সঠিক উত্তর: C) অতুল প্রসাদ সেন
১. কেন সঠিক:
- এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর অতুল প্রসাদ সেন কারণ তিনি বিখ্যাত দেশাত্মবোধক গান "মোদের গরব মোদের আশা আ মরি বাংলা ভাষা" রচনা করেছেন।
- এই গানটি বাঙালির মাতৃভাষা প্রীতি ও দেশপ্রেমের এক অনন্য নিদর্শন যা বাংলা ভাষা আন্দোলনের বহু পূর্বে রচিত হয়েছিল।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- অতুল প্রসাদ সেন একজন বিশিষ্ট বাঙালি গীতিকার, সুরকার ও আইনজীবী যিনি বাংলা গানে ঠুংরি ধারার প্রবর্তন করেছিলেন।
- তার রচিত গানগুলোতে দেশপ্রেম, ভক্তি ও মানবতাবাদের এক অপূর্ব মিশ্রণ দেখা যায় যা বাংলা সঙ্গীত জগতকে সমৃদ্ধ করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ওঠ গো ভারত-লক্ষ্মী
ব্যাখ্যা: এটি অতুল প্রসাদ সেনের রচিত আরেকটি বিখ্যাত দেশাত্মবোধক গান।
উদাহরণ ২: সবে ধন সীন
ব্যাখ্যা: এটিও অতুল প্রসাদ সেনের একটি জনপ্রিয় স্বদেশী গান।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রামনিধি গুপ্ত — তিনি নিধু বাবু নামে পরিচিত এবং বাংলা টপ্পা গানের জন্য বিখ্যাত হলেও এই গানের রচয়িতা নন।
B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বাংলা ভাষার সর্বশ্রেষ্ঠ কবি ও সাহিত্যিক হলেও এই নির্দিষ্ট গানটির রচয়িতা নন।
D) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত — তিনি ছন্দের জাদুকর নামে পরিচিত বিশিষ্ট কবি হলেও এই গানটি তার লেখা নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- অতুল প্রসাদ সেনের নামের সাথে বাংলা ভাষার গরব ও আশার গানটি মনে রাখতে পারেন।
- মনে রাখবেন মোদের গরব মোদের আশা গানটির গীতিকার অতুল প্রসাদ সেন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত গান ও কবিতার রচয়িতা সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
- বাংলা ভাষা ও দেশাত্মবোধক গানের ক্ষেত্রে অতুল প্রসাদ সেনের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: B) জীবনানন্দ দাশ
১. কেন সঠিক:
- জীবনানন্দ দাশকে রূপসী বাংলার কবি বলা হয় কারণ তার কবিতায় বাংলার প্রকৃতি ও রূপ অসাধারণভাবে ফুটে উঠেছে।
- তার কবিতায় ধানক্ষেত, নদী, পাখি এবং গ্রামীণ বাংলার নিসর্গ রূপ এত গভীরভাবে এসেছে যে তাকে এই উপাধিতে ভূষিত করা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- জীবনানন্দ দাশ আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি এবং বিশ শতকের ত্রিশের দশকের অন্যতম আধুনিক কবি।
- বুদ্ধদেব বসু তাকে বাংলার শুদ্ধতম কবি হিসেবে অভিহিত করেছিলেন এবং তার নিসর্গপ্রীতি তাকে বাংলার প্রকৃতিচেতনার প্রতীকে পরিণত করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রূপসী বাংলা কাব্যগ্রন্থ
ব্যাখ্যা: এই কাব্যগ্রন্থটিতে জীবনানন্দ দাশ বাংলার রূপ ফুটিয়ে তুলেছেন যা তার কবিখ্যাতির মূল ভিত্তি।
উদাহরণ ২: বনলতা সেন কাব্যগ্রন্থ
ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ যার মাধ্যমে তিনি অমরত্ব লাভ করেছেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জসীমউদ্দীন — তাকে পল্লীকবি বলা হয় কারণ তার কবিতায় গ্রামীণ মানুষের জীবন ও সংস্কৃতি প্রধান হয়ে উঠেছে।
B) জীবনানন্দ দাশ — এটি সঠিক উত্তর।
C) কালিদাস রায় — তিনি মূলত ঐতিহ্যবাদী ও সনাতন ধারার কবি হিসেবে পরিচিত এবং তাকে কবিশেখর উপাধি দেওয়া হয়েছে।
D) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত — তাকে ছন্দের জাদুকর বলা হয় কারণ তিনি বাংলা কবিতায় নানা নতুন ছন্দের সফল প্রয়োগ করেছিলেন।
৫. মনে রাখার টিপস:
- রূপসী বাংলা বললে জীবনানন্দ দাশ আর পল্লীকবি বললে জসীমউদ্দীন নামটি মনে রাখবে।
- কবির উপনামগুলো মনে রাখার জন্য আলাদা একটি তালিকা তৈরি করে পড়তে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- জীবনানন্দ দাশের জন্ম ১৮৯৯ সালে এবং মৃত্যু ১৯৫৪ সালে।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবিদের উপাধি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে তাই এ বিষয়ে বাড়তি মনোযোগ দিতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) অনুক্ত
১. কেন সঠিক:
- যা বলা হয় নি, তাকে এক কথায় অনুক্ত বলা হয়।
- এখানে প্রথামাফিক উপসর্গ যোগ করে মূল শব্দের অর্থ পরিবর্তন করা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন হলো বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার প্রক্রিয়া।
- এটি ভাষার সৌন্দর্য ও সংক্ষিপ্ততা বৃদ্ধি করে এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: যা বলা হয়েছে
ব্যাখ্যা: এটি অনুক্ত শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে এবং এর এককথায় প্রকাশ হলো উক্ত।
উদাহরণ ২: যা বলার যোগ্য নয়
ব্যাখ্যা: এটি একটি ভিন্ন ভাব প্রকাশ করে এবং এর এককথায় প্রকাশ হলো অকথ্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অউক্ত — এটি কোনো প্রমিত বাংলা শব্দ নয় এবং ব্যাকরণগতভাবে সঠিক গঠন নয়।
B) অব্যক্ত — যা ব্যক্ত করা হয়নি বা মনের ভাব প্রকাশ করা হয় নি, তাকে অব্যক্ত বলে।
C) অনুক্ত — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ যা বলা হয় নি।
D) ব্যক্ত — যা স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে বা প্রকাশিত হয়েছে, তাকে ব্যক্ত বলে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- উ ধাতু বা বচ ধাতুর সঙ্গে যুক্ত বা উক্ত শব্দটির আগে না বোধক উপসর্গ অ বা অনু যুক্ত করে বিপরীত শব্দ মনে রাখা যায়।
- উক্ত শব্দের অর্থ যা বলা হয়েছে এবং অনুক্ত শব্দের অর্থ যা বলা হয় নি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে উপসর্গ এবং নিপাতনে সিদ্ধ শব্দগুলোর অর্থ ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে।
- পরীক্ষার হলে না বোধক ভাব এবং ইতিবাচক ভাবের শব্দগুলো ভালোভাবে মিলিয়ে সঠিক অপশন নির্বাচন করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) এন্টনী ফিরিঙ্গি এবং রামপ্রসাদ রায়
১. কেন সঠিক:
কবিগান মূলত আঠারো ও উনিশ শতকে জনপ্রিয় হওয়া এক ধরণের লোকসংগীত যেখানে দুজন কবিয়াল তাৎক্ষণিকভাবে ছন্দে ছন্দে গান গেয়ে প্রতিদ্বন্দিতা করতেন। এন্টনী ফিরিঙ্গি ও রামপ্রসাদ রায় দুজনেই এই ধারার বিখ্যাত কবি এবং গায়ক হিসেবে বাংলা লোকসাহিত্যে অমর হয়ে আছেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এন্টনী ফিরিঙ্গি একজন পর্তুগীজ বংশোদ্ভূত হলেও বাংলায় কবিগান গেয়ে বিখ্যাত হয়েছিলেন এবং বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির প্রতি তার গভীর অনুরাগ ছিল। অন্যদিকে রামপ্রসাদ রায় ছিলেন অষ্টাদশ শতকের প্রখ্যাত সাধক কবি যিনি মূলত শাক্ত পদাবলীর জন্য পরিচিত হলেও কবিগানের বিকাশেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিলেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রামপ্রসাদ রায়ের লেখা ও সুর করা শ্যামাসংগীত।
ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভক্তিমূলক গানের এক অনন্য নিদর্শন যা কবিগানের সমসাময়িক ধারার সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত।
উদাহরণ ২: এন্টনী ফিরিঙ্গির রচিত আগমনী ও বিজয়ার গান।
ব্যাখ্যা: এই গানগুলোতে দেশীয় সংস্কৃতির সঙ্গে তার অদ্ভুত আত্মিক সংযোগ ও কবিগান গাওয়ার মুন্সিয়ানা প্রকাশ পায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাম বসু এবং ভোলা ময়রা — রাম বসু কবিগানের রচয়িতা হলেও ভোলা ময়রা মূলত কবিগানের বিখ্যাত গায়ক ছিলেন, উভয় ক্ষেত্রে সমানভাবে পরিচিত নন।
B) এন্টনী ফিরিঙ্গি এবং রামপ্রসাদ রায় — এই অপশনটি সঠিক কারণ তারা উভয়েই কবিগান রচনা ও গায়নে সমানভাবে পরিচিত।
C) সাবিরিদ খান এবং দশরথী রায় — সাবিরিদ খান মধ্যযুগের পুঁথি সাহিত্য এবং দশরথী রায় পাঁচালি গানের জন্য বিখ্যাত, কবিগানের নন।
D) আলাওল এবং ভারতচন্দ্র — আলাওল মধ্যযুগের রোমান্টিক কাব্যধারার এবং ভারতচন্দ্র মঙ্গলকাব্যের যুগের কবি, কবিগানের সঙ্গে যুক্ত নন।
৫ মনে রাখার টিপস:
কবিগানের বিখ্যাত দুই ভিন্ন ধারার স্রষ্টা ও গায়ক মনে রাখতে এন্টনী ফিরিঙ্গি ও সাধক রামপ্রসাদ রায়ের নাম একসঙ্গে স্মরণ করতে হবে। লোকগানের ইতিহাসে এঁরা দুজনেই রচয়িতা ও গায়ক উভয় পরিচয়ই সমানভাবে বহন করেন।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবিগান ও কবিয়ালদের সম্পর্কে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই প্রাচীন ও মধ্যযুগের কবিদের সঙ্গে আধুনিক যুগের কবিয়ালদের পার্থক্য স্পষ্ট রাখতে হবে। রামপ্রসাদ রায় ও এন্টনী ফিরিঙ্গির নাম কবিগানের ইতিহাস পড়ার সময় বিশেষভাবে মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) পাঠক
১. কেন সঠিক:
- পাঠক শব্দটিতে ক্রিয়ামূল বা ধাতুর সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে।
- বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী ধাতু বা ক্রিয়ামূলের সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয়, তাকে কৃৎ প্রত্যয় বলে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- পঠ ধাতুর সঙ্গে অক প্রত্যয় যুক্ত হয়ে পাঠক শব্দটি গঠিত হয়েছে।
- এখানে পঠ হলো ধাতু বা ক্রিয়ামূল এবং অক হলো কৃৎ প্রত্যয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গঠ + অক = গায়ক
ব্যাখ্যা: গায়ক শব্দটিতে গঠ ধাতুর সঙ্গে অক প্রত্যয় যুক্ত হয়ে কৃৎ প্রত্যয় সাধিত শব্দ গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ২: চল + অন্ত = চলতি
ব্যাখ্যা: চলতি শব্দটিতে চল ধাতুর সঙ্গে অন্ত প্রত্যয় যুক্ত হয়ে কৃৎ প্রত্যয় সাধিত শব্দ গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঠগী — এটি তদ্ধিত প্রত্যয় যোগে গঠিত শব্দ কারণ এটি বিশেষ্য পদের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত হয়েছে।
B) পানাস — এটি ধাতুর সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত হয়নি বরং এটি একটি ভিন্ন গঠনরীতির শব্দ।
C) পাঠক — এটি ধাতুর সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত সঠিক শব্দ।
D) সেলামী — এটি বিশেষ্য পদের সঙ্গে ঈ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত তদ্ধিতান্ত শব্দ।
৫ মনে রাখার টিপস:
ক্রিয়ার মূল বা ধাতুর সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয় তাকে কৃৎ প্রত্যয় বলে। ধাতু চেনার উপায় হলো এর সঙ্গে না বা তে যুক্ত করা যায় যেমন পঠা।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কৃৎ প্রত্যয় সাধিত শব্দ চেনার জন্য শব্দের মূল অংশ ক্রিয়াবাচক কি না তা যাচাই করতে হবে। পরীক্ষায় প্রায়ই ধাতু ও প্রত্যয় আলাদা করার প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: D) বক ধার্মিক; ভিজে বেড়াল
১. কেন সঠিক:
- 'বক ধার্মিক' এবং 'ভিজে বেড়াল' উভয় বাগধারারই একই অর্থ অর্থাৎ 'পন্ডিতম্মন্য বা ধূর্ত ব্যক্তি' কিংবা 'ভণ্ড সাধু'।
- দুটি বাগধারাই মানুষের বাহ্যিক ভক্তি বা সাধুতার আড়ালে তার ভেতরের ধূর্ত বা কুটিল রূপকে প্রকাশ করে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- বাগধারা হলো বিশেষ শব্দসমষ্টি যা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভাবার্থ প্রকাশ করে।
- এই প্রশ্নটিতে সমার্থক বাগধারার তুলনা করা হয়েছে যেখানে দুটি আলাদা বাগধারা একই অর্থ বহন করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অকাল কুষ্মাণ্ড
ব্যাখ্যা: এর অর্থ অপদার্থ, যা একটি বিশেষ ভাব প্রকাশ করে এবং এর সমার্থক অন্যান্য বাগধারাও রয়েছে।
উদাহরণ ২: ঢাকের কাঠি
ব্যাখ্যা: এর অর্থ মোসাহেব বা তোষামোদকারী, যা বিশেষ চরিত্রে মানুষের স্বভাব বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অমাবস্যার চাঁদ; আকাশ কুসুম — অমাবস্যার চাঁদ অর্থ দুর্লভ বস্তু এবং আকাশ কুসুম অর্থ অসম্ভব কল্পনা।
B) বক ধার্মিক; বিড়াল তপস্বী — বক ধার্মিক ও বিড়াল তপস্বী সমার্থক হলেও ডি অপশনের জোড়টি অধিক প্রচলিত ও নিখুঁত সমার্থক হিসেবে ধরা হয়।
C) রুই-কাতলা; কেউ কেটা — রুই-কাতলা অর্থ বড়লোক বা প্রভাবশালী ব্যক্তি এবং কেউ কেটা অর্থ গণ্যমান্য ব্যক্তি।
D) বক ধার্মিক; ভিজে বেড়াল — এটি সঠিক জোড় কারণ উভয়ই ভণ্ড সাধু বোঝায়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বক এবং বেড়াল দুটি প্রাণীই খুব শান্তভাবে শিকার ধরে, তাই এদের দ্বারা ভণ্ড বা ধূর্ত স্বভাব বোঝানো হয়।
- সমার্থক বাগধারাগুলো একসাথে পড়লে এই ধরনের প্রশ্নের উত্তর সহজে মনে রাখা যায়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সমার্থক বা বিপরীতার্থক বাগধারা জোড় হিসেবে দেওয়া হয়।
- বাগধারার মূল ভাব বা অর্থ পরিষ্কার থাকলে বিভ্রান্তিকর অপশনগুলো সহজেই বাদ দেওয়া সম্ভব।
সঠিক উত্তর: D) গীতিকবিতা
১. কেন সঠিক:
বাংলা সাহিত্যে পদ বা পঙক্তির মাধ্যমে ব্যক্তিগত অনুভূতি, আনন্দ, বেদনা ও আবেগের প্রকাশ সবচেয়ে বেশি ঘটে থাকে।
প্রাচীন চর্যাপদ থেকে শুরু করে আধুনিককাল পর্যন্ত বাংলা ভাষার কবিরা এই ধারায় নিজেদের সর্বাধিক সফলভাবে প্রকাশ করেছেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন চর্যাপদ থেকে শুরু করে মধ্যযুগের পদাবলি এবং আধুনিক যুগের রোমান্টিক ও প্রকৃতিভিত্তিক কবিতা এই ধারার অংশ।
বিখ্যাত কবি যেমন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজী নজরুল ইসলাম এবং জীবনানন্দ দাশ তাঁদের শ্রেষ্ঠ সৃষ্টিগুলো মূলত এই ধারার মাধ্যমেই উপহার দিয়েছেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গীতালি
ব্যাখ্যা: এটি একটি বিখ্যাত গীতিকবিতার সংকলন যেখানে কবির আত্মিক অনুভূতি প্রকাশিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: কাজী নজরুল ইসলামের বিদ্রোহী
ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ আবেগঘন ও দ্রোহের গীতিকবিতা।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নাটক - বাংলা সাহিত্যে নাটক অপেক্ষাকৃত কম সমৃদ্ধ ধারা কারণ আমাদের নাট্যসাহিত্যের ইতিহাস তুলনামূলকভাবে প্রাচীন বা শক্তিশালী নয়।
B) ছোটগল্প - বাংলা ছোটগল্পে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও অন্যান্যরা বিশ্বমানের হলেও গীতিকবিতার মতো এর প্রাচীনত্ব ও পরিধি এতটা ব্যাপক নয়।
C) প্রবন্ধ - প্রবন্ধ বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চার মাধ্যম হলেও এটি সাহিত্যের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও সর্বাধিক সমৃদ্ধ প্রধান ধারা হিসেবে বিবেচিত হয় না।
D) গীতিকবিতা - এই অপশনটি সঠিক কারণ বাংলা সাহিত্যের সূচনা থেকেই আবেগময় এই ধারার বিকাশ ও সমৃদ্ধি সবচেয়ে বেশি ঘটেছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
বাঙালি জাতির মনন ও আবেগ প্রকাশের সবচেয়ে সহজ মাধ্যম হলো কবিতা।
তাই বাংলা সাহিত্যের সবচেয়ে সমৃদ্ধ ধারা হিসেবে গীতিকবিতাকে মনে রাখতে হবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা সাহিত্যের প্রথম নিদর্শন চর্যাপদও মূলত গান বা গীতিকবিতার আকারে রচিত পদের সংকলন।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে এবং এর সঠিক উত্তর সব সময় গীতিকবিতা হবে।
সঠিক উত্তর: A) ইউসুফ জুলেখা
১. কেন সঠিক:
- মুসলমান কবি রচিত প্রাচীনতম বাংলা কাব্য হলো ইউসুফ জুলেখা। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে মুসলিম কবিদের অবদান অনস্বীকার্য এবং এর সূচনা ঘটে এই কাব্যের মাধ্যমে।
- শাহ মুহাম্মদ সগির সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের রাজত্বকালে এই বিখ্যাত কাব্যটি রচনা করেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্য প্রধানত দুই ভাগে বিভক্ত, যার একটি হলো মুসলিম কবিদের অবদান এবং অন্যটি শ্রীকৃষ্ণকীর্তন বা মঙ্গলকাব্য ধারা।
- শাহ মুহাম্মদ সগির বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের প্রথম মুসলিম কবি হিসেবে স্বীকৃত এবং তাঁর অমর সৃষ্টি ইউসুফ জুলেখা ফারসি কাহিনীর বাংলা রূপান্তর।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: লাইলী মজনু কাব্য।
ব্যাখ্যা: এটিও মধ্যযুগের একটি বিখ্যাত প্রণয়োপাখ্যানমূলক কাব্য যা মুসলিম কবি কর্তৃক রচিত।
উদাহরণ ২: পদ্মাবতী কাব্য।
ব্যাখ্যা: আলাওল রচিত এই কাব্যটি মধ্যযুগের আরাকান রাজসভার মুসলিম সাহিত্যচর্চার একটি শ্রেষ্ঠ নিদর্শন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইউসুফ জুলেখা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি মুসলমান কবি শাহ মুহাম্মদ সগির রচিত প্রাচীনতম বাংলা কাব্য।
B) রাসুল বিজয় — এই কাব্যটি জয়নুল আবেদীন বা সাবির খান রচিত হলেও এটি প্রাচীনতম নয়।
C) নুরনামা — এটি আবদুল হাকিম রচিত একটি বিখ্যাত কাব্য যা পরবর্তী যুগের সৃষ্টি।
D) শবে মেরাজ — এটি মধ্যযুগের একটি ইসলামি সাহিত্যিক রচনা হলেও প্রাচীনতম মুসলিম কাব্য নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
মধ্যযুগের প্রথম মুসলিম কবি শাহ মুহাম্মদ সগির এবং তাঁর প্রথম কাব্য ইউসুফ জুলেখা এটি মনে রাখলে এই প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মধ্যযুগের মুসলিম কবি ও তাদের প্রথম কাব্য নিয়ে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, বিশেষ করে শাহ মুহাম্মদ সগির ও তাঁর রচনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: C) চা, চিনি
১. কেন সঠিক:
প্রশ্নটিতে চীনা ভাষা থেকে আগত শব্দ বা বৈদেশিক শব্দ সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়েছে।
বাংলা ভাষায় বহু বিদেশি শব্দ প্রবেশ করেছে এবং চা ও চিনি শব্দ দুটি সরাসরি চীনা ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
শব্দার্থ ও উৎসের দিক থেকে বাংলা ভাষার শব্দগুলোকে মূলত তদ্ভব, তৎসম, অর্ধতৎসম, দেশি ও বিদেশি এই পাঁচ ভাগে ভাগ করা হয়।
বিদেশি শব্দের মধ্যে চীনা ভাষা থেকে আগত শব্দগুলোর মধ্যে চা ও চিনি সর্বাধিক পরিচিত ও পরীক্ষামুখী শব্দ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: লুচি
ব্যাখ্যা: লুচি শব্দটি একটি বিদেশি শব্দ হলেও এটি চীনা ভাষা থেকে নয়, বরং অন্য ভাষা থেকে আগত।
উদাহরণ ২: তুফান
ব্যাখ্যা: তুফান শব্দটি চীনা ভাষা নয়, বরং এটি একটি আরবি বা ফারসি উৎস থেকে বাংলায় এসেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চাকু, চাকর — এই শব্দ দুটি তুর্কি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে।
B) খদ্দর, হরতাল — খদ্দর হিন্দি ভাষা থেকে এবং হরতাল গুজরাটি ভাষা থেকে এসেছে।
C) চা, চিনি — এই অপশনটি সঠিক কারণ শব্দ দুটি চীনা ভাষা থেকে আগত।
D) রিক্সা, রেস্তোরাঁ — রিক্সা জাপানি ভাষা থেকে এবং রেস্তোরাঁ ফরাসি ভাষা থেকে এসেছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
চীনা ভাষা থেকে আগত প্রধান দুটি খাবার ও পানীয় সংক্রান্ত শব্দ হলো চা এবং চিনি।
চ দিয়ে শুরু এই দুটি শব্দ মনে রাখলে পরীক্ষার উত্তর সহজে চিহ্নিত করা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে এবং শব্দের উৎস মুখস্থ রাখা জরুরি।
চীনা শব্দ মনে রাখার জন্য চা ও চিনি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দুটি উদাহরণ।
সঠিক উত্তর: A) ভাষাতত্ত্ববিদ
১. কেন সঠিক:
- ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ মূলত বাংলা ভাষা ও প্রাচীন লিপি নিয়ে গবেষণা করেছেন, তাই তাকে ভাষাতত্ত্ববিদ বলা হয়।
- ভাষাবিজ্ঞান ও তুলনামূলক ব্যাকরণ চর্চায় তার অবদান সবচেয়ে বেশি স্বীকৃত।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ ১৮৮৫ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং একজন বিশ্বমানের ভাষাবিজ্ঞানী হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
- তিনি প্রাচীন চর্যাপদের ভাষা ও উৎপত্তি নিয়ে গবেষণা করে প্রমাণ করেছেন যে বাংলা ভাষা সপ্তম শতক থেকেই উদ্ভূত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত
ব্যাখ্যা: এটি ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ রচিত একটি বিখ্যাত ভাষাতাত্ত্বিক গ্রন্থ যা ভাষার ইতিহাস জানতে সাহায্য করে।
উদাহরণ ২: অবর্তন
ব্যাখ্যা: ভাষাবিজ্ঞানের বিভিন্ন তত্ত্ব ও ধ্বনি পরিবর্তনের নিয়ম নিয়ে তার গবেষণামূলক প্রবন্ধ এর অন্তর্ভুক্ত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভাষাতত্ত্ববিদ — এটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ তিনি মূলত ভাষাবিজ্ঞানী ছিলেন।
B) সাহিত্যের ইতিহাস রচয়িতা — তিনি কিছু সাহিত্যকর্ম নিয়ে কাজ করলেও তার প্রধান পরিচয় ভাষাতত্ত্ববিদ।
সি) ইসলাম প্রচারক — তিনি ইসলাম প্রচারক ছিলেন না, বরং ইসলামের ইতিহাস ও ধর্ম নিয়ে পন্ডিত ছিলেন।
ডি) সমাজ সংস্কারক — তিনি সরাসরি কোনো সমাজ সংস্কার আন্দোলনের প্রধান রূপকার ছিলেন না।
৫ মনে রাখার টিপস:
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ বললেই আমাদের মনে রাখতে হবে ভাষা ও ডায়ালেক্ট বা ভাষার রূপ নিয়ে তার বিশাল কাজের কথা।
তার নামের সাথে ভাষাতত্ত্ব শব্দটি ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর করার সময় ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ এর নাম সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি চর্যাপদের ভাষা নিয়ে সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের সাথে যৌথভাবে গবেষণা করেছিলেন।
সঠিক উত্তর: D) রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়
১. কেন সঠিক:
- “স্বাধীনতা হীনতায় কে বাঁচিতে চায়, কে বাঁচিতে চায়” চরণটি উনিশ শতকের বিশিষ্ট কবি রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিখ্যাত 'পদ্মাবতী' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত।
- এই বিখ্যাত পংক্তিটির মাধ্যমে পরাধীনতার গ্লানি থেকে মুক্তির আকুলতা এবং দেশপ্রেমের শক্তিশালী বার্তা প্রকাশ করা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলা কাব্যে দেশপ্রেম ও জাতীয়তাবাদের প্রাথমিক প্রবক্তাদের মধ্যে অন্যতম প্রধান একজন কবি।
- ১৮৫৮ সালে প্রকাশিত তার 'পদ্মাবতী' কাব্যগ্রন্থে পরাধীনতার বিরুদ্ধে মানুষের ভেতরের প্রতিবাদী স্বর ও স্বাধীনতার স্পৃহা অত্যন্ত জোরালোভাবে ফুটে উঠেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: স্বাধীনতা হীনতায় কে বাঁচিতে চায়, দাসত্ব শৃঙ্খল বল কে পরে পায়।
ব্যাখ্যা: এটি রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিখ্যাত কবিতার পরবর্তী চরণ, যা পরাধীনতার তীব্র গ্লানি প্রকাশ করে।
উদাহরণ ২: হে বঙ্গ ভাণ্ডারে তব বিবিধ রতন।
ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের বিখ্যাত কবিতা, যা বাংলা সাহিত্যের দেশপ্রেমমূলক রচনার অন্যতম উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত — তিনি যুগসন্ধিকালের কবি হলেও এই বিখ্যাত পংক্তিটির রচয়িতা নন, তার কাব্যরীতিতে মূলত ব্যঙ্গ ও স্বদেশচেতনা প্রকাশ পেত।
B) মধুসূদন দত্ত — তিনি বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দ ও সনেটের প্রবর্তক হলেও এই নির্দিষ্ট চরণটির রচয়িতা নন।
C) হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় — তিনি দেশাত্মবোধক কবিতা লিখলেও 'স্বাধীনতা হীনতায় কে বাঁচিতে চায়' চরণটি তার রচিত নয়।
D) রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায় — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি তার পদ্মাবতী কাব্যে এই বিখ্যাত পংক্তিটি রচনা করেছেন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- স্বাধীনতা মানেই পরাধীনতার বিরুদ্ধে লড়াই আর রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের অমর বাণী হলো স্বাধীনতা হীনতায় কে বাঁচিতে চায়।
- কবি রঙ্গলাল ও তার বিখ্যাত পংক্তি মনে রাখতে স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষাকে মূল সূত্র হিসেবে ধরতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত উদ্ধৃতি ও তার রচয়িতা সম্পর্কে প্রশ্ন আসে, তাই মূল কাব্যগ্রন্থের নামসহ কবির নাম মনে রাখা জরুরি।
- একই ধরনের অন্যান্য দেশপ্রেমমূলক উদ্ধৃতিগুলোর ক্ষেত্রে কবিদের নাম আলাদা করে ছক তৈরি করে পড়তে পারো।
সঠিক উত্তর: C) বিদ্বান ব্যক্তিগণ দারিদ্র্যের শিকার হন
১. কেন সঠিক:
- এই বাক্যে 'বিদ্বান' শব্দের বানান এবং 'দারিদ্র্য' শব্দের গঠন সম্পূর্ণ প্রমিত ও ব্যাকরণগতভাবে নির্ভুল।
- 'ব্যক্তিগণ' শব্দের মাধ্যমে বহুবচন এবং 'শিকার হন' ক্রিয়াপদের সঠিক প্রয়োগ নিশ্চিত করা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা বানানরীতিতে 'বিদ্যান' শব্দটি ভুল, এর সঠিক রূপ হলো 'বিদ্বান'।
- 'দরিদ্র' শব্দের সাথে য-ফলা যুক্ত করে ভাববাচক বিশেষ্য হিসেবে 'দারিদ্র্য' গঠন করতে হয়, তাই 'দারিদ্র্যতা' একটি দ্বিরুক্তিদোষযুক্ত বা অশুদ্ধ শব্দ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিদ্বান ব্যক্তিরা সমাজের আলোকবর্তিকা হন।
ব্যাখ্যা: এখানে 'বিদ্বান' শব্দের সঠিক ব্যবহার এবং প্রমিত বাক্যগঠন দেখানো হয়েছে।
উদাহরণ ২: দারিদ্র্য মানুষের মেধার বিকাশকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে না।
ব্যাখ্যা: এখানে 'দারিদ্র্য' শব্দের সঠিক ও প্রমিত রূপ ব্যবহার করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিদ্যান ব্যক্তিগণ দরিদ্রের শিকার হন — 'বিদ্যান' বানান ভুল এবং এখানে 'দরিদ্রের' বদলে 'দারিদ্র্যের' ব্যবহার যথাযথ।
B) বিদ্যান ব্যক্তিগ দারিদ্রতার শিকার হন — 'বিদ্যান' বানান ভুল, 'ব্যক্তিগ' অসম্পূর্ণ এবং 'দারিদ্রতা' একটি অশুদ্ধ শব্দ।
C) বিদ্বান ব্যক্তিগণ দারিদ্র্যের শিকার হন — এটি সঠিক অপশন এবং এর কোনো ব্যাকরণগত ত্রুটি নেই।
D) বিদ্যান ব্যক্তিগণ দরিদ্রতার শিকার হন — 'বিদ্যান' বানান ভুল এবং 'দারিদ্রতা' শব্দটি ব্যাকরণসিদ্ধ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মনে রাখবে 'বিদ্বান' বানানটি সবসময় ন-য়ে হসন্ত দিয়ে শেষ হয় এবং 'দারিদ্র্য' এর সাথে অতিরিক্ত 'তা' যুক্ত করে 'দারিদ্র্যতা' লেখা সম্পূর্ণ ভুল।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই 'দারিদ্র্য' বনাম 'দারিদ্র্যতা' এবং 'বিদ্বান' বনাম 'বিদ্যান' সংক্রান্ত বাক্যশুদ্ধি আসে, তাই প্রমিত রূপগুলো ভালো করে চর্চা করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) পত্রকাব্য
১. কেন সঠিক:
মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত বীরাঙ্গনা কাব্যটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম পত্রকাব্য। এই কাব্যে পৌরাণিক নারীদের জবানিতে তাদের প্রেমাস্পদের কাছে লেখা পত্র বা চিঠি কবিতার আকারে প্রকাশিত হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দ এবং নতুন নানা রূপের প্রবর্তক ছিলেন। বীরাঙ্গনা কাব্যটি ১৮৬২ সালে প্রকাশিত হয় এবং এতে মোট একুশটি পত্রকবিতা রয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মেঘনাদবধ কাব্য
ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত একটি মহাকাব্য।
উদাহরণ ২: তিলোত্তমা সম্ভব কাব্য
ব্যাখ্যা: এটি মধুসূদন দত্তের প্রথম পূর্ণাঙ্গ কাব্যগ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মহাকাব্য — এটি মহাকাব্য নয় কারণ এটিতে পত্রের আকারে আবেগ প্রকাশ পেয়েছে, কোনো দীর্ঘ কাহিনি বা যুদ্ধবর্ণনা নেই।
C) গীতিকাব্য — এটি গীতিকাব্য নয় কারণ এতে ব্যক্তিগত ভাবের চেয়ে পৌরাণিক চরিত্রদের নাটকীয় আত্মকথন ও পত্রের রূপ বেশি প্রাধান্য পেয়েছে।
D) আখ্যানকাব্য — এটি আখ্যানকাব্য নয় কারণ এতে কোনো ধারাবাহিক গল্প বা কাহিনি পর্যায়ক্রমে এগিয়ে যায়নি।
৫ মনে রাখার টিপস:
মধুসূদন দত্তের পত্রকাব্য হলো বীরাঙ্গনা। এটি মনে রাখতে বীরাঙ্গনা শব্দের সঙ্গে পত্র লেখার সম্পর্কটি মনে রাখতে হবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা সাহিত্যের প্রথম পত্রকাব্য কোনটি তা প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। মাইকেল মধুসূদন দত্তের অমর সৃষ্টিগুলোর ধরন সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: A) কৃষ্ণকান্তের উইল
১. কেন সঠিক:
রোহিনী বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস কৃষ্ণকান্তের উইল এর কেন্দ্রীয় ও ট্র্যাজেডিতে ভরপুর একটি নারী চরিত্র।
গোবিন্দলালের প্রতি তার আবেগ এবং পরবর্তী পরিণতি এই উপন্যাসের মূল কাহিনীর গতি নির্ধারণ করে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের জনক এবং বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক হিসেবে পরিচিত।
কৃষ্ণকান্তের উইল উপন্যাসটি ১৮৭৮ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি মানব মনের পতন ও অপরাধপ্রবণতার এক মনস্তাত্ত্বিক রূপায়ণ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কপালকুণ্ডলা উপন্যাসের প্রধান চরিত্র কপালকুণ্ডলা ও নবকুমার।
ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের অপর একটি বিখ্যাত রোমান্সধর্মী উপন্যাস।
উদাহরণ ২: বিষবৃক্ষ উপন্যাসের চরিত্র কুন্দনন্দিনী ও দেবেন্দ্রনাথ।
ব্যাখ্যা: এটিও বঙ্কিমচন্দ্রের সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাসের একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কৃষ্ণকান্তের উইল — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই উপন্যাসের সঙ্গেই রোহিনী চরিত্রের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে।
B) চোখের বালি — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাস যার প্রধান নারী চরিত্র বিনোদিনী ও আশা।
C) গৃহদাহ — এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের উপন্যাস যার প্রধান নারী চরিত্র অচলা ও মৃণাল।
D) পথের প্যাঁচালী — এটি বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাস যার প্রধান চরিত্র অপু ও দুর্গা।
৫ মনে রাখার টিপস:
রোহিনী ও গোবিন্দলাল নামটি মনে রাখতে বঙ্কিমচন্দ্রের উইল বা সম্পত্তি সংক্রান্ত জটিলতার গল্প মাথায় রাখবে।
কৃষ্ণকান্তের উইল মানেই রোহিনীর ট্র্যাজেডি এই সূত্র মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা উপন্যাসের সূচনার ইতিহাস এবং বঙ্কিমচন্দ্রের চরিত্রভিত্তিক উপন্যাসগুলো থেকে প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে।
চরিত্রের নাম দেখে ঔপন্যাসিককে চেনার কৌশল রপ্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) ঘোড়াকে চাবুক মার
১. কেন সঠিক:
- বাক্যে চাবুক হলো এমন একটি মাধ্যম বা উপকরণ যার সাহায্যে মারার কাজটি সম্পন্ন করা হচ্ছে।
- ব্যাকরণ অনুযায়ী যার সাহায্যে বা মাধ্যমে ক্রিয়া সম্পাদিত হয়, তাকে করণ কারক বলে।
- এখানে চাবুক শব্দটি মূলরূপে বা শূন্য বিভক্তিযুক্ত অবস্থায় ব্যবহৃত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ক্রিয়া সম্পাদনের যন্ত্র, উপকরণ বা সহায়ক মাধ্যমকে করণ কারক বলে। বাক্যের ক্রিয়াপদকে কিসের দ্বারা বা কি উপায়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা করণ কারক।
- প্রথমা বা শূন্য বিভক্তি, তৃতীয় বিভক্তি এবং সপ্তমী বিভক্তি করণ কারকে ব্যবহৃত হতে পারে। এখানে চাবুক শব্দের সাথে কোনো অতিরিক্ত বিভক্তির চিহ্ন যুক্ত না থাকায় এটি শূন্য বিভক্তি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কলম দিয়ে লিখছি।
ব্যাখ্যা: লেখার কাজটি কলমের সাহায্যে করা হচ্ছে বিধায় কলম শব্দটিতে করণ কারকে তৃতীয় বিভক্তি রয়েছে।
উদাহরণ ২: বশে কার না মজে।
ব্যাখ্যা: বশ শব্দের মাধ্যমে ভাব প্রকাশ পাওয়ায় এটি ভাবধিকরণে সপ্তমীর উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঘোড়াকে চাবুক মার — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো ত্রুটি নেই।
B) ডাক্তার ডাক — কর্মকারকে শূন্য বিভক্তির উদাহরণ কারণ এখানে ডাক্তারকে ডাকার কথা বলা হয়েছে।
C) গাড়ি স্টেশন ছেড়েছে — অপাদান কারকে পঞ্চমী বিভক্তির উদাহরণ কারণ স্টেশন থেকে গাড়ি দূরে সরে গেছে।
D) মুষলধারে বৃষ্টি পড়েছে — এটি অধিকরণ কারকে তৃতীয় বিভক্তির উদাহরণ যা বৃষ্টির তীব্রতা প্রকাশ করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ক্রিয়াপদকে কিসের দ্বারা বা কি দিয়ে প্রশ্ন করে যদি উত্তর মেলে, তবে চোখ বন্ধ করে তাকে করণ কারক হিসেবে চিহ্নিত করবে।
- উপকরণ বা যন্ত্র বোঝালে করণ কারক হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় করণ কারক ও অপাদান কারকের পার্থক্য প্রায়ই আসে।
- মাধ্যম বা যন্ত্র বোঝালে করণ এবং কিছু থেকে বিচ্যুত বা গৃহিত হওয়া বোঝালে অপাদান কারক হয়।
সঠিক উত্তর: C) দোভাষী বাংলায় রচিত পুঁথি সাহিত্য
১. কেন সঠিক:
- বটতলার পুঁথি বলতে মূলত উনিশ শতকে কলকাতার শোভাবাজার ও বটতলা এলাকা থেকে প্রকাশিত সস্তা ও জনপ্রিয় পুঁথি সাহিত্যকে বোঝানো হয়।
