সঠিক উত্তর: B) গরল
১. কেন সঠিক:
- ‘সরল’ শব্দের অর্থ সোজা, নির্ভেজাল বা সহজ। এর বিপরীতার্থক শব্দ হলো যা সোজা নয় অর্থাৎ বক্র, কুটিল বা জটিল।
- ‘গরল’ শব্দের অর্থ বিষ বা হলাহল। এর বিপরীতার্থক শব্দ হলো ‘সুধা’ বা ‘অমৃত’, কিন্তু ‘সরল’ শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ গরল নয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- বিপরীতার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যা অন্য একটি শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করে। বাংলা ব্যাকরণে বিপরীত শব্দ নির্বাচনের ক্ষেত্রে শব্দের উৎস, ভাব ও অর্থের সামঞ্জস্য রক্ষা করতে হয়।
- তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ সাধারণত তৎসম শব্দ দিয়েই গঠিত হয় এবং তদ্ভব শব্দের বিপরীত শব্দ তদ্ভব শব্দ দিয়েই প্রকাশ করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: উদয় এবং অস্ত
ব্যাখ্যা: সূর্য ওঠার অবস্থাকে উদয় এবং সূর্য ডোবার অবস্থাকে অস্ত বলা হয়, যা একে অপরের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
উদাহরণ ২: উন্নত এবং অবনত
ব্যাখ্যা: কোনো কিছু উঁচুতে অবস্থান করাকে উন্নত এবং নিচুতে অবস্থান করাকে অবনত বলা হয়, যা বিপরীতার্থক শব্দের সঠিক উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বক্র — বক্র শব্দের অর্থ বাঁকা, যা সরল শব্দের সরাসরি বিপরীতার্থক শব্দ।
B) গরল — গরল শব্দের অর্থ বিষ, যা সরল শব্দের বিপরীতার্থক নয় বরং সুধা বা অমৃত শব্দের বিপরীত।
C) কুটিল — কুটিল শব্দের অর্থ প্যাঁচালো বা বাঁকা স্বভাবের, যা সরল শব্দের বিপরীতার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
D) জটিল — জটিল শব্দের অর্থ কঠিন বা প্যাঁচাল, যা সহজ বা সরল শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ।
৫ মনে রাখার টিপস:
সরল মনের মানুষ সোজা পথে চলে, তাই সরল শব্দের বিপরীত হবে বাঁকা বা কঠিন জাতীয় শব্দ যেমন বক্র, কুটিল বা জটিল। গরল একটি ভিন্নার্থক শব্দ যার অর্থ বিষ।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিপরীতার্থক শব্দ নির্ণয়ের প্রশ্ন আসে যেখানে একটি অপশন সম্পূর্ণ ভিন্ন অর্থের শব্দ থাকে। তাই শব্দের মূল অর্থ ভালোভাবে বুঝতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) বৈকুণ্ঠের খাতা
১. কেন সঠিক:
- বৈকুণ্ঠের খাতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত কৌতুক নাটক।
- এই নাটকে হাস্যরস ও ব্যঙ্গের মাধ্যমে তৎকালীন সমাজের মানুষের মনস্তত্ত্ব ও পারিবারিক সম্পর্ক তুলে ধরা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের বহুমুখী প্রতিভাবান লেখক যিনি কবিতা, ছোটগল্প, নাটক ও উপন্যাসে অনন্য অবদান রেখেছেন।
- বৈকুণ্ঠের খাতা নাটকটি মূলত সামাজিক লঘু কৌতুক নাটক হিসেবে বাংলা নাট্যসাহিত্যে বিশেষ স্থান দখল করে আছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চিরকুমার সভা
ব্যাখ্যা: এটিও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি বিখ্যাত কৌতুক নাটক ও কমেডিধর্মী সাহিত্যকর্ম।
উদাহরণ ২: বৈকুণ্ঠের খাতা নাটকের চরিত্র
ব্যাখ্যা: এই নাটকের কেদার, অবিনাশ ও বৈকুণ্ঠ চরিত্রগুলো হাস্যরস সৃষ্টির জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বৈকুণ্ঠের খাতা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি কৌতুক নাটক হিসেবে সম্পূর্ণ গ্রহণযোগ্য।
B) জামাই বারিক — এটি দিনবন্ধু মিত্র রচিত একটি বিখ্যাত প্রহসন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নাটক নয়।
C) বিবাহ-বিভ্রাট — এটি কোনো প্রসিদ্ধ মৌলিক কৌতুক নাটক নয় বরং পরীক্ষামূলকভাবে বিভ্রান্তিকর অপশন হিসেবে দেওয়া হয়েছে।
D) হিতে বিপরীত — এটি একটি প্রবাদতুল্য শব্দগুচ্ছ যা কোনো নির্দিষ্ট নাটক বোঝায় না।
৫ মনে রাখার টিপস:
রবীন্দ্রনাথের কৌতুক নাটক মনে রাখার সহজ কৌশল হলো বৈকুণ্ঠের খাতা ও চিরকুমার সভা নামের লঘু নাটকগুলো মাথায় রাখা।
কৌতুক নাটকের ক্ষেত্রে রবীন্দ্রনাথের হালকা চালের রচনাগুলোর নাম আলাদা করে তালিকাভুক্ত করে পড়া উচিত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রহসন বা কৌতুক নাটকের নাম জানতে চাওয়া হয়।
নাটক ও প্রহসনের পার্থক্য বুঝে লেখকভিত্তিক তালিকা মুখস্থ রাখলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
সঠিক উত্তর: B) উপভোগ
১. কেন সঠিক:
- উপসর্গ সাধারণত শব্দের পূর্বে বসে অর্থের সংকোচন, সম্প্রসারণ বা পরিবর্তন করে থাকে।
- এখানে 'উপ' উপসর্গটি বিভিন্ন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে এবং 'উপভোগ' শব্দটিতে 'উপ' উপসর্গটি বিশেষ বা পরিপূর্ণ অর্থে প্রযুক্ত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- উপসর্গ হলো এক ধরণের অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা শব্দের আদিতে বসে নতুন শব্দ গঠন করে।
- বাংলা ভাষায় উপসর্গ প্রধানত তিন ভাগে বিভক্ত যেমন খাঁটি বাংলা উপসর্গ, তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ এবং বিদেশি উপসর্গ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পরিগ্রহণ
ব্যাখ্যা: এখানে 'পরি' উপসর্গটি বিশেষ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: প্রবচন
ব্যাখ্যা: এখানে 'প্র' উপসর্গটি প্রকৃষ্ট অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উপনেতা — এই শব্দটিতে 'উপ' উপসর্গটি গৌণ বা ক্ষুদ্র অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে যা মূল পদের ছোট রূপ বোঝায়।
B) উপভোগ — এই শব্দটিতে 'উপ' উপসর্গটি পরিপূর্ণ বা বিশেষ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে যা অন্য অপশনগুলোর থেকে আলাদা।
C) উপগ্রহ — এই শব্দটিতে 'উপ' উপসর্গটি মূল গ্রহের ছোট বা গৌণ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
D) উপসাগর — এই শব্দটিতে 'উপ' উপসর্গটি মূল সাগরের চেয়ে ছোট বা গৌণ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ছোট বা গৌণ অর্থে ব্যবহৃত উপ উপসর্গের ক্ষেত্রে উপনেতা, উপগ্রহ ও উপসাগর এক ধরণের অর্থ প্রকাশ করে।
- উপভোগ শব্দটি সম্পূর্ণ আলাদা অর্থে ব্যবহৃত হওয়ায় এটি ভিন্নার্থক হিসেবে গণ্য হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গ থেকে প্রায়ই ভিন্নার্থক উপসর্গ বা শব্দের অর্থ নির্ণয় সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে।
- উপসর্গযুক্ত শব্দের ব্যাসবাক্য বা অর্থ ভালোভাবে বুঝতে পারলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
সঠিক উত্তর: C) জহির রায়হান
১. কেন সঠিক:
- ‘জীবন থেকে নেওয়া’ বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসের একটি ঐতিহাসিক দলিল এবং এর পরিচালক প্রখ্যাত চলচ্চিত্রকার জহির রায়হান।
- এই চলচ্চিত্রে রূপকাহিনীর মাধ্যমে তৎকালীন পাকিস্তানের স্বৈরাচারী আইয়ুব খানের শাসন এবং বাঙালির মুক্তির সংগ্রামকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- জহির রায়হান একাধারে প্রখ্যাত কথাশিল্পী, সাংবাদিক এবং চলচ্চিত্র পরিচালক ছিলেন।
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে নির্মিত এই ছবিটিতে ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ গানটি অত্যন্ত নান্দনিকভাবে ব্যবহার করা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ‘বেহুলা’ চলচ্চিত্রটি জহির রায়হান পরিচালিত একটি জনপ্রিয় পৌরাণিক ধারার ছবি।
ব্যাখ্যা: এটি জহির রায়হানের বহুমুখী চলচ্চিত্র পরিচালনার প্রতিভার একটি বড় নিদর্শন।
উদাহরণ ২: ‘স্টോপ জেনোসাইড’ প্রামাণ্যচিত্রটি জহির রায়হান ১৯৭১ সালে নির্মাণ করেন।
ব্যাখ্যা: এই তথ্যচিত্রটি মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি বাহিনীর বর্বরতার আন্তর্জাতিক দলিল হিসেবে কাজ করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আমজাদ হোসেন — আমজাদ হোসেন একজন প্রখ্যাত চলচ্চিত্রকার হলেও ‘জীবন থেকে নেওয়া’ চলচ্চিত্রটি তিনি পরিচালনা করেননি।
B) আলমগীর — আলমগীর বাংলাদেশের একজন জনপ্রিয় অভিনেতা, যিনি মূলত অভিনয়ের জন্য পরিচিত এবং তিনি এই ছবি পরিচালনা করেননি।
C) জহির রায়হান — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি এই প্রশ্নের উত্তর হিসেবে নির্ধারিত।
D) সুভাষ দত্ত — সুভাষ দত্ত বাংলা চলচ্চিত্রের অগ্রপথিক পরিচালক হলেও ‘জীবন থেকে নেওয়া’ ছবিটির পরিচালক জহির রায়হান।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমি ও জীবনমুখী রাজনৈতিক ছবির কথা মনে এলেই জহির রায়হানের ‘জীবন থেকে নেওয়া’ নামটি মনে রাখতে হবে।
- চলচ্চিত্রের মাধ্যমে রাজনৈতিক প্রতিবাদ জানানোর ক্ষেত্রে জহির রায়হান ছিলেন অগ্রগামী।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ‘জীবন থেকে নেওয়া’ চলচ্চিত্রের পরিচালক হিসেবে জহির রায়হানের নাম প্রায়ই আসে।
- বাংলা চলচ্চিত্রের ক্লাসিক ধারার চলচ্চিত্রগুলো সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) শুদ্ধ জীবনযাপন রীতি
১. কেন সঠিক:
- খনার বচনের মূল লক্ষ্য হলো সাধারণ মানুষকে দৈনন্দিন জীবনে চলাফেরার সঠিক দিকনির্দেশনা দেওয়া।
- কৃষি, আবহাওয়া, স্বাস্থ্য রক্ষা এবং পারিবারিক জীবনের নানা দিক এই বচনে সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা লোকসাহিত্যের অন্যতম প্রাচীন ও মূল্যবান সম্পদ হলো খনার বচন।
- প্রবাদ ও প্রবচনের অন্তর্ভুক্ত এই বচনগুলো আবহমান বাংলার কৃষি ও সংস্কৃতির সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সকালে উঠিয়া আমি মনে মনে বলি, সারাদিন যেন আমি ভালো হয়ে চলি।
ব্যাখ্যা: এটিও একটি জীবনযাপন ও নৈতিকতা সংক্রান্ত পঙক্তি, যা খনার বচনের মূলভাবের সঙ্গে মিল রাখে।
উদাহরণ ২: কলা রুয়ে না কাটো পাত, তাতেই কাপড় তাতেই ভাত।
ব্যাখ্যা: এটি একটি বিখ্যাত খনার বচন যা মিতব্যয়িতা এবং সঠিকভাবে কৃষি কাজ পরিচালনার মাধ্যমে জীবন সুন্দর করার শিক্ষা দেয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লৌকিক প্রণয়সঙ্গীত — খনার বচনে প্রেমের কথা না বলে মূলত কৃষি, আবহাওয়া ও দৈনন্দিন জীবনের বাস্তব পরামর্শ দেওয়া হয়।
C) সামাজিক মঙ্গলবোধ — সমাজ মঙ্গল এর অংশ হলেও, খনার বচনের মূল বিষয়বস্তু মূলত ব্যক্তিগত ও পারিবারিক শুদ্ধ জীবনযাপন এবং কৃষি কাজ।
D) রাষ্ট্র পরিচালনা নীতি — খনার বচন রাজদরবার বা রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য রচিত হয়নি, এটি সাধারণ গ্রামীণ মানুষের জীবনযাত্রার জন্য প্রযোজ্য।
৫ মনে রাখার টিপস:
- খনা মানেই কৃষিকাজ, আবহাওয়া এবং সুন্দরভাবে বেঁচে থাকার নানা উপদেশ বা শুদ্ধ জীবনযাপন রীতি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- খনার বচন বাংলা লোকসাহিত্যের এক বিশাল ভান্ডার যা প্রবাদ ও প্রবচনের রূপ হিসেবে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: D) ক্রিয়া ও সর্বনাম
১. কেন সঠিক:
সাধু ও চলিত রূপের মধ্যে সবচেয়ে বেশি এবং প্রধান পরিবর্তন দেখা যায় ক্রিয়া পদ এবং সর্বনাম পদের ক্ষেত্রে।
বাক্যের ক্রিয়া এবং সর্বনাম পদ সাধু রীতিতে একরকম থাকে এবং চলিত রীতিতে পরিবর্তিত হয়ে অন্য রূপ ধারণ করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
সাধু রীতিতে ক্রিয়ার রূপ দীর্ঘ ও তৎসম শব্দবহুল হয় যেমন করিয়াছি, খাইতেছিল।
চলিত রীতিতে ক্রিয়ার রূপ সংক্ষিপ্ত ও সহজ হয় যেমন করেছি, খাচ্ছিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সাধু রূপ: তাহার কি মনে পড়ে না। চলিত রূপ: তার কি মনে পড়ে না।
ব্যাখ্যা: এখানে সর্বনাম পদের সাধু রূপ তাহার চলিত রীতিতে তার হয়েছে।
উদাহরণ ২: সাধু রূপ: তারা নদী পার হইতেছিল। চলিত রূপ: তারা নদী পার হচ্ছিল।
ব্যাখ্যা: এখানে ক্রিয়া পদের সাধু রূপ হইতেছিল চলিত রীতিতে হচ্ছিল হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিশেষ্য ও ক্রিয়া — বিশেষ্য পদে সাধু ও চলিত রূপের বড় কোনো পরিবর্তন হয় না তাই এটি ভুল।
B) বিশেষণ ও ক্রিয়া — বিশেষণ পদে রূপগত পরিবর্তন অপেক্ষাকৃত কম হয় তাই এটি সম্পূর্ণ সঠিক নয়।
C) বিশেষ্য ও বিশেষণ পদে — বিশেষ্য ও বিশেষণ পদে সাধু ও চলিত রূপের পার্থক্য সবচেয়ে কম থাকে তাই এটি ভুল।
D) ক্রিয়া ও সর্বনাম — এটি সঠিক কারণ এই দুটি পদেই সাধু ও চলিত রীতিতে রূপ সবচেয়ে বেশি পরিবর্তিত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
সাধু ও চলিত ভাষা চেনার সহজ উপায় হলো ক্রিয়ার রূপ এবং সর্বনাম পদের পরিবর্তন লক্ষ্য করা।
ক্রিয়া ও সর্বনাম দেখলেই বুঝবে কোনটি সাধু এবং কোনটি চলিত রীতি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাষা ও উপভাষা সম্পর্কিত প্রশ্নে সাধু ও চলিত রীতির পার্থক্য প্রায়ই আসে।
ক্রিয়া ও সর্বনাম পদের রূপ পরিবর্তনের এই নিয়মটি মনে রাখলে সহজে উত্তর করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: C) সৈয়দ আলী আহসান
১. কেন সঠিক:
- সৈয়দ আলী আহসান বাংলাদেশের একজন প্রথিতযশা শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক ও গবেষক যিনি স্বাধীনতা পদক লাভ করেছেন।
- রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা হিসেবে সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে অবদানের জন্য তাঁকে এই পদকে ভূষিত করা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সৈয়দ আলী আহসান ১৯২০ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
- তিনি বাংলা একাডেমি ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং প্রাবন্ধিক ও কবি হিসেবে পরিচিত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ড. মুহাম্মদ এনামুল হক
ব্যাখ্যা: তিনি একজন বিশিষ্ট ভাষাবিজ্ঞানী ও গবেষক যিনি সাহিত্যে অবদানের জন্য স্বাধীনতা পদক লাভ করেছিলেন।
উদাহরণ ২: বোরহান উদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যাখ্যা: তিনি বাংলাদেশের শিল্প সমালোচক ও প্রাবন্ধিক যিনি সাহিত্য ও শিল্পকলায় অবদানের জন্য স্বাধীনতা পদক পান।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কবি শামসুর রহমান — তিনি বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান কবি এবং স্বাধীনতা পদক পেলেও বর্তমান প্রশ্নের নির্দিষ্ট মানদণ্ডে সঠিক উত্তরের সঙ্গে মেলানো হয়নি।
B) যতীন সরকার — তিনি বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক ও গবেষক যিনি সাহিত্য ক্যাটাগরিতে বাংলা একাডেমি পুরস্কার ও স্বাধীনতা পদক পেলেও এখানে সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত নয়।
C) সৈয়দ আলী আহসান — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর যা স্বাধীনতা পদক প্রাপ্ত ব্যক্তিত্ব হিসেবে সরাসরি মিলে যায়।
D) সৈয়দ শামসুল হক — তিনি প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও কবি যিনি স্বাধীনতা পদক লাভ করেছেন কিন্তু এই প্রশ্নের জন্য নির্ধারিত সঠিক উত্তর সি অপশন।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সাহিত্যিক ও গবেষক সৈয়দ আলী আহসানের নামের সঙ্গে সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা স্বাধীনতা পদক যুক্ত করে মনে রাখতে হবে।
- বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিকদের রাষ্ট্রীয় পদক প্রাপ্তির তালিকা আলাদা করে ছক আকারে পড়লে সহজে মনে থাকে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত সাহিত্যিকদের নাম ও প্রাপ্ত সাল প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- এই ধরনের প্রশ্নে অপশনের কবি ও লেখকদের সাহিত্যকর্ম এবং প্রাপ্ত পুরস্কারগুলোর একটি তালিকা তৈরি করে প্রস্তুতি নেওয়া উচিত।
সঠিক উত্তর: B) জ্ঞাপনপত্র
১. কেন সঠিক:
- 'Hand out' ইংরেজি শব্দটির প্রমিত বাংলা পারিভাষিক রূপ হলো 'জ্ঞাপনপত্র'।
- সাধারণত সরকারি বা দাপ্তরিক কোনো তথ্য বা সিদ্ধান্ত জনসাধারণ বা সংশ্লিষ্ট সবাইকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানোর জন্য এটি ব্যবহার করা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- পারিভাষিক শব্দ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ।
- ইংরেজি প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক শব্দের সঠিক বাংলা রূপ জানা থাকলে দাপ্তরিক কাজে এবং পরীক্ষায় ভালো করা যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: Press note
ব্যাখ্যা: এর সঠিক পারিভাষিক রূপ হলো সংবাদ বিজ্ঞপ্তি।
উদাহরণ ২: Memorandum
ব্যাখ্যা: এর সঠিক পারিভাষিক রূপ হলো স্মারক লিপি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হস্তপত্র — এই শব্দটি বাংলা পারিভাষিক শব্দ হিসেবে স্বীকৃত নয়।
B) জ্ঞাপনপত্র — এটি Hand out এর সঠিক এবং পরীক্ষিত পারিভাষিক রূপ।
C) তথ্যপত্র — এটি Information sheet এর কাছাকাছি হলেও Hand out এর নির্দিষ্ট পারিভাষিক রূপ নয়।
D) প্রচারপত্র — এটি Hand bill বা Leaflet এর পারিভাষিক রূপ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- Hand out মানে কোনো কিছু হাত দিয়ে বিলি করা বা সবাইকে জানানো, তাই এটি জ্ঞাপনপত্র।
- দাপ্তরিক ইংরেজি শব্দের ক্ষেত্রে আক্ষরিক অনুবাদের চেয়ে প্রাতিষ্ঠানিক রূপটি বেশি মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং ব্যাংক পরীক্ষায় ইংরেজি পারিভাষিক শব্দের বাংলা রূপ প্রায়ই আসে।
- নিয়মিত সরকারি দাপ্তরিক পরিভাষা চর্চা করলে এই ধরনের প্রশ্নে পূর্ণ নম্বর পাওয়া সম্ভব।
সঠিক উত্তর: A) বাংলার বারো ভুঁঞাদের একজন
১. কেন সঠিক:
- প্রতাপ আদিত্য ছিলেন বাংলার মুঘল আমলের অন্যতম স্বাধীনচেতা ও প্রভাবশালী জমিদার বা বারো ভুঁঞাদের একজন।
- তিনি যশোরের রাজা ছিলেন এবং মুঘল সম্রাট আকবরের বিরুদ্ধে তৎকালীন সময়ে শক্তিশালী প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন।
২. সাহিত্য / ইতিহাস ব্যাখ্যা:
- মধ্যযুগের বাংলার ইতিহাসে বারো ভুঁঞা বলতে বোঝানো হয় স্বাধীনচেতা ও শক্তিশালী জমিদারদের একটি জোটকে।
- মুঘল সম্রাট আকবরের সেনাপতিদের বিরুদ্ধে বাংলার স্বাধীনতা রক্ষায় এঁরা দীর্ঘকাল সংগ্রাম করেছিলেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ঈশা খাঁ
ব্যাখ্যা: তিনি ছিলেন বাংলার বারো ভুঁঞাদের প্রধান এবং সোনারগাঁওয়ের বিখ্যাত শাসক।
উদাহরণ ২: ওসমান খাঁ
ব্যাখ্যা: তিনি বাংলার শেষ দিকের একজন স্বাধীন আফগান প্রধান ও শক্তিশালী ভুঁঞা ছিলেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাংলার বারো ভুঁঞাদের একজন — এই তথ্যটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং প্রশ্নের ঐতিহাসিক চাহিদার সঙ্গে মিলে যায়।
B) রাজপুত রাজা — প্রতাপ আদিত্য রাজপুত ছিলেন না, তিনি ছিলেন বাংলার যশোরের কায়স্থ বংশীয় জমিদার।
C) বাংলার শাসক — তিনি বাংলার স্বাধীন বা সার্বভৌম কোনো শাসক ছিলেন না, বরং একজন স্থানীয় ভূস্বামী বা জমিদার ছিলেন।
D) মোগল সেনাপতি — প্রতাপ আদিত্য মুঘলদের পক্ষে সেনাপতি ছিলেন না, বরং মুঘল শক্তির বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেছিলেন।
৫ মনে রাখার টিপস:
যশোরের রাজা প্রতাপ আদিত্য এবং সোনারগাঁওয়ের ঈশা খাঁ উভয়ই বাংলার বারো ভুঁঞাদের ইতিহাসের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারো ভুঁঞাদের প্রধান কে ছিলেন এবং প্রতাপ আদিত্য কোন অঞ্চলের শাসক ছিলেন, এই প্রশ্নগুলো বারবার আসে।
সঠিক উত্তর: B) সর্বশুচি
১. কেন সঠিক:
'সর্বশুচি' শব্দের অর্থ যা সবকিছু পবিত্র করে।
আগুন সব ময়লা ও অপবিত্রতা পুড়িয়ে পবিত্র করে বলে একে সর্বশুচি বলা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি শব্দার্থ ও সমার্থক শব্দ সম্পর্কিত প্রশ্ন।
বাংলা ভাষায় আগুনের অনেক সমার্থক শব্দ রয়েছে যা বিভিন্ন উৎস থেকে এসেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আগুন জ্বালাও।
ব্যাখ্যা: এখানে আগুন সরাসরি তাপ ও আলোর উৎস হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: অনল জলে পুড়ে ছারখার।
ব্যাখ্যা: অনল শব্দটি আগুনের অপর একটি সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভাতি — এর অর্থ দীপ্তি বা আলো, যা আগুন নয়।
B) সর্বশুচি — এটি আগুনের সঠিক সমার্থক শব্দ।
C) অংশ — এর অর্থ ভাগ বা অংশবিশেষ, যা আগুনের সমার্থক নয়।
D) জ্যোতি — এর অর্থ প্রভা বা উজ্জ্বলতা, যা আগুন বোঝায় না।
৫ মনে রাখার টিপস:
আগুন সবকিছু পুড়িয়ে পবিত্র করে, তাই মনে রাখবে সব পবিত্রকারী বা সর্বশুচি হলো আগুন।
শব্দটির আক্ষরিক অর্থ মনে রাখলেই সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সহজ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আগুনের সমার্থক শব্দ যেমন অনল, পাবক, হুতাশন, সর্বশুচি প্রায়ই আসে।
নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে এই শব্দগুলোর অর্থ মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) কানাকানি
১. কেন সঠিক:
- ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাসে একই পদের পারস্পরিক বা ক্রিয়ার বিনিময় বোঝায়।
- কানাকানি শব্দটি কান ও কান শব্দের পারস্পরিক ক্রিয়ার বিনিময় প্রকাশ করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বহুব্রীহি সমাসে পূর্বপদ ও পরপদ কোনোটির অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো পদকে বোঝায়।
- ব্যতিহার বহুব্রীহিতে পারস্পরিক অর্থে আ প্রত্যয় যুক্ত হয় এবং ক্রিয়ার বিনিময় বোঝায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: লাঠালাঠি
ব্যাখ্যা: লাঠিতে লাঠিতে যে লড়াই, যা পারস্পরিক ক্রিয়ার বিনিময় বোঝায়।
উদাহরণ ২: গলাগলি
ব্যাখ্যা: গলায় গলায় যে মিলন, যা ব্যতিহার বহুব্রীহির আরেকটি সুন্দর উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অজানা — এটি নঞ তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ কারণ পূর্বপদ না বোধক অব্যয়।
B) দোতলা — এটি দ্বিগু সমাসের উদাহরণ কারণ সমাহার বোঝায়।
C) আশীবিষ — এটি ব্যধিকরণ বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ কারণ বিশিষ্য পদ ভিন্ন বিভক্তিযুক্ত।
D) কানাকানি — এটি সঠিক উত্তর যা ব্যতিহার বহুব্রীহির নিয়ম মেনে চলে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- পারস্পরিক বোঝাপড়া বা মারামারি থাকলে ব্যতিহার বহুব্রীহি হয়।
- শব্দের শেষে আ ধ্বনি বা নি যুক্ত থাকা এর অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ব্যতিহার বহুব্রীহি চিনতে শব্দের পারস্পরিক অর্থ খেয়াল রাখতে হয়।
- বিসিএস ও ব্যাংক পরীক্ষায় এই নিয়ম থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: B) উপন্যাস
১. কেন সঠিক:
- ‘বাঁধন হারা’ হলো জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম রচিত উপন্যাস।
- এটি একটি পত্রোপন্যাস বা চিঠির আকারে লেখা উপন্যাস যা লেখকের সাহিত্যিক প্রতিভার এক অনন্য প্রকাশ।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম মূলত কবিতা ও গানের জন্য বেশি পরিচিত হলেও তিনি বেশ কিছু গদ্য ও উপন্যাসও লিখেছেন।
- ‘বাঁধন হারা’ উপন্যাসটি ১৯২১ সালে মাসিক ‘মোসলেম ভারত’ পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয় এবং গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয় ১৯২৭ সালে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মৃত্যুক্ষুধা
ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত ও সমাজ বাস্তবতামূলক উপন্যাস।
উদাহরণ ২: কুহেলিকা
ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে রচিত একটি জনপ্রিয় উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভ্রমণ কাহিনী — কাজী নজরুল ইসলামের কোনো ভ্রমণ কাহিনী মূলধারার পরিচিত গ্রন্থ নয়।
B) উপন্যাস — এটি সঠিক কারণ ‘বাঁধন হারা’ একটি পত্রোপন্যাস জাতীয় গদ্য রচনা।
C) নাটক — এটি নাটক নয়, কারণ এতে কোনো সংলাপভিত্তিক দৃশ্য বা মঞ্চায়নযোগ্য পটভূমি নেই।
D) কবিতা — যদিও নজরুল মূলত কবি, তবে এই নির্দিষ্ট রচনাটি পদ্য নয়, বরং গদ্যে রচিত উপন্যাস।
৫ মনে রাখার টিপস:
- নজরুলের প্রথম উপন্যাস মনে রাখার কৌশল হলো তিনি তরুণ বয়সে ‘বাঁধন হারা’ হয়ে প্রথম উপন্যাস লিখেছিলেন।
- নজরুলের তিনটি বিখ্যাত উপন্যাস হলো বাঁধন হারা, মৃত্যুক্ষুধা ও কুহেলিকা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই নজরুলের প্রথম উপন্যাসের নাম জানতে চাওয়া হয়।
- লেখকের প্রথম বা একমাত্র উপন্যাসগুলোর নাম আলাদা করে নোট করে রাখা ভালো।
সঠিক উত্তর: C) ট্রেন স্টেশন ছেড়েছে
১. কেন সঠিক:
- বাক্যে স্টেশন শব্দটি থেকে ট্রেন দূরে সরে যাওয়ার অর্থ প্রকাশ পেয়েছে।
- কোনো কিছু থেকে বিচ্যুত, রক্ষিত, ভীত, উৎপন্ন বা সরে যাওয়া বোঝালে অপাদান কারক হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, বিরত, গৃহীত, উৎপাদিত, ভীত বা পতিত হয় এবং যা দেখে কেউ ভীত হয়, তাকে অপাদান কারক বলে।
- ক্রিপদকে কিসের থেকে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা সাধারণত অপাদান কারক হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গাছ থেকে পাতা পড়ে।
ব্যাখ্যা: এখানে গাছ থেকে পাতা বিচ্যুত হওয়া বোঝানো হয়েছে, তাই এটি অপাদান কারক।
উদাহরণ ২: নদী থেকে মাছ ধরে।
ব্যাখ্যা: নদী থেকে মাছ তুলে নেওয়া বা বিচ্যুত করা বোঝানোর কারণে এটি অপাদান কারক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গৃহহীনে গৃহ দাও — এটি সম্প্রদান কারক, কারণ এখানে সত্য ত্যাগ করে কোনো কিছু দান করা বোঝানো হয়েছে।
B) জিজ্ঞাসিব জনে জনে — এটি কর্ম কারক, কারণ এখানে বাক্যের ক্রিয়াকে কাকে বা কি দিয়ে প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যায়।
D) বনে বাঘ আছে — এটি অধিকরণ কারক, কারণ বন হলো বাঘ থাকার স্থান বা আধার।
৫ মনে রাখার টিপস:
- কোথা থেকে বা কী থেকে প্রশ্ন করে উত্তর পেলে এবং তা দিয়ে দূরত্ব বা বিচ্যুত হওয়া বোঝালে অপাদান কারক হয়।
- গৃহহীন বা দানের ক্ষেত্রে সম্প্রদান এবং স্থান বা সময় বোঝালে অধিকরণ কারক মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- কারক নির্ণয়ের সময় ক্রিয়াপদকে উৎস বা স্থানবাচক শব্দ দিয়ে প্রশ্ন করার অভ্যাস করতে হবে।
- বিচ্যুতি বা দূরত্বের ধারণা থাকলে চোখ বন্ধ করে অপাদান কারক দাগাতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) অনন্বয়ী অব্যয়
১. কেন সঠিক:
যে অব্যয় পদ বাক্যস্থিত অন্য পদের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক না রেখে স্বাধীনভাবে মনোভাব বা ভাব প্রকাশ করে, তাকে অনন্বয়ী অব্যয় বলে।
এখানে 'তো' শব্দটি বাক্যের মধ্যে অতিরিক্ত ভাব বা আলংকারিক সৌন্দর্য প্রকাশ করেছে এবং এটি প্রশংসাবাচক অনন্বয়ী অব্যয়ের উদাহরণ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
অনন্বয়ী অব্যয় সাধারণত মনের নানা ভাব যেমন প্রশংসা, বিরক্তি, সম্মতি বা অস্বীকৃতি প্রকাশ করে।
বাক্য থেকে এই পদ বাদ দিলেও ব্যাকরণের মূল অর্থের কোনো পরিবর্তন হয় না, কেবল অর্থের গভীরতা বা আবেগ প্রকাশ পায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাঃ, কী সুন্দর পাখি!
ব্যাখ্যা: এখানে 'বাঃ' শব্দটি আনন্দ বা উল্লাস প্রকাশ করেছে, যা অনন্বয়ী অব্যয়ের একটি স্পষ্ট রূপ।
উদাহরণ ২: ছি ছি, তুমি এত নিচ!
ব্যাখ্যা: এখানে 'ছি ছি' শব্দটি ঘৃণা বা লজ্জা প্রকাশ করতে অনন্বয়ী অব্যয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অনন্বয়ী অব্যয় — এটি সঠিক কারণ বাক্যটিতে 'তো' পদটি স্বাধীনভাবে আবেগ বা ভাব প্রকাশ করেছে।
B) অনুকার অব্যয় — অনুকার অব্যয় কোনো কিছুর নকল শব্দ বা ধ্বনির অনুকরণ বোঝায়, যা এখানে নেই।
C) পদান্বয়ী অব্যয় — পদান্বয়ী অব্যয় বিশেষ্য বা সর্বনামের পরে বসে কারক বোঝাতে সাহায্য করে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) অনুসর্গ অব্যয় — অনুসর্গগুলো শব্দের পরে বসে কারক গঠনে সাহায্য করে, যা এই বাক্যের ক্ষেত্রে অনুপস্থিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
বাক্যের ভেতরে যে পদ বাদ দিলেও বাক্য ঠিক থাকে এবং মনের ভাব জোরালো হয়, সেটাই অনন্বয়ী অব্যয়।
প্রশংসা, বিরক্তি বা সম্মতির শব্দ দেখলে প্রথমে অনন্বয়ী অব্যয় ধরে নিতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
অনন্বয়ী অব্যয় বাক্যের শোভা বর্ধন করে এবং আবেগ প্রকাশ করে।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধারণত ভাবপ্রকাশক শব্দগুলো অনন্বয়ী অব্যয় হিসেবে চিহ্নিত করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) পদ্মরাগ
১. কেন সঠিক:
- পদ্মরাগ হলো বাঙালি নারীবাদী লেখিকা বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস যা প্রকাশিত হয় ১৯২৪ সালে।
- এই উপন্যাসে তৎকালীন মুসলিম সমাজের নারীশিক্ষা, নারী স্বাধীনতা এবং নারীর আত্মনির্ভরশীলতার বাণী অত্যন্ত সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন ১৮৮০ সালের ৯ ডিসেম্বর রংপুরের পায়রাবন্দ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৩২ সালের ৯ ডিসেম্বর কলকাতায় মৃত্যুবরণ করেন।
- তিনি বাংলা সাহিত্যে নারী জাগরণের অগ্রদূত হিসেবে পরিচিত এবং তাঁর উল্লেখযোগ্য অন্যান্য সাহিত্যকর্মের মধ্যে সুলতানার স্বপ্ন ও মতিচূর বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সুলতানা স্বপ্ন
ব্যাখ্যা: এটি বেগম রোকেয়া রচিত একটি বিখ্যাত নারীবাদী ইউটোপিয়ান বা নারীবাদী কল্পবিজ্ঞানভিত্তিক রচনা।
উদাহরণ ২: মতিচূর
ব্যাখ্যা: এটি বেগম রোকেয়ার একটি বিখ্যাত প্রবন্ধ সংকলন যা দুটি খণ্ডে প্রকাশিত হয়েছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পদ্মমণি — এটি বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের কোনো রচিত গ্রন্থ নয় বরং এটি একটি বিভ্রান্তিকর নাম।
B) পদ্মাবতী — এটি মধ্যযুগের কবি আলাওল রচিত একটি বিখ্যাত কাব্য যা ষোল শতকে রচিত হয়েছিল।
C) পদ্মগোখরা — এটি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি বিখ্যাত ছোটগল্প সংকলন।
D) পদ্মরাগ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন রচিত একমাত্র উপন্যাস।
৫. মনে রাখার টিপস:
বেগম রোকেয়ার উপন্যাসের নাম মনে রাখতে মনে রাখবে রোকেয়া নারীদের হৃদয়ে পদ্মের মতো রাগ বা প্রীতি জাগাতে লিখেছিলেন পদ্মরাগ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের জন্ম ও মৃত্যুদিন একই অর্থাৎ ৯ ডিসেম্বর যা প্রতি বছর রোকেয়া দিবস হিসেবে পালিত হয়।
নারীবাদী সাহিত্য ও প্রবন্ধ সম্পর্কিত প্রশ্ন এলে বেগম রোকেয়ার গ্রন্থগুলো আলাদা করে মনে রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুবই জরুরি।
সঠিক উত্তর: A) গাজী মিয়াঁর বস্তানী
১. কেন সঠিক:
- গাজী মিয়াঁর বস্তানী গ্রন্থটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার মীর মশাররফ হোসেন রচিত একটি বিখ্যাত আত্মজীবনীমূলক ও সামাজিক উপন্যাসধর্মী রচনা।
- এই গ্রন্থে উনিশ শতকের গ্রামীণ সমাজের নানা অসঙ্গতি, কুসংস্কার এবং তৎকালীন বিচার ব্যবস্থার চিত্র ব্যঙ্গাত্মক ও বাস্তবসম্মতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মীর মশাররফ হোসেন বাংলা গদ্যসাহিত্যের অন্যতম প্রধান রূপকার এবং বিষাদসিন্ধু উপন্যাসের জন্য সর্বাধিক পরিচিত।
- তাঁর সাহিত্যকর্মে উনিশ শতকের বাঙালি মুসলিম সমাজের সংস্কার প্রয়াস এবং তৎকালীন সামাজিক বাস্তবতার এক অনন্য রূপ প্রকাশ পেয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিষাদসিন্ধু
ব্যাখ্যা: এটি মীর মশাররফ হোসেনের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও ঐতিহাসিক উপন্যাস, যা কারবালার যুদ্ধ ও বিষাদময় ঘটনার ওপর ভিত্তি করে রচিত।
উদাহরণ ২: জমিদার দর্পণ
ব্যাখ্যা: এটি মীর মশাররফ হোসেন রচিত একটি বিখ্যাত নাটক, যা নীলকর সাহেবদের অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ স্বরূপ রচিত হয়েছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গাজী মিয়াঁর বস্তানী - এটি মীর মশাররফ হোসেন রচিত গ্রন্থ হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।
B) আলালের ঘরের দুলাল - এটি টেকচাঁদ ঠাকুর অর্থাৎ প্যারীচাঁদ মিত্র রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস।
C) হুতোম প্যাঁচার নক্সা - এটি কালীপ্রসন্ন সিংহ রচিত একটি বিখ্যাত বাংলা সামাজিক নকশা জাতীয় গ্রন্থ।
D) কলিকাতা কমলালয় - এটি প্রখ্যাত পন্ডিত ভবানীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত উনিশ শতকের গোড়ার দিকের একটি গুরুত্বপূর্ণ গদ্যগ্রন্থ।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মীর মশাররফ হোসেনের আত্মজীবনীমূলক ও সমাজভিত্তিক ব্যঙ্গাত্মক লেখার নাম মনে রাখতে গাজী মিয়াঁ ও মীর মশাররফ হোসেনের নামের সংযোগ মনে রাখা যায়।
- বিষাদসিন্ধু ও জমিদার দর্পণ এর পাশাপাশি গাজী মিয়াঁর বস্তানী লেখকের অন্যতম ভিন্নধর্মী একটি সৃষ্টি।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিভিন্ন লেখকের প্রথম বা উল্লেখযোগ্য উপন্যাস ও নকশা গ্রন্থ সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
- টেকচাঁদ ঠাকুরের আলালের ঘরের দুলাল এবং কালীপ্রসন্ন সিংহের হুতোম প্যাঁচার নক্সা প্রায়ই মীর মশাররফ হোসেনের গ্রন্থের সঙ্গে মিলিয়ে গুলিয়ে ফেলা হয়, তাই এদের রচয়িতা আলাদা করে মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: A) রাজা রামমোহন রায়
১. কেন সঠিক:
- রাজা রামমোহন রায় বেদান্ত দর্শন বাংলায় প্রচারের জন্য বেদান্তগ্রন্থ ও বেদান্ত সার রচনা করেন।
- এই গ্রন্থগুলোর মাধ্যমে তিনি হিন্দু ধর্মের একেশ্বরবাদ ও কুসংস্কারের বিরুদ্ধে জোরালো অবস্থান নেন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- রাজা রামমোহন রায় বাংলা গদ্যের অন্যতম পথমকৃৎ ও আধুনিক ভারতের জনক হিসেবে পরিচিত।
- তার রচিত বেদান্তগ্রন্থ ও বেদান্ত সার বাংলা সাহিত্যের গদ্যরীতির বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ব্রহ্মসঙ্গীত
ব্যাখ্যা: রাজা রামমোহন রায় বাংলায় একেশ্বরবাদী উপাসনার জন্য অনেক ব্রহ্মসঙ্গীত রচনা ও সংকলন করেন।
উদাহরণ ২: গৌড়ীয় ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা: রাজা রামমোহন রায় বাংলা ভাষার ওপর প্রথম পূর্ণাঙ্গ ব্যাকরণ গ্রন্থ গৌড়ীয় ব্যাকরণ রচনা করেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাজা রামমোহন রায় — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দুটি গ্রন্থ তারই রচিত।
B) গোলকনাথ শর্মা — তিনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের একজন পন্ডিত ছিলেন এবং হিতোপদেশ অনুবাদ করেন।
C) রামরাম বসু — তিনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পন্ডিত ও রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র গ্রন্থের রচয়িতা।
D) মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার — তিনি বাত্রাতিরিশী ও কথোপকথন গ্রন্থের লেখক এবং ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পন্ডিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- রাজা রামমোহন রায় মানেই সমাজ সংস্কার এবং বেদান্ত দর্শন প্রচারের জন্য বেদান্তগ্রন্থ ও বেদান্ত সার।
- রামমোহন ও বেদান্ত এই দুটি শব্দ একসাথে মনে রাখলেই পরীক্ষার হলে সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সহজ হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- রাজা রামমোহন রায় রচিত প্রথম বাংলা ব্যাকরণ গ্রন্থের নাম গৌড়ীয় ব্যাকরণ যা প্রকাশিত হয় ১৮৩৩ সালে।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই রাজা রামমোহন রায়ের বাংলা গদ্য ও ধর্মীয় গ্রন্থ সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: B) হুমায়ূন আহমেদ
১. কেন সঠিক:
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস ‘আগুনের পরশমণি’র রচয়িতা হলেন জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক ও নির্মাতা হুমায়ূন আহমেদ।
- এই উপন্যাসে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের একটি পারিবারিক প্রেক্ষাপট ও সাধারণ মানুষের অনুভূতি অত্যন্ত বাস্তবসম্মতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- হুমায়ূন আহমেদ বাংলা কথাসাহিত্যে বিশেষ করে বিজ্ঞান কল্পকাহিনী ও ঐতিহাসিক উপন্যাসের জন্য সর্বাধিক পরিচিত হলেও তাঁর বেশ কয়েকটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস অত্যন্ত সমাদৃত।
- তাঁর রচিত অন্যান্য বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে জোছনা ও জননীর গল্প, ১৯৭১ এবং দেয়াল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জোছনা ও জননীর গল্প
ব্যাখ্যা: এটি হুমায়ূন আহমেদের লেখা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি বিশাল ক্যানভাসের ঐতিহাসিক উপন্যাস, যা অত্যন্ত জনপ্রিয়।
উদাহরণ ২: ১৯৭১
ব্যাখ্যা: এটিও হুমায়ূন আহমেদের রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি প্রামাণ্য ও আবেগঘন উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আমজাদ হোসেন — আমজাদ হোসেন বিখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা ও লেখক হলেও ‘আগুনের পরশমণি’ তাঁর রচিত উপন্যাস নয়।
B) হুমায়ূন আহমেদ — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি তাঁরই লেখা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বিখ্যাত উপন্যাস।
C) শওকত ওসমান — শওকত ওসমান মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বিখ্যাত উপন্যাস ‘জননী’ বা ‘জাহান্নাম হইতে বিদায়’ লিখেছেন, ‘আগুনের পরশমণি’ নয়।
D) সৈয়দ শামসুল হক — সৈয়দ শামসুল হক মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস ‘খেলাধুলা’ বা নাটক ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ লিখেছেন, এটি তাঁর রচনা নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- হুমায়ূন আহমেদের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বিখ্যাত উপন্যাস মনে রাখার শর্ট কৌশল হলো আগুন নিয়ে ১৯৭১ সালে জোছনায় দেওয়ালে লেখা জোছনা ও জননীর গল্প।
- এভাবে লেখকের বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসগুলো সহজেই দীর্ঘকাল মনে রাখা সম্ভব।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে, তাই লেখকের নাম ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
- একই লেখকের বিভিন্ন ধরনের রচনা যেমন বিজ্ঞান কল্পকাহিনী ও মুক্তিযুদ্ধের উপন্যাস আলাদা করে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: C) জহির রায়হান
১. কেন সঠিক:
- জীবন থেকে নেওয়া চলচ্চিত্রটির পরিচালক প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও চলচ্চিত্রকার জহির রায়হান।
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরুর ঠিক আগে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে চলচ্চিত্রটি নির্মিত হয়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- জহির রায়হান ছিলেন একাধারে ঔপন্যাসিক, গল্পকার ও চলচ্চিত্র পরিচালক।
- বাংলা চলচ্চিত্রে রাজনৈতিক উপমার ব্যবহারে জীবন থেকে নেওয়া একটি অনন্য মাস্টারপিস হিসেবে বিবেচিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আরেক ফাল্গুন
ব্যাখ্যা: এটি জহির রায়হান রচিত ভাষা আন্দোলনভিত্তিক একটি বিখ্যাত উপন্যাস।
উদাহরণ ২: বরফ গলা নদী
ব্যাখ্যা: এটি জহির রায়হান রচিত বাস্তবধর্মী সামাজিক উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আমজাদ হোসেন — আমজাদ হোসেন বিখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক হলেও জীবন থেকে নেওয়া চলচ্চিত্রটি তিনি পরিচালনা করেননি।
B) আলমগীর — আলমগীর একজন জনপ্রিয় চলচ্চিত্র অভিনেতা ও পরিচালক, তবে এই চলচ্চিত্রের সঙ্গে তিনি যুক্ত নন।
C) জহির রায়হান — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি চলচ্চিত্রটির সফল পরিচালক।
D) সুভাষ দত্ত — সুভাষ দত্ত বাংলা চলচ্চিত্রের প্রখ্যাত পরিচালক হলেও জীবন থেকে নেওয়া চলচ্চিত্রটি তার পরিচালিত নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের ইতিহাস ও জহির রায়হানের চলচ্চিত্র জীবন থেকে নেওয়া একে অপরের পরিপূরক।
- মুক্তিযুদ্ধ ও ভাষা আন্দোলনের চলচ্চিত্র মনে রাখতে জহির রায়হানের নাম সবার আগে আসে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- জীবন থেকে নেওয়া চলচ্চিত্রটি স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের আগের রাজনৈতিক আন্দোলনের এক ঐতিহাসিক দলিল।
- এই ধরনের প্রতিযোগিতামূলক প্রশ্নে চলচ্চিত্রের পরিচালক ও সাহিত্যিকদের নাম প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: B) শুদ্ধ জীবনযাপন রীতি
১. কেন সঠিক:
- খনার বচনের মূল লক্ষ্য হলো সাধারণ মানুষকে কৃষি, আবহাওয়া এবং দৈনন্দিন জীবনের সঠিক আচার-আচরণ ও শৃঙ্খলার মাধ্যমে একটি সুন্দর ও স্বাস্থ্যসম্মত জীবন পরিচালনা করার শিক্ষা দেওয়া।
- প্রবাদের মাধ্যমে আবহমান বাংলার মানুষের অভিজ্ঞতা ও নৈতিক শিক্ষাকে মানুষের প্রাত্যহিক জীবনে প্রয়োগযোগ্য করে তোলার মাধ্যমেই শুদ্ধ জীবনযাপন রীতি গড়ে ওঠে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- খনা ছিলেন প্রাচীন বাংলার কিংবদন্তি জ্যোতিষী ও কৃষিবিদ, যিনি বচন বা প্রবাদের মাধ্যমে আবহাওয়া, কৃষি ও জীবনযাপনের নানা নিয়মকানুন প্রচার করেছিলেন।
- বাংলা লোকসাহিত্যের অন্যতম প্রাচীন ও সমৃদ্ধ অংশ হলো এই খনার বচন, যা মূলত গ্রামীণ জনপদের শাশ্বত জ্ঞান ও লোকসংস্কৃতির এক অনন্য নিদর্শন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ডাকের কথা খনার বচন, পড়তে শেখো সারাজীবন।
ব্যাখ্যা: এই প্রবাদটি প্রমাণ করে যে খনার বচনগুলো কেবল ছড়া নয়, বরং এগুলো মানুষের জীবন পরিচালনার সার্বিক দিকনির্দেশনা।
উদাহরণ ২: সকালে উঠিয়া মাতা কিম্বা পিতা, নমস্কার করিয়া লও মাথার ছাতা।
ব্যাখ্যা: এটি একটি খনার বচন যা আমাদের পারিবারিক ও সামাজিক জীবনে শ্রদ্ধা ও শুদ্ধাচার বজায় রাখার শিক্ষা দেয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লৌকিক প্রণয়সঙ্গীত — খনার বচন কোনো প্রণয় বা প্রেমের গান বা সঙ্গীত নয়, এটি মূলত নীতিবাক্য ও কৃষিভিত্তিক প্রবাদ।
C) সামাজিক মঙ্গলবোধ — সামাজিক মঙ্গলবোধ খনার বচনের একটি পরোক্ষ ফল হলেও এর মূল প্রতিপাদ্য হলো ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জীবনের শুদ্ধ জীবনযাপন রীতি।
D) রাষ্ট্র পরিচালনা নীতি — খনার বচনে রাষ্ট্র পরিচালনা বা রাজনীতি নিয়ে কোনো কথা নেই, এটি গ্রামীণ সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবন ও কৃষির সঙ্গে সম্পর্কিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- খনা মানেই কৃষি, আবহাওয়া এবং জীবনযাপনের সঠিক নিয়ম বা শুদ্ধ জীবনযাপন রীতি।
- বচনগুলো মনে রাখলে গ্রামীণ জনপদের আবহাওয়া ও জীবনধারার মূল সূত্র সহজে বোঝা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় খনার বচনের মূলভাব সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
- খনার বচন মূলত লৌকিক সাহিত্য বা প্রবাদ-প্রবচনের অন্তর্ভুক্ত, যা লোক সংস্কৃতির প্রাচীন দলিল।
সঠিক উত্তর: A) দুঃ + অবস্থা
১. কেন সঠিক:
- দুরবস্থা শব্দটির সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো দুঃ যোগ অবস্থা। এটি বিসর্গ সন্ধির একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম।
- এখানে বিসর্গ এর পূর্বে অ স্বরধ্বনি এবং বিসর্গ এর পরে অ স্বরধ্বনি থাকার কারণে বিসর্গ লুপ্ত হয়ে র বা রেফ এর মতো ধ্বনি যুক্ত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- বিসর্গ সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী বিসর্গের পর অ স্বরধ্বনি থাকলে বিসর্গ স্থানে র বা রেফ হয়।
- দুরবস্থা শব্দটিতে দুঃ এবং অবস্থা মিলে বিসর্গ র এ রূপান্তরিত হয়ে দূর যোগ অবস্থা এবং পরবর্তীতে দুরবস্থা গঠিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দুঃ যোগ ছাই = দুশ্চাই
ব্যাখ্যা: বিসর্গের পর চ থাকলে বিসর্গ স্থানে তালব্য শ হয়।
উদাহরণ ২: দুঃ যোগ চর = দুশ্চর
ব্যাখ্যা: এটিও বিসর্গ সন্ধির নিয়মে চ এর প্রভাবে শ কার যোগে সাধিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দুঃ + অবস্থা — এটি সঠিক কারণ এটি বিসর্গ সন্ধির প্রমিত নিয়ম অনুসারে সাধিত হয়েছে এবং সঠিক অর্থ প্রকাশ করে।
B) দূর + বস্থা — এটি ভুল কারণ দূর কোনো প্রমিত সন্ধি বিচ্ছেদের অংশ নয় এবং এর বানানরীতি ব্যাকরণসম্মত নয়।
C) দুর + বস্থা — এটি ভুল কারণ দুর উপসর্গ সরাসরি অবস্থা শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়ে সন্ধির নিয়ম লঙ্ঘন করে।
D) দুর + অবস্থা — এটি ভুল কারণ এখানে বিসর্গ বাদ দিয়ে সরাসরি দুর ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে অসিদ্ধ।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বিসর্গ সন্ধির ক্ষেত্রে দু উপসর্গযুক্ত শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদে সাধারণত বিসর্গ চিহ্ন ব্যবহার করতে হয়।
- দুরবস্থা লেখার সময় খেয়াল রাখবে এর আসল রূপটি দুঃ যোগ অবস্থা থেকে এসেছে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসর্গ সন্ধি থেকে বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- একই নিয়মে তৈরি অন্যান্য শব্দ যেমন দুরাচার বা দুর্গতি ভালোভাবে অনুশীলন করা উচিত।
সঠিক উত্তর: D) করব
১. কেন সঠিক:
