সঠিক উত্তর: B) শিরঃ + ছেদ
১. কেন সঠিক:
- এটি বিসর্গ সন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম অনুযায়ী সাধিত হয়েছে।
- বিসর্গের পর চ বা ছ থাকলে বিসর্গ স্থানে তালব্য শ (শ) হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বিসর্গ সন্ধির নিয়মানুযায়ী অ বা আ ধ্বনির পরে থাকা বিসর্গের সঙ্গে চ বা ছ যুক্ত হলে বিসর্গটি তালব্য শ (শ) এ রূপান্তরিত হয়।
- এখানে 'শিরঃ' শব্দের শেষে বিসর্গ আছে এবং তার পরের শব্দ 'ছেদ' এর শুরুতে চ আছে, তাই নিয়ম অনুযায়ী বিসর্গটি শ হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নিঃ + চয় = নিশ্চয়
ব্যাখ্যা: বিসর্গের পর চ থাকায় বিসর্গটি শ এ রূপান্তরিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: দুঃ + চরিত্র = চরিত্রহীন নয়, দুশ্চরিত্র
ব্যাখ্যা: বিসর্গের পর চ থাকায় বিসর্গটি তালব্য শ (শ) এ পরিণত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শির + ছেদ — এখানে প্রথম অংশে বিসর্গ চিহ্ন ব্যবহার করা হয়নি, যা বিসর্গ সন্ধির নিয়মের পরিপন্থী।
B) শিরঃ + ছেদ — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং বিসর্গ সন্ধির নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে।
C) শিরশ্ + ছেদ — এখানে অপ্রয়োজনীয় হসন্তযুক্ত শ ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ।
D) শির + উচ্ছেদ — এটি কোনো সঠিক সন্ধি প্রক্রিয়ার আওতাভুক্ত নয় এবং অর্থের দিক থেকেও মিল নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বিসর্গের পরে চ বা ছ দেখলে বিসর্গ উঠিয়ে সেখানে তালব্য শ (শ) বসাবে।
- যেমন শিরঃ যোগ ছেদ সমান শিরশ্ছেদ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসর্গ সন্ধি থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই প্রশ্ন আসে।
- নিশ্ছিদ্র, দুশ্চরিত্র ইত্যাদি শব্দগুলো একই নিয়মে সাধিত হয়।
সঠিক উত্তর: A) রামাই পণ্ডিত
১. কেন সঠিক:
- ‘শূন্যপুরাণ’ বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের নাথ সাহিত্য ও ধর্মপূজা সংস্কৃতির সঙ্গে জড়িত একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ গদ্য-পদ্য মিশ্রিত গ্রন্থ।
- এই গ্রন্থের রচয়িতা হিসেবে রামাই পণ্ডিতের নাম সর্বজনস্বীকৃত এবং মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে তিনি ‘ধর্মপূজা বিধান’ রচনার জন্য বিখ্যাত।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- রামাই পণ্ডিত আনুমানিক ত্রয়োদশ বা চতুর্দশ শতকের একজন কবি এবং নাথ সাহিত্য ধারার অন্যতম প্রধান প্রবক্তা হিসেবে পরিচিত।
- ‘শূন্যপুরাণ’ মূলত বৌদ্ধ ধর্মের প্রচ্ছন্ন রূপান্তর এবং ধর্মঠাকুরের পূজাপদ্ধতি সংক্রান্ত একটি প্রাচীন গ্রন্থ যা নিরঞ্জন অষ্মনামা অধ্যায়ের জন্য বিশেষভাবে সমাদৃত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ধর্মমঙ্গলের কবি রূপরাম চক্রবর্তী
ব্যাখ্যা: রূপরাম চক্রবর্তী মধ্যযুগের ধর্মমঙ্গল কাব্যের একজন বিখ্যাত কবি যিনি ধর্মঠাকুরের মাহাত্ম্য প্রচার করেছেন।
উদাহরণ ২: ময়ূরভট্ট রচিত ধর্মমঙ্গল
ব্যাখ্যা: মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের ইতিহাসে ধর্মমঙ্গল ধারার আদি কবি হিসেবে ময়ূরভট্টের নাম উল্লেখযোগ্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রামাই পণ্ডিত — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি ‘শূন্যপুরাণ’ রচনা করেছেন।
B) হলায়ূধ মিশ্র — হলায়ূধ মিশ্র ‘ব্রাহ্মণসর্বস্ব’ নামক একটি বিখ্যাত সংস্কৃত গ্রন্থ রচনা করেছেন, বাংলা ‘শূন্যপুরাণ’ নয়।
C) কাহ্নপা — কাহ্নপা চর্যাপদের অন্যতম একজন প্রধান পদকর্তা এবং সহজিয়া বৌদ্ধ সাধক ছিলেন।
D) কুক্কুরীপা — কুক্কুরীপা চর্যাপদের একজন বিশিষ্ট পদকর্তা ও কবি, যিনি শূন্যপুরাণের সঙ্গে সম্পর্কিত নন।
৫. মনে রাখার টিপস:
- শূন্য হাতে পণ্ডিত রামাই শূন্যপুরাণ লিখলেন। এই সহজ বাক্যের মাধ্যমে রচয়িতা রামাই পণ্ডিতের নাম মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- শূন্যপুরাণ গ্রন্থটি মধ্যযুগের ধর্মঠাকুরের পূজাপদ্ধতি ও সমাজচিত্রের ঐতিহাসিক দলিল হিসেবে বিসিএস পরীক্ষায় বারবার আসে।
- চর্যাপদের কবিদের সঙ্গে মঙ্গলকাব্য বা নাথ সাহিত্যের লেখকদের নাম যেন গুলিয়ে না যায়, সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) সহজঘানী বৌদ্ধ
১. কেন সঠিক:
চর্যাপদ হলো বাংলা ভাষার প্রাচীনতম কাব্য ও সাহিত্য নিদর্শন যা মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের সাধনসঙ্গীত।
এই সাধকরা তান্ত্রিক বৌদ্ধ ধর্মের একটি বিশেষ শাখা বা মতবাদের অনুসারী ছিলেন যা সহজযান বা সহজিয়া মতবাদ নামে পরিচিত।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
চর্যাপদের কবিরা মহাযান ও বজ্রযান ধর্মের সংস্কার করে সহজযান বা সহজিয়া মতবাদের প্রবর্তন করেছিলেন।
তারা মনে করতেন কঠোর সাধনা ছাড়াই সহজ উপায়ে মনের শুদ্ধি ও পরম তত্ত্ব লাভ করা সম্ভব, যা চর্যার গানে প্রতিফলিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কাহ্নপা রচিত চর্যাপদের পদ।
ব্যাখ্যা: কাহ্নপা ছিলেন চর্যাপদের সর্বাধিক পদরচয়িতা এবং তিনি সহজিয়া বৌদ্ধ সাধক ছিলেন।
উদাহরণ ২: ভুসুকুপা রচিত চর্যাপদের পদ।
ব্যাখ্যা: ভুসুকুপার পদেও সহজিয়া বৌদ্ধ ধর্মের সাধনপদ্ধতি ও তত্ত্বের রূপক প্রকাশ ঘটেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মহাঘানী বৌদ্ধ - মহাযান বৌদ্ধ ধর্ম চর্যাপদের মূল সৃষ্টি হলেও, সরাসরি এই নামে চর্যার কবিদের মতবাদ পরিচিত ছিল না।
B) বজ্রঘানী বৌদ্ধ - এটি একটি ভুল শব্দরূপ এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভ্রান্ত করার জন্য তৈরি করা একটি অপশন।
C) বাউল - বাউল মতবাদ পরবর্তীকালের সৃষ্টি, যদিও এর মধ্যে চর্যাপদের সহজিয়া প্রভাব রয়েছে, তবে চর্যাপদের কবিরা সরাসরি বাউল ছিলেন না।
D) সহজঘানী বৌদ্ধ - সঠিক উত্তর হওয়ার কারণে এই অপশনটি প্রশ্নানুযায়ী নির্ভুল।
৫ মনে রাখার টিপস:
চর্যাপদের কবিরা সহজিয়া মতের অনুসারী ছিলেন, তাই সহজে মনে রাখতে পারো চর্যা মানেই সহজযান বা সহজিয়া মতবাদ।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
চর্যাপদের মোট পদের সংখ্যা নিয়ে পন্ডিতদের দ্বিমত থাকলেও ডক্টর সুকুমার সেন আবিষ্কৃত পুথিতে সাড়ে ছেচল্লিশটি পদ রয়েছে।
এই ধরনের প্রশ্নে মতবাদ এবং সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন সম্পর্কিত তথ্যগুলো ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) তটিনী
১. কেন সঠিক:
- তটিনী শব্দের অর্থ নদী বা প্রবাহিনী যা তট বা তীর বেয়ে প্রবাহিত হয়।
- নদী বোঝাতে সংস্কৃত উৎসের এই সমার্থক শব্দটির ব্যবহার বাংলা কাব্যে অত্যন্ত প্রাচীন ও বহুল প্রচলিত।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দগুলোর সমষ্টি যেগুলোর অর্থ প্রায় একই বা সমান।
- বাংলা ভাষায় শব্দের উৎস যেমন তৎসম, অর্ধতৎসম ও তদ্ভব, তেমনি অর্থের দিক থেকেও সমার্থক শব্দের বৈচিত্র্য রয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তরঙ্গিণ্তী
ব্যাখ্যা: তরঙ্গিণ্তী শব্দের অর্থ নদী কারণ এর বুকে তরঙ্গ বা ঢেউ খেলে যায়।
উদাহরণ ২: স্রোতস্বिनी
ব্যাখ্যা: স্রোতস্বিনী শব্দের অর্থ নদী যা নিরন্তর স্রোত নিয়ে বয়ে চলে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সিন্ধু — সিন্ধু শব্দের অর্থ সাগর বা মহাসাগর, যা নদীর চেয়ে অনেক বিশাল ও ভিন্ন জলাধার।
B) হিল্লোল — হিল্লোল শব্দের অর্থ মৃদু ঢেউ বা আন্দোলন, এটি নদী বা সমার্থক কোনো প্রবাহ বোঝায় না।
C) তটিনী — এটি সঠিক উত্তর।
D) নির্ঝর — নির্ঝর শব্দের অর্থ ঝরনা বা ঝরা জলধারা, যা নদীর চেয়ে ছোট উৎসমুখ বোঝায়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- নদীর পাড় বা তট থেকে তটিনী শব্দটি সহজে মনে রাখা যায়।
- নদী সম্পর্কিত সমার্থক শব্দ যেমন তটিনী, স্রোতস্বিনী এবং শৈবালিনী একসাথে পড়লে সহজে মনে থাকে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নদী, সাগর, আকাশ ও পৃথিবী সম্পর্কিত সমার্থক শব্দগুলো খুব বেশি আসে।
- মূল শব্দের উৎস ও অর্থ ভালোভাবে বুঝতে পারলে যেকোনো সমার্থক শব্দ সহজেই নির্ণয় করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: B) মুলা
১. কেন সঠিক:
- বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী অতৎসম বা তদ্ভব শব্দের ক্ষেত্রে 'ই' কার বা 'উ' কার ব্যবহারের নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে।
- মুলা শব্দটি একটি তদ্ভব শব্দ এবং এর সঠিক বানান লেখার সময় বাংলা একাডেমির নিয়ম অনুযায়ী উ-কার ব্যবহার করা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী দেশি, বিদেশি ও তদ্ভব শব্দে সাধারণ উ-কার বা ই-কার ব্যবহার করা হয়।
- এই শব্দগুলোর ক্ষেত্রে তৎসম শব্দের মতো অতিসূক্ষ্ম দীর্ঘ-স্বর বা দীর্ঘ-উ কারের নিয়ম বাধ্যতামূলকভাবে প্রযোজ্য নয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মুলো (প্রচলিত কথ্য রূপ, তবে প্রমিত রূপ নয়)
ব্যাখ্যা: মুখের ভাষায় মুলো বলা হলেও প্রমিত লেখার রূপ হিসেবে মুলা শব্দটি গ্রহণ করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: পুতলা
ব্যাখ্যা: মুলা শব্দের মতো পুতলা শব্দটি একটি তদ্ভব শব্দ যেখানে উ-কার ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মুলো — এটি মুখের ভাষার শব্দ হলেও বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বানানরীতিতে এটি মূল বানান হিসেবে স্বীকৃত নয়।
B) মুলা — এটি একমাত্র সঠিক ও প্রমিত বানান যা ব্যাকরণগতভাবে অনুমোদিত।
C) ধুলি — এই বানানটি ভুল কারণ প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী ধূলি বানানে দীর্ঘ ঊ-কার ব্যবহৃত হয়।
D) ধূলো — এটি ভুল কারণ সঠিক প্রমিত বানান হলো ধুলো, যেখানে হ্রস্ব উ-কার বসে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সবজিবাচক অনেক তদ্ভব শব্দে উ-কার ব্যবহৃত হয় যেমন মুলা, পুতলা।
- প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম মুখস্থ করার চেয়ে নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে আত্মস্থ করা সহজ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রমিত বানান থেকে প্রশ্ন আসে।
- বাংলা একাডেমির আধুনিক বানানরীতি ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের বানান সহজে চিহ্নিত করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: B) ১৯৯২
১. কেন সঠিক:
বাংলা ভাষার বানানকে একরূপ ও শৃঙ্খলিত করার উদ্দেশ্যে বাংলা একাডেমি ১৯৯২ সালে প্রথম প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম প্রণয়ন করে।
ভাষা ও বানানের বিশৃঙ্খলা দূর করে সর্বজনগ্রাহ্য একটি মান তৈরি করাই ছিল এই নিয়ম প্রণয়নের মূল লক্ষ্য।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
ভাষা, উপভাষা ও বাংলা ভাষার ইতিহাস এবং শুদ্ধ বানান বিষয়ের অন্তর্গত একটি ঐতিহাসিক ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত এটি।
পরবর্তীতে বানানরীতি আরও যুগোপযোগী করতে বাংলা একাডেমি বিভিন্ন সময় এই নিয়মে কিছু সংশোধন ও পরিমার্জন আনে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সান্ত্বনা
ব্যাখ্যা: প্রমিত বানান নিয়ম অনুযায়ী সান্ত্বনা শব্দে দন্ত ন এর সঙ্গে ত যুক্ত হবে, মূর্ধন্য ন ব্যবহার করা যাবে না।
উদাহরণ ২: পুরস্কার
ব্যাখ্যা: প্রমিত বানান নিয়ম অনুযায়ী পুরস্কার শব্দে বিসর্গ যুক্ত হবে, কোনো ষ ব্যবহার হবে না।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৯০ — এই সালে বাংলা একাডেমির প্রমিত বানানের নিয়ম প্রণীত হয়নি কারণ এই সালটি ভুল।
B) ১৯৯২ — এই অপশনটি সঠিক এবং এই সালেই প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম প্রথম প্রণীত হয়।
C) ১৯৯৪ — এই সালটি প্রমিত বানানের নিয়ম প্রণয়নের সাল নয় বরং অন্য একটি কালক্ষেপণ বছর।
D) ১৯৯৬ — এই সালটি প্রমিত বানানের নিয়ম প্রণয়নের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
নব্বইয়ের দশকের শুরুর দিকে, অর্থাৎ ১৯৯২ সালে বাংলা একাডেমি প্রথম প্রমিত বানানের নিয়ম তৈরি করে।
মনে রাখার কৌশল হিসেবে মনে রাখতে পারো নব্বইয়ের ঠিক দুই বছর পর ১৯৯২ সালে প্রমিত বানান এলো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা একাডেমি প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম প্রথম প্রণয়ন করে ১৯৯২ সালে এবং এর সংবর্ধিত সংস্করণ প্রকাশিত হয় ১৯৯৪ সালে।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বাংলা একাডেমির প্রমিত বানান ও তার সাল সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: D) ঋজু
১. কেন সঠিক:
- বঙ্কিম শব্দের অর্থ হলো যা বাঁকা বা কুটিল।
- এর বিপরীতার্থক শব্দ হলো ঋজু, যার অর্থ সোজা বা সরল।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণে বিপরীতার্থক শব্দ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে শব্দের উৎস ও অর্থের বিপরীত ভাব বিবেচনা করতে হয়।
- তৎসম শব্দের বিপরীতে তৎসম শব্দ এবং তদ্ভব শব্দের বিপরীতে তদ্ভব বা প্রচলিত শব্দ ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বঙ্কিম রেখা
ব্যাখ্যা: বঙ্কিম রেখা অর্থ বাঁকা রেখা, যার বিপরীত সোজা রেখাকে ঋজু রেখা বলা হয়।
উদাহরণ ২: ঋজু গতি
ব্যাখ্যা: ঋজু গতি অর্থ সরল বা সোজা গতি, যার বিপরীত বঙ্কিম গতি হতে পারে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বন্ধুর — বন্ধুর শব্দের অর্থ অমসৃণ বা উঁচু-নিচু, যা বঙ্কিমের সরাসরি বিপরীত শব্দ হিসেবে উপযুক্ত নয়।
B) অসম — অসম শব্দের অর্থ যা সমান নয়, এটি মূলত সম শব্দের বিপরীত।
C) সুষম — সুষম শব্দের অর্থ সুন্দরভাবে সমভাবে বিন্যস্ত, যা বঙ্কিম শব্দের বিপরীত নয়।
D) ঋজু — ঋজু শব্দের অর্থ সোজা বা সরল, যা বঙ্কিম শব্দের সঠিক বিপরীতার্থক রূপ।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নাম মনে রাখলে বঙ্কিম অর্থ বাঁকা বা কুটিল তা সহজে মনে রাখা যায়।
- সোজা বা সরল বোঝাতে ঋজু শব্দ ব্যবহার করা হয়, তাই বঙ্কিম ও ঋজু বিপরীত জোড়া হিসেবে মনে রাখা সহজ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ প্রায়ই আসে।
- বঙ্কিম ও ঋজুর মতো ক্লাসিক্যাল শব্দগুলোর অর্থ ও বিপরীত শব্দ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) শিক্ষাতত্ত্ব
১. কেন সঠিক:
- পেডাগজি (Pedagogy) শব্দের শাব্দিক ও ভাবগত অর্থ হলো শিক্ষাবিজ্ঞান, শিক্ষাদান পদ্ধতি বা শিক্ষাতত্ত্ব।
- এটি মূলত শিক্ষা ও শিক্ষাদানের কৌশল, তত্ত্ব এবং পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করে যা শিক্ষকতা পেশার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা ব্যাকরণ বা সাহিত্যের কোনো সরাসরি অংশ নয়, বরং ইংরেজি থেকে বাংলায় আসা একটি গুরুত্বপূর্ণ পারিভাষিক শব্দ।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শিক্ষা, প্রশাসন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সংক্রান্ত বিদেশি শব্দের সঠিক বাংলা পরিভাষা প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: Curriculumn শব্দের বাংলা পরিভাষা হলো পাঠ্যক্রম।
ব্যাখ্যা: শিক্ষা ব্যবস্থাপনায় এটি একটি অপরিহার্য পারিভাষিক শব্দ।
উদাহরণ ২: Evaluation শব্দের বাংলা পরিভাষা হলো মূল্যায়ন।
ব্যাখ্যা: শিক্ষণ প্রক্রিয়া যাচাই করার জন্য এই পারিভাষিক শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সহশিক্ষা — এটি কো-এডুকেশন (Co-education) শব্দের পরিভাষা, যা একসঙ্গে শিক্ষালাভ করা বোঝায়।
B) নারীশিক্ষা — এটি উইমেন্স এডুকেশন (Women education) শব্দের পরিভাষা, যা শুধু নারীদের শিক্ষাকে নির্দেশ করে।
C) শিক্ষাতত্ত্ব — এটি পেডাগজি শব্দের সঠিক পরিভাষা যা শিক্ষাদান পদ্ধতি ও কৌশল নির্দেশ করে।
D) শিক্ষানীতি — এটি এডুকেশন পলিসি (Education policy) শব্দের পরিভাষা, যা রাষ্ট্রের শিক্ষা সংক্রান্ত পরিকল্পনা।
৫. মনে রাখার টিপস:
- পেডাগজি শব্দের শুরুতে পি ই ডি বা পেড শব্দ থাকলে তা শিশু বা শিক্ষা সংশ্লিষ্ট বিষয় বোঝায়।
- শিক্ষকতা সংক্রান্ত বিজ্ঞান বা তত্ত্ব হলো শিক্ষাতত্ত্ব।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শিক্ষা সংক্রান্ত পারিভাষিক শব্দ প্রায়ই আসে।
- বিদেশি শব্দের পরিভাষা মুখস্থ করার পরিবর্তে তার মূল ক্ষেত্র বা কাজ বিবেচনা করে উত্তর নির্ধারণ করা বুদ্ধিমানের কাজ।
সঠিক উত্তর: D) উপপদ তৎপুরুষ
১. কেন সঠিক:
যে পদের সাথে কৃদন্ত পদের সমাস হয় তাকে উপপদ তৎপুরুষ সমাস বলে। এখানে নীল করের কৃৎ প্রত্যয় সাধিত পদ যুক্ত হয়ে নীলকর শব্দটি গঠিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
কৃদন্ত পদের সাথে উপপদের যে সমাস হয় তাকে উপপদ তৎপুরুষ বলে। পদের শেষে কর বা কার জাতীয় শব্দ থাকলে তা উপপদ তৎপুরুষের নিয়ম মেনে চলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পঙ্কে জন্ম যা = পঙ্কজ
ব্যাখ্যা: পঙ্ক উপপদের সাথে জ কৃদন্ত পদের সমাস হয়ে উপপদ তৎপুরুষ হয়েছে।
উদাহরণ ২: জলে চরে যা = জলচর
ব্যাখ্যা: জল উপপদের সাথে চর কৃদন্ত পদের সমাস হয়ে উপপদ তৎপুরুষ হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দ্বন্দ্ব — দ্বন্দ্ব সমাসে উভয় পদের অর্থের প্রাধান্য থাকে কিন্তু এখানে পদের অর্থের পরিবর্তন ঘটেছে।
B) বহুব্রীহি — বহুব্রীহি সমাসে অন্য পদের অর্থ প্রকাশ পায় কিন্তু এখানে তা বোঝায়নি।
C) নিত্য — নিত্য সমাসে নিত্যকাল সমাসবদ্ধ থাকে এবং এর কোনো ব্যাসবাক্য হয় না।
D) উপপদ তৎপুরুষ — এই অপশনটি সঠিক কারণ কৃদন্ত পদের সাথে উপপদের মিলনে এই সমাস সাধিত হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
ব্যাসবাক্যে যদি শেষে কর, চর, জ, গ ইত্যাদি কৃদন্ত শব্দ থাকে তবে চোখ বন্ধ করে উপপদ তৎপুরুষ সমাস দাগাবে। এটি পরীক্ষার হলে উত্তর দ্রুত মনে রাখার সহজ কৌশল।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপপদ তৎপুরুষ সমাস থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। পঙ্কজ, জলচর, পকেটমার এবং নীলকর শব্দগুলোর ব্যাসবাক্য ভালোভাবে অনুশীলন করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) আবুল ফজল
১. কেন সঠিক:
- “একুশ মানে মাথা নত না করা” পঙ্ক্তিটি বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও প্রাবন্ধিক আবুল ফজলের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও তাৎপর্যপূর্ণ প্রবন্ধ থেকে গৃহীত হয়েছে।
- বাঙালি জাতির আত্মমর্যাদা, ভাষা আন্দোলন এবং একুশের চেতনার মূল চেতনা হলো অন্যায়ের কাছে কখনোই মাথা নত না করা।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- আবুল ফজল বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধের একজন প্রখ্যাত বাঙালি সাহিত্যিক, শিক্ষাবিদ ও প্রাবন্ধিক যিনি তার মননশীল রচনার জন্য পরিচিত।
- ভাষা আন্দোলন ও বাঙালির স্বাধিকার সংগ্রামের পটভূমিতে রচিত বিভিন্ন নিবন্ধে তিনি বাঙালির অদম্য সাহসিকতা ও সাংস্কৃতিক পরিচয় তুলে ধরেছেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আবুল ফজলের বিখ্যাত উপন্যাস চৌচির।
ব্যাখ্যা: এটি লেখকের একটি সুপরিচিত সামাজিক উপন্যাস যেখানে সমাজের নানা অসঙ্গতি ও মানুষের মনস্তত্ত্ব ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
উদাহরণ ২: আবুল ফজলের আরেকটি স্মরণীয় প্রবন্ধ গ্রন্থ মৃত্তিকার পৃথিবী।
ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থে লেখকের সমাজচিন্তা, মানবতাবাদ এবং জীবনদর্শন গভীরভাবে প্রকাশিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আবদুল গাফফার চৌধুরী — তিনি বিখ্যাত ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ গানের রচয়িতা হলেও আলোচ্য পঙ্ক্তিটির রচয়িতা নন।
B) আবুল ফজল — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি পরীক্ষার্থীর জন্য নির্ধারিত সঠিক উত্তরের অপশন।
C) মুনীর চৌধুরী — তিনি বিখ্যাত নাটক কবর ও রক্তাক্ত প্রান্তর এর রচয়িতা কিন্তু এই পঙ্ক্তির সঙ্গে সম্পর্কিত নন।
D) সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী — তিনি প্রখ্যাত প্রাবন্ধিক ও ইমেরিটাস অধ্যাপক হলেও এই পঙ্ক্তির রচয়িতা নন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- একুশ মানে মাথা নত না করা এবং এই চেতনাভিত্তিক মননশীল রচনার জন্য বুদ্ধিজীবী আবুল ফজলকে মনে রাখতে হবে।
- প্রাবন্ধিক আবুল ফজলের নাম মনে রাখলে একুশের চেতনার মননশীল রূপ সহজেই চিহ্নিত করা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিখ্যাত সাহিত্যিকদের অমর উদ্ধৃতি ও তার রচয়িতা প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
- এ ধরনের প্রশ্ন সমাধানের জন্য বিখ্যাত প্রবন্ধ ও নিবন্ধের মূল থিম এবং লেখকের পরিচিতি ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) ঐকিক
১. কেন সঠিক:
- 'ঐকিক' শব্দটিতে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠিত হয়েছে।
- এখানে মূল শব্দ 'এক' এর সাথে 'ষ্ণিক' (িক) প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বিশেষণ পদ গঠিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে শব্দ বা বর্ণসমষ্টি ধাতু বা প্রাতিপদিকের পরে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে, তাকে প্রত্যয় বলে।
- শব্দের মূল অংশ অর্থাৎ প্রাতিপদিকের সাথে যে প্রত্যয় যুক্ত হয়, তাকে তদ্ধিত প্রত্যয় বলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মাসিক
ব্যাখ্যা: মাস যোগ ষ্ণিক (িক) মিলে মাসিক শব্দটি গঠিত হয়েছে, যা একটি তদ্ধিতান্ত শব্দ।
উদাহরণ ২: বার্ষিক
ব্যাখ্যা: বর্ষ যোগ ষ্ণিক (িক) মিলে বার্ষিক শব্দটি গঠিত হয়েছে, যা প্রত্যয় সাধিত শব্দ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভাইবোন — এটি একটি সমাসবদ্ধ শব্দ, যেখানে দ্বন্দ্ব সমাস ব্যবহৃত হয়েছে এবং কোনো প্রত্যয় নেই।
B) রাজপথ — এটি সমাসবদ্ধ শব্দ, যা ব্যতিহার বহুব্রীহি বা ষष्ठी তৎপুরুষ সমাসের মাধ্যমে গঠিত হয়েছে।
C) বকলম — এটি ফারসি উপসর্গ যোগে গঠিত একটি শব্দ, যা অব্যয়ীভাব সমাসেরও অন্তর্ভুক্ত।
D) ঐকিক — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি প্রত্যয় সাধিত শব্দ।
৫ মনে রাখার টিপস:
- শব্দের শেষে িক, ইত, ময়, তা ইত্যাদি দেখলে সাধারণত তদ্ধিত প্রত্যয় সাধিত শব্দ হিসেবে ধরে নেওয়া যায়।
- সমাস ও প্রত্যয়ের পার্থক্য বুঝতে শব্দের গঠন প্রক্রিয়া খেয়াল রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দ গঠন (সদ্ধি, সমাস, উপসর্গ, প্রত্যয়) থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
- প্রত্যয় সাধিত শব্দ চেনার জন্য শব্দের মূল অংশ এবং প্রত্যয় আলাদা করার অভ্যাস করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) সরোবরে
কেন সঠিক:
- সরোবর শব্দের সাথে এ বিভক্তি যুক্ত হয়েছে।
- এটি অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তির উদাহরণ।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- শব্দ বা পদের সাথে যে বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি যুক্ত হয়ে পদ গঠন করে তাকে বিভক্তি বলে।
- সরোবর যোগ এ সমান সরোবরে।
- বনে, জলে, আকাশে এ জাতীয় শব্দের মতো এটিও বিভক্তিযুক্ত শব্দ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) সরোবরে — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
- B) চশমা — এটি একটি মৌলিক শব্দ যার সাথে কোনো বিভক্তি যুক্ত নেই।
- C) সরোজ — এটি একটি প্রত্যয়সাধিত শব্দ যা পদ্ম ফুল বোঝায় এবং এতে কোনো বিভক্তি নেই।
- D) চম্পক — এটি একটি বিশেষ্য পদ যার সাথে কোনো বিভক্তি যুক্ত হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
- শব্দের শেষে এ, য়, তে থাকলে সাধারণত সপ্তমী বিভক্তি হয়।
সঠিক উত্তর: B) বিদ্রোহী
১. কেন সঠিক:
- বিদ্রোহী শব্দটিতে বি উপসর্গ যুক্ত রয়েছে এবং এর মূল শব্দ হলো দ্রোহ।
- উপসর্গ শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে এবং এখানে বি উপসর্গটি বিশেষ ভাব প্রকাশ করেছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- উপসর্গ হলো অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে।
- বিদ্রোহী শব্দটির বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, বি যোগ দ্রোহ যোগ ঈ প্রত্যয় মিলে বিদ্রোহী শব্দটি গঠিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিজ্ঞান
ব্যাখ্যা: এখানে বি উপসর্গটি জ্ঞাণ শব্দের পূর্বে যুক্ত হয়ে বিশেষ জ্ঞান অর্থে বিজ্ঞান শব্দটি গঠন করেছে।
উদাহরণ ২: পরাজয়
ব্যাখ্যা: এখানে পতি বা পরা উপসর্গ জয় শব্দের পূর্বে যুক্ত হয়ে বিপরীতার্থক বা ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিদ্যা — এটি কোনো উপসর্গযুক্ত শব্দ নয় বরং বিদ ধাতু ও য প্রত্যয় যোগে গঠিত একটি মৌলিক বা প্রত্যয়সাধিত শব্দ।
C) বিষয় — এটি একটি মৌলিক শব্দ যার মধ্যে কোনো আলাদা উপসর্গ যুক্ত নেই।
D) বিপুল — এটি একটি শব্দ যার আদি রূপ বা গঠন প্রক্রিয়ায় উপসর্গ কাজ করেনি বরং এটি একটি পূর্ণাঙ্গ শব্দ।
৫ মনে রাখার টিপস:
- উপসর্গ চেনার সহজ উপায় হলো মূল শব্দ থেকে অব্যয় অংশটি বাদ দিলে একটি অর্থপূর্ণ শব্দ পাওয়া যায়।
- বি উপসর্গযুক্ত শব্দ যেমন বিচার, বিদেশ, বিপ্লব ইত্যাদি খুব সহজেই এভাবে আলাদা করা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই উপসর্গযুক্ত শব্দ আলাদা করতে বলা হয়।
- মূল শব্দ এবং উপসর্গ আলাদা করার অভ্যাস থাকলে এ ধরনের প্রশ্ন খুব সহজেই উত্তর করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: D) শাখামৃগ
১. কেন সঠিক:
গঠনরীতির ওপর ভিত্তি করে বাংলা ভাষার শব্দকে মূলত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়। যথা: মৌলিক শব্দ, সাধিত শব্দ এবং রূঢ় বা রূঢ়ি শব্দ, এবং যোগরূঢ় শব্দ। যোগরূঢ় শব্দ হলো সেই সমস্ত শব্দ যা সমাসনিষ্পন্ন হয়ে কোনো পদের সমার্থক না হয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন কোনো বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে। 'শাখামৃগ' শব্দটি শাখা + মৃগ সমাস সাধিত হলেও তা সাধারণ অর্থে কোনো প্রাণীকে না বুঝিয়ে বিশেষভাবে বানরকে বোঝায়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
যেসব সমাসবদ্ধ শব্দ সংজ্ঞার্থের অনুগামী না হয়ে অন্য কোনো বিশিষ্ট অর্থ জ্ঞাপন করে, সেগুলোকে যোগরূঢ় শব্দ বলে। এগুলি মূলত বহুব্রীহি বা অন্য কোনো সমাসের মাধ্যমে গঠিত হলেও মূল অর্থ ছেড়ে একটি প্রচলিত বিশেষ অর্থ গ্রহণ করে। বাংলা ব্যাকরণে যোগরূঢ় শব্দের সংখ্যা খুব বেশি নয় এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য এগুলো মুখস্থ রাখা অত্যন্ত জরুরি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পঙ্কজ
ব্যাখ্যা: পঙ্কে জন্মে যা পঙ্কজ। এটি পঙ্কে উৎপন্ন যেকোনো কিছু না বুঝিয়ে বিশেষভাবে পদ্মফুলকে বোঝায়।
উদাহরণ ২: রাজপুত
ব্যাখ্যা: রাজার পুত্র রাজপুত। এটি রাজার যেকোনো পুত্রকে না বুঝিয়ে বিশেষভাবে একটি জাতি বা সম্প্রদায়কে বোঝায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কলম — এটি একটি প্রচলিত মৌলিক শব্দ, যার অংশবিশেষ ভেঙে কোনো আলাদা অর্থ পাওয়া যায় না।
B) মলম — এটিও একটি মৌলিক শব্দ, যা কোনো সমাস বা প্রত্যয়ের সাহায্যে গঠিত হয়নি।
C) বাঁশি — এটি একটি সাধিত শব্দ, যা বাঁশ শব্দের সঙ্গে ই প্রত্যয় যোগে গঠিত হয়েছে কিন্তু যোগরূঢ় শব্দ নয়।
D) শাখামৃগ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি সমাসবদ্ধ হয়ে সাধারণ অর্থের বাইরে গিয়ে বিশেষভাবে বানর অর্থ প্রকাশ করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
যোগরূঢ় শব্দ সহজে মনে রাখার জন্য পঙ্কজ, রাজপুত, মহাযাত্রা ও শাখামৃগ এই চারটি শব্দ ভালোভাবে আয়ত্ত করে নেবে। পরীক্ষার হলে দেখা যায় সাধারণত এই কয়েকটি শব্দ থেকেই বারবার প্রশ্ন আসে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
শব্দের উৎস বা গঠনগত শ্রেণিবিভাগ থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় একটি প্রশ্ন প্রায়ই থাকে। মৌলিক, সাধিত, রূঢ় এবং যোগরূঢ় শব্দের সংজ্ঞা ও উদাহরণ ভালোভাবে পড়লে এই ধরনের প্রশ্ন খুব সহজেই সমাধান করা সম্ভব।
প্রশ্নের ধরন: ধ্বনি, বর্ণ ও উচ্চারণ
সঠিক উত্তর: B) ২টি
১. কেন সঠিক:
- বাংলা বর্ণমালায় যৌগিক স্বরবর্ণ দুটি, যা হলো ঐ এবং ঔ।
- পাশাপাশি উচ্চারিত দুটি স্বরধ্বনির মিলিত রূপকে যৌগিক স্বরধ্বনি বা দ্বিস্বর বলে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা স্বরবর্ণে মৌলিক স্বরধ্বনি সাতটি হলেও বর্ণমালায় মোট স্বরবর্ণ এগারোটি।
- এর মধ্যে অ, আ, ই, উ, ঋ, এ, ও এই সাতটি মৌলিক স্বরবর্ণ এবং বাকি দুটি যৌগিক স্বরবর্ণ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ঐ
ব্যাখ্যা: ঐ বর্ণটি উচ্চারিত হয় অ এবং ই এর মিলিত ধ্বনি হিসেবে।
উদাহরণ ২: ঔ
ব্যাখ্যা: ঔ বর্ণটি উচ্চারিত হয় অ এবং উ এর মিলিত ধ্বনি হিসেবে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১টি — বাংলা বর্ণমালায় যৌগিক স্বরবর্ণের সংখ্যা একটি নয়, কারণ ঐ এবং ঔ দুটি বর্ণই যৌগিক স্বর হিসেবে গণ্য হয়।
B) ২টি — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি বাংলা ব্যাকরণের নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী পরীক্ষিত সত্য।
C) ৩টি — বাংলা বর্ণমালায় তিনটি যৌগিক স্বরবর্ণ নেই, মূল স্বরবর্ণের তালিকা অনুযায়ী সংখ্যাটি কেবল দুটি।
D) ৪টি — চার সংখ্যাটি ভুল কারণ বাংলা বর্ণমালায় যৌগিক স্বরজ্ঞাপক বর্ণ কেবল ঐ এবং ঔ এই দুটিই রয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- যৌগিক স্বরবর্ণ মনে রাখার সহজ কৌশল হলো বর্ণমালার শেষ দুটি স্বরবর্ণ ঐ ও ঔ কে একসাথে মনে রাখা।
- স্বরবর্ণের এগারোটির মধ্যে শেষের জোড়াটিই হলো যৌগিক স্বরবর্ণ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই যৌগিক স্বরবর্ণ কয়টি এবং কী কী তা জানতে চাওয়া হয়।
- যৌগিক স্বরধ্বনি বা দ্বিস্বারের সংখ্যা বাংলা ভাষায় পঁচিশটি হলেও বর্ণ মাত্র দুটি।
সঠিক উত্তর: ক) মুহম্মদ আবদুল হাই
কেন সঠিক:
১. এই গ্রন্থটি বাংলা ভাষার ধ্বনিবিজ্ঞান ও ধ্বনিতত্ত্বের ওপর প্রথম মৌলিক গবেষণাভিত্তিক গ্রন্থ হিসেবে অত্যন্ত সমাদৃত।
২. ড. মুহম্মদ আবদুল হাই বাংলা উচ্চারণ ও ধ্বনিবিন্যাস নিয়ে বিশদ গবেষণা করে এই গ্রন্থটি রচনা করেছেন।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১. ধ্বনিবিজ্ঞান হলো ভাষা বিজ্ঞানের এমন একটি শাখা যেখানে মানুষের বাকযন্ত্র থেকে উচ্চারিত ধ্বনিসমূহের শারীরিক ও acoustic বৈশিষ্ট্য নিয়ে আলোচনা করা হয়।
২. বাংলা ভাষার ধ্বনিতাত্ত্বিক গবেষণায় এবং স্বরধ্বনি ও ব্যঞ্জনধ্বনির শ্রেণীবিন্যাসে এই গ্রন্থটি একটি প্রামাণ্য দলিল হিসেবে বিবেচিত হয়।
৩. উদাহরণস্বরূপ, বাংলায় স্বরধ্বনির উচ্চারণ এবং তাদের উচ্চারণস্থান নির্ণয়ে এই বইয়ের তথ্যগুলো আজও নির্ভরযোগ্য বলে ধরা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
ক) মুহম্মদ আবদুল হাই — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই বরং এটি তাঁর বিখ্যাত গবেষণাগ্রন্থ।
খ) মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ — তিনি বাংলা ভাষার ইতিহাস ও আঞ্চলিক ভাষা নিয়ে বেশি কাজ করেছেন, যেমন তাঁর ‘বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত’ বিখ্যাত গ্রন্থ।
গ) মুনীর চৌধুরী — তিনি মূলত একজন প্রাবন্ধিক, নাট্যকার ও ভাষা সংগ্রামী ছিলেন, তাঁর বিখ্যাত কাজ ‘মীরমানস’ ও বিভিন্ন নাটক।
ঘ) মুহম্মদ এনামুল হক — তিনি মূলত প্রাচীন ও মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্য এবং সুফি সাধনা নিয়ে গবেষণা করে খ্যাতি অর্জন করেছেন।
মনে রাখার টিপস:
১. হাই মানে উঁচু, আর ধ্বনিবিজ্ঞান হলো ভাষার উঁচু স্তরের গবেষণা, তাই ধ্বনিবিজ্ঞানের উচ্চমানের বই লিখেছেন মুহম্মদ আবদুল হাই।
২. লেখকের নামের শেষ অংশ 'হাই' এবং বইয়ের নামের প্রথম শব্দ 'ধ্বনি' মিলিয়ে মনে রাখা যায় হাই সাউন্ড বা ধ্বনি।
সঠিক উত্তর: C) দেশি
কেন সঠিক:
১. ভারতের আদিম অধিবাসী অনার্য জাতির মুখের ভাষা থেকে যেসব শব্দ বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে, সেগুলোকে দেশি শব্দ বলা হয়।
২. কোল, মুণ্ডা, সাঁওতাল প্রভৃতি প্রাচীন জনগোষ্ঠীর ব্যবহৃত অনেক শব্দ কালক্রমে বাংলা শব্দভাণ্ডারের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১. বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডারকে উৎস বা উৎপত্তি অনুসারে পাঁচটি প্রধান ভাগে ভাগ করা হয়, যার একটি হলো দেশি শব্দ।
২. হাজার বছর ধরে বাঙালি সংস্কৃতির সঙ্গে মিশে থাকা এই শব্দগুলো দেশি বা আদিম জনগোষ্ঠীর ভাষার পরিচয় বহন করে।
৩. উদাহরণস্বরূপ কুলা, ঢেঁকি, চোঙা, পেট, কুৎসিত ইত্যাদি শব্দ অনার্য জাতির ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তৎসম — এই শব্দগুলো সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে, যা অনার্য জাতির ব্যবহৃত শব্দ নয়।
B) তদ্ভব — এই শব্দগুলোর উৎস প্রাকৃত বা অপভ্রংশ হয়ে পরিবর্তিত রূপ, সরাসরি অনার্য শব্দভাণ্ডার নির্দেশ করে না।
C) দেশি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, এটি অনার্য জাতির ব্যবহৃত শব্দ।
D) বিদেশি — এই শব্দগুলো পর্তুগিজ, আরবি, ফার্সি বা ইংরেজি ইত্যাদি বহির্দেশের ভাষা থেকে বাংলায় প্রবেশ করেছে।
মনে রাখার টিপস:
১. অনার্য মানেই দেশীয় আদিবাসীদের ভাষা, তাই আদিবাসীদের ব্যবহৃত শব্দ দেখলেই দেশি শব্দ দাগাবে।
২. কুলা, ঢেঁকি, কুঁড়েঘরের মতো গ্রামীণ ও আদিম জীবনের জিনিসপত্র সাধারণত দেশি শব্দের অন্তর্ভুক্ত হয়।
সঠিক উত্তর: C) উ
কেন সঠিক:
স্বরধ্বনি উ উচ্চারণের সময় জিভের পেছনের অংশ মুখের ছাদের ঠিক কাছাকাছি উচ্চ অবস্থানে উন্নীত হয়।
মুখবিবর খুব বেশি উন্মুক্ত না হয়ে সংকুচিত থাকে এবং ঠোঁট গোলাকৃত হয়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ধ্বনিতত্ত্বে জিহ্বার উচ্চতা অনুযায়ী স্বরধ্বনিগুলোকে উচ্চ, উচ্চ-মধ্য, নিম্ন-মধ্য এবং নিম্ন এই চার ভাগে ভাগ করা হয়।
মুখবিবরের অবস্থান এবং জিভের উচ্চতার তারতম্যের ওপর নির্ভর করে স্বরধ্বনির এই শ্রেণিবিভাগ নির্ধারিত হয়ে থাকে।
উ ধ্বনি উচ্চারণের সময় জিভ সর্বাধিক ওপরে উঠে আসে বলে এটি একটি উচ্চ স্বরধ্বনি হিসেবে পরিচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আ — এই ধ্বনি উচ্চারণের সময় জিহ্বা নিচে বা নিম্ন অবস্থানে থাকে তাই এটি উচ্চ স্বরধ্বনি নয়।
B) এ — এই ধ্বনি উচ্চারণের সময় জিহ্বা উচ্চ-মধ্য অবস্থানে থাকে যা উ এর মতো সর্বোচ্চ উচ্চতা নয়।
C) C — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল অপশনের তালিকায় এটি প্রযোজ্য নয় বরং সঠিক হিসেবে গণ্য।
D) ও — এই ধ্বনি উচ্চারণের সময় জিহ্বা উচ্চ-মধ্য বা পশ্চাৎ মধ্য অবস্থানে অবস্থান করে।
মনে রাখার টিপস:
ই এবং উ উচ্চারণে জিভ ওপরে ওঠে তাই এরা উচ্চ স্বরধ্বনি।
আ উচ্চারণে হাঁা করে জিভ নিচে নামে তাই এটি নিম্ন স্বরধ্বনি।
সঠিক উত্তর: A) নূরনামা
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরটি সপ্তদশ শতাব্দীর বিশিষ্ট কবি আবদুল হাকিমের ‘নূরনামা’ কাব্যের বিখ্যাত পঙক্তি থেকে নেওয়া হয়েছে।
- এই বিখ্যাত পঙক্তির মাধ্যমে কবি মাতৃভাষার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা এবং যারা বাংলা ভাষাকে অবমূল্যায়ন করে তাদের তীব্র সমালোচনা করেছেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ‘নূরনামা’ কাব্যের রচয়িতা মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি আবদুল হাকিম, যিনি আরাকান রাজসভার কবি হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
- এই কাব্যে কবি স্বদেশের ভাষা ও সংস্কৃতির প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করে অমর বাণী রেখে গেছেন যা আজও বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে চিরস্মরণীয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বঙ্গবাণী কবিতা
ব্যাখ্যা: আবদুল হাকিমের এই কবিতাটি মধ্যযুগের বাঙালি মুসলমান কবিদের মাতৃভাষাপ্রীতির অনন্য এক ঐতিহাসিক নিদর্শন।
উদাহরণ ২: সে সব কাহার জন্ম নির্ণয় ন জানি
ব্যাখ্যা: ‘নূরনামা’ কাব্যের এই পঙক্তিতে কবি মাতৃভাষাদ্বেষী ও পরভাষাপ্রীতি সম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্মপরিচয় নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নূরনামা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই কাব্যের মধ্যেই বিখ্যাত বঙ্গবাণী বিষয়ক পঙক্তিটি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
B) নসিহতনামা — এটি শেখ সাদী রচিত ফার্সি গ্রন্থ বা এর অনুসরণে লেখা অন্য ধারার নৈতিক উপদেশমূলক গ্রন্থ।
C) মধুমালতী — এটি সৈয়দ সুলতান বা মুহম্মদ কবীর রচিত একটি রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যানমূলক কাব্য।
D) ইউসুফ-জুলেখা — এটি শাহ মুহম্মদ সগীর কিংবা আব্দুল হাকিমের সমসাময়িক অন্য কবিদের রচিত প্রেমকাব্য।
৫ মনে রাখার টিপস:
- আবদুল হাকিমের মাতৃভাষাপ্রীতির বিখ্যাত পঙক্তি দেখলে চোখ বন্ধ করে ‘নূরনামা’ কাব্য এবং কবি আবদুল হাকিমকে মনে রাখবে।
- মধ্যযুগে বাংলা ভাষার পক্ষে কথা বলা একমাত্র প্রতিবাদী কবি হলেন আবদুল হাকিম।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ‘যে সবে বঙ্গেত জন্মি হিংসে বঙ্গবাণী’ পঙক্তিটি কার রচিত বা কোন কাব্যের, তা বারবার আসে।
- মধ্যযুগের লেখকদের কাব্যগুলোর নাম ভালোভাবে মনে রাখলে এজাতীয় প্রশ্ন খুব সহজে উত্তর করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: C) শহীদুল জহির
১. কেন সঠিক:
শহীদুল জহিরের গল্পে ম্যাজিক রিয়েলিজম বা জাদুবাস্তবতার সার্থক প্রতিফলন ঘটেছে।
তাঁর লেখায় পরাবাস্তব উপাদান ও লৌকিকতার সঙ্গে বাস্তব জীবনের গভীর ও নিখুঁত মিশ্রণ লক্ষ করা যায়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
শহীদুল জহির বাংলা কথাসাহিত্যে জাদুবাস্তবতার অন্যতম প্রবক্তা ও সাধক হিসেবে পরিচিত।
তাঁর ছোটগল্পে পুরান ঢাকার জীবনযাত্রা এবং ইতিহাসের সঙ্গে পরাবাস্তব চেতনা ও রূপকধর্মিতার অপূর্ব সমন্বয় ঘটেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ডুমুরের ফুল ও অন্যান্য গল্প
ব্যাখ্যা: এটি শহীদুল জহিরের একটি বিখ্যাত গল্পগ্রন্থ যেখানে জাদুবাস্তবতার শৈল্পিক প্রয়োগ দেখা যায়।
উদাহরণ ২: আবু ইব্রাহিমের মৃত্যু
ব্যাখ্যা: এটি তাঁর আরেকটি উল্লেখযোগ্য উপন্যাস যেখানে বাস্তব ও অলৌকিক চেহারার সুন্দর মেলবন্ধন রয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জ্যোতিপ্রকাশ দত্ত — ইনি বাংলা সাহিত্যের একজন খ্যাতিমান কথাসাহিত্যিক হলেও তাঁর গল্পে ম্যাজিক রিয়েলিজমের প্রধান ধারাটি সেভাবে অনুপস্থিত।
B) রিজিয়া রহমান — ইনি মূলত ঐতিহাসিক ও সামাজিক উপন্যাসের জন্য পরিচিত, ম্যাজিক রিয়েলিজম তাঁর প্রধান বৈশিষ্ট্য নয়।
C) শহীদুল জহির — এই অপশনটি সঠিক এবং তাঁর গল্পেই ম্যাজিক রিয়েলিজমের সার্থক প্রতিফলন ঘটেছে।
D) দিলারা হাশেম — ইনি একজন প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক ও গল্পকার হলেও তাঁর সাহিত্যকর্মে ম্যাজিক রিয়েলিজমের বিশেষ প্রভাব নেই।
৫ মনে রাখার টিপস:
ম্যাজিক রিয়েলিজম বা জাদুবাস্তবতা শব্দটির সঙ্গে শহীদুল জহিরের নাম সবচেয়ে গভীরভাবে যুক্ত।
পুরান ঢাকার পটভূমি এবং পরাবাস্তব উপাদান একসঙ্গে মনে রাখলে শহীদুল জহিরকে সহজে চেনা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শহীদুল জহিরকে প্রায়শই জাদুবাস্তবতার লেখক হিসেবে প্রশ্ন করা হয়।
তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ সংখ্যা কম হলেও বাংলা সাহিত্যে তাঁর অবদান অত্যন্ত সুদূরপ্রসারী ও অনন্য।
সঠিক উত্তর: C) আবুল হাসান
১. কেন সঠিক:
- ‘পৃথক পালঙ্ক’ কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা হলেন বিশিষ্ট আধুনিক কবি আবুল হাসান।
- এটি বাংলা আধুনিক কবিতায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং বিষণ্ণ চেতনার একটি অনন্য কাব্যগ্রন্থ।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- আবুল হাসান বাংলা সাহিত্যের একজন প্রতিভাবান ও জনপ্রিয় আধুনিক কবি।
- তাঁর প্রকৃত নাম আবুল হোসেন মিয়া হলেও তিনি আবুল হাসান নামেই সাহিত্যজগতে পরিচিত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রাজা যায় রাজা আসে
ব্যাখ্যা: এটি কবি আবুল হাসানের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ।
উদাহরণ ২: করুণ মৃত্যুমালা
ব্যাখ্যা: এটিও কবি আবুল হাসানের একটি অত্যন্ত প্রশংসিত কাব্যগ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আল মাহমুদ — তিনি বিখ্যাত কবি ও কথাশিল্পী, তাঁর কাব্যগ্রন্থের মধ্যে লোক লোকান্তর ও সোনালী কাবিন উল্লেখযোগ্য।
B) রফিক আজাদ — তিনি বিশিষ্ট আধুনিক কবি, তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ হলো অসম্ভবের পায়ে এবং বেঁচে আছি স্বতঃস্ফূর্ততায়।
D) আবুল হোসেন — তিনি একজন প্রাবন্ধিক ও কবি, তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ হলো আর এক পৃথিবী ও হাওয়ায় নিশ্বাস।
৫ মনে রাখার টিপস:
- আবুল হাসান মানেই আলাদা বা পৃথক কিছু, এভাবে 'পৃথক পালঙ্ক' কাব্যগ্রন্থটি মনে রাখতে পারো।
- তাঁর কাব্যগ্রন্থের সংখ্যা কম হলেও প্রতিটি অত্যন্ত মানসম্মত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আধুনিক কবিদের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ও উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ প্রায়ই আসে।
- আবুল হাসানের ক্ষেত্রে 'রাজা যায় রাজা আসে' এবং 'পৃথক পালঙ্ক' বারবার পরীক্ষাতে আসে।
সঠিক উত্তর: D) দ্বৈতাদ্বৈতবাদ
১. কেন সঠিক:
- প্রখ্যাত নাট্যকার সেলিম আল দীন বাংলা নাট্যসাহিত্যে দেশজ ঐতিহ্য ও লোকনাট্যের ফর্মকে আধুনিক রূপ দিতে গিয়ে নিজস্ব একটি শিল্পদর্শন তৈরি করেন।
- তাঁর নাট্যতত্ত্বে মূলত দ্বৈতাদ্বৈতবাদের প্রভাব লক্ষ্য করা যায়, যেখানে দৃশ্যমান পৃথিবী ও অদৃশ্য মহাবিশ্বের দ্বৈত রূপ এবং তাদের মধ্যকার অদ্বৈত বা একীভূত সত্তাকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- নাট্যকার সেলিম আল দীন বাংলা নাট্যজগতে শেকড়সন্ধানী নাটকের প্রবক্তা এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার এন্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক।
- তাঁর বিখ্যাত নাটকগুলোর মধ্যে কিত্তনখোলা, কেরামত মঙ্গল, যৈবতী কন্যার মন এবং হাতহদাই বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য, যা বাংলার লোকজ জীবন ও দর্শনের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কিত্তনখোলা
ব্যাখ্যা: এটি সেলিম আলদীনের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় নাটক, যেখানে বাংলার গ্রামীণ মেলা ও প্রান্তিক মানুষের জীবনযাত্রার মধ্য দিয়ে দ্বৈতাদ্বৈতবাদী জীবনের আবহ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
উদাহরণ ২: চাকা
ব্যাখ্যা: এটি তাঁর আরেকটি বিখ্যাত নাটক যা গ্রামীণ জীবনের এক মর্মান্তিক বাস্তবতাকে লোকায়ত ভঙ্গিতে তুলে ধরে এবং তাঁর নাট্যতত্ত্বের প্রতিফলন ঘটায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অস্তিত্ববাদ — এটি মূলত ইউরোপীয় সাহিত্য ও দর্শনের ধারা, যা মানুষের নিঃসঙ্গতা ও স্বাধীন ইচ্ছাকে গুরুত্ব দেয়, কিন্তু সেলিম আল দীনের মূল প্রেরণা ছিল দেশজ লোকদর্শন।
B) অভিব্যক্তিবাদ — এটি মূলত চিত্রশিল্প ও নাটকের একটি ইউরোপীয় আন্দোলন যা বাহ্যিক বাস্তবতার চেয়ে অভ্যন্তরীণ অনুভূতির প্রকাশকে প্রধান করে তোলে।
C) পরাবাস্তববাদ — এটি অবচেতন মনের প্রকাশ ও স্বপ্নময় অবাস্তবতাকে তুলে ধরার ফরাসি সাহিত্য আন্দোলন, যা সেলিম আল দীনের দেশজ লোকনাট্যের তাত্ত্বিক ভিত্তি নয়।
D) দ্বৈতাদ্বৈতবাদ — এটি সঠিক কারণ সেলিম আল দীন তাঁর নাট্যচর্চায় ও তত্ত্বে এই দেশীয় ও শাশ্বত দার্শনিক ধারণাকে সার্থকভাবে প্রয়োগ করেছেন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সেলিম আল দীন মানেই বাংলার শেকড়সন্ধানী লোকনাট্য এবং এর দার্শনিক ভিত্তি হলো দ্বৈতাদ্বৈতবাদ।
- এই নাট্যকারকে মনে রাখতে হলে তাঁর দেশজ থিয়েটার ও লোকজ নাট্যরীতির কথা মাথায় রাখতে হবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সেলিম আল দীনের নাট্যতত্ত্ব বা লোকনাট্য নিয়ে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- তাঁর বিখ্যাত নাটকগুলোর নাম এবং নাট্যভাবনা ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
সঠিক উত্তর: D) অদ্ভুত আঁধার এক
১. কেন সঠিক:
- অদ্ভুত আঁধার এক শামসুর রাহমান রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস।
- এই উপন্যাসে লেখকের মননশীল গদ্যশৈলী এবং সমকালীন সামাজিক ও রাজনৈতিক বাস্তবতার শিল্পসম্মত রূপায়ণ ঘটেছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- শামসুর রাহমান আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি হলেও তিনি গদ্য রচনায়ও বিশেষ পারদর্শিতা দেখিয়েছেন।
- তাঁর রচিত অন্যান্য উল্লেখযোগ্য উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে অর্বাচীনীন ও বিভাস।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অর্বাচীনীন
ব্যাখ্যা: এটি শামসুর রাহমানের একটি সুপরিচিত উপন্যাস যা তাঁর গদ্য রচনার মুন্সিয়ানার পরিচয় বহন করে।
উদাহরণ ২: বিভাস
ব্যাখ্যা: এটিও কবি শামসুর রাহমানের রচিত একটি উপন্যাস, যা তাঁর কথাসাহিত্যের অনন্য নিদর্শন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পতঙ্গ পিঞ্জর — এটি শামসুর রাহমানের উপন্যাস নয় বরং এটি কবি শহীদ কাদরীর একটি বিখ্যাত কবিতার নাম।
B) প্রেম একটি লাল গোলাপ — এটি শামসুর রাহমানের উপন্যাস নয়, এটি আল মাহমুদের একটি উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ।
C) রৌদ্র করোটিতে — এটি শামসুর রাহমানের কোনো উপন্যাস নয়, এটি শহীদ কাদরীর অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি কাব্যগ্রন্থ।
D) অদ্ভুত আঁধার এক — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি শামসুর রাহমান রচিত একটি উপন্যাস।
৫ মনে রাখার টিপস:
- শামসুর রাহমান মূলত কবি হিসেবে পরিচিত হলেও তাঁর উপন্যাসগুলো মনে রাখার জন্য নামের ভিন্নতা খেয়াল রাখতে হবে।
- অদ্ভুত আঁধার এক, অর্বাচীনীন ও বিভাস এই তিনটি নাম একসঙ্গে মনে রাখলে উপন্যাসগুলো সহজে আলাদা করা যাবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত কবিদের লেখা উপন্যাস বা ছোটগল্প সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
- কবিরা কবিতা ছাড়াও উপন্যাস বা নাটক লিখলে তা আলাদা করে নোট করে রাখা পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য খুব কার্যকর।
সঠিক উত্তর: A) কাজী নজরুল ইসলাম
১. কেন সঠিক:
'ও মন রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ' গানটির রচয়িতা বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম।
বাংলা ১৩৩৮ সালের রমজান মাসে আব্বাস উদ্দীন আহমদের অনুরোধে ইসলামী গান হিসেবে এই বিখ্যাত গানটি রচিত ও সুরারোপিত হয়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত হলেও তিনি প্রচুর ইসলামী গান, গজল ও শ্যামাসঙ্গীত রচনা করেছেন।
তার এই গানটি বাঙালি মুসলিম সমাজে ঈদের আনন্দ ও উৎসবের অন্যতম প্রধান সাংস্কৃতিক প্রতীকে পরিণত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হে অতল জলের আহ্বান
ব্যাখ্যা: এটিও কাজী নজরুল ইসলামের রচিত একটি বিখ্যাত গান ও কবিতা।
উদাহরণ ২: তোরা দেখে যা আমিনা মায়ের কোলে
ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের রচিত অপর একটি জনপ্রিয় ইসলামী গান।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কাজী নজরুল ইসলাম — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি নিজেই এই কালজয়ী ঈদের গানটি রচনা করেছিলেন।
B) গোলাম মোস্তফা — তিনি একজন বিশিষ্ট কবি হলেও এই বিখ্যাত ঈদের গানটি তিনি রচনা করেননি।
C) জসীমউদ্দীন — তিনি পল্লীকবি হিসেবে খ্যাত এবং তার রচনার মূল বিষয় পল্লিপ্রকৃতি, যা এই গানের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) আব্বাস উদ্দীন আহমদ — তিনি এই গানটির প্রথম বিখ্যাত কণ্ঠশিল্পী ও সুরকার ছিলেন, কিন্তু এর রচয়িতা নন।
৫ মনে রাখার টিপস:
নজরুলের ঈদের গান মানেই রমজানের রোজার শেষে খুশির ঈদ গানটি, যা আব্বাস উদ্দীনের কণ্ঠে প্রথম রেকর্ড হয়েছিল।
ইসলামী গান ও গজলের ক্ষেত্রে কাজী নজরুল ইসলামের অবদান সবচেয়ে বেশি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় গানটির রচয়িতা এবং প্রথম গায়কের নাম প্রায়ই আলাদা করে জানতে চাওয়া হয়।
রচয়িতা কাজী নজরুল ইসলাম হলেও শিল্পী হিসেবে আব্বাস উদ্দীন আহমদের নাম গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
সঠিক উত্তর: B) বিষ্ণু দে
১. কেন সঠিক:
- “নাম রেখেছি কোমল গান্ধার” কাব্যগ্রন্থটি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান দিকপাল বিষ্ণু দে রচনা করেছেন।
- এখানে 'কোমল গান্ধার' শব্দটি ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের একটি স্বরগ্রামকে নির্দেশ করে, যা কাব্যের নামকরণে ভিন্নমাত্রা যোগ করেছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বিষ্ণু দে তিরিশের দশকের আধুনিক বাংলা কবিতার একজন মার্কসবাদী চেতনাসম্পন্ন ও প্রগতিশীল কবি।
- তার কবিতায় পাশ্চাত্য সাহিত্যের প্রভাব, আধুনিক মনন, ইতিহাস ও সংস্কৃতির গভীর বোধ এবং ফর্মের পরীক্ষা-নিরীক্ষা লক্ষ্য করা যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্যগ্রন্থ "গীতাঞ্জলি"
ব্যাখ্যা: এটি তার বিশ্বখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যার জন্য তিনি নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
উদাহরণ ২: কাজী নজরুল ইসলামের কাব্যগ্রন্থ "অগ্নিবীণা"
ব্যাখ্যা: এটি তার প্রথম প্রকাশিত এবং বিদ্রোহী কবিতার সংকলন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — ইনি বাংলা সাহিত্যের সর্বকালের সেরা কবি হলেও "নাম রেখেছি কোমল গান্ধার" তার কাব্যগ্রন্থ নয়।
B) বিষ্ণু দে — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি সঠিক।
C) অমিয় চক্রবর্তী — ইনি তিরিশের দশকের আধুনিক কবি হলেও এই কাব্যগ্রন্থটি তার রচিত নয়।
D) প্রেমেন্দ্র মিত্র — ইনি কল্লোল যুগের বিশিষ্ট সাহিত্যিক হলেও এই কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা নন।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বিষ্ণু দের নাম মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো যে তিনি সঙ্গীতের সুর বা রাগভিত্তিক নাম যেমন কোমল গান্ধার ব্যবহার করেছেন।
- তিরিশের দশকের আধুনিক কবিদের মধ্যে বিষ্ণু দের কাব্যনামগুলো একটু আলাদা ধরনের হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আধুনিক যুগের কবি ও তাদের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের নাম প্রায়ই আসে।
- কবি বিষ্ণু দের অন্যান্য বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যেমন চোরাবালি এবং পূর্বলেখ ভালোভাবে পড়ে রাখবে।
সঠিক উত্তর: D) হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
১. কেন সঠিক:
- ‘তৈল’ প্রবন্ধটি মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর বিখ্যাত একটি মননশীল ও সমাজ সচেতন প্রবন্ধ।
- এই প্রবন্ধে লেখক সমাজের একশ্রেণির তোষামোদকারী ও সুবিধাবাদী মানুষের চরিত্রকে তৈল মর্দনের রূপকের মাধ্যমে অত্যন্ত ব্যঙ্গাত্মকভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ছিলেন ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষ ও বিংশ শতাব্দীর শুরুর একজন প্রখ্যাত বাঙালি ইতিহাসবিদ, পন্ডিত ও প্রাচীন বাংলা সাহিত্যের উদ্ধারকারী।
- তাঁর প্রকৃত নাম বিনয়ভূষণ ভট্টাচার্য হলেও তিনি হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নামেই বেশি পরিচিত এবং তিনি চর্যাপদের আবিষ্কারক হিসেবে বিশ্বজুড়ে সমাদৃত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর রচিত প্রাচীন গবেষণামূলক গ্রন্থ ‘বৌদ্ধ গান ও দোহা’।
ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থের মাধ্যমেই তিনি ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবার থেকে চর্যাপদ আবিষ্কার ও সম্পাদনা করে প্রকাশ করেছিলেন।
উদাহরণ ২: হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর ইতিহাসভিত্তিক উপন্যাস ‘বেনিফসট’।
ব্যাখ্যা: এটি তাঁর একটি সুপরিচিত ঐতিহাসিক উপন্যাস যা তৎকালীন সমাজ ও ইতিহাসের নানা দিক তুলে ধরে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সুকুমার রায় — তিনি মূলত শিশুসাহিত্যের জন্য বিখ্যাত এবং তাঁর অমর সৃষ্টি ‘হযবরল’ ও ‘আবোল তাবোল’।
B) রমেশচন্দ্র মজুমদার — তিনি ছিলেন বাংলাদেশের প্রখ্যাত ইতিহাসবিদ ও গবেষক, তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ ‘বাংলাদেশের ইতিহাস’।
C) শিবনারায়ণ রায় — তিনি একজন বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক, সমালোচক ও চিন্তাবিদ ছিলেন, যিনি মূলত সাহিত্য সমালোচনা নিয়ে কাজ করেছেন।
D) হরপ্রসাদ শাস্ত্রী — এই অপশনটি সঠিক কারণ ‘তৈল’ প্রবন্ধটি তাঁরই অত্যন্ত জনপ্রিয় ও মননশীল একটি রচনা।
৫ মনে রাখার টিপস:
- তৈল দিয়া সমাজের বড়লোকদের মন জোগানোর চতুর স্বভাব ফুটিয়ে তুলতে পন্ডিত হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর ‘তৈল’ প্রবন্ধটি মনে রাখতে হবে।
- পন্ডিত ব্যক্তিরাই সমাজকে আয়নায় দেখান, তাই গবেষণাধর্মী পন্ডিত হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর এই ব্যঙ্গাত্মক প্রবন্ধটি তার পাণ্ডিত্যের আরেকটি চমৎকার নিদর্শন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকের নাম ও প্রবন্ধের মিল সংক্রান্ত প্রশ্নে এই রচনাটি প্রায়ই আসে।
- চর্যাপদের আবিষ্কারক এবং প্রাচীন বাংলার ইতিহাস গবেষক হিসেবে হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর অন্যান্য প্রবন্ধ ও গবেষণাকর্ম সম্পর্কেও ধারণা রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: B) রক্তকরবী
১. কেন সঠিক:
- রঞ্জন চরিত্রটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রক্তকরবী নাটকের কেন্দ্রীয় পুরুষ চরিত্র, যার সরাসরি উপস্থিতি না থাকলেও পুরো নাটক জুড়ে তার প্রভাব ও উপস্থিতি অনুভব করা যায়।
- রঞ্জন হলো মুক্ত প্রাণের প্রতীক, যে যান্ত্রিক সভ্যতা ও শোষণের বিরুদ্ধে তার তারুণ্য ও প্রেমের শক্তি নিয়ে আবির্ভূত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত রক্তকরবী একটি প্রতীকধর্মী নাটক, যা ১৯২৬ সালে প্রবাসী পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত এবং একই বছর গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।
- এই নাটকে ধনতন্ত্রের নিষ্ঠুর রূপ, মানুষের যান্ত্রিক শোষণ এবং তার বিরুদ্ধে প্রেমের জয়গান অত্যন্ত রূপক অর্থে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রক্তকরবী নাটকের প্রধান নারী চরিত্র নন্দিনী।
ব্যাখ্যা: নন্দিনী হলো আলো, জীবন ও সৌন্দর্যের প্রতীক, যা রঞ্জনের প্রেম দ্বারা পরিচালিত।
উদাহরণ ২: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রাজা নাটক।
ব্যাখ্যা: রাজা নাটকেও মূল চরিত্র রাজার শারীরিক উপস্থিতি ছাড়াই তার অদৃশ্য প্রভাব নাটকের গতিপ্রকৃতি নির্ধারণ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিসর্জন — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি ট্র্যাজেডি নাটক, যেখানে রঞ্জন চরিত্রটি নেই, বরং রঘুপতি ও জয়সিংহ প্রধান চরিত্র।
B) রক্তকরবী — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য এবং রঞ্জন এই নাটকেরই অবিচ্ছেদ্য অংশ।
C) মুক্তধারা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি যন্ত্রসভ্যতার বিরুদ্ধে মানুষের প্রতিবাদের নাটক, যেখানে ধনঞ্জয় বৈরাগী ও যুবরাজ ধনঞ্জয়ের চরিত্র রয়েছে কিন্তু রঞ্জন নেই।
D) ডাকঘর — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত নাটক যেখানে অমল চরিত্রটি প্রধান, কিন্তু রঞ্জন চরিত্রটি এখানে অনুপস্থিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- রক্তকরবী নাটকের প্রধান দুটি স্মরণীয় চরিত্র হলো রঞ্জন ও নন্দিনী।
- রঞ্জন নামটির সঙ্গে রক্তকরবী নাটকটি মিলিয়ে মনে রাখলে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- রক্তকরবী নাটকটির রচিয়তা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং এটি একটি রূপক ও প্রতীকধর্মী নাটক।
- এই ধরনের চরিত্রভিত্তিক প্রশ্ন বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে, তাই নাটকের প্রধান চরিত্রগুলোর নাম ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) মাইকেল মধুসূদন দত্ত
কেন সঠিক:
দীনবন্ধু মিত্রের বিখ্যাত নীলদর্পণ নাটকটি ইংরেজিতে অনুবাদ করেছিলেন মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত।
ইউরোপীয় সমাজে নাটকের মাধ্যমে নীলকর সাহেবদের নির্যাতনের কথা তুলে ধরতে এই ইংরেজি অনুবাদ করা হয়েছিল।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা নাট্য সাহিত্যে নীলদর্পণ নাটকটি নীলকর বিদ্রোহের এক ঐতিহাসিক দলিল হিসেবে বিশেষ স্থান অধিকার করে আছে।
এই নাটকের ইংরেজি অনুবাদ প্রকাশের পর ইংল্যান্ডের মানুষের মধ্যে তীব্র প্রতিবাদের ঝড় উঠেছিল।
রেভারেন্ড জেমস লংয়ের নামে এই অনুবাদ প্রকাশিত হলেও এর প্রকৃত অনুবাদক ছিলেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জশুয়া মার্শম্যান — ইনি শ্রীরামপুর মিশনের একজন প্রখ্যাত মিশনারি ও সাংবাদিক ছিলেন যিনি বাংলা সংবাদপত্র প্রচারে যুক্ত ছিলেন।
B) ডেভিড হেয়ার — ইনি ভারতে ইংরেজি শিক্ষা প্রসারের জন্য বিখ্যাত একজন সমাজসংস্কারক এবং শিক্ষানুরাগী ছিলেন।
C) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — ইনি বাংলা গদ্যের জনক এবং সমাজসংস্কারক হলেও নীলদর্পণ নাটকটি ইংরেজিতে অনুবাদ করেননি।
D) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি রেভারেন্ড জেমস লংয়ের অনুরোধে নাটকটির ইংরেজি অনুবাদ করেছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
নীলদর্পণ নাটকের বাংলা লিখেছেন দীনবন্ধু এবং মধু দিয়ে মনে রেখো এর ইংরেজি অনুবাদ করেছেন মধুসূদন দত্ত।
সঠিক উত্তর: A) কমলাকান্ত
১. কেন সঠিক:
ভীষ্মদেব খোশনবীশ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত রম্য রচনা সংকলন কমলাকান্ত গ্রন্থের একটি কাল্পনিক চরিত্র।
এই চরিত্রটি গ্রন্থের বিভিন্ন নিবন্ধে লেখকের ছদ্মনাম বা সহযোগী হিসেবে নানা সামাজিক ও রাজনৈতিক বিষয়ে মন্তব্য প্রকাশ করেছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের জনক এবং বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক।
কমলাকান্ত গ্রন্থটি মূলত টমাস ডি কুইন্সির কনফেশনস অফ অ্যান ইংলিশ অপিয়াম ইটার অবলম্বনে রচিত একটি ব্যঙ্গাত্মক প্রবন্ধ সংকলন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিড়াল
ব্যাখ্যা: এটি কমলাকান্ত গ্রন্থের একটি বিখ্যাত ব্যঙ্গাত্মক প্রবন্ধ যেখানে কমলাকান্ত ও একটি বিড়ালের কথোপকথনের মাধ্যমে সমাজের নানা অসংগতি তুলে ধরা হয়েছে।
উদাহরণ ২: আমার মন
ব্যাখ্যা: এটিও কমলাকান্ত গ্রন্থের অন্তর্গত একটি প্রাবন্ধিক রচনা যেখানে মানুষের মনস্তত্ত্ব ও সমাজ বাস্তবতার চিত্রফুটে উঠেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কমলাকান্ত — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই গ্রন্থেই ভীষ্মদেব খোশনবীশ চরিত্রের উপস্থিতি রয়েছে।
B) লোকরহস্য — এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি প্রবন্ধ গ্রন্থ হলেও এতে এই চরিত্রটি নেই।
C) মুচিরাম গুড়ের জীবনচরিত — এটি বঙ্কিমচন্দ্রের একটি আলাদা ব্যঙ্গাত্মক উপন্যাস যেখানে মুচিরাম গুড় প্রধান চরিত্র।
D) যুগলাঙ্গুরীয় — এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি রোমান্টিক উপন্যাস যাতে এই চরিত্রটি অনুপস্থিত।
৫ মনে রাখার টিপস:
কমলাকান্তের নেশার ঘোরে লেখা মজার ও তীক্ষ্ণ সামাজিক সমালোচনামূলক কথাগুলো ভীষ্মদেব খোশনবীশ নামক চরিত্রের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়েছে।
বঙ্কিমচন্দ্রের রম্য রচনা মানেই কমলাকান্ত এবং তার ভেতরের নানা চরিত্র যেমন বিড়াল ও ভীষ্মদেব খোশনবীশ।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কমলাকান্ত গ্রন্থটি মূলত তিনটি অংশে বিভক্ত এবং এর ছদ্মনামধারী চরিত্রগুলো খুব সাবধানে মনে রাখতে হবে।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বঙ্কিমচন্দ্রের উপন্যাস ও রম্য রচনার চরিত্র থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: B) দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর
১. কেন সঠিক:
- স্বর্ণকুমারী দেবীর পিতার নাম মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর যিনি বিখ্যাত সমাজসংস্কারক ও ব্রাহ্মসমাজের নেতা ছিলেন।
- জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবারের বিখ্যাত সাহিত্যিক ও সংস্কৃতিমনা পরিবেশেই স্বর্ণকুমারী দেবী বেড়ে ওঠেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- স্বর্ণকুমারী দেবী ছিলেন বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক নারী ঔপন্যাসিক ও বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী একজন লেখক।
- তিনি বিখ্যাত কবি ও দার্শনিক রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বোন এবং তার রচিত প্রথম উপন্যাস দীপনির্বাণ ১৮৭৬ সালে প্রকাশিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলেন দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের কনিষ্ঠ পুত্র এবং স্বর্ণকুমারী দেবীর ছোট ভাই।
উদাহরণ ২: অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যা: অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলেন গুণেন্দ্রনাথ ঠাকুরের পুত্র এবং স্বর্ণকুমারী দেবীর ভ্রাতুষ্পুত্র বা ভাইয়ের ছেলে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দ্বারকানাথ ঠাকুর — দ্বারকানাথ ঠাকুর হলেন দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের পিতা এবং স্বর্ণকুমারী দেবীর পিতামহ।
B) দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি স্বর্ণকুমারী দেবীর জৈবিক পিতা।
C) রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর — রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পুত্র, স্বর্ণকুমারী দেবীর ভাইয়ের ছেলে নন।
D) প্রমথ চৌধুরী — প্রমথ চৌধুরী হলেন স্বর্ণকুমারী দেবীর জামাতা বা কন্যা ইন্দিরা দেবীর স্বামী।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ঠাকুর পরিবারের বিখ্যাত ভাইবোনদের মনে রাখতে মনে রাখবেন স্বর্ণকুমারী দেবী হলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের দিদি বা বড় বোন এবং তাদের পিতার নাম দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ঠাকুর পরিবারের নারী সাহিত্যিকদের নিয়ে প্রশ্ন আসে, তাই স্বর্ণকুমারী দেবীর পিতাপরিচয় ও সাহিত্যকর্ম মনে রাখা জরুরি।
- এই ধরনের প্রশ্নে পরিবারের জেনারেশন বা প্রজন্ম গুলিয়ে ফেলা যাবে না, যেমন পিতা আর পিতামহের পার্থক্য পরিষ্কার রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
১. কেন সঠিক:
'রত্নপরীক্ষা' গ্রন্থটির রচয়িতা পণ্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। এটি তাঁর অন্যতম একটি অনুবাদমূলক ও শিক্ষামূলক গদ্যগ্রন্থ।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ছিলেন বাংলা গদ্যের জনক ও উনিশ শতকের অন্যতম প্রধান সংস্কারক। তাঁর মৌলিক ও অনুবাদ গ্রন্থের মধ্যে রত্নপরীক্ষা একটি বিশেষ স্থান অধিকার করে আছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ভ্রান্তিবিলাস
ব্যাখ্যা: এটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের আরেকটি বিখ্যাত অনুবাদ গ্রন্থ, যা শেক্সপিয়রের কমেডি অফ এররস অবলম্বনে রচিত।
উদাহরণ ২: শকুন্তলা
ব্যাখ্যা: এটি কালিদাসের অভিজ্ঞানশকুন্তলম নাটকের আখ্যানে রচিত বিদ্যাসাগরের একটি জনপ্রিয় গদ্যগ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রামমোহন রায় — রাজা রামমোহন রায় বাংলা গদ্যের পত্তন করলেও তিনি 'রত্নপরীক্ষা' গ্রন্থের রচয়িতা নন।
B) অক্ষয়কুমার দত্ত — অক্ষয়কুমার দত্ত বিজ্ঞান ও সমাজভিত্তিক প্রবন্ধ রচনার জন্য পরিচিত হলেও এই গ্রন্থের লেখক নন।
C) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
D) রাধানাথ শিকদার — রাধানাথ শিকদার গণিতবিদ ও এভারেস্টের উচ্চতা পরিমাপক হলেও এই সাহিত্যকর্মের সঙ্গে যুক্ত নন।
৫ মনে রাখার টিপস:
বিদ্যাসাগরের অনুবাদ গ্রন্থগুলো মনে রাখতে মূল সংস্কৃত বা ইংরেজি নামের পাশাপাশি তাঁর গদ্যশৈলী মনে রাখতে হবে। রত্নপরীক্ষা নামটি বিদ্যাসাগরের শিক্ষামূলক রচনার অন্তর্ভুক্ত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদ্যাসাগরের অনুবাদ ও মৌলিক গ্রন্থগুলোর নাম প্রায়ই আসে। সীতার বনবাস, প্রভাবতী সম্ভ্রম ও কথামালা তাঁর অন্যান্য আলোচিত রচনা।
সঠিক উত্তর: B) ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পণ্ডিত
১. কেন সঠিক:
- চন্ডীচরণ মুন্সী ১৮০১ সালে প্রতিষ্ঠিত ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগে একজন পণ্ডিত হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
- উইলিয়াম কেরীর অধীনে বাংলা গদ্যচর্চা ও পাঠ্যপুস্তক রচনার সঙ্গে তিনি ও তাঁর সহকর্মীরা যুক্ত ছিলেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের ভাষা বিভাগে উইলিয়াম কেরীর তত্ত্বাবধানে অনেক দেশি পণ্ডিত বাংলা গ্রন্থ রচনা ও অনুবাদ করেন।
- চন্ডীচরণ মুন্সী এই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমেই বাংলা গদ্যের প্রাথমিক বিকাশ ও পাঠ্যপুস্তক তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রামমৃত্যু বিদ্যালঙ্কার
ব্যাখ্যা: তিনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের একজন বিশিষ্ট পণ্ডিত ছিলেন যিনি বাংলা গদ্য রচনায় যুক্ত ছিলেন।
উদাহরণ ২: মীর মৃত্যুর আলী
ব্যাখ্যা: ইনিও ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের হিন্দুস্থানি বা বাংলা বিভাগের একজন পণ্ডিত ও অনুবাদক হিসেবে কাজ করেছেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শ্রীরামপুর মিশনের লিপিকর — শ্রীরামপুর মিশনের সঙ্গে উইলিয়াম কেরি ও মশারফ হোসেন প্রমুখ যুক্ত ছিলেন, চন্ডীচরণ মুন্সী ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পণ্ডিত ছিলেন।
B) ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পণ্ডিত — এটি সঠিক কারণ তিনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগের পণ্ডিত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
C) কেরী সাহেবের মুন্সী গ্রন্থের রচয়িতা — কেরী সাহেবের মুন্সী গ্রন্থটির রচয়িতা পন্ডিত রামরাম বসু, চন্ডীচরণ মুন্সী নন।
D) সমাচার চন্দ্রিকা পত্রিকার সম্পাদক — সমাচার চন্দ্রিকা পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন ভবানীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়, চন্ডীচরণ মুন্সী নন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পণ্ডিতদের নাম মনে রাখতে রামরাম বসু, মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার ও চন্ডীচরণ মুন্সী একসঙ্গে স্মরণ করুন।
- শ্রীরামপুর মিশন ও ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ দুটি আলাদা প্রতিষ্ঠান, তাই এদের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিবর্গ গুলিয়ে ফেলবেন না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পণ্ডিতদের নাম এবং তাদের রচিত গ্রন্থ বারবার আসে।
- বাংলা গদ্যের সূচনালগ্নে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের অবদান এবং সেখানকার পণ্ডিতদের তালিকা ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) বাউল গান
১. কেন সঠিক:
- ইউনেস্কো ২০০৫ সালের ১৫ নভেম্বর বাউল গানকে বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মৌখিক ও দৃশ্যমান ঐতিহ্য বা Masterpiece of the Oral and Intangible Heritage of Humanity হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
- বাউল গান বাংলার লোকসংস্কৃতির এক অনন্য আধ্যাত্মিক ধারা যা মরমি সাধনা ও গ্রামীণ জীবনদর্শনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাউলরা হলেন বাংলার এক বিশেষ লোককবি ও সাধক সম্প্রদায় যারা গেয় পদের মাধ্যমে তাদের আধ্যাত্মিক দর্শন প্রকাশ করেন।
- লালন শাহ বাউল দর্শনের সবচেয়ে প্রখ্যাত সাধক ও গীতিকার যিনি কুষ্টিয়ার ছেউড়িয়ায় তার আখড়ায় এই সাধনা প্রচার করেছিলেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: খাঁচার ভিতর অচিন পাখি কেমনে আসে যায়
ব্যাখ্যা: এটি লালন শাহের একটি অত্যন্ত বিখ্যাত বাউল গান যা মানুষের আত্মিক ও অবিনশ্বর সত্তাকে ফুটিয়ে তোলে।
উদাহরণ ২: سب লোক কয় লালন কী জাত সংসারে
ব্যাখ্যা: এই গানে বাউল দর্শনের মূল বাণী অর্থাৎ জাতপাতের ঊর্ধ্বে মানবতাবাদ ও বিশ্বজনীন ঐক্যের কথা প্রকাশ করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রবীন্দ্র সংগীত — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত ও সুরারোপিত গান হলেও ইউনেস্কো এটিকে সরাসরি এই নির্দিষ্ট অভিধায় ভূষিত করেনি।
B) নজরুল সংগীত — কাজী নজরুল ইসলামের গান বাংলা সংস্কৃতির অমূল্য সম্পদ হলেও এটি এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পায়নি।
C) ভাটিয়ালি গান — ভাটিয়ালি বাংলার জলভিত্তিক লোকসংগীতের এক অপূর্ব ধারা কিন্তু ইউনেস্কোর এই স্বীকৃতি এটি পায়নি।
D) বাউল গান — এটিই একমাত্র সঠিক অপশন কারণ ইউনেস্কো কর্তৃক এই বাংলার লোকগানটি আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্ব ঐতিহ্যের স্বীকৃতি লাভ করেছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বাউল গান ও ইউনেস্কোর স্বীকৃতি মনে রাখতে সালটি মনে রাখতে পারো ২০০৫ সাল।
- বাংলার লোকসংস্কৃতির আন্তর্জাতিক অহংকার হলো বাউল গান।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ইউনেস্কোর স্বীকৃতিপ্রাপ্ত বাংলাদেশি ঐতিহ্য সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
- বাউল গান ছাড়াও বাংলাদেশের সুন্দরবন, ঐতিহাসিক ষাট গম্বুজ মসজিদ এবং মঙ্গল শোভাযাত্রা ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকাভুক্ত।
সঠিক উত্তর: C) সপ্তদশ
১. কেন সঠিক:
মহাকবি আলাওল সপ্তদশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও প্রখ্যাত মধ্যযুগীয় বাঙালি কবি। তাঁর জন্ম আনুমানিক ১৬০৭ খ্রিষ্টাব্দে এবং মৃত্যু ১৬৭৩ খ্রিষ্টাব্দের দিকে, যা সম্পূর্ণভাবে সপ্তদশ শতাব্দীর সময়সীমার মধ্যে পড়ে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
আলাওল আরাকান রাজসভার শ্রেষ্ঠ কবি ছিলেন এবং তাঁর সর্বশ্রেষ্ঠ সৃষ্টি হলো পদ্মাবতী মহাকাব্য। দৌলত কাজীর অসমাপ্ত সতী ময়না ও লোরচন্দ্রাণী কাব্য তাঁর মাধ্যমেই সমাপ্তি লাভ করেছিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সৈয়দ সুলতান
ব্যাখ্যা: সৈয়দ সুলতান ষোড়শ শতাব্দীর বিশিষ্ট মধ্যযুগীয় কবি যিনি নবীন বংশ রচনা করেন।
উদাহরণ ২: ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর
ব্যাখ্যা: ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর অষ্টাদশ শতাব্দীর বিখ্যাত কবি যিনি অন্নদামঙ্গল কাব্য রচনা করেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পঞ্চদশ — পঞ্চদশ শতাব্দীতে শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের রচয়িতা বড়ু চণ্ডীদাসের আবির্ভাব ঘটেছিল, আলাওল তখন ছিলেন না।
B) ষোড়শ — ষোড়শ শতাব্দীতে চৈতন্যদেব ও বৈষ্ণব পদাবলীর স্বর্ণযুগ ছিল, আলাওলের সময়কাল এটি নয়।
D) অষ্টাদশ — অষ্টাদশ শতাব্দীতে ভারতচন্দ্র ও রামপ্রসাদের মতো কবিরা খ্যাতি অর্জন করেছিলেন, আলাওল এসময়ের নন।
৫ মনে রাখার টিপস:
আলাওল সপ্তদশ শতাব্দীর কবি তা মনে রাখার জন্য পদ্মাবতী কাব্যের রচয়িতার শতাব্দী হিসেবে সপ্তদশ সংখ্যাটি মনে রাখতে হবে। মধ্যযুগের রাজসভার কবিদের সময়কাল মনে রাখতে তাদের জন্মসাল দেখে শতাব্দী নির্ণয় করা সহজ।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মধ্যযুগের কবিদের শতাব্দী থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। কবি আলাওলের জন্ম ও মৃত্যুর সময়কাল ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরণের যেকোনো প্রশ্নের সঠিক উত্তর দেওয়া সম্ভব।
সঠিক উত্তর: D) শ্রীকৃষ্ণকীর্ত্তন কাব্যের প্রাপ্তিস্থান
১. কেন সঠিক:
- শ্রীকৃষ্ণকীর্ত্তন কাব্যটি পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়া জেলার বিষ্ণুপুর সংলগ্ন কাঁকিল্যা গ্রাম থেকে আবিষ্কৃত হয়।
- এই গ্রামের দেবেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় নামক এক ব্যক্তির গোয়ালঘর থেকে বসন্তরঞ্জন রায় বিদদ্ববল্লভ পুঁথিটি উদ্ধার করেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- শ্রীকৃষ্ণকীর্ত্তন বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের আদি নিদর্শন এবং রাধা-কৃষ্ণের প্রেমভিত্তিক একটি নাটকধর্মী কাব্য।
- বসন্তরঞ্জন রায় বিদদ্ববল্লভ ১৯০৯ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে কাব্যটি প্রথম প্রকাশ করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চর্যাপদের আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থশালা থেকে পুঁথি আবিষ্কার করেছিলেন।
ব্যাখ্যা: এটি প্রাচীন বাংলা সাহিত্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কারের ইতিহাস নির্দেশ করে।
উদাহরণ ২: ময়মনসিংহ গীতিকা দীনেশচন্দ্র সেন সংকলন ও সম্পাদনা করেছিলেন।
ব্যাখ্যা: এটি লোকসাহিত্যের এক অমূল্য সম্পদ যা বিভিন্ন গ্রামীণ এলাকা থেকে সংগৃহীত হয়েছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শ্রীচৈতন্যদেবের জন্মস্থান — শ্রীচৈতন্যদেবের জন্মস্থান পশ্চিমবঙ্গের নবদ্বীপধামে, কাঁকিল্যা গ্রামে নয়।
B) বড়ু চণ্ডীদাসের জন্মস্থান — বড়ু চণ্ডীদাসের জন্মস্থান বীরভূম জেলার নান্নুর গ্রামে, কাঁকিল্যা গ্রামে নয়।
C) চর্যাপদের প্রাপ্তিস্থান — চর্যাপদ আবিষ্কৃত হয়েছিল নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থশালা থেকে, কাঁকিল্যা গ্রাম থেকে নয়।
D) শ্রীকৃষ্ণকীর্ত্তন কাব্যের প্রাপ্তিস্থান — এই অপশনটি সঠিক কারণ কাঁকিল্যা গ্রাম থেকেই এই পুঁথিটি আবিষ্কৃত হয়েছিল।
৫ মনে রাখার টিপস:
শ্রীকৃষ্ণকীর্ত্তন কাব্যের সঙ্গে কাঁকিল্যা গ্রাম এবং বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরের নাম মনে রাখতে হবে। আবিষ্কারক বসন্তরঞ্জন রায়ের নামও এর সঙ্গে স্মরণীয়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
মধ্যযুগের সাহিত্যের যেকোনো আবিষ্কারের স্থান এবং আবিষ্কারকের নাম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কাব্যের প্রাপ্তিস্থান এবং প্রকাশকাল ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) Jonathan Swift
কেন সঠিক:
- জোনাথান সুইফট তার তীক্ষ্ণ ও বুদ্ধিবৃত্তিক উপহাস বা ব্যঙ্গের জন্য ইংরেজি সাহিত্যে সর্বোচ্চ খ্যাতি অর্জন করেছেন।
- তার বিখ্যাত রচনা গুলিবারস ট্রাভেলস মানুষের স্বভাব ও সমাজব্যবস্থাকে ব্যঙ্গ করার এক অনন্য নিদর্শন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Alexander Pope — তিনি মূলত একজন শ্রেষ্ঠ ক্লাসিক্যাল কবি এবং হিরোইন কাপলেট ব্যবহারের জন্য পরিচিত, ব্যঙ্গকার হিসেবে জোনাথান সুইফটের মতো শীর্ষস্থানে নেই।
B) Jonathan Swift — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়।
C) John Dryden — তিনি যুগের শ্রেষ্ঠ নাট্যকার, সমালোচক ও কবি হিসেবে বিখ্যাত, প্রধান ব্যঙ্গকার হিসেবে নন।
D) William Wordsworth — তিনি রোমান্টিক যুগের প্রধান কবি এবং প্রকৃতির কবি হিসেবে পরিচিত, ব্যঙ্গসাহিত্যের জন্য তিনি বিখ্যাত নন।
মনে রাখার টিপস:
সুইফট নামের সাথে সুইফ বা তীক্ষ্ণ শব্দটি মিলিয়ে মনে রাখতে পারো যে তিনিই ইংরেজি সাহিত্যের সবচেয়ে তীক্ষ্ণ ব্যঙ্গকার।
সঠিক উত্তর: A) The Ministry of Utmost Happiness
কেন সঠিক:
এই উপন্যাসটির রচয়িতা অরুন্ধতী রায়, যিনি একজন বিশ্বখ্যাত ভারতীয় লেখিকা ও রাজনৈতিক কর্মী। এটি তাঁর দ্বিতীয় বিখ্যাত উপন্যাস যা সমসাময়িক ভারতের রাজনৈতিক ও সামাজিক বাস্তবতাকে সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The Ministry of Utmost Happiness — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
B) The Return of the Native — এই উপন্যাসটি প্রখ্যাত ব্রিটিশ সাহিত্যিক থমাস হার্ডি কর্তৃক রচিত হয়েছে।
C) Things Fall Apart — এই বিখ্যাত উপন্যাসটি নাইজেরিয়ান লেখক চিনুয়া আচেবে লিখেছিলেন।
D) Heart of Darkness — এই উপন্যাসটির রচয়িতা জোসেফ কনরাড যিনি একজন পোলিশ বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক।
মনে রাখার টিপস:
অরুন্ধতী রায় হলেন ভারতের Booker Prize বিজয়ী লেখিকা, তাই তাঁর উপন্যাস মনে রাখলেই এই প্রশ্নের উত্তর সহজেই দেওয়া সম্ভব।
সঠিক উত্তর: B) The Elizabethan Age
কেন সঠিক:
এই যুগে উইলিয়াম শেকসপিয়র এবং ক্রিস্টোফার মার্লোর মতো বিখ্যাত সাহিত্যিকগণ বিশ্বমানের নাটক ও কবিতা রচনা করেছিলেন।
রানী এলিজাবেথের রাজত্বকালে নাট্যচর্চা এবং সাহিত্যের ব্যাপক প্রসার ঘটেছিল।
ইংল্যান্ডের ইতিহাসে এটি ছিল শান্তি, সমৃদ্ধি এবং সংস্কৃতির এক স্বর্ণযুগ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The Victorian Age — এই যুগে শিল্প বিপ্লবের ফলে সমাজে নানা জটিলতা ও দ্বন্দ্ব তৈরি হয়েছিল যা সাহিত্যের মূল সুর ছিল।
B) The Elizabethan Age — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা হয়েছে।
C) The Eighteen century — এই সময়কালটি মূলত যুক্তিবাদী যুগ বা নিওক্লাসিক্যাল যুগের অন্তর্ভুক্ত, যাকে স্বর্ণযুগ বলা হয় না।
D) The Restoration period — এই যুগে রাজতন্ত্র ফিরে এলেও রাজনৈতিক অস্থিরতা ও সাহিত্যে ব্যঙ্গের প্রভাব বেশি ছিল।
মনে রাখার টিপস:
এলিজাবেথ মানেই রানি এলিজাবেথ এবং তাঁর আমল নাটক ও সাহিত্যের জন্য ছিল সবচেয়ে সোনালী সময়।
সঠিক উত্তর: C) reveal a secret carelessly
কেন সঠিক:
‘Let the cat out of the bag’ একটি জনপ্রিয় ইংরেজি প্রবাদ বা ইডিয়ম। এর শাব্দিক অর্থ আলাদা হলেও প্রকৃত অর্থে এটি কোনো গোপন কথা ফাঁস করে দেওয়াকে বোঝায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) bring out a cat from a bag — এটি ইডিয়মের আক্ষরিক অর্থ বোঝাচ্ছে যা ভুল।
B) let a cat move at large — এটি বিড়াল ছেড়ে দেওয়ার সাধারণ অর্থ প্রকাশ করে।
D) take a pre-caucious steps — এটি সতর্কতা মূলক পদক্ষেপ নেওয়ার সাথে সম্পর্কিত যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
ব্যাগে বন্দী বিড়াল যেমন হঠাৎ বেরিয়ে পড়ে, তেমনি গোপন কথাও একসময় অজান্তেই প্রকাশ পেয়ে যায়।
প্রশ্নের ধরন: ভাষা ও ব্যাকরণ (Modals / Past Possibility)
প্রদত্ত সঠিক উত্তর যাচাই: প্রদত্ত সঠিক উত্তর C) might be আংশিক ত্রুটিপূর্ণ। অতীতের সম্ভাবনা এবং নিশ্চিততার মাত্রা বিবেচনা করলে এখানে সঠিক উত্তর হওয়া উচিত D) was। নিচে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হলো।
সঠিক উত্তর: D) was
কেন সঠিক:
- বাক্যের প্রথম অংশ I didn’t follow অতীতকাল নির্দেশ করছে, তাই পরবর্তী অংশের ঘটনাও অতীতের নির্দিষ্ট সত্য প্রকাশ করায় past tense এর was বসবে।
- বক্তা নিশ্চিত না হলেও ঘটনাটি অতীতে ঘটে গেছে এবং নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তির উপস্থিতি নিশ্চিত করতে Be verb এর অতীত রূপ ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) were — Shajib একটি একবচন সাবজেক্ট হওয়ায় এর সাথে বহুচচন verb were ব্যবহার ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
B) must be — এটি বর্তমানকালের দৃঢ় সম্ভাবনা বোঝায়, কিন্তু বাক্যটির প্রথমাংশ অতীতকালে থাকায় এটি এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) might be — এটি বর্তমান বা ভবিষ্যতের কম সম্ভাবনার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, যা অতীতের নিশ্চিত ঘটনা প্রকাশের জন্য বেমানান।
D) was — এটি সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হবে কারণ অতীতকালের নির্দিষ্ট কোনো পরিচয় বা অবস্থাকে নির্দেশ করতে was ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যের প্রথমাংশ past tense এ থাকলে পরবর্তী অংশ সাধারণত past tense অনুযায়ী পরিবর্তিত হয়।
সঠিক উত্তর: C) being arrested
কেন সঠিক:
বাক্যে 'of' একটি প্রিপজিশন, যার পরে ভার্বের সাথে ing যুক্ত করতে হয়।
এছাড়া সে নিজে গ্রেপ্তার হয়নি, বরং তাকে গ্রেপ্তার করা হতে পারে এই ভয়ে সে পালিয়েছিল, তাই এখানে প্যাসিভ জিরান্ড বা being arrested ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) arresting — এটি একটিভ জিরান্ড হওয়ায় এখানে অর্থ মিলছে না কারণ তাকে গ্রেপ্তার করা বোঝাতে প্যাসিভ ফর্ম প্রয়োজন।
B) arrested — প্রিপজিশনের পরে সরাসরি পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম বসতে পারে না, তাই এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
C) being arrested — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) having arrested — এটি পারফেক্ট জিরান্ড এবং এটিভ অর্থ প্রকাশ করে, যা এই বাক্যের প্যাসিভ অর্থের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
মনে রাখার টিপস:
প্রিপজিশনের পরে ভার্ব থাকলে ing যোগ করতে হয় এবং অর্থ যদি কর্মবাচ্য বা প্যাসিভ হয়, তবে being এর সাথে পাস্ট পার্টিসিপল বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) being seen
কেন সঠিক:
- avoidance বা avoid শব্দের পর কোনো কাজ করা অর্থে verb-এর সাথে ing যুক্ত হয়।
- শত্রু বিমানের চোখে না পড়ার জন্য সাবমেরিনটি নিচে নেমেছিল, তাই এখানে passive meaning বোঝাতে being seen ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) see — avoid-এর পর সরাসরি verb-এর base form বসে না এবং এটি active অর্থ প্রকাশ করে।
B) seeing — এটি active gerund, যার অর্থ নিজে দেখা, কিন্তু সাবমেরিনটি নিজে দেখতে এড়ায়নি বরং শত্রু বিমান যেন তাকে দেখতে না পায় সেটি এড়িয়েছিল।
C) being seen — প্রদত্ত সঠিক উত্তর।
D) seen — avoid-এর পর সরাসরি past participle form বসে না।
মনে রাখার টিপস:
avoid শব্দটির পর সাধারণত gerund বসে। Passive অর্থ বোঝাতে being + past participle ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) Is there any other player in this team who is as good as Zaman?
কেন সঠিক:
প্রদত্ত বাক্যটি Interrogative এবং Comparative ডিগ্রিতে আছে। এটিকে Positive ডিগ্রিতে রূপান্তর করার সময় Interrogative গঠন ঠিক রেখে as...as ব্যবহার করতে হয়।
এখানে Zaman-এর সাথে দলের অন্য সবার তুলনা করা হয়েছে যা সঠিক নিয়ম মেনে করা হয়েছে।
অন্য কোনো অতিরিক্ত বা ভুল ব্যাকরণগত গঠন এখানে ব্যবহার করা হয়নি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সঠিক উত্তর — এটি ইতিবাচক ও ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ সঠিক।
B) B) — এটি কোনো সঠিক Positive ডিগ্রি নয় এবং এর অর্থও ভুল।
C) C) — এখানে 'players' বহুবচন ব্যবহার করা হয়েছে যা একবচন 'is'-এর সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।
D) D) — এখানে 'player' একবচন হলেও তার সাথে বহুবচন 'are' ব্যবহার করা হয়েছে যা ভুল।
মনে রাখার টিপস:
Interrogative বাক্যকে Degree পরিবর্তনের সময় প্রথমে Assertive করে নিতে হয় এবং Positive ডিগ্রির গঠন as...as মনে রাখতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) A man who is corrupt cannot win the respect of others.
