বাংলাদেশ  সিভিল সার্ভিস (BCS)

৩০ তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা ২০১০

পদের নাম: বিভিন্ন পদ (৯ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (96)

a মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
b সৈয়দ শামসুল হক
c শামসুর রাহমান
d সঠিক উত্তর নেই.
0 158 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শামসুর রাহমান কেন সঠিক: - আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি শামসুর রাহমান ১৯২৯ সালের তেইশে অক্টোবর জন্মগ্রহণ করেন। - কবি শামসুর রাহমানের জন্মস্থান ছিল তৎকালীন ঢাকা জেলার পাহাড়তলী গ্রামে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা সাহিত্য পাঠে কবিদের জন্মস্থান ও জন্মতারিখ সম্পর্কিত সাধারণ জ্ঞান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। - শামসুর রাহমান ঢাকা শহরে জন্মগ্রহণ করলেও তাঁর পৈতৃক নিবাস এবং জন্মসংক্রান্ত ঐতিহাসিক নথিতে পাহাড়তলী গ্রামের উল্লেখ পাওয়া যায়। - এই ধরনের তথ্যাদি সাহিত্যিকদের জীবনীমূলক প্রশ্নে বহুল ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী — ষোড়শ শতাব্দীর এই মধ্যযুগের কবি বর্তমান বর্ধমান জেলার দামিন্যা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। - B) সৈয়দ শামসুল হক — বিশ শতকের প্রখ্যাত এই সাহিত্যিক ১৯৩৫ সালে কুড়িগ্রাম জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। - C) শামসুর রাহমান — এই অপশনটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। - D) সঠিক উত্তর নেই — যেহেতু সি অপশনে সঠিক উত্তর শামসুর রাহমান রয়েছে, তাই এই অপশনটি ভুল। মনে রাখার টিপস: - শামসুর রাহমানের নাম এলেই তাঁর জন্মস্থান পাহাড়তলী গ্রাম এবং জন্মসাল ১৯২৯ সাল একসাথে মনে রাখবে।
a মুন্সী মেহেরুল্লা
b সঞ্জয় ভট্টাচার্য
c কামিনী রায়
d মােজাম্মেল হক
0 113 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: খ) সঞ্জয় ভট্টাচার্য কেন সঠিক: - সঞ্জয় ভট্টাচার্য ছিলেন বিংশ শতাব্দীর আধুনিক বাংলা সাহিত্যের একজন বিশিষ্ট কবি ও সম্পাদক। - তাঁর সম্পাদনাতেই ‘পূর্বাশা’ পত্রিকাটি প্রকাশিত হতো এবং এটি সাহিত্য অঙ্গনে বিশেষ খ্যাতি অর্জন করেছিল। ব্যাকরণ বা সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা সাহিত্য ইতিহাসে ‘পূর্বাশা’ একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও প্রগতিশীল সাহিত্যপত্র হিসেবে পরিচিত। - এই পত্রিকাটির মাধ্যমে বহু নবীন লেখক ও কবি সাহিত্যজগতে পরিচিতি লাভ করেছিলেন। - বিশ শতকের ত্রিশের দশকের আধুনিক বাংলা কবিতার বিকাশে এই পত্রিকার অবদান অনস্বীকার্য। বাকি অপশন কেন ভুল: - ক) মুন্সী মেহেরুল্লা — তিনি একজন বিশিষ্ট সমাজ সংস্কারক ও ইসলাম প্রচারক ছিলেন, কোনো সাহিত্য পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন না। - গ) কামিনী রায় — তিনি ব্রিটিশ ভারতের প্রথম নারী অনার্স স্নাতক ও বিখ্যাত কবি ছিলেন, যিনি ‘বসুন্ধরা’ বা ‘অশোকসঙ্গীত’ এর মতো কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা। - ঘ) মোজাম্মেল হক — তিনি একজন বাঙালি সাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক ছিলেন, যিনি ‘মহরম শরীফ’ মহাকাব্য রচনার জন্য পরিচিত। মনে রাখার টিপস: - পূর্বাশা পত্রিকার সম্পাদক সঞ্জয় ভট্টাচার্য এটি মনে রাখতে পূর্ব ও সঞ্জয় শব্দ দুটি একসাথে মনে রাখতে পারো।
a 2007
b 1907
c 1909
d 1916
0 117 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯০৭ ১. কেন সঠিক: চর্যাপদ আবিষ্কৃত হয় ১৯০৭ সালে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে। এই আবিষ্কারটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস ও প্রাচীন রূপ উন্মোচনের ক্ষেত্রে একটি যুগান্তকারী ঘটনা ছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন বা সাহিত্যিক নিদর্শন। এটি হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপাল থেকে আবিষ্কার করেন এবং ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে 'হাজার বছরের পুরাণ বাংলা ভাষায় রচিত বৌদ্ধ গান ও দোহা' নামে প্রকাশ করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চর্যাপদের টিকাকার মুনিদত্ত। ব্যাখ্যা: চর্যাপদের তিব্বতী অনুবাদ ও সংস্কৃত টিকা আবিষ্কারের ক্ষেত্রে মুনিদত্তের টীকার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। উদাহরণ ২: চর্যাপদের পদকর্তা কাহ্নপা। ব্যাখ্যা: কাহ্নপা চর্যাপদে সর্বাধিক সংখ্যক অর্থাৎ তেরোটি পদ রচনা করেছেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০০৭ — এই সালে চর্যাপদ আবিষ্কারের সাথে কোনো ঐতিহাসিক বা সাহিত্যিক ঘটনার সম্পর্ক নেই। B) ১৯০৭ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপাল থেকে চর্যাপদ আবিষ্কার করেন। C) ১৯০৯ — এই সালে চর্যাপদ আবিষ্কারের কোনো ঐতিহাসিক তথ্য নেই, এটি একটি ভুল সাল। D) ১৯১৬ — এই সালে চর্যাপদ গ্রন্থাকারে প্রথম প্রকাশিত হয়, আবিষ্কৃত হয় না। ৫ মনে রাখার টিপস: চর্যাপদ আবিষ্কারের সাল মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো শাস্ত্রী মহাশয় ১৯০৭ সালে নেপালে গিয়ে পুঁথি পেলেন আর ১৯১৬ সালে তা বই আকারে প্রকাশ পেলেন। এই ঐতিহাসিক ক্রমটি মনে রাখলে আবিষ্কার ও প্রকাশের সালের বিভ্রান্তি দূর হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় চর্যাপদের আবিষ্কারক এবং প্রকাশের সাল বারবার আসে। আবিষ্কার ১৯০৭ সাল এবং প্রকাশকাল ১৯১৬ সাল এই দুটি তথ্য আলাদাভাবে মনে রাখা জরুরি।
a বীরবল
b ভিমরুল
c অনিলাদেবী
d যাযাবর
0 93 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অনিলাদেবী ১. কেন সঠিক: - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় তাঁর কিছু সাহিত্যকর্ম প্রকাশের জন্য 'অনিলাদেবী' ছদ্মনামটি ব্যবহার করতেন। - তৎকালীন সমাজের রক্ষণশীলতা এড়াতে এবং নামের আড়ালে থেকে স্বাধীনভাবে লেখালেখির জন্য তিনি এই ছদ্মনাম গ্রহণ করেছিলেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের বরপুত্র ও জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক হিসেবে পরিচিত। - তাঁর বিখ্যাত উপন্যাসগুলোর মধ্যে দেবদাস, পরিণীতা, শ্রীকান্ত ও বড়দিদি অন্যতম। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'বিলাসী' ছোটগল্প। ব্যাখ্যা: এটি তাঁর অন্যতম জনপ্রিয় একটি রচনা যা সমাজের কুসংস্কারের বিরুদ্ধে রচিত। উদাহরণ ২: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'পথের দাবী' উপন্যাস। ব্যাখ্যা: এটি একটি রাজনৈতিক পটভূমিতে রচিত উপন্যাস যা ব্রিটিশ সরকার নিষিদ্ধ করেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বীরবল — এটি প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম। B) ভিমরুল — এটি কোনো প্রখ্যাত লেখকের প্রধান ছদ্মনাম হিসেবে পরিচিত নয়। C) অনিলাদেবী — এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম এবং এটি সঠিক উত্তর। D) যাযাবর — এটি বিনয় মুখোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম। ৫ মনে রাখার টিপস: - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম মনে রাখতে 'অনিলাদেবী' নামটি বারবার মনে করতে পারো। - ছদ্মনামের প্রশ্নগুলোর ক্ষেত্রে লেখকের আসল নামের সাথে ছদ্মনামের একটি তালিকা তৈরি করে পড়া ভালো। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিখ্যাত লেখকদের ছদ্মনাম প্রায়ই আসে। - প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম বীরবল এবং বিনয় মুখোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম যাযাবর—এই তথ্যগুলোও মনে রাখা জরুরি।
a প্যারীচাঁদ মিত্র
b রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
c দামােদর বন্দ্যোপাধ্যায়
d শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
0 97 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্যারীচাঁদ মিত্র ১. কেন সঠিক: আধ্যাত্মিকা উপন্যাসের রচয়িতা প্যারীচাঁদ মিত্র। বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস আলালের ঘরের দুলাল উপন্যাসের এই লেখক আধ্যাত্মিকা উপন্যাসের মাধ্যমেও নৈতিক শিক্ষা প্রচার করেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: প্যারীচাঁদ মিত্র টেকচাঁদ ঠাকুর ছদ্মনামে লেখালেখি করতেন। তিনি বাংলা উপন্যাসের ধারা সৃষ্টি এবং প্রমথ চৌধুরীর পূর্বে কথ্যরীতির প্রবক্তা হিসেবে পরিচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আলালের ঘরের দুলাল ব্যাখ্যা: এটি প্যারীচাঁদ মিত্র রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাস যা কথ্য সাধুীতিতে রচিত। উদাহরণ ২: যত কিচ্ছিন্য ব্যাখ্যা: এটি প্যারীচাঁদ মিত্রের অপর একটি বিখ্যাত রচনা যা সমাজের নানা কুসংস্কারের বিরুদ্ধে লেখা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্যারীচাঁদ মিত্র — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি আধ্যাত্মিকা উপন্যাসের রচয়িতা। B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বাংলা সাহিত্যের বহুমুখী প্রতিভাবান লেখক হলেও এই উপন্যাসের রচয়িতা নন। C) দামোদর বন্দ্যোপাধ্যায় — তিনি উনবিংশ শতাব্দীর ঔপন্যাসিক হলেও এই উপন্যাসটি তাঁর রচিত নয়। D) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি বিশ শতকের জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক হলেও এই উপন্যাসটি তাঁর লেখা নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: প্যারীচাঁদ মিত্র মানেই নীতিশিক্ষামূলক উপন্যাস। আলালের ঘরের দুলাল এবং আধ্যাত্মিকা দুটি উপন্যাসই তাঁর নীতিশিক্ষার অনন্য নিদর্শন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা উপন্যাসের সূচনার যুগে প্যারীচাঁদ মিত্রের অবদান অপরিসীম। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তাঁর ছদ্মনাম টেকচাঁদ ঠাকুর এবং তাঁর উপন্যাস সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
a সূর্য
b সমুদ্র
c যুদ্ধক্ষেত্র
d সৈনিক
0 150 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সৈনিক ১. কেন সঠিক: - ‘অনিক’ বা ‘অনীক’ একটি তৎসম শব্দ যার প্রচলিত অর্থ সৈনিক, যোদ্ধা বা সেনা। - বাংলা কাব্যে এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই শব্দটি সমার্থক শব্দ হিসেবে বহুবার এসেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডারের একটি গুরুত্বপূর্ণ সমার্থক শব্দ বা শব্দের অর্থ বিষয়ক প্রশ্ন। - প্রমিত বাংলা বানানে ‘অনীক’ শব্দের দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহৃত হয়, যার অর্থ সৈন্যদল বা সৈনিক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অনীকিনী ব্যাখ্যা: অনীক বা সৈনিকদের সমষ্টি বা বাহিনী বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: অনীকনাথ ব্যাখ্যা: অনীক শব্দের সাথে নাথ যুক্ত হয়ে সেনাপতি বা সৈন্যের অধিনায়ক অর্থ প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সূর্য — সূর্যের সঠিক সমার্থক শব্দ হলো রবি, ভাস্কর, দিবাকর ইত্যাদি, অনীক নয়। B) সমুদ্র — সমুদ্রের প্রচলিত সমার্থক শব্দ হলো সাগর, অর্ণব, পারাবার ইত্যাদি, অনীক নয়। C) যুদ্ধক্ষেত্র — যুদ্ধক্ষেত্র বা রণাঙ্গন বলতে যুদ্ধের স্থানকে বোঝায়, সৈনিককে নয়। D) সৈনিক — এই অপশনটি সঠিক কারণ অনীক শব্দের সরাসরি অর্থ সৈনিক বা যোদ্ধা। ৫ মনে রাখার টিপস: - অনীক মানে সৈনিক বা যোদ্ধা, এটি মনে রাখতে অনীক শব্দটিকে সেনার সাথে মিলিয়ে পড়তে পারো। - পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ দাগানোর সময় মূল শব্দের অর্থের সাথে অপশনের মিল ভালোভাবে যাচাই করে নেবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের অর্থ ও সমার্থক শব্দ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - অনীক শব্দের মতো চতুরঙ্গ, চমু, বা অনীকিনী শব্দগুলোর অর্থও সৈনিক বা সৈন্যদল সম্পর্কিত।
a মধ্যপদলােপী কর্মধারয়
b ষষ্ঠী তৎপুরুষ
c পঞ্চমী তৎপুরুষ
d উপমান কর্মধারয়
0 112 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মধ্যপদলােপী কর্মধারয় কেন সঠিক: ১. জ্যোৎস্নারাত শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো জ্যোৎস্না শোভিত রাত, যেখানে মাঝের শোভিত পদটি লুপ্ত হয়েছে। ২. কর্মধারয় সমাসের নিয়মে পদের মাঝের অর্থবাচক শব্দ লোপ পাওয়ায় এটি মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাসের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. যে কর্মধারয় সমাসে ব্যাসবাক্যের মাঝের পদ বা পদগুলো সম্পূর্ণভাবে লোপ পায়, তাকে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস বলে। ২. এখানে জ্যোৎস্না ও রাত দুটি প্রধান পদের সংযোগ রক্ষাকারী শোভিত শব্দটি সমস্তপদে এসে বাদ পড়ে গেছে। ৩. যেমন সিংহ চিহ্নিত আসন সমান সিংহাসন, ঠিক তেমনি জ্যোৎস্না শোভিত রাত সমান জ্যোৎস্নারাত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মধ্যপদলোপী কর্মধারয় — এটি সঠিক অপশন এবং ব্যাসবাক্যের মাঝের পদ লোপ পাওয়ায় এই নাম হয়েছে। B) ষষ্ঠী তৎপুরুষ — এই সমাসে সম্বন্ধ পদের বিভক্তি লোপ পায়, কিন্তু এখানে তা ঘটেনি বরং মাঝের পদ লুপ্ত হয়েছে। C) পঞ্চমী তৎপুরুষ — এই সমাসে অপাদান কারকের বিভক্তি লোপ পায়, যা এই শব্দের গঠনে অনুপস্থিত। D) উপমান কর্মধারয় — এই সমাসে সাধারণ ধর্মবাচক পদের সাথে উপমেয় পদের তুলনা বোঝায়, যা এখানে নেই। মনে রাখার টিপস: ১. ব্যাসবাক্য করার সময় যদি মাঝের কোনো অর্থপূর্ণ শব্দ বাদ পড়ে যায়, তবে চোখ বন্ধ করে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় দাগাবে। ২. রাত বা সময়বাচক শব্দের আগে যদি কোনো বিশেষ অবস্থা বা শোভা বোঝায়, তবে তা সাধারণত এই সমাসই হয়।
a সাদৃশ্য
b স্নায়ুতন্ত্র
c শারীরবিদ্যা
d অঙ্গ-সঞ্চালন
0 122 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শারীরবিদ্যা ১. কেন সঠিক: - Anatomy একটি ইংরেজি পারিভাষিক শব্দ যার সঠিক বাংলা প্রতিশব্দ হলো শারীরবিদ্যা। - চিকিৎসা বিজ্ঞান এবং জীববিজ্ঞানশাস্ত্রে মানবদেহ বা জীবদেহের গঠন ও অঙ্গপ্রত্যঙ্গ নিয়ে যে শাখায় আলোচনা করা হয় তাকে শারীরবিদ্যা বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ব্যাকরণের পারিভাষিক শব্দ অংশের অন্তর্ভুক্ত। বিদেশি ভাষা বিশেষ করে ইংরেজি ভাষা থেকে ভাবানুবাদ করে বাংলায় যে বিশেষ শব্দগুলো তৈরি করা হয় সেগুলোকে পারিভাষিক শব্দ বলে। - প্রশাসনিক, সাহিত্যিক ও দাপ্তরিক কাজে সঠিক ভাব প্রকাশের জন্য পরিভাষা ব্যবহারের গুরুত্ব অপরিসীম। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: Physiology শব্দের অর্থ হলো শরীরতত্ত্ব। ব্যাখ্যা: এটিও চিকিৎসা বিজ্ঞান ও জীববিজ্ঞানের একটি শাখা যা শরীরের বিভিন্ন অঙ্গের কাজের সঙ্গে সম্পর্কিত। উদাহরণ ২: Pathology শব্দের অর্থ হলো রোগবিদ্যা। ব্যাখ্যা: রোগ নির্ণয় এবং রোগের কারণ ও প্রকৃতি নিয়ে যে শাখায় আলোচনা করা হয় তা এই পরিভাষার অন্তর্ভুক্ত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাদৃশ্য — এই শব্দটি মূলত Similarity শব্দের পারিভাষিক রূপ। তাই এটি Anatomy শব্দের সঠিক অর্থ নয়। B) স্নায়ুতন্ত্র — এই শব্দটির ইংরেজি পরিভাষা হলো Nervous System। তাই এটি সঠিক উত্তরের সঙ্গে মেলে না। D) অঙ্গ-সঞ্চালন — এই শব্দগুচ্ছের উপযুক্ত ইংরেজি পরিভাষা হলো Movement বা Locomotion। তাই এটি সঠিক নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - Anatomy শব্দের অর্থ মনে রাখতে ইংরেজি Ana শব্দের সঙ্গে দেহের গঠন বা শরীর সম্পর্কিত বিজ্ঞান অংশটি মাথায় রাখতে পারো। - চিকিৎসা বিজ্ঞানের মূল বিষয়গুলোর ইংরেজি পরিভাষা বারবার চর্চা করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে আয়ত্ত করা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ইংরেজি থেকে বাংলায় অনূদিত পারিভাষিক শব্দ থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক পরিভাষাগুলো মুখস্থ না করে অর্থের সঙ্গে মিল রেখে মনে রাখতে হবে।
a গােবিন্দ দাস
b কায়কোবাদ আর
c কাহ্নপা
d ভুসুকুপা
0 111 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ভুসুকুপা ১. কেন সঠিক: - চর্যাপদের কবি ভুসুকুপা নিজেকে বাঙালি বলে পরিচয় দিয়েছেন কারণ তিনি তার একটি পদে নিজেকে বাঙালি হিসেবে উল্লেখ করেছেন। - চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম কাব্য এবং এর পদগুলোতে সেকালের সমাজ ও জীবনচিত্র ফুটে উঠেছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - চর্যাপদ বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের সাধনসঙ্গীত এবং এটি বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন হিসেবে স্বীকৃত। - হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে ১৯০৭ সালে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেন এবং বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে ১৯১৬ সালে তা প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আপনা মাংসে মই বৈরী ব্যাখ্যা: এটি চর্যাপদের একটি বিখ্যাত পংক্তি যা রূপক অর্থে জীবনতত্ত্ব প্রকাশ করে। উদাহরণ ২: চাল ধোলে বেইসআ পালআ ব্যাখ্যা: এটি চর্যাপদের অন্য একটি পদ যা সেকালের ভাষা ও সংস্কৃতির পরিচয় দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গোবিন্দ দাস — ইনি বৈষ্ণব পদকর্তা এবং কড়চা রচয়িতা, চর্যাপদের সঙ্গে যুক্ত নন। B) কায়কোবাদ — ইনি আধুনিক যুগের মহাকবি যিনি মহাশ্মশান মহাকাব্যের জন্য বিখ্যাত। C) কাহ্নপা — ইনি চর্যাপদের সর্বাধিক পদ রচয়িতা কিন্তু বাঙালি হিসেবে পরিচয় দেননি। D) ভুসুকুপা — ইনি চর্যাপদের একজন বিখ্যাত কবি যিনি নিজেকে বাঙালি বলে পরিচয় দিয়েছেন। ৫ মনে রাখার টিপস: - ভুসুকুপা মানেই বাঙালি ভোজনরসিক, এভাবে মনে রাখতে পারো যে তিনিই নিজেকে বাঙালি বলেছেন। - চর্যাপদের কবিদের মধ্যে একমাত্র ভুসুকুপাই নিজেকে বাঙালি হিসেবে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - চর্যাপদের সর্বাধিক পদ রচনা করেছেন কাহ্নপা এবং দ্বিতীয় সর্বাধিক পদ রচনা করেছেন ভুসুকুপা। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোন কবি নিজেকে বাঙালি বলেছেন, যার উত্তর ভুসুকুপা।
a অর্ণব
b রাতুল
c অর্ক
d জলধি
0 125 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অর্ক ১. কেন সঠিক: আফতাব শব্দটির অর্থ সূর্য এবং অর্ক শব্দটির অর্থও সূর্য। তাই আফতাব শব্দের সমার্থক শব্দ হলো অর্ক। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: সমার্থক শব্দ হলো সেই সমস্ত শব্দ যেগুলোর অর্থ একই বা প্রায় একই রকম হয়। বাংলা ভাষায় সংস্কৃত, আরবি ও ফারসি ভাষা থেকে অনেক সমার্থক শব্দ এসেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সবিতা ব্যাখ্যা: এটিও সূর্যের একটি অত্যন্ত প্রচলিত সমার্থক শব্দ। উদাহরণ ২: ভাস্কর ব্যাখ্যা: সূর্য আলো বিকিরণ করে বলে একে ভাস্কর বলা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অর্ণব — অর্ণব শব্দটির অর্থ সমুদ্র, যা সূর্যের সমার্থক নয়। B) রাতুল — রাতুল শব্দটির অর্থ লাল, যা সূর্যের সমার্থক নয়। C) অর্ক — অর্ক শব্দের অর্থ সূর্য, যা প্রশ্নের সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়। D) জলধি — জলধি শব্দটির অর্থ সমুদ্র বা সাগর, যা সূর্যের সমার্থক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: সূর্যের সমার্থক শব্দগুলো মনে রাখার জন্য রবি, দিনমণি, ভানু, অর্ক এবং আফতাব একসঙ্গে চর্চা করতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সূর্য, চন্দ্র, সমুদ্র ও আকাশের সমার্থক শব্দগুলো থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। তাই এগুলোর প্রমিত সমার্থক শব্দ ভালো করে আয়ত্ত করতে হবে।
a বাগ + অম্বর
b বাগ + আড়ম্বর
c বাক্ + অম্বর
d বাক্ + আড়ম্বর
0 93 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বাক্ + আড়ম্বর ১. কেন সঠিক: - ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী প্রথম পদের অন্তে অবস্থিত ক, চ, ট, ত, প (বর্গীয় প্রথম বর্ণ) এর পরে স্বরধ্বনি থাকলে তা পরিবর্তিত হয়ে স্ব স্ব বর্গের তৃতীয় বর্ণে পরিণত হয়। - এখানে বাক্ শব্দের ক এবং আড়ম্বর শব্দের আ যুক্ত হয়ে ক এর স্থানে গ এবং আ এর প্রভাবে বাগাড়ম্বর শব্দটি গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - ক, চ, ট, ত, প ধ্বনির পরে কোনো স্বরধ্বনি থাকলে ক এর জায়গায় গ, চ এর জায়গায় জ, ট এর জায়গায় ড, ত এর জায়গায় দ এবং প এর জায়গায় ব হয়। - বাক্ যোগ আড়ম্বর মিলে বাগাড়ম্বর হয়, যেখানে ক পরিবর্তিত হয়ে গ রূপ ধারণ করেছে এবং আ ধ্বনির সাথে মিলে গ + আ = গা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দিক + অন্ত = দিগন্ত ব্যাখ্যা: ক এর পরে স্বরধ্বনি অ যুক্ত হওয়ায় ক পরিবর্তিত হয়ে গ হয়েছে। উদাহরণ ২: সুপ + অন্ত = সুবন্ত ব্যাখ্যা: প এর পরে স্বরধ্বনি অ যুক্ত হওয়ায় প পরিবর্তিত হয়ে ব হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাগ + অম্বর — এই অপশনটি ভুল কারণ প্রথম পদে বাক্ হবে, বাগ নয়। B) বাগ + আড়ম্বর — এই অপশনটি ভুল কারণ প্রথম পদের সঠিক রূপ বাক্। C) বাক্ + অম্বর — এই অপশনটি ভুল কারণ দ্বিতীয় পদে অম্বর রয়েছে, কিন্তু মূল শব্দ আড়ম্বর। D) বাক্ + আড়ম্বর — এটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - সন্ধি বিচ্ছেদের সময় শব্দের মূল রূপ চিহ্নিত করতে হবে, যেমন বাক্ এবং আড়ম্বর। - ক এর সাথে স্বরধ্বনি যোগ হলে গ হয়, এই সাধারণ নিয়মটি মনে রাখলে সহজে সমাধান করা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ব্যঞ্জনসন্ধির এই নিয়মটি খুব সচরাচর আসে। - ক, চ, ট, ত, প ধ্বনির পরিবর্তন সংক্রান্ত অন্যান্য শব্দগুলো চর্চা করলে এই ধরনের প্রশ্নে পূর্ণ নম্বর পাওয়া সম্ভব।
a রুপকথা
b ছােটগল্প
c গ্রাম্যগীতিকা
d রূপকথা-উপকথায়
0 110 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রূপকথা ১. কেন সঠিক: - ঠাকুরমার ঝুলি দক্ষিণ এশিয়ার এবং বিশেষ করে বাংলার লোককাহিনি বা রূপকথার একটি বিখ্যাত সংকলন। - এখানে অলৌকিক ঘটনা, রাজা-রানি, রাক্ষস-খোক্সস এবং পশুপাখির কল্পকাহিনি স্থান পেয়েছে যা রূপকথা হিসেবে পরিচিত। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এই গ্রন্থটির সংকলক ও সম্পাদক হলেন প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ দক্ষিণারঞ্জন মিত্রমজুমদার। - এটি বাংলা ১৯০৭ সালের (বঙ্গাব্দ ১৩১৪) প্রকাশিত হয় এবং এর ভূমিকা লিখেছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বুড়ো আংলা ব্যাখ্যা: এটি অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি বিখ্যাত কিশোর উপযোগী রূপকথা ও কল্পকাহিনিমূলক গ্রন্থ। উদাহরণ ২: টুনটুনির বই ব্যাখ্যা: এটি উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী রচিত রূপকথা ও নীতিশিক্ষা মূলক গল্পের একটি জনপ্রিয় সংকলন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রূপকথা — এটি সঠিক কারণ ঠাকুরমার ঝুলির গল্পগুলো কাল্পনিক এবং অলৌকিক উপাদান সমৃদ্ধ লোককাহিনি। B) ছোটগল্প — ছোটগল্প বলতে মানবজীবনের বিশেষ কোনো মুহূর্তের সংক্ষিপ্ত ও শিল্পসম্মত প্রকাশ বোঝায় যা ঠাকুরমার ঝুলির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। C) গ্রাম্যগীতিকা — গ্রাম্যগীতিকা হলো লোকসংগীত বা পদ্যাকারে রচিত গান, যা গদ্যে লেখা রূপকথার সংকলনের সঙ্গে মেলে না। D) রূপকথা-উপকথায় — এই অপশনটিতে ব্যাকরণগত ও গঠনগত অসংগতি রয়েছে এবং মূল ধারার সাহিত্যিক নামকরণের সঙ্গে এটি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ঠাকুরমার ঝুলি শুনলেই মনে রাখবে দক্ষিণারঞ্জন মিত্রমজুমদারের নাম এবং এটি একটি রূপকথার বই। - রূপকথা মানেই অবাস্তব ও অলৌকিক রাজা-রানির গল্প। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ঠাকুরমার ঝুলি গ্রন্থের প্রকাশকাল এবং এর ভূমিকা লেখক রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নাম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - লোকসাহিত্য সম্পর্কিত যেকোনো প্রশ্নে সংকলকের নাম ভালোভাবে মনে রাখা জরুরি।
a সহ + চর + র্য
b সহচর + ৎ ফলা
c সহচর + য
d কোনটিই নয়
0 96 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সহচর + য ১. কেন সঠিক: - 'সাহচর্য' শব্দটি গঠিত হয়েছে 'সহচর' শব্দের সাথে ভাব অর্থে 'য' প্রত্যয় যোগ করে। - প্রত্যয় যোগের সময় শব্দের আদি স্বর পরিবর্তন বা বৃদ্ধি পাওয়ার নিয়মকে ব্যাকরণে গুণ বা বৃদ্ধি বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শব্দ গঠনে প্রত্যয় হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যা শব্দের শেষে যুক্ত হয়ে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে। - সহচর শব্দের আদি স্বর অ এর সাথে য প্রত্যয় যুক্ত হলে অ পরিবর্তিত হয়ে আ হয় এবং অন্ত্য অ ও য এর প্রভাবে শব্দটির রূপ হয় সাহচর্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুন্দর + য = সৌন্দর্য ব্যাখ্যা: এখানে মূল শব্দ সুন্দরের আদি স্বর উ এবং অন্ত্য স্বর অ এর প্রভাবে য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে সৌন্দর্য গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: ধীর + য = ধৈর্য ব্যাখ্যা: ধীর শব্দের সাথে ভাব অর্থে য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন বিশেষ্য পদ ধৈর্য গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সহ + চর + র্য — বাংলা ব্যাকরণে র্য কোনো বৈধ প্রত্যয় নয়, তাই এই গঠনটি সম্পূর্ণ ভুল ও অগ্রহণযোগ্য। B) সহচর + ৎ ফলা — ৎ ফলা বলে কোনো প্রত্যয় বাংলা ব্যাকরণে নেই, এটি একটি অবৈজ্ঞানিক ও ভুল অপশন। D) কোনটিই নয় — সঠিক উত্তর অপশন সি তে বিদ্যমান থাকায় এই অপশনটি সঠিক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - কোনো শব্দের আদি স্বর পরিবর্তন হয়ে আকার ধারণ করলে এবং শেষে য ফলা থাকলে বুঝতে হবে সেখানে য প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে। - সহচর থেকে সাহচর্য বানানের এই পরিবর্তনটি প্রত্যয়ের নিয়মের কারণে ঘটে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রত্যয় সাধিত শব্দ যেমন সৌন্দর্য, ধৈর্য এবং সাহচর্য প্রায়ই শুদ্ধ বানান ও প্রত্যয় নির্ণয়ের জন্য আসে। - আদি স্বরের পরিবর্তন সাধित এই শব্দগুলোর মূল শব্দ ও প্রত্যয় ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a স্বরবৃত্ত
b কায় অক্ষরবৃত্ত
c মন্দাক্রান্তা
d মাত্রাবৃত্ত
0 127 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মাত্রাবৃত্ত ১. কেন সঠিক: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘সোনার তরী’ কবিতাটি মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত। মাত্রাবৃত্ত ছন্দের মূল বৈশিষ্ট্য হলো এর পর্ববিন্যাস আট ও ছয়ের মাত্রায় বিন্যস্ত থাকে এবং দীর্ঘ স্বরধ্বনির উচ্চারণ কাল এখানে বেশি গুরুত্ব পায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা কবিতায় ছন্দের ক্ষেত্রে নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছেন। ‘সোনার তরী’ কবিতাটি তাঁর বিখ্যাত ‘সোনার তরী’ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত এবং এটি মাত্রাবৃত্ত ছন্দের নিখুঁত ও সার্থক প্রয়োগের এক অনন্য নিদর্শন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘পরশপাথর’ কবিতা। ব্যাখ্যা: এটিও মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত একটি বিখ্যাত কবিতা। উদাহরণ ২: কাজী নজরুল ইসলামের ‘মহাজীবন’ কবিতা। ব্যাখ্যা: মাত্রাবৃত্ত ছন্দের আরেকটি সুন্দর উদাহরণ হলো এই কবিতাটি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্বরবৃত্ত — স্বরবৃত্ত ছন্দ মূলত চার মাত্রার পর্বভিত্তিক লোকায়ত ছন্দ, যা সোনার তরী কবিতার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) কায় অক্ষরবৃত্ত — এটি বাংলা ছন্দের কোনো স্বীকৃত নাম নয়, অপশনটি বিভ্রান্ত করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। C) মন্দাক্রান্তা — এটি সংস্কৃত বৈদিক বা ধ্রুপদী বৃত্ত বা ছন্দ, রবীন্দ্রনাথ এই ছন্দে কবিতা লিখলেও সোনার তরী মন্দাক্রান্তা ছন্দে রচিত নয়। D) মাত্রাবৃত্ত — এই অপশনটি সঠিক কারণ সোনার তরী কবিতার ছন্দবিন্যাস মাত্রাবৃত্তের নিয়ম মেনে চলে। ৫. মনে রাখার টিপস: সোনার তরী কবিতাটি মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত তা মনে রাখতে তরী শব্দের সাথে মাত্রার হিসাব মিলিয়ে ছন্দের নাম মুখস্থ রাখতে পারো। মাত্রাবৃত্ত ছন্দের অপর নাম মাত্রাপ্রধান বা কলাবৃত্ত ছন্দ, যা গুরুগম্ভীর ভাব প্রকাশে ব্যবহৃত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রবীন্দ্রনাথের বিভিন্ন কবিতার ছন্দ প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়। কোনো কবিতার ছন্দ নির্ণয় করতে হলে প্রথমে তার পর্ববিন্যাস এবং দল বা অক্ষর গণনা করে দেখতে হবে সেটি কোন ছন্দের নিয়মে পড়েছে।
a ১৮৪৭-১৯১১
b ১৮৫২-১৯১২
c ১৮৫৭-১৯১১
d ১৮৪৭-১৯১২
0 111 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৮৪৭-১৯১১ ১. কেন সঠিক: মীর মশাররফ হোসেনের জন্ম ১৮৪৭ সালের ১৩ নভেম্বর কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী উপজেলার লাহিনীপাড়া গ্রামে এবং মৃত্যু ১৯১১ সালের ১৯ ডিসেম্বর রাজবাড়ী জেলার পাংশা উপজেলার পদমদী গ্রামে। বাংলা সাহিত্যে বিষাদসিন্ধু উপন্যাসের জন্য তিনি অমর হয়ে আছেন এবং তাঁর জন্ম ও মৃত্যুর এই সালটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অত্যন্তFrequently আসে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: মীর মশাররফ হোসেন মুসলিম সাহিত্যিকদের মধ্যে আধুনিক যুগের প্রথম গদ্যশিল্পী ও ঔপন্যাসিক হিসেবে বিশেষভাবে পরিচিত। তাঁর রচিত প্রথম উপন্যাস রত্নবতী ১৮৬৯ সালে প্রকাশিত হয় এবং তাঁর বিখ্যাত মহাকাব্যিক উপন্যাস বিষাদসিন্ধু ১৮৮৫ থেকে ১৮৯১ সালের মধ্যে প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিষাদসিন্ধু ব্যাখ্যা: এটি মীর মশাররফ হোসেনের সবচেয়ে বিখ্যাত ও ঐতিহাসিক উপন্যাস যা কারবালার বিষাদময় ঘটনার ওপর রচিত। উদাহরণ ২: জমিদার দর্পণ ব্যাখ্যা: এটি তাঁর একটি বিখ্যাত নাটক যা নীলকর সাহেবদের অত্যাচারের বিরুদ্ধে রচিত এবং সমকালীন সমাজের বাস্তব চিত্র তুলে ধরে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৮৪৭-১৯১১ — এটি সঠিক কারণ মীর মশাররফ হোসেন এই নির্দিষ্ট সাল দুটির মধ্যে জন্মগ্রহণ করেন ও মৃত্যুবরণ করেন। B) ১৮৫২-১৯১২ — এই সালটি ভুল কারণ এটি তাঁর প্রকৃত জন্ম ও মৃত্যুর সালকে নির্দেশ করে না। C) ১৮৫৭-১৯১১ — এই অপশনটি ভুল কারণ তাঁর জন্মসাল ১৮৫৭ নয়, বরং ১৮৪৭ সাল। D) ১৮৪৭-১৯১২ — এই অপশনটি ভুল কারণ তাঁর মৃত্যুর সাল ১৯১২ নয়, বরং ১৯১১ সাল। ৫. মনে রাখার টিপস: মীর মশাররফ হোসেনের জন্মসাল মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো যে সিপাহী বিদ্রোহের ঠিক দশ বছর আগে অর্থাৎ ১৮৪৭ সালে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর মৃত্যুসাল মনে রাখতে শেষের সংখ্যা দুটি উল্টেপাল্টে মিলিয়ে নিতে পারো যেমন ১৯১১ সাল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মীর মশাররফ হোসেনের জন্মস্থান কুষ্টিয়ার লাহিনীপাড়া এবং তাঁর বিখ্যাত আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ গাজী মিয়ার বস্তনী পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। সাহিত্যিকদের জন্ম ও মৃত্যুসাল পড়ার সময় সমসাময়িক ঐতিহাসিক ঘটনা মিলিয়ে পড়লে তা দীর্ঘস্থায়ী হয়।
a সংস্কৃত
b বাংলায়
c বিদেশি
d মিশ্র.
