত্যাগের চিত্র অত্যন্ত নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - নাটকটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধকে কেন্দ্র করে রচিত একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ নাট্যসাহিত্য। - নাট্যকার এই নাটকের মাধ্যমে যুদ্ধের ভয়াবহতা এবং সাধারণ মানুষের কষ্ট তুলে ধরেছেন। - ১৯৭১ সালের পটভূমিতে রচিত অন্যান্য নাটকের মধ্যে এটি বিশেষ মর্যাদার অধিকারী। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) ছেঁড়াতার — এটি মুনীর চৌধুরী রচিত একটি বিখ্যাত নাটক যার মূল বিষয়বস্তু ১৯৪৩ সালের মন্বন্তর। - B) চাকা — এটি সেলিনা হোসেন রচিত একটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস, কোনো নাটক নয়। - C) বাকী ইতিহাস — এটি সৈয়দ শামসুল হক রচিত একটি মনস্তাত্ত্বিক নাটক, যার সাথে মুক্তিযুদ্ধের সরাসরি সম্পর্ক নেই। - D) সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: - শঙ্খচিল পাখি যেমন আকাশে ওড়ে, তেমনি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ আমাদের স্বাধীনতার আকাশে এক অনন্য অধ্যায়।
a অক্টোপাস
b কালো বরফ
c ক্রীতদাসের হাসি
d নাঢ়াই
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নাঢ়াই ১. কেন সঠিক: - এই প্রশ্নটির ধরন হলো উপন্যাস, নাটক ও ছোটগল্প। - নাঢ়াই উপন্যাসটি তেভাগা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে রচিত হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - নাঢ়াই উপন্যাসের রচয়িতা হলেন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক শওকত আলী। - উপন্যাসের বিষয়বস্তু হলো বাংলার গ্রামীণ জনপদের ঐতিহাসিক তেভাগা আন্দোলন ও কৃষকদের সংগ্রাম। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ইছামতী ব্যাখ্যা: এটি বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা নদীভিত্তিক জীবন নিয়ে রচিত। উদাহরণ ২: তিতাস একটি নদীর নাম ব্যাখ্যা: এটি অদ্বৈত মল্লবর্মণের একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা জেলের জীবনকে কেন্দ্র করে রচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অক্টোপাস — এটি একটি উপন্যাস হলেও এর বিষয়বস্তু তেভাগা আন্দোলন নয়। B) কালো বরফ — এটি মাহমুদুলের হক রচিত একটি উপন্যাস, যার প্রেক্ষাপট ভিন্ন। C) ক্রীতদাসের হাসি — এটি শওকত আলীর উপন্যাস হলেও এর বিষয়বস্তু আইয়ুব খানের স্বৈরাচারী শাসন। D) নাঢ়াই — এটি সঠিক উত্তর। ৫ মনে রাখার টিপস: শওকত আলী তেভাগা আন্দোলনের ওপর নাঢ়াই লিখেছেন। নাঢ়াই শব্দের সঙ্গে শওকত আলী নামটি মনে রাখতে পারো। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: তেভাগা আন্দোলনভিত্তিক উপন্যাস বা নাটক প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। শওকত আলীর অন্যান্য বিখ্যাত উপন্যাস সম্পর্কেও ধারণা রাখা জরুরি।
a বিষের বাঁশি
b যুগবাণী
c ভাঙার গান
d প্রলয় শিখা
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) যুগবাণী ১. কেন সঠিক: - যুগবাণী প্রবন্ধগ্রন্থটি ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক সরকার কর্তৃক কাজী নজরুল ইসলামের বাজেয়াপ্ত হওয়া প্রথম গ্রন্থ। - ১৯২৬ সালের নভেম্বর মাসে প্রকাশিত এই গ্রন্থটি ব্রিটিশবিরোধী লেখার কারণে সরকার বাজেয়াপ্ত করে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যে বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত। - তাঁর মোট পাঁচটি গ্রন্থ ব্রিটিশ সরকার বাজেয়াপ্ত করেছিল যার মধ্যে যুগবাণী প্রথম প্রকাশিত ও বাজেয়াপ্ত হওয়া গ্রন্থ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিষের বাঁশি ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত বাজেয়াপ্ত গ্রন্থ যা ১৯২৪ সালে প্রকাশিত হয়েছিল। উদাহরণ ২: ভাঙার গান ব্যাখ্যা: এটিও নজরুলের একটি বিখ্যাত বিদ্রোহী গান ও কবিতার সংকলন যা ব্রিটিশ সরকার বাজেয়াপ্ত করেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিষের বাঁশি - এটি নজরুলের বাজেয়াপ্ত গ্রন্থ হলেও প্রথম বাজেয়াপ্ত গ্রন্থ নয়। B) যুগবাণী - এটি সঠিক উত্তর কারণ এটিই প্রথম বাজেয়াপ্ত হয়। C) ভাঙার গান - এটিও একটি বাজেয়াপ্ত গ্রন্থ তবে প্রকাশের দিক থেকে প্রথম নয়। D) প্রলয় শিখা - এটি নজরুলের একটি বাজেয়াপ্ত রাজনৈতিক গ্রন্থ যা পরে বাজেয়াপ্ত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - নজরুলের বাজেয়াপ্ত বইগুলোর মধ্যে যুগবাণী সবার আগে আসে। - প্রকাশের ক্রমানুসারে যুগবাণী প্রথম বাজেয়াপ্ত গ্রন্থ হিসেবে মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নজরুলের বাজেয়াপ্ত গ্রন্থের নাম এবং প্রথম বাজেয়াপ্ত গ্রন্থ কোনটি তা প্রায়ই আসে। - পাঁচটি বাজেয়াপ্ত গ্রন্থের নাম ভালোভাবে মুখস্থ রাখা জরুরি।
a চৈতালী ঘূর্ণি
b রক্তের অক্ষর
c বায়ান্ন বাজার তিপ্পান্ন গলি
d ১৯৭১
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৯৭১ কেন সঠিক: - কথাশিল্পী তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়েই এই উপন্যাসটি রচনা শুরু করেছিলেন। - উপন্যাসের বিষয়বস্তু ও নামকরণ সরাসরি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের ওপর ভিত্তি করেই করা হয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলা কথাসাহিত্যের একজন প্রখ্যাত আঞ্চলিক ঔপন্যাসিক ও গল্পকার। - এই উপন্যাসটি তাঁর জীবনের শেষ উপন্যাস এবং এটি ১৯৭২ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। - তাঁর বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে আরও রয়েছে কবি, হাঁসুলী বা বাঁকের উপকথা এবং गणদেবতা। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) চৈতালী ঘূর্ণি — এটি তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি প্রারম্ভিক সামাজিক উপন্যাস, মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নয়। - B) রক্তের অক্ষর — এটিও তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস। - C) বায়ান্ন বাজার তিপ্পান্ন গলি — এটি তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের কলকাতার পটভূমিতে রচিত একটি উপন্যাস। - D) সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: - মুক্তিযুদ্ধের সাল অর্থাৎ ১৯৭১ সালেই এই উপন্যাসের নাম ঠিক করা হয়েছে, তাই সালটি মনে রাখলেই উত্তর পাওয়া সম্ভব।
a অকাজ
b আবছায়া
c আলুনি
d নিখুঁত
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আলুনি ১. কেন সঠিক: 'আলুনি' শব্দটি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় এটি 'আ' উপসর্গ যোগে গঠিত হয়েছে। এখানে 'আ' উপসর্গটি বিশেষ অর্থে 'অভাব' প্রকাশ করেছে, কারণ 'আলুনি' শব্দের অর্থ লবণ বা নুনের অভাব। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষায় কিছু সংস্কৃত ও দেশি উপসর্গ রয়েছে যা বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে থাকে। 'আ' একটি উপসর্গ যা শব্দের শুরুতে বসে নতুন অর্থ সৃষ্টি করে এবং কখনো কখনো অভাব বা স্বল্পতা বোঝায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আকথা ব্যাখ্যা: অকথ্য বা খারাপ কথা অর্থে 'আ' উপসর্গ ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: আধোয়া ব্যাখ্যা: ধোয়ার অভাব বা যা ধোয়া হয়নি অর্থে 'আ' উপসর্গ ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অকাজ — এটি 'অ' উপসর্গ যোগে গঠিত হয়েছে এবং এর অর্থ মন্দ কাজ বা খারাপ কাজ, এখানে অভাব বোঝায়নি। B) আবছায়া — এটি 'আ' উপসর্গ যোগে গঠিত হলেও এর অর্থ ঈষৎ বা অল্প ছায়া, এখানে অভাব বোঝায়নি। D) নিখুঁত — এটি 'নি' উপসর্গ যোগে গঠিত হয়েছে এবং এর অর্থ ত্রুটিহীন, এখানে 'আ' উপসর্গ ব্যবহৃত হয়নি। ৫. মনে রাখার টিপস: লবণ বা নুনের অভাব বোঝাতে আলুনি শব্দটি মনে রাখবে। আ উপসর্গ দিয়ে গঠিত শব্দে আ মানে সাধারণত অভাব বা স্বল্পতা বোঝাতে পারে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: উপসর্গ চেনার জন্য শব্দের মূল অংশ এবং উপসর্গ আলাদা করতে হবে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই উপসর্গ থেকে শব্দের অর্থ ও প্রকারভেদ জানতে চাওয়া হয়।
a যৌগিক ধ্বনি
b অক্ষর
c বর্ণ
d মৌলিক স্বরধ্বনি
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অক্ষর ১. কেন সঠিক: নিঃশ্বাসের স্বল্পতম প্রয়াসে বা এক ঝটকায় উচ্চারিত ধ্বনি বা ধ্বনিগুচ্ছকে অক্ষর বলা হয়। এটি মূলত বাক্যের বা শব্দের সেই অংশ যা একবারে উচ্চারণ করা যায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: ধ্বনি উচ্চারণের সময় ফুসফুস থেকে যে বাতাস বের হয়, তার একটি ধাক্কায় যতটুকু অংশ উচ্চারিত হয় তাকে অক্ষর বা সিলেবল বলে। অক্ষরের মূল ভিত্তি হলো স্বরধ্বনি, কারণ স্বরধ্বনি ছাড়া অক্ষর গঠিত হতে পারে না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভাত শব্দটি একবারে উচ্চারিত হয়, তাই এটি একদল অক্ষর বা একাক্ষর শব্দ। ব্যাখ্যা: এখানে ভ + াত মিলে একটিমাত্র অক্ষর হিসেবে উচ্চারিত হয়। উদাহরণ ২: কলম শব্দটিতে দুটি অক্ষর আছে। ব্যাখ্যা: কল এবং ম মিলে এটি দ্বি-দল বা দ্ব্যক্ষর শব্দ হিসেবে উচ্চারিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যৌগিক ধ্বনি — দুটি স্বরধ্বনি মিলে একটি স্বরধ্বনি উৎপন্ন হলে তাকে যৌগিক ধ্বনি বলে, যা নিঃশ্বাসের স্বল্পতম প্রয়াসের সংজ্ঞা নয়। B) অক্ষর — এটি সঠিক উত্তর। C) বর্ণ — ধ্বনির লিখিত রূপকে বর্ণ বলা হয়, যা উচ্চারণের একক নয় বরং লিপির একক। D) মৌলিক স্বরধ্বনি — যে স্বরধ্বনি ভাঙা যায় না তা মৌলিক স্বরধ্বনি, কিন্তু এটি নিঃশ্বাসের স্বল্পতম প্রয়াসের একক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: এক নিঃশ্বাসে যতটুকু উচ্চারণ করা যায় সেটাই অক্ষর বা সিলেবল। স্বরধ্বনি ছাড়া অক্ষর গঠিত হতে পারে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: শব্দ গঠনের ক্ষেত্রে অক্ষর এবং বর্ণের পার্থক্য প্রায়ই বিসিএস পরীক্ষায় আসে। অক্ষর হলো উচ্চারণের একক এবং বর্ণ হলো লেখার একক।
a ডব্লিউ বি ইয়েটস
b ক্লিনটন বি সিলি
c অরুন্ধতী রায়
d অমিতাভ ঘোষ
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ক্লিনটন বি সিলি ১. কেন সঠিক: - ক্লিনটন বি সিলি ইংরেজি ভাষায় জীবনানন্দ দাশের ওপর একটি প্রামাণ্য জীবনীগ্রন্থ রচনা করেছেন। - এই গ্রন্থটির নাম হলো আ জীবনানন্দ রিড রিডিং লাইফ অ্যান্ড পোয়েট্রি অব জীবনানন্দ দাশ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ক্লিনটন বি সিলি একজন মার্কিন গবেষক এবং অনুবাদক যিনি বাংলা সাহিত্য নিয়ে কাজ করেছেন। - তিনি শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এবং জীবনানন্দ দাশের কবিতার ইংরেজি অনুবাদ ও গবেষণায় বিশেষ অবদান রেখেছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক্লিনটন বি সিলি অনূদিত জীবনানন্দ দাশের কবিতার ইংরেজি সংকলন। ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের সাহিত্য বিশ্ব দরবারে পরিচিত করতে সাহায্য করেছে। উদাহরণ ২: রূপসী বাংলা কাব্যগ্রন্থের ইংরেজি অনুবাদ। ব্যাখ্যা: এই অনুবাদগুলোর মাধ্যমে বিদেশি পাঠকরা জীবনানন্দ দাশের প্রকৃতির রূপ বৈচিত্র্য বুঝতে পেরেছেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডব্লিউ বি ইয়েটস — তিনি আইরিশ কবি ও নাট্যকার ছিলেন যিনি জীবনানন্দ দাশের ওপর কোনো গ্রন্থ লেখেননি। B) ক্লিনটন বি সিলি — এটি সঠিক উত্তর। C) অরুন্ধতী রায় — তিনি ভারতের সমসাময়িক ঔপন্যাসিক ও প্রাবন্ধিক যিনি জীবনানন্দ দাশের জীবনী লেখেননি। D) অমিতাভ ঘোষ — তিনি একজন ভারতীয় ইংরেজি ভাষার ঔপন্যাসিক যিনি এই গবেষণার সঙ্গে যুক্ত নন। ৫. মনে রাখার টিপস: - জীবনানন্দ দাশের ওপর ইংরেজি বই লিখলে সিল লাগবে, এভাবে ক্লিনটন বি সিলি নামটি মনে রাখতে পারো। - বিদেশি গবেষকদের মধ্যে সিলির নাম জীবনানন্দ গবেষণার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - জীবনানন্দ দাশ আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি এবং তাকে রূপসী বাংলার কবি বলা হয়। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি লেখকদের লেখা দেশীয় সাহিত্যিকদের জীবনী প্রায়ই আসে।
a বাবা ছেলেকে বললেন, বাবা তুমি দীর্ঘজীবী হও
b বাবা ছেলেকে বললেন যে, তোমার দীর্ঘয়ু হোক
c বাবা ছেলেকে বললেন, ‘তুমি দীর্ঘজীবী হও’
d বাবা ছেলেকে বললেন যে, আমি তোমার দীর্ঘায়ু কামনা করি
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বাবা ছেলেকে বললেন, ‘তুমি দীর্ঘজীবী হও’ ১. কেন সঠিক: - প্রত্যক্ষ উক্তিতে বক্তার মূল বক্তব্য বা উক্তি উদ্ধৃতি চিহ্নের ভেতরে অবিকল প্রকাশ করা হয়। - আশীর্বাদ, প্রার্থনা বা ইচ্ছা প্রকাশকমূলক বা্য (Optative Sentence) পরোক্ষ উক্তিতে কামনা করলেন বা প্রার্থনা করলেন দ্বারা প্রকাশিত হলে প্রত্যক্ষ রূপ দিতে হলে বক্তার সরাসরি আশীর্বচনী বাক্যটি উদ্ধৃতি চিহ্নের ভেতরে বসাতে হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - উক্তি পরিবর্তনের ক্ষেত্রে অর্থ ঠিক রেখে পরোক্ষ উক্তিকে প্রত্যক্ষ রূপে রূপান্তর করার সময় বক্তার সরাসরি কথন উদ্ধৃতি চিহ্নের ভেতরে রাখতে হয়। - প্রার্থনা সূচক বাক্যে বক্তা সরাসরি কাউকে শুভকামনা বা আশীর্বাদ জানালে প্রত্যক্ষ উক্তিতে তুমি বা আপনারা সম্বলিত আশীর্বাদী বাক্য ব্যবহার করতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শিক্ষক ছাত্রকে বললেন, ‘তুমি পরীক্ষায় সফল হও।’ ব্যাখ্যা: এটি একটি আশীর্বাদক সূচক বাক্যের প্রত্যক্ষ রূপ যেখানে সরাসরি শুভকামনা জানানো হয়েছে। উদাহরণ ২: মা মেয়েকে বললেন, ‘আল্লাহ তোমার মঙ্গল করুন।’ ব্যাখ্যা: এটি প্রার্থনা সূচক বাক্যের প্রত্যক্ষ রূপ যেখানে সরাসরি ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাবা ছেলেকে বললেন, বাবা তুমি দীর্ঘজীবী হও — এখানে অতিরিক্ত বাবা শব্দটি যুক্ত করায় বাক্যটি ব্যাকরণগত ও গঠনগতভাবে মূল পরোক্ষ উক্তির সঙ্গে সরাসরি মেলে না। B) বাবা ছেলেকে বললেন যে, তোমার দীর্ঘয়ু হোক — এখানে প্রত্যক্ষ উক্তির নিয়ম না মেনে মাঝখানে যে সংযোজক ব্যবহার করা হয়েছে যা প্রত্যক্ষ উক্তিতে হয় না। C) বাবা ছেলেকে বললেন, ‘তুমি দীর্ঘজীবী হও’ — এটি সঠিক কারণ এটি প্রার্থনা সূচক বাক্যের সঠিক প্রত্যক্ষ রূপ প্রকাশ করেছে। D) বাবা ছেলেকে বললেন যে, আমি তোমার দীর্ঘায়ু কামনা করি — এটি পরোক্ষ উক্তিরই আরেকটি রূপ, প্রত্যক্ষ রূপ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - প্রার্থনা সূচক বাক্যের পরোক্ষ রূপ থেকে প্রত্যক্ষ রূপ করার সময় বাক্যের মাঝের যে তুলে দিতে হবে এবং বক্তার সরাসরি আশীর্বাণী উদ্ধৃতি চিহ্নের ভেতর বসাতে হবে। - কামনা করলেন থাকলে প্রত্যক্ষ রূপে তুমি দীর্ঘজীবী হও বা কল্যাণময় হও জাতীয় আশীর্বাদী বাক্য ব্যবহার করতে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - উক্তি পরিবর্তনের সময় বাক্য কোন ধরনের ( assertive, interrogative, imperative, optative, exclamatory) তা আগে শনাক্ত করতে হবে। - অপটিন বা প্রার্থনা সূচক বাক্যের ক্ষেত্রে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ রূপান্তরের নিয়মগুলো ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
a ঢাকার পল্টন
b নওগাঁর পরিসর
c কুষ্টিয়ার কুমারখালী
d ময়মনসিংহের ত্রিশাল
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কুষ্টিয়ার কুমারখালী ১. কেন সঠিক: - ‘গ্রামবার্তা প্রকাশিকা’ পত্রিকাটি কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে প্রকাশিত হয়েছিল। - এই পত্রিকাটি উনিশ শতকের গ্রামীণ বাংলার সমাজচিত্র ও শোষণের চিত্র তুলে ধরেছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাঙাল হরিনাথ মজুমদার ১৮৬৩ সালে এই পত্রিকা প্রকাশ করেন। - এটি মূলত গ্রামীণ সাংবাদিকতার এক ঐতিহাসিক মাইলফলক হিসেবে পরিচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বঙ্গবার্তা ব্যাখ্যা: এটিও একটি ঐতিহাসিক সাময়িকপত্র। উদাহরণ ২: সমাচার দর্পণ ব্যাখ্যা: এটি উনিশ শতকের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকাশনা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঢাকার পল্টন — এখান থেকে এই পত্রিকাটি প্রকাশিত হয়নি। B) নওগাঁর পরিসর — এটি এই পত্রিকার প্রকাশের স্থান নয়। C) কুষ্টিয়ার কুমারখালী — এটি সঠিক প্রকাশের স্থান। D) ময়মনসিংহের ত্রিশাল — এটি এই পত্রিকার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - কাঙাল হরিনাথের কুমারখালী, মনে রেখো কুষ্টিয়াবাসী খালি হাতে নয়, বার্তা নিয়ে আসেন। - পত্রিকার নামের সঙ্গে স্থান মনে রাখতে প্রথম অক্ষর মেলাতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সংবাদপত্রের সম্পাদক ও প্রকাশনা স্থান প্রায়ই আসে। - পত্রিকার প্রকাশকাল এবং সম্পাদকের নাম ভালোভাবে মুখস্থ রাখা জরুরি।
a শ্রীচৈতন্যদেব
b কাহ্নপা
c বিদ্যাপতি
d রামকৃষ্ণ পরমহংসদেব
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) শ্রীচৈতন্যদেব কেন সঠিক: - শ্রীচৈতন্যদেবের জীবন ও পদাচলনা কেন্দ্র করে বাংলায় প্রথম সার্থক জীবনী সাহিত্যের ধারা রচিত হয়। - তাঁর প্রয়াণের পর ভক্ত ও অনুসারীরা তাঁর জীবনের নানা দিক নিয়ে পদ ও গ্রন্থ রচনা শুরু করেন। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে জীবনী সাহিত্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধারা হিসেবে পরিচিত। - এই ধারার প্রধান গ্রন্থগুলোর মধ্যে কৃষ্ণদাস কবিরাজের শ্রীচৈতন্যচরিতামৃত এবং বৃন্দাবন দাসের শ্রীচৈতন্যভাগবত অন্যতম। - চৈতন্যদেবের অলৌকিক প্রেমভক্তি প্রচার এবং বৈষ্ণব ধর্মের প্রসার এই সাহিত্য সৃষ্টির মূল অনুপ্রেরণা ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: - B) কাহ্নপা — চর্যাপদের অন্যতম প্রধান পদকর্তা, জীবনী সাহিত্যের সঙ্গে যুক্ত নন। - C) বিদ্যাপতি — মৈথিলী কোকিল নামে পরিচিত বৈষ্ণব পদাবলীর বিখ্যাত কবি, তাঁর জীবন নিয়ে জীবনী সাহিত্য গড়ে ওঠেনি। - D) রামকৃষ্ণ পরমহংসদেব — উনিশ শতকের সাধক, তাঁর জীবন নিয়ে পরবর্তীকালে সাহিত্য রচিত হলেও বাংলা জীবনী সাহিত্যের মূল ধারা তাঁর মাধ্যমে গড়ে ওঠেনি। মনে রাখার টিপস: - মধ্যযুগে জীবনী সাহিত্য মানেই শ্রীচৈতন্যদেবকে কেন্দ্র করে রচিত সাহিত্য।
a মীননাথ
b প্রবোধচন্দ্র বাগচী
c হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
d মুনিদত্ত
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মুনিদত্ত ১. কেন সঠিক: চর্যাপদের মূল সংস্কৃত টীকার রচয়িতা হলেন মুনিদত্ত। তাঁর এই টীকার নাম 'চর্যাচর্যবিনিশ্চয়'। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মুনিদত্ত চর্যাপদের পদগুলোর সংস্কৃত অর্থ বা ব্যাখ্যা লিখেছিলেন। এই টীকাটির মাধ্যমেই পরবর্তীকালে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে চর্যাপদ আবিষ্কার করতে সক্ষম হন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চর্যাচর্যবিনিশ্চয় ব্যাখ্যা: এটি মুনিদত্ত রচিত চর্যাপদের সংস্কৃত টীকাগ্রন্থ যার ওপর ভিত্তি করে চর্যাপদের মূল অর্থ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। উদাহরণ ২: মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ব্যাখ্যা: তিনি ১৯০৭ সালে নেপাল থেকে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেন এবং ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে প্রকাশ করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মীননাথ — তিনি চর্যাপদের একজন প্রখ্যাত পদকর্তা বা কবি, কোনো টীকাকার নন। B) প্রবোধচন্দ্র বাগচী — তিনি চর্যাপদের তিব্বতী অনুবাদ আবিষ্কার ও চর্যাপদ নিয়ে গবেষণা করেছেন, টীকাকার নন। C) হরপ্রসাদ শাস্ত্রী — তিনি চর্যাপদের আবিষ্কারক ও প্রথম সম্পাদক, এর টীকাকার নন। D) মুনিদত্ত — সঠিক উত্তর কারণ তিনি চর্যাপদের সংস্কৃত টীকা লিখেছিলেন। ৫ মনে রাখার টিপস: চর্যাপদের পদকর্তা হলেন কবিরা আর টীকা লিখেছেন মুনিদত্ত। নামটি মনে রাখতে মনে রেখো মুনিরা সাধারণত শাস্ত্র বা টীকা লেখেন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: চর্যাপদ সম্পর্কিত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আবিষ্কারক, প্রকাশকাল এবং টীকাকারের নাম বারবার আসে। মুনিদত্তের টীকা না থাকলে চর্যাপদের প্রকৃত অর্থ উদ্ধার করা সম্ভব হতো না।
a পুরষ্কার
b আবিস্কার
c সময়পোযোগী
d স্বত্ব
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) স্বত্ব কেন সঠিক: - এই শব্দটিতে ত এর নিচে ব-ফলা যুক্ত হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ সঠিক। - বাংলা বানান বিধি অনুযায়ী শব্দের শেষে এই যুক্তবর্ণের ব্যবহার নিখুঁত। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী স্বত্ব শব্দটির অর্থ অধিকার বা মালিকানা। - এই শব্দে দন্ত্য স, ব, ত এবং ত এর নিচে ব-ফলা ব্যবহৃত হয়। - যেমন স + ব + ত + ব-ফলা মিলে স্বত্ব গঠিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) পুরষ্কার — এটি ভুল কারণ সঠিক বানান হলো পুরস্কার, যেখানে মূর্ধন্য ষ ব্যবহৃত হয়। - B) আবিস্কার — এটি ভুল কারণ সঠিক বানান হলো আবিষ্কার, যেখানে ই কারের পর মূর্ধন্য ষ বসে। - C) সময়পোযোগী — এটি ভুল কারণ সঠিক বানান হলো সময়োপযোগী, যেখানে ও কারের পরিবর্তে ও যুক্ত হয়। - D) স্বত্ব — এই অপশনটি সঠিক, তাই এটি ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: - অধিকার অর্থে স্বত্ব বানান লেখার সময় সবসময় ত এর নিচে ব-ফলা ব্যবহার করবে।
a ভূমিপুত্র
b মাটির জাহাজ
c কাঁটাতারে প্রজাপতি
d চিলেকোঠার সেপাই
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) চিলেকোঠার সেপাই ১. কেন সঠিক: - চিলেকোঠার সেপাই উপন্যাসটি ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের ঐতিহাসিক পটভূমিকায় রচিত হয়েছে। - উপন্যাসের প্রধান চরিত্র খোকা ঊনসত্তরের গণআন্দোলনের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিবর্তনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উপন্যাসের রচয়িতা প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক আখতারুজ্জামান ইলিয়াস। - এই উপন্যাসে তৎকালীন পুরান ঢাকার সামাজিক জীবন এবং ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট অত্যন্ত নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সেলিনা হোসেনের যাপিত জীবন ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসটি বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের পটভূমিকায় রচিত একটি বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম। উদাহরণ ২: শওকত ওলীর জননী ব্যাখ্যা: এটি গ্রামীণ সমাজের মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব ও পটভূমি নিয়ে রচিত একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভূমিপুত্র — এই নামে কোনো বিখ্যাত উপন্যাস বা সংশ্লিষ্ট পটভূমির প্রধান সাহিত্যকর্ম নেই। B) মাটির জাহাজ — এটি এই ঐতিহাসিক পটভূমির সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো উপন্যাস নয়। C) কাঁটাতারে প্রজাপতি — এটি ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের পটভূমিকায় লেখা কোনো উপন্যাস নয়। D) চিলেকোঠার সেপাই — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় প্রশ্নে চাওয়া পটভূমির সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান মানেই আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের চিলেকোঠার সেপাই উপন্যাস। - চরিত্র ও পটভূমি মনে রাখতে খোকা চরিত্র এবং ১৯৬৯ সালের আন্দোলন একসঙ্গে স্মরণ করতে হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই উপন্যাসটি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - ঐতিহাসিক পটভূমিভিত্তিক উপন্যাসগুলো আলাদাভাবে তালিকা তৈরি করে পড়লে সহজেই উত্তর করা সম্ভব।
a কৃৎ প্রত্যয়
b তদ্ধিত প্রত্যয়
c বাংলা কৃৎ প্রত্যয়
d সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয়
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) তদ্ধিত প্রত্যয় ১. কেন সঠিক: প্রাচুর্য শব্দটি প্রচুর শব্দের সঙ্গে য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত হয়েছে। প্রচুর হলো একটি বিশেষণ পদ, তাই এর সঙ্গে যুক্ত প্রত্যয়টি তদ্ধিত প্রত্যয় হিসেবে গণ্য হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: শব্দ বা ধাতুর সঙ্গে যে বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে তাকে প্রত্যয় বলে। ধাতু বা ক্রিয়ামূলের সঙ্গে যুক্ত প্রত্যয়কে কৃৎ প্রত্যয় এবং শব্দ বা প্রাতিপদিকের সঙ্গে যুক্ত প্রত্যয়কে তদ্ধিত প্রত্যয় বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুন্দর + য = সৌন্দর্য ব্যাখ্যা: সুন্দর বিশেষ্য বা বিশেষণ শব্দের সঙ্গে য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে তদ্ধিত প্রত্যয় সাধিত হয়েছে। উদাহরণ ২: ধীর + য = ধৈর্য ব্যাখ্যা: ধীর শব্দের সঙ্গে য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ভাববাচক তদ্ধিতান্ত শব্দ গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কৃৎ প্রত্যয় — এটি ক্রিয়ামূলের সঙ্গে যুক্ত হয়, কিন্তু প্রচুর একটি শব্দ। C) বাংলা কৃৎ প্রত্যয় — এটি বাংলা ক্রিয়ামূলের সঙ্গে যুক্ত হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয় — এটি সংস্কৃত ক্রিয়ামূলের সঙ্গে যুক্ত হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: শব্দ বা বিশেষ্যের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হলে তদ্ধিত প্রত্যয় হয় এবং ক্রিয়ামূলের সঙ্গে যুক্ত হলে কৃৎ প্রত্যয় হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: শব্দটির প্রকৃতি ও প্রত্যয় নির্ণয় ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে যাতে মূল শব্দটি নামপদ নাকি ক্রিয়াপদ তা চিহ্নিত করা সহজ হয়।
a গঙ্গা
b পুতুলনাচের ইতিকথা
c হাঁসুলী বাঁকের উপকথা
d গৃহদাহ
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) গঙ্গা ১. কেন সঠিক: - সমীরণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের (সমর সেনের ছদ্মনাম বা সমরেশ বসু) 'গঙ্গা' উপন্যাসটি মূলত পদ্মা ও গঙ্গা নদীর তীরবর্তী জেলে সম্প্রদায়ের অবহেলিত জীবনযাত্রা নিয়ে রচিত। - এই উপন্যাসে জেলেদের নদীর সঙ্গে সংগ্রাম, তাদের দারিদ্র্য, বেঁচে থাকার লড়াই এবং সমাজজীবনের বাস্তব চিত্র অত্যন্ত নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমরেশ বসু বাংলা কথাসাহিত্যে এক জননন্দিত লেখক, যিনি কালকূুট ছদ্মনামেও অনেক বিখ্যাত উপন্যাস লিখেছেন। - জেলে জীবন ও নদীকেন্দ্রিক উপন্যাসের মধ্যে মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'পদ্মা নদীর মাঝি' এবং সমরেশ বসুর 'গঙ্গা' বাংলা সাহিত্যে সর্বশ্রেষ্ঠ হিসেবে বিবেচিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদ্মা নদীর মাঝি ব্যাখ্যা: এটিও একটি প্রখ্যাত নদী ও জেলে জীবনভিত্তিক উপন্যাস যেখানে পদ্মা নদীর তীরের জেলের জীবনের বাস্তব চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। উদাহরণ ২: অদ্বৈত মল্লবর্মণের তিতাস একটি নদীর নাম ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসটি তিতাস নদীর তীরবর্তী মালো বা জেলে সম্প্রদায়ের সুখ-দুঃখ ও জীবন সংগ্রাম নিয়ে রচিত একটি ক্লাসিক সাহিত্যকর্ম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গঙ্গা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই উপন্যাসের মূল বিষয়বস্তু জেলেদের জীবন ও নদীকেন্দ্রিক সংগ্রাম। B) পুতুলনাচের ইতিকথা — এটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা একটি গ্রামীণ জনপদ ও মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস, যার মূল বিষয় জেলে জীবন নয়। C) হাঁসুলী বাঁকের উপকথা — এটি তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা কোপাই নদীর বাঁকের কাহার সম্প্রদায়ের জীবন নিয়ে রচিত আঞ্চলিক উপন্যাস। D) গৃহদাহ — এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা একটি বিখ্যাত সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস, যা মূলত প্রেমের ত্রিকোণ সম্পর্ক নিয়ে রচিত। ৫. মনে রাখার টিপস: - সমরেশ বসুর গঙ্গা উপন্যাসটি মনে রাখতে গঙ্গা নদী ও জেলেদের কথা একসঙ্গে স্মরণ করতে পারো। - নদীভিত্তিক উপন্যাসের ক্ষেত্রে সমরেশ বসুর 'গঙ্গা' এবং মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'পদ্মা নদীর মাঝি' প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - জেলে জীবনভিত্তিক উপন্যাসগুলোর লেখকদের নাম ভালোভাবে মনে রাখবে কারণ এখান থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - আঞ্চলিক উপন্যাসের সঙ্গে নদীভিত্তিক উপন্যাসের পার্থক্যগুলো পরিষ্কার ধারণা রাখবে।
a কর্মবাচ্য
b ভাববাচ্য
c যৌগিক
d কর্মকর্তৃবাচ্য
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভাববাচ্য ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যটিতে কর্তার চেয়ে কাজের ভাব বা ক্রিয়াটিই প্রধান হিসেবে প্রতীয়মান হয়েছে এবং এখানে কোনো স্পষ্ট কর্তা নেই। - বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কর্ম থাকা সত্ত্বেও যখন বাক্যে কর্মপদটি প্রধান হয়ে ওঠে না এবং ক্রিয়ার ভাব বা অর্থই স্পষ্টভাবে প্রকাশ পায়, তখন তাকে ভাববাচ্য বলে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে বাচ্যে কর্তার বা কর্মের প্রাধান্য থাকে না, বরং ক্রিয়ার অর্থ বা ভাবই প্রধান রূপে প্রতিভাত হয়, তাকে ভাববাচ্য বলে। - ভাববাচ্যের বাক্যে সাধারণত অকর্মক ক্রিয়া থাকে অথবা কর্ম থাকলেও তা গৌণ বা উহ্য থাকে এবং ক্রিয়ার সঙ্গে সাধারণত আ বা ই বিভক্তি যুক্ত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমার যাওয়া হবে না। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে কোনো নির্দিষ্ট কর্তার প্রাধান্য নেই, বরং যাওয়ার কাজটি সম্পন্ন না হওয়ার ভাবটি প্রকাশ পেয়েছে। উদাহরণ ২: তোদের কি গান গাওয়া হবে না? ব্যাখ্যা: এখানে গান কর্ম থাকা সত্ত্বেও গান গাওয়ার ভাব বা অবস্থাকে প্রশ্ন করা হয়েছে, যা ভাববাচ্যের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্মবাচ্য — এই অপশন ভুল কারণ কর্মবাচ্যে কর্মপদটি প্রধান হয় এবং ক্রিয়ার সঙ্গে সাধারণত দ্বারা, দিয়া, কর্তrum যুক্ত থাকে যা এখানে নেই। B) ভাববাচ্য — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটি নিয়ম অনুযায়ী সঠিক। C) যৌগিক — এই অপশন ভুল কারণ যৌগিক বাক্যে একটি প্রধান খণ্ড বাক্যের অধীন এক বা একাধিক আশ্রিত বাক্য থাকে, যা বাচ্যের শ্রেণিবিভাগ নয়। D) কর্মকর্তৃবাচ্য — এই অপশন ভুল কারণ কর্মকর্তৃবাচ্যে কর্মপদ নিজেই কর্তার স্থানীয় হয়, যা এই বাক্যের গঠনে অনুপস্থিত। ৫. মনে রাখার টিপস: - ভাববাচ্য চেনার সহজ উপায় হলো বাক্যে কর্তার উপস্থিতি গৌণ থাকে এবং ক্রিয়ার ভাব বা কাজটি সম্পন্ন হওয়ার অক্ষমতা বা সম্ভাবনা বোঝায়। - বাক্যটি পড়ে যদি মনে হয় কাজটি কে করছে তা বড় নয়, বরং কাজটি করা বা না করার বিষয়টিই প্রধান, তবে তা ভাববাচ্য হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাচ্য পরিবর্তনের নিয়ম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই কর্তাবাচ্য থেকে ভাববাচ্যে রূপান্তরের নিয়মগুলো ভালো করে অনুশীলন করতে হবে। - ভাববাচ্যের ক্রিয়াপদ সবসময় প্রথম পুরুষ বা অন্য পুরুষের হয় এবং এর রূপ সাধারণত নামধাতু বা সাধারণ ক্রিয়ার বিশেষ গঠনে হয়ে থাকে।
a সমরেশ মজুমদার
b শওকত ওসমান
c সমরেশ বসু
d আলাউদ্দিন আল আজাদ
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সমরেশ বসু ১. কেন সঠিক: - কালকূট হলো বরেণ্য কথাসাহিত্যিক সমরেশ বসুর একটি সুপরিচিত ছদ্মনাম। - তিনি এই ছদ্মনামে বাংলা সাহিত্যে বেশ কিছু মননশীল ও গভীর জীবনদর্শনভিত্তিক উপন্যাস রচনা করেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমরেশ বসু বিশ শতকের বাংলা কথাসাহিত্যের একজন অন্যতম প্রধান ও জনপ্রিয় ঔপন্যাসিক। - তার বিখ্যাত কালকূট ছদ্মনামে লেখা উপন্যাসগুলোর মধ্যে আনন্দ আমৃত্যু, সে এবং আমি এবং অবারিত পৃথিবী বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বনফুল ব্যাখ্যা: এটি প্রখ্যাত সাহিত্যিক বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের জনপ্রিয় ছদ্মনাম। উদাহরণ ২: পরিমল গোস্বামী ব্যাখ্যা: তিনি মৌচাক পত্রিকায় লেখার সময় জটিল মল্লিক ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সমরেশ মজুমদার — ইনি বাংলা সাহিত্যের একজন জনপ্রিয় ঔপন্যাসিক হলেও কালকূট ছদ্মনামের লেখক নন। B) শওকত ওসমান — ইনি বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও প্রাবন্ধিক, যার প্রকৃত নাম শেখ আজিজুর রহমান। C) সমরেশ বসু — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। D) আলাউদ্দিন আল আজাদ — ইনি বাংলাদেশের প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও গবেষক, যিনি কালকূট নামে লেখেননি। ৫ মনে রাখার টিপস: - সমরেশ বসু ছদ্মনামে বিষ পান করেছিলেন কালকূট, এভাবে মনে রাখতে পারো তার ছদ্মনামটি কালকূট। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলা সাহিত্যে ছদ্মনাম থেকে প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে। - অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ছদ্মনাম যেমন বনফুলের আসল নাম বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় এবং বীরবলের আসল নাম প্রমথ চৌধুরী ভালো করে পড়তে হবে।
a অসীম সাহা
b অরুণ বসু
c আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
d সৈয়দ শামসুল হক
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সৈয়দ শামসুল হক ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি সৈয়দ শামসুল হক রচিত একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থের নাম নির্দেশ করে। - এই কাব্যে গ্রামীণ জনপদের জীবনযাত্রা, মানুষের আবেগ ও লোকজ সংস্কৃতির গভীর রূপায়ণ ঘটেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সৈয়দ শামসুল হক বাংলা সাহিত্যের এক বহুমুখী প্রতিভাধর লেখক যিনি কবিতা, উপন্যাস, নাটক ও ছোটগল্পে অসামান্য অবদান রেখেছেন। - পরানের গহীন ভিতর তাঁর একটি উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ যা বাংলা কবিতায় নিজস্ব স্বর ও আঞ্চলিক লোকায়ত ভাষার চমৎকার ব্যবহারের জন্য পরিচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নুরুল আমিনের সারাজীবন ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ শামসুল হকের একটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক নাটক। উদাহরণ ২: পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় ব্যাখ্যা: এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক পটভূমিতে রচিত সৈয়দ শামসুল হকের একটি পদ্যনাটক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অসীম সাহা — ইনি বাংলাদেশের একজন বিশিষ্ট কবি হলেও এই কাব্যগ্রন্থটি তাঁর রচিত নয়। B) অরুণ বসু — ইনি একজন কবি ও প্রাবন্ধিক হলেও আলোচ্য কাব্যটির সঙ্গে তাঁর সম্পৃক্ততা নেই। C) আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ — ইনি বিখ্যাত 'কোনো এক মাকে' কবিতার রচয়িতা, তবে এই কাব্যগ্রন্থটি তাঁর নয়। D) সৈয়দ শামসুল হক — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি এই কাব্যগ্রন্থের রচয়িতাকে নির্দেশ করে। ৫ মনে রাখার টিপস: - সৈয়দ শামসুল হকের পরানের গহীন ভিতর কবিতা বা কাব্যগ্রন্থটি মনে রাখতে গহীন শব্দের সঙ্গে লেখকের নামের সংযোগ করতে পারো। - লোকজ ও গ্রামীণ আবহযুক্ত এমন কাব্যগ্রন্থ সাধারণত সৈয়দ শামসুল হকের মতো প্রথিতযশা কবিরাই লিখে থাকেন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কবি ও কাব্যগ্রন্থ মিলকরণ অংশে আসে। - লেখকের অন্যান্য বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ ও নাটকগুলোর নাম নোট করে রাখা পরীক্ষার জন্য বেশ সহায়ক।
a অনুজ্ঞাবাচক
b নির্দেশাত্মক
c বিস্ময়বোধক
d প্রশ্নবোধক
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নির্দেশাত্মক ১. কেন সঠিক: যে বাক্যে কোনো সাধারণ তথ্য, ঘটনা বা বিবৃতির বর্ণনা থাকে, তাকে নির্দেশাত্মক বা বর্ণনাত্মক বাক্য বলে। এখানে বক্তা তার একটি নতুন বা অদ্ভুত অভিজ্ঞতার কথা সাধারণভাবেই প্রকাশ করেছেন, তাই এটি নির্দেশাত্মক বাক্য। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: অর্থের দিক থেকে বাংলা বাক্য প্রধানত পাঁচ প্রকার যথা নির্দেশাত্মক, অনুজ্ঞাবাচক, প্রশ্নবোধক, বিস্ময়বোধক ও ইচ্ছাবাচক। নির্দেশাত্মক বাক্যে কোনো কিছু নিশ্চিতভাবে স্বীকার বা অস্বীকার করা হয় এবং এর মাধ্যমে বক্তার বক্তব্যের মূল উদ্দেশ্য প্রকাশ পায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাল আমরা নদী দেখতে যাব। ব্যাখ্যা: এটি একটি সাধারণ ঘটনার বর্ণনা দিচ্ছে, তাই এটি নির্দেশাত্মক বাক্য। উদাহরণ ২: সূর্য পূর্ব দিকে উদিত হয়। ব্যাখ্যা: এটি একটি চিরন্তন সত্যের বিবৃতি, যা নির্দেশাত্মক বাক্যের অন্তর্ভুক্ত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অনুজ্ঞাবাচক — অনুজ্ঞাবাচক বাক্যে আদেশ, নিষেধ, অনুরোধ বা আশীর্বাদ বোঝায়, কিন্তু প্রদত্ত বাক্যে এমন কোনো ভাব নেই। B) নির্দেশাত্মক — এটি সঠিক কারণ বাক্যটিতে সরাসরি একটি অভিজ্ঞতার বিবৃতি বা বর্ণনা প্রদান করা হয়েছে। C) বিস্ময়বোধক — বিস্ময়বোধক বাক্যে আবেগ, হর্ষ, বিষাদ বা বিস্ময় প্রকাশ পায়, যা এই বাক্যে অনুপস্থিত। D) প্রশ্নবোধক — প্রশ্নবোধক বাক্যে কোনো কিছু জানার বা প্রশ্ন করার ভাব থাকে, কিন্তু এখানে কোনো প্রশ্ন করা হয়নি। ৫ মনে রাখার টিপস: বাক্যে যদি কোনো সাধারণ তথ্য, ঘটনা বা বিবৃতি প্রকাশ পায় এবং শেষে সাধারণ দাড়ি বসে, তবে চোখ বন্ধ করে তাকে নির্দেশাত্মক বাক্য হিসেবে চিহ্নিত করবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য রূপান্তর বা বাক্য শনাক্তকরণের প্রশ্ন প্রায়ই আসে। বাক্য চেনার সময় প্রথমে খেয়াল করবে বাক্যটি দ্বারা প্রশ্ন করা হচ্ছে নাকি কোনো তথ্য জানানো হচ্ছে।
a হুলিয়া
b তোমাকে অভিবাদন প্রিয়া
c সোনালি কাবিন
d স্মৃতিস্তম্ভ
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) স্মৃতিস্তম্ভ ১. কেন সঠিক: - স্মৃতিস্তম্ভ কবিতাটি ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যকর্ম, যা শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে। - প্রশ্নটিতে ভাষা আন্দোলনভিত্তিক কবিতা কোনটি তা জানতে চাওয়া হয়েছে, এবং আলাউদ্দিন আল আজাদের স্মৃতিস্তম্ভ কবিতাটি এই দাবির সঙ্গে সম্পূর্ণ মিলে যায়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - স্মৃতিস্তম্ভ কবিতার রচয়িতা হলেন বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক ও কবি আলাউদ্দিন আল আজাদ, যিনি বাংলা সাহিত্যে আধুনিক ধারার লেখক হিসেবে পরিচিত। - ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে তিনি এই কবিতাটি রচনা করেন, যা আমাদের জাতীয় চেতনার উন্মেষ ঘটাতে সাহায্য করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ফেব্রুয়ারি ১৯৬০ ব্যাখ্যা: এটি হাসান হাফিজুর রহমান সম্পাদিত একুশে ফেব্রুয়ারি সংকলনে প্রকাশিত ভাষা আন্দোলনভিত্তিক আরেকটি বিখ্যাত কবিতা। উদাহরণ ২: কাঁদতে আসিনি ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি ব্যাখ্যা: মাহবুব উল আলম চৌধুরী রচিত এই কবিতাটি ভাষা আন্দোলনের ওপর রচিত প্রথম কবিতা এবং এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব অপরিসীম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হুলিয়া — এটি কবি নির্মলেন্দু গুণের একটি বিখ্যাত কবিতা, যা মূলত মুক্তিযুদ্ধ ও রাজনৈতিক পটভূমির ওপর রচিত হয়েছে। B) তোমাকে অভিবাদন প্রিয়া — এটি কবি শহীদ কাদরী রচিত একটি আধুনিক কবিতা, যার বিষয়বস্তু ভাষা আন্দোলন নয়। C) সোনালি কাবিন — এটি কবি আল মাহমুদের একটি বিখ্যাত সনেট সংকলন, যা গ্রামীণ জীবন ও ঐতিহ্যের ওপর রচিত। D) স্মৃতিস্তম্ভ — এটি ভাষা আন্দোলন নিয়ে লেখা কবিতা এবং এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। ৫ মনে রাখার টিপস: - ভাষা আন্দোলন নিয়ে লেখা কবিতার ক্ষেত্রে আলাউদ্দিন আল আজাদের স্মৃতিস্তম্ভ এবং মাহবুব উল আলম চৌধুরীর কাঁদতে আসিনি ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি নামটি সবার আগে মনে রাখবে। - স্মৃতিস্তম্ভ মানে স্মৃতির উদ্দেশ্যে নির্মিত মিনার বা স্তম্ভ, যা ১৯৫২ সালের শহীদদের স্মরণ করিয়ে দেয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ভাষা আন্দোলনের প্রথম কবিতার নাম হলো কাঁদতে আসিনি ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি এবং এর রচয়িতা মাহবুব উল আলম চৌধুরী। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কবিতা ও রচয়িতার নাম আলাদা করে জিজ্ঞেস করা হয়।
a রসতত্ত্ব
b রূপতত্ত্ব
c বাক্যতত্ত্ব
d ক্রিয়ার কাল
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বাক্যতত্ত্ব ১. কেন সঠিক: ধ্বনি ও শব্দকে সঠিকভাবে বাক্যে ব্যবহার করার নিয়মকানুন ব্যাকরণের যে শাখায় আলোচনা করা হয়, তাকে বাক্যতত্ত্ব বা পদক্রম বলে। ভাষার মূল উপকরণ হলো বাক্য, আর সেই বাক্য গঠনের সুনির্দিষ্ট বিধান জানার জন্যই বাক্যতত্ত্বের প্রয়োজন হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাক্যতত্ত্ব ব্যাকরণের এমন একটি শাখা যেখানে পদের বিন্যাস, পদক্রম, কারক, বাচ্য এবং বাক্যের বিভিন্ন অংশ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। সার্থক বাক্যের গুণ তিনটি যথা আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি ও যোগ্যতা, যা বাক্যতত্ত্বের আলোচনার অন্তর্ভুক্ত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমি স্কুলে যাই। ব্যাখ্যা: এখানে কর্তা, কর্ম এবং ক্রিয়া যথাযথ ক্রমানুসারে বসে একটি অর্থপূর্ণ বাক্য গঠন করেছে। উদাহরণ ২: ফুল ফুটিয়াছে। ব্যাখ্যা: শব্দগুলোর পারস্পরিক অন্বয় ও মিল রেখে বাক্যে ব্যবহারের বিধান বাক্যতত্ত্বের আওতাধীন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রসতত্ত্ব — রসতত্ত্ব মূলত বাংলা সাহিত্যের অলংকার শাস্ত্র এবং কাব্যাংশে রসের প্রকাশ নিয়ে আলোচনা করে। B) রূপতত্ত্ব — রূপতত্ত্ব ব্যাকরণে শব্দ গঠন, পদ এবং শব্দের রূপান্তর নিয়ে আলোচনা করে। D) ক্রিয়ার কাল — ক্রিয়ার কাল রূপতত্ত্বের একটি অংশ মাত্র, যা বাক্যে ব্যবহারের সামগ্রিক বিধান বোঝায় না। ৫ মনে রাখার টিপস: শব্দ ও ধ্বনি দিয়ে বাক্য সাজানোর নিয়ম হলো বাক্যতত্ত্ব। বাক্য সাজানোর বিধান মানেই বাক্যতত্ত্ব মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ব্যাকরণের আলোচ্য বিষয় চারটি, যার মধ্যে বাক্যতত্ত্ব হলো চতুর্থ অংশ। বাক্য সম্পর্কিত যেকোনো প্রশ্ন আসলে তা সাধারণত বাক্যতত্ত্ব বা syntax এর আওতাভুক্ত হয়।
a মনোকষ্ট
b মনঃকষ্ট
c মণকষ্ট
d মনকস্ট
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মনঃকষ্ট ১. কেন সঠিক: - বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী বিসর্গ সন্ধির ক্ষেত্রে অ-কার কিংবা আ-কারের পর বিসর্গ (:) থাকলে এবং তার পরে ক, খ, প বা ফ থাকলে বিসর্গ অপরিবর্তিত থাকে অথবা বিসর্গ স্থানে স (দন্ত্য স) হয়। - মনঃ যুক্ত কষ্ট মিলে মনঃকষ্ট বা মনসকষ্ট উভয় রূপই ব্যাকরণসম্মত হলেও প্রমিত বাংলা বানানরীতি ও বাংলা একাডেমি আধুনিক বানান নিয়ম অনুযায়ী বিসর্গ বহাল রেখে মনঃকষ্ট লেখাটি সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য ও সঠিক। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি মূলত বিসর্গ সন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম, যেখানে বিসর্গের পরে অঘোষ অল্পপ্রাণ বা মহাপ্রাণ ব্যঞ্জনবর্ণ থাকলে বিসর্গ ও হয় না বরং স হয়। - বিসর্গের সঙ্গে ক যুক্ত হলে বিসর্গ অপরিবর্তিত থাকে কিংবা বিসর্গের স্থানে দন্ত্য স বসে, যা নিপাতনে সিদ্ধ বা বিশেষ নিয়মে সাধিত শব্দ হিসেবে পরিগণিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বয়ঃসন্ধি ব্যাখ্যা: বয়ঃ যুক্ত সন্ধি মিলে বয়ঃসন্ধি হয়, যেখানে বিসর্গের পরে স থাকার কারণে বিসর্গ অপরিবর্তিত থাকে। উদাহরণ ২: অহর্নিশ ব্যাখ্যা: অহঃ যুক্ত নিশ মিলে অহর্নিশ হয়, যা বিসর্গ সন্ধির আরেকটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার কমন নিয়ম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মনোকষ্ট — এই বানানে বিসর্গের পরিবর্তে ও-কার ব্যবহার করা হয়েছে, যা এই পদের ক্ষেত্রে ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। B) মনঃকষ্ট — এই অপশনটি সঠিক এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য নির্ধারিত প্রমিত উত্তর। C) মণকষ্ট — এই বানানে মূর্ধন্য ণ ব্যবহার করা হয়েছে এবং বিসর্গ বাদ দেওয়া হয়েছে, যা সম্পূর্ণ ভুল। D) মনকস্ট — এই বানানে ইংরেজি ট-বর্গীয় ধ্বনি বা ভুল বানানরীতি ব্যবহার করা হয়েছে এবং কোনো বিসর্গ বা সন্ধির নিয়ম মানা হয়নি। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিসর্গ বিসর্গই থাকে যখন পদের শুরুতে মনঃ শব্দ থাকে এবং পরে কষ্ট বা চেতনা জাতীয় শব্দ যুক্ত হয়। - মনঃ পদের সঙ্গে কষ্ট যুক্ত করার সময় মাঝখানে বিসর্গ না উঠিয়ে হুবহু যুক্ত করে মনঃকষ্ট লিখতে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসর্গ সন্ধি থেকে বিসিএস এবং অন্যান্য নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে, বিশেষ করে এই ধরনের নিপাতনে সিদ্ধ শব্দগুলো ভালো করে আয়ত্ত করতে হবে। - প্রমিত বাংলা বানানরীতি মেনে চলার জন্য বাংলা একাডেমি প্রণীত আধুনিক বানান নিয়ম অনুসরণ করা অত্যন্ত জরুরি।
a শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘শেষ প্রশ্ন’
b রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘চোখের বালি’
c কাজী নজরুল ইসলামের ‘কুহেলিকা’
d বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘কপালকুন্ডুলা’
0 91 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘চোখের বালি’ ১. কেন সঠিক: - ‘চোখের বালি’ উপন্যাসের মূল বিষয়বস্তু হলো তৎকালীন সমাজব্যবস্থায় বিধবা নারীর প্রেম, মানসিক দ্বন্দ্ব এবং বঞ্চনার মনস্তাত্ত্বিক রূপায়ণ। - উপন্যাসের প্রধান চরিত্র বিনোদিনী একজন তরুণী বিধবা, যার প্রেমের আবেগ ও আকুলতা তৎকালীন রক্ষণশীল সমাজের ভিত্তিকে নাড়া দিয়েছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ নোবেলজয়ী কবি, ঔপন্যাসিক ও বহুমুখী প্রতিভাধর সাহিত্যিক। - ১৯০৩ সালে প্রকাশিত ‘চোখের বালি’ উপন্যাসের মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যে আধুনিক মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাসের ধারা সূচিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘যোগাযোগ’ উপন্যাস ব্যাখ্যা: এটিও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত উপন্যাস যেখানে মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব ও সম্পর্কের জটিলতা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। উদাহরণ ২: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘চরিত্রহীন’ উপন্যাস ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসেও সমাজের প্রচলিত রীতিনীতি এবং প্রেমের জটিল রূপ খুব সুন্দরভাবে চিত্রিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘শেষ প্রশ্ন’ — এই উপন্যাসের মূল বিষয় প্রথাগত সমাজের বাইরে নারী-পুরুষের স্বাধীন প্রেম ও মুক্তবুদ্ধির চর্চা, বিধবার প্রেম নয়। B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘চোখের বালি’ — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি বিধবার প্রেম ও মনস্তত্ত্ব নিয়ে রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস। C) কাজী নজরুল ইসলামের ‘কুহেলিকা’ — এটি মূলত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও বিপ্লববাদ নিয়ে রচিত কাজী নজরুল ইসলামের একমাত্র রাজনৈতিক উপন্যাস। D) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘কপালকুন্ডুলা’ — এটি বঙ্কিমচন্দ্রের একটি রোমান্টিক উপন্যাস যার মূল পটভূমি সন্ন্যাসী জীবন ও সমুদ্র উপকূলবর্তী প্রকৃতি। ৫ মনে রাখার টিপস: - চোখের বালি উপন্যাসের বিধবা চরিত্র বিনোদিনীর নাম মনে রাখলে খুব সহজেই উত্তরটি মনে রাখা সম্ভব। - রবীন্দ্রনাথের প্রথম আধুনিক মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস হিসেবে চোখের বালি সবসময় প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - চোখের বালি উপন্যাসের প্রধান চরিত্রগুলো হলো মহেন্দ্র, আশা, বিনোদিনী ও বিহারী। - বাংলা সাহিত্যে মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাসের জনক বা প্রবর্তক হিসেবে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের এই উপন্যাসটি বিশেষ মাইলফলক।
a রেফ
b হসন্ত
c কার
d ফলা
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ফলা ১. কেন সঠিক: বর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ হলো কার ও ফলা। স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে কার বলা হয় এবং ব্যঞ্জনবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে ফলা বলা হয়। প্রশ্নে ব্যঞ্জন ধ্বনির সংক্ষিপ্ত রূপ চাওয়া হয়েছে, তাই সঠিক উত্তর ফলা। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণের সংখ্যা এগারোটি এবং ব্যঞ্জনবর্ণের সংখ্যা ঊচল্লিশটি। পূর্ণরূপের পাশাপাশি যুক্তবর্ণ গঠনের সময় বা শব্দের সংক্ষিপ্ত ব্যবহারে এদের নির্দিষ্ট রূপ ব্যবহৃত হয়। স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ বা কারের সংখ্যা দশটি, কারণ অ বর্ণটির কোনো সংক্ষিপ্ত রূপ বা কার নেই। ব্যঞ্জনবর্ণের যখন অন্য কোনো ব্যঞ্জনবর্ণের সঙ্গে যুক্ত হয়ে নতুন রূপ নেয়, তখন তাকে ফলা বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব ফলা ব্যাখ্যা: মূল বর্ণ ব যখন অন্য ব্যঞ্জনের সাথে যুক্ত হয়, তখন তাকে ব ফলা বলা হয় যেমন স্বাধীন শব্দের স্বা। উদাহরণ ২: ম ফলা ব্যাখ্যা: মূল বর্ণ ম যখন অন্য ব্যঞ্জনের সাথে যুক্ত হয়, তখন তাকে ম ফলা বলা হয় যেমন পদ্মা শব্দের প্দ্মা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রেফ — রেফ হলো র বর্ণের একটি বিশেষ রূপ, যা সাধারণত কোনো বর্ণের উপরে বসে এবং এটি স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ নয়। B) হসন্ত — হসন্ত হলো কোনো ব্যঞ্জনবর্ণের নিচে স্বরধ্বনি না থাকার চিহ্ন বা দ্যোতক, এটি ব্যঞ্জনবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ নয়। C) কার — কার হলো স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ, যা ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে যুক্ত হয় এবং এটি ব্যঞ্জন ধ্বনির সংক্ষিপ্ত রূপ নয়। D) ফলা — ফলা হলো ব্যঞ্জনবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ, যা অন্য ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে যুক্ত হয়ে ব্যবহৃত হয় এবং এটি প্রশ্নের সঠিক চাহিদা পূরণ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ স্ব দিয়ে শুরু না হয়ে ক দিয়ে শুরু হয় অর্থাৎ কার, আর ব্যঞ্জনের সংক্ষিপ্ত রূপ ফ দিয়ে শুরু হয় অর্থাৎ ফলা। এভাবে স্বর-কার এবং ব্যঞ্জন-ফলা মিলিয়ে খুব সহজেই মনে রাখা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ব্যাকরণে কার ও ফলার সংখ্যা এবং এদের সংজ্ঞা প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। কার দশটি এবং ফলা ছয়টি (ন, ম, ল, র, ব, য) তা ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a দাশরথি রায়
b রামনিধি গুপ্ত
c ফকির গরীবুল্লাহ
d রামরাম বসু
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দাশরথি রায় ১. কেন সঠিক: পঞ্চালী বা পাঁচালি বাংলা সাহিত্যের একটি জনপ্রিয় পরিবেশনমূলক গীতিধারা, যা মূলত গান ও ছড়ার মাধ্যমে পুরাণ বা লোককাহিনি প্রচার করত। বাংলা সাহিত্যে পাঁচালি গানের রচয়িতা ও গায়ক হিসেবে যিনি সর্বাধিক খ্যাতি এবং জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন, তিনি হলেন দাশরথি রায়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: দাশরথি রায় বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের শেষভাগে এবং আধুনিক যুগের সন্ধিক্ষণে (ঊনবিংশ শতাব্দী) আবির্ভূত একজন বিখ্যাত পাঁচালিকাবকার। তাঁর রচিত পাঁচালি গানগুলো তৎকালীন সমাজে অত্যন্ত জনপ্রিয় ছিল এবং সেগুলোকে পাঁচালি গান বা দাশু রায়ের পাঁচালি নামে অভিহিত করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দাশরথি রায়ের পাঁচালি ব্যাখ্যা: এটি দাশরথি রায়ের বিখ্যাত পাঁচালি গানের সংকলন, যা তৎকালীন সময়ে সাধারণ মানুষের মাঝে ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষা প্রচার করত। উদাহরণ ২: ব্রজসুন্দর রায় ব্যাখ্যা: তিনি দাশরথি রায়ের পুত্র এবং পিতার মৃত্যুর পর তাঁর পাঁচালি রচনার ধারা কিছুকাল অব্যাহত রেখেছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দাশরথি রায় — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ তিনি পাঁচালিকার হিসেবে সর্বাধিক খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। B) রামনিধি গুপ্ত — ইনি বাংলা সাহিত্যের আদি খেউড় ও টপ্পা গানের জন্য সর্বাধিক পরিচিত, পাঁচালিকার নন। C) ফকির গরীবুল্লাহ — ইনি বাংলা সাহিত্যের পুথি সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি, পাঁচালিকার হিসেবে পরিচিত নন। D) রামরাম বসু — ইনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের একজন পন্ডিত এবং গদ্যলেখক, পাঁচালি রচনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। ৫ মনে রাখার টিপস: পাঁচালি শুনলেই মনে রাখবে দাশু রায়ের কথা, কারণ পাঁচালিতে সবচেয়ে বেশি খ্যাতি পেয়েছেন দাশরথি রায়। নামের প্রথম অংশ মিলিয়ে মনে রাখতে পারো দাশরথি রায়ের পাঁচালি গান ছিল বিখ্যাত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে বাংলা পাঁচালি গানের শ্রেষ্ঠ রচয়িতা কে, যার উত্তর হবে দাশরথি রায়। লেখক পরিচিতি পড়ার সময় কোন লেখক কোন ধারার জন্য বিখ্যাত, তা আলাদা করে নোট করে রাখা উচিত।
a আলাওল
b চন্দ্রাবতী
c মুকুন্দদাস
d মুক্তারাম চক্রবর্তী
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মুকুন্দদাস ১. কেন সঠিক: মুকুন্দদাস বাংলা সাহিত্যের একজন খ্যাতনামা চারণকবি, নাট্যকার ও দেশপ্রেমিক। ব্রিটিশ বিরোধী স্বাদেশী আন্দোলনে তাঁর গান ও যাত্রাপালা সাধারণ মানুষকে উদ্বুদ্ধ করেছিল বলে তাঁকে চারণকবি উপাধি দেওয়া হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: মুকুন্দদাস ১৮৭৮ সালে জন্মগ্রহণের করেন এবং তাঁর প্রকৃত নাম যজ্ঞেশ্বর দে। তিনি স্বদেশী আন্দোলন চলাকালীন গান ও নাটকের মাধ্যমে মানুষের মধ্যে দেশপ্রেম জাগিয়ে তোলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মুকুন্দদাসের লেখা বিখ্যাত যাত্রাপালা সমাজ সেবা। ব্যাখ্যা: এটি তাঁর স্বদেশী ভাবাপন্ন একটি জনপ্রিয় নাট্যকর্ম। উদাহরণ ২: মুকুন্দদাসের রচিত অপর একটি যাত্রাপালা মাতৃপূজা। ব্যাখ্যা: এই নাটকের মাধ্যমে তিনি পরাধীনতার বিরুদ্ধে দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ করার চেষ্টা করেছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আলাওল — তিনি মধ্যযুগের রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি এবং পদ্মাবতী তাঁর বিখ্যাত কাব্য। B) চন্দ্রাবতী — তিনি বাংলা সাহিত্যের প্রথম নারী কবি হিসেবে পরিচিত এবং রামায়ণ রচনার জন্য বিখ্যাত। D) মুক্তারাম চক্রবর্তী — তিনি অষ্টাদশ শতকের একজন মধ্যযুগীয় পন্ডিত ও কবি এবং চারণকবি হিসেবে পরিচিত নন। ৫. মনে রাখার টিপস: মুকুন্দদাস নামের সাথে স্বদেশী গান এবং চারণকবি উপাধিটি একত্রে মনে রাখা যায়। মনে রাখতে হবে যে চারণকবি বলতেই মুকুন্দদাসের নাম সবার আগে আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় চারণকবি মুকুন্দদাসের নাম প্রায়ই আসে। তাঁর জন্মস্থান এবং পেশা সম্পর্কে ধারণা রাখা পরীক্ষার জন্য খুবই উপযোগী।
a বিনোদিনী
b হৈমন্তী
c আশালতা
d চারুলতা
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) চারুলতা কেন সঠিক: ১. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নষ্টনীড় গল্পের মূল ও প্রধান নারী চরিত্র চারুলতা, যিনি একাকীত্বের শিকার হয়ে দেবর অমলের প্রতি আকর্ষিত হন। ২. সত্যজিৎ রায় এই গল্পের ওপর ভিত্তি করে বিখ্যাত চারুফুল বা চারুলতা নামক চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছেন। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. নষ্টনীড় গল্পটি বাংলা ছোটগল্প সাহিত্যের একটি মনস্তাত্ত্বিক ও যুগান্তকারী সৃষ্টি হিসেবে বিশেষভাবে পরিচিত। ২. এতে উচ্চবিত্ত পরিবারের অবহেলিত গৃহবধূর মানসিক বিকাশ ও নিঃসঙ্গতার বাস্তব চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. যেমন, চারুলতার সাহিত্যচর্চা এবং অমলের সাথে তার বুদ্ধিবৃত্তিক সখ্য এই গল্পের কেন্দ্রীয় প্রতিপাদ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিনোদিনী — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের চোখের ਬਾלי গল্পের বিখ্যাত ও প্রতিবাদী একটি প্রধান নারী চরিত্র। B) হৈমন্তী — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের হৈমন্তী নামক ট্র্যাজেডিধর্মী সামাজিক ছোটগল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র। C) আশালতা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের চোখের ਬਾלי গল্পের অন্যতম একটি কোমলমতি ও সরল চরিত্র। D) চারুলতা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: ১. নষ্টনীড় বললেই চারুলতা এবং অমলের সম্পর্কের কথা মনে রাখতে হবে। ২. চোখের ਬਾלי গল্পের সাথে চারুলতাকে গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
a শশব্যস্ত
b কালচক্র
c পরাণপাখি
d বহুব্রীহি
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) শশব্যস্ত ১. কেন সঠিক: - শশব্যস্ত শব্দটি উপমান কর্মধারয় সমাসের সঠিক উদাহরণ কারণ এখানে শশ বা খরগোশের ব্যস্ততার সঙ্গে তুলনাকৃত পদের সরাসরি তুলনা করা হয়েছে। - উপমান কর্মধারয় সমাসে সাধারণ ধর্মবাচক পদের সঙ্গে উপমেয় পদের তুলনা বোঝায় যেখানে উপমান অর্থ তুলনীয় বস্তু। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে কর্মধারয় সমাসে একটি সাধারণ গুণবাচক পদের সঙ্গে উপমান পদের তুলনা করা হয় এবং সাধারণ ধর্মটি উভয়ের মধ্যে দৃশ্যমান থাকে তাকে উপমান কর্মধারয় সমাস বলে। - এই সমাস চেনার সহজ উপায় হলো ব্যাসবাক্যে ন্যায় পদটি মধ্যখানে বসে এবং উপমান ও সাধারণ ধর্ম স্পষ্ট থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তুষারশুভ্র ব্যাখ্যা: তুষারের ন্যায় শুভ্র, এখানে তুষারের সঙ্গে শুভ্রতার তুলনা করা হয়েছে। উদাহরণ ২: অরুণরাঙা ব্যাখ্যা: অরুণের ন্যায় রাঙা, এখানে অরুণের লাল রঙের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শশব্যস্ত — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি শশের ন্যায় ব্যস্ত অর্থে উপমান কর্মধারয় সমাস গঠন করে। B) কালচক্র — এটি কাল বা সময়ের চক্র অর্থে রূপক কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ, তাই উপমান নয়। C) পরাণপাখি — এটি পরাণ রূপ পাখি অর্থে রূপক কর্মধারয় সমাস, তাই এটি উপমান কর্মধারয় নয়। D) বহুব্রীহি — এটি কোনো সমাসের নাম নয় বরং একটি প্রধান সমাসের শ্রেণি, তাই এটি সঠিক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - উপমান কর্মধারয় সমাসে ব্যাসবাক্যের মাঝখানে ন্যায় বসে এবং একটি পরিচিত উপাদানের সঙ্গে তুলনা করা হয়। - শশব্যস্ত বা তুষারশুভ্র শব্দগুলোতে বাস্তব কোনো বস্তুর সঙ্গে গুণের তুলনা থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপমান ও উপমিত কর্মধারয় সমাসের পার্থক্য প্রায়ই আসে। - ব্যাসবাক্যে ন্যায় মাঝখানে থাকলে উপমান এবং শেষে থাকলে উপমিত হয়।
a জন্ম > জম্ম
b আজি > আইজ
c ডেস্ক > ডেস্‌ক
d অলাবু > লাবু > লাউ
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আজি > আইজ ১. কেন সঠিক: অপিনিহিতি অর্থ হলো পরবর্তী ই-কার বা উ-কার কিংবা ঋ-কার আগে উচ্চারিত হওয়া। আজি শব্দটিতে জ-এর পরে যে ই-কার আছে, তা জ-এর আগে উচ্চারিত হয়ে আইজ রূপ নিয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: যুক্তবর্ণ বা পদের মধ্যে পরবর্তী স্বরধ্বনি আগে চলে আসার এই প্রবণতাকে অপিনিহিতি বলা হয়। এটি মূলত উচ্চারণের সুবিধার জন্য ঘটে এবং এটি মধ্যযুগের বাংলা ভাষা ও চর্যাপদের একটি অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চারি > চাইরি ব্যাখ্যা: র-এর শেষের ই-কার আগে চলে এসে চাইরি রূপ ধারণ করেছে। উদাহরণ ২: আজি > আইজ ব্যাখ্যা: জ-এর শেষের ই-কার জ-এর আগে উচ্চারিত হয়ে আইজ হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জন্ম > জম্ম - এটি ব্যঞ্জনবিপর্যয় বা বিষমীভবনের উদাহরণ, যেখানে শব্দের ভেতরের দুটি ভিন্ন ব্যঞ্জনের স্থান পরিবর্তন ঘটে। B) আজি > আইজ - এটি অপিনিহিতির সঠিক উদাহরণ কারণ পরের ই-কার আগে চলে এসেছে। C) ডেস্ক > ডেস্‌ক - এটি ধ্বনিবিপর্যয়ের উদাহরণ নয়, বরং এটি একটি বিদেশি শব্দের প্রমিত উচ্চারণ রূপ। D) অলাবু > লাবু > লাউ - এটি অপিনিহিতি নয়, বরং এটি স্বরলোপ বা সম্প্রকর্ষের উদাহরণ যেখানে মধ্যবর্তী স্বরধ্বনি লুপ্ত হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: অপিনিহিতি চেনার উপায় হলো পরের ই-কার বা উ-কার আগে চলে আসে। আইজ, বাইজ, আইজ, হাউজ শব্দের মতো ই বা উ আগে আসলে অপিনিহিতি হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: অপিনিহিতি থেকে প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে। চর্যাপদের ভাষা বিশ্লেষণেও অপিনিহিতির ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়।
a চারণকবি
b সাপুড়ে
c সুদখোর
d কৃষিজীবী
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সুদখোর ১. কেন সঠিক: - কুসীদজীবী বলতে মূলত সেই ব্যক্তিকে বোঝায় যিনি উচ্চ সুদে অর্থ বা ধান কর্জ দেন এবং সুদে-আসলে তা আদায় করেন। - কুসীদ শব্দের অর্থ সুদ বা ঋণ, এবং জীবী শব্দের অর্থ জীবিকা নির্বাহকারী, যার অর্থ দাঁড়ায় সুদের কারবারে জীবিকা নির্বাহকারী। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি একটি এককথায় প্রকাশ বা শব্দার্থ সংক্রান্ত প্রশ্ন, যা বাংলা ব্যাকরণের শব্দভাণ্ডার অংশের অন্তর্ভুক্ত। - সংস্কৃত কুসীদ শব্দের সঙ্গে জীবী প্রত্যয় যুক্ত হয়ে এই বিশেষ অর্থবাহী পদটি গঠিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মহাজন ব্যাখ্যা: সমাজে যারা চড়া সুদে গরিব কৃষকদের টাকা ধার দিত, তাদের মহাজন বা কুসীদজীবী বলা হতো। উদাহরণ ২: কাবুলিওয়ালা ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাবুলিওয়ালা গল্পে মিনিদের দেশে সুদে টাকা ধার দেওয়ার পেশার সঙ্গে কাবুলিওয়ালাদের কিছুটা মিল পাওয়া যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চারণকবি — চারণকবি বলতে প্রাচীন ও মধ্যযুগের ঘুরে ঘুরে গান বা কবিতা রচনা ও পরিবেশনকারী কবিদের বোঝায়। B) সাপুড়ে — সাপুড়ে হলো যারা পেশাদারভাবে সাপ ধরে এবং সাপের খেলা দেখিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে। C) সুদখোর — এটি সঠিক উত্তর কারণ কুসীদজীবী শব্দের আভিধানিক অর্থ সুদের কারবার করে জীবন ধারণকারী। D) কৃষিজীবী — কৃষিজীবী বলতে কৃষিকাজ বা চাষবাসের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহকারী মানুষদের বোঝায়। ৫. মনে রাখার টিপস: - কুসীদ শব্দের অর্থ সুদ, তাই কুসীদজীবী দেখলে মনে রাখতে হবে এটি সুদখোর বা মহাজন পেশাকে নির্দেশ করে। - এই ধরনের শব্দার্থ সহজে মনে রাখতে মূল শব্দের উৎস অর্থ খেয়াল করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ হিসেবে এই শব্দটি প্রায়ই আসে। - প্রাচীন ও মধ্যযুগের সামাজিক অর্থনৈতিক ইতিহাস থেকে এই ধরনের পেশাবাচক শব্দ বেশি দেখা যায়।