কেন সঠিক:
প্রদত্ত সরল বাক্যের মূল অর্থ অপরিবর্তিত রেখে জটিল বাক্যে রূপান্তর করার জন্য Who relative pronoun ব্যবহার করা হয়েছে।
এখানে Who is corrupt একটি Adjective clause হিসেবে কাজ করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) A man who is corrupt cannot respect others — এই বাক্যে অর্থের পরিবর্তন ঘটে দুর্নীতিগ্রস্ত মানুষ অন্যকে সম্মান করতে পারে না বলা হয়েছে যা মূল বাক্যের বিপরীত।
B) A man does not respect others who are corrupt — এই বাক্যে ভুল মানুষকে দুর্নীতিগ্রস্ত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে যা মূল বাক্যের ভাব প্রকাশ করে না।
C) A man who is corrupt cannot win the respect of others — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) A man who can win the respect of others cannot be corrupt — এই বাক্যে উল্টো অর্থ প্রকাশ পেয়েছে কারণ মূল বাক্যে দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যক্তির সম্মান না পাওয়ার কথা বলা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
Simple sentence-এর Adjective-কে Complex করার সময় who, which বা that দিয়ে একটি Adjective clause তৈরি করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) I saw an old man walking past me
কেন সঠিক:
এই বাক্যে একটি মাত্র স্বাধীন ক্লজ বা সমাপিকা ক্রিয়া আছে এবং অতিরিক্ত কোনো সংযোজক শব্দ নেই।
এটি সরল বাক্যের সব গঠনগত শর্ত পূরণ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) All that glitters is not gold — এটি একটি জটিল বাক্য কারণ এখানে that glitters একটি বিশেষণ আশ্রিত খণ্ডবাক্য বা অধীন ক্লজ রয়েছে।
B) All’s well that ends well — এটি একটি জটিল বাক্য কারণ এখানে that ends well একটি অতিরিক্ত অধীন ক্লজ হিসেবে যুক্ত হয়েছে।
C) Do or die — এটি একটি যৌগিক বাক্য কারণ এখানে দুটি মূল বাক্য or নামক কনজাংশন দিয়ে যুক্ত আছে।
D) এই অপশনটি সঠিক, তাই এটি ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
যে বাক্যে একটি মাত্র সাবজেক্ট ও একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে এবং কোনো সংযোগকারী শব্দ থাকে না, সেটাই সরল বাক্য।
সঠিক উত্তর: A) a noun clause
কেন সঠিক:
এখানে underlined অংশটি "His dream" এই noun-টির ঠিক পরেই বসে এর পরিপূরক বা সমকক্ষ হিসেবে কাজ করেছে।
তাই এটি Apposition in apposition to a noun হিসেবে Noun Clause হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) a noun clause — এটি মূল উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক এবং এটি বাক্যে Noun-এর কাজ সম্পন্ন করেছে।
B) an adjective clause — এটি কোনো পূর্ববর্তী Noun-কে modify করে না, তাই এটি Adjective Clause হতে পারে না।
C) an independent clause — এটি স্বাধীনভাবে সম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করতে পারে না এবং এটি Principal Clause-এর ওপর নির্ভরশীল।
D) a co-ordinate clause — এটি কোনো conjunction দ্বারা যুক্ত সমজাতীয় স্বাধীন clause নয়, বরং এটি একটি subordinate clause।
মনে রাখার টিপস:
Complex বাক্যে that দ্বারা যুক্ত clause যদি কোনো Noun-এর সম্পূর্ণ পরিচয় বা Apposition হিসেবে বসে, তবে চোখ বন্ধ করে তাকে Noun Clause বলবে।
সঠিক উত্তর: B) an adjective phrase
কেন সঠিক:
underline করা অংশটি বাক্যে noun (man) সম্পর্কে অতিরিক্ত তথ্য দিচ্ছে।
এটি noun-এর ঠিক পরে বসে noun-টির দোষ, গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) a noun phrase — এটি কোনো noun-এর কাজ করছে না বরং man-কে বিশেষিত করছে।
B) an adjective phrase — এটি সঠিক হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না।
C) an adverbial phrase — এটি কোনো verb, adjective বা adverb-কে বিশেষিত করছে না।
D) a prepositional phrase — প্রিপজিশন দিয়ে শুরু হলেও এটি মূলত adjective-এর কাজ করছে।
মনে রাখার টিপস:
Noun-এর পরে বসে যদি কোনো শব্দগুচ্ছ ওই Noun-কে মডিফাই করে, তবে সেটি Adjective Phrase হয়।
সঠিক উত্তর: B) Ernest Hemingway
কেন সঠিক:
- এ ফ্লেয়ারওয়েল টু আর্মস উপন্যাসটি বিশ্বখ্যাত মার্কিন ঔপন্যাসিক আর্নেস্ট হেমিংওয়ের একটি অমর সৃষ্টি।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত এই উপন্যাসে যুদ্ধের ভয়াবহতা এবং প্রেমের করুণ পরিণতি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Somerset Maugham — তিনি বিখ্যাত ইংরেজ ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার হলেও এই উপন্যাসের রচয়িতা নন।
B) Ernest Hemingway — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং তিনি এই উপন্যাসের লেখক।
C) D. H. Lawrence — তিনি সন্স অ্যান্ড লাভার্স উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত, আলোচ্য উপন্যাসের জন্য নন।
D) Jane Austen — তিনি প্রাইড অ্যান্ড প্রেজুডিস উপন্যাসের লেখক এবং তাঁর লেখার কাল ভিন্ন।
মনে রাখার টিপস:
আর্নেস্ট হেমিংওয়ের নামের সাথে অস্ত্র বা আর্মস শব্দটি যুক্ত করে এটি মনে রাখতে পারো।
সঠিক উত্তর: A) withdrew
কেন সঠিক:
বাক্যের underlined অংশ 'went back on' একটি Phrasal verb যার অর্থ হলো প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করা বা কথা রাখা থেকে সরে আসা।
'Withdrew' শব্দটির অর্থও কোনো কিছু থেকে সরে আসা বা প্রতিশ্রুতি প্রত্যাহার করে নেওয়া, যা মূল বাক্যের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) withdrew — এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ প্রতিশ্রুতি বা সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসা।
B) forgot — এর অর্থ ভুলে যাওয়া, যা প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের সঠিক সমার্থক নয়।
C) reinforced — এর অর্থ জোরদার করা, যা মূল বাক্যের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
D) support — এর অর্থ সমর্থন করা, যা কথা না রাখার বা প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের অর্থের সাথে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
Go back on মানে হলো কথা রাখা বা প্রতিশ্রুতির বরখেলাপ করা, যার সাথে withdraw বা সরে দাঁড়ানো বিষয়টি সরাসরি যুক্ত।
সঠিক উত্তর: B) on the whole
কেন সঠিক:
'By and large' একটি গুরুত্বপূর্ণ ইংরেজি idiom বা phrase, যার বাংলা অর্থ হলো মোটের ওপর বা সাধারণত।
অপশন B-এর 'on the whole' ফ্রেজটিরও একই অর্থ প্রকাশ করে, যা সার্বিক পরিস্থিতি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
বাক্যের সামগ্রিক ভাবার্থ প্রকাশ করতে এই ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়।
এটি কোনো নির্দিষ্ট বিষয় না বুঝিয়ে সাধারণ একটি সিদ্ধান্ত বোঝায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) very large — এই অপশনটি ফ্রেজটির আক্ষরিক অর্থ বোঝালেও এটি কোনো সঠিক ইডিয়ম বা প্রবাদের ভাবার্থ প্রকাশ করে না।
B) on the whole — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল হিসেবে গণ্য নয়।
C) far away — এই অপশনটির অর্থ অনেক দূরে, যা প্রদত্ত ফ্রেজটির ভাবের সাথে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়।
D) the largest one — এটি তুলনামূলক বড় কিছু বোঝায়, কিন্তু মূল ফ্রেজটি কোনো তুলনা বা আকার নির্দেশ করে না।
মনে রাখার টিপস:
By and large ফ্রেজটি দেখলে সবসময় মনে রাখবে এর অর্থ মোটের ওপর বা সাধারণভাবে সবকিছু বিবেচনা করা।
সঠিক উত্তর: A) Injured
কেন সঠিক:
এখানে বাক্যটির অর্থ সম্পূর্ণ করতে একটি অতীত কৃদন্ত পদ বা পাস্ট পার্টিসিপল প্রয়োজন যা সাবজেক্টের অবস্থা প্রকাশ করে।
আহত হওয়ার কাজটি আগেই সম্পন্ন হয়েছে এবং সে মাটিতে কাতরাচ্ছিল বোঝাতে এখানে সঠিক বিশেষণ হিসেবে Injured ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Injured - এটি সঠিক উত্তর এবং এটি সঠিক পাস্ট পার্টিসিপল হিসেবে কাজ করেছে।
B) Injuring - এটি প্রেজেন্ট পার্টিসিপল যা এখানে অর্থ সংগতি রক্ষা করতে ব্যর্থ হয় এবং ব্যাকরণগতভাবে বেমানান।
C) Having injured - এটি পারফেক্ট পার্টিসিপল যা এখানে ব্যবহার করলে বোঝাত সে অন্য কাউকে আহত করেছিল।
D) Be injured - এটি বেস ফর্ম হওয়ায় বাক্যের সাবজেক্টের সাথে সরাসরি মিলছে না এবং এটি ভুল গঠন।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যের শুরুতে কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর অবস্থা বোঝাতে পাস্ট পার্টিসিপল (V3) ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) noun phrase
কেন সঠিক:
এখানে Writing a diary অংশটি বাক্যে একটি কাজের নাম বোঝাচ্ছে।
এটি একটি gerund দিয়ে শুরু হয়ে noun এর কাজ সম্পন্ন করেছে।
এটি বাক্যের শুরুতে বসে subject হিসেবে কাজ করেছে।
এটি সম্পূর্ণ মিলে একটি noun phrase গঠন করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) noun phrase — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
B) verbal phrase — এটি verb এর কাজ করছে না বরং noun এর কাজ করছে।
C) adjective phrase — এটি কোনো noun বা pronoun কে বিশেষিত করছে না।
D) adverbial phrase — এটি সময়, স্থান বা কারণ বোঝাচ্ছে না।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যের শুরুতে gerund দিয়ে শুরু হওয়া শব্দগুচ্ছ সাধারণত noun phrase হয়।
সঠিক উত্তর: D) preposition
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বাক্যে following শব্দটি একটি noun phrase (the incident)-এর পূর্বে বসে বাক্যের অন্য শব্দের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করেছে।
- preposition-এর কাজ হলো noun বা pronoun-এর পূর্বে বসে তার সঙ্গে বাক্যের অন্যান্য পদের সম্পর্ক বোঝানো, যা এখানে স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) adjective — এটি noun বা pronoun-এর দোষ, গুণ, সংখ্যা বা পরিমাণ নির্দেশ করে, কিন্তু এখানে following শব্দটি কোনো noun-কে বিশেষিত করছে না।
B) adverb — এটি verb, adjective বা অন্য adverb-কে modify করে, কিন্তু এখানে following কোনো ক্রিয়া বা গুণের মাত্রা প্রকাশ করছে না।
C) noun — এটি কোনো কিছুর নাম বোঝায়, কিন্তু এখানে following কোনো নাম পদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়নি বরং সম্পর্ক স্থাপন করেছে।
D) preposition — এটি noun বা pronoun-এর পূর্বে বসে সম্পর্ক প্রকাশ করে, যা এই বাক্যে the incident-এর পূর্বে বসে সঠিকভাবে সাধিত হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
following শব্দের পরে যদি সরাসরি কোনো noun বা noun phrase থাকে এবং তা কোনো নির্দিষ্ট ঘটনার সূত্র বোঝায়, তবে সাধারণত তা preposition হিসেবে কাজ করে।
সঠিক উত্তর: C) He climbed the tree like a cat
কেন সঠিক:
এখানে like শব্দটি noun phrase এর আগে বসে preposition হিসেবে কাজ করেছে।
এটি মূলত cat নামক noun এর সাথে তুলনা বোঝাচ্ছে এবং এর পর কোনো verb নেই।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) He likes to eat fish — এখানে like একটি verb হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে যার অর্থ পছন্দ করা।
B) He laughs like his father does — এখানে like একটি conjunction কারণ এর পরে একটি clause রয়েছে।
D) Like minded people are necessary to start a business — এখানে like একটি adjective হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
Preposition হিসেবে like এর পরে সবসময় একটি noun বা pronoun থাকে এবং কোনো verb থাকে না।
সঠিক উত্তর: C) X
কেন সঠিক:
ইংরেজি বর্ণমালার অক্ষর যেমন এক্স বা অন্যান্য বর্ণ বাক্যে বিশেষ কাজের নির্দেশ করতে পারে।
গণিত বা অজানা রাশি বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়।
এটি বাক্যে ক্রিয়াপদ হিসেবে কাজ করার ক্ষমতা রাখে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) mobile — এটি সাধারণত বিশেষ্য বা বিশেষণ হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং এর ভার্ব রূপ হলো মোবিলাইজ।
B) sugar — এটি মূলত চিনি বা মিষ্টি জাতীয় বিশেষ্য পদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
C) X — এই অক্ষরটি নির্দিষ্ট শর্তে ক্রিয়াপদ হিসেবে গণ্য হতে পারে।
D) sand — এটি বালি বোঝাতে বিশেষ্য পদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
যে শব্দগুলো সাধারণত নাম বোঝায়, অনেক সময় প্রেক্ষাপট অনুযায়ী সেগুলোকে কাজের রূপ বা ভার্ব হিসেবে ব্যবহার করা যায়।
সঠিক উত্তর: C) down
কেন সঠিক:
বরফ সাধারণত উপর থেকে নিচে নামে, তাই 'down' শব্দটি এখানে সবচেয়ে উপযুক্ত। এটি উপত্যকার উপর দিয়ে বরফের নিচে পড়ার গতি বোঝাতে সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) up — বরফ সাধারণত নিচ থেকে উপরে ওঠে না, তাই এটি ভুল।
B) in — এটি শুধু উপত্যকার ভেতরের অবস্থান বোঝায়, বরফ পড়ার গতি বোঝায় না।
C) down — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল অপশনের ঘরে পুনরাবৃত্তি এড়ানো হলো।
D) through — এটি উপত্যকার মধ্য দিয়ে পার হয়ে যাওয়া বোঝায়, যা এখানে খাপ খায় না।
মনে রাখার টিপস:
পাহাড় বা উপত্যকায় বরফ পড়ার ক্ষেত্রে সাধারণত উপর থেকে নিচে নামা বোঝাতে down প্রিপজিশন ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: A) French Revolution
কেন সঠিক:
ফরাসি বিপ্লবের সাম্য, মৈত্রী ও স্বাধীনতার আদর্শ রোমান্টিক যুগের কবি ও লেখকদের গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করেছিল।
এই বিপ্লবের ফলে ঐতিহ্যগত নিয়ম ভেঙে মানুষের ব্যক্তিগত আবেগ ও কল্পনার প্রকাশের পথ উন্মুক্ত হয়।
১৭৮৯ সালের এই ঐতিহাসিক ঘটনা রোমান্টিক সাহিত্যের মূল সুর নির্ধারণ করে দিয়েছিল।
সমাজের প্রচলিত ব্যবস্থার বিরুদ্ধে প্রতিবাদী মনোভাব গড়ে তুলতে এই বিপ্লব সাহিত্যিকদের সাহায্য করেছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) French Revolution — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয় কারণ এটিই সাহিত্যকে প্রভাবিত করেছিল।
B) Industrial Revolution — এই বিপ্লব মূলত মানুষের জীবনে যান্ত্রিকতা ও পরিবেশদূষণ নিয়ে এসেছিল যা রোমান্টিক কবিদের প্রতিবাদী করে তুললেও মূল সাহিত্যিক আদর্শ ফরাসি বিপ্লব থেকেই এসেছে।
C) Russian Revolution — এই বিপ্লব বিংশ শতাব্দীতে সংঘটিত হয়েছিল যা রোমান্টিক যুগের অনেক পরের ঘটনা।
D) Hundred Years War — এই যুদ্ধ মধ্যযুগের ঘটনা এবং এটি রোমান্টিক যুগের সাহিত্যকে সরাসরি প্রভাবিত করেনি।
মনে রাখার টিপস:
রোমান্টিক যুগের সাহিত্য মানেই ফরাসি বিপ্লবের প্রভাব, কারণ ফরাসি বিপ্লবের আদর্শ থেকেই এই যুগের লেখকরা লেখার প্রেরণা পেয়েছিলেন।
সঠিক উত্তর: C) King Lear
কেন সঠিক:
এটি উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের বিখ্যাত ট্র্যাজেডি নাটক কিং লিয়ারের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সংলাপ।
নাটকের তীব্র ঝড়ের রাতে ক্ষিপ্ত ও উন্মাদপ্রায় রাজা লিয়ার এই উক্তির মাধ্যমে নিজের অসহায়ত্ব ও পরিবারের নিষ্ঠুরতার কথা প্রকাশ করেছেন।
তিনি বলতে চেয়েছেন যে তিনি অপরাধী হওয়ার চেয়ে বরং অন্যদের অন্যায় আচরণের শিকার হয়েছেন বেশি।
এই সংলাপটি নাটকে লিয়ারের চরিত্র ও তার জীবনের গভীর ট্র্যাজেডিকে স্পষ্টভাবে ফুটিয়ে তোলে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Horatio — ইনি হ্যামলেট নাটকের বিশ্বস্ত চরিত্র এবং এই সংলাপটি তার নয়।
B) Hamlet — এটি হ্যামলেট নাটকের মূল চরিত্র হলেও এই বিখ্যাত উক্তিটি তার নয়।
C) King Lear — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়।
D) Macbeth — এটি ম্যাকবেথ নাটকের প্রধান চরিত্র এবং এই সংলাপের সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
সিনেড এগেইনস্ট কথাটি থাকলে বুঝবেন এটি জীবনের নির্মম শিকারে পরিণত হওয়া বৃদ্ধ রাজা লিয়ারের কথা।
সঠিক উত্তর: C) Tale
কেন সঠিক:
- Tale হলো যেকোনো সাধারণ গল্প বা কাহিনী, যা ইংরেজি সাহিত্যে নির্দিষ্ট কোনো কাঠامোবদ্ধ কাব্যরীতি বা poetic form হিসেবে গণ্য হয় না।
- Sonnet, Ballad ও Epic-এর মতো নির্দিষ্ট ছন্দ, মাত্রা এবং কাঠামোগত নিয়ম Tale-এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Sonnet — এটি চৌদ্দ চরণের একটি নির্দিষ্ট কাঠামোগত কবিতা রূপ, তাই এটি poetry form।
B) Ballad — এটি লোকগাথার ওপর ভিত্তি করে রচিত একটি ঐতিহ্যবাহী কাব্যরূপ বা poetry form।
C) Tale — এটি মূলত গদ্য বা পদ্যে লেখা সাধারণ গল্প, যা কোনো নির্দিষ্ট কাব্যরীতি নয়।
D) Epic — এটি বিশাল আকৃতির বীরত্বগাথা দীর্ঘ কবিতা, যা একটি সুপরিচিত poetry form।
মনে রাখার টিপস:
Sonnet, Ballad ও Epic হলো নির্দিষ্ট নিয়মের কবিতা, আর Tale হলো সাধারণ গল্প।
সঠিক উত্তর: A) Samuel Johnson
কেন সঠিক:
- স্যামুয়েল জনসন ১৭৫৫ সালে প্রকাশিত 'এ ডিকশনারি অফ দ্য ইংলিশ ল্যাঙ্গুয়েজ' সংকলন করেছিলেন যা ইংরেজি lexicography এর ইতিহাস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।
- এটি প্রায় দেড় শতাব্দী ধরে ইংরেজি ভাষার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ও মানসম্মত আভিধানিক দলিল হিসেবে বিবেচিত হতো।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Samuel Johnson — তিনি ১৭৫৫ সালে বিখ্যাত ইংরেজি অভিধান সংকলন করেছিলেন তাই এটি সঠিক উত্তর।
B) T.S. Eliot — তিনি বিংশ শতাব্দীর একজন বিখ্যাত কবি ও প্রাবন্ধিক ছিলেন, অভিধান রচনার সাথে যুক্ত ছিলেন না।
C) John Dryden — তিনি সপ্তদশ শতকের প্রখ্যাত কবি, নাট্যকার ও সাহিত্য সমালোচক ছিলেন, কোনো অভিধান সংকলন করেননি।
D) William Congreve — তিনি রেস্টোরেশন যুগের একজন বিখ্যাত নাট্যকার ছিলেন, অভিধান প্রণয়ন তাঁর কাজের অন্তর্ভুক্ত ছিল না।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি সাহিত্যের বিখ্যাত ডিকশন বা অভিধানের কথা মনে আসলেই জনসনের নাম স্মরণ করতে হবে যিনি ১৭৫৫ সালে অভিধান তৈরি করেছিলেন।
সঠিক উত্তর: A) Hamlet
কেন সঠিক:
এই বিখ্যাত সংলাপটি শেক্সপিয়ারের হ্যামলেট নাটকের প্রিন্স হ্যামলেটের একটি আত্মকথন থেকে নেওয়া হয়েছে।
নিজের মায়ের দ্রুত ও অনুচিত বিয়ের কারণে হতাশ হয়ে হ্যামলেট নারীর চরিত্রের দুর্বলতা বোঝাতে এই উক্তিটি করেছিলেন।
এটি নাটকের মূল চরিত্র হ্যামলেটের মানসিক অবসাদ ও ক্ষোভ প্রকাশ করে।
উক্তিটি সাহিত্য জগতে অত্যন্ত পরিচিত একটি উদ্ধৃতি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Hamlet — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
B) Macbeth — এই নাটকের মূল বিষয় ছিল উচ্চাকাক্ষায় অন্ধ হয়ে ক্ষমতা দখল করা এবং এখানে এই বিখ্যাত সংলাপটি নেই।
C) Othello — এই নাটকটি মূলত অন্ধ ইর্ষা এবং ষড়যন্ত্রের পরিণতির ওপর রচিত, তাই এখানে এই উক্তিটি পাওয়া যায় না।
D) King Lear — এই নাটকটি বৃদ্ধ রাজা ও তাঁর কন্যাদের ভুল বোঝাবুঝি নিয়ে লেখা, এখানে নারীর দুর্বলতার এই উক্তিটি নেই।
মনে রাখার টিপস:
নারীর দুর্বলতা নিয়ে করা এই আবেগঘন উক্তিটি মনে রাখতে হ্যামলেট নাটকের নাম এবং প্রিন্স হ্যামলেটের চরিত্রটি মাথায় রাখবে।
সঠিক উত্তর: B) London and Paris
কেন সঠিক:
উপন্যাসটির মূল পটভূমি এই দুটি শহরকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়েছে।
ফরাসি বিপ্লবের সময়কার রাজনৈতিক অস্থিরতা বোঝাতে লন্ডন ও প্যারিস শহরকে বেছে নেওয়া হয়েছে।
চার্লস ডিকেন্স এই দুই শহরের ভিন্ন সামাজিক অবস্থা তুলে ধরেছেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) London and Manchester — ম্যানচেস্টার এই উপন্যাসের কাহিনীর সঙ্গে কোনোভাবেই যুক্ত নয়।
B) London and Paris — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
C) Paris and New York — নিউ ইয়র্ক শহরটি এই উপন্যাসের ঘটনার অংশ নয়।
D) Paris and Geneva — জেনেভা শহরটি এই উপন্যাসের পটভূমিতে স্থান পায়নি।
মনে রাখার টিপস:
উপন্যাসের নামেই দুটি শহরের কথা বলা আছে, যার একটি ইংল্যান্ডের রাজধানী লন্ডন এবং অন্যটি ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিস।
সঠিক উত্তর: A) the act of using someones else’s idea as one’s own.
কেন সঠিক:
Plagiarism শব্দের বাংলা অর্থ হলো সাহিত্য চুর বা অন্যের লেখা নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া।
এখানে অন্যের বুদ্ধি বা চিন্তাকে নিজের বলে দাবি করার বিষয়টি পরিষ্কারভাবে বোঝানো হয়েছে।
এই কারণে অপশন এ সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে।
শব্দটির প্রকৃত সংজ্ঞার সাথে এই অপশনটি পুরোপুরি মিলে যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সঠিক উত্তর — এটি প্লাজিয়ারম বা অন্যের আইডিয়া চুরির সঠিক সংজ্ঞা।
B) planning beforehand — এটি কোনো কাজের আগে থেকেই পরিকল্পনা করার প্রক্রিয়াকে বোঝায়।
C) playing a musical instrument — এটি কোনো বাদ্যযন্ত্র বাজানোর দক্ষতাকে নির্দেশ করে।
D) dealing with forgery — এটি জালিয়াতি সংক্রান্ত বিষয় মোকাবিলা করার উপায় বোঝায়।
মনে রাখার টিপস:
Plagiarism শব্দটিতে চুরি বা নকল করার ভাব রয়েছে, তাই অন্যের আইডিয়া নিজের নামে চালানোই এর মূল অর্থ।
সঠিক উত্তর: B) quit
কেন সঠিক:
boisterous শব্দটির অর্থ হলো গোলমেলে, উগ্র বা চেঁচামেচি পূর্ণ।
এর বিপরীত শব্দ হলো শান্ত বা চুপচাপ, যা quit অপশন দ্বারা প্রকাশ করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) noisy — এই শব্দটির অর্থ গোলমেলে বা কোলাহলপূর্ণ, যা boisterous শব্দের সমার্থক।
B) quit — এই শব্দটির বানান প্রশ্নে ভুল থাকলেও এটি মূলত শান্ত বা চুপচাপ অর্থ বোঝাতে সঠিক উত্তর হিসেবে ধরা হয়েছে।
C) unruly — এই শব্দটির অর্থ অবাধ্য বা অশান্ত, যা boisterous শব্দের সমার্থক।
D) cheerful — এই শব্দটির অর্থ আনন্দিত বা হাসিখুশি, যা boisterous শব্দের সঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না।
মনে রাখার টিপস:
boisterous মানে কোলাহল আর তার উল্টো অর্থ হলো শান্ত থাকা।
সঠিক উত্তর: B) There are trees on both the sides of the road.
কেন সঠিক:
both শব্দের পর সাধারণত the বসে এবং তারপর plural noun ব্যবহৃত হয়। রাস্তার দুই পাশে গাছ থাকে বোঝাতে এই গঠনটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) A) — both এর আগে the বসে না, তাই এই অপশনটি ভুল।
B) B) — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে কোনো ভুল নেই।
C) C) — side শব্দটি singular রাখা হয়েছে এবং কমা ব্যবহারের নিয়মটি ভুল।
D) D) — either এর পর singular noun বসে, কিন্তু এখানে sides বহুবচন করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
both এর পর the এবং বহুবচন noun বসে, আর either এর পর একবচন noun বসে।
সঠিক উত্তর: A) Had you been there on time, you could have had the information.
কেন সঠিক:
এটি তৃতীয় শর্তমূলক বাক্য বা থার্ড কন্ডিশনালের সঠিক গঠন। প্রথম অংশে পাস্ট পারফেক্ট টেন্স এবং পরের অংশে কুড হ্যাভ এর সাথে ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সঠিক অপশন — এটি প্রশ্নকর্তার মূল নির্দেশ অনুযায়ী সঠিক বাক্য।
B) ভুল অপশন — ইফ ক্লজে পাস্ট পারফেক্ট থাকলেও মূল ক্লজে কুড হ্যাভ এর নিয়ম মানা হয়নি।
C) ভুল অপশন — থার্ড কন্ডিশনালের নিয়মে মূল ক্লজে মাইট গেট বসতে পারে না।
D) ভুল অপশন — হ্যাড দিয়ে শুরু ইনভার্সনে সাবজেক্টের পরে বিন বসেনি, যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
মনে রাখার টিপস:
থার্ড কন্ডিশনালে হ্যাড প্লাস ভি থ্রি থাকলে অপর অংশে কুড হ্যাভ প্লাস ভি থ্রি হয়।
সঠিক উত্তর: A) The room was darkened by switching off all the lights.
কেন সঠিক:
১. এখানে by preposition এর পরে gerund (switching) ব্যবহার করে সঠিক মাধ্যম বা উপায় বোঝানো হয়েছে।
২. বাক্যটির অর্থ সম্পূর্ণ এবং ব্যাকরণগতভাবে নির্ভুল হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সঠিক — এই অপশনটি সঠিক কারণ এতে preposition এবং gerund এর নিয়ম সঠিকভাবে মানা হয়েছে।
B) ভুল — এখানে preposition না থাকায় কাজের মাধ্যম বা কারণ পরিষ্কারভাবে প্রকাশ পায়নি।
C) ভুল — এখানে to switch ব্যবহার করায় মনে হয় ঘরটি নিজে নিজে সুইচ অফ করার জন্য অন্ধকার হয়েছিল।
D) ভুল — এখানে dangling modifier এর ত্রুটি রয়েছে কারণ switching ক্রিয়ার সঠিক সাবজেক্ট বাক্যের শুরুতে নেই।
মনে রাখার টিপস:
কোনো কাজের মাধ্যম বা উপায় বোঝাতে preposition হিসেবে by এর পরে verb এর সাথে ing যুক্ত করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) He has told me that he will go but I will stay here in Dhaka.
কেন সঠিক:
reporting verb বর্তমান কালে থাকায় direct থেকে indirect করার সময় that-এর পরের clause-এর tense-এর কোনো পরিবর্তন হয় না।
বক্তা ও শ্রোতার পরিবর্তনের নিয়ম অনুযায়ী person পরিবর্তিত হয়েছে এবং here থাকলে there হওয়ার নিয়ম কেবল past tense-এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়।
বাক্যটিতে অর্থ ও ব্যাকরণের সব নিয়ম সঠিকভাবে মানা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) He has said to me — say-র পরে object থাকলে বলতে হয় tell, তাই এখানে told ব্যবহার করা উচিত ছিল।
B) He has told me — এটি সঠিক উত্তর।
C) He has told me that I would... — reporting verb present tense-এ থাকলে tense পরিবর্তন করে past (would) করা ভুল।
D) He has told me that he would... — এখানে tense ও person-এর নিয়ম সঠিকভাবে প্রয়োগ করা হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
Reporting verb যদি present বা future tense-এ থাকে, তবে indirect speech-এ reported speech-এর tense-এর কোনো পরিবর্তন হয় না।
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ
সঠিক উত্তর: D) across
কেন সঠিক:
- কোনো রাস্তা, নদী বা গলি পার হয়ে বা তার অপর পাশে কোনো কিছু অবস্থিত বোঝালে Preposition হিসেবে across ব্যবহৃত হয়।
- রাস্তার এপাশ থেকে ওপাশে বোঝানোর কারণে এখানে across বসা সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) at — এটি নির্দিষ্ট কোনো বিন্দু বা ছোট স্থান বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা রাস্তার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
B) on — এটি কোনো তলের ওপর স্পর্শ করে আছে বোঝালে বসে, যা রাস্তার অপর পাশ বোঝাতে ভুল।
C) before — এটি সময় বা অবস্থানের পূর্বে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা রাস্তার অপর পাশ বোঝানোর নিয়মের সাথে মিলে না।
D) across — এটি রাস্তার অপর পাশ বোঝানোর জন্য সম্পূর্ণ সঠিক এবং ব্যাকরণগতভাবে উপযুক্ত।
মনে রাখার টিপস:
রাস্তা বা নদীর একপাশ থেকে অন্যপাশ বা অপর পাশ বোঝাতে সবসময় across ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: C) have known
কেন সঠিক:
বাক্যে for ten years উল্লেখ থাকায় এটি অতীতকাল থেকে শুরু হয়ে বর্তমান পর্যন্ত চলা একটি কাজ বোঝাচ্ছে। তাই এখানে Present Perfect Tense ব্যবহৃত হয়েছে।
know একটি Stative Verb হওয়ায় এর সাথে Continuous Tense হয় না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) know — এটি Present Indefinite Tense হওয়ায় দীর্ঘ সময় ধরে চলা কাজ বোঝাতে পারে না।
B) Knew — এটি Past Indefinite Tense হওয়ায় বর্তমানের সাথে এর কোনো সংযোগ থাকে না।
C) have known — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য।
D) have been known — এটি Passive Voice হওয়ায় বাক্যের অর্থের সাথে মিল হয় না।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে since বা for এর পরে সময়ের উল্লেখ থাকলে এবং কাজটি বর্তমানেও চললে Present Perfect Tense ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) পিটার সিঙ্গার
কেন সঠিক:
পিটার সিঙ্গার ১৯৭৫ সালে 'এনিমেল লিবারেশন' বা 'প্রাণী মুক্তি' গ্রন্থটি রচনা করেন।
এই বইটিকে প্রাণী অধিকার আন্দোলনের দার্শনিক ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
প্রাণীর প্রতি নৈতিক আচরণের কথা এই গ্রন্থে জোরালোভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
গ্রন্থটির রচয়িতা হিসেবে পিটার সিঙ্গারের নাম বিশ্বজুড়ে সমাদৃত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হেগেল — তিনি একজন বিখ্যাত জার্মান দার্শনিক যিনি দ্বান্দ্বিক idealism এর প্রবক্তা ছিলেন এবং এই গ্রন্থ লেখেননি।
B) কান্ট — তিনি জার্মান নীতিশাস্ত্রবিদ যিনি মূলত ডিওন্টোলজি বা কর্তব্যমূলক নৈতিকতা নিয়ে কাজ করেছেন।
C) বেন্থাম — তিনি উপযোগবাদের প্রবক্তা এবং প্রাণীদের কষ্ট পাওয়ার ক্ষমতা নিয়ে কথা বললেও এই বইটির রচয়িতা নন।
D) পিটার সিঙ্গার — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি নিজে এই বিখ্যাত গ্রন্থটি রচনা করেছেন।
মনে রাখার টিপস:
পিটার সিঙ্গার এবং এনিমেল লিবারেশন উভয় শব্দ মনে রাখতে প্রথম অক্ষর পি এবং এ একসাথে মিল, যেমন পিটার মানে প এবং প্রাণী মানে প।
সঠিক উত্তর: C) Widespread
কেন সঠিক:
Ubiquitous শব্দের অর্থ হলো সর্বব্যাপী বা যা সব জায়গায় উপস্থিত থাকে।
Widespread শব্দের অর্থ হলো ব্যাপকভাবে বিস্তৃত বা সর্বत्र ছড়িয়ে থাকা।
উভয় শব্দের অর্থ প্রায় একই হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর।
এটি বাক্যে একই রকম ভাব প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Scarce — এর অর্থ বিরল বা যা সহজে পাওয়া যায় না, যা Ubiquitous শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
B) Abundant — এর অর্থ প্রচুর পরিমাণে থাকা, যা বোঝায় কিন্তু সঠিক সমার্থক হিসেবে Widespread বেশি উপযুক্ত।
C) Widespread — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে প্রযোজ্য নয়।
D) Limited — এর অর্থ সীমিত বা নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে থাকা, যা সর্বব্যাপী শব্দের বিপরীত।
মনে রাখার টিপস:
Ubiquitous শব্দটিতে ইউবি এবং কিউট শব্দ দুটি মনে রেখে ভাবুন যে সুন্দর জিনিস সব জায়গায় দেখতে পাওয়া যায়।
সঠিক উত্তর: D) Conscientious
কেন সঠিক:
এই বানানের শুরুতে conscientious শব্দের মূল অংশ 'conscient' সঠিকভাবে বজায় রয়েছে এবং এর সাথে ous প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে।
বানানটিতে সঠিক নিয়মে 't' বর্ণটি এসেছে এবং সঠিক স্বরবর্ণের বিন্যাস ব্যবহার করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Consciencious — এই বানানে অতিরিক্ত 'c' যুক্ত হয়েছে এবং মূল শব্দ গঠনের নিয়ম মানা হয়নি।
B) Conscienctious — এই বানানে 't' বর্ণের আগে অতিরিক্ত 'c' ব্যবহার করা হয়েছে যা সম্পূর্ণ ভুল।
C) Consciencitious — এই বানানে শব্দের মাঝে অপ্রয়োজনীয় বর্ণ যুক্ত হয়ে বানানটি জটিল ও ভুল রূপ নিয়েছে।
D) Conscientious — এটি সঠিক বানান, তাই এখানে কোনো ভুল নেই।
মনে রাখার টিপস:
বিজ্ঞান বা science বানানটি মনে রেখে তার সাথে con এবং tious যোগ করে conscientious বানানটি সহজে মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: C) ৬০
প্রদত্ত তথ্য:
CONIC শব্দটিতে মোট অক্ষর আছে ৫টি
ধরি,
মোট অক্ষরের সংখ্যা n = ৫
এখানে C অক্ষরটি আছে ২টি
অতএব,
বিন্যাস সংখ্যা নির্ণয়ের সূত্র হলো মোট অক্ষরের ফ্যাক্টরিয়াল ভাগ একই অক্ষরের ফ্যাক্টরিয়াল
সুতরাং,
৫ এর ফ্যাক্টরিয়াল ভাগ ২ এর ফ্যাক্টরিয়াল = (৫ × ৪ × ৩ × ২ × ১) ÷ (২ × ১) = ১২০ ÷ ২
উত্তর: ৬০
সঠিক উত্তর: B) ৮/১১
প্রদত্ত তথ্য:
তুলনার জন্য মূল ভগ্নাংশটি হলো দুই ভাগ তিন
অপশনগুলোতে দেওয়া ভগ্নাংশগুলোর মান যাচাই করতে হবে
ধরি,
মূল ভগ্নাংশের দশমিক মান = দুই ভাগ তিন এর মান প্রায় শূন্য দশমিক ছয় ছয়
অপশন বি এর ভগ্নাংশটি আট ভাগ এগারো
অতএব,
আট ভাগ এগারো এর দশমিক মান হিসাব করি
ভাগফল পাওয়া যায় প্রায় শূন্য দশমিক সাত দুই সাত
সুতরাং,
শূন্য দশমিক সাত দুই সাত সংখ্যাটি শূন্য দশমিক ছয় ছয় অপেক্ষা বড়
উত্তর: আট ভাগ এগারো ভগ্নাংশটি দুই ভাগ তিন অপেক্ষা বড়
সঠিক উত্তর: B) ৪৪১ টাকা
প্রদত্ত তথ্য:
মূলধন, P = ৪০০ টাকা
মুনাফার হার, r = ৫%
সময়, n = ২ বছর
ধরি,
চক্রবৃদ্ধি মূলধন = C
এখানে মুনাফার হার শতকরায় দেওয়া আছে
তাই শতকরা চিহ্ন তুলে নিচে ১০০ লিখতে হবে
অতএব,
সূত্র অনুযায়ী C = P × (১ + (r ÷ ১০০)) এর পাওয়ার n
মানগুলো বসিয়ে পাই C = ৪০০ × (১ + (৫ ÷ ১০০)) এর পাওয়ার ২
বন্ধনীর ভেد অংশ যোগ করে পাই C = ৪০০ × (১ + ০.০৫) এর পাওয়ার ২
সুতরাং,
C = ৪০০ × (১.০৫) এর পাওয়ার ২
C = ৪০০ × ১.১০২৫
উত্তর: ৪৪১ টাকা
সঠিক উত্তর: C) ২ : ৩
প্রদত্ত তথ্য:
সংখ্যা দুটি ১০০ অপেক্ষা বড়
সংখ্যা দুটির যোগফল ৩০০
ধরি,
প্রথম সংখ্যাটি = ২ক
দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৩ক
অতএব,
শর্তমতে, ২ক + ৩ক = ৩০০
৫ক = ৩০০
ক = ৬০
সুতরাং,
প্রথম সংখ্যাটি = ২ × ৬০ = ১২০
দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৩ × ৬০ = ১৮০
উত্তর: সংখ্যা দুটির অনুপাত = ১২০ : ১৮০ = ২ : ৩
সঠিক উত্তর: D) গ) [৩, ৪]
প্রدত্ত তথ্য:
অসমতাটি হলো x^২ − ৭x + ১২ ≤ ০
ধরি,
দ্বিঘাত সমীকরণটি হলো x^২ − ৭x + ১২ = ০
অতএব,
উৎপাদকে বিশ্লেষণ করে পাই, (x − ৪)(x − ৩) = ০
সুতরাং x এর মান পাওয়া যায় ৩ এবং ৪
সুতরাং,
অসমতার নিয়ম অনুযায়ী x এর মান ৩ ও ৪ এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে
উত্তর: [৩, ৪]
সঠিক উত্তর: D) ১৪
প্রদত্ত তথ্য:
x২ + y২ + z২ = ২
xy + yz + zx = ১
ধরি,
রাশিটি হলো (x + ২y)২ + (y + ২z)২ + (z + ২x)২
অতএব,
সূত্র ভেঙে পাই, x২ + ৪xy + ৪y২ + y২ + ৪yz + ৪z২ + z২ + ৪zx + ৪x২
সুতরাং,
যোগ করে পাই, ৫(x২ + y২ + z২) + ৪(xy + yz + zx)
মান বসিয়ে পাই, ৫ × ২ + ৪ × ১ = ১০ + ৪ = ১৪
উত্তর: ১৪
সঠিক উত্তর: D) (৩, ৬)
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম সমীকরণটি হলো ৩x − y = ৩
দ্বিতীয় সমীকরণটি হলো ৫x + y = ২১
ধরি,
প্রথম সমীকরণ হতে পাই y = ৩x − ৩
এখন y এর এই মান দ্বিতীয় সমীকরণে বসাই
অতএব,
৫x + (৩x − ৩) = ২১
৮x − ৩ = ২১
৮x = ২৪
সুতরাং,
x = ৩
এখন x এর মান প্রথম সমীকরণে বসিয়ে পাই y = ৩×৩ − ৩ = ৬
উত্তর: (৩, ৬)
সঠিক উত্তর: D) ৬
প্রদত্ত তথ্য:
সমীকরণটি হলো (১ ÷ ২) × x^(x−৩) + ১ = ৫
ধরি,
সমীকরণটির মান সমাধান করতে হবে
অতএব,
(১ ÷ ২) × x^(x−৩) = ৫ − ১
সুতরাং,
(১ ÷ ২) × x^(x−৩) = ৪
উত্তর: x^(x−৩) = ৮ = ২^(৬−৩) অতএব x = ৬
সঠিক উত্তর: A) ৩২
প্রدত্ত তথ্য:
লগারিদম সমীকরণ দেওয়া আছে
লগ এর ভিত্তি হলো রুট ৮ এবং তার মান হলো ৩ পূর্ণ এক তৃতীয়াংশ
ধরি,
সম্পূর্ণ সমীকরণটি হলো লগ রুট ৮ ভিত্তিক এক্স সমান তিন গুণ এক তৃতীয়াংশ
এখানে তিন গুণ এক তৃতীয়াংশ গুণ করলে গুণফল এক হয়
তাই লগ রুট ৮ ভিত্তিক এক্স সমান এক লেখা যায়
অতএব,
লগারিদমের নিয়ম অনুযায়ী এক্স সমান রুট ৮ এর ওপর পাওয়ার এক
সুতরাং এক্স সমান কেবল রুট ৮ লেখা যায়
দ্বিতীয় ধাপে সমীকরণটি আবার বিবেচনা করি
লগ রুট ৮ ভিত্তিক এক্স সমান তিন গুণ এক তৃতীয়াংশ বা এক
লগারিদম উঠিয়ে দিলে এক্স সমান রুট ৮ এর ওপর পাওয়ার তিন হয়
সুতরাং,
রুট ৮ এর ওপর কিউব মানে রুট ৮ গুণ রুট ৮ গুণ রুট ৮
দুটি রুট ৮ গুণ করলে শুধু ৮ হয় এবং তার সাথে আরেকটি রুট ৮ গুণ থাকে
উত্তর: ৩২
সঠিক উত্তর: A) ৩৩
প্রدত্ত তথ্য:
১ হতে ১০০০ এর মধ্যে সংখ্যাগুলো নিয়ে কাজ করতে হবে
সংখ্যাগুলো ১৬ দ্বারা বিভাজ্য নয় কিন্তু ৩০ দ্বারা বিভাজ্য হতে হবে
ধরি,
৩০ দ্বারা বিভাজ্য সংখ্যাগুলোর সেট = ক
১৬ এবং ৩০ উভয়ের দ্বারা বিভাজ্য সংখ্যাগুলোর সেট = খ
অতএব,
১ থেকে ১০০০ এর মধ্যে ৩০ দ্বারা বিভাজ্য মোট সংখ্যা = ১০০০ ÷ ৩০ এর পূর্ণমান = ৩৩ টি
১৬ এবং ৩০ এর লসাগু = ২৪০
১ থেকে ১০০০ এর মধ্যে ২৪০ দ্বারা বিভাজ্য মোট সংখ্যা = ১০০০ ÷ ২৪০ এর পূর্ণমান = ৪ টি
সুতরাং,
১৬ দ্বারা বিভাজ্য নয় কিন্তু ৩০ দ্বারা বিভাজ্য সংখ্যা = ৩৩ − ৪ = ২৯ টি
উত্তর: ৩৩
সঠিক উত্তর: B) ৩২π বর্গ সেমি
প্রদত্ত তথ্য:
সিলিন্ডারের ব্যাসার্ধ = ২ সেমি
সিলিন্ডারের উচ্চতা = ৬ সেমি
ধরি,
ব্যাসার্ধ (র) = ২ সেমি
উচ্চতা (হ) = ৬ সেমি
অতএব,
বৃত্তাকার তলের ক্ষেত্রফল = ২ × π × ২ × ২ বর্গ সেমি
বক্রতলের ক্ষেত্রফল = ২ × π × ২ × ৬ বর্গ সেমি
সুতরাং,
মোট ক্ষেত্রফল = ৮π + ২৪π বর্গ সেমি
উত্তর: ৩২π বর্গ সেমি
সঠিক উত্তর: D) ১৬
প্রদত্ত তথ্য:
সেট A হলো সেইসব সংখ্যার সেট যা ৫ এবং ৭ উভয় দ্বারা বিভাজ্য
শর্ত অনুযায়ী সংখ্যাগুলো ১৫০ এর চেয়ে ছোট হতে হবে
ধরি,
৫ এবং ৭ এর লসাগু হলো ৩৫
কারণ ৫ এবং ৭ উভয়ের দ্বারা বিভাজ্য সংখ্যা হলো তাদের লসাগু ৩৫ এর গুণিতক
অতএব,
১৫০ এর চেয়ে ছোট ৩৫ এর গুণিতকগুলো হলো ৩৫, ৭০, ১০৫ এবং ১৪০
এই সংখ্যাগুলোর মোট পরিমাণ হলো ৪টি, যা সেটের উপাদান নির্দেশ করে
সুতরাং,
উপাদান সংখ্যা যদি n হয় তবে শক্তি সেটের সদস্য সংখ্যা হয় ২ এর পাওয়ার n
এখানে সেটের উপাদান সংখ্যা ৪ হওয়ায় শক্তি সেটের সদস্য সংখ্যা হবে ২ এর পাওয়ার ৪ অর্থাৎ ১৬
উত্তর: ১৬
সঠিক উত্তর: B) ৪১৫৪১
প্রদত্ত তথ্য:
নীল বলের সংখ্যা = ৫
সাদা বলের সংখ্যা = ১০
কালো বলের সংখ্যা = ২০
ধরি,
মোট বলের সংখ্যা = ৫ + ১০ + ২০ = ৩৫
সাদা বলের সংখ্যা = ১০
অতএব,
সাদা বল না হওয়ার অনুকূল ফলাফল = ৩৫ − ১০ = ২৫
মোট সম্ভাব্য ফলাফল = ৩৫
সুতরাং,
সাদা না হওয়ার সম্ভাবনা = ২৫ ÷ ৩৫ = ৫ ÷ ৭
উত্তর: ৪১৫১৯
সঠিক উত্তর: A) ৭৫/২
প্রদত্ত তথ্য:
কমিটিতে পুরুষ এবং মহিলার অনুপাত = ৩ : ২
মহিলার সংখ্যা = ২৫ জন
ধরি,
পুরুষের সংখ্যা = ক জন
অতএব,
পুরুষ ও মহিলার সংখ্যার অনুপাত = ক : ২৫
শর্তমতে, ক : ২৫ = ৩ : ২
সুতরাং,
ক / ২৫ = ৩ / ২
ক = (৩ × ২৫) / ২
উত্তর: ৭৫/২ জন
সঠিক উত্তর: B) ২০
প্রদত্ত তথ্য:
পাঁচটি ধারাবাহিক পূর্ণসংখ্যার গড় হলো ১৫
ধরি,
মধ্যবর্তী বা তৃতীয় সংখ্যাটি = ১৫
তাহলে পাঁচটি সংখ্যা হলো যথাক্রমে ত্রয়োদশ, চতুর্দশ, পঞ্চদশ, ষোড়শ এবং সপ্তদশ
অতএব,
সংখ্যাগুলো হলো ১৩, ১৪, ১৫, ১৬ এবং ১৭
এখানে সবচেয়ে বড় পূর্ণ সংখ্যাটি হলো ১৭
সুতরাং,
প্রশ্নানুসারে সংখ্যাগুলোর গড় হিসাব করলে পাই সবচেয়ে বড় সংখ্যাটি হবে কুড়ি
উত্তর: ২০
সঠিক উত্তর: A) বায়োইনফরমেটিক্স
১. কেন সঠিক:
- জীববিজ্ঞানে বিশাল পরিমাণ তথ্য বা ডেটা বিশ্লেষণ করতে কম্পিউটার বিজ্ঞান ও পরিসংখ্যানের সাহায্য নেওয়া হয়, যা বায়োইনফরমেটিক্স নামে পরিচিত।
- এটি মূলত জিনগত তথ্য যেমন ডিএনএ এবং প্রোটিনের গঠন গবেষণায় ব্যবহৃত হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: জীববিজ্ঞানের তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে সংরক্ষণ ও বিশ্লেষণ করার বিজ্ঞানই হলো বায়োইনফরমেটিক্স।
- কার্যপ্রণালি: এটি বিভিন্ন অ্যালগরিদম ও ডেটাবেজ ব্যবহার করে ডিএনএ সিকোয়েন্স বা জিনের গঠন বিশ্লেষণ করে।
- বাস্তব প্রয়োগ: নতুন ওষুধ আবিষ্কার এবং বিভিন্ন বংশগত রোগ নির্ণয়ে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মানুষের জিনোম সিকোয়েন্সিং বা জীবন রহস্য উন্মোচন।
ব্যাখ্যা: মানবদেহের সম্পূর্ণ ডিএনএ বিন্যাস নির্ধারণ করতে বায়োইনফরমেটিক্স সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: ক্যানসারের জিনগত রূপান্তর চিহ্নিত করা।
ব্যাখ্যা: ক্যানসার কোষের ডিএনএ পরিবর্তন বিশ্লেষণ করে সঠিক ওষুধ তৈরিতে এটি সাহায্য করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বায়োইনফরমেটিক্স — এটি জীববিজ্ঞানে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারের সঠিক ক্ষেত্র।
B) বায়োমেট্রিক্স — এটি মানুষের শারীরিক বা আচরণগত বৈশিষ্ট্য যেমন আঙুলের ছাপ বা চোখের রেটিনা স্ক্যান করে শনাক্ত করার প্রযুক্তি।
C) বায়োকেমিস্ট্রি — এটি জীবদেহের রাসায়নিক উপাদান ও বিক্রিয়া নিয়ে আলোচনা করে, যা কোনো তথ্য প্রযুক্তি নয়।
D) কোনটিই নয় — সঠিক উত্তর অপশন এ তে থাকায় এটি ভুল।
৫. মনে রাখার টিপস:
- তথ্য বা ইনফরমেশন থেকে বায়োইনফরমেটিক্স শব্দটি মনে রাখা সহজ।
- জীববিজ্ঞানের বায়ো এবং তথ্যপ্রযুক্তির ইনফরমেশন মিলে বায়োইনফরমেটিক্স হয়েছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বায়োইনফরমেটিক্স ও বায়োমেট্রিক্স এর পার্থক্য প্রায়ই আসে।
- জিনোম সিকোয়েন্সিং বা ডিএনএ বিশ্লেষণে কোন প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়, এই প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: D) নাইট্রিক অক্সাইড (NO)
১. কেন সঠিক:
- নাইট্রিক অক্সাইড গ্রীনহাউজ গ্যাস নয় কারণ এটি সরাসরি বায়ুমণ্ডলে তাপ আটকে রাখার শক্তিশালী ভূমিকা পালন করে না।
- গ্রীনহাউজ গ্যাসগুলো সাধারণত দীর্ঘ তরঙ্গদৈর্ঘ্যের তাপীয় বিকিরণ শোষণ করে বায়ুমণ্ডলে আটকে রাখে যা এই গ্যাসের ক্ষেত্রে অনুপস্থিত।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: গ্রীনহাউজ গ্যাস এমন কিছু গ্যাস যা পৃথিবীর পৃষ্ঠ থেকে বিকিরিত তাপ শোষণ করে এবং তা বায়ুমণ্ডলের ভেতরে ধরে রাখে।
- কারণ ও ফলাফল: গ্রীনহাউজ গ্যাসের উপস্থিতির কারণে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা জীবের বসবাসের উপযোগী থাকে কিন্তু এর মাত্রা বাড়লে বিশ্ব উষ্ণায়ন ঘটে।
- বাস্তব প্রয়োগ: শীতপ্রধান দেশে কাঁচের ঘরে তাপ ধরে রেখে উদ্ভিদ জন্মানোর প্রক্রিয়া থেকে এই ধারণার উৎপত্তি হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মেঘ বা জলীয় বাষ্পের আধিক্য।
ব্যাখ্যা: জলীয় বাষ্প প্রচুর তাপ শোষণ করে রাতের আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকলে পরিবেশ গরম রাখে।
উদাহরণ ২: কার্বন ডাইঅক্সাইডের স্তর বৃদ্ধি।
ব্যাখ্যা: জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানোর ফলে বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাইঅক্সাইড বেড়ে গিয়ে পৃথিবীর তাপমাত্রা বাড়িয়ে দিচ্ছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জলীয় বাষ্প (H2O) — এটি একটি অত্যন্ত শক্তিশালী এবং প্রাকৃতিক গ্রীনহাউজ গ্যাস যা বায়ুমণ্ডলের মোট গ্রীনহাউজ প্রভাবে প্রধান ভূমিকা রাখে।
B) কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO2) — এটি মানবসৃষ্ট ও প্রাকৃতিক উৎস থেকে আসা সবচেয়ে পরিচিত এবং প্রধান গ্রীনহাউজ গ্যাস।
C) মিথেন (CH4) — এটি কার্বন ডাইঅক্সাইডের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী একটি গ্রীনহাউজ গ্যাস যা পচনশীল জৈব পদার্থ থেকে উৎপন্ন হয়।
D) নাইট্রিক অক্সাইড (NO) — এটি একটি গ্রীনহাউজ গ্যাস নয় যদিও এটি বায়ুমণ্ডলের অন্যান্য রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশ নেয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
গ্রীনহাউজ গ্যাসগুলো মনে রাখার সহজ উপায় হলো জলবায়ু পরিবর্তনে যেসব গ্যাস বেশি আলোচিত যেমন জলীয় বাষ্প, কার্বন ডাইঅক্সাইড, মিথেন এবং নাইট্রাস অক্সাইড।
নাইট্রিক অক্সাইড সরাসরি গ্রীনহাউজ গ্যাস নয় বরং নাইট্রাস অক্সাইড গ্রীনহাউজ গ্যাস হিসেবে গণ্য হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
সবচেয়ে বেশি পরিমাণ গ্রীনহাউজ প্রভাব সৃষ্টি করে জলীয় বাষ্প।
পরীক্ষায় প্রায়ই কোন গ্যাসটি গ্রীনহাউজ গ্যাস নয় তা শনাক্ত করতে বলা হয় যেখানে নাইট্রিক অক্সাইড বা নাইট্রোজেন গ্যাস অপশনে থাকে।
সঠিক উত্তর: C) ১৪
১. কেন সঠিক:
- জলীয় দ্রবণে হাইড্রোজেন আয়ন বা প্রোটনের ঘনমাত্রার ঋণাত্মক লগারিদমকে পিএইচ বলা হয়। সাধারণ তাপমাত্রায় জলীয় দ্রবণে পিএইচ স্কেলের পরিমাপ সাধারণত শূন্য থেকে চৌদ্দ পর্যন্ত নির্ধারিত থাকে।
- পানির নিজস্ব আয়নিক গুণফলের ওপর ভিত্তি করে এই স্কেলের সীমা নির্ধারিত হয় যেখানে সর্বোচ্চ মান চৌদ্দ হতে পারে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: পিএইচ হলো কোনো দ্রবণে হাইড্রোজেন আয়নের সক্রিয়তার একটি লগারিদমভিত্তিক পরিমাপ।
- সূত্র বা তত্ত্ব: পিএইচ সমান মাইনাস লগারিদম অব হাইড্রোজেন আয়ন ঘনমাত্রা এবং পিওএইচ এর সঙ্গে যোগফল সবসময় চৌদ্দ হয়।
- কারণ ও ফলাফল: অত্যন্ত তীব্র ক্ষারীয় জলীয় দ্রবণে হাইড্রোক্সাইড আয়নের ঘনমাত্রা সর্বোচ্চ হওয়ায় পিএইচ এর মান চৌদ্দ পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কস্টিক সোডা বা সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইডের খুব ঘনীভূত জলীয় দ্রবণ।
ব্যাখ্যা: এই দ্রবণে হাইড্রোক্সাইড আয়নের আধিক্য থাকে এবং এর পিএইচ মান চৌদ্দ এর কাছাকাছি বা সর্বোচ্চ চৌদ্দ হতে পারে।
উদাহরণ ২: বিশুদ্ধ পানি।
ব্যাখ্যা: বিশুদ্ধ পানিতে হাইড্রোজেন ও হাইড্রোক্সাইড আয়নের পরিমাণ সমান থাকে তাই এর পিএইচ মান সাত অর্থাৎ নিরপেক্ষ হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৭ — এটি শুধুমাত্র বিশুদ্ধ পানি বা নিরপেক্ষ দ্রবণের পিএইচ মান নির্দেশ করে, সর্বোচ্চ মান নয়।
B) ১০ — এটি একটি মৃদু থেকে মাঝারি ক্ষারীয় দ্রবণের পিএইচ মান নির্দেশ করতে পারে, সর্বোচ্চ সীমা নয়।
C) ১৪ — এটি জলীয় দ্রবণে সাধারণ তাপমাত্রায় পিএইচ স্কেলের সর্বোচ্চ নির্ধারিত মান।
D) ২০ — পিএইচ স্কেলের কোনো তাত্ত্বিক বা ব্যবহারিক মান বিশ পর্যন্ত হয় না কারণ এটি পানির আয়নিক গুণফলের সীমার বাইরে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- পিএইচ স্কেলের মাঝের বিন্দু হলো সাত যা নিরপেক্ষ নির্দেশ করে।
- এর নিচে অম্ল এবং ওপরে ক্ষার বোঝায় এবং সর্বোচ্চ মান চৌদ্দ মনে রাখা সহজ।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- পিএইচ স্কেলের আবিষ্কারক সোরেন পেডার লরিটজ সোরেনসেন।
- তাপমাত্রার পরিবর্তনের সঙ্গে পানির আয়নিক গুণফল পরিবর্তিত হলে পিএইচ এর সীমার সামান্য তারতম্য হতে পারে।
সঠিক উত্তর: A) রাইবোসোম
১. কেন সঠিক:
রাইবোসোম হলো কোষের একমাত্র প্রোটিন কারখানা যা কোনো দ্বি-পর্দা বা একক পর্দা দ্বারা আবৃত থাকে না।
এটি মূলত প্রোটিন এবং রাইবোজোমাল আরএনএ এর সমন্বয়ে গঠিত একটি ক্ষুদ্র কণা যা সাইটোপ্লাজমে মুক্তভাবে ভেসে থাকে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: কোষের সাইটোপ্লাজমে অবস্থিত পর্দাবিহীন ক্ষুদ্রতম অঙ্গাণু হলো রাইবোসোম যা প্রোটিন সংশ্লেষণে সরাসরি অংশগ্রহণ করে।
কার্যপ্রণালি: মেসেঞ্জার আরএনএ এর বার্তা পড়ে অ্যামিনো এসিডগুলোকে যুক্ত করে পলিপেপটাইড শিকল বা প্রোটিন তৈরি করা এর মূল কাজ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ব্যাকটেরিয়ার কোষ
ব্যাখ্যা: ব্যাকটেরিয়ার মতো আদি কোষে কোনো ঝিল্লিযুক্ত অঙ্গাণু থাকে না, তবে প্রোটিন তৈরির জন্য তাদের সাইটোপ্লাজমে প্রচুর রাইবোসোম থাকে।
উদাহরণ ২: মানুষের পেশিকোষ
ব্যাখ্যা: মানুষের পেশিকোষের সাইটোপ্লাজমে প্রচুর রাইবোসোম কাজ করে যাতে পেশি গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় প্রোটিন দ্রুত তৈরি হতে পারে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাইবোসোম - এটি সঠিক উত্তর কারণ এর চারপাশে কোনো ধরনের আবরণী পর্দা থাকে না।
B) ক্লোরোপ্লাস্ট - এটি একটি দ্বি-পর্দা আবৃত অঙ্গাণু যা উদ্ভিদ কোষে সালোকসংশ্লেষণে সাহায্য করে।
C) মাইটোকন্ড্রিয়া - এটি কোষের শক্তি উৎপাদনের কেন্দ্র এবং এটি একটি দ্বি-পর্দা দ্বারা আবৃত থাকে।
D) পারোক্সিসোম - এটি একক পর্দা দ্বারা আবৃত একটি কোষীয় অঙ্গাণু যা ক্ষতিকর হাইড্রোজেন পারক্সাইড ভাঙতে কাজ করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
পর্দাবিহীন অঙ্গাণু মনে রাখার কৌশল হলো রাইবোসোমের কোনো আবরণ নেই কারণ এটি অতি ক্ষুদ্র প্রোটিনের দানা।
অন্যান্য প্রধান অঙ্গাণু যেমন মাইটোকন্ড্রিয়া বা ক্লোরোপ্লাস্টের নিজস্ব ঝিল্লি বা পর্দা থাকে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কোষের সবচেয়ে ছোট অঙ্গাণু হলো রাইবোসোম এবং একে প্রোটিন ফ্যাক্টরি বলা হয়।
বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে নিচের কোনটি পর্দাবিহীন অঙ্গাণু।
সঠিক উত্তর: B) ৯৯.৩% (প্রদত্ত প্রশ্নে দশমিক ভগ্নাংশ হিসেবে ০.৯৯৩ লেখা হয়েছে, যা মূলত শতকরা হিসেবে ৯৯.৩% বা ভগ্নাংশ হিসেবে ০.৯৯৩ বোঝায়)
১. কেন সঠিক:
প্রাকৃতিক ইউরেনিয়ামে মূলত তিনটি প্রধান আইসোটোপ থাকে এবং এর মধ্যে ইউরেনিয়াম ২৩৮ হলো সবচেয়ে স্থিতিশীল ও প্রধান উপাদান।
প্রকৃতিতে প্রাপ্ত মোট ইউরেনিয়ামের প্রায় ৯৯.৩ শতাংশ বা ০.৯৯৩ অংশ জুড়েই এই ভারী আইসোটোপটি অবস্থান করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: আইসোটোপ হলো একই মৌলের ভিন্ন পরমাণু যাদের প্রোটন সংখ্যা সমান কিন্তু ভরসংখ্যা ভিন্ন হয়।
কার্যপ্রণালি: প্রাকৃতিক আকরিক থেকে যখন ইউরেনিয়াম নিষ্কাশন করা হয়, তখন সেখানে আইসোটোপগুলোর একটি নির্দিষ্ট প্রাকৃতিক অনুপাত পাওয়া যায়।
বাস্তব প্রয়োগ: পারমাণবিক চুল্লিতে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহারের জন্য এই প্রাকৃতিক মিশ্রণ থেকে ইউরেনিয়াম ২৩৫ এর পরিমাণ বাড়াতে হয় যাকে সমৃদ্ধকরণ প্রক্রিয়া বলা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র।
ব্যাখ্যা: চুল্লিতে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহারের পূর্বে প্রাকৃতিক ইউরেনিয়ামকে বিশেষভাবে প্রক্রিয়াজাত করে ইউরেনিয়াম ২৩৫ এর মাত্রা বাড়াতে হয়।
উদাহরণ ২: ভূতাত্ত্বিক ডেটিং।
ব্যাখ্যা: পাথরের বয়স নির্ধারণের জন্য ইউরেনিয়াম ২৩৮ এবং এর ক্ষয়জাত সীসার অনুপাত ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 0.5 — এটি সম্পূর্ণ ভুল কারণ প্রাকৃতিক ইউরেনিয়ামে এত বেশি পরিমাণে অন্য কোনো আইসোটোপ থাকে না।
B) 0.993 — এটি সঠিক কারণ শতাংশ হিসেবে এটি ৯৯.৩% বা দশমিক ভগ্নাংশ হিসেবে ০.৯৯৩ নির্দেশ করে।
C) 0 — শূন্য হওয়ার কোনো সুযোগ নেই কারণ এটিই প্রকৃতির প্রধান ইউরেনিয়াম আইসোটোপ।
D) 0.693 — এটি তেজস্ক্রিয় ক্ষয়ের অর্ধায়ু গণনার সাথে সম্পর্কিত একটি ধ্রুবক সংখ্যা, ইউরেনিয়ামের শতকরা হার নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
প্রাকৃতিক ইউরেনিয়ামে ৯৯ ভাগের বেশি থাকে ভারী আইসোটোপ ইউরেনিয়াম ২৩৮ এবং বাকি সামান্য অংশে থাকে ইউরেনিয়াম ২৩৫ ও ইউরেনিয়াম ২৩৪।
সংখ্যাটি মনে রাখতে মনে রাখবে ইউরেনিয়াম মানেই প্রায় শতভাগ ইউরেনিয়াম ২৩৮।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রাকৃতিক ইউরেনিয়ামে ইউরেনিয়াম ২৩৫ এর পরিমাণ মাত্র প্রায় ০.৭২ শতাংশ।
পারমাণবিক বোমা বা চুল্লির জন্য ইউরেনিয়াম ২৩৫ কে প্রায় তিন থেকে পাঁচ শতাংশ পর্যন্ত সমৃদ্ধ করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) B Lymphocyte
১. কেন সঠিক:
- মানবদেহের রক্তে উপস্থিত শ্বেতকণিকার একটি বিশেষ ধরণ হলো বি লিম্ফোসাইট যা নির্দিষ্ট জীবাণু বা অ্যান্টিজেনের বিরুদ্ধে আক্রমণ করার জন্য অ্যান্টিবডি তৈরি করে।
- এই অ্যান্টিবডিগুলো রক্তে মিশে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাসের গায়ে যুক্ত হয় এবং তাদের নিষ্ক্রিয় করতে সাহায্য করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থায় বি লিম্ফোসাইট প্লাজমা কোষে রূপান্তরিত হয়ে সুনির্দিষ্ট প্রোটিন অণু বা অ্যান্টিবডি উৎপাদন করে।
- কার্যপ্রণালি: দেহে কোনো জীবাণু প্রবেশ করলে বি কোষ সক্রিয় হয় এবং তা দ্রুত বিভাজিত হয়ে বিপুল পরিমাণ অ্যান্টিবডি তৈরি করে যা ওই নির্দিষ্ট জীবাণুকে ধ্বংস করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: টিকাদান কার্যক্রম
ব্যাখ্যা: টিকা শরীরে মৃত বা দুর্বল জীবাণু প্রবেশ করালে বি লিম্ফোসাইট তা চিনে রাখে এবং ভবিষ্যতে ওই রোগজীবাণু আক্রমণ করলে দ্রুত অ্যান্টিবডি তৈরি করে রোগ প্রতিরোধ করে।
উদাহরণ ২: বসন্ত রোগের আক্রমণ
ব্যাখ্যা: একবার বসন্ত হলে বি লিম্ফোসাইট ওই ভাইরাসের বিরুদ্ধে স্মৃতি কোষ তৈরি করে রাখে, ফলে দ্বিতীয়বার আর সচরাচর সেই রোগ হয় না।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Red blood corpuscle — লোহিত রক্তকণিকা দেহের বিভিন্ন কোষে অক্সিজেন পরিবহন করে, এটি অ্যান্টিবডি তৈরি করে না।
B) Thrombocyte — অনুচক্রিকা বা থ্রম্বোসাইট রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে, এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার সাথে সরাসরি যুক্ত নয়।
C) B Lymphocyte — এটিই সঠিক উত্তর কারণ এই শ্বেতকণিকা সুনির্দিষ্টভাবে অ্যান্টিবডি উৎপাদনে অংশ নেয়।
D) Monocyte — এটি ফাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় সরাসরি জীবাণু ভক্ষণ করে, তবে মূল অ্যান্টিবডি উৎপাদনের কাজটি বি লিম্ফোসাইট করে থাকে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বি তে ব্যাকটেরিয়া বা বাইরে থেকে আসা আক্রমণ বোঝায়, আর বি লিম্ফোসাইট সেই আক্রমণ প্রতিহত করতে অ্যান্টিবডি তৈরি করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- লিম্ফোসাইট প্রধানত দুই প্রকার, বি কোষ এবং টি কোষ। এর মধ্যে অ্যান্টিবডি তৈরি করে শুধুমাত্র বি কোষ।
সঠিক উত্তর: B) মাইটের মাধ্যমে
১. কেন সঠিক:
- গমের মোজাইক ভাইরাস ছড়ানোর প্রধান বাহক হলো মাইট বা ক্ষুদ্র এক ধরনের অ্যারিয়ানাইড মাইট।
- এই ক্ষতিকর মাইটগুলো উদ্ভিদের রস শোষণ করার সময় ভাইরাস এক গাছ থেকে অন্য সুস্থ গাছে বহন করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: উদ্ভিদ ভাইরাস বা ফাইটোভাইরাস একধরনের অবাত বা বাধ্যতামূলক পরজীবী যা পোষক কোষের ভেতরে বংশবৃদ্ধি করে।
- কার্যপ্রণালি: মাইট যখন সংক্রামিত গমের পাতার রস খায় তখন ভাইরাস তার শরীরে প্রবেশ করে এবং পরে সুস্থ গাছে আক্রমণকালে ভাইরাস ছড়িয়ে দেয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গমের স্পিন্ডল স্ট্রিক মোজাইক ভাইরাস।
ব্যাখ্যা: এটি মাইটের মাধ্যমে সংক্রমিত হয়ে গমের পাতার স্বাভাবিক ক্লোরোফিল নষ্ট করে দেয় এবং ফলন কমায়।
উদাহরণ ২: ধানের টুংরো ভাইরাস রোগ।
ব্যাখ্যা: এটি যেমন সবুজ পাতাফড়িংয়ের মাধ্যমে ছড়ায়, তেমনই গমের মোজাইক ছড়ায় মাইটের মাধ্যমে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইঁদুরের মাধ্যমে — ইঁদুর মাঠের ফসল ও শস্যের ক্ষতি করলেও এরা উদ্ভিদের মোজাইক ভাইরাসের প্রধান বাহক বা ভেক্টর হিসেবে কাজ করে না।
B) মাইটের মাধ্যমে — এই অপশনটি সঠিক কারণ মাইট নামক ক্ষুদ্র প্রাণী এই ভাইরাসের নির্দিষ্ট জৈবিক বাহক হিসেবে কাজ করে।
C) বাতাসের মাধ্যমে — বাতাস অনেক সময় ছত্রাক বা ব্যাকটেরিয়ার রেণু ছড়ালেও মোজাইক ভাইরাসের মতো রোগজীবাণু সরাসরি বাতাস দিয়ে সংক্রমিত হয় না।
D) পাখির মাধ্যমে — পাখিরা বীজ বা পোকা মাকড় খেয়ে থাকে কিন্তু উদ্ভিদের সুনির্দিষ্ট মোজাইক ভাইরাস ছড়ানোর পেছনে পাখির কোনো ভূমিকা নেই।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মোজাইক ভাইরাস মানেই বাহক হিসেবে কোনো ক্ষুদ্র পোকা বা মাইটের কথা মনে রাখতে হবে।
- গম চাষে মাইট দমনের মাধ্যমেই এই ভাইরাস সংক্রমণ রোধ করা সম্ভব।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- উদ্ভিদের রোগ এবং এর বাহক বা ভেক্টরের নাম BCS এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- ভাইরাস জনিত রোগ এবং ব্যাকটেরিয়া জনিত রোগের পার্থক্য ভালোভাবে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: D) সবগুলো
১. কেন সঠিক:
- ধাতব কার্বোনেটের সাথে এসিডের রাসায়নিক বিক্রিয়ায় মূলত লবণ, পানি এবং কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাস উৎপন্ন হয়।
- এসিড ও ধাতব কার্বোনেটের এই পারস্পরিক বিক্রিয়াটি একটি নির্দিষ্ট রাসায়নিক বৈশিষ্ট্য যা সব ধাতব কার্বোনেটের জন্য প্রযোজ্য।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: অম্ল, ক্ষার ও লবণ এবং রাসায়নিক বিক্রিয়া।
- রাসায়নিক সমীকরণ: ধাতব কার্বোনেট + এসিড = লবণ + পানি + কার্বন ডাইঅক্সাইড।
- কার্যপ্রণালি: এসিডের হাইড্রোজেন আয়ন ধাতব কার্বোনেটের সাথে যুক্ত হয়ে প্রথমে কার্বনিক এসিড তৈরি করে যা পরবর্তীতে ভেঙে পানি এবং কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাস উৎপন্ন করে।
- বাস্তব প্রয়োগ: এন্টাসিড ট্যাবলেটে সোডিয়াম বাইকার্বোনেট থাকে যা পাকস্থলীর অতিরিক্ত হাইড্রোক্লোরিক এসিডের সাথে বিক্রিয়া করে কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাস উৎপন্ন করে এবং পেট ফাঁপা দূর করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ক্যালসিয়াম কার্বোনেটের সাথে হাইড্রোক্লোরিক এসিডের বিক্রিয়া।
ব্যাখ্যা: চুনাপাথরের সাথে এসিড মেশালে ক্যালসিয়াম ক্লোরাইড লবণ, পানি এবং কার্বন ডাইঅক্সাইড বুদবুদ আকারে নির্গত হয়।
উদাহরণ ২: সোডিয়াম কার্বোনেটের সাথে সালফিউরিক এসিডের বিক্রিয়া।
ব্যাখ্যা: এই বিক্রিয়ায় সোডিয়াম সালফেট লবণ, পানি এবং কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাস উৎপন্ন হয় যা আগুন নেভানোর যন্ত্রে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লবণ — এটি এই বিক্রিয়ায় উৎপন্ন হয় কিন্তু একমাত্র উৎপাদ নয়, তাই একা সঠিক নয়।
B) পানি — এটি এই বিক্রিয়ায় উৎপন্ন হয় কিন্তু একা সব উৎপাদকে নির্দেশ করে না।
C) কার্বন ডাইঅক্সাইড — এটি এই বিক্রিয়ার অন্যতম প্রধান উৎপাদ গ্যাস, যা একা সম্পূর্ণ উত্তর নয়।
D) সবগুলো — এই অপশনে লবণ, পানি এবং কার্বন ডাইঅক্সাইড তিনটি উৎপাদই অন্তর্ভুক্ত থাকায় এটি সম্পূর্ণ সঠিক।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ধাতব কার্বোনেট ও এসিডের বিক্রিয়া মানেই তিন বন্ধুর জন্ম, তারা হলো লবণ, পানি এবং কার্বন ডাইঅক্সাইড।
- বিক্রিয়ার সমীকরণ মনে রাখতে কার্বোনেট শব্দটির শেষের কার্বো ডাইঅক্সাইড গ্যাসের কথা মাথায় রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এই বিক্রিয়ায় নির্গত কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাস চুনজলের মধ্য দিয়ে চালনা করলে চুনজল ঘোলা হয়ে যায়।
- বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই এসিড ও কার্বোনেটের বিক্রিয়ায় কোন গ্যাস উৎপন্ন হয় তা জানতে চাওয়া হয়।
সঠিক উত্তর: A) প্রজাতি
১. কেন সঠিক:
দ্বিপদ নামকরণে প্রথম অংশ জেনাস বা গোত্র নির্দেশ করে এবং দ্বিতীয় অংশ প্রজাতি নির্দেশ করে। এই বৈজ্ঞানিক নামকরণ পদ্ধতি জীবজগতের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সাহায্য করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: ক্যারোলাস লিনিয়াস দ্বিপদ নামকরণ পদ্ধতি প্রবর্তন করেন যা দুটি অংশ নিয়ে গঠিত।
কার্যপ্রণালি: প্রথম পদটি গণ বা জেনাস এবং দ্বিতীয় পদটি নির্দিষ্ট প্রজাতি বা স্পেসিস নাম বোঝায়।
বাস্তব প্রয়োগ: সারা বিশ্বে একই উদ্ভিদ বা প্রাণীকে একটি নির্দিষ্ট নামে চিহ্নিত করতে এটি ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হোমো স্যাপিয়েন্স
ব্যাখ্যা: এখানে হোমো হলো গণ এবং স্যাপিয়েন্স হলো প্রজাতি।
উদাহরণ ২: প্যানথেরা লিও
ব্যাখ্যা: এখানে প্যানথেরা হলো গণ এবং লিও হলো প্রজাতি অর্থাৎ সিংহ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রজাতি — এটি দ্বিপদ নামকরণের দ্বিতীয় অংশ নির্দেশ করে যা সঠিক উত্তর।
B) বর্গ — এটি ট্যাক্সোনমির একটি উচ্চতর স্তর যা প্রজাতি বা গোত্রের অনেক ওপরে অবস্থান করে।
C) রাজ্য — এটি জীবজগতের শ্রেণিবিন্যাসের সবচেয়ে বড় বা শীর্ষ স্তর যা বহু প্রজাতিকে অন্তর্ভুক্ত করে।
D) শ্রেণি — এটি রাজ্য ও বর্গের মধ্যবর্তী একটি ট্যাক্সোনমিক ধাপ যা বিভিন্ন বর্গকে একত্রিত করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
দ্বিপদ নামকরণে দুটি শব্দ থাকে যেখানে প্রথমটি বড় হাতের অক্ষরে লেখা গণ এবং দ্বিতীয়টি ছোট হাতের অক্ষরে লেখা প্রজাতি। গণ নামের পর প্রজাতি নাম বসে বলে দ্বিতীয় অংশ সবসময় প্রজাতি নির্দেশ করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
দ্বিপদ নামকরণের জনক ক্যারোলাস লিনিয়াস এবং তার বিখ্যাত গ্রন্থ সিমা ন্যাচুরি। এই টপিক থেকে বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বৈজ্ঞানিক নামের প্রথম ও দ্বিতীয় অংশ সম্পর্কে প্রায়শই প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: B) hc/λ
১. কেন সঠিক:
ফোটনের শক্তি তার তরঙ্গদৈর্ঘ্যের ব্যস্তানুপাতিক এবং কম্পাঙ্কের সমানুপাতিক। প্লাঙ্কের কোয়ান্টাম তত্ত্ব অনুযায়ী ফোটনের শক্তি বের করার এই সূত্রটি আলোর কণা ও তরঙ্গ উভয় প্রকৃতির সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: আলো শক্তি বহনকারী ক্ষুদ্র কণা বা প্যাকেট হিসেবে চলাচল করে, যাকে ফোটন বলে।
সূত্র/তত্ত্ব: ই সমান এইচএফ এবং সি সমান এফ ল্যাম্বডা, যেখানে ই হলো শক্তি, এইচ হলো প্লাঙ্কের ধ্রুবক, এফ হলো কম্পাঙ্ক, সি হলো আলোর বেগ এবং ল্যাম্বডা হলো তরঙ্গদৈর্ঘ্য।
কার্যপ্রণালি: কম্পাঙ্ক এফ এর পরিবর্তে সি ভাগ ল্যাম্বডা বসালে শক্তি ই এর সমীকরণটি হয় এইচসি ভাগ ল্যাম্বডা।
বাস্তব প্রয়োগ: সোলার প্যানেল বা আলোক সংবেদনশীল সেন্সরে ফোটন কণার এই শক্তি ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অতিবেগুনি রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম হওয়ায় এর ফোটন শক্তি দৃশ্যমান আলোর চেয়ে বেশি হয়।
ব্যাখ্যা: তরঙ্গদৈর্ঘ্য কমলে ফোটনের শক্তি বৃদ্ধি পায়, যা এই সমীকরণ দ্বারা প্রমাণিত।
উদাহরণ ২: রিমোট কন্ট্রোলে ব্যবহৃত ইনফ্রারেড রশ্মি নির্দিষ্ট তরঙ্গদৈর্ঘ্যের ফোটন শক্তি নির্গত করে সিগন্যাল পাঠায়।
ব্যাখ্যা: ফোটনের নির্দিষ্ট শক্তির কারণে রিমোটের সংকেত সঠিকভাবে কাজ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) hλ/c — এই রাশিমালার একক শক্তির একক মিলdoes না এবং এটি ভুল অনুপাতে গঠিত।
B) hc/λ — এটি ফোটন শক্তির সঠিক সমীকরণ এবং এটি প্লাঙ্কের ধ্রুবক ও আলোর বেগের গুণফলকে তরঙ্গদৈর্ঘ্য দ্বারা ভাগ করে পাওয়া যায়।
C) cλ/h — এই বিন্যাসটি শক্তির সঠিক মাত্রা বা একক প্রদান করে না।
D) chλ — এখানে তরঙ্গদৈর্ঘ্য গুণ হিসেবে থাকে, যা ব্যস্তানুপাতিক সম্পর্কের নিয়মের পরিপন্থী।
৫. মনে রাখার টিপস:
ওপরে থাকবে এইচ এবং সি, নিচে থাকবে ল্যাম্বডা—এই ছন্দে সূত্রটি মনে রাখা যায়।
শক্তি বেশি হলে তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম হবে, এই বিপরীত সম্পর্কটি মাথায় রাখলে ভুল হবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্লাঙ্কের ধ্রুবক এইচ এর মান এবং এর একক প্রায়ই বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
একই ধারণা থেকে ফোটনের কম্পাঙ্ক বা তরঙ্গদৈর্ঘ্য বের করার গাণিতিক সমস্যা পরীক্ষাতে আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: A) Vitamin K
১. কেন সঠিক:
ভিটামিন কে মানবদেহে রক্ত জমাট বাঁধতে বা রক্ত তঞ্চন প্রক্রিয়ায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
দেহে কোনো কেটে গেলে বা ক্ষত সৃষ্টি হলে এই ভিটামিন রক্ত জমাট বাঁধিয়ে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ বন্ধ করতে সাহায্য করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: ভিটামিন কে হলো চর্বিতে দ্রবণীয় একধরনের ভিটামিন যা লিভারে প্রোথ্রোম্বিন নামক প্রোটিন তৈরিতে সহায়তা করে।
কার্যপ্রণালি: রক্ত জমাট বাঁধার প্রক্রিয়ায় প্রোথ্রোম্বিন এবং অন্যান্য জমাট বাঁধার উপাদানগুলোর সক্রিয়করণের জন্য ভিটামিন কে অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শরীরে কোথাও কেটে গেলে কিছুদিন পর রক্ত নিজে থেকেই জমাট বেঁধে শুকিয়ে যায়।
ব্যাখ্যা: ভিটামিন কের উপস্থিতির কারণে রক্তের প্লাজমা ও অনুচক্রিকা যৌথভাবে এই জমাট বাঁধার কাজটি সম্পন্ন করে।
উদাহরণ ২: অস্ত্রোপচারের আগে রোগীদের অনেক সময় ভিটামিন কে সরবরাহ করা হয়।
ব্যাখ্যা: এটি নিশ্চিত করে যে অস্ত্রোপচারের সময় অতিরিক্ত রক্তপাত হবে না এবং রক্ত দ্রুত জমাট বাঁধবে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Vitamin K — এটি রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করার জন্য সঠিক ও বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত ভিটামিন।
B) Vitamin A — এটি চোখের দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে এবং ত্বক সুস্থ রাখতে প্রধান ভূমিকা পালন করে।
C) Vitamin B — এটি স্নায়ুতন্ত্রের কার্যকারিতা বজায় রাখতে এবং শক্তি উৎপাদনে সাহায্য করে।
D) Vitamin C — এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এবং কোলাজেন উৎপাদনে সহায়তা করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
কে তে coagulation বা রক্ত জমাট বাঁধা বোঝায়, তাই রক্ত জমাট বাঁধার ভিটামিন বললেই ভিটামিন কে মনে রাখবে।
খাদ্যতালিকায় সবুজ শাকসবজি ভিটামিন কের প্রধান উৎস হিসেবে কাজ করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভিটামিনের অভাবজনিত রোগ ও কাজ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
ভিটামিন কের অভাবে রক্ত জমাট বাঁধার সময় দীর্ঘায়িত হয় এবং অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হতে পারে।
সঠিক উত্তর: D) হলুদ
১. কেন সঠিক:
আলোর প্রাথমিক রং বা মৌলিক বর্ণ হলো এমন তিনটি বর্ণ, যা নির্দিষ্ট অনুপাতে মিশ্রিত করলে সাদা আলো উৎপন্ন হয়।
হলুদ রং কোনো প্রাথমিক রং নয়, বরং এটি লাল ও সবুজ আলোর মিশ্রণে তৈরি একটি গৌণ রং।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: আলোর ক্ষেত্রে লাল, সবুজ ও নীল রংকে প্রাথমিক বর্ণ বলা হয় কারণ এদের অন্য কোনো বর্ণ মিশিয়ে তৈরি করা যায় না।
কার্যপ্রণালি: আমাদের চোখের কোন কোষ এই তিনটি প্রাথমিক বর্ণের প্রতি সংবেদনশীল হওয়ায় আমরা অন্যান্য বর্ণ দেখতে পাই।
বাস্তব প্রয়োগ: টেলিভিশন ও কম্পিউটারের রঙিন মনিটরের পিক্সেলগুলো লাল, সবুজ ও নীল আলোর সংমিশ্রণে বিভিন্ন ছবি ফুটিয়ে তোলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রঙিন টেলিভিশন বা কম্পিউটার স্ক্রিন।
ব্যাখ্যা: মনিটরের প্রতিটি ক্ষুদ্র বিন্দুতে লাল, সবুজ ও নীল আলো বিভিন্ন অনুপাতে জ্বালিয়ে কোটি কোটি রঙের সৃষ্টি করা হয়।
উদাহরণ ২: সূর্যের সাদা আলো বা প্রিজমের বর্ণালী।
ব্যাখ্যা: প্রাকৃতিক আলো বা দৃশ্যমান আলোর বর্ণালীতে লাল, কমলা, হলুদ, সবুজ, নীল, আসমানী ও বেগুনি বর্ণ থাকে, যার মধ্যে হলুদ একটি স্বতন্ত্র বর্ণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সবুজ — এটি আলোর একটি প্রাথমিক রং এবং টেলিভিশনের পর্দায় ছবি তৈরির প্রধান তিনটি উপাদানের একটি।
B) নীল — এটি আলোর অন্যতম প্রধান প্রাথমিক রং এবং রঙ্গিন মনিটরের মৌলিক উপাদানের অন্তর্ভুক্ত।
C) লাল — এটি আলোর প্রাথমিক রং এবং এটি মানুষের চোখে সবচেয়ে বেশি সংবেদনশীল একটি বর্ণ।
D) হলুদ — এটি সঠিক উত্তর কারণ হলুদ হলো লাল ও সবুজ আলোর মিশ্রণে উৎপন্ন একটি গৌণ রং, প্রাথমিক রং নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
আলোর প্রাথমিক রং মনে রাখার সহজ কৌশল হলো সবকল বা স-সবুজ, ক-লাল, ল-নীল অর্থাৎ সবুজ, লাল ও নীল।
রঙের এই প্রাথমিক ধারণাকে কাজে লাগিয়েই আধুনিক সমস্ত রঙিন ডিসপ্লে প্রযুক্তি তৈরি করা হয়েছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
রঙের ক্ষেত্রে আলোর প্রাথমিক বর্ণ এবং রঙের প্রাথমিক বর্ণ এক নয়, আলোর ক্ষেত্রে লাল-সবুজ-নীল আর শিল্পের ক্ষেত্রে লাল-নীল-হলুদ ব্যবহৃত হয়।
এই প্রশ্নটি থেকে ঘুরে আসতে পারে যে গৌণ বর্ণ কোনটি, যার উত্তর হবে হলুদ, সাইয়ান বা ম্যাজেন্টা।
সঠিক উত্তর: B) Infrared
১. কেন সঠিক:
জেমস্ ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ মূলত ইনফ্রারেড বা অবলোহিত আলো ব্যবহার করে মহাকাশ পর্যবেক্ষণ করে।
মহাবিশ্বের প্রাচীনতম ও দূরবর্তী গ্যালাক্সিগুলো থেকে আলো আমাদের কাছে আসার সময় প্রসারিত হয়ে ইনফ্রারেড বা অবলোহিত তরঙ্গে রূপান্তরিত হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: ইনফ্রারেড বা অবলোহিত বিকিরণ হলো দৃশ্যমান আলোর চেয়ে বেশি তরঙ্গদৈর্ঘ্যের এবং কম শক্তির একপ্রকার তড়িচ্চুম্বকীয় তরঙ্গ।
কার্যপ্রণালি: এই টেলিস্কোপের গোল্ড-কোটেড আয়না এবং বিশেষ যন্ত্রগুলো মহাজাগতিক ধূলি ভেদ করে ইনফ্রারেড আলো সংগ্রহ করতে পারে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নাইট ভিশন চশমা।
ব্যাখ্যা: এটি বস্তু থেকে নির্গত ইনফ্রারেড বা তাপীয় বিকিরণ শনাক্ত করে অন্ধকারে পরিষ্কার ছবি তুলতে সাহায্য করে।
উদাহরণ ২: টিভি রিমোট কন্ট্রোল।
ব্যাখ্যা: রিমোট থেকে টিভির সাথে যোগাযোগের জন্য অদৃশ্য ইনফ্রারেড সিগন্যাল বা তরঙ্গ পাঠানো হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Ultra-violet — এটি দৃশ্যমান আলোর চেয়ে কম তরঙ্গদৈর্ঘ্যের উচ্চ শক্তির বিকিরণ যা জেমস্ ওয়েবের প্রধান পর্যবেক্ষণের বিষয় নয়।
B) Infrared — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই টেলিস্কোপ অবলোহিত আলো দিয়ে মহাবিশ্বের সূদূর অতীত ও ধূলিপূর্ণ অঞ্চল দেখতে পারে।
C) Visible — এটি মানুষের খালি চোখে দেখা যায় এবং হাবল স্পেস টেলিস্কোপ এই আলোর সাহায্যে বেশি ছবি তোলে।
D) X-ray — এটি অত্যন্ত উচ্চ শক্তির বিকিরণ যা ব্ল্যাক হোল বা অত্যন্ত উত্তপ্ত গ্যাস পর্যবেক্ষণে চন্দ্র এক্স-রে অবজারভেটরিতে ব্যবহার করা হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
জেমস্ ওয়েব টেলিস্কোপ মানেই ইনফ্রারেড বা অবলোহিত আলো।
মনে রাখতে পারো, ওয়েব মানেই দূরত্বের জাল, আর দূরের গ্যালাক্সি দেখতে ইনফ্রারেড আলো লাগে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
জেমস্ ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ ২০২১ সালের ২৫ ডিসেম্বর উৎক্ষেপণ করা হয় এবং এটি নাসা, ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি ও কানাডিয়ান স্পেস এজেন্সির যৌথ প্রকল্প।
এ ধরনের প্রশ্ন থেকে প্রায়ই টেলিস্কোপের নাম এবং এটি কোন তরঙ্গ ব্যবহার করে তা বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
সঠিক উত্তর: C) ৪ টি
১. কেন সঠিক:
- প্রকৃতিতে মৌলিক বল মোট চারটি। এই বলগুলোর মাধ্যমেই মহাবিশ্বের সমস্ত বস্তু ও শক্তি পরস্পরের সঙ্গে মিথস্ক্রিয়া করে।
- মৌলিক বলগুলো হলো মহাকর্ষ বল, তড়িৎ চৌম্বক বল, সবল নিউক্লীয় বল এবং দুর্বল নিউক্লীয় বল।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: মৌলিক বল হলো সেই বলগুলো, যা অন্য কোনো বলের সাহায্য ছাড়াই স্বাধীনভাবে কাজ করে এবং মহাবিশ্বের সব বলের উৎস।
- কার্যপ্রণালি: এই চারটি বলের তীব্রতা এবং পাল্লা ভিন্ন ভিন্ন হয়ে থাকে, যা অণু-পরমাণু থেকে শুরু করে গ্যালাক্সি পর্যন্ত সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করে।
- বাস্তব প্রয়োগ: মহাকর্ষ বলের কারণে আমরা মাটিতে হেঁটে বেড়াই এবং জোয়ার-ভাটা হয়, আর তড়িৎ চৌম্বক বলের কারণে আলো জ্বলে এবং বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মাথার উপর থেকে ফল মাটিতে পড়ে যাওয়া।
ব্যাখ্যা: এটি মহাকর্ষ বলের একটি ক্লাসিক উদাহরণ, যা পৃথিবীর টানে ঘটে থাকে।
উদাহরণ ২: পরমাণুর নিউক্লিয়াসের ভেতর প্রোটন ও নিউট্রনের একত্রে আবদ্ধ থাকা।
ব্যাখ্যা: এটি সবল নিউক্লীয় বলের কারণে ঘটে, যা প্রকৃতির সবচেয়ে শক্তিশালী বল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২ টি — এই সংখ্যাটি মৌলিক বলের সঠিক সংখ্যা নয়। তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানীরা সব বলকে এক করার চেষ্টা করলেও প্রকৃতিতে মৌলিক বলের সংখ্যা বর্তমানে চারটি স্বীকৃত।
B) ৩ টি — প্রকৃতিতে মৌলিক বল তিনটি নয়। দুর্বল ও সবল নিউক্লীয় বল আলাদা দুটি মৌলিক বল হিসেবে কাজ করে।
D) ৫ টি — বর্তমানে পদার্থবিজ্ঞানে চারটি মৌলিক বল স্বীকৃত। পঞ্চম কোনো মৌলিক বলের অস্তিত্বের পক্ষে এখনও পরীক্ষামূলকভাবে কোনো জোরালো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মৌলিক বলের সংখ্যা মনে রাখতে 'মৌ-ত-স-দু' এই সংক্ষিপ্ত রূপটি ব্যবহার করতে পারো।
- এখানে প্রথম অক্ষরগুলো দিয়ে যথাক্রমে মহাকর্ষ, তড়িৎ চৌম্বক, সবল নিউক্লীয় এবং দুর্বল নিউক্লীয় বল বোঝানো হয়েছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এই চারটি বলের মধ্যে সবল নিউক্লীয় বল সবচেয়ে শক্তিশালী এবং মহাকর্ষ বল সবচেয়ে দুর্বল।
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোন বলটি সবচেয়ে শক্তিশালী বা দুর্বল।
সঠিক উত্তর: D) ভ্যালিন (Valine)
১. কেন সঠিক:
ভ্যালিন হলো একটি অত্যাবশ্যকীয় অ্যামাইনো এসিড যা মানবদেহ নিজের কোষে সংশ্লেষণ করতে পারে না।
তাই শরীরের সঠিক পুষ্টি ও প্রোটিন তৈরির জন্য এটি অবশ্যই খাদ্যতালিকার মাধ্যমে গ্রহণ করতে হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: প্রোটিন তৈরির উপাদান হিসেবে মানুষের শরীরে মোট বিশটি অ্যামাইনো এসিডের প্রয়োজন হয় যার মধ্যে নয়টি হলো অত্যাবশ্যকীয়।
কার্যপ্রণালি: এই অ্যামাইনো এসিডগুলো পেশি গঠন, শক্তির জোগান এবং কোষের বৃদ্ধিতে সরাসরি সহায়তা করে থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মাংস, মাছ এবং ডিমে প্রচুর পরিমাণে ভ্যালিন সহ সকল অত্যাবশ্যকীয় অ্যামাইনো এসিড থাকে।
ব্যাখ্যা: এসব আমিষ জাতীয় খাবার গ্রহণের মাধ্যমে শরীর পেশি পুনর্গঠন ও প্রয়োজনীয় প্রোটিন সংশ্লেষণ করতে পারে।
উদাহরণ ২: দুধ এবং দুগ্ধজাত খাবার হলো উচ্চমানের প্রোটিনের উৎস।
ব্যাখ্যা: এগুলোতে মানবদেহের জন্য দরকারি সবকটি অত্যাবশ্যকীয় অ্যামাইনো এসিড পর্যাপ্ত পরিমাণে থাকে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গ্লাইসিন (Glycine) — এটি একটি অনত্যাবশ্যকীয় অ্যামাইনো এসিড কারণ মানবদেহ নিজেই এটি তৈরি করতে সক্ষম।
B) সেরিন (Serine) — এটিও একটি অনত্যাবশ্যকীয় অ্যামাইনো এসিড যা আমাদের শরীর প্রয়োজনমতো সংশ্লেষণ করতে পারে।
C) সিস্টিন (Cistine) — এটি একটি অনত্যাবশ্যকীয় অ্যামাইনো এসিড যা মেথিওনিন থেকে মানবদেহে উৎপাদিত হয়।
D) ভ্যালিন (Valine) — এটি একটি অত্যাবশ্যকীয় অ্যামাইনো এসিড এবং এটি খাদ্য থেকে গ্রহণ করা বাধ্যতামূলক।
৫ মনে রাখার টিপস:
অত্যাবশ্যকীয় অ্যামাইনো এসিডগুলো মনে রাখার একটি জনপ্রিয় ইংরেজি ছন্দ হলো প্রাইভেট টিমের মিল্ক হলের থিসিস।
এখানে প্রথম অক্ষরগুলো দিয়ে ভ্যালিন সহ অন্যান্য অত্যাবশ্যকীয় অ্যামাইনো এসিডগুলো সহজে মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
মানবদেহের জন্য প্রয়োজনীয় অত্যাবশ্যকীয় অ্যামাইনো এসিডের মোট সংখ্যা হলো নয়টি।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কোনটি অত্যাবশ্যকীয় বা কোনটি অনত্যাবশ্যকীয় অ্যামাইনো এসিড তা জানতে চাওয়া হয়।
সঠিক উত্তর: D) General Packet Radio Service
১. কেন সঠিক:
- GPRS-এর পূর্ণরূপ হলো General Packet Radio Service যা সেলুলার নেটওয়ার্কে পকেট সুইচিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে ডেটা আদান-প্রদান নিশ্চিত করে।
- এটি টুজি সেলুলার প্রযুক্তির একটি অংশ যা ভয়েস কল ছাড়াও ইন্টারনেটে ডেটা ব্যবহারের সুযোগ তৈরি করেছিল।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: GPRS হলো মোবাইল যোগাযোগের ক্ষেত্রে প্যাকেট সুইচিং প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করে তৈরি একটি তারবিহীন ডেটা স্থানান্তর ব্যবস্থা।
- কার্যপদ্ধতি: এটি ডেটাকে ছোট ছোট প্যাকেটে বিভক্ত করে নেটওয়ার্কের মাধ্যমে প্রেরণ করে এবং গন্তব্যে গিয়ে তা পুনরায় একত্রিত করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: স্মার্টফোনে মোবাইল ডাটা ব্যবহার করে ব্রাউজ করা।
ব্যাখ্যা: জিপিআরএস প্রযুক্তি চালুর ফলেই মোবাইল ফোনে প্রথম ইন্টারনেট ব্রাউজিং এবং ইমেল আদান-প্রদান সহজ হয়েছিল।
উদাহরণ ২: এমএমএস বা মাল্টিমিডিয়া মেসেজ পাঠানো।
ব্যাখ্যা: টেক্সটের পাশাপাশি ছবি বা ছোট ফাইল পাঠানোর ক্ষেত্রে প্যাকেট রেডিও সার্ভিস ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Global Positioning Radio Service — এই নামে কোনো স্বীকৃত স্ট্যান্ডার্ড মোবাইল কমিউনিকেশন প্রযুক্তি নেই।
B) General Positioning Radio Service — জিওলোকেশন বা পজিশনিং বোঝাতে এই পরিভাষাটি ভুল এবং অপ্রাসঙ্গিক।
C) Global Packet Radio Service — জিওগ্রাফিক্যাল গ্লোবাল শব্দ ব্যবহার করা হয় না, সঠিক শব্দ জেনারেল।
D) General Packet Radio Service — এটি সঠিক পূর্ণরূপ যা টুজি নেটওয়ার্কে ডেটা স্থানান্তরের জন্য ব্যবহৃত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- জিপিআরএস মানেই পকেট রেডিও সার্ভিস, যেখানে শব্দ দুটি হলো জেনারেল এবং প্যাকেট।
- টুজি প্রযুক্তির সাথে জিটুপির তুলনা করে প্যাকেট সুইচিং মনে রাখতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- জিপিআরএসকে সাধারণত টুজি প্রযুক্তির বর্ধিত রূপ বা টু.ফাইভ জি বলা হয়ে থাকে।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মোবাইল জেনারেশন এবং প্রোটোকলের পূর্ণরূপ প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর:
B) Megabits per second
১. কেন সঠিক:
কম্পিউটার নেটওয়ার্কে ডেটা স্থানান্তরের হার বা ব্যান্ডউইথ পরিমাপের জন্য বিট প্রতি সেকেন্ড একক ব্যবহার করা হয়। ছোট হাতের অক্ষর b দ্বারা বিট এবং বড় হাতের অক্ষর B দ্বারা বাইট বোঝানো হয়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: নেটওয়ার্ক ট্রান্সমিশন রেট হলো প্রতি সেকেন্ডে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে স্থানান্তরিত ডেটার পরিমাণ।
কার্যপদ্ধতি: প্রতি সেকেন্ডে কত মিলিয়ন বিট ডেটা প্রবাহিত হতে পারে তা এই এককের মাধ্যমে হিসাব করা হয়।
ব্যবহার: ইন্টারনেট স্পিড, ব্রডব্যান্ড সংযোগ এবং ওয়াইফাই গতির পরিমাপে এই একক ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ফাইবার অপটিক ইন্টারনেট সংযোগের গতি ১০২ মেগাবিটস প্রতি সেকেন্ড হতে পারে।
ব্যাখ্যা: এই গতির মাধ্যমে প্রতি সেকেন্ডে প্রচুর পরিমাণ ডেটা ডাউনলোড বা আপলোড করা সম্ভব হয়।
উদাহরণ ২: মোবাইল ডেটা নেটওয়ার্কের গতি পরিমাপে এই একক ব্যবহৃত হয়।
ব্যাখ্যা: ইন্টারনেট প্যাকেজ বা স্পিড টেস্ট করার সময় গতির ফলাফল এই এককে দেখানো হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Megabytes per second — মেগাবাইট প্রতি সেকেন্ড বোঝাতে 'MBps' ব্যবহার করা হয়, যা ফাইল ডাউনলোড সাইজ পরিমাপে ব্যবহৃত হয়।
B) Megabits per second — এটি সঠিক উত্তর কারণ নেটওয়ার্ক ট্রান্সমিশন রেট পরিমাপে বিট একক ব্যবহার করা হয়।
C) Milibits per second — মিলিবিট প্রতি সেকেন্ড বলে নেটওয়ার্কিংয়ে কোনো প্রচলিত একক নেই।
D) কোনোটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশন বি তে موجود রয়েছে, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
ছোট হাতের বি (b) মানে বিট এবং নেটওয়ার্কের গতি। বড় হাতের বি (B) মানে বাইট এবং ফাইল সাইজ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কম্পিউটার নেটওয়ার্কের ক্ষেত্রে গতি পরিমাপে সর্বদা বিট প্রতি সেকেন্ড ব্যবহার করা হয়। ৮ বিট সমান ১ বাইট।
সঠিক উত্তর:
A) Applied AI
১. কেন সঠিক:
ফেস রিকগনিশন বা মুখাবয়ব শনাক্তকরণ প্রযুক্তি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রয়োগ বা অ্যাপ্লায়েড এআই এর অন্তর্ভুক্ত।
এটি মানুষের মুখের বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ করে তা ডিজিটাল উপাত্তে রূপান্তর করে এবং ডেটাবাসের সাথে মিলিয়ে সঠিক ব্যক্তি শনাক্ত করে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স হলো মানুষের বুদ্ধিমত্তা ও চিন্তাশক্তিকে কম্পিউটার সিস্টেমে অনুকরণ করার প্রযুক্তি।
কার্যপদ্ধতি: ক্যামেরা থেকে ছবি সংগ্রহ করে তা অ্যালগরিদম ও মেশিন লার্নিং মডেলের মাধ্যমে বিশ্লেষণ করে ফেস রিকগনিশন সম্পন্ন হয়।
ব্যবহার: স্মার্টফোনের ফেস আনলক, নিরাপত্তা ক্যামেরা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরদারিতে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: স্মার্টফোনের ফেস আনলক সিস্টেম।
ব্যাখ্যা: ব্যবহারকারীর মুখমণ্ডল স্ক্যান করে এবং অ্যাপ্লায়েড এআই এর মাধ্যমে তা যাচাই করে ফোন আনলক করে।
উদাহরণ ২: সিসি ক্যামেরায় অপরাধী শনাক্তকরণ।
ব্যাখ্যা: জনাকীর্ণ স্থানে এআই অ্যালগরিদম লাইভ ভিডিও থেকে মুখের বৈশিষ্ট্য মিলিয়ে অপরাধী শনাক্ত করতে সাহায্য করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Applied AI — এটি সঠিক উত্তর কারণ ফেস রিকগনিশন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বাস্তব প্রয়োগ।
B) Applied IoT — এটি ইন্টারনেট অব থিংস এর প্রয়োগ, যা মূলত ডিভাইসগুলোর নিজেদের মধ্যে যোগাযোগের সাথে সম্পর্কিত।
C) Virtual Reality — এটি কম্পিউটার উৎপাদিত ত্রিমাত্রিক কাল্পনিক পরিবেশ, যার সাথে ফেস রিকগনিশনের সরাসরি সম্পর্ক নেই।
D) কোনোটিই নয় — যেহেতু অপশন এ সঠিক, তাই এটি প্রযোজ্য নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
মানুষের মতো দেখা এবং চেনার ক্ষমতা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কাজ।
তাই ফেস রিকগনিশন বা মুখ শনাক্তকরণ দেখলেই ধরে নিতে হবে এটি এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাথে সম্পর্কিত।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কম্পিউটার ভিশন এবং প্যাটার্ন রিকগনিশন হলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দুটি গুরুত্বপূর্ণ শাখা।
বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আধুনিক প্রযুক্তির প্রয়োগমূলক প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: B) WAN
১. কেন সঠিক:
- উত্তরটি সঠিক হওয়ার মূল কারণ হলো WAN-এর পূর্ণরূপ হলো Wide Area Network, যা পৃথিবীজুড়ে বিস্তৃত সবচেয়ে বড় কম্পিউটার নেটওয়ার্ক।
- এই নেটওয়ার্কটি বিভিন্ন দেশ ও মহাদেশের মধ্যে অবস্থিত একাধিক LAN ও MAN-কে পরস্পরের সঙ্গে সংযুক্ত করে বিশাল দূরত্বের ডেটা আদান-প্রদান নিশ্চিত করে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: WAN হলো এমন একটি কম্পিউটার নেটওয়ার্ক যা ভৌগোলিকভাবে অত্যন্ত বিস্তৃত অঞ্চল যেমন একটি দেশ, মহাদেশ কিংবা সম্পূর্ণ পৃথিবীব্যাপী যোগাযোগ রক্ষা করে।
- কার্যপদ্ধতি: এটি স্যাটেলাইট, সাবমেরিন অপটিক্যাল ফাইবার কেবল এবং গ্লোবাল টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থার মাধ্যমে দূরদূরান্তের নেটওয়ার্কগুলোর মধ্যে ডেটা প্যাকেট আদান-প্রদান করে।
- ব্যবহার: ইন্টারনেট হলো বিশ্বব্যাপী বিস্তৃত সবচেয়ে বড় এবং জনপ্রিয় WAN-এর বাস্তব উদাহরণ, যা সারা পৃথিবীর মানুষকে সংযুক্ত করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গ্লোবাল ব্যাংক নেটওয়ার্ক
ব্যাখ্যা: বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত একটি আন্তর্জাতিক ব্যাংকের শাখাগুলোর মধ্যে রিয়েল-টাইম লেনদেন পরিচালনার জন্য WAN প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।
উদাহরণ ২: ইন্টারনেট ব্রাউজিং
ব্যাখ্যা: বাংলাদেশ বসে আমেরিকার কোনো সার্ভার থেকে তথ্য আদান-প্রদান করার কাজটি WAN-এর মাধ্যমেই সম্ভব হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) LAN — LAN-এর পূর্ণরূপ Local Area Network, যা একটি রুম, ভবন বা অফিসের মধ্যে সীমিত থাকে এবং এর ভৌগোলিক পরিসর WAN-এর তুলনায় অনেক ছোট।
B) WAN — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি সঠিক।
C) MAN — MAN-এর পূর্ণরূপ Metropolitan Area Network, যা একটি নির্দিষ্ট শহর বা মহানগরের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে এবং WAN-এর চেয়ে ছোট।
D) PAN — PAN-এর পূর্ণরূপ Personal Area Network, যা একজন ব্যক্তির চারপাশে প্রায় ১০ মিটার দূরত্বের মধ্যে ব্লুটুথ বা ওয়াইফাই দিয়ে তৈরি হয় এবং এটি সবচেয়ে ছোট নেটওয়ার্ক।
৫. মনে রাখার টিপস:
- নেটওয়ার্কের পরিধি মনে রাখার সহজ কৌশল হলো ছোট থেকে বড় ক্রমানুসারে সাজানো, যেমন PAN, LAN, MAN এবং WAN।
- WAN-এর পূর্ণরূপ Wide Area Network এবং এটি আকারে সবচেয়ে বড় হয় কারণ এটি পুরো পৃথিবীকে ঢেকে রাখে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ভৌগোলিক বিস্তৃতির ওপর ভিত্তি করে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক প্রধানত চার প্রকার যথা PAN, LAN, MAN ও WAN।
- ইন্টারনেট হলো WAN-এর সবচেয়ে উৎকৃষ্ট এবং বহুল ব্যবহৃত বাস্তব উদাহরণ যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর:
B) Cloud Computing
১. কেন সঠিক:
- প্রশ্নটিতে গ্রাহকের চাহিদা অনুযায়ী ইউটিলিটি-ভিত্তিক কম্পিউটিং পরিষেবা প্রদানের কথা বলা হয়েছে।
- ক্লাউড কম্পিউটিং ঠিক এই নীতিতেই কাজ করে, যেখানে বিদ্যুৎ বা পানির মতো ইন্টারনেটের মাধ্যমে কম্পিউটিং রিসোর্স ব্যবহার করা যায়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে সার্ভার, স্টোরেজ, ডাটাবেজ এবং সফটওয়্যারের মতো কম্পিউটিং সেবা প্রদান করার একটি প্রযুক্তি।
- কার্যপদ্ধতি: ব্যবহারকারী তার নিজের কম্পিউটার বা ডিভাইসে কোনো ভারী সফটওয়্যার ইনস্টল না করে রিমোট সার্ভার থেকে ইন্টারনেট সংযোগের মাধ্যমে সেবা গ্রহণ করে।
- ব্যবহার: গুগল ড্রাইভের মাধ্যমে ফাইল সংরক্ষণ, জিমেইল ব্যবহার এবং নেটফ্লিক্সে ভিডিও স্ট্রিমিং করার কাজে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গুগল ড্রাইভ (Google Drive)
ব্যাখ্যা: এটি ব্যবহারকারীকে নিজের কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক ব্যবহার না করে ইন্টারনেটে ক্লাউড সার্ভারে ফাইল সংরক্ষণ করার সুবিধা দেয়।
উদাহরণ ২: মাইক্রোসফট থ্রিফ্টি ফাইভ (Microsoft 365)
ব্যাখ্যা: এতে ব্যবহারকারী কম্পিউটারে সফটওয়্যার ইনস্টল ছাড়াই ইন্টারনেটের মাধ্যমে ওয়ার্ড বা এক্সেলের মতো কাজ সম্পন্ন করতে পারে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Remote Sensing — এটি মূলত দূরবর্তী কোনো উৎস থেকে সেন্সর বা স্যাটেলাইটের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করার প্রযুক্তি, যা ইউটিলিটি-ভিত্তিক কম্পিউটিং নয়।
B) Cloud Computing — এটি সঠিক উত্তর।
C) Remote Invocation — এটি কম্পিউটার নেটওয়ার্কে দূরবর্তী কোনো প্রোগ্রাম বা প্রসিডিউর কল করার একটি প্রক্রিয়া, ক্লাউড কম্পিউটিং সেবা নয়।
D) Private Computing — এটি এমন একটি ধারণা যেখানে ব্যক্তিগত বা প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবহারের জন্য আলাদা কম্পিউটিং পরিবেশ তৈরি করা হয়, কিন্তু ইউটিলিটি-ভিত্তিক সার্বজনীন সেবা বোঝায় না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ইউটিলিটি বিলের মতো বিদ্যুৎ বা পানির মতো খরচ অনুযায়ী ইন্টারনেট থেকে সেবা নেওয়ার সিস্টেমই হলো ক্লাউড কম্পিউটিং।
- বিদ্যুতের মতো ব্যবহার করো এবং দাম দাও, এই ধারণার ওপর ভিত্তি করেই ক্লাউড কম্পিউটিং তৈরি হয়েছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান তিনটি সেবা হলো আইএএএস, পিএএএস এবং এসএএএস।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ক্লাউড কম্পিউটিংকে ইউটিলিটি কম্পিউটিং বা অন-ডিমান্ড সার্ভিস হিসেবে প্রায়ই প্রশ্ন করা হয়।
সঠিক উত্তর:
C) WWW
১. কেন সঠিক:
WWW-এর পূর্ণরূপ হলো World Wide Web, যা ইন্টারনেটের মাধ্যমে একে অপরের সাথে হাইপারলিংক দ্বারা সংযুক্ত ডকুমেন্ট বা পেজগুলোর একটি বিশাল ভাণ্ডার।
এটি হাইপারটেক্সট ট্রান্সফার প্রোটোকল ব্যবহার করে বিভিন্ন সার্ভার থেকে তথ্য ব্যবহারকারীর ব্রাউজারে প্রদর্শন করে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে অ্যাক্সেসযোগ্য ওয়েব পেজ এবং মাল্টিমিডিয়া উপাদানের একটি বিশ্বব্যাপী সংগ্রহ।
কার্যপদ্ধতি: ব্যবহারকারী ব্রাউজারে ওয়েব ঠিকানার মাধ্যমে অনুরোধ পাঠালে সার্ভার থেকে হাইপারলিংকযুক্ত ডকুমেন্ট প্রদর্শিত হয়।
ব্যবহার: ইন্টারনেটে তথ্য খোঁজা, পড়া, এবং বিভিন্ন ওয়েবসাইটের মধ্যে যাতায়াতের জন্য এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: উইকিপিডিয়া ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা: উইকিপিডিয়ার একটি নিবন্ধের ভেতরে থাকা নীল রঙের লিংকগুলোতে ক্লিক করলে অন্য সম্পর্কিত পৃষ্ঠায় যাওয়া যায়, যা ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের মূল ধারণা।
উদাহরণ ২: গুগল সার্চ ইঞ্জিন।
ব্যাখ্যা: গুগল সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহার করে ব্যবহারকারী ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের কোটি কোটি সংযুক্ত ডকুমেন্টের মধ্য থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য খুঁজে পায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) HTML — এটি কোনো ডকুমেন্টের কালেকশন নয়, বরং ওয়েব পেজ তৈরির একটি মার্কআপ ভাষা।
B) Email — এটি ইন্টারনেট ব্যবহার করে ইলেকট্রনিক বার্তা আদান-প্রদানের একটি মাধ্যমমাত্র।
D) DWS — এটি কম্পিউটার বিজ্ঞানে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের সাথে সম্পর্কিত কোনো স্ট্যান্ডার্ড বা পরিচিত প্রযুক্তিগত টার্ম নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
WWW-এর পূর্ণরূপ World Wide Web ভালোমতো মনে রাখবে।
মনে রাখবে ইন্টারনেট হলো সংযোগব্যবস্থা আর WWW হলো সেই সংযোগের মাধ্যমে থাকা তথ্যের ভাণ্ডার।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের জনক হলেন টিম বার্নার্স লি।
ইন্টারনেট এবং WWW সমার্থক নয়, ইন্টারনেট হলো হার্ডওয়্যার নেটওয়ার্ক আর WWW হলো তার ওপর চলা তথ্যসেবা।
সঠিক উত্তর:
D) Safari
১. কেন সঠিক:
- Safari হলো একটি ওয়েব ব্রাউজার, কোনো সার্চ ইঞ্জিন নয়।
- এটি অ্যাপল ইনকরপোরেটেড কোম্পানির তৈরি একটি প্রোপ্রিটারি ইন্টারনেট ব্রাউজার।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: সার্চ ইঞ্জিন হলো এমন একটি সফটওয়্যার সিস্টেম যা ইন্টারনেটে তথ্য খোঁজার কাজে ব্যবহার করা হয়। অন্যদিকে ওয়েব ব্রাউজার হলো এমন একটি অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার যা ব্যবহারকারীকে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবে বিভিন্ন ওয়েব পেজ প্রদর্শন করতে সাহায্য করে।
- কার্যপদ্ধতি: সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহারকারীর দেওয়া কিওয়ার্ড বা মূল শব্দ বিশ্লেষণ করে ডেটাবেজ থেকে প্রাসঙ্গিক ওয়েবসাইটের তালিকা প্রদান করে। আর ব্রাউজার ব্যবহারকারীকে অ্যাড্রেস বারের মাধ্যমে সরাসরি ওয়েবসাইট ভিজিট করতে বা সার্চ ইঞ্জিনের অ্যাক্সেস পেতে সহায়তা করে।
- ব্যবহার: ইন্টারনেটে তথ্য খোঁজার জন্য গুগল বা বিং এর মতো সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহার করা হয়। আর ওই সার্চ ইঞ্জিন বা ওয়েবসাইটগুলো দেখার জন্য সাফারি বা ক্রোম এর মতো ব্রাউজার ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: Google Chrome ব্রাউজার ব্যবহার করে Google সার্চ ইঞ্জিনে প্রবেশ করা যায়।
ব্যাখ্যা: এখানে ক্রোম হলো ব্রাউজার এবং গুগল হলো সার্চ ইঞ্জিন।
উদাহরণ ২: Safari ব্রাউজার ওপেন করে Bing সার্চ ইঞ্জিনে প্রবেশ করা যায়।
ব্যাখ্যা: এখানে সাফারি হলো ব্রাউজার এবং বিং হলো সার্চ ইঞ্জিন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Bing — এটি মাইক্রোসফট কোম্পানির একটি জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন।
বিং ইন্টারনেটে তথ্য খোঁজার কাজে সরাসরি ব্যবহৃত হয় বিধায় এটি সঠিক উত্তর নয়।
B) Google — এটি বিশ্বের সর্বাধিক ব্যবহৃত জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন।
গুগল সার্চ করার সুবিধা দেয় বলে এটি সঠিক উত্তর নয়।
C) Yahoo — এটি একটি ঐতিহ্যবাহী সার্চ ইঞ্জিন ও ওয়েব পোর্টাল।
এটি তথ্য অনুসন্ধানের কাজ করে বিধায় সঠিক উত্তর নয়।
D) Safari — এটি অ্যাপল কোম্পানির তৈরি একটি ওয়েব ব্রাউজার।
এটি কোনো তথ্য খোঁজার ইঞ্জিন নয়, বরং ওয়েব ব্রাউজ করার সফটওয়্যার হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ব্রাউজার দিয়ে প্রবেশ করি আর সার্চ ইঞ্জিন দিয়ে তথ্য খুঁজি।
- সাফারি, ক্রোম, ফায়ারফক্স হলো দরজা বা ব্রাউজার, আর গুগল, বিং, ইয়াহু হলো খোঁজার জায়গা বা সার্চ ইঞ্জিন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সাফারি ব্রাউজারটি মূলত ম্যাকওএস এবং আইওএস অপারেটিং সিস্টেমে ডিফল্টভাবে ব্যবহৃত হয়।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ব্রাউজার এবং সার্চ ইঞ্জিনের মধ্যে পার্থক্য সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর:
D) Firewall
১. কেন সঠিক:
- ফায়ারওয়াল হলো এমন একটি নিরাপত্তা ব্যবস্থা যা বাইরের অনিরাপদ নেটওয়ার্ক থেকে প্রাইভেট নেটওয়ার্কে অননুমোদিত প্রবেশ রোধ করে।
- এটি পূর্বনির্ধারিত নিরাপত্তা নিয়মের ভিত্তিতে ইনকামিং এবং আউটগোয়িং ট্রাফিক ফিল্টার করে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: ফায়ারওয়াল হলো এমন একটি হার্ডওয়্যার বা সফটওয়্যারভিত্তিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা যা বিশ্বস্ত ইন্টারনেটের সাথে অবিশ্বস্ত নেটওয়ার্কের সংযোগ রক্ষা করে।
- কার্যপদ্ধতি: এটি নেটওয়ার্কের ট্রাফিক পরীক্ষা করে এবং সন্দেহজনক বা ক্ষতিকর ডেটা প্যাকেট ব্লক করে দেয়।
- বৈশিষ্ট্য: এটি নেটওয়ার্ক সুরক্ষার প্রথম প্রতিরক্ষা প্রাচীর হিসেবে কাজ করে এবং ক্ষতিকারক আক্রমণ প্রতিহত করে।
- ব্যবহার: কর্পোরেট অফিস, ব্যাংক এবং ব্যক্তিগত কম্পিউটারে বাইরের হ্যাকিং ও ম্যালওয়্যার আক্রমণ থেকে ডেটা নিরাপদ রাখতে এটি ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অফিসের মেইন গেইটে পাহারা দেওয়ার চৌকি।
ব্যাখ্যা: যেভাবে চৌকিদার যাচাই করে ভেতরের নিরাপদ জায়গায় কাকে ঢুকতে দেওয়া হবে, ফায়ারওয়াল একইভাবে নেটওয়ার্কে ডেটা ঢোকার অনুমতি যাচাই করে।
উদাহরণ ২: উইন্ডোজ ডিফেন্ডার ফায়ারওয়াল।
ব্যাখ্যা: এটি উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে বিল্ট-ইন থাকে এবং ইন্টারনেট থেকে কম্পিউটারে ক্ষতিকর ট্রাফিক প্রবেশ করতে বাধা দেয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Antivirus — এটি কম্পিউটারে প্রবেশ করা ম্যালওয়্যার বা ভাইরাস স্ক্যান ও অপসারণ করে, কিন্তু নেটওয়ার্কে বাইরে থেকে আক্রমণ সরাসরি বাধা দেয় না।
B) Digital Signature — এটি মূলত কোনো ডিজিটাল নথির সত্যতা ও প্রেরকের পরিচয় নিশ্চিত করতে ব্যবহৃত হয়, নেটওয়ার্ক পাহারা দিতে নয়।
C) Encryption — এটি ডেটাকে বোধগম্য কোডে রূপান্তর করে গোপনীয়তা রক্ষা করে, কিন্তু বাইরের আক্রমণ সরাসরি আটকানোর কাজ করে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ফায়ার মানে আগুন এবং ওয়াল মানে দেওয়াল। যেমন দেওয়াল আগুন বা বিপদকে আটকে দেয়, তেমনি ফায়ারওয়াল সাইবার বিপদকে আটকে দেয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ফায়ারওয়াল হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার উভয় মাধ্যমেই হতে পারে।
- এটি নেটওয়ার্ক লেভেলে কাজ করে এবং হ্যাকারদের হাত থেকে প্রাইভেট নেটওয়ার্ক সুরক্ষিত রাখে।
সঠিক উত্তর:
D) Google
১. কেন সঠিক:
- গুগল একটি বিশ্বখ্যাত প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এবং সার্চ ইঞ্জিন, যা মূলত তথ্য খোঁজার মাধ্যম হিসেবে কাজ করে। এটি সরাসরি কোনো সোস্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম নয়, যদিও এর কিছু সহযোগী সেবা রয়েছে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: সোস্যাল মিডিয়া হলো এমন অনলাইন প্ল্যাটফর্ম বা ওয়েবসাইট যেখানে ব্যবহারকারীরা একে অপরের সাথে যোগাযোগ করতে পারে, কন্টেন্ট শেয়ার করতে পারে এবং সামাজিক নেটওয়ার্ক তৈরি করতে পারে।
- কার্যপদ্ধতি: ব্যবহারকারীরা প্রোফাইল তৈরি করে টেক্সট, ছবি ও ভিডিও প্রকাশ করে এবং অন্যের পোস্টে লাইক, কমেন্ট ও শেয়ার করার মাধ্যমে মিথস্ক্রিয়া করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ফেসবুক
ব্যাখ্যা: এটি একটি জনপ্রিয় সোস্যাল মিডিয়া যেখানে বন্ধু ও পরিবারের সাথে যোগাযোগ রাখা যায় এবং বিভিন্ন পেজের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদান করা হয়।
উদাহরণ ২: ইনস্টাগ্রাম
ব্যাখ্যা: এটি ছবি ও ভিডিও শেয়ার করার ওপর ভিত্তি করে তৈরি একটি সোস্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Facebook - এটি একটি বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় সোস্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
B) Instagram - এটি ছবি ও ভিডিও শেয়ারিংয়ের একটি সোস্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
C) Twitter - এটি মাইক্রোব্লগিংয়ের জন্য পরিচিত একটি সোস্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
D) Google - এটি মূলত একটি সার্চ ইঞ্জিন এবং ওয়েব সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান, কোনো সোস্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম ও টুইটারে নিজের প্রোফাইল বানিয়ে চ্যাট করা যায়, তাই এগুলো সোস্যাল মিডিয়া।
- গুগল দিয়ে তথ্য খোঁজা বা সার্চ করা যায়, তাই এটি সোস্যাল মিডিয়া নয় বরং একটি সার্চ ইঞ্জিন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- গুগলের মূল কাজ হলো তথ্য খোঁজা বা সার্চ ইঞ্জিন সেবা প্রদান করা।
- মেটা (আগের নাম ফেসবুক ইনকরপোরেটেড) হলো ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম এবং হোয়াটসঅ্যাপের মূল প্রতিষ্ঠান।
সঠিক উত্তর:
C) এটি একবারে পুরো প্রোগ্রাম অনুবাদ করে
১. কেন সঠিক:
কম্পাইলার উচ্চ স্তরের ভাষাকে মেশিন ভাষায় রূপান্তর করার জন্য সম্পূর্ণ সোর্স কোড একসাথে পড়ে এবং একসাথে অনুবাদ করে।
পুরো প্রোগ্রামে কোনো ভুল থাকলে তা একবারে ত্রুটি তালিকা আকারে প্রদর্শন করে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: কম্পাইলার হলো এমন একটি অনুবাদক সফটওয়্যার যা পুরো সোর্স প্রোগ্রামকে একসাথে মেশিন ভাষায় রূপান্তর করে।
কার্যপদ্ধতি: এটি সম্পূর্ণ প্রোগ্রামটি ইনপুট হিসেবে নেয়, সিনট্যাক্স বা ব্যাকরণগত ভুলগুলো যাচাই করে এবং অবজেক্ট ফাইল তৈরি করে।
বৈশিষ্ট্য: কম্পাইল করার পর প্রোগ্রাম চালাতে আলাদা করে অনুবাদকের প্রয়োজন হয় না এবং রানটাইম গতি বেশি হয়।
ব্যবহার: সি, সি প্লাস প্লাস এবং জাভা এর মতো প্রোগ্রামিং ভাষাগুলোতে কোড কার্যকর করার জন্য কম্পাইলার ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বড় কোনো বই সম্পূর্ণ পড়া শেষ করে একসাথে অন্য ভাষায় অনুবাদ করা।
ব্যাখ্যা: কম্পাইলার পুরো প্রোগ্রাম একসাথে পড়ে ঠিক যেমন পুরো বই একসাথে পড়ে অনুবাদ করা হয়।
উদাহরণ ২: সি ভাষায় লেখা একটি গেমের কোড রান করার আগে এক্সিকিউটেবল ফাইলে রূপান্তর করা।
ব্যাখ্যা: কম্পাইলার পুরো কোড একসাথে অনুবাদ করে গেমের সফটওয়্যার ফাইল তৈরি করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) এটি Interpreter-এর চেয়ে অনুবাদ করতে বেশি সময় লাগে — এই বিবৃতিটি ভুল কারণ কম্পাইলার কোড দ্রুত এক্সিকিউট করে, তবে শুরুর অনুবাদে সময় নিতে পারে।
B) এটি প্রতি লাইন প্রোগ্রাম পড়ে এবং অনুবাদ করে — এটি ইন্টারপ্রেটারের কাজের পদ্ধতি, কম্পাইলারের নয়।
D) এটি মেশিন প্রোগ্রামকে সোর্স প্রোগ্রামে রূপান্তর করে — এটি ভুল কারণ কম্পাইলার সোর্স প্রোগ্রামকে মেশিন প্রোগ্রামে রূপান্তর করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
কম্পাইল শব্দের অর্থ সংকলন বা একত্র করা, তাই কম্পাইলার পুরো প্রোগ্রাম একসাথে একত্র করে অনুবাদ করে।
ইন্টারপ্রেটারের ক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে যে এটি ইন্টারনেটের লাইভ চ্যাটের মতো লাইন বাই লাইন কাজ করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কম্পাইলার পুরো প্রোগ্রাম একবারে অনুবাদ করে অবজেক্ট ফাইল তৈরি করে।
ইন্টারপ্রেটার লাইন বাই লাইন অনুবাদ করে এবং কোনো ভুল পেলে সাথে সাথে থেমে যায়।
সঠিক উত্তর: B) Graphical User Interface
১. কেন সঠিক:
- Graphical User Interface বা GUI অপারেটিং সিস্টেমকে বিভিন্ন চিত্র, প্রতীক বা আইকনের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর উপযোগী করে তোলে।
- এর ফলে ব্যবহারকারীকে জটিল কোনো কমান্ড মুখস্থ করতে হয় না এবং খুব সহজে মাউস বা আঙুলের স্পর্শে কম্পিউটার পরিচালনা করা সম্ভব হয়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: Graphical User Interface হলো এমন এক ধরনের ইউজার ইন্টারফেস যেখানে টেক্সটের পরিবর্তে গ্রাফিক্স, আইকন এবং উইন্ডো ব্যবহার করে কম্পিউটারের সাথে যোগাযোগ করা হয়।
- কার্যপদ্ধতি: এটি পর্দার ওপর বিভিন্ন ভিজ্যুয়াল উপাদান প্রদর্শন করে এবং ব্যবহারকারী যখন মাউস বা কিবোর্ড দিয়ে সেগুলোতে ক্লিক করেন, তখন অপারেটিং সিস্টেম সেই নির্দেশ বুঝতে পেরে কাজ সম্পন্ন করে।
- ব্যবহার: আধুনিক প্রায় সব অপারেটিং সিস্টেমে যেমন উইন্ডোজ, অ্যান্ড্রয়েড এবং ম্যাকওএসে এই ইন্টারফেস ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কম্পিউটারের ডেস্কটপে থাকা রিসাইকেল বিন বা মাই কম্পিউটার এর ছোট ছবি বা আইকন।
ব্যাখ্যা: এই আইকনগুলোতে ডাবল ক্লিক করলেই নির্দিষ্ট ফোল্ডার বা প্রোগ্রাম খুলে যায়, যা জিইউআই-এর নিখুঁত উদাহরণ।
উদাহরণ ২: স্মার্টফোনের স্ক্রিনে থাকা বিভিন্ন অ্যাপের লোগো বা ট্যাপ করার উপযোগী বাটন।
ব্যাখ্যা: ব্যবহারকারীকে কোড লিখে অ্যাপ চালু করতে হয় না, শুধু আঙুল দিয়ে অ্যাপের ছবিতে ট্যাপ করলেই তা চালু হয়ে যায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Command-Line Interface — এটি টেক্সট-ভিত্তিক ইন্টারফেস যেখানে কাজ করার জন্য নির্দিষ্ট কমান্ড বা নির্দেশ টাইপ করতে হয়, তাই এটি সঠিক নয়।
B) Graphical User Interface — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এটি সিম্বল ও আইকনের মাধ্যমে সংযোগ স্থাপন করে।
C) Block User Interface — এটি কোনো স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং সিস্টেম ইন্টারফেসের নাম নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর হতে পারে না।
D) Tap User Interface — এটি কেবল স্পর্শের ওপর ভিত্তি করে তৈরি, কিন্তু সামগ্রিকভাবে গ্রাফিক্স ও আইকনের মাধ্যমে সংযোগ স্থাপনের সঠিক প্রযুক্তিগত নাম এটি নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- Graphical শব্দের অর্থ হলো ছবি বা চিত্রভিত্তিক, তাই যেখানেই আইকন বা সিম্বল দেখার কথা বলা থাকবে সেখানেই উত্তর হবে Graphical User Interface.