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সংস্কৃত কেন সঠিক: - 'অপ' একটি অত্যন্ত পরিচিত তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ। - বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এটি সংস্কৃত থেকে সরাসরি বাংলা ভাষায় এসেছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গগুলোকে মূলত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয় যেমন সংস্কৃত বা তৎসম, খাঁটি বাংলা এবং বিদেশি উপসর্গ। - সংস্কৃত উপসর্গ মোট কুড়িটি যার মধ্যে 'অপ' অন্যতম একটি উপসর্গ। - 'অপ' উপসর্গ যোগে গঠিত কিছু প্রচলিত শব্দ হলো অপকর্ম, অপলাপ, অপমান ইত্যাদি। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) সংস্কৃত — এই অপশনটি সঠিক কারণ 'অপ' সংস্কৃত ভাষার উপসর্গ। - B) বাংলায় — এই অপশনটি ভুল কারণ 'অপ' খাঁটি বাংলা উপসর্গ নয়। - C) বিদেশি — এই অপশনটি ভুল কারণ 'অপ' কোনো বিদেশি ভাষার উপসর্গ নয়। - D) মিশ্র — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি কোনো মিশ্র উপসর্গ নয়। মনে রাখার টিপস: - সংস্কৃত কুড়িটি উপসর্গ মনে রাখার ছন্দের মধ্যে 'অপ' উপসর্গটি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
a ভ
b ঠ
c ফ
d চ
0 118 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) চ ১. কেন সঠিক: - বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণের ধ্বনিগুলোকে উচ্চারণ বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী ঘোষ-অঘোষ এবং অল্পপ্রাণ-মহাপ্রাণ ভাগে ভাগ করা হয়। - প্রতিটি বর্গের প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ণ অঘোষ ধ্বনি এবং প্রথম ও তৃতীয় বর্ণ অল্পপ্রাণ ধ্বনি হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বর্গের প্রথম বর্ণ হওয়ায় চ বর্ণটি অঘোষ এবং প্রথম বর্ণ হওয়ায় এটি অল্পপ্রাণ ধ্বনি হিসেবে গণ্য হয়। - বাংলা বর্ণমালায় বর্গের প্রথম বর্ণগুলো যুগপৎ অঘোষ ও অল্পপ্রাণ হয়ে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক ব্যাখ্যা: এটি কবর্গীয় প্রথম বর্ণ এবং এটিও একটি অঘোষ অল্পপ্রাণ ধ্বনি। উদাহরণ ২: ট ব্যাখ্যা: এটি টবর্গীয় প্রথম বর্ণ যা অঘোষ অল্পপ্রাণ ধ্বনির একটি অন্যতম উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভ — এটি পবর্গের চতুর্থ বর্ণ, তাই এটি ঘোষ মহাপ্রাণ ধ্বনি এবং প্রশ্নের চাহিদার সঙ্গে মিলে না। B) ঠ — এটি টবর্গের দ্বিতীয় বর্ণ, তাই এটি অঘোষ মহাপ্রাণ ধ্বনি এবং সঠিক নয়। C) ফ — এটি পবর্গের দ্বিতীয় বর্ণ, তাই এটি অঘোষ মহাপ্রাণ ধ্বনি এবং উত্তর হবে না। D) চ — এটি চবর্গের প্রথম বর্ণ, যা অঘোষ ও অল্পপ্রাণ উভয় শর্ত পূরণ করে সঠিক উত্তর হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - বর্গের প্রথম বর্ণ মাত্রই অঘোষ ও অল্পপ্রাণ ধ্বনি হিসেবে চিহ্নিত হয়। - চ, ক, ট, ত, প এই পাঁচটি বর্ণ হলো প্রতি বর্গের প্রথম বর্ণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ধ্বনি পরিবর্তনের এই ছকটি ভালোভাবে আয়ত্ত করলে বিসিএস বা অন্যান্য চাকরির পরীক্ষায় এক নম্বর নিশ্চিত করা যায়। - ঘোষত্ব ও প্রাণত্ব নির্ণয়ের সময় বর্গের ক্রমিক নম্বর ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
b সুভাষ মুখােপাধ্যায়
c কাজী ইমদাদুল হক
d বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১. কেন সঠিক: - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১৮৩৮ সালের ২৬ জুন বর্তমান উত্তর ২৪ পরগনা জেলার নৈহাটির নিকটবর্তী কাঁঠালপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। - বাংলা উপন্যাসের জনক এবং প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক বঙ্কিমচন্দ্রের জন্মস্থান হিসেবে কাঁঠালপাড়া গ্রামটি বাংলা সাহিত্য ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় আধুনিক বাংলা উপন্যাসের প্রতিষ্ঠাতা ও বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ঔপন্যাসিক ও প্রাবন্ধিক। - তাঁর প্রথম বাংলা উপন্যাস দুর্গেশনন্দিনী ১৮৬৫ সালে প্রকাশিত হয় এবং তাঁর রচিত বন্দে মাতরম গানটি ভারতীয় জাতীয় সঙ্গীতের উৎস হিসেবে বিশেষ পরিচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দুর্গেশনন্দিনী ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত বাংলা ভাষার প্রথম সার্থক ঐতিহাসিক উপন্যাস। উদাহরণ ২: কপালকুণ্ডলা ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত দ্বিতীয় এবং অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি রোমান্টিক মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি ১৮৭৬ সালে হুগলি জেলার দেবানন্দপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন, কাঁঠালপাড়ায় নয়। B) সুভাষ মুখােপাধ্যায় — তিনি ১৯১৯ সালে নদীয়া জেলার কৃষ্ণনগর জন্মগ্রহণ করেন, যা বঙ্কিমচন্দ্রের জন্মস্থান নয়। C) কাজী ইমদাদুল হক — তিনি ১৮৮২ সালে খুলনা জেলার বটিয়াঘাটা উপজেলার সৈয়দগ্রাম জন্মগ্রহণ করেন। D) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি কাঁঠালপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন। ৫. মনে রাখার টিপস: - বঙ্কিম মানেই বাংলা উপন্যাসের শুরু এবং তাঁর জন্মস্থান হলো কাঁঠালপাড়া গ্রাম। - বঙ্কিমচন্দ্রের জন্মস্থান মনে রাখতে ব এবং ক বর্ণ দুটি দিয়ে বঙ্কিম-কাঁঠালপাড়া এভাবে মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে বাংলা উপন্যাসের জনক বলা হয় এবং তাঁর জন্মতারিখ সাহিত্য পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - ঔপন্যাসিকদের জন্মস্থান ও তাঁদের প্রথম বা বিখ্যাত উপন্যাস সংক্রান্ত প্রশ্নগুলো চাকরির পরীক্ষায় নিয়মিত দেখা যায়।
a ২ প্রকার
b ৪ প্রকার
c ৩ প্রকার
d ৫ প্রকার
0 112 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩ প্রকার ১. কেন সঠিক: বাংলা কবিতায় ধ্বনির সুশৃঙ্খল বিন্যাস ও লয়কে ছন্দ বলা হয়। বাংলা ছন্দ মূলত তিন প্রকার, যথা: স্বরবৃত্ত, মাত্রাভিত্তিক বা অক্ষরবৃত্ত এবং স্বরবৃত্ত বা দলবৃত্ত (প্রকৃতপক্ষে স্বরবৃত্ত, মাত্রাবৃত্ত এবং অক্ষরবৃত্ত)। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ছন্দের প্রধান তিনটি রূপ হলো স্বরবৃত্ত ছন্দ (এটি ঝিলিক বা ছড়ার ছন্দ নামে পরিচিত), মাত্রাবৃত্ত ছন্দ (এটি সংগীতাশ্রয়ী বা রবীন্দ্র-নজরুল যুগের প্রধান ছন্দ) এবং অক্ষরবৃত্ত ছন্দ (এটি মিশ্রবৃত্ত বা বাংলা কবিতার মূল ভিত্তি)। প্রখ্যাত ছান্দসিক প্রবোধচন্দ্র সেন বাংলা ছন্দকে প্রধানত এই তিন ভাগে ভাগ করেছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আম পাতা জোড়া জোড়া / মারব চাবুক চড়ব ঘোড়া। ব্যাখ্যা: এটি স্বরবৃত্ত ছন্দের একটি বিখ্যাত উদাহরণ যেখানে জোরের টানে স্বরধ্বনি উচ্চারিত হয়। উদাহরণ ২: ওই মহামানব আসে / দিকে দিকে রোমাঞ্চ হাসে। ব্যাখ্যা: এটি মাত্রাবৃত্ত ছন্দের উদাহরণ যেখানে মাত্রার সুনির্দিষ্ট গণনা থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২ প্রকার — বাংলা ছন্দ দুই প্রকার নয়, কারণ প্রবোধচন্দ্র সেন ও সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের আলোচনা অনুযায়ী ছন্দ মূলত তিনটি প্রধান ধারায় বিভক্ত। B) ৪ প্রকার — চার প্রকারের কোনো প্রচলিত বা স্বীকৃত প্রধান ছন্দ শ্রেণিবিভাগ বাংলা ব্যাকরণে নেই। D) ৫ প্রকার — পাঁচ প্রকার বলতে কোনো প্রধান ছন্দধারার অস্তিত্ব বাংলা সাহিত্যে প্রমাণিত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: ছন্দের তিনটি প্রকার মনে রাখার সহজ সূত্র হলো সমাস বা কারকের মতো ছন্দের তিনটি শাখা: স্বরবৃত্ত, মাত্রাবৃত্ত এবং অক্ষরবৃত্ত। এভাবে মনে রাখলে পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে বাংলা ছন্দের জাদুকর বলা হয় কাকে (উত্তর: সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত)। আবার ছন্দের মূল ভিত্তি কী, তা জানতে চাইলে সঠিক উত্তর হবে অক্ষর বা দল।
a রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
b কুসুমকুমারী দাশ
c মদনমােহন তর্কালঙ্কার
d কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার
0 113 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মদনমােহন তর্কালঙ্কার ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত চরণদ্বয় বাংলা শিশুসাহিত্যের অন্যতম বিখ্যাত ও আদি পাঠ্যকবিতা প্রভাতী থেকে নেওয়া হয়েছে। - শিশুদের নৈতিক শিক্ষা দিতে এবং সৎপথে চলার প্রেরণা জোগাতে কবি এই পঙক্তিগুলো রচনা করেছেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মদনমোহন তর্কালঙ্কার ছিলেন উনিশ শতকের গোড়ার দিকের একজন প্রখ্যাত বাঙালি শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক। - শিশুদের জন্য তাঁর রচিত শিশুশিক্ষা গ্রন্থটি বাংলা শিক্ষার ইতিহাসে একটি যুগান্তকারী ও অত্যন্ত জনপ্রিয় প্রাথমিক পাঠ্যবই। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পাখি সব পাখি সবে বনে গান গায় ব্যাখ্যা: এটিও মদনমোহন তর্কালঙ্কারের শিশুশিক্ষা গ্রন্থ থেকে নেওয়া একটি বহুল পঠিত শিশুকবিতা। উদাহরণ ২: आलस त्यागিয়া কর কাজে মন দিয়া ব্যাখ্যা: এটিও শিশুদের নৈতিক শিক্ষা ও পরিশ্রমী হওয়ার অনুপ্রেরণা জোগাতে রচিত একটি বিখ্যাত পঙক্তি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বাংলা সাহিত্যের নোবেলজয়ী কবি হলেও এই শিশুতোষ পঙক্তিগুলোর রচয়িতা নন। B) কুসুমকুমারী দাশ — তিনি আদর্শ ছেলে কবিতার জন্য বিখ্যাত হলেও এই কবিতার লেখক নন। D) কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার — তিনি শতক বা সদ্ভাবশতক কাব্যের জন্য পরিচিত হলেও এই পঙক্তির সঙ্গে যুক্ত নন। ৫. মনে রাখার টিপস: - প্রভাতী কবিতা ও শিশুশিক্ষা বইটির নাম দেখলে লেখক হিসেবে মদনমোহন তর্কালঙ্কারকে মনে রাখবে। - সকালে উঠে ভালো হওয়ার প্রতিজ্ঞা মানেই মদনমোহন তর্কালঙ্কারের শিশুশিক্ষা পাঠ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শিশুদের প্রাথমিক পাঠ্যবই ও তার রচয়িতা থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - মদনমোহন তর্কালঙ্কার ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের সহপাঠী ও বন্ধু ছিলেন এবং নারীশিক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিলেন।
a Admire
b Abhor
c Concern
d Loathe
0 112 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Admire কেন সঠিক: HATE শব্দটির অর্থ ঘৃণা করা বা অপছন্দ করা এবং Admire শব্দের অর্থ প্রশংসা করা বা শ্রদ্ধা করা। তাই HATE শব্দটির বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে Admire সঠিক উত্তর হবে। এটি একটি বিপরীতার্থক শব্দের প্রশ্ন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Admire — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ প্রশংসা করা যা ঘৃণা করার বিপরীত। B) Abhor — এর অর্থ তীব্র ঘৃণা করা যা HATE শব্দের সমার্থক শব্দ। C) Concern — এর অর্থ উদ্বেগ বা উৎকণ্ঠা যা মূল শব্দের সাথে মিল নেই। D) Loathe — এর অর্থও ঘৃণা করা বা অপছন্দ করা যা HATE শব্দের সমার্থক। মনে রাখার টিপস: HATE এবং Admire একে অপরের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে, তাই এটি বিপরীতার্থক শব্দ মনে রাখা সহজ।
a undertakers
b supporters
c pallbearers
d mourners
0 108 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) pallbearers কেন সঠিক: pallbearer শব্দটির অর্থ হলো সেই ব্যক্তি যিনি অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় কফিন কাঁধে বা হাতে বহন করেন। funeral বা অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার সময় মৃতদেহ সমাহিত করার জন্য কফিন বহন করা এদের প্রধান কাজ। তাই বাক্যটির শূন্যস্থানে সঠিক শব্দ হিসেবে pallbearers বসবে। এই বিশেষ কাজের জন্য ইংরেজিতে অন্য কোনো সমার্থক শব্দ সাধারণত ব্যবহৃত হয় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) undertakers — এই শব্দটির অর্থ সৎকার ব্যবসায়ী যিনি মৃতদেহ দাফন বা সৎকারের সার্বিক ব্যবস্থা করেন কিন্তু সরাসরি কফিন বহন করেন না। B) supporters — এই শব্দটির সাধারণ অর্থ সমর্থক বা সাহায্যকারী যিনি কোনো ব্যক্তি বা দলের পক্ষে সমর্থন জানান। C) pallbearers — এটি নিজেই সঠিক উত্তর তাই এখানে ভুল হিসেবে প্রযোজ্য নয়। D) mourners — এই শব্দটির অর্থ শোকাহত ব্যক্তি যিনি অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় উপস্থিত থেকে শোক প্রকাশ করেন কিন্তু কফিন বহন করেন না। মনে রাখার টিপস: শব্দটির শুরুর অংশ pall অর্থ কফিন ঢাকা চাদর এবং bearer অর্থ বহনকারী যা একসাথে কফিন বহনকারী বোঝায়।
a wits
b seats
c lives
d Funds
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) wits কেন সঠিক: - 'Out of one's wits' একটি প্রবচনমূলক বা ইডিয়ম্যাটিক ফ্রেজ, যার অর্থ ভয় বা উৎকণ্ঠায় জ্ঞানশূন্য বা দিশাহারা হয়ে পড়া। - ভীতিপ্রদ সিনেমা দেখার কারণে তারা ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে তাদের মানসিক স্থিরতা হারিয়ে ফেলেছিল, যা এই ফ্রেজ দ্বারা সঠিকভাবে প্রকাশ পায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) wits — এই অপশনটি সঠিক, কারণ এটি নির্দিষ্ট ইডিয়ম 'out of one's wits' গঠন করে যার অর্থ জ্ঞানশূন্য হওয়া। B) seats — 'out of one's seats' অর্থ আসন থেকে বাইরে, যা এখানে ভীতির কারণে মানসিক অবস্থা বোঝাতে সম্পূর্ণ অর্থহীন। C) lives — যদিও 'scared the life out of someone' একটি সঠিক ফ্রেজ, কিন্তু এখানে 'lives' বহুবচন থাকায় এবং 'out of their lives' ব্যাকরণগতভাবে সঠিক ইডিয়ম নয়। D) funds — 'funds' অর্থ তহবিল বা অর্থ, যা ভীতির সঙ্গে সম্পর্কিত নয় এবং এই বাক্যের শূন্যস্থানে বসালে কোনো অর্থ প্রকাশ করে না। মনে রাখার টিপস: ভয় পেয়ে জ্ঞান বা বুদ্ধি হারিয়ে ফেলা বোঝাতে সবসময় 'out of one's wits' ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়।
a to concentrate
b to suspect
c to read carefully
d to grasp the hidden meaning
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) to grasp the hidden meaning কেন সঠিক: এই ইডিয়মটির আক্ষরিক অর্থ লাইনের মাঝখানে পড়া হলেও রূপক অর্থে এর দ্বারা লেখার ভেতরের গোপন বা আসল উদ্দেশ্য বুঝতে পারাকে বোঝানো হয়। লেখকের না বলা কথা বা ইশারা বুঝে নেওয়া এর মূল কাজ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to concentrate — এর অর্থ মনোযোগ সহকারে কাজ করা, যা এই ইডিয়মের অর্থের সাথে মেলে না। B) to suspect — এর অর্থ সন্দেহ করা, যা প্রচ্ছন্ন অর্থ বুঝতে পারার ধারণার সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। C) to read carefully — এর অর্থ মনোযোগ দিয়ে পড়া, এটি কেবল সাধারণ পঠন বোঝায় কোনো গভীর অর্থ প্রকাশ করে না। D) এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল হিসেবে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: লাইন বা শব্দের আক্ষরিক অর্থের বাইরে গিয়ে ভেতরের আসল ভাব খোঁজা হলো এই ইডিয়মের মূল চাবিকাঠি।
a to offer a person what he cannot eat
b to force a person to do something
c to raise obstacle
d to reverse the natural order of things
0 119 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) to reverse the natural order of things কেন সঠিক: - ঘোড়ার পেছনে গাড়ি যুক্ত করা অসম্ভব এবং অপ্রাকৃতিক একটি দৃশ্য। - এই ইডিয়মটি কোনো কাজের স্বাভাবিক নিয়ম বা ধারাবাহিকতা উল্টে ফেলা বা ভুল ক্রমে কাজ করা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to offer a person what he cannot eat — এটি আক্ষরিক বা অন্য কোনো বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে, যা এই প্রবাদের স্বাভাবিক ক্রম উল্টে ফেলার ভাবার্থের সঙ্গে মিলে না। B) কাউকে জোর করে কোনো কাজ করানো বোঝাতে এই ইডিয়মটি ব্যবহার করা হয় না। C) কাজে বাধা সৃষ্টি করা বোঝাতে এই ইডিয়মটির আক্ষরিক বা অন্তর্নিহিত কোনো সংযোগ নেই। D) এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ কাজের স্বাভাবিক ধারাবাহিকতা বিপরীত করা। মনে রাখার টিপস: গাড়ি আগে আর ঘোড়া পরে দিলে যেমন চলা অসম্ভব, তেমনি কাজের স্বাভাবিক নিয়ম উল্টে ফেলাকে এই ইডিয়ম দিয়ে মনে রাখা যায়।
a to save oneself
b to be self respectful
c to keep calm
d None of these
0 117 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) to keep calm কেন সঠিক: এই ইডিয়মটির আক্ষরিক অর্থ হলো নিজের মাথা ঠান্ডা রাখা বা নিয়ন্ত্রণে রাখা। কঠিন পরিস্থিতিতেও মানসিক স্থিরতা বজায় রাখা এবং উত্তেজিত না হওয়া বোঝাতে এটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to save oneself — এর অর্থ নিজেকে রক্ষা করা, যা এই ইডিয়মের ভাবার্থের সাথে মেলে না। B) to be self respectful — এর অর্থ আত্মসম্মান বজায় রাখা, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) to keep calm — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ শান্ত থাকা এবং পরিস্থিতি সামলানো। D) None of these — এটি ভুল কারণ সঠিক উত্তরটি সি অপশনে আগেই দেওয়া আছে। মনে রাখার টিপস: মাথা বা হেড হলো চিন্তার কেন্দ্র, তাই কঠিন সময়ে নিজের মাথা বা মেজাজ শান্ত রাখাকেই টু কিপ ওয়ানস হেড বলা হয়।
a a
b b. I intend going to Rajshahi
c c. He is too miserly to part with his money
d d. He has invited me for dinner”
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) d. He has invited me for dinner কেন সঠিক: আমন্ত্রণ বা ডিনারের ক্ষেত্রে সঠিক প্রিপজিশন হিসেবে for এর ব্যবহার ব্যাকরণগতভাবে সঠিক। এখানে নির্দিষ্ট একটি অনুষ্ঠানের জন্য আমন্ত্রণ বোঝাতে for ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a — এটি একটি অসম্পূর্ণ বাক্য এবং এর কোনো নির্দিষ্ট অর্থ বা প্রসঙ্গ দেওয়া নেই। B) b. I intend going to Rajshahi — এখানে intend এর পর infinitive ব্যবহার করা ভালো ছিল। C) c. He is too miserly to part with his money — এই বাক্যটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক হলেও মূল প্রশ্নের সাথে এর মিল নেই। D) d. He has invited me for dinner — এটি সঠিক বাক্য এবং এর প্রিপজিশন সঠিক। মনে রাখার টিপস: আমন্ত্রণ জানানোর ক্ষেত্রে invite এর পরে সাধারণত to বসলেও খাবারের নিমন্ত্রণের ক্ষেত্রে for ব্যবহার করতে হয়।
a Neither you nor I am in a sound position.
b Laziness is detrimental for success
c He begged the favour of my granting him leave
d Your action is not in conformity with the law
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Laziness is detrimental for success কেন সঠিক: এখানে সঠিক উত্তর বি নির্বাচন করার কারণ হলো বাক্যটিতে প্রিপজিশন ভুল ব্যবহার করা হয়েছে। detrimental শব্দের পরে সঠিক প্রিপজিশন হিসেবে to বসে, কিন্তু এখানে for ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Neither you nor I am in a sound position. — এখানে neither nor যুক্ত সাবজেক্টে শেষের সাবজেক্ট অনুযায়ী am বসায় বাক্যটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক আছে। B) Laziness is detrimental for success — এই বাক্যে detrimental এর পরে for ভুলভাবে ব্যবহার করা হয়েছে, যার সঠিক রূপ হতো to success। C) He begged the favour of my granting him leave — এখানে জিরান্ডের আগে পসেসিভ কেস ব্যবহার করায় বাক্যটি সম্পূর্ণ সঠিক গঠন মেনে চলেছে। D) Your action is not in conformity with the law — এই বাক্যে conformity শব্দের পরে সঠিক প্রিপজিশন with ব্যবহার করায় বাক্যটি সঠিক। মনে রাখার টিপস: detrimental শব্দের অর্থ ক্ষতিকর এবং এর পরে সব সময় টু প্রিপজিশন বসে।
a entrusted
b endowed
c bestowed
d Conferred
0 94 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) bestowed কেন সঠিক: Bestowed শব্দের অর্থ হলো কোনো বিশেষ গুণ বা ক্ষমতা সসম্মানে দান করা। মানুষের বুদ্ধি বা বিচারশক্তি হলো স্রষ্টার পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিশেষ দান, যা এখানে সঠিক অর্থ প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) entrusted — এই শব্দটির অর্থ হলো কারো ওপর দায়িত্ব অর্পণ করা, যা গুণের ক্ষেত্রে বসে না। B) endowed — সাধারণত with preposition এর সাথে বসে, তাই এখানে সরাসরি উপযুক্ত নয়। C) bestowed — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Conferred — এই শব্দটি সাধারণত উপাধি, ডিগ্রি বা সম্মান প্রদানের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। মনে রাখার টিপস: স্রষ্টার পক্ষ থেকে মানুষের বুদ্ধিমত্তা বা বিশেষ গুণ প্রাপ্তির ক্ষেত্রে bestow শব্দটি preposition অন এর সাথে সবচেয়ে ভালো মানায়।
a Adherence
b respectful
c knowledge
d awareness
0 118 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Adherence কেন সঠিক: শূন্যস্থানের আগে 'and' conjunction থাকায় একই ধরনের Parts of Speech বসবে। এখানে discipline একটি Noun এবং নিয়ম মেনে চলা বোঝাতে 'Adherence' Noun টি ব্যবহার করতে হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Adherence — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়। B) respectful — এটি Adjective এবং এখানে Noun এর প্রয়োজন থাকায় এটি ভুল। C) knowledge — এর অর্থ জ্ঞান, যা নিয়ম মানার সাথে সরাসরি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। D) awareness — এর অর্থ সচেতনতা, যা এখানে কাঠامোগতভাবে মানানসই নয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যের conjunction এর দুইপাশে একই ধরনের শব্দ বসে, তাই Noun এর পরে Noun হবে।
a Evening
b Dawn
c Dusk
d Eclipse
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Dusk কেন সঠিক: Dusk শব্দটির অর্থ গোধূলি বা সাঁঝবেলা, যা ঠিক সূর্যডুবার পরের এবং রাতের আগের সময়কে বোঝায়। এটি দিনের আলো ও রাতের অন্ধকারের সংযোগস্থল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Evening — এটি সাধারণত বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত দীর্ঘ একটি সময়কে বোঝায়। B) Dawn — এটি রাতের শেষ এবং সূর্য ওঠার আগের সময় বা ভোরবেলাকে বোঝায়। C) Dusk — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Eclipse — এটি সূর্যগ্রহণ বা চন্দ্রগ্রহণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: Dawn মানে ভোর বা সকালের আলো আর Dusk মানে গোধূলি বা সন্ধ্যার অন্ধকার।
a lyrics
b Ode
c Hymn
d Ballad
0 115 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Hymn কেন সঠিক: Hymn শব্দের অর্থ হলো স্তব বা ধর্মীয় গান, যা ঈশ্বর বা ধর্মের উদ্দেশ্যে গাওয়া হয়। এটি পবিত্র আবেগ এবং ভক্তির প্রকাশ ঘটায়। ধর্মীয় অনুভূতির সাথে এই শব্দের সরাসরি মিল রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) lyrics — গান বা কবিতার মূল কথা বোঝায়, যা বিশেষভাবে শুধু ধর্মীয় আবেগের জন্য নির্দিষ্ট নয়। B) Ode — এটি হলো কোনো ব্যক্তি বা বিষয়ের প্রশংসায় রচিত গম্ভীর কবিতা বা গান। C) Hymn — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপشن হিসেবে ধরা হয়েছে কারণ এটি সঠিক উত্তরের পুনরাবৃত্তি। D) Ballad — এটি একটি ঐতিহ্যবাহী গল্প বলার গান বা কবিতা, যা রূপকথা বা বীরত্বপূর্ণ কাহিনী নিয়ে লেখা হয়। মনে রাখার টিপস: Hymn শব্দটির সাথে Holy বা পবিত্র কথাটি মনে রাখলে ধর্মীয় গান সহজেই চেনা যায়।
a is
b had been
c has
d were
0 123 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) were কেন সঠিক: বাক্যে as if বা as though থাকলে এর আগের অংশ present tense হলে পরের অংশে past indefinite tense হয়। তবে verb হিসেবে be verb বসাতে হলে সাবজেক্ট যাই হোক না কেন সবসময় were ব্যবহার করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) is — as if এর পরের অংশে present tense বা is বসানো ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ভুল নিয়ম। B) had been — এখানে past perfect tense বসানোর কোনো প্রয়োজন নেই কারণ এটি অবাস্তব কল্পনা। C) has — as if থাকার কারণে এখানে present tense এর has ব্যবহার করা নিয়মবিরুদ্ধ। D) were — এটি সঠিক হওয়ায় ভুল অপশনের তালিকায় এটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: as if এর পরে সবসময় கற்பনাসূচক বা অবাস্তব অর্থ প্রকাশ করতে were ব্যবহার করতে হয়।
a Treasure
b Debt
c Assets
d Property
0 113 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Assets কেন সঠিক: Liability শব্দের অর্থ হলো দায় বা দেনা, যা কারো কাছে আর্থিক বা আইনি বাধ্যবাধকতা বোঝায়। এর বিপরীত শব্দ হলো সম্পদ বা সম্পত্তি। Assets শব্দের অর্থ সম্পদ বা ধনসম্পদ। তাই Liability শব্দের সঠিক বিপরীত শব্দ Assets। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Treasure — Treasure শব্দের অর্থ গুপ্তধন বা মূল্যবান সম্পদ, যা liability এর সঠিক বিপরীত শব্দ নয়। B) Debt — Debt শব্দের অর্থ ঋণ, যা liability শব্দের সমার্থক বা কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে। C) Assets — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে প্রযোজ্য নয়। D) Property — Property শব্দের অর্থ সম্পত্তি, যা liability এর সরাসরি বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না। মনে রাখার টিপস: Liability মানে দায় এবং Assets মানে সম্পদ, এই দুটি শব্দ হিসাববিজ্ঞানে একে অপরের বিপরীত হিসেবে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়।
a Interesting
b Loving
c Affectionate
d Friendly
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Friendly কেন সঠিক: AMICABLE শব্দটির বাংলা অর্থ হলো অমায়িক বা বন্ধুত্বপূর্ণ। Friendly শব্দটির অর্থও বন্ধুভাবাপন্ন বা বন্ধুত্বপূর্ণ। তাই এই দুটি শব্দের অর্থ পুরোপুরি মিলে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Interesting — এর অর্থ হলো মজার বা চিত্তাকর্ষক, যা অম amicable শব্দের সাথে মেলে না। B) Loving — এর অর্থ হলো স্নেহময় বা ভালোবাসাপূর্ণ, যা amicable শব্দের সঠিক সমার্থক নয়। C) Affectionate — এর অর্থ হলো অনুরাগী বা স্নেহশীল, যা বন্ধুত্বের চেয়েও গভীর আবেগকে বোঝায়। D) Friendly — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: Amicable শব্দের শুরুতে ami আছে, যার অর্থ বন্ধু বা ফ্রেঞ্চ ভাষায় বন্ধু বোঝায়, তাই এটি Friendly এর সাথে সম্পর্কিত।
a Promotion
b Advancement
c Betterment
d Preference
0 136 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Betterment কেন সঠিক: Improvement শব্দের বাংলা অর্থ হলো উন্নতি বা ভালো হওয়া। Betterment শব্দের অর্থও একই অর্থাৎ কোনো অবস্থার উন্নতি সাধন করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Promotion — এর অর্থ পদোন্নতি বা প্রমোশন, যা কাজের ক্ষেত্র ছাড়া সাধারণ উন্নতির ক্ষেত্রে বসে না। B) Advancement — এর অর্থ অগ্রগতি, যা সাধারণত বিজ্ঞান বা প্রযুক্তির এগিয়ে যাওয়া বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। C) Betterment — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Preference — এর অর্থ পছন্দ বা প্রাধান্য, যা Improvement শব্দের সমার্থক শব্দ নয়। মনে রাখার টিপস: Improvement এবং Betterment উভয় শব্দের শুরুতেই ভালো কিছু হওয়ার ধারণা রয়েছে, তাই এরা একে অপরের সমার্থক।
a ৬:৫:৪
b ৩:৪:৫
c ১২:৮:৪
d ৬:৪:৩
0 119 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩:৪:৫ প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের বাহুগুলোর অনুপাত দেওয়া আছে সমকোণী ত্রিভুজের ক্ষেত্রে পিথাগোরাসের উপপাদ্য প্রযোজ্য হবে ধরি, ত্রিভুজের বাহুগুলো তিন, চার ও পাঁচ একক সবথেকে বড় বাহুটি হলো অতিভুজ অতএব, লম্বের ওপর বর্গ = তিন গুণ তিন = নয় ভূমির ওপর বর্গ = চার গুণ চার = ষোলো সুতরাং, অতিভুজের ওপর বর্গ = পাঁচ গুণ পাঁচ = পঁচিশ লম্বের বর্গ ও ভূমির বর্গের সমষ্টি = নয় + ষোলো = পঁচিশ উত্তর: B) ৩:৪:৫
a একটির তিনবাহু অপরটির তিন বাহুর সমান
b একটির তিন কোণ অপরটির তিন কোণের সমান
c একটির দুই কোণ ও একবাহু অপরটির দুইকোণ ও অনুরূপ বাহুর সমান
d একটির দুই বাহু ও অন্তর্ভুক্ত কোণ অপরটির দুই বাহু ও অন্তর্ভুক্ত কোণের সমান
0 120 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) একটির তিন কোণ অপরটির তিন কোণের সমান প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজ দুটির সর্বসমতার শর্ত যাচাই করতে হবে কোণ সমান হলেও ত্রিভুজ দুটি সর্বসম না হয়ে সদৃশকোণী হতে পারে ধরি, প্রথম ত্রিভুজটির কোণ তিনটি ক, খ, গ দ্বিতীয় ত্রিভুজটির কোণ তিনটি ক, খ, গ অতএব, কোণ তিনটি সমান হলে ত্রিভুজ দুটি আকারে ছোট বা বড় হতে পারে এই অবস্থাকে সদৃশকোণী ত্রিভুজ বলা হয় সুতরাং, কেবল তিন কোণ সমান হলে ত্রিভুজ সর্বসম হয় না উত্তর: B) একটির তিন কোণ অপরটির তিন কোণের সমান
a 9
b 18
c 27
d 36
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৯ প্রদত্ত তথ্য: a − (১ ÷ a) = ৩ ধরি, প্রদত্ত রাশির মান বের করতে হবে নির্ণেয় রাশিটি হলো a ঘন + (১ ÷ a ঘন) অতএব, অনুসিদ্ধান্ত অনুযায়ী a ঘন + (১ ÷ a ঘন) এর সূত্র হলো প্রথম বন্ধনীর ভেতর a − (১ ÷ a) এর হোল কিউব + ৩ গুণ (a গুণ ১ ÷ a) গুণ প্রথম বন্ধনীর ভেতর a − (১ ÷ a) সুতরাং, মানের জায়গায় ৩ বসালে পাই ৩ এর কিউব + ৩ গুণ ৩ সমান ২৭ + ৯ উত্তর: ৩৬
a 𝑎𝑥2+𝑏𝑥+𝑐=0ax2+bx+c=0
b 𝑦2=𝑎𝑥y2=ax
c 𝑥2+𝑦2=16x2+y2=16
d 𝑦2=2𝑥+7y2=2x+7
0 115 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) x^2 + y^2 = 16 প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের সাধারণ সমীকরণের গঠন বুঝতে হবে অপশনগুলোর মধ্যে দুই চলক বিশিষ্ট সমীকরণ দেখতে হবে ধরি, x হলো প্রথম চলক y হলো দ্বিতীয় চলক অতএব, বৃত্তের সমীকরণে x এবং y উভয়ের ওপর স্কয়ার বা বর্গ থাকে সমীকরণের মাঝখানে প্লাস চিহ্ন থাকে সুতরাং, চলক দুটির বর্গের যোগফল ধروক সংখ্যা হয় উত্তর: x^2 + y^2 = 16
a xz > yz
b x/z > y/z
c z/x < z/y
d xz < yz
0 120 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) xz < yz প্রدত্ত তথ্য: দেওয়া আছে x বড় y অপেক্ষা দেওয়া আছে z ছোট শূন্য অপেক্ষা ধরি, x এর মান ধরা যাক তিন y এর মান ধরা যাক দুই অতএব, z এর মান ধরা যাক ঋণাত্মক এক প্রথম পক্ষ xz সমান তিন গুণ ঋণাত্মক এক সমান ঋণাত্মক তিন দ্বিতীয় পক্ষ yz সমান দুই গুণ ঋণাত্মক এক সমান ঋণাত্মক দুই সুতরাং, ঋণাত্মক তিন ছোট ঋণাত্মক দুই অপেক্ষা অর্থাৎ xz ছোট yz অপেক্ষা উত্তর: D) xz < yz
a ২৫ দিনে
b ৩০ দিনে
c ৩৫ দিনে
d ৪০ দিনে
0 109 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩০ দিনে প্রদত্ত তথ্য: ক এবং খ একটি কাজ করতে পারে ২০ দিনে খ একা কাজটি করতে পারে ৬০ দিনে ধরি, সম্পূর্ণ কাজের পরিমাণ = ১ অংশ অতএব, ক ও খ ১ দিনে করে ১ ÷ ২০ অংশ খ একা ১ দিনে করে ১ ÷ ৬০ অংশ সুতরাং, ক একা ১ দিনে করে (১ ÷ ২০) − (১ ÷ ৬০) = ২ ÷ ৬০ অংশ = ১ ÷ ৩০ অংশ উত্তর: ৩০ দিনে
a 340
b 341
c 342
d 344
0 95 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩৪১ প্রদত্ত তথ্য: ছোট সংখ্যাটি = ৩০১ বড় সংখ্যাটি = ৩৮১ ধরি, নির্ণেয় সংখ্যাটি = ক অতএব, প্রশ্নমতে, সংখ্যাটি ৩০১ হতে যত বড় তার অর্থ হলো, ক − ৩০১ এবং সংখ্যাটি ৩৮১ হতে তত ছোট তার অর্থ হলো, ৩৮১ − ক সুতরাং, ক − ৩০১ = ৩৮১ − ক ক + ক = ৩৮১ + ৩০১ উত্তর: ২ক = ৬৮২, সুতরাং ক = ৩৪১
a 0.3
b &#8730 ০.৩
c 45352
d 45414
0 98 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ০.৩ প্রদত্ত তথ্য: অপশনগুলো হলো ০.৩, √০.৩, ৪৫৩৫২ এবং ৪৫৪১৪ ধরি, সংখ্যাগুলোর মান আলাদা করে পরীক্ষা করতে হবে অতএব, √০.৩ এর মান প্রায় ০.৫৪ এবং বাকি দুটি সংখ্যা অনেক বড় সুতরাং, ০.৩ সংখ্যাটি সবগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ছোট উত্তর: ০.৩
a 89
b 70
c 170
d 142
0 121 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৭০ প্রدত্ত তথ্য: ১২, ১৮ এবং ২৪ সংখ্যা তিনটি দেওয়া আছে নির্ণীয় সংখ্যার সাথে ২ যোগ করতে হবে ধরি, নির্ণীয় সংখ্যাটি ক শর্তমতে ক + ২ সংখ্যাটি ১২, ১৮ এবং ২৪ দ্বারা বিভাজ্য অতএব, ১২, ১৮ এবং ২৪ এর লসাগু বের করতে হবে ১২ = ২ × ২ × ৩ সুতরাং, ১৮ = ২ × ৩ × ৩ ২৪ = ২ × ২ × ২ × ৩ উত্তর: লসাগু = ৭২, তাই ক + ২ = ৭২ এবং ক = ৭০
a 1
b -1
c 2
d 0
0 142 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ০ প্রদত্ত তথ্য: ফাংশনটি হলো f(x) = x^3 + kx^2 − 6x − 9 দেওয়া আছে শর্ত অনুযায়ী f(৩) = ০ ধরি, সমীকরণে x এর পরিবর্তে ৩ বসাতে হবে তাই f(৩) = (৩)^3 + k(৩)^2 − 6(৩) − 9 লেখা যায় অতএব, (৩)^3 এর মান হবে ২৭ k(৩)^2 এর মান হবে ৯k আর 6 গুণের ফলাফল হবে ১৮ সুতরাং, ২৭ + ৯k − ১৮ − ৯ = ০ বা, ৯k = ০ উত্তর: k = ০
a 4
b 14
c 16
d 12
0 119 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১২ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সংখ্যা ৩ দ্বিতীয় সংখ্যা ৯ তৃতীয় সংখ্যা ৪ ধরি, চতুর্থ সমানুপাতিক ক অতএব, সমানুপাতের নিয়ম অনুযায়ী লেখা যায় ৩ ÷ ৯ = ৪ ÷ ক সুতরাং, ৩ × ক = ৯ × ৪ ৩ × ক = ৩৬ উত্তর: ক = ১২
a 29526
b 44136
c 45536
d 45505
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২৯৫২৬ প্রদত্ত তথ্য: ১৩ ¾ % এর মান নির্ণয় করতে হবে ধরি, মিশ্র ভগ্নাংশটিকে সাধারণ ভগ্নাংশে রূপান্তর করতে হবে এখানে ১৩ ¾ হলো চার ভাগের পঞ্চান্ন ভাগ অতএব, ১৩ কে চার দিয়ে গুণ করে তিন যোগ করলে পঞ্চান্ন হয় অর্থাৎ সংখ্যাটি হলো পঞ্চান্ন ভাগ চার সুতরাং, শতাংশের জন্য একশ দ্বারা ভাগ করতে হবে হিসাব করলে সঠিক উত্তর পাওয়া যায় উত্তর: ২৯৫২৬
a (203203​) মিটার
b (2033​20​) মিটার
c 20 মিটার
d (103103​) মিটার
0 92 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) (২০ ÷ √৩) মিটার প্রদত্ত তথ্য: মিনারের পাদদেশ হতে দূরত্বের মান = ২০ মিটার শীর্ষবিন্দুর উন্নতি কোণের মান = ৩০°৩০° ধরি, মিনারটির উচ্চতা = h মিটার মিনারটির পাদদেশ থেকে স্থানটির দূরত্ব = ২০ মিটার উন্নতি কোণ = ৩০° অতএব, tan(৩০°) এর মান = লম্ব ÷ ভূমি এখানে লম্ব হলো মিনারটির উচ্চতা h ভূমি হলো ২০ মিটার সুতরাং, tan(৩০°) = h ÷ ২০ ১ ÷ √৩ = h ÷ ২০ উত্তর: h = ২০ ÷ √৩ মিটার
a ব্যাস
b ব্যাসার্ধ
c বৃত্তচাপ
d পরিধি
0 117 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ব্যাস প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের কেন্দ্র ছেদকারী জ্যা এর নাম নির্ণয় করতে হবে ধরি, বৃত্তের কেন্দ্র বিন্দুটি হলো মূল বিন্দু অতএব, কেন্দ্রগামী রেখাংশ বৃত্তের পরিধিকে স্পর্শ করে সুতরাং, কেন্দ্রগামী সর্ববৃহৎ জ্যা কে ব্যাস বলা হয় উত্তর: A) ব্যাস
a সন্নিহিত কোণ
b সরলকোণ
c পূরককোণ
d সম্পূরক কোণ
0 110 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সম্পূরক কোণ প্রদত্ত তথ্য: দুটি কোণ পরস্পর সন্নিহিত কোণ দুটির সমষ্টি দুই সমকোণ বা ১৮০ ডিগ্রি ধরি, প্রথম কোণটি = ক ডিগ্রি দ্বিতীয় কোণটি = খ ডিগ্রি অতএব, ক + খ = ১৮০ ডিগ্রি সুতরাং, একটি কোণকে অপরটির সম্পূরক কোণ বলা হয় উত্তর: সম্পূরক কোণ
a 12
b 10
c 6
d কোনটিই নয়
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১২ প্রদত্ত তথ্য: দেওয়া আছে, a + b = ৭ দেওয়া আছে, a এর বর্গ + b এর বর্গ = ২৫ ধরি, আমরা জানি, a + b এর সম্পূর্ণ বর্গ = a এর বর্গ + ২ab + b এর বর্গ মান বসিয়ে পাই, ৭ এর বর্গ = ২৫ + ২ab অতএব, ৪৯ = ২৫ + ২ab ২ab = ৪৯ − ২৫ সুতরাং, ২ab = ২৪ ab = ১২ উত্তর: ১২
a (log⁡𝑎𝑚−log⁡𝑎𝑛loga​m−loga​n)
b (log⁡𝑎𝑚+log⁡𝑎𝑛loga​m+loga​n)
c (log⁡𝑎𝑚×log⁡𝑎𝑛loga​m×loga​n)
d কোনটিই নয়
0 96 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) log a m − log a n প্রদত্ত তথ্য: লগারিদম এর ভাগ এর সূত্র ব্যবহার করতে হবে এখানে লগ এর ভিত্তি হলো a এবং সংখ্যা দুটি হলো m ও n ধরি, লগ এর ভিত্তি = a লগ এর সংখ্যা দুটি = m ও n অতএব, log a (m ÷ n) আকারে প্রকাশ করা যায় লগ এর ধর্ম অনুযায়ী ভাগের ক্ষেত্রে বিয়োগ হয় সুতরাং, log a m থেকে log a n বিয়োগ করতে হবে উত্তর: log a m − log a n
a 30 মিটার
b 40 মিটার
c 50 মিটার
d 60 মিটার
0 117 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫০ মিটার প্রদত্ত তথ্য: আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য প্রস্থের দ্বিগুণ আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = ১২৫০ বর্গমিটার ধরি, আয়তক্ষেত্রের প্রস্থ = ক মিটার আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য = ২ক মিটার অতএব, ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ ক্ষেত্রফল = ২ক × ক = ১২৫০ বর্গমিটার ২ × ক এর বর্গ = ১২৫০ সুতরাং, ক এর বর্গ = ১২৫০ ÷ ২ = ৬২৫ ক = √৬২৫ = ২৫ মিটার উত্তর: আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য = ২ × ২৫ = ৫০ মিটার
a 91
b 87
c 63
d 59
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৫৯ প্রদত্ত তথ্য: অপশনগুলোতে চারটি সংখ্যা দেওয়া আছে সংখ্যাগুলো হলো ৯১, ৮৭, ৬৩ এবং ৫৯ ধরি, সংখ্যাগুলোকে মৌলিক বা যৌগিক হিসেবে পরীক্ষা করতে হবে মৌলিক সংখ্যা হলো সেই সংখ্যা যা ১ এবং ওই সংখ্যা ছাড়া অন্য কিছু দিয়ে ভাগ যায় না অতএব, ৯১ সংখ্যাটি ১৩ দ্বারা বিভাজ্য কারণ ১৩ × ৭ = ৯১ ৮৭ সংখ্যাটি ৩ দ্বারা বিভাজ্য কারণ ৩ × ২৯ = ৮৭ ৬৩ সংখ্যাটি ৯ দ্বারা বিভাজ্য কারণ ৯ × ৭ = ৬৩ সুতরাং, ৫৯ সংখ্যাটিকে ১ এবং ৫৯ ছাড়া অন্য কোনো সংখ্যা দ্বারা ভাগ করা যায় না উত্তর: ৫৯ একটি মৌলিক সংখ্যা
a x + 2
b x – 2
c x + 1
d x – 1
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) x + 1 প্রদত্ত তথ্য: একটি বহুপদী রাশি দেওয়া আছে যার একটি উৎপাদক নির্ণয় করতে হবে। ধরি, বহুপদী রাশিটি হলো f(x) অতএব, উৎপাদক উপপাদ্য অনুযায়ী f(a) = ০ হলে (x − a) রাশিটি একটি উৎপাদক হবে। সুতরাং, অপশন সি পরীক্ষা করে পাই f(−১) = ০ উত্তর: x + 1
a EU
b WTO
c NATO
d FIFA
0 173 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) EU কেন সঠিক: - বিশ্ব অর্থনীতিতে জিডিপির মোট আকার ও ক্রয়ক্ষমতার বিচারে ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা ইইউ বিশ্বের বৃহত্তম একক অর্থনৈতিক জোট। - এর সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সমন্বিত বাজার ও অভিন্ন বাণিজ্যের বিশাল পরিধি একে এই শীর্ষস্থান দিয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) EU — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনৈতিক জোট। B) WTO — এটি বৈশ্বিক বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা, কোনো অর্থনৈতিক জোট নয়। C) NATO — এটি একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট, অর্থনৈতিক কোনো জোট নয়। D) FIFA — এটি আন্তর্জাতিক ফুটবল নিয়ন্ত্রক সংস্থা, অর্থনৈতিক বা বাণিজ্যিক জোট নয়। মনে রাখার টিপস: টাকার পরিমাণে সবার সেরা, ইউরোপের ইইউ জোটটি দেয় পাহারা।
a ডিনামাইট
b বিদ্যুৎ
c পােলিও টিকা
d কয়লা
0 108 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ডিনামাইট কেন সঠিক: - সুইডিশ রসায়নবিদ ও প্রকৌশলী আলফ্রেড নোবেল ১৮৬৬ সালে ডিনামাইট আবিষ্কার করেন। - এটি ছিল গানপাউডার বা বারুদের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী এবং খনি খনন বা নির্মাণের কাজে নিরাপদ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডিনামাইট — এটি আলফ্রেড নোবেল আবিষ্কার করেছিলেন এবং এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। B) বিদ্যুৎ — বিদ্যুৎ আবিষ্কার বা এর আধুনিক রূপের সাথে আলফ্রেড নোবেল যুক্ত নন, এটি মাইকেল ফ্যারাডে ও অন্যান্য বিজ্ঞানীদের অবদান। C) পােলিও টিকা — পল্লিও টিকা আবিষ্কার করেন জোনাস সলক এবং আলবার্ট সাবিন, নোবেলের সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই। D) কয়লা — কয়লা কোনো মানুষের আবিষ্কার নয়, এটি প্রাকৃতিকভাবে খনি থেকে উত্তোলিত একটি জীবাশ্ম জ্বালানি। মনে রাখার টিপস: নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আলফ্রেড নোবেল নিজেই ডিনামাইট আবিষ্কার করেছিলেন।
a জাপান
b যুক্তরাজ্য
c ফ্রান্স
d সুইডেন
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সুইডেন কেন সঠিক: - G-৮ বা শিল্পোন্নত আটটি দেশের জোটের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সুইডেন অন্তর্ভুক্ত নয়। - বিশ্ব অর্থনীতির শীর্ষস্থানীয় শিল্পোন্নত গণতান্ত্রিক দেশগুলো নিয়ে এই জোট গঠিত হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাপান — এটি G-৮ জোটের অন্যতম প্রধান এশীয় সদস্য দেশ। B) যুক্তরাজ্য — এটি G-৮ জোটের প্রতিষ্ঠাতা ও ইউরোপীয় সদস্য রাষ্ট্র। C) ফ্রান্স — এটি G-৮ জোটের অন্যতম প্রধান ইউরোপীয় অর্থনৈতিক শক্তি। D) সুইডেন — এটি G-৮ জোটের সদস্য নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: G-৮ জোটের দেশগুলো হলো যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, জাপান ও রাশিয়া (বর্তমানে জি-৭)। সুইডেন এই তালিকায় নেই।
a নরওয়ে
b ফিনল্যান্ড
c ইন্দোনেশিয়া
d জাপান
0 94 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ফিনল্যান্ড কেন সঠিক: - ফিনল্যান্ডে প্রচুর হ্রদ রয়েছে, যার সংখ্যা লক্ষাধিক এবং এ কারণেই দেশটিকে হাজার হ্রদের দেশ বলা হয়। - দেশটির ভূপ্রকৃতি বরফগলা পানিতে গঠিত অসংখ্য হ্রদ দ্বারা সমৃদ্ধ, যা এর ভৌগোলিক প্রধান বৈশিষ্ট্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নরওয়ে — এটি ফিওর্ডের দেশ হিসেবে পরিচিত, হাজার হ্রদের দেশ নয়। B) ফিনল্যান্ড — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ এখানে অসংখ্য হ্রদ রয়েছে। সি) ইন্দোনেশিয়া — এটি দ্বীপের দেশ বা হাজার দ্বীপের দেশ হিসেবে পরিচিত। ডি) জাপান — এটিকে সূর্যোদয়ের দেশ বলা হয়, হাজার হ্রদের দেশ নয়। মনে রাখার টিপস: ফিনল্যান্ড শব্দের শুরুতে ফ আছে এবং হাজার হ্রদের দেশ হিসেবে ফিনল্যান্ড নামটি মনে রাখা সহজ।
a সুদান
b সাইপ্রাস
c মালদ্বীপ
d ভুটান
0 117 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মালদ্বীপ কেন সঠিক: - মালদ্বীপ একটি দ্বীপ রাষ্ট্র এবং এদের কোনো স্থায়ী সেনাবাহিনী নেই। - দেশের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তার দায়িত্বে ন্যাশনাল ডিফেন্স ফোর্স নামে একটি আধানামরিক বাহিনী নিয়োজিত আছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুদান — এই দেশের সক্রিয় ও সুসজ্জিত নিয়মিত সেনাবাহিনী রয়েছে। B) সাইপ্রাস — এই দেশের নিজস্ব ন্যাশনাল গার্ড নামক স্থায়ী সামরিক বাহিনী আছে। D) ভুটান — এই দেশের রয়্যাল ভুটান আর্মি নামক নিয়মিত সেনাবাহিনী রয়েছে। মনে রাখার টিপস: ছোট দ্বীপ রাষ্ট্র মালদ্বীপের সামরিক বাহিনী নেই, সুরক্ষার জন্য তাদের রয়েছে ন্যাশনাল ডিফেন্স ফোর্স।
a ১৮৬৩ সালে
b ১৮৬৮ সালে
c ১৮৬৬ সালে
d ১৮৬১ সালে
0 114 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৮৬৩ সালে কেন সঠিক: - সুইজারল্যান্ডের মানবতাবাদী জ্যঁ হেনরি ডুনান্ট ১৮৬৩ সালে জেনেভায় রেডক্রস প্রতিষ্ঠা করেন। - যুদ্ধাহত সৈনিকদের সেবা প্রদান এবং আন্তর্জাতিক মানবিক আইন প্রচারের উদ্দেশ্যে এই সংস্থা গঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৮৬৩ সালে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই আন্তর্জাতিক রেডক্রস কমিটি প্রতিষ্ঠিত হয়। B) ১৮৬৮ সালে — এই সালে রেডক্রস প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা বা সাল যুক্ত নয়। C) ১৮৬৬ সালে — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ এই সালের সঙ্গে রেডক্রস প্রতিষ্ঠার কোনো সংযোগ নেই। D) ১৮৬১ সালে — এই সালে আমেরিকার গৃহযুদ্ধ শুরু হয়েছিল কিন্তু রেডক্রস প্রতিষ্ঠিত হয়নি। মনে রাখার টিপস: রেডক্রস প্রতিষ্ঠার সালটি মনে রাখতে সংখ্যা মনে রাখুন এভাবে, হেনরি ডুনান্ট ১৮৬৩ সালে যুদ্ধাহতদের জন্য কাজ শুরু করেন।
a ২৬ জুন
b ১ আগস্ট.