যৌগিক কাল গঠিত হয় মূল ধাতুর সঙ্গে বিশেষ ভাববাচক বা কালবাচক প্রত্যয়যুক্ত অসমাপিকা ক্রিয়া এবং সমাপিকা ক্রিয়ার মিলনে।
করব শব্দটি একটি সাধারণ ভবিষ্যৎ কালের ক্রিয়াপদ যা কোনো প্রত্যয়ের সাহায্য ছাড়াই সরাসরি বিভক্তি যোগে গঠিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
যে ক্রিয়া একাধিক পদের মিলনে বা অসমাপিকা ও সমাপিকা ক্রিয়ার সংযোগে গঠিত হয় তাকে যৌগিক কাল বলে।
সাধারন ভবিষ্যৎ কালের ক্রিয়া একক পদ হিসেবে গঠিত হওয়ায় তা যৌগিক কালের অন্তর্ভুক্ত হয় না।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: করিতেছিলাম
ব্যাখ্যা: এটি ঘটমান অতীত কালের যৌগিক রূপ যেখানে করিতে ও ছিলাম যুক্ত হয়েছে।
উদাহরণ ২: পড়তেছি
ব্যাখ্যা: এটি বর্তমান কালের যৌগিক রূপ যেখানে পড়তে ও ছি যুক্ত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) করছিলাম — এটি অতীতকালের যৌগিক কালের উদাহরণ কারণ মূল ক্রিয়ার সঙ্গে সহকারী ক্রিয়া যুক্ত হয়েছে।
B) করেছি — এটি পূর্ণ বর্তমান কালের যৌগিক কালের উদাহরণ যা একাধিক পদের সংমিশ্রণে গঠিত।
C) করছি — এটি ঘটমান বর্তমান কালের যৌগিক কালের উদাহরণ যেখানে মূল ও সহকারী ক্রিয়া একত্রে বসেছে।
D) করব — এটি একক ক্রিয়াপদ এবং সাধারণ ভবিষ্যৎ কাল নির্দেশ করায় যৌগিক কালের উদাহরণ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
সহজ ভবিষ্যৎ কালের ক্রিয়াগুলো একটিমাত্র শব্দে প্রকাশিত হয় বলে সেগুলো যৌগিক কাল হয় না।
সহকারী ক্রিয়া বা অসমাপিকা ক্রিয়া থাকলে তবেই তা যৌগিক কাল হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ক্রিয়ার কাল নির্ণয়ের সময় দেখতে হবে পদটি একক নাকি একাধিক পদের সমন্বয়ে গঠিত।
সাধারণ বর্তমান, সাধারণ অতীত এবং সাধারণ ভবিষ্যৎ সাধারণত একক পদ হয়।
সঠিক উত্তর: B) বুদ্ধদেব বসু
১. কেন সঠিক:
- বুদ্ধদেব বসু জীবনানন্দ দাশের কবিতায় এক গভীর একাকীত্ব, বিষণ্ণতা ও নিসর্গপ্রীতি লক্ষ করে তাঁকে ‘নির্জনতম কবি’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন।
- আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান রূপকার বুদ্ধদেব বসু তাঁর বিভিন্ন সাহিত্যালোচনা ও প্রবন্ধে জীবনানন্দ দাশের স্বকীয় কাব্যভাষার এই বিশেষ বৈশিষ্ট্যটি তুলে ধরেছিলেন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- জীবনানন্দ দাশ বাংলা আধুনিক কবিতার পরাবাস্তবতা, নিসর্গচেতনা এবং গভীর অন্তর্মুখী মানসিকতার এক অনন্য প্রতীক।
- বুদ্ধদেব বসু ছিলেন ত্রিশের দশকের আধুনিক কবিতার অন্যতম প্রধান কবি, প্রাবন্ধিক ও সমালোচক, যিনি বাংলা সাহিত্যকে আধুনিক রূপ দিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জীবনানন্দ দাশের ‘বনলতা সেন’ কবিতাটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নির্জন ও ক্লাসিক সৃষ্টি।
ব্যাখ্যা: এই কবিতায় হাজার বছরের হাঁটার ক্লান্তি এবং অদ্ভুত একাকীত্বের সুরের মাধ্যমে কবির নির্জন মানসিকতার প্রকাশ ঘটেছে।
উদাহরণ ২: বুদ্ধদেব বসু সম্পাদিত ‘কবিতা’ পত্রিকা বাংলা আধুনিক কবিতার বিকাশে ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেছিল।
ব্যাখ্যা: এই পত্রিকার মাধ্যমেই তিরিশের দশকের আধুনিক কবিরা পরিচিতি লাভ করেন এবং বাংলা কবিতার আধুনিক ধারা বেগবান হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিষ্ণু দে — তিনি ত্রিশের দশকের অন্যতম প্রধান মার্কসবাদী ও আধুনিক কবি হলেও জীবনানন্দ দাশকে ‘নির্জনতম কবি’ আখ্যা দেননি।
B) বুদ্ধদেব বসু — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — রবীন্দ্রনাথ জীবনানন্দ দাশের কবিতাকে ‘চিত্ররূপময়’ বললেও ‘নির্জনতম কবি’ উপাধি দেননি।
D) সৈয়দ শামসুল হক — তিনি বিংশ শতাব্দীর বিশিষ্ট আধুনিক সাহিত্যিক ও কবি হলেও জীবনানন্দ দাশকে এই নির্দিষ্ট উপাধিতে ভূষিত করেননি।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মনে রাখার কৌশল হিসেবে ভাবুন, যিনি নিজে আধুনিক কবিতার প্রচার ও প্রসারে সবচেয়ে বেশি সচেষ্ট ছিলেন সেই বুদ্ধদেব বসু জীবনানন্দের কবিতায় প্রথম নিখাদ নির্জনতা খুঁজে পেয়েছিলেন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কবি ও লেখকদের দেওয়া বিভিন্ন উপাধি বা মূল্যায়ন সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
- বিখ্যাত লেখকদের রচিত সমালোচনা গ্রন্থ এবং কবিদের একে অপরকে দেওয়া উপাধিগুলো আলাদা করে নোট করে রাখা উচিত।
সঠিক উত্তর: A) তামসিক
কেন সঠিক:
- ‘তাম্বুলিক’ শব্দটির অর্থ পান বিক্রেতা বা পান চাষী।
- ‘তামসিক’ শব্দটির অর্থ অন্ধকারাচ্ছন্ন বা জড় প্রকৃতির, যা তাম্বুলিক শব্দের সাথে সম্পর্কিত নয়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ‘তাম্বুল’ শব্দের অর্থ পান, যা থেকে ‘তাম্বুলিক’ শব্দের উৎপত্তি হয়েছে।
- এটি বিশেষ ধরনের পেশাবাচক শব্দ যা নির্দিষ্ট বৃত্তি বা ব্যবসাকে বোঝায়।
- যেমন পান নিয়ে ব্যবসা করেন যিনি, তাকে তাম্বুলিক বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) তামসিক — এটি তমস বা অন্ধকার থেকে আগত একটি গুণবাচক শব্দ, যার সাথে পান ব্যবসার কোনো মিল নেই।
- B) বারুই — যারা পান চাষ করেন বা পানের ব্যবসা করেন, তাদের বারুই বলা হয়, তাই এটি সমার্থক।
- C) পান-ব্যবসায়ী — তাম্বুলিক শব্দের সরাসরি বাংলা অর্থ হলো পান ব্যবসায়ী।
- D) পর্ণকার — পর্ণ বা পাতার কাজ করেন যিনি অর্থাৎ পান চাষী বা বিক্রেতা, তাই এটি সমার্থক।
মনে রাখার টিপস:
- তাম্বুল শব্দের অর্থ পান মনে রাখলে তাম্বুলিক ও পান ব্যবসায়ীর মধ্যকার মিল সহজে মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: A) প্রাতিপদিক
১. কেন সঠিক:
- বিভক্তিহীন নাম শব্দকে প্রাতিপদিক বলা হয়। সহজ কথায়, শব্দের যে মূল রূপের সঙ্গে কোনো বিভক্তি যুক্ত থাকে না, তাকেই প্রাতিপদিক বলে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- প্রাতিপদিক হলো শব্দের মূল রূপ বা বিভক্তিহীন নাম শব্দ। শব্দের সঙ্গে বিভক্তি যুক্ত করে পদ গঠন করা হয়, আর বিভক্তি যোগ করার আগের রূপটিই প্রাতিপদিক।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কলম
ব্যাখ্যা: কলম শব্দটির সঙ্গে কোনো বিভক্তি যুক্ত নেই, তাই এটি একটি প্রাতিপদিক।
উদাহরণ ২: বই
ব্যাখ্যা: বই একটি স্বাধীন নাম শব্দ এবং এর সঙ্গে কোনো বিভক্তি যুক্ত না থাকায় এটি প্রাতিপদিক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রাতিপদিক — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বিভক্তিহীন নাম শব্দকে নির্দেশ করে।
B) নাম পদ — এটি ভুল কারণ বাকе ব্যবহৃত বিভক্তিযুক্ত শব্দকে নাম পদ বলে, বিভক্তিহীন মূল শব্দকে নয়।
C) মৌলিক শব্দ — এটি ভুল কারণ মৌলিক শব্দ হলো যা ভাঙা বা বিশ্লেষণ করা যায় না, এটি বিভক্তির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) কৃদন্ত শব্দ — এটি ভুল কারণ কৃদন্ত শব্দ হলো ধাতু বা ক্রিয়ামূলের সঙ্গে প্রত্যয় যোগে গঠিত শব্দ।
৫ মনে রাখার টিপস:
- প্রাতিপদিক মানেই হলো প্রত্যয় বা বিভক্তিহীন খাঁটি নাম শব্দ। মূল শব্দ আর প্রাতিপদিক প্রায় একই অর্থে ব্যবহৃত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দ ও পদের পার্থক্য নির্ণয়ে এই প্রশ্নটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বিভক্তি যোগ করার আগের অবস্থাই হলো প্রাতিপদিক।
সঠিক উত্তর: B) Twig
কেন সঠিক:
আঙুল যেমন হাতের একটি ছোট এবং সরাসরি অংশ বা শাখা হিসেবে সংযুক্ত থাকে, তেমনি পাতা গাছের শাখা বা কচি ডালের সাথে সংযুক্ত থাকে।
এখানে দেহের ছোট অঙ্গের সাথে বড় অঙ্গের সম্পর্কের মতো উদ্ভিদের ছোট অংশের সাথে তার অংশের তুলনা করা হয়েছে।
তাই ফিংগার ও হ্যান্ড এর সম্পর্কের সাথে সবচেয়ে ভালোভাবে মিলে যায় লিফ ও টুইগ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Flower — ফুল উদ্ভিদের একটি ভিন্ন অংশ যা পাতার সাথে সরাসরি তুলনামূলক ছোট অংশের সম্পর্ক তৈরি করে না।
B) Twig — এটি সঠিক কারণ টুইগ বা কচি ডাল হলো গাছের সেই অংশ যেখানে পাতা সরাসরি যুক্ত থাকে।
C) Tree — গাছ হলো সম্পূর্ণ উদ্ভিদ যা হাতের চেয়ে অনেক বড় এবং সার্বিক একটি কাঠামোর নির্দেশ করে।
D) Branch — শাখা অনেক বড় হয়, কিন্তু আঙুলের সাথে হাতের যে সরাসরি সূক্ষ্ম অনুপাত বোঝায় তা এখানে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
শরীর যেমন আঙুল দিয়ে শুরু হয়, তেমনি গাছের ছোট ডাল বা টুইগ পাতা দিয়ে শুরু হয়।
সঠিক উত্তর: D) old people
কেন সঠিক:
'Geriatrics' চিকিৎসা বিজ্ঞানের একটি বিশেষ শাখা যা মূলত বৃদ্ধ মানুষদের বিভিন্ন রোগ এবং তাদের যত্ন নেওয়ার সাথে সম্পর্কিত।
এই শাখায় বয়স্কদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা নিয়ে পড়াশোনা ও চিকিৎসা করা হয়।
তাই এটি প্রবীণ বা বৃদ্ধ জনগোষ্ঠীর সাথে সরাসরি যুক্ত।
এটি বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতা নিরাময়ে কাজ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) newly-weds — এটি সদ্য বিবাহিত দম্পতিদের বোঝায়, যাদের চিকিৎসা বিজ্ঞানের এই শাখার সাথে কোনো সম্পর্ক নেই।
B) old women — এটি শুধু বয়স্ক নারীদের বোঝায়, অথচ এই শাখাটি নারী ও পুরুষ উভয় বয়স্ক মানুষের জন্যই প্রযোজ্য।
C) newborn babies — এটি নবজাতক শিশুদের বোঝায়, যাদের চিকিৎসা বিজ্ঞানকে পেডিয়াট্রিক্স বলা হয়।
D) old people — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়, এটি সব বয়স্ক মানুষকে নির্দেশ করে।
মনে রাখার টিপস:
'Geriatrics' শব্দের শুরুতে থাকা 'Ger' অংশটি গ্রিক শব্দ 'geron' থেকে এসেছে যার অর্থ বৃদ্ধ মানুষ।
সঠিক উত্তর: D) Hamlet
কেন সঠিক:
উক্তিটি শেক্সপিয়রের বিখ্যাত ট্র্যাজেডি হ্যামলেট নাটকের একটি অত্যন্ত পরিচিত একক অভিনয় বা সেলিলোকুই।
নাটকের কেন্দ্রীয় চরিত্র প্রিন্স হ্যামলেট তার নিজের জীবন ও মৃত্যুর দ্বন্দ্বে ভুগে এই বিখ্যাত দার্শনিক প্রশ্নটি করেছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Macbeth — এটি শেক্সপিয়রের আরেকটি বিখ্যাত নাটক যেখানে ক্ষমতার লোভ এবং অপরাধবোধ প্রধান বিষয় হিসেবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
B) King lear — এটি বার্ধক্য এবং অন্ধ বিশ্বাসের কারণে একটি পরিবারের পতনের গল্প নিয়ে রচিত শেক্সপিয়রের একটি ট্র্যাজেডি।
C) Othello — এটি মূলত অন্ধ সন্দেহ এবং ষড়যন্ত্রের কারণে ধ্বংস হয়ে যাওয়া এক সেনাপতির করুণ পরিণতির নাটক।
D) Hamlet — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
জীবন ও মৃত্যুর দ্বিধা বা সেলিলোকুই থাকলে চোখ বন্ধ করে হ্যামলেট নাটকটি মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: D) Lieutenant
কেন সঠিক:
১. এই বানানটিতে ফরাসি শব্দমূলের প্রভাব রয়েছে যেখানে লেফট (Left) ও টেন্যান্ট (Tenant) মিল রয়েছে।
২. এর সঠিক উচ্চারণ করতে গিয়ে বানানে lieu এবং tenant একত্রে লেখা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Lieaftenant — এখানে বানানে অতিরিক্ত a যুক্ত করা হয়েছে যা সম্পূর্ণ ভুল।
B) Leaftenant — এখানে leaf শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে যা উচ্চারণ ও নিয়মের সাথে মিলে না।
C) Leiftenant — এখানে বানান গঠনে ভুল অক্ষর ব্যবহার করা হয়েছে।
D) Lieutenant — এটি মূল ইংরেজি নিয়মের সাথে পুরোপুরি সঠিক।
মনে রাখার টিপস:
বানানটি সহজে মনে রাখতে এভাবে ভাঙুন: Lieu + tenant (লিভ-টিন্যান্ট)।
সঠিক উত্তর: A) amoral
কেন সঠিক:
- amoral শব্দটি moral শব্দের পূর্বে a প্রিফিক্স যুক্ত হয়ে গঠিত হয়েছে যার অর্থ নৈতিকতাহীন।
- এখানে a একটি প্রিফিক্স হিসেবে কাজ করে মূল শব্দের অর্থের বিপরীত বা অভাব প্রকাশ করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) amoral — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) authentic — এটি একটি মূল শব্দ যার অর্থ প্রামাণিক বা আসল, এখানে কোনো প্রিফিক্স আলাদাভাবে যুক্ত নেই।
C) amnesia — এটি একটি একক মূল শব্দ যার অর্থ স্মৃতিভ্রম, এখানে a কোনো স্বাধীন প্রিফিক্স নয়।
D) aspersions — এটি root শব্দের সাথে sfx যুক্ত হয়ে গঠিত শব্দ, যেখানে আলাদা কোনো প্রিফিক্স নেই।
মনে রাখার টিপস:
মূল শব্দের আগে বসে অর্থের পরিবর্তন করলে তাকে প্রিফিক্স বলে, যেমন moral এর আগে a বসে amoral হয়েছে।
সঠিক উত্তর: A) preposition
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বাক্যে following শব্দটি একটি নাউন বা নাউন ফ্রেজের পূর্বে বসে সময়ের পরে বা পরবর্তীতে অর্থ প্রকাশ করেছে।
- preposition সাধারণত noun বা pronoun-এর পূর্বে বসে বাক্যের অন্য শব্দের সঙ্গে তার সম্পর্ক স্থাপন করে, যা এখানে ঘটেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) preposition — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে following শব্দটি noun phrase-এর পূর্বে বসে preposition হিসেবে কাজ করেছে।
B) adjective — এটি কোনো noun-কে সরাসরি মডিফাই করছে না বা তার গুণ প্রকাশ করছে না, তাই এটি adjective নয়।
C) adverb — এটি কোনো verb, adjective বা অন্য adverb-কে বিশেষিত করছে না, তাই এটি adverb হিসেবে কাজ করেনি।
D) noun — এটি বাক্যে কোনো নাম বা প্রধান বিষয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়নি, তাই এটি noun নয়।
মনে রাখার টিপস:
following শব্দটি যদি কোনো event বা সময়ের পরে অর্থ প্রকাশ করতে noun-এর আগে বসে, তবে তা preposition হিসেবে গণ্য হয়।
সঠিক উত্তর: D) short novel
কেন সঠিক:
চার্লস ডিকেন্সের এই বিখ্যাত সাহিত্যকর্মটি আকারে একটি উপন্যাসের চেয়ে ছোট কিন্তু গল্পের চেয়ে বড়। তাই একে ছোট উপন্যাস বা নভেলা হিসেবে গণ্য করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ballad - এটি কোনো গীতকাব্য বা গান নয়, বরং একটি গদ্য সাহিত্য।
B) sketch story - এটি কেবল সাধারণ কোনো স্কেচ গল্প নয়, এর গভীর ও বিস্তৃত পটভূমি রয়েছে।
C) historical novel - এটি কোনো ঐতিহাসিক উপন্যাস নয়, বরং এটি বড়দিনের পটভূমিতে লেখা একটি কাল্পনিক নৈতিকতামূলক গল্প।
D) short novel - এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি আকারে ছোট উপন্যাস বা নভেলা।
মনে রাখার টিপস:
চার্লস ডিকেন্সের ক্রিসমাস ক্যারল বড় কোনো উপন্যাস নয়, তাই এটি একটি short novel হিসেবে মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) Love, Affection
কেন সঠিক:
Love এবং Affection শব্দ দুটি একে অপরের সমার্থক বা একই অর্থ প্রকাশ করে।
বাকি সব অপশনে বিপরীতার্থক শব্দ বা সমার্থক নয় এমন শব্দ যুগল দেওয়া হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) False , True — এই শব্দ দুটি একে অপরের বিপরীতার্থক বা অ্যান্টোনিম।
B) Sharp , Blunt — এই শব্দ দুটিও একে অপরের বিপরীতার্থক বা অ্যান্টোনিম।
C) Love, Affection — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দুটি শব্দ সমার্থক।
D) Abundance , Scarcity — এই শব্দ দুটিও একে অপরের বিপরীতার্থক বা অ্যান্টোনিম।
মনে রাখার টিপস:
শব্দগুলোর অর্থ ভালো করে খেয়াল করতে হবে, কারণ বিপরীতার্থক শব্দের ভিড়ে সমার্থক শব্দই এখানে ভিন্ন হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
সঠিক উত্তর: D) ova
কেন সঠিক:
‘ovum’ শব্দটি ল্যাটিন ভাষা থেকে এসেছে এবং এর শেষে ‘um’ যুক্ত আছে।
ল্যাটিন নিয়মে এই ধরনের শব্দের শেষে থাকা ‘um’ বাদ দিয়ে ‘a’ যুক্ত করে বহুবচন করতে হয়।
তাই ‘ovum’ শব্দের সঠিক বহুবচন রূপ হলো ‘ova’।
এটি অনিয়মিত বা বিশেষ বহুবচনের একটি প্রচলিত উদাহরণ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ovams — এটি ভুল কারণ ল্যাটিন শব্দের শেষে ইংরেজি নিয়মে ‘s’ যোগ করে বহুবচন করা যায় না।
B) ovumes — এটি একটি সম্পূর্ণ ভুল গঠন এবং এর কোনো ব্যাকরণগত ভিত্তি নেই।
C) onums — এটি সঠিক শব্দের বানান পরিবর্তন করে ভুলভাবে তৈরি করা একটি অপশন।
D) ova — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল অপশনের তালিকায় এটি আসবে না।
মনে রাখার টিপস:
ল্যাটিন শব্দে ‘um’ থাকলে তা বাদ দিয়ে ‘a’ বসালে বহুবচন হয়, যেমন datum থেকে data এবং ovum থেকে ova।
সঠিক উত্তর: A) cure-all
কেন সঠিক:
Panacea শব্দের বাংলা অর্থ হলো সর্বরোগহর ঔষুধ বা সব সমস্যার একমাত্র সমাধান।
অপশন এ-তে থাকা cure-all শব্দটির অর্থ একই রকম যা সব রোগের নিরাময় বোঝায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) cure-all — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ সব সমস্যার সমাধান।
B) pancreatic — এটি অগ্ন্যাশয় সংক্রান্ত কোনো কিছু বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
C) widespread disease — এর অর্থ হলো ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়া কোনো রোগ বা মহামারী।
D) gland — এর বাংলা অর্থ হলো মানবদেহের কোনো গ্রন্থি বা অঙ্গ।
মনে রাখার টিপস:
Panacea শব্দটিকে Pan (সব) এবং Cure (নিরাময়) এভাবে মনে রাখতে পারো।
সঠিক উত্তর: B) cooking
কেন সঠিক:
- Culinary শব্দটি ইংরেজি ভাষা ও ব্যাকরণ বিভাগের শব্দার্থ বা ভোকাবুলারি অংশের একটি প্রশ্ন।
- এই শব্দটির অর্থ রান্না বা রন্ধনসম্পর্কীয়, যা সরাসরি খাবার প্রস্তুতকরণের সাথে জড়িত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) printing — এটি মুদ্রণ বা ছাপার কাজের সাথে সম্পর্কিত, যা রান্নার সাথে মেলে না।
B) cooking — এটি রান্নাবিষয়ক বা রন্ধনকার্য বোঝায়, যা Culinary শব্দের সাথে পুরোপুরি মিল রয়েছে।
C) dress — এটি পোশাক বা পরিচ্ছদের সাথে সম্পর্কিত, যা রান্নার সাথে কোনোভাবেই যুক্ত নয়।
D) musical instruments — এটি বাদ্যযন্ত্রের সাথে সম্পর্কিত, যা রন্ধনশিল্পের বিপরীত একটি বিষয়।
মনে রাখার টিপস:
Culinary শব্দের শুরুতে থাকা Cook শব্দের সাথে মিল রেখে সহজেই মনে রাখা যায় এটি রান্নার সাথে সম্পর্কিত।
সঠিক উত্তর: D) Are they known to you?
কেন সঠিক:
১. ইন্টারোগেটিভ সেন্টেন্সে 'Do' দিয়ে প্রশ্ন শুরু হলে প্যাসিভ করার সময় টেন্স অনুযায়ী এম, ইজ, আর বসে এবং অবজেক্টটি সাবজেক্ট হয়।
২. এখানে 'Know' ভার্বটির পরে সাধারণত প্যাসিভ ফর্মে 'by' না বসে 'to' প্রিপজিশন বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Are they known by you? — এখানে 'known' এর পরে ভুল প্রিপজিশন 'by' ব্যবহার করা হয়েছে।
B) Would they be known by you? — এটি পাস্ট বা সম্ভাবনাবাচক টেন্সে রূপান্তর করা হয়েছে যা প্রশ্নটির সাথে মিল নেই।
C) Are they known with you? — এখানে 'known' এর পরে ভুল প্রিপজিশন 'with' ব্যবহার করা হয়েছে।
D) Are they known to you? — এটি সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
'Know' ভার্বযুক্ত একটিভ ভয়েসকে প্যাসিভ করার সময় 'by' এর পরিবর্তে সবসময় 'to' প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) no article, a
কেন সঠিক:
হাসপাতালে রোগী হিসেবে চিকিৎসার জন্য গেলে তার আগে কোনো article বসে না। তাই প্রথম শূন্যস্থানে কোনো article হবে না।
heart attack একটি সাধারণ রোগ এবং এর উচ্চারণ consonant sound দিয়ে শুরু হওয়ায় তার আগে a বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) no article, an — এখানে দ্বিতীয় শূন্যস্থানে an ব্যবহার করা হয়েছে যা ভুল কারণ heart শব্দের উচ্চারণ consonant sound দিয়ে শুরু হয়।
B) a, an — এখানে প্রথম শূন্যস্থানে a ব্যবহার করা হয়েছে যা ভুল কারণ নিয়মিত চিকিৎসার উদ্দেশ্যে হাসপাতালে গেলে article বসে না।
C) the, no article — এখানে প্রথম শূন্যস্থানে the ব্যবহার করা হয়েছে যা নির্দিষ্ট কোনো হাসপাতাল বোঝাতে ব্যবহৃত হয় কিন্তু এখানে সাধারণ অর্থে বলা হয়েছে।
D) সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি প্রযোজ্য।
মনে রাখার টিপস:
নিয়মিত উদ্দেশ্যে হাসপাতালে গেলে no article বসে এবং সাধারণ রোগের নামের আগে a বসে।
সঠিক উত্তর: B) an anarchist
কেন সঠিক:
an anarchist শব্দের অর্থ নৈরাজ্যবাদী, যিনি মনে করেন সমাজ চালাতে কোনো আইন বা সরকারের প্রয়োজন নেই।
এই ধরনের ব্যক্তি সমাজে কোনো ধরনের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ বা কর্তৃত্ব মানতে চান না।
প্রশ্নটিতে ঠিক এই বৈশিষ্ট্যের কথাই বলা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) a militant — এর অর্থ হলো যুদ্ধংদেহী বা উগ্রপন্থী, যারা নিজেদের মত প্রতিষ্ঠায় সশস্ত্র লড়াইয়ে বিশ্বাসী।
B) an anarchist — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়।
C) a terrorist — এর অর্থ হলো সন্ত্রাসী, যারা রাজনৈতিক বা মতাদর্শগত উদ্দেশ্যে সহিংসতা চালায়।
D) an extremist — এর অর্থ হলো চরমপন্থী, যারা কোনো বিষয়ে স্বাভাবিক সীমার বাইরে গিয়ে চরম অবস্থান নেন।
মনে রাখার টিপস:
anarchist শব্দের শুরুতে anar আছে, যা থেকে anarchy বা নৈরাজ্য কথাটি মনে রাখা সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: D) flower
কেন সঠিক:
‘Florid’ শব্দটির উৎপত্তি ল্যাটিন শব্দ ‘floris’ থেকে যার অর্থ ফুল।
তাই এটি সরাসরি ফুলের সাথে সম্পর্কিত।
এটি কোনো স্থান বা বস্তুকে নির্দেশ করে না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) flour — এটি অর্থ ময়দা বা আটা, যা রান্নার কাজে ব্যবহৃত হয়।
B) foliage — এটি গাছের পাতা বা সবুজ পত্ররাজিকে বোঝায়।
C) floor — এটি ঘরের মেঝে বা ভূতল বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
D) flower — এটি সঠিক কারণ এর মূল অর্থ ফুল।
মনে রাখার টিপস:
‘Florid’ শব্দটির শুরুতে থাকা ‘flor’ অংশটি দেখলে ফুল বা ‘flower’ কথাটি মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: D) would have invited you to come in
কেন সঠিক:
এটি তৃতীয়Conditional বা অতীতের অসম্ভব শর্তের বাক্য। বাক্যের শুরুতে Had থাকলে পরের অংশে would have এর সাথে মূল verb এর past participle বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) had invited you to come in — বাক্যটিতে past perfect tense ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক নয়।
B) would invite you to come in — এখানে would এর পরে present form ব্যবহার করা হয়েছে যা প্রথম বা দ্বিতীয় conditional এর নিয়ম।
C) would be inviting you to come in — এখানে continuous tense ব্যবহার করা হয়েছে যা এই নিয়মের সাথে মিলে না।
D) সঠিক উত্তর হওয়ার কারণে এটি ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
Had দিয়ে বাক্য শুরু হলে এবং পরের অংশে verb এর ৩য় রূপ থাকলে উত্তর করার সময় সর্বদা would have + v৩ নির্বাচন করবে।
সঠিক উত্তর: C) put one to sleep
কেন সঠিক:
- Soporific শব্দটির অর্থ ঘুম উদ্রেককারী বা নিদ্রাকর্ষক।
- তাই একটি soporific বক্তৃর্তা শ্রোতাদের মধ্যে ক্লান্তি বা ঘুম ভাব তৈরি করার সম্ভাবনা বেশি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) be incomprehensible — Incomprehensible অর্থ যা বোধগম্য নয়, কিন্তু soporific শব্দের সরাসরি অর্থ ঘুম আনা, বোধহীনতা নয়।
B) appeal primarily to emotions — আবেগকে জাগ্রত করা soporific শব্দের অর্থ নয়, বরং এটি শান্ত বা ক্লান্ত করে দেয়।
C) put one to sleep — এই অপশনটি সঠিক কারণ soporific শব্দের মূল অর্থই হলো ঘুম আনয়নকারী।
D) stimulate action — Stimulate action অর্থ কাজ বা কার্যক্রমে উদ্বুদ্ধ করা, যা ঘুম উদ্রেককারী বক্তব্যের ঠিক বিপরীত।
মনে রাখার টিপস:
Soporific শব্দটিকে Sleep শব্দের সাথে মিলিয়ে মনে রাখতে পারো, কারণ দুটির অর্থই ঘুমের সাথে সম্পর্কিত।
সঠিক উত্তর: A) Schizophrenia
কেন সঠিক:
এই শব্দটির শুরুতে এস সি এইচ আই (schi) এবং মাঝে জো ফ্রে নিয়া (zophrenia) যুক্ত হয়ে সঠিক বানান গঠিত হয়েছে।
চিকিৎসাবিজ্ঞানের এই জটিল মানসিক রোগের বানানটি মূলত গ্রিক মূল শব্দ থেকে এসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Schizophrenia — এটি সঠিক বানান হওয়ার কারণে এখানে কোনো ভুল নেই।
B) Seizophrania — এখানে শুরুর অংশে এস ই আই (sei) ভুলভাবে ব্যবহার করা হয়েছে।
C) Scizophrenia — এখানে সি এইচ (ch) এর আগে সঠিক এস (s) এর পর সি (c) বাদ পড়েছে।
D) Schizophrania — এখানে শেষাংশে ই এ (ea) এর পরিবর্তে এ (a) ভুলভাবে দেওয়া হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
বানানটি মনে রাখতে শিয (schizo) এবং ফ্রেনিয়া (phrenia) এই দুটি অংশ আলাদা করে মুখস্থ করতে পারো।
সঠিক উত্তর: A) philanthropy
কেন সঠিক:
শব্দটির মূল উৎস গ্রীক শব্দ ফাইলো এবং অ্যান்த்্রোপ থেকে এসেছে। এর অর্থ মানবজাতির প্রতি গভীর ভালোবাসা এবং কল্যাণকামিতা।
এটি পুরো বিশ্বের মানুষের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়।
এটি বিশ্বজনীন বন্ধুত্বের ধারণাকে সমর্থন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) philanthropy — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক এবং এর অর্থ মানবপ্রেম।
B) misogyny — এই শব্দের অর্থ নারীদের প্রতি ঘৃণা বা বিদ্বেষ, যা প্রশ্নের সাথে মেলে না।
C) benevolence — এর অর্থ সাধারণভাবে দয়া বা কল্যাণ, কিন্তু এটি পুরো বিশ্বের প্রতি ভালোবাসার নির্দিষ্ট শব্দ নয়।
D) misanthropy — এই শব্দের অর্থ মানবজাতির প্রতি ঘৃণা বা বিরূপ মনোভাব, যা সঠিক উত্তরের বিপরীত।
মনে রাখার টিপস:
ফিল অর্থ ভালোবাসা এবং অ্যানথ্রোপ অর্থ মানুষ, তাই এই দুটি মিলে মানবপ্রেম বা philanthropy বোঝায়।
সঠিক উত্তর: B) Plutocracy
কেন সঠিক:
Plutocracy শব্দের অর্থ হলো ধনীদের দ্বারা পরিচালিত সরকার বা শাসন ব্যবস্থা। প্রশ্নটিতে ধনী শ্রেণীর শাসন বোঝানোর জন্য এই সঠিক শব্দটি চাওয়া হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Oligarchy — এর অর্থ হলো অল্প কয়েকজন বিশেষ ব্যক্তির বা গোষ্ঠীর শাসন।
B) Plutocracy — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) Cryptocracy — এর অর্থ হলো গোপন বা আড়ালে থাকা কোনো শক্তির শাসন।
D) Aristocracy — এর অর্থ হলো কুলীন বা অভিজাত সম্প্রদায়ের শাসন।
মনে রাখার টিপস:
Pluto শব্দটি ধনসম্পদের সাথে সম্পর্কিত, তাই Plutocracy মানে ধনীদের শাসন।
সঠিক উত্তর: B) treat
কেন সঠিক:
হাসপাতালের মূল কাজ হলো রোগীদের চিকিৎসা সেবা প্রদান করা। ইংরেজিতে রোগীদের চিকিৎসা করা বোঝাতে treat শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) operate — এর অর্থ অপারেশন করা, যা সব রোগীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
B) treat — এটি সঠিক উত্তর।
C) admit — এর অর্থ ভর্তি করানো, যা হাসপাতালের মূল কাজ নয় বরং একটি প্রক্রিয়া।
D) nurse — এর অর্থ সেবা করা, তবে এটি নির্দিষ্ট কোনো চিকিৎসা পদ্ধতি বোঝায় না।
মনে রাখার টিপস:
হাসপাতাল সম্পর্কিত বাক্যে সাধারণত রোগীদের চিকিৎসা করা বোঝাতে treat ভারב ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: D) noun
কেন সঠিক:
এখানে warning শব্দটি বাক্যের শুরুতে subject হিসেবে বসেছে এবং এর পূর্বে নির্দিষ্ট article the আছে।
English ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী article এবং preposition এর মাঝের শব্দটি সবসময় noun হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) adverb — এটি verb, adjective বা অন্য কোনো adverb-কে modify করে, যা এখানে warning করছে না।
B) adjective — এটি কোনো noun বা pronoun-এর দোষ, গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করে না।
C) verb — এটি বাক্যের মূল কাজ বোঝাচ্ছে না বরং নিজে একটি subject বা noun-এর কাজ করছে।
D) noun — এটি সঠিক কারণ এটি বাক্যের subject হিসেবে কাজ করছে।
মনে রাখার টিপস:
Article এবং preposition এর মাঝে কোনো শব্দ থাকলে চোখ বন্ধ করে সেটিকে noun ধরে নেবে।
সঠিক উত্তর: A) ৪৭
প্রদত্ত তথ্য:
অপশনে দেওয়া সংখ্যাগুলো হলো সাতচল্লিশ, সাতাশি, একানব্বই এবং একষট্টি
ধরি,
সংখ্যাগুলো ১ এবং ওই সংখ্যা ছাড়া অন্য কোনো সংখ্যা দ্বারা বিভাজ্য কি না তা পরীক্ষা করি
অতএব,
সাতাশি সংখ্যাটি ৩ দ্বারা বিভাজ্য কারণ এর অংকগুলোর যোগফল পনেরো
একানব্বই সংখ্যাটি ৭ এবং তেরো দ্বারা বিভাজ্য কারণ সাত গুণ তেরো সমান একানব্বই
সুতরাং,
একষট্টি সংখ্যাটি এগারো এবং তেরো দ্বারা বিভাজ্য কারণ এগারো গুণ তেরো সমান একষট্টি
উত্তর: ৪৭
সঠিক উত্তর: D) ১২০°
প্রদত্ত তথ্য:
ঘড়িতে সময় ৮ টা বাজে
ঘণ্টার কাঁটা এবং মিনিটের কাঁটার অবস্থান নির্দেশ করতে হবে
ধরি,
ঘড়ির সম্পূর্ণ বৃত্তের কোণ = ৩৬০ ডিগ্রি
ঘড়িতে মোট ঘণ্টার ঘর আছে = ১২ টি
অতএব,
প্রতিটি ঘণ্টার ঘরের জন্য কোণ = ৩৬০ ডিগ্রি ÷ ১২ = ৩০ ডিগ্রি
৮ টা বাজার সময় মিনিটের কাঁটা থাকে ১২ এর ঘরে
ঘণ্টার কাঁটা থাকে ৮ এর ঘরে
সুতরাং,
৮ টা বাজার সময় কাঁটা দুটির মধ্যবর্তী ঘরের সংখ্যা = ৮ − ০ = ৮ টি
মধ্যবর্তী কোণ = ৮ × ৩০ ডিগ্রি = ২৪০ ডিগ্রি
উত্তর: ৩৬০ ডিগ্রি − ২৪০ ডিগ্রি = ১২০ ডিগ্রি
সঠিক উত্তর: A) ৯তম পদ
প্রدত্ত তথ্য:
ধারাটির প্রথম পদ, a = ১ ÷ √২
ধারাটির সাধারণ অনুপাত, r = ১ ÷ (১ ÷ √২) = √২
ধরি,
ধারাটির n-তম পদ = ৮√২
আমরা জানি, n-তম পদ = a × r^(n−1)
অতএব,
(১ ÷ √২) × (√২)^(n−1) = ৮√২
(√২)^(n−1) = ৮√২ × √২
দ্বিতীয় হিসাব:
(√২)^(n−1) = ৮ × ২
(√২)^(n−1) = ১৬
তৃতীয় হিসাব:
(√২)^(n−1) = (√২)^৮
অতএব, n − ১ = ৮
সুতরাং,
n = ৮ + ১
n = ৯
উত্তর: ৯তম পদ
সঠিক উত্তর: B) ৫/৮
প্রদত্ত তথ্য:
চারটি ভগ্নাংশ দেওয়া হলো ৩/৫, ৫/৮, ৬/১১ এবং ৮/১৪
এদের মধ্যে কোনটি বৃহত্তম তা নির্ণয় করতে হবে
ধরি,
প্রথম দুটি ভগ্নাংশ তুলনা করে পাই ৩/৫ এবং ৫/৮
ক্রস গুণ করে পাই ২৪ এবং ২৫
অতএব,
এখানে ২৫ বড় হওয়ায় ৫/৮ ভগ্নাংশটি ৩/৫ অপেক্ষা বড়
একইভাবে বাকি ভগ্নাংশগুলোর সাথে তুলনা করতে হবে
সুতরাং,
সবগুলোর মধ্যে দশমিক মানে হিসাব করলে ৫/৮ এর মান সবচেয়ে বেশি হয়
উত্তর: B) ৫/৮
সঠিক উত্তর: A) ০.০০০৬৪
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম সংখ্যা = ০.৪
দ্বিতীয় সংখ্যা = ০.০২
তৃতীয় সংখ্যা = ০.০৮
ধরি,
রাশি তিনটি গুণ করতে হবে
দশমিক বাদে সংখ্যাগুলো হলো চার, দুই এবং আট
অতএব,
চার এবং দুই গুণ করলে হয় আট
আটকে আট দিয়ে গুণ করলে হয় চৌষট্টি
গুণফলের মোট দশমিক ঘরের সংখ্যা ছয়টি
সুতরাং,
চৌষট্টি এর আগে চারটি শূন্য বসাতে হবে
ফলাফল হবে শূন্য দশমিক শূন্য শূন্য শূন্য ছয় চার
উত্তর: ০.০০০৬৪
সঠিক উত্তর: C) ০ < x < ১
প্রদত্ত তথ্য:
অসমতাটি হলো পরম মান ১ − ২x এর মান ১ এর চেয়ে ছোট।
পরম মানের নিয়ম অনুসারে লেখা যায় −১ < ১ − ২x < ১।
ধরি,
অসমতাটির বামপক্ষ হলো −১ < ১ − ২x
অসমতাটির ডানপক্ষ হলো ১ − ২x < ১
অতএব,
বামপক্ষের সমাধান করার জন্য সব পক্ষে ১ বিয়োগ করি।
ফলে পাই −২ < −২x এবং ডানপক্ষে পাই −২x < ০।
সুতরাং,
উভয় পক্ষকে −২ দ্বারা ভাগ করলে অসমতার চিহ্ন বদলে যায়।
ফলে চূড়ান্ত সমাধান পাওয়া যায় ০ < x < ১।
উত্তর: ০ < x < ১
সঠিক উত্তর: A) ৭.২ সেমি
প্রদত্ত তথ্য:
আয়তক্ষেত্রের আদি দৈর্ঘ্য = ১৮ সেমি এবং আদি প্রস্থ = ১০ সেমি
পরিবর্তিত আয়তক্ষেত্রের নতুন দৈর্ঘ্য = ২৫ সেমি
ধরি,
আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল অপরিবর্তিত রাখতে নতুন প্রস্থ = ক সেমি
অতএব,
আদি আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = ১৮ × ১০ বর্গ সেমি = ১৮০ বর্গ সেমি
নতুন আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = ২৫ × ক বর্গ সেমি
শর্তমতে,
২৫ × ক = ১৮০
সুতরাং,
ক = ১৮০ ÷ ২৫ = ৭.২
উত্তর: ৭.২ সেমি
সঠিক উত্তর: D) ১,২,৩,৪
প্রদত্ত তথ্য:
সেটটি হলো C সমান ব্র্যাকেটের মধ্যে x যেন x ঋণাত্মক পূর্ণসংখ্যা এবং x এর উপর বর্গ ছোট ১৮
ধরি,
ঋণাত্মক পূর্ণসংখ্যা বলতে এখানে ধনাত্মক পূর্ণসংখ্যা বোঝানো হয়েছে
যেহেতু প্রশ্নে ঋণাত্মক বলা হলেও অপশনগুলোতে ধনাত্মক সংখ্যা রয়েছে তাই ধনাত্মক সংখ্যা নিয়ে হিসাব করতে হবে
অতএব,
১ এর বর্গ সমান ১ যা ১৮ অপেক্ষা ছোট
২ এর বর্গ সমান ৪ যা ১৮ অপেক্ষা ছোট
৩ এর বর্গ সমান ৯ যা ১৮ অপেক্ষা ছোট
সুতরাং,
৪ এর বর্গ সমান ১৬ যা ১৮ অপেক্ষা ছোট কিন্তু ৫ এর বর্গ সমান ২৫ যা ১৮ অপেক্ষা বড়
উত্তর: ১, ২, ৩, ৪
সঠিক উত্তর: C) ১০ ফুট
প্রদত্ত তথ্য:
লোকটি প্রথমে A অবস্থান থেকে ডান দিকে ১০ ফুট হাঁটল
অতঃপর বাম দিকে ২০ ফুট হাঁটল
ধরি,
প্রাথমিক অবস্থান A এবং পূর্ব দিক বরাবর ডান দিক হিসাব করা হলো
উত্তর দিক বরাবর প্রথম বাম হাঁটার হিসাব ধরা হলো
অতএব,
পূর্ব দিকে সরণ = ১০ ফুট
উত্তর দিকে সরণ = ২০ ফুট
পশ্চিম দিকে সরণ = ২০ ফুট
সুতরাং,
দক্ষিণ দিকে সরণ = ২০ ফুট
A ও B এর মধ্যকার সরলরৈখিক দূরত্ব = ২০ − ১০ = ১০ ফুট
উত্তর: ১০ ফুট
সঠিক উত্তর: A) −(৩÷২) < x < −১
প্রদত্ত তথ্য:
অসমতাটি হলো ২x² + ৫x + ৩ < ০
ধরি,
রাশিটিকে উৎপাদকে বিশ্লেষণ করতে হবে
মধ্যপদ ভেঙে পাই ২x² + ২x + ৩x + ৩ < ০
অতএব,
২x(x + ১) + ৩(x + ১) < ০
(২x + ৩)(x + ১) < ০
সুতরাং,
x এর মান −(৩÷২) এবং −১ এর মধ্যে হবে
উত্তর: −(৩÷২) < x < −১
সঠিক উত্তর: A) ৪
প্রদত্ত তথ্য:
সংখ্যা দুটির অনুপাত ৭ অনুপাত ৫
সংখ্যা দুটির লসাগু ১৪০
ধরি,
প্রথম সংখ্যাটি = ৭ক
দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৫ক
এখানে ক হলো সংখ্যা দুটির গসাগু
অতএব,
সংখ্যা দুটির লসাগু = ৭ × ৫ × ক = ৩৫ক
শর্তমতে, ৩৫ক = ১৪০
সুতরাং,
ক = ১৪০ ÷ ৩৫
ক = ৪
উত্তর: ৪
সঠিক উত্তর: C) ৪০৩০
প্রদত্ত তথ্য:
৯ গুণ ৭ সমান ৩৫৪৫
৪ গুণ ৩ সমান ১৫২০
ধরি,
প্রথম সংখ্যা এবং দ্বিতীয় সংখ্যার গুণফলের নিয়মটি লক্ষ করতে হবে
অতএব,
প্রথম অংশের জন্য ৯ গুণ ৫ সমান ৪৫ এবং ৯ গুণ ৪ সমান ৩৬ এর কাছাকাছি হিসাবটি খেয়াল করি
প্রথম সংখ্যা ৯ থেকে ১ বিয়োগ করলে ৮ এবং ৭ গুণ করলে ৫৬ হয়, এভাবে নয়
সুতরাং,
নয় গুণ পাঁচ সমান পঁয়তাল্লিশ এবং নয় গুণ চার সমান ছত্রিশ, এভাবে প্রথম সংখ্যাটি ভাঙতে হবে
৯ গুণ ৫ সমান ৪৫ এবং ৯ গুণ ৪ সমান ৩৬, এখানে প্রথম সংখ্যা ৫ এবং পরের অংশ ৩৬
খুব সহজভাবে, প্রথম সংখ্যার সাথে ৫ গুণ করে শেষের অংশ এবং ৫ গুণ করে পরের অংশ বসানো হয়েছে
৯ গুণ ৫ সমান ৪৫ এবং ৯ গুণ ৪ সমান ৩৬
৪ গুণ ৫ সমান ২০ এবং ৪ গুণ ৩ সমান ১২
অতএব,
৬ গুণ ৮ এর ক্ষেত্রে, ৮ গুণ ৫ সমান ৪০ এবং ৬ গুণ ৫ সমান ৩০
সংখ্যা দুটি পাশাপাশি বসালে ৪০৩০ হয়
উত্তর: ৪০৩০
সঠিক উত্তর: A) ২৪২৮
প্রদত্ত তথ্য:
২ × ৩ = ৮১২
৪ × ৫ = ১৬২০
ধরি,
প্রথম সংখ্যাটিকে ৪ দিয়ে গুণ করা হলো
দ্বিতীয় সংখ্যাটিকে ৪ দিয়ে গুণ করা হলো
অতএব,
২ × ৪ = ৮
৩ × ৪ = ১২
সুতরাং,
৮ এবং ১২ পাশাপাশি লিখে সংখ্যাটি হলো ৮১২
উত্তর: ২৪২৮
সঠিক উত্তর: D) ১৮
প্রদত্ত তথ্য:
এখানে কম্বিনেশনের সূত্র ব্যবহার করতে হবে
সমীকরণটি হলো nC১২ = nC৬
ধরি,
কম্বিনেশনের সাধারণ নিয়ম প্রযোজ্য হবে
নিয়মটি হলো nCr = nCp হলে হয় r = p অথবা r + p = n
এখানে r এর মান ১২ এবং p এর মান ৬
অতএব,
যেহেতু ১২ এবং ৬ সমান নয়
তাই দ্বিতীয় শর্তটি ব্যবহার করতে হবে
শর্তটি হলো r + p = n
সুতরাং,
এখানে ১২ এবং ৬ যোগ করতে হবে
যোগফল হবে ১২ + ৬ = ১৮
উত্তর: ১৮
সঠিক উত্তর: B) −৩
প্রدত্ত তথ্য:
সমীকরণটি হলো ১২৫ গুণ (√৫)এর পাওয়ার ২x = ১
ধরি,
ভিত্তি ৫ এ রূপান্তর করতে হবে
অতএব,
১২৫ সমান ৫ এর কিউব
এবং √৫ সমান ৫ এর পাওয়ার ১ ভাগ ২
সুতরাং,
৫ এর পাওয়ার ৩ গুণ ৫ এর পাওয়ার x সমান ১
উত্তর: x সমান −৩
সঠিক উত্তর: D) ট্রাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীর তীরে
১. কেন সঠিক:
- মেসোপটেমীয় সভ্যতা মূলত প্রাচীন বিশ্বের অন্যতম প্রধান নদীভিত্তিক সভ্যতা যা বর্তমান ইরাক অঞ্চলে গড়ে উঠেছিল।
- টাইগ্রিস বা দজলা এবং ইউফ্রেটিস বা ফرات এই দুটি নদীর অববাহিকায় পলিমাটি সমৃদ্ধ উর্বর ভূমিতে কৃষিকাজ ও মানববসতি সম্প্রসারিত হয়েছিল।
২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট:
- প্রাচীন সভ্যতাগুলোর বিকাশ সাধারণত নদীর অববাহিকায় ঘটেছিল কারণ নদীমাতৃক উর্বর ভূমি কৃষি এবং যাতায়াতের জন্য ছিল অত্যন্ত উপযোগী।
- মেসোপটেমিয়া শব্দের অর্থ দুটি নদীর মধ্যবর্তী ভূমি এবং এটি ইতিহাসের প্রাচীনতম নগরসভ্যতার জন্মস্থান হিসেবে পরিচিত।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সিন্ধু সভ্যতা
ব্যাখ্যা: এটিও মেসোপটেমীয় সভ্যতার সমসাময়িক নদীভিত্তিক সভ্যতা যা সিন্ধু নদের অববাহিকায় গড়ে উঠেছিল।
উদাহরণ ২: প্রাচীন মিশরীয় সভ্যতা
ব্যাখ্যা: নীল নদের তীরে এই সভ্যতা গড়ে উঠেছিল যা প্রমাণ করে প্রাচীনকালে নদী ছিল সভ্যতার প্রাণকেন্দ্র।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হোয়াংহো নদীর তীরে — এই নদীর তীরে মেসোপটেমীয় সভ্যতা নয় বরং প্রাচীন চীনা সভ্যতা গড়ে উঠেছিল।
B) ইয়াংসিকিয়াং নদীর তীরে — এই অঞ্চলেও প্রাচীন চীনা সভ্যতার বিস্তার ঘটেছিল যা মেসোপটেমিয়ার অংশ নয়।
C) নীলনদের তীরে — এই নদীর অববাহিকায় প্রাচীন মিশরীয় সভ্যতা গড়ে উঠেছিল।
D) ট্রাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীর তীরে — এই নদীর তীরে মেসোপটেমীয় সভ্যতা গড়ে উঠেছিল যা সঠিক উত্তর।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মেসোপটেমিয়া মানেই দুটি নদীর মাঝের জায়গা, যার নাম দজলা বা ট্রাইগ্রিস এবং ফরাত বা ইউফ্রেটিস।
- নদীর নাম মনে রাখলে প্রাচীন সভ্যতার অবস্থান সহজে মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিশ্ব সভ্যতার ইতিহাস থেকে বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কোন সভ্যতা কোন নদীর তীরে গড়ে উঠেছে তা জানতে চাওয়া হয়।
- এই প্রশ্নটি ভালোভাবে আয়ত্ত করলে নদীভিত্তিক সভ্যতার অন্যান্য প্রশ্নগুলোর উত্তর দেওয়া সহজ হবে।
সঠিক উত্তর: A) ১৯১১ সালে
১. কেন সঠিক:
বঙ্গভঙ্গ রদ করা হয়েছিল ১৯১১ সালে ব্রিটিশ ভারতের রাজধানী কলকাতা থেকে দিল্লিতে স্থানান্তরের সময়।
লর্ড হার্ডিঞ্জ বঙ্গভঙ্গ বাতিল ঘোষণা করেন এবং ব্রিটিশ রাজ পঞ্চম জর্জ এই ঘোষণা অনুমোদন করেন।
২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট:
১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর লর্ড কার্জন বঙ্গভঙ্গ কার্যকর করেছিলেন যা তীব্র বাঙালি জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের জন্ম দেয়।
১৯১১ সালের ১২ ডিসেম্বর দিল্লির দরবারে রাজা পঞ্চম জর্জ বঙ্গভঙ্গ রদের রাজকীয় ঘোষণা প্রদান করেন।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর
ব্যাখ্যা: এটি বঙ্গভঙ্গ কার্যকরের তারিখ যা পরীক্ষার্থীদের মনে রাখতে হবে।
উদাহরণ ২: ১৯১১ সালের ১২ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা: এটি বঙ্গভঙ্গ রদ ও রাজধানী স্থানান্তরের ঐতিহাসিক ঘোষণার দিন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯১১ সালে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই বঙ্গভঙ্গ আনুষ্ঠানিকভাবে রদ করা হয়।
B) ১৯১২ সালে — এই সালে বঙ্গভঙ্গ রদের পর নতুন প্রশাসনিক কাঠামো ও নতুন প্রদেশগুলো গঠিত হয়েছিল।
C) ১৯০৮ সালে — এই সালে বঙ্গভঙ্গ রদ হয়নি বরং বঙ্গভঙ্গ বিরোধী আন্দোলন তুঙ্গে ছিল।
D) ১৯০৯ সালে — এই সালে মরিক মিণ্টো সংস্কার আইন প্রণীত হয়েছিল, বঙ্গভঙ্গ রদ হয়নি।
৫. মনে রাখার টিপস:
১৯০৫ সালে ভাঙল বাংলা, ১৯১১ সালে হলো রদ।
এই দুটি সাল পাশাপাশি মনে রাখলে বঙ্গভঙ্গের স্থায়িত্ব বা ছয় বছরের ব্যবধান সহজে বোঝা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বঙ্গভঙ্গ কে করেছিলেন এবং কে রদ করেছিলেন, এই দুটি প্রশ্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে।
লর্ড কার্জন বঙ্গভঙ্গ করেছিলেন এবং লর্ড হার্ডিঞ্জ বঙ্গভঙ্গ রদ করেছিলেন।
সঠিক উত্তর: A) ১৪.৭৪ শতাংশ
১. কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সাময়িক হিসাব অনুযায়ী দেশের জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান ১৪.৭৪ শতাংশ।
- কৃষি খাত বলতে মূলত ফসল, বন, প্রাণিসম্পদ এবং মৎস্য সম্পদ এই চারটি উপখাতকে বোঝানো হয়।
২. অর্থনীতি, জনসংখ্যা ও উন্নয়ন:
- অর্থনৈতিক ও জনমিতিক সূচকে কৃষির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।
- গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর একটি বিশাল অংশের কর্মসংস্থান এই কৃষি খাতের ওপর সরাসরি নির্ভরশীল।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মৎস্য সম্পদ
ব্যাখ্যা: জিডিপিতে কৃষি খাতের আওতাভুক্ত মৎস্য উপখাতের অবদান জিডিপি প্রবৃদ্ধি ও আমিষের চাহিদা পূরণে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখে।
উদাহরণ ২: প্রাণিসম্পদ
ব্যাখ্যা: গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগি পালন কৃষি খাতের একটি প্রধান অংশ যা গ্রামীণ অর্থনীতিতে নারীর ক্ষমতায়ন ও আত্মকর্মসংস্থানে সহায়তা করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৪.৭৪ শতাংশ - এটি বর্তমান অর্থনৈতিক সমীক্ষা অনুযায়ী কৃষি খাতের জিডিপিতে অবদানের সঠিক হার।
B) ১৬ শতাংশ - এটি আগের অর্থবছরের বা অন্য কোনো নির্দিষ্ট বছরের কিছুটা ভিন্ন পরিসংখ্যান নির্দেশ করে।
C) ১২ শতাংশ - এই হারটি বর্তমান সময়ের জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
D) ১৮ শতাংশ - অতীতে কৃষি খাতের অবদান এই সীমার কাছাকাছি থাকলেও বর্তমান হালনাগাদ তথ্যে এটি অনেক হ্রাস পেয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- কৃষি খাতের অবদানের এই সংখ্যাটি মনে রাখতে ১৪ এবং ৭৪ এই দুটি অংশ আলাদাভাবে মনে রাখতে পারো।
- সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক সমীক্ষার ডেটা মুখস্থ করার সময় খাতের উপখাতগুলো যেমন ফসল ও মৎস্যের অবদান আলাদা করে খেয়াল রাখা উচিত।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই জিডিপিতে কৃষি, শিল্প এবং সেবা খাতের অবদানের শতকরা হার থেকে প্রশ্ন আসে।
- একই বিষয় থেকে কৃষির আওতাভুক্ত উপখাতগুলোর পৃথক অবদান বা প্রবৃদ্ধির হার সম্পর্কিত প্রশ্নও হতে পারে।
সঠিক উত্তর: C) জুন ২৩, ১৭৫৭
১. কেন সঠিক:
- পলাশির যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজউদ্দৌলার সঙ্গে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির মধ্যে।
- এই যুদ্ধের মাধ্যমেই ভারতীয় উপমহাদেশে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের ভিত্তি স্থাপিত হয়েছিল।
২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য:
- ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: নবাব সিরাজউদ্দৌলার সঙ্গে ইংরেজ বণিকদের বাণিজ্যিক বিরোধ এবং রাজদরবারের ভেতরের ষড়যন্ত্রের কারণে এই যুদ্ধের পটভূমি তৈরি হয়েছিল।
- তারিখ ও স্থান: ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন নদীয়া জেলার ভাগীরথী নদীর তীরে পলাশির আমবাগানে এই যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল।
- ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: নবাব সিরাজউদ্দৌলা এবং ব্রিটিশ সেনাপতি রবার্ট ক্লাইভ এই যুদ্ধের প্রধান দুই বিপরীত শক্তির প্রতিনিধি ছিলেন।
- তাৎপর্য ও ফলাফল: নবাবের প্রধান সেনাপতি মীর জাফরের বিশ্বাসঘাতকতার কারণে নবাব পরাজিত হন, যার ফলে বাংলায় দীর্ঘ প্রায় ২০০ বছরের ব্রিটিশ শাসনের সূচনা হয়।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বক্সারের যুদ্ধ
ব্যাখ্যা: ১৭৬৪ সালে সংঘটিত বক্সার যুদ্ধের মাধ্যমে ব্রিটিশরা বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার দেওয়ানি লাভ করে, যা পলাশির যুদ্ধেরই ধারাবাহিক পরিণতি।
উদাহরণ ২: মীর জাফরের বিশ্বাসঘাতকতা
ব্যাখ্যা: এটি থেকে পরীক্ষার্থীর শেখা উচিত যে অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও বিশ্বাসঘাতকতা কীভাবে একটি দেশের স্বাধীনতা হরণের পথ প্রশস্ত করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জুন ২২, ১৭৫৭ — এটি যুদ্ধের সঠিক তারিখ নয়, কারণ যুদ্ধটি একদিন পরেই অর্থাৎ ২৩ জুন হয়েছিল।
B) জুন ২৪, ১৭৫৭ — এই তারিখে পলাশির যুদ্ধ সংঘটিত হয়নি, যুদ্ধটি এর একদিন আগেই শেষ হয়ে গিয়েছিল।
D) জুন ২৫, ১৭৫৮ — সাল এবং তারিখ উভয়ই ভুল, কারণ যুদ্ধটি ১৭৫৭ সালের জুন মাসে হয়েছিল।
৫. মনে রাখার টিপস:
১৭৫৭ সালের ২৩ জুন তারিখটি মনে রাখতে সালটি ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে। ১৭৫৭ সাল এবং ২৩ জুন, এই সংখ্যাগুলো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
পলাশির যুদ্ধের প্রধান সেনাপতি মীর জাফর যদি বিশ্বাসঘাতকতা না করতেন, তবে বাংলার ইতিহাস ভিন্ন হতে পারত। একই বিষয় থেকে পরীক্ষার জন্য নবাবের পরাজয়ের কারণ বা রবার্ট ক্লাইভের ভূমিকা সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: A) ১০ নং সেক্টর
১. কেন সঠিক:
- ১০ নং সেক্টর ছিল বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের একমাত্র সাব-সেক্টরবিহীন এবং সমুদ্রভিত্তিক সেক্টর।
- এই সেক্টরটি গঠিত হয়েছিল দেশের সমস্ত নৌ-কমান্ডো এবং সামুদ্রিক অপারেশন পরিচালনার উদ্দেশ্যে।
২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট:
- ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তান নৌবাহিনীর বিরুদ্ধে নদী ও সমুদ্রপথে আঘাত হানার জন্য এই বিশেষ বাহিনী গড়ে তোলা হয়।
- এই সেক্টরের কোনো নির্দিষ্ট ভৌগোলিক এলাকা ছিল না, বরং সমগ্র জলপথ এবং সমুদ্রবন্দর এর আওতাধীন ছিল।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অপারেশন জ্যাকপট