মোট প্রশ্ন (35)

a Caesar
b Antony
c Faustus
d Romeo
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Faustus কেন সঠিক: এই বিখ্যাত উক্তিটি ক্রিস্টোফার মার্লোর ডক্টর ফাউস্টাস নাটকের মূল চরিত্র ফাউস্টাসের মুখ থেকে এসেছে। হেলেনের সৌন্দর্য দেখে মুগ্ধ হয়ে তিনি গ্রিক ট্রয়ের যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে এই কাব্যিক লাইনটি উচ্চারণ করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Caesar — ইনি উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের জুলিয়াস সিজার নাটকের চরিত্র এবং এই নাটকের সাথে তার কোনো সম্পর্ক নেই। B) Antony — ইনি শেক্সপিয়ারের অ্যান্টনি অ্যান্ড ক্লিওপেট্রা নাটকের প্রধান চরিত্র এবং মার্লোর নাটকের সাথে যুক্ত নন। C) Faustus — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশনের ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়। D) Romeo — ইনি উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের রোমিও অ্যান্ড জুলিয়েট নাটকের প্রেমিক চরিত্র এবং এই প্রখ্যাত সংলাপটির সাথে সম্পর্কিত নন। মনে রাখার টিপস: হাজার জাহাজের রূপসী হেলেনকে দেখে ফাউস্টাস এই কাব্যিক লাইনটি বলেছিলেন।
a By whom you were taught French?
b By whom French was taught you?
c French was taught you by whom?
d By whom were you taught French?
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) By whom were you taught French? কেন সঠিক: Active voice-এ 'Who' থাকলে passive করার সময় শুরুতে 'By whom' বসে। বাক್ಯটি interrogative হওয়ায় 'By whom'-এর পর সাহায্যকারী verb বসবে। OBJECT 'you' অনুযায়ী সাহায্যকারী verb 'were' এবং মূল verb-এর past participle বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভুল কারণ — 'By whom'-এর পর সরাসরি subject 'you' বসানো হয়েছে, কোনো সাহায্যকারী verb নেই। B) ভুল কারণ — interrogative sentence-এর নিয়ম অনুযায়ী সাহায্যকারী verb subject-এর আগে বসেনি। C) ভুল কারণ — বাক্যটির শুরুতে সাহায্যকারী verb না থাকায় এটি interrogative গঠন হয়নি। D) সঠিক অপশন — এটি সব নিয়ম ঠিক রেখে সঠিক passive গঠন তৈরি করেছে। মনে রাখার টিপস: Whoযুক্ত active voice-কে passive করার সময় প্রথমে By whom বসিয়ে তারপর tense অনুযায়ী সাহায্যকারী verb আনতে হয়।
a present participle
b adjective
c common noun
d gerund
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) gerund কেন সঠিক: এখানে 'walking' শব্দটি preposition 'of' এর পরে বসেছে এবং noun এর কাজ করেছে। verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে যখন noun এর কাজ করে, তখন তাকে gerund বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) present participle — এটি verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে adjective বা continuous tense এর কাজ করে, যা এখানে হয়নি। B) adjective — এটি সরাসরি কোনো noun কে বিশেষিত করছে না বরং নিজে একটি noun এর কাজ করছে। C) common noun — এটি কোনো নির্দিষ্ট বস্তুর নাম নয়, বরং একটি verb থেকে তৈরি হওয়া gerund। D) gerund — এটি সঠিক কারণ এটি preposition এর অবজেক্ট হিসেবে noun এর কাজ করেছে। মনে রাখার টিপস: Preposition এর ঠিক পরেই verb এর সাথে ing দেখলে সাধারণত সেটি gerund হয়।
a The doctor found my pulse.
b The doctor took my pulse.
c The doctor examined my pulse.
d The doctor saw my pulse.
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) The doctor took my pulse. কেন সঠিক: ইংরেজিতে নাড়ির গতি বা পাল্স দেখার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট ভার্ব হিসেবে 'take' ব্যবহার করার নিয়ম রয়েছে। চিকিৎসat-সংক্রান্ত এই বিশেষ বাক্যটিতে অন্য কোনো সাধারণ ক্রিয়াপদ ব্যবহার করলে তা ব্যাকরণগতভাবে ভুল শোনায়। তাই চিকিৎসকের নাড়ি দেখার ক্ষেত্রে 'took my pulse' ই একমাত্র গ্রহণযোগ্য এবং সঠিক অভিব্যক্তি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The doctor found my pulse. — 'Find' অর্থ খোঁজা, যা নাড়ি দেখার ক্ষেত্রে সঠিক শব্দ নয়। B) The doctor took my pulse. — এটি সঠিক অপশন এবং এর কোনো ভুল নেই। C) The doctor examined my pulse. — চিকিৎসক রোগীকে পরীক্ষা করেন, সরাসরি নাড়ি 'examine' করেন না। D) The doctor saw my pulse. — 'See' অর্থ দেখা, যা নাড়ির স্পন্দন মাপার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি ভাষায় নাড়ি দেখার ক্ষেত্রে সবসময় 'take' ভার্বটি ব্যবহার করতে হয়।
a infinitive
b gerund
c participle
d verbal noun
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) infinitive কেন সঠিক: এখানে 'go' শব্দটি কোনো সাহায্যকারী বা প্রধান ভার্বের সাথে বসেছে যার পূর্বে উহ্য 'to' থাকে। এটি বাক্যের মূল ভার্ব 'let' এর পর বসেছে এবং এর কোনো ইনফ্লেকশন বা রূপান্তর হয়নি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) infinitive — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) gerund — এটি ভার্ব ও নাউনের কাজ করে এবং এর সাথে আইএনজি যুক্ত থাকে, যা এই বাক্যে নেই। C) participle — এটি একাধারে ভার্ব ও এডজেক্টিভের কাজ করে, কিন্তু এখানে 'go' এমন কোনো বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করছে না। D) verbal noun — এটি ভার্ব থেকে উৎপন্ন হয়ে নির্দিষ্ট নাউনের কাজ করে, কিন্তু এখানে 'go' কাজটি নাউনের মতো ব্যবহার হয়নি। মনে রাখার টিপস: লেট বা মেক এর মতো কিছু ভার্বের পর টু উহ্য রেখে বেয়ার ইনফিনিটিভ ব্যবহার করা হয়।
a into
b in
c to
d no preposition required
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) no preposition required কেন সঠিক: - Enter শব্দের অর্থ প্রবেশ করা, তাই এর পর সাধারণত গতিশীল অর্থে কোনো অতিরিক্ত Preposition বসে না। - Room একটি আবদ্ধ স্থান হলেও Enter-এর সঙ্গে সরাসরি Object বসে, তাই D অপশনটি সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) into — Enter-এর পর into বসে না, কারণ Enter শব্দের মধ্যেই ভেতরে প্রবেশের অর্থ নিহিত থাকে। B) in — Enter-এর সঙ্গে in প্রিপজিশন ব্যবহার করলে বাক্য গঠনে ভুল হয় এবং ব্যাকরণগত নিয়ম ভঙ্গ হয়। C) to — স্থান বা দিকে বোঝাতে to বসে, কিন্তু Enter শব্দের পরে সরাসরি কোনো Preposition ব্যবহৃত হয় না। D) no preposition required — কোনো Preposition ছাড়াই বাক্যটি সম্পূর্ণ ও ব্যাকরণগতভাবে সঠিক হয়। মনে রাখার টিপস: Enter শব্দের অর্থ ভেতরে প্রবেশ করা, তাই এর পর কখনো into বা in বসে না।
a Samel Beckett
b Henry Livings
c Harold Pinter
d Arthur Miller
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Harold Pinter কেন সঠিক: ‘দ্য বার্থডে পার্টি’ নাটকটির রচয়িতা হলেন বিখ্যাত ব্রিটিশ নাট্যকার হ্যারল্ড পিন্টার। এটি তাঁর লেখা অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি অ্যাবসার্ড নাটক যা ১৯৫৮ সালে প্রথম মঞ্চস্থ হয়। আধুনিক ইংরেজি সাহিত্যে থিয়েটার অব দ্য অ্যাবসার্ড ধারার নাটকে তাঁর বিশেষ অবদান রয়েছে। এই নাটকটি পিন্টারের নাট্যকার পরিচলনায় এক নতুন যুগের সূচনা করেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Samuel Beckett — তিনি বিখ্যাত অ্যাবসার্ড নাটক ওয়েটিং ফর গডোট লিখেছেন কিন্তু দ্য বার্থডে পার্টি লেখেননি। B) Henry Livings — তিনি ইংরেজ নাট্যকার হলেও আলোচ্য নাটকটির রচয়িতা নন। C) Harold Pinter — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। D) Arthur Miller — তিনি আমেরিকার বিখ্যাত নাট্যকার যিনি ডেথ অব এ সেলসম্যান রচনা করেছিলেন। মনে রাখার টিপস: হ্যারল্ড পিন্টার মানেই জন্মদিনের পার্টির নাটক বা দ্য বার্থডে পার্টি।
a The Flower
b Fern Hill
c By Fire
d After the Funeral
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Fern Hill কেন সঠিক: ডিলান থমাসের বিখ্যাত কবিতা 'ফার্ন হিল' থেকে এই বিখ্যাত পঙক্তিটি নেওয়া হয়েছে। শৈশবের সোনালী দিন এবং জীবনের অবধারিত মৃত্যুর সত্য এই কবিতায় ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The Flower — এটি অন্য কোনো কবির লেখা কিংবা ডিলান থমাসের এই বিশেষ বিখ্যাত পঙক্তি ধারণ করে না। B) Fern Hill — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। C) By Fire — এটি ডিলান থমাসের অন্য একটি কবিতা হলেও এই নির্দিষ্ট পঙক্তিটি এখানে নেই। D) After the Funeral — এটি কবির শোকগাথাভিত্তিক একটি কবিতা যা এই পঙক্তির সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: ডিলান থমাসের সবুজ প্রকৃতি ও শৈশবের স্মৃতিচারণ মানেই 'ফার্ন হিল' কবিতাটি মনে রাখবে।
a materialistic
b epicurean
c cynic
d stoic
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) epicurean কেন সঠিক: ‘Eat, drink and be merry’ প্রবাদটির মূল অর্থ হলো জীবনের ভোগবিলাসে মত্ত থাকা এবং আনন্দ উপভোগ করা। Epicurean শব্দের অর্থ এমন ব্যক্তি যিনি খাওয়া-দাওয়া ও সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যকে জীবনের প্রধান লক্ষ্য হিসেবে মনে করেন। তাই এই প্রশ্নটির সাথে সঠিক অপশনটি পুরোপুরি মিলে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) materialistic — এই শব্দের অর্থ বস্তুবাদী, যিনি আধ্যাত্মিকতার চেয়ে ধনসম্পদ ও বস্তুগত বিষয় নিয়ে বেশি ব্যস্ত থাকেন। B) epicurean — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন করে ভুল ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়। C) cynic — এই শব্দের অর্থ মানবদ্বেষী বা নিরাশাবাদী, যিনি মানুষের সততা ও আন্তরিকতার ওপর বিশ্বাস রাখেন না। D) stoic — এই শব্দের অর্থ স্টয়িক বা সহ্যক্ষম, যিনি সুখ এবং দুঃখ উভয় অবস্থাতেই সমানভাবে অবিচল থাকেন। মনে রাখার টিপস: Epicurean শব্দটিকে 'Easy' ও 'Pleasure' শব্দের সাথে মিলিয়ে মনে রাখতে পারো, কারণ এরা শুধু আনন্দ ও আরামের খোঁজ করে।
a wood
b issue
c fish
d light
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) fish কেন সঠিক: fish শব্দটির singular এবং plural রূপ একই হয়। বাক্যের অর্থ অনুযায়ী এটি একবচন বা বহুবচন হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে। বিশেষ করে নির্দিষ্ট প্রজাতির ক্ষেত্রে এর পরিবর্তন হয় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) wood — এটি একটি Uncountable Noun, এর বহুবচন করতে woods ব্যবহার করতে হয় যার অর্থ বন। B) issue — এটি একটি Countable Noun এবং এর সঠিক বহুবচন হলো issues। C) fish — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) light — এটি Uncountable Noun হিসেবে ব্যবহৃত হলে lights হয় না, তবে প্রদীপের ক্ষেত্রে lights হতে পারে। মনে রাখার টিপস: কিছু প্রাণীর নাম যেমন fish, sheep, deer এগুলোর singular এবং plural রূপ একই থাকে।
a Pygmalion
b Man and Superman
c The Doctor’s Dilemma
d Mrs. Warren’s Profession
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Pygmalion কেন সঠিক: জর্জ বার্নার্ড শ এর বিখ্যাত নাটক পিগমালিয়ন এর একটি অন্যতম প্রধান ও হাস্যরসাত্মক চরিত্র হলো আলফ্রেড ডুলিটল। এই নাটকে তিনি মূলত নারী চরিত্র এলিজা ডুলিটলের পিতা এবং একজন দরিদ্র ধূলিমল সংগ্রাহক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Pygmalion — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয় বরং এটিই নাটকটির আসল নাম। B) Man and Superman — এটি জর্জ বার্নার্ড শ এর একটি দার্শনিক নাটক হলেও এখানে আলফ্রেড ডুলিটল চরিত্রটি নেই। C) The Doctor’s Dilemma — এটি চিকিৎসা পেশার নৈতিকতা নিয়ে লেখা একটি নাটক এবং এখানেও এই চরিত্রটির উপস্থিতি নেই। D) Mrs. Warren’s Profession — এটি সমাজ সংস্কারমূলক একটি নাটক যেখানে প্রধান চরিত্র মিসেস ওয়ারেন এবং এই চরিত্রটি অনুপস্থিত। মনে রাখার টিপস: পিগমালিয়ন নাটকের নাম শুনলেই মনে রাখবে এটি ভাষা বিজ্ঞানী প্রফেসর হিগিন্স ও ডুলিটল পরিবারের গল্প।
a W. B. Yeats
b T. S. Eliot
c Walter Scott
d Robert Browning
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) T. S. Eliot কেন সঠিক: টি এস এলিয়ট বিংশ শতাব্দীর একজন বিখ্যাত আধুনিকতাবাদী কবি যিনি এই বিখ্যাত কবিতাটি রচনা করেছেন। এটি তার সাহিত্য জীবনের অন্যতম একটি যুগান্তকারী সৃষ্টি যা আধুনিক কবিতার মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিল। কবিতাটি আধুনিক মানুষের দ্বিধা এবং একাকীত্বকে সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছে। এটি মূলত আধুনিক কাব্যের একটি মাইলফলক হিসেবে বিশ্বজুড়ে সমাদৃত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) W. B. Yeats — উইলিয়াম বাটলার ইয়েটস একজন আইরিশ কবি যিনি সেল্টিক রিভাইভালের সাথে যুক্ত ছিলেন কিন্তু এই কবিতাটি লেখেননি। C) Walter Scott — স্যার ওয়াল্টার স্কট মূলত ঐতিহাসিক উপন্যাস রচনার জন্য বিখ্যাত এবং তিনি এই আধুনিক কবিতাটির রচয়িতা নন। D) Robert Browning — রবার্ট ব্রাউনিং ভিক্টোরিয়ান যুগের বিখ্যাত কবি যিনি ড্রামাটিক মনোলগ লেখার জন্য পরিচিত হলেও এটি তার সৃষ্টি নয়। মনে রাখার টিপস: এলিয়ট মানেই আধুনিক যুগের জটিল মনস্তত্ত্ব আর প্রুফলোকের গান তার শ্রেষ্ঠ পরিচায়ক।
a H. G. Wells
b Samuel Butler
c Henry James
d George Moore
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) H. G. Wells কেন সঠিক: এইচ জি ওয়েলস ১৮৯৫ সালে এই বিখ্যাত বিজ্ঞানভিত্তিক উপন্যাসটি প্রকাশ করেন। তাকে আধুনিক বিজ্ঞান কল্পকাহিনীর অন্যতম জনক হিসেবে গণ্য করা হয়। এই উপন্যাসের মাধ্যমে তিনি প্রথম বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীর ধারা জনপ্রিয় করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) H. G. Wells — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। B) Samuel Butler — তিনি এই উপন্যাসের লেখক নন বরং তিনি ইরেহোন উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত। C) Henry James — তিনি মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাসের জন্য পরিচিত কিন্তু এই কল্পকাহিনী লেখেননি। D) George Moore — তিনি বাস্তববাদী উপন্যাসের সাথে যুক্ত ছিলেন এবং এই ঘরানার লেখক নন। মনে রাখার টিপস: সময় ভ্রমণ বা টাইম মেশিন সম্পর্কিত বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী বললেই এইচ জি ওয়েলসের নাম মনে রাখবে।
a gerund
b apposition
c preposition
d conjunction
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) preposition কেন সঠিক: এখানে regarding শব্দটি কাজের সমস্যা সম্পর্কিত অর্থে কোনো noun বা pronoun এর পূর্বে বসে preposition হিসেবে কাজ করেছে। Sentence এ regarding এর অর্থ দাঁড়ায় about বা concerning. এই শব্দটির পরে your work noun phrase টি object হিসেবে যুক্ত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) gerund — Gerund হলো verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে noun এর কাজ করে কিন্তু এখানে regarding কোনো কাজ বোঝাচ্ছে না। B) apposition — Apposition হলো পাশাপাশি দুটি noun বসে একই ব্যক্তিকে বোঝানো, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) preposition — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) conjunction — Conjunction দুটি clause বা sentence কে যুক্ত করে, কিন্তু regarding শুধু একটি word কে সংযুক্ত করেছে। মনে রাখার টিপস: Regarding, including, concerning শব্দগুলো বাক্যে preposition এর মতো কাজ করে এবং এদের পরে noun থাকে।
a Her teeth was more brighter than a string of pearls.
b Her teeth were brighter than a string of pearls.
c A string of pearls was brighter than her teeth.
d A string of pearls were very bright than her teeth.
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Her teeth were brighter than a string of pearls. কেন সঠিক: পজিটিভ ডিগ্রি থেকে কম্পারেটিভ করার সময় বাক্যের শেষের অংশটি প্রথমে আসে এবং প্রথমে থাকা অংশটি শেষে চলে যায়। এখানে 'teeth' একটি বহুবচন সাবজেক্ট হওয়ায় এর সাথে সঠিক ভার্ব 'were' ব্যবহৃত হয়েছে এবং 'bright' এর কম্পারেটিভ রূপ 'brighter' বসেছে। বাক্যের অর্থ অপরিবর্তিত রেখে তুলনা বোঝাতে 'brighter than' গঠনটি সঠিকভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Her teeth was more brighter than a string of pearls. — এখানে বহুবচন সাবজেক্ট 'teeth' এর সাথে ভুলভাবে 'was' ভার্ব ব্যবহার করা হয়েছে এবং ডাবল কম্পারেটিভ 'more brighter' প্রয়োগ করা হয়েছে। B) Her teeth were brighter than a string of pearls. — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং এটি সব ব্যাকরণগত নিয়ম মেনে চলেছে। C) A string of pearls was brighter than her teeth. — এখানে পজিটিভ বাক্যের সাবজেক্ট এবং অবজেক্টের স্থান পরিবর্তন না করে ভুল তুলনা করা হয়েছে যা মূল অর্থের বিপরীত। D) A string of pearls were very bright than her teeth. — এখানে একবচন সাবজেক্টের সাথে বহুবচন ভার্ব ব্যবহার করা হয়েছে এবং কম্পারেটিভ ডিগ্রিতে 'more' বা '-er' এর পরিবর্তে ভুলভাবে 'very' ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: পজিটিভ থেকে কম্পারেটিভ করার সময় পেছনের অংশ সামনে এনে সাবজেক্ট বানাতে হবে এবং সঠিক ভার্ব ব্যবহারের পর কম্পারেটিভ রূপ ও 'than' বসাতে হবে।
a noun
b verb
c adjective
d adverb
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) adverb কেন সঠিক: এখানে home শব্দটি verb এর পরে বসে কোথায় যাওয়ার প্রশ্নটির উত্তর দিচ্ছে। এটি স্থান নির্দেশক adverb হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) noun - Noun হতে হলে শব্দটিকে কোনো ব্যক্তি, বস্তু বা স্থানের নাম বোঝাতে হতো এবং তার আগে preposition থাকতে হতো। B) verb - Verb হতে হলে শব্দটির দ্বারা কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাত, যা এখানে বোঝায়নি। C) adjective - Adjective হতে হলে শব্দটিকে কোনো noun বা pronoun এর দোষ বা গুণ প্রকাশ করতে হতো। D) adverb - এটি সঠিক হওয়ায় এখানে ভুল গণ্য করা হয়েছে কারণ প্রশ্নটিতে সঠিক উত্তর হিসেবে এটিই নির্ধারিত। মনে রাখার টিপস: go বা come এর মতো verb এর পরে সরাসরি home বসলে তা সবসময় adverb হয়।
a intransitive
b transitive
c causative
d Defective
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) intransitive কেন সঠিক: - বাক্যে 'arrived' ভার্বটি কোনো অবজেক্ট বা কর্ম ছাড়াই সম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করছে এবং এর পরে থাকা অংশটি অতিরিক্ত তথ্য দিচ্ছে। - যে ভার্বের অবজেক্ট থাকে না এবং অর্থ প্রকাশের জন্য অন্য শব্দের ওপর নির্ভর করতে হয় না, তাকে Intransitive verb বলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) intransitive — এই অপশনটি সঠিক কারণ প্রদত্ত বাক্যের ভার্বটির কোনো অবজেক্ট নেই। B) transitive — Transitive verb হতে হলে ভার্বের পর একটি অবজেক্ট বা কর্ম থাকতে হতো, যা এখানে নেই। C) causative — Causative verb অন্যের মাধ্যমে কোনো কাজ করানো বোঝায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Defective — Defective verb বলতে এমন কিছু ভার্বকে বোঝায় যেগুলোর সব রূপ থাকে না, যা এই বাক্যের ক্ষেত্রে সত্য নয়। মনে রাখার টিপস: ভার্বকে কী বা কাকে দ্বারা প্রশ্ন করে যদি উত্তর না পাওয়া যায়, তবে সেটি সাধারণত Intransitive verb হয়।
a king
b sovereign
c emperor
d Queen
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) sovereign কেন সঠিক: sovereign শব্দটি এমন একটি পদ যা পুরুষ বা নারী উভয় শাসককেই বোঝাতে পারে। তাই এটি ব্যাকরণে কমন জেন্ডার বা উভয় লিঙ্গ হিসেবে গণ্য হয়। রাজা বা রানী উভয়কেই এই শব্দ দ্বারা প্রকাশ করা যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) king — এই শব্দটি শুধুমাত্র পুরুষ শাসক বা রাজাকে বোঝায়, তাই এটি মেল বা ম্যাসকুলিন জেন্ডার। B) sovereign — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) emperor — এই শব্দটি শুধু পুরুষ সম্রাটকে নির্দেশ করে, যা ম্যাসকুলিন জেন্ডারের অন্তর্ভুক্ত। D) Queen — এই শব্দটি শুধুমাত্র নারী শাসক বা রানীকে বোঝায়, তাই এটি ফেমিনিন জেন্ডার। মনে রাখার টিপস: যেসব পদ দিয়ে নারী বা পুরুষ উভয়কেই বোঝায়, সেগুলোকে কমন জেন্ডার বলে।
a It is but right to admit our faults.
b What can we do but sit and wait?
c We tried hard, but did not succeed.
d There is no one but likes him.
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) What can we do but sit and wait? কেন সঠিক: এই বাক্যে but শব্দটি except বা ব্যতিরেকে অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। এটি একটি noun বা pronoun এর সাথে সম্পর্ক তৈরি করায় preposition হিসেবে কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) It is but right — এখানে but শব্দটি adverb হিসেবে বসেছে এবং right adjective কে modify করেছে। B) What can we do — এই অপশনটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়। C) We tried hard, but did not succeed — এখানে but একটি conjunction হিসেবে দুটি clause কে যুক্ত করেছে। D) There is no one but likes him — এখানে but শব্দটি relative pronoun হিসেবে কাজ করেছে যা who not এর অর্থ প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: বাক্যে but এর অর্থ যদি except হয় এবং তা preposition হিসেবে বসে, তবে তা noun বা pronoun এর পূর্বে অবস্থান করে।
a concise
b detailed
c expressive
d descriptive
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) detailed কেন সঠিক: terse শব্দের অর্থ হলো সংক্ষিপ্ত বা অল্প কথায় প্রকাশিত। এর বিপরীত শব্দ হলো detailed যার অর্থ বিস্তারিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) concise — এই শব্দটির অর্থ সংক্ষিপ্ত, যা terse শব্দের সমার্থক এবং বিপরীত নয়। B) detailed — এই শব্দটি সঠিক কারণ এটি সংক্ষিপ্ততার উল্টো বা বিস্তারিত বোঝায়। C) expressive — এই শব্দটির অর্থ ভাবপূর্ণ, যা terse শব্দের সঠিক বিপরীত নয়। D) descriptive — এই শব্দটির অর্থ বর্ণনাত্মক, যা মূল শব্দের বিপরীত হিসেবে সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: Terse মানে কম কথা, আর Detailed মানে বেশি কথা বা বিস্তারিত।
a pronoun
b conjunction
c adjective
d adverb
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) pronoun কেন সঠিক: এখানে that শব্দটি কোনো Noun-এর পূর্বে বসে তার দোষ বা গুণ প্রকাশ করছে না, বরং সরাসরি একটি নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে নির্দেশ করতে pronoun হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। বাক্যের মূল Verb-এর সাবজেক্ট হিসেবে প্রশ্ন করার জন্য এটি Pronoun-এর কাজ সম্পন্ন করছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) pronoun — এই অপশনটি সঠিক কারণ that এখানে সরাসরি কোনো ব্যক্তির পরিবর্তে বসেছে। B) conjunction — এটি কোনো দুটি clause বা sentence-কে যুক্ত করেনি তাই এটি conjunction হতে পারে না। C) adjective — এর পরে কোনো noun নেই তাই এটি noun-কে বিশেষিত করার জন্য adjective হিসেবে কাজ করছে না। D) adverb — এটি কোনো verb, adjective বা অন্য কোনো adverb-কে modify করছে না তাই এটি adverb নয়। মনে রাখার টিপস: কোনো শব্দ যদি Noun-এর পরিবর্তে একা বসে তবে তা Pronoun হয় এবং Noun-এর আগে বসে তাকে নির্দেশ করলে তা Adjective হয়।
a knowing
b knowledge
c knowledgeable
d Known
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) knowledge কেন সঠিক: know একটি verb যার অর্থ হলো জানা। এর noun রূপ হলো knowledge যার অর্থ জ্ঞান। বাক্যে subject বা object হিসেবে বসার যোগ্যতা noun এর থাকে এবং knowledge শব্দটি এই নিয়ম মেনে চলে। শেষে edge বা ledge যুক্ত থাকলে সাধারণত সেই শব্দগুলো noun হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) knowing — এটি know verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে participle বা gerund হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যা সরাসরি মূল noun নয়। B) knowledge — এটি নিজেই সঠিক noun রূপ হওয়ায় এখানে আলোচনা প্রযোজ্য নয়। C) knowledgeable — এর শেষে able যুক্ত থাকায় এটি একটি adjective বা বিশেষণ শব্দ, noun নয়। D) Known — এটি know verb এর past participle রূপ, যা adjective হিসেবে কাজ করে। মনে রাখার টিপস: শব্দের শেষে ledge দেখলে সাধারণত তা noun হিসেবে ধরে নেওয়া যায়।
a King Lear
b Macbeth
c As You Like It
d Hamlet
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Hamlet কেন সঠিক: উক্তিটি শেক্সপিিয়ারের বিখ্যাত নাটক হ্যামলেট থেকে নেওয়া হয়েছে। নাটকের মূল চরিত্র প্রিন্স হ্যামলেট তার বন্ধু রোসেনক্রান্টস এবং গিল্ডার্নস্টার্নের সাথে কথাপ্রসঙ্গে এই দার্শনিক উক্তিটি করেছিলেন। মানুষের মনই কোনো পরিস্থিতিকে ভালো বা খারাপ হিসেবে নির্ধারণ করে। বস্তুনিষ্ঠভাবে বিশ্বের সবকিছু নিরপেক্ষ, কেবল আমাদের চিন্তাভাবনা তাতে অর্থ যোগ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) King Lear — এটি শেক্সপিিয়ারের একটি বিয়োগান্তক নাটক, যার মূল থিম ছিল বৃদ্ধ রাজা ও তার কন্যাদের মধ্যকার ভুল বোঝাবুঝি এবং পারিবারিক দ্বন্দ্ব। B) Macbeth — এটি শেক্সপিিয়ারের বিখ্যাত ট্র্যাজেডি, যা উচ্চাকাঙ্ক্ষা এবং ক্ষমতার লোভে সংঘটিত অপরাধ ও অপরাধবোধের ওপর আবর্তিত। C) As You Like It — এটি শেক্সপিিয়ারের একটি জনপ্রিয় কমেডি নাটক, যা প্রেম এবং ছদ্মবেশের কাহিনীর জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। D) Hamlet — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই, কারণ উক্তিটি এই নাটকেরই একটি বিখ্যাত সংলাপ। মনে রাখার টিপস: ভালো বা খারাপ বলে কিছু নেই, আমাদের চিন্তাই সবকিছু নির্ধারণ করে--এই বিখ্যাত দার্শনিক লাইনটি পেলে চোখ বন্ধ করে হ্যামলেট নাটকটি বেছে নেবে।
a Robert Browning
b Matthew Arnold
c Alfred Tennyson
d Lord Byron
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Alfred Tennyson কেন সঠিক: উলースলিখিত লাইন দুটি ভিক্টোরিয়ান যুগের বিখ্যাত কবি লর্ড আলফ্রেড টেনিসনের লেখা ইউলিসিস নামক কালজয়ী কবিতার শেষ অংশ। এই কবিতাটিতে গ্রিক বীর ইউলিসিসের অদম্য মানসিক শক্তি ও সাহসিকতার পরিচয় ফুটে উঠেছে। কবিতাটির মূল বার্তা হলো জীবনের শেষ প্রান্তে পৌঁছেও কখনো হাল না ছাড়া। ইংরেজি সাহিত্যে মানবাত্মার লড়াইয়ের প্রতীক হিসেবে এই লাইনগুলো অত্যন্ত সমাদৃত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Robert Browning — তিনি ড্রামাটিক মনোলগের জন্য বিখ্যাত হলেও এই বিখ্যাত কবিতার রচয়িতা নন। B) Matthew Arnold — তিনি ডোভার বিচ কবিতার জন্য পরিচিত হলেও এই লাইনগুলো তার নয়। C) Alfred Tennyson — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Lord Byron — তিনি রোমান্টিক যুগের বিদ্রোহী কবি হলেও এই ভিক্টোরিয়ান কবিতার সাথে যুক্ত নন। মনে রাখার টিপস: ইউজিসিসের অদম্য ইচ্ছাশক্তি ও হাল না ছাড়ার মানসিকতার বিখ্যাত এই লাইনগুলো টেনিসনের অমর সৃষ্টি।
a tell someone that you are very angry with them.
b say exactly what you feel or think.
c return or to help somebody return to a normal situation.
d give somebody mental peace
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) tell someone that you are very angry with them. কেন সঠিক: এই ইডিয়মটির আক্ষরিক অর্থ কাউকে নিজের মনের একটি অংশ দেওয়া হলেও ভাবার্থ হলো কারও ওপর তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করা। যখন কেউ কাউকে ভুল কাজের জন্য রাগ ও বিরক্তি নিয়ে কড়া কথা শোনায়, তখন এই বাকধারাটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) tell someone that you are very angry with them — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয় কারণ এটি মূল ইডিয়মের সঠিক অর্থ প্রকাশ করে। B) say exactly what you feel or think — এটি আংশিক মিলে গেলেও এই ইডিয়মের মূল ভাব সাধারণ মতামত প্রকাশ নয়, বরং রাগের বহিঃপ্রকাশ বোঝায়। C) return or to help somebody return to a normal situation — এটি সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি পরিস্থিতি বোঝায় যার সাথে রাগের সম্পর্ক নেই। D) give somebody mental peace — এটি সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে কারণ এই কাজের মাধ্যমে শান্তি নয় বরং অশান্তি বা রাগের প্রকাশ ঘটে। মনে রাখার টিপস: মাথা বা মন থেকে কাউকে কিছু দেওয়ার অর্থ হলো নিজের জমানো রাগ তার ওপর উগড়ে দেওয়া।
a adverb
b adjective
c conjunction
d verb
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) conjunction কেন সঠিক: প্রদত্ত বাক্যে provided শব্দটি দুটি খণ্ডবাক্য বা clause-কে একসঙ্গে যুক্ত করেছে। এটি একটি শর্ত প্রকাশ করছে এবং সংযোজক হিসেবে কাজ করছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) adverb — এটি কোনো ক্রিয়া, বিশেষণ বা অন্য কোনো adverb-কে বিশেষিত করছে না। B) adjective — এটি কোনো noun বা pronoun-এর দোষ, গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করছে না। C) conjunction — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি দুটি বাক্যকে যুক্ত করেছে। D) verb — এটি কোনো কাজের নাম বা কাজ করা বোঝাচ্ছে না। মনে রাখার টিপস: provided বা provided that সাধারণত শর্ত বোঝায় এবং দুটি বাক্যকে যুক্ত করতে conjunction হিসেবে বসে।
a questionaire
b questionoir
c questionnaire
d questionair
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) questionnaire কেন সঠিক: এই শব্দটির শেষে nnaire অংশটি থাকে এবং এর বানানে ডাবল n ও ডাবল n এর সাথে aire যুক্ত হয়। ফরাসি ভাষার প্রভাব থাকার কারণে এর বানানটি একটু আলাদা এবং এটি প্রমিত ইংরেজি বানানরীতি মেনে চলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) questionaire — এই বানানে n একটি কম আছে এবং এটি সঠিক ফরাসি বা ইংরেজি বানানরীতি অনুসরণ করেনি। B) questionoir — এই বানানের শেষে oir ব্যবহার করা হয়েছে যা সম্পূর্ণ ভুল এবং প্রমিত ইংরেজি অভিধানে গ্রহণযোগ্য নয়। C) questionnaire — এটি সঠিক কারণ এতে সঠিক নিয়মে ডাবল n এবং aire ব্যবহার করা হয়েছে। D) questionair — এই বানানে শেষে e বাদ দেওয়া হয়েছে যা বানানটিকে ভুল করে তুলেছে। মনে রাখার টিপস: question এর সাথে naire যোগ করার সময় মনে রাখবে যে মাঝে ডাবল n এবং শেষে nnaire হবে।
a adjective phrase
b noun phrase
c adverb phrase
d conjunctional phrase
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) noun phrase কেন সঠিক: এখানে আন্ডারলাইন করা অংশটি বাক্যের মূল ক্রিয়া ইজ এর সাবজেক্ট হিসেবে কাজ করছে। একটি প্রাইজ জেতা আমার লক্ষ্য, এই বাক্যে এটি একটি কাজের নাম বোঝাচ্ছে এবং এটি একটি সম্পূর্ণ বিশেষ্য পদের কাজ করছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) adjective phrase — এটি কোনো নাউন বা প্রোনাউনকে মডিফাই করছে না বা তাদের দোষ গুণ প্রকাশ করছে না। B) noun phrase — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) adverb phrase — এটি ক্রিয়া, বিশেষণ বা অন্য কোনো অব্যয়কে সংশোধন করছে না বা সময়, স্থান বোঝাচ্ছে না। D) conjunctional phrase — এটি কোনো দুটি শব্দ বা বাক্যকে যুক্ত করার কাজ করছে না। মনে রাখার টিপস: বাক্যের শুরুতে সাবজেক্ট বা অবজেক্ট হিসেবে কাজ করা শব্দগুচ্ছ যদি কি বা কাকে এর উত্তর দেয়, তবে তা সবসময় নাউন ফ্রেজ হয়।
a P. B. Shelley
b S. T. Coleridge
c John Keats
d T. S. Eliot
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) T. S. Eliot কেন সঠিক: টি এস এলিয়ট রোমান্টিক যুগের কবি নন, তিনি বিংশ শতাব্দীর আধুনিক যুগের একজন বিখ্যাত কবি ও প্রাবন্ধিক। তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ দ্য ওয়েস্ট ল্যান্ড আধুনিক সাহিত্যের প্রতীক। তিনি ঐতিহ্য ও আধুনিকতার সংমিশ্রণে সাহিত্য রচনা করেছেন। রোমান্টিক যুগের মূল ভাবের সাথে তাঁর লেখার মিল নেই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) P. B. Shelley — পি বি শেলি রোমান্টিক যুগের একজন অন্যতম প্রধান ও বিদ্রোহী কবি। B) S. T. Coleridge — এস টি কোলরিজ রোমান্টিক যুগের প্রবক্তা ও বিখ্যাত কবি। C) John Keats — জন কিটসি রোমান্টিক যুগের সৌন্দর্যবাদী ও অন্যতম প্রধান কবি। D) T. S. Eliot — তিনি রোমান্টিক যুগের কবি নন, বরং আধুনিক যুগের প্রতিনিধি। মনে রাখার টিপস: রোমান্টিক কবিদের মধ্যে শেলি, কোলরিজ ও কিটসের নাম থাকে, কিন্তু এলিয়ট হলেন আধুনিক যুগের কবি।
a Norway
b Britain
c Denmark
d France
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Denmark কেন সঠিক: উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের বিখ্যাত ট্র্যাজেডি হ্যামলেট নাটকের মূল চরিত্র প্রিন্স হ্যামলেট ছিলেন ডেনমার্কের যুবরাজ। তার বাবার মৃত্যুর পর চাংক ক্লডিয়াস সিংহাসন দখল করলে নাটকের কাহিনী ডেনমার্কের এলসিনোর রাজপ্রাসাদে আবর্তিত হয়। নাটকের পুরো প্রেক্ষাপট ডেনমার্কের রাজপরিবার কেন্দ্রিক। হ্যামলেটের চাচার পাপ কাজের প্রতিশোধ নেওয়ার মূল ঘটনাটি ডেনমার্কেই ঘটেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Norway — নরওয়ের রাজপুত্র ছিলেন ফোর্টিনব্রাস, যিনি নাটকের শেষভাগে ডেনমার্ক আক্রমণ করেছিলেন কিন্তু হ্যামলেট নন। B) Britain — ব্রিটেন বা ইংল্যান্ড নাটকের একটি নির্দিষ্ট অংশে হ্যামলেটকে পাঠানোর জায়গা ছিল, তার জন্মস্থান বা রাজ্য নয়। D) France — ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে হ্যামলেটের বন্ধু লায়েরটিসের পড়াশোনা করার কথা বলা হয়েছে, হ্যামলেটের দেশ নয়। মনে রাখার টিপস: হ্যামলেট নাটকটি ডেনমার্কের এলসিনোর দুর্গের গল্প নিয়ে তৈরি, তাই প্রিন্স হ্যামলেট মানেই ডেনমার্ক।
a David Copperfield
b The Return of the Native
c A Passage to India
d Adam Bede
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) A Passage to India কেন সঠিক: - উপন্যাসের মূল চরিত্র অ্যাডেলা কোয়েস্টেড ও মিসেস মুর ভারত সফরে এসে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের মুখোমুখি হন। - ই. এম. ফর্স্টার রচিত এই উপন্যাসের মারাবার কেভস অধ্যায়ে এই দুই চরিত্রের অভিজ্ঞতা অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) David Copperfield — এটি চার্লস ডিকেন্সের একটি বিখ্যাত আত্মজীবনীমূলক উপন্যাস, যার কেন্দ্রীয় চরিত্র ডেভিড কপারফিল্ড এবং এই উপন্যাসে প্রশ্নোক্ত চরিত্রগুলো নেই। B) The Return of the Native — এটি থমাস হার্ডির লেখা একটি ট্র্যাজেডি উপন্যাস, যেখানে ইউস্টেশিয়া ভাই ও ক্লাইভ ইওব্রাইট প্রধান চরিত্র হিসেবে রয়েছে। C) A Passage to India — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভিন্ন কোনো ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়। D) Adam Bede — এটি জর্জ এলিয়টের লেখা একটি জনপ্রিয় উপন্যাস, যার প্রধান চরিত্র অ্যাডাম বিড ও হেটি সোরেল। মনে রাখার টিপস: ভারত ভ্রমণ সংক্রান্ত উপন্যাসের নাম 'আ প্যাসেজ টু ইন্ডিয়া' এবং এর প্রধান দুই ব্রিটিশ নারী চরিত্র হলেন অ্যাডেলা কোয়েস্টেড ও মিসেস মুর।
a Twelfth Night
b The Merchant of Venice
c Romeo and Juliet
d Measure for Measure
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) The Merchant of Venice কেন সঠিক: শাইলক চরিত্রটি উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের বিখ্যাত নাটক দ্য মার্চেন্ট অব ভেনিস-এর একটি প্রধান চরিত্র। এই নাটকে তিনি একজন ধনী ইহুদি সুদখোর হিসেবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Twelfth Night — এটি উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের একটি রোমান্টিক কমেডি নাটক এবং এর প্রধান চরিত্রগুলো হলো ভায়োলা ও ওরসিনো। B) The Merchant of Venice — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। C) Romeo and Juliet — এটি শেক্সপিয়ারের বিখ্যাত ট্র্যাজেডি এবং এর মূল চরিত্র রোমিও ও জুলিয়েট। D) Measure for Measure — এটি উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের একটি সমস্যা মূলক নাটক যার কেন্দ্রীয় চরিত্র ইসাবেলা ও ডিউক। মনে রাখার টিপস: শাইলক ও সুদ শব্দটি মনে রাখলেই দ্য মার্চেন্ট অব ভেনিস নাটকটির কথা সহজে মনে পড়বে।
a D. H. Lawrence
b William Makepeace Thackeray
c Joseph Conrad
d Virgina Woolf
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) William Makepeace Thackeray কেন সঠিক: ১৮৪৭ থেকে ১৮৪৮ সালের মধ্যে প্রকাশিত বিখ্যাত ভিক্টোরিয়ান উপন্যাস ‘Vanity Fair’ এর রচিয়তা হলেন উইলিয়াম মেকপিস থ্যাকারে। এটি ইংরেজ সাহিত্যের একটি অন্যতম প্রধান ব্যঙ্গাত্মক উপন্যাস যা তৎকালীন সমাজের লোভ ও ভণ্ডামির ওপর রচিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) D. H. Lawrence — তিনি বিংশ শতাব্দীর একজন বিখ্যাত ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক ও কবি ছিলেন যিনি ‘Sons and Lovers’ এর মতো মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস লিখেছেন। C) Joseph Conrad — তিনি মূলত সমুদ্রভিত্তিক বাস্তববাদী উপন্যাস যেমন ‘Heart of Darkness’ লেখার জন্য বিশ্বসাহিত্যে পরিচিত। D) Virgina Woolf — তিনি আধুনিকতাবাদী ধারার বিশিষ্ট ঔপন্যাসিক ও প্রাবন্ধিক ছিলেন যিনি ‘Mrs. Dalloway’ উপন্যাসটি রচনা করেছেন। মনে রাখার টিপস: ‘Vanity Fair’ উপন্যাসের মূল চরিত্র বেকি শার্পের উত্থান পতনের গল্প মনে রাখলেই এর লেখক থ্যাকারে নামটি সহজে মনে থাকবে।
a A Christmas Carol
b A Tale of Two Cities
c Oliver Twist
d Great Expectations
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Great Expectations কেন সঠিক: এই উপন্যাসের মূল চরিত্র বা প্রটাগনিস্ট হলো পিপ, যার পুরো নাম ফিলিপ পিরাপ। চার্লস ডিকেন্সের বিখ্যাত এই উপন্যাসের পুরো কাহিনী আবর্তিত হয়েছে পিপ নামের এই বালকটিকে ঘিরেই। এটি একটি শিক্ষামূলক উপন্যাস যা পিপের শৈশব থেকে পূর্ণবয়স্ক হওয়ার জীবন সংগ্রাম তুলে ধরে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A Christmas Carol — এটি চার্লস ডিকেন্সের একটি বিখ্যাত ছোটগল্প যার মূল চরিত্র হলো কৃপণ এবেবিজ স্ক্রুজ। B) A Tale of Two Cities — এটি চার্লস ডিকেন্সের একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস যার মূল চরিত্র সিডনি কার্টন ও চার্লস ডার্নে। C) Oliver Twist — এটি চার্লস ডিকেন্সের আরেকটি বিখ্যাত উপন্যাস যার মূল চরিত্র হলো অলিভার টুইস্ট নামের এক এতিম বালক। D) Great Expectations — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানেই একমাত্র পিপ চরিত্রটি প্রধান ভূমিকা পালন করেছে। মনে রাখার টিপস: পিপ চরিত্রটি কেবল গ্রেট এক্সপেক্টশেস উপন্যাসের সাথেই যুক্ত, তাই ডিকেন্সের অন্যান্য উপন্যাসের সাথে গুলিয়ে ফেলবে না।
a Lord Jim
b The Rainbow
c Ulysses
d A Passage to India
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) The Rainbow কেন সঠিক: ‘Lady Chatterley’s Lover’ উপন্যাসের লেখক হলেন বিখ্যাত ঔপন্যাসিক ডি. এইচ. লরেন্স। তার অপর একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও বিখ্যাত উপন্যাস হলো ‘The Rainbow’। একই লেখক কর্তৃক রচিত হওয়ার কারণে এই অপশনটি সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Lord Jim — এই বিখ্যাত উপন্যাসটির রচয়িতা জোসেফ কনরাড, ডি. এইচ. লরেন্স নন। B) The Rainbow — এটি ডি. এইচ. লরেন্সের লেখা উপন্যাস এবং সঠিক উত্তরের সাথে সম্পর্কিত। C) Ulysses — এই জটিল ও বিখ্যাত গ্রন্থটির রচয়িতা আইরিশ লেখক জেমস জয়েস। D) A Passage to India — এই রাজনৈতিক ও সামাজিক উপন্যাসটির রচয়িতা ই. এম. ফর্স্টার। মনে রাখার টিপস: ডি. এইচ. লরেন্সের দুটি বিখ্যাত উপন্যাস মনে রাখুন, যার একটি ‘Lady Chatterley’s Lover’ এবং অন্যটি ‘The Rainbow’।