c ১ মে
d ১০ ডিসেম্বর
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১০ ডিসেম্বর কেন সঠিক: - ১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে সার্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণা গৃহিত হয়। - দিনটির স্মরণে প্রতি বছর ১০ ডিসেম্বর বিশ্বজুড়ে মানবাধিকার দিবস পালিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৬ জুন — এই তারিখে আন্তর্জাতিক নির্যাতন শিকারদের সমর্থনে আন্তর্জাতিক দিবস পালিত হয়। B) ১ আগস্ট — এই তারিখে বিশ্ব স্তন্যপান সপ্তাহ শুরু হয়, যা মানবাধিকার দিবসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) ১ মে — এই তারিখে আন্তর্জাতিক শ্রমিক সংহতি দিবস বা মে দিবস পালিত হয়। D) ১০ ডিসেম্বর — এটি বিশ্ব মানবাধিকার দিবস হিসেবে নির্ধারিত সঠিক তারিখ। মনে রাখার টিপস: মানবাধিকারের মা এবং ডিসেম্বরের দ দিয়ে মনে রাখতে পারেন মা-দ মানে মানবাধিকার দিবস ডিসেম্বরে।
a 1904
b 1924
c 1914
d 1905
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৯০৪ কেন সঠিক: - ফিফা বা আন্তর্জাতিক ফুটবল ফেডারেশন (FIFA) ২১শে মে ১৯০৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। - এর সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জুরিখে অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯০৪ — এই সালে ফিফা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এবং ফ্রান্সের প্যারিসে এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয়। B) ১৯২৫ — এই সালে ফিফা প্রতিষ্ঠিত হয়নি, এটি একটি ভুল সাল। সি) ১৯১৪ — প্রথম বিশ্বযুদ্ধের শুরু হওয়ার বছর, ফিফা প্রতিষ্ঠার বছর নয়। D) ১৯০৫ — এটি ফিফা প্রতিষ্ঠার পরের বছর, তাই সঠিক উত্তর নয়। মনে রাখার টিপস: ফিফা মানে ফুটবল বিশ্বকাপ, যা ১৯০৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। সালটি মনে রাখতে ১৯০৪ সংখ্যাটি মনে রাখুন।
a বিশকেক
b আলমা আতা
c আশখাবাদ
d উলানবাটোর
0 124 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিশকেক কেন সঠিক: - বিশকেক মধ্য এশিয়ার দেশ কিরগিজস্তানের রাজধানী ও বৃহত্তম শহর। - এটি চু উপত্যকায় তিয়ান শান পর্বতমালা সংলগ্ন এলাকায় অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিশকেক — এটি কিরগিজস্তানের বর্তমান রাজধানী। B) আলমা আতা — এটি কাজ়াখস্তানের সাবেক রাজধানী এবং বর্তমান আলমাতি শহর। C) আশখাবাদ — এটি কিরগিজস্তানের রাজধানী নয়, বরং প্রতিবেশী দেশ তুর্কমেনিস্তানের রাজধানী। D) উলানবাটোর — এটি কিরগিজস্তানের রাজধানী নয়, এটি পূর্ব এশিয়ার দেশ মঙ্গোলিয়ার রাজধানী। মনে রাখার টিপস: কিরগিজস্তানের রাজধানী মনে রাখতে বিশকেক নামটি মনে রাখুন, যেখানে প্রথম অক্ষর ব এবং রাজধানী ও দেশের নামের মিল রয়েছে।
a ঢাকা
b কাঠমান্ডু
c থিম্পু
d মালে
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) থিম্পু কেন সঠিক: - ষোড়শ সার্ক সম্মেলন ২০১০ সালের ২৮ ও ২৯ এপ্রিল ভুটানের রাজধানী থিম্পুতে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। - জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশগত ইস্যুকে এই সম্মেলনের প্রধান এজেন্ডা হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঢাকা — ঢাকা ত্রয়োদশ সার্ক সম্মেলন এবং আরও অন্যান্য আঞ্চলিক বৈঠক আয়োজন করলেও ষোড়শ সম্মেলনের আয়োজক ছিল না। B) কাঠমান্ডু — কাঠমান্ডুতে সার্কের সচিবালয় অবস্থিত এবং এটি একাদশসহ কয়েকটি সম্মেলনের আয়োজন করেছে, তবে ষোড়শ সম্মেলন এখানে হয়নি। C) থিম্পু — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। D) মালে — মালদ্বীপের রাজধানী মালে পঞ্চদশ সার্ক সম্মেলনের আয়োজক দেশ ছিল, ষোড়শ সম্মেলনের নয়। মনে রাখার টিপস: ষোড়শ সার্ক সম্মেলনের মূল বিষয় ছিল জলবায়ু পরিবর্তন আর ভুটানের পরিবেশ রক্ষায় বিশেষ গুরুত্বের কারণে সম্মেলনটি থিম্পুতে বসেছিল।
a আম
b কাঁঠাল
c কলা
d পেঁপে
0 111 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কাঁঠাল কেন সঠিক: - কাঁঠাল বাংলাদেশের জাতীয় ফল এবং এটি সারা দেশে প্রচুর পরিমাণে উৎপাদিত হয়। - আকারে বড় এবং পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ হওয়ায় এটি জাতীয় ফলের মর্যাদা লাভ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আম — আম আমাদের জাতীয় ফল নয়, তবে এটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ফল এবং রাজশাহীর বিখ্যাত পণ্য। B) কাঁঠাল — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বাংলাদেশের জাতীয় ফল। C) কলা — কলা পুষ্টিকর ফল হলেও এটি বাংলাদেশের জাতীয় ফল নয়। D) পেঁপে — পেঁপে ভিটামিন সমৃদ্ধ হলেও এটি বাংলাদেশের জাতীয় ফলের মর্যাদা পায়নি। মনে রাখার টিপস: জাতীয় ফুল শাপলা, জাতীয় ফল কাঁঠাল এবং জাতীয় মাছ ইলিশ।
a 1998
b 1999
c 2000
d 2001
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২০০০ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ২০০০ সালের ২৬ জুন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (ICC) পূর্ণ সদস্য বা টেস্ট মর্যাদা লাভ করে। - ভারতের বিপক্ষে ২০০০ সালের ১০ নভেম্বর বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ তার ইতিহাসে প্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৯৮ — এই সালে বাংলাদেশ আইসিসি নকআউট ট্রফি আয়োজন করেছিল, তবে টেস্ট মর্যাদা পায়নি। B) ১৯৯৯ — এই সালে বাংলাদেশ ইংল্যান্ড বিশ্বকাপে পাকিস্তান দলকে পরাজিত করেছিল, যা টেস্ট মর্যাদার ঠিক আগের বছর। D) ২০০১ — এই সালের আগেই বাংলাদেশ টেস্ট মর্যাদা পেয়ে গিয়েছিল, এটি ভুল সাল। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ ক্রিকেট দল নতুন শতাব্দীর শুরুতে অর্থাৎ ২০০০ সালে টেস্ট খেলার গৌরব অর্জন করে।
a গজারিয়া
b গাজীপুর
c সাভার
d ভালুকা
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) গজারিয়া কেন সঠিক: - মুন্সিগঞ্জ জেলার গজারিয়ায় দেশের প্রথম ঔষধ পার্ক বা অ্যাক্টিভ ফার্মাসিউটিক্যাল ইনগ্রেডিয়েন্টস পার্ক স্থাপিত হচ্ছে। - এটি দেশের ওষুধ শিল্পের কাঁচামাল উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের জন্য প্রতিষ্ঠিত একটি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গজারিয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানেই দেশের প্রথম ঔষধ পার্কটি অবস্থিত। B) গাজীপুর — এটি পোশাক শিল্প ও বিসিক শিল্পনগরীর জন্য পরিচিত হলেও প্রথম ঔষধ পার্ক এখানে নয়। C) সাভার — এটি চামড়া শিল্পনগরী এবং বিকেএসপির জন্য পরিচিত, প্রথম ঔষধ পার্কের স্থান নয়। D) ভালুকা — এটি ময়মনসিংহের একটি শিল্প এলাকা হলেও প্রথম ঔষধ পার্ক হিসেবে নির্ধারিত নয়। মনে রাখার টিপস: ওষুধের কাঁচামাল বা পার্কের ক্ষেত্রে মুন্সিগঞ্জের 'গজারিয়া' নামটি মনে রাখতে হবে।
a ঢাকা
b লাহাের
c দিল্লি
d চট্টগ্রাম
0 134 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) লাহাের প্রদত্ত তথ্য: ঐতিহাসিক ছয় দফা দাবি পেশ করা হয়েছিল এটি বাঙালির মুক্তির সনদ হিসেবে পরিচিত ধরি, পেশ করার স্থান নির্ধারণ করা হয়েছিল পাকিস্তানের একটি ঐতিহাসিক শহরে অতএব, ১৯৬৬ সালের ৫ থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি এই সম্মেলন হয় বাঙালির অধিকার আদায়ের এই প্রস্তাব রাখা হয় সুতরাং, ১৯৬৬ সালের লাহোর প্রস্তাবের আদলে এটি উত্থাপিত হয় উত্তর: লাহাের
a 39386
b 39387
c 39356
d 39389
0 114 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: B) ১ নভেম্বর ২০০৭ কেন সঠিক: - তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে সংবিধানের একুশতম সংশোধনী অনুযায়ী ২০০৭ সালের ১ নভেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথক করা হয়। - মাসদার হোসেন মামলার রায়ের নির্দেশনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে বিচার বিভাগকে নির্বাহী বিভাগ থেকে আলাদা করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৪ জানুয়ারি ২০০৭ — এই তারিখে বাংলাদেশে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছিল, যা বিচার বিভাগ পৃথকীকরণের তারিখ নয়। B) ১ নভেম্বর ২০০৭ — এটি সঠিক তারিখ, যেদিন নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ আনুষ্ঠানিকভাবে পৃথক করা হয়। C) ২৬ মার্চ ২০০৭ — এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস, যা বিচার বিভাগ পৃথকীকরণের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) ১৬ ডিসেম্বর ২০০৭ — এটি বাংলাদেশের বিজয় দিবস, যা এই ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নয়। মনে রাখার টিপস: বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ কার্যকর হয় ২০০৭ সালের ১ নভেম্বর, যা মাসদার হোসেন মামলার ঐতিহাসিক রায়ের ফল।
a টেকনাফ
b কক্সবাজার
c পটুয়াখালী
d খুলনা
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পটুয়াখালী কেন সঠিক: - পটুয়াখালী জেলার কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতের ভৌগোলিক ও সৌন্দর্যগত অবস্থানের কারণে এই জেলাকে সাগরকন্যা বলা হয়। - পর্যটকদের কাছে আকর্ষণীয় এই উপকূলীয় এলাকাটি প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য দেশজুড়ে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) টেকনাফ — এটি কক্সবাজার জেলার একটি উপজেলা, যা দেশের সর্বদক্ষিণের মূল ভূখণ্ড হলেও একে সাগরকন্যা বলা হয় না। B) কক্সবাজার — এটি দেশের প্রধান পর্যটন শহর এবং দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত হলেও এই নির্দিষ্ট ভৌগোলিক নামে পরিচিত নয়। D) খুলনা — এটি দক্ষিণ অঞ্চলের একটি প্রধান বিভাগ ও শিল্পনগরী, যার ভৌগোলিক পরিচিতি অন্য ধারার। মনে রাখার টিপস: পটুয়াখালীর কুয়াকাটার অপরূপ সৌন্দর্য মানেই হলো সাগরকন্যা।
a ফরিদপুর
b চাঁদপুর
c চট্টগ্রাম
d কুষ্টিয়া
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ফরিদপুর কেন সঠিক: - বাংলাদেশের নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট ঢাকা বিভাগের ফরিদপুর জেলায় অবস্থিত। - নদী ভাঙন রোধ এবং নদী ব্যবস্থার উন্নয়নে এটি গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফরিদপুর — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই জেলাতেই নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট অবস্থিত। B) চাঁদপুর — এটি নদী বন্দর ও মোহনার জন্য পরিচিত হলেও এখানে নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট নেই। C) চট্টগ্রাম — এটি সমুদ্র বন্দর ও পাহাড়ি অঞ্চলের জন্য পরিচিত কিন্তু এই ইনস্টিটিউট এখানে অবস্থিত নয়। D) কুষ্টিয়া — এটি গঙ্গা ব্যারেজ ও হার্ডিঞ্জ ব্রিজের জন্য পরিচিত হলেও নদী গবেষণা ইনস্টিটিউটের অবস্থান এখানে নয়। মনে রাখার টিপস: নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট কোথায় জানতে চাইলে মনে রাখবে পদ্মা নদীর অববাহিকার জেলা ফরিদপুরের কথা।
a ৪টি
b ৫ টি
c ৬টি
d ২টি
0 112 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪টি কেন সঠিক: - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মনোগ্রামে ৪টি তারকা চিহ্ন রয়েছে। - এই ৪টি তারকা সংবিধানের চারটি মূলনীতি (জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা) নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলাদেশের মনোগ্রামে ৪টি তারকা থাকে যা মূল ৪টি নীতিকে বোঝায়। বি) ৫ টি — এটি ভুল কারণ বাংলাদেশের মনোগ্রামে ৫টি তারকা থাকে না। সি) ৬টি — এটি ভুল কারণ ৬টি তারকা বাংলাদেশের মনোগ্রামে ব্যবহৃত হয় না। ডি) ২টি — এটি ভুল কারণ মনোগ্রামে ২টি তারকা থাকার কোনো ঐতিহাসিক বা রাষ্ট্রীয় ভিত্তি নেই। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের সংবিধানের মূলনীতি ৪টি, তাই মনোগ্রামেও তারকা রয়েছে ঠিক ৪টি।
a মালদ্বীপ
b সন্দ্বীপ
c হাতিয়া
d বরিশাল
0 99 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বরিশাল কেন সঠিক: - প্রাচীনকালে বর্তমান বরিশাল অঞ্চল ও এর আশপাশের এলাকা চন্দ্রদ্বীপ নামক একটি স্বাধীন জনপদ বা রাজ্য হিসেবে পরিচিত ছিল। - মধ্যযুগের বিভিন্ন ঐতিহাসিক নথিপত্র ও সাহিত্যে বাকলা বা চন্দ্রদ্বীপ অঞ্চলের ভৌগোলিক অবস্থান হিসেবে বর্তমান বরিশালকেই নির্দেশ করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মালদ্বীপ — এটি ভারত মহাসাগরের একটি স্বাধীন দ্বীপ রাষ্ট্র, যার সঙ্গে প্রাচীন বাংলার চন্দ্রদ্বীপ জনপদের কোনো ঐতিহাসিক বা ভৌগোলিক সংযোগ নেই। B) সন্দ্বীপ — এটি বাংলাদেশের একটি উপকূলীয় দ্বীপ উপজেলা ও প্রাচীন জনপদ হলেও ঐতিহাসিক চন্দ্রদ্বীপের মূল ভূখণ্ড বা বর্তমান বরিশাল অঞ্চল এটি নয়। C) হাতিয়া — এটি নোয়াখালী জেলার একটি প্রখ্যাত দ্বীপ উপজেলা, যা প্রাচীন চন্দ্রদ্বীপের ভৌগোলিক সীমানার অন্তর্ভুক্ত ছিল না। D) বরিশাল — এটি সঠিক উত্তর, কারণ প্রাচীন চন্দ্রদ্বীপ জনপদের কেন্দ্রস্থল ও বর্তমান ভৌগোলিক বিস্তার বরিশাল অঞ্চলেই অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: চন্দ্রদ্বীপের চ এবং বরিশাল অঞ্চলের প্রাচীন সমৃদ্ধি মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন, চন্দ্রদ্বীপ বললেই বরিশালের কথা মাথায় আসবে।
a 1212
b 1200
c 1211
d 1204
0 96 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১২০৪ কেন সঠিক: - ইখতিয়ার উদ্দিন মোহাম্মদ বিন বখতিয়ার খিলজি ১২০৪ সালে বাংলার নদিয়া আক্রমণ ও লক্ষণ সেনকে পরাজিত করে বাংলা জয় করেন। - এটি মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠার সূচনা হিসেবে বাংলার ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ঐতিহাসিক ঘটনা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১২১২ — এই সালে বখতিয়ার খিলজি তিব্বত অভিযানে ব্যর্থ হয়ে মারা যান, বাংলা জয়ের সাল এটি নয়। B) ১২০০ — এই সালটি বখতিয়ার খিলজির বাংলা জয়ের সঙ্গে ঐতিহাসিক কোনো ঘটনার জন্য মিলে না। C) ১২১১ — এই সালে বাংলায় ইখতিয়ার উদ্দিনের মৃত্যুর পর খিলজি আমিরের ক্ষমতা সংহত হয়, জয়ের সাল নয়। D) ১২০৪ — এটিই সঠিক সাল এবং এই অপশনটি সঠিক উত্তরের সঙ্গে মিলে গেছে। মনে রাখার টিপস: বখতিয়ার খিলজির বাংলা জয় ও তেরো শতকের শুরু মনে রাখতে ১২০৪ সালটি বারবার চর্চা করুন।
a হাইড্রোজেন সরবরাহ করে
b নাইট্রোজেন সরবরাহ করে
c অক্সিজেন সরবরাহ করে
d অক্সিজেন সরবরাহে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে
0 92 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অক্সিজেন সরবরাহে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে ১. কেন সঠিক: - আগুন জ্বলার জন্য তিনটি প্রধান উপাদানের প্রয়োজন হয়, যা ফায়ার ট্রায়াঙ্গেল নামে পরিচিত। এই উপাদানগুলো হলো জ্বালানি, অক্সিজেন এবং তাপ। - রাসায়নিক অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র থেকে নিক্ষিপ্ত পদার্থ আগুন ও বাতাসের মধ্যে একটি আস্তরণ তৈরি করে, যা অক্সিজেনকে জ্বলন্ত বস্তুর সংস্পর্শে আসতে বাধা দেয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: অগ্নিনির্বাপণ মূলত দহন বিক্রিয়া বন্ধ করার একটি বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়া। - কার্যপ্রণালি: কার্বন ডাইঅক্সাইড বা ফوم জাতীয় অগ্নিনির্বাপক বাতাসে অক্সিজেনের পরিমাণ কমিয়ে দেয় এবং জ্বলন্ত বস্তুকে ঢেকে ফেলে। - কারণ ও ফলাফল: অক্সিজেনের সরবরাহ বন্ধ বা কমে যাওয়ার কারণে আগুন আর জ্বালানি জারিত করতে পারে না এবং নিভে যায়। - বাস্তব প্রয়োগ: রান্নাঘরে তেল বা কারখানায় রাসায়নিক আগুন নেভানোর জন্য ফায়ার এক্সটিংগুইশার ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কার্বন ডাইঅক্সাইড সিলিন্ডার। ব্যাখ্যা: এটি বাতাসের চেয়ে ভারী হওয়ায় বাতাসের স্তর ঠেলে নিচে নেমে আসে এবং আগныর চারপাশে ভারী আস্তরণ তৈরি করে অক্সিজেন বিচ্ছিন্ন করে। উদাহরণ ২: ভেজা কম্বল বা বালি ছিটানো। ব্যাখ্যা: জ্বলন্ত বস্তুর ওপর বালি বা ভেজা কম্বল চাপা দিলে অক্সিজেন প্রবেশ করতে পারে না এবং আগুন দ্রুত নিভে যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাইড্রোজেন সরবরাহ করে — হাইড্রোজেন নিজে একটি অত্যন্ত দাহ্য গ্যাস যা আগুন জ্বালাতে সাহায্য করে, তাই এটি দিলে আগুন আরও বেড়ে যাবে। B) নাইট্রোজেন সরবরাহ করে — নাইট্রোজেন নিষ্ক্রিয় গ্যাস হলেও সরাসরি অগ্নিনির্বাপক হিসেবে কাজ করে না, বরং রাসায়নিক নির্বাপক মূলত অক্সিজেন রোধ করে। C) অক্সিজেন সরবরাহ করে — আগুন জ্বলার মূল চালিকাশক্তি হলো অক্সিজেন, তাই অক্সিজেন সরবরাহ করলে আগুন আরও তীব্রভাবে জ্বলে উঠবে। D) অক্সিজেন সরবরাহে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে — এটি সঠিক কারণ অগ্নি নির্বাপণের মূল নীতিই হলো বাতাসের অক্সিজেনকে আগুনের সংস্পর্শ থেকে দূরে রাখা। ৫ মনে রাখার টিপস: - আগুন নেভানোর সহজ সূত্র হলো অক্সিজেন সরিয়ে ফেলা। অক্সিজেন না থাকলে আগুন বাঁচতে পারে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - দহন প্রক্রিয়ার জন্য প্রয়োজনীয় তিনটি উপাদান হলো জ্বালানি, তাপমাত্রা এবং অক্সিজেন। এদের যেকোনো একটি সরিয়ে নিলেই আগুন নিভে যায়।
a ইথিলিন
b প্রপিন
c লাইকোপেন
d মিথিলিন
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ইথিলিন ১. কেন সঠিক: - ইথিলিন একটি গ্যাসীয় উদ্ভিদ হরমোন যা ফল পাকাতে প্রাকৃতিক ও কৃত্রিমভাবে উদ্দীপনা জোগায়। - এটি উদ্ভিদের কোষে বিভিন্ন এনজাইম সক্রিয় করে যার ফলে ফলের শক্ত কোষপ্রাচীর নরম হয় এবং শর্করা বৃদ্ধি পায়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: ইথিলিন হলো একটি সরল জৈব যৌগ যার রাসায়নিক সংকেত সিটুএইচফোর এবং এটি একমাত্র গ্যাসীয় উদ্ভিদ হরমোন। - কার্যপ্রণালি: কাঁচা ফলে ইথিলিন প্রয়োগ করলে শ্বসন হার বৃদ্ধি পায় এবং শর্করা তৈরি হওয়ার মাধ্যমে ফল দ্রুত পেকে যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আম বা কলা পাকানোর জন্য ইথিলিন গ্যাস ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: কৃত্রিম উপায়ে ইথিলিন গ্যাস বা কার্বাইড প্রয়োগ করে কাঁচা আম বা কলা দ্রুত পাকানো হয়। উদাহরণ ২: পাকা আপেলের সাথে কাঁচা টমেটো রাখা। ব্যাখ্যা: পাকা আপেল থেকে প্রচুর ইথিলিন গ্যাস নির্গত হয় যা পাশের কাঁচা টমেটোকে দ্রুত পাকাতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইথিলিন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ফল পাকানোর জন্য দায়ী প্রধান হরমোন। B) প্রপিন — এটি একটি অ্যালকিন শ্রেণীর হাইড্রোকার্বন গ্যাস যার সাথে ফল পাকানোর প্রত্যক্ষ কোনো হরমোনগত সম্পর্ক নেই। C) লাইকোপেন — এটি একটি ক্যারোটিনয়েড রঞ্জক পদার্থ যা টমেটো বা তরমুজে লাল রঙ সৃষ্টি করে কিন্তু ফল পাকায় না। D) মিথিলিন — এটি কোনো স্বতন্ত্র স্থিতিশীল মুক্ত অণু নয় বরং এটি একটি মূলক যা অন্যান্য যৌগের গঠনে অংশ নেয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - গ্যাসীয় হরমোন ইথিলিন মানেই ফল পাকানোর মেশিন। - ইথিলিনের প্রথম অক্ষর ই এবং পাকা ফলের ই দিয়ে সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই উদ্ভিদ হরমোন থেকে প্রশ্ন আসে। - উদ্ভিদ হরমোন ইথিলিনের রাসায়নিক প্রকৃতি ও কাজ ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a দার্শনিক
b পদার্থবিদ
c কবি
d রসায়নবিদ
0 114 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পদার্থবিদ ১. কেন সঠিক: - স্টিফেন হকিন্স ছিলেন বিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ তাত্ত্বিক পদার্থবিদ ও বিশ্ববিজ্ঞানী। - তিনি মহাবিশ্বের সৃষ্টিতত্ত্ব, বিগ ব্যাং এবং কৃষ্ণগহ্বর বা ব্ল্যাক হোলের কোয়ান্টাম প্রকৃতি নিয়ে যুগান্তকারী গবেষণা করেছেন। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞান হলো বিজ্ঞানের সেই শাখা যা মহাবিশ্বের মৌলিক বল, কণা এবং স্থান-কালের প্রকৃতি математический বা তাত্ত্বিক উপায়ে ব্যাখ্যা করে। - কারণ ও ফলাফল: হকিন্স বিকিরণ বা হকিং রেডিয়েশন তত্ত্বের মাধ্যমে তিনি প্রমাণ করেন যে কৃষ্ণগহ্বর পুরোপুরি অন্ধকার নয়, বরং তাপীয় বিকিরণ নির্গমন করে। - বাস্তব প্রয়োগ: আধুনিক মহাকাশ বিজ্ঞান, কোয়ান্টাম মেকানিক্স এবং মহাবিশ্বের উৎপত্তি সংক্রান্ত গবেষণায় তাঁর তত্ত্বগুলো ভিত্তি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: এ ब्रीফ হিস্ট্রি অব টাইম ব্যাখ্যা: এটি তাঁর লেখা একটি বিখ্যাত বিজ্ঞান বিষয়ক বই, যেখানে তিনি সাধারণ মানুষের জন্য পদার্থবিজ্ঞানের জটিল তত্ত্বগুলোকে সহজ ভাষায় তুলে ধরেছেন। উদাহরণ ২: ব্ল্যাক হোল বা কৃষ্ণগহ্বর গবেষণা ব্যাখ্যা: তাঁর এই গবেষণার মাধ্যমে প্রমাণিত হয় যে মহাকর্ষীয় টানে আটকা পরেও কৃষ্ণগহ্বর থেকে শক্তি বা কণা নির্গত হতে পারে, যা পদার্থবিজ্ঞানের এক বিরাট সাফল্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দার্শনিক — স্টিফেন হকিন্স দর্শন নিয়ে কিছু আলোচনা করলেও তাঁর মূল পেশা ও অবদান দর্শনশাস্ত্রে ছিল না। B) পদার্থবিদ — এটি সঠিক কারণ তিনি তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল মানের কাজ করেছেন। C) কবি — কবিতা সাহিত্যচর্চার অংশ, কিন্তু তিনি সাহিত্যিক বা কবি ছিলেন না। D) রসায়নবিদ — রসায়ন বিজ্ঞানের আলাদা শাখা, যার সঙ্গে তাঁর গবেষণার কোনো সম্পর্ক ছিল না। ৫. মনে রাখার টিপস: - স্টিফেন হকিন্সের শরীর প্যারালাইজড থাকলেও তাঁর মস্তিষ্ক ছিল সচল, যা পদার্থবিজ্ঞানে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে। - তাঁর নামের সঙ্গে ব্ল্যাক হোল ও পদার্থবিজ্ঞান শব্দটি চিরতরে যুক্ত হয়ে আছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - স্টিফেন হকিন্সের লেখা বিখ্যাত বইটির নাম এ ब्रीফ হিস্ট্রি অব টাইম। - কৃষ্ণগহ্বর থেকে যে বিকিরণ নির্গত হয় তাকে তাঁর নামানুসারে হকিং রেডিয়েশন বলা হয়।
a পেপসিন
b এমাইলেজ
c রেনিন
d ট্রিপসিন
0 108 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রেনিন ১. কেন সঠিক: রেনিন হলো পাকস্থলীর গ্যাস্ট্রিক রসে উপস্থিত একটি প্রোটিওলাইটিক বা আমিষ পরিপাককারী এনজাইম। এটি বিশেষ করে দুগ্ধ আমিষ ক্যাসিনোজেনকে পরিবর্তিত করে জমাট বাঁধতে সাহায্য করে যাতে শরীর তা সহজে হজম করতে পারে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: মানবদেহের পরিপাকতন্ত্রে পাকস্থলীর গ্যাস্ট্রিক গ্রন্থি থেকে বিভিন্ন জারক রস ও এনজাইম নিঃসৃত হয় যা খাদ্য পরিপাকে অংশ নেয়। কার্যপ্রণালি: রেনিন দুগ্ধজাত তরল আমিষ ক্যাসিনোজেনকে অদ্রবণীয় ক্যাসিনে রূপান্তর করে এবং ক্যালসিয়াম আয়নের উপস্থিতিতে তাকে জমাট বাঁধায়। কারণ ও ফলাফল: দুগ্ধ জমাট বাঁধার ফলে তা পাকস্থলীতে দীর্ঘক্ষণ অবস্থান করতে পারে এবং পেপসিন এনজাইম সহজেই সেই আমিষ ভেঙে ফেলতে সক্ষম হয়। বাস্তব প্রয়োগ: মানব শিশু জন্মের পর প্রধানত মায়ের দুধের ওপর নির্ভরশীল থাকে এবং তাদের পাকস্থলীতে রেনিনের উপস্থিতি দুধ হজম প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মায়ের দুধ পান করার পর নবজাতকরা অনেক সময় যে ছানার মতো অংশ বমি করে, তা রেনিনের কাজের সরাসরি প্রমাণ। ব্যাখ্যা: রেনিন দুধের আমিষকে জমাট বাঁধায় এবং অতিরিক্ত অংশ বা বমির মাধ্যমে তা বেরিয়ে আসে। উদাহরণ ২: দুধে লেবুর রস বা সিরকা মেশালে দুধ ফেটে যায় বা ছানা তৈরি হয়, যা অনেকটা শারীরবৃত্তীয় রেনিনের কাজের মতোই অম্লীয় পরিবেশের ফল। ব্যাখ্যা: অম্লীয় পরিবেশ আমিষের গঠন পরিবর্তন করে একে জমাট বাঁধতে বাধ্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পেপসিন — এটি পাকস্থলীর একটি প্রধান আমিষ পরিপাককারী এনজাইম যা জটিল আমিষকে পেপটন ও প্রোটিওজে পরিণত করে কিন্তু সরাসরি দুধ জমাট বাঁধানোর মূল কাজটি করে না। B) এমাইলেজ — এটি শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাদ্য পরিপাক করে, বিশেষ করে জটিল শর্করাকে সরল শর্করায় রূপান্তর করতে সাহায্য করে। D) ট্রিপসিন — এটি অগ্ন্যাশয় থেকে নিঃসৃত রস যা ক্ষুদ্রান্ত্রে আমিষ পরিপাক সম্পূর্ণ করতে সাহায্য করে, পাকস্থলীতে দুগ্ধ জমাট বাঁধানোর সাথে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: দুধ বা মিল্ক কথাটি মনে রাখলে রেনিন নামের সাথে মেলাতে সুবিধা হবে কারণ এটি বিশেষভাবে দুগ্ধ আমিষের ওপর কাজ করে। ছোট শিশুদের ক্ষেত্রে রেনিন অত্যন্ত সক্রিয় থাকে যা বড় হওয়ার সাথে সাথে ধীরে ধীরে কমে যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: রেনিন এনজাইমটি প্রাপ্তবয়স্কদের তুলনায় শিশুদের পাকস্থলীতে অধিক পরিমাণে সক্রিয় থাকে। একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে কোন এনজাইমটি দুগ্ধ আমিষ ক্যাসিনকে পরিপাক করে।
a শূন্যতায়
b কঠিন পদার্থে
c তরল পদার্থে
d বায়বীয় পদার্থে
0 91 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বায়বীয় পদার্থে ১. কেন সঠিক: শব্দ এক প্রকার শক্তি যা তরঙ্গ আকারে সঞ্চালিত হয় এবং এর জন্য চলাচলের মাধ্যমের প্রয়োজন হয়। মাধ্যমের কণার ঘনত্বের ওপর শব্দের গতি নির্ভর করে, তাই বায়বীয় পদার্থে কণাগুলোর দূরত্ব বেশি থাকায় শব্দের গতি সর্বাপেক্ষা কম হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: শব্দের বেগ মাধ্যমের স্থিতিস্থাপকতা এবং ঘনত্বের ওপর নির্ভর করে। কার্যপ্রণালি: মাধ্যমের কণাগুলো যত কাছাকাছি থাকে, কম্পন এক কণা থেকে অন্য কণায় তত দ্রুত স্থানান্তরিত হয়। বায়বীয় পদার্থের কণাগুলো অনেক দূরে দূরে থাকে এবং এদের ঘনত্ব কম হওয়ায় শব্দ ধীরগতিতে চলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাতাসে শব্দের গতি প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩৩২ মিটার। ব্যাখ্যা: গ্যাসীয় মাধ্যম হওয়ায় বাতাসের কণাগুলো দূরে থাকে এবং শব্দের বেগ কঠিন বা তরলের চেয়ে কম হয়। উদাহরণ ২: লোহার মতো কঠিন মাধ্যমে শব্দের গতি প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৫১৩০০ মিটার বা তার বেশি। ব্যাখ্যা: কঠিন পদার্থের কণাগুলো খুব কাছাকাছি থাকায় শব্দের গতি অনেক বেশি হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শূন্যতায় — শূন্য মাধ্যমে কোনো কণা বা মাধ্যম না থাকায় শব্দ চলাচল করতে পারে না, তাই সেখানে শব্দের গতি শূন্য। B) কঠিন পদার্থে — কঠিন পদার্থের কণাগুলোর মধ্যকার আকর্ষণ বল এবং ঘনত্ব বেশি থাকায় এখানে শব্দের গতি সর্বাপেক্ষা বেশি হয়। C) তরল পদার্থে — তরল পদার্থের কণাগুলোর ঘনত্ব বায়বীয় পদার্থের চেয়ে বেশি হওয়ায় এখানে শব্দের গতি বায়বীয় মাধ্যমের চেয়ে বেশি থাকে। D) বায়বীয় পদার্থে — এই অপশনটি সঠিক কারণ গ্যাসীয় বা বায়বীয় মাধ্যমে কণাগুলোর দূরত্ব ও গতিশীলতা শব্দের সঞ্চালনকে ধীর করে দেয়। ৫. মনে রাখার টিপস: শব্দের গতি মনে রাখার সহজ উপায় হলো কণার ঘনত্ব যত বেশি, শব্দের গতি তত বেশি। কঠিন পদার্থে কণাগুলো ঘেঁষাঘেঁষা থাকে বলে শব্দ দ্রুত ছোটে, আর বায়বীয় পদার্থে কণাগুলো দূরে থাকে বলে শব্দ ধীরে চলে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: শব্দ শূন্য মাধ্যমে চলতে পারে না কিন্তু আলো শূন্য মাধ্যমে চলতে পারে, এটি একটি অতি পরিচিত ও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। বিভিন্ন মাধ্যমে শব্দের গতির ক্রম হলো কঠিন মাধ্যম, এরপর তরল মাধ্যম এবং সবশেষে বায়বীয় মাধ্যম।
a ই-মেইল
b ইন্টারকম
c ইন্টারনেট
d টেলিগ্রাম
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ইন্টারনেট ১. কেন সঠিক: - ইন্টারনেট হলো বিশ্বজুড়ে বিস্তৃত কম্পিউটার নেটওয়ার্কগুলোর একটি বিশাল মহাসংযোগ ব্যবস্থা। - এর মাধ্যমে প্রোটোকল ব্যবহার করে এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে ডেটা বা তথ্য আদান-প্রদান করা সম্ভব হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: ইন্টারনেট হলো ইন্টারকানেক্টেড নেটওয়ার্কের সংক্ষিপ্ত রূপ যা প্যাকেট সুইচিং প্রযুক্তির মাধ্যমে কাজ করে। - কার্যপ্রণালি: তথ্য ছোট ছোট প্যাকেটে বিভক্ত হয়ে রাউটার ও সুইচিং ডিভাইসের মাধ্যমে গন্তব্য কম্পিউটারে পৌঁছায় এবং পুনর্গঠিত হয়। - বাস্তব প্রয়োগ: আমরা ব্রাউজারে কোনো ওয়েবপেজ দেখতে পেলে বা ক্লাউডে ফাইল আপলোড করলে এই নেটওয়ার্ক প্রযুক্তির মাধ্যমেই তথ্য আদান-প্রদান ঘটে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ইমেইল পাঠানো। ব্যাখ্যা: জিমেইল বা ইয়াহুর মাধ্যমে এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে বার্তা পাঠানো ইন্টারনেটের মাধ্যমেই সম্ভব হয়। উদাহরণ ২: ক্লাউড স্টোরেজ থেকে ফাইল ডাউনলোড। ব্যাখ্যা: গুগল ড্রাইভ বা ওয়ানড্রাইভ থেকে নিজের কম্পিউটারে কোনো ডকুমেন্ট নামানো হলো কম্পিউটার থেকে কম্পিউটারে তথ্য আদান-প্রদানের বাস্তব উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ই-মেইল — এটি ইন্টারনেট ব্যবহার করে ইলেকট্রনিক বার্তা পাঠানোর একটি মাধ্যম মাত্র, সমগ্র নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা নয়। B) ইন্টারকম — এটি সাধারণত কোনো একটি ভবন বা নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত তারযুক্ত বা তারহীন সীমিত অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ ব্যবস্থা। C) ইন্টারনেট — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বিশ্বব্যাপী কম্পিউটারগুলোর মধ্যে তথ্য আদান-প্রদানের সর্বজনীন প্রযুক্তি। D) টেলিগ্রাম — এটি তারের মাধ্যমে দূরবর্তী স্থানে লিখিত বার্তা পাঠানোর একটি পুরোনো ঐতিহাসিক প্রযুক্তি, বর্তমানের কম্পিউটার নেটওয়ার্ক নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - নেটওয়ার্কের ইন্টার এবং ইন্টারন্যাশনালের নেট অংশ মিলে তৈরি হয়েছে ইন্টারনেট শব্দ। - বিশ্বজুড়ে কম্পিউটারের জাল বা নেটই হলো ইন্টারনেট। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ইন্টারনেট প্রযুক্তির জনক হিসেবে ভিনসেন্ট কার্ফ এবং বব কানকে ধরা হয়। - পরীক্ষার জন্য প্রোটোকল, আইপি ঠিকানা এবং রাউটার সম্পর্কিত প্রশ্নগুলোও সমান গুরুত্বপূর্ণ।
a ৫ মে
b ৫ জুন
c ১৫ মে
d ১৫ জুন
0 115 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫ জুন ১. কেন সঠিক: - প্রতি বছর ৫ জুন তারিখে বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হয়। - ১৯৭২ সালে জাতিসংঘের স্টকহোম সম্মেলনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১৯৭৪ সাল থেকে বিশ্বব্যাপী এই দিবসটি পালিত হয়ে আসছে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: পরিবেশ সংরক্ষণ ও প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষার বিষয়ে বিশ্বব্যাপী জনসচেতনতা তৈরি করা এই দিবসের মূল লক্ষ্য। - কারণ ও ফলাফল: শিল্পায়ন ও অতিরিক্ত দূষণের ফলে বিশ্ব উষ্ণায়ন ও জলবায়ু পরিবর্তন ঘটছে, যার ক্ষতিকর প্রভাব থেকে পৃথিবীকে রক্ষা করতে পরিবেশ সচেতনতা জরুরি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্লাস্টিক বর্জ্য হ্রাস অভিযান ব্যাখ্যা: বিশ্ব পরিবেশ দিবসে বিশ্বজুড়ে একবার ব্যবহার্য প্লাস্টিক বর্জ্য কমানোর নানা কর্মসূচি পালিত হয়, যা পরিবেশ দূষণ রোধে সরাসরি ভূমিকা রাখে। উদাহরণ ২: বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ব্যাখ্যা: দিবসটি উপলক্ষে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সংগঠনের উদ্যোগে গাছ লাগানো হয়, যা বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই অক্সাইডের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৫ মে — এই তারিখে বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হয় না। তবে মে মাসে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন দিবস যেমন ১ মে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস পালিত হয়। B) ৫ জুন — এটি সঠিক উত্তর। এই দিনে জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচির অধীনে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উদযাপিত হয়। C) ১৫ মে — এই তারিখে আন্তর্জাতিক পরিবার দিবস পালিত হয়। এটি পরিবেশ সংক্রান্ত কোনো আন্তর্জাতিক দিবস নয়। D) ১৫ জুন — এই তারিখে বিশ্ব প্রবীণ নির্যাতন সচেতনতা দিবস পালিত হয়। এটি পরিবেশ দিবসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - পরিবেশ রক্ষায় সচেতন হতে বছরের মাঝামাঝি অর্থাৎ জুনের পাঁচ তারিখকে বেছে নেওয়া হয়েছে। - পাঁচ জুন কথাটি মনে রাখলে মাস ও তারিখ দুটিই সহজে মনে রাখা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিশ্ব পরিবেশ দিবস প্রথম পালিত হয় ১৯৭৪ সালে এবং এর স্লোগান ছিল একমাত্র একটি পৃথিবী। - এই ধরনের পরিবেশ সংক্রান্ত প্রশ্ন বিসিএস এবং প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
a পরমাণু শক্তি
b কয়লা
c পেট্রোল
d প্রাকৃতিক গ্যাস
0 113 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পরমাণু শক্তি ১. কেন সঠিক: - পরমাণু শক্তিতে ব্যবহৃত ইউরেনিয়াম বা থোরিয়াম ফুরিয়ে গেলেও নিউক্লীয় বিক্রিয়ায় দীর্ঘকাল শক্তি উৎপাদন সম্ভব। - প্রচলিত জীবাশ্ম জ্বালানির মতো এটি দ্রুত নিঃশেষ হয় না বলে এটি নবায়নযোগ্য জ্বালানির অন্তর্ভুক্ত। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: পরমাণুর নিউক্লিয়াস ভাঙার মাধ্যমে বা সংযুক্ত করার মাধ্যমে যে বিপুল পরিমাণ শক্তি উৎপন্ন হয় তাকে পরমাণু শক্তি বলে। - কার্যপ্রণালি: পারমাণবিক চুল্লিতে নিয়ন্ত্রিত ফিশন বিক্রিয়ার মাধ্যমে তাপশক্তি উৎপন্ন করা হয়, যা দিয়ে টারবাইন ঘুরিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়। - বাস্তব প্রয়োগ: পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে পরিবেশবান্ধব উপায়ে প্রচুর পরিমাণে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র। ব্যাখ্যা: এটি ইউরেনিয়াম ব্যবহার করে পরমাণু শক্তির মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ বিদ্যুৎ উৎপন্ন করছে। উদাহরণ ২: সূর্যের শক্তি উৎপাদন। ব্যাখ্যা: সূর্যের অভ্যন্তরে ফিউশন প্রক্রিয়ায় পরমাণু শক্তি উৎপন্ন হয় যা নবায়নযোগ্য শক্তির প্রধান উৎস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পরমাণু শক্তি — এটি জীবাশ্ম জ্বালানির মতো অফুরন্ত বা দীর্ঘস্থায়ী শক্তির বিকল্প হিসেবে নবায়নযোগ্য শক্তির ক্যাটাগরিতে স্থান পায়। B) কয়লা — এটি একটি জীবাশ্ম জ্বালানি এবং একবার পুড়িয়ে ফেললে তা আর ফিরে পাওয়া যায় না, তাই এটি অনবায়নযোগ্য। C) পেট্রোল — খনিজ তেল বা পেট্রোল সীমিত উৎস থেকে আসে এবং ব্যবহার করলে নিঃশেষ হয়ে যায়, তাই এটি অনবায়নযোগ্য। D) প্রাকৃতিক গ্যাস — এটি ভূগর্ভস্থ জীবাশ্ম জ্বালানি যা সীমিত এবং ধীরে ধীরে ফুরিয়ে আসছে, তাই এটি নবায়নযোগ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - কয়লা, পেট্রোল ও গ্যাস হলো জীবাশ্ম জ্বালানি এবং এরা অনবায়নযোগ্য। - পরমাণু শক্তি ভিন্ন প্রকৃতির এবং এটি দীর্ঘমেয়াদী শক্তির উৎস হিসেবে নবায়নযোগ্য হিসেবে বিবেচিত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই নবায়নযোগ্য ও অনবায়নযোগ্য জ্বালানির পার্থক্য থেকে প্রশ্ন আসে। - জীবাশ্ম জ্বালানিগুলো কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাস নির্গমন করে গ্রিনহাউস প্রভাব তৈরি করে।
a দস্তা
b সালফার
c নাইট্রোজেন
d পটাশিয়াম