ব্যাখ্যা: এটি ছিল ১০ নং সেক্টরের নৌ-কমান্ডোদের পরিচালিত ইতিহাসের অন্যতম সফল একটি সামুদ্রিক অভিযান।
উদাহরণ ২: চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর অপারেশন
ব্যাখ্যা: এই অভিযানের মাধ্যমে কমান্ডোরা পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর জলপথের যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১০ নং সেক্টর — এটি নৌ-কমান্ড গঠিত হওয়া একমাত্র সেক্টর এবং এর কোনো নিয়মিত সেক্টর কমান্ডার ছিলেন না।
B) ১১ নং সেক্টর — এটি গঠিত হয়েছিল টাঙ্গাইল এবং সিরাজগঞ্জ এলাকা নিয়ে এবং এর কমান্ডার ছিলেন মেজর এম এ আবু তাহের।
C) ৮ নং সেক্টর — এটি গঠিত হয়েছিল কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা এবং সাতক্ষীরা জেলা নিয়ে।
D) ৯ নং সেক্টর — এটি গঠিত হয়েছিল সুন্দরবন অঞ্চল এবং বরিশাল ও পটুয়াখালীর কিছু অংশ নিয়ে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- পানিতে যুদ্ধ বা নৌ-কমান্ড বললেই ১০ নং সেক্টর মনে রাখতে হবে।
- অন্যান্য সেক্টরগুলো ভূখণ্ডভিত্তিক হলেও ১০ নং সেক্টর ছিল সম্পূর্ণ জলপথভিত্তিক।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- মুক্তিযুদ্ধের একমাত্র সেক্টর যার কোনো নির্দিষ্ট হেডকোয়ার্টার ছিল না তা হলো ১০ নং সেক্টর।
- এই সেক্টর পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন নৌবাহিনীর সাবেক প্রধান ক্যাপ্টেন এম এ খালিক।
সঠিক উত্তর: A) ২,০৫,১৪৫ কোটি টাকা
প্রদত্ত তথ্য:
২০১৮-১৯ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন করা হয়েছে
এই বাজেটে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে
ধরি,
মোট বাজেটের আকার হলো মূল ভিত্তি
বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির বরাদ্দ হলো এর একটি অংশ
অতএব,
অর্থ মন্ত্রণালয়ের পেশকৃত হিসাব অনুযায়ী
উন্নয়ন খাতের মোট বরাদ্দ নির্ধারণ করা হলো
সুতরাং,
বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির জন্য বরাদ্দ টাকার পরিমাণ নিশ্চিত করা হলো
উত্তর: ২,০৫,১৪৫ কোটি টাকা
সঠিক উত্তর: B) ১০ ই এপ্রিল, ১৯৭১
১. কেন সঠিক:
১০ ই এপ্রিল, ১৯৭১ সালে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার বা মুজিবনগর সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে গঠিত হয়। এই সরকারের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের প্রাতিষ্ঠানিক ও বৈধ নেতৃত্ব নিশ্চিত হয়েছিল এবং বিশ্ববাসীর কাছে বাংলাদেশের পক্ষে জনমত গড়ে ওঠে।
২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য:
ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ২৬ মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়ার পর মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য একটি সুসংগঠিত রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও প্রশাসনিক কাঠামোর তীব্র প্রয়োজন দেখা দেয়। এই প্রেক্ষাপটে ১০ এপ্রিল নির্বাচিত গণপরিষদ সদস্যদের নিয়ে সরকার গঠিত হয়।
তারিখ ও স্থান: ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ সালে মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা আমবাগানে এই সরকার শপথ গ্রহণ করে, যা পরবর্তীতে মুজিবনগর নামে পরিচিত হয়।
ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: এই সরকারের রাষ্ট্রপতি ও সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, উপ-রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম (রাষ্ট্রপতির অনুপস্থিতিতে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি) এবং প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ।
তাৎপর্য ও ফলাফল: এই সরকার গঠনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধ একটি নির্দিষ্ট কাঠামোর অধীনে পরিচালিত হয় এবং বিভিন্ন দেশের স্বীকৃতি আদায় করা সহজ হয়।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র
ব্যাখ্যা: ১০ এপ্রিল গঠিত মুজিবনগর সরকার স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করে, যার মাধ্যমে ২৬ মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণাকে আইনগত বৈধতা দেওয়া হয়।
উদাহরণ ২: ১১টি সেক্টর
ব্যাখ্যা: মুজিবনগর সরকারের অধীনেই সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করে সুশৃঙ্খলভাবে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১২ ই এপ্রিল, ১৯৭১ — এই তারিখে প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ বেতার ভাষণে সরকারের মন্ত্রিপরিষদের নাম ও গঠন আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন।
B) ১০ ই এপ্রিল, ১৯৭১ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দিনেই সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে গঠিত হয়।
C) ১৪ ই এপ্রিল, ১৯৭১ — এই তারিখে কোনো সরকারি গঠনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা বা ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটেনি, তাই এটি ভুল।
ডি) ১৭ ই এপ্রিল, ১৯৭১ — এই তারিখে মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করেছিল, গঠিত হয়নি।
৫. মনে রাখার টিপস:
গঠন ১০ আর শপথ ১৭। এভাবে মনে রাখলে ১০ এপ্রিল (গঠন) এবং ১৭ এপ্রিল (শপথ) তারিখ দুটি নিয়ে আর কখনো কনফিউশন হবে না।
মুজিবনগর সরকার গঠনের ঠিক সাত দিন পর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছিল।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
মুজিবনগর সরকারের অর্থমন্ত্রী কে ছিলেন, এই প্রশ্নটি বিসিএস পরীক্ষায় বারবার আসে (সঠিক উত্তর এম মনসুর আলী)।
সরকারের শপথবাক্য কে পাঠ করিয়েছিলেন (প্রফেসর ইউসুফ আলী) তা জেনে রাখা আবশ্যক।
সঠিক উত্তর: A) নাইট্রোজেন
১. কেন সঠিক:
বায়ুমণ্ডলে গ্যাসের প্রাচুর্য বিবেচনা করলে দেখা যায়, বাতাসে নাইট্রোজেনের পরিমাণ প্রায় ৭৮%। সমুদ্রতীর বা উপকূলীয় অঞ্চলেও বায়ুমণ্ডলের এই স্বাভাবিক গ্যাসের মিশ্রণ বজায় থাকে এবং নাইট্রোজেনই প্রধান উপাদান হিসেবে সর্বাধিক পরিমাণে উপস্থিত থাকে।
২. ভৌগোলিক ও পরিবেশগত প্রেক্ষাপট:
বায়ুমণ্ডলের গঠন: পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে নাইট্রোজেন গ্যাস সবচেয়ে বেশি পরিমাণে প্রায় ৭৮.০৯% বিদ্যমান থাকে।
উপকূলীয় পরিবেশ: সমুদ্রতীরের আবহাওয়া ও বাতাসে এই নাইট্রোজেনের প্রাচুর্য অপরিবর্তিত থাকে এবং এটি জীবনের স্বাভাবিক ভারসাম্য রক্ষায় ভূমিকা রাখে।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত।
ব্যাখ্যা: বাংলাদেশের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকতে বায়ুমণ্ডলের প্রধান উপাদান হিসেবে নাইট্রোজেনের প্রাচুর্য রয়েছে।
উদাহরণ ২: কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত।
ব্যাখ্যা: এখানকার উন্মুক্ত বাতাসেও অন্যান্য গ্যাসের তুলনায় নাইট্রোজেনের আধিক্য লক্ষ্য করা যায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নাইট্রোজেন — বায়ুমণ্ডলে এর প্রাচুর্য সবচেয়ে বেশি থাকায় এটি সমুদ্রতীরের বায়ুতেও সর্বাধিক পরিমাণে থাকে।
B) হাইড্রোজেন — এটি মহাবিশ্বে সবচেয়ে বেশি থাকলেও পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে এর পরিমাণ খুবই নগণ্য।
C) অক্সিজেন — এটি বায়ুমণ্ডলে দ্বিতীয় প্রধান গ্যাস যার পরিমাণ প্রায় ২১%, তাই এটি সর্বাধিক নয়।
D) ওজোন — এটি বায়ুমণ্ডলের স্ট্রাটোস্ফিয়ার স্তরে খুব অল্প পরিমাণে থাকে এবং সমুদ্রতীরে এর প্রাচুর্য থাকে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে যে গ্যাস সবচেয়ে বেশি থাকে, সমুদ্রতীরেও ঠিক সেই গ্যাসটিই সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায়।
নাইট্রোজেনের পরিমাণ বাতাসে সবচেয়ে বেশি অর্থাৎ প্রায় ৭৮% হওয়ায় এটি সব জায়গাতেই প্রাচুর্যের দিক থেকে শীর্ষে থাকে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বায়ুমণ্ডলের গ্যাসগুলোর শতকরা হার প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
পরীক্ষায় বায়ুমণ্ডলে কোন গ্যাসের পরিমাণ কত, তা নিয়ে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: B) ৮.১৫ শতাংশ
প্রদত্ত তথ্য:
অর্থবছর হলো ২০১৮-১৯
জিডিপির প্রক্ষেপিত প্রবৃদ্ধির হার জানতে চাওয়া হয়েছে
ধরি,
বাজেট দলিল অনুযায়ী লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারিত হয়েছিল
এই লক্ষ্যমাত্রা ছিল সামষ্টিক অর্থনীতির কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে
অতএব,
অর্থনীতিবিদদের প্রাক্কলন বিবেচনা করা হয়েছিল
বিনিয়োগ ও রপ্তানি বৃদ্ধির হার হিসাব করা হয়েছিল
সুতরাং,
সর্বমোট জিডিপি প্রবৃদ্ধির প্রক্ষেপণ নির্ধারণ করা হয়েছিল
উত্তর: ৮.১৫ শতাংশ
সঠিক উত্তর: A) রাষ্ট্রপতি
১. কেন সঠিক:
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী দেশের প্রধান বিচারপতিকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ প্রদান করেন।
সংবিধানের ৯৫ অনুচ্ছেদের (১) দফায় প্রধান বিচারপতি নিয়োগের এই ক্ষমতার বিধান স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
২. সংবিধান ও আইন:
সংবিধান অনুযায়ী:
বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৫ অনুচ্ছেদের (১) দফায় বলা হয়েছে, প্রধান বিচারপতি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হইবেন এবং প্রধান বিচারপতির সহিত পরামর্শ করিয়া রাষ্ট্রপতি অন্যান্য বিচারককে নিয়োগদান করিবেন।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আপিল বিভাগের বিচারক নিয়োগ
ব্যাখ্যা: প্রধান বিচারপতির মতো সুপ্রিম কোর্টের আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের অন্যান্য বিচারকগণকেও রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দিয়ে থাকেন।
উদাহরণ ২: সাংবিধানিক পদসমূহ
ব্যাখ্যা: বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী, প্রধান বিচারপতি, মন্ত্রিপরিষদ ও অন্যান্য সাংবিধানিক পদে নিয়োগ প্রদান করেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাষ্ট্রপতি — এটি সঠিক উত্তর কারণ সংবিধান অনুযায়ী প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষমতা একমাত্র রাষ্ট্রপতির ওপর ন্যস্ত।
B) জাতীয় সংসদ — জাতীয় সংসদ আইন প্রণয়নকারী সর্বোচ্চ অঙ্গপ্রতিষ্ঠান এবং এটি বিচারক নিয়োগের সাথে সরাসরি জড়িত নয়।
C) প্রধানমন্ত্রী — প্রধানমন্ত্রী সরকারপ্রধান এবং তিনি প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্রে পরামর্শ দিতে পারেন কিন্তু নিজে নিয়োগ দেন না।
D) স্পীকার — স্পীকার জাতীয় সংসদের অধিবেশন পরিচালনা করেন এবং বিচারক নিয়োগ বা বিচার বিভাগের প্রশাসনিক কাজের সাথে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
সংবিধানের ৯৫ অনুচ্ছেদ মনে রাখুন যেখানে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রধান বিচারপতি নিয়োগের কথা বলা হয়েছে।
বিচার বিভাগের শীর্ষ পদে নিয়োগ সবসময় রাষ্ট্রপতির নির্বাহী ক্ষমতার অংশ হিসেবে গণ্য করা হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি কত বছর বয়স পর্যন্ত নিজ পদে বহাল থাকতে পারেন তা সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদ থেকে জেনে রাখা জরুরি।
এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় সংবিধানের অনুচ্ছেদভিত্তিক প্রশ্নে প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: D) অনুচ্ছেদ ২২
১. কেন সঠিক:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ২২ অনুচ্ছেদে রাষ্টری নির্বাহী অঙ্গ থেকে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণের কথা স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে।
- এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্র রাষ্ট্রের নির্বাহী অঙ্গ হইতে বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ নিশ্চিত করিবে।
২. সংবিধান ও আইন:
- সংবিধানের মূলনীতি: বাংলাদেশের সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতির মধ্যে অনুচ্ছেদ ২১ থেকে ২৫ পর্যন্ত বিভিন্ন নির্দেশিকা রয়েছে।
- ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: দীর্ঘ আইনি লড়াই ও মাসদার হোসেন মামলার রায়ের পর ২০০৭ সালের ১ নভেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথক করা হয়।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মাজদার হোসেন মামলা
ব্যাখ্যা: ১৯৯৯ সালে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণের দাবিতে সুপ্রিম কোর্টের সহকারী জজ এস কে সিনহা ও অন্যান্যদের করা এই মামলার ঐতিহাসিক রায়ের ভিত্তিতেই পৃথকীকরণের পথ প্রশস্ত হয়।
উদাহরণ ২: ২০০৭ সালের ১ নভেম্বর
ব্যাখ্যা: এই দিনে বিচার বিভাগকে নির্বাহী বিভাগ থেকে সম্পূর্ণ আলাদা করে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেসি চালু করা হয় যা প্রশাসনিক প্রভাবমুক্ত বিচার নিশ্চিত করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অনুচ্ছেদ ২৩ — এই অনুচ্ছেদে রাষ্ট্র কর্তৃক ঐতিহাসিক ও জাতীয় স্মারক রক্ষা ও উন্নয়নের কথা বলা হয়েছে।
B) অনুচ্ছেদ ২৪ — এই অনুচ্ছেদে প্রজাতন্ত্রের বিশেষ গুরুত্বসম্পন্ন বস্তু বা স্মারক সংরক্ষণের বিধান রয়েছে।
C) অনুচ্ছেদ ২১ — এই অনুচ্ছেদে সব সময়ে জনগণের সেবা করার চেষ্টা করা প্রজাতন্ত্রের কর্মকতাদেও কর্তব্য বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
D) অনুচ্ছেদ ২২ — এই অনুচ্ছেদটি নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথকীকরণের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত এবং এটিই সঠিক উত্তর।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সংবিধানের মৌলিক অধিকার বা মূলনীতির অনুচ্ছেদগুলো মনে রাখার জন্য ২২ সংখ্যাটিকে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা হিসেবে মনে রাখতে পারেন।
- ২১ অনুচ্ছেদ মানে জনগণের সেবা আর ২২ অনুচ্ছেদ মানে বিচার বিভাগ আলাদা করা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি সংবিধানের অনুচ্ছেদ এবং বিচার বিভাগীয় পৃথকীকরণ সংক্রান্ত আইনের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- এই ধরনের প্রশ্ন থেকে প্রায়ই মাসদার হোসেন মামলার সাল বা তারিখ সম্পর্কিত প্রশ্নও আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: B) ২৫ বছর
১. কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের সংবিধান ও নির্বাচন কমিশনের আইন অনুযায়ী জাতীয় সংসদ সদস্য হওয়ার ন্যূনতম বয়স ২৫ বছর নির্ধারণ করা হয়েছে।
- প্রধানমন্ত্রী হতে হলে সংসদ সদস্য হওয়ার যোগ্যতা থাকতে হয়, তাই প্রধানমন্ত্রীর বয়সও অন্তত ২৫ বছর হতে হবে।
২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য:
- সংবিধান ও আইন: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদে সংসদ সদস্য পদের যোগ্যতার বিষয়ে বলা হয়েছে।
- তাৎপর্য ও ফলাফল: এই বিধানের মাধ্যমে তরুণ সমাজের জন্য রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ নীত নির্ধারণী পর্যায়ে অংশগ্রহণের পথ সুগম করা হয়েছে।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাংলাদেশের সংবিধান
ব্যাখ্যা: সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ২৫ বছর বয়স পূর্ণ হলে যে কেউ সংসদ সদস্য পদের জন্য যোগ্য বলে বিবেচিত হন।
উদাহরণ ২: সংসদীয় গণতন্ত্র
ব্যাখ্যা: সংসদীয় শাসনব্যবস্থায় সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের প্রধান হিসেবে যিনি প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন, তাকেও আইনগতভাবে সংসদ সদস্য হতে হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৩৫ বছর — এই বয়সসীমা বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি পদের প্রার্থীর জন্য নির্ধারিত, প্রধানমন্ত্রীর জন্য নয়।
B) ২৫ বছর — এটি জাতীয় সংসদ সদস্য ও প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য নির্ধারিত সঠিক ন্যূনতম বয়স।
C) ২০ বছর — এই বয়সে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার কোনো সাংবিধানিক সুযোগ নেই।
D) ৩০ বছর — এই বয়সসীমা সাধারণত বাংলাদেশের উচ্চকক্ষ বা নির্দিষ্ট কিছু স্থানীয় সরকারের পদের জন্য ভাবা হলেও সাধারণ সংসদ নির্বাচনের জন্য প্রযোজ্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং প্রধানমন্ত্রী পদের বয়সসীমা মনে রাখার সহজ উপায় হলো পঁচিশ সংখ্যাটি মনে রাখা।
- রাষ্ট্রপতি পদের বয়স পঁয়ত্রিশ বছর এবং সংসদ সদস্য পদের বয়স পঁচিশ বছর এভাবে তুলনামূলকভাবে মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বয়সসীমা সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
- সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদ ভালোভাবে পড়লে সংসদ সদস্য হওয়ার অযোগ্যতা ও যোগ্যতার বিষয়টি স্পষ্ট হবে।
সঠিক উত্তর: B) প্লাস্টিক দূষণকে পরাজিত করি
১. কেন সঠিক:
- ২০১৮ সালের বিশ্ব পরিবেশ দিবসের মূল প্রতিপাদ্য ছিল প্লাস্টিক দূষণ প্রতিরোধ করা এবং এর ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে বিশ্ববাসীকে সচেতন করা।
- পরিবেশ অধিদপ্তর ও আন্তর্জাতিক পরিবেশ সংস্থার তথ্যানুযায়ী ২০১৮ সালের এই প্রতিপাদ্য বিশ্বজুড়ে একক ব্যবহার্য প্লাস্টিক বর্জ্য হ্রাসের ওপর জোর দিয়েছিল।
২. পরিবেশগত প্রেক্ষাপট:
- প্রতি বছর ৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হয় এবং সে বছর দিবসটির স্বাগতিক দেশ ছিল ভারত।
- এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য ছিল মানবজীবন ও প্রকৃতির জন্য হুমকিস্বরূপ প্লাস্টিক দূষণ রোধে কার্যকর বৈশ্বিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাংলাদেশ সরকার ২০২০ সালে শপিং ব্যাগের বিকল্প হিসেবে পাটজাত পণ্যের ব্যবহার বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগ নেয়।
ব্যাখ্যা: এটি প্লাস্টিক দূষণ রোধে দেশের ভেতরে নেওয়া একটি বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ যা পরিবেশ সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
উদাহরণ ২: বিশ্ব পরিবেশ দিবস ১৯৭২ সাল থেকে জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচির অধীনে নিয়মিত পালিত হয়ে আসছে।
ব্যাখ্যা: এর মাধ্যমে প্রতি বছর পরিবেশের ভিন্ন ভিন্ন সমসাময়িক সংকট যেমন জলবায়ু পরিবর্তন বা প্লাস্টিক দূষণ বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জলবায়ু উষ্ণতা প্রতিরোধ তহবিল গড়ি — এটি ২০১৮ সালের মূল বিশ্ব পরিবেশ দিবসের নির্দিষ্ট প্রতিপাদ্য ছিল না।
C) সবুজ বিশ্ব গড়ে তুলি — এই বাক্যটি সাধারণ পরিবেশ সচেতনতামূলক হলেও এটি ২০১৮ সালের নির্ধারিত প্রতিপাদ্য ছিল না।
D) জলবায়ু উষ্ণতাকে রুখে দেই — এটি জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক স্লোগান হলেও ২০১৮ সালের বিশ্ব পরিবেশ দিবসের সরকারি প্রতিপাদ্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ২০১৮ সালে পরিবেশের প্রধান শত্রু হিসেবে প্লাস্টিককে চিহ্নিত করা হয়েছিল এবং প্রতিপাদ্য ছিল প্লাস্টিক দূষণকে পরাজিত করি।
- পরিবেশ দিবসের প্রতিপাদ্যগুলো সাধারণত বর্তমান সময়ের সবচেয়ে বড় পরিবেশগত সংকটকে লক্ষ্য করে নির্ধারণ করা হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিশ্ব পরিবেশ দিবস কবে পালিত হয় এবং এর প্রতিষ্ঠাকাল সম্পর্কে প্রায়শই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য সাম্প্রতিক বছরগুলোর পরিবেশ দিবসের প্রতিপাদ্য এবং স্বাগতিক দেশগুলোর নাম মুখস্থ রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: A) ৭টি
১. কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের সংবিধানে বর্তমানে মোট ৭টি তফসিল বা সংযোজনী রয়েছে।
- সংবিধানের শেষভাগে বিভিন্ন আইন, আদেশ এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াদি বিস্তারিতভাবে যুক্ত করার জন্য তফসিলগুলো ব্যবহার করা হয়েছে।
২. সংবিধান ও আইন:
- সংবিধানের পরিশিষ্ট বা শেষাংশে এই ৭টি তফসিল অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
- মূল সংবিধানে ৪টি তফসিল ছিল, যা পরবর্তীতে বিভিন্ন সংশোধনীর মাধ্যমে বাড়িয়ে ৭টিতে উন্নীত করা হয়েছে।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: প্রথম তফসিল
ব্যাখ্যা: সংবিধানের প্রথম তফসিলে অন্যান্য বিধান সাপেক্ষে যেসব আইনের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা হয়েছে তার তালিকা রয়েছে।
উদাহরণ ২: সপ্তম তফসিল
ব্যাখ্যা: সপ্তম তফসিলে ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ এবং স্বাধীনতার ঘোষণা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৭টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলাদেশের সংবিধানে বর্তমানে এই সংখ্যাটিই কার্যকর রয়েছে।
B) ৮টি — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ আমাদের সংবিধানে কখনো আটটি তফসিল ছিল না।
C) ৫টি — মূল সংবিধানে চারটি তফসিল ছিল, তাই পঞ্চম তফসিল একা কোনো সঠিক সংখ্যা নির্দেশ করে না।
D) ৬টি — এই সংখ্যাটি ভুল এবং সাংবিধানিক বিধানের সঙ্গে মেলে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সংবিধানের মূল ৪টি তফসিলে পরে আরও ৩টি যুক্ত হয়ে মোট ৭টি হয়েছে।
- ৪ + ৩ = ৭ এই সহজ সমীকরণটি মনে রাখলে পরীক্ষাও ভুল হবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সংবিধানের তফসিল, অনুচ্ছেদ এবং সংশোধনী থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- মূল সংবিধানে কয়টি তফসিল ছিল এবং বর্তমানে কয়টি আছে, তা ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) মধ্য আমেরিকা
১. কেন সঠিক:
মায়া সভ্যতা বিশ্বের মধ্য আমেরিকা অঞ্চলে গড়ে ওঠা একটি অন্যতম প্রাচীন ও অত্যন্ত উন্নত আদিবাসী সভ্যতা।
এই সভ্যতা বর্তমানের মেক্সিকো, গুয়াতেমালা, বেলিজ, হন্ডুরাস এবং এল সালভাদর অঞ্চলজুড়ে বিস্তৃত ছিল।
২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য:
ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: প্রাচীন বিশ্বসভ্যতাগুলোর মধ্যে মায়া সভ্যতা তাদের উন্নত গণিত, লিখন পদ্ধতি, ক্যালেন্ডার এবং স্থাপত্যের জন্য বিখ্যাত ছিল।
তাৎপর্য ও ফলাফল: এই অঞ্চলের বাসিন্দারা ক্রান্তীয় বৃষ্টিঅঞ্চল ও দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় চমৎকার নগর পরিকল্পনা গড়ে তুলেছিল।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মহাস্থানগড়
ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের প্রাচীনতম ঐতিহাসিক ও নগর সভ্যতার নিদর্শন, যা মায়া সভ্যতার মতো প্রাচীন জনবসতির ইতিহাস মনে করিয়ে দেয়।
উদাহরণ ২: পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার
ব্যাখ্যা: এটি প্রাচীন বাংলার স্থাপত্যকলার এক অনন্য নিদর্শন, যা প্রাচীন সভ্যতার মানুষের প্রকৌশলবিদ্যার উৎকর্ষ প্রকাশ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পূর্ব এশিয়া — এই অঞ্চলে চীন, জাপান ও কোরিয়ার মতো প্রাচীন সভ্যতা বিকশিত হয়েছিল, মায়া সভ্যতা নয়।
B) মধ্য আমেরিকা — এটি সঠিক উত্তর কারণ মায়া সভ্যতার মূল কেন্দ্র ছিল এই অঞ্চলে।
C) মধ্যপ্রাচ্য — এই অঞ্চলে মেসোপটেমিয়া ও সুমেরীয় সভ্যতা গড়ে উঠেছিল, মধ্য আমেরিকা নয়।
D) পূর্ব আফ্রিকা — এই অঞ্চলে প্রাচীন মিসরীয় সভ্যতার প্রভাব এবং মানব ইতিহাসের সূতিকাগার অবস্থিত।
৫ মনে রাখার টিপস:
মায়া সভ্যতা মনে রাখতে মধ্য আমেরিকা শব্দটি মাথায় রাখবে।
মেক্সিকোর ম এবং মধ্য আমেরিকার ম দিয়ে এটি সহজে মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিশ্বের প্রাচীন সভ্যতাগুলো কোন অঞ্চলে গড়ে উঠেছিল তা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
ইনকা সভ্যতা দক্ষিণ আমেরিকা এবং অ্যাজটেক সভ্যতা মেক্সিকোতে গড়ে উঠেছিল, যা মায়া সভ্যতার সঙ্গে মিলিয়ে ফেলা যাবে না।
সঠিক উত্তর: B) এমডিজি অ্যাওয়ার্ড ২০১০
১. কেন সঠিক:
- সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বিশেষ করে শিশুমৃত্যুর হার হ্রাসের ক্ষেত্রে অনন্য সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০১০ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এই আন্তর্জাতিক পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- জাতিসংঘ সদর দপ্তরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ম্যালেরিয়া ও অন্যান্য রোগ প্রতিরোধ এবং মাতৃ ও শিশু স্বাস্থ্য উন্নয়নে বাংলাদেশের অসাধারণ অগ্রগতির জন্য এই সম্মাননা জানানো হয়।
২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য:
- ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: জাতিসংঘের সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের সময়কাল ছিল ২০০০ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত এবং বাংলাদেশ নির্ধারিত সময়ের আগেই অনেকগুলো সূচকে সাফল্য অর্জন করে।
- ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: জাতিসংঘের তৎকালীন মহাসচিব বান কি মুন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে এই prestigious award তুলে দেন যা বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতের জন্য একটি বড় অর্জন।
- তাৎপর্য ও ফলাফল: এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবা খাতের সাফল্য তুলে ধরে এবং সরকারের মাঠপর্যায়ে স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ ও টিকাদান কর্মসূচির কার্যকারিতা প্রমাণ করে।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কমিউনিটি ক্লিনিক কার্যক্রম
ব্যাখ্যা: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগে ১৯৯৬ থেকে ২০০১ এবং পরবর্তী সময়ে পুনরায় চালু হওয়া কমিউনিটি ক্লিনিক গ্রামীণ জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেয় যা শিশুমৃত্যু কমাতে মূল ভূমিকা পালন করে।
উদাহরণ ২: সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি বা ইপিআই
ব্যাখ্যা: শিশুদের বিভিন্ন মারাত্মক রোগ থেকে সুরক্ষায় বাংলাদেশ সরকারের ইপিআই কর্মসূচি আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত হয় এবং এটি শিশুমৃত্যু হারের উল্লেখযোগ্য হ্রাসে সহায়তা করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Planet 50-50 — এটি লিঙ্গসাম্য ও নারী ক্ষমতায়নে অবদানের জন্য জাতিসংঘের একটি বিশেষ স্বীকৃতি যা এই প্রশ্নের নির্দিষ্ট শিশুমৃত্যু হারের অর্জনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
C) জাতিসংঘ শান্তি পুরস্কার — এটি আন্তর্জাতিক শান্তি রক্ষা ও সংঘাত নিরসনে অবদানের জন্য প্রদান করা হয় যা স্বাস্থ্য খাতের অর্জনের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
D) সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রী — এটি বিভিন্ন দেশ বা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক বিশিষ্ট ব্যক্তিদের শিক্ষাগত বা সামাজিক অবদানের জন্য প্রদত্ত ডিগ্রি যা কোনো নির্দিষ্ট বৈশ্বিক উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার পুরস্কার নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- শিশুমৃত্যু কমানোর সাফল্যের সঙ্গে ২০১০ সালের এমডিজি অ্যাওয়ার্ড সরাসরি সম্পর্কিত।
- সাল মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো যে সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার মধ্যবর্তী সময়ে অর্থাৎ ২০১০ সালে বাংলাদেশ এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি লাভ করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আন্তর্জাতিক পুরস্কার এবং স্বাস্থ্য খাতের অর্জন থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- এমডিজি অর্জনে বাংলাদেশের সাফল্যের ক্ষেত্রগুলো এবং জাতিসংঘের কোন সংস্থা এই পুরস্কার প্রদান করে তা ভালোভাবে জেনে রাখা উচিত।
সঠিক উত্তর: A) প্রধানমন্ত্রী
১. কেন সঠিক:
- গণপ্রজাত বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী নির্বাহী ক্ষমতার প্রকৃত প্রয়োগকারী এবং মন্ত্রীসভার প্রধান।
- ১৯৭২ সালের মূল সংবিধানে রাষ্ট্রপতির হাতে নির্বাহী ক্ষমতা থাকলেও পরবর্তীতে সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হওয়ায় প্রধানমন্ত্রী নির্বাহী ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হন।
২. সংবিধান ও প্রশাসন:
- সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদের ১ উপঅনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি একজন প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করবেন যার সংসদ সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠের আস্থাভাজন হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
- সংবিধানের ৪৮ অনুচ্ছেদের ৩ উপঅনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীদের পরামর্শ অনুযায়ী তাঁর কার্য সম্পাদন করতে বাধ্য থাকেন, যা প্রধানমন্ত্রীর নির্বাহী কর্তৃত্ব নিশ্চিত করে।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাংলাদেশ সরকারের সচিবালয়ের যেকোনো নীতিগত সিদ্ধান্ত বা আদেশ রাষ্ট্রপতির নামে জারি হলেও তা প্রধানমন্ত্রীর প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ নির্দেশনায় সম্পাদিত হয়।
ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে যে প্রশাসনিক কাঠামোর চূড়ায় থেকেও রাষ্ট্রপতি মূলত আনুষ্ঠানিক প্রধান এবং প্রকৃত নির্বাহী ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রীর হাতে ন্যস্ত থাকে।
উদাহরণ ২: ১৯৯১ সালে সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়।
ব্যাখ্যা: এই সংশোধনীর ফলে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা থেকে সরে এসে প্রধানমন্ত্রীর নির্বাহী ক্ষমতা আইনসম্মত ও সুসংহত করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রধানমন্ত্রী — এই অপশনটি সঠিক কারণ সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রের নির্বাহী ক্ষমতার প্রধান চালিকাশক্তি ও সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী হলেন প্রধানমন্ত্রী।
B) রাষ্ট্রপতি — রাষ্ট্রপতির নিকট প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতা ন্যস্ত থাকলেও তিনি সংবিধানের বাধ্যবাধকতা অনুযায়ী সাধারণত প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে তা প্রয়োগ করেন।
C) মন্ত্রী — মন্ত্রীরা নিজ নিজ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেন কিন্তু সার্বিক নির্বাহী ক্ষমতার একক কর্তৃত্বে তারা থাকেন না, বরং প্রধানমন্ত্রীর অধীনে কাজ করেন।
D) সচিব — সচিব হলেন যেকোনো মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক প্রধান বা সচিবালয়ের সর্বোচ্চ আমলা, যিনি মন্ত্রীর নির্দেশ বাস্তবায়ন করেন কিন্তু নির্বাহী ক্ষমতার অধিকারী নন।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সাংবিধানিক পদ হিসেবে রাষ্ট্রপতি হলেন রাষ্ট্রের প্রধান, আর সরকার পরিচালনা ও নির্বাহী ক্ষমতার প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী।
- কাগজে-কলমে বা রাষ্ট্রীয়ভাবে নির্বাহী ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির নামে পরিচালিত হলেও প্রায় সব ক্ষমতার প্রয়োগকর্তা হলেন প্রধানমন্ত্রী।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস পরীক্ষার জন্য সংবিধানের অনুচ্ছেদগুলো যেমন ৪৮ ও ৫৬ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- একই বিষয় থেকে ঘুরিয়ে প্রশ্ন আসতে পারে যে, সংবিধানের কত অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করেন।
সঠিক উত্তর: B) মিয়ানমার
১. কেন সঠিক:
ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্রেসি বা এনএলডি হলো মিয়ানমারের একটি প্রধান রাজনৈতিক দল।
এই দলটি দেশটির গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে দীর্ঘকাল ধরে নেতৃত্ব দিয়ে আসছে।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
দেশ: মিয়ানমার
প্রেক্ষাপট: অং সান সু চির নেতৃত্বে এই দল গঠিত হয় এবং ১৯৯০ সালের নির্বাচনে জয়লাভ করে।
উদ্দেশ্য: সামরিক শাসন হটিয়ে মিয়ানমারে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা।
গুরুত্ব: মিয়ানমারের আধুনিক রাজনৈতিক ইতিহাসে গণতান্ত্রিক সংগ্রামের অন্যতম প্রধান প্রতীক।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ
ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের একটি প্রধান রাজনৈতিক দল, যা দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছিল।
উদাহরণ ২: ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কংগ্রেস
ব্যাখ্যা: এটি ভারতের একটি ঐতিহাসিক রাজনৈতিক দল, যা দেশটির স্বাধীনতা আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মালয়েশিয়া — এই দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে রয়েছে ইউনাইটেড মালয় ন্যাশনাল অর্গানাইজেশন বা ইউমনো।
B) মিয়ানমার — এই অপশনটি সঠিক কারণ ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্রেসি এই দেশেরই রাজনৈতিক দল।
C) ভারত — এই দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে রয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টি বা বিজেপি এবং কংগ্রেস।
D) থাইল্যান্ড — এই দেশের রাজনৈতিক দলের মধ্যে রয়েছে ফিউ থাই পার্টি এবং মুভ ফরওয়ার্ড পার্টি।
৫ মনে রাখার টিপস:
মিয়ানমারের গণতন্ত্র মানেই ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্রেসি বা এনএলডি এবং এর নেত্রী অং সান সু চি।
সু চির দল হিসেবে এই নামটি মনে রাখা খুবই সহজ।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
মিয়ানমারের রাজনৈতিক পটপরিবর্তন এবং অং সান সু চির দল সম্পর্কে প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
দলটির প্রতিষ্ঠাকাল এবং এর প্রধান নেত্রীর নাম ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: প্রদত্ত প্রশ্নে উল্লেখিত সঠিক উত্তর এবং অপশন D (গার্ডিয়ান) উভয়ই ভুল। সঠিক উত্তর হবে কুয়েত বা ওমান, কারণ কাতার সংকটের সময় এই দেশগুলো কাতারের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করেনি। তবে যেহেতু প্রশ্নে 'গার্ডিয়ান' একটি সংবাদমাধ্যম এবং অপশনগুলোর মধ্যে এটি সম্পূর্ণ অসংগত, তাই এই প্রশ্নটির প্রকৃত ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট নিচে ব্যাখ্যা করা হলো।
১. কেন সঠিক:
২০১৭ সালের জুন মাসে মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশ কাতারের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করে।
কুয়েত ও ওমান এই সংকটের সময় নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করে এবং মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করে।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
প্রেক্ষাপট: ২০১৭ সালের ৫ জুন সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন ও মিশর কাতারের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদে মদদ দেওয়ার অভিযোগ এনে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করে।
গুরুত্ব: এই সংকট মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতে কাতারকে তুরস্ক ও ইরানের কাছাকাছি নিয়ে আসে এবং উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের ঐক্যকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কুয়েতের মধ্যস্থতা
ব্যাখ্যা: কাতার সংকট নিরসনে কুয়েতের আমির শেখ সাবাহ আল আহমেদ আল সাবাহ মধ্যস্থতার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন।
উদাহরণ ২: আল উলা ঘোষণা
ব্যাখ্যা: ২০২১ সালের জানুয়ারি মাসে সৌদি আরবের আল উলা শহরে শীর্ষ সম্মেলনের মাধ্যমে এই সংকটের অবসান ঘটে এবং সম্পর্ক পুনরুদ্ধার হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাহরাইন — বাহরাইন ২০১৭ সালে কাতারের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করেছিল তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
B) সংযুক্ত আরব আমিরাত — সংযুক্ত আরব আমিরাত কাতারের বিরুদ্ধে অবরোধ আরোপকারী প্রধান দেশগুলোর একটি ছিল।
C) মিশর — মিশর সৌদি আরব জোটে থেকে কাতারের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করেছিল।
D) গার্ডিয়ান — গার্ডিয়ান একটি ব্রিটিশ সংবাদপত্র, এটি কোনো দেশ নয় এবং কাতার সংকটের সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
৫ মনে রাখার টিপস:
কাতারের ওপর অবরোধ আরোপ করেছিল মূলত সৌদি আরব ও তার মিত্ররা।
কুয়েত ও ওমান কোনো সম্পর্ক ছিন্ন না করে বরং শান্তি বজায় রাখার চেষ্টা করেছিল।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কাতার সংকটের সূচনা হয় ২০১৭ সালে এবং এর অবসান ঘটে ২০২১ সালে আল উলা চুক্তির মাধ্যমে।
এই ধরনের প্রশ্নে দেশ এবং সংবাদমাধ্যমের পার্থক্য সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) নিউজ উইরুল (উইকস)
১. কেন সঠিক:
যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত আন্তর্জাতিক ম্যাগাজিন নিউজউইক (Newsweek) ১৯৭১ সালের ৫ এপ্রিল সংখ্যায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে রাজনীতির কবি বা Poet of Politics উপাধিতে ভূষিত করে।
ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণে বঙ্গবন্ধু যে কাব্যিক সুষমা, আবেগ এবং সাধারণ মানুষের মুক্তির আকুতি ফুটিয়ে তুলেছিলেন, তার স্বীকৃতিস্বরূপ এই প্রখ্যাত সাময়িকী তাকে এই মর্যাদাপূর্ণ উপাধি দেয়।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
পত্রিকা: নিউজউইক একটি যুক্তরাষ্ট্রের সাপ্তাহিক ম্যাগাজিন যা আন্তর্জাতিক সংবাদ প্রকাশে বিশ্বজুড়ে অত্যন্ত পরিচিত ও প্রভাবশালী।
প্রেক্ষাপট: ১৯৭১ সালের মার্চে বাংলাদেশের অসহযোগ আন্দোলন এবং ৭ মার্চের ভাষণের পর বিশ্ব গণমাধ্যমে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ও নেতার ভূমিকা গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা হয়।
গুরুত্ব: এই উপাধিটি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্ব এবং তার ঐতিহাসিক ভাষণের অনন্য রাজনৈতিক গুরুত্বের স্বীকৃতি বহন করে।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ৭ মার্চের ভাষণ
ব্যাখ্যা: এই ভাষণটি কেবল একটি রাজনৈতিক নির্দেশনা ছিল না, বরং এটি ছিল একটি জাতির মুক্তির কাব্যের মতো, যা নিউজউইকের দৃষ্টিতে বঙ্গবন্ধুকে রাজনীতির কবি হিসেবে পরিচিত করে তোলে।
উদাহরণ ২: বিশ্ব গণমাধ্যমে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ
ব্যাখ্যা: ১৯৭১ সালে বিশ্বখ্যাত টাইম, নিউজউইক ও ইকোনমিস্টের মতো পত্রিকাগুলো বাংলাদেশের পক্ষে জনমত গঠনে এবং পাকিস্তানি বাহিনীর বর্বরতা তুলে ধরতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নিউজ উইরুল (উইকস) — এই অপশনটি সঠিক কারণ নিউজউইক ম্যাগাজিনই বঙ্গবন্ধুকে রাজনীতির কবি উপাধি দিয়েছিল এবং প্রশ্নে এটিই নির্দেশ করা হয়েছে।
B) দি ইকনমিস্ট — এটি যুক্তরাজ্যের একটি প্রভাবশালী সাপ্তাহিক পত্রিকা যা মূলত বিশ্ব অর্থনীতি এবং আন্তর্জাতিক রাজনীতি নিয়ে আলোচনা করে, তবে তারা এই উপাধি দেয়নি।
C) টাইম — টাইম ম্যাগাজিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি শীর্ষস্থানীয় প্রভাবশালী সাপ্তাহিক পত্রিকা, যা বিভিন্ন সময়ে প্রচ্ছদ প্রতিবেদন প্রকাশ করলেও এই নির্দিষ্ট উপাধিটি দেয়নি।
D) গার্ডিয়ান — গার্ডিয়ান হলো যুক্তরাজ্যের একটি দৈনিক সংবাদপত্র, যা বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জোরালো ভূমিকা রাখলেও এই উপাধির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
নিউজউইক পত্রিকার উইকস বা উইরুল অংশটি মনে রাখতে পারেন সংবাদ প্রকাশের মাধ্যম হিসেবে।
মনে রাখবেন, কবি হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী সাপ্তাহিক নিউজউইক।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
একই বিষয় থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে, নিউজউইক কত সালে বঙ্গবন্ধুকে এই উপাধি দিয়েছিল বা কোন সংখ্যায় প্রকাশ করেছিল।
সঠিক উত্তর: B) ৫১
১. কেন সঠিক:
১৯৪৫ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ সমাপ্তির পর আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়।
প্রতিষ্ঠার সময় ৫০টি দেশ এর সনদে স্বাক্ষর করলেও পোল্যান্ড সম্মেলনে উপস্থিত না থাকায় পরবর্তীতে স্বাক্ষর করে এবং প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
সংস্থা: জাতিসংঘ বা United Nations, যা বিশ্বের সার্বভৌম রাষ্ট্রগুলোকে নিয়ে গঠিত সর্ববৃহৎ আন্তর্জাতিক সংস্থা।
প্রতিষ্ঠা/তারিখ: ২৪ অক্টোবর ১৯৪৫ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ সনদ কার্যকর হওয়ার মাধ্যমে সংস্থাটি যাত্রা শুরু করে।
সদর দপ্তর: যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরে জাতিসংঘের মূল কার্যালয় অবস্থিত।
প্রেক্ষাপট: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ধ্বংসলীলা ও লিগ অব নেশনস এর ব্যর্থতার পর বিশ্বকে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের হাত থেকে রক্ষা করতে এর জন্ম হয়।
উদ্দেশ্য/গুরুত্ব: আন্তর্জাতিক শান্তি রক্ষা, মানবাধিকার রক্ষা, আন্তর্জাতিক আইন তৈরি এবং বিশ্বব্যাপী সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন সাধন করা।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ১৩৫তম সদস্য হিসেবে যোগদান করে।
ব্যাখ্যা: স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্বমঞ্চে নিজের অবস্থান পাকাপোক্ত করতে জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ বাংলাদেশের কূটনীতির অন্যতম বড় সাফল্য।
উদাহরণ ২: জাতিসংঘের বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৯৩টি এবং সর্বশেষ সদস্য দেশ হিসেবে দক্ষিণ সুদান ২০১১ সালে যুক্ত হয়।
ব্যাখ্যা: প্রতিষ্ঠার সময়কার ৫১টি সদস্য থেকে বর্তমান ১৯۳টিতে পৌঁছানোর ইতিহাস বিশ্বজুড়ে উপনিবেশবাদ পতন ও ভূরাজনৈতিক পরিবর্তনের সাক্ষ্য দেয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৫০ — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ প্রতিষ্ঠাকালীন মূল সদস্য রাষ্ট্র ছিল ৫১টি, যদিও সানফ্রান্সিসকো সম্মেলনে ৫০টি দেশ প্রথম স্বাক্ষর করেছিল।
B) ৫১ — এটি সঠিক উত্তর কারণ পোল্যান্ড পরবর্তীতে স্বাক্ষর করায় মোট প্রতিষ্ঠাতা সদস্যের সংখ্যা ৫১টিতে উন্নীত হয়।
C) ৪৮ — এই সংখ্যাটি ঐতিহাসিক কোনো সঠিক তথ্য নির্দেশ করে না এবং জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠার সঙ্গে মেলে না।
D) ৪৯ — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ কোনো ঐতিহাসিক নথিতে জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য সংখ্যা ৪৯ বলা হয়নি।
৫. মনে রাখার টিপস:
১৯৪৫ সালের জাতিসংঘের জন্ম মনে রাখতে ৫ এবং ১ এর হিসাব মনে রাখবে, অর্থাৎ প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিল ৫১টি।
প্রতিষ্ঠার সাল ১৯৪৫ এর শেষ দুটি সংখ্যা এবং সদস্য সংখ্যা ৫১ এর মধ্যে একটি মিল রয়েছে যা মনে রাখতে সাহায্য করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে জাতিসংঘের বর্তমান সদস্য কত কিংবা প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য কত ছিল।
জাতিসংঘের সদর দপ্তর কোথায় এবং কবে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়, এই তথ্যগুলো বিসিএস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: D) সুইডেন
১. কেন সঠিক:
সুইডেন আনুষ্ঠানিকভাবে ২০২৪ সালের মার্চ মাসে ন্যাটোর ৩২তম সদস্য হিসেবে যোগদান করে। দীর্ঘ দুই শতক ধরে সামরিক জোটের বাইরে থাকার নীতি বা নিরপেক্ষতা ত্যাগ করে দেশটি এই জোটে যোগ দেয়।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
সংস্থা: ন্যাটো বা উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা একটি সামরিক জোট।
প্রতিষ্ঠা: ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল ওয়াশিংটন চুক্তির মাধ্যমে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ফিনল্যান্ড।
ব্যাখ্যা: সুইডেনের ঠিক আগে ২০২৩ সালে ফিনল্যান্ড ন্যাটোর ৩১তম সদস্য হিসেবে যোগ দেয় এবং তারাও দীর্ঘ সামরিক নিরপেক্ষতা ত্যাগ করে।
উদাহরণ ২: ইউক্রেন যুদ্ধ।
ব্যাখ্যা: রাশিয়ার ইউক্রেন আক্রমণের পর নর্ডিক দেশগুলো তাদের নিরাপত্তা নীতি পুনর্বিবেচনা করে জোটে যোগদানের সিদ্ধান্ত নেয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মন্টিনিগ্রো — এটি ২০১৭ সালে ন্যাটোর সপ্তবিংশ সদস্য হিসেবে যোগদান করেছিল।
B) লিথুনিয়া — এই বল্টিক রাষ্ট্রটি ২০০৪ সালে ন্যাটোর সদস্যপদ লাভ করেছিল।
C) আলবেনিয়া — এই বলকান রাষ্ট্রটি ২০০৯ সালে ন্যাটোর সদস্য হিসেবে যুক্ত হয়।
D) সুইডেন — এটি বর্তমানের সর্বশেষ বা ৩২তম সদস্য রাষ্ট্র।
৫. মনে রাখার টিপস:
সুইফ্ট বা সুইডেন মনে রাখুন সর্বশেষ হিসেবে। সুইডেন যোগদানের মাধ্যমে বাল্টিক সাগর কার্যত ন্যাটোর অভ্যন্তরীণ সাগরে পরিণত হয়েছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ন্য্যাটোর বর্তমান সদস্যসংখ্যা কত এবং সর্বশেষ সদস্য কে, তা বিসিএস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এখান থেকে উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোট বা এর প্রতিষ্ঠাকাল নিয়েও প্রশ্ন হতে পারে।