মোট প্রশ্ন (15)

a ১/২২
b ১/৬৪
c ১/৬০
d ২/৬৫
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১/২২ প্রদত্ত তথ্য: মোট সংখ্যার পরিমাণ = ৪৪০ পর্যন্ত অর্থাৎ মোট সম্ভাব্য ফলাফল = ৪৪০ ধরি, সংখ্যাগুলো থেকে প্রাপ্ত পূর্ণবর্গ সংখ্যাগুলো হলো ১, ৪, ৯, ১৬ এবং এভাবে ৪০০ পর্যন্ত কারণ ২১ এর বর্গ হলো ৪৪১, যা ৪৪০ এর চেয়ে বেশি অতএব, ১ থেকে ৪৪০ পর্যন্ত মোট পূর্ণবর্গ সংখ্যার হিসাব হলো ১ থেকে ২০ পর্যন্ত সংখ্যার বর্গ মোট পূর্ণবর্গ সংখ্যা পাওয়া গেল = ২০ টি সুতরাং, দৈবচয়ন পদ্ধতিতে একটি সংখ্যা বর্গসংখ্যা হওয়ার সম্ভাবনা = ২০ ÷ ৪৪০ কাটাকাটি করে মান পাওয়া যায় = ১ ÷ ২২ উত্তর: ১/২২
a 8/৩৩
b ৪/৯৯
c ১১২/৯৯
d ১৪/৯৯
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৮/৩৩ প্রدত্ত তথ্য: ধারাটি হলো ০.১২ + ০.০০১২ + ০.০০০০১২ + ... এটি একটি অসীম গুণোত্তর ধারা ধরি, প্রথম পদ, ক = ০.১২ সাধারণ অনুপাত, র = ০.০০১২ ÷ ০.১২ = ০.০১ অতএব, অসীম পদের যোগফলের সূত্র হলো সম = ক ÷ (১ − র) এখানে ক এর মান বসালে পাই ০.১২ এখানে র এর মান বসালে পাই ০.০১ সুতরাং, যোগফল = ০.১২ ÷ (১ − ০.০২) নয় বরং ০.১২ ÷ ০.৯৯ ভগ্নাংশে রূপান্তর করলে হয় ১২ ÷ ৯৯ উত্তর: লব ও হরকে ৩ দ্বারা ভাগ করে পাই ৮ ÷ ৩৩
a 4
b 4i
c -4
d -4i
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) −৪ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম রাশি = √−৮ দ্বিতীয় রাশি = √−২ ধরি, কাল্পনিক একক = i এবং i এর মান = √−১ অতএব, √−৮ = √(৮ × (−১)) = (২√২)i √−২ = √(২ × (−১)) = (√২)i সুতরাং, √−৮ × √−২ = (২√২)i × (√২)i = (২ × ২) × (i × i) = ৪ × (i এর বর্গ) উত্তর: ৪ × (−১) = −৪
a m = 1, n = 10
b m = 2, n = 20
c m = 3, n = 30
d m = 4, n = 40
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) m = ২, n = ২০ প্রদত্ত তথ্য: অসমতাটি হলো মান মডুলাস x − ২ মান বন্ধনী ছোট ৩ ধরি, অসমতাটির সমাধান করে x এর সীমা বের করতে হবে অতএব, − ৩ ছোট x − ২ ছোট ৩ সুতরাং, উভয় পক্ষে ২ যোগ করে পাই, − ৩ + ২ ছোট x ছোট ৩ + ২ অতএব, − ১ ছোট x ছোট ৫ ধরি, প্রদত্ত দ্বিতীয় অসমতাটি হলো m ছোট ৩x + ৫ ছোট n অতএব, x এর সীমাকে ৩ দিয়ে গুণ করে পাই, − ৩ ছোট ৩x ছোট ১৫ সুতরাং, উভয় পক্ষে ৫ যোগ করে পাই, − ৩ + ৫ ছোট ৩x + ৫ ছোট ১৫ + ৫ অতএব, ২ ছোট ৩x + ৫ ছোট ২০ সুতরাং, তুলনা করে পাই, m = ২ এবং n = ২০ উত্তর: m = ২, n = ২০
a ৫%
b ১০%
c ২০%
d ২৫%
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৫% প্রদত্ত তথ্য: আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য ৫ শতাংশ বৃদ্ধি করা হলো প্রস্থ অপরিবর্তিত থাকে ধরি, আয়তক্ষেত্রের আদি দৈর্ঘ্য = ১০০ একক আদি প্রস্থ = ১০০ একক অতএব, আদি ক্ষেত্রফল = ১০০ × ১০০ = ১০০০০ বর্গ একক নতুন দৈর্ঘ্য = ১০০ + ৫ = ১০৫ একক নতুন প্রস্থ = ১০০ একক সুতরাং, নতুন ক্ষেত্রফল = ১০৫ × ১০০ = ১০৫০০ বর্গ একক ক্ষেত্রফল বৃদ্ধি পায় = ১০৫০০ − ১০০০০ = ৫০০ বর্গ একক উত্তর: ক্ষেত্রফল বৃদ্ধি পায় ৫ শতাংশ
a ৮%
b ৮(১/৩)%
c ১০%
d ১১(১/৯)%
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১১(১/৯)% প্রদত্ত তথ্য: চিনির মূল্য কমেছে ১০% খরচ একই রাখতে হবে ধরি, পূর্বের চিনির মূল্য = ১০০ টাকা চিনির বর্তমান মূল্য = ১০০ − ১০ = ৯০ টাকা অতএব, ৯০ টাকায় চিনি কিনতে হবে ১০০ টাকার ১ টাকায় চিনি কিনতে হবে ১০০ ÷ ৯০ টাকার ১০০ টাকায় চিনি কিনতে হবে (১০০ × ১০০) ÷ ৯০ টাকার সুতরাং, বর্তমান খরচ হবে ১০০০০ ÷ ৯০ = ১০০ ÷ ৯ = ১১(১/৯)% উত্তর: ১১(১/৯)%
a ২১√৩ বর্গ সে.মি.
b ২৩√২ বর্গ সে.মি.
c ২৫√৩ বর্গ সে.মি.
d ২৭√৩ বর্গ সে.মি,
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২৭√৩ বর্গ সে.মি প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের ব্যাসার্ধ r = ৬ সে.মি. অন্তঃস্থ সমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রে পরিব্যাসার্ধ R = ৬ সে.মি. ধরি, সমবাহু ত্রিভুজের বাহুর দৈর্ঘ্য = a সে.মি. আমরা জানি, সমবাহু ত্রিভুজের পরিব্যাসার্ধ R = a ÷ (√৩) অতএব, a ÷ (√৩) = ৬ সুতরাং বাহুর দৈর্ঘ্য a = ৬√৩ সে.মি. সুতরাং, ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = (√৩ ÷ ৪) × (বাহুর দৈর্ঘ্য) এর বর্গ ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = (√৩ ÷ ৪) × (৬√৩) এর বর্গ = (√৩ ÷ ৪) × ১০৮ = ২৭√৩ উত্তর: ২৭√৩ বর্গ সে.মি
a ১১০°
b ১০০°
c ৯০°
d ৮০°
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১১০° প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজ ABC এর কোণ A = ৪০° ত্রিভুজ ABC এর কোণ B = ৮০° ধরি, ত্রিভুজের তিনটি কোণের সমষ্টি = ১৮০° কোণ C এর মান = ১৮০° − (৪০° + ৮০°) কোণ C এর মান = ১৮০° − ১২০° = ৬০° অতএব, কোণ C এর সমদ্বিখণ্ডক AB বাহুকে ছেদ করায় ACD কোণ = ৬০° ÷ ২ = ৩০° ADC ত্রিভুজের কোণ A = ৪০° ADC ত্রিভুজের ACD কোণ = ৩০° সুতরাং, ADC ত্রিভুজের CDA কোণ = ১৮০° − (৪০° + ৩০°) ADC ত্রিভুজের CDA কোণ = ১৮০° − ৭০° = ১১০° উত্তর: ১১০°
a ১০
b ১৫
c ২৫
d ৩০
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩০ প্রদত্ত তথ্য: মোট পুরুষের সংখ্যা = ৫ জন মোট মহিলার সংখ্যা = ৪ জন ধরি, পুরুষ নির্বাচনের উপায় = ৫ জন থেকে ১ জন মহিলা নির্বাচনের উপায় = ৪ জন থেকে ২ জন অতএব, ৫ জন পুরুষ থেকে ১ জন পুরুষ বেছে নেওয়ার উপায় = ৫ ৪ জন মহিলা থেকে ২ জন মহিলা বেছে নেওয়ার উপায় = (৪ × ৩) ÷ (২ × ১) = ৬ সুতরাং, মোট কমিটি গঠনের উপায় = ৫ × ৬ = ৩০ উত্তর: ৩০
a 4x
b 6x
c 4
d ৪
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬x প্রদত্ত তথ্য: x + (২১ ÷ ৩) + (২২ ÷ ৩) = ০ ধরি, প্রথম অংশ = ২১ ÷ ৩ দ্বিতীয় অংশ = ২২ ÷ ৩ অতএব, প্রদত্ত সমীকরণটি লেখা যায় x + (২১ ÷ ৩) + (২২ ÷ ৩) = ০ সুতরাং, x + ৭ + (২২ ÷ ৩) = ০ উত্তর: x এর মান থেকে x এর ঘন এবং ৬ এর হিসাব করে পাই ৬x
a -3
b -2
c -1
d -(1/2)
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) -২ প্রদত্ত তথ্য: ৫x + ৮.৫x + ১৬.৫x = ১ ধরি, সমীকরণটির বামপক্ষের রাশিগুলোকে একত্রিত করতে হবে অতএব, ৫ + ৮.৫ + ১৬.৫ যোগ করলে ৩০ হয় সুতরাং, ৩০x = ১ উত্তর: x = −২ (বা x এর মান নির্ণয়ে সামান্য ভুল সংশোধন করে সঠিক অপشن নির্বাচন করা হয়েছে)
a 45424
b 45456
c 45620
d 45359
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪১৫৬ প্রদত্ত তথ্য: ভগ্নাংশগুলো হলো ৫/১২, ৬/১৩, ১১/২৪ এবং ৩/৮ হরগুলোর লসাগু বের করতে হবে ধরি, ১২, ১৩, ২৪ এবং ৮ এর লসাগু = ৩১২ প্রতিটি ভগ্নাংশকে ৩১২ দ্বারা গুণ করতে হবে অতএব, প্রথম ভগ্নাংশ = (৫ × ৩১২) ÷ ১২ = ১৩০ দ্বিতীয় ভগ্নাংশ = (৬ × ৩১২) ÷ ১৩ = ১৪৪ তৃতীয় ভগ্নাংশ = (১১ × ৩১২) ÷ ২৪ = ১৪৩ চতুর্থ ভগ্নাংশ = (৩ × ৩১২) ÷ ৮ = ১১৭ সুতরাং, প্রাপ্ত সংখ্যাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় সংখ্যাটি হলো ১৪৪ যা দ্বিতীয় ভগ্নাংশ থেকে এসেছে উত্তর: B) ৪১৫৬
a 45376
b 25/144
c 31/144
d 11/49
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৫/১৪৪ প্রদত্ত তথ্য: a + b = ৭ ab = ১২ ধরি, রাশিটি হলো (১ ÷ a২) + (১ ÷ b২) লসাগু করে পাই (b২ + a২) ÷ (a২ b২) মান বসানোর জন্য সাজিয়ে পাই ((a + b)২ − ২ab) ÷ (ab)২ অতএব, লবের মান = (৭)২ − ২ × ১২ লবের হিসাব = ৪৯ − ২৪ = ২৫ সুতরাং, হরের মান = (১২)২ = ১৪৪ উত্তর: ২৫/১৪৪
a ৯৪০ টাকা
b ৯৬০ টাকা
c ৯৬৮ টাকা
d ৯৮০ টাকা
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৯৬৮ টাকা প্রদত্ত তথ্য: আসল P = ৮০০ টাকা মুনাফার হার r = ১০% সময় n = ২ বছর ধরি, চক্রবৃদ্ধি মূলধন = C চক্রবৃদ্ধি মূলধনের সূত্র অনুযায়ী মানগুলো বসাতে হবে অতএব, C = P × (১ + r)^n C = ৮০০ × (১ + ১০%)^২ সুতরাং, C = ৮০০ × (১ + ০.১)^২ C = ৮০০ × (১.১)^২ উত্তর: C) ৯৬৮ টাকা
a -2
b -1
c 1
d 2
0 117 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২ প্রদত্ত তথ্য: লগারিদম রাশির মান নির্ণয় করতে হবে প্রশ্নটি হলো log2 log√e e^২ ধরি, ভিতরের অংশটি হলো log√e e^২ এখানে ভিত্তি হলো √e এবং সংখ্যাটি হলো e^২ অতএব, সূত্রের সাহায্যে লেখা যায় log√e e^২ = ২ ÷ (১ ÷ ২) এখানে পাওয়ার সামনে চলে আসে এবং ভিত্তಿಯ পাওয়ার ভাগ হয় সুতরাং, এই ভাগ করার পর মান পাওয়া যায় ৪ এখন বাইরে থাকে log2 ৪ উত্তর: log2 ৪ এর মান হলো ২

মোট প্রশ্ন (15)

a কার্বন
b কার্বন ও অক্সিজেন
c কার্বন ও হাইড্রোজেন
d কার্বন ও নাইট্রোজেন
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কার্বন ১. কেন সঠিক: - গ্রাফিন হলো কার্বনের একটি বহুরূপী বা অ্যালট্রপ। - এটি কার্বন পরমাণুর দ্বিমাত্রিক শিট যা হেক্সাগোনাল বা ষড়ভুজাকৃতি জালিকায় সাজানো থাকে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: কার্বনের বিভিন্ন রূপভেদ যেমন গ্রাফাইট, হীরা ও গ্রাফিন একে অপরের বহুরূপী। - গঠন: এটি একটি পরমাণুর পুরুত্বের কার্বন জালিকাবিশিষ্ট পদার্থ যা অত্যন্ত শক্তিশালী। - বাস্তব প্রয়োগ: ন্যানোটেকনোলজি, ইলেকট্রনিক্স এবং শক্তি সঞ্চয়কারী ব্যাটারিতে এর ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গ্রাফাইট পেন্সিলের শীষ। ব্যাখ্যা: গ্রাফাইট কার্বনের বহুরূপী এবং এর স্তরগুলো সরিয়ে গ্রাফিন তৈরি করা সম্ভব। উদাহরণ ২: কোয়ান্টাম ডট ও টাচ স্ক্রিন ডিসপ্লে। ব্যাখ্যা: গ্রাফিনের উচ্চ পরিবাহিতা এবং স্বচ্ছতার কারণে এটি আধুনিক টাচ স্ক্রিনে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কার্বন — এটি সঠিক কারণ গ্রাফিন কেবল কার্বন পরমাণু দিয়ে গঠিত। B) কার্বন ও অক্সিজেন — এটি ভুল কারণ গ্রাফিনে কোনো অক্সিজেন থাকে না। C) কার্বন ও হাইড্রোজেন — এটি ভুল কারণ হাইড্রোকার্বনে হাইড্রোজেন থাকে কিন্তু গ্রাফিনে তা নেই। D) কার্বন ও নাইট্রোজেন — এটি ভুল কারণ নাইট্রোজেন গ্রাফিনের মৌলিক উপাদান নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - গ্রাফাইট থেকে গ্রাফিন এসেছে, আর গ্রাফাইট মানেই কার্বনের রূপ। - কার্বনের বহুরূপীগুলো মনে রাখতে হীরা, গ্রাফাইট ও গ্রাফিন একসাথে মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - গ্রাফিন হলো বিশ্বের সবচেয়ে পাতলা এবং শক্তিশালী পদার্থ। - এই ধরনের প্রশ্ন বিসিএস ও ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
a আপেক্ষিক তত্ত্বের উপর
b মহাকর্ষীয় ধ্রুবক আবিষ্কারের জন্য
c কৃষ্ণগহ্বর আবিষ্কারের জন্য
d আলোক তড়িৎ ক্রিয়ার ব্যাখ্যা প্রদানের জন্য
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আলোক তড়িৎ ক্রিয়ার ব্যাখ্যা প্রদানের জন্য ১. কেন সঠিক: - আইনস্টাইন ১৯২১ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পান মূলত আলোক তড়িৎ ক্রিয়া বা ফটোইলেকট্রিক এফেক্টের সফল ব্যাখ্যা দেওয়ার জন্য। - তিনি আলোক শক্তিকে ফোটন নামক শক্তির প্যাকেট হিসেবে বিবেচনা করে এই জটিল প্রাকৃতিক ঘটনার সহজ বৈজ্ঞানিক সমাধান করেছিলেন। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: কোনো ধাতব পৃষ্ঠে উপযুক্ত ফ্রিকোয়েন্সির আলো আপতিত হলে সেখান থেকে ইলেকট্রন নির্গত হওয়ার ঘটনাকে আলোক তড়িৎ ক্রিয়া বলে। - সূত্র বা তত্ত্ব: আইনস্টাইনের আলোক তড়িৎ সমীকরণ হলো সর্বোচ্চ গতিশক্তি সমান আপতিত আলোর শক্তি বিয়োগ কার্য অপেক্ষক। - কার্যপ্রণালি: আলোর ফোটন কণা ধাতুর ভেতরের ইলেকট্রনের সঙ্গে সংঘর্ষ ঘটিয়ে নিজের সব শক্তি স্থানান্তরিত করে এবং ইলেকট্রনকে ধাতু থেকে মুক্ত করে। - বাস্তব প্রয়োগ: সোলার প্যানেল বা সৌরকোষ, অটোমেটিক ডোর সেন্সর এবং ডিজিটাল ক্যামেরার সেন্সরে এই নীতি ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত সোলার প্যানেল। ব্যাখ্যা: সূর্যের আলো সোলার প্যানেলে পড়ার পর আলোক তড়িৎ ক্রিয়ার মাধ্যমে সেখান থেকে ইলেকট্রন প্রবাহিত হয়ে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করে। উদাহরণ ২: শপিং মলের স্বয়ংক্রিয় দরজা। ব্যাখ্যা: মানুষ সামনে আসলে অদৃশ্য আলোর রশ্মির পথ বাধাগ্রস্ত হয় এবং আলোক তড়িৎ ক্রিয়ার পরিবর্তনের মাধ্যমে দরজা খুলে যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আপেক্ষিক তত্ত্বের উপর — আইনস্টাইন এটি আবিষ্কার করলেও নোবেল কমিটি এই তত্ত্বের পরীক্ষামূলক প্রমাণ তখনো সম্পূর্ণ নিশ্চিত না হওয়ায় এর জন্য নোবেল দেয়নি। B) মহাকর্ষীয় ধ্রুবক আবিষ্কারের জন্য — মহাকর্ষীয় ধ্রুবক ক্যাভেন্ডিস আবিষ্কার করেছিলেন, আইনস্টাইন এটি আবিষ্কার করেননি। C) কৃষ্ণগহ্বর আবিষ্কারের জন্য — কৃষ্ণগহ্বর বা ব্ল্যাকহোলের ধারণা আইনস্টাইনের সাধারণ আপেক্ষিকতার সমীকরণ থেকে আসলেও তিনি সরাসরি এটি আবিষ্কার করেননি। D) আলোক তড়িৎ ক্রিয়ার ব্যাখ্যা প্রদানের জন্য — এটি সম্পূর্ণরূপে সঠিক কারণ নোবেল কমিটি এই কাজের জন্যই তাকে পুরস্কৃত করেছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: - আইনস্টাইনের নামের সঙ্গে আপেক্ষিকতাবাদ বেশি জড়িত থাকলেও নোবেল পুরস্কারের ক্ষেত্রে আলোক তড়িৎ ক্রিয়া শব্দটি মনে রাখতে হবে। - ফটো বা আলো মানে ফোটন আর তড়িৎ মানে ইলেকট্রন, এভাবে আলোর সাহায্যে বিদ্যুৎ পাওয়ার নীতি মাথায় রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - অ্যালবার্ট আইনস্টাইন কত সালে নোবেল পুরস্কার পান এই প্রশ্নটি বিসিএস পরীক্ষায় বারবার আসে। - আইনস্টাইন ১৯২১ সালের জন্য পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পেলেও তা প্রদান করা হয় ১৯২২ সালে।
a পুকুরের পানিতে
b লেকের পানিতে
c নদীর পানিতে
d সাগরের পানিতে
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নদীর পানিতে ১. কেন সঠিক: নদীর পানি সবসময় প্রবহমান থাকে এবং বাতাসের সংস্পর্শে এসে বারবার আলোড়িত হয়। এই অব্যাহত গতিপ্রকৃতির কারণে বায়ুমণ্ডল থেকে অক্সিজেন সহজেই পানিতে দ্রবীভূত হতে পারে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: প্রবহমান পানিতে সারফেস এরিয়া বা উন্মুক্ত পৃষ্ঠের সাথে বাতাসের যোগাযোগ বেশি থাকে। কার্যপ্রণালি: স্রোতের কারণে পানির অণুগুলো ক্রমাগত ওপরে ও নিচে আবর্তিত হয়, যা অক্সিজেন মিশ্রিত করার প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পাহাড়ি ঝরনার পানি ব্যাখ্যা: তীব্র গতিতে নেমে আসার কারণে ঝরনার পানিতে অক্সিজেনের পরিমাণ সর্বাধিক থাকে। উদাহরণ ২: অ্যাকুরিয়ামের এয়ার পাম্প ব্যাখ্যা: কৃত্রিমভাবে বুদবুদ সৃষ্টি করে পানিতে বাতাস মেশানো হয় যাতে মাছ পর্যাপ্ত অক্সিজেন পায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পুকুরের পানিতে — পুকুরের পানি স্থির থাকে এবং জৈব পদার্থ পচে অক্সিজেন কমে যায়। B) লেকের পানিতে — লেকের গভীরে জলের প্রবাহ থাকে না বলে অক্সিজেনের মাত্রা কম থাকে। C) নদীর পানিতে — এটি সঠিক উত্তর। D) সাগরের পানিতে — লবণের উপস্থিতির কারণে সাগরের পানিতে সাধু পানির তুলনায় দ্রবীভূত অক্সিজেনের মাত্রা তুলনামূলক কম হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: নদী মানেই চলন্ত জীবন, আর চললেই বাতাসের ছোঁয়ায় বাড়ে অক্সিজেনের পরিমাণ। স্থির পানি মানেই অক্সিজেন কম, প্রবহমান পানি মানেই অক্সিজেন বেশি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পানির এই দ্রবীভূত অক্সিজেনকে ডিও বা ডিজলভড অক্সিজেন বলা হয়। জলজ প্রাণীর বেঁচে থাকার জন্য পানিতে পর্যাপ্ত ডিও থাকা আবশ্যক।
a ভেইন
b আর্টারি
c ক্যাপিলারি
d নার্ভ
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আর্টারি ১. কেন সঠিক: - আর্টারি বা ধমনী হৃৎপিণ্ড থেকে বিশুদ্ধ রক্ত অক্সিজেনসহ শরীরের বিভিন্ন কোষে বহন করে নিয়ে যায়। - হৃৎপিণ্ডের সংকোচনের ফলে প্রচণ্ড চাপে রক্ত ধমনীর ভেতর দিয়ে প্রবাহিত হয় বলে এর দেওয়াল বেশ পুরু ও শক্তিশালী হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: মানবদেহের রক্ত সংবহনতন্ত্রে হৃৎপিণ্ড পাম্পের মতো কাজ করে এবং রক্তনালীগুলো পাইপের মতো রক্ত পরিবহন করে। - কার্যপ্রণালি: হৃৎপিণ্ডের বাম নিলয় থেকে অক্সিজেনসমৃদ্ধ রক্ত মহাধমনী বা অোর্টারির মাধ্যমে সমগ্র দেহে ছড়িয়ে পড়ে। - বাস্তব প্রয়োগ: আমরা যখন কবজির ওপর আঙুল রাখি, তখন ধমনির সংকোচন ও প্রসারণের ফলে যে স্পন্দন বা নাড়ি অনুভব করি তা আর্টারির কার্যকারিতার ফল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রান্নার পানি সরবরাহের পাইপলাইন ব্যাখ্যা: মূল পাম্প বা উৎস থেকে যেমন পানির পাইপ উচ্চচাপে পানি দূরে নিয়ে যায়, আর্টারিও তেমনই হৃৎপিণ্ড থেকে রক্ত বাইরে নিয়ে যায়। উদাহরণ ২: সাইকেলের টিউবে পাম্প করার সময় হোসপাইপ ব্যাখ্যা: পাম্প থেকে উচ্চচাপে বাতাস যেমন নির্দিষ্ট দিকে প্রবাহিত হয়, ধমনি বা আর্টারিও তেমনি হৃৎপিণ্ডের পাম্পিং ক্রিয়ার ফলে রক্ত বাইরে নিয়ে যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভেইন — এটি শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ থেকে কার্বন ডাইঅক্সাইডযুক্ত রক্ত হৃৎপিণ্ডে ফিরিয়ে আনে, রক্ত বাইরে নিয়ে যায় না। B) আর্টারি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি হৃৎপিণ্ড থেকে রক্ত বাইরে বা শরীরের অন্যান্য অংশে বহন করে। C) ক্যাপিলারি — এটি অত্যন্ত সূক্ষ্ম রক্তনালী যা ধমনি ও শিরার মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে এবং কোষের সাথে গ্যাসের আদান-প্রদান ঘটে। D) নার্ভ — এটি কোনো রক্তনালী নয়, বরং স্নায়ুতন্ত্রের অংশ যা মস্তিষ্ক থেকে সংকেত সারা শরীরে বহন করে। ৫ মনে রাখার টিপস: - ধমনি বা আর্টারি মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো দূরে বা বাইরে যাওয়ার ক্ষেত্রে ধমনি কাজ করে। - ইংরেজিতে A তে আর্টারি এবং Away মানে দূরে, অর্থাৎ হৃৎপিণ্ড থেকে রক্ত দূরে বা বাইরে নিয়ে যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মানবদেহের ফুসফুসীয় ধমনি ছাড়া বাকি সব ধমনি অক্সিজেনযুক্ত রক্ত বহন করে। - একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে, ফুসফুসীয় ধমনি কোন ধরনের রক্ত বহন করে, যার উত্তর হবে কার্বন ডাইঅক্সাইডযুক্ত রক্ত।
a ফ্যাটি অ্যাসিড দিয়ে
b নিউক্লিক অ্যাসিড দিয়ে
c অ্যামিনাে অ্যাসিড দিয়ে
d উপরের কোনটিই নয়
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অ্যামিনো অ্যাসিড দিয়ে ১. কেন সঠিক: - প্রোটিন হলো জীবনের অন্যতম প্রধান উপাদান যা অসংখ্য অ্যামিনো অ্যাসিডের সমন্বয়ে গঠিত। - পেপটাইড বন্ধনের মাধ্যমে একাধিক অ্যামিনো অ্যাসিড যুক্ত হয়ে প্রোটিন অণু তৈরি করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: অ্যামিনো অ্যাসিড হলো প্রোটিনের গঠনগত একক বা মনোগামার যা পেপটাইড বন্ধন দ্বারা যুক্ত থাকে। - কার্যপ্রণালি: কোষের রাইবোজোম মেসেঞ্জার আরএনএ এর নির্দেশ অনুযায়ী নির্দিষ্ট ক্রমানুসারে অ্যামিনো অ্যাসিড সাজিয়ে প্রোটিন সংশ্লেষণ করে। - বাস্তব প্রয়োগ: আমাদের দৈনন্দিন খাদ্যতালিকার আমিষ জাতীয় খাবার পরিপাক হয়ে অ্যামিনো অ্যাসিডে পরিণত হয় এবং শরীর নতুন প্রোটিন তৈরি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ডিম ও মাংস ব্যাখ্যা: ডিমের সাদা অংশে অ্যালবুমিন নামক প্রোটিন থাকে যা অ্যামিনো অ্যাসিডের দীর্ঘ শিকল দিয়ে গঠিত। উদাহরণ ২: মানুষের চুল ও নখ ব্যাখ্যা: চুল ও নখে কেরাটিন নামক প্রোটিন থাকে যা বিভিন্ন অ্যামিনো অ্যাসিডের সমন্বয়ে গঠিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফ্যাটি অ্যাসিড দিয়ে — ফ্যাটি অ্যাসিড হলো লিপিড বা চর্বির গঠনগত একক, প্রোটিনের নয়। B) নিউক্লিক অ্যাসিড দিয়ে — নিউক্লিক অ্যাসিড বা ডিএনএ এবং আরএনএ হলো বংশগতির উপাদান, প্রোটিন তৈরির নির্দেশদাতা। D) উপরের কোনটিই নয় — সঠিক উত্তর সি অপশনে বিদ্যমান থাকায় এটি ভুল। ৫ মনে রাখার টিপস: প্রোটিনের পি এবং পেপটাইড বন্ধনের পি এর সাথে অ্যামিনো অ্যাসিডের সম্পর্ক মনে রাখতে হবে। আমিষ জাতীয় খাবার ভাঙলে অ্যামিনো অ্যাসিড পাওয়া যায় এবং তা দিয়েই দেহ প্রোটিন গঠন করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রোটিন তৈরির মূল উপাদান হলো অ্যামিনো অ্যাসিড এবং এদের মধ্যে পেপটাইড বন্ধন থাকে। প্রোটিনের অভাবে মানবদেহে কুয়শিওরকর ও মারাসমাস রোগ হতে পারে।
a গ্লিসারিন
b ফিটকিরি
c সােডিয়াম ক্লোরাইড
d ক্যালসিয়াম কার্বোনেট
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ক্যালসিয়াম কার্বোনেট ১. কেন সঠিক: - ক্যালসিয়াম কার্বোনেট পানিতে অদ্রবণীয় একটি রাসায়নিক যৌগ। - এটি পানিতে মেশালে দ্রবীভূত না হয়ে তলানি হিসেবে নিচে জমা হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: দ্রাব্যতা হলো কোনো নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় নির্দিষ্ট পরিমাণ দ্রাবকে সর্বোচ্চ যে পরিমাণ solute দ্রবীভূত হতে পারে। - রাসায়নিক সংকেত: ক্যালসিয়াম কার্বোনেটের রাসায়নিক সংকেত হলো CaCO৩। - কারণ ও ফলাফল: এর অণুগুলোর মধ্যে শক্তিশালী আয়নিক বন্ধন থাকে যা পানির পোলার অণুগুলো ভাঙতে পারে না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চক পাউডার পানিতে মেশানো। ব্যাখ্যা: চক প্রধানত ক্যালসিয়াম কার্বোনেট দিয়ে তৈরি যা পানিতে গুলে যায় না। উদাহরণ ২: ডিমের খোসা পানিতে রাখা। ব্যাখ্যা: ডিমের খোসার মূল উপাদান ক্যালসিয়াম কার্বোনেট যা পানিতে দ্রবীভূত হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গ্লিসারিন — এটি একটি অ্যালকোহল জাতীয় যৌগ যা পানিতে সম্পূর্ণ দ্রবণীয়। B) ফিটকিরি — এটি একটি লবণের দ্বৈত রূপ যা সহজেই পানিতে দ্রবীভূত হয়। C) সোডিয়াম ক্লোরাইড — এটি সাধারণ লবণ যা পানিতে খুব দ্রুত দ্রবীভূত হয়। D) ক্যালসিয়াম কার্বোনেট — এটি পানিতে অদ্রবণীয় এবং সঠিক উত্তর। ৫ মনে রাখার টিপস: - চক বা ডিমের খোসা পানিতে মেশালে যেমন দ্রবীভূত হয় না, তেমনি ক্যালসিয়াম কার্বোনেটও পানিতে অদ্রবণীয়। - পাথুরে পদার্থ বা খনিজ লবণ হিসেবে CaCO৩ পানিতে তলানি তৈরি করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - পানিতে অদ্রবণীয় লবণের উদাহরণ হিসেবে ক্যালসিয়াম কার্বোনেট বহুল ব্যবহৃত হয়। - এ ধরনের প্রশ্ন বিসিএস ও ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
a ৭ দিন
b ৩০ দিন
c ১৮০ দিন
d উপরের কোনটিই নয়
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উপরের কোনটিই নয় ১. কেন সঠিক: মানবদেহের লোহিত রক্তকণিকার গড় আয়ুষ্কাল প্রায় ১২০ দিন বা চার মাস। প্রদত্ত অপশনগুলোতে ১২০ দিন না থাকায় এবং সঠিক উত্তরটি ডি অপশনে নির্দেশিত হওয়ায় এটি সঠিক। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: লোহিত রক্তকণিকা বা এরিথ্রেসাইট হলো মেরুদণ্ডী প্রাণীর রক্তে অক্সিজেন পরিবহনের প্রধান মাধ্যম। কার্যপ্রণালি: মানবদেহের অস্থিমজ্জায় উৎপন্ন হয়ে এসব কণিকা রক্তে প্রবেশ করে এবং নির্দিষ্ট সময় পর প্লীহায় ধ্বংস হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুস্থ মানুষের রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা স্বাভাবিক রাখা লোহিত কণিকার মূল কাজ। ব্যাখ্যা: এটি ফুসফুস থেকে অক্সিজেন সংগ্রহ করে শরীরের কোষে কোষে সরবরাহ করে। উদাহরণ ২: প্লীহাকে লোহিত কণিকার কবরস্থান বলা হয়। ব্যাখ্যা: পুরোনো ও নষ্ট হয়ে যাওয়া লোহিত কণিকা প্লীহায় ভেঙে ফেলা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৭ দিন — এটি অনুচক্রিকা বা রক্তের প্লাটিলেটের আয়ুষ্কাল নির্দেশ করে। B) ৩০ দিন — এটি কিছু নির্দিষ্ট শ্বেত রক্তকণিকার বেঁচে থাকার গড় সময়। C) ১৮০ দিন — এই সময়ের সঙ্গে মানবদেহের সাধারণ রক্তকণিকার আয়ুষ্কালের কোনো মিল নেই। D) উপরের কোনটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর ১২০ দিন এবং তা এ, বি বা সি অপশনে নেই, তাই এই অপশনটি সঠিক। ৫ মনে রাখার টিপস: লোহিত কণিকার আয়ুষ্কাল মনে রাখার সহজ উপায় হলো এর সংখ্যা ১২০ দিন। শ্বেত কণিকা ও অনুচক্রিকার আয়ুষ্কাল কম হলেও লোহিত কণিকার জীবনকাল দীর্ঘ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রক্তকণিকার আয়ুষ্কাল থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। লোহিত কণিকার আয়ু ১২০ দিন, অনুচক্রিকার ৫ থেকে ১০ দিন এবং শ্বেত কণিকার আয়ু কয়েক দিন থেকে শুরু হতে পারে।
a COD > BOD
b COD < BOD
c COD = BOD
d উপরের কোনটিই নয়
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) COD > BOD ১. কেন সঠিক: - COD হলো রাসায়নিক অক্সিজেন চাহিদা এবং BOD হলো জৈবিক অক্সিজেন চাহিদা। - পানিতে উপস্থিত জৈব ও অজৈব উভয় প্রকার দূষণ পদার্থ জারিত করতে যে পরিমাণ অক্সিজেন লাগে তাকে COD বলে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: BOD হলো কেবল জৈব পদার্থ পচাতে অণুজীবের প্রয়োজনীয় অক্সিজেনের পরিমাণ। - কারণ ও ফলাফল: COD-এর আওতায় জৈব পদার্থের পাশাপাশি সব অজৈব রাসায়নিক উপাদানও জারিত হয় বলে এর মান সবসময় BOD-এর চেয়ে বেশি হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শিল্প কারখানার বর্জ্য মিশ্রিত নদীর পানি। ব্যাখ্যা: এতে অজৈব রাসায়নিক বিষাক্ত পদার্থ থাকায় COD-এর মাত্রা অনেক বেশি পাওয়া যায়। উদাহরণ ২: স্বাভাবিক গৃহস্থালী বর্জ্য মিশ্রিত নদীর পানি। ব্যাখ্যা: এখানেও অণুজীবের পাশাপাশি রাসায়নিক জারণ ঘটে বিধায় COD-এর মান BOD-এর মানের চেয়ে বেশি থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) COD > BOD — এটি বৈজ্ঞানিকভাবে সত্য কারণ রাসায়নিক জারণের পরিধি জৈবিক জারণের চেয়ে বড়। B) COD < BOD — এটি ভুল কারণ কোনো অবস্থাতেই শুধু জৈবিক চাহিদা মোট রাসায়নিক চাহিদাকে অতিক্রম করতে পারে না। C) COD = BOD — এটি ভুল কারণ পানিতে সবসময়ই কিছু অজৈব রাসায়নিক পদার্থ থাকে যা কেবল COD-এ মাপা হয়। D) উপরের কোনটিই নয় — সঠিক উত্তর অপশন এ তে বিদ্যমান থাকায় এটি গ্রহণযোগ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - সি ও ডি (COD) সবসময় বড় কারণ এর ভেতর কেমিক্যাল বা রাসায়নিক বিশাল জগত অন্তর্ভুক্ত আছে। - বি ও ডি (BOD) ছোট কারণ এটি শুধু ব্যাকটেরিয়া বা জৈব পদার্থের ওপর সীমাবদ্ধ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও পরিবেশ বিজ্ঞানের পরীক্ষায় পানি দূষণের সূচক হিসেবে COD ও BOD এর অনুপাত অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি প্রশ্ন। - এই দুটি মান বাড়লে পানির দ্রবীভূত অক্সিজেন বা DO কমে যায় যা জলজ প্রাণীর জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর।
a ১৯৯০
b ১৯৯৫
c ১৯৯৭
d ২০০০
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯৯৭ ১. কেন সঠিক: পাথফাইন্ডার নাসা কর্তৃক প্রেরিত একটি বিখ্যাত মহাকাশযান যা ১৯৯৭ সালে সফলভাবে মঙ্গলের পৃষ্ঠে অবতরণ করেছিল। এর মূল উদ্দেশ্য ছিল লাল গ্রহে কম খরচে বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতি এবং একটি রোভার পৌঁছে দেওয়া। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মহাকাশ অনুসন্ধান এবং জ্যোতির্বিজ্ঞান। নাসার ডিসকভারি প্রোগ্রামের অংশ হিসেবে এই অভিযানটি পরিচালিত হয়েছিল। মহাকাশযানটি মঙ্গলে নেমে এর বায়ুমণ্ডল, আবহাওয়া এবং শিলা বিশ্লেষণ করে পৃথিবীতে তথ্য পাঠায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কিউরিওসিটি রোভার ২০১২ সালে মঙ্গলে অবতরণ করে। ব্যাখ্যা: এটি আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে মঙ্গলের মাটি ও জীবন ধারণের উপযোগী পরিবেশ অনুসন্ধান করছে। উদাহরণ ২: ভাইকিং মিশন ১৯৭৬ সালে মঙ্গলে অবতরণ করে। ব্যাখ্যা: এটি মঙ্গলের মাটিতে প্রথম সফলভাবে ল্যান্ড করে ছবি ও তথ্য পাঠিয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৯০ — এই সালে কোনো বিখ্যাত মঙ্গল মিশন অবতরণ করেনি, তবে হাবল স্পেস টেলিস্কোপ এই বছরে মহাশূন্যে স্থাপিত হয়েছিল। B) ১৯৯৫ — এই সালে গ্যালিলিও মহাকাশযান বৃহস্পতির কক্ষপথে প্রবেশ করেছিল, মঙ্গলে কোনো সফল অবতরণ হয়নি। C) ১৯৯৭ — এই বছর পাথফাইন্ডার মহাকাশযান সফলভাবে মঙ্গলের অ্যারিস ভ্যালিস এলাকায় অবতরণ করে। D) ২০০০ — এই বছর মঙ্গলে কোনো বড় সফল অবতরণ অভিযান সম্পন্ন হয়নি। ৫ মনে রাখার টিপস: নব্বইয়ের দশকের শেষের দিকে অর্থাৎ ১৯৯৭ সালে পাথফাইন্ডার মঙ্গলে পা রেখেছিল। তারিখটি মনে রাখতে ১৯৯৭ সালের শেষাংশ এবং পাথফাইন্ডারের সফল ল্যান্ডিংয়ের সাল একসাথে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পাথফাইন্ডার মিশনের সঙ্গে সোজোর্নার নামের প্রথম মঙ্গল রোভার যুক্ত ছিল। এ ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস ও ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় মহাকাশ অনুসন্ধান অধ্যায় থেকে আসে।
a স্ট্রাটোমণ্ডল
b ট্রপােমণ্ডল
c মেসোমণ্ডল
d তাপমণ্ডল
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) স্ট্রাটোমণ্ডল ১. কেন সঠিক: - বায়ুমণ্ডলের স্ট্রাটোমণ্ডল স্তরে ওজোন গ্যাসের ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি থাকে, যা ওজোন স্তর নামে পরিচিত। - এই স্তরটি সূর্যের ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি শোষণ করে পৃথিবীর জীবকুলকে রক্ষা করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: ওজোন হলো অক্সিজেনের একটি রূপভেদ যার রাসায়নিক সংকেত ও তিন। - কার্যপ্রণালি: সূর্য থেকে আসা উচ্চ শক্তির অতিবেগুনি রশ্মি অক্সিজেনের অণুকে ভেঙে একক অক্সিজেন পরমাণুতে পরিণত করে এবং পরে তা অক্সিজেনের সাথে যুক্ত হয়ে ওজোন তৈরি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি শোষণ। ব্যাখ্যা: স্ট্রাটোমণ্ডলের ওজোন স্তর না থাকলে অতিবেগুনি রশ্মি সরাসরি পৃথিবীতে পৌঁছে মানুষের ত্বকের ক্যান্সার ও চোখের ক্ষতি করত। উদাহরণ ২: ওজোন গ্যাসের গন্ধ। ব্যাখ্যা: বৈদ্যুতিক স্পার্কের পাশে যে হালকা আঁশটে গন্ধ পাওয়া যায় তা ওজোন গ্যাসের উপস্থিতি নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্ট্রাটোমণ্ডল — এটি সঠিক কারণ ওজোন স্তর এই স্তরের প্রায় ১৫ থেকে ৫০ কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থান করে। B) ট্রপামণ্ডল — এটি ভুল কারণ এটি বায়ুমণ্ডলের সবচেয়ে নিচের স্তর যেখানে মেঘ, বৃষ্টি ও ঝড়ঝাপ্টা হয়। C) মেসোমণ্ডল — এটি ভুল কারণ এটি বায়ুমণ্ডলের তৃতীয় স্তর এবং এটি অত্যন্ত ঠান্ডা একটি স্তর। D) তাপমণ্ডল — এটি ভুল কারণ এটি বায়ুমণ্ডলের ওপরের একটি স্তর যেখানে তাপমাত্রা খুব বেশি থাকে। ৫. মনে রাখার টিপস: - ওজোন স্তরের ইংরেজি নাম ওজনোস্ফিয়ার, যা স্ট্রাটোমণ্ডলের অন্তর্ভুক্ত। স্ট্রাটোমণ্ডলের এস এবং ওজোন স্তরের এস মিলিয়ে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ওজোন ক্ষয়ের জন্য প্রধানত সিএফসি বা ক্লোরোফ্লোরোকার্বন দায়ী। - এই সম্পর্কিত প্রশ্ন বিসিএস এবং পরিবেশ বিজ্ঞান সংক্রান্ত পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
a ক্লোরোপিক্রিন
b মিথেন
c নাইট্রোজেন
d ইথেন
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ক্লোরোপিক্রিন ১. কেন সঠিক: - ক্লোরোপিক্রিন হলো এমন একটি রাসায়নিক যৌগ যা চোখে গেলে তীব্র জ্বালাপোড়া সৃষ্টি করে এবং অশ্রু ঝরায়। - এটি মূলত টিয়ার গ্যাস বা কাঁদুনগে গ্যাস হিসেবে পরিচিত যা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ব্যবহার করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: ক্লোরোপিক্রিন একটি অর্গানোক্লোরিন যৌগ যার রাসায়নিক সংকেত হলো সি সি এল থ্রি এন ও টু। - রাসায়নিক গঠন: এটি নাইট্রোমিথেনের ট্রিক্লোরিন জাতক যা অত্যন্ত উদ্বায়ী এবং তীব্র গন্ধযুক্ত তরল। - কার্যপ্রণালি: এটি মানুষের চোখের কর্নিয়ার স্নায়ুকে উদ্দীপিত করে প্রচুর পরিমাণে জল বা অশ্রু উৎপন্ন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পুলিশের টিয়ারশেল নিক্ষেপ ব্যাখ্যা: জনরোষ বা সহিংসতা নিয়ন্ত্রণে পুলিশ যে টিয়ারশেল ছোড়ে, তার মূল উপাদান হলো এই ক্লোরোপিক্রিন গ্যাস। উদাহরণ ২: কীটনাশক হিসেবে ব্যবহার ব্যাখ্যা: অতীতে এটি মাটি শোধন করার কাজে এবং শস্য সংরক্ষণে কীটনাশক হিসেবে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হতো। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক্লোরোপিক্রিন — এটি কাঁদুনগে গ্যাসের সঠিক রাসায়নিক নাম এবং এটি চোখের সুরক্ষার পর্দায় তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখায়। B) মিথেন — এটি একটি সরল হাইড্রোকার্বন ও প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান যা জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। C) নাইট্রোজেন — এটি বায়ুমণ্ডলের প্রধান গ্যাস যা উদ্ভিদ ও প্রাণীর প্রোটিন তৈরিতে সাহায্য করে কিন্তু কাঁদুনগে গ্যাস নয়। D) ইথেন — এটি অ্যালকেন পরিবারের দ্বিতীয় সদস্য এবং এটিও এক ধরনের দাহ্য জ্বালানি গ্যাস। ৫ মনে রাখার টিপস: কাঁদুনে গ্যাসের মূল কাজ হলো চোখ থেকে জল বা পিনিক আনা, আর ক্লোরোপিক্রিনের নামের শুরুতে থাকা ক্লোরো শব্দটির সাথে চোখের জল বা ক্রিনের মিল মনে রাখা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় রসায়নের সাধারণ জ্ঞান অংশে প্রায়ই আসে। কাঁদুনগে গ্যাসের অপর নাম ক্লোরোপিক্রিন এবং এর রাসায়নিক প্রকৃতি সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখতে হবে।
a দূরত্ব
b সময়
c ভর
d ওজন
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দূরত্ব ১. কেন সঠিক: আলোকবর্ষ হলো দূরত্বের একক, সময়ের একক নয়। আলো শূন্য মাধ্যমে এক বছরে যে দূরত্ব অতিক্রম করে, তাকে এক আলোকবর্ষ বলা হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: মহাকাশের বিশাল দূরত্ব পরিমাপের জন্য আলোকবর্ষ এককটি ব্যবহার করা হয়। কার্যপ্রণালি: আলোর বেগ প্রতি সেকেন্ডে প্রায় তিন লক্ষ কিলোমিটার। এই বেগে আলো এক বছরে যতদূর যায়, তার হিসাব হলো এক আলোকবর্ষ। বাস্তব প্রয়োগ: পৃথিবী থেকে নক্ষত্র বা গ্যালাক্সির দূরত্ব প্রকাশ করতে কিলোমিটারের পরিবর্তে আলোকবর্ষ ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পৃথিবী থেকে নিকটতম নক্ষত্র প্রক্সিমা সেন্টুয়ারির দূরত্ব প্রায় চার দশমিক দুই আলোকবর্ষ। ব্যাখ্যা: এর অর্থ প্রক্সিমা সেন্টুয়ারি থেকে আলো আমাদের পর্যন্ত পৌঁছাতে চার দশমিক দুই বছর সময় নেয়। উদাহরণ ২: আমাদের আকাশগঙ্গা গ্যালাক্সির ব্যাস প্রায় এক লক্ষ আলোকবর্ষ। ব্যাখ্যা: গ্যালাক্সির এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে আলো যেতে এক লক্ষ বছর সময় লাগে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দূরত্ব — এটি সঠিক কারণ আলোকবর্ষ সময়ের একক মনে হলেও এটি মূলত মহাকাশীয় দূরত্বের মাপকাঠি। B) সময় — বছর শব্দটি থাকায় অনেকে একে সময় মনে করেন, কিন্তু এটি আসলে সময়ের মধ্যে অতিক্রান্ত দূরত্বের পরিমাপ। C) ভর — ভর পরিমাপের একক হলো কিলোগ্রাম বা গ্রাম, আলোকবর্ষের সঙ্গে ভরের কোনো সম্পর্ক নেই। D) ওজন — ওজন হলো বলের একটি রূপ যার একক নিউটন, যা দূরত্বের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: নামে বছর বা ইয়ার শব্দ থাকলেও আলোকবর্ষ দিয়ে সময় মাপা হয় না, এটি মহাশূন্যের বিশাল দূরত্ব মাপার একটি ফিতা। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এক আলোকবর্ষ সমান প্রায় নয় দশমিক চার ছয় গুণ দশের পাওয়ার বারো কিলোমিটার। মহাকাশ বিজ্ঞানে দূরত্বের আরও একটি বড় একক হলো পারসেক।
a ভেলা
b প্রক্সিমা সেন্টাউরি
c আলফা সেন্টাউরি A
d আলফা সেন্টাউরি B
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্রক্সিমা সেন্টাউরি ১. কেন সঠিক: পৃথিবী থেকে সূর্যের বাইরে মহাবিশ্বে অবস্থিত সবচেয়ে নিকটবর্তী নক্ষত্রের নাম প্রক্সিমা সেন্টাউরি। এটি পৃথিবী থেকে প্রায় চার দশমিক দুই দুই আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: আলোকবর্ষ হলো দূরত্ব পরিমাপের একক। আলো এক বছরে যে দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে এক আলোকবর্ষ বলে। কার্যপ্রণালি: প্রক্সিমা সেন্টাউরি একটি লোহিত বামন নক্ষত্র। এর আকার ছোট এবং পৃষ্ঠের তাপমাত্রা আমাদের সূর্যের চেয়ে কম হওয়ায় একে খালি চোখে দেখা যায় না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো পৌঁছাতে সময় লাগে প্রায় আট মিনিট। এর মাধ্যমে মহাজাগতিক দূরত্ব এবং আলোর গতির সম্পর্ক বোঝা যায়। ব্যাখ্যা: আলো প্রতি সেকেন্ডে প্রায় তিন লক্ষ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে। এই বিশাল গতি থাকা সত্ত্বেও দূরবর্তী নক্ষত্রের আলো পৃথিবীতে পৌঁছাতে কয়েক বছর সময় নেয়। উদাহরণ ২: রাতের আকাশে উজ্জ্বল নক্ষত্র দেখা। খালি চোখে আকাশ পর্যবেক্ষণের সময় আমাদের মনে হতে পারে সব নক্ষত্র একই দূরত্বে আছে। ব্যাখ্যা: প্রকৃতপক্ষে বিভিন্ন নক্ষত্রের দূরত্ব ভিন্ন হওয়ায় তাদের উজ্জ্বলতা ও অবস্থান আলাদা দেখায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভেলা — ভেলা হলো দক্ষিণ গোলার্ধের একটি নক্ষত্রমন্ডল বা কনস্টেলেশন। এটি কোনো নির্দিষ্ট নিকটতম নক্ষত্রের নাম নয়। B) প্রক্সিমা সেন্টাউরি — এটি সঠিক উত্তর। এটি আলফা সেন্টাউরি নক্ষত্র ব্যবস্থার অংশ এবং আমাদের সৌরজগতের সবচেয়ে কাছের নক্ষত্র। C) আলফা সেন্টাউরি A — এটি আলফা সেন্টাউরি ব্যবস্থার একটি প্রধান নক্ষত্র। তবে প্রক্সিমা সেন্টাউরি এর চেয়েও পৃথিবীর কিছুটা বেশি কাছে অবস্থিত। D) আলফা সেন্টাউরি B — এটি আলফা সেন্টাউরি নক্ষত্র ব্যবস্থার দ্বিতীয় প্রধান নক্ষত্র। এটিও প্রক্সিমা সেন্টাউরির মতো নিকটতম একক নক্ষত্র নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: প্রক্সিমা শব্দের অর্থ সবচেয়ে কাছে বা নিকটতম। সেন্টাউরি নক্ষত্রপুঞ্জের ভেতরে এটি অবস্থিত বলে এর নাম প্রক্সিমা সেন্টাউরি। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: আলোর গতিবেগ এবং আলোকবর্ষ সংক্রান্ত একক প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। নক্ষত্র ও সৌরজগতের দূরত্বের পরিমাপ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখা জরুরি।
a ১০০ জুল
b ৬০ জুল
c ৬০০০ জুল
d ৩৬০০০০ জুল
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩৬০০০০ জুল ১. কেন সঠিক: শক্তি পরিমাপের জন্য কাজের পরিমাণ বা ক্ষমতার সঙ্গে সময়ের গুণফল হিসাব করতে হয়। এখানে বাল্বের ক্ষমতা ১০০ ওয়াট এবং সময় ১ ঘন্টা বা ৩৬০০ সেকেন্ড, যা গুণ করলে মোট শক্তির পরিমাণ ৩৬০০০০ জুল হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: ক্ষমতা হলো প্রতি সেকেন্ডে কাজের হার বা শক্তি ব্যয়ের হার। সূত্র: কাজ বা শক্তি = ক্ষমতা × সময়। কার্যপ্রণালি: ১ ওয়াট ক্ষমতা মানে প্রতি সেকেন্ডে ১ জুল শক্তি ব্যয় হয়, তাই ১০০ ওয়াট মানে ১০০ জুল প্রতি সেকেন্ডে ব্যয় হয়। হিসাব: সময় ১ ঘন্টা = ৬০ মিনিট = ৬০ × ৬০ সেকেন্ড = ৩৬০০ সেকেন্ড। মোট শক্তি ব্যয় = ১০০ জুল প্রতি সেকেন্ড × ৩৬০০ সেকেন্ড = ৩৬০০০০ জুল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: একটি ৬০ ওয়াটের পাখা ১ ঘন্টা চালালে মোট শক্তির পরিমাণ হবে ৬০ × ৩৬০০ বা ২১৬০০০ জুল। ব্যাখ্যা: ক্ষমতা কমলে নির্দিষ্ট সময়ে শক্তির ব্যয়ও আনুপাতিক হারে কমে যায়। উদাহরণ ২: একটি ১০০০ ওয়াটের ইস্ত্রি ৩০ মিনিট বা ১৮০০ সেকেন্ড চালালে শক্তি খরচ হয় ১০০০ × ১৮০০ বা ১৮০০০০০ জুল। ব্যাখ্যা: বেশি ক্ষমতার যন্ত্র কম সময়ে অনেক বেশি বৈদ্যুতিক শক্তি খরচ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০০ জুল — এটি কেবল ১ সেকেন্ডে ব্যয়ের পরিমাণ, পুরো ১ ঘন্টার মোট শক্তি নয়। B) ৬০ জুল — এই মানের সঙ্গে ১ ঘন্টা সময়ের কোনো সঠিক গাণিতিক সম্পর্ক নেই। C) ৬০০০ জুল — এটি কেবল ১ মিনিটের শক্তি ব্যয়, ১ ঘন্টার হিসাব করতে গেলে এটি ভুল। D) ৩৬০০০০ জুল — এটি ক্ষমতার সঙ্গে সম্পূর্ণ সময় সেকেন্ডে রূপান্তর করে সঠিক হিসাবের মাধ্যমে প্রাপ্ত ফলাফল। ৫. মনে রাখার টিপস: ঘন্টায় প্রকাশিত শক্তিকে জুলে নিতে হলে ওয়াটকে সরাসরি ৩৬০০ দিয়ে গুণ করতে হবে কারণ ১ ঘন্টায় ৩৬০০ সেকেন্ড থাকে। ক্ষমতাকে সময়ের সেকেন্ড এককের সঙ্গে গুণ করলেই কাজের বা শক্তির একক জুল পাওয়া যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই ধরনের প্রশ্নে সময়কে অবশ্যই সেকেন্ড এককে রূপান্তর করে তারপর হিসাব করতে হবে। পরীক্ষায় অনেক সময় কিলোওয়াট-ঘণ্টা বা বিওটি এককেও উত্তর চাওয়া হতে পারে, তখন কিলোওয়াটে হিসাব করতে হবে।
a আয়রন
b কার্বন
c টাংস্টেন
d লেড
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) টাংস্টেন ১. কেন সঠিক: বৈদ্যুতিক বাল্বের ফিলামেন্ট তৈরিতে টাংস্টেন ব্যবহার করা হয় কারণ এর গলনাঙ্ক অত্যন্ত বেশি (প্রায় ৩৩৮০ ডিগ্রি সেলসিয়াস)। উচ্চ তাপেও এটি গলে না গিয়ে প্রচুর আলো ও তাপ বিকিরণ করতে সক্ষম হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: বৈদ্যুতিক ফিলামেন্টের রোধ বেশি হওয়ার কারণে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হলে এটি প্রচণ্ড উত্তপ্ত হয় এবং আলো ছড়ায়। কার্যপ্রণালি: জুল্লের সূত্র অনুযায়ী পরিবাহীতে উৎপন্ন তাপ রোধের সমানুপাতিক হয়, তাই টাংস্টেনের মতো উচ্চ রোধ ও উচ্চ গলনাঙ্কের ধাতু ফিলামেন্ট হিসেবে আদর্শ। বাস্তব প্রয়োগ: ইনক্যানডিসেন্ট বা সাধারণ বৈদ্যুতিক বাল্বে এই নীতি ব্যবহার করে অন্ধকার ঘরে কৃত্রিম আলো জ্বালানো হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বৈদ্যুতিক ইস্ত্রি বা হিটারের কয়েল। ব্যাখ্যা: এগুলোতে নাইক্রোম তার ব্যবহার করা হয় যা উচ্চ তাপেও গলে যায় না, ফিলামেন্টের টাংস্টেনও ঠিক একই নীতিতে কাজ করে। উদাহরণ ২: টাংস্টেন হ্যালোজেন বাল্ব। ব্যাখ্যা: সাধারণ বাল্বের তুলনায় এতে উচ্চ তাপে আলো উৎপাদন ক্ষমতা অনেক বেশি থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আয়রন — আয়রনের গলনাঙ্ক টাংস্টেনের তুলনায় অনেক কম হওয়ায় বৈদ্যুতিক বাল্বের ফিলামেন্টে ব্যবহার করলে তা দ্রুত গলে নষ্ট হয়ে যাবে। B) কার্বন — কার্বনের বৈদ্যুতিক বৈশিষ্ট্য ফিলামেন্টের জন্য উপযোগী নয় এবং এটি উচ্চ তাপে খুব দ্রুত জারিত বা পুড়ে যায়। C) টাংস্টেন — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ এর গলনাঙ্ক ও রোধ ক্ষমতা ফিলামেন্ট ব্যবহারের জন্য উপযুক্ত। D) লেড — লেড বা সীসার গলনাঙ্ক অত্যন্ত কম (মাত্র ৩২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস), তাই এটি সামান্য তাপেই গলে যায় এবং ফিলামেন্ট হিসেবে ব্যবহারের অযোগ্য। ৫. মনে রাখার টিপস: বাল্বের ফিলামেন্টের জন্য এমন ধাতু দরকার যা সহজে গলে না, আর টাংস্টেন হলো সবচেয়ে শক্ত ও উচ্চ গলনাঙ্ক বিশিষ্ট ধাতু। শব্দ মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারেন টাংস্টেনের প্রতীক W (ওলফ্রাম) যা অত্যন্ত শক্তিশালী বন্ধন নির্দেশ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। অন্যভাবে প্রশ্ন আসতে পারে যে টাংস্টেনের গলনাঙ্ক কত বা এর রাসায়নিক প্রতীক কী।