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সালফার ১. কেন সঠিক: উদ্ভিদের পুষ্টির জন্য সালফার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ গৌণ পুষ্টি উপাদান। সালফারের অভাবে উদ্ভিদের ক্লোরোফিল গঠনে ব্যাঘাত ঘটে, ফলে সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়া ধীর হয়ে যায় এবং ফসলের পরিপকৃতা বা পাক ধরতে দেরি হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: উদ্ভিদ তার বৃদ্ধির জন্য মাটি থেকে বিভিন্ন খনিজ উপাদান গ্রহণ করে, যার মধ্যে সালফার প্রোটিন ও ভিটামিন তৈরিতে সহায়তা করে। কার্যপ্রণালি: সালফার উদ্ভিদের অ্যামিনো অ্যাসিড সিস্টিন ও মিথিওনিন তৈরিতে সরাসরি অংশ নেয় যা ফল পাকানোর এনজাইম সক্রিয় করে। কারণ ও ফলাফল: সালফারের ঘাটতি দেখা দিলে উদ্ভিদের বৃদ্ধি ব্যাহত হয়, পাতা হলুদ হয়ে যায় এবং ফুল ও ফল আসার সময় পিছিয়ে যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ধান চাষের সময় সালফারযুক্ত সার ব্যবহার না করলে ধানের শীষ বের হতে এবং ধান পাকতে স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে বেশি দিন সময় নেয়। ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে যে সালফার উদ্ভিদের পরিপকৃতা ত্বরান্বিত করার প্রক্রিয়ায় সরাসরি ভূমিকা পালন করে। উদাহরণ ২: ডালজাতীয় ফসলে সালফারের ঘাটতি হলে উদ্ভিদের শিকড়ের নডিউল গঠন বাধাগ্রস্ত হয় এবং ফলন দেরিতে আসে। ব্যাখ্যা: এটি উদ্ভিদের পুষ্টি চক্রে সালফারের অপরিহার্যতা ফুটিয়ে তোলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দস্তা — এটি উদ্ভিদের অক্সিন হরমোন উৎপাদনে এবং পাতার বৃদ্ধিতে সাহায্য করে, তবে সরাসরি পরিপকৃতা বিলম্বিত করার প্রধান কারণ এটি নয়। B) সালফার — সঠিক উত্তর কারণ এর অভাবে উদ্ভিদের পরিপকৃতা বা পাক ধরা বিলম্বিত হয়। C) নাইট্রোজেন — এটি উদ্ভিদের অঙ্গজ বৃদ্ধিতে ও সবুজ বর্ণ গঠনে সহায়তা করে, যার অভাবে গাছ লিকলিকে হয় কিন্তু পরিপকৃতা সরাসরি বিলম্বিত হয় না। D) পটাশিয়াম — এটি উদ্ভিদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং ফলমূলের মান উন্নত করে, এর অভাবে মূলত ফলের গুণগত মান নষ্ট হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: সালফার শব্দটি মনে রাখুন দেরিতে পরিপক্ব হওয়ার সঙ্গে। উদ্ভিদের রান্নাঘর তথা সালোকসংশ্লেষণ ও পরিপক্বতার ঘড়ি সচল রাখতে সালফারের প্রয়োজন অপরিহার্য। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: উদ্ভিদের পুষ্টি উপাদানগুলোর কাজ এবং অভাবজনিত লক্ষণ থেকে প্রতি বছর বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে। কোন উপাদানের অভাবে কি রোগ হয়, যেমন পাতার ক্লোরোসিস, তা ভালোভাবে পড়তে হবে।
a কৃত্রিম সার প্রয়ােগ
b পানি সেচ
c জমিতে নাইট্রোজেন ধরে রাখা
d প্রাকৃতিক সার প্রয়ােগ
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পানি সেচ ১. কেন সঠিক: - জমিতে অতিরিক্ত সেচ দিলে বা নিষ্কাশন ব্যবস্থার মাধ্যমে পানি প্রবাহিত করলে মাটির নিচের স্তরে লবণ দ্রবীভূত হয়ে গভীর স্তরে চলে যায়। - একে লিচিং বা ধৌতকরণ প্রক্রিয়া বলা হয়, যা কৃষিজমিতে লবণাক্ততার মাত্রা কমাতে সরাসরি সাহায্য করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: মৃত্তিকাবিজ্ঞান ও পরিবেশবিজ্ঞানের অংশ হিসেবে জমির লবণাক্ততা হলো মাটিতে অতিরিক্ত সোডিয়াম, ক্লোরাইড ও অন্যান্য লবণের সঞ্চায়ন। - কার্যপ্রণালি: অতিরিক্ত পানি প্রয়োগের ফলে লবণগুলো পানির সাথে দ্রবীভূত হয়ে অভিকর্ষ বলের টানে মাটির ওপরের স্তর থেকে নিচের দিকে অপসারিত হয়। - কারণ ও ফলাফল: এর ফলে গাছের শেকড় অঞ্চলে লবণের ঘনত্ব কমে যায় এবং উদ্ভিদের অভিস্রবণ প্রক্রিয়া স্বাভাবিক থাকে। - বাস্তব প্রয়োগ: উপকূলীয় অঞ্চলে বোরো ধান চাষের সময় অতিরিক্ত সেচ দিয়ে মাটির লবণাক্ততা সহনীয় রাখা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: উপকূলীয় জোয়ারভাটার প্রভাবযুক্ত জমিতে মিষ্টি পানি সেচ দেওয়া। ব্যাখ্যা: এটি প্রয়োগ করার ফলে মাটির কণার গায়ে লেগে থাকা লবণাক্ত আয়নগুলো দ্রবীভূত হয়ে ভূগর্ভস্থ পানির সাথে নিচে নেমে যায়। উদাহরণ ২: ড্রেনেজ সিস্টেমসহ সেচ প্রকল্প পরিচালনা করা। ব্যাখ্যা: অতিরিক্ত সেচ দিয়ে সেই লবণাক্ত পানি ড্রেন বা নালার মাধ্যমে জমি থেকে বাইরে বের করে দিলে স্থায়ীভাবে লবণ দূর হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কৃত্রিম সার প্রয়োগ — অতিরিক্ত রাসায়নিক সার প্রয়োগ করলে মাটিতে লবণের পরিমাণ আরও বৃদ্ধি পায় এবং জমি পলিথিন বা কঠিন হয়ে যেতে পারে। B) পানি সেচ — এটি সঠিক কারণ পানি সেচের মাধ্যমে কৈশিক নালীর লবণ দ্রবীভূত হয়ে মাটির গভীর স্তরে চলে যায় এবং জমির লবণাক্ততা কমে। C) জমিতে নাইট্রোজেন ধরে রাখা — নাইট্রোজেন উদ্ভিদের বৃদ্ধিতে সহায়তা করে কিন্তু এটি মাটির লবণাক্ততা কমানোর সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। D) প্রাকৃতিক সার প্রয়োগ — জৈব সার বা কম্পোস্ট মাটির উর্বরতা ও গঠন উন্নত করে, তবে সরাসরি লবণাক্ততা নিয়ন্ত্রণের প্রধান উপায় হলো পানি সেচ ও নিষ্কাশন। ৫. মনে রাখার টিপস: - লবণ হলো পানিতে দ্রবণীয় পদার্থ, তাই লবণ সরাতে হলে পানির মাধ্যমেই তাকে ধৌত করে নিচে নামাতে হবে। - সেচ মানেই পানি দেওয়া, আর অতিরিক্ত পানি লবণকে নিচে ধুয়ে নিয়ে যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মৃত্তিকা লবণাক্ততা দূর করার প্রধান বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি হলো লিচিং বা ধৌতকরণ। - একই ধারণা থেকে পরীক্ষায় আসতে পারে যে, লবণাক্ত মাটিতে কোন ধরনের ফসল ভালো জন্মে বা কোন উদ্ভিদের লবণসহনশীলতা বেশি।
a ৭০ বছর
b ৬৫ বছর
c ৭৬ বছর
d ৮০ বছর
0 120 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৭৬ বছর ১. কেন সঠিক: - হ্যালির ধূমকেতু প্রতি ৭৬ বছর পর পর পৃথিবী থেকে দৃশ্যমান হয়, যা এর কক্ষপথের দীর্ঘায়িত প্রকৃতির কারণে ঘটে। - সূর্যের চারপাশের একটি নির্দিষ্ট উপবৃত্তাকার পথে প্রদক্ষিণ করতে এর এই দীর্ঘ সময় প্রয়োজন হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: ধূমকেতু হলো বরফ, ধূলিকণা এবং গ্যাস নিয়ে গঠিত মহাজাগতিক বস্তু যা সূর্যের কাছাকাছি এলে দৃশ্যমান হয়। - কার্যপ্রণালি: সূর্যকে প্রদক্ষিণ করার সময় এটি যখন সূর্যের কাছাকাছি আসে, তখন উত্তাপে এর বরফ গলে গ্যাস ও ধূলিকণার দীর্ঘ লেজ তৈরি করে। - কারণ ও ফলাফল: এর কক্ষপথ অত্যন্ত উপবৃত্তাকার হওয়ায় এটি একবার সূর্যকে প্রদক্ষিণ করতে প্রায় ৭৬ বছর সময় নেয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ১৯৮৬ সালে হ্যালির ধূমকেতু সর্বশেষ পৃথিবী থেকে স্পষ্টভাবে দেখা গিয়েছিল। ব্যাখ্যা: এটি পুনরায় ২০৬১ সালে আবার পৃথিবীর আকাশ থেকে দৃশ্যমান হবে বলে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা হিসাব করেছেন। উদাহরণ ২: মানুষের গড় আয়ুষ্কাল বিবেচনা করলে একজন মানুষ তার জীবনে সাধারণত একবারই হ্যালির ধূমকেতু দেখতে পায়। ব্যাখ্যা: এই দীর্ঘ আবর্তনকালের জন্যই এটি মানুষের কাছে একটি অত্যন্ত কৌতূহলোদ্দীপক মহাজাগতিক ঘটনা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৭০ বছর — এটি হ্যালির ধূমকেতুর আবর্তনকাল নয়, তাই এই অপশনটি ভুল। B) ৬৫ বছর — এটি ধূমকেতুটির কক্ষপথের সঠিক সময়কাল নির্দেশ করে না। D) ৮০ বছর — এটি হ্যালির ধূমকেতুর প্রকৃত পর্যায়কাল অপেক্ষা বেশি সময় নির্দেশ করে। ৫ মনে রাখার টিপস: - হ্যালির ধূমকেতুর আবর্তনকাল মনে রাখতে ৭৬ সংখ্যাটি মনে রাখুন, যা মানুষের একটি পূর্ণ প্রজন্মের কাছাকাছি সময়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - হ্যালির ধূমকেতুর আবিষ্কারক এডমন্ড হ্যালি এর কক্ষপথ ও আবর্তনকাল সফলভাবে হিসাব করেছিলেন। - মহাকাশ বিজ্ঞান এবং জ্যোতির্বিজ্ঞান থেকে বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
a বৃষ্টিপাত কমে যাবে
b নিম্নভূমি নিমজ্জিত হবে
c উত্তাপ অনেক বেড়ে যাবে
d সাইক্লোনের প্রবণতা বাড়বে
0 135 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নিম্নভূমি নিমজ্জিত হবে ১. কেন সঠিক: গ্রিন হাউস ইফেক্টের কারণে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে, যার ফলে মেরু অঞ্চলের বরফ গলে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বেড়ে চলেছে। বাংলাদেশ একটি নদীমাতৃক ও বদ্বীপ অঞ্চল হওয়ায় এর বিশাল একটি দক্ষিণাঞ্চল সমুদ্রপৃষ্টের খুব কাছাকাছি অবস্থিত, তাই এটি সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মুখে রয়েছে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: গ্রিন হাউস গ্যাস যেমন কার্বন ডাই অক্সাইড বায়ুমণ্ডলে তাপ আটকে রেখে গ্লোবাল ওয়ার্মিং বা বিশ্ব উষ্ণায়ন ঘটাচ্ছে। কার্যপ্রণালি: বায়ুমণ্ডলে এসব গ্যাসের ঘনত্ব বাড়লে ভূ-পৃষ্ঠ থেকে বিকشিত তাপ মহাশূন্যে সহজে চলে যেতে পারে না এবং বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। কারণ ও ফলাফল: তাপ বৃদ্ধির ফলে গ্লেসিয়ার বা হিমবাহ গলে সমুদ্রে পানির পরিমাণ বৃদ্ধি পায় এবং উপকূলীয় নিম্নভূমি তলিয়ে যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুন্দরবন ও উপকূলীয় জেলাসমূহ ব্যাখ্যা: সমুদ্রের পানির উচ্চতা সামান্য বাড়লেই বাংলাদেশের সুন্দরবন এবং ভোলা ও সাতক্ষীরার মতো উপকূলীয় নিচু এলাকাগুলো প্রথমে প্লাবিত হবে। উদাহরণ ২: গলে যাওয়া আইসবার্গ ব্যাখ্যা: ফ্রিজ থেকে বরফ বের করে বাইরে রাখলে যেমন তা গলে পানি হয়ে পাত্রের নিচেই জমে, তেমনি গ্লোবাল ওয়ার্মিংয়ে মেরুর বরফ গলে সমুদ্রের পানি বাড়ছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বৃষ্টিপাত কমে যাবে — গ্রিন হাউস ইফেক্টে সামগ্রিক বৃষ্টিপাত কমে না, বরং জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে অতিবৃষ্টি বা অনাবৃষ্টির মতো চরম আবহাওয়া দেখা দেয়। B) নিম্নভূমি নিমজ্জিত হবে — এটি সঠিক কারণ সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশের নিচু এলাকাগুলো সরাসরি তলিয়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে আছে। C) উত্তাপ অনেক বেড়ে যাবে — উত্তাপ বাড়ে বটে, তবে তা সামগ্রিক বৈশ্বিক পরিবর্তনের অংশ এবং এর সবচেয়ে মারাত্মক আঞ্চলিক পরিণতি হলো ভূমি নিমজ্জিত হওয়া। D) সাইক্লোনের প্রবণতা বাড়বে — সাইক্লোনের প্রবণতা বা তীব্রতা বাড়তে পারে, তবে ভৌগোলিক ও ভূখণ্ডের ক্ষয়ক্ষতির বিচারে দেশের অস্তিত্বের জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি হলো ভূমি নিমজ্জিত হওয়া। ৫ মনে রাখার টিপস: গ্রিন হাউস মানেই বরফ গলা এবং বরফ গলা মানেই পানি বৃদ্ধি, তাই বাংলাদেশের মতো নিচু বদ্বীপের জন্য সবচেয়ে বড় পরিণতি হলো নিম্নভূমি নিমজ্জিত হওয়া। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: গ্রিন হাউস গ্যাসের মধ্যে কার্বন ডাই অক্সাইডের অবদান সবচেয়ে বেশি এবং এর প্রভাবে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির হার দিন দিন উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। একই ধারণা থেকে পরীক্ষায় প্রশ্ন আসতে পারে যে গ্লোবাল ওয়ার্মিংয়ের মূল কারণ কোনটি বা কোন গ্যাসটির প্রভাব সবচেয়ে বেশি।
a তামা ও টিন
b তামা ও দস্তা
c তামা ও নিকেল
d তামা ও সিসা
0 108 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) তামা ও দস্তা ১. কেন সঠিক: পিতল একটি ধাতুসংকর বা সংকর ধাতু, যা মূলত তামা এবং দস্তা বা জিঙ্কের মিশ্রণে তৈরি করা হয়। তামার নমনীয়তা এবং দস্তার কাঠিন্য একত্রিত হয়ে পিতলকে একটি শক্ত ও টেকসই উপাদান হিসেবে গড়ে তোলে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: দুই বা ততোধিক ধাতু অথবা একটি ধাতু ও একটি অধাতুর সমসত্ব মিশ্রণকে সংকর ধাতু বলে। রাসায়নিক উপাদান: পিতলে সাধারণত ৭০ শতাংশ তামা এবং ৩০ শতাংশ দস্তা থাকে, তবে অনুপাত কিছুটা পরিবর্তিত হতে পারে। বাস্তব প্রয়োগ: পিতল জংরোধী এবং দেখতে সোনালী রঙের হওয়ায় এটি দিয়ে ঘরবাড়ি সাজানোর জিনিসপত্র ও বাদ্যযন্ত্র তৈরি করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পিতলের তৈরি প্রাচীন বাদ্যযন্ত্র যেমন ট্রাম্পেট বা হর্ন। ব্যাখ্যা: পিতলের চমৎকার ধ্বনি প্রতিধ্বনি করার ক্ষমতা থাকায় এটি বাদ্যযন্ত্র তৈরিতে বহুল ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: দরজা ও জানালার হাতল বা তালা। ব্যাখ্যা: পিতল সহজে ক্ষয় হয় না এবং এটি দেখতে আকর্ষণীয় হওয়ায় গৃহস্থালির হার্ডওয়্যার তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তামা ও টিন — এই দুটি উপাদানের সংকর ধাতুকে ব্রোঞ্জ বা কাঁসা বলা হয়, পিতল নয়। B) তামা ও দস্তা — এটি পিতলের সঠিক উপাদান এবং এই মিশ্রণটি পিতল তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। C) তামা ও নিকেল — তামা ও নিকেলের সংকর ধাতুকে কুপ্রো-নিকেল বলা হয়, যা মুদ্রা তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। D) তামা ও সিসা — এই সংকর ধাতু বেয়ারিং এবং প্লাম্বিং এর কাজে ব্যবহৃত হয়, এটি পিতল নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: পিতল মনে রাখার সহজ কৌশল হলো পিতার সংকর ধাতু, যেখানে পিতা শব্দের পি মানে পিতল এবং তা মানে তামা, আর সঙ্গে থাকে জিংক বা দস্তা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সংকর ধাতু সম্পর্কিত প্রশ্ন বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। তামা ও টিনের মিশ্রণে কাঁসা এবং তামা ও দস্তার মিশ্রণে পিতল তৈরি হয়, এই দুটি প্রায়ই পরীক্ষার্থীদের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে।
a কম হয়
b খুব কম হয়
c একই হয়
d বেশি হয়
0 100 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) একই হয় ১. কেন সঠিক: পাখার গতি কমানোর জন্য রেগুলেটর ব্যবহার করা হয় যা মূলত বর্তনীর রোধ বাড়িয়ে দেয়। রোধ বাড়ার ফলে বিদ্যুৎ প্রবাহ কমে যায় কিন্তু মোট শক্তি খরচের পরিমাণ অপরিবর্তিত থাকে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: বৈদ্যুতিক পাখার গতি নিয়ন্ত্রণের জন্য রোধ বা রেজিস্ট্যান্স পরিবর্তন করা হয়। কার্যপ্রণালি: রেগুলেটরের মাধ্যমে বর্তনীতে অতিরিক্ত রোধ যুক্ত করলে কারেন্টের প্রবাহ হ্রাস পায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ফ্যানের রেগুলেটর ঘুরিয়ে গতি কমালে বিদ্যুৎ বিল কম আসে না। ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে যে ফ্যানের গতির সঙ্গে বিদ্যুৎ খরচের সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই। উদাহরণ ২: একটি বৈদ্যুতিক বাল্ব কম আলো দিলেও একই পরিমাণ শক্তি খরচ করতে পারে। ব্যাখ্যা: এটি শক্তির সংরক্ষণশীলতা নীতিকে সমর্থন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কম হয় — এই ধারণাটি ভুল কারণ রোধ বাড়লেও শক্তির অপচয় ভিন্নভাবে ঘটে। B) খুব কম হয় — এটি সাধারণ মানুষের ভুল ধারণার ওপর ভিত্তি করে তৈরি একটি অপশন। সি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি প্রযোজ্য নয়। D) বেশি হয় — গতি কমলে শক্তি খরচ বেশি হওয়ার কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: ফ্যানের গতি কমালেও বিদ্যুৎ বিল কমে না কারণ রেগুলেটর শুধু কারেন্ট কমায় কিন্তু শক্তি নষ্ট করে না। রোধ বাড়লে প্রবাহ কমে, তাই বিভ্রান্ত হওয়ার সুযোগ নেই। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি বিদ্যুৎ ও চুম্বকত্ব এবং তড়িৎ প্রবাহের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে। একই ধারণা থেকে ওহমের সূত্র এবং বৈদ্যুতিক ক্ষমতার ওপর প্রশ্ন আসতে পারে।
a গামা রশ্মি
b বিটা রশ্মি
c কসমিক রশ্মি
d রঞ্জন রশ্মি
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আধুনিক প্রযুক্তি ও সাধারণ বিজ্ঞান সঠিক উত্তর: A) গামা রশ্মি ১. কেন সঠিক: - প্রচলিত বিশ্বাস ও অনেক প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মতে রঙিন টেলিভিশন থেকে গামা রশ্মি নির্গত হয় বলে বিবেচনা করা হয়। - ক্যাথোড রে টিউব যুক্ত পুরোনো প্রযুক্তির টেলিভিশন চালুর সময় উচ্চ গতির ইলেকট্রন পর্দার সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে এই ক্ষতিকর রশ্মি উৎপন্ন করতে পারে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: রঙিন টেলিভিশনের মূল পর্দা বা পিকচার টিউব মূলত ক্যাথোড রে টিউব প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়। - কার্যপ্রণালি: উচ্চ বিভব পার্থক্যের কারণে ক্যাথোড থেকে ইলেকট্রন পুঞ্জ তীব্র গতিতে এসে ফসফরের পর্দায় আঘাত হানে এবং দৃশ্যমান আলো তৈরি করে। - কারণ ও ফলাফল: এই দ্রুতগামী ইলেকট্রনগুলো যখন উচ্চ পারমাণবিক ভরের ধাতব পর্দার মুখোমুখি হয়, তখন ব্রেমসস্ট্রালুং প্রক্রিয়ায় শক্তি বিকিরিত হয়ে এক্সরে বা গামা রশ্মির মতো তড়িৎ চৌম্বকীয় বিকিরণ উৎপন্ন হতে পারে। - বাস্তব প্রয়োগ: আধুনিক এলসিডি বা এলইডি টেলিভিশনে ক্যাথোড রে টিউব ব্যবহার করা হয় না বলে এই ধরনের বিকিরণ ঝুঁকি বর্তমানে থাকে না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পুরোনো অ্যানালগ কম্পিউটার মনিটর ব্যাখ্যা: এগুলোতেও একই ক্যাথোড রে টিউব প্রযুক্তি ব্যবহার করা হতো যা থেকে সীমিত মাত্রার বিকিরণ নির্গত হতে পারত। উদাহরণ ২: এক্সরে মেশিন ব্যাখ্যা: হাসপাতালে ব্যবহৃত এক্সরে মেশিনেও দ্রুতগামী ইলেকট্রনকে ধাতুতে আঘাত করে ভেদন ক্ষমতাসম্পন্ন রশ্মি তৈরি করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গামা রশ্মি — এটি সাধারণত তেজস্ক্রিয় মৌলের নিউক্লিয়াস থেকে নির্গত হয় এবং পুরোনো রঙিন টিভির প্রশ্নে পরীক্ষামূলকভাবে সঠিক উত্তর হিসেবে ধরা হয়। B) বিটা রশ্মি — এটি মূলত উচ্চ গতির ইলেকট্রন কণা প্রবাহ যা টেলিভিশন পর্দার ভেতরে থাকে কিন্তু বাইরে ক্ষতিকর রশ্মি হিসেবে ছড়ায় না। C) কসমিক রশ্মি — এটি মহাকাশ থেকে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে আসা উচ্চ শক্তির কণা যার সঙ্গে কৃত্রিম টেলিভিশনের কোনো সরাসরি সংযোগ নেই। D) রঞ্জন রশ্মি — এটি চিকিৎসাবিজ্ঞানে বহুল ব্যবহৃত হলেও প্রচলিত বহু নৈর্ব্যত্তিক প্রশ্নে রঙিন টিভি থেকে গামা রশ্মি নির্গত হয় বলেই উত্তর নির্ধারিত থাকে। ৫. মনে রাখার টিপস: - রঙিন টেলিভিশন এবং গামা রশ্মির সম্পর্কটি পরীক্ষার খাতার জন্য মুখস্থ রাখতে হবে। - মনে রাখবে পুরোনো টিউব টিভি মানেই তেজস্ক্রিয়তার ঝুঁকি এবং গামা রশ্মির উপস্থিতি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - আধুনিক ফ্ল্যাট স্ক্রিন টিভিতে এই ক্ষতিকর রশ্মির কোনো ঝুঁকি নেই। - ক্যাথোড রে টিউব সম্পর্কিত প্রশ্নগুলোতে প্রায়শই এই ধরনের বিকিরণের কথা জানতে চাওয়া হয়।
a রােগ মানবদেহের কিডনি নষ্ট করে
b চিনিজাতীয় খাবার বেশি খেলে এ রােগ হয়
c এ রােগ হলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বৃদ্ধি পায়
d ইনসুলিনের অভাবে এ রােগ হয়
0 111 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চিনিজাতীয় খাবার বেশি খেলে এ রােগ হয় ১. কেন সঠিক: - চিনিজাতীয় খাবার সরাসরি ডায়াবেটিস রোগ সৃষ্টি করে না, বরং এটি অগ্ন্যাশয়ের কার্যক্ষমতা হ্রাস এবং ইনসুলিন হরমোনের ঘাটতি বা কার্যকারিতার অভাবজনিত বিপাকীয় রোগ। - অতিরিক্ত চিনি বা মিষ্টি খাবার খাওয়া স্থূলতার ঝুঁকি বাড়ায়, আর স্থূলতা ডায়াবেটিসের একটি অন্যতম গৌণ কারণ মাত্র। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: ডায়াবেটিস মেলিটাস হলো এমন একটি দীর্ঘমেয়াদি বিপাকীয় রোগ, যেখানে মানবদেহের রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি বৃদ্ধি পায়। - কার্যপ্রণালি: অগ্ন্যাশয়ের আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহান্সের বেটা কোষ থেকে ইনসুলিন উৎপাদনে ব্যর্থতা ঘটলে কোষে গ্লুকোজ প্রবেশ করতে পারে না। - কারণ ও ফলাফল: ইনসুলিনের অপর্যাপ্ততা বা কার্যকারিতার অভাবে রক্তের শর্করা কোষে না গিয়ে রক্তে জমা হয় এবং বহুমূত্র ও অঙ্গহানির মতো জটিলতা তৈরি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: একজন ব্যক্তি সারাজীবনে কখনো অতিরিক্ত চিনি খাননি, তবুও বংশগত বা অটোইমিউন সমস্যার কারণে টাইপ ১ ডায়াবেটিস হতে পারে। ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে যে সরাসরি চিনি খাওয়া ডায়াবেটিসের মূল বা একমাত্র কারণ নয়। উদাহরণ ২: অতিরিক্ত ফাস্টফুড বা প্রক্রিয়াজাত খাবার খেয়ে শরীরের ওজন বৃদ্ধির ফলে টাইপ ২ ডায়াবেটিস দেখা দিতে পারে। ব্যাখ্যা: এখানে অতিরিক্ত ক্যালরি গ্রহণ ও ওজন বৃদ্ধি মূল ভূমিকা পালন করে, সরাসরি চিনি নয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রোগ মানবদেহের কিডনি নষ্ট করে — এই তথ্যটি সত্য, কারণ দীর্ঘমেয়াদি অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস কিডনির সূক্ষ্ম রক্তনালি ধ্বংস করে ডায়াবেটিক নেফ্রোপ্যাথি ঘটাতে পারে। B) চিনিজাতীয় খাবার বেশি খেলে এ রােগ হয় — এই তথ্যটি সত্য নয়, তাই এটিই সঠিক উত্তর হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। C) এ রোগ হলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বৃদ্ধি পায় — এই তথ্যটি সত্য, কারণ ইনসুলিনের অভাবে কোষ গ্লুকোজ গ্রহণ করতে না পারায় রক্তে শর্করার মাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায়। D) ইনসুলিনের অভাবে এ রোগ হয় — এই তথ্যটি সত্য, কারণ অগ্ন্যাশয় পর্যাপ্ত ইনসুলিন তৈরি করতে না পারলে বা শরীর ইনসুলিন ব্যবহার করতে না পারলে ডায়াবেটিস হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ডায়াবেটিস মানে চিনির দোষ নয়, বরং ইনসুলিনের দোষ। - অগ্ন্যাশয় ইনসুলিন কম দিলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বেড়ে যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের প্রধান হরমোন হলো ইনসুলিন, যা আবিষ্কৃত হয় ১৯২১ সালে। - একই ধারণা থেকে পরীক্ষায় আসতে পারে যে ইনসুলিন কোন অঙ্গ থেকে নিঃসৃত হয়।
a হৃৎপিণ্ডের বন্ধ শিরা বেলুনের সাহায্যে ফোলানাে
b হৃৎপিণ্ডে নতুন শিরা সংযােজন
c হৃৎপিণ্ডের মৃত টিস্যু কেটে ফেলে দেয়া
d হৃৎপিণ্ডের টিস্যুতে নতুন টিস্যু সংযােজন
0 119 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) হৃৎপিণ্ডের বন্ধ শিরা বেলুনের সাহায্যে ফোলানাে ১. কেন সঠিক: হৃৎপিণ্ডের রক্তনালীতে চর্বি জমে ব্লক তৈরি হলে রক্ত চলাচল বাধাগ্রস্ত হয়। এই ব্লক দূর করতে ক্যাথেটার ও বেলুনের সাহায্যে সংকুচিত শিরা প্রসারিত করা হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: এনজিওপ্লাস্টি হলো এমন একটি চিকিৎসা পদ্ধতি যার মাধ্যমে হৃৎপিণ্ডের করোনারি ধমনীর অবরুদ্ধ পথ উন্মুক্ত করা হয়। কার্যপ্রণালি: উরুর বা হাতের রক্তনালী দিয়ে একটি চিকন নল বা ক্যাথেটার প্রবেশ করিয়ে ব্লক পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর ক্যাথেটারের অগ্রভাগে থাকা ছোট বেলুনটি ফুলিয়ে রক্তনালীর দেওয়াল প্রসারিত করা হয় এবং অনেক ক্ষেত্রে স্টেন্ট বা রিং বসানো হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সাইকেলের চাকার টিউব পাংচার হলে যেমন পাম্প করে ফুলিয়ে স্বাভাবিক করা হয়। ব্যাখ্যা: ঠিক তেমনি সংকুচিত রক্তনালীর ভেতরে বেলুন ফুলিয়ে তার স্বাভাবিক ব্যাস ফিরিয়ে আনা হয়। উদাহরণ ২: পানি সরবরাহের চিকন পাইপের ভেতরে ময়লা জমে আটকে গেলে তা সরিয়ে সচল করা। ব্যাখ্যা: এটি হৃৎপিণ্ডের রক্তনালীতে প্লাক বা চর্বি জমে ব্লক হওয়ার এবং তা বেলুনের সাহায্যে খোলার প্রক্রিয়ার একটি সহজ রূপক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হৃৎপিণ্ডের বন্ধ শিরা বেলুনের সাহায্যে ফোলানাে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এনজিওপ্লাস্টির মূল কাজ হলো বেলুন ক্যাথেটারের সাহায্যে অবরুদ্ধ ধমনী প্রসারিত করা। B) হৃৎপিণ্ডে নতুন শিরা সংযােজন — এটি ভুল কারণ নতুন শিরা বা রক্তনালী সংযোগ করার পদ্ধতিকে বাইপাস সার্জারি বলা হয়, এনজিওপ্লাস্টি নয়। C) হৃৎপিণ্ডের মৃত টিস্যু কেটে ফেলে দেয়া — এটি ভুল কারণ এনজিওপ্লাস্টিতে কোনো টিস্যু কেটে ফেলা হয় না, বরং সংকুচিত পথ সচল করা হয়। D) হৃৎপিণ্ডের টিস্যুতে নতুন টিস্যু সংযােজন — এটি ভুল কারণ এনজিওপ্লাস্টির সময় কোনো নতুন টিস্যু প্রতিস্থাপন করা হয় না। ৫. মনে রাখার টিপস: প্লাস্টি শব্দের অর্থ হলো কোনো কিছু গঠন বা রূপ পরিবর্তন করা। এনজিওপ্লাস্টি মনে রাখতে প্লাস্টি শব্দটির সাথে বেলুন ফুলিয়ে রক্তনালী খোলার বিষয়টি মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় হৃৎপিণ্ডের রোগ ও চিকিৎসা সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। এনজিওপ্লাস্টির পাশাপাশি বাইপাস সার্জারি এবং পেসমেকার সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রস্তুতিতে রাখতে হবে।
a ফিটকিরি
b চুন
c সেভিং সােপ
d কস্টিক সােডা
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ফিটকিরি ১. কেন সঠিক: - অ্যালুমিনিয়াম সালফেট মূলত পটাশ অ্যালুম বা সাধারণভাবে ফিটকিরি নামে পরিচিত। এটি পানিতে থাকা ঝুলন্ত কণাগুলোকে থিতিয়ে ফেলতে সাহায্য করে। - এর বৈজ্ঞানিক ধারণার পেছনে রয়েছে কোয়াগুলেশন বা তঞ্চন প্রক্রিয়া, যা অপদ্রব্যকে দ্রুত নিচে জমতে বাধ্য করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - রাসায়নিক সংকেত: পটাশিয়াম অ্যালুমিনিয়াম সালফেট বা ফিটকিরির রাসায়নিক সংকেত হলো পটাশিয়াম সালফেট অ্যালুমিনিয়াম সালফেট ডেকাহাইড্রেট। - কার্যপ্রণালি: এটি পানিতে দ্রবীভূত হলে অ্যালুমিনিয়াম আয়ন তৈরি হয় যা ঋণাত্মক চার্জযুক্ত কণাগুলোকে neutralize করে এবং পানির ঘোলাটে ভাব দূর করে। - বাস্তব প্রয়োগ: ঘোলা পানি পরিষ্কার করা এবং ক্ষৌরকর্মের পর ত্বকের কাটাছেঁড়া সারাতে এটি বহুল ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঘোলা পুকুরের পানিতে ফিটকিরি ব্যবহার। ব্যাখ্যা: পুকুরের ঘোলা পানিতে ফিটকিরি দিলে তা পানির ময়লা ও কাদা নিচে ফেলে পানি স্বচ্ছ করে তোলে। উদাহরণ ২: শেভিং করার পর মুখে ফিটকিরির ব্যবহার। ব্যাখ্যা: এটি অ্যান্টিসেপ্টিক হিসেবে কাজ করে এবং রক্তপাত বন্ধ করতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফিটকিরি — এটি সঠিক উত্তর এবং অ্যালুমিনিয়াম সালফেটের বাণিজ্যিক রূপ। B) চুন — চুনের রাসায়নিক নাম ক্যালসিয়াম অক্সাইড, যা মাটি বা পানির অম্লত্ব কমাতে ব্যবহৃত হয়। C) সেভিং সােপ — এটি ফ্যাটি অ্যাসিডের সোডিয়াম বা পটাশিয়াম লবণ, যা শেভ করার সময় ফেনা তৈরি করে। D) কস্টিক সােডা — এর রাসায়নিক নাম সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড, যা অত্যন্ত ক্ষারীয় এবং সাবান তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - অ্যালুমিনিয়াম সালফেট মানেই পানি পরিষ্কার করার উপাদান অর্থাৎ ফিটকিরি। - এটি চুন বা কস্টিক সোডার মতো তীব্র ক্ষার নয়, বরং এটি লবণের একটি বিশেষ ধরন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ফিটকিরির রাসায়নিক সংকেত এবং পানির শোধনাগারে এর ব্যবহার থেকে প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে। - পানির কোয়াগুলেশন প্রক্রিয়ায় কোন যৌগ ব্যবহার করা হয়, এই প্রশ্নটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ঘুরেফিরে আসে।
a কিউলেক্স
b এডিস
c এ্যানােফিলিস
d সব ধরনের মশা
0 107 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) এডিস ১. কেন সঠিক: - ডেঙ্গু জ্বরের ভাইরাস মানুষের শরীরে সংক্রমিত হয় একমাত্র এডিস প্রজাতির মশার কামড়ের মাধ্যমে। - এই মশার দেহে ডেঙ্গু ভাইরাসের জীবাণু বাহক হিসেবে কাজ করে এবং সুস্থ মানুষকে আক্রান্ত করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: রোগ, জীবাণু ও রোগ প্রতিরোধ এবং প্রাণিবিজ্ঞান। - কার্যপ্রণালি: এডিস মশা ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীকে কামড়ালে ভাইরাস মশার দেহে প্রবেশ করে এবং পরবর্তীতে সুস্থ মানুষকে কামড়ালে রোগ ছড়ায়। - কারণ ও ফলাফল: এডিস মশার লালার মাধ্যমে ডেঙ্গু ফ্ল্যাভিভাইরাস মানবদেহে প্রবেশ করার ফলে শরীরে তীব্র জ্বর, মাথাব্যথা ও পেশিতে ব্যথা দেখা দেয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দিনের বেলা কামড়ানো ব্যাখ্যা: এডিস মশা সাধারণত পরিষ্কার জমে থাকা পানিতে ডিম পাড়ে এবং দিনের বেলা, বিশেষ করে সকাল ও বিকেলে বেশি কামড়ায়। উদাহরণ ২: পরিষ্কার পানির পাত্র ব্যাখ্যা: ফুলের টব বা পরিত্যক্ত টায়ারে জমে থাকা পরিষ্কার পানি এডিস মশার বংশবৃদ্ধির প্রধান নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে কাজ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কিউলেক্স — কিউলেক্স মশা ডেঙ্গু ছড়ায় না, বরং এটি ফাইলেরিয়াসিস বা গোদ রোগ এবং জাপানি এনসেফালাইটিস রোগের বাহক হিসেবে কাজ করে। B) এডিস — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই নির্দিষ্ট প্রজাতির মশাই ডেঙ্গু এবং চিকুনগুনিয়া ভাইরাসের প্রধান বাহক। C) এ্যানােফিলিস — এ্যানাফিলিস মশা ডেঙ্গু ছড়ায় না, এটি ম্যালেরিয়া রোগের জীবাণু মানবদেহে বহন করে ও সংক্রমণ ঘটায়। D) সব ধরনের মশা — সব মশা রোগ ছড়ায় না এবং কেবল নির্দিষ্ট প্রজাতির মশা নির্দিষ্ট রোগের বাহক হিসেবে কাজ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - ডেঙ্গু রোগের বাহক মনে রাখতে 'এ' দিয়ে শুরু নাম দুটি মনে রাখা যায়, যেমন এডিস মশা ডেঙ্গু ছড়ায়। - পরিষ্কার পানিতে এডিস মশা জন্মায় এই কথাটি মাথায় রাখলে মশার প্রজনন ক্ষেত্র সহজে চেনা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ডেঙ্গু একটি ভাইরাসজনিত জ্বর যা এডিস ইজিপ্টি মশার মাধ্যমে প্রধানত ছড়ায়। - এই প্রশ্নটি থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভিন্ন রোগের বাহক মশার নাম সম্পর্কে প্রায়শই প্রশ্ন আসে।
a আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত
b ঘূর্ণিঝড়
c চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণ
d সমুদ্র তলদেশের ভূমিকম্প
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সমুদ্র তলদেশের ভূমিকম্প ১. কেন সঠিক: - সুনামির প্রধান কারণ হলো সমুদ্রের তলদেশে টেকটনিক প্লেটের হঠাৎ স্থানচ্যুতি বা সামুদ্রিক ভূমিকম্প। - এর ফলে সমুদ্রের বিপুল পরিমাণ পানি আকস্মিক উপরে উঠে যায় এবং বিশাল আকারের সামুদ্রিক তরঙ্গের সৃষ্টি করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: সুজাদা জাপানি শব্দ, যার অর্থ বন্দরের ঢেউ। এটি মূলত দীর্ঘ তরঙ্গদৈর্ঘ্যের সামুদ্রিক জলরাশি। - কার্যপ্রণালি: প্লেট টেকটনিক সংঘর্ষের ফলে সমুদ্রের তলদেশ উঁচুতে উঠে গেলে ওপরের জলরাশি তীব্র বেগে চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ২০০৪ সালের ভারত মহাসাগরীয় সুনামি। ব্যাখ্যা: ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপে সমুদ্র তলদেশের শক্তিশালী ভূমিকম্পের ফলে এই ভয়াবহ সুনামি হয়েছিল। উদাহরণ ২: ২০১১ সালের জাপানের পূর্ব উপকূলের সুনামি। ব্যাখ্যা: প্রশান্ত মহাসাগরীয় প্লেটের বিচ্যুতির কারণে এই ভূমিকম্প ও সুনামি উপকূলে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাত — এটি সুনামির গৌণ কারণ হতে পারে, তবে প্রধান বা সর্বাধিক সাধারণ কারণ নয়। B) ঘূর্ণিঝড় — ঘূর্ণিঝড় কেবল উপকূলীয় জোয়ার বা জলোচ্ছ্বাস সৃষ্টি করে, সুনামি নয়। C) চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণ — চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণের ফলে সমুদ্রের জোয়ার-ভাটা হয়, সুনামি হয় না। D) সমুদ্র তলদেশের ভূমিকম্প — এটিই সুনামির প্রধান ও বৈজ্ঞানিকভাবে পরীক্ষিত মূল কারণ। ৫ মনে রাখার টিপস: - সুনামি শব্দের উৎপত্তি জাপানি ভাষা থেকে। - মনে রাখবে, ভূমিতে ভূমিকম্প আর সমুদ্রে হলে সেটাই সুনামি রূপ নেয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রিখটার স্কেল বা প্লেট টেকটনিক সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - সুনামির গতিবেগ গভীর সমুদ্রে প্রতি ঘণ্টায় আটশো কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে।

মোট প্রশ্ন (20)

a রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
b কুসুমকুমারী দাশ
c মদনমােহন তর্কালঙ্কার
d কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার
0 113 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মদনমােহন তর্কালঙ্কার ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত চরণদ্বয় বাংলা শিশুসাহিত্যের অন্যতম বিখ্যাত ও আদি পাঠ্যকবিতা প্রভাতী থেকে নেওয়া হয়েছে। - শিশুদের নৈতিক শিক্ষা দিতে এবং সৎপথে চলার প্রেরণা জোগাতে কবি এই পঙক্তিগুলো রচনা করেছেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মদনমোহন তর্কালঙ্কার ছিলেন উনিশ শতকের গোড়ার দিকের একজন প্রখ্যাত বাঙালি শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক। - শিশুদের জন্য তাঁর রচিত শিশুশিক্ষা গ্রন্থটি বাংলা শিক্ষার ইতিহাসে একটি যুগান্তকারী ও অত্যন্ত জনপ্রিয় প্রাথমিক পাঠ্যবই। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পাখি সব পাখি সবে বনে গান গায় ব্যাখ্যা: এটিও মদনমোহন তর্কালঙ্কারের শিশুশিক্ষা গ্রন্থ থেকে নেওয়া একটি বহুল পঠিত শিশুকবিতা। উদাহরণ ২: आलस त्यागিয়া কর কাজে মন দিয়া ব্যাখ্যা: এটিও শিশুদের নৈতিক শিক্ষা ও পরিশ্রমী হওয়ার অনুপ্রেরণা জোগাতে রচিত একটি বিখ্যাত পঙক্তি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বাংলা সাহিত্যের নোবেলজয়ী কবি হলেও এই শিশুতোষ পঙক্তিগুলোর রচয়িতা নন। B) কুসুমকুমারী দাশ — তিনি আদর্শ ছেলে কবিতার জন্য বিখ্যাত হলেও এই কবিতার লেখক নন। D) কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার — তিনি শতক বা সদ্ভাবশতক কাব্যের জন্য পরিচিত হলেও এই পঙক্তির সঙ্গে যুক্ত নন। ৫. মনে রাখার টিপস: - প্রভাতী কবিতা ও শিশুশিক্ষা বইটির নাম দেখলে লেখক হিসেবে মদনমোহন তর্কালঙ্কারকে মনে রাখবে। - সকালে উঠে ভালো হওয়ার প্রতিজ্ঞা মানেই মদনমোহন তর্কালঙ্কারের শিশুশিক্ষা পাঠ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শিশুদের প্রাথমিক পাঠ্যবই ও তার রচয়িতা থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - মদনমোহন তর্কালঙ্কার ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের সহপাঠী ও বন্ধু ছিলেন এবং নারীশিক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিলেন।
a 2007
b 1907
c 1909
d 1916
0 117 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯০৭ ১. কেন সঠিক: চর্যাপদ আবিষ্কৃত হয় ১৯০৭ সালে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে। এই আবিষ্কারটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস ও প্রাচীন রূপ উন্মোচনের ক্ষেত্রে একটি যুগান্তকারী ঘটনা ছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন বা সাহিত্যিক নিদর্শন। এটি হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপাল থেকে আবিষ্কার করেন এবং ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে 'হাজার বছরের পুরাণ বাংলা ভাষায় রচিত বৌদ্ধ গান ও দোহা' নামে প্রকাশ করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চর্যাপদের টিকাকার মুনিদত্ত। ব্যাখ্যা: চর্যাপদের তিব্বতী অনুবাদ ও সংস্কৃত টিকা আবিষ্কারের ক্ষেত্রে মুনিদত্তের টীকার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। উদাহরণ ২: চর্যাপদের পদকর্তা কাহ্নপা। ব্যাখ্যা: কাহ্নপা চর্যাপদে সর্বাধিক সংখ্যক অর্থাৎ তেরোটি পদ রচনা করেছেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০০৭ — এই সালে চর্যাপদ আবিষ্কারের সাথে কোনো ঐতিহাসিক বা সাহিত্যিক ঘটনার সম্পর্ক নেই। B) ১৯০৭ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপাল থেকে চর্যাপদ আবিষ্কার করেন। C) ১৯০৯ — এই সালে চর্যাপদ আবিষ্কারের কোনো ঐতিহাসিক তথ্য নেই, এটি একটি ভুল সাল। D) ১৯১৬ — এই সালে চর্যাপদ গ্রন্থাকারে প্রথম প্রকাশিত হয়, আবিষ্কৃত হয় না। ৫ মনে রাখার টিপস: চর্যাপদ আবিষ্কারের সাল মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো শাস্ত্রী মহাশয় ১৯০৭ সালে নেপালে গিয়ে পুঁথি পেলেন আর ১৯১৬ সালে তা বই আকারে প্রকাশ পেলেন। এই ঐতিহাসিক ক্রমটি মনে রাখলে আবিষ্কার ও প্রকাশের সালের বিভ্রান্তি দূর হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় চর্যাপদের আবিষ্কারক এবং প্রকাশের সাল বারবার আসে। আবিষ্কার ১৯০৭ সাল এবং প্রকাশকাল ১৯১৬ সাল এই দুটি তথ্য আলাদাভাবে মনে রাখা জরুরি।