- এই সাহিত্যগুলোতে আরবি, ফার্সি ও হিন্দি শব্দের মিশ্রণে এক বিশেষ ধরনের মিশ্র ভাষা বা দোভাষী বাংলা ব্যবহৃত হয়েছিল যা সাধারণ মানুষের বোধগম্য ছিল।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বটতলা ছিল উনিশ শতকে বাংলা মুদ্রণ শিল্পের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র এবং এখান থেকেই মূলত এই বিশেষ ধারার পুঁথিগুলো মুদ্রিত আকারে কম মূল্যে সাধারণ পাঠকের কাছে পৌঁছেছিল।
- এই ধারার রচনায় মুসলিম সংস্কৃতির নানা রূপকথা, ঐতিহাসিক ঘটনা ও ধর্মীয় উপাখ্যান লোকভাষার ঢঙে রচিত হতো যা তৎকালীন নিম্নবিত্ত ও সাধারণ মানুষের মন জয় করেছিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সৈয়দ হামজার জয়নবের চৌতিশা
ব্যাখ্যা: এটি বটতলা থেকে প্রকাশিত এবং দোভাষী বাংলায় রচিত একটি জনপ্রিয় পুঁথি সাহিত্য যার মাধ্যমে এই ধারার বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পায়।
উদাহরণ ২: ফকির গরিবুল্লাহর আমির হামজা
ব্যাখ্যা: এটিও দোভাষী বাংলায় রচিত পুঁথি সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন যা বটতলার প্রেস থেকে ব্যাপকভাবে মুদ্রিত ও প্রচারিত হয়েছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মধ্যযুগীয় কাব্যের হস্তলিখিত পাণ্ডুলিপি — মধ্যযুগীয় কাব্য মানেই বটতলার পুঁথি নয় কারণ বটতলার পুঁথি মূলত মুদ্রিত ও আধুনিক যুগের আগের বা শুরুর দিকের জনপ্রিয় মুদ্রণ সংস্কৃতির ফল।
B) বটতলা নামক স্থানে রচিত কাব্য — এই অপশনটি আংশিক সত্য মনে হলেও এটি কেবল একটি ভৌগোলিক অবস্থান নির্দেশ করে কিন্তু ভাষা ও সাহিত্যের ধরন অর্থাৎ দোভাষী বাংলা এখানে প্রধান শর্ত।
D) অবিমিশ্র দেশজ বাংলায় রচিত লোকসাহিত্য — বটতলার পুঁথিতে অবিমিশ্র দেশজ বাংলা ব্যবহার করা হতো না বরং এতে আরবি, ফার্সি ও দেশি শব্দের এক অদ্ভুত সংমিশ্রণ বা দোভাষী রূপ থাকত।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বটতলা মানেই মুদ্রণ কেন্দ্র এবং পুঁথি সাহিত্য মানেই দোভাষী বাংলা ভাষার ব্যবহার।
- পরীক্ষায় বটতলার পুঁথি দেখলে চোখ বন্ধ করে দোভাষী বাংলা শব্দটিকে উত্তর হিসেবে বেছে নেবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস ও শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় আসে যেখানে সাহিত্যের আধুনিক যুগের প্রকাশনা এবং মধ্যযুগীয় ভাষার মিশ্রণ সম্পর্কে যাচাই করা হয়।
- দোভাষী বাংলার মূল বৈশিষ্ট্য হলো এতে বাংলা ব্যাকরণের পাশাপাশি আরবি ও ফার্সি শব্দের প্রচুর প্রয়োগ দেখা যায়।
সঠিক উত্তর: B) ধাতু
১. কেন সঠিক:
ক্রিয়াপদের মূল অংশকে ধাতু বলা হয়। এটি ক্রিয়ার অবিভাজ্য মূল রূপ বা উৎপত্তির উৎস।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
ধাতু হলো ক্রিয়া পদের মূল ভিত্তি যার সঙ্গে কাল ও পুরুষবাচক বিভক্তি যুক্ত হয়ে সম্পূর্ণ ক্রিয়াপদ গঠিত হয়। ধাতু মূলত তিন প্রকার যথা সংস্কৃত ধাতু প্রাকৃত ধাতু ও বিদেশী ধাতু।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পড়
ব্যাখ্যা: পড় ধাতুর সঙ্গে ইতে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে পড়িতে বা পড়ে ক্রিয়াপদ গঠিত হয়।
উদাহরণ ২: যা
ব্যাখ্যা: যা ধাতুর সঙ্গে ইয়া প্রত্যয় যুক্ত হয়ে যাইয়া বা গিয়ে ক্রিয়াপদ তৈরি হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিভক্তি — এটি শব্দ বা ধাতুর সঙ্গে যুক্ত হয়ে পদ গঠন করে কিন্তু ক্রিয়াপদের মূল অংশ নয়।
B) ধাতু — এটি সঠিক উত্তর কারণ ক্রিয়াপদের মূল অংশকে ধাতু বলা হয়।
C) প্রত্যয় — এটি শব্দ বা ধাতুর পরে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ বা পদ তৈরি করে কিন্তু মূল অংশ নয়।
D) কৃৎ — এটি কৃৎপ্রত্যয় বা কৃদন্ত পদের সঙ্গে সম্পর্কিত যা ধাতুর সঙ্গে যুক্ত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
ধাতু মানেই ক্রিয়ার মূল উৎস। মনে রাখবে ধাতু থেকে ক্রিয়া তৈরি হয় ঠিক যেমন বীজ থেকে গাছ জন্মায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ক্রিয়ার মূল অংশ কী তা প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়। ধাতু চেনার উপায় হলো তুই বা আপনি দিয়ে আদেশসূচক শব্দ তৈরি করা।
সঠিক উত্তর: A) সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজি
১. কেন সঠিক:
অনল-প্রবাহ কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা হলেন বাঙালি মুসলিম জাগরণের অন্যতম অগ্রদূত কবি সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজি।
বৃটিশ বিরোধী আন্দোলন এবং মুসলিম সমাজে দেশপ্রেম ও ইসলামের পুনর্জাগরণ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে এই শক্তিশালী কাব্যগ্রন্থটি রচিত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজি ছিলেন বিশ শতকের প্রথমার্ধের একজন প্রখ্যাত মুসলিম কবি, ঔপন্যাসিক ও রাজনীতিবিদ।
তার এই কাব্যগ্রন্থটি তৎকালীন স্বাধিকার ও স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং একটি বিপ্লবাত্মক সাহিত্যকর্ম হিসেবে পরিচিত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজি রচিত উপন্যাস রায় নন্দিনী।
ব্যাখ্যা: এটি লেখকের অন্যতম একটি ঐতিহাসিক ও সামাজিক উপন্যাস।
উদাহরণ ২: সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজি রচিত উপন্যাস তারাবাঈ।
ব্যাখ্যা: এটি রাজপুত বীরত্ব ও ইতিহাসের পটভূমিতে রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজি — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি অনল-প্রবাহ কাব্যগ্রন্থটির সফল রচয়িতা।
B) মজাম্মেল হক — তিনি একজন প্রখ্যাত কবি ও সাহিত্যিক হলেও অনল-প্রবাহ রচনা করেননি, তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ জাতীয় কনসার্ট।
C) এয়াকুব আলী চৌধুরী — তিনি মূলত একজন প্রাবন্ধিক ও চিন্তাবিদ ছিলেন, তার বিখ্যাত প্রবন্ধ গ্রন্থ মানবমুকুট।
D) মুনিরুজ্জামান ইসলামাবাদি — তিনি একজন বিশিষ্ট সাংবাদিক ও লেখক ছিলেন, তবে এই কাব্যগ্রন্থের সঙ্গে তার সংশ্লিষ্টতা নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
অনল শব্দের অর্থ আগুন। সিরামিক বা সিরাজি শব্দটিকে আগুনের সঙ্গে মিলিয়ে মনে রাখতে পারো যে সিরাজি সাহেব অনল বা আগুনের প্রবাহ সৃষ্টি করেছিলেন।
তার সাহিত্যকর্মে দেশপ্রেমের আগুন ঝরেছে বলে অনল-প্রবাহ তার রচিত গ্রন্থ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুসলিম সাহিত্যিকদের দেশপ্রেমমূলক গ্রন্থ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
একইভাবে সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজির অন্যান্য গ্রন্থ যেমন রক্তিম পতাকা বা সঙ্গীতমালা ভালোভাবে পড়লে পরীক্ষাতে কমন পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
সঠিক উত্তর: D) শাহ্ মুহাম্মাদ সগীর
১. কেন সঠিক:
- বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস অনুযায়ী শাহ্ মুহাম্মাদ সগীর হলেন প্রাচীনতম বাঙালি মুসলমান কবি।
- তিনি মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্য বা রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার অন্যতম প্রবক্তা এবং তার বিখ্যাত কাব্যের নাম ইউসুফ জুলোখা।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- শাহ্ মুহাম্মাদ সগীর গৌড় সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের রাজত্বকালে ইউসুফ জুলোখা কাব্য রচনা করেন।
- এটি বাংলা সাহিত্যের মুসলমান কবিদের দ্বারা রচিত প্রথম সার্থক কাব্য হিসেবে স্বীকৃত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ইউসুফ জুলোখা
ব্যাখ্যা: এটি শাহ্ মুহাম্মাদ সগীরের লেখা মধ্যযুগের একটি প্রখ্যাত প্রণয়োপাখ্যানমূলক কাব্য।
উদাহরণ ২: পদ্மாவতী
ব্যাখ্যা: এটি পরবর্তীতে সপ্তদশ শতাব্দীতে মহামকবি আলাওল রচিত আরেকটি বিখ্যাত কাব্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আলাওল — তিনি সপ্তদশ শতাব্দীর মধ্যযুগের শ্রেষ্ঠ রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যানের কবি, প্রাচীনতম মুসলমান কবি নন।
B) সৈয়দ সুলতান — তিনি ষোল শতকের কবি এবং নবীচরিত ও বিভিন্ন ধর্মীয় কাব্যের জন্য পরিচিত, প্রাচীনতম নন।
C) মুহাম্মদ খান — তিনি সপ্তদশ শতকের একজন বিশিষ্ট সুফি কবি, যিনি মক্তুল হোসেন কাব্য রচনা করেছিলেন।
D) শাহ্ মুহাম্মাদ সগীর — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলমান কবি হিসেবে স্বীকৃত।
৫ মনে রাখার টিপস:
সবচেয়ে প্রাচীন মুসলমান কবি হলেন সগীর, তার বিখ্যাত কাব্য ইউসুফ জুলোখা মনে রাখলে উত্তর সহজে মেলানো যায়।
মধ্যযুগের কবিদের কালানুক্রমিক তালিকা মুখস্থ রাখলে পরীক্ষার হলে বিভ্রান্তি এড়ানো সম্ভব হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতায় প্রাচীনতম মুসলমান কবি কে, এই প্রশ্নটি বহুবার এসেছে।
কবি শাহ্ মুহাম্মাদ সগীর কোন শতকের বা কার রাজসভার কবি ছিলেন, এই তথ্যগুলোও মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: A) পাষাণ
১. কেন সঠিক:
- বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী মূর্ধন্য-ণ ব্যবহারের নিয়মের কারণে 'পাষাণ' শব্দটি শুদ্ধ।
- বাংলা ভাষায় তৎসম শব্দে ট-বর্গীয় ধ্বনির (ট, ঠ, ড, ঢ, ণ) পূর্বে মূর্ধন্য-ণ (ণ) যুক্ত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণের নত্ব বিধান অনুযায়ী রি, র, ষ এর পরে ন না হয়ে মূর্ধন্য-ণ (ণ) হয়।
- 'পাষাণ' শব্দটিতে ষ ধ্বনি থাকার কারণে তার পরবর্তী ন মূর্ধন্য-ণ (ণ) এ রূপান্তরিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ভীষণ
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতে ষ থাকার কারণে ভীর পরে মূর্ধন্য-ণ যুক্ত হয়েছে।
উদাহরণ ২: ভাষণ
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও ষ থাকার কারণে ন এর পরিবর্তে মূর্ধন্য-ণ ব্যবহৃত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পাষাণ - এটি সঠিক বানান কারণ এখানে মূর্ধন্য-ণ ব্যবহৃত হয়েছে।
B) পাষান - এই বানানটি ভুল কারণ এতে দন্ত্য-ন (ন) ব্যবহার করা হয়েছে।
C) পাসান - এই বানানটি ভুল কারণ এতে স এর স্থলে তালব্য বা মূর্ধন্য ধ্বনির পরিবর্তে দন্ত্য-স এবং ন ব্যবহার করা হয়েছে।
D) পাশান - এই বানানটি ভুল কারণ এখানে দীর্ঘ আকার এবং দন্ত্য-ন ব্যবহার করা হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ষ এর পরে সাধারণত মূর্ধন্য-ণ বসে, তাই পাষাণ বানানে সবসময় ণ হবে ন হবে না।
- মূর্ধন্য-ণ ব্যবহারের নিয়ম মনে রাখলে এই ধরনের বানান ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নত্ব বিধান ও ষত্ব বিধান থেকে প্রায়ই বানান সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে।
- তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে র, ঋ এবং ষ এর পরে সবসময় মূর্ধন্য-ণ ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) Let you and him be witnesses
কেন সঠিক:
let এর পর সবসময় pronoun এর objective form বসে। তাই you এবং he এর objective form যথাক্রমে you এবং him হবে।
বাক্যের অর্থ ঠিক রাখতে witnesses বহুবচন হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Let he and you be witnesses — he ভুল কারণ let এর পর objective form him হয়।
B) Let you and him be witnesses — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে কোনো ভুল নেই।
C) Let you and he be witness — he ভুল এবং witness একবচন হওয়ায় বাক্যটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
D) Let you and he be witness — he এবং witness উভয়ই ভুল কারণ এখানে objective form এবং plural noun প্রয়োজন।
মনে রাখার টিপস:
let শব্দটির পরে সর্বদা pronoun এর objective form ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) A play by G. B. Shaw
কেন সঠিক:
ক্যাসার অ্যান্ড ক্লিওপেট্রা নাটকটি বিখ্যাত নাট্যকার জর্জ বার্নার্ড শ এর লেখা একটি ঐতিহাসিক নাটক। তিনি জুলিয়াস সিজার ও ক্লিওপেট্রার জীবন নিয়ে এই নাটকটি রচনা করেছেন।
এটি উনিশ শতকের শেষভাগে রচিত হয়।
নাটকটি বিশ্বসাহিত্যে অত্যন্ত সমাদৃত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) A tragedy by Shakespeare — এটি শেক্সপিিয়রের লেখা কোনো ট্র্যাজেডি নাটক নয়, কারণ শেক্সপিিয়রের রোমান নাটকটির নাম অ্যান্থনি অ্যান্ড ক্লিওপেট্রা।
B) A play by G. B. Shaw — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি ভুল নয়।
C) A poem by Lord Byron — এটি লর্ড বায়রণের লেখা কোনো কবিতা নয়, এটি মূলত একটি বিখ্যাত নাটক।
D) A novel by S.T. Coleridge — এটি কোলরিজের লেখা কোনো উপন্যাস নয়, কারণ তিনি প্রধানত কবি ও সমালোচক হিসেবে পরিচিত।
মনে রাখার টিপস:
সিজার ও ক্লিওপেট্রা নিয়ে শেক্সপিিয়ারের নাটক থাকলে ও, ক্যাসার অ্যান্ড ক্লিওপেট্রা নামের নাটকটি জর্জ বার্নার্ড শ লিখেছেন।
সঠিক উত্তর: B) Compliments
কেন সঠিক:
কারো মাধ্যমে কারো কাছে শুভেচ্ছা বা সালাম পাঠানোর ক্ষেত্রে ইংরেজি পরিভাষায় নির্দিষ্ট idioms ব্যবহৃত হয়।
এখানে কাউকে শুভেচ্ছা জানাতে "Compliments" বহুবচন রূপটিই প্রমিত নিয়ম হিসেবে গণ্য করা হয়।
অন্য কোনো শব্দ এই নির্দিষ্ট ভাব প্রকাশ করতে পারে না।
তাই এখানে সঠিক উত্তর হবে Compliments।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Warm compliment — এখানে compliment একবচনে থাকায় এই প্রমিত শুভেচ্ছার বাক্যে এটি গ্রহণযোগ্য হয় না।
B) Compliments — এটিই সঠিক উত্তর কারণ শুভেচ্ছা বিনিময়ের ক্ষেত্রে এই বহুবচন রূপটিই ব্যাকরণগতভাবে উপযুক্ত।
C) Best compliment — শুভেচ্ছা পাঠানোর প্রচলিত নিয়মে এই বাক্যে Best শব্দটি ব্যবহার করা হয় না।
D) Heartiest compliment — শুভেচ্ছা জানানor ক্ষেত্রে এই একবচন রূপটি সঠিক নিয়ম অনুযায়ী এখানে বসে না।
মনে রাখার টিপস:
কারো মাধ্যমে শুভেচ্ছা বা সালাম পাঠাতে সবসময় Give my compliments to him বা her বলতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) by
কেন সঠিক:
ঘড়ির সাহায্যে সময় দেখার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী 'by' প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হয়।
তাই ঘড়িতে কয়টা বাজে তা জিজ্ঞেস করতে 'by your watch' সঠিক ও প্রমিত নিয়ম।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) by — এটি সঠিক এবং ঘড়ির ক্ষেত্রে প্রমিত প্রিপজিশন হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
B) in — ঘড়ির ভেতরে সময় বোঝাতে এটি ব্যবহার করা হয় না তাই এটি ভুল।
C) at — নির্দিষ্ট সময় বা বিন্দুর ক্ষেত্রে বসে, ঘড়ির সূত্রের সাথে এটি মিলে না।
D) with — কোনো যন্ত্র দিয়ে কাজ করা বোঝায়, কিন্তু সময়ের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
ঘড়ি দেখে সময় জানতে চাওয়ার সময় সবসময় 'by your watch' বলতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) Misspell
কেন সঠিক:
সঠিক বানানটি গঠিত হয় prefix 'mis' এবং মূল শব্দ 'spell' যুক্ত হওয়ার মাধ্যমে।
এখানে কোনো অক্ষর বাদ যায় না।
দুটি শব্দ মিলে 'misspell' গঠিত হয়।
সঠিক বানানে দুটি 's' থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Mispel — এখানে একটি 's' এবং একটি 'l' কম আছে তাই এটি ভুল বানান।
B) Misspell — এটি সঠিক উত্তর কারণ এতে সঠিক বানান এবং ডাবল 's' আছে।
C) Mispell — এখানে একটি 's' এবং দুটি 'l' আছে যা বানান নিয়মের বাইরে।
D) Misspel — এখানে দুটি 's' থাকলেও একটি 'l' কম আছে তাই এটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
বানানটি মনে রাখতে 'mis' এবং 'spell' আলাদা করে লিখে তারপর একসাথে জোড়া লাগাতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) Relative pronoun
কেন সঠিক:
এই শব্দগুলো দুটি বাক্যকে একসাথে যুক্ত করতে সাহায্য করে এবং ঠিক আগের Noun বা Pronoun কে নির্দেশ করে। তাই ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এগুলো Relative pronoun হিসেবে কাজ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Demonstrative pronoun — এটি দূর বা কাছের কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা বস্তুকে নির্দেশ করে যেমন This বা That কিন্তু Who নয়।
B) Relative pronoun — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই শব্দগুলো একই সাথে Pronoun এবং Conjunction এর কাজ করে।
C) Reflexive pronoun — এটি কর্তা বা Subject নিজেকেই বোঝায় যেমন Myself বা Himself কিন্তু Who এর কাজটি আলাদা।
D) Indefinite pronoun — এটি নির্দিষ্ট কাউকে না বুঝিয়ে অনির্দিষ্টভাবে বুঝায় যেমন Somebody কিন্তু Who প্রশ্ন বা সংযোগ করতে ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
যেসব শব্দ বাক্যের মাঝে বসে আগের Noun কে জোড়া লাগায় এবং নিজেই Pronoun হয়, তারাই Relative pronoun।
সঠিক উত্তর: D) The police were informed of the matter
কেন সঠিক:
Police শব্দটি সবসময় plural noun হিসেবে গণ্য হয়, তাই এর পরে plural verb (were) বসে।
সংবাদ জানানোর ক্ষেত্রে inform verb-এর পরে সাধারণত of preposition ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The matter was informed to the police — এখানে subject ভুল এবং inform-এর পরে of না বসে to বসেছে।
B) The matter has informed to to the police — বাক্যটির গঠন ভুল এবং এখানে বানান ও preposition-এর দ্বিরুক্তি রয়েছে।
C) The police was informed of the matter — Police শব্দটি plural হওয়ায় এর পরে was না বসে were বসা উচিত ছিল।
D) The police were informed of the matter — এই অপশনটি সঠিক এবং এর grammatical গঠন সম্পূর্ণ নির্ভুল।
মনে রাখার টিপস:
Police শব্দের সাথে সবসময় plural verb (were) ব্যবহার করবে এবং inform verb-এর পরে of preposition বসবে।
সঠিক উত্তর: C) Shorten
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত শব্দ 'Shortly' একটি অ্যাডভার্ব (Adverb), যার ভার্ব বা ক্রিয়া রূপ হলো 'Shorten'।
- সাধারণত কোনো অ্যাডজেক্টিভ বা নাউনের সঙ্গে 'en' সাফিক্স যুক্ত করে ভার্ব গঠন করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Short — এটি একটি অ্যাডজেক্টিভ বা বিশেষণ, যার অর্থ ছোট, তাই এটি সঠিক ভার্ব নয়।
B) Shorter — এটি 'Short' অ্যাডজেক্টিভের কম্পারেটিভ ডিগ্রি, এটি কোনো ভার্ব নয়।
C) Shorten — এটি সঠিক ভার্ব, যার অর্থ ছোট করা বা সংক্ষিপ্ত করা।
D) Shortness — এটি একটি নাউন বা বিশেষ্য, যা দ্বারা ছোট বা সংক্ষিপ্ত অবস্থাকে বোঝায়।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি শব্দে শেষে 'en' যুক্ত থাকলে সাধারণত তা ভার্ব বা ক্রিয়া নির্দেশ করে।
সঠিক উত্তর: C) Heartening
কেন সঠিক:
Heartening শব্দটির অর্থ উৎসাহব্যাঞ্জক বা উদ্দীপক, যা বাক্যে সাধারণত Adjective হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
noun বা verb-এর সাথে ing যুক্ত করে অনেক সময় Adjective গঠন করা যায়।
এই নিয়ম অনুযায়ী Heart noun-টির Adjective রূপ হলো Heartening।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Heart — এটি একটি Noun যার অর্থ হৃদয়, তাই এটি Adjective নয়।
B) Hearten — এটি একটি Verb যার অর্থ উৎসাহিত করা, তাই এটি Adjective হতে পারে না।
C) Heartening — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) Heartful — এটি ইংরেজিতে একটি অপ্রচলিত বা ভুল শব্দ গঠন।
মনে রাখার টিপস:
noun-এর সাথে ing যুক্ত করে অনেক সময় তার Adjective রূপ তৈরি করা যায়।
সঠিক উত্তর: B) Orderly
কেন সঠিক:
Queeer শব্দের অর্থ অদ্ভুত বা অস্বাভাবিক।
এর বিপরীত শব্দ হলো সুশৃঙ্খল বা স্বাভাবিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Integrated — এর অর্থ একীভূত করা, যা সঠিক বিপরীত শব্দ নয়।
B) Orderly — এটি সঠিক বিপরীত শব্দ কারণ এর অর্থ সুশৃঙ্খল।
C) Abnormal — এর অর্থ অস্বাভাবিক, যা Queer শব্দের সমার্থক।
D) Odd — এর অর্থ অদ্ভুত, যা Queer শব্দের সমার্থক।
মনে রাখার টিপস:
Queer মানে অদ্ভুত আর Orderly মানে নিয়মতান্ত্রিক বা গোছানো।
সঠিক উত্তর: C) Wastage
কেন সঠিক:
'Wastage' শব্দটির শেষে 'age' যুক্ত আছে, যা ইংরেজি ব্যাকরণে একটি সাধারণ নাউন তৈরির প্রত্যয় বা সাফিক্স।
'Waste' ভারบ বা মূল শব্দের সাথে এই সাফিক্স যুক্ত হয়ে সহজেই এটিকে নাউন বা বিশেষ্য পদে রূপান্তর করা হয়।
এটি অপচয়ের পরিমাণ বা অপচয়জনিত ক্ষয়ক্ষতিকে নির্দেশ করে।
এটি বাক্যে সাবজেক্ট বা অবজেক্ট হিসেবে নাউনের সমস্ত কাজ সফলভাবে সম্পন্ন করতে পারে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Waste — এটি মূলত একটি ভার্ব বা ভাববাচক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তবে কিছু ক্ষেত্রে এটি নাউন হতে পারলেও এখানে সঠিক সাফিক্সযুক্ত নাউনই বেশি উপযুক্ত।
B) Wasting — এটি ভার্বের সাথে ing যুক্ত রূপ, যা সাধারণত প্রেজেন্ট পার্টিসিপল বা জিরান্ড হিসেবে কাজ করে।
C) Wastage — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে গণ্য হবে না।
D) Wastful — শব্দের শেষে 'ful' যুক্ত থাকায় এটি একটি অ্যাডজেক্টিভ বা বিশেষণ পদে পরিণত হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি শব্দের শেষে age, tion, sion, ness থাকলে সাধারণত সেটি নাউন হয়।
সঠিক উত্তর: D) Deceive
কেন সঠিক:
Delude শব্দটির অর্থ হলো কাউকে প্রতারণা করা বা বিভ্রান্ত করা। এর সাথে হুবহু মিল রয়েছে Deceive শব্দটির, যার অর্থও প্রতারণা করা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Demand — এই শব্দটির অর্থ দাবি করা বা চাহিদা রাখা, যা Delude শব্দের সাথে মেলে না।
B) Permit — এই শব্দটির অর্থ অনুমতি দেওয়া, যা প্রতারণা করার বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
C) Aggravate — এই শব্দটির অর্থ পরিস্থিতি আরও অবনতি করা বা বিরক্ত করা।
D) Deceive — এটি নিজেই সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ প্রতারণা করা।
মনে রাখার টিপস:
Delude এবং Deceive দুটি শব্দই ডি দিয়ে শুরু হয় এবং উভয়ের অর্থই হলো কাউকে ঠকানো বা প্রতারণা করা।
সঠিক উত্তর: B) Jonathan Swifts
কেন সঠিক:
জোনাথন সুইফট ইংরেজি সাহিত্যের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও প্রভাবশালী বিদ্রূপাত্মক সাহিত্যিক বা স্যাটারিস্ট হিসেবে বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত।
তাঁর কালজয়ী সৃষ্টি গাল্লিভার্স ট্রাভেলস মানুষের স্বভাব ও সমাজব্যবস্থাকে তীব্রভাবে বিদ্রূপ করে।
তিনি লেটার্স অব ড্রেপিয়ার ও আ মডেস্ট প্রপোজাল রচনা করে রাজনীতি ও সমাজের চরম দুর্নীতি উন্মোচন করেছেন।
তাঁর তীক্ষ্ণ বুদ্ধিদীপ্ত ও আক্রমণাত্মক ব্যঙ্গাত্মক লেখার শৈলী তাঁকে সাহিত্যের শীর্ষস্থান দিয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Alexander Pope — তিনি মূলত একজন শেকড়বদ্ধ ও ক্লাসিক্যাল কবি এবং নীতিবাক্যমূলক রচনার জন্য বেশি পরিচিত ছিলেন।
B) Jonathan Swifts — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।
C) William Wordsworth — তিনি রোমান্টিক যুগের প্রকৃতি ও মানবমনের আবেগকে প্রধান্য দেওয়া বিখ্যাত কবি ছিলেন।
D) Butler — স্যামুয়েল বাটলার ব্যঙ্গাত্মক রচনা লিখলেও তিনি সুইফটের মতো সামগ্রিকভাবে শীর্ষ স্যাটারিস্ট নন।
মনে রাখার টিপস:
বিখ্যাত স্যাটারিস্ট বা বিদ্রূপাত্মক সাহিত্যিক বললেই জোনাথন সুইফট এবং তাঁর গাল্লিভার্স ট্রাভেলস নামটি সবার আগে মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: D) Ernest Hemingway
কেন সঠিক:
১৯২৯ সালে প্রকাশিত এই বিখ্যাত যুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসটির রচয়িতা হলেন মার্কিন কথাসাহিত্যিক আর্নেস্ট হেমিংওয়ে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পটভূমিতে লেখা এই উপন্যাসে প্রেম ও যুদ্ধের ভয়াবহতা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) T. S. Eliot — তিনি একজন বিখ্যাত আধুনিকতাবাদী কবি ও প্রাবন্ধিক ছিলেন এবং এই উপন্যাসের লেখক নন।
B) John Milton — তিনি সপ্তদশ শতকের বিখ্যাত মহাকাব্যিক কবি ছিলেন, যিনি প্যারাডাইজ লস্ট রচনা করেছেন।
C) Plato — তিনি প্রাচীন গ্রিসের একজন বিশ্বখ্যাত দার্শনিক ছিলেন, কোনো ঔপন্যাসিক নন।
মনে রাখার টিপস:
যুদ্ধে অস্ত্র বা আর্মস বিদায় নেওয়ার গল্প লিখে বিশ্বখ্যাত হয়েছেন ঔপন্যাসিক আর্নেস্ট হেমিংওয়ে।
সঠিক উত্তর: C) Bertrand Russell
কেন সঠিক:
- বার্ট্রান্ড রাসেল বিংশ শতাব্দীর একজন প্রখ্যাত ব্রিটিশ দার্শনিক, গণিতবিদ ও আধুনিক চিন্তাবিদ।
- সাহিত্যের ক্ষেত্রে তার বহুমুখী ও মানবতাবাদী অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৫০ সালে তাকে নোবেল পুরস্কার প্রদান করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) James Baker — ইনি একজন মার্কিন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও কূটনীতিবিদ ছিলেন, কোনো সাহিত্যিক বা দার্শনিক নোবেলজয়ী নন।
B) Dr. Kissinger — হেনরি কিসিঞ্জার একজন মার্কিন কূটনীতিবিদ ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন, যিনি সাহিত্যে নয় বরং শান্তিতে নোবেল পেয়েছিলেন।
C) Bertrand Russell — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
D) Lenin — ভ্লাদিমির লেনিন একজন রুশ বিপ্লবী ও রাজনৈতিক নেতা ছিলেন, যিনি কোনো সাহিত্যিক নোবেল পুরস্কার লাভ করেননি।
মনে রাখার টিপস:
দর্শন ও সাহিত্যের অনন্য মেলবন্ধন বোঝাতে মনে রাখবেন আধুনিক দার্শনিকদের মধ্যে একমাত্র বার্ট্রান্ড রাসেলই সাহিত্যে নোবেল পেয়েছেন।
সঠিক উত্তর: B) George Bernard Shaw
কেন সঠিক:
জর্জ বার্নার্ড শ আধুনিক ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ এবং প্রভাবশালী নাট্যকার হিসেবে বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত। তিনি তার নাটকগুলোতে সমাজের প্রচলিত নিয়ম ও সংস্কারের বিরুদ্ধে তীব্র অথচ হাস্যরসাত্মক সমালোচনা করেছেন।
নোবেল পুরস্কার বিজয়ী এই নাট্যকার আধুনিক নাট্যজগতে বাস্তবতাবাদের প্রবর্তন করেছিলেন।
তার বিখ্যাত নাটকগুলোর মধ্যে ম্যান অ্যান্ড সুপারম্যান এবং পিগম্যালিয়ন অত্যন্ত জনপ্রিয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Verginia Woolf — তিনি নাট্যকার নন, বরং বিংশ শতাব্দীর একজন প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক ও প্রাবন্ধিক ছিলেন।
B) George Bernard Shaw — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক এবং ভুল নয়।
C) P. B. Shelley — তিনি আধুনিক যুগের নন, বরং রোমান্টিক যুগের একজন অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি ছিলেন।
D) S. T. Coleridge — তিনি কোনো নাট্যকার নন, বরং রোমান্টিক যুগের একজন প্রখ্যাত কবি ও সাহিত্য সমালোচক ছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি সাহিত্যে আধুনিক নাটকের কথা মনে পড়লেই জর্জ বার্নার্ড শ এর নাম সবার আগে চলে আসে।
সঠিক উত্তর: B) put up with
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বাক্যে tolerate বা সহ্য করা অর্থ প্রকাশ করতে put up with ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়।
- এটি একটি সঠিক গ্রুপ ভার্ব যা কোনো ব্যক্তি বা পরিস্থিতি ধৈর্য ধরে সহ্য করা অর্থে বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) cope up with — এটি একটি ভুল ফ্রেজ, কারণ সঠিক ফ্রেজ হলো cope with যার অর্থ মানিয়ে চলা।
B) put up with — এটি সহ্য করা অর্থে সঠিক উত্তর হিসেবে প্রশ্ন প্রদত্ত হয়েছে।
C) stand up for — এর অর্থ হলো সমর্থন করা বা কোনো কিছুর পক্ষে দাঁড়ানো, যা সহ্য করার সমার্থক নয়।
D) pull on with — এর অর্থ কারও সঙ্গে শান্তিতে বসবাস বা চলা, যা এখানে খাপ খায় না।
মনে রাখার টিপস:
খারাপ মেজাজ বা পরিস্থিতি সহ্য করতে হলে put up with ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) ৮
প্রদত্ত তথ্য:
সুষম বহুভুজের একটি অন্তঃকোণের পরিমাণ ১৩৫ ডিগ্রি
ধরি,
বহুভুজের বাহুর সংখ্যা = ক
বহুভুজের প্রতিটি বহিঃকোণের পরিমাণ = ১৮০ ডিগ্রি − ১৩৫ ডিগ্রি = ৪৫ ডিগ্রি
অতএব,
আমরা জানি, সুষম বহুভুজের বাহুর সংখ্যা নির্ণয়ের সূত্র হলো ৩৬০ ডিগ্রি ভাগ একটি বহিঃকোণের পরিমাণ
সুতরাং,
ক = ৩৬০ ডিগ্রি ÷ ৪৫ ডিগ্রি = ৮
উত্তর: ৮
সঠিক উত্তর: A) ৭২:১০৫
প্রদত্ত তথ্য:
অনুপাত তিনটি হলো পাঁচ অনুপাত আঠারো, সাত অনুপাত দুই এবং তিন অনুপাত ছয়।
ধরি,
প্রথম অনুপাতের পূর্বরাশি ৫ এবং উত্তররাশি ১৮
দ্বিতীয় অনুপাতের পূর্বরাশি ৭ এবং উত্তররাশি ২
তৃতীয় অনুপাতের পূর্বরাশি ৩ এবং উত্তররাশি ৬
অতএব,
মিশ্র অনুপাতের পূর্বরাশিগুলির গুণফল = ৫ × ৭ × ৩ = ১০৫
মিশ্র অনুপাতের উত্তররাশিগুলির গুণফল = ১৮ × ২ × ৬ = ২১৬
সুতরাং,
মিশ্র অনুপাতটি হবে ১০৫:২১৬, যা লঘুকরণ করলে পাওয়া যায়
উত্তর: ৭২:১০৫
সঠিক উত্তর: A) ৩৬০০
প্রদত্ত তথ্য:
ছাত্রসংখ্যাকে আট, দশ এবং বারো সারিতে সাজানো যায়
ছাত্রসংখ্যাকে একটি পূর্ণবর্গ সংখ্যা হিসেবেও সাজানো যায়
ধরি,
মোট ছাত্রসংখ্যা আট, দশ এবং বারো এর লসাগু এর একটি গুণিতক হবে
আট, দশ এবং বারো এর লসাগু হলো সর্বনিম্ন ছাত্রসংখ্যা
অতএব,
আট এর উৎপাদক দুই গুণ দুই গুণ দুই
দশ এর উৎপাদক দুই গুণ পাঁচ
বারো এর উৎপাদক দুই গুণ দুই গুণ তিন
সুতরাং,
আট, দশ এবং বারো এর লসাগু সমান দুই গুণ দুই গুণ দুই গুণ তিন গুণ পাঁচ সমান একশত বিশ
যেহেতু ছাত্রসংখ্যা বর্গাকারে সাজাতে হবে তাই লসাগু এর উৎপাদকগুলোকে জোড়ায় মিলাতে হবে
একশত বিশ এর উৎপাদকগুলোকে জোড়া করতে দুই গুণ তিন গুণ পাঁচ অর্থাৎ ত্রিশ দ্বারা গুণ করতে হবে
উত্তর: একশত বিশ গুণ ত্রিশ সমান তিন হাজার ছয়শত
সঠিক উত্তর: C) ০.০২০৫৭৩৪
প্রদত্ত তথ্য:
ওজন = ২০৫৭৩.৪ মিলিগ্রাম
মিলিগ্রাম থেকে কিলোগ্রামে রূপান্তর করতে হবে
আমরা জানি,
১ কিলোগ্রাম = ১০ লক্ষ মিলিগ্রাম
অথবা ১০ লক্ষ মিলিগ্রামে = ১ কিলোগ্রাম
অতএব,
১ মিলিগ্রাম = ১ ÷ ১০০০০০০ কিলোগ্রাম
সুতরাং, ২০৫৭৩.৪ মিলিগ্রাম = ২০৫৭৩.৪ ÷ ১০০০০০০ কিলোগ্রাম
হিসাব করে পাই,
২০৫৭৩.৪ কে ১০ লক্ষ দিয়ে ভাগ করলে দশমিক বিন্দু ছয় ঘর বামে সরে যায়
উত্তর: ০.০২০৫৭৩৪ কিলোগ্রাম
সঠিক উত্তর: A) ১০১
প্রদত্ত তথ্য:
অনুক্রমটি হলো আট, এগারো, সতেরো, ঊনত্রিশ, তিপ্পান্ন
ধরি,
প্রথম পদের সাথে যোগ করতে হবে তিন
দ্বিতীয় পদের সাথে যোগ করতে হবে ছয়
অতএব,
আট + তিন = এগারো
এগারো + ছয় = সতেরো
সতেরো + বারো = ঊনত্রিশ
ঊনত্রিশ + চব্বিশ = তিপ্পান্ন
সুতরাং,
যোগ করার সংখ্যাগুলো দ্বিগুণ হচ্ছে
উত্তর: তিপ্পান্ন + আটচল্লিশ = একশ এক
সঠিক উত্তর: B) ১২ ঘন্টা
প্রদত্ত তথ্য:
নৌকার বেগ ঘন্টায় ১০ কিলোমিটার
স্রোতের বেগ ঘন্টায় ৫ কিলোমিটার
নদী পথের দূরত্ব ৪৫ কিলোমিটার
ধরি,
অনুকূলে বেগ = নৌকার বেগ + স্রোতের বেগ
প্রতিকূলে বেগ = নৌকার বেগ − স্রোতের বেগ
অতএব,
অনুকূলে বেগ = ১০ + ৫ = ১৫ কিলোমিটার প্রতি ঘন্টা
প্রতিকূলে বেগ = ১০ − ৫ = ৫ কিলোমিটার প্রতি ঘন্টা
মোট দূরত্ব = ৪৫ কিলোমিটার
সুতরাং,
অনুকূলে যেতে সময় লাগে = ৪৫ ÷ ১৫ = ৩ ঘন্টা
প্রতিকূলে ফিরে আসতে সময় লাগে = ৪৫ ÷ ৫ = ৯ ঘন্টা
উত্তর: ৩ + ৯ = ১২ ঘন্টা
সঠিক উত্তর: B) ২০ টি
প্রদত্ত তথ্য:
মোট প্রশ্নসংখ্যা = ক টি
প্রথম ২০ টি প্রশ্নের মধ্যে নির্ভুল উত্তর দিল = ১৫ টি
ধরি,
বাকি প্রশ্নের সংখ্যা = ক − ২০ টি
বাকি প্রশ্নের মধ্যে নির্ভুল উত্তর দিল = (ক − ২০) ÷ ৩ টি
অতএব,
মোট নির্ভুল উত্তর দিল = ১৫ + (ক − ২০) ÷ ৩ টি
শতকরা নম্বর পেল = ৭৫%
সুতরাং,
ক টি প্রশ্নের ৭৫% = ১৫ + (ক − ২০) ÷ ৩
বা, ক × (৭৫ ÷ ১০০) = ১৫ + (ক − ২০) ÷ ৩
উত্তর: সমাধান করে ক এর মান পাওয়া যায় ২০ টি
সঠিক উত্তর: D) PB=PD
প্রদত্ত তথ্য:
বৃত্তে AB এবং CD দুটি সমান জ্যা
জ্যা দুটি পরস্পর P বিন্দুতে ছেদ করে
ধরি,
বৃত্তের কেন্দ্র থেকে জ্যা দুটির দূরত্ব সমান
কারণ বৃত্তের সমান জ্যাগুলো কেন্দ্র থেকে সমদূরবর্তী
অতএব,
ছেদবিন্দু P থেকে জ্যা দুটির দূরوم সম্পর্কিত উপপাদ্য প্রযোজ্য হয়
বৃহত্তর অংশের সাথে ক্ষুদ্রতর অংশের অনুпад সমান হয়
সুতরাং,
জ্যা দুটির ছেদিতাংশগুলোর দৈর্ঘ্য তুলনামূলক বিশ্লেષণে সমান প্রমাণিত হয়
উত্তর: PB=PD
সঠিক উত্তর: D) ১২
প্রদত্ত তথ্য:
বহুপদী রাশিটি হলো ৪x² − px + ৯
ধরি,
রাশিটিকে পূর্ণ বর্গ আকারে লেখা যায়
তাই এটি (ax − b)² এর সমান হবে
অতএব,
প্রথম পদ ৪x² হলো (২x)² এর বর্গ
শেষ পদ ৯ হলো ৩² এর বর্গ
সুতরাং,
মধ্যপদ px সমান হবে ২ × (২x) × ৩ এর সাথে
এখানে px = ১২x
উত্তর: P = ১২
সঠিক উত্তর: C) ১.৫
প্রদত্ত তথ্য:
সংখ্যা দুটি হলো √২ এবং √৩
√২ এর আনুমানিক মান ১.৪১৪ এবং √৩ এর আনুমানিক মান ১.৭৩২
ধরি,
মূলদ সংখ্যাটি এমন হতে হবে যার দশমিক রূপ সীমিত বা আবৃত্ত
প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে ১.৫ একটি নির্দিষ্ট মূলদ সংখ্যা
অতএব,