- CLI মানে টেক্সট টাইপ করা আর GUI মানে ছবি বা আইকনে ক্লিক করা, এই পার্থক্য মনে রাখলেই উত্তর সহজ হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- মাইক্রোসফট উইন্ডোজ হলো সবচেয়ে জনপ্রিয় Graphical User Interface ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম।
- কমান্ড লাইন ইন্টারফেসে কাজের জন্য যেমন এমএস ডস এ কমান্ড লিখতে হতো, জিইউআই তার সম্পূর্ণ বিপরীত।
সঠিক উত্তর: B) (010 100)2
১. কেন সঠিক:
অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতিকে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে রূপান্তর করার সময় অক্টাল সংখ্যার প্রতিটি অঙ্ককে তার সমকক্ষ তিন বিটের বাইনারি মানে রূপান্তর করতে হয়।
এখানে প্রদত্ত অক্টাল সংখ্যাটি হলো (২৪)৮, যেখানে আলাদাভাবে ২ এবং ৪ এর তিন বিটের বাইনারি রূপ বসিয়ে এই সঠিক উত্তরটি পাওয়া গেছে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি হলো বেস আট বা ভিত্তিক সংখ্যা পদ্ধতি যেখানে ০ থেকে ৭ পর্যন্ত মোট আটটি অঙ্ক ব্যবহৃত হয় এবং বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি হলো বেস দুই বা ভিত্তিক সংখ্যা পদ্ধতি যেখানে কেবল ০ এবং ১ ব্যবহৃত হয়।
কার্যপদ্ধতি: অক্টাল থেকে বাইনারি রূপান্তরের জন্য প্রতিটি অক্টাল অঙ্কের বিপরীতে তিন বিটের বাইনারি কোড ব্যবহার করতে হয় কারণ দুই এর ঘাত তিন সমান আট হয়।
বৈশিষ্ট্য: অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতিতে বড় বাইনারি সংখ্যাকে খুব সহজে ছোট আকারে প্রকাশ করা যায় এবং ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে এর ব্যবহার বেশ সুবিধাজনক।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অক্টাল সংখ্যা ৭ এর তিন বিটের বাইনারি রূপ হলো ১ ১১।
ব্যাখ্যা: অক্টাল ৭ এর দশমিক মান হলো ৭, যাকে চার দুই এক নিয়মে বাইনারিতে রূপান্তর করলে তিন বিটে ১ ১১ পাওয়া যায়।
উদাহরণ ২: অক্টাল সংখ্যা ৫ এর তিন বিটের বাইনারি রূপ হলো ১ ০ ১।
ব্যাখ্যা: চার দুই এক কোড ব্যবহার করে চার এবং এক যোগ করলে পাঁচ হয়, তাই এর বাইনারি রূপ হলো ১ ০ ১।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) (111 101)2 — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে প্রথম অংশটি ৭ এবং পরের অংশটি ৫ এর বাইনারি রূপ, যা মূল অক্টাল সংখ্যার সঙ্গে মেলে না।
B) (010 100)2 — এই অপশনটি সঠিক এবং এখানে ২ এর বাইনারি ০ ১০ এবং ৪ এর বাইনারি ১ ০ ০ সঠিকভাবে বসেছে।
C) (111 100)2 — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে প্রথম অংশটি ৭ এর বাইনারি রূপ নির্দেশ করে যা প্রদত্ত অক্টাল সংখ্যার প্রথম অঙ্কের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।
D) (101 010)2 — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে প্রথম অংশটি ৫ এবং পরের অংশটি ২ এর বাইনারি রূপ যা উল্টোভাবে দেওয়া আছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
অক্টাল থেকে বাইনারি রূপান্তরের জন্য চার দুই এক বা ফোর টু ওয়ান নিয়মটি মনে রাখতে হবে।
প্রতিটি অক্টাল অঙ্কের জন্য বাম দিক থেকে শূন্য বসিয়ে তিন বিট পূর্ণ করতে হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সংখ্যা পদ্ধতির রূপান্তর থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতিতে সর্বোচ্চ অঙ্ক ৭ এবং হেক্সেডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে সর্বোচ্চ মান ১৫ বা এফ হয়।
সঠিক উত্তর:
B) Size of ROM
১. কেন সঠিক:
ROM অর্থ Read Only Memory। এটি কম্পিউটারের মাদারবোর্ডে স্থায়ীভাবে সংযুক্ত থাকে এবং এতে সংরক্ষিত ডেটা বা নির্দেশাবলি শুধু পড়া যায়, পরিবর্তন বা মুছে ফেলা যায় না।
কম্পিউটার চালু করার জন্য প্রয়োজনীয় বুটস্ট্রাপ প্রোগ্রাম বা BIOS এই মেমোরিতে স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত থাকে, যা সিস্টেমের সামগ্রিক গতি বা কর্মক্ষমতা বাড়াতে বা কমাতে সরাসরি কোনো ভূমিকা রাখে না।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: ROM হলো এমন একটি স্থায়ী বা নন-ভলাটাইল মেমোরি, যা বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ থাকলেও ডেটা সংরক্ষণ করে রাখে।
কার্যপদ্ধতি: কম্পিউটার চালু করার সময় মাইক্রোপ্রসেসর ROM থেকে প্রাথমিক নির্দেশাবলি পড়ে হার্ডওয়্যার পরীক্ষা করে এবং অপারেটিং সিস্টেম চালু করতে সাহায্য করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কম্পিউটারের BIOS চিপ
ব্যাখ্যা: এটি মাদারবোর্ডের ROM-এ থাকে এবং কম্পিউটার অন করার পর প্রাথমিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করে।
উদাহরণ ২: প্রিন্টারের ফার্মওয়্যার
ব্যাখ্যা: প্রিন্টারের স্থায়ী কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ROM-এর ভেতর নির্দেশাবলি সংরক্ষিত থাকে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Size of RAM — এটি ভুল উত্তর কারণ RAM বা Random Access Memory সরাসরি কম্পিউটারের গতি ও বহুমুখী কাজ করার ক্ষমতা নির্ধারণ করে।
B) Size of ROM — এটি সঠিক কারণ ROM-এর সাইজ ছোট বা বড় যাই হোক না কেন, এটি কম্পিউটারের দৈনন্দিন কর্মক্ষমতা বা স্পিড বৃদ্ধিতে কোনো প্রভাব ফেলে না।
C) Size of Cache Memory — এটি ভুল উত্তর কারণ ক্যাশ মেমোরি প্রসেসর ও RAM-এর মধ্যকার ডেটা আদান-প্রদানের গতি বাড়িয়ে কম্পিউটারের কর্মক্ষমতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।
D) Size of Register — এটি ভুল উত্তর কারণ রেজিস্টার হলো CPU-এর ভেতরের সবচেয়ে দ্রুততম মেমোরি, যা সরাসরি নির্দেশ বাস্তবায়ন করে কর্মক্ষমতা নিয়ন্ত্রণ করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
RAM, Cache এবং Register সরাসরি কাজের গতি বাড়ায়, তাই এগুলো কর্মক্ষমতার সাথে সরাসরি সম্পর্কিত।
পক্ষান্তরে ROM হলো শুধু পড়ার মেমোরি, যা শুধু কম্পিউটার স্টার্ট করতে সাহায্য করে কিন্তু গতির ওপর প্রভাব ফেলে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ROM নন-ভলাটাইল বা স্থায়ী মেমোরি হলেও এটি প্রসেসরের কাজের গতি নির্ধারণ করে না।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মেমোরি সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে, যেখানে কোন মেমোরিটি গতি বাড়ায় তা নির্ণয় করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) Register
১. কেন সঠিক:
কম্পিউটার স্থাপত্যে প্রসেসরের ভেতরে ডেটা প্রসেসিংয়ের জন্য অত্যন্ত দ্রুতগতির কিছু মেমোরি সেল থাকে যাকে রেজিস্টার বলা হয়।
এটি সরাসরি সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিটের ভেতরে অবস্থিত থাকায় ডেটা আদান-প্রদানে কোনো সময় অপচয় হয় না এবং এটিই মেমোরি হায়ারার্কির শীর্ষ স্থানে অবস্থান করে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: রেজিস্টার হলো প্রসেসরের ভেতরের অতি ক্ষুদ্র এবং সবচেয়ে দ্রুততম অস্থায়ী মেমোরি যা বর্তমান প্রসেসিং ডেটা ধারণ করে।
কার্যপদ্ধতি: কন্ট্রোল ইউনিট থেকে নির্দেশ পাওয়ার সাথে সাথে এটি তাৎক্ষণিকভাবে ডেটা রিড বা রাইট করতে সক্ষম হয়।
ব্যবহার: অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট বা এএলইউ-এর গণনার ফলাফল সাময়িকভাবে সংরক্ষণ করতে এটি ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কম্পিউটারের অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিটে দুটি সংখ্যা যোগ করার সময় প্রসেসর প্রথমে মানগুলো রেজিস্টারে নিয়ে আসে।
ব্যাখ্যা: রেজিস্টারে না এনে সরাসরি প্রধান মেমোরি থেকে কাজ করলে গতি অনেক কমে যেত।
উদাহরণ ২: মাইক্রোপ্রসেসরে নির্দেশ বা ইনস্ট্রাকশন ডিকোড করার সময় প্রোগ্রাম কাউন্টার রেজিস্টার পরবর্তী নির্দেশের ঠিকানা ধরে রাখে।
ব্যাখ্যা: এই বিশেষ রেজিস্টারটির কারণেই প্রসেসর খুব দ্রুত বুঝতে পারে এরপর কোন কাজটি করতে হবে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) RAM — এটি প্রধান মেমোরি বা প্রাইমারি স্টোরেজ হলেও রেজিস্টারের তুলনায় অনেক ধীরগতির এবং এটি প্রসেসরের বাইরে মাদারবোর্ডে অবস্থিত।
B) Hard Disk — এটি সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস যার গতি রেজিস্টার বা র্যামের তুলনায় লক্ষ গুণ কম এবং এটি মূলত দীর্ঘস্থায়ী সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়।
C) ROM — এটি স্থায়ী মেমোরি যা ডেটা পড়তে পারে কিন্তু খুব দ্রুত প্রসেসরের সাথে ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে না।
D) Register — এটি সঠিক উত্তর।
৫. মনে রাখার টিপস:
কম্পিউটার মেমোরির গতি মনে রাখার জন্য মাথায় রাখবে যে মেমোরি প্রসেসরের যত কাছে থাকে তা তত দ্রুতগতির হয়।
রেজিস্টার সরাসরি প্রসেসরের ভেতরে থাকে, তাই এটিই মেমোরির জগতের সবচেয়ে দ্রুততম স্প্রিন্টার।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
মেমোরি হায়ারার্কিতে গতির দিক থেকে সবচেয়ে উপরে রয়েছে রেজিস্টার এবং সবচেয়ে নিচে রয়েছে ম্যাগনেটিক টেপ বা হার্ড ডিস্ক।
পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে প্রসেসরের ভেতরের সবচেয়ে দ্রুততম মেমোরির নাম কী, যার সঠিক উত্তর হবে রেজিস্টার।
সঠিক উত্তর:
A) এটি মাল্টি টাস্কিং অপারেটিং সিস্টেম
১. কেন সঠিক:
Windows একটি মাল্টিটাস্কিং অপারেটিং সিস্টেম কারণ এটি ব্যবহারকারীকে একই সময়ে একাধিক অ্যাপ্লিকেশন বা প্রোগ্রাম একযোগে চালানোর সুযোগ দেয়।
এই অপারেটিং সিস্টেম প্রসেসরের সময়কে বিভিন্ন ভাগে ভাগ করে একাধিক কাজ একসঙ্গে সম্পাদন করতে সক্ষম হয়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: অপারেটিং সিস্টেম হলো এমন একটি সফটওয়্যার যা কম্পিউটার হার্ডওয়্যার এবং ব্যবহারকারীর মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করে।
কার্যপদ্ধতি: Windows মেমোরি ম্যানেজমেন্ট এবং প্রসেস শিডিউলিংয়ের মাধ্যমে একসাথে একাধিক টাস্ক বা প্রক্রিয়া পরিচালনা করে।
বৈশিষ্ট্য: এর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস বা GUI এবং সমসাময়িক বা মাল্টিটাস্কিং কার্যক্ষমতা।
ব্যবহার: ব্যক্তিগত কম্পিউটার, ল্যাপটপ এবং সার্ভারে দৈনন্দিন কাজ এবং অফিসিয়াল কাজের জন্য এটি ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে কোনো ডকুমেন্ট লেখার পাশাপাশি ব্যাকগ্রাউন্ডে গান শোনা বা ইন্টারনেট ব্রাউজ করা।
ব্যাখ্যা: প্রসেসর ও মেমোরি সঠিকভাবে ভাগ করে দেওয়ার কারণে ব্যবহারকারী একই সময়ে একাধিক আলাদা কাজ করতে পারেন।
উদাহরণ ২: একই সাথে প্রিন্ট কমান্ড দিয়ে প্রিন্টিংয়ের কাজ চালু রেখে ফটোশপে ছবি এডিট করা।
ব্যাখ্যা: অপারেটিং সিস্টেমের মাল্টিটাস্কিং ক্ষমতার ফলেই একটি কাজের সমাপ্তির জন্য অপেক্ষা না করে অন্য কাজ করা সম্ভব হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) এটি মাল্টি টাস্কিং অপারেটিং সিস্টেম — এই তথ্যটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং এটিই প্রশ্নটির কাঙ্ক্ষিত উত্তর।
B) এটি Open source অপারেটিং সিস্টেম — Windows কোনো ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম নয়, এটি একটি প্রোপাইটারি বা বন্ধ সোর্স অপারেটিং সিস্টেম।
C) ক এবং খ উভয়ই সত্য — যেহেতু খ নম্বর অপশনটি ভুল, তাই এই যৌথ অপশনটিও সঠিক হতে পারে না।
D) কোনোটিই সত্য নয় — যেহেতু অপশন ক সত্য, তাই এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
Windows মানে জানালা, যার মাধ্যমে একসাথে বাইরের অনেক দৃশ্য দেখা যায়; ঠিক তেমনি Windows অপারেটিং সিস্টেমে একসাথে অনেক কাজ দেখা ও করা যায়।
Microsoft Windows একটি প্রোপাইটারি অপারেটিং সিস্টেম এবং লিনাক্স হলো একটি জনপ্রিয় ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
Microsoft Windows হলো বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেসভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম।
ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেমের চমৎকার একটি উদাহরণ হলো Linux বা Ubuntu।
সঠিক উত্তর: D) প্লেটো
১. কেন সঠিক:
- প্রাচীন গ্রিক দার্শনিক প্লেটো বিখ্যাত ‘রিপাবলিক’ গ্রন্থটির রচয়িতা, যেখানে তিনি আদর্শ রাষ্ট্র ও ন্যায়বিচার নিয়ে আলোচনা করেছেন।
- এই গ্রন্থে ব্যক্তিগত ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একটি সুশাসিত ও নৈতিক সমাজ গঠনের রূপরেখা তুলে ধরা হয়েছে।
২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ:
- মূল ধারণা: ন্যায়বিচার ও সুশাসন হলো এমন একটি সামাজিক ব্যবস্থা, যেখানে প্রত্যেকে নিজের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করে এবং অন্যের অধিকারে হস্তক্ষেপ করে না।
- গুরুত্ব: একটি সুশৃঙ্খল ও নৈতিক রাষ্ট্র গঠনের জন্য ন্যায়বিচার ও সুশাসনের নীতি অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে।
৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কর্মক্ষেত্রে প্রতিটি কর্মকর্তা যদি তার ওপর অর্পিত দায়িত্ব সততার সাথে পালন করেন, তবে প্রতিষ্ঠানের সুশাসন নিশ্চিত হয়।
ব্যাখ্যা: এটি প্লেটোর ন্যায়বিচার ধারণার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ, যেখানে প্রত্যেকে নিজ নিজ কর্তব্য পালন করে সমাজকে সুন্দর রাখে।
উদাহরণ ২: পরীক্ষার হলে কোনো শিক্ষার্থী অসদুপায় অবলম্বন না করে নিজের মেধার ওপর নির্ভর করে পরীক্ষা দেয়।
ব্যাখ্যা: এটি তার সততা ও নৈতিক মূল্যবোধের বহিঃপ্রকাশ, যা সুনাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠার প্রথম শর্ত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বার্কলে — জর্জ বার্কলে একজন ব্রিটিশ দার্শনিক ছিলেন, যিনি দৃশ্যমান জগৎ ও জ্ঞানতত্ত্ব নিয়ে গবেষণা করেছেন এবং তিনি ‘রিপাবলিক’ গ্রন্থের রচয়িতা নন।
B) জন লক — জন লক হলেন আধুনিক উদারতাবাদ ও রাষ্ট্রদর্শনের প্রবক্তা, যিনি ‘টু ট্রেটিজেস অফ গভর্নামেন্ট’ গ্রন্থটি লিখেছেন।
C) ডেকার্ট — রেনে ডেকার্ট আধুনিক দর্শনের জনক ও গণিতবিদ, যিনি মূলত জ্ঞানতত্ত্ব ও দর্শন নিয়ে কাজ করেছেন।
D) প্লেটো — প্লেটো গ্রিক দার্শনিক যিনি ‘রিপাবলিক’ গ্রন্থে আদর্শ রাষ্ট্র ও ন্যায়বিচার নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন।
৫. মনে রাখার টিপস:
- প্লেটোর নাম মনে রাখতে মনে রাখুন যে প্লেটো আদর্শ রাষ্ট্র বা রিপাবলিকের স্বপ্ন দেখেছিলেন।
- দার্শনিকদের গ্রন্থ মনে রাখার জন্য লেখকের মূল দর্শন বা চিন্তাধারাকে সাথে মিলিয়ে পড়লে সহজে মনে থাকে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- রাজনীতি ও দর্শনের প্রাচীন গ্রন্থগুলোর নাম এবং লেখকের পরিচয় প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
- প্লেটোর পাশাপাশি অ্যারিস্টটলের ‘পলিটিক্স’ বা রুশোর ‘সোশ্যাল কন্ট্রাক্ট’ গ্রন্থগুলো সম্পর্কেও ধারণা রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) Smart Society
১. কেন সঠিক:
- স্মার্ট বাংলাদেশ রূপকল্পের চারটি মূল স্তম্ভের একটি হলো স্মার্ট সোসাইটি, যা দেশের নাগরিকদের ডিজিটাল দক্ষতা ও নৈতিক মূল্যবোধের ভিত্তিতে জীবনমান উন্নয়নে সহায়তা করে।
- এটি প্রযুক্তিগত অগ্রগতির পাশাপাশি সমাজের সব স্তরের মানুষের সমতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং মানবিক আচরণ নিশ্চিত করার ওপর জোর দেয়।
২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ:
- মূল ধারণা: সুশাসন ও ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি হলো আধুনিক সমাজে প্রতিটি নাগরিকের সমান সুযোগ এবং প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার নৈতিক ভিত্তি।
- গুরুত্ব: সমাজে প্রযুক্তির সুষম ব্যবহার নিশ্চিত করতে এবং ডিজিটাল বৈষম্য দূর করতে স্মার্ট সোসাইটি ধারণাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- প্রয়োগ: সরকারি ও বেসরকারি সেবা গ্রহণের সময় প্রযুক্তি ব্যবহার করে দুর্নীতি ও দীর্ঘসূত্রিতা কমানোর মাধ্যমে এর বাস্তব প্রয়োগ সম্ভব।
- সম্ভাব্য প্রভাব: এর ফলে সমাজে জবাবদিহি বৃদ্ধি পায় এবং সাধারণ মানুষ খুব সহজেই তাদের নাগরিক অধিকারগুলো ভোগ করতে পারে।
৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ:
উদাহরণ ১: একজন নাগরিক ঘরে বসেই অনলাইনে জন্মনিবন্ধন বা জমির পর্চার আবেদন করছেন এবং কোনো ধরনের হয়রানি বা ঘুষ ছাড়াই সেবা পাচ্ছেন।
ব্যাখ্যা: এটি স্মার্ট সোসাইটির অন্যতম সুফল, যা সেবামূলক প্রতিষ্ঠানে স্বচ্ছতা এবং নৈতিক আচরণ প্রতিষ্ঠা করে।
উদাহরণ ২: গ্রামের একজন সাধারণ মানুষ ডিজিটাল সেন্টার থেকে খুব সহজে ব্যাংকিং লেনদেন বা বিদেশ থেকে পাঠানো টাকা উত্তোলন করছেন।
ব্যাখ্যা: প্রযুক্তির এই সুষম ব্যবহার সমাজে অর্থনৈতিক বৈষম্য কমায় এবং সবার জন্য সমতা নিশ্চিত করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Smart Democracy — স্মার্ট বাংলাদেশ রূপকল্পে সরাসরি ডেমোক্রেসি বা গণতন্ত্রকে নির্দিষ্ট স্তম্ভ হিসেবে রাখা হয়নি, যদিও গণতন্ত্র সুশাসনের একটি অংশ।
B) Smart Politics — রাজনীতি শব্দটি স্মার্ট বাংলাদেশ রূপকল্পের আনুষ্ঠানিক চারটি স্তম্ভের অন্তর্ভুক্ত নয়, এখানে মূলত রাষ্ট্র পরিচালনার রূপরেখা থাকে।
D) Smart Parliament — সংসদ হলো আইন প্রণয়নের স্থান, যা স্মার্ট বাংলাদেশ রূপকল্পের চারটি প্রধান কাঠামোগত স্তম্ভের কোনো தனி স্তম্ভ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- স্মার্ট বাংলাদেশের চারটি স্তম্ভ মনে রাখার সহজ কৌশল হলো সংক্ষেপে সিসিজিই (Smart Citizens, Smart Economy, Smart Government, Smart Society)।
- এর মধ্যে সমাজের সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত স্তম্ভটি হলো স্মার্ট সোসাইটি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- স্মার্ট বাংলাদেশের চারটি স্তম্ভ থেকে বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই স্তম্ভগুলোর নাম মুখস্থ রাখা জরুরি।
- একই নীতি থেকে ডিজিটাল রূপান্তর, সুশাসন এবং নাগরিক অধিকার সংক্রান্ত প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: C) বিশ্বব্যাংক
১. কেন সঠিক:
- বিশ্বব্যাংক প্রথম ১৯৯২ সালে প্রকাশিত তাদের ‘Governance and Development’ শীর্ষক প্রতিবেদনে সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য চারটি মূল স্তম্ভের কথা উল্লেখ করে।
- এই স্তম্ভগুলো হলো জনপদের ব্যবস্থাপনা, জবাবদিহি, তথ্যপ্রবাহের উন্মুক্ততা বা স্বচ্ছতা এবং আইনের শাসন।
২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ:
- মূল ধারণা: সুশাসন হলো এমন একটি শাসনব্যবস্থা যা জনকল্যাণ নিশ্চিত করে এবং যেখানে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি প্রধান্য পায়।
- গুরুত্ব: সুশাসন ছাড়া কোনো রাষ্ট্র বা প্রতিষ্ঠান তার নাগরিকদের মৌলিক অধিকার ও সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে পারে না।
- প্রয়োগ: সরকারি ও বেসরকারি প্রতিটি দপ্তরে নিয়ম মেনে কাজ করা এবং জনগণের সেবা নিশ্চিত করার মাধ্যমে এর প্রয়োগ ঘটে।
৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ:
উদাহরণ ১: একজন সরকারি কর্মকর্তা কোনো ঠিকাদারি কাজের দরপত্র আহ্বান করার সময় সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থেকে সব নিয়ম মেনে কাজ সম্পন্ন করলেন।
ব্যাখ্যা: এটি সুশাসনের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত, যা স্বজনপ্রীতি রোধ করে।
উদাহরণ ২: সাধারণ নাগরিক হিসেবে কোনো সেবা পাওয়ার জন্য সঠিক প্রক্রিয়ায় আবেদন করা এবং ঘুষ দেওয়া থেকে বিরত থাকা।
ব্যাখ্যা: এটি নাগরিকের দায়িত্বশীল আচরণের বহিঃপ্রকাশ, যা সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সরাসরি সাহায্য করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জাতিসংঘ — জাতিসংঘ সুশাসন উন্নয়নে কাজ করলেও বিশ্বব্যাংকের মতো সুনির্দিষ্টভাবে চার স্তম্ভের তত্ত্বটি প্রথমে প্রকাশ করেনি।
B) জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচি — ইউএনডিপি মূলত সুশাসনের পাঁচটি বা ছয়টি মূল বৈশিষ্ট্য যেমন অংশগ্রহণ ও ঐকমত্যের কথা বলে থাকে।
C) বিশ্বব্যাংক — এটি সঠিক উত্তর কারণ বিশ্বব্যাংকই প্রথম ১৯৯২ সালে সুশাসনের চারটি স্তম্ভ সুনির্দিষ্টভাবে নির্ধারণ করেছিল।
D) এশিয়া উন্নয়ন ব্যাংক — এটি বিশ্বব্যাংকের তত্ত্বের অনুগামী হলেও মূল প্রবক্তা হিসেবে সুশাসনের চার স্তম্ভের তত্ত্বটি তাদের নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বিশ্বব্যাংক মানেই চারটি স্তম্ভ। মনে রাখার কৌশল হলো বিশ্বব্যাংকের কাজের পরিধি বড় হওয়ায় তারা প্রশাসনকে মূলত চারটি প্রধান খুঁটির ওপর দাঁড় করিয়েছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সুশাসনের প্রধান উপাদানগুলো কী কী তা জেনে রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
- এই নীতি থেকে সুশাসনের উপাদান বা স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি সম্পর্কিত বিভিন্ন প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: D) বার্ট্রান্ড রাসেল
১. কেন সঠিক:
- এই বিখ্যাত উক্তিটির প্রবক্তা হলেন ব্রিটিশ দার্শনিক, গণিতবিদ ও শান্তিবাদী চিন্তাবিদ বার্ট্রান্ড রাসেল।
- তিনি দর্শনকে ধর্ম ও বিজ্ঞানের মাঝের এমন একটি ক্ষেত্র বলেছেন যা নিশ্চিত জ্ঞানের সীমানার বাইরে হলেও মানুষের অনুসন্ধিৎসু মনকে প্রশমিত করে।
২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ:
- মূল ধারণা: দর্শন, ধর্ম ও বিজ্ঞানের পারস্পরিক সম্পর্ক মানব জ্ঞানের পরিধিকে প্রসারিত করে এবং নৈতিক মূল্যবোধ গঠনে ভূমিকা রাখে।
- গুরুত্ব: এটি মানুষকে অন্ধবিশ্বাস থেকে মুক্ত করে এবং যুক্তিবাদী ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি তৈরিতে সাহায্য করে।
৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কর্মক্ষেত্রে কোনো জটিল সমস্যার মুখোমুখি হলে আবেগ দিয়ে না ভেবে বিজ্ঞানসম্মত ও নৈতিক উপায়ে সমাধান করা।
ব্যাখ্যা: এটি বস্তুনিষ্ঠ চিন্তা ও পেশাগত সততার বহিঃপ্রকাশ ঘটায়।
উদাহরণ ২: সামাজিক কোনো সংস্কার মেনে নেওয়ার আগে তার পেছনের নৈতিক ও তাত্ত্বিক ভিত্তি যাচাই করা।
ব্যাখ্যা: এটি অন্ধ অনুকরণ রোধ করে স্বাধীন ও বিবেকবান নাগরিক তৈরি করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আর. বি. পেরি — তিনি একজন প্রখ্যাত মার্কিন দার্শনিক হলেও এই নির্দিষ্ট উক্তিটি তাঁর নয়।
B) প্লেটো — প্রাচীন গ্রিক দার্শনিক প্লেটো জ্ঞান, আদর্শবাদ ও রাষ্ট্রদর্শন নিয়ে কাজ করলেও এই উক্তিটির সঙ্গে তাঁর সম্পৃক্ততা নেই।
C) সি. ডি. ব্রড — তিনি একজন ব্রিটিশ দার্শনিক ও নৈতিকতাবাদী হলেও এই বিখ্যাত সংজ্ঞায়িত উক্তিটি তাঁর নয়।
D) বার্ট্রান্ড রাসেল — এই বিকল্পটি সঠিক কারণ উক্তিটি তাঁরই লেখা বিখ্যাত বই এ হিস্ট্রি অব ওয়েস্টার্ন ফিলোসফি গ্রন্থের সূচনা অংশের সঙ্গে সম্পৃক্ত।
৫ মনে রাখার টিপস:
- উক্তিটি মনে রাখার জন্য মনে রাখুন ধর্ম ও বিজ্ঞানের মধ্যবর্তী স্থান নিয়ে কথা বলেছেন একজন মুক্তচিন্তক ও গণিতবিদ, আর তিনি হলেন বার্ট্রান্ড রাসেল।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভিন্ন দার্শনিকের বিখ্যাত উক্তি প্রায়ই আসে।
- বিখ্যাত দার্শনিকদের বই এবং তাদের মৌলিক দর্শনগুলোর নাম ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) ২০১২
১. কেন সঠিক:
- জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল নীতিমালা ২০১২ সালে পাস করা হয়।
- সুশাসন ও দুর্নীতি প্রতিরোধের মূল ভিত্তি হিসেবে এই নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছিল।
২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ:
প্রশ্নের ধরন: সুশাসন ও জবাবদিহি
- মূল ধারণা: সুশাসন হলো এমন একটি শাসনব্যবস্থা যেখানে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও আইনের শাসন নিশ্চিত করা হয়।
- গুরুত্ব: শুদ্ধাচার কৌশল রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে শৃঙ্খলা ও নৈতিকতা বজায় রাখতে সাহায্য করে।
৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সরকারি অফিসে কোনো নাগরিক সেবা নিতে গেলে নির্ধারিত নিয়মে সেবা দেওয়া।
ব্যাখ্যা: এটি স্বচ্ছতা ও পেশাগত দায়িত্ববোধের সঠিক প্রয়োগ।
উদাহরণ ২: দরপত্র প্রক্রিয়ায় কোনো স্বজনপ্রীতি না করে সৎভাবে কাজ সম্পন্ন করা।
ব্যাখ্যা: এটি প্রাতিষ্ঠানিক শুদ্ধাচার ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে নৈতিক অবস্থান নির্দেশ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২০১০ — এই সালে জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল প্রণয়নের কাজ শুরু হলেও তা চূড়ান্ত বা পাস হয়নি।
B) ২০১১ — এই সালটি শুদ্ধাচার কৌশলের প্রাথমিক খসড়া তৈরির সঙ্গে জড়িত, চূড়ান্ত পাসের বছর নয়।
C) ২০১২ — এটি সঠিক কারণ এই সালেই রাষ্ট্রীয়ভাবে জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল নীতিমালা আনুষ্ঠানিকভাবে পাস করা হয়।
D) ২০১৮ — এই সালটি শুদ্ধাচার কৌশলের অনেক পরের বছর, তাই এটি গ্রহণযোগ্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- শুদ্ধাচার কৌশল চালুর বছর মনে রাখতে সংখ্যাটি মনে রাখুন ২০১২।
- সুশাসন প্রতিষ্ঠার মূল হাতিয়ার হলো এই শুদ্ধাচার নীতিমালা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল কোন ক্ষেত্রে বেশি প্রযোজ্য, তা জেনে রাখা ভালো।
- একই নীতি থেকে সুশাসনের উপাদান ও দুর্নীতি প্রতিরোধসংক্রান্ত প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: B) হেগেল
১. কেন সঠিক:
- এই উক্তির মূল অর্থ হলো মানুষের প্রকৃত সত্তা বা নৈতিক উৎকর্ষ অর্জন করে অমরত্ব লাভ করা।
- এটি মূলত নৈতিক বিকাশ ও আত্মশুদ্ধির দর্শনকে নির্দেশ করে।
২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ:
- মূল ধারণা: নৈতিক উৎকর্ষ বলতে বিচারবুদ্ধি ও সততার মাধ্যমে নিজের চরিত্র গঠন করাকে বোঝায়।
- গুরুত্ব: এটি মানুষকে আত্মকেন্দ্রিকতা থেকে বের করে সমাজ ও মানবতার কল্যাণে উদ্বুদ্ধ করে।
- প্রয়োগ: ব্যক্তিগত জীবনে লোভ ও অন্যায় পরিহার করে সততা ও মানবিক মূল্যবোধ ধারণ করতে হবে।
- সম্ভাব্য প্রভাব: এর ফলে সমাজে নৈতিক অবক্ষয় রোধ পায় এবং পারস্পরিক বিশ্বাস ও সম্মান বৃদ্ধি পায়।
৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ:
- উদাহরণ ১: কর্মক্ষেত্রে কোনো অনৈতিক সুবিধা নেওয়ার প্রস্তাব পেলে তা দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করা।
- ব্যাখ্যা: এটি সততা ও পেশাগত নৈতিকতার বহিঃপ্রকাশ, যা নৈতিক চরিত্রকে দৃঢ় করে।
- উদাহরণ ২: রাস্তাঘাটে কোনো বিপন্ন মানুষের সাহায্যে এগিয়ে আসা।
- ব্যাখ্যা: এটি মানুষের প্রতি সহমর্মিতা ও দায়িত্ববোধের বহিঃপ্রকাশ, যা নৈতিক জীবন গঠনে সাহায্য করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্লেটো — প্লেটো আদর্শ রাষ্ট্র ও ন্যায়বিচার নিয়ে বেশি আলোচনা করেছেন, এই নির্দিষ্ট উক্তিটি তাঁর নয়।
B) হেগেল — এটি প্রখ্যাত জার্মান দার্শনিক গেয়র্গ ভিলহেল্ম ফ্রিডরিখ হেগেলের বিখ্যাত নৈতিক দর্শন।
C) জি. ই. ম্যূর — তিনি একজন বিংশ শতাব্দীর ব্রিটিশ দার্শনিক, যিনি নীতিবিদ্যার অসংজ্ঞায়িত পদ নিয়ে কাজ করেছেন।
D) রাসেল — বার্ট্রান্ড রাসেল শান্তি, যুক্তি ও মুক্তচিন্তার পক্ষে কথা বলেছেন, কিন্তু এই উক্তির সঙ্গে তিনি যুক্ত নন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- হেগেল ছিলেন দ্বন্দ্বমূলক আদর্শবাদের প্রবক্তা, যিনি মানুষের আত্মিক উন্নতির ওপর জোর দিয়েছেন।
- মানুষ হও এবং মরে বাঁচ কথাটি তাঁর আত্মিক ও নৈতিক উন্নয়নের দর্শনকে মনে করিয়ে দেয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এই প্রশ্নটি দার্শনিক মতবাদ এবং নৈতিক মূল্যবোধের সংযোগ বুঝতে সাহায্য করে।
- একই নীতি থেকে মানুষের নৈতিক দায়িত্ব এবং আত্ম উন্নয়নের ওপর অন্য এমসিকিউ আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: A) স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা
১. কেন সঠিক:
- সুশাসনের মূল ভিত্তি হলো স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা, যা প্রশাসন ও সমাজকে দুর্নীতিমুক্ত ও জনমুখী করে তোলে।
- এটি এমন একটি নৈতিক ও প্রশাসনিক নীতি, যার মাধ্যমে প্রতিটি কাজের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জনগণের কাছে দায়বদ্ধ থাকে।
২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ:
- মূল ধারণা: স্বচ্ছতা হলো কার্যক্রমের প্রকাশ্য উন্মোচন এবং জবাবদিহিতা হলো কাজের ফলাফলের জন্য দায়িত্ব স্বীকার করা।
- গুরুত্ব: এটি সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করে এবং জনগণের আস্থা অর্জন নিশ্চিত করে।
- প্রয়োগ: সরকারি অনুদান বা সেবামূলক কাজের হিসাব উন্মুক্ত রাখা এবং ভুলত্রুটির দায় স্বীকার করা।
- সম্ভাব্য প্রভাব: সমাজে দুর্নীতি হ্রাস পায় এবং নাগরিক অধিকার যথাযথভাবে সংরক্ষিত হয়।
৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ:
উদাহরণ ১: একটি সরকারি অফিসে নাগরিক সনদ টাঙিয়ে সেবা প্রদানের নির্ধারিত সময় ও ফি প্রকাশ করা।
ব্যাখ্যা: এটি স্বচ্ছতার সঠিক প্রয়োগ, যা সেবা গ্রহীতাদের হয়রানি থেকে রক্ষা করে।
উদাহরণ ২: কোনো প্রকল্পে ত্রুটি ধরা পড়লে ঠিকাদার বা দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তা অস্বীকার না করে সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া।
ব্যাখ্যা: এটি উচ্চ নৈতিক মূল্যবোধ ও জবাবদিহিতার চমৎকার উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা — এটি সুশাসনের মূল ও অপরিহার্য শর্ত, যা জনকল্যাণ নিশ্চিত করে।
B) কর্তৃত্ববাদী শাসন — এটি সুশাসনের পরিপন্থী কারণ এখানে জনগণের মতামত বা অধিকারের মূল্যায়ন করা হয় না।
C) কেন্দ্রীভূত সিদ্ধান্ত গ্রহণ — এটি গণতন্ত্র ও সুশাসনের নীতিকে বাধাগ্রস্ত করে এবং স্থানীয় চাহিদাকে উপেক্ষা করে।
D) স্বজন প্রীতি ও পক্ষপাতিত্ব — এটি চরম অনৈতিক আচরণ যা সুশাসন ও সাম্য প্রতিষ্ঠার অন্তরায়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সুশাসন মানেই স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা। যেখানে লুকোচুরি নেই এবং কাজের হিসাব দিতে হয়, সেখানেই সুশাসন আছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সুশাসনের মূলনীতিগুলো যেমন অংশীদারিত্ব, আইনের শাসন ও consensus থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সুশাসন ও নৈতিকতার মৌলিক ধারণা যাচাইয়ের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: C) আরজ আলী মাতুব্বর
১. কেন সঠিক:
- আরজ আলী মাতুব্বর তাঁর সারাজীবন জ্ঞান অন্বেষণ, কুসংস্কার বর্জন এবং মুক্তবুদ্ধির চর্চা করে গেছেন যা নব্য-নৈতিকতার মূল ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত।
- এটি এমন এক মানবিক মূল্যবোধ ও নৈতিক নীতি যা অন্ধ বিশ্বাসের ঊর্ধ্বে উঠে যুক্তি, বিজ্ঞানমনস্কতা এবং মানবকল্যাণকে অগ্রাধিকার দেয়।
২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ:
- মূল ধারণা: মুক্তবুদ্ধি ও যুক্তিভিত্তিক নৈতিকতা হলো এমন একটি মানসিকতা যা কোনো প্রথা বা বিশ্বাসকে অন্ধভাবে গ্রহণ না করে সত্য ও ন্যায়ের আলোয় যাচাই করে।
- প্রয়োগ: সমাজ জীবনের প্রচলিত কুসংস্কার এবং অন্ধবিশ্বাস দূর করে প্রতিটি কাজের পেছনে যৌক্তিক ও মানবিক কারণ খোঁজা।
৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সমাজে প্রচলিত কোনো অন্ধবিশ্বাস বা কুসংস্কারের বিরুদ্ধে বৈজ্ঞানিক ও যৌক্তিক ব্যাখ্যা তুলে ধরা।
ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে যে মানুষ প্রথার দাস নয়, বরং বিচারবুদ্ধি সম্পন্ন স্বাধীন সত্তা।
উদাহরণ ২: অন্যের মতামতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে নিজের মুক্তচিন্তা প্রকাশ করা।
ব্যাখ্যা: এটি সমাজের মানুষের মধ্যে সহনশীলতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ বৃদ্ধি করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মোহাম্মদ বরকতুল্লাহ — তিনি প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও চিন্তাবিদ হলেও তাঁকে নব্য-নৈতিকতার প্রবর্তক হিসেবে গণ্য করা হয় না।
B) জি. সি. দেব — তিনি খ্যাতিমান দার্শনিক হলেও তাঁর মূল কাজের ক্ষেত্র ছিল মানবতাবাদ ও অস্তিত্ববাদ, নির্দিষ্টভাবে নব্য-নৈতিকতা নয়।
D) আব্দুল মতীন — তিনি বাম ধারার রাজনৈতিক চিন্তাবিদ ও ভাষা আন্দোলনের সংগঠক হলেও এই ধারণার সঙ্গে যুক্ত নন।
৫. মনে রাখার টিপস:
- স্বাধীন চিন্তা ও যুক্তিবাদী দর্শনের সঙ্গে আরজ আলী মাতুব্বর নামটি ওতপ্রোতভাবে জড়িত, তাই মুক্তবুদ্ধি বা নব্য-নৈতিকতা পেলেই তাঁকে স্মরণ করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- মুক্তবুদ্ধি এবং যুক্তিভিত্তিক সমাজ গঠনে দার্শনিক চিন্তার গুরুত্ব অপরিসীম।
- একই নীতি থেকে মুক্তচিন্তা ও কুসংস্কার বর্জনের প্রবক্তা সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: C) ঐচ্ছিক ক্রিয়া
১. কেন সঠিক:
- নীতিবিদ্যা বা নৈতিকতা হলো মানব আচরণের বিজ্ঞান যা কেবল মানুষের সচেতন ও ইচ্ছাকৃত কাজের মূল্যায়ন করে।
- ঐচ্ছিক ক্রিয়া হলো সেই কাজ যা মানুষ জ্ঞান, বিচারবুদ্ধি ও স্বাধীন ইচ্ছা প্রয়োগ করে সম্পন্ন করে থাকে।
২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ:
- মূল ধারণা: নৈতিক বিচার ও দায়িত্ববোধ কেবল তখনই প্রযোজ্য হয় যখন কোনো ব্যক্তি জেনেশুনে ও ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো ভালো বা মন্দ কাজ করে।
- প্রয়োগ: ব্যক্তিগত জীবনে যেকোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে তার পরিণাম চিন্তা করা এবং সঠিক পথ বেছে নেওয়া এর মাধ্যমে নিশ্চিত হয়।
৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বন না করে নিজের মেধার ওপর ভরসা করে পরীক্ষা দেওয়া।
ব্যাখ্যা: এখানে শিক্ষার্থী জেনেশুনে সৎ পথ বেছে নেয় যা তার নৈতিক ও ঐচ্ছিক ক্রিয়ার বহিঃপ্রকাশ।
উদাহরণ ২: রাস্তায় কোনো বিপন্ন মানুষকে দেখে সাহায্য করা।
ব্যাখ্যা: এটি ব্যক্তির সদিচ্ছা ও মানবিক মূলবোধের ওপর ভিত্তি করে সম্পন্ন করা একটি সচেতন ও ঐচ্ছিক কাজ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নৈতিকতা-নিরপেক্ষ ক্রিয়া — এই ধরনের কাজের সঙ্গে নৈতিকতার কোনো সম্পর্ক থাকে না তাই নীতিবিদ্যা এগুলো নিয়ে আলোচনা করে না।
B) সামাজিক ক্রিয়া — সমাজের সাথে সম্পর্কিত হলেও সমস্ত সামাজিক কাজ নৈতিকতার আওতাভুক্ত হয় না যদি তাতে ব্যক্তিগত ইচ্ছার স্বাধীনতা না থাকে।
D) ইচ্ছা-নিরপেক্ষ ক্রিয়া — যে কাজের পেছনে মানুষের নিজস্ব ইচ্ছা বা নিয়ন্ত্রণ থাকে না তার জন্য কোনো নৈতিক দায়দায়িত্ব বা জবাবদিহি থাকে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- নীতিবিদ্যার মূল আলোচ্য বিষয় হলো ঐচ্ছিক ক্রিয়া।
- যার পেছনে ইচ্ছা ও বিবেক নেই তার কোনো নৈতিক মূল্যও নেই।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- নৈতিক বিচারের মূল শর্ত হলো ব্যক্তির স্বাধীন ইচ্ছা ও কাজের ওপর নিয়ন্ত্রণ।
- একই নীতি থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে, নীতিবিদ্যার আওতাভুক্ত হতে হলে কাজের কোন বৈশিষ্ট্য থাকা আবশ্যক।
সঠিক উত্তর: A) ২৫
১. কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতির অন্তর্গত ২৫ অনুচ্ছেদে পররাষ্ট্র নীতি সংক্রান্ত নির্দেশনা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
- এই অনুচ্ছেদে আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে সমতা, সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধা, বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান এবং সাম্রাজ্যবাদ ও বর্ণবাদ বিরোধিতার কথা বলা হয়েছে।
২. সংবিধান ও আইন:
- সংবিধানের ২৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্র আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শক্তি প্রয়োগ বর্জন করবে।
- এই অনুচ্ছেদটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বিখ্যাত ঘোষণা সবার সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে বৈরিতা নয় নীতির সাংবিধানিক রূপ।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জাতিসংঘ শান্তি মিশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ।
ব্যাখ্যা: সংবিধানের ২৫ অনুচ্ছেদের নির্দেশনার আলোকেই বাংলাদেশ বিশ্বশান্তি রক্ষায় সবচেয়ে বেশি সেনা ও পুলিশ প্রেরণকারী দেশগুলোর অন্যতম।
উদাহরণ ২: মিয়ানমারের বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের আশ্রয় প্রদান।
ব্যাখ্যা: মানবতা ও আঞ্চলিক শান্তির প্রতি অঙ্গীকার থেকে বাংলাদেশ এই কূটনৈতিক ও মানবিক ভূমিকা পালন করেছে, যা পররাষ্ট্র নীতিরই বহিঃপ্রকাশ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২৫ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই অনুচ্ছেদেই বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতির মূল ভিত্তি ও নির্দেশনার কথা বলা হয়েছে।
B) ২৬ — এই অনুচ্ছেদে মৌলিক অধিকারের সাথে অসংগত আইন সম্পর্কে বলা হয়েছে, যা বলবৎ হওয়ার পর থেকে বাতিল হবে।
সি ২৭ — এই অনুচ্ছেদে আইনের দৃষ্টিতে সমতার কথা বলা হয়েছে, যেখানে সব নাগরিক আইনের চোখে সমান এবং সমান সুরক্ষার অধিকারী।
ডি ২৮ — এই অনুচ্ছেদে ধর্ম, বর্ণ বা লিঙ্গের কারণে বৈষম্যহীনতার কথা বলা হয়েছে, যা নাগরিকদের মৌলিক অধিকারের সাথে সম্পর্কিত।
৫ মনে রাখার টিপস:
- পররাষ্ট্র নীতি মানে দেশের বাইরে বন্ধুত্বের নীতি, আর পঁচিশ (২৫) সংখ্যাটি আমাদের পররাষ্ট্র নীতির সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
- মৌলিক অধিকার শুরু হয় ২৬ অনুচ্ছেদ থেকে, আর তার ঠিক আগের অনুচ্ছেদ তথা ২৫ অনুচ্ছেদ দিয়েই পররাষ্ট্র নীতি নির্ধারিত হয়েছে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগের রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিগুলো থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- সবার সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে বৈরিতা নয় নীতিটি বাংলাদেশের কোন অনুচ্ছেদের সাথে সম্পর্কিত, এই আদলে প্রশ্নটি ঘুরে আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: C) ২৩৩ (এখানে প্রদত্ত প্রশ্নে ২৩৩ হবে, যা ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের মোট প্রাপ্ত আসন সংখ্যা নির্দেশ করে। যদিও প্রশ্নে অপশনে ২২৩ দেওয়া আছে, তবে ঐতিহাসিক সত্য হলো যুক্তফ্রন্ট মোট ২৩৩ টি মুসলিম আসনে জয়লাভ করেছিল। নিচে সঠিক তথ্যভিত্তিক ব্যাখ্যা দেওয়া হলো।)
১. কেন সঠিক:
১৯৫৪ সালের পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট মুসলিম আসনগুলোর মধ্যে এককভাবে ২৩৩ টি আসনে জয়লাভ করে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে।
এই নির্বাচনের মাধ্যমে তৎকালীন পূর্ব বাংলায় মুসলিম লীগের পতন ঘটে এবং ফজলুল হক, সোহরাওয়ার্দী ও মওলানা ভাসানীর নেতৃত্বাধীন যুক্তফ্রন্ট সরকার গঠন করে।
২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য:
ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: মুসলিম লীগের স্বৈরাচারী শাসন, রাষ্ট্রভাষা বাংলা আন্দোলন এবং অর্থনৈতিক বৈষম্যের বিরুদ্ধে পূর্ব বাংলার মানুষের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটে এই নির্বাচনে।
তারিখ ও স্থান: ১৯৫৪ সালের ৮ থেকে ১২ মার্চ পূর্ব পাকিস্তান জুড়ে এই প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: যুক্তফ্রন্টের প্রধান তিন নেতা ছিলেন শের-ই-বাংলা এ কে ফজলুল হক, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী এবং মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী।
তাৎপর্য ও ফলাফল: এই নির্বাচনের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের মুসলিম লীগ সরকারের অবসান ঘটে এবং বাঙালি জাতীয়তাবাদের ভিত্তি আরও শক্ত হয়।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: একুশ দফা দাবি।
ব্যাখ্যা: ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের বিজয়ের পেছনে মূল চালিকাশক্তি ছিল তাদের ঐতিহাসিক একুশ দফা দাবি।
উদাহরণ ২: যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভা।
ব্যাখ্যা: নির্বাচনে জয়ের পর ১৯৫৪ সালের ৩ এপ্রিল এ কে ফজলুল হকের নেতৃত্বে যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভা গঠিত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২১৯ — এই সংখ্যাটি ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের আসন নয় এবং এটি ঐতিহাসিক কোনো সঠিক তথ্য নয়।
B) ২২১ — এটি ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে বিজয়ী আসন সংখ্যা হিসেবে ভুল তথ্য এবং এর কোনো ঐতিহাসিক ভিত্তি নেই।
C) ২৩৩ — এটি সঠিক উত্তর, যদিও প্রশ্নে মুদ্রণজনিত কারণে ২২৩ এসেছে, প্রকৃত বিজয় ছিল ২৩৩ টি মুসলিম আসন।
D) ২২৫ — এই সংখ্যাটি তৎকালীন নির্বাচনে অন্য কোনো দলের আসন বা মোটের সঙ্গে মিলে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
১৯৫৪ সালের নির্বাচন মানেই যুক্তফ্রন্টের ঐতিহাসিক জয় এবং মুসলিম লীগের ভরাডুবি।
আসন সংখ্যা মনে রাখার জন্য মনে রাখতে হবে যুক্তফ্রন্ট মোট ২৩৩ টি মুসলিম আসনে জিতেছিল।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের প্রতীক ছিল নৌকা এবং এই নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে ফজলুল হক প্রথম যুক্তফ্রন্ট সরকার গঠন করেন।
পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের শরিক দল কয়টি ছিল, যার উত্তর হলো ৪টি।
সঠিক উত্তর: D) মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ
প্রদত্ত তথ্য:
বিশ্বকাপ ক্রিকেট ২০২৩ অনুষ্ঠিত হয়
বাংলাদেশ দলের অংশগ্রহণ এবং ম্যাচ খেলা সম্পন্ন হয়
ধরি,
দলের মোট রান সংগ্রাহকদের তালিকা প্রস্তুত করা হয়
প্রতিটি খেলোয়াড়ের ব্যক্তিগত রান হিসাব করা হয়
অতএব,
মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ টুর্নামেন্টে ৩২৮ রান করেন
অন্যান্য ব্যাটারদের রান এর চেয়ে কম ছিল
সুতরাং,
দলের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হিসেবে তিনি শীর্ষে থাকেন
উত্তর: মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ
সঠিক উত্তর: C) সাংগ্রাই
১. কেন সঠিক:
মারমারা বৈসাবি উৎসবের অংশ হিসেবে সাংগ্রাই উৎসব পালন করে থাকে। এটি তাদের প্রধান সামাজিক ও ধর্মীয় উৎসব যা সাধারণত বাংলা নববর্ষের সময় উদযাপিত হয়।
২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য:
সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য: বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীগুলোর মধ্যে মারমা সম্প্রদায় অন্যতম প্রধান। তাদের সংস্কৃতি ও লোকজীবন দেশের বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চাকমাদের বিজু উৎসব।
ব্যাখ্যা: চাকমারা তাদের প্রধান উৎসব হিসেবে বিজু পালন করে যা বৈসাবির প্রথম অংশ।
উদাহরণ ২: ত্রিপুরীদের বাইশু উৎসব।
ব্যাখ্যা: ত্রিপুরীরা তাদের প্রধান উৎসব হিসেবে বাইশু পালন করে যা বৈসাবি উদযাপনের একটি অংশ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিজু — এটি মারমাদের প্রধান উৎসব নয়, এটি চাকমা সম্প্রদায়ের প্রধান সামাজিক উৎসব।
B) রাশ — এটি মূলত সনাতন ধর্মাবলম্বীদের রাসপূর্ণিমা উৎসব যা মারমাদের প্রধান উৎসবের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
C) সাংগ্রাই — এটি মারমাদের সবচেয়ে বড় এবং প্রধান উৎসব।
D) বাইশু — এটি ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের প্রধান উৎসব, মারমাদের নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
বৈসাবি শব্দের প্রথম অংশগুলো বিভিন্ন জাতির উৎসব নির্দেশ করে। যেমন মারমার ক্ষেত্রে সাংগ্রাই উৎসব যুক্ত থাকে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর উৎসবের নাম প্রায়ই আসে। তাই মারমা সম্প্রদায়ের সাংগ্রাই এবং চাকমা সম্প্রদায়ের বিজু উৎসব ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) মূল্য সংযোজন কর
১. কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কর রাজস্ব আয়ের প্রধান উৎস হলো মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট।
- দেশের ভেতরে উৎপাদিত পণ্য, সেবা প্রদান এবং আমদানিকৃত পণ্যের ওপর এই পরোক্ষ কর ধার্য করা হয় বলে এর পরিধি সবচেয়ে বেশি।
২. অর্থনীতি, শিল্প ও উন্নয়ন:
- রাজস্ব আদায়: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড পরিচালিত কর ব্যবস্থার মধ্যে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে সংগৃহীত আয়ের একটি বিশাল অংশ ভ্যাট খাত থেকে আসে।
- পরোক্ষ কর: এটি একটি পরোক্ষ কর হওয়ায় ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে সবাই নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ক্রয়ের সময় পরিশোধ করে থাকে।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নিত্যপণ্য ও সেবা
ব্যাখ্যা: সুপারশপ থেকে কেনাকাটা করা বা রেস্তোরাঁয় খাবার খাওয়ার সময় ভ্যাট দিতে হয়, যা সরকারি কোষাগারে জমা হয়।
উদাহরণ ২: আমদানিকৃত পণ্য
ব্যাখ্যা: বিদেশ থেকে কোনো পণ্য আমদানির সময় শুল্কের পাশাপাশি মূল্য সংযোজন কর পরিশোধ করতে হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভূমি রাজস্ব — এটি ভূমি ব্যবস্থাপনা ও ভূমি উন্নয়ন কর সংক্রান্ত আয়, যা সরকারের রাজস্ব আয়ের একটি ক্ষুদ্র অংশ মাত্র।
B) মূল্য সংযোজন কর — এটি সঠিক উত্তর।
C) আয়কর — এটি প্রত্যক্ষ করের প্রধান উৎস হলেও সামগ্রिक রাজস্ব আয়ে ভ্যাটের তুলনায় এর পরিমাণ কিছুটা কম হয়।
D) আমদানি শুল্ক — এটি বৈদেশিক বাণিজ্যের ওপর অর্পিত কর, যা মোট রাজস্ব আয়ে ভ্যাটের চেয়ে কম অবদান রাখে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মনে রাখবে, বাজারে কেনাকাটা করার সময় আমরা যে ভ্যাট দিই, সেটাই সরকারের আয়ের সবচেয়ে বড় উৎস।
- সংক্ষেপে याद রাখবে: ভ্যাট হলো জাতীয় আয়ের ভাণ্ডারের চাবিকাঠি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কোন মন্ত্রণালয়ের অধীন, তা জেনে রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য জরুরি।
- এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক জব পরীক্ষায় প্রায়ই ঘুরিয়ে আসে।
সঠিক উত্তর: C) বাণিজ্য
১. কেন সঠিক:
- ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ অর্থাৎ টিসিবি দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য স্থিতিশীল রাখতে এবং ন্যায্যমূল্যে পণ্য সরবরাহ করতে কাজ করে থাকে।
- বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সার্বিক নিয়ন্ত্রণ ও নির্দেশনায় এই রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানটি জরুরি আমদানিসহ বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক বিপণন কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে।
২. প্রশাসন ও বাণিজ্য বিষয়ক তথ্য:
- প্রাতিষ্ঠানিক পরিচয়: টিসিবি মূলত বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি সরকারি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান যা ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- প্রশাসনিক কাঠামো: মন্ত্রণালয়ের নীতিমালা অনুসারে এই সংস্থাটি টিসিবি আইন বা সংশ্লিষ্ট অধ্যাদেশের মাধ্যমে সরকারি ভর্তুকিযুক্ত পণ্য সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাংলাদেশ ট্রেডিং কর্পোরেশন
ব্যাখ্যা: টিসিবি মূলত ট্রাকের মাধ্যমে তেল, চিনি, মসুর ডাল ও পেঁয়াজ সাশ্রয়ী মূল্যে বিক্রি করে যা বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রত্যক্ষ নির্দেশনায় পরিচালিত হয়।
উদাহরণ ২: টিসিবি স্মার্ট কার্ড
ব্যাখ্যা: বর্তমান সময়ে স্বচ্ছতার সাথে পরিবারের মাঝে ন্যায্যমূল্যের পণ্য বিতরণের জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এই ডিজিটাল তালিকা প্রণয়ন করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পরিকল্পনা — পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় দেশের পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা, অর্থনৈতিক নীতি প্রণয়ন ও বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বা এডিপি বাস্তবায়ন করে থাকে, তাই এটি সঠিক নয়।
B) শিল্প — শিল্প মন্ত্রণালয় রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল, চিনি কল এবং ভারী শিল্প কারখানাগুলোর দেখভাল করে, যা বাণিজ্য সংস্থার প্রশাসনিক আওতাভুক্ত নয়।
C) বাণিজ্য — এই অপশনটি সঠিক কারণ টিসিবি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সরাসরি অধীনস্থ একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য ও বিপণন সংস্থা।
D) অর্থ — অর্থ মন্ত্রণালয় দেশের বাজেট প্রণয়ন, রাজস্ব নীতি ও ব্যাংক খাতের নিয়ন্ত্রণ করলেও টিসিবির মতো বাণিজ্যিক সংস্থা এর সরাসরি নিয়ন্ত্রণে থাকে না।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ব্যবসা, বাণিজ্য ও বিপণন সম্পর্কিত যেকোনো রাষ্ট্রায়ত্ত ট্রেডিং সংস্থা সাধারণত বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আওতাভুক্ত হয়ে থাকে।
- টিসিবি নামটির সাথে বাণিজ্যের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে বলে এটি সহজেই বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন বলে মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের নিয়ন্ত্রণকারী মন্ত্রণালয় প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়।
- টিসিবির পাশাপাশি একই মন্ত্রণালয়ের অধীন অন্যান্য অধিদপ্তর যেমন রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো সম্পর্কেও ধারণা রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) বরিশাল
১. কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো এর জনশুমারি ও গৃহগণনা অনুযায়ী বরিশাল বিভাগে জনসংখ্যার ঘনত্ব অন্যান্য বিভাগের তুলনায় সবচেয়ে কম।
- ভৌগোলিক বিস্তৃতি এবং নদীমাতৃক ভূপ্রকৃতির কারণে এই অঞ্চলে জনবসতির ঘনত্ব তুলনামূলকভাবে কম গড়ে উঠেছে।
২. জনমিতি ও ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য:
- ভৌগোলিক অবস্থান: বরিশাল বিভাগ দেশের দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত এবং এটি বহু নদী ও খালের জালের মতো বিস্তৃত একটি বদ্বীপ অঞ্চল।
- জনমিতি: কম জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রমাণ করে যে এখানকার অর্থনৈতিক কার্যক্রম এবং শহরায়নের হার অন্যান্য বড় বিভাগের চেয়ে ভিন্ন।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ঢাকা বিভাগ
ব্যাখ্যা: ঢাকা বিভাগে দেশের জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি কারণ এখানে রাজধানী ঢাকা অবস্থিত এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ বেশি।
উদাহরণ ২: চট্টগ্রাম বিভাগ
ব্যাখ্যা: চট্টগ্রাম বিভাগেও জনসংখ্যার ঘনত্ব বেশ ভালো, যা পাহাড়ি অঞ্চল ও বন্দরনগরীর অর্থনৈতিক কার্যক্রমের সাথে সম্পর্কিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সিলেট — সিলেট বিভাগে চা বাগান ও পাহাড়ি অঞ্চলের কারণে সামগ্রিক জনসংখ্যা এবং ঘনত্ব তুলনামূলকভাবে কম হলেও এটি সর্বনিম্ন নয়।
B) খুলনা — খুলনা বিভাগের আয়তন বড় এবং সুন্দরবন অঞ্চলের কারণে এখানেও জনসংখ্যার ঘনত্ব বরিশালের চেয়ে বেশি।
C) বরিশাল — এটি সঠিক উত্তর কারণ জনশুমারির তথ্য অনুযায়ী এখানে জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম।
D) চট্টগ্রাম — চট্টগ্রাম একটি জনবহুল বিভাগ এবং এর পাহাড়ি ও সমতল অঞ্চলে জনবসতি বেশ ঘন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বরিশালের নদী ও খালের আধিক্যের কারণে জনবসতি বিক্ষিপ্ত, তাই এটি মনে রাখবে কম ঘনত্বের বিভাগ হিসেবে।
- ঢাকা হলো সর্বোচ্চ ঘনত্বের এবং বরিশাল হলো সর্বনিম্ন ঘনত্বের বিভাগ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জনশুমারি থেকে প্রায়শই জনমিতি ও জনসংখ্যার ঘনত্ব সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে।
- বিভাগভিত্তিক জনসংখ্যার সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন ঘনত্ব ভালোভাবে মনে রাখা আবশ্যক।
সঠিক উত্তর: A) সিলেট ও চট্টগ্রাম
১. কেন সঠিক:
হরিকেল প্রাচীন বাংলার একটি অন্যতম প্রধান জনপদ। বর্তমান ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী বৃহত্তর সিলেট এবং চট্টগ্রাম অঞ্চল নিয়ে প্রাচীন হরিকেল জনপদ গঠিত হয়েছিল।
২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য:
ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: প্রাচীন বাংলার বিভিন্ন অঞ্চল জনপদ নামে পরিচিত ছিল এবং হরিকেল ছিল তার মধ্যে অন্যতম। সপ্তম ও অষ্টম শতাব্দীতে বিভিন্ন শিলালিপি ও মুদ্রায় হরিকেল জনপদের উল্লেখ পাওয়া যায়।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পুণ্ড্র জনপদ।
ব্যাখ্যা: এটি প্রাচীন বাংলার আরেকটি জনপদ যার বর্তমান অবস্থান রাজশাহী ও বগুড়া অঞ্চলে।
উদাহরণ ২: সমতট জনপদ।
ব্যাখ্যা: এটি প্রাচীন বাংলার বর্তমান কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চল নিয়ে গঠিত ছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সিলেট ও চট্টগ্রাম — এটি সঠিক উত্তর কারণ প্রাচীন হরিকেল জনপদের ভৌগোলিক পরিধি এই অঞ্চলগুলোর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত ছিল।
B) ঢাকা ও ময়মনসিংহ — এটি ভুল কারণ প্রাচীনকালে এই অঞ্চলটি বঙ্গ জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিল।
C) কুমিল্লা ও নোয়াখালী — এটি ভুল কারণ এই অঞ্চলটি প্রাচীন সমতট জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিল।
D) রাজশাহী ও রংপুর — এটি ভুল কারণ এই অঞ্চলটি প্রাচীন পুণ্ড্র ও বরেন্দ্র জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিল।
৫ মনে রাখার টিপস:
হরিকেল জনপদের নাম মনে রাখতে 'হরি' শব্দের সাথে সিলেটের চা বাগান বা পাহাড় ঘেরা চট্টগ্রাম অঞ্চলের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের তুলনা করতে পারো। প্রাচীন জনপদগুলো গুলিয়ে ফেলা থেকে বাঁচতে বর্তমান জেলার সাথে মিলিয়ে পড়বে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রাচীন বাংলার জনপদ থেকে বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। কোন জনপদের বর্তমান অবস্থান কোথায়, তা ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্র
প্রদত্ত তথ্য:
১৯৬৬ সালের ঐতিহাসিক ছয় দফা দাবি
পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসন অর্জনের প্রস্তাব
ধরি,
সকল ক্ষমতা প্রাদেশিক সরকারের অধীনে থাকবে
অতএব,
আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য প্রতিরক্ষা প্রয়োজন
আন্তর্জাতিক সম্পর্কের জন্য পররাষ্ট্র প্রয়োজন
সুতরাং,
এই দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় কেন্দ্রের হাতে রাখা হয়
উত্তর: প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্র
সঠিক উত্তর: C) মাহবুব উদ্দিন আহমেদ
১. কেন সঠিক:
মাহবুব উদ্দিন আহমেদ ১৯৭১ সালে ঝিনাইদহের মহকুমা প্রশাসক বা এসডিও হিসেবে কর্মরত ছিলেন এবং মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে তিনি পুলিশ বাহিনীর মাধ্যমে বিদ্রোহ করে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন।
মুজিবনগর সরকার গঠিত হওয়ার পর ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলার আম্রকান্দা নামক স্থানে এই সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে তাকে গার্ড অব অনার প্রদানের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।
২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য:
ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল স্বাধীন বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকার বা মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় এবং ১৭ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণ করে।
তারিখ ও স্থান: ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ সালে বর্তমান মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলায় (তৎকালীন কুষ্টিয়া মহকুমা) এই শপথ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।
ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: মাহবুব উদ্দিন আহমেদ তৎকালীন পুলিশ কর্মকর্তা ও বীর বিক্রম খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা যিনি এই ঐতিহাসিক অনুষ্ঠানে প্যারেডের নেতৃত্ব দেন।
তাৎপর্য ও ফলাফল: এই গার্ড অব অনারের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকারকে সশস্ত্র সালাম জানানো হয় যা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশের বার্তা দেয়।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলার নাম পরিবর্তন করে মুজিবনগর রাখা হয়।
ব্যাখ্যা: এই স্থানটিকে স্মরণীয় করে রাখতে এবং সরকারের স্মারক হিসেবে বৈদ্যনাথতলাকে মুজিবনগর নামে নামকরণ করা হয়।
উদাহরণ ২: মুজিবনগর সরকারের প্রথম রাষ্ট্রপতি ছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
ব্যাখ্যা: এই সরকার গঠনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের আইনগত ও প্রশাসনিক ভিত্তি শক্ত হয়েছিল এবং বঙ্গবন্ধুর অনুপস্থিতিতে সৈয়দ নজরুল ইসলাম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মোহাম্মদ সোলায়মান — ইনি মুজিবনগর সরকারের গার্ড অব অনারের নেতৃত্ব দেননি এবং তিনি অন্য কোনো ঐতিহাসিক ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি।
B) আব্দুল খালেক — ইনি এই ঐতিহাসিক গার্ড অব অনার প্রদান অনুষ্ঠানে নেতৃত্ব দেওয়ার দায়িত্বে ছিলেন না।
D) শৈলেন্দ্র কিশোর চৌধুরী — ইনি মুজিবনগর সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে প্যারেড বা গার্ড অব অনার পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না।
৫ মনে রাখার টিপস:
মুজিবনগর সরকারের গার্ড অব অনার কে দিয়েছিলেন তা মনে রাখতে নামের প্রথম অংশ মনে রাখতে পারেন, মাহবুব মানে যার দ্বারা মহৎ কিছু হয় এবং তিনি মহকুমা প্রশাসক ছিলেন।
১৭ এপ্রিল ১৯৭১ সালের এই প্যারেড পরিচালনার বিষয়টি বিসিএস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি তথ্য।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
এই প্রশ্নটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ এবং মুজিবনগর সরকারের কাঠামোর সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত।
একই বিষয় থেকে অন্য প্রশ্ন আসতে পারে যেমন মুজিবনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন বা শপথবাক্য কে পাঠ করিয়েছিলেন।
সঠিক উত্তর: B) পাল
১. কেন সঠিক:
- পাল বংশের আমলেই পাহাড়পুরের সোমপুর মহাবিহার নির্মিত হয়েছিল যা বৌদ্ধ ধর্মের শিক্ষা ও সংস্কৃতির অন্যতম প্রধান কেন্দ্র ছিল।
- রাজা ধর্মপাল এই বিশাল বৌদ্ধ বিহার প্রতিষ্ঠা করেন যা তৎকালীন সময়ে এশিয়ার অন্যতম বৃহত্তম স্থাপত্য কীর্তি হিসেবে পরিচিত ছিল।
২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য:
- ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: অষ্টম শতাব্দীতে পাল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা গোবিন্দপালের পুত্র বা রাজা ধর্মপাল বাংলার সিংহাসনে আরোহণের পর এই মহাবিহার নির্মাণ করেন।
- স্থান: বর্তমান বাংলাদেশের রাজশাহী বিভাগের নওগাঁ জেলার বদলগাছী উপজেলার পাহাড়পুর ইউনিয়নে এই ঐতিহাসিক স্থাপনাটি অবস্থিত।
- তাৎপর্য ও ফলাফল: এটি ইউনেস্কো কর্তৃক বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছে এবং প্রাচীন বাংলার স্থাপত্যবিদ্যার উৎকর্ষের এক অনন্য নিদর্শন।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পাহাড়পুরের সোমপুর মহাবিহার
ব্যাখ্যা: এটি প্রাচীন বাংলার পাল আমলের স্থাপত্যের শ্রেষ্ঠ নিদর্শন যা তৎকালীন বৌদ্ধ সংস্কৃতির আন্তর্জাতিক গুরুত্ব বহন করে।
উদাহরণ ২: ময়নামতির শালবন বিহার
ব্যাখ্যা: এটিও প্রাচীন বাংলার বৌদ্ধ সংস্কৃতির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন যা পরীক্ষার জন্য সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মৌর্য — মৌর্য শাসন আমলে বাংলায় বৌদ্ধ ধর্মের বিস্তার ঘটলেও পাহাড়পুরের সোমপুর মহাবিহার নির্মিত হয়নি।
B) পাল — এই অপশনটি সঠিক কারণ পাল রাজারা এই বিশাল বিহারের নির্মাতা।
C) গুপ্ত — গুপ্ত আমলে বাংলায় হিন্দু ধর্মের প্রভাব বেশি ছিল এবং এই সময়ে এই ধরনের বৌদ্ধ বিহার নির্মিত হয়নি।
D) চন্দ্র — চন্দ্র বংশের শাসকরা মূলত সমতট অঞ্চলে রাজত্ব করতেন এবং তাদের আমলের স্থাপত্য কীর্তি ভিন্ন স্থানে অবস্থিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- পাহাড়পুর মানেই পাল বংশ এবং ধর্মপাল।
- রাজা ধর্মপালের নাম মনে রাখলেই সোমপুর মহাবিহারের প্রতিষ্ঠাতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- পাহাড়পুরের সোমপুর মহাবিহার কে নির্মাণ করেন এবং এটি কোথায় অবস্থিত, তা প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
- এই ধরনের প্রশ্ন থেকে প্রাচীন বাংলার রাজবংশ এবং তাদের সৃষ্ট স্থাপত্য সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা লাভ করা যায়।
সঠিক উত্তর: D) রাজিয়া বানু
১. কেন সঠিক:
- রাজিয়া বানু বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়ন কমিটির একমাত্র নারী সদস্য ছিলেন।
- ১৯৭২ সালের ১১ই মার্চ গঠিত ৩৪ সদস্যের সংবিধান প্রণয়ন কমিটিতে তিনি নারী সমাজের প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন।
২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য:
- ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯৭২ সালের ২৩শে মার্চ রাষ্ট্রপতির আদেশে গণপরিষদ আদেশ জারি করা হয় এবং ১২ই এপ্রিল ড. কামাল হোসেনকে সভাপতি করে সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠিত হয়।
- ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: রাজিয়া বানু ছিলেন একজন বিশিষ্ট নারী নেত্রী এবং তৎকালীন গণপরিষদের সদস্য।
- সংবিধান ও আইন: এই কমিটির দীর্ঘ আলোচনার পর ১৯৭২ সালের ৪ঠা নভেম্বর গণপরিষদে সংবিধান গৃহীত হয় এবং ১৬ই ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হয়।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ড. কামাল হোসেন
ব্যাখ্যা: তিনি সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সভাপতি ছিলেন এবং তার নেতৃত্বে মূল সংবিধানের খসড়া তৈরি করা হয়েছিল।
উদাহরণ ২: ১৯৭২ সালের সংবিধান
ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের প্রথম ও সর্বোচ্চ আইন, যা দীর্ঘ সংগ্রামের পর বাঙালি জাতির অধিকার ও রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি নির্ধারণ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সৈেদা সাজেদা চৌধুরী — তিনি একজন প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক হলেও সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্য ছিলেন না।
B) নুরজাহান মোর্শেদ — তিনি নারী অধিকার আন্দোলনের অন্যতম নেত্রী ও গণপরিষদ সদস্য হলেও এই কমিটির সদস্য ছিলেন না।
C) রাফিয়া আক্তার ডলি — তিনি তৎকালীন রাজনীতি ও সমাজসেবার সঙ্গে যুক্ত থাকলেও সংবিধান প্রণয়ন কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত ছিলেন না।
D) রাজিয়া বানু — তিনি সংবিধান প্রণয়ন কমিটির একমাত্র নারী সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সংবিধান লেখার কাজে একমাত্র নারী ছিলেন রাজিয়া বানু, এটি মনে রাখতে নামের শেষাংশের রাজিয়া ও সংবিধানের র দিয়ে মিলিয়ে নিতে পারেন।
- সংবিধান প্রণয়ন কমিটির মোট সদস্য ছিলেন ৩৪ জন এবং এর প্রধান ছিলেন ড. কামাল হোসেন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সংবিধান প্রণয়ন কমিটির একমাত্র নারী সদস্য কে ছিলেন, এই প্রশ্নটি বিসিএস ও বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
- একই বিষয় থেকে কমিটির মোট সদস্য সংখ্যা বা সভাপতির নাম জানতে চেয়েও প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: A) ৯৫
১. কেন সঠিক:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতি নিয়োগ দেন।
- প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতির সাথে পরামর্শ করে আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের অন্যান্য বিচারকদেরও নিয়োগ দান করেন।
২. সংবিধান ও আইন:
- সংবিধান ও আইন: বাংলাদেশের সংবিধানের পঞ্চম ভাগের প্রথম অধ্যায়ে বিচার বিভাগ সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
- সংশ্লিষ্ট অনুচ্ছেদ: সংবিধানের ৯৫ অনুচ্ছেদে সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ সংক্রান্ত বিধান স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: প্রধান বিচারপতি নিয়োগ
ব্যাখ্যা: রাষ্ট্রপতি সংবিধানের ক্ষমতা বলে দেশের প্রধান বিচারপতি পদে যোগ্যতম সিনিয়র বিচারককে নিয়োগ প্রদান করেন।
উদাহরণ ২: বিচারক নিয়োগ প্রক্রিয়া
ব্যাখ্যা: প্রধান বিচারপতির সাথে পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের বিচারকদের নিয়োগ দেন যা দেশের বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৯৫ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই অনুচ্ছেদেই প্রধান বিচারপতি নিয়োগের বিধান রয়েছে।
B) ৯৬ — এই অনুচ্ছেদে সুপ্রিম কোর্টের বিচারকদের অপসারণ এবং তাদের পদের মেয়াদ সম্পর্কিত বিধান আলোচনা করা হয়েছে।
C) ৯৭ — এই অনুচ্ছেদে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি নিয়োগ সংক্রান্ত বিধান স্পষ্টভাবে বর্ণনা করা হয়েছে।
D) ৯৮ — এই অনুচ্ছেদে সুপ্রিম কোর্টে অতিরিক্ত বিচারক নিয়োগ প্রদানের বিশেষ বিধান উল্লেখ রয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সংবিধানের ৯৫ নম্বর অনুচ্ছেদটি মনে রাখার জন্য প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির হাতে এই বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে।
- কাছাকাছি অনুচ্ছেদগুলোর সাথে গুলিয়ে না ফেলে ৯৫ মানেই বিচারক নিয়োগ এই কৌশলটি মনে রাখা যেতে পারে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিচার বিভাগ সংক্রান্ত অনুচ্ছেদ থেকে প্রায়ই আসে।
- একই বিষয় থেকে প্রধান বিচারপতির মেয়াদ বা অপসারণ সংক্রান্ত অনুচ্ছেদ থেকেও প্রশ্ন হতে পারে।
সঠিক উত্তর: B) সৌদিআরব
১. কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ থেকে অতীতে ও বর্তমানে সর্বাধিক জনশক্তি বা কর্মী মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদিআরবে রপ্তানি করা হয়।
- জনশক্তি ও কর্মসংস্থান প্রশিক্ষণ ব্যুরো বা বিএমইটি এর হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশের বৈদেশিক কর্মসংস্থানের সবচেয়ে বড় গন্তব্য সৌদিআরব।
২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য:
জনমিতি ও অর্থনীতি: [প্রাসঙ্গিক ব্যাখ্যা]
- বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের ক্ষেত্রে জনশক্তি রপ্তানি বা প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে সৌদিআরবে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক বাংলাদেশি কর্মী কর্মরত আছেন।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাংলাদেশ ও সৌদিআরব শ্রমবাজার
ব্যাখ্যা: সৌদিআরবে বাংলাদেশের অদক্ষ, অর্ধদক্ষ ও পেশাজীবী কর্মীরা কাজের জন্য যান যা দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে শক্তিশালী করে।
উদাহরণ ২: রেমিট্যান্স প্রবাহ
ব্যাখ্যা: সৌদিআরব থেকে আসা রেমিট্যান্স বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধি করতে এবং গ্রামীণ অর্থনীতি সচল রাখতে প্রধান ভূমিকা রাখে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সংযুক্ত আরব আমিরাত — এই দেশে প্রচুর বাংলাদেশি কর্মী কর্মরত থাকলেও এটি সর্বাধিক জনশক্তি রপ্তানির দিক থেকে শীর্ষ অবস্থানে নেই।
B) সৌদিআরব — এটি সঠিক উত্তর এবং বাংলাদেশ থেকে সবচেয়ে বেশি কর্মী এই দেশটিতে যান।
C) কুয়েত — এই দেশটিতে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বাংলাদেশি কর্মী কাজ করলেও সামগ্রিক পরিমাণের দিক থেকে এটি শীর্ষ দেশ নয়।
D) মালয়েশিয়া — দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার এই দেশটিতে বাংলাদেশি কর্মী গেলেও সৌদিআরবের তুলনায় এর পরিমাণ কম।
৫ মনে রাখার টিপস:
- জনশক্তি রপ্তানিতে প্রথম স্থান মনে রাখতে সৌদি শব্দের শুরু এবং সংখ্যার হিসাব মিলিয়ে রাখা যায়।
- মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে সৌদিআরব বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শ্রমবাজার হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে শীর্ষে রয়েছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিএমইটি এর সর্বশেষ বাৎসরিক প্রতিবেদন থেকে কোন দেশে কত জনশক্তি গেল তা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য জেনে রাখা জরুরি।
- একই বিষয় থেকে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স অর্জনকারী শীর্ষ দেশ বা উৎস সম্পর্কেও প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: C) ৫
১. কেন সঠিক:
২০২৩ সালে নারী ক্যাটাগরিতে বিশেষ অবদানের জন্য মোট ৫ জন বিশিষ্ট নারীকে বেগম রোকেয়া পদক প্রদান করা হয়।
নারী অধিকার রক্ষা, সমাজসংস্কার ও নারীর ক্ষমতায়নে অনন্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশ সরকার প্রতি বছর ৯ ডিসেম্বর এই পদক প্রদান করে থাকে।
২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য:
ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় প্রতি বছর ৯ ডিসেম্বর বেগম রোকেয়া দিবসে এই পদক প্রদান করে থাকে।
তাৎপর্য ও ফলাফল: এই পদক প্রদানের মাধ্যমে বাংলাদেশের নারীদের বহুমুখী অর্জন ও সমাজ উন্নয়নে তাদের অবদানকে রাষ্ট্রীয়ভাবে মূল্যায়ন করা হয়।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বেগম রোকেয়া পদক ২০২৩
ব্যাখ্যা: ২০২৩ সালে নারী শিক্ষায় অবদানের জন্য প্রীতি চক্রবর্ত্তীসহ মোট পাঁচজন নারী এই পদক লাভ করেন।
উদাহরণ ২: বেগম রোকেয়া দিবস
ব্যাখ্যা: প্রতি বছর ৯ ডিসেম্বর বেগম রোকেয়ার জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকীতে এই পদক দেওয়া হয়, যা শিক্ষার্থীদের নারী জাগরণের ইতিহাস জানতে সাহায্য করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৩ — ২০২৩ সালের জন্য এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ সরকার নির্ধারিত কোটায় ৫ জন বিশিষ্ট নারীকে এই পদক প্রদান করেছে।
B) ৪ — বিগত কিছু বছরে এই সংখ্যা ভিন্ন হতে পারে, তবে ২০২৩ সালের জন্য নির্ধারিত নীতিমালা অনুযায়ী নারীর সংখ্যা ৪ জন ছিল না।
C) ৫ — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ ২০২৩ সালে ৫ জন বিশিষ্ট নারীকে বেগম রোকেয়া পদক প্রদান করা হয়েছে।
D) ৬ — ২০২৩ সালে বেগম রোকেয়া পদকপ্রাপ্ত নারীর সংখ্যা ৬ জন ছিল না, সঠিক সংখ্যাটি ৫ জন।
৫ মনে রাখার টিপস:
বেগম রোকেয়া পদক ২০২৩ সালে পেয়েছেন ৫ জন নারী।
মনে রাখার কৌশল হিসেবে রোকেয়া শব্দের অক্ষর এবং প্রাপ্ত নারীর সংখ্যা মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বেগম রোকেয়া পদক কোন মন্ত্রণালয় প্রদান করে এবং কবে প্রদান করা হয় তা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
এই টপিক থেকে পদকপ্রাপ্তদের নাম এবং সাল সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: D) জিম্বাবুয়ে
১. কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ ক্রিকেট দল আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আত্মপ্রকাশের পর প্রথম ওয়ানডে এবং প্রথম টেস্ট সিরিজ জয়ের স্বাদ লাভ করে জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট দলের বিপক্ষে।
- ১৯৯৯ সালে জিম্বাবুয়ে দল বাংলাদেশ সফরে এলে বাংলাদেশ তাদের বিপক্ষে নিজেদের প্রথম ওয়ানডে জয় তুলে নেয় এবং পরবর্তীতে টেস্ট খেলুড়ে দেশ হিসেবে জিম্বাবুয়েকেই প্রথম টেস্ট সিরিজে পরাজিত করে ইতিহাস সৃষ্টি করে।
২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য:
- ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ২০০০ সালে বাংলাদেশ আইসিসির পূর্ণ সদস্য পদ লাভ করার পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিজেদের অবস্থান সুসংহত করার প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে জিম্বাবুয়ে ছিল অন্যতম প্রধান প্রতিপক্ষ।
- তারিখ ও স্থান: বাংলাদেশ তাদের প্রথম ওয়ানডে ম্যাচ জেতে ১৯৯৯ সালের ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে এবং প্রথম টেস্ট সিরিজ জয় করে ২০০৫ সালে দেশের মাঠে।
- তাৎপর্য ও ফলাফল: এই জয়গুলো বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে বিশ্ব ক্রিকেটে আত্মবিশ্বাস জোগাতে এবং টেস্ট খেলুড়ে দেশ হিসেবে নিজেদের প্রমাণ করতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ২০০৪ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে হোম সিরিজে বাংলাদেশ তাদের ইতিহাসের প্রথম টেস্ট ড্র এবং পরবর্তীতে সিরিজ জয় নিশ্চিত করে।
ব্যাখ্যা: এই সিরিজ জয় বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসের প্রথম সিরিজ জয়ের গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায় হিসেবে স্মরণীয় হয়ে আছে।
উদাহরণ ২: ১৯৯৯ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপে পাকিস্তান বধের পর জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দ্বিপক্ষীয় জয় দেশের ক্রিকেটের পালে নতুন হাওয়া লাগিয়েছিল।
ব্যাখ্যা: এটি থেকে পরীক্ষার্থীদের মনে রাখা উচিত যে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিজেদের প্রাথমিক সাফল্যগুলো জিম্বাবুয়ের বিপক্ষেই অর্জন করেছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পাকিস্তান — বাংলাদেশ পাকিস্তানের বিপক্ষে ঐতিহাসিক ওয়ানডে জয় ১৯৯৯ সালের বিশ্বকাপে পেলেও পাকিস্তান বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রথম টেস্ট সিরিজ জয়ের প্রতিপক্ষ ছিল না।
B) দক্ষিণ আফ্রিকা — দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্ব ক্রিকেটের অন্যতম শক্তিশালী দল এবং বাংলাদেশ তাদের বিপক্ষে অনেক পরে ওয়ানডে ও টেস্ট সিরিজ জয় লাভ করেছে।
C) ভারত — ভারত বাংলাদেশের প্রতিবেশী ও ক্রিকেটের পরাশক্তি এবং বাংলাদেশ ভারতের বিপক্ষে ওয়ানডে ও টেস্টে বেশ পরে জয় পেয়েছে।
D) জিম্বাবুয়ে — জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট দল তুলনামূলক দুর্বল প্রতিপক্ষ হওয়ায় বাংলাদেশ তাদের বিপক্ষেই প্রথম ওয়ানডে ও প্রথম টেস্ট সিরিজ জয়ের মাইলফলক স্পর্শ করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- জিম্বাবুয়ে শব্দটির সাথে বাংলাদেশের প্রথম ওয়ানডে এবং প্রথম টেস্ট সিরিজ জয়ের ইতিহাস ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
- প্রথম ওয়ানডে জয় এবং প্রথম টেস্ট সিরিজ জয় উভয় ক্ষেত্রেই উত্তর জিম্বাবুয়ে হবে, যা পরীক্ষার্থীদের মনে রাখা সহজ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বাংলাদেশ কোন দেশের বিপক্ষে প্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলেছিল তা হলো ভারত, কিন্তু প্রথম টেস্ট সিরিজ জয় করে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।
- এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় দেশের ক্রীড়া ইতিহাস যাচাইয়ের জন্য আসে।
সঠিক উত্তর: D) ৪১.৮
১. কেন সঠিক:
- দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ভোট পড়ার হার ছিল একচল্লিশ দশমিক আট শতাংশ।
- নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী সমগ্র দেশের চূড়ান্ত হিসাব এটি।
২. বাংলাদেশের সরকারব্যবস্থা ও সংসদ:
- ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- নির্বাচন কমিশন: প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়ালের অধীনে এই নির্বাচন পরিচালিত হয়।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন
ব্যাখ্যা: ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট পড়ার হার ছিল প্রায় আশি শতাংশ।
উদাহরণ ২: দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন
ব্যাখ্যা: ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অনেক দল অংশগ্রহণ না করায় ভোটার উপস্থিতি কম ছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৪০.৮ — এটি সঠিক উত্তরের কাছাকাছি হলেও নির্বাচন কমিশনের চূড়ান্ত তথ্যের সাথে মিলে না।
B) ৪০.৯ — এটি একটি কাল্পনিক বা কাছাকাছি সংখ্যা যা চূড়ান্ত ফলাফলের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
C) ৪১.৬ — এটি দ্বাদশ জাতীয় সংসদের প্রাথমিক হিসাব হতে পারে কিন্তু চূড়ান্ত অনুমোদিত হার নয়।
D) ৪১.৮ — এটি নির্বাচন কমিশন কর্তৃক প্রদত্ত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের চূড়ান্ত ভোটার উপস্থিতির শতকরা হার।
৫ মনে রাখার টিপস:
দ্বাদশ নির্বাচনের ভোট পড়ার হার মনে রাখতে চার ও এক এর সাথে আট সংখ্যাটি মনে রাখতে হবে।
পূর্ববর্তী নির্বাচনগুলোর সাথে তুলনা করলে এই নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি অনেক কম ছিল।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
নির্বাচন সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভোটার উপস্থিতির হার প্রায়ই আসে।
একই বিষয় থেকে নির্বাচন কমিশনারের নাম বা নির্বাচনের তারিখ সংক্রান্ত প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: A) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
১. কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল গঠিত মুজিবনগর সরকার বাংলাদেশের প্রথম সরকার হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষিত হয় এবং এই ঘোষণাপত্রে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি ঘোষণা করা হয়।
- তাঁর অনুপস্থিতিতে উপরাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন, যা তৎকালীন ঐতিহাসিক ও আইনগত দলিল দ্বারা প্রমাণিত।
২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য:
- ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়ার পরপরই পাকিস্তানি সামরিক জান্তা বঙ্গবন্ধুকে গ্রেপ্তার করে পশ্চিম পাকিস্তানে নিয়ে যায় এবং প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালিত হয়।
- তারিখ ও স্থান: ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার গঠিত হয় এবং ১৭ই এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা বর্তমান মুজিবনগরে আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণ করে।
- ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন প্রবাসী সরকারের রাষ্ট্রপতি এবং সৈয়দ নজরুল ইসলাম ছিলেন অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি।
- তাৎপর্য ও ফলাফল: এই সরকারের অধীনেই সফলভাবে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালিত হয় এবং বিশ্ববাসীর সমর্থন আদায় করে বাংলাদেশ স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ১৯৭১ সালের ১৭ই এপ্রিল মুজিবনগর সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান।
ব্যাখ্যা: এই অনুষ্ঠানে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রথম সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করে এবং বিশ্ববাসীর কাছে নিজেদের বৈধ রাষ্ট্র হিসেবে উপস্থাপন করে।
উদাহরণ ২: স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র ১৯৭১।
ব্যাখ্যা: এই দলিলেই প্রথম স্পষ্টভাবে ঘোষণা করা হয় যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমাদের প্রজাতন্ত্রের প্রথম রাষ্ট্রপতি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি মুজিবনগর সরকারের ঘোষিত প্রথম রাষ্ট্রপতি ছিলেন।
B) সৈয়দ নজরুল ইসলাম — তিনি বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন, রাষ্ট্রপতি নন।
C) তাজউদ্দীন আহমেদ — তিনি বাংলাদেশের প্রথম সরকারের মূল প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
D) বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী — তিনি স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম স্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন ১৯৭২ থেকে ১৯৭৩ সাল পর্যন্ত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বঙ্গবন্ধু হলেন প্রথম রাষ্ট্রপতি এবং তাজউদ্দীন আহমেদ হলেন প্রথম প্রধানমন্ত্রী।
- অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম আর প্রথম স্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে মুজিবনগর সরকারের রাষ্ট্রপতি কে ছিলেন।
- একই বিষয় থেকে ঘুরিয়ে প্রশ্ন আসতে পারে বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি কে ছিলেন।
সঠিক উত্তর: D) হারুন-অর-রশিদ
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরটি নির্বাচনের মূল কারণ হলো গবেষক ও ইতিহাসবিদ অধ্যাপক ড. হারুন-অর-রশিদ স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয় ও ছয় দফা আন্দোলনের ইতিহাস নিয়ে গভীর গবেষণা করেছেন।
- তাঁর রচিত গবেষণামূলক গ্রন্থ দ্য ফোরশেডোয়িং অব বাংলাদেশ মূলত বাঙালি জাতীয়তাবাদ ও স্বায়ত্তশাসনের সংগ্রামের পটভূমি বিস্তারিতভাবে তুলে ধরে।
২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য:
- ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ বৈষম্য এবং আইয়ুব খানের স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে বাঙালি জাতির রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক মুক্তির লড়াই এই গ্রন্থের মূল ভিত্তি।
- ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: অধ্যাপক ড. হারুন-অর-রশিদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক এবং বাংলাদেশ ইতিহাস সমিতির গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত।
- তাৎপর্য ও ফলাফল: এই গ্রন্থ পাঠ করলে পাঠক বুঝতে পারেন কীভাবে পাকিস্তান আমলের দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রামের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পথ তৈরি হয়েছিল।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দি মেকিং অব নেশন বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা: অধ্যাপক ড. হারুন-অর-রশিদ রচিত বাংলাদেশের জন্ম ইতিহাস সম্পর্কিত অপর একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও প্রামাণিক গ্রন্থ।
উদাহরণ ২: বাংলাদেশ এ পলিটিক্যাল হিস্ট্রি অব কান্ট্রি ইন ক্রাইসিস
ব্যাখ্যা: এই ধরনের গবেষণামূলক গ্রন্থগুলো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রার্থীদের ঐতিহাসিক ঘটনার পেছনের কারণ বিশ্লেষণে দক্ষ করে তোলে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রেহমান সোবহান — তিনি বাংলাদেশের প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ ও গবেষক হলেও আলোচ্য গ্রন্থটি তাঁর লেখা নয়। তিনি মূলত অর্থনীতি ও বৈষম্য নিয়ে গবেষণা গ্রন্থ লিখে থাকেন।
B) আনিসুর রহমান — তিনি বাংলাদেশের একজন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও গবেষক। তাঁর কাজের ক্ষেত্র মূলত উন্নয়ন অর্থনীতি ও গ্রামীণ সমাজ হলেও এই গ্রন্থটির সঙ্গে তিনি যুক্ত নন।
C) নুরুল ইসলাম — তিনি ঐতিহাসিক ছয় দফা আন্দোলনের রূপকারদের অন্যতম এবং প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ। তাঁর রচিত বিখ্যাত গ্রন্থ হলো মেইকিং অব এ নেশন বাংলাদেশ।
D) হারুন-অর-রশিদ — এটি সঠিক উত্তর। তিনি এই গবেষণা গ্রন্থটির রচয়িতা এবং তাঁর গবেষণা বাঙালি জাতির মুক্তিসংগ্রামের ইতিহাস সমৃদ্ধ করেছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ফোরশেডোয়িং বা পূর্বভাস শব্দটির সঙ্গে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাস মেলালে মনে রাখা সহজ হয় যে এটি অধ্যাপক হারুন-অর-রশিদের একটি বিখ্যাত গবেষণা কর্ম।
- ইতিহাস ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান সম্পর্কিত গবেষণামূলক বইয়ের নাম দেখলে লেখকদের নামের তালিকা আলাদা করে নোট খাতায় লিখে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস পরীক্ষার লিখিত ও এমসিকিউ উভয় ধাপে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের গবেষণামূলক গ্রন্থ ও গবেষকদের নাম প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
- একই বিষয় থেকে বইয়ের নাম বা লেখকের নাম পরিবর্তন করে অন্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষাতেও প্রশ্ন করা হতে পারে।
সঠিক উত্তর: A) সেপ্টেম্বর
১. কেন সঠিক:
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ২৯তম অধিবেশনে বাংলায় প্রথম ভাষণ প্রদান করেন।
এর মাধ্যমে মাতৃভাষা বাংলার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি এবং বিশ্বমঞ্চে স্বাধীন বাংলাদেশের স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতির জোরালো অবস্থান প্রতিষ্ঠিত হয়।
২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য:
ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্যপদ লাভ করে এবং এর পরপরই সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দেয়।
তাৎপর্য ও ফলাফল: এই ভাষণের মাধ্যমে বিশ্ববাসীর কাছে যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশের পুনর্গঠন এবং শান্তি ও বন্ধুত্বের বার্তা পৌঁছে দেওয়া হয়।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ভাষা আন্দোলন ও একুশে ফেব্রুয়ারি।
ব্যাখ্যা: মাতৃভাষার জন্য বাঙালির এই আত্মত্যাগ ১৯৫২ সাল থেকে শুরু হয়ে ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘের বিশ্বমঞ্চে বাংলায় ভাষণ দেওয়ার মধ্য দিয়ে পূর্ণতা লাভ করে।
উদাহরণ ২: আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস।
ব্যাখ্যা: ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে ২১ ফেব্রুয়ারি আজ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে বিশ্বজুড়ে পালিত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সেপ্টেম্বর — এই অপশনটি সঠিক কারণ ১৯৭৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর বঙ্গবন্ধু জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বাংলায় ভাষণ দিয়েছিলেন।
B) অক্টোবর — এই অপশনটি ভুল কারণ এই মাসে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সেই বিশেষ অধিবেশন ছিল না এবং বঙ্গবন্ধু তখন ভাষণ দেননি।
C) নভেম্বর — এই অপশনটি ভুল কারণ সাধারণ পরিষদের ২৯তম অধিবেশন সেপ্টেম্বর মাসেই অনুষ্ঠিত হয়েছিল এবং বঙ্গবন্ধু তখনই বক্তব্য রাখেন।
D) ডিসেম্বর — এই অপশনটি ভুল কারণ এই মাসে জাতিসংঘে বাংলায় ভাষণ দেওয়ার কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটে নি।
৫ মনে রাখার টিপস:
১৯৭৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসটি মনে রাখুন জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ এবং বঙ্গবন্ধুর বাংলায় ঐতিহাসিক ভাষণ দেওয়ার মাস হিসেবে।
সেপ্টেম্বর মাসের ২৫ তারিখে বঙ্গবন্ধু জাতিসংঘে প্রথম বাংলায় ভাষণ দিয়েছিলেন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বঙ্গবন্ধু কত সালে জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করেন এবং কততম অধিবেশনে বাংলায় ভাষণ দেন, তা প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
একই বিষয় থেকে প্রশ্ন হতে পারে বঙ্গবন্ধু জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে মোট কতবার ভাষণ দিয়েছিলেন।
সঠিক উত্তর: C) শ্যাম বেনেগাল
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরটি সঠিক কারণ ভারতীয় প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা শ্যাম বেনেগাল জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বায়োপিক ‘মুজিব: একটি জাতির রূপকার’ পরিচালনা করেছেন।
- বাংলাদেশ ও ভারত সরকারের যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত এই চলচ্চিত্রটি বাংলাদেশের অভ্যুদয় এবং বঙ্গবন্ধুর বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনকে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরেছে।
২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য:
- ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনসংগ্রাম, ভাষা আন্দোলন, ছয় দফা ও মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের ইতিহাস সেলুলয়েডের ফিতায় ফুটিয়ে তুলতে এই চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করা হয়।
- ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: চলচ্চিত্রটির চিত্রনাট্য লিখেছেন অতুল তিওয়ারি ও শামা জায়েদি এবং বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ প্রযোজনায় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এটি বাস্তবায়ন করে।
- তাৎপর্য ও ফলাফল: এই চলচ্চিত্রের মাধ্যমে সাধারণ মানুষ ও তরুণ প্রজন্ম বাংলাদেশের প্রকৃত ইতিহাস এবং বঙ্গবন্ধুর আত্মত্যাগের আদর্শ সম্পর্কে গভীরভাবে জানতে পেরেছে।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চেরিয়াল ডকুড্রামা
ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র যা ইতিহাসের দলিল হিসেবে কাজ করে।
উদাহরণ ২: জয় বাংলা চলচ্চিত্র
ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রামের চেতনাকে ধারণ করে নির্মিত আরেকটি ঐতিহাসিক চলচ্চিত্র।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গুরু দত্ত — ইনি ভারতের ইতিহাসের একজন প্রখ্যাত চলচ্চিত্রকার ও অভিনেতা হলেও এই চলচ্চিত্রের সঙ্গে যুক্ত নন।