a বীরবল
b ভিমরুল
c অনিলাদেবী
d যাযাবর
0 93 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অনিলাদেবী ১. কেন সঠিক: - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় তাঁর কিছু সাহিত্যকর্ম প্রকাশের জন্য 'অনিলাদেবী' ছদ্মনামটি ব্যবহার করতেন। - তৎকালীন সমাজের রক্ষণশীলতা এড়াতে এবং নামের আড়ালে থেকে স্বাধীনভাবে লেখালেখির জন্য তিনি এই ছদ্মনাম গ্রহণ করেছিলেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের বরপুত্র ও জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক হিসেবে পরিচিত। - তাঁর বিখ্যাত উপন্যাসগুলোর মধ্যে দেবদাস, পরিণীতা, শ্রীকান্ত ও বড়দিদি অন্যতম। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'বিলাসী' ছোটগল্প। ব্যাখ্যা: এটি তাঁর অন্যতম জনপ্রিয় একটি রচনা যা সমাজের কুসংস্কারের বিরুদ্ধে রচিত। উদাহরণ ২: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'পথের দাবী' উপন্যাস। ব্যাখ্যা: এটি একটি রাজনৈতিক পটভূমিতে রচিত উপন্যাস যা ব্রিটিশ সরকার নিষিদ্ধ করেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বীরবল — এটি প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম। B) ভিমরুল — এটি কোনো প্রখ্যাত লেখকের প্রধান ছদ্মনাম হিসেবে পরিচিত নয়। C) অনিলাদেবী — এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম এবং এটি সঠিক উত্তর। D) যাযাবর — এটি বিনয় মুখোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম। ৫ মনে রাখার টিপস: - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম মনে রাখতে 'অনিলাদেবী' নামটি বারবার মনে করতে পারো। - ছদ্মনামের প্রশ্নগুলোর ক্ষেত্রে লেখকের আসল নামের সাথে ছদ্মনামের একটি তালিকা তৈরি করে পড়া ভালো। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিখ্যাত লেখকদের ছদ্মনাম প্রায়ই আসে। - প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম বীরবল এবং বিনয় মুখোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম যাযাবর—এই তথ্যগুলোও মনে রাখা জরুরি।
a প্যারীচাঁদ মিত্র
b রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
c দামােদর বন্দ্যোপাধ্যায়
d শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
0 97 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্যারীচাঁদ মিত্র ১. কেন সঠিক: আধ্যাত্মিকা উপন্যাসের রচয়িতা প্যারীচাঁদ মিত্র। বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস আলালের ঘরের দুলাল উপন্যাসের এই লেখক আধ্যাত্মিকা উপন্যাসের মাধ্যমেও নৈতিক শিক্ষা প্রচার করেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: প্যারীচাঁদ মিত্র টেকচাঁদ ঠাকুর ছদ্মনামে লেখালেখি করতেন। তিনি বাংলা উপন্যাসের ধারা সৃষ্টি এবং প্রমথ চৌধুরীর পূর্বে কথ্যরীতির প্রবক্তা হিসেবে পরিচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আলালের ঘরের দুলাল ব্যাখ্যা: এটি প্যারীচাঁদ মিত্র রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাস যা কথ্য সাধুীতিতে রচিত। উদাহরণ ২: যত কিচ্ছিন্য ব্যাখ্যা: এটি প্যারীচাঁদ মিত্রের অপর একটি বিখ্যাত রচনা যা সমাজের নানা কুসংস্কারের বিরুদ্ধে লেখা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্যারীচাঁদ মিত্র — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি আধ্যাত্মিকা উপন্যাসের রচয়িতা। B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বাংলা সাহিত্যের বহুমুখী প্রতিভাবান লেখক হলেও এই উপন্যাসের রচয়িতা নন। C) দামোদর বন্দ্যোপাধ্যায় — তিনি উনবিংশ শতাব্দীর ঔপন্যাসিক হলেও এই উপন্যাসটি তাঁর রচিত নয়। D) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি বিশ শতকের জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক হলেও এই উপন্যাসটি তাঁর লেখা নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: প্যারীচাঁদ মিত্র মানেই নীতিশিক্ষামূলক উপন্যাস। আলালের ঘরের দুলাল এবং আধ্যাত্মিকা দুটি উপন্যাসই তাঁর নীতিশিক্ষার অনন্য নিদর্শন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা উপন্যাসের সূচনার যুগে প্যারীচাঁদ মিত্রের অবদান অপরিসীম। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তাঁর ছদ্মনাম টেকচাঁদ ঠাকুর এবং তাঁর উপন্যাস সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
a সূর্য
b সমুদ্র
c যুদ্ধক্ষেত্র
d সৈনিক
0 150 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সৈনিক ১. কেন সঠিক: - ‘অনিক’ বা ‘অনীক’ একটি তৎসম শব্দ যার প্রচলিত অর্থ সৈনিক, যোদ্ধা বা সেনা। - বাংলা কাব্যে এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই শব্দটি সমার্থক শব্দ হিসেবে বহুবার এসেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডারের একটি গুরুত্বপূর্ণ সমার্থক শব্দ বা শব্দের অর্থ বিষয়ক প্রশ্ন। - প্রমিত বাংলা বানানে ‘অনীক’ শব্দের দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহৃত হয়, যার অর্থ সৈন্যদল বা সৈনিক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অনীকিনী ব্যাখ্যা: অনীক বা সৈনিকদের সমষ্টি বা বাহিনী বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: অনীকনাথ ব্যাখ্যা: অনীক শব্দের সাথে নাথ যুক্ত হয়ে সেনাপতি বা সৈন্যের অধিনায়ক অর্থ প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সূর্য — সূর্যের সঠিক সমার্থক শব্দ হলো রবি, ভাস্কর, দিবাকর ইত্যাদি, অনীক নয়। B) সমুদ্র — সমুদ্রের প্রচলিত সমার্থক শব্দ হলো সাগর, অর্ণব, পারাবার ইত্যাদি, অনীক নয়। C) যুদ্ধক্ষেত্র — যুদ্ধক্ষেত্র বা রণাঙ্গন বলতে যুদ্ধের স্থানকে বোঝায়, সৈনিককে নয়। D) সৈনিক — এই অপশনটি সঠিক কারণ অনীক শব্দের সরাসরি অর্থ সৈনিক বা যোদ্ধা। ৫ মনে রাখার টিপস: - অনীক মানে সৈনিক বা যোদ্ধা, এটি মনে রাখতে অনীক শব্দটিকে সেনার সাথে মিলিয়ে পড়তে পারো। - পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ দাগানোর সময় মূল শব্দের অর্থের সাথে অপশনের মিল ভালোভাবে যাচাই করে নেবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের অর্থ ও সমার্থক শব্দ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - অনীক শব্দের মতো চতুরঙ্গ, চমু, বা অনীকিনী শব্দগুলোর অর্থও সৈনিক বা সৈন্যদল সম্পর্কিত।
a মধ্যপদলােপী কর্মধারয়
b ষষ্ঠী তৎপুরুষ
c পঞ্চমী তৎপুরুষ
d উপমান কর্মধারয়
0 112 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মধ্যপদলােপী কর্মধারয় কেন সঠিক: ১. জ্যোৎস্নারাত শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো জ্যোৎস্না শোভিত রাত, যেখানে মাঝের শোভিত পদটি লুপ্ত হয়েছে। ২. কর্মধারয় সমাসের নিয়মে পদের মাঝের অর্থবাচক শব্দ লোপ পাওয়ায় এটি মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাসের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. যে কর্মধারয় সমাসে ব্যাসবাক্যের মাঝের পদ বা পদগুলো সম্পূর্ণভাবে লোপ পায়, তাকে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস বলে। ২. এখানে জ্যোৎস্না ও রাত দুটি প্রধান পদের সংযোগ রক্ষাকারী শোভিত শব্দটি সমস্তপদে এসে বাদ পড়ে গেছে। ৩. যেমন সিংহ চিহ্নিত আসন সমান সিংহাসন, ঠিক তেমনি জ্যোৎস্না শোভিত রাত সমান জ্যোৎস্নারাত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মধ্যপদলোপী কর্মধারয় — এটি সঠিক অপশন এবং ব্যাসবাক্যের মাঝের পদ লোপ পাওয়ায় এই নাম হয়েছে। B) ষষ্ঠী তৎপুরুষ — এই সমাসে সম্বন্ধ পদের বিভক্তি লোপ পায়, কিন্তু এখানে তা ঘটেনি বরং মাঝের পদ লুপ্ত হয়েছে। C) পঞ্চমী তৎপুরুষ — এই সমাসে অপাদান কারকের বিভক্তি লোপ পায়, যা এই শব্দের গঠনে অনুপস্থিত। D) উপমান কর্মধারয় — এই সমাসে সাধারণ ধর্মবাচক পদের সাথে উপমেয় পদের তুলনা বোঝায়, যা এখানে নেই। মনে রাখার টিপস: ১. ব্যাসবাক্য করার সময় যদি মাঝের কোনো অর্থপূর্ণ শব্দ বাদ পড়ে যায়, তবে চোখ বন্ধ করে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় দাগাবে। ২. রাত বা সময়বাচক শব্দের আগে যদি কোনো বিশেষ অবস্থা বা শোভা বোঝায়, তবে তা সাধারণত এই সমাসই হয়।
a সাদৃশ্য
b স্নায়ুতন্ত্র
c শারীরবিদ্যা
d অঙ্গ-সঞ্চালন
0 122 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শারীরবিদ্যা ১. কেন সঠিক: - Anatomy একটি ইংরেজি পারিভাষিক শব্দ যার সঠিক বাংলা প্রতিশব্দ হলো শারীরবিদ্যা। - চিকিৎসা বিজ্ঞান এবং জীববিজ্ঞানশাস্ত্রে মানবদেহ বা জীবদেহের গঠন ও অঙ্গপ্রত্যঙ্গ নিয়ে যে শাখায় আলোচনা করা হয় তাকে শারীরবিদ্যা বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ব্যাকরণের পারিভাষিক শব্দ অংশের অন্তর্ভুক্ত। বিদেশি ভাষা বিশেষ করে ইংরেজি ভাষা থেকে ভাবানুবাদ করে বাংলায় যে বিশেষ শব্দগুলো তৈরি করা হয় সেগুলোকে পারিভাষিক শব্দ বলে। - প্রশাসনিক, সাহিত্যিক ও দাপ্তরিক কাজে সঠিক ভাব প্রকাশের জন্য পরিভাষা ব্যবহারের গুরুত্ব অপরিসীম। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: Physiology শব্দের অর্থ হলো শরীরতত্ত্ব। ব্যাখ্যা: এটিও চিকিৎসা বিজ্ঞান ও জীববিজ্ঞানের একটি শাখা যা শরীরের বিভিন্ন অঙ্গের কাজের সঙ্গে সম্পর্কিত। উদাহরণ ২: Pathology শব্দের অর্থ হলো রোগবিদ্যা। ব্যাখ্যা: রোগ নির্ণয় এবং রোগের কারণ ও প্রকৃতি নিয়ে যে শাখায় আলোচনা করা হয় তা এই পরিভাষার অন্তর্ভুক্ত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাদৃশ্য — এই শব্দটি মূলত Similarity শব্দের পারিভাষিক রূপ। তাই এটি Anatomy শব্দের সঠিক অর্থ নয়। B) স্নায়ুতন্ত্র — এই শব্দটির ইংরেজি পরিভাষা হলো Nervous System। তাই এটি সঠিক উত্তরের সঙ্গে মেলে না। D) অঙ্গ-সঞ্চালন — এই শব্দগুচ্ছের উপযুক্ত ইংরেজি পরিভাষা হলো Movement বা Locomotion। তাই এটি সঠিক নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - Anatomy শব্দের অর্থ মনে রাখতে ইংরেজি Ana শব্দের সঙ্গে দেহের গঠন বা শরীর সম্পর্কিত বিজ্ঞান অংশটি মাথায় রাখতে পারো। - চিকিৎসা বিজ্ঞানের মূল বিষয়গুলোর ইংরেজি পরিভাষা বারবার চর্চা করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে আয়ত্ত করা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ইংরেজি থেকে বাংলায় অনূদিত পারিভাষিক শব্দ থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক পরিভাষাগুলো মুখস্থ না করে অর্থের সঙ্গে মিল রেখে মনে রাখতে হবে।
a গােবিন্দ দাস
b কায়কোবাদ আর
c কাহ্নপা
d ভুসুকুপা
0 111 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ভুসুকুপা ১. কেন সঠিক: - চর্যাপদের কবি ভুসুকুপা নিজেকে বাঙালি বলে পরিচয় দিয়েছেন কারণ তিনি তার একটি পদে নিজেকে বাঙালি হিসেবে উল্লেখ করেছেন। - চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম কাব্য এবং এর পদগুলোতে সেকালের সমাজ ও জীবনচিত্র ফুটে উঠেছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - চর্যাপদ বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের সাধনসঙ্গীত এবং এটি বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন হিসেবে স্বীকৃত। - হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে ১৯০৭ সালে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেন এবং বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে ১৯১৬ সালে তা প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আপনা মাংসে মই বৈরী ব্যাখ্যা: এটি চর্যাপদের একটি বিখ্যাত পংক্তি যা রূপক অর্থে জীবনতত্ত্ব প্রকাশ করে। উদাহরণ ২: চাল ধোলে বেইসআ পালআ ব্যাখ্যা: এটি চর্যাপদের অন্য একটি পদ যা সেকালের ভাষা ও সংস্কৃতির পরিচয় দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গোবিন্দ দাস — ইনি বৈষ্ণব পদকর্তা এবং কড়চা রচয়িতা, চর্যাপদের সঙ্গে যুক্ত নন। B) কায়কোবাদ — ইনি আধুনিক যুগের মহাকবি যিনি মহাশ্মশান মহাকাব্যের জন্য বিখ্যাত। C) কাহ্নপা — ইনি চর্যাপদের সর্বাধিক পদ রচয়িতা কিন্তু বাঙালি হিসেবে পরিচয় দেননি। D) ভুসুকুপা — ইনি চর্যাপদের একজন বিখ্যাত কবি যিনি নিজেকে বাঙালি বলে পরিচয় দিয়েছেন। ৫ মনে রাখার টিপস: - ভুসুকুপা মানেই বাঙালি ভোজনরসিক, এভাবে মনে রাখতে পারো যে তিনিই নিজেকে বাঙালি বলেছেন। - চর্যাপদের কবিদের মধ্যে একমাত্র ভুসুকুপাই নিজেকে বাঙালি হিসেবে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - চর্যাপদের সর্বাধিক পদ রচনা করেছেন কাহ্নপা এবং দ্বিতীয় সর্বাধিক পদ রচনা করেছেন ভুসুকুপা। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোন কবি নিজেকে বাঙালি বলেছেন, যার উত্তর ভুসুকুপা।
a অর্ণব
b রাতুল
c অর্ক
d জলধি
0 125 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অর্ক ১. কেন সঠিক: আফতাব শব্দটির অর্থ সূর্য এবং অর্ক শব্দটির অর্থও সূর্য। তাই আফতাব শব্দের সমার্থক শব্দ হলো অর্ক। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: সমার্থক শব্দ হলো সেই সমস্ত শব্দ যেগুলোর অর্থ একই বা প্রায় একই রকম হয়। বাংলা ভাষায় সংস্কৃত, আরবি ও ফারসি ভাষা থেকে অনেক সমার্থক শব্দ এসেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সবিতা ব্যাখ্যা: এটিও সূর্যের একটি অত্যন্ত প্রচলিত সমার্থক শব্দ। উদাহরণ ২: ভাস্কর ব্যাখ্যা: সূর্য আলো বিকিরণ করে বলে একে ভাস্কর বলা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অর্ণব — অর্ণব শব্দটির অর্থ সমুদ্র, যা সূর্যের সমার্থক নয়। B) রাতুল — রাতুল শব্দটির অর্থ লাল, যা সূর্যের সমার্থক নয়। C) অর্ক — অর্ক শব্দের অর্থ সূর্য, যা প্রশ্নের সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়। D) জলধি — জলধি শব্দটির অর্থ সমুদ্র বা সাগর, যা সূর্যের সমার্থক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: সূর্যের সমার্থক শব্দগুলো মনে রাখার জন্য রবি, দিনমণি, ভানু, অর্ক এবং আফতাব একসঙ্গে চর্চা করতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সূর্য, চন্দ্র, সমুদ্র ও আকাশের সমার্থক শব্দগুলো থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। তাই এগুলোর প্রমিত সমার্থক শব্দ ভালো করে আয়ত্ত করতে হবে।
a বাগ + অম্বর
b বাগ + আড়ম্বর
c বাক্ + অম্বর
d বাক্ + আড়ম্বর
0 93 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বাক্ + আড়ম্বর ১. কেন সঠিক: - ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী প্রথম পদের অন্তে অবস্থিত ক, চ, ট, ত, প (বর্গীয় প্রথম বর্ণ) এর পরে স্বরধ্বনি থাকলে তা পরিবর্তিত হয়ে স্ব স্ব বর্গের তৃতীয় বর্ণে পরিণত হয়। - এখানে বাক্ শব্দের ক এবং আড়ম্বর শব্দের আ যুক্ত হয়ে ক এর স্থানে গ এবং আ এর প্রভাবে বাগাড়ম্বর শব্দটি গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - ক, চ, ট, ত, প ধ্বনির পরে কোনো স্বরধ্বনি থাকলে ক এর জায়গায় গ, চ এর জায়গায় জ, ট এর জায়গায় ড, ত এর জায়গায় দ এবং প এর জায়গায় ব হয়। - বাক্ যোগ আড়ম্বর মিলে বাগাড়ম্বর হয়, যেখানে ক পরিবর্তিত হয়ে গ রূপ ধারণ করেছে এবং আ ধ্বনির সাথে মিলে গ + আ = গা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দিক + অন্ত = দিগন্ত ব্যাখ্যা: ক এর পরে স্বরধ্বনি অ যুক্ত হওয়ায় ক পরিবর্তিত হয়ে গ হয়েছে। উদাহরণ ২: সুপ + অন্ত = সুবন্ত ব্যাখ্যা: প এর পরে স্বরধ্বনি অ যুক্ত হওয়ায় প পরিবর্তিত হয়ে ব হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাগ + অম্বর — এই অপশনটি ভুল কারণ প্রথম পদে বাক্ হবে, বাগ নয়। B) বাগ + আড়ম্বর — এই অপশনটি ভুল কারণ প্রথম পদের সঠিক রূপ বাক্। C) বাক্ + অম্বর — এই অপশনটি ভুল কারণ দ্বিতীয় পদে অম্বর রয়েছে, কিন্তু মূল শব্দ আড়ম্বর। D) বাক্ + আড়ম্বর — এটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - সন্ধি বিচ্ছেদের সময় শব্দের মূল রূপ চিহ্নিত করতে হবে, যেমন বাক্ এবং আড়ম্বর। - ক এর সাথে স্বরধ্বনি যোগ হলে গ হয়, এই সাধারণ নিয়মটি মনে রাখলে সহজে সমাধান করা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ব্যঞ্জনসন্ধির এই নিয়মটি খুব সচরাচর আসে। - ক, চ, ট, ত, প ধ্বনির পরিবর্তন সংক্রান্ত অন্যান্য শব্দগুলো চর্চা করলে এই ধরনের প্রশ্নে পূর্ণ নম্বর পাওয়া সম্ভব।
a মুন্সী মেহেরুল্লা
b সঞ্জয় ভট্টাচার্য
c কামিনী রায়
d মােজাম্মেল হক
0 113 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: খ) সঞ্জয় ভট্টাচার্য কেন সঠিক: - সঞ্জয় ভট্টাচার্য ছিলেন বিংশ শতাব্দীর আধুনিক বাংলা সাহিত্যের একজন বিশিষ্ট কবি ও সম্পাদক। - তাঁর সম্পাদনাতেই ‘পূর্বাশা’ পত্রিকাটি প্রকাশিত হতো এবং এটি সাহিত্য অঙ্গনে বিশেষ খ্যাতি অর্জন করেছিল। ব্যাকরণ বা সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা সাহিত্য ইতিহাসে ‘পূর্বাশা’ একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও প্রগতিশীল সাহিত্যপত্র হিসেবে পরিচিত। - এই পত্রিকাটির মাধ্যমে বহু নবীন লেখক ও কবি সাহিত্যজগতে পরিচিতি লাভ করেছিলেন। - বিশ শতকের ত্রিশের দশকের আধুনিক বাংলা কবিতার বিকাশে এই পত্রিকার অবদান অনস্বীকার্য। বাকি অপশন কেন ভুল: - ক) মুন্সী মেহেরুল্লা — তিনি একজন বিশিষ্ট সমাজ সংস্কারক ও ইসলাম প্রচারক ছিলেন, কোনো সাহিত্য পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন না। - গ) কামিনী রায় — তিনি ব্রিটিশ ভারতের প্রথম নারী অনার্স স্নাতক ও বিখ্যাত কবি ছিলেন, যিনি ‘বসুন্ধরা’ বা ‘অশোকসঙ্গীত’ এর মতো কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা। - ঘ) মোজাম্মেল হক — তিনি একজন বাঙালি সাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক ছিলেন, যিনি ‘মহরম শরীফ’ মহাকাব্য রচনার জন্য পরিচিত। মনে রাখার টিপস: - পূর্বাশা পত্রিকার সম্পাদক সঞ্জয় ভট্টাচার্য এটি মনে রাখতে পূর্ব ও সঞ্জয় শব্দ দুটি একসাথে মনে রাখতে পারো।
a রুপকথা
b ছােটগল্প
c গ্রাম্যগীতিকা
d রূপকথা-উপকথায়
0 110 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রূপকথা ১. কেন সঠিক: - ঠাকুরমার ঝুলি দক্ষিণ এশিয়ার এবং বিশেষ করে বাংলার লোককাহিনি বা রূপকথার একটি বিখ্যাত সংকলন। - এখানে অলৌকিক ঘটনা, রাজা-রানি, রাক্ষস-খোক্সস এবং পশুপাখির কল্পকাহিনি স্থান পেয়েছে যা রূপকথা হিসেবে পরিচিত। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এই গ্রন্থটির সংকলক ও সম্পাদক হলেন প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ দক্ষিণারঞ্জন মিত্রমজুমদার। - এটি বাংলা ১৯০৭ সালের (বঙ্গাব্দ ১৩১৪) প্রকাশিত হয় এবং এর ভূমিকা লিখেছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বুড়ো আংলা ব্যাখ্যা: এটি অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি বিখ্যাত কিশোর উপযোগী রূপকথা ও কল্পকাহিনিমূলক গ্রন্থ। উদাহরণ ২: টুনটুনির বই ব্যাখ্যা: এটি উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী রচিত রূপকথা ও নীতিশিক্ষা মূলক গল্পের একটি জনপ্রিয় সংকলন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রূপকথা — এটি সঠিক কারণ ঠাকুরমার ঝুলির গল্পগুলো কাল্পনিক এবং অলৌকিক উপাদান সমৃদ্ধ লোককাহিনি। B) ছোটগল্প — ছোটগল্প বলতে মানবজীবনের বিশেষ কোনো মুহূর্তের সংক্ষিপ্ত ও শিল্পসম্মত প্রকাশ বোঝায় যা ঠাকুরমার ঝুলির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। C) গ্রাম্যগীতিকা — গ্রাম্যগীতিকা হলো লোকসংগীত বা পদ্যাকারে রচিত গান, যা গদ্যে লেখা রূপকথার সংকলনের সঙ্গে মেলে না। D) রূপকথা-উপকথায় — এই অপশনটিতে ব্যাকরণগত ও গঠনগত অসংগতি রয়েছে এবং মূল ধারার সাহিত্যিক নামকরণের সঙ্গে এটি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ঠাকুরমার ঝুলি শুনলেই মনে রাখবে দক্ষিণারঞ্জন মিত্রমজুমদারের নাম এবং এটি একটি রূপকথার বই। - রূপকথা মানেই অবাস্তব ও অলৌকিক রাজা-রানির গল্প। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ঠাকুরমার ঝুলি গ্রন্থের প্রকাশকাল এবং এর ভূমিকা লেখক রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নাম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - লোকসাহিত্য সম্পর্কিত যেকোনো প্রশ্নে সংকলকের নাম ভালোভাবে মনে রাখা জরুরি।
a ২ প্রকার
b ৪ প্রকার
c ৩ প্রকার
d ৫ প্রকার
0 112 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩ প্রকার ১. কেন সঠিক: বাংলা কবিতায় ধ্বনির সুশৃঙ্খল বিন্যাস ও লয়কে ছন্দ বলা হয়। বাংলা ছন্দ মূলত তিন প্রকার, যথা: স্বরবৃত্ত, মাত্রাভিত্তিক বা অক্ষরবৃত্ত এবং স্বরবৃত্ত বা দলবৃত্ত (প্রকৃতপক্ষে স্বরবৃত্ত, মাত্রাবৃত্ত এবং অক্ষরবৃত্ত)। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ছন্দের প্রধান তিনটি রূপ হলো স্বরবৃত্ত ছন্দ (এটি ঝিলিক বা ছড়ার ছন্দ নামে পরিচিত), মাত্রাবৃত্ত ছন্দ (এটি সংগীতাশ্রয়ী বা রবীন্দ্র-নজরুল যুগের প্রধান ছন্দ) এবং অক্ষরবৃত্ত ছন্দ (এটি মিশ্রবৃত্ত বা বাংলা কবিতার মূল ভিত্তি)। প্রখ্যাত ছান্দসিক প্রবোধচন্দ্র সেন বাংলা ছন্দকে প্রধানত এই তিন ভাগে ভাগ করেছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আম পাতা জোড়া জোড়া / মারব চাবুক চড়ব ঘোড়া। ব্যাখ্যা: এটি স্বরবৃত্ত ছন্দের একটি বিখ্যাত উদাহরণ যেখানে জোরের টানে স্বরধ্বনি উচ্চারিত হয়। উদাহরণ ২: ওই মহামানব আসে / দিকে দিকে রোমাঞ্চ হাসে। ব্যাখ্যা: এটি মাত্রাবৃত্ত ছন্দের উদাহরণ যেখানে মাত্রার সুনির্দিষ্ট গণনা থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২ প্রকার — বাংলা ছন্দ দুই প্রকার নয়, কারণ প্রবোধচন্দ্র সেন ও সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের আলোচনা অনুযায়ী ছন্দ মূলত তিনটি প্রধান ধারায় বিভক্ত। B) ৪ প্রকার — চার প্রকারের কোনো প্রচলিত বা স্বীকৃত প্রধান ছন্দ শ্রেণিবিভাগ বাংলা ব্যাকরণে নেই। D) ৫ প্রকার — পাঁচ প্রকার বলতে কোনো প্রধান ছন্দধারার অস্তিত্ব বাংলা সাহিত্যে প্রমাণিত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: ছন্দের তিনটি প্রকার মনে রাখার সহজ সূত্র হলো সমাস বা কারকের মতো ছন্দের তিনটি শাখা: স্বরবৃত্ত, মাত্রাবৃত্ত এবং অক্ষরবৃত্ত। এভাবে মনে রাখলে পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে বাংলা ছন্দের জাদুকর বলা হয় কাকে (উত্তর: সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত)। আবার ছন্দের মূল ভিত্তি কী, তা জানতে চাইলে সঠিক উত্তর হবে অক্ষর বা দল।
a শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
b সুভাষ মুখােপাধ্যায়
c কাজী ইমদাদুল হক
d বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১. কেন সঠিক: - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১৮৩৮ সালের ২৬ জুন বর্তমান উত্তর ২৪ পরগনা জেলার নৈহাটির নিকটবর্তী কাঁঠালপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। - বাংলা উপন্যাসের জনক এবং প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক বঙ্কিমচন্দ্রের জন্মস্থান হিসেবে কাঁঠালপাড়া গ্রামটি বাংলা সাহিত্য ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় আধুনিক বাংলা উপন্যাসের প্রতিষ্ঠাতা ও বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ঔপন্যাসিক ও প্রাবন্ধিক। - তাঁর প্রথম বাংলা উপন্যাস দুর্গেশনন্দিনী ১৮৬৫ সালে প্রকাশিত হয় এবং তাঁর রচিত বন্দে মাতরম গানটি ভারতীয় জাতীয় সঙ্গীতের উৎস হিসেবে বিশেষ পরিচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দুর্গেশনন্দিনী ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত বাংলা ভাষার প্রথম সার্থক ঐতিহাসিক উপন্যাস। উদাহরণ ২: কপালকুণ্ডলা ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত দ্বিতীয় এবং অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি রোমান্টিক মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি ১৮৭৬ সালে হুগলি জেলার দেবানন্দপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন, কাঁঠালপাড়ায় নয়। B) সুভাষ মুখােপাধ্যায় — তিনি ১৯১৯ সালে নদীয়া জেলার কৃষ্ণনগর জন্মগ্রহণ করেন, যা বঙ্কিমচন্দ্রের জন্মস্থান নয়। C) কাজী ইমদাদুল হক — তিনি ১৮৮২ সালে খুলনা জেলার বটিয়াঘাটা উপজেলার সৈয়দগ্রাম জন্মগ্রহণ করেন। D) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি কাঁঠালপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন। ৫. মনে রাখার টিপস: - বঙ্কিম মানেই বাংলা উপন্যাসের শুরু এবং তাঁর জন্মস্থান হলো কাঁঠালপাড়া গ্রাম। - বঙ্কিমচন্দ্রের জন্মস্থান মনে রাখতে ব এবং ক বর্ণ দুটি দিয়ে বঙ্কিম-কাঁঠালপাড়া এভাবে মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে বাংলা উপন্যাসের জনক বলা হয় এবং তাঁর জন্মতারিখ সাহিত্য পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - ঔপন্যাসিকদের জন্মস্থান ও তাঁদের প্রথম বা বিখ্যাত উপন্যাস সংক্রান্ত প্রশ্নগুলো চাকরির পরীক্ষায় নিয়মিত দেখা যায়।
a ভ
b ঠ
c ফ
d চ
0 118 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) চ ১. কেন সঠিক: - বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণের ধ্বনিগুলোকে উচ্চারণ বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী ঘোষ-অঘোষ এবং অল্পপ্রাণ-মহাপ্রাণ ভাগে ভাগ করা হয়। - প্রতিটি বর্গের প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ণ অঘোষ ধ্বনি এবং প্রথম ও তৃতীয় বর্ণ অল্পপ্রাণ ধ্বনি হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বর্গের প্রথম বর্ণ হওয়ায় চ বর্ণটি অঘোষ এবং প্রথম বর্ণ হওয়ায় এটি অল্পপ্রাণ ধ্বনি হিসেবে গণ্য হয়। - বাংলা বর্ণমালায় বর্গের প্রথম বর্ণগুলো যুগপৎ অঘোষ ও অল্পপ্রাণ হয়ে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক ব্যাখ্যা: এটি কবর্গীয় প্রথম বর্ণ এবং এটিও একটি অঘোষ অল্পপ্রাণ ধ্বনি। উদাহরণ ২: ট ব্যাখ্যা: এটি টবর্গীয় প্রথম বর্ণ যা অঘোষ অল্পপ্রাণ ধ্বনির একটি অন্যতম উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভ — এটি পবর্গের চতুর্থ বর্ণ, তাই এটি ঘোষ মহাপ্রাণ ধ্বনি এবং প্রশ্নের চাহিদার সঙ্গে মিলে না। B) ঠ — এটি টবর্গের দ্বিতীয় বর্ণ, তাই এটি অঘোষ মহাপ্রাণ ধ্বনি এবং সঠিক নয়। C) ফ — এটি পবর্গের দ্বিতীয় বর্ণ, তাই এটি অঘোষ মহাপ্রাণ ধ্বনি এবং উত্তর হবে না। D) চ — এটি চবর্গের প্রথম বর্ণ, যা অঘোষ ও অল্পপ্রাণ উভয় শর্ত পূরণ করে সঠিক উত্তর হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - বর্গের প্রথম বর্ণ মাত্রই অঘোষ ও অল্পপ্রাণ ধ্বনি হিসেবে চিহ্নিত হয়। - চ, ক, ট, ত, প এই পাঁচটি বর্ণ হলো প্রতি বর্গের প্রথম বর্ণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ধ্বনি পরিবর্তনের এই ছকটি ভালোভাবে আয়ত্ত করলে বিসিএস বা অন্যান্য চাকরির পরীক্ষায় এক নম্বর নিশ্চিত করা যায়। - ঘোষত্ব ও প্রাণত্ব নির্ণয়ের সময় বর্গের ক্রমিক নম্বর ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a সংস্কৃত
b বাংলায়
c বিদেশি
d মিশ্র.
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সংস্কৃত কেন সঠিক: - 'অপ' একটি অত্যন্ত পরিচিত তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ। - বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এটি সংস্কৃত থেকে সরাসরি বাংলা ভাষায় এসেছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গগুলোকে মূলত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয় যেমন সংস্কৃত বা তৎসম, খাঁটি বাংলা এবং বিদেশি উপসর্গ। - সংস্কৃত উপসর্গ মোট কুড়িটি যার মধ্যে 'অপ' অন্যতম একটি উপসর্গ। - 'অপ' উপসর্গ যোগে গঠিত কিছু প্রচলিত শব্দ হলো অপকর্ম, অপলাপ, অপমান ইত্যাদি। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) সংস্কৃত — এই অপশনটি সঠিক কারণ 'অপ' সংস্কৃত ভাষার উপসর্গ। - B) বাংলায় — এই অপশনটি ভুল কারণ 'অপ' খাঁটি বাংলা উপসর্গ নয়। - C) বিদেশি — এই অপশনটি ভুল কারণ 'অপ' কোনো বিদেশি ভাষার উপসর্গ নয়। - D) মিশ্র — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি কোনো মিশ্র উপসর্গ নয়। মনে রাখার টিপস: - সংস্কৃত কুড়িটি উপসর্গ মনে রাখার ছন্দের মধ্যে 'অপ' উপসর্গটি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
a ১৮৪৭-১৯১১
b ১৮৫২-১৯১২
c ১৮৫৭-১৯১১
d ১৮৪৭-১৯১২
0 111 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৮৪৭-১৯১১ ১. কেন সঠিক: মীর মশাররফ হোসেনের জন্ম ১৮৪৭ সালের ১৩ নভেম্বর কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী উপজেলার লাহিনীপাড়া গ্রামে এবং মৃত্যু ১৯১১ সালের ১৯ ডিসেম্বর রাজবাড়ী জেলার পাংশা উপজেলার পদমদী গ্রামে। বাংলা সাহিত্যে বিষাদসিন্ধু উপন্যাসের জন্য তিনি অমর হয়ে আছেন এবং তাঁর জন্ম ও মৃত্যুর এই সালটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অত্যন্তFrequently আসে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: মীর মশাররফ হোসেন মুসলিম সাহিত্যিকদের মধ্যে আধুনিক যুগের প্রথম গদ্যশিল্পী ও ঔপন্যাসিক হিসেবে বিশেষভাবে পরিচিত। তাঁর রচিত প্রথম উপন্যাস রত্নবতী ১৮৬৯ সালে প্রকাশিত হয় এবং তাঁর বিখ্যাত মহাকাব্যিক উপন্যাস বিষাদসিন্ধু ১৮৮৫ থেকে ১৮৯১ সালের মধ্যে প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিষাদসিন্ধু ব্যাখ্যা: এটি মীর মশাররফ হোসেনের সবচেয়ে বিখ্যাত ও ঐতিহাসিক উপন্যাস যা কারবালার বিষাদময় ঘটনার ওপর রচিত। উদাহরণ ২: জমিদার দর্পণ ব্যাখ্যা: এটি তাঁর একটি বিখ্যাত নাটক যা নীলকর সাহেবদের অত্যাচারের বিরুদ্ধে রচিত এবং সমকালীন সমাজের বাস্তব চিত্র তুলে ধরে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৮৪৭-১৯১১ — এটি সঠিক কারণ মীর মশাররফ হোসেন এই নির্দিষ্ট সাল দুটির মধ্যে জন্মগ্রহণ করেন ও মৃত্যুবরণ করেন। B) ১৮৫২-১৯১২ — এই সালটি ভুল কারণ এটি তাঁর প্রকৃত জন্ম ও মৃত্যুর সালকে নির্দেশ করে না। C) ১৮৫৭-১৯১১ — এই অপশনটি ভুল কারণ তাঁর জন্মসাল ১৮৫৭ নয়, বরং ১৮৪৭ সাল। D) ১৮৪৭-১৯১২ — এই অপশনটি ভুল কারণ তাঁর মৃত্যুর সাল ১৯১২ নয়, বরং ১৯১১ সাল। ৫. মনে রাখার টিপস: মীর মশাররফ হোসেনের জন্মসাল মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো যে সিপাহী বিদ্রোহের ঠিক দশ বছর আগে অর্থাৎ ১৮৪৭ সালে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর মৃত্যুসাল মনে রাখতে শেষের সংখ্যা দুটি উল্টেপাল্টে মিলিয়ে নিতে পারো যেমন ১৯১১ সাল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মীর মশাররফ হোসেনের জন্মস্থান কুষ্টিয়ার লাহিনীপাড়া এবং তাঁর বিখ্যাত আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ গাজী মিয়ার বস্তনী পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। সাহিত্যিকদের জন্ম ও মৃত্যুসাল পড়ার সময় সমসাময়িক ঐতিহাসিক ঘটনা মিলিয়ে পড়লে তা দীর্ঘস্থায়ী হয়।
a স্বরবৃত্ত
b কায় অক্ষরবৃত্ত
c মন্দাক্রান্তা
d মাত্রাবৃত্ত
0 127 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মাত্রাবৃত্ত ১. কেন সঠিক: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘সোনার তরী’ কবিতাটি মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত। মাত্রাবৃত্ত ছন্দের মূল বৈশিষ্ট্য হলো এর পর্ববিন্যাস আট ও ছয়ের মাত্রায় বিন্যস্ত থাকে এবং দীর্ঘ স্বরধ্বনির উচ্চারণ কাল এখানে বেশি গুরুত্ব পায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা কবিতায় ছন্দের ক্ষেত্রে নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছেন। ‘সোনার তরী’ কবিতাটি তাঁর বিখ্যাত ‘সোনার তরী’ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত এবং এটি মাত্রাবৃত্ত ছন্দের নিখুঁত ও সার্থক প্রয়োগের এক অনন্য নিদর্শন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘পরশপাথর’ কবিতা। ব্যাখ্যা: এটিও মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত একটি বিখ্যাত কবিতা। উদাহরণ ২: কাজী নজরুল ইসলামের ‘মহাজীবন’ কবিতা। ব্যাখ্যা: মাত্রাবৃত্ত ছন্দের আরেকটি সুন্দর উদাহরণ হলো এই কবিতাটি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্বরবৃত্ত — স্বরবৃত্ত ছন্দ মূলত চার মাত্রার পর্বভিত্তিক লোকায়ত ছন্দ, যা সোনার তরী কবিতার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) কায় অক্ষরবৃত্ত — এটি বাংলা ছন্দের কোনো স্বীকৃত নাম নয়, অপশনটি বিভ্রান্ত করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। C) মন্দাক্রান্তা — এটি সংস্কৃত বৈদিক বা ধ্রুপদী বৃত্ত বা ছন্দ, রবীন্দ্রনাথ এই ছন্দে কবিতা লিখলেও সোনার তরী মন্দাক্রান্তা ছন্দে রচিত নয়। D) মাত্রাবৃত্ত — এই অপশনটি সঠিক কারণ সোনার তরী কবিতার ছন্দবিন্যাস মাত্রাবৃত্তের নিয়ম মেনে চলে। ৫. মনে রাখার টিপস: সোনার তরী কবিতাটি মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত তা মনে রাখতে তরী শব্দের সাথে মাত্রার হিসাব মিলিয়ে ছন্দের নাম মুখস্থ রাখতে পারো। মাত্রাবৃত্ত ছন্দের অপর নাম মাত্রাপ্রধান বা কলাবৃত্ত ছন্দ, যা গুরুগম্ভীর ভাব প্রকাশে ব্যবহৃত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রবীন্দ্রনাথের বিভিন্ন কবিতার ছন্দ প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়। কোনো কবিতার ছন্দ নির্ণয় করতে হলে প্রথমে তার পর্ববিন্যাস এবং দল বা অক্ষর গণনা করে দেখতে হবে সেটি কোন ছন্দের নিয়মে পড়েছে।
a সহ + চর + র্য
b সহচর + ৎ ফলা
c সহচর + য
d কোনটিই নয়
0 96 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সহচর + য ১. কেন সঠিক: - 'সাহচর্য' শব্দটি গঠিত হয়েছে 'সহচর' শব্দের সাথে ভাব অর্থে 'য' প্রত্যয় যোগ করে। - প্রত্যয় যোগের সময় শব্দের আদি স্বর পরিবর্তন বা বৃদ্ধি পাওয়ার নিয়মকে ব্যাকরণে গুণ বা বৃদ্ধি বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শব্দ গঠনে প্রত্যয় হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যা শব্দের শেষে যুক্ত হয়ে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে। - সহচর শব্দের আদি স্বর অ এর সাথে য প্রত্যয় যুক্ত হলে অ পরিবর্তিত হয়ে আ হয় এবং অন্ত্য অ ও য এর প্রভাবে শব্দটির রূপ হয় সাহচর্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুন্দর + য = সৌন্দর্য ব্যাখ্যা: এখানে মূল শব্দ সুন্দরের আদি স্বর উ এবং অন্ত্য স্বর অ এর প্রভাবে য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে সৌন্দর্য গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: ধীর + য = ধৈর্য ব্যাখ্যা: ধীর শব্দের সাথে ভাব অর্থে য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন বিশেষ্য পদ ধৈর্য গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সহ + চর + র্য — বাংলা ব্যাকরণে র্য কোনো বৈধ প্রত্যয় নয়, তাই এই গঠনটি সম্পূর্ণ ভুল ও অগ্রহণযোগ্য। B) সহচর + ৎ ফলা — ৎ ফলা বলে কোনো প্রত্যয় বাংলা ব্যাকরণে নেই, এটি একটি অবৈজ্ঞানিক ও ভুল অপশন। D) কোনটিই নয় — সঠিক উত্তর অপশন সি তে বিদ্যমান থাকায় এই অপশনটি সঠিক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - কোনো শব্দের আদি স্বর পরিবর্তন হয়ে আকার ধারণ করলে এবং শেষে য ফলা থাকলে বুঝতে হবে সেখানে য প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে। - সহচর থেকে সাহচর্য বানানের এই পরিবর্তনটি প্রত্যয়ের নিয়মের কারণে ঘটে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রত্যয় সাধিত শব্দ যেমন সৌন্দর্য, ধৈর্য এবং সাহচর্য প্রায়ই শুদ্ধ বানান ও প্রত্যয় নির্ণয়ের জন্য আসে। - আদি স্বরের পরিবর্তন সাধित এই শব্দগুলোর মূল শব্দ ও প্রত্যয় ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
b সৈয়দ শামসুল হক
c শামসুর রাহমান
d সঠিক উত্তর নেই.