সঠিক উত্তর: B) হ্যাকার গ্রুপ
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরটি হলো হ্যাকার গ্রুপ কারণ কোজি বেয়ার হলো একটি কুখ্যাত রুশ সাইবার গোয়েন্দা দল।
- এটি মূলত রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত একটি হ্যাকার দল যা আন্তর্জাতিক সাইবার আক্রমণে জড়িত।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
- দেশ/সংস্থা: রাশিয়াভিত্তিক সাইবার গোয়েন্দা গোষ্ঠী বা এপিটি আঠারো।
- প্রেক্ষাপট: বিভিন্ন দেশের সরকারি, কূটনৈতিক ও থিঙ্কট্যাংক প্রতিষ্ঠানে সাইবার হামলা চালানোর জন্য এটি পরিচিত।
- উদ্দেশ্য/গুরুত্ব: বিশ্ব রাজনীতিতে সাইবার যুদ্ধ এবং তথ্য চুরির ক্ষেত্রে এই ধরনের দলের ভূমিকা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ফ্যান্সি বেয়ার
ব্যাখ্যা: এটিও রাশিয়ার আরেকটি সুপরিচিত সাইবার গোয়েন্দা দল যারা রাজনৈতিক হ্যাকিংয়ে যুক্ত।
উদাহরণ ২: স্টাকনেট
ব্যাখ্যা: এটি রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় তৈরি একটি বিখ্যাত কম্পিউটার ওয়ার্ম বা ম্যালওয়্যার।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চুক্তি — এটি কোনো আন্তর্জাতিক বা দ্বিপক্ষীয় চুক্তি নয়।
B) হ্যাকার গ্রুপ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি একটি সাইবার অপরাধী দল।
C) বিনোদনকেন্দ্র — এটি কোনো বিনোদনমূলক স্থান বা প্রতিষ্ঠান নয়।
ডি) নদী — এটি কোনো প্রাকৃতিক জলধারা বা নদী নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বেয়ার বা ভাল্লুক শব্দটি সাধারণত সাইবার জগতের আলোচনায় রাশিয়ার হ্যাকার গ্রুপ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
- কোজি বেয়ার ও ফ্যান্সি বেয়ার দুটিই রুশ সাইবার গোয়েন্দা দল।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আন্তর্জাতিক সাইবার নিরাপত্তা ও হ্যাকার গ্রুপ সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
- কোজি বেয়ার কোন দেশের হ্যাকার গ্রুপ, এমন প্রশ্ন বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় দেখা যায়।
সঠিক উত্তর: A) ১৯৩৩
১. কেন সঠিক:
অ্যাডলফ হিটলার ও তাঁর দল নাৎসি পার্টি ১৯৩০ এর দশকের শুরুতে জার্মান রাজনীতিতে তীব্র অর্থনৈতিক সংকটের সুযোগ নিয়ে শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করে।
অবশেষে ১৯৩৩ সালের ৩০ জানুয়ারি জার্মানির তৎকালীন রাষ্ট্রপতি পল ফন হিন্ডেনবার্গ হিটলারকে দেশের চ্যান্সেলর বা সরকারপ্রধান হিসেবে নিয়োগ দেন।
২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও গুরুত্ব:
দেশ: জার্মানি, ইউরোপের একটি অন্যতম প্রধান শিল্প ও রাজনৈতিক শক্তি।
প্রেক্ষাপট: প্রথম বিশ্বযুদ্ধে পরাজয়ের পর জার্মানির ওপর ভার্সাই চুক্তির অপমানজনক শর্ত ও মহামন্দা রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা তৈরি করেছিল।
উদ্দেশ্য ও গুরুত্ব: চ্যান্সেলর পdo পাওয়ার পর হিটলার দ্রুত গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো ভেঙে ফেলেন এবং নিজেকে সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী করে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ও হলোকাস্টের পথ সুগম করেন।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বেনিতো মুসোলিনি
ব্যাখ্যা: ইতালিতে ফ্যাসিস্ট নেতা মুসোলিনি ১৯২২ সালে ক্ষমতা দখল করেছিলেন, যা হিটলারের জন্য রাজনৈতিক অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করেছিল।
উদাহরণ ২: ভাইমার প্রজাতন্ত্র
ব্যাখ্যা: প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর জার্মানিতে যে গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, হিটলারের চ্যান্সেলর হওয়ার মাধ্যমে তার আনুষ্ঠানিক পতন ঘটে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৩৩ — এই সালে হিটলার আইনসম্মতভাবে জার্মানির চ্যান্সেলর নিযুক্ত হন এবং পরবর্তীতে একনায়কতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন।
B) ১৯৩৪ — এই সালে রাষ্ট্রপতি পল ফন হিন্ডেনবার্গের মৃত্যুর পর হিটলার চ্যান্সেলর ও রাষ্ট্রপতির পদ একত্র করে ফুয়েরার বা সর্বোচ্চ নেতা হন।
C) ১৯৩১ — এই বছর হিটলার চ্যান্সেলর হননি, তবে নাৎসি পার্টি জার্মান পার্লামেন্টে অর্থাৎ রাইখস্ট্যাগে প্রধান বিরোধী দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছিল।
D) ১৯৩২ — এই বছরে জার্মানিতে একাধিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় এবং হিটলার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে হিন্ডেনবার্গের কাছে পরাজিত হলেও চ্যান্সেলর পদের জন্য জমি প্রস্তুত করেন।
৫. মনে রাখার টিপস:
১৯২৯ সালের মহামন্দা এবং ঠিক তার চার বছর পর ১৯৩৩ সালে হিটলারের চ্যান্সেলর হওয়া দুটি ঐতিহাসিক ঘটনা গভীরভাবে সম্পর্কিত।
হিটলারের ক্ষমতা গ্রহণের সাল মনে রাখতে ১৯৩৩ সংখ্যাটি মনে রাখুন, যা বিশ্ব ইতিহাসের সবচেয়ে ধ্বংসাত্মক মোড়গুলোর একটি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে হিটলার কোন দলের নেতা ছিলেন, যার উত্তর হলো নাৎসি পার্টি বা ন্যাশনাল সোশ্যালিস্ট জার্মান ওয়ার্কার্স পার্টি।
একই বিষয় থেকে প্রশ্ন আসতে পারে হিটলার কবে ফুয়েরার উপাধি নেন, যার সঠিক উত্তর ১৯৩৪ সাল।
সঠিক উত্তর: A) ডেনমার্ক
১. কেন সঠিক:
- ফোকেটিং হলো উত্তর ইউরোপের স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ ডেনমার্কের এককক্ষ বিশিষ্ট জাতীয় সংসদ বা আইনসভা।
- বিশ্বের বিভিন্ন দেশের আইনসভার নাম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যার মধ্যে ডেনমার্কের ফোকেটিং প্রায়শই বিসিএস ও ব্যাংক নিয়োগে আসে।
২. ডেনমার্ক সম্পর্কিত তথ্য:
- দেশ: ডেনমার্ক একটি ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত উন্নত কল্যাণমূলক রাষ্ট্র, যার রাজধানী কোপেনহেগেন।
- আইনসভা: ফোকেটিং হলো ডেনমার্কের সর্বোচ্চ আইন প্রণয়নকারী প্রতিষ্ঠান, যেখানে মোট সদস্য সংখ্যা ১৭৯ জন।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নেসেট
ব্যাখ্যা: এটি মধ্যপ্রাচ্যের প্রভাবশালী দেশ ইসরায়েলের আইনসভার নাম, যা বিভিন্ন আন্তর্জাতিক পরীক্ষায় ডেনমার্কের ফোকেটিংয়ের সাথে তুলনামূলকভাবে আসে।
উদাহরণ ২: ডুমা
ব্যাখ্যা: এটি বিশ্বের বৃহত্তম দেশ রাশিয়ার আইনসভার নিম্নকক্ষের নাম, যা পরীক্ষার্থীদের বিভিন্ন দেশের আইনসভা মনে রাখতে সাহায্য করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ডেনমার্ক — এটি সঠিক কারণ এই দেশের আইনসভার নামই ফোকেটিং।
B) বেলজিয়াম — বেলজিয়ামের দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট আইনসভার নাম ফেডারেল পার্লামেন্ট, যার দুটি অংশ হলো সিনেট ও প্রতিনিধি কক্ষ।
C) নরওয়ে — নরওয়ের ঐতিহাসিক ও এককক্ষ বিশিষ্ট আইনসভার নাম স্টরটিং।
D) ফিনল্যান্ড — ফিনল্যান্ডের এককক্ষ বিশিষ্ট আইনসভার নাম এডুস্কুंता।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ডেনমার্কে ফোকেটিং নামের সংসদ রয়েছে, যা মনে রাখতে ড দিয়ে ডেনমার্ক এবং ফ দিয়ে ফোকেটিং এভাবে মিলিয়ে পড়তে পারেন।
- অন্যান্য দেশের আইনসভার সাথে নাম যেন গুলিয়ে না যায়, সেজন্য নিয়মিত বিগত বছরের প্রশ্ন চর্চা করা উচিত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিশ্ব রাজনীতি ও বিভিন্ন দেশের সংসদ সংক্রান্ত প্রশ্ন সাধারণত বিসিএস এবং প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় সরাসরি এক নম্বরের জন্য আসে।
- এই টপিক থেকে বিভিন্ন দেশের রাজধানী, মুদ্রা এবং আইনসভার নাম একসাথে মিলিয়ে পড়ার অভ্যাস করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) কনস্টান্টিনোপল
১. কেন সঠিক:
বাইজেনটাইন সাম্রাজ্য বা পূর্ব রোমান সাম্রাজ্যের রাজধানী ছিল ঐতিহাসিক কনস্টান্টিনোপল নগরী।
চতুর্থ শতাব্দীতে রোমান সম্রাট কনস্টান্টাইন প্রাচীন গ্রিক শহর বাইজেন্টিয়ামের স্থানে এই নগরী প্রতিষ্ঠা করেন এবং এর নাম দেন কনস্টান্টিনোপল।
২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট:
স্থান: বর্তমান তুরস্কের ইস্তাম্বুল নগরীই হলো ঐতিহাসিক কনস্টান্টিনোপল।
গুরুত্ব: ইউরোপ ও এশিয়ার সংযোগস্থলে অবস্থিত হওয়ায় এটি মধ্যযুগে ব্যবসা-বাণিজ্য, সংস্কৃতি ও রাজনীতির অন্যতম প্রধান কেন্দ্র ছিল।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রোম নগরী।
ব্যাখ্যা: প্রাচীন রোমান সাম্রাজ্যের মূল রাজধানী ছিল রোম, যা পরবর্তী সময়ে বিভক্ত হয়ে পূর্ব অংশে কনস্টান্টিনোপলে স্থানান্তরিত হয়।
উদাহরণ ২: ইস্তাম্বুল।
ব্যাখ্যা: ১৪৫৩ সালে উসমানীয় সাম্রাজ্যের সুলতান দ্বিতীয় মেহমেদ কনস্টান্টিনোপল জয় করার পর এর নাম ইস্তাম্বুল রাখেন এবং একে তাদের রাজধানী বানান।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লিসবন — এটি পর্তুগালের বর্তমান রাজধানী এবং বাইজেনটাইন সাম্রাজ্যের রাজধানী ছিল না।
B) কনস্টান্টিনোপল — এটিই বাইজেনটাইন সাম্রাজ্যের ঐতিহাসিক রাজধানী।
C) প্যারিস — এটি ফ্রান্সের রাজধানী এবং এটি পশ্চিম ইউরোপীয় সংস্কৃতির কেন্দ্র ছিল।
D) ভিয়েনা — এটি অস্ট্রিয়ার রাজধানী এবং হাবসবার্গ সাম্রাজ্যের মূল কেন্দ্র ছিল।
৫. মনে রাখার টিপস:
রোমান সাম্রাজ্যের পূর্ব অংশ বা বাইজেনটাইন সাম্রাজ্যের নাম মনে রাখলেই কনস্টান্টিনোপল নামটি চলে আসে।
কনস্টান্টিনোপল নামটি সম্রাট কনস্টান্টাইনের নামানুসারে রাখা হয়েছিল।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাইজেনটাইন সাম্রাজ্যের পতন ঘটে ১৪৫৩ সালে উসমানীয় সাম্রাজ্যের হাতে।
এই ঐতিহাসিক নগরীটি বর্তমানে তুরস্কের ইস্তাম্বুল নামে পরিচিত এবং এটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রশ্ন।
সঠিক উত্তর: A) মিয়ানমার
১. কেন সঠিক:
মিয়ানমারের জাতীয় সংসদ বা আইনসভা দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট। এর উচ্চকক্ষের নাম অ্যামথা হ্লুতা এবং নিম্নকক্ষের নাম পিথু হ্লুতা।
সংবিধান অনুযায়ী দেশটির আইনসভায় সামরিক বাহিনীর জন্য নির্দিষ্ট আসন সংরক্ষিত থাকে, যা দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার রাজনীতিতে অত্যন্ত আলোচিত।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
দেশ: মিয়ানমার (পূর্বের নাম বার্মা)
প্রেক্ষাপট: ২০০৮ সালের সংবিধান অনুযায়ী মিয়ানমারে দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট সংসদ ব্যবস্থা চালু করা হয়।
গুরুত্ব: এই সংসদীয় কাঠামোর মাধ্যমে দেশটির রাজনীতিতে বেসামরিক ও সামরিক ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষার একটি জটিল প্রক্রিয়া তৈরি করা হয়েছিল।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ভারত
ব্যাখ্যা: ভারতের সংসদ দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট, যার উচ্চকক্ষ রাজ্যসভা এবং নিম্নকক্ষ লোকসভা।
উদাহরণ ২: বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা: বাংলাদেশের আইনসভা বা জাতীয় সংসদ এককক্ষ বিশিষ্ট, যা থেকে শিক্ষার্থীরা এককক্ষ ও দ্বি-কক্ষ ব্যবস্থার পার্থক্য বুঝতে পারে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মিয়ানমার — সঠিক উত্তর, কারণ এর আইনসভা দুটি কক্ষে বিভক্ত।
B) চীন — চীনের জাতীয় গণকক্ষ এককক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা হিসেবে পরিচালিত হয়।
C) সিঙ্গাপুর — সিঙ্গাপুরের আইনসভা বা পার্লামেন্ট এককক্ষ বিশিষ্ট।
D) ব্রুনাই — ব্রুনাইয়ে কোনো নির্বাচিত সংসদ বা আইনসভা নেই, দেশটির শাসনকার্য সুলতানের নির্বাহী আদেশে পরিচালিত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে মিয়ানমারের সংসদ দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট।
মনে রাখার জন্য মিয়ানমার নামটি মনে রাখতে পারো, যাদের সংবিধানে উচ্চ ও নিম্ন উভয় কক্ষের বিধান রয়েছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিশ্বের বড় দেশগুলোর পাশাপাশি ছোট বা প্রতিবেশী দেশগুলোর সংসদ এককক্ষ নাকি দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট, তা বিসিএস ও ব্যাংক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
একই বিষয় থেকে প্রশ্ন হতে পারে যে কোন দেশের আইনসভা এককক্ষ বিশিষ্ট।
সঠিক উত্তর: B) নয়া উদারতাবাদী অর্থনৈতিক নীতি বাস্তবায়ন
১. কেন সঠিক:
- এই প্রশ্নটি বিশ্ব অর্থনীতি ও বাণিজ্য এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার নীতি নির্ধারণের সঙ্গে সম্পর্কিত।
- ওয়াশিংটন কনসেনসাস হলো আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহ কর্তৃক উন্নয়নশীল দেশের জন্য নির্ধারিত কিছু অর্থনৈতিক সংস্কার নীতির সমষ্টি।
২. আন্তর্জাতিক নীতি ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান:
- প্রতিষ্ঠান: বিশ্বব্যাংক, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা আইএমএফ এবং মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ।
- প্রতিষ্ঠা ও স্থান: উনবিশ শতকের নব্বইয়ের দশকে ওয়াশিংটন ডি সি শহরে এই নীতিমালার রূপরেখা তৈরি হয়।
- প্রেক্ষাপট: ল্যাটিন আমেরিকার অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলার জন্য অর্থনীতিবিদ জন উইলিয়ামসন এই দশ দফা নীতি প্রস্তাব করেন।
- উদ্দেশ্য ও গুরুত্ব: রাষ্টীয় নিয়ন্ত্রণ কমিয়ে মুক্তবাজার অর্থনীতি, বেসরকারি খাতকে প্রাধান্য দেওয়া এবং বিশ্বায়নকে উৎসাহিত করা এর মূল লক্ষ্য ছিল।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: লাতিন আমেরিকার দেশসমূহ
ব্যাখ্যা: নব্বইয়ের দশকে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল মুদ্রাস্ফীতি রোধ এবং বিদেশি বিনিয়োগ বাড়াতে এই কনসেনসাসের নীতিগুলো অন্ধভাবে বাস্তবায়ন করেছিল।
উদাহরণ ২: структурное перестроение বা গাঠনিক সংস্কার
ব্যাখ্যা: উন্নয়নশীল দেশগুলো ঋণ পাওয়ার শর্ত হিসেবে আইএমএফের এই নীতি গ্রহণ করতে বাধ্য হয়েছিল, যা বিশ্ব অর্থনীতিতে গভীর প্রভাব ফেলে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আন্তর্জাতিক অভিবাসন নীতি — এটি অভিবাসী শ্রমিক ও আন্তর্জাতিক সীমান্ত অতিক্রমের সঙ্গে জড়িত, কোনো অর্থনৈতিক সংস্কার নীতি নয়।
B) নয়া উদারতাবাদী অর্থনৈতিক নীতি বাস্তবায়ন — এটিই সঠিক উত্তর কারণ এটি মুক্তবাজার ও বেসরকারি খাত প্রসারের কথা বলে।
C) অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ — এটি সামরিক শক্তি হ্রাস ও পারমাণবিক অস্ত্র প্রসারণ রোধের সঙ্গে সম্পর্কিত বিষয়।
D) আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদ দমন — এটি বৈশ্বিক নিরাপত্তা ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কার্যক্রমের অন্তর্ভুক্ত বিষয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ওয়াশিংটন মানেই ইউএস ডলার এবং বিশ্বব্যাংক, আর ব্যাংক মানেই অর্থনীতি বা মুক্তবাজার নীতি।
- কনসেনসাস শব্দটির অর্থ ঐকমত্য, যা অর্থনীতিবিদদের প্রস্তাবিত নীতিমালার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- জন উইলিয়ামসন কত সালে ওয়াশিংটন কনসেনসাস প্রবর্তন করেন, তা প্রায়ই বিসিএস পরীক্ষায় আসে।
- এই নীতিমালার মূল কথাই হলো সরকারি খাতের ভূমিকা কমানো এবং বেসরকারি খাতকে উন্মুক্ত করা।
সঠিক উত্তর: D) সেন্তোসা
১. কেন সঠিক:
- ২০১৮ সালের ১২ জুন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং উত্তর কোরিয়ার শীর্ষ নেতা কিম জং উনের ঐতিহাসিক বৈঠকটি সিঙ্গাপুরের সেন্তোসা দ্বীপে অবস্থিত কাপেলা হোটেলে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
- এটি ছিল যুক্তরাষ্ট্র এবং উত্তর কোরিয়ার বর্তমান সর্বোচ্চ নেতৃত্বের মধ্যে ইতিহাসে প্রথম সরাসরি মুখোমুখি বৈঠক, যা বিশ্ব রাজনীতিতে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ছিল।
২. আন্তর্জাতিক সম্মেলন ও শীর্ষ বৈঠক:
- স্থান: সিঙ্গাপুরের সেন্তোসা দ্বীপের কাপেলা হোটেল।
- তারিখ: ১২ জুন ২০১৮ সাল।
- প্রেক্ষাপট: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও উত্তর কোরিয়ার দীর্ঘদিনের পারমাণবিক উত্তেজনা নিরসনের লক্ষ্যে এই শীর্ষ বৈঠক আহ্বান করা হয়েছিল।
- উদ্দেশ্য ও গুরুত্ব: কোরিয় উপদ্বীপকে পারমাণবিক অস্ত্র মুক্ত করা এবং দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের বৈরিতা দূর করে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করা।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নিক্সন ও মাও সেতুং বৈঠক (১৯৭২)
ব্যাখ্যা: ১৯৭২ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সনের চীন সফর যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের দীর্ঘদিনের বরফ গলাতে এবং কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করতে সাহায্য করেছিল, যা বিশ্ব ভূরাজনীতি বদলে দিয়েছিল।
উদাহরণ ২: আইজেনহাওয়ার ও ক্রুশ্চেভ বৈঠক
ব্যাখ্যা: স্নায়ুযুদ্ধের সময় পরাশক্তিগুলোর শীর্ষ বৈঠকগুলো বৈশ্বিক উত্তেজনা প্রশমন ও সরাসরি যোগাযোগের পথ উন্মুক্ত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইস্টানা আইল্যান্ড — এটি সঠিক নয় কারণ ইস্টানা হলো সিঙ্গাপুরের রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন, যা মূল দ্বীপে অবস্থিত এবং ট্রাম্প-কিম বৈঠক সেখানে হয়নি।
B) সেনার আয়ল্যান্ড — এটি সঠিক নয় কারণ আন্তর্জাতিক রাজনীতি বা ভূগোল অনুযায়ী এই নামে কোনো বিখ্যাত দ্বীপ বা বৈঠকের স্থান নেই।
C) ম্যারিনা বে — এটি সঠিক নয় কারণ ম্যারিনা বে স্যান্ডস সিঙ্গাপুরের একটি বিখ্যাত এলাকা ও হোটেল হলেও ট্রাম্প-কিম বৈঠক সেখানে অনুষ্ঠিত হয়নি।
D) সেন্তোসা — এটি সঠিক কারণ ঐতিহাসিক ট্রাম্প-কিম শীর্ষ বৈঠকটি এই দ্বীপেই অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ট্রাম্প ও কিমের ঐতিহাসিক বৈঠকটি হয়েছিল সিঙ্গাপুরের একটি জনপ্রিয় রিসোর্ট দ্বীপ সেন্তোসায়।
- এভাবে মনে রাখতে পারো যে সেন্ট বা সেন্তোসা দ্বীপে বিশ্ব শান্তির বার্তা নিয়ে দুই নেতা মিলিত হয়েছিলেন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এই বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র ও উত্তর কোরিয়া কোরিয় উপদ্বীপকে পারমাণবিক মুক্ত করার একটি যৌথ ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর করেছিল।
- এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস ও ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় শীর্ষ বৈঠকের স্থান ও সাল সম্পর্কিত অংশে আসে।
সঠিক উত্তর: A) বাস্তববাদ
১. কেন সঠিক:
আন্তর্জাতিক সম্পর্কের তত্ত্বে জিরোসাম গেম এমন একটি পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে একজনের লাভ মানেই অন্যজনের নিশ্চিত ক্ষতি।
বাস্তববাদ তত্ত্বের মূল কথা হলো আন্তর্জাতিক রাজনীতি ক্ষমতার দ্বন্দ্ব এবং এখানে রাষ্ট্রগুলো নিজেদের স্বার্থ রক্ষায় প্রতিযোগিতায় লিপ্ত থাকে।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
প্রেক্ষাপট: বাস্তববাদ তত্ত্ব অনুযায়ী আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা নৈরাজ্যমূলক এবং এখানে কোনো কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষ নেই।
উদ্দেশ্য/গুরুত্ব: এই তত্ত্বে রাষ্ট্রগুলোকে একমাত্র ক্ষমতার খেলোয়াড় হিসেবে ধরা হয়, যেখানে সহযোগিতা সাময়িক এবং স্বার্থই প্রধান।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: স্নায়ুযুদ্ধ সময়কালে যুক্তরাষ্ট্র এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যকার পারমাণবিক অস্ত্র প্রতিযোগিতা।
ব্যাখ্যা: এই প্রতিযোগিতায় এক পক্ষের শক্তি বৃদ্ধি অন্য পক্ষের জন্য সরাসরি হুমকি ও ক্ষতির কারণ হিসেবে দেখা হতো।
উদাহরণ ২: আন্তর্জাতিক নদী অববাহিকায় পানিবণ্টন চুক্তি ও বিরোধ।
ব্যাখ্যা: উজানের দেশ পানি বেশি ব্যবহার করলে ভাটির দেশের পানির প্রাপ্তি কমে যায়, যা জিরোসাম গেমের বাস্তব উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাস্তববাদ — এই তত্ত্বের সঙ্গে জিরোসাম গেম সরাসরি সংশ্লিষ্ট কারণ এটি শক্তি ও নিরাপত্তার প্রতিযোগিতাকে নির্দেশ করে।
B) মার্ফ্রবাদ (মার্ক্সবাদ) — এই তত্ত্বটি মূলত শ্রেণি সংগ্রাম ও ধনতান্ত্রিক অর্থনৈতিক শোষণের ওপর আলোকপাত করে, জিরোসাম গেমের মূল প্রবক্তা নয়।
C) গঠনবাদ — এই তত্ত্বটি আন্তর্জাতিক সম্পর্কে ধারণা, আদর্শ, সংস্কৃতি এবং পরিচয়ের পরিবর্তনের ওপর গুরুত্ব আরোপ করে।
D) উদারতাবাদ — এই তত্ত্বটি আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, আন্তর্জাতিক সংস্থা এবং পারস্পরিক কল্যাণের ওপর জোর দেয় যা জিরোসাম গেমের বিপরীত।
৫ মনে রাখার টিপস:
বাস্তববাদ মানেই কঠোর প্রতিযোগিতা আর স্বার্থের দ্বন্দ্ব। বাস্তববাদী বিশ্বে কারো লাভ মানেই অন্যের ক্ষতি, অর্থাৎ জিরোসাম গেম।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
আন্তর্জাতিক সম্পর্কের তত্ত্বে জিরোসাম গেম এবং ননজিরোসাম গেমের ধারণা প্রায়ই পরীক্ষাগারে প্রতিযোগিতামূলক প্রশ্নে আসে। বাস্তববাদ প্রতিযোগিতাকে সমর্থন করে আর উদারতাবাদ সহযোগিতাকে গুরুত্ব দেয়।
সঠিক উত্তর: A) ইইউ
১. কেন সঠিক:
প্রশ্নটিতে যুক্তরাষ্ট্রের রপ্তানি বাণিজ্যের বৃহত্তম বাজার সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়েছে। বিশ্ব বাণিজ্য পরিসংখ্যান অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্র একক দেশ হিসেবে চীন বা কানাডার সঙ্গে সবচেয়ে বেশি বাণিজ্য করলেও, অর্থনৈতিক জোট হিসেবে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) বাজারে যুক্তরাষ্ট্রের রপ্তানি পণ্যের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি।
২. বিশ্ব অর্থনীতি ও বাণিজ্য:
সংস্থা: ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) হলো ইউরোপের সাতাইশটি দেশের একটি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক জোট।
সদর দপ্তর: বেলজিয়ামের ব্রাসেলস শহরে এই জোটের প্রধান কার্যালয় অবস্থিত।
উদ্দেশ্য: সদস্য দেশগুলোর মধ্যে অবাধ বাণিজ্য নিশ্চিত করা এবং বৈশ্বিক অর্থনীতিতে শক্তিশালী ভূমিকা রাখা।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ট্রান্সআটলান্টিক বাণিজ্য
ব্যাখ্যা: যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যকার এই বাণিজ্য বিশ্ব অর্থনীতির সবচেয়ে বড় দ্বিপক্ষীয় অংশীদারিত্ব তৈরি করেছে।
উদাহরণ ২: চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য
ব্যাখ্যা: দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের ক্ষেত্রে চীন একক দেশ হিসেবে শীর্ষে থাকলেও জোটগত বা ইইউর ক্ষেত্রে চিত্র ভিন্ন হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইইউ — যুক্তরাষ্ট্র থেকে সর্বোচ্চ পরিমাণ পণ্য ও সেবা আমদানির ক্ষেত্রে এই জোটটি বিশ্বের শীর্ষ বাজার হিসেবে স্বীকৃত।
B) ভারত — যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যে ভারতের অংশীদারিত্ব গুরুত্বপূর্ণ হলেও তা ইইউর বাজারের পরিমাণের তুলনায় কম।
সি) কানাডা — কানাডা যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম বৃহৎ বাণিজ্যিক অংশীদার হলেও একক দেশ হিসেবে গণ্য হয় এবং ইইউ জোটের মোট পরিমাণ বেশি।
ডি) চীন — চীন যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান আমদানিকারক দেশগুলোর একটি, তবে রপ্তানি বাজারের একক হিসাবে ইইউর অবস্থান ও পরিসংখ্যান ভিন্ন।
৫. মনে রাখার টিপস:
যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে চীন এগিয়ে থাকলেও, রপ্তানি বাজারের জোট হিসেবে ইইউ বা ইউরোপীয় ইউনিয়ন সবার চেয়ে এগিয়ে থাকে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য পরিসংখ্যান থেকে প্রায়ই এ ধরনের জোটভিত্তিক প্রশ্ন বিসিএস ও ব্যাংক পরীক্ষায় আসে।
সঠিক উত্তর: C) ১৬০০-১৮০০ সাল
১. কেন সঠিক:
আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থা বা নেশন স্টেট ধারণাটির বিকাশ মূলত ১৬০০ থেকে ১৮০০ সালের মধ্যবর্তী সময়ে ইউরোপে শুরু হয়।
বিশেষ করে ১৬৪৮ সালের ভেস্টফালিয়া চুক্তি আধুনিক রাষ্ট্র ব্যবস্থার সার্বভৌমত্ব ও ভূখণ্ডের সীমানা নির্ধারণের ক্ষেত্রে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিল।
২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট:
প্রেক্ষাপট: ইউরোপের ত্রিশ বছরের যুদ্ধের অবসান ঘটাতে ১৬৪৮ সালে ভেস্টফালিয়া চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
গুরুত্ব: এই চুক্তির মাধ্যমে মধ্যযুগীয় সামন্তপ্রথার অবসান ঘটে এবং সার্বভৌম রাষ্ট্রের ধারণা বিশ্বে প্রতিষ্ঠিত হয়।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ভেস্টফালিয়া চুক্তি
ব্যাখ্যা: এই চুক্তি আধুনিক আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভিত্তি স্থাপন করে যেখানে প্রতিটি রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে অন্য রাষ্ট্রের হস্তক্ষেপে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়।
উদাহরণ ২: ফরাসি বিপ্লব ১৭৮৯ সাল
ব্যাখ্যা: এই বিপ্লব আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় নাগরিক অধিকার, গণতন্ত্র এবং জাতীয়তাবাদের ধারণাকে আরও বেশি শক্তিশালী ও সুদৃঢ় করে তোলে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রাচীন গ্রীস সময়কাল — এই সময়ে নগররাষ্ট্র বা সিটি স্টেট প্রচলিত ছিল, যা আধুনিক সার্বভৌম ও বিশাল আয়তনের রাষ্ট্রব্যবস্থা থেকে সম্পূর্ণ আলাদা ছিল।
B) প্রথম বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তীকাল — এই সময়কালে আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থা উদ্ভব হয়নি, বরং উসমানীয় ও অস্ট্রো-হাঙ্গেরিয়ান সাম্রাজ্যের ভাঙনের পর নতুন রাষ্ট্র গঠিত হয়েছিল।
D) প্রাচীন রোম শাসনকাল — এটি ছিল একটি সাম্রাজ্যভিত্তিক শাসনব্যবস্থা, যেখানে একক সার্বভৌম রাষ্ট্রের পরিবর্তে কেন্দ্রীয় সাম্রাজ্যের অধীন বিভিন্ন প্রদেশ ও উপনিবেশ ছিল।
৫ মনে রাখার টিপস:
আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থার জন্মকাল মনে রাখতে ভেস্টফালিয়া চুক্তির সাল অর্থাৎ ১৬৪৮ সালকে কেন্দ্র ধরে ১৬০০ থেকে ১৮০০ সাল সময়কাল মনে রাখতে হবে।
সাম্রাজ্য বা নগররাষ্ট্রের যুগ শেষ হয়ে সার্বভৌম রাষ্ট্রের যুগ শুরু হয় এই নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থার জনক বা ভেস্টফালিয়া চুক্তি সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
একই বিষয় থেকে প্রশ্ন হতে পারে আধুনিক আন্তর্জাতিক রাজনীতির ভিত্তি কোন চুক্তিকে বলা হয়।
সঠিক উত্তর: B) ভিয়েনা
১. কেন সঠিক:
ওপেক (OPEC) ১৯৬০ সালের সেপ্টেম্বর মাসে বাগদাদে প্রতিষ্ঠিত হলেও এর সদর দপ্তর প্রথমে সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ছিল। ১৯৬৫ সালে এর সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভা থেকে সরিয়ে অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় স্থানান্তর করা হয় এবং অদ্যাবধি সেখানেই এর প্রধান কার্যালয় রয়েছে।
২. আন্তর্জাতিক সংস্থা:
সংস্থা: ওপেক বা পেট্রোলিয়াম রপ্তানিকারক দেশগুলোর সংস্থা।
প্রতিষ্ঠা: ১৯৬০ সালের ১০ থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর বাগদাদ সম্মেলনে।
সদর দপ্তর: অস্ট্রিয়ার ভিয়েনা শহর।
উদ্দেশ্য: সদস্য দেশগুলোর পেট্রোলিয়াম নীতির সমন্বয় সাধন এবং তেলের বাজার স্থিতিশীল রাখা।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জাতিসংঘের সদর দপ্তর
ব্যাখ্যা: জাতিসংঘের মূল কার্যালয় যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক শহরে অবস্থিত হলেও এর বিভিন্ন অঙ্গসংস্থা যেমন ডব্লিউএইচও বা আইএলও জেনেভায় অবস্থিত।
উদাহরণ ২: ন্যাটোর সদর দপ্তর
ব্যাখ্যা: ন্যাটো প্রতিষ্ঠার পর এর সদর দপ্তর প্রথমে লন্ডনে এবং পরে প্যারিসে ছিল, যা পরবর্তীতে বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে স্থানান্তরিত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জেনেভা — এটি সুইজারল্যান্ডের একটি গুরুত্বপূর্ণ শহর এবং এখানে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সদর দপ্তর রয়েছে।
B) ভিয়েনা — এটি অস্ট্রিয়ার রাজধানী এবং ১৯৬৫ সাল থেকে এটি ওপেকের বর্তমান স্থায়ী সদর দপ্তর হিসেবে কাজ করছে।
C) জেদ্দা — এটি সৌদি আরবের একটি বাণিজ্যিক শহর এবং এখানে ওআইসি বা ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থার প্রধান কার্যালয় অবস্থিত।
D) বাগদাদ — এটি ইরাকের রাজধানী এবং ১৯৬০ সালে এই শহরেই ওপেক প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল কিন্তু এর সদর দপ্তর সেখানে স্থায়ী হয়নি।
৫ মনে রাখার টিপস:
ওপেক গঠিত হয়েছিল ইরাকের বাগদাদ শহরে কিন্তু এর বর্তমান সদর দপ্তর অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায় অবস্থিত।
প্রতিষ্ঠার স্থান এবং বর্তমান সদর দপ্তরের এই পার্থক্যটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করতে ব্যবহৃত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ওপেক কোন সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা কত, তা বিসিএস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সংস্থাটির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য দেশ কয়টি ছিল এবং বর্তমানে এর সদর দপ্তর কোথায়, এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
সঠিক উত্তর: D) শেখ হাসিনা
১. কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় অসামান্য নেতৃত্ব ও অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ জাতিসংঘের পরিবেশবিষয়ক সর্বোচ্চ পুরস্কার 'চ্যাম্পিয়নস অব দ্য আর্থ' লাভ করেন।
- ২০১৫ সালে পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলায় বাংলাদেশের নীতিগত সাফল্য এবং স্থানীয় জনগণের সক্ষমতা বৃদ্ধির স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
- সংস্থা: জাতিসংঘের পরিবেশ কর্মসূচি (UNEP) যা পরিবেশগত সুরক্ষায় কাজ করে।
- প্রতিষ্ঠা ও কার্যক্রম: ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত এই সংস্থাটি বিশ্বব্যাপী পরিবেশ সংরক্ষণে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং নীতি নির্ধারণে কাজ করে।
- উদ্দেশ্য ও গুরুত্ব: জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, টেকসই উন্নয়ন এবং পরিবেশ রক্ষায় অসামান্য অবদান রাখা বিশ্বনেতাদের এই খেতাবে ভূষিত করা হয়।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নরেন্দ্র মোদি
ব্যাখ্যা: ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ২০১৫ সালে সৌরশক্তি প্রসারে অবদানের জন্য এই পুরস্কার লাভ করেন, যা পুনর্নবীকরণযোগ্য জ্বালানির গুরুত্ব তুলে ধরে।
উদাহরণ ২: মিয়াজ মোত্তলি
ব্যাখ্যা: বার্বাডোসের প্রধানমন্ত্রী মিয়াজ মোত্তলি ২০২১ সালে জলবায়ু সংকটে বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর হিসেবে এই পুরস্কার পান, যা দ্বীপরাষ্ট্রগুলোর নিরাপত্তা নির্দেশ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হিলারি ক্লীন্টন — তিনি আমেরিকার সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও রাজনীতিবিদ হলেও পরিবেশ ক্ষেত্রে এই নির্দিষ্ট পুরস্কার পাননি।
B) থেরেসা মে — তিনি যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ছিলেন এবং ব্রেক্সিট রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
C) এঞ্জেলা মার্কেল — তিনি জার্মানির সাবেক চ্যান্সেলর এবং ইউরোপীয় রাজনীতির প্রভাবশালী নেতা হলেও তিনি এই পুরস্কার পাননি।
D) শেখ হাসিনা — তিনি ২০১৫ সালে পলিসি লিডারশিপ ক্যাটাগরিতে এই পুরস্কার অর্জন করেন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- জলবায়ু নেতৃত্বে বাংলাদেশের অর্জন মনে রাখতে শেখ হাসিনার পরিবেশ পুরস্কারের সাল অর্থাৎ ২০১৫ সালটি মনে রাখা জরুরি।
- বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের পরিবেশগত সাফল্য পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি তথ্য।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- জাতিসংঘ প্রদত্ত এই পুরস্কারটি পরিবেশ খাতের নোবেল হিসেবে বিবেচিত হয়।
- এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং পরিবেশ বিষয়ক যেকোনো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: A) যুক্তরাষ্ট্র
১. কেন সঠিক:
- ২০১৮ সালের জি-সেভেন শীর্ষ সম্মেলনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বাণিজ্য ও শুল্ক নীতির মতপার্থক্যের কারণে যৌথ ঘোষণাপত্র স্বাক্ষর থেকে শেষ মুহূর্তে সরে আসেন।
- কানাডার কুইবেকে অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনে মিত্র দেশগুলোর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক ও রাজনৈতিক দূরত্ব স্পষ্টভাবে প্রকাশ পেয়েছিল।
২. আন্তর্জাতিক সম্মেলন ও ভূরাজনীতি:
- সম্মেলন: ৪৪তম জি-সেভেন শীর্ষ সম্মেলন ২০১৮।
- স্থান: লা মালবাই, কুইবেক, কানাডা।
- প্রেক্ষাপট: ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়ামের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত শুল্ক নিয়ে জি-সেভেনের অন্যান্য সদস্য দেশের সঙ্গে তীব্র মতবিরোধ তৈরি হয়েছিল।
- গুরুত্ব: ধনী দেশগুলোর জোট জি-সেভেনের ঐক্য ও পশ্চিমা মিত্রতার ফাটল হিসেবে এই ঘটনা বিশ্ব রাজনীতিতে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছিল।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: প্যারিস জলবায়ু চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সরে যাওয়া।
ব্যাখ্যা: ডোনাল্ড ট্রাম্পের আমলে আন্তর্জাতিক বহুপক্ষীয় চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বেরিয়ে আসার নীতির একটি বড় উদাহরণ এটি।
উদাহরণ ২: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে যুক্তরাষ্ট্রের তহবিল প্রত্যাহারের ঘোষণা।
ব্যাখ্যা: বৈশ্বিক ফোরামে মার্কিন একক আধিপত্য বজায় রাখার প্রচেষ্টা এবং মিত্রদের সঙ্গে দরকষাকষির একটি কৌশলগত নিদর্শন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) যুক্তরাষ্ট্র — এটি সঠিক উত্তর কারণ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যৌথ ঘোষণায় স্বাক্ষর করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন।
B) ফ্রান্স — ফ্রান্স এই জি-সেভেন সম্মেলনের যৌথ ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর করেছিল এবং ম্যাক্রোঁ মধ্যস্থতার চেষ্টা করেছিলেন।
C) জার্মানি — জার্মানি মুক্ত বাণিজ্য ও যৌথ ঐক্যের পক্ষে ছিল এবং ঘোষণাপত্রকে সমর্থন করেছিল।
D) ইতালি — নতুন সরকার গঠিত হলেও ইতালি সে সময় যৌথ ঘোষণাপত্রের মূল কাঠামোর পক্ষেই অবস্থান নিয়েছিল।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ২০১৮ সালের জি-সেভেন সম্মেলন মানেই ট্রাম্পের একক জেদ এবং যৌথ ঘোষণায় স্বাক্ষর না করার ঐতিহাসিক ঘটনা।
- কানাডার কুইবেক সম্মেলনে মার্কিন বাণিজ্য নীতির বিরোধিতার বিষয়টি মাথায় রাখলে উত্তর ভুল হবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- জি-সেভেন জোটে কোন কোন দেশ আছে এবং তাদের সাম্প্রতিক শীর্ষ সম্মেলনের নানা সিদ্ধান্ত প্রায়ই বিসিএস ও ব্যাংকের পরীক্ষায় আসে।
- আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে ট্রাম্প প্রশাসনের যুক্তরাষ্ট্র ফার্স্ট নীতি এবং মিত্রদের সঙ্গে টানাপোড়েনের দিকটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: D) পাকাতান-হারাপান
১. কেন সঠিক:
মাহাথির মোহাম্মদ ২০১৮ সালের সাধারণ নির্বাচনে জয়লাভের সময় পাকাতান হারাপান জোটের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।
এই রাজনৈতিক জোটটি দীর্ঘদিনের শাসক coalitions বা বারিসান ন্যাশনাল জোটকে পরাজিত করে মালয়েশিয়ায় ঐতিহাসিক ক্ষমতার পরিবর্তন আনে।
২. রাজনৈতিক পটভূমি:
দেশ: মালয়েশিয়া।
প্রেক্ষাপট: ২০১৮ সালের নির্বাচনে দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠার স্লোগান নিয়ে এই জোট গঠিত হয়।
উদ্দেশ্য: নাজিব রাজাকের সরকারের বিরুদ্ধে বিজয় অর্জন এবং মালয়েশিয়ার গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করা।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বারিসান ন্যাশনাল জোট।
ব্যাখ্যা: এটি মালয়েশিয়ার দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকা একটি রাজনৈতিক জোট যা মাহাথির মোহাম্মদের নেতৃত্বে পরাজিত হয়েছিল।
উদাহরণ ২: ইউএমএনও দল।
ব্যাখ্যা: এটি মালয়েশিয়ার ইতিহাসের সবচেয়ে প্রভাবশালী রাজনৈতিক দল যা দীর্ঘকাল বারিসান ন্যাশনাল জোটের মূল চালিকাশক্তি ছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইউ এম এন ও — এটি মালয়েশিয়ার একটি রাজনৈতিক দল, কোনো জোট নয় এবং মাহাথির মোহাম্মদের দলীয় পরিচয়ের ভিন্ন ইতিহাস রয়েছে।
B) বারিসান ন্যাশনাল — এটি মাহাথির মোহাম্মদের বিরোধীদের দীর্ঘকালীন ক্ষমতাসীন জোট, যার বিরুদ্ধে তিনি লড়েছিলেন।
C) পাটি পেরিকাতান — এটি পরবর্তী সময়ে গঠিত অন্য একটি রাজনৈতিক জোট, যার সঙ্গে ২০১৮ সালের এই ঐতিহাসিক বিজয়ের সরাসরি সম্পর্ক নেই।
D) পাকাতান-হারাপান — এটি সঠিক রাজনৈতিক জোট যার অধীনে মাহাথির মোহাম্মদ ২০১৮ সালে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন।
৫ মনে রাখার টিপস:
মাহাথির মোহাম্মদ ২০১৮ সালে যে নতুন জোটের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসেন তার নাম পাকাতান হারাপান, যার অর্থ আশার জোট।
প্রতিদ্বন্দ্বী জোট বারিসান ন্যাশনালকে হারাতে এই জোট গঠিত হয়েছিল।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
এই প্রশ্নটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান ও রাজনৈতিক জোটের নাম মনে রাখার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
ভবিষ্যতে মালয়েশিয়ার রাজনীতি বা মাহাথির মোহাম্মদের দলীয় পরিবর্তন সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: A) প্রাতিপদিক
১. কেন সঠিক:
- বিভক্তিহীন নাম শব্দকে প্রাতিপদিক বলা হয়। সহজ কথায়, শব্দের যে মূল রূপের সঙ্গে কোনো বিভক্তি যুক্ত থাকে না, তাকেই প্রাতিপদিক বলে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- প্রাতিপদিক হলো শব্দের মূল রূপ বা বিভক্তিহীন নাম শব্দ। শব্দের সঙ্গে বিভক্তি যুক্ত করে পদ গঠন করা হয়, আর বিভক্তি যোগ করার আগের রূপটিই প্রাতিপদিক।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কলম
ব্যাখ্যা: কলম শব্দটির সঙ্গে কোনো বিভক্তি যুক্ত নেই, তাই এটি একটি প্রাতিপদিক।
উদাহরণ ২: বই
ব্যাখ্যা: বই একটি স্বাধীন নাম শব্দ এবং এর সঙ্গে কোনো বিভক্তি যুক্ত না থাকায় এটি প্রাতিপদিক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রাতিপদিক — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বিভক্তিহীন নাম শব্দকে নির্দেশ করে।
B) নাম পদ — এটি ভুল কারণ বাকе ব্যবহৃত বিভক্তিযুক্ত শব্দকে নাম পদ বলে, বিভক্তিহীন মূল শব্দকে নয়।
C) মৌলিক শব্দ — এটি ভুল কারণ মৌলিক শব্দ হলো যা ভাঙা বা বিশ্লেষণ করা যায় না, এটি বিভক্তির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) কৃদন্ত শব্দ — এটি ভুল কারণ কৃদন্ত শব্দ হলো ধাতু বা ক্রিয়ামূলের সঙ্গে প্রত্যয় যোগে গঠিত শব্দ।
৫ মনে রাখার টিপস:
- প্রাতিপদিক মানেই হলো প্রত্যয় বা বিভক্তিহীন খাঁটি নাম শব্দ। মূল শব্দ আর প্রাতিপদিক প্রায় একই অর্থে ব্যবহৃত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দ ও পদের পার্থক্য নির্ণয়ে এই প্রশ্নটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বিভক্তি যোগ করার আগের অবস্থাই হলো প্রাতিপদিক।
সঠিক উত্তর: B) গরল
১. কেন সঠিক:
- ‘সরল’ শব্দের অর্থ সোজা, নির্ভেজাল বা সহজ। এর বিপরীতার্থক শব্দ হলো যা সোজা নয় অর্থাৎ বক্র, কুটিল বা জটিল।
- ‘গরল’ শব্দের অর্থ বিষ বা হলাহল। এর বিপরীতার্থক শব্দ হলো ‘সুধা’ বা ‘অমৃত’, কিন্তু ‘সরল’ শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ গরল নয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- বিপরীতার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যা অন্য একটি শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করে। বাংলা ব্যাকরণে বিপরীত শব্দ নির্বাচনের ক্ষেত্রে শব্দের উৎস, ভাব ও অর্থের সামঞ্জস্য রক্ষা করতে হয়।
- তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ সাধারণত তৎসম শব্দ দিয়েই গঠিত হয় এবং তদ্ভব শব্দের বিপরীত শব্দ তদ্ভব শব্দ দিয়েই প্রকাশ করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: উদয় এবং অস্ত
ব্যাখ্যা: সূর্য ওঠার অবস্থাকে উদয় এবং সূর্য ডোবার অবস্থাকে অস্ত বলা হয়, যা একে অপরের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
উদাহরণ ২: উন্নত এবং অবনত
ব্যাখ্যা: কোনো কিছু উঁচুতে অবস্থান করাকে উন্নত এবং নিচুতে অবস্থান করাকে অবনত বলা হয়, যা বিপরীতার্থক শব্দের সঠিক উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বক্র — বক্র শব্দের অর্থ বাঁকা, যা সরল শব্দের সরাসরি বিপরীতার্থক শব্দ।
B) গরল — গরল শব্দের অর্থ বিষ, যা সরল শব্দের বিপরীতার্থক নয় বরং সুধা বা অমৃত শব্দের বিপরীত।
C) কুটিল — কুটিল শব্দের অর্থ প্যাঁচালো বা বাঁকা স্বভাবের, যা সরল শব্দের বিপরীতার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
D) জটিল — জটিল শব্দের অর্থ কঠিন বা প্যাঁচাল, যা সহজ বা সরল শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ।
৫ মনে রাখার টিপস:
সরল মনের মানুষ সোজা পথে চলে, তাই সরল শব্দের বিপরীত হবে বাঁকা বা কঠিন জাতীয় শব্দ যেমন বক্র, কুটিল বা জটিল। গরল একটি ভিন্নার্থক শব্দ যার অর্থ বিষ।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিপরীতার্থক শব্দ নির্ণয়ের প্রশ্ন আসে যেখানে একটি অপশন সম্পূর্ণ ভিন্ন অর্থের শব্দ থাকে। তাই শব্দের মূল অর্থ ভালোভাবে বুঝতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) শুদ্ধ জীবনযাপন রীতি
১. কেন সঠিক:
- খনার বচনের মূল লক্ষ্য হলো সাধারণ মানুষকে দৈনন্দিন জীবনে চলাফেরার সঠিক দিকনির্দেশনা দেওয়া।
- কৃষি, আবহাওয়া, স্বাস্থ্য রক্ষা এবং পারিবারিক জীবনের নানা দিক এই বচনে সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা লোকসাহিত্যের অন্যতম প্রাচীন ও মূল্যবান সম্পদ হলো খনার বচন।
- প্রবাদ ও প্রবচনের অন্তর্ভুক্ত এই বচনগুলো আবহমান বাংলার কৃষি ও সংস্কৃতির সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সকালে উঠিয়া আমি মনে মনে বলি, সারাদিন যেন আমি ভালো হয়ে চলি।
ব্যাখ্যা: এটিও একটি জীবনযাপন ও নৈতিকতা সংক্রান্ত পঙক্তি, যা খনার বচনের মূলভাবের সঙ্গে মিল রাখে।
উদাহরণ ২: কলা রুয়ে না কাটো পাত, তাতেই কাপড় তাতেই ভাত।
ব্যাখ্যা: এটি একটি বিখ্যাত খনার বচন যা মিতব্যয়িতা এবং সঠিকভাবে কৃষি কাজ পরিচালনার মাধ্যমে জীবন সুন্দর করার শিক্ষা দেয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লৌকিক প্রণয়সঙ্গীত — খনার বচনে প্রেমের কথা না বলে মূলত কৃষি, আবহাওয়া ও দৈনন্দিন জীবনের বাস্তব পরামর্শ দেওয়া হয়।
C) সামাজিক মঙ্গলবোধ — সমাজ মঙ্গল এর অংশ হলেও, খনার বচনের মূল বিষয়বস্তু মূলত ব্যক্তিগত ও পারিবারিক শুদ্ধ জীবনযাপন এবং কৃষি কাজ।
D) রাষ্ট্র পরিচালনা নীতি — খনার বচন রাজদরবার বা রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য রচিত হয়নি, এটি সাধারণ গ্রামীণ মানুষের জীবনযাত্রার জন্য প্রযোজ্য।
৫ মনে রাখার টিপস:
- খনা মানেই কৃষিকাজ, আবহাওয়া এবং সুন্দরভাবে বেঁচে থাকার নানা উপদেশ বা শুদ্ধ জীবনযাপন রীতি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- খনার বচন বাংলা লোকসাহিত্যের এক বিশাল ভান্ডার যা প্রবাদ ও প্রবচনের রূপ হিসেবে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: C) জহির রায়হান
১. কেন সঠিক:
- ‘জীবন থেকে নেওয়া’ বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসের একটি ঐতিহাসিক দলিল এবং এর পরিচালক প্রখ্যাত চলচ্চিত্রকার জহির রায়হান।
- এই চলচ্চিত্রে রূপকাহিনীর মাধ্যমে তৎকালীন পাকিস্তানের স্বৈরাচারী আইয়ুব খানের শাসন এবং বাঙালির মুক্তির সংগ্রামকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- জহির রায়হান একাধারে প্রখ্যাত কথাশিল্পী, সাংবাদিক এবং চলচ্চিত্র পরিচালক ছিলেন।
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে নির্মিত এই ছবিটিতে ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ গানটি অত্যন্ত নান্দনিকভাবে ব্যবহার করা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ‘বেহুলা’ চলচ্চিত্রটি জহির রায়হান পরিচালিত একটি জনপ্রিয় পৌরাণিক ধারার ছবি।
ব্যাখ্যা: এটি জহির রায়হানের বহুমুখী চলচ্চিত্র পরিচালনার প্রতিভার একটি বড় নিদর্শন।
উদাহরণ ২: ‘স্টോপ জেনোসাইড’ প্রামাণ্যচিত্রটি জহির রায়হান ১৯৭১ সালে নির্মাণ করেন।
ব্যাখ্যা: এই তথ্যচিত্রটি মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি বাহিনীর বর্বরতার আন্তর্জাতিক দলিল হিসেবে কাজ করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আমজাদ হোসেন — আমজাদ হোসেন একজন প্রখ্যাত চলচ্চিত্রকার হলেও ‘জীবন থেকে নেওয়া’ চলচ্চিত্রটি তিনি পরিচালনা করেননি।
