সঠিক উত্তর: A) ইছামতি
কেন সঠিক:
- ইছামতি কোনো ছোটগল্প সংকলন নয়, এটি বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস।
- এই প্রশ্নটিতে মূলত উপন্যাস এবং গল্পগ্রন্থের পার্থক্য যাচাই করা হয়েছে, যেখানে বাকি তিনটি তাঁর ছোটগল্পের বই।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা সাহিত্যে উপন্যাস হলো একটি দীর্ঘ কথাসাহিত্য আর গল্পগ্রন্থ হলো ছোটগল্পের সংকলন।
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় প্রকৃতি ও গ্রামীণ জীবনের টানে কালজয়ী উপন্যাস এবং ছোটগল্প উভয়ই রচনা করেছেন।
- তাঁর বিখ্যাত উপন্যাসগুলির মধ্যে পথের পাঁচালী এবং ইছামতি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইছামতি — এটি বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত উপন্যাস, কোনো গল্পগ্রন্থ নয়।
B) মেঘমল্লার — এটি বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি জনপ্রিয় ও পরিচিত ছোটগল্প সংকলন।
C) মৌরিফুল — এটি বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের রচিত অন্যতম শ্রেষ্ঠ ছোটগল্প গ্রন্থ।
D) যাত্রাবদল — এটিও বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি উল্লেখযোগ্য ছোটগল্পের বই।
মনে রাখার টিপস:
- বিভূতিভূষণের বিখ্যাত উপন্যাস মনে রাখতে ইছামতি ও পথের পাঁচালী আলাদা করে তালিকাভুক্ত করো।
- ছোটগল্পগুলির ক্ষেত্রে মেঘমল্লার ও মৌরিফুল একসাথে পড়লে পরীক্ষার সময় সহজে মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: A) রসুল বিজয়
১. কেন সঠিক:
কবি জৈনুদ্দিনের বিখ্যাত ও একমাত্র সাহিত্যকর্ম হলো রসুল বিজয় কাব্যগ্রন্থ। মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্য ও রোমান্টিক ধারার বাইরে ইসলামী সংস্কৃতির প্রভাবে রচিত মধ্যযুগের অন্যতম প্রধান কাব্য এটি।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
কবি জৈনুদ্দিন পঞ্চদশ শতাব্দীর একজন মধ্যযুগের কবি। গৌড়ের সুলতান ইউসুফ শাহের শাসনকালে তিনি এই কাব্য রচনা করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ইউসুফ জোলেখা
ব্যাখ্যা: এটি শাহ মুহাম্মদ সগির রচিত মধ্যযুগের অপর একটি বিখ্যাত প্রণয়োপাখ্যান।
উদাহরণ ২: পদ্மாவত
ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ আলাওল রচিত মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ একটি কাব্যগ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রসুল বিজয় — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই কাব্যটি কবি জৈনুদ্দিনের রচনা।
B) মক্কা বিজয় — এই নামে কোনো প্রাচীন মধ্যযুগের কাব্যগ্রন্থ বা জৈনুদ্দিনের কোনো রচনা নেই।
C) রসুলচরিত — এটি কবি জৈনুদ্দিনের কোনো গ্রন্থ নয় বরং এটি একটি আধুনিক বা ভিন্ন ধারার জীবনচরিত।
D) মক্কানামা — এটি কবি জৈনুদ্দিনের রচনা নয়, মধ্যযুগের অন্য কোনো কবির রচিত গ্রন্থ।
৫ মনে রাখার টিপস:
জৈনুদ্দিন মানেই রসুল বিজয়, এভাবে মনে রাখতে পারো। মধ্যযুগের ইসলামের ইতিহাস আশ্রিত কাব্যের মধ্যে এটি বেশ পরিচিত।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
মধ্যযুগের মুসলিম কবি ও তাদের রচিত কাব্যগ্রন্থ থেকে প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে। তাই কবি জৈনুদ্দিন ও তাঁর রসুল বিজয় নামটি ভালোভাবে মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: A) বিনয় ঘোষ
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরটি বিনয় ঘোষালের গবেষণামূলক ও সমাজতাত্ত্বিক রচনার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।
- বিদ্যাসাগর ও বাঙালি সমাজ গ্রন্থটি উনিশ শতকের বাংলার সমাজ সংস্কার ও ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের ভূমিকা নিয়ে রচিত একটি প্রামাণ্য গ্রন্থ।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বিনয় ঘোষ ছিলেন বিশ শতকের প্রখ্যাত বাঙালি সমাজবিজ্ঞানী, সাহিত্যিক এবং ইতিহাসবিদ।
- এই গ্রন্থটি উনিশ শতকের বাংলা রেনেসাঁস বা নবজাগরণ এবং বিদ্যাসাগরের চিন্তাধারা বুঝতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক দলিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কলকাতার সমাজজীবন
ব্যাখ্যা: এটি বিনয় ঘোষের রচিত আরেকটি বিখ্যাত সমাজতাত্ত্বিক ও ঐতিহাসিক গ্রন্থ।
উদাহরণ ২: বিদ্যাসাগর চরিত
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর সম্পর্কিত একটি বিখ্যাত জীবনচরিত গ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিনয় ঘোষ — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি উক্ত গ্রন্থটির সফল রচয়িতা।
B) সুবিনয় ঘোষ — এই নামে কোনো বিখ্যাত লেখক বা গবেষক এই গ্রন্থ রচনা করেননি।
C) বিনয় ভট্টাচার্য — এই ব্যক্তি বিদ্যাসাগর বা বাঙালি সমাজ নিয়ে এই নামে কোনো গ্রন্থ রচনা করেননি।
D) বিনয় বর্মণ — এই লেখক আলোচ্য গ্রন্থটির সঙ্গে কোনোভাবেই যুক্ত নন।
৫ মনে রাখার টিপস:
বিনয় ঘোষ মানেই সমাজ ও ইতিহাস বিষয়ক গভীর গবেষণা। বিদ্যাসাগরের সমাজ সংস্কারের ইতিহাস জানতে হলে বিনয় ঘোষের নাম মনে রাখতে হবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উনিশ শতকের সমাজ সংস্কার এবং প্রখ্যাত গবেষকদের লেখা গ্রন্থ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। বিনয় ঘোষের অন্যান্য বিখ্যাত গ্রন্থগুলোও ভালোভাবে পড়ে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
১. কেন সঠিক:
প্রথম সাহিত্যিক গদ্যের স্রষ্টা বা জনক হিসেবে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে গণ্য করা হয় কারণ তিনি বাংলা গদ্যে প্রথম শৈল্পিক রূপ, যতি চিহ্নের সঠিক ব্যবহার এবং সুশৃঙ্খল বাক্যবিন্যাস প্রতিষ্ঠা করেন।
তার হাতেই বাংলা গদ্য পরাধীনতার গণ্ডি পেরিয়ে প্রাতিষ্ঠানিক ও সাহিত্যিক রূপ লাভ করে এবং গদ্যে প্রথম লাবণ্য ও শৃঙ্খলা ফিরে আসে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা গদ্যের প্রথম সার্থক শিল্পরূপকার হিসেবে পরিচিত এবং তাকে বাংলা গদ্যের জনক বলা হয়।
তার রচিত বেতাল পঞ্চবিংশতি এবং শকুন্তলা গদ্য সাহিত্যে এক নতুন যুগের সূচনা করে যেখানে ভাষারীতির মার্জিত রূপ প্রকাশ পায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বেতাল পঞ্চবিংশতি
ব্যাখ্যা: এটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কর্তৃক অনূদিত এবং বাংলা গদ্যের শৈল্পিক রূপের এক অনন্য নিদর্শন।
উদাহরণ ২: ভ্রান্তিবিলাস
ব্যাখ্যা: এটি শেক্সপিয়রের কমেডি অফ এররস অবলম্বনে রচিত বিদ্যাসাগরের একটি জনপ্রিয় গদ্য গ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাজা রামমোহন রায় — তিনি বাংলা গদ্যের প্রথম প্রবক্তা বা পথপ্রদর্শক হলেও তাকে সাহিত্যিক গদ্যের স্রষ্টা বলা হয় না।
B) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং তিনি বাংলা গদ্যে প্রথম সাহিত্যিক রূপ ও শিল্পকলা ফুটিয়ে তোলেন।
C) মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার — ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পন্ডিত হলেও তার গদ্য ছিল সংস্কৃতবহুল ও গুরুগম্ভীর।
D) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি বাংলা উপন্যাসের জনক এবং প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক, গদ্যের স্রষ্টা নন।
৫. মনে রাখার টিপস:
গদ্যের জনক বা প্রথম সাহিত্যিক গদ্যের স্রষ্টা বললে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের নাম মনে রাখবে।
উপন্যাসের জনক বললে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নাম মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিদ্যাসাগরকে বাংলা গদ্যের প্রথম সার্থক শিল্পী বলা হয় কারণ তিনি প্রথম যতি চিহ্নের সঠিক প্রয়োগ করেন।
ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের লেখকদের গদ্যে পন্ডিতি ভাষা থাকলেও বিদ্যাসাগর তাকে সহজ ও প্রাঞ্জল করেন।
সঠিক উত্তর: A) ১৮৫৮ সালে
১. কেন সঠিক:
- প্যারীচাঁদ মিত্রের আলালের ঘরের দুলাল উপন্যাসটি ১৮৫৮ সালে প্রথম গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।
- এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস হিসেবে বাংলা কথাসাহিত্যের ইতিহাসে বিশেষ স্থান দখল করে আছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- লেখক প্যারীচাঁদ মিত্র টেকচাঁদ ঠাকুর ছদ্মনামে এই উপন্যাসটি রচনা করেছিলেন।
- কথ্য বা প্রমিত সাধু ভাষায় রচিত এই উপন্যাসের মাধ্যমে বাংলা উপন্যাসের ধারা সূচনা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হুতোম প্যাচাঁর নকশা
ব্যাখ্যা: এটি কালীপ্রসন্ন সিংহ রচিত আরেকটি বিখ্যাত সমসাময়িক সামাজিক নকশা যা কলকাতার বাবু সমাজের চিত্র তুলে ধরে।
উদাহরণ ২: উদাসীন পথিকের মনের কথা
ব্যাখ্যা: এটি মীর মশাররফ হোসেন রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস যা উনিশ শতকের সামাজিক ও ঐতিহাসিক পটভূমিতে রচিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৮৫৮ সালে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই গ্রন্থটি প্রথম প্রকাশিত হয়।
B) ১৯৭৮ সালে — এটি ভুল কারণ এই সালটি আলালের ঘরের দুলাল প্রকাশের বহু পরের একটি আধুনিক কাল।
C) ১৮৪৮ সালে — এটি ভুল কারণ এই সালে তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা প্রকাশিত হয়েছিল কিন্তু এই উপন্যাস প্রকাশিত হয়নি।
D) ১৮৬৮ সালে — এটি ভুল কারণ এই সালে প্যারীচাঁদ মিত্রের অন্য কোনো গ্রন্থ বা সমসাময়িক ঘটনা ঘটেছে কিন্তু এই উপন্যাস প্রকাশের সাল এটি নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
প্যারীচাঁদ মিত্রের আলালের ঘরের দুলাল প্রকাশের সাল মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো যে এটি সিপাহী বিদ্রোহের পরের বছর অর্থাৎ ১৮৫৮ সালে প্রকাশিত হয়েছিল।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাসের নাম এবং এর রচয়িতা ও প্রকাশকাল জিজ্ঞাসা করা হয়।
একইভাবে টেকচাঁদ ঠাকুর কার ছদ্মনাম তা মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: A) চতুরঙ্গ
১. কেন সঠিক:
- শচীন, দামিনী ও শ্রীবিলাস রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'চতুরঙ্গ' উপন্যাসের প্রধান চরিত্র।
- এই উপন্যাসের বর্ণনাকারী ও সূত্রধর হলেন শ্রীবিলাস।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ ঔপন্যাসিক ও কবি whose 'চতুরঙ্গ' প্রকাশিত হয় ১৯১৬ সালে।
- এটি রবীন্দ্রনাথের একটি মনস্তাত্ত্বিক ও দার্শনিক উপন্যাস যেখানে মানবজীবনের আদর্শ ও প্রেম নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শেষের কবিতা
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আরেকটি বিখ্যাত উপন্যাস যার প্রধান চরিত্র অমিত ও লাবণ্য।
উদাহরণ ২: চোখের আলো
ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটগল্প ও উপন্যাসে বাংলা সমাজের নানা চিত্র ফুটে উঠেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চতুরঙ্গ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই উপন্যাসেরই চরিত্র শচীন, দামিনী ও শ্রীবিলাস।
B) চার অধ্যায় — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শেষ উপন্যাস যার প্রধান চরিত্র অতীন ও এলা।
C) নৌকাডুবি — এটি রবীন্দ্রনাথের একটি সামাজিক উপন্যাস যার প্রধান চরিত্র রমেশ, হেমা নলিনী ও কমলারানি।
D) ঘরে বাইরে — এটি রবীন্দ্রনাথের রাজনৈতিক উপন্যাস যার প্রধান চরিত্র নিখিলেশ, বিমলা ও সন্দীপ।
৫ মনে রাখার টিপস:
- চতুরঙ্গ উপন্যাসের চরিত্রের নাম মনে রাখার জন্য সূত্র হলো শ্রীবিলাসের ডায়েরিতে শচীন ও দামিনীর কথা লেখা আছে।
- রবীন্দ্রনাথের মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস চতুরঙ্গ খুব সহজেই চরিত্রগুলো দিয়ে মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস পরীক্ষায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাস ও চরিত্র থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে।
- উপন্যাসগুলোর প্রকাশের সাল এবং প্রধান চরিত্রগুলোর নাম ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
কেন সঠিক:
- এই পংক্তিটি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের বিখ্যাত ব্যঙ্গাত্মক ও সমাজসচেতন কবিতার অংশ বিশেষ।
- ঊনবিংশ শতকের সমাজে প্রচলিত অন্ধ অনুকরণ ও তোষামোদ প্রথার বিরুদ্ধে কবি এই শ্লেষাত্মক কবিতাটি রচনা করেন।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা সাহিত্যের ব্যঙ্গকাব্য ধারার একটি চমৎকার নিদর্শন যেখানে শ্লেষালংকার ব্যবহার করা হয়েছে।
- ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত তাঁর কবিতায় সমসাময়িক সমাজের নানা অসঙ্গতি ও পরাধীন মানসিকতাকে অত্যন্ত সুচারুভাবে ফুটিয়ে তুলতেন।
- ‘কল্পতরু’ বলতে এমন গাছকে বোঝায় যা সব ইচ্ছা পূরণ করে এবং ‘পোষাগরু’ বলতে প্রভুর অনুগত গৃহপালিত পশুকে বোঝানো হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায় — ইনি মূলত দেশপ্রেম ও স্বাধীনতার বাণী সংবলিত ‘পদ্মাবতী’ ও ‘কর্মদেবী’ কাব্যের জন্য বিখ্যাত।
- B) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — ইনি বাংলা গদ্যের জনক এবং সমাজসংস্কারক হিসেবে পরিচিত হলেও কোনো কাব্যগ্রন্থের জন্য প্রধানত পরিচিত নন।
- C) হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় — ইনি একজন প্রখ্যাত মহাকাব্য ও দেশপ্রেমমূলক কবিতার রচয়িতা যার মধ্যে ‘বৃত্রসংহার’ বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
- D) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত — এই অপশনটি সঠিক কারণ কবিতাংশটি তাঁরই রচিত।
মনে রাখার টিপস:
- পোষাগরু এবং কল্পতরু শব্দের চমৎকার মিল দিয়ে তৈরি এই শ্লেষাত্মক পংক্তি দেখলে চোখ বন্ধ করে ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তকে বেছে নেবে।
সঠিক উত্তর: A) গো-জীবন
১. কেন সঠিক:
মীর মশাররফ হোসেন রচিত 'গো-জীবন' প্রবন্ধ গ্রন্থের মূল উপজীব্য বিষয় হলো হিন্দু ও মুসলমান সম্প্রদায়ের মধ্যকার বিরোধ এবং গো-হত্যা কেন্দ্র করে সৃষ্ট সামাজিক সংকট।
এই গ্রন্থে লেখক অত্যন্ত সাহসিকতার সাথে দুই সম্প্রদায়ের সম্প্রীতি রক্ষা এবং গো-হত্যা রোধের সামাজিক দিকগুলো তুলে ধরেছেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
মীর মশাররফ হোসেন উনিশ শতকের বাঙালি মুসলিম সমাজের এক অন্যতম প্রধান গদ্যশিল্পী ও ঔপন্যাসিক।
তাঁর বিখ্যাত সাহিত্যকর্মের মধ্যে বিষাদ সিন্ধু, জমিদার দর্পণ এবং উদাসীন পথিকের মনের কথা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিষাদ সিন্ধু
ব্যাখ্যা: এটি মীর মশাররফ হোসেনের সর্বশ্রেষ্ঠ ঐতিহাসিক উপন্যাস যা কারবালার ট্র্যাজেডি অবলম্বনে রচিত।
উদাহরণ ২: জমিদার দর্পণ
ব্যাখ্যা: এটি নীলকর সাহেবদের অত্যাচার এবং কৃষকদের উপর তাদের নিপীড়ন নিয়ে রচিত একটি বিখ্যাত নাটক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গো-জীবন — এটি সঠিক উত্তর।
B) ইসলামের জয় — এটি মীর মশাররফ হোসেনের কোনো মৌলিক সাহিত্যকর্ম নয় বরং বিভ্রান্তিকর অপশন।
C) এর উপায় কী — এটি মীর মশাররফ হোসেনের রচিত কোনো গ্রন্থ নয়।
D) বসন্তকুমারী নাটক — এটি মীর মশাররফ হোসেনের রচিত প্রথম নাটক হলেও এর উপজীব্য হিন্দু-মুসলমানের বিরোধ নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
মীর মশাররফ হোসেনের সমাজ সংস্কারমূলক প্রবন্ধ মনে রাখার জন্য গরু বা গো-জীবন শব্দটি মাথায় রাখবে।
হিন্দু-মুসলমানের বিরোধ নিয়ে লেখা তার একমাত্র বিশেষ প্রবন্ধ হলো গো-জীবন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মীর মশাররফ হোসেনের নাটক, উপন্যাস ও প্রবন্ধ আলাদা করে প্রশ্ন আসে।
তার প্রথম নাটক বসন্তকুমারী এবং প্রথম উপন্যাস রত্নবতী ভালোভাবে মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: D) ১৬ বছর
কেন সঠিক:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মাত্র ষোলো বছর বয়সে প্রথম সার্থক ছোটগল্প রচনা করেন।
- তাঁর এই প্রথম ছোটগল্পটির নাম ভিখারিণী, যা ১৮৭৭ খ্রিস্টাব্দে ভারতী পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
ব্যাকরণ বা সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে সার্থক ছোটগল্পের জনক হিসেবে গণ্য করা হয়।
- কৈশোরকাল থেকেই তাঁর সাহিত্যচর্চা শুরু হয় এবং খুব অল্প বয়সেই তিনি গল্পকার হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন।
- ভিখারিণী গল্পের মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যে আধুনিক ছোটগল্পের ধারা সূচিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) ১০ বছর — এই বয়সে তিনি ছোটগল্প লেখেননি, বরং পদ্য বা কবিতা লেখার চেষ্টা শুরু করেছিলেন।
- B) ১২ বছর — এই বয়সে তিনি বাল্মীকি প্রতিভার মতো নাটকে অভিনয় ও কিছু পদ্য রচনা করেছিলেন।
- C) ১৪ বছর — এই বয়সে তিনি মূলত বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় কবিতা ও প্রবন্ধ লেখালেখি শুরু করেছিলেন।
- D) সঠিক উত্তর হওয়ার কারণে এই অপশনটি ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটগল্পকার হিসেবে আত্মপ্রকাশের বয়স মনে রাখতে ষোলো সংখ্যাটি মনে রাখবে।
- ভিখারিণী গল্প লেখার সময় তাঁর বয়স ছিল ঠিক ষোলো বছর।
সঠিক উত্তর: B) মুক্তাক্ষর
১. কেন সঠিক:
স্বরান্ত অক্ষর বলতে সেই অক্ষরকে বোঝায় যার শেষে স্বরধ্বনি থাকে বা যা স্বরধ্বনি দিয়ে শেষ হয়।
মুক্তাক্ষর উচ্চারণের সময় নিঃশ্বাস না থেমে সহজে দীর্ঘায়িত করা যায় এবং এর শেষে কোনো ব্যঞ্জনধ্বনি অবরুদ্ধ থাকে না।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ছন্দে ও উচ্চারণে অক্ষর প্রধানত দুই প্রকার যথা মুক্তাক্ষর ও বদ্ধাক্ষর।
যে অক্ষর স্বরধ্বনি দিয়ে শেষ হয় তাকে মুক্তাক্ষর বলে এবং যা ব্যঞ্জনধ্বনি দিয়ে শেষ হয় তাকে বদ্ধাক্ষর বলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আম (আ+ম) শব্দের আ অংশটি মুক্তাক্ষর কারণ এটি স্বরবর্ণ দিয়ে গঠিত।
ব্যাখ্যা: আ উচ্চারণের সময় স্বরধ্বনি এককভাবে উচ্চারিত হয় এবং এর শেষে কোনো ব্যঞ্জনধ্বনি নেই।
উদাহরণ ২: নদী (ন+দী) শব্দের দী অংশটি মুক্তাক্ষর কারণ এর শেষে দীর্ঘী স্বরধ্বনি আছে।
ব্যাখ্যা: দী উচ্চারণের সময় স্বরধ্বনি দীর্ঘায়িত করা যায় এবং নিঃশ্বাস আটকে যায় না।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) একাক্ষর — এটি অক্ষরের একটি সাধারণ শ্রেণি যা একটি মাত্র উচ্চারণ একক বোঝায়, তবে এটি নির্দিষ্ট করে স্বরান্ত অক্ষর বোঝায় না।
B) মুক্তাক্ষর — এটি সঠিক উত্তর।
C) বদ্ধাক্ষর — এটি ব্যঞ্জনাস্ত বা ব্যঞ্জনধ্বনি দিয়ে শেষ হওয়া অক্ষরকে বোঝায়, যা স্বরান্ত অক্ষরের বিপরীত।
D)যুক্তাক্ষর — এটি একাধিক ব্যঞ্জনবর্ণের যুক্ত রূপকে বোঝায়, স্বরান্ত অক্ষরের সঙ্গে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
মুক্ত মানে খোলা, তাই খোলা গলায় স্বরধ্বনিতে শেষ হওয়া অক্ষরই মুক্তাক্ষর।
বদ্ধ মানে আটকানো, তাই ব্যঞ্জনধ্বনিতে আটকে যাওয়া অক্ষর হলো বদ্ধাক্ষর।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা ছন্দের মাত্রাবৃত্ত ও স্বরবৃত্ত ছন্দে অক্ষর গণনার সময় মুক্তাক্ষর ও বদ্ধাক্ষর চেনার নিয়ম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
পরীক্ষায় প্রায়ই শব্দ ভেঙে মুক্তাক্ষর ও বদ্ধাক্ষর আলাদা করতে বলা হয়।
সঠিক উত্তর: B) রুদ্র-মঙ্গল
১. কেন সঠিক:
- ‘আমার পথ’ প্রবন্ধটি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ‘রুদ্র-মঙ্গল’ প্রবন্ধ সংকলন থেকে সংকলিত হয়েছে।
- এই প্রবন্ধে লেখকের আত্মশক্তি, সত্যের প্রকাশ এবং পরাধীনতার গ্লানি থেকে মুক্তির সাহসী উচ্চারণ ফুটে উঠেছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি, যিনি একই সঙ্গে প্রাবন্ধিক, ঔপন্যাসিক ও গীতিকার হিসেবে পরিচিত।
- ‘রুদ্র-মঙ্গল’ তাঁর একটি বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ, যেখানে সমাজের অনিয়ম, বৈষম্য এবং ব্রিটিশবিরোধী চেতনার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কাজী নজরুল ইসলামের ‘দুর্দিনের যাত্রী’
ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের আরেকটি বিখ্যাত ও প্রতিবাদী প্রবন্ধগ্রন্থ।
উদাহরণ ২: কাজী নজরুল ইসলামের ‘যুগ-বাণী’
ব্যাখ্যা: এটিও তাঁর সমাজ ও রাষ্ট্রচিন্তামূলক প্রবন্ধ সংকলনগুলোর মধ্যে অন্যতম।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) যুগ-বাণী — এটি কাজী নজরুল ইসলামের সমাজ ও রাজনীতি বিষয়ক প্রবন্ধগ্রন্থ হলেও ‘আমার পথ’ প্রবন্ধটি এখান থেকে নেওয়া হয়নি।
B) রুদ্র-মঙ্গল — এটি সঠিক উত্তর।
C) দুর্দিনের যাত্রী — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ হলেও এই প্রশ্নভুক্ত প্রবন্ধটি এর অন্তর্ভুক্ত নয়।
D) রাজবন্দির জবানবন্দি — এটি নজরুলের একটি বিখ্যাত আত্মপক্ষ সমর্থনমূলক জবানবন্দি ও প্রবন্ধ, যা আলোচ্য প্রবন্ধের উৎস নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
নজরুলের বিদ্রোহী ও অগ্নিঝরা প্রবন্ধগুলো মনে রাখার জন্য ‘রুদ্র-মঙ্গল’ নামটি গুরুত্বপূর্ণ।
‘আমার পথ’ প্রবন্ধটির পথও নজরুলের রুদ্ররূপের মতোই নির্ভীক।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকের রচনার উৎস বা সংকলন থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
প্রবন্ধের মূল সুর এবং গ্রন্থটির নাম ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে
কেন সঠিক:
- মোতাহের হোসেন চৌধুরী তাঁর ‘জীবন ও বৃক্ষ’ প্রবন্ধে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে তপোবন-প্রেমিক হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাহিত্যকর্মে এবং শান্তিনিকেতনের ভাবধারায় প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের গভীর মিতালির প্রকাশ ঘটেছে, যা তপোবন সংস্কৃতির সমার্থক।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সাহিত্য প্রসঙ্গ: প্রবন্ধটিতে লেখকের প্রকৃতিচেতনা এবং গাছপালার প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসার প্রকাশ ঘটেছে।
- সাহিত্যিক দৃষ্টিভঙ্গি: প্রাচীন ভারতের ঋষিদের তপোবন জীবনের আদর্শ রবীন্দ্রনাথের রচনা ও জীবনদর্শনে বিশেষভাবে প্রভাব ফেলেছিল।
- উদাহরণ: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রকৃতির সান্নিধ্যে শান্তিনিকেতন আশ্রম প্রতিষ্ঠা করেছিলেন যা প্রাচীন তপোবনের আধুনিক রূপ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে — তিনি প্রকৃতিপ্রেমিক কথাসাহিত্যিক হলেও প্রবন্ধে তাঁকে তপোবন-প্রেমিক বলা হয়নি।
- B) জসীম উদ্দীনকে — তিনি পল্লীকবি হিসেবে পরিচিত হলেও আলোচ্য প্রবন্ধে তাঁকে এই উপাধিতে ভূষিত করা হয়নি।
- C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
- D) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে — তিনি সমাজের নানা দিক নিয়ে কথাসাহিত্য রচনা করেছেন, তপোবন-প্রেমিক হিসেবে পরিচিত নন।
মনে রাখার টিপস:
- তপোবন আর শান্তিনিকেতন বললেই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নাম মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: B) শেখ কামালকে
১. কেন সঠিক:
- উদ্ধৃতিটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে যেখানে কারাজীবনের স্মৃতিচারণ করা হয়েছে।
- লেখক যখন বারবার দীর্ঘ কারাবাসের কারণে দূরে থাকতেন তখন তার মেজো সন্তান শেখ কামালের বয়স ছিল মাত্র কয়েক মাস।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- গ্রন্থটির নাম অসমাপ্ত আত্মজীবনী যা বাঙালি জাতির কাছে একটি ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক দলিল হিসেবে সমাদৃত।
- লেখক হিসেবে পরিচিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং এটি প্রকাশিত হয় ২০১২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রকাশনা সংস্থা থেকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠ কন্যা শেখ হাসিনার জন্ম গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় ১৯৪৭ সালে।
ব্যাখ্যা: এই তথ্যটি বঙ্গবন্ধুর পরিবার ও তার সন্তানদের জন্মসাল মনে রাখতে সাহায্য করে।
উদাহরণ ২: অসমাপ্ত আত্মজীবনী গ্রন্থে ১৯৫৫ সাল পর্যন্ত লেখকের রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত জীবনের নানা ঘটনা উঠে এসেছে।
ব্যাখ্যা: এই সাহিত্যকর্মের পরিধি ও সময়কাল সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা দেয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শেখ নাসেরকে — শেখ নাসের হলেন বঙ্গবন্ধুর ছোট ভাই যিনি এই উদাহরণের সঙ্গে সম্পর্কিত নন।
B) শেখ কামালকে — এই অপশনটি সঠিক এবং তা ব্যাখ্যাকৃত তথ্যের সঙ্গে সম্পূর্ণ মিলে যায়।
C) শেখ হাসিনাকে — শেখ হাসিনা হলেন জ্যেষ্ঠ সন্তান এবং জেলের বাইরে জন্মের সময় তার বয়স ভিন্ন ছিল।
D) শেখ রেহেনাকে — শেখ রেহেনা হলেন কনিষ্ঠ কন্যা যার জন্ম আরও পরে হয়েছিল।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বঙ্গবন্ধু যখন কারাগারে যান তখন শেখ কামালের বয়স কয়েক মাস ছিল এটি মনে রাখতে অসমাপ্ত আত্মজীবনী গ্রন্থের শিশুতোষ স্মৃতিগুলো মাথায় রাখা যায়।
- পরিবারের সন্তানদের জন্মক্রম ও জেলের সময়কাল মিলিয়ে পড়লে এমন প্রশ্ন সহজে সমাধান করা সম্ভব।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- অসমাপ্ত আত্মজীবনী গ্রন্থের লেখক প্রকাশকাল ও এর ভেতরের ঐতিহাসিক ঘটনাগুলো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
- এই ধরনের আত্মজীবনীমূলক প্রশ্ন সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট গ্রন্থের নামের পাশাপাশি লেখকের পারিবারিক পরিচিতি সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) গাইবান্ধায়
১. কেন সঠিক:
- বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক আখতারুজ্জামান ইলিয়াস ১৯৪৩ সালের ১২ই ফেব্রুয়ারি গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ছাইবান গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- প্রশ্নটিতে তাঁর জন্মস্থান সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়েছে, যা সরাসরি তাঁর জন্ম জেলার সঙ্গে সম্পর্কিত।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- আখতারুজ্জামান ইলিয়াস আধুনিক বাংলা উপন্যাসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও প্রথিতযশা কারিগর।
- তাঁর উল্লেখযোগ্য উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে চিলিওকোঠার সেপাই এবং খোয়াবনামা।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চিলেকোঠার সেপাই
ব্যাখ্যা: এটি আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের একটি বিখ্যাত উপন্যাস যা ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে রচিত।
উদাহরণ ২: খোয়াবনামা
ব্যাখ্যা: এটি তাঁর আরেকটি মাস্টারপিস উপন্যাস যা তেভাগা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত এবং বাংলা কথাসাহিত্যে অনন্য স্থান দখল করে আছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গাইবান্ধায় — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি গাইবান্ধা জেলায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন।
B) বগুড়ায় — এই অপশনটি ভুল কারণ বগুড়া তাঁর পৈতৃক নিবাস বা কর্মক্ষেত্র হলেও তাঁর জন্মস্থান নয়।
C) ঢাকায় — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি ঢাকায় কর্মজীবন কাটালেও এখানে জন্মগ্রহণ করেননি।
D) সিরাজগঞ্জে — এই অপশনটি ভুল কারণ সিরাজুরের সঙ্গে তাঁর জন্মস্থানের কোনো ঐতিহাসিক সংযোগ নেই।
৫ মনে রাখার টিপস:
- আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের জন্ম গাইবান্ধায় এবং তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস দুটি হলো চিলেকোঠার সেপাই ও খোয়াবনামা।
- জন্মস্থান মনে রাখতে ইলিয়াস সাহেবের আদি নিবাস বগুড়া হলেও জন্ম গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে, এই তথ্যটি মাথায় রাখতে হবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকদের জন্মস্থান, জন্মতারিখ এবং বিখ্যাত উপন্যাস খুব ঘন ঘন আসে।
- আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের উপন্যাস সংখ্যা কম হলেও বাংলা সাহিত্যে তাঁর অবদান অপরিসীম, তাই তাঁর উপন্যাস ও জন্মস্থান সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) অক্ষরবৃত্ত ছন্দ
১. কেন সঠিক:
মাইকেল মধুসূদন দত্ত প্রবর্তিত অমিত্রাক্ষর ছন্দ হলো মূলত বাংলা সনেট ও মহাকাব্যের ছন্দ, যা বাংলা অক্ষরবৃত্ত ছন্দের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
এই ছন্দে পঙক্তির অন্ত্যমিল থাকে না এবং পর্ববিন্যাস ও যতিপাতের নির্দিষ্ট নিয়ম অনুসরণ করে অক্ষরবৃত্ত ছন্দের কাঠামোকেই সার্থকভাবে রূপায়ন করা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে প্রথম অমিত্রাক্ষর ছন্দের সফল প্রবর্তন করেন এবং এর মাধ্যমে বাংলা কাব্যে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়।
তিনি সংস্কৃত ও ইংরেজি কাব্যের অনুসরণে বাংলা ভাষায় প্রথম সার্থক মহাকাব্য মেঘনাদবধ কাব্য এবং চতুর্দশপদী কবিতাবলী রচনায় এই ছন্দ ব্যবহার করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হে বঙ্গ ভান্ডারে তব বিবিধ রতন।
ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের বিখ্যাত বঙ্গভাষা সনেট থেকে নেওয়া এবং এটি অক্ষরবৃত্ত ছন্দের কাঠামোর ওপর রচিত।
উদাহরণ ২: ভুলো না উত্তর দিক ভুলো না দক্ষিণ।
ব্যাখ্যা: এটি অক্ষরবৃত্ত ছন্দের আরেকটি পরিচিত উদাহরণ যা পর্ব ও মাত্রার সুনির্দিষ্ট নিয়মে গঠিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) স্বরবৃত্ত ছন্দ — স্বরবৃত্ত ছন্দ মূলত ছড়া বা লোকগীতির ছন্দ, যা দ্রুত লয় ও দলবৃত্ত নামে পরিচিত এবং অমিত্রাক্ষর ছন্দ এতে রচিত হয় না।
B) অক্ষরবৃত্ত ছন্দ — এটি সঠিক উত্তর কারণ মধুসূদন দত্তের অমিত্রাক্ষর ছন্দ মূলত অক্ষরবৃত্ত ছন্দেরই শৈল্পিক ও আধুনিক রূপায়ণ।
C) মাত্রাবৃত্ত ছন্দ — মাত্রাবৃত্ত ছন্দ গুরু ও লঘু স্বরের হিসাবের ওপর নির্ভর করে ধীর লয়ে চলে, যা অমিত্রাক্ষর ছন্দের মূল কাঠামো নয়।
D) গৈরিশ ছন্দ — গৈরিশ ছন্দ বলতে বাংলা ছন্দে কোনো স্বতন্ত্র বা প্রধান ধারা বোঝায় না, এটি একটি কাল্পনিক বা অপ্রাসঙ্গিক অপশন।
৫. মনে রাখার টিপস:
মধুসূদন দত্তের অমিত্রাক্ষর ছন্দ মনে রাখার জন্য মনে রাখতে হবে যে এটি বাংলা অক্ষরবৃত্ত ছন্দের আধুনিক ও উন্নত রূপ।
অক্ষরবৃত্ত ছন্দ মানেই পঙক্তির শেষে মিল না থাকা এবং পর্বের বিন্যাস মেনে চলা, যা অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রধান বৈশিষ্ট্য।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক কে এবং এটি কোন ছন্দের নব রূপায়ন।
মনে রাখবে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক মাইকেল মধুসূদন দত্ত এবং এটি অক্ষরবৃত্ত ছন্দের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছে।
সঠিক উত্তর: B) শামসুর রাহমান
১. কেন সঠিক:
বুক তার বাংলাদেশের হৃদয় কাব্যগ্রন্থটি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি শামসুর রাহমানের একটি বিখ্যাত সৃষ্টি।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম এবং দেশপ্রেম এই কাব্যগ্রন্থের মূল ভাবনা ও প্রেরণা হিসেবে কাজ করেছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
শামসুর রাহমান বিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয় অর্ধে আবির্ভূত একজন প্রথিতযশা কবি যিনি নাগরিক জীবন ও সমসাময়িক রাজনীতিকে কবিতায় রূপ দিয়েছেন।
এই কাব্যগ্রন্থটিতে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং বাঙালির আত্মত্যাগের চিত্র অত্যন্ত শিল্পসম্মতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বন্দী শিবির থেকে
ব্যাখ্যা: এটি শামসুর রাহমানের আরেকটি অত্যন্ত বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত।
উদাহরণ ২: ফিরিয়ে নাও ঘাসফুল
ব্যাখ্যা: এটিও কবি শামসুর রাহমানের রচিত দেশপ্রেম ও প্রকৃতিভিত্তিক একটি জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সৈয়দ শামসুল হক — তিনি একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও কবি হলেও এই নির্দিষ্ট কাব্যগ্রন্থটি তার লেখা নয়।
B) শামসুর রাহমান — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি তার রচিত একটি অবিস্মরণীয় কাব্যগ্রন্থ।
C) হাসান হাফিজুর রহমান — তিনি বিখ্যাত একুশে সংকলনের সম্পাদক ও কবি হলেও এই কাব্যগ্রন্থটি তার নয়।
D) আহসান হাবীব — তিনি বাংলা সাহিত্যের একজন বিশিষ্ট আধুনিক কবি হলেও এই গ্রন্থের রচয়িতা নন।
৫. মনে রাখার টিপস:
শামসুর রাহমানের হৃদয় সবসময় বাংলাদেশ ও মুক্তিযুদ্ধকে ঘিরে আবর্তিত হতো, তাই বুক তার বাংলাদেশের হৃদয় গ্রন্থটি দেখলে কবি শামসুর রাহমানকে স্মরণ করবে।
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কাব্যগ্রন্থ মনে রাখার জন্য কবির নাম এবং রচনার প্রথম অক্ষর মিলিয়ে সংক্ষিপ্ত ছন্দ তৈরি করতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কাব্যগ্রন্থ এবং এর রচয়িতা প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
এই ধরনের প্রশ্নে লেখকের অন্যান্য বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গ্রন্থগুলোর নামও ভালোভাবে দেখে যাওয়া উচিত।
সঠিক উত্তর: A) আবুল ফজল
১. কেন সঠিক:
- ‘দুর্দিনের দিনলিপি’ হলো প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ আবুল ফজল রচিত একটি বিখ্যাত স্মৃতিগ্রন্থ বা ডায়েরি সাহিত্য।
- এটি মূলত ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে রচিত যেখানে সমকালীন সমাজ ও রাষ্ট্রীয় সঙ্কটের বাস্তব চিত্র ফুটে উঠেছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- আবুল ফজল বিংশ শতাব্দীর বাংলা সাহিত্যের একজন প্রগতিশীল চিন্তাবিদ, প্রবন্ধকার ও ঔপন্যাসিক ছিলেন।
- তাঁর সাহিত্যকর্মে সমাজসচেতনতা, মানবতাবাদ ও বুদ্ধিবৃত্তিক স্বাধীনতার প্রকাশ স্পষ্টভাবে লক্ষ্য করা যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চৌচির
ব্যাখ্যা: এটি আবুল ফজল রচিত একটি সামাজিক উপন্যাস যা সমকালীন সমাজের অসঙ্গতি তুলে ধরে।
উদাহরণ ২: মৃত্তিকা
ব্যাখ্যা: এটিও আবুল ফজল রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা তাঁর সাহিত্যিক প্রতিভার অন্যতম নিদর্শন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আবুল ফজল — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই স্মৃতিগ্রন্থটি তাঁরই সৃষ্টি।
B) আবদুল কাদির — তিনি একজন প্রখ্যাত কবি ও সাহিত্য গবেষক হলেও ‘দুর্দিনের দিনলিপি’ তাঁর লেখা নয়।
C) জাহানারা ইমাম — তিনি ‘একাত্তরের দিনগুলি’ লেখার জন্য বিখ্যাত, যা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক স্মৃতিগ্রন্থ।
D) মুশতারি শফী — তিনি একজন কথাসাহিত্যিক ও সংগঠক হলেও এই গ্রন্থটির রচায়িতা নন।
৫. মনে রাখার টিপস:
- আবুল ফজল মানেই প্রগতিশীল চিন্তা ও দিনলিপি বা স্মৃতিকথাধর্মী লেখা।
- এভাবে মনে রাখতে পারো যে, দুর্দিনের মতো কঠিন সময়ে আবুল ফজল ডায়েরি বা দিনলিপি লিখে গেছেন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আত্মজীবনী, স্মৃতিকথা ও ডায়েরি সাহিত্য থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- লেখকের অন্যান্য বিখ্যাত প্রবন্ধ যেমন ‘সমাজ ও সাহিত্য’ এবং উপন্যাস ‘চৌচির’ ভালোভাবে পড়ে রাখা উচিত।
সঠিক উত্তর: A) ধ্বনি দৃশ্যমান
১. কেন সঠিক:
- ধ্বনি দৃশ্যমান নয়, কারণ ধ্বনি কেবল কান দিয়ে শোনা যায় এবং মুখ দিয়ে উচ্চারণ করা যায়।
- ভাষার মূল উপাদান হলো ধ্বনি, যা দেখার কোনো বস্তু নয় বরং শ্রবণের বিষয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- ধ্বনি হলো মানুষের বাকযন্ত্রের সাহায্যে উৎপাদিত আওয়াজ বা শব্দ, যা লেখার সময় প্রতীকের রূপ নেয়।
- ধ্বনির লিখিত রূপকে বর্ণ বলা হয়, যা দৃশ্যমান কিন্তু মূল ধ্বনিটি সর্বদা অদৃশ্য ও শ্রবণীয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ক, খ, গ
ব্যাখ্যা: এগুলো উচ্চারিত হলে ধ্বনি হয় এবং লেখার সময় বর্ণ হিসেবে দৃশ্যমান হয়।
উদাহরণ ২: মানুষের মুখের কথা
ব্যাখ্যা: কথ্য রূপটি কেবল ধ্বনি ও শ্রবণীয়, যা কোনো দৃশ্যমান বস্তু নয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ধ্বনি দৃশ্যমান — এটি ভুল কারণ ধ্বনি দেখা যায় না, কেবল শোনা যায়।
B) মানুষের ভাষার মূলে আছে কতগুলো ধ্বনি — এটি সঠিক তথ্য, তাই উত্তর হিসেবে এটি গ্রহণযোগ্য নয়।
C) ধ্বনি উচ্চারণীয় ও শ্রবণীয় — এটি সঠিক তথ্য, কারণ ধ্বনি উচ্চারণ ও শ্রবণ করা যায়।
D) অর্থবোধক ধ্বনিগুলোই মানুষের বিভিন্ন ভাষার বাগ্ধ্বনি — এটি সঠিক তথ্য, তাই এটি উত্তর নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ধ্বনি হলো কানের বিষয়, আর বর্ণ হলো চোখের বিষয়।
- ধ্বনি শোনা যায়, বর্ণ দেখা যায়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ধ্বনি এবং বর্ণের মূল পার্থক্য হলো দৃশ্যমানতা ও শ্রবণযোগ্যতা।
- ভাষা বিজ্ঞানে ধ্বনি হলো উচ্চারিত রূপ এবং বর্ণ হলো লিখিত রূপ।
সঠিক উত্তর: A) ব্রজবুলি
১. কেন সঠিক:
কবি যশোরাজ খান মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলি সাহিত্যের অন্যতম একজন উল্লেখযোগ্য কবি যিনি কৃষ্ণের রাধা বিষয়ক পদ ব্রজবুলি ভাষায় রচনা করেছিলেন।
ব্রজবুলি মূলত কোনো জনভাষার নাম নয়, এটি বাংলা ও মৈথিলী ভাষার মিশ্রণে তৈরি একটি কৃত্রিম সাহিত্যিক ভাষা যা পদাবলি রচনার জন্য ব্যবহৃত হতো।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
যশোরাজ খান পঞ্চদশ শতাব্দীর শেষভাগে বা ষোল শতকের শুরুর দিকে সুলতান হোসেন শাহের আমলের সমসাময়িক একজন কবি হিসেবে পরিচিত লাভ করেছিলেন।
তিনি মৈথিলী ভাষার কবি বিদ্যাপতির পদের অনুকরণে ব্রজবুলিতে পদ রচনা করতেন এবং তাঁর রচনায় রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমের মধুর রূপ প্রকাশ পেয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিদ্যাপতির পদ
ব্যাখ্যা: বিদ্যাপতি ব্রজবুলি ভাষায় প্রথম পদ রচনা করেন এবং যশোরাজ খান তাঁরই পদাঙ্ক অনুসরণ করেছিলেন।
উদাহরণ ২: জ্ঞানদাসের পদ
ব্যাখ্যা: জ্ঞানদাস বাংলা ভাষার পাশাপাশি ব্রজবুলি ভাষাতেও বৈষ্ণব পদ রচনা করে খ্যাতি অর্জন করেছিলেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ব্রজবুলি — এটি সঠিক অপশন কারণ যশোরাজ খান এই কৃত্রিম সাহিত্যিক ভাষাতেই তাঁর বৈষ্ণব পদগুলো রচনা করেছিলেন।
B) বাংলা — বাংলা ভাষায় বৈষ্ণব পদ রচিত হলেও যশোরাজ খানের ক্ষেত্রে তাঁর পদগুলো বিশেষভাবে ব্রজবুলি ভাষায় রচিত হিসেবে পরিচিত।
C) সংস্কৃত — প্রাচীন ও মধ্যযুগের কিছু ধর্মগ্রন্থ সংস্কৃতে রচিত হলেও বৈষ্ণব পদাবলি মূলত ব্রজবুলি ও বাংলা ভাষাতেই রচিত হয়েছে।
D) হিন্দি — হিন্দি ভাষা উত্তর ভারতের উপভাষা হলেও এটি বাংলার বৈষ্ণব পদাবলি সাহিত্যের মূল ভাষা হিসেবে ব্যবহৃত হয়নি।
৫ মনে রাখার টিপস:
যশোরাজ খানের নাম দেখলে মনে রাখবে তিনি ব্রজবুলি ভাষার কবি বিদ্যাপতির ধারা অনুসরণ করে পদ রচনা করেছিলেন।
বৈষ্ণব পদাবলি বললেই মৈথিলী ও বাংলার মিশ্রণে তৈরি ব্রজবুলি ভাষার কথা মাথায় রাখতে হবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোন কবি ব্রজবুলি ভাষায় পদ রচনা করেছেন এবং সেখানে যশোরাজ খানের নাম একটি গুরুত্বপূর্ণ উত্তর।
বিদ্যাপতি ব্রজবুলি ভাষার মূল প্রবক্তা আর তাঁকে অনুসরণ করে যশোরাজ খানসহ অনেকেই এই ভাষায় পদ লিখেছেন তা মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) সৈয়দ নূরুদ্দীন
১. কেন সঠিক:
- মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে 'যুদ্ধকাব্য' বা রোমাঞ্চকাব্য ধারার সঙ্গে সৈয়দ নূরুদ্দীন যুক্ত নন।
- এই প্রশ্নে মধ্যযুগের বিশিষ্ট কবি ও তাঁদের রচিত যুদ্ধকাব্য বা রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যানমূলক কাব্যের পরিচয় জানতে চাওয়া হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে আরাকান রাজসভা এবং বাঙালি মুসলিম কবিদের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- দৌলত উজির বাহরাম খাঁ, সাবিরিদ খাঁ এবং সৈয়দ সুলতান মধ্যযুগের স্বনামধন্য কবি এবং তাঁরা যুদ্ধকাব্য বা প্রণয়োপাখ্যান রচনা করেছেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: লাইলী মজনু
ব্যাখ্যা: এটি দৌলত উজির বাহরাম খাঁ রচিত একটি বিখ্যাত প্রণয়মূলক কাব্য।
উদাহরণ ২: ইওসুফ জুলেখা
ব্যাখ্যা: এটি শাহ মুহম্মদ সগির ও সৈয়দ সুলতানসহ একাধিক কবির রচিত জনপ্রিয় কাব্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দৌলত উজির বাহরাম খাঁ — তিনি মধ্যযুগের বিখ্যাত যুদ্ধকাব্য ও প্রণয়োপাখ্যান 'লাইলী মজনু'র রচয়িতা বিধায় সঠিক উত্তর নয়।
B) সাবিরিদ খাঁ — তিনি মধ্যযুগের বিশিষ্ট কবি এবং 'হানিফা ও মদিনার লড়াই' নামক যুদ্ধকাব্য রচনার জন্য পরিচিত বিধায় সঠিক উত্তর নয়।
C) সৈয়দ সুলতান — তিনি মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি এবং যুদ্ধকাব্য ধারার সঙ্গে যুক্ত কাব্য রচনা করায় সঠিক উত্তর নয়।
D) সৈয়দ নূরুদ্দীন — তিনি মধ্যযুগের যুদ্ধকাব্যের রচয়িতা নন, তাই এটিই সঠিক উত্তর।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মধ্যযুগের যুদ্ধকাব্য মনে রাখার জন্য কবি বাহরাম খাঁ, সাবিরিদ খাঁ এবং সৈয়দ সুলতানের নামগুলো একসঙ্গে মনে রাখতে হবে।
- সৈয়দ নূরুদ্দীন এই ধারার কবি নন, এটি মনে রাখলেই উত্তর সহজ হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- মধ্যযুগের কবিদের নাম এবং তাঁদের বিখ্যাত কাব্যগুলোর তালিকা বিসিএস পরীক্ষার জন্য মুখস্থ রাখা জরুরি।
- যুদ্ধকাব্য ও প্রণয়োপাখ্যানের পার্থক্য বুঝতে কবিদের পরিচিতি ভালোভাবে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: A) শিরশ্ছেদ, দরিদ্রতা, সমীচীন
১. কেন সঠিক:
এই অপশনের প্রতিটি শব্দ বাংলা একাডেমির প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী সম্পূর্ণরূপে সঠিক।
বাংলা বানান শেখার জন্য সন্ধি এবং প্রত্যয়ের সঠিক প্রয়োগ জানা অত্যন্ত জরুরি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
শিরশ্ছেদ শব্দটি বিসর্গ সন্ধির নিয়মে গঠিত হয়েছে, যেখানে বিসর্গ এর পরে ছ থাকলে বিসর্গ স্থানে শ হয়।
সমীচীন শব্দের বানানে দীর্ঘ ঈ কার এবং দীর্ঘ ঈ কার ব্যবহার করা হয়, যা একটি বহুল প্রচলিত শুদ্ধ বানান।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মনঃপীড়ন
ব্যাখ্যা: বিসর্গ সন্ধির নিয়মে এটি গঠিত হয়েছে এবং এখানে বিসর্গ অপরিবর্তিত থাকে।
উদাহরণ ২: দুশ্চিন্তা
ব্যাখ্যা: বিসর্গ এর পরে চ বা ছ থাকলে বিসর্গ স্থানে শ হয়, যা এই বানানে প্রযোজ্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শিরশ্ছেদ, দরিদ্রতা, সমীচীন — এই অপশনের সবগুলো বানানই ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ সঠিক।
B) শিরোশ্ছেদ, দারিদ্র্য, সমীচিন — শিরোশ্ছেদ বানানটি ভুল কারণ এখানে ও কার যুক্ত হয়েছে এবং সমীচিন বানানে শেষের বর্ণে ই কার ভুলভাবে ব্যবহৃত হয়েছে।
C) শিরঃশ্ছেদ, দরিদ্রতা, সমিচীন — শিরঃশ্ছেদ বানানে বিসর্গ এবং শ একসঙ্গে ব্যবহার করা অপ্রয়োজনীয় এবং সমিচীন বানানে ই কার ভুল।
D) শিরচ্ছেদ, দরিদ্রতা, সমীচীন — শিরচ্ছেদ বানানে শ বা বিসর্গ বাদ দেওয়া হয়েছে যা সন্ধির নিয়মের পরিপন্থী।
৫. মনে রাখার টিপস:
সমীচীন বানানটি মনে রাখার সহজ উপায় হলো এর দুই ই কারই দীর্ঘ হয়।
সন্ধিযুক্ত শব্দ লেখার সময় প্রমিত নিয়মগুলো বারবার অনুশীলন করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সমীচীন এবং দরিদ্রতা বানানটি বিভিন্ন রূপ দিয়ে বিভ্রান্ত করা হয়।
বাংলা বানানের প্রমিত নিয়ম আয়ত্ত করতে হলে মৌলিক ব্যাকরণ বই থেকে সন্ধি ও প্রত্যয় অধ্যায় ভালো করে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: C) গ্রিক
১. কেন সঠিক:
- আরবি 'কলম' শব্দটি গ্রিক শব্দ 'কলমোস' থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে।
- শব্দটির মূল অর্থ নল বা শর, যা দিয়ে প্রাচীনকালে লেখা হতো।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত বিদেশি শব্দের উৎসগত পরিবর্তনের একটি উদাহরণ।
- বিদেশি শব্দ বিভিন্ন ভাষা থেকে পরিবর্তিত হয়ে বাংলা শব্দভান্ডারে স্থান করে নিয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সুরমা
ব্যাখ্যা: এটি একটি আরবি শব্দ যা বাংলা ভাষায় বহুল ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: ইস্ত্রি
ব্যাখ্যা: এটি একটি পর্তুগিজ শব্দ যা বাংলা ভাষায় গৃহস্থালি কাজে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পাঞ্জাবি — এই ভাষা থেকে কলম শব্দটি আসেনি।
B) ফরাসি — এটি ফরাসি ভাষার শব্দ নয়।
C) গ্রিক — এটি সঠিক উত্তর।
D) স্পেনিশ — এটি স্পেনিশ ভাষার শব্দ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- কলম দিয়ে লেখার কাজ গ্রিক পন্ডিতরা শুরু করেছিলেন বলে মনে রাখতে পারো যে কলমোস গ্রিক শব্দ।
- শব্দের উৎস মনে রাখতে বিদেশি শব্দের তালিকা নিয়মিত চর্চা করো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের উৎস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- আরবি, ফার্সি, পর্তুগিজ ও গ্রিক শব্দের তালিকা আলাদা করে মুখস্থ রাখা বুদ্ধিমানের কাজ।
সঠিক উত্তর: D) সুকুমার সেন
১. কেন সঠিক:
- মন্তব্যটি বিশিষ্ট ভাষাবিজ্ঞানী ও সাহিত্য ইতিহাসবিদ সুকুমার সেনের করা।
- তিনি বোঝাতে চেয়েছেন যে ভাষা কেবল মনের ভাব প্রকাশের মাধ্যমই নয়, বরং ভাষা মানুষের চিন্তন প্রক্রিয়াকে তৈরি ও পরিচালনা করে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সুকুমার সেন বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের ইতিহাস রচনায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।
- তাঁর লেখা বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস গ্রন্থটি এই বিষয়ে একটি প্রামাণ্য দলিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ভাষা মানুষের মনন গঠনে সাহায্য করে।
ব্যাখ্যা: ভাষা ছাড়া উন্নত চিন্তাভাবনা প্রকাশ করা অসম্ভব।
উদাহরণ ২: চিন্তার প্রসূতি হিসেবে ভাষার ভূমিকা অনস্বীকার্য।
ব্যাখ্যা: ভাষা মানুষের নতুন ভাবনা ও দর্শনকে জন্ম দেয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় — তিনি বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও গঠন নিয়ে কাজ করলেও এই নির্দিষ্ট মন্তব্যটি তাঁর নয়।
B) মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ — তিনি বিশিষ্ট ভাষাবিজ্ঞানী হলেও এই উক্তিটির প্রণেতা সুকুমার সেন।
C) মুহম্মদ এনামুল হক — তিনি একজন প্রখ্যাত ইতিহাসবিদ ও সাহিত্যিক হলেও এই মন্তব্যটি তাঁর নয়।
D) সুকুমার সেন — এই অপশনটি সঠিক এবং মন্তব্যটি তাঁরই করা।
৫ মনে রাখার টিপস:
ভাষা ও চিন্তার সম্পর্ক নিয়ে এমন গভীর তাত্ত্বিক মন্তব্য সাধারণত ভাষাবিজ্ঞানী সুকুমার সেন করে থাকেন।
ভাষাতত্ত্ব ও চিন্তন প্রক্রিয়ার মেলবন্ধন মনে রাখতে সুকুমার সেন নামটি স্মরণ করতে হবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিখ্যাত ভাষাবিজ্ঞানীদের বিখ্যাত উক্তি থেকে প্রশ্ন আসে।
ভাষাবিজ্ঞান সংক্রান্ত এমন উদ্ধৃতি মনে রাখা বিসিএস ও অন্যান্য পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
সঠিক উত্তর: A) মানোএল দ্য আস্সুম্পসাঁও
কেন সঠিক:
- মানোএল দ্য আস্সুম্পসাঁও প্রথম পর্তুগীজ ভাষাভাষী হলেও তিনিই প্রথম বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও শব্দসংকলন রচনা করেন।
- তাঁর রচিত ব্যাকরণ গ্রন্থটি ১৭৪৩ সালে লিসবন থেকে প্রকাশিত হয়েছিল।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- প্রথম বাংলা ব্যাকরণ রচনার ক্ষেত্রে পর্তুগীজ পাদরি মানোএল দ্য আস্সুম্পসাঁও এর নাম সর্বাগ্রে স্মরণীয়।
- এই বইটির নাম ছিল ভোকাবুলারিও এম ইদিও বাংলা ই পর্তুগীজ।
- এই গ্রন্থে বাংলা ভাষার পাশাপাশি পর্তুগীজ ভাষার ব্যবহার ও উচ্চারণ সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) মানোএল দ্য আস্সুম্পসাঁও — এটি সঠিক অপশন এবং তিনি প্রথম বাংলা ব্যাকরণ রচনা করেছিলেন।
- B) রাজা রামমোহন রায় — তিনি প্রথম বাঙালি হিসেবে বাংলা ভাষায় ব্যাকরণ গৌড়ীয় ব্যাকরণ রচনা করেন ১৮৩৩ সালে।
- C) রামেন্দ্র সুন্দর ত্রিবেদী — তিনি বাংলা ভাষার একজন বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও বিজ্ঞানী হলেও প্রথম ব্যাকরণ রচয়িতা নন।
- D) নাথানিয়েল ব্রাসি হ্যালহেড — তিনি ইংরেজদের মধ্যে প্রথম বাংলা ব্যাকরণ এ গ্রামার অফ দ্য বেঙ্গল ল্যাঙ্গুয়েজ রচনা করেন ১৭৭৮ সালে।
মনে রাখার টিপস:
- পর্তুগীজ পাদরি মানোএল হলেন প্রথম বাংলা ব্যাকরণের জনক।
- ইংরেজদের মধ্যে প্রথম ব্যাকরণ লিখেছিলেন হ্যালহেড।
- বাঙালি হিসেবে প্রথম ব্যাকরণ রচনা করেছিলেন রাজা রামমোহন রায়।
সঠিক উত্তর: D) এ
১. কেন সঠিক:
উচ্চারণের সময় জিহ্বার অবস্থান এবং মুখের আকৃতির ওপর ভিত্তি করে স্বরধ্বনিগুলোকে বিভিন্ন শ্রেণিতে ভাগ করা হয়। এ ধ্বনিটি উচ্চারণের সময় জিহ্বা সামনে অবস্থান করে এবং মুখ মাঝারিভাবে উন্মুক্ত হয়, তাই এটি উচ্চমধ্য-সম্মুখ স্বরধ্বনি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা স্বরধ্বনিতে জিহ্বার উচ্চতা ও অবস্থান অনুযায়ী সম্মুখ ও পশ্চাৎ স্বরধ্বনি নির্ধারিত হয়। মুখবিবরের উচ্চতার দিক থেকে এ ধ্বনিটি উচ্চমধ্য স্তরে এবং জিহ্বার অবস্থানের দিক থেকে সম্মুখ ভাগে অবস্থান করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: একা
ব্যাখ্যা: একা শব্দটিতে এ ধ্বনিটি ব্যবহৃত হয়েছে যা উচ্চমধ্য-সম্মুখ স্বরধ্বনির উদাহরণ।
উদাহরণ ২: তেল
ব্যাখ্যা: তেল শব্দটির শুরুতে এ ধ্বনিটি রয়েছে যা একই উচ্চারণরীতির অন্তর্ভুক্ত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অ — এটি একটি নিম্নমধ্য-পশ্চাৎ স্বরধ্বনি, যা প্রশ্নের উচ্চমধ্য-সম্মুখ স্বরধ্বনির সঙ্গে মেলে না।
B) আ — এটি একটি নিম্ন-কেন্দ্রীয় স্বরধ্বনি, যা অন্য একটি উচ্চারণরীতির অন্তর্ভুক্ত।
C) ও — এটি একটি উচ্চমধ্য-পশ্চাৎ স্বরধ্বনি, তাই এটি সম্মুখ স্বরধ্বনি নয়।
D) এ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি উচ্চমধ্য-সম্মুখ স্বরধ্বনি হিসেবে প্রমিত বাংলা ব্যাকরণে স্বীকৃত।
৫. মনে রাখার টিপস:
সম্মুখ স্বরধ্বনি মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো ই এবং এ হলো সম্মুখ স্বরধ্বনি। উচ্চমধ্য এবং সম্মুখ বৈশিষ্ট্য একসঙ্গে মিললে সঠিক উত্তর এ নির্ধারিত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধ্বনিবিজ্ঞান থেকে প্রায়ই স্বরধ্বনির শ্রেণিবিভাগ সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে। জিহ্বার উচ্চতা ও সম্মুখ-পশ্চাৎ অবস্থান ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজেই সমাধান করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: C) তামসিক
কেন সঠিক:
তাম্বুলিক শব্দের আক্ষরিক অর্থ পান বিক্রেতা বা যারা পানের ব্যবসা করেন।
তামসিক শব্দের অর্থ অন্ধকারাচ্ছন্ন বা তমঃ গুণ সম্পর্কিত, যা পানের সাথে সম্পর্কহীন।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে শব্দার্থের গভীরতা বোঝাতে তদ্ধিত প্রত্যয়ের ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়।
এই শব্দটির সাথে পান চাষ ও ব্যবসার ঐতিহ্যবাহী পেশার গভীর সম্পর্ক রয়েছে।
যেমন তম্বুল বা পান থেকে তাম্বুলিক শব্দের উৎপত্তি হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পান-ব্যবসায়ী — এটি তাম্বুলিক শব্দের সরাসরি সমার্থক কারণ তাম্বুল শব্দের অর্থ পান।
B) পর্ণকার — পর্ণ অর্থ পাতা বা পান, তাই পর্ণকার বলতে পান প্রস্তুতকারক বা ব্যবসায়ীকে বোঝায়।
C) তামসিক — এটি তমস বা অন্ধকার থেকে আগত একটি গুণবাচক শব্দ, যার সাথে পান ব্যবসায়ীর কোনো মিল নেই।
D) বারুই — বারুই বা বরুই হলো যারা ঐতিহ্যগতভাবে পানের চাষ ও ব্যবসা করে থাকেন।
মনে রাখার টিপস:
তাম্বুল শব্দের অর্থ পান মনে রাখলে পান সংশ্লিষ্ট সব শব্দ সহজে চেনা যায়।
তামসিক শব্দটি তমস বা অন্ধকার থেকে এসেছে, যা ব্যবসার সাথে মেলে না।
সঠিক উত্তর: C) অনন্বয়ী অব্যয়
১. কেন সঠিক:
- এই বাক্যে 'তো' শব্দটি বাক্যের অন্য কোনো পদের সঙ্গে সরাসরি কোনো সম্পর্ক না রেখে বক্তার বিশেষ আবেগ, উল্লাস বা ভাব প্রকাশ করছে।
- যে অব্যয় পদ বাক্যের অন্যান্য পদের সঙ্গে কোনো অন্বয় বা সম্পর্ক না রেখে স্বাধীনভাবে মনের ভাব বা আবেগ প্রকাশ করে, তাকে অনন্বয়ী অব্যয় বলে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে অব্যয় পদ বাক্যের অন্য পদের সঙ্গে সম্পর্ক না রেখে স্বাধীনভাবে আনন্দ, বেদনা, ঘৃণা, সম্মতি, বিরক্তি ইত্যাদি ভাব প্রকাশ করে, তাকে অনন্বয়ী অব্যয় বা ভাববাচক অব্যয় বলা হয়।
- প্রদত্ত বাক্যে 'ভারি' শব্দটি বিশেষণ এবং 'তো' শব্দটি অনন্বয়ী অব্যয় হিসেবে বসে প্রশংসার ভাবকে জোরালো করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাহ! কী চমৎকার দৃশ্য।
ব্যাখ্যা: এখানে 'বাহ' শব্দটি আনন্দ বা উল্লাস প্রকাশ করেছে এবং এটি অনন্বয়ী অব্যয়ের একটি ক্ল্যাসিক উদাহরণ।
উদাহরণ ২: ছি! কাজটি তোমার করা ঠিক হয়নি।
ব্যাখ্যা: এখানে 'ছি' শব্দটি ঘৃণা বা লজ্জা প্রকাশ করতে স্বাধীনভাবে ব্যবহৃত হয়েছে, যা অনন্বয়ী অব্যয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পদান্বয়ী অব্যয় — পদান্বয়ী অব্যয় শব্দের পরে বসে কারক বা সম্বন্ধ পদ গঠন করে, যা এখানে ঘটেনি।
B) অনুসর্গ অব্যয় — অনুসর্গ অব্যয় সাধারণত বিশেষ্য বা সর্বনামের পরে বসে কারক গঠনে সাহায্য করে, যা এই বাক্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
C) অনন্বয়ী অব্যয় — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি আবেগ ও ভাব প্রকাশ করেছে।
D) অনুকার অব্যয় — অনুকার অব্যয় কোনো কিছুর নকল শব্দ বা ধ্বনি প্রকাশ করে, যা এখানে নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বাক্যের মাঝখানে বা শুরুতে যে শব্দগুলো বাহ বাহ, ছি ছি, মরি মরি, বা তো, যে, না এর মতো আবেগ প্রকাশ করে, চোখ বন্ধ করে সেগুলোকে অনন্বয়ী অব্যয় দাগাবে।
- মনে রাখবে, অনন্বয়ী মানে যার কোনো অন্য পদের সঙ্গে সরাসরি অন্বয় বা ব্যাকরণগত সম্পর্ক থাকে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্যের উৎস বা পদের ধরন নির্ণয় থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
- বাক্যের ভেতরের আবেগ ও উচ্ছ্বাস বুঝতে পারলে অনন্বয়ী অব্যয় খুব সহজেই চিহ্নিত করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: C) তিনটি
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বাক্যে বানান এবং শব্দগঠনগত মোট তিনটি মারাত্মক ভুল রয়েছে।
- প্রতিটি ভুলের কারণে বাক্যটির প্রমিত রূপ নষ্ট হয়েছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সুনামী বানানটি ভুল, এর সঠিক রূপ হবে সুনামি।
- তান্ডবে বানানটি ভুল, এর সঠিক রূপ হবে তাণ্ডবে।
- সর্বশান্ত বানানটি ভুল, এর সঠিক রূপ হবে সর্বস্বান্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) একটি — বাক্যে একটি মাত্র ভুল নেই, বরং তিনটি ভুল রয়েছে।
- B) দুটি — বাক্যে দুটি ভুল নেই, মোট তিনটি ভুল বিদ্যমান।
- C) সঠিক উত্তর — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাক্যে তিনটি ভুল আছে।
- D) ভুল নেই — বাক্যটিতে কোনো ভুল নেই কথাটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, কারণ এতে তিনটি ভুল রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
- বিদেশি শব্দে ই-কার ব্যবহার করতে হয়, তাই সুনামি হবে।
- অনুস্বারের জায়গায় চন্দ্রবিন্দু ব্যবহার করে তাণ্ডব লিখতে হয়।
- সর্বস্বান্ত শব্দে ব-ফলা ও ষ-যুক্ত বর্ণ সঠিকভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) উপপদ
১. কেন সঠিক:
কৃদন্ত পদের ঠিক আগের পদটিকে ব্যাকরণের ভাষায় উপপদ বলা হয়। কৃৎ প্রত্যয়যুক্ত পদের সঙ্গে এই উপপদের বিশেষ সম্পর্ক থাকে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
কৃৎ প্রত্যয় সাধিত পদের আগের পদটি বিশেষ্য বা অন্য কোনো পদ হলে তাকে উপপদ বলে। উপপদের সঙ্গে কৃদন্ত পদের যে সমাস হয়, তাকে উপপদ তৎপুরুষ সমাস বলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জলে চরে যা = জলচর। এখানে জল হলো উপপদ এবং চর হলো কৃদন্ত পদ।
ব্যাখ্যা: চর পদের আগের পদ জল হওয়ায় এটি উপপদ হিসেবে কাজ করেছে।
উদাহরণ ২: পঙ্কে জন্মে যা = পঙ্কজ। এখানে পঙ্ক হলো উপপদ এবং জ হলো কৃদন্ত পদ।
ব্যাখ্যা: জ পদের আগের পদ পঙ্ক হওয়ায় এটি উপপদ হিসেবে যুক্ত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উপপদ - এটি সঠিক উত্তর কারণ কৃদন্ত পদের পূর্ববর্তী পদকে উপপদ বলা হয়।
B) প্রাতিপদিক - বিভক্তিহীন নাম শব্দ বা মূল শব্দকে প্রাতিপদিক বলা হয়, যা কৃদন্ত পদের পূর্ববর্তী পদ নয়।
C) প্রপদ - বাংলা ব্যাকরণে প্রপদ বলে কোনো নির্দিষ্ট বা গ্রহণযোগ্য পরিভাষা নেই।
D) পূর্বপদ - সমাসের প্রথম পদকে পূর্বপদ বলা হয়, যা কৃদন্ত পদের পূর্ববর্তী পদের নির্দিষ্ট নাম নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
উপ শব্দের অর্থ সমীপে বা কাছে, আর পদ হলো শব্দ। কৃদন্ত পদের ঠিক কাছাকাছি বা আগের পদই হলো উপপদ।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপপদ তৎপুরুষ সমাস চেনার জন্য এই নিয়মটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কৃদন্ত পদের আগের পদ দেখে সহজেই উপপদ শনাক্ত করা যায়।
সঠিক উত্তর: C) সর্বনাম
১. কেন সঠিক:
- সর্বনাম পদ হলো বিশেষ্যের পরিবর্তে যে পদ ব্যবহৃত হয় এবং এখানে ‘কী’ শব্দটি নাম পদের পরিবর্তে বসেছে।
- প্রশ্নটি করার সময় বক্তা শ্রোতার নির্দিষ্ট নামের বদলে ‘কী’ শব্দটি ব্যবহার করে তা জানতে চেয়েছেন।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- যে পদ কোনো বিশেষ্য পদের পরিবর্তে বাক্যে ব্যবহৃত হয় তাকে সর্বনাম পদ বলে এবং একে প্রশ্নবাচক সর্বনাম বলা হয়।
- বাক্যে বিশেষ পদের স্থলাভিষিক্ত হয়ে যখন কোনো শব্দ প্রশ্ন বোঝায়, তখন তা সর্বনামের অন্তর্ভুক্ত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তোমার কলমটির নাম কী?
ব্যাখ্যা: এখানে ‘কী’ শব্দটি কলম নামক বিশেষ্য পদের পরিবর্তে বসেছে এবং প্রশ্ন তৈরি করেছে।
উদাহরণ ২: ব্যাগে কী আছে?
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে ‘কী’ শব্দটি বস্তুবাচক বিশেষ্যের পরিবর্তে বসে প্রশ্ন নির্দেশ করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রশ্নবাচক — এটি সর্বনামের একটি উপশ্রেণি হতে পারে, তবে পদের সামগ্রিক ব্যাকরণগত শ্রেণি হিসেবে ‘সর্বনাম’ প্রধান পরিচয়।
B) অব্যয় — অব্যয় পদের নিজস্ব কোনো রূপ পরিবর্তন হয় না এবং এটি বাক্যকে সংযুক্ত করে, যা ‘কী’ শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
D) বিশেষণ — বিশেষণ পদ সাধারণত বিশেষ্য বা সর্বনামের দোষ, গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করে, কিন্তু ‘কী’ এখানে কোনো বৈশিষ্ট্য বোঝাচ্ছে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বাক্যে বিশেষ্য পদের পরিবর্তে যে শব্দগুলো প্রশ্ন করতে বসে, সেগুলোকে প্রশ্নবাচক সর্বনাম হিসেবে চিনে নেবে।
- নামের জায়গায় কী, কে, কারা বসলে তা সাধারণত সর্বনাম পদ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ‘কে’, ‘কী’, ‘কারা’ শব্দগুলো কোন পদ তা প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়।
- বাক্যের অর্থ ও অবস্থানের ওপর ভিত্তি করে পদের রূপ নির্ণয় করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) গরল
১. কেন সঠিক:
- ‘সরল’ শব্দের অর্থ সোজা, যা বাঁকা বা পেঁচানো নয়।
- ‘গরল’ শব্দের অর্থ বিষ, যা ‘সরল’ শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ নয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে শব্দগুলোর অর্থ একে অপরের বিপরীত ভাব প্রকাশ করে, সেগুলোকে বিপরীতার্থক শব্দ বলে।
- ‘সরল’ শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে কুটিল, জটিল ও বক্র শব্দগুলো ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আকুঞ্চন ও প্রসারণ
ব্যাখ্যা: আকুঞ্চন শব্দের অর্থ সঙ্কুচিত করা এবং প্রসারণ শব্দের অর্থ ছড়িয়ে দেওয়া, যা একে অপরের বিপরীত।
উদাহরণ ২: অবিরাম ও সচরাচর
ব্যাখ্যা: অবিরাম অর্থ যা থেমে থাকে না এবং সচরাচর অর্থ যা প্রায়ই ঘটে, এ দুটি বিপরীত ধারণা প্রকাশ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কুটিল — কুটিল শব্দের অর্থ পেঁচানো বা কুচক্রী, যা সরল শব্দের একটি সরাসরি বিপরীতার্থক শব্দ।
B) জটিল — জটিল শব্দের অর্থ যা সহজে বোঝা যায় না, এটি সরল শব্দের বিপরীতার্থক হিসেবে গ্রহণযোগ্য।
C) বক্র — বক্র শব্দের অর্থ সোজা নয় এমন বা বাঁকা, যা সরল শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ।
D) গরল — গরল শব্দের অর্থ বিষ, তাই এটি সরল শব্দের বিপরীতার্থক নয় বরং অমৃত শব্দের বিপরীতার্থক।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সরল মানে যা সোজা, এর বিপরীত হবে যা সোজা নয় যেমন জটিল বা বক্র।
- গরল শব্দটি সুধা বা অমৃত শব্দের বিপরীত, তাই এটি সরল শব্দের বিপরীত হতে পারে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিপরীতার্থক শব্দ নির্ণয়ের সময় শব্দের মূল অর্থ ভালোভাবে অনুধাবন করতে হবে।
- অনেক সময় একটি শব্দের একাধিক বিপরীত শব্দ থাকতে পারে, অপশন দেখে সঠিকটি নির্বাচন করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) পদমর্যাদা
১. কেন সঠিক:
- 'Rank' ইংরেজি শব্দটির সঠিক বাংলা পরিভাষা হলো পদমর্যাদা।
- এটি কোনো ব্যক্তি বা কর্মকর্তার সামাজিক, প্রশাসনিক বা পেশাগত অবস্থান বা গ্রেড নির্দেশ করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- পারিভাষিক শব্দ বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।
- প্রশাসনিক, দাপ্তরিক ও আন্তর্জাতিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে বিদেশি শব্দের সঠিক বাংলা রূপান্তর হলো পারিভাষিক শব্দ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: State
ব্যাখ্যা: State শব্দের বাংলা পরিভাষা হলো রাজ্য বা রাষ্ট্র।
উদাহরণ ২: Policy
ব্যাখ্যা: Policy শব্দের বাংলা পরিভাষা হলো নীতি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পদ — এটি ইংরেজি Word বা Post শব্দের পরিভাষা হতে পারে কিন্তু Rank শব্দের সঠিক পরিভাষা নয়।
C) মাত্রা — এটি ইংরেজি Degree বা Level শব্দের পরিভাষা হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
D) উচ্চতা — এটি ইংরেজি Height শব্দের পরিভাষা, যা কোনো শারীরিক বা ভৌগোলিক দূরত্ব বোঝায়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- Rank শব্দের অর্থ গ্রেড বা মর্যাদা, তাই এর পরিভাষায় পদ এবং মর্যাদা শব্দ দুটি একসাথে যুক্ত থাকে।
- দাপ্তরিক ইংরেজি শব্দের পরিভাষা পড়ার সময় প্রশাসনিক রূপগুলো ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও দাপ্তরিক কাজের পরিভাষা থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
- বিদেশি শব্দের পরিভাষা মুখস্থ না করে অর্থের গভীরতা বুঝে শিখলে উত্তর করা সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: A) প্রবোধচন্দ্র বাগচী
১. কেন সঠিক:
- ড. প্রবোধচন্দ্র বাগচী ১৯৩৮ সালে তিব্বতি ভাষায় চর্যাপদের মূল পুথির তিব্বতি অনুবাদ আবিষ্কার ও প্রকাশ করেন।
- তিব্বত থেকে চর্যাপদের তিব্বতি অনুবাদের আবিষ্কার বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে একটি যুগান্তকারী ঘটনা।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম কাব্য ও সাহিত্য নিদর্শন।
- এটি চর্যাগীতিকোষ বা সান্ধ্যভাষায় রচিত সাধনসঙ্গীত এবং মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে এর পুথি আবিষ্কার করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হরপ্রসাদ শাস্ত্রী সম্পাদিত হাজার বছরের পুরান বাঙ্গালা ভাষায় রচিত বৌদ্ধ গান ও দোহা।
ব্যাখ্যা: এটি চর্যাপদের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ যা ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে প্রকাশিত হয়।
উদাহরণ ২: সুনীতি চট্টোপাধ্যায়ের ওডিবিএল গ্রন্থ।
ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থে চর্যাপদের ভাষা ও ব্যাকরণগত রূপ বৈজ্ঞানিকভাবে প্রথম বিশ্লেষণ করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রবোধচন্দ্র বাগচী — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনিই প্রথম তিব্বতি অনুবাদ প্রকাশ করেন।
B) যতীন্দ্র মোহন বাগচী — ইনি বাংলা সাহিত্যের একজন বিখ্যাত কবি ও ঔপন্যাসিক, চর্যাপদ আবিষ্কার বা অনুবাদের সঙ্গে সম্পর্কিত নন।
C) প্রফুল্ল মোহন বাগচী — ইনি চর্যাপদ গবেষণার সঙ্গে যুক্ত কোনো বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব নন।
D) প্রণয়ভূষণ বাগচী — ইনিও চর্যাপদের তিব্বতি অনুবাদ প্রকাশের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোনো গবেষক নন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- তিব্বতি অনুবাদ ত দিয়ে শুরু আর প্রবোধচন্দ্র বাগচীর প্র-এর সঙ্গে তিব্বতের যোগ এভাবে মনে রাখা যায় যে তিব্বত গেলেই প্রবোধ মেলে।
- চর্যাপদ আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত্রী আর তিব্বতি অনুবাদক প্রবোধচন্দ্র বাগচী এই দুটি নাম পরীক্ষার জন্য খুব ভালো করে মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- চর্যাপদের তিব্বতি অনুবাদ কে প্রকাশ করেন এই প্রশ্নটি বিসিএসসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বারবার আসে।
- চর্যাপদ সম্পর্কিত গবেষকদের নাম যেমন হরপ্রসাদ শাস্ত্রী, সুনীতি কুমার চট্টোপাধ্যায় এবং প্রবোধচন্দ্র বাগচীর অবদান আলাদা করে মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: B) লক্ষ্মণ সেনের
১. কেন সঠিক:
- কবি জয়দেব সেন রাজবংশের শেষ রাজা লক্ষ্মণ সেনের সভাকবি ছিলেন।
- গীতগোবিন্দ কাব্য রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমের কাহিনী নিয়ে সংস্কৃত ভাষায় রচিত একটি বিখ্যাত পদাবলী কাব্য।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- জয়দেব সেন রাজবংশের সমসাময়িক বাংলার অত্যন্ত প্রথিতযশা একজন সংস্কৃত কবি ও গীতিকার।
- তার রচিত গীতগোবিন্দ কাব্য মধ্যযুগের বৈষ্ণব সাহিত্য এবং শ্রীকৃষ্ণ কীর্তন কাব্যের ওপর গভীর প্রভাব বিস্তার করেছিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: লক্ষ্মণ সেনের সভা অলংকৃত করতেন পঞ্চরত্ন।
ব্যাখ্যা: কবি জয়দেব ছাড়াও লক্ষ্মণ সেনের সভাসদ হিসেবে গোবর্ধন আচার্য, শরণ, ধোয়ী ও উমাপতিধর বিশেষভাবে পরিচিত ছিলেন।
উদাহরণ ২: গীতগোবিন্দ কাব্যের মূল সুর হলো ভক্তি ও শৃঙ্গার রস।
ব্যাখ্যা: এই কাব্যে রাধার অভিমান এবং কৃষ্ণের সঙ্গে তার পুনর্মিলনের আকুলতা অত্যন্ত চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শশাঙ্কদেবের — শশাঙ্ক ছিলেন প্রাচীন বাংলার গৌড়ের প্রথম স্বাধীন রাজা এবং তিনি সপ্তম শতকের শুরুতে রাজত্ব করতেন।
B) লক্ষ্মণ সেনের — এই অপশনটি সঠিক কারণ জয়দেব লক্ষ্মণ সেনের সভাকবি হিসেবে বিখ্যাত ছিলেন।
C) যশোবর্মনের — যশোবর্মণ ছিলেন কনৌজের একজন পরাক্রমশালী রাজা যিনি অষ্টম শতকে রাজত্ব করতেন।
D) হর্ষবর্ধনের — হর্ষবর্ধন ছিলেন থানেশ্বরের পুষ্যভূতি বংশের রাজা যিনি সপ্তম শতকের প্রথমার্ধে উত্তর ভারত শাসন করেন।
৫. মনে রাখার টিপস:
- লক্ষ্মণ সেনের সভাকবি জয়দেবকে মনে রাখতে সেন বংশের সঙ্গে জয়দেবের নামের প্রথম অক্ষর মিলিয়ে পড়তে পারো।
- সেন রাজাদের সভায় পঞ্চরত্ন ছিলেন এবং তাদের মধ্যে জয়দেব ছিলেন প্রধানতম কবি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- গীতগোবিন্দ কাব্য কোন ভাষায় রচিত এই প্রশ্নটি প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
- সেন রাজবংশের অন্যান্য সভাকবিদের নাম জেনে রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
সঠিক উত্তর: D) মিতালি
১. কেন সঠিক:
- মিতালি একটি যৌগিক শব্দ কারণ এর ব্যুৎপত্তিগত অর্থ এবং ব্যবহারিক অর্থ একই সূত্রে গাঁথা। মিত + আলি যোগে গঠিত এই শব্দটির মূল অর্থ হলো মিত্রতা বা বন্ধুত্ব।
- গঠনগত দিক থেকে এটি প্রত্যয় সাধিত শব্দ হলেও শব্দার্থের বিচারে এটি যৌগিক শব্দের অন্তর্ভুক্ত। এখানে মূল শব্দের অর্থ এবং প্রত্যয়জাত অর্থের মধ্যে কোনো পরিবর্তন ঘটেনি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- গঠন অনুসারে বাংলা শব্দকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়, যেমন রুঢ় বা রূঢ়ি শব্দ, যোগরূঢ় শব্দ এবং যৌগিক শব্দ। যে সমস্ত শব্দ পদের উৎপত্তিগত অর্থের সঙ্গে ব্যবহারের অর্থ মিলে যায়, সেগুলোকে যৌগিক শব্দ বলে।
- যৌগিক শব্দ গঠনে সাধারণত প্রকৃতি ও প্রত্যয়ের সাহায্য নেওয়া হয় এবং শব্দগুলো তাদের আক্ষরিক বা মূল অর্থ প্রকাশ করে থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাবুিয়ানা
ব্যাখ্যা: বাবু ও আনা প্রত্যয় যোগে গঠিত এই যৌগিক শব্দটির অর্থ বাবুর ভাব বা আচরণ।
উদাহরণ ২: গায়ক
ব্যাখ্যা: গৈ ধাতু ও অক প্রত্যয় যোগে গঠিত এই যৌগিক শব্দটির অর্থ যিনি গান করেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রবীণ — এটি একটি রুঢ় শব্দ কারণ প্র উপসর্গ ও বীন প্রত্যয় যোগে গঠিত হলেও এর প্রচলিত অর্থ বিশেষ বয়োবৃদ্ধ ব্যক্তি বোঝায়, যা বুৎপত্তিগত অর্থকে অনুসরণ করে না।
B) জেঠামি — এটি একটি রুঢ় শব্দ কারণ জ্যাঠা শব্দের সঙ্গে মি প্রত্যয় যুক্ত হয়ে জ্যাঠার ভাব বা পাকাামি অর্থ প্রকাশ করে, যা মূল শব্দের থেকে আলাদা রূপ নেয়।
C) সরোজ — এটি একটি যোগরূঢ় শব্দ কারণ সমাস নিষ্পন্ন এই শব্দটি পদ্ম ফুল অর্থে ব্যবহৃত হয়, যা এর অবয়ব বা অংশবিশেষের অর্থ প্রকাশ না করে একটি নির্দিষ্ট অর্থ বোঝায়।
D) মিতালি — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- যৌগিক শব্দের ক্ষেত্রে মনে রাখবে যে শব্দগুলোর আক্ষরিক অর্থ এবং ব্যবহারের অর্থ একই থাকে। গায়ক, বাবুিয়ানা, মিতালি ইত্যাদি শব্দ দেখলেই বুঝতে হবে এগুলো যৌগিক শব্দ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ ও শব্দের শ্রেণিবিভাগ থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। রুঢ়, যোগরূঢ় এবং যৌগিক শব্দের পার্থক্য ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
সঠিক উত্তর: B) The flute was played on by her.
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বাক্যটি পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্সে থাকা একটি অ্যাক্টিভ ভয়েস, যেখানে 'play on' একটি ফ্রেজাল ভার্ব বা গ্রুপ ভার্ব হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
- নিয়ম অনুযায়ী, বাক্যের অবজেক্ট (The flute) সাবজেক্ট হয়, পাস্ট টেন্সে 'was' বসে, মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল (played) হয় এবং ভার্বটির সাথে থাকা প্রিপজিশন (on) অপরিবর্তিত থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The flute was played by her. — এখানে ভার্বের সাথে থাকা সঠিক প্রিপজিশন 'on' বাদ দেওয়া হয়েছে, যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
B) The flute was played on by her. — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এখানে মূল ভার্বের সাথে থাকা প্রিপজিশন অবিকৃত রাখা হয়েছে।
C) The flute was played to her. — এখানে 'on'-এর পরিবর্তে ভুল প্রিপজিশন 'to' ব্যবহার করা হয়েছে, যা অর্থের পরিবর্তন ঘটায়।
D) The flute was being played by her. — এটি পাস্ট কন্টিনিউয়াস টেন্সের প্যাসিভ রূপ, যা প্রদত্ত বাক্যের টেন্সের সাথে মিলে না।
মনে রাখার টিপস:
গ্রুপ ভার্ব বা প্রিপজিশনযুক্ত ভার্বকে প্যাসিভ করার সময় ভার্বের ভেতরের প্রিপজিশনটি অপরিবর্তিত রেখে তার পরেই বাই (by) বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) Andrew Marvell
কেন সঠিক:
এই বিখ্যাত মেটাফিজিক্যাল কবিতাটি সপ্তদশ শতাব্দীর প্রখ্যাত কবি অ্যান্ড্রু মার্ভেলের রচনা।
তাঁর রোমান্টিক ও দার্শনিক চিন্তাধারার প্রকাশ ঘটেছে এই কবিতায়।
এটি ইংরেজি সাহিত্যের একটি অমর সৃষ্টি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Andrew Marvell — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয় বরং গ্রাহ্য।
B) John Donne — জন ডন এই কবিতাটি লেখেননি, তিনি দ্য সান রাইজিং কবিতার জন্য বিখ্যাত।
C) George Herbert — জর্জ হার্বার্ট একজন ধর্মীয় কবি ছিলেন এবং তিনি এই কবিতা রচনা করেননি।
D) Henry Vaughan — হেনরি ভন প্রকৃতি ও আধ্যাত্মিকতা নিয়ে লিখতেন, এই কবিতার সাথে তাঁর সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
মার্ভেল মানেই চমৎকার, আর টু হিজ কয় মিস্ট্রেস একটি চমৎকার কবিতা।
সঠিক উত্তর: C) lay
কেন সঠিক:
- প্রশ্নটিতে Lie শব্দের পাস্ট ফর্ম বা অতীত রূপ জানতে চাওয়া হয়েছে।
- Lie (শয়ন করা বা শুয়ে থাকা) এই intransitive verb টির পাস্ট ফর্ম হলো lay।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) lays — এটি Lie ভার্বের প্রেজেন্ট টেন্সের থার্ড পারসন সিঙ্গুলার রূপ, পাস্ট ফর্ম নয়।
B) lied — এটি Lie (মিথ্যা বলা) ভার্বের পাস্ট ফর্ম, যার অর্থ মিথ্যা বলেছিল।
D) layed — এটি ইংরেজি ব্যাকরণে কোনো সঠিক শব্দ বা রূপ নয়, বানানটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
শুয়ে থাকা অর্থে Lie এর অতীত রূপ lay এবং মিথ্যা বলা অর্থে Lie এর অতীত রূপ lied মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: খ) deny
কেন সঠিক:
শূন্যস্থানে deny বসলে বাক্যের অর্থ দাঁড়ায় কেউ অস্বীকার করতে পারে না যে সে চালাক।
এখানে কারোর বুদ্ধিমত্তাকে অস্বীকার করার বিষয়টি বোঝাতে deny শব্দটি সবচেয়ে উপযুক্ত।
এটি বাক্যটির ব্যাকরণগত ও অর্থগত পূর্ণতা নিশ্চিত করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
ক) defy — এর অর্থ অবাধ্য হওয়া বা চ্যালেঞ্জ করা, যা এখানে অর্থপূর্ণ নয়।
খ) deny — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
গ) admire — এর অর্থ প্রশংসা করা, কিন্তু বুদ্ধিমত্তা অস্বীকার না করার ভাবের সাথে এটি মেলে না।
ঘ) denounce — এর অর্থ নিন্দা করা, যা এই বাক্যের ভাবের সম্পূর্ণ বিপরীত।
মনে রাখার টিপস:
বুদ্ধিমত্তা বা সত্য বিষয় অস্বীকার করার ক্ষেত্রে ہمیشہ deny শব্দটি ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) between
কেন সঠিক:
- ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী দুই জন ব্যক্তি বা বস্তুর মধ্যে তুলনা বা ভাগাভাগি বোঝাতে preposition হিসেবে between ব্যবহৃত হয়।
- প্রদত্ত বাক্যে money বা টাকা দুই জন শিশুর (the two children) মধ্যে ভাগ করার কথা বলা হয়েছে, তাই এখানে between সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) between — এটি সঠিক উত্তর কারণ নির্দিষ্ট করে দুই পক্ষের মধ্যে ভাগ করা বোঝাচ্ছে।
B) over — এটি সাধারণত ওপরে বা অধিক বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এই শূন্যস্থানের জন্য প্রযোজ্য নয়।
C) among — এটি সাধারণত দুইয়ের অধিক ব্যক্তি বা বস্তুর মধ্যে ভাগাভাগি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
D) in between — এটি সঠিক ইংরেজি প্রিপজিশন নয়, কারণ between নিজেই একটি স্বাধীন প্রিপজিশন।
মনে রাখার টিপস:
দুই জনের মধ্যে ভাগ করলে between এবং দুইয়ের অধিক হলে among ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: C) at
কেন সঠিক:
নির্দিষ্ট গতি বা বেগ বোঝাতে ইংরেজি ব্যাকরণে সাধারণত at প্রিপজিশনটি ব্যবহার করা হয়।
এখানে ট্রেনটির প্রতি ঘণ্টার গতি চল্লিশ মাইল নির্দিষ্ট করে বোঝানো হয়েছে বিধায় সঠিক উত্তরটি হবে at।
গতি বা হার নির্দেশ করতে at ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) on — এটি সাধারণত কোনো তলের ওপর অবস্থান বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, তাই এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) to — এটি সাধারণত দিক বা গন্তব্য বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা গতির হারের সাথে বসে না।
C) at — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুলের কোনো অবকাশ নেই।
D) for — এটি সাধারণত কারণ বা সময়সীমা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, গতির ক্ষেত্রে বসে না।
মনে রাখার টিপস:
গতি বা বেগের হার বোঝাতে সবসময় at প্রিপজিশন ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: D) The Return of the Native
কেন সঠিক:
ক্লাইম ইওব্রাইট চরিত্রটি বিখ্যাত ঔপন্যাসিক থমাস হার্ডির দ্য রিটার্ন অব দ্য নেটিভ উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র।
তিনি লন্ডন থেকে নিজের জন্মভূমি এগডন হিথে ফিরে আসার কারণে এই উপন্যাসের মূল চরিত্র হিসেবে পরিচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) David Copperfield - এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র ডেভিড কপারফিল্ড এবং এটি লিখেছেন চার্লস ডিকেন্স।
B) Adam Bede - এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র অ্যাডাম বিড এবং এটি লিখেছেন জর্জ এলিয়ট।
C) A Passage to India - এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র ডক্টর আজিজ এবং এটি লিখেছেন ই এম ফর্স্টার।
D) The Return of the Native - এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে গণ্য হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
ক্লাইম ইওব্রাইট এবং থমাস হার্ডির এগডন হিথ এলাকার সাথে দ্য রিটার্ন অব দ্য নেটিভ উপন্যাসটি মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) P.B. Shelley
কেন সঠিক:
Percy Bysshe Shelley বিখ্যাত রোমান্টিক যুগের একজন অন্যতম প্রধান ইংরেজি কবি। তিনি ১৮১৮ সালে এই অমর সনেট কবিতাটি রচনা করেছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Thomas Hardy — তিনি মূলত ভিক্টোরিয়ান যুগের একজন খ্যাতনামা ঔপন্যাসিক ও কবি ছিলেন।
B) Robert Frost — তিনি আধুনিক আমেরিকান যুগের একজন অত্যন্ত জনপ্রিয় ও প্রকৃতিবাদী কবি।
D) Edmund Spenser — তিনি রেনেসাঁ বা এলিজাবেথান যুগের একজন বিখ্যাত ইংরেজি কবি ছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
ওজিম্যান্ডিয়াস কবিতার ধ্বংসপ্রাপ্ত মূর্তির মতো পিবি শেলির রোমান্টিক বিদ্রোহ আজীবন অমর হয়ে আছে।
সঠিক উত্তর: D) Alfred Tennyson
কেন সঠিক:
১৮৪২ সালে প্রকাশিত এই বিখ্যাত কবিতাটি ইংরেজ সাহিত্যের ভিক্টোরিয়ান যুগের শ্রেষ্ঠ কবি লর্ড টেনিসনের রচনা।
গ্রিক পুরাণের বীর ইউলিসিসের সমুদ্রযাত্রার অদম্য কৌতূহল ও সাহসিকতা এই কবিতায় সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
কবিতাটিতে বার্ধক্যের মাঝেও নতুন কিছু আবিষ্কার করার চিরন্তন মানবীয় স্পৃহা প্রকাশ পেয়েছে।
এটি একটি চমৎকার ড্রামাটিক মনোলগ ঘরানার কবিতা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Robert Browning — তিনি ভিক্টোরিয়ান যুগের কবি হলেও এই কবিতাটি লেখেননি, তার বিখ্যাত লেখার মধ্যে মাই লাস্ট ডাচেস অন্যতম।
B) Wordsworth — তিনি রোমান্টিক যুগের কবি এবং প্রকৃতির কবি হিসেবে পরিচিত, তাই ইউলিসিস কবিতাটি তার লেখা নয়।
C) S.T. Coleridge — তিনি রোমান্টিক যুগের বিখ্যাত কবি ও সমালোচক, যার সবচেয়ে পরিচিত সৃষ্টি দ্য রাইম অব দ্য এনসিয়েন্ট মেরিনার।
D) Alfred Tennyson — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি নিজেই ইউলিসিস কবিতাটির রচয়িতা।
মনে রাখার টিপস:
ইউরোপের গ্রিক বীর ইউলিসিসের নাম মনে এলেই ভিক্টোরিয়ান যুগের কবি টেনিসনের কথা মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) Hello
কেন সঠিক:
- Adieu একটি ফরাসি শব্দ, যার অর্থ বিদায় জানানো বা শুভবিদায়।
- Hello শব্দের অর্থ হলো হ্যালো বা কাউকে সম্ভাষণ জানানো, যা বিদায়ের বিপরীতার্থক শব্দ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Farewell — এটি Adieu শব্দের সমার্থক শব্দ, কারণ দুটির অর্থই বিদায়।
B) Good bye — এটিও Adieu শব্দের সমার্থক শব্দ এবং এর অর্থ বিদায় জানানো।
C) Hello — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বিদায়ের বিপরীত অর্থাৎ সাক্ষাতে বা ফোন করার সময় বলার সম্ভাষণ।
D) Valediction — এটি বিদায় সম্ভাষণ বোঝায়, তাই এটি Adieu শব্দের সমার্থক।
মনে রাখার টিপস:
Adieu মানে বিদায় আর Hello মানে দেখা হলে সম্ভাষণ, তাই বিদায়ের বিপরীত হলো Hello।
সঠিক উত্তর: C) Complex sentence
কেন সঠিক:
প্রদত্ত বাক্যে 'lest' একটি subordinating conjunction, যা দুটি clause-কে যুক্ত করেছে।
একটি principal clause এবং একটি subordinate clause মিলে জটিল বাক্য গঠিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Simple sentence — বাক্যে একাধিক clause থাকায় এটি সরল বাক্য হতে পারে না।
B) Compound sentence — এতে coordinating conjunction নেই, তাই এটি যৌগিক বাক্য নয়।
C) Complex sentence — এটি নিজেই সঠিক উত্তর।
D) Interrogative sentence — এটি কোনো প্রশ্নবোধক বাক্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে lest থাকলে এবং should এর ব্যবহার দেখলে চোখ বন্ধ করে Complex sentence দাগাবে।
সঠিক উত্তর: A) Choir
কেন সঠিক:
চার্চে গান গায় এমন গায়কদের দল বা সমবেত সঙ্গীতদলকে ইংরেজিতে কয়্যার বলা হয়।
ধর্মীয় উপাসনার সময় দলগতভাবে গান গাওয়ার ক্ষেত্রে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
একাধিক কণ্ঠের সমন্বয়ে গঠিত গানের দলকে বিশেষ এই নামে ডাকা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Choir — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক এবং চার্চের গায়কদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
B) Cast — এটি নাটক বা চলচ্চিত্রে অভিনয়কারী শিল্পীদের দল বোঝাতে ব্যবহার করা হয়।
C) Claque — এটি কোনো পারফরম্যান্সে হাততালি দেওয়ার জন্য ভাড়া করা লোকদের দল বোঝায়।
D) Clump — এটি গাছপালা বা কোনো কিছুর ঘন গুচ্ছ বা ঝাড় বোঝাতে ব্যবহার করা হয়।
মনে রাখার টিপস:
চার্চে গান গায় যারা, কয়্যার তাদের নাম।
সঠিক উত্তর: খ) acme
কেন সঠিক:
acme শব্দটির অর্থ হলো কোনো কিছুর সর্বোচ্চ বা চূড়ান্ত পর্যায়।
বাক্যটিতে সাহিত্যিক জীবনের সর্বোচ্চ সাফল্যের কথা বলা হয়েছে।
তাই এখানে সঠিক শব্দটি হলো acme।
বাকি অপশন কেন ভুল:
ক) abattoir — এই শব্দটির অর্থ হলো কসাইখানা বা পশু জবাই করার স্থান, যা সাহিত্যিক জীবনের সাথে সম্পর্কহীন।
খ) acme — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল হিসেবে ধরা হয়নি।
গ) admonish — এই শব্দটির অর্থ হলো কাউকে সতর্ক করা বা তিরস্কার করা, যা শূন্যস্থানে বসে না।
ঘ) abdicate — এই শব্দটির অর্থ হলো সিংহাসন বা পদত্যাগ করা, যা সাহিত্যিক জীবনের চূড়ার সাথে মিলে না।
মনে রাখার টিপস:
সাহিত্য বা কর্মজীবনের সর্বোচ্চ চূড়া বোঝাতে acme শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: A) to
কেন সঠিক:
অসদৃশ বা ভিন্ন প্রকৃতির দুটি জিনিসের মধ্যে তুলনা করতে compare এর পরে to preposition ব্যবহৃত হয়। এখানে রাগ এবং আগুন দুটি সম্পূর্ণ আলাদা জিনিস, তাই সঠিক উত্তর to হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) to — এটি সঠিক উত্তর এবং এখানে তুলনার অর্থ প্রকাশ করতে বসেছে।
B) within — এর অর্থ ভেতরে, যা এই বাকстыর অর্থ এবং ব্যাখ্যার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
C) against — এর অর্থ বিরুদ্ধে, যা এখানে তুলনার নিয়ম অনুযায়ী সম্পূর্ণ বেঠিক।
D) into — এর অর্থ ভেতরে প্রবেশ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
সদৃশ বস্তুর মধ্যে তুলনা হলে compare with এবং অসদৃশ বস্তুর মধ্যে তুলনা হলে compare to বসে।
সঠিক উত্তর: A) He discussed the matter.
কেন সঠিক:
Discuss একটি Transitive Verb, যার অর্থ কোনো বিষয়ে আলোচনা করা। তাই এর পরে সরাসরি object বসে এবং মাঝখানে কোনো Preposition বসে না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সঠিক উত্তর — এটি নিয়ম মেনে সরাসরি অবজেক্ট গ্রহণ করেছে।
B) He discussed about the mater — Discuss এর পরে about বসালে তা redundant বা বাহুল্য দোষে দুষ্ট হয়।
C) He discussed on the matter — Discuss এর পরে on বসালে গ্রামার অনুযায়ী বাক্যটি ভুল হয়।
D) None of the above — যেহেতু প্রথম অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক, তাই এটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
Discuss, Reach, Resemble এবং Order এর মতো Transitive Verb গুলোর পরে সরাসরি Object বসে, মাঝে কোনো Preposition বসে না।
সঠিক উত্তর: B) Pneumonia
কেন সঠিক:
নিউমোনিয়া শব্দটিতে শুরুতে একটি নীরব অক্ষর পি থাকে যা উচ্চারণ করা হয় না।
এর বানানে পি এর পরে এন, ই, ইউ, এম, ও, এন, আই, এ যুক্ত হয়ে সঠিক বানানটি গঠিত হয়।
এই বানানটিতে ডাবল অক্ষর ব্যবহার করা হয়নি।
এটি একটি চিকিৎসা বিজ্ঞান বিষয়ক শব্দ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Horroscope — এই বানানটিতে অতিরিক্ত আর অক্ষর ব্যবহার করা হয়েছে এবং সঠিক বানান হরোস্কোপ।
B) Pneumonia — এটি সঠিক বানান এবং এর অর্থ ফুসফুসের প্রদাহ।
C) Occassion — এই বানানটিতে অতিরিক্ত এস অক্ষর আছে এবং সঠিক বানান অকেশন।
D) Embarass — এই বানানটিতে এস অক্ষর দুটি আছে কিন্তু সঠিক বানানে ডাবল এস এবং ডাবল আর থাকে।
মনে রাখার টিপস:
নিউমোনিয়া বানানের শুরুতে একটি নীরব পি আছে তা মনে রাখলে বানান ভুল হবে না।
সঠিক উত্তর: B) Othello
কেন সঠিক:
ডেসডিমোনা শেক্সপিয়ারের বিখ্যাত ট্রাজেডি ওথেলো নাটকের প্রধান নারী চরিত্র। তিনি ওথেলোর স্ত্রী ছিলেন এবং নাটকের শেষ ভাগে ওথেলোর সন্দেহের কারণে নিহত হন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Macbeth — এই নাটকের প্রধান নারী চরিত্র লেডি ম্যাকবেথ এবং তিন ডাইনি, এখানে ডেসডিমোনা নেই।
B) Othello — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে প্রযোজ্য নয়।
C) Hamlet — এই নাটকের প্রধান নারী চরিত্র ওফেলিয়া ও গারট্রুড, ডেসডিমোনা নয়।
D) King Lear — এই নাটকের প্রধান নারী চরিত্র কর্ডেলিয়া, গোনালিল ও রিগান, ডেসডিমোনা নয়।
মনে রাখার টিপস:
ওথেলো ও ডেসডিমোনা জুটির করুণ প্রেমের কাহিনী মনে রাখলেই নাটকটি চিনে ফেলা সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: C) weather forecasting
কেন সঠিক:
Meteorology শব্দটির শাব্দিক অর্থ আবহাওয়া বিজ্ঞান যা বায়ুমণ্ডল ও আবহাওয়া নিয়ে গবেষণা করে।
এর প্রধান কাজ হলো দৈনিক আবহাওয়ার পরিবর্তন পর্যবেক্ষণ করা এবং ভবিষ্যৎ আবহাওয়া কেমন হবে তা পূর্বাভাস দেওয়া।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) concrete slabs — এটি নির্মাণ কাজে ব্যবহৃত শক্ত ও ভারী কংক্রিটের স্ল্যাব বোঝায় যার সাথে আবহাওয়ার কোনো সম্পর্ক নেই।
B) motor vehicles — এটি বিভিন্ন ধরনের মোটর গাড়ি বা যানবাহন বোঝায় যা যাতায়াতের কাজে ব্যবহৃত হয়।
C) weather forecasting — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো বিষয় বোঝানো হয়নি।
D) motor neurone disease — এটি মানবদেহের একটি স্নায়ু সংক্রান্ত জটিল রোগ যা পেশির কার্যক্ষমতা নষ্ট করে দেয়।
মনে রাখার টিপস:
Meteorology শব্দের শুরুর অংশ Meteo দেখে মনে রাখবেন এটি মিটিওরোলজি বা আবহাওয়া বিজ্ঞান যা বৃষ্টির পূর্বাভাস দেয়।
সঠিক উত্তর: A) Shut up!