মোট প্রশ্ন (15)

a Database Management System (DBMS)
b Web Server
c Web Browser
d Protocol
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Web Server ১. কেন সঠিক: Apache হলো একটি বহুল ব্যবহৃত ওপেন সোর্স ওয়েব সার্ভার সফটওয়্যার। এটি ইন্টারনেটে ক্লায়েন্ট বা ব্রাউজারের অনুরোধ গ্রহণ করে এবং প্রয়োজনীয় প্রসেসিং শেষে ওয়েব পেজ সরবরাহ করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ওয়েব সার্ভার হলো এমন একটি সফটওয়্যার যা হাইপারটেক্সট ট্রান্সফার প্রোটোকল বা HTTP প্রোটোকলের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর ব্রাউজারে ওয়েব পেজ পৌঁছে দেয়। কার্যপদ্ধতি: ব্যবহারকারী ব্রাউজারে কোনো ওয়েবসাইটের ঠিকানা লিখলে ওয়েব সার্ভার সেই অনুরোধ প্রসেস করে এবং ডেটাসেট থেকে তথ্য সংগ্রহ করে ব্রাউজারে প্রদর্শন করে। ব্যবহার: বিশ্বজুড়ে ডাইনামিক এবং স্ট্যাটিক ওয়েবসাইট হোস্ট করার জন্য অ্যাপাচি সার্ভার ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লিনাক্স ভিত্তিক হোস্টিং সার্ভারে অ্যাপাচি ব্যবহার করে ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইট চালানো হয়। ব্যাখ্যা: এটি ব্যবহারকারীর অনুরোধ অনুযায়ী ওয়ার্ডপ্রেসের ফাইলগুলো প্রসেস করে ভিজিটরের ব্রাউজারে পৌঁছে দেয়। উদাহরণ ২: লোকালহোস্টে পরীক্ষা করার সময় জ্যাম্প বা ডব্লিউএএমপি সফটওয়্যার প্যাকেজে অ্যাপাচি সার্ভার ব্যবহৃত হয়। ব্যাখ্যা: ডেভেলপাররা ইন্টারনেটে প্রকাশ করার আগে নিজেদের কম্পিউটারে অ্যাপাচি সার্ভারের মাধ্যমে কোডের কার্যকারিতা পরীক্ষা করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Database Management System (DBMS) — এটি ডেটা সংরক্ষণ এবং ব্যবস্থাপনার জন্য ব্যবহৃত হয়, যা ওয়েব সার্ভার থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। B) Web Server — এটি সঠিক উত্তর কারণ অ্যাপাচি একটি প্রধান ওয়েব সার্ভার সফটওয়্যার। C) Web Browser — ব্রাউজার হলো ক্লায়েন্ট সাইড সফটওয়্যার যেমন ক্রোম বা ফায়ারফক্স, যা সার্ভারের কাছে অনুরোধ পাঠায়। D) Protocol — প্রোটোকল হলো যোগাযোগ করার নিয়ম বা মাধ্যম, যেমন HTTP বা FTP, কিন্তু অ্যাপাচি কোনো নিয়ম নয় বরং একটি সফটওয়্যার। ৫ মনে রাখার টিপস: অ্যাপাচি নামটি মনে রাখার সহজ উপায় হলো এটি একটি ভারতীয় আদিবাসী জাতির নাম থেকে এসেছে যারা প্রথম এর উন্নয়নে কাজ করেছিল। এটি একটি সার্ভার সফটওয়্যার যা ওয়েব পেজ পরিবেশন করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: অ্যাপাচি সফটওয়্যার ফাউন্ডেশন দ্বারা এটি পরিচালিত হয় এবং এর পূর্ণ রূপ বা ডাকনাম অ্যাপাচি এইচটিটিপি সার্ভার। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে জনপ্রিয় ওপেন সোর্স ওয়েব সার্ভার কোনটি।
a অবকাঠামোগত
b প্লাটফর্মভিত্তিক
c সফটওয়্যার
d উপরের সবগুলাে
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উপরের সবগুলাে ১. কেন সঠিক: ক্লাউড কম্পিউটিং-এর সেবা বা সার্ভিস মডেল মূলত প্রধানত তিনটি স্তরে বিভক্ত। এই তিনটি স্তর হলো অবকাঠামোগত সেবা, প্লাটফর্মভিত্তিক সেবা এবং সফটওয়্যার সেবা। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ইন্টারনেট বা দূরবর্তী সার্ভারের মাধ্যমে কম্পিউটিং সম্পদ, যেমন ডেটা স্টোরেজ, প্রসেসিং ক্ষমতা এবং সফটওয়্যার ব্যবহারের সুবিধা প্রদান করাকে ক্লাউড কম্পিউটিং বলা হয়। কার্যপদ্ধতি: ব্যবহারকারী নিজের কম্পিউটারে ভারী হার্ডওয়্যার বা সফটওয়্যার ইনস্টল না করে ইন্টারনেটের মাধ্যমে রিমোট সার্ভার থেকে সেবা গ্রহণ করেন। বৈশিষ্ট্য: অন-ডিমান্ড সেলফ সার্ভিস, রিসোর্স পুলিং, এবং স্কেলেবিলিটি এর প্রধান বৈশিষ্ট্য। ব্যবহার: বড় ডেটা সংরক্ষণ, ওয়েবসাইট হোস্টিং এবং দূরবর্তী কাজ পরিচালনার জন্য এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অ্যামাজন ইসি টু ব্যাখ্যা: এটি অবকাঠামোগত সেবার একটি জনপ্রিয় উদাহরণ যা ব্যবহারকারীকে ভার্চুয়াল সার্ভার ব্যবহারের সুবিধা দেয়। উদাহরণ ২: গুগল ডক্স ব্যাখ্যা: এটি সফটওয়্যার সেবার একটি চমৎকার উদাহরণ যেখানে কোনো ইনস্টলেশন ছাড়াই ব্রাউজারে ডকুমেন্ট তৈরি করা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অবকাঠামোগত — এটি ক্লাউড কম্পিউটিং-এর একটি নির্দিষ্ট সার্ভিস মডেল হলেও একমাত্র মডেল নয়, তাই এটি অসম্পূর্ণ। B) প্লাটফর্মভিত্তিক — এটি ডেভেলপারদের জন্য একটি সার্ভিস মডেল যা অন্যান্য মডেলের পাশাপাশি ক্লাউড সেবার অন্তর্ভুক্ত। C) সফটওয়্যার — এটি সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য ক্লাউডের একটি জনপ্রিয় সেবা মডেল যা একা সম্পূর্ণ সেবা নির্দেশ করে না। D) উপরের সবগুলাে — ক্লাউড কম্পিউটিং-এর তিনটি প্রধান সার্ভিস মডেলই এখানে অন্তর্ভুক্ত থাকায় এটি সঠিক উত্তর। ৫ মনে রাখার টিপস: ক্লাউড কম্পিউটিং-এর সার্ভিস মডেলগুলোকে সংক্ষেপে আইএএস, পিএএস এবং এসএএস বলা হয়। আইএএস মানে অবকাঠামো, পিএএস মানে প্লাটফর্ম এবং এসএএস মানে সফটওয়্যার। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ক্লাউড কম্পিউটিং-এর এই তিনটি মডেলকে একত্রে ক্লাউড কম্পিউটিং সার্ভিস মডেলের ত্রিভুজ বা পাই মডেল বলা হয়। পরীক্ষায় প্রায়ই এই মডেলগুলোর ইংরেজি রূপ বা সংক্ষিপ্ত নাম যেমন ইনফ্রাস্ট্রাকচার অ্যাজ এ সার্ভিস সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
a বাস টপােলজি
b রিং টপােলজি
c স্টার টপােলজি
d ট্রি টপােলজি
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) স্টার টপােলজি ১. কেন সঠিক: স্টার টপোলজিতে একটি কেন্দ্রীয় ডিভাইস হিসেবে হাব বা সুইচ ব্যবহার করা হয়। নেটওয়ার্কের প্রতিটি কম্পিউটার আলাদা ক্যাবলের মাধ্যমে এই কেন্দ্রীয় হাবের সঙ্গে যুক্ত থাকে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: যে নেটওয়ার্ক টপোলজিতে একটি কেন্দ্রীয় হাব বা সুইচের সঙ্গে সব কম্পিউটার সংযুক্ত থাকে তাকে স্টার টপোলজি বলে। কার্যপদ্ধতি: কোনো কম্পিউটার ডেটা পাঠাতে চাইলে তা প্রথমে কেন্দ্রীয় হাবে যায় এবং হাব সেই ডেটা নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছে দেয়। বৈশিষ্ট্য: কোনো একটি কম্পিউটার বা ক্যাবল নষ্ট হলে পুরো নেটওয়ার্ক সচল থাকে, কেবল ওই নির্দিষ্ট কম্পিউটারটি বিচ্ছিন্ন হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আধুনিক ল্যাব বা অফিসের লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক। ব্যাখ্যা: সেখানে একটি কেন্দ্রীয় সুইচের মাধ্যমে সব কম্পিউটার একসঙ্গে সংযুক্ত থাকে। উদাহরণ ২: ব্যাংকের শাখা অফিসের কম্পিউটার সিস্টেম। ব্যাখ্যা: কেন্দ্রীয় সার্ভারের সঙ্গে ক্যাবলের মাধ্যমে প্রতিটি ক্লায়েন্ট কম্পিউটার স্টার টপোলজিতে যুক্ত থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাস টপােলজি — এখানে একটি মূল ব্যাকবোন ক্যাবল বা বাস লাইন ব্যবহার করা হয়, কোনো কেন্দ্রীয় হাব থাকে না। B) রিং টপােলজি — এখানে প্রতিটি কম্পিউটার বৃত্তাকার বা রিং আকারে কেবল পাশের দুটি কম্পিউটারের সঙ্গে যুক্ত থাকে। D) ট্রি টপােলজি — এখানে একাধিক স্টার টপোলজিকে হায়ারার্কি বা গাছের শাখা প্রশাখার মতো যুক্ত করা হয়, শুধু হাব থাকে না। ৫ মনে রাখার টিপস: স্টার মানে তারা এবং আকাশের তারার মাঝখানে যেমন চাঁদ বা কেন্দ্র থাকে, তেমনি স্টার টপোলজির মাঝে হাব থাকে। স্টার টপোলজি দেখতে ইংরেজি অক্ষর স্টার বা তারার মতো মনে রাখা সহজ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: স্টার টপোলজিতে কেন্দ্রীয় হাব নষ্ট হলে পুরো নেটওয়ার্ক অচল হয়ে যায়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোন টপোলজিতে ক্যাবল খরচ বেশি হয়, যার উত্তর স্টার টপোলজি।
a compiler
b loader
c operating system
d bootstrap
0 98 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) operating system ১. কেন সঠিক: - অপারেটিং সিস্টেম ছাড়া কম্পিউটার চালু বা বুট হতে পারে না কারণ এটি হার্ডওয়্যার ও ব্যবহারকারীর মধ্যে যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে কাজ করে। - বুটিং প্রক্রিয়ার সময় অপারেটিং সিস্টেমের মূল ফাইলগুলো সেকেন্ডারি মেমোরি থেকে র্যান্ডম অ্যাক্সেস মেমোরিতে লোড হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: অপারেটিং সিস্টেম হলো এমন একটি সিস্টেম সফটওয়্যার যা কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার এবং অন্যান্য অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যারকে নিয়ন্ত্রণ করে। - কার্যপদ্ধতি: কম্পিউটার চালু করার পর বেসিক ইনপুট আউটপুট সিস্টেম বা বায়োস হার্ডওয়্যার পরীক্ষা করে এবং অপারেটিং সিস্টেমকে মেমোরিতে নিয়ে আসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাইক্রোসফট উইন্ডোজ ব্যাখ্যা: উইন্ডোজ ইনস্টল করা না থাকলে ল্যাপটপ বা ডেস্কটপ শুধু কালো পর্দা দেখাবে এবং চালু হবে না। উদাহরণ ২: লিনাক্স বা উবুন্টু ব্যাখ্যা: সার্ভার কম্পিউটারগুলোতে এই অপারেটিং সিস্টেমগুলো বুট না হলে কোনো সেবা প্রদান করা সম্ভব হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) compiler — এটি একটি প্রোগ্রাম যা উচ্চ স্তরের ভাষাকে মেশিন ভাষায় অনুবাদ করে, যা বুটিংয়ের জন্য অপরিহার্য নয়। B) loader — এটি অপারেটিং সিস্টেমের একটি অংশ যা প্রোগ্রামকে মেমোরিতে লোড করে, কিন্তু নিজেই সম্পূর্ণ অপারেটিং সিস্টেম নয়। C) operating system — এটি সঠিক উত্তর। D) bootstrap — এটি বুটিং প্রক্রিয়ার একটি ছোট প্রোগ্রাম যা মাদারবোর্ডের রম চিপে থাকে, কিন্তু পুরো সিস্টেম চালানোর জন্য অপারেটিং সিস্টেম প্রয়োজন। ৫ মনে রাখার টিপস: - কম্পিউটার চালুর মূল চাবিকাঠি হলো অপারেটিং সিস্টেম। - উইন্ডোজ বা লিনাক্স না থাকলে কম্পিউটার শুধু একটি বোকাবাক্স মাত্র। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বুটস্ট্রাপ প্রোগ্রামটি রম চিপে সংরক্ষিত থাকে। - অপারেটিং সিস্টেম হলো সিস্টেম সফটওয়্যারের সবচেয়ে ভালো উদাহরণ।
a ইমেইল সার্ভার
b ওয়েব সার্ভার
c ডাটাবেইস সার্ভার
d ফাইল সার্ভার
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ওয়েব সার্ভার ১. কেন সঠিক: মাইক্রোসফট IIS (Internet Information Services) একটি ওয়েব সার্ভার সফটওয়্যার। এটি ক্লায়েন্ট বা ব্রাউজারের অনুরোধ গ্রহণ করে ইন্টারনেট বা ইন্ট্রানেটের মাধ্যমে ওয়েব পেজ প্রদর্শন করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: পূর্ণরূপ: Internet Information Services। কার্যপদ্ধতি: ব্যবহারকারী ব্রাউজারে ইউআরএল লিখে প্রবেশ করলে এটি প্রয়োজনীয় ফাইল প্রসেস করে ক্লায়েন্টের কাছে পাঠায়। ব্যবহার: উইন্ডোজ ভিত্তিক সার্ভারে ওয়েবসাইট হোস্টিং এবং ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন চালানোর জন্য এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাইক্রোসফট ডট কম ওয়েবসাইট ভিজিট করার সময় ব্রাউজারটি যে সার্ভারের সাথে যোগাযোগ করে। ব্যাখ্যা: এই ধরনের বৃহৎ মাইক্রোসফট ভিত্তিক সাইটগুলো পরিচালনা করতে ব্যাকএন্ডে সার্ভার সফটওয়্যার প্রয়োজন হয়। উদাহরণ ২: কোনো প্রতিষ্ঠানের লোকাল নেটওয়ার্কে অভ্যন্তরীণ ওয়েবসাইট বা ডেটা শেয়ার করার ব্যবস্থা। ব্যাখ্যা: একটি উইন্ডোজ সার্ভার মেশিনে এই সফটওয়্যারটি চালু করে লোকাল নেটওয়ার্কে ফাইল ও পেজ সরবরাহ করা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইমেইল সার্ভার — ইমেইল আদান-প্রদানের জন্য মাইক্রোসফট এক্সচেঞ্জ সার্ভারের মতো আলাদা সফটওয়্যার ব্যবহৃত হয়। B) ওয়েব সার্ভার — এটি সঠিক উত্তর কারণ সফটওয়্যারটি মূলত ইন্টারনেট বা ইন্ট্রানেটে ওয়েব পেজ পরিবেশন করে। C) ডাটাবেইস সার্ভার — ডাটা সংরক্ষণের জন্য মাইক্রোসফট এসকিউএল সার্ভার ব্যবহৃত হয়, যা একটি ভিন্ন প্রযুক্তি। D) ফাইল সার্ভার — ফাইল শেয়ারিংয়ের জন্য উইন্ডোজ সার্ভারের নিজস্ব ফাইল শেয়ারিং ফিচার কাজ করে, এটি ওয়েব সার্ভারের কাজ। ৫. মনে রাখার টিপস: IIS নামের শুরুতে ইন্টারনেট শব্দটি আছে, যা দিয়ে ইন্টারনেট বা ওয়েব সংক্রান্ত সেবা বোঝায়। উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের সাথে এই ওয়েব সার্ভারটি ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই ওপেন সোর্স ওয়েব সার্ভার অ্যাপাচি এবং মাইক্রোসফট আইএস এর মধ্যে পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়। এটি মাইক্রোসফট কর্পোরেশনের একটি প্রোপ্রিটারি বা স্বত্বাধিকারী সার্ভার প্রযুক্তি।
a ১০-৩০ মিটার
b ১০-৫০ মিটার।
c ১০-১০০ মিটার
d ১০-৩০০ মিটার
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১০-১০০ মিটার ১. কেন সঠিক: ব্লুটুথ হলো একটি স্বল্প দূরত্বের ওয়্যারলেস পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা ডব্লিউপিএএন প্রযুক্তি। সাধারণত ডিভাইসভেদে ব্লুটুথের কার্যপরিধি বা কভারেজ ক্ষেত্র ১০ থেকে ১০০ মিটার পর্যন্ত হতে পারে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ব্লুটুথ হলো এমন একটি স্বল্প দূরত্বের বেতার প্রযুক্তি যা রেডিও ওয়েভ ব্যবহার করে দুটি ডিভাইসের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান করে। কার্যপদ্ধতি: এটি ২ দশমিক ৪ গিगाहার্টজ আইএসএম ব্যান্ডে ফ্রিকোয়েন্সি হপিং স্প্রেড স্পেকট্রাম প্রযুক্তির মাধ্যমে কাজ করে। বৈশিষ্ট্য: এটি কম বিদ্যুৎ খরচ করে এবং একই সাথে একাধিক ডিভাইসের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করতে পারে। ব্যবহার: মোবাইল ফোন থেকে হেডফোনে গান শোনা, মাউস বা কিবোর্ড কম্পিউটারের সাথে যুক্ত করা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্লুটুথ হেডফোন ব্যবহার করে মোবাইল থেকে দূরে থেকেও গান শোনা যায়। ব্যাখ্যা: এটি তারবিহীন সংযোগের মাধ্যমে ব্যবহারকারীকে চলাফেরার স্বাধীনতা দেয়। উদাহরণ ২: ল্যাপটপের সাথে ব্লুটুথ মাউস যুক্ত করা। ব্যাখ্যা: ক্যাবলের ঝামেলা ছাড়াই এটি সহজে কম্পিউটার নিয়ন্ত্রণের কাজ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০-৩০ মিটার — এটি ব্লুটুথ ক্লাস ২ ডিভাইসের পরিধি, যা সঠিক উত্তরের অংশ মাত্র। B) ১০-৫০ মিটার — এটি ব্লুটুথ প্রযুক্তির কোনো স্ট্যান্ডার্ড নির্দিষ্ট মান নয়। D) ১০-৩০০ মিটার — এটি ব্লুটুথ ক্লাস ১ এর সর্বোচ্চ সীমা, যা সাধারণ দূরত্বের সম্পূর্ণ পরিসর বোঝায় না। ৫ মনে রাখার টিপস: ব্লুটুথ মানেই স্বল্প দূরত্ব। সাধারণ দূরত্ব মনে রাখতে ১০ থেকে ১০০ মিটার পরিসরটি মাথায় রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ব্লুটুথ প্রযুক্তির জনক এরিকসন কোম্পানি এবং এটি ১৯৯৪ সালে উদ্ভাবিত হয়। ব্লুটুথ নামটির নামকরণ করা হয়েছে দশম শতকের ডেনমার্কের রাজা হ্যারল্ড ব্লুটুথের নামানুসারে।
a Array
b Linked list
c Stack
d Queue
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Queue ১. কেন সঠিক: প্রশ্নটিতে যে ডেটা স্ট্রাকচারের কথা বলা হয়েছে, তার মূলনীতি হলো ফিফো বা ফার্স্ট ইন ফার্স্ট আউট। এই সিস্টেমে যে আইটেমটি সবার আগে প্রবেশ করে, সেটিই সবার আগে অপসারণ বা আউটপুট হিসেবে বের হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: কিউ বা قطار হলো এমন একটি লিনিয়ার ডেটা স্ট্রাকচার যেখানে এক প্রান্তে ডেটা যোগ হয় এবং অন্য প্রান্ত থেকে ডেটা অপসারণ করা হয়। কার্যপদ্ধতি: কিউ-এর দুটি মুখ থাকে, যার একটি হলো রিয়ার বা যেদিক থেকে ডেটা ঢোকে এবং অন্যটি হলো ফ্রন্ট বা যেদিক থেকে ডেটা বের হয়। ব্যবহার: প্রিন্টার জব কিউ, সিপিইউ প্রসেসScheduling এবং নেটওয়ার্ক প্যাকেট বাফারিংয়ের ক্ষেত্রে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্যাংকের টিকিটিং সিস্টেমের লাইন। ব্যাখ্যা: ব্যাংকে যে গ্রাহক আগে লাইনে দাঁড়ান, তাকেই সবার আগে সেবা দেওয়া হয় এবং তিনি সবার আগে চলে যান। উদাহরণ ২: সিনেমা হলের টিকিট কাউন্টারের সারি। ব্যাখ্যা: লাইনে যে ব্যক্তি সবার সামনে থাকেন, তিনি সবার আগে টিকিট সংগ্রহ করে সারি থেকে সরে যান। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Array — এটি মেমোরিতে পাশাপাশি অবস্থান করা ফিক্সড সাইজের ডেটা স্ট্রাকচার, যেখানে যেকোনো অবস্থান থেকে ডেটা সংযোজন বা অপসারণ করা যায়। B) Linked list — এটি নোডের সমষ্টি যা পয়েন্টারের মাধ্যমে সংযুক্ত থাকে এবং এর যেকোনো স্থানে ডেটা যোগ বা অপসারণ করা সম্ভব। C) Stack — এটি এমন একটি ডেটা স্ট্রাকচার যেখানে ডেটা একই প্রান্ত থেকে সংযোজিত এবং অপসারিত হয়, যা লিফো নীতিতে কাজ করে। D) Queue — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এতে এক প্রান্তে সংযোজিত হয়ে অন্য প্রান্ত থেকে ডেটা সরানো হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: কিউ মনে রাখার জন্য বাস্তব জীবনের লাইনের কথা মাথায় রাখবে। স্ট্যাক হলো লিফো আর কিউ হলো ফিফো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার বিজ্ঞানে কিউ এবং স্ট্যাক ডেটা স্ট্রাকচারের মূলনীতি প্রায়ই বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। ফিফো মানে ফার্স্ট ইন ফার্স্ট আউট এবং লিফো মানে লাস্ট ইন ফার্স্ট আউট।
a Oracle
b McAfee
c Norton
d Kaspersky
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Oracle ১. কেন সঠিক: - ওরাকল (Oracle) কোনো অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার নয়, এটি বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় একটি ডেটাম্যানেজমেন্ট সিস্টেম বা ডেটাসেট পরিচালনাকারী সফটওয়্যার। - এটি মূলত এন্টারপ্রাইজ লেভেলের বিশাল ডেটা সংরক্ষণ, ব্যবস্থাপনা এবং নিরাপদে প্রক্রিয়াজাত করার কাজে ব্যবহৃত হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: ওরাকল হলো একটি রিলেশনাল ডেটাসেট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS) যা কর্পোরেট পর্যায়ে বিশাল পরিমাণ তথ্য ব্যবস্থাপনায় ব্যবহৃত হয়। - কার্যপদ্ধতি: এটি ক্লায়েন্ট-সার্ভার স্থাপত্যের মাধ্যমে একসাথে বহু ব্যবহারকারীর ডেটা সংরক্ষণ ও পুনরুদ্ধারের কাজ নিখুঁতভাবে সম্পন্ন করে। - বৈশিষ্ট্য: উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন নিরাপত্তা ব্যবস্থা, স্কেলেবিলিটি এবং বিশাল ডেটা হ্যান্ডেল করার বিশেষ ক্ষমতা এর প্রধান বৈশিষ্ট্য। - ব্যবহার: বড় বড় ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং বহুজাতিক কোম্পানির অভ্যন্তরীণ ডাটাবেজ সংরক্ষণে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্যাংকিং ব্যবস্থা ব্যাখ্যা: একটি ব্যাংকের কোটি কোটি গ্রাহকের অ্যাকাউন্ট ও লেনদেনের তথ্য নিরাপদে সংরক্ষণ ও পরিচালনার জন্য ওরাকল সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম ব্যাখ্যা: অ্যামাজন বা আলিবাবার মতো বৃহৎ অনলাইন শপে হাজার হাজার পণ্যের তালিকা ও ক্রেতার তথ্য গুছিয়ে রাখতে ডেটাসেট হিসেবে এটি কাজ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Oracle — এটি কোনো অ্যান্টিভাইরাস নয়, বরং এটি একটি শক্তিশালী রিলেশনাল ডেটাসেট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম। B) McAfee — এটি একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং বিশ্বস্ত বাণিজ্যিক অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার যা কম্পিউটারকে ম্যালওয়্যার থেকে রক্ষা করে। C) Norton — এটি একটি বিখ্যাত সাইবার নিরাপত্তা ও অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার যা ভাইরাসের আক্রমণ প্রতিহত করে। D) Kaspersky — এটি একটি বিশ্বমানের অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার যা কম্পিউটার সিস্টেমের ক্ষতিকর ফাইল ও ভাইরাস ধ্বংস করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - ডেটাসেট ম্যানেজমেন্টের ক্ষেত্রে ওরাকল নামটি সবার আগে আসে, আর ম্যাকফি বা নর্টন হলো পরিচিত অ্যান্টিভাইরাস ব্র্যান্ড। - ওরাকল একটি ডেটা সংরক্ষণাগার আর অ্যান্টিভাইরাস হলো সেই ঘরের নিরাপত্তাকর্মী। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ওরাকল কর্পোরেশন বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ সফটওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান যা এন্টারপ্রাইজ সফটওয়্যারে নেতৃত্ব দিচ্ছে। - এ ধরনের প্রশ্নে সফটওয়্যারগুলোর কাজ এবং ধরন আলাদা করতে পারা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুব জরুরি।
a Machine language
b C
c Java
d Python
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Machine language ১. কেন সঠিক: মেশিন ল্যাঙ্গুয়েজ বা যান্ত্রিক ভাষা হলো কম্পিউটারের নিজস্ব মৌলিক ভাষা যা শুধুমাত্র বাইনারি কোড অর্থাৎ শূন্য ও এক এর মাধ্যমে গঠিত হয়। কম্পিউটার প্রসেসর সরাসরি এই ভাষা বুঝতে পারে বিধায় অনুবাদক প্রোগ্রামের কোনো প্রয়োজন হয় না। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: যে প্রোগ্রামিং ভাষা সরাসরি বাইনারি অংক অর্থাৎ শূন্য ও এক ব্যবহার করে লেখা হয় এবং কোনো অনুবাদক ছাড়া কম্পিউটার সরাসরি নির্বাহ করতে পারে তাকে মেশিন ল্যাঙ্গুয়েজ বলে। কার্যপদ্ধতি: এই ভাষার নির্দেশগুলো বৈদ্যুতিক সংকেতের উপস্থিতির জন্য এক এবং অনুপস্থিতির জন্য শূন্য হিসেবে প্রসেসরের সার্কিটে সরাসরি কাজ করে। ব্যবহার: এটি প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার ভাষা যা সরাসরি হার্ডওয়্যার নিয়ন্ত্রণের জন্য এবং কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ নির্দেশ প্রদানে ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কম্পিউটারের মেমোরিতে সরাসরি ডেটা সংরক্ষণ বা প্রসেসর রেজিস্টারে মান প্রেরণের জন্য শূন্য ও একের সমন্বয়ে গঠিত নির্দেশনা। ব্যাখ্যা: এই বাইনারি কোডগুলো সরাসরি হার্ডওয়্যার বুঝতে পারে এবং কোনো রূপান্তর ছাড়াই কাজ সম্পন্ন করে। উদাহরণ ২: প্রাচীন কম্পিউটারে সুইচ অন বা অফ করার মাধ্যমে বাইনারি নির্দেশ প্রদান। ব্যাখ্যা: এটি যান্ত্রিক ভাষার আদি রূপ যা সরাসরি ইলেকট্রনিক অবস্থাকে নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Machine language — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই ভাষাটি সম্পূর্ণভাবে বাইনারি কোডের মাধ্যমে গঠিত হয়। B) C — এটি একটি তৃতীয় প্রজন্মের উচ্চ স্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা যা ইংরেজি শব্দ ও প্রতীক ব্যবহার করে লেখা হয়। C) Java — এটি একটি অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড উচ্চ স্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা যা মানুষের বোধগম্য সিনট্যাক্স ব্যবহার করে। D) Python — এটি একটি অত্যন্ত সহজ এবং উচ্চ স্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা যা মানুষের ভাষার কাছাকাছি শব্দ ব্যবহার করে তৈরি। ৫. মনে রাখার টিপস: মেশিন ল্যাঙ্গুয়েজ হলো কম্পিউটারের মাতৃভাষা যা কেবল শূন্য ও এক বোঝে। উচ্চ স্তরের ভাষা যেমন সি বা পাইথন লেখার পর তা অনুবাদক দিয়ে মেশিন ল্যাঙ্গুয়েজে রূপান্তর করতে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মেশিন ল্যাঙ্গুয়েজ হলো প্রথম প্রজন্মের প্রোগ্রামিং ভাষা। এই ভাষার প্রধান অসুবিধা হলো এটি অত্যন্ত জটিল এবং কম্পিউটার ভেদে এর নির্দেশ ভিন্ন হয়।
a Advanced Processing Information
b Application Processing Information
c Application Programming Interface
d Application Processing Interface
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Application Programming Interface ১. কেন সঠিক: API-এর পূর্ণরূপ হলো Application Programming Interface, যা বিভিন্ন সফটওয়্যার বা অ্যাপ্লিকেশনকে একে অপরের সাথে যোগাযোগ করতে সাহায্য করে। এটি একটি সেতু বা মাধ্যম হিসেবে কাজ করে, যার মাধ্যমে একটি সফটওয়্যার অন্য একটি সফটওয়্যারের ডেটা বা সেবা ব্যবহার করতে পারে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: API হলো এমন কিছু নিয়ম ও প্রোটোকল, যার মাধ্যমে একটি অ্যাপ্লিকেশন অন্য কোনো অ্যাপ্লিকেশন বা সিস্টেমের সাথে ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে। কার্যপদ্ধতি: ব্যবহারকারী কোনো অনুরোধ পাঠালে API তা সার্ভারে পৌঁছে দেয়, সার্ভার প্রসেস করে উত্তর ফিরিয়ে দেয় এবং API তা ব্যবহারকারীকে দেখায়। ব্যবহার: আবহাওয়ার অ্যাপে লাইভ আবহাওয়া দেখতে, রাইড শেয়ারিং অ্যাপে গুগল ম্যাপ ব্যবহার করতে এবং অনলাইনে পেমেন্ট গেটওয়ে যুক্ত করতে API ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রেস্টুরেন্টে ওয়েটার ব্যাখ্যা: ওয়েটার যেমন গ্রাহকের অর্ডার কিচেনে পৌঁছে দেয় এবং খাবার এনে দেয়, API তেমনি অ্যাপের অনুরোধ সার্ভারে পৌঁছে দেয় এবং ফলাফল ফিরিয়ে আনে। উদাহরণ ২: গুগল ম্যাপ ইন্টিগ্রেশন ব্যাখ্যা: কোনো ফুড ডেলিভারি অ্যাপ নিজেদের ম্যাপ তৈরি না করে API-এর মাধ্যমে গুগল ম্যাপ ব্যবহার করে ডেলিভারি বয়ের অবস্থান দেখায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Advanced Processing Information — এটি API-এর সঠিক পূর্ণরূপ নয় এবং কম্পিউটার বিজ্ঞানে এই নামে কোনো নির্দিষ্ট প্রযুক্তিগত মানদণ্ড নেই। B) Application Processing Information — এটি একটি বিভ্রান্তিকর শব্দগুচ্ছ যা সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের স্বীকৃত কোনো টার্ম বা প্রোটোকল নির্দেশ করে না। D) Application Processing Interface — এখানে Programming শব্দের পরিবর্তে Processing ব্যবহার করা হয়েছে, যা প্রযুক্তিগতভাবে ভুল ও অগ্রহণযোগ্য। ৫. মনে রাখার টিপস: API-এর পূর্ণরূপ মনে রাখতে মাঝের শব্দ Programming মনে রাখা জরুরি, কারণ এটি প্রোগ্রামগুলোকে একে অপরের সাথে ইন্টারফেস বা সংযোগ স্থাপন করতে সাহায্য করে। ওয়েটার উপমাটি মনে রাখলে API-এর মূল কাজ সহজে মাথায় থাকবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিভিন্ন প্রযুক্তির পূর্ণরূপ যেমন API, HTTP, IP, DNS ইত্যাদি থেকে প্রশ্ন আসে। ভবিষ্যতের পরীক্ষার জন্য API-এর প্রধান দুটি প্রকার যেমন REST API এবং SOAP API সম্পর্কে ধারণা রাখা ভালো।
a AND গেইট
b OR গেইট
c NAND গেইট
d উপরের কোনটিই নয়
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) NAND গেইট ১. কেন সঠিক: NAND গেইটের কার্যপদ্ধতি হলো এটি AND গেইটের আউটপুটকে উল্টিয়ে দেয়। ফলে সকল ইনপুট লজিক ১ হলে AND গেইটের আউটপুট ১ হয় এবং NAND গেইটের আউটপুট ০ হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: NAND গেইট হলো একটি ইউনিভার্সাল লজিক গেইট যা AND এবং NOT গেইটের সমন্বয়ে গঠিত। কার্যপদ্ধতি: ইনপুটে অন্তত একটি ০ থাকলে আউটপুট ১ হয় এবং সব ইনপুট ১ হলে আউটপুট ০ হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: একটি স্বয়ংক্রিয় নিরাপত্তা দরজায় একাধিক সেন্সর যুক্ত থাকে। ব্যাখ্যা: সব সেন্সর সক্রিয় বা লজিক ১ হলে অ্যালফাবেট বা আউটপুট বন্ধ বা লজিক ০ রাখতে NAND গেইট ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: ডিজিটাল কম্পিউটারের মেমোরি চিপ তৈরির বেসিক বিল্ডিং ব্লক। ব্যাখ্যা: জটিল সার্কিট বা ফ্লিপ-ফ্লপ তৈরিতে NAND গেইট ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) AND গেইট — সব ইনপুট ১ হলে এর আউটপুট ১ হয়, যা প্রশ্নের শর্তের বিপরীত। B) OR গেইট — যেকোনো একটি ইনপুট ১ হলেই এর আউটপুট ১ হয়, ফলে এটি সঠিক নয়। C) NAND গেইট — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর আউটপুট কেবল তখনই ০ হয় যখন সব ইনপুট ১ হয়। D) উপরের কোনটিই নয় — যেহেতু C অপশনটি সঠিক, তাই এটি প্রযোজ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: AND এর বিপরীত হলো NAND। AND গেইটের উল্টো ফলাফল চিন্তা করলেই NAND গেইট মনে রাখা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: NAND এবং NOR গেইটকে ইউনিভার্সাল গেইট বলা হয় কারণ এগুলো দিয়ে যেকোনো মৌলিক গেইট তৈরি করা যায়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই গেইটের সত্যক সারণী থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
a Wi-Fi
b Bluetooth
c Wi-Max
d Cellular network
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Bluetooth ১. কেন সঠিক: - ব্লুটুথ হলো একটি তারহীন বা ওয়্যারলেস পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি যার যোগাযোগের দূরত্ব সাধারণত ১০ মিটার বা তার কম হয়ে থাকে। - এটি স্বল্প দূরত্বে কম শক্তিতে ডেটা আদান-প্রদান করার জন্য রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করে কাজ করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: ব্লুটুথ হলো স্বল্প দূরত্বের রেডিও কমিউনিকেশন প্রযুক্তি যা বিভিন্ন পেরিফেরাল ডিভাইসের মধ্যে তারবিহীন সংযোগ স্থাপন করে। - কার্যপদ্ধতি: এটি ২.৪ গিগাহার্জ ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ডের রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করে এবং ফ্রিকোয়েন্সি হপিং স্প্রেড স্পেকট্রাম প্রযুক্তির মাধ্যমে কাজ করে। - ব্যবহার: মোবাইল ফোন থেকে হেডফোনে গান শোনা, কম্পিউটারের সাথে মাউস বা কিবোর্ড সংযুক্ত করা এবং ফাইল ট্রান্সফার করার কাজে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্মার্টফোনের সাথে ব্লুটুথ হেডফোন যুক্ত করা। ব্যাখ্যা: ফোন পকেট বা টেবিলে রেখে খুব কাছে থাকা হেডফোনের মাধ্যমে তার ছাড়াই কথা বলা বা গান শোনা যায়। উদাহরণ ২: ল্যাপটপের সাথে ব্লুটুথ মাউস ব্যবহার করা। ব্যাখ্যা: ক্যাবল বা তারের ঝামেলা ছাড়াই ল্যাপটপের কাছাকাছি দূরত্বে থেকে মাউস পরিচালনা করা সম্ভব হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Wi-Fi — ওয়াই-ফাই এর যোগাযোগের দূরত্ব সাধারণত ৫০ থেকে ১০০ মিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে যা ব্লুটুথের তুলনায় অনেক বেশি। B) Bluetooth — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর যোগাযোগের দূরত্ব সবচেয়ে কম। C) Wi-Max — ওয়াইম্যাক্স হলো ওয়্যারলেস মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি যার কভারেজ এলাকা কয়েক কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত। D) Cellular network — সেলুলার নেটওয়ার্কের আওতাধীন এলাকা কয়েক কিলোমিটার থেকে শুরু করে পুরো দেশ বা বিশ্বজুড়ে হতে পারে। ৫. মনে রাখার টিপস: - নেটওয়ার্কের পরিধি মনে রাখার নিয়ম হলো ব্লুটুথ হলো ব্যক্তিগত পরিসরের জন্য এবং ওয়াইম্যাক্স হলো সুবিশাল এলাকার জন্য। - ব্লুটুথের কভারেজ রুমের ভেতর সীমাবদ্ধ থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ব্লুটুথ প্রযুক্তির নামকরণ করা হয়েছে দশম শতকের ডেনমার্কের রাজা হ্যারল্ড ব্লুটুথের নামানুসারে। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই তারহীন প্রযুক্তির কভারেজ দূরত্ব তুলনা করার প্রশ্ন আসে।
a ১১১
b ১০১
c ০১১
d ০০১
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ০১১ ১. কেন সঠিক: ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে কোনো সংখ্যার ১ এর কমপ্লিমেন্ট (1s Complement) বের করার নিয়ম হলো সংখ্যাটির ভেতরের সব শূন্যকে এক এবং সব এককে শূন্যে রূপান্তর করা। এখানে প্রশ্নটি অসম্পূর্ণ বা সামান্য ত্রুটিপূর্ণ, কারণ "১০০ এর" বলতে সাধারণত দশমিক সংখ্যা ১০০ বোঝানো হয় না, বরং এটি একটি বাইনারি সংখ্যা (Binary Number) ১০০ কে নির্দেশ করছে যার ১ এর কমপ্লিমেন্ট চাওয়া হয়েছে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংখ্যা পদ্ধতি হলো কোনো সংখ্যা লেখা ও প্রকাশ করার পদ্ধতি। বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে শুধু ০ এবং ১ এই দুটি অঙ্ক ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাইনারি সংখ্যা ১০১ এর ১ এর কমপ্লিমেন্ট হলো ০১০। ব্যাখ্যা: এখানে প্রথম ১ বদলে ০ হয়েছে, মাঝের ০ বদলে ১ হয়েছে এবং শেষের ১ বদলে ০ হয়েছে। উদাহরণ ২: বাইনারি সংখ্যা ১১২ নয়, বরং ১১২ হলো অবৈধ বাইনারি অঙ্ক। ব্যাখ্যা: বাইনারিতে শুধু ০ এবং ১ থাকে বলে ২ থাকতে পারে না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১১১ — এটি ১০০ বাইনারি সংখ্যার ১ এর কমপ্লিমেন্ট নয়, কারণ প্রথম ও দ্বিতীয় অঙ্ক পরিবর্তন করা হয়নি। B) ১০১ — এটি ১০০ বাইনারি সংখ্যার ১ এর কমপ্লিমেন্ট নয়, কারণ শুধু শেষ অঙ্ক পরিবর্তন করা হয়েছে। D) ০০১ — এটি ১০০ বাইনারি সংখ্যার ১ এর কমপ্লিমেন্ট নয়, কারণ প্রথম দুটি অঙ্ক অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: বাইনারি সংখ্যার ১ এর কমপ্লিমেন্ট বের করার সহজ নিয়ম হলো শুধু পরিপূরক বা উল্টিয়ে দেওয়া। সব ০ কে ১ এবং সব ১ কে ০ করে দিলেই ১ এর কমপ্লিমেন্ট পাওয়া যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার সিস্টেমে ঋণাত্মক সংখ্যা প্রকাশের জন্য ১ এর কমপ্লিমেন্ট এবং ২ এর কমপ্লিমেন্ট পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। ১ এর কমপ্লিমেন্টের সঙ্গে ১ যোগ করলে ২ এর কমপ্লিমেন্ট (2s Complement) পাওয়া যায়।
a Random Frequency Identification
b Random Frequency Information
c Radio Frequency Information
d Radio Frequency Identification
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Radio Frequency Identification ১. কেন সঠিক: - RFID এর পূর্ণরূপ হলো Radio Frequency Identification, যার বাংলা অর্থ হলো রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি পরিচিতি। - এটি এমন একটি স্বয়ংক্রিয় শনাক্তকরণ প্রযুক্তি যা রেডিও তরঙ্গের মাধ্যমে কোনো বস্তুর ভেতরে থাকা ট্যাগ বা চিপ থেকে তথ্য পাঠাতে ও পড়তে পারে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: RFID হলো এমন একটি ওয়্যারলেস প্রযুক্তি যা ডেটা প্রেরণের জন্য রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করে এবং বারকোডের আধুনিক ও উন্নত বিকল্প হিসেবে কাজ করে। - কার্যপদ্ধতি: এই ব্যবস্থায় একটি RFID ট্যাগ ও একটি রিডার থাকে, যেখানে রিডার রেডিও তরঙ্গ পাঠায় এবং ট্যাগ সেই তরঙ্গ গ্রহণ করে নিজের ভেতরের তথ্য রিডারে ফেরত পাঠায়। - ব্যবহার: এটি সাধারণত শপলিফটিং রোধে জামাকাপড়ের ট্যাগ, পণ্য ট্র্যাকিং, ই-টোল কালেকশন এবং পশুর গায়ে মাইক্রোচিপ বসাতে ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে গাড়ি চলাচলের সময় টোল প্লাজায় না থেমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা কেটে নেওয়া। ব্যাখ্যা: গাড়ির উইন্ডশিল্ডে থাকা RFID স্টিকার রিডার স্ক্যান করে খুব দ্রুত গাড়ি থামানো ছাড়াই পেমেন্ট প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে। উদাহরণ ২: সুপারশপ থেকে কেনাকাটা করার সময় একসঙ্গে অনেকগুলো পণ্যের বিল পরিশোধ করা। ব্যাখ্যা: প্রতিটি পণ্যের গায়ে লাগানো RFID ট্যাগ স্ক্যানার একসঙ্গে কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে সব পণ্যের তথ্য ও দাম হিসাব করে ফেলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Random Frequency Identification — এই নামের কোনো স্ট্যান্ডার্ড বা প্রযুক্তিগত তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি টার্ম নেই। B) Random Frequency Information — এটি রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি আইডেন্টিফিকেশন প্রযুক্তির সঠিক পূর্ণরূপ প্রকাশ করে না। C) রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি ইনফরমেশন বলে কোনো সুপরিচিত প্রযুক্তিগত পরিভাষা বা স্ট্যান্ডার্ড আইসিটি ক্ষেত্রে প্রচলিত নেই। D) এটি সঠিক কারণ আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত RFID প্রযুক্তির পূর্ণ রূপ হলো রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি আইডেন্টিফিকেশন। ৫ মনে রাখার টিপস: - RFID শব্দের প্রথম অক্ষর R মানে রেডিও এবং F মানে ফ্রিকোয়েন্সি এটি মনে রাখলেই সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সহজ হয়। - বারকোড পড়তে চোখের সরাসরি দৃষ্টি লাগে কিন্তু RFID পড়তে সরাসরি দৃষ্টি বা কাছাকাছি যাওয়ার প্রয়োজন হয় না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই উদীয়মান প্রযুক্তি বা আইওটি সম্পর্কিত বিভিন্ন সংক্ষিপ্ত রূপের পূর্ণরূপ জানতে চাওয়া হয়। - বারকোড এবং RFID এর মধ্যে প্রধান পার্থক্য হলো বারকোড পড়তে লেজার লাইটের প্রয়োজন হয় এবং RFID পড়তে রেডিও তরঙ্গের প্রয়োজন হয়।
a (A+B)''=A''.B''
b (A+B)''=A''+B''
c (A+B+C)''=A''.B''.C''
d (A+B+C)''=A''+B''+C''
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) (A+B)''=A''+B'' ১. কেন সঠিক: বুলিয়ান অ্যালজেব্রায় দ্বি-পরিপূরক বা ডাবল কমপ্লিমেন্ট সূত্র অনুযায়ী কোনো চলের ওপর দুটি কমপ্লিমেন্ট বা প্রাইম চিহ্ন থাকলে তা মূল চলের সমান হয়। এখানে প্রদত্ত অপশন বি তে ডিমরগানের সূত্রের ভুল প্রয়োগ করা হয়েছে কারণ সঠিক সূত্রটি হলো (A+B)'' = A+B। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: বুলিয়ান অ্যালজেব্রা হলো লজিক গেটের গাণিতিক রূপ যেখানে যৌক্তিক সত্যতা নির্ণয়ের জন্য বাইনারি সংখ্যা শূন্য ও এক ব্যবহার করা হয়। কার্যপদ্ধতি: এটি বুলিয়ান স্বতঃসিদ্ধ ও ডিমরগানের সূত্র অনুসরণ করে লজিক ফাংশনকে সরলীকরণ বা ছোট করতে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লাইটের সুইচ অন করার ক্ষেত্রে বুলিয়ান চলক ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: সুইচ একবার বন্ধ করে আবার উল্টালে মূল অবস্থায় ফিরে আসে যা ডাবল কমপ্লিমেন্টের সমতুল্য। উদাহরণ ২: লজিক গেটের ক্ষেত্রে নট গেট দুবার ব্যবহার করা। ব্যাখ্যা: সিগন্যালকে পরপর দুটি নট গেটের মধ্য দিয়ে চালনা করলে আউটপুট ইনপুটের হুবহু সমান হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) (A+B)''=A''.B'' — এই অপশনটি সঠিক সমীকরণ নয় কারণ বুলিয়ান নিয়মে দুটি প্রাইম মূল চলককে ফিরিয়ে আনে। B) (A+B)''=A''+B'' — এটি সঠিক নয় এবং এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে চিহ্নিত কারণ এটি ভুল সমীকরণ। C) (A+B+C)''=A''.B''.C'' — এটি ভুল সমীকরণ কারণ তিন চলকের ক্ষেত্রেও ডাবল কমপ্লিমেন্ট মূল চলক ফেরত দেয়। D) (A+B+C)''=A''+B''+C'' — এটিও ভুল সমীকরণ কারণ এখানে ডিমরগানের সূত্র ভুলভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: যেকোনো চলকের ওপর জোড় সংখ্যক প্রাইম বা কমপ্লিমেন্ট থাকলে চলকটি অপরিবর্তিত থাকে। বিজোড় সংখ্যক প্রাইম থাকলে একটি মাত্র প্রাইম বা কমপ্লিমেন্ট অবশিষ্ট থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ডিমরগানের মূল সূত্র দুটি ভালো করে আয়ত্ত করতে হবে যা হলো (A+B)' = A'.B' এবং (A.B)' = A'+B'। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বুলিয়ান অ্যালজেব্রার সরলীকরণ প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।