B) আলমগীর — আলমগীর বাংলাদেশের একজন জনপ্রিয় অভিনেতা, যিনি মূলত অভিনয়ের জন্য পরিচিত এবং তিনি এই ছবি পরিচালনা করেননি।
C) জহির রায়হান — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি এই প্রশ্নের উত্তর হিসেবে নির্ধারিত।
D) সুভাষ দত্ত — সুভাষ দত্ত বাংলা চলচ্চিত্রের অগ্রপথিক পরিচালক হলেও ‘জীবন থেকে নেওয়া’ ছবিটির পরিচালক জহির রায়হান।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমি ও জীবনমুখী রাজনৈতিক ছবির কথা মনে এলেই জহির রায়হানের ‘জীবন থেকে নেওয়া’ নামটি মনে রাখতে হবে।
- চলচ্চিত্রের মাধ্যমে রাজনৈতিক প্রতিবাদ জানানোর ক্ষেত্রে জহির রায়হান ছিলেন অগ্রগামী।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ‘জীবন থেকে নেওয়া’ চলচ্চিত্রের পরিচালক হিসেবে জহির রায়হানের নাম প্রায়ই আসে।
- বাংলা চলচ্চিত্রের ক্লাসিক ধারার চলচ্চিত্রগুলো সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) ক্রিয়া ও সর্বনাম
১. কেন সঠিক:
সাধু ও চলিত রূপের মধ্যে সবচেয়ে বেশি এবং প্রধান পরিবর্তন দেখা যায় ক্রিয়া পদ এবং সর্বনাম পদের ক্ষেত্রে।
বাক্যের ক্রিয়া এবং সর্বনাম পদ সাধু রীতিতে একরকম থাকে এবং চলিত রীতিতে পরিবর্তিত হয়ে অন্য রূপ ধারণ করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
সাধু রীতিতে ক্রিয়ার রূপ দীর্ঘ ও তৎসম শব্দবহুল হয় যেমন করিয়াছি, খাইতেছিল।
চলিত রীতিতে ক্রিয়ার রূপ সংক্ষিপ্ত ও সহজ হয় যেমন করেছি, খাচ্ছিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সাধু রূপ: তাহার কি মনে পড়ে না। চলিত রূপ: তার কি মনে পড়ে না।
ব্যাখ্যা: এখানে সর্বনাম পদের সাধু রূপ তাহার চলিত রীতিতে তার হয়েছে।
উদাহরণ ২: সাধু রূপ: তারা নদী পার হইতেছিল। চলিত রূপ: তারা নদী পার হচ্ছিল।
ব্যাখ্যা: এখানে ক্রিয়া পদের সাধু রূপ হইতেছিল চলিত রীতিতে হচ্ছিল হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিশেষ্য ও ক্রিয়া — বিশেষ্য পদে সাধু ও চলিত রূপের বড় কোনো পরিবর্তন হয় না তাই এটি ভুল।
B) বিশেষণ ও ক্রিয়া — বিশেষণ পদে রূপগত পরিবর্তন অপেক্ষাকৃত কম হয় তাই এটি সম্পূর্ণ সঠিক নয়।
C) বিশেষ্য ও বিশেষণ পদে — বিশেষ্য ও বিশেষণ পদে সাধু ও চলিত রূপের পার্থক্য সবচেয়ে কম থাকে তাই এটি ভুল।
D) ক্রিয়া ও সর্বনাম — এটি সঠিক কারণ এই দুটি পদেই সাধু ও চলিত রীতিতে রূপ সবচেয়ে বেশি পরিবর্তিত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
সাধু ও চলিত ভাষা চেনার সহজ উপায় হলো ক্রিয়ার রূপ এবং সর্বনাম পদের পরিবর্তন লক্ষ্য করা।
ক্রিয়া ও সর্বনাম দেখলেই বুঝবে কোনটি সাধু এবং কোনটি চলিত রীতি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাষা ও উপভাষা সম্পর্কিত প্রশ্নে সাধু ও চলিত রীতির পার্থক্য প্রায়ই আসে।
ক্রিয়া ও সর্বনাম পদের রূপ পরিবর্তনের এই নিয়মটি মনে রাখলে সহজে উত্তর করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: C) সৈয়দ আলী আহসান
১. কেন সঠিক:
- সৈয়দ আলী আহসান বাংলাদেশের একজন প্রথিতযশা শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক ও গবেষক যিনি স্বাধীনতা পদক লাভ করেছেন।
- রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা হিসেবে সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে অবদানের জন্য তাঁকে এই পদকে ভূষিত করা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সৈয়দ আলী আহসান ১৯২০ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
- তিনি বাংলা একাডেমি ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং প্রাবন্ধিক ও কবি হিসেবে পরিচিত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ড. মুহাম্মদ এনামুল হক
ব্যাখ্যা: তিনি একজন বিশিষ্ট ভাষাবিজ্ঞানী ও গবেষক যিনি সাহিত্যে অবদানের জন্য স্বাধীনতা পদক লাভ করেছিলেন।
উদাহরণ ২: বোরহান উদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যাখ্যা: তিনি বাংলাদেশের শিল্প সমালোচক ও প্রাবন্ধিক যিনি সাহিত্য ও শিল্পকলায় অবদানের জন্য স্বাধীনতা পদক পান।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কবি শামসুর রহমান — তিনি বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান কবি এবং স্বাধীনতা পদক পেলেও বর্তমান প্রশ্নের নির্দিষ্ট মানদণ্ডে সঠিক উত্তরের সঙ্গে মেলানো হয়নি।
B) যতীন সরকার — তিনি বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক ও গবেষক যিনি সাহিত্য ক্যাটাগরিতে বাংলা একাডেমি পুরস্কার ও স্বাধীনতা পদক পেলেও এখানে সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত নয়।
C) সৈয়দ আলী আহসান — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর যা স্বাধীনতা পদক প্রাপ্ত ব্যক্তিত্ব হিসেবে সরাসরি মিলে যায়।
D) সৈয়দ শামসুল হক — তিনি প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও কবি যিনি স্বাধীনতা পদক লাভ করেছেন কিন্তু এই প্রশ্নের জন্য নির্ধারিত সঠিক উত্তর সি অপশন।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সাহিত্যিক ও গবেষক সৈয়দ আলী আহসানের নামের সঙ্গে সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা স্বাধীনতা পদক যুক্ত করে মনে রাখতে হবে।
- বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিকদের রাষ্ট্রীয় পদক প্রাপ্তির তালিকা আলাদা করে ছক আকারে পড়লে সহজে মনে থাকে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত সাহিত্যিকদের নাম ও প্রাপ্ত সাল প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- এই ধরনের প্রশ্নে অপশনের কবি ও লেখকদের সাহিত্যকর্ম এবং প্রাপ্ত পুরস্কারগুলোর একটি তালিকা তৈরি করে প্রস্তুতি নেওয়া উচিত।
সঠিক উত্তর: B) জ্ঞাপনপত্র
১. কেন সঠিক:
- 'Hand out' ইংরেজি শব্দটির প্রমিত বাংলা পারিভাষিক রূপ হলো 'জ্ঞাপনপত্র'।
- সাধারণত সরকারি বা দাপ্তরিক কোনো তথ্য বা সিদ্ধান্ত জনসাধারণ বা সংশ্লিষ্ট সবাইকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানোর জন্য এটি ব্যবহার করা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- পারিভাষিক শব্দ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ।
- ইংরেজি প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক শব্দের সঠিক বাংলা রূপ জানা থাকলে দাপ্তরিক কাজে এবং পরীক্ষায় ভালো করা যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: Press note
ব্যাখ্যা: এর সঠিক পারিভাষিক রূপ হলো সংবাদ বিজ্ঞপ্তি।
উদাহরণ ২: Memorandum
ব্যাখ্যা: এর সঠিক পারিভাষিক রূপ হলো স্মারক লিপি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হস্তপত্র — এই শব্দটি বাংলা পারিভাষিক শব্দ হিসেবে স্বীকৃত নয়।
B) জ্ঞাপনপত্র — এটি Hand out এর সঠিক এবং পরীক্ষিত পারিভাষিক রূপ।
C) তথ্যপত্র — এটি Information sheet এর কাছাকাছি হলেও Hand out এর নির্দিষ্ট পারিভাষিক রূপ নয়।
D) প্রচারপত্র — এটি Hand bill বা Leaflet এর পারিভাষিক রূপ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- Hand out মানে কোনো কিছু হাত দিয়ে বিলি করা বা সবাইকে জানানো, তাই এটি জ্ঞাপনপত্র।
- দাপ্তরিক ইংরেজি শব্দের ক্ষেত্রে আক্ষরিক অনুবাদের চেয়ে প্রাতিষ্ঠানিক রূপটি বেশি মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং ব্যাংক পরীক্ষায় ইংরেজি পারিভাষিক শব্দের বাংলা রূপ প্রায়ই আসে।
- নিয়মিত সরকারি দাপ্তরিক পরিভাষা চর্চা করলে এই ধরনের প্রশ্নে পূর্ণ নম্বর পাওয়া সম্ভব।
সঠিক উত্তর: A) বাংলার বারো ভুঁঞাদের একজন
১. কেন সঠিক:
- প্রতাপ আদিত্য ছিলেন বাংলার মুঘল আমলের অন্যতম স্বাধীনচেতা ও প্রভাবশালী জমিদার বা বারো ভুঁঞাদের একজন।
- তিনি যশোরের রাজা ছিলেন এবং মুঘল সম্রাট আকবরের বিরুদ্ধে তৎকালীন সময়ে শক্তিশালী প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন।
২. সাহিত্য / ইতিহাস ব্যাখ্যা:
- মধ্যযুগের বাংলার ইতিহাসে বারো ভুঁঞা বলতে বোঝানো হয় স্বাধীনচেতা ও শক্তিশালী জমিদারদের একটি জোটকে।
- মুঘল সম্রাট আকবরের সেনাপতিদের বিরুদ্ধে বাংলার স্বাধীনতা রক্ষায় এঁরা দীর্ঘকাল সংগ্রাম করেছিলেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ঈশা খাঁ
ব্যাখ্যা: তিনি ছিলেন বাংলার বারো ভুঁঞাদের প্রধান এবং সোনারগাঁওয়ের বিখ্যাত শাসক।
উদাহরণ ২: ওসমান খাঁ
ব্যাখ্যা: তিনি বাংলার শেষ দিকের একজন স্বাধীন আফগান প্রধান ও শক্তিশালী ভুঁঞা ছিলেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাংলার বারো ভুঁঞাদের একজন — এই তথ্যটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং প্রশ্নের ঐতিহাসিক চাহিদার সঙ্গে মিলে যায়।
B) রাজপুত রাজা — প্রতাপ আদিত্য রাজপুত ছিলেন না, তিনি ছিলেন বাংলার যশোরের কায়স্থ বংশীয় জমিদার।
C) বাংলার শাসক — তিনি বাংলার স্বাধীন বা সার্বভৌম কোনো শাসক ছিলেন না, বরং একজন স্থানীয় ভূস্বামী বা জমিদার ছিলেন।
D) মোগল সেনাপতি — প্রতাপ আদিত্য মুঘলদের পক্ষে সেনাপতি ছিলেন না, বরং মুঘল শক্তির বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেছিলেন।
৫ মনে রাখার টিপস:
যশোরের রাজা প্রতাপ আদিত্য এবং সোনারগাঁওয়ের ঈশা খাঁ উভয়ই বাংলার বারো ভুঁঞাদের ইতিহাসের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারো ভুঁঞাদের প্রধান কে ছিলেন এবং প্রতাপ আদিত্য কোন অঞ্চলের শাসক ছিলেন, এই প্রশ্নগুলো বারবার আসে।
সঠিক উত্তর: B) সর্বশুচি
১. কেন সঠিক:
'সর্বশুচি' শব্দের অর্থ যা সবকিছু পবিত্র করে।
আগুন সব ময়লা ও অপবিত্রতা পুড়িয়ে পবিত্র করে বলে একে সর্বশুচি বলা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি শব্দার্থ ও সমার্থক শব্দ সম্পর্কিত প্রশ্ন।
বাংলা ভাষায় আগুনের অনেক সমার্থক শব্দ রয়েছে যা বিভিন্ন উৎস থেকে এসেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আগুন জ্বালাও।
ব্যাখ্যা: এখানে আগুন সরাসরি তাপ ও আলোর উৎস হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: অনল জলে পুড়ে ছারখার।
ব্যাখ্যা: অনল শব্দটি আগুনের অপর একটি সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভাতি — এর অর্থ দীপ্তি বা আলো, যা আগুন নয়।
B) সর্বশুচি — এটি আগুনের সঠিক সমার্থক শব্দ।
C) অংশ — এর অর্থ ভাগ বা অংশবিশেষ, যা আগুনের সমার্থক নয়।
D) জ্যোতি — এর অর্থ প্রভা বা উজ্জ্বলতা, যা আগুন বোঝায় না।
৫ মনে রাখার টিপস:
আগুন সবকিছু পুড়িয়ে পবিত্র করে, তাই মনে রাখবে সব পবিত্রকারী বা সর্বশুচি হলো আগুন।
শব্দটির আক্ষরিক অর্থ মনে রাখলেই সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সহজ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আগুনের সমার্থক শব্দ যেমন অনল, পাবক, হুতাশন, সর্বশুচি প্রায়ই আসে।
নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে এই শব্দগুলোর অর্থ মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) কানাকানি
১. কেন সঠিক:
- ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাসে একই পদের পারস্পরিক বা ক্রিয়ার বিনিময় বোঝায়।
- কানাকানি শব্দটি কান ও কান শব্দের পারস্পরিক ক্রিয়ার বিনিময় প্রকাশ করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বহুব্রীহি সমাসে পূর্বপদ ও পরপদ কোনোটির অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো পদকে বোঝায়।
- ব্যতিহার বহুব্রীহিতে পারস্পরিক অর্থে আ প্রত্যয় যুক্ত হয় এবং ক্রিয়ার বিনিময় বোঝায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: লাঠালাঠি
ব্যাখ্যা: লাঠিতে লাঠিতে যে লড়াই, যা পারস্পরিক ক্রিয়ার বিনিময় বোঝায়।
উদাহরণ ২: গলাগলি
ব্যাখ্যা: গলায় গলায় যে মিলন, যা ব্যতিহার বহুব্রীহির আরেকটি সুন্দর উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অজানা — এটি নঞ তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ কারণ পূর্বপদ না বোধক অব্যয়।
B) দোতলা — এটি দ্বিগু সমাসের উদাহরণ কারণ সমাহার বোঝায়।
C) আশীবিষ — এটি ব্যধিকরণ বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ কারণ বিশিষ্য পদ ভিন্ন বিভক্তিযুক্ত।
D) কানাকানি — এটি সঠিক উত্তর যা ব্যতিহার বহুব্রীহির নিয়ম মেনে চলে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- পারস্পরিক বোঝাপড়া বা মারামারি থাকলে ব্যতিহার বহুব্রীহি হয়।
- শব্দের শেষে আ ধ্বনি বা নি যুক্ত থাকা এর অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ব্যতিহার বহুব্রীহি চিনতে শব্দের পারস্পরিক অর্থ খেয়াল রাখতে হয়।
- বিসিএস ও ব্যাংক পরীক্ষায় এই নিয়ম থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: B) উপন্যাস
১. কেন সঠিক:
- ‘বাঁধন হারা’ হলো জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম রচিত উপন্যাস।
- এটি একটি পত্রোপন্যাস বা চিঠির আকারে লেখা উপন্যাস যা লেখকের সাহিত্যিক প্রতিভার এক অনন্য প্রকাশ।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম মূলত কবিতা ও গানের জন্য বেশি পরিচিত হলেও তিনি বেশ কিছু গদ্য ও উপন্যাসও লিখেছেন।
- ‘বাঁধন হারা’ উপন্যাসটি ১৯২১ সালে মাসিক ‘মোসলেম ভারত’ পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয় এবং গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয় ১৯২৭ সালে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মৃত্যুক্ষুধা
ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত ও সমাজ বাস্তবতামূলক উপন্যাস।
উদাহরণ ২: কুহেলিকা
ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে রচিত একটি জনপ্রিয় উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভ্রমণ কাহিনী — কাজী নজরুল ইসলামের কোনো ভ্রমণ কাহিনী মূলধারার পরিচিত গ্রন্থ নয়।
B) উপন্যাস — এটি সঠিক কারণ ‘বাঁধন হারা’ একটি পত্রোপন্যাস জাতীয় গদ্য রচনা।
C) নাটক — এটি নাটক নয়, কারণ এতে কোনো সংলাপভিত্তিক দৃশ্য বা মঞ্চায়নযোগ্য পটভূমি নেই।
D) কবিতা — যদিও নজরুল মূলত কবি, তবে এই নির্দিষ্ট রচনাটি পদ্য নয়, বরং গদ্যে রচিত উপন্যাস।
৫ মনে রাখার টিপস:
- নজরুলের প্রথম উপন্যাস মনে রাখার কৌশল হলো তিনি তরুণ বয়সে ‘বাঁধন হারা’ হয়ে প্রথম উপন্যাস লিখেছিলেন।
- নজরুলের তিনটি বিখ্যাত উপন্যাস হলো বাঁধন হারা, মৃত্যুক্ষুধা ও কুহেলিকা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই নজরুলের প্রথম উপন্যাসের নাম জানতে চাওয়া হয়।
- লেখকের প্রথম বা একমাত্র উপন্যাসগুলোর নাম আলাদা করে নোট করে রাখা ভালো।
সঠিক উত্তর: C) ট্রেন স্টেশন ছেড়েছে
১. কেন সঠিক:
- বাক্যে স্টেশন শব্দটি থেকে ট্রেন দূরে সরে যাওয়ার অর্থ প্রকাশ পেয়েছে।
- কোনো কিছু থেকে বিচ্যুত, রক্ষিত, ভীত, উৎপন্ন বা সরে যাওয়া বোঝালে অপাদান কারক হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, বিরত, গৃহীত, উৎপাদিত, ভীত বা পতিত হয় এবং যা দেখে কেউ ভীত হয়, তাকে অপাদান কারক বলে।
- ক্রিপদকে কিসের থেকে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা সাধারণত অপাদান কারক হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গাছ থেকে পাতা পড়ে।
ব্যাখ্যা: এখানে গাছ থেকে পাতা বিচ্যুত হওয়া বোঝানো হয়েছে, তাই এটি অপাদান কারক।
উদাহরণ ২: নদী থেকে মাছ ধরে।
ব্যাখ্যা: নদী থেকে মাছ তুলে নেওয়া বা বিচ্যুত করা বোঝানোর কারণে এটি অপাদান কারক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গৃহহীনে গৃহ দাও — এটি সম্প্রদান কারক, কারণ এখানে সত্য ত্যাগ করে কোনো কিছু দান করা বোঝানো হয়েছে।
B) জিজ্ঞাসিব জনে জনে — এটি কর্ম কারক, কারণ এখানে বাক্যের ক্রিয়াকে কাকে বা কি দিয়ে প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যায়।
D) বনে বাঘ আছে — এটি অধিকরণ কারক, কারণ বন হলো বাঘ থাকার স্থান বা আধার।
৫ মনে রাখার টিপস:
- কোথা থেকে বা কী থেকে প্রশ্ন করে উত্তর পেলে এবং তা দিয়ে দূরত্ব বা বিচ্যুত হওয়া বোঝালে অপাদান কারক হয়।
- গৃহহীন বা দানের ক্ষেত্রে সম্প্রদান এবং স্থান বা সময় বোঝালে অধিকরণ কারক মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- কারক নির্ণয়ের সময় ক্রিয়াপদকে উৎস বা স্থানবাচক শব্দ দিয়ে প্রশ্ন করার অভ্যাস করতে হবে।
- বিচ্যুতি বা দূরত্বের ধারণা থাকলে চোখ বন্ধ করে অপাদান কারক দাগাতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) অনন্বয়ী অব্যয়
১. কেন সঠিক:
যে অব্যয় পদ বাক্যস্থিত অন্য পদের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক না রেখে স্বাধীনভাবে মনোভাব বা ভাব প্রকাশ করে, তাকে অনন্বয়ী অব্যয় বলে।
এখানে 'তো' শব্দটি বাক্যের মধ্যে অতিরিক্ত ভাব বা আলংকারিক সৌন্দর্য প্রকাশ করেছে এবং এটি প্রশংসাবাচক অনন্বয়ী অব্যয়ের উদাহরণ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
অনন্বয়ী অব্যয় সাধারণত মনের নানা ভাব যেমন প্রশংসা, বিরক্তি, সম্মতি বা অস্বীকৃতি প্রকাশ করে।
বাক্য থেকে এই পদ বাদ দিলেও ব্যাকরণের মূল অর্থের কোনো পরিবর্তন হয় না, কেবল অর্থের গভীরতা বা আবেগ প্রকাশ পায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাঃ, কী সুন্দর পাখি!
ব্যাখ্যা: এখানে 'বাঃ' শব্দটি আনন্দ বা উল্লাস প্রকাশ করেছে, যা অনন্বয়ী অব্যয়ের একটি স্পষ্ট রূপ।
উদাহরণ ২: ছি ছি, তুমি এত নিচ!
ব্যাখ্যা: এখানে 'ছি ছি' শব্দটি ঘৃণা বা লজ্জা প্রকাশ করতে অনন্বয়ী অব্যয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অনন্বয়ী অব্যয় — এটি সঠিক কারণ বাক্যটিতে 'তো' পদটি স্বাধীনভাবে আবেগ বা ভাব প্রকাশ করেছে।
B) অনুকার অব্যয় — অনুকার অব্যয় কোনো কিছুর নকল শব্দ বা ধ্বনির অনুকরণ বোঝায়, যা এখানে নেই।
C) পদান্বয়ী অব্যয় — পদান্বয়ী অব্যয় বিশেষ্য বা সর্বনামের পরে বসে কারক বোঝাতে সাহায্য করে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) অনুসর্গ অব্যয় — অনুসর্গগুলো শব্দের পরে বসে কারক গঠনে সাহায্য করে, যা এই বাক্যের ক্ষেত্রে অনুপস্থিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
বাক্যের ভেতরে যে পদ বাদ দিলেও বাক্য ঠিক থাকে এবং মনের ভাব জোরালো হয়, সেটাই অনন্বয়ী অব্যয়।
প্রশংসা, বিরক্তি বা সম্মতির শব্দ দেখলে প্রথমে অনন্বয়ী অব্যয় ধরে নিতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
অনন্বয়ী অব্যয় বাক্যের শোভা বর্ধন করে এবং আবেগ প্রকাশ করে।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধারণত ভাবপ্রকাশক শব্দগুলো অনন্বয়ী অব্যয় হিসেবে চিহ্নিত করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) উপভোগ
১. কেন সঠিক:
- উপসর্গ সাধারণত শব্দের পূর্বে বসে অর্থের সংকোচন, সম্প্রসারণ বা পরিবর্তন করে থাকে।
- এখানে 'উপ' উপসর্গটি বিভিন্ন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে এবং 'উপভোগ' শব্দটিতে 'উপ' উপসর্গটি বিশেষ বা পরিপূর্ণ অর্থে প্রযুক্ত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- উপসর্গ হলো এক ধরণের অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা শব্দের আদিতে বসে নতুন শব্দ গঠন করে।
- বাংলা ভাষায় উপসর্গ প্রধানত তিন ভাগে বিভক্ত যেমন খাঁটি বাংলা উপসর্গ, তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ এবং বিদেশি উপসর্গ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পরিগ্রহণ
ব্যাখ্যা: এখানে 'পরি' উপসর্গটি বিশেষ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: প্রবচন
ব্যাখ্যা: এখানে 'প্র' উপসর্গটি প্রকৃষ্ট অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উপনেতা — এই শব্দটিতে 'উপ' উপসর্গটি গৌণ বা ক্ষুদ্র অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে যা মূল পদের ছোট রূপ বোঝায়।
B) উপভোগ — এই শব্দটিতে 'উপ' উপসর্গটি পরিপূর্ণ বা বিশেষ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে যা অন্য অপশনগুলোর থেকে আলাদা।
C) উপগ্রহ — এই শব্দটিতে 'উপ' উপসর্গটি মূল গ্রহের ছোট বা গৌণ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
D) উপসাগর — এই শব্দটিতে 'উপ' উপসর্গটি মূল সাগরের চেয়ে ছোট বা গৌণ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ছোট বা গৌণ অর্থে ব্যবহৃত উপ উপসর্গের ক্ষেত্রে উপনেতা, উপগ্রহ ও উপসাগর এক ধরণের অর্থ প্রকাশ করে।
- উপভোগ শব্দটি সম্পূর্ণ আলাদা অর্থে ব্যবহৃত হওয়ায় এটি ভিন্নার্থক হিসেবে গণ্য হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গ থেকে প্রায়ই ভিন্নার্থক উপসর্গ বা শব্দের অর্থ নির্ণয় সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে।
- উপসর্গযুক্ত শব্দের ব্যাসবাক্য বা অর্থ ভালোভাবে বুঝতে পারলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
সঠিক উত্তর: D) পদ্মরাগ
১. কেন সঠিক:
- পদ্মরাগ হলো বাঙালি নারীবাদী লেখিকা বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস যা প্রকাশিত হয় ১৯২৪ সালে।
- এই উপন্যাসে তৎকালীন মুসলিম সমাজের নারীশিক্ষা, নারী স্বাধীনতা এবং নারীর আত্মনির্ভরশীলতার বাণী অত্যন্ত সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন ১৮৮০ সালের ৯ ডিসেম্বর রংপুরের পায়রাবন্দ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৩২ সালের ৯ ডিসেম্বর কলকাতায় মৃত্যুবরণ করেন।
- তিনি বাংলা সাহিত্যে নারী জাগরণের অগ্রদূত হিসেবে পরিচিত এবং তাঁর উল্লেখযোগ্য অন্যান্য সাহিত্যকর্মের মধ্যে সুলতানার স্বপ্ন ও মতিচূর বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সুলতানা স্বপ্ন
ব্যাখ্যা: এটি বেগম রোকেয়া রচিত একটি বিখ্যাত নারীবাদী ইউটোপিয়ান বা নারীবাদী কল্পবিজ্ঞানভিত্তিক রচনা।
উদাহরণ ২: মতিচূর
ব্যাখ্যা: এটি বেগম রোকেয়ার একটি বিখ্যাত প্রবন্ধ সংকলন যা দুটি খণ্ডে প্রকাশিত হয়েছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পদ্মমণি — এটি বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের কোনো রচিত গ্রন্থ নয় বরং এটি একটি বিভ্রান্তিকর নাম।
B) পদ্মাবতী — এটি মধ্যযুগের কবি আলাওল রচিত একটি বিখ্যাত কাব্য যা ষোল শতকে রচিত হয়েছিল।
C) পদ্মগোখরা — এটি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি বিখ্যাত ছোটগল্প সংকলন।
D) পদ্মরাগ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন রচিত একমাত্র উপন্যাস।
৫. মনে রাখার টিপস:
বেগম রোকেয়ার উপন্যাসের নাম মনে রাখতে মনে রাখবে রোকেয়া নারীদের হৃদয়ে পদ্মের মতো রাগ বা প্রীতি জাগাতে লিখেছিলেন পদ্মরাগ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের জন্ম ও মৃত্যুদিন একই অর্থাৎ ৯ ডিসেম্বর যা প্রতি বছর রোকেয়া দিবস হিসেবে পালিত হয়।
নারীবাদী সাহিত্য ও প্রবন্ধ সম্পর্কিত প্রশ্ন এলে বেগম রোকেয়ার গ্রন্থগুলো আলাদা করে মনে রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুবই জরুরি।
সঠিক উত্তর: A) তামসিক
কেন সঠিক:
- ‘তাম্বুলিক’ শব্দটির অর্থ পান বিক্রেতা বা পান চাষী।
- ‘তামসিক’ শব্দটির অর্থ অন্ধকারাচ্ছন্ন বা জড় প্রকৃতির, যা তাম্বুলিক শব্দের সাথে সম্পর্কিত নয়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ‘তাম্বুল’ শব্দের অর্থ পান, যা থেকে ‘তাম্বুলিক’ শব্দের উৎপত্তি হয়েছে।
- এটি বিশেষ ধরনের পেশাবাচক শব্দ যা নির্দিষ্ট বৃত্তি বা ব্যবসাকে বোঝায়।
- যেমন পান নিয়ে ব্যবসা করেন যিনি, তাকে তাম্বুলিক বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) তামসিক — এটি তমস বা অন্ধকার থেকে আগত একটি গুণবাচক শব্দ, যার সাথে পান ব্যবসার কোনো মিল নেই।
- B) বারুই — যারা পান চাষ করেন বা পানের ব্যবসা করেন, তাদের বারুই বলা হয়, তাই এটি সমার্থক।
- C) পান-ব্যবসায়ী — তাম্বুলিক শব্দের সরাসরি বাংলা অর্থ হলো পান ব্যবসায়ী।
- D) পর্ণকার — পর্ণ বা পাতার কাজ করেন যিনি অর্থাৎ পান চাষী বা বিক্রেতা, তাই এটি সমার্থক।
মনে রাখার টিপস:
- তাম্বুল শব্দের অর্থ পান মনে রাখলে তাম্বুলিক ও পান ব্যবসায়ীর মধ্যকার মিল সহজে মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: B) বুদ্ধদেব বসু
১. কেন সঠিক:
- বুদ্ধদেব বসু জীবনানন্দ দাশের কবিতায় এক গভীর একাকীত্ব, বিষণ্ণতা ও নিসর্গপ্রীতি লক্ষ করে তাঁকে ‘নির্জনতম কবি’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন।
- আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান রূপকার বুদ্ধদেব বসু তাঁর বিভিন্ন সাহিত্যালোচনা ও প্রবন্ধে জীবনানন্দ দাশের স্বকীয় কাব্যভাষার এই বিশেষ বৈশিষ্ট্যটি তুলে ধরেছিলেন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- জীবনানন্দ দাশ বাংলা আধুনিক কবিতার পরাবাস্তবতা, নিসর্গচেতনা এবং গভীর অন্তর্মুখী মানসিকতার এক অনন্য প্রতীক।
- বুদ্ধদেব বসু ছিলেন ত্রিশের দশকের আধুনিক কবিতার অন্যতম প্রধান কবি, প্রাবন্ধিক ও সমালোচক, যিনি বাংলা সাহিত্যকে আধুনিক রূপ দিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জীবনানন্দ দাশের ‘বনলতা সেন’ কবিতাটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নির্জন ও ক্লাসিক সৃষ্টি।
ব্যাখ্যা: এই কবিতায় হাজার বছরের হাঁটার ক্লান্তি এবং অদ্ভুত একাকীত্বের সুরের মাধ্যমে কবির নির্জন মানসিকতার প্রকাশ ঘটেছে।
উদাহরণ ২: বুদ্ধদেব বসু সম্পাদিত ‘কবিতা’ পত্রিকা বাংলা আধুনিক কবিতার বিকাশে ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেছিল।
ব্যাখ্যা: এই পত্রিকার মাধ্যমেই তিরিশের দশকের আধুনিক কবিরা পরিচিতি লাভ করেন এবং বাংলা কবিতার আধুনিক ধারা বেগবান হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিষ্ণু দে — তিনি ত্রিশের দশকের অন্যতম প্রধান মার্কসবাদী ও আধুনিক কবি হলেও জীবনানন্দ দাশকে ‘নির্জনতম কবি’ আখ্যা দেননি।
B) বুদ্ধদেব বসু — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — রবীন্দ্রনাথ জীবনানন্দ দাশের কবিতাকে ‘চিত্ররূপময়’ বললেও ‘নির্জনতম কবি’ উপাধি দেননি।
D) সৈয়দ শামসুল হক — তিনি বিংশ শতাব্দীর বিশিষ্ট আধুনিক সাহিত্যিক ও কবি হলেও জীবনানন্দ দাশকে এই নির্দিষ্ট উপাধিতে ভূষিত করেননি।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মনে রাখার কৌশল হিসেবে ভাবুন, যিনি নিজে আধুনিক কবিতার প্রচার ও প্রসারে সবচেয়ে বেশি সচেষ্ট ছিলেন সেই বুদ্ধদেব বসু জীবনানন্দের কবিতায় প্রথম নিখাদ নির্জনতা খুঁজে পেয়েছিলেন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কবি ও লেখকদের দেওয়া বিভিন্ন উপাধি বা মূল্যায়ন সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
- বিখ্যাত লেখকদের রচিত সমালোচনা গ্রন্থ এবং কবিদের একে অপরকে দেওয়া উপাধিগুলো আলাদা করে নোট করে রাখা উচিত।
সঠিক উত্তর: D) করব
১. কেন সঠিক:
যৌগিক কাল গঠিত হয় মূল ধাতুর সঙ্গে বিশেষ ভাববাচক বা কালবাচক প্রত্যয়যুক্ত অসমাপিকা ক্রিয়া এবং সমাপিকা ক্রিয়ার মিলনে।
করব শব্দটি একটি সাধারণ ভবিষ্যৎ কালের ক্রিয়াপদ যা কোনো প্রত্যয়ের সাহায্য ছাড়াই সরাসরি বিভক্তি যোগে গঠিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
যে ক্রিয়া একাধিক পদের মিলনে বা অসমাপিকা ও সমাপিকা ক্রিয়ার সংযোগে গঠিত হয় তাকে যৌগিক কাল বলে।
সাধারন ভবিষ্যৎ কালের ক্রিয়া একক পদ হিসেবে গঠিত হওয়ায় তা যৌগিক কালের অন্তর্ভুক্ত হয় না।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: করিতেছিলাম
ব্যাখ্যা: এটি ঘটমান অতীত কালের যৌগিক রূপ যেখানে করিতে ও ছিলাম যুক্ত হয়েছে।
উদাহরণ ২: পড়তেছি
ব্যাখ্যা: এটি বর্তমান কালের যৌগিক রূপ যেখানে পড়তে ও ছি যুক্ত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) করছিলাম — এটি অতীতকালের যৌগিক কালের উদাহরণ কারণ মূল ক্রিয়ার সঙ্গে সহকারী ক্রিয়া যুক্ত হয়েছে।
B) করেছি — এটি পূর্ণ বর্তমান কালের যৌগিক কালের উদাহরণ যা একাধিক পদের সংমিশ্রণে গঠিত।
C) করছি — এটি ঘটমান বর্তমান কালের যৌগিক কালের উদাহরণ যেখানে মূল ও সহকারী ক্রিয়া একত্রে বসেছে।
D) করব — এটি একক ক্রিয়াপদ এবং সাধারণ ভবিষ্যৎ কাল নির্দেশ করায় যৌগিক কালের উদাহরণ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
সহজ ভবিষ্যৎ কালের ক্রিয়াগুলো একটিমাত্র শব্দে প্রকাশিত হয় বলে সেগুলো যৌগিক কাল হয় না।
সহকারী ক্রিয়া বা অসমাপিকা ক্রিয়া থাকলে তবেই তা যৌগিক কাল হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ক্রিয়ার কাল নির্ণয়ের সময় দেখতে হবে পদটি একক নাকি একাধিক পদের সমন্বয়ে গঠিত।
সাধারণ বর্তমান, সাধারণ অতীত এবং সাধারণ ভবিষ্যৎ সাধারণত একক পদ হয়।
সঠিক উত্তর: A) দুঃ + অবস্থা
১. কেন সঠিক:
- দুরবস্থা শব্দটির সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো দুঃ যোগ অবস্থা। এটি বিসর্গ সন্ধির একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম।
- এখানে বিসর্গ এর পূর্বে অ স্বরধ্বনি এবং বিসর্গ এর পরে অ স্বরধ্বনি থাকার কারণে বিসর্গ লুপ্ত হয়ে র বা রেফ এর মতো ধ্বনি যুক্ত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- বিসর্গ সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী বিসর্গের পর অ স্বরধ্বনি থাকলে বিসর্গ স্থানে র বা রেফ হয়।
- দুরবস্থা শব্দটিতে দুঃ এবং অবস্থা মিলে বিসর্গ র এ রূপান্তরিত হয়ে দূর যোগ অবস্থা এবং পরবর্তীতে দুরবস্থা গঠিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দুঃ যোগ ছাই = দুশ্চাই
ব্যাখ্যা: বিসর্গের পর চ থাকলে বিসর্গ স্থানে তালব্য শ হয়।
উদাহরণ ২: দুঃ যোগ চর = দুশ্চর
ব্যাখ্যা: এটিও বিসর্গ সন্ধির নিয়মে চ এর প্রভাবে শ কার যোগে সাধিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দুঃ + অবস্থা — এটি সঠিক কারণ এটি বিসর্গ সন্ধির প্রমিত নিয়ম অনুসারে সাধিত হয়েছে এবং সঠিক অর্থ প্রকাশ করে।
B) দূর + বস্থা — এটি ভুল কারণ দূর কোনো প্রমিত সন্ধি বিচ্ছেদের অংশ নয় এবং এর বানানরীতি ব্যাকরণসম্মত নয়।
C) দুর + বস্থা — এটি ভুল কারণ দুর উপসর্গ সরাসরি অবস্থা শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়ে সন্ধির নিয়ম লঙ্ঘন করে।
D) দুর + অবস্থা — এটি ভুল কারণ এখানে বিসর্গ বাদ দিয়ে সরাসরি দুর ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে অসিদ্ধ।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বিসর্গ সন্ধির ক্ষেত্রে দু উপসর্গযুক্ত শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদে সাধারণত বিসর্গ চিহ্ন ব্যবহার করতে হয়।
- দুরবস্থা লেখার সময় খেয়াল রাখবে এর আসল রূপটি দুঃ যোগ অবস্থা থেকে এসেছে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসর্গ সন্ধি থেকে বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- একই নিয়মে তৈরি অন্যান্য শব্দ যেমন দুরাচার বা দুর্গতি ভালোভাবে অনুশীলন করা উচিত।
সঠিক উত্তর: B) শুদ্ধ জীবনযাপন রীতি
১. কেন সঠিক:
- খনার বচনের মূল লক্ষ্য হলো সাধারণ মানুষকে কৃষি, আবহাওয়া এবং দৈনন্দিন জীবনের সঠিক আচার-আচরণ ও শৃঙ্খলার মাধ্যমে একটি সুন্দর ও স্বাস্থ্যসম্মত জীবন পরিচালনা করার শিক্ষা দেওয়া।
- প্রবাদের মাধ্যমে আবহমান বাংলার মানুষের অভিজ্ঞতা ও নৈতিক শিক্ষাকে মানুষের প্রাত্যহিক জীবনে প্রয়োগযোগ্য করে তোলার মাধ্যমেই শুদ্ধ জীবনযাপন রীতি গড়ে ওঠে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- খনা ছিলেন প্রাচীন বাংলার কিংবদন্তি জ্যোতিষী ও কৃষিবিদ, যিনি বচন বা প্রবাদের মাধ্যমে আবহাওয়া, কৃষি ও জীবনযাপনের নানা নিয়মকানুন প্রচার করেছিলেন।
- বাংলা লোকসাহিত্যের অন্যতম প্রাচীন ও সমৃদ্ধ অংশ হলো এই খনার বচন, যা মূলত গ্রামীণ জনপদের শাশ্বত জ্ঞান ও লোকসংস্কৃতির এক অনন্য নিদর্শন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ডাকের কথা খনার বচন, পড়তে শেখো সারাজীবন।
ব্যাখ্যা: এই প্রবাদটি প্রমাণ করে যে খনার বচনগুলো কেবল ছড়া নয়, বরং এগুলো মানুষের জীবন পরিচালনার সার্বিক দিকনির্দেশনা।
উদাহরণ ২: সকালে উঠিয়া মাতা কিম্বা পিতা, নমস্কার করিয়া লও মাথার ছাতা।
ব্যাখ্যা: এটি একটি খনার বচন যা আমাদের পারিবারিক ও সামাজিক জীবনে শ্রদ্ধা ও শুদ্ধাচার বজায় রাখার শিক্ষা দেয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লৌকিক প্রণয়সঙ্গীত — খনার বচন কোনো প্রণয় বা প্রেমের গান বা সঙ্গীত নয়, এটি মূলত নীতিবাক্য ও কৃষিভিত্তিক প্রবাদ।
C) সামাজিক মঙ্গলবোধ — সামাজিক মঙ্গলবোধ খনার বচনের একটি পরোক্ষ ফল হলেও এর মূল প্রতিপাদ্য হলো ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জীবনের শুদ্ধ জীবনযাপন রীতি।
D) রাষ্ট্র পরিচালনা নীতি — খনার বচনে রাষ্ট্র পরিচালনা বা রাজনীতি নিয়ে কোনো কথা নেই, এটি গ্রামীণ সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবন ও কৃষির সঙ্গে সম্পর্কিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- খনা মানেই কৃষি, আবহাওয়া এবং জীবনযাপনের সঠিক নিয়ম বা শুদ্ধ জীবনযাপন রীতি।
- বচনগুলো মনে রাখলে গ্রামীণ জনপদের আবহাওয়া ও জীবনধারার মূল সূত্র সহজে বোঝা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় খনার বচনের মূলভাব সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
- খনার বচন মূলত লৌকিক সাহিত্য বা প্রবাদ-প্রবচনের অন্তর্ভুক্ত, যা লোক সংস্কৃতির প্রাচীন দলিল।
সঠিক উত্তর: C) জহির রায়হান
১. কেন সঠিক:
- জীবন থেকে নেওয়া চলচ্চিত্রটির পরিচালক প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও চলচ্চিত্রকার জহির রায়হান।
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরুর ঠিক আগে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে চলচ্চিত্রটি নির্মিত হয়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- জহির রায়হান ছিলেন একাধারে ঔপন্যাসিক, গল্পকার ও চলচ্চিত্র পরিচালক।
- বাংলা চলচ্চিত্রে রাজনৈতিক উপমার ব্যবহারে জীবন থেকে নেওয়া একটি অনন্য মাস্টারপিস হিসেবে বিবেচিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আরেক ফাল্গুন
ব্যাখ্যা: এটি জহির রায়হান রচিত ভাষা আন্দোলনভিত্তিক একটি বিখ্যাত উপন্যাস।
উদাহরণ ২: বরফ গলা নদী
ব্যাখ্যা: এটি জহির রায়হান রচিত বাস্তবধর্মী সামাজিক উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আমজাদ হোসেন — আমজাদ হোসেন বিখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক হলেও জীবন থেকে নেওয়া চলচ্চিত্রটি তিনি পরিচালনা করেননি।
B) আলমগীর — আলমগীর একজন জনপ্রিয় চলচ্চিত্র অভিনেতা ও পরিচালক, তবে এই চলচ্চিত্রের সঙ্গে তিনি যুক্ত নন।
C) জহির রায়হান — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি চলচ্চিত্রটির সফল পরিচালক।
D) সুভাষ দত্ত — সুভাষ দত্ত বাংলা চলচ্চিত্রের প্রখ্যাত পরিচালক হলেও জীবন থেকে নেওয়া চলচ্চিত্রটি তার পরিচালিত নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের ইতিহাস ও জহির রায়হানের চলচ্চিত্র জীবন থেকে নেওয়া একে অপরের পরিপূরক।
- মুক্তিযুদ্ধ ও ভাষা আন্দোলনের চলচ্চিত্র মনে রাখতে জহির রায়হানের নাম সবার আগে আসে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- জীবন থেকে নেওয়া চলচ্চিত্রটি স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের আগের রাজনৈতিক আন্দোলনের এক ঐতিহাসিক দলিল।
- এই ধরনের প্রতিযোগিতামূলক প্রশ্নে চলচ্চিত্রের পরিচালক ও সাহিত্যিকদের নাম প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: B) হুমায়ূন আহমেদ
১. কেন সঠিক:
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস ‘আগুনের পরশমণি’র রচয়িতা হলেন জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক ও নির্মাতা হুমায়ূন আহমেদ।
- এই উপন্যাসে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের একটি পারিবারিক প্রেক্ষাপট ও সাধারণ মানুষের অনুভূতি অত্যন্ত বাস্তবসম্মতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- হুমায়ূন আহমেদ বাংলা কথাসাহিত্যে বিশেষ করে বিজ্ঞান কল্পকাহিনী ও ঐতিহাসিক উপন্যাসের জন্য সর্বাধিক পরিচিত হলেও তাঁর বেশ কয়েকটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস অত্যন্ত সমাদৃত।
- তাঁর রচিত অন্যান্য বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে জোছনা ও জননীর গল্প, ১৯৭১ এবং দেয়াল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জোছনা ও জননীর গল্প
ব্যাখ্যা: এটি হুমায়ূন আহমেদের লেখা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি বিশাল ক্যানভাসের ঐতিহাসিক উপন্যাস, যা অত্যন্ত জনপ্রিয়।
উদাহরণ ২: ১৯৭১
ব্যাখ্যা: এটিও হুমায়ূন আহমেদের রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি প্রামাণ্য ও আবেগঘন উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আমজাদ হোসেন — আমজাদ হোসেন বিখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা ও লেখক হলেও ‘আগুনের পরশমণি’ তাঁর রচিত উপন্যাস নয়।
B) হুমায়ূন আহমেদ — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি তাঁরই লেখা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বিখ্যাত উপন্যাস।
C) শওকত ওসমান — শওকত ওসমান মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বিখ্যাত উপন্যাস ‘জননী’ বা ‘জাহান্নাম হইতে বিদায়’ লিখেছেন, ‘আগুনের পরশমণি’ নয়।
D) সৈয়দ শামসুল হক — সৈয়দ শামসুল হক মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস ‘খেলাধুলা’ বা নাটক ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ লিখেছেন, এটি তাঁর রচনা নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- হুমায়ূন আহমেদের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বিখ্যাত উপন্যাস মনে রাখার শর্ট কৌশল হলো আগুন নিয়ে ১৯৭১ সালে জোছনায় দেওয়ালে লেখা জোছনা ও জননীর গল্প।
- এভাবে লেখকের বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসগুলো সহজেই দীর্ঘকাল মনে রাখা সম্ভব।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে, তাই লেখকের নাম ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
- একই লেখকের বিভিন্ন ধরনের রচনা যেমন বিজ্ঞান কল্পকাহিনী ও মুক্তিযুদ্ধের উপন্যাস আলাদা করে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: A) রাজা রামমোহন রায়
১. কেন সঠিক:
- রাজা রামমোহন রায় বেদান্ত দর্শন বাংলায় প্রচারের জন্য বেদান্তগ্রন্থ ও বেদান্ত সার রচনা করেন।
- এই গ্রন্থগুলোর মাধ্যমে তিনি হিন্দু ধর্মের একেশ্বরবাদ ও কুসংস্কারের বিরুদ্ধে জোরালো অবস্থান নেন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- রাজা রামমোহন রায় বাংলা গদ্যের অন্যতম পথমকৃৎ ও আধুনিক ভারতের জনক হিসেবে পরিচিত।
- তার রচিত বেদান্তগ্রন্থ ও বেদান্ত সার বাংলা সাহিত্যের গদ্যরীতির বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ব্রহ্মসঙ্গীত
ব্যাখ্যা: রাজা রামমোহন রায় বাংলায় একেশ্বরবাদী উপাসনার জন্য অনেক ব্রহ্মসঙ্গীত রচনা ও সংকলন করেন।
উদাহরণ ২: গৌড়ীয় ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা: রাজা রামমোহন রায় বাংলা ভাষার ওপর প্রথম পূর্ণাঙ্গ ব্যাকরণ গ্রন্থ গৌড়ীয় ব্যাকরণ রচনা করেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাজা রামমোহন রায় — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দুটি গ্রন্থ তারই রচিত।
B) গোলকনাথ শর্মা — তিনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের একজন পন্ডিত ছিলেন এবং হিতোপদেশ অনুবাদ করেন।
C) রামরাম বসু — তিনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পন্ডিত ও রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র গ্রন্থের রচয়িতা।
D) মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার — তিনি বাত্রাতিরিশী ও কথোপকথন গ্রন্থের লেখক এবং ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পন্ডিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- রাজা রামমোহন রায় মানেই সমাজ সংস্কার এবং বেদান্ত দর্শন প্রচারের জন্য বেদান্তগ্রন্থ ও বেদান্ত সার।
- রামমোহন ও বেদান্ত এই দুটি শব্দ একসাথে মনে রাখলেই পরীক্ষার হলে সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সহজ হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- রাজা রামমোহন রায় রচিত প্রথম বাংলা ব্যাকরণ গ্রন্থের নাম গৌড়ীয় ব্যাকরণ যা প্রকাশিত হয় ১৮৩৩ সালে।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই রাজা রামমোহন রায়ের বাংলা গদ্য ও ধর্মীয় গ্রন্থ সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: A) গাজী মিয়াঁর বস্তানী
১. কেন সঠিক:
- গাজী মিয়াঁর বস্তানী গ্রন্থটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার মীর মশাররফ হোসেন রচিত একটি বিখ্যাত আত্মজীবনীমূলক ও সামাজিক উপন্যাসধর্মী রচনা।
- এই গ্রন্থে উনিশ শতকের গ্রামীণ সমাজের নানা অসঙ্গতি, কুসংস্কার এবং তৎকালীন বিচার ব্যবস্থার চিত্র ব্যঙ্গাত্মক ও বাস্তবসম্মতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মীর মশাররফ হোসেন বাংলা গদ্যসাহিত্যের অন্যতম প্রধান রূপকার এবং বিষাদসিন্ধু উপন্যাসের জন্য সর্বাধিক পরিচিত।
- তাঁর সাহিত্যকর্মে উনিশ শতকের বাঙালি মুসলিম সমাজের সংস্কার প্রয়াস এবং তৎকালীন সামাজিক বাস্তবতার এক অনন্য রূপ প্রকাশ পেয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিষাদসিন্ধু
ব্যাখ্যা: এটি মীর মশাররফ হোসেনের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও ঐতিহাসিক উপন্যাস, যা কারবালার যুদ্ধ ও বিষাদময় ঘটনার ওপর ভিত্তি করে রচিত।
উদাহরণ ২: জমিদার দর্পণ
ব্যাখ্যা: এটি মীর মশাররফ হোসেন রচিত একটি বিখ্যাত নাটক, যা নীলকর সাহেবদের অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ স্বরূপ রচিত হয়েছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গাজী মিয়াঁর বস্তানী - এটি মীর মশাররফ হোসেন রচিত গ্রন্থ হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।
B) আলালের ঘরের দুলাল - এটি টেকচাঁদ ঠাকুর অর্থাৎ প্যারীচাঁদ মিত্র রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস।
C) হুতোম প্যাঁচার নক্সা - এটি কালীপ্রসন্ন সিংহ রচিত একটি বিখ্যাত বাংলা সামাজিক নকশা জাতীয় গ্রন্থ।
D) কলিকাতা কমলালয় - এটি প্রখ্যাত পন্ডিত ভবানীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত উনিশ শতকের গোড়ার দিকের একটি গুরুত্বপূর্ণ গদ্যগ্রন্থ।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মীর মশাররফ হোসেনের আত্মজীবনীমূলক ও সমাজভিত্তিক ব্যঙ্গাত্মক লেখার নাম মনে রাখতে গাজী মিয়াঁ ও মীর মশাররফ হোসেনের নামের সংযোগ মনে রাখা যায়।
- বিষাদসিন্ধু ও জমিদার দর্পণ এর পাশাপাশি গাজী মিয়াঁর বস্তানী লেখকের অন্যতম ভিন্নধর্মী একটি সৃষ্টি।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিভিন্ন লেখকের প্রথম বা উল্লেখযোগ্য উপন্যাস ও নকশা গ্রন্থ সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
- টেকচাঁদ ঠাকুরের আলালের ঘরের দুলাল এবং কালীপ্রসন্ন সিংহের হুতোম প্যাঁচার নক্সা প্রায়ই মীর মশাররফ হোসেনের গ্রন্থের সঙ্গে মিলিয়ে গুলিয়ে ফেলা হয়, তাই এদের রচয়িতা আলাদা করে মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: A) বৈকুণ্ঠের খাতা
১. কেন সঠিক:
- বৈকুণ্ঠের খাতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত কৌতুক নাটক।
- এই নাটকে হাস্যরস ও ব্যঙ্গের মাধ্যমে তৎকালীন সমাজের মানুষের মনস্তত্ত্ব ও পারিবারিক সম্পর্ক তুলে ধরা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের বহুমুখী প্রতিভাবান লেখক যিনি কবিতা, ছোটগল্প, নাটক ও উপন্যাসে অনন্য অবদান রেখেছেন।
- বৈকুণ্ঠের খাতা নাটকটি মূলত সামাজিক লঘু কৌতুক নাটক হিসেবে বাংলা নাট্যসাহিত্যে বিশেষ স্থান দখল করে আছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চিরকুমার সভা
ব্যাখ্যা: এটিও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি বিখ্যাত কৌতুক নাটক ও কমেডিধর্মী সাহিত্যকর্ম।
উদাহরণ ২: বৈকুণ্ঠের খাতা নাটকের চরিত্র
ব্যাখ্যা: এই নাটকের কেদার, অবিনাশ ও বৈকুণ্ঠ চরিত্রগুলো হাস্যরস সৃষ্টির জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বৈকুণ্ঠের খাতা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি কৌতুক নাটক হিসেবে সম্পূর্ণ গ্রহণযোগ্য।
B) জামাই বারিক — এটি দিনবন্ধু মিত্র রচিত একটি বিখ্যাত প্রহসন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নাটক নয়।
C) বিবাহ-বিভ্রাট — এটি কোনো প্রসিদ্ধ মৌলিক কৌতুক নাটক নয় বরং পরীক্ষামূলকভাবে বিভ্রান্তিকর অপশন হিসেবে দেওয়া হয়েছে।
D) হিতে বিপরীত — এটি একটি প্রবাদতুল্য শব্দগুচ্ছ যা কোনো নির্দিষ্ট নাটক বোঝায় না।
৫ মনে রাখার টিপস:
রবীন্দ্রনাথের কৌতুক নাটক মনে রাখার সহজ কৌশল হলো বৈকুণ্ঠের খাতা ও চিরকুমার সভা নামের লঘু নাটকগুলো মাথায় রাখা।
কৌতুক নাটকের ক্ষেত্রে রবীন্দ্রনাথের হালকা চালের রচনাগুলোর নাম আলাদা করে তালিকাভুক্ত করে পড়া উচিত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রহসন বা কৌতুক নাটকের নাম জানতে চাওয়া হয়।
নাটক ও প্রহসনের পার্থক্য বুঝে লেখকভিত্তিক তালিকা মুখস্থ রাখলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
সঠিক উত্তর: D) Are they known to you?