কেন সঠিক:
Imperative sentence দিয়ে সাধারণত আদেশ, নিষেধ, অনুরোধ বা উপদেশ বোঝানো হয়।
এই বাক্যে সরাসরি চুপ করার আদেশ দেওয়া হয়েছে এবং এর উহ্য কর্তা হিসেবে 'you' থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Shut up! — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়।
B) Shahin is playing football. — এটি একটি assertive sentence বা সাধারণ বিবৃতি মূলক বাক্য, যা কোনো তথ্য প্রকাশ করে।
C) I shall cook dinner now. — এটি ভবিষ্যৎকালের একটি সাধারণ বাক্য বা assertive sentence, যা বক্তার কাজের পরিকল্পনা বোঝায়।
D) What is your name? — এটি একটি interrogative sentence বা প্রশ্নবোধক বাক্য, যার শেষে প্রশ্নবোধক চিহ্ন থাকে।
মনে রাখার টিপস:
যে বাক্য দিয়ে কাউকে কোনো আদেশ, উপদেশ বা অনুরোধ করা হয় এবং মূল ভার্ব দিয়ে শুরু হয়, তাকেই imperative sentence বলে।
সঠিক উত্তর: C) plague pandemic
কেন সঠিক:
ব্ল্যাক ডেথ হলো চতুর্দশ শতাব্দীতে ইউরোপে ছড়িয়ে পড়া একটি ভয়াবহ প্লেগ মহামারী।
এটি মানব ইতিহাসের সবচেয়ে মারাত্মক মহামারীগুলোর একটি হিসেবে পরিচিত।
এটি ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের কারণে বিশ্বজুড়ে লক্ষ লক্ষ মানুষের প্রাণ কেড়ে নিয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) fever — এটি কেবল সাধারণ কোনো জ্বর ছিল না, বরং এটি একটি মারাত্মক সংক্রামক রোগ ছিল।
B) black fever — এটি কোনো নির্দিষ্ট জ্বরের নাম নয়, বরং এটি একটি ঐতিহাসিক মহামারীর নাম।
D) death of black people — এটি কৃষ্ণাঙ্গ মানুষের মৃত্যুকে বোঝায় না, বরং এটি সব বর্ণের মানুষকে আক্রান্ত করেছিল।
মনে রাখার টিপস:
ব্ল্যাক ডেথ শুনলেই মাথায় রাখবে এটি একটি ঐতিহাসিক প্লেগ মহামারী।
সঠিক উত্তর: D) his
কেন সঠিক:
Preposition বা Gerund এর আগের Pronoun সবসময় Possessive case হয়। এখানে leaving একটি Gerund এবং তার আগে Possessive pronoun হিসেবে his বসবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) he — এটি Nominative case, যা Gerund এর পূর্বে বসার নিয়ম নেই।
B) him — এটি Objective case, যা এখানে ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
C) himself — এটি Reflexive pronoun, যা এই বাক্যের অর্থের সাথে মেলে না।
D) সঠিক উত্তর — এটি সঠিক Possessive case হওয়ায় ব্যাকরণগতভাবে সঠিক।
মনে রাখার টিপস:
Gerund এর আগে সবসময় Possessive pronoun যেমন my, his, her, their বসে।
সঠিক উত্তর: C) a weak point
কেন সঠিক:
গ্রিক পুরাণের বীর একিলিসের শরীরের একমাত্র দুর্বল স্থান ছিল তার গোড়ালি।
এই ঐতিহাসিক আক্ষরিক অর্থ থেকেই ফ্রেজটির বিশেষ অর্থ দুর্বল জায়গা বোঝানো হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) a strong point — এটি সঠিক উত্তরের ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
B) a strong solution — এটি এই ইডিওমের কাঠামোগত বা আক্ষরিক অর্থের সাথে মেলে না।
C) a weak point — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) a permanent solution — এটি ফ্রেজটির মূল ভাবার্থের সাথে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
একিলিসের গোড়ালির মতো মানুষের জীবনের যেকোনো দুর্বল দিক বোঝাতেই এই ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: D) to
কেন সঠিক:
ad-here শব্দটির পর সব সময় নিয়ম অনুযায়ী নির্দিষ্ট preposition হিসেবে to ব্যবহৃত হয়।
এর অর্থ হলো কোনো নীতি বা মতবাদ মেনে চলা বা দৃঢ়ভাবে লেগে থাকা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) by — adhere শব্দের সাথে by ব্যবহৃত হয় না এবং এটি বাক্যের অর্থ প্রকাশ করতে পারে না।
B) in — adhere শব্দের পর in বসে না কারণ এটি সঠিক preposition নয়।
C) at — adhere এর সাথে at ব্যবহার করলে তা ব্যাকরণগতভাবে ভুল হয়।
D) to — এটি সঠিক কারণ adhere এর সাথে কেবল to ই বসে।
মনে রাখার টিপস:
adhere শব্দের অর্থ লেগে থাকা বা মেনে চলা, তাই এর পরে সবসময় to ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: B) ১০০০ year
কেন সঠিক:
Millennium শব্দটির আক্ষরিক অর্থ হলো এক হাজার বছরের একটি দীর্ঘ সময়কাল। ইংরেজি ভাষা ও সাধারণ জ্ঞানে এই নির্দিষ্ট সময়কে বোঝাতেই এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১০০ year — কারণ একশ বছরের সময়কালকে সেঞ্চুরি বা শতাব্দী বলা হয়, যা মিলেনিয়াম নয়।
B) ১০০০ year — এটি সঠিক অপশন এবং এর কোনো ভুল নেই।
C) ১ million year — কারণ এক মিলিয়ন বছর বলতে দশ লক্ষ বছরকে বোঝায়, যা অনেক বড় সময়।
D) ১ billion year — কারণ এক বিলিয়ন বছর বলতে শত কোটি বছরকে বোঝায়, যা মিলেনিয়ামের চেয়ে অনেক বেশি।
মনে রাখার টিপস:
শব্দটির শুরুতে থাকা Milli অংশটি খেয়াল করলে হাজার বা হাজার বছর হিসাব করা সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: A) By whom has this Jug been broken?
কেন সঠিক:
বাক্যের শুরুতে থাকা Who পরিবর্তিত হয়ে By whom হয় এবং এটি Interrogative sentence হওয়ায় auxiliary verb প্রথমে বসে।
Tense পরিবর্তনের নিয়ম অনুযায়ী Present Perfect Tense-এর passive রূপে has-এর পরে been বসে এবং মূল verb-এর Past Participle রূপ বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) By whom has this Jug been broken? — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং এটি সব নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে।
B) By whom has this Jug broken? — এখানে been শব্দটি বাদ পড়েছে যা Present Perfect Tense-এর passive গঠনের জন্য অত্যন্ত জরুরি।
C) By whom this Jug has been broken? — এখানে সাহায্যকারী verb subject-এর আগে বসেনি যা প্রশ্নবোধক বাক্যের ব্যাকরণগত নিয়ম লঙ্ঘন করে।
D) Whom has this Jug been broken? — এখানে Who-এর পূর্বে সঠিক preposition বসে না এবং এটি প্রশ্নবোধক বাক্যের সঠিক গঠন অনুসরণ করে না।
মনে রাখার টিপস:
Who যুক্ত Active voice-কে Passive করার সময় প্রথমে By whom লিখতে হয় এবং Tense অনুযায়ী সাহায্যকারী verb-এর পর been যোগ করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) William Wordsworth
কেন সঠিক:
উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ ছিলেন রোমান্টিক যুগের কবি। ভিক্টোরিয়ান যুগের অনেক আগেই তিনি তার সাহিত্যকর্ম পরিচালনা করেছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Alfred Tennyson — তিনি ভিক্টোরিয়ান যুগের একজন প্রধান কবি ও পোয়েট লরিয়েট ছিলেন।
B) Robert Browning — তিনি ভিক্টোরিয়ান যুগের বিখ্যাত ড্রামাটিক মনোলগের জন্য পরিচিত কবি।
C) William Wordsworth — তিনি রোমান্টিক যুগের কবি এবং লেক পোয়েট হিসেবে বিশেষভাবে পরিচিত।
D) Matthew Arnold — তিনি ভিক্টোরিয়ান যুগের একজন বিশিষ্ট কবি ও প্রাবন্ধিক ছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
ওয়ার্ডসওয়ার্থ হলেন রোমান্টিক যুগের কবি, তাই তিনি ভিক্টোরিয়ান যুগের কবি হতে পারেন না।
সঠিক উত্তর: A) ১৯৮৪
কেন সঠিক:
বিখ্যাত ইংরেজি সাহিত্যিক জর্জ অরওয়েল ১৯৪৯ সালে এই রাজনৈতিক উপন্যাসটি প্রকাশ করেন।
ভবিষ্যতের একনায়কতন্ত্র ও নজরদারী সমাজের ভয়াবহ চিত্র এই উপন্যাসে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
এটি বিশ্বসাহিত্যে ডিস্টোপিয়ান ঘরানার অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও প্রভাবশালী সৃষ্টি হিসেবে সমাদৃত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৮৪ — এটি জর্জ অরওয়েলেরই লেখা একটি ঐতিহাসিক রাজনৈতিক উপন্যাস।
B) Brave New World — এই জনপ্রিয় ডিস্টোপিয়ান উপন্যাসটি Aldous Huxley এর লেখা।
C) A Clockwork Orange — এই বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাসটি Anthony Burgess লিখেছিলেন।
D) For Whom the Bell Tolls — এই ক্লাসিক উপন্যাসটির অমর লেখক হলেন Ernest Hemingway।
মনে রাখার টিপস:
জর্জ অরওয়েলের নামের সাথে ১৯৫৮ সালের আগের ডিস্টোপিয়ান উপন্যাস ১৯৮৪ সব সময় মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: D) She speaks English like the English
কেন সঠিক:
ভাষার নামের আগে কোনো the বসে না তাই English সঠিক। জাতির নামের আগে the বসে তাই the English সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) She speaks English like English — জাতির নামের আগে the না থাকায় ভুল হয়েছে।
B) She speaks the English like English — ভাষার নামের আগে the এবং জাতির নামের আগে the না থাকায় ভুল।
C) She speaks the English like the English — ভাষার নামের আগে the থাকায় বাক্যটি ভুল হয়েছে।
D) এটি সঠিক উত্তর কারণ ভাষার নামের আগে the নেই এবং জাতির আগে the আছে।
মনে রাখার টিপস:
ভাষার নামের আগে the বসে না কিন্তু জাতির নামের আগে the বসে।
সঠিক উত্তর: B) back
কেন সঠিক:
বাক্যে 'go back on' একটি ফ্রেজাল ভার্ব হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। এর অর্থ হলো প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করা বা কথা রাখা না।
প্রদত্ত বাক্যে প্রতিশ্রুতি রক্ষা করার কথা বলা হয়েছে তাই এখানে সঠিক শব্দ হবে back।
অন্য কোনো প্রিপজিশন বসালে এই বিশেষ অর্থ প্রকাশ পায় না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) forward — এই শব্দটি বসালে ফ্রেজাল ভার্ব তৈরি হয় না এবং অর্থের কোনো মিল থাকে না।
B) back — এটি সঠিক অপশন এবং নিয়ম অনুযায়ী এখানে কেবল এটিই বসতে পারে।
C) by — 'go by' এর অর্থ ভিন্ন এবং তা এখানে বাক্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
D) around — 'go around' এর অর্থ ঘুরে বেড়ানো যা প্রতিশ্রুতির সাথে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
promise বা প্রতিশ্রুতির সাথে সাধারণত go back on ফ্রেজাল ভার্বটি ব্যবহৃত হয় যার অর্থ কথা না রাখা।
সঠিক উত্তর: C) To tolerate
কেন সঠিক:
বাক্যটিতে "put up with" একটি ফ্রেজাল ভার্ব হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে যার অর্থ সহ্য করা।
এখানে বক্তa তার ব্যবহার বা আচরণ আর সহ্য করতে পারছেন না বোঝাচ্ছে।
তাই এর সঠিক সমার্থক শব্দ হলো টলারেট বা সহ্য করা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) To protect — এর অর্থ সুরক্ষা করা, যা এই বাক্যের ভাবের সাথে মেলে না।
B) To terminate — এর অর্থ সমাপ্ত করা বা শেষ করা, যা এখানে প্রাসঙ্গিক নয়।
C) To tolerate — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য।
D) To prevent — এর অর্থ প্রতিরোধ করা, যা বাক্যের অর্থ পরিবর্তন করে দেয়।
মনে রাখার টিপস:
কাউকে সহ্য করতে না পারলে মাথায় রাখবে পুট আপ উইথ মানে টলারেট বা সহ্য করা।
সঠিক উত্তর: A) height
কেন সঠিক:
- 'Altitude' শব্দটির বাংলা অর্থ হলো উচ্চতা বা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে উচ্চতা।
- প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে 'height' শব্দটির অর্থও উচ্চতা, যা এর সমার্থক শব্দ হিসেবে নিখুঁতভাবে মিলে যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) height — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ উচ্চতা, যা altitude শব্দের সমার্থক।
B) width — এর অর্থ প্রস্থ, যা উচ্চতার বিপরীত এবং সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি পরিমাপ নির্দেশ করে।
C) length — এর অর্থ দৈর্ঘ্য, যা কোনো বস্তুর দীর্ঘতম দিক নির্দেশ করে কিন্তু উচ্চতা বোঝায় না।
D) depth — এর অর্থ গভীরতা, যা ওপর থেকে নিচের দিকে দূরত্ব নির্দেশ করে।
মনে রাখার টিপস:
উচ্চতা বোঝাতে height এবং altitude দুটি সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যেখানে দুটি শব্দই ওপরের দিকের লম্বালম্বি দূরত্ব বোঝায়।
সঠিক উত্তর: A) Pride and Prejudice
কেন সঠিক:
Elizabeth Bennett চরিত্রটি জেন অস্টেনের বিখ্যাত উপন্যাসের প্রধান চরিত্র যেখানে তিনি সমাজের নানা বাধা পেরিয়ে নিজের অহংকার ও পূর্বসংস্কার কাটিয়ে ওঠেন।
উপন্যাসটি মূলত এই প্রধান চরিত্রের পারিবারিক জীবন ও প্রেমের সম্পর্কের ওপর ভিত্তি করে রচিত হয়েছে।
এই উপন্যাসের কেন্দ্রীয় নারী চরিত্র হিসেবে তার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Pride and Prejudice — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয় বরং এই উপন্যাসেরই প্রধান চরিত্র হলেন এলিজাবেথ বেনেট।
B) Tess of the d'Urbervilles — থমাস হার্ডির এই উপন্যাসের প্রধান নারী চরিত্র এলিজাবেথ নয় বরং এর মূল চরিত্র হলেনটেস ডারবারভিল।
C) Wuthering Heights — এমিলি ব্রন্টির এই উপন্যাসের মূল নারী চরিত্র এলিজাবেথ নয় বরং এখানে ক্যাথরিন আর্নশ প্রধান চরিত্র হিসেবে উপস্থিত থাকেন।
D) Jane Eyre — শার্লট ব্রন্টির এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র এলিজাবেথ বেনেট নন বরং এর নাম ভূমিকায় জেন আয়ার চরিত্রটি রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
জেন অস্টেন বললেই মনে রাখবে Pride and Prejudice এবং এর প্রধান চরিত্র এলিজাবেথ বেনেট।
সঠিক উত্তর: B) had
কেন সঠিক:
- এটি Third Conditional-এর একটি বাক্য, যেখানে Past Perfect Tense-এর গঠন ব্যবহৃত হয়।
- মূল ক্লজে could have এর পর verb-এর Past Participle (been) থাকায় ইফ ক্লজে had বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) have — Present Tense নির্দেশ করে, যা এই বাক্যের গঠন ও অর্থের সাথে সংগতিপূর্ণ নয়।
B) had — সঠিক উত্তর, কারণ এটি Third Conditional-এর শর্ত পূরণ করে।
সি) might — Modal Verb-এর পর এখানে সরাসরি verb-এর Past Participle বসার নিয়ম নেই।
D) would — Modal Verb এখানে বসালে বাক্যের অর্থ এবং Conditional-এর নিয়ম ভেঙে যায়।
মনে রাখার টিপস:
Conditional বাক্যে could have এর সাথে verb-এর Past Participle থাকলে অপর অংশে সবসময় had ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) rude
কেন সঠিক:
- প্রশ্নে ব্যবহৃত 'arrogant' শব্দটির অর্থ উদ্ধত, অহংকারী বা রুক্ষ আচরণ বোঝায়।
- প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে 'rude' শব্দটির অর্থ অভদ্র বা রূঢ়, যা 'arrogant' শব্দের সবচেয়ে কাছাকাছি সমার্থক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) rude — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ অভদ্র বা অহংকারসুলভ আচরণ।
B) gracious — এর অর্থ অমায়িক বা সদয়, যা 'arrogant' শব্দের বিপরীতার্থক।
C) coarse — এর অর্থ অমসৃণ বা অভদ্র হলেও এটি মূলত ভাষা বা ব্যবহারের ক্ষেত্রে রূঢ়তা বোঝায়।
D) pretentious — এর অর্থ ভানপূর্ণ বা আড়ম্বরপূর্ণ, যা সরাসরি 'arrogant' এর সমার্থক নয়।
মনে রাখার টিপস:
অহংকারী বা উদ্ধত মানুষমাত্রই সবার সাথে অভদ্র বা রুক্ষ আচরণ করে, তাই arrogant এর সমার্থক শব্দ হিসেবে rude মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) George Gordon Byron
কেন সঠিক:
- ডন জুয়ান হলো বিখ্যাত রোমান্টিক যুগের ব্রিটিশ কবি লর্ড বায়রন রচিত একটি বিখ্যাত মহাকাব্যিক কবিতা।
- এই দীর্ঘ কাব্যে সমাজের বিভিন্ন রীতিনীতি ও মানুষের স্বভাব নিয়ে তীক্ষ্ণ ও উপহাসমূলক ব্যঙ্গ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) W.B. Yeats — উইলিয়াম বাটলার ইয়েটস একজন আধুনিক আইরিশ কবি ও নাট্যকার ছিলেন, যিনি এই মহাকাব্যটি রচনা করেননি।
B) E.B. Browning — এলিজাবেথ ব্যারেট ব্রাউনিং ভিক্টোরিয়ান যুগের একজন জনপ্রিয় নারী কবি ছিলেন, যিনি এই সাহিত্যকর্মটির সঙ্গে যুক্ত নন।
C) George Gordon Byron — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে কোনো ভুল কারণ নেই।
D) Alexander Pope — আলেকজান্ডার পোপ অষ্টাদশ শতাব্দীর একজন বিখ্যাত অগাস্টান যুগের ব্যঙ্গাত্মক কবি ছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
লর্ড বায়রন বা জর্জ গর্ডন বায়রনের বিখ্যাত অসম্পূর্ণ মহাকাব্যিক ব্যঙ্গাত্মক রচনার নাম ডন জুয়ান।
সঠিক উত্তর: D) ৭
প্রদত্ত তথ্য:
সেট এ এর উপাদান হলো স্বাভাবিক সংখ্যা
যেখানে এক্স স্কয়ার মাইনাস ৫এক্স মাইনাস ১৪ সমান ০
ধরি,
সমীকরণটি হলো এক্স স্কয়ার মাইনাস ৫এক্স মাইনাস ১৪ সমান ০
অতএব,
মিডল টার্ম করে পাই এক্স স্কয়ার মাইনাস ৭এক্স প্লাস ২এক্স মাইনাস ১৪ সমান ০
সুতরাং,
এক্স ব্র্যাকেটে এক্স মাইনাস ৭ প্লাস ২ ব্র্যাকেটে এক্স মাইনাস ৭ সমান ০
উত্তর: ৭
সঠিক উত্তর: A) ৯৬
প্রদত্ত তথ্য:
অংকগুলি হলো শূন্য, এক, দুই, তিন এবং চার
মোট অংকের সংখ্যা হলো পাঁচটি
ধরি,
পাঁচ অংকের সংখ্যার প্রথম স্থানটি শূন্য হতে পারবে না
প্রথম স্থানে বসতে পারে শূন্য ছাড়া বাকি চারটি অংক
অতএব,
প্রথম স্থান পূরণের উপায় হলো চারটি
বাকি চারটি স্থান পূরণের উপায় হলো মোট পাঁচটির মধ্যে যেকোনো চারটি
সুতরাং,
প্রথম স্থান পূরণের উপায় = ৪
বাকি চার স্থান পূরণের উপায় = ৪ × ৩ × ২ × ১ = ২৪
উত্তর: ৪ × ২৪ = ৯৬ টি অর্থপূর্ণ সংখ্যা গঠন করা যাবে
সঠিক উত্তর: B) ০.০১
প্রদত্ত তথ্য:
জাহিদ সাহেবের বেতন ১০% কমানো হলো
হ্রাসকৃত বেতন ১০% বাড়ানো হলো
ধরি,
জাহিদ সাহেবের আদি বেতন = ১০০ টাকা
অতএব,
১০% কমানোর পর বেতন হলো = ১০০ − ১০ = ৯০ টাকা
৯০ টাকার ১০% হলো = ৯ টাকা
বেতন বৃদ্ধির পর বর্তমান বেতন হলো = ৯০ + ৯ = ৯৯ টাকা
সুতরাং,
মোট ক্ষতি হলো = ১০০ − ৯৯ = ১ টাকা
উত্তর: ০.০১ অংশ ক্ষতি হলো
সঠিক উত্তর: C) ১০ ÷ ৩০ (যা অনুপাত হিসেবে প্রকাশ করা হয়েছে)
প্রদত্ত তথ্য:
২৯ থেকে ৩৮ পর্যন্ত মোট সংখ্যাগুলো হলো ২৯, ৩০, ৩১, ৩২, ৩৩, ৩৪, ৩৫, ৩৬, ৩৭, ৩৮
এই সংখ্যাগুলোর মোট পরিমাণ হলো ১০টি
ধরি,
মোট সম্ভাব্য ফলাফলের সংখ্যা = ১০
এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যাগুলো হলো ২৯, ৩১, ৩৭
অতএব,
২৯ থেকে ৩৮ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যার মোট পরিমাণ = ৩টি
মোট সংখ্যার পরিমাণ = ১০টি
সুতরাং,
মৌলিক সংখ্যা বেছে নেওয়ার সম্ভাবনা = ৩ ÷ ১০
উত্তর: ৩ ÷ ১০ (সি অপশন অনুযায়ী সঠিক মান)
সঠিক উত্তর: D) ৯০°
প্রদত্ত তথ্য:
ত্রিভুজের বাহুগুলোর অনুপাত = ১ : ২√২ : ৩
ধরি,
ত্রিভুজের বাহু তিনটি যথাক্রমে ক, ২√২ ক এবং ৩ ক
অতএব,
প্রথম বাহুর ওপর বর্গ = ক বর্গ
দ্বিতীয় বাহুর ওপর বর্গ = ৮ ক বর্গ
তৃতীয় বাহুর ওপর বর্গ = ৯ ক বর্গ
সুতরাং,
প্রথম বাহুর বর্গ + দ্বিতীয় বাহুর বর্গ = ক বর্গ + ৮ ক বর্গ = ৯ ক বর্গ
উত্তর: ৯০°
সঠিক উত্তর: C) ২π
প্রদত্ত তথ্য:
বৃত্তচাপ দ্বারা কেন্দ্রে উৎপন্ন কোণ = ৬০°
বৃত্তের ব্যাস = ১২ সেন্টিমিটার
ধরি,
বৃত্তের ব্যাসার্ধ r = ১২ ÷ ২ = ৬ সেন্টিমিটার
বৃত্তের পরিধি = ২ × π × r
অতএব,
বৃত্তের পরিধি = ২ × π × ৬ = ১২π সেন্টিমিটার
কেন্দ্র পুরো বৃত্তে উৎপন্ন করে = ৩৬০° কোণ
বৃত্তচাপের দৈর্ঘ্য কোণের অনুপাতের সমান
সুতরাং,
চাপটির দৈর্ঘ্য = (৬০° ÷ ৩৬০°) × ১২π
চাপটির দৈর্ঘ্য = (১ ÷ ৬) × ১২π = ২π
উত্তর: ২π সেন্টিমিটার
সঠিক উত্তর: C) ৬০°
প্রদত্ত তথ্য:
সমীকরণটি হলো ১ + ট্যান স্কয়ার থিটা = ৪
শর্ত হলো থিটা এর মান ৯০° এর ছোট
ধরি,
প্রদত্ত সমীকরণের বামপক্ষ থেকে ১ ডানপক্ষে বিয়োগ করি
ফলে ট্যান স্কয়ার থিটা = ৪ − ১ পাই
অতএব,
ট্যান স্কয়ার থিটা = ৩ হয়
উভয়পক্ষের বর্গমূল করে ট্যান থিটা = √৩ পাই
সুতরাং,
আমরা জানি ট্যান ৬০° এর মান √৩ হয়
তাই থিটা এর মান ৬০° পাওয়া যায়
উত্তর: ৬০°
সঠিক উত্তর: D) ৩√৩
প্রদত্ত তথ্য:
ধারাটি একটি গুণোত্তর ধারা
ধারটির প্রথম পদ a = ১÷√৩
ধরি,
ধারটির দ্বিতীয় পদ = −১
ধারটির সাধারণ অনুপাত = r
অতএব,
সাধারণ অনুপাত r = (−১) ÷ (১÷√৩)
r = −√৩
ধারটির পঞ্চম পদ নির্ণয় করতে হবে
সুতরাং,
পঞ্চম পদ = a × r^(৫−১)
পঞ্চম পদ = (১÷√৩) × (−√৩)^৪
উত্তর: ৩√৩
সঠিক উত্তর: B) ৩
প্রদত্ত তথ্য:
সমীকরণটি হলো ২x + ৭ = ৪x + ২
ধরি,
চলকগুলোকে একপাশে এবং সংখ্যাগুলোকে অন্যপাশে নিতে হবে
অতএব,
৭ − ২ = ৪x − ২x
সুতরাং,
৫ = ২x
উত্তর: x = ৩
সঠিক উত্তর: A) a + b = 1
প্রدত্ত তথ্য:
লগারিদম এর সমীকরণ দেওয়া আছে
সমীকরণটি হলো log(a/b) + log(b/a) = log(a + b)
ধরি,
লগ এর যোগ সূত্র ব্যবহার করা হবে
লগ এর ক্ষেত্রে গুণের নিয়ম প্রযোজ্য হবে
অতএব,
log((a/b) × (b/a)) = log(a + b)
log(1) = log(a + b)
সুতরাং,
1 = a + b
a + b = 1
উত্তর: a + b = 1
সঠিক উত্তর: B) ১৭
প্রদত্ত তথ্য:
দুটি রাশির যোগফল p + q = ৫
দুটি রাশির বিয়োগফল p − q = ৩
ধরি,
প্রথম সূত্র অনুযায়ী আমরা জানি,
বীজগণিতের অনুসিদ্ধান্ত ব্যবহার করতে হবে
অতএব,
p^২ + q^২ এর সূত্রটি হলো,
(প্লাস হোল স্কয়ার + মাইনাস হোল স্কয়ার) ÷ ২
সুতরাং,
মান বসিয়ে পাই,
(৫^২ + ৩^২) ÷ ২
উত্তর: (২৫ + ৯) ÷ ২ = ১৭
সঠিক উত্তর: C) x/y = 1/2
প্রদত্ত তথ্য:
সরলরেখার সাধারণ সমীকরণ হলো একঘাত বিশিষ্ট সমীকরণ
অপশন সি এর সমীকরণটিকে সরল রূপ দিলে সরলরেখা পাওয়া যায়
ধরি,
সমীকরণটি হলো x/y = 1/2
অতএব,
সমীকরণটি বজ্রগুণন করে পাই 2x = y
সুতরাং,
এটিকে একপাশে নিলে লেখা যায় 2x − y = 0
উত্তর: এটি একটি সরলরেখার সমীকরণ নির্দেশ করে
সঠিক উত্তর: C) ১০, ২৫
প্রদত্ত তথ্য:
বামপক্ষ সমান (x + ৫) এর হোল স্কয়ার
ডানপক্ষ সমান x স্কয়ার + bx + c
ধরি,
বর্গের সূত্র প্রয়োগ করে বামপক্ষ ভাঙাতে হবে
(x + ৫) স্কয়ার সমান x স্কয়ার + ১০x + ২৫
অতএব,
বামপক্ষ সমান x স্কয়ার + ১০x + ২৫
ডানপক্ষ সমান x স্কয়ার + bx + c
সুতরাং,
উভয় পক্ষ তুলনা করে b এর মান পাওয়া যায় ১০
c এর মান পাওয়া যায় ২৫
উত্তর: ১০, ২৫
সঠিক উত্তর: B) ১০ : ১৫ : ২১
প্রদত্ত তথ্য:
x : y = ২ : ৩
y : z = ৫ : ৭
ধরি,
প্রথম অনুপাতে y এর মান = ৩
দ্বিতীয় অনুপাতে y এর মান = ৫
উভয় রাশির y এর মান সমান করতে প্রথম অনুপাতকে ৫ দ্বারা এবং দ্বিতীয় অনুপাতকে ৩ দ্বারা গুণ করি
অতএব,
x : y = (২ × ৫) : (৩ × ৫) = ১০ : ১৫
y : z = (৫ × ৩) : (৭ × ৩) = ১৫ : ২১
সুতরাং,
x : y : z = ১০ : ১৫ : ২১
উত্তর: ১০ : ১৫ : ২১
সঠিক উত্তর: A) V ∝ T
১. কেন সঠিক:
চার্লসের সূত্র অনুসারে নির্দিষ্ট চাপে কোনো গ্যাসের আয়তন তার পরম তাপমাত্রার সাথে সমানুপাতিকভাবে পরিবর্তিত হয়।
তাপমাত্রা বাড়লে গ্যাসের কণাগুলোর গতিশক্তি বৃদ্ধি পায় এবং আয়তন বৃদ্ধি পায়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: তাপমাত্রা এবং আয়তনের মধ্যকার সরল সম্পর্ক গ্যাসের গতি তত্ত্বের সাহায্যে ব্যাখ্যা করা যায়।
সূত্র: ভি সমানুপাতিক টি, অর্থাৎ ভি ভাগ টি সমান ধ্রুবক, যেখানে পি স্থির থাকে।
কার্যপ্রণালি: তাপমাত্রা বাড়লে গ্যাস প্রসারিত হয় এবং চাপ স্থির রাখতে আয়তন বাড়তে থাকে।
বাস্তব প্রয়োগ: হট এয়ার বেলুন বা উড়ন্ত ফানুসে বাতাসের তাপমাত্রা বাড়িয়ে তার আয়তন ও ঘনত্ব কমানো হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গরমের দিনে সাইকেলের বা গাড়ির টায়ার অনেক সময় অতিরিক্ত গরমে ফেটে যেতে পারে।
ব্যাখ্যা: তাপমাত্রার বৃদ্ধির কারণে টায়ারের ভেতরের বায়ুর আয়তন বৃদ্ধি পেতে চায়।
উদাহরণ ২: একটি বেলুনকে ফ্রিজে রাখলে তা সংকুচিত হয়ে ছোট হয়ে যায়।
ব্যাখ্যা: তাপমাত্রা হ্রাসের ফলে বেলুনের ভেতরের গ্যাসের আয়তন হ্রাস পায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) V ∝ T — এটি চার্লসের সূত্র নির্দেশ করে যেখানে চাপ স্থির থাকে এবং তাপমাত্রা ও আয়তন পরিবর্তিত হয়।
B) PV = K — এটি বয়েলের সূত্রের রূপ, যা স্থির তাপমাত্রায় চাপ ও আয়তনের ব্যস্তানুপাতিক সম্পর্ক বোঝায়।
C) V ∝ n — এটি অ্যাভোগেড্রোর সূত্র, যা গ্যাসের আয়তন ও তার অণুর সংখ্যার সম্পর্ক নির্দেশ করে।
D) P ∝ T — এটি গেইলুসাকের বা চাপের সূত্র, যা স্থির আয়তনে চাপ ও তাপমাত্রার সম্পর্ক বোঝায়।
৫ মনে রাখার টিপস:
চার্লসের সূত্রে চাপ স্থির থাকে এবং তাপমাত্রা ও আয়তন পরিবর্তিত হয়।
চাপ স্থির রেখে তাপমাত্রা ও আয়তনের সম্পর্ক মনে রাখতে চাল শব্দ এবং তাপমাত্রা ও আয়তনের আদ্যক্ষর মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
এই সূত্রটি পরম শূন্য তাপমাত্রা বা শূন্য কেলভিন ধারণার সাথে গভীরভাবে সম্পর্কিত।
একই ধারণা থেকে স্থির চাপে আয়তন ও তাপমাত্রার লেখচিত্র সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
সঠিক উত্তর: A) পৃষ্ঠতল কেন্দ্রিক ঘনকাকৃতির
১. কেন সঠিক:
- সোডিয়াম ক্লোরাইড কেলাসে সোডিয়াম আয়ন এবং ক্লোরাইড আয়ন একটি নির্দিষ্ট ত্রিমাত্রিক জ্যামিতিক বিন্যাসে অবস্থান করে।
- এখানে প্রতিটি ক্লোরাইড আয়ন ঘনকের কোণগুলোতে এবং পৃষ্ঠের কেন্দ্রগুলোতে অবস্থান নিয়ে পৃষ্ঠতল কেন্দ্রিক গঠন তৈরি করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: কেলাসের গঠন হলো কঠিন পদার্থের পরমাণু, অণু বা আয়নের সুশৃঙ্খল ত্রিমাত্রিক বিন্যাস।
- কার্যপ্রণালি: সোডিয়াম ক্লোরাইডে বিপরীত চার্জযুক্ত আয়নগুলো স্থির বৈদ্যুতিক আকর্ষণের মাধ্যমে একে অপরকে আবদ্ধ করে।
- বাস্তব প্রয়োগ: সাধারণ লবণ বা সোডিয়াম ক্লোরাইডের এই দৃঢ় কেলাসের গঠনের জন্যই এর গলনাঙ্ক অনেক বেশি হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সাধারণ টেবিল সল্ট বা রান্নার লবণ।
ব্যাখ্যা: আমরা প্রতিদিন খাবারে যে লবণ ব্যবহার করি তা এই সোডিয়াম ক্লোরাইডের কেলাসের গঠিত কঠিন রূপ।
উদাহরণ ২: বরফের ক্রিস্টাল বা কেলাস গঠন।
ব্যাখ্যা: পানির অণুগুলোর নির্দিষ্ট বিন্যাসের ফলে বরফ একটি সুশৃঙ্খল কেলাসের রূপ ধারণ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পৃষ্ঠতল কেন্দ্রিক ঘনকাকৃতির — এটি সোডিয়াম ক্লোরাইড কেলাসের সঠিক এবং পরীক্ষিত ত্রিমাত্রিক গঠনবিন্যাস।
B) দেহ-কেন্দ্রিক ঘনকাকার — এই গঠনে কণাগুলো ঘনকের কোণের পাশাপাশি ঠিক মাঝে অবস্থান করে, যা সোডিয়াম ক্লোরাইডের জন্য প্রযোজ্য নয়।
C) সংঘবদ্ধ-ঘনকাকার — এটি অন্য কিছু ধাতব কেলাসের ক্ষেত্রে দেখা যায়, সোডিয়াম ক্লোরাইডের সাধারণ একক কোষের গঠন এটি নয়।
D) সংঘবদ্ধ ষড়কৌণিক আকার — এই ধরনের গঠন জিংক বা ম্যাগনেসিয়ামের মতো ধাতুতে দেখা যায়, সোডিয়াম ক্লোরাইডে নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সোডিয়াম ক্লোরাইডের গঠন মনে রাখতে লবণ দানার আকৃতির কথা চিন্তা করতে পারো, যা মূলত ঘনকাকৃতির পৃষ্ঠতল কেন্দ্রিক বিন্যাস নির্দেশ করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এই প্রশ্নটি রসায়নের কঠিন অবস্থা এবং কেলাসের গঠন অধ্যায়ের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সাধারণ জ্ঞানমূলক প্রশ্ন।
- পরীক্ষার জন্য সোডিয়াম ও ক্লোরিনের সমন্বয় সংখ্যা বা কোঅর্ডিনেশন নম্বর সম্পর্কিত প্রশ্নও এখান থেকে আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: C) NO
১. কেন সঠিক:
- নাইট্রিক অক্সাইড বা NO সরাসরি উৎস থেকে বাতাসে নির্গত হয় বলে এটি প্রাইমারি দূষক।
- জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানোর সময় বায়ুমণ্ডলে সরাসরি প্রাইমারি দূষকগুলো প্রবেশ করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: যে সমস্ত ক্ষতিকর পদার্থ সরাসরি উৎস থেকে বায়ুমণ্ডলে নির্গত হয়, তাদের প্রাইমারি দূষক বলা হয়।
- কার্যপ্রণালি: শিল্পকারখানা ও মোটরযানের ইঞ্জিন থেকে জ্বালানি পোড়ার ফলে সরাসরি NO গ্যাস বায়ুমণ্ডলে ছড়ায়।
- কারণ ও ফলাফল: এই সরাসরি নির্গত গ্যাস পরে বাতাসের অন্যান্য উপাদানের সঙ্গে বিক্রিয়া করে সেকেন্ডারি দূষক তৈরি করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মোটরযানের নিষ্কাশন পাইপ থেকে নির্গত ধোঁয়া।
ব্যাখ্যা: গাড়ি চলার সময় জ্বালানি পুড়ে সরাসরি নাইট্রিক অক্সাইড বাতাসে মেশে।
উদাহরণ ২: কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র।
ব্যাখ্যা: কয়লা পুড়িয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনের সময় সরাসরি নাইট্রিক অক্সাইড ও সালফার ডাইঅক্সাইড বায়ুমণ্ডলে ছড়ায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) SO3 — এটি সালফার ট্রাইঅক্সাইড এবং বায়ুমণ্ডলে সালফার ডাইঅক্সাইডের জারণের মাধ্যমে তৈরি হওয়ায় সেকেন্ডারি দূষক।
B) N2O5 — এটি ডিনাইট্রোজেন পেন্টাক্সাইড এবং নাইট্রোজেনের অক্সাইডগুলোর রাসায়নিক বিক্রিয়ার ফলে উৎপন্ন সেকেন্ডারি দূষক।
C) NO — এটি গাড়ি ও কারখানার ধোঁয়া থেকে সরাসরি বাতাসে আসে বলে সঠিক উত্তর এবং এটি প্রাইমারি দূষক।
D) HNO3 — এটি নাইট্রিক অ্যাসিড এবং বায়ুমণ্ডলে নাইট্রোজেনের অক্সাইড ও জলীয় বাষ্পের বিক্রিয়ায় গঠিত সেকেন্ডারি দূষক।
৫ মনে রাখার টিপস:
- উৎস থেকে যা সরাসরি আকাশে ওড়ে, তা প্রাইমারি আর বাতাসে মিশে যা রূপ নেয়, তা সেকেন্ডারি।
- NO সরাসরি বের হয় তাই প্রাইমারি, আর HNO3 বিক্রিয়া করে বনে তাই সেকেন্ডারি।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রাইমারি দূষকগুলোর মধ্যে কার্বন মনোক্সাইড, সালফার ডাইঅক্সাইড এবং নাইট্রিক অক্সাইড প্রধান।
- বায়ুদূষণ সম্পর্কিত প্রশ্নগুলোতে প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি দূষক আলাদা করার ওপর প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: D) High performance liquid chromatography
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরটি ক্রোমাটোগ্রাফি প্রযুক্তির একটি আধুনিক ও বহুল ব্যবহৃত পদ্ধতির সঠিক নাম নির্দেশ করে।
- এই পদ্ধতিতে তরল দ্রাবক ব্যবহার করে অত্যন্ত উচ্চ কার্যক্ষমতার মাধ্যমে মিশ্রণের উপাদানগুলো আলাদা করা হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: হাই পারফরম্যান্স লিকুইড ক্রোমাটোগ্রাফি হলো এমন একটি বিশ্লেষণাত্মক কৌশল যার মাধ্যমে তরল মিশ্রণের বিভিন্ন উপাদান নিখুঁতভাবে পৃথক ও শনাক্ত করা যায়।
- কার্যপ্রণালি: উচ্চ চাপের মাধ্যমে সলভেণ্ট বা তরল ফেজকে একটি কলামের ভেতর চালনা করা হয় যেখানে উপাদানগুলো তাদের ধর্ম অনুযায়ী ভিন্ন গতিতে আলাদা হয়।
- বাস্তব প্রয়োগ: ওষুধ শিল্পে ওষুধের বিশুদ্ধতা যাচাই এবং খাদ্য বিজ্ঞানে ভেজাল শনাক্তকরণে এই পদ্ধতি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ফার্মাসিউটিক্যাল শিল্পে প্যারাসিটামল ট্যাবলেটের সঠিক উপাদান ও মাত্রা পরিমাপ।
ব্যাখ্যা: এই পদ্ধতির মাধ্যমে ট্যাবলেটের ভেতর থাকা সক্রিয় উপাদানের সঠিক পরিমাণ নিখুঁতভাবে নির্ধারণ করা সম্ভব হয়।
উদাহরণ ২: রক্তে গ্লুকোজ বা অন্যান্য হরমোনের মাত্রা নির্ণয়।
ব্যাখ্যা: জৈব তরলের জটিল মিশ্রণ থেকে নির্দিষ্ট রাসায়নিক উপাদান আলাদা করে রোগ নির্ণয়ে সহায়তা করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) High pressure liquid chromatography — এই পরিভাষাটি আংশিক সত্য হলেও প্রযুক্তিগতভাবে সঠিক নাম নয়।
B) High power liquid chromatography — পাওয়ার বা শক্তি শব্দটির পরিবর্তে পারফরম্যান্স বা কার্যক্ষমতা শব্দটি বৈজ্ঞানিক নামকরণে নির্ধারিত।
C) High plant liquid chromatography — উদ্ভিদ বা প্ল্যান্ট শব্দটির সঙ্গে এই বিশেষ রাসায়নিক বিশ্লেষণের কোনো সম্পর্ক নেই।
D) High performance liquid chromatography — এটি এই বিশ্লেষণাত্মক পদ্ধতির সর্বজনস্বীকৃত এবং আন্তর্জাতিকভাবে অনুমোদিত সঠিক নাম।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ক্রোমাটোগ্রাফির এই রূপটির নামের শেষাংশে পারফরম্যান্স শব্দটি মনে রাখবে।
- শর্টকাট হিসেবে এইচপিএলসি মানে উচ্চ কার্যক্ষমতার তরল পৃথকীকরণ পদ্ধতি তা মাথায় রাখতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় ল্যাবরেটরি বিশ্লেষণ ও প্রযুক্তির নাম থেকে প্রায়ই এই ধরনের পূর্ণরূপ আসে।
- একই ধারণা থেকে গ্যাস ক্রোমাটোগ্রাফি বা জিআইসি সংক্রান্ত প্রশ্নও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: A) SiO2
১. কেন সঠিক:
সিরামিক সামগ্রী তৈরির প্রধান কাঁচামাল হলো সিলিকা বা সিলিকন ডাইঅক্সাইড। এটি উচ্চ তাপ সহ্য করার ক্ষমতা এবং স্থায়িত্ব প্রদান করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: সিলিকা একটি অজৈব ও অধাতব খনিজ উপাদান। রাসায়নিকভাবে এটি বালি বা কোয়ার্টজ নামে পরিচিত।
কার্যপ্রণালি: মাটি ও ফেসপারের সঙ্গে সিলিকা মিশিয়ে উচ্চ তাপমাত্রায় পুড়িয়ে সিরামিক বা পোর্সেলিন তৈরি করা হয়।
বাস্তব প্রয়োগ: রান্নার তৈজসপত্র, টাইলস এবং স্যানিটারি ওয়্যার তৈরিতে সিলিকা ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সাধারণ মাটির হাঁড়ি-পাতিল বা সিরামিক প্লেট।
ব্যাখ্যা: এগুলোতে সিলিকা প্রধান উপাদান হিসেবে থাকে বলে উচ্চ তাপে পুড়িয়ে শক্ত করা যায়।
উদাহরণ ২: কাচ ও সিরামিক শিল্পে বালির ব্যবহার।
ব্যাখ্যা: বালি থেকে প্রাপ্ত সিলিকা উচ্চ তাপমাত্রায় গলে স্বচ্ছ কাচ বা শক্ত সিরামিক কাঠামো গঠন করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) SiO2 — এটি সিরামিক উৎপাদনের মূল এবং প্রধান কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
B) Na2CO3 — এটি সোডিয়াম কার্বনেট বা ওয়াশিং সোডা, যা মূলত কাচ উৎপাদনে ফ্লাক্স হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
C) Fe2O3 — এটি আয়রন অক্সাইড বা মরিচা, যা সিরামিকে লাল বা বাদামী রঙ আনতে ব্যবহৃত হয়, প্রধান কাঁচামাল নয়।
D) NaNO3 — এটি সোডিয়াম নাইট্রেট, যা সার ও বিস্ফোরক তৈরিতে এবং কাচ শিল্পে ব্যবহৃত হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
সিরামিক মানেই বালি বা সিলিকা। মনে রাখবেন সিরামিকের মূল ভিত্তি হলো এসআইওটু বা সিলিকন ডাইঅক্সাইড।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। সিরামিক শিল্পের প্রধান কাঁচামাল এবং কাচ শিল্পের প্রধান কাঁচামাল উভয় ক্ষেত্রেই সিলিকা বা বালি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: B) ZnO
১. কেন সঠিক:
- জিংক অক্সাইড ন্যানো পার্টিকেল সূর্যের ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি শোষণ ও প্রতিফলিত করতে পারে।
- এই ক্ষুদ্র কণাগুলো ত্বকের উপরিভাগে একটি অদৃশ্য প্রতিরক্ষামূলক স্তর তৈরি করে যা ত্বকের গভীর ক্ষতি রোধ করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: ন্যানো প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি অত্যন্ত ক্ষুদ্র কণা যার আকার ১ থেকে ১০০ ন্যানোমিটারের মধ্যে।
- কার্যপ্রণালি: কণার আকার ছোট হওয়ায় এটি সাদা দাগ না রেখে ত্বকে মিশে যায় এবং শারীরিক প্রতিবন্ধকতা হিসেবে কাজ করে।
- বাস্তব প্রয়োগ: উচ্চমানের সানস্ক্রিন লোশন, প্রসাধন সামগ্রী এবং রোদের হাত থেকে ত্বক রক্ষাকারী ক্রিমে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সমুদ্র সৈকতে বা রোদে ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত আধুনিক সানস্ক্রিন ক্রিম।
ব্যাখ্যা: এটি ত্বকে ব্যবহারের পর সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি থেকে ত্বককে পুড়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করে।
উদাহরণ ২: শিশুদের জন্য তৈরি বিশেষ রোদ প্রতিরোধক লোশন।
ব্যাখ্যা: সংবেদনশীল ত্বকে সুরক্ষার জন্য জিংক অক্সাইডের ন্যানো কণা নিরাপদ ও কার্যকরভাবে কাজ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Na2O — এটি সোডিয়াম অক্সাইড, যা অত্যন্ত ক্ষারীয় এবং পানির সংস্পর্শে মারাত্মক বিক্রিয়া করে তাই ত্বকে ব্যবহারের উপযোগী নয়।
B) ZnO — এটি জিংক অক্সাইড এবং সঠিক উত্তর, যা সানস্ক্রিনে অতিবেগুনি রশ্মি রোধ করতে ব্যবহৃত হয়।
C) Al2O3 — এটি অ্যালুমিনিয়াম অক্সাইড, যা প্রধানত ঘষামাজা করার উপাদান বা সিরামিক তৈরিতে ব্যবহৃত হয়, সানস্ক্রিনে এর মূল ব্যবহার নেই।
D) CuO — এটি কপার অক্সাইড, যা বিষাক্ত এবং ত্বকের প্রসাধন সামগ্রীতে ব্যবহারের জন্য নিরাপদ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- জিংক বা জেড অক্ষরটি মনে রাখতে পারেন। জেড ফর জিংক যা জ্বলে যাওয়া রোধ করে বা রোদ থেকে বাঁচায়।
- সানস্ক্রিন মানেই ত্বকের সুরক্ষা এবং ধাতু হিসেবে জিংক অক্সাইড এখানে প্রধান ভূমিকা পালন করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ন্যানো প্রযুক্তির নিরাপদ ও দৈনন্দিন প্রয়োগ হিসেবে এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
- ন্যানো পার্টিকেলের আকার এবং সানস্ক্রিনে এর কাজ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকলে এই ধরনের যেকোনো প্রশ্নের উত্তর দেওয়া সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: A) ৪ : ১ : ১
১. কেন সঠিক:
- সুষম খাদ্যে শরীরের শক্তি উৎপাদন ও পুষ্টি চাহিদা পূরণের জন্য শর্করা, আমিষ ও চর্বির নির্দিষ্ট অনুপাত প্রয়োজন।
- এই অনুপাতে খাবার খেলে দেহের ক্যালোরি চাহিদা মেটার পাশাপাশি কোষের গঠন ও অভ্যন্তরীণ কার্যাবলি সঠিকভাবে পরিচালিত হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: সুষম খাদ্য হলো এমন একটি খাদ্যতালিকা যেখানে দেহের প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদানগুলো সঠিক অনুপাতে থাকে।
- কার্যপ্রণালি: শর্করা আমাদের দেহে প্রধান শক্তি সরবরাহ করে, আমিষ দেহ গঠন ও ক্ষয়পূরণ করে এবং চর্বি শক্তি সঞ্চয় ও উষ্ণতা রক্ষা করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় ভাতের পরিমাণ ডাল ও মাংসের তুলনায় প্রায় চার গুণ রাখা হয়।
ব্যাখ্যা: এটি শর্করা ও আমিষের অনুপাতের বাস্তব প্রয়োগ যা শক্তি ও পুষ্টির ভারসাম্য রক্ষা করে।
উদাহরণ ২: রান্নার তেলে ব্যবহৃত চর্বি বা ফ্যাট পরিমিত রাখা এবং ভাতের পরিমাণ বেশি রাখা সুষম খাদ্যের মূল নীতি।
ব্যাখ্যা: এটি দেখায় যে দেহে শক্তির প্রধান উৎস হিসেবে শর্করার ভূমিকা সবচেয়ে বেশি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৪ : ১ : ১ — এটি বৈজ্ঞানিকভাবে স্বীকৃত সুষম খাদ্যের সঠিক অনুপাত যেখানে শর্করা চার ভাগ, আমিষ এক ভাগ ও চর্বি এক ভাগ থাকে।
B) ৪ : ২ : ২ — এই অনুপাতে আমিষ ও চর্বির পরিমাণ বেশি থাকে যা মেদবহুলতা ও অন্যান্য স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়াতে পারে।
C) ৪ : ২ : ৩ — এখানে চর্বির পরিমাণ অনেক বেশি যা হৃদরোগ ও উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
D) ৪ : ৩ : ২ — এই অনুপাতে আমিষ ও চর্বির মাত্রা সুষম খাদ্যের আদর্শ অনুপাতের সঙ্গে মেলে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- শর্করা আমাদের প্রধান শক্তি, তাই এর অনুপাত সবসময় সবচেয়ে বেশি অর্থাৎ চার হবে।
- আমিষ ও চর্বির অনুপাত সমান অর্থাৎ এক অনুপাত এক হবে, এভাবে চার অনুপাত এক অনুপাত এক মনে রাখা সহজ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সুষম খাদ্যের উপাদানগুলোর অনুপাত প্রায়ই আসে।
- খাদ্য ও পুষ্টি অধ্যায় থেকে ক্যালোরি মাপার একক এবং ভিটামিনের অভাবজনিত রোগ সম্পর্কেও প্রশ্ন হতে পারে।
সঠিক উত্তর: A) চারটি
১. কেন সঠিক:
মানুষের রক্তের প্রধান গ্রুপ চারটি, যা হলো এ, বি, এবি এবং ও।
লোহিত রক্তকণিকার পৃষ্ঠে থাকা অ্যান্টিজেনের উপস্থিতির ওপর ভিত্তি করে এই শ্রেণিবিন্যাস করা হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: কার্ল ল্যান্ডস্টেইনার ১৯০১ সালে রক্তের এই গ্রুপ পদ্ধতি আবিষ্কার করেন।
কার্যপ্রণালি: রক্তের গ্রুপ নির্ধারণে লোহিত রক্তকণিকায় অ্যান্টিজেন এ এবং অ্যান্টিজেন বি এবং রক্তরসে অ্যান্টিবডি কাজ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাবা-মায়ের রক্তের গ্রুপ জানা থাকলে সন্তানের সম্ভাব্য রক্তের গ্রুপ বের করা যায়।
ব্যাখ্যা: এটি বংশগতির জিনগত সূত্রের ওপর নির্ভর করে নির্ধারিত হয়।
উদাহরণ ২: জরুরি রক্তের প্রয়োজনে গ্রুপ মিলিয়ে রক্ত নিতে হয়।
ব্যাখ্যা: ভুল গ্রুপের রক্ত দিলে রক্তকণিকাগুলো জমে গিয়ে মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চারটি — এটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং বৈজ্ঞানিকভাবে পরীক্ষিত তথ্য।
B) পাঁচটি — রক্তের প্রধান গ্রুপ পাঁচটি নয়, কারণ আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত প্রধান গ্রুপ চারটি।
C) তিনটি — রক্তের প্রধান গ্রুপ তিনটি হলে এ, বি ও ও হতো, যা ভুল কারণ এবি গ্রুপও রয়েছে।
D) দুইটি — রক্তের গ্রুপ মাত্র দুটি হতে পারে না, কারণ অ্যান্টিজেনের নানা বিন্যাসের কারণে গ্রুপ চারটি।
৫ মনে রাখার টিপস:
রক্তের প্রধান গ্রুপগুলোর নাম মনে রাখার সহজ উপায় হলো এ, বি, এবি এবং ও।
কার্ল ল্যান্ডস্টেইনার চার, এই সংখ্যাটি মনে রাখলে সহজে ভুল হবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
রক্তের সার্বজনীন দাতা হলো ও নেগেটিভ এবং সার্বজনীন গ্রহীতা হলো এবি পজিটিভ।
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ল্যান্ডস্টেইনারের আবিষ্কার এবং দাতা-গ্রহীতা সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: A) ৩৩
১. কেন সঠিক:
- আর্সেনিকের পারমাণবিক সংখ্যা ৩৩ যার অর্থ এর পরমাণুতে ৩৩টি প্রোটন ও ইলেকট্রন রয়েছে।
- এটি পর্যায় সারণির ১৫ নম্বর গ্রুপের একটি অপধাতু যা প্রকৃতিতে অত্যন্ত বিষাক্ত হিসেবে পরিচিত।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: পারমাণবিক সংখ্যা হলো কোনো মৌলের পরমাণুর নিউক্লিয়াসে উপস্থিত প্রোটনের সংখ্যা যা মৌলের পরিচিতি নির্ধারণ করে।
- রাসায়নিক বৈশিষ্ট্য: আর্সেনিক ধাতু ও অধাতু উভয়ের বৈশিষ্ট্য প্রদর্শন করে এবং এটি অর্ধপরিবাহী হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- বাস্তব প্রয়োগ: ভূগর্ভস্থ পানিতে আর্সেনিকের উপস্থিতি একটি বড় পরিবেশগত সমস্যা যা দীর্ঘমেয়াদে মানবদেহে মারাত্মক রোগ সৃষ্টি করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাংলাদেশের টিউবওয়েলের পানিতে আর্সেনিক দূষণ।
ব্যাখ্যা: ভূগর্ভস্থ শিলাস্তর থেকে প্রাকৃতিকভাবে পানিতে আর্সেনিক মিশে যায় যা পানের মাধ্যমে মানবদেহে প্রবেশ করে।
উদাহরণ ২: সেমিকন্ডাক্টর তৈরিতে আর্সেনিকের ব্যবহার।
ব্যাখ্যা: গ্যালিয়াম আর্সেনাইড তৈরিতে আর্সেনিক ব্যবহার করা হয় যা আধুনিক ইলেকট্রনিক্স শিল্পে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৩৩ — এটি আর্সেনিকের সঠিক পারমাণবিক সংখ্যা।
B) ৩৮ — এটি স্ট্রনশিয়াম মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা।
সি ৩৬ — এটি ক্রিপটন নিষ্ক্রিয় গ্যাসের পারমাণবিক সংখ্যা।
ডি ৪৪ — এটি রুথেনিয়াম ট্রানজিশন ধাতুর পারমাণবিক সংখ্যা।
৫. মনে রাখার টিপস:
- আর্সেনিক শব্দটি মনে রাখতে পারো ৩৩ সংখ্যাটির সঙ্গে যুক্ত করে যেখানে এর প্রতীক As এবং পারমাণবিক সংখ্যা ৩৩।
- পর্যায় সারণির গ্রুপ ১৫ এবং পর্যায় ৪ এর মৌল হিসেবে এর অবস্থান মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- আর্সেনিক একটি অর্ধধাতু বা মেটালয়েড যা বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের ভূগর্ভস্থ পানির প্রধান দূষণকারী উপাদান।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আর্সেনিকের পারমাণবিক সংখ্যা অথবা এর প্রতীক সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: A) ট্যাকোমিটার
১. কেন সঠিক:
- প্রশ্নে প্রদত্ত উত্তরটি বৈজ্ঞানিকভাবে সঠিক নয় এবং এটি একটি প্রচলিত ভুল তথ্য।
- উড়োজাহাজের গতি বা এয়ারস্পিড নির্ণয় করার সঠিক যন্ত্রের নাম হলো টেকোমিটার নয়, বরং এয়ারস্পিড ইন্ডিকেটর বা ম্যাকমিটার। ট্যাকোমিটার মূলত ইঞ্জিন বা মোটরের ঘূর্ণন গতি পরিমাপ করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: ট্যাকোমিটার এমন একটি যন্ত্র যা প্রতি মিনিটে কোনো অক্ষদণ্ডের ঘূর্ণন সংখ্যা পরিমাপ করে।
- কার্যপ্রণালি: এটি ইঞ্জিনের ক্র্যাঙ্কশাফটের ঘূর্ণন প্রতি মিনিটে কতবার ঘটছে তা গণনা করে স্পিডোমিটারের মতো গতি নির্দেশ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গাড়ির ইঞ্জিন
ব্যাখ্যা: গাড়ির ড্যাশবোর্ডে থাকা ট্যাকোমিটার ইঞ্জিন প্রতি মিনিটে কতবার ঘুরছে তা চালককে দেখায়।
উদাহরণ ২: শিল্পকারখানার মোটর
ব্যাখ্যা: বড় বড় শিল্প কারখানায় মোটরের ঘূর্ণন গতি ঠিক রাখতে ট্যাকোমিটার ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ট্যাকোমিটার — এটি কোনো মোটর বা ইঞ্জিনের ঘূর্ণন গতি বা আরপিএম পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়।
B) অ্যালটিমিটার — এটি উড়োজাহাজের উচ্চতা নির্ণয় করার জন্য ব্যবহৃত একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্র।
C) ওডোমিটার — এটি মোটরযান বা যানবাহনের অতিক্রান্ত মোট দূরত্ব পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়।
D) অডিওমিটার — এটি মানুষের শ্রবণশক্তি বা শব্দ শোনার ক্ষমতা পরীক্ষা করার একটি যন্ত্র।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ট্যাকো শব্দটির অর্থ গতি বা ঘূর্ণন সম্পর্কিত, যা মূলত ইঞ্জিনের ঘূর্ণন মাপতে কাজ করে।
- উচ্চতা মাপতে অ্যালটিমিটার এবং দূরত্ব মাপতে ওডোমিটার ব্যবহৃত হয়, এই পার্থক্যটি মনে রাখা জরুরি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভিন্ন পরিমাপক যন্ত্র থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে।
- উড়োজাহাজের গতি নির্ণয় সংক্রান্ত সঠিক যন্ত্র এবং ইঞ্জিনের গতি পরিমাপক ট্যাকোমিটারের মধ্যে গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
সঠিক উত্তর: A) রেডিও ওয়েভ
১. কেন সঠিক:
টেলিভিশন এবং রেডিও সম্প্রচারের ক্ষেত্রে তথ্য বা সিগন্যাল প্রেরণের জন্য রেডিও ওয়েভ বা বেতার তরঙ্গ ব্যবহার করা হয়।
এই তরঙ্গগুলো বায়ুমণ্ডলের মধ্য দিয়ে দীর্ঘ দূরত্ব অতিক্রম করতে পারে এবং অ্যান্টেনার মাধ্যমে খুব সহজেই ক্যাচ বা গ্রহণ করা যায়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: তড়িৎ চৌম্বকীয় বর্ণালীর একটি নির্দিষ্ট তরঙ্গদৈর্ঘ্যের অংশ হলো রেডিও ওয়েভ যা বিনা তারে সিগন্যাল পাঠাতে সক্ষম।
কার্যপ্রণালি: সম্প্রচার কেন্দ্র থেকে শব্দ ও ছবিকে রেডিও তরঙ্গের সাথে মিশিয়ে অ্যান্টেনার মাধ্যমে মহাশূন্যে ছড়িয়ে দেওয়া হয় এবং গ্রাহক যন্ত্র তা ধরে পর্দায় দেখায়।
বাস্তব প্রয়োগ: ঘরের ছাদে বা ডিভাইসে থাকা অ্যান্টেনা এই অদৃশ্য রেডিও তরঙ্গ ধরে তা নিখুঁত চিত্র ও শব্দে রূপান্তর করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাসাবাড়িতে ব্যবহৃত স্যাটেলাইট টিভি বা ক্যাবল সংযোগ।
ব্যাখ্যা: সম্প্রচার কেন্দ্র থেকে মহাশূন্যে অবস্থিত কৃত্রিম উপগ্রহ হয়ে এই রেডিও ওয়েভ আমাদের টিভির ডিশ অ্যান্টেনার মাধ্যমে ঘরে পৌঁছায়।
উদাহরণ ২: দূরনিয়ন্ত্রিত বা রিমোট কন্ট্রোল খেলনা গাড়ি।
ব্যাখ্যা: রিমোট থেকে রেডিও তরঙ্গ পাঠিয়ে নির্দিষ্ট দূরত্ব থেকে খেলনার গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ করা হয় যা একই বিজ্ঞানভিত্তিক নীতির ওপর কাজ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রেডিও ওয়েভ — টেলিভিশন ও বেতার সম্প্রচারে সিগন্যাল প্রেরণের জন্য এটি ব্যবহার করা হয় এবং এটিই সঠিক উত্তর।
B) অবলোহিত রশ্মি — এটি সাধারণত টিভি রিমোট কন্ট্রোল বা নাইট ভিশন ক্যামেরায় ব্যবহৃত হয়, পুরো টেলিভিশন সম্প্রচারে নয়।
C) আলট্রা ভায়োলেট — এটি অতিবেগুনি রশ্মি যা সূর্যের আলোতে থাকে এবং এর তরঙ্গদৈর্ঘ্য টেলিভিশন সিগন্যালের জন্য উপযুক্ত নয়।
D) দৃশ্যমান রশ্মি — এটি আলোর অংশ যা আমরা খালি চোখে দেখতে পাই এবং এর মাধ্যমে দীর্ঘ দূরত্বে টিভি সম্প্রচার করা সম্ভব নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
টেলিভিশনে ছবি দেখার জন্য অদৃশ্য তরঙ্গ দরকার হয়, আর যোগাযোগের রাজা হলো রেডিও ওয়েভ।
শব্দ ও ছবি দূরদূরান্তে পাঠাতে হলে বেতার তরঙ্গ বা রেডিও ওয়েভের জুড়ি নেই।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
রেডিও ওয়েভ আবিষ্কার করেন বিজ্ঞানী হেনরিক হার্জ এবং এর কম্পাঙ্ক সবচেয়ে কম ও তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি।
ভবিষ্যতে পরীক্ষায় আসতে পারে যে মোবাইল ফোনে কোন তরঙ্গ ব্যবহৃত হয়, যার উত্তরও হবে এই রেডিও ওয়েভ।
সঠিক উত্তর: D) এন্টনি ভন লিউয়েনহুক
১. কেন সঠিক:
এন্টনি ভন লিউয়েনহুক ১৬৭৪ সালে প্রথম নিজের তৈরি শক্তিশালী অণুবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে এককোষী জীব বা অণুজীব যেমন ব্যাকটেরিয়া ও প্রোটোজোয়া পর্যবেক্ষণ করেন।
তার এই যুগান্তকারী আবিষ্কারের মাধ্যমেই মানবজাতি প্রথমবারের মতো খালি চোখে অদৃশ্য ক্ষুদ্র প্রাণের অস্তিত্ব সম্পর্কে জানতে পারে এবং অণুজীব বিজ্ঞানের ভিত্তি স্থাপিত হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: অণুজীব বিজ্ঞান হলো জীববিজ্ঞানের এমন একটি শাখা যেখানে ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, ছত্রাক ও প্রোটোজোয়া নিয়ে আলোচনা করা হয়।
কার্যপ্রণালি: লিউয়েনহুক কাচের লেন্স ঘষে সাধারণ অণুবীক্ষণ যন্ত্র তৈরি করেন যা বস্তুকে কয়েকশো গুণ বড় দেখাতে পারত এবং পুকুরের জলে তা ব্যবহার করে তিনি প্রথম অণুজীব দেখেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দই তৈরির সময় ল্যাকটোব্যাসিলাস ব্যাকটেরিয়া দুধের ল্যাকটোজকে ল্যাকটিক এসিডে রূপান্তর করে।
ব্যাখ্যা: এটি অণুজীবের দৈনন্দিন জীবনের একটি উপকারী ব্যবহার যা লিউয়েনহুকের আবিষ্কৃত অণুজীব জগতেরই অংশ।
উদাহরণ ২: পুকুরের সবুজ বা ঘোলা জল অণুবীক্ষণ যন্ত্রে দেখলে অ্যামিবা ও প্যারামেসিয়াম দেখা যায়।
ব্যাখ্যা: লিউয়েনহুক প্রথম এই ধরনের জলীয় মাধ্যম থেকে জীবন্ত অণুজীব পর্যবেক্ষণ করেছিলেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রবার্ট কক্ — তিনি অণুজীব বিজ্ঞানের জনক নন, তবে অ্যান্থ্রাক্স ও যক্ষ্মার জীবাণু আবিষ্কার করে আধুনিক ব্যাকটেরিওলজির ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন।
B) লুইস পাস্তুর — তিনি জীবাণু তত্ত্ব, পাস্তুরাइजेशन এবং জলাতঙ্কের টিকা আবিষ্কারের জন্য বিখ্যাত, অণুজীব বিজ্ঞানের জনক নন।
C) এডওয়ার্ড জেনার — তিনি গুটিবসন্তের টিকা আবিষ্কার করেন যা টিকাদানের ইতিহাসের সঙ্গে যুক্ত কিন্তু অণুজীব বিজ্ঞানের জনক নন।
D) এন্টনি ভন লিউয়েনহুক — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি প্রথম অণুজীব পর্যবেক্ষণ করে অণুজীব বিজ্ঞানের সূচনা করেছিলেন।
৫. মনে রাখার টিপস:
চোখে দেখা যায় না যা, লিউয়েনহুক প্রথম তা লেন্স দিয়ে দেখলেন আর অণুজীব বিজ্ঞানের জনক হলেন।
অণুবীক্ষণ যন্ত্রের আবিষ্কারক বা ব্যবহারকারী হিসেবে লিউয়েনহুকের নাম মনে রাখলেই এই প্রশ্নের উত্তর সহজ হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আবিষ্কারক সম্পর্কিত প্রশ্নে এই তথ্যটি অত্যন্ত ঘন ঘন আসে।
একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে, লিউয়েনহুক প্রথম কোন অণুজীব দেখেছিলেন বা তিনি কোন দেশের বিজ্ঞানী ছিলেন।
সঠিক উত্তর: B) প্যারাচুম্বকীয় পদার্থ
১. কেন সঠিক:
বাতাস একটি প্যারাচুম্বকীয় পদার্থ কারণ এর উপাদান গ্যাসগুলো চুম্বক দ্বারা খুব অল্প পরিমাণে আকৃষ্ট হয়।
বায়ুমণ্ডলে থাকা অক্সিজেন এবং নাইট্রোজেন অণুর চৌম্বকীয় ধর্মের কারণে বাতাস এই বৈশিষ্ট্য প্রদর্শন করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: যেসকল পদার্থ চুম্বক দ্বারা দুর্বলভাবে আকৃষ্ট হয় এবং চৌম্বক ক্ষেত্রের দিকে সামান্য সমান্তরালভাবে বিন্যস্ত হয় তাদের প্যারাচুম্বকীয় পদার্থ বলে।
কার্যপ্রণালি: বাতাসের প্রধান উপাদানগুলোর মধ্যে অক্সিজেন অণুতে বিজোড় ইলেকট্রন থাকায় এটি সামান্য চৌম্বক ভ্রামক প্রদর্শন করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তরল অক্সিজেন চুম্বকের উত্তর মেরুর দিকে আকৃষ্ট হয়।
ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে যে বাতাসে উপস্থিত অক্সিজেন অণুগুলোর প্যারাচুম্বকীয় ধর্ম রয়েছে।
উদাহরণ ২: বাতাসকে শক্তিশালী চৌম্বক ক্ষেত্রে রাখলে তা সামান্য চুম্বকায়িত হয়।
ব্যাখ্যা: এই দুর্বল আকর্ষণের ফলেই বাতাস প্যারাচুম্বকীয় পদার্থের শ্রেণিভুক্ত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ডায়াচুম্বকীয় পদার্থ - বাতাস সম্পূর্ণভাবে চুম্বক দ্বারা বিকর্ষিত হয় না বরং সামান্য আকৃষ্ট হয় তাই এটি ডায়াচুম্বকীয় নয়।
B) প্যারাচুম্বকীয় পদার্থ - এটি সঠিক উত্তর কারণ বাতাস চুম্বক দ্বারা দুর্বলভাবে আকৃষ্ট হয়।
C) ফেরোচুম্বকীয় পদার্থ - লোহা বা নিকেলের মতো বাতাস চুম্বক দ্বারা প্রবলভাবে আকৃষ্ট হয় না তাই এটি ফেরোচুম্বকীয় নয়।
D) অ্যান্টিফেরোচুম্বকীয় পদার্থ - এই পদার্থের অভ্যন্তরীণ চৌম্বক ভ্রামক বিপরীতমুখী ও সমান হয় যা বাতাসের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
বাতাস সামান্য চুম্বকে টানে, তাই এটি প্যারাচুম্বকের পানে।
অক্সিজেন বেশি থাকায় বাতাস প্যারাচুম্বকীয় ধর্ম দেখায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস ও ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় পদার্থের চৌম্বকীয় ধর্ম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
অক্সিজেন গ্যাস কোন ধরনের চৌম্বকীয় পদার্থ, এই প্রশ্নটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে।
সঠিক উত্তর: D) হাইড্রোজেন
১. কেন সঠিক:
- বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের মোট ভরের প্রায় পचাত্তর শতাংশ জুড়ে রয়েছে হালকা এই মৌলটি।
- মহাবিশ্বের শুরুতে বিগ ব্যাং বা মহা বিস্ফোরণের পর সবচেয়ে প্রথমে তৈরি হওয়া মৌলিক পদার্থ হলো এটি।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: মহাবিশ্বের সৃষ্টির সময় মূলত হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম গ্যাস তৈরি হয়েছিল।
- কার্যপ্রণালি: নক্ষত্রসমূহের অভ্যন্তরে নিউক্লিয়ার ফিউশন বিক্রিয়ার মাধ্যমে হাইড্রোজেন পরমাণু মিলিত হয়ে হিলিয়ামে পরিণত হয় এবং প্রচুর শক্তি উৎপন্ন করে।
- বাস্তব প্রয়োগ: আমাদের সূর্যের মতো সব নক্ষত্র প্রধানত হাইড্রোজেন গ্যাস দিয়ে গঠিত, যা তাদের শক্তির মূল উৎস।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সূর্য
ব্যাখ্যা: সূর্যের মূল উপাদান হলো হাইড্রোজেন গ্যাস, যা প্রতিনিয়ত ফিউশন প্রক্রিয়ায় পুড়ে আলো ও তাপ শক্তি ছড়াচ্ছে।
উদাহরণ ২: বৃহস্পতি গ্রহ
ব্যাখ্যা: সৌরজগতের সবচেয়ে বড় এই গ্রহটির বায়ুমণ্ডলে প্রচুর পরিমাণে হাইড্রোজেন গ্যাস বিদ্যমান রয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অক্সিজেন — এটি পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে এবং জীবদেহে প্রচুর থাকলেও মহাবিশ্বের সামগ্রিক ভরের দিক থেকে এর পরিমাণ অত্যন্ত নগণ্য।
B) কার্বন-ডাইঅক্সাইড — এটি একটি যৌগিক গ্যাস এবং গ্রিনহাউস প্রভাবে ভূমিকা রাখলেও মহাবিশ্বে এর প্রাচুর্য খুবই কম।
C) নাইট্রোজেন — এটি পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের প্রধান গ্যাস হলেও সামগ্রিক বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের বিচারে এর পরিমাণ খুবই কম।
D) হাইড্রোজেন — এটি সঠিক উত্তর কারণ মহাবিশ্বের প্রায় সব নক্ষত্র ও গ্যালাক্সিতে এই গ্যাসের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মহাবিশ্বের রাজা হাইড্রোজেন, তাই শুরুতে হাই বা উঁচুতে তার অবস্থান মনে রাখতে পারো।
- নক্ষত্রের জ্বালানি হিসেবে হাইড্রোজেনের নাম সবার আগে মাথায় রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সূর্য বা নক্ষত্রের শক্তির উৎস কী, এই প্রশ্নটি প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
- একই ধারণা থেকে নক্ষত্রের ভেতরের বিক্রিয়া বা বিগ ব্যাং তত্ত্ব সম্পর্কিত প্রশ্নও হতে পারে।
সঠিক উত্তর: C) ৪৬ টি
১. কেন সঠিক:
মানুষের দেহকোষে ক্রোমোজমের সংখ্যা হলো ছেচল্লিশটি বা তেইশ জোড়া।
বংশগতির ধারা রক্ষা এবং শারীরিক বৈশিষ্ট্য নির্ধারণের জন্য ক্রোমোজমের এই সংখ্যা সুনির্দিষ্ট থাকে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: ক্রোমোজম হলো কোষের নিউক্লিয়াসে অবস্থিত বংশগতীয় উপাদানের বাহক।
কার্যপ্রণালি: এর অর্ধেক অর্থাৎ তেইশটি আসে মায়ের ডিম্বাণু থেকে এবং বাকি তেইশটি আসে বাবার শুক্রাণু থেকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মানুষের স্বাভাবিক দেহকোষ।
ব্যাখ্যা: মানুষের ত্বক, রক্ত বা পেশির প্রতিটি সাধারণ কোষে ক্রোমোজমের সংখ্যা সবসময় ছেচল্লিশটি থাকে।
উদাহরণ ২: মানুষের প্রজনন কোষ বা গ্যামেট।
ব্যাখ্যা: শুক্রাণু ও ডিম্বাণুতে ক্রোমোজমের সংখ্যা অর্ধেক অর্থাৎ তেইশটি হয়, যা মিলনের পর আবার পূর্ণ সংখ্যা লাভ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৪৪ টি — এটি মানুষের দেহকোষের অটোজোম বা সাধারণ ক্রোমোজমের সংখ্যা, মোট ক্রোমোজম নয়।
B) ৪৪২ টি — এটি একটি ভুল সংখ্যা এবং জীববিজ্ঞানে এর কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই।
C) ৪৬ টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ স্বাভাবিক মানুষের দেহকোষে তেইশ জোড়া বা ছেচল্লিশটি ক্রোমোজম থাকে।
D) ৪৮ টি — এটি আলু বা শিম্পাঞ্জির দেহকোষের ক্রোমোজম সংখ্যা, মানুষের নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
মানুষের দেহকোষের জোড়ার সংখ্যা মনে রাখলে মোট সংখ্যা বের করা সহজ হয়।
তেইশ জোড়াকে দুই দিয়ে গুণ করলে ছেচল্লিশ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
মানুষের সেক্স ক্রোমোজম বা লিঙ্গ নির্ধারণকারী ক্রোমোজম হলো এক জোড়া বা দুটি।
পরীক্ষায় প্রায়ই অটোজোম এবং সেক্স ক্রোমোজমের সংখ্যা আলাদাভাবে জানতে চাওয়া হয়।
সঠিক উত্তর:
D) উপরের সবগুলো
১. কেন সঠিক:
আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে রোগ নির্ণয়, চিকিৎসা প্রদান এবং রোগীর শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণের জন্য কম্পিউটার অপরিহার্য একটি মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
চিকিৎসা ক্ষেত্রে ডেটা প্রসেসিং, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং উন্নত সফটওয়্যারের সাহায্যে চিকিৎসকদের কাজ দ্রুত ও নির্ভুল করা সম্ভব হয়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: চিকিৎসা ক্ষেত্রে কম্পিউটার হলো এমন সব হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের সমন্বয়, যা স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকে সহজ ও ত্রুটিমুক্ত করে।
কার্যপদ্ধতি: বিভিন্ন মেডিকেল সেন্সর ও ডিভাইসের মাধ্যমে রোগীর ডেটা সংগ্রহ করে তা বিশ্লেষণ করে আউটপুট প্রদান করে।
ব্যবহার: হসপিটাল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম, রোগীর মনিটরিং এবং প্যাথলজিক্যাল টেস্টের রিপোর্ট তৈরিতে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ইসিজি বা ইলেক্ট্রোকার্ডিওগ্রাম মেশিন।
ব্যাখ্যা: এটি হৃদপিণ্ডের বৈদ্যুতিক গতিবিধি কম্পিউটার বা মনিটরে গ্রাফের মাধ্যমে প্রদর্শন করে।
উদাহরণ ২: এমআরআই বা ম্যাগনেটিক রেজোন্যান্স ইমেজিং।
ব্যাখ্যা: এটি শক্তিশালী চুম্বক ও কম্পিউটারের সাহায্যে শরীরের ভেতরের অঙ্গের থ্রিডি ছবি তৈরি করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তথ্য সংরক্ষণ — এটি আংশিক সত্য কারণ শুধু সংরক্ষণ নয়, ডেটা প্রক্রিয়াকরণও কম্পিউটারের কাজের অন্তর্ভুক্ত।
B) ইমেজ বিশ্লেষণ — এটিও আংশিক সত্য কারণ সিটি স্ক্যান বা এক্সরে ইমেজ শুধু বিশ্লেষণ নয়, রোগী পর্যবেক্ষণও এর কাজ।
C) রোগী পর্যবেক্ষণ — এটিও আংশিক সত্য কারণ আইসিইউ বা সিসিইউতে রোগীর ভাইটাল সাইন পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি তথ্য সংরক্ষণ করা হয়।
D) উপরের সবগুলো — এই অপশনটি সঠিক কারণ কম্পিউটার চিকিৎসা ক্ষেত্রে সংরক্ষণ, বিশ্লেষণ ও পর্যবেক্ষণ তিনটি কাজই একসঙ্গে করে থাকে।
৫. মনে রাখার টিপস:
চিকিৎসা ক্ষেত্রে কম্পিউটারের বহুমুখী ব্যবহার রয়েছে।
রোগীর ডেটা রাখা থেকে শুরু করে স্ক্যানিং ও মনিটরিং পর্যন্ত সবকিছুই কম্পিউটারভিত্তিক প্রযুক্তির অন্তর্ভুক্ত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কম্পিউটার টমোগ্রাফি বা সিটি স্ক্যান এবং আল্ট্রাসাউন্ড প্রযুক্তিতে কম্পিউটারের ব্যবহার সবচেয়ে বেশি দেখা যায়।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আইসিটি ও স্বাস্থ্যসেবা সম্পর্কিত এই ধরনের মাল্টিপল চয়েস প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর:
D) Physical ownership of servers
১. কেন সঠিক:
ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ইন্টারনেটভিত্তিক সেবা, যেখানে নিজস্ব কোনো সার্ভার বা হার্ডওয়্যার কেনার প্রয়োজন হয় না।
সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান যেমন অ্যামাজন বা গুগল সার্ভারগুলোর শারীরিক মালিকানা ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব নেয়, তাই এটি সঠিক নয়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে রিমোট সার্ভারে ডেটা সংরক্ষণ, পরিচালনা এবং প্রসেস করার একটি প্রযুক্তি।
কার্যপদ্ধতি: ব্যবহারকারী ইন্টারনেটের মাধ্যমে যেকোনো স্থান থেকে যেকোনো ডিভাইসে সেবাদাতার ডেটাসেন্টার ও রিসোর্স ব্যবহার করতে পারে।
বৈশিষ্ট্য: চাহিদা অনুযায়ী দ্রুত সেবা পাওয়া, যেকোনো নেটওয়ার্ক থেকে প্রবেশাধিকার এবং রিসোর্স শেয়ারিং এর প্রধান বৈশিষ্ট্য।
ব্যবহার: গুগল ড্রাইভ বা মাইক্রোসফট ওয়ানড্রাইভের মাধ্যমে ফাইল সংরক্ষণ এবং অনলাইন সফটওয়্যার চালাতে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গুগল ড্রাইভ।
ব্যাখ্যা: গুগল ড্রাইভে ফাইল রাখার জন্য নিজের কম্পিউটার বা হার্ডডিস্কের অতিরিক্ত জায়গা লাগে না, গুগলের ক্লাউড সার্ভার এই কাজটি করে দেয়।
উদাহরণ ২: নেটফ্লিক্স স্ট্রিমিং সেবা।
ব্যাখ্যা: নেটফ্লিক্স তাদের ভিডিওগুলো নিজেদের ক্লাউড সার্ভারে রাখে এবং ব্যবহারকারীরা ইন্টারনেট সংযোগের মাধ্যমে তা সরাসরি দেখতে পায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) On-demand self service — এটি ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের একটি প্রধান বৈশিষ্ট্য, যেখানে ব্যবহারকারী নিজের প্রয়োজনমতো সেবা নিতে পারে।
B) Broad network access — এটি ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের আরেকটি বৈশিষ্ট্য, যার মাধ্যমে যেকোনো ডিভাইস থেকে ইন্টারনেটে সেবা পাওয়া যায়।
C) Limited customization — এটিও ক্লাউড সেবার একটি সীমাবদ্ধতা বা বৈশিষ্ট্য হতে পারে, কারণ ব্যবহারকারী ক্লাউডের হার্ডওয়্যার নিজের মতো পরিবর্তন করতে পারে না।
D) Physical ownership of servers — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ ক্লাউড কম্পিউটিংয়ে ব্যবহারকারীর নিজস্ব কোনো সার্ভারের ফিজিক্যাল বা শারীরিক মালিকানা থাকে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
ক্লাউড কম্পিউটিং মানে অন্যের কম্পিউটার বা সার্ভার ভাড়া নিয়ে নিজের কাজ চালানো।
নিজের ফিজিক্যাল সার্ভার বা কম্পিউটার থাকলে তাকে ট্র্যাডিশনাল বা অন-প্রিমিজেস কম্পিউটিং বলে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেকনোলজি ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের পাঁচটি মূল বৈশিষ্ট্য নির্ধারণ করেছে।
ভবিষ্যতের প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ৫টি বৈশিষ্ট্য থেকে প্রায়শই প্রশ্ন করা হয়।
সঠিক উত্তর:
C) NOR
১. কেন সঠিক:
সার্বজনীন ডিজিটাল লজিক গেইট বা ইউনিভার্সাল গেট হলো সেই সকল লজিক গেইট, যা দিয়ে মৌলিক গেটসহ যেকোনো ধরনের লজিক সার্কিট বা বুলিয়ান ফাংশন বাস্তবায়ন করা সম্ভব।
NOR এবং NAND গেট হলো দুটি সার্বজনীন গেট, যা বুলিয়ান অ্যালজেব্রার সকল মৌলিক অপারেশন সম্পন্ন করতে পারে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: NOR গেট হলো NOT এবং OR গেটের সমন্বয়ে গঠিত একটি যৌগিক লজিক গেট, যার আউটপুট কেবল তখনই হাই বা ১ হয় যখন এর সকল ইনপুট লো বা ০ থাকে।
কার্যপদ্ধতি: এটি প্রথমে ইনপুটগুলোর মধ্যে OR অপারেশন সম্পন্ন করে এবং প্রাপ্ত ফলাফলের ওপর NOT অপারেশন প্রয়োগ করে চূড়ান্ত আউটপুট প্রদান করে।
বৈশিষ্ট্য: NOR গেটের ইনপুটগুলোতে অন্তত একটি ১ থাকলে এর আউটপুট ০ হয় এবং সব ইনপুট ০ হলে আউটপুট ১ পাওয়া যায়।
ব্যবহার: ডিজিটাল কম্পিউটার ডিজাইন, মেমোরি ইউনিট নির্মাণ এবং বহুমুখী কম্বিনেশনাল লজিক সার্কিট তৈরিতে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাসার প্রধান দরজার সিকিউরিটি অ্যালার্ম সিস্টেম।
ব্যাখ্যা: সবকটি জানালা ও দরজা বন্ধ থাকলে বা ইনপুট শূন্য হলে অ্যালার্ম বাজবে বা আউটপুট এক হবে, যা NOR গেটের সত্যক সারণির অনুরূপ।
উদাহরণ ২: এসআর ল্যাচ বা মেমোরি সেল তৈরিতে NOR গেটের ব্যবহার।
ব্যাখ্যা: ডিজিটাল সার্কিটে ডেটা সংরক্ষণের জন্য এই গেটের মাধ্যমে ফিডব্যাক লুপ তৈরি করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) XOR — এটি কোনো সার্বজনীন গেট নয়, বরং একটি বিশেষ ধরনের এক্সক্লুসিভ লজিক গেট যা বুলিয়ান সমতার পরিবর্তনে ব্যবহৃত হয়।
B) AND — এটি একটি মৌলিক লজিক গেট এবং এটি একা সব ধরনের লজিক অপারেশন বাস্তবায়ন করতে পারে না।
C) NOR — এটি একটি সার্বজনীন ডিজিটাল লজিক গেইট, যা সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে।
D) OR — এটি একটি মৌলিক লজিক গেট এবং সার্বজনীন গেটের সংজ্ঞার মধ্যে এটি পড়ে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
ইউনিভার্সাল বা সার্বজনীন গেট মনে রাখার সহজ উপায় হলো ইংরেজি এন এবং ডি অক্ষর দিয়ে শুরু গেট দুটি, অর্থাৎ NAND এবং NOR।
মৌলিক গেটগুলো (AND, OR, NOT) দিয়ে সব লজিক তৈরি করা যায় না বলেই সার্বজনীন গেটের প্রয়োজন হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোন দুটি গেট সার্বজনীন, যার উত্তর NAND এবং NOR।
মৌলিক গেট তিনটি হলেও সার্বজনীন গেট মূলত দুটি।
সঠিক উত্তর: A) Phishing
১. কেন সঠিক:
Phishing হলো সাইবার অপরাধের একটি পদ্ধতি, যেখানে আক্রমণকারী বিশ্বস্ত কোনো প্রতিষ্ঠানের ছদ্মবেশ ধারণ করে ব্যবহারকারীকে ধোঁকা দেয়।
এর মাধ্যমে ব্যবহারকারী স্বেচ্ছায় তার সংবেদনশীল তথ্য যেমন পাসওয়ার্ড, ইউজারনেম বা ক্রেডিট কার্ড নম্বর প্রতারকদের হাতে তুলে দেন।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: Phishing হলো ইলেকট্রনিক যোগাযোগের মাধ্যমে, বিশেষ করে ইমেইল বা নকল ওয়েবসাইটের সাহায্যে সংবেদনশীল তথ্য চুরির একধরণের সামাজিক প্রকৌশল বা সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং আক্রমণ।
কার্যপদ্ধতি: আক্রমণকারীরা ব্যাংক বা জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের মতো দেখতে জাল ইমেইল বা লিংক পাঠায়, যেখানে ক্লিক করলে ব্যবহারকারী একটি হুবহু নকল ওয়েবসাইটে প্রবেশ করেন।
ব্যবহার: মূলত অনলাইন ব্যাংকিং অ্যাকাউন্ট দখল, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হ্যাক এবং ক্রেডিট কার্ডের তথ্য চুরি করে আর্থিক ক্ষতি সাধনের জন্য এটি ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আপনার পরিচিত ব্যাংকের লোগো ব্যবহার করে একটি ইমেইল পাঠানো হলো যেখানে বলা হলো একাউন্ট আপডেট করতে হবে এবং সাথে থাকা লিংকে ক্লিক করতে বলা হলো।
ব্যাখ্যা: ওই লিংকে ক্লিক করলে একটি নকল ব্যাংকের পেজ আসবে যেখানে ইউজারনেম ও পাসওয়ার্ড দিলেই তা চলে যাবে প্রতারকদের কাছে।
উদাহরণ ২: ফেসবুকে মেসেজ আসলো যে আপনার অ্যাকাউন্টটি ব্লক হতে চলেছে এবং নিচের লিংকে লগইন করে তা ঠিক করুন।
ব্যাখ্যা: এটি ফিশিংয়ের একটি ক্লাসিক রূপ, যার মাধ্যমে ব্যবহারকারীর অ্যাকাউন্ট বা পাসওয়ার্ড চুরি করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Phishing - এটি সঠিক কারণ প্রশ্নটিতে প্রতারণামূলকভাবে সংবেদনশীল তথ্য অর্জনের কথা বলা হয়েছে।
B) Spamming - এটি কোনো তথ্য চুরির পদ্ধতি নয়, বরং অপ্রয়োজনীয় বা বাণিজ্যিক ইমেইল একসাথে অনেক ঠিকানায় পাঠানোকে স্প্যামিং বলে।
C) Ransom ware - এটি এক ধরণের ম্যালওয়্যার যা ব্যবহারকারীর ফাইল এনক্রিপ্ট করে আটকে রাখে এবং মুক্তির জন্য টাকা দাবি করে, তথ্য চুরি করা এর মূল কাজ নয়।
D) Sniffing - এটি নেটওয়ার্ক ট্রাফিক বা ডেটা প্যাকেট পর্যবেক্ষণ বা চুরি করার প্রযুক্তিগত মাধ্যম, যা সরাসরি ব্যবহারকারীকে ধোঁকা দিয়ে তথ্য নেওয়ার সাথে সম্পর্কিত নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
ফিশিং শব্দটি এসেছে ফিশিং বা মাছ শিকার থেকে, যেখানে টোপ বা বশির সাহায্যে মাছ ধরা হয়।
এখানে ইন্টারনেট বা ইমেইলের মাধ্যমে টোপ ফেলা হয় এবং ব্যবহারকারীরা সেই টোপ গেলে নিজের সংবেদনশীল তথ্য দিয়ে ফেলেন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ফিশিং রোধ করার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো অজানা বা সন্দেহজনক লিংকে ক্লিক না করা এবং ওয়েবসাইটের ইউআরএল ভালোভাবে যাচাই করা।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ফিশিং এবং সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং প্রায়ই একসাথে বা সমার্থক হিসেবে প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর:
A) রাউটার
১. কেন সঠিক:
- রাউটার হলো এমন একটি নেটওয়ার্কিং ডিভাইস যা একাধিক লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা LAN-এর ডেটা প্যাকেটগুলোকে ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক বা WAN-এর মাধ্যমে গন্তব্যে পৌঁছে দেয়।
- এটি বিভিন্ন ভিন্ন নেটওয়ার্কের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে এবং ডেটা আদান-প্রদানের জন্য সবচেয়ে ভালো ও সংক্ষিপ্ত পথ নির্বাচন করে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: রাউটার হলো লেয়ার থ্রি বা নেটওয়ার্ক লেয়ারের একটি বুদ্ধিমান ডিভাইস যা একাধিক নেটওয়ার্ককে যুক্ত করে এবং ডেটা রাউটিং করে।
- কার্যপদ্ধতি: এটি উৎস থেকে আসা ডেটা প্যাকেট পড়ে এবং আইপি ঠিকানার ওপর ভিত্তি করে গন্তব্য নেটওয়ার্কে সঠিক পথে তা পাঠিয়ে দেয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অফিসের লোকাল নেটওয়ার্ক
ব্যাখ্যা: একটি অফিসের কম্পিউটারগুলোকে নিজেদের মধ্যে যুক্ত করতে LAN ব্যবহার করা হয় এবং সেই অফিসকে ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত করতে রাউটার ব্যবহার করা হয়।
উদাহরণ ২: হোম ইন্টারনেট সংযোগ
ব্যাখ্যা: বাসার ল্যাপটপ, মোবাইল ও স্মার্ট টিভিগুলোকে ওয়াইফাই বা তারের মাধ্যমে ইন্টারনেটের বিশ্বজনীন WAN নেটওয়ার্কের সাথে যুক্ত করতে ব্রডব্যান্ড রাউটার ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাউটার — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি LAN এবং WAN-এর মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান নিয়ন্ত্রণ করে।
B) ওয়েব সার্ভার — এটি একটি শক্তিশালী কম্পিউটার বা সফটওয়্যার যা ব্যবহারকারীর অনুরোধে ওয়েব পেজ সরবরাহ করে, কোনো নেটওয়ার্ক সংযোগকারী ডিভাইস নয়।
C) ব্রীজ — এটি দুটি একই ধরনের LAN কে যুক্ত করতে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু ভিন্ন ধরনের নেটওয়ার্ক বা WAN-এর সাথে সরাসরি সংযোগের জন্য এটি উপযুক্ত নয়।
D) হাব — এটি একই নেটওয়ার্কের ডিভাইসগুলোকে পরস্পরের সাথে যুক্ত করে এবং সব পোর্টে ডেটা সম্প্রচার করে, কিন্তু ভিন্ন নেটওয়ার্ক বা WAN-এর সাথে যুক্ত করতে পারে না।
৫ মনে রাখার টিপস:
- রাউটার শব্দটি এসেছে রুট বা পথ শব্দ থেকে, যার কাজ হলো সঠিক পথ দেখানো।
- LAN মানে ঘরোয়া নেটওয়ার্ক এবং WAN মানে বিশ্বব্যাপী বিস্তৃত ইন্টারনেট, এই দুটির মাঝে সেতুবন্ধন করে রাউটার।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- রাউটার OSI মডেলের নেটওয়ার্ক লেয়ারে কাজ করে এবং এটি আইপি ঠিকানার ওপর ভিত্তি করে ডেটা ফরোয়ার্ড করে।
- পরীক্ষার জন্য প্রায়ই সুইচ, হাব ও রাউটারের পার্থক্যের প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর:
D) TCP/IP
১. কেন সঠিক:
- ইন্টারনেটে ডেটা আদান-প্রদানের জন্য TCP/IP হলো সর্বব্যাপী ব্যবহৃত মৌলিক প্রোটোকল সুইট বা যোগাযোগের নিয়ম।
- এটি ইন্টারনেটের মূল ভিত্তি এবং বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন নেটওয়ার্কের মধ্যে যোগাযোগের সুযোগ তৈরি করে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: TCP/IP এর পূর্ণরূপ হলো Transmission Control Protocol এবং Internet Protocol, যা ডেটা প্যাকেট বিভক্ত করে সঠিক গন্তব্যে পৌঁছে দেয়।
- কার্যপদ্ধতি: TCP ডেটাকে ছোট ছোট প্যাকেটে ভাগ করে এবং IP সেই প্যাকেটগুলোর সঠিক ঠিকানা নির্ধারণ করে গন্তব্যে পাঠায়।
- বৈশিষ্ট্য: এটি লেয়ারভিত্তিক স্থাপত্য অনুসরণ করে এবং নেটওয়ার্কের ত্রুটি ঠিক করে নির্ভরযোগ্য যোগাযোগ নিশ্চিত করে।
- ব্যবহার: ইন্টারনেট ব্রাউজিং, ই-মেইল পাঠানো এবং ফাইল স্থানান্তরের মতো সব অনলাইন কার্যক্রমে এটি ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কম্পিউটারে একটি ওয়েবসাইট ব্রাউজ করার সময় ব্রাউজারটি TCP/IP প্রোটোকল ব্যবহার করে সার্ভার থেকে ডেটা গ্রহণ করে।
ব্যাখ্যা: এই প্রোটোকল ছাড়া ইন্টারনেট বা ওয়েবসাইটের সঙ্গে কোনো ডিভাইসের যোগাযোগ স্থাপন করা সম্ভব হতো না।
উদাহরণ ২: ই-মেইল পাঠানোর সময় বার্তাটি ছোট ছোট অংশে বিভক্ত হয়ে গন্তব্যে পৌঁছায় এবং পুনরায় একত্রিত হয়।
ব্যাখ্যা: TCP প্রোটোকল নিশ্চিত করে যে কোনো ডেটা যেন হারিয়ে না যায় এবং সঠিকভাবে পুনর্গঠিত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) HTTP — এটি কেবল ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের হাইপারটেক্সট স্থানান্তরের জন্য ব্যবহৃত প্রোটোকল, পুরো ইন্টারনেটের তথ্য আদান-প্রদানের মূল ভিত্তি নয়।
B) FTP — এটি শুধুমাত্র সার্ভার থেকে ফাইল আপলোড বা ডাউনলোডের জন্য নির্দিষ্টভাবে ব্যবহৃত হয়, সাধারণ ইন্টারনেট যোগাযোগের জন্য নয়।
C) DNS — এটি ডোমেইন নামকে আইপি ঠিকানায় রূপান্তর করার কাজ করে, সরাসরি ডেটা আদান-প্রদান করে না।
D) TCP/IP — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ইন্টারনেট যোগাযোগের সম্পূর্ণ কাঠামো নিয়ন্ত্রণ করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- TCP/IP মানে হলো যোগাযোগের মহাসড়ক এবং গাড়ি পরিচালনার নিয়ম, যা পুরো ইন্টারনেটকে সচল রাখে।
- TCP হলো নিশ্চিত করা যে ডেটা ঠিকঠাক পৌঁছাল কি না, আর IP হলো সঠিক ঠিকানা খুঁজে বের করা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- TCP/IP মডেলের স্তর সংখ্যা ৪টি, যা OSI মডেলের ৭টি স্তরের সঙ্গে তুলনামূলকভাবে ছোট।
- বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ইন্টারনেটের জনক বা প্রোটোকল সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর:
C) আগত এবং বহির্গত নেটওয়ার্ক ট্রাফিক নিরীক্ষা এবং নিয়ন্ত্রণ করা।
১. কেন সঠিক:
- ফায়ারওয়াল একটি সিকিউরিটি সিস্টেম যা পূর্বনির্ধারিত নিরাপত্তা নিয়মের ভিত্তিতে নেটওয়ার্ক ট্রাফিক ফিল্টার করে।
- এটি অভ্যন্তরীণ নেটওয়ার্ক এবং বাইরের অননুমোদিত ইন্টারনেটের মধ্যে একটি ভার্চুয়াল দেওয়াল হিসেবে কাজ করে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: ফায়ারওয়াল হলো একটি নেটওয়ার্ক নিরাপত্তা ব্যবস্থা যা ক্ষতিকর আক্রমণ থেকে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ককে সুরক্ষিত রাখে।
- কার্যপদ্ধতি: এটি নিয়ম বা পলিসি সেট করে নির্ধারণ করে কোন ডেটা প্যাকেট প্রবেশ বা বের হতে পারবে এবং কোনটি ব্লক হবে।
- ব্যবহার: ব্যক্তিগত কম্পিউটার থেকে শুরু করে ব্যাংক ও কর্পোরেট ডেটাসেন্টারের নেটওয়ার্ক সুরক্ষায় এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অফিসের নেটওয়ার্ক
ব্যাখ্যা: একটি কোম্পানির সার্ভারে ফায়ারওয়াল বসানো থাকে যাতে বাইরের কোনো হ্যাকার বিনা অনুমতিতে প্রতিষ্ঠানের গোপন ফাইল চুরি করতে না পারে।
উদাহরণ ২: উইন্ডোজ ডিফেন্ডার ফায়ারওয়াল
ব্যাখ্যা: ব্যক্তিগত ল্যাপটপে অপারেটিং সিস্টেমের নিজস্ব ফায়ারওয়াল ইন্টারনেট থেকে আসা সন্দেহজনক সংযোগ ব্লক করে কম্পিউটার নিরাপদ রাখে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সমস্ত আগত ট্রাফিক নেটওয়ারuken ঢুকতে না দেওয়া — এটি ভুল কারণ ফায়ারওয়াল সব ট্রাফিক বন্ধ করে না, বরং নিরাপদ ট্রাফিক প্রবেশের অনুমতি দেয়।
B) সমস্ত আগত ট্রাফিক নেটওয়ার্কে ঢুকার অনুমতি দেওয়া — এটি ভুল কারণ ফায়ারওয়াল ক্ষতিকর বা অননুমোদিত ট্রাফিক ফিল্টার করে ব্লক করে দেয়।
D) সমস্ত নেটওয়ার্ক ট্রাফিক এনক্রিপ্ট করা — এটি ভুল কারণ এনক্রিপশনের কাজ ফায়ারওয়ালের নয়, এটি মূলত ট্রাফিক নিরীক্ষা ও নিয়ন্ত্রণ করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ফায়ারওয়ালকে একটি ডিজিটাল দারোয়ান হিসেবে মনে রাখতে পারেন যিনি গেটে দাঁড়িয়ে কার পরিচয়পত্র ঠিক আছে তা যাচাই করে ঢুকতে দেন।
- নেটওয়ার্কের নিরাপত্তা রক্ষায় ফায়ারওয়াল প্রথম প্রতিরক্ষা দেওয়াল হিসেবে কাজ করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ফায়ারওয়ালকে সফটওয়্যার বা হার্ডওয়্যার উভয় মাধ্যমেই প্রয়োগ করা যায় এই তথ্যটি প্রায়ই আসে।
- এটি প্রক্সি সার্ভার বা এন্টিভাইরাসের থেকে আলাদাভাবে নেটওয়ার্ক লেভেলে কাজ করে।
সঠিক উত্তর: A) Key loggers
১. কেন সঠিক:
স্পাইওয়্যার (Spyware) হলো এমন এক ধরনের ক্ষতিকারক সফটওয়্যার যা ব্যবহারকারীর অজান্তে তার কম্পিউটারের তথ্য চুরি করে।
Key loggers হলো এমন একটি প্রযুক্তি বা সফটওয়্যার যা ব্যবহারকারীর কি-বোর্ডের প্রতিটি চাপ বা টাইপ রেকর্ড করে এবং হ্যাকারদের কাছে পাঠিয়ে দেয়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: স্পাইওয়্যার হলো ম্যালওয়ায়ারের একটি শ্রেণি যা গোপনে ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করে।
কার্যপদ্ধতি: এটি ব্যাকগ্রাউন্ডে গোপনে কাজ করে এবং পাসওয়ার্ড, ক্রেডিট কার্ড নম্বর বা ব্যক্তিগত বার্তা চুরি করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অনলাইন ব্যাংকিং পাসওয়ার্ড চুরি।
ব্যাখ্যা: ব্যবহারকারী যখন ব্যাংকের পাসওয়ার্ড টাইপ করেন, তখন কি-লগার তা রেকর্ড করে সাইবার অপরাধীদের কাছে পাঠিয়ে দেয়।
উদাহরণ ২: ইমেল অ্যাকাউন্ট নজরদারি।
ব্যাখ্যা: স্পাইওয়্যার ব্যবহারকারীর ব্রাউজিং হিস্ট্রি এবং ইনবক্সের তথ্য সংগ্রহ করে তৃতীয় পক্ষের কাছে পাচার করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Key loggers — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি স্পাইওয়ারের একটি সরাসরি উদাহরণ যা ডেটা চুরি করে।
B) Avast — এটি একটি জনপ্রিয় অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার যা কম্পিউটারকে ম্যালওয়্যার থেকে রক্ষা করে।
C) Norton — এটি একটি বিশ্বস্ত অ্যান্টিভাইরাস ও সিকিউরিটি সফটওয়্যার যা ভাইরাস ও স্পাইওয়্যার প্রতিহত করে।
D) Kasparasky — এটি একটি শক্তিশালী অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার যা ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম স্ক্যান ও অপসারণ করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
স্পাই মানে গুপ্তচর, তাই স্পাইওয়্যার মানে গুপ্তচর সফটওয়্যার।
কি-লগার কি-বোর্ডের লগ বা ইতিহাস রাখে, যা স্পাইওয়ারের প্রধান কাজ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যারগুলো ক্ষতিকারক ম্যালওয়্যার বা স্পাইওয়্যার প্রতিহত করতে কাজ করে।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ম্যালওয়্যার ও অ্যান্টিভাইরাসের নাম প্রায়ই আলাদা করতে বলা হয়।
সঠিক উত্তর:
C) Graphics Processing Unit
১. কেন সঠিক:
- GPU-এর পূর্ণরূপ হলো Graphics Processing Unit, যা কম্পিউটারের একটি বিশেষায়িত ইলেকট্রনিক সার্কিট।
- এটি মূলত ইমেজ, ভিডিও এবং ত্রিমাত্রিক গ্রাফিক্স খুব দ্রুত প্রসেস ও রেন্ডার করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: GPU হলো এমন একটি প্রসেসর যা অত্যন্ত দ্রুত সমান্তরাল হিসাব নিকাশ করতে পারে।
- কার্যপদ্ধতি: এটি একসাথে অনেকগুলো ছোট কাজ বা ডেটা প্রসেস করতে পারে, যা সাধারণ প্রসেসর বা CPU-এর জন্য কঠিন।
- ব্যবহার: আধুনিক গেমিং, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ভিডিও এডিটিং এবং ক্রিপ্টোমাইনিংয়ে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কম্পিউটার গেম খেলার সময় গ্রাফিক্স স্মুথ রাখা।
ব্যাখ্যা: গেমের থ্রিডি মডেল এবং রিয়েল-টাইম ইফেক্টগুলো GPU অত্যন্ত দ্রুত প্রক্রিয়াজাত করে মনিটরে প্রদর্শন করে।
উদাহরণ ২: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ডেটাসেট প্রশিক্ষণ।
ব্যাখ্যা: বিপুল পরিমাণ ডেটা সমান্তরালভাবে প্রসেস করার জন্য এআই মডেলে জিপিইউ ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Graph Processing Unit — গ্রাফ প্রসেসিং ইউনিট কোনো স্ট্যান্ডার্ড কম্পিউটার টার্ম নয়।
B) Graphic Processing Unit — গ্রাফিক শব্দটি একবচন হওয়ায় এটি সঠিক প্রযুক্তিগত পরিভাষা নয়।
D) Geographical Processing Unit — এটি ভৌগোলিক ডেটা প্রসেসিংয়ের সাথে সম্পর্কিত নয় এবং এর কোনো ভিত্তি নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
- জিপিইউ-এর ক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে যে এটি গ্রাফিক্স সংক্রান্ত কাজের জন্য একাধিক (Plural) ডেটা একসাথে পরিচালনা করে।
- তাই পূর্ণরূপে Graphics শব্দটি বহুবচন হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সিপিইউ (CPU) হলো কম্পিউটারের মস্তিষ্ক, আর জিপিইউ (GPU) হলো গ্রাফিক্স ও সমান্তরাল গণনার বিশেষজ্ঞ।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের পূর্ণরূপ এবং তাদের কাজ সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: A) Register
১. কেন সঠিক:
- ALU (Arithmetic Logic Unit) সব ধরনের গণিত ও তুলনামূলক সিদ্ধান্ত সম্পন্ন করার পর ফলাফল সাময়িকভাবে ধারণ করার জন্য রেজিস্টার ব্যবহার করে।
- প্রসেসরের ভেতরে দ্রুত ডেটা স্থানান্তরের জন্য রেজিস্টার হলো সবচেয়ে দ্রুতগতির মেমোরি যা সরাসরি গণনার ফলাফল জমা রাখে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: রেজিস্টার হলো প্রসেসরের ভেতরে থাকা অত্যন্ত দ্রুতগতির কিছু মেমোরি সেল যা ডেটা, নির্দেশনা বা মেমোরি অ্যাড্রেস সাময়িকভাবে সংরক্ষণ করে।
- কার্যপদ্ধতি: ALU কোনো গাণিতিক বা যুক্তিমূলক কাজ শেষ করার পর সেই ফলাফল তাৎক্ষণিকভাবে Accumulator নামের বিশেষ রেজিস্টারে জমা রাখে।
- ব্যবহার: সিপিইউ-এর ভেতরের এই ছোট মেমোরিগুলো প্রসেসিং গতি বজায় রাখতে এবং পরবর্তী ধাপের নির্দেশনার জন্য ডেটা প্রস্তুত রাখতে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ক্যালকুলেটরে দুই যোগ তিন লিখে সমান চাপলে পর্দা ভেসে ওঠার আগে তা প্রসেসরের মেমোরিতে জমা থাকে।
ব্যাখ্যা: এই প্রাথমিক বা অন্তর্বর্তী ফলাফলগুলো ধরে রাখার কাজটি রেজিস্টার সম্পন্ন করে।
উদাহরণ ২: কম্পিউটারে একাধিক কাজ একসাথে করার সময় প্রসেসর দ্রুত ডেটা বদল করে।
ব্যাখ্যা: রেজিস্টার খুব কম সময়ে ডেটা রিড ও রাইট করতে পারে বলে প্রসেসর দ্রুত কাজ করতে পারে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Register — এটি সঠিক উত্তর কারণ ALU-এর ঠিক পাশেই প্রসেসরের ভেতরে এটি থাকে এবং দ্রুত ফলাফল ধরে রাখে।
B) ROM — এটি প্রধান মেমোরির অংশ নয় এবং এর পূর্ণরূপ Read Only Memory, যা স্থায়ী তথ্য সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয়, ALU-এর তাত্ক্ষণিক আউটপুট রাখতে নয়।
C) Flags — এটি প্রসেসরের একটি বিশেষ রেজিস্টার যা শুধু গাণিতিক অপারেশনের অবস্থা নির্দেশ করে, পুরো আউটপুট ডেটা রাখে না।
D) Output Unit — এটি মনিটর বা প্রিন্টারের মতো বহিরাগত যন্ত্র, যা প্রসেসিং শেষের চূড়ান্ত ফলাফল ব্যবহারকারীকে দেখায়, ALU-এর ভেতরের তাৎক্ষণিক আউটপুট জমা রাখে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- প্রসেসরের ভেতরে ডেটা নিয়ে কাজ করার সময় দ্রুততম মেমোরি হলো রেজিস্টার।
- ALU-এর কাজের ফলাফল সবসময় রেজিস্টারে জমা হয়, বড় হার্ডডিস্কে নয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- রেজিস্টার হলো কম্পিউটারের সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট বা সিপিইউ-এর অংশ।
- পরীক্ষার জন্য ALU এবং CU-এর কাজ সম্পর্কে ধারণা থাকা জরুরি।
সঠিক উত্তর:
C) Database Management System
১. কেন সঠিক:
DBMS-এর পূর্ণরূপ হলো Database Management System, যার বাংলা অর্থ উপাত্ত ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা।
এটি এমন একটি সফটওয়্যার সিস্টেম যা ব্যবহারকারীকে ডেটাবেজ তৈরি, সংরক্ষণ, নিয়ন্ত্রণ এবং পরিবর্তনের সুযোগ দেয়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হলো এমন একটি সমন্বিত সফটওয়্যার যা ডেটা সংরক্ষণ ও পুনরুদ্ধারের জন্য ব্যবহৃত হয়।
কার্যপদ্ধতি: এটি ডেটা ইনপুট নিয়ে সুশৃঙ্খলভাবে সাজায় এবং ব্যবহারকারীর চাহিদা অনুযায়ী কুয়েরির মাধ্যমে তথ্য প্রদান করে।
বৈশিষ্ট্য: ডেটা সুরক্ষা, ডেটার অখণ্ডতা রক্ষা এবং একই ডেটা একাধিক ব্যবহারকারী যাতে একসাথে ব্যবহার করতে পারে তা নিশ্চিত করা এর প্রধান কাজ।
ব্যবহার: ব্যাংক ব্যবস্থার অ্যাকাউন্ট পরিচালনা, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের তথ্য সংরক্ষণ এবং ই-কমার্স সাইটে পণ্যের তালিকা রক্ষায় এটি ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ব্যালেন্স চেক করা।
ব্যাখ্যা: গ্রাহক যখন এটিএম বুথ থেকে টাকা তোলেন, তখন DBMS সফটওয়্যার তাৎক্ষণিকভাবে ডেটাবেজ আপডেট করে ব্যালেন্স প্রদর্শন করে।
উদাহরণ ২: শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার ফলাফল তৈরি।
ব্যাখ্যা: শিক্ষা বোর্ডের ডেটাবেজ থেকে লক্ষ লক্ষ শিক্ষার্থীর নম্বর সংগ্রহ ও সাজাতে DBMS ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Data Backup Management System — এটি সঠিক পূর্ণরূপ নয় এবং ডেটা ব্যাকআপ রাখা DBMS-এর একটি অংশ মাত্র, পুরো সিস্টেমের নাম নয়।
B) Database Management Service — এখানে Service শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে, যা সঠিক প্রযুক্তিগত পরিভাষা System-এর পরিপন্থী।
D) Data of Binary Management System — এটি একটি ভুল ও মনগড়া পরিভাষা, যার সাথে ডেটাবেজের কোনো সম্পর্ক নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
ডেটাবেজের ক্ষেত্রে সিস্টেম বা System শব্দটি সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়।
তাই Database Management System মনে রাখলেই সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সহজ হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই DBMS-এর পূর্ণরূপ বা এর কাজ সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
Oracle, MySQL, Microsoft SQL Server হলো জনপ্রিয় কিছু DBMS সফটওয়্যার।
সঠিক উত্তর: D) ৮.৮.৮.৮
প্রদত্ত তথ্য:
গুগলের পাবলিক ডিএনএস সার্ভারের আইপি অ্যাড্রেস নির্ণয় করতে হবে
এটি একটি ইন্টারনেট প্রোটোকল ভার্সন চার বা আইপিভিফোর ঠিকানা
ধরি,
প্রথম এবং দ্বিতীয় অকটেট সংখ্যা দুটি আট
অতএব,
তৃতীয় এবং চতুর্থ অকটেট সংখ্যা দুটি আট
সুতরাং,
সম্পূর্ণ ঠিকানাটি আট ডট আট ডট আট ডট আট হয়
উত্তর: ৮.৮.৮.৮
সঠিক উত্তর: B) ১১
১. কেন সঠিক:
মেমোরি অ্যাড্রেস লাইনের সংখ্যা নির্ধারণ করার জন্য দুইভিত্তিক লগারিদম বা শক্তির হিসাব ব্যবহার করা হয়।
২ এর যত ঘাত মেমোরির আকারের সমান হবে, অ্যাড্রেস লাইনের সংখ্যা ঠিক তত হবে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: মেমোরি অ্যাড্রেস লাইন হলো এমন কিছু পিন বা তার যা প্রসেসরকে মেমোরির নির্দিষ্ট লোকেশন খুঁজে পেতে সাহায্য করে।
কার্যপদ্ধতি: এন সংখ্যক অ্যাড্রেস লাইন ব্যবহার করে সর্বমোট দুই এর শক্তি এন সংখ্যক মেমোরি লোকেশন বা বাইট অ্যাড্রেস করা সম্ভব।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ৪ কিলোবাইট মেমোরি
ব্যাখ্যা: ৪ কিলোবাইট মেমোরি অ্যাড্রেস করার জন্য ১২টি অ্যাড্রেস লাইন দরকার হয় কারণ দুই এর শক্তি বারো সমান চার কিলোবাইট।
উদাহরণ ২: ১ কিলোবাইট মেমোরি
ব্যাখ্যা: ১ কিলোবাইট মেমোরি অ্যাড্রেস করার জন্য ১০টি অ্যাড্রেস লাইন দরকার হয় কারণ দুই এর শক্তি দশ সমান এক কিলোবাইট।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১০ — ১০টি অ্যাড্রেস লাইন হলে মোট মেমোরি ১ কিলোবাইট হয়, যা প্রশ্নের ২ কিলোবাইট পরিমাণের চেয়ে কম।
B) ১১ — এই অপশনটি সঠিক কারণ দুই এর শক্তি এগারো সমান ২ কিলোবাইট বা ২০৪৮ বাইট মেমোরি।
C) ১২ — ১২টি অ্যাড্রেস লাইন হলে মোট মেমোরি ৪ কিলোবাইট হয়, যা ২ কিলোবাইট মেমোরির জন্য অতিরিক্ত।
D) ১৪ — ১৪টি অ্যাড্রেস লাইন হলে মোট মেমোরি ১৬ কিলোবাইট হয়, যা অনেক বেশি বড় মেমোরি নির্দেশ করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