B) শিবু সিরিল — ইনি বিখ্যাত ভারতীয় শিল্প নির্দেশক হলেও এই চলচ্চিত্রের পরিচালক নন।
C) শ্যাম বেনেগাল — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনিই চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেছেন।
D) বিশাল ভরদ্বাজ — ইনি একজন ভারতীয় সুরকার ও চলচ্চিত্র নির্মাতা যিনি এই বায়োপিক পরিচালনা করেননি।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বঙ্গবন্ধু বায়োপিক বা রূপকার মানেই উপমহাদেশের বরেণ্য পরিচালক শ্যাম বেনেগাল।
- বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ উদ্যোগের এই ঐতিহাসিক সিনেমার কারিগর হিসেবে শ্যাম বেনেগাল নামটি মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই চলচ্চিত্রটির প্রযোজক দেশ এবং প্রধান চরিত্র রূপদানকারীদের নাম প্রায়ই আসে।
- একই বিষয় থেকে ছবির চিত্রনাট্যকার বা প্রধান চরিত্রে অভিনয়কারী আরিফিন শুভর নাম নিয়েও প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: B) যমুনা
১. কেন সঠিক:
- যমুনা নদী হলো বাংলাদেশের নবীনতম প্রধান নদী। ১৭৮৭ সালের প্রবল ভূমিকম্প ও বন্যার কারণে তিস্তার গতি পরিবর্তিত হয়ে ব্রহ্মপুত্র নদের সঙ্গে মিলিত হয় এবং ব্রহ্মপুত্র তার পুরানো পথ পরিবর্তন করে দক্ষিণ দিকে নতুন স্রোতধারা সৃষ্টি করে যমুনা নাম ধারণ করে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়।
- ভূপ্রাকৃতিক দিক থেকে এই নদীটির বয়স তুলনামূলক কম হওয়ায় এবং এর গতিপ্রকৃতি ও শাখানদীগুলোর পরিবর্তনশীলতার কারণে নদীবিজ্ঞানীরা একে বাংলাদেশের সবচেয়ে নবীন ও গতিশীল প্রধান নদী হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
২. ভৌগোলিক প্রেক্ষাপট:
- উৎস ও গতিপথ: তিব্বতের মানস সরোবর থেকে উৎপন্ন ব্রহ্মপুত্র নদ আসামের পর কুড়িগ্রাম জেলা দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে এবং দেওয়ানগঞ্জের কাছে যমুনা নাম ধারণ করে পদ্মার সঙ্গে মিলিত হয়।
- ভূতাত্ত্বিক গুরুত্ব: এই নদীটি প্রতিনিয়ত তার গতিপথ পরিবর্তন করে এবং এর ভাঙনপ্রবণতা বাংলাদেশের ভূগোলে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ব্রহ্মপুত্র নদ
ব্যাখ্যা: ব্রহ্মপুত্র নদ তার মূল গতিপথ পরিবর্তন করে যমুনা নদীর সৃষ্টি করেছে, যা আমাদের ভূগোলের একটি বিশাল পরিবর্তন।
উদাহরণ ২: ১৭৮৭ সালের ভূমিকম্প
ব্যাখ্যা: এই ঐতিহাসিক প্রাকৃতিক বিপর্যয়টি নদীটির গতি পরিবর্তন এবং যমুনা নদীর জন্মের মূল কারণ হিসেবে কাজ করেছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পদ্মা — এটি বাংলাদেশের অন্যতম প্রাচীন ও প্রধান নদী যা হিমালয় থেকে উৎপন্ন হয়ে গঙ্গা নামে প্রবাহিত হয়ে পদ্মায় রূপ নিয়েছে।
B) যমুনা — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বাংলাদেশের নবীনতম প্রধান নদী হিসেবে স্বীকৃত।
C) জিঞ্জিরাম — এটি একটি পাহাড়ি নদী কিন্তু এটি বাংলাদেশের নবীনতম প্রধান নদী হিসেবে গণ্য হয় না।
D) মেঘনা — এটি আসামের পাহাড় থেকে উৎপন্ন একটি প্রাচীন নদী যা সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর মিলনে গঠিত হয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
যমুনা নদীর সৃষ্টি হয়েছে ১৭৮৭ সালের ভূমিকম্পের পর। তাই মনে রাখবে ভূমিকম্পের ফল হলো নবীন নদী যমুনা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নদ-নদী সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। যমুনা নদীর উৎপত্তি, গতিপথ এবং এর নামকরণ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা জরুরি।
সঠিক উত্তর: A) যুক্তরাষ্ট্র
প্রদত্ত তথ্য:
বাংলাদেশ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পণ্য রপ্তানি করে
এর মধ্যে একক দেশ হিসেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র শীর্ষে অবস্থান করছে
ধরি,
২০২২ থেকে ২০২৩ অর্থবছরের মোট রপ্তানি আয় বিশ্লেষণ করা হলো
প্রধান রপ্তানি গন্তব্য দেশগুলোর পরিসংখ্যান বিবেচনা করা হলো
অতএব,
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে তৈরি পোশাকসহ বিভিন্ন পণ্যের চাহিদা সবচেয়ে বেশি ছিল
এই অর্থবছরে রপ্তানি আয়ের বড় অংশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে এসেছে
সুতরাং,
২০২২ থেকে ২০২৩ অর্থবছরে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি আয় করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে
উত্তর: যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর: C) ২০৪১
১. কেন সঠিক:
বাংলাদেশের ২য় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা (২০২১-২০৪১) এর মেয়াদ ২০৪১ সালে শেষ হবে। এই পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য হলো ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও উচ্চ আয়ের দেশে রূপান্তর করা।
২. অর্থনীতি, শিল্প, অর্থনীতি ও উন্নয়ন:
প্রেক্ষিত পরিকল্পনাটি রূপকল্প ২০৪১ বাস্তবায়নের প্রধান দলিল হিসেবে কাজ করে। সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ পরিকল্পনা কমিশন এই দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন তদারকি করে থাকে।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: প্রথম প্রেক্ষিত পরিকল্পনা (২০১০-২০২১)
ব্যাখ্যা: এই পরিকল্পনা সফলভাবে বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করে।
উদাহরণ ২: পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা
ব্যাখ্যা: প্রেক্ষিত পরিকল্পনার লক্ষ্য অর্জনের জন্য সরকার প্রতি পাঁচ বছর মেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ করে থাকে, যা এসডিজি অর্জনে সহায়তা করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২০৩১ — এই সালটি বাংলাদেশের কোনো প্রেক্ষিত পরিকল্পনার মেয়াদ সমাপ্তির বছর নয়। এটি এসডিজি অর্জনের নির্ধারিত সময়ের কাছাকাছি একটি বছর।
B) ২০৩৫ — এটি বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা চক্রের কোনো নির্ধারিত সমাপ্তি বছর নয়। তবে এটি বিভিন্ন মধ্যমেয়াদী অর্থনৈতিক লক্ষ্যের সাথে জড়িত থাকতে পারে।
C) ২০৪১ — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলাদেশের দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনার মেয়াদ এই সালেই আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হবে।
D) ২০৪৫ — এই সালটি বাংলাদেশের বর্তমান কোনো প্রেক্ষিত পরিকল্পনার সাথে সম্পর্কিত নয়। এটি একটি দূরবর্তী ভবিষ্যতের বছর হিসেবে ধরা হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
রূপকল্প ২০৪১ এর সাথে মিলিয়ে দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনার শেষ বছর মনে রাখা সহজ। এর মেয়াদকাল হলো ২০২১ থেকে ২০৪১ সাল পর্যন্ত অর্থাৎ মোট কুড়ি বছর।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
এই প্রশ্নটি ব্যাংক নিয়োগ ও বিসিএস পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। একই বিষয় থেকে পরিকল্পনা কমিশনের পূর্ণরূপ বা প্রথম প্রেক্ষিত পরিকল্পনার মেয়াদ নিয়েও প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: B) নারীর ক্ষমতায়ন
প্রদত্ত তথ্য:
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ২০১৬ সালে একটি বিশেষ পদক দেওয়া হয়
পদকটির নাম ছিল প্ল্যানেট ৫০-৫০ চ্যাম্পিয়ন
ধরি,
নারীর ক্ষমতায়নে অবদানের ক্ষেত্রটি বিবেচনা করা হলো
আন্তর্জাতিক সংস্থা ইউএন উইমেন এই সম্মাননা প্রদান করে
অতএব,
নারীর অধিকার রক্ষা ও লিঙ্গ সমতা অর্জনে তাঁর ভূমিকা মূল্যায়ন করা হয়
সমাজ গঠনে তাঁর অসামান্য নেতৃত্বকে বিশ্বজুড়ে স্বীকৃতি দেওয়া হয়
সুতরাং,
টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে তাঁর এই অর্জন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে
উত্তর: নারীর ক্ষমতায়ন
সঠিক উত্তর: C) জামাল নজরুল ইসলাম
১. কেন সঠিক:
- বিশ্বখ্যাত বাঙালি পদার্থবিজ্ঞানী ও গণিতবিদ জামাল নজরুল ইসলাম মহাবিশ্বের সৃষ্টি, কৃষ্ণগহ্বর বা ব্ল্যাক হোল এবং মহাবিশ্বের অন্তিম পরিণতি নিয়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা করেছেন।
- তাঁর রচিত 'দ্য আল্টিমেট ফেট অব দ্য ইউনিভার্স' গ্রন্থে মহাবিশ্ব ও কৃষ্ণগহ্বর সম্পর্কিত মৌলিক তাত্ত্বিক ধারণা তুলে ধরা হয়েছে যা আন্তর্জাতিকভাবে সমাদৃত।
২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য:
ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম ১৯৩৯ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন এবং তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের গাণিতিক পদার্থবিজ্ঞান গবেষণা কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন।
তাৎপর্য ও ফলাফল: তাঁর এই গবেষণা বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের বিজ্ঞানচর্চার মর্যাদা বৃদ্ধি করেছে এবং জ্যোতির্বিজ্ঞান ও তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানে অনন্য অবদান রেখেছে।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ড. কুদরত-ই-খুদা
ব্যাখ্যা: তিনি বাংলাদেশের প্রখ্যাত রসায়নবিদ ও শিক্ষাবিদ যিনি কৃষ্ণগহ্বর নিয়ে গবেষণা করেননি বরং শিক্ষা কমিশন ও বিজ্ঞানচর্চার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
উদাহরণ ২: সত্যেন বসু
ব্যাখ্যা: তিনি বোস-আইনস্টাইন পরিসংখ্যান আবিষ্কারের জন্য বিশ্বখ্যাত হলেও কৃষ্ণগহ্বর গবেষণার জন্য জামাল নজরুল ইসলাম প্রধান বাঙালি বিজ্ঞানী হিসেবে পরিচিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কুদরত-ই-খুদা — তিনি বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশনের প্রধান ও প্রখ্যাত রসায়নবিদ ছিলেন, কৃষ্ণগহ্বর নিয়ে তাঁর কোনো গবেষণা নেই।
B) কাজী মোতাহার হোসেন — তিনি একজন প্রখ্যাত পরিসংখ্যানবিদ, বিজ্ঞানী ও লেখক ছিলেন, যিনি সাহিত্য ও পরিসংখ্যান নিয়ে কাজ করেছেন।
D) আব্দুল মতিন চৌধুরী — তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপক ও উপাচার্য ছিলেন, তবে কৃষ্ণগহ্বর গবেষণার জন্য তিনি পরিচিত নন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মহাকাশ বা কৃষ্ণগহ্বর সংক্রান্ত গবেষণার প্রশ্ন আসলেই চোখ বন্ধ করে অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলামের নাম মনে রাখবে।
- তাঁর বিখ্যাত বই দ্য আল্টিমেট ফেট অব দ্য ইউনিভার্স মনে রাখলেই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নিশ্চিত করা সম্ভব।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিশ্বখ্যাত বাঙালি বিজ্ঞানীদের অবদান থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- একই বিষয় থেকে জামাল নজরুল ইসলামের জন্মসাল, কর্মস্থল বা তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থের নাম নিয়েও প্রশ্ন হতে পারে।
সঠিক উত্তর: A) ৬
প্রদত্ত তথ্য:
বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ দীর্ঘমেয়াদী কৌশলপত্র
এই পরিকল্পনা দেশের পানির নিরাপত্তার জন্য প্রণয়ন করা হয়েছে
ধরি,
দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ভৌগোলিক বৈচিত্র্য বিবেচনা করা হয়েছে
জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিগুলোকে আলাদা করা হয়েছে
অতএব,
উপকূলীয় অঞ্চলকে একটি হটস্পট হিসেবে ধরা হয়েছে
বরেন্দ্র ও খরা প্রবণ অঞ্চলকে হটস্পট হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে
সুতরাং,
সব মিলিয়ে মোট ৬টি ভৌগোলিক হটস্পট নির্ধারণ করা হয়েছে
উত্তর: ৬
সঠিক উত্তর: B) হালদা
১. কেন সঠিক:
- হালদা নদী হলো বাংলাদেশের একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র যেখান থেকে সরাসরি কার্পজাতীয় মাছের রেণু সংগ্রহ করা হয়।
- পাহাড়ি ঢল, নির্দিষ্ট তাপমাত্রা ও নদীর বিশেষ বাঁক বা মেয়রের কারণে এখানে রুই, কাতলা, মৃগেল ও কালবাউশ মাছ প্রাকৃতিকভাবে ডিম ছাড়ে।
২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য:
- ভৌগোলিক অবস্থান: নদীটি খাগড়াছড়ি জেলার বদানা পাহাড়ি অঞ্চল থেকে উৎপত্তি হয়ে চট্টগ্রাম জেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
- অর্থনৈতিক গুরুত্ব: এই নদীর রেণু থেকে উৎপাদিত মাছ দেশের মৎস্য চাহিদা পূরণে এবং আমিষের জোগান নিশ্চিতকরণে জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বঙ্গবন্ধু মৎস্য হেরিটেজ
ব্যাখ্যা: হালদা নদীর অনন্য প্রাকৃতিক গুরুত্ব ও জীববৈচিত্র্য রক্ষা করার জন্য সরকার এটিকে বঙ্গবন্ধু মৎস্য হেরিটেজ ঘোষণা করেছে।
উদাহরণ ২: মা মাছ রক্ষা অভিযান
ব্যাখ্যা: প্রজনন মৌসুমে হালদা নদীতে মা মাছ শিকার রোধে স্থানীয় প্রশাসন ও মৎস্য অধিদপ্তর কঠোর নজরদারি ও অভিযান পরিচালনা করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সালদা — এটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার একটি ছোট নদী যা মাছের প্রজননের জন্য বিখ্যাত নয়।
B) হালদা — এটি প্রাকৃতিক কার্পজাতীয় মাছের রেণু উৎপাদনের প্রধান ও একমাত্র প্রাকৃতিক উৎস।
C) পদ্মা — এটি বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান ও বৃহৎ নদী তবে এটি প্রধানত বড় নদীর গতিপ্রকৃতি ও প্রধান অববাহিকার জন্য পরিচিত।
D) কুমার — এটি গড়াই নদীর একটি শাখা নদী যা রেণু উৎপাদনের জন্য পরিচিত নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- প্রাকৃতিক রেণুর রাজা হালদা নদী।
- নামের মিল মনে রেখেই মনে রাখবে প্রকৃতির দান হালদা নদীর রেণু অমূল্য অবদান।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- হালদা নদী কোন জেলায় অবস্থিত এবং এর ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য কী, তা প্রায়ই বিসিএস ও ব্যাংক পরীক্ষায় আসে।
- প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র হিসেবে হালদা নদীর অনন্য মর্যাদা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) নির্বাহী বিভাগ
১. কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা হলেও তিনি বিচার বিভাগের কোনো অংশ নন, বরং সরকারের নির্বাহী বিভাগের অধীনে দায়িত্ব পালন করেন।
- সংবিধানের ৬৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি কর্তৃক তিনি নিযুক্ত হন এবং সরকারের ইচ্ছাধীন পদে বহাল থাকেন বলে এটি নির্বাহী বিভাগের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদ।
২. সংবিধান ও প্রশাসন:
- সংবিধান ও আইন: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৪ অনুচ্ছেদে অ্যাটর্নি জেনারেলের পদ সৃষ্টির বিধান ও তার কার্যাবলি সম্পর্কে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
- ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: রাষ্ট্রপতি কর্তৃক সুপ্রিম কোর্টের বিচারক হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন কোনো ব্যক্তিকে অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ প্রদান করা হয়।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আইনমন্ত্রী
ব্যাখ্যা: আইনমন্ত্রী সরকারের নির্বাহী বিভাগের একজন মন্ত্রী এবং আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়ায় মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করেন।
উদাহরণ ২: সুপ্রিম কোর্টের বিচারক
ব্যাখ্যা: বিচার বিভাগের সাথে যুক্ত বিচারকরা সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে বিচারকার্য পরিচালনা করেন এবং তারা নির্বাহী বিভাগের আওতাভুক্ত নন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় — এটি সরকার প্রধানের প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার দপ্তর, সরাসরি অ্যাটর্নি জেনারেলের অফিস এখানে অবস্থিত নয়।
B) বিচার বিভাগ — অ্যাটর্নি জেনারেল আদালতে সরকারের পক্ষে আইনি সহায়তা দিলেও তিনি বিচার বিভাগের অংশ নন।
D) মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ — এটি মন্ত্রিপরিষদের সচিবালয় ও নীতিনির্ধারণী সহায়তা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান, অ্যাটর্নি জেনারেল এই বিভাগের কর্মকর্তা নন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মনে রাখবে অ্যাটর্নি জেনারেল রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হন এবং সরকারের মামলা পরিচালনা করেন তাই তিনি নির্বাহী বিভাগের কর্মকর্তা।
- বিচার বিভাগ স্বাধীন হওয়ায় বিচারকদের সাথে অ্যাটর্নি জেনারেলের প্রশাসনিক বা কাঠামোগত কোনো সম্পর্ক নেই।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রশ্নটি সংবিধানের ৬৪ অনুচ্ছেদ এবং রাষ্ট্রের নির্বাহী বিভাগ ও বিচার বিভাগের পার্থক্যের ওপর ভিত্তি করে করা হয়।
- একই বিষয় থেকে বিসিএস পরীক্ষায় অনুচ্ছেদ বা নিয়োগকর্তা সম্পর্কে প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: A) গারো
১. কেন সঠিক:
গারো জাতিগোষ্ঠীর সমাজব্যবস্থা মাতৃপ্রধান, যেখানে বংশ ও সম্পত্তি মায়ের দিক থেকে উত্তরাধিকারসূত্রে নির্ধারিত হয়। এই সমাজে মাতৃতান্ত্রিক পরিবার প্রথার কারণে নারীরা পরিবারের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে ভূমিকা পালন করেন।
২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য:
ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: গারো সমাজের এই মাতৃপ্রধান ব্যবস্থা তাদের প্রাচীন প্রথা ও সংস্কৃতির একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে শতাব্দী ধরে চলে আসছে।
তাৎপর্য ও ফলাফল: এই ব্যবস্থায় পরিবারের প্রধান বা কতৃত্বের অধিকারী হন মাতা এবং সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হন ছোট মেয়ে।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: খাসিয়া সমাজ
ব্যাখ্যা: গারোদের পাশাপাশি বাংলাদেশের খাসিয়া ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীও মাতৃপ্রধান পরিবার ব্যবস্থার অনুসারী।
উদাহরণ ২: মারমা সমাজ
ব্যাখ্যা: মারমা সমাজ ব্যবস্থা মূলত পিতৃতান্ত্রিক, যা গারোদের মাতৃপ্রধান সমাজের বিপরীত একটি উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গারো — এই অপশনটি সঠিক কারণ গারো সমাজে মাতৃপ্রধান পরিবার ব্যবস্থা প্রচলিত রয়েছে।
B) সাওতাল — সাওতাল সমাজব্যবস্থা পিতৃতান্ত্রিক এবং এখানে পুরুষরা পরিবারের প্রধান হয়ে থাকেন।
C) মনিপুরি — মনিপুরি সমাজব্যবস্থাও মূলত পিতৃতান্ত্রিক ধারায় পরিচালিত হয়।
D) চাকমা — চাকমা সমাজে পিতৃতান্ত্রিক পরিবার ব্যবস্থা বিদ্যমান এবং সম্পত্তির উত্তরাধিকারী সাধারণত ছেলেরা হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
গারোদের মাতৃপ্রধান সমাজ মনে রাখার সহজ উপায় হলো গারো শব্দের প্রথম অক্ষর গ এবং মাতৃপ্রধান কথার শুরু ম দিয়ে, যা গ-ম অর্থাৎ গড় মিল নেই এমন ব্যতিক্রমী প্রথা হিসেবে মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপজাতি বা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সামাজিক ব্যবস্থা থেকে প্রায়ই আসে। একই বিষয় থেকে খাসিয়াদের সমাজব্যবস্থা সম্পর্কেও প্রশ্ন হতে পারে।
সঠিক উত্তর: A) আইসল্যান্ড
১. কেন সঠিক:
আইসল্যান্ড বৈশ্বিক শান্তিসূচক বা গ্লোবাল পিস ইনডেক্স ২০২৩ অনুযায়ী বিশ্বের সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ দেশ হিসেবে শীর্ষস্থান অর্জন করেছে।
২০০৮ সাল থেকে এই সূচকে দেশটি ধারাবাহিকভাভে প্রথম স্থান ধরে রেখেছে এবং সেখানে অভ্যন্তরীণ সংঘাত ও অপরাধের হার অত্যন্ত কম।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
দেশ: আইসল্যান্ড (ইউরোপের একটি দ্বীপরাষ্ট্র)
প্রতিষ্ঠা বা প্রকাশ: ইনস্টিটিউট ফর ইকোনমিকস অ্যান্ড পিস বা আইইপি ২০০৭ সাল থেকে এই প্রতিবেদন প্রকাশ করে আসছে।
সদর দপ্তর: সিডনি, অস্ট্রেলিয়া (আইইপি এর প্রধান কার্যালয়)
প্রেক্ষাপট: সামরিকীকরণ, সমাজ ও নিরাপত্তা এবং অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক সংঘাতের মাত্রা পরিমাপ করে এই সূচক তৈরি করা হয়।
উদ্দেশ্য বা গুরুত্ব: বিশ্বের দেশগুলোর মধ্যে শান্তির মাত্রা মূল্যায়ন করা এবং সহিংসতা হ্রাসে নীতিনির্ধারকদের সহায়তা করা।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ডেনমার্ক
ব্যাখ্যা: বৈশ্বিক শান্তিসূচক ২০২৩ এ আইসল্যান্ডের পরেই ডেনমার্ক দ্বিতীয় শান্তিপূর্ণ দেশ হিসেবে স্থান লাভ করেছে।
উদাহরণ ২: আফগানিস্তান
ব্যাখ্যা: একই সূচকে টানা কয়েক বছর ধরে বিশ্বের সবচেয়ে কম শান্তিপূর্ণ বা সংঘাতপূর্ণ দেশ হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আসছে আফগানিস্তান।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আইসল্যান্ড — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং বৈশ্বিক শান্তিসূচক ২০২৩ অনুযায়ী বিশ্বের সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ দেশ।
B) জাপান — এটি এশিয়ার অন্যতম শান্তিপূর্ণ ও উন্নত দেশ হলেও বৈশ্বিক শান্তিসূচক ২০২৩ এ প্রথম স্থান অর্জন করেনি।
C) সিংগাপুর — এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি অত্যন্ত নিরাপদ ও উন্নত রাষ্ট্র হলেও শান্তিসূচকের শীর্ষ দেশ নয়।
D) সুইজারল্যান্ড — এটি বিশ্বের অন্যতম নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ রাষ্ট্র হলেও ২০২৩ সালের এই সূচকে আইসল্যান্ডের পেছনে অবস্থান করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
শান্তিতে আইস বা বরফের মতো ঠান্ডা ও স্থিতিশীল দেশ হিসেবে আইসল্যান্ডকে মনে রাখতে পারেন।
আইসল্যান্ড ২০০৮ সাল থেকেই এই সূচকের শীর্ষে অবস্থান করছে, যা একটি স্থায়ী বিশ্বরেকর্ড।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই বৈশ্বিক শান্তিসূচকের শীর্ষ দেশ সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
একই বিষয় থেকে পরবর্তীতে সূচক প্রকাশকারী সংস্থা বা এর সূচকের ভিত্তি সম্পর্কেও প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: C) ২০ জুন
১. কেন সঠিক:
- প্রতি বছর ২০ জুন বিশ্ব শরণার্থী দিবস পালিত হয়, যা যুদ্ধ, সংঘাত ও নিপীড়নের কারণে গৃহহারা মানুষের সাহস ও টিকে থাকার সংগ্রামকে সম্মান জানাতে নির্ধারিত।
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২০০১ সাল থেকে শরণার্থী দিবসের স্বীকৃতি দেওয়া হয়, যা মূলত আফ্রিকান শরণার্থী দিবসের স্মরণে বিশ্বব্যাপী সম্প্রসারিত হয়।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
- সংস্থা: জাতিসংঘ বা United Nations এবং এর অঙ্গসংস্থা ইউএনএইচসিআর বা UNHCR।
- প্রতিষ্ঠা/তারিখ: ২০ জুন ২০০১ সালে প্রথম বিশ্ব শরণার্থী দিবস পালিত হয়, যা ১৯৭৪ সালের আফ্রিকান শরণার্থী দিবসের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ।
- প্রেক্ষাপট: বিশ্বজুড়ে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়া এবং তাদের আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে এই দিনটি পালিত হয়।
- উদ্দেশ্য/গুরুত্ব: শরণার্থীদের অধিকার রক্ষা, মানবিক সহায়তা প্রদান এবং তাদের নিজ দেশে নিরাপদ প্রত্যাবর্তনের পরিবেশ তৈরির জন্য বিশ্ববাসীর সচেতনতা বৃদ্ধি করা।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ইউএনএইচসিআর বা UNHCR
ব্যাখ্যা: এটি জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশন, যার সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত এবং এটি বিশ্বজুড়ে শরণার্থীদের সুরক্ষা দিয়ে থাকে।
উদাহরণ ২: ১৯৫১ সালের শরণার্থী কনভেনশন
ব্যাখ্যা: এটি আন্তর্জাতিক আইনের একটি মূল দলিল, যা শরণার্থীদের সংজ্ঞা এবং রাষ্ট্রগুলোর প্রতি তাদের আইনি বাধ্যবাধকতা নির্ধারণ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৫ জুন — এই তারিখে বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হয়, যা পরিবেশ রক্ষা ও সচেতনতা বৃদ্ধির সঙ্গে সম্পর্কিত কিন্তু শরণার্থী দিবসের সঙ্গে নয়।
B) ১০ জুন — এই তারিখে আন্তর্জাতিক স্তরে কোনো প্রধান বৈশ্বিক শরণার্থী দিবস বা বড় ধরনের আন্তর্জাতিক দিবস পালিত হয় না।
C) ২০ জুন — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই দিনটি জাতিসংঘের উদ্যোগে বিশ্ব শরণার্থী দিবস হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্বব্যাপী পালিত হয়।
D) ২৫ জুন — এই তারিখে বিশেষ কোনো বিশ্ব শরণার্থী দিবস নেই, তবে এটি বিভিন্ন দেশের জাতীয় দিবস বা ভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- জুন মাসের বিশ তারিখটি মনে রাখার জন্য যুদ্ধ ও বাস্তুচ্যুতির শিকার মানুষের কথা স্মরণ করতে পারো, যেখানে সংখ্যাটি ২০ এবং মাসটি জুন।
- পরিবেশ দিবস ৫ জুন এবং শরণার্থী দিবস ২০ জুন, এই দুটি তারিখ পরীক্ষার সময় প্রায়ই গুলিয়ে যায়, তাই জুন মাসের প্রথমার্ধ ও দ্বিতীয়ার্ধ আলাদা করে মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জাতিসংঘের বিভিন্ন আন্তর্জাতিক দিবসের তারিখ এবং এর অঙ্গসংস্থার নাম জানতে চাওয়া হয়।
- ইউএনএইচসিআরের সদর দপ্তর কোথায় এবং এর প্রধান কাজ কী, তা এই প্রশ্ন থেকে পরীক্ষার্থীরা ভালোভাবে আয়ত্ত করতে পারে।
সঠিক উত্তর: A) রোমান আইনের ভিত্তি
১. কেন সঠিক:
বার বিধি বা দ্য টুয়েলভ টেবিলস প্রাচীন রোমান আইনের ইতিহাসে প্রথম লিখিত আইনসংহিতা হিসেবে পরিচিত।
রোমান প্রজাতন্ত্রের শুরুর দিকে সাধারণ মানুষ বা প্লেবিয়ানদের আইনি অধিকার রক্ষার্থে খ্রিস্টপূর্ব ৪৫১ থেকে ৪৫০ অব্দে এই আইন প্রণয়ন করা হয়।
২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও গুরুত্ব:
স্থান: প্রাচীন রোম, ইতালি।
প্রেক্ষাপট: অভিজাত শ্রেণি বা প্যাট্রিশিয়ানদের খেয়ালখুশি মতো বিচার রোধ করতে সাধারণ মানুষের দাবির মুখে এই আইন তৈরি করা হয়।
গুরুত্ব: এটি আধুনিক সাংবিধানিক আইন এবং নাগরিক অধিকারের ধারণার বিকাশে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হাম্মুরাবি কোড
ব্যাখ্যা: এটি প্রাচীন ব্যাবিলনীয় আইনের সংহিতা, যা বিশ্বের প্রাচীনতম লিখিত আইনগুলোর মধ্যে অন্যতম হিসেবে পরিচিত।
উদাহরণ ২: ম্যাগনাকার্টা
ব্যাখ্যা: এটি ইংল্যান্ডের ঐতিহাসিক সনদ, যা আধুনিক গণতান্ত্রিক আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে বার বিধির মতো একটি মাইলফলক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রোমান আইনের ভিত্তি — এটি সঠিক উত্তর কারণ বার বিধি প্রাচীন রোমান আইনের প্রথম লিখিত রূপ এবং ভিত্তি হিসেবে কাজ করেছে।
B) স্থাপত্যের ১২টি নির্দেশনা — এটি সম্পূর্ণ ভুল অপশন কারণ বার বিধি কোনো স্থাপত্য বা ভবন নির্মাণের নিয়মাবলি নয়।
C) ফুটবল খেলার নিয়মাবলি — এটি ভুল কারণ আধুনিক ফুটবল খেলার নিয়মাবলি ফুটবলের আন্তর্জাতিক সংস্থা ফিফা এবং আইএফএবি দ্বারা নির্ধারিত হয়।
D) স্থানীয়/দেশি খেলা — এটি ভুল কারণ বার বিধি কোনো খেলাধুলা বা বিনোদনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়, এটি সম্পূর্ণ আইনি ইতিহাস।
৫. মনে রাখার টিপস:
বার বিধি বা টুয়েলভ টেবিলস মানে ১২টি ব্রোঞ্জের ফলক, যাতে প্রাচীন রোমের প্রথম লিখিত আইন খোদাই করা ছিল।
আইন ও রোম শব্দটি একসঙ্গে মনে রাখলেই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর সহজে চিহ্নিত করা যাবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
এই প্রশ্নটি বিশ্ব ইতিহাস এবং আন্তর্জাতিক আইন বা প্রাচীন সভ্যতার ইতিহাস থেকে বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
রোমান আইন এবং হাম্মুরাবি কোডের মধ্যে পার্থক্য সম্পর্কেও প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: D) ভারত ও পাকিস্তান
১. কেন সঠিক:
সিয়াচেন হিমবাহটি ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার বিতর্কিত কাশ্মীর অঞ্চলে অবস্থিত।
এটি বিশ্বের অন্যতম উচ্চতম এবং সবচেয়ে শীতল রণক্ষেত্র হিসেবে পরিচিত।
২. সীমান্ত বিরোধ ও ভূরাজনীতি:
দেশ: ভারত ও পাকিস্তান
অবস্থান: কারাকরম পর্বতমালা
প্রেক্ষাপট: ১৯৮৪ সালে অপারেশন মেঘদূত পরিচালনার মাধ্যমে ভারত এই হিমবাহের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করে।
গুরুত্ব: এটি কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি চীন, পাকিস্তান ও ভারতের ত্রিমুখী সংযোগস্থলের কাছাকাছি অবস্থিত।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কার্গিল যুদ্ধ
ব্যাখ্যা: এটি ১৯৯৯ সালে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সংঘটিত অপর একটি উচ্চ উচ্চতার সামরিক সংঘাত।
উদাহরণ ২: লাইন অফ কন্ট্রোল
ব্যাখ্যা: এটি কাশ্মীর অঞ্চলে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি রেখা, যা সিয়াচেন অঞ্চলের ভূরাজনীতির সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভারত ও চীন — এই দুই দেশের সীমান্ত বিরোধ আকসাই চিন বা অরুণাচল প্রদেশ নিয়ে, সিয়াচেন হিমবাহের সঙ্গে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই।
B) নেপাল ও চীন — নেপাল ও চীনের সীমান্তে মাউন্ট এভারেস্ট অবস্থিত, সিয়াচেন হিমবাহ নয়।
C) পাকিস্তান ও চীন — সিয়াচেন হিমবাহ অঞ্চলে পাকিস্তান ও চীন নয়, বরং পাকিস্তান ও ভারতের মুখোমুখি অবস্থান রয়েছে।
D) ভারত ও পাকিস্তান — এই অপশনটি সঠিক কারণ হিমবাহটির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে এই দুই দেশ দীর্ঘদিন ধরে মুখোমুখি অবস্থানে রয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
সিয়াচেন হলো ছাদ বা উচ্চভূমি, যা নিয়ে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে দ্বন্দ্ব রয়েছে।
কারাকরম পর্বতমালায় অবস্থিত এই হিমবাহের নাম মনে রাখতে পারলে সীমান্ত বিরোধের প্রশ্নগুলো সহজ হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
সিয়াচেন হিমবাহ বিশ্বের সর্বোচ্চ যুদ্ধক্ষেত্র হিসেবে বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
এখান থেকে অপারেশন মেঘদূত এবং কারাকরম পর্বতমালা সম্পর্কিত প্রশ্নও হতে পারে।
সঠিক উত্তর: B) মানসম্মত শিক্ষা
১. কেন সঠিক:
- টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার চতুর্থ লক্ষ্যটি সবার জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সমতাভিত্তিক মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা এবং জীবনব্যাপী শিক্ষার সুযোগ তৈরি করার ওপর জোর দেয়।
- জাতিসংঘ ২০১৫ সালে এমডিজি বা সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার উত্তরসূরি হিসেবে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বা এসডিজি গ্রহণ করে।
২. আন্তর্জাতিক সংস্থা ও প্রেক্ষাপট:
- সংস্থা: জাতিসংঘ বা ইউএন।
- প্রতিষ্ঠা: ২৪ অক্টোবর ১৯৪৫ সাল।
- সদর দপ্তর: নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র।
- উদ্দেশ্য: বিশ্বশান্তি রক্ষা, মানবাধিকার সুরক্ষা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করা।
- গুরুত্ব: এসডিজি কর্মসূচিতে মোট ১৭টি লক্ষ্য এবং ১৬৯টি প্রাক্কলন বা টার্গেট নির্ধারণ করা হয়েছে, যার সময়কাল ২০৩০ সাল পর্যন্ত।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: এসডিজি লক্ষ্যমাত্রা এক
ব্যাখ্যা: এটি দারিদ্র্য বিমোচনের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত, যা এসডিজির প্রথম লক্ষ্য।
উদাহরণ ২: এসডিজি লক্ষ্যমাত্রা তেরো
ব্যাখ্যা: এটি জলবায়ু পরিবর্তন ও এর প্রভাব মোকাবিলায় জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের সঙ্গে সম্পর্কিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জলবায়ু কার্যক্রম — এটি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার ত্রয়োদশ বা ১৩তম লক্ষ্য।
B) মানসম্মত শিক্ষা — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে চতুর্থ লক্ষ্যমাত্রা।
C) দারিদ্র বিমোচন — এটি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার প্রথম বা ১ম লক্ষ্যমাত্রা।
D) শান্তি, ন্যায়বিচার ও কার্যকর প্রতিষ্ঠান — এটি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার ষোড়শ বা ১৬তম লক্ষ্যমাত্রা।
৫. মনে রাখার টিপস:
- এক নম্বরে পেট বা ক্ষুধা ও দারিদ্র্য এবং চার নম্বরে শিক্ষা অর্থাৎ চার অক্ষরের শব্দ শিক্ষা চার নম্বরে রয়েছে এভাবে মনে রাখা যায়।
- এসডিজি মোট ১৭টি লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে এবং এর মেয়াদকাল ২০৩০ সাল পর্যন্ত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এসডিজির প্রথম লক্ষ্য হলো দারিদ্র্য বিমোচন এবং শেষ লক্ষ্য হলো অংশীদারিত্ব অর্জন।
- এই টপিক থেকে প্রায়ই এসডিজির বিভিন্ন নম্বর বা লক্ষ্য কোন খাতে তা জানতে চাওয়া হয়।
সঠিক উত্তর: A) কার্টাগেনা প্রটোকল
১. কেন সঠিক:
জৈব নিরাপত্তা বা Biosafety বিষয়টি মূলত জীবপ্রযুক্তির ফলে উদ্ভূত সম্ভাব্য ঝুঁকি থেকে জীববৈচিত্র্য ও মানবস্বাস্থ্য রক্ষা করার সঙ্গে সম্পর্কিত।
Convention on Biological Diversity বা জীববৈচিত্র্য সনদের অধীনে এই নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য কার্টাগেনা প্রটোকল গ্রহণ করা হয়।
২. আন্তর্জাতিক চুক্তি ও প্রটোকল:
চুক্তি বা সম্মেলনের নাম: কার্টাগেনা প্রটোকল অন বায়োসেফটি।
তারিখ ও স্থান: ২০০০ সালের ২৯ জানুয়ারি কানাডার মন্ট্রিলে এটি চূড়ান্ত হয় এবং ২০০৩ সালের ১১ সেপ্টেম্বর কার্যকর হয়।
সংশ্লিষ্ট সংস্থা: কনভেনশন অন বায়োলজিক্যাল ডাইভারসিটি বা সিবিডি।
প্রধান উদ্দেশ্য ও সিদ্ধান্ত: জিন পরিবর্তিত জীব বা এলএমও এক দেশ থেকে অন্য দেশে স্থানান্তরের সময় পরিবেশ ও মানবস্বাস্থ্যের ওপর যেন ক্ষতিকর প্রভাব না পড়ে, তা নিশ্চিত করা।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাংলাদেশ কার্টাগেনা প্রটোকলে স্বাক্ষরকারী একটি দেশ।
ব্যাখ্যা: বাংলাদেশ জীববৈচিত্র্য রক্ষা ও আমদানিকৃত জিন পরিবর্তিত ফসলের ক্ষেত্রে এই প্রটোকলের নীতিমালা অনুসরণ করে।
উদাহরণ ২: জিন পরিবর্তিত খাদ্য বা জীব আমদানির ক্ষেত্রে পরিবেশগত ছাড়পত্র।
ব্যাখ্যা: এটি পরীক্ষার্থীকে বুঝতে সাহায্য করে যে জৈব নিরাপত্তা কেবল গবেষণাগারের বিষয় নয়, এটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের সঙ্গেও জড়িত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কার্টাগেনা প্রটোকল — এটি জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক চুক্তি হওয়ায় সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।
B) মন্ট্রিল প্রটোকল — এটি বায়ুমণ্ডলের ওজনস্তর ক্ষয়কারী উপাদানগুলোর ব্যবহার হ্রাসের সঙ্গে সম্পর্কিত পরিবেশগত চুক্তি।
C) কিয়াটো প্রটোকল — এটি শিল্পোন্নত দেশগুলোর গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমানোর লক্ষ্যে স্বাক্ষরিত জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক চুক্তি।
D) প্যারিস চুক্তি — এটি বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি শিল্পযুগের আগের তুলনায় দুই ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে সীমিত রাখার আন্তর্জাতিক চুক্তি।
৫. মনে রাখার টিপস:
জীববৈচিত্র্য বা জৈব নিরাপত্তার সঙ্গে কার্টাগেনা শব্দটি যুক্ত করার জন্য মনে রাখতে পারেন যে জীববৈচিত্র্যের দেশ হিসেবে লাতিন আমেরিকার দেশগুলোর প্রসঙ্গ এলে কার্টাগেনা নামটির কথা সহজে মনে রাখা যায়।
ওজনস্তর বললে মন্ট্রিল এবং গ্রিনহাউস গ্যাস বা জলবায়ু বললে কিয়াটো প্রটোকল মনে রাখবেন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কার্টাগেনা প্রটোকল কত সালে কার্যকর হয়, এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে।
একই বিষয় থেকে প্রটোকলটি কোন সনদের অধীনে গৃহੀত হয়েছে বা এর মূল আলোচ্য বিষয় কী, সে ধরনের প্রশ্নও আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: B) পরিবেশবাদী আন্দোলন
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরটি পরিবেশবাদী আন্দোলন কারণ এটি বিশ্বজুড়ে জলবায়ু পরিবর্তন রোধ ও কার্বন নিঃসরণ কমানোর দাবিতে গড়ে ওঠা একটি বৈশ্বিক তরুণ আন্দোলন।
- সুইডিশ পরিবেশকর্মী গ্রেটা থানবার্গ ২০১৮ সালে সুইডিশ পার্লামেন্টের সামনে একা প্রতিবাদ শুরু করার মাধ্যমে এই আন্দোলনের সূচনা করেন।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
- প্রেক্ষাপট: ২০১৮ সালে জাতিসংঘের জলবায়ু সম্মেলন বা কপ চব্বিশ এর সময় গ্রেটা থানবার্গ স্কুল বর্জন করে জলবায়ু রক্ষার দাবি জানান।
- উদ্দেশ্য/গুরুত্ব: বিশ্বনেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করা এবং তরুণ প্রজন্মের ভবিষ্যৎ সুরক্ষায় অবিলম্বে কার্যকর নীতি গ্রহণ করা।
- ফলাফল/প্রভাব: প্রতি শুক্রবার স্কুল ও ক্লাস বর্জন করে রাজপথে নামার মাধ্যমে আন্দোলনটি ফ্রাইডেজ ফর ফিউচার নামে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গ্রেটা থানবার্গ
ব্যাখ্যা: এই তরুণ পরিবেশকর্মী এই আন্দোলনের মূল প্রবক্তা এবং বিশ্বজুড়ে যুবসমাজকে জলবায়ু সচেতনতায় উদ্বুদ্ধ করার প্রতীক।
উদাহরণ ২: কপ ছাব্বিশ বা গ্লাসগো জলবায়ু সম্মেলন
ব্যাখ্যা: এই ধরনের আন্তর্জাতিক সম্মেলনে যুবসমাজ তাদের দাবি জোরালোভাবে তুলে ধরে এবং পরিবেশবাদী আন্দোলনের গুরুত্ব বিশ্বমঞ্চে প্রতিষ্ঠিত করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ধর্মীয় আন্দোলন — এটি কোনো ধর্মীয় বা আধ্যাত্মিক কর্মকাণ্ড বা মতাদর্শ প্রচারের উদ্দেশ্যে গঠিত কোনো আন্দোলন নয়।
B) পরিবেশবাদী আন্দোলন — এটি সঠিক কারণ এই আন্দোলনটি সম্পূর্ণভাবে জলবায়ু সংকট ও পরিবেশ সুরক্ষার সঙ্গে যুক্ত।
C) শান্তিবাদী আন্দোলন — এটি যুদ্ধবিরতি বা সামরিক সংঘাত বন্ধের জন্য গঠিত কোনো ঐতিহ্যগত শান্তি আন্দোলন নয়।
D) গণতান্ত্রিক আন্দোলন — এটি কোনো দেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থা পরিবর্তন বা ভোটাধিকার আদায়ের সংগ্রামের সঙ্গে যুক্ত নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ফ্রাইডে মানে শুক্রবার এবং ফিউচার মানে ভবিষ্যৎ, অর্থাৎ ভবিষ্যতের পৃথিবী বাঁচাতে সপ্তাহের এক দিন শুক্রবার স্কুল বর্জনের পরিবেশ আন্দোলন।
- গ্রেটা থানবার্গের নাম এবং পরিবেশ রক্ষা এই দুটি শব্দ মনে রাখলেই আন্দোলনটি চিহ্নিত করা সহজ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিশ্ব পরিবেশ আন্দোলন এবং এর সূচনাকারী সম্পর্কে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- এই প্রশ্নটি থেকে গ্রেটা থানবার্গ এবং ফ্রাইডেজ ফর ফিউচার আন্দোলন কোন দেশের বা কার সঙ্গে সম্পর্কিত, তা ভালোভাবে জেনে রাখা উচিত।
সঠিক উত্তর: B) ৩ বৎসর
১. কেন সঠিক:
আন্তর্জাতিক আদালতের (International Court of Justice) বিচারকদের মধ্য থেকে গোপন ব্যালটের মাধ্যমে একজন সভাপতি ও একজন সহ-সভাপতি নির্বাচিত হন।
তাদের এই পদের মেয়াদ ৩ বৎসর নির্ধারিত রয়েছে এবং মেয়াদ শেষ হওয়ার পর তারা পুনরায় নির্বাচিত হতে পারেন।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
সংস্থা: আন্তর্জাতিক আদালত বা আইসিজে (International Court of Justice - ICJ) জাতিসংঘর প্রধান বিচারিক অঙ্গ।
প্রতিষ্ঠা ও সদর দপ্তর: ১৯৪৫ সালে জাতিসংঘের সনদের মাধ্যমে এটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর সদর দপ্তর নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগ শহরে অবস্থিত।
সদস্য ও বিচারক: এতে মোট ১৫ জন বিচারক থাকেন যারা জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ও নিরাপত্তা পরিষদে আলাদাভাবে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার মাধ্যমে ৯ বৎসরের জন্য নির্বাচিত হন।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ
ব্যাখ্যা: এই সংস্থার অস্থায়ী সদস্যদের মেয়াদ ২ বৎসর, যা প্রায়ই আন্তর্জাতিক আদালতের বিভিন্ন পদের মেয়াদকালের সঙ্গে পরীক্ষার্থীদের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে।
উদাহরণ ২: জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ
ব্যাখ্যা: এর সভাপতির মেয়াদ ১ বৎসর, যা আন্তর্জাতিক সংস্থার বিভিন্ন পদের মেয়াদ তুলনামূলকভাবে বুঝতে সাহায্য করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২ বৎসর — এটি আন্তর্জাতিক আদালতের বিচারকদের বা সভাপতির মেয়াদ নয়, তবে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্যদের মেয়াদকাল ২ বৎসর।
B) ৩ বৎসর — এটি আন্তর্জাতিক আদালতের সভাপতি ও সহ-পতির পদের নির্ধারিত মেয়াদকাল এবং এটিই সঠিক উত্তর।
C) ৬ বৎসর — এটি আন্তর্জাতিক আদালতের বিচারকদের সামগ্রिक ৯ বৎসরের মেয়াদের অংশ নয়, তবে জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের (ECOSOC) কিছু সদস্যের মেয়াদকাল ৩ বৎসর।
D) ৯ বৎসর — এটি আন্তর্জাতিক আদালতের ১৫ জন বিচারকের পূর্ণাঙ্গ পদের মেয়াদকাল, কিন্তু সভাপতির মেয়াদ এর চেয়ে কম অর্থাৎ ৩ বৎসর।
৫ মনে রাখার টিপস:
আন্তর্জাতিক আদালতের বিচারকরা দীর্ঘ ৯ বৎসরের জন্য নির্বাচিত হন, কিন্তু তাদের মধ্য থেকে যে সভাপতি ও সহ-সভাপতি নির্বাচিত হন, তারা তুলনামূলক কম সময় অর্থাৎ ৩ বৎসরের জন্য দায়িত্ব পালন করেন।
বিচারকের মেয়াদ ৯ এবং সভাপতির মেয়াদ ৩, এই সংখ্যা দুটি মনে রাখলেই বিভ্রান্তি দূর হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
আন্তর্জাতিক আদালত জাতিসংঘের একমাত্র অঙ্গসংস্থা যার সদর দপ্তর নিউইয়র্কে অবস্থিত নয়, বরং নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগে শান্তি প্রাসাদে অবস্থিত।
এই প্রশ্নটি থেকে বিচারকদের মেয়াদ ৯ বৎসর এবং সভাপতির মেয়াদ ৩ বৎসর সংক্রান্ত এমসিকিউ প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
সঠিক উত্তর: D) আর্টিকেল ৫
১. কেন সঠিক:
উত্তর আটলান্টিক চুক্তির ৫ নম্বর ধারায় যৌথ নিরাপত্তার মূল নীতিটি স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
এই ধারা অনুযায়ী ন্যাটোর যেকোনো সদস্য দেশের ওপর সশস্ত্র আক্রমণ পুরো জোটের ওপর আক্রমণ বলে গণ্য করা হবে।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
সংস্থা: ন্যাটো বা উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা একটি সামরিক জোট।
প্রতিষ্ঠা: ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল ওয়াশিংটন ডি সি তে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
সদর দপ্তর: বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে এই জোটের প্রধান কার্যালয় অবস্থিত।
উদ্দেশ্য: যৌথ প্রতিরক্ষা নিশ্চিত করা এবং সদস্য দেশগুলোর স্বাধীনতা রক্ষা করা।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের টুইস্ট টাওয়ারে হামলার পর ন্যাটো প্রথমবার আর্টিকেল ৫ সক্রিয় করেছিল।
ব্যাখ্যা: এই ঘটনার মাধ্যমেই বোঝা যায় যে একটি দেশের ওপর হামলা পুরো জোটের ওপর হামলা হিসেবে বিবেচিত হয়।
উদাহরণ ২: ইউক্রেন যুদ্ধ এবং ন্যাটো সম্প্রসারণের বর্তমান প্রেক্ষাপট।
ব্যাখ্যা: এই সংকটের কারণে ন্যাটো চুক্তির যৌথ নিরাপত্তার বিষয়টি আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে অত্যন্ত আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আর্টিকেল ২ — এই ধারায় সদস্য দেশগুলোর অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদার করার কথা বলা হয়েছে।
এটি যৌথ নিরাপত্তার সামরিক ধারণার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
B) আর্টিকেল ৩ — এই ধারায় সদস্য দেশগুলোর নিজস্ব প্রতিরক্ষা সক্ষমতা অর্জনের কথা বলা হয়েছে।
এটি যৌথ আক্রমণের বিপরীতে একক প্রস্তুতির ওপর জোর দেয়।
C) আর্টিকেল ৪ — এই ধারায় কোনো সদস্য দেশের নিরাপত্তা বা আঞ্চলিক অখণ্ডতা হুমকির মুখে পড়লে যৌথ পরামর্শের কথা বলা হয়েছে।
এটি সরাসরি সামরিক আক্রমণের ফল বা যৌথ নিরাপত্তার চূড়ান্ত রূপ নয়।
D) আর্টিকেল ৫ — এটিই সঠিক উত্তর কারণ এতে যৌথ নিরাপত্তার চূড়ান্ত ও বাধ্যতামূলক সামরিক প্রতিক্রিয়ার কথা বলা হয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
পাঁচ আঙুল যেমন একত্রে একটি শক্তিশালী মুষ্টি তৈরি করে, তেমনি ন্যাটোর ৫ নম্বর ধারাটি সদস্য দেশগুলোকে একত্রে শক্তিশালী প্রতিরক্ষামূলক ঢাল তৈরি করতে শেখায়।
এই কৌশলটি মনে রাখলে আর্টিকেল ৫ এবং যৌথ নিরাপত্তার বিষয়টি কখনো ভুল হবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ন্যাটোর ধারা এবং প্রতিষ্ঠা সাল প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
একই বিষয় থেকে ন্যাটোর সদস্য সংখ্যা বা বর্তমান মহাসচিব কে সংক্রান্ত প্রশ্নও আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: A) উদারবাদ
১. কেন সঠিক:
- উদারবাদ আন্তর্জাতিক সম্পর্কের এমন একটি তত্ত্ব যা রাষ্ট্রসমূহের পারস্পরিক সহযোগিতা, কূটনীতি এবং আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের কার্যকর ভূমিকার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করে।
- এই তত্ত্ব অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো বৈশ্বিক শান্তি বজায় রাখতে, বাণিজ্য বৃদ্ধি করতে এবং বিভিন্ন সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধানে অত্যন্ত ইতিবাচক ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
- তত্ত্বের নাম: উদারবাদ বা লিবারেলিজম
- প্রেক্ষাপট: প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর উড্রো উইলসনের আদর্শের ওপর ভিত্তি করে এই তত্ত্বের আধুনিক রূপ বিকশিত হয়।
- উদ্দেশ্য বা গুরুত্ব: আন্তর্জাতিক আইন, গণতন্ত্র ও কূটনীতির মাধ্যমে যুদ্ধের সম্ভাবনা কমিয়ে আনা এবং বৈশ্বিক কল্যাণ নিশ্চিত করা।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জাতিসংঘ
ব্যাখ্যা: জাতিসংঘ হলো উদারবাদী তত্ত্বের সবচেয়ে বড় প্রাতিষ্ঠানিক রূপ, যা বিশ্বশান্তি রক্ষায় কাজ করে।
উদাহরণ ২: বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা
ব্যাখ্যা: এটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের নিয়ম তৈরি করে উদারবাদী অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে এগিয়ে নেয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উদারবাদ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের কার্যকরী ভূমিকার বিষয়ে ইতিবাচক ধারণা প্রদান করে।
B) বাস্তববাদ — এই তত্ত্ব আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানে তেমন আস্থা রাখে না এবং শক্তি প্রয়োগ ও জাতীয় নিরাপত্তাকে প্রধান মনে করে।
C) মার্ক্সবাদ — এই তত্ত্ব আন্তর্জাতিক রাজনীতিকে মূলত পুঁজিবাদী শোষণ এবং শ্রেণির দ্বন্দ্বের দৃষ্টিতে মূল্যায়ন করে থাকে।
D) কোনোটিই নয় — যেহেতু উদারবাদ সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- উদারবাদ মানেই উদার মন নিয়ে সবাইকে নিয়ে একসাথে কাজ করা, যার প্রকাশ ঘটে আন্তর্জাতিক সংস্থায়।
- বাস্তববাদ মানে কঠোর বাস্তবতা এবং শক্তি, তাই এটি সংস্থাকে কম গুরুত্ব দেয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আন্তর্জাতিক সম্পর্কের তত্ত্ব থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- বাস্তববাদ ও উদারবাদের মূল পার্থক্যের ওপর ধারণা থাকলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজেই উত্তর করা যায়।
সঠিক উত্তর: A) আফগানিস্তান
১. কেন সঠিক:
- বৈশ্বিক সন্ত্রাসবাদ সূচক বা গ্লোবাল টেররিজম ইনডেক্স ২০২৩ অনুযায়ী আফগানিস্তান টানা চতুর্থবারের মতো বিশ্বের সবচেয়ে বেশি সন্ত্রাসবাদের ঝুঁকির মধ্যে থাকা দেশ হিসেবে শীর্ষস্থান অর্জন করেছে।
- এই সূচকে মূলত গত কয়েক বছরে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের তীব্রতা, প্রাণহানির সংখ্যা এবং এর সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রভাব বিশ্লেষণ করে একটি দেশের ঝুঁকির মাত্রা নির্ধারণ করা হয়।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
- দেশ বা সূচক: বৈশ্বিক সন্ত্রাসবাদ সূচক বা গ্লোবাল টেররিজম ইনডেক্স একটি আন্তর্জাতিক প্রতিবেদন যা প্রতি বছর প্রকাশ করা হয়।
- প্রকাশনা সংস্থা: এটি প্রকাশ করে থাকে ইনস্টিটিউট ফর ইকোনমিকস অ্যান্ড পিস বা আইইপি নামক আন্তর্জাতিক গবেষণা সংস্থা।
- সদর দপ্তর: এই সংস্থার প্রধান কার্যালয় অস্ট্রেলিয়ার সিডনি শহরে অবস্থিত এবং এর একটি শাখা অফিস মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে রয়েছে।
- উদ্দেশ্য ও গুরুত্ব: বিশ্বজুড়ে সন্ত্রাসবাদের গতিপ্রকৃতি, পরিবর্তনশীল প্রবণতা এবং এর অর্থনৈতিক ব্যয় মূল্যায়ন করা এই সূচকের প্রধান উদ্দেশ্য।
- ফলাফল ও প্রভাব: এই সূচকটি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে সন্ত্রাস দমনের কৌশল নির্ধারণ এবং সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য দিকনির্দেশনা প্রদান করে।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বুরকিনা ফাসো
ব্যাখ্যা: এই সূচকে আফগানিস্তানের পরেই দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে আফ্রিকার দেশ বুরকিনা ফাসো, যা সাব-সাহারান আফ্রিকা অঞ্চলে সন্ত্রাসবাদের ক্রমবর্ধমান কেন্দ্র হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।
উদাহরণ ২: পাকিস্তান
ব্যাখ্যা: দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলে আফগানিস্তানের প্রতিবেশী দেশ হিসেবে পাকিস্তানও সন্ত্রাসবাদের উচ্চ ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে, যা এই অঞ্চলের ভূরাজনীতিকে প্রভাবিত করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আফগানিস্তান — এটি সঠিক উত্তর কারণ ২০২১ সালে তালেবান ক্ষমতা দখলের পর দেশটিতে নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি ঘটে এবং বৈশ্বিক সন্ত্রাসবাদ সূচকে এটি শীর্ষস্থান ধরে রাখে।
B) মায়ানমার — এটি ভুল অপশন কারণ ২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর দেশটিতে অভ্যন্তরীণ সংঘাত বৃদ্ধি পেলেও এটি সন্ত্রাসবাদ সূচকে শীর্ষ অবস্থানে নেই।
C) পেরু — এটি ভুল অপশন কারণ দক্ষিণ আমেরিকার এই দেশটিতে অতীতে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের ইতিহাস থাকলেও বর্তমান সূচকে এটি শীর্ষ ঝুঁকিপূর্ণ দেশ নয়।
D) মালি — এটি ভুল অপশন কারণ আফ্রিকার সাহেল অঞ্চলে মালি সন্ত্রাসবাদের ঝুঁকিতে থাকলেও এটি ২০২৩ সালের সূচকে প্রথম স্থান অর্জন করেনি।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বৈশ্বিক সন্ত্রাসবাদ সূচকে শীর্ষ দেশ মনে রাখার সহজ উপায় হলো সংঘাতকবলিত আফগানিস্তানকে সবার আগে স্মরণ করা।
- আইইপি সংস্থাটি শান্তি সূচক এবং সন্ত্রাসবাদ সূচক উভয়ই প্রকাশ করে থাকে, তাই এই দুটি বিষয় গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- গ্লোবাল টেররিজম ইনডেক্স কোন সংস্থা প্রকাশ করে এবং এর সদর দপ্তর কোথায়, তা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- এই ধরনের প্রশ্ন থেকে সাম্প্রতিক বিশ্ব রাজনীতি, নিরাপত্তা সূচক এবং আন্তর্জাতিক গবেষণা সংস্থার কাজ সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।
সঠিক উত্তর: D) জলবায়ু পরিবর্তন
১. কেন সঠিক:
কপ ২৮ বা কনফারেন্স অব দ্য পার্টিজ এর ২৮তম সম্মেলন বিশ্বব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা এবং বৈশ্বিক উষ্ণতা নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে আয়োজিত হয়েছিল।
এই সম্মেলনের মূল লক্ষ্য ছিল প্যারিস চুক্তির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বিশ্ববাসীর অগ্রগতি মূল্যায়ন করা এবং জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে ধীরে ধীরে সরে আসার ঐতিহাসিক রূপরেখা তৈরি করা।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
সম্মেলনের নাম: কপ ২৮ বা জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন
তারিখ ও স্থান: ২০২৩ সালের ৩০ নভেম্বর থেকে ১২ ডিসেম্বর সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই শহরে অনুষ্ঠিত হয়।
উদ্দেশ্য ও গুরুত্ব: বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি দেড় ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে সীমিত রাখা এবং ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য জলবায়ু তহবিল গঠন করা।
ফলাফল ও প্রভাব: জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে রূপান্তরের বিষয়ে বিশ্বনেতারা একমত হন এবং লস অ্যান্ড ড্যামেজ ফান্ড চালুর আনুষ্ঠানিক চুক্তি হয়।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: প্যারিস চুক্তি
ব্যাখ্যা: এটি ২০১৫ সালে স্বাক্ষরিত হয়, যার মূল লক্ষ্য ছিল বৈশ্বিক উষ্ণতা প্রাক শিল্প যুগের তুলনায় দুই ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে রাখা।
উদাহরণ ২: কপ ২৬ গ্লাসগো সম্মেলন
ব্যাখ্যা: ২০২১ সালে অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনে কয়লার ব্যবহার কমানোর রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি অর্জিত হয়েছিল, যা কপ ২৮ এর ভিত্তি তৈরি করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শরণার্থীর অধিকার — এটি জলবায়ু সম্মেলনের আলোচ্য বিষয় নয়, বরং এটি মূলত জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার বা ইউএনএইচসিআর এর কাজের আওতাভুক্ত।
B) জ্বালানি নিরাপত্তা — যদিও কপ ২৮ এ জীবাশ্ম জ্বালানি নিয়ে আলোচনা হয়েছে, তবে এটি সামগ্রিক জ্বালানি নিরাপত্তা বা বাণিজ্যিক চুক্তি নিশ্চিত করার জন্য নয়।
C) সমুদ্র সীমানা — সমুদ্র সীমানা নির্ধারণ সংক্রান্ত বিরোধ আন্তর্জাতিক সমুদ্র আইন ট্রাইব্যুনাল বা আদালতের মাধ্যমে সমাধান করা হয়, জলবায়ু সম্মেলনে নয়।
D) জলবায়ু পরিবর্তন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সম্মেলনটি জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত কাঠামো কনভেনশনের স্বাক্ষরকারী দেশগুলোর বার্ষিক বৈঠক।
৫ মনে রাখার টিপস:
কপ বা সিওপি শব্দের অর্থ কনফারেন্স অব দ্য পার্টিজ। সংখ্যাটি যত বাড়বে সম্মেলন তত সাম্প্রতিক হবে, যেমন কপ ২৮ মানে ২৮তম বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কপ সম্মেলন প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হয় এবং এটি জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত কাঠামো কনভেনশনের সর্বোচ্চ নীত নির্ধারণী ফোরাম।
একই বিষয় থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যেমন কপ ২৮ কোথায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল বা এর প্রধান অর্জন কী ছিল।
সঠিক উত্তর: A) সৌদি আরব
১. কেন সঠিক:
বাংলাদেশ থেকে বিদেশে যাওয়া অভিবাসী নারী শ্রমিকদের সর্বাধিক গন্তব্যস্থল হলো মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরব। জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো বা BMET এর হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী বিগত বছরগুলোতে সৌদি আরবে নারী শ্রমিকের কর্মসংস্থান সবচেয়ে বেশি হয়েছে।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
দেশ: সৌদি আরব
রাজধানী: রিয়াদ
মুদ্রা: সৌদি রিয়াল
অর্থনীতি: মধ্যপ্রাচ্যের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ এবং বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ তেল রপ্তানিকারক রাষ্ট্র।
শ্রমবাজার: বাংলাদেশ থেকে প্রতি বছর লাখ লাখ শ্রমিক জীবিকার তাগিদে মধ্যপ্রাচ্যে পাড়ি জজমায় যার একটি বড় অংশ নারী কর্মী।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জর্দান
ব্যাখ্যা: জর্দানে বাংলাদেশের অনেক নারী শ্রমিক পোশাক শিল্পে কাজ করেন এবং এটি নারী শ্রমিকের একটি প্রধান মধ্যপ্রাচ্যের গন্তব্য হলেও সৌদি আরবের পরেই এর অবস্থান।
উদাহরণ ২: ওমান
ব্যাখ্যা: ওমানে গৃহকর্মী হিসেবে প্রচুর বাংলাদেশি নারী শ্রমিক কাজ করেন তবে সংখ্যার দিক থেকে সৌদি আরব সবার শীর্ষে অবস্থান করছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সৌদি আরব — এটি বাংলাদেশের অভিবাসী নারী শ্রমিকদের সর্বাধিক গন্তব্যস্থল হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
B) কুয়েত — কুয়েতে কিছু বাংলাদেশি নারী শ্রমিক কাজ করলেও সামগ্রিক সংখ্যার বিচারে এটি শীর্ষস্থান অধিকার করে না।
C) ওমান — ওমানে নারী শ্রমিকের কর্মসংস্থান রয়েছে তবে তা সৌদি আরবের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম।
D) জর্দান — জর্দানে মূলত তৈরি পোশাক কারখানায় নারী শ্রমিকরা কাজ করেন কিন্তু মোট অভিবাসনের দিক থেকে এটি প্রথম নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
সৌদি আরবকে মধ্যপ্রাচ্যের প্রধান অর্থনীতির দেশ হিসেবে মনে রাখতে পারো যেখানে সর্বাধিক বাংলাদেশি নারী শ্রমিক কাজের জন্য যান। এভাবে মনে রাখতে পারো যে সৌদি আরব মানেই শীর্ষ নারী শ্রমবাজার।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বৈদেশিক রেমিট্যান্সের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং জনশক্তি রপ্তানির ক্ষেত্রে নারী শ্রমিকের ভূমিকা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই ধরনের প্রশ্ন থেকে প্রায়ই কোন দেশে কোন খাতের শ্রমিক বেশি যায় সে সম্পর্কিত তথ্য পরীক্ষাতে আসে।
সঠিক উত্তর: A) ১৯৭২
১. কেন সঠিক:
বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ২২ জুন জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থা আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (ILO) সদস্যপদ লাভ করে।
স্বাধীনতার পরপরই সদ্য স্বাধীন যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের শ্রম অধিকার রক্ষা এবং আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখতে বাংলাদেশ এই সংস্থার সদস্য হয়।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
সংস্থা: আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা বা ILO (International Labour Organization)
প্রতিষ্ঠা ও সদর দপ্তর: ১৯১৯ সালে ভার্সাই চুক্তির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত।
প্রেক্ষাপট ও উদ্দেশ্য: শ্রমিকদের অধিকার রক্ষা, কাজের নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং বৈশ্বিক সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা এই সংস্থার মূল লক্ষ্য।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাংলাদেশ ১৯৭২ সালেই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এরও সদস্যপদ লাভ করে।
ব্যাখ্যা: এটি দেখায় যে সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশ কীভাবে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দ্রুত স্বীকৃতি ও বিভিন্ন সংস্থার সদস্যপদ অর্জন করেছিল।
উদাহরণ ২: আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (ILO) প্রধান কাজ হলো আন্তর্জাতিক শ্রম মান নির্ধারণ করা।
ব্যাখ্যা: পরীক্ষার্থীদের মনে রাখতে হবে যে এই সংস্থাটি মূলত শ্রমিকদের কল্যাণ ও অধিকার নিয়ে কাজ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৭২ — এই সালেই বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার সদস্যপদ লাভ করেছিল তাই এটি সঠিক উত্তর।
B) ১৯৭৩ — এই সালে বাংলাদেশ আইএলওর সদস্যপদ লাভ করেনি কারণ বাংলাদেশ ১৯৭২ সালেই সদস্য হয়েছিল।
C) ১৯৭৪ — এই সালটি সঠিক নয় কারণ বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করেছিল কিন্তু আইএলওর নয়।
D) ১৯৭৫ — এই সালে বাংলাদেশ আইএলওর সদস্যপদ পায়নি বরং ১৯৭২ সালটি সঠিক সময়কাল।
৫. মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশ ১৯৭২ সালে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার সদস্য হয় এবং একই বছর জাতিসংঘের অন্যান্য সংস্থাতেও যোগদানের প্রক্রিয়া শুরু করে।
১৯৭২ সালটি বাংলাদেশের কূটনীতির জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বছর হিসেবে মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলাদেশ কত সালে আইএলওর সদস্য হয় তা বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
একই ধরনের প্রশ্ন হিসেবে জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভের সাল বা অন্যান্য সংস্থার সদস্যপদ লাভের সালও পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: A) চীন
১. কেন সঠিক:
বৈশ্বিক উন্নয়ন উদ্যোগ বা গ্লোবাল ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভ এর প্রস্তাবক দেশ হলো চীন।
২০২১ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এই প্রস্তাব উত্থাপন করেন।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
প্রেক্ষাপট: বৈশ্বিক অর্থনীতিকে শক্তিশালী করা এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়।
উদ্দেশ্য: বিশ্বজুড়ে অভিন্ন উন্নয়ন, দারিদ্র্য বিমোচন এবং বহুপক্ষীয় সহযোগিতা বৃদ্ধি করা।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ
ব্যাখ্যা: এটিও চীনের একটি বৃহৎ বৈশ্বিক অবকাঠামো ও সংযোগ উন্নয়ন প্রকল্প।
উদাহরণ ২: ব্রিকস সহযোগিতা
ব্যাখ্যা: উন্নয়নশীল দেশগুলোর অর্থনৈতিক জোট হিসেবে চীন এর মাধ্যমে বৈশ্বিক প্রভাব বাড়াচ্ছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চীন — এই অপশনটি সঠিক কারণ দেশটি এই উন্নয়ন উদ্যোগের প্রস্তাব করেছে।
B) জাপান — জাপান এই উদ্যোগের প্রস্তাবক নয় তবে দেশটি এশিয়া অঞ্চলে নিজস্ব অর্থনৈতিক সহায়তা দিয়ে থাকে।
C) ডেনমার্ক — ডেনমার্ক একটি ইউরোপীয় দেশ এবং বৈশ্বিক উন্নয়ন উদ্যোগের সঙ্গে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই।
D) সুইডেন — সুইডেন আন্তর্জাতিক উন্নয়ন ও সহযোগিতায় কাজ করলেও এই নির্দিষ্ট উদ্যোগের প্রস্তাবক নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
উন্নয়ন উদ্যোগ এবং বেল্ট অ্যান্ড রোড প্রকল্প দেখলে চোখ বন্ধ করে চীনকে উত্তর হিসেবে বেছে নেবে।
চীন বৈশ্বিক রাজনীতিতে নিজেদের প্রভাব বিস্তারের জন্য এ ধরনের উদ্যোগের প্রস্তাব করে থাকে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
এই প্রশ্নটি আন্তর্জাতিক সম্পর্ক এবং ভূরাজনীতি অংশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় চীনের বৈশ্বিক উদ্যোগসমূহ প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়।
সঠিক উত্তর: B) টার্গেট ১.২
১. কেন সঠিক:
টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার প্রথম অভীষ্ট হলো বিশ্ব থেকে সব ধরনের দারিদ্র্য দূর করা এবং এর অধীন বিভিন্ন সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য বা টার্গেট নির্ধারণ করা হয়েছে।
টার্গেট ১.২ অনুযায়ী ২০৩০ সালের মধ্যে জাতীয় সংজ্ঞা অনুযায়ী সব বয়সের নারী, পুরুষ ও শিশুর দরিদ্রতার হার অন্তত অর্ধেকে নামিয়ে আনার আন্তর্জাতিক প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করা হয়েছে।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
সংস্থা: জাতিসংঘ এবং এর টেকসই উন্নয়ন কর্মসূচি।
প্রেক্ষাপট: ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ২০৩০ এজেন্ডা হিসেবে ১৭টি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য বা এসডিজি গৃহীত হয়।
উদ্দেশ্য: বৈশ্বিক অর্থনীতিতে মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণ এবং বৈষম্য দূর করে একটি মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করা।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: এসডিজি গোল ১
ব্যাখ্যা: এটি দারিদ্র্যের সব রূপের অবসান ঘটানোর ওপর জোর দেয় এবং এর বিভিন্ন সূচকের মাধ্যমে দেশের ভেতরের প্রকৃত দারিদ্র্য পরিস্থিতি মূল্যায়ন করা হয়।
উদাহরণ ২: এমডিজি থেকে এসডিজি রূপান্তর
ব্যাখ্যা: বিগত সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য বা এমডিজির সাফল্যের ধারাবাহিকতায় আরও ব্যাপক পরিসরে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য বা এসডিজি প্রণয়ন করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) টার্গেট ১.১ — চরম দারিদ্র্য দূরীকরণের সঙ্গে সম্পর্কিত যেখানে প্রতিদিন এক দশমিক নয় মার্কিন ডলারের কম আয়ে জীবনযাপনকারী মানুষের সংখ্যা হ্রাসের কথা বলা হয়েছে।
B) টার্গেট ১.২ — এটি সঠিক উত্তর যা জাতীয় সংজ্ঞা অনুযায়ী নারী, পুরুষ ও শিশুর দারিদ্র্য অর্ধেকে নামিয়ে আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।
C) টার্গেট ১.৩ — সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা বাস্তবায়নের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট যার মাধ্যমে দরিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জন্য পর্যাপ্ত সুরক্ষার বিধান করা হয়।
D) টার্গেট ১.৪ — অর্থনৈতিক সম্পদ ও মৌলিক সেবাসমূহের ওপর সমান অধিকার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
এসডিজির প্রথম লক্ষ্য দারিদ্র্য দূরীকরণ সংক্রান্ত এবং এর দ্বিতীয় টার্গেট বা ১.২ তে সংখ্যা বা অনুপাত অর্ধেক করার কথা বলা হয়েছে।
দরিদ্র মানুষ বলতে নারী, পুরুষ ও শিশু সবাইকে বোঝানো হয়েছে এবং সবার ক্ষেত্রে হারের অর্ধেক কমানোই হলো এই টার্গেটের মূল বিষয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার মোট ১৭টি অভীষ্ট এবং ১৬৯টি সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য বা টার্গেট রয়েছে যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এসডিজির প্রথম লক্ষ্যটি কেবল চরম দারিদ্র্য নয়, বরং সব মাত্রার দারিদ্র্য দূর করার ওপর বহুমুখী পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।
সঠিক উত্তর: D) ১৩৫
১. কেন সঠিক:
উন্নয়নশীল দেশসমূহের সর্ববৃহৎ আন্তঃসরকারি জোট হলো জি-৭৭ বা গ্রুপ অব সেভেন্টি সেভেন।
১৯৬৪ সালে প্রতিষ্ঠার সময় এর সদস্য সংখ্যা ৭৭টি থাকলেও বর্তমানে এর সদস্য সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩৫টিতে।
২. আন্তর্জাতিক সংস্থা পরিচিতি:
সংস্থা: জি-৭৭ বা গ্রুপ অব সেভেন্টি সেভেন।
প্রতিষ্ঠা: ১৫ জুন ১৯৬৪ সাল।
সদস্যদেশ: বর্তমানে ১৩৫টি উন্নয়নশীল দেশ।
উদ্দেশ্য: বিশ্ব অর্থনীতিতে উন্নয়নশীল দেশগুলোর স্বার্থ রক্ষা করা এবং সম্মিলিত অর্থনৈতিক শক্তি বৃদ্ধি করা।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ।
ব্যাখ্যা: জি-৭৭ জোটটি জাতিসংঘের বিভিন্ন ফোরামে উন্নয়নশীল দেশগুলোর পক্ষে যৌথভাবে দরকষাকড়ি করে থাকে।
উদাহরণ ২: ন্যাম বা জোটনিরপেক্ষ আন্দোলন।
ব্যাখ্যা: জি-৭৭ এবং ন্যাম উভয় সংস্থাই আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে দক্ষিণ গোলার্ধের দেশগুলোর কণ্ঠস্বর হিসেবে কাজ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১০৫ — এই সংখ্যাটি জি-৭৭ এর প্রকৃত সদস্যসংখ্যার সঙ্গে মেলে না এবং এটি একটি ভুল তথ্য।
B) ১১৫ — এটি জি-৭৭ এর বর্তমান বা প্রতিষ্ঠাকালীন কোনো সদস্যসংখ্যার হিসাব নয়।
C) ১২৫ — অতীতে এই সংখ্যাটি কাছাকাছি থাকলেও বর্তমানে জি-৭৭ এর সদস্যসংখ্যা ১৩৫ জন।
D) ১৩৫ — এটি জি-৭৭ এর বর্তমান হালনাগাদ ও সঠিক সদস্যসংখ্যা।
৫. মনে রাখার টিপস:
নাম জি-৭৭ হলেও বর্তমানে এর সদস্যসংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ হয়ে ১৩৫টিতে পৌঁছেছে।
প্রতিষ্ঠার সাল ১৯৬৪ এবং বর্তমান সদস্য ১৩৫, এই দুটি সংখ্যা মনে রাখলেই পরীক্ষায় উত্তর করা সহজ হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
জি-৭৭ জোটটি মূলত বাণিজ্য ও উন্নয়নের জন্য জাতিসংঘের সম্মেলনে জন্মলাভ করেছিল।
এই প্রশ্নটি থেকে ভবিষ্যতে জি-৭৭ এর প্রতিষ্ঠার সাল বা এর মূল লক্ষ্য সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: D) সিরিয়া
১. কেন সঠিক:
- আলেপ্পো শহরটি মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সিরিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত এবং এটি দেশটির অন্যতম প্রধান ঐতিহাসিক ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র।
- ২০১১ সাল থেকে শুরু হওয়া সিরিয়ার গৃহযুদ্ধে কৌশলগত ও অর্থনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই শহরটি চরম ক্ষয়ক্ষতির মুখোমুখি হয়েছিল।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
- দেশ বা অঞ্চল: সিরিয়া একটি প্রাচীন মধ্যপ্রাচ্যের দেশ যার রাজধানী দামেস্ক এবং মুদ্রা সিরিয়ান পাউন্ড।
- ঐতিহাসিক গুরুত্ব: আলেপ্পো বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন এবং অবিচ্ছিন্নভাবে জনবসতিপূর্ণ একটি শহর যা ঐতিহাসিক সিল্ক রোডের একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য কেন্দ্র ছিল।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দামেস্ক
ব্যাখ্যা: দামেস্ক হলো সিরিয়ার রাজধানী এবং এটিও বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন রাজধানী হিসেবে পরিচিত যা মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
উদাহরণ ২: পালমিরা
ব্যাখ্যা: পালমিরা হলো সিরিয়ার আরেকটি ঐতিহাসিক প্রাচীন নগরী যা ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান এবং সংঘাতের সময় ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইরান — ইরান মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশ যার রাজধানী তেহরান এবং এর প্রধান শহরগুলোর মধ্যে তেহরান ও ইসফাহান অন্তর্ভুক্ত, আলেপ্পো নয়।
B) ইরাক — ইরাক একটি প্রতিবেশী দেশ যার রাজধানী বাগদাদ এবং এর প্রধান শহরগুলোর মধ্যে বসরা ও মসুল রয়েছে, আলেপ্পো এখানে অবস্থিত নয়।
C) জর্ডান — জর্ডান একটি আরব দেশ যার রাজধানী আম্মান এবং এর অর্থনীতি বা ভূগোলের সঙ্গে আলেপ্পো শহরের কোনো সরাসরি ভৌগোলিক সংযোগ নেই।
D) সিরিয়া — এই অপশনটি সঠিক কারণ আলেপ্পো ভৌগোলিকভাবে সিরিয়ার ভূখণ্ডেই অবস্থিত।
৫ মনে রাখার টিপস:
- আলেপ্পো শহরের নাম শুনলেই সিরিয়ার গৃহযুদ্ধ এবং মধ্যপ্রাচ্যের প্রাচীন ইতিহাস মনে রাখবে।
- সিরিয়ার প্রধান দুটি শহরের নাম হলো রাজধানী দামেস্ক এবং বাণিজ্যনগরী আলেপ্পো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এই ধরনের প্রশ্ন সাধারণত কোনো দেশের বিখ্যাত শহর বা সংঘাতপীক্ত অঞ্চলের ভৌগোলিক অবস্থান জানার জন্য করা হয়।
- পরীক্ষার জন্য সিরিয়ার রাজধানী, মুদ্রা এবং প্রতিবেশী দেশগুলোর নাম ভালোভাবে জেনে রাখা উচিত।
সঠিক উত্তর: B) ২০১১
১. কেন সঠিক:
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে স্থল সীমান্ত চুক্তি সংক্রান্ত প্রটোকলটি ২০১১ সালের ৬ সেপ্টেম্বর স্বাক্ষরিত হয়েছিল। তৎকালীন ভারতের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের ঢাকা সফরকালে এই ঐতিহাসিক প্রটোকলটি স্বাক্ষরিত হয়, যা দুই দেশের দীর্ঘদিনের ছিটমহল সমস্যা সমাধানের পথ উন্মুক্ত করেছিল।
২. আন্তর্জাতিক চুক্তি ও প্রটোকল:
চুক্তি বা প্রটোকল: বাংলাদেশ-ভারত স্থল সীমান্ত চুক্তি প্রটোকল ২০১১।
তারিখ ও স্থান: ৬ সেপ্টেম্বর ২০১১, ঢাকা, বাংলাদেশ।
সংশ্লিষ্ট দেশ: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ ও গণপ্রজাতন্ত্রী ভারত।
প্রেক্ষাপট: ১৯৭৪ সালের মুজিব-ইন্দিরা চুক্তির পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন এবং অনিষ্পন্ন সীমান্ত বিরোধ নিষ্পত্তি।
উদ্দেশ্য ও গুরুত্ব: দুই দেশের মধ্যকার অমীমাংসিত ছিটমহল বিনিময় এবং অপদখলীয় ভূমি হস্তান্তরের মাধ্যমে সীমান্ত জটিলতা স্থায়ীভাবে নিরসন করা।
ফলাফল ও প্রভাব: ২০১৫ সালের ৩১ জুলাই ছিটমহল বিনিময়ের মাধ্যমে লক্ষাধিক মানুষ দীর্ঘদিনের নাগরিকহীনতা থেকে মুক্তি পায় এবং সীমান্ত শান্তিপূর্ণ হয়।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ১৯৭৪ সালের ঐতিহাসিক মুজিব-ইন্দিরা চুক্তি
ব্যাখ্যা: এই চুক্তিটি বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সীমান্ত সমস্যা সমাধানের প্রথম বড় কূটনৈতিক পদক্ষেপ ছিল, যার ওপর ভিত্তি করে পরবর্তীতে ২০১১ সালের প্রটোকল এবং ২০১৫ সালের সংবিধান সংশোধনী বাস্তবায়িত হয়।
উদাহরণ ২: ২০১৫ সালের ঐতিহাসিক ভূমি সীমানা চুক্তি বাস্তবায়ন
ব্যাখ্যা: এটি আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে শান্তিপূর্ণ উপায়ে জটিল সীমান্ত সমস্যার সমাধানের একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত, যা দুই দেশের পারস্পরিক আস্থার প্রতীক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৭৪ — এই সালে মূল ঐতিহাসিক মুজিব-ইন্দিরা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল, কিন্তু তৎকালীন সময়ে ভারতের পক্ষ থেকে তা সাংবিধানিকভাবে সম্পূর্ণ অনুমোদন করা হয়নি।
B) ২০১১ — এই অপশনটি সঠিক, কারণ এই বছরেই মূল স্থল সীমান্ত প্রটোকলটি ঢাকায় স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
C) ২০১৩ — এই সালে কোনো স্থল সীমান্ত প্রটোকল স্বাক্ষরিত হয়নি, এটি একটি বিভ্রান্তিকর অপশন।
D) ২০১৫ — এই সালে চুক্তিটি বাস্তবায়িত বা কার্যকর হয়েছিল (ছিটমহল বিনিময় হয়েছিল), কিন্তু প্রটোকল স্বাক্ষরিত হয়েছিল ২০১১ সালে।
৫ মনে রাখার টিপস:
১৯৭৪ সালে চুক্তি হয় আর ২০১১ সালে তার প্রটোকল বা সংশোধনী স্বাক্ষরিত হয়।
২০১১ সালের ৬ সেপ্টেম্বর ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং ঢাকা সফরে এসে এই প্রটোকলে স্বাক্ষর করেছিলেন।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
মুজিব-ইন্দিরা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ১৯৭৪ সালের ১৬ মে।
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ছিটমহল বিনিময় কার্যকর হয় ২০১৫ সালের ৩১ জুলাই মধ্যরাতে।
সঠিক উত্তর: B) ভিয়েনা
১. কেন সঠিক:
জাতিসংঘ মাদক ও অপরাধ সংক্রান্ত সংস্থা বা UNODC-র প্রধান কার্যালয় অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় অবস্থিত।
বিশ্বব্যাপী মাদকদ্রব্যের অবৈধ পাচার রোধ এবং অপরাধ দমনমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করার জন্য এই শহরটিকে সদর দপ্তর হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে।
২. আন্তর্জাতিক সংস্থা:
সংস্থা: জাতিসংঘ মাদক ও অপরাধ সংক্রান্ত সংস্থা, সংক্ষিপ্ত রূপ UNODC।
প্রতিষ্ঠা: ১৯৯৭ সালে মাদক নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি এবং অপরাধ প্রতিরোধ শাখা একীভূত করে এটি গঠিত হয়।
সদর দপ্তর: অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনা।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা বা IAEA
ব্যাখ্যা: অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায় জাতিসংঘের আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ সংস্থার সদর দপ্তর রয়েছে যার অন্যতম একটি হলো IAEA।
উদাহরণ ২: জাতিসংঘের সদর দপ্তর নিউইয়র্ক
ব্যাখ্যা: ভিয়েনা ছাড়াও জেনেভা এবং নিউইয়র্ক হলো জাতিসংঘের প্রধান প্রশাসনিক কেন্দ্রগুলোর অন্যতম স্থান।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রোম — রোমে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা বা FAO-র সদর দপ্তর অবস্থিত, যা মাদক সংক্রান্ত সংস্থা নয়।
B) ভিয়েনা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক এবং UNODC-র প্রধান কার্যালয় এখানে অবস্থিত।
C) জেনেভা — জেনেভায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা WHO এবং আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা বা ILO-র সদর দপ্তর রয়েছে।
D) পিটসবার্গ — পিটসবার্গ যুক্তরাষ্ট্রের একটি শিল্প শহর এবং এখানে কোনো প্রধান আন্তর্জাতিক সংস্থার সদর দপ্তর নেই।
৫ মনে রাখার টিপস:
মাদক ও অপরাধ দমনের আন্তর্জাতিক হেডকোয়ার্টার খুঁজতে চাইলে ইউরোপের সুন্দর শহর ভিয়েনার নাম মনে রাখবে।
অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায় মাদক নিয়ন্ত্রণ এবং পরমাণু শক্তি সম্পর্কিত জাতিসংঘের দুটি বড় কার্যালয় রয়েছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জাতিসংঘের বিভিন্ন অঙ্গসংস্থার সদর দপ্তর প্রায়ই আসে।
UNODC কোন দুটি বিষয়ের ওপর কাজ করে এবং এর সদর দপ্তর কোথায়, তা জানা থাকলে সহজেই উত্তর করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: C) হাকিমপুর, দিনাজপুর
কেন সঠিক:
- হিলি স্থলবন্দরটি বাংলাদেশের দিনাজপুর জেলার হাকিমপুর উপজেলার অন্তর্ভুক্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকা।
- এই বন্দরটি ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের একটি অন্যতম প্রধান ট্রানজিট পয়েন্ট হিসেবে কাজ করে।
ভৌগোলিক তথ্য:
- অবস্থান: এটি দিনাজপুর জেলার দক্ষিণ সীমানায় ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বিপরীতে অবস্থিত।
- বিশেষত্ব: এই স্থলবন্দরের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে প্রধানত চাল, পেঁয়াজ, পাথর এবং বিভিন্ন খাদ্যপণ্য আমদানি ও রপ্তানি হয়।
- তথ্য বা উদাহরণ: এটি একটি অত্যন্ত ব্যস্ত স্থলবন্দর যা দুই দেশের সীমান্তবর্তী মানুষের যাতায়াত এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিরামপুর, দিনাজপুর — এটি দিনাজপুর জেলার একটি আলাদা উপজেলা হলেও এখানে প্রধান হিলি স্থলবন্দরটি অবস্থিত নয়।
B) ঘোড়াঘাট, দিনাজপুর — এটি দিনাজপুরের একটি ঐতিহাসিক উপজেলা কিন্তু এর সাথে হিলি স্থলবন্দরের ভৌগোলিক অবস্থান নেই।
C) সঠিক উত্তর — এটি কোনো ভুল অপশন নয় বরং হিলি স্থলবন্দরের প্রকৃত ও সঠিক ভৌগোলিক অবস্থান নির্দেশ করে।
D) পাঁচ বিবি, জয়পুর হাট — এটি জয়পুরহাট জেলার একটি উপজেলা এবং এটি হিলি বন্দর এলাকার খুব কাছে হলেও ভিন্ন জেলায় অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
হিলি মানেই হাকিমপুর এবং এর সাথে দিনাজপুর জেলার নাম মনে রাখলেই সঠিক উত্তরটি খুব সহজে চিহ্নিত করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: B) বিকাল ০৩:০০ টা
কেন সঠিক:
- দ্রাঘিমার পার্থক্যের কারণে সময়ের হিসাব করতে হয় কারণ প্রতি ১ ডিগ্রি দ্রাঘিমার পার্থক্যের জন্য সময়ের ব্যবধান হয় চার মিনিট।
- ঢাকা থেকে পূর্ব দিকের স্থান হওয়ায় স্থানীয় সময় বেশি হবে এবং ৪৫ ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্য মোট সময় বেশি হবে তিন ঘণ্টা।
ভৌগোলিক তথ্য:
- পৃথিবীর সম্পূর্ণ ঘূর্ণনের ফলে ৩৬০ ডিগ্রি দ্রাঘিমা পার হতে সময় লাগে চব্বিশ ঘণ্টা বা চৌদ্দশত চল্লিশ মিনিট।
- পূর্ব দিকের স্থানের সময় সবসময় গ্রীনিচ বা পশ্চিম দিকের তুলনায় এগিয়ে থাকে এবং পশ্চিম দিকের সময় পিছিয়ে থাকে।
- দ্রাঘিমার এই হিসেব থেকেই পৃথিবীজুড়ে বিভিন্ন অঞ্চলের প্রমাণ সময় এবং আন্তর্জাতিক সময় নির্ধারিত হয়ে থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সকাল ০৯:০০ টা — পশ্চিম দিকের স্থানের সময় বের করার সময় বিয়োগ করতে হয় কিন্তু এখানে স্থানটি পূর্বে অবস্থিত।
B) সঠিক উত্তর — ঢাকা থেকে পূর্ব দিকে ৪৫ ডিগ্রি দ্রাঘিমার পার্থক্যে তিন ঘণ্টা যোগ করে সঠিক সময় পাওয়া গেছে।
C) সন্ধ্যা ০৬:০০ টা — এই অপশনে দ্রাঘিমার পার্থক্যের চেয়ে অনেক বেশি সময় যোগ করা হয়েছে যা ভুল গণনা।
D) রাত ০৯:০০ টা — এই অপশনের সময়টি ছয় ঘণ্টার ব্যবধান নির্দেশ করে যা ৪৫ ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্য প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
পূর্ব দিকে গেলে সময় বাড়াতে হয় এবং পশ্চিম দিকে গেলে সময় কমাতে হয়। প্রতি ১৫ ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্য সময়ের ব্যবধান হয় ঠিক এক ঘণ্টা।
সঠিক উত্তর: A) ইন্ডিয়ান ও ইউরেশিয়ান
কেন সঠিক:
ক) ইন্ডিয়ান প্লেট উত্তর দিকে অগ্রসর হয়ে ইউরেশিয়ান প্লেটের সঙ্গে ধাক্কা খায়।
খ) এই দুই প্লেটের সংঘর্ষের ফলে পলিরাশি উপরে উঠে হিমালয় পর্বতমালা সৃষ্টি করে।
ভৌগোলিক তথ্য:
ক) মাউন্ট এভারেস্ট ভারত এবং চীনের তিব্বত সীমান্তের মাঝে হিমালয় পর্বতমালায় অবস্থিত।
খ এটি পৃথিবীর সর্বোচ্চ শৃঙ্গ যার বর্তমান উচ্চতা আট হাজার আটশো আটচলড়ায় মিটার।
গ) এটি একটি ভঙ্গিল পর্বত যা এখনও প্রতি বছর সামান্য পরিমাণে উঁচুতে উঠছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইন্ডিয়ান ও ইউরেশিয়ান — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দুটি প্লেটের সংঘর্ষেই মাউন্ট এভারেস্ট ও হিমালয় পর্বতমালা সৃষ্টি হয়েছে।
B) ইন্ডিয়ান ও বার্মিজ — এই দুটি প্লেটের সংযোগস্থল আন্দামান সাগর এবং বঙ্গোপসাগরের পূর্ব অংশে অবস্থিত।
C) ইন্ডিয়ান ও আফ্রিকান — এই প্লেট দুটি ভারত মহাসাগরের তলদেশে অবস্থিত এবং এদের মধ্যে প্রধানত অপসারী বা মধ্য-মহাসাগরীয় শৈল্পিক সীমানা রয়েছে।
D) বার্মিজ ও ইউরেশিয়ান — এই দুটি প্লেটের সংযোগস্থল সুমাত্রা এবং আন্দামান দ্বীপপুঞ্জের কাছে অবস্থিত যেখানে সুন্দা খাত তৈরি হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
ইন্ডিয়া এবং ইউরেশিয়া প্লেটের মহা মিলনে, এভারেস্ট উঠেছে পৃথিবীর উচ্চতম আসনে।
সঠিক উত্তর: B) ৬.৫° সেলসিয়াস/কিলোমিটার
কেন সঠিক:
ট্রপোমণ্ডলে প্রতি ১ কিলোমিটার উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে বায়ুর তাপমাত্রা গড় ৬.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস হারে হ্রাস পায়।
এই স্বাভাবিক হ্রাস হারকে উষ্ণতার ল্যাপস রেট বা নরমাল ল্যাপস রেট বলা হয়।
ভৌগোলিক তথ্য:
এটি বায়ুমণ্ডলের সবচেয়ে নিচের স্তর অর্থাৎ ট্রপোমণ্ডলে ঘটে যা ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১২ থেকে ১৬ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।
এই স্তরে উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে সাথে বায়ুর ঘনত্ব এবং চাপ কমতে থাকে যার ফলে তাপ ধরে রাখার ক্ষমতাও হ্রাস পায়।
সূর্যরশ্মি সরাসরি বাতাসকে গরম না করে প্রথমে ভূপৃষ্ঠকে উত্তপ্ত করে এবং সেখান থেকেই পরিচলন ও বিকিরণ পদ্ধতিতে ট্রপোমণ্ডল গরম হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৫.৫° সেলসিয়াস/কিলোমিটার — এটি ভূগোলের কোনো গ্রহণযোগ্য স্বাভাবিক উষ্ণতা হ্রাসের মান নয়।
B) ৬.৫° সেলসিয়াস/কিলোমিটার — এটি সঠিক উত্তর এবং প্রমাণিত বৈজ্ঞানিক মান।
C) ৭.৫° সেলসিয়াস/কিলোমিটার — এই মানটি ট্রপোমণ্ডলের স্বাভাবিক ল্যাপস রেটের চেয়ে বেশি।
D) ৮.৫° সেলসিয়াস/কিলোমিটার — এটি অতিমাত্রায় বেশি যা স্বাভাবিক বায়ুমণ্ডলীয় অবস্থার সাথে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
উচ্চতা বাড়লে ঠান্ডা হয়, এই নিয়ম মনে রাখতে ট্রপোমণ্ডলের ৬.৫ সংখ্যাটি বারবার চর্চা করো।
১ কিলোমিটারে সাড়ে ছয় ডিগ্রি কমে, এই সহজ বাক্যটি মনে রাখলে পরীক্ষাতে ভুল হবে না।
সঠিক উত্তর: A) জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার পর্যায়ক্রমে হ্রাসকরণ
কেন সঠিক:
দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত কপ-২৮ সম্মেলনে বিশ্বের দেশগুলো প্রথমবার জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে সরে আসার ঐতিহাসিক চুক্তিতে পৌঁছায়।
জলবায়ু পরিবর্তনের মূল কারণ কার্বন নিঃসরণ কমানোর জন্য কয়লা, তেল ও গ্যাসের ব্যবহার কমানোকে এই সম্মেলনে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়।
ভৌগোলিক তথ্য:
দুবাই সংযুক্ত আরব আমিরাতের অন্যতম প্রধান শহর এবং এটি পারস্য উপসাগরের উপকূলে অবস্থিত।
এটি মধ্যপ্রাচ্যের একটি প্রধান অর্থনৈতিক, বাণিজ্যিক এবং পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিত।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের মোট আয়তন প্রায় তিরাশি হাজার সাতশত বর্গকিলোমিটার।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার পর্যায়ক্রমে হ্রাসকরণ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং সম্মেলনে প্রধান ফোকাস ছিল।
B) জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ বিষয়ক — এটি কপ-২৮ এর মূল বিষয় ছিল না, এটি কান্ট্রি বা জীববৈচিত্র্য সম্মেলনের প্রধান এজেন্ডা।
C) ওজোনস্তর ক্ষয় নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক — ওজোনস্তর রক্ষার জন্য ১৯৮৭ সালের মন্ট্রিল প্রটোকল কাজ করে, যা জলবায়ু সম্মেলনের মূল বিষয় নয়।
D) মরুকরণ প্রক্রিয়া হ্রাসকরণ — মরুকরণ রোধের জন্য আলাদা জাতিসংঘ কনভেনশন রয়েছে, যা কপ সম্মেলনের সরাসরি মূল এজেন্ডা ছিল না।
মনে রাখার টিপস:
দুবাই মানেই তেল ও জ্বালানির শহর, তাই কপ-২৮ এ তেল বা জীবাশ্ম জ্বালানি কমানোর সিদ্ধান্তই সবচেয়ে বেশি আলোচিত হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: C) ৯০°
কেন সঠিক:
১. পৃথিবী একটি প্রায় গোলক আকৃতির গ্রহ এবং এর কেন্দ্র থেকে যেকোনো বৃত্তের পরিধির মোট কোণ হিসাব করা হয়।
২. নিরক্ষীয় তল থেকে উত্তর মেরুর কৌণিক দূরত্ব হলো ঠিক ৯০ ডিগ্রি কোণ।
ভৌগোলিক তথ্য:
১. পৃথিবীর নিরক্ষীয় তল হলো সেই কাল্পনিক সমতল যা পৃথিবীকে উত্তর ও দক্ষিণ গোলার্ধে বিভক্ত করে।
২. উত্তর মেরু হলো পৃথিবীর সর্বউত্তরের বিন্দু যা ঠিক ৯০ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশে অবস্থিত।
৩. নিরক্ষরেখা থেকে উত্তর মেরু পর্যন্ত দূরত্ব হলো পৃথিবীর পরিধির ঠিক চার ভাগের এক ভাগ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৮০ ডিগ্রি — এটি নিরক্ষীয় তল থেকে পৃথিবীর কেন্দ্র হয়ে দক্ষিণ মেরু পর্যন্ত মোট সরলরৈখিক কোণ নির্দেশ করে।
B) ৩৬০ ডিগ্রি — এটি একটি সম্পূর্ণ বৃত্তের মোট কোণের পরিমাণ যা পুরো পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করলে পাওয়া যায়।
C) ৯০ ডিগ্রি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে ভুল প্রযোজ্য নয়।
D) ০ ডিগ্রি — এটি নিরক্ষরেখার নিজস্ব অবস্থান নির্দেশ করে কারণ নিরক্ষরেখাতেই কৌণিক দূরত্ব শূন্য হয়।
মনে রাখার টিপস:
১. পৃথিবীকে একটি বৃত্ত হিসেবে কল্পনা করলে তার পুরো পরিধি ৩৬০ ডিগ্রি।
২. বৃত্তের চার ভাগের এক ভাগ অর্থাৎ নিরক্ষরেখা থেকে মেরুবিন্দু পর্যন্ত দূরত্ব সবসময় ৯০ ডিগ্রি হয়।
সঠিক উত্তর: D) খরা
কেন সঠিক:
খরা মূলত আবহাওয়া ও জলবায়ুর পরিবর্তনের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ।
এটি পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাতের অভাবে সৃষ্টি হয় যা কৃষিকাজ ও ফসল উৎপাদনে মারাত্মক ক্ষয়ক্ষতি ঘটায়।
ভৌগোলিক তথ্য:
খরা সাধারণত দীর্ঘস্থায়ী শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে বিশ্বের বৃষ্টিবহুল অঞ্চল কিংবা মরুপ্রায় অঞ্চলে বেশি দেখা যায়।
এটি মাটি ও বায়ুমণ্ডলের আর্দ্রতা কমিয়ে দিয়ে উদ্ভিদ জগতের স্বাভাবিক বৃদ্ধিতে বাধা সৃষ্টি করে।
উদাহরণস্বরূপ, ভারতের রাজস্থান বা আফ্রিকার সাহেল অঞ্চলে খরা একটি নিয়মিত কৃষিজাগতিক সমস্যা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভূমিকম্প — এটি একটি ভূগাঠনিক আপদ যা মূলত শিলায় পীড়ন এবং পাত সংস্থান প্রক্রিয়ার কারণে ঘটে।
B) ভূমিধস — এটি একটি ভূমিরূপগত আপদ যা অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত বা মাধ্যাকর্ষণ টানে পাহাড় ধসে পড়ার ফলে হয়।
C) সুনামি — এটি একটি সামুদ্রিক আপদ যা সমুদ্রের তলায় ভূমিকম্প বা অগ্ন্যুৎপাতের ফলে সৃষ্টি হয়।
D) খরা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি আবহাওয়া এবং কৃষির সাথে সরাসরি যুক্ত।
মনে রাখার টিপস:
কৃষি কাজের সাথে সরাসরি আবহাওয়া এবং পানির সংযোগ থাকে, তাই জলবায়ুজনিত পানির অভাব বা খরা হলো একটি কৃষি-আবহাওয়াজনিত আপদ।
সঠিক উত্তর: A) নদী খননের মাধ্যমে পানি পরিবহন সক্ষমতা বৃদ্ধি করা
কেন সঠিক:
নদী খনন একটি কাঠামোগত ব্যবস্থাপনা।
এটি সাধারণ ব্যবস্থাপনার অংশ নয় বরং বিশেষ বা স্থায়ী ব্যবস্থাপনার অন্তর্ভুক্ত।
ভৌগোলিক তথ্য:
বাংলাদেশ একটি নদীমাতৃক দেশ এবং প্রতি বছর বর্ষাকালে এখানে পলি জমে নদীর গভীরতা কমে যায়।
ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে উজান থেকে নেমে আসা অতিরিক্ত পানির চাপ সামলানোর জন্য নদী শাসন জরুরি।
বর্ষা মৌসুমে উপকূলীয় ও অববাহিকা অঞ্চলে প্রায়ই আকস্মিক বন্যা দেখা দেয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নদী খননের মাধ্যমে পানি পরিবহন সক্ষমতা বৃদ্ধি করা — এটি সাধারণ ব্যবস্থাপনার বদলে একটি দীর্ঘমেয়াদী এবং ব্যয়বহুল কাঠামোগত ব্যবস্থাপনা।
B) নদী শাসন ব্যবস্থা সুনিশ্চিত করা — এটি বন্যা নিয়ন্ত্রণের সাধারণ বা অকাঠামোগত ব্যবস্থাপনার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়।
C) নদীর দুই তীরে বনাঞ্চল সৃষ্টি করা — এটি কম খরচে বন্যা প্রতিরোধের একটি সাধারণ ব্যবস্থাপনা যা নদীর পাড় ভাঙন রোধ করে।
D) বন্যার পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ ব্যবস্থার উন্নয়ন সাধন করা — এটি সাধারণ ব্যবস্থাপনার অন্তর্ভুক্ত যা জানমাল রক্ষায় দ্রুত প্রস্তুতি নিতে সহায়তা করে।
মনে রাখার টিপস:
সাধারণ ব্যবস্থাপনা মানে কম খরচে জনসচেতনতা এবং পূর্বাভাস।
খনন করা বা বাঁধ নির্মাণ করা হলো বড় কাঠামোগত কাজ।
সঠিক উত্তর: D) ভূমিকম্প
কেন সঠিক:
১. ভূমিকম্প হলো একটি ভূতাত্ত্বিক প্রক্রিয়া যা প্রধানত পৃথিবীর অভ্যন্তরের টেকটনিক প্লেটের সঞ্চালনের কারণে ঘটে থাকে।
২. এর সাথে বায়ুমণ্ডলে গ্রিনহাউস গ্যাসের বৃদ্ধি বা বৈশ্বিক উষ্ণায়নের কোনো প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ বৈজ্ঞানিক সংযোগ নেই।
ভৌগোলিক তথ্য:
১. পৃথিবীর অভ্যন্তরে ভূত্বকের নিচে শিলায় হঠাৎ চ্যুতি বা বিচ্যুতির ফলে সৃষ্ট শক্তির তরঙ্গের কারণে ভূমিকম্প অনুভূত হয়।
২. প্রশান্ত মহাসাগরীয় অগ্নিবলয় অঞ্চল পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকা হিসেবে পরিচিত যেখানে প্রায় আশি শতাংশ ভূমিকম্প ঘটে।
৩. উদাহরণস্বরূপ দুই হাজার চৌদ্দ সালের নেপালের ভূমিকম্প ছিল ভারতীয় ও ইউরেশীয় প্লেটের সংঘর্ষের ফল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মরুকরণ — এটি বৈশ্বিক উষ্ণতার কারণে সৃষ্ট খরা ও জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে উর্বর ভূমির মরুভূমিতে পরিণত হওয়ার প্রক্রিয়া।
B) বন্যা — অতিরিক্ত তাপমাত্রা ও বৈশ্বিক উষ্ণতার প্রভাবে বরফ গলে এবং অতিবৃষ্টির কারণে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
C) সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি — বৈশ্বিক উষ্ণতার ফলে মেরু অঞ্চলের বরফ গলে সমুদ্রের জলের মাত্রা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে যা একটি সরাসরি ঝুঁকি।
D) ভূমিকম্প — এটি সম্পূর্ণ অভ্যন্তরীণ ভূ-প্রাকৃতিক ঘটনার কারণে ঘটে যার সাথে বৈশ্বিক উষ্ণতার কোনো সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