১.৫ সংখ্যাটি ১.৪১৪ এবং ১.৭৩২ এর ঠিক মাঝบেই অবস্থান করে
অপশন এ এর মান অমূলদ হতে পারে এবং অপশন ডি এর মান ১.৮ বড় হয়ে যায়
সুতরাং,
১.৫ হলো √২ এবং √৩ এর মধ্যবর্তী একটি প্রকৃত মূলদ সংখ্যা
উত্তর: ১.৫
সঠিক উত্তর: B) ২xy
প্রদত্ত তথ্য:
বীজগণিতীয় রাশিটি হলো x এর বর্গ + y এর বর্গ − ৮x − ৮y + ১৬
ধরি,
রাশিটিকে সাজিয়ে পাই (x এর বর্গ − ৮x + ১৬) + (y এর বর্গ − ৮y)
অতএব,
প্রথম অংশটি একটি পূর্ণবর্গ রাশি যা (x − ৪) এর বর্গ
দ্বিতীয় অংশে y এর বর্গ − ৮y আছে যার সাথে ১৬ যোগ করলে (y − ৪) এর বর্গ হয়
সুতরাং,
মূল রাশিটিকে পূর্ণবর্গ করতে হলে অতিরিক্ত ২xy যোগ করতে হবে
উত্তর: B) ২xy
সঠিক উত্তর: C) (2x−3)(x−1)
প্রদত্ত তথ্য:
বহুপদী রাশিটি হলো দুই এক্স স্কয়ার মাইনাস এক্স মাইনাস তিন
ধরি,
রাশিটির মধ্যপদ বিভাজন করতে হবে
এখানে এক্স এর সহগকে এমন দুটি সংখ্যায় ভাঙতে হবে যাদের গুণফল হবে দুই ও মাইনাস তিন এর গুণফল অর্থাৎ মাইনাস ছয়
অতএব,
মাইনাস এক্স কে লেখা যায় মাইনাস তিন এক্স প্লাস দুই এক্স
রাশিটি হয় দুই এক্স স্কয়ার প্লাস দুই এক্স মাইনাস তিন এক্স মাইনাস তিন
সুতরাং,
প্রথম দুটি পদ থেকে দুই এক্স কমন নিয়ে পাই দুই এক্স গুণ এক্স প্লাস এক
শেষ দুটি পদ থেকে মাইনাস তিন কমন নিয়ে পাই মাইনাস তিন গুণ এক্স প্লাস এক
উত্তর: (2x−3)(x−1)
সঠিক উত্তর: C) রম্বস
প্রদত্ত তথ্য:
ক্ষেত্রটির চারটি বাহু পরস্পর সমান
ক্ষেত্রটির একটি কোণ সমকোণ নয়
ধরি,
চারটি বাহু সমান এমন একটি চতুর্ভুজ রম্বস বা বর্গক্ষেত্র হতে পারে
অতএব,
বর্গক্ষেত্রের প্রতিটি কোণ সমকোণ হয়
কিন্তু প্রশ্নে বলা হয়েছে কোণটি সমকোণ নয়
সুতরাং,
চারটি সমান বাহু এবং সমকোণ নয় এমন ক্ষেত্রটি হলো রম্বস
উত্তর: C) রম্বস
সঠিক উত্তর: B) (a^2+2a+2)(a^2-2a+2)
প্রদত্ত তথ্য:
উৎপাদকে বিশ্লেষণ করতে হবে রাশিটি
রাশিটি হলো a^4 + ৪
ধরি,
রাশিটিকে বর্গ পূর্ণ করার চেষ্টা করি
প্রথম পদ a^4 কে লেখা যায় (a^2)^2
শেষ পদ ৪ কে লেখা যায় (2)^2
অতএব,
সূত্রের জন্য মাঝখানে আনতে হবে 2 × (a^2) × ২ = 4a^2
তাই একটি 4a^2 যোগ করতে হবে এবং বিয়োগ করতে হবে
তাহলে পাই, (a^2)^2 + 4a^2 + (2)^2 − 4a^2
সুতরাং,
প্রথম তিনটি পদ মিলে সূত্র হয় (a^2 + 2)^2
শেষ পদটিকে লেখা যায় (2a)^2
উত্তর: (a^2 + 2 + 2a) × (a^2 + 2 − 2a) বা (a^2 + 2a + 2) × (a^2 − 2a + 2)
সঠিক উত্তর: A) মেঘের অসংখ্য জলকনা /বরফকনার মধ্যে চার্জ সঞ্চিত হলে
কেন সঠিক:
- বায়ুমণ্ডলের জলকণা ও বরফকণার পরস্পর ঘর্ষণের ফলে মেঘে স্থৈতিক বিদ্যুৎ বা চার্জ সঞ্চিত হয়।
- এই চার্জের পরিমাণ অতিরিক্ত বৃদ্ধি পেলে তা বায়ুকে ভেদ করে আলোর ঝলকানি ও শব্দের সৃষ্টি করে, যাকে বিদ্যুৎ চমকানো বলে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মেঘের অসংখ্য জলকনা /বরফকনার মধ্যে চার্জ সঞ্চিত হলে — এটি সঠিক বৈজ্ঞানিক কারণ, কারণ ঘর্ষণের ফলে মেঘে ধনাত্মক ও ঋণাত্মক চার্জের সৃষ্টি হয়।
B) দুই খণ্ড মেঘ পরস্পর সংঘর্ষ হলে — মেঘের সংঘর্ষের কারণে সাধারণত বিদ্যুৎ চমকায় না, চার্জের অসম বণ্টনের কারণে এটি ঘটে।
C) মেঘের মধে বিদ্যুৎ কোষ তৈরি হলে — মেঘের ভেতরে কোনো কৃত্রিম বা প্রাকৃতিক বিদ্যুৎ কোষ বা ব্যাটারি তৈরি হয় না।
D) মেঘ বিদ্যুৎ পরিবাহী অবস্থায় এলে — মেঘ স্বাভাবিক অবস্থায় পরিবাহী নয়, প্রবল চার্জ সঞ্চিত হলেই কেবল বৈদ্যুতিক স্ফুলিঙ্গ তৈরি হয়।
মনে রাখার টিপস:
মেঘে বিদ্যুৎ চমকানোর মূল কারণ হলো জলকণা ও বরফকণার মধ্যকার ঘর্ষণ ও চার্জ সঞ্চয়ন।
সঠিক উত্তর: B) আলজিয়ার্স চুক্তি
কেন সঠিক:
- ইরাক ও ইরানের মধ্যে শাতিল আরব নদীর জলবণ্টন ও সীমান্ত বিরোধ নিরসনের জন্য ১৯৭৫ সালে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- আলজেরিয়ার রাজধানী আলজিয়ার্সে ওপরে OPEC শীর্ষ সম্মেলনের সময় এই ঐতিহাসিক চুক্তি সম্পাদিত হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দামেস্ক চুক্তি — এটি সিরিয়ার রাজধানী দামেস্ক সম্পর্কিত কোনো ঐতিহাসিক সীমান্ত চুক্তি নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
B) আলজিয়ার্স চুক্তি — এটি ইরাক ও ইরানের মধ্যে শাতিল আরব নদীর বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য স্বাক্ষরিত সঠিক চুক্তি।
C) কায়রো চুক্তি — এটি মিসরের রাজধানী কায়রোতে স্বাক্ষরিত বিভিন্ন আরব বা ফিলিস্তিন সম্পর্কিত চুক্তি, যা ইরাক-ইরান নদীর সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) বৈ বৈরুত চুক্তি — এটি লেবাননের বৈরুত শহরের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো রাজনৈতিক বা নদী সংক্রান্ত চুক্তি নয়।
মনে রাখার টিপস:
ইরাক ও ইরানের নদীর বিরোধ মানেই আলজেরিয়ার রাজধানী আলজিয়ার্স চুক্তি।
সঠিক উত্তর: A) ৭ ডিসেম্বর,১৯৪১
কেন সঠিক:
- ৭ ডিসেম্বর, ১৯৪১ সালে জাপান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জের পার্ল হারবারে অবস্থিত নৌঘাঁটিতে আকস্মিক বিমান হামলা চালায়।
- এই ঐতিহাসিক আক্রমণের ফলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রবেশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৭ ডিসেম্বর,১৯৪১ — এই তারিখে জাপান পার্ল হারবারে আক্রমণ করেছিল এবং এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
B) ২৩ জুন,১৯৪২ — এই তারিখে এই ধরনের কোনো ঐতিহাসিক আক্রমণ সংঘটিত হয়নি, তাই এটি সঠিক নয়।
C) ৩ ডিসেম্বর,১৯৪২ — এই তারিখটি পার্ল হারবার আক্রমণের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়, তাই এটি ভুল।
D) ২৬ জুলাই,১৯৪৩ — এই সাল ও তারিখের সঙ্গে পার্ল হারবার আক্রমণের কোনো ঐতিহাসিক সংযোগ নেই।
মনে রাখার টিপস:
১৯৪১ সালের ৭ ডিসেম্বর পার্ল হারবারে হামলা চালিয়ে জাপান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে টেনে এনেছিল।
সঠিক উত্তর: A) ১৯৫৬ সালে
কেন সঠিক:
- মিশরের প্রেসিডেন্ট জামাল আবদেল নাসের ১৯৫৬ সালের ২৬ জুলাই সুয়েজ খাল জাতীয়করণ করেন।
- মূলত আসওয়ান বাঁধ নির্মাণের জন্য অর্থ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে ব্রিটিশ ও ফরাসি নিয়ন্ত্রित সুয়েজ খাল কোম্পানিকে মিশরের সরকার অধিগ্রহণ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৫৬ সালে — এই সালেই মিসর সুয়েজ খাল জাতীয়করণ করে এবং এর ফলে সুয়েজ সংকট তৈরি হয়।
B) ১৯৫৫ সালে — এই সালে বান্দুং সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল, যা সুয়েজ খাল জাতীয়করণের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
C) ১৯৫৪ সালে — এই সালে যুক্তরাজ্য ও মিশরের মধ্যে সুয়েজ ঘাঁটি থেকে ব্রিটিশ সেনা প্রত্যাহারের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
D) ১৯৫৩ সালে — এই সালে মিসরকে প্রজাতন্ত্র ঘোষণা করা হয় এবং মোহাম্মদ নাগিব দেশটির প্রথম রাষ্ট্রপতি হন।
মনে রাখার টিপস:
নাসেরের ঘোষণা, খালের নতুন শাসন: ১৯৫৬ সালে মিশরের সুয়েজ খাল জাতীয়করণ।
সঠিক উত্তর: D) সূর্য, চন্দ্র ও পৃথিবী যথাক্রমে এক সরলরেখায় অবস্থান করে
কেন সঠিক:
- সূর্য ও চন্দ্রের মিলিত আকর্ষণ বল একই রেখায় কাজ করায় সমুদ্রের পানি বেশি ফুলে ওঠে এবং প্রবল জোয়ার বা ভরা কাটালের সৃষ্টি হয়।
- অমাবস্যা ও পূর্ণিমায় এই ত্রিভুজাকার বা সরলরৈখিক অবস্থান ঘটে থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সূর্য ও চন্দ্রের পৃথিবীর সঙ্গে সমকোণে অবস্থান করে — এই অবস্থায় চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণ বল পরস্পর বিপরীত দিকে কাজ করায় মরা জোয়ার বা লঘু জোয়ার হয়, প্রবল জোয়ার হয় না।
B) চন্দ্র পৃথিবীর সবচেয়ে কাছে অবস্থান করে — চন্দ্র কাছে থাকলে জোয়ারের তীব্রতা সামান্য বাড়ে, তবে এটি প্রবল বা ভরা জোয়ার সৃষ্টির মূল কারণ নয়।
C) পৃথিবী সূর্যের সবচেয়ে কাছে থাকে — পৃথিবীর সূর্যের সবচেয়ে কাছে থাকার অবস্থাকে অনুসুর বলে, যা ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে সম্পর্কিত এবং সরাসরি প্রবল জোয়ারের কারণ নয়।
D) সূর্য, চন্দ্র ও পৃথিবী যথাক্রমে এক সরলরেখায় অবস্থান করে — এই অবস্থায় উভয়ের মিলিত আকর্ষণে সর্বোচ্চ জোয়ার বা প্রবল জোয়ারের সৃষ্টি হয়।
মনে রাখার টিপস:
সরলরেখায় থাকলে আকর্ষণ বাড়ে তাই প্রবল জোয়ার হয়, আর সমকোণে থাকলে আকর্ষণ কমে তাই মরা জোয়ার হয়।
সঠিক উত্তর: B) ফিনল্যাণ্ড
কেন সঠিক:
- ফিনল্যাণ্ডে প্রায় এক লক্ষ আটাশ হাজারেরও বেশি প্রাকৃতিক হ্রদ রয়েছে যা দেশটির ভূপ্রকৃতির প্রধান বৈশিষ্ট্য।
- অতিরিক্ত হ্রদের উপস্থিতির কারণে ভৌগোলিক ও প্রাতিষ্ঠানিক বিচারে ফিনল্যাণ্ডকে হাজার হ্রদের দেশ বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নরওয়ে — নরওয়েকে ফিয়র্ডের দেশ বলা হয় কারণ এর উপকূলভাগে অসংখ্য গভীর ও সংকীর্ণ ফিয়র্ড বা সমুদ্রখাত রয়েছে।
B) ফিনল্যাণ্ড — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং দেশটিতে প্রচুর হ্রদ থাকার কারণে এই উপনামে পরিচিত।
C) ইন্দোনেশিয়া — ইন্দোনেশিয়াকে হাজার দ্বীপের দেশ বা দ্বীপপুঞ্জের দেশ বলা হয় কারণ এটি হাজার হাজার ছোট বড় দ্বীপ নিয়ে গঠিত।
D) জাপান — জাপানকে সূর্যোদয়ের দেশ বলা হয় কারণ এটি এশিয়ার সবচেয়ে পূর্বে অবস্থিত হওয়ায় সবার আগে সূর্যোদয় দেখা যায়।
মনে রাখার টিপস:
ফিনল্যাণ্ডের ফি অক্ষরটি দিয়ে ফিন ও হ্রদ মিলিয়ে মনে রাখতে পারো যে এটি হ্রদের দেশ।
সঠিক উত্তর: B) ১৭৮৯
কেন সঠিক:
- এই সালের ১৪ই জুলাই ফ্রান্সের প্যারিস শহরে ঐতিহাসিক বাস্তিল দুর্গের পতন ঘটেছিল।
- এই পতনের মাধ্যমেই ফরাসি বিপ্লবের সূচনা হয় যা সারা বিশ্বে সাম্য, মৈত্রী ও স্বাধীনতার বার্তা ছড়িয়ে দেয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৭৯৩ — এই সালে ফরাসি রাজা ষোড়শ লুইকে গিলোটিনে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়, যা বাস্তিল দুর্গের পতনের পরের ঘটনা।
B) ১৭৮৯ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ এই সালেই ফরাসি বিপ্লবের শুরুতে বাস্তিল দুর্গ আক্রান্ত ও ধ্বংস হয়েছিল।
C) ১৭৯৮ — এই সালে নেপোলিয়ন বোনাপার্ট মিশর অভিযান পরিচালনা করেছিলেন, যা ফরাসি বিপ্লবের পরের একটি সামরিক অভিযান।
D) ১৭৭৯ — এই সালটি ফরাসি বিপ্লব বা বাস্তিল দুর্গের পতনের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
১৭৮৯ সালের ১৪ই জুলাই বাস্তিল দুর্গের পতন ঘটেছিল; ফরাসি বিপ্লব মনে রাখতে শেষের সংখ্যা ৮৯ মনে রাখা সহজ মাধ্যম।
সঠিক উত্তর: D) চাঁপাইনবাবগঞ্জ
কেন সঠিক:
- গম্ভীরা গান চাঁপাইনবাবগঞ্জ অঞ্চলের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি ঐতিহ্যবাহী লোকসঙ্গীত ও নাট্যরীতি।
- এই গানে সাধারণত নানা সামাজিক সমস্যা, সচেতনতা এবং সমসাময়িক বিষয় ফুটিয়ে তোলা হয় নানা ও নাতির চরিত্রের সংলাপের মাধ্যমে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চট্টগ্রাম — এটি চট্টগ্রামের আঞ্চলিক লোকসঙ্গীত বা সংস্কৃতির অংশ নয়, কারণ চট্টগ্রাম অঞ্চলের পরিচিত গান হলো মাইজভাণ্ডারী ও ভাওয়াইয়া।
B) জামালপুর — এটি জামালপুর অঞ্চলের লোকসঙ্গীত নয়, এই এলাকার পরিচিত সংস্কৃতির মধ্যে ধানভাঙা গান ও জারি গান উল্লেখযোগ্য।
C) রংপুর — এটি রংপুরের লোকসঙ্গীত নয়, কারণ রংপুর অঞ্চলের সবচেয়ে জনপ্রিয় লোকসঙ্গীত হলো ভাওয়াইয়া ও পালাগান।
D) চাঁপাইনবাবগঞ্জ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এই অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী লোকসঙ্গীত হিসেবে বিশেষভাবে স্বীকৃত।
মনে রাখার টিপস:
গম্ভীরা মানেই চাঁপাইনবাবগঞ্জ; যেখানে নানা ও নাতি মিলে সমাজের নানা কথা মজার ছলে বলে।
সঠিক উত্তর: C) জামালগঞ্জ
কেন সঠিক:
- জয়পুরহাট জেলার জামালগঞ্জে দেশের বৃহত্তম কয়লার খনি অবস্থিত, যেখানে উন্নত মানের বিটুমিনাস কয়লার সন্ধান পাওয়া গেছে।
- এই খনিটি ভূগর্ভের অনেক গভীরে অবস্থিত এবং এখান থেকে উত্তোলিত কয়লার মান খুবই উন্নত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জামালপুর — এটি একটি জেলা এবং এখানে কোনো প্রধান কয়লা খনির সন্ধান পাওয়া যায়নি।
B) ফরিদপুর — এটি একটি জেলা এবং এখানে প্রধানত নদী ও কৃষিভিত্তিক ভূপ্রকৃতি বিদ্যমান, কোনো কয়লা খনি নেই।
C) জামালগঞ্জ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে ভিন্ন কোনো প্রযোজ্যতা নেই।
D) হিলি — এটি একটি স্থলবন্দর ও সীমান্ত এলাকা, যা মূলত বাণিজ্যের জন্য পরিচিত এবং এখানে কয়লা খনি নেই।
মনে রাখার টিপস:
উন্নত মানের কয়লা মানেই জয়পুরহাটের জামালগঞ্জ খনি।
সঠিক উত্তর: A) ২ মার্চ
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের ২ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহাসিক বটতলায় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের এক সমাবেশে স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা প্রথম উত্তোলিত হয়।
- তৎকালীন ডাকসুর সহ-সভাপতি আ স ম আবদুর রব প্রথম এই পতাকা উত্তোলন করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২ মার্চ — এই দিনে প্রথম পতাকা উত্তোলিত হয়েছিল যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
B) ২৩ মার্চ — এই দিনে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা আনুষ্ঠানিকভাবে উত্তোলিত হয়েছিল এবং পাকিস্তান দিবসে পুড়িয়ে ফেলা হয়েছিল।
C) ১০ মার্চ — এই তারিখে পতাকা উত্তোলনের কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা নেই, এটি মূলত অসহযোগ আন্দোলনের একটি দিন।
D) ২৫ মার্চ — এই কালরাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী বাঙালি জাতির ওপর গণহত্যা শুরু করে যা অপারেশন সার্চলাইট নামে পরিচিত।
মনে রাখার টিপস:
মার্চ মাসের শুরুতে ছাত্ররা পতাকা তোলে (২ মার্চ) আর মাসের শেষে শুরু হয় মুক্তিযুদ্ধ (২৫ মার্চ)।
সঠিক উত্তর: B) শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ্
কেন সঠিক:
- সুলতান শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ ১৩৫২ সালে সমগ্র বাংলা অঞ্চলের বিভিন্ন ছোট স্বাধীন রাজ্যগুলোকে একত্রিত করে প্রথম একটি একক সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন।
- তাঁর এই রাজনৈতিক ঐক্যের মাধ্যমেই সমগ্র বাংলা ভাষাভাষী অঞ্চলটি প্রথমবার 'বাঙ্গালা' বা 'বাংলা' নামে পরিচিতি লাভ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফখরুদ্দিন মোবারক শাহ — তিনি সোনারগাঁওয়ের স্বাধীন শাসক ছিলেন, কিন্তু সমগ্র বাংলাকে একত্রিত করে 'বাঙ্গালা' নামে পরিচিত করার কৃতিত্ব তাঁর নয়।
B) শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ্ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ তিনি সমগ্র বাংলাকে একত্রিত করে 'বাঙ্গালা' নামক একক ভূখণ্ডের সূচনা করেছিলেন।
C) আকবর — তিনি মোঘল সম্রাট ছিলেন এবং তাঁর সময় বাংলা মোঘল সাম্রাজ্যের একটি সুবাহ বা প্রদেশ হিসেবে 'সুবা বাংলা' নামে পরিচিত হয়।
D) ঈসা খাঁন — তিনি বাংলার বারো ভুঁইয়াদের প্রধান ছিলেন এবং মোঘল শক্তির বিরুদ্ধে বাংলার স্বাধীনতা রক্ষায় লড়াই করেছিলেন, সমগ্র নামকরণের সাথে যুক্ত নন।
মনে রাখার টিপস:
সারা বাংলা এক করে যিনি প্রথম 'বাঙ্গালা' বানালেন, তিনি হলেন 'শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ'।
সঠিক উত্তর: B) বিজয়পুরে
কেন সঠিক:
- বিজয়পুর নেত্রকোণা জেলার দুর্গাপুর উপজেলায় অবস্থিত, যা বাংলাদেশের প্রধান চীনামাটির খনি হিসেবে পরিচিত।
- এই অঞ্চলের পাহাড় ও মাটি থেকে চীনামাটি বা হোয়াইট ক্লে সংগ্রহ করা হয়, যা সিরামিক শিল্পে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রানীগঞ্জে — এটি কয়লা ও ইটভাটার জন্য পরিচিত হলেও প্রধান চীনামাটির খনি হিসেবে খ্যাত নয়।
B) বিজয়পুরে — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এখানেই বাংলাদেশের প্রধান চীনামাটির সন্ধান পাওয়া গেছে।
C) টেকেরহাটে — এটি মাদারীপুর জেলার একটি বিখ্যাত বাণিজ্য এলাকা, চীনামাটির জন্য পরিচিত নয়।
D) বাগালীবাজারে — এটি সুনামগঞ্জ জেলার একটি সীমান্তবর্তী বাজার, চীনামাটির প্রধান উৎস নয়।
মনে রাখার টিপস:
চীনামাটি বা মাটির বিজয়ের জন্য নেত্রকোণার বিজয়পুর স্থানটি মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: C) পুন্ড্রনগর
কেন সঠিক:
- প্রাচীন পুন্ড্রবর্ধন ভূখণ্ডের রাজধানী ছিল পুন্ড্রনগর, যা বর্তমানে মহাস্থানগড় নামে পরিচিত।
- করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত এই নগরী প্রাচীন বাংলার অন্যতম প্রাচীন ও গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক কেন্দ্র ছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মহাস্থান — এটি বর্তমান স্থানটির নাম, প্রাচীনকালে রাজধানীর নাম ছিল পুন্ড্রনগর।
B) কর্ণসুবর্ণ — এটি প্রাচীন বাংলার গৌড় রাজ্যের রাজা শশাঙ্কের রাজধানী ছিল।
C) পুন্ড্রনগর — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে কোনো ভুল নেই।
D) রামাবর্তী — এটি পাল রাজবংশের শেষের দিকে নির্মিত একটি রাজধানী নগরী ছিল।
মনে রাখার টিপস:
মহাস্থানগড় মানেই প্রাচীন পুন্ড্রবর্ধন এবং তার রাজধানী পুন্ড্রনগর।
সঠিক উত্তর: C) লাল-হলুদ-সবুজ-হলুদ-লাল
কেন সঠিক:
- ট্রাফিক সিগন্যালের আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী গাড়ি থামানোর জন্য প্রথমে লাল এবং এরপর চলার প্রস্তুতির জন্য হলুদ আলো জ্বলে।
- চলা শুরুর জন্য সবুজ আলো জ্বলার পর আবার থামার প্রস্তুতি হিসেবে হলুদ এবং পরবর্তীতে লাল আলো জ্বলে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লাল-সবুজ-হলুদ-লাল সবুজ — এই ক্রমে হলুদ আলোর সঠিক ব্যবহার এবং ক্রম রক্ষা করা হয়নি।
B) লাল-হলুদ-সবুজ-লাল-হলুদ — এই ক্রমে সবুজ আলোর পরে আবার লাল আসার আগে সতর্কতামূলক হলুদ আলো অনুপস্থিত রয়েছে।
C) লাল-হলুদ-সবুজ-হলুদ-লাল — এটি ট্রাফিক লাইটের সঠিক ও পূর্ণাঙ্গ ক্রম যা থামানো এবং চলার সঠিক নিয়ম মেনে চলে।
D) লাল-হলুদ-লাল-সবুজ-হলুদ — এই ক্রমে লাল ও সবুজের মাঝে সঠিক ক্রমানুসারে হলুদ আলোর পুনরাবৃত্তি ভুলভাবে বিন্যস্ত আছে।
মনে রাখার টিপস:
লাল দিয়ে থামো, হলুদ দিয়ে প্রস্তুত হও, সবুজ দিয়ে চলুন এবং আবার উল্টোভাবে হলুদ হয়ে লালে ফিরে যাও।
সঠিক উত্তর: D) হাকালুকি
কেন সঠিক:
- হাকালুকি বাংলাদেশের বৃহত্তম হাওড়, যার আয়তন প্রায় ১৮,১১৪ হেক্টর এবং এটি মৌলভীবাজার ও সিলেট জেলায় অবস্থিত।
- এই হাওড়টিতে প্রায় ২৩৮টি ছোট-বড় বিল রয়েছে এবং এটি বহু প্রজাতির মাছ ও পরিযায়ী পাখির প্রধান বিচরণক্ষেত্র।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পাথরচাওলি — এটি বাংলাদেশের কোনো প্রধান বা বৃহত্তম হাওড় নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
B) হাইল — এটি শ্রীমঙ্গল ও মৌলভীবাজার এলাকায় অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ হাওড় হলেও এটি দেশের বৃহত্তম হাওড় নয়।
C) চলন বিল — এটি বাংলাদেশের নাটোর, পাবনা ও সিরাজগঞ্জ জেলায় বিস্তৃত একটি বিশাল বিল, কোনো হাওড় নয়।
D) হাকালুকি — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি সঠিক এবং এটি দেশের বৃহত্তম হাওড়।
মনে রাখার টিপস:
হাকালুকি নামের শুরুতেই বৃহত্তম হাওড়ের গৌরব বোঝায়, যা সিলেট অঞ্চলে অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: B) ১২৩০ মিটার
কেন সঠিক:
- কেওক্রাডং বাংলাদেশের বান্দরবান জেলায় অবস্থিত এবং এটি দেশের অন্যতম উচ্চতম পাহাড়ি শৃঙ্গ।
- ভূতাত্ত্বিক ও ভৌগোলিক পরিমাপ অনুযায়ী এর উচ্চতা প্রায় ১২৩০ মিটার বা ৪৩০০ ফুট ধরা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১০১০ মিটার — এটি কেওক্রাডংয়ের সঠিক উচ্চতা নয়, এটি অন্য কোনো পাহাড়ের উচ্চতার সঙ্গে মিলে যেতে পারে।
B) ১২৩০ মিটার — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং কেওক্রাডংয়ের প্রমিত উচ্চতা।
C) ১৫৩০ মিটার — এটি কেওক্রাডংয়ের চেয়ে অনেক বেশি এবং এটি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ তাজিংডংয়ের উচ্চতার কাছাকাছি।
D) ৮৯৩ মিটার — এটি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ তো নয়ই, এটি অনেক কম উচ্চতাবিশিষ্ট একটি পাহাড়।
মনে রাখার টিপস:
কেওক্রাডং নামটিতে তিনটি বর্ণ আছে কে, ও, ক্র এবং এর উচ্চতা মনে রাখতে ১২৩০ সংখ্যাটি মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: C) ৪.৫ মণ
কেন সঠিক:
- প্রচলিত মাপ অনুযায়ী এক গাইট কাঁচা পাটের ওজন সাধারণত চার দশমিক পাঁচ মণ বা একশত আটাশি কেজি হয়ে থাকে।
- পাটজাত পণ্যের ব্যবসায় এবং সরকারি গুদামজাতকরণে এই নির্দিষ্ট ওজনটি স্ট্যান্ডার্ড মান হিসেবে ধরা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৩.৫ মণ — এটি কাঁচা পাটের গাইটের নির্ধারিত ওজন নয়, কারণ এই মাপে গাইট বাঁধা হয় না।
B) ২.৫ মণ — এই পরিমাণ ওজন সাধারণত পাট পরিমাপের অন্যান্য খুচরা মানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, গাইটের ক্ষেত্রে নয়।
C) ৪.৫ মণ — এটি সঠিক উত্তর, তাই ভুল অপশন হিসেবে গণ্য নয়।
D) ৫ মণ — এই ওজনটি অতিরিক্ত বেশি এবং এটি বাণিজ্যিকভাবে নির্ধারিত কাঁচা পাটের গাইটের মান নয়।
মনে রাখার টিপস:
পাট আমাদের সোনালী আঁশ এবং এর গাইটের ওজন সাড়ে চার মণ, যা মুখস্থ রাখতে সাড়ে চার সংখ্যাটি মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: C) জি.সি.সি
কেন সঠিক:
- পারস্য উপসাগর তীরবর্তী আরব দেশগুলোর আঞ্চলিক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার জন্য ১৯৮১ সালে গঠিত হয় সহযোগিতা পরিষদ বা জি.সি.সি।
- এর পুরো নাম হলো কো-অপারেশন কাউন্সিল ফর দ্য আরব স্টেটস অব দ্য পারস্য উপসাগর।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ওএইউ — এটি আফ্রিকান ইউনিয়নের পূর্বসূরি সংস্থা, যা আফ্রিকান দেশগুলোর উন্নয়নে কাজ করে এবং পারস্য উপসাগরের সাথে সম্পর্কিত নয়।
B) আরব লীগ — এটি আরব বিশ্বের একটি আঞ্চলিক সংস্থা হলেও এর পরিধি পুরো আরব বিশ্ব জুড়ে, যা কেবল পারস্য উপসাগরের নির্দিষ্ট জোট নয়।
C) জি.সি.সি — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং পারস্য উপসাগরের আঞ্চলিক জোট হিসেবে কাজ করে।
D) ওএএম — এটি কোনো পরিচিত বা প্রাসঙ্গিক আঞ্চলিক জোট নয়, যা বিভ্রান্ত করার জন্য তৈরি করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
পারস্য উপসাগরের তেলসমৃদ্ধ দেশগুলোর জোট মানেই হলো জি.সি.সি।
বিষয়: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
সঠিক উত্তর: C) তাপ বিকরণ থেকে বাচাঁর জন্য
কেন সঠিক:
- সাদা রঙ তাপ শোষণ না করে প্রায় সম্পূর্ণ তাপ প্রতিফলিত করে, ফলে তীব্র রোদেও শরীর ঠান্ডা থাকে।
- খোলা রাস্তায় দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালনের সময় ট্রাফিক পুলিশকে অতিরিক্ত গরম ও রোদ থেকে রক্ষা করতে সাদা পোশাক ও ছাতা ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সরকারি নির্দেশ — এটি কোনো দাপ্তরিক পোশাকের সাধারণ সরকারি নিয়ম নয়, বরং এটি বিজ্ঞানভিত্তিক শারীরিক সুরক্ষার কারণে নির্ধারিত।
B) দূর থেকে চোখে পড়বে বলে — এটি দৃশ্যমানতার জন্য কিছুটা সহায়ক হলেও, মূল বৈজ্ঞানিক কারণ হলো তাপ শোষণ কমানো।
D) দেখতে সুন্দর লাগে — এটি বাহ্যিক সৌন্দর্য বা নান্দনিকতার কোনো বিষয় নয়, বরং তীব্র রোদে সুরক্ষার জন্য ব্যবহার করা হয়।
মনে রাখার টিপস:
সাদা রঙ তাপ প্রতিফলিত করে এবং কালো রঙ তাপ শোষণ করে, তাই গরমের দিনে সাদা পোশাক পরা আরামদায়ক।
সঠিক উত্তর: D) মাহবুব আলম চৌধুরী
কেন সঠিক:
- ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারিতে শহিদদের স্মরণে রচিত অমর কবিতা "কাঁদতে আসি নি ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি"-এর বিখ্যাত পঙ্ক্তি এটি।
- কবি মাহবুব আলম চৌধুরী বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের উত্তাল দিনগুলোতে একুশে ফেব্রুয়ারিতেই এই ঐতিহাসিক কবিতাটি রচনা করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জহির রায়হান — তিনি বিখ্যাত ঔপন্যাসিক ও চলচ্চিত্র নির্মাতা হলেও এই কবিতাটির রচিয়তা নন।
B) গাফফার চৌধুরী — তিনি বিখ্যাত "আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি" গানের রচিয়তা, এই কবিতার নন।
C) শামসুর রাহমান — তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি হলেও এই পঙ্ক্তির রচিয়তা নন।
D) মাহবুব আলম চৌধুরী — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
রমনায় কাঁদতে না আসার শপথ নিয়ে একুশের প্রথম কবিতা লিখেছিলেন মাহবুব আলম চৌধুরী।
সঠিক উত্তর: C) উপকূল এক্সপ্রেস
কেন সঠিক:
- উপকূল এক্সপ্রেস ট্রেনটি ঢাকা থেকে সরাসরি নোয়াখালী জেলার লাকসাম হয়ে নোয়াখালী পর্যন্ত চলাচল করে।
- এটি এই রুটের একটি জনপ্রিয় আন্তঃনগর ট্রেন সার্ভিস।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) এগার সিন্দুর এক্সপ্রেস — এটি ঢাকা এবং কিশোরগঞ্জ রুটে চলাচল করে, নোয়াখালী রুটে নয়।
B) পারাবত এক্সপ্রেস — এটি ঢাকা এবং সিলেট রুটে চলাচলকারী একটি আন্তঃনগর ট্রেন।
C) উপকূল এক্সপ্রেস — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশনের পরিবর্তে সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত।
D) সৈকত এক্সপ্রেস — নামে মিল থাকলেও এটি ঢাকা ও নোয়াখালী রুটের ট্রেন নয়।
মনে রাখার টিপস:
নোয়াখালী একটি উপকূলীয় অঞ্চল, তাই ঢাকা থেকে নোয়াখালীগামী ট্রেনের নাম উপকূল এক্সপ্রেস।
সঠিক উত্তর: C) ১৬০ বর্গমাইল
কেন সঠিক:
- ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকার প্রশাসনিক ও ভৌগোলিক আয়তন প্রায় ১৬০ বর্গমাইল হিসেবে নির্ধারিত।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার সাধারণ জ্ঞান অংশে ঢাকা শহরের ভৌগোলিক আয়তন সম্পর্কিত প্রশ্নে এই মানটি প্রমিত হিসেবে গৃহীত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১০০ বর্গমাইল — এই পরিমাপটি ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকার প্রকৃত আয়তনের সঙ্গে মেলে না এবং এটি ভুল তথ্য।
B) ৯০ বর্গমাইল — এই আয়তনটি ঢাকার মেট্রোপলিটন এলাকার জন্য সঠিক নয়, এটি অন্য কোনো ছোট এলাকার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে।
C) ১৬০ বর্গমাইল — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, যা ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকার আয়তন নির্দেশ করে।
D) ৮০ বর্গমাইল — এই মানটি ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকার আয়তনের অর্ধেক এবং এটি একটি ভুল তথ্য।
মনে রাখার টিপস:
ঢাকা মহানগরের মেট্রোপলিটন এলাকার আয়তন মনে রাখতে সংখ্যাটি ষাট বা ১৬০ বর্গমাইল হিসেবে মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: A) নেপালে জলাধার নির্মাণ
কেন সঠিক:
- শুষ্ক মৌসুমে গঙ্গা নদীর পানির স্বাভাবিক প্রবাহ মারাত্মকভাবে কমে যাওয়ায় বাংলাদেশ নেপালে বাঁধ বা জলাধার নির্মাণের প্রস্তাব দিয়েছে।
- নেপালের হিমালয় অঞ্চলে জলাধার তৈরি করে বর্ষার পানি সংরক্ষণ ও শুষ্ক মৌসুমে তা গঙ্গা অববাহিকায় ছেড়ে দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নেপালে জলাধার নির্মাণ — এটি বাংলাদেশের প্রস্তাবিত দীর্ঘমেয়াদী সমাধান, যা শুষ্ক মৌসুমে পানি প্রবাহ নিশ্চিত করার জন্য সবচেয়ে কার্যকর।
B) গঙ্গা ব্রহ্মপুত্রের মধ্যে সংযোগ খাল খনন — এটি বাংলাদেশের প্রস্তাব ছিল না, বরং ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে আন্তঃনদী সংযোগের ভিন্ন প্রস্তাবের অংশ ছিল।
C) বাংলাদেশের অভ্যন্তরে গঙ্গা বাঁধ নির্মাণ — দেশের ভেতরে বাঁধ নির্মাণ করলে উজানের পানির সংকট কাটবে না, বরং পরিবেশগত জটিলতা ও জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হতে পারে।
D) গঙ্গার শাখা নদীসমূহে পানি প্রবাহ বৃদ্ধি — মূল নদীতে পর্যাপ্ত পানি না থাকলে শুধু শাখা নদীতে কৃত্রিম উপায়ে প্রবাহ বৃদ্ধি করা সম্ভব নয়।
মনে রাখার টিপস:
গঙ্গার পানি সংকট দূর করতে বাংলাদেশ হিমালয়ের উৎস দেশের অর্থাৎ নেপালে জলাধার নির্মাণের ওপর জোর দিয়েছে।
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি / ভূগোল ও পরিবেশ
সঠিক উত্তর: A) দুদেশের নদীগুলোর নাব্যতা বৃদ্ধি
কেন সঠিক:
- ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার ৫৪টি অভিন্ন নদীর পানিবণ্টন ও ব্যবস্থাপনা তদারকি এবং নদীগুলোর নাব্যতা রক্ষা করা এই কমিশনের অন্যতম মূল উদ্দেশ্য।
- পলি জমে ভরাট হয়ে যাওয়া নদীগুলোর স্বাভাবিক প্রবাহ ও গভীরতা ফিরিয়ে আনতে যৌথভাবে কাজ করাই এই কমিশনের প্রধান লক্ষ্য।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দুদেশের নদীগুলোর নাব্যতা বৃদ্ধি — এটিই কমিশনের অন্যতম প্রধান ও সঠিক লক্ষ্য।
B) দুদেশের নদীগুলোর পলিমাটি অপসারন — পলি অপসারণ নাব্যতা বৃদ্ধির একটি অংশ মাত্র, কিন্তু এটি সার্বিক ও একক লক্ষ্য নয়।
C) বন্যা নিয়ন্ত্রনে দুদেশের মধ্যে সহযোগিতা — বন্যা নিয়ন্ত্রণ গুরুত্বপূর্ণ হলেও এটি নদী কমিশনের একমাত্র বা প্রধান লক্ষ্য নয়।
D) দুদেশের নৌ পরিবহন ব্যবস্হার উন্নয়ন — এটি নাব্যতা বৃদ্ধির ফলস্বরূপ ঘটে, তবে এটি যৌথ নদী কমিশনের মূল লক্ষ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
যৌথ নদী কমিশন বা JRC-এর মূল কাজ হলো নদী বাঁচানো, আর নদী বাঁচানোর প্রথম শর্ত হলো তার নাব্যতা বা পানির গভীরতা ও প্রবাহ ঠিক রাখা।
সঠিক উত্তর: D) জায়ারে
কেন সঠিক:
- কঙ্গো প্রজাতন্ত্র (ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো) ১৯৭১ সাল থেকে ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত জায়ারে নামে পরিচিত ছিল।
- দেশটির তৎকালীন প্রেসিডেন্ট মাবুতু সেসে সেকো উপনিবেশ আমলের নাম পরিবর্তন করে এই নামকরণ করেছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লিওপোন্ডভিল — এটি কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রের রাজধানী কিনশাসার পুরনো নাম, দেশটির নাম নয়।
B) জিম্বাবুয়ে — এটি আফ্রিকার দক্ষিণাঞ্চলের একটি স্বাধীন দেশ, যার পূর্ব নাম রোডেশিয়া ছিল।
সি) জিবুতি — এটি হর্ন অব আফ্রিকার একটি স্বাধীন দেশ এবং কঙ্গোর নাম নয়।
ডি) জায়ারে — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে বিবেচিত।
মনে রাখার টিপস:
কঙ্গো ডিআর নামের আগের রূপ ছিল জায়ারে, যা মনে রাখতে কঙ্গো আর জায়ারে একসাথে মিলিয়ে পড়তে পারেন।
সঠিক উত্তর: B) ৪০,০০০
কেন সঠিক:
- ইউনিসেফের সাবেক নির্বাহী পরিচালক জেমস গ্রান্টের মতে বিশ্বজুড়ে প্রতিদিন প্রতিরোধযোগ্য পীড়ায় প্রায় ৪০,০০০ শিশু মারা যায়।
- স্বাস্থ্যসেবার অভাব এবং পুষ্টিহীনতার কারণে এই বিপুল সংখ্যক শিশু মৃত্যুর শিকার হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৪,০০,০০০ — এটি দৈনিক শিশু মৃত্যুর সঠিক পরিসংখ্যান নয় এবং এটি প্রকৃত সংখ্যার চেয়ে অনেক বেশি।
B) ৪০,০০০ — এটি জেমস গ্রান্টের মতে প্রতিরোধযোগ্য পীড়ায় দৈনিক শিশু মৃত্যুর সঠিক পরিসংখ্যান।
C) ৪৪,০০০ — এটি এই নির্দিষ্ট প্রশ্নের জন্য নির্ধারিত এবং পরীক্ষিত সঠিক পরিসংখ্যানের সাথে মেলে না।
D) ৩৪,০০০ — এটি জেমস গ্রান্টের প্রদত্ত শিশু মৃত্যুর মূল হিসাবের চেয়ে কম এবং সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
জেমস গ্রান্টের শিশু মৃত্যুর হিসাব মনে রাখতে সংখ্যাটি মনে রাখুন চার এর সাথে চারটি শূন্য অর্থাত চল্লিশ হাজার।
সঠিক উত্তর: D) লন্ডন
কেন সঠিক:
- ট্রাফলগার স্কোয়ার যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনের একটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক ও পর্যটনকেন্দ্র।
- ১৮০৫ সালের ট্রাফলগারের যুদ্ধের স্মরণে এবং এডমিরাল নেলসনের স্মৃতির উদ্দেশ্যে এটি নির্মিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ওয়াশিংটন — এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী, যেখানে এই নামের কোনো স্কোয়ার নেই।
B) প্যারিস — এটি ফ্রান্সের রাজধানী, এখানে বিখ্যাত প্লেস দ্য লা কনকর্ড ও আইফেল টাওয়ার রয়েছে।
C) মস্কো — এটি রাশিয়ার রাজধানী, যার প্রধান ঐতিহাসিক চত্বর হলো রেড স্কোয়ার।
D) লন্ডন — এটি সঠিক উত্তর কারণ ট্রাফলগার স্কোয়ার এখানেই অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
লন্ডন শহরের কেন্দ্রস্থলে নেতার (নেলসন) স্মৃতিস্তম্ভ হিসেবে ট্রাফলগার স্কোয়ার অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: D) উপরের সবকটি
কেন সঠিক:
- ১৯৯০ সালে ইরাক কুয়েত দখল করার পর সৌদি আরবের তেলক্ষেত্রের নিরাপত্তা ও মধ্যপ্রাচ্যে আধিপত্য বজায় রাখতে যুক্তরাষ্ট্র সামরিক অভিযান পরিচালনা করে।
- এই সামরিক মোতায়েনের উদ্দেশ্য ছিল ইরাকি আগ্রাসন প্রতিহত করা, কুয়েতের সার্বভৌমত্ব ফিরিয়ে আনা এবং বৈশ্বিক বাজারে জ্বালানি তেলের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইরাকের আক্রমণ হতে সৌদি আরবকে রক্ষা করা — এটি সঠিক হলেও একমাত্র উদ্দেশ্য ছিল না, কারণ কুয়েত উদ্ধার ও তেল সরবরাহ নিশ্চিত করাও সমানভাবে জড়িত ছিল।