১ কিলোবাইট সমান ১০২৪ বাইট বা দুই এর শক্তি দশ।
প্রতি ১ কিলোবাইট বাড়লে অ্যাড্রেস লাইন ১ করে বৃদ্ধি পায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কম্পিউটার মেমোরির একক হিসেবে ১ কিলোবাইট মানে সবসময় ১০২৪ বাইট ধরা হয়।
এই ধরনের অঙ্কে কিলোবাইটকে প্রথমে বাইটে রূপান্তর করে দুই এর ঘাত হিসাব করতে হয়।
সঠিক উত্তর:
B) (1372)8
১. কেন সঠিক:
হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিকে সরাসরি অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতিতে রূপান্তর করা যায় না।
প্রথমে প্রতিটি হেক্সাডেসিমেল অঙ্ককে তার সমতুল্য ৪-বিট বাইনারি মানে রূপান্তর করতে হয় এবং পরে ডান দিক থেকে ৩-বিট করে দলবদ্ধ করে অক্টাল মান বের করতে হয়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: হেক্সাডেসিমেল হলো বেস-১৬ সংখ্যা পদ্ধতি যেখানে ০ থেকে ৯ এবং A থেকে F পর্যন্ত মোট ১৬টি প্রতীক ব্যবহার করা হয়।
কার্যপদ্ধতি: প্রদত্ত সংখ্যা (2FA)16 এর প্রতিটি অঙ্ককে ৪-বিট বাইনারিতে রূপান্তর করলে পাই, 2 হলো ০০১০, F হলো ১১১১ এবং A হলো ১০১০।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা (F)16 এর বাইনারি মান ১১১১।
ব্যাখ্যা: এটি ৪-বিট বাইনারি রূপান্তরের নিয়ম মেনে সর্বোচ্চ হেক্সাডেসিমেল অঙ্ক প্রকাশ করে।
উদাহরণ ২: বাইনারি থেকে অক্টাল রূপান্তর করার সময় ডান দিক থেকে ৩ বিট করে গ্রুপ করতে হয়।
ব্যাখ্যা: কারণ অক্টালের ভিত্তি ৮ এবং দুই এর ৩ ঘাত সমান ৮।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) (762)8 — এটি সঠিক রূপান্তরের নিয়মের সাথে মেলে না কারণ ভুল বিট বিন্যাসের কারণে এই মান এসেছে।
B) (1372)8 — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটি হেক্সাডেসিমেল থেকে অক্টালে সঠিক রূপান্তর প্রক্রিয়ার ফলাফল।
C) (228)8 — অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতিতে ৮ অঙ্কটি ব্যবহার করা যায় না কারণ অক্টালে ০ থেকে ৭ পর্যন্ত অঙ্ক থাকে।
D) (1482)8 — এই সংখ্যাটিতে ৮ থাকার কারণে এটি বৈধ অক্টাল সংখ্যা হতে পারে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
হেক্সাডেসিমেল থেকে অক্টাল রূপান্তরের সময় হেক্সাডেসিমেলের প্রতিটি অঙ্ককে ৪-বিট বাইনারিতে রূপান্তর করবে।
প্রাপ্ত সম্পূর্ণ বাইনারি সংখ্যাটিকে ডান দিক থেকে ৩-বিট করে সাজিয়ে প্রতি গ্রুপের জন্য অক্টাল মান বসাবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কম্পিউটার সায়েন্সে বিভিন্ন সংখ্যা পদ্ধতির রূপান্তর বিসিএস এবং ব্যাংক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সব সময় খেয়াল রাখবে অক্টাল সংখ্যায় কখনো ৮ বা তার বেশি অঙ্ক থাকতে পারে না।
সঠিক উত্তর: C) ফ্লাশ মেমোরি
১. কেন সঠিক:
- এম্বেডেড সিস্টেমে সাধারণত নন-ভলাটাইল মেমোরি হিসেবে ফ্লাশ মেমোরি ব্যবহৃত হয়।
- বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকলেও ফ্লাশ মেমোরিতে সংরক্ষিত কোড বা ডেটা মুছে যায় না।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: এম্বেডেড সিস্টেম হলো মাইক্রোকন্ট্রোলার বা মাইক্রোপ্রসেসরভিত্তিক একটি বিশেষ কম্পিউটার ব্যবস্থা, যা নির্দিষ্ট কোনো কাজ করার জন্য তৈরি করা হয়।
- কার্যপদ্ধতি: এর মাদারবোর্ডে থাকা রম বা ফ্লাশ মেমোরিতে সিস্টেমের প্রয়োজনীয় ফার্মওয়্যার বা অপারেটিং কোড স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত থাকে।
- ব্যবহার: মাইক্রোওয়েভ ওভেন, ওয়াশিং মেশিন, রাউটার এবং ডিজিটাল ওয়াচে এম্বেডেড সিস্টেমের কোড সংরক্ষণে এটি ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ডিজিটাল ঘড়ি
ব্যাখ্যা: ডিজিটাল ঘড়ির সময় ও সেটিংস ধরে রাখার জন্য ফ্লাশ মেমোরি বা রম ব্যবহার করা হয়, যা ব্যাটারির পাওয়ার শেষ হলেও মুছে যায় না।
উদাহরণ ২: মাইক্রোওয়েভ ওভেন
ব্যাখ্যা: ওভেনের রান্নার প্রোগ্রাম এবং নির্দেশাবলী স্থায়ীভাবে সংরক্ষণের জন্য ফ্লাশ মেমোরি কাজ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) RAM — র্যাম হলো ভোলাটাইল বা অস্থায়ী মেমোরি, যা বিদ্যুৎ চলে গেলে ডেটা মুছে ফেলে। এম্বেডেড সিস্টেমে মূল অপারেটিং কোড সংরক্ষণের জন্য এটি উপযুক্ত নয়।
B) হার্ডডিস্ক ড্রাইভ — হার্ডডিস্ক আকারে বড়, বিদ্যুৎ বেশি খরচ করে এবং এতে ঘূর্ণয়মান যন্ত্রাংশ থাকে। তাই ছোট এম্বেডেড সিস্টেমে এটি ব্যবহার করা যায় না।
D) অপটিকাল ডিস্ক ড্রাইভ — অপটিকাল ডিস্ক যেমন সিডি বা ডিভিডি আকারের দিক থেকে অনেক বড় এবং এগুলোর রিড রাইট গতি এম্বেডেড সিস্টেমের জন্য উপযোগী নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- এম্বেডেড সিস্টেম মানেই নির্দিষ্ট কাজ, তাই এর জন্য চাই স্থায়ী ও ছোট মেমোরি যেমন ফ্লাশ মেমোরি বা রম।
- র্যাম হলো অস্থায়ী, তাই মেইন প্রোগ্রাম সেভ রাখতে ফ্লাশ মেমোরি মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এম্বেডেড সিস্টেমের মূল মস্তিষ্ক হলো মাইক্রোকন্ট্রোলার।
- ফ্লাশ মেমোরি হলো ইলেকট্রনিক্যালি ইরেজেবল প্রোগ্রামেবল রিড অনলি মেমোরির একটি উন্নত রূপ।
সঠিক উত্তর: A) নৈতিক
১. কেন সঠিক:
ভালো এবং মন্দের বিচার করা মানুষের বিবেক এবং নৈতিক চেতনার ওপর নির্ভর করে। এটি কোনো বস্তুগত লাভ বা ক্ষমতার বিষয় নয়, বরং মানুষের অভ্যন্তরীণ আচরণের মানদণ্ড।
নৈতিক মূল্যবোধ মানুষকে সঠিক ও ভুলের মধ্যে পার্থক্য করতে শেখায়। এটি সমাজ ও সংস্কৃতির সীমানা ছাড়িয়ে সার্বজনীন মানবিক কল্যাণের পক্ষে কাজ করে।
২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ:
মূল ধারণা: নৈতিক মূল্যবোধ হলো সেই আদর্শ যা মানুষকে সততা, ন্যায়পরায়ণতা এবং মানবতার পথে পরিচালিত করে। এটি মানুষের ভেতরের শুভবুদ্ধি জাগিয়ে তোলে।
গুরুত্ব: ব্যক্তিগত জীবনে সততা এবং সমাজ জীবনে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নৈতিক মূল্যবোধের বিকল্প নেই। এটি মানুষকে আইনের শাসনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল করে তোলে।
প্রয়োগ: নিজের স্বার্থের চেয়ে অন্যের অধিকার এবং সামাজিক কল্যাণকে অগ্রাধিকার দেওয়ার মাধ্যমে এটি বাস্তবায়ন করা যায়। পেশাগত ও ব্যক্তিগত জীবনে সততা রক্ষা করা এর মূল প্রয়োগ।
সম্ভাব্য প্রভাব: নৈতিক আচরণের ফলে সমাজে অপরাধপ্রবণতা হ্রাস পায় এবং পারস্পরিক আস্থা বৃদ্ধি পায়। এটি একটি সুশৃঙ্খল ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনে সহায়তা করে।
৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পরীক্ষার হলে শিক্ষক বা তদারকি না থাকলেও নিজের সততা বজায় রেখে অসদুপায় পরিহার করা।
ব্যাখ্যা: এখানে ভালো ও মন্দের বিচার করার নৈতিক মূল্যবোধ কাজ করেছে, যা শিক্ষার্থীর ব্যক্তিগত সততা প্রমাণ করে।
উদাহরণ ২: কোনো দোকানদার ভুল করে অতিরিক্ত টাকা ফেরত দিলে তা সততার সঙ্গে দোকানদারকে বুঝিয়ে দেওয়া।
ব্যাখ্যা: লোভ সংবরণ করে সঠিক কাজটি বেছে নেওয়া নৈতিক মূল্যবোধের প্রকৃত প্রয়োগ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নৈতিক — এই অপশনটি সঠিক কারণ ভালো-মন্দের ধারণা মানুষের বিবেক ও নৈতিকতার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত।
B) অর্থনৈতিক — এই অপশনটি ভুল কারণ অর্থনৈতিক মূল্যবোধ টাকা-পয়সা, সম্পদ এবং উৎপাদন সংক্রান্ত বিষয় নির্দেশ করে।
C) রাজনৈতিক — এই অপশনটি ভুল কারণ রাজনৈতিক মূল্যবোধ ক্ষমতা, মতাদর্শ এবং রাষ্ট্র পরিচালনার সঙ্গে সম্পর্কিত।
D) সামাজিক — এই অপশনটি ভুল কারণ সামাজিক মূল্যবোধ মূলত প্রথা, আচার-আচরণ এবং সমাজের মানুষের পারস্পরিক সম্পর্কের ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠে।
৫. মনে রাখার টিপস:
ভালো-মন্দ, ঠিক-বেঠিক এবং সততা-অসততার বিচার যেখানেই থাকবে, চোখ বন্ধ করে তাকে নৈতিক মূল্যবোধ হিসেবে চিহ্নিত করবে। এটি সম্পূর্ণভাবে মানুষের বিবেক ও ভেতরের চেতনার সঙ্গে জড়িত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
এই প্রশ্নটি থেকে মূল শিক্ষা হলো মানুষের প্রতিটি কাজের পেছনে কোনো না কোনো মূল্যবোধ কাজ করে। এই ধরনের নীতি থেকে পরীক্ষায় সততা, ন্যায়বিচার বা কর্তব্যপরায়ণতা সংক্রান্ত প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: D) মত প্রকাশের স্বাধীনতা
১. কেন সঠিক:
- সুশাসনের অন্যতম মূল স্তম্ভ হলো নাগরিক অংশগ্রহণ ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা, যা সরকার ও জনগণের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করে।
- এটি একটি গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ যা নাগরিকদের রাষ্ট্রের নীতি নির্ধারণ ও কার্যক্রমে মতামত জানানোর অধিকার প্রদান করে।
২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ:
প্রশ্নের ধরন: সুশাসন ও জবাবদিহি
- মূল ধারণা: সুশাসন হলো এমন একটি শাসনব্যবস্থা যা স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক, অংশগ্রহণমূলক এবং আইনের শাসনের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
- গুরুত্ব: এটি সমাজে সুশৃঙ্খল পরিবেশ বজায় রাখতে এবং ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- প্রয়োগ: সরকারি সিদ্ধান্ত বা নীতিমালায় নাগরিকদের মতামত প্রকাশের সুযোগ সৃষ্টি করার মাধ্যমে এটি বাস্তবায়ন করা যায়।
- সম্ভাব্য প্রভাব: এর ফলে জনগণের অধিকার সুরক্ষিত হয় এবং রাষ্ট্রীয় কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা সম্ভব হয়।
৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কোনো এলাকার উন্নয়নে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ একটি প্রকল্প হাতে নিলে নাগরিকদের মতামত চাওয়া।
ব্যাখ্যা: এখানে নাগরিকরা তাদের সুচিন্তিত মতামত প্রকাশের মাধ্যমে সুশাসনের অংশগ্রহণমূলক বৈশিষ্ট্যটি নিশ্চিত করেন।
উদাহরণ ২: সংবাদমাধ্যমে বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জনস্বার্থে কোনো নীতির গঠনমূলক সমালোচনা করা।
ব্যাখ্যা: এটি মত প্রকাশের স্বাধীনতার সঠিক প্রয়োগ, যা সরকারকে ভুল সংশোধনে বাধ্য করে এবং দায়িত্বশীলতা বাড়ায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নিরপেক্ষ আইন ব্যবস্থা — এটি সুশাসনের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলেও আইন প্রণয়নের প্রক্রিয়াটি নাগরিক অংশগ্রহণ ও মত প্রকাশের ওপর নির্ভরশীল।
B) নিরপেক্ষ বিচার ব্যবস্থা — এটি মূলত আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার সাথে সম্পর্কিত, যা সুশাসনের একটি অন্যতম পূর্বশর্ত।
C) প্রশাসনের নিরপেক্ষতা — এটি জনসেবা প্রদান ও দুর্নীতি দমনের জন্য জরুরি হলেও একা সুশাসন নিশ্চিত করতে পারে না।
D) মত প্রকাশের স্বাধীনতা — প্রদত্ত সঠিক উত্তর অনুযায়ী এটিই সুশাসনের মূল পূর্বশর্ত হিসেবে বিবেচিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সুশাসন মানেই জনগণের অংশগ্রহণ। আর জনগণের অংশগ্রহণের প্রধান হাতিয়ার হলো মত প্রকাশের স্বাধীনতা।
- পরীক্ষার প্রশ্নে সুশাসনের পূর্বশর্ত চাইলে অংশগ্রহণ ও মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে প্রাধান্য দিতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সুশাসনের মূল স্তম্ভগুলো হলো অংশগ্রহণ, স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং আইনের শাসন।
- এই নীতি থেকে বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই প্রশ্ন আসে, বিশেষ করে নাগরিক অধিকার ও সুশাসনের সম্পর্ক নিয়ে।
সঠিক উত্তর: A) জন স্টুয়ার্ট মিল
১. কেন সঠিক:
- জন স্টুয়ার্ট মিল ১৮৬১ সালে প্রকাশিত 'Utilitarianism' গ্রন্থের মাধ্যমে উপযোগিতাবাদের তাত্ত্বিক ভিত্তি সুদৃঢ় করেন।
- এই নীতি অনুযায়ী, কোনো কর্মের নৈতিক মান নির্ধারিত হয় তার পরিণতির ওপর ভিত্তি করে, যা সর্বাধিক মানুষের সর্বাধিক কল্যাণ নিশ্চিত করে।
২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ:
- মূল ধারণা: উপযোগিতাবাদ এমন একটি নৈতিক তত্ত্ব, যা কাজের ফলাফল বা পরিণতির ভিত্তিতে ভালো বা মন্দের বিচার করে।
- প্রয়োগ: সরকারি নীতি প্রণয়ন বা প্রাতিষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের সময় বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর কল্যাণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হয়।
৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাজেট প্রণয়নকালে গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে বেশি বরাদ্দ দেওয়া।
ব্যাখ্যা: এতে দেশের অধিকাংশ সুবিধাবঞ্চিত মানুষ উপকৃত হয়, যা উপযোগিতাবাদের মূল লক্ষ্যের সঙ্গে পুরোপুরি সংগতিপূর্ণ।
উদাহরণ ২: মহামারী মোকাবিলায় সর্বসাধারণের জন্য বিনা মূল্যে টিকা বিতরণ করা।
ব্যাখ্যা: এই সিদ্ধান্ত সামগ্রিক সমাজের স্বাস্থ্যঝুঁকি কমায় এবং সর্বাধিক মানুষের জীবন রক্ষা নিশ্চিত করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জন স্টুয়ার্ট মিল — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি ১৮৬১ সালে গ্রন্থটি রচনা করে উপযোগিতাবাদকে জনপ্রিয় করেন।
B) ইমানূয়েল কান্ট — তিনি উপযোগিতাবাদের প্রবক্তা নন, বরং তিনি কর্ত্তব্যভিত্তিক নীতিবিদ্যার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।
C) বার্ট্রান্ড রাসেল — তিনি একজন বিখ্যাত আধুনিক দার্শনিক ও গণিতবিদ হলেও এই গ্রন্থের রচয়িতা নন।
D) জেরেমি বেন্থাম — তিনি উপযোগিতাবাদের সূচনা করলেও 'Utilitarianism' গ্রন্থটি জন স্টুয়ার্ট মিলের লেখা।
৫. মনে রাখার টিপস:
- উপযোগিতাবাদ বা Utilitarianism তত্ত্বের প্রতিষ্ঠাতা জেরেমি বেন্থাম হলেও গ্রন্থটির রচয়িতা হিসেবে জন স্টুয়ার্ট মিল সর্বাধিক পরিচিত।
- বইটির নাম মনে রাখতে মিল ও উপযোগিতা শব্দ দুটি একসঙ্গে স্মরণ রাখতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- উপযোগিতাবাদ তত্ত্বের মূল কথা হলো সর্বাধিক মানুষের সর্বাধিক কল্যাণ সাধন করা।
- এই নীতি থেকে প্রায়শই পরিণতিবাদী নৈতিকতা বা কাজের ফলাফল সংক্রান্ত প্রশ্ন পরীক্ষাসমূহে আসে।
সঠিক উত্তর: C) বিশ্বব্যাংক
১. কেন সঠিক:
- সুশাসন প্রত্যয়টি প্রথম আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আনুষ্ঠানিকভাবে ব্যবহার করে বিশ্বব্যাংক।
- ১৯৯২ সালে প্রকাশিত বিশ্বব্যাংকের একটি প্রতিবেদনে সাব সাহারীয় আফ্রিকার উন্নয়ন সংকট বিশ্লেষণ করতে গিয়ে সুশাসন বা গুড গভর্ন্যান্স ধারণটি প্রথম জোরালোভাবে উপস্থাপন করা হয়।
- এই ধারণার মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহি, আইনের শাসন এবং জনগণের অংশগ্রহণের ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়।
২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ:
- মূল ধারণা: সুশাসন হলো এমন একটি শাসনব্যবস্থা যেখানে ক্ষমতার প্রয়োগ এবং সরকারি সম্পদ ব্যবস্থাপনায় সততা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা হয়।
- গুরুত্ব: সুশাসন ছাড়া কোনো সমাজ বা রাষ্ট্রে টেকসই উন্নয়ন এবং নাগরিক অধিকার রক্ষা করা সম্ভব নয়।
৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ:
উদাহরণ ১: একজন সরকারি কর্মকর্তা যখন টেন্ডার প্রক্রিয়ায় কোনো স্বজনপ্রীতি না করে সম্পূর্ণ উন্মুক্ত ও স্বচ্ছ পদ্ধতিতে যোগ্য ঠিকাদার নির্বাচন করেন।
ব্যাখ্যা: এটি সুশাসনের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতার বাস্তব প্রয়োগ।
উদাহরণ ২: সাধারণ নাগরিক যখন নিজের এলাকার উন্নয়ন কাজের বাজেট ও ব্যয় সম্পর্কে তথ্য অধিকার আইনের মাধ্যমে জানতে চান।
ব্যাখ্যা: এটি সুশাসনের জবাবদিহি ও নাগরিক অংশগ্রহণের নীতির সঠিক চর্চা।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইউরোপীয় ইউনিয়ন — এই সংস্থাটি মানবধিকার ও গণতন্ত্রের প্রসার ঘটালেও সুশাসন প্রত্যয়টির উদ্ভাবক নয়।
B) আই, এল, ও — আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা মূলত শ্রমিকদের অধিকার ও কাজের পরিবেশ নিয়ে কাজ করে, সুশাসন শব্দটির উদ্ভাবক নয়।
C) বিশ্বব্যাংক — সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি প্রযোজ্য।
D) জাতিসংঘ — জাতিসংঘ পরবর্তীকালে সুশাসনকে ব্যাপক সমর্থন ও প্রসারিত করলেও এই প্রত্যয়টি প্রথম ব্যবহার করে বিশ্বব্যাংক।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বিশ্ব ব্যাংক মানেই অর্থের হিসাব আর হিসাব পরিষ্কার রাখাই হলো সুশাসন।
- বিশ্বব্যাংকের ১৯৯২ সালের প্রতিবেদন দিয়েই মূলত সুশাসন বিশ্বজুড়ে পরিচিতি লাভ করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সুশাসনের মূল উপাদানগুলো যেমন স্বচ্ছতা, জবাবদিহি, আইনের শাসন ও অংশগ্রহণ ভালো করে মনে রাখবে।
- সুশাসন সংক্রান্ত অন্য প্রশ্নে আসতে পারে সুশাসনের স্তম্ভ কয়টি বা এর মূল ভিত্তি কী।
সঠিক উত্তর: C) আইনের শাসন
১. কেন সঠিক:
- সুশাসনের সবচেয়ে মৌলিক শর্ত হলো আইনের শাসন, যার অর্থ রাষ্ট্রে আইনের দৃষ্টিতে সবাই সমান এবং ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করা হয়।
- আইনের শাসন নিশ্চিত করে যে কোনো ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষ আইনের ঊর্ধ্বে নয় এবং নাগরিকের অধিকার সুরক্ষিত থাকে।
২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ:
- মূল ধারণা: আইনের শাসন এমন একটি ব্যবস্থা যেখানে আইন নিরপেক্ষভাবে প্রয়োগ করা হয় এবং নাগরিকের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা হয়।
- গুরুত্ব: এটি সমাজে বিশৃঙ্খলা দূর করে এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে মানুষের আস্থার পরিবেশ তৈরি করে।
- প্রয়োগ: সরকারি সেবা প্রদানে স্বজনপ্রীতি পরিহার করে সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করার মাধ্যমে এটি প্রয়োগ করা যায়।
- সম্ভাব্য প্রভাব: রাষ্ট্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হলে দুর্নীতি হ্রাস পায় এবং সামাজিক শান্তি ও উন্নয়ন ত্বরান্বিত হয়।
৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন করলে সাধারণ নাগরিকের পাশাপাশি প্রভাবশালী ব্যক্তির বিরুদ্ধেও সমানভাবে জরিমানা করা।
ব্যাখ্যা: এটি আইনের শাসন ও নিরপেক্ষতার মূর্ত প্রতীক, যা সমাজে বার্তা দেয় যে আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়।
উদাহরণ ২: সরকারি চাকরির নিয়োগ পরীক্ষায় মেধার ভিত্তিতে মূল্যায়ন করা এবং কোটা বা প্রভাবের অপব্যবহার না করা।
ব্যাখ্যা: এই আচরণটি নাগরিকের সমান অধিকার এবং সুবিচারের নীতিকে সমর্থন করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গণতন্ত্র — গণতন্ত্র সুশাসনের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান বা মাধ্যম হলেও এটি একা সুশাসন নিশ্চিত করতে পারে না যদি না সেখানে আইনের শাসন থাকে।
B) আমলাতন্ত্র — আমলাতন্ত্র রাষ্ট্র পরিচালনার একটি কাঠামোগত যন্ত্র মাত্র, যা সুশাসনের মূল ভিত্তি নয় বরং এর একটি সহায়ক অংশ।
D) মূল্যবোধ — নৈতিক মূল্যবোধ সুশাসনের চালিকাশক্তি হলেও প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি কাঠামো ছাড়া একা সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে পারে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সুশাসনের চাবিকাঠি হলো আইনের শাসন, কারণ আইন না থাকলে গণতন্ত্র বা মূল্যবোধের সঠিক প্রয়োগ সম্ভব হয় না।
- পরীক্ষার প্রশ্নে সুশাসনের মূল ভিত্তি চাইলে চোখ বন্ধ করে আইনের শাসন বা রুল অব ল নির্বাচন করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সুশাসনের প্রধান স্তম্ভগুলো হলো স্বচ্ছতা, জবাবদিহি, অংশগ্রহণ এবং আইনের শাসন।
- এই নীতি থেকে বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে যে সুশাসনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শর্ত কোনটি।
সঠিক উত্তর: D) ইমানুয়েল কান্ট
১. কেন সঠিক:
- ইমানুয়েল কান্ট হলেন বিখ্যাত জার্মান দার্শনিক যিনি নীতিশাস্ত্রে ‘শর্তহীন আদেশ’ বা ‘ক্যাটাগরিক্যাল ইম্পারেটিভ’ ধারণাটি প্রবর্তন করেছেন।
- এটি এমন এক নৈতিক নিয়ম যা কোনো শর্ত বা ব্যক্তিগত স্বার্থের ওপর নির্ভর না করে মানুষের সার্বজনীন কর্তব্যের ওপর জোর দেয়।
২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ:
- মূল ধারণা: শর্তহীন আদেশ হলো এমন এক নৈতিক দায়িত্ব যা সব মানুষের জন্য সব সময় সমানভাবে পালনীয়।
- গুরুত্ব: এটি সমাজে স্বার্থহীন কর্তব্যপরায়ণতা ও নৈতিক শৃঙ্খলা তৈরিতে সাহায্য করে।
- প্রয়োগ: ব্যক্তিগত লাভ বা ক্ষতির কথা না ভেবে নিজের সঠিক দায়িত্ব পালন করা এর মূল প্রয়োগ।
- সম্ভাব্য প্রভাব: এটি সমাজে ন্যায়বিচার, সততা এবং পারস্পরিক বিশ্বাসের পরিবেশ তৈরি করে।
৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ:
উদাহরণ ১: একজন সরকারি কর্মকর্তা কোনো ধরনের ঘুষ বা উপঢৌকন গ্রহণ না করে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে সব নাগরিককে সেবা প্রদান করছেন।
ব্যাখ্যা: এখানে কর্মকর্তাটি ব্যক্তিগত লাভ বা স্বার্থের কথা না ভেবে নিজের পেশাগত কর্তব্যকে একমাত্র নৈতিক দায়িত্ব হিসেবে পালন করেছেন।
উদাহরণ ২: একজন শিক্ষার্থী পরীক্ষার হলে কঠিন প্রশ্ন দেখেও অসদুপায় অবলম্বন না করে নিজের মেধা অনুযায়ী উত্তর লিখছে।
ব্যাখ্যা: এখানে শিক্ষার্থী ফলাফল ভালো করার শর্টকাট বা শর্তহীন লাভের লোভ সংবরণ করে সততার নীতি মেনে চলেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অ্যারিস্টটল — প্রাচীন গ্রিক দার্শনিক যিনি মূলত সদ্গুণ বা ভার্চু ethics এবং মধ্যপন্থা নিয়ে আলোচনা করেছেন, শর্তহীন আদেশের প্রবর্তক নন।
B) বার্ট্রান্ড রাসেল — বিংশ শতাব্দীর ব্রিটিশ দার্শনিক ও গণিতবিদ যিনি মুক্তচিন্তা ও শান্তিবাদী দর্শনের জন্য পরিচিত, এই ধারণার সঙ্গে যুক্ত নন।
C) হার্বার্ট স্পেন্সার — সামাজিক ডারউইনবাদের প্রবক্তা এবং ব্রিটিশ দার্শনিক যিনি সমাজ ও জীববিজ্ঞানের বিকাশ নিয়ে কাজ করেছেন।
D) ইমানুয়েল কান্ট — তিনি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ তিনি তার নীতিবিদ্যায় শর্তহীন আদেশ তত্ত্বের প্রবর্তন করেছেন।
৫. মনে রাখার টিপস:
কান্ট শব্দটির সঙ্গে কর্তব্যের সম্পর্ক মনে রাখবে, কারণ তিনি কর্তব্যের খাতিরে কর্তব্য পালনের ওপর জোর দিয়েছেন।
শর্তহীন আদেশ বা ক্যাটাগরিক্যাল ইম্পারেটিভ দেখলে চোখ বন্ধ করে কান্টকে চিহ্নিত করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
এই প্রশ্নটি থেকে ‘কর্তব্যমূলক নীতিশাস্ত্র’ বা ‘ডিয়ন্টোলজি’ সম্পর্কে ধারণা স্পষ্ট হয়।
একই নীতি থেকে নৈতিকতার উৎস এবং কান্টের নৈতিক দর্শনের মূল ভিত্তি সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: C) নৈতিক চেতনা
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরের মূল কারণ হলো মূল্যবোধ মূলত মানুষের ভেতরের বিচারবুদ্ধি ও অনুভূতির ওপর নির্ভর করে গড়ে ওঠে।
- সংশ্লিষ্ট নৈতিক নীতি হলো নৈতিক চেতনা, যা মানুষকে ভালো ও মন্দের তফাত বুঝতে সাহায্য করে।
২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ:
- মূল ধারণা: নৈতিক চেতনা হলো মানুষের সেই অভ্যন্তরীণ বোধ যা অন্যায় থেকে দূরে রেখে ন্যায় ও সততার পথে চালিত করে।
- গুরুত্ব: এটি ব্যক্তির আচরণ নিয়ন্ত্রণ করে এবং সমাজকে সুশৃঙ্খল রাখতে প্রত্যক্ষ ভূমিকা পালন করে।
৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কোনো দোকানদার ভুল করে অতিরিক্ত টাকা ফেরত দিলে নিজের বিবেক বা নৈতিক চেতনার তাড়নায় তা দোকানদারকে ফিরিয়ে দেওয়া।
ব্যাখ্যা: এখানে বাহ্যিক কোনো আইন বা ধর্মের ভয় কাজ করেনি, বরং নিজের ভেতরের নৈতিক চেতনা সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করেছে।
উদাহরণ ২: পরীক্ষার হলে শিক্ষক না থাকলেও নিজের সততা বজায় রেখে অসদুপায় গ্রহণ থেকে বিরত থাকা।
ব্যাখ্যা: এটি নৈতিক চেতনার বহিঃপ্রকাশ, যা নিজের দায়িত্ববোধ ও মর্যাদাবোধ থেকে উদ্ভূত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ধর্ম — ধর্ম মূল্যবোধের একটি শক্তিশালী উৎস হলেও এটি একমাত্র উৎস নয়, কারণ ধর্মনিরপেক্ষ সমাজেও মূল্যবোধের চর্চা রয়েছে।
B) সমাজ — সমাজ মূল্যবোধকে রূপ দেয় ও টিকিয়ে রাখে, কিন্তু মূল্যবোধের মূল ভিত্তি মানুষের অভ্যন্তরীণ চেতনা।
D) রাষ্ট্র — রাষ্ট্র আইন ও বিধিমালা তৈরি করে শৃঙ্খলা বজায় রাখে, যা বাহ্যিক আচরণ নিয়ন্ত্রণ করে কিন্তু অভ্যন্তরীণ মূল্যবোধের জন্ম দেয় না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মূল্যবোধ বাইরের শক্তি যেমন সমাজ, রাষ্ট্র বা ধর্ম দ্বারা প্রভাবিত হতে পারে, তবে এর মূল উৎস হলো মানুষের নিজস্ব নৈতিক চেতনা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- নৈতিক চেতনা হলো এমন এক অভ্যন্তরীণ শক্তি যা বাহ্যিক শাস্তির ভয় ছাড়াই মানুষকে সঠিক কাজ করতে অনুপ্রাণিত করে।
সঠিক উত্তর: A) শুদ্ধাচার
১. কেন সঠিক:
- নৈতিকতা ও সততার দ্বারা প্রভাবিত হয়ে যখন কোনো ব্যক্তি তার পেশাগত বা ব্যক্তিগত জীবনে সর্বোচ্চ উৎকর্ষ ও মান অর্জন করে, তখন তাকে শুদ্ধাচার বলা হয়।
- এটি কেবল ব্যক্তিগত সততা নয়, বরং প্রাতিষ্ঠানিক ও সামাজিক ক্ষেত্রে নৈতিক আচরণ, স্বচ্ছতা ও কর্তব্যপরায়ণতার সম্মিলিত রূপ।
২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ:
- মূল ধারণা: শুদ্ধাচার হলো নৈতিকতা ও সততা দ্বারা প্রভাবিত এমন একটি আচরণগত উৎকর্ষ, যা সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সাহায্য করে।
- গুরুত্ব: এটি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের মধ্যে জবাবদিহি নিশ্চিত করে এবং সমাজে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে সহায়তা করে।
- প্রয়োগ: সরকারি বা বেসরকারি কর্মক্ষেত্রে সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে শুদ্ধাচারের চর্চা করা যায়।
- সম্ভাব্য প্রভাব: এর ফলে সমাজে দুর্নীতি হ্রাস পায় এবং জনসেবার মান বহুগুণ বৃদ্ধি পায়।
৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ:
উদাহরণ ১: একজন সরকারি কর্মকর্তা কোনো ধরনের ঘুষ বা অবৈধ সুবিধা না নিয়ে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নাগরিকদের সেবা প্রদান করছেন।
ব্যাখ্যা: এখানে কর্মকর্তাটির আচরণে শুদ্ধাচারের প্রতিফলন ঘটেছে, কারণ তিনি নৈতিকতা ও সততা বজায় রেখে তার পেশাগত দায়িত্ব পালন করেছেন।
উদাহরণ ২: একজন শিক্ষক পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থেকে মেধার সঠিক মূল্যায়ন করছেন।
ব্যাখ্যা: এটি পেশাগত শুদ্ধাচারের উৎকৃষ্ট উদাহরণ, যেখানে সততা ও ন্যায়পরায়ণতা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পেয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শুদ্ধাচার — এই অপশনটি সঠিক, কারণ এটি নৈতিকতা ও সততা দ্বারা প্রভাবিত আচরণগত উৎকর্ষকে নির্দেশ করে।
B) মূল্যবোধ — এটি সমাজের মানুষের মনের ভেতর দীর্ঘকাল ধরে লালিত বিশ্বাস ও ধারণার সমষ্টি, যা আচরণকে পরিচালনা করে কিন্তু সরাসরি উৎকর্ষ বোঝায় না।
C) মানবিকতা — এটি মানুষের প্রতি সহানুভূতি ও দরদ প্রদর্শনের গুণ, যা শুদ্ধাচারের একটি অংশ হতে পারে কিন্তু সম্পূর্ণ আচরণগত উৎকর্ষের পরিধি বোঝায় না।
D) সফলতা — এটি কোনো লক্ষ্য অর্জনে কাঙ্ক্ষিত ফল লাভ করাকে বোঝায়, যা নৈতিকতা বা সততার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নাও হতে পারে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- নৈতিকতা এবং সততার সঙ্গে যখন প্রাতিষ্ঠানিক উৎকর্ষ ও সুশাসনের বিষয়টি যুক্ত হয়, তখন তাকে শুদ্ধাচার হিসেবে মনে রাখবে।
- সফলতা হলো প্রাপ্তি আর শুদ্ধাচার হলো অর্জনের পথ বা আচরণগত উৎকর্ষ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- শুদ্ধাচার মূলত সুশাসন ও দুর্নীতি প্রতিরোধের একটি শক্তিশালী হাতিয়ার হিসেবে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
- এই নীতি থেকে সরকারি কর্মচারীর আচরণ ও সুশাসনের সূচক সম্পর্কিত প্রশ্ন হতে পারে।
সঠিক উত্তর: B) সক্রেটিস
১. কেন সঠিক:
- এই বিখ্যাত উক্তিটি গ্রিক দার্শনিক সক্রেটিসের নৈতিক দর্শনকে নির্দেশ করে, যেখানে তিনি জ্ঞান ও পুণ্য বা নৈতিকতার মধ্যে গভীর সংযোগ স্থাপন করেছেন।
- তাঁর মতে, প্রকৃত জ্ঞান মানুষকে পাপ বা অনৈতিকতা থেকে দূরে রাখে এবং সঠিক কর্মের পথে পরিচালিত করে।
২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ:
- মূল ধারণা: জ্ঞান ও পুণ্য এক অভিন্ন সত্তা, যেখানে অজ্ঞানতাই সকল অনৈতিক কাজের মূল কারণ হিসেবে বিবেচিত হয়।
- গুরুত্ব: ব্যক্তিগত জীবনে নৈতিক জ্ঞান অর্জন মানুষকে আত্মসচেতন ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে সহায়তা করে।
৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কর্মক্ষেত্রে কোনো কর্মকর্তা দুর্নীতির প্রস্তাব পেলে যদি নৈতিক ও আইনগত জ্ঞান রাখেন, তবে তিনি তা সহজেই প্রত্যাখ্যান করতে পারবেন।
ব্যাখ্যা: সঠিক জ্ঞান ও মূল্যবোধ মানুষকে লোভের ঊর্ধ্বে থেকে সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে উদ্বুদ্ধ করে।
উদাহরণ ২: একজন শিক্ষার্থী পরীক্ষার হলে অসদুপায় পরিহার করে নিজের মেধার ওপর ভরসা রাখে।
ব্যাখ্যা: এটি তার নৈতিক শিক্ষার প্রতিফলন, যা তাকে সততার পথ ধরে ভবিষ্যতে সফল হতে সাহায্য করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) থেলিস — থেলিস প্রাচীন গ্রিসের প্রথম দিকের দার্শনিক হলেও তিনি জল বা পানির তত্ত্বের জন্য পরিচিত, নৈতিক দর্শনের এই উক্তির জন্য নন।
B) সক্রেটিস — এই বিকল্পটি সঠিক কারণ তিনি জ্ঞান ও পুণ্যের এই অবিচ্ছেদ্য সম্পর্কের প্রবক্তা।
C) এ্যারিস্টটল — এ্যারিস্টটল পুণ্যকে অভ্যাসের ফল হিসেবে দেখলেও এই নির্দিষ্ট উক্তিটি তাঁর নয়।
D) প্লেটো — প্লেটো আদর্শ রাষ্ট্রের ধারণা দিলেও 'জ্ঞানই পুণ্য' এই মূল তত্ত্বটি তাঁর শিক্ষক সক্রেটিসের দর্শনের মূল ভিত্তি।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সক্রেটিস হলেন নৈতিক দর্শনের জনক, তাই জ্ঞান ও পুণ্যসংক্রান্ত প্রশ্ন দেখলে তাঁর নাম মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- নৈতিকতা ও মূল্যবোধের ভিত্তি হলো সঠিক জ্ঞান অর্জন করা।
- একই নীতি থেকে সক্রেটিসের নৈতিক বুদ্ধিবৃত্তাবাদ বা জ্ঞানের সঙ্গে আচরণের সম্পর্ক সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: A) সামাজিক দিক
১. কেন সঠিক:
- সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য বা এমডিজি অর্জনে সুশাসনের সামাজিক দিকটিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, কারণ এটি দারিদ্র্য বিমোচন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত।
- সুশাসন ও জনকল্যাণের এই নীতি নিশ্চিত করে যে সমাজের প্রতিটি নাগরিক যেন বৈষম্যহীনভাবে মৌলিক অধিকার ও সামাজিক নিরাপত্তা লাভ করতে পারে।
২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ:
- মূল ধারণা: সামাজিক ন্যায়বিচার ও মানব উন্নয়ন হলো এমন একটি নৈতিক ভিত্তি, যা সমাজের প্রতিটি মানুষের মৌলিক চাহিদা ও মর্যাদা রক্ষা করতে বাধ্য করে।
- গুরুত্ব: সুশাসনের সামাজিক দিকটি বাস্তবায়িত হলে সমাজের বঞ্চিত ও পিছিয়ে থাকা মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত হয় এবং সামাজিক বৈষম্য হ্রাস পায়।
- প্রয়োগ: সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, বিনামূল্যে শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা প্রদানে স্বচ্ছতা বজায় রেখে সঠিক ব্যক্তির কাছে সহায়তা পৌঁছে দেওয়া।
- সম্ভাব্য প্রভাব: এর ফলে সমাজে অপরাধ প্রবণতা কমে, নাগরিকের রাষ্ট্রের প্রতি আস্থা বৃদ্ধি পায় এবং একটি মানবিক ও সমতার সমাজ গঠিত হয়।
৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সরকারি হাসপাতালে দরিদ্র রোগীদের জন্য বরাদ্দ ওষুধ সঠিকভাবে বিতরণ করা এবং কোনো ধরনের দুর্নীতি না করা।
ব্যাখ্যা: এটি সুশাসনের সামাজিক দায়িত্ব এবং মানবিক মূল্যবোধের সঠিক প্রয়োগ, যা সমাজের সবচেয়ে দুর্বল শ্রেণির অধিকার রক্ষা করে।
উদাহরণ ২: এলাকার প্রতিটি শিশুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যাওয়া নিশ্চিত করতে স্থানীয় যুবসমাজ ও প্রশাসনের যৌথভাবে কাজ করা।
ব্যাখ্যা: এটি নাগরিক দায়িত্ববোধ ও সামাজিক উন্নয়নের প্রতিশ্রুতির বহিঃপ্রকাশ, যা সহস্রাব্দ লক্ষ্য অর্জনে সরাসরি সাহায্য করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সামাজিক দিক — এই অপশনটি সঠিক কারণ সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যের মূল ভিত্তি হলো মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন।
B) অর্থনৈতিক দিক — অর্থনৈতিক উন্নয়ন এর একটি মাধ্যম হলেও সুশাসনের এই ক্ষেত্রে সামাজিক ও মানবিক সূচকগুলোকে অধিক প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে।
C) মূল্যবোধের দিক — মূল্যবোধ ব্যক্তিগত ও সামাজিক আচরণের পথপ্রদর্শক হলেও সুশাসনের নির্দিষ্ট এই লক্ষ্য অর্জনে একে সরাসরি প্রধান ক্ষেত্র হিসেবে ধরা হয়নি।
D) গণতান্ত্রিক দিক — গণতন্ত্র সুশাসনের অন্যতম শর্ত হলেও সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যের মূল উদ্দেশ্য সরাসরি জনকল্যাণ ও সামাজিক অগ্রগতি অর্জন করা।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য বা এমডিজির সাথে মানুষের মৌলিক অধিকার ও জীবনযাত্রার মান জড়িত থাকায় এর সাথে সুশাসনের সামাজিক দিকটি মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সুশাসনের বিভিন্ন মাত্রা যেমন সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক দিকগুলোর মূল লক্ষ্য ও পার্থক্য ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) সেন্টমার্টিন এবং এর আশেপাশের এলাকা
১. কেন সঠিক:
- সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং প্রবাল প্রাচী সংরক্ষণের জন্য সরকার সেন্টমার্টিন দ্বীপ ও এর সংলগ্ন সমুদ্র এলাকাকে সামুদ্রিক সুরক্ষিত এলাকা ঘোষণা করেছে।
- অতিরিক্ত পর্যটন ও মানবীয় কার্যক্রমে এখানকার সামুদ্রিক প্রতিবেশ নষ্ট হওয়ায় পরিবেশ সংরক্ষণ আইনের অধীনে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
২. ভৌগোলিক অবস্থান ও পরিবেশ:
- ভৌগোলিক অবস্থান: সেন্টমার্টিন বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ যা বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্ব অংশে অবস্থিত।
- তাৎপর্য ও ফলাফল: এই ঘোষণার ফলে প্রবাল, সামুদ্রিক কাছিম এবং বিভিন্ন বিরল প্রজাতির মাছের প্রজনন ক্ষেত্র সুরক্ষিত হয়েছে।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সুন্দরবন
ব্যাখ্যা: সুন্দরবন যেমন সংরক্ষিত বনাঞ্চল হিসেবে জীববৈচিত্র্য রক্ষা করে, তেমনি মেরিন প্রটেক্টেড এরিয়া সামুদ্রিক সম্পদ রক্ষায় কাজ করে।
উদাহরণ ২: নিঝুম দ্বীপ
ব্যাখ্যা: এটি সামুদ্রিক ও উপকূলীয় এলাকার জীববৈচিত্র্যের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা পরিযায়ী পাখির জন্য বিখ্যাত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সেন্টমার্টিন — কেবল দ্বীপকে বোঝালে সামুদ্রিক জলজ অংশ বাদ পড়ে যায়, তাই এটি অসম্পূর্ণ।
C) পটুয়াখালী ও বরগুনা — এই জেলাগুলো উপকূলীয় অঞ্চল হলেও নির্দিষ্ট সামুদ্রিক সংরক্ষিত এলাকার তালিকায় প্রথম অন্তর্ভুক্ত নয়।
D) হিরন পয়েন্ট — এটি সুন্দরবনের একটি বিখ্যাত এলাকা এবং বাংলাদেশ সুন্দরবনের বাঘ গণনার মূল কেন্দ্র, যা প্রবাল দ্বীপ নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সেন্টমার্টিনের চারপাশের নীল জলরাশি এবং প্রবাল রক্ষায় পুরো এলাকাকে মেরিন প্রটেক্টেড এরিয়া করা হয়েছে।
- দ্বীপের পাশাপাশি এর আশেপাশের সমুদ্রসীমাও এর অন্তর্ভুক্ত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষাসংক্রান্ত এমন প্রশ্ন বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
- সামুদ্রিক সংরক্ষিত এলাকা ঘোষণার আইনি ভিত্তি এবং এর উদ্দেশ্য সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) রাঙ্গামাটি
১. কেন সঠিক:
- আয়তনের দিক থেকে রাঙ্গামাটি জেলা বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জেলা।
- এর মোট আয়তন প্রায় ৬১১৬ বর্গকিলোমিটার, যা দেশের মোট আয়তনের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ জুড়ে বিস্তৃত।
২. ভৌগোলিক অবস্থান ও ভূপ্রকৃতি:
- রাঙ্গামাটি জেলা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে চট্টগ্রাম বিভাগের অধীন অবস্থিত।
- পাহাড়ি ভূপ্রকৃতি, কাপ্তাই হ্রদ এবং বিস্তীর্ণ বনাঞ্চল এই জেলার ভৌগোলিক বৈচিত্র্য তৈরি করেছে।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ঢাকা জেলা
ব্যাখ্যা: ঢাকা জেলা বাংলাদেশের সবচেয়ে জনবহুল জেলা হলেও আয়তনে রাঙ্গামাটির চেয়ে অনেক ছোট।
উদাহরণ ২: চট্টগ্রাম জেলা
ব্যাখ্যা: চট্টগ্রাম বিভাগ আয়তনে সবচেয়ে বড় বিভাগ হলেও এর অন্তর্ভুক্ত রাঙ্গামাটি একক জেলা হিসেবে দেশের বৃহত্তম।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাঙ্গামাটি — এটি দেশের বৃহত্তম জেলা হওয়ায় সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে।
B) বরিশাল — এটি একটি বিভাগীয় শহর ও জেলা হলেও এর আয়তন রাঙ্গামাটির তুলনায় অনেক কম।
C) চট্টগ্রাম — এটি প্রধান বাণিজ্যিক ও বন্দরনগরী জেলা হলেও আয়তনের দিক থেকে রাঙ্গামাটির চেয়ে ছোট।
D) ময়মনসিংহ — এটি দেশের নতুন গঠিত বিভাগগুলোর একটি এবং এর জেলা সদর রাঙ্গামাটির চেয়ে আয়তনে ছোট।
৫. মনে রাখার টিপস:
- পাহাড় ঘেরা বড় জেলা, রাঙ্গামাটি তার নাম একেলা।
- পাহাড়ী তিন জেলার মধ্যে রাঙ্গামাটি আয়তনে সবচেয়ে বড়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই ভৌগোলিক তথ্য অংশের জন্য আসে।
- আয়তনের দিক থেকে সবচেয়ে ছোট জেলা কোনটি, এই তথ্যটিও পরীক্ষার জন্য জেনে রাখা প্রয়োজন।
সঠিক উত্তর: A) বঙ্গবন্ধু ডিপ্লোমেটিক অ্যাওয়ার্ড ফর এক্সিলেন্স
১. কেন সঠিক:
ডিপ্লোমেটিক বা কূটনৈতিক ক্ষেত্রে অসাধারণ অবদান এবং সাফল্যের স্বীকৃতি স্বরূপ ২০২০ সালে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই পদক প্রবর্তন করে।
বাংলাদেশি কূটনীতিক এবং বৈদেশিক মিশনে কর্মরত গুণীজনদের কাজের স্বীকৃতি দিতে এই পুরস্কার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য:
পুরস্কার ও জাতীয় অর্জন: কূটনৈতিক ক্ষেত্রে অবদানের জন্য ২০২০ সালে এই বিশেষ পুরস্কার চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
প্রতিষ্ঠান: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও কূটনীতি পরিচালনার মূল দায়িত্ব পালন করে।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: স্বাধীনতা পদক
ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় বেসামরিক পুরস্কার, যা বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য প্রদান করা হয়।
উদাহরণ ২: একুশে পদক
ব্যাখ্যা: ভাষা আন্দোলন ও সংস্কৃতিতে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ এই পদক দেওয়া হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বঙ্গবন্ধু ডিপ্লোমেটিক অ্যাওয়ার্ড ফর এক্সিলেন্স — এটি ২০২০ সালে প্রবর্তিত সঠিক পুরস্কারের নাম।
B) বঙ্গবন্ধু ডিপ্লোমেটিক এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড — এটি সঠিক নাম নয় কারণ পদের শব্দবিন্যাসে সামান্য ভুল রয়েছে।
C) বাংলাদেশ ডিপ্লোমেটিক অ্যাওয়ার্ড ফর এক্সিলেন্স — এই নামে কোনো সরকারি পুরস্কার প্রবর্তন করা হয়নি।
D) বঙ্গবন্ধু ডিপ্লোমেটিক অ্যাওয়ার্ড — এটি এই পুরস্কারের সংক্ষিপ্ত বা পূর্ণাঙ্গ সঠিক নাম নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
কূটনৈতিক পুরস্কার মনে রাখতে খেয়াল রাখবে এর নামের শুরুতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাম এবং শেষে এক্সিলেন্স শব্দ যুক্ত আছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পদক হিসেবে এটি কূটনৈতিক অঙ্গনের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাম্প্রতিক বা বিশেষ অর্জন সংক্রান্ত প্রশ্ন হিসেবে এটি আসে।
এই ধরনের প্রশ্ন থেকে পদক চালুর সাল এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) ১৫ জুন থেকে ২১ জুন, ২০২২
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করার মূল কারণ হলো ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা এই নির্দিষ্ট তারিখেই দেশব্যাপী সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছিল।
- এটি ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম ডিজিটাল জনশুমারি, যেখানে কাগজের পরিবর্তে ট্যাবলেটের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করা হয়।
২. জনসংখ্যা, জনগণনা ও জনমিতি:
- ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯৭৪ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সরকার প্রথম স্বাধীন বাংলাদেশে জনশুমারি গ্রহণ করে।
- ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) এই বিশাল কর্মযজ্ঞ পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন করে থাকে।
- তাৎপর্য ও ফলাফল: এই শুমারির মাধ্যমে দেশের মোট জনসংখ্যা, খানা বা পরিবারের সংখ্যা এবং মৌলিক socioeconomic উপাত্ত পাওয়া যায়।
- সংশ্লিষ্ট তথ্য: এই শুমারি অনুযায়ী বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন নির্ধারিত হয়।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পঞ্চম জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০১১
ব্যাখ্যা: ২০১১ সালের ১৫ থেকে ২১ মার্চ এই শুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছিল, যা জানলে পরীক্ষার্থী দুটি শুমারির সময়ের পার্থক্য বুঝতে পারবে।
উদাহরণ ২: জনশুমারি পরিচালনার প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)
ব্যাখ্যা: বিবিএস পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীন কাজ করে, যা জাতীয় পরিসংখ্যানের নির্ভরযোগ্য উৎস হিসেবে কাজ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১০ জুন থেকে ১৬ জুন, ২০২২ — এই তারিখে শুমারি শুরু হয়নি কারণ মূল কার্যক্রম শুরু হয়েছিল ১৫ জুন থেকে।
B) ১৫ জুন থেকে ২১ জুন, ২০২২ — এটি সঠিক তারিখ এবং এই সময়েই দেশব্যাপী তথ্য সংগ্রহ করা হয়।
১৫ জুলাই থেকে ২১ জুলাই, ২০২২ — এই সময়ে শুমারি অনুষ্ঠিত হয়নি কারণ এর আগেই জুনের মধ্যে মাঠপর্যায়ের কাজ শেষ হয়।
D) ২০ জুলাই থেকে ২৬ জুলাই, ২০২২ — এটি ভুল তারিখ এবং এই সময়ের সঙ্গে জনশুমারির কোনো সংযোগ নেই।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ২০২২ সালের জুন মাসের মাঝামঝি সময়ে অর্থাৎ ১৫ থেকে ২১ তারিখের মধ্যে ষষ্ঠ জনশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
- মনে রাখতে হবে প্রথম ডিজিটাল শুমারিটি ২০২২ সালেই সম্পন্ন হয়েছিল।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ষষ্ঠ জনশুমারির স্লোগান ছিল জনশুমারিতে তথ্য দিন, আপনার উন্নয়নে অংশ নিন।
- একই বিষয় থেকে পরীক্ষক প্রশ্ন করতে পারেন প্রথম জনশুমারি কত সালে অনুষ্ঠিত হয় বা বিবিএস কোন মন্ত্রণালয়ের অধীন।
সঠিক উত্তর: B) মৌলভীবাজার
কেন সঠিক:
বাংলাদেশের মৌলভীবাজার জেলায় মনিপুরী ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জনসংখ্যা সবচেয়ে বেশি বাস করে।
বিশেষ করে এই জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার মাধবপুর ও আদমপুর এলাকায় মনিপুরী সম্প্রদায়ের মানুষের ঘনবসতি রয়েছে।
বাংলাদেশ তথ্য:
সংবিধান ও ইতিহাস প্রসঙ্গ: বাংলাদেশের সংবিধানে দেশের সকল ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সংস্কৃতি ও ভাষার সংরক্ষণের কথা বলা হয়েছে।
তারিখ ও স্থান: সিলেটের শ্রীমঙ্গল ও মৌলভীবাজার অঞ্চলে ব্রিটিশ আমল থেকেই মনিপুরী সম্প্রদায়ের মানুষ বসতি স্থাপন করে আসছে।
তাৎপর্য: মনিপুরী সম্প্রদায়ের বিখ্যাত রাসলীলা উৎসব বাংলাদেশের সংস্কৃতির এক অনন্য ও গৌরবোজ্জ্বল ঐতিহ্য হিসেবে পরিচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সিলেট — এই জেলায় মনিপুরী জনগোষ্ঠীর কিছু মানুষ বাস করলেও মৌলভীবাজারের মতো এত বেশি সংখ্যায় নয়।
B) সঠিক উত্তর — এই অপশনটি প্রশ্নানুসারে সঠিক হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই।
C) হবিগঞ্জ — এই জেলায় মনিপুরী ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মানুষের বসবাস খুবই কম এবং তারা প্রধানত অন্য এলাকায় থাকে।
D) সুনামগঞ্জ — সুনামগঞ্জ জেলায় মনিপুরী সম্প্রদায়ের মানুষের উল্লেখযোগ্য কোনো স্থায়ী বসতি বা জনসংখ্যা নেই।
মনে রাখার টিপস:
মৌলভীবাজারের চা বাগান এবং কমলগঞ্জের বিখ্যাত মনিপুরী রাসলীলা উৎসবের কথা মনে রাখলেই উত্তরটি সহজে মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: C) ১১ (এগার) টি
১. কেন সঠিক:
- ভৌগোলিক নির্দেশক বা জিআই পণ্য হলো কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চলের উৎপাদিত বা প্রক্রিয়াজাত পণ্য, যা সেই এলাকার ঐতিহ্য ও স্বাতন্ত্র্য বহন করে।
- প্রশ্নটিতে প্রদত্ত সংখ্যাটি সাম্প্রতিক সময়ের সরকারি নিবন্ধন অনুযায়ী নির্ধারিত হয়েছে, যা বাংলাদেশের ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্যের স্বীকৃতি নির্দেশ করে।
২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য:
তাৎপর্য ও ফলাফল: জিআই পণ্যের স্বীকৃতি আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী পণ্যের অধিকার রক্ষা এবং পণ্যের ব্র্যান্ডিংয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
আইন ও প্রতিষ্ঠান: বাংলাদেশে ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য নিবন্ধন আইন ২০১৩ পাস হয় এবং শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন প্যাটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর এই স্বীকৃতি প্রদান করে।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জামদানি শাড়ি
ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের প্রথম নিবন্ধিত জিআই পণ্য, যা আমাদের তাঁতশিল্পের ঐতিহ্যকে বিশ্ববাসীর কাছে তুলে ধরে।
উদাহরণ ২: ইলিশ মাছ
ব্যাখ্যা: ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য হিসেবে ইলিশের স্বীকৃতি আমাদের জাতীয় মাছের ভৌগোলিক স্বাতন্ত্র্য রক্ষা ও ভৌগোলিক অধিকার নিশ্চিত করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৯ (নয়) টি — এই সংখ্যাটি বর্তমান নিবন্ধিত পণ্যের সঠিক হিসাব নয়, এটি একটি পুরনো বা অবমূল্যায়িত পরিসংখ্যান।
B) ১০ (দশ) টি — এই সংখ্যাটি জিআই পণ্যের মোট অর্জনের প্রকৃত তালিকার সঙ্গে মিলে না, তাই এটি ভুল।
C) ১১ (এগার) টি — এটি বর্তমান তালিকা অনুযায়ী সঠিক নিবন্ধিত ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্যের সংখ্যা।
D) ১২ (বার) টি — এই সংখ্যাটি অতিরিক্ত ধরা হয়েছে, যা প্রকৃত জিআই পণ্যের সংখ্যার চেয়ে বেশি।
৫. মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশের প্রথম জিআই পণ্য জামদানি এবং মোট জিআই পণ্যের স্বীকৃতি অর্জিত হয়েছে এগারটি, যা একটি জোড় সংখ্যার আগের বিজোড় সংখ্যা হিসেবে মনে রাখা সহজ।
নিয়মিত প্রকাশিত সরকারি তথ্য বা শিল্প মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন লক্ষ্য করলে এই সংখ্যা মনে রাখা সহজ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলাদেশের প্রথম জিআই পণ্য কোনটি এবং পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর কোন মন্ত্রণালয়ের অধীন, এই দুটি প্রশ্ন প্রায়ই বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
জিআই পণ্যের তালিকা থেকে সাম্প্রতিক পণ্যের নাম এবং তাদের উৎপাদনকারী অঞ্চল সংক্রান্ত প্রশ্নও পরীক্ষায় আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: B) অনুচ্ছেদ : ৩
১. কেন সঠিক:
বাংলাদেশের সংবিধানের ৩ নম্বর অনুচ্ছেদে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের শহীদদের আত্মত্যাগের স্বীকৃতি এবং বাঙালি জাতির সাংস্কৃতিক স্বাধিকারের প্রধান প্রতীক হিসেবে এই বিধান সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
২. সংবিধান ও আইন:
সংবিধান ও আইন: ১৯৭২ সালের মূল সংবিধানে রাষ্ট্রভাষার বিষয়টি অনুচ্ছেদ ৩-এ অন্তর্ভুক্ত করা হয় এবং এটি প্রজাতন্ত্রের মৌলিক কাঠামোর একটি অংশ।
তাৎপর্য ও ফলাফল: এই অনুচ্ছেদের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় ও দাপ্তরিক কাজে বাংলার ব্যবহার নিশ্চিত করা হয়েছে এবং এটি বাঙালি জাতীয়তাবাদের মূল ভিত্তি।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাংলা একাডেমি আইন
ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষার উন্নয়ন ও গবেষণার জন্য ১৯৭২ সালে বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয় যা এই সাংবিধানিক মর্যাদাকে বাস্তবায়ন করতে সহায়তা করে।
উদাহরণ ২: আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস
ব্যাখ্যা: একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার পেছনে অনুচ্ছেদ ৩-এর ঐতিহাসিক প্রেরণা ও বাংলা ভাষার সংগ্রামের গুরুত্ব রয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অনুচ্ছেদ : ২ — এই অনুচ্ছেদে প্রজাতন্ত্রের সীমানা সম্পর্কে বলা হয়েছে, যা রাষ্ট্রভাষা সম্পর্কিত নয়।
B) অনুচ্ছেদ : ৩ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই অনুচ্ছেদেই প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা হিসেবে স্পষ্টভাবে নির্ধারিত হয়েছে।
C) অনুচ্ছেদ : ৪ — এই অনুচ্ছেদে প্রজাতন্ত্রের জাতীয় সংগীত, পতাকা ও লোগো সম্পর্কে বলা হয়েছে।
D) অনুচ্ছেদ : ৫ — এই অনুচ্ছেদে প্রজাতন্ত্রের রাজধানী সম্পর্কে বলা হয়েছে, যার সাথে ভাষার কোনো সম্পর্ক নেই।
৫ মনে রাখার টিপস:
সংবিধানের প্রথম ভাগে রাষ্ট্রের মৌলিক নীতিমালা ও প্রতীক নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
ভাষা মানুষের মুখের তিন অক্ষরের শব্দ, তাই এটি মনে রাখতে অনুচ্ছেদ ৩ এর সাথে মিলিয়ে পড়বে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলাদেশের সংবিধানে রাষ্ট্রভাষা বাংলা কোন অনুচ্ছেদে আছে তা বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগে বারবার আসে।
সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২ থেকে ৫ পর্যন্ত রাষ্ট্রের মূল প্রতীক ও পরিচয় বহন করে, তাই এগুলো একসাথে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: D) সপ্তম তফসিল
১. কেন সঠিক:
- ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ বাংলাদেশের সংবিধানের সপ্তম তফসিলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
- ২০১১ সালে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে এই ঐতিহাসিক ভাষণটি সংবিধানের সংযুক্তি হিসেবে সপ্তম তফসিলে স্থান পায়।
২. সংবিধান ও আইন:
- সংবিধানের ১৫০ অনুচ্ছেদের (২) উপ-অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী ৭ মার্চের ভাষণ সপ্তম তফসিলে সন্নিবেশিত হয়েছে।
- পঞ্চদশ সংশোধনী ২০১১ সালের ৩০ জুন জাতীয় সংসদে পাস হয় এবং সংবিধানে ঐতিহাসিক দলিল ও ভাষণের স্বীকৃতি নিশ্চিত করা হয়।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চের স্বাধীনতার ঘোষণা।
ব্যাখ্যা: স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রটিও সংবিধানের ষষ্ঠ তফসিলে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে যা আমাদের স্বাধীনতার দলিল।
উদাহরণ ২: ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল গঠিত প্রথম অস্থায়ী সরকার।
ব্যাখ্যা: এই সরকারের শপথ গ্রহণ এবং স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র আমাদের সাংবিধানিক ও ঐতিহাসিক চেতনার মূল ভিত্তি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চতুর্থ তফসিল — এটি ১৯৭২ সালের সংবিধানের প্রারম্ভিক পর্যায়ের কিছু ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানের সাথে সম্পর্কিত।
B) পঞ্চম তফসিল — এটি সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী সম্পর্কিত, যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয় বরং অপশনে ভুল দেওয়া ছিল।
C) ষষ্ঠ তফসিল — এটি ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ প্রদত্ত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের সাথে সম্পর্কিত।
D) সপ্তম তফসিল — এটি ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের অন্তর্ভুক্তির জন্য পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানে যুক্ত করা হয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ছয় মানে ছয় দফা বা স্বাধীনতার ঘোষণা আর সাত মানে সাতই মার্চের ভাষণ।
- সংবিধানে ৭ মার্চের ভাষণ আছে সপ্তম তফসিলে, সংখ্যা মিলিয়ে খুব সহজেই এটি মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- পঞ্চদশ সংশোধনী ২০১১ সালের মাধ্যমে সংবিধানে ৭ মার্চ ও ২৬ মার্চের ঘোষণা যুক্ত করা হয়।
- এই ধরনের প্রশ্ন সাধারণত বিসিএস ও ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় সংবিধানের তফসিল সম্পর্কিত অংশে বারবার আসে।
সঠিক উত্তর: D) সুপ্রীম কোর্ট
১. কেন সঠিক:
বাংলাদেশের সংবিধানের ১০৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সুপ্রীম কোর্ট একটি কোর্ট অব রেকর্ড বা অভিলেখ আদালত হিসেবে গণ্য হয়। এই আদালতের সকল রায় ও আদেশ সংরক্ষিত থাকে এবং তা পরবর্তীতে নিম্ন আদালতের জন্য দৃষ্টান্ত হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
২. সংবিধান ও আইন:
সংবিধানের ১০৮ অনুচ্ছেদে সুপ্রীম কোর্টের অভিলেখ আদালত হওয়ার বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে আদালত অবমাননার জন্য শাস্তি দেওয়ার ক্ষমতাও সুপ্রীম কোর্টের হাতে ন্যস্ত থাকে।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সুপ্রীম কোর্টের রায়
ব্যাখ্যা: দেশের যেকোনো উচ্চ আদালতের গুরুত্বপূর্ণ রায় বা আদেশ পরবর্তীতে দেশের অন্যান্য আদালত আইন হিসেবে অনুসরণ করে।
উদাহরণ ২: আদালত অবমাননার মামলা
ব্যাখ্যা: সুপ্রীম কোর্টের আদেশ অমান্য করলে এই আদালতের মাধ্যমেই আদালত অবমাননার বিচার ও শাস্তির ব্যবস্থা করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লেবার কোর্ট — এটি শ্রমিক ও মালিকপক্ষের বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য গঠিত বিশেষ আদালত, যা সংবিধান অনুযায়ী কোর্ট অব রেকর্ড নয়।
B) জজ কোর্ট — এটি জেলার প্রধান ফৌজদারি ও দেওয়ানি আদালত, যা সুপ্রীম কোর্টের অধিনস্থ এবং কোর্ট অব রেকর্ড হিসেবে গণ্য নয়।
C) হাই কোর্ট — এটি সুপ্রীম কোর্টের একটি বিভাগ মাত্র, একা সম্পূর্ণ সুপ্রীম কোর্ট বোঝায় না।
D) সুপ্রীম কোর্ট — এটি সঠিক উত্তর কারণ সংবিধানের ১০৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সুপ্রীম কোর্টের উভয় বিভাগই কোর্ট অব রেকর্ড।
৫ মনে রাখার টিপস:
সংবিধানের ১০৮ অনুচ্ছেদ মনে রাখতে ১০৮ সংখ্যাটি মাথায় রাখুন যা সুপ্রীম কোর্টের রেকর্ড রাখার ক্ষমতার সঙ্গে সম্পর্কিত। হাইকোর্ট ও আপিল বিভাগ নিয়ে গঠিত সুপ্রীম কোর্টই একমাত্র কোর্ট অব রেকর্ড।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সংবিধানের অনুচ্ছেদ সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। তাই সুপ্রীম কোর্টের ক্ষমতা সম্পর্কিত ১০৮ অনুচ্ছেদ ভালোভাবে মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) ৮ (আট) টি
১. কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, দারিদ্র্য বিমোচন ও সম্পদ বণ্টনের লক্ষ্য নিয়ে ধারাবাহিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়েছে।
- পরিকল্পনা কমিশন দেশের সার্বিক উন্নয়নের জন্য নির্দিষ্ট মেয়াদী পরিকল্পনা তৈরি করে থাকে, যার মধ্যে পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা অন্যতম।
২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য:
- ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: স্বাধীনতার পর ১৯৭৩ সালে প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা শুরু হয় এবং বর্তমানে অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা বাস্তবায়নাধীন রয়েছে।
- প্রতিষ্ঠান: পরিকল্পনা কমিশন দেশের দীর্ঘমেয়াদি ও পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা প্রণয়নের মূল দায়িত্ব পালন করে থাকে।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা
ব্যাখ্যা: ১৯৭৩ থেকে ১৯৭৮ সাল পর্যন্ত মেয়াদী এই পরিকল্পনাটির মূল লক্ষ্য ছিল যুদ্ধবিধ্বস্ত অর্থনীতি পুনর্গঠন করা।
উদাহরণ ২: অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা
ব্যাখ্যা: ২০২০ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত মেয়াদী এই পরিকল্পনাটি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের ওপর গুরুত্ব দিয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৬ (ছয়) টি — এটি ভুল কারণ বাংলাদেশের পরিকল্পনা কমিশনের তথ্য অনুযায়ী ইতোমধ্যে আটটি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
B) ৭ (সাত) টি — এটি ভুল কারণ সপ্তম পঞ্চবার্ষিকীর পর আরও একটি নতুন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
C) ৮ (আট) টি — এটি সঠিক কারণ স্বাধীনতার পর থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত মোট আটটি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
D) ৯ (নয়) টি — এটি ভুল কারণ বর্তমানে নবম কোনো পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত হয়নি।
৫ মনে রাখার টিপস:
- স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম পঞ্চবার্ষিকী শুরু হয় ১৯৭৩ সালে এবং বর্তমান পর্যন্ত মোট আটটি পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়েছে। সংখ্যাটি মনে রাখতে প্রথম ও বর্তমান পরিকল্পনার ধারাবাহিকতা খেয়াল রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- পরিকল্পনা কমিশনের চেয়ারম্যান কে তা প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। প্রধানমন্ত্রী পরিকল্পনা কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
সঠিক উত্তর: B) ৫ (পাঁচ) টি
১. কেন সঠিক:
- সুন্দরবন বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত বিশ্বের বৃহত্তম একক ম্যানগ্রোভ বন।
- প্রশাসনিকভাবে এই বনটি বাংলাদেশের ৫ টি জেলার সীমানা জুড়ে বিস্তৃত রয়েছে।
২. ভৌগোলিক অবস্থান ও জেলাসমূহ:
- ভৌগোলিক অবস্থান: সুন্দরবন খুলনা বিভাগের খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা এবং বরিশাল বিভাগের বরগুনা ও পটুয়াখালী জেলার অংশ বিশেষ জুড়ে বিস্তৃত।
- সংশ্লিষ্ট জেলা: সুন্দরবনের আওতাধীন ৫ টি জেলা হলো খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, বরগুনা এবং পটুয়াখালী।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: খুলনা জেলা
ব্যাখ্যা: খুলনার পাইকগাছা, কয়রা ও ডুমুরিয়া উপজেলার বিস্তীর্ণ অঞ্চল সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য ও বনভূমির সাথে সরাসরি যুক্ত।
উদাহরণ ২: বাগেরহাট জেলা
ব্যাখ্যা: সুন্দরবনের বিখ্যাত শরণখোলা রেঞ্জ ও ঐতিহাসিক ষাট গম্বুজ মসজিদের এই জেলাটি সুন্দরবনের অর্ধাংশের বেশি অংশ ধারণ করে আছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৪ (চার) টি — সুন্দরবন কেবল ৪ টি জেলায় সীমাবদ্ধ নয়, কারণ এর পরিধি ৫ টি জেলাজুড়ে বিস্তৃত।
B) ৫ (পাঁচ) টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ সুন্দরবন খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, বরগুনা ও পটুয়াখালী এই ৫ টি জেলার সীমানায় অবস্থিত।
C) ৬ (ছয়) টি — বাংলাদেশে সুন্দরবনের সাথে সরাসরি সংযুক্ত জেলার সংখ্যা ৬ টি নয়, সঠিক সংখ্যা ৫ টি।
D) ৭ (সাত) টি — ৭ টি জেলার সাথে সুন্দরবনের কোনো প্রশাসনিক সংযোগ নেই, এটি ভুল তথ্য।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সুন্দরবনের ৫ টি জেলা মনে রাখার সহজ উপায় হলো খুলনা অঞ্চলের ৩ টি (খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা) এবং বরিশাল অঞ্চলের ২ টি (বরগুনা, পটুয়াখালী)।
- সুন্দরবন মূলত খুলনা ও বরিশাল বিভাগে অবস্থিত, ঢাকা বা চট্টগ্রাম বিভাগে নয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সুন্দরবন কোন কোন বিভাগে অবস্থিত তা বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
- সুন্দরবনের আয়তন এবং এর মধ্যে সংরক্ষিত বনাঞ্চলের পরিমাণ থেকেও প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: A) ২ (দুই) নম্বর
১. কেন সঠিক:
মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় ঢাকা শহর ছিল ২ নম্বর সেক্টরের অন্তর্ভুক্ত।
এই সেক্টরের ভৌগোলিক পরিধি ছিল ঢাকা, কুমিল্লা, নোয়াখালী এবং ফরিদপুর ও ময়মনসিংহের কিছু অংশ নিয়ে।
২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য:
মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর ও সেক্টর কমান্ডার:
১৯৭১ সালের ১১ জুলাই অনুষ্ঠিত সেক্টর কমান্ডারস কনফারেন্সে সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করা হয়।
২ নম্বর সেক্টরের প্রথম সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর খালেদ মোশাররফ এবং পরবর্তীতে মেজর এ টি এম হায়দার দায়িত্ব পালন করেন।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মেজর খালেদ মোশাররফ
ব্যাখ্যা: তিনি ২ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং তার অধীনেই ঢাকা শহরে ও এর আশপাশে গেরিলা যুদ্ধ পরিচালিত হয়।
উদাহরণ ২: অপারেশন জ্যাকপট
ব্যাখ্যা: এটি ১৯৭১ সালের আগস্ট মাসে ২ নম্বর সেক্টরের অধীন নৌ-কমান্ডোদের পরিচালিত একটি ঐতিহাসিক সফল অপারেশন ছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২ (দুই) নম্বর — এটি সঠিক উত্তর কারণ ঢাকা শহর এই সেক্টরের অধীনে ছিল।
B) ৩ (তিন) নম্বর — এই সেক্টরের অধীনে ছিল হবিগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও ময়মনসিংহের কিছু অংশ।
C) ৪ (চার) নম্বর — এই সেক্টরের অন্তর্ভুক্ত ছিল সিলেট জেলা এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও হবিগঞ্জের কিছু অংশ।
D) ৫ (পাঁচ) নম্বর — এই সেক্টরের অধীনে ছিল রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া এবং নাটোর জেলা।
৫ মনে রাখার টিপস:
ঢাকা মানে দুই নম্বর সেক্টর, এটি মনে রাখার জন্য ঢাকা ও দুই শব্দ দুটি একসঙ্গে মনে রাখতে পারো।
মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর মোট ১১টি এবং নৌপথের জন্য আলাদা সেক্টর ছিল ১০ নম্বর।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ঢাকা শহর কোন সেক্টরে ছিল তা বিসিএস পরীক্ষায় বারবার আসে।
একই বিষয় থেকে সেক্টর কমান্ডার এবং সাব-সেক্টর সংক্রান্ত প্রশ্নও পরীক্ষায় থাকতে পারে।
সঠিক উত্তর: A) ২ মার্চ, ২০২২
১. কেন সঠিক:
- ২০২২ সালের ২ মার্চ তারিখে মন্ত্রিসভার বৈঠকে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানকে বাংলাদেশের জাতীয় স্লোগান হিসেবে অনুমোদন দেওয়া হয়।
- পরবর্তীতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এসংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয় এবং সাংবিধানিক পদাধিকারী ব্যক্তিসহ সব সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীকে রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে এই স্লোগান ব্যবহার করতে বলা হয়।
২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও তাৎপর্য:
- ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে বাঙালি জাতির মূল অনুপ্রেরণা ও মুক্তির মন্ত্র ছিল জয় বাংলা স্লোগান।
- তাৎপর্য ও ফলাফল: দীর্ঘ আইনি লড়াই ও দাবির পর এই অনুমোদনের মাধ্যমে ঐতিহাসিক স্লোগানটি তার রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিক স্বীকৃতি লাভ করে।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে ঐতিহাসিক ভাষণের শেষে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে তাঁর ভাষণ শেষ করেছিলেন।
ব্যাখ্যা: এই স্লোগানটি সেদিন পরাধীন বাঙালি জাতিকে স্বাধীনতার মন্ত্রে উজ্জীবিত করেছিল এবং যুদ্ধের পুরো সময় এটি আমাদের প্রেরণা ছিল।
উদাহরণ ২: রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন অনুষ্ঠানে সাংবিধানিক পদধারীদের জয় বাংলা স্লোগান বলা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
ব্যাখ্যা: এটি দেশের প্রতিটি নাগরিককে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২ মার্চ, ২০২২ — এই তারিখে বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রিসভা বৈঠকে জয় বাংলা স্লোগানকে জাতীয় স্লোগান হিসেবে আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দেওয়া হয়।
B) ৩ মার্চ, ২০২২ — এটি ভুল তারিখ কারণ মন্ত্রিসভার ঐতিহাসিক অনুমোদন সভাটি এর আগের দিন অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
C) ৪ মার্চ, ২০২২ — এই তারিখে কোনো নতুন মন্ত্রিসভা বৈঠক বা জাতীয় স্লোগান সংক্রান্ত সরকারি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়নি।
D) ৫ মার্চ, ২০২২ — এই তারিখটি সঠিক নয় কারণ এর তিন দিন আগেই মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি সম্পন্ন হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- অসহযোগ আন্দোলনের ঐতিহাসিক ২ মার্চ তারিখের সঙ্গে মিল রেখে ২০২২ সালের ২ মার্চ জয় বাংলা স্লোগানকে জাতীয় স্লোগান হিসেবে অনুমোদন দেওয়া হয়।
- মার্চ মাস বাঙালির স্বাধীনতার মাস, আর ২ মার্চ হলো সেই বিশেষ দিন যেদিন ঐতিহাসিক স্লোগানটি রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- জাতীয় স্লোগান ঘোষণার তারিখ এবং সংশ্লিষ্ট প্রজ্ঞাপন জারি সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
- একই বিষয় থেকে স্লোগানের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা বা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রজ্ঞাপনের তারিখ নিয়েও প্রশ্ন হতে পারে।
সঠিক উত্তর: C) ৮ এপ্রিল ১৯৭২
১. কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (Bangladesh Public Service Commission) একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান, যা ১৯৭২ সালের ৮ এপ্রিল গঠিত হয়।
- দেশের সরকারি চাকুরিতে উপযুক্ত ও মেধাবী প্রার্থী বাছাই করার জন্য এই স্বাধীন ও নিরপেক্ষ কমিশন প্রতিষ্ঠা করা হয়।
২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য:
- ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সংবিধানে প্রজাতন্ত্রের কর্ম কমিশন গঠনের বিধান রাখা হয়।
- সংবিধান ও আইন: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১৩৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সরকারি কর্ম কমিশন গঠনের ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বিসিএস) পরীক্ষা।
ব্যাখ্যা: এই কমিশন প্রতি বছর বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে প্রথম শ্রেণির সরকারি কর্মকর্তা নিয়োগের জন্য সুপারিশ করে থাকে।
উদাহরণ ২: সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে নির্বাচন কমিশন।
ব্যাখ্যা: এটিও বাংলাদেশ সংবিধান দ্বারা গঠিত একটি স্বাধীন প্রতিষ্ঠান, যা সরকারি কর্ম কমিশনের মতোই সাংবিধানিক মর্যাদা ভোগ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৬ এপ্রিল ১৯৭২ — এই তারিখে বাংলাদেশের সরকারি কর্ম কমিশন গঠিত হয়নি, এটি ভুল তারিখ।
B) ৭ এপ্রিল ১৯৭২ — এই তারিখটি বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন গঠনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
C) ৮ এপ্রিল ১৯৭২ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দিনেই বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন আনুষ্ঠানিকভাবে গঠিত হয়।
D) ৯ এপ্রিল ১৯৭২ — এই তারিখে অন্য কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটতে পারে, তবে এটি কমিশন গঠনের তারিখ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম বছর অর্থাৎ ১৯৭২ সালের এপ্রিল মাসের আট তারিখে সরকারি কর্ম কমিশন গঠিত হয়।
- সাল মনে রাখার কৌশল হিসেবে মনে রাখতে পারো দেশ স্বাধীন হওয়ার পরের বছরই এই কমিশন যাত্রা শুরু করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোর গঠনের তারিখ ও সাল জানতে চাওয়া হয়।
- এই প্রশ্নটি থেকে সংবিধানের ১৩৭ অনুচ্ছেদ এবং পিএসসি গঠনের সঠিক সাল সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায়।
সঠিক উত্তর: A) ২০১৩ সালে
১. কেন সঠিক:
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ড করদাতাদের সেবা সহজতর করতে এবং কর ফাঁকি রোধ করতে ২০১৩ সালে ইলেকট্রনিক করদাতা শনাক্তকরণ নম্বর বা ই-টিন চালু করে।
- এই ব্যবস্থার মাধ্যমে ঘরে বসে ইন্টারনেটের মাধ্যমে খুব দ্রুত এবং সহজে নতুন টিন সার্টিফিকেট পাওয়া সম্ভব হয়েছে।
২. অর্থনীতি, শিল্প, অর্থনীতি ও উন্নয়ন:
- ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: কাগজের টিন সনদের পরিবর্তে আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহারের অংশ হিসেবে ২০১৩ সালের ১ জুলাই থেকে অনলাইনভিত্তিক ই-টিন ব্যবস্থা আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করা হয়।
- প্রতিষ্ঠান: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের অধীন জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বা এনবিআর এই সেবাটি পরিচালনা করে থাকে।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ই-পাসপোর্ট সেবা
ব্যাখ্যা: কর ব্যবস্থার পাশাপাশি সরকারি সেবাকে ডিজিটাল করার জন্য বাংলাদেশ সরকার পরবর্তীতে ই-পাসপোর্ট সেবা চালু করে, যা নাগরিকদের পাসপোর্ট প্রাপ্তি সহজ করেছে।
উদাহরণ ২: অনলাইন ভ্যাট নিবন্ধন
ব্যাখ্যা: ই-টিন চালুর ধারাবাহিকতায় ব্যবসায়ীদের জন্য অনলাইনে মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করা হয়, যা রাজস্ব আদায়ে স্বচ্ছতা এনেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২০১৩ সালে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে ই-টিন পদ্ধতি চালু করা হয়েছিল।
B) ২০১৪ সালে — এটি ভুল কারণ এর আগেই ২০১৩ সালে ই-টিন কার্যক্রম শুরু হয়ে গিয়েছিল।
C) ২০১৫ সালে — এটি ভুল কারণ ২০১৫ সালের অনেক আগেই আধুনিক ডিজিটাল টিন ব্যবস্থা চালু হয়।
D) ২০১৬ সালে — এটি ভুল কারণ ২০১৬ সাল ই-টিন চালুর সাল নয়, বরং এর আগের বছরগুলোতে এই সেবা পূর্ণতা লাভ করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ২০১৩ সালে প্রথম বাংলাদেশে আধুনিক ডিজিটাল ই-টিন চালু হয়।
- ৩ এর সাথে ১৩ মিলিয়ে সালটি সহজে মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এনবিআর বা জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের পূর্ণরূপ এবং এর কার্যক্রম সম্পর্কে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসতে পারে।
- কর ব্যবস্থার ডিজিটালাইজেশন সম্পর্কিত প্রশ্নগুলো ব্যাংক নিয়োগ ও বিসিএস পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: B) ২০১২ সালে
১. কেন সঠিক:
- মানি লন্ডারিং বা মুদ্রাপাচার একটি মারাত্মক আর্থিক অপরাধ। এই অপরাধ রোধে এবং অবৈধ অর্থের উৎস সন্ধান ও বাজোপ্ত করার উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ সরকার ২০১২ সালে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন প্রবর্তন করে।
- আন্তর্জাতিক মানদণ্ড রক্ষা এবং অর্থ পাচার রোধকারী আন্তর্জাতিক সংস্থা এশিয়া প্যাসিফিক গ্রুপের সুপারিশ বাস্তবায়নে এই আইন প্রণয়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল।
২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য:
- আইন ও প্রশাসন: এই আইনের অধীনে গঠিত বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট আর্থিক খাতের সন্দেহজনক লেনদেন মনিটরিং ও বিশ্লেষণ করে থাকে।
- তাৎপর্য ও ফলাফল: এই আইন প্রণয়নের ফলে দেশের ব্যাংকিং ও আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা ফিরে আসে এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বাংলাদেশের অবস্থান শক্তিশালী হয়।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট
ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশ ব্যাংকের অধীনে পরিচালিত একটি স্বতন্ত্র ইউনিট যা মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসী অর্থায়ন প্রতিরোধে কাজ করে।
উদাহরণ ২: দুর্নীতি দমন কমিশন
ব্যাখ্যা: মানি লন্ডারিং মামলার তদন্ত ও আইনি পদক্ষেপ গ্রহণে দুর্নীতি দমন কমিশন এই আইনের আওতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২০১১ সালে — এই সালে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন প্রণীত হয়নি, তবে এর আগের ২০০৯ সালের আইনের সংস্কারের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল।
B) ২০১২ সালে — এটি সঠিক উত্তর। এই সালেই মূল মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন জাতীয় সংসদে পাস হয়।
C) ২০১৩ সালে — এই সালে এই আইনের কিছু ধারা সংশোধন করা হয়েছিল কিন্তু আইনটি এই সালের নয়।
D) ২০১৪ সালে — এই সালে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন সংশোধনের মাধ্যমে আরও কঠোর বিধান যুক্ত করা হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২ সালে পাস হয়। মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারেন বর্তমান আইনের মূল কাঠামোটি ২০১২ সালের।
- অপরাধ দমনের এই গুরুত্বপূর্ণ আইনটি তত্ত্বাবধায়ক সরকার কিংবা পরবর্তী রাজনৈতিক সরকারের সময়ে বেশ আলোচিত ছিল।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও ব্যাংকিং পরীক্ষার জন্য মানি লন্ডারিং আইনের সাল এবং এর প্রয়োগকারী সংস্থা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা আবশ্যক।
- একই বিষয় থেকে ব্যাংকিং খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের ভূমিকা সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: D) ময়মনসিংহ
১. কেন সঠিক:
- ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে দেশের সর্ববৃহৎ সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র বা পিভি পাওয়ার প্ল্যান্ট অবস্থিত।
- এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি থেকে জাতীয় গ্রিডে পরিবেশবান্ধব বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয় যা নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতের একটি মাইলফলক।
২. বাংলাদেশ বিষয়াবলী তথ্য:
- অর্থনৈতিক অবকাঠামো: দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমাতে এই ধরনের সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান: প্রাইভেট সেক্টর এবং সরকারি উদ্যোগে ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে এই বৃহৎ বিদ্যুৎ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তিস্তা সোলার পার্ক, রংপুর।
ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর একটি যা তিস্তা নদীর তীরবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত এবং উত্তরাঞ্চলের বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণে কাজ করছে।
উদাহরণ ২: কাপ্তাই সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র, রাঙ্গামাটি।
ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের প্রথম এবং অন্যতম পুরনো সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র যা জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের পাশাপাশি অতিরিক্ত সৌরশক্তি উৎপাদন করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চট্টগ্রাম — চট্টগ্রাম বাণিজ্যিক ও শিল্পাঞ্চল হলেও দেশের সর্ববৃহৎ সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র এখানে অবস্থিত নয়, যদিও এখানে বিভিন্ন রুফটপ সোলার প্রজেক্ট রয়েছে।
B) ফেনী — ফেনীতে বায়ুবিদ্যুৎ প্রকল্প এবং ছোট আকারের সৌরবিদ্যুৎ উদ্যোগ থাকলেও এটি দেশের সর্ববৃহৎ সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র নয়।
C) নরসিংদী — নরসিংদীতে টেক্সটাইল ও শিল্প কারখানা বেশি থাকলেও দেশের সর্ববৃহৎ সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র হিসেবে এটি পরিচিত নয়।
D) ময়মনসিংহ — ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে দেশের সর্ববৃহৎ সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র অবস্থিত হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ময়মনসিংহ মানেই বড় কিছু; মনে রাখতে পারেন ময়মনসিংহের বৃহৎ ঈশ্বরগঞ্জ সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র দেশের সবচেয়ে বড় সোলার প্ল্যান্ট।
- জেলা হিসেবে ময়মনসিংহের নাম মনে রাখলেই সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সহজ হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন সংক্রান্ত প্রশ্ন বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
- একই বিষয় থেকে দেশের প্রথম সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র বা মোট উৎপাদিত ক্ষমতার পরিমাণ নিয়েও প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: C) চট্টগ্রাম
১. কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ বন গবেষণা কেন্দ্র চট্টগ্রামের ষোলশহরে অবস্থিত।
- এটি দেশের একমাত্র জাতীয় বন গবেষণা প্রতিষ্ঠান যা বন সম্পদ ও বনজ পণ্যের উন্নয়নে গবেষণা পরিচালনা করে।
২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য:
- প্রতিষ্ঠান: বাংলাদেশ বন গবেষণা কেন্দ্র।
- প্রতিষ্ঠার সাল: ১৯৬০ সাল।
- অবস্থান: ষোলশহর, চট্টগ্রাম।
- কার্যক্রম: বন ব্যবস্থাপনা ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে গবেষণা পরিচালনা করা।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাংলাদেশ চা গবেষণা কেন্দ্র।
ব্যাখ্যা: এটি মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে অবস্থিত এবং চা শিল্পের উন্নয়নে কাজ করে।
উদাহরণ ২: বাংলাদেশ মৃত্তিকা সম্পদ ইনস্টিটিউট।
ব্যাখ্যা: এটি ঢাকায় অবস্থিত এবং মাটির উর্বরতা নিয়ে গবেষণা করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাজশাহী — রাজশাহী একটি গুরুত্বপূর্ণ বিভাগীয় শহর হলেও এখানে প্রধান বন গবেষণা কেন্দ্র অবস্থিত নয়।
B) কুমিল্লা — কুমিল্লায় ঐতিহাসিক স্থান ও ময়নামতি বিহার থাকলেও বন গবেষণা কেন্দ্র এখানে নেই।
C) চট্টগ্রাম — চট্টগ্রাম পাহাড়ি অঞ্চল ও বনভিত্তিক গবেষণার জন্য প্রধান কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।
D) গাজীপুর — গাজীপুরে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট এবং বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট অবস্থিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- পাহাড় ও বনাঞ্চল বেশি থাকায় প্রধান বন গবেষণা কেন্দ্র চট্টগ্রামে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
- চট্টগ্রাম বললেই পাহাড় এবং বন গবেষণা কেন্দ্রের কথা মাথায় রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস পরীক্ষায় গবেষণা ইনস্টিটিউট ও এর অবস্থান থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- কোন গবেষণা ইনস্টিটিউট কোথায় অবস্থিত, তা ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) ময়মনসিংহ
১. কেন সঠিক:
- ময়মনসিংহ জেলাকে বাংলাদেশের মৎস্য শিক্ষার রাজধানী বলা হয় কারণ এখানে দেশের প্রধান মৎস্য গবেষণা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো অবস্থিত।
- বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট এবং বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মৎস্যবিজ্ঞান অনুষদ এই অঞ্চলে মৎস্য প্রজাতি উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য:
- প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো: ময়মনসিংহে অবস্থিত বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট দেশের মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ ও নতুন প্রজাতি উদ্ভাবনে কাজ করে।
- তাৎপর্য ও ফলাফল: এই গবেষণাগারের মাধ্যমে দেশীয় প্রজাতির মাছ রক্ষা এবং কৃত্রিম প্রজনন প্রযুক্তি সম্প্রসারণ সম্ভব হয়েছে।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা: এই বিশ্ববিদ্যালয়ের মৎস্যবিজ্ঞান অনুষদ দেশের জন্য দক্ষ মৎস্য বিজ্ঞানী ও গবেষক তৈরি করে।
উদাহরণ ২: বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট, সদর দফতর ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা: এটি দেশের মৎস্য খাতের উন্নয়নে নীতিনির্ধারণী গবেষণা ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন করে থাকে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চাঁদপুর — এটি নদী বন্দর ও ইলিশ উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত হলেও মূল মৎস্য প্রজাতি গবেষণাগার এখানে অবস্থিত নয়।
B) ফরিদপুর — এটি পদ্মা নদীর অববাহিকায় অবস্থিত একটি কৃষিপ্রধান জেলা হলেও কেন্দ্রীয় মৎস্য প্রজাতি গবেষণাগার এখানে নেই।
C) ময়মনসিংহ — এটি সঠিক উত্তর।
D) ভোলা — এটি বাংলাদেশের বৃহত্তম দ্বীপ জেলা এবং নদীমাতৃক এলাকা হলেও এখানে কেন্দ্রীয় মৎস্য গবেষণাগার অবস্থিত নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
মৎস্য গবেষণা মানেই ময়মনসিংহ। মনে রাখতে হবে, দেশের প্রধান কৃষি ও মৎস্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো ময়মনসিংহ জেলাতেই কেন্দ্রীভূত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মৎস্য, কৃষি ও বন গবেষণা কেন্দ্রগুলোর সদর দফতর কোথায় তা জানতে চাওয়া হয়। তাই ময়মনসিংহ অঞ্চলের গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলো ভালোভাবে মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: B) প্রাকৃতিক গ্যাস
১. কেন সঠিক:
- প্রাকৃতিক গ্যাস বাংলাদেশের প্রধান খনিজ সম্পদ এবং একে দেশের অর্থনীতির চালিকাশক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- বিদ্যুৎ উৎপাদন, সার কারখানা, শিল্পকারখানা এবং গৃহস্থালি কাজে এর ব্যবহার সর্বাধিক।
২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য:
ভূপ্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদ:
- বাংলাদেশের প্রথম প্রাকৃতিক গ্যাস ক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয় ১৯৫৫ সালে সিলেটের হরিপুরে।
- দেশের অর্থনীতি ও জ্বালানি নিরাপত্তায় প্রাকৃতিক গ্যাসের ভূমিকা অপরিসীম।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তিতাস গ্যাস ক্ষেত্র
ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ ও গুরুত্বপূর্ণ গ্যাস ক্ষেত্র, যা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অবস্থিত এবং দেশের মোট গ্যাস সরবরাহের একটি বড় অংশ যোগান দেয়।
উদাহরণ ২: রূপগঞ্জ ও শ্রীকাইল গ্যাস ক্ষেত্র
ব্যাখ্যা: এগুলো থেকে উৎপাদিত গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়ে দেশের শিল্প ও বিদ্যুৎ খাতের চাহিদা মেটাচ্ছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কয়লা — কয়লা বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ হলেও এটি প্রধান খনিজ সম্পদ নয়।
C) চুনাপাথর — চুনাপাথর সিমেন্ট শিল্পে ব্যবহৃত হয়, যা প্রধান খনিজ সম্পদের তালিকায় দ্বিতীয় বা ততোধিক স্থানে রয়েছে।
D) চীনামাটি — চীনামাটি সিরামিক শিল্পে ব্যবহৃত একটি খনিজ, তবে এটি দেশের প্রধান খনিজ সম্পদ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- জ্বালানি ও অর্থনীতির কথা মাথায় রাখলে গ্যাসই বাংলাদেশের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ।
- ১৯৫৫ সালের হরিপুর আবিষ্কার সালটি মনে রাখলে গ্যাস সম্পর্কিত প্রশ্ন সহজ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রথম গ্যাস ক্ষেত্র আবিষ্কারের সাল এবং স্থান বিসিএস পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
- জ্বালানি খাতের বর্তমান অবস্থা এবং জাতীয় অর্থনীতিতে এর অবদান সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
সঠিক উত্তর: A) প্রাকৃতিক গ্যাস
১. কেন সঠিক:
ইউরিয়া সার উৎপাদনের প্রধান কাঁচামাল হলো প্রাকৃতিক গ্যাস।
প্রাকৃতিক গ্যাস থেকে মূলত হাইড্রোজেন সংগ্রহ করে নাইট্রোজেনের সঙ্গে যুক্ত করে অ্যামোনিয়া তৈরি করা হয় এবং তা থেকেই ইউরিয়া সার উৎপাদিত হয়।
২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য:
কৃষি, শিল্প, অর্থনীতি ও উন্নয়ন: বাংলাদেশের অর্থনীতিতে কৃষি অন্যতম প্রধান খাত এবং কৃষির অন্যতম প্রধান উপকরণ হলো ইউরিয়া সার। দেশের প্রাকৃতিক গ্যাসভিত্তিক ইউরিয়া সার কারখানাগুলো কৃষির উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিতে সরাসরি অবদান রাখছে।
তাৎপর্য ও ফলাফল: বাংলাদেশের প্রাকৃতিক গ্যাস সম্পদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এবং লাভজনক শিল্পভিত্তিক ব্যবহার হলো ইউরিয়া সার উৎপাদন। এর ফলে আমদানিনির্ভরতা হ্রাস পায় এবং খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: যমুনা সার কারখানা লিমিটেড
ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের একটি অন্যতম বৃহৎ রাষ্ট্রায়ত্ত ইউরিয়া সার কারখানা যা সম্পূর্ণভাবে প্রাকৃতিক গ্যাসকে কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার করে ইউরিয়া সার উৎপাদন করে।
উদাহরণ ২: ঘোড়াশাল পলাশ ফার্টিলাইজার পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি
ব্যাখ্যা: এটি দেশের একটি প্রধান সার উৎপাদন কেন্দ্র এবং এটি প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রাপ্যতা নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে দেশের কৃষিখাতের চাহিদা পূরণ করে আসছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রাকৃতিক গ্যাস — এটি সঠিক উত্তর কারণ ইউরিয়া সার উৎপাদনে প্রধান কাঁচামাল হিসেবে এটি ব্যবহৃত হয়।
B) চুনাপাথর — এটি সিমেন্ট শিল্পে কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়, ইউরিয়া সারে নয়।
C) মিথেন গ্যাস — মিথেন হলো প্রাকৃতিক গ্যাসের মূল উপাদান, তবে সরাসরি কাঁচামাল হিসেবে গ্যাসক্ষেত্র থেকে প্রাপ্ত প্রক্রিয়াজাত প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহার করা হয়।
D) ইলমেনাইট — এটি একটি খনিজ যা থেকে টাইটানিয়াম সংগ্রহ করা হয় এবং এটি সার উৎপাদনে ব্যবহৃত হয় না।
৫ মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশের মাটিতে যেমন প্রাকৃতিক গ্যাস সমৃদ্ধ, তেমনি আমাদের কৃষিতে ইউরিয়ার চাহিদাও বেশি। মনে রাখবে, গ্যাসের শক্তিই কৃষির গতি এবং গ্যাসের সাহায্যেই তৈরি হয় ইউরিয়া সার।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ইউরিয়া সার কারখানার প্রধান কাঁচামাল কী এই প্রশ্নটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। পরীক্ষার্থীরা ইউরিয়া সার উৎপাদনে শক্তির উৎস ও কাঁচামালের পার্থক্য ভালোভাবে মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: D) সংবিধান প্রণয়ন
১. কেন সঠিক:
সরকারের তিনটি অঙ্গের মধ্যে বিচার বিভাগ আইন প্রয়োগ ও সংবিধানের ব্যাখ্যা প্রদান করে থাকে।
আইন প্রণয়ন বা সংবিধান প্রণয়ন করার এখতিয়ার কেবল আইনসভা বা সংসদ সদস্যগণের উপর ন্যস্ত থাকে।
২. সংবিধান ও আইন:
বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৬৫ অনুযায়ী দেশের আইনসভা গঠিত হয় যা জাতীয় সংসদ নামে পরিচিত।
জাতীয় সংসদ দেশের জন্য নতুন আইন প্রণয়ন ও সংবিধান সংশোধন বা প্রণয়নের একমাত্র ক্ষমতা রাখে।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জাতীয় সংসদ কর্তৃক সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী পাস করা।
ব্যাখ্যা: সংবিধান প্রণয়ন বা পরিবর্তন কেবল সংসদ করতে পারে, বিচার বিভাগ নয়।
উদাহরণ ২: বিচার বিভাগ কর্তৃক কোনো আইনের বৈধতা পরীক্ষা করা।
ব্যাখ্যা: বিচার বিভাগ আইন প্রণয়ন করে না, বরং প্রণীত আইন সংবিধানসম্মত কি না তা যাচাই করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আইনের প্রয়োগ — এটি বিচার বিভাগের অন্যতম প্রধান কাজ যা আদালতের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।
B) আইনের ব্যাখ্যা — বিচার বিভাগ বিতর্কিত বা অস্পষ্ট আইনের সঠিক ব্যাখ্যা প্রদান করে থাকে।
C) সংবিধানের ব্যাখ্যা — সুপ্রীম কোর্টের আপিল বিভাগ বা সাংবিধানিক বেঞ্চ সংবিধানের চূড়ান্ত ব্যাখ্যা দিয়ে থাকে।