জলবায়ু ও আবহাওয়া সংক্রান্ত পরিবর্তনগুলো বৈশ্বিক উষ্ণতার সাথে যুক্ত কিন্তু মাটি কাঁপানোর মতো অভ্যন্তরীণ ঘটনা এর আওতাভুক্ত নয়।
সঠিক উত্তর: D) পোতাশ্রয়ের ঢেউ
কেন সঠিক:
- জাপানি ভাষা বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় যে 'সু' শব্দের অর্থ পোতাশ্রয় এবং 'নামি' শব্দের অর্থ ঢেউ বা ঊর্মি।
- সমুদ্রের গভীর তলদেশে ভূমিকম্প বা অগ্উৎপাতের ফলে সৃষ্ট এই সামুদ্রিক ঢেউ উপকূলে এসে তীব্র আছড়ে পড়ে, যা মূলত পোতাশ্রয় এলাকায় বেশি ক্ষতিসাধন করে।
ভৌগোলিক তথ্য:
- প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূলে বিশেষ করে জাপান ও তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে এই প্রাকৃতিক দুর্যোগ সবচেয়ে বেশি লক্ষ্য করা যায়।
- এটি অত্যন্ত ধ্বংসাত্মক এক সামুদ্রিক জলরাশি যা উপকূলবর্তী অঞ্চলকে নিমেষেই প্লাবিত করতে সক্ষম।
- ২০৪ সালের ভারত মহাসাগরের সুনামি এর একটি ভয়ানক ঐতিহাসিক উদাহরণ হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিশালাকৃতির ঢেউ — এটি সাধারণ বড় ঢেউ বোঝায় কিন্তু 'সুনামি' শব্দের আক্ষরিক ও মূল অর্থ এর সাথে পুরোপুরি মেলে না।
B) সামুদ্রিক ঢেউ — এটি সমুদ্রের যেকোনো সাধারণ ঢেউকে বোঝায়, কিন্তু সুনামি একটি নির্দিষ্ট ভৌগোলিক উৎপত্তি ও বিশেষ অর্থ বহন করে।
C) জলোচ্ছ্বাস — এটি সাধারণত ঘূর্ণিঝড় বা জোয়ারের টানে উপকূল প্লাবিত হওয়াকে বোঝায়, যা সুনামির আসল জাপানি অর্থ থেকে আলাদা।
D) পোতাশ্রয়ের ঢেউ — এই অপশনটি সঠিক কারণ জাপানি শব্দটির মূল শাব্দিক অর্থ এটাই নির্দেশ করে।
মনে রাখার টিপস:
- জাপানি ভাষায় 'সু' অর্থ বন্দর বা পোতাশ্রয় এবং 'নামি' অর্থ ঢেউ, এই দুটি শব্দ একসাথে মনে রাখলেই উত্তরটি সহজে বের করা যায়।
সঠিক উত্তর: C) দক্ষিণ-পূর্ব
প্রদত্ত তথ্য:
লোকটি প্রথমে উত্তর-পশ্চিম দিকে মুখ করে আছে
ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘোরে নব্বই ডিগ্রি
ধরি,
প্রাথমিক দিক = উত্তর-পশ্চিম
অতএব,
ঘড়ির কাঁটার দিকে নব্বই ডিগ্রি ঘুরে মুখ হয় উত্তর-পূর্ব দিকে
সেখান থেকে ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে একশ আশি ডিগ্রি ঘুরে মুখ হয় দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে
সুতরাং,
একই দিকে আরো নব্বই ডিগ্রি ঘুরলে দিকটি পরিবর্তন হয়
উত্তর: দক্ষিণ-পূর্ব
সঠিক উত্তর: C) ১০৮
প্রদত্ত তথ্য:
সংখ্যাগুলোর ধারাবাহিক বিন্যাস দেওয়া আছে
প্রশ্নবোধক চিহ্নের সঠিক মান নির্ণয় করতে হবে
ধরি,
প্রথম সংখ্যাটি = ৪
দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ১২
তৃতীয় সংখ্যাটি = ৩৬
অতএব,
প্রথম ধাপে ৪ কে ৩ দ্বারা গুণ করলে পাওয়া যায় ১২
দ্বিতীয় ধাপে ১২ কে ৩ দ্বারা গুণ করলে পাওয়া যায় ৩৬
সুতরাং,
তৃতীয় ধাপে ৩৬ কে ৩ দ্বারা গুণ করতে হবে
উত্তর: ৩৬ × ৩ = ১০৮
সঠিক উত্তর: C) Females : Gynecologist
প্রদত্ত তথ্য:
শিশুদের চিকিৎসা করেন পেডিয়াট্রিশিয়ান
সম্পর্কটি রোগী এবং সংশ্লিষ্ট বিশেষ চিকিৎসকের
ধরি,
প্রথম পদটি হলো চিকিৎসার বিশেষ ক্ষেত্র
দ্বিতীয় পদটি হলো সেই ক্ষেত্রের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক
অতএব,
পেডিয়াট্রিশিয়ান যেমন শিশুদের রোগ নিয়ে কাজ করেন
গাইনোকোলজিস্ট তেমনি নারীদের স্বাস্থ্য ও রোগ নিয়ে কাজ করেন
সুতরাং,
মূল জুটির সাথে এই জুটির সাদৃশ্য সবচেয়ে বেশি মিলছে
উত্তর: C) Females : Gynecologist
সঠিক উত্তর: B) ১০৫
প্রদত্ত তথ্য:
সভার মোট লোকসংখ্যা = ১৫ জন
প্রত্যেকে প্রত্যেকের সাথে একবার করে করমর্দন করে
ধরি,
প্রথম ব্যক্তি করমর্দন করে ১৪ বার
দ্বিতীয় ব্যক্তি করমর্দন করে ১৩ বার
এভাবে শেষ ব্যক্তি পর্যন্ত করমর্দন চলে
অতএব,
মোট করমর্দনের সংখ্যা হলো ১ থেকে ১৪ পর্যন্ত স্বাভাবিক সংখ্যার যোগফল
অর্থাৎ, (১৫ × ১৪) ÷ ২
সুতরাং,
মোট করমর্দন হবে ২১০ ÷ ২ = ১০৫ বার
উত্তর: ১০৫
সঠিক উত্তর: C) হালকা বস্তু
প্রদত্ত তথ্য:
কামান থেকে চারটি ভিন্ন বস্তু নিক্ষেপ করা হলো
সব বস্তুর ওপর প্রযুক্ত বল সমান
ধরি,
বস্তুর ভর কম হলে ত্বরণ বেশি হয়
ভর বেশি হলে বস্তুর গতিবেগ কমে যায়
অতএব,
ভারী বস্তুর জড়তা বেশি থাকে
হালকা বস্তুর ওপর বলের প্রভাব বেশি পড়ে
সুতরাং,
হালকা বস্তুটি অনেক বেশি দূরে গিয়ে পড়বে
উত্তর: হালকা বস্তু
সঠিক উত্তর: C) ৪৫ বছর
প্রদত্ত তথ্য:
মহিলার বয়সের অংক দুটি উল্টালে স্বামীর বয়স পাওয়া যায়
স্বামীর বয়স মহিলার থেকে বেশি এবং তাদের বয়সের পার্থক্য মোট বয়সের যোগফলের এগারো ভাগের একভাগ
ধরি,
মহিলার বয়সের একক অংক ক এবং দশক অংক খ
মহিলার বয়স = ১০খ + ক এবং স্বামীর বয়স = ১০ক + খ
অতএব,
বয়সের পার্থক্য = (১০ক + খ) − (১০খ + ক) = ৯ক − ৯খ
বয়সের যোগফল = (১০খ + ক) + (১০ক + খ) = ১১ক + ১১খ
সুতরাং,
শর্তানুসারে, ৯ক − ৯খ = (১১ক + ১১খ) ÷ ১১
সমাধান করে পাই ক − খ = ১
উত্তর: অপশন পরীক্ষা করে দেখা যায় ৪৫ বছর বয়স হলে ৫ − ৪ = ১ হয়, তাই মহিলার বয়স ৪৫ বছর
সঠিক উত্তর: B) Eagle
প্রদত্ত তথ্য:
অপশনগুলোতে চারটি পাখির নাম দেওয়া আছে
কিউই, ইমু এবং উটপাখি হলো না উড়তে পারা পাখি
ইগল হলো আকাশে উড়তে পারা একটি শিকারী পাখি
ধরি,
উড়তে না পারা পাখিগুলো একদলভুক্ত
উড়তে পারা পাখিটি অন্য দলভুক্ত
অতএব,
কিউই পাখি উড়তে পারে না
ইমু পাখি উড়তে পারে না
উটপাখি পাখি উড়তে পারে না
সুতরাং,
ইগল পাখি আকাশে উড়তে পারে এবং এটি অন্যদের থেকে আলাদা
উত্তর: B) Eagle
সঠিক উত্তর: D) ৯২
প্রদত্ত তথ্য:
ইংরেজি বর্ণমালার অবস্থান অনুসারে ইংরেজি অক্ষরগুলোকে নির্দিষ্ট সংখ্যা দ্বারা গুণ করা হয়েছে
ধরি,
ইংরেজি বর্ণমালায় A এর অবস্থান ১, B এর অবস্থান ২, E এর অবস্থান ৫ ইত্যাদি
এখানে প্রতিটি অক্ষরের স্থানীয় মানকে দুই দ্বারা গুণ করা হয়েছে
অতএব,
B এর মান = ২ × ২ = ৪
E এর মান = ৫ × ২ = ১০
সুতরাং,
S এর মান = ১৯ × ২ = ৩৮ এবং T এর মান = ২০ × ২ = ৪০
উত্তর: ৪ + ১০ + ৩৮ + ৪০ = ৯২
সঠিক উত্তর: C) বোন
প্রদত্ত তথ্য:
মহিলা পুরুষটির দিকে ইঙ্গিত করে কথাটি বলছেন
সম্পর্কের ভিত্তিতে রক্তের সম্পর্ক নির্ণয় করতে হবে
ধরি,
মহিলার দাদা হলেন সেই পুরুষেরও দাদা
মহিলার দাদার একমাত্র ছেলে হলেন মহিলা ও পুরুষের বাবা
অতএব,
পুরুষটির ভাইয়ের বাবা হলেন স্বয়ং তাদের নিজেদের বাবা
মহিলার বাবার একমাত্র ছেলে অর্থাত্ ওই পুরুষের বাবা হলেন মহিলার বাবা
সুতরাং,
মহিলা এবং ওই পুরুষ একই পিতার সন্তান
উত্তর: বোন
সঠিক উত্তর: B) ৩৫৪২১
প্রদত্ত তথ্য:
শব্দগুলো হলো (১) Protect (২) Pragmatic (৩) Pastel (৪) Postal (৫) Pebble
ধরি,
ইংরেজি বর্ণমালার ক্রমানুসারে প্রথম অক্ষর বিবেচনা করি
সব শব্দের প্রথম অক্ষর P হওয়ায় দ্বিতীয় অক্ষর তুলনা করি
অতএব,
a অক্ষরযুক্ত শব্দ দুটি হলো Pastel এবং Pragmatic
e অক্ষরযুক্ত শব্দ দুটি হলো Pebble এবং Protect
o অক্ষরযুক্ত শব্দ হলো Postal
সুতরাং,
a এর পরে s থাকায় Pastel হয় প্রথমে এবং Pragmatic হয় দ্বিতীয় স্থানে
e এর পরে b থাকায় Pebble হয় তৃতীয় স্থানে এবং Protect হয় চতুর্থ স্থানে
উত্তর: ৩৫৪২১
সঠিক উত্তর: B) রক্তকরবী
১. কেন সঠিক:
- রঞ্জন চরিত্রটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রক্তকরবী নাটকের কেন্দ্রীয় পুরুষ চরিত্র, যার সরাসরি উপস্থিতি না থাকলেও পুরো নাটক জুড়ে তার প্রভাব ও উপস্থিতি অনুভব করা যায়।
- রঞ্জন হলো মুক্ত প্রাণের প্রতীক, যে যান্ত্রিক সভ্যতা ও শোষণের বিরুদ্ধে তার তারুণ্য ও প্রেমের শক্তি নিয়ে আবির্ভূত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত রক্তকরবী একটি প্রতীকধর্মী নাটক, যা ১৯২৬ সালে প্রবাসী পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত এবং একই বছর গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।
- এই নাটকে ধনতন্ত্রের নিষ্ঠুর রূপ, মানুষের যান্ত্রিক শোষণ এবং তার বিরুদ্ধে প্রেমের জয়গান অত্যন্ত রূপক অর্থে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রক্তকরবী নাটকের প্রধান নারী চরিত্র নন্দিনী।
ব্যাখ্যা: নন্দিনী হলো আলো, জীবন ও সৌন্দর্যের প্রতীক, যা রঞ্জনের প্রেম দ্বারা পরিচালিত।
উদাহরণ ২: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রাজা নাটক।
ব্যাখ্যা: রাজা নাটকেও মূল চরিত্র রাজার শারীরিক উপস্থিতি ছাড়াই তার অদৃশ্য প্রভাব নাটকের গতিপ্রকৃতি নির্ধারণ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিসর্জন — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি ট্র্যাজেডি নাটক, যেখানে রঞ্জন চরিত্রটি নেই, বরং রঘুপতি ও জয়সিংহ প্রধান চরিত্র।
B) রক্তকরবী — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য এবং রঞ্জন এই নাটকেরই অবিচ্ছেদ্য অংশ।
C) মুক্তধারা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি যন্ত্রসভ্যতার বিরুদ্ধে মানুষের প্রতিবাদের নাটক, যেখানে ধনঞ্জয় বৈরাগী ও যুবরাজ ধনঞ্জয়ের চরিত্র রয়েছে কিন্তু রঞ্জন নেই।
D) ডাকঘর — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত নাটক যেখানে অমল চরিত্রটি প্রধান, কিন্তু রঞ্জন চরিত্রটি এখানে অনুপস্থিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- রক্তকরবী নাটকের প্রধান দুটি স্মরণীয় চরিত্র হলো রঞ্জন ও নন্দিনী।
- রঞ্জন নামটির সঙ্গে রক্তকরবী নাটকটি মিলিয়ে মনে রাখলে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- রক্তকরবী নাটকটির রচিয়তা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং এটি একটি রূপক ও প্রতীকধর্মী নাটক।
- এই ধরনের চরিত্রভিত্তিক প্রশ্ন বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে, তাই নাটকের প্রধান চরিত্রগুলোর নাম ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) নূরনামা
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরটি সপ্তদশ শতাব্দীর বিশিষ্ট কবি আবদুল হাকিমের ‘নূরনামা’ কাব্যের বিখ্যাত পঙক্তি থেকে নেওয়া হয়েছে।
- এই বিখ্যাত পঙক্তির মাধ্যমে কবি মাতৃভাষার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা এবং যারা বাংলা ভাষাকে অবমূল্যায়ন করে তাদের তীব্র সমালোচনা করেছেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ‘নূরনামা’ কাব্যের রচয়িতা মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি আবদুল হাকিম, যিনি আরাকান রাজসভার কবি হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
- এই কাব্যে কবি স্বদেশের ভাষা ও সংস্কৃতির প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করে অমর বাণী রেখে গেছেন যা আজও বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে চিরস্মরণীয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বঙ্গবাণী কবিতা
ব্যাখ্যা: আবদুল হাকিমের এই কবিতাটি মধ্যযুগের বাঙালি মুসলমান কবিদের মাতৃভাষাপ্রীতির অনন্য এক ঐতিহাসিক নিদর্শন।
উদাহরণ ২: সে সব কাহার জন্ম নির্ণয় ন জানি
ব্যাখ্যা: ‘নূরনামা’ কাব্যের এই পঙক্তিতে কবি মাতৃভাষাদ্বেষী ও পরভাষাপ্রীতি সম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্মপরিচয় নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নূরনামা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই কাব্যের মধ্যেই বিখ্যাত বঙ্গবাণী বিষয়ক পঙক্তিটি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
B) নসিহতনামা — এটি শেখ সাদী রচিত ফার্সি গ্রন্থ বা এর অনুসরণে লেখা অন্য ধারার নৈতিক উপদেশমূলক গ্রন্থ।
C) মধুমালতী — এটি সৈয়দ সুলতান বা মুহম্মদ কবীর রচিত একটি রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যানমূলক কাব্য।
D) ইউসুফ-জুলেখা — এটি শাহ মুহম্মদ সগীর কিংবা আব্দুল হাকিমের সমসাময়িক অন্য কবিদের রচিত প্রেমকাব্য।
৫ মনে রাখার টিপস:
- আবদুল হাকিমের মাতৃভাষাপ্রীতির বিখ্যাত পঙক্তি দেখলে চোখ বন্ধ করে ‘নূরনামা’ কাব্য এবং কবি আবদুল হাকিমকে মনে রাখবে।
- মধ্যযুগে বাংলা ভাষার পক্ষে কথা বলা একমাত্র প্রতিবাদী কবি হলেন আবদুল হাকিম।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ‘যে সবে বঙ্গেত জন্মি হিংসে বঙ্গবাণী’ পঙক্তিটি কার রচিত বা কোন কাব্যের, তা বারবার আসে।
- মধ্যযুগের লেখকদের কাব্যগুলোর নাম ভালোভাবে মনে রাখলে এজাতীয় প্রশ্ন খুব সহজে উত্তর করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: C) সপ্তদশ
১. কেন সঠিক:
মহাকবি আলাওল সপ্তদশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও প্রখ্যাত মধ্যযুগীয় বাঙালি কবি। তাঁর জন্ম আনুমানিক ১৬০৭ খ্রিষ্টাব্দে এবং মৃত্যু ১৬৭৩ খ্রিষ্টাব্দের দিকে, যা সম্পূর্ণভাবে সপ্তদশ শতাব্দীর সময়সীমার মধ্যে পড়ে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
আলাওল আরাকান রাজসভার শ্রেষ্ঠ কবি ছিলেন এবং তাঁর সর্বশ্রেষ্ঠ সৃষ্টি হলো পদ্মাবতী মহাকাব্য। দৌলত কাজীর অসমাপ্ত সতী ময়না ও লোরচন্দ্রাণী কাব্য তাঁর মাধ্যমেই সমাপ্তি লাভ করেছিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সৈয়দ সুলতান
ব্যাখ্যা: সৈয়দ সুলতান ষোড়শ শতাব্দীর বিশিষ্ট মধ্যযুগীয় কবি যিনি নবীন বংশ রচনা করেন।
উদাহরণ ২: ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর
ব্যাখ্যা: ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর অষ্টাদশ শতাব্দীর বিখ্যাত কবি যিনি অন্নদামঙ্গল কাব্য রচনা করেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পঞ্চদশ — পঞ্চদশ শতাব্দীতে শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের রচয়িতা বড়ু চণ্ডীদাসের আবির্ভাব ঘটেছিল, আলাওল তখন ছিলেন না।
B) ষোড়শ — ষোড়শ শতাব্দীতে চৈতন্যদেব ও বৈষ্ণব পদাবলীর স্বর্ণযুগ ছিল, আলাওলের সময়কাল এটি নয়।
D) অষ্টাদশ — অষ্টাদশ শতাব্দীতে ভারতচন্দ্র ও রামপ্রসাদের মতো কবিরা খ্যাতি অর্জন করেছিলেন, আলাওল এসময়ের নন।
৫ মনে রাখার টিপস:
আলাওল সপ্তদশ শতাব্দীর কবি তা মনে রাখার জন্য পদ্মাবতী কাব্যের রচয়িতার শতাব্দী হিসেবে সপ্তদশ সংখ্যাটি মনে রাখতে হবে। মধ্যযুগের রাজসভার কবিদের সময়কাল মনে রাখতে তাদের জন্মসাল দেখে শতাব্দী নির্ণয় করা সহজ।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মধ্যযুগের কবিদের শতাব্দী থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। কবি আলাওলের জন্ম ও মৃত্যুর সময়কাল ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরণের যেকোনো প্রশ্নের সঠিক উত্তর দেওয়া সম্ভব।
সঠিক উত্তর: D) বাউল গান
১. কেন সঠিক:
- ইউনেস্কো ২০০৫ সালের ১৫ নভেম্বর বাউল গানকে বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মৌখিক ও দৃশ্যমান ঐতিহ্য বা Masterpiece of the Oral and Intangible Heritage of Humanity হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
- বাউল গান বাংলার লোকসংস্কৃতির এক অনন্য আধ্যাত্মিক ধারা যা মরমি সাধনা ও গ্রামীণ জীবনদর্শনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাউলরা হলেন বাংলার এক বিশেষ লোককবি ও সাধক সম্প্রদায় যারা গেয় পদের মাধ্যমে তাদের আধ্যাত্মিক দর্শন প্রকাশ করেন।
- লালন শাহ বাউল দর্শনের সবচেয়ে প্রখ্যাত সাধক ও গীতিকার যিনি কুষ্টিয়ার ছেউড়িয়ায় তার আখড়ায় এই সাধনা প্রচার করেছিলেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: খাঁচার ভিতর অচিন পাখি কেমনে আসে যায়
ব্যাখ্যা: এটি লালন শাহের একটি অত্যন্ত বিখ্যাত বাউল গান যা মানুষের আত্মিক ও অবিনশ্বর সত্তাকে ফুটিয়ে তোলে।
উদাহরণ ২: سب লোক কয় লালন কী জাত সংসারে
ব্যাখ্যা: এই গানে বাউল দর্শনের মূল বাণী অর্থাৎ জাতপাতের ঊর্ধ্বে মানবতাবাদ ও বিশ্বজনীন ঐক্যের কথা প্রকাশ করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রবীন্দ্র সংগীত — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত ও সুরারোপিত গান হলেও ইউনেস্কো এটিকে সরাসরি এই নির্দিষ্ট অভিধায় ভূষিত করেনি।
B) নজরুল সংগীত — কাজী নজরুল ইসলামের গান বাংলা সংস্কৃতির অমূল্য সম্পদ হলেও এটি এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পায়নি।
C) ভাটিয়ালি গান — ভাটিয়ালি বাংলার জলভিত্তিক লোকসংগীতের এক অপূর্ব ধারা কিন্তু ইউনেস্কোর এই স্বীকৃতি এটি পায়নি।
D) বাউল গান — এটিই একমাত্র সঠিক অপশন কারণ ইউনেস্কো কর্তৃক এই বাংলার লোকগানটি আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্ব ঐতিহ্যের স্বীকৃতি লাভ করেছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বাউল গান ও ইউনেস্কোর স্বীকৃতি মনে রাখতে সালটি মনে রাখতে পারো ২০০৫ সাল।
- বাংলার লোকসংস্কৃতির আন্তর্জাতিক অহংকার হলো বাউল গান।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ইউনেস্কোর স্বীকৃতিপ্রাপ্ত বাংলাদেশি ঐতিহ্য সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
- বাউল গান ছাড়াও বাংলাদেশের সুন্দরবন, ঐতিহাসিক ষাট গম্বুজ মসজিদ এবং মঙ্গল শোভাযাত্রা ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকাভুক্ত।
সঠিক উত্তর: B) ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পণ্ডিত
১. কেন সঠিক:
- চন্ডীচরণ মুন্সী ১৮০১ সালে প্রতিষ্ঠিত ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগে একজন পণ্ডিত হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
- উইলিয়াম কেরীর অধীনে বাংলা গদ্যচর্চা ও পাঠ্যপুস্তক রচনার সঙ্গে তিনি ও তাঁর সহকর্মীরা যুক্ত ছিলেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের ভাষা বিভাগে উইলিয়াম কেরীর তত্ত্বাবধানে অনেক দেশি পণ্ডিত বাংলা গ্রন্থ রচনা ও অনুবাদ করেন।
- চন্ডীচরণ মুন্সী এই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমেই বাংলা গদ্যের প্রাথমিক বিকাশ ও পাঠ্যপুস্তক তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রামমৃত্যু বিদ্যালঙ্কার
ব্যাখ্যা: তিনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের একজন বিশিষ্ট পণ্ডিত ছিলেন যিনি বাংলা গদ্য রচনায় যুক্ত ছিলেন।
উদাহরণ ২: মীর মৃত্যুর আলী
ব্যাখ্যা: ইনিও ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের হিন্দুস্থানি বা বাংলা বিভাগের একজন পণ্ডিত ও অনুবাদক হিসেবে কাজ করেছেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শ্রীরামপুর মিশনের লিপিকর — শ্রীরামপুর মিশনের সঙ্গে উইলিয়াম কেরি ও মশারফ হোসেন প্রমুখ যুক্ত ছিলেন, চন্ডীচরণ মুন্সী ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পণ্ডিত ছিলেন।
B) ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পণ্ডিত — এটি সঠিক কারণ তিনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগের পণ্ডিত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
C) কেরী সাহেবের মুন্সী গ্রন্থের রচয়িতা — কেরী সাহেবের মুন্সী গ্রন্থটির রচয়িতা পন্ডিত রামরাম বসু, চন্ডীচরণ মুন্সী নন।
D) সমাচার চন্দ্রিকা পত্রিকার সম্পাদক — সমাচার চন্দ্রিকা পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন ভবানীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়, চন্ডীচরণ মুন্সী নন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পণ্ডিতদের নাম মনে রাখতে রামরাম বসু, মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার ও চন্ডীচরণ মুন্সী একসঙ্গে স্মরণ করুন।
- শ্রীরামপুর মিশন ও ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ দুটি আলাদা প্রতিষ্ঠান, তাই এদের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিবর্গ গুলিয়ে ফেলবেন না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পণ্ডিতদের নাম এবং তাদের রচিত গ্রন্থ বারবার আসে।
- বাংলা গদ্যের সূচনালগ্নে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের অবদান এবং সেখানকার পণ্ডিতদের তালিকা ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
১. কেন সঠিক:
'রত্নপরীক্ষা' গ্রন্থটির রচয়িতা পণ্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। এটি তাঁর অন্যতম একটি অনুবাদমূলক ও শিক্ষামূলক গদ্যগ্রন্থ।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ছিলেন বাংলা গদ্যের জনক ও উনিশ শতকের অন্যতম প্রধান সংস্কারক। তাঁর মৌলিক ও অনুবাদ গ্রন্থের মধ্যে রত্নপরীক্ষা একটি বিশেষ স্থান অধিকার করে আছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ভ্রান্তিবিলাস
ব্যাখ্যা: এটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের আরেকটি বিখ্যাত অনুবাদ গ্রন্থ, যা শেক্সপিয়রের কমেডি অফ এররস অবলম্বনে রচিত।
উদাহরণ ২: শকুন্তলা
ব্যাখ্যা: এটি কালিদাসের অভিজ্ঞানশকুন্তলম নাটকের আখ্যানে রচিত বিদ্যাসাগরের একটি জনপ্রিয় গদ্যগ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রামমোহন রায় — রাজা রামমোহন রায় বাংলা গদ্যের পত্তন করলেও তিনি 'রত্নপরীক্ষা' গ্রন্থের রচয়িতা নন।
B) অক্ষয়কুমার দত্ত — অক্ষয়কুমার দত্ত বিজ্ঞান ও সমাজভিত্তিক প্রবন্ধ রচনার জন্য পরিচিত হলেও এই গ্রন্থের লেখক নন।
C) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
D) রাধানাথ শিকদার — রাধানাথ শিকদার গণিতবিদ ও এভারেস্টের উচ্চতা পরিমাপক হলেও এই সাহিত্যকর্মের সঙ্গে যুক্ত নন।
৫ মনে রাখার টিপস:
বিদ্যাসাগরের অনুবাদ গ্রন্থগুলো মনে রাখতে মূল সংস্কৃত বা ইংরেজি নামের পাশাপাশি তাঁর গদ্যশৈলী মনে রাখতে হবে। রত্নপরীক্ষা নামটি বিদ্যাসাগরের শিক্ষামূলক রচনার অন্তর্ভুক্ত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদ্যাসাগরের অনুবাদ ও মৌলিক গ্রন্থগুলোর নাম প্রায়ই আসে। সীতার বনবাস, প্রভাবতী সম্ভ্রম ও কথামালা তাঁর অন্যান্য আলোচিত রচনা।
সঠিক উত্তর: B) দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর
১. কেন সঠিক:
- স্বর্ণকুমারী দেবীর পিতার নাম মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর যিনি বিখ্যাত সমাজসংস্কারক ও ব্রাহ্মসমাজের নেতা ছিলেন।
- জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবারের বিখ্যাত সাহিত্যিক ও সংস্কৃতিমনা পরিবেশেই স্বর্ণকুমারী দেবী বেড়ে ওঠেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- স্বর্ণকুমারী দেবী ছিলেন বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক নারী ঔপন্যাসিক ও বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী একজন লেখক।
- তিনি বিখ্যাত কবি ও দার্শনিক রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বোন এবং তার রচিত প্রথম উপন্যাস দীপনির্বাণ ১৮৭৬ সালে প্রকাশিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলেন দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের কনিষ্ঠ পুত্র এবং স্বর্ণকুমারী দেবীর ছোট ভাই।
উদাহরণ ২: অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যা: অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলেন গুণেন্দ্রনাথ ঠাকুরের পুত্র এবং স্বর্ণকুমারী দেবীর ভ্রাতুষ্পুত্র বা ভাইয়ের ছেলে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দ্বারকানাথ ঠাকুর — দ্বারকানাথ ঠাকুর হলেন দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের পিতা এবং স্বর্ণকুমারী দেবীর পিতামহ।
B) দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি স্বর্ণকুমারী দেবীর জৈবিক পিতা।
C) রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর — রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পুত্র, স্বর্ণকুমারী দেবীর ভাইয়ের ছেলে নন।
D) প্রমথ চৌধুরী — প্রমথ চৌধুরী হলেন স্বর্ণকুমারী দেবীর জামাতা বা কন্যা ইন্দিরা দেবীর স্বামী।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ঠাকুর পরিবারের বিখ্যাত ভাইবোনদের মনে রাখতে মনে রাখবেন স্বর্ণকুমারী দেবী হলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের দিদি বা বড় বোন এবং তাদের পিতার নাম দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ঠাকুর পরিবারের নারী সাহিত্যিকদের নিয়ে প্রশ্ন আসে, তাই স্বর্ণকুমারী দেবীর পিতাপরিচয় ও সাহিত্যকর্ম মনে রাখা জরুরি।
- এই ধরনের প্রশ্নে পরিবারের জেনারেশন বা প্রজন্ম গুলিয়ে ফেলা যাবে না, যেমন পিতা আর পিতামহের পার্থক্য পরিষ্কার রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) কমলাকান্ত
১. কেন সঠিক:
ভীষ্মদেব খোশনবীশ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত রম্য রচনা সংকলন কমলাকান্ত গ্রন্থের একটি কাল্পনিক চরিত্র।
এই চরিত্রটি গ্রন্থের বিভিন্ন নিবন্ধে লেখকের ছদ্মনাম বা সহযোগী হিসেবে নানা সামাজিক ও রাজনৈতিক বিষয়ে মন্তব্য প্রকাশ করেছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের জনক এবং বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক।
কমলাকান্ত গ্রন্থটি মূলত টমাস ডি কুইন্সির কনফেশনস অফ অ্যান ইংলিশ অপিয়াম ইটার অবলম্বনে রচিত একটি ব্যঙ্গাত্মক প্রবন্ধ সংকলন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিড়াল
ব্যাখ্যা: এটি কমলাকান্ত গ্রন্থের একটি বিখ্যাত ব্যঙ্গাত্মক প্রবন্ধ যেখানে কমলাকান্ত ও একটি বিড়ালের কথোপকথনের মাধ্যমে সমাজের নানা অসংগতি তুলে ধরা হয়েছে।
উদাহরণ ২: আমার মন
ব্যাখ্যা: এটিও কমলাকান্ত গ্রন্থের অন্তর্গত একটি প্রাবন্ধিক রচনা যেখানে মানুষের মনস্তত্ত্ব ও সমাজ বাস্তবতার চিত্রফুটে উঠেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কমলাকান্ত — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই গ্রন্থেই ভীষ্মদেব খোশনবীশ চরিত্রের উপস্থিতি রয়েছে।
B) লোকরহস্য — এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি প্রবন্ধ গ্রন্থ হলেও এতে এই চরিত্রটি নেই।
C) মুচিরাম গুড়ের জীবনচরিত — এটি বঙ্কিমচন্দ্রের একটি আলাদা ব্যঙ্গাত্মক উপন্যাস যেখানে মুচিরাম গুড় প্রধান চরিত্র।
D) যুগলাঙ্গুরীয় — এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি রোমান্টিক উপন্যাস যাতে এই চরিত্রটি অনুপস্থিত।
৫ মনে রাখার টিপস:
কমলাকান্তের নেশার ঘোরে লেখা মজার ও তীক্ষ্ণ সামাজিক সমালোচনামূলক কথাগুলো ভীষ্মদেব খোশনবীশ নামক চরিত্রের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়েছে।
বঙ্কিমচন্দ্রের রম্য রচনা মানেই কমলাকান্ত এবং তার ভেতরের নানা চরিত্র যেমন বিড়াল ও ভীষ্মদেব খোশনবীশ।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কমলাকান্ত গ্রন্থটি মূলত তিনটি অংশে বিভক্ত এবং এর ছদ্মনামধারী চরিত্রগুলো খুব সাবধানে মনে রাখতে হবে।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বঙ্কিমচন্দ্রের উপন্যাস ও রম্য রচনার চরিত্র থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: D) মাইকেল মধুসূদন দত্ত
কেন সঠিক:
দীনবন্ধু মিত্রের বিখ্যাত নীলদর্পণ নাটকটি ইংরেজিতে অনুবাদ করেছিলেন মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত।
ইউরোপীয় সমাজে নাটকের মাধ্যমে নীলকর সাহেবদের নির্যাতনের কথা তুলে ধরতে এই ইংরেজি অনুবাদ করা হয়েছিল।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা নাট্য সাহিত্যে নীলদর্পণ নাটকটি নীলকর বিদ্রোহের এক ঐতিহাসিক দলিল হিসেবে বিশেষ স্থান অধিকার করে আছে।
এই নাটকের ইংরেজি অনুবাদ প্রকাশের পর ইংল্যান্ডের মানুষের মধ্যে তীব্র প্রতিবাদের ঝড় উঠেছিল।
রেভারেন্ড জেমস লংয়ের নামে এই অনুবাদ প্রকাশিত হলেও এর প্রকৃত অনুবাদক ছিলেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জশুয়া মার্শম্যান — ইনি শ্রীরামপুর মিশনের একজন প্রখ্যাত মিশনারি ও সাংবাদিক ছিলেন যিনি বাংলা সংবাদপত্র প্রচারে যুক্ত ছিলেন।
B) ডেভিড হেয়ার — ইনি ভারতে ইংরেজি শিক্ষা প্রসারের জন্য বিখ্যাত একজন সমাজসংস্কারক এবং শিক্ষানুরাগী ছিলেন।
C) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — ইনি বাংলা গদ্যের জনক এবং সমাজসংস্কারক হলেও নীলদর্পণ নাটকটি ইংরেজিতে অনুবাদ করেননি।
D) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি রেভারেন্ড জেমস লংয়ের অনুরোধে নাটকটির ইংরেজি অনুবাদ করেছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
নীলদর্পণ নাটকের বাংলা লিখেছেন দীনবন্ধু এবং মধু দিয়ে মনে রেখো এর ইংরেজি অনুবাদ করেছেন মধুসূদন দত্ত।
সঠিক উত্তর: D) শ্রীকৃষ্ণকীর্ত্তন কাব্যের প্রাপ্তিস্থান
১. কেন সঠিক:
- শ্রীকৃষ্ণকীর্ত্তন কাব্যটি পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়া জেলার বিষ্ণুপুর সংলগ্ন কাঁকিল্যা গ্রাম থেকে আবিষ্কৃত হয়।
- এই গ্রামের দেবেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় নামক এক ব্যক্তির গোয়ালঘর থেকে বসন্তরঞ্জন রায় বিদদ্ববল্লভ পুঁথিটি উদ্ধার করেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- শ্রীকৃষ্ণকীর্ত্তন বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের আদি নিদর্শন এবং রাধা-কৃষ্ণের প্রেমভিত্তিক একটি নাটকধর্মী কাব্য।
- বসন্তরঞ্জন রায় বিদদ্ববল্লভ ১৯০৯ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে কাব্যটি প্রথম প্রকাশ করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চর্যাপদের আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থশালা থেকে পুঁথি আবিষ্কার করেছিলেন।
ব্যাখ্যা: এটি প্রাচীন বাংলা সাহিত্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কারের ইতিহাস নির্দেশ করে।
উদাহরণ ২: ময়মনসিংহ গীতিকা দীনেশচন্দ্র সেন সংকলন ও সম্পাদনা করেছিলেন।
ব্যাখ্যা: এটি লোকসাহিত্যের এক অমূল্য সম্পদ যা বিভিন্ন গ্রামীণ এলাকা থেকে সংগৃহীত হয়েছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শ্রীচৈতন্যদেবের জন্মস্থান — শ্রীচৈতন্যদেবের জন্মস্থান পশ্চিমবঙ্গের নবদ্বীপধামে, কাঁকিল্যা গ্রামে নয়।
B) বড়ু চণ্ডীদাসের জন্মস্থান — বড়ু চণ্ডীদাসের জন্মস্থান বীরভূম জেলার নান্নুর গ্রামে, কাঁকিল্যা গ্রামে নয়।
C) চর্যাপদের প্রাপ্তিস্থান — চর্যাপদ আবিষ্কৃত হয়েছিল নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থশালা থেকে, কাঁকিল্যা গ্রাম থেকে নয়।
D) শ্রীকৃষ্ণকীর্ত্তন কাব্যের প্রাপ্তিস্থান — এই অপশনটি সঠিক কারণ কাঁকিল্যা গ্রাম থেকেই এই পুঁথিটি আবিষ্কৃত হয়েছিল।
৫ মনে রাখার টিপস:
শ্রীকৃষ্ণকীর্ত্তন কাব্যের সঙ্গে কাঁকিল্যা গ্রাম এবং বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরের নাম মনে রাখতে হবে। আবিষ্কারক বসন্তরঞ্জন রায়ের নামও এর সঙ্গে স্মরণীয়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
মধ্যযুগের সাহিত্যের যেকোনো আবিষ্কারের স্থান এবং আবিষ্কারকের নাম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কাব্যের প্রাপ্তিস্থান এবং প্রকাশকাল ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
১. কেন সঠিক:
- ‘তৈল’ প্রবন্ধটি মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর বিখ্যাত একটি মননশীল ও সমাজ সচেতন প্রবন্ধ।
- এই প্রবন্ধে লেখক সমাজের একশ্রেণির তোষামোদকারী ও সুবিধাবাদী মানুষের চরিত্রকে তৈল মর্দনের রূপকের মাধ্যমে অত্যন্ত ব্যঙ্গাত্মকভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ছিলেন ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষ ও বিংশ শতাব্দীর শুরুর একজন প্রখ্যাত বাঙালি ইতিহাসবিদ, পন্ডিত ও প্রাচীন বাংলা সাহিত্যের উদ্ধারকারী।
- তাঁর প্রকৃত নাম বিনয়ভূষণ ভট্টাচার্য হলেও তিনি হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নামেই বেশি পরিচিত এবং তিনি চর্যাপদের আবিষ্কারক হিসেবে বিশ্বজুড়ে সমাদৃত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর রচিত প্রাচীন গবেষণামূলক গ্রন্থ ‘বৌদ্ধ গান ও দোহা’।
ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থের মাধ্যমেই তিনি ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবার থেকে চর্যাপদ আবিষ্কার ও সম্পাদনা করে প্রকাশ করেছিলেন।
উদাহরণ ২: হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর ইতিহাসভিত্তিক উপন্যাস ‘বেনিফসট’।
ব্যাখ্যা: এটি তাঁর একটি সুপরিচিত ঐতিহাসিক উপন্যাস যা তৎকালীন সমাজ ও ইতিহাসের নানা দিক তুলে ধরে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সুকুমার রায় — তিনি মূলত শিশুসাহিত্যের জন্য বিখ্যাত এবং তাঁর অমর সৃষ্টি ‘হযবরল’ ও ‘আবোল তাবোল’।
B) রমেশচন্দ্র মজুমদার — তিনি ছিলেন বাংলাদেশের প্রখ্যাত ইতিহাসবিদ ও গবেষক, তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ ‘বাংলাদেশের ইতিহাস’।
C) শিবনারায়ণ রায় — তিনি একজন বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক, সমালোচক ও চিন্তাবিদ ছিলেন, যিনি মূলত সাহিত্য সমালোচনা নিয়ে কাজ করেছেন।
D) হরপ্রসাদ শাস্ত্রী — এই অপশনটি সঠিক কারণ ‘তৈল’ প্রবন্ধটি তাঁরই অত্যন্ত জনপ্রিয় ও মননশীল একটি রচনা।
৫ মনে রাখার টিপস:
- তৈল দিয়া সমাজের বড়লোকদের মন জোগানোর চতুর স্বভাব ফুটিয়ে তুলতে পন্ডিত হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর ‘তৈল’ প্রবন্ধটি মনে রাখতে হবে।
- পন্ডিত ব্যক্তিরাই সমাজকে আয়নায় দেখান, তাই গবেষণাধর্মী পন্ডিত হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর এই ব্যঙ্গাত্মক প্রবন্ধটি তার পাণ্ডিত্যের আরেকটি চমৎকার নিদর্শন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকের নাম ও প্রবন্ধের মিল সংক্রান্ত প্রশ্নে এই রচনাটি প্রায়ই আসে।
- চর্যাপদের আবিষ্কারক এবং প্রাচীন বাংলার ইতিহাস গবেষক হিসেবে হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর অন্যান্য প্রবন্ধ ও গবেষণাকর্ম সম্পর্কেও ধারণা রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: B) বিষ্ণু দে
১. কেন সঠিক:
- “নাম রেখেছি কোমল গান্ধার” কাব্যগ্রন্থটি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান দিকপাল বিষ্ণু দে রচনা করেছেন।
- এখানে 'কোমল গান্ধার' শব্দটি ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের একটি স্বরগ্রামকে নির্দেশ করে, যা কাব্যের নামকরণে ভিন্নমাত্রা যোগ করেছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বিষ্ণু দে তিরিশের দশকের আধুনিক বাংলা কবিতার একজন মার্কসবাদী চেতনাসম্পন্ন ও প্রগতিশীল কবি।
- তার কবিতায় পাশ্চাত্য সাহিত্যের প্রভাব, আধুনিক মনন, ইতিহাস ও সংস্কৃতির গভীর বোধ এবং ফর্মের পরীক্ষা-নিরীক্ষা লক্ষ্য করা যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্যগ্রন্থ "গীতাঞ্জলি"
ব্যাখ্যা: এটি তার বিশ্বখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যার জন্য তিনি নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
উদাহরণ ২: কাজী নজরুল ইসলামের কাব্যগ্রন্থ "অগ্নিবীণা"
ব্যাখ্যা: এটি তার প্রথম প্রকাশিত এবং বিদ্রোহী কবিতার সংকলন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — ইনি বাংলা সাহিত্যের সর্বকালের সেরা কবি হলেও "নাম রেখেছি কোমল গান্ধার" তার কাব্যগ্রন্থ নয়।
B) বিষ্ণু দে — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি সঠিক।
C) অমিয় চক্রবর্তী — ইনি তিরিশের দশকের আধুনিক কবি হলেও এই কাব্যগ্রন্থটি তার রচিত নয়।
D) প্রেমেন্দ্র মিত্র — ইনি কল্লোল যুগের বিশিষ্ট সাহিত্যিক হলেও এই কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা নন।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বিষ্ণু দের নাম মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো যে তিনি সঙ্গীতের সুর বা রাগভিত্তিক নাম যেমন কোমল গান্ধার ব্যবহার করেছেন।
- তিরিশের দশকের আধুনিক কবিদের মধ্যে বিষ্ণু দের কাব্যনামগুলো একটু আলাদা ধরনের হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আধুনিক যুগের কবি ও তাদের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের নাম প্রায়ই আসে।
- কবি বিষ্ণু দের অন্যান্য বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যেমন চোরাবালি এবং পূর্বলেখ ভালোভাবে পড়ে রাখবে।
সঠিক উত্তর: A) কাজী নজরুল ইসলাম
১. কেন সঠিক:
'ও মন রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ' গানটির রচয়িতা বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম।
বাংলা ১৩৩৮ সালের রমজান মাসে আব্বাস উদ্দীন আহমদের অনুরোধে ইসলামী গান হিসেবে এই বিখ্যাত গানটি রচিত ও সুরারোপিত হয়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত হলেও তিনি প্রচুর ইসলামী গান, গজল ও শ্যামাসঙ্গীত রচনা করেছেন।
তার এই গানটি বাঙালি মুসলিম সমাজে ঈদের আনন্দ ও উৎসবের অন্যতম প্রধান সাংস্কৃতিক প্রতীকে পরিণত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হে অতল জলের আহ্বান
ব্যাখ্যা: এটিও কাজী নজরুল ইসলামের রচিত একটি বিখ্যাত গান ও কবিতা।
উদাহরণ ২: তোরা দেখে যা আমিনা মায়ের কোলে
ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের রচিত অপর একটি জনপ্রিয় ইসলামী গান।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কাজী নজরুল ইসলাম — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি নিজেই এই কালজয়ী ঈদের গানটি রচনা করেছিলেন।
B) গোলাম মোস্তফা — তিনি একজন বিশিষ্ট কবি হলেও এই বিখ্যাত ঈদের গানটি তিনি রচনা করেননি।
C) জসীমউদ্দীন — তিনি পল্লীকবি হিসেবে খ্যাত এবং তার রচনার মূল বিষয় পল্লিপ্রকৃতি, যা এই গানের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) আব্বাস উদ্দীন আহমদ — তিনি এই গানটির প্রথম বিখ্যাত কণ্ঠশিল্পী ও সুরকার ছিলেন, কিন্তু এর রচয়িতা নন।
৫ মনে রাখার টিপস:
নজরুলের ঈদের গান মানেই রমজানের রোজার শেষে খুশির ঈদ গানটি, যা আব্বাস উদ্দীনের কণ্ঠে প্রথম রেকর্ড হয়েছিল।
ইসলামী গান ও গজলের ক্ষেত্রে কাজী নজরুল ইসলামের অবদান সবচেয়ে বেশি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় গানটির রচয়িতা এবং প্রথম গায়কের নাম প্রায়ই আলাদা করে জানতে চাওয়া হয়।
রচয়িতা কাজী নজরুল ইসলাম হলেও শিল্পী হিসেবে আব্বাস উদ্দীন আহমদের নাম গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
সঠিক উত্তর: D) অদ্ভুত আঁধার এক
১. কেন সঠিক:
- অদ্ভুত আঁধার এক শামসুর রাহমান রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস।
- এই উপন্যাসে লেখকের মননশীল গদ্যশৈলী এবং সমকালীন সামাজিক ও রাজনৈতিক বাস্তবতার শিল্পসম্মত রূপায়ণ ঘটেছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- শামসুর রাহমান আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি হলেও তিনি গদ্য রচনায়ও বিশেষ পারদর্শিতা দেখিয়েছেন।
- তাঁর রচিত অন্যান্য উল্লেখযোগ্য উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে অর্বাচীনীন ও বিভাস।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অর্বাচীনীন
ব্যাখ্যা: এটি শামসুর রাহমানের একটি সুপরিচিত উপন্যাস যা তাঁর গদ্য রচনার মুন্সিয়ানার পরিচয় বহন করে।
উদাহরণ ২: বিভাস
ব্যাখ্যা: এটিও কবি শামসুর রাহমানের রচিত একটি উপন্যাস, যা তাঁর কথাসাহিত্যের অনন্য নিদর্শন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পতঙ্গ পিঞ্জর — এটি শামসুর রাহমানের উপন্যাস নয় বরং এটি কবি শহীদ কাদরীর একটি বিখ্যাত কবিতার নাম।
B) প্রেম একটি লাল গোলাপ — এটি শামসুর রাহমানের উপন্যাস নয়, এটি আল মাহমুদের একটি উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ।
C) রৌদ্র করোটিতে — এটি শামসুর রাহমানের কোনো উপন্যাস নয়, এটি শহীদ কাদরীর অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি কাব্যগ্রন্থ।
D) অদ্ভুত আঁধার এক — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি শামসুর রাহমান রচিত একটি উপন্যাস।
৫ মনে রাখার টিপস:
- শামসুর রাহমান মূলত কবি হিসেবে পরিচিত হলেও তাঁর উপন্যাসগুলো মনে রাখার জন্য নামের ভিন্নতা খেয়াল রাখতে হবে।
- অদ্ভুত আঁধার এক, অর্বাচীনীন ও বিভাস এই তিনটি নাম একসঙ্গে মনে রাখলে উপন্যাসগুলো সহজে আলাদা করা যাবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত কবিদের লেখা উপন্যাস বা ছোটগল্প সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
- কবিরা কবিতা ছাড়াও উপন্যাস বা নাটক লিখলে তা আলাদা করে নোট করে রাখা পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য খুব কার্যকর।
সঠিক উত্তর: D) দ্বৈতাদ্বৈতবাদ
১. কেন সঠিক:
- প্রখ্যাত নাট্যকার সেলিম আল দীন বাংলা নাট্যসাহিত্যে দেশজ ঐতিহ্য ও লোকনাট্যের ফর্মকে আধুনিক রূপ দিতে গিয়ে নিজস্ব একটি শিল্পদর্শন তৈরি করেন।
- তাঁর নাট্যতত্ত্বে মূলত দ্বৈতাদ্বৈতবাদের প্রভাব লক্ষ্য করা যায়, যেখানে দৃশ্যমান পৃথিবী ও অদৃশ্য মহাবিশ্বের দ্বৈত রূপ এবং তাদের মধ্যকার অদ্বৈত বা একীভূত সত্তাকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- নাট্যকার সেলিম আল দীন বাংলা নাট্যজগতে শেকড়সন্ধানী নাটকের প্রবক্তা এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার এন্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক।
- তাঁর বিখ্যাত নাটকগুলোর মধ্যে কিত্তনখোলা, কেরামত মঙ্গল, যৈবতী কন্যার মন এবং হাতহদাই বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য, যা বাংলার লোকজ জীবন ও দর্শনের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কিত্তনখোলা
ব্যাখ্যা: এটি সেলিম আলদীনের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় নাটক, যেখানে বাংলার গ্রামীণ মেলা ও প্রান্তিক মানুষের জীবনযাত্রার মধ্য দিয়ে দ্বৈতাদ্বৈতবাদী জীবনের আবহ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
উদাহরণ ২: চাকা
ব্যাখ্যা: এটি তাঁর আরেকটি বিখ্যাত নাটক যা গ্রামীণ জীবনের এক মর্মান্তিক বাস্তবতাকে লোকায়ত ভঙ্গিতে তুলে ধরে এবং তাঁর নাট্যতত্ত্বের প্রতিফলন ঘটায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অস্তিত্ববাদ — এটি মূলত ইউরোপীয় সাহিত্য ও দর্শনের ধারা, যা মানুষের নিঃসঙ্গতা ও স্বাধীন ইচ্ছাকে গুরুত্ব দেয়, কিন্তু সেলিম আল দীনের মূল প্রেরণা ছিল দেশজ লোকদর্শন।
B) অভিব্যক্তিবাদ — এটি মূলত চিত্রশিল্প ও নাটকের একটি ইউরোপীয় আন্দোলন যা বাহ্যিক বাস্তবতার চেয়ে অভ্যন্তরীণ অনুভূতির প্রকাশকে প্রধান করে তোলে।
C) পরাবাস্তববাদ — এটি অবচেতন মনের প্রকাশ ও স্বপ্নময় অবাস্তবতাকে তুলে ধরার ফরাসি সাহিত্য আন্দোলন, যা সেলিম আল দীনের দেশজ লোকনাট্যের তাত্ত্বিক ভিত্তি নয়।
D) দ্বৈতাদ্বৈতবাদ — এটি সঠিক কারণ সেলিম আল দীন তাঁর নাট্যচর্চায় ও তত্ত্বে এই দেশীয় ও শাশ্বত দার্শনিক ধারণাকে সার্থকভাবে প্রয়োগ করেছেন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সেলিম আল দীন মানেই বাংলার শেকড়সন্ধানী লোকনাট্য এবং এর দার্শনিক ভিত্তি হলো দ্বৈতাদ্বৈতবাদ।
- এই নাট্যকারকে মনে রাখতে হলে তাঁর দেশজ থিয়েটার ও লোকজ নাট্যরীতির কথা মাথায় রাখতে হবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সেলিম আল দীনের নাট্যতত্ত্ব বা লোকনাট্য নিয়ে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- তাঁর বিখ্যাত নাটকগুলোর নাম এবং নাট্যভাবনা ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
সঠিক উত্তর: C) আবুল হাসান
১. কেন সঠিক:
- ‘পৃথক পালঙ্ক’ কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা হলেন বিশিষ্ট আধুনিক কবি আবুল হাসান।
- এটি বাংলা আধুনিক কবিতায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং বিষণ্ণ চেতনার একটি অনন্য কাব্যগ্রন্থ।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- আবুল হাসান বাংলা সাহিত্যের একজন প্রতিভাবান ও জনপ্রিয় আধুনিক কবি।
- তাঁর প্রকৃত নাম আবুল হোসেন মিয়া হলেও তিনি আবুল হাসান নামেই সাহিত্যজগতে পরিচিত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রাজা যায় রাজা আসে
ব্যাখ্যা: এটি কবি আবুল হাসানের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ।
উদাহরণ ২: করুণ মৃত্যুমালা
ব্যাখ্যা: এটিও কবি আবুল হাসানের একটি অত্যন্ত প্রশংসিত কাব্যগ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আল মাহমুদ — তিনি বিখ্যাত কবি ও কথাশিল্পী, তাঁর কাব্যগ্রন্থের মধ্যে লোক লোকান্তর ও সোনালী কাবিন উল্লেখযোগ্য।
B) রফিক আজাদ — তিনি বিশিষ্ট আধুনিক কবি, তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ হলো অসম্ভবের পায়ে এবং বেঁচে আছি স্বতঃস্ফূর্ততায়।
D) আবুল হোসেন — তিনি একজন প্রাবন্ধিক ও কবি, তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ হলো আর এক পৃথিবী ও হাওয়ায় নিশ্বাস।
৫ মনে রাখার টিপস:
- আবুল হাসান মানেই আলাদা বা পৃথক কিছু, এভাবে 'পৃথক পালঙ্ক' কাব্যগ্রন্থটি মনে রাখতে পারো।
- তাঁর কাব্যগ্রন্থের সংখ্যা কম হলেও প্রতিটি অত্যন্ত মানসম্মত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আধুনিক কবিদের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ও উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ প্রায়ই আসে।
- আবুল হাসানের ক্ষেত্রে 'রাজা যায় রাজা আসে' এবং 'পৃথক পালঙ্ক' বারবার পরীক্ষাতে আসে।
সঠিক উত্তর: C) শহীদুল জহির
১. কেন সঠিক:
শহীদুল জহিরের গল্পে ম্যাজিক রিয়েলিজম বা জাদুবাস্তবতার সার্থক প্রতিফলন ঘটেছে।
তাঁর লেখায় পরাবাস্তব উপাদান ও লৌকিকতার সঙ্গে বাস্তব জীবনের গভীর ও নিখুঁত মিশ্রণ লক্ষ করা যায়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
শহীদুল জহির বাংলা কথাসাহিত্যে জাদুবাস্তবতার অন্যতম প্রবক্তা ও সাধক হিসেবে পরিচিত।
তাঁর ছোটগল্পে পুরান ঢাকার জীবনযাত্রা এবং ইতিহাসের সঙ্গে পরাবাস্তব চেতনা ও রূপকধর্মিতার অপূর্ব সমন্বয় ঘটেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ডুমুরের ফুল ও অন্যান্য গল্প
ব্যাখ্যা: এটি শহীদুল জহিরের একটি বিখ্যাত গল্পগ্রন্থ যেখানে জাদুবাস্তবতার শৈল্পিক প্রয়োগ দেখা যায়।
উদাহরণ ২: আবু ইব্রাহিমের মৃত্যু
ব্যাখ্যা: এটি তাঁর আরেকটি উল্লেখযোগ্য উপন্যাস যেখানে বাস্তব ও অলৌকিক চেহারার সুন্দর মেলবন্ধন রয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জ্যোতিপ্রকাশ দত্ত — ইনি বাংলা সাহিত্যের একজন খ্যাতিমান কথাসাহিত্যিক হলেও তাঁর গল্পে ম্যাজিক রিয়েলিজমের প্রধান ধারাটি সেভাবে অনুপস্থিত।
B) রিজিয়া রহমান — ইনি মূলত ঐতিহাসিক ও সামাজিক উপন্যাসের জন্য পরিচিত, ম্যাজিক রিয়েলিজম তাঁর প্রধান বৈশিষ্ট্য নয়।
C) শহীদুল জহির — এই অপশনটি সঠিক এবং তাঁর গল্পেই ম্যাজিক রিয়েলিজমের সার্থক প্রতিফলন ঘটেছে।
D) দিলারা হাশেম — ইনি একজন প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক ও গল্পকার হলেও তাঁর সাহিত্যকর্মে ম্যাজিক রিয়েলিজমের বিশেষ প্রভাব নেই।
৫ মনে রাখার টিপস:
ম্যাজিক রিয়েলিজম বা জাদুবাস্তবতা শব্দটির সঙ্গে শহীদুল জহিরের নাম সবচেয়ে গভীরভাবে যুক্ত।
পুরান ঢাকার পটভূমি এবং পরাবাস্তব উপাদান একসঙ্গে মনে রাখলে শহীদুল জহিরকে সহজে চেনা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শহীদুল জহিরকে প্রায়শই জাদুবাস্তবতার লেখক হিসেবে প্রশ্ন করা হয়।
তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ সংখ্যা কম হলেও বাংলা সাহিত্যে তাঁর অবদান অত্যন্ত সুদূরপ্রসারী ও অনন্য।
সঠিক উত্তর: B) আবুল ফজল
১. কেন সঠিক:
- “একুশ মানে মাথা নত না করা” পঙ্ক্তিটি বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও প্রাবন্ধিক আবুল ফজলের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও তাৎপর্যপূর্ণ প্রবন্ধ থেকে গৃহীত হয়েছে।
- বাঙালি জাতির আত্মমর্যাদা, ভাষা আন্দোলন এবং একুশের চেতনার মূল চেতনা হলো অন্যায়ের কাছে কখনোই মাথা নত না করা।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- আবুল ফজল বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধের একজন প্রখ্যাত বাঙালি সাহিত্যিক, শিক্ষাবিদ ও প্রাবন্ধিক যিনি তার মননশীল রচনার জন্য পরিচিত।
- ভাষা আন্দোলন ও বাঙালির স্বাধিকার সংগ্রামের পটভূমিতে রচিত বিভিন্ন নিবন্ধে তিনি বাঙালির অদম্য সাহসিকতা ও সাংস্কৃতিক পরিচয় তুলে ধরেছেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আবুল ফজলের বিখ্যাত উপন্যাস চৌচির।
ব্যাখ্যা: এটি লেখকের একটি সুপরিচিত সামাজিক উপন্যাস যেখানে সমাজের নানা অসঙ্গতি ও মানুষের মনস্তত্ত্ব ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
উদাহরণ ২: আবুল ফজলের আরেকটি স্মরণীয় প্রবন্ধ গ্রন্থ মৃত্তিকার পৃথিবী।
ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থে লেখকের সমাজচিন্তা, মানবতাবাদ এবং জীবনদর্শন গভীরভাবে প্রকাশিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আবদুল গাফফার চৌধুরী — তিনি বিখ্যাত ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ গানের রচয়িতা হলেও আলোচ্য পঙ্ক্তিটির রচয়িতা নন।
B) আবুল ফজল — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি পরীক্ষার্থীর জন্য নির্ধারিত সঠিক উত্তরের অপশন।
C) মুনীর চৌধুরী — তিনি বিখ্যাত নাটক কবর ও রক্তাক্ত প্রান্তর এর রচয়িতা কিন্তু এই পঙ্ক্তির সঙ্গে সম্পর্কিত নন।
D) সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী — তিনি প্রখ্যাত প্রাবন্ধিক ও ইমেরিটাস অধ্যাপক হলেও এই পঙ্ক্তির রচয়িতা নন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- একুশ মানে মাথা নত না করা এবং এই চেতনাভিত্তিক মননশীল রচনার জন্য বুদ্ধিজীবী আবুল ফজলকে মনে রাখতে হবে।
- প্রাবন্ধিক আবুল ফজলের নাম মনে রাখলে একুশের চেতনার মননশীল রূপ সহজেই চিহ্নিত করা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিখ্যাত সাহিত্যিকদের অমর উদ্ধৃতি ও তার রচয়িতা প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
- এ ধরনের প্রশ্ন সমাধানের জন্য বিখ্যাত প্রবন্ধ ও নিবন্ধের মূল থিম এবং লেখকের পরিচিতি ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) উপপদ তৎপুরুষ
১. কেন সঠিক:
যে পদের সাথে কৃদন্ত পদের সমাস হয় তাকে উপপদ তৎপুরুষ সমাস বলে। এখানে নীল করের কৃৎ প্রত্যয় সাধিত পদ যুক্ত হয়ে নীলকর শব্দটি গঠিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
কৃদন্ত পদের সাথে উপপদের যে সমাস হয় তাকে উপপদ তৎপুরুষ বলে। পদের শেষে কর বা কার জাতীয় শব্দ থাকলে তা উপপদ তৎপুরুষের নিয়ম মেনে চলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পঙ্কে জন্ম যা = পঙ্কজ
ব্যাখ্যা: পঙ্ক উপপদের সাথে জ কৃদন্ত পদের সমাস হয়ে উপপদ তৎপুরুষ হয়েছে।
উদাহরণ ২: জলে চরে যা = জলচর
ব্যাখ্যা: জল উপপদের সাথে চর কৃদন্ত পদের সমাস হয়ে উপপদ তৎপুরুষ হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দ্বন্দ্ব — দ্বন্দ্ব সমাসে উভয় পদের অর্থের প্রাধান্য থাকে কিন্তু এখানে পদের অর্থের পরিবর্তন ঘটেছে।
B) বহুব্রীহি — বহুব্রীহি সমাসে অন্য পদের অর্থ প্রকাশ পায় কিন্তু এখানে তা বোঝায়নি।
C) নিত্য — নিত্য সমাসে নিত্যকাল সমাসবদ্ধ থাকে এবং এর কোনো ব্যাসবাক্য হয় না।
D) উপপদ তৎপুরুষ — এই অপশনটি সঠিক কারণ কৃদন্ত পদের সাথে উপপদের মিলনে এই সমাস সাধিত হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
ব্যাসবাক্যে যদি শেষে কর, চর, জ, গ ইত্যাদি কৃদন্ত শব্দ থাকে তবে চোখ বন্ধ করে উপপদ তৎপুরুষ সমাস দাগাবে। এটি পরীক্ষার হলে উত্তর দ্রুত মনে রাখার সহজ কৌশল।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপপদ তৎপুরুষ সমাস থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। পঙ্কজ, জলচর, পকেটমার এবং নীলকর শব্দগুলোর ব্যাসবাক্য ভালোভাবে অনুশীলন করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) দেশি
কেন সঠিক:
১. ভারতের আদিম অধিবাসী অনার্য জাতির মুখের ভাষা থেকে যেসব শব্দ বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে, সেগুলোকে দেশি শব্দ বলা হয়।
২. কোল, মুণ্ডা, সাঁওতাল প্রভৃতি প্রাচীন জনগোষ্ঠীর ব্যবহৃত অনেক শব্দ কালক্রমে বাংলা শব্দভাণ্ডারের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১. বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডারকে উৎস বা উৎপত্তি অনুসারে পাঁচটি প্রধান ভাগে ভাগ করা হয়, যার একটি হলো দেশি শব্দ।
২. হাজার বছর ধরে বাঙালি সংস্কৃতির সঙ্গে মিশে থাকা এই শব্দগুলো দেশি বা আদিম জনগোষ্ঠীর ভাষার পরিচয় বহন করে।
৩. উদাহরণস্বরূপ কুলা, ঢেঁকি, চোঙা, পেট, কুৎসিত ইত্যাদি শব্দ অনার্য জাতির ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তৎসম — এই শব্দগুলো সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে, যা অনার্য জাতির ব্যবহৃত শব্দ নয়।
B) তদ্ভব — এই শব্দগুলোর উৎস প্রাকৃত বা অপভ্রংশ হয়ে পরিবর্তিত রূপ, সরাসরি অনার্য শব্দভাণ্ডার নির্দেশ করে না।
C) দেশি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, এটি অনার্য জাতির ব্যবহৃত শব্দ।
D) বিদেশি — এই শব্দগুলো পর্তুগিজ, আরবি, ফার্সি বা ইংরেজি ইত্যাদি বহির্দেশের ভাষা থেকে বাংলায় প্রবেশ করেছে।
মনে রাখার টিপস:
১. অনার্য মানেই দেশীয় আদিবাসীদের ভাষা, তাই আদিবাসীদের ব্যবহৃত শব্দ দেখলেই দেশি শব্দ দাগাবে।
২. কুলা, ঢেঁকি, কুঁড়েঘরের মতো গ্রামীণ ও আদিম জীবনের জিনিসপত্র সাধারণত দেশি শব্দের অন্তর্ভুক্ত হয়।
সঠিক উত্তর: ক) মুহম্মদ আবদুল হাই
কেন সঠিক:
১. এই গ্রন্থটি বাংলা ভাষার ধ্বনিবিজ্ঞান ও ধ্বনিতত্ত্বের ওপর প্রথম মৌলিক গবেষণাভিত্তিক গ্রন্থ হিসেবে অত্যন্ত সমাদৃত।
২. ড. মুহম্মদ আবদুল হাই বাংলা উচ্চারণ ও ধ্বনিবিন্যাস নিয়ে বিশদ গবেষণা করে এই গ্রন্থটি রচনা করেছেন।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১. ধ্বনিবিজ্ঞান হলো ভাষা বিজ্ঞানের এমন একটি শাখা যেখানে মানুষের বাকযন্ত্র থেকে উচ্চারিত ধ্বনিসমূহের শারীরিক ও acoustic বৈশিষ্ট্য নিয়ে আলোচনা করা হয়।
২. বাংলা ভাষার ধ্বনিতাত্ত্বিক গবেষণায় এবং স্বরধ্বনি ও ব্যঞ্জনধ্বনির শ্রেণীবিন্যাসে এই গ্রন্থটি একটি প্রামাণ্য দলিল হিসেবে বিবেচিত হয়।
৩. উদাহরণস্বরূপ, বাংলায় স্বরধ্বনির উচ্চারণ এবং তাদের উচ্চারণস্থান নির্ণয়ে এই বইয়ের তথ্যগুলো আজও নির্ভরযোগ্য বলে ধরা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
ক) মুহম্মদ আবদুল হাই — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই বরং এটি তাঁর বিখ্যাত গবেষণাগ্রন্থ।
খ) মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ — তিনি বাংলা ভাষার ইতিহাস ও আঞ্চলিক ভাষা নিয়ে বেশি কাজ করেছেন, যেমন তাঁর ‘বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত’ বিখ্যাত গ্রন্থ।
গ) মুনীর চৌধুরী — তিনি মূলত একজন প্রাবন্ধিক, নাট্যকার ও ভাষা সংগ্রামী ছিলেন, তাঁর বিখ্যাত কাজ ‘মীরমানস’ ও বিভিন্ন নাটক।
ঘ) মুহম্মদ এনামুল হক — তিনি মূলত প্রাচীন ও মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্য এবং সুফি সাধনা নিয়ে গবেষণা করে খ্যাতি অর্জন করেছেন।
মনে রাখার টিপস:
১. হাই মানে উঁচু, আর ধ্বনিবিজ্ঞান হলো ভাষার উঁচু স্তরের গবেষণা, তাই ধ্বনিবিজ্ঞানের উচ্চমানের বই লিখেছেন মুহম্মদ আবদুল হাই।
২. লেখকের নামের শেষ অংশ 'হাই' এবং বইয়ের নামের প্রথম শব্দ 'ধ্বনি' মিলিয়ে মনে রাখা যায় হাই সাউন্ড বা ধ্বনি।
প্রশ্নের ধরন: ধ্বনি, বর্ণ ও উচ্চারণ
সঠিক উত্তর: B) ২টি
১. কেন সঠিক:
- বাংলা বর্ণমালায় যৌগিক স্বরবর্ণ দুটি, যা হলো ঐ এবং ঔ।
- পাশাপাশি উচ্চারিত দুটি স্বরধ্বনির মিলিত রূপকে যৌগিক স্বরধ্বনি বা দ্বিস্বর বলে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা স্বরবর্ণে মৌলিক স্বরধ্বনি সাতটি হলেও বর্ণমালায় মোট স্বরবর্ণ এগারোটি।
- এর মধ্যে অ, আ, ই, উ, ঋ, এ, ও এই সাতটি মৌলিক স্বরবর্ণ এবং বাকি দুটি যৌগিক স্বরবর্ণ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ঐ
ব্যাখ্যা: ঐ বর্ণটি উচ্চারিত হয় অ এবং ই এর মিলিত ধ্বনি হিসেবে।
উদাহরণ ২: ঔ
ব্যাখ্যা: ঔ বর্ণটি উচ্চারিত হয় অ এবং উ এর মিলিত ধ্বনি হিসেবে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১টি — বাংলা বর্ণমালায় যৌগিক স্বরবর্ণের সংখ্যা একটি নয়, কারণ ঐ এবং ঔ দুটি বর্ণই যৌগিক স্বর হিসেবে গণ্য হয়।
B) ২টি — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি বাংলা ব্যাকরণের নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী পরীক্ষিত সত্য।
C) ৩টি — বাংলা বর্ণমালায় তিনটি যৌগিক স্বরবর্ণ নেই, মূল স্বরবর্ণের তালিকা অনুযায়ী সংখ্যাটি কেবল দুটি।
D) ৪টি — চার সংখ্যাটি ভুল কারণ বাংলা বর্ণমালায় যৌগিক স্বরজ্ঞাপক বর্ণ কেবল ঐ এবং ঔ এই দুটিই রয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- যৌগিক স্বরবর্ণ মনে রাখার সহজ কৌশল হলো বর্ণমালার শেষ দুটি স্বরবর্ণ ঐ ও ঔ কে একসাথে মনে রাখা।
- স্বরবর্ণের এগারোটির মধ্যে শেষের জোড়াটিই হলো যৌগিক স্বরবর্ণ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই যৌগিক স্বরবর্ণ কয়টি এবং কী কী তা জানতে চাওয়া হয়।
- যৌগিক স্বরধ্বনি বা দ্বিস্বারের সংখ্যা বাংলা ভাষায় পঁচিশটি হলেও বর্ণ মাত্র দুটি।
সঠিক উত্তর: D) শাখামৃগ
১. কেন সঠিক:
গঠনরীতির ওপর ভিত্তি করে বাংলা ভাষার শব্দকে মূলত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়। যথা: মৌলিক শব্দ, সাধিত শব্দ এবং রূঢ় বা রূঢ়ি শব্দ, এবং যোগরূঢ় শব্দ। যোগরূঢ় শব্দ হলো সেই সমস্ত শব্দ যা সমাসনিষ্পন্ন হয়ে কোনো পদের সমার্থক না হয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন কোনো বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে। 'শাখামৃগ' শব্দটি শাখা + মৃগ সমাস সাধিত হলেও তা সাধারণ অর্থে কোনো প্রাণীকে না বুঝিয়ে বিশেষভাবে বানরকে বোঝায়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
যেসব সমাসবদ্ধ শব্দ সংজ্ঞার্থের অনুগামী না হয়ে অন্য কোনো বিশিষ্ট অর্থ জ্ঞাপন করে, সেগুলোকে যোগরূঢ় শব্দ বলে। এগুলি মূলত বহুব্রীহি বা অন্য কোনো সমাসের মাধ্যমে গঠিত হলেও মূল অর্থ ছেড়ে একটি প্রচলিত বিশেষ অর্থ গ্রহণ করে। বাংলা ব্যাকরণে যোগরূঢ় শব্দের সংখ্যা খুব বেশি নয় এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য এগুলো মুখস্থ রাখা অত্যন্ত জরুরি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পঙ্কজ
ব্যাখ্যা: পঙ্কে জন্মে যা পঙ্কজ। এটি পঙ্কে উৎপন্ন যেকোনো কিছু না বুঝিয়ে বিশেষভাবে পদ্মফুলকে বোঝায়।
উদাহরণ ২: রাজপুত
ব্যাখ্যা: রাজার পুত্র রাজপুত। এটি রাজার যেকোনো পুত্রকে না বুঝিয়ে বিশেষভাবে একটি জাতি বা সম্প্রদায়কে বোঝায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কলম — এটি একটি প্রচলিত মৌলিক শব্দ, যার অংশবিশেষ ভেঙে কোনো আলাদা অর্থ পাওয়া যায় না।
B) মলম — এটিও একটি মৌলিক শব্দ, যা কোনো সমাস বা প্রত্যয়ের সাহায্যে গঠিত হয়নি।
C) বাঁশি — এটি একটি সাধিত শব্দ, যা বাঁশ শব্দের সঙ্গে ই প্রত্যয় যোগে গঠিত হয়েছে কিন্তু যোগরূঢ় শব্দ নয়।
D) শাখামৃগ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি সমাসবদ্ধ হয়ে সাধারণ অর্থের বাইরে গিয়ে বিশেষভাবে বানর অর্থ প্রকাশ করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
যোগরূঢ় শব্দ সহজে মনে রাখার জন্য পঙ্কজ, রাজপুত, মহাযাত্রা ও শাখামৃগ এই চারটি শব্দ ভালোভাবে আয়ত্ত করে নেবে। পরীক্ষার হলে দেখা যায় সাধারণত এই কয়েকটি শব্দ থেকেই বারবার প্রশ্ন আসে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
শব্দের উৎস বা গঠনগত শ্রেণিবিভাগ থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় একটি প্রশ্ন প্রায়ই থাকে। মৌলিক, সাধিত, রূঢ় এবং যোগরূঢ় শব্দের সংজ্ঞা ও উদাহরণ ভালোভাবে পড়লে এই ধরনের প্রশ্ন খুব সহজেই সমাধান করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: B) বিদ্রোহী
১. কেন সঠিক:
- বিদ্রোহী শব্দটিতে বি উপসর্গ যুক্ত রয়েছে এবং এর মূল শব্দ হলো দ্রোহ।
- উপসর্গ শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে এবং এখানে বি উপসর্গটি বিশেষ ভাব প্রকাশ করেছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- উপসর্গ হলো অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে।
- বিদ্রোহী শব্দটির বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, বি যোগ দ্রোহ যোগ ঈ প্রত্যয় মিলে বিদ্রোহী শব্দটি গঠিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিজ্ঞান
ব্যাখ্যা: এখানে বি উপসর্গটি জ্ঞাণ শব্দের পূর্বে যুক্ত হয়ে বিশেষ জ্ঞান অর্থে বিজ্ঞান শব্দটি গঠন করেছে।
উদাহরণ ২: পরাজয়
ব্যাখ্যা: এখানে পতি বা পরা উপসর্গ জয় শব্দের পূর্বে যুক্ত হয়ে বিপরীতার্থক বা ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিদ্যা — এটি কোনো উপসর্গযুক্ত শব্দ নয় বরং বিদ ধাতু ও য প্রত্যয় যোগে গঠিত একটি মৌলিক বা প্রত্যয়সাধিত শব্দ।
C) বিষয় — এটি একটি মৌলিক শব্দ যার মধ্যে কোনো আলাদা উপসর্গ যুক্ত নেই।
D) বিপুল — এটি একটি শব্দ যার আদি রূপ বা গঠন প্রক্রিয়ায় উপসর্গ কাজ করেনি বরং এটি একটি পূর্ণাঙ্গ শব্দ।
৫ মনে রাখার টিপস:
- উপসর্গ চেনার সহজ উপায় হলো মূল শব্দ থেকে অব্যয় অংশটি বাদ দিলে একটি অর্থপূর্ণ শব্দ পাওয়া যায়।
- বি উপসর্গযুক্ত শব্দ যেমন বিচার, বিদেশ, বিপ্লব ইত্যাদি খুব সহজেই এভাবে আলাদা করা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই উপসর্গযুক্ত শব্দ আলাদা করতে বলা হয়।
- মূল শব্দ এবং উপসর্গ আলাদা করার অভ্যাস থাকলে এ ধরনের প্রশ্ন খুব সহজেই উত্তর করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: A) সরোবরে
কেন সঠিক:
- সরোবর শব্দের সাথে এ বিভক্তি যুক্ত হয়েছে।
- এটি অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তির উদাহরণ।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- শব্দ বা পদের সাথে যে বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি যুক্ত হয়ে পদ গঠন করে তাকে বিভক্তি বলে।
- সরোবর যোগ এ সমান সরোবরে।
- বনে, জলে, আকাশে এ জাতীয় শব্দের মতো এটিও বিভক্তিযুক্ত শব্দ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) সরোবরে — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
- B) চশমা — এটি একটি মৌলিক শব্দ যার সাথে কোনো বিভক্তি যুক্ত নেই।
- C) সরোজ — এটি একটি প্রত্যয়সাধিত শব্দ যা পদ্ম ফুল বোঝায় এবং এতে কোনো বিভক্তি নেই।
- D) চম্পক — এটি একটি বিশেষ্য পদ যার সাথে কোনো বিভক্তি যুক্ত হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
- শব্দের শেষে এ, য়, তে থাকলে সাধারণত সপ্তমী বিভক্তি হয়।
সঠিক উত্তর: D) ঐকিক
১. কেন সঠিক:
- 'ঐকিক' শব্দটিতে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠিত হয়েছে।
- এখানে মূল শব্দ 'এক' এর সাথে 'ষ্ণিক' (িক) প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বিশেষণ পদ গঠিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে শব্দ বা বর্ণসমষ্টি ধাতু বা প্রাতিপদিকের পরে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে, তাকে প্রত্যয় বলে।
- শব্দের মূল অংশ অর্থাৎ প্রাতিপদিকের সাথে যে প্রত্যয় যুক্ত হয়, তাকে তদ্ধিত প্রত্যয় বলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মাসিক
ব্যাখ্যা: মাস যোগ ষ্ণিক (িক) মিলে মাসিক শব্দটি গঠিত হয়েছে, যা একটি তদ্ধিতান্ত শব্দ।
উদাহরণ ২: বার্ষিক
ব্যাখ্যা: বর্ষ যোগ ষ্ণিক (িক) মিলে বার্ষিক শব্দটি গঠিত হয়েছে, যা প্রত্যয় সাধিত শব্দ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভাইবোন — এটি একটি সমাসবদ্ধ শব্দ, যেখানে দ্বন্দ্ব সমাস ব্যবহৃত হয়েছে এবং কোনো প্রত্যয় নেই।
B) রাজপথ — এটি সমাসবদ্ধ শব্দ, যা ব্যতিহার বহুব্রীহি বা ষष्ठी তৎপুরুষ সমাসের মাধ্যমে গঠিত হয়েছে।
C) বকলম — এটি ফারসি উপসর্গ যোগে গঠিত একটি শব্দ, যা অব্যয়ীভাব সমাসেরও অন্তর্ভুক্ত।
D) ঐকিক — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি প্রত্যয় সাধিত শব্দ।
৫ মনে রাখার টিপস:
- শব্দের শেষে িক, ইত, ময়, তা ইত্যাদি দেখলে সাধারণত তদ্ধিত প্রত্যয় সাধিত শব্দ হিসেবে ধরে নেওয়া যায়।
- সমাস ও প্রত্যয়ের পার্থক্য বুঝতে শব্দের গঠন প্রক্রিয়া খেয়াল রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দ গঠন (সদ্ধি, সমাস, উপসর্গ, প্রত্যয়) থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
- প্রত্যয় সাধিত শব্দ চেনার জন্য শব্দের মূল অংশ এবং প্রত্যয় আলাদা করার অভ্যাস করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) শিরঃ + ছেদ
১. কেন সঠিক:
- এটি বিসর্গ সন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম অনুযায়ী সাধিত হয়েছে।
- বিসর্গের পর চ বা ছ থাকলে বিসর্গ স্থানে তালব্য শ (শ) হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বিসর্গ সন্ধির নিয়মানুযায়ী অ বা আ ধ্বনির পরে থাকা বিসর্গের সঙ্গে চ বা ছ যুক্ত হলে বিসর্গটি তালব্য শ (শ) এ রূপান্তরিত হয়।
- এখানে 'শিরঃ' শব্দের শেষে বিসর্গ আছে এবং তার পরের শব্দ 'ছেদ' এর শুরুতে চ আছে, তাই নিয়ম অনুযায়ী বিসর্গটি শ হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নিঃ + চয় = নিশ্চয়
ব্যাখ্যা: বিসর্গের পর চ থাকায় বিসর্গটি শ এ রূপান্তরিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: দুঃ + চরিত্র = চরিত্রহীন নয়, দুশ্চরিত্র
ব্যাখ্যা: বিসর্গের পর চ থাকায় বিসর্গটি তালব্য শ (শ) এ পরিণত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শির + ছেদ — এখানে প্রথম অংশে বিসর্গ চিহ্ন ব্যবহার করা হয়নি, যা বিসর্গ সন্ধির নিয়মের পরিপন্থী।
B) শিরঃ + ছেদ — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং বিসর্গ সন্ধির নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে।
C) শিরশ্ + ছেদ — এখানে অপ্রয়োজনীয় হসন্তযুক্ত শ ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ।
D) শির + উচ্ছেদ — এটি কোনো সঠিক সন্ধি প্রক্রিয়ার আওতাভুক্ত নয় এবং অর্থের দিক থেকেও মিল নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বিসর্গের পরে চ বা ছ দেখলে বিসর্গ উঠিয়ে সেখানে তালব্য শ (শ) বসাবে।
- যেমন শিরঃ যোগ ছেদ সমান শিরশ্ছেদ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসর্গ সন্ধি থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই প্রশ্ন আসে।
- নিশ্ছিদ্র, দুশ্চরিত্র ইত্যাদি শব্দগুলো একই নিয়মে সাধিত হয়।
সঠিক উত্তর: C) উ
কেন সঠিক:
স্বরধ্বনি উ উচ্চারণের সময় জিভের পেছনের অংশ মুখের ছাদের ঠিক কাছাকাছি উচ্চ অবস্থানে উন্নীত হয়।
মুখবিবর খুব বেশি উন্মুক্ত না হয়ে সংকুচিত থাকে এবং ঠোঁট গোলাকৃত হয়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ধ্বনিতত্ত্বে জিহ্বার উচ্চতা অনুযায়ী স্বরধ্বনিগুলোকে উচ্চ, উচ্চ-মধ্য, নিম্ন-মধ্য এবং নিম্ন এই চার ভাগে ভাগ করা হয়।
মুখবিবরের অবস্থান এবং জিভের উচ্চতার তারতম্যের ওপর নির্ভর করে স্বরধ্বনির এই শ্রেণিবিভাগ নির্ধারিত হয়ে থাকে।
উ ধ্বনি উচ্চারণের সময় জিভ সর্বাধিক ওপরে উঠে আসে বলে এটি একটি উচ্চ স্বরধ্বনি হিসেবে পরিচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আ — এই ধ্বনি উচ্চারণের সময় জিহ্বা নিচে বা নিম্ন অবস্থানে থাকে তাই এটি উচ্চ স্বরধ্বনি নয়।
B) এ — এই ধ্বনি উচ্চারণের সময় জিহ্বা উচ্চ-মধ্য অবস্থানে থাকে যা উ এর মতো সর্বোচ্চ উচ্চতা নয়।
C) C — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল অপশনের তালিকায় এটি প্রযোজ্য নয় বরং সঠিক হিসেবে গণ্য।
D) ও — এই ধ্বনি উচ্চারণের সময় জিহ্বা উচ্চ-মধ্য বা পশ্চাৎ মধ্য অবস্থানে অবস্থান করে।
মনে রাখার টিপস:
ই এবং উ উচ্চারণে জিভ ওপরে ওঠে তাই এরা উচ্চ স্বরধ্বনি।
আ উচ্চারণে হাঁা করে জিভ নিচে নামে তাই এটি নিম্ন স্বরধ্বনি।
সঠিক উত্তর: C) শিক্ষাতত্ত্ব
১. কেন সঠিক:
- পেডাগজি (Pedagogy) শব্দের শাব্দিক ও ভাবগত অর্থ হলো শিক্ষাবিজ্ঞান, শিক্ষাদান পদ্ধতি বা শিক্ষাতত্ত্ব।
- এটি মূলত শিক্ষা ও শিক্ষাদানের কৌশল, তত্ত্ব এবং পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করে যা শিক্ষকতা পেশার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা ব্যাকরণ বা সাহিত্যের কোনো সরাসরি অংশ নয়, বরং ইংরেজি থেকে বাংলায় আসা একটি গুরুত্বপূর্ণ পারিভাষিক শব্দ।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শিক্ষা, প্রশাসন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সংক্রান্ত বিদেশি শব্দের সঠিক বাংলা পরিভাষা প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: Curriculumn শব্দের বাংলা পরিভাষা হলো পাঠ্যক্রম।
ব্যাখ্যা: শিক্ষা ব্যবস্থাপনায় এটি একটি অপরিহার্য পারিভাষিক শব্দ।
উদাহরণ ২: Evaluation শব্দের বাংলা পরিভাষা হলো মূল্যায়ন।
ব্যাখ্যা: শিক্ষণ প্রক্রিয়া যাচাই করার জন্য এই পারিভাষিক শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সহশিক্ষা — এটি কো-এডুকেশন (Co-education) শব্দের পরিভাষা, যা একসঙ্গে শিক্ষালাভ করা বোঝায়।
B) নারীশিক্ষা — এটি উইমেন্স এডুকেশন (Women education) শব্দের পরিভাষা, যা শুধু নারীদের শিক্ষাকে নির্দেশ করে।
C) শিক্ষাতত্ত্ব — এটি পেডাগজি শব্দের সঠিক পরিভাষা যা শিক্ষাদান পদ্ধতি ও কৌশল নির্দেশ করে।
D) শিক্ষানীতি — এটি এডুকেশন পলিসি (Education policy) শব্দের পরিভাষা, যা রাষ্ট্রের শিক্ষা সংক্রান্ত পরিকল্পনা।
৫. মনে রাখার টিপস:
- পেডাগজি শব্দের শুরুতে পি ই ডি বা পেড শব্দ থাকলে তা শিশু বা শিক্ষা সংশ্লিষ্ট বিষয় বোঝায়।
- শিক্ষকতা সংক্রান্ত বিজ্ঞান বা তত্ত্ব হলো শিক্ষাতত্ত্ব।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শিক্ষা সংক্রান্ত পারিভাষিক শব্দ প্রায়ই আসে।
- বিদেশি শব্দের পরিভাষা মুখস্থ করার পরিবর্তে তার মূল ক্ষেত্র বা কাজ বিবেচনা করে উত্তর নির্ধারণ করা বুদ্ধিমানের কাজ।
সঠিক উত্তর: D) ঋজু
১. কেন সঠিক:
- বঙ্কিম শব্দের অর্থ হলো যা বাঁকা বা কুটিল।
- এর বিপরীতার্থক শব্দ হলো ঋজু, যার অর্থ সোজা বা সরল।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণে বিপরীতার্থক শব্দ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে শব্দের উৎস ও অর্থের বিপরীত ভাব বিবেচনা করতে হয়।
- তৎসম শব্দের বিপরীতে তৎসম শব্দ এবং তদ্ভব শব্দের বিপরীতে তদ্ভব বা প্রচলিত শব্দ ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বঙ্কিম রেখা
ব্যাখ্যা: বঙ্কিম রেখা অর্থ বাঁকা রেখা, যার বিপরীত সোজা রেখাকে ঋজু রেখা বলা হয়।
উদাহরণ ২: ঋজু গতি
ব্যাখ্যা: ঋজু গতি অর্থ সরল বা সোজা গতি, যার বিপরীত বঙ্কিম গতি হতে পারে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বন্ধুর — বন্ধুর শব্দের অর্থ অমসৃণ বা উঁচু-নিচু, যা বঙ্কিমের সরাসরি বিপরীত শব্দ হিসেবে উপযুক্ত নয়।
B) অসম — অসম শব্দের অর্থ যা সমান নয়, এটি মূলত সম শব্দের বিপরীত।
C) সুষম — সুষম শব্দের অর্থ সুন্দরভাবে সমভাবে বিন্যস্ত, যা বঙ্কিম শব্দের বিপরীত নয়।
D) ঋজু — ঋজু শব্দের অর্থ সোজা বা সরল, যা বঙ্কিম শব্দের সঠিক বিপরীতার্থক রূপ।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নাম মনে রাখলে বঙ্কিম অর্থ বাঁকা বা কুটিল তা সহজে মনে রাখা যায়।
- সোজা বা সরল বোঝাতে ঋজু শব্দ ব্যবহার করা হয়, তাই বঙ্কিম ও ঋজু বিপরীত জোড়া হিসেবে মনে রাখা সহজ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ প্রায়ই আসে।
- বঙ্কিম ও ঋজুর মতো ক্লাসিক্যাল শব্দগুলোর অর্থ ও বিপরীত শব্দ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) ১৯৯২
১. কেন সঠিক:
বাংলা ভাষার বানানকে একরূপ ও শৃঙ্খলিত করার উদ্দেশ্যে বাংলা একাডেমি ১৯৯২ সালে প্রথম প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম প্রণয়ন করে।
ভাষা ও বানানের বিশৃঙ্খলা দূর করে সর্বজনগ্রাহ্য একটি মান তৈরি করাই ছিল এই নিয়ম প্রণয়নের মূল লক্ষ্য।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
ভাষা, উপভাষা ও বাংলা ভাষার ইতিহাস এবং শুদ্ধ বানান বিষয়ের অন্তর্গত একটি ঐতিহাসিক ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত এটি।
পরবর্তীতে বানানরীতি আরও যুগোপযোগী করতে বাংলা একাডেমি বিভিন্ন সময় এই নিয়মে কিছু সংশোধন ও পরিমার্জন আনে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সান্ত্বনা
ব্যাখ্যা: প্রমিত বানান নিয়ম অনুযায়ী সান্ত্বনা শব্দে দন্ত ন এর সঙ্গে ত যুক্ত হবে, মূর্ধন্য ন ব্যবহার করা যাবে না।
উদাহরণ ২: পুরস্কার
ব্যাখ্যা: প্রমিত বানান নিয়ম অনুযায়ী পুরস্কার শব্দে বিসর্গ যুক্ত হবে, কোনো ষ ব্যবহার হবে না।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৯০ — এই সালে বাংলা একাডেমির প্রমিত বানানের নিয়ম প্রণীত হয়নি কারণ এই সালটি ভুল।
B) ১৯৯২ — এই অপশনটি সঠিক এবং এই সালেই প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম প্রথম প্রণীত হয়।
C) ১৯৯৪ — এই সালটি প্রমিত বানানের নিয়ম প্রণয়নের সাল নয় বরং অন্য একটি কালক্ষেপণ বছর।
D) ১৯৯৬ — এই সালটি প্রমিত বানানের নিয়ম প্রণয়নের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
নব্বইয়ের দশকের শুরুর দিকে, অর্থাৎ ১৯৯২ সালে বাংলা একাডেমি প্রথম প্রমিত বানানের নিয়ম তৈরি করে।
মনে রাখার কৌশল হিসেবে মনে রাখতে পারো নব্বইয়ের ঠিক দুই বছর পর ১৯৯২ সালে প্রমিত বানান এলো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা একাডেমি প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম প্রথম প্রণয়ন করে ১৯৯২ সালে এবং এর সংবর্ধিত সংস্করণ প্রকাশিত হয় ১৯৯৪ সালে।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বাংলা একাডেমির প্রমিত বানান ও তার সাল সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: B) মুলা
১. কেন সঠিক:
- বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী অতৎসম বা তদ্ভব শব্দের ক্ষেত্রে 'ই' কার বা 'উ' কার ব্যবহারের নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে।
- মুলা শব্দটি একটি তদ্ভব শব্দ এবং এর সঠিক বানান লেখার সময় বাংলা একাডেমির নিয়ম অনুযায়ী উ-কার ব্যবহার করা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী দেশি, বিদেশি ও তদ্ভব শব্দে সাধারণ উ-কার বা ই-কার ব্যবহার করা হয়।
- এই শব্দগুলোর ক্ষেত্রে তৎসম শব্দের মতো অতিসূক্ষ্ম দীর্ঘ-স্বর বা দীর্ঘ-উ কারের নিয়ম বাধ্যতামূলকভাবে প্রযোজ্য নয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মুলো (প্রচলিত কথ্য রূপ, তবে প্রমিত রূপ নয়)
ব্যাখ্যা: মুখের ভাষায় মুলো বলা হলেও প্রমিত লেখার রূপ হিসেবে মুলা শব্দটি গ্রহণ করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: পুতলা
ব্যাখ্যা: মুলা শব্দের মতো পুতলা শব্দটি একটি তদ্ভব শব্দ যেখানে উ-কার ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মুলো — এটি মুখের ভাষার শব্দ হলেও বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বানানরীতিতে এটি মূল বানান হিসেবে স্বীকৃত নয়।
B) মুলা — এটি একমাত্র সঠিক ও প্রমিত বানান যা ব্যাকরণগতভাবে অনুমোদিত।
C) ধুলি — এই বানানটি ভুল কারণ প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী ধূলি বানানে দীর্ঘ ঊ-কার ব্যবহৃত হয়।
D) ধূলো — এটি ভুল কারণ সঠিক প্রমিত বানান হলো ধুলো, যেখানে হ্রস্ব উ-কার বসে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সবজিবাচক অনেক তদ্ভব শব্দে উ-কার ব্যবহৃত হয় যেমন মুলা, পুতলা।
- প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম মুখস্থ করার চেয়ে নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে আত্মস্থ করা সহজ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রমিত বানান থেকে প্রশ্ন আসে।
- বাংলা একাডেমির আধুনিক বানানরীতি ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের বানান সহজে চিহ্নিত করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: C) তটিনী
১. কেন সঠিক:
- তটিনী শব্দের অর্থ নদী বা প্রবাহিনী যা তট বা তীর বেয়ে প্রবাহিত হয়।
- নদী বোঝাতে সংস্কৃত উৎসের এই সমার্থক শব্দটির ব্যবহার বাংলা কাব্যে অত্যন্ত প্রাচীন ও বহুল প্রচলিত।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দগুলোর সমষ্টি যেগুলোর অর্থ প্রায় একই বা সমান।
- বাংলা ভাষায় শব্দের উৎস যেমন তৎসম, অর্ধতৎসম ও তদ্ভব, তেমনি অর্থের দিক থেকেও সমার্থক শব্দের বৈচিত্র্য রয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তরঙ্গিণ্তী
ব্যাখ্যা: তরঙ্গিণ্তী শব্দের অর্থ নদী কারণ এর বুকে তরঙ্গ বা ঢেউ খেলে যায়।
উদাহরণ ২: স্রোতস্বिनी
ব্যাখ্যা: স্রোতস্বিনী শব্দের অর্থ নদী যা নিরন্তর স্রোত নিয়ে বয়ে চলে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সিন্ধু — সিন্ধু শব্দের অর্থ সাগর বা মহাসাগর, যা নদীর চেয়ে অনেক বিশাল ও ভিন্ন জলাধার।
B) হিল্লোল — হিল্লোল শব্দের অর্থ মৃদু ঢেউ বা আন্দোলন, এটি নদী বা সমার্থক কোনো প্রবাহ বোঝায় না।
C) তটিনী — এটি সঠিক উত্তর।
D) নির্ঝর — নির্ঝর শব্দের অর্থ ঝরনা বা ঝরা জলধারা, যা নদীর চেয়ে ছোট উৎসমুখ বোঝায়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- নদীর পাড় বা তট থেকে তটিনী শব্দটি সহজে মনে রাখা যায়।
- নদী সম্পর্কিত সমার্থক শব্দ যেমন তটিনী, স্রোতস্বিনী এবং শৈবালিনী একসাথে পড়লে সহজে মনে থাকে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নদী, সাগর, আকাশ ও পৃথিবী সম্পর্কিত সমার্থক শব্দগুলো খুব বেশি আসে।
- মূল শব্দের উৎস ও অর্থ ভালোভাবে বুঝতে পারলে যেকোনো সমার্থক শব্দ সহজেই নির্ণয় করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: D) সহজঘানী বৌদ্ধ
১. কেন সঠিক:
চর্যাপদ হলো বাংলা ভাষার প্রাচীনতম কাব্য ও সাহিত্য নিদর্শন যা মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের সাধনসঙ্গীত।
এই সাধকরা তান্ত্রিক বৌদ্ধ ধর্মের একটি বিশেষ শাখা বা মতবাদের অনুসারী ছিলেন যা সহজযান বা সহজিয়া মতবাদ নামে পরিচিত।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
চর্যাপদের কবিরা মহাযান ও বজ্রযান ধর্মের সংস্কার করে সহজযান বা সহজিয়া মতবাদের প্রবর্তন করেছিলেন।
তারা মনে করতেন কঠোর সাধনা ছাড়াই সহজ উপায়ে মনের শুদ্ধি ও পরম তত্ত্ব লাভ করা সম্ভব, যা চর্যার গানে প্রতিফলিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কাহ্নপা রচিত চর্যাপদের পদ।
ব্যাখ্যা: কাহ্নপা ছিলেন চর্যাপদের সর্বাধিক পদরচয়িতা এবং তিনি সহজিয়া বৌদ্ধ সাধক ছিলেন।
উদাহরণ ২: ভুসুকুপা রচিত চর্যাপদের পদ।
ব্যাখ্যা: ভুসুকুপার পদেও সহজিয়া বৌদ্ধ ধর্মের সাধনপদ্ধতি ও তত্ত্বের রূপক প্রকাশ ঘটেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মহাঘানী বৌদ্ধ - মহাযান বৌদ্ধ ধর্ম চর্যাপদের মূল সৃষ্টি হলেও, সরাসরি এই নামে চর্যার কবিদের মতবাদ পরিচিত ছিল না।
B) বজ্রঘানী বৌদ্ধ - এটি একটি ভুল শব্দরূপ এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভ্রান্ত করার জন্য তৈরি করা একটি অপশন।
C) বাউল - বাউল মতবাদ পরবর্তীকালের সৃষ্টি, যদিও এর মধ্যে চর্যাপদের সহজিয়া প্রভাব রয়েছে, তবে চর্যাপদের কবিরা সরাসরি বাউল ছিলেন না।
D) সহজঘানী বৌদ্ধ - সঠিক উত্তর হওয়ার কারণে এই অপশনটি প্রশ্নানুযায়ী নির্ভুল।
৫ মনে রাখার টিপস:
চর্যাপদের কবিরা সহজিয়া মতের অনুসারী ছিলেন, তাই সহজে মনে রাখতে পারো চর্যা মানেই সহজযান বা সহজিয়া মতবাদ।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
চর্যাপদের মোট পদের সংখ্যা নিয়ে পন্ডিতদের দ্বিমত থাকলেও ডক্টর সুকুমার সেন আবিষ্কৃত পুথিতে সাড়ে ছেচল্লিশটি পদ রয়েছে।
এই ধরনের প্রশ্নে মতবাদ এবং সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন সম্পর্কিত তথ্যগুলো ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) রামাই পণ্ডিত
১. কেন সঠিক:
- ‘শূন্যপুরাণ’ বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের নাথ সাহিত্য ও ধর্মপূজা সংস্কৃতির সঙ্গে জড়িত একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ গদ্য-পদ্য মিশ্রিত গ্রন্থ।
- এই গ্রন্থের রচয়িতা হিসেবে রামাই পণ্ডিতের নাম সর্বজনস্বীকৃত এবং মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে তিনি ‘ধর্মপূজা বিধান’ রচনার জন্য বিখ্যাত।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- রামাই পণ্ডিত আনুমানিক ত্রয়োদশ বা চতুর্দশ শতকের একজন কবি এবং নাথ সাহিত্য ধারার অন্যতম প্রধান প্রবক্তা হিসেবে পরিচিত।
- ‘শূন্যপুরাণ’ মূলত বৌদ্ধ ধর্মের প্রচ্ছন্ন রূপান্তর এবং ধর্মঠাকুরের পূজাপদ্ধতি সংক্রান্ত একটি প্রাচীন গ্রন্থ যা নিরঞ্জন অষ্মনামা অধ্যায়ের জন্য বিশেষভাবে সমাদৃত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ধর্মমঙ্গলের কবি রূপরাম চক্রবর্তী
ব্যাখ্যা: রূপরাম চক্রবর্তী মধ্যযুগের ধর্মমঙ্গল কাব্যের একজন বিখ্যাত কবি যিনি ধর্মঠাকুরের মাহাত্ম্য প্রচার করেছেন।
উদাহরণ ২: ময়ূরভট্ট রচিত ধর্মমঙ্গল
ব্যাখ্যা: মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের ইতিহাসে ধর্মমঙ্গল ধারার আদি কবি হিসেবে ময়ূরভট্টের নাম উল্লেখযোগ্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রামাই পণ্ডিত — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি ‘শূন্যপুরাণ’ রচনা করেছেন।
B) হলায়ূধ মিশ্র — হলায়ূধ মিশ্র ‘ব্রাহ্মণসর্বস্ব’ নামক একটি বিখ্যাত সংস্কৃত গ্রন্থ রচনা করেছেন, বাংলা ‘শূন্যপুরাণ’ নয়।
C) কাহ্নপা — কাহ্নপা চর্যাপদের অন্যতম একজন প্রধান পদকর্তা এবং সহজিয়া বৌদ্ধ সাধক ছিলেন।
D) কুক্কুরীপা — কুক্কুরীপা চর্যাপদের একজন বিশিষ্ট পদকর্তা ও কবি, যিনি শূন্যপুরাণের সঙ্গে সম্পর্কিত নন।
৫. মনে রাখার টিপস:
- শূন্য হাতে পণ্ডিত রামাই শূন্যপুরাণ লিখলেন। এই সহজ বাক্যের মাধ্যমে রচয়িতা রামাই পণ্ডিতের নাম মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- শূন্যপুরাণ গ্রন্থটি মধ্যযুগের ধর্মঠাকুরের পূজাপদ্ধতি ও সমাজচিত্রের ঐতিহাসিক দলিল হিসেবে বিসিএস পরীক্ষায় বারবার আসে।
- চর্যাপদের কবিদের সঙ্গে মঙ্গলকাব্য বা নাথ সাহিত্যের লেখকদের নাম যেন গুলিয়ে না যায়, সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) Hamlet
কেন সঠিক:
এই বিখ্যাত সংলাপটি শেক্সপিয়ারের হ্যামলেট নাটকের প্রিন্স হ্যামলেটের একটি আত্মকথন থেকে নেওয়া হয়েছে।
নিজের মায়ের দ্রুত ও অনুচিত বিয়ের কারণে হতাশ হয়ে হ্যামলেট নারীর চরিত্রের দুর্বলতা বোঝাতে এই উক্তিটি করেছিলেন।
এটি নাটকের মূল চরিত্র হ্যামলেটের মানসিক অবসাদ ও ক্ষোভ প্রকাশ করে।
উক্তিটি সাহিত্য জগতে অত্যন্ত পরিচিত একটি উদ্ধৃতি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Hamlet — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
B) Macbeth — এই নাটকের মূল বিষয় ছিল উচ্চাকাক্ষায় অন্ধ হয়ে ক্ষমতা দখল করা এবং এখানে এই বিখ্যাত সংলাপটি নেই।
C) Othello — এই নাটকটি মূলত অন্ধ ইর্ষা এবং ষড়যন্ত্রের পরিণতির ওপর রচিত, তাই এখানে এই উক্তিটি পাওয়া যায় না।
D) King Lear — এই নাটকটি বৃদ্ধ রাজা ও তাঁর কন্যাদের ভুল বোঝাবুঝি নিয়ে লেখা, এখানে নারীর দুর্বলতার এই উক্তিটি নেই।
মনে রাখার টিপস:
নারীর দুর্বলতা নিয়ে করা এই আবেগঘন উক্তিটি মনে রাখতে হ্যামলেট নাটকের নাম এবং প্রিন্স হ্যামলেটের চরিত্রটি মাথায় রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) down
কেন সঠিক:
বরফ সাধারণত উপর থেকে নিচে নামে, তাই 'down' শব্দটি এখানে সবচেয়ে উপযুক্ত। এটি উপত্যকার উপর দিয়ে বরফের নিচে পড়ার গতি বোঝাতে সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) up — বরফ সাধারণত নিচ থেকে উপরে ওঠে না, তাই এটি ভুল।
B) in — এটি শুধু উপত্যকার ভেতরের অবস্থান বোঝায়, বরফ পড়ার গতি বোঝায় না।
C) down — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল অপশনের ঘরে পুনরাবৃত্তি এড়ানো হলো।
D) through — এটি উপত্যকার মধ্য দিয়ে পার হয়ে যাওয়া বোঝায়, যা এখানে খাপ খায় না।
মনে রাখার টিপস:
পাহাড় বা উপত্যকায় বরফ পড়ার ক্ষেত্রে সাধারণত উপর থেকে নিচে নামা বোঝাতে down প্রিপজিশন ব্যবহার করা হয়।
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ
সঠিক উত্তর: D) across
কেন সঠিক:
- কোনো রাস্তা, নদী বা গলি পার হয়ে বা তার অপর পাশে কোনো কিছু অবস্থিত বোঝালে Preposition হিসেবে across ব্যবহৃত হয়।
- রাস্তার এপাশ থেকে ওপাশে বোঝানোর কারণে এখানে across বসা সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) at — এটি নির্দিষ্ট কোনো বিন্দু বা ছোট স্থান বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা রাস্তার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
B) on — এটি কোনো তলের ওপর স্পর্শ করে আছে বোঝালে বসে, যা রাস্তার অপর পাশ বোঝাতে ভুল।
C) before — এটি সময় বা অবস্থানের পূর্বে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা রাস্তার অপর পাশ বোঝানোর নিয়মের সাথে মিলে না।
D) across — এটি রাস্তার অপর পাশ বোঝানোর জন্য সম্পূর্ণ সঠিক এবং ব্যাকরণগতভাবে উপযুক্ত।
মনে রাখার টিপস:
রাস্তা বা নদীর একপাশ থেকে অন্যপাশ বা অপর পাশ বোঝাতে সবসময় across ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: B) He has told me that he will go but I will stay here in Dhaka.
কেন সঠিক:
reporting verb বর্তমান কালে থাকায় direct থেকে indirect করার সময় that-এর পরের clause-এর tense-এর কোনো পরিবর্তন হয় না।
বক্তা ও শ্রোতার পরিবর্তনের নিয়ম অনুযায়ী person পরিবর্তিত হয়েছে এবং here থাকলে there হওয়ার নিয়ম কেবল past tense-এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়।
বাক্যটিতে অর্থ ও ব্যাকরণের সব নিয়ম সঠিকভাবে মানা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) He has said to me — say-র পরে object থাকলে বলতে হয় tell, তাই এখানে told ব্যবহার করা উচিত ছিল।
B) He has told me — এটি সঠিক উত্তর।
C) He has told me that I would... — reporting verb present tense-এ থাকলে tense পরিবর্তন করে past (would) করা ভুল।
D) He has told me that he would... — এখানে tense ও person-এর নিয়ম সঠিকভাবে প্রয়োগ করা হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
Reporting verb যদি present বা future tense-এ থাকে, তবে indirect speech-এ reported speech-এর tense-এর কোনো পরিবর্তন হয় না।
সঠিক উত্তর: A) The room was darkened by switching off all the lights.
কেন সঠিক:
১. এখানে by preposition এর পরে gerund (switching) ব্যবহার করে সঠিক মাধ্যম বা উপায় বোঝানো হয়েছে।
২. বাক্যটির অর্থ সম্পূর্ণ এবং ব্যাকরণগতভাবে নির্ভুল হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সঠিক — এই অপশনটি সঠিক কারণ এতে preposition এবং gerund এর নিয়ম সঠিকভাবে মানা হয়েছে।
B) ভুল — এখানে preposition না থাকায় কাজের মাধ্যম বা কারণ পরিষ্কারভাবে প্রকাশ পায়নি।
C) ভুল — এখানে to switch ব্যবহার করায় মনে হয় ঘরটি নিজে নিজে সুইচ অফ করার জন্য অন্ধকার হয়েছিল।
D) ভুল — এখানে dangling modifier এর ত্রুটি রয়েছে কারণ switching ক্রিয়ার সঠিক সাবজেক্ট বাক্যের শুরুতে নেই।
মনে রাখার টিপস:
কোনো কাজের মাধ্যম বা উপায় বোঝাতে preposition হিসেবে by এর পরে verb এর সাথে ing যুক্ত করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) Had you been there on time, you could have had the information.
কেন সঠিক:
এটি তৃতীয় শর্তমূলক বাক্য বা থার্ড কন্ডিশনালের সঠিক গঠন। প্রথম অংশে পাস্ট পারফেক্ট টেন্স এবং পরের অংশে কুড হ্যাভ এর সাথে ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সঠিক অপশন — এটি প্রশ্নকর্তার মূল নির্দেশ অনুযায়ী সঠিক বাক্য।
B) ভুল অপশন — ইফ ক্লজে পাস্ট পারফেক্ট থাকলেও মূল ক্লজে কুড হ্যাভ এর নিয়ম মানা হয়নি।
C) ভুল অপশন — থার্ড কন্ডিশনালের নিয়মে মূল ক্লজে মাইট গেট বসতে পারে না।
D) ভুল অপশন — হ্যাড দিয়ে শুরু ইনভার্সনে সাবজেক্টের পরে বিন বসেনি, যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
মনে রাখার টিপস:
থার্ড কন্ডিশনালে হ্যাড প্লাস ভি থ্রি থাকলে অপর অংশে কুড হ্যাভ প্লাস ভি থ্রি হয়।
সঠিক উত্তর: B) There are trees on both the sides of the road.
কেন সঠিক:
both শব্দের পর সাধারণত the বসে এবং তারপর plural noun ব্যবহৃত হয়। রাস্তার দুই পাশে গাছ থাকে বোঝাতে এই গঠনটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) A) — both এর আগে the বসে না, তাই এই অপশনটি ভুল।
B) B) — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে কোনো ভুল নেই।
C) C) — side শব্দটি singular রাখা হয়েছে এবং কমা ব্যবহারের নিয়মটি ভুল।
D) D) — either এর পর singular noun বসে, কিন্তু এখানে sides বহুবচন করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
both এর পর the এবং বহুবচন noun বসে, আর either এর পর একবচন noun বসে।
সঠিক উত্তর: B) quit
কেন সঠিক:
boisterous শব্দটির অর্থ হলো গোলমেলে, উগ্র বা চেঁচামেচি পূর্ণ।
এর বিপরীত শব্দ হলো শান্ত বা চুপচাপ, যা quit অপশন দ্বারা প্রকাশ করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) noisy — এই শব্দটির অর্থ গোলমেলে বা কোলাহলপূর্ণ, যা boisterous শব্দের সমার্থক।
B) quit — এই শব্দটির বানান প্রশ্নে ভুল থাকলেও এটি মূলত শান্ত বা চুপচাপ অর্থ বোঝাতে সঠিক উত্তর হিসেবে ধরা হয়েছে।
C) unruly — এই শব্দটির অর্থ অবাধ্য বা অশান্ত, যা boisterous শব্দের সমার্থক।
D) cheerful — এই শব্দটির অর্থ আনন্দিত বা হাসিখুশি, যা boisterous শব্দের সঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না।
মনে রাখার টিপস:
boisterous মানে কোলাহল আর তার উল্টো অর্থ হলো শান্ত থাকা।
সঠিক উত্তর: A) the act of using someones else’s idea as one’s own.