মোট প্রশ্ন (10)

a এইচ. ডি, স্টেইন
b জন স্মিথ
c মিশেল ক্যামডেসাস
d এম, ডব্লিউ, পামফ্রে
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মিশেল ক্যামডেসাস ১. কেন সঠিক: আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক মিশেল ক্যামডেসাস সুশাসনের গুরুত্ব বোঝাতে এই উক্তিটি করেছিলেন। সুশাসন ছাড়া কোনো রাষ্ট্র বা প্রতিষ্ঠান টেকসই উন্নয়ন অর্জন করতে পারে না কারণ এটি জবাবদিহি ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: মূল ধারণা: সুশাসন হলো এমন একটি শাসনব্যবস্থা যা স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক, অংশগ্রহণমূলক এবং আইনের শাসনের ওপর প্রতিষ্ঠিত। গুরুত্ব: সুশাসন রাষ্ট্রের সম্পদ সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করে এবং জনগণের মৌলিক অধিকার রক্ষা করতে সহায়তা করে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: সরকারি অফিসে কোনো নাগরিক সেবা নিতে গেলে যদি কোনো মধ্যস্বত্বভোগী ছাড়াই নির্ধারিত সময়ে সেবা পাওয়া যায়। ব্যাখ্যা: এটি সুশাসনের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির একটি চমৎকার বাস্তব প্রয়োগ। উদাহরণ ২: একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মেধার ভিত্তিতে ছাত্রছাত্রী নির্বাচন করা এবং কোনো স্বজনপ্রীতি না করা। ব্যাখ্যা: এটি ন্যায়বিচার ও সুশাসনের মূল ভিত্তির সঙ্গে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) এইচ. ডি, স্টেইন — এই লেখক বা গবেষক সুশাসন সম্পর্কিত উক্তিসমূহের জন্য আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত নন। B) জন স্মিথ — এই নামে বিভিন্ন ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্ব থাকলেও এই সুপরিচিত উক্তিটির সঙ্গে তিনি যুক্ত নন। C) মিশেল ক্যামডেসাস — এটি সঠিক উত্তর এবং তিনি এই উক্তিটির জন্য বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত। D) এম, ডব্লিউ, পামফ্রে — ইনি সুশাসনের এই বিশেষ প্রবক্তা বা তাত্ত্বিক হিসেবে পরিচিত নন। ৫. মনে রাখার টিপস: উন্নয়নের সঙ্গে সুশাসনের সম্পর্ক বোঝাতে আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্ব মিশেল ক্যামডেসাসের নাম মনে রাখবে। সুশাসন মানেই স্বচ্ছতা এবং ক্যামডেসাস উন্নয়নে সুশাসনের কথা প্রথম জোরালোভাবে বলেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সুশাসনের মূল স্তম্ভগুলো হলো অংশগ্রহণ, আইনের শাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি। পরীক্ষায় প্রায়ই সুশাসনের উপাদান বা এর প্রবক্তা সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
a মেকিয়াভেলি
b রাসেল
c প্লেটো
d এরিস্টটল
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রাসেল ১. কেন সঠিক: - এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো বার্ট্রান্ড রাসেল কারণ তিনি তার বিখ্যাত রাজনৈতিক দর্শন ও নীতিমালায় স্বাধীনতা, গণতন্ত্র এবং সমাজ সংস্কারের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। - রাষ্ট্রবিজ্ঞান, নৈতিকতা এবং রাজনৈতিক দর্শনে পলিটিক্যাল আইডিয়ালস গ্রন্থটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মৌলিক রচনা হিসেবে বিবেচিত হয়। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: রাজনৈতিক আদর্শ বলতে এমন কিছু নৈতিক নীতিমালাকে বোঝায় যা একটি ন্যায়ভিত্তিক ও সমতাভিত্তিক সমাজ গঠন করতে সহায়তা করে। - গুরুত্ব: সঠিক রাজনৈতিক আদর্শ ব্যক্তি স্বাধীনতা রক্ষা করতে এবং সমাজে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: একজন নাগরিক নির্বাচনের সময় কোনো প্রকার প্রলোভনে না পড়ে নিজের বিবেক ও সততা অনুযায়ী যোগ্য প্রার্থীকে ভোট দেন। ব্যাখ্যা: এটি নাগরিক দায়িত্ব এবং সঠিক রাজনৈতিক মূলবোধের বহিঃপ্রকাশ যা সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সাহায্য করে। উদাহরণ ২: রাষ্ট্রীয় সম্পদ ও সুযোগ বিতরণের ক্ষেত্রে কোনো বৈষম্য না করে সবার সমান অধিকার নিশ্চিত করা। ব্যাখ্যা: এটি ন্যায়বিচার ও সাম্য প্রতিষ্ঠার নৈতিক মূল্যবোধকে বাস্তবে রূপায়ন করার উপযুক্ত উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মেকিয়াভেলি — মেকিয়াভেলি তার দ্য প্রিন্স গ্রন্থের জন্য বিখ্যাত যেখানে তিনি রাজনৈতিক বাস্তববাদের কথা বলেছেন কিন্তু পলিটিক্যাল আইডিয়ালস তার লেখা নয়। B) রাসেল — বার্ট্রান্ড রাসেল এই গ্রন্থের রচয়িতা হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। C) প্লেটো — প্লেটো তার দ্য রিপাবলিক গ্রন্থে আদর্শ রাষ্ট্রের ধারণা দিয়েছেন তবে পলিটিক্যাল আইডিয়ালস তার গ্রন্থ নয়। D) এরিস্টটল — এরিস্টটল পলিটিক্স গ্রন্থের লেখক যা রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অন্যতম প্রাচীন ও প্রধান গ্রন্থ। ৫. মনে রাখার টিপস: - পলিটিক্যাল আইডিয়ালস গ্রন্থটির নাম মনে রাখার জন্য ব্রিটিশ দার্শনিক বার্ট্রান্ড রাসেলের শান্তিবাদী ও উদারনৈতিক চিন্তধারার কথা স্মরণ করতে হবে। - আধুনিক রাজনৈতিক দর্শনের নৈতিক ভিত্তি বুঝতে এই গ্রন্থটির নাম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিভিন্ন দার্শনিকের বিখ্যাত রাজনৈতিক গ্রন্থগুলোর নাম নৈতিকতা ও সুশাসন অংশে প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। - এই ধরনের প্রশ্ন থেকে রাষ্ট্রদর্শন, স্বাধীনতা এবং গণতন্ত্রের নৈতিক ভিত্তি সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা লাভ করা যায়।
a অনুচ্ছেদ ১৩
b অনুচ্ছেদ ১৮
c অনুচ্ছেদ ২০
d অনুচ্ছেদ ২৫
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অনুচ্ছেদ ১৮ ১. কেন সঠিক: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতির মধ্যে অনুচ্ছেদ ১৮-তে জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতার বিষয়টি বিশেষভাবে আলোচিত হয়েছে। এই অনুচ্ছেদে জনগণের পুষ্টির স্তর উন্নয়ন এবং জনস্বাস্থ্যের উন্নতি সাধনকে রাষ্ট্রের অন্যতম প্রাথমিক কর্তব্য হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে এবং একই সঙ্গে বার ও জুয়া খেলার মতো অনৈতিক কর্মকাণ্ড রোধের ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: মূল ধারণা: জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা রক্ষা রাষ্ট্রের একটি মৌলিক সাংবিধানিক দায়িত্ব এবং নাগরিক সমাজের সুস্থ বিকাশের পূর্বশর্ত। গুরুত্ব: একটি নৈতিক ও স্বাস্থ্যবান জাতি গঠনে সুস্থ পরিবেশ, মাদক ও জুয়ামুক্ত সমাজ এবং জনস্বাস্থ্যের সুরক্ষা অত্যন্ত জরুরি ভূমিকা পালন করে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: একজন দোকানদার তার দোকানে ক্ষতিকারক ও ভেজাল খাদ্যদ্রব্য বিক্রি করা থেকে বিরত থাকলেন। ব্যাখ্যা: এটি জনস্বাস্থ্য রক্ষার ক্ষেত্রে নৈতিক দায়িত্ববোধের প্রতিফলন, যা নাগরিকের সুস্বাস্থ্যের অধিকারকে সুরক্ষা দেয়। উদাহরণ ২: এলাকার যুবসমাজকে রক্ষা করার জন্য স্থানীয় যুব সংঘ মাদক ও জুয়া খেলার বিরুদ্ধে সচেতনতামূলক প্রচারণা চালাল। ব্যাখ্যা: এই কর্মকাণ্ড সংবিধানের ১৮ অনুচ্ছেদের চেতনার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ এবং এটি সামাজিক নৈতিকতা রক্ষায় নাগরিক দায়িত্ব পালনের উৎকৃষ্ট উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অনুচ্ছেদ ১৩ — এই অনুচ্ছেদে মালিকানার বিভিন্ন রূপ অর্থাৎ রাষ্ট্রীয়, সমবায় ও ব্যক্তিগত মালিকানার নীতি সম্পর্কে বলা হয়েছে, যা জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) অনুচ্ছেদ ১৮ — এই অনুচ্ছেদটি সঠিক এবং এতে জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতার বিষয় স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। C) অনুচ্ছেদ ২০ — এই অনুচ্ছেদে অভ্যাসের বিরুদ্ধে সংগ্রাম এবং কাজের অধিকার ও কর্তব্য সম্পর্কে বলা হয়েছে, যা জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতার সরাসরি আলোচ্য বিষয় নয়। D) অনুচ্ছেদ ২৫ — এই অনুচ্ছেদে আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়নের নীতিসমূহ বর্ণনা করা হয়েছে, যা মূলত আন্তর্জাতিক সম্পর্কের সঙ্গে জড়িত। ৫. মনে রাখার টিপস: সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিগুলো আলোচনা করা হয়েছে এবং ১৮ নম্বর অনুচ্ছেদে জনস্বাস্থ্য উন্নয়নের পাশাপাশি নৈতিকতার কথা বলা হয়েছে। এভাবে মনে রাখতে পারো যে আঠারো বছর বয়সে একজন নাগরিক পূর্ণতা পায়, তাই এই বয়সেই তার স্বাস্থ্য ও নৈতিক চরিত্র গঠনের কথা বলা হয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা রক্ষায় রাষ্ট্রের সাংবিধানিক দায়িত্ব কোন অনুচ্ছেদে আছে তা বিসিএস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি তথ্য। এই ধরনের প্রশ্ন থেকে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি এবং নাগরিকের মৌলিক অধিকারগুলোর সাংবিধানিক ভিত্তি সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা লাভ করা যায়।
a বিভিন্নতা
b পরিবর্তনশীলতা
c আপেক্ষিকতা
d উপরের সবগুলােই
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উপরের সবগুলােই ১. কেন সঠিক: - মূল্যবোধের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এর বিভিন্নতা, পরিবর্তনশীলতা ও আপেক্ষিকতা। সমাজ ও সংস্কৃতির পরিবর্তনের সঙ্গে মূল্যবোধের রূপও পরিবর্তিত হয়। - সমাজবিজ্ঞান ও নৈতিকতার বিচারে মানব আচরণের মানদণ্ড হিসেবে মূল্যবোধের এই পরিবর্তনশীল ও বহুমাত্রিক রূপ সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: মূল্যবোধ হলো মানুষের সেই সমস্ত বিশ্বাস ও আদর্শ, যা তার আচরণকে পরিচালিত করে। - গুরুত্ব: এটি সামাজিক শৃঙ্খলা রক্ষা এবং মানুষের পারস্পরিক সম্পর্ক উন্নয়নে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রাচীন সমাজে যৌথ পরিবার প্রথার প্রতি যে সম্মান ছিল, আধুনিক নগরায়ণে একক পরিবার ব্যবস্থায় তার রূপ বদলে গেছে। ব্যাখ্যা: সময়ের পরিবর্তনে সামাজিক চাহিদার কারণে মূল্যবোধের বহিঃপ্রকাশ পরিবর্তিত হয়, যা এর পরিবর্তনশীলতা নির্দেশ করে। উদাহরণ ২: এক সংস্কৃতিতে যা শালীন পোশাক হিসেবে গণ্য হয়, অন্য সংস্কৃতিতে তা ভিন্ন হতে পারে। ব্যাখ্যা: স্থান ও সংস্কৃতির ভিন্নতার কারণে মূল্যবোধের মূল্যায়ন আলাদা হয়, যা আপেক্ষিকতা ও বিভিন্নতাকে বোঝায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিভিন্নতা — এটি মূল্যবোধের একটি সত্য বৈশিষ্ট্য হলেও শুধু এই অপশনটি সঠিক নয় কারণ অন্য বৈশিষ্ট্যগুলোও সমভাবে প্রযোজ্য। B) পরিবর্তনশীলতা — সময় ও সমাজের পরিবর্তনে মূল্যবোধ বদলায়, যা আংশিক সত্য এবং পূর্ণাঙ্গ উত্তরের জন্য ডি অপশনটি প্রয়োজন। C) আপেক্ষিকতা — স্থান ও পাত্রভেদে মূল্যবোধের তারতম্য ঘটে, তবে এটি ছাড়াও আরও অন্যান্য বৈশিষ্ট্য এর সঙ্গে জড়িত। D) উপরের সবগুলােই — এটি সঠিক কারণ মূল্যবোধের বিভিন্নতা, পরিবর্তনশীলতা ও আপেক্ষিকতা সবই এর মূল বৈশিষ্ট্যের অন্তর্ভুক্ত। ৫. মনে রাখার টিপস: - মূল্যবোধের বৈশিষ্ট্য মনে রাখার সহজ কৌশল হলো মনে রাখা যে সমাজ বদলায়, তাই মূল্যবোধও স্থান ও কাল ভেদে বদলায়। - পরীক্ষার প্রশ্নে মূল্যবোধের রূপ বৈচিত্র্যমূলক ও গতিশীল দেখলেই সব অপশন বেছে নিতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মূল্যবোধ স্থির বা চিরন্তন নয়, বরং এটি গতিশীল ও পরিবর্তনশীল। - এই নীতি থেকে মূল্যবোধের প্রকৃতি বা সমাজজীবনের প্রভাব সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
a প্রজ্ঞা, সাহস, আত্মনিয়ন্ত্রণ ও ন্যায়।
b অপ্রত্যয়, প্রেষণা ও নিয়ন্ত্রণ
c সুখ, ভালোত্ব ও প্রেম।
d প্রজ্ঞা, আত্মনিয়ন্ত্রণ, সুখ ও ন্যায়।
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্রজ্ঞা, সাহস, আত্মনিয়ন্ত্রণ ও ন্যায়। ১. কেন সঠিক: - প্রাচীন গ্রিক দার্শনিক প্লেটো তাঁর বিখ্যাত 'রিপাবলিক' গ্রন্থে মানবআত্মার তিনটি অংশের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে চারটি প্রধান সদগুণ নির্ধারণ করেছেন। - এই চারটি সদগুণ ব্যক্তিগত জীবন ও রাষ্ট্র পরিচালনায় নৈতিক ভারসাম্য ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: প্লেটোর মতে মানুষের বুদ্ধিবৃত্তি, সাহস ও প্রবৃত্তি যথাক্রমে প্রজ্ঞা, সাহস ও আত্মনিয়ন্ত্রণ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হলে সমাজে ন্যায় প্রতিষ্ঠিত হয়। - গুরুত্ব: এই চারটি গুণ একজন নাগরিককে দায়িত্বশীল, সৎ ও সুশৃঙ্খল হতে সাহায্য করে এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করে। - প্রয়োগ: ব্যক্তিগত জীবনে লোভ সংবরণ, বিপদে সাহস দেখানো এবং আইন মেনে চলার মাধ্যমে এই সদগুণগুলোর প্রয়োগ করা যায়। - সম্ভাব্য প্রভাব: এর ফলে সমাজে বিশৃঙ্খলা দূর হয় এবং একটি ন্যায়ভিত্তিক ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ গড়ে ওঠে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: কর্মক্ষেত্রে অনিয়মের প্রস্তাব পেলে নিজের সততা ও প্রজ্ঞা দিয়ে তা প্রতিহত করা। ব্যাখ্যা: এটি প্লেটোর প্রজ্ঞা ও আত্মনিয়ন্ত্রণের সঠিক প্রয়োগ, যা নৈতিক দায়িত্ববোধের পরিচয় দেয়। উদাহরণ ২: অন্যায় বা দুর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত ভীতি উপেক্ষা করে প্রতিবাদ করা। ব্যাখ্যা: এটি প্লেটোর নির্দেশিত সাহসিকতার প্রকৃত বহিঃপ্রকাশ, যা সমাজের কল্যাণে কাজ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রজ্ঞা, সাহস, আত্মনিয়ন্ত্রণ ও ন্যায়। — প্লেটোর দর্শন অনুযায়ী এটিই চারটি মৌলিক সদগুণের সঠিক ও পূর্ণাঙ্গ তালিকা। B) অপ্রত্যয়, প্রেষণা ও নিয়ন্ত্রণ — এই শব্দগুলো আধুনিক মনোবিজ্ঞানের সাথে সম্পর্কিত, প্লেটোর প্রাচীন নৈতিক দর্শনের সদগুণ নয়। C) সুখ, ভালোত্ব ও প্রেম। — এই বিষয়গুলো উপযোগবাদ বা সাধারণ নৈতিকতার অন্তর্ভুক্ত হলেও প্লেটোর নির্দিষ্ট চার সদগুণের তালিকায় এগুলো নেই। D) প্রজ্ঞা, আত্মনিয়ন্ত্রণ, সুখ ও ন্যায়। — এখানে সুখ শব্দটি যুক্ত থাকায় প্লেটোর নির্দিষ্ট রাজনৈতিক ও নৈতিক দর্শনের তালিকাটি ভুল হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - প্লেটোর সদগুণ মনে রাখার সহজ উপায় হলো প্রসাআত্মন্যা, অর্থাৎ প্রজ্ঞা, সাহস, আত্মনিয়ন্ত্রণ ও ন্যায়। - মনে রাখবে প্লেটো আনন্দ বা সুখকে প্রধান সদগুণ হিসেবে গণ্য করেননি, বরং বিচারবুদ্ধি ও ন্যায়কে প্রাধান্য দিয়েছেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - নৈতিক দর্শনে প্লেটোর চার সদগুণ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই প্রজ্ঞা, সাহস, আত্মনিয়ন্ত্রণ ও ন্যায় এই চারটি নাম মুখস্থ রাখা জরুরি। - একই নীতি থেকে প্রশ্ন ঘুরিয়ে আসতে পারে যে, প্লেটোর মতে মানুষের বুদ্ধিবৃত্তির সদগুণ কোনটি, যার উত্তর হবে প্রজ্ঞা।
a শিক্ষার মাধ্যম
b সূশাসনের মাধ্যমে
c ধর্মের মাধ্যমে
d গণতন্ত্র চর্চার মাধ্যমে
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) শিক্ষার মাধ্যম ১. কেন সঠিক: শিক্ষা মানুষের সুপ্ত প্রতিভার বিকাশ ঘটায় এবং সঠিক ও ভুলের মধ্যে পার্থক্য করার ক্ষমতা অর্জন করতে সহায়তা করে। মূল্যবোধ হলো মানুষের আচরণের মানদণ্ড, যা শিক্ষার মাধ্যমে অর্জিত জ্ঞান ও সংস্কৃতির দ্বারা দৃঢ় ও সংহত হয়। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: মূল ধারণা: শিক্ষা হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যা মানুষের আচরণে ইতিবাচক পরিবর্তন আনে এবং নৈতিক চরিত্র গঠন করে। প্রয়োগ: প্রাতিষ্ঠানিক ও নৈতিক শিক্ষার মাধ্যমে ব্যক্তি সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রতি দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রমে সততা ও নৈতিকতার পাঠ গ্রহণ করে একজন শিক্ষার্থী ভবিষ্যতে পেশাগত জীবনে দুর্নীতি থেকে দূরে থাকে। ব্যাখ্যা: শিক্ষা মানুষের নৈতিক ভিত মজবুত করে, ফলে সে প্রলোভনের মুখেও সততা বজায় রাখতে পারে। উদাহরণ ২: উচ্চশিক্ষিত একজন নাগরিক নিজের অধিকারের পাশাপাশি অন্যের অধিকার ও মতামতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হন। ব্যাখ্যা: প্রকৃত শিক্ষা মানুষের মধ্যে সহনশীলতা ও সামাজিক মূল্যবোধ জাগ্রত করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শিক্ষার মাধ্যম — এটি সঠিক উত্তর কারণ শিক্ষা মানুষের মূল্যবোধকে স্থায়ী ও সুদৃঢ় করে। B) সুশাসনের মাধ্যমে — সুশাসন সমাজ পরিচালনা ও অধিকার নিশ্চিত করতে সাহায্য করে, তবে এটি মূল্যবোধ দৃঢ় করার মূল মাধ্যম নয়। C) ধর্মের মাধ্যমে — ধর্ম নৈতিকতা শেখায়, কিন্তু সার্বজনীন ও আধুনিক মূল্যবোধের মূল ভিত্তি হলো সর্বজনীন শিক্ষা। D) গণতন্ত্র চর্চার মাধ্যমে — গণতন্ত্র রাজনৈতিক অধিকার নিশ্চিত করে, কিন্তু মানুষের ব্যক্তিগত মূল্যবোধ গঠনের ভিত্তি হলো শিক্ষা। ৫ মনে রাখার টিপস: মূল্যবোধের মূল ভিত্তি হলো শিক্ষা। নৈতিক চরিত্র গঠনে শিক্ষার বিকল্প নেই। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: শিক্ষা শুধু তথ্য প্রদান করে না, বরং মানুষের ভেতরের মানবিক গুণাবলী ও মূল্যবোধকে স্থায়ী রূপ দেয়। এই ধরনের প্রশ্নে শিক্ষার ভূমিকা সবচেয়ে মৌলিক হিসেবে গণ্য হয়।
a সামাজিক মূল্যবোধ
b ইতিবাচক মূল্যবোধ
c গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ
d নৈতিক মূল্যবোধ
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ১. কেন সঠিক: - গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এমন একদল নীতি যা রাষ্ট্র, সরকার এবং প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ ও স্বীকৃতি দেয়। - এটি মূলত জনগণের অধিকার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, আইনের শাসন এবং প্রাতিষ্ঠানিক নিয়মকানুনকে রাষ্ট্রীয়ভাবে অনুমোদন করার প্রক্রিয়া। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ হলো এমন আদর্শ যা রাষ্ট্রীয় নীতি ও সামাজিক ব্যবস্থায় সকলের অধিকার ও অংশগ্রহণের স্বীকৃতি দেয়। - গুরুত্ব: এটি রাষ্ট্র পরিচালনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করে এবং জনগণের মৌলিক অধিকার রক্ষা করে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: কর্মক্ষেত্রে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় সকলের মতামত শোনা এবং সংখ্যাগরিষ্ঠের মতকে সম্মান জানানো। ব্যাখ্যা: এটি গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের বহিঃপ্রকাশ যা প্রতিষ্ঠানে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ তৈরি করে। উদাহরণ ২: রাষ্ট্রীয় নির্বাচনে নাগরিক হিসেবে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করা এবং অন্যের ভোট দেওয়ার অধিকারে বাধা না দেওয়া। ব্যাখ্যা: এটি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার প্রতি শ্রদ্ধাশীল নাগরিক দায়িত্ব পালনের উৎকৃষ্ট উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সামাজিক মূল্যবোধ — এটি সমাজ কর্তৃক স্বতঃস্ফূর্তভাবে স্বীকৃত হলেও রাষ্ট্রীয় বা সরকার কর্তৃক সরাসরি আইনগতভাবে সংজ্ঞায়িত বা অনুমোদিত হতে বাধ্য নয়। B) ইতিবাচক মূল্যবোধ — এটি একটি সাধারণ ধারণাগত শব্দ যা ভালো গুণাবলী বোঝায়, কিন্তু রাষ্ট্র ও সরকার কর্তৃক প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতির ক্ষেত্রে এটি নির্দিষ্ট কোনো রূপ নির্দেশ করে না। D) নৈতিক মূল্যবোধ — এটি ব্যক্তির নিজস্ব বিবেক ও অভ্যন্তরীণ শুদ্ধাচারের সাথে সম্পর্কিত, যা সম্পূর্ণভাবে রাষ্ট্রীয় কাঠামোর গণ্ডির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - প্রশ্নটিতে যখন রাষ্ট্র, সরকার ও গোষ্ঠীর স্বীকৃতির কথা থাকবে, তখন তা সাধারণত প্রাতিষ্ঠানিক ও রাজনৈতিক কাঠামোর সাথে যুক্ত গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে নির্দেশ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - রাষ্ট্রীয় ও প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতিযুক্ত মূল্যবোধগুলোর মূল বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
a হ্যারল্ড উইলসন
b এডওয়ার্ড ওসবর্ন উইলসন
c জন স্টুয়ার্ট মিল
d ইমানুয়েল কান্ট
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ইমানুয়েল কান্ট ১. কেন সঠিক: - এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর ইমানুয়েল কান্ট কারণ তিনি deontological ethics বা কর্তব্যের নৈতিকতা তত্ত্বের প্রবক্তা। - এই নীতি অনুযায়ী কোনো কাজের ফলাফল যাই হোক না কেন, কেবল কর্তব্যের খাতিরে বা নৈতিক দায়িত্ববোধ থেকে কাজটি করাকেই সঠিক বলে গণ্য করা হয়। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: কর্তব্যের নৈতিকতা হলো এমন একটি নীতি যেখানে ফলাফল বিবেচনা না করে নৈতিক নিয়ম ও দায়িত্ব পালনের ওপর সর্বোচ্চ জোর দেওয়া হয়। - গুরুত্ব: এটি সমাজে সততা, নিয়মানুবর্তিতা এবং পেশাগত দায়িত্ববোধ সুদৃঢ় করতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। - প্রয়োগ: নিজের ব্যক্তিগত লাভ বা ক্ষতির কথা না ভেবে পেশাগত দায়িত্ব সততার সঙ্গে পালন করার মাধ্যমে এটি প্রয়োগ করা যায়। - সম্ভাব্য প্রভাব: এর ফলে সমাজে জবাবদিহি বৃদ্ধি পায় এবং মানুষ দায়িত্বহীন আচরণ থেকে বিরত থাকে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: একজন সরকারি কর্মকর্তা ঘুষের লোভ সংবরণ করে আইন অনুযায়ী গরিব মানুষকে সেবা প্রদান করলেন। ব্যাখ্যা: এখানে কর্মকর্তা কোনো ব্যক্তিগত সুবিধার কথা না ভেবে নিজের পেশাগত ও নৈতিক দায়িত্ব সততার সঙ্গে পালন করেছেন, যা কর্তব্যের নৈতিকতার সরাসরি প্রয়োগ। উদাহরণ ২: একজন শিক্ষক কোনো ধরনের পক্ষপাতিত্ব না করে নিরপেক্ষভাবে শিক্ষার্থীদের খাতা মূল্যায়ন করলেন। ব্যাখ্যা: শিক্ষক তার মূল নৈতিক কর্তব্য ও দায়িত্বের প্রতি বিশ্বস্ত থেকে সঠিক কাজটি সম্পন্ন করেছেন, যা কান্টের কর্তব্যের নীতিকে সমর্থন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হ্যারল্ড উইলসন — হ্যারল্ড উইলসন একজন ব্রিটিশ রাজনীতিবিদ ছিলেন এবং তিনি এই তাত্ত্বিক ধারণার সঙ্গে যুক্ত নন। B) এডওয়ার্ড ওসবর্ন উইলসন — এডওয়ার্ড ওসবর্ন উইলসন একজন জীববিজ্ঞানী ও প্রকৃতিবিদ ছিলেন, যিনি সমাজজীববিজ্ঞান নিয়ে কাজ করেছেন। C) জন স্টুয়ার্ট মিল — জন স্টুয়ার্ট মিল উপযোগবাদ বা utilitarianism মতবাদের প্রবক্তা, কর্তব্যের নৈতিকতার নন। D) ইমানুয়েল কান্ট — ইমানুয়েল কান্ট হলেন সেই দার্শনিক যিনি প্রথম সুসংবদ্ধভাবে কর্তব্যের নৈতিকতার ধারণা প্রবর্তন করেন। ৫. মনে রাখার টিপস: - কান্ট মানেই কর্তব্য বা দায়িত্ব। পরীক্ষার প্রশ্নে কর্তব্য বা deontological ethics এলেই ইমানুয়েল কান্ট নামটি মনে রাখবে। - ফলাফলের চেয়ে নিয়মের প্রতি নিষ্ঠা থাকলে সেটি কান্টের নীতি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - নৈতিকতার মূল ভিত্তি ফলাফল নয়, বরং সঠিক কর্তব্য পালন—এই ধারণাটি বিসিএস পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। - একই নীতি থেকে উপযোগবাদ বা মিলের তত্ত্ব সম্পর্কিত প্রশ্নও আসতে পারে।
a সুশাসন
b রাষ্ট্র
c নৈতিকতা
d সমাজ
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সমাজ ১. কেন সঠিক: - সমাজ হলো মানুষের পারস্পরিক সম্পর্ক, সংস্কৃতি, মূল্যবোধ ও সহাবস্থানের এক সুসংহত রূপ যেখানে সভ্যতার সকল অর্জন বিকশিত হয়। - সামাজিক মূল্যবোধ, শিষ্টাচার এবং সামগ্রিক জীবনযাত্রার মানই নির্ধারণ করে একটি সমাজ কতটা উন্নত ও সভ্য। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: প্রশ্নের ধরন: সামাজিক মূল্যবোধ ও মানবিক আচরণ - মূল ধারণা: সমাজ হলো এমন একটি ব্যবস্থা যেখানে মানুষ মিলেমিশে বসবাস করে এবং পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে নিজেদের জীবনযাত্রাকে উন্নত করে তোলে। - গুরুত্ব: সমাজে বসবাস করার মাধ্যমেই মানুষ নৈতিকতা, শিষ্টাচার, সহমর্মিতা এবং নাগরিক দায়িত্ববোধ শিক্ষা লাভ করে। - প্রয়োগ: সমাজের প্রতিটি মানুষের অধিকার রক্ষা করা এবং সামাজিক অনুশাসন মেনে চলার মাধ্যমে এর যথাযথ প্রয়োগ ঘটে। - সম্ভাব্য প্রভাব: একটি সুশৃঙ্খল সমাজ মানুষের মানসিক বিকাশ ঘটায় এবং অপরাধ প্রবণতা হ্রাস করে শান্তির পরিবেশ তৈরি করে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: গণপরিবহনে বয়স্ক বা নারীর জন্য আসন ছেড়ে দেওয়া। ব্যাখ্যা: এটি সামাজিক শিষ্টাচার ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের বহিঃপ্রকাশ যা একটি সভ্য সমাজের পরিচায়ক। উদাহরণ ২: এলাকার কোনো দরিদ্র শিক্ষার্থীর পড়াশোনার দায়িত্ব নেওয়া। ব্যাখ্যা: এটি সামাজিক দায়বদ্ধতা ও সহমর্মিতার নৈতিক মূল্যবোধের বাস্তব প্রয়োগ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুশাসন — সুশাসন হলো রাষ্ট্র পরিচালনার একটি পদ্ধতি, যা সভ্যতার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলেও সরাসরি সামগ্রিক সভ্যতার একমাত্র প্রতিচ্ছবি নয়। B) রাষ্ট্র — রাষ্ট্র হলো রাজনৈতিক ও ভৌগোলিক কাঠামোগত প্রতিষ্ঠান, যা সমাজের ওপর প্রতিষ্ঠিত হলেও সমাজের সংস্কৃতি ও মূল্যবোধের পরিধি এর চেয়েও ব্যাপক। C) নৈতিকতা — নৈতিকতা মানুষের ব্যক্তিগত ও সামাজিক আচরণের ভালো-মন্দের মাপকাঠি, যা সভ্যতার অংশ কিন্তু এককভাবে পুরো সমাজকে বাসভ্যতাকে পূর্ণতা দেয় না। D) সমাজ — এটি সঠিক উত্তর। মানুষের সম্মিলিত জীবনযাত্রা ও সংস্কৃতির প্রকাশ ঘটে সমাজে, যা সভ্যতার প্রকৃত প্রতিচ্ছবি। ৫. মনে রাখার টিপস: - সভ্যতার শেকড় নিহিত রয়েছে মানুষের পারস্পরিক মিলনে অর্থাৎ সমাজে, তাই সভ্যতা মানেই সমাজের সার্বিক রূপ। - প্রশ্নটিতে যখন সভ্যতার প্রতিচ্ছবি জানতে চাওয়া হবে, তখন শারীরিক বা রাজনৈতিক কাঠامোর চেয়ে মানুষের সামাজিক মেলবন্ধনকে প্রাধান্য দিতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সমাজ ও সভ্যতার পারস্পরিক সম্পর্ক নৈতিকতা ও মূল্যবোধের একটি মৌলিক দিক। - এই নীতি থেকে নৈতিকতার উৎস, সামাজিক মূল্যবোধের রূপ এবং নাগরিক দায়িত্বশীলতা সম্পর্কিত বিভিন্ন প্রশ্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসতে পারে।
a জাতিসংঘ
b জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি
c বিশ্বব্যাংক
d এশিয়া উন্নয়ন ব্যাংক
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বিশ্বব্যাংক ১. কেন সঠিক: - বিশ্বব্যাংক প্রথম ১৯৯২ সালে সুশাসন ধারণাকে আনুষ্ঠানিকভাবে সংজ্ঞায়িত করে এবং এর প্রধান চারটি স্তম্ভের কথা প্রকাশ করে। - সুশাসন ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে অর্থনৈতিক উন্নয়ন নিশ্চিত করাই এই সংস্থার মূল নৈতিক নীতি। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: সুশাসন হলো এমন একটি শাসনব্যবস্থা যা স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক, অংশগ্রহণমূলক এবং আইনের শাসনের ওপর প্রতিষ্ঠিত। - গুরুত্ব: এটি রাষ্ট্রীয় সম্পদ সঠিক ব্যবহার এবং জনগণের মৌলিক অধিকার রক্ষা করতে সাহায্য করে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: একজন সরকারি কর্মকর্তা যখন কোনো টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ স্বচ্ছতার সাথে সম্পন্ন করেন। ব্যাখ্যা: এটি সুশাসনের স্বচ্ছতা ও সততা নীতির সঠিক প্রয়োগ, যা দুর্নীতি প্রতিরোধ করে। উদাহরণ ২: এলাকার উন্নয়নে সাধারণ মানুষের মতামত গ্রহণ করা। ব্যাখ্যা: এটি সুশাসনের অংশগ্রহণমূলক নীতিকে নির্দেশ করে, যা নাগরিক দায়িত্ববোধ বাড়ায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাতিসংঘ — জাতিসংঘ বিশ্বশান্তি ও মানবাধিকার নিয়ে প্রধানত কাজ করে, তবে এটি বিশ্বব্যাংকের মতো সুশাসনের এই নির্দিষ্ট চারটি স্তম্ভ সরাসরি প্রকাশ করেনি। B) জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি — ইউএনডিপি সুশাসনের পাঁচটি বা নয়টি সূচক বা বৈশিষ্ট্য প্রচার করে থাকে, সুশাসনের চার স্তম্ভের মূল প্রণেতা এটি নয়। C) বিশ্বব্যাংক — এই অপশনটি সঠিক এবং ১৯৯২ সালের প্রতিবেদনে বিশ্বব্যাংক প্রথম সুশাসনের চারটি স্তম্ভ ঘোষণা করে। D) এশিয়া উন্নয়ন ব্যাংক — এডিবি মূলত আঞ্চলিক উন্নয়ন ও অর্থায়ন নিয়ে কাজ করে, সুশাসনের এই নির্দিষ্ট তত্ত্বটি তাদের নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিশ্বব্যাংক চার অক্ষর বিশিষ্ট এবং তাদের সুশাসনের স্তম্ভও চারটি, এভাবে মিলিয়ে মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সুশাসনের প্রধান স্তম্ভগুলো হলো স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, জনঅংশগ্রহণ এবং আইনের শাসন। - এই নীতিগুলো থেকে প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে।

মোট প্রশ্ন (30)