কেন সঠিক:
১. ইন্টারোগেটিভ সেন্টেন্সে 'Do' দিয়ে প্রশ্ন শুরু হলে প্যাসিভ করার সময় টেন্স অনুযায়ী এম, ইজ, আর বসে এবং অবজেক্টটি সাবজেক্ট হয়।
২. এখানে 'Know' ভার্বটির পরে সাধারণত প্যাসিভ ফর্মে 'by' না বসে 'to' প্রিপজিশন বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Are they known by you? — এখানে 'known' এর পরে ভুল প্রিপজিশন 'by' ব্যবহার করা হয়েছে।
B) Would they be known by you? — এটি পাস্ট বা সম্ভাবনাবাচক টেন্সে রূপান্তর করা হয়েছে যা প্রশ্নটির সাথে মিল নেই।
C) Are they known with you? — এখানে 'known' এর পরে ভুল প্রিপজিশন 'with' ব্যবহার করা হয়েছে।
D) Are they known to you? — এটি সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
'Know' ভার্বযুক্ত একটিভ ভয়েসকে প্যাসিভ করার সময় 'by' এর পরিবর্তে সবসময় 'to' প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) Twig
কেন সঠিক:
আঙুল যেমন হাতের একটি ছোট এবং সরাসরি অংশ বা শাখা হিসেবে সংযুক্ত থাকে, তেমনি পাতা গাছের শাখা বা কচি ডালের সাথে সংযুক্ত থাকে।
এখানে দেহের ছোট অঙ্গের সাথে বড় অঙ্গের সম্পর্কের মতো উদ্ভিদের ছোট অংশের সাথে তার অংশের তুলনা করা হয়েছে।
তাই ফিংগার ও হ্যান্ড এর সম্পর্কের সাথে সবচেয়ে ভালোভাবে মিলে যায় লিফ ও টুইগ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Flower — ফুল উদ্ভিদের একটি ভিন্ন অংশ যা পাতার সাথে সরাসরি তুলনামূলক ছোট অংশের সম্পর্ক তৈরি করে না।
B) Twig — এটি সঠিক কারণ টুইগ বা কচি ডাল হলো গাছের সেই অংশ যেখানে পাতা সরাসরি যুক্ত থাকে।
C) Tree — গাছ হলো সম্পূর্ণ উদ্ভিদ যা হাতের চেয়ে অনেক বড় এবং সার্বিক একটি কাঠামোর নির্দেশ করে।
D) Branch — শাখা অনেক বড় হয়, কিন্তু আঙুলের সাথে হাতের যে সরাসরি সূক্ষ্ম অনুপাত বোঝায় তা এখানে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
শরীর যেমন আঙুল দিয়ে শুরু হয়, তেমনি গাছের ছোট ডাল বা টুইগ পাতা দিয়ে শুরু হয়।
সঠিক উত্তর: D) old people
কেন সঠিক:
'Geriatrics' চিকিৎসা বিজ্ঞানের একটি বিশেষ শাখা যা মূলত বৃদ্ধ মানুষদের বিভিন্ন রোগ এবং তাদের যত্ন নেওয়ার সাথে সম্পর্কিত।
এই শাখায় বয়স্কদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা নিয়ে পড়াশোনা ও চিকিৎসা করা হয়।
তাই এটি প্রবীণ বা বৃদ্ধ জনগোষ্ঠীর সাথে সরাসরি যুক্ত।
এটি বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতা নিরাময়ে কাজ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) newly-weds — এটি সদ্য বিবাহিত দম্পতিদের বোঝায়, যাদের চিকিৎসা বিজ্ঞানের এই শাখার সাথে কোনো সম্পর্ক নেই।
B) old women — এটি শুধু বয়স্ক নারীদের বোঝায়, অথচ এই শাখাটি নারী ও পুরুষ উভয় বয়স্ক মানুষের জন্যই প্রযোজ্য।
C) newborn babies — এটি নবজাতক শিশুদের বোঝায়, যাদের চিকিৎসা বিজ্ঞানকে পেডিয়াট্রিক্স বলা হয়।
D) old people — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়, এটি সব বয়স্ক মানুষকে নির্দেশ করে।
মনে রাখার টিপস:
'Geriatrics' শব্দের শুরুতে থাকা 'Ger' অংশটি গ্রিক শব্দ 'geron' থেকে এসেছে যার অর্থ বৃদ্ধ মানুষ।
সঠিক উত্তর: D) Hamlet
কেন সঠিক:
উক্তিটি শেক্সপিয়রের বিখ্যাত ট্র্যাজেডি হ্যামলেট নাটকের একটি অত্যন্ত পরিচিত একক অভিনয় বা সেলিলোকুই।
নাটকের কেন্দ্রীয় চরিত্র প্রিন্স হ্যামলেট তার নিজের জীবন ও মৃত্যুর দ্বন্দ্বে ভুগে এই বিখ্যাত দার্শনিক প্রশ্নটি করেছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Macbeth — এটি শেক্সপিয়রের আরেকটি বিখ্যাত নাটক যেখানে ক্ষমতার লোভ এবং অপরাধবোধ প্রধান বিষয় হিসেবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
B) King lear — এটি বার্ধক্য এবং অন্ধ বিশ্বাসের কারণে একটি পরিবারের পতনের গল্প নিয়ে রচিত শেক্সপিয়রের একটি ট্র্যাজেডি।
C) Othello — এটি মূলত অন্ধ সন্দেহ এবং ষড়যন্ত্রের কারণে ধ্বংস হয়ে যাওয়া এক সেনাপতির করুণ পরিণতির নাটক।
D) Hamlet — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
জীবন ও মৃত্যুর দ্বিধা বা সেলিলোকুই থাকলে চোখ বন্ধ করে হ্যামলেট নাটকটি মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: D) Lieutenant
কেন সঠিক:
১. এই বানানটিতে ফরাসি শব্দমূলের প্রভাব রয়েছে যেখানে লেফট (Left) ও টেন্যান্ট (Tenant) মিল রয়েছে।
২. এর সঠিক উচ্চারণ করতে গিয়ে বানানে lieu এবং tenant একত্রে লেখা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Lieaftenant — এখানে বানানে অতিরিক্ত a যুক্ত করা হয়েছে যা সম্পূর্ণ ভুল।
B) Leaftenant — এখানে leaf শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে যা উচ্চারণ ও নিয়মের সাথে মিলে না।
C) Leiftenant — এখানে বানান গঠনে ভুল অক্ষর ব্যবহার করা হয়েছে।
D) Lieutenant — এটি মূল ইংরেজি নিয়মের সাথে পুরোপুরি সঠিক।
মনে রাখার টিপস:
বানানটি সহজে মনে রাখতে এভাবে ভাঙুন: Lieu + tenant (লিভ-টিন্যান্ট)।
সঠিক উত্তর: A) amoral
কেন সঠিক:
- amoral শব্দটি moral শব্দের পূর্বে a প্রিফিক্স যুক্ত হয়ে গঠিত হয়েছে যার অর্থ নৈতিকতাহীন।
- এখানে a একটি প্রিফিক্স হিসেবে কাজ করে মূল শব্দের অর্থের বিপরীত বা অভাব প্রকাশ করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) amoral — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) authentic — এটি একটি মূল শব্দ যার অর্থ প্রামাণিক বা আসল, এখানে কোনো প্রিফিক্স আলাদাভাবে যুক্ত নেই।
C) amnesia — এটি একটি একক মূল শব্দ যার অর্থ স্মৃতিভ্রম, এখানে a কোনো স্বাধীন প্রিফিক্স নয়।
D) aspersions — এটি root শব্দের সাথে sfx যুক্ত হয়ে গঠিত শব্দ, যেখানে আলাদা কোনো প্রিফিক্স নেই।
মনে রাখার টিপস:
মূল শব্দের আগে বসে অর্থের পরিবর্তন করলে তাকে প্রিফিক্স বলে, যেমন moral এর আগে a বসে amoral হয়েছে।
সঠিক উত্তর: A) preposition
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বাক্যে following শব্দটি একটি নাউন বা নাউন ফ্রেজের পূর্বে বসে সময়ের পরে বা পরবর্তীতে অর্থ প্রকাশ করেছে।
- preposition সাধারণত noun বা pronoun-এর পূর্বে বসে বাক্যের অন্য শব্দের সঙ্গে তার সম্পর্ক স্থাপন করে, যা এখানে ঘটেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) preposition — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে following শব্দটি noun phrase-এর পূর্বে বসে preposition হিসেবে কাজ করেছে।
B) adjective — এটি কোনো noun-কে সরাসরি মডিফাই করছে না বা তার গুণ প্রকাশ করছে না, তাই এটি adjective নয়।
C) adverb — এটি কোনো verb, adjective বা অন্য adverb-কে বিশেষিত করছে না, তাই এটি adverb হিসেবে কাজ করেনি।
D) noun — এটি বাক্যে কোনো নাম বা প্রধান বিষয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়নি, তাই এটি noun নয়।
মনে রাখার টিপস:
following শব্দটি যদি কোনো event বা সময়ের পরে অর্থ প্রকাশ করতে noun-এর আগে বসে, তবে তা preposition হিসেবে গণ্য হয়।
সঠিক উত্তর: D) short novel
কেন সঠিক:
চার্লস ডিকেন্সের এই বিখ্যাত সাহিত্যকর্মটি আকারে একটি উপন্যাসের চেয়ে ছোট কিন্তু গল্পের চেয়ে বড়। তাই একে ছোট উপন্যাস বা নভেলা হিসেবে গণ্য করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ballad - এটি কোনো গীতকাব্য বা গান নয়, বরং একটি গদ্য সাহিত্য।
B) sketch story - এটি কেবল সাধারণ কোনো স্কেচ গল্প নয়, এর গভীর ও বিস্তৃত পটভূমি রয়েছে।
C) historical novel - এটি কোনো ঐতিহাসিক উপন্যাস নয়, বরং এটি বড়দিনের পটভূমিতে লেখা একটি কাল্পনিক নৈতিকতামূলক গল্প।
D) short novel - এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি আকারে ছোট উপন্যাস বা নভেলা।
মনে রাখার টিপস:
চার্লস ডিকেন্সের ক্রিসমাস ক্যারল বড় কোনো উপন্যাস নয়, তাই এটি একটি short novel হিসেবে মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) Love, Affection
কেন সঠিক:
Love এবং Affection শব্দ দুটি একে অপরের সমার্থক বা একই অর্থ প্রকাশ করে।
বাকি সব অপশনে বিপরীতার্থক শব্দ বা সমার্থক নয় এমন শব্দ যুগল দেওয়া হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) False , True — এই শব্দ দুটি একে অপরের বিপরীতার্থক বা অ্যান্টোনিম।
B) Sharp , Blunt — এই শব্দ দুটিও একে অপরের বিপরীতার্থক বা অ্যান্টোনিম।
C) Love, Affection — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দুটি শব্দ সমার্থক।
D) Abundance , Scarcity — এই শব্দ দুটিও একে অপরের বিপরীতার্থক বা অ্যান্টোনিম।
মনে রাখার টিপস:
শব্দগুলোর অর্থ ভালো করে খেয়াল করতে হবে, কারণ বিপরীতার্থক শব্দের ভিড়ে সমার্থক শব্দই এখানে ভিন্ন হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
সঠিক উত্তর: D) ova
কেন সঠিক:
‘ovum’ শব্দটি ল্যাটিন ভাষা থেকে এসেছে এবং এর শেষে ‘um’ যুক্ত আছে।
ল্যাটিন নিয়মে এই ধরনের শব্দের শেষে থাকা ‘um’ বাদ দিয়ে ‘a’ যুক্ত করে বহুবচন করতে হয়।
তাই ‘ovum’ শব্দের সঠিক বহুবচন রূপ হলো ‘ova’।
এটি অনিয়মিত বা বিশেষ বহুবচনের একটি প্রচলিত উদাহরণ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ovams — এটি ভুল কারণ ল্যাটিন শব্দের শেষে ইংরেজি নিয়মে ‘s’ যোগ করে বহুবচন করা যায় না।
B) ovumes — এটি একটি সম্পূর্ণ ভুল গঠন এবং এর কোনো ব্যাকরণগত ভিত্তি নেই।
C) onums — এটি সঠিক শব্দের বানান পরিবর্তন করে ভুলভাবে তৈরি করা একটি অপশন।
D) ova — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল অপশনের তালিকায় এটি আসবে না।
মনে রাখার টিপস:
ল্যাটিন শব্দে ‘um’ থাকলে তা বাদ দিয়ে ‘a’ বসালে বহুবচন হয়, যেমন datum থেকে data এবং ovum থেকে ova।
সঠিক উত্তর: A) cure-all
কেন সঠিক:
Panacea শব্দের বাংলা অর্থ হলো সর্বরোগহর ঔষুধ বা সব সমস্যার একমাত্র সমাধান।
অপশন এ-তে থাকা cure-all শব্দটির অর্থ একই রকম যা সব রোগের নিরাময় বোঝায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) cure-all — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ সব সমস্যার সমাধান।
B) pancreatic — এটি অগ্ন্যাশয় সংক্রান্ত কোনো কিছু বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
C) widespread disease — এর অর্থ হলো ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়া কোনো রোগ বা মহামারী।
D) gland — এর বাংলা অর্থ হলো মানবদেহের কোনো গ্রন্থি বা অঙ্গ।
মনে রাখার টিপস:
Panacea শব্দটিকে Pan (সব) এবং Cure (নিরাময়) এভাবে মনে রাখতে পারো।
সঠিক উত্তর: B) an anarchist
কেন সঠিক:
an anarchist শব্দের অর্থ নৈরাজ্যবাদী, যিনি মনে করেন সমাজ চালাতে কোনো আইন বা সরকারের প্রয়োজন নেই।
এই ধরনের ব্যক্তি সমাজে কোনো ধরনের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ বা কর্তৃত্ব মানতে চান না।
প্রশ্নটিতে ঠিক এই বৈশিষ্ট্যের কথাই বলা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) a militant — এর অর্থ হলো যুদ্ধংদেহী বা উগ্রপন্থী, যারা নিজেদের মত প্রতিষ্ঠায় সশস্ত্র লড়াইয়ে বিশ্বাসী।
B) an anarchist — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়।
C) a terrorist — এর অর্থ হলো সন্ত্রাসী, যারা রাজনৈতিক বা মতাদর্শগত উদ্দেশ্যে সহিংসতা চালায়।
D) an extremist — এর অর্থ হলো চরমপন্থী, যারা কোনো বিষয়ে স্বাভাবিক সীমার বাইরে গিয়ে চরম অবস্থান নেন।
মনে রাখার টিপস:
anarchist শব্দের শুরুতে anar আছে, যা থেকে anarchy বা নৈরাজ্য কথাটি মনে রাখা সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: B) cooking
কেন সঠিক:
- Culinary শব্দটি ইংরেজি ভাষা ও ব্যাকরণ বিভাগের শব্দার্থ বা ভোকাবুলারি অংশের একটি প্রশ্ন।
- এই শব্দটির অর্থ রান্না বা রন্ধনসম্পর্কীয়, যা সরাসরি খাবার প্রস্তুতকরণের সাথে জড়িত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) printing — এটি মুদ্রণ বা ছাপার কাজের সাথে সম্পর্কিত, যা রান্নার সাথে মেলে না।
B) cooking — এটি রান্নাবিষয়ক বা রন্ধনকার্য বোঝায়, যা Culinary শব্দের সাথে পুরোপুরি মিল রয়েছে।
C) dress — এটি পোশাক বা পরিচ্ছদের সাথে সম্পর্কিত, যা রান্নার সাথে কোনোভাবেই যুক্ত নয়।
D) musical instruments — এটি বাদ্যযন্ত্রের সাথে সম্পর্কিত, যা রন্ধনশিল্পের বিপরীত একটি বিষয়।
মনে রাখার টিপস:
Culinary শব্দের শুরুতে থাকা Cook শব্দের সাথে মিল রেখে সহজেই মনে রাখা যায় এটি রান্নার সাথে সম্পর্কিত।
সঠিক উত্তর: D) noun
কেন সঠিক:
এখানে warning শব্দটি বাক্যের শুরুতে subject হিসেবে বসেছে এবং এর পূর্বে নির্দিষ্ট article the আছে।
English ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী article এবং preposition এর মাঝের শব্দটি সবসময় noun হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) adverb — এটি verb, adjective বা অন্য কোনো adverb-কে modify করে, যা এখানে warning করছে না।
B) adjective — এটি কোনো noun বা pronoun-এর দোষ, গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করে না।
C) verb — এটি বাক্যের মূল কাজ বোঝাচ্ছে না বরং নিজে একটি subject বা noun-এর কাজ করছে।
D) noun — এটি সঠিক কারণ এটি বাক্যের subject হিসেবে কাজ করছে।
মনে রাখার টিপস:
Article এবং preposition এর মাঝে কোনো শব্দ থাকলে চোখ বন্ধ করে সেটিকে noun ধরে নেবে।
সঠিক উত্তর: B) treat
কেন সঠিক:
হাসপাতালের মূল কাজ হলো রোগীদের চিকিৎসা সেবা প্রদান করা। ইংরেজিতে রোগীদের চিকিৎসা করা বোঝাতে treat শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) operate — এর অর্থ অপারেশন করা, যা সব রোগীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
B) treat — এটি সঠিক উত্তর।
C) admit — এর অর্থ ভর্তি করানো, যা হাসপাতালের মূল কাজ নয় বরং একটি প্রক্রিয়া।
D) nurse — এর অর্থ সেবা করা, তবে এটি নির্দিষ্ট কোনো চিকিৎসা পদ্ধতি বোঝায় না।
মনে রাখার টিপস:
হাসপাতাল সম্পর্কিত বাক্যে সাধারণত রোগীদের চিকিৎসা করা বোঝাতে treat ভারב ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: B) Plutocracy
কেন সঠিক:
Plutocracy শব্দের অর্থ হলো ধনীদের দ্বারা পরিচালিত সরকার বা শাসন ব্যবস্থা। প্রশ্নটিতে ধনী শ্রেণীর শাসন বোঝানোর জন্য এই সঠিক শব্দটি চাওয়া হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Oligarchy — এর অর্থ হলো অল্প কয়েকজন বিশেষ ব্যক্তির বা গোষ্ঠীর শাসন।
B) Plutocracy — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) Cryptocracy — এর অর্থ হলো গোপন বা আড়ালে থাকা কোনো শক্তির শাসন।
D) Aristocracy — এর অর্থ হলো কুলীন বা অভিজাত সম্প্রদায়ের শাসন।
মনে রাখার টিপস:
Pluto শব্দটি ধনসম্পদের সাথে সম্পর্কিত, তাই Plutocracy মানে ধনীদের শাসন।
সঠিক উত্তর: A) philanthropy
কেন সঠিক:
শব্দটির মূল উৎস গ্রীক শব্দ ফাইলো এবং অ্যান்த்্রোপ থেকে এসেছে। এর অর্থ মানবজাতির প্রতি গভীর ভালোবাসা এবং কল্যাণকামিতা।
এটি পুরো বিশ্বের মানুষের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়।
এটি বিশ্বজনীন বন্ধুত্বের ধারণাকে সমর্থন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) philanthropy — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক এবং এর অর্থ মানবপ্রেম।
B) misogyny — এই শব্দের অর্থ নারীদের প্রতি ঘৃণা বা বিদ্বেষ, যা প্রশ্নের সাথে মেলে না।
C) benevolence — এর অর্থ সাধারণভাবে দয়া বা কল্যাণ, কিন্তু এটি পুরো বিশ্বের প্রতি ভালোবাসার নির্দিষ্ট শব্দ নয়।
D) misanthropy — এই শব্দের অর্থ মানবজাতির প্রতি ঘৃণা বা বিরূপ মনোভাব, যা সঠিক উত্তরের বিপরীত।
মনে রাখার টিপস:
ফিল অর্থ ভালোবাসা এবং অ্যানথ্রোপ অর্থ মানুষ, তাই এই দুটি মিলে মানবপ্রেম বা philanthropy বোঝায়।
সঠিক উত্তর: A) Schizophrenia
কেন সঠিক:
এই শব্দটির শুরুতে এস সি এইচ আই (schi) এবং মাঝে জো ফ্রে নিয়া (zophrenia) যুক্ত হয়ে সঠিক বানান গঠিত হয়েছে।
চিকিৎসাবিজ্ঞানের এই জটিল মানসিক রোগের বানানটি মূলত গ্রিক মূল শব্দ থেকে এসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Schizophrenia — এটি সঠিক বানান হওয়ার কারণে এখানে কোনো ভুল নেই।
B) Seizophrania — এখানে শুরুর অংশে এস ই আই (sei) ভুলভাবে ব্যবহার করা হয়েছে।
C) Scizophrenia — এখানে সি এইচ (ch) এর আগে সঠিক এস (s) এর পর সি (c) বাদ পড়েছে।
D) Schizophrania — এখানে শেষাংশে ই এ (ea) এর পরিবর্তে এ (a) ভুলভাবে দেওয়া হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
বানানটি মনে রাখতে শিয (schizo) এবং ফ্রেনিয়া (phrenia) এই দুটি অংশ আলাদা করে মুখস্থ করতে পারো।
সঠিক উত্তর: C) put one to sleep
কেন সঠিক:
- Soporific শব্দটির অর্থ ঘুম উদ্রেককারী বা নিদ্রাকর্ষক।
- তাই একটি soporific বক্তৃর্তা শ্রোতাদের মধ্যে ক্লান্তি বা ঘুম ভাব তৈরি করার সম্ভাবনা বেশি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) be incomprehensible — Incomprehensible অর্থ যা বোধগম্য নয়, কিন্তু soporific শব্দের সরাসরি অর্থ ঘুম আনা, বোধহীনতা নয়।
B) appeal primarily to emotions — আবেগকে জাগ্রত করা soporific শব্দের অর্থ নয়, বরং এটি শান্ত বা ক্লান্ত করে দেয়।
C) put one to sleep — এই অপশনটি সঠিক কারণ soporific শব্দের মূল অর্থই হলো ঘুম আনয়নকারী।
D) stimulate action — Stimulate action অর্থ কাজ বা কার্যক্রমে উদ্বুদ্ধ করা, যা ঘুম উদ্রেককারী বক্তব্যের ঠিক বিপরীত।
মনে রাখার টিপস:
Soporific শব্দটিকে Sleep শব্দের সাথে মিলিয়ে মনে রাখতে পারো, কারণ দুটির অর্থই ঘুমের সাথে সম্পর্কিত।
সঠিক উত্তর: D) would have invited you to come in
কেন সঠিক:
এটি তৃতীয়Conditional বা অতীতের অসম্ভব শর্তের বাক্য। বাক্যের শুরুতে Had থাকলে পরের অংশে would have এর সাথে মূল verb এর past participle বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) had invited you to come in — বাক্যটিতে past perfect tense ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক নয়।
B) would invite you to come in — এখানে would এর পরে present form ব্যবহার করা হয়েছে যা প্রথম বা দ্বিতীয় conditional এর নিয়ম।
C) would be inviting you to come in — এখানে continuous tense ব্যবহার করা হয়েছে যা এই নিয়মের সাথে মিলে না।
D) সঠিক উত্তর হওয়ার কারণে এটি ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
Had দিয়ে বাক্য শুরু হলে এবং পরের অংশে verb এর ৩য় রূপ থাকলে উত্তর করার সময় সর্বদা would have + v৩ নির্বাচন করবে।
সঠিক উত্তর: D) flower
কেন সঠিক:
‘Florid’ শব্দটির উৎপত্তি ল্যাটিন শব্দ ‘floris’ থেকে যার অর্থ ফুল।
তাই এটি সরাসরি ফুলের সাথে সম্পর্কিত।
এটি কোনো স্থান বা বস্তুকে নির্দেশ করে না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) flour — এটি অর্থ ময়দা বা আটা, যা রান্নার কাজে ব্যবহৃত হয়।
B) foliage — এটি গাছের পাতা বা সবুজ পত্ররাজিকে বোঝায়।
C) floor — এটি ঘরের মেঝে বা ভূতল বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
D) flower — এটি সঠিক কারণ এর মূল অর্থ ফুল।
মনে রাখার টিপস:
‘Florid’ শব্দটির শুরুতে থাকা ‘flor’ অংশটি দেখলে ফুল বা ‘flower’ কথাটি মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: D) no article, a
কেন সঠিক:
হাসপাতালে রোগী হিসেবে চিকিৎসার জন্য গেলে তার আগে কোনো article বসে না। তাই প্রথম শূন্যস্থানে কোনো article হবে না।
heart attack একটি সাধারণ রোগ এবং এর উচ্চারণ consonant sound দিয়ে শুরু হওয়ায় তার আগে a বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) no article, an — এখানে দ্বিতীয় শূন্যস্থানে an ব্যবহার করা হয়েছে যা ভুল কারণ heart শব্দের উচ্চারণ consonant sound দিয়ে শুরু হয়।
B) a, an — এখানে প্রথম শূন্যস্থানে a ব্যবহার করা হয়েছে যা ভুল কারণ নিয়মিত চিকিৎসার উদ্দেশ্যে হাসপাতালে গেলে article বসে না।
C) the, no article — এখানে প্রথম শূন্যস্থানে the ব্যবহার করা হয়েছে যা নির্দিষ্ট কোনো হাসপাতাল বোঝাতে ব্যবহৃত হয় কিন্তু এখানে সাধারণ অর্থে বলা হয়েছে।
D) সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি প্রযোজ্য।
মনে রাখার টিপস:
নিয়মিত উদ্দেশ্যে হাসপাতালে গেলে no article বসে এবং সাধারণ রোগের নামের আগে a বসে।
সঠিক উত্তর: A) ৭.২ সেমি
প্রদত্ত তথ্য:
আয়তক্ষেত্রের আদি দৈর্ঘ্য = ১৮ সেমি এবং আদি প্রস্থ = ১০ সেমি
পরিবর্তিত আয়তক্ষেত্রের নতুন দৈর্ঘ্য = ২৫ সেমি
ধরি,
আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল অপরিবর্তিত রাখতে নতুন প্রস্থ = ক সেমি
অতএব,
আদি আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = ১৮ × ১০ বর্গ সেমি = ১৮০ বর্গ সেমি
নতুন আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = ২৫ × ক বর্গ সেমি
শর্তমতে,
২৫ × ক = ১৮০
সুতরাং,
ক = ১৮০ ÷ ২৫ = ৭.২
উত্তর: ৭.২ সেমি
সঠিক উত্তর: A) ৪৭
প্রদত্ত তথ্য:
অপশনে দেওয়া সংখ্যাগুলো হলো সাতচল্লিশ, সাতাশি, একানব্বই এবং একষট্টি
ধরি,
সংখ্যাগুলো ১ এবং ওই সংখ্যা ছাড়া অন্য কোনো সংখ্যা দ্বারা বিভাজ্য কি না তা পরীক্ষা করি
অতএব,
সাতাশি সংখ্যাটি ৩ দ্বারা বিভাজ্য কারণ এর অংকগুলোর যোগফল পনেরো
একানব্বই সংখ্যাটি ৭ এবং তেরো দ্বারা বিভাজ্য কারণ সাত গুণ তেরো সমান একানব্বই
সুতরাং,
একষট্টি সংখ্যাটি এগারো এবং তেরো দ্বারা বিভাজ্য কারণ এগারো গুণ তেরো সমান একষট্টি
উত্তর: ৪৭
সঠিক উত্তর: D) ১২০°
প্রদত্ত তথ্য:
ঘড়িতে সময় ৮ টা বাজে
ঘণ্টার কাঁটা এবং মিনিটের কাঁটার অবস্থান নির্দেশ করতে হবে
ধরি,
ঘড়ির সম্পূর্ণ বৃত্তের কোণ = ৩৬০ ডিগ্রি
ঘড়িতে মোট ঘণ্টার ঘর আছে = ১২ টি
অতএব,
প্রতিটি ঘণ্টার ঘরের জন্য কোণ = ৩৬০ ডিগ্রি ÷ ১২ = ৩০ ডিগ্রি
৮ টা বাজার সময় মিনিটের কাঁটা থাকে ১২ এর ঘরে
ঘণ্টার কাঁটা থাকে ৮ এর ঘরে
সুতরাং,
৮ টা বাজার সময় কাঁটা দুটির মধ্যবর্তী ঘরের সংখ্যা = ৮ − ০ = ৮ টি
মধ্যবর্তী কোণ = ৮ × ৩০ ডিগ্রি = ২৪০ ডিগ্রি
উত্তর: ৩৬০ ডিগ্রি − ২৪০ ডিগ্রি = ১২০ ডিগ্রি
সঠিক উত্তর: A) ৯তম পদ
প্রدত্ত তথ্য:
ধারাটির প্রথম পদ, a = ১ ÷ √২
ধারাটির সাধারণ অনুপাত, r = ১ ÷ (১ ÷ √২) = √২
ধরি,
ধারাটির n-তম পদ = ৮√২
আমরা জানি, n-তম পদ = a × r^(n−1)
অতএব,
(১ ÷ √২) × (√২)^(n−1) = ৮√২
(√২)^(n−1) = ৮√২ × √২
দ্বিতীয় হিসাব:
(√২)^(n−1) = ৮ × ২
(√২)^(n−1) = ১৬
তৃতীয় হিসাব:
(√২)^(n−1) = (√২)^৮
অতএব, n − ১ = ৮
সুতরাং,
n = ৮ + ১
n = ৯
উত্তর: ৯তম পদ
সঠিক উত্তর: B) ৫/৮
প্রদত্ত তথ্য:
চারটি ভগ্নাংশ দেওয়া হলো ৩/৫, ৫/৮, ৬/১১ এবং ৮/১৪
এদের মধ্যে কোনটি বৃহত্তম তা নির্ণয় করতে হবে
ধরি,
প্রথম দুটি ভগ্নাংশ তুলনা করে পাই ৩/৫ এবং ৫/৮
ক্রস গুণ করে পাই ২৪ এবং ২৫
অতএব,
এখানে ২৫ বড় হওয়ায় ৫/৮ ভগ্নাংশটি ৩/৫ অপেক্ষা বড়
একইভাবে বাকি ভগ্নাংশগুলোর সাথে তুলনা করতে হবে
সুতরাং,
সবগুলোর মধ্যে দশমিক মানে হিসাব করলে ৫/৮ এর মান সবচেয়ে বেশি হয়
উত্তর: B) ৫/৮
সঠিক উত্তর: A) ০.০০০৬৪
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম সংখ্যা = ০.৪
দ্বিতীয় সংখ্যা = ০.০২
তৃতীয় সংখ্যা = ০.০৮
ধরি,
রাশি তিনটি গুণ করতে হবে
দশমিক বাদে সংখ্যাগুলো হলো চার, দুই এবং আট
অতএব,
চার এবং দুই গুণ করলে হয় আট
আটকে আট দিয়ে গুণ করলে হয় চৌষট্টি
গুণফলের মোট দশমিক ঘরের সংখ্যা ছয়টি
সুতরাং,
চৌষট্টি এর আগে চারটি শূন্য বসাতে হবে
ফলাফল হবে শূন্য দশমিক শূন্য শূন্য শূন্য ছয় চার
উত্তর: ০.০০০৬৪
সঠিক উত্তর: C) ০ < x < ১
প্রদত্ত তথ্য:
অসমতাটি হলো পরম মান ১ − ২x এর মান ১ এর চেয়ে ছোট।
পরম মানের নিয়ম অনুসারে লেখা যায় −১ < ১ − ২x < ১।
ধরি,
অসমতাটির বামপক্ষ হলো −১ < ১ − ২x
অসমতাটির ডানপক্ষ হলো ১ − ২x < ১
অতএব,
বামপক্ষের সমাধান করার জন্য সব পক্ষে ১ বিয়োগ করি।
ফলে পাই −২ < −২x এবং ডানপক্ষে পাই −২x < ০।
সুতরাং,
উভয় পক্ষকে −২ দ্বারা ভাগ করলে অসমতার চিহ্ন বদলে যায়।
ফলে চূড়ান্ত সমাধান পাওয়া যায় ০ < x < ১।
উত্তর: ০ < x < ১
সঠিক উত্তর: A) ২৪২৮
প্রদত্ত তথ্য:
২ × ৩ = ৮১২
৪ × ৫ = ১৬২০
ধরি,
প্রথম সংখ্যাটিকে ৪ দিয়ে গুণ করা হলো
দ্বিতীয় সংখ্যাটিকে ৪ দিয়ে গুণ করা হলো
অতএব,
২ × ৪ = ৮
৩ × ৪ = ১২
সুতরাং,
৮ এবং ১২ পাশাপাশি লিখে সংখ্যাটি হলো ৮১২
উত্তর: ২৪২৮
সঠিক উত্তর: B) −৩
প্রدত্ত তথ্য:
সমীকরণটি হলো ১২৫ গুণ (√৫)এর পাওয়ার ২x = ১
ধরি,
ভিত্তি ৫ এ রূপান্তর করতে হবে
অতএব,
১২৫ সমান ৫ এর কিউব
এবং √৫ সমান ৫ এর পাওয়ার ১ ভাগ ২
সুতরাং,
৫ এর পাওয়ার ৩ গুণ ৫ এর পাওয়ার x সমান ১
উত্তর: x সমান −৩
সঠিক উত্তর: D) ১,২,৩,৪
প্রদত্ত তথ্য:
সেটটি হলো C সমান ব্র্যাকেটের মধ্যে x যেন x ঋণাত্মক পূর্ণসংখ্যা এবং x এর উপর বর্গ ছোট ১৮
ধরি,
ঋণাত্মক পূর্ণসংখ্যা বলতে এখানে ধনাত্মক পূর্ণসংখ্যা বোঝানো হয়েছে
যেহেতু প্রশ্নে ঋণাত্মক বলা হলেও অপশনগুলোতে ধনাত্মক সংখ্যা রয়েছে তাই ধনাত্মক সংখ্যা নিয়ে হিসাব করতে হবে
অতএব,
১ এর বর্গ সমান ১ যা ১৮ অপেক্ষা ছোট
২ এর বর্গ সমান ৪ যা ১৮ অপেক্ষা ছোট
৩ এর বর্গ সমান ৯ যা ১৮ অপেক্ষা ছোট
সুতরাং,
৪ এর বর্গ সমান ১৬ যা ১৮ অপেক্ষা ছোট কিন্তু ৫ এর বর্গ সমান ২৫ যা ১৮ অপেক্ষা বড়
উত্তর: ১, ২, ৩, ৪
সঠিক উত্তর: C) ১০ ফুট
প্রদত্ত তথ্য:
লোকটি প্রথমে A অবস্থান থেকে ডান দিকে ১০ ফুট হাঁটল
অতঃপর বাম দিকে ২০ ফুট হাঁটল
ধরি,
প্রাথমিক অবস্থান A এবং পূর্ব দিক বরাবর ডান দিক হিসাব করা হলো
উত্তর দিক বরাবর প্রথম বাম হাঁটার হিসাব ধরা হলো
অতএব,
পূর্ব দিকে সরণ = ১০ ফুট
উত্তর দিকে সরণ = ২০ ফুট
পশ্চিম দিকে সরণ = ২০ ফুট
সুতরাং,
দক্ষিণ দিকে সরণ = ২০ ফুট
A ও B এর মধ্যকার সরলরৈখিক দূরত্ব = ২০ − ১০ = ১০ ফুট
উত্তর: ১০ ফুট
সঠিক উত্তর: A) −(৩÷২) < x < −১
প্রদত্ত তথ্য:
অসমতাটি হলো ২x² + ৫x + ৩ < ০
ধরি,
রাশিটিকে উৎপাদকে বিশ্লেষণ করতে হবে
মধ্যপদ ভেঙে পাই ২x² + ২x + ৩x + ৩ < ০
অতএব,
২x(x + ১) + ৩(x + ১) < ০
(২x + ৩)(x + ১) < ০
সুতরাং,
x এর মান −(৩÷২) এবং −১ এর মধ্যে হবে
উত্তর: −(৩÷২) < x < −১
সঠিক উত্তর: A) ৪
প্রদত্ত তথ্য:
সংখ্যা দুটির অনুপাত ৭ অনুপাত ৫
সংখ্যা দুটির লসাগু ১৪০
ধরি,
প্রথম সংখ্যাটি = ৭ক
দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৫ক
এখানে ক হলো সংখ্যা দুটির গসাগু
অতএব,
সংখ্যা দুটির লসাগু = ৭ × ৫ × ক = ৩৫ক
শর্তমতে, ৩৫ক = ১৪০
সুতরাং,
ক = ১৪০ ÷ ৩৫
ক = ৪
উত্তর: ৪
সঠিক উত্তর: C) ৪০৩০
প্রদত্ত তথ্য:
৯ গুণ ৭ সমান ৩৫৪৫
৪ গুণ ৩ সমান ১৫২০
ধরি,
প্রথম সংখ্যা এবং দ্বিতীয় সংখ্যার গুণফলের নিয়মটি লক্ষ করতে হবে
অতএব,
প্রথম অংশের জন্য ৯ গুণ ৫ সমান ৪৫ এবং ৯ গুণ ৪ সমান ৩৬ এর কাছাকাছি হিসাবটি খেয়াল করি
প্রথম সংখ্যা ৯ থেকে ১ বিয়োগ করলে ৮ এবং ৭ গুণ করলে ৫৬ হয়, এভাবে নয়
সুতরাং,
নয় গুণ পাঁচ সমান পঁয়তাল্লিশ এবং নয় গুণ চার সমান ছত্রিশ, এভাবে প্রথম সংখ্যাটি ভাঙতে হবে
৯ গুণ ৫ সমান ৪৫ এবং ৯ গুণ ৪ সমান ৩৬, এখানে প্রথম সংখ্যা ৫ এবং পরের অংশ ৩৬
খুব সহজভাবে, প্রথম সংখ্যার সাথে ৫ গুণ করে শেষের অংশ এবং ৫ গুণ করে পরের অংশ বসানো হয়েছে
৯ গুণ ৫ সমান ৪৫ এবং ৯ গুণ ৪ সমান ৩৬
৪ গুণ ৫ সমান ২০ এবং ৪ গুণ ৩ সমান ১২
অতএব,
৬ গুণ ৮ এর ক্ষেত্রে, ৮ গুণ ৫ সমান ৪০ এবং ৬ গুণ ৫ সমান ৩০
সংখ্যা দুটি পাশাপাশি বসালে ৪০৩০ হয়
উত্তর: ৪০৩০
সঠিক উত্তর: D) ১৮
প্রদত্ত তথ্য:
এখানে কম্বিনেশনের সূত্র ব্যবহার করতে হবে
সমীকরণটি হলো nC১২ = nC৬
ধরি,
কম্বিনেশনের সাধারণ নিয়ম প্রযোজ্য হবে
নিয়মটি হলো nCr = nCp হলে হয় r = p অথবা r + p = n
এখানে r এর মান ১২ এবং p এর মান ৬
অতএব,
যেহেতু ১২ এবং ৬ সমান নয়
তাই দ্বিতীয় শর্তটি ব্যবহার করতে হবে
শর্তটি হলো r + p = n
সুতরাং,
এখানে ১২ এবং ৬ যোগ করতে হবে
যোগফল হবে ১২ + ৬ = ১৮
উত্তর: ১৮
সঠিক উত্তর: A) রাষ্ট্রপতি
১. কেন সঠিক:
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী দেশের প্রধান বিচারপতিকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ প্রদান করেন।
সংবিধানের ৯৫ অনুচ্ছেদের (১) দফায় প্রধান বিচারপতি নিয়োগের এই ক্ষমতার বিধান স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
২. সংবিধান ও আইন:
সংবিধান অনুযায়ী:
বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৫ অনুচ্ছেদের (১) দফায় বলা হয়েছে, প্রধান বিচারপতি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হইবেন এবং প্রধান বিচারপতির সহিত পরামর্শ করিয়া রাষ্ট্রপতি অন্যান্য বিচারককে নিয়োগদান করিবেন।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আপিল বিভাগের বিচারক নিয়োগ
ব্যাখ্যা: প্রধান বিচারপতির মতো সুপ্রিম কোর্টের আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের অন্যান্য বিচারকগণকেও রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দিয়ে থাকেন।
উদাহরণ ২: সাংবিধানিক পদসমূহ
ব্যাখ্যা: বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী, প্রধান বিচারপতি, মন্ত্রিপরিষদ ও অন্যান্য সাংবিধানিক পদে নিয়োগ প্রদান করেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাষ্ট্রপতি — এটি সঠিক উত্তর কারণ সংবিধান অনুযায়ী প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষমতা একমাত্র রাষ্ট্রপতির ওপর ন্যস্ত।
B) জাতীয় সংসদ — জাতীয় সংসদ আইন প্রণয়নকারী সর্বোচ্চ অঙ্গপ্রতিষ্ঠান এবং এটি বিচারক নিয়োগের সাথে সরাসরি জড়িত নয়।
C) প্রধানমন্ত্রী — প্রধানমন্ত্রী সরকারপ্রধান এবং তিনি প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্রে পরামর্শ দিতে পারেন কিন্তু নিজে নিয়োগ দেন না।
D) স্পীকার — স্পীকার জাতীয় সংসদের অধিবেশন পরিচালনা করেন এবং বিচারক নিয়োগ বা বিচার বিভাগের প্রশাসনিক কাজের সাথে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
সংবিধানের ৯৫ অনুচ্ছেদ মনে রাখুন যেখানে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রধান বিচারপতি নিয়োগের কথা বলা হয়েছে।
বিচার বিভাগের শীর্ষ পদে নিয়োগ সবসময় রাষ্ট্রপতির নির্বাহী ক্ষমতার অংশ হিসেবে গণ্য করা হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি কত বছর বয়স পর্যন্ত নিজ পদে বহাল থাকতে পারেন তা সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদ থেকে জেনে রাখা জরুরি।
এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় সংবিধানের অনুচ্ছেদভিত্তিক প্রশ্নে প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: B) ৮.১৫ শতাংশ
প্রদত্ত তথ্য:
অর্থবছর হলো ২০১৮-১৯
জিডিপির প্রক্ষেপিত প্রবৃদ্ধির হার জানতে চাওয়া হয়েছে
ধরি,
বাজেট দলিল অনুযায়ী লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারিত হয়েছিল
এই লক্ষ্যমাত্রা ছিল সামষ্টিক অর্থনীতির কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে
অতএব,
অর্থনীতিবিদদের প্রাক্কলন বিবেচনা করা হয়েছিল
বিনিয়োগ ও রপ্তানি বৃদ্ধির হার হিসাব করা হয়েছিল
সুতরাং,
সর্বমোট জিডিপি প্রবৃদ্ধির প্রক্ষেপণ নির্ধারণ করা হয়েছিল
উত্তর: ৮.১৫ শতাংশ
সঠিক উত্তর: D) অনুচ্ছেদ ২২
১. কেন সঠিক:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ২২ অনুচ্ছেদে রাষ্টری নির্বাহী অঙ্গ থেকে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণের কথা স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে।
- এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্র রাষ্ট্রের নির্বাহী অঙ্গ হইতে বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ নিশ্চিত করিবে।
২. সংবিধান ও আইন:
- সংবিধানের মূলনীতি: বাংলাদেশের সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতির মধ্যে অনুচ্ছেদ ২১ থেকে ২৫ পর্যন্ত বিভিন্ন নির্দেশিকা রয়েছে।
- ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: দীর্ঘ আইনি লড়াই ও মাসদার হোসেন মামলার রায়ের পর ২০০৭ সালের ১ নভেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথক করা হয়।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মাজদার হোসেন মামলা
ব্যাখ্যা: ১৯৯৯ সালে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণের দাবিতে সুপ্রিম কোর্টের সহকারী জজ এস কে সিনহা ও অন্যান্যদের করা এই মামলার ঐতিহাসিক রায়ের ভিত্তিতেই পৃথকীকরণের পথ প্রশস্ত হয়।
উদাহরণ ২: ২০০৭ সালের ১ নভেম্বর
ব্যাখ্যা: এই দিনে বিচার বিভাগকে নির্বাহী বিভাগ থেকে সম্পূর্ণ আলাদা করে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেসি চালু করা হয় যা প্রশাসনিক প্রভাবমুক্ত বিচার নিশ্চিত করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অনুচ্ছেদ ২৩ — এই অনুচ্ছেদে রাষ্ট্র কর্তৃক ঐতিহাসিক ও জাতীয় স্মারক রক্ষা ও উন্নয়নের কথা বলা হয়েছে।
B) অনুচ্ছেদ ২৪ — এই অনুচ্ছেদে প্রজাতন্ত্রের বিশেষ গুরুত্বসম্পন্ন বস্তু বা স্মারক সংরক্ষণের বিধান রয়েছে।
C) অনুচ্ছেদ ২১ — এই অনুচ্ছেদে সব সময়ে জনগণের সেবা করার চেষ্টা করা প্রজাতন্ত্রের কর্মকতাদেও কর্তব্য বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
D) অনুচ্ছেদ ২২ — এই অনুচ্ছেদটি নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথকীকরণের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত এবং এটিই সঠিক উত্তর।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সংবিধানের মৌলিক অধিকার বা মূলনীতির অনুচ্ছেদগুলো মনে রাখার জন্য ২২ সংখ্যাটিকে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা হিসেবে মনে রাখতে পারেন।
- ২১ অনুচ্ছেদ মানে জনগণের সেবা আর ২২ অনুচ্ছেদ মানে বিচার বিভাগ আলাদা করা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি সংবিধানের অনুচ্ছেদ এবং বিচার বিভাগীয় পৃথকীকরণ সংক্রান্ত আইনের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- এই ধরনের প্রশ্ন থেকে প্রায়ই মাসদার হোসেন মামলার সাল বা তারিখ সম্পর্কিত প্রশ্নও আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: B) ২৫ বছর
১. কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের সংবিধান ও নির্বাচন কমিশনের আইন অনুযায়ী জাতীয় সংসদ সদস্য হওয়ার ন্যূনতম বয়স ২৫ বছর নির্ধারণ করা হয়েছে।
- প্রধানমন্ত্রী হতে হলে সংসদ সদস্য হওয়ার যোগ্যতা থাকতে হয়, তাই প্রধানমন্ত্রীর বয়সও অন্তত ২৫ বছর হতে হবে।
২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য:
- সংবিধান ও আইন: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদে সংসদ সদস্য পদের যোগ্যতার বিষয়ে বলা হয়েছে।
- তাৎপর্য ও ফলাফল: এই বিধানের মাধ্যমে তরুণ সমাজের জন্য রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ নীত নির্ধারণী পর্যায়ে অংশগ্রহণের পথ সুগম করা হয়েছে।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাংলাদেশের সংবিধান
ব্যাখ্যা: সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ২৫ বছর বয়স পূর্ণ হলে যে কেউ সংসদ সদস্য পদের জন্য যোগ্য বলে বিবেচিত হন।
উদাহরণ ২: সংসদীয় গণতন্ত্র
ব্যাখ্যা: সংসদীয় শাসনব্যবস্থায় সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের প্রধান হিসেবে যিনি প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন, তাকেও আইনগতভাবে সংসদ সদস্য হতে হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৩৫ বছর — এই বয়সসীমা বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি পদের প্রার্থীর জন্য নির্ধারিত, প্রধানমন্ত্রীর জন্য নয়।
B) ২৫ বছর — এটি জাতীয় সংসদ সদস্য ও প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য নির্ধারিত সঠিক ন্যূনতম বয়স।
C) ২০ বছর — এই বয়সে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার কোনো সাংবিধানিক সুযোগ নেই।
D) ৩০ বছর — এই বয়সসীমা সাধারণত বাংলাদেশের উচ্চকক্ষ বা নির্দিষ্ট কিছু স্থানীয় সরকারের পদের জন্য ভাবা হলেও সাধারণ সংসদ নির্বাচনের জন্য প্রযোজ্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং প্রধানমন্ত্রী পদের বয়সসীমা মনে রাখার সহজ উপায় হলো পঁচিশ সংখ্যাটি মনে রাখা।
- রাষ্ট্রপতি পদের বয়স পঁয়ত্রিশ বছর এবং সংসদ সদস্য পদের বয়স পঁচিশ বছর এভাবে তুলনামূলকভাবে মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বয়সসীমা সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
- সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদ ভালোভাবে পড়লে সংসদ সদস্য হওয়ার অযোগ্যতা ও যোগ্যতার বিষয়টি স্পষ্ট হবে।
সঠিক উত্তর: B) প্লাস্টিক দূষণকে পরাজিত করি
১. কেন সঠিক:
- ২০১৮ সালের বিশ্ব পরিবেশ দিবসের মূল প্রতিপাদ্য ছিল প্লাস্টিক দূষণ প্রতিরোধ করা এবং এর ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে বিশ্ববাসীকে সচেতন করা।
- পরিবেশ অধিদপ্তর ও আন্তর্জাতিক পরিবেশ সংস্থার তথ্যানুযায়ী ২০১৮ সালের এই প্রতিপাদ্য বিশ্বজুড়ে একক ব্যবহার্য প্লাস্টিক বর্জ্য হ্রাসের ওপর জোর দিয়েছিল।
২. পরিবেশগত প্রেক্ষাপট:
- প্রতি বছর ৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হয় এবং সে বছর দিবসটির স্বাগতিক দেশ ছিল ভারত।
- এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য ছিল মানবজীবন ও প্রকৃতির জন্য হুমকিস্বরূপ প্লাস্টিক দূষণ রোধে কার্যকর বৈশ্বিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাংলাদেশ সরকার ২০২০ সালে শপিং ব্যাগের বিকল্প হিসেবে পাটজাত পণ্যের ব্যবহার বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগ নেয়।
ব্যাখ্যা: এটি প্লাস্টিক দূষণ রোধে দেশের ভেতরে নেওয়া একটি বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ যা পরিবেশ সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
উদাহরণ ২: বিশ্ব পরিবেশ দিবস ১৯৭২ সাল থেকে জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচির অধীনে নিয়মিত পালিত হয়ে আসছে।
ব্যাখ্যা: এর মাধ্যমে প্রতি বছর পরিবেশের ভিন্ন ভিন্ন সমসাময়িক সংকট যেমন জলবায়ু পরিবর্তন বা প্লাস্টিক দূষণ বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জলবায়ু উষ্ণতা প্রতিরোধ তহবিল গড়ি — এটি ২০১৮ সালের মূল বিশ্ব পরিবেশ দিবসের নির্দিষ্ট প্রতিপাদ্য ছিল না।
C) সবুজ বিশ্ব গড়ে তুলি — এই বাক্যটি সাধারণ পরিবেশ সচেতনতামূলক হলেও এটি ২০১৮ সালের নির্ধারিত প্রতিপাদ্য ছিল না।
D) জলবায়ু উষ্ণতাকে রুখে দেই — এটি জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক স্লোগান হলেও ২০১৮ সালের বিশ্ব পরিবেশ দিবসের সরকারি প্রতিপাদ্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ২০১৮ সালে পরিবেশের প্রধান শত্রু হিসেবে প্লাস্টিককে চিহ্নিত করা হয়েছিল এবং প্রতিপাদ্য ছিল প্লাস্টিক দূষণকে পরাজিত করি।
- পরিবেশ দিবসের প্রতিপাদ্যগুলো সাধারণত বর্তমান সময়ের সবচেয়ে বড় পরিবেশগত সংকটকে লক্ষ্য করে নির্ধারণ করা হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিশ্ব পরিবেশ দিবস কবে পালিত হয় এবং এর প্রতিষ্ঠাকাল সম্পর্কে প্রায়শই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য সাম্প্রতিক বছরগুলোর পরিবেশ দিবসের প্রতিপাদ্য এবং স্বাগতিক দেশগুলোর নাম মুখস্থ রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: A) ৭টি
১. কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের সংবিধানে বর্তমানে মোট ৭টি তফসিল বা সংযোজনী রয়েছে।
- সংবিধানের শেষভাগে বিভিন্ন আইন, আদেশ এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াদি বিস্তারিতভাবে যুক্ত করার জন্য তফসিলগুলো ব্যবহার করা হয়েছে।
২. সংবিধান ও আইন:
- সংবিধানের পরিশিষ্ট বা শেষাংশে এই ৭টি তফসিল অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
- মূল সংবিধানে ৪টি তফসিল ছিল, যা পরবর্তীতে বিভিন্ন সংশোধনীর মাধ্যমে বাড়িয়ে ৭টিতে উন্নীত করা হয়েছে।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: প্রথম তফসিল
ব্যাখ্যা: সংবিধানের প্রথম তফসিলে অন্যান্য বিধান সাপেক্ষে যেসব আইনের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা হয়েছে তার তালিকা রয়েছে।
উদাহরণ ২: সপ্তম তফসিল