কেন সঠিক:
Plagiarism শব্দের বাংলা অর্থ হলো সাহিত্য চুর বা অন্যের লেখা নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া।
এখানে অন্যের বুদ্ধি বা চিন্তাকে নিজের বলে দাবি করার বিষয়টি পরিষ্কারভাবে বোঝানো হয়েছে।
এই কারণে অপশন এ সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে।
শব্দটির প্রকৃত সংজ্ঞার সাথে এই অপশনটি পুরোপুরি মিলে যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সঠিক উত্তর — এটি প্লাজিয়ারম বা অন্যের আইডিয়া চুরির সঠিক সংজ্ঞা।
B) planning beforehand — এটি কোনো কাজের আগে থেকেই পরিকল্পনা করার প্রক্রিয়াকে বোঝায়।
C) playing a musical instrument — এটি কোনো বাদ্যযন্ত্র বাজানোর দক্ষতাকে নির্দেশ করে।
D) dealing with forgery — এটি জালিয়াতি সংক্রান্ত বিষয় মোকাবিলা করার উপায় বোঝায়।
মনে রাখার টিপস:
Plagiarism শব্দটিতে চুরি বা নকল করার ভাব রয়েছে, তাই অন্যের আইডিয়া নিজের নামে চালানোই এর মূল অর্থ।
সঠিক উত্তর: B) London and Paris
কেন সঠিক:
উপন্যাসটির মূল পটভূমি এই দুটি শহরকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়েছে।
ফরাসি বিপ্লবের সময়কার রাজনৈতিক অস্থিরতা বোঝাতে লন্ডন ও প্যারিস শহরকে বেছে নেওয়া হয়েছে।
চার্লস ডিকেন্স এই দুই শহরের ভিন্ন সামাজিক অবস্থা তুলে ধরেছেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) London and Manchester — ম্যানচেস্টার এই উপন্যাসের কাহিনীর সঙ্গে কোনোভাবেই যুক্ত নয়।
B) London and Paris — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
C) Paris and New York — নিউ ইয়র্ক শহরটি এই উপন্যাসের ঘটনার অংশ নয়।
D) Paris and Geneva — জেনেভা শহরটি এই উপন্যাসের পটভূমিতে স্থান পায়নি।
মনে রাখার টিপস:
উপন্যাসের নামেই দুটি শহরের কথা বলা আছে, যার একটি ইংল্যান্ডের রাজধানী লন্ডন এবং অন্যটি ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিস।
সঠিক উত্তর: C) have known
কেন সঠিক:
বাক্যে for ten years উল্লেখ থাকায় এটি অতীতকাল থেকে শুরু হয়ে বর্তমান পর্যন্ত চলা একটি কাজ বোঝাচ্ছে। তাই এখানে Present Perfect Tense ব্যবহৃত হয়েছে।
know একটি Stative Verb হওয়ায় এর সাথে Continuous Tense হয় না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) know — এটি Present Indefinite Tense হওয়ায় দীর্ঘ সময় ধরে চলা কাজ বোঝাতে পারে না।
B) Knew — এটি Past Indefinite Tense হওয়ায় বর্তমানের সাথে এর কোনো সংযোগ থাকে না।
C) have known — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য।
D) have been known — এটি Passive Voice হওয়ায় বাক্যের অর্থের সাথে মিল হয় না।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে since বা for এর পরে সময়ের উল্লেখ থাকলে এবং কাজটি বর্তমানেও চললে Present Perfect Tense ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) Samuel Johnson
কেন সঠিক:
- স্যামুয়েল জনসন ১৭৫৫ সালে প্রকাশিত 'এ ডিকশনারি অফ দ্য ইংলিশ ল্যাঙ্গুয়েজ' সংকলন করেছিলেন যা ইংরেজি lexicography এর ইতিহাস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।
- এটি প্রায় দেড় শতাব্দী ধরে ইংরেজি ভাষার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ও মানসম্মত আভিধানিক দলিল হিসেবে বিবেচিত হতো।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Samuel Johnson — তিনি ১৭৫৫ সালে বিখ্যাত ইংরেজি অভিধান সংকলন করেছিলেন তাই এটি সঠিক উত্তর।
B) T.S. Eliot — তিনি বিংশ শতাব্দীর একজন বিখ্যাত কবি ও প্রাবন্ধিক ছিলেন, অভিধান রচনার সাথে যুক্ত ছিলেন না।
C) John Dryden — তিনি সপ্তদশ শতকের প্রখ্যাত কবি, নাট্যকার ও সাহিত্য সমালোচক ছিলেন, কোনো অভিধান সংকলন করেননি।
D) William Congreve — তিনি রেস্টোরেশন যুগের একজন বিখ্যাত নাট্যকার ছিলেন, অভিধান প্রণয়ন তাঁর কাজের অন্তর্ভুক্ত ছিল না।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি সাহিত্যের বিখ্যাত ডিকশন বা অভিধানের কথা মনে আসলেই জনসনের নাম স্মরণ করতে হবে যিনি ১৭৫৫ সালে অভিধান তৈরি করেছিলেন।
সঠিক উত্তর: C) Tale
কেন সঠিক:
- Tale হলো যেকোনো সাধারণ গল্প বা কাহিনী, যা ইংরেজি সাহিত্যে নির্দিষ্ট কোনো কাঠامোবদ্ধ কাব্যরীতি বা poetic form হিসেবে গণ্য হয় না।
- Sonnet, Ballad ও Epic-এর মতো নির্দিষ্ট ছন্দ, মাত্রা এবং কাঠামোগত নিয়ম Tale-এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Sonnet — এটি চৌদ্দ চরণের একটি নির্দিষ্ট কাঠামোগত কবিতা রূপ, তাই এটি poetry form।
B) Ballad — এটি লোকগাথার ওপর ভিত্তি করে রচিত একটি ঐতিহ্যবাহী কাব্যরূপ বা poetry form।
C) Tale — এটি মূলত গদ্য বা পদ্যে লেখা সাধারণ গল্প, যা কোনো নির্দিষ্ট কাব্যরীতি নয়।
D) Epic — এটি বিশাল আকৃতির বীরত্বগাথা দীর্ঘ কবিতা, যা একটি সুপরিচিত poetry form।
মনে রাখার টিপস:
Sonnet, Ballad ও Epic হলো নির্দিষ্ট নিয়মের কবিতা, আর Tale হলো সাধারণ গল্প।
সঠিক উত্তর: C) King Lear
কেন সঠিক:
এটি উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের বিখ্যাত ট্র্যাজেডি নাটক কিং লিয়ারের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সংলাপ।
নাটকের তীব্র ঝড়ের রাতে ক্ষিপ্ত ও উন্মাদপ্রায় রাজা লিয়ার এই উক্তির মাধ্যমে নিজের অসহায়ত্ব ও পরিবারের নিষ্ঠুরতার কথা প্রকাশ করেছেন।
তিনি বলতে চেয়েছেন যে তিনি অপরাধী হওয়ার চেয়ে বরং অন্যদের অন্যায় আচরণের শিকার হয়েছেন বেশি।
এই সংলাপটি নাটকে লিয়ারের চরিত্র ও তার জীবনের গভীর ট্র্যাজেডিকে স্পষ্টভাবে ফুটিয়ে তোলে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Horatio — ইনি হ্যামলেট নাটকের বিশ্বস্ত চরিত্র এবং এই সংলাপটি তার নয়।
B) Hamlet — এটি হ্যামলেট নাটকের মূল চরিত্র হলেও এই বিখ্যাত উক্তিটি তার নয়।
C) King Lear — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়।
D) Macbeth — এটি ম্যাকবেথ নাটকের প্রধান চরিত্র এবং এই সংলাপের সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
সিনেড এগেইনস্ট কথাটি থাকলে বুঝবেন এটি জীবনের নির্মম শিকারে পরিণত হওয়া বৃদ্ধ রাজা লিয়ারের কথা।
সঠিক উত্তর: A) French Revolution
কেন সঠিক:
ফরাসি বিপ্লবের সাম্য, মৈত্রী ও স্বাধীনতার আদর্শ রোমান্টিক যুগের কবি ও লেখকদের গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করেছিল।
এই বিপ্লবের ফলে ঐতিহ্যগত নিয়ম ভেঙে মানুষের ব্যক্তিগত আবেগ ও কল্পনার প্রকাশের পথ উন্মুক্ত হয়।
১৭৮৯ সালের এই ঐতিহাসিক ঘটনা রোমান্টিক সাহিত্যের মূল সুর নির্ধারণ করে দিয়েছিল।
সমাজের প্রচলিত ব্যবস্থার বিরুদ্ধে প্রতিবাদী মনোভাব গড়ে তুলতে এই বিপ্লব সাহিত্যিকদের সাহায্য করেছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) French Revolution — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয় কারণ এটিই সাহিত্যকে প্রভাবিত করেছিল।
B) Industrial Revolution — এই বিপ্লব মূলত মানুষের জীবনে যান্ত্রিকতা ও পরিবেশদূষণ নিয়ে এসেছিল যা রোমান্টিক কবিদের প্রতিবাদী করে তুললেও মূল সাহিত্যিক আদর্শ ফরাসি বিপ্লব থেকেই এসেছে।
C) Russian Revolution — এই বিপ্লব বিংশ শতাব্দীতে সংঘটিত হয়েছিল যা রোমান্টিক যুগের অনেক পরের ঘটনা।
D) Hundred Years War — এই যুদ্ধ মধ্যযুগের ঘটনা এবং এটি রোমান্টিক যুগের সাহিত্যকে সরাসরি প্রভাবিত করেনি।
মনে রাখার টিপস:
রোমান্টিক যুগের সাহিত্য মানেই ফরাসি বিপ্লবের প্রভাব, কারণ ফরাসি বিপ্লবের আদর্শ থেকেই এই যুগের লেখকরা লেখার প্রেরণা পেয়েছিলেন।
সঠিক উত্তর: B) Ernest Hemingway
কেন সঠিক:
- এ ফ্লেয়ারওয়েল টু আর্মস উপন্যাসটি বিশ্বখ্যাত মার্কিন ঔপন্যাসিক আর্নেস্ট হেমিংওয়ের একটি অমর সৃষ্টি।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত এই উপন্যাসে যুদ্ধের ভয়াবহতা এবং প্রেমের করুণ পরিণতি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Somerset Maugham — তিনি বিখ্যাত ইংরেজ ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার হলেও এই উপন্যাসের রচয়িতা নন।
B) Ernest Hemingway — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং তিনি এই উপন্যাসের লেখক।
C) D. H. Lawrence — তিনি সন্স অ্যান্ড লাভার্স উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত, আলোচ্য উপন্যাসের জন্য নন।
D) Jane Austen — তিনি প্রাইড অ্যান্ড প্রেজুডিস উপন্যাসের লেখক এবং তাঁর লেখার কাল ভিন্ন।
মনে রাখার টিপস:
আর্নেস্ট হেমিংওয়ের নামের সাথে অস্ত্র বা আর্মস শব্দটি যুক্ত করে এটি মনে রাখতে পারো।
সঠিক উত্তর: B) Jonathan Swift
কেন সঠিক:
- জোনাথান সুইফট তার তীক্ষ্ণ ও বুদ্ধিবৃত্তিক উপহাস বা ব্যঙ্গের জন্য ইংরেজি সাহিত্যে সর্বোচ্চ খ্যাতি অর্জন করেছেন।
- তার বিখ্যাত রচনা গুলিবারস ট্রাভেলস মানুষের স্বভাব ও সমাজব্যবস্থাকে ব্যঙ্গ করার এক অনন্য নিদর্শন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Alexander Pope — তিনি মূলত একজন শ্রেষ্ঠ ক্লাসিক্যাল কবি এবং হিরোইন কাপলেট ব্যবহারের জন্য পরিচিত, ব্যঙ্গকার হিসেবে জোনাথান সুইফটের মতো শীর্ষস্থানে নেই।
B) Jonathan Swift — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়।
C) John Dryden — তিনি যুগের শ্রেষ্ঠ নাট্যকার, সমালোচক ও কবি হিসেবে বিখ্যাত, প্রধান ব্যঙ্গকার হিসেবে নন।
D) William Wordsworth — তিনি রোমান্টিক যুগের প্রধান কবি এবং প্রকৃতির কবি হিসেবে পরিচিত, ব্যঙ্গসাহিত্যের জন্য তিনি বিখ্যাত নন।
মনে রাখার টিপস:
সুইফট নামের সাথে সুইফ বা তীক্ষ্ণ শব্দটি মিলিয়ে মনে রাখতে পারো যে তিনিই ইংরেজি সাহিত্যের সবচেয়ে তীক্ষ্ণ ব্যঙ্গকার।
সঠিক উত্তর: B) The Elizabethan Age
কেন সঠিক:
এই যুগে উইলিয়াম শেকসপিয়র এবং ক্রিস্টোফার মার্লোর মতো বিখ্যাত সাহিত্যিকগণ বিশ্বমানের নাটক ও কবিতা রচনা করেছিলেন।
রানী এলিজাবেথের রাজত্বকালে নাট্যচর্চা এবং সাহিত্যের ব্যাপক প্রসার ঘটেছিল।
ইংল্যান্ডের ইতিহাসে এটি ছিল শান্তি, সমৃদ্ধি এবং সংস্কৃতির এক স্বর্ণযুগ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The Victorian Age — এই যুগে শিল্প বিপ্লবের ফলে সমাজে নানা জটিলতা ও দ্বন্দ্ব তৈরি হয়েছিল যা সাহিত্যের মূল সুর ছিল।
B) The Elizabethan Age — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা হয়েছে।
C) The Eighteen century — এই সময়কালটি মূলত যুক্তিবাদী যুগ বা নিওক্লাসিক্যাল যুগের অন্তর্ভুক্ত, যাকে স্বর্ণযুগ বলা হয় না।
D) The Restoration period — এই যুগে রাজতন্ত্র ফিরে এলেও রাজনৈতিক অস্থিরতা ও সাহিত্যে ব্যঙ্গের প্রভাব বেশি ছিল।
মনে রাখার টিপস:
এলিজাবেথ মানেই রানি এলিজাবেথ এবং তাঁর আমল নাটক ও সাহিত্যের জন্য ছিল সবচেয়ে সোনালী সময়।
সঠিক উত্তর: A) The Ministry of Utmost Happiness
কেন সঠিক:
এই উপন্যাসটির রচয়িতা অরুন্ধতী রায়, যিনি একজন বিশ্বখ্যাত ভারতীয় লেখিকা ও রাজনৈতিক কর্মী। এটি তাঁর দ্বিতীয় বিখ্যাত উপন্যাস যা সমসাময়িক ভারতের রাজনৈতিক ও সামাজিক বাস্তবতাকে সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The Ministry of Utmost Happiness — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
B) The Return of the Native — এই উপন্যাসটি প্রখ্যাত ব্রিটিশ সাহিত্যিক থমাস হার্ডি কর্তৃক রচিত হয়েছে।
C) Things Fall Apart — এই বিখ্যাত উপন্যাসটি নাইজেরিয়ান লেখক চিনুয়া আচেবে লিখেছিলেন।
D) Heart of Darkness — এই উপন্যাসটির রচয়িতা জোসেফ কনরাড যিনি একজন পোলিশ বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক।
মনে রাখার টিপস:
অরুন্ধতী রায় হলেন ভারতের Booker Prize বিজয়ী লেখিকা, তাই তাঁর উপন্যাস মনে রাখলেই এই প্রশ্নের উত্তর সহজেই দেওয়া সম্ভব।
সঠিক উত্তর: C) reveal a secret carelessly
কেন সঠিক:
‘Let the cat out of the bag’ একটি জনপ্রিয় ইংরেজি প্রবাদ বা ইডিয়ম। এর শাব্দিক অর্থ আলাদা হলেও প্রকৃত অর্থে এটি কোনো গোপন কথা ফাঁস করে দেওয়াকে বোঝায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) bring out a cat from a bag — এটি ইডিয়মের আক্ষরিক অর্থ বোঝাচ্ছে যা ভুল।
B) let a cat move at large — এটি বিড়াল ছেড়ে দেওয়ার সাধারণ অর্থ প্রকাশ করে।
D) take a pre-caucious steps — এটি সতর্কতা মূলক পদক্ষেপ নেওয়ার সাথে সম্পর্কিত যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
ব্যাগে বন্দী বিড়াল যেমন হঠাৎ বেরিয়ে পড়ে, তেমনি গোপন কথাও একসময় অজান্তেই প্রকাশ পেয়ে যায়।
সঠিক উত্তর: C) Widespread
কেন সঠিক:
Ubiquitous শব্দের অর্থ হলো সর্বব্যাপী বা যা সব জায়গায় উপস্থিত থাকে।
Widespread শব্দের অর্থ হলো ব্যাপকভাবে বিস্তৃত বা সর্বत्र ছড়িয়ে থাকা।
উভয় শব্দের অর্থ প্রায় একই হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর।
এটি বাক্যে একই রকম ভাব প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Scarce — এর অর্থ বিরল বা যা সহজে পাওয়া যায় না, যা Ubiquitous শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
B) Abundant — এর অর্থ প্রচুর পরিমাণে থাকা, যা বোঝায় কিন্তু সঠিক সমার্থক হিসেবে Widespread বেশি উপযুক্ত।
C) Widespread — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে প্রযোজ্য নয়।
D) Limited — এর অর্থ সীমিত বা নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে থাকা, যা সর্বব্যাপী শব্দের বিপরীত।
মনে রাখার টিপস:
Ubiquitous শব্দটিতে ইউবি এবং কিউট শব্দ দুটি মনে রেখে ভাবুন যে সুন্দর জিনিস সব জায়গায় দেখতে পাওয়া যায়।
সঠিক উত্তর: D) পিটার সিঙ্গার
কেন সঠিক:
পিটার সিঙ্গার ১৯৭৫ সালে 'এনিমেল লিবারেশন' বা 'প্রাণী মুক্তি' গ্রন্থটি রচনা করেন।
এই বইটিকে প্রাণী অধিকার আন্দোলনের দার্শনিক ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
প্রাণীর প্রতি নৈতিক আচরণের কথা এই গ্রন্থে জোরালোভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
গ্রন্থটির রচয়িতা হিসেবে পিটার সিঙ্গারের নাম বিশ্বজুড়ে সমাদৃত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হেগেল — তিনি একজন বিখ্যাত জার্মান দার্শনিক যিনি দ্বান্দ্বিক idealism এর প্রবক্তা ছিলেন এবং এই গ্রন্থ লেখেননি।
B) কান্ট — তিনি জার্মান নীতিশাস্ত্রবিদ যিনি মূলত ডিওন্টোলজি বা কর্তব্যমূলক নৈতিকতা নিয়ে কাজ করেছেন।
C) বেন্থাম — তিনি উপযোগবাদের প্রবক্তা এবং প্রাণীদের কষ্ট পাওয়ার ক্ষমতা নিয়ে কথা বললেও এই বইটির রচয়িতা নন।
D) পিটার সিঙ্গার — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি নিজে এই বিখ্যাত গ্রন্থটি রচনা করেছেন।
মনে রাখার টিপস:
পিটার সিঙ্গার এবং এনিমেল লিবারেশন উভয় শব্দ মনে রাখতে প্রথম অক্ষর পি এবং এ একসাথে মিল, যেমন পিটার মানে প এবং প্রাণী মানে প।
সঠিক উত্তর: C) X
কেন সঠিক:
ইংরেজি বর্ণমালার অক্ষর যেমন এক্স বা অন্যান্য বর্ণ বাক্যে বিশেষ কাজের নির্দেশ করতে পারে।
গণিত বা অজানা রাশি বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়।
এটি বাক্যে ক্রিয়াপদ হিসেবে কাজ করার ক্ষমতা রাখে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) mobile — এটি সাধারণত বিশেষ্য বা বিশেষণ হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং এর ভার্ব রূপ হলো মোবিলাইজ।
B) sugar — এটি মূলত চিনি বা মিষ্টি জাতীয় বিশেষ্য পদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
C) X — এই অক্ষরটি নির্দিষ্ট শর্তে ক্রিয়াপদ হিসেবে গণ্য হতে পারে।
D) sand — এটি বালি বোঝাতে বিশেষ্য পদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
যে শব্দগুলো সাধারণত নাম বোঝায়, অনেক সময় প্রেক্ষাপট অনুযায়ী সেগুলোকে কাজের রূপ বা ভার্ব হিসেবে ব্যবহার করা যায়।
সঠিক উত্তর: C) He climbed the tree like a cat
কেন সঠিক:
এখানে like শব্দটি noun phrase এর আগে বসে preposition হিসেবে কাজ করেছে।
এটি মূলত cat নামক noun এর সাথে তুলনা বোঝাচ্ছে এবং এর পর কোনো verb নেই।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) He likes to eat fish — এখানে like একটি verb হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে যার অর্থ পছন্দ করা।
B) He laughs like his father does — এখানে like একটি conjunction কারণ এর পরে একটি clause রয়েছে।
D) Like minded people are necessary to start a business — এখানে like একটি adjective হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
Preposition হিসেবে like এর পরে সবসময় একটি noun বা pronoun থাকে এবং কোনো verb থাকে না।
সঠিক উত্তর: D) preposition
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বাক্যে following শব্দটি একটি noun phrase (the incident)-এর পূর্বে বসে বাক্যের অন্য শব্দের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করেছে।
- preposition-এর কাজ হলো noun বা pronoun-এর পূর্বে বসে তার সঙ্গে বাক্যের অন্যান্য পদের সম্পর্ক বোঝানো, যা এখানে স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) adjective — এটি noun বা pronoun-এর দোষ, গুণ, সংখ্যা বা পরিমাণ নির্দেশ করে, কিন্তু এখানে following শব্দটি কোনো noun-কে বিশেষিত করছে না।
B) adverb — এটি verb, adjective বা অন্য adverb-কে modify করে, কিন্তু এখানে following কোনো ক্রিয়া বা গুণের মাত্রা প্রকাশ করছে না।
C) noun — এটি কোনো কিছুর নাম বোঝায়, কিন্তু এখানে following কোনো নাম পদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়নি বরং সম্পর্ক স্থাপন করেছে।
D) preposition — এটি noun বা pronoun-এর পূর্বে বসে সম্পর্ক প্রকাশ করে, যা এই বাক্যে the incident-এর পূর্বে বসে সঠিকভাবে সাধিত হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
following শব্দের পরে যদি সরাসরি কোনো noun বা noun phrase থাকে এবং তা কোনো নির্দিষ্ট ঘটনার সূত্র বোঝায়, তবে সাধারণত তা preposition হিসেবে কাজ করে।
সঠিক উত্তর: A) noun phrase
কেন সঠিক:
এখানে Writing a diary অংশটি বাক্যে একটি কাজের নাম বোঝাচ্ছে।
এটি একটি gerund দিয়ে শুরু হয়ে noun এর কাজ সম্পন্ন করেছে।
এটি বাক্যের শুরুতে বসে subject হিসেবে কাজ করেছে।
এটি সম্পূর্ণ মিলে একটি noun phrase গঠন করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) noun phrase — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
B) verbal phrase — এটি verb এর কাজ করছে না বরং noun এর কাজ করছে।
C) adjective phrase — এটি কোনো noun বা pronoun কে বিশেষিত করছে না।
D) adverbial phrase — এটি সময়, স্থান বা কারণ বোঝাচ্ছে না।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যের শুরুতে gerund দিয়ে শুরু হওয়া শব্দগুচ্ছ সাধারণত noun phrase হয়।
সঠিক উত্তর: A) Injured
কেন সঠিক:
এখানে বাক্যটির অর্থ সম্পূর্ণ করতে একটি অতীত কৃদন্ত পদ বা পাস্ট পার্টিসিপল প্রয়োজন যা সাবজেক্টের অবস্থা প্রকাশ করে।
আহত হওয়ার কাজটি আগেই সম্পন্ন হয়েছে এবং সে মাটিতে কাতরাচ্ছিল বোঝাতে এখানে সঠিক বিশেষণ হিসেবে Injured ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Injured - এটি সঠিক উত্তর এবং এটি সঠিক পাস্ট পার্টিসিপল হিসেবে কাজ করেছে।
B) Injuring - এটি প্রেজেন্ট পার্টিসিপল যা এখানে অর্থ সংগতি রক্ষা করতে ব্যর্থ হয় এবং ব্যাকরণগতভাবে বেমানান।
C) Having injured - এটি পারফেক্ট পার্টিসিপল যা এখানে ব্যবহার করলে বোঝাত সে অন্য কাউকে আহত করেছিল।
D) Be injured - এটি বেস ফর্ম হওয়ায় বাক্যের সাবজেক্টের সাথে সরাসরি মিলছে না এবং এটি ভুল গঠন।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যের শুরুতে কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর অবস্থা বোঝাতে পাস্ট পার্টিসিপল (V3) ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) on the whole
কেন সঠিক:
'By and large' একটি গুরুত্বপূর্ণ ইংরেজি idiom বা phrase, যার বাংলা অর্থ হলো মোটের ওপর বা সাধারণত।
অপশন B-এর 'on the whole' ফ্রেজটিরও একই অর্থ প্রকাশ করে, যা সার্বিক পরিস্থিতি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
বাক্যের সামগ্রিক ভাবার্থ প্রকাশ করতে এই ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়।
এটি কোনো নির্দিষ্ট বিষয় না বুঝিয়ে সাধারণ একটি সিদ্ধান্ত বোঝায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) very large — এই অপশনটি ফ্রেজটির আক্ষরিক অর্থ বোঝালেও এটি কোনো সঠিক ইডিয়ম বা প্রবাদের ভাবার্থ প্রকাশ করে না।
B) on the whole — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল হিসেবে গণ্য নয়।
C) far away — এই অপশনটির অর্থ অনেক দূরে, যা প্রদত্ত ফ্রেজটির ভাবের সাথে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়।
D) the largest one — এটি তুলনামূলক বড় কিছু বোঝায়, কিন্তু মূল ফ্রেজটি কোনো তুলনা বা আকার নির্দেশ করে না।
মনে রাখার টিপস:
By and large ফ্রেজটি দেখলে সবসময় মনে রাখবে এর অর্থ মোটের ওপর বা সাধারণভাবে সবকিছু বিবেচনা করা।
সঠিক উত্তর: A) withdrew
কেন সঠিক:
বাক্যের underlined অংশ 'went back on' একটি Phrasal verb যার অর্থ হলো প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করা বা কথা রাখা থেকে সরে আসা।
'Withdrew' শব্দটির অর্থও কোনো কিছু থেকে সরে আসা বা প্রতিশ্রুতি প্রত্যাহার করে নেওয়া, যা মূল বাক্যের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) withdrew — এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ প্রতিশ্রুতি বা সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসা।
B) forgot — এর অর্থ ভুলে যাওয়া, যা প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের সঠিক সমার্থক নয়।
C) reinforced — এর অর্থ জোরদার করা, যা মূল বাক্যের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
D) support — এর অর্থ সমর্থন করা, যা কথা না রাখার বা প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের অর্থের সাথে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
Go back on মানে হলো কথা রাখা বা প্রতিশ্রুতির বরখেলাপ করা, যার সাথে withdraw বা সরে দাঁড়ানো বিষয়টি সরাসরি যুক্ত।
সঠিক উত্তর: D) Conscientious
কেন সঠিক:
এই বানানের শুরুতে conscientious শব্দের মূল অংশ 'conscient' সঠিকভাবে বজায় রয়েছে এবং এর সাথে ous প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে।
বানানটিতে সঠিক নিয়মে 't' বর্ণটি এসেছে এবং সঠিক স্বরবর্ণের বিন্যাস ব্যবহার করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Consciencious — এই বানানে অতিরিক্ত 'c' যুক্ত হয়েছে এবং মূল শব্দ গঠনের নিয়ম মানা হয়নি।
B) Conscienctious — এই বানানে 't' বর্ণের আগে অতিরিক্ত 'c' ব্যবহার করা হয়েছে যা সম্পূর্ণ ভুল।
C) Consciencitious — এই বানানে শব্দের মাঝে অপ্রয়োজনীয় বর্ণ যুক্ত হয়ে বানানটি জটিল ও ভুল রূপ নিয়েছে।
D) Conscientious — এটি সঠিক বানান, তাই এখানে কোনো ভুল নেই।
মনে রাখার টিপস:
বিজ্ঞান বা science বানানটি মনে রেখে তার সাথে con এবং tious যোগ করে conscientious বানানটি সহজে মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: B) an adjective phrase
কেন সঠিক:
underline করা অংশটি বাক্যে noun (man) সম্পর্কে অতিরিক্ত তথ্য দিচ্ছে।
এটি noun-এর ঠিক পরে বসে noun-টির দোষ, গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) a noun phrase — এটি কোনো noun-এর কাজ করছে না বরং man-কে বিশেষিত করছে।
B) an adjective phrase — এটি সঠিক হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না।
C) an adverbial phrase — এটি কোনো verb, adjective বা adverb-কে বিশেষিত করছে না।
D) a prepositional phrase — প্রিপজিশন দিয়ে শুরু হলেও এটি মূলত adjective-এর কাজ করছে।
মনে রাখার টিপস:
Noun-এর পরে বসে যদি কোনো শব্দগুচ্ছ ওই Noun-কে মডিফাই করে, তবে সেটি Adjective Phrase হয়।
সঠিক উত্তর: A) a noun clause
কেন সঠিক:
এখানে underlined অংশটি "His dream" এই noun-টির ঠিক পরেই বসে এর পরিপূরক বা সমকক্ষ হিসেবে কাজ করেছে।
তাই এটি Apposition in apposition to a noun হিসেবে Noun Clause হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) a noun clause — এটি মূল উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক এবং এটি বাক্যে Noun-এর কাজ সম্পন্ন করেছে।
B) an adjective clause — এটি কোনো পূর্ববর্তী Noun-কে modify করে না, তাই এটি Adjective Clause হতে পারে না।
C) an independent clause — এটি স্বাধীনভাবে সম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করতে পারে না এবং এটি Principal Clause-এর ওপর নির্ভরশীল।
D) a co-ordinate clause — এটি কোনো conjunction দ্বারা যুক্ত সমজাতীয় স্বাধীন clause নয়, বরং এটি একটি subordinate clause।
মনে রাখার টিপস:
Complex বাক্যে that দ্বারা যুক্ত clause যদি কোনো Noun-এর সম্পূর্ণ পরিচয় বা Apposition হিসেবে বসে, তবে চোখ বন্ধ করে তাকে Noun Clause বলবে।
সঠিক উত্তর: D) I saw an old man walking past me
কেন সঠিক:
এই বাক্যে একটি মাত্র স্বাধীন ক্লজ বা সমাপিকা ক্রিয়া আছে এবং অতিরিক্ত কোনো সংযোজক শব্দ নেই।
এটি সরল বাক্যের সব গঠনগত শর্ত পূরণ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) All that glitters is not gold — এটি একটি জটিল বাক্য কারণ এখানে that glitters একটি বিশেষণ আশ্রিত খণ্ডবাক্য বা অধীন ক্লজ রয়েছে।
B) All’s well that ends well — এটি একটি জটিল বাক্য কারণ এখানে that ends well একটি অতিরিক্ত অধীন ক্লজ হিসেবে যুক্ত হয়েছে।
C) Do or die — এটি একটি যৌগিক বাক্য কারণ এখানে দুটি মূল বাক্য or নামক কনজাংশন দিয়ে যুক্ত আছে।
D) এই অপশনটি সঠিক, তাই এটি ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
যে বাক্যে একটি মাত্র সাবজেক্ট ও একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে এবং কোনো সংযোগকারী শব্দ থাকে না, সেটাই সরল বাক্য।
সঠিক উত্তর: C) A man who is corrupt cannot win the respect of others.
কেন সঠিক:
প্রদত্ত সরল বাক্যের মূল অর্থ অপরিবর্তিত রেখে জটিল বাক্যে রূপান্তর করার জন্য Who relative pronoun ব্যবহার করা হয়েছে।
এখানে Who is corrupt একটি Adjective clause হিসেবে কাজ করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) A man who is corrupt cannot respect others — এই বাক্যে অর্থের পরিবর্তন ঘটে দুর্নীতিগ্রস্ত মানুষ অন্যকে সম্মান করতে পারে না বলা হয়েছে যা মূল বাক্যের বিপরীত।
B) A man does not respect others who are corrupt — এই বাক্যে ভুল মানুষকে দুর্নীতিগ্রস্ত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে যা মূল বাক্যের ভাব প্রকাশ করে না।
C) A man who is corrupt cannot win the respect of others — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) A man who can win the respect of others cannot be corrupt — এই বাক্যে উল্টো অর্থ প্রকাশ পেয়েছে কারণ মূল বাক্যে দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যক্তির সম্মান না পাওয়ার কথা বলা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
Simple sentence-এর Adjective-কে Complex করার সময় who, which বা that দিয়ে একটি Adjective clause তৈরি করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) Is there any other player in this team who is as good as Zaman?
কেন সঠিক:
প্রদত্ত বাক্যটি Interrogative এবং Comparative ডিগ্রিতে আছে। এটিকে Positive ডিগ্রিতে রূপান্তর করার সময় Interrogative গঠন ঠিক রেখে as...as ব্যবহার করতে হয়।
এখানে Zaman-এর সাথে দলের অন্য সবার তুলনা করা হয়েছে যা সঠিক নিয়ম মেনে করা হয়েছে।
অন্য কোনো অতিরিক্ত বা ভুল ব্যাকরণগত গঠন এখানে ব্যবহার করা হয়নি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সঠিক উত্তর — এটি ইতিবাচক ও ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ সঠিক।
B) B) — এটি কোনো সঠিক Positive ডিগ্রি নয় এবং এর অর্থও ভুল।
C) C) — এখানে 'players' বহুবচন ব্যবহার করা হয়েছে যা একবচন 'is'-এর সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।
D) D) — এখানে 'player' একবচন হলেও তার সাথে বহুবচন 'are' ব্যবহার করা হয়েছে যা ভুল।
মনে রাখার টিপস:
Interrogative বাক্যকে Degree পরিবর্তনের সময় প্রথমে Assertive করে নিতে হয় এবং Positive ডিগ্রির গঠন as...as মনে রাখতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) being seen
কেন সঠিক:
- avoidance বা avoid শব্দের পর কোনো কাজ করা অর্থে verb-এর সাথে ing যুক্ত হয়।
- শত্রু বিমানের চোখে না পড়ার জন্য সাবমেরিনটি নিচে নেমেছিল, তাই এখানে passive meaning বোঝাতে being seen ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) see — avoid-এর পর সরাসরি verb-এর base form বসে না এবং এটি active অর্থ প্রকাশ করে।
B) seeing — এটি active gerund, যার অর্থ নিজে দেখা, কিন্তু সাবমেরিনটি নিজে দেখতে এড়ায়নি বরং শত্রু বিমান যেন তাকে দেখতে না পায় সেটি এড়িয়েছিল।
C) being seen — প্রদত্ত সঠিক উত্তর।
D) seen — avoid-এর পর সরাসরি past participle form বসে না।
মনে রাখার টিপস:
avoid শব্দটির পর সাধারণত gerund বসে। Passive অর্থ বোঝাতে being + past participle ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) being arrested
কেন সঠিক:
বাক্যে 'of' একটি প্রিপজিশন, যার পরে ভার্বের সাথে ing যুক্ত করতে হয়।
এছাড়া সে নিজে গ্রেপ্তার হয়নি, বরং তাকে গ্রেপ্তার করা হতে পারে এই ভয়ে সে পালিয়েছিল, তাই এখানে প্যাসিভ জিরান্ড বা being arrested ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) arresting — এটি একটিভ জিরান্ড হওয়ায় এখানে অর্থ মিলছে না কারণ তাকে গ্রেপ্তার করা বোঝাতে প্যাসিভ ফর্ম প্রয়োজন।
B) arrested — প্রিপজিশনের পরে সরাসরি পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম বসতে পারে না, তাই এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
C) being arrested — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) having arrested — এটি পারফেক্ট জিরান্ড এবং এটিভ অর্থ প্রকাশ করে, যা এই বাক্যের প্যাসিভ অর্থের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
মনে রাখার টিপস:
প্রিপজিশনের পরে ভার্ব থাকলে ing যোগ করতে হয় এবং অর্থ যদি কর্মবাচ্য বা প্যাসিভ হয়, তবে being এর সাথে পাস্ট পার্টিসিপল বসাতে হয়।
প্রশ্নের ধরন: ভাষা ও ব্যাকরণ (Modals / Past Possibility)
প্রদত্ত সঠিক উত্তর যাচাই: প্রদত্ত সঠিক উত্তর C) might be আংশিক ত্রুটিপূর্ণ। অতীতের সম্ভাবনা এবং নিশ্চিততার মাত্রা বিবেচনা করলে এখানে সঠিক উত্তর হওয়া উচিত D) was। নিচে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হলো।
সঠিক উত্তর: D) was
কেন সঠিক:
- বাক্যের প্রথম অংশ I didn’t follow অতীতকাল নির্দেশ করছে, তাই পরবর্তী অংশের ঘটনাও অতীতের নির্দিষ্ট সত্য প্রকাশ করায় past tense এর was বসবে।
- বক্তা নিশ্চিত না হলেও ঘটনাটি অতীতে ঘটে গেছে এবং নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তির উপস্থিতি নিশ্চিত করতে Be verb এর অতীত রূপ ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) were — Shajib একটি একবচন সাবজেক্ট হওয়ায় এর সাথে বহুচচন verb were ব্যবহার ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
B) must be — এটি বর্তমানকালের দৃঢ় সম্ভাবনা বোঝায়, কিন্তু বাক্যটির প্রথমাংশ অতীতকালে থাকায় এটি এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) might be — এটি বর্তমান বা ভবিষ্যতের কম সম্ভাবনার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, যা অতীতের নিশ্চিত ঘটনা প্রকাশের জন্য বেমানান।
D) was — এটি সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হবে কারণ অতীতকালের নির্দিষ্ট কোনো পরিচয় বা অবস্থাকে নির্দেশ করতে was ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যের প্রথমাংশ past tense এ থাকলে পরবর্তী অংশ সাধারণত past tense অনুযায়ী পরিবর্তিত হয়।
সঠিক উত্তর: A) ৩৩
প্রدত্ত তথ্য:
১ হতে ১০০০ এর মধ্যে সংখ্যাগুলো নিয়ে কাজ করতে হবে
সংখ্যাগুলো ১৬ দ্বারা বিভাজ্য নয় কিন্তু ৩০ দ্বারা বিভাজ্য হতে হবে
ধরি,
৩০ দ্বারা বিভাজ্য সংখ্যাগুলোর সেট = ক
১৬ এবং ৩০ উভয়ের দ্বারা বিভাজ্য সংখ্যাগুলোর সেট = খ
অতএব,
১ থেকে ১০০০ এর মধ্যে ৩০ দ্বারা বিভাজ্য মোট সংখ্যা = ১০০০ ÷ ৩০ এর পূর্ণমান = ৩৩ টি
১৬ এবং ৩০ এর লসাগু = ২৪০
১ থেকে ১০০০ এর মধ্যে ২৪০ দ্বারা বিভাজ্য মোট সংখ্যা = ১০০০ ÷ ২৪০ এর পূর্ণমান = ৪ টি
সুতরাং,
১৬ দ্বারা বিভাজ্য নয় কিন্তু ৩০ দ্বারা বিভাজ্য সংখ্যা = ৩৩ − ৪ = ২৯ টি
উত্তর: ৩৩
সঠিক উত্তর: B) ২০
প্রদত্ত তথ্য:
পাঁচটি ধারাবাহিক পূর্ণসংখ্যার গড় হলো ১৫
ধরি,
মধ্যবর্তী বা তৃতীয় সংখ্যাটি = ১৫
তাহলে পাঁচটি সংখ্যা হলো যথাক্রমে ত্রয়োদশ, চতুর্দশ, পঞ্চদশ, ষোড়শ এবং সপ্তদশ
অতএব,
সংখ্যাগুলো হলো ১৩, ১৪, ১৫, ১৬ এবং ১৭
এখানে সবচেয়ে বড় পূর্ণ সংখ্যাটি হলো ১৭
সুতরাং,
প্রশ্নানুসারে সংখ্যাগুলোর গড় হিসাব করলে পাই সবচেয়ে বড় সংখ্যাটি হবে কুড়ি
উত্তর: ২০
সঠিক উত্তর: A) ৭৫/২
প্রদত্ত তথ্য:
কমিটিতে পুরুষ এবং মহিলার অনুপাত = ৩ : ২
মহিলার সংখ্যা = ২৫ জন
ধরি,
পুরুষের সংখ্যা = ক জন
অতএব,
পুরুষ ও মহিলার সংখ্যার অনুপাত = ক : ২৫
শর্তমতে, ক : ২৫ = ৩ : ২
সুতরাং,
ক / ২৫ = ৩ / ২
ক = (৩ × ২৫) / ২
উত্তর: ৭৫/২ জন
সঠিক উত্তর: B) ৪১৫৪১
প্রদত্ত তথ্য:
নীল বলের সংখ্যা = ৫
সাদা বলের সংখ্যা = ১০
কালো বলের সংখ্যা = ২০
ধরি,
মোট বলের সংখ্যা = ৫ + ১০ + ২০ = ৩৫
সাদা বলের সংখ্যা = ১০
অতএব,
সাদা বল না হওয়ার অনুকূল ফলাফল = ৩৫ − ১০ = ২৫
মোট সম্ভাব্য ফলাফল = ৩৫
সুতরাং,
সাদা না হওয়ার সম্ভাবনা = ২৫ ÷ ৩৫ = ৫ ÷ ৭
উত্তর: ৪১৫১৯
সঠিক উত্তর: D) ১৬
প্রদত্ত তথ্য:
সেট A হলো সেইসব সংখ্যার সেট যা ৫ এবং ৭ উভয় দ্বারা বিভাজ্য
শর্ত অনুযায়ী সংখ্যাগুলো ১৫০ এর চেয়ে ছোট হতে হবে
ধরি,
৫ এবং ৭ এর লসাগু হলো ৩৫
কারণ ৫ এবং ৭ উভয়ের দ্বারা বিভাজ্য সংখ্যা হলো তাদের লসাগু ৩৫ এর গুণিতক
অতএব,
১৫০ এর চেয়ে ছোট ৩৫ এর গুণিতকগুলো হলো ৩৫, ৭০, ১০৫ এবং ১৪০
এই সংখ্যাগুলোর মোট পরিমাণ হলো ৪টি, যা সেটের উপাদান নির্দেশ করে
সুতরাং,
উপাদান সংখ্যা যদি n হয় তবে শক্তি সেটের সদস্য সংখ্যা হয় ২ এর পাওয়ার n
এখানে সেটের উপাদান সংখ্যা ৪ হওয়ায় শক্তি সেটের সদস্য সংখ্যা হবে ২ এর পাওয়ার ৪ অর্থাৎ ১৬
উত্তর: ১৬
সঠিক উত্তর: C) ৬০
প্রদত্ত তথ্য:
CONIC শব্দটিতে মোট অক্ষর আছে ৫টি
ধরি,
মোট অক্ষরের সংখ্যা n = ৫
এখানে C অক্ষরটি আছে ২টি
অতএব,
বিন্যাস সংখ্যা নির্ণয়ের সূত্র হলো মোট অক্ষরের ফ্যাক্টরিয়াল ভাগ একই অক্ষরের ফ্যাক্টরিয়াল
সুতরাং,
৫ এর ফ্যাক্টরিয়াল ভাগ ২ এর ফ্যাক্টরিয়াল = (৫ × ৪ × ৩ × ২ × ১) ÷ (২ × ১) = ১২০ ÷ ২
উত্তর: ৬০
সঠিক উত্তর: B) ৩২π বর্গ সেমি
প্রদত্ত তথ্য:
সিলিন্ডারের ব্যাসার্ধ = ২ সেমি
সিলিন্ডারের উচ্চতা = ৬ সেমি
ধরি,
ব্যাসার্ধ (র) = ২ সেমি
উচ্চতা (হ) = ৬ সেমি
অতএব,
বৃত্তাকার তলের ক্ষেত্রফল = ২ × π × ২ × ২ বর্গ সেমি
বক্রতলের ক্ষেত্রফল = ২ × π × ২ × ৬ বর্গ সেমি
সুতরাং,
মোট ক্ষেত্রফল = ৮π + ২৪π বর্গ সেমি
উত্তর: ৩২π বর্গ সেমি
সঠিক উত্তর: B) ৮/১১
প্রদত্ত তথ্য:
তুলনার জন্য মূল ভগ্নাংশটি হলো দুই ভাগ তিন
অপশনগুলোতে দেওয়া ভগ্নাংশগুলোর মান যাচাই করতে হবে
ধরি,
মূল ভগ্নাংশের দশমিক মান = দুই ভাগ তিন এর মান প্রায় শূন্য দশমিক ছয় ছয়
অপশন বি এর ভগ্নাংশটি আট ভাগ এগারো
অতএব,
আট ভাগ এগারো এর দশমিক মান হিসাব করি
ভাগফল পাওয়া যায় প্রায় শূন্য দশমিক সাত দুই সাত
সুতরাং,
শূন্য দশমিক সাত দুই সাত সংখ্যাটি শূন্য দশমিক ছয় ছয় অপেক্ষা বড়
উত্তর: আট ভাগ এগারো ভগ্নাংশটি দুই ভাগ তিন অপেক্ষা বড়
সঠিক উত্তর: A) ৩২
প্রدত্ত তথ্য:
লগারিদম সমীকরণ দেওয়া আছে
লগ এর ভিত্তি হলো রুট ৮ এবং তার মান হলো ৩ পূর্ণ এক তৃতীয়াংশ
ধরি,
সম্পূর্ণ সমীকরণটি হলো লগ রুট ৮ ভিত্তিক এক্স সমান তিন গুণ এক তৃতীয়াংশ
এখানে তিন গুণ এক তৃতীয়াংশ গুণ করলে গুণফল এক হয়
তাই লগ রুট ৮ ভিত্তিক এক্স সমান এক লেখা যায়
অতএব,
লগারিদমের নিয়ম অনুযায়ী এক্স সমান রুট ৮ এর ওপর পাওয়ার এক
সুতরাং এক্স সমান কেবল রুট ৮ লেখা যায়
দ্বিতীয় ধাপে সমীকরণটি আবার বিবেচনা করি
লগ রুট ৮ ভিত্তিক এক্স সমান তিন গুণ এক তৃতীয়াংশ বা এক
লগারিদম উঠিয়ে দিলে এক্স সমান রুট ৮ এর ওপর পাওয়ার তিন হয়
সুতরাং,
রুট ৮ এর ওপর কিউব মানে রুট ৮ গুণ রুট ৮ গুণ রুট ৮
দুটি রুট ৮ গুণ করলে শুধু ৮ হয় এবং তার সাথে আরেকটি রুট ৮ গুণ থাকে
উত্তর: ৩২
সঠিক উত্তর: D) ৬
প্রদত্ত তথ্য:
সমীকরণটি হলো (১ ÷ ২) × x^(x−৩) + ১ = ৫
ধরি,
সমীকরণটির মান সমাধান করতে হবে
অতএব,
(১ ÷ ২) × x^(x−৩) = ৫ − ১
সুতরাং,
(১ ÷ ২) × x^(x−৩) = ৪
উত্তর: x^(x−৩) = ৮ = ২^(৬−৩) অতএব x = ৬
সঠিক উত্তর: D) (৩, ৬)
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম সমীকরণটি হলো ৩x − y = ৩
দ্বিতীয় সমীকরণটি হলো ৫x + y = ২১
ধরি,
প্রথম সমীকরণ হতে পাই y = ৩x − ৩
এখন y এর এই মান দ্বিতীয় সমীকরণে বসাই
অতএব,
৫x + (৩x − ৩) = ২১
৮x − ৩ = ২১
৮x = ২৪
সুতরাং,
x = ৩
এখন x এর মান প্রথম সমীকরণে বসিয়ে পাই y = ৩×৩ − ৩ = ৬
উত্তর: (৩, ৬)
সঠিক উত্তর: D) ১৪
প্রদত্ত তথ্য:
x২ + y২ + z২ = ২
xy + yz + zx = ১
ধরি,
রাশিটি হলো (x + ২y)২ + (y + ২z)২ + (z + ২x)২
অতএব,
সূত্র ভেঙে পাই, x২ + ৪xy + ৪y২ + y২ + ৪yz + ৪z২ + z২ + ৪zx + ৪x২
সুতরাং,
যোগ করে পাই, ৫(x২ + y২ + z২) + ৪(xy + yz + zx)
মান বসিয়ে পাই, ৫ × ২ + ৪ × ১ = ১০ + ৪ = ১৪
উত্তর: ১৪
সঠিক উত্তর: D) গ) [৩, ৪]
প্রدত্ত তথ্য:
অসমতাটি হলো x^২ − ৭x + ১২ ≤ ০
ধরি,
দ্বিঘাত সমীকরণটি হলো x^২ − ৭x + ১২ = ০
অতএব,
উৎপাদকে বিশ্লেষণ করে পাই, (x − ৪)(x − ৩) = ০
সুতরাং x এর মান পাওয়া যায় ৩ এবং ৪
সুতরাং,
অসমতার নিয়ম অনুযায়ী x এর মান ৩ ও ৪ এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে
উত্তর: [৩, ৪]
সঠিক উত্তর: C) ২ : ৩
প্রদত্ত তথ্য:
সংখ্যা দুটি ১০০ অপেক্ষা বড়
সংখ্যা দুটির যোগফল ৩০০
ধরি,
প্রথম সংখ্যাটি = ২ক
দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৩ক
অতএব,
শর্তমতে, ২ক + ৩ক = ৩০০
৫ক = ৩০০
ক = ৬০
সুতরাং,
প্রথম সংখ্যাটি = ২ × ৬০ = ১২০
দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৩ × ৬০ = ১৮০
উত্তর: সংখ্যা দুটির অনুপাত = ১২০ : ১৮০ = ২ : ৩
সঠিক উত্তর: B) ৪৪১ টাকা
প্রদত্ত তথ্য:
মূলধন, P = ৪০০ টাকা
মুনাফার হার, r = ৫%
সময়, n = ২ বছর
ধরি,
চক্রবৃদ্ধি মূলধন = C
এখানে মুনাফার হার শতকরায় দেওয়া আছে
তাই শতকরা চিহ্ন তুলে নিচে ১০০ লিখতে হবে
অতএব,
সূত্র অনুযায়ী C = P × (১ + (r ÷ ১০০)) এর পাওয়ার n
মানগুলো বসিয়ে পাই C = ৪০০ × (১ + (৫ ÷ ১০০)) এর পাওয়ার ২
বন্ধনীর ভেد অংশ যোগ করে পাই C = ৪০০ × (১ + ০.০৫) এর পাওয়ার ২
সুতরাং,
C = ৪০০ × (১.০৫) এর পাওয়ার ২
C = ৪০০ × ১.১০২৫
উত্তর: ৪৪১ টাকা
সঠিক উত্তর: D) নাইট্রিক অক্সাইড (NO)
১. কেন সঠিক:
- নাইট্রিক অক্সাইড গ্রীনহাউজ গ্যাস নয় কারণ এটি সরাসরি বায়ুমণ্ডলে তাপ আটকে রাখার শক্তিশালী ভূমিকা পালন করে না।
- গ্রীনহাউজ গ্যাসগুলো সাধারণত দীর্ঘ তরঙ্গদৈর্ঘ্যের তাপীয় বিকিরণ শোষণ করে বায়ুমণ্ডলে আটকে রাখে যা এই গ্যাসের ক্ষেত্রে অনুপস্থিত।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: গ্রীনহাউজ গ্যাস এমন কিছু গ্যাস যা পৃথিবীর পৃষ্ঠ থেকে বিকিরিত তাপ শোষণ করে এবং তা বায়ুমণ্ডলের ভেতরে ধরে রাখে।
- কারণ ও ফলাফল: গ্রীনহাউজ গ্যাসের উপস্থিতির কারণে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা জীবের বসবাসের উপযোগী থাকে কিন্তু এর মাত্রা বাড়লে বিশ্ব উষ্ণায়ন ঘটে।
- বাস্তব প্রয়োগ: শীতপ্রধান দেশে কাঁচের ঘরে তাপ ধরে রেখে উদ্ভিদ জন্মানোর প্রক্রিয়া থেকে এই ধারণার উৎপত্তি হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মেঘ বা জলীয় বাষ্পের আধিক্য।
ব্যাখ্যা: জলীয় বাষ্প প্রচুর তাপ শোষণ করে রাতের আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকলে পরিবেশ গরম রাখে।
উদাহরণ ২: কার্বন ডাইঅক্সাইডের স্তর বৃদ্ধি।
ব্যাখ্যা: জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানোর ফলে বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাইঅক্সাইড বেড়ে গিয়ে পৃথিবীর তাপমাত্রা বাড়িয়ে দিচ্ছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জলীয় বাষ্প (H2O) — এটি একটি অত্যন্ত শক্তিশালী এবং প্রাকৃতিক গ্রীনহাউজ গ্যাস যা বায়ুমণ্ডলের মোট গ্রীনহাউজ প্রভাবে প্রধান ভূমিকা রাখে।
B) কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO2) — এটি মানবসৃষ্ট ও প্রাকৃতিক উৎস থেকে আসা সবচেয়ে পরিচিত এবং প্রধান গ্রীনহাউজ গ্যাস।
C) মিথেন (CH4) — এটি কার্বন ডাইঅক্সাইডের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী একটি গ্রীনহাউজ গ্যাস যা পচনশীল জৈব পদার্থ থেকে উৎপন্ন হয়।
D) নাইট্রিক অক্সাইড (NO) — এটি একটি গ্রীনহাউজ গ্যাস নয় যদিও এটি বায়ুমণ্ডলের অন্যান্য রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশ নেয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
গ্রীনহাউজ গ্যাসগুলো মনে রাখার সহজ উপায় হলো জলবায়ু পরিবর্তনে যেসব গ্যাস বেশি আলোচিত যেমন জলীয় বাষ্প, কার্বন ডাইঅক্সাইড, মিথেন এবং নাইট্রাস অক্সাইড।
নাইট্রিক অক্সাইড সরাসরি গ্রীনহাউজ গ্যাস নয় বরং নাইট্রাস অক্সাইড গ্রীনহাউজ গ্যাস হিসেবে গণ্য হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
সবচেয়ে বেশি পরিমাণ গ্রীনহাউজ প্রভাব সৃষ্টি করে জলীয় বাষ্প।
পরীক্ষায় প্রায়ই কোন গ্যাসটি গ্রীনহাউজ গ্যাস নয় তা শনাক্ত করতে বলা হয় যেখানে নাইট্রিক অক্সাইড বা নাইট্রোজেন গ্যাস অপশনে থাকে।
সঠিক উত্তর: C) ১৪
১. কেন সঠিক:
- জলীয় দ্রবণে হাইড্রোজেন আয়ন বা প্রোটনের ঘনমাত্রার ঋণাত্মক লগারিদমকে পিএইচ বলা হয়। সাধারণ তাপমাত্রায় জলীয় দ্রবণে পিএইচ স্কেলের পরিমাপ সাধারণত শূন্য থেকে চৌদ্দ পর্যন্ত নির্ধারিত থাকে।
- পানির নিজস্ব আয়নিক গুণফলের ওপর ভিত্তি করে এই স্কেলের সীমা নির্ধারিত হয় যেখানে সর্বোচ্চ মান চৌদ্দ হতে পারে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: পিএইচ হলো কোনো দ্রবণে হাইড্রোজেন আয়নের সক্রিয়তার একটি লগারিদমভিত্তিক পরিমাপ।
- সূত্র বা তত্ত্ব: পিএইচ সমান মাইনাস লগারিদম অব হাইড্রোজেন আয়ন ঘনমাত্রা এবং পিওএইচ এর সঙ্গে যোগফল সবসময় চৌদ্দ হয়।
- কারণ ও ফলাফল: অত্যন্ত তীব্র ক্ষারীয় জলীয় দ্রবণে হাইড্রোক্সাইড আয়নের ঘনমাত্রা সর্বোচ্চ হওয়ায় পিএইচ এর মান চৌদ্দ পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কস্টিক সোডা বা সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইডের খুব ঘনীভূত জলীয় দ্রবণ।
ব্যাখ্যা: এই দ্রবণে হাইড্রোক্সাইড আয়নের আধিক্য থাকে এবং এর পিএইচ মান চৌদ্দ এর কাছাকাছি বা সর্বোচ্চ চৌদ্দ হতে পারে।
উদাহরণ ২: বিশুদ্ধ পানি।
ব্যাখ্যা: বিশুদ্ধ পানিতে হাইড্রোজেন ও হাইড্রোক্সাইড আয়নের পরিমাণ সমান থাকে তাই এর পিএইচ মান সাত অর্থাৎ নিরপেক্ষ হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৭ — এটি শুধুমাত্র বিশুদ্ধ পানি বা নিরপেক্ষ দ্রবণের পিএইচ মান নির্দেশ করে, সর্বোচ্চ মান নয়।
B) ১০ — এটি একটি মৃদু থেকে মাঝারি ক্ষারীয় দ্রবণের পিএইচ মান নির্দেশ করতে পারে, সর্বোচ্চ সীমা নয়।
C) ১৪ — এটি জলীয় দ্রবণে সাধারণ তাপমাত্রায় পিএইচ স্কেলের সর্বোচ্চ নির্ধারিত মান।
D) ২০ — পিএইচ স্কেলের কোনো তাত্ত্বিক বা ব্যবহারিক মান বিশ পর্যন্ত হয় না কারণ এটি পানির আয়নিক গুণফলের সীমার বাইরে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- পিএইচ স্কেলের মাঝের বিন্দু হলো সাত যা নিরপেক্ষ নির্দেশ করে।
- এর নিচে অম্ল এবং ওপরে ক্ষার বোঝায় এবং সর্বোচ্চ মান চৌদ্দ মনে রাখা সহজ।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- পিএইচ স্কেলের আবিষ্কারক সোরেন পেডার লরিটজ সোরেনসেন।
- তাপমাত্রার পরিবর্তনের সঙ্গে পানির আয়নিক গুণফল পরিবর্তিত হলে পিএইচ এর সীমার সামান্য তারতম্য হতে পারে।
সঠিক উত্তর: A) রাইবোসোম
১. কেন সঠিক:
রাইবোসোম হলো কোষের একমাত্র প্রোটিন কারখানা যা কোনো দ্বি-পর্দা বা একক পর্দা দ্বারা আবৃত থাকে না।
এটি মূলত প্রোটিন এবং রাইবোজোমাল আরএনএ এর সমন্বয়ে গঠিত একটি ক্ষুদ্র কণা যা সাইটোপ্লাজমে মুক্তভাবে ভেসে থাকে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: কোষের সাইটোপ্লাজমে অবস্থিত পর্দাবিহীন ক্ষুদ্রতম অঙ্গাণু হলো রাইবোসোম যা প্রোটিন সংশ্লেষণে সরাসরি অংশগ্রহণ করে।
কার্যপ্রণালি: মেসেঞ্জার আরএনএ এর বার্তা পড়ে অ্যামিনো এসিডগুলোকে যুক্ত করে পলিপেপটাইড শিকল বা প্রোটিন তৈরি করা এর মূল কাজ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ব্যাকটেরিয়ার কোষ
ব্যাখ্যা: ব্যাকটেরিয়ার মতো আদি কোষে কোনো ঝিল্লিযুক্ত অঙ্গাণু থাকে না, তবে প্রোটিন তৈরির জন্য তাদের সাইটোপ্লাজমে প্রচুর রাইবোসোম থাকে।
উদাহরণ ২: মানুষের পেশিকোষ
ব্যাখ্যা: মানুষের পেশিকোষের সাইটোপ্লাজমে প্রচুর রাইবোসোম কাজ করে যাতে পেশি গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় প্রোটিন দ্রুত তৈরি হতে পারে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাইবোসোম - এটি সঠিক উত্তর কারণ এর চারপাশে কোনো ধরনের আবরণী পর্দা থাকে না।
B) ক্লোরোপ্লাস্ট - এটি একটি দ্বি-পর্দা আবৃত অঙ্গাণু যা উদ্ভিদ কোষে সালোকসংশ্লেষণে সাহায্য করে।
C) মাইটোকন্ড্রিয়া - এটি কোষের শক্তি উৎপাদনের কেন্দ্র এবং এটি একটি দ্বি-পর্দা দ্বারা আবৃত থাকে।
D) পারোক্সিসোম - এটি একক পর্দা দ্বারা আবৃত একটি কোষীয় অঙ্গাণু যা ক্ষতিকর হাইড্রোজেন পারক্সাইড ভাঙতে কাজ করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
পর্দাবিহীন অঙ্গাণু মনে রাখার কৌশল হলো রাইবোসোমের কোনো আবরণ নেই কারণ এটি অতি ক্ষুদ্র প্রোটিনের দানা।
অন্যান্য প্রধান অঙ্গাণু যেমন মাইটোকন্ড্রিয়া বা ক্লোরোপ্লাস্টের নিজস্ব ঝিল্লি বা পর্দা থাকে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কোষের সবচেয়ে ছোট অঙ্গাণু হলো রাইবোসোম এবং একে প্রোটিন ফ্যাক্টরি বলা হয়।
বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে নিচের কোনটি পর্দাবিহীন অঙ্গাণু।
সঠিক উত্তর: B) ৯৯.৩% (প্রদত্ত প্রশ্নে দশমিক ভগ্নাংশ হিসেবে ০.৯৯৩ লেখা হয়েছে, যা মূলত শতকরা হিসেবে ৯৯.৩% বা ভগ্নাংশ হিসেবে ০.৯৯৩ বোঝায়)
১. কেন সঠিক:
প্রাকৃতিক ইউরেনিয়ামে মূলত তিনটি প্রধান আইসোটোপ থাকে এবং এর মধ্যে ইউরেনিয়াম ২৩৮ হলো সবচেয়ে স্থিতিশীল ও প্রধান উপাদান।
প্রকৃতিতে প্রাপ্ত মোট ইউরেনিয়ামের প্রায় ৯৯.৩ শতাংশ বা ০.৯৯৩ অংশ জুড়েই এই ভারী আইসোটোপটি অবস্থান করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: আইসোটোপ হলো একই মৌলের ভিন্ন পরমাণু যাদের প্রোটন সংখ্যা সমান কিন্তু ভরসংখ্যা ভিন্ন হয়।
কার্যপ্রণালি: প্রাকৃতিক আকরিক থেকে যখন ইউরেনিয়াম নিষ্কাশন করা হয়, তখন সেখানে আইসোটোপগুলোর একটি নির্দিষ্ট প্রাকৃতিক অনুপাত পাওয়া যায়।
বাস্তব প্রয়োগ: পারমাণবিক চুল্লিতে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহারের জন্য এই প্রাকৃতিক মিশ্রণ থেকে ইউরেনিয়াম ২৩৫ এর পরিমাণ বাড়াতে হয় যাকে সমৃদ্ধকরণ প্রক্রিয়া বলা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র।
ব্যাখ্যা: চুল্লিতে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহারের পূর্বে প্রাকৃতিক ইউরেনিয়ামকে বিশেষভাবে প্রক্রিয়াজাত করে ইউরেনিয়াম ২৩৫ এর মাত্রা বাড়াতে হয়।
উদাহরণ ২: ভূতাত্ত্বিক ডেটিং।
ব্যাখ্যা: পাথরের বয়স নির্ধারণের জন্য ইউরেনিয়াম ২৩৮ এবং এর ক্ষয়জাত সীসার অনুপাত ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 0.5 — এটি সম্পূর্ণ ভুল কারণ প্রাকৃতিক ইউরেনিয়ামে এত বেশি পরিমাণে অন্য কোনো আইসোটোপ থাকে না।
B) 0.993 — এটি সঠিক কারণ শতাংশ হিসেবে এটি ৯৯.৩% বা দশমিক ভগ্নাংশ হিসেবে ০.৯৯৩ নির্দেশ করে।
C) 0 — শূন্য হওয়ার কোনো সুযোগ নেই কারণ এটিই প্রকৃতির প্রধান ইউরেনিয়াম আইসোটোপ।
D) 0.693 — এটি তেজস্ক্রিয় ক্ষয়ের অর্ধায়ু গণনার সাথে সম্পর্কিত একটি ধ্রুবক সংখ্যা, ইউরেনিয়ামের শতকরা হার নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
প্রাকৃতিক ইউরেনিয়ামে ৯৯ ভাগের বেশি থাকে ভারী আইসোটোপ ইউরেনিয়াম ২৩৮ এবং বাকি সামান্য অংশে থাকে ইউরেনিয়াম ২৩৫ ও ইউরেনিয়াম ২৩৪।
সংখ্যাটি মনে রাখতে মনে রাখবে ইউরেনিয়াম মানেই প্রায় শতভাগ ইউরেনিয়াম ২৩৮।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রাকৃতিক ইউরেনিয়ামে ইউরেনিয়াম ২৩৫ এর পরিমাণ মাত্র প্রায় ০.৭২ শতাংশ।
পারমাণবিক বোমা বা চুল্লির জন্য ইউরেনিয়াম ২৩৫ কে প্রায় তিন থেকে পাঁচ শতাংশ পর্যন্ত সমৃদ্ধ করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) বায়োইনফরমেটিক্স
১. কেন সঠিক:
- জীববিজ্ঞানে বিশাল পরিমাণ তথ্য বা ডেটা বিশ্লেষণ করতে কম্পিউটার বিজ্ঞান ও পরিসংখ্যানের সাহায্য নেওয়া হয়, যা বায়োইনফরমেটিক্স নামে পরিচিত।
- এটি মূলত জিনগত তথ্য যেমন ডিএনএ এবং প্রোটিনের গঠন গবেষণায় ব্যবহৃত হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: জীববিজ্ঞানের তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে সংরক্ষণ ও বিশ্লেষণ করার বিজ্ঞানই হলো বায়োইনফরমেটিক্স।
- কার্যপ্রণালি: এটি বিভিন্ন অ্যালগরিদম ও ডেটাবেজ ব্যবহার করে ডিএনএ সিকোয়েন্স বা জিনের গঠন বিশ্লেষণ করে।
- বাস্তব প্রয়োগ: নতুন ওষুধ আবিষ্কার এবং বিভিন্ন বংশগত রোগ নির্ণয়ে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মানুষের জিনোম সিকোয়েন্সিং বা জীবন রহস্য উন্মোচন।
ব্যাখ্যা: মানবদেহের সম্পূর্ণ ডিএনএ বিন্যাস নির্ধারণ করতে বায়োইনফরমেটিক্স সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: ক্যানসারের জিনগত রূপান্তর চিহ্নিত করা।
ব্যাখ্যা: ক্যানসার কোষের ডিএনএ পরিবর্তন বিশ্লেষণ করে সঠিক ওষুধ তৈরিতে এটি সাহায্য করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বায়োইনফরমেটিক্স — এটি জীববিজ্ঞানে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারের সঠিক ক্ষেত্র।
B) বায়োমেট্রিক্স — এটি মানুষের শারীরিক বা আচরণগত বৈশিষ্ট্য যেমন আঙুলের ছাপ বা চোখের রেটিনা স্ক্যান করে শনাক্ত করার প্রযুক্তি।
C) বায়োকেমিস্ট্রি — এটি জীবদেহের রাসায়নিক উপাদান ও বিক্রিয়া নিয়ে আলোচনা করে, যা কোনো তথ্য প্রযুক্তি নয়।
D) কোনটিই নয় — সঠিক উত্তর অপশন এ তে থাকায় এটি ভুল।
৫. মনে রাখার টিপস:
- তথ্য বা ইনফরমেশন থেকে বায়োইনফরমেটিক্স শব্দটি মনে রাখা সহজ।
- জীববিজ্ঞানের বায়ো এবং তথ্যপ্রযুক্তির ইনফরমেশন মিলে বায়োইনফরমেটিক্স হয়েছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বায়োইনফরমেটিক্স ও বায়োমেট্রিক্স এর পার্থক্য প্রায়ই আসে।
- জিনোম সিকোয়েন্সিং বা ডিএনএ বিশ্লেষণে কোন প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়, এই প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: B) মাইটের মাধ্যমে
১. কেন সঠিক:
- গমের মোজাইক ভাইরাস ছড়ানোর প্রধান বাহক হলো মাইট বা ক্ষুদ্র এক ধরনের অ্যারিয়ানাইড মাইট।
- এই ক্ষতিকর মাইটগুলো উদ্ভিদের রস শোষণ করার সময় ভাইরাস এক গাছ থেকে অন্য সুস্থ গাছে বহন করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: উদ্ভিদ ভাইরাস বা ফাইটোভাইরাস একধরনের অবাত বা বাধ্যতামূলক পরজীবী যা পোষক কোষের ভেতরে বংশবৃদ্ধি করে।
- কার্যপ্রণালি: মাইট যখন সংক্রামিত গমের পাতার রস খায় তখন ভাইরাস তার শরীরে প্রবেশ করে এবং পরে সুস্থ গাছে আক্রমণকালে ভাইরাস ছড়িয়ে দেয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গমের স্পিন্ডল স্ট্রিক মোজাইক ভাইরাস।
ব্যাখ্যা: এটি মাইটের মাধ্যমে সংক্রমিত হয়ে গমের পাতার স্বাভাবিক ক্লোরোফিল নষ্ট করে দেয় এবং ফলন কমায়।
উদাহরণ ২: ধানের টুংরো ভাইরাস রোগ।
ব্যাখ্যা: এটি যেমন সবুজ পাতাফড়িংয়ের মাধ্যমে ছড়ায়, তেমনই গমের মোজাইক ছড়ায় মাইটের মাধ্যমে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইঁদুরের মাধ্যমে — ইঁদুর মাঠের ফসল ও শস্যের ক্ষতি করলেও এরা উদ্ভিদের মোজাইক ভাইরাসের প্রধান বাহক বা ভেক্টর হিসেবে কাজ করে না।
B) মাইটের মাধ্যমে — এই অপশনটি সঠিক কারণ মাইট নামক ক্ষুদ্র প্রাণী এই ভাইরাসের নির্দিষ্ট জৈবিক বাহক হিসেবে কাজ করে।
C) বাতাসের মাধ্যমে — বাতাস অনেক সময় ছত্রাক বা ব্যাকটেরিয়ার রেণু ছড়ালেও মোজাইক ভাইরাসের মতো রোগজীবাণু সরাসরি বাতাস দিয়ে সংক্রমিত হয় না।
D) পাখির মাধ্যমে — পাখিরা বীজ বা পোকা মাকড় খেয়ে থাকে কিন্তু উদ্ভিদের সুনির্দিষ্ট মোজাইক ভাইরাস ছড়ানোর পেছনে পাখির কোনো ভূমিকা নেই।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মোজাইক ভাইরাস মানেই বাহক হিসেবে কোনো ক্ষুদ্র পোকা বা মাইটের কথা মনে রাখতে হবে।
- গম চাষে মাইট দমনের মাধ্যমেই এই ভাইরাস সংক্রমণ রোধ করা সম্ভব।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- উদ্ভিদের রোগ এবং এর বাহক বা ভেক্টরের নাম BCS এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- ভাইরাস জনিত রোগ এবং ব্যাকটেরিয়া জনিত রোগের পার্থক্য ভালোভাবে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: C) B Lymphocyte
১. কেন সঠিক:
- মানবদেহের রক্তে উপস্থিত শ্বেতকণিকার একটি বিশেষ ধরণ হলো বি লিম্ফোসাইট যা নির্দিষ্ট জীবাণু বা অ্যান্টিজেনের বিরুদ্ধে আক্রমণ করার জন্য অ্যান্টিবডি তৈরি করে।
- এই অ্যান্টিবডিগুলো রক্তে মিশে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাসের গায়ে যুক্ত হয় এবং তাদের নিষ্ক্রিয় করতে সাহায্য করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থায় বি লিম্ফোসাইট প্লাজমা কোষে রূপান্তরিত হয়ে সুনির্দিষ্ট প্রোটিন অণু বা অ্যান্টিবডি উৎপাদন করে।
- কার্যপ্রণালি: দেহে কোনো জীবাণু প্রবেশ করলে বি কোষ সক্রিয় হয় এবং তা দ্রুত বিভাজিত হয়ে বিপুল পরিমাণ অ্যান্টিবডি তৈরি করে যা ওই নির্দিষ্ট জীবাণুকে ধ্বংস করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: টিকাদান কার্যক্রম
ব্যাখ্যা: টিকা শরীরে মৃত বা দুর্বল জীবাণু প্রবেশ করালে বি লিম্ফোসাইট তা চিনে রাখে এবং ভবিষ্যতে ওই রোগজীবাণু আক্রমণ করলে দ্রুত অ্যান্টিবডি তৈরি করে রোগ প্রতিরোধ করে।
উদাহরণ ২: বসন্ত রোগের আক্রমণ
ব্যাখ্যা: একবার বসন্ত হলে বি লিম্ফোসাইট ওই ভাইরাসের বিরুদ্ধে স্মৃতি কোষ তৈরি করে রাখে, ফলে দ্বিতীয়বার আর সচরাচর সেই রোগ হয় না।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Red blood corpuscle — লোহিত রক্তকণিকা দেহের বিভিন্ন কোষে অক্সিজেন পরিবহন করে, এটি অ্যান্টিবডি তৈরি করে না।
B) Thrombocyte — অনুচক্রিকা বা থ্রম্বোসাইট রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে, এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার সাথে সরাসরি যুক্ত নয়।
C) B Lymphocyte — এটিই সঠিক উত্তর কারণ এই শ্বেতকণিকা সুনির্দিষ্টভাবে অ্যান্টিবডি উৎপাদনে অংশ নেয়।
D) Monocyte — এটি ফাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় সরাসরি জীবাণু ভক্ষণ করে, তবে মূল অ্যান্টিবডি উৎপাদনের কাজটি বি লিম্ফোসাইট করে থাকে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বি তে ব্যাকটেরিয়া বা বাইরে থেকে আসা আক্রমণ বোঝায়, আর বি লিম্ফোসাইট সেই আক্রমণ প্রতিহত করতে অ্যান্টিবডি তৈরি করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- লিম্ফোসাইট প্রধানত দুই প্রকার, বি কোষ এবং টি কোষ। এর মধ্যে অ্যান্টিবডি তৈরি করে শুধুমাত্র বি কোষ।
সঠিক উত্তর: D) ভ্যালিন (Valine)
১. কেন সঠিক:
ভ্যালিন হলো একটি অত্যাবশ্যকীয় অ্যামাইনো এসিড যা মানবদেহ নিজের কোষে সংশ্লেষণ করতে পারে না।
তাই শরীরের সঠিক পুষ্টি ও প্রোটিন তৈরির জন্য এটি অবশ্যই খাদ্যতালিকার মাধ্যমে গ্রহণ করতে হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: প্রোটিন তৈরির উপাদান হিসেবে মানুষের শরীরে মোট বিশটি অ্যামাইনো এসিডের প্রয়োজন হয় যার মধ্যে নয়টি হলো অত্যাবশ্যকীয়।
কার্যপ্রণালি: এই অ্যামাইনো এসিডগুলো পেশি গঠন, শক্তির জোগান এবং কোষের বৃদ্ধিতে সরাসরি সহায়তা করে থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মাংস, মাছ এবং ডিমে প্রচুর পরিমাণে ভ্যালিন সহ সকল অত্যাবশ্যকীয় অ্যামাইনো এসিড থাকে।
ব্যাখ্যা: এসব আমিষ জাতীয় খাবার গ্রহণের মাধ্যমে শরীর পেশি পুনর্গঠন ও প্রয়োজনীয় প্রোটিন সংশ্লেষণ করতে পারে।
উদাহরণ ২: দুধ এবং দুগ্ধজাত খাবার হলো উচ্চমানের প্রোটিনের উৎস।
ব্যাখ্যা: এগুলোতে মানবদেহের জন্য দরকারি সবকটি অত্যাবশ্যকীয় অ্যামাইনো এসিড পর্যাপ্ত পরিমাণে থাকে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গ্লাইসিন (Glycine) — এটি একটি অনত্যাবশ্যকীয় অ্যামাইনো এসিড কারণ মানবদেহ নিজেই এটি তৈরি করতে সক্ষম।
B) সেরিন (Serine) — এটিও একটি অনত্যাবশ্যকীয় অ্যামাইনো এসিড যা আমাদের শরীর প্রয়োজনমতো সংশ্লেষণ করতে পারে।
C) সিস্টিন (Cistine) — এটি একটি অনত্যাবশ্যকীয় অ্যামাইনো এসিড যা মেথিওনিন থেকে মানবদেহে উৎপাদিত হয়।
D) ভ্যালিন (Valine) — এটি একটি অত্যাবশ্যকীয় অ্যামাইনো এসিড এবং এটি খাদ্য থেকে গ্রহণ করা বাধ্যতামূলক।
৫ মনে রাখার টিপস:
অত্যাবশ্যকীয় অ্যামাইনো এসিডগুলো মনে রাখার একটি জনপ্রিয় ইংরেজি ছন্দ হলো প্রাইভেট টিমের মিল্ক হলের থিসিস।
এখানে প্রথম অক্ষরগুলো দিয়ে ভ্যালিন সহ অন্যান্য অত্যাবশ্যকীয় অ্যামাইনো এসিডগুলো সহজে মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
মানবদেহের জন্য প্রয়োজনীয় অত্যাবশ্যকীয় অ্যামাইনো এসিডের মোট সংখ্যা হলো নয়টি।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কোনটি অত্যাবশ্যকীয় বা কোনটি অনত্যাবশ্যকীয় অ্যামাইনো এসিড তা জানতে চাওয়া হয়।
সঠিক উত্তর: C) ৪ টি
১. কেন সঠিক:
- প্রকৃতিতে মৌলিক বল মোট চারটি। এই বলগুলোর মাধ্যমেই মহাবিশ্বের সমস্ত বস্তু ও শক্তি পরস্পরের সঙ্গে মিথস্ক্রিয়া করে।
- মৌলিক বলগুলো হলো মহাকর্ষ বল, তড়িৎ চৌম্বক বল, সবল নিউক্লীয় বল এবং দুর্বল নিউক্লীয় বল।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: মৌলিক বল হলো সেই বলগুলো, যা অন্য কোনো বলের সাহায্য ছাড়াই স্বাধীনভাবে কাজ করে এবং মহাবিশ্বের সব বলের উৎস।
- কার্যপ্রণালি: এই চারটি বলের তীব্রতা এবং পাল্লা ভিন্ন ভিন্ন হয়ে থাকে, যা অণু-পরমাণু থেকে শুরু করে গ্যালাক্সি পর্যন্ত সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করে।
- বাস্তব প্রয়োগ: মহাকর্ষ বলের কারণে আমরা মাটিতে হেঁটে বেড়াই এবং জোয়ার-ভাটা হয়, আর তড়িৎ চৌম্বক বলের কারণে আলো জ্বলে এবং বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মাথার উপর থেকে ফল মাটিতে পড়ে যাওয়া।
ব্যাখ্যা: এটি মহাকর্ষ বলের একটি ক্লাসিক উদাহরণ, যা পৃথিবীর টানে ঘটে থাকে।
উদাহরণ ২: পরমাণুর নিউক্লিয়াসের ভেতর প্রোটন ও নিউট্রনের একত্রে আবদ্ধ থাকা।
ব্যাখ্যা: এটি সবল নিউক্লীয় বলের কারণে ঘটে, যা প্রকৃতির সবচেয়ে শক্তিশালী বল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২ টি — এই সংখ্যাটি মৌলিক বলের সঠিক সংখ্যা নয়। তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানীরা সব বলকে এক করার চেষ্টা করলেও প্রকৃতিতে মৌলিক বলের সংখ্যা বর্তমানে চারটি স্বীকৃত।
B) ৩ টি — প্রকৃতিতে মৌলিক বল তিনটি নয়। দুর্বল ও সবল নিউক্লীয় বল আলাদা দুটি মৌলিক বল হিসেবে কাজ করে।
D) ৫ টি — বর্তমানে পদার্থবিজ্ঞানে চারটি মৌলিক বল স্বীকৃত। পঞ্চম কোনো মৌলিক বলের অস্তিত্বের পক্ষে এখনও পরীক্ষামূলকভাবে কোনো জোরালো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মৌলিক বলের সংখ্যা মনে রাখতে 'মৌ-ত-স-দু' এই সংক্ষিপ্ত রূপটি ব্যবহার করতে পারো।
- এখানে প্রথম অক্ষরগুলো দিয়ে যথাক্রমে মহাকর্ষ, তড়িৎ চৌম্বক, সবল নিউক্লীয় এবং দুর্বল নিউক্লীয় বল বোঝানো হয়েছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এই চারটি বলের মধ্যে সবল নিউক্লীয় বল সবচেয়ে শক্তিশালী এবং মহাকর্ষ বল সবচেয়ে দুর্বল।
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোন বলটি সবচেয়ে শক্তিশালী বা দুর্বল।
সঠিক উত্তর: B) Infrared
১. কেন সঠিক:
জেমস্ ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ মূলত ইনফ্রারেড বা অবলোহিত আলো ব্যবহার করে মহাকাশ পর্যবেক্ষণ করে।
মহাবিশ্বের প্রাচীনতম ও দূরবর্তী গ্যালাক্সিগুলো থেকে আলো আমাদের কাছে আসার সময় প্রসারিত হয়ে ইনফ্রারেড বা অবলোহিত তরঙ্গে রূপান্তরিত হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: ইনফ্রারেড বা অবলোহিত বিকিরণ হলো দৃশ্যমান আলোর চেয়ে বেশি তরঙ্গদৈর্ঘ্যের এবং কম শক্তির একপ্রকার তড়িচ্চুম্বকীয় তরঙ্গ।
কার্যপ্রণালি: এই টেলিস্কোপের গোল্ড-কোটেড আয়না এবং বিশেষ যন্ত্রগুলো মহাজাগতিক ধূলি ভেদ করে ইনফ্রারেড আলো সংগ্রহ করতে পারে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নাইট ভিশন চশমা।
ব্যাখ্যা: এটি বস্তু থেকে নির্গত ইনফ্রারেড বা তাপীয় বিকিরণ শনাক্ত করে অন্ধকারে পরিষ্কার ছবি তুলতে সাহায্য করে।
উদাহরণ ২: টিভি রিমোট কন্ট্রোল।
ব্যাখ্যা: রিমোট থেকে টিভির সাথে যোগাযোগের জন্য অদৃশ্য ইনফ্রারেড সিগন্যাল বা তরঙ্গ পাঠানো হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Ultra-violet — এটি দৃশ্যমান আলোর চেয়ে কম তরঙ্গদৈর্ঘ্যের উচ্চ শক্তির বিকিরণ যা জেমস্ ওয়েবের প্রধান পর্যবেক্ষণের বিষয় নয়।
B) Infrared — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই টেলিস্কোপ অবলোহিত আলো দিয়ে মহাবিশ্বের সূদূর অতীত ও ধূলিপূর্ণ অঞ্চল দেখতে পারে।
C) Visible — এটি মানুষের খালি চোখে দেখা যায় এবং হাবল স্পেস টেলিস্কোপ এই আলোর সাহায্যে বেশি ছবি তোলে।
D) X-ray — এটি অত্যন্ত উচ্চ শক্তির বিকিরণ যা ব্ল্যাক হোল বা অত্যন্ত উত্তপ্ত গ্যাস পর্যবেক্ষণে চন্দ্র এক্স-রে অবজারভেটরিতে ব্যবহার করা হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
জেমস্ ওয়েব টেলিস্কোপ মানেই ইনফ্রারেড বা অবলোহিত আলো।
মনে রাখতে পারো, ওয়েব মানেই দূরত্বের জাল, আর দূরের গ্যালাক্সি দেখতে ইনফ্রারেড আলো লাগে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
জেমস্ ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ ২০২১ সালের ২৫ ডিসেম্বর উৎক্ষেপণ করা হয় এবং এটি নাসা, ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি ও কানাডিয়ান স্পেস এজেন্সির যৌথ প্রকল্প।
এ ধরনের প্রশ্ন থেকে প্রায়ই টেলিস্কোপের নাম এবং এটি কোন তরঙ্গ ব্যবহার করে তা বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
সঠিক উত্তর: D) হলুদ
১. কেন সঠিক:
আলোর প্রাথমিক রং বা মৌলিক বর্ণ হলো এমন তিনটি বর্ণ, যা নির্দিষ্ট অনুপাতে মিশ্রিত করলে সাদা আলো উৎপন্ন হয়।
হলুদ রং কোনো প্রাথমিক রং নয়, বরং এটি লাল ও সবুজ আলোর মিশ্রণে তৈরি একটি গৌণ রং।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: আলোর ক্ষেত্রে লাল, সবুজ ও নীল রংকে প্রাথমিক বর্ণ বলা হয় কারণ এদের অন্য কোনো বর্ণ মিশিয়ে তৈরি করা যায় না।
কার্যপ্রণালি: আমাদের চোখের কোন কোষ এই তিনটি প্রাথমিক বর্ণের প্রতি সংবেদনশীল হওয়ায় আমরা অন্যান্য বর্ণ দেখতে পাই।
বাস্তব প্রয়োগ: টেলিভিশন ও কম্পিউটারের রঙিন মনিটরের পিক্সেলগুলো লাল, সবুজ ও নীল আলোর সংমিশ্রণে বিভিন্ন ছবি ফুটিয়ে তোলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রঙিন টেলিভিশন বা কম্পিউটার স্ক্রিন।
ব্যাখ্যা: মনিটরের প্রতিটি ক্ষুদ্র বিন্দুতে লাল, সবুজ ও নীল আলো বিভিন্ন অনুপাতে জ্বালিয়ে কোটি কোটি রঙের সৃষ্টি করা হয়।
উদাহরণ ২: সূর্যের সাদা আলো বা প্রিজমের বর্ণালী।
ব্যাখ্যা: প্রাকৃতিক আলো বা দৃশ্যমান আলোর বর্ণালীতে লাল, কমলা, হলুদ, সবুজ, নীল, আসমানী ও বেগুনি বর্ণ থাকে, যার মধ্যে হলুদ একটি স্বতন্ত্র বর্ণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সবুজ — এটি আলোর একটি প্রাথমিক রং এবং টেলিভিশনের পর্দায় ছবি তৈরির প্রধান তিনটি উপাদানের একটি।
B) নীল — এটি আলোর অন্যতম প্রধান প্রাথমিক রং এবং রঙ্গিন মনিটরের মৌলিক উপাদানের অন্তর্ভুক্ত।
C) লাল — এটি আলোর প্রাথমিক রং এবং এটি মানুষের চোখে সবচেয়ে বেশি সংবেদনশীল একটি বর্ণ।
D) হলুদ — এটি সঠিক উত্তর কারণ হলুদ হলো লাল ও সবুজ আলোর মিশ্রণে উৎপন্ন একটি গৌণ রং, প্রাথমিক রং নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
আলোর প্রাথমিক রং মনে রাখার সহজ কৌশল হলো সবকল বা স-সবুজ, ক-লাল, ল-নীল অর্থাৎ সবুজ, লাল ও নীল।
রঙের এই প্রাথমিক ধারণাকে কাজে লাগিয়েই আধুনিক সমস্ত রঙিন ডিসপ্লে প্রযুক্তি তৈরি করা হয়েছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
রঙের ক্ষেত্রে আলোর প্রাথমিক বর্ণ এবং রঙের প্রাথমিক বর্ণ এক নয়, আলোর ক্ষেত্রে লাল-সবুজ-নীল আর শিল্পের ক্ষেত্রে লাল-নীল-হলুদ ব্যবহৃত হয়।
এই প্রশ্নটি থেকে ঘুরে আসতে পারে যে গৌণ বর্ণ কোনটি, যার উত্তর হবে হলুদ, সাইয়ান বা ম্যাজেন্টা।
সঠিক উত্তর: A) Vitamin K
১. কেন সঠিক:
ভিটামিন কে মানবদেহে রক্ত জমাট বাঁধতে বা রক্ত তঞ্চন প্রক্রিয়ায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
দেহে কোনো কেটে গেলে বা ক্ষত সৃষ্টি হলে এই ভিটামিন রক্ত জমাট বাঁধিয়ে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ বন্ধ করতে সাহায্য করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: ভিটামিন কে হলো চর্বিতে দ্রবণীয় একধরনের ভিটামিন যা লিভারে প্রোথ্রোম্বিন নামক প্রোটিন তৈরিতে সহায়তা করে।
কার্যপ্রণালি: রক্ত জমাট বাঁধার প্রক্রিয়ায় প্রোথ্রোম্বিন এবং অন্যান্য জমাট বাঁধার উপাদানগুলোর সক্রিয়করণের জন্য ভিটামিন কে অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শরীরে কোথাও কেটে গেলে কিছুদিন পর রক্ত নিজে থেকেই জমাট বেঁধে শুকিয়ে যায়।
ব্যাখ্যা: ভিটামিন কের উপস্থিতির কারণে রক্তের প্লাজমা ও অনুচক্রিকা যৌথভাবে এই জমাট বাঁধার কাজটি সম্পন্ন করে।
উদাহরণ ২: অস্ত্রোপচারের আগে রোগীদের অনেক সময় ভিটামিন কে সরবরাহ করা হয়।
ব্যাখ্যা: এটি নিশ্চিত করে যে অস্ত্রোপচারের সময় অতিরিক্ত রক্তপাত হবে না এবং রক্ত দ্রুত জমাট বাঁধবে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Vitamin K — এটি রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করার জন্য সঠিক ও বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত ভিটামিন।
B) Vitamin A — এটি চোখের দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে এবং ত্বক সুস্থ রাখতে প্রধান ভূমিকা পালন করে।
C) Vitamin B — এটি স্নায়ুতন্ত্রের কার্যকারিতা বজায় রাখতে এবং শক্তি উৎপাদনে সাহায্য করে।
D) Vitamin C — এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এবং কোলাজেন উৎপাদনে সহায়তা করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
কে তে coagulation বা রক্ত জমাট বাঁধা বোঝায়, তাই রক্ত জমাট বাঁধার ভিটামিন বললেই ভিটামিন কে মনে রাখবে।
খাদ্যতালিকায় সবুজ শাকসবজি ভিটামিন কের প্রধান উৎস হিসেবে কাজ করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভিটামিনের অভাবজনিত রোগ ও কাজ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
ভিটামিন কের অভাবে রক্ত জমাট বাঁধার সময় দীর্ঘায়িত হয় এবং অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হতে পারে।
সঠিক উত্তর: B) hc/λ
১. কেন সঠিক:
ফোটনের শক্তি তার তরঙ্গদৈর্ঘ্যের ব্যস্তানুপাতিক এবং কম্পাঙ্কের সমানুপাতিক। প্লাঙ্কের কোয়ান্টাম তত্ত্ব অনুযায়ী ফোটনের শক্তি বের করার এই সূত্রটি আলোর কণা ও তরঙ্গ উভয় প্রকৃতির সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: আলো শক্তি বহনকারী ক্ষুদ্র কণা বা প্যাকেট হিসেবে চলাচল করে, যাকে ফোটন বলে।
সূত্র/তত্ত্ব: ই সমান এইচএফ এবং সি সমান এফ ল্যাম্বডা, যেখানে ই হলো শক্তি, এইচ হলো প্লাঙ্কের ধ্রুবক, এফ হলো কম্পাঙ্ক, সি হলো আলোর বেগ এবং ল্যাম্বডা হলো তরঙ্গদৈর্ঘ্য।
কার্যপ্রণালি: কম্পাঙ্ক এফ এর পরিবর্তে সি ভাগ ল্যাম্বডা বসালে শক্তি ই এর সমীকরণটি হয় এইচসি ভাগ ল্যাম্বডা।
বাস্তব প্রয়োগ: সোলার প্যানেল বা আলোক সংবেদনশীল সেন্সরে ফোটন কণার এই শক্তি ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অতিবেগুনি রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম হওয়ায় এর ফোটন শক্তি দৃশ্যমান আলোর চেয়ে বেশি হয়।
ব্যাখ্যা: তরঙ্গদৈর্ঘ্য কমলে ফোটনের শক্তি বৃদ্ধি পায়, যা এই সমীকরণ দ্বারা প্রমাণিত।
উদাহরণ ২: রিমোট কন্ট্রোলে ব্যবহৃত ইনফ্রারেড রশ্মি নির্দিষ্ট তরঙ্গদৈর্ঘ্যের ফোটন শক্তি নির্গত করে সিগন্যাল পাঠায়।
ব্যাখ্যা: ফোটনের নির্দিষ্ট শক্তির কারণে রিমোটের সংকেত সঠিকভাবে কাজ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) hλ/c — এই রাশিমালার একক শক্তির একক মিলdoes না এবং এটি ভুল অনুপাতে গঠিত।
B) hc/λ — এটি ফোটন শক্তির সঠিক সমীকরণ এবং এটি প্লাঙ্কের ধ্রুবক ও আলোর বেগের গুণফলকে তরঙ্গদৈর্ঘ্য দ্বারা ভাগ করে পাওয়া যায়।
C) cλ/h — এই বিন্যাসটি শক্তির সঠিক মাত্রা বা একক প্রদান করে না।
D) chλ — এখানে তরঙ্গদৈর্ঘ্য গুণ হিসেবে থাকে, যা ব্যস্তানুপাতিক সম্পর্কের নিয়মের পরিপন্থী।
৫. মনে রাখার টিপস:
ওপরে থাকবে এইচ এবং সি, নিচে থাকবে ল্যাম্বডা—এই ছন্দে সূত্রটি মনে রাখা যায়।
শক্তি বেশি হলে তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম হবে, এই বিপরীত সম্পর্কটি মাথায় রাখলে ভুল হবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্লাঙ্কের ধ্রুবক এইচ এর মান এবং এর একক প্রায়ই বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
একই ধারণা থেকে ফোটনের কম্পাঙ্ক বা তরঙ্গদৈর্ঘ্য বের করার গাণিতিক সমস্যা পরীক্ষাতে আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: A) প্রজাতি
১. কেন সঠিক:
দ্বিপদ নামকরণে প্রথম অংশ জেনাস বা গোত্র নির্দেশ করে এবং দ্বিতীয় অংশ প্রজাতি নির্দেশ করে। এই বৈজ্ঞানিক নামকরণ পদ্ধতি জীবজগতের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সাহায্য করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: ক্যারোলাস লিনিয়াস দ্বিপদ নামকরণ পদ্ধতি প্রবর্তন করেন যা দুটি অংশ নিয়ে গঠিত।
কার্যপ্রণালি: প্রথম পদটি গণ বা জেনাস এবং দ্বিতীয় পদটি নির্দিষ্ট প্রজাতি বা স্পেসিস নাম বোঝায়।
বাস্তব প্রয়োগ: সারা বিশ্বে একই উদ্ভিদ বা প্রাণীকে একটি নির্দিষ্ট নামে চিহ্নিত করতে এটি ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হোমো স্যাপিয়েন্স
ব্যাখ্যা: এখানে হোমো হলো গণ এবং স্যাপিয়েন্স হলো প্রজাতি।
উদাহরণ ২: প্যানথেরা লিও
ব্যাখ্যা: এখানে প্যানথেরা হলো গণ এবং লিও হলো প্রজাতি অর্থাৎ সিংহ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রজাতি — এটি দ্বিপদ নামকরণের দ্বিতীয় অংশ নির্দেশ করে যা সঠিক উত্তর।
B) বর্গ — এটি ট্যাক্সোনমির একটি উচ্চতর স্তর যা প্রজাতি বা গোত্রের অনেক ওপরে অবস্থান করে।
C) রাজ্য — এটি জীবজগতের শ্রেণিবিন্যাসের সবচেয়ে বড় বা শীর্ষ স্তর যা বহু প্রজাতিকে অন্তর্ভুক্ত করে।
D) শ্রেণি — এটি রাজ্য ও বর্গের মধ্যবর্তী একটি ট্যাক্সোনমিক ধাপ যা বিভিন্ন বর্গকে একত্রিত করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
দ্বিপদ নামকরণে দুটি শব্দ থাকে যেখানে প্রথমটি বড় হাতের অক্ষরে লেখা গণ এবং দ্বিতীয়টি ছোট হাতের অক্ষরে লেখা প্রজাতি। গণ নামের পর প্রজাতি নাম বসে বলে দ্বিতীয় অংশ সবসময় প্রজাতি নির্দেশ করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
দ্বিপদ নামকরণের জনক ক্যারোলাস লিনিয়াস এবং তার বিখ্যাত গ্রন্থ সিমা ন্যাচুরি। এই টপিক থেকে বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বৈজ্ঞানিক নামের প্রথম ও দ্বিতীয় অংশ সম্পর্কে প্রায়শই প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: D) সবগুলো
১. কেন সঠিক:
- ধাতব কার্বোনেটের সাথে এসিডের রাসায়নিক বিক্রিয়ায় মূলত লবণ, পানি এবং কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাস উৎপন্ন হয়।
- এসিড ও ধাতব কার্বোনেটের এই পারস্পরিক বিক্রিয়াটি একটি নির্দিষ্ট রাসায়নিক বৈশিষ্ট্য যা সব ধাতব কার্বোনেটের জন্য প্রযোজ্য।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: অম্ল, ক্ষার ও লবণ এবং রাসায়নিক বিক্রিয়া।
- রাসায়নিক সমীকরণ: ধাতব কার্বোনেট + এসিড = লবণ + পানি + কার্বন ডাইঅক্সাইড।
- কার্যপ্রণালি: এসিডের হাইড্রোজেন আয়ন ধাতব কার্বোনেটের সাথে যুক্ত হয়ে প্রথমে কার্বনিক এসিড তৈরি করে যা পরবর্তীতে ভেঙে পানি এবং কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাস উৎপন্ন করে।
- বাস্তব প্রয়োগ: এন্টাসিড ট্যাবলেটে সোডিয়াম বাইকার্বোনেট থাকে যা পাকস্থলীর অতিরিক্ত হাইড্রোক্লোরিক এসিডের সাথে বিক্রিয়া করে কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাস উৎপন্ন করে এবং পেট ফাঁপা দূর করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ক্যালসিয়াম কার্বোনেটের সাথে হাইড্রোক্লোরিক এসিডের বিক্রিয়া।
ব্যাখ্যা: চুনাপাথরের সাথে এসিড মেশালে ক্যালসিয়াম ক্লোরাইড লবণ, পানি এবং কার্বন ডাইঅক্সাইড বুদবুদ আকারে নির্গত হয়।
উদাহরণ ২: সোডিয়াম কার্বোনেটের সাথে সালফিউরিক এসিডের বিক্রিয়া।
ব্যাখ্যা: এই বিক্রিয়ায় সোডিয়াম সালফেট লবণ, পানি এবং কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাস উৎপন্ন হয় যা আগুন নেভানোর যন্ত্রে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লবণ — এটি এই বিক্রিয়ায় উৎপন্ন হয় কিন্তু একমাত্র উৎপাদ নয়, তাই একা সঠিক নয়।
B) পানি — এটি এই বিক্রিয়ায় উৎপন্ন হয় কিন্তু একা সব উৎপাদকে নির্দেশ করে না।
C) কার্বন ডাইঅক্সাইড — এটি এই বিক্রিয়ার অন্যতম প্রধান উৎপাদ গ্যাস, যা একা সম্পূর্ণ উত্তর নয়।
D) সবগুলো — এই অপশনে লবণ, পানি এবং কার্বন ডাইঅক্সাইড তিনটি উৎপাদই অন্তর্ভুক্ত থাকায় এটি সম্পূর্ণ সঠিক।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ধাতব কার্বোনেট ও এসিডের বিক্রিয়া মানেই তিন বন্ধুর জন্ম, তারা হলো লবণ, পানি এবং কার্বন ডাইঅক্সাইড।
- বিক্রিয়ার সমীকরণ মনে রাখতে কার্বোনেট শব্দটির শেষের কার্বো ডাইঅক্সাইড গ্যাসের কথা মাথায় রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এই বিক্রিয়ায় নির্গত কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাস চুনজলের মধ্য দিয়ে চালনা করলে চুনজল ঘোলা হয়ে যায়।
- বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই এসিড ও কার্বোনেটের বিক্রিয়ায় কোন গ্যাস উৎপন্ন হয় তা জানতে চাওয়া হয়।
সঠিক উত্তর:
A) এটি মাল্টি টাস্কিং অপারেটিং সিস্টেম
১. কেন সঠিক:
Windows একটি মাল্টিটাস্কিং অপারেটিং সিস্টেম কারণ এটি ব্যবহারকারীকে একই সময়ে একাধিক অ্যাপ্লিকেশন বা প্রোগ্রাম একযোগে চালানোর সুযোগ দেয়।
এই অপারেটিং সিস্টেম প্রসেসরের সময়কে বিভিন্ন ভাগে ভাগ করে একাধিক কাজ একসঙ্গে সম্পাদন করতে সক্ষম হয়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: অপারেটিং সিস্টেম হলো এমন একটি সফটওয়্যার যা কম্পিউটার হার্ডওয়্যার এবং ব্যবহারকারীর মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করে।
কার্যপদ্ধতি: Windows মেমোরি ম্যানেজমেন্ট এবং প্রসেস শিডিউলিংয়ের মাধ্যমে একসাথে একাধিক টাস্ক বা প্রক্রিয়া পরিচালনা করে।
বৈশিষ্ট্য: এর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস বা GUI এবং সমসাময়িক বা মাল্টিটাস্কিং কার্যক্ষমতা।
ব্যবহার: ব্যক্তিগত কম্পিউটার, ল্যাপটপ এবং সার্ভারে দৈনন্দিন কাজ এবং অফিসিয়াল কাজের জন্য এটি ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে কোনো ডকুমেন্ট লেখার পাশাপাশি ব্যাকগ্রাউন্ডে গান শোনা বা ইন্টারনেট ব্রাউজ করা।
ব্যাখ্যা: প্রসেসর ও মেমোরি সঠিকভাবে ভাগ করে দেওয়ার কারণে ব্যবহারকারী একই সময়ে একাধিক আলাদা কাজ করতে পারেন।
উদাহরণ ২: একই সাথে প্রিন্ট কমান্ড দিয়ে প্রিন্টিংয়ের কাজ চালু রেখে ফটোশপে ছবি এডিট করা।
ব্যাখ্যা: অপারেটিং সিস্টেমের মাল্টিটাস্কিং ক্ষমতার ফলেই একটি কাজের সমাপ্তির জন্য অপেক্ষা না করে অন্য কাজ করা সম্ভব হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) এটি মাল্টি টাস্কিং অপারেটিং সিস্টেম — এই তথ্যটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং এটিই প্রশ্নটির কাঙ্ক্ষিত উত্তর।
B) এটি Open source অপারেটিং সিস্টেম — Windows কোনো ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম নয়, এটি একটি প্রোপাইটারি বা বন্ধ সোর্স অপারেটিং সিস্টেম।
C) ক এবং খ উভয়ই সত্য — যেহেতু খ নম্বর অপশনটি ভুল, তাই এই যৌথ অপশনটিও সঠিক হতে পারে না।
D) কোনোটিই সত্য নয় — যেহেতু অপশন ক সত্য, তাই এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
Windows মানে জানালা, যার মাধ্যমে একসাথে বাইরের অনেক দৃশ্য দেখা যায়; ঠিক তেমনি Windows অপারেটিং সিস্টেমে একসাথে অনেক কাজ দেখা ও করা যায়।
Microsoft Windows একটি প্রোপাইটারি অপারেটিং সিস্টেম এবং লিনাক্স হলো একটি জনপ্রিয় ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
Microsoft Windows হলো বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেসভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম।
ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেমের চমৎকার একটি উদাহরণ হলো Linux বা Ubuntu।
সঠিক উত্তর: D) Register
১. কেন সঠিক:
কম্পিউটার স্থাপত্যে প্রসেসরের ভেতরে ডেটা প্রসেসিংয়ের জন্য অত্যন্ত দ্রুতগতির কিছু মেমোরি সেল থাকে যাকে রেজিস্টার বলা হয়।
এটি সরাসরি সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিটের ভেতরে অবস্থিত থাকায় ডেটা আদান-প্রদানে কোনো সময় অপচয় হয় না এবং এটিই মেমোরি হায়ারার্কির শীর্ষ স্থানে অবস্থান করে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: রেজিস্টার হলো প্রসেসরের ভেতরের অতি ক্ষুদ্র এবং সবচেয়ে দ্রুততম অস্থায়ী মেমোরি যা বর্তমান প্রসেসিং ডেটা ধারণ করে।
কার্যপদ্ধতি: কন্ট্রোল ইউনিট থেকে নির্দেশ পাওয়ার সাথে সাথে এটি তাৎক্ষণিকভাবে ডেটা রিড বা রাইট করতে সক্ষম হয়।
ব্যবহার: অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট বা এএলইউ-এর গণনার ফলাফল সাময়িকভাবে সংরক্ষণ করতে এটি ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কম্পিউটারের অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিটে দুটি সংখ্যা যোগ করার সময় প্রসেসর প্রথমে মানগুলো রেজিস্টারে নিয়ে আসে।
ব্যাখ্যা: রেজিস্টারে না এনে সরাসরি প্রধান মেমোরি থেকে কাজ করলে গতি অনেক কমে যেত।
উদাহরণ ২: মাইক্রোপ্রসেসরে নির্দেশ বা ইনস্ট্রাকশন ডিকোড করার সময় প্রোগ্রাম কাউন্টার রেজিস্টার পরবর্তী নির্দেশের ঠিকানা ধরে রাখে।
ব্যাখ্যা: এই বিশেষ রেজিস্টারটির কারণেই প্রসেসর খুব দ্রুত বুঝতে পারে এরপর কোন কাজটি করতে হবে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) RAM — এটি প্রধান মেমোরি বা প্রাইমারি স্টোরেজ হলেও রেজিস্টারের তুলনায় অনেক ধীরগতির এবং এটি প্রসেসরের বাইরে মাদারবোর্ডে অবস্থিত।
B) Hard Disk — এটি সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস যার গতি রেজিস্টার বা র্যামের তুলনায় লক্ষ গুণ কম এবং এটি মূলত দীর্ঘস্থায়ী সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়।
C) ROM — এটি স্থায়ী মেমোরি যা ডেটা পড়তে পারে কিন্তু খুব দ্রুত প্রসেসরের সাথে ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে না।
D) Register — এটি সঠিক উত্তর।
৫. মনে রাখার টিপস:
কম্পিউটার মেমোরির গতি মনে রাখার জন্য মাথায় রাখবে যে মেমোরি প্রসেসরের যত কাছে থাকে তা তত দ্রুতগতির হয়।
রেজিস্টার সরাসরি প্রসেসরের ভেতরে থাকে, তাই এটিই মেমোরির জগতের সবচেয়ে দ্রুততম স্প্রিন্টার।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
মেমোরি হায়ারার্কিতে গতির দিক থেকে সবচেয়ে উপরে রয়েছে রেজিস্টার এবং সবচেয়ে নিচে রয়েছে ম্যাগনেটিক টেপ বা হার্ড ডিস্ক।
পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে প্রসেসরের ভেতরের সবচেয়ে দ্রুততম মেমোরির নাম কী, যার সঠিক উত্তর হবে রেজিস্টার।
সঠিক উত্তর:
B) Size of ROM
১. কেন সঠিক:
ROM অর্থ Read Only Memory। এটি কম্পিউটারের মাদারবোর্ডে স্থায়ীভাবে সংযুক্ত থাকে এবং এতে সংরক্ষিত ডেটা বা নির্দেশাবলি শুধু পড়া যায়, পরিবর্তন বা মুছে ফেলা যায় না।
কম্পিউটার চালু করার জন্য প্রয়োজনীয় বুটস্ট্রাপ প্রোগ্রাম বা BIOS এই মেমোরিতে স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত থাকে, যা সিস্টেমের সামগ্রিক গতি বা কর্মক্ষমতা বাড়াতে বা কমাতে সরাসরি কোনো ভূমিকা রাখে না।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: ROM হলো এমন একটি স্থায়ী বা নন-ভলাটাইল মেমোরি, যা বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ থাকলেও ডেটা সংরক্ষণ করে রাখে।
কার্যপদ্ধতি: কম্পিউটার চালু করার সময় মাইক্রোপ্রসেসর ROM থেকে প্রাথমিক নির্দেশাবলি পড়ে হার্ডওয়্যার পরীক্ষা করে এবং অপারেটিং সিস্টেম চালু করতে সাহায্য করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কম্পিউটারের BIOS চিপ
ব্যাখ্যা: এটি মাদারবোর্ডের ROM-এ থাকে এবং কম্পিউটার অন করার পর প্রাথমিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করে।
উদাহরণ ২: প্রিন্টারের ফার্মওয়্যার
ব্যাখ্যা: প্রিন্টারের স্থায়ী কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ROM-এর ভেতর নির্দেশাবলি সংরক্ষিত থাকে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Size of RAM — এটি ভুল উত্তর কারণ RAM বা Random Access Memory সরাসরি কম্পিউটারের গতি ও বহুমুখী কাজ করার ক্ষমতা নির্ধারণ করে।
B) Size of ROM — এটি সঠিক কারণ ROM-এর সাইজ ছোট বা বড় যাই হোক না কেন, এটি কম্পিউটারের দৈনন্দিন কর্মক্ষমতা বা স্পিড বৃদ্ধিতে কোনো প্রভাব ফেলে না।
C) Size of Cache Memory — এটি ভুল উত্তর কারণ ক্যাশ মেমোরি প্রসেসর ও RAM-এর মধ্যকার ডেটা আদান-প্রদানের গতি বাড়িয়ে কম্পিউটারের কর্মক্ষমতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।
D) Size of Register — এটি ভুল উত্তর কারণ রেজিস্টার হলো CPU-এর ভেতরের সবচেয়ে দ্রুততম মেমোরি, যা সরাসরি নির্দেশ বাস্তবায়ন করে কর্মক্ষমতা নিয়ন্ত্রণ করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
RAM, Cache এবং Register সরাসরি কাজের গতি বাড়ায়, তাই এগুলো কর্মক্ষমতার সাথে সরাসরি সম্পর্কিত।
পক্ষান্তরে ROM হলো শুধু পড়ার মেমোরি, যা শুধু কম্পিউটার স্টার্ট করতে সাহায্য করে কিন্তু গতির ওপর প্রভাব ফেলে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ROM নন-ভলাটাইল বা স্থায়ী মেমোরি হলেও এটি প্রসেসরের কাজের গতি নির্ধারণ করে না।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মেমোরি সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে, যেখানে কোন মেমোরিটি গতি বাড়ায় তা নির্ণয় করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) (010 100)2
১. কেন সঠিক:
অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতিকে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে রূপান্তর করার সময় অক্টাল সংখ্যার প্রতিটি অঙ্ককে তার সমকক্ষ তিন বিটের বাইনারি মানে রূপান্তর করতে হয়।
এখানে প্রদত্ত অক্টাল সংখ্যাটি হলো (২৪)৮, যেখানে আলাদাভাবে ২ এবং ৪ এর তিন বিটের বাইনারি রূপ বসিয়ে এই সঠিক উত্তরটি পাওয়া গেছে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি হলো বেস আট বা ভিত্তিক সংখ্যা পদ্ধতি যেখানে ০ থেকে ৭ পর্যন্ত মোট আটটি অঙ্ক ব্যবহৃত হয় এবং বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি হলো বেস দুই বা ভিত্তিক সংখ্যা পদ্ধতি যেখানে কেবল ০ এবং ১ ব্যবহৃত হয়।
কার্যপদ্ধতি: অক্টাল থেকে বাইনারি রূপান্তরের জন্য প্রতিটি অক্টাল অঙ্কের বিপরীতে তিন বিটের বাইনারি কোড ব্যবহার করতে হয় কারণ দুই এর ঘাত তিন সমান আট হয়।
বৈশিষ্ট্য: অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতিতে বড় বাইনারি সংখ্যাকে খুব সহজে ছোট আকারে প্রকাশ করা যায় এবং ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে এর ব্যবহার বেশ সুবিধাজনক।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অক্টাল সংখ্যা ৭ এর তিন বিটের বাইনারি রূপ হলো ১ ১১।
ব্যাখ্যা: অক্টাল ৭ এর দশমিক মান হলো ৭, যাকে চার দুই এক নিয়মে বাইনারিতে রূপান্তর করলে তিন বিটে ১ ১১ পাওয়া যায়।
উদাহরণ ২: অক্টাল সংখ্যা ৫ এর তিন বিটের বাইনারি রূপ হলো ১ ০ ১।
ব্যাখ্যা: চার দুই এক কোড ব্যবহার করে চার এবং এক যোগ করলে পাঁচ হয়, তাই এর বাইনারি রূপ হলো ১ ০ ১।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) (111 101)2 — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে প্রথম অংশটি ৭ এবং পরের অংশটি ৫ এর বাইনারি রূপ, যা মূল অক্টাল সংখ্যার সঙ্গে মেলে না।
B) (010 100)2 — এই অপশনটি সঠিক এবং এখানে ২ এর বাইনারি ০ ১০ এবং ৪ এর বাইনারি ১ ০ ০ সঠিকভাবে বসেছে।
C) (111 100)2 — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে প্রথম অংশটি ৭ এর বাইনারি রূপ নির্দেশ করে যা প্রদত্ত অক্টাল সংখ্যার প্রথম অঙ্কের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।
D) (101 010)2 — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে প্রথম অংশটি ৫ এবং পরের অংশটি ২ এর বাইনারি রূপ যা উল্টোভাবে দেওয়া আছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
অক্টাল থেকে বাইনারি রূপান্তরের জন্য চার দুই এক বা ফোর টু ওয়ান নিয়মটি মনে রাখতে হবে।
প্রতিটি অক্টাল অঙ্কের জন্য বাম দিক থেকে শূন্য বসিয়ে তিন বিট পূর্ণ করতে হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সংখ্যা পদ্ধতির রূপান্তর থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতিতে সর্বোচ্চ অঙ্ক ৭ এবং হেক্সেডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে সর্বোচ্চ মান ১৫ বা এফ হয়।
সঠিক উত্তর: B) Graphical User Interface
১. কেন সঠিক:
- Graphical User Interface বা GUI অপারেটিং সিস্টেমকে বিভিন্ন চিত্র, প্রতীক বা আইকনের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর উপযোগী করে তোলে।
- এর ফলে ব্যবহারকারীকে জটিল কোনো কমান্ড মুখস্থ করতে হয় না এবং খুব সহজে মাউস বা আঙুলের স্পর্শে কম্পিউটার পরিচালনা করা সম্ভব হয়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: Graphical User Interface হলো এমন এক ধরনের ইউজার ইন্টারফেস যেখানে টেক্সটের পরিবর্তে গ্রাফিক্স, আইকন এবং উইন্ডো ব্যবহার করে কম্পিউটারের সাথে যোগাযোগ করা হয়।
- কার্যপদ্ধতি: এটি পর্দার ওপর বিভিন্ন ভিজ্যুয়াল উপাদান প্রদর্শন করে এবং ব্যবহারকারী যখন মাউস বা কিবোর্ড দিয়ে সেগুলোতে ক্লিক করেন, তখন অপারেটিং সিস্টেম সেই নির্দেশ বুঝতে পেরে কাজ সম্পন্ন করে।
- ব্যবহার: আধুনিক প্রায় সব অপারেটিং সিস্টেমে যেমন উইন্ডোজ, অ্যান্ড্রয়েড এবং ম্যাকওএসে এই ইন্টারফেস ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কম্পিউটারের ডেস্কটপে থাকা রিসাইকেল বিন বা মাই কম্পিউটার এর ছোট ছবি বা আইকন।
ব্যাখ্যা: এই আইকনগুলোতে ডাবল ক্লিক করলেই নির্দিষ্ট ফোল্ডার বা প্রোগ্রাম খুলে যায়, যা জিইউআই-এর নিখুঁত উদাহরণ।
উদাহরণ ২: স্মার্টফোনের স্ক্রিনে থাকা বিভিন্ন অ্যাপের লোগো বা ট্যাপ করার উপযোগী বাটন।
ব্যাখ্যা: ব্যবহারকারীকে কোড লিখে অ্যাপ চালু করতে হয় না, শুধু আঙুল দিয়ে অ্যাপের ছবিতে ট্যাপ করলেই তা চালু হয়ে যায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Command-Line Interface — এটি টেক্সট-ভিত্তিক ইন্টারফেস যেখানে কাজ করার জন্য নির্দিষ্ট কমান্ড বা নির্দেশ টাইপ করতে হয়, তাই এটি সঠিক নয়।
B) Graphical User Interface — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এটি সিম্বল ও আইকনের মাধ্যমে সংযোগ স্থাপন করে।
C) Block User Interface — এটি কোনো স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং সিস্টেম ইন্টারফেসের নাম নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর হতে পারে না।
D) Tap User Interface — এটি কেবল স্পর্শের ওপর ভিত্তি করে তৈরি, কিন্তু সামগ্রিকভাবে গ্রাফিক্স ও আইকনের মাধ্যমে সংযোগ স্থাপনের সঠিক প্রযুক্তিগত নাম এটি নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- Graphical শব্দের অর্থ হলো ছবি বা চিত্রভিত্তিক, তাই যেখানেই আইকন বা সিম্বল দেখার কথা বলা থাকবে সেখানেই উত্তর হবে Graphical User Interface.