D) সংবিধান প্রণয়ন — এটি বিচার বিভাগের কাজ নয়, বরং আইনসভা বা সংসদ এটি করে থাকে।
৫ মনে রাখার টিপস:
আইন তৈরি করে সংসদ আর সেই আইন প্রয়োগ ও ব্যাখ্যা করে আদালত।
সংবিধান প্রণয়ন এবং সংশোধনীর ক্ষমতা সংসদের হাতে থাকে, বিচার বিভাগের হাতে নয়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
সরকারের অঙ্গ কয়টি এবং কার কি কাজ তা থেকে বিসিএস পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে।
আইন বিভাগ আইন প্রণয়ন করে, শাসন বিভাগ তা বাস্তবায়ন করে এবং বিচার বিভাগ বিচার কার্য পরিচালনা করে।
সঠিক উত্তর: C) ১৯৮৫ সালে
১. কেন সঠিক:
পারিবারিক বিরোধ দ্রুত নিষ্পত্তি এবং নারী ও শিশুদের আইনি অধিকার সুরক্ষার উদ্দেশ্যে এই অধ্যাদেশ জারি করা হয়।
আইনি প্রক্রিয়ায় পারিবারিক জটিলতা দূর করার জন্য বাংলাদেশে প্রথম পৃথক পারিবারিক আদালত প্রতিষ্ঠার আইনি ভিত্তি তৈরি হয়।
২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য:
আইন ও বিচার ব্যবস্থা: পারিবারিক আদালত অধ্যাদেশ ১৯৮৫ সালে জারি করা হয়।
তাৎপর্য ও ফলাফল: এর মাধ্যমে মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ ১৯৬১ এর আওताধীন বিষয়গুলো নিষ্পত্তির জন্য নির্দিষ্ট আদালত ব্যবস্থার সূচনা হয়।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ ১৯৬১
ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশে পারিবারিক বিরোধের ক্ষেত্রে একটি অন্যতম ভিত্তি আইন, যা বিবাহ, তালাক ও ভরণপোষণ সংক্রান্ত বিষয় নিয়ন্ত্রণ করে।
উদাহরণ ২: নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০
ব্যাখ্যা: এটি নারী ও শিশুদের সুরক্ষা প্রদানের জন্য প্রণীত আরেকটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিশেষ আইন, যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৮০ সালে — এই সালে পারিবারিক আদালত সম্পর্কিত কোনো অধ্যাদেশ জারি করা হয়নি, এটি ভুল সাল।
B) ১৯৮১ সালে — এই সালে অন্য কিছু রাজনৈতিক ঘটনা ঘটলেও পারিবারিক আদালত অধ্যাদেশ জারি হয়নি।
D) ১৯৯১ সালে — এই সালে গণতন্ত্র উত্তরণের পর বিভিন্ন আইন সংশোধন হলেও পারিবারিক আদালত অধ্যাদেশ জারি হয়নি।
৫. মনে রাখার টিপস:
১৯৮৫ সালে পারিবারিক আদালত অধ্যাদেশ জারি হয়।
আট (৮) এবং পাঁচ (৫) মিলে হয় পঁচাশি (৮৫), মনে রাখুন পারিবারিক সমস্যা সমাধানে ১৯৮৫ সাল।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
আইন ও বিচার বিভাগ সম্পর্কিত এমন প্রশ্ন বিসিএস ও ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
আইনটি কোন সালে প্রণীত বা কার্যকর হয়েছে, তা ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) খুলনা
১. কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসরদের দ্বারা সংঘটিত নৃশংস হত্যাকাণ্ডের স্মরণে খুলনা শহরে প্রথম 'গণহত্যা যাদুঘর' প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এই যাদুঘরটি মুক্তিযুদ্ধের সময় ঘটে যাওয়া মানবতাবিরোধী অপরাধ ও গণহত্যার ঐতিহাসিক দলিল সংরক্ষণ এবং তরুণ প্রজন্মের কাছে তা তুলে ধরার কাজ করছে।
২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য:
- ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে খুলনা অঞ্চলে সংঘটিত বিভিন্ন গণহত্যার তথ্য ও স্মারক সংরক্ষণ করার উদ্দেশ্যে এই যাদুঘরটি প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- তারিখ ও স্থান: যাদুঘরটি খুলনার দক্ষিণ টুটপাড়া এলাকায় অবস্থিত এবং এটি আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে ২০১৩ সালের ১৭ এপ্রিল।
- ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: ইতিহাসবিদ ও গবেষকদের উদ্যোগে এবং '১৯৭১: গণহত্যা-নির্যাতন আর্কাইভ ও যাদুঘর ট্রাস্ট'-এর ব্যবস্থাপনায় এই প্রতিষ্ঠানটি পরিচালিত হচ্ছে।
- তাৎপর্য ও ফলাফল: এটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সংরক্ষণে এবং গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জনের লড়াইয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা কেন্দ্র হিসেবে কাজ করছে।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর, ঢাকা
ব্যাখ্যা: এটি ঢাকার আগারগাঁওয়ে অবস্থিত বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সংরಕ್ಷণের সবচেয়ে বড় প্রতিষ্ঠান, যা শিক্ষার্থীদের মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে জানতে সাহায্য করে।
উদাহরণ ২: জলপাইহাটি গণহত্যা স্মৃতিসৌধ
ব্যাখ্যা: এটি খুলনার একটি ঐতিহাসিক স্থান, যা তৎকালীন সময়ে পাকিস্তানি বাহিনীর নির্মমতার সাক্ষী এবং এই যাদুঘরের কার্যপরিধির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঢাকা — ঢাকা বাংলাদেশের রাজধানী হলেও মূল 'গণহত্যা যাদুঘর' এখানে অবস্থিত নয়, যদিও ঢাকায় পৃথক মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘর রয়েছে।
B) চট্টগ্রাম — চট্টগ্রাম বাংলাদেশের প্রধান বন্দরনগরী এবং মুক্তিযুদ্ধের ঐতিহাসিক স্থান হলেও এই যাদুঘরটি এখানে অবস্থিত নয়।
C) কুমিল্লা — কুমিল্লা প্রাচীন সমতট অঞ্চলের অংশ এবং ময়নামতির জন্য বিখ্যাত হলেও এই নির্দিষ্ট যাদুঘরটি খুলনায় অবস্থিত।
D) খুলনা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই জেলাতেই দেশের প্রথম গণহত্যা যাদুঘরটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- খুলনায় দেশের প্রথম 'গণহত্যা যাদুঘর' অবস্থিত। এটি মনে রাখতে খুলনা শব্দটির সঙ্গে যাদুঘরের অবস্থান মিলিয়ে নিতে পারো।
- ঢাকার মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘর আর খুলনার গণহত্যা যাদুঘর গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জাদুঘর বা ঐতিহাসিক প্রতিষ্ঠানের অবস্থান প্রায়ই আসে।
- একই বিষয় থেকে প্রশ্ন হতে পারে যে, '১৯৭১: গণহত্যা-নির্যাতন আর্কাইভ ও যাদুঘর' কোথায় অবস্থিত, যার উত্তরও হবে খুলনা।
সঠিক উত্তর: D) ভাস্কর
১. কেন সঠিক:
নভেরা আহমেদ বাংলাদেশের আধুনিক ভাস্কর্য শিল্পের অন্যতম প্রধান পথপ্রকৃৎ। তিনি প্রথাগত ধারার বাইরে গিয়ে আধুনিক শিল্পরীতি ও উপাদানের ব্যবহার শুরু করেন যা তাকে ভাস্কর হিসেবে অনন্য পরিচিতি দেয়।
২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য:
বাংলা সাহিত্য, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও লোকসংস্কৃতি: নভেরা আহমেদ ১৯৩৯ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং দীর্ঘকাল শিল্পচর্চার মাধ্যমে বাংলাদেশের শিল্প আন্দোলনকে সমৃদ্ধ করেন। শহীদ মিনারের প্রথম নকশা প্রণয়নের ক্ষেত্রে হামিদুর রহমানের সঙ্গে তিনি যুক্ত ছিলেন যা আমাদের জাতীয় ইতিহাসে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হামিদুর রহমান
ব্যাখ্যা: তিনি নভেরা আহমেদের সঙ্গে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের মূল নকশা ও পরিকল্পনা তৈরি করেছিলেন।
উদাহরণ ২: নিতুন কুন্ডু
ব্যাখ্যা: তিনি বাংলাদেশের আরেকজন প্রখ্যাত ভাস্কর যিনি স্বাধীনতা স্মারক ভাস্কর্য সাবাশ বাংলাদেশ নির্মাণ করেছেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কবি — নভেরা আহমেদ কবিতা রচনার জন্য পরিচিত নন, তিনি মূলত ত্রিমাত্রিক শিল্পকলা বা ভাস্কর্য নিয়ে কাজ করেছেন।
B) নাট্যকার — নাট্য রচনা বা নাট্যনির্দেশনার সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না, তাঁর মাধ্যম ছিল মাটি ও পাথর।
C) কণ্ঠশিল্পী — তিনি গান বা সংগীতের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না, তাঁর শিল্পকর্মের ক্ষেত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন।
D) ভাস্কর — এটি সঠিক কারণ তিনি বাংলাদেশের আধুনিক ভাস্কর্য শিল্পের অন্যতম প্রধান রূপকার ও স্রষ্টা।
৫. মনে রাখার টিপস:
নভেরা নামটির সঙ্গে শহীদ মিনার ও ভাস্কর্য শব্দটি মনে রাখবে। তিনি শহীদ মিনারের প্রথম নকশাকারদের একজন এবং পেশাগতভাবে ভাস্কর্য চর্চা করতেন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
নভেরা আহমেদের শিল্পকর্ম এবং শহীদ মিনারের প্রথম নকশার ইতিহাস বিসিএস পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। একই বিষয় থেকে শহীদ মিনারের নকশাকার কে বা প্রথম আধুনিক ভাস্কর কে সে ধরনের প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: B) ২৩ মার্চ ১৯৬৬
১. কেন সঠিক:
- ঐতিহাসিক ছয় দফা কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল ১৯৬৬ সালের ২৩ মার্চ লাহোরে ঐতিহাসিক বিরোধীদলীয় সম্মেলনে।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এই দিন ঐতিহাসিক সম্মেলনে পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসনের দাবি সম্বলিত ছয় দফা পেশ করেন এবং বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ ঘোষণা করেন।
২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট:
- ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯৬৫ সালের পাক-ভারত যুদ্ধের পর পূর্ব পাকিস্তানের নিরাপত্তার চরম শূন্যতা এবং বৈষম্যের বিরুদ্ধে বাঙালি জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করতে এই ছয় দফা প্রণয়ন করা হয়।
- তারিখ ও স্থান: ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধী দলগুলোর এক সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু প্রথম ছয় দফা প্রস্তাব উত্থাপন করেন এবং ২৩ মার্চ তা আনুষ্ঠানিকভাবে সংবাদ সম্মেলনে ঘোষণা করা হয়।
- ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তান বিরোধী সম্মেলনে এককভাবে এই ঐতিহাসিক দাবি তুলে ধরেন এবং আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে এটি প্রচার করা হয়।
- তাৎপর্য ও ফলাফল: ছয় দফা ঘোষণার পর আইয়ুব খান সরকার আতঙ্কিত হয়ে ওঠে এবং একে পাকিস্তানের অখণ্ডতা ভাঙার চক্রান্ত হিসেবে আখ্যায়িত করে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ১৯৬৬ সালের ৭ জুন ছয় দফার দাবিতে দেশব্যাপী সাধারণ ধর্মঘট।
ব্যাখ্যা: এই হরতালে পুলিশের গুলিতে মনু মিয়া ও শংকরসহ অনেকেই শহীদ হন, যা পরবর্তীতে ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের পথ প্রশস্ত করে।
উদাহরণ ২: ঐতিহাসিক আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা।
ব্যাখ্যা: ছয় দফা আন্দোলনের জনপ্রিয়তায় ভীত হয়ে পাকিস্তান সরকার শেখ মুজিবুর রহমানকে প্রধান আসামি করে এই মিথ্যা মামলা দায়ের করেছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৬ — এই তারিখে লাহোরে বিরোধীদের বিষয় নির্বাচনী সাব-কমিটির বৈঠকে বঙ্গবন্ধু প্রথম ছয় দফা প্রস্তাব উপস্থাপন করেছিলেন, আনুষ্ঠানিক ঘোষণা নয়।
B) ২৩ মার্চ ১৯৬৬ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এই দিনেই লাহোরে ঐতিহাসিক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ছয় দফা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়।
C) ২৬ মার্চ ১৯৬৬ — এই তারিখটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের সঙ্গে সম্পর্কিত, ছয় দফা ঘোষণার সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
D) ৩১ মার্চ ১৯৬৬ — এই তারিখে ছয় দফা কর্মসূচির কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটেনি এবং এটি একটি বিভ্রান্তিকর তারিখ হিসেবে অপশনে রাখা হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ছয় দফা ঘোষণার সঠিক তারিখ মনে রাখতে ৫ ফেব্রুয়ারি প্রস্তাব এবং ২৩ মার্চ আনুষ্ঠানিক ঘোষণার তারিখ দুটি আলাদাভাবে মনে রাখতে হবে।
- ফেব্রুয়ারি মাসে প্রথম উত্থাপন এবং মার্চ মাসে চূড়ান্ত ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল, যা আমাদের স্বাধীনতার পথকে ত্বরান্বিত করেছিল।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ছয় দফা কে এবং কবে পেশ করেন বা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন, এই সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে।
- ছয় দফার প্রথম দফা কী ছিল এবং কত সালে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করা হয়, তা এই প্রশ্ন থেকে আলাদাভাবে জেনে রাখা প্রয়োজন।
সঠিক উত্তর: A) রাষ্ট্রপতি
১. কেন সঠিক:
বাংলাদেশের সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদের ১ দফাসম্প্রদায় অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান করেন।
সংসদ ভেঙে যাওয়ার পর পরবর্তী সংসদের প্রথম বৈঠক রাষ্ট্রপতির নির্ধারিত দিনে ও সময়ে অনুষ্ঠিত হয়।
২. সংবিধান ও আইন:
সংবিধান ও আইন: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদে জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান, prorogation বা অবসান এবং ভেঙে দেওয়ার ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির ওপর অর্পণ করা হয়েছে।
তাৎপর্য ও ফলাফল: এটি প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী প্রধান এবং আইনসভার মধ্যকার সাংবিধানিক ভারসাম্য রক্ষা করে এবং সংসদীয় গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতা বজায় রাখে।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: প্রথম জাতীয় সংসদ
ব্যাখ্যা: ১৯৭৩ সালের ৭ এপ্রিল স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদের অধিবেশন রাষ্ট্রপতি আহ্বান করেছিলেন।
উদাহরণ ২: একাদশ জাতীয় সংসদ
ব্যাখ্যা: ২০১৮ সালের নির্বাচনের পর ২০১৯ সালের ৩০ জানুয়ারি রাষ্ট্রপতির আদেশে একাদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন বসেছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাষ্ট্রপতি - এটি সঠিক উত্তর কারণ সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী একমাত্র রাষ্ট্রপতির পক্ষেই সংসদ আহ্বান করার এখতিয়ার রয়েছে।
B) স্পীকার - স্পীকার সংসদ অধিবেশন পরিচালনা করেন এবং অধিবেশনের কার্যপ্রণালী নিয়ন্ত্রণ করেন, কিন্তু অধিবেশন আহ্বান করার সাংবিধানিক ক্ষমতা তার নেই।
C) চীফ হুইপ - চীফ হুইপ সংসদে সরকারি দলের হুইপদের প্রধান এবং সংসদীয় কার্য পরিচালনায় সহায়তা করেন, অধিবেশন আহ্বানের সাথে তার সম্পর্ক নেই।
D) প্রধানমন্ত্রী - প্রধানমন্ত্রী সরকারপ্রধান এবং সংসদ নেতা হলেও তিনি সরাসরি অধিবেশন আহ্বান করতে পারেন না, তবে রাষ্ট্রপতির কাছে লিখিত পরামর্শ দিতে পারেন।
৫. মনে রাখার টিপস:
সংসদ আহ্বান, স্থগিত বা ভাঙার ক্ষেত্রে মূল চাবিকাঠি হলো রাষ্ট্রপতির হাতে থাকা ৭২ অনুচ্ছেদ।
স্পীকার শুধু খেলা পরিচালনা করেন কিন্তু খেলা শুরু বা শেষের বাঁশি বাজানোর ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির হাতে থাকে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদে সংসদ অধিবেশন সংক্রান্ত বিধান রয়েছে যা বিসিএস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
একই বিষয় থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে সংসদ অধিবেশনের দুটি বৈঠকের মধ্যে সর্বোচ্চ কতদিনের ব্যবধান থাকতে পারে।
সঠিক উত্তর: C) ১৯৫২ সালে
১. কেন সঠিক:
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের চূড়ান্ত পর্বে সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম কমিটি গঠিত হয়েছিল।
- রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, ছাত্র সংগঠন ও সামাজিক শক্তিকে এক প্ল্যাটফর্মে আনতে এই কমিটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য:
- ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ১৪৪ ধারা ভাঙার কর্মসূচি পালনে এই কমিটি মুখ্য ভূমিকা রেখেছিল।
- ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: কাজী গোলাম মাহবুব এই সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ১৯৪৮ সালের রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম কমিটি
ব্যাখ্যা: এটি ছিল প্রথম সংগ্রাম কমিটি, যা তমদ্দুন মজলিস ও পূর্ব পাকিস্তান মুসলিম ছাত্র লীগের উদ্যোগে গঠিত হয়েছিল।
উদাহরণ ২: সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ ১৯৭১
ব্যাখ্যা: অসহযোগ আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতিতে ১৯৭০ সালের শেষের দিকে এই পরিষদ গঠিত হয়েছিল, যা ভাষা আন্দোলনের সংগ্রাম কমিটির উত্তরসূরি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৪৮ সালে — এই বছরে প্রথম রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম কমিটি গঠিত হয় এবং তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খাজা নাজিমউদ্দীনের সাথে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
B) ১৯৫০ সালে — এই বছরে কোনো সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম কমিটি গঠিত হয়নি, তবে ভাষা আন্দোলন নিয়ে তখন গোপন ও প্রকাশ্য প্রস্তুতি চলছিল।
D) ১৯৫৪ সালে — এই বছরে ঐতিহাসিক যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় এবং পূর্ব বাংলায় মুসলিম লীগের শোচনীয় পরাজয় ঘটে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ভাষা আন্দোলনের চূড়ান্ত রূপ পায় বা সর্বদলীয় কমিটি গঠিত হয় ৫২ সালে, তাই ৫২ সাল মনে রাখা সহজ।
- ৪৮ সালে প্রথম সংগ্রাম কমিটি আর ৫২ সালে সর্বদলীয় সংগ্রাম কমিটি গঠিত হয়েছিল।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় বারবার আসে।
- সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম কমিটির আহ্বায়কের নাম প্রায়ই পরীক্ষায় জানতে চাওয়া হয়।
সঠিক উত্তর: D) ১৯৪২ সালে
১. কেন সঠিক:
- ১৯৪২ সালের ৮ আগস্ট সর্বভারতীয় কংগ্রেস কমিটির বোম্বে অধিবেশনে ঐতিহাসিক ভারত ছাড় আন্দোলন শুরু হয়।
- ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের অবসান ঘটাতে মহাত্মা গান্ধীর নেতৃত্বে এই অহিংস গণআন্দোলনের ডাক দেওয়া হয়েছিল।
২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য:
ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে ভারতীয় উপমহাদেশে পরিচালিত শেষ বৃহৎ স্বাধীনতা সংগ্রাম ছিল এই আন্দোলন।
তারিখ ও স্থান: ১৯৪২ সালের ৮ আগস্ট মহারাষ্ট্রের বোম্বে শহরের গওয়ালিয়া ট্যাংক ময়দানে এই আন্দোলন আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়।
ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: মহাত্মা গান্ধী এই আন্দোলনের ডাক দেন এবং করেন বা মরবো স্লোগান দিয়ে জাতিকে উজ্জীবিত করেন।
তাৎপর্য ও ফলাফল: এই আন্দোলনের পর ব্রিটিশ সরকার বুঝতে পারে ভারসম্য রক্ষা করা কঠিন হবে এবং এর পথ ধরেই ১৯৪৭ সালে উপমহাদেশের স্বাধীনতা ত্বরান্বিত হয়।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ আন্দোলন
ব্যাখ্যা: ব্রিটিশ শক্তির বিরুদ্ধে বাঙালি জাতির অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক আন্দোলন যা পরবর্তীতে ভারতীয় জাতীয়তাবাদী রাজনীতিকে প্রভাবিত করে।
উদাহরণ ২: ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন
ব্যাখ্যা: ব্রিটিশ আমলের পর পাকিস্তানি ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে বাঙালির স্বাধিকার অর্জনের প্রথম ঐতিহাসিক সোপান।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯১৭ সালে — এই সালে ব্রিটিশবিরোধী কোনো সর্বভারতীয় আন্দোলন শুরু হয়নি, তবে রাশিয়ান বিপ্লব সংঘটিত হয়েছিল।
B) ১৯২৭ সালে — এই সালে সাইমন কমিশন গঠিত হয় যা ভারতে রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি করেছিল কিন্তু ভারত ছাড় আন্দোলন নয়।
C) ১৯৩৭ সালে — এই সালে ভারত শাসন আইন ১৯৩৫ এর অধীনে প্রথম প্রাদেশিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
D) ১৯৪২ সালে — এই সালেই মহাত্মা গান্ধীর নেতৃত্বে ঐতিহাসিক ভারত ছাড় আন্দোলন শুরু হয়েছিল।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ১৯৪২ সংখ্যাটিকে মনে রাখতে পারেন ৪২ মানে শেষ চাল বা শেষ ধাক্কা যা ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে দেওয়া হয়েছিল।
- বিশ্বযুদ্ধের সময় অর্থাৎ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মধ্যলগ্নে এই আন্দোলন শুরু হয়েছিল তা মনে রাখা সহজ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ভারত ছাড় আন্দোলনের মূল স্লোগান ছিল করেন বা মরবো যা মহাত্মা গান্ধী প্রদান করেছিলেন।
- এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ব্রিটিশ ভারতের ইতিহাস অংশ থেকে আসে।
সঠিক উত্তর: B) শামছুল হক
১. কেন সঠিক:
- শামছুল হক ছিলেন ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন প্রতিষ্ঠিত পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগের প্রথম সাধারণ সম্পাদক।
- ঐতিহাসিক দলটির জন্মলগ্নে সাংগঠনিক নেতৃত্ব দানে তাঁর ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও দূরদর্শী।
২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য:
- ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: মুসলিম লীগের অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্রহীনতা ও অগণতান্ত্রিক আচরণের প্রতিবাদে এই নতুন রাজনৈতিক দলের জন্ম হয়।
- তারিখ ও স্থান: ১৯৪৯ সালের ২৩ ও ২৪ জুন ঢাকার রোজ গার্ডেন রেস্তোরাঁয় অনুষ্ঠিত কর্মী সম্মেলনে এই দল গঠিত হয়।
- ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী দলের সভাপতি এবং শামছুল হক সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।
- তাৎপর্য ও ফলাফল: এই দল পরবর্তীতে বাঙালি জাতির স্বাধিকার আন্দোলন ও মহান মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী প্রধান রাজনৈতিক শক্তিতে রূপ নেয়।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী
ব্যাখ্যা: তিনি ছিলেন পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি যিনি দলের আদর্শিক ভিত্তি গঠনে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।
উদাহরণ ২: হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
ব্যাখ্যা: তিনি ছিলেন এই দলের অন্যতম প্রধান পথপ্রদর্শক ও নেতা যিনি পরবর্তীতে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শেখ মুজিবুর রহমান — তিনি এই দলের প্রতিষ্ঠাকালীন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন, সাধারণ সম্পাদক ছিলেন না।
C) আতাউর রহমান খান — তিনি এই দলের একজন শীর্ষস্থানীয় নেতা ও পরবর্তীতে পূর্ব পাকিস্তানের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন।
D) আবুল হাশিম — তিনি বঙ্গীয় মুসলিম লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন এবং বামঘেঁষা রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সভাপতি ছিলেন মওলানা ভাসানী আর সাধারণ সম্পাদক ছিলেন শামছুল হক।
- শেখ মুজিবুর রহমান তখন কারাবন্দী থাকা অবস্থায় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছিলেন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- আওয়ামী মুসলিম লীগ থেকে 'মুসলিম' শব্দটি বাদ দিয়ে পরবর্তীতে কেবল 'আওয়ামী লীগ' নামকরণ করা হয় ১৯৫৫ সালে।
- এই দলটির জন্ম এবং এর নেতৃত্ব সম্পর্কে বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: B) আলজেরিয়া
১. কেন সঠিক:
- আলজেরিয়া একটি উত্তর আফ্রিকান দেশ এবং এটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য নয়।
- ইউরোপীয় ইউনিয়ন মূলত ইউরোপের দেশগুলোর একটি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক জোট, তাই বাইরের মহাদেশের দেশ এর সদস্য হতে পারে না।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
- সংস্থা: ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা ইইউ হলো ইউরোপের সাতাশটি দেশের একটি আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক জোট।
- সদর দপ্তর: বেলজিয়ামের ব্রাসেলস শহরে এই জোটের প্রধান কার্যালয় অবস্থিত।
- সদস্যদেশ: বর্তমানে এই জোটে সাতাশটি সদস্য রাষ্ট্র রয়েছে।
- উদ্দেশ্য: ইউরোপীয় অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে অবাধ বাণিজ্য, শান্তি রক্ষা এবং একক বাজার গড়ে তোলা।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মরক্কো
ব্যাখ্যা: এটিও একটি উত্তর আফ্রিকান দেশ এবং আলজেরিয়ার মতো মরক্কোও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য নয়।
উদাহরণ ২: যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা: এই দেশটি অতীতে ইইউর সদস্য থাকলেও ব্রেক্সিট বা ইউরোপীয় ইউনিয়ন ত্যাগের পর বর্তমানে আর এর সদস্য নয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সাইপ্রাস — এটি ইউরোপ মহাদেশের একটি দ্বীপ রাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের একটি পূর্ণ সদস্য দেশ।
B) আলজেরিয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই আফ্রিকান দেশটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য নয়।
C) ইস্টোনিয়া — এটি বল্টিক অঞ্চলের একটি ইউরোপীয় দেশ এবং ইইউর সদস্য।
D) মাল্টা — এটি ভূমধ্যসাগরের একটি দ্বীপ রাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য।
৫ মনে রাখার টিপস:
ইউরোপীয় ইউনিয়নে ইউরোপের বাইরের কোনো দেশ থাকতে পারে না।
তাই আফ্রিকার দেশ আলজেরিয়া ইইউর সদস্য নয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ইউরোপীয় ইউনিয়নের বর্তমান সদস্য সংখ্যা এবং সদর দপ্তর সম্পর্কে বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
কোন দেশগুলো ইইউর সদস্য এবং কোনগুলো নয়, তা তালিকা করে মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) শ্রীলঙ্কা
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরটি শ্রীলঙ্কা কারণ এলিফ্যান্ট পাস হলো দেশটির উত্তর অংশে অবস্থিত একটি অত্যন্ত কৌশলগত ও ভূরাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ সংকীর্ণ ভূখণ্ড।
- এটি জাফনা উপদ্বীপকে শ্রীলঙ্কার মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে সংযোগকারী একটি প্রধান সামরিক ও ভৌগোলিক পথ হিসেবে পরিচিত।
২. ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপট:
- দেশ: শ্রীলঙ্কা, দক্ষিণ এশিয়ার একটি দ্বীপ রাষ্ট্র যার রাজধানী কলম্বো এবং বাণিজ্যিক কেন্দ্র শ্রী জয়াবর্ধনেপুর কোট্টে।
- প্রেক্ষাপট: শ্রীলঙ্কার গৃহযুদ্ধের সময় তামিল টাইগার বা এলটিটিই এবং শ্রীলঙ্কান সরকারের মধ্যে এই এলাকাটি দখলের জন্য একাধিক ভয়াবহ ও রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল।
- কৌশলগত গুরুত্ব: সামরিক দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই পাসটি নিয়ন্ত্রণ করার অর্থ হলো জাফনা উপদ্বীপের সঙ্গে দেশের বাকি অংশের যোগাযোগ রক্ষা বা বিচ্ছিন্ন করা।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: খাইবার পাস
ব্যাখ্যা: এটি পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক ও কৌশলগত গিরিপথ, যা প্রাচীনকাল থেকেই বাণিজ্যের জন্য ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
উদাহরণ ২: পানামা খাল
ব্যাখ্যা: এটি আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগরকে সংযোগকারী একটি মানবসৃষ্ট জলপথ, যা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে এলিফ্যান্ট পাসের মতো একই ধরনের ভূরাজনৈতিক গুরুত্ব বহন করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) থাইল্যান্ড — থাইল্যান্ড দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি দেশ যার রাজধানী ব্যাংকক এবং এর ভূগোলে এই নামের কোনো বিখ্যাত পাস বা গিরিপথ নেই।
B) দক্ষিণ আফ্রিকা — দক্ষিণ আফ্রিকা আফ্রিকার মহাদেশের সর্বদক্ষিণে অবস্থিত একটি দেশ যার ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে এলিফ্যান্ট পাসের কোনো সম্পর্ক নেই।
C) শ্রীলঙ্কা — এটি সঠিক উত্তর এবং এই অঞ্চলটি শ্রীলঙ্কার উত্তর প্রদেশের জাফনা জেলায় অবস্থিত একটি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ স্থান।
D) মালয়েশিয়া — মালয়েশিয়া দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি প্রধান দেশ যা মালয় উপদ্বীপ ও বোর্নিও দ্বীপ নিয়ে গঠিত এবং এখানে এই নামের কোনো স্থান নেই।
৫ মনে রাখার টিপস:
- শ্রীলঙ্কার গৃহযুদ্ধের ইতিহাস মনে রাখলেই এলিফ্যান্ট পাসের ভৌগোলিক অবস্থান সহজে মনে রাখা সম্ভব।
- পাস বা গিরিপথ বললেই সাধারণত পাহাড়ি বা সংকীর্ণ ভূখণ্ডের কথা মাথায় আসে যা সামরিক ও যাতায়াতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিশ্বজুড়ে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ প্রণালী, গিরিপথ বা পাস থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে।
- একই বিষয় থেকে বিভিন্ন দেশের কৌশলগত প্রণালী যেমন হরমুজ প্রণালী বা মালাক্কা প্রণালী সম্পর্কেও প্রশ্ন থাকতে পারে।
সঠিক উত্তর: A) উপত্যকা
১. কেন সঠিক:
- তিব্বত হলো পৃথিবীর সবচেয়ে উচু এবং বৃহৎ মালভূমি বা উপত্যকা অঞ্চল যা ছাদ নামে পরিচিত।
- এটি মূলত পর্বতমালা দ্বারা পরিবেষ্টিত একটি উচ্চ অববাহিকা বা উপত্যকা যা ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্যের কারণে এই নামে পরিচিত।
২. ভৌগোলিক প্রেক্ষাপট:
- অঞ্চল: তিব্বত স্বায়ত্বশাসিত অঞ্চল, চীন।
- ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য: হিমালয় ও কুয়েনলুন পর্বতমালার মাঝখানে অবস্থিত উচু পাহাড়ি উপত্যকা।
- উচ্চতা: সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে গড়ে প্রায় চার হাজার মিটার বা তার বেশি উচু।
- গুরুত্ব: এশিয়া বহু বড় নদীর উৎসস্থল হওয়ায় একে এশিয়ার জলের টাওয়ার বলা হয়।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পামীর মালভূমি।
ব্যাখ্যা: একে পৃথিবীর ছাদ বলা হয় এবং এটি তিব্বতের মতো উচু পাহাড়ি অঞ্চলের একটি ভূপ্রাকৃতিক উদাহরণ।
উদাহরণ ২: গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন।
ব্যাখ্যা: এটি একটি বিখ্যাত উপত্যকা অঞ্চল যা ভূপ্রকৃতির বৈচিত্র্য বোঝাতে সাহায্য করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উপত্যকা — এটি সঠিক কারণ তিব্বত পর্বতমালা দ্বারা বেষ্টিত একটি উচু উপত্যকা অঞ্চল।
B) উপদ্বীপ — এটি ভুল কারণ উপদ্বীপ হলো তিন দিক জল দ্বারা বেষ্টিত স্থলভাগ যেমন ভারত বা আরব উপদ্বীপ।
C) দ্বীপ — এটি ভুল কারণ দ্বীপ হলো চার দিক জল দ্বারা বেষ্টিত স্থলভাগ যেমন শ্রীলঙ্কা বা মাদাগাস্কার।
D) মরুভূমি — এটি ভুল কারণ মরুভূমি হলো শুষ্ক ও বৃষ্টিহীন অঞ্চল যেমন সাহারা মরুভূমি যদিও তিব্বতের কিছু অংশ শীতল মরুভূমির আওতাভুক্ত তবে সামগ্রিক ভূপ্রকৃতি উপত্যকা।
৫ মনে রাখার টিপস:
- তিব্বত শব্দের অর্থ উচু ভূমি বা পাহাড়ি উপত্যকা।
- একে পৃথিবীর ছাদ বলা হয় যা এর উচ্চ অবস্থান নির্দেশ করে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- তিব্বত অঞ্চলকে এশিয়ার ওয়াটার টাওয়ার বলা হয় কারণ এখান থেকে বহু নদী উৎপন্ন হয়েছে।
- ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে একে দুর্গম উপত্যকা অঞ্চল হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
সঠিক উত্তর: B) মেসোপটেমিয়া
১. কেন সঠিক:
মেসোপটেমিয়া সভ্যতা মানুষের ইতিহাসে সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা হিসেবে স্বীকৃত, যা বর্তমান ইরাক ও তার আশপাশের অঞ্চলে গড়ে উঠেছিল।
খ্রিস্টপূর্ব চতুর্থ সহস্রাব্দে টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীর অববাহিকায় এই সভ্যতা বিকশিত হয় এবং বিশ্বের প্রথম লিখিত ভাষা ও নগররাষ্ট্রের জন্ম দেয়।
২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট:
সভ্যতা: মেসোপটেমিয়া সভ্যতা (বর্তমান ইরাক, কুয়েত ও সিরিয়ার অংশবিশেষ)।
সময়কাল: আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ৩৫০০ অব্দ থেকে শুরু।
অবস্থান: টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীর অববাহিকা বা উর্বর চন্দ্রাঞ্চল।
উদ্দেশ্য বা গুরুত্ব: মানবজাতির ইতিহাসে প্রথম চাকার ব্যবহার, কৃষিভিত্তিক সমাজ এবং কিউনিফর্ম লিপি আবিষ্কারের জন্য এটি বিশ্বখ্যাত।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সুমেরীয় সভ্যতা
ব্যাখ্যা: এটি মেসোপটেমিয়ার অন্তর্ভুক্ত সবচেয়ে প্রাচীন অঞ্চল, যা বিশ্বের প্রথম নগররাষ্ট্র গড়ে তুলেছিল।
উদাহরণ ২: ব্যাবিলন সভ্যতা
ব্যাখ্যা: মেসোপটেমিয়ার অপর এক বিখ্যাত সভ্যতা, যা হামুরাবির বিখ্যাত আইন সংহতির জন্য পরিচিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গ্রিস — এটি প্রাচীন সভ্যতার অন্তর্ভুক্ত হলেও মেসোপটেমিয়ার চেয়ে অনেক পরে খ্রিস্টপূর্ব প্রথম সহস্রাব্দে বিকাশ লাভ করে।
B) মেসোপটেমিয়া — এটি সঠিক উত্তর এবং প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা।
C) রোম — রোমান সভ্যতা মূলত প্রাচীন গ্রিক সভ্যতার ওপর ভিত্তি করে খ্রিস্টপূর্ব অষ্টম শতকে গড়ে ওঠে।
D) সিন্ধু — সিন্ধু সভ্যতা ভারতীয় উপমহাদেশে খ্রিস্টপূর্ব প্রায় ২৫০০ অব্দে গড়ে ওঠে, যা মেসোপটেমিয়ার সমসাময়িক হলেও কিছুটা পরে বিকশিত হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
নদীর নাম মনে রাখলে প্রাচীন সভ্যতা মনে রাখা সহজ হয়, যেমন মেসোপটেমিয়া মানে দুই নদীর মধ্যবর্তী ভূমি।
টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীর পলিমাটিতেই এই প্রথম মানবজাতি নগরসভ্যতা গড়ে তোলে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
মেসোপটেমিয়া সভ্যতা কিউনিফর্ম বা楔াকার লিপির জন্য সর্বাধিক পরিচিত।
পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে বিশ্বের প্রথম লিখিত আইন কোড কোন সভ্যতার দান, যার উত্তর হলো ব্যাবিলন তথা মেসোপটেমিয়া।
সঠিক উত্তর: D) অস্ট্রেলিয়া
১. কেন সঠিক:
ভিক্টোরিয়া ডিজার্ট বা গ্রেট ভিক্টোরিয়া মরুভূমি অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে বড় মরুভূমি। এটি দেশটির দক্ষিণ ও পশ্চিম অস্ট্রেলিয়া রাজ্যজুড়ে বিস্তৃত একটি বিশাল শুষ্ক অঞ্চল।
২. ভৌগোলিক তথ্য:
দেশ: অস্ট্রেলিয়া
অবস্থান: দক্ষিণ ও পশ্চিম অস্ট্রেলিয়া রাজ্যজুড়ে বিস্তৃত
বৈশিষ্ট্য: এটি মূলত একটি বালিয়াড়ি ও নুড়িপাথর পূর্ণ মরুভূমি
গুরুত্ব: অস্ট্রেলিয়ার ভৌগোলিক বৈচিত্র্য এবং জলবায়ু অধ্যয়নে এই মরুভূমি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গ্রেট স্যান্ডি মরুভূমি
ব্যাখ্যা: এটিও অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থিত আরেকটি বিখ্যাত মরুভূমি, যা পরীক্ষার্থীদের দেশটির মরুভূমির ভৌগোলিক অবস্থান মনে রাখতে সাহায্য করে।
উদাহরণ ২: সাহারা মরুভূমি
ব্যাখ্যা: এটি বিশ্বের বৃহত্তম উষ্ণ মরুভূমি, যা আফ্রিকার উত্তর অংশে অবস্থিত এবং বিভিন্ন মহাদেশের মরুভূমির আয়তন তুলনা করতে সাহায্য করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কানাডা — কানাডা উত্তর আমেরিকার দেশ এবং এর কোনো বিখ্যাত মরুভূমি নেই, বরং এটি টুন্দ্রিলা ও বনভূমির জন্য পরিচিত।
B) পশ্চিম আফ্রিকা — পশ্চিম আফ্রিকায় সাহারা মরুভূমির দক্ষিণাংশ ও সাহেল অঞ্চল অবস্থিত, কিন্তু ভিক্টোরিয়া ডিজার্ট এখানে নেই।
C) নর্থ আমেরিকা — নর্থ আমেরিকা একটি মহাদেশ যেখানে মোহাভে বা সোনোরা মরুভূমি অবস্থিত, কিন্তু ভিক্টোরিয়া ডিজার্ট এই মহাদেশে নয়।
D) অস্ট্রেলিয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দেশেই ভিক্টোরিয়া ডিজার্ট বা গ্রেট ভিক্টোরিয়া মরুভূমি অবস্থিত।
৫ মনে রাখার টিপস:
অস্ট্রেলিয়ার রানি বা নামের সঙ্গে মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন যে ভিক্টোরিয়া নামের মরুভূমিটি অস্ট্রেলিয়া দেশেই অবস্থিত।
কাছাকাছি নাম যেমন গ্রেট বেসিন বা মোহাভে মরুভূমির সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার এই মরুভূমি গুলিয়ে ফেলবেন না।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভিন্ন দেশের মরুভূমি, নদনদী বা পর্বতমালা প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
একই বিষয় থেকে প্রশ্ন হতে পারে যে গ্রেট ভিক্টোরিয়া মরুভূমি কোন মহাদেশে বা কোন দেশে অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: B) নেপাল
১. কেন সঠিক:
যেসব দেশের কোনো সমুদ্র উপকূল বা সমুদ্র বন্দর নেই, তাদের ভূবেষ্টিত দেশ বলা হয়। নেপাল এশিয়া মহাদেশের একটি সম্পূর্ণ স্থলবেষ্টিত রাষ্ট্র, যার চারদিকে ভারত ও চীন দ্বারা বেষ্টিত থাকার কারণে কোনো সমুদ্র বন্দর নেই।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
দেশ: নেপাল দক্ষিণ এশিয়ার একটি স্বাধীন রাষ্ট্র।
অবস্থান: হিমালয় পর্বতমালা ঘেরা এই দেশটি ভারত ও চীনের মাঝখানে অবস্থিত।
গুরুত্ব: সমুদ্র বন্দর না থাকায় নেপালকে আমদানি ও রপ্তানির জন্য ভারতের সমুদ্র বন্দরের ওপর নির্ভর করতে হয়।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ভুটান
ব্যাখ্যা: নেপালের মতো ভুটানও দক্ষিণ এশিয়ার একটি ভূবেষ্টিত দেশ যার কোনো সমুদ্র বন্দর নেই।
উদাহরণ ২: সুইজারল্যান্ড
ব্যাখ্যা: এটি ইউরোপের একটি ভূবেষ্টিত দেশ এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য প্রতিবেশী দেশের বন্দর ব্যবহার করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মালদ্বীপ — এটি ভারত মহাসাগরের একটি দ্বীপ রাষ্ট্র এবং এর নিজস্ব সমুদ্র বন্দর রয়েছে।
B) নেপাল — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি একটি স্থলবেষ্টিত দেশ এবং এর কোনো সমুদ্র বন্দর নেই।
C) গ্রীস — এটি দক্ষিণ ইউরোপের একটি দেশ এবং এর দীর্ঘ সমুদ্র উপকূল ও বহু বন্দর রয়েছে।
D) ভেনেজুয়েলা — এটি দক্ষিণ আমেরিকার উত্তর উপকূলের দেশ এবং এর ক্যারিবীয় সাগরে সমুদ্র বন্দর রয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে নেপাল এবং ভুটান হলো এমন দুটি রাষ্ট্র যাদের কোনো সমুদ্র বন্দর বা উপকূল নেই। বাকি দেশগুলোর সবারই সমুদ্রের সঙ্গে সংযোগ রয়েছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিশ্বে মোট স্থলবেষ্টিত দেশের সংখ্যা প্রায় চুয়াল্লিশটি এবং এশিয়া মহাদেশে এর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য। এই ধরনের প্রশ্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: B) Trade and Investment Framework Agreement
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরটি TIFA এর পূর্ণরূপ সঠিকভাবে নির্দেশ করে যা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য কূটনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল।
- এটি মূলত দুটি দেশ বা আঞ্চলিক সংস্থার মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক উন্নয়নের একটি প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো।
২. আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও কূটনীতি:
- প্রেক্ষাপট: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাণিজ্য বাধা দূর করতে এবং সরাসরি বিনিয়োগ উৎসাহিত করতে এই ধরনের চুক্তি স্বাক্ষর করে।
- উদ্দেশ্য বা গুরুত্ব: বাণিজ্য ঘাটতি কমানো, মেধাসম্পদ রক্ষা এবং বাজার প্রবেশাধিকার সহজ করার ক্ষেত্রে এই কাঠামোর রাজনৈতিক গুরুত্ব রয়েছে।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র টিকফা চুক্তি
ব্যাখ্যা: বাংলাদেশ এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা বাড়ানোর জন্য এই ধরনের কাঠামো চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি দপ্তর
ব্যাখ্যা: যুক্তরাষ্ট্র সাধারণত তাদের বাণিজ্য প্রতিনিধির মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে এই কাঠামো চুক্তি পরিচালনা করে থাকে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Trade for International Finance Agreement — এই নামে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে কোনো স্বীকৃত ও প্রচলিত চুক্তি বা কাঠামো নেই।
B) Trade and Investment Framework Agreement — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বহুল ব্যবহৃত একটি অর্থনৈতিক পরিভাষা।
C) Treaty for International Free Area — মুক্ত বাণিজ্য এলাকা সংক্রান্ত চুক্তির ক্ষেত্রে এই ধরনের পরিভাষা ব্যবহার করা হয় না।
D) Trade and Investment form America — এটি কোনো প্রাতিষ্ঠানিক বা কূটনৈতিক পূর্ণরূপ নয় এবং ব্যাকরণগতভাবে ত্রুটিপূর্ণ।
৫ মনে রাখার টিপস:
- TIFA শব্দটি মনে রাখার সহজ কৌশল হলো এর প্রথম অক্ষরগুলো মাথায় রাখা।
- টি মানে ট্রেড, আই মানে ইনভেস্টমেন্ট, এফ মানে ফ্রেমওয়ার্ক এবং এ মানে এগ্রিমেন্ট।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আন্তর্জাতিক বাণিজ্য চুক্তির পূর্ণরূপ প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
- এই প্রশ্ন থেকে পরীক্ষার্থীরা বাণিজ্য কূটনীতি এবং অর্থনৈতিক কাঠামোগত চুক্তি সম্পর্কে ধারণা লাভ করতে পারে।
সঠিক উত্তর: C) ১৯৭৫
১. কেন সঠিক:
১৯৭৫ সালে একটি বিতর্কিত গণভোটের মাধ্যমে সিকিম ভারতের ২২তম অঙ্গরাজ্য হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত হয়। এর মাধ্যমে সিকিমের রাজতন্ত্রের পতন ঘটে এবং চোগিয়াল রাজবংশের শাসনের অবসান হয়।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
দেশ বা অঞ্চল: সিকিম হিমালয় পর্বতমালার কোলে অবস্থিত একটি সাবেক স্বাধীন রাজ্য এবং বর্তমানে ভারতের একটি উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য।
প্রেক্ষাপট: ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ ভারত স্বাধীন হওয়ার পর সিকিম ভারতের সঙ্গে বিশেষ আশ্রিত রাজ্য হিসেবে যুক্ত থাকে এবং অভ্যন্তরীণ স্বায়ত্তশাসন ভোগ করে।
ফলাফল বা প্রভাব: ১৯৭৫ সালের গণভোটের পর ভারতের সংবিধান সংশোধন করে সিকিমকে পূর্ণাঙ্গ অঙ্গরাজ্যের মর্যাদা দেওয়া হয়।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গোয়া সংযুক্তি
ব্যাখ্যা: ১৯৬১ সালে সামরিক অভিযンの মাধ্যমে গোয়া পর্তুগিজ শাসন থেকে মুক্ত হয়ে ভারতের সঙ্গে যুক্ত হয়।
উদাহরণ ২: জম্মু ও কাশ্মীর
ব্যাখ্যা: ১৯৪৭ সালে রাজা হরি সিংয়ের স্বাক্ষরিত দলিলের মাধ্যমে কাশ্মীর ভারতের অন্তর্ভুক্ত হয় যা পরবর্তীতে দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে বড় বিরোধ তৈরি করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৭০ — এই সালে সিকিম সংযুক্ত হয়নি বরং এটি সিকিমের রাজতান্ত্রিক শাসনের শেষ দশকের একটি সময়কাল।
B) ১৯৭২ — এই সালে সিকিম সংযুক্ত হয়নি এবং এই সময়ে সিকিমে ভারতের রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের প্রক্রিয়া চলছিল।
D) ১৯৭৭ — এই সালে সিকিম সংযুক্ত হয়নি কারণ এর দুই বছর আগেই ১৯৭৫ সালে সিকিম ভারতের অঙ্গরাজ্য হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জনের কয়েক বছর পর, অর্থাৎ ১৯৭৫ সালে সিকিম ভারতের সঙ্গে যুক্ত হয়। এভাবে সালটি মনে রাখতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
সিকিম ভারতের কততম অঙ্গরাজ্য ছিল তা প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। একই বিষয় থেকে সিকিমের রাজা বা চোগিয়ালের নাম সম্পর্কিত প্রশ্নও আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: D) ডনাল্ড ট্রাম্প
প্রদত্ত তথ্য:
যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতিদের তালিকা
৪৫তম মার্কিন রাষ্ট্রপতির পরিচিতি
ধরি,
বারাক ওবামা ছিলেন ৪৪তম প্রেসিডেন্ট
ডনাল্ড ট্রাম্প ছিলেন ৪৫তম প্রেসিডেন্ট
অতএব,
ডনাল্ড ট্রাম্প ২০১৭ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন
তিনি রিপাবলিকান পার্টির নেতা ছিলেন
সুতরাং,
যুক্তরাষ্ট্রের ৪৫তম প্রেসিডেন্ট ছিলেন ডনাল্ড ট্রাম্প
উত্তর: ডনাল্ড ট্রাম্প
সঠিক উত্তর: B) ক্যালিফোর্নিয়া
১. কেন সঠিক:
প্রশ্নটির ধরন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এবং বহুজাতিক কোম্পানির সদর দফতর সম্পর্কিত।
ফেসবুক বা বর্তমানে মেটা প্ল্যাটফর্মস ইনকরপোরেটেড আমেরিকার প্রযুক্তি শিল্পে ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের মেনলো পার্ক শহরে অবস্থিত।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
কোম্পানি: মেটা প্ল্যাটফর্মস ইনকরপোরেটেড
প্রতিষ্ঠা: ২০০৪ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি
প্রতিষ্ঠাতা: মার্ক জুকারবার্গ ও তার সহকর্মীরা
সদর দপ্তর: মেনলো পার্ক, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গুগল
ব্যাখ্যা: গুগলের সদর দপ্তর আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের মাউন্টেন ভিউ শহরে অবস্থিত।
উদাহরণ ২: মাইক্রোসফট
ব্যাখ্যা: মাইক্রোসফটের সদর দপ্তর ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্যের রেডমন্ড শহরে অবস্থিত, যা পরীক্ষার্থীদের ক্যালিফোর্নিয়া ও ওয়াশিংটনের পার্থক্য বুঝতে সাহায্য করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সিয়াটল — এটি ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্যের একটি শহর, যেখানে অ্যামাজন ও মাইক্রোসফটের প্রধান কার্যালয় রয়েছে।
B) ক্যালিফোর্নিয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ ফেসবুকের মূল কার্যালয় এই অঙ্গরাজ্যের মেনলো পার্কে অবস্থিত।
C) ওয়াশিংটন — এটি যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক সংস্থার কেন্দ্র, কিন্তু ফেসবুকের সদর দপ্তর এখানে নয়।
D) নিউইয়র্ক — এটি যুক্তরাষ্ট্রের আর্থিক রাজধানী ও ওয়াল স্ট্রিটের অবস্থানস্থল, তবে এটি ফেসবুকের সদর দপ্তর নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
বিশ্বের শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান যেমন ফেসবুক ও গুগল সিলিকন ভ্যালিতে অবস্থিত।
সিলিকন ভ্যালি যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যে অবস্থিত।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ও তাদের সদর দপ্তর প্রায়ই আসে।
মেটা কোম্পানির অধীন বর্তমান প্রধান প্ল্যাটফর্মগুলোর মধ্যে ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম ও হোয়াটসঅ্যাপ অন্যতম।
সঠিক উত্তর: D) ফ্রাঙ্কফুর্ট
১. কেন সঠিক:
ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক বা ইসিবি ইউরোজোনের মুদ্রা নীতি পরিচালনার জন্য দায়ী এবং এর সদর দপ্তর জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্ট শহরে অবস্থিত।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থনৈতিক ও আর্থিক ইউনিয়নের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে এই ব্যাংকটি ইউরো মুদ্রার মান রক্ষা ও মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করে।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
সংস্থা: ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক বা ইসিবি।
প্রতিষ্ঠা: ১ জুন ১৯৯৮ সাল।
সদর দপ্তর: ফ্রাঙ্কফুর্ট, জার্মানি।
উদ্দেশ্য: ইউরোজোনের সদস্য দেশগুলোতে মূল্য স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং একক মুদ্রা ইউরো পরিচালনা করা।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা ইইউ।
ব্যাখ্যা: ইসিবি ইউরোপীয় ইউনিয়নের সাতটি প্রাতিষ্ঠানিক সংস্থার একটি এবং এটি সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে কাজ করে।
উদাহরণ ২: আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা আইএমএফ।
ব্যাখ্যা: এটি বৈশ্বিক আর্থিক স্থিতিশীলতা রক্ষা করে, যা ইসিবিকে আঞ্চলিক পর্যায়ে ইউরোপের ভেতরে একই ধরনের ভূমিকা পালন করতে সহায়তা করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লন্ডন — লন্ডন যুক্তরাজ্যে অবস্থিত এবং এটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের অংশ নয়, তাই ইসিবি এখানে অবস্থিত নয়।
B) প্যারিস — প্যারিস ফ্রান্সে অবস্থিত এবং এটি ওইসিডি ও ইউনেসকোর সদর দপ্তর হলেও ইসিবির সদর দপ্তর নয়।
C) ব্রাসেলস — ব্রাসেলস বেলজিয়ামে অবস্থিত এবং এটি ইউরোপীয় কমিশন ও ন্যাটোর সদর দপ্তর, যা ইসিবি নয়।
D) ফ্রাঙ্কফুর্ট — এটি জার্মানির অর্থনৈতিক রাজধানী এবং এখানেই ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক অবস্থিত।
৫ মনে রাখার টিপস:
ইউরো মুদ্রা জার্মানির শক্তিশালী অর্থনীতির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত, তাই এর কেন্দ্রীয় ব্যাংকও জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্ট শহরে অবস্থিত।
লন্ডন বা ব্রাসেলসের মতো রাজনৈতিক রাজধানীর পরিবর্তে জার্মানির আর্থিক কেন্দ্র ফ্রাঙ্কফুর্টকে ব্যাংকটির সদর দপ্তর করা হয়েছে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বর্তমান সভাপতির নাম এবং ইউরোজোনের সদস্য দেশের সংখ্যা প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
এই প্রশ্নটি আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক অর্থনৈতিক সংস্থার সদর দপ্তর নির্ধারণের ক্ষেত্রে পরীক্ষার্থীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: B) ম্যানিলা
১. কেন সঠিক:
আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলার অদূরে লস বানোসে অবস্থিত।
বিশ্বের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ধান উৎপাদনের বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি নিয়ে গবেষণার ক্ষেত্রে এই প্রতিষ্ঠানটি বিশ্বজুড়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
২. আন্তর্জাতিক সংস্থা পরিচিতি:
সংস্থা: আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইআরআরআই)।
প্রতিষ্ঠা: ১৯৬০ সাল।
সদর দপ্তর: লস বানোস, ম্যানিলা, ফিলিপাইন।
উদ্দেশ্য: উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত উদ্ভাবন এবং কৃষকদের উন্নত চাষাবাদ কৌশল সম্পর্কে প্রশিক্ষণ দেওয়া।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি)।
ব্যাখ্যা: আইআরআরআই এর আদলে এবং তাদের সহযোগিতায় বাংলাদেশে ধানের নতুন জাত উদ্ভাবনের জন্য এই জাতীয় প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে।
উদাহরণ ২: আন্তর্জাতিক ভুট্টা ও গম উন্নয়ন কেন্দ্র (সিমমিট)।
ব্যাখ্যা: এটি মেক্সিকোতে অবস্থিত আরেকটি বৈশ্বিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান যা খাদ্য শস্যের উৎপাদন বৃদ্ধিতে কাজ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) টোকিও — এটি জাপানের রাজধানী এবং প্রযুক্তিগত উন্নয়নের জন্য পরিচিত হলেও আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের সদর দপ্তর এখানে নয়।
B) ম্যানিলা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই শহরেই ইনস্টিটিউটটির মূল কার্যালয় ও প্রধান গবেষণাগার অবস্থিত।
C) ভারত — এটি ধান উৎপাদনে এগিয়ে থাকা একটি দেশ হলেও এই আন্তর্জাতিক সংস্থাটির সদর দপ্তর এখানে অবস্থিত নয়।
D) নেপাল — এটি একটি দক্ষিণ এশীয় দেশ এবং এই ইনস্টিটিউটের সদর দপ্তর নেপালে অবস্থিত নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
ধান খেতে খুব পানি লাগে এবং ম্যানিলা শহরেও প্রচুর বৃষ্টিপাত ও পানি থাকে।
এই মিলের সাহায্যে ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ফিলিপাইনের ম্যানিলায় অবস্থিত তা সহজে মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সদর দপ্তর সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
আইআরআরআই কোন সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর পূর্ণ রূপ কী, তা থেকেও প্রশ্ন হতে পারে।
সঠিক উত্তর: A) অস্ট্রেলিয়া
১. কেন সঠিক:
- পৃথিবীর মোট স্থলভাগকে সাতটি মহাদেশে ভাগ করা হয়েছে যার মধ্যে আয়তনের দিক থেকে অস্ট্রেলিয়া হলো সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম মহাদেশ।
- এই মহাদেশটি ওশেনিয়া অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত এবং এটি একাধারে একটি দেশ ও একটি মহাদেশ হিসেবে পরিচিত।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
- দেশ/সংস্থা: অস্ট্রেলিয়া কমনওয়েলথ বিশ্বের একমাত্র দেশ যা সমগ্র মহাদেশজুড়ে বিস্তৃত।
- প্রতিষ্ঠা/তারিখ: ১৯০১ সালের ১ জানুয়ারি অস্ট্রেলিয়া কমনওয়েলথ গঠিত হয় এবং ব্রিটিশ উপনিবেশ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।
- স্থান/সদর দপ্তর: এটি দক্ষিণ গোলার্ধে ভারত ও প্রশান্ত মহাসাগরের মাঝে অবস্থিত এবং এর রাজধানী ক্যানবেরা।
- উদ্দেশ্য/গুরুত্ব: ভৌগোলিক বিচ্ছিন্নতার কারণে এই মহাদেশে অত্যন্ত বিরল প্রজাতির উদ্ভিদ ও প্রাণীর বিকাশ ঘটেছে যা বৈশ্বিক জীববৈচিত্র্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: এশিয়া মহাদেশ
ব্যাখ্যা: এটি বিশ্বের বৃহত্তম মহাদেশ যা আয়তন ও জনসংখ্যা উভয় দিক থেকেই সবার শীর্ষে অবস্থান করছে।
উদাহরণ ২: আন্টার্কটিকা মহাদেশ
ব্যাখ্যা: এটি পৃথিবীর পঞ্চম বৃহত্তম মহাদেশ হলেও এখানে কোনো স্থায়ী মানববসতি নেই এবং এটি বরফে আচ্ছাদিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অস্ট্রেলিয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর ভূখণ্ড অন্যান্য মহাদেশের তুলনায় সবচেয়ে কম।
B) ইউরোপ — এটি আয়তনের দিক থেকে ষষ্ঠ ক্ষুদ্রতম মহাদেশ হলেও অস্ট্রেলিয়ার চেয়ে আকারে অনেক বড়।
C) আফ্রিকা — এটি বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাদেশ এবং এর আয়তন অস্ট্রেলিয়ার বহু গুণ বেশি।
D) দক্ষিণ আমেরিকা — এটি বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম মহাদেশ যা উত্তর আমেরিকার দক্ষিণে অবস্থিত।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বিশ্ব মানচিত্রে সবচেয়ে ছোট মহাদেশ মনে রাখতে অ দিয়ে শুরু অস্ট্রেলিয়া নামটি মনে রাখবে।
- অনেক সময় ওশেনিয়া ও অস্ট্রেলিয়াকে গুলিয়ে ফেলা হয়, তাই মনে রাখবে মূল ভূখণ্ড হিসেবে এটি অস্ট্রেলিয়া মহাদেশ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ভৌগোলিক আয়তনের ক্রমানুসারে মহাদেশগুলোর নাম মুখস্থ রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য জরুরি।
- এই প্রশ্নটি থেকে প্রায়শই দ্বীপ মহাদেশ কোনটি বা ওশেনিয়া অঞ্চলের বৃহত্তম দেশ কোনটি সে সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: C) তুরস্ক
১. কেন সঠিক:
ঐতিহাসিক ট্রয় নগরটি বর্তমানে তুরস্কের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত। প্রাচীন এই নগরীটি গ্রিক পুরাণের ট্রয়ের যুদ্ধ এবং মহাকবি হোমারের ইলিয়াড কাব্যের জন্য বিশ্বজুড়ে বিখ্যাত।
২. ঐতিহাসিক ও ভৌগোলিক পটভূমি:
দেশ বা স্থান: বর্তমান তুরস্কের কানাক্কালে প্রদেশের হিসারলিক নামক স্থানে এই প্রাচীন নগরীর ধ্বংসাবশেষ অবস্থিত।
প্রেক্ষাপট: ১৯ শতকে জার্মান প্রত্নতাত্ত্বিক হাইনরিখ শ্লিমান প্রথম এখানে খননকার্য পরিচালনা করে ট্রয় নগরীর ঐতিহাসিক অস্তিত্ব আবিষ্কার করেন।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ইফেসাস
ব্যাখ্যা: এটিও তুরস্কের একটি বিখ্যাত প্রাচীন ঐতিহাসিক নগরী এবং প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান।
উদাহরণ ২: পম্পেই
ব্যাখ্যা: এটি ইতালির একটি প্রাচীন রোমান শহর যা আগ্নেয়গিরির লাভায় ধ্বংস হয়েছিল এবং ট্রয়ের মতো এটিও একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক পর্যটন কেন্দ্র।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইটালি — এটি রোমান সাম্রাজ্যের কেন্দ্র হলেও ঐতিহাসিক ট্রয় নগরী এখানে অবস্থিত ছিল না।
B) গ্রীস — গ্রিক মিথলজির সঙ্গে ট্রয় গভীরভাবে যুক্ত হলেও এই প্রাচীন নগরীর ভৌগোলিক অবস্থান বর্তমান গ্রিসের ভূখণ্ডে নয়।
D) ফ্রান্স — এটি ইউরোপের একটি দেশ যার সঙ্গে ট্রয়ের যুদ্ধের কোনো ঐতিহাসিক বা ভৌগোলিক সংযোগ নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
ট্রয় নগরীর সঙ্গে গ্রিক মিথোলজি জড়িত থাকলেও এটি বর্তমান তুরস্কের ভূখণ্ডে অবস্থিত। মনে রাখতে হবে, মিথোলজি গ্রিসের কিন্তু অবস্থান তুরস্কে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
এই প্রশ্নটি বিশ্ব ইতিহাস এবং প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান ক্যাটাগরির অন্তর্ভুক্ত। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রাচীন ঐতিহাসিক স্থান ও তার বর্তমান ভৌগোলিক অবস্থান সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: B) ১৯৩০
১. কেন সঠিক:
ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবলের প্রথম আসর অনুষ্ঠিত হয় ১৯৩০ সালে উরুগুয়েতে।
স্বাগতিক উরুগুয়ে ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে পরাজিত করে প্রথম বিশ্বকাপ ট্রফি অর্জনের গৌরব অর্জন করে।
২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট:
সংস্থা: ফিফা বা Fédération Internationale de Football Association হলো বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রণ সংস্থা।
প্রতিষ্ঠা: ১৯০৪ সালের ২১ মে ফিফা প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর বর্তমান সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জুরিখে অবস্থিত।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ১৯৩০ সালের বিশ্বকাপ
ব্যাখ্যা: এই প্রথম আসরে কোনো বাছাইপর্ব ছাড়াই ১৩টি দল অংশ নিয়েছিল।
উদাহরণ ২: ফিফা বিশ্বকাপ আয়োজক দেশ
ব্যাখ্যা: বিশ্বকাপ ফুটবলের ইতিহাসে প্রথম আসরের স্বাগতিক ও চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব একমাত্র উরুগুয়ের রয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯২৯ — এই সালে কোনো ফিফা বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয়নি এবং এটি প্রথম বিশ্বকাপের প্রাক্কলকাল।
B) ১৯৩০ — এটি সঠিক উত্তর যা প্রশ্নের সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়।
C) ১৯৩১ — এই বছর ফিফা বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয়নি কারণ টুর্নামেন্ট তখন প্রতি চার বছর পরপর নির্ধারিত ছিল।
D) ১৯৩২ — এই বছর লস অ্যাঞ্জেলেস অলিম্পিক গেমস অনুষ্ঠিত হয়েছিল কিন্তু কোনো ফিফা বিশ্বকাপ হয়নি।
৫ মনে রাখার টিপস:
১৯৩০ সালটি মনে রাখার জন্য মনে রাখতে হবে যে ত্রিশের দশকে বিশ্বকাপ ফুটবলের যাত্রা শুরু হয়েছিল।
উরুগুয়ের স্বাধীনতার শতবর্ষ পূর্তি উদযাপনের বছর হিসেবে ১৯৩০ সালটি ফুটবলের ইতিহাসে চিরস্মরণীয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রথম ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচটি উরুগুয়ের মোন্তেভিদেও শহরে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
এই ধরনের প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রথম বিশ্বকাপ কোথায় ও কবে অনুষ্ঠিত হয়েছিল তা প্রায়শই আসে।
সঠিক উত্তর: C) NATO
১. কেন সঠিক:
উত্তর নির্ণয়ের মূল কারণ হলো NATO একটি সামরিক জোট এবং এর সদস্য হতে হলে নির্দিষ্ট ভৌগোলিক অবস্থান ও সামরিক চুক্তির শর্ত পূরণ করতে হয়।
বাংলাদেশ একটি জোটনিরপেক্ষ দেশ হওয়ায় এবং ভৌগোলিকভাবে উত্তর আটলান্টিক অঞ্চলে অবস্থিত না থাকায় এই সামরিক জোটের সদস্য নয়।
২. আন্তর্জাতিক সংস্থা পরিচিতি:
সংস্থা: NATO অর্থ North Atlantic Treaty Organization বা উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা।
প্রতিষ্ঠা ও সদর দপ্তর: এটি ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর সদর দপ্তর বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে অবস্থিত।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: SAARC
ব্যাখ্যা: এটি দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা এবং বাংলাদেশ এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য।
উদাহরণ ২: ILO
ব্যাখ্যা: এটি আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা এবং বাংলাদেশ এর একটি সক্রিয় সদস্য রাষ্ট্র।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ILO — বাংলাদেশ ১৯৭২ সালে জাতিসংঘের এই বিশেষায়িত সংস্থার সদস্যপদ লাভ করে।
B) SAARC — দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক এই সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হলো বাংলাদেশ।
C) NATO — এটি মূলত উত্তর আমেরিকা ও ইউরোপের দেশগুলোকে নিয়ে গঠিত একটি সামরিক জোট।
D) BIMSTEC — বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলের এই আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা সদস্য বাংলাদেশ।
৫ মনে রাখার টিপস:
NATO হলো ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার সামরিক জোট, তাই এশিয়ার দেশগুলো এর সদস্য হতে পারে না।
বাংলাদেশ সাধারণত বৈশ্বিক শান্তি রক্ষা ও জোটনিরপেক্ষ কূটনীতিতে বিশ্বাসী, তাই সামরিক জোটে যুক্ত থাকে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলাদেশ বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে জোরালো ভূমিকা পালন করে।
এই প্রশ্নটি থেকে আন্তর্জাতিক সামরিক জোট ও অর্থনৈতিক জোটের সদস্যপদের পার্থক্য সম্পর্কে ধারণা স্পষ্ট হয়।
সঠিক উত্তর: D) বালী
১. কেন সঠিক:
- ২০২২ সালের ১৭ থেকে ১৮ নভেম্বর ইন্দোনেশিয়ার বালী দ্বীপে ১৭তম জি-২০ শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- এই সম্মেলনটি মূলত বিশ্বের প্রধান অর্থনৈতিক শক্তিগুলোর একটি জোট যা বৈশ্বিক অর্থনীতি ও আর্থিক স্থিতিশীলতা নিয়ে কাজ করে।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
- সংস্থা: জি-২০ বা গ্রুপ অব টুয়েন্টি, যা বিশ্বের প্রধান উন্নত ও উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোর একটি আন্তর্জাতিক ফোরাম।
- প্রতিষ্ঠা: ১৯৯৯ সালে এশিয়ান আর্থিক সংকটের পর বিশ্ব অর্থনীতির স্থিতিশীলতা অর্জনের লক্ষ্যে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সদস্যদেশ: ১৯টি দেশ এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও আফ্রিকান ইউনিয়ন এর সদস্য।
- উদ্দেশ্য: আন্তর্জাতিক আর্থিক স্থায়িত্ব প্রচার এবং টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করা।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ২০২৩ সালের জি-২০ শীর্ষ সম্মেলন
ব্যাখ্যা: এটি ভারতের নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত হয় এবং বৈশ্বিক দক্ষিণের দেশগুলোর কণ্ঠস্বর জোরালো করার ওপর গুরুত্ব দেয়।
উদাহরণ ২: ২০২৪ সালের জি-২০ শীর্ষ সম্মেলন
ব্যাখ্যা: এটি ব্রাজিলের রিও ডি জেনেরিওতে অনুষ্ঠিত হয় এবং ক্ষুধা ও দারিদ্র্য বিমোচনের ওপর বিশেষ জোর দেয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সিংগাপুর — এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি উন্নত দ্বীপ রাষ্ট্র এবং এশিয়ার অন্যতম প্রধান আর্থিক কেন্দ্র, যা এই সম্মেলনের আয়োজক ছিল না।
B) জাকার্তা — এটি ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী ও বৃহত্তম শহর হলেও ২০২২ সালের জি-২০ শীর্ষ সম্মেলন এখানে অনুষ্ঠিত হয়নি।
C) ম্যানিলা — এটি ফিলিপাইনের রাজধানী এবং এশিয়ান উন্নয়ন ব্যাংকের সদর দপ্তর অবস্থিত, যা ২০২২ সালের জি-২০ সম্মেলনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) বালী — এটি ইন্দোনেশিয়ার একটি বিখ্যাত পর্যটন দ্বীপ এবং এখানেই ২০২২ সালের ১৭তম জি-২০ শীর্ষ সম্মেলন সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ইন্দোনেশিয়া দ্বীপের দেশ হওয়ায় এর পর্যটন কেন্দ্র বালী দ্বীপে বিশ্বনেতারা ২০২২ সালে মিলিত হয়েছিলেন।
- এভাবে মনে রাখতে পারো যে বালী দ্বীপে সমুদ্র সৈকতের পাশে বিশ্ব অর্থনীতির বড় বৈঠকটি হয়েছিল।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- জি-২০ জোরালো কোনো স্থায়ী সচিবালয় বা সদর দপ্তর নেই, প্রতি বছর পালাক্রমে এর সভাপতিত্ব পরিবর্তিত হয়।
- এই ধরনের আন্তর্জাতিক সম্মেলনের আয়োজক দেশ এবং সাল প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: C) ১৯৬২
১. কেন সঠিক:
চীন-ভারত যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল ১৯৬২ সালে। হিমালয় সীমান্ত অঞ্চলের মালিকানা নিয়ে দীর্ঘদিনের ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার ফলে এই সশস্ত্র সংঘাতের সূত্রপাত ঘটেছিল।
২. যুদ্ধ ও সংঘাতের প্রেক্ষাপট:
সময়কাল: ১৯৬২ সালের অক্টোবর থেকে নভেম্বর মাস পর্যন্ত এই যুদ্ধ স্থায়ী হয়েছিল।
সংশ্লিষ্ট পক্ষ: এশিয়া তথা বিশ্বের দুটি জনবহুল প্রতিবেশী দেশ চীন এবং ভারত এই যুদ্ধে প্রত্যক্ষভাবে অংশগ্রহণ করেছিল।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ১৯৬৯ সালের চীন-সোভিয়েত সীমান্ত সংঘাত
ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে যে মতাদর্শগত মিত্র হওয়া সত্ত্বেও স্নায়ুযুদ্ধের সময় সীমানা ও ভূরাজনীতির কারণে কমিউনিস্ট দেশগুলোর মধ্যেও রক্তক্ষয়ী সংঘাত হতে পারে।
উদাহরণ ২: ১৯৬২ সালের কিউবান মিসাইল সংকট
ব্যাখ্যা: একই বছরে সংঘটিত এই সংকট আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে পরাশক্তিগুলোর মধ্যকার পারমাণবিক যুদ্ধের ঝুঁকি এবং ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার তীব্রতা ফুটিয়ে তোলে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৫৯ — এই বছর চীন-ভারত সীমান্তে প্রথম বড় ধরনের সশস্ত্র সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছিল, যা মূল যুদ্ধের পূর্বপ্রস্তুতি হিসেবে কাজ করলেও এটি যুদ্ধের সাল নয়।
B) ১৯৬০ — এই সালে কোনো চীন-ভারত যুদ্ধ সংঘটিত হয়নি, যদিও এই সময়ে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক আলোচনা ও সীমান্ত নিয়ে দরকষাকষি অব্যাহত ছিল।
C) ১৯৬২ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই সালেই চীন ও ভারতের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ সামরিক যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল।
D) ১৯৬৩ — যুদ্ধের প্রধান সামরিক পদক্ষেপগুলো ১৯৬২ সালেই শেষ হয়ে গিয়েছিল এবং এই বছর উভয় পক্ষ যুদ্ধপরবর্তী কূটনৈতিক অবস্থান জোরদার করছিল।
৫ মনে রাখার টিপস:
চীন-ভারত যুদ্ধের সাল মনে রাখতে মনে রাখুন, ভারত স্বাধীন হওয়ার পনেরো বছর পর এবং বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রায় এক দশক আগে ১৯৬২ সালে এই যুদ্ধ হয়েছিল। হিমালয় অঞ্চলের এই সংঘাতের সালটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
এই প্রশ্নটি সীমান্ত বিরোধ এবং যুদ্ধ ও সংঘাতের ধরন থেকে এসেছে। একই বিষয় থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে ১৯৬২ সালের যুদ্ধে কোন দুটি দেশ লড়েছিল অথবা এই যুদ্ধের প্রধান কারণ কী ছিল।
সঠিক উত্তর: A) ম্যারিয়ানা ট্রেঞ্চ
১. কেন সঠিক:
ম্যারিয়ানা ট্রেঞ্চ হলো পৃথিবীর মহাসমুদ্রের সর্বাপেক্ষা গভীরতম খাত। এটি প্রশান্ত মহাসাগরের পশ্চিম অংশে গুয়াম দ্বীপের পূর্বে অবস্থিত এবং এর গভীরতম অংশকে চ্যালেঞ্জার ডিপ বলা হয়।
২. ভৌগোলিক তথ্য:
অবস্থান: প্রশান্ত মহাসাগরের পশ্চিম অংশ।
গভীরতা: প্রায় ১১০৩৩ মিটার বা ৩৬০৭০ ফুট।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মাউন্ট এভারেস্ট।
ব্যাখ্যা: এটি পৃথিবীর সর্বোচ্চ শৃঙ্গ এবং ম্যারিয়ানা ট্রেঞ্চ হলো গভীরতম স্থান, যা ভূগোলের বিপরীত দুটি চরম বিন্দু হিসেবে পরীক্ষায় তুলনামূলকভাবে আসে।
উদাহরণ ২: চ্যালেঞ্জার ডিপ।
ব্যাখ্যা: এটি ম্যারিয়ানা ট্রেঞ্চের সবচেয়ে গভীরতম বিন্দু, যা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আলাদা প্রশ্ন হিসেবে আসে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ম্যারিয়ানা ট্রেঞ্চ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি পৃথিবীর সর্বাধিক গভীরতম স্থান হিসেবে বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত।
B) ডেড সী — এটি বিশ্বের সবচেয়ে নিচু স্থান বা মৃত সাগর হলেও মহাসমুদ্রের গভীরতম খাত নয়।
C) বৈকাল হ্রদ — এটি পৃথিবীর গভীরতম মিষ্টি পানির হ্রদ, কিন্তু মহাসমুদ্রের গভীরতম স্থান নয়।
D) লোহিত সাগর — এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সাগর হলেও এটি পৃথিবীর গভীরতম স্থান নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
মহাসমুদ্রের গভীরতা মাপার ক্ষেত্রে ম্যারিয়ানা ট্রেঞ্চ নামটি মনে রাখবে। সমুদ্রের গভীরতা সম্পর্কিত যেকোনো প্রশ্নে এই নামটি সবার আগে আসে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ম্যারিয়ানা ট্রেঞ্চের গভীরতা এবং অবস্থান প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। সর্বোচ্চ শৃঙ্গ এভারেস্টের উচ্চতার সঙ্গে এর গভীরতার তুলনা প্রায়ই পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করতে ব্যবহৃত হয়।
সঠিক উত্তর: C) ২০১৩ সাল
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরের মূল কারণ হলো চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ২০১৩ সালে কাজ়াখস্তান ও ইন্দোনেশিয়া সফরের সময় এই মহা প্রকল্পের ঘোষণা দেন।
- প্রাচীন সিল্ক রোডের আদويে গ্লোবাল কানেক্টিভিটি ও বাণিজ্য সম্প্রসারণের উদ্দেশ্যে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
- উদ্যোগ: বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ বা বিআরআই
- সূচনা: ২০১৩ সাল
- প্রবক্তা দেশ: চীন
- মূল লক্ষ্য: এশিয়া, ইউরোপ ও আফ্রিকার মধ্যে স্থল ও জলপথে যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং অবকাঠামো উন্নয়ন।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চীন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডোর বা সিপিইসি
ব্যাখ্যা: এটি বেল্ট অ্যান্ড রোড উদ্যোগের একটি প্রধান ও অত্যন্ত আলোচিত অংশ যা পাকিস্তানের গোয়াদার বন্দরকে চীনের শিনজিয়াং প্রদেশের সঙ্গে যুক্ত করেছে।
উদাহরণ ২: মেরিটাইম সিল্ক রোড
ব্যাখ্যা: এটি বিআরআই এর সমুদ্রভিত্তিক অংশ যা দক্ষিণ চীন সাগর থেকে শুরু হয়ে ভারত মহাসাগর হয়ে ইউরোপ পর্যন্ত সমুদ্র বাণিজ্য রুট তৈরি করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২০০০ সাল — এই সালে চীন-আফ্রিকা সহযোগিতা ফোরাম বা ফকাক প্রতিষ্ঠিত হয় যা বিআরআই এর সূচনাকাল নয়।
B) ২০০১ সাল — এই সালে চীন বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা বা ডব্লিউটিও এর সদস্যপদ লাভ করে যা বিআরআই সূচনার বছর নয়।
C) ২০১৩ সাল — এই সালটি বেল্ট অ্যান্ড রোড কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক সূচনাকাল হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর।
D) ২০১৬ সাল — এই বছর এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক বা এআইআইবি আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে যা বিআরআই অর্থায়নের সহায়ক হলেও সূচনার বছর নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ২০১৩ সংখ্যাটি মনে রাখতে পারেন চীনা প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা গ্রহণের বছর এবং বিআরআই ঘোষণার বছর হিসেবে।
- সিল্ক রোড মানেই প্রাচীন বাণিজ্য পথ আর আধুনিক বেল্ট অ্যান্ড রোড মানে ২০১৩ সালের আধুনিক মেগা প্রজেক্ট।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিআরআই এর ইংরেজি রূপ হলো বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ যা অনেক সময় শুধু বিআরআই নামে পরীক্ষায় আসে।
- এই একই বিষয় থেকে প্রশ্ন আসতে পারে বিআরআই এর প্রবক্তা দেশ কোনটি অথবা এটি কত সালে ঘোষিত হয়।
সঠিক উত্তর: A) ইন্দোনেশিয়া
১. কেন সঠিক:
বান্দা আচেহ হলো ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপের উত্তর প্রান্তে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক ও গুরুত্বপূর্ণ শহর। এটি আচেহ প্রদেশের রাজধানী এবং এটি ইসলাম ধর্মের প্রচার ও প্রসারের জন্য দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত।
২. geographical context:
দেশ: ইন্দোনেশিয়া পৃথিবীর বৃহত্তম দ্বীপরাষ্ট্র এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার প্রধান অর্থনৈতিক শক্তি।
স্থান: বান্দা আচেহ সুমাত্রা দ্বীপের উত্তরপশ্চিম উপকূলে ভারত মহাসাগরের তীরে অবস্থিত।
প্রেক্ষাপট: ২০০৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর ভারত মহাসাগরের তলদেশে ভয়াবহ ভূমিকম্পের ফলে সৃষ্ট সুনামির আঘাতে এই শহরটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।
গুরুত্ব: সুমাত্রা দ্বীপের এই অঞ্চলটি অত্যন্ত কৌশলগত অবস্থানে রয়েছে এবং এটি মালয়েশিয়া ও থাইল্যান্ডের খুব কাছাকাছি অবস্থিত।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সুনামি এবং ২০০৪ সালের ভারত মহাসাগরের ভূমিকম্প।
ব্যাখ্যা: বান্দা আচেহ এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের কেন্দ্রবিন্দুর সবচেয়ে কাছাকাছি ছিল এবং এখানেই সর্বাধিক প্রাণহানি ঘটেছিল।
উদাহরণ ২: আচেহ সংঘাত এবং শান্তি চুক্তি।
ব্যাখ্যা: দীর্ঘদিন ধরে চলা স্বাধীনতাকামী আন্দোলন ২০০৫ সালে হেলসিঙ্কি শান্তি চুক্তির মাধ্যমে সমাপ্ত হয় এবং আচেহ বিশেষ স্বায়ত্তশাসন লাভ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইন্দোনেশিয়া — এই অপশনটি সঠিক কারণ বান্দা আচেহ ইন্দোনেশিয়ারই একটি প্রধান শহর।
B) থাইল্যান্ড — এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি দেশ যার রাজধানী ব্যাংকক এবং এর ভৌগোলিক সীমানায় বান্দা আচেহ নেই।
C) ফিলিপাইন — এটি প্রশান্ত মহাসাগরের একটি দ্বীপরাষ্ট্র এবং এর রাজধানী ম্যানিলা, যা বান্দা আচেহ থেকে অনেক দূরে অবস্থিত।
D) কম্বোডিয়া — এটি ইন্দোচীন অঞ্চলের একটি রাষ্ট্র যার রাজধানী নমপেন এবং এর সঙ্গে বান্দা আচেহের কোনো ভৌগোলিক সংযোগ নেই।
৫ মনে রাখার টিপস:
বান্দা আচেহ নামটি শুনলেই মাথায় রাখতে হবে এটি সুনামির কারণে বিশ্বজুড়ে আলোচনায় আসা ইন্দোনেশিয়ার একটি শহর। ইন্দোনেশিয়া মানেই হাজার হাজার দ্বীপের দেশ, যার সুমাত্রা দ্বীপের উত্তর প্রান্তে এটি অবস্থিত।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শহরভিত্তিক ভৌগোলিক অবস্থান এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের কেন্দ্রস্থল সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। আচেহের বিশেষ স্বায়ত্তশাসন এবং ২০০৪ সালের সুনামি এই প্রশ্নটির জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।
সঠিক উত্তর: B) বিদ্যুৎ ও তাপ উৎপাদন
কেন সঠিক:
বিশ্বজুড়ে বিদ্যুৎ ও তাপ উৎপাদনের জন্য প্রধানত কয়লা, প্রাকৃতিক গ্যাস এবং তেল পোড়ানো হয়, যা বিপুল পরিমাণে কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাস বাতাসে ছড়ায়।
আমাদের ঘরবাড়ি, কারখানা এবং অফিসে ব্যবহৃত শক্তির সিংহভাগই এই খাত থেকে আসে, যা বৈশ্বিক গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনের প্রায় এক চতুর্ংশ দখল করে আছে।
ভৌগোলিক তথ্য:
গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনের প্রধান উৎস মূলত শিল্পোন্নত দেশ এবং জনবহুল অঞ্চলগুলোতে সবচেয়ে বেশি কেন্দ্রীভূত থাকে যেখানে শক্তির চাহিদা অতিরিক্ত বেশি।
বিশ্বের মোট উৎপাদিত শক্তির প্রায় ষাট থেকে সত্তর শতাংশ এখনো জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর সরাসরি নির্ভরশীল, যা পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করছে।
উদাহরণস্বরূপ, চীন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বব্যাপী বিদ্যুৎ ও তাপ উৎপাদনে কয়লা ব্যবহারের মাধ্যমে সর্বাধিক পরিমাণে কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাস বায়ুমণ্ডলে নির্গমন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পরিবহন — পরিবহন খাত থেকে প্রচুর কার্বন নির্গত হলেও তা বিদ্যুৎ ও তাপ উৎপাদনের তুলনায় সামগ্রিক পরিমাণে কিছুটা কম হয়।
B) বিদ্যুৎ ও তাপ উৎপাদন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
C) ভবন নির্মাণ — ভবন নির্মাণ এবং এর রক্ষণাবেক্ষণ খাতে শক্তির ব্যবহার ঘটে, তবে তা সরাসরি বিদ্যুৎ উৎপাদনের মতো এত বিশাল পরিমাণ গ্যাস নির্গমন করে না।
D) শিল্প — শিল্প কারখানায় প্রচুর শক্তি খরচ হয় এবং গ্যাস নির্গত হয়, তবে বিশ্বব্যাপী একক খাত হিসেবে বিদ্যুৎ ও তাপ উৎপাদনে সবার ওপরে রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
সবচেয়ে বেশি আলো জ্বালাতে এবং কারখানা চালাতে জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানো হয়, তাই বিদ্যুৎ ও তাপ উৎপাদনই গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনের এক নম্বর খাত।
সঠিক উত্তর: B) ঘড়ির কাটার বিপরীতে
কেন সঠিক:
১. উত্তর গোলার্ধে ফেরেলের সূত্র অনুযায়ী বায়ুর গতিপথ ডানদিকে বেঁকে যায়।
২. ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রে নিম্নচাপ থাকায় বায়ু ভেতরে আসার সময় এই বাঁক নেয়।
ভৌগোলিক তথ্য:
১. ক্রান্তীয় অঞ্চলে কর্কট ও মকর সংক্রান্তির মধ্যবর্তী সমুদ্রগর্ভে এই ঘূর্ণিঝড় জন্ম নেয়।
২. উষ্ণ সমুদ্রের জল এবং বায়ুর ঘূর্ণন এই ঝড়ের প্রধান শক্তি জোগায়।
৩. উদাহরণ হিসেবে বঙ্গোপসাগরের সাইক্লোন এবং আটলান্টিকের হ্যারিকেনের নাম বলা যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঘড়ির কাটার দিকে — এটি দক্ষিণ গোলার্ধে ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড়ের বায়ুর প্রবাহের দিক নির্দেশ করে।
B) সঠিক উত্তর — তাই এটি ভুল নয়, বরং এটিই উত্তর গোলার্ধের সঠিক নিয়ম।
C) সোজা — কোরিওলিস বলের প্রভাবে বাতাস কখনো সোজা পথে প্রবাহিত হতে পারে না।
D) কোনটাই সঠিক নয় — যেহেতু বি অপশনটি সঠিক, তাই এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
উত্তর গোলার্ধে ঘড়ির কাঁটার বিপরীত এবং দক্ষিণ গোলার্ধে ঘড়ির কাঁটার দিকে বায়ু ঘোরে।
সঠিক উত্তর: B) এপিসেন্টার
কেন সঠিক:
- ভূমিকম্পের উৎস বা কেন্দ্র থেকে শক্তি তরঙ্গ সরাসরি লম্বভাবে ওপরে উঠে এসে ভূপৃষ্ঠের যে বিন্দুতে প্রথম আঘাত করে তাকে এপিসেন্টার বা উপকেন্দ্র বলা হয়।
- ভূগর্ভস্থ ফোকাস বা কেন্দ্র থেকে তৈরি হওয়া সিসমিক তরঙ্গ বা ভূকম্পন সবচেয়ে কম দূরত্ব অতিক্রম করে এই এপিসেন্টার বিন্দুতে পৌঁছায়।
ভৌগোলিক তথ্য:
- ভূপৃষ্ঠের ওপর এপিসেন্টার বা উপকেন্দ্র ঠিক ফোকাসের লম্বালম্বি ওপরে নির্দিষ্ট বিন্দু হিসেবে অবস্থান করে।
- এই এপিসেন্টার অঞ্চলেই ভূমিকম্পের তীব্রতা এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সাধারণত সর্বাধিক হয়ে থাকে।
- উদাহরণস্বরূপ, কোনো ভূমিকম্পের কেন্দ্র ভূগর্ভে হলে তার ঠিক ওপরের ভূভাগের শহরটি হয় ঐ ভূমিকম্পের এপিসেন্টার।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফোকাস — এটি ভূগর্ভের সেই নির্দিষ্ট বিন্দু যেখানে মূলত প্রথম ভূমিকম্পের শক্তির সৃষ্টি হয়।
B) এপিসেন্টার — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল হিসেবে ধরা হচ্ছে না।
C) ফ্রাকচার — এটি শিলা স্তরের মধ্যে সৃষ্ট কোনো সাধারণ ফাটলকে বোঝায়, ভূমিকম্পের ওপরের বিন্দু নয়।
D) ফল্ট — এটি ভূতকের এমন একটি চ্যুতি বা ফাটল রেখা যার বরাবর শিলায় স্থানচ্যুতি ঘটে।
মনে রাখার টিপস:
- ফোকাস থাকে মাটির নিচে গভীরে আর এপিসেন্টার থাকে ঠিক তার ওপরের খোলা আকাশে বা ভূপৃষ্ঠে।
সঠিক উত্তর: C) তিতাস
কেন সঠিক:
১. ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় অবস্থিত তিতাস গ্যাস ক্ষেত্রটি থেকে বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি পরিমাণ প্রাকৃতিক গ্যাস উত্তোলিত হয়।
২. ভৌগোলিক ও ভূাত্ত্বিক বিচারে বিশাল মজুত থাকার কারণে এটি দেশের অর্থনীতিতে প্রধান জ্বালানি উৎস হিসেবে কাজ করে।
ভৌগোলিক তথ্য:
১. এটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলায় অবস্থিত এবং এর গ্যাসক্ষেত্রটি তিতাস নদীর অববাহিকায় গড়ে উঠেছে।
২. ১৯৬২ সালে এই গ্যাস ক্ষেত্রটি আবিষ্কৃত হয় এবং এর রিজার্ভ বা মজুতের পরিমাণ অত্যন্ত বিশাল।
৩. বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেড এই গ্যাস ক্ষেত্রটির সার্বিক উৎপাদন ও ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাখরাবাদ — এটি কুমিল্লা জেলায় অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ গ্যাস ক্ষেত্র হলেও তিতাসের চেয়ে এর মজুত ও উৎপাদন কম।
B) হরিপুর — এটি সিলেটের প্রথম আবিষ্কৃত গ্যাস ক্ষেত্র, যা ঐতিহাসিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হলেও তিতাসের মতো সর্ববৃহৎ নয়।
C) তিতাস — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো গ্যাস ক্ষেত্রের নাম প্রযোজ্য নয়।
D) হবিগঞ্জ — এটি একটি বড় গ্যাস ক্ষেত্র হলেও সামগ্রিক উৎপাদন ও মজুতের দিক থেকে তিতাস গ্যাস ক্ষেত্রের পরেই এর অবস্থান।
মনে রাখার টিপস:
সবচেয়ে বড় মানেই 'তিতাস' নদী বা নামের সাথে মিল রেখে মনে রাখবে যে বাংলাদেশের বৃহত্তম গ্যাস ক্ষেত্র হলো তিতাস।
সঠিক উত্তর: B) ২০০ নটিক্যাল মাইল
কেন সঠিক:
জাতিসংঘ সমুদ্র আইন কনভেনশন অনুযায়ী উপকূল রেখা থেকে ২০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত দূরত্বকে অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে।
এই সীমার মধ্যে থাকা সকল জলরাশি এবং সমুদ্র তলদেশের প্রাকৃতিক সম্পদ আহরণ করার পূর্ণ অধিকার সংশ্লিষ্ট দেশের থাকে।
ভৌগোলিক তথ্য:
বাংলাদেশের উপকূলীয় রেখা থেকে বঙ্গোপসাগরের দিকে এই ২০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত একচ্ছত্র অর্থনৈতিক অঞ্চল বিস্তৃত রয়েছে।
এই সীমানার মধ্যে মৎস্য সম্পদ, খনিজ সম্পদ, এবং জ্বালানি তেল বা গ্যাস উত্তোলনের সার্বভৌম অধিকার বাংলাদেশের রয়েছে।
২০১৪ সালে আন্তর্জাতিক আদালতে মায়ানমার এবং ভারতের সাথে সমুদ্রসীমা নিষ্পত্তির মাধ্যমে বাংলাদেশ তার এই ন্যায্য অধিকার লাভ করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৫০ নটিক্যাল মাইল — এটি আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক আইনে উপকূলীয় দেশের অর্থনৈতিক অঞ্চলের কোনো প্রমিত বা নির্ধারিত মাপ নয়।
B) ২০০ নটিক্যাল মাইল — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয় বরং নির্ধারিত সামুদ্রিক সীমার সঠিক মান।
C) ২৫০ নটিক্যাল মাইল — এই পরিমাপটি সমুদ্র আইনের নিয়মের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এবং এটি অতিরিক্ত দূরত্ব নির্দেশ করে।
D) ৩০০ নটিক্যাল মাইল — এই মানটি অনেক বেশি যা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত কোনো দেশের অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমার মধ্যে পড়ে না।
মনে রাখার টিপস:
সমুদ্রের অর্থনীতি মানেই দুইশো নটিক্যাল মাইল মনে রাখলে সহজে উত্তরটি মনে রাখা সম্ভব।
বাংলাদেশের অর্থনীতির সাথে ২০০ সংখ্যাটি মিলিয়ে পড়লে এই প্রশ্নটি কখনো ভুল হবে না।
সঠিক উত্তর: A) ১৫ নভেম্বর ২০০৭
কেন সঠিক:
২০০৭ সালের ১৫ নভেম্বর সন্ধ্যা থেকে মধ্যরাতের মধ্যে প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় সিডর বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলে আঘাত হানে।
এই সামুদ্রিক ঝড়ের বাতাসের সর্বোচ্চ গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় প্রায় দুইশো ষাট কিলোমিটার যা উপকূলে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালায়।
ভৌগোলিক তথ্য:
বঙ্গোপসাগরের মধ্যভাগে সৃষ্ট এই ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড়টি সুন্দরবন সংলগ্ন উপকূলীয় অঞ্চল দিয়ে দেশের ভেতরে প্রবেশ করেছিল।
সিডর একটি ক্যাটাগরি ফাইভ মাত্রার অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় ছিল যা প্রচুর বৃষ্টিপাত ও জলোচ্ছ্বাসের সৃষ্টি করেছিল।
এই দুর্যোগের ফলে বাংলাদেশের সুন্দরবন এবং উপকূলীয় অঞ্চলে লক্ষ লক্ষ মানুষ ও বন্যপ্রাণী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৫ নভেম্বর ২০০৭ — এটি সিডর আঘাত হানার প্রকৃত তারিখ হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।
B) ১৬ নভেম্বর ২০০৭ — এই তারিখে সিডর আঘাত হানেনি বরং এটি ঝড়ের পরবর্তী দিন এবং উদ্ধার কাজের শুরুর সময়।
C) ১৭ নভেম্বর ২০০৭ — এই তারিখে ঘূর্ণিঝড়টি দুর্বল হয়ে নিম্নচাপে পরিণত হয়েছিল এবং এর মূল আঘাতের দিন এটি নয়।
D) ১৮ নভেম্বর ২০০৭ — এই তারিখটি সিডর আঘাত হানার বেশ কিছুদিন পরের সময় নির্দেশ করে তাই এটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
২০০৭ সালের নভেম্বর মাসের মাঝামঝি অর্থাৎ পনেরো তারিখে সিডর আঘাত হেনেছিল এটি মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) সিএফসি
কেন সঠিক:
আন্তর্জাতিক মন্ট্রিল প্রোটোকল চুক্তির মাধ্যমে ক্ষতিকর সিএফসি গ্যাসের উৎপাদন ও ব্যবহার বিশ্বব্যাপী কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
এর ফলে বাতাসে এই গ্রীনহাউস গ্যাসের পরিমাণ বর্তমানে বৃদ্ধি পাচ্ছে না বরং ধীরে ধীরে হ্রাস পাচ্ছে।
ভৌগোলিক তথ্য:
বায়ুমণ্ডলের স্ট্রাটোেস্ফিয়ার স্তরে ওজোন স্তর সুরক্ষায় সিএফসি গ্যাসের ক্ষতিকর প্রভাব অত্যন্ত মারাত্মক হিসেবে চিহ্নিত।
এই গ্যাসের মূল উৎস হলো রেফ্রিজারেটর, এয়ার কন্ডিশনার এবং স্প্রে ক্যানের অ্যারোসল।
আশির দশকে আন্টার্কটিকার ওজোন স্তরে প্রথম বিশাল ছিদ্র ধরা পড়ার পর থেকেই সিএফসি গ্যাস নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগ শুরু হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কার্বন ডাইঅক্সাইড — জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানো এবং শিল্পায়নের ফলে বায়ুমণ্ডলে এই গ্যাস ক্রমাগত বেড়েই চলেছে।
B) মিথেন — কৃষিকাজ, গবাদিপশুর মলমূত্র এবং জলাভূমি থেকে এই গ্রীনহাউস গ্যাসের পরিমাণ প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে।
C) সিএফসি — আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার কারণে এই গ্যাসের পরিমাণ বর্তমানে আর বৃদ্ধি পাচ্ছে না।
D) নাইট্রাস অক্সাইড — রাসায়নিক সার ব্যবহার এবং শিল্প কারখানা বৃদ্ধির কারণে বায়ুমণ্ডলে এই গ্যাস ক্রমেই বাড়ছে।
মনে রাখার টিপস:
মন্ট্রিলে বিশ্ববাসীর ঐতিহাসিক চুক্তির ফলে, সিএফসি গ্যাস কমা, বাকি তিন গ্যাস বাড়া।
সঠিক উত্তর: C) পানির আন্তঃআণবিক স্থানে
কেন সঠিক:
পানি অণুগুলোর মাঝে ফাঁকা জায়গা বা আন্তঃআণবিক স্থান থাকে, যেখানে গ্যাসীয় অক্সিজেন সহজে জমা হতে পারে।
এই আন্তঃআণবিক ফাঁকা স্থানের কারণেই জলজ প্রাণীরা পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেন গ্রহণ করে বেঁচে থাকে।
ভৌগোলিক তথ্য:
প্রাকৃতিক জলাশয়ের উপরিভাগ থেকে বায়ুমণ্ডলের অক্সিজেন অবিরাম পানির ভেতরে প্রবেশ করে।
দ্রবীভূত অক্সিজেন জলজ বাস্তুতন্ত্র টিকিয়ে রাখতে এবং মাছের শ্বসন প্রক্রিয়ায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
সাধারণত ঠান্ডা পানিতে উষ্ণ পানির তুলনায় দ্রবীভূত অক্সিজেনের পরিমাণ বেশি থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পানির উপরিভাগে — অক্সিজেন শুধু উপরিভাগে থাকে না, বরং এটি তরল পানির ভেতরে সমানভাবে মিশে থাকে।
B) পানির মধ্যভাগে — অক্সিজেন কেবল মধ্যভাগে অবস্থান করে না, এটি পুরো পানির অণুর ফাঁকে ছড়ানো থাকে।
D) পানির তলদেশে — তলদেশে অক্সিজেনের পরিমাণ বরং কম থাকে, কারণ এটি অণুর ফাঁকে ছড়ানো গ্যাস।
মনে রাখার টিপস:
পানি মানেই অণুর মেলবন্ধন, আর তার ফাঁকেই অক্সিজেন থাকে জীবন বাঁচানোর জন্য।
সঠিক উত্তর: D) হালদা
কেন সঠিক:
- হালদা নদীর উৎপত্তি বাংলাদেশের খাগড়াছড়ি জেলার পাহাড়ি অঞ্চল থেকে হয়েছে।
- বাংলাদেশের নদীগুলোর মধ্যে এটি একমাত্র নদী যার উৎস দেশেই অবস্থিত।
ভৌগোলিক তথ্য:
- অবস্থান ও আয়তন: এটি চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি, হাটহাজারী ও রাউজান উপজেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কর্ণফুলী নদীতে মিশেছে।
- বিশেষত্ব: এটি বাংলাদেশের একমাত্র জোয়ারভাটাযুক্ত পাহাড়ি নদী এবং রুই জাতীয় মাছের ডিম ছাড়ার প্রাকৃতিক প্রজনন ক্ষেত্র।
- তথ্য ও উদাহরণ: প্রতি বছর বর্ষাকালে এই নদী থেকে স্থানীয় জেলেরা মা মাছের নিষিক্ত ডিম সংগ্রহ করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কর্ণফুলি — এই নদীর উৎপত্তিস্থান ভারতের মিজোরাম রাজ্যের লুসাই পাহাড়ে অবস্থিত।
B) নাফ — এই নদীর উৎপত্তিস্থান মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ি অঞ্চলে অবস্থিত।
C) মেঘনা — এই নদীর প্রধান উৎসের নাম বরাক নদী যা ভারতের আসাম রাজ্যে উৎপন্ন হয়েছে।
D) হালদা — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় ভুল নয়, বরং এটিই একমাত্র নদী যার উৎপত্তি বাংলাদেশে।
মনে রাখার টিপস:
- হালদার হ দিয়ে মনে রাখবে এর উৎপত্তিস্থান আমাদের দেশেই অর্থাৎ বাংলাদেশে।
সঠিক উত্তর: B) ৭/জি
প্রদত্ত তথ্য:
পদের ধারাটি হলো ১/এ, ৩/সি, ৫/ই, ?
ধরি,
সংখ্যাগুলোর ধারাটি হলো ১, ৩, ৫, ?
অতএব,
প্রথম সংখ্যার সাথে দুই যোগ করলে দ্বিতীয় সংখ্যা পাওয়া যায়
সুতরাং,
পরবর্তী সংখ্যাটি হবে পাঁচ যোগ দুই অর্থাৎ সাত
ধরি,
বর্ণগুলোর ধারাটি হলো এ, সি, ই, ?