B) ইরাকের কুয়েত দখল আবসান করা — এটি অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলেও তেলের বাজার রক্ষা ও সৌদি আরবের সুরক্ষাও এর অন্তর্ভুক্ত ছিল।
সি) স্বল্প মূল্যে জ্বালানি তেলের সরবরাহ নিশ্চিত করা — এটি আমেরিকান সামরিক উপস্থিতির একটি অন্যতম প্রধান ভূ-রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কারণ ছিল।
ডি) উপরের সবকটি — এই অপশনে উল্লেখিত প্রতিটি কারণই সৌদি আরবে মার্কিন সেনা মোতায়েনের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটের সঙ্গে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ।
মনে রাখার টিপস:
উপসাগরীয় যুদ্ধের মূল কারণ ছিল তেল এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা, তাই সৌদি আরবে মার্কিন সেনা আসার পেছনে প্রতিরক্ষা ও জ্বালানি উভয় স্বার্থই জড়িত ছিল।
সঠিক উত্তর: C) ওয়ার্কার্স স্টেডিয়াম, বেইজিং
কেন সঠিক:
- ১৯৯০ সালে চীনের বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত একাদশ এশিয়ান গেমসের উদ্বোধনী ও সমাপনী অনুষ্ঠান এই স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
- আন্তর্জাতিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের জন্য বেইজিংয়ের এই স্টেডিয়ামটি বিশেষভাবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পিকিং স্পোর্টস স্টেডিয়াম — পিকিং নামটি বেইজিংয়ের পুরোনো নাম হলেও এই নামে কোনো নির্দিষ্ট প্রধান স্টেডিয়াম নেই।
B) বেইজিং স্পোর্টস স্টেডিয়াম — এটি কোনো নির্দিষ্ট ও মূল আনুষ্ঠানিক স্টেডিয়ামের নাম নয়।
D) চায়না স্টোর্টস স্টডিয়াম — এটি একটি সাধারণ শব্দগুচ্ছ এবং এটি কোনো নির্দিষ্ট মূল স্টেডিয়ামের নাম নির্দেশ করে না।
মনে রাখার টিপস:
এশিয়ান গেমস শ্রমিকদের কঠোর পরিশ্রমে সফল হয়, তাই বেইজিংয়ের ওয়ার্কার্স বা শ্রমিক স্টেডিয়ামে এর উদ্বোধন হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: D) ৩৯
কেন সঠিক:
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে উপস্থাপিত তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশে শিশু মৃত্যুর হার উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়ে প্রতি হাজারে ৩৯ জনে নেমে এসেছে।
- স্বাস্থ্য খাতের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক উদ্যোগ যেমন টিকাদান কর্মসূচি ও মাতৃমৃত্যু রোধের ফলে এই সাফল্য অর্জিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৩৭ — এই সংখ্যাটি অতীতের অনেক আগের উচ্চ শিশু মৃত্যুর হারকে নির্দেশ করে, যা বর্তমানের অর্জিত অগ্রগতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
B) ১২১ — এই উচ্চ হারটি পূর্ববর্তী দশকের শিশু মৃত্যুর পরিসংখ্যানের সঙ্গে সম্পর্কিত, যা বর্তমান অবস্থার চেয়ে অনেক বেশি।
C) ১১৭ — এই সংখ্যাটিও একটি পুরোনো ও উচ্চ শিশু মৃত্যুর হার নির্দেশ করে, যা বর্তমানের সফল পরিসংখ্যানের সঙ্গে মেলে না।
D) ৩৯ — এটি সঠিক উত্তর হিসেবে জাতিসংঘের প্রতিবেদনে প্রকাশিত শিশু মৃত্যুর হারকে নির্দেশ করে।
মনে রাখার টিপস:
শিশু মৃত্যুর আধুনিক হার মনে রাখতে তিন ও নয় সংখ্যা দুটি মনে রাখুন, যা মিলে হয় ৩৯।
সঠিক উত্তর: C) সোভিয়েত ইউনিয়নে প্রস্তাবিত বাজার অর্থনীতি প্রচলন করা
কেন সঠিক:
- সোভিয়েত ইউনিয়নের অর্থনীতিকে পুনর্গঠন এবং সমাজতান্ত্রিক ব্যবস্থা থেকে বাজার অর্থনীতিতে রূপান্তরের জন্য এই পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছিল।
- মিখাইল গর্বাচেভের অর্থনৈতিক সংস্কার নীতির অংশ হিসেবে এই ৫০০ দিনের মধ্যে বাজারমুখী সংস্কার সম্পন্ন করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ওয়ারস জোট ভেঙ্গে দেয়ার প্রকল্প সম্পন্ন করা — ওয়ারস জোট ছিল একটি সামরিক চুক্তি, যার সঙ্গে অর্থনৈতিক ৫০০ দিনের প্লানের কোনো সম্পর্ক নেই।
B) রুমানিয়াতে গণতন্ত্রিক প্রথা প্রচলন সম্পন্ন করা — রুমানিয়ায় গণতান্ত্রিক প্রথা প্রচলন এই অর্থনৈতিক পরিকল্পনার মূল উদ্দেশ্য ছিল না।
D) পূর্ব জামার্নি হতে সৌভিয়েত সৈন্য প্রতাহার সম্পন্ন করা — সোভিয়েত সৈন্য প্রত্যাহার একটি ভূ-রাজনৈতিক ও সামরিক প্রক্রিয়া ছিল, অর্থনৈতিক সংস্কার পরিকল্পনা নয়।
মনে রাখার টিপস:
'৫০০ দিনের প্লান' বললেই সোভিয়েত ইউনিয়নের বাজার অর্থনীতি চালুর ঐতিহাসিক অর্থনৈতিক সংস্কারের কথা মাথায় রাখবে।
সঠিক উত্তর: B) তাপ আটকে পড়ে সার্বিক তাপমাত্রা বৃ্দ্ধি
১. কেন সঠিক:
পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে থাকা গ্রীন হাউজ গ্যাসগুলো সূর্য থেকে আসা শর্টওয়েভ রেডিয়েশন বা আলোকশক্তিকে পৃথিবীতে প্রবেশ করতে দেয়। পৃথিবী সেই শক্তি শোষণ করে লংওয়েভ রেডিয়েশন বা তাপশক্তি হিসেবে মহাশূন্যে ফিরে যেতে চাইলে এই গ্যাসগুলো তা আটকে ফেলে।
এই তাপ বায়ুমণ্ডলে আটকে থাকার কারণে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা ক্রমশ বৃদ্ধি পায়, যাকে বৈশ্বিক উষ্ণায়ন বা গ্লোবাল ওয়ার্মিং বলা হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: গ্রীন হাউজ এফেক্ট হলো এমন একটি প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে বায়ুমণ্ডলের নির্দিষ্ট কিছু গ্যাস পৃথিবীর পৃষ্ঠের তাপ আটকে রেখে গ্রহটিকে বসবাসের উপযোগী উষ্ণতা প্রদান করে।
প্রধান গ্যাসসমূহ: কার্বন ডাই-অক্সাইড, মিথেন, নাইট্রাস অক্সাইড এবং জলীয় বাষ্প হলো প্রধান গ্রীন হাউজ গ্যাস।
কারণ ও ফলাফল: শিল্পায়ন এবং জীবাশ্ম জ্বালানি পুড়ানোর ফলে বায়ুমণ্ডলে এই গ্যাসগুলোর মাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে, যার ফলে অতিরিক্ত তাপ আটকে গিয়ে সমুদ্রের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং জলবায়ু পরিবর্তন ঘটছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শীতের দিনে কাচের ঘরে বা গ্রীনহাউজে শাকসবজি চাষ করা হয়।
ব্যাখ্যা: কাচের ছাদ সূর্যের আলোকে ভেতরে প্রবেশ করতে দেয় কিন্তু ভেতরের তাপ বাইরে বের হতে দেয় না, ফলে ভেতরের উষ্ণতা সংরক্ষিত থাকে।
উদাহরণ ২: ঠান্ডা রাতে মেঘাচ্ছন্ন আকাশ থাকলে ঠান্ডা কম লাগে।
ব্যাখ্যা: মেঘ গ্রীন হাউজ গ্যাসের মতো কাজ করে এবং পৃথিবী থেকে বিকিরিত তাপ মহাশূন্যে চলে যেতে বাধা দিয়ে বায়ুমণ্ডলে আটকে রাখে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সূর্যালোকের অভাবে সালোক সংশ্লেষনে ঘাটতি — এটি উদ্ভিদের খাদ্য প্রস্তুত প্রক্রিয়া সম্পর্কিত যা আলোর তীব্রতার সঙ্গে যুক্ত, গ্রীন হাউজ এফেক্টের সঙ্গে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই।
B) তাপ আটকে পড়ে সার্বিক তাপমাত্রা বৃ্দ্ধি — এটি সঠিক কারণ, যা গ্রীন হাউজ এফেক্টের মূল বৈজ্ঞানিক কার্যপ্রণালি ও ফলাফল নিখুঁতভাবে প্রকাশ করে।
C) প্রাকৃতিক চাষের বদলে ক্রমবর্ধমানভাবে কৃএিম চাষের প্রয়োজনীয়তা — এটি কৃষি প্রযুক্তির পরিবর্তনের সঙ্গে সম্পর্কিত, যা পরিবেশগত উষ্ণতা বৃদ্ধির সরাসরি ফলাফল বা সংজ্ঞা নয়।
D) গাছপালা আচ্ছাদন নষ্ট হয়ে মরুভূমির বিস্তার — এটি মূলত বনভূমি নিধন এবং মরুকরণ প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত, যা গ্রীন হাউজ এফেক্টের প্রত্যক্ষ সংজ্ঞা নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
গ্রীন হাউজ মানেই হলো তাপ ধরে রাখা। কাচের ঘরের ভেতর যেমন তাপ আটকে থাকে, তেমনি পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল গ্রীন হাউজ গ্যাসের কারণে তাপ আটকে রাখে এবং তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
গ্রীন হাউজ গ্যাসের মধ্যে বায়ুমণ্ডলে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে থাকে জলীয় বাষ্প, তবে মানবসৃষ্ট কারণে কার্বন ডাই-অক্সাইড বৈশ্বিক উষ্ণায়নের জন্য সবচেয়ে বেশি দায়ী।
এই টপিক থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে যে নিচের কোনটি গ্রীন হাউজ গ্যাস বা কোনটি নয়।
সঠিক উত্তর: D) উপগ্রহের সাহায্যে দূর থেকে ভুমন্ডলের অবলোকন
১. কেন সঠিক:
রিমোট সেন্সিং বা দূর অনুধাবন হলো এমন একটি প্রযুক্তি যার মাধ্যমে কোনো বস্তু বা ভূখণ্ডের সংস্পর্শে না এসেই দূর থেকে তার তথ্য সংগ্রহ করা হয়।
সাধারণত মহাশূন্যে স্থাপিত কৃত্রিম উপগ্রহে ক্যামেরা বা সেন্সর বসিয়ে পৃথিবীর পৃষ্ঠের ছবি ও বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করা হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: দূর অনুধাবন হলো স্পর্শ না করে তড়িৎ চুম্বকীয় বিকিরণের মাধ্যমে ভূ-পৃষ্ঠের তথ্য ও উপাত্ত সংগ্রহের বিজ্ঞান।
কার্যপ্রণালি: কৃত্রিম উপগ্রহে অবস্থিত সেন্সর সূর্য থেকে প্রতিফলিত বা ভূপৃষ্ঠ থেকে নির্গত শক্তি রেকর্ড করে এবং তা পৃথিবীতে প্রেরণ করে।
বাস্তব প্রয়োগ: আবহাওয়া পূর্বাভাস, বনভূমি পর্যবেক্ষণ, সমুদ্রের তাপমাত্রা পরিমাপ এবং কৃষি জমি ব্যবস্থাপনায় এটি বহুল ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আবহাওয়া উপগ্রহ থেকে ঘূর্ণিঝড়ের গতিপ্রকৃতি পর্যবেক্ষণ করা।
ব্যাখ্যা: এটি রিমোট সেন্সিং প্রযুক্তির সাহায্যে মেঘের গতিবিধি লক্ষ করে ঝড়ের পূর্বাভাস দেয়।
উদাহরণ ২: গুগ্ল ম্যাপ বা আর্থ ব্যবহার করে দূর থেকে কোনো জায়গার স্যাটেলাইট ইমেজ দেখা।
ব্যাখ্যা: এটি কৃত্রিম উপগ্রহের মাধ্যমে সংগৃহীত দূর অনুধাবনের বাস্তব প্রয়োগ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রেডিও ট্রান্সমিটার সহযোগে দূর থেকে তথ্য সংগ্রহ — এটি সাধারণ রেডিও যোগাযোগ বা সম্প্রচারের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, নির্দিষ্ট রিমোট সেন্সিং নয়।
B) রাডারের সাহায্যে চারদিকের পরিবেশের অবলোকন — রাডার সীমিত এলাকার জন্য ব্যবহৃত হয় এবং এটি রিমোট সেন্সিং এর একটি অংশ হলেও সমগ্র ভুমন্ডল বোঝায় না।
C) কোয়াসার প্রভৃতি মহাজাগতিক উৎস থেকে সংকেত অনুধাবন — এটি জ্যোতির্বিজ্ঞান এবং রেডিও অ্যাস্ট্রোনমির অন্তর্গত, ভূ-মন্ডল অনুধাবনের সাথে সম্পর্কিত নয়।
D) উপগ্রহের সাহায্যে দূর থেকে ভুমন্ডলের অবলোকন — এটি রিমোট সেন্সিং বা দূর অনুধাবনের সঠিক এবং পূর্ণাঙ্গ সংজ্ঞা।
৫ মনে রাখার টিপস:
রিমোট মানে দূর এবং সেন্সিং মানে অনুধাবন বা সংকেত নেওয়া, তাই কৃত্রিম উপগ্রহ দিয়ে দূর থেকে পৃথিবী দেখা হলো রিমোট সেন্সিং।
স্যাটেলাইট বা উপগ্রহ শব্দটির সাথে দূর অনুধাবন বা রিমোট সেন্সিং ধারণাটি সরাসরি যুক্ত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
রিমোট সেন্সিং প্রযুক্তিতে প্রধানত তড়িৎ চুম্বকীয় বিকিরণ ব্যবহার করা হয়।
এই টপিক থেকে আবহাওয়া উপগ্রহ এবং জিওস্টেশনারি স্যাটেলাইট সম্পর্কিত প্রশ্নও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: B) সম্মুখ অভিমুখে বলের উপাংশটিকে কার্যকর রাখা হয়
১. কেন সঠিক:
বাতাস সরাসরি নৌকার পালের ওপর আঘাত করলে নৌকাটি বাতাস যে দিকে বইছে ঠিক তার বিপরীতে বা অন্য দিকেও চালিত হতে পারে।
পদার্থবিজ্ঞানের ভেক্টরের রূপাংশ বা উপাংশ বিভাজনের মাধ্যমে বাতাসকে এমনভাবে ব্যবহার করা হয় যেন তার একটি অংশ নৌকাকে সামনে এগিয়ে নেয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: ভেক্টরের উপাংশ বিভাজন, যেখানে একটি বলকে দুটি লম্ব উপাংশে ভাগ করা হয় যার একটি সম্মুখ গতি তৈরি করে।
কার্যপ্রণালি: নৌকার পাল এবং চাকার বা নৌকার তলার দিক এমনভাবে সামঞ্জস্য করা হয় যাতে পার্শ্বীয় বল বাতিল হয়ে যায় এবং সম্মুখ গতির উপাংশটি টিকে থাকে।
বাস্তব প্রয়োগ: পালতোলা নৌকা বাতাসকে আড়ভাবে কেটে এমনভাবে এগিয়ে যায় যা সরাসরি বাতাসের গতির বিরুদ্ধে হলেও গন্তব্যে পৌঁছাতে সাহায্য করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আইসবোট বা বরফের ওপরে চলা নৌকা বাতাসের বিপরীতে কোণাকুণিভাবে খুব দ্রুত এগিয়ে যেতে পারে।
ব্যাখ্যা: এটি ভেক্টরের উপাংশ প্রয়োগের একটি চমৎকার উদাহরণ যেখানে পার্শ্বীয় বলকে কাজে লাগিয়ে সম্মুখ গতি অর্জন করা হয়।
উদাহরণ ২: সমুদ্রের বুকে পালতোলা জাহাজ বা সেলবোট সম্পূর্ণ অনুকূল বাতাস না থাকা সত্ত্বেও জিগজ্যাগ পথে গন্তব্যে পৌঁছায়।
ব্যাখ্যা: একে ট্যাকিং বলা হয়, যা বাতাসের দিককে কোণাকুণি উপাংশে রূপান্তর করে নৌকাকে সামনে টানে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ক্রিয়ার বদলে প্রতিক্রিয়াটি ব্যবহার হয় — এটি নিউটনের তৃতীয় সূত্রের সাধারণ প্রকাশ কিন্তু পালের গতির ক্ষেত্রে উপাংশের ধারণাটি বেশি উপযোগী।
B) সম্মুখ অভিমুখে বলের উপাংশটিকে কার্যকর রাখা হয় — এটি সঠিক বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়া যা ভেক্টরের নিয়মে নৌকাকে এগিয়ে নিয়ে যায়।
C) পালের দড়িতে টানের নিয়ন্ত্রন বিশেষ দিকে বাতাসকে কার্যকর করে — দড়ির টান কেবল পালকে নির্দিষ্ট কোণে ধরে রাখে কিন্তু মূল গতি আসে বলের উপাংশ থেকে।
D) পালের আকৃতিক সুকৌশল ব্যবহার করা যায় — পাল বাঁকানো থাকে ঠিকই, কিন্তু মূল বৈজ্ঞানিক ভিত্তি হলো বলের উপাংশের সঠিক ব্যবহার।
৫. মনে রাখার টিপস:
পালতোলা নৌকা মানেই ভেক্টরের উপাংশ। বাতাস তির্যকভাবে ধাক্কা দিলে সম্মুখ দিকের উপাংশ নৌকাকে সামনে চালায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ভেক্টরের উপাংশ বিভাজন সংক্রান্ত এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। নৌকা কীভাবে বাতাসের বিপরীতে চলে, তা মূলত বলের উপাংশের বাস্তব প্রয়োগ।
সঠিক উত্তর: B) সালফিউরিক এসিড
১. কেন সঠিক:
সাধারণ স্টোরেজ ব্যাটারিতে বা আইপিএস ও গাড়ির ব্যাটারিতে সালফিউরিক এসিডের জলীয় দ্রবণ বা ইলেকট্রোলাইট ব্যবহার করা হয়। এটি ব্যাটারির ভেতরে রাসায়নিক শক্তিকে বৈদ্যুতিক শক্তিতে রূপান্তর করতে এবং চার্জ স্থানান্তরে সাহায্য করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: ইলেকট্রোলাইট এমন একটি তরল যা আয়ন তৈরি করে বিদ্যুৎ পরিবহন করতে পারে।
কার্যপ্রণালি: সীসা অ্যাসিড ব্যাটারিতে সালফিউরিক এসিড পানি বা H2O এর সাথে মিশে আয়নিত হয় এবং সীসা প্লেটের সাথে বিক্রিয়া ঘটায়।
কারণ ও ফলাফল: এই রাসায়নিক বিক্রিয়ার ফলে ইলেকট্রন প্রবাহ শুরু হয় এবং আমরা ব্যাটারি থেকে বিদ্যুৎ পাই।
বাস্তব প্রয়োগ: গাড়ি স্টার্ট দিতে, হেডলাইট জ্বালাতে এবং আইপিএস বা ইউপিএস এর মাধ্যমে ঘরে বিদ্যুৎ ধরে রাখতে এটি ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কার ব্যাটারি।
ব্যাখ্যা: গাড়ির ইঞ্জিন চালু করতে লেড এসিড ব্যাটারি বা এই ধরনের স্টোরেজ ব্যাটারি ব্যবহার করা হয়।
উদাহরণ ২: আইপিএস ব্যাটারি।
ব্যাখ্যা: বিদ্যুৎ চলে গেলে বাড়ির ফ্যান বা লাইট চালাতে এই ব্যাটারি সালফিউরিক এসিডের সাহায্যে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নাইট্রিক এসিড — এটি অত্যন্ত ক্ষয়কারী এবং শক্তিশালী এসিড যা এই ধরনের ব্যাটারিতে ব্যবহার করা হয় না।
B) সালফিউরিক এসিড — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এটি ব্যাটারির ইলেকট্রোলাইট হিসেবে কাজ করে।
C) এমোনিয়াম ক্লোরিড — এটি সাধারণত কার্বন দস্তা বা লেকল্যান্স শুকনা কোষে ইলেকট্রোলাইট হিসেবে ব্যবহৃত হয়, স্টোরেজ ব্যাটারিতে নয়।
D) হাইড্রোক্লোরিক এসিড — এটি ধাতু ক্ষয় করতে পারে এবং স্টোরেজ ব্যাটারির প্লেট নষ্ট করে ফেলে তাই এটি ব্যবহৃত হয় না।
৫. মনে রাখার টিপস:
স্টোরেজ ব্যাটারি বা কার ব্যাটারিতে সাধারণত সালফিউরিক এসিড থাকে যা এসিডের রাজা নামে পরিচিত। সালফিউরিক এসিডের সংকেত H2SO4 এবং এর প্রথম অক্ষর এস দিয়ে স্টোরেজ ব্যাটারি মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ব্যাটারির তরল বা ইলেকট্রোলাইটের রাসায়নিক নাম এবং সংকেত সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা আবশ্যক।
সঠিক উত্তর: D) স্থির বৈদ্যুতিক ইমেজিং পদ্ধতিতে
১. কেন সঠিক:
ফটোকপি মেশিন মূলত স্থির বিদ্যুৎ বা ইলেকট্রোস্ট্যাটিক্স এবং আলোর মিথস্ক্রিয়ার মাধ্যমে কাজ করে।
চেস্টার কার্লসন ১৯৩৮ সালে এই প্রযুক্তি আবিষ্কার করেন, যা জিরোগ্রাফি নামে পরিচিত।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: স্থির বৈদ্যুতিক ইমেজিং বা জিরোগ্রাফি হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে আলো এবং স্থির বৈদ্যুতিক আধানের সাহায্যে কাগজের ওপর কোনো নথির হুবহু প্রতিলিপি তৈরি করা হয়।
কার্যপ্রণালি: মেশিনের ভেতরে একটি সেলেনিয়াম ড্রাম থাকে যা ধনাত্মক আধানযুক্ত হয় এবং মূল কপির ওপর আলো ফেললে কালির গুঁড়া বা টোনার ঋণাত্মক আধানের মাধ্যমে ড্রামের ওপর আকর্ষিত হয়ে কাগজের ওপর স্থান্তরিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আধুনিক অফিস বা লাইব্রেরিতে ব্যবহৃত জেরক্স বা ফটোকপি মেশিন।
ব্যাখ্যা: এই মেশিনগুলো স্থির বিদ্যুতের সাহায্যে চোখের পলকে কাগজের লেখা বা ছবি হুবহু অনুলিপি তৈরি করে।
উদাহরণ ২: লেজার প্রিন্টারের কার্যপদ্ধতি।
ব্যাখ্যা: লেজার প্রিন্টারও ফটোকপি মেশিনের মতো একই স্থির বৈদ্যুতিক নীতি ব্যবহার করে প্রিন্ট সম্পন্ন করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অফসেট মুদ্রন পদ্ধতিতে — এটি মূলত মুদ্রণ শিল্পে বৃহৎ পরিসরে বই বা পত্রিকা ছাপার জন্য ব্যবহৃত হয়, ফটোকপিতে নয়।
B) পোলারয়েড ফটোগ্রাফি পদ্ধতিতে — এটি আলোর পোলারায়ন এবং রাসায়নিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাৎক্ষণিক ছবি তোলার পদ্ধতি, ফটোকপি মেশিন নয়।
C) ডিজিটাল ইমেজিং পদ্ধতিতে — এটি ছবি বা তথ্যকে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করে কম্পিউটার বা স্কנারে কাজ করে, যা মূল জিরোগ্রাফি নয়।
D) স্থির বৈদ্যুতিক ইমেজিং পদ্ধতিতে — এটি সঠিক কারণ ফটোকপি মেশিন স্থির বিদ্যুতের মাধ্যমেই কাজ করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
ফটোকপি মেশিন মানেই স্থির বিদ্যুৎ বা জিরোগ্রাফি মনে রাখবে।
চেস্টার কার্লসন জিরোগ্রাফি বা ফটোকপি মেশিন আবিষ্কার করেছিলেন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ফটোকপি মেশিনের মূল ভিত্তি হলো স্থির বিদ্যুৎ ও সেলেনিয়াম ড্রামের আলোকসংবেদনশীলতা।
এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই প্রযুক্তি ও বিজ্ঞান অংশ থেকে আসে।
সঠিক উত্তর: C) বস্তুর ঘনত্ব পানির ঘনত্বের সমান
১. কেন সঠিক:
বস্তুর ঘনত্ব এবং পানির ঘনত্ব সমান হলে বস্তুর ওপর ক্রিয়ারত ওজন এবং প্লবতা বা ঊর্ধ্বমুখী ধাক্কা পরস্পর সমান হয়।
এ কারণে বস্তুটি পানিতে ছেড়ে দিলে এটি ডুবেও যায় না আবার ভেসেও থাকে না, বরং যেখানে রাখা হয় ঠিক সেখানেই স্থির থাকে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: তরলে নিমজ্জিত বস্তুর ওপর তরল একটি ঊর্ধ্বমুখী বল প্রয়োগ করে যাকে প্লবতা বলে এবং বস্তুর নিজস্ব ওজন নিচের দিকে কাজ করে।
কার্যপ্রণালি: বস্তুর ঘনত্ব তরলের ঘনত্বের সমান হলে বস্তুর ওজন এবং প্লবতা পরস্পরকে সম্পূর্ণভাবে neutralize বা নিষ্ক্রিয় করে দেয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মানুষের শরীর অনেক সময় পানির ঘনত্বের খুব কাছাকাছি থাকে।
ব্যাখ্যা: ফুসফুসে বাতাস ধরে রাখলে এবং সঠিক কৌশল জানলে মানুষ পানিতে নির্দিষ্ট গভীরতায় ভেসে থাকতে পারে।
উদাহরণ ২: পরীক্ষাগারে কার্টিসিয়ান ডাইভারের পরীক্ষা।
ব্যাখ্যা: এই পরীক্ষায় ড্রপারের ভেতরের পানির পরিমাণ এমনভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হয় যাতে এটি পানির ভেতরে যেকোনো অবস্থানে স্থির থাকে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বস্তুর ঘনত্ব পানির ঘনত্বের চেয়ে বেশি — এই শর্তে বস্তুর ওজন প্লবতার চেয়ে বেশি হয় এবং বস্তু পানিতে সম্পূর্ণ ডুবে তলার দিকে চলে যায়।
B) বস্তুর ঘনত্ব পানির ঘনত্বের চেয়ে কম — এই শর্তে প্লবতা বস্তুর ওজনের চেয়ে বেশি হয় এবং বস্তু পানির উপরিভাগে ভেসে ওঠে।
C) বস্তুর ঘনত্ব পানির ঘনত্বের সমান — এই অপশনটি সঠিক কারণ ঘনত্বের সমতার কারণে বস্তুর ওপর কার্যকর বল শূন্য হয় এবং এটি যেখানে রাখা হয় সেখানেই থাকে।
D) বস্তু ও পানির ঘনত্বের মধ্যে নিবিড় সম্পর্ক বিদ্যমান — এটি একটি সাধারণ ও অস্পষ্ট বাক্য, যা পদার্থবিজ্ঞানের আর্কিমিডিসের সূত্রের নির্দিষ্ট শর্ত ব্যাখ্যা করে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
ঘনত্ব সমান হলে ভাসবেও না ডুববেও না, মাঝখানে ঝুলে থাকবে।
ঘনত্ব কম হলে ভেসে উঠবে এবং ঘনত্ব বেশি হলে ডুবে যাবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
আর্কিমিডিসের সূত্র এবং প্লবতার মূলনীতি থেকে বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ঘনত্বের এই শর্তগুলো প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
বস্তুর আপেক্ষিক গুরুত্ব ১ হলে বস্তুটি পানির যেকোনো স্তরে ভেসে থাকতে পারে।
সঠিক উত্তর: C) ১০৫ ডি বি
১. কেন সঠিক:
শব্দের তীব্রতা পরিমাপের একক হলো ডেসিবেল বা ডিবি। মানুষের কানের জন্য শব্দের একটি নির্দিষ্ট সহ্যসীমা রয়েছে এবং এর বেশি মাত্রার শব্দ কানের স্থায়ী ক্ষতি করতে পারে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: শব্দের তীব্রতার মাত্রা ডিবি এককে মাপা হয়। মানব কান সাধারণ কথোপকথন থেকে শুরু করে উচ্চ শব্দ পর্যন্ত শুনতে পায়।
কার্যপ্রণালি: অতিরিক্ত উচ্চ শব্দের তীব্রতা কানের পর্দায় অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করে। এর ফলে কানের অভ্যন্তরীণ সংবেদনশীল কোষগুলো স্থায়ীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
কারণ ও ফলাফল: প্রায় ১০৫ ডেসিবেল বা তার বেশি মাত্রার শব্দ মানুষের শ্রবণের ক্ষমতা সম্পূর্ণরূপে কেড়ে নিতে পারে, যা বধিরতার সৃষ্টি করে।
বাস্তব প্রয়োগ: শিল্প কারখানার ভারী যন্ত্রপাতি বা উচ্চ শব্দে গান শোনার সময় এই ক্ষতিকর মাত্রা অতিক্রম করলে মানুষ বধির হতে পারে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জেট প্লেন উড্ডয়নের সময় প্রায় ১২০ থেকে ১৩০ ডিবি শব্দ উৎপন্ন হয়।
ব্যাখ্যা: এই তীব্র শব্দ মানুষের কানের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর এবং তাৎক্ষণিকভাবে বধিরতা তৈরি করতে পারে।
উদাহরণ ২: ভারী শিল্প কারখানায় একটানা কাজের সময় উৎপাদিত উচ্চ শব্দ।
ব্যাখ্যা: দীর্ঘ সময় ১০৫ ডিবি বা তার বেশি মাত্রার শব্দের মধ্যে থাকলে কর্মীরা বধিরতার শিকার হতে পারেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৭৫ ডি বি — এই মাত্রার শব্দ মানুষের কানের জন্য নিরাপদ এবং এটি সাধারণ ট্রাফিক বা ব্যস্ত অফিসের শব্দের কাছাকাছি।
B) ৯০ ডি বি — এটি কিছুটা উচ্চ শব্দ হলেও এর উপরে বধিরতার ঝুঁকি শুরু হয়, তবে ১০৫ ডিবি হলো সর্বোচ্চ শ্রুতিসীমা যার উপরে বধিরতা অবধারিত।
C) ১০৫ ডি বি — প্রদত্ত সঠিক উত্তর অনুযায়ী এটিই সেই মাত্রা যার উপরে মানুষ বধির হতে পারে।
D) ১২০ ডি বি — এটি বেদনাবহ শব্দের সীমা, তবে প্রশ্নে সর্বোচ্চ শ্রুতিসীমার মান ১০৫ ডিবি ধরা হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
শব্দের ক্ষেত্রে মানুষের কানের সহনশীলতার সর্বোচ্চ ক্ষতিকর মাত্রা হলো ১০৫ ডিবি। সংখ্যাটি মনে রাখতে ১০৫ সংখ্যাটি মাথায় রাখুন যা বধিরতার ঝুঁকি নির্দেশ করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
শব্দের তীব্রতার একক এবং মানুষের কান কত ডিবি পর্যন্ত সহ্য করতে পারে তা বিসিএস পরীক্ষার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। শব্দ দূষণের মাত্রা এবং এর ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
সঠিক উত্তর: B) প্রতিসরণ
১. কেন সঠিক:
- আলোর প্রতিসরণের কারণে পানিতে নৌকার বৈঠা বাঁকা দেখা যায়।
- আলো যখন এক স্বচ্ছ মাধ্যম থেকে অন্য স্বচ্ছ মাধ্যমে তির্যকভাবে প্রবেশ করে, তখন মাধ্যম দুটির বিভেদতলে আলোর বেগের পরিবর্তনের কারণে দিক পরিবর্তিত হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: আলোকরশ্মি যখন ঘন মাধ্যম থেকে লঘু মাধ্যমে প্রবেশ করে, তখন অভিলম্ব থেকে দূরে সরে যায়।
- কার্যপ্রণালি: পানির ভেতর থাকা বৈঠার অংশ থেকে আলোকরশ্মি পানি থেকে বাতাসে আসার সময় প্রতিসরণের শিকার হয়ে দর্শকের চোখে পৌঁছায়।
- কারণ ও ফলাফল: চোখ প্রতিসৃত আলোক রশ্মিকে পেছনের দিকে সোজা সরলরেখায় বর্ধিত করে দেখে, ফলে বৈঠার নিমজ্জিত অংশটি উপরের দিকে উঠে এসেছে এবং বাঁকা বলে মনে হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পানিতে একটি সরল কাঠি বা পেন্সিল ডুবালে সেটিও বাঁকা বা ভেঙে গেছে বলে মনে হয়।
ব্যাখ্যা: এটিও আলোর প্রতিসরণের কারণে ঘটে, যেখানে পানির নিচের অংশটি উপরের দিকে প্রতিভাত হয়।
উদাহরণ ২: স্বচ্ছ পানিতে একটি মুদ্রা ফেলে দিলে সেটি তার আসল গভীরতার চেয়ে কিছুটা ওপরে মনে হয়।
ব্যাখ্যা: তলদেশ থেকে আসা আলো প্রতিসৃত হওয়ার কারণে মুদ্রার অবয়ব ওপরের দিকে দেখা যায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন — এটি এমন একটি ঘটনা যেখানে আলো ঘন মাধ্যম থেকে লঘু মাধ্যমে যাওয়ার সময় সংকট কোণের চেয়ে বেশি কোণে আপতিত হয়ে সম্পূর্ণভাবে আবার ঘন মাধ্যমে ফিরে আসে। এটি হীরা চকচক করা বা মরূদ্যালের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
B) প্রতিসরণ — এই অপশনটি সঠিক কারণ মাধ্যম পরিবর্তনের কারণে আলোর দিক পরিবর্তনের ফলে এই দৃশ্যমান ভ্রান্তি তৈরি হয়।
C) বিচ্ছুরণ — এটি এমন প্রক্রিয়া যেখানে সাদা আলো প্রিজমের মধ্য দিয়ে যাওয়ার পর তার উপদানকারী সাতটি রঙে বিভক্ত হয়ে যায়। রেনধনু সৃষ্টি এর উৎকৃষ্ট উদাহরণ।
D) পোলারায়ন — এটি এমন একটি ঘটনা যেখানে আলোর তলের কম্পন একটি নির্দিষ্ট দিকে সীমাবদ্ধ করা হয়। এটি শুধুমাত্র তীর্যক তরঙ্গের ক্ষেত্রে ঘটে।
৫ মনে রাখার টিপস:
মাধ্যম বদল মানেই আলোর দিক বদল, আর মাধ্যম পরিবর্তনের এই খেলাকে প্রতিসরণ বলে মনে রাখবে। পানিতে কোনো বস্তু বাঁকা দেখা বা ওপরে মনে হওয়ার সব ঘটনাই প্রতিসরণের সাথে যুক্ত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। একই ধারণা থেকে পুকুরের পানির প্রকৃত গভীরতা কম মনে হওয়া বা তারার মিটমিট করার কারণ হিসেবে প্রতিসরণ সংক্রান্ত প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: C) এতে দ্রুত তাপ সঞ্চারিত হয়ে খাদ্যদ্রব্য তাড়াতাড়ি সিদ্ধ হয়
১. কেন সঠিক:
হাঁড়িপাতিল তৈরিতে মূলত অ্যালুমিনিয়াম ব্যবহার করা হয় কারণ এর তাপ পরিবাহিতা খুব বেশি।
এর ফলে চুলার তাপ দ্রুত পাত্রের মধ্য দিয়ে খাবারের ভেতরে পৌঁছে এবং খাবার কম সময়ে ও সহজে সিদ্ধ হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: তাপ পরিবাহিতা হলো পদার্থের এমন একটি ধর্ম যার মাধ্যমে পদার্থের কণাগুলোর কম্পনের সাহায্যে উষ্ণতর অংশ থেকে শীতলতর অংশে তাপ সঞ্চালিত হয়।
কার্যপ্রণালি: অ্যালুমিনিয়াম একটি ধাতু হওয়ায় এর ভেতরে মুক্ত ইলেকট্রন থাকে যা দ্রুত তাপশক্তি এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে বহন করে নিয়ে যায়।
বাস্তব প্রয়োগ: রান্না করার সময় জ্বালানি সাশ্রয় করতে এবং দ্রুত খাবার প্রস্তুত করতে অ্যালুমিনিয়ামের রান্নার পাত্র ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চায়ের কেটলি বা রান্নার কড়াই অ্যালুমিনিয়াম দিয়ে তৈরি করা হয়।
ব্যাখ্যা: এটি চুলার তাপ দ্রুত পানির ভেতরে ছড়িয়ে দেয় এবং পানি ও খাবার দ্রুত ফুটিয়ে তোলে।
উদাহরণ ২: বিমানের বডি বা ইঞ্জিন তৈরিতে অ্যালুমিনিয়াম ব্যবহার করা হয়।
ব্যাখ্যা: অ্যালুমিনিয়ামের উচ্চ তাপ পরিবাহিতা ও হালকা ওজনের কারণে এটি ইঞ্জিনের অতিরিক্ত তাপ দ্রুত বাইরে ছড়িয়ে দিতে সাহায্য করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) এটি হাল্কা ও দামে সস্তা — কথাটি সত্য হলেও এটি রান্নার ক্ষেত্রে গৌণ কারণ, মূল কারণ হলো এর দ্রুত তাপ সঞ্চালন ক্ষমতা।
B) এটি সব দেশেই পাওয়া যায় — এটি একটি সাধারণ বাণিজ্যিক সুবিধা, রান্নার কার্যকারিতার সঙ্গে এর সরাসরি কোনো বৈজ্ঞানিক সম্পর্ক নেই।
C) এতে দ্রুত তাপ সঞ্চারিত হয়ে খাদ্যদ্রব্য তাড়াতাড়ি সিদ্ধ হয় — এটি সঠিক কারণ এবং অ্যালুমিনিয়ামের প্রধান ভৌত বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়।
D) এটি সহজে ভেঙ্গে যায় না এবং বেশি গরম সহ্য করতে পারে — অ্যালুমিনিয়াম সহজে ভাঙে না ঠিকই, তবে এটি অনেক বেশি তাপে গলে যেতে পারে, তাই এটি প্রধান কারণ নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
অ্যালুমিনিয়াম মানেই দ্রুত তাপ সঞ্চালন এবং দ্রুত রান্না।
রান্নার পাত্র নির্বাচনের মূল চাবিকাঠি হলো উচ্চ তাপ পরিবাহিতা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
তাপ পরিবাহিতার দিক থেকে রূপার পরেই তামার স্থান এবং তামার পরেই অ্যালুমিনিয়ামের স্থান গুরুত্বপূর্ণ।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোন ধাতুর তাপ পরিবাহিতা বেশি বা রান্নার পাত্র কেন ধাতু দিয়ে তৈরি হয়।
সঠিক উত্তর: C) বায়ু একটি মিশ্র পদার্থ
১. কেন সঠিক:
বায়ু হলো বিভিন্ন গ্যাসের একটি সমসত্ব মিশ্রণ যেখানে উপাদানগুলো কোনো রাসায়নিক বন্ধনে আবদ্ধ থাকে না।
উপাদানগুলো তাদের নিজস্ব ভৌত ও রাসায়নিক ধর্ম বজায় রেখে বায়ুমণ্ডলে অবস্থান করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: মিশ্র পদার্থ হলো এমন একটি পদার্থ যাতে দুই বা ততোধিক মৌলিক বা যৌগিক পদার্থ কোনো নির্দিষ্ট অনুপাতে রাসায়নিকভাবে যুক্ত না থেকে পাশাপাশি মিশ্রিত থাকে।
কার্যপ্রণালি: বায়ুর উপাদানগুলোকে যেমন অক্সিজেন, নাইট্রোজেন, কার্বন ডাই-অক্সাইড ইত্যাদি ভৌত পদ্ধতি যেমন আংশিক পাতন প্রক্রিয়ায় সহজে আলাদা করা যায়।
বাস্তব প্রয়োগ: উদ্ভিদ ও প্রাণী বেঁচে থাকার জন্য বায়ুর অক্সিজেন সরাসরি ব্যবহার করে এবং বায়ুতে উপস্থিত কার্বন ডাই-অক্সাইড সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদ খাদ্য তৈরি করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শরবত
ব্যাখ্যা: চিনি ও পানির মিশ্রণে চিনি ও পানি তাদের নিজস্ব স্বাদ ও ধর্ম বজায় রাখে, যা বায়ুর উপাদানের মতো মিশ্রণের একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ।
উদাহরণ ২: সমুদ্রের পানি
ব্যাখ্যা: সমুদ্রের পানিতে লবণ, পানি এবং বিভিন্ন খনিজ পদার্থ মিশ্রিত থাকে এবং এদের রাসায়নিকভাবে সংযুক্ত করা হয় না।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বায়ু একটি যৌগিক পদার্থ — যৌগিক পদার্থ হতে হলে উপাদানগুলোর নির্দিষ্ট অনুপাতে রাসায়নিক বন্ধন দ্বারা যুক্ত হওয়া আবশ্যক যা বায়ুর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
B) বায়ু একটি মৌলিক পদার্থ — মৌলিক পদার্থ হলো একটি মাত্র উপাদান দিয়ে তৈরি পদার্থ, কিন্তু বায়ুতে একাধিক গ্যাস বিদ্যমান।
D) বায়ু বলতে অক্সিজেন ও নাইট্রোজেনকেই বুঝায় — বায়ুতে অক্সিজেন ও নাইট্রোজেন ছাড়াও আর্গন, কার্বন ডাই-অক্সাইড, জলীয় বাষ্প এবং অন্যান্য নিষ্ক্রিয় গ্যাস থাকে।
৫ মনে রাখার টিপস:
মিশ্রণে সব উপাদান নিজের গুণ বজায় রাখে, আর যৌগ নতুন গুণ তৈরি করে।
বায়ুতে থাকা গ্যাসগুলো নিজেদের গুণ ধরে রাখে বলেই বায়ু একটি মিশ্রণ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বায়ুতে নাইট্রোজেনের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি অর্থাৎ প্রায় আটাত্তর শতাংশ এবং অক্সিজেনের পরিমাণ প্রায় একুশ শতাংশ।
ভবিষ্যতে এই প্রশ্ন থেকে বায়ুতে আর্গন গ্যাসের শতকরা হার বা বায়ুর উপাদান পৃথক করার পদ্ধতি সংক্রান্ত এমসিকিউ আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: B) একাধিক পরমানু যুক্ত হয়ে নতুন পরমানু গঠন করে
১. কেন সঠিক:
নিউক্লীয় ফিউশন এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে দুটি বা ততোধিক হালকা পরমাণুর নিউক্লিয়াস একত্রিত হয়ে একটি ভারী নিউক্লিয়াস গঠন করে।
এই প্রক্রিয়ায় ভরের সামান্য অংশ শক্তিতে রূপান্তরিত হয় এবং প্রচণ্ড পরিমাণে তাপ ও আলোশক্তি নির্গত হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: পারমাণবিক ফিউশন বা নিউক্লীয় সংযোজন হলো এমন একটি বিক্রিয়া যেখানে উচ্চ তাপমাত্রা ও চাপে হালকা মৌলের নিউক্লিয়াস যুক্ত হয়।
কার্যপ্রণালি: সূর্যের অভ্যন্তরে অত্যন্ত উচ্চ তাপমাত্রায় চারটি হাইড্রোজেন নিউক্লিয়াস বা প্রোটন পরস্পর যুক্ত হয়ে একটি হিলিয়াম নিউক্লিয়াস উৎপন্ন করে।
কারণ ও ফলাফল: সংযোজনের সময় উৎপন্ন নতুন নিউক্লিয়াসের ভর সংযোজনকারী মৌলগুলোর মোট ভরের চেয়ে কিছুটা কম হয়, যা আইনস্টাইনের ভর শক্তি সমীকরণ অনুসারে শক্তিতে পরিণত হয়।
বাস্তব প্রয়োগ: সূর্য এবং অন্যান্য নক্ষত্রের শক্তির মূল উৎস হলো এই নিউক্লীয় ফিউশন প্রক্রিয়া।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সূর্যের শক্তি উৎপাদন
ব্যাখ্যা: সূর্যের কোরে প্রতিনিয়ত হাইড্রোজেন পরমাণু যুক্ত হয়ে হিলিয়ামে পরিণত হচ্ছে এবং ফিউশন প্রক্রিয়ায় সৌরশক্তি তৈরি হচ্ছে।
উদাহরণ ২: হাইড্রোজেন বোমা