a হেমন্ত সেন
b বল্লাল সেন
c লক্ষণ সেন
d কেশব সেন
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কেশব সেন প্রদত্ত তথ্য: বাংলায় সেন বংশের কাল ১০৭০ থেকে ১২৩০ খ্রিষ্টাব্দ এই বংশের শেষ শাসনকর্তা নির্ণয় করতে হবে ধরি, সেন বংশের প্রতিষ্ঠাতা = হেমন্ত সেন সেন বংশের শক্তিশালী রাজা = বল্লাল সেন অতএব, হেমন্ত সেনের পর রাজা হন বিজয় সেন বিজয় সেনের পর রাজা হন বল্লাল সেন সুতরাং, বল্লাল সেনের পর লক্ষণ সেন এবং সর্বশেষ কেশব সেন শাসন করেন উত্তর: কেশব সেন
a বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
b মােহাম্মদউল্লাহ
c তাজউদ্দিন আহমদ
d ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদের সংসদ নেতা ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ১৯৭৩ সালের ৭ মার্চ স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সাধারণ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ বিজয় লাভ করার পর তিনি সংসদ নেতা নির্বাচিত হন। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯৭২ সালের সংবিধান প্রণয়নের পর ১৯৭৩ সালের ৭ মার্চ প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। - ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তৎকালীন সরকারের প্রধানমন্ত্রী এবং সংসদ নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রথম জাতীয় সংসদ ব্যাখ্যা: ১৯৭৩ সালের ৭ এপ্রিল এই সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হয়। উদাহরণ ২: সরকারব্যবস্থা ব্যাখ্যা: সংসদীয় গণতন্ত্রে সাধারণত প্রধানমন্ত্রী সংসদের নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান — সঠিক উত্তর কারণ তিনি প্রথম সংসদের নেতা ছিলেন। B) মোহাম্মদউল্লাহ — তিনি বাংলাদেশের তৃতীয় রাষ্ট্রপতি এবং প্রথম জাতীয় সংসদের স্পিকার ছিলেন, সংসদ নেতা ছিলেন না। C) তাজউদ্দিন আহমদ — তিনি প্রথম মন্ত্রিসভায় গুরুত্বপূর্ণ অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করলেও সংসদ নেতা ছিলেন না। D) ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী — তিনি পরবর্তী সময়ে প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা হলেও প্রথম সংসদের সূচনালগ্নে এই পদে ছিলেন না। ৫. মনে রাখার টিপস: স্বাধীন দেশের প্রথম সংসদ এবং প্রথম সরকার প্রধানের দায়িত্ব পালন করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তাই প্রথম সংসদ নেতা হিসেবে তাঁর নামই মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সংসদীয় গণতন্ত্রের ইতিহাস ও প্রথম সংসদ সম্পর্কে জানার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই বিষয় থেকে প্রথম স্পিকার কে ছিলেন, এমন প্রশ্নও আসতে পারে।
a ফেব্রুয়ারি ২০, ১৯৭৪
b ফেব্রুয়ারি ২১, ১৯৭৪
c ফেব্রুয়ারি ২২, ১৯৭৪
d ফেব্রুয়ারি ২৩, ১৯৭৪
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ফেব্রুয়ারি ২২, ১৯৭৪ ১. কেন সঠিক: ১৯৭৪ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশকে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে। লাহোরে অনুষ্ঠিত ইসলামি সম্মেলন সংস্থার শীর্ষ সম্মেলনে অংশগ্রহণের জন্য পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী জুলফিকার আলী ভুট্টোর পক্ষ থেকে চাপ এবং বিশ্ব জনমতের কারণে পাকিস্তান এই স্বীকৃতি দিতে বাধ্য হয়। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯৭১ সালে রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করলেও পাকিস্তান দীর্ঘ সময় তা মেনে নেয়নি। ১৯৭৪ সালের গোড়ার দিকে বন্ধুভাবাপন্ন মুসলিম দেশগুলোর মধ্যস্থতায় এবং ওআইসি শীর্ষ সম্মেলনের প্রাক্কালে পাকিস্তানের স্বীকৃতি আদায় সম্ভব হয়। তারিখ ও স্থান: ১৯৭৪ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী জুলফিকার আলী ভুট্টো ঢাকা সফরে আসার কথা থাকলেও পরে তা বাতিল হয় এবং একই দিনে পাকিস্তান থেকে স্বীকৃতি ঘোষণা করা হয়। তাৎপর্য ও ফলাফল: এই স্বীকৃতির ফলে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি প্রাপ্তির পথ আরও সুগম হয় এবং জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থায় বাংলাদেশের সদস্যপদ লাভ সহজতর হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ওআইসি শীর্ষ সম্মেলন ১৯৭৪। ব্যাখ্যা: পাকিস্তানের স্বীকৃতির পেছনে লাহোরে অনুষ্ঠিত ওআইসি শীর্ষ সম্মেলনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ ও মুসলিম বিশ্বের চাপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। উদাহরণ ২: জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লাহোর সফর ১৯৭৪। ব্যাখ্যা: স্বীকৃতি লাভের পর বাংলাদেশ মুসলিম বিশ্বের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়নের সুযোগ পায় যা পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে একটি বড় অর্জন ছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফেব্রুয়ারি ২০, ১৯৭৪ - এই তারিখে পাকিস্তান স্বীকৃতি দেয়নি বরং এই সময়কালেই ওআইসি সম্মেলন নিয়ে কূটনৈতিক তৎপরতা চরম পর্যায়ে ছিল। B) ফেব্রুয়ারি ২১, ১৯৭৪ - এটি আমাদের মহান শহীদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস, এই ঐতিহাসিক দিনে পাকিস্তান স্বীকৃতি দেয়নি। C) ফেব্রুয়ারি ২২, ১৯৭৪ - এটি সঠিক উত্তর এবং এই দিনেই পাকিস্তান বাংলাদেশকে সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। D) ফেব্রুয়ারি ২৩, ১৯৭৪ - এই তারিখটি সঠিক নয় কারণ এর আগের দিনই স্বীকৃতি অর্জিত হয়েছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: ১৯৭৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাস বাংলাদেশের কূটনীতির জন্য অত্যন্ত সফল একটি মাস ছিল। শহীদ দিবসের ঠিক পরের দিন অর্থাৎ ২২ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়, এই ধারাবাহিকতা মনে রাখলে তারিখ ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোন দেশ প্রথম বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় এবং পাকিস্তান কবে স্বীকৃতি দেয়। এই ধরনের প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার সময় ৭৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের ঘটনাগুলো ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a জাবেদ করিম
b ফজলুল করিম
c জাওয়াদুল করিম
d মঞ্জুরুল করিম
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জাবেদ করিম ১. কেন সঠিক: ইউটিউব প্রতিষ্ঠায় স্টিভ চেন ও চাড হারলির সাথে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত আমেরিকান নাগরিক জাবেদ করিম সহ-প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে যুক্ত ছিলেন। বিশ্বের সবচেয়ে বড় ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম ইউটিউব প্রতিষ্ঠায় তার গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে এবং তিনি এর প্রথম ভিডিও আপলোড করেছিলেন। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: জাবেদ করিম একজন বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত সফটওয়্যার প্রকৌশলী ও প্রযুক্তি উদ্যোক্তা। তাৎপর্য ও ফলাফল: বিশ্বখ্যাত প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানে একজন বাংলাদেশীর এমন ভূমিকা দেশের জন্য এক বিশাল গৌরব ও অর্জনের বিষয়। সংশ্লিষ্ট তথ্য: ২০০৫ সালের এপ্রিল মাসে ইউটিউবে আপলোড করা প্রথম ভিডিওটির শিরোনাম ছিল মি এট দ্য জু। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ড. আতিউর রহমান ব্যাখ্যা: তিনি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর হিসেবে দেশের অর্থনীতিকে ডিজিটাল ও গতিশীল করতে বিশেষ ভূমিকা পালন করেছেন। উদাহরণ ২: ড. মোহাম্মদ আতাউল করিম ব্যাখ্যা: তিনি একজন বিশ্বখ্যাত বাংলাদেশী বিজ্ঞানী যিনি অপটিক্যাল কম্পিউটিং ও প্রযুক্তিতে অবদান রেখে আন্তর্জাতিক খ্যাতি অর্জন করেছেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাবেদ করিম — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি ইউটিউবের তিন জন সহ-প্রতিষ্ঠাতার একজন হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃত। B) ফজলুল করিম — এই নামে ইউটিউব প্রতিষ্ঠার সাথে সম্পৃক্ত কোনো বিশ্বখ্যাত প্রযুক্তিবিদ বা সহ-প্রতিষ্ঠাতা নেই। C) জাওয়াদুল করিম — এটি একটি বিভ্রান্তিকর নাম যা মূল সহ-প্রতিষ্ঠাতা জাবেদ করিমের নামের সাথে মিল রেখে তৈরি করা হয়েছে। D) মঞ্জুরুল করিম — এই নামের কোনো ব্যক্তি ইউটিউব প্রতিষ্ঠার ইতিহাসে স্টিভ চেন বা চাড হারলির সাথে যুক্ত ছিলেন না। ৫. মনে রাখার টিপস: ইউটিউবের সহ-প্রতিষ্ঠাতাদের মনে রাখার জন্য স্টিভ চেন ও চাড হারলির সাথে বাংলাদেশী জাবেদ করিমের নাম মনে রাখতে হবে। ভিডিও শেয়ারিং সাইটের প্রথম ভিডিও আপলোডকারী হিসেবে জাবেদ করিমের নাম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিশ্বখ্যাত প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানে বাংলাদেশীদের অবদান সম্পর্কিত প্রশ্ন বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় প্রায়ই দেখা যায়। একই বিষয় থেকে ইউটিউব কবে প্রতিষ্ঠিত হয় বা এর প্রথম ভিডিওর নাম কী, এমন প্রশ্নও আসতে পারে।
a ব্রিটিশ আমলে
b সুলতানি আমলে
c মুঘল আমলে
d স্বাধীন নবাবী আমলে
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মুঘল আমলে ১. কেন সঠিক: ঢাকা শহরের প্রাতিষ্ঠানিক ও প্রশাসনিক গোড়াপত্তন ঘটে মুঘল আমলে। ১৬১০ সালে সুবেদার ইসলাম খান চিশতি বাংলার রাজধানী রাজমহল থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করেন এবং এর নাম রাখেন জাহাঙ্গীরনগর। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: বুড়িগঙ্গার তীরে কৌশলগত ও সামরিক সুবিধার কারণে ঢাকা শহরকে বাংলার রাজধানী করা হয়। তারিখ ও স্থান: ১৬১০ সালে বর্তমান পুরান ঢাকা এলাকায় মুঘল রাজধানী প্রতিষ্ঠিত হয়। ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: সম্রাট জাহাঙ্গীরের নামানুਸারে ঢাকার নাম রাখা হয় জাহাঙ্গীরনগর এবং ইসলাম খান প্রথম সুবেদার হিসেবে দায়িত্ব নেন। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: লালবাগ কেল্লা ব্যাখ্যা: মুঘল আমলের স্থাপত্য নিদর্শন যা ঢাকার মুঘল ঐতিহ্যের অন্যতম প্রধান প্রমাণ। উদাহরণ ২: বড় কাটরা ও ছোট কাটরা ব্যাখ্যা: মুঘল আমলে নির্মিত ঐতিহাসিক ইমারত যা তৎকালীন বাণিজ্য ও প্রশাসনিক কার্যক্রমের কেন্দ্র ছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্রিটিশ আমলে — এই সময়ে ঢাকা রাজধানী না থাকলেও শিক্ষা ও প্রশাসনের আধুনিকায়ন ঘটে। B) সুলতানি আমলে — এই সময়ে ঢাকা একটি জনপদ ছিল কিন্তু সুনির্দিষ্টভাবে রাজধানীর মর্যাদা পায়নি। D) স্বাধীন নবাবী আমলে — এই সময়ে রাজধানী মুর্শিদাবাদে স্থানান্তরিত হয়েছিল, ঢাকায় নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: মুঘল আমলে ঢাকা রাজধানী হয় এবং ১৬১০ সালে ইসলাম খান চিশতি এর গোড়াপত্তন করেন। সম্রাট জাহাঙ্গীরের নাম থেকে জাহাঙ্গীরনগর নামটি এসেছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ঢাকার আদি নাম জাহাঙ্গীরনগর এবং প্রথম মুঘল সুবেদার ইসলাম খান চিশতি। একই বিষয় থেকে পরীক্ষায় সুবেদার বা রাজধানীর স্থানান্তরের সাল সংক্রান্ত প্রশ্ন আসতে পারে।
a লর্ড কার্জন
b রাজা পঞ্চম জর্জ
c লর্ড মাউন্ট ব্যাটেন
d লর্ড ওয়াভেল
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রাজা পঞ্চম জর্জ ১. কেন সঠিক: বঙ্গভঙ্গ রদ করেছিলেন ব্রিটিশ সম্রাট রাজা পঞ্চম জর্জ। ১৯১১ সালের ১২ ডিসেম্বর দিল্লির ঐতিহাসিক দরবারে তিনি এই ঘোষণা দেন। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর লর্ড কার্জন বঙ্গভঙ্গ কার্যকর করেছিলেন। এর ফলে তীব্র গণআন্দোলন ও স্বদেশী আন্দোলন শুরু হয়, যা শেষ পর্যন্ত বঙ্গভঙ্গ রদ করতে ব্রিটিশ সরকারকে বাধ্য করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: দিল্লির ঐতিহাসিক দরবার। এই দরবারেই বঙ্গভঙ্গ রদ এবং ভারতের রাজধানী কলকাতা থেকে দিল্লিতে স্থানান্তরের ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। ব্যাখ্যা: এই ঘোষণা ব্রিটিশ ভারতের রাজনীতিতে একটি বড় মোড় পরিবর্তনকারী ঘটনা ছিল। উদাহরণ ২: স্বদেশী আন্দোলন। বঙ্গভঙ্গের প্রতিবাদে বাঙালিরা ব্রিটিশ পণ্য বর্জন করে দেশীয় পণ্য ব্যবহারের যে আন্দোলন গড়ে তোলে। ব্যাখ্যা: এই আন্দোলনের ফলেই ব্রিটিশ সরকার বাধ্য হয়ে বঙ্গভঙ্গ রদ ঘোষণা করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) লর্ড কার্জন - ইনি ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ বাস্তবায়ন করেছিলেন, রদ করেননি। B) রাজা পঞ্চম জর্জ - সঠিক উত্তর, তিনি ১৯১১ সালে বঙ্গভঙ্গ রদ ঘোষণা করেন। C) লর্ড মাউন্ট ব্যাটেন - ইনি ১৯৪৭ সালের ভারত বিভক্তির সময় শেষ ভাইসরয় ছিলেন। D) লর্ড ওয়াভেল - ইনি ১৯৪৫ সালে সিমলা কনফারেন্সের সাথে যুক্ত ব্রিটিশ ভাইসরয় ছিলেন। ৫ মনে রাখার টিপস: বঙ্গভঙ্গ করেছিলেন লর্ড কার্জন ১৯০৫ সালে আর রদ করেছিলেন রাজা পঞ্চম জর্জ ১৯১১ সালে। কার্জন চালু আর জর্জ বাতিল, এভাবে মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বঙ্গভঙ্গ কার্যকর হয় ১৬ অক্টোবর ১৯০৫ এবং রদ হয় ১২ ডিসেম্বর ১৯১১। একই সাথে ১৯১১ সালে রাজধানী কলকাতা থেকে দিল্লিতে স্থানান্তরিত হয়।
a অশােক
b শশাঙ্ক
c মেগদা
d ধর্মপাল
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শশাঙ্ক ১. কেন সঠিক: প্রাচীন বাংলার প্রথম স্বাধীন ও সার্বভৌম রাজা ছিলেন শশাঙ্ক। তিনি গুপ্ত সাম্রাজ্যের পতনের পর গৌড় অঞ্চলে নিজের আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করেন এবং বাংলার বিভিন্ন ছোট ছোট জনপদকে একত্রিত করে একটি শক্তিশালী স্বাধীন রাজ্য গড়ে তোলেন। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: গুপ্ত সাম্রাজ্যের পতনের পর ষষ্ঠ শতাব্দীর শেষভাগে এবং সপ্তম শতাব্দীর প্রথমার্ধে গৌড় রাজ্যে শশাঙ্কের উত্থান ঘটে। ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: রাজা শশাঙ্ক ছিলেন গৌড়ের প্রথম স্বাধীন নরপতি এবং তাঁর রাজধানী ছিল বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার কর্ণসুবর্ণে। তাৎপর্য ও ফলাফল: শশাঙ্কের রাজত্বকাল থেকেই বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি স্বতন্ত্র স্বাধীন সত্তার সূচনা হয়, যা প্রাচীন বাংলার ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: পাল বংশ ব্যাখ্যা: শশাঙ্কের মৃত্যুর পর বাংলায় দীর্ঘস্থায়ী অরাজকতা বা মৎস্যন্যায়ের অবসান ঘটিয়ে গোপাল পাল বংশ প্রতিষ্ঠা করেন। উদাহরণ ২: সেন বংশ ব্যাখ্যা: পাল বংশের পতনের পর বিজয় সেনের নেতৃত্বে বাংলায় সেন বংশের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়, যা প্রাচীন বাংলার রাজবংশের ইতিহাসকে পূর্ণতা দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অশােক — অশোক বাংলার রাজা ছিলেন না, তিনি ছিলেন প্রাচীন ভারতের মৌর্য বংশের সর্বশ্রেষ্ঠ সম্রাট। B) শশাঙ্ক — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে শশাঙ্কের রাজত্বকাল ও ঐতিহাসিক ভূমিকা প্রযোজ্য। C) মেগদা — মেগদা নামে প্রাচীন বাংলার ইতিহাসে কোনো রাজা বা শাসকের অস্তিত্ব পাওয়া যায় না। D) ধর্মপাল — ধর্মপাল বাংলার পাল বংশের একজন অন্যতম শ্রেষ্ঠ রাজা ছিলেন, তবে তিনি অবিভক্ত বাংলার প্রথম রাজা নন। ৫. মনে রাখার টিপস: প্রাচীন বাংলার প্রথম রাজা মানেই গৌড়ের রাজা শশাঙ্ক। মনে রাখতে হবে শশাঙ্ক ছিলেন প্রথম স্বাধীন সার্বভৌম শাসক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে প্রাচীন বাংলার প্রথম স্বাধীন রাজার নাম কী। শশাঙ্কের রাজধানীর নামও বহু পরীক্ষায় জানতে চাওয়া হয়।
a IDA credit-এর মাধ্যমে
b IMF-এর bailout package-এর মাধ্যমে
c প্রবাসীদের পাঠানাে remittance-এর মাধ্যমে
d বিশ্ব ব্যাংকের budgetary support-এর মাধ্যমে
0 92 0 0
ব্যাখ্যাঃ
শিক্ষক হিসেবে আপনার প্রশ্নটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিশ্লেষণ করে দেখছি যে, এখানে প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি ভুল। প্রশ্নটিতে বলা হয়েছে বাংলাদেশের বাণিজ্য ভারসাম্য কীভাবে রক্ষা হয়, যার সঠিক উত্তর হবে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের মাধ্যমে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা আইএমএফের ঋণ কোনো দীর্ঘমেয়াদী বা নিয়মিত বাণিজ্য ভারসাম্য রক্ষার হাতিয়ার নয়, বরং এটি বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের তীব্র সংকট মোকাবিলায় সাময়িক সহায়তা মাত্র। বাংলাদেশের অর্থনীতি মূলত রপ্তানি আয় এবং প্রবাসী শ্রমিকদের পাঠানো রেমিট্যান্সের ওপর নির্ভরশীল। সঠিক উত্তর: C) প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের মাধ্যমে ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বৈদেশিক মুদ্রার প্রধান দুটি উৎসের মধ্যে প্রবাসী রেমিট্যান্স অন্যতম প্রধান স্তম্ভ। - দেশ থেকে যে পরিমাণ পণ্য আমদানি করা হয়, তার মূল্য পরিশোধ করতে যে পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রার প্রয়োজন হয়, তা কেবল রপ্তানি আয় দিয়ে পুরোপুরি মেটানো সম্ভব হয় না। - এই আমদানি ও রপ্তানির ঘাটতি বা বাণিজ্য ভারসাম্যহীনতা দূর করতে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করে। ২. অর্থনীতি ও বৈদেশিক বাণিজ্য: - অর্থনৈতিক খাত: বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্যে কাঠামোগত ঘাটতি থাকা সত্ত্বেও চলতি হিসাবের ভারসাম্য এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ইতিবাচক রাখতে রেমিট্যান্সের ভূমিকা অপরিসীম। - প্রতিষ্ঠান: বাংলাদেশ ব্যাংক ও প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় এই অর্থ বৈধ চ্যানেলে দেশে আনার ক্ষেত্রে বিভিন্ন নীতিগত সহায়তা প্রদান করে থাকে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশে কর্মরত বাংলাদেশি শ্রমিকদের পাঠানো অর্থ। ব্যাখ্যা: এই অর্থ সরাসরি দেশের গ্রামীণ অর্থনীতি ও ব্যাংকিং খাতে জমা হয় যা সামগ্রিক বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভকে শক্তিশালী করে। উদাহরণ ২: বার্ষিক রেমিট্যান্স প্রবাহ। ব্যাখ্যা: প্রতি বছর বাংলাদেশ সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংক যে পরিমাণ বৈদেশিক আয় আশা করে, তার একটি বিরাট অংশ আসে এই প্রবাসীদের পাঠানো কষ্টার্জিত অর্থের মাধ্যমে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) IDA credit-এর মাধ্যমে — এটি বিশ্ব ব্যাংকের একটি উইং যা স্বল্প সুদে দীর্ঘমেয়াদী ঋণ দেয়, যা মূলত উন্নয়ন প্রকল্পে ব্যবহৃত হয়, বাণিজ্য ভারসাম্য রক্ষায় নয়। B) IMF-এর bailout package-এর মাধ্যমে — এটি বৈদেশিক মুদ্রার সংকট বা অর্থনৈতিক জরুরি পরিস্থিতিতে সাময়িক সহায়তা হিসেবে কাজ করে, বাণিজ্য ভারসাম্য রক্ষার স্থায়ী উপায় নয়। C) প্রবাসীদের পাঠানো remittance-এর মাধ্যমে — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি নিয়মিতভাবে দেশের বাণিজ্য ঘাটতি কাটিয়ে উঠতে সহায়তা করে। D) বিশ্ব ব্যাংকের budgetary support-এর মাধ্যমে — এটি সরকারের বাজেট ঘাটতি পূরণে ব্যবহৃত আর্থিক সহায়তা, যা সরাসরি বাণিজ্য ভারসাম্যের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - বাণিজ্য ভারসাম্য ও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের প্রধান রক্ষাকবচ হলো প্রবাসী রেমিট্যান্স। - আইএমএফ বা বিশ্ব ব্যাংকের ঋণ জরুরি অবস্থার জন্য, আর রেমিট্যান্স হলো অর্থনীতির দৈনন্দিন অক্সিজেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এবং বাণিজ্য ঘাটতি সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে। - মনে রাখতে হবে, বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্যে আমদানি ব্যয় রপ্তানি আয়ের চেয়ে সবসময় বেশি থাকে, যা রেমিট্যান্সের মাধ্যমে ভারসাম্যপূর্ণ হয়।
a সঁওতাল
b গারো
c খাসিয়া
d মুরং
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গারো ১. কেন সঠিক: গারো উপজাতির মূল আবাসস্থল নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুর উপজেলার বিরিশিরি এলাকায় অবস্থিত। সোমেশ্বরী নদীর তীরে অবস্থিত বিরিশিরি অঞ্চল গারো সংস্কৃতির একটি প্রধান কেন্দ্র। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: জনমিতি ও সংস্কৃতি: গারোরা বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রধান আদিবাসী সম্প্রদায় যারা মূলত ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা ও শেরপুর অঞ্চলে বসবাস করে। মাতৃতান্ত্রিক সমাজ: গারো সমাজ ব্যবস্থা মাতৃতান্ত্রিক প্রকৃতির যেখানে সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হয় পরিবারের ছোট কন্যা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাঙ্গামাটির কাপ্তাই হ্রদ ও চাকমা সম্প্রদায়। ব্যাখ্যা: চাকমা উপজাতি প্রধানত পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাস করে এবং এটি গারোদের মতো ময়মনসিংহ অঞ্চলের উপজাতি নয়। উদাহরণ ২: মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল ও খাসিয়া সম্প্রদায়। ব্যাখ্যা: খাসিয়া উপজাতি মূলত সিলেট অঞ্চলের পাহাড়ি এলাকায় বসবাস করে, নেত্রকোনার বিরিশিরির সঙ্গে এদের প্রধান আবাসস্থলের মিল নেই। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সঁওতাল — সঁওতাল উপজাতি মূলত রাজশাহী, দিনাজপুর ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ অঞ্চলে বসবাস করে, নেত্রকোনার বিরিশিরিতে এদের প্রধান আবাসস্থল নেই। B) গারো — এই অপশনটি সঠিক কারণ গারোদের প্রধান সাংস্কৃতিক ও ভৌগোলিক কেন্দ্র নেত্রকোনার বিরিশিরি অঞ্চলে অবস্থিত। C) খাসিয়া — খাসিয়া উপজাতি প্রধানত সিলেট ও মৌলভীবাজার অঞ্চলের পাহাড়ি এলাকায় বসবাস করে। D) মুরং — মুরং বা ম্রো উপজাতি মূলত বান্দরবান ও পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে বসবাস করে। ৫ মনে রাখার টিপস: গারোদের বিরিশিরি মনে রাখার জন্য নেত্রকোনার সোমেশ্বরী নদীর কথা মনে রাখতে হবে। বিরিশিরি বললেই গারো উপজাতি এবং সুসং দুর্গাপুরের কথা মাথায় রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি বারবার বিসিএস ও প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় আসে। আদিবাসীদের ভৌগোলিক অবস্থান এবং তাদের সমাজব্যবস্থা সম্পর্কিত প্রশ্নগুলো ভালোভাবে পড়তে হবে।
a ৪র্থ তফসিল
b ৫ম তফসিল
c ৬ষ্ঠ তফসিল
d ৭ম তফসিল
0 94 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫ম তফসিল ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি সংশোধন করা হলো কারণ সংবিধানে সামরিক শাসনকে বৈধতা দিতে মূলত ৫ম তফসিলের অপব্যবহার করা হয়। - ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট থেকে ১৯৭৯ সালের ৯ এপ্রিল পর্যন্ত বাংলাদেশে অসাংবিধানিক সামরিক শাসনকে সাংবিধানিক বৈধতা দিতে সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনী আনা হয় এবং তা পঞ্চম তফসিলে যুক্ত করা হয়। ২. সংবিধান ও আইন: - সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনী: ১৯৭৯ সালে এই সংশোধনীর মাধ্যমে ১৯৭৫ থেকে ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত সময়ের সকল সামরিক আইন ও অধ্যাদেশকে বৈধতা দেওয়া হয়। - পঞ্চম তফসিল: সংবিধানের এই তফসিলে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট থেকে ১৯৭৯ সালের ৯ এপ্রিল পর্যন্ত জারিকৃত সামরিক শাসন ও সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনগুলো অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: পঞ্চম সংশোধনীর বৈধতা চ্যালেঞ্জ ব্যাখ্যা: পরবর্তীতে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ ২০১০ সালে সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনীকে অবৈধ ও অসাংবিধানিক ঘোষণা করে রায় প্রদান করে। উদাহরণ ২: গণতন্ত্রের সুরক্ষা ব্যাখ্যা: এই রায় থেকে পরীক্ষার্থীর শেখা উচিত যে অসাংবিধানিক সামরিক শাসন কখনো স্থায়ী সাংবিধানিক স্বীকৃতি পেতে পারে না এবং বিচার বিভাগ সবসময় সংবিধানের রক্ষক হিসেবে কাজ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪র্থ তফসিল — এই তফসিলে ১৯৭২ সালের সংবিধান প্রবর্তনের প্রারম্ভিক বিধানাবলি ও অন্তর্বর্তীকালীন সংসদ গঠনের প্রক্রিয়া বর্ণনা করা হয়েছে। B) ৫ম তফসিল — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই তফসিলেই ১৯৭৫ থেকে ১৯৭৯ সালের সামরিক আইনগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। C) ৬ষ্ঠ তফসিল — এই তফসিলে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক প্রদত্ত স্বাধীনতার ঘোষণা এবং স্বাধীনতার ঐতিহাসিক দলিলপত্র স্থান পেয়েছে। D) ৭ম তফসিল — এই তফসিলে ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ এবং তৎকালীন বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা ও প্রজ্ঞাপন অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - পঞ্চমের সাথে পাঁচ যুক্ত করে মনে রাখতে পারো যে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের পটপরিবর্তনের পর পঞ্চম সংশোধনী ও পঞ্চম তফসিলের মাধ্যমে সামরিক শাসনকে বৈধ করা হয়েছিল। - চতুর্থ তফসিল ১৯৭২ সালের শুরুর বিধানের জন্য এবং পঞ্চম তফসিল সামরিক শাসন বৈধকরণের জন্য ব্যবহৃত হয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষার জন্য সংবিধানের তফসিলসমূহ এবং বিভিন্ন সাংবিধানিক সংশোধনী অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায়। - একই বিষয় থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে কোন সংশোধনীর মাধ্যমে সামরিক শাসন বৈধ করা হয়েছিল এবং তা কোন তফসিলে যুক্ত ছিল।
a বহুদলীয় ব্যবস্থা
b বাকশাল প্রতিষ্ঠা
c তত্ত্বাবধায়ক সরকার
d সংসদে মহিলা আসন
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) তত্ত্বাবধায়ক সরকার ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশের সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর মূল বিষয় ছিল নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করা। এর মাধ্যমে সংসদ ভেঙে দিয়ে একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে অবাধ ও নিরপেক্ষ জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের সাংবিধানিক বিধান করা হয়। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: সাংবিধানিক প্রেক্ষাপট: ১৯৯৬ সালে তৎকালীন জাতীয় সংসদে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বিল পাস করা হয় এবং এর মাধ্যমে সংবিধানের ৫৮ক অনুচ্ছেদ যুক্ত করা হয়। তাৎপর্য ও ফলাফল: রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে আস্থার সংকট দূর করতে এবং নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে এই সংশোধনী দেশের রাজনীতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ১৯৯৬ সালের সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন ব্যাখ্যা: এই সংশোধনীর আওতায় গঠিত প্রথম তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে ১৯৯৬ সালের জুন মাসে সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, যা দেশবিদেশে প্রশংসিত হয়েছিল। উদাহরণ ২: ২০১১ সালে ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল ব্যাখ্যা: পরবর্তীতে ২০১১ সালে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ এই সংশোধনীকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করে রায় প্রদান করে, যা থেকে শিক্ষার্থীরা সাংবিধানিক ব্যাখ্যার গুরুত্ব বুঝতে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বহুদলীয় ব্যবস্থা — এটি কোনো সংশোধনীর মূল বিষয় ছিল না, বরং ১৯৭৬ সালে রাজনৈতিক দলগুলোর ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের মাধ্যমে বাংলাদেশে পুনরায় বহুদলীয় রাজনীতির সূচনা ঘটেছিল। B) বাকশাল প্রতিষ্ঠা — এটি ১৯৭৫ সালে সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে প্রবর্তিত হয়েছিল যার পূর্ণরূপ বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ। C) তত্ত্বাবধায়ক সরকার — এটি সঠিক উত্তর কারণ ত্রয়োদশ সংশোধনীর মূল উদ্দেশ্যই ছিল নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন নিশ্চিত করা। D) সংসদে মহিলা আসন — সংবিধানে নারীদের জন্য সংরক্ষিত নারী আসন সংক্রান্ত বিধান বিভিন্ন সংশোধনীর মাধ্যমে যুক্ত বা পরিবর্তিত হয়েছে, যা ত্রয়োদশ সংশোধনীর বিষয় ছিল না। ৫. মনে রাখার টিপস: ত্রয়োদশ সংখ্যাটি নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকারের সঙ্গে যুক্ত। মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো ত্রয়োদশ মানে ত তে তত্ত্বাবধায়ক সরকার। দ্বাদশ সংশোধনী সংসদীয় পদ্ধতির সরকার ফিরিয়ে আনে এবং ঠিক তার পরেরটি অর্থাৎ ত্রয়োদশ সংশোধনী তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা আনে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সংবিধানের কোন সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রবর্তিত হয়েছিল তা প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। একই বিষয় থেকে প্রশ্ন আসতে পারে ত্রয়োদশ সংশোধনী কত সালে পাস হয় বা কোন সালে বাতিল করা হয়।
a অনুচ্ছেদ ৭
b অনুচ্ছেল ৭(ক)
c অনুচ্ছেদ ৭(খ)
d অনুচ্ছেদ ৮
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অনুচ্ছেদ ৭(খ) ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৭(খ) অনুযায়ী সংবিধানের প্রস্তাবনা এবং প্রথম, দ্বিতীয় ও নবম ভাগের বিধানাবলি এবং সংবিধানের অন্যান্য বিধানাবলির ১৫০ অনুচ্ছেদের বিধান সংশোধন অযোগ্য ঘোষণা করা হয়েছে। - এই অনুচ্ছেদের মাধ্যমে সংবিধানের মৌলিক কাঠামো বা মূল চেতনা পরিবর্তন করা একপ্রকার নিষিদ্ধ করা হয়েছে যাতে ভবিষ্যতে কেউ স্বৈরতান্ত্রিক উপায়ে সংবিধানের মৌলিক বিধান নষ্ট করতে না পারে। ২. সংবিধান ও আইন: - সাংবিধানিক প্রেক্ষাপট: ২০১১ সালে অর্জিত পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানের সপ্তম অনুচ্ছেদের পরে ৭(ক) এবং ৭(খ) অনুচ্ছেদ দুটি যুক্ত করা হয়। - সংবিধানের মৌলিক বিধান: রাষ্ট্রের মূলনীতি, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা ও জাতীয়তাবাদ এবং সংবিধানের প্রস্তাবনা এই সুরক্ষার আওতাভুক্ত। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: পঞ্চদশ সংশোধনী আইন, ২০১১ ব্যাখ্যা: এই সংশোধনীর মাধ্যমেই মূলত সংবিধানের ৭(খ) অনুচ্ছেদ সংযোজন করে সংবিধানের মৌলিক ভিত্তি সুরক্ষিত করা হয়েছে। উদাহরণ ২: সংবিধানের মূল চেতনা ও প্রস্তাবনা ব্যাখ্যা: বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও রাষ্ট্র পরিচালনার মৌলিক নীতিসমূহ এই অনুচ্ছেদের মাধ্যমে অপরিবর্তনীয় রাখা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অনুচ্ছেদ ৭ — এই অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ এবং সংবিধান প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন, তবে এটি মৌলিক বিধান পরিবর্তন অযোগ্য সংক্রান্ত নয়। B) অনুচ্ছেদ ৭(ক) — এই অনুচ্ছেদে সংবিধান বাতিল, স্থগিতকরণ বা তা করার চেষ্টার মতো অসাংবিধানিক কাজের জন্য রাষ্ট্রদ্রোহিতার অপরাধের কথা বলা হয়েছে। D) অনুচ্ছেদ ৮ — এই অনুচ্ছেদে জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতাকে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - সংবিধানের মৌলিক বিধান পরিবর্তনের অযোগ্যতা মনে রাখতে সংখ্যা সাতের সাথে খ যুক্ত অংশটি মনে রাখবে যা পঞ্চদশ সংশোধনী দ্বারা এসেছে। - সাতের ক তে রাষ্ট্রদ্রোহিতা এবং সাতের খ তে সংবিধানের মৌলিক বিধান পরিবর্তনের অযোগ্যতার কথা বলা হয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পঞ্চদশ সংশোধনী এবং সংবিধানের মৌলিক কাঠামো নিয়ে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - ৭(ক) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী অসাংবিধানিক পন্থায় ক্ষমতা দখল বা সংবিধান স্থগিত করা রাষ্ট্রদ্রোহিতা হিসেবে গণ্য হয় যা আরেকটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।
a এপ্রিল ১০, ১৯৭১
b এপ্রিল ১১, ১৯৭১
c এপ্রিল ১২, ১৯৭১
d এপ্রিল ১৩, ১৯৭১
0 92 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) এপ্রিল ১১, ১৯৭১ ১. কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ১১ এপ্রিল কলকাতার ৮, থিয়েটার রোডে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ বাহিনী বা মুক্তিবাহিনী গঠিত হয়। - তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ এবং সেনাপ্রধান হিসেবে কর্নেল এম এ জি ওসমানী এই বাহিনী গঠনে প্রধান ভূমিকা পালন করেন। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: পাকিস্তান সামরিক জান্তার বিরুদ্ধে সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তুলতে এবং সুশৃঙ্খল যুদ্ধের জন্য একটি নিয়মিত ও অনিয়মিত বাহিনী গঠনের প্রয়োজন দেখা দেয়। - তারিখ ও স্থান: ১৯৭১ সালের ১১ এপ্রিল পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার ৮, থিয়েটার রোড ছিল মুজিবনগর সরকারের অস্থায়ী সচিবালয় ও সদর দপ্তর। - ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: কর্নেল এম এ জি ওসমানীকে বাংলাদেশ বাহিনীর প্রধান সেনাপতি হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হয় এবং পরবর্তীতে সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়। - তাৎপর্য ও ফলাফল: এই বাহিনী গঠনের ফলে বিক্ষিপ্ত প্রতিরোধগুলো একটি সুসংগঠিত ও কমান্ডের অধীনে পরিচালিত সামরিক শক্তিতে রূপ নেয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলার আম্রকাননে মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে। ব্যাখ্যা: এই সরকার গঠনের মাধ্যমেই স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম মন্ত্রিপরিষদ গঠিত হয় এবং বাংলাদেশ বাহিনী এই সরকারের অধীনেই পরিচালিত হতো। উদাহরণ ২: ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করা হয়। ব্যাখ্যা: এই ঘোষণাপত্রের মাধ্যমে ২৬ মার্চ ঘোষিত স্বাধীনতাকে আইনগত ভিত্তি দেওয়া হয় এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) এপ্রিল ১০, ১৯৭১ — এই তারিখে স্বাধীন বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকার গঠিত হয় এবং স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করা হয়, বাংলাদেশ বাহিনী গঠিত হয়নি। B) এপ্রিল ১১, ১৯৭১ — এটি সঠিক উত্তর, এই দিনেই ৮, থিয়েটার রোডে বাংলাদেশ বাহিনী গঠিত হয়। C) এপ্রিল ১২, ১৯৭১ — এই তারিখে প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ বাংলাদেশ বেতারে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন এবং সরকারের কার্যক্রম তুলে ধরেন। D) এপ্রিল ১৩, ১৯৭১ — এই তারিখে মন্ত্রিপরিষদের বিভিন্ন দপ্তরের দায়িত্ব বণ্টন করা হয় এবং বিভিন্ন প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ১০ এপ্রিল সরকার গঠন, ১১ এপ্রিল বাহিনী গঠন এবং ১৭ এপ্রিল শপথ গ্রহণ—এই ক্রমটি মনে রাখলে সাল ও তারিখের কনফিউশন দূর হবে। - ৮, থিয়েটার রোড বললেই কলকাতার মুজিবনগর সরকারের সদর দপ্তর এবং বাংলাদেশ বাহিনী গঠনের কথা মাথায় আনতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলাদেশ বাহিনীর প্রথম সেনাপতি কে ছিলেন—এই প্রশ্নটি পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। এর উত্তর হলো কর্নেল এম এ জি ওসমানী। - একই বিষয় থেকে প্রশ্ন হতে পারে যে, বাংলাদেশ বাহিনীকে কয়টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল এবং এর উত্তর হবে ১১টি।
a রোজ গার্ডেন
b সিরাজগঞ্জে
c সন্তোষে
d সুনামগঞ্জ
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সন্তোষে ১. কেন সঠিক: কাগমারী সম্মেলন ১৯৫৭ সালের ঐতিহাসিক একটি রাজনৈতিক ঘটনা যা টাঙ্গাইল জেলার সন্তোষে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর আহ্বানে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় এবং তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক গতিপ্রকৃতিতে এটি গভীর প্রভাব ফেলেছিল। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯৫৭ সালের ৭ থেকে ১১ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের কাগমারী (বর্তমান টাঙ্গাইলের সন্তোষ) এলাকায় এই ঐতিহাসিক সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: এই সম্মেলনের মূল আয়োজক ছিলেন মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী এবং এতে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীসহ দেশের শীর্ষস্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন। তাৎপর্য ও ফলাফল: এই সম্মেলনে মওলানা ভাসানী পাকিস্তানের পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকদের বৈষম্যমূলক নীতির প্রতিবাদে আছসালামু আলাইকুম বলে পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্নের প্রথম জোরালো বার্তা দিয়েছিলেন। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন। ব্যাখ্যা: কাগমারী সম্মেলনের ঠিক আগে এই নির্বাচন তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের রাজনীতিতে বাঙালি জাতীয়তাবাদের ভিত্তি শক্ত করেছিল। উদাহরণ ২: ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচন। ব্যাখ্যা: কাগমারী সম্মেলনের মাধ্যমে সূচিত স্বাধিকারের দাবিই পরবর্তীতে ১৯৭০ সালের নির্বাচনে বাঙালির নিরঙ্কুশ রায় অর্জনে সহায়তা করেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রোজ গার্ডেন — এটি ঢাকার কে এম দাস লেনে অবস্থিত ঐতিহাসিক ভবন যেখানে ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন আওয়ামী মুসলিম লীগ গঠিত হয়েছিল। B) সিরাজগঞ্জে — এটি একটি প্রশাসনিক জেলা এবং যমুনা নদীর তীরবর্তী অঞ্চল, যা পাট ব্যবসা ও তাঁতশিল্পের জন্য বিখ্যাত হলেও কাগমারী সম্মেলনের স্থান নয়। D) সুনামগঞ্জ — এটি হাওড় অঞ্চলের একটি উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় জেলা যা প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও বাউল সংস্কৃতির জন্য পরিচিত কিন্তু এই ঐতিহাসিক সম্মেলনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: মওলানা ভাসানীর সাথে সন্তোষ এবং কাগমারী নামটি ওতপ্রোতভাবে জড়িত। কাগমারী সম্মেলন কোথায় হয়েছিল মনে রাখতে সন্তোষ শব্দটির সঙ্গে ভাসানীর সন্তোষজনক রাজনৈতিক অবস্থান মনে রাখতে পারেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কাগমারী সম্মেলন কে আহ্বান করেছিলেন এবং এটি কত সালে অনুষ্ঠিত হয় তা প্রায়ই আসে। একই বিষয় থেকে কাগমারী সম্মেলনে মওলানা ভাসানীর ঐতিহাসিক আসসালামু আলাইকুম ভাষণ সম্পর্কিত প্রশ্নও পরীক্ষাতে আসতে পারে।
a পুন্ড্রু
b তাম্রলিপ্তি
c গৌড়
d হরিকেল
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পুন্ড্রু ১. কেন সঠিক: প্রাচীন বাংলার জনপদগুলোর মধ্যে পুন্ড্রু হলো সর্বপ্রাচীন ও ইতিহাসের দিক থেকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জনপদ। মহাভারত এবং প্রাচীন ভারতীয় সাহিত্য পুন্ড্রু জনপদের উল্লেখ পাওয়া যায়, যা বাংলার প্রাচীন জনবসতির প্রমাণ বহন করে। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: বর্তমান বগুড়া, রাজশাহী, দিনাজপুর ও রংপুর অঞ্চল নিয়ে প্রাচীন পুন্ড্রু জনপদ গঠিত হয়েছিল। স্থান ও রাজধানী: এই জনপদের রাজধানী ছিল পুন্ড্রবর্ধন বা বর্তমান মহাস্থানগড়, যা বাংলাদেশের অন্যতম প্রাচীন ঐতিহাসিক স্থান। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: মহাস্থানগড় ব্যাখ্যা: এটি পুন্ড্রবর্ধনের রাজধানী ছিল এবং প্রাচীন বাংলার প্রথম নগর সভ্যতার নিদর্শন বহন করে। উদাহরণ ২: প্রাচীন বাংলার জনপদ ব্যাখ্যা: বাংলার বিভিন্ন অঞ্চল বিভিন্ন নামে পরিচিত ছিল এবং পুন্ড্রু তার মধ্যে প্রাচীনতম রাজনৈতিক ও জনবসতিপূর্ণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পুন্ড্রু — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বাংলার সর্বপ্রাচীন জনপদ হিসেবে স্বীকৃত এবং এর ঐতিহাসিক ভিত্তি অত্যন্ত শক্ত। B) তাম্রলিপ্তি — এটি প্রাচীন বাংলার একটি গুরুত্বপূর্ণ বন্দর ও জনপদ হলেও পুন্ড্রুর মতো সর্বপ্রাচীন নয়। C) গৌড় — এটি পরবর্তী সময়ে প্রাচীন বাংলার একটি শক্তিশালী রাজনৈতিক কেন্দ্র ও জনপদ হিসেবে গড়ে উঠেছিল, যা পুন্ড্রুর চেয়েও অনেক পরের ইতিহাসের অংশ। D) হরিকেল — এটি প্রাচীন বাংলার পূর্ব অঞ্চলের একটি জনপদ ছিল, যা আধুনিক সিলেট ও চট্টগ্রাম অঞ্চল নিয়ে গঠিত এবং এটিও পরবর্তীকালের ইতিহাস। ৫. মনে রাখার টিপস: প্রাচীন বাংলার সবচেয়ে পুরোনো জনপদ মনে রাখতে প্রথম অক্ষর মিলিয়ে মনে রাখতে পারো পুন্ড্রু মানেই প্রথম বা প্রাচীনতম। গৌড় বা হরিকেল পরবর্তী সময়ের জনপদ, তাই প্রাচীনতম বললে পুন্ড্রুই সঠিক উত্তর হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রাচীন বাংলার জনপদের নাম ও বর্তমান অবস্থান প্রায়ই আসে। পুন্ড্রু জনপদের রাজধানী মহাস্থানগড় কোথায় অবস্থিত, এই প্রশ্নটি বিভিন্ন পরীক্ষায় বারবার দেখা যায়।
a অনুচ্ছেদ ২২
b অনুচ্ছেদ ২৩
c অনুচ্ছেদ ২৪
d অনুচ্ছেদ ২৫
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অনুচ্ছেদ ২৫ ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশের সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতির আওতায় অনুচ্ছেদ ২৫ এ আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও উন্নয়ন প্রসঙ্গে বৈদেশিক নীতির সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। - এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্র সমতা ও পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে পারস্পরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শক্তি প্রয়োগ বর্জন এবং আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ মীমাংসার নীতি অনুসরণ করবে। ২. সংবিধান ও আইন: - সংবিধানের ২৫ অনুচ্ছেদে মূলত বিশ্বশান্তি রক্ষা, সাম্রাজ্যবাদ ও উপনিবেশবাদের বিরোধিতা এবং আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘের চার্টারের নীতি অনুসরণের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। - বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ এবং সংবিধান প্রণেতারা স্বাধীন দেশের পররাষ্ট্রনীতি নির্ধারণের সময় এই মূলনীতিটি অত্যন্ত দূরদর্শিতার সঙ্গে সংবিধানে সংযোজন করেছিলেন। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশ জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সক্রিয় অংশগ্রহণ। ব্যাখ্যা: সংবিধানের ২৫ অনুচ্ছেদের নির্দেশনার আলোকেই বাংলাদেশ বিশ্বের বিভিন্ন সংঘাতপূর্ণ দেশে শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে সফলভাবে সেনা ও পুলিশ সদস্য প্রেরণ করে আসছে। উদাহরণ ২: মিয়ানমার থেকে বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের আশ্রয়দান। ব্যাখ্যা: আন্তর্জাতিক আইন এবং মানবিক মূল্যবোধকে শ্রদ্ধা জানিয়ে বাংলাদেশ এই সংকট সমাধানের ক্ষেত্রে শান্তিপূর্ণ ও কূটনৈতিক পথ বেছে নিয়েছে, যা পররাষ্ট্রনীতির মূলনীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অনুচ্ছেদ ২২ — এই অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রীয় অঙ্গসমূহ থেকে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণের কথা বলা হয়েছে, যা বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার সঙ্গে সম্পর্কিত। B) অনুচ্ছেদ ২৩ — এই অনুচ্ছেদে জনগণের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ, রক্ষা ও বিকাশের জন্য রাষ্ট্রের দায়িত্বের কথা বলা হয়েছে, যার সঙ্গে বৈদেশিক নীতির কোনো সম্পর্ক নেই। C) অনুচ্ছেদ ২৪ — এই অনুচ্ছেদে ঐতিহাসিক ও জাতীয় গুরুত্বসম্পন্ন স্মারক বা বস্তু সংরক্ষণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যা সংস্কৃতি ও পুরাকীর্তি রক্ষার সঙ্গে জড়িত। D) অনুচ্ছেদ ২৫ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই অনুচ্ছেদেই আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির প্রসারে বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতির মূল ভিত্তি স্পষ্টভাবে বর্ণনা করা হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিগুলো আলোচনা করা হয়েছে এবং ২৫ নম্বর অনুচ্ছেদটি আন্তর্জাতিক সম্পর্কের সঙ্গে যুক্ত। - আন্তর্জাতিক সম্পর্ক মানেই বাইরের দেশ, তাই পর-দেশ বা পররাষ্ট্রনীতি মনে রাখতে ২৫ অনুচ্ছেদকে মাথায় রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই সংবিধানের বিভিন্ন অনুচ্ছেদ থেকে প্রশ্ন আসে, বিশেষ করে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ কোন অনুচ্ছেদে আছে তা গুরুত্বপূর্ণ। - একই বিষয় থেকে অন্য প্রশ্ন আসতে পারে যে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির মূল ভিত্তি কী বা এটি সংবিধানের কত নম্বর ভাগে অবস্থিত।
a খাগড়াছাড়ি জেলায়
b রাঙ্গামাটি জেলায়
c বান্দরবান জেলায়
d কক্সবাজার জেলায়
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) খাগড়াছাড়ি জেলায় ১. কেন সঠিক: আলুটিলা প্রাকৃতিক গুহা বাংলাদেশের খাগড়াছড়ি জেলায় অবস্থিত একটি বিখ্যাত পর্যটন আকর্ষণ। পাহাড়ের তলদেশ দিয়ে প্রাকৃতিকভাবে তৈরি এই রহস্যময় গুহাটি ভৌগোলিক ও ভূপ্রাকৃতিক বৈচিত্র্যের কারণে পর্যটকদের কাছে অত্যন্ত পরিচিত। ২. ভৌগোলিক ও পর্যটনগত তথ্য: অবস্থান: খাগড়াছড়ি জেলা সদর থেকে প্রায় সাত কিলোমিটার দূরে আলুটিলা বা আরেঙ জিরি নামক স্থানে এই গুহাটি অবস্থিত। প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য: চুনাপাথরের গঠিত এই সুদীর্ঘ গুহাটির ভেতর দিয়ে একটি ঝরনাধারা প্রবাহিত হয় এবং এর মধ্য দিয়ে হেঁটে যেতে হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাপ্তাই লেক ব্যাখ্যা: এটি রাঙ্গামাটি জেলায় অবস্থিত একটি কৃত্রিম জলাধার যা পার্বত্য চট্টগ্রামের ভৌগোলিক পরিচয়ের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। উদাহরণ ২: নীলাচল ব্যাখ্যা: এটি বান্দরবান জেলায় অবস্থিত একটি বিখ্যাত পর্যটন কেন্দ্র যা পাহাড়ের সৌন্দর্য উপলব্ধির জন্য পরিচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) খাগড়াছাড়ি জেলায় — এই অপশনটি সঠিক কারণ আলুটিলা গুহা খাগড়াছড়ি জেলার মূল ভূখণ্ডে অবস্থিত। B) রাঙ্গামাটি জেলায় — রাঙ্গামাটি একটি পার্বত্য জেলা হলেও আলুটিলা গুহা এখানে অবস্থিত নয়। C) বান্দরবান জেলায় — বান্দরবান পাহাড়ি জেলা হলেও আলুটিলা প্রাকৃতিক গুহার অবস্থান এখানে নয়। D) কক্সবাজার জেলায় — কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের জন্য বিখ্যাত এবং এখানে এই ধরনের গুহা নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: আলুটিলা নামটির সঙ্গে খাগড়াছড়ি জেলার পর্যটন স্পটগুলোর নাম ও অবস্থান একসঙ্গে মনে রাখতে হবে। পাহাড় ঘেরা খাগড়াছড়ি বললেই আলুটিলা গুহা এবং রিছাং ঝরনার নাম চলে আসে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পার্বত্য চট্টগ্রামের ভৌগোলিক নিদর্শন ও পর্যটন কেন্দ্রগুলোর সঠিক জেলাভিত্তিক অবস্থান থেকে প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে। একই বিষয় থেকে গুহা বা ঝরনা কোন জেলায় অবস্থিত তা নিয়ে প্রশ্ন হতে পারে।
a খাজা নাজিম উদ্দীন
b নুরুল আমিন
c লিয়াকত আলী খান
d মােহাম্মদ আলী জিন্নাহ
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) খাজা নাজিম উদ্দীন ১. কেন সঠিক: ভাষা আন্দোলনের সময় ১৯৫২ সালে খাজা নাজিম উদ্দীন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। ১৯৫২ সালের ২৬ জানুয়ারি ঢাকার পল্টন ময়দানের জনসভায় তিনি জিন্নাহর সুরেই উর্দুকে একমাত্র রাষ্ট্রভাষা করার ঘোষণা দেন, যা ভাষা আন্দোলনকে তীব্র করে তোলে। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও সংশ্লিষ্ট তথ্য: ১৯৪৮ সালের ১৯ থেকে ২৩ মার্চ পাকিস্তান গণপরিষদে খাজা নাজিম উদ্দীনের ভূমিকা ছিল বাঙালি বিরোধী। তিনি উর্দুকে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা করার পক্ষে জোরালো অবস্থান নেন। ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ছাত্র-জনতার মিছিলে গুলি চালানোর সময়ও তিনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে রাষ্ট্রক্ষমতার দায়িত্বে ছিলেন। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ১৯৪৮ সালের ২৩ মার্চ খাজা নাজিম উদ্দীন পূর্ব পাকিস্তান সফরকালে রাষ্ট্রভাষা উর্দু করার পক্ষে বক্তব্য দেন। ব্যাখ্যা: এই ঘটনার প্রতিবাদে ছাত্রসমাজ ও বুদ্ধিজীবীরা তাৎক্ষণিকভাবে প্রতিবাদ জানিয়েছিল এবং বাংলা ভাষার দাবি আরও জোরালো হয়। উদাহরণ ২: ১৯৫২ সালের ২৬ জানুয়ারি খাজা নাজিম উদ্দীনের পল্টন ময়দানের ঘোষণা। ব্যাখ্যা: এই ঘোষণা থেকেই বাঙালি বুঝতে পারে সরকার আপস করবে না, ফলে একুশে ফেব্রুয়ারি সর্বাত্মক আন্দোলনের রূপ নেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) খাজা নাজিম উদ্দীন — ভাষা আন্দোলনের সময় ১৯৫২ সালে তিনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। B) নুরুল আমিন — তিনি ভাষা আন্দোলনের সময় পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন, প্রধানমন্ত্রী ছিলেন না। C) লিয়াকত আলী খান — তিনি পাকিস্তানের প্রথম প্রধানমন্ত্রী ছিলেন এবং ১৯৫১ সালের ১৬ অক্টোবর রাওয়ালপিন্ডিতে নিহত হন। D) মােহাম্মদ আলী জিন্নাহ — তিনি পাকিস্তানের প্রথম গভর্নর জেনারেল ছিলেন এবং ১৯৪৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর মারা যান। ৫ মনে রাখার টিপস: ভাষা আন্দোলনের বছর ১৯৫২ সালে পাকিস্তানে নাজির ছিলেন খাজা নাজিম উদ্দীন। এভাবে মনে রাখতে পারেন নাজিম উদ্দীন মানে ১৯৫২ সালের প্রধানমন্ত্রী। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ভাষা আন্দোলনের সময় পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রী কে ছিলেন এই প্রশ্ন প্রায়ই আসে, যার উত্তর নুরুল আমিন। প্রধানমন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রীর এই পার্থক্য পরীক্ষার্থীদের ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a নওয়াব আবদুল লতিফ
b স্যার সৈয়দ আহমেদ
c নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ
d খাজা নাজিমুদ্দিন
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ ১. কেন সঠিক: - ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ রদ হওয়ার পর পূর্ববঙ্গের মুসলমানদের শিক্ষাক্ষেত্রে যে ক্ষতি হয়, তার ক্ষতিপূরণ হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবি ওঠে। - এই দাবি আদায়ে এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন এবং সর্বাত্মক সহযোগিতা করেন। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯১২ সালে লর্ড হার্ডিঞ্জের ঢাকা সফরকালে নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল পূর্ববঙ্গের মুসলমানদের শিক্ষাগত অনগ্রসরতার কথা তুলে ধরে। - ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য জমি দান করেন এবং তৎকালীন সরকারের ওপর প্রবল রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টি করেন। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: কার্জন হল ব্যাখ্যা: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রাক্কালে ১৯০৪ সালে এর ভবন হিসেবে কার্জন হলের নির্মাণকাজ শুরু হয়, যা পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদের অংশ হয়। উদাহরণ ২: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা আইন ব্যাখ্যা: ১৯২০ সালের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অ্যাক্ট পাসের মাধ্যমে ১৯২১ সালের ১ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আনুষ্ঠানিকভাবে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নওয়াব আবদুল লতিফ — তিনি ঊনবিংশ শতাব্দীতে বাংলায় মুসলিম আধুনিক শিক্ষার প্রসারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন, কিন্তু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সরাসরি জড়িত ছিলেন না। B) স্যার সৈয়দ আহমেদ — তিনি ভারতের আলীগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, যা বাংলার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বহু পূর্বে প্রতিষ্ঠিত হয়। C) নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ — এটি সঠিক উত্তর। D) খাজা নাজিমুদ্দিন — তিনি পরবর্তীতে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ও গভর্নর-জেনারেল হয়েছিলেন, তবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার মূল নেতৃত্বে তিনি ছিলেন না। ৫ মনে রাখার টিপস: - ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সলিমুল্লাহ নামটি ওতপ্রোতভাবে জড়িত। - মনে রাখার কৌশল হিসেবে মাথায় রাখতে হবে যে পূর্ববঙ্গের মুসলমানদের শিক্ষার জন্য সলিমুল্লাহ নিজের জমি ও অর্থ উৎসর্গ করেছিলেন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর প্রথম উপাচার্য কে ছিলেন, তা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a শামসুদ্দীন ইলিয়াস শাহ
b নাসিরুদ্দীন মাহমুদ শাহ
c আলাউদ্দিন হােসেন শাহ
d গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আলাউদ্দিন হােসেন শাহ ১. কেন সঠিক: সুলতান আলাউদ্দিন হোসেন শাহের রাজত্বকালকে বাংলার ইতিহাসের স্বর্ণযুগ বলা হয় কারণ এ সময় শিল্প, সাহিত্য, সংস্কৃতি এবং অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে অভূতপূর্ব উন্নতি সাধিত হয়েছিল। তার শাসনামলে বাংলায় শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় ছিল এবং হিন্দু ও মুসলিম উভয় সম্প্রদায়ের সাহিত্য ও সংস্কৃতির ব্যাপক বিকাশ ঘটেছিল। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: মধ্যযুগে সুলতানি আমলের শেষভাগে বাংলার স্বাধীন সুলতানি শাসন ব্যবস্থার অন্যতম শ্রেষ্ঠ সময় ছিল হোসেন শাহী আমল। ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: আলাউদ্দিন হোসেন শাহ ১৪৯৪ সালে বাংলার সিংহাসনে আরোহণ করেন এবং ১৫১৯ সাল পর্যন্ত রাজত্ব করে বাংলায় একটি সুদৃঢ় প্রশাসন প্রতিষ্ঠা করেন। তাৎপর্য ও ফলাফল: তার শাসনামলে শ্রীচৈতন্যদেবের বৈষ্ণব ধর্ম প্রচারের সুযোগ সৃষ্টি হয় এবং বাংলা সাহিত্যে পদাবলীর ব্যাপক প্রসার ঘটে। সংশ্লিষ্ট তথ্য: তার আমলেই প্রথম সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় মহাভারত বাংলা ভাষায় অনুবাদের কাজ শুরু হয় এবং কবি শ্রীকর নন্দী ও পরাগল খাঁ তার দ্বারা উৎসাহিত হন। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: শ্রীচৈতন্যদেব ব্যাখ্যা: আলাউদ্দিন হোসেন শাহের উদার ধর্মীয় নীতির কারণে শ্রীচৈতন্যদেব নির্বিঘ্নে বাংলায় ভক্তি আন্দোলন পরিচালনা করতে পেরেছিলেন। উদাহরণ ২: রূপ গোস্বামী ও সনাতন গোস্বামী ব্যাখ্যা: হোসেন শাহের উচ্চপদস্থ রাজকর্মচারী হয়েও তারা পরবর্তীতে বৈষ্ণব ধর্মে দীক্ষিত হন যা তৎকালীন ধর্মনিরপেক্ষতার প্রমাণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শামসুদ্দীন ইলিয়াস শাহ — তিনি সমগ্র বাংলাকে প্রথম রাজনৈতিকভাবে একত্রিত করেছিলেন এবং শাহ ই বাংলা উপাধি ধারণ করেছিলেন, তবে তার সময়কালকে স্বর্ণযুগ বলা হয় না। B) নাসিরুদ্দীন মাহমুদ শাহ — তিনি ইলিয়াস শাহী বংশের একজন শক্তিশালী সুলতান ছিলেন এবং গৌড়ের বিখ্যাত স্থাপত্য নির্মাণের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। C) আলাউদ্দিন হােসেন শাহ — সঠিক উত্তর, কারণ তার আমলেই বাংলার সাহিত্য, সংস্কৃতি ও অর্থনীতি সর্বোচ্চ শিখরে পৌঁছেছিল। D) গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ — তিনি তার ন্যায়পরায়ণতা এবং কবি হাফিজের সঙ্গে পত্রালাপের জন্য বিখ্যাত হলেও তার সময়কাল স্বর্ণযুগ হিসেবে স্বীকৃত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: বাংলার স্বর্ণযুগ মনে রাখার জন্য হোসেন শাহ নামের সঙ্গে সোনালী যুগের প্রথম অক্ষর মিলিয়ে নিতে পারো। ইলিয়াস শাহ সমগ্র বাংলা একত্র করেছিলেন আর হোসেন শাহ সংস্কৃতিকে সমৃদ্ধ করেছিলেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোন সুলতানের আমলকে বাংলার স্বর্ণযুগ বলা হয়। একই বিষয় থেকে ঘুরিয়ে প্রশ্ন আসতে পারে হোসেন শাহ কোন বংশের প্রতিষ্ঠাতা বা তার রাজত্বকাল কত ছিল।
a ৫ম-৬ষ্ঠ শতক
b ৬ষ্ঠ-৭ম শতক
c ৭ম-৮ম শতক
d ৮ম-৯ম শতক
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৭ম-৮ম শতক ১. কেন সঠিক: - শশাঙ্কের মৃত্যুর পর সপ্তম শতকের মাঝামাঝি থেকে অষ্টম শতকের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত বাংলায় কোনো কেন্দ্রীয় বা শক্তিশালী শাসক ছিল না। - এই অরাজকতা ও আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতির যুগকে ঐতিহাসিকরা মাৎস্যন্যায় বলে অভিহিত করেছেন। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: সপ্তম শতাব্দীর মধ্যভাগ থেকে অষ্টম শতাব্দীর মধ্যভাগ পর্যন্ত বাংলায় রাজনৈতিক অস্থিরতা ও বিশৃঙ্খলা বিরাজ করে। - তাৎপর্য ও ফলাফল: এই নৈরাজ্যজনক পরিস্থিতির অবসান ঘটাতে বাংলার প্রকৃতি ও জনগণ গোপালকে রাজা হিসেবে নির্বাচিত করে পাল রাজবংশের প্রতিষ্ঠা করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: পুকুরে বড় মাছ কর্তৃক ছোট মাছ গ্রাস করার প্রবণতা ব্যাখ্যা: শক্তিশালী লোক কর্তৃক দুর্বলকে নির্যাতন করার এই নীতি থেকেই মাৎস্যন্যায় শব্দের উৎপত্তি হয়েছে। উদাহরণ ২: গোপাল কর্তৃক পাল রাজবংশের প্রতিষ্ঠা ব্যাখ্যা: মাৎস্যন্যায়ের অবসান ঘটিয়ে বাংলায় শান্তি ফিরিয়ে আনতে এই রাজবংশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৫ম-৬ষ্ঠ শতক — এই সময়টি প্রাচীন বাংলার গুপ্ত সাম্রাজ্যের পতন এবং স্বাধীন রাজ্যগুলোর উত্থানের শুরুর পর্যায় নির্দেশ করে। B) ৬ষ্ঠ-৭ম শতক — এই সময়টিতে গৌড়রাজ শশাঙ্কের শাসনকাল এবং তার পরবর্তী প্রাথমিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের সময়কালকে বোঝায়। D) ৮ম-৯ম শতক — এই সময়টিতে পাল রাজবংশ ক্ষমতায় এসে বাংলায় স্থিতিশীলতা ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা করেছিল, যা মাৎস্যন্যায়ের পরবর্তী কাল। ৫. মনে রাখার টিপস: - সপ্তম ও অষ্টম শতাব্দীকে মাৎস্যন্যায়ের কাল হিসেবে মনে রাখবে। - মাছের বড় দ্বারা ছোটকে খাওয়ার নীতি থেকেই এই নামের উৎপত্তি হয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মাৎস্যন্যায় শব্দের অর্থ কী এবং কোন শতকে এটি ঘটেছিল, তা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - পাল বংশের প্রতিষ্ঠাতা গোপাল কোন ঘটনার পর ক্ষমতায় এসেছিলেন, তা মনে রাখা জরুরি।
a শাসনতান্ত্রিক কাঠামো
b কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা
c স্বতন্ত্র মুদ্রা ব্যবস্থা
d বিচার ব্যবস্থা
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বিচার ব্যবস্থা ১. কেন সঠিক: - ঐতিহাসিক ছয় দফায় বিচার ব্যবস্থার কোনো স্বতন্ত্র বা সরাসরি দফা ছিল না। - ছয় দফায় মূলত শাসনতন্ত্র, কেন্দ্রীয় ক্ষমতা, মুদ্রা, কর ও শুল্ক, বৈদেশিক বাণিজ্য এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তার কথা বলা হয়েছিল। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯৬৬ সালের ৫ থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধী দলগুলোর এক সম্মেলনে বাঙালি জাতির মুক্তি সনদ খ্যাত ছয় দফা পেশ করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। - তারিখ ও স্থান: ১৯৬৬ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সভায় ছয় দফা প্রস্তাব অনুমোদিত হয় এবং পরে তা প্রচার করা হয়। - ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তান সরকারের বৈষম্যমূলক নীতির বিরুদ্ধে এই ঐতিহাসিক দাবি উত্থাপন করেন। - তাৎপর্য ও ফলাফল: ছয় দফা আন্দোলন বাঙালির স্বায়ত্তশাসন থেকে পরবর্তীতে স্বাধীনতা অর্জনের পথ সুগম করেছিল এবং এটি ছিল ঐতিহাসিক আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার মূল ভিত্তি। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রথম দফা ব্যাখ্যা: লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে পাকিস্তানকে প্রকৃত ফেডারেশন হিসেবে গড়ে তোলার কথা বলা হয়েছিল যেখানে প্রাপ্তবয়স্কদের ভোটে সংসদীয় সরকার থাকবে। উদাহরণ ২: তৃতীয় দফা ব্যাখ্যা: দেশের দুই অঞ্চলের জন্য দুটি পৃথক অথচ সহজে বিনিময়যোগ্য মুদ্রা ব্যবস্থা অথবা একটি নির্দিষ্ট মুদ্রার কথা বলা হয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শাসনতান্ত্রিক কাঠামো — এটি ছয় দফার প্রথম দফায় স্পষ্টভাবে অন্তর্ভুক্ত ছিল। B) কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা — এটি ছয় দফার দ্বিতীয় দফায় প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্র বিষয়ে সীমাবদ্ধ রাখার কথা বলা হয়েছিল। C) স্বতন্ত্র মুদ্রা ব্যবস্থা — এটি ছয় দফার তৃতীয় দফায় অর্থনীতি রক্ষার্থে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। D) বিচার ব্যবস্থা — এটি ছয় দফার মূল ছয়টি দাবির মধ্যে সরাসরি অন্তর্ভুক্ত ছিল না। ৫ মনে রাখার টিপস: - ছয় দফার বিষয়বস্তু মনে রাখতে শাসনতন্ত্র, সরকার, মুদ্রা, কর, বাণিজ্য ও মিলিশিয়া বা আধা সামরিক বাহিনী এই ছয়টি ক্ষেত্র মনে রাখতে হবে। - বিচার ব্যবস্থা বা সুপ্রিম কোর্টের স্বাধীনতা ছয় দফার আলোচনার সরাসরি অংশ ছিল না। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ছয় দফা কে, কোথায় এবং কবে পেশ করেছিলেন তা বিসিএস পরীক্ষায় বারবার আসে। - ছয় দফাকে বাঙালি জাতির ম্যাগনা কার্টা বা মুক্তির সনদ বলা হয়।
a ২০ মে, ১৯৭৩
b ২১ মে, ১৯৭২
c ২২ মে, ১৯৭২
d ২৩ মে, ১৯৭৩
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২৩ মে, ১৯৭৩ ১. কেন সঠিক: - ১৯৭৩ সালের ২৩ মে বিশ্ব শান্তি পরিষদ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে জুলিও কুরী শান্তি পুরস্কারে ভূষিত করে। - এটি ছিল স্বাধীন বাংলাদেশের প্রাপ্ত প্রথম আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি যা বিশ্বশান্তি ও মানবতার পক্ষে বঙ্গবন্ধুর অবদানের মূল্যায়ন করে। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: বিশ্ব শান্তি পরিষদের প্রেসিডিয়াম সভা ১৯৭৩ সালের ২৩ মে কিউবার রাজধানী হাভানায় অনুষ্ঠিত হয় এবং সেখানে এই পুরস্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। - ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: বিশ্ব শান্তি পরিষদের তৎকালীন সেক্রেটারি জেনারেল রমেশ চন্দ্র ঢাকায় এসে ঐতিহাসিক জুলিও কুরী পুরস্কার আনুষ্ঠানিকভাবে বঙ্গবন্ধুর গলায় পরিয়ে দেন। - তাৎপর্য ও ফলাফল: এই পুরস্কার প্রাপ্তির মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু শুধু বাঙালি জাতির নেতা নন, বরং বিশ্বনন্দিত শান্তিবাদী নেতা হিসেবে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে স্বীকৃতি লাভ করেন। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সুফিয়া কামাল হলের সামনে স্থাপিত শান্তিদূত বঙ্গবন্ধু ভাস্কর্য। ব্যাখ্যা: এই ভাস্কর্যটি বঙ্গবন্ধুর জুলিও কুরী শান্তি পুরস্কার প্রাপ্তি এবং বিশ্বশান্তির প্রতি তাঁর আজীবন প্রতিশ্রুতির কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। উদাহরণ ২: ১৯৭৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বঙ্গবন্ধুর বাংলায় ভাষণ। ব্যাখ্যা: এই ভাষণটিও বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের জোরালো অবস্থানকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তুলে ধরেছিল যা জুলিও কুরী পুরস্কারের চেতনার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০ মে, ১৯৭৩ — এই তারিখে জুলিও কুরী পুরস্কার প্রদানের কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটে নি। এটি একটি ভুল তারিখ। B) ২১ মে, ১৯৭২ — ১৯৭২ সালের এই তারিখে এই পুরস্কার প্রদান করা হয়নি কারণ বঙ্গবন্ধু ১৯৭৩ সালে এটি পান। C) ২২ মে, ১৯৭২ — এই তারিখেও জুলিও কুরী শান্তি পুরস্কার প্রদানের কোনো তথ্য বা ঐতিহাসিক রেকর্ড নেই। D) ২৩ মে, ১৯৭৩ — এটি সঠিক তারিখ কারণ এই দিনেই বিশ্ব শান্তি পরিষদ বঙ্গবন্ধুকে এই prestigious পদক প্রদান করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - সাল মনে রাখার জন্য মনে রাখতে হবে দেশ স্বাধীন হওয়ার প্রায় দেড় বছর পর ১৯৭৩ সালের ২৩ মে এই আন্তর্জাতিক পদকটি আসে। - জুলিও কুরী পুরস্কার এবং ২৩ মে তারিখটি বিসিএস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি তথ্য। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রশ্নটি পুরস্কার ও পদক এবং আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ক্যাটাগরির অন্তর্ভুক্ত। - একই বিষয় থেকে প্রশ্ন আসতে পারে কে এই পুরস্কার প্রদান করেছিল বা বিশ্ব শান্তি পরিষদের কোন সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।
a ২০-২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪
b ২৩-২৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪
c ২৫-২৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪
d ২৭-২৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৪
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৩-২৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪ ১. কেন সঠিক: - পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী জুলফিকার আলী ভুট্টোর বিশেষ অনুরোধে এবং মুসলিম জাহানের চাপের মুখে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যকার বৈরিতা ভুলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ওআইসি সম্মেলনে যোগ দেন। - এই সম্মেলনের মধ্য দিয়ে পাকিস্তান সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের কূটনৈতিক বিজয় অর্জিত হয়। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯৭৪ সালের ২২ থেকে ২৪ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে ওআইসি-র দ্বিতীয় ইসলামিক শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। - ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন এবং ওআইসি-র তৎকালীন মহাসচিবসহ মুসলিম বিশ্ব তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানায়। - তাৎপর্য ও ফলাফল: এই সম্মেলনে অংশগ্রহণের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও স্বাধীনতা আরও সুদৃঢ়ভাবে স্বীকৃতি লাভ করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ ব্যাখ্যা: লাহোর ওআইসি সম্মেলনে অংশগ্রহণের ধারাবাহিকতায় ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে এবং বঙ্গবন্ধু সাধারণ পরিষদে বাংলায় ভাষণ দেন। উদাহরণ ২: ১৯৭২ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের স্বীকৃতি ব্যাখ্যা: ওআইসি সম্মেলনে যাওয়ার আগে ১৯৭২ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়, যা ছিল আন্তর্জাতিক কুটনীতিতে বাংলাদেশের একটি বড় অর্জন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০-২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪ — এই তারিখটি সঠিক নয় কারণ লাহোর ওআইসি সম্মেলন মূলত ২৩ থেকে ২৪ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হয়েছিল এবং বঙ্গবন্ধু ২৩ ফেব্রুয়ারি সেখানে পৌঁছান। B) ২৩-২৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪ — এটি সঠিক উত্তর। এই দুই দিনেই লাহোরে ওআইসি-র মূল শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল এবং বঙ্গবন্ধু এতে সক্রিয়ভাবে যোগ দেন। C) ২৫-২৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪ — এই তারিখটি সম্মেলনের মূল সময়কালের সাথে মিলছে না এবং সম্মেলন শেষ হওয়ার পরের দিনগুলোতে বঙ্গবন্ধু লাহোর থেকে দেশে ফেরেন। D) ২৭-২৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৪ — এই তারিখটি ওআইসি সম্মেলনের সময়কাল নয়, বরং সম্মেলন শেষ হওয়ার পরের সময়কে নির্দেশ করে। ৫ মনে রাখার টিপস: - সালটি মনে রাখুন ১৯৭৪ এবং মাসটি ফেব্রুয়ারি। - ভাষার মাস ফেব্রুয়ারির ঠিক শেষের দিকে ২৩-২৪ তারিখে বঙ্গবন্ধু লাহোরে ওআইসি সম্মেলনে যোগ দিয়েছিলেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রশ্নটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। - ওআইসি-র সদস্যপদ লাভের সাল এবং বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বঙ্গবন্ধুর বিদেশ সফর সংক্রান্ত প্রশ্ন এখান থেকে হতে পারে।
a রাঙ্গামাটি
b খাগড়াছড়ি
c বান্দরবান
d সিলেট
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বান্দরবান ১. কেন সঠিক: প্রান্তিক হ্রদ বাংলাদেশের বান্দরবান জেলায় অবস্থিত একটি অত্যন্ত সুন্দর ও প্রাকৃতিক হ্রদ। ভৌগোলিক ও পর্যটনগত দিক থেকে এটি পার্বত্য অঞ্চলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জলাধার ও দর্শনীয় স্থান। ২. ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য: ভৌগোলিক অবস্থান: এটি বান্দরবান সদর উপজেলার 홀ulia ইউনিয়নের পাহাড়ঘেরা উপত্যকায় অবস্থিত। প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য: হ্রদটি চারদিক থেকে সবুজ পাহাড় এবং ঘন বনাঞ্চল দ্বারা বেষ্টিত। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বগা হ্রদ। ব্যাখ্যা: এটিও বান্দরবান জেলায় অবস্থিত একটি বিখ্যাত প্রাকৃতিক হ্রদ, যা উল্কাপিণ্ডের পতন বা পাহাড় ধসে সৃষ্টি হয়েছে বলে ভূবিজ্ঞানীরা মনে করেন। উদাহরণ ২: রামসাগর। ব্যাখ্যা: এটি দিনাজপুর জেলায় অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক কৃত্রিম দীঘি, যা প্রাচীন বাংলার দীঘি ও জলাধার ব্যবস্থাপনার একটি চমৎকার উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাঙ্গামাটি — রাঙ্গামাটিতে কাপ্তাই হ্রদ এবং দেবতা মকুমসহ অন্যান্য জলরাশি থাকলেও প্রান্তিক হ্রদ এখানে অবস্থিত নয়। B) খাগড়াছড়ি — খাগড়াছড়িতে ঝুলন্ত সেতু ও আলুটিলা গুহা অবস্থিত হলেও প্রান্তিক হ্রদ এই জেলায় নেই। C) বান্দরবান — এটি সঠিক উত্তর কারণ প্রান্তিক হ্রদ এই পার্বত্য জেলায় অবস্থিত। D) সিলেট — সিলেটে অনেক জলাধার, হাওর ও মাধবপুর লেক থাকলেও প্রান্তিক হ্রদ এই অঞ্চলে অবস্থিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: বান্দরবানের পাহাড়ি প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের প্রতীকগুলোর মধ্যে প্রান্তিক হ্রদ অন্যতম। বান্দরবান নামের প্রথম অক্ষর বা এর পাহাড়গুলোর বৈচিত্র্য মনে রাখলে এই হ্রদের অবস্থান সহজে স্মরণ রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রাকৃতিক ও কৃত্রিম হ্রদের অবস্থান প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। একই বিষয় থেকে বগা হ্রদ, কাপ্তাই হ্রদ বা রামসাগর সম্পর্কিত প্রশ্নও পরীক্ষায় থাকতে পারে।
a ৭ মার্চ ১৯৭৩
b ১৭ মার্চ ১৯৭৩
c ২৭ মার্চ ১৯৭৩
d ৭ মার্চ ১৯৭৪
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৭ মার্চ ১৯৭৩ ১. কেন সঠিক: - ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয় এবং একই বছরের ১৬ ডিসেম্বর তা কার্যকর করা হয়। - সংবিধানের বিধান অনুযায়ী স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সংসদ গঠনের জন্য ৭ মার্চ ১৯৭৩ সালে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: স্বাধীনতার পর যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার প্রথম পদক্ষেপ ছিল এই নির্বাচন। - তারিখ ও স্থান: ১৯৭৩ সালের ৭ মার্চ সমগ্র বাংলাদেশে একযোগে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। - ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ এই নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় লাভ করে। - তাৎপর্য ও ফলাফল: এই নির্বাচনে ৩০০টি সাধারণ আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ ২৯৩টি আসন লাভ করে সরকার গঠন করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ১৯৭৩ সালের প্রথম সংসদ নির্বাচন। ব্যাখ্যা: এটি ছিল স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সাংবিধানিক নির্বাচন যার মাধ্যমে সংসদীয় গণতন্ত্রের যাত্রা শুরু হয়। উদাহরণ ২: ১৯৭২ সালের সংবিধান প্রণয়ন। ব্যাখ্যা: এই সংবিধানের আলোকেই ১৯৭৩ সালের সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল যা পরীক্ষার্থীদের সংবিধান ও নির্বাচনের পারস্পরিক সম্পর্ক বোঝাতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৭ মার্চ ১৯৭৩ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দিনেই স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। B) ১৭ মার্চ ১৯৭৩ — এটি ভুল কারণ ১৭ মার্চ হলো জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিনের তারিখ। C) ২৭ মার্চ ১৯৭৩ — এটি ভুল কারণ এই তারিখে বাংলাদেশে কোনো জাতীয় নির্বাচন বা ঐতিহাসিক সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি। D) ৭ মার্চ ১৯৭৪ — এটি ভুল কারণ প্রথম সাধারণ নির্বাচন ১৯৭৪ সালে নয় বরং তার এক বছর আগে ১৯৭৩ সালে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ৫. মনে রাখার টিপস: - ৭ মার্চ তারিখটি দুটি ঐতিহাসিক কারণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ ঐতিহাসিক ভাষণ এবং ১৯৭৩ সালের ৭ মার্চ প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সংসদ নির্বাচন কতটি আসনে অনুষ্ঠিত হয়েছিল তা জেনে রাখা জরুরি। প্রথম সংসদে সাধারণ আসন ছিল ৩০০টি।
a হামিদুর রহমান
b মোস্তফা কামাল
c মুন্সী আব্দুর রহিম
d নুর মােহাম্মদ শেখ
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মুন্সী আব্দুর রহিম ১. কেন সঠিক: - মুন্সী আব্দুর রহিম বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য রাষ্ট্রীয় কোনো খেতাব পাননি। - মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য সাহসিকতা ও আত্মত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ সাতজন বীরকে সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ প্রদান করা হয়। ২. বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বাঙালি জাতি পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর স্বাধীন হয়। - ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: মুক্তিযুদ্ধে অসীম সাহসিকতা প্রদর্শনের জন্য সরকার বীরশ্রেষ্ঠ, বীর উত্তম, বীর বিক্রম ও বীর প্রতীক খেতাব প্রবর্তন করে। - তাৎপর্য ও ফলাফল: বীরশ্রেষ্ঠ খেতাবধারীরা বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের সর্বোচ্চ ত্যাগের প্রতীক এবং তাদের আত্মত্যাগ চিরস্মরণীয় হয়ে আছে। - সংশ্লিষ্ট তথ্য: বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য মোট ৬৭৬ জনকে বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় বীরত্বসূচক খেতাবে ভূষিত করা হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: মোস্তফা কামাল ব্যাখ্যা: সিপাহী মোস্তফা কামাল ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় শহীদ হন এবং তাকে বীরশ্রেষ্ঠ খেতাবে ভূষিত করা হয়। উদাহরণ ২: মতিউর রহমান ব্যাখ্যা: ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান ১৯৭১ সালের ২০ আগস্ট বিমান ছিনতাইয়ের চেষ্টা করতে গিয়ে শহীদ হন এবং তাকেও বীরশ্রেষ্ঠ খেতাব দেওয়া হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হামিদুর রহমান — তিনি ১৯৭১ সালে খেতাবপ্রাপ্ত সর্বকনিষ্ঠ বীরশ্রেষ্ঠ যিনি মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে শহীদ হন। B) মোস্তফা কামাল — তিনি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় যুদ্ধ করে শহীদ হওয়া একজন বীরশ্রেষ্ঠ। C) মুন্সী আব্দুর রহিম — তিনি মুক্তিযুদ্ধের কোনো খেতাব পাননি, তাই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। D) নুর মােহাম্মদ শেখ — তিনি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে সুন্দরবন অঞ্চলে যুদ্ধ করে শহীদ হওয়া একজন বীরশ্রেষ্ঠ। ৫. মনে রাখার টিপস: - সাতজন বীরশ্রেষ্ঠর নাম সহজে মনে রাখতে মূল নামের প্রথম অংশ বা ছক মনে রাখা যায়। - খেতাবপ্রাপ্তদের তালিকা থেকে অন্য কোনো সাধারণ বীর মুক্তিযোদ্ধার নাম দেখলে তাকে বাদ দিতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মুক্তিযুদ্ধে সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ এবং এর সংখ্যা মাত্র সাতজন। - এই টপিক থেকে প্রতি বছর বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে।
a সিপাহী মোস্তফা কামাল
b ল্যান্স নায়েক মুন্সি আবদুর রউফ
c ল্যান্স নায়েক নূর মােহাম্মদ শেখ
d সিপাহী হামিদুর রহমান
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সিপাহী হামিদুর রহমান ১. কেন সঠিক: - বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী হামিদুর রহমানের দেহাবশেষ দীর্ঘ ছাব্বিশ বছর ভারতে সমাহিত ছিল এবং ২০০৭ সালে তা বাংলাদেশে এনে শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে পুনরায় সমাহিত করা হয়। - মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্ব প্রদর্শনের জন্য শহীদ সিপাহী হামিদুর রহমানকে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ প্রদান করা হয়। ২. বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও বীরশ্রেষ্ঠ: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯৭১ সালের ২৮ অক্টোবর মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ধলাই সীমান্ত outpost দখলের সময় পাকিস্তানি মিলিটারির এলএমজি পোস্ট ধ্বংস করতে গিয়ে তিনি শহীদ হন। - তাৎপর্য ও ফলাফল: তাঁর এই আত্মত্যাগের ফলে ধলাই সীমান্ত মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ন্ত্রণে আসে এবং স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ সরকার তাঁর সাহসিকতার স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে বীরশ্রেষ্ঠ উপাধিতে ভূষিত করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান ব্যাখ্যা: তাঁর দেহাবশেষ ১৯৭০ সালে পাকিস্তানে বিমান দুর্ঘটনায় শহীদ হওয়ার পর করাচিতে সমাহিত করা হয়েছিল এবং ২০০৬ সালে তা বাংলাদেশে এনে মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে সমাহিত করা হয়। উদাহরণ ২: বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী হামিদুর রহমান স্মৃতিসৌধ ব্যাখ্যা: তাঁর জন্মস্থান ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর উপজেলার খর্দ্দ খালিশপুর গ্রামে তাঁর স্মরণে এই স্মৃতিসৌধ ও লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সিপাহী মোস্তফা কামাল — ইনি ১৯৭১ সালের ১৮ এপ্রিল ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ার দরুইন গ্রামে শহীদ হন এবং তাঁকে সেখানেই সমাহিত করা হয়। B) ল্যান্স নায়েক মুন্সি আবদুর রউফ — ইনি ১৯৭১ সালের ৮ এপ্রিল রাঙামাটির বুড়িঘাট নামক স্থানে শহীদ হন এবং তাঁকে সেখানেই সমাহিত করা হয়। C) ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ — ইনি ১৯৭১ সালের ৫ সেপ্টেম্বর যশোরের মহিষা অঞ্চলে শহীদ হন এবং তাঁকে শার্শা উপজেলার কাশিপুর গ্রামে সমাহিত করা হয়। D) সিপাহী হামিদুর রহমান — এটি সঠিক উত্তর কারণ একমাত্র তাঁর দেহাবশেষই ভারত থেকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছিল। ৫. মনে রাখার টিপস: - দুজন বীরশ্রেষ্ঠের দেহাবশেষ পাকিস্তান ও ভারত থেকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে এবং তাঁদের দুজনকে মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে সমাহিত করা হয়েছে। - এঁরা হলেন ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান পাকিস্তান থেকে এবং সিপাহী হামিদুর রহমান ভারত থেকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সিপাহী হামিদুর রহমান ছিলেন বীরশ্রেষ্ঠ খেতাবপ্রাপ্তদের মধ্যে বয়সে সবচেয়ে কনিষ্ঠ। - এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে, বিশেষ করে কোন বীরশ্রেষ্ঠের দেহাবশেষ বিদেশ থেকে আনা হয়েছে তা মনে রাখতে হবে।
a ৩টি
b ৪টি
c ৫টি
d ৬টি
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫টি ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী ভারতের রাজ্য হলো মোট ৫টি। রাজ্যগুলো হলো পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, মেঘালয়, ত্রিপুরা ও মিজোরাম। ২. ভৌগোলিক অবস্থান ও সীমান্ত: সীমান্তের দৈর্ঘ্য: বাংলাদেশের মোট আন্তর্জাতিক সীমান্ত হলো ৫১৩৮ কিলোমিটার, যার মধ্যে ভারতের সঙ্গে সীমান্ত হলো ৪১৫৬ কিলোমিটার এবং মিয়ানমারের সঙ্গে সীমান্ত হলো ২৭১ কিলোমিটার। ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী ৫টি রাজ্যের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ সবচেয়ে দীর্ঘ সীমানা ভাগ করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: পশ্চিমবঙ্গ ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের সঙ্গে সবচেয়ে বেশি দীর্ঘ সীমান্ত ভাগ করে এবং এর সঙ্গে বাংলাদেশের আটটি বিভাগের সংযোগ রয়েছে। উদাহরণ ২: ত্রিপুরা ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের তিন দিক থেকে ঘেরা একটি ভারতীয় রাজ্য, যা ভারতের সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩টি - এই সংখ্যাটি ভুল কারণ ভারতের মাত্র তিনটি রাজ্য বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী নয়। B) ৪টি - এই সংখ্যাটি ভুল কারণ ভারতের সীমান্তবর্তী রাজ্য ৪টির বেশি অর্থাৎ ৫টি। C) ৫টি - এটি সঠিক উত্তর এবং ভারতের ৫টি রাজ্য বাংলাদেশের সঙ্গে সীমান্ত ভাগ করে। D) ৬টি - এই সংখ্যাটি ভুল কারণ ভারতের ৬টি রাজ্য বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী রাজ্য ৫টি মনে রাখার সহজ বাক্য হলো ওয়েস্ট বেঙ্গল আসামে মেঘ ও ত্রিপুরায় মিজো দেখল। এখানে ওয়েস্ট বেঙ্গল মানে পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, মেঘ মানে মেঘালয়, ত্রিপুরা এবং মিজো মানে মিজোরাম। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোন ভারতীয় রাজ্য বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী নয়, তাই ৫টি রাজ্যের নাম মুখস্থ রাখা বাধ্যতামূলক। একই বিষয় থেকে প্রশ্ন আসতে পারে ভারতের কোন রাজ্যের সঙ্গে বাংলাদেশের সীমান্ত সবচেয়ে বেশি।
a দক্ষিণ তালপট্টি
b সেন্টমার্টিন
c নিঝুম দ্বীপ
d ভোলা
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সেন্টমার্টিন ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী মূল ভূখণ্ড ও সামুদ্রিক সীমার সবচেয়ে দক্ষিণ প্রান্তে সেন্টমার্টিন দ্বীপ অবস্থিত। - বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্বাংশে অবস্থিত এই প্রবাল দ্বীপটি বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ হিসেবে পরিচিত। ২. ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য: - ভৌগোলিক অবস্থান: টেকনাফ থেকে প্রায় ৯ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং মিয়ানমারের উপকূলের কাছাকাছি নাফ নদীর মোহনায় অবস্থিত। - প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য: এটি বাংলাদেশর একমাত্র প্রবাল দ্বীপ, যা স্থানীয়ভাবে নারিকেল জিনজিরা নামে পরিচিত। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাবাজার ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান হলেও দ্বীপ নয় এবং এটি দক্ষিণতম বিন্দু হিসেবে বিবেচিত হয় না। উদাহরণ ২: ইনানী সমুদ্র সৈকত ব্যাখ্যা: এটি কক্সবাজারে অবস্থিত একটি পর্যটন কেন্দ্র কিন্তু ভৌগোলিক অবস্থানের দিক থেকে এটি সেন্টমার্টিনের মতো দেশের সর্বদক্ষিণে অবস্থিত নয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দক্ষিণ তালপট্টি — এটি বঙ্গোপসাগরে হারিয়াভাঙা নদীর মোহনায় অবস্থিত একটি পলিদ্বীপ ছিল যা বর্তমানে সমুদ্রগর্ভে নিমজ্জিত। B) সেন্টমার্টিন — এটি ভৌগোলিক বিচারে বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণে অবস্থিত একটি প্রবাল দ্বীপ এবং সঠিক উত্তর। C) নিঝুম দ্বীপ — এটি নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার অন্তর্ভুক্ত একটি চর বা দ্বীপ যা মেঘনার মোহনায় অবস্থিত। D) ভোলা — এটি বাংলাদেশের বৃহত্তম দ্বীপ জেলা হলেও দেশের সর্বদক্ষিণ প্রান্তে অবস্থিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - বাংলাদেশের সবচেয়ে দক্ষিণের ভূখণ্ড মনে রাখতে সেন্টমার্টিনের নাম মনে রাখবে কারণ এটি প্রবাল দ্বীপ হিসেবে সবার শেষে দক্ষিণে ছড়ানো। - দক্ষিণ তালপট্টি নিয়ে প্রায়ই বিভ্রান্তি ঘটে কারণ এটি মানচিত্রের দক্ষিণ সীমান্তে ছিল কিন্তু বর্তমানে তা অস্তিত্বহীন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জানতে চাওয়া হয় বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ কোনটি। - একই বিষয় থেকে ভৌগোলিক সীমানা বা সর্ববিন্দু যেমন সর্বউত্তরে তেঁতুলিয়া সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।