ব্যাখ্যা: সপ্তম তফসিলে ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ এবং স্বাধীনতার ঘোষণা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৭টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলাদেশের সংবিধানে বর্তমানে এই সংখ্যাটিই কার্যকর রয়েছে।
B) ৮টি — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ আমাদের সংবিধানে কখনো আটটি তফসিল ছিল না।
C) ৫টি — মূল সংবিধানে চারটি তফসিল ছিল, তাই পঞ্চম তফসিল একা কোনো সঠিক সংখ্যা নির্দেশ করে না।
D) ৬টি — এই সংখ্যাটি ভুল এবং সাংবিধানিক বিধানের সঙ্গে মেলে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সংবিধানের মূল ৪টি তফসিলে পরে আরও ৩টি যুক্ত হয়ে মোট ৭টি হয়েছে।
- ৪ + ৩ = ৭ এই সহজ সমীকরণটি মনে রাখলে পরীক্ষাও ভুল হবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সংবিধানের তফসিল, অনুচ্ছেদ এবং সংশোধনী থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- মূল সংবিধানে কয়টি তফসিল ছিল এবং বর্তমানে কয়টি আছে, তা ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) মধ্য আমেরিকা
১. কেন সঠিক:
মায়া সভ্যতা বিশ্বের মধ্য আমেরিকা অঞ্চলে গড়ে ওঠা একটি অন্যতম প্রাচীন ও অত্যন্ত উন্নত আদিবাসী সভ্যতা।
এই সভ্যতা বর্তমানের মেক্সিকো, গুয়াতেমালা, বেলিজ, হন্ডুরাস এবং এল সালভাদর অঞ্চলজুড়ে বিস্তৃত ছিল।
২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য:
ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: প্রাচীন বিশ্বসভ্যতাগুলোর মধ্যে মায়া সভ্যতা তাদের উন্নত গণিত, লিখন পদ্ধতি, ক্যালেন্ডার এবং স্থাপত্যের জন্য বিখ্যাত ছিল।
তাৎপর্য ও ফলাফল: এই অঞ্চলের বাসিন্দারা ক্রান্তীয় বৃষ্টিঅঞ্চল ও দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় চমৎকার নগর পরিকল্পনা গড়ে তুলেছিল।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মহাস্থানগড়
ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের প্রাচীনতম ঐতিহাসিক ও নগর সভ্যতার নিদর্শন, যা মায়া সভ্যতার মতো প্রাচীন জনবসতির ইতিহাস মনে করিয়ে দেয়।
উদাহরণ ২: পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার
ব্যাখ্যা: এটি প্রাচীন বাংলার স্থাপত্যকলার এক অনন্য নিদর্শন, যা প্রাচীন সভ্যতার মানুষের প্রকৌশলবিদ্যার উৎকর্ষ প্রকাশ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পূর্ব এশিয়া — এই অঞ্চলে চীন, জাপান ও কোরিয়ার মতো প্রাচীন সভ্যতা বিকশিত হয়েছিল, মায়া সভ্যতা নয়।
B) মধ্য আমেরিকা — এটি সঠিক উত্তর কারণ মায়া সভ্যতার মূল কেন্দ্র ছিল এই অঞ্চলে।
C) মধ্যপ্রাচ্য — এই অঞ্চলে মেসোপটেমিয়া ও সুমেরীয় সভ্যতা গড়ে উঠেছিল, মধ্য আমেরিকা নয়।
D) পূর্ব আফ্রিকা — এই অঞ্চলে প্রাচীন মিসরীয় সভ্যতার প্রভাব এবং মানব ইতিহাসের সূতিকাগার অবস্থিত।
৫ মনে রাখার টিপস:
মায়া সভ্যতা মনে রাখতে মধ্য আমেরিকা শব্দটি মাথায় রাখবে।
মেক্সিকোর ম এবং মধ্য আমেরিকার ম দিয়ে এটি সহজে মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিশ্বের প্রাচীন সভ্যতাগুলো কোন অঞ্চলে গড়ে উঠেছিল তা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
ইনকা সভ্যতা দক্ষিণ আমেরিকা এবং অ্যাজটেক সভ্যতা মেক্সিকোতে গড়ে উঠেছিল, যা মায়া সভ্যতার সঙ্গে মিলিয়ে ফেলা যাবে না।
সঠিক উত্তর: B) এমডিজি অ্যাওয়ার্ড ২০১০
১. কেন সঠিক:
- সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বিশেষ করে শিশুমৃত্যুর হার হ্রাসের ক্ষেত্রে অনন্য সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০১০ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এই আন্তর্জাতিক পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- জাতিসংঘ সদর দপ্তরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ম্যালেরিয়া ও অন্যান্য রোগ প্রতিরোধ এবং মাতৃ ও শিশু স্বাস্থ্য উন্নয়নে বাংলাদেশের অসাধারণ অগ্রগতির জন্য এই সম্মাননা জানানো হয়।
২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য:
- ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: জাতিসংঘের সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের সময়কাল ছিল ২০০০ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত এবং বাংলাদেশ নির্ধারিত সময়ের আগেই অনেকগুলো সূচকে সাফল্য অর্জন করে।
- ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: জাতিসংঘের তৎকালীন মহাসচিব বান কি মুন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে এই prestigious award তুলে দেন যা বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতের জন্য একটি বড় অর্জন।
- তাৎপর্য ও ফলাফল: এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবা খাতের সাফল্য তুলে ধরে এবং সরকারের মাঠপর্যায়ে স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ ও টিকাদান কর্মসূচির কার্যকারিতা প্রমাণ করে।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কমিউনিটি ক্লিনিক কার্যক্রম
ব্যাখ্যা: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগে ১৯৯৬ থেকে ২০০১ এবং পরবর্তী সময়ে পুনরায় চালু হওয়া কমিউনিটি ক্লিনিক গ্রামীণ জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেয় যা শিশুমৃত্যু কমাতে মূল ভূমিকা পালন করে।
উদাহরণ ২: সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি বা ইপিআই
ব্যাখ্যা: শিশুদের বিভিন্ন মারাত্মক রোগ থেকে সুরক্ষায় বাংলাদেশ সরকারের ইপিআই কর্মসূচি আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত হয় এবং এটি শিশুমৃত্যু হারের উল্লেখযোগ্য হ্রাসে সহায়তা করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Planet 50-50 — এটি লিঙ্গসাম্য ও নারী ক্ষমতায়নে অবদানের জন্য জাতিসংঘের একটি বিশেষ স্বীকৃতি যা এই প্রশ্নের নির্দিষ্ট শিশুমৃত্যু হারের অর্জনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
C) জাতিসংঘ শান্তি পুরস্কার — এটি আন্তর্জাতিক শান্তি রক্ষা ও সংঘাত নিরসনে অবদানের জন্য প্রদান করা হয় যা স্বাস্থ্য খাতের অর্জনের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
D) সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রী — এটি বিভিন্ন দেশ বা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক বিশিষ্ট ব্যক্তিদের শিক্ষাগত বা সামাজিক অবদানের জন্য প্রদত্ত ডিগ্রি যা কোনো নির্দিষ্ট বৈশ্বিক উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার পুরস্কার নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- শিশুমৃত্যু কমানোর সাফল্যের সঙ্গে ২০১০ সালের এমডিজি অ্যাওয়ার্ড সরাসরি সম্পর্কিত।
- সাল মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো যে সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার মধ্যবর্তী সময়ে অর্থাৎ ২০১০ সালে বাংলাদেশ এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি লাভ করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আন্তর্জাতিক পুরস্কার এবং স্বাস্থ্য খাতের অর্জন থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- এমডিজি অর্জনে বাংলাদেশের সাফল্যের ক্ষেত্রগুলো এবং জাতিসংঘের কোন সংস্থা এই পুরস্কার প্রদান করে তা ভালোভাবে জেনে রাখা উচিত।
সঠিক উত্তর: A) প্রধানমন্ত্রী
১. কেন সঠিক:
- গণপ্রজাত বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী নির্বাহী ক্ষমতার প্রকৃত প্রয়োগকারী এবং মন্ত্রীসভার প্রধান।
- ১৯৭২ সালের মূল সংবিধানে রাষ্ট্রপতির হাতে নির্বাহী ক্ষমতা থাকলেও পরবর্তীতে সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হওয়ায় প্রধানমন্ত্রী নির্বাহী ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হন।
২. সংবিধান ও প্রশাসন:
- সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদের ১ উপঅনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি একজন প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করবেন যার সংসদ সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠের আস্থাভাজন হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
- সংবিধানের ৪৮ অনুচ্ছেদের ৩ উপঅনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীদের পরামর্শ অনুযায়ী তাঁর কার্য সম্পাদন করতে বাধ্য থাকেন, যা প্রধানমন্ত্রীর নির্বাহী কর্তৃত্ব নিশ্চিত করে।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাংলাদেশ সরকারের সচিবালয়ের যেকোনো নীতিগত সিদ্ধান্ত বা আদেশ রাষ্ট্রপতির নামে জারি হলেও তা প্রধানমন্ত্রীর প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ নির্দেশনায় সম্পাদিত হয়।
ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে যে প্রশাসনিক কাঠামোর চূড়ায় থেকেও রাষ্ট্রপতি মূলত আনুষ্ঠানিক প্রধান এবং প্রকৃত নির্বাহী ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রীর হাতে ন্যস্ত থাকে।
উদাহরণ ২: ১৯৯১ সালে সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়।
ব্যাখ্যা: এই সংশোধনীর ফলে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা থেকে সরে এসে প্রধানমন্ত্রীর নির্বাহী ক্ষমতা আইনসম্মত ও সুসংহত করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রধানমন্ত্রী — এই অপশনটি সঠিক কারণ সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রের নির্বাহী ক্ষমতার প্রধান চালিকাশক্তি ও সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী হলেন প্রধানমন্ত্রী।
B) রাষ্ট্রপতি — রাষ্ট্রপতির নিকট প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতা ন্যস্ত থাকলেও তিনি সংবিধানের বাধ্যবাধকতা অনুযায়ী সাধারণত প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে তা প্রয়োগ করেন।
C) মন্ত্রী — মন্ত্রীরা নিজ নিজ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেন কিন্তু সার্বিক নির্বাহী ক্ষমতার একক কর্তৃত্বে তারা থাকেন না, বরং প্রধানমন্ত্রীর অধীনে কাজ করেন।
D) সচিব — সচিব হলেন যেকোনো মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক প্রধান বা সচিবালয়ের সর্বোচ্চ আমলা, যিনি মন্ত্রীর নির্দেশ বাস্তবায়ন করেন কিন্তু নির্বাহী ক্ষমতার অধিকারী নন।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সাংবিধানিক পদ হিসেবে রাষ্ট্রপতি হলেন রাষ্ট্রের প্রধান, আর সরকার পরিচালনা ও নির্বাহী ক্ষমতার প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী।
- কাগজে-কলমে বা রাষ্ট্রীয়ভাবে নির্বাহী ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির নামে পরিচালিত হলেও প্রায় সব ক্ষমতার প্রয়োগকর্তা হলেন প্রধানমন্ত্রী।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস পরীক্ষার জন্য সংবিধানের অনুচ্ছেদগুলো যেমন ৪৮ ও ৫৬ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- একই বিষয় থেকে ঘুরিয়ে প্রশ্ন আসতে পারে যে, সংবিধানের কত অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করেন।
সঠিক উত্তর: A) নাইট্রোজেন
১. কেন সঠিক:
বায়ুমণ্ডলে গ্যাসের প্রাচুর্য বিবেচনা করলে দেখা যায়, বাতাসে নাইট্রোজেনের পরিমাণ প্রায় ৭৮%। সমুদ্রতীর বা উপকূলীয় অঞ্চলেও বায়ুমণ্ডলের এই স্বাভাবিক গ্যাসের মিশ্রণ বজায় থাকে এবং নাইট্রোজেনই প্রধান উপাদান হিসেবে সর্বাধিক পরিমাণে উপস্থিত থাকে।
২. ভৌগোলিক ও পরিবেশগত প্রেক্ষাপট:
বায়ুমণ্ডলের গঠন: পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে নাইট্রোজেন গ্যাস সবচেয়ে বেশি পরিমাণে প্রায় ৭৮.০৯% বিদ্যমান থাকে।
উপকূলীয় পরিবেশ: সমুদ্রতীরের আবহাওয়া ও বাতাসে এই নাইট্রোজেনের প্রাচুর্য অপরিবর্তিত থাকে এবং এটি জীবনের স্বাভাবিক ভারসাম্য রক্ষায় ভূমিকা রাখে।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত।
ব্যাখ্যা: বাংলাদেশের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকতে বায়ুমণ্ডলের প্রধান উপাদান হিসেবে নাইট্রোজেনের প্রাচুর্য রয়েছে।
উদাহরণ ২: কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত।
ব্যাখ্যা: এখানকার উন্মুক্ত বাতাসেও অন্যান্য গ্যাসের তুলনায় নাইট্রোজেনের আধিক্য লক্ষ্য করা যায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নাইট্রোজেন — বায়ুমণ্ডলে এর প্রাচুর্য সবচেয়ে বেশি থাকায় এটি সমুদ্রতীরের বায়ুতেও সর্বাধিক পরিমাণে থাকে।
B) হাইড্রোজেন — এটি মহাবিশ্বে সবচেয়ে বেশি থাকলেও পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে এর পরিমাণ খুবই নগণ্য।
C) অক্সিজেন — এটি বায়ুমণ্ডলে দ্বিতীয় প্রধান গ্যাস যার পরিমাণ প্রায় ২১%, তাই এটি সর্বাধিক নয়।
D) ওজোন — এটি বায়ুমণ্ডলের স্ট্রাটোস্ফিয়ার স্তরে খুব অল্প পরিমাণে থাকে এবং সমুদ্রতীরে এর প্রাচুর্য থাকে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে যে গ্যাস সবচেয়ে বেশি থাকে, সমুদ্রতীরেও ঠিক সেই গ্যাসটিই সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায়।
নাইট্রোজেনের পরিমাণ বাতাসে সবচেয়ে বেশি অর্থাৎ প্রায় ৭৮% হওয়ায় এটি সব জায়গাতেই প্রাচুর্যের দিক থেকে শীর্ষে থাকে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বায়ুমণ্ডলের গ্যাসগুলোর শতকরা হার প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
পরীক্ষায় বায়ুমণ্ডলে কোন গ্যাসের পরিমাণ কত, তা নিয়ে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: D) ট্রাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীর তীরে
১. কেন সঠিক:
- মেসোপটেমীয় সভ্যতা মূলত প্রাচীন বিশ্বের অন্যতম প্রধান নদীভিত্তিক সভ্যতা যা বর্তমান ইরাক অঞ্চলে গড়ে উঠেছিল।
- টাইগ্রিস বা দজলা এবং ইউফ্রেটিস বা ফرات এই দুটি নদীর অববাহিকায় পলিমাটি সমৃদ্ধ উর্বর ভূমিতে কৃষিকাজ ও মানববসতি সম্প্রসারিত হয়েছিল।
২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট:
- প্রাচীন সভ্যতাগুলোর বিকাশ সাধারণত নদীর অববাহিকায় ঘটেছিল কারণ নদীমাতৃক উর্বর ভূমি কৃষি এবং যাতায়াতের জন্য ছিল অত্যন্ত উপযোগী।
- মেসোপটেমিয়া শব্দের অর্থ দুটি নদীর মধ্যবর্তী ভূমি এবং এটি ইতিহাসের প্রাচীনতম নগরসভ্যতার জন্মস্থান হিসেবে পরিচিত।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সিন্ধু সভ্যতা
ব্যাখ্যা: এটিও মেসোপটেমীয় সভ্যতার সমসাময়িক নদীভিত্তিক সভ্যতা যা সিন্ধু নদের অববাহিকায় গড়ে উঠেছিল।
উদাহরণ ২: প্রাচীন মিশরীয় সভ্যতা
ব্যাখ্যা: নীল নদের তীরে এই সভ্যতা গড়ে উঠেছিল যা প্রমাণ করে প্রাচীনকালে নদী ছিল সভ্যতার প্রাণকেন্দ্র।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হোয়াংহো নদীর তীরে — এই নদীর তীরে মেসোপটেমীয় সভ্যতা নয় বরং প্রাচীন চীনা সভ্যতা গড়ে উঠেছিল।
B) ইয়াংসিকিয়াং নদীর তীরে — এই অঞ্চলেও প্রাচীন চীনা সভ্যতার বিস্তার ঘটেছিল যা মেসোপটেমিয়ার অংশ নয়।
C) নীলনদের তীরে — এই নদীর অববাহিকায় প্রাচীন মিশরীয় সভ্যতা গড়ে উঠেছিল।
D) ট্রাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীর তীরে — এই নদীর তীরে মেসোপটেমীয় সভ্যতা গড়ে উঠেছিল যা সঠিক উত্তর।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মেসোপটেমিয়া মানেই দুটি নদীর মাঝের জায়গা, যার নাম দজলা বা ট্রাইগ্রিস এবং ফরাত বা ইউফ্রেটিস।
- নদীর নাম মনে রাখলে প্রাচীন সভ্যতার অবস্থান সহজে মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিশ্ব সভ্যতার ইতিহাস থেকে বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কোন সভ্যতা কোন নদীর তীরে গড়ে উঠেছে তা জানতে চাওয়া হয়।
- এই প্রশ্নটি ভালোভাবে আয়ত্ত করলে নদীভিত্তিক সভ্যতার অন্যান্য প্রশ্নগুলোর উত্তর দেওয়া সহজ হবে।
সঠিক উত্তর: A) ১৯১১ সালে
১. কেন সঠিক:
বঙ্গভঙ্গ রদ করা হয়েছিল ১৯১১ সালে ব্রিটিশ ভারতের রাজধানী কলকাতা থেকে দিল্লিতে স্থানান্তরের সময়।
লর্ড হার্ডিঞ্জ বঙ্গভঙ্গ বাতিল ঘোষণা করেন এবং ব্রিটিশ রাজ পঞ্চম জর্জ এই ঘোষণা অনুমোদন করেন।
২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট:
১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর লর্ড কার্জন বঙ্গভঙ্গ কার্যকর করেছিলেন যা তীব্র বাঙালি জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের জন্ম দেয়।
১৯১১ সালের ১২ ডিসেম্বর দিল্লির দরবারে রাজা পঞ্চম জর্জ বঙ্গভঙ্গ রদের রাজকীয় ঘোষণা প্রদান করেন।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর
ব্যাখ্যা: এটি বঙ্গভঙ্গ কার্যকরের তারিখ যা পরীক্ষার্থীদের মনে রাখতে হবে।
উদাহরণ ২: ১৯১১ সালের ১২ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা: এটি বঙ্গভঙ্গ রদ ও রাজধানী স্থানান্তরের ঐতিহাসিক ঘোষণার দিন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯১১ সালে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই বঙ্গভঙ্গ আনুষ্ঠানিকভাবে রদ করা হয়।
B) ১৯১২ সালে — এই সালে বঙ্গভঙ্গ রদের পর নতুন প্রশাসনিক কাঠামো ও নতুন প্রদেশগুলো গঠিত হয়েছিল।
C) ১৯০৮ সালে — এই সালে বঙ্গভঙ্গ রদ হয়নি বরং বঙ্গভঙ্গ বিরোধী আন্দোলন তুঙ্গে ছিল।
D) ১৯০৯ সালে — এই সালে মরিক মিণ্টো সংস্কার আইন প্রণীত হয়েছিল, বঙ্গভঙ্গ রদ হয়নি।
৫. মনে রাখার টিপস:
১৯০৫ সালে ভাঙল বাংলা, ১৯১১ সালে হলো রদ।
এই দুটি সাল পাশাপাশি মনে রাখলে বঙ্গভঙ্গের স্থায়িত্ব বা ছয় বছরের ব্যবধান সহজে বোঝা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বঙ্গভঙ্গ কে করেছিলেন এবং কে রদ করেছিলেন, এই দুটি প্রশ্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে।
লর্ড কার্জন বঙ্গভঙ্গ করেছিলেন এবং লর্ড হার্ডিঞ্জ বঙ্গভঙ্গ রদ করেছিলেন।
সঠিক উত্তর: A) ১৪.৭৪ শতাংশ
১. কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সাময়িক হিসাব অনুযায়ী দেশের জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান ১৪.৭৪ শতাংশ।
- কৃষি খাত বলতে মূলত ফসল, বন, প্রাণিসম্পদ এবং মৎস্য সম্পদ এই চারটি উপখাতকে বোঝানো হয়।
২. অর্থনীতি, জনসংখ্যা ও উন্নয়ন:
- অর্থনৈতিক ও জনমিতিক সূচকে কৃষির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।
- গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর একটি বিশাল অংশের কর্মসংস্থান এই কৃষি খাতের ওপর সরাসরি নির্ভরশীল।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মৎস্য সম্পদ
ব্যাখ্যা: জিডিপিতে কৃষি খাতের আওতাভুক্ত মৎস্য উপখাতের অবদান জিডিপি প্রবৃদ্ধি ও আমিষের চাহিদা পূরণে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখে।
উদাহরণ ২: প্রাণিসম্পদ
ব্যাখ্যা: গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগি পালন কৃষি খাতের একটি প্রধান অংশ যা গ্রামীণ অর্থনীতিতে নারীর ক্ষমতায়ন ও আত্মকর্মসংস্থানে সহায়তা করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৪.৭৪ শতাংশ - এটি বর্তমান অর্থনৈতিক সমীক্ষা অনুযায়ী কৃষি খাতের জিডিপিতে অবদানের সঠিক হার।
B) ১৬ শতাংশ - এটি আগের অর্থবছরের বা অন্য কোনো নির্দিষ্ট বছরের কিছুটা ভিন্ন পরিসংখ্যান নির্দেশ করে।
C) ১২ শতাংশ - এই হারটি বর্তমান সময়ের জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
D) ১৮ শতাংশ - অতীতে কৃষি খাতের অবদান এই সীমার কাছাকাছি থাকলেও বর্তমান হালনাগাদ তথ্যে এটি অনেক হ্রাস পেয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- কৃষি খাতের অবদানের এই সংখ্যাটি মনে রাখতে ১৪ এবং ৭৪ এই দুটি অংশ আলাদাভাবে মনে রাখতে পারো।
- সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক সমীক্ষার ডেটা মুখস্থ করার সময় খাতের উপখাতগুলো যেমন ফসল ও মৎস্যের অবদান আলাদা করে খেয়াল রাখা উচিত।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই জিডিপিতে কৃষি, শিল্প এবং সেবা খাতের অবদানের শতকরা হার থেকে প্রশ্ন আসে।
- একই বিষয় থেকে কৃষির আওতাভুক্ত উপখাতগুলোর পৃথক অবদান বা প্রবৃদ্ধির হার সম্পর্কিত প্রশ্নও হতে পারে।
সঠিক উত্তর: C) জুন ২৩, ১৭৫৭
১. কেন সঠিক:
- পলাশির যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজউদ্দৌলার সঙ্গে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির মধ্যে।
- এই যুদ্ধের মাধ্যমেই ভারতীয় উপমহাদেশে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের ভিত্তি স্থাপিত হয়েছিল।
২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য:
- ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: নবাব সিরাজউদ্দৌলার সঙ্গে ইংরেজ বণিকদের বাণিজ্যিক বিরোধ এবং রাজদরবারের ভেতরের ষড়যন্ত্রের কারণে এই যুদ্ধের পটভূমি তৈরি হয়েছিল।
- তারিখ ও স্থান: ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন নদীয়া জেলার ভাগীরথী নদীর তীরে পলাশির আমবাগানে এই যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল।
- ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: নবাব সিরাজউদ্দৌলা এবং ব্রিটিশ সেনাপতি রবার্ট ক্লাইভ এই যুদ্ধের প্রধান দুই বিপরীত শক্তির প্রতিনিধি ছিলেন।
- তাৎপর্য ও ফলাফল: নবাবের প্রধান সেনাপতি মীর জাফরের বিশ্বাসঘাতকতার কারণে নবাব পরাজিত হন, যার ফলে বাংলায় দীর্ঘ প্রায় ২০০ বছরের ব্রিটিশ শাসনের সূচনা হয়।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বক্সারের যুদ্ধ
ব্যাখ্যা: ১৭৬৪ সালে সংঘটিত বক্সার যুদ্ধের মাধ্যমে ব্রিটিশরা বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার দেওয়ানি লাভ করে, যা পলাশির যুদ্ধেরই ধারাবাহিক পরিণতি।
উদাহরণ ২: মীর জাফরের বিশ্বাসঘাতকতা
ব্যাখ্যা: এটি থেকে পরীক্ষার্থীর শেখা উচিত যে অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও বিশ্বাসঘাতকতা কীভাবে একটি দেশের স্বাধীনতা হরণের পথ প্রশস্ত করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জুন ২২, ১৭৫৭ — এটি যুদ্ধের সঠিক তারিখ নয়, কারণ যুদ্ধটি একদিন পরেই অর্থাৎ ২৩ জুন হয়েছিল।
B) জুন ২৪, ১৭৫৭ — এই তারিখে পলাশির যুদ্ধ সংঘটিত হয়নি, যুদ্ধটি এর একদিন আগেই শেষ হয়ে গিয়েছিল।
D) জুন ২৫, ১৭৫৮ — সাল এবং তারিখ উভয়ই ভুল, কারণ যুদ্ধটি ১৭৫৭ সালের জুন মাসে হয়েছিল।
৫. মনে রাখার টিপস:
১৭৫৭ সালের ২৩ জুন তারিখটি মনে রাখতে সালটি ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে। ১৭৫৭ সাল এবং ২৩ জুন, এই সংখ্যাগুলো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
পলাশির যুদ্ধের প্রধান সেনাপতি মীর জাফর যদি বিশ্বাসঘাতকতা না করতেন, তবে বাংলার ইতিহাস ভিন্ন হতে পারত। একই বিষয় থেকে পরীক্ষার জন্য নবাবের পরাজয়ের কারণ বা রবার্ট ক্লাইভের ভূমিকা সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: A) ১০ নং সেক্টর
১. কেন সঠিক:
- ১০ নং সেক্টর ছিল বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের একমাত্র সাব-সেক্টরবিহীন এবং সমুদ্রভিত্তিক সেক্টর।
- এই সেক্টরটি গঠিত হয়েছিল দেশের সমস্ত নৌ-কমান্ডো এবং সামুদ্রিক অপারেশন পরিচালনার উদ্দেশ্যে।
২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট:
- ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তান নৌবাহিনীর বিরুদ্ধে নদী ও সমুদ্রপথে আঘাত হানার জন্য এই বিশেষ বাহিনী গড়ে তোলা হয়।
- এই সেক্টরের কোনো নির্দিষ্ট ভৌগোলিক এলাকা ছিল না, বরং সমগ্র জলপথ এবং সমুদ্রবন্দর এর আওতাধীন ছিল।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অপারেশন জ্যাকপট
ব্যাখ্যা: এটি ছিল ১০ নং সেক্টরের নৌ-কমান্ডোদের পরিচালিত ইতিহাসের অন্যতম সফল একটি সামুদ্রিক অভিযান।
উদাহরণ ২: চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর অপারেশন
ব্যাখ্যা: এই অভিযানের মাধ্যমে কমান্ডোরা পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর জলপথের যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১০ নং সেক্টর — এটি নৌ-কমান্ড গঠিত হওয়া একমাত্র সেক্টর এবং এর কোনো নিয়মিত সেক্টর কমান্ডার ছিলেন না।
B) ১১ নং সেক্টর — এটি গঠিত হয়েছিল টাঙ্গাইল এবং সিরাজগঞ্জ এলাকা নিয়ে এবং এর কমান্ডার ছিলেন মেজর এম এ আবু তাহের।
C) ৮ নং সেক্টর — এটি গঠিত হয়েছিল কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা এবং সাতক্ষীরা জেলা নিয়ে।
D) ৯ নং সেক্টর — এটি গঠিত হয়েছিল সুন্দরবন অঞ্চল এবং বরিশাল ও পটুয়াখালীর কিছু অংশ নিয়ে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- পানিতে যুদ্ধ বা নৌ-কমান্ড বললেই ১০ নং সেক্টর মনে রাখতে হবে।
- অন্যান্য সেক্টরগুলো ভূখণ্ডভিত্তিক হলেও ১০ নং সেক্টর ছিল সম্পূর্ণ জলপথভিত্তিক।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- মুক্তিযুদ্ধের একমাত্র সেক্টর যার কোনো নির্দিষ্ট হেডকোয়ার্টার ছিল না তা হলো ১০ নং সেক্টর।
- এই সেক্টর পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন নৌবাহিনীর সাবেক প্রধান ক্যাপ্টেন এম এ খালিক।
সঠিক উত্তর: A) ২,০৫,১৪৫ কোটি টাকা
প্রদত্ত তথ্য:
২০১৮-১৯ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন করা হয়েছে
এই বাজেটে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে
ধরি,
মোট বাজেটের আকার হলো মূল ভিত্তি
বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির বরাদ্দ হলো এর একটি অংশ
অতএব,
অর্থ মন্ত্রণালয়ের পেশকৃত হিসাব অনুযায়ী
উন্নয়ন খাতের মোট বরাদ্দ নির্ধারণ করা হলো
সুতরাং,
বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির জন্য বরাদ্দ টাকার পরিমাণ নিশ্চিত করা হলো
উত্তর: ২,০৫,১৪৫ কোটি টাকা
সঠিক উত্তর: B) ১০ ই এপ্রিল, ১৯৭১
১. কেন সঠিক:
১০ ই এপ্রিল, ১৯৭১ সালে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার বা মুজিবনগর সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে গঠিত হয়। এই সরকারের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের প্রাতিষ্ঠানিক ও বৈধ নেতৃত্ব নিশ্চিত হয়েছিল এবং বিশ্ববাসীর কাছে বাংলাদেশের পক্ষে জনমত গড়ে ওঠে।
২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য:
ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ২৬ মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়ার পর মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য একটি সুসংগঠিত রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও প্রশাসনিক কাঠামোর তীব্র প্রয়োজন দেখা দেয়। এই প্রেক্ষাপটে ১০ এপ্রিল নির্বাচিত গণপরিষদ সদস্যদের নিয়ে সরকার গঠিত হয়।
তারিখ ও স্থান: ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ সালে মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা আমবাগানে এই সরকার শপথ গ্রহণ করে, যা পরবর্তীতে মুজিবনগর নামে পরিচিত হয়।
ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: এই সরকারের রাষ্ট্রপতি ও সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, উপ-রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম (রাষ্ট্রপতির অনুপস্থিতিতে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি) এবং প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ।
তাৎপর্য ও ফলাফল: এই সরকার গঠনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধ একটি নির্দিষ্ট কাঠামোর অধীনে পরিচালিত হয় এবং বিভিন্ন দেশের স্বীকৃতি আদায় করা সহজ হয়।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র
ব্যাখ্যা: ১০ এপ্রিল গঠিত মুজিবনগর সরকার স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করে, যার মাধ্যমে ২৬ মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণাকে আইনগত বৈধতা দেওয়া হয়।
উদাহরণ ২: ১১টি সেক্টর
ব্যাখ্যা: মুজিবনগর সরকারের অধীনেই সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করে সুশৃঙ্খলভাবে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১২ ই এপ্রিল, ১৯৭১ — এই তারিখে প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ বেতার ভাষণে সরকারের মন্ত্রিপরিষদের নাম ও গঠন আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন।
B) ১০ ই এপ্রিল, ১৯৭১ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দিনেই সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে গঠিত হয়।
C) ১৪ ই এপ্রিল, ১৯৭১ — এই তারিখে কোনো সরকারি গঠনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা বা ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটেনি, তাই এটি ভুল।
ডি) ১৭ ই এপ্রিল, ১৯৭১ — এই তারিখে মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করেছিল, গঠিত হয়নি।
৫. মনে রাখার টিপস:
গঠন ১০ আর শপথ ১৭। এভাবে মনে রাখলে ১০ এপ্রিল (গঠন) এবং ১৭ এপ্রিল (শপথ) তারিখ দুটি নিয়ে আর কখনো কনফিউশন হবে না।
মুজিবনগর সরকার গঠনের ঠিক সাত দিন পর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছিল।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
মুজিবনগর সরকারের অর্থমন্ত্রী কে ছিলেন, এই প্রশ্নটি বিসিএস পরীক্ষায় বারবার আসে (সঠিক উত্তর এম মনসুর আলী)।
সরকারের শপথবাক্য কে পাঠ করিয়েছিলেন (প্রফেসর ইউসুফ আলী) তা জেনে রাখা আবশ্যক।
সঠিক উত্তর: D) পাকাতান-হারাপান
১. কেন সঠিক:
মাহাথির মোহাম্মদ ২০১৮ সালের সাধারণ নির্বাচনে জয়লাভের সময় পাকাতান হারাপান জোটের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।
এই রাজনৈতিক জোটটি দীর্ঘদিনের শাসক coalitions বা বারিসান ন্যাশনাল জোটকে পরাজিত করে মালয়েশিয়ায় ঐতিহাসিক ক্ষমতার পরিবর্তন আনে।
২. রাজনৈতিক পটভূমি:
দেশ: মালয়েশিয়া।
প্রেক্ষাপট: ২০১৮ সালের নির্বাচনে দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠার স্লোগান নিয়ে এই জোট গঠিত হয়।
উদ্দেশ্য: নাজিব রাজাকের সরকারের বিরুদ্ধে বিজয় অর্জন এবং মালয়েশিয়ার গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করা।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বারিসান ন্যাশনাল জোট।
ব্যাখ্যা: এটি মালয়েশিয়ার দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকা একটি রাজনৈতিক জোট যা মাহাথির মোহাম্মদের নেতৃত্বে পরাজিত হয়েছিল।
উদাহরণ ২: ইউএমএনও দল।
ব্যাখ্যা: এটি মালয়েশিয়ার ইতিহাসের সবচেয়ে প্রভাবশালী রাজনৈতিক দল যা দীর্ঘকাল বারিসান ন্যাশনাল জোটের মূল চালিকাশক্তি ছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইউ এম এন ও — এটি মালয়েশিয়ার একটি রাজনৈতিক দল, কোনো জোট নয় এবং মাহাথির মোহাম্মদের দলীয় পরিচয়ের ভিন্ন ইতিহাস রয়েছে।
B) বারিসান ন্যাশনাল — এটি মাহাথির মোহাম্মদের বিরোধীদের দীর্ঘকালীন ক্ষমতাসীন জোট, যার বিরুদ্ধে তিনি লড়েছিলেন।
C) পাটি পেরিকাতান — এটি পরবর্তী সময়ে গঠিত অন্য একটি রাজনৈতিক জোট, যার সঙ্গে ২০১৮ সালের এই ঐতিহাসিক বিজয়ের সরাসরি সম্পর্ক নেই।
D) পাকাতান-হারাপান — এটি সঠিক রাজনৈতিক জোট যার অধীনে মাহাথির মোহাম্মদ ২০১৮ সালে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন।
৫ মনে রাখার টিপস:
মাহাথির মোহাম্মদ ২০১৮ সালে যে নতুন জোটের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসেন তার নাম পাকাতান হারাপান, যার অর্থ আশার জোট।
প্রতিদ্বন্দ্বী জোট বারিসান ন্যাশনালকে হারাতে এই জোট গঠিত হয়েছিল।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
এই প্রশ্নটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান ও রাজনৈতিক জোটের নাম মনে রাখার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
ভবিষ্যতে মালয়েশিয়ার রাজনীতি বা মাহাথির মোহাম্মদের দলীয় পরিবর্তন সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: A) ১৯৩৩
১. কেন সঠিক:
অ্যাডলফ হিটলার ও তাঁর দল নাৎসি পার্টি ১৯৩০ এর দশকের শুরুতে জার্মান রাজনীতিতে তীব্র অর্থনৈতিক সংকটের সুযোগ নিয়ে শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করে।
অবশেষে ১৯৩৩ সালের ৩০ জানুয়ারি জার্মানির তৎকালীন রাষ্ট্রপতি পল ফন হিন্ডেনবার্গ হিটলারকে দেশের চ্যান্সেলর বা সরকারপ্রধান হিসেবে নিয়োগ দেন।
২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও গুরুত্ব:
দেশ: জার্মানি, ইউরোপের একটি অন্যতম প্রধান শিল্প ও রাজনৈতিক শক্তি।
প্রেক্ষাপট: প্রথম বিশ্বযুদ্ধে পরাজয়ের পর জার্মানির ওপর ভার্সাই চুক্তির অপমানজনক শর্ত ও মহামন্দা রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা তৈরি করেছিল।
উদ্দেশ্য ও গুরুত্ব: চ্যান্সেলর পdo পাওয়ার পর হিটলার দ্রুত গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো ভেঙে ফেলেন এবং নিজেকে সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী করে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ও হলোকাস্টের পথ সুগম করেন।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বেনিতো মুসোলিনি
ব্যাখ্যা: ইতালিতে ফ্যাসিস্ট নেতা মুসোলিনি ১৯২২ সালে ক্ষমতা দখল করেছিলেন, যা হিটলারের জন্য রাজনৈতিক অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করেছিল।
উদাহরণ ২: ভাইমার প্রজাতন্ত্র
ব্যাখ্যা: প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর জার্মানিতে যে গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, হিটলারের চ্যান্সেলর হওয়ার মাধ্যমে তার আনুষ্ঠানিক পতন ঘটে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৩৩ — এই সালে হিটলার আইনসম্মতভাবে জার্মানির চ্যান্সেলর নিযুক্ত হন এবং পরবর্তীতে একনায়কতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন।
B) ১৯৩৪ — এই সালে রাষ্ট্রপতি পল ফন হিন্ডেনবার্গের মৃত্যুর পর হিটলার চ্যান্সেলর ও রাষ্ট্রপতির পদ একত্র করে ফুয়েরার বা সর্বোচ্চ নেতা হন।
C) ১৯৩১ — এই বছর হিটলার চ্যান্সেলর হননি, তবে নাৎসি পার্টি জার্মান পার্লামেন্টে অর্থাৎ রাইখস্ট্যাগে প্রধান বিরোধী দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছিল।
D) ১৯৩২ — এই বছরে জার্মানিতে একাধিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় এবং হিটলার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে হিন্ডেনবার্গের কাছে পরাজিত হলেও চ্যান্সেলর পদের জন্য জমি প্রস্তুত করেন।
৫. মনে রাখার টিপস:
১৯২৯ সালের মহামন্দা এবং ঠিক তার চার বছর পর ১৯৩৩ সালে হিটলারের চ্যান্সেলর হওয়া দুটি ঐতিহাসিক ঘটনা গভীরভাবে সম্পর্কিত।
হিটলারের ক্ষমতা গ্রহণের সাল মনে রাখতে ১৯৩৩ সংখ্যাটি মনে রাখুন, যা বিশ্ব ইতিহাসের সবচেয়ে ধ্বংসাত্মক মোড়গুলোর একটি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে হিটলার কোন দলের নেতা ছিলেন, যার উত্তর হলো নাৎসি পার্টি বা ন্যাশনাল সোশ্যালিস্ট জার্মান ওয়ার্কার্স পার্টি।
একই বিষয় থেকে প্রশ্ন আসতে পারে হিটলার কবে ফুয়েরার উপাধি নেন, যার সঠিক উত্তর ১৯৩৪ সাল।
সঠিক উত্তর: B) ৫১
১. কেন সঠিক:
১৯৪৫ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ সমাপ্তির পর আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়।
প্রতিষ্ঠার সময় ৫০টি দেশ এর সনদে স্বাক্ষর করলেও পোল্যান্ড সম্মেলনে উপস্থিত না থাকায় পরবর্তীতে স্বাক্ষর করে এবং প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
সংস্থা: জাতিসংঘ বা United Nations, যা বিশ্বের সার্বভৌম রাষ্ট্রগুলোকে নিয়ে গঠিত সর্ববৃহৎ আন্তর্জাতিক সংস্থা।
প্রতিষ্ঠা/তারিখ: ২৪ অক্টোবর ১৯৪৫ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ সনদ কার্যকর হওয়ার মাধ্যমে সংস্থাটি যাত্রা শুরু করে।
সদর দপ্তর: যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরে জাতিসংঘের মূল কার্যালয় অবস্থিত।
প্রেক্ষাপট: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ধ্বংসলীলা ও লিগ অব নেশনস এর ব্যর্থতার পর বিশ্বকে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের হাত থেকে রক্ষা করতে এর জন্ম হয়।
উদ্দেশ্য/গুরুত্ব: আন্তর্জাতিক শান্তি রক্ষা, মানবাধিকার রক্ষা, আন্তর্জাতিক আইন তৈরি এবং বিশ্বব্যাপী সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন সাধন করা।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ১৩৫তম সদস্য হিসেবে যোগদান করে।
ব্যাখ্যা: স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্বমঞ্চে নিজের অবস্থান পাকাপোক্ত করতে জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ বাংলাদেশের কূটনীতির অন্যতম বড় সাফল্য।
উদাহরণ ২: জাতিসংঘের বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৯৩টি এবং সর্বশেষ সদস্য দেশ হিসেবে দক্ষিণ সুদান ২০১১ সালে যুক্ত হয়।
ব্যাখ্যা: প্রতিষ্ঠার সময়কার ৫১টি সদস্য থেকে বর্তমান ১৯۳টিতে পৌঁছানোর ইতিহাস বিশ্বজুড়ে উপনিবেশবাদ পতন ও ভূরাজনৈতিক পরিবর্তনের সাক্ষ্য দেয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৫০ — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ প্রতিষ্ঠাকালীন মূল সদস্য রাষ্ট্র ছিল ৫১টি, যদিও সানফ্রান্সিসকো সম্মেলনে ৫০টি দেশ প্রথম স্বাক্ষর করেছিল।
B) ৫১ — এটি সঠিক উত্তর কারণ পোল্যান্ড পরবর্তীতে স্বাক্ষর করায় মোট প্রতিষ্ঠাতা সদস্যের সংখ্যা ৫১টিতে উন্নীত হয়।
C) ৪৮ — এই সংখ্যাটি ঐতিহাসিক কোনো সঠিক তথ্য নির্দেশ করে না এবং জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠার সঙ্গে মেলে না।
D) ৪৯ — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ কোনো ঐতিহাসিক নথিতে জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য সংখ্যা ৪৯ বলা হয়নি।
৫. মনে রাখার টিপস:
১৯৪৫ সালের জাতিসংঘের জন্ম মনে রাখতে ৫ এবং ১ এর হিসাব মনে রাখবে, অর্থাৎ প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিল ৫১টি।
প্রতিষ্ঠার সাল ১৯৪৫ এর শেষ দুটি সংখ্যা এবং সদস্য সংখ্যা ৫১ এর মধ্যে একটি মিল রয়েছে যা মনে রাখতে সাহায্য করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে জাতিসংঘের বর্তমান সদস্য কত কিংবা প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য কত ছিল।
জাতিসংঘের সদর দপ্তর কোথায় এবং কবে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়, এই তথ্যগুলো বিসিএস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: A) নিউজ উইরুল (উইকস)
১. কেন সঠিক:
যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত আন্তর্জাতিক ম্যাগাজিন নিউজউইক (Newsweek) ১৯৭১ সালের ৫ এপ্রিল সংখ্যায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে রাজনীতির কবি বা Poet of Politics উপাধিতে ভূষিত করে।
ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণে বঙ্গবন্ধু যে কাব্যিক সুষমা, আবেগ এবং সাধারণ মানুষের মুক্তির আকুতি ফুটিয়ে তুলেছিলেন, তার স্বীকৃতিস্বরূপ এই প্রখ্যাত সাময়িকী তাকে এই মর্যাদাপূর্ণ উপাধি দেয়।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
পত্রিকা: নিউজউইক একটি যুক্তরাষ্ট্রের সাপ্তাহিক ম্যাগাজিন যা আন্তর্জাতিক সংবাদ প্রকাশে বিশ্বজুড়ে অত্যন্ত পরিচিত ও প্রভাবশালী।
প্রেক্ষাপট: ১৯৭১ সালের মার্চে বাংলাদেশের অসহযোগ আন্দোলন এবং ৭ মার্চের ভাষণের পর বিশ্ব গণমাধ্যমে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ও নেতার ভূমিকা গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা হয়।
গুরুত্ব: এই উপাধিটি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্ব এবং তার ঐতিহাসিক ভাষণের অনন্য রাজনৈতিক গুরুত্বের স্বীকৃতি বহন করে।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ৭ মার্চের ভাষণ
ব্যাখ্যা: এই ভাষণটি কেবল একটি রাজনৈতিক নির্দেশনা ছিল না, বরং এটি ছিল একটি জাতির মুক্তির কাব্যের মতো, যা নিউজউইকের দৃষ্টিতে বঙ্গবন্ধুকে রাজনীতির কবি হিসেবে পরিচিত করে তোলে।
উদাহরণ ২: বিশ্ব গণমাধ্যমে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ
ব্যাখ্যা: ১৯৭১ সালে বিশ্বখ্যাত টাইম, নিউজউইক ও ইকোনমিস্টের মতো পত্রিকাগুলো বাংলাদেশের পক্ষে জনমত গঠনে এবং পাকিস্তানি বাহিনীর বর্বরতা তুলে ধরতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নিউজ উইরুল (উইকস) — এই অপশনটি সঠিক কারণ নিউজউইক ম্যাগাজিনই বঙ্গবন্ধুকে রাজনীতির কবি উপাধি দিয়েছিল এবং প্রশ্নে এটিই নির্দেশ করা হয়েছে।
B) দি ইকনমিস্ট — এটি যুক্তরাজ্যের একটি প্রভাবশালী সাপ্তাহিক পত্রিকা যা মূলত বিশ্ব অর্থনীতি এবং আন্তর্জাতিক রাজনীতি নিয়ে আলোচনা করে, তবে তারা এই উপাধি দেয়নি।