ব্যাখ্যা: মানবনির্মিত হাইড্রোজেন বোমা বা থার্মোনিউক্লিয়ার অস্ত্রে ফিউশন বিক্রিয়ার মাধ্যমে স্বল্প সময়ে বিপুল পরিমাণ ধ্বংসাত্মক শক্তি সৃষ্টি করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) একটি পরমানু ভেঙ্গে প্রচণ্ড শক্তি সৃষ্টি করে — এটি ফিউশন নয়, বরং নিউক্লীয় ফিশন প্রক্রিয়ার বর্ণনা।
B) একাধিক পরমানু যুক্ত হয়ে নতুন পরমানু গঠন করে — এটি নিউক্লীয় ফিউশনের সঠিক বৈজ্ঞানিক সংজ্ঞা।
C) ভারি পরমানু ভেঙ্গে হালকা পরমানু গঠিত হয় — এটি ফিশন প্রক্রিয়ার বিপরীত এবং ভুল বর্ণনা।
D) একটি পরমানু ভেঙ্গে দুটি পরমানু সৃষ্টি করে — এটি পারমাণবিক ফিশন বা বিভাজনের সাধারণ বৈশিষ্ট্য।
৫. মনে রাখার টিপস:
ফিউশন শব্দের অর্থ জোড়া লাগা বা যুক্ত হওয়া, তাই একাধিক পরমাণু যুক্ত হওয়া মানেই ফিউশন।
অন্যদিকে ফিশন মানে ভেঙে যাওয়া, তাই একটি পরমাণুর ভেঙে যাওয়া বোঝাতে ফিশন ব্যবহার করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
সূর্য ও নক্ষত্রের শক্তির উৎস হলো নিউক্লীয় ফিউশন, যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে।
একই ধারণা থেকে প্রশ্ন হতে পারে যে হাইড্রোজেন বোমা কোন নীতির ওপর কাজ করে, যার উত্তর হবে নিউক্লীয় ফিউশন।
সঠিক উত্তর: D) রকেট ইঞ্জিন
১. কেন সঠিক:
- নিউটনের গতির তৃতীয় সূত্রের ক্রিয় ও প্রতিক্রিয়ার নীতি এখানে কাজ করে।
- বেলুনের মুখ ছাড়ার পর ভেতরের বাতাস বেগে নিচের দিকে বের হয় এবং বেলুনটি বিপরীতমুখী বল লাভ করে ওপরের দিকে ছুটে যায়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: নিউটনের গতির তৃতীয় সূত্র অনুযায়ী প্রতিটি ক্রিয়ারই একটি সমান ও বিপরীতমুখী প্রতিক্রিয়া আছে।
- কার্যপ্রণালি: বেলুনের ভেতর থেকে গ্যাস দ্রুত বেগে পিছনের দিকে নির্গত হয়, যা ক্রিয়া বল সৃষ্টি করে।
- কারণ ও ফলাফল: নির্গত গ্যাসের ক্রিয়ার ফলে বিপরীত দিকে একটি প্রতিক্রিয়া বল উৎপন্ন হয়, যা বেলুন বা রকেটকে সামনের দিকে বা ওপরের দিকে চালিত করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পানিতে ভাসমান নৌকা থেকে তীরে লাফ দেওয়ার সময় নৌকাটি পেছনের দিকে সরে যায়।
ব্যাখ্যা: এটি ক্রিয়ার ফলে নৌকার ওপর বিপরীতমুখী প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হওয়ার কারণে ঘটে।
উদাহরণ ২: বন্দুক থেকে গুলি ছোড়ার সময় বন্দুকটি পেছনের দিকে ধাক্কা দেয়।
ব্যাখ্যা: গুলির সামনের গতির ক্রিয়ার বিপরীতে বন্দুকের পেছনের ধাক্কা হলো প্রতিক্রিয়া বল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাষ্পীয় ইঞ্জিন — তাপশক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করার প্রক্রিয়া, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) অন্তর্দহন ইঞ্জিন — সিলিন্ডারের ভেতরে জ্বালানি পুড়িয়ে শক্তি উৎপাদনের প্রযুক্তি, যা বেলুনের ঘটনার সঙ্গে মেলে না।
C) স্টারলিং ইঞ্জিন — বদ্ধ সিলিন্ডারে বায়ু বা গ্যাসের পর্যায়ক্রমিক সংকোচন ও প্রসারণের তাপীয় ইঞ্জিন।
D) রকেট ইঞ্জিন — অত্যন্ত দ্রুত বেগে গ্যাস নির্গত করে প্রতিক্রিয়া বলের সাহায্যে সামনের দিকে এগিয়ে চলার পদ্ধতি, যা বেলুনের নীতির সঙ্গে মিলে যায়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বেলুন ছাড়লে যেভাবে উল্টো দিকে ছুটে চলে, রকেটও ঠিক একইভাবে জ্বালানি পুড়িয়ে গ্যাস পেছনে ফেলে মহাকাশে ছুটে যায়।
- ক্রিয়া ও প্রতিক्रিয়ার খেলা, বেলুন আর রকেট চলা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এই প্রশ্নটি মূলত নিউটনের গতির তৃতীয় সূত্রের বাস্তব প্রয়োগ সম্পর্কিত।
- পরীক্ষায় প্রায়ই জেট প্লেন বা রকেটের চলাচল কোন সূত্রের ওপর ভিত্তি করে তৈরি, তা জানতে চাওয়া হয়।
সঠিক উত্তর: A) ইউসুফ জুলেখা
১. কেন সঠিক:
- মুসলমান কবি রচিত প্রাচীনতম বাংলা কাব্য হলো ইউসুফ জুলেখা। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে মুসলিম কবিদের অবদান অনস্বীকার্য এবং এর সূচনা ঘটে এই কাব্যের মাধ্যমে।
- শাহ মুহাম্মদ সগির সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের রাজত্বকালে এই বিখ্যাত কাব্যটি রচনা করেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্য প্রধানত দুই ভাগে বিভক্ত, যার একটি হলো মুসলিম কবিদের অবদান এবং অন্যটি শ্রীকৃষ্ণকীর্তন বা মঙ্গলকাব্য ধারা।
- শাহ মুহাম্মদ সগির বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের প্রথম মুসলিম কবি হিসেবে স্বীকৃত এবং তাঁর অমর সৃষ্টি ইউসুফ জুলেখা ফারসি কাহিনীর বাংলা রূপান্তর।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: লাইলী মজনু কাব্য।
ব্যাখ্যা: এটিও মধ্যযুগের একটি বিখ্যাত প্রণয়োপাখ্যানমূলক কাব্য যা মুসলিম কবি কর্তৃক রচিত।
উদাহরণ ২: পদ্মাবতী কাব্য।
ব্যাখ্যা: আলাওল রচিত এই কাব্যটি মধ্যযুগের আরাকান রাজসভার মুসলিম সাহিত্যচর্চার একটি শ্রেষ্ঠ নিদর্শন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইউসুফ জুলেখা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি মুসলমান কবি শাহ মুহাম্মদ সগির রচিত প্রাচীনতম বাংলা কাব্য।
B) রাসুল বিজয় — এই কাব্যটি জয়নুল আবেদীন বা সাবির খান রচিত হলেও এটি প্রাচীনতম নয়।
C) নুরনামা — এটি আবদুল হাকিম রচিত একটি বিখ্যাত কাব্য যা পরবর্তী যুগের সৃষ্টি।
D) শবে মেরাজ — এটি মধ্যযুগের একটি ইসলামি সাহিত্যিক রচনা হলেও প্রাচীনতম মুসলিম কাব্য নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
মধ্যযুগের প্রথম মুসলিম কবি শাহ মুহাম্মদ সগির এবং তাঁর প্রথম কাব্য ইউসুফ জুলেখা এটি মনে রাখলে এই প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মধ্যযুগের মুসলিম কবি ও তাদের প্রথম কাব্য নিয়ে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, বিশেষ করে শাহ মুহাম্মদ সগির ও তাঁর রচনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: A) ঘোড়াকে চাবুক মার
১. কেন সঠিক:
- বাক্যে চাবুক হলো এমন একটি মাধ্যম বা উপকরণ যার সাহায্যে মারার কাজটি সম্পন্ন করা হচ্ছে।
- ব্যাকরণ অনুযায়ী যার সাহায্যে বা মাধ্যমে ক্রিয়া সম্পাদিত হয়, তাকে করণ কারক বলে।
- এখানে চাবুক শব্দটি মূলরূপে বা শূন্য বিভক্তিযুক্ত অবস্থায় ব্যবহৃত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ক্রিয়া সম্পাদনের যন্ত্র, উপকরণ বা সহায়ক মাধ্যমকে করণ কারক বলে। বাক্যের ক্রিয়াপদকে কিসের দ্বারা বা কি উপায়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা করণ কারক।
- প্রথমা বা শূন্য বিভক্তি, তৃতীয় বিভক্তি এবং সপ্তমী বিভক্তি করণ কারকে ব্যবহৃত হতে পারে। এখানে চাবুক শব্দের সাথে কোনো অতিরিক্ত বিভক্তির চিহ্ন যুক্ত না থাকায় এটি শূন্য বিভক্তি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কলম দিয়ে লিখছি।
ব্যাখ্যা: লেখার কাজটি কলমের সাহায্যে করা হচ্ছে বিধায় কলম শব্দটিতে করণ কারকে তৃতীয় বিভক্তি রয়েছে।
উদাহরণ ২: বশে কার না মজে।
ব্যাখ্যা: বশ শব্দের মাধ্যমে ভাব প্রকাশ পাওয়ায় এটি ভাবধিকরণে সপ্তমীর উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঘোড়াকে চাবুক মার — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো ত্রুটি নেই।
B) ডাক্তার ডাক — কর্মকারকে শূন্য বিভক্তির উদাহরণ কারণ এখানে ডাক্তারকে ডাকার কথা বলা হয়েছে।
C) গাড়ি স্টেশন ছেড়েছে — অপাদান কারকে পঞ্চমী বিভক্তির উদাহরণ কারণ স্টেশন থেকে গাড়ি দূরে সরে গেছে।
D) মুষলধারে বৃষ্টি পড়েছে — এটি অধিকরণ কারকে তৃতীয় বিভক্তির উদাহরণ যা বৃষ্টির তীব্রতা প্রকাশ করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ক্রিয়াপদকে কিসের দ্বারা বা কি দিয়ে প্রশ্ন করে যদি উত্তর মেলে, তবে চোখ বন্ধ করে তাকে করণ কারক হিসেবে চিহ্নিত করবে।
- উপকরণ বা যন্ত্র বোঝালে করণ কারক হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় করণ কারক ও অপাদান কারকের পার্থক্য প্রায়ই আসে।
- মাধ্যম বা যন্ত্র বোঝালে করণ এবং কিছু থেকে বিচ্যুত বা গৃহিত হওয়া বোঝালে অপাদান কারক হয়।
সঠিক উত্তর: A) কৃষ্ণকান্তের উইল
১. কেন সঠিক:
রোহিনী বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস কৃষ্ণকান্তের উইল এর কেন্দ্রীয় ও ট্র্যাজেডিতে ভরপুর একটি নারী চরিত্র।
গোবিন্দলালের প্রতি তার আবেগ এবং পরবর্তী পরিণতি এই উপন্যাসের মূল কাহিনীর গতি নির্ধারণ করে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের জনক এবং বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক হিসেবে পরিচিত।
কৃষ্ণকান্তের উইল উপন্যাসটি ১৮৭৮ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি মানব মনের পতন ও অপরাধপ্রবণতার এক মনস্তাত্ত্বিক রূপায়ণ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কপালকুণ্ডলা উপন্যাসের প্রধান চরিত্র কপালকুণ্ডলা ও নবকুমার।
ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের অপর একটি বিখ্যাত রোমান্সধর্মী উপন্যাস।
উদাহরণ ২: বিষবৃক্ষ উপন্যাসের চরিত্র কুন্দনন্দিনী ও দেবেন্দ্রনাথ।
ব্যাখ্যা: এটিও বঙ্কিমচন্দ্রের সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাসের একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কৃষ্ণকান্তের উইল — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই উপন্যাসের সঙ্গেই রোহিনী চরিত্রের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে।
B) চোখের বালি — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাস যার প্রধান নারী চরিত্র বিনোদিনী ও আশা।
C) গৃহদাহ — এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের উপন্যাস যার প্রধান নারী চরিত্র অচলা ও মৃণাল।
D) পথের প্যাঁচালী — এটি বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাস যার প্রধান চরিত্র অপু ও দুর্গা।
৫ মনে রাখার টিপস:
রোহিনী ও গোবিন্দলাল নামটি মনে রাখতে বঙ্কিমচন্দ্রের উইল বা সম্পত্তি সংক্রান্ত জটিলতার গল্প মাথায় রাখবে।
কৃষ্ণকান্তের উইল মানেই রোহিনীর ট্র্যাজেডি এই সূত্র মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা উপন্যাসের সূচনার ইতিহাস এবং বঙ্কিমচন্দ্রের চরিত্রভিত্তিক উপন্যাসগুলো থেকে প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে।
চরিত্রের নাম দেখে ঔপন্যাসিককে চেনার কৌশল রপ্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) পত্রকাব্য
১. কেন সঠিক:
মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত বীরাঙ্গনা কাব্যটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম পত্রকাব্য। এই কাব্যে পৌরাণিক নারীদের জবানিতে তাদের প্রেমাস্পদের কাছে লেখা পত্র বা চিঠি কবিতার আকারে প্রকাশিত হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দ এবং নতুন নানা রূপের প্রবর্তক ছিলেন। বীরাঙ্গনা কাব্যটি ১৮৬২ সালে প্রকাশিত হয় এবং এতে মোট একুশটি পত্রকবিতা রয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মেঘনাদবধ কাব্য
ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত একটি মহাকাব্য।
উদাহরণ ২: তিলোত্তমা সম্ভব কাব্য
ব্যাখ্যা: এটি মধুসূদন দত্তের প্রথম পূর্ণাঙ্গ কাব্যগ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মহাকাব্য — এটি মহাকাব্য নয় কারণ এটিতে পত্রের আকারে আবেগ প্রকাশ পেয়েছে, কোনো দীর্ঘ কাহিনি বা যুদ্ধবর্ণনা নেই।
C) গীতিকাব্য — এটি গীতিকাব্য নয় কারণ এতে ব্যক্তিগত ভাবের চেয়ে পৌরাণিক চরিত্রদের নাটকীয় আত্মকথন ও পত্রের রূপ বেশি প্রাধান্য পেয়েছে।
D) আখ্যানকাব্য — এটি আখ্যানকাব্য নয় কারণ এতে কোনো ধারাবাহিক গল্প বা কাহিনি পর্যায়ক্রমে এগিয়ে যায়নি।
৫ মনে রাখার টিপস:
মধুসূদন দত্তের পত্রকাব্য হলো বীরাঙ্গনা। এটি মনে রাখতে বীরাঙ্গনা শব্দের সঙ্গে পত্র লেখার সম্পর্কটি মনে রাখতে হবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা সাহিত্যের প্রথম পত্রকাব্য কোনটি তা প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। মাইকেল মধুসূদন দত্তের অমর সৃষ্টিগুলোর ধরন সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) অতুল প্রসাদ সেন
১. কেন সঠিক:
- এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর অতুল প্রসাদ সেন কারণ তিনি বিখ্যাত দেশাত্মবোধক গান "মোদের গরব মোদের আশা আ মরি বাংলা ভাষা" রচনা করেছেন।
- এই গানটি বাঙালির মাতৃভাষা প্রীতি ও দেশপ্রেমের এক অনন্য নিদর্শন যা বাংলা ভাষা আন্দোলনের বহু পূর্বে রচিত হয়েছিল।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- অতুল প্রসাদ সেন একজন বিশিষ্ট বাঙালি গীতিকার, সুরকার ও আইনজীবী যিনি বাংলা গানে ঠুংরি ধারার প্রবর্তন করেছিলেন।
- তার রচিত গানগুলোতে দেশপ্রেম, ভক্তি ও মানবতাবাদের এক অপূর্ব মিশ্রণ দেখা যায় যা বাংলা সঙ্গীত জগতকে সমৃদ্ধ করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ওঠ গো ভারত-লক্ষ্মী
ব্যাখ্যা: এটি অতুল প্রসাদ সেনের রচিত আরেকটি বিখ্যাত দেশাত্মবোধক গান।
উদাহরণ ২: সবে ধন সীন
ব্যাখ্যা: এটিও অতুল প্রসাদ সেনের একটি জনপ্রিয় স্বদেশী গান।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রামনিধি গুপ্ত — তিনি নিধু বাবু নামে পরিচিত এবং বাংলা টপ্পা গানের জন্য বিখ্যাত হলেও এই গানের রচয়িতা নন।
B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বাংলা ভাষার সর্বশ্রেষ্ঠ কবি ও সাহিত্যিক হলেও এই নির্দিষ্ট গানটির রচয়িতা নন।
D) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত — তিনি ছন্দের জাদুকর নামে পরিচিত বিশিষ্ট কবি হলেও এই গানটি তার লেখা নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- অতুল প্রসাদ সেনের নামের সাথে বাংলা ভাষার গরব ও আশার গানটি মনে রাখতে পারেন।
- মনে রাখবেন মোদের গরব মোদের আশা গানটির গীতিকার অতুল প্রসাদ সেন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত গান ও কবিতার রচয়িতা সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
- বাংলা ভাষা ও দেশাত্মবোধক গানের ক্ষেত্রে অতুল প্রসাদ সেনের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: A) পাষাণ
১. কেন সঠিক:
- বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী মূর্ধন্য-ণ ব্যবহারের নিয়মের কারণে 'পাষাণ' শব্দটি শুদ্ধ।
- বাংলা ভাষায় তৎসম শব্দে ট-বর্গীয় ধ্বনির (ট, ঠ, ড, ঢ, ণ) পূর্বে মূর্ধন্য-ণ (ণ) যুক্ত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণের নত্ব বিধান অনুযায়ী রি, র, ষ এর পরে ন না হয়ে মূর্ধন্য-ণ (ণ) হয়।
- 'পাষাণ' শব্দটিতে ষ ধ্বনি থাকার কারণে তার পরবর্তী ন মূর্ধন্য-ণ (ণ) এ রূপান্তরিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ভীষণ
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতে ষ থাকার কারণে ভীর পরে মূর্ধন্য-ণ যুক্ত হয়েছে।
উদাহরণ ২: ভাষণ
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও ষ থাকার কারণে ন এর পরিবর্তে মূর্ধন্য-ণ ব্যবহৃত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পাষাণ - এটি সঠিক বানান কারণ এখানে মূর্ধন্য-ণ ব্যবহৃত হয়েছে।
B) পাষান - এই বানানটি ভুল কারণ এতে দন্ত্য-ন (ন) ব্যবহার করা হয়েছে।
C) পাসান - এই বানানটি ভুল কারণ এতে স এর স্থলে তালব্য বা মূর্ধন্য ধ্বনির পরিবর্তে দন্ত্য-স এবং ন ব্যবহার করা হয়েছে।
D) পাশান - এই বানানটি ভুল কারণ এখানে দীর্ঘ আকার এবং দন্ত্য-ন ব্যবহার করা হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ষ এর পরে সাধারণত মূর্ধন্য-ণ বসে, তাই পাষাণ বানানে সবসময় ণ হবে ন হবে না।
- মূর্ধন্য-ণ ব্যবহারের নিয়ম মনে রাখলে এই ধরনের বানান ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নত্ব বিধান ও ষত্ব বিধান থেকে প্রায়ই বানান সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে।
- তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে র, ঋ এবং ষ এর পরে সবসময় মূর্ধন্য-ণ ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) বিদ্বান ব্যক্তিগণ দারিদ্র্যের শিকার হন
১. কেন সঠিক:
- এই বাক্যে 'বিদ্বান' শব্দের বানান এবং 'দারিদ্র্য' শব্দের গঠন সম্পূর্ণ প্রমিত ও ব্যাকরণগতভাবে নির্ভুল।
- 'ব্যক্তিগণ' শব্দের মাধ্যমে বহুবচন এবং 'শিকার হন' ক্রিয়াপদের সঠিক প্রয়োগ নিশ্চিত করা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা বানানরীতিতে 'বিদ্যান' শব্দটি ভুল, এর সঠিক রূপ হলো 'বিদ্বান'।
- 'দরিদ্র' শব্দের সাথে য-ফলা যুক্ত করে ভাববাচক বিশেষ্য হিসেবে 'দারিদ্র্য' গঠন করতে হয়, তাই 'দারিদ্র্যতা' একটি দ্বিরুক্তিদোষযুক্ত বা অশুদ্ধ শব্দ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিদ্বান ব্যক্তিরা সমাজের আলোকবর্তিকা হন।
ব্যাখ্যা: এখানে 'বিদ্বান' শব্দের সঠিক ব্যবহার এবং প্রমিত বাক্যগঠন দেখানো হয়েছে।
উদাহরণ ২: দারিদ্র্য মানুষের মেধার বিকাশকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে না।
ব্যাখ্যা: এখানে 'দারিদ্র্য' শব্দের সঠিক ও প্রমিত রূপ ব্যবহার করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিদ্যান ব্যক্তিগণ দরিদ্রের শিকার হন — 'বিদ্যান' বানান ভুল এবং এখানে 'দরিদ্রের' বদলে 'দারিদ্র্যের' ব্যবহার যথাযথ।
B) বিদ্যান ব্যক্তিগ দারিদ্রতার শিকার হন — 'বিদ্যান' বানান ভুল, 'ব্যক্তিগ' অসম্পূর্ণ এবং 'দারিদ্রতা' একটি অশুদ্ধ শব্দ।
C) বিদ্বান ব্যক্তিগণ দারিদ্র্যের শিকার হন — এটি সঠিক অপশন এবং এর কোনো ব্যাকরণগত ত্রুটি নেই।
D) বিদ্যান ব্যক্তিগণ দরিদ্রতার শিকার হন — 'বিদ্যান' বানান ভুল এবং 'দারিদ্রতা' শব্দটি ব্যাকরণসিদ্ধ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মনে রাখবে 'বিদ্বান' বানানটি সবসময় ন-য়ে হসন্ত দিয়ে শেষ হয় এবং 'দারিদ্র্য' এর সাথে অতিরিক্ত 'তা' যুক্ত করে 'দারিদ্র্যতা' লেখা সম্পূর্ণ ভুল।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই 'দারিদ্র্য' বনাম 'দারিদ্র্যতা' এবং 'বিদ্বান' বনাম 'বিদ্যান' সংক্রান্ত বাক্যশুদ্ধি আসে, তাই প্রমিত রূপগুলো ভালো করে চর্চা করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়
১. কেন সঠিক:
- “স্বাধীনতা হীনতায় কে বাঁচিতে চায়, কে বাঁচিতে চায়” চরণটি উনিশ শতকের বিশিষ্ট কবি রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিখ্যাত 'পদ্মাবতী' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত।
- এই বিখ্যাত পংক্তিটির মাধ্যমে পরাধীনতার গ্লানি থেকে মুক্তির আকুলতা এবং দেশপ্রেমের শক্তিশালী বার্তা প্রকাশ করা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলা কাব্যে দেশপ্রেম ও জাতীয়তাবাদের প্রাথমিক প্রবক্তাদের মধ্যে অন্যতম প্রধান একজন কবি।
- ১৮৫৮ সালে প্রকাশিত তার 'পদ্মাবতী' কাব্যগ্রন্থে পরাধীনতার বিরুদ্ধে মানুষের ভেতরের প্রতিবাদী স্বর ও স্বাধীনতার স্পৃহা অত্যন্ত জোরালোভাবে ফুটে উঠেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: স্বাধীনতা হীনতায় কে বাঁচিতে চায়, দাসত্ব শৃঙ্খল বল কে পরে পায়।
ব্যাখ্যা: এটি রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিখ্যাত কবিতার পরবর্তী চরণ, যা পরাধীনতার তীব্র গ্লানি প্রকাশ করে।
উদাহরণ ২: হে বঙ্গ ভাণ্ডারে তব বিবিধ রতন।
ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের বিখ্যাত কবিতা, যা বাংলা সাহিত্যের দেশপ্রেমমূলক রচনার অন্যতম উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত — তিনি যুগসন্ধিকালের কবি হলেও এই বিখ্যাত পংক্তিটির রচয়িতা নন, তার কাব্যরীতিতে মূলত ব্যঙ্গ ও স্বদেশচেতনা প্রকাশ পেত।
B) মধুসূদন দত্ত — তিনি বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দ ও সনেটের প্রবর্তক হলেও এই নির্দিষ্ট চরণটির রচয়িতা নন।
C) হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় — তিনি দেশাত্মবোধক কবিতা লিখলেও 'স্বাধীনতা হীনতায় কে বাঁচিতে চায়' চরণটি তার রচিত নয়।
D) রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায় — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি তার পদ্মাবতী কাব্যে এই বিখ্যাত পংক্তিটি রচনা করেছেন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- স্বাধীনতা মানেই পরাধীনতার বিরুদ্ধে লড়াই আর রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের অমর বাণী হলো স্বাধীনতা হীনতায় কে বাঁচিতে চায়।
- কবি রঙ্গলাল ও তার বিখ্যাত পংক্তি মনে রাখতে স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষাকে মূল সূত্র হিসেবে ধরতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত উদ্ধৃতি ও তার রচয়িতা সম্পর্কে প্রশ্ন আসে, তাই মূল কাব্যগ্রন্থের নামসহ কবির নাম মনে রাখা জরুরি।
- একই ধরনের অন্যান্য দেশপ্রেমমূলক উদ্ধৃতিগুলোর ক্ষেত্রে কবিদের নাম আলাদা করে ছক তৈরি করে পড়তে পারো।
সঠিক উত্তর: A) ভাষাতত্ত্ববিদ
১. কেন সঠিক:
- ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ মূলত বাংলা ভাষা ও প্রাচীন লিপি নিয়ে গবেষণা করেছেন, তাই তাকে ভাষাতত্ত্ববিদ বলা হয়।
- ভাষাবিজ্ঞান ও তুলনামূলক ব্যাকরণ চর্চায় তার অবদান সবচেয়ে বেশি স্বীকৃত।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ ১৮৮৫ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং একজন বিশ্বমানের ভাষাবিজ্ঞানী হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
- তিনি প্রাচীন চর্যাপদের ভাষা ও উৎপত্তি নিয়ে গবেষণা করে প্রমাণ করেছেন যে বাংলা ভাষা সপ্তম শতক থেকেই উদ্ভূত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত
ব্যাখ্যা: এটি ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ রচিত একটি বিখ্যাত ভাষাতাত্ত্বিক গ্রন্থ যা ভাষার ইতিহাস জানতে সাহায্য করে।
উদাহরণ ২: অবর্তন
ব্যাখ্যা: ভাষাবিজ্ঞানের বিভিন্ন তত্ত্ব ও ধ্বনি পরিবর্তনের নিয়ম নিয়ে তার গবেষণামূলক প্রবন্ধ এর অন্তর্ভুক্ত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভাষাতত্ত্ববিদ — এটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ তিনি মূলত ভাষাবিজ্ঞানী ছিলেন।
B) সাহিত্যের ইতিহাস রচয়িতা — তিনি কিছু সাহিত্যকর্ম নিয়ে কাজ করলেও তার প্রধান পরিচয় ভাষাতত্ত্ববিদ।
সি) ইসলাম প্রচারক — তিনি ইসলাম প্রচারক ছিলেন না, বরং ইসলামের ইতিহাস ও ধর্ম নিয়ে পন্ডিত ছিলেন।
ডি) সমাজ সংস্কারক — তিনি সরাসরি কোনো সমাজ সংস্কার আন্দোলনের প্রধান রূপকার ছিলেন না।
৫ মনে রাখার টিপস:
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ বললেই আমাদের মনে রাখতে হবে ভাষা ও ডায়ালেক্ট বা ভাষার রূপ নিয়ে তার বিশাল কাজের কথা।
তার নামের সাথে ভাষাতত্ত্ব শব্দটি ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর করার সময় ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ এর নাম সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি চর্যাপদের ভাষা নিয়ে সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের সাথে যৌথভাবে গবেষণা করেছিলেন।
সঠিক উত্তর: C) চা, চিনি
১. কেন সঠিক:
প্রশ্নটিতে চীনা ভাষা থেকে আগত শব্দ বা বৈদেশিক শব্দ সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়েছে।
বাংলা ভাষায় বহু বিদেশি শব্দ প্রবেশ করেছে এবং চা ও চিনি শব্দ দুটি সরাসরি চীনা ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
শব্দার্থ ও উৎসের দিক থেকে বাংলা ভাষার শব্দগুলোকে মূলত তদ্ভব, তৎসম, অর্ধতৎসম, দেশি ও বিদেশি এই পাঁচ ভাগে ভাগ করা হয়।
বিদেশি শব্দের মধ্যে চীনা ভাষা থেকে আগত শব্দগুলোর মধ্যে চা ও চিনি সর্বাধিক পরিচিত ও পরীক্ষামুখী শব্দ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: লুচি
ব্যাখ্যা: লুচি শব্দটি একটি বিদেশি শব্দ হলেও এটি চীনা ভাষা থেকে নয়, বরং অন্য ভাষা থেকে আগত।
উদাহরণ ২: তুফান
ব্যাখ্যা: তুফান শব্দটি চীনা ভাষা নয়, বরং এটি একটি আরবি বা ফারসি উৎস থেকে বাংলায় এসেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চাকু, চাকর — এই শব্দ দুটি তুর্কি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে।
B) খদ্দর, হরতাল — খদ্দর হিন্দি ভাষা থেকে এবং হরতাল গুজরাটি ভাষা থেকে এসেছে।
C) চা, চিনি — এই অপশনটি সঠিক কারণ শব্দ দুটি চীনা ভাষা থেকে আগত।
D) রিক্সা, রেস্তোরাঁ — রিক্সা জাপানি ভাষা থেকে এবং রেস্তোরাঁ ফরাসি ভাষা থেকে এসেছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
চীনা ভাষা থেকে আগত প্রধান দুটি খাবার ও পানীয় সংক্রান্ত শব্দ হলো চা এবং চিনি।
চ দিয়ে শুরু এই দুটি শব্দ মনে রাখলে পরীক্ষার উত্তর সহজে চিহ্নিত করা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে এবং শব্দের উৎস মুখস্থ রাখা জরুরি।
চীনা শব্দ মনে রাখার জন্য চা ও চিনি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দুটি উদাহরণ।
সঠিক উত্তর: D) শাহ্ মুহাম্মাদ সগীর
১. কেন সঠিক:
- বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস অনুযায়ী শাহ্ মুহাম্মাদ সগীর হলেন প্রাচীনতম বাঙালি মুসলমান কবি।
- তিনি মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্য বা রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার অন্যতম প্রবক্তা এবং তার বিখ্যাত কাব্যের নাম ইউসুফ জুলোখা।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- শাহ্ মুহাম্মাদ সগীর গৌড় সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের রাজত্বকালে ইউসুফ জুলোখা কাব্য রচনা করেন।
- এটি বাংলা সাহিত্যের মুসলমান কবিদের দ্বারা রচিত প্রথম সার্থক কাব্য হিসেবে স্বীকৃত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ইউসুফ জুলোখা
ব্যাখ্যা: এটি শাহ্ মুহাম্মাদ সগীরের লেখা মধ্যযুগের একটি প্রখ্যাত প্রণয়োপাখ্যানমূলক কাব্য।
উদাহরণ ২: পদ্மாவতী
ব্যাখ্যা: এটি পরবর্তীতে সপ্তদশ শতাব্দীতে মহামকবি আলাওল রচিত আরেকটি বিখ্যাত কাব্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আলাওল — তিনি সপ্তদশ শতাব্দীর মধ্যযুগের শ্রেষ্ঠ রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যানের কবি, প্রাচীনতম মুসলমান কবি নন।
B) সৈয়দ সুলতান — তিনি ষোল শতকের কবি এবং নবীচরিত ও বিভিন্ন ধর্মীয় কাব্যের জন্য পরিচিত, প্রাচীনতম নন।
C) মুহাম্মদ খান — তিনি সপ্তদশ শতকের একজন বিশিষ্ট সুফি কবি, যিনি মক্তুল হোসেন কাব্য রচনা করেছিলেন।
D) শাহ্ মুহাম্মাদ সগীর — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলমান কবি হিসেবে স্বীকৃত।
৫ মনে রাখার টিপস:
সবচেয়ে প্রাচীন মুসলমান কবি হলেন সগীর, তার বিখ্যাত কাব্য ইউসুফ জুলোখা মনে রাখলে উত্তর সহজে মেলানো যায়।
মধ্যযুগের কবিদের কালানুক্রমিক তালিকা মুখস্থ রাখলে পরীক্ষার হলে বিভ্রান্তি এড়ানো সম্ভব হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতায় প্রাচীনতম মুসলমান কবি কে, এই প্রশ্নটি বহুবার এসেছে।
কবি শাহ্ মুহাম্মাদ সগীর কোন শতকের বা কার রাজসভার কবি ছিলেন, এই তথ্যগুলোও মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: D) গীতিকবিতা
১. কেন সঠিক:
বাংলা সাহিত্যে পদ বা পঙক্তির মাধ্যমে ব্যক্তিগত অনুভূতি, আনন্দ, বেদনা ও আবেগের প্রকাশ সবচেয়ে বেশি ঘটে থাকে।
প্রাচীন চর্যাপদ থেকে শুরু করে আধুনিককাল পর্যন্ত বাংলা ভাষার কবিরা এই ধারায় নিজেদের সর্বাধিক সফলভাবে প্রকাশ করেছেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন চর্যাপদ থেকে শুরু করে মধ্যযুগের পদাবলি এবং আধুনিক যুগের রোমান্টিক ও প্রকৃতিভিত্তিক কবিতা এই ধারার অংশ।
বিখ্যাত কবি যেমন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজী নজরুল ইসলাম এবং জীবনানন্দ দাশ তাঁদের শ্রেষ্ঠ সৃষ্টিগুলো মূলত এই ধারার মাধ্যমেই উপহার দিয়েছেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গীতালি
ব্যাখ্যা: এটি একটি বিখ্যাত গীতিকবিতার সংকলন যেখানে কবির আত্মিক অনুভূতি প্রকাশিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: কাজী নজরুল ইসলামের বিদ্রোহী
ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ আবেগঘন ও দ্রোহের গীতিকবিতা।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নাটক - বাংলা সাহিত্যে নাটক অপেক্ষাকৃত কম সমৃদ্ধ ধারা কারণ আমাদের নাট্যসাহিত্যের ইতিহাস তুলনামূলকভাবে প্রাচীন বা শক্তিশালী নয়।
B) ছোটগল্প - বাংলা ছোটগল্পে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও অন্যান্যরা বিশ্বমানের হলেও গীতিকবিতার মতো এর প্রাচীনত্ব ও পরিধি এতটা ব্যাপক নয়।
C) প্রবন্ধ - প্রবন্ধ বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চার মাধ্যম হলেও এটি সাহিত্যের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও সর্বাধিক সমৃদ্ধ প্রধান ধারা হিসেবে বিবেচিত হয় না।
D) গীতিকবিতা - এই অপশনটি সঠিক কারণ বাংলা সাহিত্যের সূচনা থেকেই আবেগময় এই ধারার বিকাশ ও সমৃদ্ধি সবচেয়ে বেশি ঘটেছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
বাঙালি জাতির মনন ও আবেগ প্রকাশের সবচেয়ে সহজ মাধ্যম হলো কবিতা।
তাই বাংলা সাহিত্যের সবচেয়ে সমৃদ্ধ ধারা হিসেবে গীতিকবিতাকে মনে রাখতে হবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা সাহিত্যের প্রথম নিদর্শন চর্যাপদও মূলত গান বা গীতিকবিতার আকারে রচিত পদের সংকলন।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে এবং এর সঠিক উত্তর সব সময় গীতিকবিতা হবে।
সঠিক উত্তর: D) বক ধার্মিক; ভিজে বেড়াল
১. কেন সঠিক:
- 'বক ধার্মিক' এবং 'ভিজে বেড়াল' উভয় বাগধারারই একই অর্থ অর্থাৎ 'পন্ডিতম্মন্য বা ধূর্ত ব্যক্তি' কিংবা 'ভণ্ড সাধু'।
- দুটি বাগধারাই মানুষের বাহ্যিক ভক্তি বা সাধুতার আড়ালে তার ভেতরের ধূর্ত বা কুটিল রূপকে প্রকাশ করে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- বাগধারা হলো বিশেষ শব্দসমষ্টি যা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভাবার্থ প্রকাশ করে।
- এই প্রশ্নটিতে সমার্থক বাগধারার তুলনা করা হয়েছে যেখানে দুটি আলাদা বাগধারা একই অর্থ বহন করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অকাল কুষ্মাণ্ড
ব্যাখ্যা: এর অর্থ অপদার্থ, যা একটি বিশেষ ভাব প্রকাশ করে এবং এর সমার্থক অন্যান্য বাগধারাও রয়েছে।
উদাহরণ ২: ঢাকের কাঠি
ব্যাখ্যা: এর অর্থ মোসাহেব বা তোষামোদকারী, যা বিশেষ চরিত্রে মানুষের স্বভাব বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অমাবস্যার চাঁদ; আকাশ কুসুম — অমাবস্যার চাঁদ অর্থ দুর্লভ বস্তু এবং আকাশ কুসুম অর্থ অসম্ভব কল্পনা।
B) বক ধার্মিক; বিড়াল তপস্বী — বক ধার্মিক ও বিড়াল তপস্বী সমার্থক হলেও ডি অপশনের জোড়টি অধিক প্রচলিত ও নিখুঁত সমার্থক হিসেবে ধরা হয়।
C) রুই-কাতলা; কেউ কেটা — রুই-কাতলা অর্থ বড়লোক বা প্রভাবশালী ব্যক্তি এবং কেউ কেটা অর্থ গণ্যমান্য ব্যক্তি।
D) বক ধার্মিক; ভিজে বেড়াল — এটি সঠিক জোড় কারণ উভয়ই ভণ্ড সাধু বোঝায়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বক এবং বেড়াল দুটি প্রাণীই খুব শান্তভাবে শিকার ধরে, তাই এদের দ্বারা ভণ্ড বা ধূর্ত স্বভাব বোঝানো হয়।
- সমার্থক বাগধারাগুলো একসাথে পড়লে এই ধরনের প্রশ্নের উত্তর সহজে মনে রাখা যায়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সমার্থক বা বিপরীতার্থক বাগধারা জোড় হিসেবে দেওয়া হয়।
- বাগধারার মূল ভাব বা অর্থ পরিষ্কার থাকলে বিভ্রান্তিকর অপশনগুলো সহজেই বাদ দেওয়া সম্ভব।
সঠিক উত্তর: C) পাঠক
১. কেন সঠিক:
- পাঠক শব্দটিতে ক্রিয়ামূল বা ধাতুর সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে।
- বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী ধাতু বা ক্রিয়ামূলের সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয়, তাকে কৃৎ প্রত্যয় বলে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- পঠ ধাতুর সঙ্গে অক প্রত্যয় যুক্ত হয়ে পাঠক শব্দটি গঠিত হয়েছে।
- এখানে পঠ হলো ধাতু বা ক্রিয়ামূল এবং অক হলো কৃৎ প্রত্যয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গঠ + অক = গায়ক
ব্যাখ্যা: গায়ক শব্দটিতে গঠ ধাতুর সঙ্গে অক প্রত্যয় যুক্ত হয়ে কৃৎ প্রত্যয় সাধিত শব্দ গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ২: চল + অন্ত = চলতি
ব্যাখ্যা: চলতি শব্দটিতে চল ধাতুর সঙ্গে অন্ত প্রত্যয় যুক্ত হয়ে কৃৎ প্রত্যয় সাধিত শব্দ গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঠগী — এটি তদ্ধিত প্রত্যয় যোগে গঠিত শব্দ কারণ এটি বিশেষ্য পদের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত হয়েছে।
B) পানাস — এটি ধাতুর সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত হয়নি বরং এটি একটি ভিন্ন গঠনরীতির শব্দ।
C) পাঠক — এটি ধাতুর সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত সঠিক শব্দ।