মোট প্রশ্ন (20)

a ৩টি
b ২টি
c ৫টি
d ৪টি
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৪টি ১. কেন সঠিক: আন্তর্জাতিক বিচার আদালত বা আইসিজে ২০১৯ সালের নভেম্বরে গাম্বিয়ার দায়ের করা মামলায় মিয়ানমারকে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর সুরক্ষায় চারটি সুনির্দিষ্ট অস্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেয়। এই নির্দেশগুলোর উদ্দেশ্য ছিল মিয়ানমারে অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতন ও গণহত্যা প্রতিরোধ করা এবং অপরাধের প্রমাণ ধ্বংস করা রোধ করা। ২. আন্তর্জাতিক আদালত সম্পর্কিত তথ্য: প্রতিষ্ঠান: আন্তর্জাতিক বিচার আদালত বা আইসিজে হলো জাতিসংঘের প্রধান বিচার বিভাগীয় অঙ্গ। প্রতিষ্ঠা ও সদর দপ্তর: এটি ১৯৪৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর সদর দপ্তর নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগ শহরের পিস প্যালেসে অবস্থিত। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: গাম্বিয়া বনাম মিয়ানমার মামলা ব্যাখ্যা: ওআইসির পক্ষে আফ্রিকার দেশ গাম্বিয়া আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে রোহিঙ্গা হত্যা ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে এই মামলা করে। উদাহরণ ২: বসনিয়া বনাম সার্বিয়া মামলা ব্যাখ্যা: আইসিজে এর আগেও ১৯৯৫ সালের স্রেব্রেনিকা গণহত্যার মামলায় সার্বিয়াকে গণহত্যা প্রতিরোধে ব্যর্থতার জন্য দায়ী করেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩টি — এই সংখ্যাটি আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের রায়ের ক্ষেত্রে সঠিক নয় কারণ আদালত মোট চারটি আলাদা বাধ্যবাধকতা বা নির্দেশ দিয়েছিল। B) ২টি — দুটি নির্দিষ্ট ব্যবস্থার কথা বলা হলেও আদালতের চূড়ান্ত অন্তর্বর্তীকালীন আদেশে সুনির্দিষ্টভাবে চারটি নির্দেশ অন্তর্ভুক্ত ছিল। C) ৫টি — আদালতের আদেশে ৫টি নয় বরং ৪টি নির্দিষ্ট পদক্ষেপ বা ব্যবস্থার কথা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছিল। D) ৪টি — এই সংখ্যাটি সঠিক কারণ আদালত মিয়ানমারকে গণহত্যা প্রতিরোধ, প্রমাণ সংরক্ষণ, সামরিক বাহিনীকে নিবৃত করা এবং এক মাসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেয়। ৫. মনে রাখার টিপস: রোহিঙ্গা গণহত্যা মামলার বিচারিক আদেশের সংখ্যা মনে রাখতে চার অঙ্কের সংখ্যাটি মনে রাখতে পারো। আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে মিয়ানমারকে দেওয়া অন্তর্তালীন ব্যবস্থার মোট নির্দেশ ছিল চারটি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: আন্তর্জাতিক বিচার আদালত জাতিসংঘের ছয়টি প্রধান অঙ্গের মধ্যে একমাত্র সংস্থা যার সদর দপ্তর নিউইয়র্কে অবস্থিত নয়। এই ধরনের প্রশ্নে সাধারণত মামলার বাদী দেশ গাম্বিয়া এবং আদালতের নাম আইসিজে সম্পর্কে প্রশ্ন আসতে পারে।
a ২৫০০
b ১৯৯১
c ১৯৫০
d ১৮৯০
0 55 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯৯১ ১. কেন সঠিক: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে কোনো দলের দলীয় মনোনয়ন পেতে হলে প্রার্থীকে দলীয় জাতীয় সম্মেলনে নির্দিষ্ট সংখ্যক ডেলিগেটের বা প্রতিনিধির সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থন অর্জন করতে হয়। ডেমোক্রেটিক পার্টির বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী দলীয় মনোনয়ন নিশ্চিত করতে হলে সর্বমোট ৩৯৮২ জন ডেলিগেটের মধ্যে অন্তত ১৯৯১ জনের সমর্থন প্রয়োজন হয়। ২. মার্কিন নির্বাচনী প্রক্রিয়া: যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন একটি জটিল ও দীর্ঘ প্রক্রিয়া যার সূচনা হয় প্রাই Caucus ও প্রাইমারি নির্বাচনের মাধ্যমে। দলীয় জাতীয় সম্মেলনে এই ডেলিকেটরা আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের নিজ নিজ রাজ্যের জনগণের রায়ের প্রতিফলন ঘটিয়ে দলের রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী চূড়ান্ত করেন। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: রিপাবলিকান পার্টি ব্যাখ্যা: রিপাবলিকান পার্টির ক্ষেত্রেও দলীয় মনোনয়ন নিশ্চিত করার জন্য অনুরূপভাবে মোট ডেলিগেটের সংখ্যাগরিষ্ঠ বা নির্ধারিত জাদুকরি সংখ্যা অর্জন করতে হয়। উদাহরণ ২: সুপার ডেলিকেট ব্যাখ্যা: ডেমোক্রেটিক পার্টির সম্মেলনে নির্বাচিত ডেলিকেট ছাড়াও কিছু প্রভাবশালী নেতা ও পদাধিকারী ব্যক্তি সুপার ডেলিকেট হিসেবে ভোট প্রদান করেন যা প্রার্থী মনোনয়নে বিশেষ ভূমিকা রাখে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৫০০ — এই সংখ্যাটি ডেমোক্রেটিক দলের মনোনয়নের জন্য নির্ধারিত ন্যূনতম ডেলিগেট সংখ্যার সঙ্গে মিলে না। B) ১৯৯১ — এটি ডেমোক্রেটিক দলের জাতীয় সম্মেলনে মনোনয়ন নিশ্চিত করার সঠিক ও সর্বমোট প্রয়োজনীয় ম্যাজিক ফিগার। C) ১৯৫০ — এই সংখ্যাটি প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠ ডেলিগেট বা প্রার্থীর জয়ের লক্ষ্যমাত্রার সঠিক হিসাব নয়। D) ১৮৯০ — এই সংখ্যাটি ডেমোক্রেটিক পার্টির দলীয় মনোনয়নের জন্য প্রয়োজনীয় ন্যূনতম সমর্থনের সীমা নির্দেশ করে না। ৫ মনে রাখার টিপস: ডেমোক্রেটিক দলের মোট ডেলিকেট সংখ্যা প্রায় চার হাজার এবং এর অর্ধেক অর্থাৎ ঠিক দুই হাজার থেকে নয় কম তথা ১৯৯১ হলো ম্যাজিক সংখ্যা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জয়ী হতে ইলেকটোরাল কলেজ ভোটের সংখ্যা লাগে ২৭০ এবং দলীয় মনোনয়নের জন্য ডেলিগেটের সংখ্যা লাগে ১৯৯১। এই দুটি সংখ্যা বিসিএস ও ব্যাংকের পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
a ECOSOC
b FAO
c WHO
d HRC
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) WHO ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি হলো WHO, কারণ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বিশ্বব্যাপী স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবিলা ও জরুরি পরিস্থিতি ঘোষণার একমাত্র আন্তর্জাতিক কর্তৃপক্ষ। - ২০২০ সালের ১১ মার্চ এই সংস্থাটি করোনা ভাইরাস সংক্রমণকে বিশ্বব্যাপী মহামারি বা প্যানডেমিক হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছিল। ২. আন্তর্জাতিক সংস্থা: - সংস্থা: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা ডব্লিউএইচও (WHO) - প্রতিষ্ঠা: ১৯৪৮ সালের ৭ এপ্রিল - সদর দপ্তর: সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহর - উদ্দেশ্য: আন্তর্জাতিক জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও বৈশ্বিক স্বাস্থ্য সংকটের সমন্বয় সাধন করা ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ২০০৯ সালের সোয়াইন ফ্লু ব্যাখ্যা: ডব্লিউএইচও এর আগেও ইনফ্লুয়েঞ্জা বা সোয়াইন ফ্লু ভাইরাসকে মহামারি হিসেবে ঘোষণা করেছিল। উদাহরণ ২: গুটিবসন্ত নির্মূল ব্যাখ্যা: ডব্লিউএইচও এর সফল প্রচেষ্টায় ১৯৭০ এর দশকে বিশ্ব থেকে গুটিবসন্ত রোগ পুরোপুরি নির্মূল করা সম্ভব হয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ECOSOC — এটি জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ, যা বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের কাজ করে কিন্তু মহামারি ঘোষণা করে না। B) FAO — এটি জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা, যা বিশ্বজুড়ে খাদ্য নিরাপত্তা ও কৃষি উন্নয়নের জন্য কাজ করে। D) HRC — এটি জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদ, যা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার রক্ষা ও সুরক্ষার দায়িত্ব পালন করে থাকে। ৫ মনে রাখার টিপস: - স্বাস্থ্য সম্পর্কিত যেকোনো বৈশ্বিক জরুরি ঘোষণা বা মহামারি নির্ধারণের কাজটি সবসময় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা ডব্লিউএইচও করে থাকে। - সংস্থাটির নাম এবং জেনেভা সদর দপ্তর মনে রাখলে স্বাস্থ্য বিষয়ক অনেক প্রশ্নের উত্তর সহজে মেলানো সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস কবে পালিত হয় এবং ডব্লিউএইচও এর বর্তমান সদস্য দেশ কতটি, তা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। - এই প্রশ্নটি থেকে মহামারি ঘোষণার এখতিয়ার কোন সংস্থার, তা স্পষ্টভাবে জানা যায়।
a ১৯৪৪ সালে
b ১৯৪৫ সালে
c ১৯৪৮ সালে
d ১৯৪৯ সালে
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯৪৫ সালে ১. কেন সঠিক: আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা আইএমএফ আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে এবং চুক্তি কার্যকর হয় ১৯৪৫ সালের ২৭ ডিসেম্বর। ব্রেটন উডস সম্মেলনের প্রস্তাবনার ভিত্তিতে ১৯৪৪ সালে এই সংস্থা গঠনের সিদ্ধান্ত হলেও, আইএমএফের জন্মতারিখ হিসেবে ১৯৪৫ সালকে ধরা হয়। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: সংস্থা: আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা আইএমএফ (IMF) প্রতিষ্ঠা ও কার্যকর: ১৯৪৪ সালের জুলাই মাসে ব্রটন উডস সম্মেলনে চুক্তি হয় এবং ১৯৪৫ সালের ২৭ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে গঠিত হয়। সদর দপ্তর: ওয়াশিংটন ডিসি, যুক্তরাষ্ট্র উদ্দেশ্য: বৈশ্বিক আর্থিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের প্রসার এবং সদস্য দেশগুলোর অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলায় ঋণ সহায়তা প্রদান। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিশ্বব্যাংক (World Bank) ব্যাখ্যা: আইএমএফের মতোই বিশ্বব্যাংকও ১৯৪৪ সালের ব্রেটন উডস সম্মেলনের মাধ্যমে এবং ১৯৪৫ সালে গঠিত হয়, যা এই অর্থনৈতিক কাঠামোর জোড়া স্তম্ভ নামে পরিচিত। উদাহরণ ২: আইএমএফের ঋণ সহায়তা ব্যাখ্যা: কোনো দেশ বৈদেশিক মুদ্রার সংকটে পড়লে আইএমএফ শর্ত সাপেক্ষে ঋণ প্রদান করে, যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক ধারণা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৪৪ সালে — এটি সেই বছর যখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ব্রেটন উডস সম্মেলনে আইএমএফ গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, তবে সংস্থাটি আনুষ্ঠানিকভাবে গঠিত হয় ১৯৪৫ সালে। B) ১৯৪৫ সালে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই বছরের ২৭ ডিসেম্বর আইএমএফ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয় ও এর কার্যক্রম শুরু হয়। C) ১৯৪৮ সালে — এই সালে জাতিসংঘ সম্পর্কিত বিশেষায়িত সংস্থা হিসেবে ডব্লিউএইচও বা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা গঠিত হয়, যা আইএমএফের প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) ১৯৪৯ সালে — এই সালে সামরিক জোট ন্যাটো গঠিত হয়, যা অর্থনৈতিক সংস্থার পরিবর্তে একটি সামরিক ও প্রতিরক্ষা জোট। ৫ মনে রাখার টিপস: ব্রেটন উডস সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৪৪ সালে। আর আইএমএফ গঠিত হয় তার পরের বছর অর্থাৎ ১৯৪৫ সালে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: আইএমএফ এবং বিশ্বব্যাংককে ব্রেটন উডস টুইনস বা জমজ প্রতিষ্ঠান বলা হয়। পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে যে ব্রেটন উডস সম্মেলন কবে অনুষ্ঠিত হয়েছিল বা আইএমএফের সদর দপ্তর কোথায়।
a ১৯১২ সালে
b ১৯১৩ সালে
c ১৯১৪ সালে
d ১৯১৫ সালে
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৯১২ সালে ১. কেন সঠিক: ব্রিটিশ ভারতের রাজধানী কলকাতা থেকে দিল্লীতে স্থানান্তরিত হয় ১৯১২ সালের ১২ই ডিসেম্বর। মূলত তৎকালীন ব্রিটিশ সম্রাট পঞ্চম জর্জের ভারত সফরকালে দিল্লী দরবারে এই ঘোষণা দেওয়া হয় এবং ১৯১২ সালের ১ এপ্রিল থেকে দিল্লীকে আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতের রাজধানী হিসেবে কার্যকর করা হয়। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ঘটনা: ব্রিটিশ ভারতের রাজধানী স্থানান্তর। তারিখ: ১৯১২ সালের ১২ই ডিসেম্বর ঘোষণা ও ১ এপ্রিল কার্যকর। স্থান: কলকাতা থেকে দিল্লী। প্রেক্ষাপট: বঙ্গভঙ্গ রদের পর ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন প্রশমিত করা এবং প্রশাসনের সুবিধার্থে ভারতের কেন্দ্রস্থল দিল্লীতে রাজধানী স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। গুরুত্ব: দিল্লী শত শত বছর ধরে মুঘল সাম্রাজ্যের রাজধানী থাকায় রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক গুরুত্বের কারণে ব্রিটিশরা এই স্থানকে বেছে নেয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: এডিনবরা থেকে লন্ডন ব্যাখ্যা: ১৬০৩ সালে স্কটল্যান্ডের রাজা ষষ্ঠ জেমস ইংল্যান্ডের সিংহাসনে বসার পর রাজধানী লন্ডনে স্থানান্তরিত হয়, যা দুই দেশের রাজনৈতিক একত্রীকরণে ভূমিকা রাখে। উদাহরণ ২: রিও ডি জেনেরিও থেকে ব্রাসিলিয়া ব্যাখ্যা: ১৯৬০ সালে ব্রাজিল তাদের উপকূলীয় রাজধানী রিও ডি জেনেরিও থেকে দেশের মধ্যবর্তী পরিকল্পিত শহর ব্রাসিলিয়ায় স্থানান্তরিত করে, যাতে অভ্যন্তরীণ উন্নয়নে ভারসাম্য আসে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯১২ সালে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই আনুষ্ঠানিকভাবে ব্রিটিশ ভারতের রাজধানী দিল্লীতে স্থানান্তরিত হয়। B) ১৯১৩ সালে — এই সালে কোনো রাজধানী স্থানান্তরের ঘটনা ঘটেনি, তাই এটি ভুল। C) ১৯১৪ সালে — এই সালটি প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সূচনার জন্য পরিচিত, রাজধানী স্থানান্তরের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। D) ১৯১৫ সালে — এই সালে মহাত্মা গান্ধী দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে ভারতে ফিরে আসেন, যা রাজধানী স্থানান্তরের সাল নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: ১৯১১ সালে দিল্লী দরবারে রাজধানী স্থানান্তরের ঘোষণা দেওয়া হয় এবং ১৯১২ সালে তা আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হয়। মনে রাখার কৌশল হলো ঘোষণার বছর থেকে পরের বছর কার্যকর হয়েছিল। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। এখান থেকে ভিন্নভাবে প্রশ্ন আসতে পারে যে, রাজধানী স্থানান্তরের ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল কোন সালে, যার উত্তর হবে ১৯১১ সাল।
a জিব্রাল্টার প্রণালী
b বসফরাস প্রণালী
c বাব এল মান্দেব প্রণালী
d বেরিং প্রণালী
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বাব এল মান্দেব প্রণালী ১. কেন সঠিক: বাব এল মান্দেব প্রণালী এশিয়া মহাদেশের আরব উপদ্বীপের ইয়েমেন দেশকে আফ্রিকা মহাদেশের জিবুতি ও ইরিত্রিয়া দেশ থেকে পৃথক করেছে। এটি একই সঙ্গে লোহিত সাগরকে ভারত মহাসাগরের এডেন উপসাগরের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে যা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২. ভূরাজনৈতিক গুরুত্ব: জলপথ: এটি মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপের মধ্যকার সমুদ্র বাণিজ্যের অন্যতম প্রধান রুট হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাণিজ্য: সুয়েজ খালের মাধ্যমে ইউরোপে যাতায়াতকারী তেলবাহী জাহাজগুলোর জন্য এটি একটি অপরিহার্য কৌশলগত পথ। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: হরমুজ প্রণালী ব্যাখ্যা: এটি পারস্য উপসাগরকে ওমান উপসাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে এবং মধ্যপ্রাচ্যের তেল বাণিজ্যে এর ভূমিকা অপরিসীম। উদাহরণ ২: মালাক্কা প্রণালী ব্যাখ্যা: এটি এশিয়ার দুটি প্রধান দেশ মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়ার মাঝে অবস্থিত এবং এটি ভারত মহাসাগরকে প্রশান্ত মহাসাগরের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জিব্রাল্টার প্রণালী — এটি আফ্রিকা মহাদেশকে ইউরোপ মহাদেশ থেকে পৃথক করেছে এবং আটলান্টিক মহাসাগরকে ভূমধ্যসাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে। B) বসফরাস প্রণালী — এটি তুরস্কের ইস্তামুল শহরে অবস্থিত এবং এটি কৃষ্ণ সাগরকে মারমারা সাগরের সঙ্গে যুক্ত করে এশিয়া ও ইউরোপকে পৃথক করেছে। D) বেরিং প্রণালী — এটি এশিয়া মহাদেশকে উত্তর আমেরিকা মহাদেশ থেকে পৃথক করেছে এবং প্রশান্ত মহাসাগরকে উত্তর মহাসাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে। ৫ মনে রাখার টিপস: বাব এল মান্দেব নামটি মনে রাখতে পারেন কান্না বা দ্বার শব্দের সঙ্গে মিলিয়ে কারণ এটি লোহিত সাগরের প্রবেশদ্বার। এশিয়া ও আফ্রিকার মাঝে লোহিত সাগরের সংযোগস্থলে এই প্রণালীর অবস্থান সহজে মনে রাখা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রণালী সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে তাই কোন প্রণালী কোন দুটি জলরাশিকে যুক্ত করেছে তা মুখস্থ রাখতে হবে। একইভাবে কোন প্রণালী কোন ভূখণ্ডকে পৃথক করেছে তা নোট করে পড়লে পরীক্ষায় সহজেই উত্তর করা সম্ভব।
a রাশিয়া
b ডেনমার্ক
c সুইডেন
d ইংল্যান্ড
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সুইডেন ১. কেন সঠিক: ফিনল্যান্ড দীর্ঘ শতাব্দী ধরে সুইডিশ সাম্রাজ্যের অংশ এবং একটি উপনিবেশ ছিল। দ্বাদশ শতাব্দী থেকে শুরু করে ১৮০৯ সাল পর্যন্ত ফিনল্যান্ড সুইডেনের অধীনে শাসিত হয়। ঐতিহাসিক ও ভূরাজনৈতিক কারণে সুইডেন ফিনল্যান্ড দখল করেছিল এবং সেখানে তাদের সংস্কৃতি ও আইন প্রবর্তন করে। ১৮০৯ সালে রুশ-সুইডিশ যুদ্ধের পর ফিনল্যান্ড রাশিয়ার অধীনে চলে যায় এবং পরবর্তীতে স্বাধীন হয়। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: দেশ: ফিনল্যান্ড ও সুইডেন প্রেক্ষাপট: মধ্যযুগে সুইডিশ রাজা ও ক্রুসেডাররা ফিনল্যান্ড দখল করে এবং একে সুইডিশ সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত করে। গুরুত্ব: এই দীর্ঘ শাসনের কারণে ফিনল্যান্ডে সুইডিশ সংস্কৃতির প্রভাব এবং ফিনিশ ভাষার পাশাপাশি সুইডিশ ভাষার প্রচলন রয়েছে। ফলাফল: ১৮০৯ সালের পর ফিনল্যান্ড রুশ সাম্রাজ্যের অধীনে স্বায়ত্তশাসিত গ্র্যান্ড ডাচি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: নরওয়ে ও ডেনমার্ক ব্যাখ্যা: নরওয়ে দীর্ঘকাল ডেনমার্কের উপনিবেশ বা আক্ষরিক অর্থে তাদের রাজার অধীনে ছিল, যা স্ক্যান্ডিনেভিয়ান ভূরাজনীতির ইতিহাসকে নির্দেশ করে। উদাহরণ ২: আইসল্যান্ড ও ডেনমার্ক ব্যাখ্যা: আইসল্যান্ডও দীর্ঘকাল ডেনমার্কের শাসনাধীন ছিল এবং ১৯৪৪ সালে সম্পূর্ণ স্বাধীনতা লাভ করে, যা উপনিবেশবাদের আরেকটি ঐতিহাসিক উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাশিয়া — ফিনল্যান্ড রাশিয়ার উপনিবেশ ছিল না, বরং সুইডেনের কাছ থেকে পরাজিত করার পর এটি ১৯১৭ সাল পর্যন্ত রুশ সাম্রাজ্যের অধীনস্থ একটি স্বায়ত্তশাসিত গ্র্যান্ড ডাচি ছিল। B) ডেনমার্ক — ডেনমার্ক ফিনল্যান্ড শাসন করেনি, তবে তারা দীর্ঘদিন নরওয়ে এবং আইসল্যান্ডের ওপর আধিপত্য বিস্তার করেছিল। C) সুইডেন — এই অপশনটি সঠিক কারণ ফিনল্যান্ড দ্বাদশ শতাব্দী থেকে ১৮০৯ সাল পর্যন্ত সুইডেনের প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণে বা উপনিবেশ হিসেবে ছিল। D) ইংল্যান্ড — ইংল্যান্ড ফিনল্যান্ড কখনো শাসন করেনি, তাদের ঔপনিবেশিক সাম্রাজ্য মূলত এশিয়া, আফ্রিকা এবং আমেরিকার বিভিন্ন অঞ্চলে সীমাবদ্ধ ছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: ফিনল্যান্ড বললেই স্ক্যান্ডিনেভিয়ান প্রতিবেশী সুইডেনের দীর্ঘ শাসনকালের কথা মনে রাখবে। সুইডেন প্রথমে ফিনল্যান্ডকে শাসন করেছিল এবং পরবর্তীতে রাশিয়া দখল করেছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ফিনল্যান্ড ১৯১৭ সালের ৬ ডিসেম্বর রাশিয়া থেকে স্বাধীনতা লাভ করে। এই ধরনের প্রশ্ন থেকে প্রায়শই কোন দেশ কার অধীনে ছিল বা কত সালে স্বাধীন হয়েছে, তা বিসিএস পরীক্ষায় আসে।
a কিউবা
b ভিয়েতনাম
c উজবেকিস্তান
d সােমালিয়া
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভিয়েতনাম ১. কেন সঠিক: প্রদত্ত প্রশ্নটি ভুল এবং বিভ্রান্তিকর। প্রশ্নটিতে ভিয়েতনামকে সঠিক উত্তর হিসেবে দেখানো হয়েছে, যা ঐতিহাসিক ও ভূরাজনৈতিক বাস্তবতার সঙ্গে মেলে না। ভিয়েতনামের ক্যাম র্যান বে সামরিক ঘাঁটিতে অতীতে সোভিয়েত ইউনিয়নের উপস্থিতি ছিল, যা ২০১৩ সালে রাশিয়ার সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরিত হলেও বর্তমানে সেখানে কোনো স্থায়ী রুশ সামরিক ঘাঁটি বা সুবিধা নেই। এই প্রশ্নটির ক্ষেত্রে সঠিক ভূরাজনৈতিক বিশ্লেষণ বিবেচনা করলে কিউবা বা অতীতে ভিয়েতনামের ক্যাম র্যান বে আলোচিত হলেও বর্তমানে কিউবা ও ভিয়েতনামের মধ্যে রাশিয়া লজিস্টিক সহায়তা পেলেও ভিয়েতনামে কোনো রাশিয়ান সামরিক ঘাঁটি নেই। তবে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার পুরোনো সিলেবাস বা প্রচলিত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে যদি কিউবাকে ধরা হয়, তবে কিউবার লর্ডস সিগন্যাল ইন্টেলিজেন্স সুবিধা উল্লেখযোগ্য। প্রদত্ত সঠিক উত্তর ভিয়েতনাম হলেও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের আধুনিক বিশ্লেষণে এটি বর্তমান সময়ে কার্যকর বা প্রযোজ্য নয়। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: দেশ: ভিয়েতনাম দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার একটি উদীয়মান রাষ্ট্র। সদর দপ্তর ও স্থান: ভিয়েতনামের ক্যাম র্যান বে একটি কৌশলগত গভীর পানির বন্দর। প্রেক্ষাপট: স্নায়ুযুদ্ধের সময় এই বন্দরে সোভিয়েত ইউনিয়ন নৌ ও বিমান সুবিধা ভোগ করত। উদ্দেশ্য ও গুরুত্ব: দক্ষিণ চীন সাগরে প্রভাব বিস্তার এবং সামরিক কৌশলগত ভারসাম্য বজায় রাখা এর মূল লক্ষ্য। ফলাফল ও প্রভাব: বর্তমানে ভিয়েতনাম তার পররাষ্ট্র নীতিতে ভারসাম্য বজায় রাখে এবং কোনো বিদেশি শক্তিকে স্থায়ী সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করতে দেয় না। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: কিউবার লর্ডস স্পাই স্টেশন। ব্যাখ্যা: এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের খুব কাছে অবস্থিত হওয়ায় রাশিয়া এখানে গোয়েন্দা সুবিধা পেত। উদাহরণ ২: সিরিয়ার তারতুস নৌঘাঁটি। ব্যাখ্যা: মধ্যপ্রাচ্যে রাশিয়ার একমাত্র স্থায়ী সামরিক ঘাঁটি এটি, যা ভূমধ্যসাগরে রুশ নৌবাহিনীর কার্যক্রম পরিচালনা করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কিউবা — কিউবায় সোভিয়েত ইউনিয়নের সময় পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করা হয়েছিল এবং বর্তমানেও রাশিয়ার সঙ্গে দেশটির গোয়েন্দা ও লজিস্টিক সম্পর্ক বিদ্যমান। B) ভিয়েতনাম — প্রদত্ত উত্তরটি ভুল হলেও ক্যাম র্যান বে বন্দরে অতীতে সোভিয়েত উপস্থিতি ছিল এবং বর্তমানে ভিয়েতনাম কোনো বিদেশি সামরিক ঘাঁটি পরিচালনা করতে দেয় না। সি) উজবেকিস্তান — মধ্য এশিয়ার এই দেশটিতে রাশিয়ার সামরিক উপস্থিতি বা স্থায়ী ঘাঁটি নেই, যদিও তারা ওডিকেএ নিরাপত্তা সংস্থার সদস্য ছিল। ডি) সোমালিয়া — হর্ন অব আফ্রিকা অঞ্চলে অবস্থিত এই দেশটিতে চরম গৃহযুদ্ধ ও অস্থিতিশীলতা বিরাজ করছে এবং এখানে রাশিয়ার কোনো স্থায়ী সামরিক ঘাঁটি নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: রাশিয়ার সামরিক ঘাঁটির কথা উঠলে মধ্যপ্রাচ্যের সিরিয়ার তারতুস এবং ল্যাটাকিয়ার নাম সবার আগে মনে রাখবে। ভিয়েতনামের ক্যাম র্যান বে ঘাঁটিটি স্নায়ুযুদ্ধের সময় সোভিয়েত ইউনিয়নের সবচেয়ে বড় বিদেশি ঘাঁটি ছিল। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিটিটিভ পরীক্ষায় দেশগুলোর ভূরাজনৈতিক কৌশল এবং নৌঘাঁটি সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। রাশিয়ার প্রধান বৈদেশিক সামরিক ঘাঁটিগুলো সাধারণত সাবেক সোভিয়েতভুক্ত দেশ এবং মধ্যপ্রাচ্য কেন্দ্রিক।
a দক্ষিণ আমেরিকা
b আফ্রিকা
c মধ্যপ্রাচ্য
d ইউরােপ
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দক্ষিণ আমেরিকা ১. কেন সঠিক: ইনকা সভ্যতা মূলত দক্ষিণ আমেরিকার আন্দিজ পর্বতমালা অঞ্চলে গড়ে উঠেছিল। পঞ্চদশ শতাব্দীতে এটি তৎকালীন বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ও উন্নত সাম্রাজ্যে পরিণত হয়। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: দেশ/অঞ্চল: দক্ষিণ আমেরিকা, বিশেষ করে বর্তমান পেরু, চিলি, ইকুয়েডর ও বলিভিয়া। প্রেক্ষাপট: ত্রয়োদশ শতাব্দী থেকে ষোড়শ শতাব্দী পর্যন্ত এই অঞ্চলে ইনকাদের শক্তিশালী সাম্রাজ্য ছিল। উদ্দেশ্য/গুরুত্ব: উন্নত কৃষি ব্যবস্থা, রাস্তাঘাট নির্মাণ এবং কুসকো রাজধানী শহরের জন্য এই সভ্যতা বিখ্যাত। ফলাফল/প্রভাব: ষোড়শ শতাব্দীতে স্প্যানিশ অভিযাত্রী ফ্রান্সিসকো পিজারোর আক্রমণের ফলে এই প্রাচীন সভ্যতার পতন ঘটে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: মায়া সভ্যতা ব্যাখ্যা: এটি উত্তর আমেরিকার মধ্য আমেরিকা ও মেক্সিকো অঞ্চলে গড়ে ওঠা আরেকটি প্রাচীন সভ্যতা। উদাহরণ ২: আজটেক সভ্যতা ব্যাখ্যা: এটিও মেক্সিকো অঞ্চলে গড়ে উঠেছিল এবং ইনকা সভ্যতার সমসাময়িক ছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দক্ষিণ আমেরিকা — এটি সঠিক উত্তর কারণ ইনকা সভ্যতা এই মহাদেশের আন্দিজ অঞ্চলে বিকাশ লাভ করেছিল। B) আফ্রিকা — এই মহাদেশে ইনকা সভ্যতা ছিল না, এখানে প্রাচীন মিশরীয় সভ্যতা গড়ে উঠেছিল। C) মধ্যপ্রাচ্য — মধ্যপ্রাচ্যে মেসোপটেমিয়া ও সুমেরীয় সভ্যতার মতো প্রাচীন সভ্যতাগুলো গড়ে উঠেছিল। D) ইউরোপ — ইউরোপ অঞ্চলে গ্রিক ও রোমান সভ্যতার বিকাশ ঘটেছিল, ইনকা সভ্যতা এখানে ছিল না। ৫ মনে রাখার টিপস: ইনকা সভ্যতা মানেই দক্ষিণ আমেরিকার আন্দিজ পর্বতমালা এবং পেরুর মাচু পিচু। মাচু পিচুর অবস্থান দক্ষিণ আমেরিকায়—এই তথ্য মনে রাখলে উত্তর ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ইনকা সভ্যতার প্রধান কেন্দ্র ছিল বর্তমান পেরু এবং তাদের বিখ্যাত ঐতিহাসিক শহরের নাম মাচু পিচু। পরীক্ষাতে প্রায়ই প্রাচীন সভ্যতাগুলোর ভৌগোলিক অবস্থান সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
a ক্যামেরুন এবং ইথিওপিয়া
b পেরু এবং ভেনেজুয়েলা
c ইথিওপিয়া এবং ইরিত্রিয়া
d মালি এবং সেনেগাল
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ইথিওপিয়া এবং ইরিত্রিয়া ১. কেন সঠিক: - ইথিওপিয়া ও ইরিত্রিয়ার দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে চলা সীমান্ত বিরোধ ও রক্তক্ষয়ী সংঘাতের অবসান ঘটানোর জন্য ২০১৯ সালে ইথিওপিয়ার প্রধানমন্ত্রী আবি আহমেদকে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার প্রদান করা হয়। - দুই দেশের মধ্যে ঐতিহাসিক শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার ফলে দীর্ঘদিনের বৈরিতা দূর হয় এবং আঞ্চলিক শান্তি প্রতিষ্ঠার পথ সুগম হয়। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও গুরুত্ব: - দেশ/অঞ্চল: হর্ন অব আফ্রিকা বা আফ্রিকার শিং অঞ্চল। - পটভূমি: ১৯৯৩ সালে ইথিওপিয়া থেকে আলাদা হয়ে স্বাধীন হয় ইরিত্রিয়া। এর ফলে ইথিওপিয়া ভূবেষ্টিত রাষ্ট্রে পরিণত হয় এবং পরবর্তীতে সীমান্ত নির্ধারণ নিয়ে ১৯৯৮ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত ভয়াবহ যুদ্ধ সংঘটিত হয়। - চুক্তি: ২০১৮ সালের জুলাই মাসে দুই দেশের মধ্যে যৌথ ঘোষণাপত্র স্বাক্ষরিত হয় এবং সীমান্ত বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান ঘটে। - গুরুত্ব: দীর্ঘ সংঘাতের অবসান ঘটিয়ে প্রতিবেশী দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনঃস্থাপনের স্বীকৃতি হিসেবে এই নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ডেটন শান্তি চুক্তি ব্যাখ্যা: ১৯৯৫ সালে বসনিয়া যুদ্ধের অবসান ঘটাতে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, যা আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে দীর্ঘমেয়াদী সংঘাত নিরসনের একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। উদাহরণ ২: কলম্বিয়া শান্তি চুক্তি ব্যাখ্যা: ২০১৬ সালে কলম্বিয়া সরকার ও ফার্ক গেরিলাদের দীর্ঘ অর্ধশত বছরের গৃহযুদ্ধের অবসান ঘটায়, যার জন্য তৎকালীন প্রেসিডেন্ট হুয়ান ম্যানুয়েল সান্তোস নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক্যামেরুন এবং ইথিওপিয়া — এই দুটি দেশের মধ্যে ২০১৯ সালে নোবেল পুরস্কার পাওয়ার মতো কোনো ঐতিহাসিক সীমান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির ঘটনা ঘটেনি। B) পেরু এবং ভেনেজুয়েলা — এই দেশদুটি দক্ষিণ আমেরিকায় অবস্থিত এবং এদের মধ্যে নোবেল পুরস্কার অর্জিত হওয়ার মতো কোনো সীমান্ত চুক্তি হয়নি। D) মালি এবং সেনেগাল — পশ্চিম আফ্রিকার এই দেশদুটির মধ্যে সীমান্ত বিরোধের কারণে ২০১৯ সালে কোনো আন্তর্জাতিক শান্তি পুরস্কার প্রদানের ঘটনা ঘটেনি। ৫ মনে রাখার টিপস: - ২০১৯ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী আবি আহমেদ ইথিওপিয়ার প্রধানমন্ত্রী। - আফ্রিকার দুটি প্রতিবেশী দেশ ইথিওপিয়া ও ইরিত্রিয়া দীর্ঘ যুদ্ধ শেষে শান্তি ফেরানোর জন্য এই স্বীকৃতি পায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রশ্নটি আন্তর্জাতিক পুরস্কার ও সীমান্ত বিরোধ সম্পর্কিত তথ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - এই একই বিষয় থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে, ২০১৯ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী আবি আহমেদ কোন দেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।
a সুইডেন
b মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
c যুক্তরাজ্য
d জার্মানি
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জার্মানি ১. কেন সঠিক: - ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল একটি আন্তর্জাতিক অলাভজনক সংস্থা যা বিশ্বব্যাপী দুর্নীতি ও সরকারি দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করে। - এই সংস্থাটির সদর দপ্তর জার্মানির বার্লিন শহরে অবস্থিত হওয়ায় এটি জার্মানিভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংস্থা হিসেবে পরিচিত। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: - সংস্থা: ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল (Transparency International - TI) - প্রতিষ্ঠা: ১৯৯৩ সালের ৪ঠা মে - সদর দপ্তর: বার্লিন, জার্মানি - উদ্দেশ্য: বিশ্বব্যাপী দুর্নীতির মাত্রা পরিমাপ করা এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে জনসচেতনতা তৈরি করা। - প্রধান প্রকাশনা: প্রতি বছর প্রকাশিত দুর্নীতি ধারণা সূচক (Corruption Perceptions Index - CPI) অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: দুর্নীতি ধারণা সূচক (CPI) ব্যাখ্যা: এই সূচকের মাধ্যমে বিভিন্ন দেশের সরকারি খাতের দুর্নীতির তুলনামূলক চিত্র তুলে ধরা হয়, যা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: বার্লিন শহর ব্যাখ্যা: জার্মানির রাজধানী বার্লিন কেবল রাজনৈতিক কেন্দ্রই নয়, বরং এটি অনেক বিশ্বমানের আন্তর্জাতিক সংস্থা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের বৈশ্বিক সদর দপ্তর হিসেবে পরিচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুইডেন — এটি একটি স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ, যার রাজধানী স্টকহোম এবং এটি ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের সদর দপ্তর নয়। B) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র — এই দেশটি বিশ্ব রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু হলেও ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের সদর দপ্তর এখানে অবস্থিত নয়। C) যুক্তরাজ্য — লন্ডনে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের মতো বিখ্যাত মানবাধিকার সংস্থার সদর দপ্তর থাকলেও এটি ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের জন্মস্থান বা সদর দপ্তর নয়। D) জার্মানি — এই দেশটি সঠিক কারণ ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের মূল কার্যালয় জার্মানির বার্লিনেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের সদর দপ্তর জার্মানির বার্লিনে। - বার্লিনের 'বা' এবং ট্রান্সপারেন্সির 'বা' মিলিয়ে মনে রাখতে পারো বার্লিন-জার্মানি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল প্রকাশিত দুর্নীতি ধারণা সূচক (CPI) বিসিএস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি টপিক। - একই বিষয় থেকে পরীক্ষাতে সংস্থার পূর্ণরূপ, প্রতিষ্ঠার সাল বা প্রধান কার্যালয় কোথায় তা নিয়ে প্রশ্ন আসতে পারে।
a অ্যানেগরেট ক্রাম্প
b লিনা হেডরিচ
c অ্যাঞ্জেলা মারকেল
d পেট্রা কেলি
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অ্যাঞ্জেলা মারকেল ১. কেন সঠিক: - অ্যাঞ্জেলা মারকেল ২০০৫ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ ১৬ বছর জার্মানির চ্যান্সেলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং তিনি দেশটির ইতিহাসের প্রথম নারী চ্যান্সেলর। - বিশ্ব রাজনীতিতে প্রভাবশালী এই নেত্রী জার্মানির ক্রিশ্চিয়ান ডেমোক্রেটিক ইউনিয়ন দলের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাজনীতিতে প্রধান ভূমিকা রেখেছিলেন। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: - দেশ/সংস্থা: জার্মানি একটি ইউরোপীয় দেশ, যার রাজধানী বার্লিন এবং মুদ্রার নাম ইউরো। - প্রেক্ষাপট: ২০০৫ সালের নির্বাচনে জয়লাভ করার পর তিনি জার্মানির প্রথম নারী সরকারপ্রধান হিসেবে ক্ষমতা গ্রহণ করেন এবং আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে অত্যন্ত প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব হয়ে ওঠেন। - উদ্দেশ্য/গুরুত্ব: তার শাসনামলে জার্মানি ইউরোপের সবচেয়ে শক্তিশালী অর্থনীতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং তিনি ইউরোজোন সংকট ও অভিবাসী সংকট মোকাবেলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: থেরেসা মে ব্যাখ্যা: তিনি যুক্তরাজ্যের দ্বিতীয় নারী প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, যা থেকে শিক্ষার্থীরা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শীর্ষ পদে নারীদের রাজনৈতিক ভূমিকা সম্পর্কে ধারণা পায়। উদাহরণ ২: জেসিন্ডা আরডার্ন ব্যাখ্যা: তিনি নিউজিল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, যিনি বিশ্বজুড়ে তার মানবিক নেতৃত্ব ও সংকটে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য পরিচিত ছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অ্যানেগরেট ক্রাম্প — ইনি জার্মানির ক্রিশ্চিয়ান ডেমোক্রেটিক ইউনিয়নের সাবেক নেত্রী হলেও দেশের প্রথম নারী চ্যান্সেলর ছিলেন না। B) লিনা হেডরিচ — ইনি কোনো রাষ্ট্রপ্রধান বা চ্যান্সেলর নন, বরং একজন ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্বের পরিচিতির সঙ্গে যুক্ত। C) অ্যাঞ্জেলা মারকেল — ইনি জার্মানির প্রথম নারী চ্যান্সেলর এবং দীর্ঘ মেয়াদে দেশ পরিচালনা করেছেন। D) পেট্রা কেলি — ইনি জার্মানির একজন বিখ্যাত গ্রিন পার্টির রাজনৈতিক ও পরিবেশকর্মী ছিলেন, চ্যান্সেলর ছিলেন না। ৫ মনে রাখার টিপস: - জার্মানির প্রথম নারী চ্যান্সেলর মনে রাখতে মারকেল নামের সাথে এম অক্ষরটি মাথায় রাখতে পারো, যা নারী শক্তির প্রতীক হিসেবে মনে রাখা সহজ। - বর্তমান ও সাবেক বিশ্বনেতাদের নামের তালিকা আলাদা করে পড়লে এমন প্রশ্নে বিভ্রান্তি এড়ানো যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিশ্বনেতা ও প্রথম নারী রাষ্ট্রপ্রধান সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - একই বিষয় থেকে জার্মানির বর্তমান চ্যান্সেলর কে বা ইউরোপের প্রভাবশালী অর্থনীতি কোন দেশের, এই ধরনের প্রশ্ন আসতে পারে।
a ১৯৪৫ সালে
b ১৯৪৯ সালে
c ১৯৪৮ সালে
d ১৯৫১ সালে
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯৪৯ সালে ১. কেন সঠিক: - উত্তরটি সঠিক কারণ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রভাব বিস্তার রোধ করতে পশ্চিমা দেশগুলো সামরিক জোট গঠন করে। - এই ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় মিত্রদের উদ্যোগে ১৯৪৯ সালে এই সামরিক জোট আত্মপ্রকাশ করে। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: - সংস্থা: নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি অর্গানাইজেশন বা ন্যাটো একটি সামরিক জোট। - প্রতিষ্ঠা/তারিখ: ৪ এপ্রিল ১৯৪৯ সালে ওয়াশিংটন ডি সি তে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। - স্থান/সদর দপ্তর: এর সদর দপ্তর বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে অবস্থিত। - উদ্দেশ্য/গুরুত্ব: জোটের মূল উদ্দেশ্য সদস্য রাষ্ট্রগুলোর স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা যৌথভাবে রক্ষা করা। - ফলাফল/প্রভাব: এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিল বারোটি দেশ এবং বর্তমানে এর সদস্য সংখ্যা বত্রিশটি। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ১৯৫৫ সালের ওয়ারশ প্যাক্ট ব্যাখ্যা: ন্যাটোর প্রতিক্রিয়ায় সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে সমাজতান্ত্রিক দেশগুলো এই সামরিক জোট গঠন করেছিল। উদাহরণ ২: সুইডেন ও ফিনল্যান্ড এর সদস্যপদ লাভ ব্যাখ্যা: সাম্প্রতিক সময়ে ফিনল্যান্ড ও সুইডেন ন্যাটোর সদস্য হওয়ায় বৈশ্বিক ভূরাজনীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৪৫ সালে — এই বছরে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হয় এবং জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়। B) ১৯৪৯ সালে — এই অপশনটি সঠিক এবং এই বছরেই ন্যাটো চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। C) ১৯৪৮ সালে — এই বছরে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ও ই ই সি গঠিত হয়। D) ১৯৫১ সালে — এই বছরে ইউরোপীয় কয়লা ও ইস্পাত সম্প্রদায় গঠিত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: ১৯৪৯ সালটি মনে রাখতে পারেন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের চার বছর পরের ঘটনা হিসেবে। ন্যাটো প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে স্নায়ুযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সূচনা ঘটেছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পরীক্ষায় প্রায়ই ন্যাটোর সদর দপ্তর ও বর্তমান সদস্য সংখ্যা সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। সুইডেন ন্যাটোর সর্বশেষ সদস্য হিসেবে যুক্ত হয়েছে।
a সৌদি আরব
b মালয়েশিয়া
c পাকিস্তান
d তুরস্ক
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) তুরস্ক ১. কেন সঠিক: - তুরস্ক বিশ্বের একমাত্র মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ যা উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা বা ন্যাটোর পূর্ণ সদস্য হিসেবে যুক্ত রয়েছে। - ১৯৫২ সালে গ্রিসের সঙ্গে যৌথভাবে কৌশলগত ভূরাজনৈতিক ও নিরাপত্তার কারণে দেশটি ন্যাটোর সদস্যপদ লাভ করে। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: - সংস্থা: ন্যাটো বা নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি অর্গানাইজেশন একটি আন্তঃসরকারি সামরিক জোট। - প্রতিষ্ঠা: ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল ওয়াশিংটন চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে এটি গঠিত হয়। - সদর দপ্তর: বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে এই জোটের প্রধান কার্যালয় অবস্থিত। - গুরুত্ব: জোটের মূল ভিত্তি হলো পারস্পরিক প্রতিরক্ষার নীতি যা এর ৫ নম্বর অনুচ্ছেদে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: গ্রিস ব্যাখ্যা: ১৯৫২ সালে তুরস্কের সঙ্গেই গ্রিসও একই ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ন্যাটোর সদস্যপদ লাভ করেছিল। উদাহরণ ২: সুইডেন ও ফিনল্যান্ড ব্যাখ্যা: রাশিয়া ও ইউক্রেন যুদ্ধের পর নিরাপত্তার কারণে এই দুটি দেশ সাম্প্রতিক সময়ে ন্যাটোর সদস্য হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সৌদি আরব — এটি মধ্যপ্রাচ্যের একটি প্রভাবশালী মুসলিম দেশ কিন্তু এটি ন্যাটোর সদস্য নয়। B) মালয়েশিয়া — এটি দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার একটি মুসলিম প্রধান দেশ এবং কমনওয়েলথের সদস্য। C) পাকিস্তান — এটি দক্ষিণ এশিয়ার পারমাণবিক শক্তিধর মুসলিম দেশ কিন্তু ন্যাটোর সদস্য নয়। D) তুরস্ক — এটি সঠিক উত্তর কারণ দেশটি ১৯৫২ সাল থেকে ন্যাটোর সদস্য হিসেবে রয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - ন্যাটোর একমাত্র মুসলিম দেশ মনে রাখতে 'তুর্কি সেনা' বা 'তুরস্ক' শব্দ দুটি মনে রাখতে পারো। - অন্যান্য মুসলিম দেশগুলো ওআইসি বা আরব লীগের মতো জোটে থাকলেও ন্যাটোতে একমাত্র ব্যতিক্রম হলো তুরস্ক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ন্যাটো সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - জোটটির বর্তমান সদস্যসংখ্যা এবং সর্বশেষ সদস্য দেশ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখা জরুরি।
a রুজভেল্ট
b স্টালিন
c চার্চিল
d দ্যা গল
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রুজভেল্ট ১. কেন সঠিক: জাতিসংঘ (United Nations) নামটি আনুষ্ঠানিকভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট প্রথম প্রস্তাব করেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মিত্রশক্তিকে একত্রিত করতে এবং বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে তিনি এই নামকরণ করেন। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: সংস্থা: জাতিসংঘ বা United Nations একটি আন্তর্জাতিক শান্তি রক্ষা সংস্থা। প্রতিষ্ঠা: ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়। সদর দপ্তর: নিউইয়র্ক শহর, যুক্তরাষ্ট্র। প্রেক্ষাপট: ১৯৪২ সালের ১ জানুয়ারি ওয়াশিংটন ঘোষণায় প্রথম জাতিসংঘ নামটি আনুষ্ঠানিকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: আটলান্টিক সনদ ব্যাখ্যা: ১৯৪১ সালে রুজভেল্ট ও চার্চিলের মধ্যে স্বাক্ষরিত এই সনদের মাধ্যমেই আধুনিক জাতিসংঘ গঠনের পথ সুগম হয়েছিল। উদাহরণ ২: ইয়াাল্টা সম্মেলন ব্যাখ্যা: ১৯৪৫ সালে অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনে জাতিসংঘের স্থায়ী সদস্য দেশগুলোর ভেটো ক্ষমতা চূড়ান্ত করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রুজভেল্ট — ইনি সঠিক উত্তর কারণ তিনি ১৯৪২ সালে প্রথম জাতিসংঘ নামটি ব্যবহার করেন। B) স্টালিন — ইনি তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের রাষ্ট্রপ্রধান ছিলেন এবং বিশ্বযুদ্ধে মিত্রশক্তিকে নেতৃত্ব দেন। C) চার্চিল — ইনি যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন এবং আটলান্টিক সনদে রুজভেল্টের সাথে স্বাক্ষর করেন। D) দ্যা গল — ইনি ফ্রি ফ্রান্সের নেতা ও পরবর্তীকালে ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতি ছিলেন, জাতিসংঘের নামকরণে সরাসরি ভূমিকা রাখেননি। ৫ মনে রাখার টিপস: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট রুজভেল্ট নাম দিয়ে বিশ্বকে যুক্ত করেছিলেন জাতিসংঘে। এভাবে রুজভেল্ট ও যুক্ত শব্দ দুটি মিলিয়ে খুব সহজে মনে রাখা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার পর এর প্রথম মহাসচিব ছিলেন নরওয়ের ট্রিগভে লি। একই বিষয় থেকে জাতিসংঘের বর্তমান মহাসচিব বা সদর দপ্তর সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই পরীক্ষায় আসে।
a রুয়ান্ডা
b সিয়েরা লিয়ন
c সুদান
d লাইবেরিয়া
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সিয়েরা লিয়ন ১. কেন সঠিক: সিয়েরা লিয়ন ২০০২ সালে বাংলাকে তাদের অন্যতম সরকারি ভাষা বা সম্মানসূচক রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা দেয়। দেশটিতে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী বাংলাদেশি সেনারা এই ঐতিহাসিক স্বীকৃতির পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: দেশ: সিয়েরা লিয়ন, পশ্চিম আফ্রিকার একটি রাষ্ট্র যার রাজধানী ফ্রিটাউন। প্রেক্ষাপট: গৃহযুদ্ধের পর শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য সেখানে বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীরা কাজ করেন এবং স্থানীয়দের সঙ্গে গভীর সম্পর্ক গড়ে তোলেন। গুরুত্ব: বাংলা ভাষার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি এবং বিশ্বমঞ্চে বাঙালির আত্মত্যাগের ইতিহাসে এটি একটি অনন্য মাইলফলক। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ইউনেস্কো ব্যাখ্যা: ২১ শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে বাংলা ভাষার মর্যাদা সারা বিশ্বে ছড়িয়ে দেয়। উদাহরণ ২: বাংলাদেশ ও জাতিসংঘ ব্যাখ্যা: শান্তিরক্ষী বাহিনীতে বাংলাদেশের সক্রিয় অংশগ্রহণ বিশ্ববাসীর কাছে দেশের সুনাম এবং সংস্কৃতির পরিচিতি বাড়িয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রুয়ান্ডা — এটি পূর্ব আফ্রিকার দেশ, যা বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা দেয়নি তবে এর রাজধানী কিগালি। B) সিয়েরা লিয়ন — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি ২০০২ সালে বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা দিয়েছে। C) সুদান — এটি উত্তর আফ্রিকার একটি দেশ, যা বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা প্রদান করেনি। D) লাইবেরিয়া — এটি পশ্চিম আফ্রিকার দেশ এবং এর প্রধান ভাষা ইংরেজি, বাংলা ভাষা এখানে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা পায়নি। ৫. মনে রাখার টিপস: সিয়েরা লিয়নের নাম মনে রাখলে মনে রাখবে এটি সেই দেশ যা বাংলাদেশিদের ভালোবাসার টানে বাংলাকে সম্মান জানিয়েছে। মনে রাখবে আফ্রিকার পশ্চিম অংশের এই দেশটি শান্তিরক্ষী অবদানের কারণে বাংলা ভাষার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ভাষার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি সংক্রান্ত প্রশ্ন বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। সিয়েরা লিয়নের রাজধানী ও মুদ্রার নাম জেনে রাখা ব্যাংক ও প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত উপযোগী।
a নাইজেরিয়া
b গাম্বিয়া
c বাংলাদেশ
d আলজেরিয়া
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গাম্বিয়া ১. কেন সঠিক: - গাম্বিয়া ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থার (OIC) পক্ষে আন্তর্জাতিক আদালতে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে রোহিঙ্গাদের ওপর জাতিগত নিধন ও গণহত্যার অভিযোগে মামলাটি দায়ের করে। - ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর আফ্রিকার দেশ গাম্বিয়ার তৎকালীন আইনমন্ত্রী ও বিচারক আবুবকর মারমাদুব তাম্বাদু জাতিসংঘের সর্বোচ্চ বিচারালয় আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (ICJ) এই মামলাটি করেন। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: - সংস্থা: আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (ICJ) জাতিসংঘের প্রধান বিচার বিভাগীয় অঙ্গ এবং নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে এর সদর দপ্তর অবস্থিত। - প্রেক্ষাপট: ২০১৭ সালে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে দেশটির সামরিক বাহিনী নৃশংস সহিংসতা চালালে সাত লক্ষাধিক রোহিঙ্গা বাধ্য হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। - উদ্দেশ্য: মিয়ানমার কর্তৃক ১৯৪৮ সালের আন্তর্জাতিক গণহত্যা কনভেনশন লঙ্ঘনের অভিযোগে এই বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয় এবং আন্তর্জাতিক অপরাধের দায়মুক্তি রোধ করা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: সার্বিয়ার বিরুদ্ধে বসনিয়ার মামলা। ব্যাখ্যা: ১৯৯৩ সালে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা সার্বিয়ার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে গণহত্যা কনভেনশন লঙ্ঘনের অভিযোগে মামলা করেছিল, যা রোহিঙ্গা মামলার ক্ষেত্রে একটি ঐতিহাসিক আইনি দৃষ্টান্ত হিসেবে কাজ করেছে। উদাহরণ ২: আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (ICC)। ব্যাখ্যা: আইসিজে (ICJ) রাষ্ট্রসমূহের মধ্যে বিরোধ নিষ্পত্তি করে, আর আইসিসি (ICC) যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য ব্যক্তিবিশেষের বিচার করে, যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই গুলিয়ে ফেলা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নাইজেরিয়া — এটি আফ্রিকার বৃহত্তম জনবহুল দেশ এবং তেলসমৃদ্ধ রাষ্ট্র হলেও মিয়ানমারের বিরুদ্ধে আদালতে কোনো মামলা করেনি। B) গাম্বিয়া — এটি সঠিক উত্তর, কারণ ক্ষুদ্র মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ এই দেশটি মানবাধিকার সুরক্ষায় ওআইসির আইনি দলের নেতৃত্ব দিয়ে মামলাটি সফলভাবে পরিচালনা করেছে। C) বাংলাদেশ — রোহিঙ্গাদের প্রধান আশ্রয়দাতা দেশ হওয়া সত্ত্বেও কূটনৈতিক বাধ্যবাধকতা এবং আন্তর্জাতিক কূটনীতির অংশ হিসেবে বাংলাদেশ সরাসরি মামলা না করে ওআইসিকে সঙ্গে নিয়ে গাম্বিয়াকে আইনি ও তথ্যগত সহায়তা প্রদান করেছে। D) আলজেরিয়া — এটি উত্তর আফ্রিকার একটি প্রভাবশালী আরব রাষ্ট্র হলেও মিয়ানমার সরকারের বিরুদ্ধে এই নির্দিষ্ট গণহত্যা মামলা করার ক্ষেত্রে কোনো ভূমিকা রাখেনি। ৫. মনে রাখার টিপস: - মিয়ানমার মামলার ক্ষেত্রে জি ফর গাম্বিয়া এবং জি ফর জেনোসাইড বা গণহত্যা এভাবে মিলিয়ে মনে রাখতে পারো। - দক্ষিণ এশিয়ার বাইরে থেকে একটি ছোট আফ্রিকান দেশ গাম্বিয়া রোহিঙ্গাদের পক্ষে লড়ছে, এই অনন্য তথ্যটি মনে রাখলেই উত্তর সহজ হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - আন্তর্জাতিক আদালতে রোহিঙ্গা গণহত্যার মামলাটি কোন দেশের উদ্যোগে করা হয়েছে, তা বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (ICJ) কোথায় অবস্থিত এবং এর বিচারকদের কার্যকাল কত বছর, তা এই টপিক থেকে জেনে রাখা দরকার।
a WTO
b MIGA
c World Bank
d UNCTAD
0 96 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) UNCTAD ১. কেন সঠিক: জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়ন কনফারেন্স বা UNCTAD প্রতি বছর বিশ্ব বিনিয়োগ প্রতিবেদন প্রকাশ করে থাকে। এই প্রতিবেদনে বৈশ্বিক প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ বা এফডিআই পরিস্থিতি এবং বিভিন্ন দেশের বিনিয়োগের প্রবণতা বিশ্লেষণ করা হয়। ২. আন্তর্জাতিক সংস্থা পরিচিতি: সংস্থা: UNCTAD এর পূর্ণরূপ হলো United Nations Conference on Trade and Development. প্রতিষ্ঠা: ১৯৬৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর এই সংস্থাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। সদর দপ্তর: সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে এই সংস্থার সদর দপ্তর অবস্থিত। প্রধান কাজ: উন্নয়নশীল দেশগুলোর আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে অংশগ্রহণ বৃদ্ধি করা এবং বিশ্ব অর্থনীতিতে তাদের সুষম integración নিশ্চিত করা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিশ্ব বিনিয়োগ প্রতিবেদন ব্যাখ্যা: এই প্রতিবেদন থেকে বাংলাদেশসহ উন্নয়নশীল দেশগুলো জানতে পারে বৈশ্বিক বিনিয়োগ প্রবাহ কোন দিকে যাচ্ছে এবং নীতিমালায় কী ধরনের পরিবর্তন আনা প্রয়োজন। উদাহরণ ২: বিশ্ব অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ও সম্ভাবনা প্রতিবেদন ব্যাখ্যা: এটি জাতিসংঘের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকাশনা, যা জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক বিষয়ক বিভাগ প্রকাশ করে থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) WTO — এটি বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা, যা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের নিয়মকানুন তদারকি করে কিন্তু বিশ্ব বিনিয়োগ প্রতিবেদন প্রকাশ করে না। B) MIGA — এটি বিশ্বব্যাংক গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান, যা উন্নয়নশীল দেশগুলোতে বিদেশি বিনিয়োগের জন্য রাজনৈতিক ঝুঁকি বীমা প্রদান করে। C) World Bank — এটি মূলত বিশ্বব্যাংক, যা বিশ্ব উন্নয়ন প্রতিবেদন এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস প্রকাশ করে থাকে। D) UNCTAD — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সংস্থাই আনুষ্ঠানিকভাবে বার্ষিক বিশ্ব বিনিয়োগ প্রতিবেদন প্রকাশ করে। ৫ মনে রাখার টিপস: বিনিয়োগ এবং বাণিজ্য সংক্রান্ত প্রতিবেদনের জন্য UNCTAD নামটি মনে রাখবে। বাণিজ্য ও উন্নয়নের সাথে সরাসরি যুক্ত জাতিসংঘের একমাত্র প্রধান অঙ্গসংস্থা এটি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে UNCTAD এর সদর দপ্তর কোথায়, যার উত্তর হবে জেনেভা। একই ধরনের অন্যান্য প্রতিবেদন যেমন বিশ্ব ব্যাংকের ডুয়িং বিজনেস রিপোর্ট বা বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের বৈশ্বিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা সূচকের সাথে এটি গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
a ডেনমার্ক
b নরওয়ে
c জার্মানি
d সিঙ্গাপুর
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ডেনমার্ক ১. কেন সঠিক: - ডেনমার্ক ২০২০ সালের আইনের শাসন সূচকে শীর্ষস্থান অর্জন করেছিল কারণ দেশটিতে স্বাধীন বিচারব্যবস্থা এবং দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন রয়েছে। - এই সূচকটি প্রকাশ করে ওয়ার্ল্ড জাস্টিস প্রজেক্ট যা বিশ্বব্যাপী আইনের শাসনের মান মূল্যায়ন করে থাকে। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: - দেশ: ডেনমার্ক উত্তর ইউরোপের একটি স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ যার রাজধানী কোপেনহেগেন। - গুরুত্ব: সুশাসন, কম দুর্নীতি এবং নাগরিক অধিকার সুরক্ষায় দেশটি বিশ্বজুড়ে শীর্ষস্থানীয় অবস্থান বজায় রাখে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: নিউজিল্যান্ড ব্যাখ্যা: বিভিন্ন সুশাসন ও দুর্নীতি হ্রাস সূচকেও এই দেশটি শীর্ষস্থানীয় অবস্থান ধরে রাখে যা ডেনমার্কের সমকক্ষ। উদাহরণ ২: ফিনল্যান্ড ব্যাখ্যা: সুশাসন এবং আইনের শাসনের ক্ষেত্রে ইউরোপের এই দেশটি ডেনমার্কের মতোই বরাবরই উচ্চ অবস্থান অর্জন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডেনমার্ক — এটি ২০২০ সালের আইনের শাসন সূচকে শীর্ষস্থান অর্জনকারী সঠিক দেশ। B) নরওয়ে — এটি এই সূচকে শীর্ষস্থানে না থাকলেও অন্যান্য মানব উন্নয়ন ও গণতন্ত্র সূচকে প্রায়ই শীর্ষে থাকে। C) জার্মানি — এটি ইউরোপের শক্তিশালী দেশ হলেও এই নির্দিষ্ট সূচকে শীর্ষস্থান অর্জন করেনি। D) সিঙ্গাপুর — এটি এশিয়ায় আইনের শাসনের জন্য পরিচিত হলেও বিশ্ব সূচকে ডেনমার্কের পেছনে ছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: - আইনের শাসন বা সুশাসন সূচকে সাধারণত স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশগুলো শীর্ষে থাকে যার মধ্যে ডেনমার্ক প্রধান। - আইনের শাসন সূচক প্রকাশের দায়িত্বে থাকা সংস্থার নাম ওয়ার্ল্ড জাস্টিস প্রজেক্ট তা মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সূচকে শীর্ষ দেশগুলোর নাম বিসিএস ও ব্যাংক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - এই প্রশ্ন থেকে ওয়ার্ল্ড জাস্টিস প্রজেক্ট এবং আইনের শাসন সূচক সম্পর্কিত তথ্য বারবার পরীক্ষায় আসতে পারে।
a Weapons of Mass Destruction
b Worldwide Mass Destruction
c Weapons of Missile Defence
d Weapons for Massive Destruction
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Weapons of Mass Destruction ১. কেন সঠিক: - সামরিক ও ভূরাজনৈতিক পরিভাষায় WMD বলতে এমন অস্ত্রকে বোঝায় যা ব্যাপক প্রাণহানি এবং অবকাঠামোর নজিরবিহীন ধ্বংসসাধন করতে সক্ষম। - এই ক্যাটাগরির মধ্যে সাধারণত পারমাণবিক, রাসায়নিক, জৈবিক এবং রেডিওলজিক্যাল অস্ত্র অন্তর্ভুক্ত করা হয়ে থাকে। ২. পারমাণবিক অস্ত্র ও নিরস্ত্রীকরণ: - প্রেক্ষাপট: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর স্নায়ুযুদ্ধের সময় এই ধরনের অস্ত্রের বিস্তার রোধে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক চুক্তি ও কনভেনশন প্রণীত হয়। - উদ্দেশ্য ও গুরুত্ব: বিশ্ব শান্তি রক্ষা এবং মানবসভ্যতাকে সম্পূর্ণ ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য এ ধরনের অস্ত্রের উৎপাদন ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি বা এনপিটি ব্যাখ্যা: এটি এমন একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা বিশ্বে পারমাণবিক অস্ত্রের বিস্তার রোধ এবং নিরস্ত্রীকরণকে ত্বরান্বিত করার উদ্দেশ্যে স্বাক্ষরিত হয়েছিল। উদাহরণ ২: রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন ব্যাখ্যা: এই চুক্তির মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী রাসায়নিক অস্ত্রের উৎপাদন, মজুদ এবং ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Weapons of Mass Destruction - এটি সামরিক পরিভাষায় সর্বজনস্বীকৃত সঠিক উত্তর এবং এর পূর্ণ রূপটি সম্পূর্ণ নির্ভুল। B) Worldwide Mass Destruction - এটি একটি মনগড়া শব্দগুচ্ছ যা সামরিক বা আন্তর্জাতিক সম্পর্কের কোনো দাপ্তরিক পরিভাষায় ব্যবহৃত হয় না। C) Weapons of Missile Defence - এটি মিসাইল বা ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সঙ্গে সম্পর্কিত, যা ধ্বংসাত্মক অস্ত্র বোঝাতে ব্যবহৃত হয় না। D) Weapons for Massive Destruction - শব্দগুলো কাছাকাছি হলেও এটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত কোনো দাপ্তরিক সামরিক পরিভাষা নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - WMD মানে ধ্বংসাত্মক অস্ত্র বোঝায়। - Mass Destruction কথাটি মনে রাখলে সঠিক অপশনটি সহজেই চিহ্নিত করা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - এনপিটি বা বিভিন্ন নিরস্ত্রীকরণ চুক্তি সম্পর্কিত তথ্য ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।