0 158 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শামসুর রাহমান কেন সঠিক: - আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি শামসুর রাহমান ১৯২৯ সালের তেইশে অক্টোবর জন্মগ্রহণ করেন। - কবি শামসুর রাহমানের জন্মস্থান ছিল তৎকালীন ঢাকা জেলার পাহাড়তলী গ্রামে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা সাহিত্য পাঠে কবিদের জন্মস্থান ও জন্মতারিখ সম্পর্কিত সাধারণ জ্ঞান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। - শামসুর রাহমান ঢাকা শহরে জন্মগ্রহণ করলেও তাঁর পৈতৃক নিবাস এবং জন্মসংক্রান্ত ঐতিহাসিক নথিতে পাহাড়তলী গ্রামের উল্লেখ পাওয়া যায়। - এই ধরনের তথ্যাদি সাহিত্যিকদের জীবনীমূলক প্রশ্নে বহুল ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী — ষোড়শ শতাব্দীর এই মধ্যযুগের কবি বর্তমান বর্ধমান জেলার দামিন্যা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। - B) সৈয়দ শামসুল হক — বিশ শতকের প্রখ্যাত এই সাহিত্যিক ১৯৩৫ সালে কুড়িগ্রাম জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। - C) শামসুর রাহমান — এই অপশনটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। - D) সঠিক উত্তর নেই — যেহেতু সি অপশনে সঠিক উত্তর শামসুর রাহমান রয়েছে, তাই এই অপশনটি ভুল। মনে রাখার টিপস: - শামসুর রাহমানের নাম এলেই তাঁর জন্মস্থান পাহাড়তলী গ্রাম এবং জন্মসাল ১৯২৯ সাল একসাথে মনে রাখবে।

মোট প্রশ্ন (16)

a Promotion
b Advancement
c Betterment
d Preference
0 136 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Betterment কেন সঠিক: Improvement শব্দের বাংলা অর্থ হলো উন্নতি বা ভালো হওয়া। Betterment শব্দের অর্থও একই অর্থাৎ কোনো অবস্থার উন্নতি সাধন করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Promotion — এর অর্থ পদোন্নতি বা প্রমোশন, যা কাজের ক্ষেত্র ছাড়া সাধারণ উন্নতির ক্ষেত্রে বসে না। B) Advancement — এর অর্থ অগ্রগতি, যা সাধারণত বিজ্ঞান বা প্রযুক্তির এগিয়ে যাওয়া বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। C) Betterment — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Preference — এর অর্থ পছন্দ বা প্রাধান্য, যা Improvement শব্দের সমার্থক শব্দ নয়। মনে রাখার টিপস: Improvement এবং Betterment উভয় শব্দের শুরুতেই ভালো কিছু হওয়ার ধারণা রয়েছে, তাই এরা একে অপরের সমার্থক।
a Interesting
b Loving
c Affectionate
d Friendly
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Friendly কেন সঠিক: AMICABLE শব্দটির বাংলা অর্থ হলো অমায়িক বা বন্ধুত্বপূর্ণ। Friendly শব্দটির অর্থও বন্ধুভাবাপন্ন বা বন্ধুত্বপূর্ণ। তাই এই দুটি শব্দের অর্থ পুরোপুরি মিলে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Interesting — এর অর্থ হলো মজার বা চিত্তাকর্ষক, যা অম amicable শব্দের সাথে মেলে না। B) Loving — এর অর্থ হলো স্নেহময় বা ভালোবাসাপূর্ণ, যা amicable শব্দের সঠিক সমার্থক নয়। C) Affectionate — এর অর্থ হলো অনুরাগী বা স্নেহশীল, যা বন্ধুত্বের চেয়েও গভীর আবেগকে বোঝায়। D) Friendly — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: Amicable শব্দের শুরুতে ami আছে, যার অর্থ বন্ধু বা ফ্রেঞ্চ ভাষায় বন্ধু বোঝায়, তাই এটি Friendly এর সাথে সম্পর্কিত।
a Treasure
b Debt
c Assets
d Property
0 113 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Assets কেন সঠিক: Liability শব্দের অর্থ হলো দায় বা দেনা, যা কারো কাছে আর্থিক বা আইনি বাধ্যবাধকতা বোঝায়। এর বিপরীত শব্দ হলো সম্পদ বা সম্পত্তি। Assets শব্দের অর্থ সম্পদ বা ধনসম্পদ। তাই Liability শব্দের সঠিক বিপরীত শব্দ Assets। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Treasure — Treasure শব্দের অর্থ গুপ্তধন বা মূল্যবান সম্পদ, যা liability এর সঠিক বিপরীত শব্দ নয়। B) Debt — Debt শব্দের অর্থ ঋণ, যা liability শব্দের সমার্থক বা কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে। C) Assets — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে প্রযোজ্য নয়। D) Property — Property শব্দের অর্থ সম্পত্তি, যা liability এর সরাসরি বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না। মনে রাখার টিপস: Liability মানে দায় এবং Assets মানে সম্পদ, এই দুটি শব্দ হিসাববিজ্ঞানে একে অপরের বিপরীত হিসেবে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়।
a Admire
b Abhor
c Concern
d Loathe
0 112 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Admire কেন সঠিক: HATE শব্দটির অর্থ ঘৃণা করা বা অপছন্দ করা এবং Admire শব্দের অর্থ প্রশংসা করা বা শ্রদ্ধা করা। তাই HATE শব্দটির বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে Admire সঠিক উত্তর হবে। এটি একটি বিপরীতার্থক শব্দের প্রশ্ন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Admire — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ প্রশংসা করা যা ঘৃণা করার বিপরীত। B) Abhor — এর অর্থ তীব্র ঘৃণা করা যা HATE শব্দের সমার্থক শব্দ। C) Concern — এর অর্থ উদ্বেগ বা উৎকণ্ঠা যা মূল শব্দের সাথে মিল নেই। D) Loathe — এর অর্থও ঘৃণা করা বা অপছন্দ করা যা HATE শব্দের সমার্থক। মনে রাখার টিপস: HATE এবং Admire একে অপরের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে, তাই এটি বিপরীতার্থক শব্দ মনে রাখা সহজ।
a lyrics
b Ode
c Hymn
d Ballad
0 115 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Hymn কেন সঠিক: Hymn শব্দের অর্থ হলো স্তব বা ধর্মীয় গান, যা ঈশ্বর বা ধর্মের উদ্দেশ্যে গাওয়া হয়। এটি পবিত্র আবেগ এবং ভক্তির প্রকাশ ঘটায়। ধর্মীয় অনুভূতির সাথে এই শব্দের সরাসরি মিল রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) lyrics — গান বা কবিতার মূল কথা বোঝায়, যা বিশেষভাবে শুধু ধর্মীয় আবেগের জন্য নির্দিষ্ট নয়। B) Ode — এটি হলো কোনো ব্যক্তি বা বিষয়ের প্রশংসায় রচিত গম্ভীর কবিতা বা গান। C) Hymn — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপشن হিসেবে ধরা হয়েছে কারণ এটি সঠিক উত্তরের পুনরাবৃত্তি। D) Ballad — এটি একটি ঐতিহ্যবাহী গল্প বলার গান বা কবিতা, যা রূপকথা বা বীরত্বপূর্ণ কাহিনী নিয়ে লেখা হয়। মনে রাখার টিপস: Hymn শব্দটির সাথে Holy বা পবিত্র কথাটি মনে রাখলে ধর্মীয় গান সহজেই চেনা যায়।
a Evening
b Dawn
c Dusk
d Eclipse
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Dusk কেন সঠিক: Dusk শব্দটির অর্থ গোধূলি বা সাঁঝবেলা, যা ঠিক সূর্যডুবার পরের এবং রাতের আগের সময়কে বোঝায়। এটি দিনের আলো ও রাতের অন্ধকারের সংযোগস্থল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Evening — এটি সাধারণত বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত দীর্ঘ একটি সময়কে বোঝায়। B) Dawn — এটি রাতের শেষ এবং সূর্য ওঠার আগের সময় বা ভোরবেলাকে বোঝায়। C) Dusk — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Eclipse — এটি সূর্যগ্রহণ বা চন্দ্রগ্রহণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: Dawn মানে ভোর বা সকালের আলো আর Dusk মানে গোধূলি বা সন্ধ্যার অন্ধকার।
a Adherence
b respectful
c knowledge
d awareness
0 118 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Adherence কেন সঠিক: শূন্যস্থানের আগে 'and' conjunction থাকায় একই ধরনের Parts of Speech বসবে। এখানে discipline একটি Noun এবং নিয়ম মেনে চলা বোঝাতে 'Adherence' Noun টি ব্যবহার করতে হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Adherence — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়। B) respectful — এটি Adjective এবং এখানে Noun এর প্রয়োজন থাকায় এটি ভুল। C) knowledge — এর অর্থ জ্ঞান, যা নিয়ম মানার সাথে সরাসরি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। D) awareness — এর অর্থ সচেতনতা, যা এখানে কাঠامোগতভাবে মানানসই নয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যের conjunction এর দুইপাশে একই ধরনের শব্দ বসে, তাই Noun এর পরে Noun হবে।
a entrusted
b endowed
c bestowed
d Conferred
0 94 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) bestowed কেন সঠিক: Bestowed শব্দের অর্থ হলো কোনো বিশেষ গুণ বা ক্ষমতা সসম্মানে দান করা। মানুষের বুদ্ধি বা বিচারশক্তি হলো স্রষ্টার পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিশেষ দান, যা এখানে সঠিক অর্থ প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) entrusted — এই শব্দটির অর্থ হলো কারো ওপর দায়িত্ব অর্পণ করা, যা গুণের ক্ষেত্রে বসে না। B) endowed — সাধারণত with preposition এর সাথে বসে, তাই এখানে সরাসরি উপযুক্ত নয়। C) bestowed — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Conferred — এই শব্দটি সাধারণত উপাধি, ডিগ্রি বা সম্মান প্রদানের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। মনে রাখার টিপস: স্রষ্টার পক্ষ থেকে মানুষের বুদ্ধিমত্তা বা বিশেষ গুণ প্রাপ্তির ক্ষেত্রে bestow শব্দটি preposition অন এর সাথে সবচেয়ে ভালো মানায়।
a is
b had been
c has
d were
0 123 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) were কেন সঠিক: বাক্যে as if বা as though থাকলে এর আগের অংশ present tense হলে পরের অংশে past indefinite tense হয়। তবে verb হিসেবে be verb বসাতে হলে সাবজেক্ট যাই হোক না কেন সবসময় were ব্যবহার করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) is — as if এর পরের অংশে present tense বা is বসানো ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ভুল নিয়ম। B) had been — এখানে past perfect tense বসানোর কোনো প্রয়োজন নেই কারণ এটি অবাস্তব কল্পনা। C) has — as if থাকার কারণে এখানে present tense এর has ব্যবহার করা নিয়মবিরুদ্ধ। D) were — এটি সঠিক হওয়ায় ভুল অপশনের তালিকায় এটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: as if এর পরে সবসময় கற்பনাসূচক বা অবাস্তব অর্থ প্রকাশ করতে were ব্যবহার করতে হয়।
a Neither you nor I am in a sound position.
b Laziness is detrimental for success
c He begged the favour of my granting him leave
d Your action is not in conformity with the law
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Laziness is detrimental for success কেন সঠিক: এখানে সঠিক উত্তর বি নির্বাচন করার কারণ হলো বাক্যটিতে প্রিপজিশন ভুল ব্যবহার করা হয়েছে। detrimental শব্দের পরে সঠিক প্রিপজিশন হিসেবে to বসে, কিন্তু এখানে for ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Neither you nor I am in a sound position. — এখানে neither nor যুক্ত সাবজেক্টে শেষের সাবজেক্ট অনুযায়ী am বসায় বাক্যটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক আছে। B) Laziness is detrimental for success — এই বাক্যে detrimental এর পরে for ভুলভাবে ব্যবহার করা হয়েছে, যার সঠিক রূপ হতো to success। C) He begged the favour of my granting him leave — এখানে জিরান্ডের আগে পসেসিভ কেস ব্যবহার করায় বাক্যটি সম্পূর্ণ সঠিক গঠন মেনে চলেছে। D) Your action is not in conformity with the law — এই বাক্যে conformity শব্দের পরে সঠিক প্রিপজিশন with ব্যবহার করায় বাক্যটি সঠিক। মনে রাখার টিপস: detrimental শব্দের অর্থ ক্ষতিকর এবং এর পরে সব সময় টু প্রিপজিশন বসে।
a a
b b. I intend going to Rajshahi
c c. He is too miserly to part with his money
d d. He has invited me for dinner”
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) d. He has invited me for dinner কেন সঠিক: আমন্ত্রণ বা ডিনারের ক্ষেত্রে সঠিক প্রিপজিশন হিসেবে for এর ব্যবহার ব্যাকরণগতভাবে সঠিক। এখানে নির্দিষ্ট একটি অনুষ্ঠানের জন্য আমন্ত্রণ বোঝাতে for ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a — এটি একটি অসম্পূর্ণ বাক্য এবং এর কোনো নির্দিষ্ট অর্থ বা প্রসঙ্গ দেওয়া নেই। B) b. I intend going to Rajshahi — এখানে intend এর পর infinitive ব্যবহার করা ভালো ছিল। C) c. He is too miserly to part with his money — এই বাক্যটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক হলেও মূল প্রশ্নের সাথে এর মিল নেই। D) d. He has invited me for dinner — এটি সঠিক বাক্য এবং এর প্রিপজিশন সঠিক। মনে রাখার টিপস: আমন্ত্রণ জানানোর ক্ষেত্রে invite এর পরে সাধারণত to বসলেও খাবারের নিমন্ত্রণের ক্ষেত্রে for ব্যবহার করতে হয়।
a to save oneself
b to be self respectful
c to keep calm
d None of these
0 117 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) to keep calm কেন সঠিক: এই ইডিয়মটির আক্ষরিক অর্থ হলো নিজের মাথা ঠান্ডা রাখা বা নিয়ন্ত্রণে রাখা। কঠিন পরিস্থিতিতেও মানসিক স্থিরতা বজায় রাখা এবং উত্তেজিত না হওয়া বোঝাতে এটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to save oneself — এর অর্থ নিজেকে রক্ষা করা, যা এই ইডিয়মের ভাবার্থের সাথে মেলে না। B) to be self respectful — এর অর্থ আত্মসম্মান বজায় রাখা, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) to keep calm — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ শান্ত থাকা এবং পরিস্থিতি সামলানো। D) None of these — এটি ভুল কারণ সঠিক উত্তরটি সি অপশনে আগেই দেওয়া আছে। মনে রাখার টিপস: মাথা বা হেড হলো চিন্তার কেন্দ্র, তাই কঠিন সময়ে নিজের মাথা বা মেজাজ শান্ত রাখাকেই টু কিপ ওয়ানস হেড বলা হয়।
a to offer a person what he cannot eat
b to force a person to do something
c to raise obstacle
d to reverse the natural order of things
0 119 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) to reverse the natural order of things কেন সঠিক: - ঘোড়ার পেছনে গাড়ি যুক্ত করা অসম্ভব এবং অপ্রাকৃতিক একটি দৃশ্য। - এই ইডিয়মটি কোনো কাজের স্বাভাবিক নিয়ম বা ধারাবাহিকতা উল্টে ফেলা বা ভুল ক্রমে কাজ করা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to offer a person what he cannot eat — এটি আক্ষরিক বা অন্য কোনো বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে, যা এই প্রবাদের স্বাভাবিক ক্রম উল্টে ফেলার ভাবার্থের সঙ্গে মিলে না। B) কাউকে জোর করে কোনো কাজ করানো বোঝাতে এই ইডিয়মটি ব্যবহার করা হয় না। C) কাজে বাধা সৃষ্টি করা বোঝাতে এই ইডিয়মটির আক্ষরিক বা অন্তর্নিহিত কোনো সংযোগ নেই। D) এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ কাজের স্বাভাবিক ধারাবাহিকতা বিপরীত করা। মনে রাখার টিপস: গাড়ি আগে আর ঘোড়া পরে দিলে যেমন চলা অসম্ভব, তেমনি কাজের স্বাভাবিক নিয়ম উল্টে ফেলাকে এই ইডিয়ম দিয়ে মনে রাখা যায়।
a to concentrate
b to suspect
c to read carefully
d to grasp the hidden meaning
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) to grasp the hidden meaning কেন সঠিক: এই ইডিয়মটির আক্ষরিক অর্থ লাইনের মাঝখানে পড়া হলেও রূপক অর্থে এর দ্বারা লেখার ভেতরের গোপন বা আসল উদ্দেশ্য বুঝতে পারাকে বোঝানো হয়। লেখকের না বলা কথা বা ইশারা বুঝে নেওয়া এর মূল কাজ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to concentrate — এর অর্থ মনোযোগ সহকারে কাজ করা, যা এই ইডিয়মের অর্থের সাথে মেলে না। B) to suspect — এর অর্থ সন্দেহ করা, যা প্রচ্ছন্ন অর্থ বুঝতে পারার ধারণার সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। C) to read carefully — এর অর্থ মনোযোগ দিয়ে পড়া, এটি কেবল সাধারণ পঠন বোঝায় কোনো গভীর অর্থ প্রকাশ করে না। D) এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল হিসেবে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: লাইন বা শব্দের আক্ষরিক অর্থের বাইরে গিয়ে ভেতরের আসল ভাব খোঁজা হলো এই ইডিয়মের মূল চাবিকাঠি।
a wits
b seats
c lives
d Funds
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) wits কেন সঠিক: - 'Out of one's wits' একটি প্রবচনমূলক বা ইডিয়ম্যাটিক ফ্রেজ, যার অর্থ ভয় বা উৎকণ্ঠায় জ্ঞানশূন্য বা দিশাহারা হয়ে পড়া। - ভীতিপ্রদ সিনেমা দেখার কারণে তারা ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে তাদের মানসিক স্থিরতা হারিয়ে ফেলেছিল, যা এই ফ্রেজ দ্বারা সঠিকভাবে প্রকাশ পায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) wits — এই অপশনটি সঠিক, কারণ এটি নির্দিষ্ট ইডিয়ম 'out of one's wits' গঠন করে যার অর্থ জ্ঞানশূন্য হওয়া। B) seats — 'out of one's seats' অর্থ আসন থেকে বাইরে, যা এখানে ভীতির কারণে মানসিক অবস্থা বোঝাতে সম্পূর্ণ অর্থহীন। C) lives — যদিও 'scared the life out of someone' একটি সঠিক ফ্রেজ, কিন্তু এখানে 'lives' বহুবচন থাকায় এবং 'out of their lives' ব্যাকরণগতভাবে সঠিক ইডিয়ম নয়। D) funds — 'funds' অর্থ তহবিল বা অর্থ, যা ভীতির সঙ্গে সম্পর্কিত নয় এবং এই বাক্যের শূন্যস্থানে বসালে কোনো অর্থ প্রকাশ করে না। মনে রাখার টিপস: ভয় পেয়ে জ্ঞান বা বুদ্ধি হারিয়ে ফেলা বোঝাতে সবসময় 'out of one's wits' ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়।
a undertakers
b supporters
c pallbearers
d mourners
0 108 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) pallbearers কেন সঠিক: pallbearer শব্দটির অর্থ হলো সেই ব্যক্তি যিনি অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় কফিন কাঁধে বা হাতে বহন করেন। funeral বা অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার সময় মৃতদেহ সমাহিত করার জন্য কফিন বহন করা এদের প্রধান কাজ। তাই বাক্যটির শূন্যস্থানে সঠিক শব্দ হিসেবে pallbearers বসবে। এই বিশেষ কাজের জন্য ইংরেজিতে অন্য কোনো সমার্থক শব্দ সাধারণত ব্যবহৃত হয় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) undertakers — এই শব্দটির অর্থ সৎকার ব্যবসায়ী যিনি মৃতদেহ দাফন বা সৎকারের সার্বিক ব্যবস্থা করেন কিন্তু সরাসরি কফিন বহন করেন না। B) supporters — এই শব্দটির সাধারণ অর্থ সমর্থক বা সাহায্যকারী যিনি কোনো ব্যক্তি বা দলের পক্ষে সমর্থন জানান। C) pallbearers — এটি নিজেই সঠিক উত্তর তাই এখানে ভুল হিসেবে প্রযোজ্য নয়। D) mourners — এই শব্দটির অর্থ শোকাহত ব্যক্তি যিনি অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় উপস্থিত থেকে শোক প্রকাশ করেন কিন্তু কফিন বহন করেন না। মনে রাখার টিপস: শব্দটির শুরুর অংশ pall অর্থ কফিন ঢাকা চাদর এবং bearer অর্থ বহনকারী যা একসাথে কফিন বহনকারী বোঝায়।

মোট প্রশ্ন (20)

a 29526
b 44136
c 45536
d 45505
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২৯৫২৬ প্রদত্ত তথ্য: ১৩ ¾ % এর মান নির্ণয় করতে হবে ধরি, মিশ্র ভগ্নাংশটিকে সাধারণ ভগ্নাংশে রূপান্তর করতে হবে এখানে ১৩ ¾ হলো চার ভাগের পঞ্চান্ন ভাগ অতএব, ১৩ কে চার দিয়ে গুণ করে তিন যোগ করলে পঞ্চান্ন হয় অর্থাৎ সংখ্যাটি হলো পঞ্চান্ন ভাগ চার সুতরাং, শতাংশের জন্য একশ দ্বারা ভাগ করতে হবে হিসাব করলে সঠিক উত্তর পাওয়া যায় উত্তর: ২৯৫২৬
a 89
b 70
c 170
d 142
0 121 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৭০ প্রدত্ত তথ্য: ১২, ১৮ এবং ২৪ সংখ্যা তিনটি দেওয়া আছে নির্ণীয় সংখ্যার সাথে ২ যোগ করতে হবে ধরি, নির্ণীয় সংখ্যাটি ক শর্তমতে ক + ২ সংখ্যাটি ১২, ১৮ এবং ২৪ দ্বারা বিভাজ্য অতএব, ১২, ১৮ এবং ২৪ এর লসাগু বের করতে হবে ১২ = ২ × ২ × ৩ সুতরাং, ১৮ = ২ × ৩ × ৩ ২৪ = ২ × ২ × ২ × ৩ উত্তর: লসাগু = ৭২, তাই ক + ২ = ৭২ এবং ক = ৭০
a 0.3
b &#8730 ০.৩
c 45352
d 45414
0 98 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ০.৩ প্রদত্ত তথ্য: অপশনগুলো হলো ০.৩, √০.৩, ৪৫৩৫২ এবং ৪৫৪১৪ ধরি, সংখ্যাগুলোর মান আলাদা করে পরীক্ষা করতে হবে অতএব, √০.৩ এর মান প্রায় ০.৫৪ এবং বাকি দুটি সংখ্যা অনেক বড় সুতরাং, ০.৩ সংখ্যাটি সবগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ছোট উত্তর: ০.৩
a 340
b 341
c 342
d 344
0 95 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩৪১ প্রদত্ত তথ্য: ছোট সংখ্যাটি = ৩০১ বড় সংখ্যাটি = ৩৮১ ধরি, নির্ণেয় সংখ্যাটি = ক অতএব, প্রশ্নমতে, সংখ্যাটি ৩০১ হতে যত বড় তার অর্থ হলো, ক − ৩০১ এবং সংখ্যাটি ৩৮১ হতে তত ছোট তার অর্থ হলো, ৩৮১ − ক সুতরাং, ক − ৩০১ = ৩৮১ − ক ক + ক = ৩৮১ + ৩০১ উত্তর: ২ক = ৬৮২, সুতরাং ক = ৩৪১
a ২৫ দিনে
b ৩০ দিনে
c ৩৫ দিনে
d ৪০ দিনে
0 109 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩০ দিনে প্রদত্ত তথ্য: ক এবং খ একটি কাজ করতে পারে ২০ দিনে খ একা কাজটি করতে পারে ৬০ দিনে ধরি, সম্পূর্ণ কাজের পরিমাণ = ১ অংশ অতএব, ক ও খ ১ দিনে করে ১ ÷ ২০ অংশ খ একা ১ দিনে করে ১ ÷ ৬০ অংশ সুতরাং, ক একা ১ দিনে করে (১ ÷ ২০) − (১ ÷ ৬০) = ২ ÷ ৬০ অংশ = ১ ÷ ৩০ অংশ উত্তর: ৩০ দিনে
a xz > yz
b x/z > y/z
c z/x < z/y
d xz < yz
0 120 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) xz < yz প্রدত্ত তথ্য: দেওয়া আছে x বড় y অপেক্ষা দেওয়া আছে z ছোট শূন্য অপেক্ষা ধরি, x এর মান ধরা যাক তিন y এর মান ধরা যাক দুই অতএব, z এর মান ধরা যাক ঋণাত্মক এক প্রথম পক্ষ xz সমান তিন গুণ ঋণাত্মক এক সমান ঋণাত্মক তিন দ্বিতীয় পক্ষ yz সমান দুই গুণ ঋণাত্মক এক সমান ঋণাত্মক দুই সুতরাং, ঋণাত্মক তিন ছোট ঋণাত্মক দুই অপেক্ষা অর্থাৎ xz ছোট yz অপেক্ষা উত্তর: D) xz < yz
a 𝑎𝑥2+𝑏𝑥+𝑐=0ax2+bx+c=0
b 𝑦2=𝑎𝑥y2=ax
c 𝑥2+𝑦2=16x2+y2=16
d 𝑦2=2𝑥+7y2=2x+7
0 115 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) x^2 + y^2 = 16 প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের সাধারণ সমীকরণের গঠন বুঝতে হবে অপশনগুলোর মধ্যে দুই চলক বিশিষ্ট সমীকরণ দেখতে হবে ধরি, x হলো প্রথম চলক y হলো দ্বিতীয় চলক অতএব, বৃত্তের সমীকরণে x এবং y উভয়ের ওপর স্কয়ার বা বর্গ থাকে সমীকরণের মাঝখানে প্লাস চিহ্ন থাকে সুতরাং, চলক দুটির বর্গের যোগফল ধروক সংখ্যা হয় উত্তর: x^2 + y^2 = 16
a 9
b 18
c 27
d 36
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৯ প্রদত্ত তথ্য: a − (১ ÷ a) = ৩ ধরি, প্রদত্ত রাশির মান বের করতে হবে নির্ণেয় রাশিটি হলো a ঘন + (১ ÷ a ঘন) অতএব, অনুসিদ্ধান্ত অনুযায়ী a ঘন + (১ ÷ a ঘন) এর সূত্র হলো প্রথম বন্ধনীর ভেতর a − (১ ÷ a) এর হোল কিউব + ৩ গুণ (a গুণ ১ ÷ a) গুণ প্রথম বন্ধনীর ভেতর a − (১ ÷ a) সুতরাং, মানের জায়গায় ৩ বসালে পাই ৩ এর কিউব + ৩ গুণ ৩ সমান ২৭ + ৯ উত্তর: ৩৬
a একটির তিনবাহু অপরটির তিন বাহুর সমান
b একটির তিন কোণ অপরটির তিন কোণের সমান
c একটির দুই কোণ ও একবাহু অপরটির দুইকোণ ও অনুরূপ বাহুর সমান
d একটির দুই বাহু ও অন্তর্ভুক্ত কোণ অপরটির দুই বাহু ও অন্তর্ভুক্ত কোণের সমান
0 120 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) একটির তিন কোণ অপরটির তিন কোণের সমান প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজ দুটির সর্বসমতার শর্ত যাচাই করতে হবে কোণ সমান হলেও ত্রিভুজ দুটি সর্বসম না হয়ে সদৃশকোণী হতে পারে ধরি, প্রথম ত্রিভুজটির কোণ তিনটি ক, খ, গ দ্বিতীয় ত্রিভুজটির কোণ তিনটি ক, খ, গ অতএব, কোণ তিনটি সমান হলে ত্রিভুজ দুটি আকারে ছোট বা বড় হতে পারে এই অবস্থাকে সদৃশকোণী ত্রিভুজ বলা হয় সুতরাং, কেবল তিন কোণ সমান হলে ত্রিভুজ সর্বসম হয় না উত্তর: B) একটির তিন কোণ অপরটির তিন কোণের সমান
a ৬:৫:৪
b ৩:৪:৫
c ১২:৮:৪
d ৬:৪:৩
0 119 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩:৪:৫ প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের বাহুগুলোর অনুপাত দেওয়া আছে সমকোণী ত্রিভুজের ক্ষেত্রে পিথাগোরাসের উপপাদ্য প্রযোজ্য হবে ধরি, ত্রিভুজের বাহুগুলো তিন, চার ও পাঁচ একক সবথেকে বড় বাহুটি হলো অতিভুজ অতএব, লম্বের ওপর বর্গ = তিন গুণ তিন = নয় ভূমির ওপর বর্গ = চার গুণ চার = ষোলো সুতরাং, অতিভুজের ওপর বর্গ = পাঁচ গুণ পাঁচ = পঁচিশ লম্বের বর্গ ও ভূমির বর্গের সমষ্টি = নয় + ষোলো = পঁচিশ উত্তর: B) ৩:৪:৫
a (203203​) মিটার
b (2033​20​) মিটার
c 20 মিটার
d (103103​) মিটার
0 92 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) (২০ ÷ √৩) মিটার প্রদত্ত তথ্য: মিনারের পাদদেশ হতে দূরত্বের মান = ২০ মিটার শীর্ষবিন্দুর উন্নতি কোণের মান = ৩০°৩০° ধরি, মিনারটির উচ্চতা = h মিটার মিনারটির পাদদেশ থেকে স্থানটির দূরত্ব = ২০ মিটার উন্নতি কোণ = ৩০° অতএব, tan(৩০°) এর মান = লম্ব ÷ ভূমি এখানে লম্ব হলো মিনারটির উচ্চতা h ভূমি হলো ২০ মিটার সুতরাং, tan(৩০°) = h ÷ ২০ ১ ÷ √৩ = h ÷ ২০ উত্তর: h = ২০ ÷ √৩ মিটার
a 4
b 14
c 16
d 12
0 119 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১২ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সংখ্যা ৩ দ্বিতীয় সংখ্যা ৯ তৃতীয় সংখ্যা ৪ ধরি, চতুর্থ সমানুপাতিক ক অতএব, সমানুপাতের নিয়ম অনুযায়ী লেখা যায় ৩ ÷ ৯ = ৪ ÷ ক সুতরাং, ৩ × ক = ৯ × ৪ ৩ × ক = ৩৬ উত্তর: ক = ১২
a x + 2
b x – 2
c x + 1
d x – 1
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) x + 1 প্রদত্ত তথ্য: একটি বহুপদী রাশি দেওয়া আছে যার একটি উৎপাদক নির্ণয় করতে হবে। ধরি, বহুপদী রাশিটি হলো f(x) অতএব, উৎপাদক উপপাদ্য অনুযায়ী f(a) = ০ হলে (x − a) রাশিটি একটি উৎপাদক হবে। সুতরাং, অপশন সি পরীক্ষা করে পাই f(−১) = ০ উত্তর: x + 1
a 91
b 87
c 63
d 59
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৫৯ প্রদত্ত তথ্য: অপশনগুলোতে চারটি সংখ্যা দেওয়া আছে সংখ্যাগুলো হলো ৯১, ৮৭, ৬৩ এবং ৫৯ ধরি, সংখ্যাগুলোকে মৌলিক বা যৌগিক হিসেবে পরীক্ষা করতে হবে মৌলিক সংখ্যা হলো সেই সংখ্যা যা ১ এবং ওই সংখ্যা ছাড়া অন্য কিছু দিয়ে ভাগ যায় না অতএব, ৯১ সংখ্যাটি ১৩ দ্বারা বিভাজ্য কারণ ১৩ × ৭ = ৯১ ৮৭ সংখ্যাটি ৩ দ্বারা বিভাজ্য কারণ ৩ × ২৯ = ৮৭ ৬৩ সংখ্যাটি ৯ দ্বারা বিভাজ্য কারণ ৯ × ৭ = ৬৩ সুতরাং, ৫৯ সংখ্যাটিকে ১ এবং ৫৯ ছাড়া অন্য কোনো সংখ্যা দ্বারা ভাগ করা যায় না উত্তর: ৫৯ একটি মৌলিক সংখ্যা
a 1
b -1
c 2
d 0
0 142 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ০ প্রদত্ত তথ্য: ফাংশনটি হলো f(x) = x^3 + kx^2 − 6x − 9 দেওয়া আছে শর্ত অনুযায়ী f(৩) = ০ ধরি, সমীকরণে x এর পরিবর্তে ৩ বসাতে হবে তাই f(৩) = (৩)^3 + k(৩)^2 − 6(৩) − 9 লেখা যায় অতএব, (৩)^3 এর মান হবে ২৭ k(৩)^2 এর মান হবে ৯k আর 6 গুণের ফলাফল হবে ১৮ সুতরাং, ২৭ + ৯k − ১৮ − ৯ = ০ বা, ৯k = ০ উত্তর: k = ০
a 30 মিটার
b 40 মিটার
c 50 মিটার
d 60 মিটার
0 117 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫০ মিটার প্রদত্ত তথ্য: আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য প্রস্থের দ্বিগুণ আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = ১২৫০ বর্গমিটার ধরি, আয়তক্ষেত্রের প্রস্থ = ক মিটার আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য = ২ক মিটার অতএব, ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ ক্ষেত্রফল = ২ক × ক = ১২৫০ বর্গমিটার ২ × ক এর বর্গ = ১২৫০ সুতরাং, ক এর বর্গ = ১২৫০ ÷ ২ = ৬২৫ ক = √৬২৫ = ২৫ মিটার উত্তর: আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য = ২ × ২৫ = ৫০ মিটার
a (log⁡𝑎𝑚−log⁡𝑎𝑛loga​m−loga​n)
b (log⁡𝑎𝑚+log⁡𝑎𝑛loga​m+loga​n)
c (log⁡𝑎𝑚×log⁡𝑎𝑛loga​m×loga​n)
d কোনটিই নয়
0 96 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) log a m − log a n প্রদত্ত তথ্য: লগারিদম এর ভাগ এর সূত্র ব্যবহার করতে হবে এখানে লগ এর ভিত্তি হলো a এবং সংখ্যা দুটি হলো m ও n ধরি, লগ এর ভিত্তি = a লগ এর সংখ্যা দুটি = m ও n অতএব, log a (m ÷ n) আকারে প্রকাশ করা যায় লগ এর ধর্ম অনুযায়ী ভাগের ক্ষেত্রে বিয়োগ হয় সুতরাং, log a m থেকে log a n বিয়োগ করতে হবে উত্তর: log a m − log a n
a 12
b 10
c 6
d কোনটিই নয়
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১২ প্রদত্ত তথ্য: দেওয়া আছে, a + b = ৭ দেওয়া আছে, a এর বর্গ + b এর বর্গ = ২৫ ধরি, আমরা জানি, a + b এর সম্পূর্ণ বর্গ = a এর বর্গ + ২ab + b এর বর্গ মান বসিয়ে পাই, ৭ এর বর্গ = ২৫ + ২ab অতএব, ৪৯ = ২৫ + ২ab ২ab = ৪৯ − ২৫ সুতরাং, ২ab = ২৪ ab = ১২ উত্তর: ১২
a সন্নিহিত কোণ
b সরলকোণ
c পূরককোণ
d সম্পূরক কোণ
0 110 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সম্পূরক কোণ প্রদত্ত তথ্য: দুটি কোণ পরস্পর সন্নিহিত কোণ দুটির সমষ্টি দুই সমকোণ বা ১৮০ ডিগ্রি ধরি, প্রথম কোণটি = ক ডিগ্রি দ্বিতীয় কোণটি = খ ডিগ্রি অতএব, ক + খ = ১৮০ ডিগ্রি সুতরাং, একটি কোণকে অপরটির সম্পূরক কোণ বলা হয় উত্তর: সম্পূরক কোণ
a ব্যাস
b ব্যাসার্ধ
c বৃত্তচাপ
d পরিধি
0 117 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ব্যাস প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের কেন্দ্র ছেদকারী জ্যা এর নাম নির্ণয় করতে হবে ধরি, বৃত্তের কেন্দ্র বিন্দুটি হলো মূল বিন্দু অতএব, কেন্দ্রগামী রেখাংশ বৃত্তের পরিধিকে স্পর্শ করে সুতরাং, কেন্দ্রগামী সর্ববৃহৎ জ্যা কে ব্যাস বলা হয় উত্তর: A) ব্যাস

মোট প্রশ্ন (20)

a আম
b কাঁঠাল
c কলা
d পেঁপে
0 111 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কাঁঠাল কেন সঠিক: - কাঁঠাল বাংলাদেশের জাতীয় ফল এবং এটি সারা দেশে প্রচুর পরিমাণে উৎপাদিত হয়। - আকারে বড় এবং পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ হওয়ায় এটি জাতীয় ফলের মর্যাদা লাভ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আম — আম আমাদের জাতীয় ফল নয়, তবে এটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ফল এবং রাজশাহীর বিখ্যাত পণ্য। B) কাঁঠাল — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বাংলাদেশের জাতীয় ফল। C) কলা — কলা পুষ্টিকর ফল হলেও এটি বাংলাদেশের জাতীয় ফল নয়। D) পেঁপে — পেঁপে ভিটামিন সমৃদ্ধ হলেও এটি বাংলাদেশের জাতীয় ফলের মর্যাদা পায়নি। মনে রাখার টিপস: জাতীয় ফুল শাপলা, জাতীয় ফল কাঁঠাল এবং জাতীয় মাছ ইলিশ।
a 1212
b 1200
c 1211
d 1204
0 96 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১২০৪ কেন সঠিক: - ইখতিয়ার উদ্দিন মোহাম্মদ বিন বখতিয়ার খিলজি ১২০৪ সালে বাংলার নদিয়া আক্রমণ ও লক্ষণ সেনকে পরাজিত করে বাংলা জয় করেন। - এটি মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠার সূচনা হিসেবে বাংলার ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ঐতিহাসিক ঘটনা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১২১২ — এই সালে বখতিয়ার খিলজি তিব্বত অভিযানে ব্যর্থ হয়ে মারা যান, বাংলা জয়ের সাল এটি নয়। B) ১২০০ — এই সালটি বখতিয়ার খিলজির বাংলা জয়ের সঙ্গে ঐতিহাসিক কোনো ঘটনার জন্য মিলে না। C) ১২১১ — এই সালে বাংলায় ইখতিয়ার উদ্দিনের মৃত্যুর পর খিলজি আমিরের ক্ষমতা সংহত হয়, জয়ের সাল নয়। D) ১২০৪ — এটিই সঠিক সাল এবং এই অপশনটি সঠিক উত্তরের সঙ্গে মিলে গেছে। মনে রাখার টিপস: বখতিয়ার খিলজির বাংলা জয় ও তেরো শতকের শুরু মনে রাখতে ১২০৪ সালটি বারবার চর্চা করুন।
a মালদ্বীপ
b সন্দ্বীপ
c হাতিয়া
d বরিশাল
0 99 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বরিশাল কেন সঠিক: - প্রাচীনকালে বর্তমান বরিশাল অঞ্চল ও এর আশপাশের এলাকা চন্দ্রদ্বীপ নামক একটি স্বাধীন জনপদ বা রাজ্য হিসেবে পরিচিত ছিল। - মধ্যযুগের বিভিন্ন ঐতিহাসিক নথিপত্র ও সাহিত্যে বাকলা বা চন্দ্রদ্বীপ অঞ্চলের ভৌগোলিক অবস্থান হিসেবে বর্তমান বরিশালকেই নির্দেশ করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মালদ্বীপ — এটি ভারত মহাসাগরের একটি স্বাধীন দ্বীপ রাষ্ট্র, যার সঙ্গে প্রাচীন বাংলার চন্দ্রদ্বীপ জনপদের কোনো ঐতিহাসিক বা ভৌগোলিক সংযোগ নেই। B) সন্দ্বীপ — এটি বাংলাদেশের একটি উপকূলীয় দ্বীপ উপজেলা ও প্রাচীন জনপদ হলেও ঐতিহাসিক চন্দ্রদ্বীপের মূল ভূখণ্ড বা বর্তমান বরিশাল অঞ্চল এটি নয়। C) হাতিয়া — এটি নোয়াখালী জেলার একটি প্রখ্যাত দ্বীপ উপজেলা, যা প্রাচীন চন্দ্রদ্বীপের ভৌগোলিক সীমানার অন্তর্ভুক্ত ছিল না। D) বরিশাল — এটি সঠিক উত্তর, কারণ প্রাচীন চন্দ্রদ্বীপ জনপদের কেন্দ্রস্থল ও বর্তমান ভৌগোলিক বিস্তার বরিশাল অঞ্চলেই অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: চন্দ্রদ্বীপের চ এবং বরিশাল অঞ্চলের প্রাচীন সমৃদ্ধি মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন, চন্দ্রদ্বীপ বললেই বরিশালের কথা মাথায় আসবে।
a ৪টি
b ৫ টি
c ৬টি
d ২টি
0 112 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪টি কেন সঠিক: - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মনোগ্রামে ৪টি তারকা চিহ্ন রয়েছে। - এই ৪টি তারকা সংবিধানের চারটি মূলনীতি (জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা) নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলাদেশের মনোগ্রামে ৪টি তারকা থাকে যা মূল ৪টি নীতিকে বোঝায়। বি) ৫ টি — এটি ভুল কারণ বাংলাদেশের মনোগ্রামে ৫টি তারকা থাকে না। সি) ৬টি — এটি ভুল কারণ ৬টি তারকা বাংলাদেশের মনোগ্রামে ব্যবহৃত হয় না। ডি) ২টি — এটি ভুল কারণ মনোগ্রামে ২টি তারকা থাকার কোনো ঐতিহাসিক বা রাষ্ট্রীয় ভিত্তি নেই। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের সংবিধানের মূলনীতি ৪টি, তাই মনোগ্রামেও তারকা রয়েছে ঠিক ৪টি।
a ফরিদপুর
b চাঁদপুর
c চট্টগ্রাম
d কুষ্টিয়া