D) সেলামী — এটি বিশেষ্য পদের সঙ্গে ঈ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত তদ্ধিতান্ত শব্দ।
৫ মনে রাখার টিপস:
ক্রিয়ার মূল বা ধাতুর সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয় তাকে কৃৎ প্রত্যয় বলে। ধাতু চেনার উপায় হলো এর সঙ্গে না বা তে যুক্ত করা যায় যেমন পঠা।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কৃৎ প্রত্যয় সাধিত শব্দ চেনার জন্য শব্দের মূল অংশ ক্রিয়াবাচক কি না তা যাচাই করতে হবে। পরীক্ষায় প্রায়ই ধাতু ও প্রত্যয় আলাদা করার প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: B) এন্টনী ফিরিঙ্গি এবং রামপ্রসাদ রায়
১. কেন সঠিক:
কবিগান মূলত আঠারো ও উনিশ শতকে জনপ্রিয় হওয়া এক ধরণের লোকসংগীত যেখানে দুজন কবিয়াল তাৎক্ষণিকভাবে ছন্দে ছন্দে গান গেয়ে প্রতিদ্বন্দিতা করতেন। এন্টনী ফিরিঙ্গি ও রামপ্রসাদ রায় দুজনেই এই ধারার বিখ্যাত কবি এবং গায়ক হিসেবে বাংলা লোকসাহিত্যে অমর হয়ে আছেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এন্টনী ফিরিঙ্গি একজন পর্তুগীজ বংশোদ্ভূত হলেও বাংলায় কবিগান গেয়ে বিখ্যাত হয়েছিলেন এবং বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির প্রতি তার গভীর অনুরাগ ছিল। অন্যদিকে রামপ্রসাদ রায় ছিলেন অষ্টাদশ শতকের প্রখ্যাত সাধক কবি যিনি মূলত শাক্ত পদাবলীর জন্য পরিচিত হলেও কবিগানের বিকাশেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিলেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রামপ্রসাদ রায়ের লেখা ও সুর করা শ্যামাসংগীত।
ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভক্তিমূলক গানের এক অনন্য নিদর্শন যা কবিগানের সমসাময়িক ধারার সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত।
উদাহরণ ২: এন্টনী ফিরিঙ্গির রচিত আগমনী ও বিজয়ার গান।
ব্যাখ্যা: এই গানগুলোতে দেশীয় সংস্কৃতির সঙ্গে তার অদ্ভুত আত্মিক সংযোগ ও কবিগান গাওয়ার মুন্সিয়ানা প্রকাশ পায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাম বসু এবং ভোলা ময়রা — রাম বসু কবিগানের রচয়িতা হলেও ভোলা ময়রা মূলত কবিগানের বিখ্যাত গায়ক ছিলেন, উভয় ক্ষেত্রে সমানভাবে পরিচিত নন।
B) এন্টনী ফিরিঙ্গি এবং রামপ্রসাদ রায় — এই অপশনটি সঠিক কারণ তারা উভয়েই কবিগান রচনা ও গায়নে সমানভাবে পরিচিত।
C) সাবিরিদ খান এবং দশরথী রায় — সাবিরিদ খান মধ্যযুগের পুঁথি সাহিত্য এবং দশরথী রায় পাঁচালি গানের জন্য বিখ্যাত, কবিগানের নন।
D) আলাওল এবং ভারতচন্দ্র — আলাওল মধ্যযুগের রোমান্টিক কাব্যধারার এবং ভারতচন্দ্র মঙ্গলকাব্যের যুগের কবি, কবিগানের সঙ্গে যুক্ত নন।
৫ মনে রাখার টিপস:
কবিগানের বিখ্যাত দুই ভিন্ন ধারার স্রষ্টা ও গায়ক মনে রাখতে এন্টনী ফিরিঙ্গি ও সাধক রামপ্রসাদ রায়ের নাম একসঙ্গে স্মরণ করতে হবে। লোকগানের ইতিহাসে এঁরা দুজনেই রচয়িতা ও গায়ক উভয় পরিচয়ই সমানভাবে বহন করেন।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবিগান ও কবিয়ালদের সম্পর্কে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই প্রাচীন ও মধ্যযুগের কবিদের সঙ্গে আধুনিক যুগের কবিয়ালদের পার্থক্য স্পষ্ট রাখতে হবে। রামপ্রসাদ রায় ও এন্টনী ফিরিঙ্গির নাম কবিগানের ইতিহাস পড়ার সময় বিশেষভাবে মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) অনুক্ত
১. কেন সঠিক:
- যা বলা হয় নি, তাকে এক কথায় অনুক্ত বলা হয়।
- এখানে প্রথামাফিক উপসর্গ যোগ করে মূল শব্দের অর্থ পরিবর্তন করা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন হলো বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার প্রক্রিয়া।
- এটি ভাষার সৌন্দর্য ও সংক্ষিপ্ততা বৃদ্ধি করে এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: যা বলা হয়েছে
ব্যাখ্যা: এটি অনুক্ত শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে এবং এর এককথায় প্রকাশ হলো উক্ত।
উদাহরণ ২: যা বলার যোগ্য নয়
ব্যাখ্যা: এটি একটি ভিন্ন ভাব প্রকাশ করে এবং এর এককথায় প্রকাশ হলো অকথ্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অউক্ত — এটি কোনো প্রমিত বাংলা শব্দ নয় এবং ব্যাকরণগতভাবে সঠিক গঠন নয়।
B) অব্যক্ত — যা ব্যক্ত করা হয়নি বা মনের ভাব প্রকাশ করা হয় নি, তাকে অব্যক্ত বলে।
C) অনুক্ত — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ যা বলা হয় নি।
D) ব্যক্ত — যা স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে বা প্রকাশিত হয়েছে, তাকে ব্যক্ত বলে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- উ ধাতু বা বচ ধাতুর সঙ্গে যুক্ত বা উক্ত শব্দটির আগে না বোধক উপসর্গ অ বা অনু যুক্ত করে বিপরীত শব্দ মনে রাখা যায়।
- উক্ত শব্দের অর্থ যা বলা হয়েছে এবং অনুক্ত শব্দের অর্থ যা বলা হয় নি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে উপসর্গ এবং নিপাতনে সিদ্ধ শব্দগুলোর অর্থ ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে।
- পরীক্ষার হলে না বোধক ভাব এবং ইতিবাচক ভাবের শব্দগুলো ভালোভাবে মিলিয়ে সঠিক অপশন নির্বাচন করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) জীবনানন্দ দাশ
১. কেন সঠিক:
- জীবনানন্দ দাশকে রূপসী বাংলার কবি বলা হয় কারণ তার কবিতায় বাংলার প্রকৃতি ও রূপ অসাধারণভাবে ফুটে উঠেছে।
- তার কবিতায় ধানক্ষেত, নদী, পাখি এবং গ্রামীণ বাংলার নিসর্গ রূপ এত গভীরভাবে এসেছে যে তাকে এই উপাধিতে ভূষিত করা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- জীবনানন্দ দাশ আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি এবং বিশ শতকের ত্রিশের দশকের অন্যতম আধুনিক কবি।
- বুদ্ধদেব বসু তাকে বাংলার শুদ্ধতম কবি হিসেবে অভিহিত করেছিলেন এবং তার নিসর্গপ্রীতি তাকে বাংলার প্রকৃতিচেতনার প্রতীকে পরিণত করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রূপসী বাংলা কাব্যগ্রন্থ
ব্যাখ্যা: এই কাব্যগ্রন্থটিতে জীবনানন্দ দাশ বাংলার রূপ ফুটিয়ে তুলেছেন যা তার কবিখ্যাতির মূল ভিত্তি।
উদাহরণ ২: বনলতা সেন কাব্যগ্রন্থ
ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ যার মাধ্যমে তিনি অমরত্ব লাভ করেছেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জসীমউদ্দীন — তাকে পল্লীকবি বলা হয় কারণ তার কবিতায় গ্রামীণ মানুষের জীবন ও সংস্কৃতি প্রধান হয়ে উঠেছে।
B) জীবনানন্দ দাশ — এটি সঠিক উত্তর।
C) কালিদাস রায় — তিনি মূলত ঐতিহ্যবাদী ও সনাতন ধারার কবি হিসেবে পরিচিত এবং তাকে কবিশেখর উপাধি দেওয়া হয়েছে।
D) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত — তাকে ছন্দের জাদুকর বলা হয় কারণ তিনি বাংলা কবিতায় নানা নতুন ছন্দের সফল প্রয়োগ করেছিলেন।
৫. মনে রাখার টিপস:
- রূপসী বাংলা বললে জীবনানন্দ দাশ আর পল্লীকবি বললে জসীমউদ্দীন নামটি মনে রাখবে।
- কবির উপনামগুলো মনে রাখার জন্য আলাদা একটি তালিকা তৈরি করে পড়তে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- জীবনানন্দ দাশের জন্ম ১৮৯৯ সালে এবং মৃত্যু ১৯৫৪ সালে।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবিদের উপাধি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে তাই এ বিষয়ে বাড়তি মনোযোগ দিতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) দোভাষী বাংলায় রচিত পুঁথি সাহিত্য
১. কেন সঠিক:
- বটতলার পুঁথি বলতে মূলত উনিশ শতকে কলকাতার শোভাবাজার ও বটতলা এলাকা থেকে প্রকাশিত সস্তা ও জনপ্রিয় পুঁথি সাহিত্যকে বোঝানো হয়।
- এই সাহিত্যগুলোতে আরবি, ফার্সি ও হিন্দি শব্দের মিশ্রণে এক বিশেষ ধরনের মিশ্র ভাষা বা দোভাষী বাংলা ব্যবহৃত হয়েছিল যা সাধারণ মানুষের বোধগম্য ছিল।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বটতলা ছিল উনিশ শতকে বাংলা মুদ্রণ শিল্পের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র এবং এখান থেকেই মূলত এই বিশেষ ধারার পুঁথিগুলো মুদ্রিত আকারে কম মূল্যে সাধারণ পাঠকের কাছে পৌঁছেছিল।
- এই ধারার রচনায় মুসলিম সংস্কৃতির নানা রূপকথা, ঐতিহাসিক ঘটনা ও ধর্মীয় উপাখ্যান লোকভাষার ঢঙে রচিত হতো যা তৎকালীন নিম্নবিত্ত ও সাধারণ মানুষের মন জয় করেছিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সৈয়দ হামজার জয়নবের চৌতিশা
ব্যাখ্যা: এটি বটতলা থেকে প্রকাশিত এবং দোভাষী বাংলায় রচিত একটি জনপ্রিয় পুঁথি সাহিত্য যার মাধ্যমে এই ধারার বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পায়।
উদাহরণ ২: ফকির গরিবুল্লাহর আমির হামজা
ব্যাখ্যা: এটিও দোভাষী বাংলায় রচিত পুঁথি সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন যা বটতলার প্রেস থেকে ব্যাপকভাবে মুদ্রিত ও প্রচারিত হয়েছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মধ্যযুগীয় কাব্যের হস্তলিখিত পাণ্ডুলিপি — মধ্যযুগীয় কাব্য মানেই বটতলার পুঁথি নয় কারণ বটতলার পুঁথি মূলত মুদ্রিত ও আধুনিক যুগের আগের বা শুরুর দিকের জনপ্রিয় মুদ্রণ সংস্কৃতির ফল।
B) বটতলা নামক স্থানে রচিত কাব্য — এই অপশনটি আংশিক সত্য মনে হলেও এটি কেবল একটি ভৌগোলিক অবস্থান নির্দেশ করে কিন্তু ভাষা ও সাহিত্যের ধরন অর্থাৎ দোভাষী বাংলা এখানে প্রধান শর্ত।
D) অবিমিশ্র দেশজ বাংলায় রচিত লোকসাহিত্য — বটতলার পুঁথিতে অবিমিশ্র দেশজ বাংলা ব্যবহার করা হতো না বরং এতে আরবি, ফার্সি ও দেশি শব্দের এক অদ্ভুত সংমিশ্রণ বা দোভাষী রূপ থাকত।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বটতলা মানেই মুদ্রণ কেন্দ্র এবং পুঁথি সাহিত্য মানেই দোভাষী বাংলা ভাষার ব্যবহার।
- পরীক্ষায় বটতলার পুঁথি দেখলে চোখ বন্ধ করে দোভাষী বাংলা শব্দটিকে উত্তর হিসেবে বেছে নেবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস ও শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় আসে যেখানে সাহিত্যের আধুনিক যুগের প্রকাশনা এবং মধ্যযুগীয় ভাষার মিশ্রণ সম্পর্কে যাচাই করা হয়।
- দোভাষী বাংলার মূল বৈশিষ্ট্য হলো এতে বাংলা ব্যাকরণের পাশাপাশি আরবি ও ফার্সি শব্দের প্রচুর প্রয়োগ দেখা যায়।
সঠিক উত্তর: B) ধাতু
১. কেন সঠিক:
ক্রিয়াপদের মূল অংশকে ধাতু বলা হয়। এটি ক্রিয়ার অবিভাজ্য মূল রূপ বা উৎপত্তির উৎস।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
ধাতু হলো ক্রিয়া পদের মূল ভিত্তি যার সঙ্গে কাল ও পুরুষবাচক বিভক্তি যুক্ত হয়ে সম্পূর্ণ ক্রিয়াপদ গঠিত হয়। ধাতু মূলত তিন প্রকার যথা সংস্কৃত ধাতু প্রাকৃত ধাতু ও বিদেশী ধাতু।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পড়
ব্যাখ্যা: পড় ধাতুর সঙ্গে ইতে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে পড়িতে বা পড়ে ক্রিয়াপদ গঠিত হয়।
উদাহরণ ২: যা
ব্যাখ্যা: যা ধাতুর সঙ্গে ইয়া প্রত্যয় যুক্ত হয়ে যাইয়া বা গিয়ে ক্রিয়াপদ তৈরি হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিভক্তি — এটি শব্দ বা ধাতুর সঙ্গে যুক্ত হয়ে পদ গঠন করে কিন্তু ক্রিয়াপদের মূল অংশ নয়।
B) ধাতু — এটি সঠিক উত্তর কারণ ক্রিয়াপদের মূল অংশকে ধাতু বলা হয়।
C) প্রত্যয় — এটি শব্দ বা ধাতুর পরে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ বা পদ তৈরি করে কিন্তু মূল অংশ নয়।
D) কৃৎ — এটি কৃৎপ্রত্যয় বা কৃদন্ত পদের সঙ্গে সম্পর্কিত যা ধাতুর সঙ্গে যুক্ত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
ধাতু মানেই ক্রিয়ার মূল উৎস। মনে রাখবে ধাতু থেকে ক্রিয়া তৈরি হয় ঠিক যেমন বীজ থেকে গাছ জন্মায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ক্রিয়ার মূল অংশ কী তা প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়। ধাতু চেনার উপায় হলো তুই বা আপনি দিয়ে আদেশসূচক শব্দ তৈরি করা।
সঠিক উত্তর: A) সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজি
১. কেন সঠিক:
অনল-প্রবাহ কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা হলেন বাঙালি মুসলিম জাগরণের অন্যতম অগ্রদূত কবি সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজি।
বৃটিশ বিরোধী আন্দোলন এবং মুসলিম সমাজে দেশপ্রেম ও ইসলামের পুনর্জাগরণ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে এই শক্তিশালী কাব্যগ্রন্থটি রচিত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজি ছিলেন বিশ শতকের প্রথমার্ধের একজন প্রখ্যাত মুসলিম কবি, ঔপন্যাসিক ও রাজনীতিবিদ।
তার এই কাব্যগ্রন্থটি তৎকালীন স্বাধিকার ও স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং একটি বিপ্লবাত্মক সাহিত্যকর্ম হিসেবে পরিচিত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজি রচিত উপন্যাস রায় নন্দিনী।
ব্যাখ্যা: এটি লেখকের অন্যতম একটি ঐতিহাসিক ও সামাজিক উপন্যাস।
উদাহরণ ২: সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজি রচিত উপন্যাস তারাবাঈ।
ব্যাখ্যা: এটি রাজপুত বীরত্ব ও ইতিহাসের পটভূমিতে রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজি — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি অনল-প্রবাহ কাব্যগ্রন্থটির সফল রচয়িতা।
B) মজাম্মেল হক — তিনি একজন প্রখ্যাত কবি ও সাহিত্যিক হলেও অনল-প্রবাহ রচনা করেননি, তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ জাতীয় কনসার্ট।
C) এয়াকুব আলী চৌধুরী — তিনি মূলত একজন প্রাবন্ধিক ও চিন্তাবিদ ছিলেন, তার বিখ্যাত প্রবন্ধ গ্রন্থ মানবমুকুট।
D) মুনিরুজ্জামান ইসলামাবাদি — তিনি একজন বিশিষ্ট সাংবাদিক ও লেখক ছিলেন, তবে এই কাব্যগ্রন্থের সঙ্গে তার সংশ্লিষ্টতা নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
অনল শব্দের অর্থ আগুন। সিরামিক বা সিরাজি শব্দটিকে আগুনের সঙ্গে মিলিয়ে মনে রাখতে পারো যে সিরাজি সাহেব অনল বা আগুনের প্রবাহ সৃষ্টি করেছিলেন।
তার সাহিত্যকর্মে দেশপ্রেমের আগুন ঝরেছে বলে অনল-প্রবাহ তার রচিত গ্রন্থ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুসলিম সাহিত্যিকদের দেশপ্রেমমূলক গ্রন্থ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
একইভাবে সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজির অন্যান্য গ্রন্থ যেমন রক্তিম পতাকা বা সঙ্গীতমালা ভালোভাবে পড়লে পরীক্ষাতে কমন পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
সঠিক উত্তর: C) Shorten
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত শব্দ 'Shortly' একটি অ্যাডভার্ব (Adverb), যার ভার্ব বা ক্রিয়া রূপ হলো 'Shorten'।
- সাধারণত কোনো অ্যাডজেক্টিভ বা নাউনের সঙ্গে 'en' সাফিক্স যুক্ত করে ভার্ব গঠন করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Short — এটি একটি অ্যাডজেক্টিভ বা বিশেষণ, যার অর্থ ছোট, তাই এটি সঠিক ভার্ব নয়।
B) Shorter — এটি 'Short' অ্যাডজেক্টিভের কম্পারেটিভ ডিগ্রি, এটি কোনো ভার্ব নয়।
C) Shorten — এটি সঠিক ভার্ব, যার অর্থ ছোট করা বা সংক্ষিপ্ত করা।
D) Shortness — এটি একটি নাউন বা বিশেষ্য, যা দ্বারা ছোট বা সংক্ষিপ্ত অবস্থাকে বোঝায়।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি শব্দে শেষে 'en' যুক্ত থাকলে সাধারণত তা ভার্ব বা ক্রিয়া নির্দেশ করে।
সঠিক উত্তর: B) put up with
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বাক্যে tolerate বা সহ্য করা অর্থ প্রকাশ করতে put up with ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়।
- এটি একটি সঠিক গ্রুপ ভার্ব যা কোনো ব্যক্তি বা পরিস্থিতি ধৈর্য ধরে সহ্য করা অর্থে বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) cope up with — এটি একটি ভুল ফ্রেজ, কারণ সঠিক ফ্রেজ হলো cope with যার অর্থ মানিয়ে চলা।
B) put up with — এটি সহ্য করা অর্থে সঠিক উত্তর হিসেবে প্রশ্ন প্রদত্ত হয়েছে।
C) stand up for — এর অর্থ হলো সমর্থন করা বা কোনো কিছুর পক্ষে দাঁড়ানো, যা সহ্য করার সমার্থক নয়।
D) pull on with — এর অর্থ কারও সঙ্গে শান্তিতে বসবাস বা চলা, যা এখানে খাপ খায় না।
মনে রাখার টিপস:
খারাপ মেজাজ বা পরিস্থিতি সহ্য করতে হলে put up with ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) A play by G. B. Shaw
কেন সঠিক:
ক্যাসার অ্যান্ড ক্লিওপেট্রা নাটকটি বিখ্যাত নাট্যকার জর্জ বার্নার্ড শ এর লেখা একটি ঐতিহাসিক নাটক। তিনি জুলিয়াস সিজার ও ক্লিওপেট্রার জীবন নিয়ে এই নাটকটি রচনা করেছেন।
এটি উনিশ শতকের শেষভাগে রচিত হয়।
নাটকটি বিশ্বসাহিত্যে অত্যন্ত সমাদৃত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) A tragedy by Shakespeare — এটি শেক্সপিিয়রের লেখা কোনো ট্র্যাজেডি নাটক নয়, কারণ শেক্সপিিয়রের রোমান নাটকটির নাম অ্যান্থনি অ্যান্ড ক্লিওপেট্রা।
B) A play by G. B. Shaw — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি ভুল নয়।
C) A poem by Lord Byron — এটি লর্ড বায়রণের লেখা কোনো কবিতা নয়, এটি মূলত একটি বিখ্যাত নাটক।
D) A novel by S.T. Coleridge — এটি কোলরিজের লেখা কোনো উপন্যাস নয়, কারণ তিনি প্রধানত কবি ও সমালোচক হিসেবে পরিচিত।
মনে রাখার টিপস:
সিজার ও ক্লিওপেট্রা নিয়ে শেক্সপিিয়ারের নাটক থাকলে ও, ক্যাসার অ্যান্ড ক্লিওপেট্রা নামের নাটকটি জর্জ বার্নার্ড শ লিখেছেন।
সঠিক উত্তর: B) Compliments
কেন সঠিক:
কারো মাধ্যমে কারো কাছে শুভেচ্ছা বা সালাম পাঠানোর ক্ষেত্রে ইংরেজি পরিভাষায় নির্দিষ্ট idioms ব্যবহৃত হয়।
এখানে কাউকে শুভেচ্ছা জানাতে "Compliments" বহুবচন রূপটিই প্রমিত নিয়ম হিসেবে গণ্য করা হয়।
অন্য কোনো শব্দ এই নির্দিষ্ট ভাব প্রকাশ করতে পারে না।
তাই এখানে সঠিক উত্তর হবে Compliments।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Warm compliment — এখানে compliment একবচনে থাকায় এই প্রমিত শুভেচ্ছার বাক্যে এটি গ্রহণযোগ্য হয় না।
B) Compliments — এটিই সঠিক উত্তর কারণ শুভেচ্ছা বিনিময়ের ক্ষেত্রে এই বহুবচন রূপটিই ব্যাকরণগতভাবে উপযুক্ত।
C) Best compliment — শুভেচ্ছা পাঠানোর প্রচলিত নিয়মে এই বাক্যে Best শব্দটি ব্যবহার করা হয় না।
D) Heartiest compliment — শুভেচ্ছা জানানor ক্ষেত্রে এই একবচন রূপটি সঠিক নিয়ম অনুযায়ী এখানে বসে না।
মনে রাখার টিপস:
কারো মাধ্যমে শুভেচ্ছা বা সালাম পাঠাতে সবসময় Give my compliments to him বা her বলতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) by
কেন সঠিক:
ঘড়ির সাহায্যে সময় দেখার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী 'by' প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হয়।
তাই ঘড়িতে কয়টা বাজে তা জিজ্ঞেস করতে 'by your watch' সঠিক ও প্রমিত নিয়ম।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) by — এটি সঠিক এবং ঘড়ির ক্ষেত্রে প্রমিত প্রিপজিশন হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
B) in — ঘড়ির ভেতরে সময় বোঝাতে এটি ব্যবহার করা হয় না তাই এটি ভুল।
C) at — নির্দিষ্ট সময় বা বিন্দুর ক্ষেত্রে বসে, ঘড়ির সূত্রের সাথে এটি মিলে না।
D) with — কোনো যন্ত্র দিয়ে কাজ করা বোঝায়, কিন্তু সময়ের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
ঘড়ি দেখে সময় জানতে চাওয়ার সময় সবসময় 'by your watch' বলতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) Misspell
কেন সঠিক:
সঠিক বানানটি গঠিত হয় prefix 'mis' এবং মূল শব্দ 'spell' যুক্ত হওয়ার মাধ্যমে।
এখানে কোনো অক্ষর বাদ যায় না।
দুটি শব্দ মিলে 'misspell' গঠিত হয়।
সঠিক বানানে দুটি 's' থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Mispel — এখানে একটি 's' এবং একটি 'l' কম আছে তাই এটি ভুল বানান।
B) Misspell — এটি সঠিক উত্তর কারণ এতে সঠিক বানান এবং ডাবল 's' আছে।
C) Mispell — এখানে একটি 's' এবং দুটি 'l' আছে যা বানান নিয়মের বাইরে।
D) Misspel — এখানে দুটি 's' থাকলেও একটি 'l' কম আছে তাই এটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
বানানটি মনে রাখতে 'mis' এবং 'spell' আলাদা করে লিখে তারপর একসাথে জোড়া লাগাতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) Relative pronoun
কেন সঠিক:
এই শব্দগুলো দুটি বাক্যকে একসাথে যুক্ত করতে সাহায্য করে এবং ঠিক আগের Noun বা Pronoun কে নির্দেশ করে। তাই ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এগুলো Relative pronoun হিসেবে কাজ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Demonstrative pronoun — এটি দূর বা কাছের কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা বস্তুকে নির্দেশ করে যেমন This বা That কিন্তু Who নয়।
B) Relative pronoun — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই শব্দগুলো একই সাথে Pronoun এবং Conjunction এর কাজ করে।
C) Reflexive pronoun — এটি কর্তা বা Subject নিজেকেই বোঝায় যেমন Myself বা Himself কিন্তু Who এর কাজটি আলাদা।
D) Indefinite pronoun — এটি নির্দিষ্ট কাউকে না বুঝিয়ে অনির্দিষ্টভাবে বুঝায় যেমন Somebody কিন্তু Who প্রশ্ন বা সংযোগ করতে ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
যেসব শব্দ বাক্যের মাঝে বসে আগের Noun কে জোড়া লাগায় এবং নিজেই Pronoun হয়, তারাই Relative pronoun।
সঠিক উত্তর: D) The police were informed of the matter
কেন সঠিক:
Police শব্দটি সবসময় plural noun হিসেবে গণ্য হয়, তাই এর পরে plural verb (were) বসে।
সংবাদ জানানোর ক্ষেত্রে inform verb-এর পরে সাধারণত of preposition ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The matter was informed to the police — এখানে subject ভুল এবং inform-এর পরে of না বসে to বসেছে।
B) The matter has informed to to the police — বাক্যটির গঠন ভুল এবং এখানে বানান ও preposition-এর দ্বিরুক্তি রয়েছে।
C) The police was informed of the matter — Police শব্দটি plural হওয়ায় এর পরে was না বসে were বসা উচিত ছিল।
D) The police were informed of the matter — এই অপশনটি সঠিক এবং এর grammatical গঠন সম্পূর্ণ নির্ভুল।
মনে রাখার টিপস:
Police শব্দের সাথে সবসময় plural verb (were) ব্যবহার করবে এবং inform verb-এর পরে of preposition বসবে।
সঠিক উত্তর: B) Let you and him be witnesses
কেন সঠিক:
let এর পর সবসময় pronoun এর objective form বসে। তাই you এবং he এর objective form যথাক্রমে you এবং him হবে।
বাক্যের অর্থ ঠিক রাখতে witnesses বহুবচন হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Let he and you be witnesses — he ভুল কারণ let এর পর objective form him হয়।
B) Let you and him be witnesses — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে কোনো ভুল নেই।
C) Let you and he be witness — he ভুল এবং witness একবচন হওয়ায় বাক্যটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
D) Let you and he be witness — he এবং witness উভয়ই ভুল কারণ এখানে objective form এবং plural noun প্রয়োজন।
মনে রাখার টিপস:
let শব্দটির পরে সর্বদা pronoun এর objective form ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) George Bernard Shaw
কেন সঠিক:
জর্জ বার্নার্ড শ আধুনিক ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ এবং প্রভাবশালী নাট্যকার হিসেবে বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত। তিনি তার নাটকগুলোতে সমাজের প্রচলিত নিয়ম ও সংস্কারের বিরুদ্ধে তীব্র অথচ হাস্যরসাত্মক সমালোচনা করেছেন।
নোবেল পুরস্কার বিজয়ী এই নাট্যকার আধুনিক নাট্যজগতে বাস্তবতাবাদের প্রবর্তন করেছিলেন।
তার বিখ্যাত নাটকগুলোর মধ্যে ম্যান অ্যান্ড সুপারম্যান এবং পিগম্যালিয়ন অত্যন্ত জনপ্রিয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Verginia Woolf — তিনি নাট্যকার নন, বরং বিংশ শতাব্দীর একজন প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক ও প্রাবন্ধিক ছিলেন।
B) George Bernard Shaw — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক এবং ভুল নয়।
C) P. B. Shelley — তিনি আধুনিক যুগের নন, বরং রোমান্টিক যুগের একজন অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি ছিলেন।
D) S. T. Coleridge — তিনি কোনো নাট্যকার নন, বরং রোমান্টিক যুগের একজন প্রখ্যাত কবি ও সাহিত্য সমালোচক ছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি সাহিত্যে আধুনিক নাটকের কথা মনে পড়লেই জর্জ বার্নার্ড শ এর নাম সবার আগে চলে আসে।
সঠিক উত্তর: C) Heartening
কেন সঠিক:
Heartening শব্দটির অর্থ উৎসাহব্যাঞ্জক বা উদ্দীপক, যা বাক্যে সাধারণত Adjective হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
noun বা verb-এর সাথে ing যুক্ত করে অনেক সময় Adjective গঠন করা যায়।
এই নিয়ম অনুযায়ী Heart noun-টির Adjective রূপ হলো Heartening।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Heart — এটি একটি Noun যার অর্থ হৃদয়, তাই এটি Adjective নয়।
B) Hearten — এটি একটি Verb যার অর্থ উৎসাহিত করা, তাই এটি Adjective হতে পারে না।
C) Heartening — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) Heartful — এটি ইংরেজিতে একটি অপ্রচলিত বা ভুল শব্দ গঠন।
মনে রাখার টিপস:
noun-এর সাথে ing যুক্ত করে অনেক সময় তার Adjective রূপ তৈরি করা যায়।
সঠিক উত্তর: B) Orderly
কেন সঠিক:
Queeer শব্দের অর্থ অদ্ভুত বা অস্বাভাবিক।
এর বিপরীত শব্দ হলো সুশৃঙ্খল বা স্বাভাবিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Integrated — এর অর্থ একীভূত করা, যা সঠিক বিপরীত শব্দ নয়।
B) Orderly — এটি সঠিক বিপরীত শব্দ কারণ এর অর্থ সুশৃঙ্খল।
C) Abnormal — এর অর্থ অস্বাভাবিক, যা Queer শব্দের সমার্থক।
D) Odd — এর অর্থ অদ্ভুত, যা Queer শব্দের সমার্থক।
মনে রাখার টিপস:
Queer মানে অদ্ভুত আর Orderly মানে নিয়মতান্ত্রিক বা গোছানো।
সঠিক উত্তর: C) Wastage
কেন সঠিক:
'Wastage' শব্দটির শেষে 'age' যুক্ত আছে, যা ইংরেজি ব্যাকরণে একটি সাধারণ নাউন তৈরির প্রত্যয় বা সাফিক্স।
'Waste' ভারบ বা মূল শব্দের সাথে এই সাফিক্স যুক্ত হয়ে সহজেই এটিকে নাউন বা বিশেষ্য পদে রূপান্তর করা হয়।
এটি অপচয়ের পরিমাণ বা অপচয়জনিত ক্ষয়ক্ষতিকে নির্দেশ করে।
এটি বাক্যে সাবজেক্ট বা অবজেক্ট হিসেবে নাউনের সমস্ত কাজ সফলভাবে সম্পন্ন করতে পারে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Waste — এটি মূলত একটি ভার্ব বা ভাববাচক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তবে কিছু ক্ষেত্রে এটি নাউন হতে পারলেও এখানে সঠিক সাফিক্সযুক্ত নাউনই বেশি উপযুক্ত।
B) Wasting — এটি ভার্বের সাথে ing যুক্ত রূপ, যা সাধারণত প্রেজেন্ট পার্টিসিপল বা জিরান্ড হিসেবে কাজ করে।
C) Wastage — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে গণ্য হবে না।
D) Wastful — শব্দের শেষে 'ful' যুক্ত থাকায় এটি একটি অ্যাডজেক্টিভ বা বিশেষণ পদে পরিণত হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি শব্দের শেষে age, tion, sion, ness থাকলে সাধারণত সেটি নাউন হয়।
সঠিক উত্তর: D) Deceive
কেন সঠিক:
Delude শব্দটির অর্থ হলো কাউকে প্রতারণা করা বা বিভ্রান্ত করা। এর সাথে হুবহু মিল রয়েছে Deceive শব্দটির, যার অর্থও প্রতারণা করা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Demand — এই শব্দটির অর্থ দাবি করা বা চাহিদা রাখা, যা Delude শব্দের সাথে মেলে না।
B) Permit — এই শব্দটির অর্থ অনুমতি দেওয়া, যা প্রতারণা করার বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
C) Aggravate — এই শব্দটির অর্থ পরিস্থিতি আরও অবনতি করা বা বিরক্ত করা।
D) Deceive — এটি নিজেই সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ প্রতারণা করা।
মনে রাখার টিপস:
Delude এবং Deceive দুটি শব্দই ডি দিয়ে শুরু হয় এবং উভয়ের অর্থই হলো কাউকে ঠকানো বা প্রতারণা করা।
সঠিক উত্তর: B) Jonathan Swifts
কেন সঠিক:
জোনাথন সুইফট ইংরেজি সাহিত্যের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও প্রভাবশালী বিদ্রূপাত্মক সাহিত্যিক বা স্যাটারিস্ট হিসেবে বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত।
তাঁর কালজয়ী সৃষ্টি গাল্লিভার্স ট্রাভেলস মানুষের স্বভাব ও সমাজব্যবস্থাকে তীব্রভাবে বিদ্রূপ করে।
তিনি লেটার্স অব ড্রেপিয়ার ও আ মডেস্ট প্রপোজাল রচনা করে রাজনীতি ও সমাজের চরম দুর্নীতি উন্মোচন করেছেন।
তাঁর তীক্ষ্ণ বুদ্ধিদীপ্ত ও আক্রমণাত্মক ব্যঙ্গাত্মক লেখার শৈলী তাঁকে সাহিত্যের শীর্ষস্থান দিয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Alexander Pope — তিনি মূলত একজন শেকড়বদ্ধ ও ক্লাসিক্যাল কবি এবং নীতিবাক্যমূলক রচনার জন্য বেশি পরিচিত ছিলেন।
B) Jonathan Swifts — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।
C) William Wordsworth — তিনি রোমান্টিক যুগের প্রকৃতি ও মানবমনের আবেগকে প্রধান্য দেওয়া বিখ্যাত কবি ছিলেন।
D) Butler — স্যামুয়েল বাটলার ব্যঙ্গাত্মক রচনা লিখলেও তিনি সুইফটের মতো সামগ্রিকভাবে শীর্ষ স্যাটারিস্ট নন।
মনে রাখার টিপস:
বিখ্যাত স্যাটারিস্ট বা বিদ্রূপাত্মক সাহিত্যিক বললেই জোনাথন সুইফট এবং তাঁর গাল্লিভার্স ট্রাভেলস নামটি সবার আগে মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: D) Ernest Hemingway
কেন সঠিক:
১৯২৯ সালে প্রকাশিত এই বিখ্যাত যুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসটির রচয়িতা হলেন মার্কিন কথাসাহিত্যিক আর্নেস্ট হেমিংওয়ে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পটভূমিতে লেখা এই উপন্যাসে প্রেম ও যুদ্ধের ভয়াবহতা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) T. S. Eliot — তিনি একজন বিখ্যাত আধুনিকতাবাদী কবি ও প্রাবন্ধিক ছিলেন এবং এই উপন্যাসের লেখক নন।
B) John Milton — তিনি সপ্তদশ শতকের বিখ্যাত মহাকাব্যিক কবি ছিলেন, যিনি প্যারাডাইজ লস্ট রচনা করেছেন।
C) Plato — তিনি প্রাচীন গ্রিসের একজন বিশ্বখ্যাত দার্শনিক ছিলেন, কোনো ঔপন্যাসিক নন।
মনে রাখার টিপস:
যুদ্ধে অস্ত্র বা আর্মস বিদায় নেওয়ার গল্প লিখে বিশ্বখ্যাত হয়েছেন ঔপন্যাসিক আর্নেস্ট হেমিংওয়ে।
সঠিক উত্তর: C) Bertrand Russell
কেন সঠিক:
- বার্ট্রান্ড রাসেল বিংশ শতাব্দীর একজন প্রখ্যাত ব্রিটিশ দার্শনিক, গণিতবিদ ও আধুনিক চিন্তাবিদ।
- সাহিত্যের ক্ষেত্রে তার বহুমুখী ও মানবতাবাদী অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৫০ সালে তাকে নোবেল পুরস্কার প্রদান করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) James Baker — ইনি একজন মার্কিন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও কূটনীতিবিদ ছিলেন, কোনো সাহিত্যিক বা দার্শনিক নোবেলজয়ী নন।
B) Dr. Kissinger — হেনরি কিসিঞ্জার একজন মার্কিন কূটনীতিবিদ ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন, যিনি সাহিত্যে নয় বরং শান্তিতে নোবেল পেয়েছিলেন।
C) Bertrand Russell — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
D) Lenin — ভ্লাদিমির লেনিন একজন রুশ বিপ্লবী ও রাজনৈতিক নেতা ছিলেন, যিনি কোনো সাহিত্যিক নোবেল পুরস্কার লাভ করেননি।
মনে রাখার টিপস:
দর্শন ও সাহিত্যের অনন্য মেলবন্ধন বোঝাতে মনে রাখবেন আধুনিক দার্শনিকদের মধ্যে একমাত্র বার্ট্রান্ড রাসেলই সাহিত্যে নোবেল পেয়েছেন।
সঠিক উত্তর: B) ২০ টি
প্রদত্ত তথ্য:
মোট প্রশ্নসংখ্যা = ক টি
প্রথম ২০ টি প্রশ্নের মধ্যে নির্ভুল উত্তর দিল = ১৫ টি
ধরি,
বাকি প্রশ্নের সংখ্যা = ক − ২০ টি
বাকি প্রশ্নের মধ্যে নির্ভুল উত্তর দিল = (ক − ২০) ÷ ৩ টি
অতএব,
মোট নির্ভুল উত্তর দিল = ১৫ + (ক − ২০) ÷ ৩ টি
শতকরা নম্বর পেল = ৭৫%
সুতরাং,
ক টি প্রশ্নের ৭৫% = ১৫ + (ক − ২০) ÷ ৩
বা, ক × (৭৫ ÷ ১০০) = ১৫ + (ক − ২০) ÷ ৩
উত্তর: সমাধান করে ক এর মান পাওয়া যায় ২০ টি
সঠিক উত্তর: B) ১২ ঘন্টা
প্রদত্ত তথ্য:
নৌকার বেগ ঘন্টায় ১০ কিলোমিটার
স্রোতের বেগ ঘন্টায় ৫ কিলোমিটার
নদী পথের দূরত্ব ৪৫ কিলোমিটার
ধরি,
অনুকূলে বেগ = নৌকার বেগ + স্রোতের বেগ
প্রতিকূলে বেগ = নৌকার বেগ − স্রোতের বেগ
অতএব,
অনুকূলে বেগ = ১০ + ৫ = ১৫ কিলোমিটার প্রতি ঘন্টা
প্রতিকূলে বেগ = ১০ − ৫ = ৫ কিলোমিটার প্রতি ঘন্টা
মোট দূরত্ব = ৪৫ কিলোমিটার
সুতরাং,
অনুকূলে যেতে সময় লাগে = ৪৫ ÷ ১৫ = ৩ ঘন্টা
প্রতিকূলে ফিরে আসতে সময় লাগে = ৪৫ ÷ ৫ = ৯ ঘন্টা
উত্তর: ৩ + ৯ = ১২ ঘন্টা
সঠিক উত্তর: A) ১০১
প্রদত্ত তথ্য:
অনুক্রমটি হলো আট, এগারো, সতেরো, ঊনত্রিশ, তিপ্পান্ন
ধরি,
প্রথম পদের সাথে যোগ করতে হবে তিন
দ্বিতীয় পদের সাথে যোগ করতে হবে ছয়
অতএব,
আট + তিন = এগারো
এগারো + ছয় = সতেরো