অতএব,
প্রতিটি বর্ণ একটি করে বাদ দিয়ে পরের বর্ণ লেখা হয়েছে
সুতরাং,
ই এর পরে এফ বাদ দিয়ে পরবর্তী বর্ণটি হবে জি
উত্তর: ৭/জি
সঠিক উত্তর: A) ১/৮
প্রদত্ত তথ্য:
ধারার সংখ্যাগুলো হলো আট, চার, দুই, এক, এক বাই দুই, এক বাই চার
ধরি,
ধারার প্রথম পদ = আট
ধারার পদগুলোর মধ্যকার সাধারণ অনুপাত বের করতে হবে
অতএব,
দ্বিতীয় পদ ভাগ প্রথম পদ = চার ভাগ আট = এক বাই দুই
তৃতীয় পদ ভাগ দ্বিতীয় পদ = দুই ভাগ চার = এক বাই দুই
সুতরাং,
প্রতিটি সংখ্যা তার আগের সংখ্যার অর্ধেক বা এক বাই দুই অংশ
উত্তর: এক বাই চার এর অর্ধেক অর্থাৎ এক বাই আট
সঠিক উত্তর: D) ৮৪ পয়সা
প্রদত্ত তথ্য:
কাগজের প্রতি পাতার দাম ২১ পয়সা
মোট কাগজের পাতার সংখ্যা ৪ পাতা
ধরি,
১ পাতার দাম = ২১ পয়সা
অতএব,
৪ পাতার দাম বের করতে হবে
সুতরাং,
২১ × ৪ = ৮৪ পয়সা
উত্তর: ৮৪ পয়সা
সঠিক উত্তর: C) অনিশ্চিত
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম দুটি উক্তি সম্পূর্ণ সত্য বলে ধরে নিতে হবে
তৃতীয় উক্তিটি প্রথম দুটি উক্তির উপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীল নয়
ধরি,
প্রথম উক্তিটির সত্যতা = ক
দ্বিতীয় উক্তিটির সত্যতা = খ
তৃতীয় উক্তিটির সত্যতা = গ
অতএব,
ক এবং খ এর মান সত্য হলেও গ এর মান সরাসরি প্রমাণিত হয় না
গ এর সত্যতা যাচাইয়ের জন্য অতিরিক্ত তথ্যের প্রয়োজন হয়
সুতরাং,
প্রথম দুটি উক্তি থেকে তৃতীয় উক্তিটি সত্য নাকি মিথ্যা তা নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়
উত্তর: অনিশ্চিত
সঠিক উত্তর: D) .৩১
প্রদত্ত তথ্য:
অপশনগুলো হলো ৭, ৮, .৩৩ এবং .৩১
ধরি,
পূর্ণসংখ্যাগুলোর মান হলো ৭ এবং ৮
দশমিক সংখ্যাগুলোর মান হলো .৩৩ এবং .৩১
অতএব,
সবচেয়ে ছোট মান নির্ধারণ করার জন্য সংখ্যাগুলোর তুলনা করি
পূর্ণসংখ্যা দুটি অনেক বড়
সুতরাং,
দশমিক সংখ্যা দুটির মধ্যে .৩১ হলো .৩৩ এর চেয়ে ছোট
উত্তর: .৩১
সঠিক উত্তর: C) ৬ ফুট
প্রদত্ত তথ্য:
প্রতি ফুট দড়ির দাম = ১০ টাকা
মোট টাকার পরিমাণ = ৬০ টাকা
ধরি,
ক্রয়কৃত দড়ির পরিমাণ = ক ফুট
অতএব,
১ ফুট দড়ির দাম = ১০ টাকা
ক ফুট দড়ির দাম = ১০ × ক টাকা
সুতরাং,
১০ × ক = ৬০
ক = ৬০ ÷ ১০
উত্তর: ৬ ফুট
সঠিক উত্তর: C) ১৬
প্রদত্ত তথ্য:
সংখ্যা শ্রেণিটি হলো এক, দুই, চার, সাত, এগারো
ধরি,
পদগুলোর মধ্যকার পার্থক্য ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে
অতএব,
প্রথম ও দ্বিতীয় পদের পার্থক্য = দুই − এক = এক
দ্বিতীয় ও তৃতীয় পদের পার্থক্য = চার − দুই = দুই
তৃতীয় ও চতুর্থ পদের পার্থক্য = সাত − চার = তিন
চতুর্থ ও পঞ্চম পদের পার্থক্য = এগারো − সাত = চার
সুতরাং,
পঞ্চম ও ষষ্ঠ পদের পার্থক্য হবে = পাঁচ
উত্তর: এগারো + পাঁচ = ষোল
সঠিক উত্তর: D) ৪
প্রদত্ত তথ্য:
চিত্রে বিভিন্ন প্রতিকৃতির মধ্যে তুলনামূলক বিশ্লেষণ করা হয়েছে
একটি প্রতিকৃতি বাকিগুলোর সাথে মিলছে না
ধরি,
বাকি প্রতিকৃতিগুলো নির্দিষ্ট নিয়মে গঠিত
ব্যতিক্রমী প্রতিকৃতিটি ভিন্ন বৈশিষ্ট্য বহন করে
অতএব,
প্রথম তিনটি প্রতিকৃতির গঠন একই রকম
চতুর্থ প্রতিকৃতির গঠন সম্পূর্ণ আলাদা
সুতরাং,
ব্যাতিক্রম হিসেবে চিহ্নিত নম্বরটি হলো চার
উত্তর: ৪
সঠিক উত্তর: A) ৬১ জন
প্রদত্ত তথ্য:
নোবেল পুরস্কার বিজয়ী মোট নারী ব্যক্তিত্বের হিসাব
১৯০১ সাল থেকে শুরু করে বর্তমান সময় পর্যন্ত প্রাপ্ত পরিসংখ্যান
ধরি,
বিজ্ঞানে নোবেল বিজয়ী নারী = ক
শান্তিতে নোবেল বিজয়ী নারী = খ
অতএব,
চিকিৎসা ও পদার্থবিজ্ঞানে নারীর সংখ্যা যুক্ত হয়েছে
সাহিত্যে ও অর্থনীতিতেও নারীরা পুরস্কার পেয়েছেন
সুতরাং,
সর্বমোট নোবেল বিজয়ী নারীর সংখ্যা হিসাব করা হলো
উত্তর: ৬১ জন
সঠিক উত্তর: D) ১১০
প্রদত্ত তথ্য:
ইংরেজি বর্ণমালার ক্রমিক মান এবং বাংলা বর্ণমালার ক্রমিক মান ব্যবহার করতে হবে
ধরি,
ইংরেজি বর্ণ C হলো তৃতীয় অক্ষর এবং G হলো সপ্তম অক্ষর
বাংলা বর্ণ ট হলো নবম অক্ষর এবং J হলো দশম অক্ষর (ইংরেজি বর্ণমালার দশম অক্ষর J)
অতএব,
প্রথম শর্ত অনুযায়ী C এর মান তিন এবং G এর মান সাত
তাদের গুণফল হলো তিন গুণ সাত সমান একুশ
দ্বিতীয় শর্ত অনুযায়ী প্রশ্নানুসারে চ গুণ G সমান বিয়াল্লিশ দেওয়া আছে
এখানে বাংলা বর্ণ চ হলো ষষ্ঠ অক্ষর (৬ গুণ ৭ সমান ৪২)
সুতরাং,
জে এর মান দশ এবং ট এর মান এগারো (ট হলো ১১তম বর্ণ)
দশ গুণ এগারো সমান একশো দশ
উত্তর: ১১০
সঠিক উত্তর: A) ƎSOR
প্রদত্ত তথ্য:
মূল শব্দ হলো ROSE
আয়নার প্রতিবিম্ব নির্ণয় করতে হবে
ধরি,
আয়নায় ডান দিক বামে এবং বাম দিক ডানে পরিবর্তিত হয়
প্রথম অক্ষর R এর প্রতিবিম্ব হবে Ǝ
দ্বিতীয় অক্ষর O অপরিবর্তিত থাকবে
অতএব,
তৃতীয় অক্ষর S এর প্রতিবিম্ব হবে S এর উল্টো রূপ
চতুর্থ অক্ষর E এর প্রতিবিম্ব হবে Ǝ এর উল্টো রূপ
সুতরাং,
শেষ অক্ষর থেকে প্রথম অক্ষর সাজাতে হবে
উল্টো দিক থেকে বর্ণগুলো পাশাপাশি বসবে
উত্তর: ƎSOR
সঠিক উত্তর: C) ৩০০ ফুট
প্রদত্ত তথ্য:
ট্রেনটি ১/৫ সেকেন্ডে চলে ২০ ফুট
ধরি,
১ সেকেন্ডে ট্রেনটি চলে = ২০ ÷ (১/৫) ফুট
৩ সেকেন্ডে ট্রেনটি চলবে = ক ফুট
অতএব,
১ সেকেন্ডে ট্রেনটি চলে = ২০ × ৫ ফুট
১ সেকেন্ডে ট্রেনটি চলে = ১০০ ফুট
সুতরাং,
৩ সেকেন্ডে ট্রেনটি চলবে = ১০০ × ৩ ফুট
৩ সেকেন্ডে ট্রেনটি চলবে = ৩০০ ফুট
উত্তর: ৩০০ ফুট
সঠিক উত্তর: A) অতিশয় প্রতিভাশালী
প্রদত্ত তথ্য:
বুদ্ধ্যঙ্ক বা আইকিউ মান ১৪০ বা তার বেশি
এই স্তরের বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন মানুষের শ্রেণিবিভাগ নির্ণয় করতে হবে
ধরি,
সাধারণ বুদ্ধিমত্তার মান = ৯০ থেকে ১১০
অতিশয় প্রতিভাশালী বা জিনিয়াস বুদ্ধিমত্তার মান = ১৪০ বা তার ঊর্ধ্বে
অতএব,
আইকিউ পরীক্ষার মানদণ্ড অনুযায়ী ১৪০ এর বেশি মান অতি উচু স্তর নির্দেশ করে
এই স্তরের ব্যক্তিদের মানসিক ক্ষমতা সাধারণ মানুষের তুলনায় অনেক বেশি থাকে
সুতরাং,
যাদের বুদ্ধ্যঙ্ক ১৪০ বা তার ঊর্ধ্বে তাদের অতিশয় প্রতিভাশালী বলা হয়
উত্তর: অতিশয় প্রতিভাশালী
সঠিক উত্তর: B) বিপরীত ধর্মী অর্থ
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম শব্দ RESENT যার অর্থ অসন্তুষ্ট হওয়া বা বিরূপ মনোভাব পোষণ করা
দ্বিতীয় শব্দ RESERVE যার অর্থ সংবরণ করা বা নিজেকে গুটিয়ে রাখা
ধরি,
RESENT শব্দটির ভাব প্রকাশ করে কোনো কিছুর বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করা
RESERVE শব্দটির ভাব প্রকাশ করে সংযত থাকা বা আবেগ নিয়ন্ত্রণ করা
অতএব,
প্রথম শব্দটির মাধ্যমে উন্মুক্ত অসন্তুষ্টি প্রকাশ বোঝানো হয়
দ্বিতীয় শব্দটির মাধ্যমে আত্মসংবরণ বা গোপনীয়তা বোঝানো হয়
সুতরাং,
শব্দ দুটির অন্তর্নিহিত ভাব সম্পূর্ণ বিপরীতার্থক প্রকৃতির
উত্তর: বিপরীত ধর্মী অর্থ
সঠিক উত্তর: D) ১৬ বছর
কেন সঠিক:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মাত্র ষোলো বছর বয়সে প্রথম সার্থক ছোটগল্প রচনা করেন।
- তাঁর এই প্রথম ছোটগল্পটির নাম ভিখারিণী, যা ১৮৭৭ খ্রিস্টাব্দে ভারতী পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
ব্যাকরণ বা সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে সার্থক ছোটগল্পের জনক হিসেবে গণ্য করা হয়।
- কৈশোরকাল থেকেই তাঁর সাহিত্যচর্চা শুরু হয় এবং খুব অল্প বয়সেই তিনি গল্পকার হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন।
- ভিখারিণী গল্পের মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যে আধুনিক ছোটগল্পের ধারা সূচিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) ১০ বছর — এই বয়সে তিনি ছোটগল্প লেখেননি, বরং পদ্য বা কবিতা লেখার চেষ্টা শুরু করেছিলেন।
- B) ১২ বছর — এই বয়সে তিনি বাল্মীকি প্রতিভার মতো নাটকে অভিনয় ও কিছু পদ্য রচনা করেছিলেন।
- C) ১৪ বছর — এই বয়সে তিনি মূলত বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় কবিতা ও প্রবন্ধ লেখালেখি শুরু করেছিলেন।
- D) সঠিক উত্তর হওয়ার কারণে এই অপশনটি ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটগল্পকার হিসেবে আত্মপ্রকাশের বয়স মনে রাখতে ষোলো সংখ্যাটি মনে রাখবে।
- ভিখারিণী গল্প লেখার সময় তাঁর বয়স ছিল ঠিক ষোলো বছর।
সঠিক উত্তর: D) সৈয়দ নূরুদ্দীন
১. কেন সঠিক:
- মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে 'যুদ্ধকাব্য' বা রোমাঞ্চকাব্য ধারার সঙ্গে সৈয়দ নূরুদ্দীন যুক্ত নন।
- এই প্রশ্নে মধ্যযুগের বিশিষ্ট কবি ও তাঁদের রচিত যুদ্ধকাব্য বা রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যানমূলক কাব্যের পরিচয় জানতে চাওয়া হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে আরাকান রাজসভা এবং বাঙালি মুসলিম কবিদের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- দৌলত উজির বাহরাম খাঁ, সাবিরিদ খাঁ এবং সৈয়দ সুলতান মধ্যযুগের স্বনামধন্য কবি এবং তাঁরা যুদ্ধকাব্য বা প্রণয়োপাখ্যান রচনা করেছেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: লাইলী মজনু
ব্যাখ্যা: এটি দৌলত উজির বাহরাম খাঁ রচিত একটি বিখ্যাত প্রণয়মূলক কাব্য।
উদাহরণ ২: ইওসুফ জুলেখা
ব্যাখ্যা: এটি শাহ মুহম্মদ সগির ও সৈয়দ সুলতানসহ একাধিক কবির রচিত জনপ্রিয় কাব্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দৌলত উজির বাহরাম খাঁ — তিনি মধ্যযুগের বিখ্যাত যুদ্ধকাব্য ও প্রণয়োপাখ্যান 'লাইলী মজনু'র রচয়িতা বিধায় সঠিক উত্তর নয়।
B) সাবিরিদ খাঁ — তিনি মধ্যযুগের বিশিষ্ট কবি এবং 'হানিফা ও মদিনার লড়াই' নামক যুদ্ধকাব্য রচনার জন্য পরিচিত বিধায় সঠিক উত্তর নয়।
C) সৈয়দ সুলতান — তিনি মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি এবং যুদ্ধকাব্য ধারার সঙ্গে যুক্ত কাব্য রচনা করায় সঠিক উত্তর নয়।
D) সৈয়দ নূরুদ্দীন — তিনি মধ্যযুগের যুদ্ধকাব্যের রচয়িতা নন, তাই এটিই সঠিক উত্তর।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মধ্যযুগের যুদ্ধকাব্য মনে রাখার জন্য কবি বাহরাম খাঁ, সাবিরিদ খাঁ এবং সৈয়দ সুলতানের নামগুলো একসঙ্গে মনে রাখতে হবে।
- সৈয়দ নূরুদ্দীন এই ধারার কবি নন, এটি মনে রাখলেই উত্তর সহজ হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- মধ্যযুগের কবিদের নাম এবং তাঁদের বিখ্যাত কাব্যগুলোর তালিকা বিসিএস পরীক্ষার জন্য মুখস্থ রাখা জরুরি।
- যুদ্ধকাব্য ও প্রণয়োপাখ্যানের পার্থক্য বুঝতে কবিদের পরিচিতি ভালোভাবে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: A) রসুল বিজয়
১. কেন সঠিক:
কবি জৈনুদ্দিনের বিখ্যাত ও একমাত্র সাহিত্যকর্ম হলো রসুল বিজয় কাব্যগ্রন্থ। মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্য ও রোমান্টিক ধারার বাইরে ইসলামী সংস্কৃতির প্রভাবে রচিত মধ্যযুগের অন্যতম প্রধান কাব্য এটি।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
কবি জৈনুদ্দিন পঞ্চদশ শতাব্দীর একজন মধ্যযুগের কবি। গৌড়ের সুলতান ইউসুফ শাহের শাসনকালে তিনি এই কাব্য রচনা করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ইউসুফ জোলেখা
ব্যাখ্যা: এটি শাহ মুহাম্মদ সগির রচিত মধ্যযুগের অপর একটি বিখ্যাত প্রণয়োপাখ্যান।
উদাহরণ ২: পদ্மாவত
ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ আলাওল রচিত মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ একটি কাব্যগ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রসুল বিজয় — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই কাব্যটি কবি জৈনুদ্দিনের রচনা।
B) মক্কা বিজয় — এই নামে কোনো প্রাচীন মধ্যযুগের কাব্যগ্রন্থ বা জৈনুদ্দিনের কোনো রচনা নেই।
C) রসুলচরিত — এটি কবি জৈনুদ্দিনের কোনো গ্রন্থ নয় বরং এটি একটি আধুনিক বা ভিন্ন ধারার জীবনচরিত।
D) মক্কানামা — এটি কবি জৈনুদ্দিনের রচনা নয়, মধ্যযুগের অন্য কোনো কবির রচিত গ্রন্থ।
৫ মনে রাখার টিপস:
জৈনুদ্দিন মানেই রসুল বিজয়, এভাবে মনে রাখতে পারো। মধ্যযুগের ইসলামের ইতিহাস আশ্রিত কাব্যের মধ্যে এটি বেশ পরিচিত।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
মধ্যযুগের মুসলিম কবি ও তাদের রচিত কাব্যগ্রন্থ থেকে প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে। তাই কবি জৈনুদ্দিন ও তাঁর রসুল বিজয় নামটি ভালোভাবে মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: A) বিনয় ঘোষ
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরটি বিনয় ঘোষালের গবেষণামূলক ও সমাজতাত্ত্বিক রচনার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।
- বিদ্যাসাগর ও বাঙালি সমাজ গ্রন্থটি উনিশ শতকের বাংলার সমাজ সংস্কার ও ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের ভূমিকা নিয়ে রচিত একটি প্রামাণ্য গ্রন্থ।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বিনয় ঘোষ ছিলেন বিশ শতকের প্রখ্যাত বাঙালি সমাজবিজ্ঞানী, সাহিত্যিক এবং ইতিহাসবিদ।
- এই গ্রন্থটি উনিশ শতকের বাংলা রেনেসাঁস বা নবজাগরণ এবং বিদ্যাসাগরের চিন্তাধারা বুঝতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক দলিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কলকাতার সমাজজীবন
ব্যাখ্যা: এটি বিনয় ঘোষের রচিত আরেকটি বিখ্যাত সমাজতাত্ত্বিক ও ঐতিহাসিক গ্রন্থ।
উদাহরণ ২: বিদ্যাসাগর চরিত
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর সম্পর্কিত একটি বিখ্যাত জীবনচরিত গ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিনয় ঘোষ — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি উক্ত গ্রন্থটির সফল রচয়িতা।
B) সুবিনয় ঘোষ — এই নামে কোনো বিখ্যাত লেখক বা গবেষক এই গ্রন্থ রচনা করেননি।
C) বিনয় ভট্টাচার্য — এই ব্যক্তি বিদ্যাসাগর বা বাঙালি সমাজ নিয়ে এই নামে কোনো গ্রন্থ রচনা করেননি।
D) বিনয় বর্মণ — এই লেখক আলোচ্য গ্রন্থটির সঙ্গে কোনোভাবেই যুক্ত নন।
৫ মনে রাখার টিপস:
বিনয় ঘোষ মানেই সমাজ ও ইতিহাস বিষয়ক গভীর গবেষণা। বিদ্যাসাগরের সমাজ সংস্কারের ইতিহাস জানতে হলে বিনয় ঘোষের নাম মনে রাখতে হবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উনিশ শতকের সমাজ সংস্কার এবং প্রখ্যাত গবেষকদের লেখা গ্রন্থ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। বিনয় ঘোষের অন্যান্য বিখ্যাত গ্রন্থগুলোও ভালোভাবে পড়ে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
১. কেন সঠিক:
প্রথম সাহিত্যিক গদ্যের স্রষ্টা বা জনক হিসেবে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে গণ্য করা হয় কারণ তিনি বাংলা গদ্যে প্রথম শৈল্পিক রূপ, যতি চিহ্নের সঠিক ব্যবহার এবং সুশৃঙ্খল বাক্যবিন্যাস প্রতিষ্ঠা করেন।
তার হাতেই বাংলা গদ্য পরাধীনতার গণ্ডি পেরিয়ে প্রাতিষ্ঠানিক ও সাহিত্যিক রূপ লাভ করে এবং গদ্যে প্রথম লাবণ্য ও শৃঙ্খলা ফিরে আসে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা গদ্যের প্রথম সার্থক শিল্পরূপকার হিসেবে পরিচিত এবং তাকে বাংলা গদ্যের জনক বলা হয়।
তার রচিত বেতাল পঞ্চবিংশতি এবং শকুন্তলা গদ্য সাহিত্যে এক নতুন যুগের সূচনা করে যেখানে ভাষারীতির মার্জিত রূপ প্রকাশ পায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বেতাল পঞ্চবিংশতি
ব্যাখ্যা: এটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কর্তৃক অনূদিত এবং বাংলা গদ্যের শৈল্পিক রূপের এক অনন্য নিদর্শন।
উদাহরণ ২: ভ্রান্তিবিলাস
ব্যাখ্যা: এটি শেক্সপিয়রের কমেডি অফ এররস অবলম্বনে রচিত বিদ্যাসাগরের একটি জনপ্রিয় গদ্য গ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাজা রামমোহন রায় — তিনি বাংলা গদ্যের প্রথম প্রবক্তা বা পথপ্রদর্শক হলেও তাকে সাহিত্যিক গদ্যের স্রষ্টা বলা হয় না।
B) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং তিনি বাংলা গদ্যে প্রথম সাহিত্যিক রূপ ও শিল্পকলা ফুটিয়ে তোলেন।
C) মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার — ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পন্ডিত হলেও তার গদ্য ছিল সংস্কৃতবহুল ও গুরুগম্ভীর।
D) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি বাংলা উপন্যাসের জনক এবং প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক, গদ্যের স্রষ্টা নন।
৫. মনে রাখার টিপস:
গদ্যের জনক বা প্রথম সাহিত্যিক গদ্যের স্রষ্টা বললে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের নাম মনে রাখবে।
উপন্যাসের জনক বললে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নাম মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিদ্যাসাগরকে বাংলা গদ্যের প্রথম সার্থক শিল্পী বলা হয় কারণ তিনি প্রথম যতি চিহ্নের সঠিক প্রয়োগ করেন।
ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের লেখকদের গদ্যে পন্ডিতি ভাষা থাকলেও বিদ্যাসাগর তাকে সহজ ও প্রাঞ্জল করেন।
সঠিক উত্তর: A) ১৮৫৮ সালে
১. কেন সঠিক:
- প্যারীচাঁদ মিত্রের আলালের ঘরের দুলাল উপন্যাসটি ১৮৫৮ সালে প্রথম গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।
- এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস হিসেবে বাংলা কথাসাহিত্যের ইতিহাসে বিশেষ স্থান দখল করে আছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- লেখক প্যারীচাঁদ মিত্র টেকচাঁদ ঠাকুর ছদ্মনামে এই উপন্যাসটি রচনা করেছিলেন।
- কথ্য বা প্রমিত সাধু ভাষায় রচিত এই উপন্যাসের মাধ্যমে বাংলা উপন্যাসের ধারা সূচনা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হুতোম প্যাচাঁর নকশা
ব্যাখ্যা: এটি কালীপ্রসন্ন সিংহ রচিত আরেকটি বিখ্যাত সমসাময়িক সামাজিক নকশা যা কলকাতার বাবু সমাজের চিত্র তুলে ধরে।
উদাহরণ ২: উদাসীন পথিকের মনের কথা
ব্যাখ্যা: এটি মীর মশাররফ হোসেন রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস যা উনিশ শতকের সামাজিক ও ঐতিহাসিক পটভূমিতে রচিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৮৫৮ সালে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই গ্রন্থটি প্রথম প্রকাশিত হয়।
B) ১৯৭৮ সালে — এটি ভুল কারণ এই সালটি আলালের ঘরের দুলাল প্রকাশের বহু পরের একটি আধুনিক কাল।
C) ১৮৪৮ সালে — এটি ভুল কারণ এই সালে তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা প্রকাশিত হয়েছিল কিন্তু এই উপন্যাস প্রকাশিত হয়নি।
D) ১৮৬৮ সালে — এটি ভুল কারণ এই সালে প্যারীচাঁদ মিত্রের অন্য কোনো গ্রন্থ বা সমসাময়িক ঘটনা ঘটেছে কিন্তু এই উপন্যাস প্রকাশের সাল এটি নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
প্যারীচাঁদ মিত্রের আলালের ঘরের দুলাল প্রকাশের সাল মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো যে এটি সিপাহী বিদ্রোহের পরের বছর অর্থাৎ ১৮৫৮ সালে প্রকাশিত হয়েছিল।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাসের নাম এবং এর রচয়িতা ও প্রকাশকাল জিজ্ঞাসা করা হয়।
একইভাবে টেকচাঁদ ঠাকুর কার ছদ্মনাম তা মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: A) চতুরঙ্গ
১. কেন সঠিক:
- শচীন, দামিনী ও শ্রীবিলাস রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'চতুরঙ্গ' উপন্যাসের প্রধান চরিত্র।
- এই উপন্যাসের বর্ণনাকারী ও সূত্রধর হলেন শ্রীবিলাস।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ ঔপন্যাসিক ও কবি whose 'চতুরঙ্গ' প্রকাশিত হয় ১৯১৬ সালে।
- এটি রবীন্দ্রনাথের একটি মনস্তাত্ত্বিক ও দার্শনিক উপন্যাস যেখানে মানবজীবনের আদর্শ ও প্রেম নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শেষের কবিতা
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আরেকটি বিখ্যাত উপন্যাস যার প্রধান চরিত্র অমিত ও লাবণ্য।
উদাহরণ ২: চোখের আলো
ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটগল্প ও উপন্যাসে বাংলা সমাজের নানা চিত্র ফুটে উঠেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চতুরঙ্গ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই উপন্যাসেরই চরিত্র শচীন, দামিনী ও শ্রীবিলাস।
B) চার অধ্যায় — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শেষ উপন্যাস যার প্রধান চরিত্র অতীন ও এলা।
C) নৌকাডুবি — এটি রবীন্দ্রনাথের একটি সামাজিক উপন্যাস যার প্রধান চরিত্র রমেশ, হেমা নলিনী ও কমলারানি।
D) ঘরে বাইরে — এটি রবীন্দ্রনাথের রাজনৈতিক উপন্যাস যার প্রধান চরিত্র নিখিলেশ, বিমলা ও সন্দীপ।
৫ মনে রাখার টিপস:
- চতুরঙ্গ উপন্যাসের চরিত্রের নাম মনে রাখার জন্য সূত্র হলো শ্রীবিলাসের ডায়েরিতে শচীন ও দামিনীর কথা লেখা আছে।
- রবীন্দ্রনাথের মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস চতুরঙ্গ খুব সহজেই চরিত্রগুলো দিয়ে মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস পরীক্ষায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাস ও চরিত্র থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে।
- উপন্যাসগুলোর প্রকাশের সাল এবং প্রধান চরিত্রগুলোর নাম ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
কেন সঠিক:
- এই পংক্তিটি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের বিখ্যাত ব্যঙ্গাত্মক ও সমাজসচেতন কবিতার অংশ বিশেষ।
- ঊনবিংশ শতকের সমাজে প্রচলিত অন্ধ অনুকরণ ও তোষামোদ প্রথার বিরুদ্ধে কবি এই শ্লেষাত্মক কবিতাটি রচনা করেন।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা সাহিত্যের ব্যঙ্গকাব্য ধারার একটি চমৎকার নিদর্শন যেখানে শ্লেষালংকার ব্যবহার করা হয়েছে।
- ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত তাঁর কবিতায় সমসাময়িক সমাজের নানা অসঙ্গতি ও পরাধীন মানসিকতাকে অত্যন্ত সুচারুভাবে ফুটিয়ে তুলতেন।
- ‘কল্পতরু’ বলতে এমন গাছকে বোঝায় যা সব ইচ্ছা পূরণ করে এবং ‘পোষাগরু’ বলতে প্রভুর অনুগত গৃহপালিত পশুকে বোঝানো হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায় — ইনি মূলত দেশপ্রেম ও স্বাধীনতার বাণী সংবলিত ‘পদ্মাবতী’ ও ‘কর্মদেবী’ কাব্যের জন্য বিখ্যাত।
- B) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — ইনি বাংলা গদ্যের জনক এবং সমাজসংস্কারক হিসেবে পরিচিত হলেও কোনো কাব্যগ্রন্থের জন্য প্রধানত পরিচিত নন।
- C) হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় — ইনি একজন প্রখ্যাত মহাকাব্য ও দেশপ্রেমমূলক কবিতার রচয়িতা যার মধ্যে ‘বৃত্রসংহার’ বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
- D) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত — এই অপশনটি সঠিক কারণ কবিতাংশটি তাঁরই রচিত।
মনে রাখার টিপস:
- পোষাগরু এবং কল্পতরু শব্দের চমৎকার মিল দিয়ে তৈরি এই শ্লেষাত্মক পংক্তি দেখলে চোখ বন্ধ করে ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তকে বেছে নেবে।
সঠিক উত্তর: A) গো-জীবন
১. কেন সঠিক:
মীর মশাররফ হোসেন রচিত 'গো-জীবন' প্রবন্ধ গ্রন্থের মূল উপজীব্য বিষয় হলো হিন্দু ও মুসলমান সম্প্রদায়ের মধ্যকার বিরোধ এবং গো-হত্যা কেন্দ্র করে সৃষ্ট সামাজিক সংকট।
এই গ্রন্থে লেখক অত্যন্ত সাহসিকতার সাথে দুই সম্প্রদায়ের সম্প্রীতি রক্ষা এবং গো-হত্যা রোধের সামাজিক দিকগুলো তুলে ধরেছেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
মীর মশাররফ হোসেন উনিশ শতকের বাঙালি মুসলিম সমাজের এক অন্যতম প্রধান গদ্যশিল্পী ও ঔপন্যাসিক।
তাঁর বিখ্যাত সাহিত্যকর্মের মধ্যে বিষাদ সিন্ধু, জমিদার দর্পণ এবং উদাসীন পথিকের মনের কথা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিষাদ সিন্ধু
ব্যাখ্যা: এটি মীর মশাররফ হোসেনের সর্বশ্রেষ্ঠ ঐতিহাসিক উপন্যাস যা কারবালার ট্র্যাজেডি অবলম্বনে রচিত।
উদাহরণ ২: জমিদার দর্পণ
ব্যাখ্যা: এটি নীলকর সাহেবদের অত্যাচার এবং কৃষকদের উপর তাদের নিপীড়ন নিয়ে রচিত একটি বিখ্যাত নাটক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গো-জীবন — এটি সঠিক উত্তর।
B) ইসলামের জয় — এটি মীর মশাররফ হোসেনের কোনো মৌলিক সাহিত্যকর্ম নয় বরং বিভ্রান্তিকর অপশন।
C) এর উপায় কী — এটি মীর মশাররফ হোসেনের রচিত কোনো গ্রন্থ নয়।
D) বসন্তকুমারী নাটক — এটি মীর মশাররফ হোসেনের রচিত প্রথম নাটক হলেও এর উপজীব্য হিন্দু-মুসলমানের বিরোধ নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
মীর মশাররফ হোসেনের সমাজ সংস্কারমূলক প্রবন্ধ মনে রাখার জন্য গরু বা গো-জীবন শব্দটি মাথায় রাখবে।
হিন্দু-মুসলমানের বিরোধ নিয়ে লেখা তার একমাত্র বিশেষ প্রবন্ধ হলো গো-জীবন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মীর মশাররফ হোসেনের নাটক, উপন্যাস ও প্রবন্ধ আলাদা করে প্রশ্ন আসে।
তার প্রথম নাটক বসন্তকুমারী এবং প্রথম উপন্যাস রত্নবতী ভালোভাবে মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: A) ব্রজবুলি
১. কেন সঠিক:
কবি যশোরাজ খান মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলি সাহিত্যের অন্যতম একজন উল্লেখযোগ্য কবি যিনি কৃষ্ণের রাধা বিষয়ক পদ ব্রজবুলি ভাষায় রচনা করেছিলেন।
ব্রজবুলি মূলত কোনো জনভাষার নাম নয়, এটি বাংলা ও মৈথিলী ভাষার মিশ্রণে তৈরি একটি কৃত্রিম সাহিত্যিক ভাষা যা পদাবলি রচনার জন্য ব্যবহৃত হতো।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
যশোরাজ খান পঞ্চদশ শতাব্দীর শেষভাগে বা ষোল শতকের শুরুর দিকে সুলতান হোসেন শাহের আমলের সমসাময়িক একজন কবি হিসেবে পরিচিত লাভ করেছিলেন।
তিনি মৈথিলী ভাষার কবি বিদ্যাপতির পদের অনুকরণে ব্রজবুলিতে পদ রচনা করতেন এবং তাঁর রচনায় রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমের মধুর রূপ প্রকাশ পেয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিদ্যাপতির পদ
ব্যাখ্যা: বিদ্যাপতি ব্রজবুলি ভাষায় প্রথম পদ রচনা করেন এবং যশোরাজ খান তাঁরই পদাঙ্ক অনুসরণ করেছিলেন।
উদাহরণ ২: জ্ঞানদাসের পদ
ব্যাখ্যা: জ্ঞানদাস বাংলা ভাষার পাশাপাশি ব্রজবুলি ভাষাতেও বৈষ্ণব পদ রচনা করে খ্যাতি অর্জন করেছিলেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ব্রজবুলি — এটি সঠিক অপশন কারণ যশোরাজ খান এই কৃত্রিম সাহিত্যিক ভাষাতেই তাঁর বৈষ্ণব পদগুলো রচনা করেছিলেন।
B) বাংলা — বাংলা ভাষায় বৈষ্ণব পদ রচিত হলেও যশোরাজ খানের ক্ষেত্রে তাঁর পদগুলো বিশেষভাবে ব্রজবুলি ভাষায় রচিত হিসেবে পরিচিত।
C) সংস্কৃত — প্রাচীন ও মধ্যযুগের কিছু ধর্মগ্রন্থ সংস্কৃতে রচিত হলেও বৈষ্ণব পদাবলি মূলত ব্রজবুলি ও বাংলা ভাষাতেই রচিত হয়েছে।
D) হিন্দি — হিন্দি ভাষা উত্তর ভারতের উপভাষা হলেও এটি বাংলার বৈষ্ণব পদাবলি সাহিত্যের মূল ভাষা হিসেবে ব্যবহৃত হয়নি।
৫ মনে রাখার টিপস:
যশোরাজ খানের নাম দেখলে মনে রাখবে তিনি ব্রজবুলি ভাষার কবি বিদ্যাপতির ধারা অনুসরণ করে পদ রচনা করেছিলেন।
বৈষ্ণব পদাবলি বললেই মৈথিলী ও বাংলার মিশ্রণে তৈরি ব্রজবুলি ভাষার কথা মাথায় রাখতে হবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোন কবি ব্রজবুলি ভাষায় পদ রচনা করেছেন এবং সেখানে যশোরাজ খানের নাম একটি গুরুত্বপূর্ণ উত্তর।
বিদ্যাপতি ব্রজবুলি ভাষার মূল প্রবক্তা আর তাঁকে অনুসরণ করে যশোরাজ খানসহ অনেকেই এই ভাষায় পদ লিখেছেন তা মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) ইছামতি
কেন সঠিক:
- ইছামতি কোনো ছোটগল্প সংকলন নয়, এটি বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস।
- এই প্রশ্নটিতে মূলত উপন্যাস এবং গল্পগ্রন্থের পার্থক্য যাচাই করা হয়েছে, যেখানে বাকি তিনটি তাঁর ছোটগল্পের বই।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা সাহিত্যে উপন্যাস হলো একটি দীর্ঘ কথাসাহিত্য আর গল্পগ্রন্থ হলো ছোটগল্পের সংকলন।
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় প্রকৃতি ও গ্রামীণ জীবনের টানে কালজয়ী উপন্যাস এবং ছোটগল্প উভয়ই রচনা করেছেন।
- তাঁর বিখ্যাত উপন্যাসগুলির মধ্যে পথের পাঁচালী এবং ইছামতি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইছামতি — এটি বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত উপন্যাস, কোনো গল্পগ্রন্থ নয়।
B) মেঘমল্লার — এটি বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি জনপ্রিয় ও পরিচিত ছোটগল্প সংকলন।
C) মৌরিফুল — এটি বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের রচিত অন্যতম শ্রেষ্ঠ ছোটগল্প গ্রন্থ।
D) যাত্রাবদল — এটিও বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি উল্লেখযোগ্য ছোটগল্পের বই।
মনে রাখার টিপস:
- বিভূতিভূষণের বিখ্যাত উপন্যাস মনে রাখতে ইছামতি ও পথের পাঁচালী আলাদা করে তালিকাভুক্ত করো।
- ছোটগল্পগুলির ক্ষেত্রে মেঘমল্লার ও মৌরিফুল একসাথে পড়লে পরীক্ষার সময় সহজে মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: B) রুদ্র-মঙ্গল
১. কেন সঠিক:
- ‘আমার পথ’ প্রবন্ধটি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ‘রুদ্র-মঙ্গল’ প্রবন্ধ সংকলন থেকে সংকলিত হয়েছে।
- এই প্রবন্ধে লেখকের আত্মশক্তি, সত্যের প্রকাশ এবং পরাধীনতার গ্লানি থেকে মুক্তির সাহসী উচ্চারণ ফুটে উঠেছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি, যিনি একই সঙ্গে প্রাবন্ধিক, ঔপন্যাসিক ও গীতিকার হিসেবে পরিচিত।
- ‘রুদ্র-মঙ্গল’ তাঁর একটি বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ, যেখানে সমাজের অনিয়ম, বৈষম্য এবং ব্রিটিশবিরোধী চেতনার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কাজী নজরুল ইসলামের ‘দুর্দিনের যাত্রী’
ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের আরেকটি বিখ্যাত ও প্রতিবাদী প্রবন্ধগ্রন্থ।
উদাহরণ ২: কাজী নজরুল ইসলামের ‘যুগ-বাণী’
ব্যাখ্যা: এটিও তাঁর সমাজ ও রাষ্ট্রচিন্তামূলক প্রবন্ধ সংকলনগুলোর মধ্যে অন্যতম।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) যুগ-বাণী — এটি কাজী নজরুল ইসলামের সমাজ ও রাজনীতি বিষয়ক প্রবন্ধগ্রন্থ হলেও ‘আমার পথ’ প্রবন্ধটি এখান থেকে নেওয়া হয়নি।
B) রুদ্র-মঙ্গল — এটি সঠিক উত্তর।
C) দুর্দিনের যাত্রী — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ হলেও এই প্রশ্নভুক্ত প্রবন্ধটি এর অন্তর্ভুক্ত নয়।
D) রাজবন্দির জবানবন্দি — এটি নজরুলের একটি বিখ্যাত আত্মপক্ষ সমর্থনমূলক জবানবন্দি ও প্রবন্ধ, যা আলোচ্য প্রবন্ধের উৎস নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
নজরুলের বিদ্রোহী ও অগ্নিঝরা প্রবন্ধগুলো মনে রাখার জন্য ‘রুদ্র-মঙ্গল’ নামটি গুরুত্বপূর্ণ।
‘আমার পথ’ প্রবন্ধটির পথও নজরুলের রুদ্ররূপের মতোই নির্ভীক।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকের রচনার উৎস বা সংকলন থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
প্রবন্ধের মূল সুর এবং গ্রন্থটির নাম ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে
কেন সঠিক:
- মোতাহের হোসেন চৌধুরী তাঁর ‘জীবন ও বৃক্ষ’ প্রবন্ধে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে তপোবন-প্রেমিক হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাহিত্যকর্মে এবং শান্তিনিকেতনের ভাবধারায় প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের গভীর মিতালির প্রকাশ ঘটেছে, যা তপোবন সংস্কৃতির সমার্থক।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সাহিত্য প্রসঙ্গ: প্রবন্ধটিতে লেখকের প্রকৃতিচেতনা এবং গাছপালার প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসার প্রকাশ ঘটেছে।
- সাহিত্যিক দৃষ্টিভঙ্গি: প্রাচীন ভারতের ঋষিদের তপোবন জীবনের আদর্শ রবীন্দ্রনাথের রচনা ও জীবনদর্শনে বিশেষভাবে প্রভাব ফেলেছিল।
- উদাহরণ: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রকৃতির সান্নিধ্যে শান্তিনিকেতন আশ্রম প্রতিষ্ঠা করেছিলেন যা প্রাচীন তপোবনের আধুনিক রূপ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে — তিনি প্রকৃতিপ্রেমিক কথাসাহিত্যিক হলেও প্রবন্ধে তাঁকে তপোবন-প্রেমিক বলা হয়নি।
- B) জসীম উদ্দীনকে — তিনি পল্লীকবি হিসেবে পরিচিত হলেও আলোচ্য প্রবন্ধে তাঁকে এই উপাধিতে ভূষিত করা হয়নি।
- C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
- D) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে — তিনি সমাজের নানা দিক নিয়ে কথাসাহিত্য রচনা করেছেন, তপোবন-প্রেমিক হিসেবে পরিচিত নন।
মনে রাখার টিপস:
- তপোবন আর শান্তিনিকেতন বললেই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নাম মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: B) শেখ কামালকে
১. কেন সঠিক:
- উদ্ধৃতিটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে যেখানে কারাজীবনের স্মৃতিচারণ করা হয়েছে।
- লেখক যখন বারবার দীর্ঘ কারাবাসের কারণে দূরে থাকতেন তখন তার মেজো সন্তান শেখ কামালের বয়স ছিল মাত্র কয়েক মাস।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- গ্রন্থটির নাম অসমাপ্ত আত্মজীবনী যা বাঙালি জাতির কাছে একটি ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক দলিল হিসেবে সমাদৃত।
- লেখক হিসেবে পরিচিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং এটি প্রকাশিত হয় ২০১২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রকাশনা সংস্থা থেকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠ কন্যা শেখ হাসিনার জন্ম গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় ১৯৪৭ সালে।
ব্যাখ্যা: এই তথ্যটি বঙ্গবন্ধুর পরিবার ও তার সন্তানদের জন্মসাল মনে রাখতে সাহায্য করে।
উদাহরণ ২: অসমাপ্ত আত্মজীবনী গ্রন্থে ১৯৫৫ সাল পর্যন্ত লেখকের রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত জীবনের নানা ঘটনা উঠে এসেছে।
ব্যাখ্যা: এই সাহিত্যকর্মের পরিধি ও সময়কাল সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা দেয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শেখ নাসেরকে — শেখ নাসের হলেন বঙ্গবন্ধুর ছোট ভাই যিনি এই উদাহরণের সঙ্গে সম্পর্কিত নন।
B) শেখ কামালকে — এই অপশনটি সঠিক এবং তা ব্যাখ্যাকৃত তথ্যের সঙ্গে সম্পূর্ণ মিলে যায়।
C) শেখ হাসিনাকে — শেখ হাসিনা হলেন জ্যেষ্ঠ সন্তান এবং জেলের বাইরে জন্মের সময় তার বয়স ভিন্ন ছিল।
D) শেখ রেহেনাকে — শেখ রেহেনা হলেন কনিষ্ঠ কন্যা যার জন্ম আরও পরে হয়েছিল।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বঙ্গবন্ধু যখন কারাগারে যান তখন শেখ কামালের বয়স কয়েক মাস ছিল এটি মনে রাখতে অসমাপ্ত আত্মজীবনী গ্রন্থের শিশুতোষ স্মৃতিগুলো মাথায় রাখা যায়।
- পরিবারের সন্তানদের জন্মক্রম ও জেলের সময়কাল মিলিয়ে পড়লে এমন প্রশ্ন সহজে সমাধান করা সম্ভব।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- অসমাপ্ত আত্মজীবনী গ্রন্থের লেখক প্রকাশকাল ও এর ভেতরের ঐতিহাসিক ঘটনাগুলো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
- এই ধরনের আত্মজীবনীমূলক প্রশ্ন সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট গ্রন্থের নামের পাশাপাশি লেখকের পারিবারিক পরিচিতি সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) গাইবান্ধায়
১. কেন সঠিক:
- বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক আখতারুজ্জামান ইলিয়াস ১৯৪৩ সালের ১২ই ফেব্রুয়ারি গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ছাইবান গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- প্রশ্নটিতে তাঁর জন্মস্থান সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়েছে, যা সরাসরি তাঁর জন্ম জেলার সঙ্গে সম্পর্কিত।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- আখতারুজ্জামান ইলিয়াস আধুনিক বাংলা উপন্যাসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও প্রথিতযশা কারিগর।
- তাঁর উল্লেখযোগ্য উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে চিলিওকোঠার সেপাই এবং খোয়াবনামা।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চিলেকোঠার সেপাই
ব্যাখ্যা: এটি আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের একটি বিখ্যাত উপন্যাস যা ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে রচিত।
উদাহরণ ২: খোয়াবনামা
ব্যাখ্যা: এটি তাঁর আরেকটি মাস্টারপিস উপন্যাস যা তেভাগা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত এবং বাংলা কথাসাহিত্যে অনন্য স্থান দখল করে আছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গাইবান্ধায় — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি গাইবান্ধা জেলায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন।
B) বগুড়ায় — এই অপশনটি ভুল কারণ বগুড়া তাঁর পৈতৃক নিবাস বা কর্মক্ষেত্র হলেও তাঁর জন্মস্থান নয়।
C) ঢাকায় — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি ঢাকায় কর্মজীবন কাটালেও এখানে জন্মগ্রহণ করেননি।
D) সিরাজগঞ্জে — এই অপশনটি ভুল কারণ সিরাজুরের সঙ্গে তাঁর জন্মস্থানের কোনো ঐতিহাসিক সংযোগ নেই।
৫ মনে রাখার টিপস:
- আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের জন্ম গাইবান্ধায় এবং তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস দুটি হলো চিলেকোঠার সেপাই ও খোয়াবনামা।
- জন্মস্থান মনে রাখতে ইলিয়াস সাহেবের আদি নিবাস বগুড়া হলেও জন্ম গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে, এই তথ্যটি মাথায় রাখতে হবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকদের জন্মস্থান, জন্মতারিখ এবং বিখ্যাত উপন্যাস খুব ঘন ঘন আসে।
- আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের উপন্যাস সংখ্যা কম হলেও বাংলা সাহিত্যে তাঁর অবদান অপরিসীম, তাই তাঁর উপন্যাস ও জন্মস্থান সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) অক্ষরবৃত্ত ছন্দ
১. কেন সঠিক:
মাইকেল মধুসূদন দত্ত প্রবর্তিত অমিত্রাক্ষর ছন্দ হলো মূলত বাংলা সনেট ও মহাকাব্যের ছন্দ, যা বাংলা অক্ষরবৃত্ত ছন্দের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
এই ছন্দে পঙক্তির অন্ত্যমিল থাকে না এবং পর্ববিন্যাস ও যতিপাতের নির্দিষ্ট নিয়ম অনুসরণ করে অক্ষরবৃত্ত ছন্দের কাঠামোকেই সার্থকভাবে রূপায়ন করা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে প্রথম অমিত্রাক্ষর ছন্দের সফল প্রবর্তন করেন এবং এর মাধ্যমে বাংলা কাব্যে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়।
তিনি সংস্কৃত ও ইংরেজি কাব্যের অনুসরণে বাংলা ভাষায় প্রথম সার্থক মহাকাব্য মেঘনাদবধ কাব্য এবং চতুর্দশপদী কবিতাবলী রচনায় এই ছন্দ ব্যবহার করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হে বঙ্গ ভান্ডারে তব বিবিধ রতন।
ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের বিখ্যাত বঙ্গভাষা সনেট থেকে নেওয়া এবং এটি অক্ষরবৃত্ত ছন্দের কাঠামোর ওপর রচিত।
উদাহরণ ২: ভুলো না উত্তর দিক ভুলো না দক্ষিণ।
ব্যাখ্যা: এটি অক্ষরবৃত্ত ছন্দের আরেকটি পরিচিত উদাহরণ যা পর্ব ও মাত্রার সুনির্দিষ্ট নিয়মে গঠিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) স্বরবৃত্ত ছন্দ — স্বরবৃত্ত ছন্দ মূলত ছড়া বা লোকগীতির ছন্দ, যা দ্রুত লয় ও দলবৃত্ত নামে পরিচিত এবং অমিত্রাক্ষর ছন্দ এতে রচিত হয় না।
B) অক্ষরবৃত্ত ছন্দ — এটি সঠিক উত্তর কারণ মধুসূদন দত্তের অমিত্রাক্ষর ছন্দ মূলত অক্ষরবৃত্ত ছন্দেরই শৈল্পিক ও আধুনিক রূপায়ণ।
C) মাত্রাবৃত্ত ছন্দ — মাত্রাবৃত্ত ছন্দ গুরু ও লঘু স্বরের হিসাবের ওপর নির্ভর করে ধীর লয়ে চলে, যা অমিত্রাক্ষর ছন্দের মূল কাঠামো নয়।
D) গৈরিশ ছন্দ — গৈরিশ ছন্দ বলতে বাংলা ছন্দে কোনো স্বতন্ত্র বা প্রধান ধারা বোঝায় না, এটি একটি কাল্পনিক বা অপ্রাসঙ্গিক অপশন।
৫. মনে রাখার টিপস:
মধুসূদন দত্তের অমিত্রাক্ষর ছন্দ মনে রাখার জন্য মনে রাখতে হবে যে এটি বাংলা অক্ষরবৃত্ত ছন্দের আধুনিক ও উন্নত রূপ।
অক্ষরবৃত্ত ছন্দ মানেই পঙক্তির শেষে মিল না থাকা এবং পর্বের বিন্যাস মেনে চলা, যা অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রধান বৈশিষ্ট্য।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক কে এবং এটি কোন ছন্দের নব রূপায়ন।
মনে রাখবে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক মাইকেল মধুসূদন দত্ত এবং এটি অক্ষরবৃত্ত ছন্দের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছে।
সঠিক উত্তর: B) শামসুর রাহমান
১. কেন সঠিক:
বুক তার বাংলাদেশের হৃদয় কাব্যগ্রন্থটি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি শামসুর রাহমানের একটি বিখ্যাত সৃষ্টি।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম এবং দেশপ্রেম এই কাব্যগ্রন্থের মূল ভাবনা ও প্রেরণা হিসেবে কাজ করেছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
শামসুর রাহমান বিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয় অর্ধে আবির্ভূত একজন প্রথিতযশা কবি যিনি নাগরিক জীবন ও সমসাময়িক রাজনীতিকে কবিতায় রূপ দিয়েছেন।
এই কাব্যগ্রন্থটিতে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং বাঙালির আত্মত্যাগের চিত্র অত্যন্ত শিল্পসম্মতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বন্দী শিবির থেকে
ব্যাখ্যা: এটি শামসুর রাহমানের আরেকটি অত্যন্ত বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত।
উদাহরণ ২: ফিরিয়ে নাও ঘাসফুল
ব্যাখ্যা: এটিও কবি শামসুর রাহমানের রচিত দেশপ্রেম ও প্রকৃতিভিত্তিক একটি জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সৈয়দ শামসুল হক — তিনি একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও কবি হলেও এই নির্দিষ্ট কাব্যগ্রন্থটি তার লেখা নয়।
B) শামসুর রাহমান — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি তার রচিত একটি অবিস্মরণীয় কাব্যগ্রন্থ।
C) হাসান হাফিজুর রহমান — তিনি বিখ্যাত একুশে সংকলনের সম্পাদক ও কবি হলেও এই কাব্যগ্রন্থটি তার নয়।
D) আহসান হাবীব — তিনি বাংলা সাহিত্যের একজন বিশিষ্ট আধুনিক কবি হলেও এই গ্রন্থের রচয়িতা নন।
৫. মনে রাখার টিপস:
শামসুর রাহমানের হৃদয় সবসময় বাংলাদেশ ও মুক্তিযুদ্ধকে ঘিরে আবর্তিত হতো, তাই বুক তার বাংলাদেশের হৃদয় গ্রন্থটি দেখলে কবি শামসুর রাহমানকে স্মরণ করবে।
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কাব্যগ্রন্থ মনে রাখার জন্য কবির নাম এবং রচনার প্রথম অক্ষর মিলিয়ে সংক্ষিপ্ত ছন্দ তৈরি করতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কাব্যগ্রন্থ এবং এর রচয়িতা প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
এই ধরনের প্রশ্নে লেখকের অন্যান্য বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গ্রন্থগুলোর নামও ভালোভাবে দেখে যাওয়া উচিত।
সঠিক উত্তর: A) আবুল ফজল
১. কেন সঠিক:
- ‘দুর্দিনের দিনলিপি’ হলো প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ আবুল ফজল রচিত একটি বিখ্যাত স্মৃতিগ্রন্থ বা ডায়েরি সাহিত্য।
- এটি মূলত ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে রচিত যেখানে সমকালীন সমাজ ও রাষ্ট্রীয় সঙ্কটের বাস্তব চিত্র ফুটে উঠেছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- আবুল ফজল বিংশ শতাব্দীর বাংলা সাহিত্যের একজন প্রগতিশীল চিন্তাবিদ, প্রবন্ধকার ও ঔপন্যাসিক ছিলেন।
- তাঁর সাহিত্যকর্মে সমাজসচেতনতা, মানবতাবাদ ও বুদ্ধিবৃত্তিক স্বাধীনতার প্রকাশ স্পষ্টভাবে লক্ষ্য করা যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চৌচির
ব্যাখ্যা: এটি আবুল ফজল রচিত একটি সামাজিক উপন্যাস যা সমকালীন সমাজের অসঙ্গতি তুলে ধরে।
উদাহরণ ২: মৃত্তিকা
ব্যাখ্যা: এটিও আবুল ফজল রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা তাঁর সাহিত্যিক প্রতিভার অন্যতম নিদর্শন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আবুল ফজল — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই স্মৃতিগ্রন্থটি তাঁরই সৃষ্টি।
B) আবদুল কাদির — তিনি একজন প্রখ্যাত কবি ও সাহিত্য গবেষক হলেও ‘দুর্দিনের দিনলিপি’ তাঁর লেখা নয়।
C) জাহানারা ইমাম — তিনি ‘একাত্তরের দিনগুলি’ লেখার জন্য বিখ্যাত, যা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক স্মৃতিগ্রন্থ।
D) মুশতারি শফী — তিনি একজন কথাসাহিত্যিক ও সংগঠক হলেও এই গ্রন্থটির রচায়িতা নন।
৫. মনে রাখার টিপস:
- আবুল ফজল মানেই প্রগতিশীল চিন্তা ও দিনলিপি বা স্মৃতিকথাধর্মী লেখা।
- এভাবে মনে রাখতে পারো যে, দুর্দিনের মতো কঠিন সময়ে আবুল ফজল ডায়েরি বা দিনলিপি লিখে গেছেন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আত্মজীবনী, স্মৃতিকথা ও ডায়েরি সাহিত্য থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- লেখকের অন্যান্য বিখ্যাত প্রবন্ধ যেমন ‘সমাজ ও সাহিত্য’ এবং উপন্যাস ‘চৌচির’ ভালোভাবে পড়ে রাখা উচিত।
সঠিক উত্তর: D) মিতালি
১. কেন সঠিক:
- মিতালি একটি যৌগিক শব্দ কারণ এর ব্যুৎপত্তিগত অর্থ এবং ব্যবহারিক অর্থ একই সূত্রে গাঁথা। মিত + আলি যোগে গঠিত এই শব্দটির মূল অর্থ হলো মিত্রতা বা বন্ধুত্ব।
- গঠনগত দিক থেকে এটি প্রত্যয় সাধিত শব্দ হলেও শব্দার্থের বিচারে এটি যৌগিক শব্দের অন্তর্ভুক্ত। এখানে মূল শব্দের অর্থ এবং প্রত্যয়জাত অর্থের মধ্যে কোনো পরিবর্তন ঘটেনি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- গঠন অনুসারে বাংলা শব্দকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়, যেমন রুঢ় বা রূঢ়ি শব্দ, যোগরূঢ় শব্দ এবং যৌগিক শব্দ। যে সমস্ত শব্দ পদের উৎপত্তিগত অর্থের সঙ্গে ব্যবহারের অর্থ মিলে যায়, সেগুলোকে যৌগিক শব্দ বলে।
- যৌগিক শব্দ গঠনে সাধারণত প্রকৃতি ও প্রত্যয়ের সাহায্য নেওয়া হয় এবং শব্দগুলো তাদের আক্ষরিক বা মূল অর্থ প্রকাশ করে থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাবুিয়ানা
ব্যাখ্যা: বাবু ও আনা প্রত্যয় যোগে গঠিত এই যৌগিক শব্দটির অর্থ বাবুর ভাব বা আচরণ।
উদাহরণ ২: গায়ক
ব্যাখ্যা: গৈ ধাতু ও অক প্রত্যয় যোগে গঠিত এই যৌগিক শব্দটির অর্থ যিনি গান করেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রবীণ — এটি একটি রুঢ় শব্দ কারণ প্র উপসর্গ ও বীন প্রত্যয় যোগে গঠিত হলেও এর প্রচলিত অর্থ বিশেষ বয়োবৃদ্ধ ব্যক্তি বোঝায়, যা বুৎপত্তিগত অর্থকে অনুসরণ করে না।
B) জেঠামি — এটি একটি রুঢ় শব্দ কারণ জ্যাঠা শব্দের সঙ্গে মি প্রত্যয় যুক্ত হয়ে জ্যাঠার ভাব বা পাকাামি অর্থ প্রকাশ করে, যা মূল শব্দের থেকে আলাদা রূপ নেয়।
C) সরোজ — এটি একটি যোগরূঢ় শব্দ কারণ সমাস নিষ্পন্ন এই শব্দটি পদ্ম ফুল অর্থে ব্যবহৃত হয়, যা এর অবয়ব বা অংশবিশেষের অর্থ প্রকাশ না করে একটি নির্দিষ্ট অর্থ বোঝায়।
D) মিতালি — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- যৌগিক শব্দের ক্ষেত্রে মনে রাখবে যে শব্দগুলোর আক্ষরিক অর্থ এবং ব্যবহারের অর্থ একই থাকে। গায়ক, বাবুিয়ানা, মিতালি ইত্যাদি শব্দ দেখলেই বুঝতে হবে এগুলো যৌগিক শব্দ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ ও শব্দের শ্রেণিবিভাগ থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। রুঢ়, যোগরূঢ় এবং যৌগিক শব্দের পার্থক্য ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
সঠিক উত্তর: B) মুক্তাক্ষর
১. কেন সঠিক:
স্বরান্ত অক্ষর বলতে সেই অক্ষরকে বোঝায় যার শেষে স্বরধ্বনি থাকে বা যা স্বরধ্বনি দিয়ে শেষ হয়।
মুক্তাক্ষর উচ্চারণের সময় নিঃশ্বাস না থেমে সহজে দীর্ঘায়িত করা যায় এবং এর শেষে কোনো ব্যঞ্জনধ্বনি অবরুদ্ধ থাকে না।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ছন্দে ও উচ্চারণে অক্ষর প্রধানত দুই প্রকার যথা মুক্তাক্ষর ও বদ্ধাক্ষর।
যে অক্ষর স্বরধ্বনি দিয়ে শেষ হয় তাকে মুক্তাক্ষর বলে এবং যা ব্যঞ্জনধ্বনি দিয়ে শেষ হয় তাকে বদ্ধাক্ষর বলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আম (আ+ম) শব্দের আ অংশটি মুক্তাক্ষর কারণ এটি স্বরবর্ণ দিয়ে গঠিত।
ব্যাখ্যা: আ উচ্চারণের সময় স্বরধ্বনি এককভাবে উচ্চারিত হয় এবং এর শেষে কোনো ব্যঞ্জনধ্বনি নেই।
উদাহরণ ২: নদী (ন+দী) শব্দের দী অংশটি মুক্তাক্ষর কারণ এর শেষে দীর্ঘী স্বরধ্বনি আছে।
ব্যাখ্যা: দী উচ্চারণের সময় স্বরধ্বনি দীর্ঘায়িত করা যায় এবং নিঃশ্বাস আটকে যায় না।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) একাক্ষর — এটি অক্ষরের একটি সাধারণ শ্রেণি যা একটি মাত্র উচ্চারণ একক বোঝায়, তবে এটি নির্দিষ্ট করে স্বরান্ত অক্ষর বোঝায় না।
B) মুক্তাক্ষর — এটি সঠিক উত্তর।
C) বদ্ধাক্ষর — এটি ব্যঞ্জনাস্ত বা ব্যঞ্জনধ্বনি দিয়ে শেষ হওয়া অক্ষরকে বোঝায়, যা স্বরান্ত অক্ষরের বিপরীত।
D)যুক্তাক্ষর — এটি একাধিক ব্যঞ্জনবর্ণের যুক্ত রূপকে বোঝায়, স্বরান্ত অক্ষরের সঙ্গে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
মুক্ত মানে খোলা, তাই খোলা গলায় স্বরধ্বনিতে শেষ হওয়া অক্ষরই মুক্তাক্ষর।
বদ্ধ মানে আটকানো, তাই ব্যঞ্জনধ্বনিতে আটকে যাওয়া অক্ষর হলো বদ্ধাক্ষর।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা ছন্দের মাত্রাবৃত্ত ও স্বরবৃত্ত ছন্দে অক্ষর গণনার সময় মুক্তাক্ষর ও বদ্ধাক্ষর চেনার নিয়ম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
পরীক্ষায় প্রায়ই শব্দ ভেঙে মুক্তাক্ষর ও বদ্ধাক্ষর আলাদা করতে বলা হয়।
সঠিক উত্তর: A) শিরশ্ছেদ, দরিদ্রতা, সমীচীন
১. কেন সঠিক:
এই অপশনের প্রতিটি শব্দ বাংলা একাডেমির প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী সম্পূর্ণরূপে সঠিক।
বাংলা বানান শেখার জন্য সন্ধি এবং প্রত্যয়ের সঠিক প্রয়োগ জানা অত্যন্ত জরুরি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
শিরশ্ছেদ শব্দটি বিসর্গ সন্ধির নিয়মে গঠিত হয়েছে, যেখানে বিসর্গ এর পরে ছ থাকলে বিসর্গ স্থানে শ হয়।
সমীচীন শব্দের বানানে দীর্ঘ ঈ কার এবং দীর্ঘ ঈ কার ব্যবহার করা হয়, যা একটি বহুল প্রচলিত শুদ্ধ বানান।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মনঃপীড়ন
ব্যাখ্যা: বিসর্গ সন্ধির নিয়মে এটি গঠিত হয়েছে এবং এখানে বিসর্গ অপরিবর্তিত থাকে।
উদাহরণ ২: দুশ্চিন্তা
ব্যাখ্যা: বিসর্গ এর পরে চ বা ছ থাকলে বিসর্গ স্থানে শ হয়, যা এই বানানে প্রযোজ্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শিরশ্ছেদ, দরিদ্রতা, সমীচীন — এই অপশনের সবগুলো বানানই ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ সঠিক।
B) শিরোশ্ছেদ, দারিদ্র্য, সমীচিন — শিরোশ্ছেদ বানানটি ভুল কারণ এখানে ও কার যুক্ত হয়েছে এবং সমীচিন বানানে শেষের বর্ণে ই কার ভুলভাবে ব্যবহৃত হয়েছে।
C) শিরঃশ্ছেদ, দরিদ্রতা, সমিচীন — শিরঃশ্ছেদ বানানে বিসর্গ এবং শ একসঙ্গে ব্যবহার করা অপ্রয়োজনীয় এবং সমিচীন বানানে ই কার ভুল।
D) শিরচ্ছেদ, দরিদ্রতা, সমীচীন — শিরচ্ছেদ বানানে শ বা বিসর্গ বাদ দেওয়া হয়েছে যা সন্ধির নিয়মের পরিপন্থী।
৫. মনে রাখার টিপস:
সমীচীন বানানটি মনে রাখার সহজ উপায় হলো এর দুই ই কারই দীর্ঘ হয়।
সন্ধিযুক্ত শব্দ লেখার সময় প্রমিত নিয়মগুলো বারবার অনুশীলন করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সমীচীন এবং দরিদ্রতা বানানটি বিভিন্ন রূপ দিয়ে বিভ্রান্ত করা হয়।
বাংলা বানানের প্রমিত নিয়ম আয়ত্ত করতে হলে মৌলিক ব্যাকরণ বই থেকে সন্ধি ও প্রত্যয় অধ্যায় ভালো করে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: C) গ্রিক
১. কেন সঠিক:
- আরবি 'কলম' শব্দটি গ্রিক শব্দ 'কলমোস' থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে।
- শব্দটির মূল অর্থ নল বা শর, যা দিয়ে প্রাচীনকালে লেখা হতো।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত বিদেশি শব্দের উৎসগত পরিবর্তনের একটি উদাহরণ।
- বিদেশি শব্দ বিভিন্ন ভাষা থেকে পরিবর্তিত হয়ে বাংলা শব্দভান্ডারে স্থান করে নিয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সুরমা
ব্যাখ্যা: এটি একটি আরবি শব্দ যা বাংলা ভাষায় বহুল ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: ইস্ত্রি
ব্যাখ্যা: এটি একটি পর্তুগিজ শব্দ যা বাংলা ভাষায় গৃহস্থালি কাজে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পাঞ্জাবি — এই ভাষা থেকে কলম শব্দটি আসেনি।
B) ফরাসি — এটি ফরাসি ভাষার শব্দ নয়।
C) গ্রিক — এটি সঠিক উত্তর।
D) স্পেনিশ — এটি স্পেনিশ ভাষার শব্দ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- কলম দিয়ে লেখার কাজ গ্রিক পন্ডিতরা শুরু করেছিলেন বলে মনে রাখতে পারো যে কলমোস গ্রিক শব্দ।
- শব্দের উৎস মনে রাখতে বিদেশি শব্দের তালিকা নিয়মিত চর্চা করো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের উৎস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- আরবি, ফার্সি, পর্তুগিজ ও গ্রিক শব্দের তালিকা আলাদা করে মুখস্থ রাখা বুদ্ধিমানের কাজ।
সঠিক উত্তর: D) সুকুমার সেন
১. কেন সঠিক:
- মন্তব্যটি বিশিষ্ট ভাষাবিজ্ঞানী ও সাহিত্য ইতিহাসবিদ সুকুমার সেনের করা।
- তিনি বোঝাতে চেয়েছেন যে ভাষা কেবল মনের ভাব প্রকাশের মাধ্যমই নয়, বরং ভাষা মানুষের চিন্তন প্রক্রিয়াকে তৈরি ও পরিচালনা করে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সুকুমার সেন বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের ইতিহাস রচনায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।
- তাঁর লেখা বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস গ্রন্থটি এই বিষয়ে একটি প্রামাণ্য দলিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ভাষা মানুষের মনন গঠনে সাহায্য করে।
ব্যাখ্যা: ভাষা ছাড়া উন্নত চিন্তাভাবনা প্রকাশ করা অসম্ভব।
উদাহরণ ২: চিন্তার প্রসূতি হিসেবে ভাষার ভূমিকা অনস্বীকার্য।
ব্যাখ্যা: ভাষা মানুষের নতুন ভাবনা ও দর্শনকে জন্ম দেয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় — তিনি বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও গঠন নিয়ে কাজ করলেও এই নির্দিষ্ট মন্তব্যটি তাঁর নয়।
B) মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ — তিনি বিশিষ্ট ভাষাবিজ্ঞানী হলেও এই উক্তিটির প্রণেতা সুকুমার সেন।
C) মুহম্মদ এনামুল হক — তিনি একজন প্রখ্যাত ইতিহাসবিদ ও সাহিত্যিক হলেও এই মন্তব্যটি তাঁর নয়।
D) সুকুমার সেন — এই অপশনটি সঠিক এবং মন্তব্যটি তাঁরই করা।
৫ মনে রাখার টিপস:
ভাষা ও চিন্তার সম্পর্ক নিয়ে এমন গভীর তাত্ত্বিক মন্তব্য সাধারণত ভাষাবিজ্ঞানী সুকুমার সেন করে থাকেন।
ভাষাতত্ত্ব ও চিন্তন প্রক্রিয়ার মেলবন্ধন মনে রাখতে সুকুমার সেন নামটি স্মরণ করতে হবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিখ্যাত ভাষাবিজ্ঞানীদের বিখ্যাত উক্তি থেকে প্রশ্ন আসে।
ভাষাবিজ্ঞান সংক্রান্ত এমন উদ্ধৃতি মনে রাখা বিসিএস ও অন্যান্য পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
সঠিক উত্তর: A) মানোএল দ্য আস্সুম্পসাঁও
কেন সঠিক:
- মানোএল দ্য আস্সুম্পসাঁও প্রথম পর্তুগীজ ভাষাভাষী হলেও তিনিই প্রথম বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও শব্দসংকলন রচনা করেন।
- তাঁর রচিত ব্যাকরণ গ্রন্থটি ১৭৪৩ সালে লিসবন থেকে প্রকাশিত হয়েছিল।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- প্রথম বাংলা ব্যাকরণ রচনার ক্ষেত্রে পর্তুগীজ পাদরি মানোএল দ্য আস্সুম্পসাঁও এর নাম সর্বাগ্রে স্মরণীয়।
- এই বইটির নাম ছিল ভোকাবুলারিও এম ইদিও বাংলা ই পর্তুগীজ।
- এই গ্রন্থে বাংলা ভাষার পাশাপাশি পর্তুগীজ ভাষার ব্যবহার ও উচ্চারণ সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) মানোএল দ্য আস্সুম্পসাঁও — এটি সঠিক অপশন এবং তিনি প্রথম বাংলা ব্যাকরণ রচনা করেছিলেন।
- B) রাজা রামমোহন রায় — তিনি প্রথম বাঙালি হিসেবে বাংলা ভাষায় ব্যাকরণ গৌড়ীয় ব্যাকরণ রচনা করেন ১৮৩৩ সালে।
- C) রামেন্দ্র সুন্দর ত্রিবেদী — তিনি বাংলা ভাষার একজন বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও বিজ্ঞানী হলেও প্রথম ব্যাকরণ রচয়িতা নন।
- D) নাথানিয়েল ব্রাসি হ্যালহেড — তিনি ইংরেজদের মধ্যে প্রথম বাংলা ব্যাকরণ এ গ্রামার অফ দ্য বেঙ্গল ল্যাঙ্গুয়েজ রচনা করেন ১৭৭৮ সালে।
মনে রাখার টিপস:
- পর্তুগীজ পাদরি মানোএল হলেন প্রথম বাংলা ব্যাকরণের জনক।
- ইংরেজদের মধ্যে প্রথম ব্যাকরণ লিখেছিলেন হ্যালহেড।
- বাঙালি হিসেবে প্রথম ব্যাকরণ রচনা করেছিলেন রাজা রামমোহন রায়।
সঠিক উত্তর: D) এ
১. কেন সঠিক:
উচ্চারণের সময় জিহ্বার অবস্থান এবং মুখের আকৃতির ওপর ভিত্তি করে স্বরধ্বনিগুলোকে বিভিন্ন শ্রেণিতে ভাগ করা হয়। এ ধ্বনিটি উচ্চারণের সময় জিহ্বা সামনে অবস্থান করে এবং মুখ মাঝারিভাবে উন্মুক্ত হয়, তাই এটি উচ্চমধ্য-সম্মুখ স্বরধ্বনি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা স্বরধ্বনিতে জিহ্বার উচ্চতা ও অবস্থান অনুযায়ী সম্মুখ ও পশ্চাৎ স্বরধ্বনি নির্ধারিত হয়। মুখবিবরের উচ্চতার দিক থেকে এ ধ্বনিটি উচ্চমধ্য স্তরে এবং জিহ্বার অবস্থানের দিক থেকে সম্মুখ ভাগে অবস্থান করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: একা
ব্যাখ্যা: একা শব্দটিতে এ ধ্বনিটি ব্যবহৃত হয়েছে যা উচ্চমধ্য-সম্মুখ স্বরধ্বনির উদাহরণ।
উদাহরণ ২: তেল
ব্যাখ্যা: তেল শব্দটির শুরুতে এ ধ্বনিটি রয়েছে যা একই উচ্চারণরীতির অন্তর্ভুক্ত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অ — এটি একটি নিম্নমধ্য-পশ্চাৎ স্বরধ্বনি, যা প্রশ্নের উচ্চমধ্য-সম্মুখ স্বরধ্বনির সঙ্গে মেলে না।
B) আ — এটি একটি নিম্ন-কেন্দ্রীয় স্বরধ্বনি, যা অন্য একটি উচ্চারণরীতির অন্তর্ভুক্ত।
C) ও — এটি একটি উচ্চমধ্য-পশ্চাৎ স্বরধ্বনি, তাই এটি সম্মুখ স্বরধ্বনি নয়।
D) এ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি উচ্চমধ্য-সম্মুখ স্বরধ্বনি হিসেবে প্রমিত বাংলা ব্যাকরণে স্বীকৃত।
৫. মনে রাখার টিপস:
সম্মুখ স্বরধ্বনি মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো ই এবং এ হলো সম্মুখ স্বরধ্বনি। উচ্চমধ্য এবং সম্মুখ বৈশিষ্ট্য একসঙ্গে মিললে সঠিক উত্তর এ নির্ধারিত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধ্বনিবিজ্ঞান থেকে প্রায়ই স্বরধ্বনির শ্রেণিবিভাগ সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে। জিহ্বার উচ্চতা ও সম্মুখ-পশ্চাৎ অবস্থান ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজেই সমাধান করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: C) তামসিক
কেন সঠিক:
তাম্বুলিক শব্দের আক্ষরিক অর্থ পান বিক্রেতা বা যারা পানের ব্যবসা করেন।
তামসিক শব্দের অর্থ অন্ধকারাচ্ছন্ন বা তমঃ গুণ সম্পর্কিত, যা পানের সাথে সম্পর্কহীন।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে শব্দার্থের গভীরতা বোঝাতে তদ্ধিত প্রত্যয়ের ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়।
এই শব্দটির সাথে পান চাষ ও ব্যবসার ঐতিহ্যবাহী পেশার গভীর সম্পর্ক রয়েছে।
যেমন তম্বুল বা পান থেকে তাম্বুলিক শব্দের উৎপত্তি হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পান-ব্যবসায়ী — এটি তাম্বুলিক শব্দের সরাসরি সমার্থক কারণ তাম্বুল শব্দের অর্থ পান।
B) পর্ণকার — পর্ণ অর্থ পাতা বা পান, তাই পর্ণকার বলতে পান প্রস্তুতকারক বা ব্যবসায়ীকে বোঝায়।
C) তামসিক — এটি তমস বা অন্ধকার থেকে আগত একটি গুণবাচক শব্দ, যার সাথে পান ব্যবসায়ীর কোনো মিল নেই।
D) বারুই — বারুই বা বরুই হলো যারা ঐতিহ্যগতভাবে পানের চাষ ও ব্যবসা করে থাকেন।
মনে রাখার টিপস:
তাম্বুল শব্দের অর্থ পান মনে রাখলে পান সংশ্লিষ্ট সব শব্দ সহজে চেনা যায়।
তামসিক শব্দটি তমস বা অন্ধকার থেকে এসেছে, যা ব্যবসার সাথে মেলে না।
সঠিক উত্তর: C) অনন্বয়ী অব্যয়
১. কেন সঠিক:
- এই বাক্যে 'তো' শব্দটি বাক্যের অন্য কোনো পদের সঙ্গে সরাসরি কোনো সম্পর্ক না রেখে বক্তার বিশেষ আবেগ, উল্লাস বা ভাব প্রকাশ করছে।
- যে অব্যয় পদ বাক্যের অন্যান্য পদের সঙ্গে কোনো অন্বয় বা সম্পর্ক না রেখে স্বাধীনভাবে মনের ভাব বা আবেগ প্রকাশ করে, তাকে অনন্বয়ী অব্যয় বলে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে অব্যয় পদ বাক্যের অন্য পদের সঙ্গে সম্পর্ক না রেখে স্বাধীনভাবে আনন্দ, বেদনা, ঘৃণা, সম্মতি, বিরক্তি ইত্যাদি ভাব প্রকাশ করে, তাকে অনন্বয়ী অব্যয় বা ভাববাচক অব্যয় বলা হয়।
- প্রদত্ত বাক্যে 'ভারি' শব্দটি বিশেষণ এবং 'তো' শব্দটি অনন্বয়ী অব্যয় হিসেবে বসে প্রশংসার ভাবকে জোরালো করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাহ! কী চমৎকার দৃশ্য।
ব্যাখ্যা: এখানে 'বাহ' শব্দটি আনন্দ বা উল্লাস প্রকাশ করেছে এবং এটি অনন্বয়ী অব্যয়ের একটি ক্ল্যাসিক উদাহরণ।
উদাহরণ ২: ছি! কাজটি তোমার করা ঠিক হয়নি।
ব্যাখ্যা: এখানে 'ছি' শব্দটি ঘৃণা বা লজ্জা প্রকাশ করতে স্বাধীনভাবে ব্যবহৃত হয়েছে, যা অনন্বয়ী অব্যয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পদান্বয়ী অব্যয় — পদান্বয়ী অব্যয় শব্দের পরে বসে কারক বা সম্বন্ধ পদ গঠন করে, যা এখানে ঘটেনি।
B) অনুসর্গ অব্যয় — অনুসর্গ অব্যয় সাধারণত বিশেষ্য বা সর্বনামের পরে বসে কারক গঠনে সাহায্য করে, যা এই বাক্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
C) অনন্বয়ী অব্যয় — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি আবেগ ও ভাব প্রকাশ করেছে।
D) অনুকার অব্যয় — অনুকার অব্যয় কোনো কিছুর নকল শব্দ বা ধ্বনি প্রকাশ করে, যা এখানে নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বাক্যের মাঝখানে বা শুরুতে যে শব্দগুলো বাহ বাহ, ছি ছি, মরি মরি, বা তো, যে, না এর মতো আবেগ প্রকাশ করে, চোখ বন্ধ করে সেগুলোকে অনন্বয়ী অব্যয় দাগাবে।
- মনে রাখবে, অনন্বয়ী মানে যার কোনো অন্য পদের সঙ্গে সরাসরি অন্বয় বা ব্যাকরণগত সম্পর্ক থাকে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্যের উৎস বা পদের ধরন নির্ণয় থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
- বাক্যের ভেতরের আবেগ ও উচ্ছ্বাস বুঝতে পারলে অনন্বয়ী অব্যয় খুব সহজেই চিহ্নিত করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: A) ধ্বনি দৃশ্যমান
১. কেন সঠিক:
- ধ্বনি দৃশ্যমান নয়, কারণ ধ্বনি কেবল কান দিয়ে শোনা যায় এবং মুখ দিয়ে উচ্চারণ করা যায়।
- ভাষার মূল উপাদান হলো ধ্বনি, যা দেখার কোনো বস্তু নয় বরং শ্রবণের বিষয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- ধ্বনি হলো মানুষের বাকযন্ত্রের সাহায্যে উৎপাদিত আওয়াজ বা শব্দ, যা লেখার সময় প্রতীকের রূপ নেয়।
- ধ্বনির লিখিত রূপকে বর্ণ বলা হয়, যা দৃশ্যমান কিন্তু মূল ধ্বনিটি সর্বদা অদৃশ্য ও শ্রবণীয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ক, খ, গ
ব্যাখ্যা: এগুলো উচ্চারিত হলে ধ্বনি হয় এবং লেখার সময় বর্ণ হিসেবে দৃশ্যমান হয়।
উদাহরণ ২: মানুষের মুখের কথা
ব্যাখ্যা: কথ্য রূপটি কেবল ধ্বনি ও শ্রবণীয়, যা কোনো দৃশ্যমান বস্তু নয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ধ্বনি দৃশ্যমান — এটি ভুল কারণ ধ্বনি দেখা যায় না, কেবল শোনা যায়।
B) মানুষের ভাষার মূলে আছে কতগুলো ধ্বনি — এটি সঠিক তথ্য, তাই উত্তর হিসেবে এটি গ্রহণযোগ্য নয়।
C) ধ্বনি উচ্চারণীয় ও শ্রবণীয় — এটি সঠিক তথ্য, কারণ ধ্বনি উচ্চারণ ও শ্রবণ করা যায়।
D) অর্থবোধক ধ্বনিগুলোই মানুষের বিভিন্ন ভাষার বাগ্ধ্বনি — এটি সঠিক তথ্য, তাই এটি উত্তর নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ধ্বনি হলো কানের বিষয়, আর বর্ণ হলো চোখের বিষয়।
- ধ্বনি শোনা যায়, বর্ণ দেখা যায়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ধ্বনি এবং বর্ণের মূল পার্থক্য হলো দৃশ্যমানতা ও শ্রবণযোগ্যতা।
- ভাষা বিজ্ঞানে ধ্বনি হলো উচ্চারিত রূপ এবং বর্ণ হলো লিখিত রূপ।
সঠিক উত্তর: C) তিনটি
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বাক্যে বানান এবং শব্দগঠনগত মোট তিনটি মারাত্মক ভুল রয়েছে।
- প্রতিটি ভুলের কারণে বাক্যটির প্রমিত রূপ নষ্ট হয়েছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সুনামী বানানটি ভুল, এর সঠিক রূপ হবে সুনামি।
- তান্ডবে বানানটি ভুল, এর সঠিক রূপ হবে তাণ্ডবে।
- সর্বশান্ত বানানটি ভুল, এর সঠিক রূপ হবে সর্বস্বান্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) একটি — বাক্যে একটি মাত্র ভুল নেই, বরং তিনটি ভুল রয়েছে।
- B) দুটি — বাক্যে দুটি ভুল নেই, মোট তিনটি ভুল বিদ্যমান।
- C) সঠিক উত্তর — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাক্যে তিনটি ভুল আছে।
- D) ভুল নেই — বাক্যটিতে কোনো ভুল নেই কথাটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, কারণ এতে তিনটি ভুল রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
- বিদেশি শব্দে ই-কার ব্যবহার করতে হয়, তাই সুনামি হবে।
- অনুস্বারের জায়গায় চন্দ্রবিন্দু ব্যবহার করে তাণ্ডব লিখতে হয়।
- সর্বস্বান্ত শব্দে ব-ফলা ও ষ-যুক্ত বর্ণ সঠিকভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) উপপদ
১. কেন সঠিক:
কৃদন্ত পদের ঠিক আগের পদটিকে ব্যাকরণের ভাষায় উপপদ বলা হয়। কৃৎ প্রত্যয়যুক্ত পদের সঙ্গে এই উপপদের বিশেষ সম্পর্ক থাকে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
কৃৎ প্রত্যয় সাধিত পদের আগের পদটি বিশেষ্য বা অন্য কোনো পদ হলে তাকে উপপদ বলে। উপপদের সঙ্গে কৃদন্ত পদের যে সমাস হয়, তাকে উপপদ তৎপুরুষ সমাস বলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জলে চরে যা = জলচর। এখানে জল হলো উপপদ এবং চর হলো কৃদন্ত পদ।
ব্যাখ্যা: চর পদের আগের পদ জল হওয়ায় এটি উপপদ হিসেবে কাজ করেছে।
উদাহরণ ২: পঙ্কে জন্মে যা = পঙ্কজ। এখানে পঙ্ক হলো উপপদ এবং জ হলো কৃদন্ত পদ।
ব্যাখ্যা: জ পদের আগের পদ পঙ্ক হওয়ায় এটি উপপদ হিসেবে যুক্ত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উপপদ - এটি সঠিক উত্তর কারণ কৃদন্ত পদের পূর্ববর্তী পদকে উপপদ বলা হয়।
B) প্রাতিপদিক - বিভক্তিহীন নাম শব্দ বা মূল শব্দকে প্রাতিপদিক বলা হয়, যা কৃদন্ত পদের পূর্ববর্তী পদ নয়।
C) প্রপদ - বাংলা ব্যাকরণে প্রপদ বলে কোনো নির্দিষ্ট বা গ্রহণযোগ্য পরিভাষা নেই।
D) পূর্বপদ - সমাসের প্রথম পদকে পূর্বপদ বলা হয়, যা কৃদন্ত পদের পূর্ববর্তী পদের নির্দিষ্ট নাম নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
উপ শব্দের অর্থ সমীপে বা কাছে, আর পদ হলো শব্দ। কৃদন্ত পদের ঠিক কাছাকাছি বা আগের পদই হলো উপপদ।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপপদ তৎপুরুষ সমাস চেনার জন্য এই নিয়মটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কৃদন্ত পদের আগের পদ দেখে সহজেই উপপদ শনাক্ত করা যায়।
সঠিক উত্তর: C) সর্বনাম
১. কেন সঠিক:
- সর্বনাম পদ হলো বিশেষ্যের পরিবর্তে যে পদ ব্যবহৃত হয় এবং এখানে ‘কী’ শব্দটি নাম পদের পরিবর্তে বসেছে।
- প্রশ্নটি করার সময় বক্তা শ্রোতার নির্দিষ্ট নামের বদলে ‘কী’ শব্দটি ব্যবহার করে তা জানতে চেয়েছেন।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- যে পদ কোনো বিশেষ্য পদের পরিবর্তে বাক্যে ব্যবহৃত হয় তাকে সর্বনাম পদ বলে এবং একে প্রশ্নবাচক সর্বনাম বলা হয়।
- বাক্যে বিশেষ পদের স্থলাভিষিক্ত হয়ে যখন কোনো শব্দ প্রশ্ন বোঝায়, তখন তা সর্বনামের অন্তর্ভুক্ত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তোমার কলমটির নাম কী?
ব্যাখ্যা: এখানে ‘কী’ শব্দটি কলম নামক বিশেষ্য পদের পরিবর্তে বসেছে এবং প্রশ্ন তৈরি করেছে।
উদাহরণ ২: ব্যাগে কী আছে?
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে ‘কী’ শব্দটি বস্তুবাচক বিশেষ্যের পরিবর্তে বসে প্রশ্ন নির্দেশ করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রশ্নবাচক — এটি সর্বনামের একটি উপশ্রেণি হতে পারে, তবে পদের সামগ্রিক ব্যাকরণগত শ্রেণি হিসেবে ‘সর্বনাম’ প্রধান পরিচয়।
B) অব্যয় — অব্যয় পদের নিজস্ব কোনো রূপ পরিবর্তন হয় না এবং এটি বাক্যকে সংযুক্ত করে, যা ‘কী’ শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
D) বিশেষণ — বিশেষণ পদ সাধারণত বিশেষ্য বা সর্বনামের দোষ, গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করে, কিন্তু ‘কী’ এখানে কোনো বৈশিষ্ট্য বোঝাচ্ছে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বাক্যে বিশেষ্য পদের পরিবর্তে যে শব্দগুলো প্রশ্ন করতে বসে, সেগুলোকে প্রশ্নবাচক সর্বনাম হিসেবে চিনে নেবে।
- নামের জায়গায় কী, কে, কারা বসলে তা সাধারণত সর্বনাম পদ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ‘কে’, ‘কী’, ‘কারা’ শব্দগুলো কোন পদ তা প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়।
- বাক্যের অর্থ ও অবস্থানের ওপর ভিত্তি করে পদের রূপ নির্ণয় করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) গরল
১. কেন সঠিক:
- ‘সরল’ শব্দের অর্থ সোজা, যা বাঁকা বা পেঁচানো নয়।
- ‘গরল’ শব্দের অর্থ বিষ, যা ‘সরল’ শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ নয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে শব্দগুলোর অর্থ একে অপরের বিপরীত ভাব প্রকাশ করে, সেগুলোকে বিপরীতার্থক শব্দ বলে।
- ‘সরল’ শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে কুটিল, জটিল ও বক্র শব্দগুলো ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আকুঞ্চন ও প্রসারণ
ব্যাখ্যা: আকুঞ্চন শব্দের অর্থ সঙ্কুচিত করা এবং প্রসারণ শব্দের অর্থ ছড়িয়ে দেওয়া, যা একে অপরের বিপরীত।
উদাহরণ ২: অবিরাম ও সচরাচর
ব্যাখ্যা: অবিরাম অর্থ যা থেমে থাকে না এবং সচরাচর অর্থ যা প্রায়ই ঘটে, এ দুটি বিপরীত ধারণা প্রকাশ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কুটিল — কুটিল শব্দের অর্থ পেঁচানো বা কুচক্রী, যা সরল শব্দের একটি সরাসরি বিপরীতার্থক শব্দ।
B) জটিল — জটিল শব্দের অর্থ যা সহজে বোঝা যায় না, এটি সরল শব্দের বিপরীতার্থক হিসেবে গ্রহণযোগ্য।
C) বক্র — বক্র শব্দের অর্থ সোজা নয় এমন বা বাঁকা, যা সরল শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ।
D) গরল — গরল শব্দের অর্থ বিষ, তাই এটি সরল শব্দের বিপরীতার্থক নয় বরং অমৃত শব্দের বিপরীতার্থক।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সরল মানে যা সোজা, এর বিপরীত হবে যা সোজা নয় যেমন জটিল বা বক্র।
- গরল শব্দটি সুধা বা অমৃত শব্দের বিপরীত, তাই এটি সরল শব্দের বিপরীত হতে পারে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিপরীতার্থক শব্দ নির্ণয়ের সময় শব্দের মূল অর্থ ভালোভাবে অনুধাবন করতে হবে।
- অনেক সময় একটি শব্দের একাধিক বিপরীত শব্দ থাকতে পারে, অপশন দেখে সঠিকটি নির্বাচন করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) পদমর্যাদা
১. কেন সঠিক:
- 'Rank' ইংরেজি শব্দটির সঠিক বাংলা পরিভাষা হলো পদমর্যাদা।
- এটি কোনো ব্যক্তি বা কর্মকর্তার সামাজিক, প্রশাসনিক বা পেশাগত অবস্থান বা গ্রেড নির্দেশ করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- পারিভাষিক শব্দ বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।
- প্রশাসনিক, দাপ্তরিক ও আন্তর্জাতিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে বিদেশি শব্দের সঠিক বাংলা রূপান্তর হলো পারিভাষিক শব্দ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: State
ব্যাখ্যা: State শব্দের বাংলা পরিভাষা হলো রাজ্য বা রাষ্ট্র।
উদাহরণ ২: Policy
ব্যাখ্যা: Policy শব্দের বাংলা পরিভাষা হলো নীতি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পদ — এটি ইংরেজি Word বা Post শব্দের পরিভাষা হতে পারে কিন্তু Rank শব্দের সঠিক পরিভাষা নয়।
C) মাত্রা — এটি ইংরেজি Degree বা Level শব্দের পরিভাষা হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
D) উচ্চতা — এটি ইংরেজি Height শব্দের পরিভাষা, যা কোনো শারীরিক বা ভৌগোলিক দূরত্ব বোঝায়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- Rank শব্দের অর্থ গ্রেড বা মর্যাদা, তাই এর পরিভাষায় পদ এবং মর্যাদা শব্দ দুটি একসাথে যুক্ত থাকে।
- দাপ্তরিক ইংরেজি শব্দের পরিভাষা পড়ার সময় প্রশাসনিক রূপগুলো ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও দাপ্তরিক কাজের পরিভাষা থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
- বিদেশি শব্দের পরিভাষা মুখস্থ না করে অর্থের গভীরতা বুঝে শিখলে উত্তর করা সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: A) প্রবোধচন্দ্র বাগচী
১. কেন সঠিক:
- ড. প্রবোধচন্দ্র বাগচী ১৯৩৮ সালে তিব্বতি ভাষায় চর্যাপদের মূল পুথির তিব্বতি অনুবাদ আবিষ্কার ও প্রকাশ করেন।
- তিব্বত থেকে চর্যাপদের তিব্বতি অনুবাদের আবিষ্কার বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে একটি যুগান্তকারী ঘটনা।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম কাব্য ও সাহিত্য নিদর্শন।
- এটি চর্যাগীতিকোষ বা সান্ধ্যভাষায় রচিত সাধনসঙ্গীত এবং মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে এর পুথি আবিষ্কার করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হরপ্রসাদ শাস্ত্রী সম্পাদিত হাজার বছরের পুরান বাঙ্গালা ভাষায় রচিত বৌদ্ধ গান ও দোহা।
ব্যাখ্যা: এটি চর্যাপদের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ যা ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে প্রকাশিত হয়।
উদাহরণ ২: সুনীতি চট্টোপাধ্যায়ের ওডিবিএল গ্রন্থ।
ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থে চর্যাপদের ভাষা ও ব্যাকরণগত রূপ বৈজ্ঞানিকভাবে প্রথম বিশ্লেষণ করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রবোধচন্দ্র বাগচী — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনিই প্রথম তিব্বতি অনুবাদ প্রকাশ করেন।
B) যতীন্দ্র মোহন বাগচী — ইনি বাংলা সাহিত্যের একজন বিখ্যাত কবি ও ঔপন্যাসিক, চর্যাপদ আবিষ্কার বা অনুবাদের সঙ্গে সম্পর্কিত নন।
C) প্রফুল্ল মোহন বাগচী — ইনি চর্যাপদ গবেষণার সঙ্গে যুক্ত কোনো বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব নন।
D) প্রণয়ভূষণ বাগচী — ইনিও চর্যাপদের তিব্বতি অনুবাদ প্রকাশের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোনো গবেষক নন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- তিব্বতি অনুবাদ ত দিয়ে শুরু আর প্রবোধচন্দ্র বাগচীর প্র-এর সঙ্গে তিব্বতের যোগ এভাবে মনে রাখা যায় যে তিব্বত গেলেই প্রবোধ মেলে।
- চর্যাপদ আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত্রী আর তিব্বতি অনুবাদক প্রবোধচন্দ্র বাগচী এই দুটি নাম পরীক্ষার জন্য খুব ভালো করে মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- চর্যাপদের তিব্বতি অনুবাদ কে প্রকাশ করেন এই প্রশ্নটি বিসিএসসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বারবার আসে।
- চর্যাপদ সম্পর্কিত গবেষকদের নাম যেমন হরপ্রসাদ শাস্ত্রী, সুনীতি কুমার চট্টোপাধ্যায় এবং প্রবোধচন্দ্র বাগচীর অবদান আলাদা করে মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: B) লক্ষ্মণ সেনের
১. কেন সঠিক:
- কবি জয়দেব সেন রাজবংশের শেষ রাজা লক্ষ্মণ সেনের সভাকবি ছিলেন।
- গীতগোবিন্দ কাব্য রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমের কাহিনী নিয়ে সংস্কৃত ভাষায় রচিত একটি বিখ্যাত পদাবলী কাব্য।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- জয়দেব সেন রাজবংশের সমসাময়িক বাংলার অত্যন্ত প্রথিতযশা একজন সংস্কৃত কবি ও গীতিকার।
- তার রচিত গীতগোবিন্দ কাব্য মধ্যযুগের বৈষ্ণব সাহিত্য এবং শ্রীকৃষ্ণ কীর্তন কাব্যের ওপর গভীর প্রভাব বিস্তার করেছিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: লক্ষ্মণ সেনের সভা অলংকৃত করতেন পঞ্চরত্ন।
ব্যাখ্যা: কবি জয়দেব ছাড়াও লক্ষ্মণ সেনের সভাসদ হিসেবে গোবর্ধন আচার্য, শরণ, ধোয়ী ও উমাপতিধর বিশেষভাবে পরিচিত ছিলেন।
উদাহরণ ২: গীতগোবিন্দ কাব্যের মূল সুর হলো ভক্তি ও শৃঙ্গার রস।
ব্যাখ্যা: এই কাব্যে রাধার অভিমান এবং কৃষ্ণের সঙ্গে তার পুনর্মিলনের আকুলতা অত্যন্ত চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শশাঙ্কদেবের — শশাঙ্ক ছিলেন প্রাচীন বাংলার গৌড়ের প্রথম স্বাধীন রাজা এবং তিনি সপ্তম শতকের শুরুতে রাজত্ব করতেন।
B) লক্ষ্মণ সেনের — এই অপশনটি সঠিক কারণ জয়দেব লক্ষ্মণ সেনের সভাকবি হিসেবে বিখ্যাত ছিলেন।
C) যশোবর্মনের — যশোবর্মণ ছিলেন কনৌজের একজন পরাক্রমশালী রাজা যিনি অষ্টম শতকে রাজত্ব করতেন।
D) হর্ষবর্ধনের — হর্ষবর্ধন ছিলেন থানেশ্বরের পুষ্যভূতি বংশের রাজা যিনি সপ্তম শতকের প্রথমার্ধে উত্তর ভারত শাসন করেন।
৫. মনে রাখার টিপস:
- লক্ষ্মণ সেনের সভাকবি জয়দেবকে মনে রাখতে সেন বংশের সঙ্গে জয়দেবের নামের প্রথম অক্ষর মিলিয়ে পড়তে পারো।
- সেন রাজাদের সভায় পঞ্চরত্ন ছিলেন এবং তাদের মধ্যে জয়দেব ছিলেন প্রধানতম কবি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- গীতগোবিন্দ কাব্য কোন ভাষায় রচিত এই প্রশ্নটি প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
- সেন রাজবংশের অন্যান্য সভাকবিদের নাম জেনে রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) Hello
কেন সঠিক:
- Adieu একটি ফরাসি শব্দ, যার অর্থ বিদায় জানানো বা শুভবিদায়।
- Hello শব্দের অর্থ হলো হ্যালো বা কাউকে সম্ভাষণ জানানো, যা বিদায়ের বিপরীতার্থক শব্দ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Farewell — এটি Adieu শব্দের সমার্থক শব্দ, কারণ দুটির অর্থই বিদায়।
B) Good bye — এটিও Adieu শব্দের সমার্থক শব্দ এবং এর অর্থ বিদায় জানানো।
C) Hello — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বিদায়ের বিপরীত অর্থাৎ সাক্ষাতে বা ফোন করার সময় বলার সম্ভাষণ।
D) Valediction — এটি বিদায় সম্ভাষণ বোঝায়, তাই এটি Adieu শব্দের সমার্থক।
মনে রাখার টিপস:
Adieu মানে বিদায় আর Hello মানে দেখা হলে সম্ভাষণ, তাই বিদায়ের বিপরীত হলো Hello।
সঠিক উত্তর: D) Alfred Tennyson
কেন সঠিক:
১৮৪২ সালে প্রকাশিত এই বিখ্যাত কবিতাটি ইংরেজ সাহিত্যের ভিক্টোরিয়ান যুগের শ্রেষ্ঠ কবি লর্ড টেনিসনের রচনা।
গ্রিক পুরাণের বীর ইউলিসিসের সমুদ্রযাত্রার অদম্য কৌতূহল ও সাহসিকতা এই কবিতায় সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
কবিতাটিতে বার্ধক্যের মাঝেও নতুন কিছু আবিষ্কার করার চিরন্তন মানবীয় স্পৃহা প্রকাশ পেয়েছে।
এটি একটি চমৎকার ড্রামাটিক মনোলগ ঘরানার কবিতা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Robert Browning — তিনি ভিক্টোরিয়ান যুগের কবি হলেও এই কবিতাটি লেখেননি, তার বিখ্যাত লেখার মধ্যে মাই লাস্ট ডাচেস অন্যতম।
B) Wordsworth — তিনি রোমান্টিক যুগের কবি এবং প্রকৃতির কবি হিসেবে পরিচিত, তাই ইউলিসিস কবিতাটি তার লেখা নয়।
C) S.T. Coleridge — তিনি রোমান্টিক যুগের বিখ্যাত কবি ও সমালোচক, যার সবচেয়ে পরিচিত সৃষ্টি দ্য রাইম অব দ্য এনসিয়েন্ট মেরিনার।
D) Alfred Tennyson — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি নিজেই ইউলিসিস কবিতাটির রচয়িতা।
মনে রাখার টিপস:
ইউরোপের গ্রিক বীর ইউলিসিসের নাম মনে এলেই ভিক্টোরিয়ান যুগের কবি টেনিসনের কথা মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) P.B. Shelley
কেন সঠিক:
Percy Bysshe Shelley বিখ্যাত রোমান্টিক যুগের একজন অন্যতম প্রধান ইংরেজি কবি। তিনি ১৮১৮ সালে এই অমর সনেট কবিতাটি রচনা করেছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Thomas Hardy — তিনি মূলত ভিক্টোরিয়ান যুগের একজন খ্যাতনামা ঔপন্যাসিক ও কবি ছিলেন।
B) Robert Frost — তিনি আধুনিক আমেরিকান যুগের একজন অত্যন্ত জনপ্রিয় ও প্রকৃতিবাদী কবি।
D) Edmund Spenser — তিনি রেনেসাঁ বা এলিজাবেথান যুগের একজন বিখ্যাত ইংরেজি কবি ছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
ওজিম্যান্ডিয়াস কবিতার ধ্বংসপ্রাপ্ত মূর্তির মতো পিবি শেলির রোমান্টিক বিদ্রোহ আজীবন অমর হয়ে আছে।
সঠিক উত্তর: D) The Return of the Native
কেন সঠিক:
ক্লাইম ইওব্রাইট চরিত্রটি বিখ্যাত ঔপন্যাসিক থমাস হার্ডির দ্য রিটার্ন অব দ্য নেটিভ উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র।
তিনি লন্ডন থেকে নিজের জন্মভূমি এগডন হিথে ফিরে আসার কারণে এই উপন্যাসের মূল চরিত্র হিসেবে পরিচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) David Copperfield - এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র ডেভিড কপারফিল্ড এবং এটি লিখেছেন চার্লস ডিকেন্স।
B) Adam Bede - এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র অ্যাডাম বিড এবং এটি লিখেছেন জর্জ এলিয়ট।
C) A Passage to India - এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র ডক্টর আজিজ এবং এটি লিখেছেন ই এম ফর্স্টার।
D) The Return of the Native - এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে গণ্য হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
ক্লাইম ইওব্রাইট এবং থমাস হার্ডির এগডন হিথ এলাকার সাথে দ্য রিটার্ন অব দ্য নেটিভ উপন্যাসটি মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) at
কেন সঠিক:
নির্দিষ্ট গতি বা বেগ বোঝাতে ইংরেজি ব্যাকরণে সাধারণত at প্রিপজিশনটি ব্যবহার করা হয়।
এখানে ট্রেনটির প্রতি ঘণ্টার গতি চল্লিশ মাইল নির্দিষ্ট করে বোঝানো হয়েছে বিধায় সঠিক উত্তরটি হবে at।
গতি বা হার নির্দেশ করতে at ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) on — এটি সাধারণত কোনো তলের ওপর অবস্থান বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, তাই এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) to — এটি সাধারণত দিক বা গন্তব্য বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা গতির হারের সাথে বসে না।
C) at — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুলের কোনো অবকাশ নেই।
D) for — এটি সাধারণত কারণ বা সময়সীমা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, গতির ক্ষেত্রে বসে না।
মনে রাখার টিপস:
গতি বা বেগের হার বোঝাতে সবসময় at প্রিপজিশন ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: A) between
কেন সঠিক:
- ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী দুই জন ব্যক্তি বা বস্তুর মধ্যে তুলনা বা ভাগাভাগি বোঝাতে preposition হিসেবে between ব্যবহৃত হয়।
- প্রদত্ত বাক্যে money বা টাকা দুই জন শিশুর (the two children) মধ্যে ভাগ করার কথা বলা হয়েছে, তাই এখানে between সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) between — এটি সঠিক উত্তর কারণ নির্দিষ্ট করে দুই পক্ষের মধ্যে ভাগ করা বোঝাচ্ছে।
B) over — এটি সাধারণত ওপরে বা অধিক বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এই শূন্যস্থানের জন্য প্রযোজ্য নয়।
C) among — এটি সাধারণত দুইয়ের অধিক ব্যক্তি বা বস্তুর মধ্যে ভাগাভাগি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
D) in between — এটি সঠিক ইংরেজি প্রিপজিশন নয়, কারণ between নিজেই একটি স্বাধীন প্রিপজিশন।
মনে রাখার টিপস:
দুই জনের মধ্যে ভাগ করলে between এবং দুইয়ের অধিক হলে among ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: খ) deny
কেন সঠিক:
শূন্যস্থানে deny বসলে বাক্যের অর্থ দাঁড়ায় কেউ অস্বীকার করতে পারে না যে সে চালাক।
এখানে কারোর বুদ্ধিমত্তাকে অস্বীকার করার বিষয়টি বোঝাতে deny শব্দটি সবচেয়ে উপযুক্ত।
এটি বাক্যটির ব্যাকরণগত ও অর্থগত পূর্ণতা নিশ্চিত করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
ক) defy — এর অর্থ অবাধ্য হওয়া বা চ্যালেঞ্জ করা, যা এখানে অর্থপূর্ণ নয়।
খ) deny — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
গ) admire — এর অর্থ প্রশংসা করা, কিন্তু বুদ্ধিমত্তা অস্বীকার না করার ভাবের সাথে এটি মেলে না।
ঘ) denounce — এর অর্থ নিন্দা করা, যা এই বাক্যের ভাবের সম্পূর্ণ বিপরীত।
মনে রাখার টিপস:
বুদ্ধিমত্তা বা সত্য বিষয় অস্বীকার করার ক্ষেত্রে ہمیشہ deny শব্দটি ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) lay
কেন সঠিক:
- প্রশ্নটিতে Lie শব্দের পাস্ট ফর্ম বা অতীত রূপ জানতে চাওয়া হয়েছে।
- Lie (শয়ন করা বা শুয়ে থাকা) এই intransitive verb টির পাস্ট ফর্ম হলো lay।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) lays — এটি Lie ভার্বের প্রেজেন্ট টেন্সের থার্ড পারসন সিঙ্গুলার রূপ, পাস্ট ফর্ম নয়।
B) lied — এটি Lie (মিথ্যা বলা) ভার্বের পাস্ট ফর্ম, যার অর্থ মিথ্যা বলেছিল।
D) layed — এটি ইংরেজি ব্যাকরণে কোনো সঠিক শব্দ বা রূপ নয়, বানানটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
শুয়ে থাকা অর্থে Lie এর অতীত রূপ lay এবং মিথ্যা বলা অর্থে Lie এর অতীত রূপ lied মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: B) The flute was played on by her.
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বাক্যটি পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্সে থাকা একটি অ্যাক্টিভ ভয়েস, যেখানে 'play on' একটি ফ্রেজাল ভার্ব বা গ্রুপ ভার্ব হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
- নিয়ম অনুযায়ী, বাক্যের অবজেক্ট (The flute) সাবজেক্ট হয়, পাস্ট টেন্সে 'was' বসে, মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল (played) হয় এবং ভার্বটির সাথে থাকা প্রিপজিশন (on) অপরিবর্তিত থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The flute was played by her. — এখানে ভার্বের সাথে থাকা সঠিক প্রিপজিশন 'on' বাদ দেওয়া হয়েছে, যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
B) The flute was played on by her. — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এখানে মূল ভার্বের সাথে থাকা প্রিপজিশন অবিকৃত রাখা হয়েছে।
C) The flute was played to her. — এখানে 'on'-এর পরিবর্তে ভুল প্রিপজিশন 'to' ব্যবহার করা হয়েছে, যা অর্থের পরিবর্তন ঘটায়।
D) The flute was being played by her. — এটি পাস্ট কন্টিনিউয়াস টেন্সের প্যাসিভ রূপ, যা প্রদত্ত বাক্যের টেন্সের সাথে মিলে না।
মনে রাখার টিপস:
গ্রুপ ভার্ব বা প্রিপজিশনযুক্ত ভার্বকে প্যাসিভ করার সময় ভার্বের ভেতরের প্রিপজিশনটি অপরিবর্তিত রেখে তার পরেই বাই (by) বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) plague pandemic
কেন সঠিক:
ব্ল্যাক ডেথ হলো চতুর্দশ শতাব্দীতে ইউরোপে ছড়িয়ে পড়া একটি ভয়াবহ প্লেগ মহামারী।
এটি মানব ইতিহাসের সবচেয়ে মারাত্মক মহামারীগুলোর একটি হিসেবে পরিচিত।
এটি ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের কারণে বিশ্বজুড়ে লক্ষ লক্ষ মানুষের প্রাণ কেড়ে নিয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) fever — এটি কেবল সাধারণ কোনো জ্বর ছিল না, বরং এটি একটি মারাত্মক সংক্রামক রোগ ছিল।
B) black fever — এটি কোনো নির্দিষ্ট জ্বরের নাম নয়, বরং এটি একটি ঐতিহাসিক মহামারীর নাম।
D) death of black people — এটি কৃষ্ণাঙ্গ মানুষের মৃত্যুকে বোঝায় না, বরং এটি সব বর্ণের মানুষকে আক্রান্ত করেছিল।
মনে রাখার টিপস:
ব্ল্যাক ডেথ শুনলেই মাথায় রাখবে এটি একটি ঐতিহাসিক প্লেগ মহামারী।
সঠিক উত্তর: C) Complex sentence
কেন সঠিক:
প্রদত্ত বাক্যে 'lest' একটি subordinating conjunction, যা দুটি clause-কে যুক্ত করেছে।
একটি principal clause এবং একটি subordinate clause মিলে জটিল বাক্য গঠিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Simple sentence — বাক্যে একাধিক clause থাকায় এটি সরল বাক্য হতে পারে না।
B) Compound sentence — এতে coordinating conjunction নেই, তাই এটি যৌগিক বাক্য নয়।
C) Complex sentence — এটি নিজেই সঠিক উত্তর।
D) Interrogative sentence — এটি কোনো প্রশ্নবোধক বাক্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে lest থাকলে এবং should এর ব্যবহার দেখলে চোখ বন্ধ করে Complex sentence দাগাবে।
সঠিক উত্তর: A) Choir
কেন সঠিক:
চার্চে গান গায় এমন গায়কদের দল বা সমবেত সঙ্গীতদলকে ইংরেজিতে কয়্যার বলা হয়।
ধর্মীয় উপাসনার সময় দলগতভাবে গান গাওয়ার ক্ষেত্রে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
একাধিক কণ্ঠের সমন্বয়ে গঠিত গানের দলকে বিশেষ এই নামে ডাকা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Choir — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক এবং চার্চের গায়কদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
B) Cast — এটি নাটক বা চলচ্চিত্রে অভিনয়কারী শিল্পীদের দল বোঝাতে ব্যবহার করা হয়।
C) Claque — এটি কোনো পারফরম্যান্সে হাততালি দেওয়ার জন্য ভাড়া করা লোকদের দল বোঝায়।
D) Clump — এটি গাছপালা বা কোনো কিছুর ঘন গুচ্ছ বা ঝাড় বোঝাতে ব্যবহার করা হয়।
মনে রাখার টিপস:
চার্চে গান গায় যারা, কয়্যার তাদের নাম।
সঠিক উত্তর: খ) acme
কেন সঠিক:
acme শব্দটির অর্থ হলো কোনো কিছুর সর্বোচ্চ বা চূড়ান্ত পর্যায়।
বাক্যটিতে সাহিত্যিক জীবনের সর্বোচ্চ সাফল্যের কথা বলা হয়েছে।
তাই এখানে সঠিক শব্দটি হলো acme।
বাকি অপশন কেন ভুল:
ক) abattoir — এই শব্দটির অর্থ হলো কসাইখানা বা পশু জবাই করার স্থান, যা সাহিত্যিক জীবনের সাথে সম্পর্কহীন।
খ) acme — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল হিসেবে ধরা হয়নি।
গ) admonish — এই শব্দটির অর্থ হলো কাউকে সতর্ক করা বা তিরস্কার করা, যা শূন্যস্থানে বসে না।
ঘ) abdicate — এই শব্দটির অর্থ হলো সিংহাসন বা পদত্যাগ করা, যা সাহিত্যিক জীবনের চূড়ার সাথে মিলে না।
মনে রাখার টিপস:
সাহিত্য বা কর্মজীবনের সর্বোচ্চ চূড়া বোঝাতে acme শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: A) to
কেন সঠিক:
অসদৃশ বা ভিন্ন প্রকৃতির দুটি জিনিসের মধ্যে তুলনা করতে compare এর পরে to preposition ব্যবহৃত হয়। এখানে রাগ এবং আগুন দুটি সম্পূর্ণ আলাদা জিনিস, তাই সঠিক উত্তর to হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) to — এটি সঠিক উত্তর এবং এখানে তুলনার অর্থ প্রকাশ করতে বসেছে।
B) within — এর অর্থ ভেতরে, যা এই বাকстыর অর্থ এবং ব্যাখ্যার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
C) against — এর অর্থ বিরুদ্ধে, যা এখানে তুলনার নিয়ম অনুযায়ী সম্পূর্ণ বেঠিক।
D) into — এর অর্থ ভেতরে প্রবেশ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
সদৃশ বস্তুর মধ্যে তুলনা হলে compare with এবং অসদৃশ বস্তুর মধ্যে তুলনা হলে compare to বসে।
সঠিক উত্তর: A) He discussed the matter.
কেন সঠিক:
Discuss একটি Transitive Verb, যার অর্থ কোনো বিষয়ে আলোচনা করা। তাই এর পরে সরাসরি object বসে এবং মাঝখানে কোনো Preposition বসে না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সঠিক উত্তর — এটি নিয়ম মেনে সরাসরি অবজেক্ট গ্রহণ করেছে।
B) He discussed about the mater — Discuss এর পরে about বসালে তা redundant বা বাহুল্য দোষে দুষ্ট হয়।
C) He discussed on the matter — Discuss এর পরে on বসালে গ্রামার অনুযায়ী বাক্যটি ভুল হয়।
D) None of the above — যেহেতু প্রথম অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক, তাই এটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
Discuss, Reach, Resemble এবং Order এর মতো Transitive Verb গুলোর পরে সরাসরি Object বসে, মাঝে কোনো Preposition বসে না।
সঠিক উত্তর: B) Pneumonia
কেন সঠিক:
নিউমোনিয়া শব্দটিতে শুরুতে একটি নীরব অক্ষর পি থাকে যা উচ্চারণ করা হয় না।
এর বানানে পি এর পরে এন, ই, ইউ, এম, ও, এন, আই, এ যুক্ত হয়ে সঠিক বানানটি গঠিত হয়।
এই বানানটিতে ডাবল অক্ষর ব্যবহার করা হয়নি।
এটি একটি চিকিৎসা বিজ্ঞান বিষয়ক শব্দ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Horroscope — এই বানানটিতে অতিরিক্ত আর অক্ষর ব্যবহার করা হয়েছে এবং সঠিক বানান হরোস্কোপ।
B) Pneumonia — এটি সঠিক বানান এবং এর অর্থ ফুসফুসের প্রদাহ।
C) Occassion — এই বানানটিতে অতিরিক্ত এস অক্ষর আছে এবং সঠিক বানান অকেশন।
D) Embarass — এই বানানটিতে এস অক্ষর দুটি আছে কিন্তু সঠিক বানানে ডাবল এস এবং ডাবল আর থাকে।
মনে রাখার টিপস:
নিউমোনিয়া বানানের শুরুতে একটি নীরব পি আছে তা মনে রাখলে বানান ভুল হবে না।
সঠিক উত্তর: B) Othello
কেন সঠিক:
ডেসডিমোনা শেক্সপিয়ারের বিখ্যাত ট্রাজেডি ওথেলো নাটকের প্রধান নারী চরিত্র। তিনি ওথেলোর স্ত্রী ছিলেন এবং নাটকের শেষ ভাগে ওথেলোর সন্দেহের কারণে নিহত হন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Macbeth — এই নাটকের প্রধান নারী চরিত্র লেডি ম্যাকবেথ এবং তিন ডাইনি, এখানে ডেসডিমোনা নেই।
B) Othello — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে প্রযোজ্য নয়।
C) Hamlet — এই নাটকের প্রধান নারী চরিত্র ওফেলিয়া ও গারট্রুড, ডেসডিমোনা নয়।
D) King Lear — এই নাটকের প্রধান নারী চরিত্র কর্ডেলিয়া, গোনালিল ও রিগান, ডেসডিমোনা নয়।
মনে রাখার টিপস:
ওথেলো ও ডেসডিমোনা জুটির করুণ প্রেমের কাহিনী মনে রাখলেই নাটকটি চিনে ফেলা সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: C) weather forecasting
কেন সঠিক:
Meteorology শব্দটির শাব্দিক অর্থ আবহাওয়া বিজ্ঞান যা বায়ুমণ্ডল ও আবহাওয়া নিয়ে গবেষণা করে।
এর প্রধান কাজ হলো দৈনিক আবহাওয়ার পরিবর্তন পর্যবেক্ষণ করা এবং ভবিষ্যৎ আবহাওয়া কেমন হবে তা পূর্বাভাস দেওয়া।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) concrete slabs — এটি নির্মাণ কাজে ব্যবহৃত শক্ত ও ভারী কংক্রিটের স্ল্যাব বোঝায় যার সাথে আবহাওয়ার কোনো সম্পর্ক নেই।
B) motor vehicles — এটি বিভিন্ন ধরনের মোটর গাড়ি বা যানবাহন বোঝায় যা যাতায়াতের কাজে ব্যবহৃত হয়।
C) weather forecasting — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো বিষয় বোঝানো হয়নি।
D) motor neurone disease — এটি মানবদেহের একটি স্নায়ু সংক্রান্ত জটিল রোগ যা পেশির কার্যক্ষমতা নষ্ট করে দেয়।
মনে রাখার টিপস:
Meteorology শব্দের শুরুর অংশ Meteo দেখে মনে রাখবেন এটি মিটিওরোলজি বা আবহাওয়া বিজ্ঞান যা বৃষ্টির পূর্বাভাস দেয়।
সঠিক উত্তর: C) To tolerate
কেন সঠিক:
বাক্যটিতে "put up with" একটি ফ্রেজাল ভার্ব হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে যার অর্থ সহ্য করা।
এখানে বক্তa তার ব্যবহার বা আচরণ আর সহ্য করতে পারছেন না বোঝাচ্ছে।
তাই এর সঠিক সমার্থক শব্দ হলো টলারেট বা সহ্য করা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) To protect — এর অর্থ সুরক্ষা করা, যা এই বাক্যের ভাবের সাথে মেলে না।
B) To terminate — এর অর্থ সমাপ্ত করা বা শেষ করা, যা এখানে প্রাসঙ্গিক নয়।
C) To tolerate — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য।
D) To prevent — এর অর্থ প্রতিরোধ করা, যা বাক্যের অর্থ পরিবর্তন করে দেয়।
মনে রাখার টিপস:
কাউকে সহ্য করতে না পারলে মাথায় রাখবে পুট আপ উইথ মানে টলারেট বা সহ্য করা।
সঠিক উত্তর: C) a weak point
কেন সঠিক:
গ্রিক পুরাণের বীর একিলিসের শরীরের একমাত্র দুর্বল স্থান ছিল তার গোড়ালি।
এই ঐতিহাসিক আক্ষরিক অর্থ থেকেই ফ্রেজটির বিশেষ অর্থ দুর্বল জায়গা বোঝানো হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) a strong point — এটি সঠিক উত্তরের ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
B) a strong solution — এটি এই ইডিওমের কাঠামোগত বা আক্ষরিক অর্থের সাথে মেলে না।
C) a weak point — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) a permanent solution — এটি ফ্রেজটির মূল ভাবার্থের সাথে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
একিলিসের গোড়ালির মতো মানুষের জীবনের যেকোনো দুর্বল দিক বোঝাতেই এই ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: D) to
কেন সঠিক:
ad-here শব্দটির পর সব সময় নিয়ম অনুযায়ী নির্দিষ্ট preposition হিসেবে to ব্যবহৃত হয়।
এর অর্থ হলো কোনো নীতি বা মতবাদ মেনে চলা বা দৃঢ়ভাবে লেগে থাকা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) by — adhere শব্দের সাথে by ব্যবহৃত হয় না এবং এটি বাক্যের অর্থ প্রকাশ করতে পারে না।
B) in — adhere শব্দের পর in বসে না কারণ এটি সঠিক preposition নয়।
C) at — adhere এর সাথে at ব্যবহার করলে তা ব্যাকরণগতভাবে ভুল হয়।
D) to — এটি সঠিক কারণ adhere এর সাথে কেবল to ই বসে।
মনে রাখার টিপস:
adhere শব্দের অর্থ লেগে থাকা বা মেনে চলা, তাই এর পরে সবসময় to ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: B) ১০০০ year
কেন সঠিক:
Millennium শব্দটির আক্ষরিক অর্থ হলো এক হাজার বছরের একটি দীর্ঘ সময়কাল। ইংরেজি ভাষা ও সাধারণ জ্ঞানে এই নির্দিষ্ট সময়কে বোঝাতেই এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১০০ year — কারণ একশ বছরের সময়কালকে সেঞ্চুরি বা শতাব্দী বলা হয়, যা মিলেনিয়াম নয়।
B) ১০০০ year — এটি সঠিক অপশন এবং এর কোনো ভুল নেই।
C) ১ million year — কারণ এক মিলিয়ন বছর বলতে দশ লক্ষ বছরকে বোঝায়, যা অনেক বড় সময়।
D) ১ billion year — কারণ এক বিলিয়ন বছর বলতে শত কোটি বছরকে বোঝায়, যা মিলেনিয়ামের চেয়ে অনেক বেশি।
মনে রাখার টিপস:
শব্দটির শুরুতে থাকা Milli অংশটি খেয়াল করলে হাজার বা হাজার বছর হিসাব করা সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: A) By whom has this Jug been broken?