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ফরিদপুর কেন সঠিক: - বাংলাদেশের নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট ঢাকা বিভাগের ফরিদপুর জেলায় অবস্থিত। - নদী ভাঙন রোধ এবং নদী ব্যবস্থার উন্নয়নে এটি গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফরিদপুর — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই জেলাতেই নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট অবস্থিত। B) চাঁদপুর — এটি নদী বন্দর ও মোহনার জন্য পরিচিত হলেও এখানে নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট নেই। C) চট্টগ্রাম — এটি সমুদ্র বন্দর ও পাহাড়ি অঞ্চলের জন্য পরিচিত কিন্তু এই ইনস্টিটিউট এখানে অবস্থিত নয়। D) কুষ্টিয়া — এটি গঙ্গা ব্যারেজ ও হার্ডিঞ্জ ব্রিজের জন্য পরিচিত হলেও নদী গবেষণা ইনস্টিটিউটের অবস্থান এখানে নয়। মনে রাখার টিপস: নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট কোথায় জানতে চাইলে মনে রাখবে পদ্মা নদীর অববাহিকার জেলা ফরিদপুরের কথা।
a টেকনাফ
b কক্সবাজার
c পটুয়াখালী
d খুলনা
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পটুয়াখালী কেন সঠিক: - পটুয়াখালী জেলার কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতের ভৌগোলিক ও সৌন্দর্যগত অবস্থানের কারণে এই জেলাকে সাগরকন্যা বলা হয়। - পর্যটকদের কাছে আকর্ষণীয় এই উপকূলীয় এলাকাটি প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য দেশজুড়ে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) টেকনাফ — এটি কক্সবাজার জেলার একটি উপজেলা, যা দেশের সর্বদক্ষিণের মূল ভূখণ্ড হলেও একে সাগরকন্যা বলা হয় না। B) কক্সবাজার — এটি দেশের প্রধান পর্যটন শহর এবং দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত হলেও এই নির্দিষ্ট ভৌগোলিক নামে পরিচিত নয়। D) খুলনা — এটি দক্ষিণ অঞ্চলের একটি প্রধান বিভাগ ও শিল্পনগরী, যার ভৌগোলিক পরিচিতি অন্য ধারার। মনে রাখার টিপস: পটুয়াখালীর কুয়াকাটার অপরূপ সৌন্দর্য মানেই হলো সাগরকন্যা।
a 39386
b 39387
c 39356
d 39389
0 114 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: B) ১ নভেম্বর ২০০৭ কেন সঠিক: - তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে সংবিধানের একুশতম সংশোধনী অনুযায়ী ২০০৭ সালের ১ নভেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথক করা হয়। - মাসদার হোসেন মামলার রায়ের নির্দেশনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে বিচার বিভাগকে নির্বাহী বিভাগ থেকে আলাদা করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৪ জানুয়ারি ২০০৭ — এই তারিখে বাংলাদেশে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছিল, যা বিচার বিভাগ পৃথকীকরণের তারিখ নয়। B) ১ নভেম্বর ২০০৭ — এটি সঠিক তারিখ, যেদিন নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ আনুষ্ঠানিকভাবে পৃথক করা হয়। C) ২৬ মার্চ ২০০৭ — এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস, যা বিচার বিভাগ পৃথকীকরণের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) ১৬ ডিসেম্বর ২০০৭ — এটি বাংলাদেশের বিজয় দিবস, যা এই ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নয়। মনে রাখার টিপস: বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ কার্যকর হয় ২০০৭ সালের ১ নভেম্বর, যা মাসদার হোসেন মামলার ঐতিহাসিক রায়ের ফল।
a ঢাকা
b লাহাের
c দিল্লি
d চট্টগ্রাম
0 134 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) লাহাের প্রদত্ত তথ্য: ঐতিহাসিক ছয় দফা দাবি পেশ করা হয়েছিল এটি বাঙালির মুক্তির সনদ হিসেবে পরিচিত ধরি, পেশ করার স্থান নির্ধারণ করা হয়েছিল পাকিস্তানের একটি ঐতিহাসিক শহরে অতএব, ১৯৬৬ সালের ৫ থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি এই সম্মেলন হয় বাঙালির অধিকার আদায়ের এই প্রস্তাব রাখা হয় সুতরাং, ১৯৬৬ সালের লাহোর প্রস্তাবের আদলে এটি উত্থাপিত হয় উত্তর: লাহাের
a গজারিয়া
b গাজীপুর
c সাভার
d ভালুকা
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) গজারিয়া কেন সঠিক: - মুন্সিগঞ্জ জেলার গজারিয়ায় দেশের প্রথম ঔষধ পার্ক বা অ্যাক্টিভ ফার্মাসিউটিক্যাল ইনগ্রেডিয়েন্টস পার্ক স্থাপিত হচ্ছে। - এটি দেশের ওষুধ শিল্পের কাঁচামাল উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের জন্য প্রতিষ্ঠিত একটি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গজারিয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানেই দেশের প্রথম ঔষধ পার্কটি অবস্থিত। B) গাজীপুর — এটি পোশাক শিল্প ও বিসিক শিল্পনগরীর জন্য পরিচিত হলেও প্রথম ঔষধ পার্ক এখানে নয়। C) সাভার — এটি চামড়া শিল্পনগরী এবং বিকেএসপির জন্য পরিচিত, প্রথম ঔষধ পার্কের স্থান নয়। D) ভালুকা — এটি ময়মনসিংহের একটি শিল্প এলাকা হলেও প্রথম ঔষধ পার্ক হিসেবে নির্ধারিত নয়। মনে রাখার টিপস: ওষুধের কাঁচামাল বা পার্কের ক্ষেত্রে মুন্সিগঞ্জের 'গজারিয়া' নামটি মনে রাখতে হবে।
a 1998
b 1999
c 2000
d 2001
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২০০০ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ২০০০ সালের ২৬ জুন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (ICC) পূর্ণ সদস্য বা টেস্ট মর্যাদা লাভ করে। - ভারতের বিপক্ষে ২০০০ সালের ১০ নভেম্বর বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ তার ইতিহাসে প্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৯৮ — এই সালে বাংলাদেশ আইসিসি নকআউট ট্রফি আয়োজন করেছিল, তবে টেস্ট মর্যাদা পায়নি। B) ১৯৯৯ — এই সালে বাংলাদেশ ইংল্যান্ড বিশ্বকাপে পাকিস্তান দলকে পরাজিত করেছিল, যা টেস্ট মর্যাদার ঠিক আগের বছর। D) ২০০১ — এই সালের আগেই বাংলাদেশ টেস্ট মর্যাদা পেয়ে গিয়েছিল, এটি ভুল সাল। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ ক্রিকেট দল নতুন শতাব্দীর শুরুতে অর্থাৎ ২০০০ সালে টেস্ট খেলার গৌরব অর্জন করে।
a বিশকেক
b আলমা আতা
c আশখাবাদ
d উলানবাটোর
0 124 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিশকেক কেন সঠিক: - বিশকেক মধ্য এশিয়ার দেশ কিরগিজস্তানের রাজধানী ও বৃহত্তম শহর। - এটি চু উপত্যকায় তিয়ান শান পর্বতমালা সংলগ্ন এলাকায় অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিশকেক — এটি কিরগিজস্তানের বর্তমান রাজধানী। B) আলমা আতা — এটি কাজ়াখস্তানের সাবেক রাজধানী এবং বর্তমান আলমাতি শহর। C) আশখাবাদ — এটি কিরগিজস্তানের রাজধানী নয়, বরং প্রতিবেশী দেশ তুর্কমেনিস্তানের রাজধানী। D) উলানবাটোর — এটি কিরগিজস্তানের রাজধানী নয়, এটি পূর্ব এশিয়ার দেশ মঙ্গোলিয়ার রাজধানী। মনে রাখার টিপস: কিরগিজস্তানের রাজধানী মনে রাখতে বিশকেক নামটি মনে রাখুন, যেখানে প্রথম অক্ষর ব এবং রাজধানী ও দেশের নামের মিল রয়েছে।
a ঢাকা
b কাঠমান্ডু
c থিম্পু
d মালে
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) থিম্পু কেন সঠিক: - ষোড়শ সার্ক সম্মেলন ২০১০ সালের ২৮ ও ২৯ এপ্রিল ভুটানের রাজধানী থিম্পুতে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। - জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশগত ইস্যুকে এই সম্মেলনের প্রধান এজেন্ডা হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঢাকা — ঢাকা ত্রয়োদশ সার্ক সম্মেলন এবং আরও অন্যান্য আঞ্চলিক বৈঠক আয়োজন করলেও ষোড়শ সম্মেলনের আয়োজক ছিল না। B) কাঠমান্ডু — কাঠমান্ডুতে সার্কের সচিবালয় অবস্থিত এবং এটি একাদশসহ কয়েকটি সম্মেলনের আয়োজন করেছে, তবে ষোড়শ সম্মেলন এখানে হয়নি। C) থিম্পু — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। D) মালে — মালদ্বীপের রাজধানী মালে পঞ্চদশ সার্ক সম্মেলনের আয়োজক দেশ ছিল, ষোড়শ সম্মেলনের নয়। মনে রাখার টিপস: ষোড়শ সার্ক সম্মেলনের মূল বিষয় ছিল জলবায়ু পরিবর্তন আর ভুটানের পরিবেশ রক্ষায় বিশেষ গুরুত্বের কারণে সম্মেলনটি থিম্পুতে বসেছিল।
a EU
b WTO
c NATO
d FIFA
0 173 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) EU কেন সঠিক: - বিশ্ব অর্থনীতিতে জিডিপির মোট আকার ও ক্রয়ক্ষমতার বিচারে ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা ইইউ বিশ্বের বৃহত্তম একক অর্থনৈতিক জোট। - এর সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সমন্বিত বাজার ও অভিন্ন বাণিজ্যের বিশাল পরিধি একে এই শীর্ষস্থান দিয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) EU — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনৈতিক জোট। B) WTO — এটি বৈশ্বিক বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা, কোনো অর্থনৈতিক জোট নয়। C) NATO — এটি একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট, অর্থনৈতিক কোনো জোট নয়। D) FIFA — এটি আন্তর্জাতিক ফুটবল নিয়ন্ত্রক সংস্থা, অর্থনৈতিক বা বাণিজ্যিক জোট নয়। মনে রাখার টিপস: টাকার পরিমাণে সবার সেরা, ইউরোপের ইইউ জোটটি দেয় পাহারা।
a ডিনামাইট
b বিদ্যুৎ
c পােলিও টিকা
d কয়লা
0 108 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ডিনামাইট কেন সঠিক: - সুইডিশ রসায়নবিদ ও প্রকৌশলী আলফ্রেড নোবেল ১৮৬৬ সালে ডিনামাইট আবিষ্কার করেন। - এটি ছিল গানপাউডার বা বারুদের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী এবং খনি খনন বা নির্মাণের কাজে নিরাপদ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডিনামাইট — এটি আলফ্রেড নোবেল আবিষ্কার করেছিলেন এবং এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। B) বিদ্যুৎ — বিদ্যুৎ আবিষ্কার বা এর আধুনিক রূপের সাথে আলফ্রেড নোবেল যুক্ত নন, এটি মাইকেল ফ্যারাডে ও অন্যান্য বিজ্ঞানীদের অবদান। C) পােলিও টিকা — পল্লিও টিকা আবিষ্কার করেন জোনাস সলক এবং আলবার্ট সাবিন, নোবেলের সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই। D) কয়লা — কয়লা কোনো মানুষের আবিষ্কার নয়, এটি প্রাকৃতিকভাবে খনি থেকে উত্তোলিত একটি জীবাশ্ম জ্বালানি। মনে রাখার টিপস: নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আলফ্রেড নোবেল নিজেই ডিনামাইট আবিষ্কার করেছিলেন।
a জাপান
b যুক্তরাজ্য
c ফ্রান্স
d সুইডেন
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সুইডেন কেন সঠিক: - G-৮ বা শিল্পোন্নত আটটি দেশের জোটের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সুইডেন অন্তর্ভুক্ত নয়। - বিশ্ব অর্থনীতির শীর্ষস্থানীয় শিল্পোন্নত গণতান্ত্রিক দেশগুলো নিয়ে এই জোট গঠিত হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাপান — এটি G-৮ জোটের অন্যতম প্রধান এশীয় সদস্য দেশ। B) যুক্তরাজ্য — এটি G-৮ জোটের প্রতিষ্ঠাতা ও ইউরোপীয় সদস্য রাষ্ট্র। C) ফ্রান্স — এটি G-৮ জোটের অন্যতম প্রধান ইউরোপীয় অর্থনৈতিক শক্তি। D) সুইডেন — এটি G-৮ জোটের সদস্য নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: G-৮ জোটের দেশগুলো হলো যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, জাপান ও রাশিয়া (বর্তমানে জি-৭)। সুইডেন এই তালিকায় নেই।
a নরওয়ে
b ফিনল্যান্ড
c ইন্দোনেশিয়া
d জাপান
0 94 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ফিনল্যান্ড কেন সঠিক: - ফিনল্যান্ডে প্রচুর হ্রদ রয়েছে, যার সংখ্যা লক্ষাধিক এবং এ কারণেই দেশটিকে হাজার হ্রদের দেশ বলা হয়। - দেশটির ভূপ্রকৃতি বরফগলা পানিতে গঠিত অসংখ্য হ্রদ দ্বারা সমৃদ্ধ, যা এর ভৌগোলিক প্রধান বৈশিষ্ট্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নরওয়ে — এটি ফিওর্ডের দেশ হিসেবে পরিচিত, হাজার হ্রদের দেশ নয়। B) ফিনল্যান্ড — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ এখানে অসংখ্য হ্রদ রয়েছে। সি) ইন্দোনেশিয়া — এটি দ্বীপের দেশ বা হাজার দ্বীপের দেশ হিসেবে পরিচিত। ডি) জাপান — এটিকে সূর্যোদয়ের দেশ বলা হয়, হাজার হ্রদের দেশ নয়। মনে রাখার টিপস: ফিনল্যান্ড শব্দের শুরুতে ফ আছে এবং হাজার হ্রদের দেশ হিসেবে ফিনল্যান্ড নামটি মনে রাখা সহজ।
a সুদান
b সাইপ্রাস
c মালদ্বীপ
d ভুটান
0 117 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মালদ্বীপ কেন সঠিক: - মালদ্বীপ একটি দ্বীপ রাষ্ট্র এবং এদের কোনো স্থায়ী সেনাবাহিনী নেই। - দেশের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তার দায়িত্বে ন্যাশনাল ডিফেন্স ফোর্স নামে একটি আধানামরিক বাহিনী নিয়োজিত আছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুদান — এই দেশের সক্রিয় ও সুসজ্জিত নিয়মিত সেনাবাহিনী রয়েছে। B) সাইপ্রাস — এই দেশের নিজস্ব ন্যাশনাল গার্ড নামক স্থায়ী সামরিক বাহিনী আছে। D) ভুটান — এই দেশের রয়্যাল ভুটান আর্মি নামক নিয়মিত সেনাবাহিনী রয়েছে। মনে রাখার টিপস: ছোট দ্বীপ রাষ্ট্র মালদ্বীপের সামরিক বাহিনী নেই, সুরক্ষার জন্য তাদের রয়েছে ন্যাশনাল ডিফেন্স ফোর্স।
a ১৮৬৩ সালে
b ১৮৬৮ সালে
c ১৮৬৬ সালে
d ১৮৬১ সালে
0 114 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৮৬৩ সালে কেন সঠিক: - সুইজারল্যান্ডের মানবতাবাদী জ্যঁ হেনরি ডুনান্ট ১৮৬৩ সালে জেনেভায় রেডক্রস প্রতিষ্ঠা করেন। - যুদ্ধাহত সৈনিকদের সেবা প্রদান এবং আন্তর্জাতিক মানবিক আইন প্রচারের উদ্দেশ্যে এই সংস্থা গঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৮৬৩ সালে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই আন্তর্জাতিক রেডক্রস কমিটি প্রতিষ্ঠিত হয়। B) ১৮৬৮ সালে — এই সালে রেডক্রস প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা বা সাল যুক্ত নয়। C) ১৮৬৬ সালে — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ এই সালের সঙ্গে রেডক্রস প্রতিষ্ঠার কোনো সংযোগ নেই। D) ১৮৬১ সালে — এই সালে আমেরিকার গৃহযুদ্ধ শুরু হয়েছিল কিন্তু রেডক্রস প্রতিষ্ঠিত হয়নি। মনে রাখার টিপস: রেডক্রস প্রতিষ্ঠার সালটি মনে রাখতে সংখ্যা মনে রাখুন এভাবে, হেনরি ডুনান্ট ১৮৬৩ সালে যুদ্ধাহতদের জন্য কাজ শুরু করেন।
a ২৬ জুন
b ১ আগস্ট.
c ১ মে
d ১০ ডিসেম্বর
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১০ ডিসেম্বর কেন সঠিক: - ১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে সার্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণা গৃহিত হয়। - দিনটির স্মরণে প্রতি বছর ১০ ডিসেম্বর বিশ্বজুড়ে মানবাধিকার দিবস পালিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৬ জুন — এই তারিখে আন্তর্জাতিক নির্যাতন শিকারদের সমর্থনে আন্তর্জাতিক দিবস পালিত হয়। B) ১ আগস্ট — এই তারিখে বিশ্ব স্তন্যপান সপ্তাহ শুরু হয়, যা মানবাধিকার দিবসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) ১ মে — এই তারিখে আন্তর্জাতিক শ্রমিক সংহতি দিবস বা মে দিবস পালিত হয়। D) ১০ ডিসেম্বর — এটি বিশ্ব মানবাধিকার দিবস হিসেবে নির্ধারিত সঠিক তারিখ। মনে রাখার টিপস: মানবাধিকারের মা এবং ডিসেম্বরের দ দিয়ে মনে রাখতে পারেন মা-দ মানে মানবাধিকার দিবস ডিসেম্বরে।
a 1904
b 1924
c 1914
d 1905
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৯০৪ কেন সঠিক: - ফিফা বা আন্তর্জাতিক ফুটবল ফেডারেশন (FIFA) ২১শে মে ১৯০৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। - এর সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জুরিখে অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯০৪ — এই সালে ফিফা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এবং ফ্রান্সের প্যারিসে এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয়। B) ১৯২৫ — এই সালে ফিফা প্রতিষ্ঠিত হয়নি, এটি একটি ভুল সাল। সি) ১৯১৪ — প্রথম বিশ্বযুদ্ধের শুরু হওয়ার বছর, ফিফা প্রতিষ্ঠার বছর নয়। D) ১৯০৫ — এটি ফিফা প্রতিষ্ঠার পরের বছর, তাই সঠিক উত্তর নয়। মনে রাখার টিপস: ফিফা মানে ফুটবল বিশ্বকাপ, যা ১৯০৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। সালটি মনে রাখতে ১৯০৪ সংখ্যাটি মনে রাখুন।

মোট প্রশ্ন (20)

a আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত
b ঘূর্ণিঝড়
c চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণ
d সমুদ্র তলদেশের ভূমিকম্প
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সমুদ্র তলদেশের ভূমিকম্প ১. কেন সঠিক: - সুনামির প্রধান কারণ হলো সমুদ্রের তলদেশে টেকটনিক প্লেটের হঠাৎ স্থানচ্যুতি বা সামুদ্রিক ভূমিকম্প। - এর ফলে সমুদ্রের বিপুল পরিমাণ পানি আকস্মিক উপরে উঠে যায় এবং বিশাল আকারের সামুদ্রিক তরঙ্গের সৃষ্টি করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: সুজাদা জাপানি শব্দ, যার অর্থ বন্দরের ঢেউ। এটি মূলত দীর্ঘ তরঙ্গদৈর্ঘ্যের সামুদ্রিক জলরাশি। - কার্যপ্রণালি: প্লেট টেকটনিক সংঘর্ষের ফলে সমুদ্রের তলদেশ উঁচুতে উঠে গেলে ওপরের জলরাশি তীব্র বেগে চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ২০০৪ সালের ভারত মহাসাগরীয় সুনামি। ব্যাখ্যা: ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপে সমুদ্র তলদেশের শক্তিশালী ভূমিকম্পের ফলে এই ভয়াবহ সুনামি হয়েছিল। উদাহরণ ২: ২০১১ সালের জাপানের পূর্ব উপকূলের সুনামি। ব্যাখ্যা: প্রশান্ত মহাসাগরীয় প্লেটের বিচ্যুতির কারণে এই ভূমিকম্প ও সুনামি উপকূলে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাত — এটি সুনামির গৌণ কারণ হতে পারে, তবে প্রধান বা সর্বাধিক সাধারণ কারণ নয়। B) ঘূর্ণিঝড় — ঘূর্ণিঝড় কেবল উপকূলীয় জোয়ার বা জলোচ্ছ্বাস সৃষ্টি করে, সুনামি নয়। C) চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণ — চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণের ফলে সমুদ্রের জোয়ার-ভাটা হয়, সুনামি হয় না। D) সমুদ্র তলদেশের ভূমিকম্প — এটিই সুনামির প্রধান ও বৈজ্ঞানিকভাবে পরীক্ষিত মূল কারণ। ৫ মনে রাখার টিপস: - সুনামি শব্দের উৎপত্তি জাপানি ভাষা থেকে। - মনে রাখবে, ভূমিতে ভূমিকম্প আর সমুদ্রে হলে সেটাই সুনামি রূপ নেয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রিখটার স্কেল বা প্লেট টেকটনিক সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - সুনামির গতিবেগ গভীর সমুদ্রে প্রতি ঘণ্টায় আটশো কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে।
a হাইড্রোজেন সরবরাহ করে
b নাইট্রোজেন সরবরাহ করে
c অক্সিজেন সরবরাহ করে
d অক্সিজেন সরবরাহে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে
0 92 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অক্সিজেন সরবরাহে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে ১. কেন সঠিক: - আগুন জ্বলার জন্য তিনটি প্রধান উপাদানের প্রয়োজন হয়, যা ফায়ার ট্রায়াঙ্গেল নামে পরিচিত। এই উপাদানগুলো হলো জ্বালানি, অক্সিজেন এবং তাপ। - রাসায়নিক অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র থেকে নিক্ষিপ্ত পদার্থ আগুন ও বাতাসের মধ্যে একটি আস্তরণ তৈরি করে, যা অক্সিজেনকে জ্বলন্ত বস্তুর সংস্পর্শে আসতে বাধা দেয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: অগ্নিনির্বাপণ মূলত দহন বিক্রিয়া বন্ধ করার একটি বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়া। - কার্যপ্রণালি: কার্বন ডাইঅক্সাইড বা ফوم জাতীয় অগ্নিনির্বাপক বাতাসে অক্সিজেনের পরিমাণ কমিয়ে দেয় এবং জ্বলন্ত বস্তুকে ঢেকে ফেলে। - কারণ ও ফলাফল: অক্সিজেনের সরবরাহ বন্ধ বা কমে যাওয়ার কারণে আগুন আর জ্বালানি জারিত করতে পারে না এবং নিভে যায়। - বাস্তব প্রয়োগ: রান্নাঘরে তেল বা কারখানায় রাসায়নিক আগুন নেভানোর জন্য ফায়ার এক্সটিংগুইশার ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কার্বন ডাইঅক্সাইড সিলিন্ডার। ব্যাখ্যা: এটি বাতাসের চেয়ে ভারী হওয়ায় বাতাসের স্তর ঠেলে নিচে নেমে আসে এবং আগныর চারপাশে ভারী আস্তরণ তৈরি করে অক্সিজেন বিচ্ছিন্ন করে। উদাহরণ ২: ভেজা কম্বল বা বালি ছিটানো। ব্যাখ্যা: জ্বলন্ত বস্তুর ওপর বালি বা ভেজা কম্বল চাপা দিলে অক্সিজেন প্রবেশ করতে পারে না এবং আগুন দ্রুত নিভে যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাইড্রোজেন সরবরাহ করে — হাইড্রোজেন নিজে একটি অত্যন্ত দাহ্য গ্যাস যা আগুন জ্বালাতে সাহায্য করে, তাই এটি দিলে আগুন আরও বেড়ে যাবে। B) নাইট্রোজেন সরবরাহ করে — নাইট্রোজেন নিষ্ক্রিয় গ্যাস হলেও সরাসরি অগ্নিনির্বাপক হিসেবে কাজ করে না, বরং রাসায়নিক নির্বাপক মূলত অক্সিজেন রোধ করে। C) অক্সিজেন সরবরাহ করে — আগুন জ্বলার মূল চালিকাশক্তি হলো অক্সিজেন, তাই অক্সিজেন সরবরাহ করলে আগুন আরও তীব্রভাবে জ্বলে উঠবে। D) অক্সিজেন সরবরাহে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে — এটি সঠিক কারণ অগ্নি নির্বাপণের মূল নীতিই হলো বাতাসের অক্সিজেনকে আগুনের সংস্পর্শ থেকে দূরে রাখা। ৫ মনে রাখার টিপস: - আগুন নেভানোর সহজ সূত্র হলো অক্সিজেন সরিয়ে ফেলা। অক্সিজেন না থাকলে আগুন বাঁচতে পারে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - দহন প্রক্রিয়ার জন্য প্রয়োজনীয় তিনটি উপাদান হলো জ্বালানি, তাপমাত্রা এবং অক্সিজেন। এদের যেকোনো একটি সরিয়ে নিলেই আগুন নিভে যায়।
a বৃষ্টিপাত কমে যাবে
b নিম্নভূমি নিমজ্জিত হবে
c উত্তাপ অনেক বেড়ে যাবে
d সাইক্লোনের প্রবণতা বাড়বে
0 135 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নিম্নভূমি নিমজ্জিত হবে ১. কেন সঠিক: গ্রিন হাউস ইফেক্টের কারণে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে, যার ফলে মেরু অঞ্চলের বরফ গলে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বেড়ে চলেছে। বাংলাদেশ একটি নদীমাতৃক ও বদ্বীপ অঞ্চল হওয়ায় এর বিশাল একটি দক্ষিণাঞ্চল সমুদ্রপৃষ্টের খুব কাছাকাছি অবস্থিত, তাই এটি সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মুখে রয়েছে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: গ্রিন হাউস গ্যাস যেমন কার্বন ডাই অক্সাইড বায়ুমণ্ডলে তাপ আটকে রেখে গ্লোবাল ওয়ার্মিং বা বিশ্ব উষ্ণায়ন ঘটাচ্ছে। কার্যপ্রণালি: বায়ুমণ্ডলে এসব গ্যাসের ঘনত্ব বাড়লে ভূ-পৃষ্ঠ থেকে বিকشিত তাপ মহাশূন্যে সহজে চলে যেতে পারে না এবং বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। কারণ ও ফলাফল: তাপ বৃদ্ধির ফলে গ্লেসিয়ার বা হিমবাহ গলে সমুদ্রে পানির পরিমাণ বৃদ্ধি পায় এবং উপকূলীয় নিম্নভূমি তলিয়ে যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুন্দরবন ও উপকূলীয় জেলাসমূহ ব্যাখ্যা: সমুদ্রের পানির উচ্চতা সামান্য বাড়লেই বাংলাদেশের সুন্দরবন এবং ভোলা ও সাতক্ষীরার মতো উপকূলীয় নিচু এলাকাগুলো প্রথমে প্লাবিত হবে। উদাহরণ ২: গলে যাওয়া আইসবার্গ ব্যাখ্যা: ফ্রিজ থেকে বরফ বের করে বাইরে রাখলে যেমন তা গলে পানি হয়ে পাত্রের নিচেই জমে, তেমনি গ্লোবাল ওয়ার্মিংয়ে মেরুর বরফ গলে সমুদ্রের পানি বাড়ছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বৃষ্টিপাত কমে যাবে — গ্রিন হাউস ইফেক্টে সামগ্রিক বৃষ্টিপাত কমে না, বরং জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে অতিবৃষ্টি বা অনাবৃষ্টির মতো চরম আবহাওয়া দেখা দেয়। B) নিম্নভূমি নিমজ্জিত হবে — এটি সঠিক কারণ সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশের নিচু এলাকাগুলো সরাসরি তলিয়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে আছে। C) উত্তাপ অনেক বেড়ে যাবে — উত্তাপ বাড়ে বটে, তবে তা সামগ্রিক বৈশ্বিক পরিবর্তনের অংশ এবং এর সবচেয়ে মারাত্মক আঞ্চলিক পরিণতি হলো ভূমি নিমজ্জিত হওয়া। D) সাইক্লোনের প্রবণতা বাড়বে — সাইক্লোনের প্রবণতা বা তীব্রতা বাড়তে পারে, তবে ভৌগোলিক ও ভূখণ্ডের ক্ষয়ক্ষতির বিচারে দেশের অস্তিত্বের জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি হলো ভূমি নিমজ্জিত হওয়া। ৫ মনে রাখার টিপস: গ্রিন হাউস মানেই বরফ গলা এবং বরফ গলা মানেই পানি বৃদ্ধি, তাই বাংলাদেশের মতো নিচু বদ্বীপের জন্য সবচেয়ে বড় পরিণতি হলো নিম্নভূমি নিমজ্জিত হওয়া। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: গ্রিন হাউস গ্যাসের মধ্যে কার্বন ডাই অক্সাইডের অবদান সবচেয়ে বেশি এবং এর প্রভাবে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির হার দিন দিন উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। একই ধারণা থেকে পরীক্ষায় প্রশ্ন আসতে পারে যে গ্লোবাল ওয়ার্মিংয়ের মূল কারণ কোনটি বা কোন গ্যাসটির প্রভাব সবচেয়ে বেশি।
a তামা ও টিন
b তামা ও দস্তা
c তামা ও নিকেল
d তামা ও সিসা
0 108 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) তামা ও দস্তা ১. কেন সঠিক: পিতল একটি ধাতুসংকর বা সংকর ধাতু, যা মূলত তামা এবং দস্তা বা জিঙ্কের মিশ্রণে তৈরি করা হয়। তামার নমনীয়তা এবং দস্তার কাঠিন্য একত্রিত হয়ে পিতলকে একটি শক্ত ও টেকসই উপাদান হিসেবে গড়ে তোলে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: দুই বা ততোধিক ধাতু অথবা একটি ধাতু ও একটি অধাতুর সমসত্ব মিশ্রণকে সংকর ধাতু বলে। রাসায়নিক উপাদান: পিতলে সাধারণত ৭০ শতাংশ তামা এবং ৩০ শতাংশ দস্তা থাকে, তবে অনুপাত কিছুটা পরিবর্তিত হতে পারে। বাস্তব প্রয়োগ: পিতল জংরোধী এবং দেখতে সোনালী রঙের হওয়ায় এটি দিয়ে ঘরবাড়ি সাজানোর জিনিসপত্র ও বাদ্যযন্ত্র তৈরি করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পিতলের তৈরি প্রাচীন বাদ্যযন্ত্র যেমন ট্রাম্পেট বা হর্ন। ব্যাখ্যা: পিতলের চমৎকার ধ্বনি প্রতিধ্বনি করার ক্ষমতা থাকায় এটি বাদ্যযন্ত্র তৈরিতে বহুল ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: দরজা ও জানালার হাতল বা তালা। ব্যাখ্যা: পিতল সহজে ক্ষয় হয় না এবং এটি দেখতে আকর্ষণীয় হওয়ায় গৃহস্থালির হার্ডওয়্যার তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তামা ও টিন — এই দুটি উপাদানের সংকর ধাতুকে ব্রোঞ্জ বা কাঁসা বলা হয়, পিতল নয়। B) তামা ও দস্তা — এটি পিতলের সঠিক উপাদান এবং এই মিশ্রণটি পিতল তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। C) তামা ও নিকেল — তামা ও নিকেলের সংকর ধাতুকে কুপ্রো-নিকেল বলা হয়, যা মুদ্রা তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। D) তামা ও সিসা — এই সংকর ধাতু বেয়ারিং এবং প্লাম্বিং এর কাজে ব্যবহৃত হয়, এটি পিতল নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: পিতল মনে রাখার সহজ কৌশল হলো পিতার সংকর ধাতু, যেখানে পিতা শব্দের পি মানে পিতল এবং তা মানে তামা, আর সঙ্গে থাকে জিংক বা দস্তা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সংকর ধাতু সম্পর্কিত প্রশ্ন বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। তামা ও টিনের মিশ্রণে কাঁসা এবং তামা ও দস্তার মিশ্রণে পিতল তৈরি হয়, এই দুটি প্রায়ই পরীক্ষার্থীদের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে।
a কম হয়
b খুব কম হয়
c একই হয়
d বেশি হয়
0 100 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) একই হয় ১. কেন সঠিক: পাখার গতি কমানোর জন্য রেগুলেটর ব্যবহার করা হয় যা মূলত বর্তনীর রোধ বাড়িয়ে দেয়। রোধ বাড়ার ফলে বিদ্যুৎ প্রবাহ কমে যায় কিন্তু মোট শক্তি খরচের পরিমাণ অপরিবর্তিত থাকে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: বৈদ্যুতিক পাখার গতি নিয়ন্ত্রণের জন্য রোধ বা রেজিস্ট্যান্স পরিবর্তন করা হয়। কার্যপ্রণালি: রেগুলেটরের মাধ্যমে বর্তনীতে অতিরিক্ত রোধ যুক্ত করলে কারেন্টের প্রবাহ হ্রাস পায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ফ্যানের রেগুলেটর ঘুরিয়ে গতি কমালে বিদ্যুৎ বিল কম আসে না। ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে যে ফ্যানের গতির সঙ্গে বিদ্যুৎ খরচের সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই। উদাহরণ ২: একটি বৈদ্যুতিক বাল্ব কম আলো দিলেও একই পরিমাণ শক্তি খরচ করতে পারে। ব্যাখ্যা: এটি শক্তির সংরক্ষণশীলতা নীতিকে সমর্থন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কম হয় — এই ধারণাটি ভুল কারণ রোধ বাড়লেও শক্তির অপচয় ভিন্নভাবে ঘটে। B) খুব কম হয় — এটি সাধারণ মানুষের ভুল ধারণার ওপর ভিত্তি করে তৈরি একটি অপশন। সি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি প্রযোজ্য নয়। D) বেশি হয় — গতি কমলে শক্তি খরচ বেশি হওয়ার কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: ফ্যানের গতি কমালেও বিদ্যুৎ বিল কমে না কারণ রেগুলেটর শুধু কারেন্ট কমায় কিন্তু শক্তি নষ্ট করে না। রোধ বাড়লে প্রবাহ কমে, তাই বিভ্রান্ত হওয়ার সুযোগ নেই। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি বিদ্যুৎ ও চুম্বকত্ব এবং তড়িৎ প্রবাহের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে। একই ধারণা থেকে ওহমের সূত্র এবং বৈদ্যুতিক ক্ষমতার ওপর প্রশ্ন আসতে পারে।
a গামা রশ্মি
b বিটা রশ্মি
c কসমিক রশ্মি
d রঞ্জন রশ্মি
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আধুনিক প্রযুক্তি ও সাধারণ বিজ্ঞান সঠিক উত্তর: A) গামা রশ্মি ১. কেন সঠিক: - প্রচলিত বিশ্বাস ও অনেক প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মতে রঙিন টেলিভিশন থেকে গামা রশ্মি নির্গত হয় বলে বিবেচনা করা হয়। - ক্যাথোড রে টিউব যুক্ত পুরোনো প্রযুক্তির টেলিভিশন চালুর সময় উচ্চ গতির ইলেকট্রন পর্দার সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে এই ক্ষতিকর রশ্মি উৎপন্ন করতে পারে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: রঙিন টেলিভিশনের মূল পর্দা বা পিকচার টিউব মূলত ক্যাথোড রে টিউব প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়। - কার্যপ্রণালি: উচ্চ বিভব পার্থক্যের কারণে ক্যাথোড থেকে ইলেকট্রন পুঞ্জ তীব্র গতিতে এসে ফসফরের পর্দায় আঘাত হানে এবং দৃশ্যমান আলো তৈরি করে। - কারণ ও ফলাফল: এই দ্রুতগামী ইলেকট্রনগুলো যখন উচ্চ পারমাণবিক ভরের ধাতব পর্দার মুখোমুখি হয়, তখন ব্রেমসস্ট্রালুং প্রক্রিয়ায় শক্তি বিকিরিত হয়ে এক্সরে বা গামা রশ্মির মতো তড়িৎ চৌম্বকীয় বিকিরণ উৎপন্ন হতে পারে। - বাস্তব প্রয়োগ: আধুনিক এলসিডি বা এলইডি টেলিভিশনে ক্যাথোড রে টিউব ব্যবহার করা হয় না বলে এই ধরনের বিকিরণ ঝুঁকি বর্তমানে থাকে না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পুরোনো অ্যানালগ কম্পিউটার মনিটর ব্যাখ্যা: এগুলোতেও একই ক্যাথোড রে টিউব প্রযুক্তি ব্যবহার করা হতো যা থেকে সীমিত মাত্রার বিকিরণ নির্গত হতে পারত। উদাহরণ ২: এক্সরে মেশিন ব্যাখ্যা: হাসপাতালে ব্যবহৃত এক্সরে মেশিনেও দ্রুতগামী ইলেকট্রনকে ধাতুতে আঘাত করে ভেদন ক্ষমতাসম্পন্ন রশ্মি তৈরি করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গামা রশ্মি — এটি সাধারণত তেজস্ক্রিয় মৌলের নিউক্লিয়াস থেকে নির্গত হয় এবং পুরোনো রঙিন টিভির প্রশ্নে পরীক্ষামূলকভাবে সঠিক উত্তর হিসেবে ধরা হয়। B) বিটা রশ্মি — এটি মূলত উচ্চ গতির ইলেকট্রন কণা প্রবাহ যা টেলিভিশন পর্দার ভেতরে থাকে কিন্তু বাইরে ক্ষতিকর রশ্মি হিসেবে ছড়ায় না। C) কসমিক রশ্মি — এটি মহাকাশ থেকে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে আসা উচ্চ শক্তির কণা যার সঙ্গে কৃত্রিম টেলিভিশনের কোনো সরাসরি সংযোগ নেই। D) রঞ্জন রশ্মি — এটি চিকিৎসাবিজ্ঞানে বহুল ব্যবহৃত হলেও প্রচলিত বহু নৈর্ব্যত্তিক প্রশ্নে রঙিন টিভি থেকে গামা রশ্মি নির্গত হয় বলেই উত্তর নির্ধারিত থাকে। ৫. মনে রাখার টিপস: - রঙিন টেলিভিশন এবং গামা রশ্মির সম্পর্কটি পরীক্ষার খাতার জন্য মুখস্থ রাখতে হবে। - মনে রাখবে পুরোনো টিউব টিভি মানেই তেজস্ক্রিয়তার ঝুঁকি এবং গামা রশ্মির উপস্থিতি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - আধুনিক ফ্ল্যাট স্ক্রিন টিভিতে এই ক্ষতিকর রশ্মির কোনো ঝুঁকি নেই। - ক্যাথোড রে টিউব সম্পর্কিত প্রশ্নগুলোতে প্রায়শই এই ধরনের বিকিরণের কথা জানতে চাওয়া হয়।
a রােগ মানবদেহের কিডনি নষ্ট করে
b চিনিজাতীয় খাবার বেশি খেলে এ রােগ হয়
c এ রােগ হলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বৃদ্ধি পায়
d ইনসুলিনের অভাবে এ রােগ হয়
0 111 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চিনিজাতীয় খাবার বেশি খেলে এ রােগ হয় ১. কেন সঠিক: - চিনিজাতীয় খাবার সরাসরি ডায়াবেটিস রোগ সৃষ্টি করে না, বরং এটি অগ্ন্যাশয়ের কার্যক্ষমতা হ্রাস এবং ইনসুলিন হরমোনের ঘাটতি বা কার্যকারিতার অভাবজনিত বিপাকীয় রোগ। - অতিরিক্ত চিনি বা মিষ্টি খাবার খাওয়া স্থূলতার ঝুঁকি বাড়ায়, আর স্থূলতা ডায়াবেটিসের একটি অন্যতম গৌণ কারণ মাত্র। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: ডায়াবেটিস মেলিটাস হলো এমন একটি দীর্ঘমেয়াদি বিপাকীয় রোগ, যেখানে মানবদেহের রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি বৃদ্ধি পায়। - কার্যপ্রণালি: অগ্ন্যাশয়ের আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহান্সের বেটা কোষ থেকে ইনসুলিন উৎপাদনে ব্যর্থতা ঘটলে কোষে গ্লুকোজ প্রবেশ করতে পারে না। - কারণ ও ফলাফল: ইনসুলিনের অপর্যাপ্ততা বা কার্যকারিতার অভাবে রক্তের শর্করা কোষে না গিয়ে রক্তে জমা হয় এবং বহুমূত্র ও অঙ্গহানির মতো জটিলতা তৈরি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: একজন ব্যক্তি সারাজীবনে কখনো অতিরিক্ত চিনি খাননি, তবুও বংশগত বা অটোইমিউন সমস্যার কারণে টাইপ ১ ডায়াবেটিস হতে পারে। ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে যে সরাসরি চিনি খাওয়া ডায়াবেটিসের মূল বা একমাত্র কারণ নয়। উদাহরণ ২: অতিরিক্ত ফাস্টফুড বা প্রক্রিয়াজাত খাবার খেয়ে শরীরের ওজন বৃদ্ধির ফলে টাইপ ২ ডায়াবেটিস দেখা দিতে পারে। ব্যাখ্যা: এখানে অতিরিক্ত ক্যালরি গ্রহণ ও ওজন বৃদ্ধি মূল ভূমিকা পালন করে, সরাসরি চিনি নয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রোগ মানবদেহের কিডনি নষ্ট করে — এই তথ্যটি সত্য, কারণ দীর্ঘমেয়াদি অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস কিডনির সূক্ষ্ম রক্তনালি ধ্বংস করে ডায়াবেটিক নেফ্রোপ্যাথি ঘটাতে পারে। B) চিনিজাতীয় খাবার বেশি খেলে এ রােগ হয় — এই তথ্যটি সত্য নয়, তাই এটিই সঠিক উত্তর হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। C) এ রোগ হলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বৃদ্ধি পায় — এই তথ্যটি সত্য, কারণ ইনসুলিনের অভাবে কোষ গ্লুকোজ গ্রহণ করতে না পারায় রক্তে শর্করার মাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায়। D) ইনসুলিনের অভাবে এ রোগ হয় — এই তথ্যটি সত্য, কারণ অগ্ন্যাশয় পর্যাপ্ত ইনসুলিন তৈরি করতে না পারলে বা শরীর ইনসুলিন ব্যবহার করতে না পারলে ডায়াবেটিস হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ডায়াবেটিস মানে চিনির দোষ নয়, বরং ইনসুলিনের দোষ। - অগ্ন্যাশয় ইনসুলিন কম দিলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বেড়ে যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের প্রধান হরমোন হলো ইনসুলিন, যা আবিষ্কৃত হয় ১৯২১ সালে। - একই ধারণা থেকে পরীক্ষায় আসতে পারে যে ইনসুলিন কোন অঙ্গ থেকে নিঃসৃত হয়।