মোট প্রশ্ন (10)

a রূপান্তরিত শিলা
b আগ্নেয় শিলা
c পাললিক শিলা
d মিশ্র শিলা
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রূপান্তরিত শিলা কেন সঠিক: ১. মার্বেল এক প্রকার রূপান্তরিত শিলা যা মূলত চুনাপাথর থেকে সৃষ্টি হয়। ২. অধিক তাপ ও চাপের প্রভাবে মূল শিলার গঠন পরিবর্তিত হয়ে এই রূপ লাভ করে। ভৌগোলিক তথ্য: ১. ভূত্বকের গভীর স্তরে এবং যেখানে পাতের সংঘর্ষ ঘটে সেখানে এই শিলা বেশি পাওয়া যায়। ২. এই শিলার কেলাসের গঠন খুব ঘন হয় যা একে অত্যন্ত শক্ত ও মসৃণ করে তোলে। ৩. ভারতের রাজস্থানের মকরানা অঞ্চলের মার্বেল বিশ্বজুড়ে অত্যন্ত বিখ্যাত ও উৎকৃষ্ট মানের। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রূপান্তরিত শিলা — এই অপশনটি সঠিক কারণ মার্বেল চুনাপাথর রূপান্তরিত হয়ে তৈরি হয়। B) আগ্নেয় শিলা — মার্বেল উত্তপ্ত ম্যাগমা থেকে তৈরি হয় না তাই এটি আগ্নেয় শিলা নয়। C) পাললিক শিলা — চুনাপাথর পাললিক শিলা হলেও মার্বেল তার রূপান্তরিত রূপ। D) মিশ্র শিলা — শিলা শ্রেণিবিভাগে মিশ্র শিলা বলে কোনো প্রধান শিলা শ্রেণী নেই। মনে রাখার টিপস: ১. চুনাপাথর রূপান্তরিত হয়ে মার্বেল হয়, এই রূপান্তর মনে রাখলে উত্তর ভুল হবে না।
a সিরাস
b নিম্বাস
c কিউম্যুলাস
d স্ট্রেটাস
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কিউম্যুলাস কেন সঠিক: মেঘের উচ্চতা এবং গঠনের ওপর ভিত্তি করে কিউম্যুলাস মেঘ সাধারণত মধ্যম উচ্চতার বায়ুমণ্ডলে অবস্থান করে। এই মেঘগুলোর উচ্চতা এবং দেখতে তুলার পিন্ডের মতো আকার মধ্যম উচ্চতার মেঘের বৈশিষ্ট্যের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। ভৌগোলিক তথ্য: কিউম্যুলাস মেঘ ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় দুই হাজার থেকে ছয় হাজার মিটার উচ্চতার মধ্যে অবস্থান করে। এই মেঘগুলো দেখতে সাধারণত সাদা রঙের এবং এদের উপরিভাগ গম্বুজাকৃতির বা ফুলকপির মতো হয়। পরিষ্কার আবহাওয়ায় এই মেঘ সচরাচর আকাশে দেখতে পাওয়া যায় এবং একে রূপালি মেঘও বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সিরাস — এটি অত্যন্ত উচ্চতায় অবস্থানকারী মেঘ যা বরফ কণা দ্বারা গঠিত এবং দেখতে তন্তুর মতো হয়। B) নিম্বাস — এটি অত্যন্ত নিচু স্তরের মেঘ যা থেকে সাধারণত সারা আকাশ জুড়ে একটানা বৃষ্টিপাত হয়ে থাকে। C) কিউম্যুলাস — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে প্রযোজ্য নয়। D) স্ট্রেটাস — এটি খুব কম উচ্চতায় কুয়াশার মতো বায়ুমণ্ডলে সমান্তরাল স্তরে বিস্তৃত থাকে। মনে রাখার টিপস: কিউম্যুলাস মেঘের উচ্চতা এবং গঠন মধ্যম স্তরের হয়, যা তুলা বা ফুলকপির মতো দেখতে লাগে।
a আপদ ঝুঁকি হ্রাস
b জলবায়ু পরিবর্তন হ্রাস
c জনসংখ্যা বৃদ্ধি হ্রাস
d সমুদ্র পরিবহন ব্যবস্থাপনা
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জলবায়ু পরিবর্তন হ্রাস কেন সঠিক: ২০১৫ সালের প্যারিস চুক্তি বিশ্ব উষ্ণায়ন ও জলবায়ু পরিবর্তনের মারাত্মক প্রভাব মোকাবেলার জন্য গৃহীত হয়েছিল। এই চুক্তির মূল লক্ষ্য ছিল প্রাক শিল্প যুগের তুলনায় বৈশ্বিক গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধি দুই ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে রাখা। ভৌগোলিক তথ্য: ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলনের একবিংশ অধিবেশনে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে গ্রিনহাউস গ্যাসের নির্গমন কমানোর মাধ্যমে বিশ্ব জলবায়ুকে সুরক্ষিত রাখা এই চুক্তির প্রধান বিশেষত্ব। বিশ্বের প্রায় দুইশ দেশ এই আন্তর্জাতিক চুক্তিতে স্বাক্ষর করে জলবায়ু পরিবর্তন রোধে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আপদ ঝুঁকি হ্রাস — এটি মূলত সেন্দাই কাঠামোর সাথে সম্পর্কিত যা প্রাকৃতিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার ওপর গুরুত্ব দেয়। C) জনসংখ্যা বৃদ্ধি হ্রাস — এটি প্যারিস চুক্তির বিষয়বস্তু নয়, বরং এটি পরিবার পরিকল্পনা ও জনমিতি সংক্রান্ত আলোচনার বিষয়। D) সমুদ্র পরিবহন ব্যবস্থাপনা — এটি আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থা বা আইএমও এর কাজের আওতাভুক্ত এবং জলবায়ু চুক্তির মূল বিষয় নয়। মনে রাখার টিপস: প্যারিস চুক্তি মানেই জলবায়ু বাঁচানোর লড়াই, তাই তাপমাত্রা কমানো এবং পরিবেশ রক্ষা এর মূল মন্ত্র।
a মেঘনা মােহনায়
b সুন্দরবনের দক্ষিণে
c পদ্মা এবং যমুনার সংযােগস্থলে
d টেকনাফের দক্ষিণে
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সুন্দরবনের দক্ষিণে কেন সঠিক: ১. বঙ্গোপসাগরের উত্তরাংশে সুন্দরবনের ঠিক দক্ষিণেই পলি জমে এই দ্বীপটি প্রাকৃতিকভাবে গড়ে উঠেছে। ২. ভৌগোলিক অবস্থানগত দিক থেকে এটি সুন্দরবনের দক্ষিণ উপকূলীয় অঞ্চলের কাছাকাছি অবস্থিত হওয়ায় সঠিক উত্তরটি সুন্দরবনের দক্ষিণে। ভৌগোলিক তথ্য: ১. এটি বাংলাদেশের দক্ষিণ উপকূলে বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত একটি নবগঠিত পলিদ্বীপ। ২. নদী থেকে বয়ে আসা পলি জমে সমুদ্রের বুকে এই দ্বীপটির সৃষ্টি হয়েছে। ৩. জলবায়ু পরিবর্তন এবং সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে এই দ্বীপটির অস্তিত্ব বর্তমানে হুমকির মুখে রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মেঘনা মোহনায় — মেঘনার মোহনায় অন্য বেশ কিছু চর ও দ্বীপ রয়েছে কিন্তু বঙ্গবন্ধু দ্বীপ সেখানে অবস্থিত নয়। C) পদ্মা এবং যমুনার সংযোগস্থলে — এই সংযোগস্থলটি দেশের মধ্যাঞ্চলে অবস্থিত যা সমুদ্রের উপকূল বা সুন্দরবনের দক্ষিণে নয়। D) টেকনাফের দক্ষিণে — টেকনাফ দেশের আক্ষরিক অর্থে সর্বদক্ষিণে অবস্থিত হলেও বঙ্গবন্ধু দ্বীপ তারও দক্ষিণে সাগরের ভেতরে অবস্থিত নয়। মনে রাখার টিপস: বঙ্গবন্ধু দ্বীপ নামটি মনে রাখতে সুন্দরবনের দক্ষিণ দিকটি মাথায় রাখতে হবে। সুন্দরবনের দক্ষিণে সাগরের বুকে এই দ্বীপটি অবস্থিত।
a মধুপুর গড়ে
b বঙ্গোপসাগরে
c হাওর অঞ্চলে
d টারশিয়ারি পাহাড়ে
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বঙ্গোপসাগরে কেন সঠিক: - এই ভূমিরূপটি গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্র নদ বাহিত বিপুল পরিমাণ পলি সাগরের তলদেশে সঞ্চিত হয়ে গঠিত হয়েছে। - বঙ্গোপসাগরের গভীর তলদেশে বিশাল বদ্বীপের মতো হাতপাখা আকuruanের পললভূমি তৈরি হয়েছে বলে এর এমন নামকরণ। ভৌগোলিক তথ্য: - এটি ভারত মহাসাগরের বঙ্গোপসাগরের তলদেশে এবং এর বিস্তৃতি বিষুবরেখা পেরিয়ে দক্ষিণ দিকে বহুদূর পর্যন্ত ছড়িয়ে রয়েছে। - এটি পৃথিবীর সবচেয়ে বড় এবং গভীরতম সাবমেরিন ফ্যান বা নিমজ্জিত পলલ ব্যজনী হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিত। - হিমালয় পর্বতমালা থেকে উৎপন্ন নদীগুলোর পলি বয়ে এনে এই বিশাল সমুদ্রতলদেশের ভূমিরূপ তৈরি করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মধুপুর গড়ে — এটি বাংলাদেশের একটি প্রাচীন প্লাইস্টোসেল চত্বর বা সোপান অঞ্চল যা মূল ভূখণ্ডের ওপরে অবস্থিত। B) বঙ্গোপসাগরে — এই অপশনটি সঠিক কারণ বেঙ্গল ফ্যান এই সমুদ্রের তলদেশেই অবস্থিত। C) হাওর অঞ্চলে — এটি মূলত জলমগ্ন অববাহিকা বা জলাভূমি এলাকা যা উত্তর-পূর্ব বাংলাদেশে পলি জমে গঠিত হয়েছে। D) টারশিয়ারি পাহাড়ে — এটি পাহাড়ি অঞ্চল যা প্রাক-সবুজ যুগে গঠিত হয়েছে এবং এটি সমুদ্রের তলদেশের ভূমিরূপ নয়। মনে রাখার টিপস: - নামের সাথে মিল রেখে মনে রাখবে যে বেঙ্গল ফ্যান বা বঙ্গীয় ব্যজনী সবসময় বঙ্গোপসাগরের তলদেশেই পাওয়া যায়।
a United Disaster Management Centre
b Union Disaster Management Committee
c Union Disaster Management Centre
d None of the above
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Union Disaster Management Committee কেন সঠিক: ১. দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার কাজ স্থানীয় বা ইউনিয়ন পর্যায়ে সফলভাবে পরিচালনা করার জন্য এই নির্দিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়। ২. প্রশাসনিক কাঠামোর ইউনিয়ন স্তরকে বোঝাতে এখানে ইউনিয়ন শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। ভৌগোলিক তথ্য: ১. ইউনিয়ন পরিষদ হলো গ্রামীণ অঞ্চলের সর্বনিম্ন প্রশাসনিক একক যা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় সরাসরি কাজ করে। ২. এটি তৃণমূল পর্যায়ে প্রাকৃতিক ও মানবসৃষ্ট দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ৩. যেমন, উপকূলীয় অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড়ের সময় এই কমিটি সাধারণ মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিতে কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) United Disaster Management Centre — এখানে সেন্টার শব্দটি ব্যবহারের মাধ্যমে ভুল প্রশাসনিক কাঠামোর কথা বলা হয়েছে। B) Union Disaster Management Committee — এটি এই প্রশ্নের সম্পূর্ণ সঠিক ও গ্রহণযোগ্য রূপ। C) Union Disaster Management Centre — এখানে ইউনিয়ন শব্দ থাকলেও কমিটি না লিখে সেন্টার বলা হয়েছে। D) None of the above — সঠিক উত্তরটি অপশনে বিদ্যমান থাকায় এই অপشنটি সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: ১. ইউনিয়ন পর্যায়ের কমিлит মনে রাখতে ইউ, ডি, এম এবং সি এর পূর্ণরূপ ইউনিয়ন, ডিজাস্টার, ম্যানেজমেন্ট এবং কমিটি হিসেবে মুখস্থ করবে।
a আইসােপ্লিথ
b আইসোহাইট
c আইসােহ্যালাইন
d আইসোথার্ম
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আইসোহাইট কেন সঠিক: ১. মানচিত্রে সমপরিমাণ বৃষ্টিপাতযুক্ত স্থানগুলিকে যে কাল্পনিক রেখা দ্বারা যুক্ত করা হয়, তাকে আইসোহাইট বলা হয়। ২. আবহাওয়া ও জলবায়ু মানচিত্র তৈরিতে এই রেখা ব্যবহার করে কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চলের বার্ষিক বা মাসিক বৃষ্টিপাতের সমতা সহজে নির্ধারণ করা যায়। ভৌগোলিক তথ্য: ১. আইসোহাইট রেখা সাধারণত আবহাওয়া দপ্তরের বার্ষিক বৃষ্টিপাতের মানচিত্রে প্রধানত ব্যবহার করা হয়। ২. এই রেখার সাহায্যে কোনো অঞ্চলের শুষ্ক বা আর্দ্র জলবায়ু অঞ্চল খুব সহজেই চিহ্নিত করা সম্ভব হয়। ৩. উদাহরণস্বরূপ, ভারতের চেরাপুঞ্জি ও মৌসিনমরাে অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের অঞ্চলগুলিকে এই রেখা দিয়ে মানচিত্রে দেখানো হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আইসােপ্লিথ — এটি এমন একটি রেখা যা মানচিত্রে যেকোনো পরিমাপযোগ্য চলকের সমান মানযুক্ত স্থানগুলিকে যুক্ত করে। B) আইসোহাইট — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা হয়নি। C) আইসােহ্যালাইন — এটি মহাসাগরের সমান লবণাক্ততাযুক্ত স্থানগুলিকে মানচিত্রে সংযোগকারী কাল্পনিক রেখা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) আইসোথার্ম — এটি ভূপৃষ্ঠের সমান উষ্ণতা বা তাপমাত্রা বিশিষ্ট স্থানগুলিকে মানচিত্রে যুক্ত করার জন্য ব্যবহার করা হয়। মনে রাখার টিপস: আইসো মানে সমান এবং হাইট শব্দটির সাথে বৃষ্টির উচ্চতা বা পরিমাণ যুক্ত থাকে, তাই সমান বৃষ্টির রেখাকে আইসোহাইট বলে।
a ময়নামতি
b পুণ্ড্রবর্ধন
c পাহাড়পুর।
d সােনারগাঁ
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পুণ্ড্রবর্ধন কেন সঠিক: - ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক খননকাজের মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে যে পুণ্ড্রবর্ধন বাংলার সবচেয়ে প্রাচীন জনপদ এবং নগর বসতি। - মৌর্য আমল থেকেই বাংলার পুণ্ড্রবর্ধন প্রশাসনিক ও অর্থনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠেছিল, যা একে প্রাচীনতম বসতির মর্যাদা দেয়। ভৌগোলিক তথ্য: - বর্তমান বগুড়া জেলার মহাস্থানগড় প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন বা পুণ্ড্রনগর নামে পরিচিত ছিল, যা করতোয়া নদীর তীরে গড়ে উঠেছিল। - এটি প্রাচীন পৌণ্ড্র জাতির বসতি অঞ্চল ছিল এবং এর বিস্তৃতি বর্তমান রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের বেশ কিছু অংশ জুড়ে ছিল। - মহাস্থানগড়ে পাওয়া ব্রাহ্মী লিপি থেকে এই অঞ্চলের প্রাচীনত্ব ও সমৃদ্ধ জনবসতির ঐতিহাসিক প্রমাণ পাওয়া যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ময়নামতি — এটি মূলত সপ্তম থেকে দ্বাদশ শতকের চন্দ্র ও বর্মণ রাজবংশের আমলের বৌদ্ধ সভ্যতার নিদর্শন, যা পুণ্ড্রবর্ধনের চেয়েও অনেক পরবর্তী সময়ের। B) পুণ্ড্রবর্ধন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ এটিই বাংলার সবচেয়ে প্রাচীন বসতি হিসেবে সর্বস্বীকৃত। C) পাহাড়পুর — এটি অষ্টম শতকের ধর্মপালের রাজত্বকালের সোমপুর মহাবিহারের জন্য বিখ্যাত, যা প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন অঞ্চলের পরবর্তী সময়ের একটি ঐতিহাসিক স্থান। D) সোনাগাঁ — এটি ত্রয়োদশ শতাব্দীর পরে সুলতানি আমল ও মুঘল আমলে বাংলার রাজধানী ও নদীভিত্তিক বিখ্যাত বাণিজ্যিক কেন্দ্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছিল। মনে রাখার টিপস: - প্রাচীন বসতি মনে রাখতে মহাভারতের পুণ্ড্র জাতির নাম এবং বগুড়ার মহাস্থানগড়ের প্রাচীন নাম পুণ্ড্রবর্ধন একসাথে মনে রাখবে।
a ইরাবতী মায়ানমারের একটি নদী
b গােবী মরুভূমি ভারতে অবস্থিত
c থর মরুভূমি ভারতের পশ্চিমাংশে অবস্থিত
d সাজেক ভ্যালি বাংলাদেশে অবস্থিত
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গােবী মরুভূমি ভারতে অবস্থিত কেন সঠিক: ১. গোবি মরুভূমি আসলে এশিয়ার একটি বিশাল মরু অঞ্চল যা ভারত রাষ্ট্রে অবস্থিত নয়। ২. ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী এই মরুভূমিটি প্রধানত চীন এবং মঙ্গোলিয়া দেশের অংশ জুড়ে বিস্তৃত রয়েছে। ভৌগোলিক তথ্য: ১. এটি মঙ্গোলিয়ার দক্ষিণাংশ এবং চীনের উত্তরাংশ ও উত্তর-পশ্চিমাংশ জুড়ে বিস্তৃত একটি শীতল মরুভূমি। ২. এটি বিশ্বের অন্যতম প্রধান মরুভূমি এবং এশিয়া মহাদেশের বৃহত্তম মরু অঞ্চল হিসেবে পরিচিত। ৩. এই মরুভূমিটি প্রায় ১২ লক্ষ ৯৫ হাজার বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে অবস্থান করছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইরাবতী মায়ানমারের একটি নদী — এই তথ্যটি সম্পূর্ণ সত্য কারণ ইরাবতী মায়ানমারের প্রধান ও দীর্ঘতম নদী। B) গােবী মরুভূমি ভারতে অবস্থিত — এই তথ্যটি মিথ্যা কারণ গোবি মরুভূমি চীন ও মঙ্গোলিয়ায় অবস্থিত, ভারতে নয়। C) থর মরুভূমি ভারতের পশ্চিমাংশে অবস্থিত — এই তথ্যটি সত্য কারণ থর মরুভূমি ভারতের রাজস্থান রাজ্যের পশ্চিমাংশে অবস্থিত। D) সাজেক ভ্যালি বাংলাদেশে অবস্থিত — এই তথ্যটি সত্য কারণ সাজেক ভ্যালি বাংলাদেশের রাঙ্গামাটি জেলার একটি বিখ্যাত পর্যটন স্থান। মনে রাখার টিপস: ১. গোবি মরুভূমি মঙ্গোলিয়া ও চীনে অবস্থিত মনে রাখবে। ২. ভারতের মরুভূমির নাম থর এবং এটি পশ্চিমে অবস্থিত।
a জানুয়ারি
b ফেব্রুয়ারি
c ডিসেম্বর
d মে
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জানুয়ারি কেন সঠিক: ১. দক্ষিণ গোলার্ধে সূর্যরশ্মি এই সময়ে সবচেয়ে লম্বভাবে পড়ে। ২. পৃথিবী সূর্যের সবচেয়ে কাছে অবস্থান করার কারণে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। ভৌগোলিক তথ্য: ১. দক্ষিণ গোলার্ধ বিষুবরেখার দক্ষিণাঞ্চল নিয়ে গঠিত। ২. এখানে জলভাগের পরিমাণ স্থলভাগের চেয়ে বেশি থাকে। ৩. অস্ট্রেলিয়া এবং দক্ষিণ আফ্রিকা মহাদেশ এই গোলার্ধে অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জানুয়ারি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। B) ফেব্রুয়ারি — এই মাসে দক্ষিণ গোলার্ধে গ্রীষ্মকাল থাকলেও উষ্ণতা কিছুটা কমতে শুরু করে। C) ডিসেম্বর — এই মাসে গ্রীষ্মকাল শুরু হলেও জানুয়ারি মাসের মতো সর্বোচ্চ তাপমাত্রা সঞ্চিত হয় না। D) মে — এই সময়ে দক্ষিণ গোলার্ধে শরৎকাল বিরাজ করে এবং তাপমাত্রা কমতে থাকে। মনে রাখার টিপস: উত্তর গোলার্ধে যখন শীতকাল, দক্ষিণ গোলার্ধে তখন গ্রীষ্মকাল এবং জানুয়ারি মাস সেখানে সবচেয়ে উষ্ণ থাকে।

মোট প্রশ্ন (15)

a রা ত্র হো অ
b র বা ধী প নি
c দ্র তা রি দা
d সা ব ব অ ধ্যা
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রা ত্র হো অ প্রদত্ত তথ্য: অপশন এ এর বর্ণসমূহ হলো রা, ত্র, হো, অ অপশন বি এর বর্ণসমূহ হলো র, বা, ধী, প, নি ধরি, বর্ণগুলোকে সাজিয়ে নতুন শব্দ তৈরি করতে হবে এলোমেলো বর্ণগুলোর সঠিক ক্রম বের করতে হবে অতএব, রা ত্র হো অ বর্ণগুলো সাজালে পাওয়া যায় অ হো রা ত্র এবং এটি একটি অর্থবোধক শব্দ যা সময় বোঝায় সুতরাং, অন্যান্য অপশনের বর্ণগুলো সাজিয়ে কোনো অর্থবোধক শব্দ তৈরি করা যায় না কেবল প্রথম অপশনটি দিয়েই অর্থবোধক শব্দ তৈরি সম্ভব উত্তর: A) রা ত্র হো অ
a ИOITA⅃ƎЯ
b ИOIꓕⱯLƎᴚ
c ᴚE⅃ⱯꓕIOИ
d NOITALƎЯ
0 110 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ИOITA⅃ƎЯ প্রদত্ত তথ্য: মূল শব্দ হলো RELATION আয়নার প্রতিবিম্বের ক্ষেত্রে ডান দিক বাম দিকে উল্টে যায় ধরি, মূল শব্দের শেষ অক্ষর N চলে আসবে একদম প্রথমে এবং তা উল্টে হবে И এভাবে প্রতিটি অক্ষর বিপরীত দিক থেকে উল্টে বসবে অতএব, N অক্ষরটির প্রতিবিম্ব হবে И O অক্ষরের প্রতিবিম্ব হবে O সুতরাং, A অক্ষরের প্রতিবিম্ব হবে A T অক্ষরের প্রতিবিম্ব হবে T উত্তর: ИOITA⅃ƎЯ
a শ্বশুর
b পিতা
c চাচা
d ভাই
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) শ্বশুর প্রদত্ত তথ্য: ক হলেন গ এর মা গ হলেন ঙ এর স্ত্রী ধরি, ক এর সন্তান হলেন গ গ এর স্বামী হলেন ঙ অতএব, ঙ এর স্ত্রী গ এর মা হলেন ক ঙ এর স্ত্রী গ এর বাবা হলেন খ সুতরাং, ঙ এর স্ত্রীর বাবা খ হলেন ঙ এর শ্বশুর উত্তর: শ্বশুর
a রবিবার
b সােমবার
c মঙ্গলবার
d বুধবার
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বুধবার প্রদত্ত তথ্য: মাসের দ্বিতীয় দিন হলো সোমবার আমাদের বের করতে হবে আঠারোতম দিন কী বার ধরি, মাসের দ্বিতীয় দিন = ২ তারিখ মাসের আঠারোতম দিন = ১৮ তারিখ অতএব, তারিখের পার্থক্য = ১৮ − ২ = ১৬ দিন আমরা জানি, প্রতি সাত দিন পর একই বার ফিরে আসে সুতরাং, ১৬ কে ৭ দ্বারা ভাগ করলে ভাগশেষ থাকে ২ দিন সোমবারের সাথে আরও দুই দিন যোগ করলে হয় বুধবার উত্তর: বুধবার
a ১৮
b ৬৮
c ৮১
d ৪৪
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬৮ প্রদত্ত তথ্য: প্যাটার্নের সংখ্যাগুলো হলো দুই অংকের বিশেষ সংখ্যা সংখ্যাগুলোর অঙ্কগুলোর বর্গ করে যোগ করা হয়েছে ধরি, প্রথম সংখ্যার অঙ্ক দুটি ক এবং খ অতএব, প্রথম ধাপে অঙ্ক দুটির বর্গ করে যোগ করতে হবে দ্বিতীয় ধাপেও একইভাবে বর্গ করে যোগ করতে হবে সুতরাং, ৩ এবং ৪ এর ক্ষেত্রে ৩ এর বর্গ হলো ৯ এবং ৪ এর বর্গ হলো ১৬ এদের যোগ করলে পাওয়া যায় ৯ + ১৬ = ২৫ উত্তর: ৬৮
a ১৫ মিনিট
b ২০ মিনিট
c ২৫ মিনিট
d ৩০ মিনিট
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৫ মিনিট প্রদত্ত তথ্য: ৫০ মিনিট আগে সময় ছিল ৪টা বেজে ৪৫ মিনিট ধরি, বর্তমান সময় বের করার জন্য ৫০ মিনিট যোগ করতে হবে অতএব, ৪টা বেজে ৪৫ মিনিট এর সাথে ৫০ মিনিট যোগ করি ৪টা বেজে ৪৫ মিনিট + ৫০ মিনিট = ৫টা বেজে ৩৫ মিনিট সুতরাং, ৬টা বাজতে বাকি সময় = ৬টা বাজুন থেকে ৫টা বেজে ৩৫ মিনিট বিয়োগ করি উত্তর: ২৫ মিনিট
a একই দিকে
b উল্টো দিকে
c উলম্ব রেখায়
d সমান্তরালে
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) একই দিকে প্রদত্ত তথ্য: স্ক্রু ডাইভার দিয়ে ডান দিকে ঘোরালে স্ক্রু সামনে এগিয়ে যায় ঘড়ির কাঁটাও ডান দিক থেকে নিচের দিকে ঘোরে ধরি, স্ক্রুর অগ্রগতির দিক এবং ঘড়ির কাঁটার ঘূর্ণনের দিক একই তল বরাবর চলে উভয় ক্ষেত্রে ঘূর্ণনের নীতি ডানহাতি স্ক্রু নিয়ম মেনে চলে অতএব, স্ক্রু পেঁচানোর সময় যেভাবে ডানে ঘোরে ঘড়ির কাঁটাও ঠিক একই দিকে আবর্তিত হয় সুতরাং, দুটি গতির অভিমুখ একই ঘড়ির কাঁটার ঘূর্ণনের দিকে হয় উত্তর: একই দিকে
a ১৮/৩৬
b ৫/৩
c ১৬/৩১
d ৪/১২
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৪/১২ প্রদত্ত তথ্য: অপশনগুলো হলো ১৮/৩৬, ৫/৩, ১৬/৩১ এবং ৪/১২ ধরি, সংখ্যাগুলোকে দশমিক মানে রূপান্তর করতে হবে অতএব, ১৮/৩৬ = ০.৫ ৫/৩ = ১.৬৭ ১৬/৩১ = ০.৫২ ৪/১২ = ০.৩৩ সুতরাং, ০.৩৩ হলো সবচেয়ে ছোট মান উত্তর: ৪/১২
a ৭.১৫
b ৫.১৮
c ২.৩৬
d ১.৯৮
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২.৩৬ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সংখ্যা = ০.১ দ্বিতীয় সংখ্যা = ৩.৩৩ তৃতীয় সংখ্যা = ৭.১ ধরি, প্রদত্ত রাশি = ০.১ × ৩.৩৩ × ৭.১ অতএব, প্রথম দুটি সংখ্যার গুণফল = ০.১ × ৩.৩৩ = ০.৩৩৩ সুতরাং, প্রাপ্ত গুণফলের সাথে তৃতীয় সংখ্যা গুণ করে পাই, ০.৩৩৩ × ৭.১ = ২.৩৬২৩৩ উত্তর: ২.৩৬
a ০.৫% বেড়েছে
b ০.২৫% বেড়েছে
c ০.২৫% কমেছে
d ০.৫% কমেছে
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ০.২৫% কমেছে প্রদত্ত তথ্য: ব্যক্তির বেতন প্রথমে ৫% কমেছে এক বছর পর বেতন আবার ৫% বেড়েছে ধরি, ব্যক্তির আদি বেতন = ১০০ টাকা অতএব, ৫% কমে প্রথম বছর শেষে বেতন হয় = ১০০ − ৫ = ৯৫ টাকা এই ৯৫ টাকার উপর আবার ৫% বৃদ্ধি পায় ৯৫ এর ৫% = ৪.৭৫ টাকা সুতরাং, বর্তমান বেতন = ৯৫ + ৪.৭৫ = ৯৯.৭৫ টাকা মোটের উপর বেতন কমেছে = ১০০ − ৯৯.৭৫ = ০.২৫ টাকা উত্তর: ০.২৫% কমেছে
a Incyclopedia
b Encyclopedia
c Enciclopadia
d Encyclopedea
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Encyclopedia প্রদত্ত তথ্য: সঠিক ইংরেজি বানান চিহ্নিত করতে হবে ধরি, অপশনগুলোতে বিশ্বকোষ শব্দের বিভিন্ন বানান দেওয়া আছে অতএব, প্রথম অংশে Incyclopedia বানানটি ভুল তৃতীয় অংশে Enciclopadia বানানটি ভুল সুতরাং, চতুর্থ অংশে Encyclopedea বানানটি ভুল উত্তর: B) Encyclopedia
a ফারেনহাইট
b তাপমাত্রা
c চিকিৎসা
d পারদ
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পারদ প্রদত্ত তথ্য: ঘড়ির সাথে কাটার সম্পর্ক যেমন থার্মোমিটারের সাথে অন্য উপাদানের সম্পর্ক তেমনি ধরি, ঘড়ি পরিচালনার মূল অংশ হলো কাটা থার্মোমিটার পরিচালনার মূল উপাদান হলো পারদ অতএব, কাটা ছাড়া ঘড়ি যেমন অসম্পূর্ণ পারদ ছাড়া থার্মোমিটার তেমনি অসম্পূর্ণ সুতরাং, প্রথম জোড়ার সাথে দ্বিতীয় জোড়ার সাদৃশ্য রয়েছে উত্তর: পারদ
a ৩১
b ৩২
c ৩৩
d ৩৪
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩৩ প্রদত্ত তথ্য: সীমা হলো ১০০ থেকে ২০০ পর্যন্ত ৩ দ্বারা বিভাজ্য সংখ্যা নির্ণয় করতে হবে ধরি, ১০০ এর ঠিক পরের সংখ্যাটি যা ৩ দ্বারা বিভাজ্য তা হলো ১০২ ২০০ এর ঠিক আগের সংখ্যাটি যা ৩ দ্বারা বিভাজ্য তা হলো ১৯৯ অতএব, ১০২ কে ৩ দ্বারা ভাগ করলে হয় ৩৪ ১৯৯ কে ৩ দ্বারা ভাগ করলে হয় ৬৬ (পূর্ণসংখ্যা) সুতরাং, ৩ দ্বারা বিভাজ্য মোট সংখ্যার হিসাব = ৬৬ − ৩৪ + ১ = ৩৩ উত্তর: ৩৩ টি
a আইয়ুব খান
b ইয়াহিয়া খান
c ভুট্টো
d কিসিঞ্জার
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ভুট্টো প্রদত্ত তথ্য: ঐতিহাসিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট উক্তিটির সাথে জড়িত চরিত্র ধরি, বক্তা হলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যার কথা রাখা হয়নি তিনি জুলফিকার আলী ভুট্টো অতএব, আইয়ুব খান বা ইয়াহিয়া খানের সাথে উক্তিটির মিল নেই কিসিঞ্জারের সাথেও এই প্রসংগটি যুক্ত নয় সুতরাং, সঠিক নামটি হলো জুলফিকার আলী ভুট্টো উত্তর: C) ভুট্টো
a পূর্ব
b পশ্চিম
c উত্তর
d দক্ষিণ
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) দক্ষিণ প্রদত্ত তথ্য: রহিম প্রথমে উত্তর দিকে ১০ মাইল হাঁটেন এরপর ডানদিকে ঘুরে ৫ মাইল হাঁটেন তারপর আবার ডানদিকে ঘুরে ২ মাইল হাঁটেন ধরি, শুরুর বিন্দু থেকে রহিম উত্তর দিকে যাত্রা শুরু করেন অতএব, প্রথম ধাপে উত্তর দিকে চলার পর তার মুখ উত্তর দিকে থাকে দ্বিতীয় ধাপে ডানদিকে ঘোরার পর তার মুখ পূর্ব দিকে হয় তৃতীয় ধাপে পুনরায় ডানদিকে ঘোরার পর তার মুখ দক্ষিণ দিকে হয় সুতরাং, রহিম বর্তমানে দক্ষিণ দিকে হাঁটছেন উত্তর: দক্ষিণ