কেন সঠিক:
বাক্যের শুরুতে থাকা Who পরিবর্তিত হয়ে By whom হয় এবং এটি Interrogative sentence হওয়ায় auxiliary verb প্রথমে বসে।
Tense পরিবর্তনের নিয়ম অনুযায়ী Present Perfect Tense-এর passive রূপে has-এর পরে been বসে এবং মূল verb-এর Past Participle রূপ বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) By whom has this Jug been broken? — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং এটি সব নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে।
B) By whom has this Jug broken? — এখানে been শব্দটি বাদ পড়েছে যা Present Perfect Tense-এর passive গঠনের জন্য অত্যন্ত জরুরি।
C) By whom this Jug has been broken? — এখানে সাহায্যকারী verb subject-এর আগে বসেনি যা প্রশ্নবোধক বাক্যের ব্যাকরণগত নিয়ম লঙ্ঘন করে।
D) Whom has this Jug been broken? — এখানে Who-এর পূর্বে সঠিক preposition বসে না এবং এটি প্রশ্নবোধক বাক্যের সঠিক গঠন অনুসরণ করে না।
মনে রাখার টিপস:
Who যুক্ত Active voice-কে Passive করার সময় প্রথমে By whom লিখতে হয় এবং Tense অনুযায়ী সাহায্যকারী verb-এর পর been যোগ করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) William Wordsworth
কেন সঠিক:
উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ ছিলেন রোমান্টিক যুগের কবি। ভিক্টোরিয়ান যুগের অনেক আগেই তিনি তার সাহিত্যকর্ম পরিচালনা করেছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Alfred Tennyson — তিনি ভিক্টোরিয়ান যুগের একজন প্রধান কবি ও পোয়েট লরিয়েট ছিলেন।
B) Robert Browning — তিনি ভিক্টোরিয়ান যুগের বিখ্যাত ড্রামাটিক মনোলগের জন্য পরিচিত কবি।
C) William Wordsworth — তিনি রোমান্টিক যুগের কবি এবং লেক পোয়েট হিসেবে বিশেষভাবে পরিচিত।
D) Matthew Arnold — তিনি ভিক্টোরিয়ান যুগের একজন বিশিষ্ট কবি ও প্রাবন্ধিক ছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
ওয়ার্ডসওয়ার্থ হলেন রোমান্টিক যুগের কবি, তাই তিনি ভিক্টোরিয়ান যুগের কবি হতে পারেন না।
সঠিক উত্তর: A) ১৯৮৪
কেন সঠিক:
বিখ্যাত ইংরেজি সাহিত্যিক জর্জ অরওয়েল ১৯৪৯ সালে এই রাজনৈতিক উপন্যাসটি প্রকাশ করেন।
ভবিষ্যতের একনায়কতন্ত্র ও নজরদারী সমাজের ভয়াবহ চিত্র এই উপন্যাসে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
এটি বিশ্বসাহিত্যে ডিস্টোপিয়ান ঘরানার অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও প্রভাবশালী সৃষ্টি হিসেবে সমাদৃত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৮৪ — এটি জর্জ অরওয়েলেরই লেখা একটি ঐতিহাসিক রাজনৈতিক উপন্যাস।
B) Brave New World — এই জনপ্রিয় ডিস্টোপিয়ান উপন্যাসটি Aldous Huxley এর লেখা।
C) A Clockwork Orange — এই বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাসটি Anthony Burgess লিখেছিলেন।
D) For Whom the Bell Tolls — এই ক্লাসিক উপন্যাসটির অমর লেখক হলেন Ernest Hemingway।
মনে রাখার টিপস:
জর্জ অরওয়েলের নামের সাথে ১৯৫৮ সালের আগের ডিস্টোপিয়ান উপন্যাস ১৯৮৪ সব সময় মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: D) She speaks English like the English
কেন সঠিক:
ভাষার নামের আগে কোনো the বসে না তাই English সঠিক। জাতির নামের আগে the বসে তাই the English সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) She speaks English like English — জাতির নামের আগে the না থাকায় ভুল হয়েছে।
B) She speaks the English like English — ভাষার নামের আগে the এবং জাতির নামের আগে the না থাকায় ভুল।
C) She speaks the English like the English — ভাষার নামের আগে the থাকায় বাক্যটি ভুল হয়েছে।
D) এটি সঠিক উত্তর কারণ ভাষার নামের আগে the নেই এবং জাতির আগে the আছে।
মনে রাখার টিপস:
ভাষার নামের আগে the বসে না কিন্তু জাতির নামের আগে the বসে।
সঠিক উত্তর: B) back
কেন সঠিক:
বাক্যে 'go back on' একটি ফ্রেজাল ভার্ব হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। এর অর্থ হলো প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করা বা কথা রাখা না।
প্রদত্ত বাক্যে প্রতিশ্রুতি রক্ষা করার কথা বলা হয়েছে তাই এখানে সঠিক শব্দ হবে back।
অন্য কোনো প্রিপজিশন বসালে এই বিশেষ অর্থ প্রকাশ পায় না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) forward — এই শব্দটি বসালে ফ্রেজাল ভার্ব তৈরি হয় না এবং অর্থের কোনো মিল থাকে না।
B) back — এটি সঠিক অপশন এবং নিয়ম অনুযায়ী এখানে কেবল এটিই বসতে পারে।
C) by — 'go by' এর অর্থ ভিন্ন এবং তা এখানে বাক্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
D) around — 'go around' এর অর্থ ঘুরে বেড়ানো যা প্রতিশ্রুতির সাথে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
promise বা প্রতিশ্রুতির সাথে সাধারণত go back on ফ্রেজাল ভার্বটি ব্যবহৃত হয় যার অর্থ কথা না রাখা।
সঠিক উত্তর: D) his
কেন সঠিক:
Preposition বা Gerund এর আগের Pronoun সবসময় Possessive case হয়। এখানে leaving একটি Gerund এবং তার আগে Possessive pronoun হিসেবে his বসবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) he — এটি Nominative case, যা Gerund এর পূর্বে বসার নিয়ম নেই।
B) him — এটি Objective case, যা এখানে ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
C) himself — এটি Reflexive pronoun, যা এই বাক্যের অর্থের সাথে মেলে না।
D) সঠিক উত্তর — এটি সঠিক Possessive case হওয়ায় ব্যাকরণগতভাবে সঠিক।
মনে রাখার টিপস:
Gerund এর আগে সবসময় Possessive pronoun যেমন my, his, her, their বসে।
সঠিক উত্তর: A) Andrew Marvell
কেন সঠিক:
এই বিখ্যাত মেটাফিজিক্যাল কবিতাটি সপ্তদশ শতাব্দীর প্রখ্যাত কবি অ্যান্ড্রু মার্ভেলের রচনা।
তাঁর রোমান্টিক ও দার্শনিক চিন্তাধারার প্রকাশ ঘটেছে এই কবিতায়।
এটি ইংরেজি সাহিত্যের একটি অমর সৃষ্টি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Andrew Marvell — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয় বরং গ্রাহ্য।
B) John Donne — জন ডন এই কবিতাটি লেখেননি, তিনি দ্য সান রাইজিং কবিতার জন্য বিখ্যাত।
C) George Herbert — জর্জ হার্বার্ট একজন ধর্মীয় কবি ছিলেন এবং তিনি এই কবিতা রচনা করেননি।
D) Henry Vaughan — হেনরি ভন প্রকৃতি ও আধ্যাত্মিকতা নিয়ে লিখতেন, এই কবিতার সাথে তাঁর সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
মার্ভেল মানেই চমৎকার, আর টু হিজ কয় মিস্ট্রেস একটি চমৎকার কবিতা।
সঠিক উত্তর: A) height
কেন সঠিক:
- 'Altitude' শব্দটির বাংলা অর্থ হলো উচ্চতা বা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে উচ্চতা।
- প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে 'height' শব্দটির অর্থও উচ্চতা, যা এর সমার্থক শব্দ হিসেবে নিখুঁতভাবে মিলে যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) height — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ উচ্চতা, যা altitude শব্দের সমার্থক।
B) width — এর অর্থ প্রস্থ, যা উচ্চতার বিপরীত এবং সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি পরিমাপ নির্দেশ করে।
C) length — এর অর্থ দৈর্ঘ্য, যা কোনো বস্তুর দীর্ঘতম দিক নির্দেশ করে কিন্তু উচ্চতা বোঝায় না।
D) depth — এর অর্থ গভীরতা, যা ওপর থেকে নিচের দিকে দূরত্ব নির্দেশ করে।
মনে রাখার টিপস:
উচ্চতা বোঝাতে height এবং altitude দুটি সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যেখানে দুটি শব্দই ওপরের দিকের লম্বালম্বি দূরত্ব বোঝায়।
সঠিক উত্তর: A) Pride and Prejudice
কেন সঠিক:
Elizabeth Bennett চরিত্রটি জেন অস্টেনের বিখ্যাত উপন্যাসের প্রধান চরিত্র যেখানে তিনি সমাজের নানা বাধা পেরিয়ে নিজের অহংকার ও পূর্বসংস্কার কাটিয়ে ওঠেন।
উপন্যাসটি মূলত এই প্রধান চরিত্রের পারিবারিক জীবন ও প্রেমের সম্পর্কের ওপর ভিত্তি করে রচিত হয়েছে।
এই উপন্যাসের কেন্দ্রীয় নারী চরিত্র হিসেবে তার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Pride and Prejudice — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয় বরং এই উপন্যাসেরই প্রধান চরিত্র হলেন এলিজাবেথ বেনেট।
B) Tess of the d'Urbervilles — থমাস হার্ডির এই উপন্যাসের প্রধান নারী চরিত্র এলিজাবেথ নয় বরং এর মূল চরিত্র হলেনটেস ডারবারভিল।
C) Wuthering Heights — এমিলি ব্রন্টির এই উপন্যাসের মূল নারী চরিত্র এলিজাবেথ নয় বরং এখানে ক্যাথরিন আর্নশ প্রধান চরিত্র হিসেবে উপস্থিত থাকেন।
D) Jane Eyre — শার্লট ব্রন্টির এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র এলিজাবেথ বেনেট নন বরং এর নাম ভূমিকায় জেন আয়ার চরিত্রটি রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
জেন অস্টেন বললেই মনে রাখবে Pride and Prejudice এবং এর প্রধান চরিত্র এলিজাবেথ বেনেট।
সঠিক উত্তর: B) had
কেন সঠিক:
- এটি Third Conditional-এর একটি বাক্য, যেখানে Past Perfect Tense-এর গঠন ব্যবহৃত হয়।
- মূল ক্লজে could have এর পর verb-এর Past Participle (been) থাকায় ইফ ক্লজে had বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) have — Present Tense নির্দেশ করে, যা এই বাক্যের গঠন ও অর্থের সাথে সংগতিপূর্ণ নয়।
B) had — সঠিক উত্তর, কারণ এটি Third Conditional-এর শর্ত পূরণ করে।
সি) might — Modal Verb-এর পর এখানে সরাসরি verb-এর Past Participle বসার নিয়ম নেই।
D) would — Modal Verb এখানে বসালে বাক্যের অর্থ এবং Conditional-এর নিয়ম ভেঙে যায়।
মনে রাখার টিপস:
Conditional বাক্যে could have এর সাথে verb-এর Past Participle থাকলে অপর অংশে সবসময় had ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) rude
কেন সঠিক:
- প্রশ্নে ব্যবহৃত 'arrogant' শব্দটির অর্থ উদ্ধত, অহংকারী বা রুক্ষ আচরণ বোঝায়।
- প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে 'rude' শব্দটির অর্থ অভদ্র বা রূঢ়, যা 'arrogant' শব্দের সবচেয়ে কাছাকাছি সমার্থক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) rude — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ অভদ্র বা অহংকারসুলভ আচরণ।
B) gracious — এর অর্থ অমায়িক বা সদয়, যা 'arrogant' শব্দের বিপরীতার্থক।
C) coarse — এর অর্থ অমসৃণ বা অভদ্র হলেও এটি মূলত ভাষা বা ব্যবহারের ক্ষেত্রে রূঢ়তা বোঝায়।
D) pretentious — এর অর্থ ভানপূর্ণ বা আড়ম্বরপূর্ণ, যা সরাসরি 'arrogant' এর সমার্থক নয়।
মনে রাখার টিপস:
অহংকারী বা উদ্ধত মানুষমাত্রই সবার সাথে অভদ্র বা রুক্ষ আচরণ করে, তাই arrogant এর সমার্থক শব্দ হিসেবে rude মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) George Gordon Byron
কেন সঠিক:
- ডন জুয়ান হলো বিখ্যাত রোমান্টিক যুগের ব্রিটিশ কবি লর্ড বায়রন রচিত একটি বিখ্যাত মহাকাব্যিক কবিতা।
- এই দীর্ঘ কাব্যে সমাজের বিভিন্ন রীতিনীতি ও মানুষের স্বভাব নিয়ে তীক্ষ্ণ ও উপহাসমূলক ব্যঙ্গ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) W.B. Yeats — উইলিয়াম বাটলার ইয়েটস একজন আধুনিক আইরিশ কবি ও নাট্যকার ছিলেন, যিনি এই মহাকাব্যটি রচনা করেননি।
B) E.B. Browning — এলিজাবেথ ব্যারেট ব্রাউনিং ভিক্টোরিয়ান যুগের একজন জনপ্রিয় নারী কবি ছিলেন, যিনি এই সাহিত্যকর্মটির সঙ্গে যুক্ত নন।
C) George Gordon Byron — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে কোনো ভুল কারণ নেই।
D) Alexander Pope — আলেকজান্ডার পোপ অষ্টাদশ শতাব্দীর একজন বিখ্যাত অগাস্টান যুগের ব্যঙ্গাত্মক কবি ছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
লর্ড বায়রন বা জর্জ গর্ডন বায়রনের বিখ্যাত অসম্পূর্ণ মহাকাব্যিক ব্যঙ্গাত্মক রচনার নাম ডন জুয়ান।
সঠিক উত্তর: A) Shut up!
কেন সঠিক:
Imperative sentence দিয়ে সাধারণত আদেশ, নিষেধ, অনুরোধ বা উপদেশ বোঝানো হয়।
এই বাক্যে সরাসরি চুপ করার আদেশ দেওয়া হয়েছে এবং এর উহ্য কর্তা হিসেবে 'you' থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Shut up! — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়।
B) Shahin is playing football. — এটি একটি assertive sentence বা সাধারণ বিবৃতি মূলক বাক্য, যা কোনো তথ্য প্রকাশ করে।
C) I shall cook dinner now. — এটি ভবিষ্যৎকালের একটি সাধারণ বাক্য বা assertive sentence, যা বক্তার কাজের পরিকল্পনা বোঝায়।
D) What is your name? — এটি একটি interrogative sentence বা প্রশ্নবোধক বাক্য, যার শেষে প্রশ্নবোধক চিহ্ন থাকে।
মনে রাখার টিপস:
যে বাক্য দিয়ে কাউকে কোনো আদেশ, উপদেশ বা অনুরোধ করা হয় এবং মূল ভার্ব দিয়ে শুরু হয়, তাকেই imperative sentence বলে।
সঠিক উত্তর: B) ১০ : ১৫ : ২১
প্রদত্ত তথ্য:
x : y = ২ : ৩
y : z = ৫ : ৭
ধরি,
প্রথম অনুপাতে y এর মান = ৩
দ্বিতীয় অনুপাতে y এর মান = ৫
উভয় রাশির y এর মান সমান করতে প্রথম অনুপাতকে ৫ দ্বারা এবং দ্বিতীয় অনুপাতকে ৩ দ্বারা গুণ করি
অতএব,
x : y = (২ × ৫) : (৩ × ৫) = ১০ : ১৫
y : z = (৫ × ৩) : (৭ × ৩) = ১৫ : ২১
সুতরাং,
x : y : z = ১০ : ১৫ : ২১
উত্তর: ১০ : ১৫ : ২১
সঠিক উত্তর: B) ০.০১
প্রদত্ত তথ্য:
জাহিদ সাহেবের বেতন ১০% কমানো হলো
হ্রাসকৃত বেতন ১০% বাড়ানো হলো
ধরি,
জাহিদ সাহেবের আদি বেতন = ১০০ টাকা
অতএব,
১০% কমানোর পর বেতন হলো = ১০০ − ১০ = ৯০ টাকা
৯০ টাকার ১০% হলো = ৯ টাকা
বেতন বৃদ্ধির পর বর্তমান বেতন হলো = ৯০ + ৯ = ৯৯ টাকা
সুতরাং,
মোট ক্ষতি হলো = ১০০ − ৯৯ = ১ টাকা
উত্তর: ০.০১ অংশ ক্ষতি হলো
সঠিক উত্তর: C) ১০, ২৫
প্রদত্ত তথ্য:
বামপক্ষ সমান (x + ৫) এর হোল স্কয়ার
ডানপক্ষ সমান x স্কয়ার + bx + c
ধরি,
বর্গের সূত্র প্রয়োগ করে বামপক্ষ ভাঙাতে হবে
(x + ৫) স্কয়ার সমান x স্কয়ার + ১০x + ২৫
অতএব,
বামপক্ষ সমান x স্কয়ার + ১০x + ২৫
ডানপক্ষ সমান x স্কয়ার + bx + c
সুতরাং,
উভয় পক্ষ তুলনা করে b এর মান পাওয়া যায় ১০
c এর মান পাওয়া যায় ২৫
উত্তর: ১০, ২৫
সঠিক উত্তর: C) x/y = 1/2
প্রদত্ত তথ্য:
সরলরেখার সাধারণ সমীকরণ হলো একঘাত বিশিষ্ট সমীকরণ
অপশন সি এর সমীকরণটিকে সরল রূপ দিলে সরলরেখা পাওয়া যায়
ধরি,
সমীকরণটি হলো x/y = 1/2
অতএব,
সমীকরণটি বজ্রগুণন করে পাই 2x = y
সুতরাং,
এটিকে একপাশে নিলে লেখা যায় 2x − y = 0
উত্তর: এটি একটি সরলরেখার সমীকরণ নির্দেশ করে
সঠিক উত্তর: B) ১৭
প্রদত্ত তথ্য:
দুটি রাশির যোগফল p + q = ৫
দুটি রাশির বিয়োগফল p − q = ৩
ধরি,
প্রথম সূত্র অনুযায়ী আমরা জানি,
বীজগণিতের অনুসিদ্ধান্ত ব্যবহার করতে হবে
অতএব,
p^২ + q^২ এর সূত্রটি হলো,
(প্লাস হোল স্কয়ার + মাইনাস হোল স্কয়ার) ÷ ২
সুতরাং,
মান বসিয়ে পাই,
(৫^২ + ৩^২) ÷ ২
উত্তর: (২৫ + ৯) ÷ ২ = ১৭
সঠিক উত্তর: A) a + b = 1
প্রدত্ত তথ্য:
লগারিদম এর সমীকরণ দেওয়া আছে
সমীকরণটি হলো log(a/b) + log(b/a) = log(a + b)
ধরি,
লগ এর যোগ সূত্র ব্যবহার করা হবে
লগ এর ক্ষেত্রে গুণের নিয়ম প্রযোজ্য হবে
অতএব,
log((a/b) × (b/a)) = log(a + b)
log(1) = log(a + b)
সুতরাং,
1 = a + b
a + b = 1
উত্তর: a + b = 1
সঠিক উত্তর: B) ৩
প্রদত্ত তথ্য:
সমীকরণটি হলো ২x + ৭ = ৪x + ২
ধরি,
চলকগুলোকে একপাশে এবং সংখ্যাগুলোকে অন্যপাশে নিতে হবে
অতএব,
৭ − ২ = ৪x − ২x
সুতরাং,
৫ = ২x
উত্তর: x = ৩
সঠিক উত্তর: D) ৩√৩
প্রদত্ত তথ্য:
ধারাটি একটি গুণোত্তর ধারা
ধারটির প্রথম পদ a = ১÷√৩
ধরি,
ধারটির দ্বিতীয় পদ = −১
ধারটির সাধারণ অনুপাত = r
অতএব,
সাধারণ অনুপাত r = (−১) ÷ (১÷√৩)
r = −√৩
ধারটির পঞ্চম পদ নির্ণয় করতে হবে
সুতরাং,
পঞ্চম পদ = a × r^(৫−১)
পঞ্চম পদ = (১÷√৩) × (−√৩)^৪
উত্তর: ৩√৩
সঠিক উত্তর: C) ৬০°
প্রদত্ত তথ্য:
সমীকরণটি হলো ১ + ট্যান স্কয়ার থিটা = ৪
শর্ত হলো থিটা এর মান ৯০° এর ছোট
ধরি,
প্রদত্ত সমীকরণের বামপক্ষ থেকে ১ ডানপক্ষে বিয়োগ করি
ফলে ট্যান স্কয়ার থিটা = ৪ − ১ পাই
অতএব,
ট্যান স্কয়ার থিটা = ৩ হয়
উভয়পক্ষের বর্গমূল করে ট্যান থিটা = √৩ পাই
সুতরাং,
আমরা জানি ট্যান ৬০° এর মান √৩ হয়
তাই থিটা এর মান ৬০° পাওয়া যায়
উত্তর: ৬০°
সঠিক উত্তর: C) ২π
প্রদত্ত তথ্য:
বৃত্তচাপ দ্বারা কেন্দ্রে উৎপন্ন কোণ = ৬০°
বৃত্তের ব্যাস = ১২ সেন্টিমিটার
ধরি,
বৃত্তের ব্যাসার্ধ r = ১২ ÷ ২ = ৬ সেন্টিমিটার
বৃত্তের পরিধি = ২ × π × r
অতএব,
বৃত্তের পরিধি = ২ × π × ৬ = ১২π সেন্টিমিটার
কেন্দ্র পুরো বৃত্তে উৎপন্ন করে = ৩৬০° কোণ
বৃত্তচাপের দৈর্ঘ্য কোণের অনুপাতের সমান
সুতরাং,
চাপটির দৈর্ঘ্য = (৬০° ÷ ৩৬০°) × ১২π
চাপটির দৈর্ঘ্য = (১ ÷ ৬) × ১২π = ২π
উত্তর: ২π সেন্টিমিটার
সঠিক উত্তর: D) ৯০°
প্রদত্ত তথ্য:
ত্রিভুজের বাহুগুলোর অনুপাত = ১ : ২√২ : ৩
ধরি,
ত্রিভুজের বাহু তিনটি যথাক্রমে ক, ২√২ ক এবং ৩ ক
অতএব,
প্রথম বাহুর ওপর বর্গ = ক বর্গ
দ্বিতীয় বাহুর ওপর বর্গ = ৮ ক বর্গ
তৃতীয় বাহুর ওপর বর্গ = ৯ ক বর্গ
সুতরাং,
প্রথম বাহুর বর্গ + দ্বিতীয় বাহুর বর্গ = ক বর্গ + ৮ ক বর্গ = ৯ ক বর্গ
উত্তর: ৯০°
সঠিক উত্তর: C) ১০ ÷ ৩০ (যা অনুপাত হিসেবে প্রকাশ করা হয়েছে)
প্রদত্ত তথ্য:
২৯ থেকে ৩৮ পর্যন্ত মোট সংখ্যাগুলো হলো ২৯, ৩০, ৩১, ৩২, ৩৩, ৩৪, ৩৫, ৩৬, ৩৭, ৩৮
এই সংখ্যাগুলোর মোট পরিমাণ হলো ১০টি
ধরি,
মোট সম্ভাব্য ফলাফলের সংখ্যা = ১০
এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যাগুলো হলো ২৯, ৩১, ৩৭
অতএব,
২৯ থেকে ৩৮ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যার মোট পরিমাণ = ৩টি
মোট সংখ্যার পরিমাণ = ১০টি
সুতরাং,
মৌলিক সংখ্যা বেছে নেওয়ার সম্ভাবনা = ৩ ÷ ১০
উত্তর: ৩ ÷ ১০ (সি অপশন অনুযায়ী সঠিক মান)
সঠিক উত্তর: A) ৯৬
প্রদত্ত তথ্য:
অংকগুলি হলো শূন্য, এক, দুই, তিন এবং চার
মোট অংকের সংখ্যা হলো পাঁচটি
ধরি,
পাঁচ অংকের সংখ্যার প্রথম স্থানটি শূন্য হতে পারবে না
প্রথম স্থানে বসতে পারে শূন্য ছাড়া বাকি চারটি অংক
অতএব,
প্রথম স্থান পূরণের উপায় হলো চারটি
বাকি চারটি স্থান পূরণের উপায় হলো মোট পাঁচটির মধ্যে যেকোনো চারটি
সুতরাং,
প্রথম স্থান পূরণের উপায় = ৪
বাকি চার স্থান পূরণের উপায় = ৪ × ৩ × ২ × ১ = ২৪
উত্তর: ৪ × ২৪ = ৯৬ টি অর্থপূর্ণ সংখ্যা গঠন করা যাবে
সঠিক উত্তর: D) ৭
প্রদত্ত তথ্য:
সেট এ এর উপাদান হলো স্বাভাবিক সংখ্যা
যেখানে এক্স স্কয়ার মাইনাস ৫এক্স মাইনাস ১৪ সমান ০
ধরি,
সমীকরণটি হলো এক্স স্কয়ার মাইনাস ৫এক্স মাইনাস ১৪ সমান ০
অতএব,
মিডল টার্ম করে পাই এক্স স্কয়ার মাইনাস ৭এক্স প্লাস ২এক্স মাইনাস ১৪ সমান ০
সুতরাং,
এক্স ব্র্যাকেটে এক্স মাইনাস ৭ প্লাস ২ ব্র্যাকেটে এক্স মাইনাস ৭ সমান ০
উত্তর: ৭
সঠিক উত্তর: A) V ∝ T
১. কেন সঠিক:
চার্লসের সূত্র অনুসারে নির্দিষ্ট চাপে কোনো গ্যাসের আয়তন তার পরম তাপমাত্রার সাথে সমানুপাতিকভাবে পরিবর্তিত হয়।
তাপমাত্রা বাড়লে গ্যাসের কণাগুলোর গতিশক্তি বৃদ্ধি পায় এবং আয়তন বৃদ্ধি পায়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: তাপমাত্রা এবং আয়তনের মধ্যকার সরল সম্পর্ক গ্যাসের গতি তত্ত্বের সাহায্যে ব্যাখ্যা করা যায়।
সূত্র: ভি সমানুপাতিক টি, অর্থাৎ ভি ভাগ টি সমান ধ্রুবক, যেখানে পি স্থির থাকে।
কার্যপ্রণালি: তাপমাত্রা বাড়লে গ্যাস প্রসারিত হয় এবং চাপ স্থির রাখতে আয়তন বাড়তে থাকে।
বাস্তব প্রয়োগ: হট এয়ার বেলুন বা উড়ন্ত ফানুসে বাতাসের তাপমাত্রা বাড়িয়ে তার আয়তন ও ঘনত্ব কমানো হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গরমের দিনে সাইকেলের বা গাড়ির টায়ার অনেক সময় অতিরিক্ত গরমে ফেটে যেতে পারে।
ব্যাখ্যা: তাপমাত্রার বৃদ্ধির কারণে টায়ারের ভেতরের বায়ুর আয়তন বৃদ্ধি পেতে চায়।
উদাহরণ ২: একটি বেলুনকে ফ্রিজে রাখলে তা সংকুচিত হয়ে ছোট হয়ে যায়।
ব্যাখ্যা: তাপমাত্রা হ্রাসের ফলে বেলুনের ভেতরের গ্যাসের আয়তন হ্রাস পায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) V ∝ T — এটি চার্লসের সূত্র নির্দেশ করে যেখানে চাপ স্থির থাকে এবং তাপমাত্রা ও আয়তন পরিবর্তিত হয়।
B) PV = K — এটি বয়েলের সূত্রের রূপ, যা স্থির তাপমাত্রায় চাপ ও আয়তনের ব্যস্তানুপাতিক সম্পর্ক বোঝায়।
C) V ∝ n — এটি অ্যাভোগেড্রোর সূত্র, যা গ্যাসের আয়তন ও তার অণুর সংখ্যার সম্পর্ক নির্দেশ করে।
D) P ∝ T — এটি গেইলুসাকের বা চাপের সূত্র, যা স্থির আয়তনে চাপ ও তাপমাত্রার সম্পর্ক বোঝায়।
৫ মনে রাখার টিপস:
চার্লসের সূত্রে চাপ স্থির থাকে এবং তাপমাত্রা ও আয়তন পরিবর্তিত হয়।
চাপ স্থির রেখে তাপমাত্রা ও আয়তনের সম্পর্ক মনে রাখতে চাল শব্দ এবং তাপমাত্রা ও আয়তনের আদ্যক্ষর মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
এই সূত্রটি পরম শূন্য তাপমাত্রা বা শূন্য কেলভিন ধারণার সাথে গভীরভাবে সম্পর্কিত।
একই ধারণা থেকে স্থির চাপে আয়তন ও তাপমাত্রার লেখচিত্র সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
সঠিক উত্তর: A) পৃষ্ঠতল কেন্দ্রিক ঘনকাকৃতির
১. কেন সঠিক:
- সোডিয়াম ক্লোরাইড কেলাসে সোডিয়াম আয়ন এবং ক্লোরাইড আয়ন একটি নির্দিষ্ট ত্রিমাত্রিক জ্যামিতিক বিন্যাসে অবস্থান করে।
- এখানে প্রতিটি ক্লোরাইড আয়ন ঘনকের কোণগুলোতে এবং পৃষ্ঠের কেন্দ্রগুলোতে অবস্থান নিয়ে পৃষ্ঠতল কেন্দ্রিক গঠন তৈরি করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: কেলাসের গঠন হলো কঠিন পদার্থের পরমাণু, অণু বা আয়নের সুশৃঙ্খল ত্রিমাত্রিক বিন্যাস।
- কার্যপ্রণালি: সোডিয়াম ক্লোরাইডে বিপরীত চার্জযুক্ত আয়নগুলো স্থির বৈদ্যুতিক আকর্ষণের মাধ্যমে একে অপরকে আবদ্ধ করে।
- বাস্তব প্রয়োগ: সাধারণ লবণ বা সোডিয়াম ক্লোরাইডের এই দৃঢ় কেলাসের গঠনের জন্যই এর গলনাঙ্ক অনেক বেশি হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সাধারণ টেবিল সল্ট বা রান্নার লবণ।
ব্যাখ্যা: আমরা প্রতিদিন খাবারে যে লবণ ব্যবহার করি তা এই সোডিয়াম ক্লোরাইডের কেলাসের গঠিত কঠিন রূপ।
উদাহরণ ২: বরফের ক্রিস্টাল বা কেলাস গঠন।
ব্যাখ্যা: পানির অণুগুলোর নির্দিষ্ট বিন্যাসের ফলে বরফ একটি সুশৃঙ্খল কেলাসের রূপ ধারণ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পৃষ্ঠতল কেন্দ্রিক ঘনকাকৃতির — এটি সোডিয়াম ক্লোরাইড কেলাসের সঠিক এবং পরীক্ষিত ত্রিমাত্রিক গঠনবিন্যাস।
B) দেহ-কেন্দ্রিক ঘনকাকার — এই গঠনে কণাগুলো ঘনকের কোণের পাশাপাশি ঠিক মাঝে অবস্থান করে, যা সোডিয়াম ক্লোরাইডের জন্য প্রযোজ্য নয়।
C) সংঘবদ্ধ-ঘনকাকার — এটি অন্য কিছু ধাতব কেলাসের ক্ষেত্রে দেখা যায়, সোডিয়াম ক্লোরাইডের সাধারণ একক কোষের গঠন এটি নয়।
D) সংঘবদ্ধ ষড়কৌণিক আকার — এই ধরনের গঠন জিংক বা ম্যাগনেসিয়ামের মতো ধাতুতে দেখা যায়, সোডিয়াম ক্লোরাইডে নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সোডিয়াম ক্লোরাইডের গঠন মনে রাখতে লবণ দানার আকৃতির কথা চিন্তা করতে পারো, যা মূলত ঘনকাকৃতির পৃষ্ঠতল কেন্দ্রিক বিন্যাস নির্দেশ করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এই প্রশ্নটি রসায়নের কঠিন অবস্থা এবং কেলাসের গঠন অধ্যায়ের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সাধারণ জ্ঞানমূলক প্রশ্ন।
- পরীক্ষার জন্য সোডিয়াম ও ক্লোরিনের সমন্বয় সংখ্যা বা কোঅর্ডিনেশন নম্বর সম্পর্কিত প্রশ্নও এখান থেকে আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: C) NO
১. কেন সঠিক:
- নাইট্রিক অক্সাইড বা NO সরাসরি উৎস থেকে বাতাসে নির্গত হয় বলে এটি প্রাইমারি দূষক।
- জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানোর সময় বায়ুমণ্ডলে সরাসরি প্রাইমারি দূষকগুলো প্রবেশ করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: যে সমস্ত ক্ষতিকর পদার্থ সরাসরি উৎস থেকে বায়ুমণ্ডলে নির্গত হয়, তাদের প্রাইমারি দূষক বলা হয়।
- কার্যপ্রণালি: শিল্পকারখানা ও মোটরযানের ইঞ্জিন থেকে জ্বালানি পোড়ার ফলে সরাসরি NO গ্যাস বায়ুমণ্ডলে ছড়ায়।
- কারণ ও ফলাফল: এই সরাসরি নির্গত গ্যাস পরে বাতাসের অন্যান্য উপাদানের সঙ্গে বিক্রিয়া করে সেকেন্ডারি দূষক তৈরি করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মোটরযানের নিষ্কাশন পাইপ থেকে নির্গত ধোঁয়া।
ব্যাখ্যা: গাড়ি চলার সময় জ্বালানি পুড়ে সরাসরি নাইট্রিক অক্সাইড বাতাসে মেশে।
উদাহরণ ২: কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র।
ব্যাখ্যা: কয়লা পুড়িয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনের সময় সরাসরি নাইট্রিক অক্সাইড ও সালফার ডাইঅক্সাইড বায়ুমণ্ডলে ছড়ায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) SO3 — এটি সালফার ট্রাইঅক্সাইড এবং বায়ুমণ্ডলে সালফার ডাইঅক্সাইডের জারণের মাধ্যমে তৈরি হওয়ায় সেকেন্ডারি দূষক।
B) N2O5 — এটি ডিনাইট্রোজেন পেন্টাক্সাইড এবং নাইট্রোজেনের অক্সাইডগুলোর রাসায়নিক বিক্রিয়ার ফলে উৎপন্ন সেকেন্ডারি দূষক।
C) NO — এটি গাড়ি ও কারখানার ধোঁয়া থেকে সরাসরি বাতাসে আসে বলে সঠিক উত্তর এবং এটি প্রাইমারি দূষক।
D) HNO3 — এটি নাইট্রিক অ্যাসিড এবং বায়ুমণ্ডলে নাইট্রোজেনের অক্সাইড ও জলীয় বাষ্পের বিক্রিয়ায় গঠিত সেকেন্ডারি দূষক।
৫ মনে রাখার টিপস:
- উৎস থেকে যা সরাসরি আকাশে ওড়ে, তা প্রাইমারি আর বাতাসে মিশে যা রূপ নেয়, তা সেকেন্ডারি।
- NO সরাসরি বের হয় তাই প্রাইমারি, আর HNO3 বিক্রিয়া করে বনে তাই সেকেন্ডারি।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রাইমারি দূষকগুলোর মধ্যে কার্বন মনোক্সাইড, সালফার ডাইঅক্সাইড এবং নাইট্রিক অক্সাইড প্রধান।
- বায়ুদূষণ সম্পর্কিত প্রশ্নগুলোতে প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি দূষক আলাদা করার ওপর প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: D) High performance liquid chromatography
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরটি ক্রোমাটোগ্রাফি প্রযুক্তির একটি আধুনিক ও বহুল ব্যবহৃত পদ্ধতির সঠিক নাম নির্দেশ করে।
- এই পদ্ধতিতে তরল দ্রাবক ব্যবহার করে অত্যন্ত উচ্চ কার্যক্ষমতার মাধ্যমে মিশ্রণের উপাদানগুলো আলাদা করা হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: হাই পারফরম্যান্স লিকুইড ক্রোমাটোগ্রাফি হলো এমন একটি বিশ্লেষণাত্মক কৌশল যার মাধ্যমে তরল মিশ্রণের বিভিন্ন উপাদান নিখুঁতভাবে পৃথক ও শনাক্ত করা যায়।
- কার্যপ্রণালি: উচ্চ চাপের মাধ্যমে সলভেণ্ট বা তরল ফেজকে একটি কলামের ভেতর চালনা করা হয় যেখানে উপাদানগুলো তাদের ধর্ম অনুযায়ী ভিন্ন গতিতে আলাদা হয়।
- বাস্তব প্রয়োগ: ওষুধ শিল্পে ওষুধের বিশুদ্ধতা যাচাই এবং খাদ্য বিজ্ঞানে ভেজাল শনাক্তকরণে এই পদ্ধতি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ফার্মাসিউটিক্যাল শিল্পে প্যারাসিটামল ট্যাবলেটের সঠিক উপাদান ও মাত্রা পরিমাপ।
ব্যাখ্যা: এই পদ্ধতির মাধ্যমে ট্যাবলেটের ভেতর থাকা সক্রিয় উপাদানের সঠিক পরিমাণ নিখুঁতভাবে নির্ধারণ করা সম্ভব হয়।
উদাহরণ ২: রক্তে গ্লুকোজ বা অন্যান্য হরমোনের মাত্রা নির্ণয়।
ব্যাখ্যা: জৈব তরলের জটিল মিশ্রণ থেকে নির্দিষ্ট রাসায়নিক উপাদান আলাদা করে রোগ নির্ণয়ে সহায়তা করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) High pressure liquid chromatography — এই পরিভাষাটি আংশিক সত্য হলেও প্রযুক্তিগতভাবে সঠিক নাম নয়।
B) High power liquid chromatography — পাওয়ার বা শক্তি শব্দটির পরিবর্তে পারফরম্যান্স বা কার্যক্ষমতা শব্দটি বৈজ্ঞানিক নামকরণে নির্ধারিত।
C) High plant liquid chromatography — উদ্ভিদ বা প্ল্যান্ট শব্দটির সঙ্গে এই বিশেষ রাসায়নিক বিশ্লেষণের কোনো সম্পর্ক নেই।
D) High performance liquid chromatography — এটি এই বিশ্লেষণাত্মক পদ্ধতির সর্বজনস্বীকৃত এবং আন্তর্জাতিকভাবে অনুমোদিত সঠিক নাম।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ক্রোমাটোগ্রাফির এই রূপটির নামের শেষাংশে পারফরম্যান্স শব্দটি মনে রাখবে।
- শর্টকাট হিসেবে এইচপিএলসি মানে উচ্চ কার্যক্ষমতার তরল পৃথকীকরণ পদ্ধতি তা মাথায় রাখতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় ল্যাবরেটরি বিশ্লেষণ ও প্রযুক্তির নাম থেকে প্রায়ই এই ধরনের পূর্ণরূপ আসে।
- একই ধারণা থেকে গ্যাস ক্রোমাটোগ্রাফি বা জিআইসি সংক্রান্ত প্রশ্নও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: A) SiO2
১. কেন সঠিক:
সিরামিক সামগ্রী তৈরির প্রধান কাঁচামাল হলো সিলিকা বা সিলিকন ডাইঅক্সাইড। এটি উচ্চ তাপ সহ্য করার ক্ষমতা এবং স্থায়িত্ব প্রদান করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: সিলিকা একটি অজৈব ও অধাতব খনিজ উপাদান। রাসায়নিকভাবে এটি বালি বা কোয়ার্টজ নামে পরিচিত।
কার্যপ্রণালি: মাটি ও ফেসপারের সঙ্গে সিলিকা মিশিয়ে উচ্চ তাপমাত্রায় পুড়িয়ে সিরামিক বা পোর্সেলিন তৈরি করা হয়।
বাস্তব প্রয়োগ: রান্নার তৈজসপত্র, টাইলস এবং স্যানিটারি ওয়্যার তৈরিতে সিলিকা ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সাধারণ মাটির হাঁড়ি-পাতিল বা সিরামিক প্লেট।
ব্যাখ্যা: এগুলোতে সিলিকা প্রধান উপাদান হিসেবে থাকে বলে উচ্চ তাপে পুড়িয়ে শক্ত করা যায়।
উদাহরণ ২: কাচ ও সিরামিক শিল্পে বালির ব্যবহার।
ব্যাখ্যা: বালি থেকে প্রাপ্ত সিলিকা উচ্চ তাপমাত্রায় গলে স্বচ্ছ কাচ বা শক্ত সিরামিক কাঠামো গঠন করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) SiO2 — এটি সিরামিক উৎপাদনের মূল এবং প্রধান কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
B) Na2CO3 — এটি সোডিয়াম কার্বনেট বা ওয়াশিং সোডা, যা মূলত কাচ উৎপাদনে ফ্লাক্স হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
C) Fe2O3 — এটি আয়রন অক্সাইড বা মরিচা, যা সিরামিকে লাল বা বাদামী রঙ আনতে ব্যবহৃত হয়, প্রধান কাঁচামাল নয়।
D) NaNO3 — এটি সোডিয়াম নাইট্রেট, যা সার ও বিস্ফোরক তৈরিতে এবং কাচ শিল্পে ব্যবহৃত হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
সিরামিক মানেই বালি বা সিলিকা। মনে রাখবেন সিরামিকের মূল ভিত্তি হলো এসআইওটু বা সিলিকন ডাইঅক্সাইড।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। সিরামিক শিল্পের প্রধান কাঁচামাল এবং কাচ শিল্পের প্রধান কাঁচামাল উভয় ক্ষেত্রেই সিলিকা বা বালি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: B) ZnO
১. কেন সঠিক:
- জিংক অক্সাইড ন্যানো পার্টিকেল সূর্যের ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি শোষণ ও প্রতিফলিত করতে পারে।
- এই ক্ষুদ্র কণাগুলো ত্বকের উপরিভাগে একটি অদৃশ্য প্রতিরক্ষামূলক স্তর তৈরি করে যা ত্বকের গভীর ক্ষতি রোধ করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: ন্যানো প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি অত্যন্ত ক্ষুদ্র কণা যার আকার ১ থেকে ১০০ ন্যানোমিটারের মধ্যে।
- কার্যপ্রণালি: কণার আকার ছোট হওয়ায় এটি সাদা দাগ না রেখে ত্বকে মিশে যায় এবং শারীরিক প্রতিবন্ধকতা হিসেবে কাজ করে।
- বাস্তব প্রয়োগ: উচ্চমানের সানস্ক্রিন লোশন, প্রসাধন সামগ্রী এবং রোদের হাত থেকে ত্বক রক্ষাকারী ক্রিমে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সমুদ্র সৈকতে বা রোদে ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত আধুনিক সানস্ক্রিন ক্রিম।
ব্যাখ্যা: এটি ত্বকে ব্যবহারের পর সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি থেকে ত্বককে পুড়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করে।
উদাহরণ ২: শিশুদের জন্য তৈরি বিশেষ রোদ প্রতিরোধক লোশন।
ব্যাখ্যা: সংবেদনশীল ত্বকে সুরক্ষার জন্য জিংক অক্সাইডের ন্যানো কণা নিরাপদ ও কার্যকরভাবে কাজ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Na2O — এটি সোডিয়াম অক্সাইড, যা অত্যন্ত ক্ষারীয় এবং পানির সংস্পর্শে মারাত্মক বিক্রিয়া করে তাই ত্বকে ব্যবহারের উপযোগী নয়।
B) ZnO — এটি জিংক অক্সাইড এবং সঠিক উত্তর, যা সানস্ক্রিনে অতিবেগুনি রশ্মি রোধ করতে ব্যবহৃত হয়।
C) Al2O3 — এটি অ্যালুমিনিয়াম অক্সাইড, যা প্রধানত ঘষামাজা করার উপাদান বা সিরামিক তৈরিতে ব্যবহৃত হয়, সানস্ক্রিনে এর মূল ব্যবহার নেই।
D) CuO — এটি কপার অক্সাইড, যা বিষাক্ত এবং ত্বকের প্রসাধন সামগ্রীতে ব্যবহারের জন্য নিরাপদ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- জিংক বা জেড অক্ষরটি মনে রাখতে পারেন। জেড ফর জিংক যা জ্বলে যাওয়া রোধ করে বা রোদ থেকে বাঁচায়।
- সানস্ক্রিন মানেই ত্বকের সুরক্ষা এবং ধাতু হিসেবে জিংক অক্সাইড এখানে প্রধান ভূমিকা পালন করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ন্যানো প্রযুক্তির নিরাপদ ও দৈনন্দিন প্রয়োগ হিসেবে এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
- ন্যানো পার্টিকেলের আকার এবং সানস্ক্রিনে এর কাজ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকলে এই ধরনের যেকোনো প্রশ্নের উত্তর দেওয়া সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: C) ৪৬ টি
১. কেন সঠিক:
মানুষের দেহকোষে ক্রোমোজমের সংখ্যা হলো ছেচল্লিশটি বা তেইশ জোড়া।
বংশগতির ধারা রক্ষা এবং শারীরিক বৈশিষ্ট্য নির্ধারণের জন্য ক্রোমোজমের এই সংখ্যা সুনির্দিষ্ট থাকে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: ক্রোমোজম হলো কোষের নিউক্লিয়াসে অবস্থিত বংশগতীয় উপাদানের বাহক।
কার্যপ্রণালি: এর অর্ধেক অর্থাৎ তেইশটি আসে মায়ের ডিম্বাণু থেকে এবং বাকি তেইশটি আসে বাবার শুক্রাণু থেকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মানুষের স্বাভাবিক দেহকোষ।
ব্যাখ্যা: মানুষের ত্বক, রক্ত বা পেশির প্রতিটি সাধারণ কোষে ক্রোমোজমের সংখ্যা সবসময় ছেচল্লিশটি থাকে।
উদাহরণ ২: মানুষের প্রজনন কোষ বা গ্যামেট।
ব্যাখ্যা: শুক্রাণু ও ডিম্বাণুতে ক্রোমোজমের সংখ্যা অর্ধেক অর্থাৎ তেইশটি হয়, যা মিলনের পর আবার পূর্ণ সংখ্যা লাভ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৪৪ টি — এটি মানুষের দেহকোষের অটোজোম বা সাধারণ ক্রোমোজমের সংখ্যা, মোট ক্রোমোজম নয়।
B) ৪৪২ টি — এটি একটি ভুল সংখ্যা এবং জীববিজ্ঞানে এর কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই।
C) ৪৬ টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ স্বাভাবিক মানুষের দেহকোষে তেইশ জোড়া বা ছেচল্লিশটি ক্রোমোজম থাকে।
D) ৪৮ টি — এটি আলু বা শিম্পাঞ্জির দেহকোষের ক্রোমোজম সংখ্যা, মানুষের নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
মানুষের দেহকোষের জোড়ার সংখ্যা মনে রাখলে মোট সংখ্যা বের করা সহজ হয়।
তেইশ জোড়াকে দুই দিয়ে গুণ করলে ছেচল্লিশ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
মানুষের সেক্স ক্রোমোজম বা লিঙ্গ নির্ধারণকারী ক্রোমোজম হলো এক জোড়া বা দুটি।
পরীক্ষায় প্রায়ই অটোজোম এবং সেক্স ক্রোমোজমের সংখ্যা আলাদাভাবে জানতে চাওয়া হয়।
সঠিক উত্তর: A) ৪ : ১ : ১
১. কেন সঠিক:
- সুষম খাদ্যে শরীরের শক্তি উৎপাদন ও পুষ্টি চাহিদা পূরণের জন্য শর্করা, আমিষ ও চর্বির নির্দিষ্ট অনুপাত প্রয়োজন।
- এই অনুপাতে খাবার খেলে দেহের ক্যালোরি চাহিদা মেটার পাশাপাশি কোষের গঠন ও অভ্যন্তরীণ কার্যাবলি সঠিকভাবে পরিচালিত হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: সুষম খাদ্য হলো এমন একটি খাদ্যতালিকা যেখানে দেহের প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদানগুলো সঠিক অনুপাতে থাকে।
- কার্যপ্রণালি: শর্করা আমাদের দেহে প্রধান শক্তি সরবরাহ করে, আমিষ দেহ গঠন ও ক্ষয়পূরণ করে এবং চর্বি শক্তি সঞ্চয় ও উষ্ণতা রক্ষা করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় ভাতের পরিমাণ ডাল ও মাংসের তুলনায় প্রায় চার গুণ রাখা হয়।
ব্যাখ্যা: এটি শর্করা ও আমিষের অনুপাতের বাস্তব প্রয়োগ যা শক্তি ও পুষ্টির ভারসাম্য রক্ষা করে।
উদাহরণ ২: রান্নার তেলে ব্যবহৃত চর্বি বা ফ্যাট পরিমিত রাখা এবং ভাতের পরিমাণ বেশি রাখা সুষম খাদ্যের মূল নীতি।
ব্যাখ্যা: এটি দেখায় যে দেহে শক্তির প্রধান উৎস হিসেবে শর্করার ভূমিকা সবচেয়ে বেশি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৪ : ১ : ১ — এটি বৈজ্ঞানিকভাবে স্বীকৃত সুষম খাদ্যের সঠিক অনুপাত যেখানে শর্করা চার ভাগ, আমিষ এক ভাগ ও চর্বি এক ভাগ থাকে।
B) ৪ : ২ : ২ — এই অনুপাতে আমিষ ও চর্বির পরিমাণ বেশি থাকে যা মেদবহুলতা ও অন্যান্য স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়াতে পারে।
C) ৪ : ২ : ৩ — এখানে চর্বির পরিমাণ অনেক বেশি যা হৃদরোগ ও উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
D) ৪ : ৩ : ২ — এই অনুপাতে আমিষ ও চর্বির মাত্রা সুষম খাদ্যের আদর্শ অনুপাতের সঙ্গে মেলে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- শর্করা আমাদের প্রধান শক্তি, তাই এর অনুপাত সবসময় সবচেয়ে বেশি অর্থাৎ চার হবে।
- আমিষ ও চর্বির অনুপাত সমান অর্থাৎ এক অনুপাত এক হবে, এভাবে চার অনুপাত এক অনুপাত এক মনে রাখা সহজ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সুষম খাদ্যের উপাদানগুলোর অনুপাত প্রায়ই আসে।
- খাদ্য ও পুষ্টি অধ্যায় থেকে ক্যালোরি মাপার একক এবং ভিটামিনের অভাবজনিত রোগ সম্পর্কেও প্রশ্ন হতে পারে।
সঠিক উত্তর: A) চারটি
১. কেন সঠিক:
মানুষের রক্তের প্রধান গ্রুপ চারটি, যা হলো এ, বি, এবি এবং ও।
লোহিত রক্তকণিকার পৃষ্ঠে থাকা অ্যান্টিজেনের উপস্থিতির ওপর ভিত্তি করে এই শ্রেণিবিন্যাস করা হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: কার্ল ল্যান্ডস্টেইনার ১৯০১ সালে রক্তের এই গ্রুপ পদ্ধতি আবিষ্কার করেন।
কার্যপ্রণালি: রক্তের গ্রুপ নির্ধারণে লোহিত রক্তকণিকায় অ্যান্টিজেন এ এবং অ্যান্টিজেন বি এবং রক্তরসে অ্যান্টিবডি কাজ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাবা-মায়ের রক্তের গ্রুপ জানা থাকলে সন্তানের সম্ভাব্য রক্তের গ্রুপ বের করা যায়।
ব্যাখ্যা: এটি বংশগতির জিনগত সূত্রের ওপর নির্ভর করে নির্ধারিত হয়।
উদাহরণ ২: জরুরি রক্তের প্রয়োজনে গ্রুপ মিলিয়ে রক্ত নিতে হয়।
ব্যাখ্যা: ভুল গ্রুপের রক্ত দিলে রক্তকণিকাগুলো জমে গিয়ে মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চারটি — এটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং বৈজ্ঞানিকভাবে পরীক্ষিত তথ্য।
B) পাঁচটি — রক্তের প্রধান গ্রুপ পাঁচটি নয়, কারণ আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত প্রধান গ্রুপ চারটি।
C) তিনটি — রক্তের প্রধান গ্রুপ তিনটি হলে এ, বি ও ও হতো, যা ভুল কারণ এবি গ্রুপও রয়েছে।
D) দুইটি — রক্তের গ্রুপ মাত্র দুটি হতে পারে না, কারণ অ্যান্টিজেনের নানা বিন্যাসের কারণে গ্রুপ চারটি।
৫ মনে রাখার টিপস:
রক্তের প্রধান গ্রুপগুলোর নাম মনে রাখার সহজ উপায় হলো এ, বি, এবি এবং ও।
কার্ল ল্যান্ডস্টেইনার চার, এই সংখ্যাটি মনে রাখলে সহজে ভুল হবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
রক্তের সার্বজনীন দাতা হলো ও নেগেটিভ এবং সার্বজনীন গ্রহীতা হলো এবি পজিটিভ।
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ল্যান্ডস্টেইনারের আবিষ্কার এবং দাতা-গ্রহীতা সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: A) ৩৩
১. কেন সঠিক:
- আর্সেনিকের পারমাণবিক সংখ্যা ৩৩ যার অর্থ এর পরমাণুতে ৩৩টি প্রোটন ও ইলেকট্রন রয়েছে।
- এটি পর্যায় সারণির ১৫ নম্বর গ্রুপের একটি অপধাতু যা প্রকৃতিতে অত্যন্ত বিষাক্ত হিসেবে পরিচিত।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: পারমাণবিক সংখ্যা হলো কোনো মৌলের পরমাণুর নিউক্লিয়াসে উপস্থিত প্রোটনের সংখ্যা যা মৌলের পরিচিতি নির্ধারণ করে।
- রাসায়নিক বৈশিষ্ট্য: আর্সেনিক ধাতু ও অধাতু উভয়ের বৈশিষ্ট্য প্রদর্শন করে এবং এটি অর্ধপরিবাহী হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- বাস্তব প্রয়োগ: ভূগর্ভস্থ পানিতে আর্সেনিকের উপস্থিতি একটি বড় পরিবেশগত সমস্যা যা দীর্ঘমেয়াদে মানবদেহে মারাত্মক রোগ সৃষ্টি করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাংলাদেশের টিউবওয়েলের পানিতে আর্সেনিক দূষণ।
ব্যাখ্যা: ভূগর্ভস্থ শিলাস্তর থেকে প্রাকৃতিকভাবে পানিতে আর্সেনিক মিশে যায় যা পানের মাধ্যমে মানবদেহে প্রবেশ করে।
উদাহরণ ২: সেমিকন্ডাক্টর তৈরিতে আর্সেনিকের ব্যবহার।
ব্যাখ্যা: গ্যালিয়াম আর্সেনাইড তৈরিতে আর্সেনিক ব্যবহার করা হয় যা আধুনিক ইলেকট্রনিক্স শিল্পে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৩৩ — এটি আর্সেনিকের সঠিক পারমাণবিক সংখ্যা।
B) ৩৮ — এটি স্ট্রনশিয়াম মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা।
সি ৩৬ — এটি ক্রিপটন নিষ্ক্রিয় গ্যাসের পারমাণবিক সংখ্যা।
ডি ৪৪ — এটি রুথেনিয়াম ট্রানজিশন ধাতুর পারমাণবিক সংখ্যা।
৫. মনে রাখার টিপস:
- আর্সেনিক শব্দটি মনে রাখতে পারো ৩৩ সংখ্যাটির সঙ্গে যুক্ত করে যেখানে এর প্রতীক As এবং পারমাণবিক সংখ্যা ৩৩।
- পর্যায় সারণির গ্রুপ ১৫ এবং পর্যায় ৪ এর মৌল হিসেবে এর অবস্থান মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- আর্সেনিক একটি অর্ধধাতু বা মেটালয়েড যা বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের ভূগর্ভস্থ পানির প্রধান দূষণকারী উপাদান।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আর্সেনিকের পারমাণবিক সংখ্যা অথবা এর প্রতীক সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: A) ট্যাকোমিটার
১. কেন সঠিক:
- প্রশ্নে প্রদত্ত উত্তরটি বৈজ্ঞানিকভাবে সঠিক নয় এবং এটি একটি প্রচলিত ভুল তথ্য।
- উড়োজাহাজের গতি বা এয়ারস্পিড নির্ণয় করার সঠিক যন্ত্রের নাম হলো টেকোমিটার নয়, বরং এয়ারস্পিড ইন্ডিকেটর বা ম্যাকমিটার। ট্যাকোমিটার মূলত ইঞ্জিন বা মোটরের ঘূর্ণন গতি পরিমাপ করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: ট্যাকোমিটার এমন একটি যন্ত্র যা প্রতি মিনিটে কোনো অক্ষদণ্ডের ঘূর্ণন সংখ্যা পরিমাপ করে।
- কার্যপ্রণালি: এটি ইঞ্জিনের ক্র্যাঙ্কশাফটের ঘূর্ণন প্রতি মিনিটে কতবার ঘটছে তা গণনা করে স্পিডোমিটারের মতো গতি নির্দেশ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গাড়ির ইঞ্জিন
ব্যাখ্যা: গাড়ির ড্যাশবোর্ডে থাকা ট্যাকোমিটার ইঞ্জিন প্রতি মিনিটে কতবার ঘুরছে তা চালককে দেখায়।
উদাহরণ ২: শিল্পকারখানার মোটর
ব্যাখ্যা: বড় বড় শিল্প কারখানায় মোটরের ঘূর্ণন গতি ঠিক রাখতে ট্যাকোমিটার ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ট্যাকোমিটার — এটি কোনো মোটর বা ইঞ্জিনের ঘূর্ণন গতি বা আরপিএম পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়।
B) অ্যালটিমিটার — এটি উড়োজাহাজের উচ্চতা নির্ণয় করার জন্য ব্যবহৃত একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্র।
C) ওডোমিটার — এটি মোটরযান বা যানবাহনের অতিক্রান্ত মোট দূরত্ব পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়।
D) অডিওমিটার — এটি মানুষের শ্রবণশক্তি বা শব্দ শোনার ক্ষমতা পরীক্ষা করার একটি যন্ত্র।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ট্যাকো শব্দটির অর্থ গতি বা ঘূর্ণন সম্পর্কিত, যা মূলত ইঞ্জিনের ঘূর্ণন মাপতে কাজ করে।
- উচ্চতা মাপতে অ্যালটিমিটার এবং দূরত্ব মাপতে ওডোমিটার ব্যবহৃত হয়, এই পার্থক্যটি মনে রাখা জরুরি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভিন্ন পরিমাপক যন্ত্র থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে।
- উড়োজাহাজের গতি নির্ণয় সংক্রান্ত সঠিক যন্ত্র এবং ইঞ্জিনের গতি পরিমাপক ট্যাকোমিটারের মধ্যে গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
সঠিক উত্তর: A) রেডিও ওয়েভ
১. কেন সঠিক:
টেলিভিশন এবং রেডিও সম্প্রচারের ক্ষেত্রে তথ্য বা সিগন্যাল প্রেরণের জন্য রেডিও ওয়েভ বা বেতার তরঙ্গ ব্যবহার করা হয়।
এই তরঙ্গগুলো বায়ুমণ্ডলের মধ্য দিয়ে দীর্ঘ দূরত্ব অতিক্রম করতে পারে এবং অ্যান্টেনার মাধ্যমে খুব সহজেই ক্যাচ বা গ্রহণ করা যায়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: তড়িৎ চৌম্বকীয় বর্ণালীর একটি নির্দিষ্ট তরঙ্গদৈর্ঘ্যের অংশ হলো রেডিও ওয়েভ যা বিনা তারে সিগন্যাল পাঠাতে সক্ষম।
কার্যপ্রণালি: সম্প্রচার কেন্দ্র থেকে শব্দ ও ছবিকে রেডিও তরঙ্গের সাথে মিশিয়ে অ্যান্টেনার মাধ্যমে মহাশূন্যে ছড়িয়ে দেওয়া হয় এবং গ্রাহক যন্ত্র তা ধরে পর্দায় দেখায়।
বাস্তব প্রয়োগ: ঘরের ছাদে বা ডিভাইসে থাকা অ্যান্টেনা এই অদৃশ্য রেডিও তরঙ্গ ধরে তা নিখুঁত চিত্র ও শব্দে রূপান্তর করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাসাবাড়িতে ব্যবহৃত স্যাটেলাইট টিভি বা ক্যাবল সংযোগ।
ব্যাখ্যা: সম্প্রচার কেন্দ্র থেকে মহাশূন্যে অবস্থিত কৃত্রিম উপগ্রহ হয়ে এই রেডিও ওয়েভ আমাদের টিভির ডিশ অ্যান্টেনার মাধ্যমে ঘরে পৌঁছায়।
উদাহরণ ২: দূরনিয়ন্ত্রিত বা রিমোট কন্ট্রোল খেলনা গাড়ি।
ব্যাখ্যা: রিমোট থেকে রেডিও তরঙ্গ পাঠিয়ে নির্দিষ্ট দূরত্ব থেকে খেলনার গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ করা হয় যা একই বিজ্ঞানভিত্তিক নীতির ওপর কাজ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রেডিও ওয়েভ — টেলিভিশন ও বেতার সম্প্রচারে সিগন্যাল প্রেরণের জন্য এটি ব্যবহার করা হয় এবং এটিই সঠিক উত্তর।
B) অবলোহিত রশ্মি — এটি সাধারণত টিভি রিমোট কন্ট্রোল বা নাইট ভিশন ক্যামেরায় ব্যবহৃত হয়, পুরো টেলিভিশন সম্প্রচারে নয়।
C) আলট্রা ভায়োলেট — এটি অতিবেগুনি রশ্মি যা সূর্যের আলোতে থাকে এবং এর তরঙ্গদৈর্ঘ্য টেলিভিশন সিগন্যালের জন্য উপযুক্ত নয়।
D) দৃশ্যমান রশ্মি — এটি আলোর অংশ যা আমরা খালি চোখে দেখতে পাই এবং এর মাধ্যমে দীর্ঘ দূরত্বে টিভি সম্প্রচার করা সম্ভব নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
টেলিভিশনে ছবি দেখার জন্য অদৃশ্য তরঙ্গ দরকার হয়, আর যোগাযোগের রাজা হলো রেডিও ওয়েভ।
শব্দ ও ছবি দূরদূরান্তে পাঠাতে হলে বেতার তরঙ্গ বা রেডিও ওয়েভের জুড়ি নেই।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
রেডিও ওয়েভ আবিষ্কার করেন বিজ্ঞানী হেনরিক হার্জ এবং এর কম্পাঙ্ক সবচেয়ে কম ও তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি।
ভবিষ্যতে পরীক্ষায় আসতে পারে যে মোবাইল ফোনে কোন তরঙ্গ ব্যবহৃত হয়, যার উত্তরও হবে এই রেডিও ওয়েভ।
সঠিক উত্তর: D) এন্টনি ভন লিউয়েনহুক
১. কেন সঠিক:
এন্টনি ভন লিউয়েনহুক ১৬৭৪ সালে প্রথম নিজের তৈরি শক্তিশালী অণুবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে এককোষী জীব বা অণুজীব যেমন ব্যাকটেরিয়া ও প্রোটোজোয়া পর্যবেক্ষণ করেন।
তার এই যুগান্তকারী আবিষ্কারের মাধ্যমেই মানবজাতি প্রথমবারের মতো খালি চোখে অদৃশ্য ক্ষুদ্র প্রাণের অস্তিত্ব সম্পর্কে জানতে পারে এবং অণুজীব বিজ্ঞানের ভিত্তি স্থাপিত হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: অণুজীব বিজ্ঞান হলো জীববিজ্ঞানের এমন একটি শাখা যেখানে ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, ছত্রাক ও প্রোটোজোয়া নিয়ে আলোচনা করা হয়।
কার্যপ্রণালি: লিউয়েনহুক কাচের লেন্স ঘষে সাধারণ অণুবীক্ষণ যন্ত্র তৈরি করেন যা বস্তুকে কয়েকশো গুণ বড় দেখাতে পারত এবং পুকুরের জলে তা ব্যবহার করে তিনি প্রথম অণুজীব দেখেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দই তৈরির সময় ল্যাকটোব্যাসিলাস ব্যাকটেরিয়া দুধের ল্যাকটোজকে ল্যাকটিক এসিডে রূপান্তর করে।
ব্যাখ্যা: এটি অণুজীবের দৈনন্দিন জীবনের একটি উপকারী ব্যবহার যা লিউয়েনহুকের আবিষ্কৃত অণুজীব জগতেরই অংশ।
উদাহরণ ২: পুকুরের সবুজ বা ঘোলা জল অণুবীক্ষণ যন্ত্রে দেখলে অ্যামিবা ও প্যারামেসিয়াম দেখা যায়।
ব্যাখ্যা: লিউয়েনহুক প্রথম এই ধরনের জলীয় মাধ্যম থেকে জীবন্ত অণুজীব পর্যবেক্ষণ করেছিলেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রবার্ট কক্ — তিনি অণুজীব বিজ্ঞানের জনক নন, তবে অ্যান্থ্রাক্স ও যক্ষ্মার জীবাণু আবিষ্কার করে আধুনিক ব্যাকটেরিওলজির ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন।
B) লুইস পাস্তুর — তিনি জীবাণু তত্ত্ব, পাস্তুরাइजेशन এবং জলাতঙ্কের টিকা আবিষ্কারের জন্য বিখ্যাত, অণুজীব বিজ্ঞানের জনক নন।
C) এডওয়ার্ড জেনার — তিনি গুটিবসন্তের টিকা আবিষ্কার করেন যা টিকাদানের ইতিহাসের সঙ্গে যুক্ত কিন্তু অণুজীব বিজ্ঞানের জনক নন।
D) এন্টনি ভন লিউয়েনহুক — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি প্রথম অণুজীব পর্যবেক্ষণ করে অণুজীব বিজ্ঞানের সূচনা করেছিলেন।
৫. মনে রাখার টিপস:
চোখে দেখা যায় না যা, লিউয়েনহুক প্রথম তা লেন্স দিয়ে দেখলেন আর অণুজীব বিজ্ঞানের জনক হলেন।
অণুবীক্ষণ যন্ত্রের আবিষ্কারক বা ব্যবহারকারী হিসেবে লিউয়েনহুকের নাম মনে রাখলেই এই প্রশ্নের উত্তর সহজ হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আবিষ্কারক সম্পর্কিত প্রশ্নে এই তথ্যটি অত্যন্ত ঘন ঘন আসে।
একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে, লিউয়েনহুক প্রথম কোন অণুজীব দেখেছিলেন বা তিনি কোন দেশের বিজ্ঞানী ছিলেন।
সঠিক উত্তর: B) প্যারাচুম্বকীয় পদার্থ
১. কেন সঠিক:
বাতাস একটি প্যারাচুম্বকীয় পদার্থ কারণ এর উপাদান গ্যাসগুলো চুম্বক দ্বারা খুব অল্প পরিমাণে আকৃষ্ট হয়।
বায়ুমণ্ডলে থাকা অক্সিজেন এবং নাইট্রোজেন অণুর চৌম্বকীয় ধর্মের কারণে বাতাস এই বৈশিষ্ট্য প্রদর্শন করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: যেসকল পদার্থ চুম্বক দ্বারা দুর্বলভাবে আকৃষ্ট হয় এবং চৌম্বক ক্ষেত্রের দিকে সামান্য সমান্তরালভাবে বিন্যস্ত হয় তাদের প্যারাচুম্বকীয় পদার্থ বলে।
কার্যপ্রণালি: বাতাসের প্রধান উপাদানগুলোর মধ্যে অক্সিজেন অণুতে বিজোড় ইলেকট্রন থাকায় এটি সামান্য চৌম্বক ভ্রামক প্রদর্শন করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তরল অক্সিজেন চুম্বকের উত্তর মেরুর দিকে আকৃষ্ট হয়।
ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে যে বাতাসে উপস্থিত অক্সিজেন অণুগুলোর প্যারাচুম্বকীয় ধর্ম রয়েছে।
উদাহরণ ২: বাতাসকে শক্তিশালী চৌম্বক ক্ষেত্রে রাখলে তা সামান্য চুম্বকায়িত হয়।
ব্যাখ্যা: এই দুর্বল আকর্ষণের ফলেই বাতাস প্যারাচুম্বকীয় পদার্থের শ্রেণিভুক্ত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ডায়াচুম্বকীয় পদার্থ - বাতাস সম্পূর্ণভাবে চুম্বক দ্বারা বিকর্ষিত হয় না বরং সামান্য আকৃষ্ট হয় তাই এটি ডায়াচুম্বকীয় নয়।
B) প্যারাচুম্বকীয় পদার্থ - এটি সঠিক উত্তর কারণ বাতাস চুম্বক দ্বারা দুর্বলভাবে আকৃষ্ট হয়।
C) ফেরোচুম্বকীয় পদার্থ - লোহা বা নিকেলের মতো বাতাস চুম্বক দ্বারা প্রবলভাবে আকৃষ্ট হয় না তাই এটি ফেরোচুম্বকীয় নয়।
D) অ্যান্টিফেরোচুম্বকীয় পদার্থ - এই পদার্থের অভ্যন্তরীণ চৌম্বক ভ্রামক বিপরীতমুখী ও সমান হয় যা বাতাসের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
বাতাস সামান্য চুম্বকে টানে, তাই এটি প্যারাচুম্বকের পানে।
অক্সিজেন বেশি থাকায় বাতাস প্যারাচুম্বকীয় ধর্ম দেখায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস ও ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় পদার্থের চৌম্বকীয় ধর্ম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
অক্সিজেন গ্যাস কোন ধরনের চৌম্বকীয় পদার্থ, এই প্রশ্নটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে।
সঠিক উত্তর: D) হাইড্রোজেন
১. কেন সঠিক:
- বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের মোট ভরের প্রায় পचাত্তর শতাংশ জুড়ে রয়েছে হালকা এই মৌলটি।
- মহাবিশ্বের শুরুতে বিগ ব্যাং বা মহা বিস্ফোরণের পর সবচেয়ে প্রথমে তৈরি হওয়া মৌলিক পদার্থ হলো এটি।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: মহাবিশ্বের সৃষ্টির সময় মূলত হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম গ্যাস তৈরি হয়েছিল।
- কার্যপ্রণালি: নক্ষত্রসমূহের অভ্যন্তরে নিউক্লিয়ার ফিউশন বিক্রিয়ার মাধ্যমে হাইড্রোজেন পরমাণু মিলিত হয়ে হিলিয়ামে পরিণত হয় এবং প্রচুর শক্তি উৎপন্ন করে।
- বাস্তব প্রয়োগ: আমাদের সূর্যের মতো সব নক্ষত্র প্রধানত হাইড্রোজেন গ্যাস দিয়ে গঠিত, যা তাদের শক্তির মূল উৎস।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সূর্য
ব্যাখ্যা: সূর্যের মূল উপাদান হলো হাইড্রোজেন গ্যাস, যা প্রতিনিয়ত ফিউশন প্রক্রিয়ায় পুড়ে আলো ও তাপ শক্তি ছড়াচ্ছে।
উদাহরণ ২: বৃহস্পতি গ্রহ
ব্যাখ্যা: সৌরজগতের সবচেয়ে বড় এই গ্রহটির বায়ুমণ্ডলে প্রচুর পরিমাণে হাইড্রোজেন গ্যাস বিদ্যমান রয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অক্সিজেন — এটি পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে এবং জীবদেহে প্রচুর থাকলেও মহাবিশ্বের সামগ্রিক ভরের দিক থেকে এর পরিমাণ অত্যন্ত নগণ্য।
B) কার্বন-ডাইঅক্সাইড — এটি একটি যৌগিক গ্যাস এবং গ্রিনহাউস প্রভাবে ভূমিকা রাখলেও মহাবিশ্বে এর প্রাচুর্য খুবই কম।
C) নাইট্রোজেন — এটি পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের প্রধান গ্যাস হলেও সামগ্রিক বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের বিচারে এর পরিমাণ খুবই কম।
D) হাইড্রোজেন — এটি সঠিক উত্তর কারণ মহাবিশ্বের প্রায় সব নক্ষত্র ও গ্যালাক্সিতে এই গ্যাসের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মহাবিশ্বের রাজা হাইড্রোজেন, তাই শুরুতে হাই বা উঁচুতে তার অবস্থান মনে রাখতে পারো।
- নক্ষত্রের জ্বালানি হিসেবে হাইড্রোজেনের নাম সবার আগে মাথায় রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সূর্য বা নক্ষত্রের শক্তির উৎস কী, এই প্রশ্নটি প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
- একই ধারণা থেকে নক্ষত্রের ভেতরের বিক্রিয়া বা বিগ ব্যাং তত্ত্ব সম্পর্কিত প্রশ্নও হতে পারে।
সঠিক উত্তর:
C) Graphics Processing Unit
১. কেন সঠিক:
- GPU-এর পূর্ণরূপ হলো Graphics Processing Unit, যা কম্পিউটারের একটি বিশেষায়িত ইলেকট্রনিক সার্কিট।
- এটি মূলত ইমেজ, ভিডিও এবং ত্রিমাত্রিক গ্রাফিক্স খুব দ্রুত প্রসেস ও রেন্ডার করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: GPU হলো এমন একটি প্রসেসর যা অত্যন্ত দ্রুত সমান্তরাল হিসাব নিকাশ করতে পারে।
- কার্যপদ্ধতি: এটি একসাথে অনেকগুলো ছোট কাজ বা ডেটা প্রসেস করতে পারে, যা সাধারণ প্রসেসর বা CPU-এর জন্য কঠিন।
- ব্যবহার: আধুনিক গেমিং, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ভিডিও এডিটিং এবং ক্রিপ্টোমাইনিংয়ে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কম্পিউটার গেম খেলার সময় গ্রাফিক্স স্মুথ রাখা।
ব্যাখ্যা: গেমের থ্রিডি মডেল এবং রিয়েল-টাইম ইফেক্টগুলো GPU অত্যন্ত দ্রুত প্রক্রিয়াজাত করে মনিটরে প্রদর্শন করে।
উদাহরণ ২: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ডেটাসেট প্রশিক্ষণ।
ব্যাখ্যা: বিপুল পরিমাণ ডেটা সমান্তরালভাবে প্রসেস করার জন্য এআই মডেলে জিপিইউ ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Graph Processing Unit — গ্রাফ প্রসেসিং ইউনিট কোনো স্ট্যান্ডার্ড কম্পিউটার টার্ম নয়।
B) Graphic Processing Unit — গ্রাফিক শব্দটি একবচন হওয়ায় এটি সঠিক প্রযুক্তিগত পরিভাষা নয়।
D) Geographical Processing Unit — এটি ভৌগোলিক ডেটা প্রসেসিংয়ের সাথে সম্পর্কিত নয় এবং এর কোনো ভিত্তি নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
- জিপিইউ-এর ক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে যে এটি গ্রাফিক্স সংক্রান্ত কাজের জন্য একাধিক (Plural) ডেটা একসাথে পরিচালনা করে।
- তাই পূর্ণরূপে Graphics শব্দটি বহুবচন হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সিপিইউ (CPU) হলো কম্পিউটারের মস্তিষ্ক, আর জিপিইউ (GPU) হলো গ্রাফিক্স ও সমান্তরাল গণনার বিশেষজ্ঞ।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের পূর্ণরূপ এবং তাদের কাজ সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: A) Register
১. কেন সঠিক:
- ALU (Arithmetic Logic Unit) সব ধরনের গণিত ও তুলনামূলক সিদ্ধান্ত সম্পন্ন করার পর ফলাফল সাময়িকভাবে ধারণ করার জন্য রেজিস্টার ব্যবহার করে।
- প্রসেসরের ভেতরে দ্রুত ডেটা স্থানান্তরের জন্য রেজিস্টার হলো সবচেয়ে দ্রুতগতির মেমোরি যা সরাসরি গণনার ফলাফল জমা রাখে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: রেজিস্টার হলো প্রসেসরের ভেতরে থাকা অত্যন্ত দ্রুতগতির কিছু মেমোরি সেল যা ডেটা, নির্দেশনা বা মেমোরি অ্যাড্রেস সাময়িকভাবে সংরক্ষণ করে।
- কার্যপদ্ধতি: ALU কোনো গাণিতিক বা যুক্তিমূলক কাজ শেষ করার পর সেই ফলাফল তাৎক্ষণিকভাবে Accumulator নামের বিশেষ রেজিস্টারে জমা রাখে।
- ব্যবহার: সিপিইউ-এর ভেতরের এই ছোট মেমোরিগুলো প্রসেসিং গতি বজায় রাখতে এবং পরবর্তী ধাপের নির্দেশনার জন্য ডেটা প্রস্তুত রাখতে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ক্যালকুলেটরে দুই যোগ তিন লিখে সমান চাপলে পর্দা ভেসে ওঠার আগে তা প্রসেসরের মেমোরিতে জমা থাকে।
ব্যাখ্যা: এই প্রাথমিক বা অন্তর্বর্তী ফলাফলগুলো ধরে রাখার কাজটি রেজিস্টার সম্পন্ন করে।
উদাহরণ ২: কম্পিউটারে একাধিক কাজ একসাথে করার সময় প্রসেসর দ্রুত ডেটা বদল করে।
ব্যাখ্যা: রেজিস্টার খুব কম সময়ে ডেটা রিড ও রাইট করতে পারে বলে প্রসেসর দ্রুত কাজ করতে পারে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Register — এটি সঠিক উত্তর কারণ ALU-এর ঠিক পাশেই প্রসেসরের ভেতরে এটি থাকে এবং দ্রুত ফলাফল ধরে রাখে।
B) ROM — এটি প্রধান মেমোরির অংশ নয় এবং এর পূর্ণরূপ Read Only Memory, যা স্থায়ী তথ্য সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয়, ALU-এর তাত্ক্ষণিক আউটপুট রাখতে নয়।
C) Flags — এটি প্রসেসরের একটি বিশেষ রেজিস্টার যা শুধু গাণিতিক অপারেশনের অবস্থা নির্দেশ করে, পুরো আউটপুট ডেটা রাখে না।
D) Output Unit — এটি মনিটর বা প্রিন্টারের মতো বহিরাগত যন্ত্র, যা প্রসেসিং শেষের চূড়ান্ত ফলাফল ব্যবহারকারীকে দেখায়, ALU-এর ভেতরের তাৎক্ষণিক আউটপুট জমা রাখে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- প্রসেসরের ভেতরে ডেটা নিয়ে কাজ করার সময় দ্রুততম মেমোরি হলো রেজিস্টার।
- ALU-এর কাজের ফলাফল সবসময় রেজিস্টারে জমা হয়, বড় হার্ডডিস্কে নয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- রেজিস্টার হলো কম্পিউটারের সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট বা সিপিইউ-এর অংশ।
- পরীক্ষার জন্য ALU এবং CU-এর কাজ সম্পর্কে ধারণা থাকা জরুরি।
সঠিক উত্তর:
C) Database Management System
১. কেন সঠিক:
DBMS-এর পূর্ণরূপ হলো Database Management System, যার বাংলা অর্থ উপাত্ত ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা।
এটি এমন একটি সফটওয়্যার সিস্টেম যা ব্যবহারকারীকে ডেটাবেজ তৈরি, সংরক্ষণ, নিয়ন্ত্রণ এবং পরিবর্তনের সুযোগ দেয়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হলো এমন একটি সমন্বিত সফটওয়্যার যা ডেটা সংরক্ষণ ও পুনরুদ্ধারের জন্য ব্যবহৃত হয়।
কার্যপদ্ধতি: এটি ডেটা ইনপুট নিয়ে সুশৃঙ্খলভাবে সাজায় এবং ব্যবহারকারীর চাহিদা অনুযায়ী কুয়েরির মাধ্যমে তথ্য প্রদান করে।
বৈশিষ্ট্য: ডেটা সুরক্ষা, ডেটার অখণ্ডতা রক্ষা এবং একই ডেটা একাধিক ব্যবহারকারী যাতে একসাথে ব্যবহার করতে পারে তা নিশ্চিত করা এর প্রধান কাজ।
ব্যবহার: ব্যাংক ব্যবস্থার অ্যাকাউন্ট পরিচালনা, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের তথ্য সংরক্ষণ এবং ই-কমার্স সাইটে পণ্যের তালিকা রক্ষায় এটি ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ব্যালেন্স চেক করা।
ব্যাখ্যা: গ্রাহক যখন এটিএম বুথ থেকে টাকা তোলেন, তখন DBMS সফটওয়্যার তাৎক্ষণিকভাবে ডেটাবেজ আপডেট করে ব্যালেন্স প্রদর্শন করে।
উদাহরণ ২: শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার ফলাফল তৈরি।
ব্যাখ্যা: শিক্ষা বোর্ডের ডেটাবেজ থেকে লক্ষ লক্ষ শিক্ষার্থীর নম্বর সংগ্রহ ও সাজাতে DBMS ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Data Backup Management System — এটি সঠিক পূর্ণরূপ নয় এবং ডেটা ব্যাকআপ রাখা DBMS-এর একটি অংশ মাত্র, পুরো সিস্টেমের নাম নয়।
B) Database Management Service — এখানে Service শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে, যা সঠিক প্রযুক্তিগত পরিভাষা System-এর পরিপন্থী।
D) Data of Binary Management System — এটি একটি ভুল ও মনগড়া পরিভাষা, যার সাথে ডেটাবেজের কোনো সম্পর্ক নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
ডেটাবেজের ক্ষেত্রে সিস্টেম বা System শব্দটি সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়।
তাই Database Management System মনে রাখলেই সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সহজ হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই DBMS-এর পূর্ণরূপ বা এর কাজ সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
Oracle, MySQL, Microsoft SQL Server হলো জনপ্রিয় কিছু DBMS সফটওয়্যার।
সঠিক উত্তর: B) ১১
১. কেন সঠিক:
মেমোরি অ্যাড্রেস লাইনের সংখ্যা নির্ধারণ করার জন্য দুইভিত্তিক লগারিদম বা শক্তির হিসাব ব্যবহার করা হয়।
২ এর যত ঘাত মেমোরির আকারের সমান হবে, অ্যাড্রেস লাইনের সংখ্যা ঠিক তত হবে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: মেমোরি অ্যাড্রেস লাইন হলো এমন কিছু পিন বা তার যা প্রসেসরকে মেমোরির নির্দিষ্ট লোকেশন খুঁজে পেতে সাহায্য করে।
কার্যপদ্ধতি: এন সংখ্যক অ্যাড্রেস লাইন ব্যবহার করে সর্বমোট দুই এর শক্তি এন সংখ্যক মেমোরি লোকেশন বা বাইট অ্যাড্রেস করা সম্ভব।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ৪ কিলোবাইট মেমোরি
ব্যাখ্যা: ৪ কিলোবাইট মেমোরি অ্যাড্রেস করার জন্য ১২টি অ্যাড্রেস লাইন দরকার হয় কারণ দুই এর শক্তি বারো সমান চার কিলোবাইট।
উদাহরণ ২: ১ কিলোবাইট মেমোরি
ব্যাখ্যা: ১ কিলোবাইট মেমোরি অ্যাড্রেস করার জন্য ১০টি অ্যাড্রেস লাইন দরকার হয় কারণ দুই এর শক্তি দশ সমান এক কিলোবাইট।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১০ — ১০টি অ্যাড্রেস লাইন হলে মোট মেমোরি ১ কিলোবাইট হয়, যা প্রশ্নের ২ কিলোবাইট পরিমাণের চেয়ে কম।
B) ১১ — এই অপশনটি সঠিক কারণ দুই এর শক্তি এগারো সমান ২ কিলোবাইট বা ২০৪৮ বাইট মেমোরি।
C) ১২ — ১২টি অ্যাড্রেস লাইন হলে মোট মেমোরি ৪ কিলোবাইট হয়, যা ২ কিলোবাইট মেমোরির জন্য অতিরিক্ত।
D) ১৪ — ১৪টি অ্যাড্রেস লাইন হলে মোট মেমোরি ১৬ কিলোবাইট হয়, যা অনেক বেশি বড় মেমোরি নির্দেশ করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
১ কিলোবাইট সমান ১০২৪ বাইট বা দুই এর শক্তি দশ।
প্রতি ১ কিলোবাইট বাড়লে অ্যাড্রেস লাইন ১ করে বৃদ্ধি পায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কম্পিউটার মেমোরির একক হিসেবে ১ কিলোবাইট মানে সবসময় ১০২৪ বাইট ধরা হয়।
এই ধরনের অঙ্কে কিলোবাইটকে প্রথমে বাইটে রূপান্তর করে দুই এর ঘাত হিসাব করতে হয়।
সঠিক উত্তর:
B) (1372)8
১. কেন সঠিক:
হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিকে সরাসরি অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতিতে রূপান্তর করা যায় না।
প্রথমে প্রতিটি হেক্সাডেসিমেল অঙ্ককে তার সমতুল্য ৪-বিট বাইনারি মানে রূপান্তর করতে হয় এবং পরে ডান দিক থেকে ৩-বিট করে দলবদ্ধ করে অক্টাল মান বের করতে হয়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: হেক্সাডেসিমেল হলো বেস-১৬ সংখ্যা পদ্ধতি যেখানে ০ থেকে ৯ এবং A থেকে F পর্যন্ত মোট ১৬টি প্রতীক ব্যবহার করা হয়।
কার্যপদ্ধতি: প্রদত্ত সংখ্যা (2FA)16 এর প্রতিটি অঙ্ককে ৪-বিট বাইনারিতে রূপান্তর করলে পাই, 2 হলো ০০১০, F হলো ১১১১ এবং A হলো ১০১০।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা (F)16 এর বাইনারি মান ১১১১।
ব্যাখ্যা: এটি ৪-বিট বাইনারি রূপান্তরের নিয়ম মেনে সর্বোচ্চ হেক্সাডেসিমেল অঙ্ক প্রকাশ করে।
উদাহরণ ২: বাইনারি থেকে অক্টাল রূপান্তর করার সময় ডান দিক থেকে ৩ বিট করে গ্রুপ করতে হয়।
ব্যাখ্যা: কারণ অক্টালের ভিত্তি ৮ এবং দুই এর ৩ ঘাত সমান ৮।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) (762)8 — এটি সঠিক রূপান্তরের নিয়মের সাথে মেলে না কারণ ভুল বিট বিন্যাসের কারণে এই মান এসেছে।
B) (1372)8 — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটি হেক্সাডেসিমেল থেকে অক্টালে সঠিক রূপান্তর প্রক্রিয়ার ফলাফল।
C) (228)8 — অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতিতে ৮ অঙ্কটি ব্যবহার করা যায় না কারণ অক্টালে ০ থেকে ৭ পর্যন্ত অঙ্ক থাকে।
D) (1482)8 — এই সংখ্যাটিতে ৮ থাকার কারণে এটি বৈধ অক্টাল সংখ্যা হতে পারে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
হেক্সাডেসিমেল থেকে অক্টাল রূপান্তরের সময় হেক্সাডেসিমেলের প্রতিটি অঙ্ককে ৪-বিট বাইনারিতে রূপান্তর করবে।
প্রাপ্ত সম্পূর্ণ বাইনারি সংখ্যাটিকে ডান দিক থেকে ৩-বিট করে সাজিয়ে প্রতি গ্রুপের জন্য অক্টাল মান বসাবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কম্পিউটার সায়েন্সে বিভিন্ন সংখ্যা পদ্ধতির রূপান্তর বিসিএস এবং ব্যাংক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সব সময় খেয়াল রাখবে অক্টাল সংখ্যায় কখনো ৮ বা তার বেশি অঙ্ক থাকতে পারে না।
সঠিক উত্তর: C) ফ্লাশ মেমোরি
১. কেন সঠিক:
- এম্বেডেড সিস্টেমে সাধারণত নন-ভলাটাইল মেমোরি হিসেবে ফ্লাশ মেমোরি ব্যবহৃত হয়।
- বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকলেও ফ্লাশ মেমোরিতে সংরক্ষিত কোড বা ডেটা মুছে যায় না।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: এম্বেডেড সিস্টেম হলো মাইক্রোকন্ট্রোলার বা মাইক্রোপ্রসেসরভিত্তিক একটি বিশেষ কম্পিউটার ব্যবস্থা, যা নির্দিষ্ট কোনো কাজ করার জন্য তৈরি করা হয়।
- কার্যপদ্ধতি: এর মাদারবোর্ডে থাকা রম বা ফ্লাশ মেমোরিতে সিস্টেমের প্রয়োজনীয় ফার্মওয়্যার বা অপারেটিং কোড স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত থাকে।
- ব্যবহার: মাইক্রোওয়েভ ওভেন, ওয়াশিং মেশিন, রাউটার এবং ডিজিটাল ওয়াচে এম্বেডেড সিস্টেমের কোড সংরক্ষণে এটি ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ডিজিটাল ঘড়ি
ব্যাখ্যা: ডিজিটাল ঘড়ির সময় ও সেটিংস ধরে রাখার জন্য ফ্লাশ মেমোরি বা রম ব্যবহার করা হয়, যা ব্যাটারির পাওয়ার শেষ হলেও মুছে যায় না।
উদাহরণ ২: মাইক্রোওয়েভ ওভেন
ব্যাখ্যা: ওভেনের রান্নার প্রোগ্রাম এবং নির্দেশাবলী স্থায়ীভাবে সংরক্ষণের জন্য ফ্লাশ মেমোরি কাজ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) RAM — র্যাম হলো ভোলাটাইল বা অস্থায়ী মেমোরি, যা বিদ্যুৎ চলে গেলে ডেটা মুছে ফেলে। এম্বেডেড সিস্টেমে মূল অপারেটিং কোড সংরক্ষণের জন্য এটি উপযুক্ত নয়।
B) হার্ডডিস্ক ড্রাইভ — হার্ডডিস্ক আকারে বড়, বিদ্যুৎ বেশি খরচ করে এবং এতে ঘূর্ণয়মান যন্ত্রাংশ থাকে। তাই ছোট এম্বেডেড সিস্টেমে এটি ব্যবহার করা যায় না।
D) অপটিকাল ডিস্ক ড্রাইভ — অপটিকাল ডিস্ক যেমন সিডি বা ডিভিডি আকারের দিক থেকে অনেক বড় এবং এগুলোর রিড রাইট গতি এম্বেডেড সিস্টেমের জন্য উপযোগী নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- এম্বেডেড সিস্টেম মানেই নির্দিষ্ট কাজ, তাই এর জন্য চাই স্থায়ী ও ছোট মেমোরি যেমন ফ্লাশ মেমোরি বা রম।
- র্যাম হলো অস্থায়ী, তাই মেইন প্রোগ্রাম সেভ রাখতে ফ্লাশ মেমোরি মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এম্বেডেড সিস্টেমের মূল মস্তিষ্ক হলো মাইক্রোকন্ট্রোলার।
- ফ্লাশ মেমোরি হলো ইলেকট্রনিক্যালি ইরেজেবল প্রোগ্রামেবল রিড অনলি মেমোরির একটি উন্নত রূপ।
সঠিক উত্তর: A) Key loggers
১. কেন সঠিক:
স্পাইওয়্যার (Spyware) হলো এমন এক ধরনের ক্ষতিকারক সফটওয়্যার যা ব্যবহারকারীর অজান্তে তার কম্পিউটারের তথ্য চুরি করে।
Key loggers হলো এমন একটি প্রযুক্তি বা সফটওয়্যার যা ব্যবহারকারীর কি-বোর্ডের প্রতিটি চাপ বা টাইপ রেকর্ড করে এবং হ্যাকারদের কাছে পাঠিয়ে দেয়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: স্পাইওয়্যার হলো ম্যালওয়ায়ারের একটি শ্রেণি যা গোপনে ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করে।
কার্যপদ্ধতি: এটি ব্যাকগ্রাউন্ডে গোপনে কাজ করে এবং পাসওয়ার্ড, ক্রেডিট কার্ড নম্বর বা ব্যক্তিগত বার্তা চুরি করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অনলাইন ব্যাংকিং পাসওয়ার্ড চুরি।
ব্যাখ্যা: ব্যবহারকারী যখন ব্যাংকের পাসওয়ার্ড টাইপ করেন, তখন কি-লগার তা রেকর্ড করে সাইবার অপরাধীদের কাছে পাঠিয়ে দেয়।
উদাহরণ ২: ইমেল অ্যাকাউন্ট নজরদারি।
ব্যাখ্যা: স্পাইওয়্যার ব্যবহারকারীর ব্রাউজিং হিস্ট্রি এবং ইনবক্সের তথ্য সংগ্রহ করে তৃতীয় পক্ষের কাছে পাচার করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Key loggers — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি স্পাইওয়ারের একটি সরাসরি উদাহরণ যা ডেটা চুরি করে।
B) Avast — এটি একটি জনপ্রিয় অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার যা কম্পিউটারকে ম্যালওয়্যার থেকে রক্ষা করে।
C) Norton — এটি একটি বিশ্বস্ত অ্যান্টিভাইরাস ও সিকিউরিটি সফটওয়্যার যা ভাইরাস ও স্পাইওয়্যার প্রতিহত করে।
D) Kasparasky — এটি একটি শক্তিশালী অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার যা ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম স্ক্যান ও অপসারণ করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
স্পাই মানে গুপ্তচর, তাই স্পাইওয়্যার মানে গুপ্তচর সফটওয়্যার।
কি-লগার কি-বোর্ডের লগ বা ইতিহাস রাখে, যা স্পাইওয়ারের প্রধান কাজ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যারগুলো ক্ষতিকারক ম্যালওয়্যার বা স্পাইওয়্যার প্রতিহত করতে কাজ করে।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ম্যালওয়্যার ও অ্যান্টিভাইরাসের নাম প্রায়ই আলাদা করতে বলা হয়।
সঠিক উত্তর: D) ৮.৮.৮.৮
প্রদত্ত তথ্য:
গুগলের পাবলিক ডিএনএস সার্ভারের আইপি অ্যাড্রেস নির্ণয় করতে হবে
এটি একটি ইন্টারনেট প্রোটোকল ভার্সন চার বা আইপিভিফোর ঠিকানা
ধরি,
প্রথম এবং দ্বিতীয় অকটেট সংখ্যা দুটি আট
অতএব,
তৃতীয় এবং চতুর্থ অকটেট সংখ্যা দুটি আট
সুতরাং,
সম্পূর্ণ ঠিকানাটি আট ডট আট ডট আট ডট আট হয়
উত্তর: ৮.৮.৮.৮
সঠিক উত্তর:
C) আগত এবং বহির্গত নেটওয়ার্ক ট্রাফিক নিরীক্ষা এবং নিয়ন্ত্রণ করা।
১. কেন সঠিক:
- ফায়ারওয়াল একটি সিকিউরিটি সিস্টেম যা পূর্বনির্ধারিত নিরাপত্তা নিয়মের ভিত্তিতে নেটওয়ার্ক ট্রাফিক ফিল্টার করে।
- এটি অভ্যন্তরীণ নেটওয়ার্ক এবং বাইরের অননুমোদিত ইন্টারনেটের মধ্যে একটি ভার্চুয়াল দেওয়াল হিসেবে কাজ করে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: ফায়ারওয়াল হলো একটি নেটওয়ার্ক নিরাপত্তা ব্যবস্থা যা ক্ষতিকর আক্রমণ থেকে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ককে সুরক্ষিত রাখে।
- কার্যপদ্ধতি: এটি নিয়ম বা পলিসি সেট করে নির্ধারণ করে কোন ডেটা প্যাকেট প্রবেশ বা বের হতে পারবে এবং কোনটি ব্লক হবে।
- ব্যবহার: ব্যক্তিগত কম্পিউটার থেকে শুরু করে ব্যাংক ও কর্পোরেট ডেটাসেন্টারের নেটওয়ার্ক সুরক্ষায় এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অফিসের নেটওয়ার্ক
ব্যাখ্যা: একটি কোম্পানির সার্ভারে ফায়ারওয়াল বসানো থাকে যাতে বাইরের কোনো হ্যাকার বিনা অনুমতিতে প্রতিষ্ঠানের গোপন ফাইল চুরি করতে না পারে।
উদাহরণ ২: উইন্ডোজ ডিফেন্ডার ফায়ারওয়াল
ব্যাখ্যা: ব্যক্তিগত ল্যাপটপে অপারেটিং সিস্টেমের নিজস্ব ফায়ারওয়াল ইন্টারনেট থেকে আসা সন্দেহজনক সংযোগ ব্লক করে কম্পিউটার নিরাপদ রাখে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সমস্ত আগত ট্রাফিক নেটওয়ারuken ঢুকতে না দেওয়া — এটি ভুল কারণ ফায়ারওয়াল সব ট্রাফিক বন্ধ করে না, বরং নিরাপদ ট্রাফিক প্রবেশের অনুমতি দেয়।
B) সমস্ত আগত ট্রাফিক নেটওয়ার্কে ঢুকার অনুমতি দেওয়া — এটি ভুল কারণ ফায়ারওয়াল ক্ষতিকর বা অননুমোদিত ট্রাফিক ফিল্টার করে ব্লক করে দেয়।
D) সমস্ত নেটওয়ার্ক ট্রাফিক এনক্রিপ্ট করা — এটি ভুল কারণ এনক্রিপশনের কাজ ফায়ারওয়ালের নয়, এটি মূলত ট্রাফিক নিরীক্ষা ও নিয়ন্ত্রণ করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ফায়ারওয়ালকে একটি ডিজিটাল দারোয়ান হিসেবে মনে রাখতে পারেন যিনি গেটে দাঁড়িয়ে কার পরিচয়পত্র ঠিক আছে তা যাচাই করে ঢুকতে দেন।
- নেটওয়ার্কের নিরাপত্তা রক্ষায় ফায়ারওয়াল প্রথম প্রতিরক্ষা দেওয়াল হিসেবে কাজ করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ফায়ারওয়ালকে সফটওয়্যার বা হার্ডওয়্যার উভয় মাধ্যমেই প্রয়োগ করা যায় এই তথ্যটি প্রায়ই আসে।
- এটি প্রক্সি সার্ভার বা এন্টিভাইরাসের থেকে আলাদাভাবে নেটওয়ার্ক লেভেলে কাজ করে।
সঠিক উত্তর:
D) TCP/IP
১. কেন সঠিক:
- ইন্টারনেটে ডেটা আদান-প্রদানের জন্য TCP/IP হলো সর্বব্যাপী ব্যবহৃত মৌলিক প্রোটোকল সুইট বা যোগাযোগের নিয়ম।
- এটি ইন্টারনেটের মূল ভিত্তি এবং বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন নেটওয়ার্কের মধ্যে যোগাযোগের সুযোগ তৈরি করে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: TCP/IP এর পূর্ণরূপ হলো Transmission Control Protocol এবং Internet Protocol, যা ডেটা প্যাকেট বিভক্ত করে সঠিক গন্তব্যে পৌঁছে দেয়।
- কার্যপদ্ধতি: TCP ডেটাকে ছোট ছোট প্যাকেটে ভাগ করে এবং IP সেই প্যাকেটগুলোর সঠিক ঠিকানা নির্ধারণ করে গন্তব্যে পাঠায়।
- বৈশিষ্ট্য: এটি লেয়ারভিত্তিক স্থাপত্য অনুসরণ করে এবং নেটওয়ার্কের ত্রুটি ঠিক করে নির্ভরযোগ্য যোগাযোগ নিশ্চিত করে।
- ব্যবহার: ইন্টারনেট ব্রাউজিং, ই-মেইল পাঠানো এবং ফাইল স্থানান্তরের মতো সব অনলাইন কার্যক্রমে এটি ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কম্পিউটারে একটি ওয়েবসাইট ব্রাউজ করার সময় ব্রাউজারটি TCP/IP প্রোটোকল ব্যবহার করে সার্ভার থেকে ডেটা গ্রহণ করে।
ব্যাখ্যা: এই প্রোটোকল ছাড়া ইন্টারনেট বা ওয়েবসাইটের সঙ্গে কোনো ডিভাইসের যোগাযোগ স্থাপন করা সম্ভব হতো না।
উদাহরণ ২: ই-মেইল পাঠানোর সময় বার্তাটি ছোট ছোট অংশে বিভক্ত হয়ে গন্তব্যে পৌঁছায় এবং পুনরায় একত্রিত হয়।
ব্যাখ্যা: TCP প্রোটোকল নিশ্চিত করে যে কোনো ডেটা যেন হারিয়ে না যায় এবং সঠিকভাবে পুনর্গঠিত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) HTTP — এটি কেবল ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের হাইপারটেক্সট স্থানান্তরের জন্য ব্যবহৃত প্রোটোকল, পুরো ইন্টারনেটের তথ্য আদান-প্রদানের মূল ভিত্তি নয়।
B) FTP — এটি শুধুমাত্র সার্ভার থেকে ফাইল আপলোড বা ডাউনলোডের জন্য নির্দিষ্টভাবে ব্যবহৃত হয়, সাধারণ ইন্টারনেট যোগাযোগের জন্য নয়।
C) DNS — এটি ডোমেইন নামকে আইপি ঠিকানায় রূপান্তর করার কাজ করে, সরাসরি ডেটা আদান-প্রদান করে না।
D) TCP/IP — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ইন্টারনেট যোগাযোগের সম্পূর্ণ কাঠামো নিয়ন্ত্রণ করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- TCP/IP মানে হলো যোগাযোগের মহাসড়ক এবং গাড়ি পরিচালনার নিয়ম, যা পুরো ইন্টারনেটকে সচল রাখে।
- TCP হলো নিশ্চিত করা যে ডেটা ঠিকঠাক পৌঁছাল কি না, আর IP হলো সঠিক ঠিকানা খুঁজে বের করা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- TCP/IP মডেলের স্তর সংখ্যা ৪টি, যা OSI মডেলের ৭টি স্তরের সঙ্গে তুলনামূলকভাবে ছোট।
- বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ইন্টারনেটের জনক বা প্রোটোকল সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর:
A) রাউটার
১. কেন সঠিক:
- রাউটার হলো এমন একটি নেটওয়ার্কিং ডিভাইস যা একাধিক লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা LAN-এর ডেটা প্যাকেটগুলোকে ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক বা WAN-এর মাধ্যমে গন্তব্যে পৌঁছে দেয়।
- এটি বিভিন্ন ভিন্ন নেটওয়ার্কের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে এবং ডেটা আদান-প্রদানের জন্য সবচেয়ে ভালো ও সংক্ষিপ্ত পথ নির্বাচন করে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: রাউটার হলো লেয়ার থ্রি বা নেটওয়ার্ক লেয়ারের একটি বুদ্ধিমান ডিভাইস যা একাধিক নেটওয়ার্ককে যুক্ত করে এবং ডেটা রাউটিং করে।
- কার্যপদ্ধতি: এটি উৎস থেকে আসা ডেটা প্যাকেট পড়ে এবং আইপি ঠিকানার ওপর ভিত্তি করে গন্তব্য নেটওয়ার্কে সঠিক পথে তা পাঠিয়ে দেয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অফিসের লোকাল নেটওয়ার্ক
ব্যাখ্যা: একটি অফিসের কম্পিউটারগুলোকে নিজেদের মধ্যে যুক্ত করতে LAN ব্যবহার করা হয় এবং সেই অফিসকে ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত করতে রাউটার ব্যবহার করা হয়।
উদাহরণ ২: হোম ইন্টারনেট সংযোগ
ব্যাখ্যা: বাসার ল্যাপটপ, মোবাইল ও স্মার্ট টিভিগুলোকে ওয়াইফাই বা তারের মাধ্যমে ইন্টারনেটের বিশ্বজনীন WAN নেটওয়ার্কের সাথে যুক্ত করতে ব্রডব্যান্ড রাউটার ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাউটার — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি LAN এবং WAN-এর মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান নিয়ন্ত্রণ করে।
B) ওয়েব সার্ভার — এটি একটি শক্তিশালী কম্পিউটার বা সফটওয়্যার যা ব্যবহারকারীর অনুরোধে ওয়েব পেজ সরবরাহ করে, কোনো নেটওয়ার্ক সংযোগকারী ডিভাইস নয়।
C) ব্রীজ — এটি দুটি একই ধরনের LAN কে যুক্ত করতে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু ভিন্ন ধরনের নেটওয়ার্ক বা WAN-এর সাথে সরাসরি সংযোগের জন্য এটি উপযুক্ত নয়।
D) হাব — এটি একই নেটওয়ার্কের ডিভাইসগুলোকে পরস্পরের সাথে যুক্ত করে এবং সব পোর্টে ডেটা সম্প্রচার করে, কিন্তু ভিন্ন নেটওয়ার্ক বা WAN-এর সাথে যুক্ত করতে পারে না।
৫ মনে রাখার টিপস:
- রাউটার শব্দটি এসেছে রুট বা পথ শব্দ থেকে, যার কাজ হলো সঠিক পথ দেখানো।
- LAN মানে ঘরোয়া নেটওয়ার্ক এবং WAN মানে বিশ্বব্যাপী বিস্তৃত ইন্টারনেট, এই দুটির মাঝে সেতুবন্ধন করে রাউটার।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- রাউটার OSI মডেলের নেটওয়ার্ক লেয়ারে কাজ করে এবং এটি আইপি ঠিকানার ওপর ভিত্তি করে ডেটা ফরোয়ার্ড করে।
- পরীক্ষার জন্য প্রায়ই সুইচ, হাব ও রাউটারের পার্থক্যের প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: A) Phishing
১. কেন সঠিক:
Phishing হলো সাইবার অপরাধের একটি পদ্ধতি, যেখানে আক্রমণকারী বিশ্বস্ত কোনো প্রতিষ্ঠানের ছদ্মবেশ ধারণ করে ব্যবহারকারীকে ধোঁকা দেয়।
এর মাধ্যমে ব্যবহারকারী স্বেচ্ছায় তার সংবেদনশীল তথ্য যেমন পাসওয়ার্ড, ইউজারনেম বা ক্রেডিট কার্ড নম্বর প্রতারকদের হাতে তুলে দেন।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: Phishing হলো ইলেকট্রনিক যোগাযোগের মাধ্যমে, বিশেষ করে ইমেইল বা নকল ওয়েবসাইটের সাহায্যে সংবেদনশীল তথ্য চুরির একধরণের সামাজিক প্রকৌশল বা সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং আক্রমণ।
কার্যপদ্ধতি: আক্রমণকারীরা ব্যাংক বা জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের মতো দেখতে জাল ইমেইল বা লিংক পাঠায়, যেখানে ক্লিক করলে ব্যবহারকারী একটি হুবহু নকল ওয়েবসাইটে প্রবেশ করেন।
ব্যবহার: মূলত অনলাইন ব্যাংকিং অ্যাকাউন্ট দখল, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হ্যাক এবং ক্রেডিট কার্ডের তথ্য চুরি করে আর্থিক ক্ষতি সাধনের জন্য এটি ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আপনার পরিচিত ব্যাংকের লোগো ব্যবহার করে একটি ইমেইল পাঠানো হলো যেখানে বলা হলো একাউন্ট আপডেট করতে হবে এবং সাথে থাকা লিংকে ক্লিক করতে বলা হলো।
ব্যাখ্যা: ওই লিংকে ক্লিক করলে একটি নকল ব্যাংকের পেজ আসবে যেখানে ইউজারনেম ও পাসওয়ার্ড দিলেই তা চলে যাবে প্রতারকদের কাছে।
উদাহরণ ২: ফেসবুকে মেসেজ আসলো যে আপনার অ্যাকাউন্টটি ব্লক হতে চলেছে এবং নিচের লিংকে লগইন করে তা ঠিক করুন।
ব্যাখ্যা: এটি ফিশিংয়ের একটি ক্লাসিক রূপ, যার মাধ্যমে ব্যবহারকারীর অ্যাকাউন্ট বা পাসওয়ার্ড চুরি করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Phishing - এটি সঠিক কারণ প্রশ্নটিতে প্রতারণামূলকভাবে সংবেদনশীল তথ্য অর্জনের কথা বলা হয়েছে।
B) Spamming - এটি কোনো তথ্য চুরির পদ্ধতি নয়, বরং অপ্রয়োজনীয় বা বাণিজ্যিক ইমেইল একসাথে অনেক ঠিকানায় পাঠানোকে স্প্যামিং বলে।
C) Ransom ware - এটি এক ধরণের ম্যালওয়্যার যা ব্যবহারকারীর ফাইল এনক্রিপ্ট করে আটকে রাখে এবং মুক্তির জন্য টাকা দাবি করে, তথ্য চুরি করা এর মূল কাজ নয়।
D) Sniffing - এটি নেটওয়ার্ক ট্রাফিক বা ডেটা প্যাকেট পর্যবেক্ষণ বা চুরি করার প্রযুক্তিগত মাধ্যম, যা সরাসরি ব্যবহারকারীকে ধোঁকা দিয়ে তথ্য নেওয়ার সাথে সম্পর্কিত নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
ফিশিং শব্দটি এসেছে ফিশিং বা মাছ শিকার থেকে, যেখানে টোপ বা বশির সাহায্যে মাছ ধরা হয়।
এখানে ইন্টারনেট বা ইমেইলের মাধ্যমে টোপ ফেলা হয় এবং ব্যবহারকারীরা সেই টোপ গেলে নিজের সংবেদনশীল তথ্য দিয়ে ফেলেন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ফিশিং রোধ করার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো অজানা বা সন্দেহজনক লিংকে ক্লিক না করা এবং ওয়েবসাইটের ইউআরএল ভালোভাবে যাচাই করা।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ফিশিং এবং সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং প্রায়ই একসাথে বা সমার্থক হিসেবে প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর:
D) উপরের সবগুলো
১. কেন সঠিক:
আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে রোগ নির্ণয়, চিকিৎসা প্রদান এবং রোগীর শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণের জন্য কম্পিউটার অপরিহার্য একটি মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
চিকিৎসা ক্ষেত্রে ডেটা প্রসেসিং, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং উন্নত সফটওয়্যারের সাহায্যে চিকিৎসকদের কাজ দ্রুত ও নির্ভুল করা সম্ভব হয়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: চিকিৎসা ক্ষেত্রে কম্পিউটার হলো এমন সব হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের সমন্বয়, যা স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকে সহজ ও ত্রুটিমুক্ত করে।
কার্যপদ্ধতি: বিভিন্ন মেডিকেল সেন্সর ও ডিভাইসের মাধ্যমে রোগীর ডেটা সংগ্রহ করে তা বিশ্লেষণ করে আউটপুট প্রদান করে।
ব্যবহার: হসপিটাল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম, রোগীর মনিটরিং এবং প্যাথলজিক্যাল টেস্টের রিপোর্ট তৈরিতে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ইসিজি বা ইলেক্ট্রোকার্ডিওগ্রাম মেশিন।
ব্যাখ্যা: এটি হৃদপিণ্ডের বৈদ্যুতিক গতিবিধি কম্পিউটার বা মনিটরে গ্রাফের মাধ্যমে প্রদর্শন করে।
উদাহরণ ২: এমআরআই বা ম্যাগনেটিক রেজোন্যান্স ইমেজিং।
ব্যাখ্যা: এটি শক্তিশালী চুম্বক ও কম্পিউটারের সাহায্যে শরীরের ভেতরের অঙ্গের থ্রিডি ছবি তৈরি করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তথ্য সংরক্ষণ — এটি আংশিক সত্য কারণ শুধু সংরক্ষণ নয়, ডেটা প্রক্রিয়াকরণও কম্পিউটারের কাজের অন্তর্ভুক্ত।
B) ইমেজ বিশ্লেষণ — এটিও আংশিক সত্য কারণ সিটি স্ক্যান বা এক্সরে ইমেজ শুধু বিশ্লেষণ নয়, রোগী পর্যবেক্ষণও এর কাজ।
C) রোগী পর্যবেক্ষণ — এটিও আংশিক সত্য কারণ আইসিইউ বা সিসিইউতে রোগীর ভাইটাল সাইন পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি তথ্য সংরক্ষণ করা হয়।
D) উপরের সবগুলো — এই অপশনটি সঠিক কারণ কম্পিউটার চিকিৎসা ক্ষেত্রে সংরক্ষণ, বিশ্লেষণ ও পর্যবেক্ষণ তিনটি কাজই একসঙ্গে করে থাকে।
৫. মনে রাখার টিপস:
চিকিৎসা ক্ষেত্রে কম্পিউটারের বহুমুখী ব্যবহার রয়েছে।
রোগীর ডেটা রাখা থেকে শুরু করে স্ক্যানিং ও মনিটরিং পর্যন্ত সবকিছুই কম্পিউটারভিত্তিক প্রযুক্তির অন্তর্ভুক্ত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কম্পিউটার টমোগ্রাফি বা সিটি স্ক্যান এবং আল্ট্রাসাউন্ড প্রযুক্তিতে কম্পিউটারের ব্যবহার সবচেয়ে বেশি দেখা যায়।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আইসিটি ও স্বাস্থ্যসেবা সম্পর্কিত এই ধরনের মাল্টিপল চয়েস প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর:
C) NOR
১. কেন সঠিক:
সার্বজনীন ডিজিটাল লজিক গেইট বা ইউনিভার্সাল গেট হলো সেই সকল লজিক গেইট, যা দিয়ে মৌলিক গেটসহ যেকোনো ধরনের লজিক সার্কিট বা বুলিয়ান ফাংশন বাস্তবায়ন করা সম্ভব।
NOR এবং NAND গেট হলো দুটি সার্বজনীন গেট, যা বুলিয়ান অ্যালজেব্রার সকল মৌলিক অপারেশন সম্পন্ন করতে পারে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: NOR গেট হলো NOT এবং OR গেটের সমন্বয়ে গঠিত একটি যৌগিক লজিক গেট, যার আউটপুট কেবল তখনই হাই বা ১ হয় যখন এর সকল ইনপুট লো বা ০ থাকে।
কার্যপদ্ধতি: এটি প্রথমে ইনপুটগুলোর মধ্যে OR অপারেশন সম্পন্ন করে এবং প্রাপ্ত ফলাফলের ওপর NOT অপারেশন প্রয়োগ করে চূড়ান্ত আউটপুট প্রদান করে।
বৈশিষ্ট্য: NOR গেটের ইনপুটগুলোতে অন্তত একটি ১ থাকলে এর আউটপুট ০ হয় এবং সব ইনপুট ০ হলে আউটপুট ১ পাওয়া যায়।
ব্যবহার: ডিজিটাল কম্পিউটার ডিজাইন, মেমোরি ইউনিট নির্মাণ এবং বহুমুখী কম্বিনেশনাল লজিক সার্কিট তৈরিতে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাসার প্রধান দরজার সিকিউরিটি অ্যালার্ম সিস্টেম।
ব্যাখ্যা: সবকটি জানালা ও দরজা বন্ধ থাকলে বা ইনপুট শূন্য হলে অ্যালার্ম বাজবে বা আউটপুট এক হবে, যা NOR গেটের সত্যক সারণির অনুরূপ।
উদাহরণ ২: এসআর ল্যাচ বা মেমোরি সেল তৈরিতে NOR গেটের ব্যবহার।
ব্যাখ্যা: ডিজিটাল সার্কিটে ডেটা সংরক্ষণের জন্য এই গেটের মাধ্যমে ফিডব্যাক লুপ তৈরি করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) XOR — এটি কোনো সার্বজনীন গেট নয়, বরং একটি বিশেষ ধরনের এক্সক্লুসিভ লজিক গেট যা বুলিয়ান সমতার পরিবর্তনে ব্যবহৃত হয়।
B) AND — এটি একটি মৌলিক লজিক গেট এবং এটি একা সব ধরনের লজিক অপারেশন বাস্তবায়ন করতে পারে না।
C) NOR — এটি একটি সার্বজনীন ডিজিটাল লজিক গেইট, যা সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে।
D) OR — এটি একটি মৌলিক লজিক গেট এবং সার্বজনীন গেটের সংজ্ঞার মধ্যে এটি পড়ে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
ইউনিভার্সাল বা সার্বজনীন গেট মনে রাখার সহজ উপায় হলো ইংরেজি এন এবং ডি অক্ষর দিয়ে শুরু গেট দুটি, অর্থাৎ NAND এবং NOR।
মৌলিক গেটগুলো (AND, OR, NOT) দিয়ে সব লজিক তৈরি করা যায় না বলেই সার্বজনীন গেটের প্রয়োজন হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোন দুটি গেট সার্বজনীন, যার উত্তর NAND এবং NOR।
মৌলিক গেট তিনটি হলেও সার্বজনীন গেট মূলত দুটি।
সঠিক উত্তর:
D) Physical ownership of servers
১. কেন সঠিক:
ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ইন্টারনেটভিত্তিক সেবা, যেখানে নিজস্ব কোনো সার্ভার বা হার্ডওয়্যার কেনার প্রয়োজন হয় না।
সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান যেমন অ্যামাজন বা গুগল সার্ভারগুলোর শারীরিক মালিকানা ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব নেয়, তাই এটি সঠিক নয়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে রিমোট সার্ভারে ডেটা সংরক্ষণ, পরিচালনা এবং প্রসেস করার একটি প্রযুক্তি।
কার্যপদ্ধতি: ব্যবহারকারী ইন্টারনেটের মাধ্যমে যেকোনো স্থান থেকে যেকোনো ডিভাইসে সেবাদাতার ডেটাসেন্টার ও রিসোর্স ব্যবহার করতে পারে।
বৈশিষ্ট্য: চাহিদা অনুযায়ী দ্রুত সেবা পাওয়া, যেকোনো নেটওয়ার্ক থেকে প্রবেশাধিকার এবং রিসোর্স শেয়ারিং এর প্রধান বৈশিষ্ট্য।
ব্যবহার: গুগল ড্রাইভ বা মাইক্রোসফট ওয়ানড্রাইভের মাধ্যমে ফাইল সংরক্ষণ এবং অনলাইন সফটওয়্যার চালাতে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গুগল ড্রাইভ।
ব্যাখ্যা: গুগল ড্রাইভে ফাইল রাখার জন্য নিজের কম্পিউটার বা হার্ডডিস্কের অতিরিক্ত জায়গা লাগে না, গুগলের ক্লাউড সার্ভার এই কাজটি করে দেয়।
উদাহরণ ২: নেটফ্লিক্স স্ট্রিমিং সেবা।
ব্যাখ্যা: নেটফ্লিক্স তাদের ভিডিওগুলো নিজেদের ক্লাউড সার্ভারে রাখে এবং ব্যবহারকারীরা ইন্টারনেট সংযোগের মাধ্যমে তা সরাসরি দেখতে পায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) On-demand self service — এটি ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের একটি প্রধান বৈশিষ্ট্য, যেখানে ব্যবহারকারী নিজের প্রয়োজনমতো সেবা নিতে পারে।
B) Broad network access — এটি ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের আরেকটি বৈশিষ্ট্য, যার মাধ্যমে যেকোনো ডিভাইস থেকে ইন্টারনেটে সেবা পাওয়া যায়।
C) Limited customization — এটিও ক্লাউড সেবার একটি সীমাবদ্ধতা বা বৈশিষ্ট্য হতে পারে, কারণ ব্যবহারকারী ক্লাউডের হার্ডওয়্যার নিজের মতো পরিবর্তন করতে পারে না।