- CLI মানে টেক্সট টাইপ করা আর GUI মানে ছবি বা আইকনে ক্লিক করা, এই পার্থক্য মনে রাখলেই উত্তর সহজ হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- মাইক্রোসফট উইন্ডোজ হলো সবচেয়ে জনপ্রিয় Graphical User Interface ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম।
- কমান্ড লাইন ইন্টারফেসে কাজের জন্য যেমন এমএস ডস এ কমান্ড লিখতে হতো, জিইউআই তার সম্পূর্ণ বিপরীত।
সঠিক উত্তর:
C) এটি একবারে পুরো প্রোগ্রাম অনুবাদ করে
১. কেন সঠিক:
কম্পাইলার উচ্চ স্তরের ভাষাকে মেশিন ভাষায় রূপান্তর করার জন্য সম্পূর্ণ সোর্স কোড একসাথে পড়ে এবং একসাথে অনুবাদ করে।
পুরো প্রোগ্রামে কোনো ভুল থাকলে তা একবারে ত্রুটি তালিকা আকারে প্রদর্শন করে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: কম্পাইলার হলো এমন একটি অনুবাদক সফটওয়্যার যা পুরো সোর্স প্রোগ্রামকে একসাথে মেশিন ভাষায় রূপান্তর করে।
কার্যপদ্ধতি: এটি সম্পূর্ণ প্রোগ্রামটি ইনপুট হিসেবে নেয়, সিনট্যাক্স বা ব্যাকরণগত ভুলগুলো যাচাই করে এবং অবজেক্ট ফাইল তৈরি করে।
বৈশিষ্ট্য: কম্পাইল করার পর প্রোগ্রাম চালাতে আলাদা করে অনুবাদকের প্রয়োজন হয় না এবং রানটাইম গতি বেশি হয়।
ব্যবহার: সি, সি প্লাস প্লাস এবং জাভা এর মতো প্রোগ্রামিং ভাষাগুলোতে কোড কার্যকর করার জন্য কম্পাইলার ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বড় কোনো বই সম্পূর্ণ পড়া শেষ করে একসাথে অন্য ভাষায় অনুবাদ করা।
ব্যাখ্যা: কম্পাইলার পুরো প্রোগ্রাম একসাথে পড়ে ঠিক যেমন পুরো বই একসাথে পড়ে অনুবাদ করা হয়।
উদাহরণ ২: সি ভাষায় লেখা একটি গেমের কোড রান করার আগে এক্সিকিউটেবল ফাইলে রূপান্তর করা।
ব্যাখ্যা: কম্পাইলার পুরো কোড একসাথে অনুবাদ করে গেমের সফটওয়্যার ফাইল তৈরি করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) এটি Interpreter-এর চেয়ে অনুবাদ করতে বেশি সময় লাগে — এই বিবৃতিটি ভুল কারণ কম্পাইলার কোড দ্রুত এক্সিকিউট করে, তবে শুরুর অনুবাদে সময় নিতে পারে।
B) এটি প্রতি লাইন প্রোগ্রাম পড়ে এবং অনুবাদ করে — এটি ইন্টারপ্রেটারের কাজের পদ্ধতি, কম্পাইলারের নয়।
D) এটি মেশিন প্রোগ্রামকে সোর্স প্রোগ্রামে রূপান্তর করে — এটি ভুল কারণ কম্পাইলার সোর্স প্রোগ্রামকে মেশিন প্রোগ্রামে রূপান্তর করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
কম্পাইল শব্দের অর্থ সংকলন বা একত্র করা, তাই কম্পাইলার পুরো প্রোগ্রাম একসাথে একত্র করে অনুবাদ করে।
ইন্টারপ্রেটারের ক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে যে এটি ইন্টারনেটের লাইভ চ্যাটের মতো লাইন বাই লাইন কাজ করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কম্পাইলার পুরো প্রোগ্রাম একবারে অনুবাদ করে অবজেক্ট ফাইল তৈরি করে।
ইন্টারপ্রেটার লাইন বাই লাইন অনুবাদ করে এবং কোনো ভুল পেলে সাথে সাথে থেমে যায়।
সঠিক উত্তর:
D) Google
১. কেন সঠিক:
- গুগল একটি বিশ্বখ্যাত প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এবং সার্চ ইঞ্জিন, যা মূলত তথ্য খোঁজার মাধ্যম হিসেবে কাজ করে। এটি সরাসরি কোনো সোস্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম নয়, যদিও এর কিছু সহযোগী সেবা রয়েছে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: সোস্যাল মিডিয়া হলো এমন অনলাইন প্ল্যাটফর্ম বা ওয়েবসাইট যেখানে ব্যবহারকারীরা একে অপরের সাথে যোগাযোগ করতে পারে, কন্টেন্ট শেয়ার করতে পারে এবং সামাজিক নেটওয়ার্ক তৈরি করতে পারে।
- কার্যপদ্ধতি: ব্যবহারকারীরা প্রোফাইল তৈরি করে টেক্সট, ছবি ও ভিডিও প্রকাশ করে এবং অন্যের পোস্টে লাইক, কমেন্ট ও শেয়ার করার মাধ্যমে মিথস্ক্রিয়া করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ফেসবুক
ব্যাখ্যা: এটি একটি জনপ্রিয় সোস্যাল মিডিয়া যেখানে বন্ধু ও পরিবারের সাথে যোগাযোগ রাখা যায় এবং বিভিন্ন পেজের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদান করা হয়।
উদাহরণ ২: ইনস্টাগ্রাম
ব্যাখ্যা: এটি ছবি ও ভিডিও শেয়ার করার ওপর ভিত্তি করে তৈরি একটি সোস্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Facebook - এটি একটি বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় সোস্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
B) Instagram - এটি ছবি ও ভিডিও শেয়ারিংয়ের একটি সোস্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
C) Twitter - এটি মাইক্রোব্লগিংয়ের জন্য পরিচিত একটি সোস্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
D) Google - এটি মূলত একটি সার্চ ইঞ্জিন এবং ওয়েব সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান, কোনো সোস্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম ও টুইটারে নিজের প্রোফাইল বানিয়ে চ্যাট করা যায়, তাই এগুলো সোস্যাল মিডিয়া।
- গুগল দিয়ে তথ্য খোঁজা বা সার্চ করা যায়, তাই এটি সোস্যাল মিডিয়া নয় বরং একটি সার্চ ইঞ্জিন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- গুগলের মূল কাজ হলো তথ্য খোঁজা বা সার্চ ইঞ্জিন সেবা প্রদান করা।
- মেটা (আগের নাম ফেসবুক ইনকরপোরেটেড) হলো ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম এবং হোয়াটসঅ্যাপের মূল প্রতিষ্ঠান।
সঠিক উত্তর: D) General Packet Radio Service
১. কেন সঠিক:
- GPRS-এর পূর্ণরূপ হলো General Packet Radio Service যা সেলুলার নেটওয়ার্কে পকেট সুইচিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে ডেটা আদান-প্রদান নিশ্চিত করে।
- এটি টুজি সেলুলার প্রযুক্তির একটি অংশ যা ভয়েস কল ছাড়াও ইন্টারনেটে ডেটা ব্যবহারের সুযোগ তৈরি করেছিল।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: GPRS হলো মোবাইল যোগাযোগের ক্ষেত্রে প্যাকেট সুইচিং প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করে তৈরি একটি তারবিহীন ডেটা স্থানান্তর ব্যবস্থা।
- কার্যপদ্ধতি: এটি ডেটাকে ছোট ছোট প্যাকেটে বিভক্ত করে নেটওয়ার্কের মাধ্যমে প্রেরণ করে এবং গন্তব্যে গিয়ে তা পুনরায় একত্রিত করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: স্মার্টফোনে মোবাইল ডাটা ব্যবহার করে ব্রাউজ করা।
ব্যাখ্যা: জিপিআরএস প্রযুক্তি চালুর ফলেই মোবাইল ফোনে প্রথম ইন্টারনেট ব্রাউজিং এবং ইমেল আদান-প্রদান সহজ হয়েছিল।
উদাহরণ ২: এমএমএস বা মাল্টিমিডিয়া মেসেজ পাঠানো।
ব্যাখ্যা: টেক্সটের পাশাপাশি ছবি বা ছোট ফাইল পাঠানোর ক্ষেত্রে প্যাকেট রেডিও সার্ভিস ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Global Positioning Radio Service — এই নামে কোনো স্বীকৃত স্ট্যান্ডার্ড মোবাইল কমিউনিকেশন প্রযুক্তি নেই।
B) General Positioning Radio Service — জিওলোকেশন বা পজিশনিং বোঝাতে এই পরিভাষাটি ভুল এবং অপ্রাসঙ্গিক।
C) Global Packet Radio Service — জিওগ্রাফিক্যাল গ্লোবাল শব্দ ব্যবহার করা হয় না, সঠিক শব্দ জেনারেল।
D) General Packet Radio Service — এটি সঠিক পূর্ণরূপ যা টুজি নেটওয়ার্কে ডেটা স্থানান্তরের জন্য ব্যবহৃত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- জিপিআরএস মানেই পকেট রেডিও সার্ভিস, যেখানে শব্দ দুটি হলো জেনারেল এবং প্যাকেট।
- টুজি প্রযুক্তির সাথে জিটুপির তুলনা করে প্যাকেট সুইচিং মনে রাখতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- জিপিআরএসকে সাধারণত টুজি প্রযুক্তির বর্ধিত রূপ বা টু.ফাইভ জি বলা হয়ে থাকে।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মোবাইল জেনারেশন এবং প্রোটোকলের পূর্ণরূপ প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর:
D) Firewall
১. কেন সঠিক:
- ফায়ারওয়াল হলো এমন একটি নিরাপত্তা ব্যবস্থা যা বাইরের অনিরাপদ নেটওয়ার্ক থেকে প্রাইভেট নেটওয়ার্কে অননুমোদিত প্রবেশ রোধ করে।
- এটি পূর্বনির্ধারিত নিরাপত্তা নিয়মের ভিত্তিতে ইনকামিং এবং আউটগোয়িং ট্রাফিক ফিল্টার করে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: ফায়ারওয়াল হলো এমন একটি হার্ডওয়্যার বা সফটওয়্যারভিত্তিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা যা বিশ্বস্ত ইন্টারনেটের সাথে অবিশ্বস্ত নেটওয়ার্কের সংযোগ রক্ষা করে।
- কার্যপদ্ধতি: এটি নেটওয়ার্কের ট্রাফিক পরীক্ষা করে এবং সন্দেহজনক বা ক্ষতিকর ডেটা প্যাকেট ব্লক করে দেয়।
- বৈশিষ্ট্য: এটি নেটওয়ার্ক সুরক্ষার প্রথম প্রতিরক্ষা প্রাচীর হিসেবে কাজ করে এবং ক্ষতিকারক আক্রমণ প্রতিহত করে।
- ব্যবহার: কর্পোরেট অফিস, ব্যাংক এবং ব্যক্তিগত কম্পিউটারে বাইরের হ্যাকিং ও ম্যালওয়্যার আক্রমণ থেকে ডেটা নিরাপদ রাখতে এটি ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অফিসের মেইন গেইটে পাহারা দেওয়ার চৌকি।
ব্যাখ্যা: যেভাবে চৌকিদার যাচাই করে ভেতরের নিরাপদ জায়গায় কাকে ঢুকতে দেওয়া হবে, ফায়ারওয়াল একইভাবে নেটওয়ার্কে ডেটা ঢোকার অনুমতি যাচাই করে।
উদাহরণ ২: উইন্ডোজ ডিফেন্ডার ফায়ারওয়াল।
ব্যাখ্যা: এটি উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে বিল্ট-ইন থাকে এবং ইন্টারনেট থেকে কম্পিউটারে ক্ষতিকর ট্রাফিক প্রবেশ করতে বাধা দেয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Antivirus — এটি কম্পিউটারে প্রবেশ করা ম্যালওয়্যার বা ভাইরাস স্ক্যান ও অপসারণ করে, কিন্তু নেটওয়ার্কে বাইরে থেকে আক্রমণ সরাসরি বাধা দেয় না।
B) Digital Signature — এটি মূলত কোনো ডিজিটাল নথির সত্যতা ও প্রেরকের পরিচয় নিশ্চিত করতে ব্যবহৃত হয়, নেটওয়ার্ক পাহারা দিতে নয়।
C) Encryption — এটি ডেটাকে বোধগম্য কোডে রূপান্তর করে গোপনীয়তা রক্ষা করে, কিন্তু বাইরের আক্রমণ সরাসরি আটকানোর কাজ করে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ফায়ার মানে আগুন এবং ওয়াল মানে দেওয়াল। যেমন দেওয়াল আগুন বা বিপদকে আটকে দেয়, তেমনি ফায়ারওয়াল সাইবার বিপদকে আটকে দেয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ফায়ারওয়াল হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার উভয় মাধ্যমেই হতে পারে।
- এটি নেটওয়ার্ক লেভেলে কাজ করে এবং হ্যাকারদের হাত থেকে প্রাইভেট নেটওয়ার্ক সুরক্ষিত রাখে।
সঠিক উত্তর:
D) Safari
১. কেন সঠিক:
- Safari হলো একটি ওয়েব ব্রাউজার, কোনো সার্চ ইঞ্জিন নয়।
- এটি অ্যাপল ইনকরপোরেটেড কোম্পানির তৈরি একটি প্রোপ্রিটারি ইন্টারনেট ব্রাউজার।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: সার্চ ইঞ্জিন হলো এমন একটি সফটওয়্যার সিস্টেম যা ইন্টারনেটে তথ্য খোঁজার কাজে ব্যবহার করা হয়। অন্যদিকে ওয়েব ব্রাউজার হলো এমন একটি অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার যা ব্যবহারকারীকে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবে বিভিন্ন ওয়েব পেজ প্রদর্শন করতে সাহায্য করে।
- কার্যপদ্ধতি: সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহারকারীর দেওয়া কিওয়ার্ড বা মূল শব্দ বিশ্লেষণ করে ডেটাবেজ থেকে প্রাসঙ্গিক ওয়েবসাইটের তালিকা প্রদান করে। আর ব্রাউজার ব্যবহারকারীকে অ্যাড্রেস বারের মাধ্যমে সরাসরি ওয়েবসাইট ভিজিট করতে বা সার্চ ইঞ্জিনের অ্যাক্সেস পেতে সহায়তা করে।
- ব্যবহার: ইন্টারনেটে তথ্য খোঁজার জন্য গুগল বা বিং এর মতো সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহার করা হয়। আর ওই সার্চ ইঞ্জিন বা ওয়েবসাইটগুলো দেখার জন্য সাফারি বা ক্রোম এর মতো ব্রাউজার ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: Google Chrome ব্রাউজার ব্যবহার করে Google সার্চ ইঞ্জিনে প্রবেশ করা যায়।
ব্যাখ্যা: এখানে ক্রোম হলো ব্রাউজার এবং গুগল হলো সার্চ ইঞ্জিন।
উদাহরণ ২: Safari ব্রাউজার ওপেন করে Bing সার্চ ইঞ্জিনে প্রবেশ করা যায়।
ব্যাখ্যা: এখানে সাফারি হলো ব্রাউজার এবং বিং হলো সার্চ ইঞ্জিন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Bing — এটি মাইক্রোসফট কোম্পানির একটি জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন।
বিং ইন্টারনেটে তথ্য খোঁজার কাজে সরাসরি ব্যবহৃত হয় বিধায় এটি সঠিক উত্তর নয়।
B) Google — এটি বিশ্বের সর্বাধিক ব্যবহৃত জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন।
গুগল সার্চ করার সুবিধা দেয় বলে এটি সঠিক উত্তর নয়।
C) Yahoo — এটি একটি ঐতিহ্যবাহী সার্চ ইঞ্জিন ও ওয়েব পোর্টাল।
এটি তথ্য অনুসন্ধানের কাজ করে বিধায় সঠিক উত্তর নয়।
D) Safari — এটি অ্যাপল কোম্পানির তৈরি একটি ওয়েব ব্রাউজার।
এটি কোনো তথ্য খোঁজার ইঞ্জিন নয়, বরং ওয়েব ব্রাউজ করার সফটওয়্যার হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ব্রাউজার দিয়ে প্রবেশ করি আর সার্চ ইঞ্জিন দিয়ে তথ্য খুঁজি।
- সাফারি, ক্রোম, ফায়ারফক্স হলো দরজা বা ব্রাউজার, আর গুগল, বিং, ইয়াহু হলো খোঁজার জায়গা বা সার্চ ইঞ্জিন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সাফারি ব্রাউজারটি মূলত ম্যাকওএস এবং আইওএস অপারেটিং সিস্টেমে ডিফল্টভাবে ব্যবহৃত হয়।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ব্রাউজার এবং সার্চ ইঞ্জিনের মধ্যে পার্থক্য সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর:
C) WWW
১. কেন সঠিক:
WWW-এর পূর্ণরূপ হলো World Wide Web, যা ইন্টারনেটের মাধ্যমে একে অপরের সাথে হাইপারলিংক দ্বারা সংযুক্ত ডকুমেন্ট বা পেজগুলোর একটি বিশাল ভাণ্ডার।
এটি হাইপারটেক্সট ট্রান্সফার প্রোটোকল ব্যবহার করে বিভিন্ন সার্ভার থেকে তথ্য ব্যবহারকারীর ব্রাউজারে প্রদর্শন করে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে অ্যাক্সেসযোগ্য ওয়েব পেজ এবং মাল্টিমিডিয়া উপাদানের একটি বিশ্বব্যাপী সংগ্রহ।
কার্যপদ্ধতি: ব্যবহারকারী ব্রাউজারে ওয়েব ঠিকানার মাধ্যমে অনুরোধ পাঠালে সার্ভার থেকে হাইপারলিংকযুক্ত ডকুমেন্ট প্রদর্শিত হয়।
ব্যবহার: ইন্টারনেটে তথ্য খোঁজা, পড়া, এবং বিভিন্ন ওয়েবসাইটের মধ্যে যাতায়াতের জন্য এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: উইকিপিডিয়া ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা: উইকিপিডিয়ার একটি নিবন্ধের ভেতরে থাকা নীল রঙের লিংকগুলোতে ক্লিক করলে অন্য সম্পর্কিত পৃষ্ঠায় যাওয়া যায়, যা ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের মূল ধারণা।
উদাহরণ ২: গুগল সার্চ ইঞ্জিন।
ব্যাখ্যা: গুগল সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহার করে ব্যবহারকারী ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের কোটি কোটি সংযুক্ত ডকুমেন্টের মধ্য থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য খুঁজে পায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) HTML — এটি কোনো ডকুমেন্টের কালেকশন নয়, বরং ওয়েব পেজ তৈরির একটি মার্কআপ ভাষা।
B) Email — এটি ইন্টারনেট ব্যবহার করে ইলেকট্রনিক বার্তা আদান-প্রদানের একটি মাধ্যমমাত্র।
D) DWS — এটি কম্পিউটার বিজ্ঞানে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের সাথে সম্পর্কিত কোনো স্ট্যান্ডার্ড বা পরিচিত প্রযুক্তিগত টার্ম নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
WWW-এর পূর্ণরূপ World Wide Web ভালোমতো মনে রাখবে।
মনে রাখবে ইন্টারনেট হলো সংযোগব্যবস্থা আর WWW হলো সেই সংযোগের মাধ্যমে থাকা তথ্যের ভাণ্ডার।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের জনক হলেন টিম বার্নার্স লি।
ইন্টারনেট এবং WWW সমার্থক নয়, ইন্টারনেট হলো হার্ডওয়্যার নেটওয়ার্ক আর WWW হলো তার ওপর চলা তথ্যসেবা।
সঠিক উত্তর:
B) Cloud Computing
১. কেন সঠিক:
- প্রশ্নটিতে গ্রাহকের চাহিদা অনুযায়ী ইউটিলিটি-ভিত্তিক কম্পিউটিং পরিষেবা প্রদানের কথা বলা হয়েছে।
- ক্লাউড কম্পিউটিং ঠিক এই নীতিতেই কাজ করে, যেখানে বিদ্যুৎ বা পানির মতো ইন্টারনেটের মাধ্যমে কম্পিউটিং রিসোর্স ব্যবহার করা যায়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে সার্ভার, স্টোরেজ, ডাটাবেজ এবং সফটওয়্যারের মতো কম্পিউটিং সেবা প্রদান করার একটি প্রযুক্তি।
- কার্যপদ্ধতি: ব্যবহারকারী তার নিজের কম্পিউটার বা ডিভাইসে কোনো ভারী সফটওয়্যার ইনস্টল না করে রিমোট সার্ভার থেকে ইন্টারনেট সংযোগের মাধ্যমে সেবা গ্রহণ করে।
- ব্যবহার: গুগল ড্রাইভের মাধ্যমে ফাইল সংরক্ষণ, জিমেইল ব্যবহার এবং নেটফ্লিক্সে ভিডিও স্ট্রিমিং করার কাজে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গুগল ড্রাইভ (Google Drive)
ব্যাখ্যা: এটি ব্যবহারকারীকে নিজের কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক ব্যবহার না করে ইন্টারনেটে ক্লাউড সার্ভারে ফাইল সংরক্ষণ করার সুবিধা দেয়।
উদাহরণ ২: মাইক্রোসফট থ্রিফ্টি ফাইভ (Microsoft 365)
ব্যাখ্যা: এতে ব্যবহারকারী কম্পিউটারে সফটওয়্যার ইনস্টল ছাড়াই ইন্টারনেটের মাধ্যমে ওয়ার্ড বা এক্সেলের মতো কাজ সম্পন্ন করতে পারে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Remote Sensing — এটি মূলত দূরবর্তী কোনো উৎস থেকে সেন্সর বা স্যাটেলাইটের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করার প্রযুক্তি, যা ইউটিলিটি-ভিত্তিক কম্পিউটিং নয়।
B) Cloud Computing — এটি সঠিক উত্তর।
C) Remote Invocation — এটি কম্পিউটার নেটওয়ার্কে দূরবর্তী কোনো প্রোগ্রাম বা প্রসিডিউর কল করার একটি প্রক্রিয়া, ক্লাউড কম্পিউটিং সেবা নয়।
D) Private Computing — এটি এমন একটি ধারণা যেখানে ব্যক্তিগত বা প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবহারের জন্য আলাদা কম্পিউটিং পরিবেশ তৈরি করা হয়, কিন্তু ইউটিলিটি-ভিত্তিক সার্বজনীন সেবা বোঝায় না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ইউটিলিটি বিলের মতো বিদ্যুৎ বা পানির মতো খরচ অনুযায়ী ইন্টারনেট থেকে সেবা নেওয়ার সিস্টেমই হলো ক্লাউড কম্পিউটিং।
- বিদ্যুতের মতো ব্যবহার করো এবং দাম দাও, এই ধারণার ওপর ভিত্তি করেই ক্লাউড কম্পিউটিং তৈরি হয়েছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান তিনটি সেবা হলো আইএএএস, পিএএএস এবং এসএএএস।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ক্লাউড কম্পিউটিংকে ইউটিলিটি কম্পিউটিং বা অন-ডিমান্ড সার্ভিস হিসেবে প্রায়ই প্রশ্ন করা হয়।
সঠিক উত্তর: B) WAN
১. কেন সঠিক:
- উত্তরটি সঠিক হওয়ার মূল কারণ হলো WAN-এর পূর্ণরূপ হলো Wide Area Network, যা পৃথিবীজুড়ে বিস্তৃত সবচেয়ে বড় কম্পিউটার নেটওয়ার্ক।
- এই নেটওয়ার্কটি বিভিন্ন দেশ ও মহাদেশের মধ্যে অবস্থিত একাধিক LAN ও MAN-কে পরস্পরের সঙ্গে সংযুক্ত করে বিশাল দূরত্বের ডেটা আদান-প্রদান নিশ্চিত করে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: WAN হলো এমন একটি কম্পিউটার নেটওয়ার্ক যা ভৌগোলিকভাবে অত্যন্ত বিস্তৃত অঞ্চল যেমন একটি দেশ, মহাদেশ কিংবা সম্পূর্ণ পৃথিবীব্যাপী যোগাযোগ রক্ষা করে।
- কার্যপদ্ধতি: এটি স্যাটেলাইট, সাবমেরিন অপটিক্যাল ফাইবার কেবল এবং গ্লোবাল টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থার মাধ্যমে দূরদূরান্তের নেটওয়ার্কগুলোর মধ্যে ডেটা প্যাকেট আদান-প্রদান করে।
- ব্যবহার: ইন্টারনেট হলো বিশ্বব্যাপী বিস্তৃত সবচেয়ে বড় এবং জনপ্রিয় WAN-এর বাস্তব উদাহরণ, যা সারা পৃথিবীর মানুষকে সংযুক্ত করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গ্লোবাল ব্যাংক নেটওয়ার্ক
ব্যাখ্যা: বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত একটি আন্তর্জাতিক ব্যাংকের শাখাগুলোর মধ্যে রিয়েল-টাইম লেনদেন পরিচালনার জন্য WAN প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।
উদাহরণ ২: ইন্টারনেট ব্রাউজিং
ব্যাখ্যা: বাংলাদেশ বসে আমেরিকার কোনো সার্ভার থেকে তথ্য আদান-প্রদান করার কাজটি WAN-এর মাধ্যমেই সম্ভব হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) LAN — LAN-এর পূর্ণরূপ Local Area Network, যা একটি রুম, ভবন বা অফিসের মধ্যে সীমিত থাকে এবং এর ভৌগোলিক পরিসর WAN-এর তুলনায় অনেক ছোট।
B) WAN — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি সঠিক।
C) MAN — MAN-এর পূর্ণরূপ Metropolitan Area Network, যা একটি নির্দিষ্ট শহর বা মহানগরের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে এবং WAN-এর চেয়ে ছোট।
D) PAN — PAN-এর পূর্ণরূপ Personal Area Network, যা একজন ব্যক্তির চারপাশে প্রায় ১০ মিটার দূরত্বের মধ্যে ব্লুটুথ বা ওয়াইফাই দিয়ে তৈরি হয় এবং এটি সবচেয়ে ছোট নেটওয়ার্ক।
৫. মনে রাখার টিপস:
- নেটওয়ার্কের পরিধি মনে রাখার সহজ কৌশল হলো ছোট থেকে বড় ক্রমানুসারে সাজানো, যেমন PAN, LAN, MAN এবং WAN।
- WAN-এর পূর্ণরূপ Wide Area Network এবং এটি আকারে সবচেয়ে বড় হয় কারণ এটি পুরো পৃথিবীকে ঢেকে রাখে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ভৌগোলিক বিস্তৃতির ওপর ভিত্তি করে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক প্রধানত চার প্রকার যথা PAN, LAN, MAN ও WAN।
- ইন্টারনেট হলো WAN-এর সবচেয়ে উৎকৃষ্ট এবং বহুল ব্যবহৃত বাস্তব উদাহরণ যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর:
A) Applied AI
১. কেন সঠিক:
ফেস রিকগনিশন বা মুখাবয়ব শনাক্তকরণ প্রযুক্তি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রয়োগ বা অ্যাপ্লায়েড এআই এর অন্তর্ভুক্ত।
এটি মানুষের মুখের বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ করে তা ডিজিটাল উপাত্তে রূপান্তর করে এবং ডেটাবাসের সাথে মিলিয়ে সঠিক ব্যক্তি শনাক্ত করে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স হলো মানুষের বুদ্ধিমত্তা ও চিন্তাশক্তিকে কম্পিউটার সিস্টেমে অনুকরণ করার প্রযুক্তি।
কার্যপদ্ধতি: ক্যামেরা থেকে ছবি সংগ্রহ করে তা অ্যালগরিদম ও মেশিন লার্নিং মডেলের মাধ্যমে বিশ্লেষণ করে ফেস রিকগনিশন সম্পন্ন হয়।
ব্যবহার: স্মার্টফোনের ফেস আনলক, নিরাপত্তা ক্যামেরা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরদারিতে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: স্মার্টফোনের ফেস আনলক সিস্টেম।
ব্যাখ্যা: ব্যবহারকারীর মুখমণ্ডল স্ক্যান করে এবং অ্যাপ্লায়েড এআই এর মাধ্যমে তা যাচাই করে ফোন আনলক করে।
উদাহরণ ২: সিসি ক্যামেরায় অপরাধী শনাক্তকরণ।
ব্যাখ্যা: জনাকীর্ণ স্থানে এআই অ্যালগরিদম লাইভ ভিডিও থেকে মুখের বৈশিষ্ট্য মিলিয়ে অপরাধী শনাক্ত করতে সাহায্য করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Applied AI — এটি সঠিক উত্তর কারণ ফেস রিকগনিশন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বাস্তব প্রয়োগ।
B) Applied IoT — এটি ইন্টারনেট অব থিংস এর প্রয়োগ, যা মূলত ডিভাইসগুলোর নিজেদের মধ্যে যোগাযোগের সাথে সম্পর্কিত।
C) Virtual Reality — এটি কম্পিউটার উৎপাদিত ত্রিমাত্রিক কাল্পনিক পরিবেশ, যার সাথে ফেস রিকগনিশনের সরাসরি সম্পর্ক নেই।
D) কোনোটিই নয় — যেহেতু অপশন এ সঠিক, তাই এটি প্রযোজ্য নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
মানুষের মতো দেখা এবং চেনার ক্ষমতা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কাজ।
তাই ফেস রিকগনিশন বা মুখ শনাক্তকরণ দেখলেই ধরে নিতে হবে এটি এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাথে সম্পর্কিত।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কম্পিউটার ভিশন এবং প্যাটার্ন রিকগনিশন হলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দুটি গুরুত্বপূর্ণ শাখা।
বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আধুনিক প্রযুক্তির প্রয়োগমূলক প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর:
B) Megabits per second
১. কেন সঠিক:
কম্পিউটার নেটওয়ার্কে ডেটা স্থানান্তরের হার বা ব্যান্ডউইথ পরিমাপের জন্য বিট প্রতি সেকেন্ড একক ব্যবহার করা হয়। ছোট হাতের অক্ষর b দ্বারা বিট এবং বড় হাতের অক্ষর B দ্বারা বাইট বোঝানো হয়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: নেটওয়ার্ক ট্রান্সমিশন রেট হলো প্রতি সেকেন্ডে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে স্থানান্তরিত ডেটার পরিমাণ।
কার্যপদ্ধতি: প্রতি সেকেন্ডে কত মিলিয়ন বিট ডেটা প্রবাহিত হতে পারে তা এই এককের মাধ্যমে হিসাব করা হয়।
ব্যবহার: ইন্টারনেট স্পিড, ব্রডব্যান্ড সংযোগ এবং ওয়াইফাই গতির পরিমাপে এই একক ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ফাইবার অপটিক ইন্টারনেট সংযোগের গতি ১০২ মেগাবিটস প্রতি সেকেন্ড হতে পারে।
ব্যাখ্যা: এই গতির মাধ্যমে প্রতি সেকেন্ডে প্রচুর পরিমাণ ডেটা ডাউনলোড বা আপলোড করা সম্ভব হয়।
উদাহরণ ২: মোবাইল ডেটা নেটওয়ার্কের গতি পরিমাপে এই একক ব্যবহৃত হয়।
ব্যাখ্যা: ইন্টারনেট প্যাকেজ বা স্পিড টেস্ট করার সময় গতির ফলাফল এই এককে দেখানো হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Megabytes per second — মেগাবাইট প্রতি সেকেন্ড বোঝাতে 'MBps' ব্যবহার করা হয়, যা ফাইল ডাউনলোড সাইজ পরিমাপে ব্যবহৃত হয়।
B) Megabits per second — এটি সঠিক উত্তর কারণ নেটওয়ার্ক ট্রান্সমিশন রেট পরিমাপে বিট একক ব্যবহার করা হয়।
C) Milibits per second — মিলিবিট প্রতি সেকেন্ড বলে নেটওয়ার্কিংয়ে কোনো প্রচলিত একক নেই।
D) কোনোটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশন বি তে موجود রয়েছে, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
ছোট হাতের বি (b) মানে বিট এবং নেটওয়ার্কের গতি। বড় হাতের বি (B) মানে বাইট এবং ফাইল সাইজ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কম্পিউটার নেটওয়ার্কের ক্ষেত্রে গতি পরিমাপে সর্বদা বিট প্রতি সেকেন্ড ব্যবহার করা হয়। ৮ বিট সমান ১ বাইট।
সঠিক উত্তর: C) ঐচ্ছিক ক্রিয়া
১. কেন সঠিক:
- নীতিবিদ্যা বা নৈতিকতা হলো মানব আচরণের বিজ্ঞান যা কেবল মানুষের সচেতন ও ইচ্ছাকৃত কাজের মূল্যায়ন করে।
- ঐচ্ছিক ক্রিয়া হলো সেই কাজ যা মানুষ জ্ঞান, বিচারবুদ্ধি ও স্বাধীন ইচ্ছা প্রয়োগ করে সম্পন্ন করে থাকে।
২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ:
- মূল ধারণা: নৈতিক বিচার ও দায়িত্ববোধ কেবল তখনই প্রযোজ্য হয় যখন কোনো ব্যক্তি জেনেশুনে ও ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো ভালো বা মন্দ কাজ করে।
- প্রয়োগ: ব্যক্তিগত জীবনে যেকোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে তার পরিণাম চিন্তা করা এবং সঠিক পথ বেছে নেওয়া এর মাধ্যমে নিশ্চিত হয়।
৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বন না করে নিজের মেধার ওপর ভরসা করে পরীক্ষা দেওয়া।
ব্যাখ্যা: এখানে শিক্ষার্থী জেনেশুনে সৎ পথ বেছে নেয় যা তার নৈতিক ও ঐচ্ছিক ক্রিয়ার বহিঃপ্রকাশ।
উদাহরণ ২: রাস্তায় কোনো বিপন্ন মানুষকে দেখে সাহায্য করা।
ব্যাখ্যা: এটি ব্যক্তির সদিচ্ছা ও মানবিক মূলবোধের ওপর ভিত্তি করে সম্পন্ন করা একটি সচেতন ও ঐচ্ছিক কাজ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নৈতিকতা-নিরপেক্ষ ক্রিয়া — এই ধরনের কাজের সঙ্গে নৈতিকতার কোনো সম্পর্ক থাকে না তাই নীতিবিদ্যা এগুলো নিয়ে আলোচনা করে না।
B) সামাজিক ক্রিয়া — সমাজের সাথে সম্পর্কিত হলেও সমস্ত সামাজিক কাজ নৈতিকতার আওতাভুক্ত হয় না যদি তাতে ব্যক্তিগত ইচ্ছার স্বাধীনতা না থাকে।
D) ইচ্ছা-নিরপেক্ষ ক্রিয়া — যে কাজের পেছনে মানুষের নিজস্ব ইচ্ছা বা নিয়ন্ত্রণ থাকে না তার জন্য কোনো নৈতিক দায়দায়িত্ব বা জবাবদিহি থাকে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- নীতিবিদ্যার মূল আলোচ্য বিষয় হলো ঐচ্ছিক ক্রিয়া।
- যার পেছনে ইচ্ছা ও বিবেক নেই তার কোনো নৈতিক মূল্যও নেই।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- নৈতিক বিচারের মূল শর্ত হলো ব্যক্তির স্বাধীন ইচ্ছা ও কাজের ওপর নিয়ন্ত্রণ।
- একই নীতি থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে, নীতিবিদ্যার আওতাভুক্ত হতে হলে কাজের কোন বৈশিষ্ট্য থাকা আবশ্যক।
সঠিক উত্তর: C) আরজ আলী মাতুব্বর
১. কেন সঠিক:
- আরজ আলী মাতুব্বর তাঁর সারাজীবন জ্ঞান অন্বেষণ, কুসংস্কার বর্জন এবং মুক্তবুদ্ধির চর্চা করে গেছেন যা নব্য-নৈতিকতার মূল ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত।
- এটি এমন এক মানবিক মূল্যবোধ ও নৈতিক নীতি যা অন্ধ বিশ্বাসের ঊর্ধ্বে উঠে যুক্তি, বিজ্ঞানমনস্কতা এবং মানবকল্যাণকে অগ্রাধিকার দেয়।
২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ:
- মূল ধারণা: মুক্তবুদ্ধি ও যুক্তিভিত্তিক নৈতিকতা হলো এমন একটি মানসিকতা যা কোনো প্রথা বা বিশ্বাসকে অন্ধভাবে গ্রহণ না করে সত্য ও ন্যায়ের আলোয় যাচাই করে।
- প্রয়োগ: সমাজ জীবনের প্রচলিত কুসংস্কার এবং অন্ধবিশ্বাস দূর করে প্রতিটি কাজের পেছনে যৌক্তিক ও মানবিক কারণ খোঁজা।
৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সমাজে প্রচলিত কোনো অন্ধবিশ্বাস বা কুসংস্কারের বিরুদ্ধে বৈজ্ঞানিক ও যৌক্তিক ব্যাখ্যা তুলে ধরা।
ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে যে মানুষ প্রথার দাস নয়, বরং বিচারবুদ্ধি সম্পন্ন স্বাধীন সত্তা।
উদাহরণ ২: অন্যের মতামতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে নিজের মুক্তচিন্তা প্রকাশ করা।
ব্যাখ্যা: এটি সমাজের মানুষের মধ্যে সহনশীলতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ বৃদ্ধি করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মোহাম্মদ বরকতুল্লাহ — তিনি প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও চিন্তাবিদ হলেও তাঁকে নব্য-নৈতিকতার প্রবর্তক হিসেবে গণ্য করা হয় না।
B) জি. সি. দেব — তিনি খ্যাতিমান দার্শনিক হলেও তাঁর মূল কাজের ক্ষেত্র ছিল মানবতাবাদ ও অস্তিত্ববাদ, নির্দিষ্টভাবে নব্য-নৈতিকতা নয়।
D) আব্দুল মতীন — তিনি বাম ধারার রাজনৈতিক চিন্তাবিদ ও ভাষা আন্দোলনের সংগঠক হলেও এই ধারণার সঙ্গে যুক্ত নন।
৫. মনে রাখার টিপস:
- স্বাধীন চিন্তা ও যুক্তিবাদী দর্শনের সঙ্গে আরজ আলী মাতুব্বর নামটি ওতপ্রোতভাবে জড়িত, তাই মুক্তবুদ্ধি বা নব্য-নৈতিকতা পেলেই তাঁকে স্মরণ করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- মুক্তবুদ্ধি এবং যুক্তিভিত্তিক সমাজ গঠনে দার্শনিক চিন্তার গুরুত্ব অপরিসীম।
- একই নীতি থেকে মুক্তচিন্তা ও কুসংস্কার বর্জনের প্রবক্তা সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: A) স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা
১. কেন সঠিক:
- সুশাসনের মূল ভিত্তি হলো স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা, যা প্রশাসন ও সমাজকে দুর্নীতিমুক্ত ও জনমুখী করে তোলে।
- এটি এমন একটি নৈতিক ও প্রশাসনিক নীতি, যার মাধ্যমে প্রতিটি কাজের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জনগণের কাছে দায়বদ্ধ থাকে।
২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ:
- মূল ধারণা: স্বচ্ছতা হলো কার্যক্রমের প্রকাশ্য উন্মোচন এবং জবাবদিহিতা হলো কাজের ফলাফলের জন্য দায়িত্ব স্বীকার করা।
- গুরুত্ব: এটি সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করে এবং জনগণের আস্থা অর্জন নিশ্চিত করে।
- প্রয়োগ: সরকারি অনুদান বা সেবামূলক কাজের হিসাব উন্মুক্ত রাখা এবং ভুলত্রুটির দায় স্বীকার করা।
- সম্ভাব্য প্রভাব: সমাজে দুর্নীতি হ্রাস পায় এবং নাগরিক অধিকার যথাযথভাবে সংরক্ষিত হয়।
৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ:
উদাহরণ ১: একটি সরকারি অফিসে নাগরিক সনদ টাঙিয়ে সেবা প্রদানের নির্ধারিত সময় ও ফি প্রকাশ করা।
ব্যাখ্যা: এটি স্বচ্ছতার সঠিক প্রয়োগ, যা সেবা গ্রহীতাদের হয়রানি থেকে রক্ষা করে।
উদাহরণ ২: কোনো প্রকল্পে ত্রুটি ধরা পড়লে ঠিকাদার বা দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তা অস্বীকার না করে সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া।
ব্যাখ্যা: এটি উচ্চ নৈতিক মূল্যবোধ ও জবাবদিহিতার চমৎকার উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা — এটি সুশাসনের মূল ও অপরিহার্য শর্ত, যা জনকল্যাণ নিশ্চিত করে।
B) কর্তৃত্ববাদী শাসন — এটি সুশাসনের পরিপন্থী কারণ এখানে জনগণের মতামত বা অধিকারের মূল্যায়ন করা হয় না।
C) কেন্দ্রীভূত সিদ্ধান্ত গ্রহণ — এটি গণতন্ত্র ও সুশাসনের নীতিকে বাধাগ্রস্ত করে এবং স্থানীয় চাহিদাকে উপেক্ষা করে।
D) স্বজন প্রীতি ও পক্ষপাতিত্ব — এটি চরম অনৈতিক আচরণ যা সুশাসন ও সাম্য প্রতিষ্ঠার অন্তরায়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সুশাসন মানেই স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা। যেখানে লুকোচুরি নেই এবং কাজের হিসাব দিতে হয়, সেখানেই সুশাসন আছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সুশাসনের মূলনীতিগুলো যেমন অংশীদারিত্ব, আইনের শাসন ও consensus থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সুশাসন ও নৈতিকতার মৌলিক ধারণা যাচাইয়ের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: B) হেগেল
১. কেন সঠিক:
- এই উক্তির মূল অর্থ হলো মানুষের প্রকৃত সত্তা বা নৈতিক উৎকর্ষ অর্জন করে অমরত্ব লাভ করা।
- এটি মূলত নৈতিক বিকাশ ও আত্মশুদ্ধির দর্শনকে নির্দেশ করে।
২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ:
- মূল ধারণা: নৈতিক উৎকর্ষ বলতে বিচারবুদ্ধি ও সততার মাধ্যমে নিজের চরিত্র গঠন করাকে বোঝায়।
- গুরুত্ব: এটি মানুষকে আত্মকেন্দ্রিকতা থেকে বের করে সমাজ ও মানবতার কল্যাণে উদ্বুদ্ধ করে।
- প্রয়োগ: ব্যক্তিগত জীবনে লোভ ও অন্যায় পরিহার করে সততা ও মানবিক মূল্যবোধ ধারণ করতে হবে।
- সম্ভাব্য প্রভাব: এর ফলে সমাজে নৈতিক অবক্ষয় রোধ পায় এবং পারস্পরিক বিশ্বাস ও সম্মান বৃদ্ধি পায়।
৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ:
- উদাহরণ ১: কর্মক্ষেত্রে কোনো অনৈতিক সুবিধা নেওয়ার প্রস্তাব পেলে তা দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করা।
- ব্যাখ্যা: এটি সততা ও পেশাগত নৈতিকতার বহিঃপ্রকাশ, যা নৈতিক চরিত্রকে দৃঢ় করে।
- উদাহরণ ২: রাস্তাঘাটে কোনো বিপন্ন মানুষের সাহায্যে এগিয়ে আসা।
- ব্যাখ্যা: এটি মানুষের প্রতি সহমর্মিতা ও দায়িত্ববোধের বহিঃপ্রকাশ, যা নৈতিক জীবন গঠনে সাহায্য করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্লেটো — প্লেটো আদর্শ রাষ্ট্র ও ন্যায়বিচার নিয়ে বেশি আলোচনা করেছেন, এই নির্দিষ্ট উক্তিটি তাঁর নয়।
B) হেগেল — এটি প্রখ্যাত জার্মান দার্শনিক গেয়র্গ ভিলহেল্ম ফ্রিডরিখ হেগেলের বিখ্যাত নৈতিক দর্শন।
C) জি. ই. ম্যূর — তিনি একজন বিংশ শতাব্দীর ব্রিটিশ দার্শনিক, যিনি নীতিবিদ্যার অসংজ্ঞায়িত পদ নিয়ে কাজ করেছেন।
D) রাসেল — বার্ট্রান্ড রাসেল শান্তি, যুক্তি ও মুক্তচিন্তার পক্ষে কথা বলেছেন, কিন্তু এই উক্তির সঙ্গে তিনি যুক্ত নন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- হেগেল ছিলেন দ্বন্দ্বমূলক আদর্শবাদের প্রবক্তা, যিনি মানুষের আত্মিক উন্নতির ওপর জোর দিয়েছেন।
- মানুষ হও এবং মরে বাঁচ কথাটি তাঁর আত্মিক ও নৈতিক উন্নয়নের দর্শনকে মনে করিয়ে দেয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এই প্রশ্নটি দার্শনিক মতবাদ এবং নৈতিক মূল্যবোধের সংযোগ বুঝতে সাহায্য করে।
- একই নীতি থেকে মানুষের নৈতিক দায়িত্ব এবং আত্ম উন্নয়নের ওপর অন্য এমসিকিউ আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: C) ২০১২
১. কেন সঠিক:
- জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল নীতিমালা ২০১২ সালে পাস করা হয়।
- সুশাসন ও দুর্নীতি প্রতিরোধের মূল ভিত্তি হিসেবে এই নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছিল।
২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ:
প্রশ্নের ধরন: সুশাসন ও জবাবদিহি
- মূল ধারণা: সুশাসন হলো এমন একটি শাসনব্যবস্থা যেখানে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও আইনের শাসন নিশ্চিত করা হয়।
- গুরুত্ব: শুদ্ধাচার কৌশল রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে শৃঙ্খলা ও নৈতিকতা বজায় রাখতে সাহায্য করে।
৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সরকারি অফিসে কোনো নাগরিক সেবা নিতে গেলে নির্ধারিত নিয়মে সেবা দেওয়া।
ব্যাখ্যা: এটি স্বচ্ছতা ও পেশাগত দায়িত্ববোধের সঠিক প্রয়োগ।
উদাহরণ ২: দরপত্র প্রক্রিয়ায় কোনো স্বজনপ্রীতি না করে সৎভাবে কাজ সম্পন্ন করা।
ব্যাখ্যা: এটি প্রাতিষ্ঠানিক শুদ্ধাচার ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে নৈতিক অবস্থান নির্দেশ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২০১০ — এই সালে জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল প্রণয়নের কাজ শুরু হলেও তা চূড়ান্ত বা পাস হয়নি।
B) ২০১১ — এই সালটি শুদ্ধাচার কৌশলের প্রাথমিক খসড়া তৈরির সঙ্গে জড়িত, চূড়ান্ত পাসের বছর নয়।
C) ২০১২ — এটি সঠিক কারণ এই সালেই রাষ্ট্রীয়ভাবে জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল নীতিমালা আনুষ্ঠানিকভাবে পাস করা হয়।
D) ২০১৮ — এই সালটি শুদ্ধাচার কৌশলের অনেক পরের বছর, তাই এটি গ্রহণযোগ্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- শুদ্ধাচার কৌশল চালুর বছর মনে রাখতে সংখ্যাটি মনে রাখুন ২০১২।
- সুশাসন প্রতিষ্ঠার মূল হাতিয়ার হলো এই শুদ্ধাচার নীতিমালা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল কোন ক্ষেত্রে বেশি প্রযোজ্য, তা জেনে রাখা ভালো।
- একই নীতি থেকে সুশাসনের উপাদান ও দুর্নীতি প্রতিরোধসংক্রান্ত প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: D) বার্ট্রান্ড রাসেল
১. কেন সঠিক:
- এই বিখ্যাত উক্তিটির প্রবক্তা হলেন ব্রিটিশ দার্শনিক, গণিতবিদ ও শান্তিবাদী চিন্তাবিদ বার্ট্রান্ড রাসেল।
- তিনি দর্শনকে ধর্ম ও বিজ্ঞানের মাঝের এমন একটি ক্ষেত্র বলেছেন যা নিশ্চিত জ্ঞানের সীমানার বাইরে হলেও মানুষের অনুসন্ধিৎসু মনকে প্রশমিত করে।
২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ:
- মূল ধারণা: দর্শন, ধর্ম ও বিজ্ঞানের পারস্পরিক সম্পর্ক মানব জ্ঞানের পরিধিকে প্রসারিত করে এবং নৈতিক মূল্যবোধ গঠনে ভূমিকা রাখে।
- গুরুত্ব: এটি মানুষকে অন্ধবিশ্বাস থেকে মুক্ত করে এবং যুক্তিবাদী ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি তৈরিতে সাহায্য করে।
৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কর্মক্ষেত্রে কোনো জটিল সমস্যার মুখোমুখি হলে আবেগ দিয়ে না ভেবে বিজ্ঞানসম্মত ও নৈতিক উপায়ে সমাধান করা।
ব্যাখ্যা: এটি বস্তুনিষ্ঠ চিন্তা ও পেশাগত সততার বহিঃপ্রকাশ ঘটায়।
উদাহরণ ২: সামাজিক কোনো সংস্কার মেনে নেওয়ার আগে তার পেছনের নৈতিক ও তাত্ত্বিক ভিত্তি যাচাই করা।
ব্যাখ্যা: এটি অন্ধ অনুকরণ রোধ করে স্বাধীন ও বিবেকবান নাগরিক তৈরি করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আর. বি. পেরি — তিনি একজন প্রখ্যাত মার্কিন দার্শনিক হলেও এই নির্দিষ্ট উক্তিটি তাঁর নয়।
B) প্লেটো — প্রাচীন গ্রিক দার্শনিক প্লেটো জ্ঞান, আদর্শবাদ ও রাষ্ট্রদর্শন নিয়ে কাজ করলেও এই উক্তিটির সঙ্গে তাঁর সম্পৃক্ততা নেই।
C) সি. ডি. ব্রড — তিনি একজন ব্রিটিশ দার্শনিক ও নৈতিকতাবাদী হলেও এই বিখ্যাত সংজ্ঞায়িত উক্তিটি তাঁর নয়।
D) বার্ট্রান্ড রাসেল — এই বিকল্পটি সঠিক কারণ উক্তিটি তাঁরই লেখা বিখ্যাত বই এ হিস্ট্রি অব ওয়েস্টার্ন ফিলোসফি গ্রন্থের সূচনা অংশের সঙ্গে সম্পৃক্ত।
৫ মনে রাখার টিপস:
- উক্তিটি মনে রাখার জন্য মনে রাখুন ধর্ম ও বিজ্ঞানের মধ্যবর্তী স্থান নিয়ে কথা বলেছেন একজন মুক্তচিন্তক ও গণিতবিদ, আর তিনি হলেন বার্ট্রান্ড রাসেল।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভিন্ন দার্শনিকের বিখ্যাত উক্তি প্রায়ই আসে।
- বিখ্যাত দার্শনিকদের বই এবং তাদের মৌলিক দর্শনগুলোর নাম ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) বিশ্বব্যাংক
১. কেন সঠিক:
- বিশ্বব্যাংক প্রথম ১৯৯২ সালে প্রকাশিত তাদের ‘Governance and Development’ শীর্ষক প্রতিবেদনে সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য চারটি মূল স্তম্ভের কথা উল্লেখ করে।
- এই স্তম্ভগুলো হলো জনপদের ব্যবস্থাপনা, জবাবদিহি, তথ্যপ্রবাহের উন্মুক্ততা বা স্বচ্ছতা এবং আইনের শাসন।
২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ:
- মূল ধারণা: সুশাসন হলো এমন একটি শাসনব্যবস্থা যা জনকল্যাণ নিশ্চিত করে এবং যেখানে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি প্রধান্য পায়।
- গুরুত্ব: সুশাসন ছাড়া কোনো রাষ্ট্র বা প্রতিষ্ঠান তার নাগরিকদের মৌলিক অধিকার ও সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে পারে না।
- প্রয়োগ: সরকারি ও বেসরকারি প্রতিটি দপ্তরে নিয়ম মেনে কাজ করা এবং জনগণের সেবা নিশ্চিত করার মাধ্যমে এর প্রয়োগ ঘটে।
৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ:
উদাহরণ ১: একজন সরকারি কর্মকর্তা কোনো ঠিকাদারি কাজের দরপত্র আহ্বান করার সময় সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থেকে সব নিয়ম মেনে কাজ সম্পন্ন করলেন।
ব্যাখ্যা: এটি সুশাসনের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত, যা স্বজনপ্রীতি রোধ করে।
উদাহরণ ২: সাধারণ নাগরিক হিসেবে কোনো সেবা পাওয়ার জন্য সঠিক প্রক্রিয়ায় আবেদন করা এবং ঘুষ দেওয়া থেকে বিরত থাকা।
ব্যাখ্যা: এটি নাগরিকের দায়িত্বশীল আচরণের বহিঃপ্রকাশ, যা সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সরাসরি সাহায্য করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জাতিসংঘ — জাতিসংঘ সুশাসন উন্নয়নে কাজ করলেও বিশ্বব্যাংকের মতো সুনির্দিষ্টভাবে চার স্তম্ভের তত্ত্বটি প্রথমে প্রকাশ করেনি।
B) জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচি — ইউএনডিপি মূলত সুশাসনের পাঁচটি বা ছয়টি মূল বৈশিষ্ট্য যেমন অংশগ্রহণ ও ঐকমত্যের কথা বলে থাকে।
C) বিশ্বব্যাংক — এটি সঠিক উত্তর কারণ বিশ্বব্যাংকই প্রথম ১৯৯২ সালে সুশাসনের চারটি স্তম্ভ সুনির্দিষ্টভাবে নির্ধারণ করেছিল।
D) এশিয়া উন্নয়ন ব্যাংক — এটি বিশ্বব্যাংকের তত্ত্বের অনুগামী হলেও মূল প্রবক্তা হিসেবে সুশাসনের চার স্তম্ভের তত্ত্বটি তাদের নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বিশ্বব্যাংক মানেই চারটি স্তম্ভ। মনে রাখার কৌশল হলো বিশ্বব্যাংকের কাজের পরিধি বড় হওয়ায় তারা প্রশাসনকে মূলত চারটি প্রধান খুঁটির ওপর দাঁড় করিয়েছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সুশাসনের প্রধান উপাদানগুলো কী কী তা জেনে রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
- এই নীতি থেকে সুশাসনের উপাদান বা স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি সম্পর্কিত বিভিন্ন প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: C) Smart Society
১. কেন সঠিক:
- স্মার্ট বাংলাদেশ রূপকল্পের চারটি মূল স্তম্ভের একটি হলো স্মার্ট সোসাইটি, যা দেশের নাগরিকদের ডিজিটাল দক্ষতা ও নৈতিক মূল্যবোধের ভিত্তিতে জীবনমান উন্নয়নে সহায়তা করে।
- এটি প্রযুক্তিগত অগ্রগতির পাশাপাশি সমাজের সব স্তরের মানুষের সমতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং মানবিক আচরণ নিশ্চিত করার ওপর জোর দেয়।
২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ:
- মূল ধারণা: সুশাসন ও ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি হলো আধুনিক সমাজে প্রতিটি নাগরিকের সমান সুযোগ এবং প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার নৈতিক ভিত্তি।
- গুরুত্ব: সমাজে প্রযুক্তির সুষম ব্যবহার নিশ্চিত করতে এবং ডিজিটাল বৈষম্য দূর করতে স্মার্ট সোসাইটি ধারণাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- প্রয়োগ: সরকারি ও বেসরকারি সেবা গ্রহণের সময় প্রযুক্তি ব্যবহার করে দুর্নীতি ও দীর্ঘসূত্রিতা কমানোর মাধ্যমে এর বাস্তব প্রয়োগ সম্ভব।
- সম্ভাব্য প্রভাব: এর ফলে সমাজে জবাবদিহি বৃদ্ধি পায় এবং সাধারণ মানুষ খুব সহজেই তাদের নাগরিক অধিকারগুলো ভোগ করতে পারে।
৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ:
উদাহরণ ১: একজন নাগরিক ঘরে বসেই অনলাইনে জন্মনিবন্ধন বা জমির পর্চার আবেদন করছেন এবং কোনো ধরনের হয়রানি বা ঘুষ ছাড়াই সেবা পাচ্ছেন।
ব্যাখ্যা: এটি স্মার্ট সোসাইটির অন্যতম সুফল, যা সেবামূলক প্রতিষ্ঠানে স্বচ্ছতা এবং নৈতিক আচরণ প্রতিষ্ঠা করে।
উদাহরণ ২: গ্রামের একজন সাধারণ মানুষ ডিজিটাল সেন্টার থেকে খুব সহজে ব্যাংকিং লেনদেন বা বিদেশ থেকে পাঠানো টাকা উত্তোলন করছেন।
ব্যাখ্যা: প্রযুক্তির এই সুষম ব্যবহার সমাজে অর্থনৈতিক বৈষম্য কমায় এবং সবার জন্য সমতা নিশ্চিত করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Smart Democracy — স্মার্ট বাংলাদেশ রূপকল্পে সরাসরি ডেমোক্রেসি বা গণতন্ত্রকে নির্দিষ্ট স্তম্ভ হিসেবে রাখা হয়নি, যদিও গণতন্ত্র সুশাসনের একটি অংশ।
B) Smart Politics — রাজনীতি শব্দটি স্মার্ট বাংলাদেশ রূপকল্পের আনুষ্ঠানিক চারটি স্তম্ভের অন্তর্ভুক্ত নয়, এখানে মূলত রাষ্ট্র পরিচালনার রূপরেখা থাকে।
D) Smart Parliament — সংসদ হলো আইন প্রণয়নের স্থান, যা স্মার্ট বাংলাদেশ রূপকল্পের চারটি প্রধান কাঠামোগত স্তম্ভের কোনো தனி স্তম্ভ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- স্মার্ট বাংলাদেশের চারটি স্তম্ভ মনে রাখার সহজ কৌশল হলো সংক্ষেপে সিসিজিই (Smart Citizens, Smart Economy, Smart Government, Smart Society)।
- এর মধ্যে সমাজের সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত স্তম্ভটি হলো স্মার্ট সোসাইটি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- স্মার্ট বাংলাদেশের চারটি স্তম্ভ থেকে বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই স্তম্ভগুলোর নাম মুখস্থ রাখা জরুরি।
- একই নীতি থেকে ডিজিটাল রূপান্তর, সুশাসন এবং নাগরিক অধিকার সংক্রান্ত প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: D) প্লেটো
১. কেন সঠিক:
- প্রাচীন গ্রিক দার্শনিক প্লেটো বিখ্যাত ‘রিপাবলিক’ গ্রন্থটির রচয়িতা, যেখানে তিনি আদর্শ রাষ্ট্র ও ন্যায়বিচার নিয়ে আলোচনা করেছেন।
- এই গ্রন্থে ব্যক্তিগত ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একটি সুশাসিত ও নৈতিক সমাজ গঠনের রূপরেখা তুলে ধরা হয়েছে।
২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ:
- মূল ধারণা: ন্যায়বিচার ও সুশাসন হলো এমন একটি সামাজিক ব্যবস্থা, যেখানে প্রত্যেকে নিজের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করে এবং অন্যের অধিকারে হস্তক্ষেপ করে না।
- গুরুত্ব: একটি সুশৃঙ্খল ও নৈতিক রাষ্ট্র গঠনের জন্য ন্যায়বিচার ও সুশাসনের নীতি অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে।
৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কর্মক্ষেত্রে প্রতিটি কর্মকর্তা যদি তার ওপর অর্পিত দায়িত্ব সততার সাথে পালন করেন, তবে প্রতিষ্ঠানের সুশাসন নিশ্চিত হয়।
ব্যাখ্যা: এটি প্লেটোর ন্যায়বিচার ধারণার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ, যেখানে প্রত্যেকে নিজ নিজ কর্তব্য পালন করে সমাজকে সুন্দর রাখে।
উদাহরণ ২: পরীক্ষার হলে কোনো শিক্ষার্থী অসদুপায় অবলম্বন না করে নিজের মেধার ওপর নির্ভর করে পরীক্ষা দেয়।
ব্যাখ্যা: এটি তার সততা ও নৈতিক মূল্যবোধের বহিঃপ্রকাশ, যা সুনাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠার প্রথম শর্ত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বার্কলে — জর্জ বার্কলে একজন ব্রিটিশ দার্শনিক ছিলেন, যিনি দৃশ্যমান জগৎ ও জ্ঞানতত্ত্ব নিয়ে গবেষণা করেছেন এবং তিনি ‘রিপাবলিক’ গ্রন্থের রচয়িতা নন।
B) জন লক — জন লক হলেন আধুনিক উদারতাবাদ ও রাষ্ট্রদর্শনের প্রবক্তা, যিনি ‘টু ট্রেটিজেস অফ গভর্নামেন্ট’ গ্রন্থটি লিখেছেন।
C) ডেকার্ট — রেনে ডেকার্ট আধুনিক দর্শনের জনক ও গণিতবিদ, যিনি মূলত জ্ঞানতত্ত্ব ও দর্শন নিয়ে কাজ করেছেন।
D) প্লেটো — প্লেটো গ্রিক দার্শনিক যিনি ‘রিপাবলিক’ গ্রন্থে আদর্শ রাষ্ট্র ও ন্যায়বিচার নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন।
৫. মনে রাখার টিপস:
- প্লেটোর নাম মনে রাখতে মনে রাখুন যে প্লেটো আদর্শ রাষ্ট্র বা রিপাবলিকের স্বপ্ন দেখেছিলেন।
- দার্শনিকদের গ্রন্থ মনে রাখার জন্য লেখকের মূল দর্শন বা চিন্তাধারাকে সাথে মিলিয়ে পড়লে সহজে মনে থাকে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- রাজনীতি ও দর্শনের প্রাচীন গ্রন্থগুলোর নাম এবং লেখকের পরিচয় প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
- প্লেটোর পাশাপাশি অ্যারিস্টটলের ‘পলিটিক্স’ বা রুশোর ‘সোশ্যাল কন্ট্রাক্ট’ গ্রন্থগুলো সম্পর্কেও ধারণা রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) জামাল নজরুল ইসলাম
১. কেন সঠিক:
- বিশ্বখ্যাত বাঙালি পদার্থবিজ্ঞানী ও গণিতবিদ জামাল নজরুল ইসলাম মহাবিশ্বের সৃষ্টি, কৃষ্ণগহ্বর বা ব্ল্যাক হোল এবং মহাবিশ্বের অন্তিম পরিণতি নিয়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা করেছেন।
- তাঁর রচিত 'দ্য আল্টিমেট ফেট অব দ্য ইউনিভার্স' গ্রন্থে মহাবিশ্ব ও কৃষ্ণগহ্বর সম্পর্কিত মৌলিক তাত্ত্বিক ধারণা তুলে ধরা হয়েছে যা আন্তর্জাতিকভাবে সমাদৃত।
২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য:
ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম ১৯৩৯ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন এবং তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের গাণিতিক পদার্থবিজ্ঞান গবেষণা কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন।
তাৎপর্য ও ফলাফল: তাঁর এই গবেষণা বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের বিজ্ঞানচর্চার মর্যাদা বৃদ্ধি করেছে এবং জ্যোতির্বিজ্ঞান ও তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানে অনন্য অবদান রেখেছে।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ড. কুদরত-ই-খুদা
ব্যাখ্যা: তিনি বাংলাদেশের প্রখ্যাত রসায়নবিদ ও শিক্ষাবিদ যিনি কৃষ্ণগহ্বর নিয়ে গবেষণা করেননি বরং শিক্ষা কমিশন ও বিজ্ঞানচর্চার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
উদাহরণ ২: সত্যেন বসু
ব্যাখ্যা: তিনি বোস-আইনস্টাইন পরিসংখ্যান আবিষ্কারের জন্য বিশ্বখ্যাত হলেও কৃষ্ণগহ্বর গবেষণার জন্য জামাল নজরুল ইসলাম প্রধান বাঙালি বিজ্ঞানী হিসেবে পরিচিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কুদরত-ই-খুদা — তিনি বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশনের প্রধান ও প্রখ্যাত রসায়নবিদ ছিলেন, কৃষ্ণগহ্বর নিয়ে তাঁর কোনো গবেষণা নেই।
B) কাজী মোতাহার হোসেন — তিনি একজন প্রখ্যাত পরিসংখ্যানবিদ, বিজ্ঞানী ও লেখক ছিলেন, যিনি সাহিত্য ও পরিসংখ্যান নিয়ে কাজ করেছেন।
D) আব্দুল মতিন চৌধুরী — তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপক ও উপাচার্য ছিলেন, তবে কৃষ্ণগহ্বর গবেষণার জন্য তিনি পরিচিত নন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মহাকাশ বা কৃষ্ণগহ্বর সংক্রান্ত গবেষণার প্রশ্ন আসলেই চোখ বন্ধ করে অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলামের নাম মনে রাখবে।
- তাঁর বিখ্যাত বই দ্য আল্টিমেট ফেট অব দ্য ইউনিভার্স মনে রাখলেই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নিশ্চিত করা সম্ভব।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিশ্বখ্যাত বাঙালি বিজ্ঞানীদের অবদান থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- একই বিষয় থেকে জামাল নজরুল ইসলামের জন্মসাল, কর্মস্থল বা তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থের নাম নিয়েও প্রশ্ন হতে পারে।
সঠিক উত্তর: D) জিম্বাবুয়ে
১. কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ ক্রিকেট দল আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আত্মপ্রকাশের পর প্রথম ওয়ানডে এবং প্রথম টেস্ট সিরিজ জয়ের স্বাদ লাভ করে জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট দলের বিপক্ষে।
- ১৯৯৯ সালে জিম্বাবুয়ে দল বাংলাদেশ সফরে এলে বাংলাদেশ তাদের বিপক্ষে নিজেদের প্রথম ওয়ানডে জয় তুলে নেয় এবং পরবর্তীতে টেস্ট খেলুড়ে দেশ হিসেবে জিম্বাবুয়েকেই প্রথম টেস্ট সিরিজে পরাজিত করে ইতিহাস সৃষ্টি করে।
২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য:
- ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ২০০০ সালে বাংলাদেশ আইসিসির পূর্ণ সদস্য পদ লাভ করার পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিজেদের অবস্থান সুসংহত করার প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে জিম্বাবুয়ে ছিল অন্যতম প্রধান প্রতিপক্ষ।
- তারিখ ও স্থান: বাংলাদেশ তাদের প্রথম ওয়ানডে ম্যাচ জেতে ১৯৯৯ সালের ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে এবং প্রথম টেস্ট সিরিজ জয় করে ২০০৫ সালে দেশের মাঠে।
- তাৎপর্য ও ফলাফল: এই জয়গুলো বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে বিশ্ব ক্রিকেটে আত্মবিশ্বাস জোগাতে এবং টেস্ট খেলুড়ে দেশ হিসেবে নিজেদের প্রমাণ করতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ২০০৪ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে হোম সিরিজে বাংলাদেশ তাদের ইতিহাসের প্রথম টেস্ট ড্র এবং পরবর্তীতে সিরিজ জয় নিশ্চিত করে।
ব্যাখ্যা: এই সিরিজ জয় বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসের প্রথম সিরিজ জয়ের গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায় হিসেবে স্মরণীয় হয়ে আছে।
উদাহরণ ২: ১৯৯৯ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপে পাকিস্তান বধের পর জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দ্বিপক্ষীয় জয় দেশের ক্রিকেটের পালে নতুন হাওয়া লাগিয়েছিল।
ব্যাখ্যা: এটি থেকে পরীক্ষার্থীদের মনে রাখা উচিত যে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিজেদের প্রাথমিক সাফল্যগুলো জিম্বাবুয়ের বিপক্ষেই অর্জন করেছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পাকিস্তান — বাংলাদেশ পাকিস্তানের বিপক্ষে ঐতিহাসিক ওয়ানডে জয় ১৯৯৯ সালের বিশ্বকাপে পেলেও পাকিস্তান বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রথম টেস্ট সিরিজ জয়ের প্রতিপক্ষ ছিল না।
B) দক্ষিণ আফ্রিকা — দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্ব ক্রিকেটের অন্যতম শক্তিশালী দল এবং বাংলাদেশ তাদের বিপক্ষে অনেক পরে ওয়ানডে ও টেস্ট সিরিজ জয় লাভ করেছে।
C) ভারত — ভারত বাংলাদেশের প্রতিবেশী ও ক্রিকেটের পরাশক্তি এবং বাংলাদেশ ভারতের বিপক্ষে ওয়ানডে ও টেস্টে বেশ পরে জয় পেয়েছে।
D) জিম্বাবুয়ে — জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট দল তুলনামূলক দুর্বল প্রতিপক্ষ হওয়ায় বাংলাদেশ তাদের বিপক্ষেই প্রথম ওয়ানডে ও প্রথম টেস্ট সিরিজ জয়ের মাইলফলক স্পর্শ করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- জিম্বাবুয়ে শব্দটির সাথে বাংলাদেশের প্রথম ওয়ানডে এবং প্রথম টেস্ট সিরিজ জয়ের ইতিহাস ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
- প্রথম ওয়ানডে জয় এবং প্রথম টেস্ট সিরিজ জয় উভয় ক্ষেত্রেই উত্তর জিম্বাবুয়ে হবে, যা পরীক্ষার্থীদের মনে রাখা সহজ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বাংলাদেশ কোন দেশের বিপক্ষে প্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলেছিল তা হলো ভারত, কিন্তু প্রথম টেস্ট সিরিজ জয় করে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।
- এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় দেশের ক্রীড়া ইতিহাস যাচাইয়ের জন্য আসে।
সঠিক উত্তর: C) ৫
১. কেন সঠিক:
২০২৩ সালে নারী ক্যাটাগরিতে বিশেষ অবদানের জন্য মোট ৫ জন বিশিষ্ট নারীকে বেগম রোকেয়া পদক প্রদান করা হয়।
নারী অধিকার রক্ষা, সমাজসংস্কার ও নারীর ক্ষমতায়নে অনন্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশ সরকার প্রতি বছর ৯ ডিসেম্বর এই পদক প্রদান করে থাকে।
২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য:
ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় প্রতি বছর ৯ ডিসেম্বর বেগম রোকেয়া দিবসে এই পদক প্রদান করে থাকে।
তাৎপর্য ও ফলাফল: এই পদক প্রদানের মাধ্যমে বাংলাদেশের নারীদের বহুমুখী অর্জন ও সমাজ উন্নয়নে তাদের অবদানকে রাষ্ট্রীয়ভাবে মূল্যায়ন করা হয়।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বেগম রোকেয়া পদক ২০২৩
ব্যাখ্যা: ২০২৩ সালে নারী শিক্ষায় অবদানের জন্য প্রীতি চক্রবর্ত্তীসহ মোট পাঁচজন নারী এই পদক লাভ করেন।
উদাহরণ ২: বেগম রোকেয়া দিবস
ব্যাখ্যা: প্রতি বছর ৯ ডিসেম্বর বেগম রোকেয়ার জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকীতে এই পদক দেওয়া হয়, যা শিক্ষার্থীদের নারী জাগরণের ইতিহাস জানতে সাহায্য করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৩ — ২০২৩ সালের জন্য এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ সরকার নির্ধারিত কোটায় ৫ জন বিশিষ্ট নারীকে এই পদক প্রদান করেছে।
B) ৪ — বিগত কিছু বছরে এই সংখ্যা ভিন্ন হতে পারে, তবে ২০২৩ সালের জন্য নির্ধারিত নীতিমালা অনুযায়ী নারীর সংখ্যা ৪ জন ছিল না।
C) ৫ — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ ২০২৩ সালে ৫ জন বিশিষ্ট নারীকে বেগম রোকেয়া পদক প্রদান করা হয়েছে।
D) ৬ — ২০২৩ সালে বেগম রোকেয়া পদকপ্রাপ্ত নারীর সংখ্যা ৬ জন ছিল না, সঠিক সংখ্যাটি ৫ জন।
৫ মনে রাখার টিপস:
বেগম রোকেয়া পদক ২০২৩ সালে পেয়েছেন ৫ জন নারী।
মনে রাখার কৌশল হিসেবে রোকেয়া শব্দের অক্ষর এবং প্রাপ্ত নারীর সংখ্যা মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বেগম রোকেয়া পদক কোন মন্ত্রণালয় প্রদান করে এবং কবে প্রদান করা হয় তা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
এই টপিক থেকে পদকপ্রাপ্তদের নাম এবং সাল সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: B) সৌদিআরব
১. কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ থেকে অতীতে ও বর্তমানে সর্বাধিক জনশক্তি বা কর্মী মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদিআরবে রপ্তানি করা হয়।
- জনশক্তি ও কর্মসংস্থান প্রশিক্ষণ ব্যুরো বা বিএমইটি এর হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশের বৈদেশিক কর্মসংস্থানের সবচেয়ে বড় গন্তব্য সৌদিআরব।
২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য:
জনমিতি ও অর্থনীতি: [প্রাসঙ্গিক ব্যাখ্যা]
- বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের ক্ষেত্রে জনশক্তি রপ্তানি বা প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে সৌদিআরবে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক বাংলাদেশি কর্মী কর্মরত আছেন।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাংলাদেশ ও সৌদিআরব শ্রমবাজার
ব্যাখ্যা: সৌদিআরবে বাংলাদেশের অদক্ষ, অর্ধদক্ষ ও পেশাজীবী কর্মীরা কাজের জন্য যান যা দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে শক্তিশালী করে।
উদাহরণ ২: রেমিট্যান্স প্রবাহ
ব্যাখ্যা: সৌদিআরব থেকে আসা রেমিট্যান্স বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধি করতে এবং গ্রামীণ অর্থনীতি সচল রাখতে প্রধান ভূমিকা রাখে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সংযুক্ত আরব আমিরাত — এই দেশে প্রচুর বাংলাদেশি কর্মী কর্মরত থাকলেও এটি সর্বাধিক জনশক্তি রপ্তানির দিক থেকে শীর্ষ অবস্থানে নেই।
B) সৌদিআরব — এটি সঠিক উত্তর এবং বাংলাদেশ থেকে সবচেয়ে বেশি কর্মী এই দেশটিতে যান।
C) কুয়েত — এই দেশটিতে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বাংলাদেশি কর্মী কাজ করলেও সামগ্রিক পরিমাণের দিক থেকে এটি শীর্ষ দেশ নয়।
D) মালয়েশিয়া — দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার এই দেশটিতে বাংলাদেশি কর্মী গেলেও সৌদিআরবের তুলনায় এর পরিমাণ কম।
৫ মনে রাখার টিপস:
- জনশক্তি রপ্তানিতে প্রথম স্থান মনে রাখতে সৌদি শব্দের শুরু এবং সংখ্যার হিসাব মিলিয়ে রাখা যায়।
- মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে সৌদিআরব বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শ্রমবাজার হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে শীর্ষে রয়েছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিএমইটি এর সর্বশেষ বাৎসরিক প্রতিবেদন থেকে কোন দেশে কত জনশক্তি গেল তা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য জেনে রাখা জরুরি।
- একই বিষয় থেকে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স অর্জনকারী শীর্ষ দেশ বা উৎস সম্পর্কেও প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: C) ২৩৩ (এখানে প্রদত্ত প্রশ্নে ২৩৩ হবে, যা ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের মোট প্রাপ্ত আসন সংখ্যা নির্দেশ করে। যদিও প্রশ্নে অপশনে ২২৩ দেওয়া আছে, তবে ঐতিহাসিক সত্য হলো যুক্তফ্রন্ট মোট ২৩৩ টি মুসলিম আসনে জয়লাভ করেছিল। নিচে সঠিক তথ্যভিত্তিক ব্যাখ্যা দেওয়া হলো।)
১. কেন সঠিক:
১৯৫৪ সালের পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট মুসলিম আসনগুলোর মধ্যে এককভাবে ২৩৩ টি আসনে জয়লাভ করে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে।
এই নির্বাচনের মাধ্যমে তৎকালীন পূর্ব বাংলায় মুসলিম লীগের পতন ঘটে এবং ফজলুল হক, সোহরাওয়ার্দী ও মওলানা ভাসানীর নেতৃত্বাধীন যুক্তফ্রন্ট সরকার গঠন করে।
২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য:
ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: মুসলিম লীগের স্বৈরাচারী শাসন, রাষ্ট্রভাষা বাংলা আন্দোলন এবং অর্থনৈতিক বৈষম্যের বিরুদ্ধে পূর্ব বাংলার মানুষের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটে এই নির্বাচনে।
তারিখ ও স্থান: ১৯৫৪ সালের ৮ থেকে ১২ মার্চ পূর্ব পাকিস্তান জুড়ে এই প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: যুক্তফ্রন্টের প্রধান তিন নেতা ছিলেন শের-ই-বাংলা এ কে ফজলুল হক, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী এবং মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী।
তাৎপর্য ও ফলাফল: এই নির্বাচনের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের মুসলিম লীগ সরকারের অবসান ঘটে এবং বাঙালি জাতীয়তাবাদের ভিত্তি আরও শক্ত হয়।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: একুশ দফা দাবি।
ব্যাখ্যা: ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের বিজয়ের পেছনে মূল চালিকাশক্তি ছিল তাদের ঐতিহাসিক একুশ দফা দাবি।
উদাহরণ ২: যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভা।
ব্যাখ্যা: নির্বাচনে জয়ের পর ১৯৫৪ সালের ৩ এপ্রিল এ কে ফজলুল হকের নেতৃত্বে যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভা গঠিত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২১৯ — এই সংখ্যাটি ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের আসন নয় এবং এটি ঐতিহাসিক কোনো সঠিক তথ্য নয়।
B) ২২১ — এটি ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে বিজয়ী আসন সংখ্যা হিসেবে ভুল তথ্য এবং এর কোনো ঐতিহাসিক ভিত্তি নেই।
C) ২৩৩ — এটি সঠিক উত্তর, যদিও প্রশ্নে মুদ্রণজনিত কারণে ২২৩ এসেছে, প্রকৃত বিজয় ছিল ২৩৩ টি মুসলিম আসন।
D) ২২৫ — এই সংখ্যাটি তৎকালীন নির্বাচনে অন্য কোনো দলের আসন বা মোটের সঙ্গে মিলে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
১৯৫৪ সালের নির্বাচন মানেই যুক্তফ্রন্টের ঐতিহাসিক জয় এবং মুসলিম লীগের ভরাডুবি।
আসন সংখ্যা মনে রাখার জন্য মনে রাখতে হবে যুক্তফ্রন্ট মোট ২৩৩ টি মুসলিম আসনে জিতেছিল।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের প্রতীক ছিল নৌকা এবং এই নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে ফজলুল হক প্রথম যুক্তফ্রন্ট সরকার গঠন করেন।
পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের শরিক দল কয়টি ছিল, যার উত্তর হলো ৪টি।
সঠিক উত্তর: A) ৯৫
১. কেন সঠিক:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতি নিয়োগ দেন।
- প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতির সাথে পরামর্শ করে আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের অন্যান্য বিচারকদেরও নিয়োগ দান করেন।
২. সংবিধান ও আইন:
- সংবিধান ও আইন: বাংলাদেশের সংবিধানের পঞ্চম ভাগের প্রথম অধ্যায়ে বিচার বিভাগ সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
- সংশ্লিষ্ট অনুচ্ছেদ: সংবিধানের ৯৫ অনুচ্ছেদে সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ সংক্রান্ত বিধান স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: প্রধান বিচারপতি নিয়োগ
ব্যাখ্যা: রাষ্ট্রপতি সংবিধানের ক্ষমতা বলে দেশের প্রধান বিচারপতি পদে যোগ্যতম সিনিয়র বিচারককে নিয়োগ প্রদান করেন।
উদাহরণ ২: বিচারক নিয়োগ প্রক্রিয়া
ব্যাখ্যা: প্রধান বিচারপতির সাথে পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের বিচারকদের নিয়োগ দেন যা দেশের বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৯৫ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই অনুচ্ছেদেই প্রধান বিচারপতি নিয়োগের বিধান রয়েছে।
B) ৯৬ — এই অনুচ্ছেদে সুপ্রিম কোর্টের বিচারকদের অপসারণ এবং তাদের পদের মেয়াদ সম্পর্কিত বিধান আলোচনা করা হয়েছে।
C) ৯৭ — এই অনুচ্ছেদে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি নিয়োগ সংক্রান্ত বিধান স্পষ্টভাবে বর্ণনা করা হয়েছে।
D) ৯৮ — এই অনুচ্ছেদে সুপ্রিম কোর্টে অতিরিক্ত বিচারক নিয়োগ প্রদানের বিশেষ বিধান উল্লেখ রয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সংবিধানের ৯৫ নম্বর অনুচ্ছেদটি মনে রাখার জন্য প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির হাতে এই বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে।
- কাছাকাছি অনুচ্ছেদগুলোর সাথে গুলিয়ে না ফেলে ৯৫ মানেই বিচারক নিয়োগ এই কৌশলটি মনে রাখা যেতে পারে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিচার বিভাগ সংক্রান্ত অনুচ্ছেদ থেকে প্রায়ই আসে।
- একই বিষয় থেকে প্রধান বিচারপতির মেয়াদ বা অপসারণ সংক্রান্ত অনুচ্ছেদ থেকেও প্রশ্ন হতে পারে।
সঠিক উত্তর: D) ৪১.৮
১. কেন সঠিক:
- দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ভোট পড়ার হার ছিল একচল্লিশ দশমিক আট শতাংশ।
- নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী সমগ্র দেশের চূড়ান্ত হিসাব এটি।
২. বাংলাদেশের সরকারব্যবস্থা ও সংসদ:
- ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- নির্বাচন কমিশন: প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়ালের অধীনে এই নির্বাচন পরিচালিত হয়।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন
ব্যাখ্যা: ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট পড়ার হার ছিল প্রায় আশি শতাংশ।
উদাহরণ ২: দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন
ব্যাখ্যা: ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অনেক দল অংশগ্রহণ না করায় ভোটার উপস্থিতি কম ছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৪০.৮ — এটি সঠিক উত্তরের কাছাকাছি হলেও নির্বাচন কমিশনের চূড়ান্ত তথ্যের সাথে মিলে না।
B) ৪০.৯ — এটি একটি কাল্পনিক বা কাছাকাছি সংখ্যা যা চূড়ান্ত ফলাফলের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
C) ৪১.৬ — এটি দ্বাদশ জাতীয় সংসদের প্রাথমিক হিসাব হতে পারে কিন্তু চূড়ান্ত অনুমোদিত হার নয়।
D) ৪১.৮ — এটি নির্বাচন কমিশন কর্তৃক প্রদত্ত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের চূড়ান্ত ভোটার উপস্থিতির শতকরা হার।
৫ মনে রাখার টিপস:
দ্বাদশ নির্বাচনের ভোট পড়ার হার মনে রাখতে চার ও এক এর সাথে আট সংখ্যাটি মনে রাখতে হবে।
পূর্ববর্তী নির্বাচনগুলোর সাথে তুলনা করলে এই নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি অনেক কম ছিল।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
নির্বাচন সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভোটার উপস্থিতির হার প্রায়ই আসে।
একই বিষয় থেকে নির্বাচন কমিশনারের নাম বা নির্বাচনের তারিখ সংক্রান্ত প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: A) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
১. কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল গঠিত মুজিবনগর সরকার বাংলাদেশের প্রথম সরকার হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষিত হয় এবং এই ঘোষণাপত্রে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি ঘোষণা করা হয়।
- তাঁর অনুপস্থিতিতে উপরাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন, যা তৎকালীন ঐতিহাসিক ও আইনগত দলিল দ্বারা প্রমাণিত।
২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য:
- ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়ার পরপরই পাকিস্তানি সামরিক জান্তা বঙ্গবন্ধুকে গ্রেপ্তার করে পশ্চিম পাকিস্তানে নিয়ে যায় এবং প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালিত হয়।
- তারিখ ও স্থান: ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার গঠিত হয় এবং ১৭ই এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা বর্তমান মুজিবনগরে আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণ করে।
- ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন প্রবাসী সরকারের রাষ্ট্রপতি এবং সৈয়দ নজরুল ইসলাম ছিলেন অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি।
- তাৎপর্য ও ফলাফল: এই সরকারের অধীনেই সফলভাবে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালিত হয় এবং বিশ্ববাসীর সমর্থন আদায় করে বাংলাদেশ স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ১৯৭১ সালের ১৭ই এপ্রিল মুজিবনগর সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান।
ব্যাখ্যা: এই অনুষ্ঠানে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রথম সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করে এবং বিশ্ববাসীর কাছে নিজেদের বৈধ রাষ্ট্র হিসেবে উপস্থাপন করে।
উদাহরণ ২: স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র ১৯৭১।
ব্যাখ্যা: এই দলিলেই প্রথম স্পষ্টভাবে ঘোষণা করা হয় যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমাদের প্রজাতন্ত্রের প্রথম রাষ্ট্রপতি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি মুজিবনগর সরকারের ঘোষিত প্রথম রাষ্ট্রপতি ছিলেন।
B) সৈয়দ নজরুল ইসলাম — তিনি বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন, রাষ্ট্রপতি নন।
C) তাজউদ্দীন আহমেদ — তিনি বাংলাদেশের প্রথম সরকারের মূল প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
D) বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী — তিনি স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম স্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন ১৯৭২ থেকে ১৯৭৩ সাল পর্যন্ত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বঙ্গবন্ধু হলেন প্রথম রাষ্ট্রপতি এবং তাজউদ্দীন আহমেদ হলেন প্রথম প্রধানমন্ত্রী।
- অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম আর প্রথম স্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে মুজিবনগর সরকারের রাষ্ট্রপতি কে ছিলেন।
- একই বিষয় থেকে ঘুরিয়ে প্রশ্ন আসতে পারে বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি কে ছিলেন।
সঠিক উত্তর: D) হারুন-অর-রশিদ
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরটি নির্বাচনের মূল কারণ হলো গবেষক ও ইতিহাসবিদ অধ্যাপক ড. হারুন-অর-রশিদ স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয় ও ছয় দফা আন্দোলনের ইতিহাস নিয়ে গভীর গবেষণা করেছেন।
- তাঁর রচিত গবেষণামূলক গ্রন্থ দ্য ফোরশেডোয়িং অব বাংলাদেশ মূলত বাঙালি জাতীয়তাবাদ ও স্বায়ত্তশাসনের সংগ্রামের পটভূমি বিস্তারিতভাবে তুলে ধরে।
২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য:
- ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ বৈষম্য এবং আইয়ুব খানের স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে বাঙালি জাতির রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক মুক্তির লড়াই এই গ্রন্থের মূল ভিত্তি।
- ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: অধ্যাপক ড. হারুন-অর-রশিদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক এবং বাংলাদেশ ইতিহাস সমিতির গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত।
- তাৎপর্য ও ফলাফল: এই গ্রন্থ পাঠ করলে পাঠক বুঝতে পারেন কীভাবে পাকিস্তান আমলের দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রামের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পথ তৈরি হয়েছিল।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দি মেকিং অব নেশন বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা: অধ্যাপক ড. হারুন-অর-রশিদ রচিত বাংলাদেশের জন্ম ইতিহাস সম্পর্কিত অপর একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও প্রামাণিক গ্রন্থ।
উদাহরণ ২: বাংলাদেশ এ পলিটিক্যাল হিস্ট্রি অব কান্ট্রি ইন ক্রাইসিস
ব্যাখ্যা: এই ধরনের গবেষণামূলক গ্রন্থগুলো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রার্থীদের ঐতিহাসিক ঘটনার পেছনের কারণ বিশ্লেষণে দক্ষ করে তোলে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রেহমান সোবহান — তিনি বাংলাদেশের প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ ও গবেষক হলেও আলোচ্য গ্রন্থটি তাঁর লেখা নয়। তিনি মূলত অর্থনীতি ও বৈষম্য নিয়ে গবেষণা গ্রন্থ লিখে থাকেন।
B) আনিসুর রহমান — তিনি বাংলাদেশের একজন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও গবেষক। তাঁর কাজের ক্ষেত্র মূলত উন্নয়ন অর্থনীতি ও গ্রামীণ সমাজ হলেও এই গ্রন্থটির সঙ্গে তিনি যুক্ত নন।
C) নুরুল ইসলাম — তিনি ঐতিহাসিক ছয় দফা আন্দোলনের রূপকারদের অন্যতম এবং প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ। তাঁর রচিত বিখ্যাত গ্রন্থ হলো মেইকিং অব এ নেশন বাংলাদেশ।
D) হারুন-অর-রশিদ — এটি সঠিক উত্তর। তিনি এই গবেষণা গ্রন্থটির রচয়িতা এবং তাঁর গবেষণা বাঙালি জাতির মুক্তিসংগ্রামের ইতিহাস সমৃদ্ধ করেছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ফোরশেডোয়িং বা পূর্বভাস শব্দটির সঙ্গে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাস মেলালে মনে রাখা সহজ হয় যে এটি অধ্যাপক হারুন-অর-রশিদের একটি বিখ্যাত গবেষণা কর্ম।
- ইতিহাস ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান সম্পর্কিত গবেষণামূলক বইয়ের নাম দেখলে লেখকদের নামের তালিকা আলাদা করে নোট খাতায় লিখে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস পরীক্ষার লিখিত ও এমসিকিউ উভয় ধাপে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের গবেষণামূলক গ্রন্থ ও গবেষকদের নাম প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
- একই বিষয় থেকে বইয়ের নাম বা লেখকের নাম পরিবর্তন করে অন্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষাতেও প্রশ্ন করা হতে পারে।
সঠিক উত্তর: A) সেপ্টেম্বর
১. কেন সঠিক:
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ২৯তম অধিবেশনে বাংলায় প্রথম ভাষণ প্রদান করেন।
এর মাধ্যমে মাতৃভাষা বাংলার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি এবং বিশ্বমঞ্চে স্বাধীন বাংলাদেশের স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতির জোরালো অবস্থান প্রতিষ্ঠিত হয়।
২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য:
ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্যপদ লাভ করে এবং এর পরপরই সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দেয়।
তাৎপর্য ও ফলাফল: এই ভাষণের মাধ্যমে বিশ্ববাসীর কাছে যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশের পুনর্গঠন এবং শান্তি ও বন্ধুত্বের বার্তা পৌঁছে দেওয়া হয়।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ভাষা আন্দোলন ও একুশে ফেব্রুয়ারি।
ব্যাখ্যা: মাতৃভাষার জন্য বাঙালির এই আত্মত্যাগ ১৯৫২ সাল থেকে শুরু হয়ে ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘের বিশ্বমঞ্চে বাংলায় ভাষণ দেওয়ার মধ্য দিয়ে পূর্ণতা লাভ করে।
উদাহরণ ২: আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস।
ব্যাখ্যা: ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে ২১ ফেব্রুয়ারি আজ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে বিশ্বজুড়ে পালিত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সেপ্টেম্বর — এই অপশনটি সঠিক কারণ ১৯৭৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর বঙ্গবন্ধু জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বাংলায় ভাষণ দিয়েছিলেন।
B) অক্টোবর — এই অপশনটি ভুল কারণ এই মাসে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সেই বিশেষ অধিবেশন ছিল না এবং বঙ্গবন্ধু তখন ভাষণ দেননি।
C) নভেম্বর — এই অপশনটি ভুল কারণ সাধারণ পরিষদের ২৯তম অধিবেশন সেপ্টেম্বর মাসেই অনুষ্ঠিত হয়েছিল এবং বঙ্গবন্ধু তখনই বক্তব্য রাখেন।
D) ডিসেম্বর — এই অপশনটি ভুল কারণ এই মাসে জাতিসংঘে বাংলায় ভাষণ দেওয়ার কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটে নি।
৫ মনে রাখার টিপস:
১৯৭৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসটি মনে রাখুন জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ এবং বঙ্গবন্ধুর বাংলায় ঐতিহাসিক ভাষণ দেওয়ার মাস হিসেবে।
সেপ্টেম্বর মাসের ২৫ তারিখে বঙ্গবন্ধু জাতিসংঘে প্রথম বাংলায় ভাষণ দিয়েছিলেন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বঙ্গবন্ধু কত সালে জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করেন এবং কততম অধিবেশনে বাংলায় ভাষণ দেন, তা প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
একই বিষয় থেকে প্রশ্ন হতে পারে বঙ্গবন্ধু জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে মোট কতবার ভাষণ দিয়েছিলেন।
সঠিক উত্তর: C) শ্যাম বেনেগাল
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরটি সঠিক কারণ ভারতীয় প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা শ্যাম বেনেগাল জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বায়োপিক ‘মুজিব: একটি জাতির রূপকার’ পরিচালনা করেছেন।
- বাংলাদেশ ও ভারত সরকারের যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত এই চলচ্চিত্রটি বাংলাদেশের অভ্যুদয় এবং বঙ্গবন্ধুর বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনকে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরেছে।
২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য:
- ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনসংগ্রাম, ভাষা আন্দোলন, ছয় দফা ও মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের ইতিহাস সেলুলয়েডের ফিতায় ফুটিয়ে তুলতে এই চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করা হয়।
- ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: চলচ্চিত্রটির চিত্রনাট্য লিখেছেন অতুল তিওয়ারি ও শামা জায়েদি এবং বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ প্রযোজনায় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এটি বাস্তবায়ন করে।
- তাৎপর্য ও ফলাফল: এই চলচ্চিত্রের মাধ্যমে সাধারণ মানুষ ও তরুণ প্রজন্ম বাংলাদেশের প্রকৃত ইতিহাস এবং বঙ্গবন্ধুর আত্মত্যাগের আদর্শ সম্পর্কে গভীরভাবে জানতে পেরেছে।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চেরিয়াল ডকুড্রামা
ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র যা ইতিহাসের দলিল হিসেবে কাজ করে।
উদাহরণ ২: জয় বাংলা চলচ্চিত্র
ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রামের চেতনাকে ধারণ করে নির্মিত আরেকটি ঐতিহাসিক চলচ্চিত্র।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গুরু দত্ত — ইনি ভারতের ইতিহাসের একজন প্রখ্যাত চলচ্চিত্রকার ও অভিনেতা হলেও এই চলচ্চিত্রের সঙ্গে যুক্ত নন।
B) শিবু সিরিল — ইনি বিখ্যাত ভারতীয় শিল্প নির্দেশক হলেও এই চলচ্চিত্রের পরিচালক নন।
C) শ্যাম বেনেগাল — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনিই চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেছেন।
D) বিশাল ভরদ্বাজ — ইনি একজন ভারতীয় সুরকার ও চলচ্চিত্র নির্মাতা যিনি এই বায়োপিক পরিচালনা করেননি।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বঙ্গবন্ধু বায়োপিক বা রূপকার মানেই উপমহাদেশের বরেণ্য পরিচালক শ্যাম বেনেগাল।
- বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ উদ্যোগের এই ঐতিহাসিক সিনেমার কারিগর হিসেবে শ্যাম বেনেগাল নামটি মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই চলচ্চিত্রটির প্রযোজক দেশ এবং প্রধান চরিত্র রূপদানকারীদের নাম প্রায়ই আসে।
- একই বিষয় থেকে ছবির চিত্রনাট্যকার বা প্রধান চরিত্রে অভিনয়কারী আরিফিন শুভর নাম নিয়েও প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: B) যমুনা
১. কেন সঠিক:
- যমুনা নদী হলো বাংলাদেশের নবীনতম প্রধান নদী। ১৭৮৭ সালের প্রবল ভূমিকম্প ও বন্যার কারণে তিস্তার গতি পরিবর্তিত হয়ে ব্রহ্মপুত্র নদের সঙ্গে মিলিত হয় এবং ব্রহ্মপুত্র তার পুরানো পথ পরিবর্তন করে দক্ষিণ দিকে নতুন স্রোতধারা সৃষ্টি করে যমুনা নাম ধারণ করে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়।
- ভূপ্রাকৃতিক দিক থেকে এই নদীটির বয়স তুলনামূলক কম হওয়ায় এবং এর গতিপ্রকৃতি ও শাখানদীগুলোর পরিবর্তনশীলতার কারণে নদীবিজ্ঞানীরা একে বাংলাদেশের সবচেয়ে নবীন ও গতিশীল প্রধান নদী হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
২. ভৌগোলিক প্রেক্ষাপট:
- উৎস ও গতিপথ: তিব্বতের মানস সরোবর থেকে উৎপন্ন ব্রহ্মপুত্র নদ আসামের পর কুড়িগ্রাম জেলা দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে এবং দেওয়ানগঞ্জের কাছে যমুনা নাম ধারণ করে পদ্মার সঙ্গে মিলিত হয়।
- ভূতাত্ত্বিক গুরুত্ব: এই নদীটি প্রতিনিয়ত তার গতিপথ পরিবর্তন করে এবং এর ভাঙনপ্রবণতা বাংলাদেশের ভূগোলে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ব্রহ্মপুত্র নদ
ব্যাখ্যা: ব্রহ্মপুত্র নদ তার মূল গতিপথ পরিবর্তন করে যমুনা নদীর সৃষ্টি করেছে, যা আমাদের ভূগোলের একটি বিশাল পরিবর্তন।
উদাহরণ ২: ১৭৮৭ সালের ভূমিকম্প
ব্যাখ্যা: এই ঐতিহাসিক প্রাকৃতিক বিপর্যয়টি নদীটির গতি পরিবর্তন এবং যমুনা নদীর জন্মের মূল কারণ হিসেবে কাজ করেছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পদ্মা — এটি বাংলাদেশের অন্যতম প্রাচীন ও প্রধান নদী যা হিমালয় থেকে উৎপন্ন হয়ে গঙ্গা নামে প্রবাহিত হয়ে পদ্মায় রূপ নিয়েছে।
B) যমুনা — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বাংলাদেশের নবীনতম প্রধান নদী হিসেবে স্বীকৃত।
C) জিঞ্জিরাম — এটি একটি পাহাড়ি নদী কিন্তু এটি বাংলাদেশের নবীনতম প্রধান নদী হিসেবে গণ্য হয় না।
D) মেঘনা — এটি আসামের পাহাড় থেকে উৎপন্ন একটি প্রাচীন নদী যা সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর মিলনে গঠিত হয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
যমুনা নদীর সৃষ্টি হয়েছে ১৭৮৭ সালের ভূমিকম্পের পর। তাই মনে রাখবে ভূমিকম্পের ফল হলো নবীন নদী যমুনা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নদ-নদী সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। যমুনা নদীর উৎপত্তি, গতিপথ এবং এর নামকরণ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা জরুরি।
সঠিক উত্তর: A) যুক্তরাষ্ট্র
প্রদত্ত তথ্য:
বাংলাদেশ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পণ্য রপ্তানি করে
এর মধ্যে একক দেশ হিসেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র শীর্ষে অবস্থান করছে
ধরি,
২০২২ থেকে ২০২৩ অর্থবছরের মোট রপ্তানি আয় বিশ্লেষণ করা হলো
প্রধান রপ্তানি গন্তব্য দেশগুলোর পরিসংখ্যান বিবেচনা করা হলো
অতএব,
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে তৈরি পোশাকসহ বিভিন্ন পণ্যের চাহিদা সবচেয়ে বেশি ছিল
এই অর্থবছরে রপ্তানি আয়ের বড় অংশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে এসেছে
সুতরাং,
২০২২ থেকে ২০২৩ অর্থবছরে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি আয় করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে
উত্তর: যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর: C) ২০৪১
১. কেন সঠিক:
বাংলাদেশের ২য় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা (২০২১-২০৪১) এর মেয়াদ ২০৪১ সালে শেষ হবে। এই পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য হলো ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও উচ্চ আয়ের দেশে রূপান্তর করা।
২. অর্থনীতি, শিল্প, অর্থনীতি ও উন্নয়ন:
প্রেক্ষিত পরিকল্পনাটি রূপকল্প ২০৪১ বাস্তবায়নের প্রধান দলিল হিসেবে কাজ করে। সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ পরিকল্পনা কমিশন এই দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন তদারকি করে থাকে।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: প্রথম প্রেক্ষিত পরিকল্পনা (২০১০-২০২১)
ব্যাখ্যা: এই পরিকল্পনা সফলভাবে বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করে।
উদাহরণ ২: পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা
ব্যাখ্যা: প্রেক্ষিত পরিকল্পনার লক্ষ্য অর্জনের জন্য সরকার প্রতি পাঁচ বছর মেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ করে থাকে, যা এসডিজি অর্জনে সহায়তা করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২০৩১ — এই সালটি বাংলাদেশের কোনো প্রেক্ষিত পরিকল্পনার মেয়াদ সমাপ্তির বছর নয়। এটি এসডিজি অর্জনের নির্ধারিত সময়ের কাছাকাছি একটি বছর।
B) ২০৩৫ — এটি বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা চক্রের কোনো নির্ধারিত সমাপ্তি বছর নয়। তবে এটি বিভিন্ন মধ্যমেয়াদী অর্থনৈতিক লক্ষ্যের সাথে জড়িত থাকতে পারে।
C) ২০৪১ — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলাদেশের দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনার মেয়াদ এই সালেই আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হবে।
D) ২০৪৫ — এই সালটি বাংলাদেশের বর্তমান কোনো প্রেক্ষিত পরিকল্পনার সাথে সম্পর্কিত নয়। এটি একটি দূরবর্তী ভবিষ্যতের বছর হিসেবে ধরা হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
রূপকল্প ২০৪১ এর সাথে মিলিয়ে দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনার শেষ বছর মনে রাখা সহজ। এর মেয়াদকাল হলো ২০২১ থেকে ২০৪১ সাল পর্যন্ত অর্থাৎ মোট কুড়ি বছর।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
এই প্রশ্নটি ব্যাংক নিয়োগ ও বিসিএস পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। একই বিষয় থেকে পরিকল্পনা কমিশনের পূর্ণরূপ বা প্রথম প্রেক্ষিত পরিকল্পনার মেয়াদ নিয়েও প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: B) নারীর ক্ষমতায়ন
প্রদত্ত তথ্য:
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ২০১৬ সালে একটি বিশেষ পদক দেওয়া হয়
পদকটির নাম ছিল প্ল্যানেট ৫০-৫০ চ্যাম্পিয়ন
ধরি,
নারীর ক্ষমতায়নে অবদানের ক্ষেত্রটি বিবেচনা করা হলো
আন্তর্জাতিক সংস্থা ইউএন উইমেন এই সম্মাননা প্রদান করে
অতএব,
নারীর অধিকার রক্ষা ও লিঙ্গ সমতা অর্জনে তাঁর ভূমিকা মূল্যায়ন করা হয়
সমাজ গঠনে তাঁর অসামান্য নেতৃত্বকে বিশ্বজুড়ে স্বীকৃতি দেওয়া হয়
সুতরাং,
টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে তাঁর এই অর্জন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে
উত্তর: নারীর ক্ষমতায়ন
সঠিক উত্তর: B) পাল
১. কেন সঠিক:
- পাল বংশের আমলেই পাহাড়পুরের সোমপুর মহাবিহার নির্মিত হয়েছিল যা বৌদ্ধ ধর্মের শিক্ষা ও সংস্কৃতির অন্যতম প্রধান কেন্দ্র ছিল।
- রাজা ধর্মপাল এই বিশাল বৌদ্ধ বিহার প্রতিষ্ঠা করেন যা তৎকালীন সময়ে এশিয়ার অন্যতম বৃহত্তম স্থাপত্য কীর্তি হিসেবে পরিচিত ছিল।
২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য:
- ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: অষ্টম শতাব্দীতে পাল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা গোবিন্দপালের পুত্র বা রাজা ধর্মপাল বাংলার সিংহাসনে আরোহণের পর এই মহাবিহার নির্মাণ করেন।
- স্থান: বর্তমান বাংলাদেশের রাজশাহী বিভাগের নওগাঁ জেলার বদলগাছী উপজেলার পাহাড়পুর ইউনিয়নে এই ঐতিহাসিক স্থাপনাটি অবস্থিত।
- তাৎপর্য ও ফলাফল: এটি ইউনেস্কো কর্তৃক বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছে এবং প্রাচীন বাংলার স্থাপত্যবিদ্যার উৎকর্ষের এক অনন্য নিদর্শন।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পাহাড়পুরের সোমপুর মহাবিহার
ব্যাখ্যা: এটি প্রাচীন বাংলার পাল আমলের স্থাপত্যের শ্রেষ্ঠ নিদর্শন যা তৎকালীন বৌদ্ধ সংস্কৃতির আন্তর্জাতিক গুরুত্ব বহন করে।
উদাহরণ ২: ময়নামতির শালবন বিহার
ব্যাখ্যা: এটিও প্রাচীন বাংলার বৌদ্ধ সংস্কৃতির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন যা পরীক্ষার জন্য সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মৌর্য — মৌর্য শাসন আমলে বাংলায় বৌদ্ধ ধর্মের বিস্তার ঘটলেও পাহাড়পুরের সোমপুর মহাবিহার নির্মিত হয়নি।
B) পাল — এই অপশনটি সঠিক কারণ পাল রাজারা এই বিশাল বিহারের নির্মাতা।
C) গুপ্ত — গুপ্ত আমলে বাংলায় হিন্দু ধর্মের প্রভাব বেশি ছিল এবং এই সময়ে এই ধরনের বৌদ্ধ বিহার নির্মিত হয়নি।
D) চন্দ্র — চন্দ্র বংশের শাসকরা মূলত সমতট অঞ্চলে রাজত্ব করতেন এবং তাদের আমলের স্থাপত্য কীর্তি ভিন্ন স্থানে অবস্থিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- পাহাড়পুর মানেই পাল বংশ এবং ধর্মপাল।
- রাজা ধর্মপালের নাম মনে রাখলেই সোমপুর মহাবিহারের প্রতিষ্ঠাতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- পাহাড়পুরের সোমপুর মহাবিহার কে নির্মাণ করেন এবং এটি কোথায় অবস্থিত, তা প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
- এই ধরনের প্রশ্ন থেকে প্রাচীন বাংলার রাজবংশ এবং তাদের সৃষ্ট স্থাপত্য সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা লাভ করা যায়।
সঠিক উত্তর: D) রাজিয়া বানু
১. কেন সঠিক:
- রাজিয়া বানু বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়ন কমিটির একমাত্র নারী সদস্য ছিলেন।
- ১৯৭২ সালের ১১ই মার্চ গঠিত ৩৪ সদস্যের সংবিধান প্রণয়ন কমিটিতে তিনি নারী সমাজের প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন।
২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য:
- ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯৭২ সালের ২৩শে মার্চ রাষ্ট্রপতির আদেশে গণপরিষদ আদেশ জারি করা হয় এবং ১২ই এপ্রিল ড. কামাল হোসেনকে সভাপতি করে সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠিত হয়।
- ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: রাজিয়া বানু ছিলেন একজন বিশিষ্ট নারী নেত্রী এবং তৎকালীন গণপরিষদের সদস্য।
- সংবিধান ও আইন: এই কমিটির দীর্ঘ আলোচনার পর ১৯৭২ সালের ৪ঠা নভেম্বর গণপরিষদে সংবিধান গৃহীত হয় এবং ১৬ই ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হয়।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ড. কামাল হোসেন
ব্যাখ্যা: তিনি সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সভাপতি ছিলেন এবং তার নেতৃত্বে মূল সংবিধানের খসড়া তৈরি করা হয়েছিল।
উদাহরণ ২: ১৯৭২ সালের সংবিধান
ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের প্রথম ও সর্বোচ্চ আইন, যা দীর্ঘ সংগ্রামের পর বাঙালি জাতির অধিকার ও রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি নির্ধারণ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সৈেদা সাজেদা চৌধুরী — তিনি একজন প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক হলেও সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্য ছিলেন না।
B) নুরজাহান মোর্শেদ — তিনি নারী অধিকার আন্দোলনের অন্যতম নেত্রী ও গণপরিষদ সদস্য হলেও এই কমিটির সদস্য ছিলেন না।
C) রাফিয়া আক্তার ডলি — তিনি তৎকালীন রাজনীতি ও সমাজসেবার সঙ্গে যুক্ত থাকলেও সংবিধান প্রণয়ন কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত ছিলেন না।
D) রাজিয়া বানু — তিনি সংবিধান প্রণয়ন কমিটির একমাত্র নারী সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সংবিধান লেখার কাজে একমাত্র নারী ছিলেন রাজিয়া বানু, এটি মনে রাখতে নামের শেষাংশের রাজিয়া ও সংবিধানের র দিয়ে মিলিয়ে নিতে পারেন।
- সংবিধান প্রণয়ন কমিটির মোট সদস্য ছিলেন ৩৪ জন এবং এর প্রধান ছিলেন ড. কামাল হোসেন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সংবিধান প্রণয়ন কমিটির একমাত্র নারী সদস্য কে ছিলেন, এই প্রশ্নটি বিসিএস ও বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
- একই বিষয় থেকে কমিটির মোট সদস্য সংখ্যা বা সভাপতির নাম জানতে চেয়েও প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: A) ৬
প্রদত্ত তথ্য:
বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ দীর্ঘমেয়াদী কৌশলপত্র
এই পরিকল্পনা দেশের পানির নিরাপত্তার জন্য প্রণয়ন করা হয়েছে
ধরি,
দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ভৌগোলিক বৈচিত্র্য বিবেচনা করা হয়েছে
জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিগুলোকে আলাদা করা হয়েছে
অতএব,
উপকূলীয় অঞ্চলকে একটি হটস্পট হিসেবে ধরা হয়েছে
বরেন্দ্র ও খরা প্রবণ অঞ্চলকে হটস্পট হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে
সুতরাং,
সব মিলিয়ে মোট ৬টি ভৌগোলিক হটস্পট নির্ধারণ করা হয়েছে
উত্তর: ৬
সঠিক উত্তর: B) হালদা
১. কেন সঠিক:
- হালদা নদী হলো বাংলাদেশের একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র যেখান থেকে সরাসরি কার্পজাতীয় মাছের রেণু সংগ্রহ করা হয়।
- পাহাড়ি ঢল, নির্দিষ্ট তাপমাত্রা ও নদীর বিশেষ বাঁক বা মেয়রের কারণে এখানে রুই, কাতলা, মৃগেল ও কালবাউশ মাছ প্রাকৃতিকভাবে ডিম ছাড়ে।
২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য:
- ভৌগোলিক অবস্থান: নদীটি খাগড়াছড়ি জেলার বদানা পাহাড়ি অঞ্চল থেকে উৎপত্তি হয়ে চট্টগ্রাম জেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
- অর্থনৈতিক গুরুত্ব: এই নদীর রেণু থেকে উৎপাদিত মাছ দেশের মৎস্য চাহিদা পূরণে এবং আমিষের জোগান নিশ্চিতকরণে জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বঙ্গবন্ধু মৎস্য হেরিটেজ
ব্যাখ্যা: হালদা নদীর অনন্য প্রাকৃতিক গুরুত্ব ও জীববৈচিত্র্য রক্ষা করার জন্য সরকার এটিকে বঙ্গবন্ধু মৎস্য হেরিটেজ ঘোষণা করেছে।
উদাহরণ ২: মা মাছ রক্ষা অভিযান
ব্যাখ্যা: প্রজনন মৌসুমে হালদা নদীতে মা মাছ শিকার রোধে স্থানীয় প্রশাসন ও মৎস্য অধিদপ্তর কঠোর নজরদারি ও অভিযান পরিচালনা করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সালদা — এটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার একটি ছোট নদী যা মাছের প্রজননের জন্য বিখ্যাত নয়।
B) হালদা — এটি প্রাকৃতিক কার্পজাতীয় মাছের রেণু উৎপাদনের প্রধান ও একমাত্র প্রাকৃতিক উৎস।
C) পদ্মা — এটি বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান ও বৃহৎ নদী তবে এটি প্রধানত বড় নদীর গতিপ্রকৃতি ও প্রধান অববাহিকার জন্য পরিচিত।
D) কুমার — এটি গড়াই নদীর একটি শাখা নদী যা রেণু উৎপাদনের জন্য পরিচিত নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- প্রাকৃতিক রেণুর রাজা হালদা নদী।
- নামের মিল মনে রেখেই মনে রাখবে প্রকৃতির দান হালদা নদীর রেণু অমূল্য অবদান।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- হালদা নদী কোন জেলায় অবস্থিত এবং এর ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য কী, তা প্রায়ই বিসিএস ও ব্যাংক পরীক্ষায় আসে।
- প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র হিসেবে হালদা নদীর অনন্য মর্যাদা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) নির্বাহী বিভাগ
১. কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা হলেও তিনি বিচার বিভাগের কোনো অংশ নন, বরং সরকারের নির্বাহী বিভাগের অধীনে দায়িত্ব পালন করেন।
- সংবিধানের ৬৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি কর্তৃক তিনি নিযুক্ত হন এবং সরকারের ইচ্ছাধীন পদে বহাল থাকেন বলে এটি নির্বাহী বিভাগের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদ।
২. সংবিধান ও প্রশাসন:
- সংবিধান ও আইন: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৪ অনুচ্ছেদে অ্যাটর্নি জেনারেলের পদ সৃষ্টির বিধান ও তার কার্যাবলি সম্পর্কে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
- ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: রাষ্ট্রপতি কর্তৃক সুপ্রিম কোর্টের বিচারক হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন কোনো ব্যক্তিকে অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ প্রদান করা হয়।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আইনমন্ত্রী
ব্যাখ্যা: আইনমন্ত্রী সরকারের নির্বাহী বিভাগের একজন মন্ত্রী এবং আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়ায় মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করেন।
উদাহরণ ২: সুপ্রিম কোর্টের বিচারক
ব্যাখ্যা: বিচার বিভাগের সাথে যুক্ত বিচারকরা সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে বিচারকার্য পরিচালনা করেন এবং তারা নির্বাহী বিভাগের আওতাভুক্ত নন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় — এটি সরকার প্রধানের প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার দপ্তর, সরাসরি অ্যাটর্নি জেনারেলের অফিস এখানে অবস্থিত নয়।
B) বিচার বিভাগ — অ্যাটর্নি জেনারেল আদালতে সরকারের পক্ষে আইনি সহায়তা দিলেও তিনি বিচার বিভাগের অংশ নন।
D) মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ — এটি মন্ত্রিপরিষদের সচিবালয় ও নীতিনির্ধারণী সহায়তা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান, অ্যাটর্নি জেনারেল এই বিভাগের কর্মকর্তা নন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মনে রাখবে অ্যাটর্নি জেনারেল রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হন এবং সরকারের মামলা পরিচালনা করেন তাই তিনি নির্বাহী বিভাগের কর্মকর্তা।
- বিচার বিভাগ স্বাধীন হওয়ায় বিচারকদের সাথে অ্যাটর্নি জেনারেলের প্রশাসনিক বা কাঠামোগত কোনো সম্পর্ক নেই।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রশ্নটি সংবিধানের ৬৪ অনুচ্ছেদ এবং রাষ্ট্রের নির্বাহী বিভাগ ও বিচার বিভাগের পার্থক্যের ওপর ভিত্তি করে করা হয়।
- একই বিষয় থেকে বিসিএস পরীক্ষায় অনুচ্ছেদ বা নিয়োগকর্তা সম্পর্কে প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: A) গারো
১. কেন সঠিক:
গারো জাতিগোষ্ঠীর সমাজব্যবস্থা মাতৃপ্রধান, যেখানে বংশ ও সম্পত্তি মায়ের দিক থেকে উত্তরাধিকারসূত্রে নির্ধারিত হয়। এই সমাজে মাতৃতান্ত্রিক পরিবার প্রথার কারণে নারীরা পরিবারের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে ভূমিকা পালন করেন।
২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য:
ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: গারো সমাজের এই মাতৃপ্রধান ব্যবস্থা তাদের প্রাচীন প্রথা ও সংস্কৃতির একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে শতাব্দী ধরে চলে আসছে।
তাৎপর্য ও ফলাফল: এই ব্যবস্থায় পরিবারের প্রধান বা কতৃত্বের অধিকারী হন মাতা এবং সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হন ছোট মেয়ে।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: খাসিয়া সমাজ
ব্যাখ্যা: গারোদের পাশাপাশি বাংলাদেশের খাসিয়া ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীও মাতৃপ্রধান পরিবার ব্যবস্থার অনুসারী।
উদাহরণ ২: মারমা সমাজ
ব্যাখ্যা: মারমা সমাজ ব্যবস্থা মূলত পিতৃতান্ত্রিক, যা গারোদের মাতৃপ্রধান সমাজের বিপরীত একটি উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গারো — এই অপশনটি সঠিক কারণ গারো সমাজে মাতৃপ্রধান পরিবার ব্যবস্থা প্রচলিত রয়েছে।
B) সাওতাল — সাওতাল সমাজব্যবস্থা পিতৃতান্ত্রিক এবং এখানে পুরুষরা পরিবারের প্রধান হয়ে থাকেন।
C) মনিপুরি — মনিপুরি সমাজব্যবস্থাও মূলত পিতৃতান্ত্রিক ধারায় পরিচালিত হয়।
D) চাকমা — চাকমা সমাজে পিতৃতান্ত্রিক পরিবার ব্যবস্থা বিদ্যমান এবং সম্পত্তির উত্তরাধিকারী সাধারণত ছেলেরা হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
গারোদের মাতৃপ্রধান সমাজ মনে রাখার সহজ উপায় হলো গারো শব্দের প্রথম অক্ষর গ এবং মাতৃপ্রধান কথার শুরু ম দিয়ে, যা গ-ম অর্থাৎ গড় মিল নেই এমন ব্যতিক্রমী প্রথা হিসেবে মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপজাতি বা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সামাজিক ব্যবস্থা থেকে প্রায়ই আসে। একই বিষয় থেকে খাসিয়াদের সমাজব্যবস্থা সম্পর্কেও প্রশ্ন হতে পারে।
সঠিক উত্তর: A) ২৫
১. কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতির অন্তর্গত ২৫ অনুচ্ছেদে পররাষ্ট্র নীতি সংক্রান্ত নির্দেশনা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
- এই অনুচ্ছেদে আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে সমতা, সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধা, বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান এবং সাম্রাজ্যবাদ ও বর্ণবাদ বিরোধিতার কথা বলা হয়েছে।
২. সংবিধান ও আইন:
- সংবিধানের ২৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্র আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শক্তি প্রয়োগ বর্জন করবে।
- এই অনুচ্ছেদটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বিখ্যাত ঘোষণা সবার সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে বৈরিতা নয় নীতির সাংবিধানিক রূপ।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জাতিসংঘ শান্তি মিশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ।
ব্যাখ্যা: সংবিধানের ২৫ অনুচ্ছেদের নির্দেশনার আলোকেই বাংলাদেশ বিশ্বশান্তি রক্ষায় সবচেয়ে বেশি সেনা ও পুলিশ প্রেরণকারী দেশগুলোর অন্যতম।
উদাহরণ ২: মিয়ানমারের বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের আশ্রয় প্রদান।
ব্যাখ্যা: মানবতা ও আঞ্চলিক শান্তির প্রতি অঙ্গীকার থেকে বাংলাদেশ এই কূটনৈতিক ও মানবিক ভূমিকা পালন করেছে, যা পররাষ্ট্র নীতিরই বহিঃপ্রকাশ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২৫ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই অনুচ্ছেদেই বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতির মূল ভিত্তি ও নির্দেশনার কথা বলা হয়েছে।
B) ২৬ — এই অনুচ্ছেদে মৌলিক অধিকারের সাথে অসংগত আইন সম্পর্কে বলা হয়েছে, যা বলবৎ হওয়ার পর থেকে বাতিল হবে।
সি ২৭ — এই অনুচ্ছেদে আইনের দৃষ্টিতে সমতার কথা বলা হয়েছে, যেখানে সব নাগরিক আইনের চোখে সমান এবং সমান সুরক্ষার অধিকারী।
ডি ২৮ — এই অনুচ্ছেদে ধর্ম, বর্ণ বা লিঙ্গের কারণে বৈষম্যহীনতার কথা বলা হয়েছে, যা নাগরিকদের মৌলিক অধিকারের সাথে সম্পর্কিত।
৫ মনে রাখার টিপস:
- পররাষ্ট্র নীতি মানে দেশের বাইরে বন্ধুত্বের নীতি, আর পঁচিশ (২৫) সংখ্যাটি আমাদের পররাষ্ট্র নীতির সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
- মৌলিক অধিকার শুরু হয় ২৬ অনুচ্ছেদ থেকে, আর তার ঠিক আগের অনুচ্ছেদ তথা ২৫ অনুচ্ছেদ দিয়েই পররাষ্ট্র নীতি নির্ধারিত হয়েছে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগের রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিগুলো থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- সবার সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে বৈরিতা নয় নীতিটি বাংলাদেশের কোন অনুচ্ছেদের সাথে সম্পর্কিত, এই আদলে প্রশ্নটি ঘুরে আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: D) মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ
প্রদত্ত তথ্য:
বিশ্বকাপ ক্রিকেট ২০২৩ অনুষ্ঠিত হয়
বাংলাদেশ দলের অংশগ্রহণ এবং ম্যাচ খেলা সম্পন্ন হয়
ধরি,
দলের মোট রান সংগ্রাহকদের তালিকা প্রস্তুত করা হয়
প্রতিটি খেলোয়াড়ের ব্যক্তিগত রান হিসাব করা হয়
অতএব,
মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ টুর্নামেন্টে ৩২৮ রান করেন
অন্যান্য ব্যাটারদের রান এর চেয়ে কম ছিল
সুতরাং,
দলের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হিসেবে তিনি শীর্ষে থাকেন
উত্তর: মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ
সঠিক উত্তর: C) সাংগ্রাই
১. কেন সঠিক:
মারমারা বৈসাবি উৎসবের অংশ হিসেবে সাংগ্রাই উৎসব পালন করে থাকে। এটি তাদের প্রধান সামাজিক ও ধর্মীয় উৎসব যা সাধারণত বাংলা নববর্ষের সময় উদযাপিত হয়।
২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য:
সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য: বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীগুলোর মধ্যে মারমা সম্প্রদায় অন্যতম প্রধান। তাদের সংস্কৃতি ও লোকজীবন দেশের বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চাকমাদের বিজু উৎসব।
ব্যাখ্যা: চাকমারা তাদের প্রধান উৎসব হিসেবে বিজু পালন করে যা বৈসাবির প্রথম অংশ।
উদাহরণ ২: ত্রিপুরীদের বাইশু উৎসব।
ব্যাখ্যা: ত্রিপুরীরা তাদের প্রধান উৎসব হিসেবে বাইশু পালন করে যা বৈসাবি উদযাপনের একটি অংশ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিজু — এটি মারমাদের প্রধান উৎসব নয়, এটি চাকমা সম্প্রদায়ের প্রধান সামাজিক উৎসব।
B) রাশ — এটি মূলত সনাতন ধর্মাবলম্বীদের রাসপূর্ণিমা উৎসব যা মারমাদের প্রধান উৎসবের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
C) সাংগ্রাই — এটি মারমাদের সবচেয়ে বড় এবং প্রধান উৎসব।
D) বাইশু — এটি ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের প্রধান উৎসব, মারমাদের নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
বৈসাবি শব্দের প্রথম অংশগুলো বিভিন্ন জাতির উৎসব নির্দেশ করে। যেমন মারমার ক্ষেত্রে সাংগ্রাই উৎসব যুক্ত থাকে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর উৎসবের নাম প্রায়ই আসে। তাই মারমা সম্প্রদায়ের সাংগ্রাই এবং চাকমা সম্প্রদায়ের বিজু উৎসব ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) মূল্য সংযোজন কর
১. কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কর রাজস্ব আয়ের প্রধান উৎস হলো মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট।
- দেশের ভেতরে উৎপাদিত পণ্য, সেবা প্রদান এবং আমদানিকৃত পণ্যের ওপর এই পরোক্ষ কর ধার্য করা হয় বলে এর পরিধি সবচেয়ে বেশি।
২. অর্থনীতি, শিল্প ও উন্নয়ন:
- রাজস্ব আদায়: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড পরিচালিত কর ব্যবস্থার মধ্যে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে সংগৃহীত আয়ের একটি বিশাল অংশ ভ্যাট খাত থেকে আসে।
- পরোক্ষ কর: এটি একটি পরোক্ষ কর হওয়ায় ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে সবাই নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ক্রয়ের সময় পরিশোধ করে থাকে।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নিত্যপণ্য ও সেবা
ব্যাখ্যা: সুপারশপ থেকে কেনাকাটা করা বা রেস্তোরাঁয় খাবার খাওয়ার সময় ভ্যাট দিতে হয়, যা সরকারি কোষাগারে জমা হয়।
উদাহরণ ২: আমদানিকৃত পণ্য
ব্যাখ্যা: বিদেশ থেকে কোনো পণ্য আমদানির সময় শুল্কের পাশাপাশি মূল্য সংযোজন কর পরিশোধ করতে হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভূমি রাজস্ব — এটি ভূমি ব্যবস্থাপনা ও ভূমি উন্নয়ন কর সংক্রান্ত আয়, যা সরকারের রাজস্ব আয়ের একটি ক্ষুদ্র অংশ মাত্র।
B) মূল্য সংযোজন কর — এটি সঠিক উত্তর।
C) আয়কর — এটি প্রত্যক্ষ করের প্রধান উৎস হলেও সামগ্রिक রাজস্ব আয়ে ভ্যাটের তুলনায় এর পরিমাণ কিছুটা কম হয়।
D) আমদানি শুল্ক — এটি বৈদেশিক বাণিজ্যের ওপর অর্পিত কর, যা মোট রাজস্ব আয়ে ভ্যাটের চেয়ে কম অবদান রাখে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মনে রাখবে, বাজারে কেনাকাটা করার সময় আমরা যে ভ্যাট দিই, সেটাই সরকারের আয়ের সবচেয়ে বড় উৎস।
- সংক্ষেপে याद রাখবে: ভ্যাট হলো জাতীয় আয়ের ভাণ্ডারের চাবিকাঠি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কোন মন্ত্রণালয়ের অধীন, তা জেনে রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য জরুরি।
- এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক জব পরীক্ষায় প্রায়ই ঘুরিয়ে আসে।
সঠিক উত্তর: C) বাণিজ্য
১. কেন সঠিক:
- ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ অর্থাৎ টিসিবি দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য স্থিতিশীল রাখতে এবং ন্যায্যমূল্যে পণ্য সরবরাহ করতে কাজ করে থাকে।
- বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সার্বিক নিয়ন্ত্রণ ও নির্দেশনায় এই রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানটি জরুরি আমদানিসহ বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক বিপণন কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে।
২. প্রশাসন ও বাণিজ্য বিষয়ক তথ্য:
- প্রাতিষ্ঠানিক পরিচয়: টিসিবি মূলত বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি সরকারি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান যা ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- প্রশাসনিক কাঠামো: মন্ত্রণালয়ের নীতিমালা অনুসারে এই সংস্থাটি টিসিবি আইন বা সংশ্লিষ্ট অধ্যাদেশের মাধ্যমে সরকারি ভর্তুকিযুক্ত পণ্য সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাংলাদেশ ট্রেডিং কর্পোরেশন
ব্যাখ্যা: টিসিবি মূলত ট্রাকের মাধ্যমে তেল, চিনি, মসুর ডাল ও পেঁয়াজ সাশ্রয়ী মূল্যে বিক্রি করে যা বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রত্যক্ষ নির্দেশনায় পরিচালিত হয়।
উদাহরণ ২: টিসিবি স্মার্ট কার্ড
ব্যাখ্যা: বর্তমান সময়ে স্বচ্ছতার সাথে পরিবারের মাঝে ন্যায্যমূল্যের পণ্য বিতরণের জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এই ডিজিটাল তালিকা প্রণয়ন করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পরিকল্পনা — পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় দেশের পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা, অর্থনৈতিক নীতি প্রণয়ন ও বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বা এডিপি বাস্তবায়ন করে থাকে, তাই এটি সঠিক নয়।
B) শিল্প — শিল্প মন্ত্রণালয় রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল, চিনি কল এবং ভারী শিল্প কারখানাগুলোর দেখভাল করে, যা বাণিজ্য সংস্থার প্রশাসনিক আওতাভুক্ত নয়।
C) বাণিজ্য — এই অপশনটি সঠিক কারণ টিসিবি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সরাসরি অধীনস্থ একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য ও বিপণন সংস্থা।
D) অর্থ — অর্থ মন্ত্রণালয় দেশের বাজেট প্রণয়ন, রাজস্ব নীতি ও ব্যাংক খাতের নিয়ন্ত্রণ করলেও টিসিবির মতো বাণিজ্যিক সংস্থা এর সরাসরি নিয়ন্ত্রণে থাকে না।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ব্যবসা, বাণিজ্য ও বিপণন সম্পর্কিত যেকোনো রাষ্ট্রায়ত্ত ট্রেডিং সংস্থা সাধারণত বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আওতাভুক্ত হয়ে থাকে।
- টিসিবি নামটির সাথে বাণিজ্যের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে বলে এটি সহজেই বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন বলে মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের নিয়ন্ত্রণকারী মন্ত্রণালয় প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়।
- টিসিবির পাশাপাশি একই মন্ত্রণালয়ের অধীন অন্যান্য অধিদপ্তর যেমন রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো সম্পর্কেও ধারণা রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) বরিশাল
১. কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো এর জনশুমারি ও গৃহগণনা অনুযায়ী বরিশাল বিভাগে জনসংখ্যার ঘনত্ব অন্যান্য বিভাগের তুলনায় সবচেয়ে কম।
- ভৌগোলিক বিস্তৃতি এবং নদীমাতৃক ভূপ্রকৃতির কারণে এই অঞ্চলে জনবসতির ঘনত্ব তুলনামূলকভাবে কম গড়ে উঠেছে।
২. জনমিতি ও ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য:
- ভৌগোলিক অবস্থান: বরিশাল বিভাগ দেশের দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত এবং এটি বহু নদী ও খালের জালের মতো বিস্তৃত একটি বদ্বীপ অঞ্চল।
- জনমিতি: কম জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রমাণ করে যে এখানকার অর্থনৈতিক কার্যক্রম এবং শহরায়নের হার অন্যান্য বড় বিভাগের চেয়ে ভিন্ন।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ঢাকা বিভাগ
ব্যাখ্যা: ঢাকা বিভাগে দেশের জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি কারণ এখানে রাজধানী ঢাকা অবস্থিত এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ বেশি।
উদাহরণ ২: চট্টগ্রাম বিভাগ
ব্যাখ্যা: চট্টগ্রাম বিভাগেও জনসংখ্যার ঘনত্ব বেশ ভালো, যা পাহাড়ি অঞ্চল ও বন্দরনগরীর অর্থনৈতিক কার্যক্রমের সাথে সম্পর্কিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সিলেট — সিলেট বিভাগে চা বাগান ও পাহাড়ি অঞ্চলের কারণে সামগ্রিক জনসংখ্যা এবং ঘনত্ব তুলনামূলকভাবে কম হলেও এটি সর্বনিম্ন নয়।
B) খুলনা — খুলনা বিভাগের আয়তন বড় এবং সুন্দরবন অঞ্চলের কারণে এখানেও জনসংখ্যার ঘনত্ব বরিশালের চেয়ে বেশি।
C) বরিশাল — এটি সঠিক উত্তর কারণ জনশুমারির তথ্য অনুযায়ী এখানে জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম।
D) চট্টগ্রাম — চট্টগ্রাম একটি জনবহুল বিভাগ এবং এর পাহাড়ি ও সমতল অঞ্চলে জনবসতি বেশ ঘন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বরিশালের নদী ও খালের আধিক্যের কারণে জনবসতি বিক্ষিপ্ত, তাই এটি মনে রাখবে কম ঘনত্বের বিভাগ হিসেবে।
- ঢাকা হলো সর্বোচ্চ ঘনত্বের এবং বরিশাল হলো সর্বনিম্ন ঘনত্বের বিভাগ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জনশুমারি থেকে প্রায়শই জনমিতি ও জনসংখ্যার ঘনত্ব সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে।
- বিভাগভিত্তিক জনসংখ্যার সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন ঘনত্ব ভালোভাবে মনে রাখা আবশ্যক।
সঠিক উত্তর: A) সিলেট ও চট্টগ্রাম
১. কেন সঠিক:
হরিকেল প্রাচীন বাংলার একটি অন্যতম প্রধান জনপদ। বর্তমান ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী বৃহত্তর সিলেট এবং চট্টগ্রাম অঞ্চল নিয়ে প্রাচীন হরিকেল জনপদ গঠিত হয়েছিল।
২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য:
ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: প্রাচীন বাংলার বিভিন্ন অঞ্চল জনপদ নামে পরিচিত ছিল এবং হরিকেল ছিল তার মধ্যে অন্যতম। সপ্তম ও অষ্টম শতাব্দীতে বিভিন্ন শিলালিপি ও মুদ্রায় হরিকেল জনপদের উল্লেখ পাওয়া যায়।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পুণ্ড্র জনপদ।
ব্যাখ্যা: এটি প্রাচীন বাংলার আরেকটি জনপদ যার বর্তমান অবস্থান রাজশাহী ও বগুড়া অঞ্চলে।
উদাহরণ ২: সমতট জনপদ।
ব্যাখ্যা: এটি প্রাচীন বাংলার বর্তমান কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চল নিয়ে গঠিত ছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সিলেট ও চট্টগ্রাম — এটি সঠিক উত্তর কারণ প্রাচীন হরিকেল জনপদের ভৌগোলিক পরিধি এই অঞ্চলগুলোর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত ছিল।
B) ঢাকা ও ময়মনসিংহ — এটি ভুল কারণ প্রাচীনকালে এই অঞ্চলটি বঙ্গ জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিল।
C) কুমিল্লা ও নোয়াখালী — এটি ভুল কারণ এই অঞ্চলটি প্রাচীন সমতট জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিল।
D) রাজশাহী ও রংপুর — এটি ভুল কারণ এই অঞ্চলটি প্রাচীন পুণ্ড্র ও বরেন্দ্র জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিল।
৫ মনে রাখার টিপস:
হরিকেল জনপদের নাম মনে রাখতে 'হরি' শব্দের সাথে সিলেটের চা বাগান বা পাহাড় ঘেরা চট্টগ্রাম অঞ্চলের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের তুলনা করতে পারো। প্রাচীন জনপদগুলো গুলিয়ে ফেলা থেকে বাঁচতে বর্তমান জেলার সাথে মিলিয়ে পড়বে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রাচীন বাংলার জনপদ থেকে বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। কোন জনপদের বর্তমান অবস্থান কোথায়, তা ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্র
প্রদত্ত তথ্য:
১৯৬৬ সালের ঐতিহাসিক ছয় দফা দাবি
পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসন অর্জনের প্রস্তাব
ধরি,
সকল ক্ষমতা প্রাদেশিক সরকারের অধীনে থাকবে
অতএব,
আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য প্রতিরক্ষা প্রয়োজন
আন্তর্জাতিক সম্পর্কের জন্য পররাষ্ট্র প্রয়োজন
সুতরাং,
এই দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় কেন্দ্রের হাতে রাখা হয়
উত্তর: প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্র
সঠিক উত্তর: C) মাহবুব উদ্দিন আহমেদ
১. কেন সঠিক:
মাহবুব উদ্দিন আহমেদ ১৯৭১ সালে ঝিনাইদহের মহকুমা প্রশাসক বা এসডিও হিসেবে কর্মরত ছিলেন এবং মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে তিনি পুলিশ বাহিনীর মাধ্যমে বিদ্রোহ করে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন।
মুজিবনগর সরকার গঠিত হওয়ার পর ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলার আম্রকান্দা নামক স্থানে এই সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে তাকে গার্ড অব অনার প্রদানের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।
২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য:
ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল স্বাধীন বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকার বা মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় এবং ১৭ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণ করে।
তারিখ ও স্থান: ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ সালে বর্তমান মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলায় (তৎকালীন কুষ্টিয়া মহকুমা) এই শপথ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।
ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: মাহবুব উদ্দিন আহমেদ তৎকালীন পুলিশ কর্মকর্তা ও বীর বিক্রম খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা যিনি এই ঐতিহাসিক অনুষ্ঠানে প্যারেডের নেতৃত্ব দেন।
তাৎপর্য ও ফলাফল: এই গার্ড অব অনারের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকারকে সশস্ত্র সালাম জানানো হয় যা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশের বার্তা দেয়।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলার নাম পরিবর্তন করে মুজিবনগর রাখা হয়।
ব্যাখ্যা: এই স্থানটিকে স্মরণীয় করে রাখতে এবং সরকারের স্মারক হিসেবে বৈদ্যনাথতলাকে মুজিবনগর নামে নামকরণ করা হয়।
উদাহরণ ২: মুজিবনগর সরকারের প্রথম রাষ্ট্রপতি ছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
ব্যাখ্যা: এই সরকার গঠনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের আইনগত ও প্রশাসনিক ভিত্তি শক্ত হয়েছিল এবং বঙ্গবন্ধুর অনুপস্থিতিতে সৈয়দ নজরুল ইসলাম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মোহাম্মদ সোলায়মান — ইনি মুজিবনগর সরকারের গার্ড অব অনারের নেতৃত্ব দেননি এবং তিনি অন্য কোনো ঐতিহাসিক ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি।
B) আব্দুল খালেক — ইনি এই ঐতিহাসিক গার্ড অব অনার প্রদান অনুষ্ঠানে নেতৃত্ব দেওয়ার দায়িত্বে ছিলেন না।
D) শৈলেন্দ্র কিশোর চৌধুরী — ইনি মুজিবনগর সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে প্যারেড বা গার্ড অব অনার পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না।
৫ মনে রাখার টিপস:
মুজিবনগর সরকারের গার্ড অব অনার কে দিয়েছিলেন তা মনে রাখতে নামের প্রথম অংশ মনে রাখতে পারেন, মাহবুব মানে যার দ্বারা মহৎ কিছু হয় এবং তিনি মহকুমা প্রশাসক ছিলেন।
১৭ এপ্রিল ১৯৭১ সালের এই প্যারেড পরিচালনার বিষয়টি বিসিএস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি তথ্য।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
এই প্রশ্নটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ এবং মুজিবনগর সরকারের কাঠামোর সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত।
একই বিষয় থেকে অন্য প্রশ্ন আসতে পারে যেমন মুজিবনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন বা শপথবাক্য কে পাঠ করিয়েছিলেন।
সঠিক উত্তর: A) আফগানিস্তান
১. কেন সঠিক:
- বৈশ্বিক সন্ত্রাসবাদ সূচক বা গ্লোবাল টেররিজম ইনডেক্স ২০২৩ অনুযায়ী আফগানিস্তান টানা চতুর্থবারের মতো বিশ্বের সবচেয়ে বেশি সন্ত্রাসবাদের ঝুঁকির মধ্যে থাকা দেশ হিসেবে শীর্ষস্থান অর্জন করেছে।
- এই সূচকে মূলত গত কয়েক বছরে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের তীব্রতা, প্রাণহানির সংখ্যা এবং এর সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রভাব বিশ্লেষণ করে একটি দেশের ঝুঁকির মাত্রা নির্ধারণ করা হয়।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
- দেশ বা সূচক: বৈশ্বিক সন্ত্রাসবাদ সূচক বা গ্লোবাল টেররিজম ইনডেক্স একটি আন্তর্জাতিক প্রতিবেদন যা প্রতি বছর প্রকাশ করা হয়।
- প্রকাশনা সংস্থা: এটি প্রকাশ করে থাকে ইনস্টিটিউট ফর ইকোনমিকস অ্যান্ড পিস বা আইইপি নামক আন্তর্জাতিক গবেষণা সংস্থা।
- সদর দপ্তর: এই সংস্থার প্রধান কার্যালয় অস্ট্রেলিয়ার সিডনি শহরে অবস্থিত এবং এর একটি শাখা অফিস মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে রয়েছে।
- উদ্দেশ্য ও গুরুত্ব: বিশ্বজুড়ে সন্ত্রাসবাদের গতিপ্রকৃতি, পরিবর্তনশীল প্রবণতা এবং এর অর্থনৈতিক ব্যয় মূল্যায়ন করা এই সূচকের প্রধান উদ্দেশ্য।
- ফলাফল ও প্রভাব: এই সূচকটি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে সন্ত্রাস দমনের কৌশল নির্ধারণ এবং সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য দিকনির্দেশনা প্রদান করে।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বুরকিনা ফাসো
ব্যাখ্যা: এই সূচকে আফগানিস্তানের পরেই দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে আফ্রিকার দেশ বুরকিনা ফাসো, যা সাব-সাহারান আফ্রিকা অঞ্চলে সন্ত্রাসবাদের ক্রমবর্ধমান কেন্দ্র হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।
উদাহরণ ২: পাকিস্তান
ব্যাখ্যা: দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলে আফগানিস্তানের প্রতিবেশী দেশ হিসেবে পাকিস্তানও সন্ত্রাসবাদের উচ্চ ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে, যা এই অঞ্চলের ভূরাজনীতিকে প্রভাবিত করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আফগানিস্তান — এটি সঠিক উত্তর কারণ ২০২১ সালে তালেবান ক্ষমতা দখলের পর দেশটিতে নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি ঘটে এবং বৈশ্বিক সন্ত্রাসবাদ সূচকে এটি শীর্ষস্থান ধরে রাখে।
B) মায়ানমার — এটি ভুল অপশন কারণ ২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর দেশটিতে অভ্যন্তরীণ সংঘাত বৃদ্ধি পেলেও এটি সন্ত্রাসবাদ সূচকে শীর্ষ অবস্থানে নেই।
C) পেরু — এটি ভুল অপশন কারণ দক্ষিণ আমেরিকার এই দেশটিতে অতীতে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের ইতিহাস থাকলেও বর্তমান সূচকে এটি শীর্ষ ঝুঁকিপূর্ণ দেশ নয়।
D) মালি — এটি ভুল অপশন কারণ আফ্রিকার সাহেল অঞ্চলে মালি সন্ত্রাসবাদের ঝুঁকিতে থাকলেও এটি ২০২৩ সালের সূচকে প্রথম স্থান অর্জন করেনি।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বৈশ্বিক সন্ত্রাসবাদ সূচকে শীর্ষ দেশ মনে রাখার সহজ উপায় হলো সংঘাতকবলিত আফগানিস্তানকে সবার আগে স্মরণ করা।
- আইইপি সংস্থাটি শান্তি সূচক এবং সন্ত্রাসবাদ সূচক উভয়ই প্রকাশ করে থাকে, তাই এই দুটি বিষয় গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- গ্লোবাল টেররিজম ইনডেক্স কোন সংস্থা প্রকাশ করে এবং এর সদর দপ্তর কোথায়, তা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- এই ধরনের প্রশ্ন থেকে সাম্প্রতিক বিশ্ব রাজনীতি, নিরাপত্তা সূচক এবং আন্তর্জাতিক গবেষণা সংস্থার কাজ সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।
সঠিক উত্তর: A) উদারবাদ
১. কেন সঠিক:
- উদারবাদ আন্তর্জাতিক সম্পর্কের এমন একটি তত্ত্ব যা রাষ্ট্রসমূহের পারস্পরিক সহযোগিতা, কূটনীতি এবং আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের কার্যকর ভূমিকার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করে।
- এই তত্ত্ব অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো বৈশ্বিক শান্তি বজায় রাখতে, বাণিজ্য বৃদ্ধি করতে এবং বিভিন্ন সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধানে অত্যন্ত ইতিবাচক ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
- তত্ত্বের নাম: উদারবাদ বা লিবারেলিজম
- প্রেক্ষাপট: প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর উড্রো উইলসনের আদর্শের ওপর ভিত্তি করে এই তত্ত্বের আধুনিক রূপ বিকশিত হয়।
- উদ্দেশ্য বা গুরুত্ব: আন্তর্জাতিক আইন, গণতন্ত্র ও কূটনীতির মাধ্যমে যুদ্ধের সম্ভাবনা কমিয়ে আনা এবং বৈশ্বিক কল্যাণ নিশ্চিত করা।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জাতিসংঘ
ব্যাখ্যা: জাতিসংঘ হলো উদারবাদী তত্ত্বের সবচেয়ে বড় প্রাতিষ্ঠানিক রূপ, যা বিশ্বশান্তি রক্ষায় কাজ করে।
উদাহরণ ২: বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা
ব্যাখ্যা: এটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের নিয়ম তৈরি করে উদারবাদী অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে এগিয়ে নেয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উদারবাদ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের কার্যকরী ভূমিকার বিষয়ে ইতিবাচক ধারণা প্রদান করে।
B) বাস্তববাদ — এই তত্ত্ব আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানে তেমন আস্থা রাখে না এবং শক্তি প্রয়োগ ও জাতীয় নিরাপত্তাকে প্রধান মনে করে।
C) মার্ক্সবাদ — এই তত্ত্ব আন্তর্জাতিক রাজনীতিকে মূলত পুঁজিবাদী শোষণ এবং শ্রেণির দ্বন্দ্বের দৃষ্টিতে মূল্যায়ন করে থাকে।
D) কোনোটিই নয় — যেহেতু উদারবাদ সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- উদারবাদ মানেই উদার মন নিয়ে সবাইকে নিয়ে একসাথে কাজ করা, যার প্রকাশ ঘটে আন্তর্জাতিক সংস্থায়।
- বাস্তববাদ মানে কঠোর বাস্তবতা এবং শক্তি, তাই এটি সংস্থাকে কম গুরুত্ব দেয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আন্তর্জাতিক সম্পর্কের তত্ত্ব থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- বাস্তববাদ ও উদারবাদের মূল পার্থক্যের ওপর ধারণা থাকলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজেই উত্তর করা যায়।
সঠিক উত্তর: D) আর্টিকেল ৫
১. কেন সঠিক:
উত্তর আটলান্টিক চুক্তির ৫ নম্বর ধারায় যৌথ নিরাপত্তার মূল নীতিটি স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
এই ধারা অনুযায়ী ন্যাটোর যেকোনো সদস্য দেশের ওপর সশস্ত্র আক্রমণ পুরো জোটের ওপর আক্রমণ বলে গণ্য করা হবে।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
সংস্থা: ন্যাটো বা উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা একটি সামরিক জোট।
প্রতিষ্ঠা: ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল ওয়াশিংটন ডি সি তে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
সদর দপ্তর: বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে এই জোটের প্রধান কার্যালয় অবস্থিত।
উদ্দেশ্য: যৌথ প্রতিরক্ষা নিশ্চিত করা এবং সদস্য দেশগুলোর স্বাধীনতা রক্ষা করা।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের টুইস্ট টাওয়ারে হামলার পর ন্যাটো প্রথমবার আর্টিকেল ৫ সক্রিয় করেছিল।
ব্যাখ্যা: এই ঘটনার মাধ্যমেই বোঝা যায় যে একটি দেশের ওপর হামলা পুরো জোটের ওপর হামলা হিসেবে বিবেচিত হয়।
উদাহরণ ২: ইউক্রেন যুদ্ধ এবং ন্যাটো সম্প্রসারণের বর্তমান প্রেক্ষাপট।
ব্যাখ্যা: এই সংকটের কারণে ন্যাটো চুক্তির যৌথ নিরাপত্তার বিষয়টি আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে অত্যন্ত আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আর্টিকেল ২ — এই ধারায় সদস্য দেশগুলোর অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদার করার কথা বলা হয়েছে।
এটি যৌথ নিরাপত্তার সামরিক ধারণার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
B) আর্টিকেল ৩ — এই ধারায় সদস্য দেশগুলোর নিজস্ব প্রতিরক্ষা সক্ষমতা অর্জনের কথা বলা হয়েছে।
এটি যৌথ আক্রমণের বিপরীতে একক প্রস্তুতির ওপর জোর দেয়।
C) আর্টিকেল ৪ — এই ধারায় কোনো সদস্য দেশের নিরাপত্তা বা আঞ্চলিক অখণ্ডতা হুমকির মুখে পড়লে যৌথ পরামর্শের কথা বলা হয়েছে।
এটি সরাসরি সামরিক আক্রমণের ফল বা যৌথ নিরাপত্তার চূড়ান্ত রূপ নয়।
D) আর্টিকেল ৫ — এটিই সঠিক উত্তর কারণ এতে যৌথ নিরাপত্তার চূড়ান্ত ও বাধ্যতামূলক সামরিক প্রতিক্রিয়ার কথা বলা হয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
পাঁচ আঙুল যেমন একত্রে একটি শক্তিশালী মুষ্টি তৈরি করে, তেমনি ন্যাটোর ৫ নম্বর ধারাটি সদস্য দেশগুলোকে একত্রে শক্তিশালী প্রতিরক্ষামূলক ঢাল তৈরি করতে শেখায়।
এই কৌশলটি মনে রাখলে আর্টিকেল ৫ এবং যৌথ নিরাপত্তার বিষয়টি কখনো ভুল হবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ন্যাটোর ধারা এবং প্রতিষ্ঠা সাল প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
একই বিষয় থেকে ন্যাটোর সদস্য সংখ্যা বা বর্তমান মহাসচিব কে সংক্রান্ত প্রশ্নও আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: B) ৩ বৎসর
১. কেন সঠিক:
আন্তর্জাতিক আদালতের (International Court of Justice) বিচারকদের মধ্য থেকে গোপন ব্যালটের মাধ্যমে একজন সভাপতি ও একজন সহ-সভাপতি নির্বাচিত হন।
তাদের এই পদের মেয়াদ ৩ বৎসর নির্ধারিত রয়েছে এবং মেয়াদ শেষ হওয়ার পর তারা পুনরায় নির্বাচিত হতে পারেন।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
সংস্থা: আন্তর্জাতিক আদালত বা আইসিজে (International Court of Justice - ICJ) জাতিসংঘর প্রধান বিচারিক অঙ্গ।
প্রতিষ্ঠা ও সদর দপ্তর: ১৯৪৫ সালে জাতিসংঘের সনদের মাধ্যমে এটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর সদর দপ্তর নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগ শহরে অবস্থিত।
সদস্য ও বিচারক: এতে মোট ১৫ জন বিচারক থাকেন যারা জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ও নিরাপত্তা পরিষদে আলাদাভাবে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার মাধ্যমে ৯ বৎসরের জন্য নির্বাচিত হন।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ
ব্যাখ্যা: এই সংস্থার অস্থায়ী সদস্যদের মেয়াদ ২ বৎসর, যা প্রায়ই আন্তর্জাতিক আদালতের বিভিন্ন পদের মেয়াদকালের সঙ্গে পরীক্ষার্থীদের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে।
উদাহরণ ২: জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ
ব্যাখ্যা: এর সভাপতির মেয়াদ ১ বৎসর, যা আন্তর্জাতিক সংস্থার বিভিন্ন পদের মেয়াদ তুলনামূলকভাবে বুঝতে সাহায্য করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২ বৎসর — এটি আন্তর্জাতিক আদালতের বিচারকদের বা সভাপতির মেয়াদ নয়, তবে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্যদের মেয়াদকাল ২ বৎসর।
B) ৩ বৎসর — এটি আন্তর্জাতিক আদালতের সভাপতি ও সহ-পতির পদের নির্ধারিত মেয়াদকাল এবং এটিই সঠিক উত্তর।
C) ৬ বৎসর — এটি আন্তর্জাতিক আদালতের বিচারকদের সামগ্রिक ৯ বৎসরের মেয়াদের অংশ নয়, তবে জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের (ECOSOC) কিছু সদস্যের মেয়াদকাল ৩ বৎসর।
D) ৯ বৎসর — এটি আন্তর্জাতিক আদালতের ১৫ জন বিচারকের পূর্ণাঙ্গ পদের মেয়াদকাল, কিন্তু সভাপতির মেয়াদ এর চেয়ে কম অর্থাৎ ৩ বৎসর।
৫ মনে রাখার টিপস:
আন্তর্জাতিক আদালতের বিচারকরা দীর্ঘ ৯ বৎসরের জন্য নির্বাচিত হন, কিন্তু তাদের মধ্য থেকে যে সভাপতি ও সহ-সভাপতি নির্বাচিত হন, তারা তুলনামূলক কম সময় অর্থাৎ ৩ বৎসরের জন্য দায়িত্ব পালন করেন।
বিচারকের মেয়াদ ৯ এবং সভাপতির মেয়াদ ৩, এই সংখ্যা দুটি মনে রাখলেই বিভ্রান্তি দূর হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
আন্তর্জাতিক আদালত জাতিসংঘের একমাত্র অঙ্গসংস্থা যার সদর দপ্তর নিউইয়র্কে অবস্থিত নয়, বরং নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগে শান্তি প্রাসাদে অবস্থিত।
এই প্রশ্নটি থেকে বিচারকদের মেয়াদ ৯ বৎসর এবং সভাপতির মেয়াদ ৩ বৎসর সংক্রান্ত এমসিকিউ প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
সঠিক উত্তর: B) পরিবেশবাদী আন্দোলন
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরটি পরিবেশবাদী আন্দোলন কারণ এটি বিশ্বজুড়ে জলবায়ু পরিবর্তন রোধ ও কার্বন নিঃসরণ কমানোর দাবিতে গড়ে ওঠা একটি বৈশ্বিক তরুণ আন্দোলন।
- সুইডিশ পরিবেশকর্মী গ্রেটা থানবার্গ ২০১৮ সালে সুইডিশ পার্লামেন্টের সামনে একা প্রতিবাদ শুরু করার মাধ্যমে এই আন্দোলনের সূচনা করেন।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
- প্রেক্ষাপট: ২০১৮ সালে জাতিসংঘের জলবায়ু সম্মেলন বা কপ চব্বিশ এর সময় গ্রেটা থানবার্গ স্কুল বর্জন করে জলবায়ু রক্ষার দাবি জানান।
- উদ্দেশ্য/গুরুত্ব: বিশ্বনেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করা এবং তরুণ প্রজন্মের ভবিষ্যৎ সুরক্ষায় অবিলম্বে কার্যকর নীতি গ্রহণ করা।
- ফলাফল/প্রভাব: প্রতি শুক্রবার স্কুল ও ক্লাস বর্জন করে রাজপথে নামার মাধ্যমে আন্দোলনটি ফ্রাইডেজ ফর ফিউচার নামে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গ্রেটা থানবার্গ
ব্যাখ্যা: এই তরুণ পরিবেশকর্মী এই আন্দোলনের মূল প্রবক্তা এবং বিশ্বজুড়ে যুবসমাজকে জলবায়ু সচেতনতায় উদ্বুদ্ধ করার প্রতীক।
উদাহরণ ২: কপ ছাব্বিশ বা গ্লাসগো জলবায়ু সম্মেলন
ব্যাখ্যা: এই ধরনের আন্তর্জাতিক সম্মেলনে যুবসমাজ তাদের দাবি জোরালোভাবে তুলে ধরে এবং পরিবেশবাদী আন্দোলনের গুরুত্ব বিশ্বমঞ্চে প্রতিষ্ঠিত করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ধর্মীয় আন্দোলন — এটি কোনো ধর্মীয় বা আধ্যাত্মিক কর্মকাণ্ড বা মতাদর্শ প্রচারের উদ্দেশ্যে গঠিত কোনো আন্দোলন নয়।
B) পরিবেশবাদী আন্দোলন — এটি সঠিক কারণ এই আন্দোলনটি সম্পূর্ণভাবে জলবায়ু সংকট ও পরিবেশ সুরক্ষার সঙ্গে যুক্ত।
C) শান্তিবাদী আন্দোলন — এটি যুদ্ধবিরতি বা সামরিক সংঘাত বন্ধের জন্য গঠিত কোনো ঐতিহ্যগত শান্তি আন্দোলন নয়।
D) গণতান্ত্রিক আন্দোলন — এটি কোনো দেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থা পরিবর্তন বা ভোটাধিকার আদায়ের সংগ্রামের সঙ্গে যুক্ত নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ফ্রাইডে মানে শুক্রবার এবং ফিউচার মানে ভবিষ্যৎ, অর্থাৎ ভবিষ্যতের পৃথিবী বাঁচাতে সপ্তাহের এক দিন শুক্রবার স্কুল বর্জনের পরিবেশ আন্দোলন।
- গ্রেটা থানবার্গের নাম এবং পরিবেশ রক্ষা এই দুটি শব্দ মনে রাখলেই আন্দোলনটি চিহ্নিত করা সহজ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিশ্ব পরিবেশ আন্দোলন এবং এর সূচনাকারী সম্পর্কে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- এই প্রশ্নটি থেকে গ্রেটা থানবার্গ এবং ফ্রাইডেজ ফর ফিউচার আন্দোলন কোন দেশের বা কার সঙ্গে সম্পর্কিত, তা ভালোভাবে জেনে রাখা উচিত।
সঠিক উত্তর: A) কার্টাগেনা প্রটোকল
১. কেন সঠিক:
জৈব নিরাপত্তা বা Biosafety বিষয়টি মূলত জীবপ্রযুক্তির ফলে উদ্ভূত সম্ভাব্য ঝুঁকি থেকে জীববৈচিত্র্য ও মানবস্বাস্থ্য রক্ষা করার সঙ্গে সম্পর্কিত।
Convention on Biological Diversity বা জীববৈচিত্র্য সনদের অধীনে এই নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য কার্টাগেনা প্রটোকল গ্রহণ করা হয়।
২. আন্তর্জাতিক চুক্তি ও প্রটোকল:
চুক্তি বা সম্মেলনের নাম: কার্টাগেনা প্রটোকল অন বায়োসেফটি।
তারিখ ও স্থান: ২০০০ সালের ২৯ জানুয়ারি কানাডার মন্ট্রিলে এটি চূড়ান্ত হয় এবং ২০০৩ সালের ১১ সেপ্টেম্বর কার্যকর হয়।
সংশ্লিষ্ট সংস্থা: কনভেনশন অন বায়োলজিক্যাল ডাইভারসিটি বা সিবিডি।
প্রধান উদ্দেশ্য ও সিদ্ধান্ত: জিন পরিবর্তিত জীব বা এলএমও এক দেশ থেকে অন্য দেশে স্থানান্তরের সময় পরিবেশ ও মানবস্বাস্থ্যের ওপর যেন ক্ষতিকর প্রভাব না পড়ে, তা নিশ্চিত করা।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাংলাদেশ কার্টাগেনা প্রটোকলে স্বাক্ষরকারী একটি দেশ।
ব্যাখ্যা: বাংলাদেশ জীববৈচিত্র্য রক্ষা ও আমদানিকৃত জিন পরিবর্তিত ফসলের ক্ষেত্রে এই প্রটোকলের নীতিমালা অনুসরণ করে।
উদাহরণ ২: জিন পরিবর্তিত খাদ্য বা জীব আমদানির ক্ষেত্রে পরিবেশগত ছাড়পত্র।
ব্যাখ্যা: এটি পরীক্ষার্থীকে বুঝতে সাহায্য করে যে জৈব নিরাপত্তা কেবল গবেষণাগারের বিষয় নয়, এটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের সঙ্গেও জড়িত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কার্টাগেনা প্রটোকল — এটি জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক চুক্তি হওয়ায় সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।
B) মন্ট্রিল প্রটোকল — এটি বায়ুমণ্ডলের ওজনস্তর ক্ষয়কারী উপাদানগুলোর ব্যবহার হ্রাসের সঙ্গে সম্পর্কিত পরিবেশগত চুক্তি।
C) কিয়াটো প্রটোকল — এটি শিল্পোন্নত দেশগুলোর গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমানোর লক্ষ্যে স্বাক্ষরিত জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক চুক্তি।
D) প্যারিস চুক্তি — এটি বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি শিল্পযুগের আগের তুলনায় দুই ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে সীমিত রাখার আন্তর্জাতিক চুক্তি।
৫. মনে রাখার টিপস:
জীববৈচিত্র্য বা জৈব নিরাপত্তার সঙ্গে কার্টাগেনা শব্দটি যুক্ত করার জন্য মনে রাখতে পারেন যে জীববৈচিত্র্যের দেশ হিসেবে লাতিন আমেরিকার দেশগুলোর প্রসঙ্গ এলে কার্টাগেনা নামটির কথা সহজে মনে রাখা যায়।
ওজনস্তর বললে মন্ট্রিল এবং গ্রিনহাউস গ্যাস বা জলবায়ু বললে কিয়াটো প্রটোকল মনে রাখবেন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কার্টাগেনা প্রটোকল কত সালে কার্যকর হয়, এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে।
একই বিষয় থেকে প্রটোকলটি কোন সনদের অধীনে গৃহੀত হয়েছে বা এর মূল আলোচ্য বিষয় কী, সে ধরনের প্রশ্নও আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: B) মানসম্মত শিক্ষা
১. কেন সঠিক:
- টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার চতুর্থ লক্ষ্যটি সবার জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সমতাভিত্তিক মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা এবং জীবনব্যাপী শিক্ষার সুযোগ তৈরি করার ওপর জোর দেয়।
- জাতিসংঘ ২০১৫ সালে এমডিজি বা সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার উত্তরসূরি হিসেবে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বা এসডিজি গ্রহণ করে।
২. আন্তর্জাতিক সংস্থা ও প্রেক্ষাপট:
- সংস্থা: জাতিসংঘ বা ইউএন।
- প্রতিষ্ঠা: ২৪ অক্টোবর ১৯৪৫ সাল।
- সদর দপ্তর: নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র।
- উদ্দেশ্য: বিশ্বশান্তি রক্ষা, মানবাধিকার সুরক্ষা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করা।
- গুরুত্ব: এসডিজি কর্মসূচিতে মোট ১৭টি লক্ষ্য এবং ১৬৯টি প্রাক্কলন বা টার্গেট নির্ধারণ করা হয়েছে, যার সময়কাল ২০৩০ সাল পর্যন্ত।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: এসডিজি লক্ষ্যমাত্রা এক
ব্যাখ্যা: এটি দারিদ্র্য বিমোচনের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত, যা এসডিজির প্রথম লক্ষ্য।
উদাহরণ ২: এসডিজি লক্ষ্যমাত্রা তেরো
ব্যাখ্যা: এটি জলবায়ু পরিবর্তন ও এর প্রভাব মোকাবিলায় জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের সঙ্গে সম্পর্কিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জলবায়ু কার্যক্রম — এটি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার ত্রয়োদশ বা ১৩তম লক্ষ্য।
B) মানসম্মত শিক্ষা — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে চতুর্থ লক্ষ্যমাত্রা।
C) দারিদ্র বিমোচন — এটি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার প্রথম বা ১ম লক্ষ্যমাত্রা।
D) শান্তি, ন্যায়বিচার ও কার্যকর প্রতিষ্ঠান — এটি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার ষোড়শ বা ১৬তম লক্ষ্যমাত্রা।
৫. মনে রাখার টিপস:
- এক নম্বরে পেট বা ক্ষুধা ও দারিদ্র্য এবং চার নম্বরে শিক্ষা অর্থাৎ চার অক্ষরের শব্দ শিক্ষা চার নম্বরে রয়েছে এভাবে মনে রাখা যায়।
- এসডিজি মোট ১৭টি লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে এবং এর মেয়াদকাল ২০৩০ সাল পর্যন্ত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এসডিজির প্রথম লক্ষ্য হলো দারিদ্র্য বিমোচন এবং শেষ লক্ষ্য হলো অংশীদারিত্ব অর্জন।
- এই টপিক থেকে প্রায়ই এসডিজির বিভিন্ন নম্বর বা লক্ষ্য কোন খাতে তা জানতে চাওয়া হয়।
সঠিক উত্তর: D) ভারত ও পাকিস্তান
১. কেন সঠিক:
সিয়াচেন হিমবাহটি ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার বিতর্কিত কাশ্মীর অঞ্চলে অবস্থিত।
এটি বিশ্বের অন্যতম উচ্চতম এবং সবচেয়ে শীতল রণক্ষেত্র হিসেবে পরিচিত।
২. সীমান্ত বিরোধ ও ভূরাজনীতি:
দেশ: ভারত ও পাকিস্তান
অবস্থান: কারাকরম পর্বতমালা
প্রেক্ষাপট: ১৯৮৪ সালে অপারেশন মেঘদূত পরিচালনার মাধ্যমে ভারত এই হিমবাহের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করে।
গুরুত্ব: এটি কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি চীন, পাকিস্তান ও ভারতের ত্রিমুখী সংযোগস্থলের কাছাকাছি অবস্থিত।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কার্গিল যুদ্ধ
ব্যাখ্যা: এটি ১৯৯৯ সালে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সংঘটিত অপর একটি উচ্চ উচ্চতার সামরিক সংঘাত।
উদাহরণ ২: লাইন অফ কন্ট্রোল
ব্যাখ্যা: এটি কাশ্মীর অঞ্চলে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি রেখা, যা সিয়াচেন অঞ্চলের ভূরাজনীতির সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভারত ও চীন — এই দুই দেশের সীমান্ত বিরোধ আকসাই চিন বা অরুণাচল প্রদেশ নিয়ে, সিয়াচেন হিমবাহের সঙ্গে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই।
B) নেপাল ও চীন — নেপাল ও চীনের সীমান্তে মাউন্ট এভারেস্ট অবস্থিত, সিয়াচেন হিমবাহ নয়।
C) পাকিস্তান ও চীন — সিয়াচেন হিমবাহ অঞ্চলে পাকিস্তান ও চীন নয়, বরং পাকিস্তান ও ভারতের মুখোমুখি অবস্থান রয়েছে।
D) ভারত ও পাকিস্তান — এই অপশনটি সঠিক কারণ হিমবাহটির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে এই দুই দেশ দীর্ঘদিন ধরে মুখোমুখি অবস্থানে রয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
সিয়াচেন হলো ছাদ বা উচ্চভূমি, যা নিয়ে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে দ্বন্দ্ব রয়েছে।
কারাকরম পর্বতমালায় অবস্থিত এই হিমবাহের নাম মনে রাখতে পারলে সীমান্ত বিরোধের প্রশ্নগুলো সহজ হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
সিয়াচেন হিমবাহ বিশ্বের সর্বোচ্চ যুদ্ধক্ষেত্র হিসেবে বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
এখান থেকে অপারেশন মেঘদূত এবং কারাকরম পর্বতমালা সম্পর্কিত প্রশ্নও হতে পারে।
সঠিক উত্তর: A) রোমান আইনের ভিত্তি
১. কেন সঠিক:
বার বিধি বা দ্য টুয়েলভ টেবিলস প্রাচীন রোমান আইনের ইতিহাসে প্রথম লিখিত আইনসংহিতা হিসেবে পরিচিত।
রোমান প্রজাতন্ত্রের শুরুর দিকে সাধারণ মানুষ বা প্লেবিয়ানদের আইনি অধিকার রক্ষার্থে খ্রিস্টপূর্ব ৪৫১ থেকে ৪৫০ অব্দে এই আইন প্রণয়ন করা হয়।
২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও গুরুত্ব:
স্থান: প্রাচীন রোম, ইতালি।
প্রেক্ষাপট: অভিজাত শ্রেণি বা প্যাট্রিশিয়ানদের খেয়ালখুশি মতো বিচার রোধ করতে সাধারণ মানুষের দাবির মুখে এই আইন তৈরি করা হয়।
গুরুত্ব: এটি আধুনিক সাংবিধানিক আইন এবং নাগরিক অধিকারের ধারণার বিকাশে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হাম্মুরাবি কোড
ব্যাখ্যা: এটি প্রাচীন ব্যাবিলনীয় আইনের সংহিতা, যা বিশ্বের প্রাচীনতম লিখিত আইনগুলোর মধ্যে অন্যতম হিসেবে পরিচিত।
উদাহরণ ২: ম্যাগনাকার্টা
ব্যাখ্যা: এটি ইংল্যান্ডের ঐতিহাসিক সনদ, যা আধুনিক গণতান্ত্রিক আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে বার বিধির মতো একটি মাইলফলক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রোমান আইনের ভিত্তি — এটি সঠিক উত্তর কারণ বার বিধি প্রাচীন রোমান আইনের প্রথম লিখিত রূপ এবং ভিত্তি হিসেবে কাজ করেছে।
B) স্থাপত্যের ১২টি নির্দেশনা — এটি সম্পূর্ণ ভুল অপশন কারণ বার বিধি কোনো স্থাপত্য বা ভবন নির্মাণের নিয়মাবলি নয়।
C) ফুটবল খেলার নিয়মাবলি — এটি ভুল কারণ আধুনিক ফুটবল খেলার নিয়মাবলি ফুটবলের আন্তর্জাতিক সংস্থা ফিফা এবং আইএফএবি দ্বারা নির্ধারিত হয়।
D) স্থানীয়/দেশি খেলা — এটি ভুল কারণ বার বিধি কোনো খেলাধুলা বা বিনোদনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়, এটি সম্পূর্ণ আইনি ইতিহাস।
৫. মনে রাখার টিপস:
বার বিধি বা টুয়েলভ টেবিলস মানে ১২টি ব্রোঞ্জের ফলক, যাতে প্রাচীন রোমের প্রথম লিখিত আইন খোদাই করা ছিল।
আইন ও রোম শব্দটি একসঙ্গে মনে রাখলেই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর সহজে চিহ্নিত করা যাবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
এই প্রশ্নটি বিশ্ব ইতিহাস এবং আন্তর্জাতিক আইন বা প্রাচীন সভ্যতার ইতিহাস থেকে বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
রোমান আইন এবং হাম্মুরাবি কোডের মধ্যে পার্থক্য সম্পর্কেও প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: A) আইসল্যান্ড
১. কেন সঠিক:
আইসল্যান্ড বৈশ্বিক শান্তিসূচক বা গ্লোবাল পিস ইনডেক্স ২০২৩ অনুযায়ী বিশ্বের সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ দেশ হিসেবে শীর্ষস্থান অর্জন করেছে।
২০০৮ সাল থেকে এই সূচকে দেশটি ধারাবাহিকভাভে প্রথম স্থান ধরে রেখেছে এবং সেখানে অভ্যন্তরীণ সংঘাত ও অপরাধের হার অত্যন্ত কম।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
দেশ: আইসল্যান্ড (ইউরোপের একটি দ্বীপরাষ্ট্র)
প্রতিষ্ঠা বা প্রকাশ: ইনস্টিটিউট ফর ইকোনমিকস অ্যান্ড পিস বা আইইপি ২০০৭ সাল থেকে এই প্রতিবেদন প্রকাশ করে আসছে।
সদর দপ্তর: সিডনি, অস্ট্রেলিয়া (আইইপি এর প্রধান কার্যালয়)
প্রেক্ষাপট: সামরিকীকরণ, সমাজ ও নিরাপত্তা এবং অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক সংঘাতের মাত্রা পরিমাপ করে এই সূচক তৈরি করা হয়।
উদ্দেশ্য বা গুরুত্ব: বিশ্বের দেশগুলোর মধ্যে শান্তির মাত্রা মূল্যায়ন করা এবং সহিংসতা হ্রাসে নীতিনির্ধারকদের সহায়তা করা।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ডেনমার্ক
ব্যাখ্যা: বৈশ্বিক শান্তিসূচক ২০২৩ এ আইসল্যান্ডের পরেই ডেনমার্ক দ্বিতীয় শান্তিপূর্ণ দেশ হিসেবে স্থান লাভ করেছে।
উদাহরণ ২: আফগানিস্তান
ব্যাখ্যা: একই সূচকে টানা কয়েক বছর ধরে বিশ্বের সবচেয়ে কম শান্তিপূর্ণ বা সংঘাতপূর্ণ দেশ হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আসছে আফগানিস্তান।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আইসল্যান্ড — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং বৈশ্বিক শান্তিসূচক ২০২৩ অনুযায়ী বিশ্বের সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ দেশ।
B) জাপান — এটি এশিয়ার অন্যতম শান্তিপূর্ণ ও উন্নত দেশ হলেও বৈশ্বিক শান্তিসূচক ২০২৩ এ প্রথম স্থান অর্জন করেনি।
C) সিংগাপুর — এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি অত্যন্ত নিরাপদ ও উন্নত রাষ্ট্র হলেও শান্তিসূচকের শীর্ষ দেশ নয়।
D) সুইজারল্যান্ড — এটি বিশ্বের অন্যতম নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ রাষ্ট্র হলেও ২০২৩ সালের এই সূচকে আইসল্যান্ডের পেছনে অবস্থান করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
শান্তিতে আইস বা বরফের মতো ঠান্ডা ও স্থিতিশীল দেশ হিসেবে আইসল্যান্ডকে মনে রাখতে পারেন।
আইসল্যান্ড ২০০৮ সাল থেকেই এই সূচকের শীর্ষে অবস্থান করছে, যা একটি স্থায়ী বিশ্বরেকর্ড।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই বৈশ্বিক শান্তিসূচকের শীর্ষ দেশ সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
একই বিষয় থেকে পরবর্তীতে সূচক প্রকাশকারী সংস্থা বা এর সূচকের ভিত্তি সম্পর্কেও প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: C) ২০ জুন
১. কেন সঠিক:
- প্রতি বছর ২০ জুন বিশ্ব শরণার্থী দিবস পালিত হয়, যা যুদ্ধ, সংঘাত ও নিপীড়নের কারণে গৃহহারা মানুষের সাহস ও টিকে থাকার সংগ্রামকে সম্মান জানাতে নির্ধারিত।
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২০০১ সাল থেকে শরণার্থী দিবসের স্বীকৃতি দেওয়া হয়, যা মূলত আফ্রিকান শরণার্থী দিবসের স্মরণে বিশ্বব্যাপী সম্প্রসারিত হয়।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
- সংস্থা: জাতিসংঘ বা United Nations এবং এর অঙ্গসংস্থা ইউএনএইচসিআর বা UNHCR।
- প্রতিষ্ঠা/তারিখ: ২০ জুন ২০০১ সালে প্রথম বিশ্ব শরণার্থী দিবস পালিত হয়, যা ১৯৭৪ সালের আফ্রিকান শরণার্থী দিবসের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ।
- প্রেক্ষাপট: বিশ্বজুড়ে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়া এবং তাদের আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে এই দিনটি পালিত হয়।
- উদ্দেশ্য/গুরুত্ব: শরণার্থীদের অধিকার রক্ষা, মানবিক সহায়তা প্রদান এবং তাদের নিজ দেশে নিরাপদ প্রত্যাবর্তনের পরিবেশ তৈরির জন্য বিশ্ববাসীর সচেতনতা বৃদ্ধি করা।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ইউএনএইচসিআর বা UNHCR
ব্যাখ্যা: এটি জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশন, যার সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত এবং এটি বিশ্বজুড়ে শরণার্থীদের সুরক্ষা দিয়ে থাকে।
উদাহরণ ২: ১৯৫১ সালের শরণার্থী কনভেনশন
ব্যাখ্যা: এটি আন্তর্জাতিক আইনের একটি মূল দলিল, যা শরণার্থীদের সংজ্ঞা এবং রাষ্ট্রগুলোর প্রতি তাদের আইনি বাধ্যবাধকতা নির্ধারণ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৫ জুন — এই তারিখে বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হয়, যা পরিবেশ রক্ষা ও সচেতনতা বৃদ্ধির সঙ্গে সম্পর্কিত কিন্তু শরণার্থী দিবসের সঙ্গে নয়।
B) ১০ জুন — এই তারিখে আন্তর্জাতিক স্তরে কোনো প্রধান বৈশ্বিক শরণার্থী দিবস বা বড় ধরনের আন্তর্জাতিক দিবস পালিত হয় না।
C) ২০ জুন — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই দিনটি জাতিসংঘের উদ্যোগে বিশ্ব শরণার্থী দিবস হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্বব্যাপী পালিত হয়।
D) ২৫ জুন — এই তারিখে বিশেষ কোনো বিশ্ব শরণার্থী দিবস নেই, তবে এটি বিভিন্ন দেশের জাতীয় দিবস বা ভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- জুন মাসের বিশ তারিখটি মনে রাখার জন্য যুদ্ধ ও বাস্তুচ্যুতির শিকার মানুষের কথা স্মরণ করতে পারো, যেখানে সংখ্যাটি ২০ এবং মাসটি জুন।
- পরিবেশ দিবস ৫ জুন এবং শরণার্থী দিবস ২০ জুন, এই দুটি তারিখ পরীক্ষার সময় প্রায়ই গুলিয়ে যায়, তাই জুন মাসের প্রথমার্ধ ও দ্বিতীয়ার্ধ আলাদা করে মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জাতিসংঘের বিভিন্ন আন্তর্জাতিক দিবসের তারিখ এবং এর অঙ্গসংস্থার নাম জানতে চাওয়া হয়।
- ইউএনএইচসিআরের সদর দপ্তর কোথায় এবং এর প্রধান কাজ কী, তা এই প্রশ্ন থেকে পরীক্ষার্থীরা ভালোভাবে আয়ত্ত করতে পারে।
সঠিক উত্তর: D) জলবায়ু পরিবর্তন
১. কেন সঠিক:
কপ ২৮ বা কনফারেন্স অব দ্য পার্টিজ এর ২৮তম সম্মেলন বিশ্বব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা এবং বৈশ্বিক উষ্ণতা নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে আয়োজিত হয়েছিল।
এই সম্মেলনের মূল লক্ষ্য ছিল প্যারিস চুক্তির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বিশ্ববাসীর অগ্রগতি মূল্যায়ন করা এবং জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে ধীরে ধীরে সরে আসার ঐতিহাসিক রূপরেখা তৈরি করা।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
সম্মেলনের নাম: কপ ২৮ বা জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন
তারিখ ও স্থান: ২০২৩ সালের ৩০ নভেম্বর থেকে ১২ ডিসেম্বর সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই শহরে অনুষ্ঠিত হয়।
উদ্দেশ্য ও গুরুত্ব: বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি দেড় ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে সীমিত রাখা এবং ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য জলবায়ু তহবিল গঠন করা।
ফলাফল ও প্রভাব: জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে রূপান্তরের বিষয়ে বিশ্বনেতারা একমত হন এবং লস অ্যান্ড ড্যামেজ ফান্ড চালুর আনুষ্ঠানিক চুক্তি হয়।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: প্যারিস চুক্তি
ব্যাখ্যা: এটি ২০১৫ সালে স্বাক্ষরিত হয়, যার মূল লক্ষ্য ছিল বৈশ্বিক উষ্ণতা প্রাক শিল্প যুগের তুলনায় দুই ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে রাখা।
উদাহরণ ২: কপ ২৬ গ্লাসগো সম্মেলন
ব্যাখ্যা: ২০২১ সালে অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনে কয়লার ব্যবহার কমানোর রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি অর্জিত হয়েছিল, যা কপ ২৮ এর ভিত্তি তৈরি করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শরণার্থীর অধিকার — এটি জলবায়ু সম্মেলনের আলোচ্য বিষয় নয়, বরং এটি মূলত জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার বা ইউএনএইচসিআর এর কাজের আওতাভুক্ত।
B) জ্বালানি নিরাপত্তা — যদিও কপ ২৮ এ জীবাশ্ম জ্বালানি নিয়ে আলোচনা হয়েছে, তবে এটি সামগ্রিক জ্বালানি নিরাপত্তা বা বাণিজ্যিক চুক্তি নিশ্চিত করার জন্য নয়।
C) সমুদ্র সীমানা — সমুদ্র সীমানা নির্ধারণ সংক্রান্ত বিরোধ আন্তর্জাতিক সমুদ্র আইন ট্রাইব্যুনাল বা আদালতের মাধ্যমে সমাধান করা হয়, জলবায়ু সম্মেলনে নয়।
D) জলবায়ু পরিবর্তন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সম্মেলনটি জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত কাঠামো কনভেনশনের স্বাক্ষরকারী দেশগুলোর বার্ষিক বৈঠক।
৫ মনে রাখার টিপস:
কপ বা সিওপি শব্দের অর্থ কনফারেন্স অব দ্য পার্টিজ। সংখ্যাটি যত বাড়বে সম্মেলন তত সাম্প্রতিক হবে, যেমন কপ ২৮ মানে ২৮তম বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কপ সম্মেলন প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হয় এবং এটি জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত কাঠামো কনভেনশনের সর্বোচ্চ নীত নির্ধারণী ফোরাম।
একই বিষয় থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যেমন কপ ২৮ কোথায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল বা এর প্রধান অর্জন কী ছিল।
সঠিক উত্তর: A) সৌদি আরব
১. কেন সঠিক:
বাংলাদেশ থেকে বিদেশে যাওয়া অভিবাসী নারী শ্রমিকদের সর্বাধিক গন্তব্যস্থল হলো মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরব। জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো বা BMET এর হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী বিগত বছরগুলোতে সৌদি আরবে নারী শ্রমিকের কর্মসংস্থান সবচেয়ে বেশি হয়েছে।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
দেশ: সৌদি আরব
রাজধানী: রিয়াদ
মুদ্রা: সৌদি রিয়াল
অর্থনীতি: মধ্যপ্রাচ্যের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ এবং বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ তেল রপ্তানিকারক রাষ্ট্র।
শ্রমবাজার: বাংলাদেশ থেকে প্রতি বছর লাখ লাখ শ্রমিক জীবিকার তাগিদে মধ্যপ্রাচ্যে পাড়ি জজমায় যার একটি বড় অংশ নারী কর্মী।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জর্দান
ব্যাখ্যা: জর্দানে বাংলাদেশের অনেক নারী শ্রমিক পোশাক শিল্পে কাজ করেন এবং এটি নারী শ্রমিকের একটি প্রধান মধ্যপ্রাচ্যের গন্তব্য হলেও সৌদি আরবের পরেই এর অবস্থান।
উদাহরণ ২: ওমান
ব্যাখ্যা: ওমানে গৃহকর্মী হিসেবে প্রচুর বাংলাদেশি নারী শ্রমিক কাজ করেন তবে সংখ্যার দিক থেকে সৌদি আরব সবার শীর্ষে অবস্থান করছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সৌদি আরব — এটি বাংলাদেশের অভিবাসী নারী শ্রমিকদের সর্বাধিক গন্তব্যস্থল হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
B) কুয়েত — কুয়েতে কিছু বাংলাদেশি নারী শ্রমিক কাজ করলেও সামগ্রিক সংখ্যার বিচারে এটি শীর্ষস্থান অধিকার করে না।
C) ওমান — ওমানে নারী শ্রমিকের কর্মসংস্থান রয়েছে তবে তা সৌদি আরবের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম।
D) জর্দান — জর্দানে মূলত তৈরি পোশাক কারখানায় নারী শ্রমিকরা কাজ করেন কিন্তু মোট অভিবাসনের দিক থেকে এটি প্রথম নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
সৌদি আরবকে মধ্যপ্রাচ্যের প্রধান অর্থনীতির দেশ হিসেবে মনে রাখতে পারো যেখানে সর্বাধিক বাংলাদেশি নারী শ্রমিক কাজের জন্য যান। এভাবে মনে রাখতে পারো যে সৌদি আরব মানেই শীর্ষ নারী শ্রমবাজার।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বৈদেশিক রেমিট্যান্সের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং জনশক্তি রপ্তানির ক্ষেত্রে নারী শ্রমিকের ভূমিকা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই ধরনের প্রশ্ন থেকে প্রায়ই কোন দেশে কোন খাতের শ্রমিক বেশি যায় সে সম্পর্কিত তথ্য পরীক্ষাতে আসে।
সঠিক উত্তর: A) ১৯৭২
১. কেন সঠিক:
বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ২২ জুন জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থা আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (ILO) সদস্যপদ লাভ করে।
স্বাধীনতার পরপরই সদ্য স্বাধীন যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের শ্রম অধিকার রক্ষা এবং আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখতে বাংলাদেশ এই সংস্থার সদস্য হয়।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
সংস্থা: আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা বা ILO (International Labour Organization)
প্রতিষ্ঠা ও সদর দপ্তর: ১৯১৯ সালে ভার্সাই চুক্তির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত।
প্রেক্ষাপট ও উদ্দেশ্য: শ্রমিকদের অধিকার রক্ষা, কাজের নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং বৈশ্বিক সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা এই সংস্থার মূল লক্ষ্য।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাংলাদেশ ১৯৭২ সালেই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এরও সদস্যপদ লাভ করে।
ব্যাখ্যা: এটি দেখায় যে সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশ কীভাবে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দ্রুত স্বীকৃতি ও বিভিন্ন সংস্থার সদস্যপদ অর্জন করেছিল।
উদাহরণ ২: আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (ILO) প্রধান কাজ হলো আন্তর্জাতিক শ্রম মান নির্ধারণ করা।
ব্যাখ্যা: পরীক্ষার্থীদের মনে রাখতে হবে যে এই সংস্থাটি মূলত শ্রমিকদের কল্যাণ ও অধিকার নিয়ে কাজ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৭২ — এই সালেই বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার সদস্যপদ লাভ করেছিল তাই এটি সঠিক উত্তর।
B) ১৯৭৩ — এই সালে বাংলাদেশ আইএলওর সদস্যপদ লাভ করেনি কারণ বাংলাদেশ ১৯৭২ সালেই সদস্য হয়েছিল।
C) ১৯৭৪ — এই সালটি সঠিক নয় কারণ বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করেছিল কিন্তু আইএলওর নয়।
D) ১৯৭৫ — এই সালে বাংলাদেশ আইএলওর সদস্যপদ পায়নি বরং ১৯৭২ সালটি সঠিক সময়কাল।
৫. মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশ ১৯৭২ সালে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার সদস্য হয় এবং একই বছর জাতিসংঘের অন্যান্য সংস্থাতেও যোগদানের প্রক্রিয়া শুরু করে।
১৯৭২ সালটি বাংলাদেশের কূটনীতির জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বছর হিসেবে মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলাদেশ কত সালে আইএলওর সদস্য হয় তা বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
একই ধরনের প্রশ্ন হিসেবে জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভের সাল বা অন্যান্য সংস্থার সদস্যপদ লাভের সালও পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: A) চীন
১. কেন সঠিক:
বৈশ্বিক উন্নয়ন উদ্যোগ বা গ্লোবাল ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভ এর প্রস্তাবক দেশ হলো চীন।
২০২১ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এই প্রস্তাব উত্থাপন করেন।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
প্রেক্ষাপট: বৈশ্বিক অর্থনীতিকে শক্তিশালী করা এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়।
উদ্দেশ্য: বিশ্বজুড়ে অভিন্ন উন্নয়ন, দারিদ্র্য বিমোচন এবং বহুপক্ষীয় সহযোগিতা বৃদ্ধি করা।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ
ব্যাখ্যা: এটিও চীনের একটি বৃহৎ বৈশ্বিক অবকাঠামো ও সংযোগ উন্নয়ন প্রকল্প।
উদাহরণ ২: ব্রিকস সহযোগিতা
ব্যাখ্যা: উন্নয়নশীল দেশগুলোর অর্থনৈতিক জোট হিসেবে চীন এর মাধ্যমে বৈশ্বিক প্রভাব বাড়াচ্ছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চীন — এই অপশনটি সঠিক কারণ দেশটি এই উন্নয়ন উদ্যোগের প্রস্তাব করেছে।
B) জাপান — জাপান এই উদ্যোগের প্রস্তাবক নয় তবে দেশটি এশিয়া অঞ্চলে নিজস্ব অর্থনৈতিক সহায়তা দিয়ে থাকে।
C) ডেনমার্ক — ডেনমার্ক একটি ইউরোপীয় দেশ এবং বৈশ্বিক উন্নয়ন উদ্যোগের সঙ্গে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই।
D) সুইডেন — সুইডেন আন্তর্জাতিক উন্নয়ন ও সহযোগিতায় কাজ করলেও এই নির্দিষ্ট উদ্যোগের প্রস্তাবক নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
উন্নয়ন উদ্যোগ এবং বেল্ট অ্যান্ড রোড প্রকল্প দেখলে চোখ বন্ধ করে চীনকে উত্তর হিসেবে বেছে নেবে।
চীন বৈশ্বিক রাজনীতিতে নিজেদের প্রভাব বিস্তারের জন্য এ ধরনের উদ্যোগের প্রস্তাব করে থাকে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
এই প্রশ্নটি আন্তর্জাতিক সম্পর্ক এবং ভূরাজনীতি অংশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় চীনের বৈশ্বিক উদ্যোগসমূহ প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়।
সঠিক উত্তর: B) টার্গেট ১.২
১. কেন সঠিক:
টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার প্রথম অভীষ্ট হলো বিশ্ব থেকে সব ধরনের দারিদ্র্য দূর করা এবং এর অধীন বিভিন্ন সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য বা টার্গেট নির্ধারণ করা হয়েছে।
টার্গেট ১.২ অনুযায়ী ২০৩০ সালের মধ্যে জাতীয় সংজ্ঞা অনুযায়ী সব বয়সের নারী, পুরুষ ও শিশুর দরিদ্রতার হার অন্তত অর্ধেকে নামিয়ে আনার আন্তর্জাতিক প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করা হয়েছে।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
সংস্থা: জাতিসংঘ এবং এর টেকসই উন্নয়ন কর্মসূচি।
প্রেক্ষাপট: ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ২০৩০ এজেন্ডা হিসেবে ১৭টি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য বা এসডিজি গৃহীত হয়।
উদ্দেশ্য: বৈশ্বিক অর্থনীতিতে মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণ এবং বৈষম্য দূর করে একটি মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করা।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: এসডিজি গোল ১
ব্যাখ্যা: এটি দারিদ্র্যের সব রূপের অবসান ঘটানোর ওপর জোর দেয় এবং এর বিভিন্ন সূচকের মাধ্যমে দেশের ভেতরের প্রকৃত দারিদ্র্য পরিস্থিতি মূল্যায়ন করা হয়।
উদাহরণ ২: এমডিজি থেকে এসডিজি রূপান্তর
ব্যাখ্যা: বিগত সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য বা এমডিজির সাফল্যের ধারাবাহিকতায় আরও ব্যাপক পরিসরে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য বা এসডিজি প্রণয়ন করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) টার্গেট ১.১ — চরম দারিদ্র্য দূরীকরণের সঙ্গে সম্পর্কিত যেখানে প্রতিদিন এক দশমিক নয় মার্কিন ডলারের কম আয়ে জীবনযাপনকারী মানুষের সংখ্যা হ্রাসের কথা বলা হয়েছে।
B) টার্গেট ১.২ — এটি সঠিক উত্তর যা জাতীয় সংজ্ঞা অনুযায়ী নারী, পুরুষ ও শিশুর দারিদ্র্য অর্ধেকে নামিয়ে আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।
C) টার্গেট ১.৩ — সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা বাস্তবায়নের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট যার মাধ্যমে দরিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জন্য পর্যাপ্ত সুরক্ষার বিধান করা হয়।
D) টার্গেট ১.৪ — অর্থনৈতিক সম্পদ ও মৌলিক সেবাসমূহের ওপর সমান অধিকার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
এসডিজির প্রথম লক্ষ্য দারিদ্র্য দূরীকরণ সংক্রান্ত এবং এর দ্বিতীয় টার্গেট বা ১.২ তে সংখ্যা বা অনুপাত অর্ধেক করার কথা বলা হয়েছে।
দরিদ্র মানুষ বলতে নারী, পুরুষ ও শিশু সবাইকে বোঝানো হয়েছে এবং সবার ক্ষেত্রে হারের অর্ধেক কমানোই হলো এই টার্গেটের মূল বিষয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার মোট ১৭টি অভীষ্ট এবং ১৬৯টি সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য বা টার্গেট রয়েছে যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এসডিজির প্রথম লক্ষ্যটি কেবল চরম দারিদ্র্য নয়, বরং সব মাত্রার দারিদ্র্য দূর করার ওপর বহুমুখী পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।
সঠিক উত্তর: D) ১৩৫
১. কেন সঠিক:
উন্নয়নশীল দেশসমূহের সর্ববৃহৎ আন্তঃসরকারি জোট হলো জি-৭৭ বা গ্রুপ অব সেভেন্টি সেভেন।
১৯৬৪ সালে প্রতিষ্ঠার সময় এর সদস্য সংখ্যা ৭৭টি থাকলেও বর্তমানে এর সদস্য সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩৫টিতে।
২. আন্তর্জাতিক সংস্থা পরিচিতি:
সংস্থা: জি-৭৭ বা গ্রুপ অব সেভেন্টি সেভেন।
প্রতিষ্ঠা: ১৫ জুন ১৯৬৪ সাল।
সদস্যদেশ: বর্তমানে ১৩৫টি উন্নয়নশীল দেশ।
উদ্দেশ্য: বিশ্ব অর্থনীতিতে উন্নয়নশীল দেশগুলোর স্বার্থ রক্ষা করা এবং সম্মিলিত অর্থনৈতিক শক্তি বৃদ্ধি করা।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ।
ব্যাখ্যা: জি-৭৭ জোটটি জাতিসংঘের বিভিন্ন ফোরামে উন্নয়নশীল দেশগুলোর পক্ষে যৌথভাবে দরকষাকড়ি করে থাকে।
উদাহরণ ২: ন্যাম বা জোটনিরপেক্ষ আন্দোলন।
ব্যাখ্যা: জি-৭৭ এবং ন্যাম উভয় সংস্থাই আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে দক্ষিণ গোলার্ধের দেশগুলোর কণ্ঠস্বর হিসেবে কাজ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১০৫ — এই সংখ্যাটি জি-৭৭ এর প্রকৃত সদস্যসংখ্যার সঙ্গে মেলে না এবং এটি একটি ভুল তথ্য।
B) ১১৫ — এটি জি-৭৭ এর বর্তমান বা প্রতিষ্ঠাকালীন কোনো সদস্যসংখ্যার হিসাব নয়।
C) ১২৫ — অতীতে এই সংখ্যাটি কাছাকাছি থাকলেও বর্তমানে জি-৭৭ এর সদস্যসংখ্যা ১৩৫ জন।
D) ১৩৫ — এটি জি-৭৭ এর বর্তমান হালনাগাদ ও সঠিক সদস্যসংখ্যা।
৫. মনে রাখার টিপস:
নাম জি-৭৭ হলেও বর্তমানে এর সদস্যসংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ হয়ে ১৩৫টিতে পৌঁছেছে।
প্রতিষ্ঠার সাল ১৯৬৪ এবং বর্তমান সদস্য ১৩৫, এই দুটি সংখ্যা মনে রাখলেই পরীক্ষায় উত্তর করা সহজ হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
জি-৭৭ জোটটি মূলত বাণিজ্য ও উন্নয়নের জন্য জাতিসংঘের সম্মেলনে জন্মলাভ করেছিল।
এই প্রশ্নটি থেকে ভবিষ্যতে জি-৭৭ এর প্রতিষ্ঠার সাল বা এর মূল লক্ষ্য সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: D) সিরিয়া
১. কেন সঠিক:
- আলেপ্পো শহরটি মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সিরিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত এবং এটি দেশটির অন্যতম প্রধান ঐতিহাসিক ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র।
- ২০১১ সাল থেকে শুরু হওয়া সিরিয়ার গৃহযুদ্ধে কৌশলগত ও অর্থনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই শহরটি চরম ক্ষয়ক্ষতির মুখোমুখি হয়েছিল।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
- দেশ বা অঞ্চল: সিরিয়া একটি প্রাচীন মধ্যপ্রাচ্যের দেশ যার রাজধানী দামেস্ক এবং মুদ্রা সিরিয়ান পাউন্ড।
- ঐতিহাসিক গুরুত্ব: আলেপ্পো বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন এবং অবিচ্ছিন্নভাবে জনবসতিপূর্ণ একটি শহর যা ঐতিহাসিক সিল্ক রোডের একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য কেন্দ্র ছিল।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দামেস্ক
ব্যাখ্যা: দামেস্ক হলো সিরিয়ার রাজধানী এবং এটিও বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন রাজধানী হিসেবে পরিচিত যা মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
উদাহরণ ২: পালমিরা
ব্যাখ্যা: পালমিরা হলো সিরিয়ার আরেকটি ঐতিহাসিক প্রাচীন নগরী যা ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান এবং সংঘাতের সময় ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইরান — ইরান মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশ যার রাজধানী তেহরান এবং এর প্রধান শহরগুলোর মধ্যে তেহরান ও ইসফাহান অন্তর্ভুক্ত, আলেপ্পো নয়।
B) ইরাক — ইরাক একটি প্রতিবেশী দেশ যার রাজধানী বাগদাদ এবং এর প্রধান শহরগুলোর মধ্যে বসরা ও মসুল রয়েছে, আলেপ্পো এখানে অবস্থিত নয়।
C) জর্ডান — জর্ডান একটি আরব দেশ যার রাজধানী আম্মান এবং এর অর্থনীতি বা ভূগোলের সঙ্গে আলেপ্পো শহরের কোনো সরাসরি ভৌগোলিক সংযোগ নেই।
D) সিরিয়া — এই অপশনটি সঠিক কারণ আলেপ্পো ভৌগোলিকভাবে সিরিয়ার ভূখণ্ডেই অবস্থিত।
৫ মনে রাখার টিপস:
- আলেপ্পো শহরের নাম শুনলেই সিরিয়ার গৃহযুদ্ধ এবং মধ্যপ্রাচ্যের প্রাচীন ইতিহাস মনে রাখবে।
- সিরিয়ার প্রধান দুটি শহরের নাম হলো রাজধানী দামেস্ক এবং বাণিজ্যনগরী আলেপ্পো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এই ধরনের প্রশ্ন সাধারণত কোনো দেশের বিখ্যাত শহর বা সংঘাতপীক্ত অঞ্চলের ভৌগোলিক অবস্থান জানার জন্য করা হয়।
- পরীক্ষার জন্য সিরিয়ার রাজধানী, মুদ্রা এবং প্রতিবেশী দেশগুলোর নাম ভালোভাবে জেনে রাখা উচিত।
সঠিক উত্তর: B) ২০১১
১. কেন সঠিক:
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে স্থল সীমান্ত চুক্তি সংক্রান্ত প্রটোকলটি ২০১১ সালের ৬ সেপ্টেম্বর স্বাক্ষরিত হয়েছিল। তৎকালীন ভারতের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের ঢাকা সফরকালে এই ঐতিহাসিক প্রটোকলটি স্বাক্ষরিত হয়, যা দুই দেশের দীর্ঘদিনের ছিটমহল সমস্যা সমাধানের পথ উন্মুক্ত করেছিল।
২. আন্তর্জাতিক চুক্তি ও প্রটোকল:
চুক্তি বা প্রটোকল: বাংলাদেশ-ভারত স্থল সীমান্ত চুক্তি প্রটোকল ২০১১।
তারিখ ও স্থান: ৬ সেপ্টেম্বর ২০১১, ঢাকা, বাংলাদেশ।
সংশ্লিষ্ট দেশ: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ ও গণপ্রজাতন্ত্রী ভারত।
প্রেক্ষাপট: ১৯৭৪ সালের মুজিব-ইন্দিরা চুক্তির পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন এবং অনিষ্পন্ন সীমান্ত বিরোধ নিষ্পত্তি।
উদ্দেশ্য ও গুরুত্ব: দুই দেশের মধ্যকার অমীমাংসিত ছিটমহল বিনিময় এবং অপদখলীয় ভূমি হস্তান্তরের মাধ্যমে সীমান্ত জটিলতা স্থায়ীভাবে নিরসন করা।
ফলাফল ও প্রভাব: ২০১৫ সালের ৩১ জুলাই ছিটমহল বিনিময়ের মাধ্যমে লক্ষাধিক মানুষ দীর্ঘদিনের নাগরিকহীনতা থেকে মুক্তি পায় এবং সীমান্ত শান্তিপূর্ণ হয়।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ১৯৭৪ সালের ঐতিহাসিক মুজিব-ইন্দিরা চুক্তি
ব্যাখ্যা: এই চুক্তিটি বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সীমান্ত সমস্যা সমাধানের প্রথম বড় কূটনৈতিক পদক্ষেপ ছিল, যার ওপর ভিত্তি করে পরবর্তীতে ২০১১ সালের প্রটোকল এবং ২০১৫ সালের সংবিধান সংশোধনী বাস্তবায়িত হয়।
উদাহরণ ২: ২০১৫ সালের ঐতিহাসিক ভূমি সীমানা চুক্তি বাস্তবায়ন
ব্যাখ্যা: এটি আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে শান্তিপূর্ণ উপায়ে জটিল সীমান্ত সমস্যার সমাধানের একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত, যা দুই দেশের পারস্পরিক আস্থার প্রতীক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৭৪ — এই সালে মূল ঐতিহাসিক মুজিব-ইন্দিরা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল, কিন্তু তৎকালীন সময়ে ভারতের পক্ষ থেকে তা সাংবিধানিকভাবে সম্পূর্ণ অনুমোদন করা হয়নি।
B) ২০১১ — এই অপশনটি সঠিক, কারণ এই বছরেই মূল স্থল সীমান্ত প্রটোকলটি ঢাকায় স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
C) ২০১৩ — এই সালে কোনো স্থল সীমান্ত প্রটোকল স্বাক্ষরিত হয়নি, এটি একটি বিভ্রান্তিকর অপশন।
D) ২০১৫ — এই সালে চুক্তিটি বাস্তবায়িত বা কার্যকর হয়েছিল (ছিটমহল বিনিময় হয়েছিল), কিন্তু প্রটোকল স্বাক্ষরিত হয়েছিল ২০১১ সালে।
৫ মনে রাখার টিপস:
১৯৭৪ সালে চুক্তি হয় আর ২০১১ সালে তার প্রটোকল বা সংশোধনী স্বাক্ষরিত হয়।
২০১১ সালের ৬ সেপ্টেম্বর ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং ঢাকা সফরে এসে এই প্রটোকলে স্বাক্ষর করেছিলেন।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
মুজিব-ইন্দিরা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ১৯৭৪ সালের ১৬ মে।
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ছিটমহল বিনিময় কার্যকর হয় ২০১৫ সালের ৩১ জুলাই মধ্যরাতে।
সঠিক উত্তর: B) ভিয়েনা
১. কেন সঠিক:
জাতিসংঘ মাদক ও অপরাধ সংক্রান্ত সংস্থা বা UNODC-র প্রধান কার্যালয় অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় অবস্থিত।
বিশ্বব্যাপী মাদকদ্রব্যের অবৈধ পাচার রোধ এবং অপরাধ দমনমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করার জন্য এই শহরটিকে সদর দপ্তর হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে।
২. আন্তর্জাতিক সংস্থা:
সংস্থা: জাতিসংঘ মাদক ও অপরাধ সংক্রান্ত সংস্থা, সংক্ষিপ্ত রূপ UNODC।
প্রতিষ্ঠা: ১৯৯৭ সালে মাদক নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি এবং অপরাধ প্রতিরোধ শাখা একীভূত করে এটি গঠিত হয়।
সদর দপ্তর: অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনা।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা বা IAEA
ব্যাখ্যা: অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায় জাতিসংঘের আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ সংস্থার সদর দপ্তর রয়েছে যার অন্যতম একটি হলো IAEA।
উদাহরণ ২: জাতিসংঘের সদর দপ্তর নিউইয়র্ক
ব্যাখ্যা: ভিয়েনা ছাড়াও জেনেভা এবং নিউইয়র্ক হলো জাতিসংঘের প্রধান প্রশাসনিক কেন্দ্রগুলোর অন্যতম স্থান।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রোম — রোমে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা বা FAO-র সদর দপ্তর অবস্থিত, যা মাদক সংক্রান্ত সংস্থা নয়।
B) ভিয়েনা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক এবং UNODC-র প্রধান কার্যালয় এখানে অবস্থিত।
C) জেনেভা — জেনেভায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা WHO এবং আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা বা ILO-র সদর দপ্তর রয়েছে।
D) পিটসবার্গ — পিটসবার্গ যুক্তরাষ্ট্রের একটি শিল্প শহর এবং এখানে কোনো প্রধান আন্তর্জাতিক সংস্থার সদর দপ্তর নেই।
৫ মনে রাখার টিপস:
মাদক ও অপরাধ দমনের আন্তর্জাতিক হেডকোয়ার্টার খুঁজতে চাইলে ইউরোপের সুন্দর শহর ভিয়েনার নাম মনে রাখবে।
অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায় মাদক নিয়ন্ত্রণ এবং পরমাণু শক্তি সম্পর্কিত জাতিসংঘের দুটি বড় কার্যালয় রয়েছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জাতিসংঘের বিভিন্ন অঙ্গসংস্থার সদর দপ্তর প্রায়ই আসে।
UNODC কোন দুটি বিষয়ের ওপর কাজ করে এবং এর সদর দপ্তর কোথায়, তা জানা থাকলে সহজেই উত্তর করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: C) হাকিমপুর, দিনাজপুর
কেন সঠিক:
- হিলি স্থলবন্দরটি বাংলাদেশের দিনাজপুর জেলার হাকিমপুর উপজেলার অন্তর্ভুক্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকা।
- এই বন্দরটি ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের একটি অন্যতম প্রধান ট্রানজিট পয়েন্ট হিসেবে কাজ করে।
ভৌগোলিক তথ্য:
- অবস্থান: এটি দিনাজপুর জেলার দক্ষিণ সীমানায় ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বিপরীতে অবস্থিত।
- বিশেষত্ব: এই স্থলবন্দরের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে প্রধানত চাল, পেঁয়াজ, পাথর এবং বিভিন্ন খাদ্যপণ্য আমদানি ও রপ্তানি হয়।
- তথ্য বা উদাহরণ: এটি একটি অত্যন্ত ব্যস্ত স্থলবন্দর যা দুই দেশের সীমান্তবর্তী মানুষের যাতায়াত এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিরামপুর, দিনাজপুর — এটি দিনাজপুর জেলার একটি আলাদা উপজেলা হলেও এখানে প্রধান হিলি স্থলবন্দরটি অবস্থিত নয়।
B) ঘোড়াঘাট, দিনাজপুর — এটি দিনাজপুরের একটি ঐতিহাসিক উপজেলা কিন্তু এর সাথে হিলি স্থলবন্দরের ভৌগোলিক অবস্থান নেই।
C) সঠিক উত্তর — এটি কোনো ভুল অপশন নয় বরং হিলি স্থলবন্দরের প্রকৃত ও সঠিক ভৌগোলিক অবস্থান নির্দেশ করে।
D) পাঁচ বিবি, জয়পুর হাট — এটি জয়পুরহাট জেলার একটি উপজেলা এবং এটি হিলি বন্দর এলাকার খুব কাছে হলেও ভিন্ন জেলায় অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
হিলি মানেই হাকিমপুর এবং এর সাথে দিনাজপুর জেলার নাম মনে রাখলেই সঠিক উত্তরটি খুব সহজে চিহ্নিত করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: B) বিকাল ০৩:০০ টা
কেন সঠিক:
- দ্রাঘিমার পার্থক্যের কারণে সময়ের হিসাব করতে হয় কারণ প্রতি ১ ডিগ্রি দ্রাঘিমার পার্থক্যের জন্য সময়ের ব্যবধান হয় চার মিনিট।
- ঢাকা থেকে পূর্ব দিকের স্থান হওয়ায় স্থানীয় সময় বেশি হবে এবং ৪৫ ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্য মোট সময় বেশি হবে তিন ঘণ্টা।
ভৌগোলিক তথ্য:
- পৃথিবীর সম্পূর্ণ ঘূর্ণনের ফলে ৩৬০ ডিগ্রি দ্রাঘিমা পার হতে সময় লাগে চব্বিশ ঘণ্টা বা চৌদ্দশত চল্লিশ মিনিট।
- পূর্ব দিকের স্থানের সময় সবসময় গ্রীনিচ বা পশ্চিম দিকের তুলনায় এগিয়ে থাকে এবং পশ্চিম দিকের সময় পিছিয়ে থাকে।
- দ্রাঘিমার এই হিসেব থেকেই পৃথিবীজুড়ে বিভিন্ন অঞ্চলের প্রমাণ সময় এবং আন্তর্জাতিক সময় নির্ধারিত হয়ে থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সকাল ০৯:০০ টা — পশ্চিম দিকের স্থানের সময় বের করার সময় বিয়োগ করতে হয় কিন্তু এখানে স্থানটি পূর্বে অবস্থিত।
B) সঠিক উত্তর — ঢাকা থেকে পূর্ব দিকে ৪৫ ডিগ্রি দ্রাঘিমার পার্থক্যে তিন ঘণ্টা যোগ করে সঠিক সময় পাওয়া গেছে।
C) সন্ধ্যা ০৬:০০ টা — এই অপশনে দ্রাঘিমার পার্থক্যের চেয়ে অনেক বেশি সময় যোগ করা হয়েছে যা ভুল গণনা।
D) রাত ০৯:০০ টা — এই অপশনের সময়টি ছয় ঘণ্টার ব্যবধান নির্দেশ করে যা ৪৫ ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্য প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
পূর্ব দিকে গেলে সময় বাড়াতে হয় এবং পশ্চিম দিকে গেলে সময় কমাতে হয়। প্রতি ১৫ ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্য সময়ের ব্যবধান হয় ঠিক এক ঘণ্টা।
সঠিক উত্তর: A) ইন্ডিয়ান ও ইউরেশিয়ান
কেন সঠিক:
ক) ইন্ডিয়ান প্লেট উত্তর দিকে অগ্রসর হয়ে ইউরেশিয়ান প্লেটের সঙ্গে ধাক্কা খায়।
খ) এই দুই প্লেটের সংঘর্ষের ফলে পলিরাশি উপরে উঠে হিমালয় পর্বতমালা সৃষ্টি করে।
ভৌগোলিক তথ্য:
ক) মাউন্ট এভারেস্ট ভারত এবং চীনের তিব্বত সীমান্তের মাঝে হিমালয় পর্বতমালায় অবস্থিত।
খ এটি পৃথিবীর সর্বোচ্চ শৃঙ্গ যার বর্তমান উচ্চতা আট হাজার আটশো আটচলড়ায় মিটার।
গ) এটি একটি ভঙ্গিল পর্বত যা এখনও প্রতি বছর সামান্য পরিমাণে উঁচুতে উঠছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইন্ডিয়ান ও ইউরেশিয়ান — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দুটি প্লেটের সংঘর্ষেই মাউন্ট এভারেস্ট ও হিমালয় পর্বতমালা সৃষ্টি হয়েছে।
B) ইন্ডিয়ান ও বার্মিজ — এই দুটি প্লেটের সংযোগস্থল আন্দামান সাগর এবং বঙ্গোপসাগরের পূর্ব অংশে অবস্থিত।
C) ইন্ডিয়ান ও আফ্রিকান — এই প্লেট দুটি ভারত মহাসাগরের তলদেশে অবস্থিত এবং এদের মধ্যে প্রধানত অপসারী বা মধ্য-মহাসাগরীয় শৈল্পিক সীমানা রয়েছে।
D) বার্মিজ ও ইউরেশিয়ান — এই দুটি প্লেটের সংযোগস্থল সুমাত্রা এবং আন্দামান দ্বীপপুঞ্জের কাছে অবস্থিত যেখানে সুন্দা খাত তৈরি হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
ইন্ডিয়া এবং ইউরেশিয়া প্লেটের মহা মিলনে, এভারেস্ট উঠেছে পৃথিবীর উচ্চতম আসনে।
সঠিক উত্তর: B) ৬.৫° সেলসিয়াস/কিলোমিটার
কেন সঠিক:
ট্রপোমণ্ডলে প্রতি ১ কিলোমিটার উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে বায়ুর তাপমাত্রা গড় ৬.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস হারে হ্রাস পায়।
এই স্বাভাবিক হ্রাস হারকে উষ্ণতার ল্যাপস রেট বা নরমাল ল্যাপস রেট বলা হয়।
ভৌগোলিক তথ্য:
এটি বায়ুমণ্ডলের সবচেয়ে নিচের স্তর অর্থাৎ ট্রপোমণ্ডলে ঘটে যা ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১২ থেকে ১৬ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।
এই স্তরে উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে সাথে বায়ুর ঘনত্ব এবং চাপ কমতে থাকে যার ফলে তাপ ধরে রাখার ক্ষমতাও হ্রাস পায়।
সূর্যরশ্মি সরাসরি বাতাসকে গরম না করে প্রথমে ভূপৃষ্ঠকে উত্তপ্ত করে এবং সেখান থেকেই পরিচলন ও বিকিরণ পদ্ধতিতে ট্রপোমণ্ডল গরম হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৫.৫° সেলসিয়াস/কিলোমিটার — এটি ভূগোলের কোনো গ্রহণযোগ্য স্বাভাবিক উষ্ণতা হ্রাসের মান নয়।
B) ৬.৫° সেলসিয়াস/কিলোমিটার — এটি সঠিক উত্তর এবং প্রমাণিত বৈজ্ঞানিক মান।
C) ৭.৫° সেলসিয়াস/কিলোমিটার — এই মানটি ট্রপোমণ্ডলের স্বাভাবিক ল্যাপস রেটের চেয়ে বেশি।
D) ৮.৫° সেলসিয়াস/কিলোমিটার — এটি অতিমাত্রায় বেশি যা স্বাভাবিক বায়ুমণ্ডলীয় অবস্থার সাথে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
উচ্চতা বাড়লে ঠান্ডা হয়, এই নিয়ম মনে রাখতে ট্রপোমণ্ডলের ৬.৫ সংখ্যাটি বারবার চর্চা করো।
১ কিলোমিটারে সাড়ে ছয় ডিগ্রি কমে, এই সহজ বাক্যটি মনে রাখলে পরীক্ষাতে ভুল হবে না।
সঠিক উত্তর: A) জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার পর্যায়ক্রমে হ্রাসকরণ
কেন সঠিক:
দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত কপ-২৮ সম্মেলনে বিশ্বের দেশগুলো প্রথমবার জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে সরে আসার ঐতিহাসিক চুক্তিতে পৌঁছায়।
জলবায়ু পরিবর্তনের মূল কারণ কার্বন নিঃসরণ কমানোর জন্য কয়লা, তেল ও গ্যাসের ব্যবহার কমানোকে এই সম্মেলনে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়।
ভৌগোলিক তথ্য:
দুবাই সংযুক্ত আরব আমিরাতের অন্যতম প্রধান শহর এবং এটি পারস্য উপসাগরের উপকূলে অবস্থিত।
এটি মধ্যপ্রাচ্যের একটি প্রধান অর্থনৈতিক, বাণিজ্যিক এবং পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিত।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের মোট আয়তন প্রায় তিরাশি হাজার সাতশত বর্গকিলোমিটার।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার পর্যায়ক্রমে হ্রাসকরণ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং সম্মেলনে প্রধান ফোকাস ছিল।
B) জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ বিষয়ক — এটি কপ-২৮ এর মূল বিষয় ছিল না, এটি কান্ট্রি বা জীববৈচিত্র্য সম্মেলনের প্রধান এজেন্ডা।
C) ওজোনস্তর ক্ষয় নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক — ওজোনস্তর রক্ষার জন্য ১৯৮৭ সালের মন্ট্রিল প্রটোকল কাজ করে, যা জলবায়ু সম্মেলনের মূল বিষয় নয়।
D) মরুকরণ প্রক্রিয়া হ্রাসকরণ — মরুকরণ রোধের জন্য আলাদা জাতিসংঘ কনভেনশন রয়েছে, যা কপ সম্মেলনের সরাসরি মূল এজেন্ডা ছিল না।
মনে রাখার টিপস:
দুবাই মানেই তেল ও জ্বালানির শহর, তাই কপ-২৮ এ তেল বা জীবাশ্ম জ্বালানি কমানোর সিদ্ধান্তই সবচেয়ে বেশি আলোচিত হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: C) ৯০°
কেন সঠিক:
১. পৃথিবী একটি প্রায় গোলক আকৃতির গ্রহ এবং এর কেন্দ্র থেকে যেকোনো বৃত্তের পরিধির মোট কোণ হিসাব করা হয়।
২. নিরক্ষীয় তল থেকে উত্তর মেরুর কৌণিক দূরত্ব হলো ঠিক ৯০ ডিগ্রি কোণ।
ভৌগোলিক তথ্য:
১. পৃথিবীর নিরক্ষীয় তল হলো সেই কাল্পনিক সমতল যা পৃথিবীকে উত্তর ও দক্ষিণ গোলার্ধে বিভক্ত করে।
২. উত্তর মেরু হলো পৃথিবীর সর্বউত্তরের বিন্দু যা ঠিক ৯০ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশে অবস্থিত।
৩. নিরক্ষরেখা থেকে উত্তর মেরু পর্যন্ত দূরত্ব হলো পৃথিবীর পরিধির ঠিক চার ভাগের এক ভাগ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৮০ ডিগ্রি — এটি নিরক্ষীয় তল থেকে পৃথিবীর কেন্দ্র হয়ে দক্ষিণ মেরু পর্যন্ত মোট সরলরৈখিক কোণ নির্দেশ করে।
B) ৩৬০ ডিগ্রি — এটি একটি সম্পূর্ণ বৃত্তের মোট কোণের পরিমাণ যা পুরো পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করলে পাওয়া যায়।
C) ৯০ ডিগ্রি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে ভুল প্রযোজ্য নয়।
D) ০ ডিগ্রি — এটি নিরক্ষরেখার নিজস্ব অবস্থান নির্দেশ করে কারণ নিরক্ষরেখাতেই কৌণিক দূরত্ব শূন্য হয়।
মনে রাখার টিপস:
১. পৃথিবীকে একটি বৃত্ত হিসেবে কল্পনা করলে তার পুরো পরিধি ৩৬০ ডিগ্রি।
২. বৃত্তের চার ভাগের এক ভাগ অর্থাৎ নিরক্ষরেখা থেকে মেরুবিন্দু পর্যন্ত দূরত্ব সবসময় ৯০ ডিগ্রি হয়।
সঠিক উত্তর: D) পোতাশ্রয়ের ঢেউ
কেন সঠিক:
- জাপানি ভাষা বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় যে 'সু' শব্দের অর্থ পোতাশ্রয় এবং 'নামি' শব্দের অর্থ ঢেউ বা ঊর্মি।
- সমুদ্রের গভীর তলদেশে ভূমিকম্প বা অগ্উৎপাতের ফলে সৃষ্ট এই সামুদ্রিক ঢেউ উপকূলে এসে তীব্র আছড়ে পড়ে, যা মূলত পোতাশ্রয় এলাকায় বেশি ক্ষতিসাধন করে।
ভৌগোলিক তথ্য:
- প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূলে বিশেষ করে জাপান ও তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে এই প্রাকৃতিক দুর্যোগ সবচেয়ে বেশি লক্ষ্য করা যায়।
- এটি অত্যন্ত ধ্বংসাত্মক এক সামুদ্রিক জলরাশি যা উপকূলবর্তী অঞ্চলকে নিমেষেই প্লাবিত করতে সক্ষম।
- ২০৪ সালের ভারত মহাসাগরের সুনামি এর একটি ভয়ানক ঐতিহাসিক উদাহরণ হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিশালাকৃতির ঢেউ — এটি সাধারণ বড় ঢেউ বোঝায় কিন্তু 'সুনামি' শব্দের আক্ষরিক ও মূল অর্থ এর সাথে পুরোপুরি মেলে না।
B) সামুদ্রিক ঢেউ — এটি সমুদ্রের যেকোনো সাধারণ ঢেউকে বোঝায়, কিন্তু সুনামি একটি নির্দিষ্ট ভৌগোলিক উৎপত্তি ও বিশেষ অর্থ বহন করে।
C) জলোচ্ছ্বাস — এটি সাধারণত ঘূর্ণিঝড় বা জোয়ারের টানে উপকূল প্লাবিত হওয়াকে বোঝায়, যা সুনামির আসল জাপানি অর্থ থেকে আলাদা।
D) পোতাশ্রয়ের ঢেউ — এই অপশনটি সঠিক কারণ জাপানি শব্দটির মূল শাব্দিক অর্থ এটাই নির্দেশ করে।
মনে রাখার টিপস:
- জাপানি ভাষায় 'সু' অর্থ বন্দর বা পোতাশ্রয় এবং 'নামি' অর্থ ঢেউ, এই দুটি শব্দ একসাথে মনে রাখলেই উত্তরটি সহজে বের করা যায়।
সঠিক উত্তর: D) ভূমিকম্প
কেন সঠিক:
১. ভূমিকম্প হলো একটি ভূতাত্ত্বিক প্রক্রিয়া যা প্রধানত পৃথিবীর অভ্যন্তরের টেকটনিক প্লেটের সঞ্চালনের কারণে ঘটে থাকে।
২. এর সাথে বায়ুমণ্ডলে গ্রিনহাউস গ্যাসের বৃদ্ধি বা বৈশ্বিক উষ্ণায়নের কোনো প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ বৈজ্ঞানিক সংযোগ নেই।
ভৌগোলিক তথ্য:
১. পৃথিবীর অভ্যন্তরে ভূত্বকের নিচে শিলায় হঠাৎ চ্যুতি বা বিচ্যুতির ফলে সৃষ্ট শক্তির তরঙ্গের কারণে ভূমিকম্প অনুভূত হয়।
২. প্রশান্ত মহাসাগরীয় অগ্নিবলয় অঞ্চল পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকা হিসেবে পরিচিত যেখানে প্রায় আশি শতাংশ ভূমিকম্প ঘটে।
৩. উদাহরণস্বরূপ দুই হাজার চৌদ্দ সালের নেপালের ভূমিকম্প ছিল ভারতীয় ও ইউরেশীয় প্লেটের সংঘর্ষের ফল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মরুকরণ — এটি বৈশ্বিক উষ্ণতার কারণে সৃষ্ট খরা ও জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে উর্বর ভূমির মরুভূমিতে পরিণত হওয়ার প্রক্রিয়া।
B) বন্যা — অতিরিক্ত তাপমাত্রা ও বৈশ্বিক উষ্ণতার প্রভাবে বরফ গলে এবং অতিবৃষ্টির কারণে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
C) সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি — বৈশ্বিক উষ্ণতার ফলে মেরু অঞ্চলের বরফ গলে সমুদ্রের জলের মাত্রা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে যা একটি সরাসরি ঝুঁকি।
D) ভূমিকম্প — এটি সম্পূর্ণ অভ্যন্তরীণ ভূ-প্রাকৃতিক ঘটনার কারণে ঘটে যার সাথে বৈশ্বিক উষ্ণতার কোনো সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
জলবায়ু ও আবহাওয়া সংক্রান্ত পরিবর্তনগুলো বৈশ্বিক উষ্ণতার সাথে যুক্ত কিন্তু মাটি কাঁপানোর মতো অভ্যন্তরীণ ঘটনা এর আওতাভুক্ত নয়।
সঠিক উত্তর: A) নদী খননের মাধ্যমে পানি পরিবহন সক্ষমতা বৃদ্ধি করা
কেন সঠিক:
নদী খনন একটি কাঠামোগত ব্যবস্থাপনা।
এটি সাধারণ ব্যবস্থাপনার অংশ নয় বরং বিশেষ বা স্থায়ী ব্যবস্থাপনার অন্তর্ভুক্ত।
ভৌগোলিক তথ্য:
বাংলাদেশ একটি নদীমাতৃক দেশ এবং প্রতি বছর বর্ষাকালে এখানে পলি জমে নদীর গভীরতা কমে যায়।
ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে উজান থেকে নেমে আসা অতিরিক্ত পানির চাপ সামলানোর জন্য নদী শাসন জরুরি।
বর্ষা মৌসুমে উপকূলীয় ও অববাহিকা অঞ্চলে প্রায়ই আকস্মিক বন্যা দেখা দেয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নদী খননের মাধ্যমে পানি পরিবহন সক্ষমতা বৃদ্ধি করা — এটি সাধারণ ব্যবস্থাপনার বদলে একটি দীর্ঘমেয়াদী এবং ব্যয়বহুল কাঠামোগত ব্যবস্থাপনা।
B) নদী শাসন ব্যবস্থা সুনিশ্চিত করা — এটি বন্যা নিয়ন্ত্রণের সাধারণ বা অকাঠামোগত ব্যবস্থাপনার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়।
C) নদীর দুই তীরে বনাঞ্চল সৃষ্টি করা — এটি কম খরচে বন্যা প্রতিরোধের একটি সাধারণ ব্যবস্থাপনা যা নদীর পাড় ভাঙন রোধ করে।
D) বন্যার পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ ব্যবস্থার উন্নয়ন সাধন করা — এটি সাধারণ ব্যবস্থাপনার অন্তর্ভুক্ত যা জানমাল রক্ষায় দ্রুত প্রস্তুতি নিতে সহায়তা করে।
মনে রাখার টিপস:
সাধারণ ব্যবস্থাপনা মানে কম খরচে জনসচেতনতা এবং পূর্বাভাস।
খনন করা বা বাঁধ নির্মাণ করা হলো বড় কাঠামোগত কাজ।
সঠিক উত্তর: D) খরা
কেন সঠিক:
খরা মূলত আবহাওয়া ও জলবায়ুর পরিবর্তনের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ।
এটি পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাতের অভাবে সৃষ্টি হয় যা কৃষিকাজ ও ফসল উৎপাদনে মারাত্মক ক্ষয়ক্ষতি ঘটায়।
ভৌগোলিক তথ্য:
খরা সাধারণত দীর্ঘস্থায়ী শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে বিশ্বের বৃষ্টিবহুল অঞ্চল কিংবা মরুপ্রায় অঞ্চলে বেশি দেখা যায়।
এটি মাটি ও বায়ুমণ্ডলের আর্দ্রতা কমিয়ে দিয়ে উদ্ভিদ জগতের স্বাভাবিক বৃদ্ধিতে বাধা সৃষ্টি করে।
উদাহরণস্বরূপ, ভারতের রাজস্থান বা আফ্রিকার সাহেল অঞ্চলে খরা একটি নিয়মিত কৃষিজাগতিক সমস্যা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভূমিকম্প — এটি একটি ভূগাঠনিক আপদ যা মূলত শিলায় পীড়ন এবং পাত সংস্থান প্রক্রিয়ার কারণে ঘটে।
B) ভূমিধস — এটি একটি ভূমিরূপগত আপদ যা অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত বা মাধ্যাকর্ষণ টানে পাহাড় ধসে পড়ার ফলে হয়।
C) সুনামি — এটি একটি সামুদ্রিক আপদ যা সমুদ্রের তলায় ভূমিকম্প বা অগ্ন্যুৎপাতের ফলে সৃষ্টি হয়।
D) খরা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি আবহাওয়া এবং কৃষির সাথে সরাসরি যুক্ত।
মনে রাখার টিপস:
কৃষি কাজের সাথে সরাসরি আবহাওয়া এবং পানির সংযোগ থাকে, তাই জলবায়ুজনিত পানির অভাব বা খরা হলো একটি কৃষি-আবহাওয়াজনিত আপদ।
সঠিক উত্তর: C) দক্ষিণ-পূর্ব
প্রদত্ত তথ্য:
লোকটি প্রথমে উত্তর-পশ্চিম দিকে মুখ করে আছে
ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘোরে নব্বই ডিগ্রি
ধরি,
প্রাথমিক দিক = উত্তর-পশ্চিম
অতএব,
ঘড়ির কাঁটার দিকে নব্বই ডিগ্রি ঘুরে মুখ হয় উত্তর-পূর্ব দিকে
সেখান থেকে ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে একশ আশি ডিগ্রি ঘুরে মুখ হয় দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে
সুতরাং,
একই দিকে আরো নব্বই ডিগ্রি ঘুরলে দিকটি পরিবর্তন হয়
উত্তর: দক্ষিণ-পূর্ব
সঠিক উত্তর: B) ৩৫৪২১
প্রদত্ত তথ্য:
শব্দগুলো হলো (১) Protect (২) Pragmatic (৩) Pastel (৪) Postal (৫) Pebble
ধরি,
ইংরেজি বর্ণমালার ক্রমানুসারে প্রথম অক্ষর বিবেচনা করি
সব শব্দের প্রথম অক্ষর P হওয়ায় দ্বিতীয় অক্ষর তুলনা করি
অতএব,
a অক্ষরযুক্ত শব্দ দুটি হলো Pastel এবং Pragmatic
e অক্ষরযুক্ত শব্দ দুটি হলো Pebble এবং Protect
o অক্ষরযুক্ত শব্দ হলো Postal
সুতরাং,
a এর পরে s থাকায় Pastel হয় প্রথমে এবং Pragmatic হয় দ্বিতীয় স্থানে
e এর পরে b থাকায় Pebble হয় তৃতীয় স্থানে এবং Protect হয় চতুর্থ স্থানে
উত্তর: ৩৫৪২১
সঠিক উত্তর: C) বোন
প্রদত্ত তথ্য:
মহিলা পুরুষটির দিকে ইঙ্গিত করে কথাটি বলছেন
সম্পর্কের ভিত্তিতে রক্তের সম্পর্ক নির্ণয় করতে হবে
ধরি,
মহিলার দাদা হলেন সেই পুরুষেরও দাদা
মহিলার দাদার একমাত্র ছেলে হলেন মহিলা ও পুরুষের বাবা
অতএব,
পুরুষটির ভাইয়ের বাবা হলেন স্বয়ং তাদের নিজেদের বাবা
মহিলার বাবার একমাত্র ছেলে অর্থাত্ ওই পুরুষের বাবা হলেন মহিলার বাবা
সুতরাং,
মহিলা এবং ওই পুরুষ একই পিতার সন্তান
উত্তর: বোন
সঠিক উত্তর: D) ৯২
প্রদত্ত তথ্য:
ইংরেজি বর্ণমালার অবস্থান অনুসারে ইংরেজি অক্ষরগুলোকে নির্দিষ্ট সংখ্যা দ্বারা গুণ করা হয়েছে
ধরি,
ইংরেজি বর্ণমালায় A এর অবস্থান ১, B এর অবস্থান ২, E এর অবস্থান ৫ ইত্যাদি
এখানে প্রতিটি অক্ষরের স্থানীয় মানকে দুই দ্বারা গুণ করা হয়েছে
অতএব,
B এর মান = ২ × ২ = ৪
E এর মান = ৫ × ২ = ১০
সুতরাং,
S এর মান = ১৯ × ২ = ৩৮ এবং T এর মান = ২০ × ২ = ৪০
উত্তর: ৪ + ১০ + ৩৮ + ৪০ = ৯২
সঠিক উত্তর: B) Eagle
প্রদত্ত তথ্য:
অপশনগুলোতে চারটি পাখির নাম দেওয়া আছে
কিউই, ইমু এবং উটপাখি হলো না উড়তে পারা পাখি
ইগল হলো আকাশে উড়তে পারা একটি শিকারী পাখি
ধরি,
উড়তে না পারা পাখিগুলো একদলভুক্ত
উড়তে পারা পাখিটি অন্য দলভুক্ত
অতএব,
কিউই পাখি উড়তে পারে না
ইমু পাখি উড়তে পারে না
উটপাখি পাখি উড়তে পারে না
সুতরাং,
ইগল পাখি আকাশে উড়তে পারে এবং এটি অন্যদের থেকে আলাদা
উত্তর: B) Eagle
সঠিক উত্তর: C) ৪৫ বছর
প্রদত্ত তথ্য:
মহিলার বয়সের অংক দুটি উল্টালে স্বামীর বয়স পাওয়া যায়
স্বামীর বয়স মহিলার থেকে বেশি এবং তাদের বয়সের পার্থক্য মোট বয়সের যোগফলের এগারো ভাগের একভাগ
ধরি,
মহিলার বয়সের একক অংক ক এবং দশক অংক খ
মহিলার বয়স = ১০খ + ক এবং স্বামীর বয়স = ১০ক + খ
অতএব,
বয়সের পার্থক্য = (১০ক + খ) − (১০খ + ক) = ৯ক − ৯খ
বয়সের যোগফল = (১০খ + ক) + (১০ক + খ) = ১১ক + ১১খ
সুতরাং,
শর্তানুসারে, ৯ক − ৯খ = (১১ক + ১১খ) ÷ ১১
সমাধান করে পাই ক − খ = ১
উত্তর: অপশন পরীক্ষা করে দেখা যায় ৪৫ বছর বয়স হলে ৫ − ৪ = ১ হয়, তাই মহিলার বয়স ৪৫ বছর
সঠিক উত্তর: C) হালকা বস্তু
প্রদত্ত তথ্য:
কামান থেকে চারটি ভিন্ন বস্তু নিক্ষেপ করা হলো
সব বস্তুর ওপর প্রযুক্ত বল সমান
ধরি,
বস্তুর ভর কম হলে ত্বরণ বেশি হয়
ভর বেশি হলে বস্তুর গতিবেগ কমে যায়
অতএব,
ভারী বস্তুর জড়তা বেশি থাকে
হালকা বস্তুর ওপর বলের প্রভাব বেশি পড়ে
সুতরাং,
হালকা বস্তুটি অনেক বেশি দূরে গিয়ে পড়বে
উত্তর: হালকা বস্তু
সঠিক উত্তর: B) ১০৫
প্রদত্ত তথ্য:
সভার মোট লোকসংখ্যা = ১৫ জন
প্রত্যেকে প্রত্যেকের সাথে একবার করে করমর্দন করে
ধরি,
প্রথম ব্যক্তি করমর্দন করে ১৪ বার
দ্বিতীয় ব্যক্তি করমর্দন করে ১৩ বার
এভাবে শেষ ব্যক্তি পর্যন্ত করমর্দন চলে
অতএব,
মোট করমর্দনের সংখ্যা হলো ১ থেকে ১৪ পর্যন্ত স্বাভাবিক সংখ্যার যোগফল
অর্থাৎ, (১৫ × ১৪) ÷ ২
সুতরাং,
মোট করমর্দন হবে ২১০ ÷ ২ = ১০৫ বার
উত্তর: ১০৫
সঠিক উত্তর: C) Females : Gynecologist
প্রদত্ত তথ্য:
শিশুদের চিকিৎসা করেন পেডিয়াট্রিশিয়ান
সম্পর্কটি রোগী এবং সংশ্লিষ্ট বিশেষ চিকিৎসকের
ধরি,
প্রথম পদটি হলো চিকিৎসার বিশেষ ক্ষেত্র
দ্বিতীয় পদটি হলো সেই ক্ষেত্রের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক
অতএব,
পেডিয়াট্রিশিয়ান যেমন শিশুদের রোগ নিয়ে কাজ করেন
গাইনোকোলজিস্ট তেমনি নারীদের স্বাস্থ্য ও রোগ নিয়ে কাজ করেন
সুতরাং,
মূল জুটির সাথে এই জুটির সাদৃশ্য সবচেয়ে বেশি মিলছে
উত্তর: C) Females : Gynecologist
সঠিক উত্তর: C) ১০৮
প্রদত্ত তথ্য:
সংখ্যাগুলোর ধারাবাহিক বিন্যাস দেওয়া আছে
প্রশ্নবোধক চিহ্নের সঠিক মান নির্ণয় করতে হবে
ধরি,
প্রথম সংখ্যাটি = ৪
দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ১২
তৃতীয় সংখ্যাটি = ৩৬
অতএব,
প্রথম ধাপে ৪ কে ৩ দ্বারা গুণ করলে পাওয়া যায় ১২
দ্বিতীয় ধাপে ১২ কে ৩ দ্বারা গুণ করলে পাওয়া যায় ৩৬
সুতরাং,
তৃতীয় ধাপে ৩৬ কে ৩ দ্বারা গুণ করতে হবে
উত্তর: ৩৬ × ৩ = ১০৮
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)