a হৃৎপিণ্ডের বন্ধ শিরা বেলুনের সাহায্যে ফোলানাে
b হৃৎপিণ্ডে নতুন শিরা সংযােজন
c হৃৎপিণ্ডের মৃত টিস্যু কেটে ফেলে দেয়া
d হৃৎপিণ্ডের টিস্যুতে নতুন টিস্যু সংযােজন
0 119 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) হৃৎপিণ্ডের বন্ধ শিরা বেলুনের সাহায্যে ফোলানাে ১. কেন সঠিক: হৃৎপিণ্ডের রক্তনালীতে চর্বি জমে ব্লক তৈরি হলে রক্ত চলাচল বাধাগ্রস্ত হয়। এই ব্লক দূর করতে ক্যাথেটার ও বেলুনের সাহায্যে সংকুচিত শিরা প্রসারিত করা হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: এনজিওপ্লাস্টি হলো এমন একটি চিকিৎসা পদ্ধতি যার মাধ্যমে হৃৎপিণ্ডের করোনারি ধমনীর অবরুদ্ধ পথ উন্মুক্ত করা হয়। কার্যপ্রণালি: উরুর বা হাতের রক্তনালী দিয়ে একটি চিকন নল বা ক্যাথেটার প্রবেশ করিয়ে ব্লক পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর ক্যাথেটারের অগ্রভাগে থাকা ছোট বেলুনটি ফুলিয়ে রক্তনালীর দেওয়াল প্রসারিত করা হয় এবং অনেক ক্ষেত্রে স্টেন্ট বা রিং বসানো হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সাইকেলের চাকার টিউব পাংচার হলে যেমন পাম্প করে ফুলিয়ে স্বাভাবিক করা হয়। ব্যাখ্যা: ঠিক তেমনি সংকুচিত রক্তনালীর ভেতরে বেলুন ফুলিয়ে তার স্বাভাবিক ব্যাস ফিরিয়ে আনা হয়। উদাহরণ ২: পানি সরবরাহের চিকন পাইপের ভেতরে ময়লা জমে আটকে গেলে তা সরিয়ে সচল করা। ব্যাখ্যা: এটি হৃৎপিণ্ডের রক্তনালীতে প্লাক বা চর্বি জমে ব্লক হওয়ার এবং তা বেলুনের সাহায্যে খোলার প্রক্রিয়ার একটি সহজ রূপক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হৃৎপিণ্ডের বন্ধ শিরা বেলুনের সাহায্যে ফোলানাে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এনজিওপ্লাস্টির মূল কাজ হলো বেলুন ক্যাথেটারের সাহায্যে অবরুদ্ধ ধমনী প্রসারিত করা। B) হৃৎপিণ্ডে নতুন শিরা সংযােজন — এটি ভুল কারণ নতুন শিরা বা রক্তনালী সংযোগ করার পদ্ধতিকে বাইপাস সার্জারি বলা হয়, এনজিওপ্লাস্টি নয়। C) হৃৎপিণ্ডের মৃত টিস্যু কেটে ফেলে দেয়া — এটি ভুল কারণ এনজিওপ্লাস্টিতে কোনো টিস্যু কেটে ফেলা হয় না, বরং সংকুচিত পথ সচল করা হয়। D) হৃৎপিণ্ডের টিস্যুতে নতুন টিস্যু সংযােজন — এটি ভুল কারণ এনজিওপ্লাস্টির সময় কোনো নতুন টিস্যু প্রতিস্থাপন করা হয় না। ৫. মনে রাখার টিপস: প্লাস্টি শব্দের অর্থ হলো কোনো কিছু গঠন বা রূপ পরিবর্তন করা। এনজিওপ্লাস্টি মনে রাখতে প্লাস্টি শব্দটির সাথে বেলুন ফুলিয়ে রক্তনালী খোলার বিষয়টি মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় হৃৎপিণ্ডের রোগ ও চিকিৎসা সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। এনজিওপ্লাস্টির পাশাপাশি বাইপাস সার্জারি এবং পেসমেকার সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রস্তুতিতে রাখতে হবে।
a ফিটকিরি
b চুন
c সেভিং সােপ
d কস্টিক সােডা
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ফিটকিরি ১. কেন সঠিক: - অ্যালুমিনিয়াম সালফেট মূলত পটাশ অ্যালুম বা সাধারণভাবে ফিটকিরি নামে পরিচিত। এটি পানিতে থাকা ঝুলন্ত কণাগুলোকে থিতিয়ে ফেলতে সাহায্য করে। - এর বৈজ্ঞানিক ধারণার পেছনে রয়েছে কোয়াগুলেশন বা তঞ্চন প্রক্রিয়া, যা অপদ্রব্যকে দ্রুত নিচে জমতে বাধ্য করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - রাসায়নিক সংকেত: পটাশিয়াম অ্যালুমিনিয়াম সালফেট বা ফিটকিরির রাসায়নিক সংকেত হলো পটাশিয়াম সালফেট অ্যালুমিনিয়াম সালফেট ডেকাহাইড্রেট। - কার্যপ্রণালি: এটি পানিতে দ্রবীভূত হলে অ্যালুমিনিয়াম আয়ন তৈরি হয় যা ঋণাত্মক চার্জযুক্ত কণাগুলোকে neutralize করে এবং পানির ঘোলাটে ভাব দূর করে। - বাস্তব প্রয়োগ: ঘোলা পানি পরিষ্কার করা এবং ক্ষৌরকর্মের পর ত্বকের কাটাছেঁড়া সারাতে এটি বহুল ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঘোলা পুকুরের পানিতে ফিটকিরি ব্যবহার। ব্যাখ্যা: পুকুরের ঘোলা পানিতে ফিটকিরি দিলে তা পানির ময়লা ও কাদা নিচে ফেলে পানি স্বচ্ছ করে তোলে। উদাহরণ ২: শেভিং করার পর মুখে ফিটকিরির ব্যবহার। ব্যাখ্যা: এটি অ্যান্টিসেপ্টিক হিসেবে কাজ করে এবং রক্তপাত বন্ধ করতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফিটকিরি — এটি সঠিক উত্তর এবং অ্যালুমিনিয়াম সালফেটের বাণিজ্যিক রূপ। B) চুন — চুনের রাসায়নিক নাম ক্যালসিয়াম অক্সাইড, যা মাটি বা পানির অম্লত্ব কমাতে ব্যবহৃত হয়। C) সেভিং সােপ — এটি ফ্যাটি অ্যাসিডের সোডিয়াম বা পটাশিয়াম লবণ, যা শেভ করার সময় ফেনা তৈরি করে। D) কস্টিক সােডা — এর রাসায়নিক নাম সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড, যা অত্যন্ত ক্ষারীয় এবং সাবান তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - অ্যালুমিনিয়াম সালফেট মানেই পানি পরিষ্কার করার উপাদান অর্থাৎ ফিটকিরি। - এটি চুন বা কস্টিক সোডার মতো তীব্র ক্ষার নয়, বরং এটি লবণের একটি বিশেষ ধরন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ফিটকিরির রাসায়নিক সংকেত এবং পানির শোধনাগারে এর ব্যবহার থেকে প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে। - পানির কোয়াগুলেশন প্রক্রিয়ায় কোন যৌগ ব্যবহার করা হয়, এই প্রশ্নটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ঘুরেফিরে আসে।
a কিউলেক্স
b এডিস
c এ্যানােফিলিস
d সব ধরনের মশা
0 107 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) এডিস ১. কেন সঠিক: - ডেঙ্গু জ্বরের ভাইরাস মানুষের শরীরে সংক্রমিত হয় একমাত্র এডিস প্রজাতির মশার কামড়ের মাধ্যমে। - এই মশার দেহে ডেঙ্গু ভাইরাসের জীবাণু বাহক হিসেবে কাজ করে এবং সুস্থ মানুষকে আক্রান্ত করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: রোগ, জীবাণু ও রোগ প্রতিরোধ এবং প্রাণিবিজ্ঞান। - কার্যপ্রণালি: এডিস মশা ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীকে কামড়ালে ভাইরাস মশার দেহে প্রবেশ করে এবং পরবর্তীতে সুস্থ মানুষকে কামড়ালে রোগ ছড়ায়। - কারণ ও ফলাফল: এডিস মশার লালার মাধ্যমে ডেঙ্গু ফ্ল্যাভিভাইরাস মানবদেহে প্রবেশ করার ফলে শরীরে তীব্র জ্বর, মাথাব্যথা ও পেশিতে ব্যথা দেখা দেয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দিনের বেলা কামড়ানো ব্যাখ্যা: এডিস মশা সাধারণত পরিষ্কার জমে থাকা পানিতে ডিম পাড়ে এবং দিনের বেলা, বিশেষ করে সকাল ও বিকেলে বেশি কামড়ায়। উদাহরণ ২: পরিষ্কার পানির পাত্র ব্যাখ্যা: ফুলের টব বা পরিত্যক্ত টায়ারে জমে থাকা পরিষ্কার পানি এডিস মশার বংশবৃদ্ধির প্রধান নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে কাজ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কিউলেক্স — কিউলেক্স মশা ডেঙ্গু ছড়ায় না, বরং এটি ফাইলেরিয়াসিস বা গোদ রোগ এবং জাপানি এনসেফালাইটিস রোগের বাহক হিসেবে কাজ করে। B) এডিস — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই নির্দিষ্ট প্রজাতির মশাই ডেঙ্গু এবং চিকুনগুনিয়া ভাইরাসের প্রধান বাহক। C) এ্যানােফিলিস — এ্যানাফিলিস মশা ডেঙ্গু ছড়ায় না, এটি ম্যালেরিয়া রোগের জীবাণু মানবদেহে বহন করে ও সংক্রমণ ঘটায়। D) সব ধরনের মশা — সব মশা রোগ ছড়ায় না এবং কেবল নির্দিষ্ট প্রজাতির মশা নির্দিষ্ট রোগের বাহক হিসেবে কাজ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - ডেঙ্গু রোগের বাহক মনে রাখতে 'এ' দিয়ে শুরু নাম দুটি মনে রাখা যায়, যেমন এডিস মশা ডেঙ্গু ছড়ায়। - পরিষ্কার পানিতে এডিস মশা জন্মায় এই কথাটি মাথায় রাখলে মশার প্রজনন ক্ষেত্র সহজে চেনা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ডেঙ্গু একটি ভাইরাসজনিত জ্বর যা এডিস ইজিপ্টি মশার মাধ্যমে প্রধানত ছড়ায়। - এই প্রশ্নটি থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভিন্ন রোগের বাহক মশার নাম সম্পর্কে প্রায়শই প্রশ্ন আসে।
a ইথিলিন
b প্রপিন
c লাইকোপেন
d মিথিলিন
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ইথিলিন ১. কেন সঠিক: - ইথিলিন একটি গ্যাসীয় উদ্ভিদ হরমোন যা ফল পাকাতে প্রাকৃতিক ও কৃত্রিমভাবে উদ্দীপনা জোগায়। - এটি উদ্ভিদের কোষে বিভিন্ন এনজাইম সক্রিয় করে যার ফলে ফলের শক্ত কোষপ্রাচীর নরম হয় এবং শর্করা বৃদ্ধি পায়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: ইথিলিন হলো একটি সরল জৈব যৌগ যার রাসায়নিক সংকেত সিটুএইচফোর এবং এটি একমাত্র গ্যাসীয় উদ্ভিদ হরমোন। - কার্যপ্রণালি: কাঁচা ফলে ইথিলিন প্রয়োগ করলে শ্বসন হার বৃদ্ধি পায় এবং শর্করা তৈরি হওয়ার মাধ্যমে ফল দ্রুত পেকে যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আম বা কলা পাকানোর জন্য ইথিলিন গ্যাস ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: কৃত্রিম উপায়ে ইথিলিন গ্যাস বা কার্বাইড প্রয়োগ করে কাঁচা আম বা কলা দ্রুত পাকানো হয়। উদাহরণ ২: পাকা আপেলের সাথে কাঁচা টমেটো রাখা। ব্যাখ্যা: পাকা আপেল থেকে প্রচুর ইথিলিন গ্যাস নির্গত হয় যা পাশের কাঁচা টমেটোকে দ্রুত পাকাতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইথিলিন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ফল পাকানোর জন্য দায়ী প্রধান হরমোন। B) প্রপিন — এটি একটি অ্যালকিন শ্রেণীর হাইড্রোকার্বন গ্যাস যার সাথে ফল পাকানোর প্রত্যক্ষ কোনো হরমোনগত সম্পর্ক নেই। C) লাইকোপেন — এটি একটি ক্যারোটিনয়েড রঞ্জক পদার্থ যা টমেটো বা তরমুজে লাল রঙ সৃষ্টি করে কিন্তু ফল পাকায় না। D) মিথিলিন — এটি কোনো স্বতন্ত্র স্থিতিশীল মুক্ত অণু নয় বরং এটি একটি মূলক যা অন্যান্য যৌগের গঠনে অংশ নেয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - গ্যাসীয় হরমোন ইথিলিন মানেই ফল পাকানোর মেশিন। - ইথিলিনের প্রথম অক্ষর ই এবং পাকা ফলের ই দিয়ে সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই উদ্ভিদ হরমোন থেকে প্রশ্ন আসে। - উদ্ভিদ হরমোন ইথিলিনের রাসায়নিক প্রকৃতি ও কাজ ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a ৭০ বছর
b ৬৫ বছর
c ৭৬ বছর
d ৮০ বছর
0 120 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৭৬ বছর ১. কেন সঠিক: - হ্যালির ধূমকেতু প্রতি ৭৬ বছর পর পর পৃথিবী থেকে দৃশ্যমান হয়, যা এর কক্ষপথের দীর্ঘায়িত প্রকৃতির কারণে ঘটে। - সূর্যের চারপাশের একটি নির্দিষ্ট উপবৃত্তাকার পথে প্রদক্ষিণ করতে এর এই দীর্ঘ সময় প্রয়োজন হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: ধূমকেতু হলো বরফ, ধূলিকণা এবং গ্যাস নিয়ে গঠিত মহাজাগতিক বস্তু যা সূর্যের কাছাকাছি এলে দৃশ্যমান হয়। - কার্যপ্রণালি: সূর্যকে প্রদক্ষিণ করার সময় এটি যখন সূর্যের কাছাকাছি আসে, তখন উত্তাপে এর বরফ গলে গ্যাস ও ধূলিকণার দীর্ঘ লেজ তৈরি করে। - কারণ ও ফলাফল: এর কক্ষপথ অত্যন্ত উপবৃত্তাকার হওয়ায় এটি একবার সূর্যকে প্রদক্ষিণ করতে প্রায় ৭৬ বছর সময় নেয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ১৯৮৬ সালে হ্যালির ধূমকেতু সর্বশেষ পৃথিবী থেকে স্পষ্টভাবে দেখা গিয়েছিল। ব্যাখ্যা: এটি পুনরায় ২০৬১ সালে আবার পৃথিবীর আকাশ থেকে দৃশ্যমান হবে বলে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা হিসাব করেছেন। উদাহরণ ২: মানুষের গড় আয়ুষ্কাল বিবেচনা করলে একজন মানুষ তার জীবনে সাধারণত একবারই হ্যালির ধূমকেতু দেখতে পায়। ব্যাখ্যা: এই দীর্ঘ আবর্তনকালের জন্যই এটি মানুষের কাছে একটি অত্যন্ত কৌতূহলোদ্দীপক মহাজাগতিক ঘটনা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৭০ বছর — এটি হ্যালির ধূমকেতুর আবর্তনকাল নয়, তাই এই অপশনটি ভুল। B) ৬৫ বছর — এটি ধূমকেতুটির কক্ষপথের সঠিক সময়কাল নির্দেশ করে না। D) ৮০ বছর — এটি হ্যালির ধূমকেতুর প্রকৃত পর্যায়কাল অপেক্ষা বেশি সময় নির্দেশ করে। ৫ মনে রাখার টিপস: - হ্যালির ধূমকেতুর আবর্তনকাল মনে রাখতে ৭৬ সংখ্যাটি মনে রাখুন, যা মানুষের একটি পূর্ণ প্রজন্মের কাছাকাছি সময়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - হ্যালির ধূমকেতুর আবিষ্কারক এডমন্ড হ্যালি এর কক্ষপথ ও আবর্তনকাল সফলভাবে হিসাব করেছিলেন। - মহাকাশ বিজ্ঞান এবং জ্যোতির্বিজ্ঞান থেকে বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
a কৃত্রিম সার প্রয়ােগ
b পানি সেচ
c জমিতে নাইট্রোজেন ধরে রাখা
d প্রাকৃতিক সার প্রয়ােগ
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পানি সেচ ১. কেন সঠিক: - জমিতে অতিরিক্ত সেচ দিলে বা নিষ্কাশন ব্যবস্থার মাধ্যমে পানি প্রবাহিত করলে মাটির নিচের স্তরে লবণ দ্রবীভূত হয়ে গভীর স্তরে চলে যায়। - একে লিচিং বা ধৌতকরণ প্রক্রিয়া বলা হয়, যা কৃষিজমিতে লবণাক্ততার মাত্রা কমাতে সরাসরি সাহায্য করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: মৃত্তিকাবিজ্ঞান ও পরিবেশবিজ্ঞানের অংশ হিসেবে জমির লবণাক্ততা হলো মাটিতে অতিরিক্ত সোডিয়াম, ক্লোরাইড ও অন্যান্য লবণের সঞ্চায়ন। - কার্যপ্রণালি: অতিরিক্ত পানি প্রয়োগের ফলে লবণগুলো পানির সাথে দ্রবীভূত হয়ে অভিকর্ষ বলের টানে মাটির ওপরের স্তর থেকে নিচের দিকে অপসারিত হয়। - কারণ ও ফলাফল: এর ফলে গাছের শেকড় অঞ্চলে লবণের ঘনত্ব কমে যায় এবং উদ্ভিদের অভিস্রবণ প্রক্রিয়া স্বাভাবিক থাকে। - বাস্তব প্রয়োগ: উপকূলীয় অঞ্চলে বোরো ধান চাষের সময় অতিরিক্ত সেচ দিয়ে মাটির লবণাক্ততা সহনীয় রাখা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: উপকূলীয় জোয়ারভাটার প্রভাবযুক্ত জমিতে মিষ্টি পানি সেচ দেওয়া। ব্যাখ্যা: এটি প্রয়োগ করার ফলে মাটির কণার গায়ে লেগে থাকা লবণাক্ত আয়নগুলো দ্রবীভূত হয়ে ভূগর্ভস্থ পানির সাথে নিচে নেমে যায়। উদাহরণ ২: ড্রেনেজ সিস্টেমসহ সেচ প্রকল্প পরিচালনা করা। ব্যাখ্যা: অতিরিক্ত সেচ দিয়ে সেই লবণাক্ত পানি ড্রেন বা নালার মাধ্যমে জমি থেকে বাইরে বের করে দিলে স্থায়ীভাবে লবণ দূর হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কৃত্রিম সার প্রয়োগ — অতিরিক্ত রাসায়নিক সার প্রয়োগ করলে মাটিতে লবণের পরিমাণ আরও বৃদ্ধি পায় এবং জমি পলিথিন বা কঠিন হয়ে যেতে পারে। B) পানি সেচ — এটি সঠিক কারণ পানি সেচের মাধ্যমে কৈশিক নালীর লবণ দ্রবীভূত হয়ে মাটির গভীর স্তরে চলে যায় এবং জমির লবণাক্ততা কমে। C) জমিতে নাইট্রোজেন ধরে রাখা — নাইট্রোজেন উদ্ভিদের বৃদ্ধিতে সহায়তা করে কিন্তু এটি মাটির লবণাক্ততা কমানোর সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। D) প্রাকৃতিক সার প্রয়োগ — জৈব সার বা কম্পোস্ট মাটির উর্বরতা ও গঠন উন্নত করে, তবে সরাসরি লবণাক্ততা নিয়ন্ত্রণের প্রধান উপায় হলো পানি সেচ ও নিষ্কাশন। ৫. মনে রাখার টিপস: - লবণ হলো পানিতে দ্রবণীয় পদার্থ, তাই লবণ সরাতে হলে পানির মাধ্যমেই তাকে ধৌত করে নিচে নামাতে হবে। - সেচ মানেই পানি দেওয়া, আর অতিরিক্ত পানি লবণকে নিচে ধুয়ে নিয়ে যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মৃত্তিকা লবণাক্ততা দূর করার প্রধান বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি হলো লিচিং বা ধৌতকরণ। - একই ধারণা থেকে পরীক্ষায় আসতে পারে যে, লবণাক্ত মাটিতে কোন ধরনের ফসল ভালো জন্মে বা কোন উদ্ভিদের লবণসহনশীলতা বেশি।
a দস্তা
b সালফার
c নাইট্রোজেন
d পটাশিয়াম
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সালফার ১. কেন সঠিক: উদ্ভিদের পুষ্টির জন্য সালফার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ গৌণ পুষ্টি উপাদান। সালফারের অভাবে উদ্ভিদের ক্লোরোফিল গঠনে ব্যাঘাত ঘটে, ফলে সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়া ধীর হয়ে যায় এবং ফসলের পরিপকৃতা বা পাক ধরতে দেরি হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: উদ্ভিদ তার বৃদ্ধির জন্য মাটি থেকে বিভিন্ন খনিজ উপাদান গ্রহণ করে, যার মধ্যে সালফার প্রোটিন ও ভিটামিন তৈরিতে সহায়তা করে। কার্যপ্রণালি: সালফার উদ্ভিদের অ্যামিনো অ্যাসিড সিস্টিন ও মিথিওনিন তৈরিতে সরাসরি অংশ নেয় যা ফল পাকানোর এনজাইম সক্রিয় করে। কারণ ও ফলাফল: সালফারের ঘাটতি দেখা দিলে উদ্ভিদের বৃদ্ধি ব্যাহত হয়, পাতা হলুদ হয়ে যায় এবং ফুল ও ফল আসার সময় পিছিয়ে যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ধান চাষের সময় সালফারযুক্ত সার ব্যবহার না করলে ধানের শীষ বের হতে এবং ধান পাকতে স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে বেশি দিন সময় নেয়। ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে যে সালফার উদ্ভিদের পরিপকৃতা ত্বরান্বিত করার প্রক্রিয়ায় সরাসরি ভূমিকা পালন করে। উদাহরণ ২: ডালজাতীয় ফসলে সালফারের ঘাটতি হলে উদ্ভিদের শিকড়ের নডিউল গঠন বাধাগ্রস্ত হয় এবং ফলন দেরিতে আসে। ব্যাখ্যা: এটি উদ্ভিদের পুষ্টি চক্রে সালফারের অপরিহার্যতা ফুটিয়ে তোলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দস্তা — এটি উদ্ভিদের অক্সিন হরমোন উৎপাদনে এবং পাতার বৃদ্ধিতে সাহায্য করে, তবে সরাসরি পরিপকৃতা বিলম্বিত করার প্রধান কারণ এটি নয়। B) সালফার — সঠিক উত্তর কারণ এর অভাবে উদ্ভিদের পরিপকৃতা বা পাক ধরা বিলম্বিত হয়। C) নাইট্রোজেন — এটি উদ্ভিদের অঙ্গজ বৃদ্ধিতে ও সবুজ বর্ণ গঠনে সহায়তা করে, যার অভাবে গাছ লিকলিকে হয় কিন্তু পরিপকৃতা সরাসরি বিলম্বিত হয় না। D) পটাশিয়াম — এটি উদ্ভিদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং ফলমূলের মান উন্নত করে, এর অভাবে মূলত ফলের গুণগত মান নষ্ট হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: সালফার শব্দটি মনে রাখুন দেরিতে পরিপক্ব হওয়ার সঙ্গে। উদ্ভিদের রান্নাঘর তথা সালোকসংশ্লেষণ ও পরিপক্বতার ঘড়ি সচল রাখতে সালফারের প্রয়োজন অপরিহার্য। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: উদ্ভিদের পুষ্টি উপাদানগুলোর কাজ এবং অভাবজনিত লক্ষণ থেকে প্রতি বছর বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে। কোন উপাদানের অভাবে কি রোগ হয়, যেমন পাতার ক্লোরোসিস, তা ভালোভাবে পড়তে হবে।
a পরমাণু শক্তি
b কয়লা
c পেট্রোল
d প্রাকৃতিক গ্যাস
0 113 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পরমাণু শক্তি ১. কেন সঠিক: - পরমাণু শক্তিতে ব্যবহৃত ইউরেনিয়াম বা থোরিয়াম ফুরিয়ে গেলেও নিউক্লীয় বিক্রিয়ায় দীর্ঘকাল শক্তি উৎপাদন সম্ভব। - প্রচলিত জীবাশ্ম জ্বালানির মতো এটি দ্রুত নিঃশেষ হয় না বলে এটি নবায়নযোগ্য জ্বালানির অন্তর্ভুক্ত। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: পরমাণুর নিউক্লিয়াস ভাঙার মাধ্যমে বা সংযুক্ত করার মাধ্যমে যে বিপুল পরিমাণ শক্তি উৎপন্ন হয় তাকে পরমাণু শক্তি বলে। - কার্যপ্রণালি: পারমাণবিক চুল্লিতে নিয়ন্ত্রিত ফিশন বিক্রিয়ার মাধ্যমে তাপশক্তি উৎপন্ন করা হয়, যা দিয়ে টারবাইন ঘুরিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়। - বাস্তব প্রয়োগ: পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে পরিবেশবান্ধব উপায়ে প্রচুর পরিমাণে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র। ব্যাখ্যা: এটি ইউরেনিয়াম ব্যবহার করে পরমাণু শক্তির মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ বিদ্যুৎ উৎপন্ন করছে। উদাহরণ ২: সূর্যের শক্তি উৎপাদন। ব্যাখ্যা: সূর্যের অভ্যন্তরে ফিউশন প্রক্রিয়ায় পরমাণু শক্তি উৎপন্ন হয় যা নবায়নযোগ্য শক্তির প্রধান উৎস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পরমাণু শক্তি — এটি জীবাশ্ম জ্বালানির মতো অফুরন্ত বা দীর্ঘস্থায়ী শক্তির বিকল্প হিসেবে নবায়নযোগ্য শক্তির ক্যাটাগরিতে স্থান পায়। B) কয়লা — এটি একটি জীবাশ্ম জ্বালানি এবং একবার পুড়িয়ে ফেললে তা আর ফিরে পাওয়া যায় না, তাই এটি অনবায়নযোগ্য। C) পেট্রোল — খনিজ তেল বা পেট্রোল সীমিত উৎস থেকে আসে এবং ব্যবহার করলে নিঃশেষ হয়ে যায়, তাই এটি অনবায়নযোগ্য। D) প্রাকৃতিক গ্যাস — এটি ভূগর্ভস্থ জীবাশ্ম জ্বালানি যা সীমিত এবং ধীরে ধীরে ফুরিয়ে আসছে, তাই এটি নবায়নযোগ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - কয়লা, পেট্রোল ও গ্যাস হলো জীবাশ্ম জ্বালানি এবং এরা অনবায়নযোগ্য। - পরমাণু শক্তি ভিন্ন প্রকৃতির এবং এটি দীর্ঘমেয়াদী শক্তির উৎস হিসেবে নবায়নযোগ্য হিসেবে বিবেচিত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই নবায়নযোগ্য ও অনবায়নযোগ্য জ্বালানির পার্থক্য থেকে প্রশ্ন আসে। - জীবাশ্ম জ্বালানিগুলো কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাস নির্গমন করে গ্রিনহাউস প্রভাব তৈরি করে।
a ৫ মে
b ৫ জুন
c ১৫ মে
d ১৫ জুন
0 115 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫ জুন ১. কেন সঠিক: - প্রতি বছর ৫ জুন তারিখে বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হয়। - ১৯৭২ সালে জাতিসংঘের স্টকহোম সম্মেলনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১৯৭৪ সাল থেকে বিশ্বব্যাপী এই দিবসটি পালিত হয়ে আসছে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: পরিবেশ সংরক্ষণ ও প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষার বিষয়ে বিশ্বব্যাপী জনসচেতনতা তৈরি করা এই দিবসের মূল লক্ষ্য। - কারণ ও ফলাফল: শিল্পায়ন ও অতিরিক্ত দূষণের ফলে বিশ্ব উষ্ণায়ন ও জলবায়ু পরিবর্তন ঘটছে, যার ক্ষতিকর প্রভাব থেকে পৃথিবীকে রক্ষা করতে পরিবেশ সচেতনতা জরুরি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্লাস্টিক বর্জ্য হ্রাস অভিযান ব্যাখ্যা: বিশ্ব পরিবেশ দিবসে বিশ্বজুড়ে একবার ব্যবহার্য প্লাস্টিক বর্জ্য কমানোর নানা কর্মসূচি পালিত হয়, যা পরিবেশ দূষণ রোধে সরাসরি ভূমিকা রাখে। উদাহরণ ২: বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ব্যাখ্যা: দিবসটি উপলক্ষে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সংগঠনের উদ্যোগে গাছ লাগানো হয়, যা বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই অক্সাইডের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৫ মে — এই তারিখে বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হয় না। তবে মে মাসে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন দিবস যেমন ১ মে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস পালিত হয়। B) ৫ জুন — এটি সঠিক উত্তর। এই দিনে জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচির অধীনে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উদযাপিত হয়। C) ১৫ মে — এই তারিখে আন্তর্জাতিক পরিবার দিবস পালিত হয়। এটি পরিবেশ সংক্রান্ত কোনো আন্তর্জাতিক দিবস নয়। D) ১৫ জুন — এই তারিখে বিশ্ব প্রবীণ নির্যাতন সচেতনতা দিবস পালিত হয়। এটি পরিবেশ দিবসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - পরিবেশ রক্ষায় সচেতন হতে বছরের মাঝামাঝি অর্থাৎ জুনের পাঁচ তারিখকে বেছে নেওয়া হয়েছে। - পাঁচ জুন কথাটি মনে রাখলে মাস ও তারিখ দুটিই সহজে মনে রাখা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিশ্ব পরিবেশ দিবস প্রথম পালিত হয় ১৯৭৪ সালে এবং এর স্লোগান ছিল একমাত্র একটি পৃথিবী। - এই ধরনের পরিবেশ সংক্রান্ত প্রশ্ন বিসিএস এবং প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
a ই-মেইল
b ইন্টারকম
c ইন্টারনেট
d টেলিগ্রাম
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ইন্টারনেট ১. কেন সঠিক: - ইন্টারনেট হলো বিশ্বজুড়ে বিস্তৃত কম্পিউটার নেটওয়ার্কগুলোর একটি বিশাল মহাসংযোগ ব্যবস্থা। - এর মাধ্যমে প্রোটোকল ব্যবহার করে এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে ডেটা বা তথ্য আদান-প্রদান করা সম্ভব হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: ইন্টারনেট হলো ইন্টারকানেক্টেড নেটওয়ার্কের সংক্ষিপ্ত রূপ যা প্যাকেট সুইচিং প্রযুক্তির মাধ্যমে কাজ করে। - কার্যপ্রণালি: তথ্য ছোট ছোট প্যাকেটে বিভক্ত হয়ে রাউটার ও সুইচিং ডিভাইসের মাধ্যমে গন্তব্য কম্পিউটারে পৌঁছায় এবং পুনর্গঠিত হয়। - বাস্তব প্রয়োগ: আমরা ব্রাউজারে কোনো ওয়েবপেজ দেখতে পেলে বা ক্লাউডে ফাইল আপলোড করলে এই নেটওয়ার্ক প্রযুক্তির মাধ্যমেই তথ্য আদান-প্রদান ঘটে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ইমেইল পাঠানো। ব্যাখ্যা: জিমেইল বা ইয়াহুর মাধ্যমে এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে বার্তা পাঠানো ইন্টারনেটের মাধ্যমেই সম্ভব হয়। উদাহরণ ২: ক্লাউড স্টোরেজ থেকে ফাইল ডাউনলোড। ব্যাখ্যা: গুগল ড্রাইভ বা ওয়ানড্রাইভ থেকে নিজের কম্পিউটারে কোনো ডকুমেন্ট নামানো হলো কম্পিউটার থেকে কম্পিউটারে তথ্য আদান-প্রদানের বাস্তব উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ই-মেইল — এটি ইন্টারনেট ব্যবহার করে ইলেকট্রনিক বার্তা পাঠানোর একটি মাধ্যম মাত্র, সমগ্র নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা নয়। B) ইন্টারকম — এটি সাধারণত কোনো একটি ভবন বা নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত তারযুক্ত বা তারহীন সীমিত অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ ব্যবস্থা। C) ইন্টারনেট — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বিশ্বব্যাপী কম্পিউটারগুলোর মধ্যে তথ্য আদান-প্রদানের সর্বজনীন প্রযুক্তি। D) টেলিগ্রাম — এটি তারের মাধ্যমে দূরবর্তী স্থানে লিখিত বার্তা পাঠানোর একটি পুরোনো ঐতিহাসিক প্রযুক্তি, বর্তমানের কম্পিউটার নেটওয়ার্ক নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - নেটওয়ার্কের ইন্টার এবং ইন্টারন্যাশনালের নেট অংশ মিলে তৈরি হয়েছে ইন্টারনেট শব্দ। - বিশ্বজুড়ে কম্পিউটারের জাল বা নেটই হলো ইন্টারনেট। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ইন্টারনেট প্রযুক্তির জনক হিসেবে ভিনসেন্ট কার্ফ এবং বব কানকে ধরা হয়। - পরীক্ষার জন্য প্রোটোকল, আইপি ঠিকানা এবং রাউটার সম্পর্কিত প্রশ্নগুলোও সমান গুরুত্বপূর্ণ।
a শূন্যতায়
b কঠিন পদার্থে
c তরল পদার্থে
d বায়বীয় পদার্থে
0 91 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বায়বীয় পদার্থে ১. কেন সঠিক: শব্দ এক প্রকার শক্তি যা তরঙ্গ আকারে সঞ্চালিত হয় এবং এর জন্য চলাচলের মাধ্যমের প্রয়োজন হয়। মাধ্যমের কণার ঘনত্বের ওপর শব্দের গতি নির্ভর করে, তাই বায়বীয় পদার্থে কণাগুলোর দূরত্ব বেশি থাকায় শব্দের গতি সর্বাপেক্ষা কম হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: শব্দের বেগ মাধ্যমের স্থিতিস্থাপকতা এবং ঘনত্বের ওপর নির্ভর করে। কার্যপ্রণালি: মাধ্যমের কণাগুলো যত কাছাকাছি থাকে, কম্পন এক কণা থেকে অন্য কণায় তত দ্রুত স্থানান্তরিত হয়। বায়বীয় পদার্থের কণাগুলো অনেক দূরে দূরে থাকে এবং এদের ঘনত্ব কম হওয়ায় শব্দ ধীরগতিতে চলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাতাসে শব্দের গতি প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩৩২ মিটার। ব্যাখ্যা: গ্যাসীয় মাধ্যম হওয়ায় বাতাসের কণাগুলো দূরে থাকে এবং শব্দের বেগ কঠিন বা তরলের চেয়ে কম হয়। উদাহরণ ২: লোহার মতো কঠিন মাধ্যমে শব্দের গতি প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৫১৩০০ মিটার বা তার বেশি। ব্যাখ্যা: কঠিন পদার্থের কণাগুলো খুব কাছাকাছি থাকায় শব্দের গতি অনেক বেশি হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শূন্যতায় — শূন্য মাধ্যমে কোনো কণা বা মাধ্যম না থাকায় শব্দ চলাচল করতে পারে না, তাই সেখানে শব্দের গতি শূন্য। B) কঠিন পদার্থে — কঠিন পদার্থের কণাগুলোর মধ্যকার আকর্ষণ বল এবং ঘনত্ব বেশি থাকায় এখানে শব্দের গতি সর্বাপেক্ষা বেশি হয়। C) তরল পদার্থে — তরল পদার্থের কণাগুলোর ঘনত্ব বায়বীয় পদার্থের চেয়ে বেশি হওয়ায় এখানে শব্দের গতি বায়বীয় মাধ্যমের চেয়ে বেশি থাকে। D) বায়বীয় পদার্থে — এই অপশনটি সঠিক কারণ গ্যাসীয় বা বায়বীয় মাধ্যমে কণাগুলোর দূরত্ব ও গতিশীলতা শব্দের সঞ্চালনকে ধীর করে দেয়। ৫. মনে রাখার টিপস: শব্দের গতি মনে রাখার সহজ উপায় হলো কণার ঘনত্ব যত বেশি, শব্দের গতি তত বেশি। কঠিন পদার্থে কণাগুলো ঘেঁষাঘেঁষা থাকে বলে শব্দ দ্রুত ছোটে, আর বায়বীয় পদার্থে কণাগুলো দূরে থাকে বলে শব্দ ধীরে চলে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: শব্দ শূন্য মাধ্যমে চলতে পারে না কিন্তু আলো শূন্য মাধ্যমে চলতে পারে, এটি একটি অতি পরিচিত ও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। বিভিন্ন মাধ্যমে শব্দের গতির ক্রম হলো কঠিন মাধ্যম, এরপর তরল মাধ্যম এবং সবশেষে বায়বীয় মাধ্যম।
a পেপসিন
b এমাইলেজ
c রেনিন
d ট্রিপসিন
0 108 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রেনিন ১. কেন সঠিক: রেনিন হলো পাকস্থলীর গ্যাস্ট্রিক রসে উপস্থিত একটি প্রোটিওলাইটিক বা আমিষ পরিপাককারী এনজাইম। এটি বিশেষ করে দুগ্ধ আমিষ ক্যাসিনোজেনকে পরিবর্তিত করে জমাট বাঁধতে সাহায্য করে যাতে শরীর তা সহজে হজম করতে পারে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: মানবদেহের পরিপাকতন্ত্রে পাকস্থলীর গ্যাস্ট্রিক গ্রন্থি থেকে বিভিন্ন জারক রস ও এনজাইম নিঃসৃত হয় যা খাদ্য পরিপাকে অংশ নেয়। কার্যপ্রণালি: রেনিন দুগ্ধজাত তরল আমিষ ক্যাসিনোজেনকে অদ্রবণীয় ক্যাসিনে রূপান্তর করে এবং ক্যালসিয়াম আয়নের উপস্থিতিতে তাকে জমাট বাঁধায়। কারণ ও ফলাফল: দুগ্ধ জমাট বাঁধার ফলে তা পাকস্থলীতে দীর্ঘক্ষণ অবস্থান করতে পারে এবং পেপসিন এনজাইম সহজেই সেই আমিষ ভেঙে ফেলতে সক্ষম হয়। বাস্তব প্রয়োগ: মানব শিশু জন্মের পর প্রধানত মায়ের দুধের ওপর নির্ভরশীল থাকে এবং তাদের পাকস্থলীতে রেনিনের উপস্থিতি দুধ হজম প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মায়ের দুধ পান করার পর নবজাতকরা অনেক সময় যে ছানার মতো অংশ বমি করে, তা রেনিনের কাজের সরাসরি প্রমাণ। ব্যাখ্যা: রেনিন দুধের আমিষকে জমাট বাঁধায় এবং অতিরিক্ত অংশ বা বমির মাধ্যমে তা বেরিয়ে আসে। উদাহরণ ২: দুধে লেবুর রস বা সিরকা মেশালে দুধ ফেটে যায় বা ছানা তৈরি হয়, যা অনেকটা শারীরবৃত্তীয় রেনিনের কাজের মতোই অম্লীয় পরিবেশের ফল। ব্যাখ্যা: অম্লীয় পরিবেশ আমিষের গঠন পরিবর্তন করে একে জমাট বাঁধতে বাধ্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পেপসিন — এটি পাকস্থলীর একটি প্রধান আমিষ পরিপাককারী এনজাইম যা জটিল আমিষকে পেপটন ও প্রোটিওজে পরিণত করে কিন্তু সরাসরি দুধ জমাট বাঁধানোর মূল কাজটি করে না। B) এমাইলেজ — এটি শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাদ্য পরিপাক করে, বিশেষ করে জটিল শর্করাকে সরল শর্করায় রূপান্তর করতে সাহায্য করে। D) ট্রিপসিন — এটি অগ্ন্যাশয় থেকে নিঃসৃত রস যা ক্ষুদ্রান্ত্রে আমিষ পরিপাক সম্পূর্ণ করতে সাহায্য করে, পাকস্থলীতে দুগ্ধ জমাট বাঁধানোর সাথে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: দুধ বা মিল্ক কথাটি মনে রাখলে রেনিন নামের সাথে মেলাতে সুবিধা হবে কারণ এটি বিশেষভাবে দুগ্ধ আমিষের ওপর কাজ করে। ছোট শিশুদের ক্ষেত্রে রেনিন অত্যন্ত সক্রিয় থাকে যা বড় হওয়ার সাথে সাথে ধীরে ধীরে কমে যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: রেনিন এনজাইমটি প্রাপ্তবয়স্কদের তুলনায় শিশুদের পাকস্থলীতে অধিক পরিমাণে সক্রিয় থাকে। একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে কোন এনজাইমটি দুগ্ধ আমিষ ক্যাসিনকে পরিপাক করে।
a দার্শনিক
b পদার্থবিদ
c কবি
d রসায়নবিদ
0 114 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পদার্থবিদ ১. কেন সঠিক: - স্টিফেন হকিন্স ছিলেন বিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ তাত্ত্বিক পদার্থবিদ ও বিশ্ববিজ্ঞানী। - তিনি মহাবিশ্বের সৃষ্টিতত্ত্ব, বিগ ব্যাং এবং কৃষ্ণগহ্বর বা ব্ল্যাক হোলের কোয়ান্টাম প্রকৃতি নিয়ে যুগান্তকারী গবেষণা করেছেন। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞান হলো বিজ্ঞানের সেই শাখা যা মহাবিশ্বের মৌলিক বল, কণা এবং স্থান-কালের প্রকৃতি математический বা তাত্ত্বিক উপায়ে ব্যাখ্যা করে। - কারণ ও ফলাফল: হকিন্স বিকিরণ বা হকিং রেডিয়েশন তত্ত্বের মাধ্যমে তিনি প্রমাণ করেন যে কৃষ্ণগহ্বর পুরোপুরি অন্ধকার নয়, বরং তাপীয় বিকিরণ নির্গমন করে। - বাস্তব প্রয়োগ: আধুনিক মহাকাশ বিজ্ঞান, কোয়ান্টাম মেকানিক্স এবং মহাবিশ্বের উৎপত্তি সংক্রান্ত গবেষণায় তাঁর তত্ত্বগুলো ভিত্তি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: এ ब्रीফ হিস্ট্রি অব টাইম ব্যাখ্যা: এটি তাঁর লেখা একটি বিখ্যাত বিজ্ঞান বিষয়ক বই, যেখানে তিনি সাধারণ মানুষের জন্য পদার্থবিজ্ঞানের জটিল তত্ত্বগুলোকে সহজ ভাষায় তুলে ধরেছেন। উদাহরণ ২: ব্ল্যাক হোল বা কৃষ্ণগহ্বর গবেষণা ব্যাখ্যা: তাঁর এই গবেষণার মাধ্যমে প্রমাণিত হয় যে মহাকর্ষীয় টানে আটকা পরেও কৃষ্ণগহ্বর থেকে শক্তি বা কণা নির্গত হতে পারে, যা পদার্থবিজ্ঞানের এক বিরাট সাফল্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দার্শনিক — স্টিফেন হকিন্স দর্শন নিয়ে কিছু আলোচনা করলেও তাঁর মূল পেশা ও অবদান দর্শনশাস্ত্রে ছিল না। B) পদার্থবিদ — এটি সঠিক কারণ তিনি তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল মানের কাজ করেছেন। C) কবি — কবিতা সাহিত্যচর্চার অংশ, কিন্তু তিনি সাহিত্যিক বা কবি ছিলেন না। D) রসায়নবিদ — রসায়ন বিজ্ঞানের আলাদা শাখা, যার সঙ্গে তাঁর গবেষণার কোনো সম্পর্ক ছিল না। ৫. মনে রাখার টিপস: - স্টিফেন হকিন্সের শরীর প্যারালাইজড থাকলেও তাঁর মস্তিষ্ক ছিল সচল, যা পদার্থবিজ্ঞানে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে। - তাঁর নামের সঙ্গে ব্ল্যাক হোল ও পদার্থবিজ্ঞান শব্দটি চিরতরে যুক্ত হয়ে আছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - স্টিফেন হকিন্সের লেখা বিখ্যাত বইটির নাম এ ब्रीফ হিস্ট্রি অব টাইম। - কৃষ্ণগহ্বর থেকে যে বিকিরণ নির্গত হয় তাকে তাঁর নামানুসারে হকিং রেডিয়েশন বলা হয়।