D) Physical ownership of servers — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ ক্লাউড কম্পিউটিংয়ে ব্যবহারকারীর নিজস্ব কোনো সার্ভারের ফিজিক্যাল বা শারীরিক মালিকানা থাকে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
ক্লাউড কম্পিউটিং মানে অন্যের কম্পিউটার বা সার্ভার ভাড়া নিয়ে নিজের কাজ চালানো।
নিজের ফিজিক্যাল সার্ভার বা কম্পিউটার থাকলে তাকে ট্র্যাডিশনাল বা অন-প্রিমিজেস কম্পিউটিং বলে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেকনোলজি ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের পাঁচটি মূল বৈশিষ্ট্য নির্ধারণ করেছে।
ভবিষ্যতের প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ৫টি বৈশিষ্ট্য থেকে প্রায়শই প্রশ্ন করা হয়।
সঠিক উত্তর: A) নৈতিক
১. কেন সঠিক:
ভালো এবং মন্দের বিচার করা মানুষের বিবেক এবং নৈতিক চেতনার ওপর নির্ভর করে। এটি কোনো বস্তুগত লাভ বা ক্ষমতার বিষয় নয়, বরং মানুষের অভ্যন্তরীণ আচরণের মানদণ্ড।
নৈতিক মূল্যবোধ মানুষকে সঠিক ও ভুলের মধ্যে পার্থক্য করতে শেখায়। এটি সমাজ ও সংস্কৃতির সীমানা ছাড়িয়ে সার্বজনীন মানবিক কল্যাণের পক্ষে কাজ করে।
২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ:
মূল ধারণা: নৈতিক মূল্যবোধ হলো সেই আদর্শ যা মানুষকে সততা, ন্যায়পরায়ণতা এবং মানবতার পথে পরিচালিত করে। এটি মানুষের ভেতরের শুভবুদ্ধি জাগিয়ে তোলে।
গুরুত্ব: ব্যক্তিগত জীবনে সততা এবং সমাজ জীবনে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নৈতিক মূল্যবোধের বিকল্প নেই। এটি মানুষকে আইনের শাসনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল করে তোলে।
প্রয়োগ: নিজের স্বার্থের চেয়ে অন্যের অধিকার এবং সামাজিক কল্যাণকে অগ্রাধিকার দেওয়ার মাধ্যমে এটি বাস্তবায়ন করা যায়। পেশাগত ও ব্যক্তিগত জীবনে সততা রক্ষা করা এর মূল প্রয়োগ।
সম্ভাব্য প্রভাব: নৈতিক আচরণের ফলে সমাজে অপরাধপ্রবণতা হ্রাস পায় এবং পারস্পরিক আস্থা বৃদ্ধি পায়। এটি একটি সুশৃঙ্খল ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনে সহায়তা করে।
৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পরীক্ষার হলে শিক্ষক বা তদারকি না থাকলেও নিজের সততা বজায় রেখে অসদুপায় পরিহার করা।
ব্যাখ্যা: এখানে ভালো ও মন্দের বিচার করার নৈতিক মূল্যবোধ কাজ করেছে, যা শিক্ষার্থীর ব্যক্তিগত সততা প্রমাণ করে।
উদাহরণ ২: কোনো দোকানদার ভুল করে অতিরিক্ত টাকা ফেরত দিলে তা সততার সঙ্গে দোকানদারকে বুঝিয়ে দেওয়া।
ব্যাখ্যা: লোভ সংবরণ করে সঠিক কাজটি বেছে নেওয়া নৈতিক মূল্যবোধের প্রকৃত প্রয়োগ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নৈতিক — এই অপশনটি সঠিক কারণ ভালো-মন্দের ধারণা মানুষের বিবেক ও নৈতিকতার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত।
B) অর্থনৈতিক — এই অপশনটি ভুল কারণ অর্থনৈতিক মূল্যবোধ টাকা-পয়সা, সম্পদ এবং উৎপাদন সংক্রান্ত বিষয় নির্দেশ করে।
C) রাজনৈতিক — এই অপশনটি ভুল কারণ রাজনৈতিক মূল্যবোধ ক্ষমতা, মতাদর্শ এবং রাষ্ট্র পরিচালনার সঙ্গে সম্পর্কিত।
D) সামাজিক — এই অপশনটি ভুল কারণ সামাজিক মূল্যবোধ মূলত প্রথা, আচার-আচরণ এবং সমাজের মানুষের পারস্পরিক সম্পর্কের ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠে।
৫. মনে রাখার টিপস:
ভালো-মন্দ, ঠিক-বেঠিক এবং সততা-অসততার বিচার যেখানেই থাকবে, চোখ বন্ধ করে তাকে নৈতিক মূল্যবোধ হিসেবে চিহ্নিত করবে। এটি সম্পূর্ণভাবে মানুষের বিবেক ও ভেতরের চেতনার সঙ্গে জড়িত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
এই প্রশ্নটি থেকে মূল শিক্ষা হলো মানুষের প্রতিটি কাজের পেছনে কোনো না কোনো মূল্যবোধ কাজ করে। এই ধরনের নীতি থেকে পরীক্ষায় সততা, ন্যায়বিচার বা কর্তব্যপরায়ণতা সংক্রান্ত প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: D) মত প্রকাশের স্বাধীনতা
১. কেন সঠিক:
- সুশাসনের অন্যতম মূল স্তম্ভ হলো নাগরিক অংশগ্রহণ ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা, যা সরকার ও জনগণের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করে।
- এটি একটি গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ যা নাগরিকদের রাষ্ট্রের নীতি নির্ধারণ ও কার্যক্রমে মতামত জানানোর অধিকার প্রদান করে।
২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ:
প্রশ্নের ধরন: সুশাসন ও জবাবদিহি
- মূল ধারণা: সুশাসন হলো এমন একটি শাসনব্যবস্থা যা স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক, অংশগ্রহণমূলক এবং আইনের শাসনের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
- গুরুত্ব: এটি সমাজে সুশৃঙ্খল পরিবেশ বজায় রাখতে এবং ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- প্রয়োগ: সরকারি সিদ্ধান্ত বা নীতিমালায় নাগরিকদের মতামত প্রকাশের সুযোগ সৃষ্টি করার মাধ্যমে এটি বাস্তবায়ন করা যায়।
- সম্ভাব্য প্রভাব: এর ফলে জনগণের অধিকার সুরক্ষিত হয় এবং রাষ্ট্রীয় কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা সম্ভব হয়।
৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কোনো এলাকার উন্নয়নে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ একটি প্রকল্প হাতে নিলে নাগরিকদের মতামত চাওয়া।
ব্যাখ্যা: এখানে নাগরিকরা তাদের সুচিন্তিত মতামত প্রকাশের মাধ্যমে সুশাসনের অংশগ্রহণমূলক বৈশিষ্ট্যটি নিশ্চিত করেন।
উদাহরণ ২: সংবাদমাধ্যমে বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জনস্বার্থে কোনো নীতির গঠনমূলক সমালোচনা করা।
ব্যাখ্যা: এটি মত প্রকাশের স্বাধীনতার সঠিক প্রয়োগ, যা সরকারকে ভুল সংশোধনে বাধ্য করে এবং দায়িত্বশীলতা বাড়ায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নিরপেক্ষ আইন ব্যবস্থা — এটি সুশাসনের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলেও আইন প্রণয়নের প্রক্রিয়াটি নাগরিক অংশগ্রহণ ও মত প্রকাশের ওপর নির্ভরশীল।
B) নিরপেক্ষ বিচার ব্যবস্থা — এটি মূলত আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার সাথে সম্পর্কিত, যা সুশাসনের একটি অন্যতম পূর্বশর্ত।
C) প্রশাসনের নিরপেক্ষতা — এটি জনসেবা প্রদান ও দুর্নীতি দমনের জন্য জরুরি হলেও একা সুশাসন নিশ্চিত করতে পারে না।
D) মত প্রকাশের স্বাধীনতা — প্রদত্ত সঠিক উত্তর অনুযায়ী এটিই সুশাসনের মূল পূর্বশর্ত হিসেবে বিবেচিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সুশাসন মানেই জনগণের অংশগ্রহণ। আর জনগণের অংশগ্রহণের প্রধান হাতিয়ার হলো মত প্রকাশের স্বাধীনতা।
- পরীক্ষার প্রশ্নে সুশাসনের পূর্বশর্ত চাইলে অংশগ্রহণ ও মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে প্রাধান্য দিতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সুশাসনের মূল স্তম্ভগুলো হলো অংশগ্রহণ, স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং আইনের শাসন।
- এই নীতি থেকে বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই প্রশ্ন আসে, বিশেষ করে নাগরিক অধিকার ও সুশাসনের সম্পর্ক নিয়ে।
সঠিক উত্তর: A) জন স্টুয়ার্ট মিল
১. কেন সঠিক:
- জন স্টুয়ার্ট মিল ১৮৬১ সালে প্রকাশিত 'Utilitarianism' গ্রন্থের মাধ্যমে উপযোগিতাবাদের তাত্ত্বিক ভিত্তি সুদৃঢ় করেন।
- এই নীতি অনুযায়ী, কোনো কর্মের নৈতিক মান নির্ধারিত হয় তার পরিণতির ওপর ভিত্তি করে, যা সর্বাধিক মানুষের সর্বাধিক কল্যাণ নিশ্চিত করে।
২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ:
- মূল ধারণা: উপযোগিতাবাদ এমন একটি নৈতিক তত্ত্ব, যা কাজের ফলাফল বা পরিণতির ভিত্তিতে ভালো বা মন্দের বিচার করে।
- প্রয়োগ: সরকারি নীতি প্রণয়ন বা প্রাতিষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের সময় বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর কল্যাণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হয়।
৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাজেট প্রণয়নকালে গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে বেশি বরাদ্দ দেওয়া।
ব্যাখ্যা: এতে দেশের অধিকাংশ সুবিধাবঞ্চিত মানুষ উপকৃত হয়, যা উপযোগিতাবাদের মূল লক্ষ্যের সঙ্গে পুরোপুরি সংগতিপূর্ণ।
উদাহরণ ২: মহামারী মোকাবিলায় সর্বসাধারণের জন্য বিনা মূল্যে টিকা বিতরণ করা।
ব্যাখ্যা: এই সিদ্ধান্ত সামগ্রিক সমাজের স্বাস্থ্যঝুঁকি কমায় এবং সর্বাধিক মানুষের জীবন রক্ষা নিশ্চিত করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জন স্টুয়ার্ট মিল — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি ১৮৬১ সালে গ্রন্থটি রচনা করে উপযোগিতাবাদকে জনপ্রিয় করেন।
B) ইমানূয়েল কান্ট — তিনি উপযোগিতাবাদের প্রবক্তা নন, বরং তিনি কর্ত্তব্যভিত্তিক নীতিবিদ্যার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।
C) বার্ট্রান্ড রাসেল — তিনি একজন বিখ্যাত আধুনিক দার্শনিক ও গণিতবিদ হলেও এই গ্রন্থের রচয়িতা নন।
D) জেরেমি বেন্থাম — তিনি উপযোগিতাবাদের সূচনা করলেও 'Utilitarianism' গ্রন্থটি জন স্টুয়ার্ট মিলের লেখা।
৫. মনে রাখার টিপস:
- উপযোগিতাবাদ বা Utilitarianism তত্ত্বের প্রতিষ্ঠাতা জেরেমি বেন্থাম হলেও গ্রন্থটির রচয়িতা হিসেবে জন স্টুয়ার্ট মিল সর্বাধিক পরিচিত।
- বইটির নাম মনে রাখতে মিল ও উপযোগিতা শব্দ দুটি একসঙ্গে স্মরণ রাখতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- উপযোগিতাবাদ তত্ত্বের মূল কথা হলো সর্বাধিক মানুষের সর্বাধিক কল্যাণ সাধন করা।
- এই নীতি থেকে প্রায়শই পরিণতিবাদী নৈতিকতা বা কাজের ফলাফল সংক্রান্ত প্রশ্ন পরীক্ষাসমূহে আসে।
সঠিক উত্তর: C) বিশ্বব্যাংক
১. কেন সঠিক:
- সুশাসন প্রত্যয়টি প্রথম আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আনুষ্ঠানিকভাবে ব্যবহার করে বিশ্বব্যাংক।
- ১৯৯২ সালে প্রকাশিত বিশ্বব্যাংকের একটি প্রতিবেদনে সাব সাহারীয় আফ্রিকার উন্নয়ন সংকট বিশ্লেষণ করতে গিয়ে সুশাসন বা গুড গভর্ন্যান্স ধারণটি প্রথম জোরালোভাবে উপস্থাপন করা হয়।
- এই ধারণার মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহি, আইনের শাসন এবং জনগণের অংশগ্রহণের ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়।
২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ:
- মূল ধারণা: সুশাসন হলো এমন একটি শাসনব্যবস্থা যেখানে ক্ষমতার প্রয়োগ এবং সরকারি সম্পদ ব্যবস্থাপনায় সততা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা হয়।
- গুরুত্ব: সুশাসন ছাড়া কোনো সমাজ বা রাষ্ট্রে টেকসই উন্নয়ন এবং নাগরিক অধিকার রক্ষা করা সম্ভব নয়।
৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ:
উদাহরণ ১: একজন সরকারি কর্মকর্তা যখন টেন্ডার প্রক্রিয়ায় কোনো স্বজনপ্রীতি না করে সম্পূর্ণ উন্মুক্ত ও স্বচ্ছ পদ্ধতিতে যোগ্য ঠিকাদার নির্বাচন করেন।
ব্যাখ্যা: এটি সুশাসনের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতার বাস্তব প্রয়োগ।
উদাহরণ ২: সাধারণ নাগরিক যখন নিজের এলাকার উন্নয়ন কাজের বাজেট ও ব্যয় সম্পর্কে তথ্য অধিকার আইনের মাধ্যমে জানতে চান।
ব্যাখ্যা: এটি সুশাসনের জবাবদিহি ও নাগরিক অংশগ্রহণের নীতির সঠিক চর্চা।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইউরোপীয় ইউনিয়ন — এই সংস্থাটি মানবধিকার ও গণতন্ত্রের প্রসার ঘটালেও সুশাসন প্রত্যয়টির উদ্ভাবক নয়।
B) আই, এল, ও — আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা মূলত শ্রমিকদের অধিকার ও কাজের পরিবেশ নিয়ে কাজ করে, সুশাসন শব্দটির উদ্ভাবক নয়।
C) বিশ্বব্যাংক — সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি প্রযোজ্য।
D) জাতিসংঘ — জাতিসংঘ পরবর্তীকালে সুশাসনকে ব্যাপক সমর্থন ও প্রসারিত করলেও এই প্রত্যয়টি প্রথম ব্যবহার করে বিশ্বব্যাংক।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বিশ্ব ব্যাংক মানেই অর্থের হিসাব আর হিসাব পরিষ্কার রাখাই হলো সুশাসন।
- বিশ্বব্যাংকের ১৯৯২ সালের প্রতিবেদন দিয়েই মূলত সুশাসন বিশ্বজুড়ে পরিচিতি লাভ করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সুশাসনের মূল উপাদানগুলো যেমন স্বচ্ছতা, জবাবদিহি, আইনের শাসন ও অংশগ্রহণ ভালো করে মনে রাখবে।
- সুশাসন সংক্রান্ত অন্য প্রশ্নে আসতে পারে সুশাসনের স্তম্ভ কয়টি বা এর মূল ভিত্তি কী।
সঠিক উত্তর: A) সামাজিক দিক
১. কেন সঠিক:
- সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য বা এমডিজি অর্জনে সুশাসনের সামাজিক দিকটিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, কারণ এটি দারিদ্র্য বিমোচন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত।
- সুশাসন ও জনকল্যাণের এই নীতি নিশ্চিত করে যে সমাজের প্রতিটি নাগরিক যেন বৈষম্যহীনভাবে মৌলিক অধিকার ও সামাজিক নিরাপত্তা লাভ করতে পারে।
২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ:
- মূল ধারণা: সামাজিক ন্যায়বিচার ও মানব উন্নয়ন হলো এমন একটি নৈতিক ভিত্তি, যা সমাজের প্রতিটি মানুষের মৌলিক চাহিদা ও মর্যাদা রক্ষা করতে বাধ্য করে।
- গুরুত্ব: সুশাসনের সামাজিক দিকটি বাস্তবায়িত হলে সমাজের বঞ্চিত ও পিছিয়ে থাকা মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত হয় এবং সামাজিক বৈষম্য হ্রাস পায়।
- প্রয়োগ: সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, বিনামূল্যে শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা প্রদানে স্বচ্ছতা বজায় রেখে সঠিক ব্যক্তির কাছে সহায়তা পৌঁছে দেওয়া।
- সম্ভাব্য প্রভাব: এর ফলে সমাজে অপরাধ প্রবণতা কমে, নাগরিকের রাষ্ট্রের প্রতি আস্থা বৃদ্ধি পায় এবং একটি মানবিক ও সমতার সমাজ গঠিত হয়।
৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সরকারি হাসপাতালে দরিদ্র রোগীদের জন্য বরাদ্দ ওষুধ সঠিকভাবে বিতরণ করা এবং কোনো ধরনের দুর্নীতি না করা।
ব্যাখ্যা: এটি সুশাসনের সামাজিক দায়িত্ব এবং মানবিক মূল্যবোধের সঠিক প্রয়োগ, যা সমাজের সবচেয়ে দুর্বল শ্রেণির অধিকার রক্ষা করে।
উদাহরণ ২: এলাকার প্রতিটি শিশুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যাওয়া নিশ্চিত করতে স্থানীয় যুবসমাজ ও প্রশাসনের যৌথভাবে কাজ করা।
ব্যাখ্যা: এটি নাগরিক দায়িত্ববোধ ও সামাজিক উন্নয়নের প্রতিশ্রুতির বহিঃপ্রকাশ, যা সহস্রাব্দ লক্ষ্য অর্জনে সরাসরি সাহায্য করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সামাজিক দিক — এই অপশনটি সঠিক কারণ সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যের মূল ভিত্তি হলো মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন।
B) অর্থনৈতিক দিক — অর্থনৈতিক উন্নয়ন এর একটি মাধ্যম হলেও সুশাসনের এই ক্ষেত্রে সামাজিক ও মানবিক সূচকগুলোকে অধিক প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে।
C) মূল্যবোধের দিক — মূল্যবোধ ব্যক্তিগত ও সামাজিক আচরণের পথপ্রদর্শক হলেও সুশাসনের নির্দিষ্ট এই লক্ষ্য অর্জনে একে সরাসরি প্রধান ক্ষেত্র হিসেবে ধরা হয়নি।
D) গণতান্ত্রিক দিক — গণতন্ত্র সুশাসনের অন্যতম শর্ত হলেও সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যের মূল উদ্দেশ্য সরাসরি জনকল্যাণ ও সামাজিক অগ্রগতি অর্জন করা।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য বা এমডিজির সাথে মানুষের মৌলিক অধিকার ও জীবনযাত্রার মান জড়িত থাকায় এর সাথে সুশাসনের সামাজিক দিকটি মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সুশাসনের বিভিন্ন মাত্রা যেমন সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক দিকগুলোর মূল লক্ষ্য ও পার্থক্য ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) সক্রেটিস
১. কেন সঠিক:
- এই বিখ্যাত উক্তিটি গ্রিক দার্শনিক সক্রেটিসের নৈতিক দর্শনকে নির্দেশ করে, যেখানে তিনি জ্ঞান ও পুণ্য বা নৈতিকতার মধ্যে গভীর সংযোগ স্থাপন করেছেন।
- তাঁর মতে, প্রকৃত জ্ঞান মানুষকে পাপ বা অনৈতিকতা থেকে দূরে রাখে এবং সঠিক কর্মের পথে পরিচালিত করে।
২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ:
- মূল ধারণা: জ্ঞান ও পুণ্য এক অভিন্ন সত্তা, যেখানে অজ্ঞানতাই সকল অনৈতিক কাজের মূল কারণ হিসেবে বিবেচিত হয়।
- গুরুত্ব: ব্যক্তিগত জীবনে নৈতিক জ্ঞান অর্জন মানুষকে আত্মসচেতন ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে সহায়তা করে।
৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কর্মক্ষেত্রে কোনো কর্মকর্তা দুর্নীতির প্রস্তাব পেলে যদি নৈতিক ও আইনগত জ্ঞান রাখেন, তবে তিনি তা সহজেই প্রত্যাখ্যান করতে পারবেন।
ব্যাখ্যা: সঠিক জ্ঞান ও মূল্যবোধ মানুষকে লোভের ঊর্ধ্বে থেকে সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে উদ্বুদ্ধ করে।
উদাহরণ ২: একজন শিক্ষার্থী পরীক্ষার হলে অসদুপায় পরিহার করে নিজের মেধার ওপর ভরসা রাখে।
ব্যাখ্যা: এটি তার নৈতিক শিক্ষার প্রতিফলন, যা তাকে সততার পথ ধরে ভবিষ্যতে সফল হতে সাহায্য করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) থেলিস — থেলিস প্রাচীন গ্রিসের প্রথম দিকের দার্শনিক হলেও তিনি জল বা পানির তত্ত্বের জন্য পরিচিত, নৈতিক দর্শনের এই উক্তির জন্য নন।
B) সক্রেটিস — এই বিকল্পটি সঠিক কারণ তিনি জ্ঞান ও পুণ্যের এই অবিচ্ছেদ্য সম্পর্কের প্রবক্তা।
C) এ্যারিস্টটল — এ্যারিস্টটল পুণ্যকে অভ্যাসের ফল হিসেবে দেখলেও এই নির্দিষ্ট উক্তিটি তাঁর নয়।
D) প্লেটো — প্লেটো আদর্শ রাষ্ট্রের ধারণা দিলেও 'জ্ঞানই পুণ্য' এই মূল তত্ত্বটি তাঁর শিক্ষক সক্রেটিসের দর্শনের মূল ভিত্তি।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সক্রেটিস হলেন নৈতিক দর্শনের জনক, তাই জ্ঞান ও পুণ্যসংক্রান্ত প্রশ্ন দেখলে তাঁর নাম মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- নৈতিকতা ও মূল্যবোধের ভিত্তি হলো সঠিক জ্ঞান অর্জন করা।
- একই নীতি থেকে সক্রেটিসের নৈতিক বুদ্ধিবৃত্তাবাদ বা জ্ঞানের সঙ্গে আচরণের সম্পর্ক সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: A) শুদ্ধাচার
১. কেন সঠিক:
- নৈতিকতা ও সততার দ্বারা প্রভাবিত হয়ে যখন কোনো ব্যক্তি তার পেশাগত বা ব্যক্তিগত জীবনে সর্বোচ্চ উৎকর্ষ ও মান অর্জন করে, তখন তাকে শুদ্ধাচার বলা হয়।
- এটি কেবল ব্যক্তিগত সততা নয়, বরং প্রাতিষ্ঠানিক ও সামাজিক ক্ষেত্রে নৈতিক আচরণ, স্বচ্ছতা ও কর্তব্যপরায়ণতার সম্মিলিত রূপ।
২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ:
- মূল ধারণা: শুদ্ধাচার হলো নৈতিকতা ও সততা দ্বারা প্রভাবিত এমন একটি আচরণগত উৎকর্ষ, যা সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সাহায্য করে।
- গুরুত্ব: এটি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের মধ্যে জবাবদিহি নিশ্চিত করে এবং সমাজে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে সহায়তা করে।
- প্রয়োগ: সরকারি বা বেসরকারি কর্মক্ষেত্রে সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে শুদ্ধাচারের চর্চা করা যায়।
- সম্ভাব্য প্রভাব: এর ফলে সমাজে দুর্নীতি হ্রাস পায় এবং জনসেবার মান বহুগুণ বৃদ্ধি পায়।
৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ:
উদাহরণ ১: একজন সরকারি কর্মকর্তা কোনো ধরনের ঘুষ বা অবৈধ সুবিধা না নিয়ে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নাগরিকদের সেবা প্রদান করছেন।
ব্যাখ্যা: এখানে কর্মকর্তাটির আচরণে শুদ্ধাচারের প্রতিফলন ঘটেছে, কারণ তিনি নৈতিকতা ও সততা বজায় রেখে তার পেশাগত দায়িত্ব পালন করেছেন।
উদাহরণ ২: একজন শিক্ষক পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থেকে মেধার সঠিক মূল্যায়ন করছেন।
ব্যাখ্যা: এটি পেশাগত শুদ্ধাচারের উৎকৃষ্ট উদাহরণ, যেখানে সততা ও ন্যায়পরায়ণতা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পেয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শুদ্ধাচার — এই অপশনটি সঠিক, কারণ এটি নৈতিকতা ও সততা দ্বারা প্রভাবিত আচরণগত উৎকর্ষকে নির্দেশ করে।
B) মূল্যবোধ — এটি সমাজের মানুষের মনের ভেতর দীর্ঘকাল ধরে লালিত বিশ্বাস ও ধারণার সমষ্টি, যা আচরণকে পরিচালনা করে কিন্তু সরাসরি উৎকর্ষ বোঝায় না।
C) মানবিকতা — এটি মানুষের প্রতি সহানুভূতি ও দরদ প্রদর্শনের গুণ, যা শুদ্ধাচারের একটি অংশ হতে পারে কিন্তু সম্পূর্ণ আচরণগত উৎকর্ষের পরিধি বোঝায় না।
D) সফলতা — এটি কোনো লক্ষ্য অর্জনে কাঙ্ক্ষিত ফল লাভ করাকে বোঝায়, যা নৈতিকতা বা সততার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নাও হতে পারে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- নৈতিকতা এবং সততার সঙ্গে যখন প্রাতিষ্ঠানিক উৎকর্ষ ও সুশাসনের বিষয়টি যুক্ত হয়, তখন তাকে শুদ্ধাচার হিসেবে মনে রাখবে।
- সফলতা হলো প্রাপ্তি আর শুদ্ধাচার হলো অর্জনের পথ বা আচরণগত উৎকর্ষ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- শুদ্ধাচার মূলত সুশাসন ও দুর্নীতি প্রতিরোধের একটি শক্তিশালী হাতিয়ার হিসেবে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
- এই নীতি থেকে সরকারি কর্মচারীর আচরণ ও সুশাসনের সূচক সম্পর্কিত প্রশ্ন হতে পারে।
সঠিক উত্তর: C) নৈতিক চেতনা
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরের মূল কারণ হলো মূল্যবোধ মূলত মানুষের ভেতরের বিচারবুদ্ধি ও অনুভূতির ওপর নির্ভর করে গড়ে ওঠে।
- সংশ্লিষ্ট নৈতিক নীতি হলো নৈতিক চেতনা, যা মানুষকে ভালো ও মন্দের তফাত বুঝতে সাহায্য করে।
২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ:
- মূল ধারণা: নৈতিক চেতনা হলো মানুষের সেই অভ্যন্তরীণ বোধ যা অন্যায় থেকে দূরে রেখে ন্যায় ও সততার পথে চালিত করে।
- গুরুত্ব: এটি ব্যক্তির আচরণ নিয়ন্ত্রণ করে এবং সমাজকে সুশৃঙ্খল রাখতে প্রত্যক্ষ ভূমিকা পালন করে।
৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কোনো দোকানদার ভুল করে অতিরিক্ত টাকা ফেরত দিলে নিজের বিবেক বা নৈতিক চেতনার তাড়নায় তা দোকানদারকে ফিরিয়ে দেওয়া।
ব্যাখ্যা: এখানে বাহ্যিক কোনো আইন বা ধর্মের ভয় কাজ করেনি, বরং নিজের ভেতরের নৈতিক চেতনা সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করেছে।
উদাহরণ ২: পরীক্ষার হলে শিক্ষক না থাকলেও নিজের সততা বজায় রেখে অসদুপায় গ্রহণ থেকে বিরত থাকা।
ব্যাখ্যা: এটি নৈতিক চেতনার বহিঃপ্রকাশ, যা নিজের দায়িত্ববোধ ও মর্যাদাবোধ থেকে উদ্ভূত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ধর্ম — ধর্ম মূল্যবোধের একটি শক্তিশালী উৎস হলেও এটি একমাত্র উৎস নয়, কারণ ধর্মনিরপেক্ষ সমাজেও মূল্যবোধের চর্চা রয়েছে।
B) সমাজ — সমাজ মূল্যবোধকে রূপ দেয় ও টিকিয়ে রাখে, কিন্তু মূল্যবোধের মূল ভিত্তি মানুষের অভ্যন্তরীণ চেতনা।
D) রাষ্ট্র — রাষ্ট্র আইন ও বিধিমালা তৈরি করে শৃঙ্খলা বজায় রাখে, যা বাহ্যিক আচরণ নিয়ন্ত্রণ করে কিন্তু অভ্যন্তরীণ মূল্যবোধের জন্ম দেয় না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মূল্যবোধ বাইরের শক্তি যেমন সমাজ, রাষ্ট্র বা ধর্ম দ্বারা প্রভাবিত হতে পারে, তবে এর মূল উৎস হলো মানুষের নিজস্ব নৈতিক চেতনা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- নৈতিক চেতনা হলো এমন এক অভ্যন্তরীণ শক্তি যা বাহ্যিক শাস্তির ভয় ছাড়াই মানুষকে সঠিক কাজ করতে অনুপ্রাণিত করে।
সঠিক উত্তর: D) ইমানুয়েল কান্ট
১. কেন সঠিক:
- ইমানুয়েল কান্ট হলেন বিখ্যাত জার্মান দার্শনিক যিনি নীতিশাস্ত্রে ‘শর্তহীন আদেশ’ বা ‘ক্যাটাগরিক্যাল ইম্পারেটিভ’ ধারণাটি প্রবর্তন করেছেন।
- এটি এমন এক নৈতিক নিয়ম যা কোনো শর্ত বা ব্যক্তিগত স্বার্থের ওপর নির্ভর না করে মানুষের সার্বজনীন কর্তব্যের ওপর জোর দেয়।
২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ:
- মূল ধারণা: শর্তহীন আদেশ হলো এমন এক নৈতিক দায়িত্ব যা সব মানুষের জন্য সব সময় সমানভাবে পালনীয়।
- গুরুত্ব: এটি সমাজে স্বার্থহীন কর্তব্যপরায়ণতা ও নৈতিক শৃঙ্খলা তৈরিতে সাহায্য করে।
- প্রয়োগ: ব্যক্তিগত লাভ বা ক্ষতির কথা না ভেবে নিজের সঠিক দায়িত্ব পালন করা এর মূল প্রয়োগ।
- সম্ভাব্য প্রভাব: এটি সমাজে ন্যায়বিচার, সততা এবং পারস্পরিক বিশ্বাসের পরিবেশ তৈরি করে।
৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ:
উদাহরণ ১: একজন সরকারি কর্মকর্তা কোনো ধরনের ঘুষ বা উপঢৌকন গ্রহণ না করে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে সব নাগরিককে সেবা প্রদান করছেন।
ব্যাখ্যা: এখানে কর্মকর্তাটি ব্যক্তিগত লাভ বা স্বার্থের কথা না ভেবে নিজের পেশাগত কর্তব্যকে একমাত্র নৈতিক দায়িত্ব হিসেবে পালন করেছেন।
উদাহরণ ২: একজন শিক্ষার্থী পরীক্ষার হলে কঠিন প্রশ্ন দেখেও অসদুপায় অবলম্বন না করে নিজের মেধা অনুযায়ী উত্তর লিখছে।
ব্যাখ্যা: এখানে শিক্ষার্থী ফলাফল ভালো করার শর্টকাট বা শর্তহীন লাভের লোভ সংবরণ করে সততার নীতি মেনে চলেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অ্যারিস্টটল — প্রাচীন গ্রিক দার্শনিক যিনি মূলত সদ্গুণ বা ভার্চু ethics এবং মধ্যপন্থা নিয়ে আলোচনা করেছেন, শর্তহীন আদেশের প্রবর্তক নন।
B) বার্ট্রান্ড রাসেল — বিংশ শতাব্দীর ব্রিটিশ দার্শনিক ও গণিতবিদ যিনি মুক্তচিন্তা ও শান্তিবাদী দর্শনের জন্য পরিচিত, এই ধারণার সঙ্গে যুক্ত নন।
C) হার্বার্ট স্পেন্সার — সামাজিক ডারউইনবাদের প্রবক্তা এবং ব্রিটিশ দার্শনিক যিনি সমাজ ও জীববিজ্ঞানের বিকাশ নিয়ে কাজ করেছেন।
D) ইমানুয়েল কান্ট — তিনি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ তিনি তার নীতিবিদ্যায় শর্তহীন আদেশ তত্ত্বের প্রবর্তন করেছেন।
৫. মনে রাখার টিপস:
কান্ট শব্দটির সঙ্গে কর্তব্যের সম্পর্ক মনে রাখবে, কারণ তিনি কর্তব্যের খাতিরে কর্তব্য পালনের ওপর জোর দিয়েছেন।
শর্তহীন আদেশ বা ক্যাটাগরিক্যাল ইম্পারেটিভ দেখলে চোখ বন্ধ করে কান্টকে চিহ্নিত করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
এই প্রশ্নটি থেকে ‘কর্তব্যমূলক নীতিশাস্ত্র’ বা ‘ডিয়ন্টোলজি’ সম্পর্কে ধারণা স্পষ্ট হয়।
একই নীতি থেকে নৈতিকতার উৎস এবং কান্টের নৈতিক দর্শনের মূল ভিত্তি সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: C) আইনের শাসন
১. কেন সঠিক:
- সুশাসনের সবচেয়ে মৌলিক শর্ত হলো আইনের শাসন, যার অর্থ রাষ্ট্রে আইনের দৃষ্টিতে সবাই সমান এবং ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করা হয়।
- আইনের শাসন নিশ্চিত করে যে কোনো ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষ আইনের ঊর্ধ্বে নয় এবং নাগরিকের অধিকার সুরক্ষিত থাকে।
২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ:
- মূল ধারণা: আইনের শাসন এমন একটি ব্যবস্থা যেখানে আইন নিরপেক্ষভাবে প্রয়োগ করা হয় এবং নাগরিকের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা হয়।
- গুরুত্ব: এটি সমাজে বিশৃঙ্খলা দূর করে এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে মানুষের আস্থার পরিবেশ তৈরি করে।
- প্রয়োগ: সরকারি সেবা প্রদানে স্বজনপ্রীতি পরিহার করে সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করার মাধ্যমে এটি প্রয়োগ করা যায়।
- সম্ভাব্য প্রভাব: রাষ্ট্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হলে দুর্নীতি হ্রাস পায় এবং সামাজিক শান্তি ও উন্নয়ন ত্বরান্বিত হয়।
৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন করলে সাধারণ নাগরিকের পাশাপাশি প্রভাবশালী ব্যক্তির বিরুদ্ধেও সমানভাবে জরিমানা করা।
ব্যাখ্যা: এটি আইনের শাসন ও নিরপেক্ষতার মূর্ত প্রতীক, যা সমাজে বার্তা দেয় যে আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়।
উদাহরণ ২: সরকারি চাকরির নিয়োগ পরীক্ষায় মেধার ভিত্তিতে মূল্যায়ন করা এবং কোটা বা প্রভাবের অপব্যবহার না করা।
ব্যাখ্যা: এই আচরণটি নাগরিকের সমান অধিকার এবং সুবিচারের নীতিকে সমর্থন করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গণতন্ত্র — গণতন্ত্র সুশাসনের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান বা মাধ্যম হলেও এটি একা সুশাসন নিশ্চিত করতে পারে না যদি না সেখানে আইনের শাসন থাকে।
B) আমলাতন্ত্র — আমলাতন্ত্র রাষ্ট্র পরিচালনার একটি কাঠামোগত যন্ত্র মাত্র, যা সুশাসনের মূল ভিত্তি নয় বরং এর একটি সহায়ক অংশ।
D) মূল্যবোধ — নৈতিক মূল্যবোধ সুশাসনের চালিকাশক্তি হলেও প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি কাঠামো ছাড়া একা সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে পারে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সুশাসনের চাবিকাঠি হলো আইনের শাসন, কারণ আইন না থাকলে গণতন্ত্র বা মূল্যবোধের সঠিক প্রয়োগ সম্ভব হয় না।
- পরীক্ষার প্রশ্নে সুশাসনের মূল ভিত্তি চাইলে চোখ বন্ধ করে আইনের শাসন বা রুল অব ল নির্বাচন করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সুশাসনের প্রধান স্তম্ভগুলো হলো স্বচ্ছতা, জবাবদিহি, অংশগ্রহণ এবং আইনের শাসন।
- এই নীতি থেকে বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে যে সুশাসনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শর্ত কোনটি।
সঠিক উত্তর: D) ময়মনসিংহ
১. কেন সঠিক:
- ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে দেশের সর্ববৃহৎ সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র বা পিভি পাওয়ার প্ল্যান্ট অবস্থিত।
- এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি থেকে জাতীয় গ্রিডে পরিবেশবান্ধব বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয় যা নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতের একটি মাইলফলক।
২. বাংলাদেশ বিষয়াবলী তথ্য:
- অর্থনৈতিক অবকাঠামো: দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমাতে এই ধরনের সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান: প্রাইভেট সেক্টর এবং সরকারি উদ্যোগে ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে এই বৃহৎ বিদ্যুৎ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তিস্তা সোলার পার্ক, রংপুর।
ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর একটি যা তিস্তা নদীর তীরবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত এবং উত্তরাঞ্চলের বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণে কাজ করছে।
উদাহরণ ২: কাপ্তাই সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র, রাঙ্গামাটি।
ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের প্রথম এবং অন্যতম পুরনো সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র যা জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের পাশাপাশি অতিরিক্ত সৌরশক্তি উৎপাদন করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চট্টগ্রাম — চট্টগ্রাম বাণিজ্যিক ও শিল্পাঞ্চল হলেও দেশের সর্ববৃহৎ সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র এখানে অবস্থিত নয়, যদিও এখানে বিভিন্ন রুফটপ সোলার প্রজেক্ট রয়েছে।
B) ফেনী — ফেনীতে বায়ুবিদ্যুৎ প্রকল্প এবং ছোট আকারের সৌরবিদ্যুৎ উদ্যোগ থাকলেও এটি দেশের সর্ববৃহৎ সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র নয়।
C) নরসিংদী — নরসিংদীতে টেক্সটাইল ও শিল্প কারখানা বেশি থাকলেও দেশের সর্ববৃহৎ সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র হিসেবে এটি পরিচিত নয়।
D) ময়মনসিংহ — ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে দেশের সর্ববৃহৎ সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র অবস্থিত হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ময়মনসিংহ মানেই বড় কিছু; মনে রাখতে পারেন ময়মনসিংহের বৃহৎ ঈশ্বরগঞ্জ সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র দেশের সবচেয়ে বড় সোলার প্ল্যান্ট।
- জেলা হিসেবে ময়মনসিংহের নাম মনে রাখলেই সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সহজ হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন সংক্রান্ত প্রশ্ন বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
- একই বিষয় থেকে দেশের প্রথম সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র বা মোট উৎপাদিত ক্ষমতার পরিমাণ নিয়েও প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: A) বঙ্গবন্ধু ডিপ্লোমেটিক অ্যাওয়ার্ড ফর এক্সিলেন্স
১. কেন সঠিক:
ডিপ্লোমেটিক বা কূটনৈতিক ক্ষেত্রে অসাধারণ অবদান এবং সাফল্যের স্বীকৃতি স্বরূপ ২০২০ সালে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই পদক প্রবর্তন করে।
বাংলাদেশি কূটনীতিক এবং বৈদেশিক মিশনে কর্মরত গুণীজনদের কাজের স্বীকৃতি দিতে এই পুরস্কার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য:
পুরস্কার ও জাতীয় অর্জন: কূটনৈতিক ক্ষেত্রে অবদানের জন্য ২০২০ সালে এই বিশেষ পুরস্কার চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
প্রতিষ্ঠান: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও কূটনীতি পরিচালনার মূল দায়িত্ব পালন করে।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: স্বাধীনতা পদক
ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় বেসামরিক পুরস্কার, যা বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য প্রদান করা হয়।
উদাহরণ ২: একুশে পদক
ব্যাখ্যা: ভাষা আন্দোলন ও সংস্কৃতিতে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ এই পদক দেওয়া হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বঙ্গবন্ধু ডিপ্লোমেটিক অ্যাওয়ার্ড ফর এক্সিলেন্স — এটি ২০২০ সালে প্রবর্তিত সঠিক পুরস্কারের নাম।
B) বঙ্গবন্ধু ডিপ্লোমেটিক এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড — এটি সঠিক নাম নয় কারণ পদের শব্দবিন্যাসে সামান্য ভুল রয়েছে।
C) বাংলাদেশ ডিপ্লোমেটিক অ্যাওয়ার্ড ফর এক্সিলেন্স — এই নামে কোনো সরকারি পুরস্কার প্রবর্তন করা হয়নি।
D) বঙ্গবন্ধু ডিপ্লোমেটিক অ্যাওয়ার্ড — এটি এই পুরস্কারের সংক্ষিপ্ত বা পূর্ণাঙ্গ সঠিক নাম নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
কূটনৈতিক পুরস্কার মনে রাখতে খেয়াল রাখবে এর নামের শুরুতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাম এবং শেষে এক্সিলেন্স শব্দ যুক্ত আছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পদক হিসেবে এটি কূটনৈতিক অঙ্গনের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাম্প্রতিক বা বিশেষ অর্জন সংক্রান্ত প্রশ্ন হিসেবে এটি আসে।
এই ধরনের প্রশ্ন থেকে পদক চালুর সাল এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) ১৫ জুন থেকে ২১ জুন, ২০২২
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করার মূল কারণ হলো ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা এই নির্দিষ্ট তারিখেই দেশব্যাপী সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছিল।
- এটি ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম ডিজিটাল জনশুমারি, যেখানে কাগজের পরিবর্তে ট্যাবলেটের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করা হয়।
২. জনসংখ্যা, জনগণনা ও জনমিতি:
- ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯৭৪ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সরকার প্রথম স্বাধীন বাংলাদেশে জনশুমারি গ্রহণ করে।
- ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) এই বিশাল কর্মযজ্ঞ পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন করে থাকে।
- তাৎপর্য ও ফলাফল: এই শুমারির মাধ্যমে দেশের মোট জনসংখ্যা, খানা বা পরিবারের সংখ্যা এবং মৌলিক socioeconomic উপাত্ত পাওয়া যায়।
- সংশ্লিষ্ট তথ্য: এই শুমারি অনুযায়ী বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন নির্ধারিত হয়।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পঞ্চম জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০১১
ব্যাখ্যা: ২০১১ সালের ১৫ থেকে ২১ মার্চ এই শুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছিল, যা জানলে পরীক্ষার্থী দুটি শুমারির সময়ের পার্থক্য বুঝতে পারবে।
উদাহরণ ২: জনশুমারি পরিচালনার প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)
ব্যাখ্যা: বিবিএস পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীন কাজ করে, যা জাতীয় পরিসংখ্যানের নির্ভরযোগ্য উৎস হিসেবে কাজ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১০ জুন থেকে ১৬ জুন, ২০২২ — এই তারিখে শুমারি শুরু হয়নি কারণ মূল কার্যক্রম শুরু হয়েছিল ১৫ জুন থেকে।
B) ১৫ জুন থেকে ২১ জুন, ২০২২ — এটি সঠিক তারিখ এবং এই সময়েই দেশব্যাপী তথ্য সংগ্রহ করা হয়।
১৫ জুলাই থেকে ২১ জুলাই, ২০২২ — এই সময়ে শুমারি অনুষ্ঠিত হয়নি কারণ এর আগেই জুনের মধ্যে মাঠপর্যায়ের কাজ শেষ হয়।
D) ২০ জুলাই থেকে ২৬ জুলাই, ২০২২ — এটি ভুল তারিখ এবং এই সময়ের সঙ্গে জনশুমারির কোনো সংযোগ নেই।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ২০২২ সালের জুন মাসের মাঝামঝি সময়ে অর্থাৎ ১৫ থেকে ২১ তারিখের মধ্যে ষষ্ঠ জনশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
- মনে রাখতে হবে প্রথম ডিজিটাল শুমারিটি ২০২২ সালেই সম্পন্ন হয়েছিল।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ষষ্ঠ জনশুমারির স্লোগান ছিল জনশুমারিতে তথ্য দিন, আপনার উন্নয়নে অংশ নিন।
- একই বিষয় থেকে পরীক্ষক প্রশ্ন করতে পারেন প্রথম জনশুমারি কত সালে অনুষ্ঠিত হয় বা বিবিএস কোন মন্ত্রণালয়ের অধীন।
সঠিক উত্তর: B) মৌলভীবাজার
কেন সঠিক:
বাংলাদেশের মৌলভীবাজার জেলায় মনিপুরী ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জনসংখ্যা সবচেয়ে বেশি বাস করে।
বিশেষ করে এই জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার মাধবপুর ও আদমপুর এলাকায় মনিপুরী সম্প্রদায়ের মানুষের ঘনবসতি রয়েছে।
বাংলাদেশ তথ্য:
সংবিধান ও ইতিহাস প্রসঙ্গ: বাংলাদেশের সংবিধানে দেশের সকল ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সংস্কৃতি ও ভাষার সংরক্ষণের কথা বলা হয়েছে।
তারিখ ও স্থান: সিলেটের শ্রীমঙ্গল ও মৌলভীবাজার অঞ্চলে ব্রিটিশ আমল থেকেই মনিপুরী সম্প্রদায়ের মানুষ বসতি স্থাপন করে আসছে।
তাৎপর্য: মনিপুরী সম্প্রদায়ের বিখ্যাত রাসলীলা উৎসব বাংলাদেশের সংস্কৃতির এক অনন্য ও গৌরবোজ্জ্বল ঐতিহ্য হিসেবে পরিচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সিলেট — এই জেলায় মনিপুরী জনগোষ্ঠীর কিছু মানুষ বাস করলেও মৌলভীবাজারের মতো এত বেশি সংখ্যায় নয়।
B) সঠিক উত্তর — এই অপশনটি প্রশ্নানুসারে সঠিক হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই।
C) হবিগঞ্জ — এই জেলায় মনিপুরী ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মানুষের বসবাস খুবই কম এবং তারা প্রধানত অন্য এলাকায় থাকে।
D) সুনামগঞ্জ — সুনামগঞ্জ জেলায় মনিপুরী সম্প্রদায়ের মানুষের উল্লেখযোগ্য কোনো স্থায়ী বসতি বা জনসংখ্যা নেই।
মনে রাখার টিপস:
মৌলভীবাজারের চা বাগান এবং কমলগঞ্জের বিখ্যাত মনিপুরী রাসলীলা উৎসবের কথা মনে রাখলেই উত্তরটি সহজে মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: C) ১১ (এগার) টি
১. কেন সঠিক:
- ভৌগোলিক নির্দেশক বা জিআই পণ্য হলো কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চলের উৎপাদিত বা প্রক্রিয়াজাত পণ্য, যা সেই এলাকার ঐতিহ্য ও স্বাতন্ত্র্য বহন করে।
- প্রশ্নটিতে প্রদত্ত সংখ্যাটি সাম্প্রতিক সময়ের সরকারি নিবন্ধন অনুযায়ী নির্ধারিত হয়েছে, যা বাংলাদেশের ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্যের স্বীকৃতি নির্দেশ করে।
২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য:
তাৎপর্য ও ফলাফল: জিআই পণ্যের স্বীকৃতি আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী পণ্যের অধিকার রক্ষা এবং পণ্যের ব্র্যান্ডিংয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
আইন ও প্রতিষ্ঠান: বাংলাদেশে ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য নিবন্ধন আইন ২০১৩ পাস হয় এবং শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন প্যাটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর এই স্বীকৃতি প্রদান করে।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জামদানি শাড়ি
ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের প্রথম নিবন্ধিত জিআই পণ্য, যা আমাদের তাঁতশিল্পের ঐতিহ্যকে বিশ্ববাসীর কাছে তুলে ধরে।
উদাহরণ ২: ইলিশ মাছ
ব্যাখ্যা: ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য হিসেবে ইলিশের স্বীকৃতি আমাদের জাতীয় মাছের ভৌগোলিক স্বাতন্ত্র্য রক্ষা ও ভৌগোলিক অধিকার নিশ্চিত করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৯ (নয়) টি — এই সংখ্যাটি বর্তমান নিবন্ধিত পণ্যের সঠিক হিসাব নয়, এটি একটি পুরনো বা অবমূল্যায়িত পরিসংখ্যান।
B) ১০ (দশ) টি — এই সংখ্যাটি জিআই পণ্যের মোট অর্জনের প্রকৃত তালিকার সঙ্গে মিলে না, তাই এটি ভুল।
C) ১১ (এগার) টি — এটি বর্তমান তালিকা অনুযায়ী সঠিক নিবন্ধিত ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্যের সংখ্যা।
D) ১২ (বার) টি — এই সংখ্যাটি অতিরিক্ত ধরা হয়েছে, যা প্রকৃত জিআই পণ্যের সংখ্যার চেয়ে বেশি।
৫. মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশের প্রথম জিআই পণ্য জামদানি এবং মোট জিআই পণ্যের স্বীকৃতি অর্জিত হয়েছে এগারটি, যা একটি জোড় সংখ্যার আগের বিজোড় সংখ্যা হিসেবে মনে রাখা সহজ।
নিয়মিত প্রকাশিত সরকারি তথ্য বা শিল্প মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন লক্ষ্য করলে এই সংখ্যা মনে রাখা সহজ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলাদেশের প্রথম জিআই পণ্য কোনটি এবং পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর কোন মন্ত্রণালয়ের অধীন, এই দুটি প্রশ্ন প্রায়ই বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
জিআই পণ্যের তালিকা থেকে সাম্প্রতিক পণ্যের নাম এবং তাদের উৎপাদনকারী অঞ্চল সংক্রান্ত প্রশ্নও পরীক্ষায় আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: B) সেন্টমার্টিন এবং এর আশেপাশের এলাকা
১. কেন সঠিক:
- সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং প্রবাল প্রাচী সংরক্ষণের জন্য সরকার সেন্টমার্টিন দ্বীপ ও এর সংলগ্ন সমুদ্র এলাকাকে সামুদ্রিক সুরক্ষিত এলাকা ঘোষণা করেছে।
- অতিরিক্ত পর্যটন ও মানবীয় কার্যক্রমে এখানকার সামুদ্রিক প্রতিবেশ নষ্ট হওয়ায় পরিবেশ সংরক্ষণ আইনের অধীনে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
২. ভৌগোলিক অবস্থান ও পরিবেশ:
- ভৌগোলিক অবস্থান: সেন্টমার্টিন বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ যা বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্ব অংশে অবস্থিত।
- তাৎপর্য ও ফলাফল: এই ঘোষণার ফলে প্রবাল, সামুদ্রিক কাছিম এবং বিভিন্ন বিরল প্রজাতির মাছের প্রজনন ক্ষেত্র সুরক্ষিত হয়েছে।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সুন্দরবন
ব্যাখ্যা: সুন্দরবন যেমন সংরক্ষিত বনাঞ্চল হিসেবে জীববৈচিত্র্য রক্ষা করে, তেমনি মেরিন প্রটেক্টেড এরিয়া সামুদ্রিক সম্পদ রক্ষায় কাজ করে।
উদাহরণ ২: নিঝুম দ্বীপ
ব্যাখ্যা: এটি সামুদ্রিক ও উপকূলীয় এলাকার জীববৈচিত্র্যের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা পরিযায়ী পাখির জন্য বিখ্যাত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সেন্টমার্টিন — কেবল দ্বীপকে বোঝালে সামুদ্রিক জলজ অংশ বাদ পড়ে যায়, তাই এটি অসম্পূর্ণ।
C) পটুয়াখালী ও বরগুনা — এই জেলাগুলো উপকূলীয় অঞ্চল হলেও নির্দিষ্ট সামুদ্রিক সংরক্ষিত এলাকার তালিকায় প্রথম অন্তর্ভুক্ত নয়।
D) হিরন পয়েন্ট — এটি সুন্দরবনের একটি বিখ্যাত এলাকা এবং বাংলাদেশ সুন্দরবনের বাঘ গণনার মূল কেন্দ্র, যা প্রবাল দ্বীপ নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সেন্টমার্টিনের চারপাশের নীল জলরাশি এবং প্রবাল রক্ষায় পুরো এলাকাকে মেরিন প্রটেক্টেড এরিয়া করা হয়েছে।
- দ্বীপের পাশাপাশি এর আশেপাশের সমুদ্রসীমাও এর অন্তর্ভুক্ত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষাসংক্রান্ত এমন প্রশ্ন বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
- সামুদ্রিক সংরক্ষিত এলাকা ঘোষণার আইনি ভিত্তি এবং এর উদ্দেশ্য সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) রাঙ্গামাটি
১. কেন সঠিক:
- আয়তনের দিক থেকে রাঙ্গামাটি জেলা বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জেলা।
- এর মোট আয়তন প্রায় ৬১১৬ বর্গকিলোমিটার, যা দেশের মোট আয়তনের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ জুড়ে বিস্তৃত।
২. ভৌগোলিক অবস্থান ও ভূপ্রকৃতি:
- রাঙ্গামাটি জেলা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে চট্টগ্রাম বিভাগের অধীন অবস্থিত।
- পাহাড়ি ভূপ্রকৃতি, কাপ্তাই হ্রদ এবং বিস্তীর্ণ বনাঞ্চল এই জেলার ভৌগোলিক বৈচিত্র্য তৈরি করেছে।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ঢাকা জেলা
ব্যাখ্যা: ঢাকা জেলা বাংলাদেশের সবচেয়ে জনবহুল জেলা হলেও আয়তনে রাঙ্গামাটির চেয়ে অনেক ছোট।
উদাহরণ ২: চট্টগ্রাম জেলা
ব্যাখ্যা: চট্টগ্রাম বিভাগ আয়তনে সবচেয়ে বড় বিভাগ হলেও এর অন্তর্ভুক্ত রাঙ্গামাটি একক জেলা হিসেবে দেশের বৃহত্তম।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাঙ্গামাটি — এটি দেশের বৃহত্তম জেলা হওয়ায় সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে।
B) বরিশাল — এটি একটি বিভাগীয় শহর ও জেলা হলেও এর আয়তন রাঙ্গামাটির তুলনায় অনেক কম।
C) চট্টগ্রাম — এটি প্রধান বাণিজ্যিক ও বন্দরনগরী জেলা হলেও আয়তনের দিক থেকে রাঙ্গামাটির চেয়ে ছোট।
D) ময়মনসিংহ — এটি দেশের নতুন গঠিত বিভাগগুলোর একটি এবং এর জেলা সদর রাঙ্গামাটির চেয়ে আয়তনে ছোট।
৫. মনে রাখার টিপস:
- পাহাড় ঘেরা বড় জেলা, রাঙ্গামাটি তার নাম একেলা।
- পাহাড়ী তিন জেলার মধ্যে রাঙ্গামাটি আয়তনে সবচেয়ে বড়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই ভৌগোলিক তথ্য অংশের জন্য আসে।
- আয়তনের দিক থেকে সবচেয়ে ছোট জেলা কোনটি, এই তথ্যটিও পরীক্ষার জন্য জেনে রাখা প্রয়োজন।
সঠিক উত্তর: D) ভাস্কর
১. কেন সঠিক:
নভেরা আহমেদ বাংলাদেশের আধুনিক ভাস্কর্য শিল্পের অন্যতম প্রধান পথপ্রকৃৎ। তিনি প্রথাগত ধারার বাইরে গিয়ে আধুনিক শিল্পরীতি ও উপাদানের ব্যবহার শুরু করেন যা তাকে ভাস্কর হিসেবে অনন্য পরিচিতি দেয়।
২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য:
বাংলা সাহিত্য, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও লোকসংস্কৃতি: নভেরা আহমেদ ১৯৩৯ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং দীর্ঘকাল শিল্পচর্চার মাধ্যমে বাংলাদেশের শিল্প আন্দোলনকে সমৃদ্ধ করেন। শহীদ মিনারের প্রথম নকশা প্রণয়নের ক্ষেত্রে হামিদুর রহমানের সঙ্গে তিনি যুক্ত ছিলেন যা আমাদের জাতীয় ইতিহাসে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হামিদুর রহমান
ব্যাখ্যা: তিনি নভেরা আহমেদের সঙ্গে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের মূল নকশা ও পরিকল্পনা তৈরি করেছিলেন।
উদাহরণ ২: নিতুন কুন্ডু
ব্যাখ্যা: তিনি বাংলাদেশের আরেকজন প্রখ্যাত ভাস্কর যিনি স্বাধীনতা স্মারক ভাস্কর্য সাবাশ বাংলাদেশ নির্মাণ করেছেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কবি — নভেরা আহমেদ কবিতা রচনার জন্য পরিচিত নন, তিনি মূলত ত্রিমাত্রিক শিল্পকলা বা ভাস্কর্য নিয়ে কাজ করেছেন।
B) নাট্যকার — নাট্য রচনা বা নাট্যনির্দেশনার সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না, তাঁর মাধ্যম ছিল মাটি ও পাথর।
C) কণ্ঠশিল্পী — তিনি গান বা সংগীতের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না, তাঁর শিল্পকর্মের ক্ষেত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন।
D) ভাস্কর — এটি সঠিক কারণ তিনি বাংলাদেশের আধুনিক ভাস্কর্য শিল্পের অন্যতম প্রধান রূপকার ও স্রষ্টা।
৫. মনে রাখার টিপস:
নভেরা নামটির সঙ্গে শহীদ মিনার ও ভাস্কর্য শব্দটি মনে রাখবে। তিনি শহীদ মিনারের প্রথম নকশাকারদের একজন এবং পেশাগতভাবে ভাস্কর্য চর্চা করতেন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
নভেরা আহমেদের শিল্পকর্ম এবং শহীদ মিনারের প্রথম নকশার ইতিহাস বিসিএস পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। একই বিষয় থেকে শহীদ মিনারের নকশাকার কে বা প্রথম আধুনিক ভাস্কর কে সে ধরনের প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: D) খুলনা
১. কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসরদের দ্বারা সংঘটিত নৃশংস হত্যাকাণ্ডের স্মরণে খুলনা শহরে প্রথম 'গণহত্যা যাদুঘর' প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এই যাদুঘরটি মুক্তিযুদ্ধের সময় ঘটে যাওয়া মানবতাবিরোধী অপরাধ ও গণহত্যার ঐতিহাসিক দলিল সংরক্ষণ এবং তরুণ প্রজন্মের কাছে তা তুলে ধরার কাজ করছে।
২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য:
- ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে খুলনা অঞ্চলে সংঘটিত বিভিন্ন গণহত্যার তথ্য ও স্মারক সংরক্ষণ করার উদ্দেশ্যে এই যাদুঘরটি প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- তারিখ ও স্থান: যাদুঘরটি খুলনার দক্ষিণ টুটপাড়া এলাকায় অবস্থিত এবং এটি আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে ২০১৩ সালের ১৭ এপ্রিল।
- ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: ইতিহাসবিদ ও গবেষকদের উদ্যোগে এবং '১৯৭১: গণহত্যা-নির্যাতন আর্কাইভ ও যাদুঘর ট্রাস্ট'-এর ব্যবস্থাপনায় এই প্রতিষ্ঠানটি পরিচালিত হচ্ছে।
- তাৎপর্য ও ফলাফল: এটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সংরক্ষণে এবং গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জনের লড়াইয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা কেন্দ্র হিসেবে কাজ করছে।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর, ঢাকা
ব্যাখ্যা: এটি ঢাকার আগারগাঁওয়ে অবস্থিত বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সংরಕ್ಷণের সবচেয়ে বড় প্রতিষ্ঠান, যা শিক্ষার্থীদের মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে জানতে সাহায্য করে।
উদাহরণ ২: জলপাইহাটি গণহত্যা স্মৃতিসৌধ
ব্যাখ্যা: এটি খুলনার একটি ঐতিহাসিক স্থান, যা তৎকালীন সময়ে পাকিস্তানি বাহিনীর নির্মমতার সাক্ষী এবং এই যাদুঘরের কার্যপরিধির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঢাকা — ঢাকা বাংলাদেশের রাজধানী হলেও মূল 'গণহত্যা যাদুঘর' এখানে অবস্থিত নয়, যদিও ঢাকায় পৃথক মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘর রয়েছে।
B) চট্টগ্রাম — চট্টগ্রাম বাংলাদেশের প্রধান বন্দরনগরী এবং মুক্তিযুদ্ধের ঐতিহাসিক স্থান হলেও এই যাদুঘরটি এখানে অবস্থিত নয়।
C) কুমিল্লা — কুমিল্লা প্রাচীন সমতট অঞ্চলের অংশ এবং ময়নামতির জন্য বিখ্যাত হলেও এই নির্দিষ্ট যাদুঘরটি খুলনায় অবস্থিত।
D) খুলনা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই জেলাতেই দেশের প্রথম গণহত্যা যাদুঘরটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- খুলনায় দেশের প্রথম 'গণহত্যা যাদুঘর' অবস্থিত। এটি মনে রাখতে খুলনা শব্দটির সঙ্গে যাদুঘরের অবস্থান মিলিয়ে নিতে পারো।
- ঢাকার মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘর আর খুলনার গণহত্যা যাদুঘর গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জাদুঘর বা ঐতিহাসিক প্রতিষ্ঠানের অবস্থান প্রায়ই আসে।
- একই বিষয় থেকে প্রশ্ন হতে পারে যে, '১৯৭১: গণহত্যা-নির্যাতন আর্কাইভ ও যাদুঘর' কোথায় অবস্থিত, যার উত্তরও হবে খুলনা।
সঠিক উত্তর: C) ১৯৮৫ সালে
১. কেন সঠিক:
পারিবারিক বিরোধ দ্রুত নিষ্পত্তি এবং নারী ও শিশুদের আইনি অধিকার সুরক্ষার উদ্দেশ্যে এই অধ্যাদেশ জারি করা হয়।
আইনি প্রক্রিয়ায় পারিবারিক জটিলতা দূর করার জন্য বাংলাদেশে প্রথম পৃথক পারিবারিক আদালত প্রতিষ্ঠার আইনি ভিত্তি তৈরি হয়।
২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য:
আইন ও বিচার ব্যবস্থা: পারিবারিক আদালত অধ্যাদেশ ১৯৮৫ সালে জারি করা হয়।
তাৎপর্য ও ফলাফল: এর মাধ্যমে মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ ১৯৬১ এর আওताধীন বিষয়গুলো নিষ্পত্তির জন্য নির্দিষ্ট আদালত ব্যবস্থার সূচনা হয়।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ ১৯৬১
ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশে পারিবারিক বিরোধের ক্ষেত্রে একটি অন্যতম ভিত্তি আইন, যা বিবাহ, তালাক ও ভরণপোষণ সংক্রান্ত বিষয় নিয়ন্ত্রণ করে।
উদাহরণ ২: নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০
ব্যাখ্যা: এটি নারী ও শিশুদের সুরক্ষা প্রদানের জন্য প্রণীত আরেকটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিশেষ আইন, যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৮০ সালে — এই সালে পারিবারিক আদালত সম্পর্কিত কোনো অধ্যাদেশ জারি করা হয়নি, এটি ভুল সাল।
B) ১৯৮১ সালে — এই সালে অন্য কিছু রাজনৈতিক ঘটনা ঘটলেও পারিবারিক আদালত অধ্যাদেশ জারি হয়নি।
D) ১৯৯১ সালে — এই সালে গণতন্ত্র উত্তরণের পর বিভিন্ন আইন সংশোধন হলেও পারিবারিক আদালত অধ্যাদেশ জারি হয়নি।
৫. মনে রাখার টিপস:
১৯৮৫ সালে পারিবারিক আদালত অধ্যাদেশ জারি হয়।
আট (৮) এবং পাঁচ (৫) মিলে হয় পঁচাশি (৮৫), মনে রাখুন পারিবারিক সমস্যা সমাধানে ১৯৮৫ সাল।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
আইন ও বিচার বিভাগ সম্পর্কিত এমন প্রশ্ন বিসিএস ও ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
আইনটি কোন সালে প্রণীত বা কার্যকর হয়েছে, তা ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) সংবিধান প্রণয়ন
১. কেন সঠিক:
সরকারের তিনটি অঙ্গের মধ্যে বিচার বিভাগ আইন প্রয়োগ ও সংবিধানের ব্যাখ্যা প্রদান করে থাকে।
আইন প্রণয়ন বা সংবিধান প্রণয়ন করার এখতিয়ার কেবল আইনসভা বা সংসদ সদস্যগণের উপর ন্যস্ত থাকে।
২. সংবিধান ও আইন:
বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৬৫ অনুযায়ী দেশের আইনসভা গঠিত হয় যা জাতীয় সংসদ নামে পরিচিত।
জাতীয় সংসদ দেশের জন্য নতুন আইন প্রণয়ন ও সংবিধান সংশোধন বা প্রণয়নের একমাত্র ক্ষমতা রাখে।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জাতীয় সংসদ কর্তৃক সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী পাস করা।
ব্যাখ্যা: সংবিধান প্রণয়ন বা পরিবর্তন কেবল সংসদ করতে পারে, বিচার বিভাগ নয়।
উদাহরণ ২: বিচার বিভাগ কর্তৃক কোনো আইনের বৈধতা পরীক্ষা করা।
ব্যাখ্যা: বিচার বিভাগ আইন প্রণয়ন করে না, বরং প্রণীত আইন সংবিধানসম্মত কি না তা যাচাই করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আইনের প্রয়োগ — এটি বিচার বিভাগের অন্যতম প্রধান কাজ যা আদালতের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।
B) আইনের ব্যাখ্যা — বিচার বিভাগ বিতর্কিত বা অস্পষ্ট আইনের সঠিক ব্যাখ্যা প্রদান করে থাকে।
C) সংবিধানের ব্যাখ্যা — সুপ্রীম কোর্টের আপিল বিভাগ বা সাংবিধানিক বেঞ্চ সংবিধানের চূড়ান্ত ব্যাখ্যা দিয়ে থাকে।
D) সংবিধান প্রণয়ন — এটি বিচার বিভাগের কাজ নয়, বরং আইনসভা বা সংসদ এটি করে থাকে।
৫ মনে রাখার টিপস:
আইন তৈরি করে সংসদ আর সেই আইন প্রয়োগ ও ব্যাখ্যা করে আদালত।
সংবিধান প্রণয়ন এবং সংশোধনীর ক্ষমতা সংসদের হাতে থাকে, বিচার বিভাগের হাতে নয়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
সরকারের অঙ্গ কয়টি এবং কার কি কাজ তা থেকে বিসিএস পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে।
আইন বিভাগ আইন প্রণয়ন করে, শাসন বিভাগ তা বাস্তবায়ন করে এবং বিচার বিভাগ বিচার কার্য পরিচালনা করে।
সঠিক উত্তর: A) প্রাকৃতিক গ্যাস
১. কেন সঠিক:
ইউরিয়া সার উৎপাদনের প্রধান কাঁচামাল হলো প্রাকৃতিক গ্যাস।
প্রাকৃতিক গ্যাস থেকে মূলত হাইড্রোজেন সংগ্রহ করে নাইট্রোজেনের সঙ্গে যুক্ত করে অ্যামোনিয়া তৈরি করা হয় এবং তা থেকেই ইউরিয়া সার উৎপাদিত হয়।
২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য:
কৃষি, শিল্প, অর্থনীতি ও উন্নয়ন: বাংলাদেশের অর্থনীতিতে কৃষি অন্যতম প্রধান খাত এবং কৃষির অন্যতম প্রধান উপকরণ হলো ইউরিয়া সার। দেশের প্রাকৃতিক গ্যাসভিত্তিক ইউরিয়া সার কারখানাগুলো কৃষির উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিতে সরাসরি অবদান রাখছে।
তাৎপর্য ও ফলাফল: বাংলাদেশের প্রাকৃতিক গ্যাস সম্পদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এবং লাভজনক শিল্পভিত্তিক ব্যবহার হলো ইউরিয়া সার উৎপাদন। এর ফলে আমদানিনির্ভরতা হ্রাস পায় এবং খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: যমুনা সার কারখানা লিমিটেড
ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের একটি অন্যতম বৃহৎ রাষ্ট্রায়ত্ত ইউরিয়া সার কারখানা যা সম্পূর্ণভাবে প্রাকৃতিক গ্যাসকে কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার করে ইউরিয়া সার উৎপাদন করে।
উদাহরণ ২: ঘোড়াশাল পলাশ ফার্টিলাইজার পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি
ব্যাখ্যা: এটি দেশের একটি প্রধান সার উৎপাদন কেন্দ্র এবং এটি প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রাপ্যতা নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে দেশের কৃষিখাতের চাহিদা পূরণ করে আসছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রাকৃতিক গ্যাস — এটি সঠিক উত্তর কারণ ইউরিয়া সার উৎপাদনে প্রধান কাঁচামাল হিসেবে এটি ব্যবহৃত হয়।
B) চুনাপাথর — এটি সিমেন্ট শিল্পে কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়, ইউরিয়া সারে নয়।
C) মিথেন গ্যাস — মিথেন হলো প্রাকৃতিক গ্যাসের মূল উপাদান, তবে সরাসরি কাঁচামাল হিসেবে গ্যাসক্ষেত্র থেকে প্রাপ্ত প্রক্রিয়াজাত প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহার করা হয়।
D) ইলমেনাইট — এটি একটি খনিজ যা থেকে টাইটানিয়াম সংগ্রহ করা হয় এবং এটি সার উৎপাদনে ব্যবহৃত হয় না।
৫ মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশের মাটিতে যেমন প্রাকৃতিক গ্যাস সমৃদ্ধ, তেমনি আমাদের কৃষিতে ইউরিয়ার চাহিদাও বেশি। মনে রাখবে, গ্যাসের শক্তিই কৃষির গতি এবং গ্যাসের সাহায্যেই তৈরি হয় ইউরিয়া সার।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ইউরিয়া সার কারখানার প্রধান কাঁচামাল কী এই প্রশ্নটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। পরীক্ষার্থীরা ইউরিয়া সার উৎপাদনে শক্তির উৎস ও কাঁচামালের পার্থক্য ভালোভাবে মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: B) প্রাকৃতিক গ্যাস
১. কেন সঠিক:
- প্রাকৃতিক গ্যাস বাংলাদেশের প্রধান খনিজ সম্পদ এবং একে দেশের অর্থনীতির চালিকাশক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- বিদ্যুৎ উৎপাদন, সার কারখানা, শিল্পকারখানা এবং গৃহস্থালি কাজে এর ব্যবহার সর্বাধিক।
২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য:
ভূপ্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদ:
- বাংলাদেশের প্রথম প্রাকৃতিক গ্যাস ক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয় ১৯৫৫ সালে সিলেটের হরিপুরে।
- দেশের অর্থনীতি ও জ্বালানি নিরাপত্তায় প্রাকৃতিক গ্যাসের ভূমিকা অপরিসীম।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তিতাস গ্যাস ক্ষেত্র
ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ ও গুরুত্বপূর্ণ গ্যাস ক্ষেত্র, যা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অবস্থিত এবং দেশের মোট গ্যাস সরবরাহের একটি বড় অংশ যোগান দেয়।
উদাহরণ ২: রূপগঞ্জ ও শ্রীকাইল গ্যাস ক্ষেত্র
ব্যাখ্যা: এগুলো থেকে উৎপাদিত গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়ে দেশের শিল্প ও বিদ্যুৎ খাতের চাহিদা মেটাচ্ছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কয়লা — কয়লা বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ হলেও এটি প্রধান খনিজ সম্পদ নয়।
C) চুনাপাথর — চুনাপাথর সিমেন্ট শিল্পে ব্যবহৃত হয়, যা প্রধান খনিজ সম্পদের তালিকায় দ্বিতীয় বা ততোধিক স্থানে রয়েছে।
D) চীনামাটি — চীনামাটি সিরামিক শিল্পে ব্যবহৃত একটি খনিজ, তবে এটি দেশের প্রধান খনিজ সম্পদ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- জ্বালানি ও অর্থনীতির কথা মাথায় রাখলে গ্যাসই বাংলাদেশের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ।
- ১৯৫৫ সালের হরিপুর আবিষ্কার সালটি মনে রাখলে গ্যাস সম্পর্কিত প্রশ্ন সহজ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রথম গ্যাস ক্ষেত্র আবিষ্কারের সাল এবং স্থান বিসিএস পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
- জ্বালানি খাতের বর্তমান অবস্থা এবং জাতীয় অর্থনীতিতে এর অবদান সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
সঠিক উত্তর: C) ময়মনসিংহ
১. কেন সঠিক:
- ময়মনসিংহ জেলাকে বাংলাদেশের মৎস্য শিক্ষার রাজধানী বলা হয় কারণ এখানে দেশের প্রধান মৎস্য গবেষণা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো অবস্থিত।
- বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট এবং বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মৎস্যবিজ্ঞান অনুষদ এই অঞ্চলে মৎস্য প্রজাতি উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য:
- প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো: ময়মনসিংহে অবস্থিত বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট দেশের মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ ও নতুন প্রজাতি উদ্ভাবনে কাজ করে।
- তাৎপর্য ও ফলাফল: এই গবেষণাগারের মাধ্যমে দেশীয় প্রজাতির মাছ রক্ষা এবং কৃত্রিম প্রজনন প্রযুক্তি সম্প্রসারণ সম্ভব হয়েছে।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা: এই বিশ্ববিদ্যালয়ের মৎস্যবিজ্ঞান অনুষদ দেশের জন্য দক্ষ মৎস্য বিজ্ঞানী ও গবেষক তৈরি করে।
উদাহরণ ২: বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট, সদর দফতর ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা: এটি দেশের মৎস্য খাতের উন্নয়নে নীতিনির্ধারণী গবেষণা ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন করে থাকে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চাঁদপুর — এটি নদী বন্দর ও ইলিশ উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত হলেও মূল মৎস্য প্রজাতি গবেষণাগার এখানে অবস্থিত নয়।
B) ফরিদপুর — এটি পদ্মা নদীর অববাহিকায় অবস্থিত একটি কৃষিপ্রধান জেলা হলেও কেন্দ্রীয় মৎস্য প্রজাতি গবেষণাগার এখানে নেই।
C) ময়মনসিংহ — এটি সঠিক উত্তর।
D) ভোলা — এটি বাংলাদেশের বৃহত্তম দ্বীপ জেলা এবং নদীমাতৃক এলাকা হলেও এখানে কেন্দ্রীয় মৎস্য গবেষণাগার অবস্থিত নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
মৎস্য গবেষণা মানেই ময়মনসিংহ। মনে রাখতে হবে, দেশের প্রধান কৃষি ও মৎস্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো ময়মনসিংহ জেলাতেই কেন্দ্রীভূত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মৎস্য, কৃষি ও বন গবেষণা কেন্দ্রগুলোর সদর দফতর কোথায় তা জানতে চাওয়া হয়। তাই ময়মনসিংহ অঞ্চলের গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলো ভালোভাবে মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) চট্টগ্রাম
১. কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ বন গবেষণা কেন্দ্র চট্টগ্রামের ষোলশহরে অবস্থিত।
- এটি দেশের একমাত্র জাতীয় বন গবেষণা প্রতিষ্ঠান যা বন সম্পদ ও বনজ পণ্যের উন্নয়নে গবেষণা পরিচালনা করে।
২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য:
- প্রতিষ্ঠান: বাংলাদেশ বন গবেষণা কেন্দ্র।
- প্রতিষ্ঠার সাল: ১৯৬০ সাল।
- অবস্থান: ষোলশহর, চট্টগ্রাম।
- কার্যক্রম: বন ব্যবস্থাপনা ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে গবেষণা পরিচালনা করা।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাংলাদেশ চা গবেষণা কেন্দ্র।
ব্যাখ্যা: এটি মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে অবস্থিত এবং চা শিল্পের উন্নয়নে কাজ করে।
উদাহরণ ২: বাংলাদেশ মৃত্তিকা সম্পদ ইনস্টিটিউট।
ব্যাখ্যা: এটি ঢাকায় অবস্থিত এবং মাটির উর্বরতা নিয়ে গবেষণা করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাজশাহী — রাজশাহী একটি গুরুত্বপূর্ণ বিভাগীয় শহর হলেও এখানে প্রধান বন গবেষণা কেন্দ্র অবস্থিত নয়।
B) কুমিল্লা — কুমিল্লায় ঐতিহাসিক স্থান ও ময়নামতি বিহার থাকলেও বন গবেষণা কেন্দ্র এখানে নেই।
C) চট্টগ্রাম — চট্টগ্রাম পাহাড়ি অঞ্চল ও বনভিত্তিক গবেষণার জন্য প্রধান কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।
D) গাজীপুর — গাজীপুরে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট এবং বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট অবস্থিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- পাহাড় ও বনাঞ্চল বেশি থাকায় প্রধান বন গবেষণা কেন্দ্র চট্টগ্রামে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
- চট্টগ্রাম বললেই পাহাড় এবং বন গবেষণা কেন্দ্রের কথা মাথায় রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস পরীক্ষায় গবেষণা ইনস্টিটিউট ও এর অবস্থান থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- কোন গবেষণা ইনস্টিটিউট কোথায় অবস্থিত, তা ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) ১৯৪২ সালে
১. কেন সঠিক:
- ১৯৪২ সালের ৮ আগস্ট সর্বভারতীয় কংগ্রেস কমিটির বোম্বে অধিবেশনে ঐতিহাসিক ভারত ছাড় আন্দোলন শুরু হয়।
- ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের অবসান ঘটাতে মহাত্মা গান্ধীর নেতৃত্বে এই অহিংস গণআন্দোলনের ডাক দেওয়া হয়েছিল।
২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য:
ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে ভারতীয় উপমহাদেশে পরিচালিত শেষ বৃহৎ স্বাধীনতা সংগ্রাম ছিল এই আন্দোলন।
তারিখ ও স্থান: ১৯৪২ সালের ৮ আগস্ট মহারাষ্ট্রের বোম্বে শহরের গওয়ালিয়া ট্যাংক ময়দানে এই আন্দোলন আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়।
ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: মহাত্মা গান্ধী এই আন্দোলনের ডাক দেন এবং করেন বা মরবো স্লোগান দিয়ে জাতিকে উজ্জীবিত করেন।
তাৎপর্য ও ফলাফল: এই আন্দোলনের পর ব্রিটিশ সরকার বুঝতে পারে ভারসম্য রক্ষা করা কঠিন হবে এবং এর পথ ধরেই ১৯৪৭ সালে উপমহাদেশের স্বাধীনতা ত্বরান্বিত হয়।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ আন্দোলন
ব্যাখ্যা: ব্রিটিশ শক্তির বিরুদ্ধে বাঙালি জাতির অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক আন্দোলন যা পরবর্তীতে ভারতীয় জাতীয়তাবাদী রাজনীতিকে প্রভাবিত করে।
উদাহরণ ২: ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন
ব্যাখ্যা: ব্রিটিশ আমলের পর পাকিস্তানি ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে বাঙালির স্বাধিকার অর্জনের প্রথম ঐতিহাসিক সোপান।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯১৭ সালে — এই সালে ব্রিটিশবিরোধী কোনো সর্বভারতীয় আন্দোলন শুরু হয়নি, তবে রাশিয়ান বিপ্লব সংঘটিত হয়েছিল।
B) ১৯২৭ সালে — এই সালে সাইমন কমিশন গঠিত হয় যা ভারতে রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি করেছিল কিন্তু ভারত ছাড় আন্দোলন নয়।
C) ১৯৩৭ সালে — এই সালে ভারত শাসন আইন ১৯৩৫ এর অধীনে প্রথম প্রাদেশিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
D) ১৯৪২ সালে — এই সালেই মহাত্মা গান্ধীর নেতৃত্বে ঐতিহাসিক ভারত ছাড় আন্দোলন শুরু হয়েছিল।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ১৯৪২ সংখ্যাটিকে মনে রাখতে পারেন ৪২ মানে শেষ চাল বা শেষ ধাক্কা যা ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে দেওয়া হয়েছিল।
- বিশ্বযুদ্ধের সময় অর্থাৎ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মধ্যলগ্নে এই আন্দোলন শুরু হয়েছিল তা মনে রাখা সহজ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ভারত ছাড় আন্দোলনের মূল স্লোগান ছিল করেন বা মরবো যা মহাত্মা গান্ধী প্রদান করেছিলেন।
- এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ব্রিটিশ ভারতের ইতিহাস অংশ থেকে আসে।
সঠিক উত্তর: B) ২০১২ সালে
১. কেন সঠিক:
- মানি লন্ডারিং বা মুদ্রাপাচার একটি মারাত্মক আর্থিক অপরাধ। এই অপরাধ রোধে এবং অবৈধ অর্থের উৎস সন্ধান ও বাজোপ্ত করার উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ সরকার ২০১২ সালে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন প্রবর্তন করে।
- আন্তর্জাতিক মানদণ্ড রক্ষা এবং অর্থ পাচার রোধকারী আন্তর্জাতিক সংস্থা এশিয়া প্যাসিফিক গ্রুপের সুপারিশ বাস্তবায়নে এই আইন প্রণয়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল।
২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য:
- আইন ও প্রশাসন: এই আইনের অধীনে গঠিত বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট আর্থিক খাতের সন্দেহজনক লেনদেন মনিটরিং ও বিশ্লেষণ করে থাকে।
- তাৎপর্য ও ফলাফল: এই আইন প্রণয়নের ফলে দেশের ব্যাংকিং ও আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা ফিরে আসে এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বাংলাদেশের অবস্থান শক্তিশালী হয়।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট
ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশ ব্যাংকের অধীনে পরিচালিত একটি স্বতন্ত্র ইউনিট যা মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসী অর্থায়ন প্রতিরোধে কাজ করে।
উদাহরণ ২: দুর্নীতি দমন কমিশন
ব্যাখ্যা: মানি লন্ডারিং মামলার তদন্ত ও আইনি পদক্ষেপ গ্রহণে দুর্নীতি দমন কমিশন এই আইনের আওতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২০১১ সালে — এই সালে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন প্রণীত হয়নি, তবে এর আগের ২০০৯ সালের আইনের সংস্কারের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল।
B) ২০১২ সালে — এটি সঠিক উত্তর। এই সালেই মূল মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন জাতীয় সংসদে পাস হয়।
C) ২০১৩ সালে — এই সালে এই আইনের কিছু ধারা সংশোধন করা হয়েছিল কিন্তু আইনটি এই সালের নয়।
D) ২০১৪ সালে — এই সালে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন সংশোধনের মাধ্যমে আরও কঠোর বিধান যুক্ত করা হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২ সালে পাস হয়। মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারেন বর্তমান আইনের মূল কাঠামোটি ২০১২ সালের।
- অপরাধ দমনের এই গুরুত্বপূর্ণ আইনটি তত্ত্বাবধায়ক সরকার কিংবা পরবর্তী রাজনৈতিক সরকারের সময়ে বেশ আলোচিত ছিল।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও ব্যাংকিং পরীক্ষার জন্য মানি লন্ডারিং আইনের সাল এবং এর প্রয়োগকারী সংস্থা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা আবশ্যক।
- একই বিষয় থেকে ব্যাংকিং খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের ভূমিকা সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: A) ২০১৩ সালে
১. কেন সঠিক:
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ড করদাতাদের সেবা সহজতর করতে এবং কর ফাঁকি রোধ করতে ২০১৩ সালে ইলেকট্রনিক করদাতা শনাক্তকরণ নম্বর বা ই-টিন চালু করে।
- এই ব্যবস্থার মাধ্যমে ঘরে বসে ইন্টারনেটের মাধ্যমে খুব দ্রুত এবং সহজে নতুন টিন সার্টিফিকেট পাওয়া সম্ভব হয়েছে।
২. অর্থনীতি, শিল্প, অর্থনীতি ও উন্নয়ন:
- ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: কাগজের টিন সনদের পরিবর্তে আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহারের অংশ হিসেবে ২০১৩ সালের ১ জুলাই থেকে অনলাইনভিত্তিক ই-টিন ব্যবস্থা আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করা হয়।
- প্রতিষ্ঠান: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের অধীন জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বা এনবিআর এই সেবাটি পরিচালনা করে থাকে।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ই-পাসপোর্ট সেবা
ব্যাখ্যা: কর ব্যবস্থার পাশাপাশি সরকারি সেবাকে ডিজিটাল করার জন্য বাংলাদেশ সরকার পরবর্তীতে ই-পাসপোর্ট সেবা চালু করে, যা নাগরিকদের পাসপোর্ট প্রাপ্তি সহজ করেছে।
উদাহরণ ২: অনলাইন ভ্যাট নিবন্ধন
ব্যাখ্যা: ই-টিন চালুর ধারাবাহিকতায় ব্যবসায়ীদের জন্য অনলাইনে মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করা হয়, যা রাজস্ব আদায়ে স্বচ্ছতা এনেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২০১৩ সালে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে ই-টিন পদ্ধতি চালু করা হয়েছিল।
B) ২০১৪ সালে — এটি ভুল কারণ এর আগেই ২০১৩ সালে ই-টিন কার্যক্রম শুরু হয়ে গিয়েছিল।
C) ২০১৫ সালে — এটি ভুল কারণ ২০১৫ সালের অনেক আগেই আধুনিক ডিজিটাল টিন ব্যবস্থা চালু হয়।
D) ২০১৬ সালে — এটি ভুল কারণ ২০১৬ সাল ই-টিন চালুর সাল নয়, বরং এর আগের বছরগুলোতে এই সেবা পূর্ণতা লাভ করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ২০১৩ সালে প্রথম বাংলাদেশে আধুনিক ডিজিটাল ই-টিন চালু হয়।
- ৩ এর সাথে ১৩ মিলিয়ে সালটি সহজে মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এনবিআর বা জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের পূর্ণরূপ এবং এর কার্যক্রম সম্পর্কে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসতে পারে।
- কর ব্যবস্থার ডিজিটালাইজেশন সম্পর্কিত প্রশ্নগুলো ব্যাংক নিয়োগ ও বিসিএস পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: C) ৮ এপ্রিল ১৯৭২
১. কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (Bangladesh Public Service Commission) একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান, যা ১৯৭২ সালের ৮ এপ্রিল গঠিত হয়।
- দেশের সরকারি চাকুরিতে উপযুক্ত ও মেধাবী প্রার্থী বাছাই করার জন্য এই স্বাধীন ও নিরপেক্ষ কমিশন প্রতিষ্ঠা করা হয়।
২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য:
- ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সংবিধানে প্রজাতন্ত্রের কর্ম কমিশন গঠনের বিধান রাখা হয়।
- সংবিধান ও আইন: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১৩৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সরকারি কর্ম কমিশন গঠনের ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বিসিএস) পরীক্ষা।
ব্যাখ্যা: এই কমিশন প্রতি বছর বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে প্রথম শ্রেণির সরকারি কর্মকর্তা নিয়োগের জন্য সুপারিশ করে থাকে।
উদাহরণ ২: সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে নির্বাচন কমিশন।
ব্যাখ্যা: এটিও বাংলাদেশ সংবিধান দ্বারা গঠিত একটি স্বাধীন প্রতিষ্ঠান, যা সরকারি কর্ম কমিশনের মতোই সাংবিধানিক মর্যাদা ভোগ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৬ এপ্রিল ১৯৭২ — এই তারিখে বাংলাদেশের সরকারি কর্ম কমিশন গঠিত হয়নি, এটি ভুল তারিখ।
B) ৭ এপ্রিল ১৯৭২ — এই তারিখটি বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন গঠনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
C) ৮ এপ্রিল ১৯৭২ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দিনেই বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন আনুষ্ঠানিকভাবে গঠিত হয়।
D) ৯ এপ্রিল ১৯৭২ — এই তারিখে অন্য কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটতে পারে, তবে এটি কমিশন গঠনের তারিখ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম বছর অর্থাৎ ১৯৭২ সালের এপ্রিল মাসের আট তারিখে সরকারি কর্ম কমিশন গঠিত হয়।
- সাল মনে রাখার কৌশল হিসেবে মনে রাখতে পারো দেশ স্বাধীন হওয়ার পরের বছরই এই কমিশন যাত্রা শুরু করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোর গঠনের তারিখ ও সাল জানতে চাওয়া হয়।
- এই প্রশ্নটি থেকে সংবিধানের ১৩৭ অনুচ্ছেদ এবং পিএসসি গঠনের সঠিক সাল সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায়।
সঠিক উত্তর: A) ২ মার্চ, ২০২২
১. কেন সঠিক:
- ২০২২ সালের ২ মার্চ তারিখে মন্ত্রিসভার বৈঠকে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানকে বাংলাদেশের জাতীয় স্লোগান হিসেবে অনুমোদন দেওয়া হয়।
- পরবর্তীতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এসংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয় এবং সাংবিধানিক পদাধিকারী ব্যক্তিসহ সব সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীকে রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে এই স্লোগান ব্যবহার করতে বলা হয়।
২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও তাৎপর্য:
- ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে বাঙালি জাতির মূল অনুপ্রেরণা ও মুক্তির মন্ত্র ছিল জয় বাংলা স্লোগান।
- তাৎপর্য ও ফলাফল: দীর্ঘ আইনি লড়াই ও দাবির পর এই অনুমোদনের মাধ্যমে ঐতিহাসিক স্লোগানটি তার রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিক স্বীকৃতি লাভ করে।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে ঐতিহাসিক ভাষণের শেষে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে তাঁর ভাষণ শেষ করেছিলেন।
ব্যাখ্যা: এই স্লোগানটি সেদিন পরাধীন বাঙালি জাতিকে স্বাধীনতার মন্ত্রে উজ্জীবিত করেছিল এবং যুদ্ধের পুরো সময় এটি আমাদের প্রেরণা ছিল।
উদাহরণ ২: রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন অনুষ্ঠানে সাংবিধানিক পদধারীদের জয় বাংলা স্লোগান বলা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
ব্যাখ্যা: এটি দেশের প্রতিটি নাগরিককে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২ মার্চ, ২০২২ — এই তারিখে বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রিসভা বৈঠকে জয় বাংলা স্লোগানকে জাতীয় স্লোগান হিসেবে আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দেওয়া হয়।
B) ৩ মার্চ, ২০২২ — এটি ভুল তারিখ কারণ মন্ত্রিসভার ঐতিহাসিক অনুমোদন সভাটি এর আগের দিন অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
C) ৪ মার্চ, ২০২২ — এই তারিখে কোনো নতুন মন্ত্রিসভা বৈঠক বা জাতীয় স্লোগান সংক্রান্ত সরকারি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়নি।
D) ৫ মার্চ, ২০২২ — এই তারিখটি সঠিক নয় কারণ এর তিন দিন আগেই মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি সম্পন্ন হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- অসহযোগ আন্দোলনের ঐতিহাসিক ২ মার্চ তারিখের সঙ্গে মিল রেখে ২০২২ সালের ২ মার্চ জয় বাংলা স্লোগানকে জাতীয় স্লোগান হিসেবে অনুমোদন দেওয়া হয়।
- মার্চ মাস বাঙালির স্বাধীনতার মাস, আর ২ মার্চ হলো সেই বিশেষ দিন যেদিন ঐতিহাসিক স্লোগানটি রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- জাতীয় স্লোগান ঘোষণার তারিখ এবং সংশ্লিষ্ট প্রজ্ঞাপন জারি সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
- একই বিষয় থেকে স্লোগানের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা বা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রজ্ঞাপনের তারিখ নিয়েও প্রশ্ন হতে পারে।
সঠিক উত্তর: A) ২ (দুই) নম্বর
১. কেন সঠিক:
মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় ঢাকা শহর ছিল ২ নম্বর সেক্টরের অন্তর্ভুক্ত।
এই সেক্টরের ভৌগোলিক পরিধি ছিল ঢাকা, কুমিল্লা, নোয়াখালী এবং ফরিদপুর ও ময়মনসিংহের কিছু অংশ নিয়ে।
২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য:
মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর ও সেক্টর কমান্ডার:
১৯৭১ সালের ১১ জুলাই অনুষ্ঠিত সেক্টর কমান্ডারস কনফারেন্সে সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করা হয়।
২ নম্বর সেক্টরের প্রথম সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর খালেদ মোশাররফ এবং পরবর্তীতে মেজর এ টি এম হায়দার দায়িত্ব পালন করেন।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মেজর খালেদ মোশাররফ
ব্যাখ্যা: তিনি ২ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং তার অধীনেই ঢাকা শহরে ও এর আশপাশে গেরিলা যুদ্ধ পরিচালিত হয়।
উদাহরণ ২: অপারেশন জ্যাকপট
ব্যাখ্যা: এটি ১৯৭১ সালের আগস্ট মাসে ২ নম্বর সেক্টরের অধীন নৌ-কমান্ডোদের পরিচালিত একটি ঐতিহাসিক সফল অপারেশন ছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২ (দুই) নম্বর — এটি সঠিক উত্তর কারণ ঢাকা শহর এই সেক্টরের অধীনে ছিল।
B) ৩ (তিন) নম্বর — এই সেক্টরের অধীনে ছিল হবিগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও ময়মনসিংহের কিছু অংশ।
C) ৪ (চার) নম্বর — এই সেক্টরের অন্তর্ভুক্ত ছিল সিলেট জেলা এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও হবিগঞ্জের কিছু অংশ।
D) ৫ (পাঁচ) নম্বর — এই সেক্টরের অধীনে ছিল রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া এবং নাটোর জেলা।
৫ মনে রাখার টিপস:
ঢাকা মানে দুই নম্বর সেক্টর, এটি মনে রাখার জন্য ঢাকা ও দুই শব্দ দুটি একসঙ্গে মনে রাখতে পারো।
মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর মোট ১১টি এবং নৌপথের জন্য আলাদা সেক্টর ছিল ১০ নম্বর।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ঢাকা শহর কোন সেক্টরে ছিল তা বিসিএস পরীক্ষায় বারবার আসে।
একই বিষয় থেকে সেক্টর কমান্ডার এবং সাব-সেক্টর সংক্রান্ত প্রশ্নও পরীক্ষায় থাকতে পারে।
সঠিক উত্তর: B) ৫ (পাঁচ) টি
১. কেন সঠিক:
- সুন্দরবন বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত বিশ্বের বৃহত্তম একক ম্যানগ্রোভ বন।
- প্রশাসনিকভাবে এই বনটি বাংলাদেশের ৫ টি জেলার সীমানা জুড়ে বিস্তৃত রয়েছে।
২. ভৌগোলিক অবস্থান ও জেলাসমূহ:
- ভৌগোলিক অবস্থান: সুন্দরবন খুলনা বিভাগের খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা এবং বরিশাল বিভাগের বরগুনা ও পটুয়াখালী জেলার অংশ বিশেষ জুড়ে বিস্তৃত।
- সংশ্লিষ্ট জেলা: সুন্দরবনের আওতাধীন ৫ টি জেলা হলো খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, বরগুনা এবং পটুয়াখালী।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: খুলনা জেলা
ব্যাখ্যা: খুলনার পাইকগাছা, কয়রা ও ডুমুরিয়া উপজেলার বিস্তীর্ণ অঞ্চল সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য ও বনভূমির সাথে সরাসরি যুক্ত।
উদাহরণ ২: বাগেরহাট জেলা
ব্যাখ্যা: সুন্দরবনের বিখ্যাত শরণখোলা রেঞ্জ ও ঐতিহাসিক ষাট গম্বুজ মসজিদের এই জেলাটি সুন্দরবনের অর্ধাংশের বেশি অংশ ধারণ করে আছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৪ (চার) টি — সুন্দরবন কেবল ৪ টি জেলায় সীমাবদ্ধ নয়, কারণ এর পরিধি ৫ টি জেলাজুড়ে বিস্তৃত।
B) ৫ (পাঁচ) টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ সুন্দরবন খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, বরগুনা ও পটুয়াখালী এই ৫ টি জেলার সীমানায় অবস্থিত।
C) ৬ (ছয়) টি — বাংলাদেশে সুন্দরবনের সাথে সরাসরি সংযুক্ত জেলার সংখ্যা ৬ টি নয়, সঠিক সংখ্যা ৫ টি।
D) ৭ (সাত) টি — ৭ টি জেলার সাথে সুন্দরবনের কোনো প্রশাসনিক সংযোগ নেই, এটি ভুল তথ্য।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সুন্দরবনের ৫ টি জেলা মনে রাখার সহজ উপায় হলো খুলনা অঞ্চলের ৩ টি (খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা) এবং বরিশাল অঞ্চলের ২ টি (বরগুনা, পটুয়াখালী)।
- সুন্দরবন মূলত খুলনা ও বরিশাল বিভাগে অবস্থিত, ঢাকা বা চট্টগ্রাম বিভাগে নয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সুন্দরবন কোন কোন বিভাগে অবস্থিত তা বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
- সুন্দরবনের আয়তন এবং এর মধ্যে সংরক্ষিত বনাঞ্চলের পরিমাণ থেকেও প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: C) ৮ (আট) টি
১. কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, দারিদ্র্য বিমোচন ও সম্পদ বণ্টনের লক্ষ্য নিয়ে ধারাবাহিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়েছে।
- পরিকল্পনা কমিশন দেশের সার্বিক উন্নয়নের জন্য নির্দিষ্ট মেয়াদী পরিকল্পনা তৈরি করে থাকে, যার মধ্যে পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা অন্যতম।
২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য:
- ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: স্বাধীনতার পর ১৯৭৩ সালে প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা শুরু হয় এবং বর্তমানে অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা বাস্তবায়নাধীন রয়েছে।
- প্রতিষ্ঠান: পরিকল্পনা কমিশন দেশের দীর্ঘমেয়াদি ও পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা প্রণয়নের মূল দায়িত্ব পালন করে থাকে।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা
ব্যাখ্যা: ১৯৭৩ থেকে ১৯৭৮ সাল পর্যন্ত মেয়াদী এই পরিকল্পনাটির মূল লক্ষ্য ছিল যুদ্ধবিধ্বস্ত অর্থনীতি পুনর্গঠন করা।
উদাহরণ ২: অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা
ব্যাখ্যা: ২০২০ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত মেয়াদী এই পরিকল্পনাটি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের ওপর গুরুত্ব দিয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৬ (ছয়) টি — এটি ভুল কারণ বাংলাদেশের পরিকল্পনা কমিশনের তথ্য অনুযায়ী ইতোমধ্যে আটটি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
B) ৭ (সাত) টি — এটি ভুল কারণ সপ্তম পঞ্চবার্ষিকীর পর আরও একটি নতুন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
C) ৮ (আট) টি — এটি সঠিক কারণ স্বাধীনতার পর থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত মোট আটটি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
D) ৯ (নয়) টি — এটি ভুল কারণ বর্তমানে নবম কোনো পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত হয়নি।
৫ মনে রাখার টিপস:
- স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম পঞ্চবার্ষিকী শুরু হয় ১৯৭৩ সালে এবং বর্তমান পর্যন্ত মোট আটটি পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়েছে। সংখ্যাটি মনে রাখতে প্রথম ও বর্তমান পরিকল্পনার ধারাবাহিকতা খেয়াল রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- পরিকল্পনা কমিশনের চেয়ারম্যান কে তা প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। প্রধানমন্ত্রী পরিকল্পনা কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
সঠিক উত্তর: D) সুপ্রীম কোর্ট
১. কেন সঠিক:
বাংলাদেশের সংবিধানের ১০৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সুপ্রীম কোর্ট একটি কোর্ট অব রেকর্ড বা অভিলেখ আদালত হিসেবে গণ্য হয়। এই আদালতের সকল রায় ও আদেশ সংরক্ষিত থাকে এবং তা পরবর্তীতে নিম্ন আদালতের জন্য দৃষ্টান্ত হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
২. সংবিধান ও আইন:
সংবিধানের ১০৮ অনুচ্ছেদে সুপ্রীম কোর্টের অভিলেখ আদালত হওয়ার বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে আদালত অবমাননার জন্য শাস্তি দেওয়ার ক্ষমতাও সুপ্রীম কোর্টের হাতে ন্যস্ত থাকে।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সুপ্রীম কোর্টের রায়
ব্যাখ্যা: দেশের যেকোনো উচ্চ আদালতের গুরুত্বপূর্ণ রায় বা আদেশ পরবর্তীতে দেশের অন্যান্য আদালত আইন হিসেবে অনুসরণ করে।
উদাহরণ ২: আদালত অবমাননার মামলা
ব্যাখ্যা: সুপ্রীম কোর্টের আদেশ অমান্য করলে এই আদালতের মাধ্যমেই আদালত অবমাননার বিচার ও শাস্তির ব্যবস্থা করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লেবার কোর্ট — এটি শ্রমিক ও মালিকপক্ষের বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য গঠিত বিশেষ আদালত, যা সংবিধান অনুযায়ী কোর্ট অব রেকর্ড নয়।
B) জজ কোর্ট — এটি জেলার প্রধান ফৌজদারি ও দেওয়ানি আদালত, যা সুপ্রীম কোর্টের অধিনস্থ এবং কোর্ট অব রেকর্ড হিসেবে গণ্য নয়।
C) হাই কোর্ট — এটি সুপ্রীম কোর্টের একটি বিভাগ মাত্র, একা সম্পূর্ণ সুপ্রীম কোর্ট বোঝায় না।
D) সুপ্রীম কোর্ট — এটি সঠিক উত্তর কারণ সংবিধানের ১০৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সুপ্রীম কোর্টের উভয় বিভাগই কোর্ট অব রেকর্ড।
৫ মনে রাখার টিপস:
সংবিধানের ১০৮ অনুচ্ছেদ মনে রাখতে ১০৮ সংখ্যাটি মাথায় রাখুন যা সুপ্রীম কোর্টের রেকর্ড রাখার ক্ষমতার সঙ্গে সম্পর্কিত। হাইকোর্ট ও আপিল বিভাগ নিয়ে গঠিত সুপ্রীম কোর্টই একমাত্র কোর্ট অব রেকর্ড।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সংবিধানের অনুচ্ছেদ সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। তাই সুপ্রীম কোর্টের ক্ষমতা সম্পর্কিত ১০৮ অনুচ্ছেদ ভালোভাবে মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: D) সপ্তম তফসিল
১. কেন সঠিক:
- ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ বাংলাদেশের সংবিধানের সপ্তম তফসিলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
- ২০১১ সালে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে এই ঐতিহাসিক ভাষণটি সংবিধানের সংযুক্তি হিসেবে সপ্তম তফসিলে স্থান পায়।
২. সংবিধান ও আইন:
- সংবিধানের ১৫০ অনুচ্ছেদের (২) উপ-অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী ৭ মার্চের ভাষণ সপ্তম তফসিলে সন্নিবেশিত হয়েছে।
- পঞ্চদশ সংশোধনী ২০১১ সালের ৩০ জুন জাতীয় সংসদে পাস হয় এবং সংবিধানে ঐতিহাসিক দলিল ও ভাষণের স্বীকৃতি নিশ্চিত করা হয়।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চের স্বাধীনতার ঘোষণা।
ব্যাখ্যা: স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রটিও সংবিধানের ষষ্ঠ তফসিলে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে যা আমাদের স্বাধীনতার দলিল।
উদাহরণ ২: ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল গঠিত প্রথম অস্থায়ী সরকার।
ব্যাখ্যা: এই সরকারের শপথ গ্রহণ এবং স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র আমাদের সাংবিধানিক ও ঐতিহাসিক চেতনার মূল ভিত্তি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চতুর্থ তফসিল — এটি ১৯৭২ সালের সংবিধানের প্রারম্ভিক পর্যায়ের কিছু ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানের সাথে সম্পর্কিত।
B) পঞ্চম তফসিল — এটি সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী সম্পর্কিত, যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয় বরং অপশনে ভুল দেওয়া ছিল।
C) ষষ্ঠ তফসিল — এটি ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ প্রদত্ত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের সাথে সম্পর্কিত।
D) সপ্তম তফসিল — এটি ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের অন্তর্ভুক্তির জন্য পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানে যুক্ত করা হয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ছয় মানে ছয় দফা বা স্বাধীনতার ঘোষণা আর সাত মানে সাতই মার্চের ভাষণ।
- সংবিধানে ৭ মার্চের ভাষণ আছে সপ্তম তফসিলে, সংখ্যা মিলিয়ে খুব সহজেই এটি মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- পঞ্চদশ সংশোধনী ২০১১ সালের মাধ্যমে সংবিধানে ৭ মার্চ ও ২৬ মার্চের ঘোষণা যুক্ত করা হয়।
- এই ধরনের প্রশ্ন সাধারণত বিসিএস ও ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় সংবিধানের তফসিল সম্পর্কিত অংশে বারবার আসে।
সঠিক উত্তর: B) অনুচ্ছেদ : ৩
১. কেন সঠিক:
বাংলাদেশের সংবিধানের ৩ নম্বর অনুচ্ছেদে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের শহীদদের আত্মত্যাগের স্বীকৃতি এবং বাঙালি জাতির সাংস্কৃতিক স্বাধিকারের প্রধান প্রতীক হিসেবে এই বিধান সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
২. সংবিধান ও আইন:
সংবিধান ও আইন: ১৯৭২ সালের মূল সংবিধানে রাষ্ট্রভাষার বিষয়টি অনুচ্ছেদ ৩-এ অন্তর্ভুক্ত করা হয় এবং এটি প্রজাতন্ত্রের মৌলিক কাঠামোর একটি অংশ।
তাৎপর্য ও ফলাফল: এই অনুচ্ছেদের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় ও দাপ্তরিক কাজে বাংলার ব্যবহার নিশ্চিত করা হয়েছে এবং এটি বাঙালি জাতীয়তাবাদের মূল ভিত্তি।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাংলা একাডেমি আইন
ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষার উন্নয়ন ও গবেষণার জন্য ১৯৭২ সালে বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয় যা এই সাংবিধানিক মর্যাদাকে বাস্তবায়ন করতে সহায়তা করে।
উদাহরণ ২: আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস
ব্যাখ্যা: একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার পেছনে অনুচ্ছেদ ৩-এর ঐতিহাসিক প্রেরণা ও বাংলা ভাষার সংগ্রামের গুরুত্ব রয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অনুচ্ছেদ : ২ — এই অনুচ্ছেদে প্রজাতন্ত্রের সীমানা সম্পর্কে বলা হয়েছে, যা রাষ্ট্রভাষা সম্পর্কিত নয়।
B) অনুচ্ছেদ : ৩ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই অনুচ্ছেদেই প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা হিসেবে স্পষ্টভাবে নির্ধারিত হয়েছে।
C) অনুচ্ছেদ : ৪ — এই অনুচ্ছেদে প্রজাতন্ত্রের জাতীয় সংগীত, পতাকা ও লোগো সম্পর্কে বলা হয়েছে।
D) অনুচ্ছেদ : ৫ — এই অনুচ্ছেদে প্রজাতন্ত্রের রাজধানী সম্পর্কে বলা হয়েছে, যার সাথে ভাষার কোনো সম্পর্ক নেই।
৫ মনে রাখার টিপস:
সংবিধানের প্রথম ভাগে রাষ্ট্রের মৌলিক নীতিমালা ও প্রতীক নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
ভাষা মানুষের মুখের তিন অক্ষরের শব্দ, তাই এটি মনে রাখতে অনুচ্ছেদ ৩ এর সাথে মিলিয়ে পড়বে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলাদেশের সংবিধানে রাষ্ট্রভাষা বাংলা কোন অনুচ্ছেদে আছে তা বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগে বারবার আসে।
সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২ থেকে ৫ পর্যন্ত রাষ্ট্রের মূল প্রতীক ও পরিচয় বহন করে, তাই এগুলো একসাথে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: B) শামছুল হক
১. কেন সঠিক:
- শামছুল হক ছিলেন ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন প্রতিষ্ঠিত পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগের প্রথম সাধারণ সম্পাদক।
- ঐতিহাসিক দলটির জন্মলগ্নে সাংগঠনিক নেতৃত্ব দানে তাঁর ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও দূরদর্শী।
২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য:
- ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: মুসলিম লীগের অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্রহীনতা ও অগণতান্ত্রিক আচরণের প্রতিবাদে এই নতুন রাজনৈতিক দলের জন্ম হয়।
- তারিখ ও স্থান: ১৯৪৯ সালের ২৩ ও ২৪ জুন ঢাকার রোজ গার্ডেন রেস্তোরাঁয় অনুষ্ঠিত কর্মী সম্মেলনে এই দল গঠিত হয়।
- ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী দলের সভাপতি এবং শামছুল হক সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।
- তাৎপর্য ও ফলাফল: এই দল পরবর্তীতে বাঙালি জাতির স্বাধিকার আন্দোলন ও মহান মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী প্রধান রাজনৈতিক শক্তিতে রূপ নেয়।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী
ব্যাখ্যা: তিনি ছিলেন পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি যিনি দলের আদর্শিক ভিত্তি গঠনে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।
উদাহরণ ২: হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
ব্যাখ্যা: তিনি ছিলেন এই দলের অন্যতম প্রধান পথপ্রদর্শক ও নেতা যিনি পরবর্তীতে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শেখ মুজিবুর রহমান — তিনি এই দলের প্রতিষ্ঠাকালীন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন, সাধারণ সম্পাদক ছিলেন না।
C) আতাউর রহমান খান — তিনি এই দলের একজন শীর্ষস্থানীয় নেতা ও পরবর্তীতে পূর্ব পাকিস্তানের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন।
D) আবুল হাশিম — তিনি বঙ্গীয় মুসলিম লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন এবং বামঘেঁষা রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সভাপতি ছিলেন মওলানা ভাসানী আর সাধারণ সম্পাদক ছিলেন শামছুল হক।
- শেখ মুজিবুর রহমান তখন কারাবন্দী থাকা অবস্থায় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছিলেন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- আওয়ামী মুসলিম লীগ থেকে 'মুসলিম' শব্দটি বাদ দিয়ে পরবর্তীতে কেবল 'আওয়ামী লীগ' নামকরণ করা হয় ১৯৫৫ সালে।
- এই দলটির জন্ম এবং এর নেতৃত্ব সম্পর্কে বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: B) ২৩ মার্চ ১৯৬৬
১. কেন সঠিক:
- ঐতিহাসিক ছয় দফা কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল ১৯৬৬ সালের ২৩ মার্চ লাহোরে ঐতিহাসিক বিরোধীদলীয় সম্মেলনে।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এই দিন ঐতিহাসিক সম্মেলনে পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসনের দাবি সম্বলিত ছয় দফা পেশ করেন এবং বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ ঘোষণা করেন।
২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট:
- ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯৬৫ সালের পাক-ভারত যুদ্ধের পর পূর্ব পাকিস্তানের নিরাপত্তার চরম শূন্যতা এবং বৈষম্যের বিরুদ্ধে বাঙালি জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করতে এই ছয় দফা প্রণয়ন করা হয়।
- তারিখ ও স্থান: ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধী দলগুলোর এক সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু প্রথম ছয় দফা প্রস্তাব উত্থাপন করেন এবং ২৩ মার্চ তা আনুষ্ঠানিকভাবে সংবাদ সম্মেলনে ঘোষণা করা হয়।
- ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তান বিরোধী সম্মেলনে এককভাবে এই ঐতিহাসিক দাবি তুলে ধরেন এবং আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে এটি প্রচার করা হয়।
- তাৎপর্য ও ফলাফল: ছয় দফা ঘোষণার পর আইয়ুব খান সরকার আতঙ্কিত হয়ে ওঠে এবং একে পাকিস্তানের অখণ্ডতা ভাঙার চক্রান্ত হিসেবে আখ্যায়িত করে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ১৯৬৬ সালের ৭ জুন ছয় দফার দাবিতে দেশব্যাপী সাধারণ ধর্মঘট।
ব্যাখ্যা: এই হরতালে পুলিশের গুলিতে মনু মিয়া ও শংকরসহ অনেকেই শহীদ হন, যা পরবর্তীতে ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের পথ প্রশস্ত করে।
উদাহরণ ২: ঐতিহাসিক আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা।
ব্যাখ্যা: ছয় দফা আন্দোলনের জনপ্রিয়তায় ভীত হয়ে পাকিস্তান সরকার শেখ মুজিবুর রহমানকে প্রধান আসামি করে এই মিথ্যা মামলা দায়ের করেছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৬ — এই তারিখে লাহোরে বিরোধীদের বিষয় নির্বাচনী সাব-কমিটির বৈঠকে বঙ্গবন্ধু প্রথম ছয় দফা প্রস্তাব উপস্থাপন করেছিলেন, আনুষ্ঠানিক ঘোষণা নয়।
B) ২৩ মার্চ ১৯৬৬ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এই দিনেই লাহোরে ঐতিহাসিক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ছয় দফা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়।
C) ২৬ মার্চ ১৯৬৬ — এই তারিখটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের সঙ্গে সম্পর্কিত, ছয় দফা ঘোষণার সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
D) ৩১ মার্চ ১৯৬৬ — এই তারিখে ছয় দফা কর্মসূচির কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটেনি এবং এটি একটি বিভ্রান্তিকর তারিখ হিসেবে অপশনে রাখা হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ছয় দফা ঘোষণার সঠিক তারিখ মনে রাখতে ৫ ফেব্রুয়ারি প্রস্তাব এবং ২৩ মার্চ আনুষ্ঠানিক ঘোষণার তারিখ দুটি আলাদাভাবে মনে রাখতে হবে।
- ফেব্রুয়ারি মাসে প্রথম উত্থাপন এবং মার্চ মাসে চূড়ান্ত ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল, যা আমাদের স্বাধীনতার পথকে ত্বরান্বিত করেছিল।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ছয় দফা কে এবং কবে পেশ করেন বা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন, এই সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে।
- ছয় দফার প্রথম দফা কী ছিল এবং কত সালে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করা হয়, তা এই প্রশ্ন থেকে আলাদাভাবে জেনে রাখা প্রয়োজন।
সঠিক উত্তর: A) রাষ্ট্রপতি
১. কেন সঠিক:
বাংলাদেশের সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদের ১ দফাসম্প্রদায় অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান করেন।
সংসদ ভেঙে যাওয়ার পর পরবর্তী সংসদের প্রথম বৈঠক রাষ্ট্রপতির নির্ধারিত দিনে ও সময়ে অনুষ্ঠিত হয়।
২. সংবিধান ও আইন:
সংবিধান ও আইন: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদে জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান, prorogation বা অবসান এবং ভেঙে দেওয়ার ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির ওপর অর্পণ করা হয়েছে।
তাৎপর্য ও ফলাফল: এটি প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী প্রধান এবং আইনসভার মধ্যকার সাংবিধানিক ভারসাম্য রক্ষা করে এবং সংসদীয় গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতা বজায় রাখে।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: প্রথম জাতীয় সংসদ
ব্যাখ্যা: ১৯৭৩ সালের ৭ এপ্রিল স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদের অধিবেশন রাষ্ট্রপতি আহ্বান করেছিলেন।
উদাহরণ ২: একাদশ জাতীয় সংসদ
ব্যাখ্যা: ২০১৮ সালের নির্বাচনের পর ২০১৯ সালের ৩০ জানুয়ারি রাষ্ট্রপতির আদেশে একাদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন বসেছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাষ্ট্রপতি - এটি সঠিক উত্তর কারণ সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী একমাত্র রাষ্ট্রপতির পক্ষেই সংসদ আহ্বান করার এখতিয়ার রয়েছে।
B) স্পীকার - স্পীকার সংসদ অধিবেশন পরিচালনা করেন এবং অধিবেশনের কার্যপ্রণালী নিয়ন্ত্রণ করেন, কিন্তু অধিবেশন আহ্বান করার সাংবিধানিক ক্ষমতা তার নেই।
C) চীফ হুইপ - চীফ হুইপ সংসদে সরকারি দলের হুইপদের প্রধান এবং সংসদীয় কার্য পরিচালনায় সহায়তা করেন, অধিবেশন আহ্বানের সাথে তার সম্পর্ক নেই।
D) প্রধানমন্ত্রী - প্রধানমন্ত্রী সরকারপ্রধান এবং সংসদ নেতা হলেও তিনি সরাসরি অধিবেশন আহ্বান করতে পারেন না, তবে রাষ্ট্রপতির কাছে লিখিত পরামর্শ দিতে পারেন।
৫. মনে রাখার টিপস:
সংসদ আহ্বান, স্থগিত বা ভাঙার ক্ষেত্রে মূল চাবিকাঠি হলো রাষ্ট্রপতির হাতে থাকা ৭২ অনুচ্ছেদ।
স্পীকার শুধু খেলা পরিচালনা করেন কিন্তু খেলা শুরু বা শেষের বাঁশি বাজানোর ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির হাতে থাকে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদে সংসদ অধিবেশন সংক্রান্ত বিধান রয়েছে যা বিসিএস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
একই বিষয় থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে সংসদ অধিবেশনের দুটি বৈঠকের মধ্যে সর্বোচ্চ কতদিনের ব্যবধান থাকতে পারে।
সঠিক উত্তর: C) ১৯৫২ সালে
১. কেন সঠিক:
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের চূড়ান্ত পর্বে সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম কমিটি গঠিত হয়েছিল।
- রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, ছাত্র সংগঠন ও সামাজিক শক্তিকে এক প্ল্যাটফর্মে আনতে এই কমিটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য:
- ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ১৪৪ ধারা ভাঙার কর্মসূচি পালনে এই কমিটি মুখ্য ভূমিকা রেখেছিল।
- ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: কাজী গোলাম মাহবুব এই সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ১৯৪৮ সালের রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম কমিটি
ব্যাখ্যা: এটি ছিল প্রথম সংগ্রাম কমিটি, যা তমদ্দুন মজলিস ও পূর্ব পাকিস্তান মুসলিম ছাত্র লীগের উদ্যোগে গঠিত হয়েছিল।
উদাহরণ ২: সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ ১৯৭১
ব্যাখ্যা: অসহযোগ আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতিতে ১৯৭০ সালের শেষের দিকে এই পরিষদ গঠিত হয়েছিল, যা ভাষা আন্দোলনের সংগ্রাম কমিটির উত্তরসূরি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৪৮ সালে — এই বছরে প্রথম রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম কমিটি গঠিত হয় এবং তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খাজা নাজিমউদ্দীনের সাথে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
B) ১৯৫০ সালে — এই বছরে কোনো সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম কমিটি গঠিত হয়নি, তবে ভাষা আন্দোলন নিয়ে তখন গোপন ও প্রকাশ্য প্রস্তুতি চলছিল।
D) ১৯৫৪ সালে — এই বছরে ঐতিহাসিক যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় এবং পূর্ব বাংলায় মুসলিম লীগের শোচনীয় পরাজয় ঘটে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ভাষা আন্দোলনের চূড়ান্ত রূপ পায় বা সর্বদলীয় কমিটি গঠিত হয় ৫২ সালে, তাই ৫২ সাল মনে রাখা সহজ।
- ৪৮ সালে প্রথম সংগ্রাম কমিটি আর ৫২ সালে সর্বদলীয় সংগ্রাম কমিটি গঠিত হয়েছিল।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় বারবার আসে।
- সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম কমিটির আহ্বায়কের নাম প্রায়ই পরীক্ষায় জানতে চাওয়া হয়।
সঠিক উত্তর: D) বালী
১. কেন সঠিক:
- ২০২২ সালের ১৭ থেকে ১৮ নভেম্বর ইন্দোনেশিয়ার বালী দ্বীপে ১৭তম জি-২০ শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- এই সম্মেলনটি মূলত বিশ্বের প্রধান অর্থনৈতিক শক্তিগুলোর একটি জোট যা বৈশ্বিক অর্থনীতি ও আর্থিক স্থিতিশীলতা নিয়ে কাজ করে।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
- সংস্থা: জি-২০ বা গ্রুপ অব টুয়েন্টি, যা বিশ্বের প্রধান উন্নত ও উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোর একটি আন্তর্জাতিক ফোরাম।
- প্রতিষ্ঠা: ১৯৯৯ সালে এশিয়ান আর্থিক সংকটের পর বিশ্ব অর্থনীতির স্থিতিশীলতা অর্জনের লক্ষ্যে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সদস্যদেশ: ১৯টি দেশ এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও আফ্রিকান ইউনিয়ন এর সদস্য।
- উদ্দেশ্য: আন্তর্জাতিক আর্থিক স্থায়িত্ব প্রচার এবং টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করা।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ২০২৩ সালের জি-২০ শীর্ষ সম্মেলন
ব্যাখ্যা: এটি ভারতের নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত হয় এবং বৈশ্বিক দক্ষিণের দেশগুলোর কণ্ঠস্বর জোরালো করার ওপর গুরুত্ব দেয়।
উদাহরণ ২: ২০২৪ সালের জি-২০ শীর্ষ সম্মেলন
ব্যাখ্যা: এটি ব্রাজিলের রিও ডি জেনেরিওতে অনুষ্ঠিত হয় এবং ক্ষুধা ও দারিদ্র্য বিমোচনের ওপর বিশেষ জোর দেয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সিংগাপুর — এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি উন্নত দ্বীপ রাষ্ট্র এবং এশিয়ার অন্যতম প্রধান আর্থিক কেন্দ্র, যা এই সম্মেলনের আয়োজক ছিল না।
B) জাকার্তা — এটি ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী ও বৃহত্তম শহর হলেও ২০২২ সালের জি-২০ শীর্ষ সম্মেলন এখানে অনুষ্ঠিত হয়নি।
C) ম্যানিলা — এটি ফিলিপাইনের রাজধানী এবং এশিয়ান উন্নয়ন ব্যাংকের সদর দপ্তর অবস্থিত, যা ২০২২ সালের জি-২০ সম্মেলনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) বালী — এটি ইন্দোনেশিয়ার একটি বিখ্যাত পর্যটন দ্বীপ এবং এখানেই ২০২২ সালের ১৭তম জি-২০ শীর্ষ সম্মেলন সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ইন্দোনেশিয়া দ্বীপের দেশ হওয়ায় এর পর্যটন কেন্দ্র বালী দ্বীপে বিশ্বনেতারা ২০২২ সালে মিলিত হয়েছিলেন।
- এভাবে মনে রাখতে পারো যে বালী দ্বীপে সমুদ্র সৈকতের পাশে বিশ্ব অর্থনীতির বড় বৈঠকটি হয়েছিল।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- জি-২০ জোরালো কোনো স্থায়ী সচিবালয় বা সদর দপ্তর নেই, প্রতি বছর পালাক্রমে এর সভাপতিত্ব পরিবর্তিত হয়।
- এই ধরনের আন্তর্জাতিক সম্মেলনের আয়োজক দেশ এবং সাল প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: B) আলজেরিয়া
১. কেন সঠিক:
- আলজেরিয়া একটি উত্তর আফ্রিকান দেশ এবং এটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য নয়।
- ইউরোপীয় ইউনিয়ন মূলত ইউরোপের দেশগুলোর একটি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক জোট, তাই বাইরের মহাদেশের দেশ এর সদস্য হতে পারে না।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
- সংস্থা: ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা ইইউ হলো ইউরোপের সাতাশটি দেশের একটি আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক জোট।
- সদর দপ্তর: বেলজিয়ামের ব্রাসেলস শহরে এই জোটের প্রধান কার্যালয় অবস্থিত।
- সদস্যদেশ: বর্তমানে এই জোটে সাতাশটি সদস্য রাষ্ট্র রয়েছে।
- উদ্দেশ্য: ইউরোপীয় অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে অবাধ বাণিজ্য, শান্তি রক্ষা এবং একক বাজার গড়ে তোলা।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মরক্কো
ব্যাখ্যা: এটিও একটি উত্তর আফ্রিকান দেশ এবং আলজেরিয়ার মতো মরক্কোও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য নয়।
উদাহরণ ২: যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা: এই দেশটি অতীতে ইইউর সদস্য থাকলেও ব্রেক্সিট বা ইউরোপীয় ইউনিয়ন ত্যাগের পর বর্তমানে আর এর সদস্য নয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সাইপ্রাস — এটি ইউরোপ মহাদেশের একটি দ্বীপ রাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের একটি পূর্ণ সদস্য দেশ।
B) আলজেরিয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই আফ্রিকান দেশটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য নয়।
C) ইস্টোনিয়া — এটি বল্টিক অঞ্চলের একটি ইউরোপীয় দেশ এবং ইইউর সদস্য।
D) মাল্টা — এটি ভূমধ্যসাগরের একটি দ্বীপ রাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য।
৫ মনে রাখার টিপস:
ইউরোপীয় ইউনিয়নে ইউরোপের বাইরের কোনো দেশ থাকতে পারে না।
তাই আফ্রিকার দেশ আলজেরিয়া ইইউর সদস্য নয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ইউরোপীয় ইউনিয়নের বর্তমান সদস্য সংখ্যা এবং সদর দপ্তর সম্পর্কে বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
কোন দেশগুলো ইইউর সদস্য এবং কোনগুলো নয়, তা তালিকা করে মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) শ্রীলঙ্কা
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরটি শ্রীলঙ্কা কারণ এলিফ্যান্ট পাস হলো দেশটির উত্তর অংশে অবস্থিত একটি অত্যন্ত কৌশলগত ও ভূরাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ সংকীর্ণ ভূখণ্ড।
- এটি জাফনা উপদ্বীপকে শ্রীলঙ্কার মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে সংযোগকারী একটি প্রধান সামরিক ও ভৌগোলিক পথ হিসেবে পরিচিত।
২. ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপট:
- দেশ: শ্রীলঙ্কা, দক্ষিণ এশিয়ার একটি দ্বীপ রাষ্ট্র যার রাজধানী কলম্বো এবং বাণিজ্যিক কেন্দ্র শ্রী জয়াবর্ধনেপুর কোট্টে।
- প্রেক্ষাপট: শ্রীলঙ্কার গৃহযুদ্ধের সময় তামিল টাইগার বা এলটিটিই এবং শ্রীলঙ্কান সরকারের মধ্যে এই এলাকাটি দখলের জন্য একাধিক ভয়াবহ ও রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল।
- কৌশলগত গুরুত্ব: সামরিক দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই পাসটি নিয়ন্ত্রণ করার অর্থ হলো জাফনা উপদ্বীপের সঙ্গে দেশের বাকি অংশের যোগাযোগ রক্ষা বা বিচ্ছিন্ন করা।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: খাইবার পাস
ব্যাখ্যা: এটি পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক ও কৌশলগত গিরিপথ, যা প্রাচীনকাল থেকেই বাণিজ্যের জন্য ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
উদাহরণ ২: পানামা খাল
ব্যাখ্যা: এটি আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগরকে সংযোগকারী একটি মানবসৃষ্ট জলপথ, যা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে এলিফ্যান্ট পাসের মতো একই ধরনের ভূরাজনৈতিক গুরুত্ব বহন করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) থাইল্যান্ড — থাইল্যান্ড দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি দেশ যার রাজধানী ব্যাংকক এবং এর ভূগোলে এই নামের কোনো বিখ্যাত পাস বা গিরিপথ নেই।
B) দক্ষিণ আফ্রিকা — দক্ষিণ আফ্রিকা আফ্রিকার মহাদেশের সর্বদক্ষিণে অবস্থিত একটি দেশ যার ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে এলিফ্যান্ট পাসের কোনো সম্পর্ক নেই।
C) শ্রীলঙ্কা — এটি সঠিক উত্তর এবং এই অঞ্চলটি শ্রীলঙ্কার উত্তর প্রদেশের জাফনা জেলায় অবস্থিত একটি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ স্থান।
D) মালয়েশিয়া — মালয়েশিয়া দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি প্রধান দেশ যা মালয় উপদ্বীপ ও বোর্নিও দ্বীপ নিয়ে গঠিত এবং এখানে এই নামের কোনো স্থান নেই।
৫ মনে রাখার টিপস:
- শ্রীলঙ্কার গৃহযুদ্ধের ইতিহাস মনে রাখলেই এলিফ্যান্ট পাসের ভৌগোলিক অবস্থান সহজে মনে রাখা সম্ভব।
- পাস বা গিরিপথ বললেই সাধারণত পাহাড়ি বা সংকীর্ণ ভূখণ্ডের কথা মাথায় আসে যা সামরিক ও যাতায়াতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিশ্বজুড়ে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ প্রণালী, গিরিপথ বা পাস থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে।
- একই বিষয় থেকে বিভিন্ন দেশের কৌশলগত প্রণালী যেমন হরমুজ প্রণালী বা মালাক্কা প্রণালী সম্পর্কেও প্রশ্ন থাকতে পারে।
সঠিক উত্তর: A) উপত্যকা
১. কেন সঠিক:
- তিব্বত হলো পৃথিবীর সবচেয়ে উচু এবং বৃহৎ মালভূমি বা উপত্যকা অঞ্চল যা ছাদ নামে পরিচিত।
- এটি মূলত পর্বতমালা দ্বারা পরিবেষ্টিত একটি উচ্চ অববাহিকা বা উপত্যকা যা ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্যের কারণে এই নামে পরিচিত।
২. ভৌগোলিক প্রেক্ষাপট:
- অঞ্চল: তিব্বত স্বায়ত্বশাসিত অঞ্চল, চীন।
- ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য: হিমালয় ও কুয়েনলুন পর্বতমালার মাঝখানে অবস্থিত উচু পাহাড়ি উপত্যকা।
- উচ্চতা: সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে গড়ে প্রায় চার হাজার মিটার বা তার বেশি উচু।
- গুরুত্ব: এশিয়া বহু বড় নদীর উৎসস্থল হওয়ায় একে এশিয়ার জলের টাওয়ার বলা হয়।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পামীর মালভূমি।
ব্যাখ্যা: একে পৃথিবীর ছাদ বলা হয় এবং এটি তিব্বতের মতো উচু পাহাড়ি অঞ্চলের একটি ভূপ্রাকৃতিক উদাহরণ।
উদাহরণ ২: গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন।
ব্যাখ্যা: এটি একটি বিখ্যাত উপত্যকা অঞ্চল যা ভূপ্রকৃতির বৈচিত্র্য বোঝাতে সাহায্য করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উপত্যকা — এটি সঠিক কারণ তিব্বত পর্বতমালা দ্বারা বেষ্টিত একটি উচু উপত্যকা অঞ্চল।
B) উপদ্বীপ — এটি ভুল কারণ উপদ্বীপ হলো তিন দিক জল দ্বারা বেষ্টিত স্থলভাগ যেমন ভারত বা আরব উপদ্বীপ।
C) দ্বীপ — এটি ভুল কারণ দ্বীপ হলো চার দিক জল দ্বারা বেষ্টিত স্থলভাগ যেমন শ্রীলঙ্কা বা মাদাগাস্কার।
D) মরুভূমি — এটি ভুল কারণ মরুভূমি হলো শুষ্ক ও বৃষ্টিহীন অঞ্চল যেমন সাহারা মরুভূমি যদিও তিব্বতের কিছু অংশ শীতল মরুভূমির আওতাভুক্ত তবে সামগ্রিক ভূপ্রকৃতি উপত্যকা।
৫ মনে রাখার টিপস:
- তিব্বত শব্দের অর্থ উচু ভূমি বা পাহাড়ি উপত্যকা।
- একে পৃথিবীর ছাদ বলা হয় যা এর উচ্চ অবস্থান নির্দেশ করে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- তিব্বত অঞ্চলকে এশিয়ার ওয়াটার টাওয়ার বলা হয় কারণ এখান থেকে বহু নদী উৎপন্ন হয়েছে।
- ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে একে দুর্গম উপত্যকা অঞ্চল হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
সঠিক উত্তর: B) মেসোপটেমিয়া
১. কেন সঠিক:
মেসোপটেমিয়া সভ্যতা মানুষের ইতিহাসে সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা হিসেবে স্বীকৃত, যা বর্তমান ইরাক ও তার আশপাশের অঞ্চলে গড়ে উঠেছিল।
খ্রিস্টপূর্ব চতুর্থ সহস্রাব্দে টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীর অববাহিকায় এই সভ্যতা বিকশিত হয় এবং বিশ্বের প্রথম লিখিত ভাষা ও নগররাষ্ট্রের জন্ম দেয়।
২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট:
সভ্যতা: মেসোপটেমিয়া সভ্যতা (বর্তমান ইরাক, কুয়েত ও সিরিয়ার অংশবিশেষ)।
সময়কাল: আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ৩৫০০ অব্দ থেকে শুরু।
অবস্থান: টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীর অববাহিকা বা উর্বর চন্দ্রাঞ্চল।
উদ্দেশ্য বা গুরুত্ব: মানবজাতির ইতিহাসে প্রথম চাকার ব্যবহার, কৃষিভিত্তিক সমাজ এবং কিউনিফর্ম লিপি আবিষ্কারের জন্য এটি বিশ্বখ্যাত।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সুমেরীয় সভ্যতা
ব্যাখ্যা: এটি মেসোপটেমিয়ার অন্তর্ভুক্ত সবচেয়ে প্রাচীন অঞ্চল, যা বিশ্বের প্রথম নগররাষ্ট্র গড়ে তুলেছিল।
উদাহরণ ২: ব্যাবিলন সভ্যতা
ব্যাখ্যা: মেসোপটেমিয়ার অপর এক বিখ্যাত সভ্যতা, যা হামুরাবির বিখ্যাত আইন সংহতির জন্য পরিচিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গ্রিস — এটি প্রাচীন সভ্যতার অন্তর্ভুক্ত হলেও মেসোপটেমিয়ার চেয়ে অনেক পরে খ্রিস্টপূর্ব প্রথম সহস্রাব্দে বিকাশ লাভ করে।
B) মেসোপটেমিয়া — এটি সঠিক উত্তর এবং প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা।
C) রোম — রোমান সভ্যতা মূলত প্রাচীন গ্রিক সভ্যতার ওপর ভিত্তি করে খ্রিস্টপূর্ব অষ্টম শতকে গড়ে ওঠে।
D) সিন্ধু — সিন্ধু সভ্যতা ভারতীয় উপমহাদেশে খ্রিস্টপূর্ব প্রায় ২৫০০ অব্দে গড়ে ওঠে, যা মেসোপটেমিয়ার সমসাময়িক হলেও কিছুটা পরে বিকশিত হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
নদীর নাম মনে রাখলে প্রাচীন সভ্যতা মনে রাখা সহজ হয়, যেমন মেসোপটেমিয়া মানে দুই নদীর মধ্যবর্তী ভূমি।
টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীর পলিমাটিতেই এই প্রথম মানবজাতি নগরসভ্যতা গড়ে তোলে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
মেসোপটেমিয়া সভ্যতা কিউনিফর্ম বা楔াকার লিপির জন্য সর্বাধিক পরিচিত।
পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে বিশ্বের প্রথম লিখিত আইন কোড কোন সভ্যতার দান, যার উত্তর হলো ব্যাবিলন তথা মেসোপটেমিয়া।
সঠিক উত্তর: D) অস্ট্রেলিয়া
১. কেন সঠিক:
ভিক্টোরিয়া ডিজার্ট বা গ্রেট ভিক্টোরিয়া মরুভূমি অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে বড় মরুভূমি। এটি দেশটির দক্ষিণ ও পশ্চিম অস্ট্রেলিয়া রাজ্যজুড়ে বিস্তৃত একটি বিশাল শুষ্ক অঞ্চল।
২. ভৌগোলিক তথ্য:
দেশ: অস্ট্রেলিয়া
অবস্থান: দক্ষিণ ও পশ্চিম অস্ট্রেলিয়া রাজ্যজুড়ে বিস্তৃত
বৈশিষ্ট্য: এটি মূলত একটি বালিয়াড়ি ও নুড়িপাথর পূর্ণ মরুভূমি
গুরুত্ব: অস্ট্রেলিয়ার ভৌগোলিক বৈচিত্র্য এবং জলবায়ু অধ্যয়নে এই মরুভূমি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গ্রেট স্যান্ডি মরুভূমি
ব্যাখ্যা: এটিও অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থিত আরেকটি বিখ্যাত মরুভূমি, যা পরীক্ষার্থীদের দেশটির মরুভূমির ভৌগোলিক অবস্থান মনে রাখতে সাহায্য করে।
উদাহরণ ২: সাহারা মরুভূমি
ব্যাখ্যা: এটি বিশ্বের বৃহত্তম উষ্ণ মরুভূমি, যা আফ্রিকার উত্তর অংশে অবস্থিত এবং বিভিন্ন মহাদেশের মরুভূমির আয়তন তুলনা করতে সাহায্য করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কানাডা — কানাডা উত্তর আমেরিকার দেশ এবং এর কোনো বিখ্যাত মরুভূমি নেই, বরং এটি টুন্দ্রিলা ও বনভূমির জন্য পরিচিত।
B) পশ্চিম আফ্রিকা — পশ্চিম আফ্রিকায় সাহারা মরুভূমির দক্ষিণাংশ ও সাহেল অঞ্চল অবস্থিত, কিন্তু ভিক্টোরিয়া ডিজার্ট এখানে নেই।
C) নর্থ আমেরিকা — নর্থ আমেরিকা একটি মহাদেশ যেখানে মোহাভে বা সোনোরা মরুভূমি অবস্থিত, কিন্তু ভিক্টোরিয়া ডিজার্ট এই মহাদেশে নয়।
D) অস্ট্রেলিয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দেশেই ভিক্টোরিয়া ডিজার্ট বা গ্রেট ভিক্টোরিয়া মরুভূমি অবস্থিত।
৫ মনে রাখার টিপস:
অস্ট্রেলিয়ার রানি বা নামের সঙ্গে মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন যে ভিক্টোরিয়া নামের মরুভূমিটি অস্ট্রেলিয়া দেশেই অবস্থিত।
কাছাকাছি নাম যেমন গ্রেট বেসিন বা মোহাভে মরুভূমির সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার এই মরুভূমি গুলিয়ে ফেলবেন না।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভিন্ন দেশের মরুভূমি, নদনদী বা পর্বতমালা প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
একই বিষয় থেকে প্রশ্ন হতে পারে যে গ্রেট ভিক্টোরিয়া মরুভূমি কোন মহাদেশে বা কোন দেশে অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: B) ক্যালিফোর্নিয়া
১. কেন সঠিক:
প্রশ্নটির ধরন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এবং বহুজাতিক কোম্পানির সদর দফতর সম্পর্কিত।
ফেসবুক বা বর্তমানে মেটা প্ল্যাটফর্মস ইনকরপোরেটেড আমেরিকার প্রযুক্তি শিল্পে ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের মেনলো পার্ক শহরে অবস্থিত।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
কোম্পানি: মেটা প্ল্যাটফর্মস ইনকরপোরেটেড
প্রতিষ্ঠা: ২০০৪ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি
প্রতিষ্ঠাতা: মার্ক জুকারবার্গ ও তার সহকর্মীরা
সদর দপ্তর: মেনলো পার্ক, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গুগল
ব্যাখ্যা: গুগলের সদর দপ্তর আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের মাউন্টেন ভিউ শহরে অবস্থিত।
উদাহরণ ২: মাইক্রোসফট
ব্যাখ্যা: মাইক্রোসফটের সদর দপ্তর ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্যের রেডমন্ড শহরে অবস্থিত, যা পরীক্ষার্থীদের ক্যালিফোর্নিয়া ও ওয়াশিংটনের পার্থক্য বুঝতে সাহায্য করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সিয়াটল — এটি ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্যের একটি শহর, যেখানে অ্যামাজন ও মাইক্রোসফটের প্রধান কার্যালয় রয়েছে।
B) ক্যালিফোর্নিয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ ফেসবুকের মূল কার্যালয় এই অঙ্গরাজ্যের মেনলো পার্কে অবস্থিত।
C) ওয়াশিংটন — এটি যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক সংস্থার কেন্দ্র, কিন্তু ফেসবুকের সদর দপ্তর এখানে নয়।
D) নিউইয়র্ক — এটি যুক্তরাষ্ট্রের আর্থিক রাজধানী ও ওয়াল স্ট্রিটের অবস্থানস্থল, তবে এটি ফেসবুকের সদর দপ্তর নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
বিশ্বের শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান যেমন ফেসবুক ও গুগল সিলিকন ভ্যালিতে অবস্থিত।
সিলিকন ভ্যালি যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যে অবস্থিত।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ও তাদের সদর দপ্তর প্রায়ই আসে।
মেটা কোম্পানির অধীন বর্তমান প্রধান প্ল্যাটফর্মগুলোর মধ্যে ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম ও হোয়াটসঅ্যাপ অন্যতম।
সঠিক উত্তর: A) ইন্দোনেশিয়া
১. কেন সঠিক:
বান্দা আচেহ হলো ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপের উত্তর প্রান্তে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক ও গুরুত্বপূর্ণ শহর। এটি আচেহ প্রদেশের রাজধানী এবং এটি ইসলাম ধর্মের প্রচার ও প্রসারের জন্য দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত।
২. geographical context:
দেশ: ইন্দোনেশিয়া পৃথিবীর বৃহত্তম দ্বীপরাষ্ট্র এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার প্রধান অর্থনৈতিক শক্তি।
স্থান: বান্দা আচেহ সুমাত্রা দ্বীপের উত্তরপশ্চিম উপকূলে ভারত মহাসাগরের তীরে অবস্থিত।
প্রেক্ষাপট: ২০০৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর ভারত মহাসাগরের তলদেশে ভয়াবহ ভূমিকম্পের ফলে সৃষ্ট সুনামির আঘাতে এই শহরটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।
গুরুত্ব: সুমাত্রা দ্বীপের এই অঞ্চলটি অত্যন্ত কৌশলগত অবস্থানে রয়েছে এবং এটি মালয়েশিয়া ও থাইল্যান্ডের খুব কাছাকাছি অবস্থিত।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সুনামি এবং ২০০৪ সালের ভারত মহাসাগরের ভূমিকম্প।
ব্যাখ্যা: বান্দা আচেহ এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের কেন্দ্রবিন্দুর সবচেয়ে কাছাকাছি ছিল এবং এখানেই সর্বাধিক প্রাণহানি ঘটেছিল।
উদাহরণ ২: আচেহ সংঘাত এবং শান্তি চুক্তি।
ব্যাখ্যা: দীর্ঘদিন ধরে চলা স্বাধীনতাকামী আন্দোলন ২০০৫ সালে হেলসিঙ্কি শান্তি চুক্তির মাধ্যমে সমাপ্ত হয় এবং আচেহ বিশেষ স্বায়ত্তশাসন লাভ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইন্দোনেশিয়া — এই অপশনটি সঠিক কারণ বান্দা আচেহ ইন্দোনেশিয়ারই একটি প্রধান শহর।
B) থাইল্যান্ড — এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি দেশ যার রাজধানী ব্যাংকক এবং এর ভৌগোলিক সীমানায় বান্দা আচেহ নেই।
C) ফিলিপাইন — এটি প্রশান্ত মহাসাগরের একটি দ্বীপরাষ্ট্র এবং এর রাজধানী ম্যানিলা, যা বান্দা আচেহ থেকে অনেক দূরে অবস্থিত।
D) কম্বোডিয়া — এটি ইন্দোচীন অঞ্চলের একটি রাষ্ট্র যার রাজধানী নমপেন এবং এর সঙ্গে বান্দা আচেহের কোনো ভৌগোলিক সংযোগ নেই।
৫ মনে রাখার টিপস:
বান্দা আচেহ নামটি শুনলেই মাথায় রাখতে হবে এটি সুনামির কারণে বিশ্বজুড়ে আলোচনায় আসা ইন্দোনেশিয়ার একটি শহর। ইন্দোনেশিয়া মানেই হাজার হাজার দ্বীপের দেশ, যার সুমাত্রা দ্বীপের উত্তর প্রান্তে এটি অবস্থিত।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শহরভিত্তিক ভৌগোলিক অবস্থান এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের কেন্দ্রস্থল সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। আচেহের বিশেষ স্বায়ত্তশাসন এবং ২০০৪ সালের সুনামি এই প্রশ্নটির জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।
সঠিক উত্তর: C) ২০১৩ সাল
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরের মূল কারণ হলো চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ২০১৩ সালে কাজ়াখস্তান ও ইন্দোনেশিয়া সফরের সময় এই মহা প্রকল্পের ঘোষণা দেন।
- প্রাচীন সিল্ক রোডের আদويে গ্লোবাল কানেক্টিভিটি ও বাণিজ্য সম্প্রসারণের উদ্দেশ্যে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
- উদ্যোগ: বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ বা বিআরআই
- সূচনা: ২০১৩ সাল
- প্রবক্তা দেশ: চীন
- মূল লক্ষ্য: এশিয়া, ইউরোপ ও আফ্রিকার মধ্যে স্থল ও জলপথে যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং অবকাঠামো উন্নয়ন।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চীন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডোর বা সিপিইসি
ব্যাখ্যা: এটি বেল্ট অ্যান্ড রোড উদ্যোগের একটি প্রধান ও অত্যন্ত আলোচিত অংশ যা পাকিস্তানের গোয়াদার বন্দরকে চীনের শিনজিয়াং প্রদেশের সঙ্গে যুক্ত করেছে।
উদাহরণ ২: মেরিটাইম সিল্ক রোড
ব্যাখ্যা: এটি বিআরআই এর সমুদ্রভিত্তিক অংশ যা দক্ষিণ চীন সাগর থেকে শুরু হয়ে ভারত মহাসাগর হয়ে ইউরোপ পর্যন্ত সমুদ্র বাণিজ্য রুট তৈরি করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২০০০ সাল — এই সালে চীন-আফ্রিকা সহযোগিতা ফোরাম বা ফকাক প্রতিষ্ঠিত হয় যা বিআরআই এর সূচনাকাল নয়।
B) ২০০১ সাল — এই সালে চীন বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা বা ডব্লিউটিও এর সদস্যপদ লাভ করে যা বিআরআই সূচনার বছর নয়।
C) ২০১৩ সাল — এই সালটি বেল্ট অ্যান্ড রোড কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক সূচনাকাল হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর।
D) ২০১৬ সাল — এই বছর এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক বা এআইআইবি আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে যা বিআরআই অর্থায়নের সহায়ক হলেও সূচনার বছর নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ২০১৩ সংখ্যাটি মনে রাখতে পারেন চীনা প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা গ্রহণের বছর এবং বিআরআই ঘোষণার বছর হিসেবে।
- সিল্ক রোড মানেই প্রাচীন বাণিজ্য পথ আর আধুনিক বেল্ট অ্যান্ড রোড মানে ২০১৩ সালের আধুনিক মেগা প্রজেক্ট।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিআরআই এর ইংরেজি রূপ হলো বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ যা অনেক সময় শুধু বিআরআই নামে পরীক্ষায় আসে।
- এই একই বিষয় থেকে প্রশ্ন আসতে পারে বিআরআই এর প্রবক্তা দেশ কোনটি অথবা এটি কত সালে ঘোষিত হয়।
সঠিক উত্তর: A) ম্যারিয়ানা ট্রেঞ্চ
১. কেন সঠিক:
ম্যারিয়ানা ট্রেঞ্চ হলো পৃথিবীর মহাসমুদ্রের সর্বাপেক্ষা গভীরতম খাত। এটি প্রশান্ত মহাসাগরের পশ্চিম অংশে গুয়াম দ্বীপের পূর্বে অবস্থিত এবং এর গভীরতম অংশকে চ্যালেঞ্জার ডিপ বলা হয়।
২. ভৌগোলিক তথ্য:
অবস্থান: প্রশান্ত মহাসাগরের পশ্চিম অংশ।
গভীরতা: প্রায় ১১০৩৩ মিটার বা ৩৬০৭০ ফুট।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মাউন্ট এভারেস্ট।
ব্যাখ্যা: এটি পৃথিবীর সর্বোচ্চ শৃঙ্গ এবং ম্যারিয়ানা ট্রেঞ্চ হলো গভীরতম স্থান, যা ভূগোলের বিপরীত দুটি চরম বিন্দু হিসেবে পরীক্ষায় তুলনামূলকভাবে আসে।
উদাহরণ ২: চ্যালেঞ্জার ডিপ।
ব্যাখ্যা: এটি ম্যারিয়ানা ট্রেঞ্চের সবচেয়ে গভীরতম বিন্দু, যা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আলাদা প্রশ্ন হিসেবে আসে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ম্যারিয়ানা ট্রেঞ্চ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি পৃথিবীর সর্বাধিক গভীরতম স্থান হিসেবে বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত।
B) ডেড সী — এটি বিশ্বের সবচেয়ে নিচু স্থান বা মৃত সাগর হলেও মহাসমুদ্রের গভীরতম খাত নয়।
C) বৈকাল হ্রদ — এটি পৃথিবীর গভীরতম মিষ্টি পানির হ্রদ, কিন্তু মহাসমুদ্রের গভীরতম স্থান নয়।
D) লোহিত সাগর — এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সাগর হলেও এটি পৃথিবীর গভীরতম স্থান নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
মহাসমুদ্রের গভীরতা মাপার ক্ষেত্রে ম্যারিয়ানা ট্রেঞ্চ নামটি মনে রাখবে। সমুদ্রের গভীরতা সম্পর্কিত যেকোনো প্রশ্নে এই নামটি সবার আগে আসে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ম্যারিয়ানা ট্রেঞ্চের গভীরতা এবং অবস্থান প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। সর্বোচ্চ শৃঙ্গ এভারেস্টের উচ্চতার সঙ্গে এর গভীরতার তুলনা প্রায়ই পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করতে ব্যবহৃত হয়।
সঠিক উত্তর: C) ১৯৬২
১. কেন সঠিক:
চীন-ভারত যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল ১৯৬২ সালে। হিমালয় সীমান্ত অঞ্চলের মালিকানা নিয়ে দীর্ঘদিনের ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার ফলে এই সশস্ত্র সংঘাতের সূত্রপাত ঘটেছিল।
২. যুদ্ধ ও সংঘাতের প্রেক্ষাপট:
সময়কাল: ১৯৬২ সালের অক্টোবর থেকে নভেম্বর মাস পর্যন্ত এই যুদ্ধ স্থায়ী হয়েছিল।
সংশ্লিষ্ট পক্ষ: এশিয়া তথা বিশ্বের দুটি জনবহুল প্রতিবেশী দেশ চীন এবং ভারত এই যুদ্ধে প্রত্যক্ষভাবে অংশগ্রহণ করেছিল।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ১৯৬৯ সালের চীন-সোভিয়েত সীমান্ত সংঘাত
ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে যে মতাদর্শগত মিত্র হওয়া সত্ত্বেও স্নায়ুযুদ্ধের সময় সীমানা ও ভূরাজনীতির কারণে কমিউনিস্ট দেশগুলোর মধ্যেও রক্তক্ষয়ী সংঘাত হতে পারে।
উদাহরণ ২: ১৯৬২ সালের কিউবান মিসাইল সংকট
ব্যাখ্যা: একই বছরে সংঘটিত এই সংকট আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে পরাশক্তিগুলোর মধ্যকার পারমাণবিক যুদ্ধের ঝুঁকি এবং ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার তীব্রতা ফুটিয়ে তোলে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৫৯ — এই বছর চীন-ভারত সীমান্তে প্রথম বড় ধরনের সশস্ত্র সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছিল, যা মূল যুদ্ধের পূর্বপ্রস্তুতি হিসেবে কাজ করলেও এটি যুদ্ধের সাল নয়।
B) ১৯৬০ — এই সালে কোনো চীন-ভারত যুদ্ধ সংঘটিত হয়নি, যদিও এই সময়ে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক আলোচনা ও সীমান্ত নিয়ে দরকষাকষি অব্যাহত ছিল।
C) ১৯৬২ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই সালেই চীন ও ভারতের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ সামরিক যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল।
D) ১৯৬৩ — যুদ্ধের প্রধান সামরিক পদক্ষেপগুলো ১৯৬২ সালেই শেষ হয়ে গিয়েছিল এবং এই বছর উভয় পক্ষ যুদ্ধপরবর্তী কূটনৈতিক অবস্থান জোরদার করছিল।
৫ মনে রাখার টিপস:
চীন-ভারত যুদ্ধের সাল মনে রাখতে মনে রাখুন, ভারত স্বাধীন হওয়ার পনেরো বছর পর এবং বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রায় এক দশক আগে ১৯৬২ সালে এই যুদ্ধ হয়েছিল। হিমালয় অঞ্চলের এই সংঘাতের সালটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
এই প্রশ্নটি সীমান্ত বিরোধ এবং যুদ্ধ ও সংঘাতের ধরন থেকে এসেছে। একই বিষয় থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে ১৯৬২ সালের যুদ্ধে কোন দুটি দেশ লড়েছিল অথবা এই যুদ্ধের প্রধান কারণ কী ছিল।
সঠিক উত্তর: C) NATO
১. কেন সঠিক:
উত্তর নির্ণয়ের মূল কারণ হলো NATO একটি সামরিক জোট এবং এর সদস্য হতে হলে নির্দিষ্ট ভৌগোলিক অবস্থান ও সামরিক চুক্তির শর্ত পূরণ করতে হয়।
বাংলাদেশ একটি জোটনিরপেক্ষ দেশ হওয়ায় এবং ভৌগোলিকভাবে উত্তর আটলান্টিক অঞ্চলে অবস্থিত না থাকায় এই সামরিক জোটের সদস্য নয়।
২. আন্তর্জাতিক সংস্থা পরিচিতি:
সংস্থা: NATO অর্থ North Atlantic Treaty Organization বা উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা।
প্রতিষ্ঠা ও সদর দপ্তর: এটি ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর সদর দপ্তর বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে অবস্থিত।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: SAARC
ব্যাখ্যা: এটি দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা এবং বাংলাদেশ এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য।
উদাহরণ ২: ILO
ব্যাখ্যা: এটি আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা এবং বাংলাদেশ এর একটি সক্রিয় সদস্য রাষ্ট্র।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ILO — বাংলাদেশ ১৯৭২ সালে জাতিসংঘের এই বিশেষায়িত সংস্থার সদস্যপদ লাভ করে।
B) SAARC — দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক এই সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হলো বাংলাদেশ।
C) NATO — এটি মূলত উত্তর আমেরিকা ও ইউরোপের দেশগুলোকে নিয়ে গঠিত একটি সামরিক জোট।
D) BIMSTEC — বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলের এই আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা সদস্য বাংলাদেশ।
৫ মনে রাখার টিপস:
NATO হলো ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার সামরিক জোট, তাই এশিয়ার দেশগুলো এর সদস্য হতে পারে না।
বাংলাদেশ সাধারণত বৈশ্বিক শান্তি রক্ষা ও জোটনিরপেক্ষ কূটনীতিতে বিশ্বাসী, তাই সামরিক জোটে যুক্ত থাকে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলাদেশ বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে জোরালো ভূমিকা পালন করে।
এই প্রশ্নটি থেকে আন্তর্জাতিক সামরিক জোট ও অর্থনৈতিক জোটের সদস্যপদের পার্থক্য সম্পর্কে ধারণা স্পষ্ট হয়।
সঠিক উত্তর: C) ১৯৭৫
১. কেন সঠিক:
১৯৭৫ সালে একটি বিতর্কিত গণভোটের মাধ্যমে সিকিম ভারতের ২২তম অঙ্গরাজ্য হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত হয়। এর মাধ্যমে সিকিমের রাজতন্ত্রের পতন ঘটে এবং চোগিয়াল রাজবংশের শাসনের অবসান হয়।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
দেশ বা অঞ্চল: সিকিম হিমালয় পর্বতমালার কোলে অবস্থিত একটি সাবেক স্বাধীন রাজ্য এবং বর্তমানে ভারতের একটি উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য।
প্রেক্ষাপট: ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ ভারত স্বাধীন হওয়ার পর সিকিম ভারতের সঙ্গে বিশেষ আশ্রিত রাজ্য হিসেবে যুক্ত থাকে এবং অভ্যন্তরীণ স্বায়ত্তশাসন ভোগ করে।
ফলাফল বা প্রভাব: ১৯৭৫ সালের গণভোটের পর ভারতের সংবিধান সংশোধন করে সিকিমকে পূর্ণাঙ্গ অঙ্গরাজ্যের মর্যাদা দেওয়া হয়।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গোয়া সংযুক্তি
ব্যাখ্যা: ১৯৬১ সালে সামরিক অভিযンの মাধ্যমে গোয়া পর্তুগিজ শাসন থেকে মুক্ত হয়ে ভারতের সঙ্গে যুক্ত হয়।
উদাহরণ ২: জম্মু ও কাশ্মীর
ব্যাখ্যা: ১৯৪৭ সালে রাজা হরি সিংয়ের স্বাক্ষরিত দলিলের মাধ্যমে কাশ্মীর ভারতের অন্তর্ভুক্ত হয় যা পরবর্তীতে দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে বড় বিরোধ তৈরি করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৭০ — এই সালে সিকিম সংযুক্ত হয়নি বরং এটি সিকিমের রাজতান্ত্রিক শাসনের শেষ দশকের একটি সময়কাল।
B) ১৯৭২ — এই সালে সিকিম সংযুক্ত হয়নি এবং এই সময়ে সিকিমে ভারতের রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের প্রক্রিয়া চলছিল।
D) ১৯৭৭ — এই সালে সিকিম সংযুক্ত হয়নি কারণ এর দুই বছর আগেই ১৯৭৫ সালে সিকিম ভারতের অঙ্গরাজ্য হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জনের কয়েক বছর পর, অর্থাৎ ১৯৭৫ সালে সিকিম ভারতের সঙ্গে যুক্ত হয়। এভাবে সালটি মনে রাখতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
সিকিম ভারতের কততম অঙ্গরাজ্য ছিল তা প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। একই বিষয় থেকে সিকিমের রাজা বা চোগিয়ালের নাম সম্পর্কিত প্রশ্নও আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: B) Trade and Investment Framework Agreement
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরটি TIFA এর পূর্ণরূপ সঠিকভাবে নির্দেশ করে যা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য কূটনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল।
- এটি মূলত দুটি দেশ বা আঞ্চলিক সংস্থার মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক উন্নয়নের একটি প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো।
২. আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও কূটনীতি:
- প্রেক্ষাপট: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাণিজ্য বাধা দূর করতে এবং সরাসরি বিনিয়োগ উৎসাহিত করতে এই ধরনের চুক্তি স্বাক্ষর করে।
- উদ্দেশ্য বা গুরুত্ব: বাণিজ্য ঘাটতি কমানো, মেধাসম্পদ রক্ষা এবং বাজার প্রবেশাধিকার সহজ করার ক্ষেত্রে এই কাঠামোর রাজনৈতিক গুরুত্ব রয়েছে।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র টিকফা চুক্তি
ব্যাখ্যা: বাংলাদেশ এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা বাড়ানোর জন্য এই ধরনের কাঠামো চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি দপ্তর
ব্যাখ্যা: যুক্তরাষ্ট্র সাধারণত তাদের বাণিজ্য প্রতিনিধির মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে এই কাঠামো চুক্তি পরিচালনা করে থাকে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Trade for International Finance Agreement — এই নামে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে কোনো স্বীকৃত ও প্রচলিত চুক্তি বা কাঠামো নেই।
B) Trade and Investment Framework Agreement — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বহুল ব্যবহৃত একটি অর্থনৈতিক পরিভাষা।
C) Treaty for International Free Area — মুক্ত বাণিজ্য এলাকা সংক্রান্ত চুক্তির ক্ষেত্রে এই ধরনের পরিভাষা ব্যবহার করা হয় না।
D) Trade and Investment form America — এটি কোনো প্রাতিষ্ঠানিক বা কূটনৈতিক পূর্ণরূপ নয় এবং ব্যাকরণগতভাবে ত্রুটিপূর্ণ।
৫ মনে রাখার টিপস:
- TIFA শব্দটি মনে রাখার সহজ কৌশল হলো এর প্রথম অক্ষরগুলো মাথায় রাখা।
- টি মানে ট্রেড, আই মানে ইনভেস্টমেন্ট, এফ মানে ফ্রেমওয়ার্ক এবং এ মানে এগ্রিমেন্ট।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আন্তর্জাতিক বাণিজ্য চুক্তির পূর্ণরূপ প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
- এই প্রশ্ন থেকে পরীক্ষার্থীরা বাণিজ্য কূটনীতি এবং অর্থনৈতিক কাঠামোগত চুক্তি সম্পর্কে ধারণা লাভ করতে পারে।
সঠিক উত্তর: D) ডনাল্ড ট্রাম্প
প্রদত্ত তথ্য:
যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতিদের তালিকা
৪৫তম মার্কিন রাষ্ট্রপতির পরিচিতি
ধরি,
বারাক ওবামা ছিলেন ৪৪তম প্রেসিডেন্ট
ডনাল্ড ট্রাম্প ছিলেন ৪৫তম প্রেসিডেন্ট
অতএব,
ডনাল্ড ট্রাম্প ২০১৭ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন
তিনি রিপাবলিকান পার্টির নেতা ছিলেন
সুতরাং,
যুক্তরাষ্ট্রের ৪৫তম প্রেসিডেন্ট ছিলেন ডনাল্ড ট্রাম্প
উত্তর: ডনাল্ড ট্রাম্প
সঠিক উত্তর: D) ফ্রাঙ্কফুর্ট
১. কেন সঠিক:
ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক বা ইসিবি ইউরোজোনের মুদ্রা নীতি পরিচালনার জন্য দায়ী এবং এর সদর দপ্তর জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্ট শহরে অবস্থিত।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থনৈতিক ও আর্থিক ইউনিয়নের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে এই ব্যাংকটি ইউরো মুদ্রার মান রক্ষা ও মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করে।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
সংস্থা: ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক বা ইসিবি।
প্রতিষ্ঠা: ১ জুন ১৯৯৮ সাল।
সদর দপ্তর: ফ্রাঙ্কফুর্ট, জার্মানি।
উদ্দেশ্য: ইউরোজোনের সদস্য দেশগুলোতে মূল্য স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং একক মুদ্রা ইউরো পরিচালনা করা।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা ইইউ।
ব্যাখ্যা: ইসিবি ইউরোপীয় ইউনিয়নের সাতটি প্রাতিষ্ঠানিক সংস্থার একটি এবং এটি সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে কাজ করে।
উদাহরণ ২: আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা আইএমএফ।
ব্যাখ্যা: এটি বৈশ্বিক আর্থিক স্থিতিশীলতা রক্ষা করে, যা ইসিবিকে আঞ্চলিক পর্যায়ে ইউরোপের ভেতরে একই ধরনের ভূমিকা পালন করতে সহায়তা করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লন্ডন — লন্ডন যুক্তরাজ্যে অবস্থিত এবং এটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের অংশ নয়, তাই ইসিবি এখানে অবস্থিত নয়।
B) প্যারিস — প্যারিস ফ্রান্সে অবস্থিত এবং এটি ওইসিডি ও ইউনেসকোর সদর দপ্তর হলেও ইসিবির সদর দপ্তর নয়।
C) ব্রাসেলস — ব্রাসেলস বেলজিয়ামে অবস্থিত এবং এটি ইউরোপীয় কমিশন ও ন্যাটোর সদর দপ্তর, যা ইসিবি নয়।
D) ফ্রাঙ্কফুর্ট — এটি জার্মানির অর্থনৈতিক রাজধানী এবং এখানেই ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক অবস্থিত।
৫ মনে রাখার টিপস:
ইউরো মুদ্রা জার্মানির শক্তিশালী অর্থনীতির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত, তাই এর কেন্দ্রীয় ব্যাংকও জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্ট শহরে অবস্থিত।
লন্ডন বা ব্রাসেলসের মতো রাজনৈতিক রাজধানীর পরিবর্তে জার্মানির আর্থিক কেন্দ্র ফ্রাঙ্কফুর্টকে ব্যাংকটির সদর দপ্তর করা হয়েছে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বর্তমান সভাপতির নাম এবং ইউরোজোনের সদস্য দেশের সংখ্যা প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
এই প্রশ্নটি আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক অর্থনৈতিক সংস্থার সদর দপ্তর নির্ধারণের ক্ষেত্রে পরীক্ষার্থীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: B) ম্যানিলা
১. কেন সঠিক:
আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলার অদূরে লস বানোসে অবস্থিত।
বিশ্বের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ধান উৎপাদনের বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি নিয়ে গবেষণার ক্ষেত্রে এই প্রতিষ্ঠানটি বিশ্বজুড়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
২. আন্তর্জাতিক সংস্থা পরিচিতি:
সংস্থা: আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইআরআরআই)।
প্রতিষ্ঠা: ১৯৬০ সাল।
সদর দপ্তর: লস বানোস, ম্যানিলা, ফিলিপাইন।
উদ্দেশ্য: উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত উদ্ভাবন এবং কৃষকদের উন্নত চাষাবাদ কৌশল সম্পর্কে প্রশিক্ষণ দেওয়া।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি)।
ব্যাখ্যা: আইআরআরআই এর আদলে এবং তাদের সহযোগিতায় বাংলাদেশে ধানের নতুন জাত উদ্ভাবনের জন্য এই জাতীয় প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে।
উদাহরণ ২: আন্তর্জাতিক ভুট্টা ও গম উন্নয়ন কেন্দ্র (সিমমিট)।
ব্যাখ্যা: এটি মেক্সিকোতে অবস্থিত আরেকটি বৈশ্বিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান যা খাদ্য শস্যের উৎপাদন বৃদ্ধিতে কাজ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) টোকিও — এটি জাপানের রাজধানী এবং প্রযুক্তিগত উন্নয়নের জন্য পরিচিত হলেও আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের সদর দপ্তর এখানে নয়।
B) ম্যানিলা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই শহরেই ইনস্টিটিউটটির মূল কার্যালয় ও প্রধান গবেষণাগার অবস্থিত।
C) ভারত — এটি ধান উৎপাদনে এগিয়ে থাকা একটি দেশ হলেও এই আন্তর্জাতিক সংস্থাটির সদর দপ্তর এখানে অবস্থিত নয়।
D) নেপাল — এটি একটি দক্ষিণ এশীয় দেশ এবং এই ইনস্টিটিউটের সদর দপ্তর নেপালে অবস্থিত নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
ধান খেতে খুব পানি লাগে এবং ম্যানিলা শহরেও প্রচুর বৃষ্টিপাত ও পানি থাকে।
এই মিলের সাহায্যে ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ফিলিপাইনের ম্যানিলায় অবস্থিত তা সহজে মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সদর দপ্তর সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
আইআরআরআই কোন সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর পূর্ণ রূপ কী, তা থেকেও প্রশ্ন হতে পারে।
সঠিক উত্তর: A) অস্ট্রেলিয়া
১. কেন সঠিক:
- পৃথিবীর মোট স্থলভাগকে সাতটি মহাদেশে ভাগ করা হয়েছে যার মধ্যে আয়তনের দিক থেকে অস্ট্রেলিয়া হলো সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম মহাদেশ।
- এই মহাদেশটি ওশেনিয়া অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত এবং এটি একাধারে একটি দেশ ও একটি মহাদেশ হিসেবে পরিচিত।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
- দেশ/সংস্থা: অস্ট্রেলিয়া কমনওয়েলথ বিশ্বের একমাত্র দেশ যা সমগ্র মহাদেশজুড়ে বিস্তৃত।
- প্রতিষ্ঠা/তারিখ: ১৯০১ সালের ১ জানুয়ারি অস্ট্রেলিয়া কমনওয়েলথ গঠিত হয় এবং ব্রিটিশ উপনিবেশ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।
- স্থান/সদর দপ্তর: এটি দক্ষিণ গোলার্ধে ভারত ও প্রশান্ত মহাসাগরের মাঝে অবস্থিত এবং এর রাজধানী ক্যানবেরা।
- উদ্দেশ্য/গুরুত্ব: ভৌগোলিক বিচ্ছিন্নতার কারণে এই মহাদেশে অত্যন্ত বিরল প্রজাতির উদ্ভিদ ও প্রাণীর বিকাশ ঘটেছে যা বৈশ্বিক জীববৈচিত্র্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: এশিয়া মহাদেশ
ব্যাখ্যা: এটি বিশ্বের বৃহত্তম মহাদেশ যা আয়তন ও জনসংখ্যা উভয় দিক থেকেই সবার শীর্ষে অবস্থান করছে।
উদাহরণ ২: আন্টার্কটিকা মহাদেশ
ব্যাখ্যা: এটি পৃথিবীর পঞ্চম বৃহত্তম মহাদেশ হলেও এখানে কোনো স্থায়ী মানববসতি নেই এবং এটি বরফে আচ্ছাদিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অস্ট্রেলিয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর ভূখণ্ড অন্যান্য মহাদেশের তুলনায় সবচেয়ে কম।
B) ইউরোপ — এটি আয়তনের দিক থেকে ষষ্ঠ ক্ষুদ্রতম মহাদেশ হলেও অস্ট্রেলিয়ার চেয়ে আকারে অনেক বড়।
C) আফ্রিকা — এটি বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাদেশ এবং এর আয়তন অস্ট্রেলিয়ার বহু গুণ বেশি।
D) দক্ষিণ আমেরিকা — এটি বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম মহাদেশ যা উত্তর আমেরিকার দক্ষিণে অবস্থিত।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বিশ্ব মানচিত্রে সবচেয়ে ছোট মহাদেশ মনে রাখতে অ দিয়ে শুরু অস্ট্রেলিয়া নামটি মনে রাখবে।
- অনেক সময় ওশেনিয়া ও অস্ট্রেলিয়াকে গুলিয়ে ফেলা হয়, তাই মনে রাখবে মূল ভূখণ্ড হিসেবে এটি অস্ট্রেলিয়া মহাদেশ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ভৌগোলিক আয়তনের ক্রমানুসারে মহাদেশগুলোর নাম মুখস্থ রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য জরুরি।
- এই প্রশ্নটি থেকে প্রায়শই দ্বীপ মহাদেশ কোনটি বা ওশেনিয়া অঞ্চলের বৃহত্তম দেশ কোনটি সে সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: C) তুরস্ক
১. কেন সঠিক:
ঐতিহাসিক ট্রয় নগরটি বর্তমানে তুরস্কের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত। প্রাচীন এই নগরীটি গ্রিক পুরাণের ট্রয়ের যুদ্ধ এবং মহাকবি হোমারের ইলিয়াড কাব্যের জন্য বিশ্বজুড়ে বিখ্যাত।
২. ঐতিহাসিক ও ভৌগোলিক পটভূমি:
দেশ বা স্থান: বর্তমান তুরস্কের কানাক্কালে প্রদেশের হিসারলিক নামক স্থানে এই প্রাচীন নগরীর ধ্বংসাবশেষ অবস্থিত।
প্রেক্ষাপট: ১৯ শতকে জার্মান প্রত্নতাত্ত্বিক হাইনরিখ শ্লিমান প্রথম এখানে খননকার্য পরিচালনা করে ট্রয় নগরীর ঐতিহাসিক অস্তিত্ব আবিষ্কার করেন।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ইফেসাস
ব্যাখ্যা: এটিও তুরস্কের একটি বিখ্যাত প্রাচীন ঐতিহাসিক নগরী এবং প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান।
উদাহরণ ২: পম্পেই
ব্যাখ্যা: এটি ইতালির একটি প্রাচীন রোমান শহর যা আগ্নেয়গিরির লাভায় ধ্বংস হয়েছিল এবং ট্রয়ের মতো এটিও একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক পর্যটন কেন্দ্র।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইটালি — এটি রোমান সাম্রাজ্যের কেন্দ্র হলেও ঐতিহাসিক ট্রয় নগরী এখানে অবস্থিত ছিল না।
B) গ্রীস — গ্রিক মিথলজির সঙ্গে ট্রয় গভীরভাবে যুক্ত হলেও এই প্রাচীন নগরীর ভৌগোলিক অবস্থান বর্তমান গ্রিসের ভূখণ্ডে নয়।
D) ফ্রান্স — এটি ইউরোপের একটি দেশ যার সঙ্গে ট্রয়ের যুদ্ধের কোনো ঐতিহাসিক বা ভৌগোলিক সংযোগ নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
ট্রয় নগরীর সঙ্গে গ্রিক মিথোলজি জড়িত থাকলেও এটি বর্তমান তুরস্কের ভূখণ্ডে অবস্থিত। মনে রাখতে হবে, মিথোলজি গ্রিসের কিন্তু অবস্থান তুরস্কে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
এই প্রশ্নটি বিশ্ব ইতিহাস এবং প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান ক্যাটাগরির অন্তর্ভুক্ত। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রাচীন ঐতিহাসিক স্থান ও তার বর্তমান ভৌগোলিক অবস্থান সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: B) নেপাল
১. কেন সঠিক:
যেসব দেশের কোনো সমুদ্র উপকূল বা সমুদ্র বন্দর নেই, তাদের ভূবেষ্টিত দেশ বলা হয়। নেপাল এশিয়া মহাদেশের একটি সম্পূর্ণ স্থলবেষ্টিত রাষ্ট্র, যার চারদিকে ভারত ও চীন দ্বারা বেষ্টিত থাকার কারণে কোনো সমুদ্র বন্দর নেই।
২. আন্তর্জাতিক তথ্য:
দেশ: নেপাল দক্ষিণ এশিয়ার একটি স্বাধীন রাষ্ট্র।
অবস্থান: হিমালয় পর্বতমালা ঘেরা এই দেশটি ভারত ও চীনের মাঝখানে অবস্থিত।
গুরুত্ব: সমুদ্র বন্দর না থাকায় নেপালকে আমদানি ও রপ্তানির জন্য ভারতের সমুদ্র বন্দরের ওপর নির্ভর করতে হয়।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ভুটান
ব্যাখ্যা: নেপালের মতো ভুটানও দক্ষিণ এশিয়ার একটি ভূবেষ্টিত দেশ যার কোনো সমুদ্র বন্দর নেই।
উদাহরণ ২: সুইজারল্যান্ড
ব্যাখ্যা: এটি ইউরোপের একটি ভূবেষ্টিত দেশ এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য প্রতিবেশী দেশের বন্দর ব্যবহার করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মালদ্বীপ — এটি ভারত মহাসাগরের একটি দ্বীপ রাষ্ট্র এবং এর নিজস্ব সমুদ্র বন্দর রয়েছে।
B) নেপাল — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি একটি স্থলবেষ্টিত দেশ এবং এর কোনো সমুদ্র বন্দর নেই।
C) গ্রীস — এটি দক্ষিণ ইউরোপের একটি দেশ এবং এর দীর্ঘ সমুদ্র উপকূল ও বহু বন্দর রয়েছে।
D) ভেনেজুয়েলা — এটি দক্ষিণ আমেরিকার উত্তর উপকূলের দেশ এবং এর ক্যারিবীয় সাগরে সমুদ্র বন্দর রয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে নেপাল এবং ভুটান হলো এমন দুটি রাষ্ট্র যাদের কোনো সমুদ্র বন্দর বা উপকূল নেই। বাকি দেশগুলোর সবারই সমুদ্রের সঙ্গে সংযোগ রয়েছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিশ্বে মোট স্থলবেষ্টিত দেশের সংখ্যা প্রায় চুয়াল্লিশটি এবং এশিয়া মহাদেশে এর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য। এই ধরনের প্রশ্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: B) ১৯৩০
১. কেন সঠিক:
ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবলের প্রথম আসর অনুষ্ঠিত হয় ১৯৩০ সালে উরুগুয়েতে।
স্বাগতিক উরুগুয়ে ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে পরাজিত করে প্রথম বিশ্বকাপ ট্রফি অর্জনের গৌরব অর্জন করে।
২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট:
সংস্থা: ফিফা বা Fédération Internationale de Football Association হলো বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রণ সংস্থা।
প্রতিষ্ঠা: ১৯০৪ সালের ২১ মে ফিফা প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর বর্তমান সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জুরিখে অবস্থিত।
৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ১৯৩০ সালের বিশ্বকাপ
ব্যাখ্যা: এই প্রথম আসরে কোনো বাছাইপর্ব ছাড়াই ১৩টি দল অংশ নিয়েছিল।
উদাহরণ ২: ফিফা বিশ্বকাপ আয়োজক দেশ
ব্যাখ্যা: বিশ্বকাপ ফুটবলের ইতিহাসে প্রথম আসরের স্বাগতিক ও চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব একমাত্র উরুগুয়ের রয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯২৯ — এই সালে কোনো ফিফা বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয়নি এবং এটি প্রথম বিশ্বকাপের প্রাক্কলকাল।
B) ১৯৩০ — এটি সঠিক উত্তর যা প্রশ্নের সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়।
C) ১৯৩১ — এই বছর ফিফা বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয়নি কারণ টুর্নামেন্ট তখন প্রতি চার বছর পরপর নির্ধারিত ছিল।
D) ১৯৩২ — এই বছর লস অ্যাঞ্জেলেস অলিম্পিক গেমস অনুষ্ঠিত হয়েছিল কিন্তু কোনো ফিফা বিশ্বকাপ হয়নি।
৫ মনে রাখার টিপস:
১৯৩০ সালটি মনে রাখার জন্য মনে রাখতে হবে যে ত্রিশের দশকে বিশ্বকাপ ফুটবলের যাত্রা শুরু হয়েছিল।
উরুগুয়ের স্বাধীনতার শতবর্ষ পূর্তি উদযাপনের বছর হিসেবে ১৯৩০ সালটি ফুটবলের ইতিহাসে চিরস্মরণীয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রথম ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচটি উরুগুয়ের মোন্তেভিদেও শহরে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
এই ধরনের প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রথম বিশ্বকাপ কোথায় ও কবে অনুষ্ঠিত হয়েছিল তা প্রায়শই আসে।
সঠিক উত্তর: D) হালদা
কেন সঠিক:
- হালদা নদীর উৎপত্তি বাংলাদেশের খাগড়াছড়ি জেলার পাহাড়ি অঞ্চল থেকে হয়েছে।
- বাংলাদেশের নদীগুলোর মধ্যে এটি একমাত্র নদী যার উৎস দেশেই অবস্থিত।
ভৌগোলিক তথ্য:
- অবস্থান ও আয়তন: এটি চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি, হাটহাজারী ও রাউজান উপজেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কর্ণফুলী নদীতে মিশেছে।
- বিশেষত্ব: এটি বাংলাদেশের একমাত্র জোয়ারভাটাযুক্ত পাহাড়ি নদী এবং রুই জাতীয় মাছের ডিম ছাড়ার প্রাকৃতিক প্রজনন ক্ষেত্র।
- তথ্য ও উদাহরণ: প্রতি বছর বর্ষাকালে এই নদী থেকে স্থানীয় জেলেরা মা মাছের নিষিক্ত ডিম সংগ্রহ করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কর্ণফুলি — এই নদীর উৎপত্তিস্থান ভারতের মিজোরাম রাজ্যের লুসাই পাহাড়ে অবস্থিত।
B) নাফ — এই নদীর উৎপত্তিস্থান মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ি অঞ্চলে অবস্থিত।
C) মেঘনা — এই নদীর প্রধান উৎসের নাম বরাক নদী যা ভারতের আসাম রাজ্যে উৎপন্ন হয়েছে।
D) হালদা — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় ভুল নয়, বরং এটিই একমাত্র নদী যার উৎপত্তি বাংলাদেশে।
মনে রাখার টিপস:
- হালদার হ দিয়ে মনে রাখবে এর উৎপত্তিস্থান আমাদের দেশেই অর্থাৎ বাংলাদেশে।
সঠিক উত্তর: C) পানির আন্তঃআণবিক স্থানে
কেন সঠিক:
পানি অণুগুলোর মাঝে ফাঁকা জায়গা বা আন্তঃআণবিক স্থান থাকে, যেখানে গ্যাসীয় অক্সিজেন সহজে জমা হতে পারে।
এই আন্তঃআণবিক ফাঁকা স্থানের কারণেই জলজ প্রাণীরা পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেন গ্রহণ করে বেঁচে থাকে।
ভৌগোলিক তথ্য:
প্রাকৃতিক জলাশয়ের উপরিভাগ থেকে বায়ুমণ্ডলের অক্সিজেন অবিরাম পানির ভেতরে প্রবেশ করে।
দ্রবীভূত অক্সিজেন জলজ বাস্তুতন্ত্র টিকিয়ে রাখতে এবং মাছের শ্বসন প্রক্রিয়ায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
সাধারণত ঠান্ডা পানিতে উষ্ণ পানির তুলনায় দ্রবীভূত অক্সিজেনের পরিমাণ বেশি থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পানির উপরিভাগে — অক্সিজেন শুধু উপরিভাগে থাকে না, বরং এটি তরল পানির ভেতরে সমানভাবে মিশে থাকে।
B) পানির মধ্যভাগে — অক্সিজেন কেবল মধ্যভাগে অবস্থান করে না, এটি পুরো পানির অণুর ফাঁকে ছড়ানো থাকে।
D) পানির তলদেশে — তলদেশে অক্সিজেনের পরিমাণ বরং কম থাকে, কারণ এটি অণুর ফাঁকে ছড়ানো গ্যাস।
মনে রাখার টিপস:
পানি মানেই অণুর মেলবন্ধন, আর তার ফাঁকেই অক্সিজেন থাকে জীবন বাঁচানোর জন্য।
সঠিক উত্তর: C) সিএফসি
কেন সঠিক:
আন্তর্জাতিক মন্ট্রিল প্রোটোকল চুক্তির মাধ্যমে ক্ষতিকর সিএফসি গ্যাসের উৎপাদন ও ব্যবহার বিশ্বব্যাপী কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
এর ফলে বাতাসে এই গ্রীনহাউস গ্যাসের পরিমাণ বর্তমানে বৃদ্ধি পাচ্ছে না বরং ধীরে ধীরে হ্রাস পাচ্ছে।
ভৌগোলিক তথ্য:
বায়ুমণ্ডলের স্ট্রাটোেস্ফিয়ার স্তরে ওজোন স্তর সুরক্ষায় সিএফসি গ্যাসের ক্ষতিকর প্রভাব অত্যন্ত মারাত্মক হিসেবে চিহ্নিত।
এই গ্যাসের মূল উৎস হলো রেফ্রিজারেটর, এয়ার কন্ডিশনার এবং স্প্রে ক্যানের অ্যারোসল।
আশির দশকে আন্টার্কটিকার ওজোন স্তরে প্রথম বিশাল ছিদ্র ধরা পড়ার পর থেকেই সিএফসি গ্যাস নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগ শুরু হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কার্বন ডাইঅক্সাইড — জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানো এবং শিল্পায়নের ফলে বায়ুমণ্ডলে এই গ্যাস ক্রমাগত বেড়েই চলেছে।
B) মিথেন — কৃষিকাজ, গবাদিপশুর মলমূত্র এবং জলাভূমি থেকে এই গ্রীনহাউস গ্যাসের পরিমাণ প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে।
C) সিএফসি — আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার কারণে এই গ্যাসের পরিমাণ বর্তমানে আর বৃদ্ধি পাচ্ছে না।
D) নাইট্রাস অক্সাইড — রাসায়নিক সার ব্যবহার এবং শিল্প কারখানা বৃদ্ধির কারণে বায়ুমণ্ডলে এই গ্যাস ক্রমেই বাড়ছে।
মনে রাখার টিপস:
মন্ট্রিলে বিশ্ববাসীর ঐতিহাসিক চুক্তির ফলে, সিএফসি গ্যাস কমা, বাকি তিন গ্যাস বাড়া।
সঠিক উত্তর: A) ১৫ নভেম্বর ২০০৭
কেন সঠিক:
২০০৭ সালের ১৫ নভেম্বর সন্ধ্যা থেকে মধ্যরাতের মধ্যে প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় সিডর বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলে আঘাত হানে।
এই সামুদ্রিক ঝড়ের বাতাসের সর্বোচ্চ গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় প্রায় দুইশো ষাট কিলোমিটার যা উপকূলে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালায়।
ভৌগোলিক তথ্য:
বঙ্গোপসাগরের মধ্যভাগে সৃষ্ট এই ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড়টি সুন্দরবন সংলগ্ন উপকূলীয় অঞ্চল দিয়ে দেশের ভেতরে প্রবেশ করেছিল।
সিডর একটি ক্যাটাগরি ফাইভ মাত্রার অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় ছিল যা প্রচুর বৃষ্টিপাত ও জলোচ্ছ্বাসের সৃষ্টি করেছিল।
এই দুর্যোগের ফলে বাংলাদেশের সুন্দরবন এবং উপকূলীয় অঞ্চলে লক্ষ লক্ষ মানুষ ও বন্যপ্রাণী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৫ নভেম্বর ২০০৭ — এটি সিডর আঘাত হানার প্রকৃত তারিখ হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।
B) ১৬ নভেম্বর ২০০৭ — এই তারিখে সিডর আঘাত হানেনি বরং এটি ঝড়ের পরবর্তী দিন এবং উদ্ধার কাজের শুরুর সময়।
C) ১৭ নভেম্বর ২০০৭ — এই তারিখে ঘূর্ণিঝড়টি দুর্বল হয়ে নিম্নচাপে পরিণত হয়েছিল এবং এর মূল আঘাতের দিন এটি নয়।
D) ১৮ নভেম্বর ২০০৭ — এই তারিখটি সিডর আঘাত হানার বেশ কিছুদিন পরের সময় নির্দেশ করে তাই এটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
২০০৭ সালের নভেম্বর মাসের মাঝামঝি অর্থাৎ পনেরো তারিখে সিডর আঘাত হেনেছিল এটি মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: B) ২০০ নটিক্যাল মাইল
কেন সঠিক:
জাতিসংঘ সমুদ্র আইন কনভেনশন অনুযায়ী উপকূল রেখা থেকে ২০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত দূরত্বকে অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে।
এই সীমার মধ্যে থাকা সকল জলরাশি এবং সমুদ্র তলদেশের প্রাকৃতিক সম্পদ আহরণ করার পূর্ণ অধিকার সংশ্লিষ্ট দেশের থাকে।
ভৌগোলিক তথ্য:
বাংলাদেশের উপকূলীয় রেখা থেকে বঙ্গোপসাগরের দিকে এই ২০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত একচ্ছত্র অর্থনৈতিক অঞ্চল বিস্তৃত রয়েছে।
এই সীমানার মধ্যে মৎস্য সম্পদ, খনিজ সম্পদ, এবং জ্বালানি তেল বা গ্যাস উত্তোলনের সার্বভৌম অধিকার বাংলাদেশের রয়েছে।
২০১৪ সালে আন্তর্জাতিক আদালতে মায়ানমার এবং ভারতের সাথে সমুদ্রসীমা নিষ্পত্তির মাধ্যমে বাংলাদেশ তার এই ন্যায্য অধিকার লাভ করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৫০ নটিক্যাল মাইল — এটি আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক আইনে উপকূলীয় দেশের অর্থনৈতিক অঞ্চলের কোনো প্রমিত বা নির্ধারিত মাপ নয়।
B) ২০০ নটিক্যাল মাইল — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয় বরং নির্ধারিত সামুদ্রিক সীমার সঠিক মান।
C) ২৫০ নটিক্যাল মাইল — এই পরিমাপটি সমুদ্র আইনের নিয়মের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এবং এটি অতিরিক্ত দূরত্ব নির্দেশ করে।
D) ৩০০ নটিক্যাল মাইল — এই মানটি অনেক বেশি যা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত কোনো দেশের অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমার মধ্যে পড়ে না।
মনে রাখার টিপস:
সমুদ্রের অর্থনীতি মানেই দুইশো নটিক্যাল মাইল মনে রাখলে সহজে উত্তরটি মনে রাখা সম্ভব।
বাংলাদেশের অর্থনীতির সাথে ২০০ সংখ্যাটি মিলিয়ে পড়লে এই প্রশ্নটি কখনো ভুল হবে না।
সঠিক উত্তর: C) তিতাস
কেন সঠিক:
১. ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় অবস্থিত তিতাস গ্যাস ক্ষেত্রটি থেকে বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি পরিমাণ প্রাকৃতিক গ্যাস উত্তোলিত হয়।
২. ভৌগোলিক ও ভূাত্ত্বিক বিচারে বিশাল মজুত থাকার কারণে এটি দেশের অর্থনীতিতে প্রধান জ্বালানি উৎস হিসেবে কাজ করে।
ভৌগোলিক তথ্য:
১. এটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলায় অবস্থিত এবং এর গ্যাসক্ষেত্রটি তিতাস নদীর অববাহিকায় গড়ে উঠেছে।
২. ১৯৬২ সালে এই গ্যাস ক্ষেত্রটি আবিষ্কৃত হয় এবং এর রিজার্ভ বা মজুতের পরিমাণ অত্যন্ত বিশাল।
৩. বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেড এই গ্যাস ক্ষেত্রটির সার্বিক উৎপাদন ও ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাখরাবাদ — এটি কুমিল্লা জেলায় অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ গ্যাস ক্ষেত্র হলেও তিতাসের চেয়ে এর মজুত ও উৎপাদন কম।
B) হরিপুর — এটি সিলেটের প্রথম আবিষ্কৃত গ্যাস ক্ষেত্র, যা ঐতিহাসিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হলেও তিতাসের মতো সর্ববৃহৎ নয়।
C) তিতাস — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো গ্যাস ক্ষেত্রের নাম প্রযোজ্য নয়।
D) হবিগঞ্জ — এটি একটি বড় গ্যাস ক্ষেত্র হলেও সামগ্রিক উৎপাদন ও মজুতের দিক থেকে তিতাস গ্যাস ক্ষেত্রের পরেই এর অবস্থান।
মনে রাখার টিপস:
সবচেয়ে বড় মানেই 'তিতাস' নদী বা নামের সাথে মিল রেখে মনে রাখবে যে বাংলাদেশের বৃহত্তম গ্যাস ক্ষেত্র হলো তিতাস।
সঠিক উত্তর: B) এপিসেন্টার
কেন সঠিক:
- ভূমিকম্পের উৎস বা কেন্দ্র থেকে শক্তি তরঙ্গ সরাসরি লম্বভাবে ওপরে উঠে এসে ভূপৃষ্ঠের যে বিন্দুতে প্রথম আঘাত করে তাকে এপিসেন্টার বা উপকেন্দ্র বলা হয়।
- ভূগর্ভস্থ ফোকাস বা কেন্দ্র থেকে তৈরি হওয়া সিসমিক তরঙ্গ বা ভূকম্পন সবচেয়ে কম দূরত্ব অতিক্রম করে এই এপিসেন্টার বিন্দুতে পৌঁছায়।
ভৌগোলিক তথ্য:
- ভূপৃষ্ঠের ওপর এপিসেন্টার বা উপকেন্দ্র ঠিক ফোকাসের লম্বালম্বি ওপরে নির্দিষ্ট বিন্দু হিসেবে অবস্থান করে।
- এই এপিসেন্টার অঞ্চলেই ভূমিকম্পের তীব্রতা এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সাধারণত সর্বাধিক হয়ে থাকে।
- উদাহরণস্বরূপ, কোনো ভূমিকম্পের কেন্দ্র ভূগর্ভে হলে তার ঠিক ওপরের ভূভাগের শহরটি হয় ঐ ভূমিকম্পের এপিসেন্টার।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফোকাস — এটি ভূগর্ভের সেই নির্দিষ্ট বিন্দু যেখানে মূলত প্রথম ভূমিকম্পের শক্তির সৃষ্টি হয়।
B) এপিসেন্টার — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল হিসেবে ধরা হচ্ছে না।
C) ফ্রাকচার — এটি শিলা স্তরের মধ্যে সৃষ্ট কোনো সাধারণ ফাটলকে বোঝায়, ভূমিকম্পের ওপরের বিন্দু নয়।
D) ফল্ট — এটি ভূতকের এমন একটি চ্যুতি বা ফাটল রেখা যার বরাবর শিলায় স্থানচ্যুতি ঘটে।
মনে রাখার টিপস:
- ফোকাস থাকে মাটির নিচে গভীরে আর এপিসেন্টার থাকে ঠিক তার ওপরের খোলা আকাশে বা ভূপৃষ্ঠে।
সঠিক উত্তর: B) বিদ্যুৎ ও তাপ উৎপাদন
কেন সঠিক:
বিশ্বজুড়ে বিদ্যুৎ ও তাপ উৎপাদনের জন্য প্রধানত কয়লা, প্রাকৃতিক গ্যাস এবং তেল পোড়ানো হয়, যা বিপুল পরিমাণে কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাস বাতাসে ছড়ায়।
আমাদের ঘরবাড়ি, কারখানা এবং অফিসে ব্যবহৃত শক্তির সিংহভাগই এই খাত থেকে আসে, যা বৈশ্বিক গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনের প্রায় এক চতুর্ংশ দখল করে আছে।
ভৌগোলিক তথ্য:
গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনের প্রধান উৎস মূলত শিল্পোন্নত দেশ এবং জনবহুল অঞ্চলগুলোতে সবচেয়ে বেশি কেন্দ্রীভূত থাকে যেখানে শক্তির চাহিদা অতিরিক্ত বেশি।
বিশ্বের মোট উৎপাদিত শক্তির প্রায় ষাট থেকে সত্তর শতাংশ এখনো জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর সরাসরি নির্ভরশীল, যা পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করছে।
উদাহরণস্বরূপ, চীন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বব্যাপী বিদ্যুৎ ও তাপ উৎপাদনে কয়লা ব্যবহারের মাধ্যমে সর্বাধিক পরিমাণে কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাস বায়ুমণ্ডলে নির্গমন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পরিবহন — পরিবহন খাত থেকে প্রচুর কার্বন নির্গত হলেও তা বিদ্যুৎ ও তাপ উৎপাদনের তুলনায় সামগ্রিক পরিমাণে কিছুটা কম হয়।
B) বিদ্যুৎ ও তাপ উৎপাদন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
C) ভবন নির্মাণ — ভবন নির্মাণ এবং এর রক্ষণাবেক্ষণ খাতে শক্তির ব্যবহার ঘটে, তবে তা সরাসরি বিদ্যুৎ উৎপাদনের মতো এত বিশাল পরিমাণ গ্যাস নির্গমন করে না।
D) শিল্প — শিল্প কারখানায় প্রচুর শক্তি খরচ হয় এবং গ্যাস নির্গত হয়, তবে বিশ্বব্যাপী একক খাত হিসেবে বিদ্যুৎ ও তাপ উৎপাদনে সবার ওপরে রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
সবচেয়ে বেশি আলো জ্বালাতে এবং কারখানা চালাতে জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানো হয়, তাই বিদ্যুৎ ও তাপ উৎপাদনই গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনের এক নম্বর খাত।
সঠিক উত্তর: B) ঘড়ির কাটার বিপরীতে
কেন সঠিক:
১. উত্তর গোলার্ধে ফেরেলের সূত্র অনুযায়ী বায়ুর গতিপথ ডানদিকে বেঁকে যায়।
২. ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রে নিম্নচাপ থাকায় বায়ু ভেতরে আসার সময় এই বাঁক নেয়।
ভৌগোলিক তথ্য:
১. ক্রান্তীয় অঞ্চলে কর্কট ও মকর সংক্রান্তির মধ্যবর্তী সমুদ্রগর্ভে এই ঘূর্ণিঝড় জন্ম নেয়।
২. উষ্ণ সমুদ্রের জল এবং বায়ুর ঘূর্ণন এই ঝড়ের প্রধান শক্তি জোগায়।
৩. উদাহরণ হিসেবে বঙ্গোপসাগরের সাইক্লোন এবং আটলান্টিকের হ্যারিকেনের নাম বলা যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঘড়ির কাটার দিকে — এটি দক্ষিণ গোলার্ধে ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড়ের বায়ুর প্রবাহের দিক নির্দেশ করে।
B) সঠিক উত্তর — তাই এটি ভুল নয়, বরং এটিই উত্তর গোলার্ধের সঠিক নিয়ম।
C) সোজা — কোরিওলিস বলের প্রভাবে বাতাস কখনো সোজা পথে প্রবাহিত হতে পারে না।
D) কোনটাই সঠিক নয় — যেহেতু বি অপশনটি সঠিক, তাই এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
উত্তর গোলার্ধে ঘড়ির কাঁটার বিপরীত এবং দক্ষিণ গোলার্ধে ঘড়ির কাঁটার দিকে বায়ু ঘোরে।
সঠিক উত্তর: A) ১/৮
প্রদত্ত তথ্য:
ধারার সংখ্যাগুলো হলো আট, চার, দুই, এক, এক বাই দুই, এক বাই চার
ধরি,
ধারার প্রথম পদ = আট
ধারার পদগুলোর মধ্যকার সাধারণ অনুপাত বের করতে হবে
অতএব,
দ্বিতীয় পদ ভাগ প্রথম পদ = চার ভাগ আট = এক বাই দুই
তৃতীয় পদ ভাগ দ্বিতীয় পদ = দুই ভাগ চার = এক বাই দুই
সুতরাং,
প্রতিটি সংখ্যা তার আগের সংখ্যার অর্ধেক বা এক বাই দুই অংশ
উত্তর: এক বাই চার এর অর্ধেক অর্থাৎ এক বাই আট
সঠিক উত্তর: D) ৮৪ পয়সা
প্রদত্ত তথ্য:
কাগজের প্রতি পাতার দাম ২১ পয়সা
মোট কাগজের পাতার সংখ্যা ৪ পাতা
ধরি,
১ পাতার দাম = ২১ পয়সা
অতএব,
৪ পাতার দাম বের করতে হবে
সুতরাং,
২১ × ৪ = ৮৪ পয়সা
উত্তর: ৮৪ পয়সা
সঠিক উত্তর: C) অনিশ্চিত
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম দুটি উক্তি সম্পূর্ণ সত্য বলে ধরে নিতে হবে
তৃতীয় উক্তিটি প্রথম দুটি উক্তির উপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীল নয়
ধরি,
প্রথম উক্তিটির সত্যতা = ক
দ্বিতীয় উক্তিটির সত্যতা = খ
তৃতীয় উক্তিটির সত্যতা = গ
অতএব,
ক এবং খ এর মান সত্য হলেও গ এর মান সরাসরি প্রমাণিত হয় না
গ এর সত্যতা যাচাইয়ের জন্য অতিরিক্ত তথ্যের প্রয়োজন হয়
সুতরাং,
প্রথম দুটি উক্তি থেকে তৃতীয় উক্তিটি সত্য নাকি মিথ্যা তা নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়
উত্তর: অনিশ্চিত
সঠিক উত্তর: D) .৩১
প্রদত্ত তথ্য:
অপশনগুলো হলো ৭, ৮, .৩৩ এবং .৩১
ধরি,
পূর্ণসংখ্যাগুলোর মান হলো ৭ এবং ৮
দশমিক সংখ্যাগুলোর মান হলো .৩৩ এবং .৩১
অতএব,
সবচেয়ে ছোট মান নির্ধারণ করার জন্য সংখ্যাগুলোর তুলনা করি
পূর্ণসংখ্যা দুটি অনেক বড়
সুতরাং,
দশমিক সংখ্যা দুটির মধ্যে .৩১ হলো .৩৩ এর চেয়ে ছোট
উত্তর: .৩১
সঠিক উত্তর: C) ৬ ফুট
প্রদত্ত তথ্য:
প্রতি ফুট দড়ির দাম = ১০ টাকা
মোট টাকার পরিমাণ = ৬০ টাকা
ধরি,
ক্রয়কৃত দড়ির পরিমাণ = ক ফুট
অতএব,
১ ফুট দড়ির দাম = ১০ টাকা
ক ফুট দড়ির দাম = ১০ × ক টাকা
সুতরাং,
১০ × ক = ৬০
ক = ৬০ ÷ ১০
উত্তর: ৬ ফুট
সঠিক উত্তর: C) ১৬
প্রদত্ত তথ্য:
সংখ্যা শ্রেণিটি হলো এক, দুই, চার, সাত, এগারো
ধরি,
পদগুলোর মধ্যকার পার্থক্য ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে
অতএব,
প্রথম ও দ্বিতীয় পদের পার্থক্য = দুই − এক = এক
দ্বিতীয় ও তৃতীয় পদের পার্থক্য = চার − দুই = দুই
তৃতীয় ও চতুর্থ পদের পার্থক্য = সাত − চার = তিন
চতুর্থ ও পঞ্চম পদের পার্থক্য = এগারো − সাত = চার
সুতরাং,
পঞ্চম ও ষষ্ঠ পদের পার্থক্য হবে = পাঁচ
উত্তর: এগারো + পাঁচ = ষোল
সঠিক উত্তর: D) ৪
প্রদত্ত তথ্য:
চিত্রে বিভিন্ন প্রতিকৃতির মধ্যে তুলনামূলক বিশ্লেষণ করা হয়েছে
একটি প্রতিকৃতি বাকিগুলোর সাথে মিলছে না
ধরি,
বাকি প্রতিকৃতিগুলো নির্দিষ্ট নিয়মে গঠিত
ব্যতিক্রমী প্রতিকৃতিটি ভিন্ন বৈশিষ্ট্য বহন করে
অতএব,
প্রথম তিনটি প্রতিকৃতির গঠন একই রকম
চতুর্থ প্রতিকৃতির গঠন সম্পূর্ণ আলাদা
সুতরাং,
ব্যাতিক্রম হিসেবে চিহ্নিত নম্বরটি হলো চার
উত্তর: ৪
সঠিক উত্তর: A) ৬১ জন
প্রদত্ত তথ্য:
নোবেল পুরস্কার বিজয়ী মোট নারী ব্যক্তিত্বের হিসাব
১৯০১ সাল থেকে শুরু করে বর্তমান সময় পর্যন্ত প্রাপ্ত পরিসংখ্যান
ধরি,
বিজ্ঞানে নোবেল বিজয়ী নারী = ক
শান্তিতে নোবেল বিজয়ী নারী = খ
অতএব,
চিকিৎসা ও পদার্থবিজ্ঞানে নারীর সংখ্যা যুক্ত হয়েছে
সাহিত্যে ও অর্থনীতিতেও নারীরা পুরস্কার পেয়েছেন
সুতরাং,
সর্বমোট নোবেল বিজয়ী নারীর সংখ্যা হিসাব করা হলো
উত্তর: ৬১ জন
সঠিক উত্তর: D) ১১০
প্রদত্ত তথ্য:
ইংরেজি বর্ণমালার ক্রমিক মান এবং বাংলা বর্ণমালার ক্রমিক মান ব্যবহার করতে হবে
ধরি,
ইংরেজি বর্ণ C হলো তৃতীয় অক্ষর এবং G হলো সপ্তম অক্ষর
বাংলা বর্ণ ট হলো নবম অক্ষর এবং J হলো দশম অক্ষর (ইংরেজি বর্ণমালার দশম অক্ষর J)
অতএব,
প্রথম শর্ত অনুযায়ী C এর মান তিন এবং G এর মান সাত
তাদের গুণফল হলো তিন গুণ সাত সমান একুশ
দ্বিতীয় শর্ত অনুযায়ী প্রশ্নানুসারে চ গুণ G সমান বিয়াল্লিশ দেওয়া আছে
এখানে বাংলা বর্ণ চ হলো ষষ্ঠ অক্ষর (৬ গুণ ৭ সমান ৪২)
সুতরাং,
জে এর মান দশ এবং ট এর মান এগারো (ট হলো ১১তম বর্ণ)
দশ গুণ এগারো সমান একশো দশ
উত্তর: ১১০
সঠিক উত্তর: A) ƎSOR
প্রদত্ত তথ্য:
মূল শব্দ হলো ROSE
আয়নার প্রতিবিম্ব নির্ণয় করতে হবে
ধরি,
আয়নায় ডান দিক বামে এবং বাম দিক ডানে পরিবর্তিত হয়
প্রথম অক্ষর R এর প্রতিবিম্ব হবে Ǝ
দ্বিতীয় অক্ষর O অপরিবর্তিত থাকবে
অতএব,
তৃতীয় অক্ষর S এর প্রতিবিম্ব হবে S এর উল্টো রূপ
চতুর্থ অক্ষর E এর প্রতিবিম্ব হবে Ǝ এর উল্টো রূপ
সুতরাং,
শেষ অক্ষর থেকে প্রথম অক্ষর সাজাতে হবে
উল্টো দিক থেকে বর্ণগুলো পাশাপাশি বসবে
উত্তর: ƎSOR
সঠিক উত্তর: C) ৩০০ ফুট
প্রদত্ত তথ্য:
ট্রেনটি ১/৫ সেকেন্ডে চলে ২০ ফুট
ধরি,
১ সেকেন্ডে ট্রেনটি চলে = ২০ ÷ (১/৫) ফুট
৩ সেকেন্ডে ট্রেনটি চলবে = ক ফুট
অতএব,
১ সেকেন্ডে ট্রেনটি চলে = ২০ × ৫ ফুট
১ সেকেন্ডে ট্রেনটি চলে = ১০০ ফুট
সুতরাং,
৩ সেকেন্ডে ট্রেনটি চলবে = ১০০ × ৩ ফুট
৩ সেকেন্ডে ট্রেনটি চলবে = ৩০০ ফুট
উত্তর: ৩০০ ফুট
সঠিক উত্তর: A) অতিশয় প্রতিভাশালী
প্রদত্ত তথ্য:
বুদ্ধ্যঙ্ক বা আইকিউ মান ১৪০ বা তার বেশি
এই স্তরের বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন মানুষের শ্রেণিবিভাগ নির্ণয় করতে হবে
ধরি,
সাধারণ বুদ্ধিমত্তার মান = ৯০ থেকে ১১০
অতিশয় প্রতিভাশালী বা জিনিয়াস বুদ্ধিমত্তার মান = ১৪০ বা তার ঊর্ধ্বে
অতএব,
আইকিউ পরীক্ষার মানদণ্ড অনুযায়ী ১৪০ এর বেশি মান অতি উচু স্তর নির্দেশ করে
এই স্তরের ব্যক্তিদের মানসিক ক্ষমতা সাধারণ মানুষের তুলনায় অনেক বেশি থাকে
সুতরাং,
যাদের বুদ্ধ্যঙ্ক ১৪০ বা তার ঊর্ধ্বে তাদের অতিশয় প্রতিভাশালী বলা হয়
উত্তর: অতিশয় প্রতিভাশালী
সঠিক উত্তর: B) বিপরীত ধর্মী অর্থ
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম শব্দ RESENT যার অর্থ অসন্তুষ্ট হওয়া বা বিরূপ মনোভাব পোষণ করা
দ্বিতীয় শব্দ RESERVE যার অর্থ সংবরণ করা বা নিজেকে গুটিয়ে রাখা
ধরি,
RESENT শব্দটির ভাব প্রকাশ করে কোনো কিছুর বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করা
RESERVE শব্দটির ভাব প্রকাশ করে সংযত থাকা বা আবেগ নিয়ন্ত্রণ করা
অতএব,
প্রথম শব্দটির মাধ্যমে উন্মুক্ত অসন্তুষ্টি প্রকাশ বোঝানো হয়
দ্বিতীয় শব্দটির মাধ্যমে আত্মসংবরণ বা গোপনীয়তা বোঝানো হয়
সুতরাং,
শব্দ দুটির অন্তর্নিহিত ভাব সম্পূর্ণ বিপরীতার্থক প্রকৃতির
উত্তর: বিপরীত ধর্মী অর্থ
সঠিক উত্তর: B) ৭/জি
প্রদত্ত তথ্য:
পদের ধারাটি হলো ১/এ, ৩/সি, ৫/ই, ?
ধরি,
সংখ্যাগুলোর ধারাটি হলো ১, ৩, ৫, ?
অতএব,
প্রথম সংখ্যার সাথে দুই যোগ করলে দ্বিতীয় সংখ্যা পাওয়া যায়
সুতরাং,
পরবর্তী সংখ্যাটি হবে পাঁচ যোগ দুই অর্থাৎ সাত
ধরি,
বর্ণগুলোর ধারাটি হলো এ, সি, ই, ?
অতএব,
প্রতিটি বর্ণ একটি করে বাদ দিয়ে পরের বর্ণ লেখা হয়েছে
সুতরাং,
ই এর পরে এফ বাদ দিয়ে পরবর্তী বর্ণটি হবে জি
উত্তর: ৭/জি
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)