C) টাইম — টাইম ম্যাগাজিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি শীর্ষস্থানীয় প্রভাবশালী সাপ্তাহিক পত্রিকা, যা বিভিন্ন সময়ে প্রচ্ছদ প্রতিবেদন প্রকাশ করলেও এই নির্দিষ্ট উপাধিটি দেয়নি।
D) গার্ডিয়ান — গার্ডিয়ান হলো যুক্তরাজ্যের একটি দৈনিক সংবাদপত্র, যা বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জোরালো ভূমিকা রাখলেও এই উপাধির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
নিউজউইক পত্রিকার উইকস বা উইরুল অংশটি মনে রাখতে পারেন সংবাদ প্রকাশের মাধ্যম হিসেবে।
মনে রাখবেন, কবি হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী সাপ্তাহিক নিউজউইক।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
একই বিষয় থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে, নিউজউইক কত সালে বঙ্গবন্ধুকে এই উপাধি দিয়েছিল বা কোন সংখ্যায় প্রকাশ করেছিল।
সঠিক উত্তর: প্রদত্ত প্রশ্নে উল্লেখিত সঠিক উত্তর এবং অপশন D (গার্ডিয়ান) উভয়ই ভুল। সঠিক উত্তর হবে কুয়েত বা ওমান, কারণ কাতার সংকটের সময় এই দেশগুলো কাতারের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করেনি। তবে যেহেতু প্রশ্নে 'গার্ডিয়ান' একটি সংবাদমাধ্যম এবং অপশনগুলোর মধ্যে এটি সম্পূর্ণ অসংগত, তাই এই প্রশ্নটির প্রকৃত ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট নিচে ব্যাখ্যা করা হলো।
১. কেন সঠিক:
২০১৭ সালের জুন মাসে মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশ কাতারের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করে।
কুয়েত ও ওমান এই সংকটের সময় নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করে এবং মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করে।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
প্রেক্ষাপট: ২০১৭ সালের ৫ জুন সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন ও মিশর কাতারের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদে মদদ দেওয়ার অভিযোগ এনে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করে।
গুরুত্ব: এই সংকট মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতে কাতারকে তুরস্ক ও ইরানের কাছাকাছি নিয়ে আসে এবং উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের ঐক্যকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কুয়েতের মধ্যস্থতা
ব্যাখ্যা: কাতার সংকট নিরসনে কুয়েতের আমির শেখ সাবাহ আল আহমেদ আল সাবাহ মধ্যস্থতার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন।
উদাহরণ ২: আল উলা ঘোষণা
ব্যাখ্যা: ২০২১ সালের জানুয়ারি মাসে সৌদি আরবের আল উলা শহরে শীর্ষ সম্মেলনের মাধ্যমে এই সংকটের অবসান ঘটে এবং সম্পর্ক পুনরুদ্ধার হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাহরাইন — বাহরাইন ২০১৭ সালে কাতারের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করেছিল তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
B) সংযুক্ত আরব আমিরাত — সংযুক্ত আরব আমিরাত কাতারের বিরুদ্ধে অবরোধ আরোপকারী প্রধান দেশগুলোর একটি ছিল।
C) মিশর — মিশর সৌদি আরব জোটে থেকে কাতারের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করেছিল।
D) গার্ডিয়ান — গার্ডিয়ান একটি ব্রিটিশ সংবাদপত্র, এটি কোনো দেশ নয় এবং কাতার সংকটের সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
৫ মনে রাখার টিপস:
কাতারের ওপর অবরোধ আরোপ করেছিল মূলত সৌদি আরব ও তার মিত্ররা।
কুয়েত ও ওমান কোনো সম্পর্ক ছিন্ন না করে বরং শান্তি বজায় রাখার চেষ্টা করেছিল।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কাতার সংকটের সূচনা হয় ২০১৭ সালে এবং এর অবসান ঘটে ২০২১ সালে আল উলা চুক্তির মাধ্যমে।
এই ধরনের প্রশ্নে দেশ এবং সংবাদমাধ্যমের পার্থক্য সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) মিয়ানমার
১. কেন সঠিক:
ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্রেসি বা এনএলডি হলো মিয়ানমারের একটি প্রধান রাজনৈতিক দল।
এই দলটি দেশটির গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে দীর্ঘকাল ধরে নেতৃত্ব দিয়ে আসছে।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
দেশ: মিয়ানমার
প্রেক্ষাপট: অং সান সু চির নেতৃত্বে এই দল গঠিত হয় এবং ১৯৯০ সালের নির্বাচনে জয়লাভ করে।
উদ্দেশ্য: সামরিক শাসন হটিয়ে মিয়ানমারে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা।
গুরুত্ব: মিয়ানমারের আধুনিক রাজনৈতিক ইতিহাসে গণতান্ত্রিক সংগ্রামের অন্যতম প্রধান প্রতীক।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ
ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের একটি প্রধান রাজনৈতিক দল, যা দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছিল।
উদাহরণ ২: ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কংগ্রেস
ব্যাখ্যা: এটি ভারতের একটি ঐতিহাসিক রাজনৈতিক দল, যা দেশটির স্বাধীনতা আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মালয়েশিয়া — এই দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে রয়েছে ইউনাইটেড মালয় ন্যাশনাল অর্গানাইজেশন বা ইউমনো।
B) মিয়ানমার — এই অপশনটি সঠিক কারণ ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্রেসি এই দেশেরই রাজনৈতিক দল।
C) ভারত — এই দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে রয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টি বা বিজেপি এবং কংগ্রেস।
D) থাইল্যান্ড — এই দেশের রাজনৈতিক দলের মধ্যে রয়েছে ফিউ থাই পার্টি এবং মুভ ফরওয়ার্ড পার্টি।
৫ মনে রাখার টিপস:
মিয়ানমারের গণতন্ত্র মানেই ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্রেসি বা এনএলডি এবং এর নেত্রী অং সান সু চি।
সু চির দল হিসেবে এই নামটি মনে রাখা খুবই সহজ।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
মিয়ানমারের রাজনৈতিক পটপরিবর্তন এবং অং সান সু চির দল সম্পর্কে প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
দলটির প্রতিষ্ঠাকাল এবং এর প্রধান নেত্রীর নাম ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) সুইডেন
১. কেন সঠিক:
সুইডেন আনুষ্ঠানিকভাবে ২০২৪ সালের মার্চ মাসে ন্যাটোর ৩২তম সদস্য হিসেবে যোগদান করে। দীর্ঘ দুই শতক ধরে সামরিক জোটের বাইরে থাকার নীতি বা নিরপেক্ষতা ত্যাগ করে দেশটি এই জোটে যোগ দেয়।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
সংস্থা: ন্যাটো বা উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা একটি সামরিক জোট।
প্রতিষ্ঠা: ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল ওয়াশিংটন চুক্তির মাধ্যমে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ফিনল্যান্ড।
ব্যাখ্যা: সুইডেনের ঠিক আগে ২০২৩ সালে ফিনল্যান্ড ন্যাটোর ৩১তম সদস্য হিসেবে যোগ দেয় এবং তারাও দীর্ঘ সামরিক নিরপেক্ষতা ত্যাগ করে।
উদাহরণ ২: ইউক্রেন যুদ্ধ।
ব্যাখ্যা: রাশিয়ার ইউক্রেন আক্রমণের পর নর্ডিক দেশগুলো তাদের নিরাপত্তা নীতি পুনর্বিবেচনা করে জোটে যোগদানের সিদ্ধান্ত নেয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মন্টিনিগ্রো — এটি ২০১৭ সালে ন্যাটোর সপ্তবিংশ সদস্য হিসেবে যোগদান করেছিল।
B) লিথুনিয়া — এই বল্টিক রাষ্ট্রটি ২০০৪ সালে ন্যাটোর সদস্যপদ লাভ করেছিল।
C) আলবেনিয়া — এই বলকান রাষ্ট্রটি ২০০৯ সালে ন্যাটোর সদস্য হিসেবে যুক্ত হয়।
D) সুইডেন — এটি বর্তমানের সর্বশেষ বা ৩২তম সদস্য রাষ্ট্র।
৫. মনে রাখার টিপস:
সুইফ্ট বা সুইডেন মনে রাখুন সর্বশেষ হিসেবে। সুইডেন যোগদানের মাধ্যমে বাল্টিক সাগর কার্যত ন্যাটোর অভ্যন্তরীণ সাগরে পরিণত হয়েছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ন্য্যাটোর বর্তমান সদস্যসংখ্যা কত এবং সর্বশেষ সদস্য কে, তা বিসিএস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এখান থেকে উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোট বা এর প্রতিষ্ঠাকাল নিয়েও প্রশ্ন হতে পারে।
সঠিক উত্তর: B) হ্যাকার গ্রুপ
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরটি হলো হ্যাকার গ্রুপ কারণ কোজি বেয়ার হলো একটি কুখ্যাত রুশ সাইবার গোয়েন্দা দল।
- এটি মূলত রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত একটি হ্যাকার দল যা আন্তর্জাতিক সাইবার আক্রমণে জড়িত।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
- দেশ/সংস্থা: রাশিয়াভিত্তিক সাইবার গোয়েন্দা গোষ্ঠী বা এপিটি আঠারো।
- প্রেক্ষাপট: বিভিন্ন দেশের সরকারি, কূটনৈতিক ও থিঙ্কট্যাংক প্রতিষ্ঠানে সাইবার হামলা চালানোর জন্য এটি পরিচিত।
- উদ্দেশ্য/গুরুত্ব: বিশ্ব রাজনীতিতে সাইবার যুদ্ধ এবং তথ্য চুরির ক্ষেত্রে এই ধরনের দলের ভূমিকা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ফ্যান্সি বেয়ার
ব্যাখ্যা: এটিও রাশিয়ার আরেকটি সুপরিচিত সাইবার গোয়েন্দা দল যারা রাজনৈতিক হ্যাকিংয়ে যুক্ত।
উদাহরণ ২: স্টাকনেট
ব্যাখ্যা: এটি রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় তৈরি একটি বিখ্যাত কম্পিউটার ওয়ার্ম বা ম্যালওয়্যার।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চুক্তি — এটি কোনো আন্তর্জাতিক বা দ্বিপক্ষীয় চুক্তি নয়।
B) হ্যাকার গ্রুপ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি একটি সাইবার অপরাধী দল।
C) বিনোদনকেন্দ্র — এটি কোনো বিনোদনমূলক স্থান বা প্রতিষ্ঠান নয়।
ডি) নদী — এটি কোনো প্রাকৃতিক জলধারা বা নদী নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বেয়ার বা ভাল্লুক শব্দটি সাধারণত সাইবার জগতের আলোচনায় রাশিয়ার হ্যাকার গ্রুপ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
- কোজি বেয়ার ও ফ্যান্সি বেয়ার দুটিই রুশ সাইবার গোয়েন্দা দল।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আন্তর্জাতিক সাইবার নিরাপত্তা ও হ্যাকার গ্রুপ সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
- কোজি বেয়ার কোন দেশের হ্যাকার গ্রুপ, এমন প্রশ্ন বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় দেখা যায়।
সঠিক উত্তর: A) ডেনমার্ক
১. কেন সঠিক:
- ফোকেটিং হলো উত্তর ইউরোপের স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ ডেনমার্কের এককক্ষ বিশিষ্ট জাতীয় সংসদ বা আইনসভা।
- বিশ্বের বিভিন্ন দেশের আইনসভার নাম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যার মধ্যে ডেনমার্কের ফোকেটিং প্রায়শই বিসিএস ও ব্যাংক নিয়োগে আসে।
২. ডেনমার্ক সম্পর্কিত তথ্য:
- দেশ: ডেনমার্ক একটি ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত উন্নত কল্যাণমূলক রাষ্ট্র, যার রাজধানী কোপেনহেগেন।
- আইনসভা: ফোকেটিং হলো ডেনমার্কের সর্বোচ্চ আইন প্রণয়নকারী প্রতিষ্ঠান, যেখানে মোট সদস্য সংখ্যা ১৭৯ জন।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নেসেট
ব্যাখ্যা: এটি মধ্যপ্রাচ্যের প্রভাবশালী দেশ ইসরায়েলের আইনসভার নাম, যা বিভিন্ন আন্তর্জাতিক পরীক্ষায় ডেনমার্কের ফোকেটিংয়ের সাথে তুলনামূলকভাবে আসে।
উদাহরণ ২: ডুমা
ব্যাখ্যা: এটি বিশ্বের বৃহত্তম দেশ রাশিয়ার আইনসভার নিম্নকক্ষের নাম, যা পরীক্ষার্থীদের বিভিন্ন দেশের আইনসভা মনে রাখতে সাহায্য করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ডেনমার্ক — এটি সঠিক কারণ এই দেশের আইনসভার নামই ফোকেটিং।
B) বেলজিয়াম — বেলজিয়ামের দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট আইনসভার নাম ফেডারেল পার্লামেন্ট, যার দুটি অংশ হলো সিনেট ও প্রতিনিধি কক্ষ।
C) নরওয়ে — নরওয়ের ঐতিহাসিক ও এককক্ষ বিশিষ্ট আইনসভার নাম স্টরটিং।
D) ফিনল্যান্ড — ফিনল্যান্ডের এককক্ষ বিশিষ্ট আইনসভার নাম এডুস্কুंता।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ডেনমার্কে ফোকেটিং নামের সংসদ রয়েছে, যা মনে রাখতে ড দিয়ে ডেনমার্ক এবং ফ দিয়ে ফোকেটিং এভাবে মিলিয়ে পড়তে পারেন।
- অন্যান্য দেশের আইনসভার সাথে নাম যেন গুলিয়ে না যায়, সেজন্য নিয়মিত বিগত বছরের প্রশ্ন চর্চা করা উচিত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিশ্ব রাজনীতি ও বিভিন্ন দেশের সংসদ সংক্রান্ত প্রশ্ন সাধারণত বিসিএস এবং প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় সরাসরি এক নম্বরের জন্য আসে।
- এই টপিক থেকে বিভিন্ন দেশের রাজধানী, মুদ্রা এবং আইনসভার নাম একসাথে মিলিয়ে পড়ার অভ্যাস করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) কনস্টান্টিনোপল
১. কেন সঠিক:
বাইজেনটাইন সাম্রাজ্য বা পূর্ব রোমান সাম্রাজ্যের রাজধানী ছিল ঐতিহাসিক কনস্টান্টিনোপল নগরী।
চতুর্থ শতাব্দীতে রোমান সম্রাট কনস্টান্টাইন প্রাচীন গ্রিক শহর বাইজেন্টিয়ামের স্থানে এই নগরী প্রতিষ্ঠা করেন এবং এর নাম দেন কনস্টান্টিনোপল।
২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট:
স্থান: বর্তমান তুরস্কের ইস্তাম্বুল নগরীই হলো ঐতিহাসিক কনস্টান্টিনোপল।
গুরুত্ব: ইউরোপ ও এশিয়ার সংযোগস্থলে অবস্থিত হওয়ায় এটি মধ্যযুগে ব্যবসা-বাণিজ্য, সংস্কৃতি ও রাজনীতির অন্যতম প্রধান কেন্দ্র ছিল।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রোম নগরী।
ব্যাখ্যা: প্রাচীন রোমান সাম্রাজ্যের মূল রাজধানী ছিল রোম, যা পরবর্তী সময়ে বিভক্ত হয়ে পূর্ব অংশে কনস্টান্টিনোপলে স্থানান্তরিত হয়।
উদাহরণ ২: ইস্তাম্বুল।
ব্যাখ্যা: ১৪৫৩ সালে উসমানীয় সাম্রাজ্যের সুলতান দ্বিতীয় মেহমেদ কনস্টান্টিনোপল জয় করার পর এর নাম ইস্তাম্বুল রাখেন এবং একে তাদের রাজধানী বানান।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লিসবন — এটি পর্তুগালের বর্তমান রাজধানী এবং বাইজেনটাইন সাম্রাজ্যের রাজধানী ছিল না।
B) কনস্টান্টিনোপল — এটিই বাইজেনটাইন সাম্রাজ্যের ঐতিহাসিক রাজধানী।
C) প্যারিস — এটি ফ্রান্সের রাজধানী এবং এটি পশ্চিম ইউরোপীয় সংস্কৃতির কেন্দ্র ছিল।
D) ভিয়েনা — এটি অস্ট্রিয়ার রাজধানী এবং হাবসবার্গ সাম্রাজ্যের মূল কেন্দ্র ছিল।
৫. মনে রাখার টিপস:
রোমান সাম্রাজ্যের পূর্ব অংশ বা বাইজেনটাইন সাম্রাজ্যের নাম মনে রাখলেই কনস্টান্টিনোপল নামটি চলে আসে।
কনস্টান্টিনোপল নামটি সম্রাট কনস্টান্টাইনের নামানুসারে রাখা হয়েছিল।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাইজেনটাইন সাম্রাজ্যের পতন ঘটে ১৪৫৩ সালে উসমানীয় সাম্রাজ্যের হাতে।
এই ঐতিহাসিক নগরীটি বর্তমানে তুরস্কের ইস্তাম্বুল নামে পরিচিত এবং এটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রশ্ন।
সঠিক উত্তর: A) যুক্তরাষ্ট্র
১. কেন সঠিক:
- ২০১৮ সালের জি-সেভেন শীর্ষ সম্মেলনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বাণিজ্য ও শুল্ক নীতির মতপার্থক্যের কারণে যৌথ ঘোষণাপত্র স্বাক্ষর থেকে শেষ মুহূর্তে সরে আসেন।
- কানাডার কুইবেকে অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনে মিত্র দেশগুলোর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক ও রাজনৈতিক দূরত্ব স্পষ্টভাবে প্রকাশ পেয়েছিল।
২. আন্তর্জাতিক সম্মেলন ও ভূরাজনীতি:
- সম্মেলন: ৪৪তম জি-সেভেন শীর্ষ সম্মেলন ২০১৮।
- স্থান: লা মালবাই, কুইবেক, কানাডা।
- প্রেক্ষাপট: ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়ামের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত শুল্ক নিয়ে জি-সেভেনের অন্যান্য সদস্য দেশের সঙ্গে তীব্র মতবিরোধ তৈরি হয়েছিল।
- গুরুত্ব: ধনী দেশগুলোর জোট জি-সেভেনের ঐক্য ও পশ্চিমা মিত্রতার ফাটল হিসেবে এই ঘটনা বিশ্ব রাজনীতিতে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছিল।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: প্যারিস জলবায়ু চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সরে যাওয়া।
ব্যাখ্যা: ডোনাল্ড ট্রাম্পের আমলে আন্তর্জাতিক বহুপক্ষীয় চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বেরিয়ে আসার নীতির একটি বড় উদাহরণ এটি।
উদাহরণ ২: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে যুক্তরাষ্ট্রের তহবিল প্রত্যাহারের ঘোষণা।
ব্যাখ্যা: বৈশ্বিক ফোরামে মার্কিন একক আধিপত্য বজায় রাখার প্রচেষ্টা এবং মিত্রদের সঙ্গে দরকষাকষির একটি কৌশলগত নিদর্শন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) যুক্তরাষ্ট্র — এটি সঠিক উত্তর কারণ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যৌথ ঘোষণায় স্বাক্ষর করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন।
B) ফ্রান্স — ফ্রান্স এই জি-সেভেন সম্মেলনের যৌথ ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর করেছিল এবং ম্যাক্রোঁ মধ্যস্থতার চেষ্টা করেছিলেন।
C) জার্মানি — জার্মানি মুক্ত বাণিজ্য ও যৌথ ঐক্যের পক্ষে ছিল এবং ঘোষণাপত্রকে সমর্থন করেছিল।
D) ইতালি — নতুন সরকার গঠিত হলেও ইতালি সে সময় যৌথ ঘোষণাপত্রের মূল কাঠামোর পক্ষেই অবস্থান নিয়েছিল।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ২০১৮ সালের জি-সেভেন সম্মেলন মানেই ট্রাম্পের একক জেদ এবং যৌথ ঘোষণায় স্বাক্ষর না করার ঐতিহাসিক ঘটনা।
- কানাডার কুইবেক সম্মেলনে মার্কিন বাণিজ্য নীতির বিরোধিতার বিষয়টি মাথায় রাখলে উত্তর ভুল হবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- জি-সেভেন জোটে কোন কোন দেশ আছে এবং তাদের সাম্প্রতিক শীর্ষ সম্মেলনের নানা সিদ্ধান্ত প্রায়ই বিসিএস ও ব্যাংকের পরীক্ষায় আসে।
- আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে ট্রাম্প প্রশাসনের যুক্তরাষ্ট্র ফার্স্ট নীতি এবং মিত্রদের সঙ্গে টানাপোড়েনের দিকটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: D) শেখ হাসিনা
১. কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় অসামান্য নেতৃত্ব ও অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ জাতিসংঘের পরিবেশবিষয়ক সর্বোচ্চ পুরস্কার 'চ্যাম্পিয়নস অব দ্য আর্থ' লাভ করেন।
- ২০১৫ সালে পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলায় বাংলাদেশের নীতিগত সাফল্য এবং স্থানীয় জনগণের সক্ষমতা বৃদ্ধির স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
- সংস্থা: জাতিসংঘের পরিবেশ কর্মসূচি (UNEP) যা পরিবেশগত সুরক্ষায় কাজ করে।
- প্রতিষ্ঠা ও কার্যক্রম: ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত এই সংস্থাটি বিশ্বব্যাপী পরিবেশ সংরক্ষণে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং নীতি নির্ধারণে কাজ করে।
- উদ্দেশ্য ও গুরুত্ব: জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, টেকসই উন্নয়ন এবং পরিবেশ রক্ষায় অসামান্য অবদান রাখা বিশ্বনেতাদের এই খেতাবে ভূষিত করা হয়।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নরেন্দ্র মোদি
ব্যাখ্যা: ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ২০১৫ সালে সৌরশক্তি প্রসারে অবদানের জন্য এই পুরস্কার লাভ করেন, যা পুনর্নবীকরণযোগ্য জ্বালানির গুরুত্ব তুলে ধরে।
উদাহরণ ২: মিয়াজ মোত্তলি
ব্যাখ্যা: বার্বাডোসের প্রধানমন্ত্রী মিয়াজ মোত্তলি ২০২১ সালে জলবায়ু সংকটে বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর হিসেবে এই পুরস্কার পান, যা দ্বীপরাষ্ট্রগুলোর নিরাপত্তা নির্দেশ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হিলারি ক্লীন্টন — তিনি আমেরিকার সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও রাজনীতিবিদ হলেও পরিবেশ ক্ষেত্রে এই নির্দিষ্ট পুরস্কার পাননি।
B) থেরেসা মে — তিনি যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ছিলেন এবং ব্রেক্সিট রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
C) এঞ্জেলা মার্কেল — তিনি জার্মানির সাবেক চ্যান্সেলর এবং ইউরোপীয় রাজনীতির প্রভাবশালী নেতা হলেও তিনি এই পুরস্কার পাননি।
D) শেখ হাসিনা — তিনি ২০১৫ সালে পলিসি লিডারশিপ ক্যাটাগরিতে এই পুরস্কার অর্জন করেন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- জলবায়ু নেতৃত্বে বাংলাদেশের অর্জন মনে রাখতে শেখ হাসিনার পরিবেশ পুরস্কারের সাল অর্থাৎ ২০১৫ সালটি মনে রাখা জরুরি।
- বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের পরিবেশগত সাফল্য পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি তথ্য।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- জাতিসংঘ প্রদত্ত এই পুরস্কারটি পরিবেশ খাতের নোবেল হিসেবে বিবেচিত হয়।
- এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং পরিবেশ বিষয়ক যেকোনো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: B) ভিয়েনা
১. কেন সঠিক:
ওপেক (OPEC) ১৯৬০ সালের সেপ্টেম্বর মাসে বাগদাদে প্রতিষ্ঠিত হলেও এর সদর দপ্তর প্রথমে সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ছিল। ১৯৬৫ সালে এর সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভা থেকে সরিয়ে অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় স্থানান্তর করা হয় এবং অদ্যাবধি সেখানেই এর প্রধান কার্যালয় রয়েছে।
২. আন্তর্জাতিক সংস্থা:
সংস্থা: ওপেক বা পেট্রোলিয়াম রপ্তানিকারক দেশগুলোর সংস্থা।
প্রতিষ্ঠা: ১৯৬০ সালের ১০ থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর বাগদাদ সম্মেলনে।
সদর দপ্তর: অস্ট্রিয়ার ভিয়েনা শহর।
উদ্দেশ্য: সদস্য দেশগুলোর পেট্রোলিয়াম নীতির সমন্বয় সাধন এবং তেলের বাজার স্থিতিশীল রাখা।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জাতিসংঘের সদর দপ্তর
ব্যাখ্যা: জাতিসংঘের মূল কার্যালয় যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক শহরে অবস্থিত হলেও এর বিভিন্ন অঙ্গসংস্থা যেমন ডব্লিউএইচও বা আইএলও জেনেভায় অবস্থিত।
উদাহরণ ২: ন্যাটোর সদর দপ্তর
ব্যাখ্যা: ন্যাটো প্রতিষ্ঠার পর এর সদর দপ্তর প্রথমে লন্ডনে এবং পরে প্যারিসে ছিল, যা পরবর্তীতে বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে স্থানান্তরিত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জেনেভা — এটি সুইজারল্যান্ডের একটি গুরুত্বপূর্ণ শহর এবং এখানে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সদর দপ্তর রয়েছে।
B) ভিয়েনা — এটি অস্ট্রিয়ার রাজধানী এবং ১৯৬৫ সাল থেকে এটি ওপেকের বর্তমান স্থায়ী সদর দপ্তর হিসেবে কাজ করছে।
C) জেদ্দা — এটি সৌদি আরবের একটি বাণিজ্যিক শহর এবং এখানে ওআইসি বা ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থার প্রধান কার্যালয় অবস্থিত।
D) বাগদাদ — এটি ইরাকের রাজধানী এবং ১৯৬০ সালে এই শহরেই ওপেক প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল কিন্তু এর সদর দপ্তর সেখানে স্থায়ী হয়নি।
৫ মনে রাখার টিপস:
ওপেক গঠিত হয়েছিল ইরাকের বাগদাদ শহরে কিন্তু এর বর্তমান সদর দপ্তর অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায় অবস্থিত।
প্রতিষ্ঠার স্থান এবং বর্তমান সদর দপ্তরের এই পার্থক্যটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করতে ব্যবহৃত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ওপেক কোন সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা কত, তা বিসিএস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সংস্থাটির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য দেশ কয়টি ছিল এবং বর্তমানে এর সদর দপ্তর কোথায়, এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
সঠিক উত্তর: C) ১৬০০-১৮০০ সাল
১. কেন সঠিক:
আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থা বা নেশন স্টেট ধারণাটির বিকাশ মূলত ১৬০০ থেকে ১৮০০ সালের মধ্যবর্তী সময়ে ইউরোপে শুরু হয়।
বিশেষ করে ১৬৪৮ সালের ভেস্টফালিয়া চুক্তি আধুনিক রাষ্ট্র ব্যবস্থার সার্বভৌমত্ব ও ভূখণ্ডের সীমানা নির্ধারণের ক্ষেত্রে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিল।
২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট:
প্রেক্ষাপট: ইউরোপের ত্রিশ বছরের যুদ্ধের অবসান ঘটাতে ১৬৪৮ সালে ভেস্টফালিয়া চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
গুরুত্ব: এই চুক্তির মাধ্যমে মধ্যযুগীয় সামন্তপ্রথার অবসান ঘটে এবং সার্বভৌম রাষ্ট্রের ধারণা বিশ্বে প্রতিষ্ঠিত হয়।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ভেস্টফালিয়া চুক্তি
ব্যাখ্যা: এই চুক্তি আধুনিক আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভিত্তি স্থাপন করে যেখানে প্রতিটি রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে অন্য রাষ্ট্রের হস্তক্ষেপে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়।
উদাহরণ ২: ফরাসি বিপ্লব ১৭৮৯ সাল
ব্যাখ্যা: এই বিপ্লব আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় নাগরিক অধিকার, গণতন্ত্র এবং জাতীয়তাবাদের ধারণাকে আরও বেশি শক্তিশালী ও সুদৃঢ় করে তোলে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রাচীন গ্রীস সময়কাল — এই সময়ে নগররাষ্ট্র বা সিটি স্টেট প্রচলিত ছিল, যা আধুনিক সার্বভৌম ও বিশাল আয়তনের রাষ্ট্রব্যবস্থা থেকে সম্পূর্ণ আলাদা ছিল।
B) প্রথম বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তীকাল — এই সময়কালে আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থা উদ্ভব হয়নি, বরং উসমানীয় ও অস্ট্রো-হাঙ্গেরিয়ান সাম্রাজ্যের ভাঙনের পর নতুন রাষ্ট্র গঠিত হয়েছিল।
D) প্রাচীন রোম শাসনকাল — এটি ছিল একটি সাম্রাজ্যভিত্তিক শাসনব্যবস্থা, যেখানে একক সার্বভৌম রাষ্ট্রের পরিবর্তে কেন্দ্রীয় সাম্রাজ্যের অধীন বিভিন্ন প্রদেশ ও উপনিবেশ ছিল।
৫ মনে রাখার টিপস:
আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থার জন্মকাল মনে রাখতে ভেস্টফালিয়া চুক্তির সাল অর্থাৎ ১৬৪৮ সালকে কেন্দ্র ধরে ১৬০০ থেকে ১৮০০ সাল সময়কাল মনে রাখতে হবে।
সাম্রাজ্য বা নগররাষ্ট্রের যুগ শেষ হয়ে সার্বভৌম রাষ্ট্রের যুগ শুরু হয় এই নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থার জনক বা ভেস্টফালিয়া চুক্তি সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
একই বিষয় থেকে প্রশ্ন হতে পারে আধুনিক আন্তর্জাতিক রাজনীতির ভিত্তি কোন চুক্তিকে বলা হয়।
সঠিক উত্তর: A) ইইউ
১. কেন সঠিক:
প্রশ্নটিতে যুক্তরাষ্ট্রের রপ্তানি বাণিজ্যের বৃহত্তম বাজার সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়েছে। বিশ্ব বাণিজ্য পরিসংখ্যান অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্র একক দেশ হিসেবে চীন বা কানাডার সঙ্গে সবচেয়ে বেশি বাণিজ্য করলেও, অর্থনৈতিক জোট হিসেবে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) বাজারে যুক্তরাষ্ট্রের রপ্তানি পণ্যের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি।
২. বিশ্ব অর্থনীতি ও বাণিজ্য:
সংস্থা: ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) হলো ইউরোপের সাতাইশটি দেশের একটি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক জোট।
সদর দপ্তর: বেলজিয়ামের ব্রাসেলস শহরে এই জোটের প্রধান কার্যালয় অবস্থিত।
উদ্দেশ্য: সদস্য দেশগুলোর মধ্যে অবাধ বাণিজ্য নিশ্চিত করা এবং বৈশ্বিক অর্থনীতিতে শক্তিশালী ভূমিকা রাখা।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ট্রান্সআটলান্টিক বাণিজ্য
ব্যাখ্যা: যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যকার এই বাণিজ্য বিশ্ব অর্থনীতির সবচেয়ে বড় দ্বিপক্ষীয় অংশীদারিত্ব তৈরি করেছে।
উদাহরণ ২: চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য
ব্যাখ্যা: দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের ক্ষেত্রে চীন একক দেশ হিসেবে শীর্ষে থাকলেও জোটগত বা ইইউর ক্ষেত্রে চিত্র ভিন্ন হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইইউ — যুক্তরাষ্ট্র থেকে সর্বোচ্চ পরিমাণ পণ্য ও সেবা আমদানির ক্ষেত্রে এই জোটটি বিশ্বের শীর্ষ বাজার হিসেবে স্বীকৃত।
B) ভারত — যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যে ভারতের অংশীদারিত্ব গুরুত্বপূর্ণ হলেও তা ইইউর বাজারের পরিমাণের তুলনায় কম।
সি) কানাডা — কানাডা যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম বৃহৎ বাণিজ্যিক অংশীদার হলেও একক দেশ হিসেবে গণ্য হয় এবং ইইউ জোটের মোট পরিমাণ বেশি।
ডি) চীন — চীন যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান আমদানিকারক দেশগুলোর একটি, তবে রপ্তানি বাজারের একক হিসাবে ইইউর অবস্থান ও পরিসংখ্যান ভিন্ন।
৫. মনে রাখার টিপস:
যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে চীন এগিয়ে থাকলেও, রপ্তানি বাজারের জোট হিসেবে ইইউ বা ইউরোপীয় ইউনিয়ন সবার চেয়ে এগিয়ে থাকে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য পরিসংখ্যান থেকে প্রায়ই এ ধরনের জোটভিত্তিক প্রশ্ন বিসিএস ও ব্যাংক পরীক্ষায় আসে।
সঠিক উত্তর: B) নয়া উদারতাবাদী অর্থনৈতিক নীতি বাস্তবায়ন
১. কেন সঠিক:
- এই প্রশ্নটি বিশ্ব অর্থনীতি ও বাণিজ্য এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার নীতি নির্ধারণের সঙ্গে সম্পর্কিত।
- ওয়াশিংটন কনসেনসাস হলো আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহ কর্তৃক উন্নয়নশীল দেশের জন্য নির্ধারিত কিছু অর্থনৈতিক সংস্কার নীতির সমষ্টি।
২. আন্তর্জাতিক নীতি ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান:
- প্রতিষ্ঠান: বিশ্বব্যাংক, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা আইএমএফ এবং মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ।
- প্রতিষ্ঠা ও স্থান: উনবিশ শতকের নব্বইয়ের দশকে ওয়াশিংটন ডি সি শহরে এই নীতিমালার রূপরেখা তৈরি হয়।
- প্রেক্ষাপট: ল্যাটিন আমেরিকার অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলার জন্য অর্থনীতিবিদ জন উইলিয়ামসন এই দশ দফা নীতি প্রস্তাব করেন।
- উদ্দেশ্য ও গুরুত্ব: রাষ্টীয় নিয়ন্ত্রণ কমিয়ে মুক্তবাজার অর্থনীতি, বেসরকারি খাতকে প্রাধান্য দেওয়া এবং বিশ্বায়নকে উৎসাহিত করা এর মূল লক্ষ্য ছিল।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: লাতিন আমেরিকার দেশসমূহ
ব্যাখ্যা: নব্বইয়ের দশকে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল মুদ্রাস্ফীতি রোধ এবং বিদেশি বিনিয়োগ বাড়াতে এই কনসেনসাসের নীতিগুলো অন্ধভাবে বাস্তবায়ন করেছিল।
উদাহরণ ২: структурное перестроение বা গাঠনিক সংস্কার
ব্যাখ্যা: উন্নয়নশীল দেশগুলো ঋণ পাওয়ার শর্ত হিসেবে আইএমএফের এই নীতি গ্রহণ করতে বাধ্য হয়েছিল, যা বিশ্ব অর্থনীতিতে গভীর প্রভাব ফেলে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আন্তর্জাতিক অভিবাসন নীতি — এটি অভিবাসী শ্রমিক ও আন্তর্জাতিক সীমান্ত অতিক্রমের সঙ্গে জড়িত, কোনো অর্থনৈতিক সংস্কার নীতি নয়।
B) নয়া উদারতাবাদী অর্থনৈতিক নীতি বাস্তবায়ন — এটিই সঠিক উত্তর কারণ এটি মুক্তবাজার ও বেসরকারি খাত প্রসারের কথা বলে।
C) অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ — এটি সামরিক শক্তি হ্রাস ও পারমাণবিক অস্ত্র প্রসারণ রোধের সঙ্গে সম্পর্কিত বিষয়।
D) আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদ দমন — এটি বৈশ্বিক নিরাপত্তা ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কার্যক্রমের অন্তর্ভুক্ত বিষয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ওয়াশিংটন মানেই ইউএস ডলার এবং বিশ্বব্যাংক, আর ব্যাংক মানেই অর্থনীতি বা মুক্তবাজার নীতি।
- কনসেনসাস শব্দটির অর্থ ঐকমত্য, যা অর্থনীতিবিদদের প্রস্তাবিত নীতিমালার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- জন উইলিয়ামসন কত সালে ওয়াশিংটন কনসেনসাস প্রবর্তন করেন, তা প্রায়ই বিসিএস পরীক্ষায় আসে।
- এই নীতিমালার মূল কথাই হলো সরকারি খাতের ভূমিকা কমানো এবং বেসরকারি খাতকে উন্মুক্ত করা।
সঠিক উত্তর: A) মিয়ানমার
১. কেন সঠিক:
মিয়ানমারের জাতীয় সংসদ বা আইনসভা দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট। এর উচ্চকক্ষের নাম অ্যামথা হ্লুতা এবং নিম্নকক্ষের নাম পিথু হ্লুতা।
সংবিধান অনুযায়ী দেশটির আইনসভায় সামরিক বাহিনীর জন্য নির্দিষ্ট আসন সংরক্ষিত থাকে, যা দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার রাজনীতিতে অত্যন্ত আলোচিত।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
দেশ: মিয়ানমার (পূর্বের নাম বার্মা)
প্রেক্ষাপট: ২০০৮ সালের সংবিধান অনুযায়ী মিয়ানমারে দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট সংসদ ব্যবস্থা চালু করা হয়।
গুরুত্ব: এই সংসদীয় কাঠামোর মাধ্যমে দেশটির রাজনীতিতে বেসামরিক ও সামরিক ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষার একটি জটিল প্রক্রিয়া তৈরি করা হয়েছিল।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ভারত
ব্যাখ্যা: ভারতের সংসদ দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট, যার উচ্চকক্ষ রাজ্যসভা এবং নিম্নকক্ষ লোকসভা।
উদাহরণ ২: বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা: বাংলাদেশের আইনসভা বা জাতীয় সংসদ এককক্ষ বিশিষ্ট, যা থেকে শিক্ষার্থীরা এককক্ষ ও দ্বি-কক্ষ ব্যবস্থার পার্থক্য বুঝতে পারে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মিয়ানমার — সঠিক উত্তর, কারণ এর আইনসভা দুটি কক্ষে বিভক্ত।
B) চীন — চীনের জাতীয় গণকক্ষ এককক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা হিসেবে পরিচালিত হয়।
C) সিঙ্গাপুর — সিঙ্গাপুরের আইনসভা বা পার্লামেন্ট এককক্ষ বিশিষ্ট।
D) ব্রুনাই — ব্রুনাইয়ে কোনো নির্বাচিত সংসদ বা আইনসভা নেই, দেশটির শাসনকার্য সুলতানের নির্বাহী আদেশে পরিচালিত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে মিয়ানমারের সংসদ দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট।
মনে রাখার জন্য মিয়ানমার নামটি মনে রাখতে পারো, যাদের সংবিধানে উচ্চ ও নিম্ন উভয় কক্ষের বিধান রয়েছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিশ্বের বড় দেশগুলোর পাশাপাশি ছোট বা প্রতিবেশী দেশগুলোর সংসদ এককক্ষ নাকি দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট, তা বিসিএস ও ব্যাংক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
একই বিষয় থেকে প্রশ্ন হতে পারে যে কোন দেশের আইনসভা এককক্ষ বিশিষ্ট।
সঠিক উত্তর: D) সেন্তোসা
১. কেন সঠিক:
- ২০১৮ সালের ১২ জুন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং উত্তর কোরিয়ার শীর্ষ নেতা কিম জং উনের ঐতিহাসিক বৈঠকটি সিঙ্গাপুরের সেন্তোসা দ্বীপে অবস্থিত কাপেলা হোটেলে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
- এটি ছিল যুক্তরাষ্ট্র এবং উত্তর কোরিয়ার বর্তমান সর্বোচ্চ নেতৃত্বের মধ্যে ইতিহাসে প্রথম সরাসরি মুখোমুখি বৈঠক, যা বিশ্ব রাজনীতিতে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ছিল।
২. আন্তর্জাতিক সম্মেলন ও শীর্ষ বৈঠক:
- স্থান: সিঙ্গাপুরের সেন্তোসা দ্বীপের কাপেলা হোটেল।
- তারিখ: ১২ জুন ২০১৮ সাল।
- প্রেক্ষাপট: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও উত্তর কোরিয়ার দীর্ঘদিনের পারমাণবিক উত্তেজনা নিরসনের লক্ষ্যে এই শীর্ষ বৈঠক আহ্বান করা হয়েছিল।
- উদ্দেশ্য ও গুরুত্ব: কোরিয় উপদ্বীপকে পারমাণবিক অস্ত্র মুক্ত করা এবং দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের বৈরিতা দূর করে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করা।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নিক্সন ও মাও সেতুং বৈঠক (১৯৭২)
ব্যাখ্যা: ১৯৭২ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সনের চীন সফর যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের দীর্ঘদিনের বরফ গলাতে এবং কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করতে সাহায্য করেছিল, যা বিশ্ব ভূরাজনীতি বদলে দিয়েছিল।
উদাহরণ ২: আইজেনহাওয়ার ও ক্রুশ্চেভ বৈঠক
ব্যাখ্যা: স্নায়ুযুদ্ধের সময় পরাশক্তিগুলোর শীর্ষ বৈঠকগুলো বৈশ্বিক উত্তেজনা প্রশমন ও সরাসরি যোগাযোগের পথ উন্মুক্ত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইস্টানা আইল্যান্ড — এটি সঠিক নয় কারণ ইস্টানা হলো সিঙ্গাপুরের রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন, যা মূল দ্বীপে অবস্থিত এবং ট্রাম্প-কিম বৈঠক সেখানে হয়নি।
B) সেনার আয়ল্যান্ড — এটি সঠিক নয় কারণ আন্তর্জাতিক রাজনীতি বা ভূগোল অনুযায়ী এই নামে কোনো বিখ্যাত দ্বীপ বা বৈঠকের স্থান নেই।
C) ম্যারিনা বে — এটি সঠিক নয় কারণ ম্যারিনা বে স্যান্ডস সিঙ্গাপুরের একটি বিখ্যাত এলাকা ও হোটেল হলেও ট্রাম্প-কিম বৈঠক সেখানে অনুষ্ঠিত হয়নি।
D) সেন্তোসা — এটি সঠিক কারণ ঐতিহাসিক ট্রাম্প-কিম শীর্ষ বৈঠকটি এই দ্বীপেই অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ট্রাম্প ও কিমের ঐতিহাসিক বৈঠকটি হয়েছিল সিঙ্গাপুরের একটি জনপ্রিয় রিসোর্ট দ্বীপ সেন্তোসায়।
- এভাবে মনে রাখতে পারো যে সেন্ট বা সেন্তোসা দ্বীপে বিশ্ব শান্তির বার্তা নিয়ে দুই নেতা মিলিত হয়েছিলেন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এই বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র ও উত্তর কোরিয়া কোরিয় উপদ্বীপকে পারমাণবিক মুক্ত করার একটি যৌথ ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর করেছিল।
- এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস ও ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় শীর্ষ বৈঠকের স্থান ও সাল সম্পর্কিত অংশে আসে।
সঠিক উত্তর: A) বাস্তববাদ
১. কেন সঠিক:
আন্তর্জাতিক সম্পর্কের তত্ত্বে জিরোসাম গেম এমন একটি পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে একজনের লাভ মানেই অন্যজনের নিশ্চিত ক্ষতি।
বাস্তববাদ তত্ত্বের মূল কথা হলো আন্তর্জাতিক রাজনীতি ক্ষমতার দ্বন্দ্ব এবং এখানে রাষ্ট্রগুলো নিজেদের স্বার্থ রক্ষায় প্রতিযোগিতায় লিপ্ত থাকে।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
প্রেক্ষাপট: বাস্তববাদ তত্ত্ব অনুযায়ী আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা নৈরাজ্যমূলক এবং এখানে কোনো কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষ নেই।
উদ্দেশ্য/গুরুত্ব: এই তত্ত্বে রাষ্ট্রগুলোকে একমাত্র ক্ষমতার খেলোয়াড় হিসেবে ধরা হয়, যেখানে সহযোগিতা সাময়িক এবং স্বার্থই প্রধান।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: স্নায়ুযুদ্ধ সময়কালে যুক্তরাষ্ট্র এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যকার পারমাণবিক অস্ত্র প্রতিযোগিতা।
ব্যাখ্যা: এই প্রতিযোগিতায় এক পক্ষের শক্তি বৃদ্ধি অন্য পক্ষের জন্য সরাসরি হুমকি ও ক্ষতির কারণ হিসেবে দেখা হতো।
উদাহরণ ২: আন্তর্জাতিক নদী অববাহিকায় পানিবণ্টন চুক্তি ও বিরোধ।
ব্যাখ্যা: উজানের দেশ পানি বেশি ব্যবহার করলে ভাটির দেশের পানির প্রাপ্তি কমে যায়, যা জিরোসাম গেমের বাস্তব উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাস্তববাদ — এই তত্ত্বের সঙ্গে জিরোসাম গেম সরাসরি সংশ্লিষ্ট কারণ এটি শক্তি ও নিরাপত্তার প্রতিযোগিতাকে নির্দেশ করে।
B) মার্ফ্রবাদ (মার্ক্সবাদ) — এই তত্ত্বটি মূলত শ্রেণি সংগ্রাম ও ধনতান্ত্রিক অর্থনৈতিক শোষণের ওপর আলোকপাত করে, জিরোসাম গেমের মূল প্রবক্তা নয়।
C) গঠনবাদ — এই তত্ত্বটি আন্তর্জাতিক সম্পর্কে ধারণা, আদর্শ, সংস্কৃতি এবং পরিচয়ের পরিবর্তনের ওপর গুরুত্ব আরোপ করে।
D) উদারতাবাদ — এই তত্ত্বটি আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, আন্তর্জাতিক সংস্থা এবং পারস্পরিক কল্যাণের ওপর জোর দেয় যা জিরোসাম গেমের বিপরীত।
৫ মনে রাখার টিপস:
বাস্তববাদ মানেই কঠোর প্রতিযোগিতা আর স্বার্থের দ্বন্দ্ব। বাস্তববাদী বিশ্বে কারো লাভ মানেই অন্যের ক্ষতি, অর্থাৎ জিরোসাম গেম।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
আন্তর্জাতিক সম্পর্কের তত্ত্বে জিরোসাম গেম এবং ননজিরোসাম গেমের ধারণা প্রায়ই পরীক্ষাগারে প্রতিযোগিতামূলক প্রশ্নে আসে। বাস্তববাদ প্রতিযোগিতাকে সমর্থন করে আর উদারতাবাদ সহযোগিতাকে গুরুত্ব দেয়।
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)