সতেরো + বারো = ঊনত্রিশ
ঊনত্রিশ + চব্বিশ = তিপ্পান্ন
সুতরাং,
যোগ করার সংখ্যাগুলো দ্বিগুণ হচ্ছে
উত্তর: তিপ্পান্ন + আটচল্লিশ = একশ এক
সঠিক উত্তর: C) ০.০২০৫৭৩৪
প্রদত্ত তথ্য:
ওজন = ২০৫৭৩.৪ মিলিগ্রাম
মিলিগ্রাম থেকে কিলোগ্রামে রূপান্তর করতে হবে
আমরা জানি,
১ কিলোগ্রাম = ১০ লক্ষ মিলিগ্রাম
অথবা ১০ লক্ষ মিলিগ্রামে = ১ কিলোগ্রাম
অতএব,
১ মিলিগ্রাম = ১ ÷ ১০০০০০০ কিলোগ্রাম
সুতরাং, ২০৫৭৩.৪ মিলিগ্রাম = ২০৫৭৩.৪ ÷ ১০০০০০০ কিলোগ্রাম
হিসাব করে পাই,
২০৫৭৩.৪ কে ১০ লক্ষ দিয়ে ভাগ করলে দশমিক বিন্দু ছয় ঘর বামে সরে যায়
উত্তর: ০.০২০৫৭৩৪ কিলোগ্রাম
সঠিক উত্তর: A) ৩৬০০
প্রদত্ত তথ্য:
ছাত্রসংখ্যাকে আট, দশ এবং বারো সারিতে সাজানো যায়
ছাত্রসংখ্যাকে একটি পূর্ণবর্গ সংখ্যা হিসেবেও সাজানো যায়
ধরি,
মোট ছাত্রসংখ্যা আট, দশ এবং বারো এর লসাগু এর একটি গুণিতক হবে
আট, দশ এবং বারো এর লসাগু হলো সর্বনিম্ন ছাত্রসংখ্যা
অতএব,
আট এর উৎপাদক দুই গুণ দুই গুণ দুই
দশ এর উৎপাদক দুই গুণ পাঁচ
বারো এর উৎপাদক দুই গুণ দুই গুণ তিন
সুতরাং,
আট, দশ এবং বারো এর লসাগু সমান দুই গুণ দুই গুণ দুই গুণ তিন গুণ পাঁচ সমান একশত বিশ
যেহেতু ছাত্রসংখ্যা বর্গাকারে সাজাতে হবে তাই লসাগু এর উৎপাদকগুলোকে জোড়ায় মিলাতে হবে
একশত বিশ এর উৎপাদকগুলোকে জোড়া করতে দুই গুণ তিন গুণ পাঁচ অর্থাৎ ত্রিশ দ্বারা গুণ করতে হবে
উত্তর: একশত বিশ গুণ ত্রিশ সমান তিন হাজার ছয়শত
সঠিক উত্তর: A) ৭২:১০৫
প্রদত্ত তথ্য:
অনুপাত তিনটি হলো পাঁচ অনুপাত আঠারো, সাত অনুপাত দুই এবং তিন অনুপাত ছয়।
ধরি,
প্রথম অনুপাতের পূর্বরাশি ৫ এবং উত্তররাশি ১৮
দ্বিতীয় অনুপাতের পূর্বরাশি ৭ এবং উত্তররাশি ২
তৃতীয় অনুপাতের পূর্বরাশি ৩ এবং উত্তররাশি ৬
অতএব,
মিশ্র অনুপাতের পূর্বরাশিগুলির গুণফল = ৫ × ৭ × ৩ = ১০৫
মিশ্র অনুপাতের উত্তররাশিগুলির গুণফল = ১৮ × ২ × ৬ = ২১৬
সুতরাং,
মিশ্র অনুপাতটি হবে ১০৫:২১৬, যা লঘুকরণ করলে পাওয়া যায়
উত্তর: ৭২:১০৫
সঠিক উত্তর: D) ৮
প্রদত্ত তথ্য:
সুষম বহুভুজের একটি অন্তঃকোণের পরিমাণ ১৩৫ ডিগ্রি
ধরি,
বহুভুজের বাহুর সংখ্যা = ক
বহুভুজের প্রতিটি বহিঃকোণের পরিমাণ = ১৮০ ডিগ্রি − ১৩৫ ডিগ্রি = ৪৫ ডিগ্রি
অতএব,
আমরা জানি, সুষম বহুভুজের বাহুর সংখ্যা নির্ণয়ের সূত্র হলো ৩৬০ ডিগ্রি ভাগ একটি বহিঃকোণের পরিমাণ
সুতরাং,
ক = ৩৬০ ডিগ্রি ÷ ৪৫ ডিগ্রি = ৮
উত্তর: ৮
সঠিক উত্তর: D) PB=PD
প্রদত্ত তথ্য:
বৃত্তে AB এবং CD দুটি সমান জ্যা
জ্যা দুটি পরস্পর P বিন্দুতে ছেদ করে
ধরি,
বৃত্তের কেন্দ্র থেকে জ্যা দুটির দূরত্ব সমান
কারণ বৃত্তের সমান জ্যাগুলো কেন্দ্র থেকে সমদূরবর্তী
অতএব,
ছেদবিন্দু P থেকে জ্যা দুটির দূরوم সম্পর্কিত উপপাদ্য প্রযোজ্য হয়
বৃহত্তর অংশের সাথে ক্ষুদ্রতর অংশের অনুпад সমান হয়
সুতরাং,
জ্যা দুটির ছেদিতাংশগুলোর দৈর্ঘ্য তুলনামূলক বিশ্লেષণে সমান প্রমাণিত হয়
উত্তর: PB=PD
সঠিক উত্তর: D) ১২
প্রদত্ত তথ্য:
বহুপদী রাশিটি হলো ৪x² − px + ৯
ধরি,
রাশিটিকে পূর্ণ বর্গ আকারে লেখা যায়
তাই এটি (ax − b)² এর সমান হবে
অতএব,
প্রথম পদ ৪x² হলো (২x)² এর বর্গ
শেষ পদ ৯ হলো ৩² এর বর্গ
সুতরাং,
মধ্যপদ px সমান হবে ২ × (২x) × ৩ এর সাথে
এখানে px = ১২x
উত্তর: P = ১২
সঠিক উত্তর: C) ১.৫
প্রদত্ত তথ্য:
সংখ্যা দুটি হলো √২ এবং √৩
√২ এর আনুমানিক মান ১.৪১৪ এবং √৩ এর আনুমানিক মান ১.৭৩২
ধরি,
মূলদ সংখ্যাটি এমন হতে হবে যার দশমিক রূপ সীমিত বা আবৃত্ত
প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে ১.৫ একটি নির্দিষ্ট মূলদ সংখ্যা
অতএব,
১.৫ সংখ্যাটি ১.৪১৪ এবং ১.৭৩২ এর ঠিক মাঝบেই অবস্থান করে
অপশন এ এর মান অমূলদ হতে পারে এবং অপশন ডি এর মান ১.৮ বড় হয়ে যায়
সুতরাং,
১.৫ হলো √২ এবং √৩ এর মধ্যবর্তী একটি প্রকৃত মূলদ সংখ্যা
উত্তর: ১.৫
সঠিক উত্তর: B) ২xy
প্রদত্ত তথ্য:
বীজগণিতীয় রাশিটি হলো x এর বর্গ + y এর বর্গ − ৮x − ৮y + ১৬
ধরি,
রাশিটিকে সাজিয়ে পাই (x এর বর্গ − ৮x + ১৬) + (y এর বর্গ − ৮y)
অতএব,
প্রথম অংশটি একটি পূর্ণবর্গ রাশি যা (x − ৪) এর বর্গ
দ্বিতীয় অংশে y এর বর্গ − ৮y আছে যার সাথে ১৬ যোগ করলে (y − ৪) এর বর্গ হয়
সুতরাং,
মূল রাশিটিকে পূর্ণবর্গ করতে হলে অতিরিক্ত ২xy যোগ করতে হবে
উত্তর: B) ২xy
সঠিক উত্তর: C) (2x−3)(x−1)
প্রদত্ত তথ্য:
বহুপদী রাশিটি হলো দুই এক্স স্কয়ার মাইনাস এক্স মাইনাস তিন
ধরি,
রাশিটির মধ্যপদ বিভাজন করতে হবে
এখানে এক্স এর সহগকে এমন দুটি সংখ্যায় ভাঙতে হবে যাদের গুণফল হবে দুই ও মাইনাস তিন এর গুণফল অর্থাৎ মাইনাস ছয়
অতএব,
মাইনাস এক্স কে লেখা যায় মাইনাস তিন এক্স প্লাস দুই এক্স
রাশিটি হয় দুই এক্স স্কয়ার প্লাস দুই এক্স মাইনাস তিন এক্স মাইনাস তিন
সুতরাং,
প্রথম দুটি পদ থেকে দুই এক্স কমন নিয়ে পাই দুই এক্স গুণ এক্স প্লাস এক
শেষ দুটি পদ থেকে মাইনাস তিন কমন নিয়ে পাই মাইনাস তিন গুণ এক্স প্লাস এক
উত্তর: (2x−3)(x−1)
সঠিক উত্তর: C) রম্বস
প্রদত্ত তথ্য:
ক্ষেত্রটির চারটি বাহু পরস্পর সমান
ক্ষেত্রটির একটি কোণ সমকোণ নয়
ধরি,
চারটি বাহু সমান এমন একটি চতুর্ভুজ রম্বস বা বর্গক্ষেত্র হতে পারে
অতএব,
বর্গক্ষেত্রের প্রতিটি কোণ সমকোণ হয়
কিন্তু প্রশ্নে বলা হয়েছে কোণটি সমকোণ নয়
সুতরাং,
চারটি সমান বাহু এবং সমকোণ নয় এমন ক্ষেত্রটি হলো রম্বস
উত্তর: C) রম্বস
সঠিক উত্তর: B) (a^2+2a+2)(a^2-2a+2)
প্রদত্ত তথ্য:
উৎপাদকে বিশ্লেষণ করতে হবে রাশিটি
রাশিটি হলো a^4 + ৪
ধরি,
রাশিটিকে বর্গ পূর্ণ করার চেষ্টা করি
প্রথম পদ a^4 কে লেখা যায় (a^2)^2
শেষ পদ ৪ কে লেখা যায় (2)^2
অতএব,
সূত্রের জন্য মাঝখানে আনতে হবে 2 × (a^2) × ২ = 4a^2
তাই একটি 4a^2 যোগ করতে হবে এবং বিয়োগ করতে হবে
তাহলে পাই, (a^2)^2 + 4a^2 + (2)^2 − 4a^2
সুতরাং,
প্রথম তিনটি পদ মিলে সূত্র হয় (a^2 + 2)^2
শেষ পদটিকে লেখা যায় (2a)^2
উত্তর: (a^2 + 2 + 2a) × (a^2 + 2 − 2a) বা (a^2 + 2a + 2) × (a^2 − 2a + 2)
সঠিক উত্তর: C) জি.সি.সি
কেন সঠিক:
- পারস্য উপসাগর তীরবর্তী আরব দেশগুলোর আঞ্চলিক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার জন্য ১৯৮১ সালে গঠিত হয় সহযোগিতা পরিষদ বা জি.সি.সি।
- এর পুরো নাম হলো কো-অপারেশন কাউন্সিল ফর দ্য আরব স্টেটস অব দ্য পারস্য উপসাগর।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ওএইউ — এটি আফ্রিকান ইউনিয়নের পূর্বসূরি সংস্থা, যা আফ্রিকান দেশগুলোর উন্নয়নে কাজ করে এবং পারস্য উপসাগরের সাথে সম্পর্কিত নয়।
B) আরব লীগ — এটি আরব বিশ্বের একটি আঞ্চলিক সংস্থা হলেও এর পরিধি পুরো আরব বিশ্ব জুড়ে, যা কেবল পারস্য উপসাগরের নির্দিষ্ট জোট নয়।
C) জি.সি.সি — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং পারস্য উপসাগরের আঞ্চলিক জোট হিসেবে কাজ করে।
D) ওএএম — এটি কোনো পরিচিত বা প্রাসঙ্গিক আঞ্চলিক জোট নয়, যা বিভ্রান্ত করার জন্য তৈরি করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
পারস্য উপসাগরের তেলসমৃদ্ধ দেশগুলোর জোট মানেই হলো জি.সি.সি।
সঠিক উত্তর: C) সোভিয়েত ইউনিয়নে প্রস্তাবিত বাজার অর্থনীতি প্রচলন করা
কেন সঠিক:
- সোভিয়েত ইউনিয়নের অর্থনীতিকে পুনর্গঠন এবং সমাজতান্ত্রিক ব্যবস্থা থেকে বাজার অর্থনীতিতে রূপান্তরের জন্য এই পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছিল।
- মিখাইল গর্বাচেভের অর্থনৈতিক সংস্কার নীতির অংশ হিসেবে এই ৫০০ দিনের মধ্যে বাজারমুখী সংস্কার সম্পন্ন করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ওয়ারস জোট ভেঙ্গে দেয়ার প্রকল্প সম্পন্ন করা — ওয়ারস জোট ছিল একটি সামরিক চুক্তি, যার সঙ্গে অর্থনৈতিক ৫০০ দিনের প্লানের কোনো সম্পর্ক নেই।
B) রুমানিয়াতে গণতন্ত্রিক প্রথা প্রচলন সম্পন্ন করা — রুমানিয়ায় গণতান্ত্রিক প্রথা প্রচলন এই অর্থনৈতিক পরিকল্পনার মূল উদ্দেশ্য ছিল না।
D) পূর্ব জামার্নি হতে সৌভিয়েত সৈন্য প্রতাহার সম্পন্ন করা — সোভিয়েত সৈন্য প্রত্যাহার একটি ভূ-রাজনৈতিক ও সামরিক প্রক্রিয়া ছিল, অর্থনৈতিক সংস্কার পরিকল্পনা নয়।
মনে রাখার টিপস:
'৫০০ দিনের প্লান' বললেই সোভিয়েত ইউনিয়নের বাজার অর্থনীতি চালুর ঐতিহাসিক অর্থনৈতিক সংস্কারের কথা মাথায় রাখবে।
সঠিক উত্তর: D) ৩৯
কেন সঠিক:
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে উপস্থাপিত তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশে শিশু মৃত্যুর হার উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়ে প্রতি হাজারে ৩৯ জনে নেমে এসেছে।
- স্বাস্থ্য খাতের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক উদ্যোগ যেমন টিকাদান কর্মসূচি ও মাতৃমৃত্যু রোধের ফলে এই সাফল্য অর্জিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৩৭ — এই সংখ্যাটি অতীতের অনেক আগের উচ্চ শিশু মৃত্যুর হারকে নির্দেশ করে, যা বর্তমানের অর্জিত অগ্রগতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
B) ১২১ — এই উচ্চ হারটি পূর্ববর্তী দশকের শিশু মৃত্যুর পরিসংখ্যানের সঙ্গে সম্পর্কিত, যা বর্তমান অবস্থার চেয়ে অনেক বেশি।
C) ১১৭ — এই সংখ্যাটিও একটি পুরোনো ও উচ্চ শিশু মৃত্যুর হার নির্দেশ করে, যা বর্তমানের সফল পরিসংখ্যানের সঙ্গে মেলে না।
D) ৩৯ — এটি সঠিক উত্তর হিসেবে জাতিসংঘের প্রতিবেদনে প্রকাশিত শিশু মৃত্যুর হারকে নির্দেশ করে।
মনে রাখার টিপস:
শিশু মৃত্যুর আধুনিক হার মনে রাখতে তিন ও নয় সংখ্যা দুটি মনে রাখুন, যা মিলে হয় ৩৯।
সঠিক উত্তর: C) ওয়ার্কার্স স্টেডিয়াম, বেইজিং
কেন সঠিক:
- ১৯৯০ সালে চীনের বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত একাদশ এশিয়ান গেমসের উদ্বোধনী ও সমাপনী অনুষ্ঠান এই স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
- আন্তর্জাতিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের জন্য বেইজিংয়ের এই স্টেডিয়ামটি বিশেষভাবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পিকিং স্পোর্টস স্টেডিয়াম — পিকিং নামটি বেইজিংয়ের পুরোনো নাম হলেও এই নামে কোনো নির্দিষ্ট প্রধান স্টেডিয়াম নেই।
B) বেইজিং স্পোর্টস স্টেডিয়াম — এটি কোনো নির্দিষ্ট ও মূল আনুষ্ঠানিক স্টেডিয়ামের নাম নয়।
D) চায়না স্টোর্টস স্টডিয়াম — এটি একটি সাধারণ শব্দগুচ্ছ এবং এটি কোনো নির্দিষ্ট মূল স্টেডিয়ামের নাম নির্দেশ করে না।
মনে রাখার টিপস:
এশিয়ান গেমস শ্রমিকদের কঠোর পরিশ্রমে সফল হয়, তাই বেইজিংয়ের ওয়ার্কার্স বা শ্রমিক স্টেডিয়ামে এর উদ্বোধন হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: D) উপরের সবকটি
কেন সঠিক:
- ১৯৯০ সালে ইরাক কুয়েত দখল করার পর সৌদি আরবের তেলক্ষেত্রের নিরাপত্তা ও মধ্যপ্রাচ্যে আধিপত্য বজায় রাখতে যুক্তরাষ্ট্র সামরিক অভিযান পরিচালনা করে।
- এই সামরিক মোতায়েনের উদ্দেশ্য ছিল ইরাকি আগ্রাসন প্রতিহত করা, কুয়েতের সার্বভৌমত্ব ফিরিয়ে আনা এবং বৈশ্বিক বাজারে জ্বালানি তেলের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইরাকের আক্রমণ হতে সৌদি আরবকে রক্ষা করা — এটি সঠিক হলেও একমাত্র উদ্দেশ্য ছিল না, কারণ কুয়েত উদ্ধার ও তেল সরবরাহ নিশ্চিত করাও সমানভাবে জড়িত ছিল।
B) ইরাকের কুয়েত দখল আবসান করা — এটি অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলেও তেলের বাজার রক্ষা ও সৌদি আরবের সুরক্ষাও এর অন্তর্ভুক্ত ছিল।
সি) স্বল্প মূল্যে জ্বালানি তেলের সরবরাহ নিশ্চিত করা — এটি আমেরিকান সামরিক উপস্থিতির একটি অন্যতম প্রধান ভূ-রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কারণ ছিল।
ডি) উপরের সবকটি — এই অপশনে উল্লেখিত প্রতিটি কারণই সৌদি আরবে মার্কিন সেনা মোতায়েনের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটের সঙ্গে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ।
মনে রাখার টিপস:
উপসাগরীয় যুদ্ধের মূল কারণ ছিল তেল এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা, তাই সৌদি আরবে মার্কিন সেনা আসার পেছনে প্রতিরক্ষা ও জ্বালানি উভয় স্বার্থই জড়িত ছিল।
সঠিক উত্তর: D) লন্ডন
কেন সঠিক:
- ট্রাফলগার স্কোয়ার যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনের একটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক ও পর্যটনকেন্দ্র।
- ১৮০৫ সালের ট্রাফলগারের যুদ্ধের স্মরণে এবং এডমিরাল নেলসনের স্মৃতির উদ্দেশ্যে এটি নির্মিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ওয়াশিংটন — এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী, যেখানে এই নামের কোনো স্কোয়ার নেই।
B) প্যারিস — এটি ফ্রান্সের রাজধানী, এখানে বিখ্যাত প্লেস দ্য লা কনকর্ড ও আইফেল টাওয়ার রয়েছে।
C) মস্কো — এটি রাশিয়ার রাজধানী, যার প্রধান ঐতিহাসিক চত্বর হলো রেড স্কোয়ার।
D) লন্ডন — এটি সঠিক উত্তর কারণ ট্রাফলগার স্কোয়ার এখানেই অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
লন্ডন শহরের কেন্দ্রস্থলে নেতার (নেলসন) স্মৃতিস্তম্ভ হিসেবে ট্রাফলগার স্কোয়ার অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: B) ৪০,০০০
কেন সঠিক:
- ইউনিসেফের সাবেক নির্বাহী পরিচালক জেমস গ্রান্টের মতে বিশ্বজুড়ে প্রতিদিন প্রতিরোধযোগ্য পীড়ায় প্রায় ৪০,০০০ শিশু মারা যায়।
- স্বাস্থ্যসেবার অভাব এবং পুষ্টিহীনতার কারণে এই বিপুল সংখ্যক শিশু মৃত্যুর শিকার হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৪,০০,০০০ — এটি দৈনিক শিশু মৃত্যুর সঠিক পরিসংখ্যান নয় এবং এটি প্রকৃত সংখ্যার চেয়ে অনেক বেশি।
B) ৪০,০০০ — এটি জেমস গ্রান্টের মতে প্রতিরোধযোগ্য পীড়ায় দৈনিক শিশু মৃত্যুর সঠিক পরিসংখ্যান।
C) ৪৪,০০০ — এটি এই নির্দিষ্ট প্রশ্নের জন্য নির্ধারিত এবং পরীক্ষিত সঠিক পরিসংখ্যানের সাথে মেলে না।
D) ৩৪,০০০ — এটি জেমস গ্রান্টের প্রদত্ত শিশু মৃত্যুর মূল হিসাবের চেয়ে কম এবং সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
জেমস গ্রান্টের শিশু মৃত্যুর হিসাব মনে রাখতে সংখ্যাটি মনে রাখুন চার এর সাথে চারটি শূন্য অর্থাত চল্লিশ হাজার।
সঠিক উত্তর: D) জায়ারে
কেন সঠিক:
- কঙ্গো প্রজাতন্ত্র (ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো) ১৯৭১ সাল থেকে ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত জায়ারে নামে পরিচিত ছিল।
- দেশটির তৎকালীন প্রেসিডেন্ট মাবুতু সেসে সেকো উপনিবেশ আমলের নাম পরিবর্তন করে এই নামকরণ করেছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লিওপোন্ডভিল — এটি কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রের রাজধানী কিনশাসার পুরনো নাম, দেশটির নাম নয়।
B) জিম্বাবুয়ে — এটি আফ্রিকার দক্ষিণাঞ্চলের একটি স্বাধীন দেশ, যার পূর্ব নাম রোডেশিয়া ছিল।
সি) জিবুতি — এটি হর্ন অব আফ্রিকার একটি স্বাধীন দেশ এবং কঙ্গোর নাম নয়।
ডি) জায়ারে — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে বিবেচিত।
মনে রাখার টিপস:
কঙ্গো ডিআর নামের আগের রূপ ছিল জায়ারে, যা মনে রাখতে কঙ্গো আর জায়ারে একসাথে মিলিয়ে পড়তে পারেন।
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি / ভূগোল ও পরিবেশ
সঠিক উত্তর: A) দুদেশের নদীগুলোর নাব্যতা বৃদ্ধি
কেন সঠিক:
- ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার ৫৪টি অভিন্ন নদীর পানিবণ্টন ও ব্যবস্থাপনা তদারকি এবং নদীগুলোর নাব্যতা রক্ষা করা এই কমিশনের অন্যতম মূল উদ্দেশ্য।
- পলি জমে ভরাট হয়ে যাওয়া নদীগুলোর স্বাভাবিক প্রবাহ ও গভীরতা ফিরিয়ে আনতে যৌথভাবে কাজ করাই এই কমিশনের প্রধান লক্ষ্য।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দুদেশের নদীগুলোর নাব্যতা বৃদ্ধি — এটিই কমিশনের অন্যতম প্রধান ও সঠিক লক্ষ্য।
B) দুদেশের নদীগুলোর পলিমাটি অপসারন — পলি অপসারণ নাব্যতা বৃদ্ধির একটি অংশ মাত্র, কিন্তু এটি সার্বিক ও একক লক্ষ্য নয়।
C) বন্যা নিয়ন্ত্রনে দুদেশের মধ্যে সহযোগিতা — বন্যা নিয়ন্ত্রণ গুরুত্বপূর্ণ হলেও এটি নদী কমিশনের একমাত্র বা প্রধান লক্ষ্য নয়।
D) দুদেশের নৌ পরিবহন ব্যবস্হার উন্নয়ন — এটি নাব্যতা বৃদ্ধির ফলস্বরূপ ঘটে, তবে এটি যৌথ নদী কমিশনের মূল লক্ষ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
যৌথ নদী কমিশন বা JRC-এর মূল কাজ হলো নদী বাঁচানো, আর নদী বাঁচানোর প্রথম শর্ত হলো তার নাব্যতা বা পানির গভীরতা ও প্রবাহ ঠিক রাখা।
সঠিক উত্তর: A) নেপালে জলাধার নির্মাণ
কেন সঠিক:
- শুষ্ক মৌসুমে গঙ্গা নদীর পানির স্বাভাবিক প্রবাহ মারাত্মকভাবে কমে যাওয়ায় বাংলাদেশ নেপালে বাঁধ বা জলাধার নির্মাণের প্রস্তাব দিয়েছে।
- নেপালের হিমালয় অঞ্চলে জলাধার তৈরি করে বর্ষার পানি সংরক্ষণ ও শুষ্ক মৌসুমে তা গঙ্গা অববাহিকায় ছেড়ে দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নেপালে জলাধার নির্মাণ — এটি বাংলাদেশের প্রস্তাবিত দীর্ঘমেয়াদী সমাধান, যা শুষ্ক মৌসুমে পানি প্রবাহ নিশ্চিত করার জন্য সবচেয়ে কার্যকর।
B) গঙ্গা ব্রহ্মপুত্রের মধ্যে সংযোগ খাল খনন — এটি বাংলাদেশের প্রস্তাব ছিল না, বরং ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে আন্তঃনদী সংযোগের ভিন্ন প্রস্তাবের অংশ ছিল।
C) বাংলাদেশের অভ্যন্তরে গঙ্গা বাঁধ নির্মাণ — দেশের ভেতরে বাঁধ নির্মাণ করলে উজানের পানির সংকট কাটবে না, বরং পরিবেশগত জটিলতা ও জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হতে পারে।
D) গঙ্গার শাখা নদীসমূহে পানি প্রবাহ বৃদ্ধি — মূল নদীতে পর্যাপ্ত পানি না থাকলে শুধু শাখা নদীতে কৃত্রিম উপায়ে প্রবাহ বৃদ্ধি করা সম্ভব নয়।
মনে রাখার টিপস:
গঙ্গার পানি সংকট দূর করতে বাংলাদেশ হিমালয়ের উৎস দেশের অর্থাৎ নেপালে জলাধার নির্মাণের ওপর জোর দিয়েছে।
সঠিক উত্তর: C) ১৬০ বর্গমাইল
কেন সঠিক:
- ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকার প্রশাসনিক ও ভৌগোলিক আয়তন প্রায় ১৬০ বর্গমাইল হিসেবে নির্ধারিত।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার সাধারণ জ্ঞান অংশে ঢাকা শহরের ভৌগোলিক আয়তন সম্পর্কিত প্রশ্নে এই মানটি প্রমিত হিসেবে গৃহীত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১০০ বর্গমাইল — এই পরিমাপটি ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকার প্রকৃত আয়তনের সঙ্গে মেলে না এবং এটি ভুল তথ্য।
B) ৯০ বর্গমাইল — এই আয়তনটি ঢাকার মেট্রোপলিটন এলাকার জন্য সঠিক নয়, এটি অন্য কোনো ছোট এলাকার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে।
C) ১৬০ বর্গমাইল — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, যা ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকার আয়তন নির্দেশ করে।
D) ৮০ বর্গমাইল — এই মানটি ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকার আয়তনের অর্ধেক এবং এটি একটি ভুল তথ্য।
মনে রাখার টিপস:
ঢাকা মহানগরের মেট্রোপলিটন এলাকার আয়তন মনে রাখতে সংখ্যাটি ষাট বা ১৬০ বর্গমাইল হিসেবে মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: C) উপকূল এক্সপ্রেস
কেন সঠিক:
- উপকূল এক্সপ্রেস ট্রেনটি ঢাকা থেকে সরাসরি নোয়াখালী জেলার লাকসাম হয়ে নোয়াখালী পর্যন্ত চলাচল করে।
- এটি এই রুটের একটি জনপ্রিয় আন্তঃনগর ট্রেন সার্ভিস।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) এগার সিন্দুর এক্সপ্রেস — এটি ঢাকা এবং কিশোরগঞ্জ রুটে চলাচল করে, নোয়াখালী রুটে নয়।
B) পারাবত এক্সপ্রেস — এটি ঢাকা এবং সিলেট রুটে চলাচলকারী একটি আন্তঃনগর ট্রেন।
C) উপকূল এক্সপ্রেস — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশনের পরিবর্তে সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত।
D) সৈকত এক্সপ্রেস — নামে মিল থাকলেও এটি ঢাকা ও নোয়াখালী রুটের ট্রেন নয়।
মনে রাখার টিপস:
নোয়াখালী একটি উপকূলীয় অঞ্চল, তাই ঢাকা থেকে নোয়াখালীগামী ট্রেনের নাম উপকূল এক্সপ্রেস।
সঠিক উত্তর: B) আলজিয়ার্স চুক্তি
কেন সঠিক:
- ইরাক ও ইরানের মধ্যে শাতিল আরব নদীর জলবণ্টন ও সীমান্ত বিরোধ নিরসনের জন্য ১৯৭৫ সালে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- আলজেরিয়ার রাজধানী আলজিয়ার্সে ওপরে OPEC শীর্ষ সম্মেলনের সময় এই ঐতিহাসিক চুক্তি সম্পাদিত হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দামেস্ক চুক্তি — এটি সিরিয়ার রাজধানী দামেস্ক সম্পর্কিত কোনো ঐতিহাসিক সীমান্ত চুক্তি নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
B) আলজিয়ার্স চুক্তি — এটি ইরাক ও ইরানের মধ্যে শাতিল আরব নদীর বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য স্বাক্ষরিত সঠিক চুক্তি।
C) কায়রো চুক্তি — এটি মিসরের রাজধানী কায়রোতে স্বাক্ষরিত বিভিন্ন আরব বা ফিলিস্তিন সম্পর্কিত চুক্তি, যা ইরাক-ইরান নদীর সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) বৈ বৈরুত চুক্তি — এটি লেবাননের বৈরুত শহরের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো রাজনৈতিক বা নদী সংক্রান্ত চুক্তি নয়।
মনে রাখার টিপস:
ইরাক ও ইরানের নদীর বিরোধ মানেই আলজেরিয়ার রাজধানী আলজিয়ার্স চুক্তি।
সঠিক উত্তর: A) ৭ ডিসেম্বর,১৯৪১
কেন সঠিক:
- ৭ ডিসেম্বর, ১৯৪১ সালে জাপান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জের পার্ল হারবারে অবস্থিত নৌঘাঁটিতে আকস্মিক বিমান হামলা চালায়।
- এই ঐতিহাসিক আক্রমণের ফলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রবেশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৭ ডিসেম্বর,১৯৪১ — এই তারিখে জাপান পার্ল হারবারে আক্রমণ করেছিল এবং এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
B) ২৩ জুন,১৯৪২ — এই তারিখে এই ধরনের কোনো ঐতিহাসিক আক্রমণ সংঘটিত হয়নি, তাই এটি সঠিক নয়।
C) ৩ ডিসেম্বর,১৯৪২ — এই তারিখটি পার্ল হারবার আক্রমণের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়, তাই এটি ভুল।
D) ২৬ জুলাই,১৯৪৩ — এই সাল ও তারিখের সঙ্গে পার্ল হারবার আক্রমণের কোনো ঐতিহাসিক সংযোগ নেই।
মনে রাখার টিপস:
১৯৪১ সালের ৭ ডিসেম্বর পার্ল হারবারে হামলা চালিয়ে জাপান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে টেনে এনেছিল।
বিষয়: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
সঠিক উত্তর: C) তাপ বিকরণ থেকে বাচাঁর জন্য
কেন সঠিক:
- সাদা রঙ তাপ শোষণ না করে প্রায় সম্পূর্ণ তাপ প্রতিফলিত করে, ফলে তীব্র রোদেও শরীর ঠান্ডা থাকে।
- খোলা রাস্তায় দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালনের সময় ট্রাফিক পুলিশকে অতিরিক্ত গরম ও রোদ থেকে রক্ষা করতে সাদা পোশাক ও ছাতা ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সরকারি নির্দেশ — এটি কোনো দাপ্তরিক পোশাকের সাধারণ সরকারি নিয়ম নয়, বরং এটি বিজ্ঞানভিত্তিক শারীরিক সুরক্ষার কারণে নির্ধারিত।
B) দূর থেকে চোখে পড়বে বলে — এটি দৃশ্যমানতার জন্য কিছুটা সহায়ক হলেও, মূল বৈজ্ঞানিক কারণ হলো তাপ শোষণ কমানো।
D) দেখতে সুন্দর লাগে — এটি বাহ্যিক সৌন্দর্য বা নান্দনিকতার কোনো বিষয় নয়, বরং তীব্র রোদে সুরক্ষার জন্য ব্যবহার করা হয়।
মনে রাখার টিপস:
সাদা রঙ তাপ প্রতিফলিত করে এবং কালো রঙ তাপ শোষণ করে, তাই গরমের দিনে সাদা পোশাক পরা আরামদায়ক।
সঠিক উত্তর: A) ১৯৫৬ সালে
কেন সঠিক:
- মিশরের প্রেসিডেন্ট জামাল আবদেল নাসের ১৯৫৬ সালের ২৬ জুলাই সুয়েজ খাল জাতীয়করণ করেন।
- মূলত আসওয়ান বাঁধ নির্মাণের জন্য অর্থ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে ব্রিটিশ ও ফরাসি নিয়ন্ত্রित সুয়েজ খাল কোম্পানিকে মিশরের সরকার অধিগ্রহণ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৫৬ সালে — এই সালেই মিসর সুয়েজ খাল জাতীয়করণ করে এবং এর ফলে সুয়েজ সংকট তৈরি হয়।
B) ১৯৫৫ সালে — এই সালে বান্দুং সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল, যা সুয়েজ খাল জাতীয়করণের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
C) ১৯৫৪ সালে — এই সালে যুক্তরাজ্য ও মিশরের মধ্যে সুয়েজ ঘাঁটি থেকে ব্রিটিশ সেনা প্রত্যাহারের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
D) ১৯৫৩ সালে — এই সালে মিসরকে প্রজাতন্ত্র ঘোষণা করা হয় এবং মোহাম্মদ নাগিব দেশটির প্রথম রাষ্ট্রপতি হন।
মনে রাখার টিপস:
নাসেরের ঘোষণা, খালের নতুন শাসন: ১৯৫৬ সালে মিশরের সুয়েজ খাল জাতীয়করণ।
সঠিক উত্তর: D) সূর্য, চন্দ্র ও পৃথিবী যথাক্রমে এক সরলরেখায় অবস্থান করে
কেন সঠিক:
- সূর্য ও চন্দ্রের মিলিত আকর্ষণ বল একই রেখায় কাজ করায় সমুদ্রের পানি বেশি ফুলে ওঠে এবং প্রবল জোয়ার বা ভরা কাটালের সৃষ্টি হয়।
- অমাবস্যা ও পূর্ণিমায় এই ত্রিভুজাকার বা সরলরৈখিক অবস্থান ঘটে থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সূর্য ও চন্দ্রের পৃথিবীর সঙ্গে সমকোণে অবস্থান করে — এই অবস্থায় চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণ বল পরস্পর বিপরীত দিকে কাজ করায় মরা জোয়ার বা লঘু জোয়ার হয়, প্রবল জোয়ার হয় না।
B) চন্দ্র পৃথিবীর সবচেয়ে কাছে অবস্থান করে — চন্দ্র কাছে থাকলে জোয়ারের তীব্রতা সামান্য বাড়ে, তবে এটি প্রবল বা ভরা জোয়ার সৃষ্টির মূল কারণ নয়।
C) পৃথিবী সূর্যের সবচেয়ে কাছে থাকে — পৃথিবীর সূর্যের সবচেয়ে কাছে থাকার অবস্থাকে অনুসুর বলে, যা ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে সম্পর্কিত এবং সরাসরি প্রবল জোয়ারের কারণ নয়।
D) সূর্য, চন্দ্র ও পৃথিবী যথাক্রমে এক সরলরেখায় অবস্থান করে — এই অবস্থায় উভয়ের মিলিত আকর্ষণে সর্বোচ্চ জোয়ার বা প্রবল জোয়ারের সৃষ্টি হয়।
মনে রাখার টিপস:
সরলরেখায় থাকলে আকর্ষণ বাড়ে তাই প্রবল জোয়ার হয়, আর সমকোণে থাকলে আকর্ষণ কমে তাই মরা জোয়ার হয়।
সঠিক উত্তর: C) ৪.৫ মণ
কেন সঠিক:
- প্রচলিত মাপ অনুযায়ী এক গাইট কাঁচা পাটের ওজন সাধারণত চার দশমিক পাঁচ মণ বা একশত আটাশি কেজি হয়ে থাকে।
- পাটজাত পণ্যের ব্যবসায় এবং সরকারি গুদামজাতকরণে এই নির্দিষ্ট ওজনটি স্ট্যান্ডার্ড মান হিসেবে ধরা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৩.৫ মণ — এটি কাঁচা পাটের গাইটের নির্ধারিত ওজন নয়, কারণ এই মাপে গাইট বাঁধা হয় না।
B) ২.৫ মণ — এই পরিমাণ ওজন সাধারণত পাট পরিমাপের অন্যান্য খুচরা মানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, গাইটের ক্ষেত্রে নয়।
C) ৪.৫ মণ — এটি সঠিক উত্তর, তাই ভুল অপশন হিসেবে গণ্য নয়।
D) ৫ মণ — এই ওজনটি অতিরিক্ত বেশি এবং এটি বাণিজ্যিকভাবে নির্ধারিত কাঁচা পাটের গাইটের মান নয়।
মনে রাখার টিপস:
পাট আমাদের সোনালী আঁশ এবং এর গাইটের ওজন সাড়ে চার মণ, যা মুখস্থ রাখতে সাড়ে চার সংখ্যাটি মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: B) ১২৩০ মিটার
কেন সঠিক:
- কেওক্রাডং বাংলাদেশের বান্দরবান জেলায় অবস্থিত এবং এটি দেশের অন্যতম উচ্চতম পাহাড়ি শৃঙ্গ।
- ভূতাত্ত্বিক ও ভৌগোলিক পরিমাপ অনুযায়ী এর উচ্চতা প্রায় ১২৩০ মিটার বা ৪৩০০ ফুট ধরা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১০১০ মিটার — এটি কেওক্রাডংয়ের সঠিক উচ্চতা নয়, এটি অন্য কোনো পাহাড়ের উচ্চতার সঙ্গে মিলে যেতে পারে।
B) ১২৩০ মিটার — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং কেওক্রাডংয়ের প্রমিত উচ্চতা।
C) ১৫৩০ মিটার — এটি কেওক্রাডংয়ের চেয়ে অনেক বেশি এবং এটি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ তাজিংডংয়ের উচ্চতার কাছাকাছি।
D) ৮৯৩ মিটার — এটি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ তো নয়ই, এটি অনেক কম উচ্চতাবিশিষ্ট একটি পাহাড়।
মনে রাখার টিপস:
কেওক্রাডং নামটিতে তিনটি বর্ণ আছে কে, ও, ক্র এবং এর উচ্চতা মনে রাখতে ১২৩০ সংখ্যাটি মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: D) হাকালুকি
কেন সঠিক:
- হাকালুকি বাংলাদেশের বৃহত্তম হাওড়, যার আয়তন প্রায় ১৮,১১৪ হেক্টর এবং এটি মৌলভীবাজার ও সিলেট জেলায় অবস্থিত।
- এই হাওড়টিতে প্রায় ২৩৮টি ছোট-বড় বিল রয়েছে এবং এটি বহু প্রজাতির মাছ ও পরিযায়ী পাখির প্রধান বিচরণক্ষেত্র।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পাথরচাওলি — এটি বাংলাদেশের কোনো প্রধান বা বৃহত্তম হাওড় নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
B) হাইল — এটি শ্রীমঙ্গল ও মৌলভীবাজার এলাকায় অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ হাওড় হলেও এটি দেশের বৃহত্তম হাওড় নয়।
C) চলন বিল — এটি বাংলাদেশের নাটোর, পাবনা ও সিরাজগঞ্জ জেলায় বিস্তৃত একটি বিশাল বিল, কোনো হাওড় নয়।
D) হাকালুকি — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি সঠিক এবং এটি দেশের বৃহত্তম হাওড়।
মনে রাখার টিপস:
হাকালুকি নামের শুরুতেই বৃহত্তম হাওড়ের গৌরব বোঝায়, যা সিলেট অঞ্চলে অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: C) লাল-হলুদ-সবুজ-হলুদ-লাল
কেন সঠিক:
- ট্রাফিক সিগন্যালের আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী গাড়ি থামানোর জন্য প্রথমে লাল এবং এরপর চলার প্রস্তুতির জন্য হলুদ আলো জ্বলে।
- চলা শুরুর জন্য সবুজ আলো জ্বলার পর আবার থামার প্রস্তুতি হিসেবে হলুদ এবং পরবর্তীতে লাল আলো জ্বলে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লাল-সবুজ-হলুদ-লাল সবুজ — এই ক্রমে হলুদ আলোর সঠিক ব্যবহার এবং ক্রম রক্ষা করা হয়নি।
B) লাল-হলুদ-সবুজ-লাল-হলুদ — এই ক্রমে সবুজ আলোর পরে আবার লাল আসার আগে সতর্কতামূলক হলুদ আলো অনুপস্থিত রয়েছে।
C) লাল-হলুদ-সবুজ-হলুদ-লাল — এটি ট্রাফিক লাইটের সঠিক ও পূর্ণাঙ্গ ক্রম যা থামানো এবং চলার সঠিক নিয়ম মেনে চলে।
D) লাল-হলুদ-লাল-সবুজ-হলুদ — এই ক্রমে লাল ও সবুজের মাঝে সঠিক ক্রমানুসারে হলুদ আলোর পুনরাবৃত্তি ভুলভাবে বিন্যস্ত আছে।
মনে রাখার টিপস:
লাল দিয়ে থামো, হলুদ দিয়ে প্রস্তুত হও, সবুজ দিয়ে চলুন এবং আবার উল্টোভাবে হলুদ হয়ে লালে ফিরে যাও।
সঠিক উত্তর: C) পুন্ড্রনগর
কেন সঠিক:
- প্রাচীন পুন্ড্রবর্ধন ভূখণ্ডের রাজধানী ছিল পুন্ড্রনগর, যা বর্তমানে মহাস্থানগড় নামে পরিচিত।
- করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত এই নগরী প্রাচীন বাংলার অন্যতম প্রাচীন ও গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক কেন্দ্র ছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মহাস্থান — এটি বর্তমান স্থানটির নাম, প্রাচীনকালে রাজধানীর নাম ছিল পুন্ড্রনগর।
B) কর্ণসুবর্ণ — এটি প্রাচীন বাংলার গৌড় রাজ্যের রাজা শশাঙ্কের রাজধানী ছিল।
C) পুন্ড্রনগর — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে কোনো ভুল নেই।
D) রামাবর্তী — এটি পাল রাজবংশের শেষের দিকে নির্মিত একটি রাজধানী নগরী ছিল।
মনে রাখার টিপস:
মহাস্থানগড় মানেই প্রাচীন পুন্ড্রবর্ধন এবং তার রাজধানী পুন্ড্রনগর।
সঠিক উত্তর: D) মাহবুব আলম চৌধুরী
কেন সঠিক:
- ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারিতে শহিদদের স্মরণে রচিত অমর কবিতা "কাঁদতে আসি নি ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি"-এর বিখ্যাত পঙ্ক্তি এটি।
- কবি মাহবুব আলম চৌধুরী বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের উত্তাল দিনগুলোতে একুশে ফেব্রুয়ারিতেই এই ঐতিহাসিক কবিতাটি রচনা করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জহির রায়হান — তিনি বিখ্যাত ঔপন্যাসিক ও চলচ্চিত্র নির্মাতা হলেও এই কবিতাটির রচিয়তা নন।
B) গাফফার চৌধুরী — তিনি বিখ্যাত "আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি" গানের রচিয়তা, এই কবিতার নন।
C) শামসুর রাহমান — তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি হলেও এই পঙ্ক্তির রচিয়তা নন।
D) মাহবুব আলম চৌধুরী — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
রমনায় কাঁদতে না আসার শপথ নিয়ে একুশের প্রথম কবিতা লিখেছিলেন মাহবুব আলম চৌধুরী।
সঠিক উত্তর: B) বিজয়পুরে
কেন সঠিক:
- বিজয়পুর নেত্রকোণা জেলার দুর্গাপুর উপজেলায় অবস্থিত, যা বাংলাদেশের প্রধান চীনামাটির খনি হিসেবে পরিচিত।
- এই অঞ্চলের পাহাড় ও মাটি থেকে চীনামাটি বা হোয়াইট ক্লে সংগ্রহ করা হয়, যা সিরামিক শিল্পে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রানীগঞ্জে — এটি কয়লা ও ইটভাটার জন্য পরিচিত হলেও প্রধান চীনামাটির খনি হিসেবে খ্যাত নয়।
B) বিজয়পুরে — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এখানেই বাংলাদেশের প্রধান চীনামাটির সন্ধান পাওয়া গেছে।
C) টেকেরহাটে — এটি মাদারীপুর জেলার একটি বিখ্যাত বাণিজ্য এলাকা, চীনামাটির জন্য পরিচিত নয়।
D) বাগালীবাজারে — এটি সুনামগঞ্জ জেলার একটি সীমান্তবর্তী বাজার, চীনামাটির প্রধান উৎস নয়।
মনে রাখার টিপস:
চীনামাটি বা মাটির বিজয়ের জন্য নেত্রকোণার বিজয়পুর স্থানটি মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: B) শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ্
কেন সঠিক:
- সুলতান শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ ১৩৫২ সালে সমগ্র বাংলা অঞ্চলের বিভিন্ন ছোট স্বাধীন রাজ্যগুলোকে একত্রিত করে প্রথম একটি একক সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন।
- তাঁর এই রাজনৈতিক ঐক্যের মাধ্যমেই সমগ্র বাংলা ভাষাভাষী অঞ্চলটি প্রথমবার 'বাঙ্গালা' বা 'বাংলা' নামে পরিচিতি লাভ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফখরুদ্দিন মোবারক শাহ — তিনি সোনারগাঁওয়ের স্বাধীন শাসক ছিলেন, কিন্তু সমগ্র বাংলাকে একত্রিত করে 'বাঙ্গালা' নামে পরিচিত করার কৃতিত্ব তাঁর নয়।
B) শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ্ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ তিনি সমগ্র বাংলাকে একত্রিত করে 'বাঙ্গালা' নামক একক ভূখণ্ডের সূচনা করেছিলেন।
C) আকবর — তিনি মোঘল সম্রাট ছিলেন এবং তাঁর সময় বাংলা মোঘল সাম্রাজ্যের একটি সুবাহ বা প্রদেশ হিসেবে 'সুবা বাংলা' নামে পরিচিত হয়।
D) ঈসা খাঁন — তিনি বাংলার বারো ভুঁইয়াদের প্রধান ছিলেন এবং মোঘল শক্তির বিরুদ্ধে বাংলার স্বাধীনতা রক্ষায় লড়াই করেছিলেন, সমগ্র নামকরণের সাথে যুক্ত নন।
মনে রাখার টিপস:
সারা বাংলা এক করে যিনি প্রথম 'বাঙ্গালা' বানালেন, তিনি হলেন 'শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ'।
সঠিক উত্তর: A) ২ মার্চ
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের ২ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহাসিক বটতলায় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের এক সমাবেশে স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা প্রথম উত্তোলিত হয়।
- তৎকালীন ডাকসুর সহ-সভাপতি আ স ম আবদুর রব প্রথম এই পতাকা উত্তোলন করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২ মার্চ — এই দিনে প্রথম পতাকা উত্তোলিত হয়েছিল যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
B) ২৩ মার্চ — এই দিনে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা আনুষ্ঠানিকভাবে উত্তোলিত হয়েছিল এবং পাকিস্তান দিবসে পুড়িয়ে ফেলা হয়েছিল।
C) ১০ মার্চ — এই তারিখে পতাকা উত্তোলনের কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা নেই, এটি মূলত অসহযোগ আন্দোলনের একটি দিন।
D) ২৫ মার্চ — এই কালরাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী বাঙালি জাতির ওপর গণহত্যা শুরু করে যা অপারেশন সার্চলাইট নামে পরিচিত।
মনে রাখার টিপস:
মার্চ মাসের শুরুতে ছাত্ররা পতাকা তোলে (২ মার্চ) আর মাসের শেষে শুরু হয় মুক্তিযুদ্ধ (২৫ মার্চ)।
সঠিক উত্তর: C) জামালগঞ্জ
কেন সঠিক:
- জয়পুরহাট জেলার জামালগঞ্জে দেশের বৃহত্তম কয়লার খনি অবস্থিত, যেখানে উন্নত মানের বিটুমিনাস কয়লার সন্ধান পাওয়া গেছে।
- এই খনিটি ভূগর্ভের অনেক গভীরে অবস্থিত এবং এখান থেকে উত্তোলিত কয়লার মান খুবই উন্নত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জামালপুর — এটি একটি জেলা এবং এখানে কোনো প্রধান কয়লা খনির সন্ধান পাওয়া যায়নি।
B) ফরিদপুর — এটি একটি জেলা এবং এখানে প্রধানত নদী ও কৃষিভিত্তিক ভূপ্রকৃতি বিদ্যমান, কোনো কয়লা খনি নেই।
C) জামালগঞ্জ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে ভিন্ন কোনো প্রযোজ্যতা নেই।
D) হিলি — এটি একটি স্থলবন্দর ও সীমান্ত এলাকা, যা মূলত বাণিজ্যের জন্য পরিচিত এবং এখানে কয়লা খনি নেই।
মনে রাখার টিপস:
উন্নত মানের কয়লা মানেই জয়পুরহাটের জামালগঞ্জ খনি।
সঠিক উত্তর: D) চাঁপাইনবাবগঞ্জ
কেন সঠিক:
- গম্ভীরা গান চাঁপাইনবাবগঞ্জ অঞ্চলের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি ঐতিহ্যবাহী লোকসঙ্গীত ও নাট্যরীতি।
- এই গানে সাধারণত নানা সামাজিক সমস্যা, সচেতনতা এবং সমসাময়িক বিষয় ফুটিয়ে তোলা হয় নানা ও নাতির চরিত্রের সংলাপের মাধ্যমে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চট্টগ্রাম — এটি চট্টগ্রামের আঞ্চলিক লোকসঙ্গীত বা সংস্কৃতির অংশ নয়, কারণ চট্টগ্রাম অঞ্চলের পরিচিত গান হলো মাইজভাণ্ডারী ও ভাওয়াইয়া।
B) জামালপুর — এটি জামালপুর অঞ্চলের লোকসঙ্গীত নয়, এই এলাকার পরিচিত সংস্কৃতির মধ্যে ধানভাঙা গান ও জারি গান উল্লেখযোগ্য।
C) রংপুর — এটি রংপুরের লোকসঙ্গীত নয়, কারণ রংপুর অঞ্চলের সবচেয়ে জনপ্রিয় লোকসঙ্গীত হলো ভাওয়াইয়া ও পালাগান।
D) চাঁপাইনবাবগঞ্জ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এই অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী লোকসঙ্গীত হিসেবে বিশেষভাবে স্বীকৃত।
মনে রাখার টিপস:
গম্ভীরা মানেই চাঁপাইনবাবগঞ্জ; যেখানে নানা ও নাতি মিলে সমাজের নানা কথা মজার ছলে বলে।
সঠিক উত্তর: B) ১৭৮৯
কেন সঠিক:
- এই সালের ১৪ই জুলাই ফ্রান্সের প্যারিস শহরে ঐতিহাসিক বাস্তিল দুর্গের পতন ঘটেছিল।
- এই পতনের মাধ্যমেই ফরাসি বিপ্লবের সূচনা হয় যা সারা বিশ্বে সাম্য, মৈত্রী ও স্বাধীনতার বার্তা ছড়িয়ে দেয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৭৯৩ — এই সালে ফরাসি রাজা ষোড়শ লুইকে গিলোটিনে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়, যা বাস্তিল দুর্গের পতনের পরের ঘটনা।
B) ১৭৮৯ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ এই সালেই ফরাসি বিপ্লবের শুরুতে বাস্তিল দুর্গ আক্রান্ত ও ধ্বংস হয়েছিল।
C) ১৭৯৮ — এই সালে নেপোলিয়ন বোনাপার্ট মিশর অভিযান পরিচালনা করেছিলেন, যা ফরাসি বিপ্লবের পরের একটি সামরিক অভিযান।
D) ১৭৭৯ — এই সালটি ফরাসি বিপ্লব বা বাস্তিল দুর্গের পতনের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
১৭৮৯ সালের ১৪ই জুলাই বাস্তিল দুর্গের পতন ঘটেছিল; ফরাসি বিপ্লব মনে রাখতে শেষের সংখ্যা ৮৯ মনে রাখা সহজ মাধ্যম।
সঠিক উত্তর: B) ফিনল্যাণ্ড
কেন সঠিক:
- ফিনল্যাণ্ডে প্রায় এক লক্ষ আটাশ হাজারেরও বেশি প্রাকৃতিক হ্রদ রয়েছে যা দেশটির ভূপ্রকৃতির প্রধান বৈশিষ্ট্য।
- অতিরিক্ত হ্রদের উপস্থিতির কারণে ভৌগোলিক ও প্রাতিষ্ঠানিক বিচারে ফিনল্যাণ্ডকে হাজার হ্রদের দেশ বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নরওয়ে — নরওয়েকে ফিয়র্ডের দেশ বলা হয় কারণ এর উপকূলভাগে অসংখ্য গভীর ও সংকীর্ণ ফিয়র্ড বা সমুদ্রখাত রয়েছে।
B) ফিনল্যাণ্ড — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং দেশটিতে প্রচুর হ্রদ থাকার কারণে এই উপনামে পরিচিত।
C) ইন্দোনেশিয়া — ইন্দোনেশিয়াকে হাজার দ্বীপের দেশ বা দ্বীপপুঞ্জের দেশ বলা হয় কারণ এটি হাজার হাজার ছোট বড় দ্বীপ নিয়ে গঠিত।
D) জাপান — জাপানকে সূর্যোদয়ের দেশ বলা হয় কারণ এটি এশিয়ার সবচেয়ে পূর্বে অবস্থিত হওয়ায় সবার আগে সূর্যোদয় দেখা যায়।
মনে রাখার টিপস:
ফিনল্যাণ্ডের ফি অক্ষরটি দিয়ে ফিন ও হ্রদ মিলিয়ে মনে রাখতে পারো যে এটি হ্রদের দেশ।
সঠিক উত্তর: A) মেঘের অসংখ্য জলকনা /বরফকনার মধ্যে চার্জ সঞ্চিত হলে
কেন সঠিক:
- বায়ুমণ্ডলের জলকণা ও বরফকণার পরস্পর ঘর্ষণের ফলে মেঘে স্থৈতিক বিদ্যুৎ বা চার্জ সঞ্চিত হয়।
- এই চার্জের পরিমাণ অতিরিক্ত বৃদ্ধি পেলে তা বায়ুকে ভেদ করে আলোর ঝলকানি ও শব্দের সৃষ্টি করে, যাকে বিদ্যুৎ চমকানো বলে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মেঘের অসংখ্য জলকনা /বরফকনার মধ্যে চার্জ সঞ্চিত হলে — এটি সঠিক বৈজ্ঞানিক কারণ, কারণ ঘর্ষণের ফলে মেঘে ধনাত্মক ও ঋণাত্মক চার্জের সৃষ্টি হয়।
B) দুই খণ্ড মেঘ পরস্পর সংঘর্ষ হলে — মেঘের সংঘর্ষের কারণে সাধারণত বিদ্যুৎ চমকায় না, চার্জের অসম বণ্টনের কারণে এটি ঘটে।
C) মেঘের মধে বিদ্যুৎ কোষ তৈরি হলে — মেঘের ভেতরে কোনো কৃত্রিম বা প্রাকৃতিক বিদ্যুৎ কোষ বা ব্যাটারি তৈরি হয় না।
D) মেঘ বিদ্যুৎ পরিবাহী অবস্থায় এলে — মেঘ স্বাভাবিক অবস্থায় পরিবাহী নয়, প্রবল চার্জ সঞ্চিত হলেই কেবল বৈদ্যুতিক স্ফুলিঙ্গ তৈরি হয়।
মনে রাখার টিপস:
মেঘে বিদ্যুৎ চমকানোর মূল কারণ হলো জলকণা ও বরফকণার মধ্যকার ঘর্ষণ ও চার্জ সঞ্চয়ন।
সঠিক উত্তর: D) রকেট ইঞ্জিন
১. কেন সঠিক:
- নিউটনের গতির তৃতীয় সূত্রের ক্রিয় ও প্রতিক্রিয়ার নীতি এখানে কাজ করে।
- বেলুনের মুখ ছাড়ার পর ভেতরের বাতাস বেগে নিচের দিকে বের হয় এবং বেলুনটি বিপরীতমুখী বল লাভ করে ওপরের দিকে ছুটে যায়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: নিউটনের গতির তৃতীয় সূত্র অনুযায়ী প্রতিটি ক্রিয়ারই একটি সমান ও বিপরীতমুখী প্রতিক্রিয়া আছে।
- কার্যপ্রণালি: বেলুনের ভেতর থেকে গ্যাস দ্রুত বেগে পিছনের দিকে নির্গত হয়, যা ক্রিয়া বল সৃষ্টি করে।
- কারণ ও ফলাফল: নির্গত গ্যাসের ক্রিয়ার ফলে বিপরীত দিকে একটি প্রতিক্রিয়া বল উৎপন্ন হয়, যা বেলুন বা রকেটকে সামনের দিকে বা ওপরের দিকে চালিত করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পানিতে ভাসমান নৌকা থেকে তীরে লাফ দেওয়ার সময় নৌকাটি পেছনের দিকে সরে যায়।
ব্যাখ্যা: এটি ক্রিয়ার ফলে নৌকার ওপর বিপরীতমুখী প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হওয়ার কারণে ঘটে।
উদাহরণ ২: বন্দুক থেকে গুলি ছোড়ার সময় বন্দুকটি পেছনের দিকে ধাক্কা দেয়।
ব্যাখ্যা: গুলির সামনের গতির ক্রিয়ার বিপরীতে বন্দুকের পেছনের ধাক্কা হলো প্রতিক্রিয়া বল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাষ্পীয় ইঞ্জিন — তাপশক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করার প্রক্রিয়া, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) অন্তর্দহন ইঞ্জিন — সিলিন্ডারের ভেতরে জ্বালানি পুড়িয়ে শক্তি উৎপাদনের প্রযুক্তি, যা বেলুনের ঘটনার সঙ্গে মেলে না।
C) স্টারলিং ইঞ্জিন — বদ্ধ সিলিন্ডারে বায়ু বা গ্যাসের পর্যায়ক্রমিক সংকোচন ও প্রসারণের তাপীয় ইঞ্জিন।
D) রকেট ইঞ্জিন — অত্যন্ত দ্রুত বেগে গ্যাস নির্গত করে প্রতিক্রিয়া বলের সাহায্যে সামনের দিকে এগিয়ে চলার পদ্ধতি, যা বেলুনের নীতির সঙ্গে মিলে যায়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বেলুন ছাড়লে যেভাবে উল্টো দিকে ছুটে চলে, রকেটও ঠিক একইভাবে জ্বালানি পুড়িয়ে গ্যাস পেছনে ফেলে মহাকাশে ছুটে যায়।
- ক্রিয়া ও প্রতিক्रিয়ার খেলা, বেলুন আর রকেট চলা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এই প্রশ্নটি মূলত নিউটনের গতির তৃতীয় সূত্রের বাস্তব প্রয়োগ সম্পর্কিত।
- পরীক্ষায় প্রায়ই জেট প্লেন বা রকেটের চলাচল কোন সূত্রের ওপর ভিত্তি করে তৈরি, তা জানতে চাওয়া হয়।
সঠিক উত্তর: B) একাধিক পরমানু যুক্ত হয়ে নতুন পরমানু গঠন করে
১. কেন সঠিক:
নিউক্লীয় ফিউশন এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে দুটি বা ততোধিক হালকা পরমাণুর নিউক্লিয়াস একত্রিত হয়ে একটি ভারী নিউক্লিয়াস গঠন করে।
এই প্রক্রিয়ায় ভরের সামান্য অংশ শক্তিতে রূপান্তরিত হয় এবং প্রচণ্ড পরিমাণে তাপ ও আলোশক্তি নির্গত হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: পারমাণবিক ফিউশন বা নিউক্লীয় সংযোজন হলো এমন একটি বিক্রিয়া যেখানে উচ্চ তাপমাত্রা ও চাপে হালকা মৌলের নিউক্লিয়াস যুক্ত হয়।
কার্যপ্রণালি: সূর্যের অভ্যন্তরে অত্যন্ত উচ্চ তাপমাত্রায় চারটি হাইড্রোজেন নিউক্লিয়াস বা প্রোটন পরস্পর যুক্ত হয়ে একটি হিলিয়াম নিউক্লিয়াস উৎপন্ন করে।
কারণ ও ফলাফল: সংযোজনের সময় উৎপন্ন নতুন নিউক্লিয়াসের ভর সংযোজনকারী মৌলগুলোর মোট ভরের চেয়ে কিছুটা কম হয়, যা আইনস্টাইনের ভর শক্তি সমীকরণ অনুসারে শক্তিতে পরিণত হয়।
বাস্তব প্রয়োগ: সূর্য এবং অন্যান্য নক্ষত্রের শক্তির মূল উৎস হলো এই নিউক্লীয় ফিউশন প্রক্রিয়া।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সূর্যের শক্তি উৎপাদন
ব্যাখ্যা: সূর্যের কোরে প্রতিনিয়ত হাইড্রোজেন পরমাণু যুক্ত হয়ে হিলিয়ামে পরিণত হচ্ছে এবং ফিউশন প্রক্রিয়ায় সৌরশক্তি তৈরি হচ্ছে।
উদাহরণ ২: হাইড্রোজেন বোমা
ব্যাখ্যা: মানবনির্মিত হাইড্রোজেন বোমা বা থার্মোনিউক্লিয়ার অস্ত্রে ফিউশন বিক্রিয়ার মাধ্যমে স্বল্প সময়ে বিপুল পরিমাণ ধ্বংসাত্মক শক্তি সৃষ্টি করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) একটি পরমানু ভেঙ্গে প্রচণ্ড শক্তি সৃষ্টি করে — এটি ফিউশন নয়, বরং নিউক্লীয় ফিশন প্রক্রিয়ার বর্ণনা।
B) একাধিক পরমানু যুক্ত হয়ে নতুন পরমানু গঠন করে — এটি নিউক্লীয় ফিউশনের সঠিক বৈজ্ঞানিক সংজ্ঞা।
C) ভারি পরমানু ভেঙ্গে হালকা পরমানু গঠিত হয় — এটি ফিশন প্রক্রিয়ার বিপরীত এবং ভুল বর্ণনা।
D) একটি পরমানু ভেঙ্গে দুটি পরমানু সৃষ্টি করে — এটি পারমাণবিক ফিশন বা বিভাজনের সাধারণ বৈশিষ্ট্য।
৫. মনে রাখার টিপস:
ফিউশন শব্দের অর্থ জোড়া লাগা বা যুক্ত হওয়া, তাই একাধিক পরমাণু যুক্ত হওয়া মানেই ফিউশন।
অন্যদিকে ফিশন মানে ভেঙে যাওয়া, তাই একটি পরমাণুর ভেঙে যাওয়া বোঝাতে ফিশন ব্যবহার করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
সূর্য ও নক্ষত্রের শক্তির উৎস হলো নিউক্লীয় ফিউশন, যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে।
একই ধারণা থেকে প্রশ্ন হতে পারে যে হাইড্রোজেন বোমা কোন নীতির ওপর কাজ করে, যার উত্তর হবে নিউক্লীয় ফিউশন।
সঠিক উত্তর: C) বায়ু একটি মিশ্র পদার্থ
১. কেন সঠিক:
বায়ু হলো বিভিন্ন গ্যাসের একটি সমসত্ব মিশ্রণ যেখানে উপাদানগুলো কোনো রাসায়নিক বন্ধনে আবদ্ধ থাকে না।
উপাদানগুলো তাদের নিজস্ব ভৌত ও রাসায়নিক ধর্ম বজায় রেখে বায়ুমণ্ডলে অবস্থান করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: মিশ্র পদার্থ হলো এমন একটি পদার্থ যাতে দুই বা ততোধিক মৌলিক বা যৌগিক পদার্থ কোনো নির্দিষ্ট অনুপাতে রাসায়নিকভাবে যুক্ত না থেকে পাশাপাশি মিশ্রিত থাকে।
কার্যপ্রণালি: বায়ুর উপাদানগুলোকে যেমন অক্সিজেন, নাইট্রোজেন, কার্বন ডাই-অক্সাইড ইত্যাদি ভৌত পদ্ধতি যেমন আংশিক পাতন প্রক্রিয়ায় সহজে আলাদা করা যায়।
বাস্তব প্রয়োগ: উদ্ভিদ ও প্রাণী বেঁচে থাকার জন্য বায়ুর অক্সিজেন সরাসরি ব্যবহার করে এবং বায়ুতে উপস্থিত কার্বন ডাই-অক্সাইড সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদ খাদ্য তৈরি করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শরবত
ব্যাখ্যা: চিনি ও পানির মিশ্রণে চিনি ও পানি তাদের নিজস্ব স্বাদ ও ধর্ম বজায় রাখে, যা বায়ুর উপাদানের মতো মিশ্রণের একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ।
উদাহরণ ২: সমুদ্রের পানি
ব্যাখ্যা: সমুদ্রের পানিতে লবণ, পানি এবং বিভিন্ন খনিজ পদার্থ মিশ্রিত থাকে এবং এদের রাসায়নিকভাবে সংযুক্ত করা হয় না।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বায়ু একটি যৌগিক পদার্থ — যৌগিক পদার্থ হতে হলে উপাদানগুলোর নির্দিষ্ট অনুপাতে রাসায়নিক বন্ধন দ্বারা যুক্ত হওয়া আবশ্যক যা বায়ুর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
B) বায়ু একটি মৌলিক পদার্থ — মৌলিক পদার্থ হলো একটি মাত্র উপাদান দিয়ে তৈরি পদার্থ, কিন্তু বায়ুতে একাধিক গ্যাস বিদ্যমান।
D) বায়ু বলতে অক্সিজেন ও নাইট্রোজেনকেই বুঝায় — বায়ুতে অক্সিজেন ও নাইট্রোজেন ছাড়াও আর্গন, কার্বন ডাই-অক্সাইড, জলীয় বাষ্প এবং অন্যান্য নিষ্ক্রিয় গ্যাস থাকে।
৫ মনে রাখার টিপস:
মিশ্রণে সব উপাদান নিজের গুণ বজায় রাখে, আর যৌগ নতুন গুণ তৈরি করে।
বায়ুতে থাকা গ্যাসগুলো নিজেদের গুণ ধরে রাখে বলেই বায়ু একটি মিশ্রণ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বায়ুতে নাইট্রোজেনের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি অর্থাৎ প্রায় আটাত্তর শতাংশ এবং অক্সিজেনের পরিমাণ প্রায় একুশ শতাংশ।
ভবিষ্যতে এই প্রশ্ন থেকে বায়ুতে আর্গন গ্যাসের শতকরা হার বা বায়ুর উপাদান পৃথক করার পদ্ধতি সংক্রান্ত এমসিকিউ আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: C) এতে দ্রুত তাপ সঞ্চারিত হয়ে খাদ্যদ্রব্য তাড়াতাড়ি সিদ্ধ হয়
১. কেন সঠিক:
হাঁড়িপাতিল তৈরিতে মূলত অ্যালুমিনিয়াম ব্যবহার করা হয় কারণ এর তাপ পরিবাহিতা খুব বেশি।
এর ফলে চুলার তাপ দ্রুত পাত্রের মধ্য দিয়ে খাবারের ভেতরে পৌঁছে এবং খাবার কম সময়ে ও সহজে সিদ্ধ হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: তাপ পরিবাহিতা হলো পদার্থের এমন একটি ধর্ম যার মাধ্যমে পদার্থের কণাগুলোর কম্পনের সাহায্যে উষ্ণতর অংশ থেকে শীতলতর অংশে তাপ সঞ্চালিত হয়।
কার্যপ্রণালি: অ্যালুমিনিয়াম একটি ধাতু হওয়ায় এর ভেতরে মুক্ত ইলেকট্রন থাকে যা দ্রুত তাপশক্তি এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে বহন করে নিয়ে যায়।
বাস্তব প্রয়োগ: রান্না করার সময় জ্বালানি সাশ্রয় করতে এবং দ্রুত খাবার প্রস্তুত করতে অ্যালুমিনিয়ামের রান্নার পাত্র ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চায়ের কেটলি বা রান্নার কড়াই অ্যালুমিনিয়াম দিয়ে তৈরি করা হয়।
ব্যাখ্যা: এটি চুলার তাপ দ্রুত পানির ভেতরে ছড়িয়ে দেয় এবং পানি ও খাবার দ্রুত ফুটিয়ে তোলে।
উদাহরণ ২: বিমানের বডি বা ইঞ্জিন তৈরিতে অ্যালুমিনিয়াম ব্যবহার করা হয়।
ব্যাখ্যা: অ্যালুমিনিয়ামের উচ্চ তাপ পরিবাহিতা ও হালকা ওজনের কারণে এটি ইঞ্জিনের অতিরিক্ত তাপ দ্রুত বাইরে ছড়িয়ে দিতে সাহায্য করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) এটি হাল্কা ও দামে সস্তা — কথাটি সত্য হলেও এটি রান্নার ক্ষেত্রে গৌণ কারণ, মূল কারণ হলো এর দ্রুত তাপ সঞ্চালন ক্ষমতা।
B) এটি সব দেশেই পাওয়া যায় — এটি একটি সাধারণ বাণিজ্যিক সুবিধা, রান্নার কার্যকারিতার সঙ্গে এর সরাসরি কোনো বৈজ্ঞানিক সম্পর্ক নেই।
C) এতে দ্রুত তাপ সঞ্চারিত হয়ে খাদ্যদ্রব্য তাড়াতাড়ি সিদ্ধ হয় — এটি সঠিক কারণ এবং অ্যালুমিনিয়ামের প্রধান ভৌত বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়।
D) এটি সহজে ভেঙ্গে যায় না এবং বেশি গরম সহ্য করতে পারে — অ্যালুমিনিয়াম সহজে ভাঙে না ঠিকই, তবে এটি অনেক বেশি তাপে গলে যেতে পারে, তাই এটি প্রধান কারণ নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
অ্যালুমিনিয়াম মানেই দ্রুত তাপ সঞ্চালন এবং দ্রুত রান্না।
রান্নার পাত্র নির্বাচনের মূল চাবিকাঠি হলো উচ্চ তাপ পরিবাহিতা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
তাপ পরিবাহিতার দিক থেকে রূপার পরেই তামার স্থান এবং তামার পরেই অ্যালুমিনিয়ামের স্থান গুরুত্বপূর্ণ।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোন ধাতুর তাপ পরিবাহিতা বেশি বা রান্নার পাত্র কেন ধাতু দিয়ে তৈরি হয়।
সঠিক উত্তর: B) প্রতিসরণ
১. কেন সঠিক:
- আলোর প্রতিসরণের কারণে পানিতে নৌকার বৈঠা বাঁকা দেখা যায়।
- আলো যখন এক স্বচ্ছ মাধ্যম থেকে অন্য স্বচ্ছ মাধ্যমে তির্যকভাবে প্রবেশ করে, তখন মাধ্যম দুটির বিভেদতলে আলোর বেগের পরিবর্তনের কারণে দিক পরিবর্তিত হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: আলোকরশ্মি যখন ঘন মাধ্যম থেকে লঘু মাধ্যমে প্রবেশ করে, তখন অভিলম্ব থেকে দূরে সরে যায়।
- কার্যপ্রণালি: পানির ভেতর থাকা বৈঠার অংশ থেকে আলোকরশ্মি পানি থেকে বাতাসে আসার সময় প্রতিসরণের শিকার হয়ে দর্শকের চোখে পৌঁছায়।
- কারণ ও ফলাফল: চোখ প্রতিসৃত আলোক রশ্মিকে পেছনের দিকে সোজা সরলরেখায় বর্ধিত করে দেখে, ফলে বৈঠার নিমজ্জিত অংশটি উপরের দিকে উঠে এসেছে এবং বাঁকা বলে মনে হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পানিতে একটি সরল কাঠি বা পেন্সিল ডুবালে সেটিও বাঁকা বা ভেঙে গেছে বলে মনে হয়।
ব্যাখ্যা: এটিও আলোর প্রতিসরণের কারণে ঘটে, যেখানে পানির নিচের অংশটি উপরের দিকে প্রতিভাত হয়।
উদাহরণ ২: স্বচ্ছ পানিতে একটি মুদ্রা ফেলে দিলে সেটি তার আসল গভীরতার চেয়ে কিছুটা ওপরে মনে হয়।
ব্যাখ্যা: তলদেশ থেকে আসা আলো প্রতিসৃত হওয়ার কারণে মুদ্রার অবয়ব ওপরের দিকে দেখা যায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন — এটি এমন একটি ঘটনা যেখানে আলো ঘন মাধ্যম থেকে লঘু মাধ্যমে যাওয়ার সময় সংকট কোণের চেয়ে বেশি কোণে আপতিত হয়ে সম্পূর্ণভাবে আবার ঘন মাধ্যমে ফিরে আসে। এটি হীরা চকচক করা বা মরূদ্যালের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
B) প্রতিসরণ — এই অপশনটি সঠিক কারণ মাধ্যম পরিবর্তনের কারণে আলোর দিক পরিবর্তনের ফলে এই দৃশ্যমান ভ্রান্তি তৈরি হয়।
C) বিচ্ছুরণ — এটি এমন প্রক্রিয়া যেখানে সাদা আলো প্রিজমের মধ্য দিয়ে যাওয়ার পর তার উপদানকারী সাতটি রঙে বিভক্ত হয়ে যায়। রেনধনু সৃষ্টি এর উৎকৃষ্ট উদাহরণ।
D) পোলারায়ন — এটি এমন একটি ঘটনা যেখানে আলোর তলের কম্পন একটি নির্দিষ্ট দিকে সীমাবদ্ধ করা হয়। এটি শুধুমাত্র তীর্যক তরঙ্গের ক্ষেত্রে ঘটে।
৫ মনে রাখার টিপস:
মাধ্যম বদল মানেই আলোর দিক বদল, আর মাধ্যম পরিবর্তনের এই খেলাকে প্রতিসরণ বলে মনে রাখবে। পানিতে কোনো বস্তু বাঁকা দেখা বা ওপরে মনে হওয়ার সব ঘটনাই প্রতিসরণের সাথে যুক্ত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। একই ধারণা থেকে পুকুরের পানির প্রকৃত গভীরতা কম মনে হওয়া বা তারার মিটমিট করার কারণ হিসেবে প্রতিসরণ সংক্রান্ত প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: C) ১০৫ ডি বি
১. কেন সঠিক:
শব্দের তীব্রতা পরিমাপের একক হলো ডেসিবেল বা ডিবি। মানুষের কানের জন্য শব্দের একটি নির্দিষ্ট সহ্যসীমা রয়েছে এবং এর বেশি মাত্রার শব্দ কানের স্থায়ী ক্ষতি করতে পারে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: শব্দের তীব্রতার মাত্রা ডিবি এককে মাপা হয়। মানব কান সাধারণ কথোপকথন থেকে শুরু করে উচ্চ শব্দ পর্যন্ত শুনতে পায়।
কার্যপ্রণালি: অতিরিক্ত উচ্চ শব্দের তীব্রতা কানের পর্দায় অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করে। এর ফলে কানের অভ্যন্তরীণ সংবেদনশীল কোষগুলো স্থায়ীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
কারণ ও ফলাফল: প্রায় ১০৫ ডেসিবেল বা তার বেশি মাত্রার শব্দ মানুষের শ্রবণের ক্ষমতা সম্পূর্ণরূপে কেড়ে নিতে পারে, যা বধিরতার সৃষ্টি করে।
বাস্তব প্রয়োগ: শিল্প কারখানার ভারী যন্ত্রপাতি বা উচ্চ শব্দে গান শোনার সময় এই ক্ষতিকর মাত্রা অতিক্রম করলে মানুষ বধির হতে পারে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জেট প্লেন উড্ডয়নের সময় প্রায় ১২০ থেকে ১৩০ ডিবি শব্দ উৎপন্ন হয়।
ব্যাখ্যা: এই তীব্র শব্দ মানুষের কানের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর এবং তাৎক্ষণিকভাবে বধিরতা তৈরি করতে পারে।
উদাহরণ ২: ভারী শিল্প কারখানায় একটানা কাজের সময় উৎপাদিত উচ্চ শব্দ।
ব্যাখ্যা: দীর্ঘ সময় ১০৫ ডিবি বা তার বেশি মাত্রার শব্দের মধ্যে থাকলে কর্মীরা বধিরতার শিকার হতে পারেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৭৫ ডি বি — এই মাত্রার শব্দ মানুষের কানের জন্য নিরাপদ এবং এটি সাধারণ ট্রাফিক বা ব্যস্ত অফিসের শব্দের কাছাকাছি।
B) ৯০ ডি বি — এটি কিছুটা উচ্চ শব্দ হলেও এর উপরে বধিরতার ঝুঁকি শুরু হয়, তবে ১০৫ ডিবি হলো সর্বোচ্চ শ্রুতিসীমা যার উপরে বধিরতা অবধারিত।
C) ১০৫ ডি বি — প্রদত্ত সঠিক উত্তর অনুযায়ী এটিই সেই মাত্রা যার উপরে মানুষ বধির হতে পারে।
D) ১২০ ডি বি — এটি বেদনাবহ শব্দের সীমা, তবে প্রশ্নে সর্বোচ্চ শ্রুতিসীমার মান ১০৫ ডিবি ধরা হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
শব্দের ক্ষেত্রে মানুষের কানের সহনশীলতার সর্বোচ্চ ক্ষতিকর মাত্রা হলো ১০৫ ডিবি। সংখ্যাটি মনে রাখতে ১০৫ সংখ্যাটি মাথায় রাখুন যা বধিরতার ঝুঁকি নির্দেশ করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
শব্দের তীব্রতার একক এবং মানুষের কান কত ডিবি পর্যন্ত সহ্য করতে পারে তা বিসিএস পরীক্ষার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। শব্দ দূষণের মাত্রা এবং এর ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
সঠিক উত্তর: C) বস্তুর ঘনত্ব পানির ঘনত্বের সমান
১. কেন সঠিক:
বস্তুর ঘনত্ব এবং পানির ঘনত্ব সমান হলে বস্তুর ওপর ক্রিয়ারত ওজন এবং প্লবতা বা ঊর্ধ্বমুখী ধাক্কা পরস্পর সমান হয়।
এ কারণে বস্তুটি পানিতে ছেড়ে দিলে এটি ডুবেও যায় না আবার ভেসেও থাকে না, বরং যেখানে রাখা হয় ঠিক সেখানেই স্থির থাকে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: তরলে নিমজ্জিত বস্তুর ওপর তরল একটি ঊর্ধ্বমুখী বল প্রয়োগ করে যাকে প্লবতা বলে এবং বস্তুর নিজস্ব ওজন নিচের দিকে কাজ করে।
কার্যপ্রণালি: বস্তুর ঘনত্ব তরলের ঘনত্বের সমান হলে বস্তুর ওজন এবং প্লবতা পরস্পরকে সম্পূর্ণভাবে neutralize বা নিষ্ক্রিয় করে দেয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মানুষের শরীর অনেক সময় পানির ঘনত্বের খুব কাছাকাছি থাকে।
ব্যাখ্যা: ফুসফুসে বাতাস ধরে রাখলে এবং সঠিক কৌশল জানলে মানুষ পানিতে নির্দিষ্ট গভীরতায় ভেসে থাকতে পারে।
উদাহরণ ২: পরীক্ষাগারে কার্টিসিয়ান ডাইভারের পরীক্ষা।
ব্যাখ্যা: এই পরীক্ষায় ড্রপারের ভেতরের পানির পরিমাণ এমনভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হয় যাতে এটি পানির ভেতরে যেকোনো অবস্থানে স্থির থাকে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বস্তুর ঘনত্ব পানির ঘনত্বের চেয়ে বেশি — এই শর্তে বস্তুর ওজন প্লবতার চেয়ে বেশি হয় এবং বস্তু পানিতে সম্পূর্ণ ডুবে তলার দিকে চলে যায়।
B) বস্তুর ঘনত্ব পানির ঘনত্বের চেয়ে কম — এই শর্তে প্লবতা বস্তুর ওজনের চেয়ে বেশি হয় এবং বস্তু পানির উপরিভাগে ভেসে ওঠে।
C) বস্তুর ঘনত্ব পানির ঘনত্বের সমান — এই অপশনটি সঠিক কারণ ঘনত্বের সমতার কারণে বস্তুর ওপর কার্যকর বল শূন্য হয় এবং এটি যেখানে রাখা হয় সেখানেই থাকে।
D) বস্তু ও পানির ঘনত্বের মধ্যে নিবিড় সম্পর্ক বিদ্যমান — এটি একটি সাধারণ ও অস্পষ্ট বাক্য, যা পদার্থবিজ্ঞানের আর্কিমিডিসের সূত্রের নির্দিষ্ট শর্ত ব্যাখ্যা করে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
ঘনত্ব সমান হলে ভাসবেও না ডুববেও না, মাঝখানে ঝুলে থাকবে।
ঘনত্ব কম হলে ভেসে উঠবে এবং ঘনত্ব বেশি হলে ডুবে যাবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
আর্কিমিডিসের সূত্র এবং প্লবতার মূলনীতি থেকে বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ঘনত্বের এই শর্তগুলো প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
বস্তুর আপেক্ষিক গুরুত্ব ১ হলে বস্তুটি পানির যেকোনো স্তরে ভেসে থাকতে পারে।
সঠিক উত্তর: D) স্থির বৈদ্যুতিক ইমেজিং পদ্ধতিতে
১. কেন সঠিক:
ফটোকপি মেশিন মূলত স্থির বিদ্যুৎ বা ইলেকট্রোস্ট্যাটিক্স এবং আলোর মিথস্ক্রিয়ার মাধ্যমে কাজ করে।
চেস্টার কার্লসন ১৯৩৮ সালে এই প্রযুক্তি আবিষ্কার করেন, যা জিরোগ্রাফি নামে পরিচিত।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: স্থির বৈদ্যুতিক ইমেজিং বা জিরোগ্রাফি হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে আলো এবং স্থির বৈদ্যুতিক আধানের সাহায্যে কাগজের ওপর কোনো নথির হুবহু প্রতিলিপি তৈরি করা হয়।
কার্যপ্রণালি: মেশিনের ভেতরে একটি সেলেনিয়াম ড্রাম থাকে যা ধনাত্মক আধানযুক্ত হয় এবং মূল কপির ওপর আলো ফেললে কালির গুঁড়া বা টোনার ঋণাত্মক আধানের মাধ্যমে ড্রামের ওপর আকর্ষিত হয়ে কাগজের ওপর স্থান্তরিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আধুনিক অফিস বা লাইব্রেরিতে ব্যবহৃত জেরক্স বা ফটোকপি মেশিন।
ব্যাখ্যা: এই মেশিনগুলো স্থির বিদ্যুতের সাহায্যে চোখের পলকে কাগজের লেখা বা ছবি হুবহু অনুলিপি তৈরি করে।
উদাহরণ ২: লেজার প্রিন্টারের কার্যপদ্ধতি।
ব্যাখ্যা: লেজার প্রিন্টারও ফটোকপি মেশিনের মতো একই স্থির বৈদ্যুতিক নীতি ব্যবহার করে প্রিন্ট সম্পন্ন করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অফসেট মুদ্রন পদ্ধতিতে — এটি মূলত মুদ্রণ শিল্পে বৃহৎ পরিসরে বই বা পত্রিকা ছাপার জন্য ব্যবহৃত হয়, ফটোকপিতে নয়।
B) পোলারয়েড ফটোগ্রাফি পদ্ধতিতে — এটি আলোর পোলারায়ন এবং রাসায়নিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাৎক্ষণিক ছবি তোলার পদ্ধতি, ফটোকপি মেশিন নয়।
C) ডিজিটাল ইমেজিং পদ্ধতিতে — এটি ছবি বা তথ্যকে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করে কম্পিউটার বা স্কנারে কাজ করে, যা মূল জিরোগ্রাফি নয়।
D) স্থির বৈদ্যুতিক ইমেজিং পদ্ধতিতে — এটি সঠিক কারণ ফটোকপি মেশিন স্থির বিদ্যুতের মাধ্যমেই কাজ করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
ফটোকপি মেশিন মানেই স্থির বিদ্যুৎ বা জিরোগ্রাফি মনে রাখবে।
চেস্টার কার্লসন জিরোগ্রাফি বা ফটোকপি মেশিন আবিষ্কার করেছিলেন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ফটোকপি মেশিনের মূল ভিত্তি হলো স্থির বিদ্যুৎ ও সেলেনিয়াম ড্রামের আলোকসংবেদনশীলতা।
এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই প্রযুক্তি ও বিজ্ঞান অংশ থেকে আসে।
সঠিক উত্তর: B) সালফিউরিক এসিড
১. কেন সঠিক:
সাধারণ স্টোরেজ ব্যাটারিতে বা আইপিএস ও গাড়ির ব্যাটারিতে সালফিউরিক এসিডের জলীয় দ্রবণ বা ইলেকট্রোলাইট ব্যবহার করা হয়। এটি ব্যাটারির ভেতরে রাসায়নিক শক্তিকে বৈদ্যুতিক শক্তিতে রূপান্তর করতে এবং চার্জ স্থানান্তরে সাহায্য করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: ইলেকট্রোলাইট এমন একটি তরল যা আয়ন তৈরি করে বিদ্যুৎ পরিবহন করতে পারে।
কার্যপ্রণালি: সীসা অ্যাসিড ব্যাটারিতে সালফিউরিক এসিড পানি বা H2O এর সাথে মিশে আয়নিত হয় এবং সীসা প্লেটের সাথে বিক্রিয়া ঘটায়।
কারণ ও ফলাফল: এই রাসায়নিক বিক্রিয়ার ফলে ইলেকট্রন প্রবাহ শুরু হয় এবং আমরা ব্যাটারি থেকে বিদ্যুৎ পাই।
বাস্তব প্রয়োগ: গাড়ি স্টার্ট দিতে, হেডলাইট জ্বালাতে এবং আইপিএস বা ইউপিএস এর মাধ্যমে ঘরে বিদ্যুৎ ধরে রাখতে এটি ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কার ব্যাটারি।
ব্যাখ্যা: গাড়ির ইঞ্জিন চালু করতে লেড এসিড ব্যাটারি বা এই ধরনের স্টোরেজ ব্যাটারি ব্যবহার করা হয়।
উদাহরণ ২: আইপিএস ব্যাটারি।
ব্যাখ্যা: বিদ্যুৎ চলে গেলে বাড়ির ফ্যান বা লাইট চালাতে এই ব্যাটারি সালফিউরিক এসিডের সাহায্যে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নাইট্রিক এসিড — এটি অত্যন্ত ক্ষয়কারী এবং শক্তিশালী এসিড যা এই ধরনের ব্যাটারিতে ব্যবহার করা হয় না।
B) সালফিউরিক এসিড — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এটি ব্যাটারির ইলেকট্রোলাইট হিসেবে কাজ করে।
C) এমোনিয়াম ক্লোরিড — এটি সাধারণত কার্বন দস্তা বা লেকল্যান্স শুকনা কোষে ইলেকট্রোলাইট হিসেবে ব্যবহৃত হয়, স্টোরেজ ব্যাটারিতে নয়।
D) হাইড্রোক্লোরিক এসিড — এটি ধাতু ক্ষয় করতে পারে এবং স্টোরেজ ব্যাটারির প্লেট নষ্ট করে ফেলে তাই এটি ব্যবহৃত হয় না।
৫. মনে রাখার টিপস:
স্টোরেজ ব্যাটারি বা কার ব্যাটারিতে সাধারণত সালফিউরিক এসিড থাকে যা এসিডের রাজা নামে পরিচিত। সালফিউরিক এসিডের সংকেত H2SO4 এবং এর প্রথম অক্ষর এস দিয়ে স্টোরেজ ব্যাটারি মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ব্যাটারির তরল বা ইলেকট্রোলাইটের রাসায়নিক নাম এবং সংকেত সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা আবশ্যক।
সঠিক উত্তর: B) সম্মুখ অভিমুখে বলের উপাংশটিকে কার্যকর রাখা হয়
১. কেন সঠিক:
বাতাস সরাসরি নৌকার পালের ওপর আঘাত করলে নৌকাটি বাতাস যে দিকে বইছে ঠিক তার বিপরীতে বা অন্য দিকেও চালিত হতে পারে।
পদার্থবিজ্ঞানের ভেক্টরের রূপাংশ বা উপাংশ বিভাজনের মাধ্যমে বাতাসকে এমনভাবে ব্যবহার করা হয় যেন তার একটি অংশ নৌকাকে সামনে এগিয়ে নেয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: ভেক্টরের উপাংশ বিভাজন, যেখানে একটি বলকে দুটি লম্ব উপাংশে ভাগ করা হয় যার একটি সম্মুখ গতি তৈরি করে।
কার্যপ্রণালি: নৌকার পাল এবং চাকার বা নৌকার তলার দিক এমনভাবে সামঞ্জস্য করা হয় যাতে পার্শ্বীয় বল বাতিল হয়ে যায় এবং সম্মুখ গতির উপাংশটি টিকে থাকে।
বাস্তব প্রয়োগ: পালতোলা নৌকা বাতাসকে আড়ভাবে কেটে এমনভাবে এগিয়ে যায় যা সরাসরি বাতাসের গতির বিরুদ্ধে হলেও গন্তব্যে পৌঁছাতে সাহায্য করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আইসবোট বা বরফের ওপরে চলা নৌকা বাতাসের বিপরীতে কোণাকুণিভাবে খুব দ্রুত এগিয়ে যেতে পারে।
ব্যাখ্যা: এটি ভেক্টরের উপাংশ প্রয়োগের একটি চমৎকার উদাহরণ যেখানে পার্শ্বীয় বলকে কাজে লাগিয়ে সম্মুখ গতি অর্জন করা হয়।
উদাহরণ ২: সমুদ্রের বুকে পালতোলা জাহাজ বা সেলবোট সম্পূর্ণ অনুকূল বাতাস না থাকা সত্ত্বেও জিগজ্যাগ পথে গন্তব্যে পৌঁছায়।
ব্যাখ্যা: একে ট্যাকিং বলা হয়, যা বাতাসের দিককে কোণাকুণি উপাংশে রূপান্তর করে নৌকাকে সামনে টানে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ক্রিয়ার বদলে প্রতিক্রিয়াটি ব্যবহার হয় — এটি নিউটনের তৃতীয় সূত্রের সাধারণ প্রকাশ কিন্তু পালের গতির ক্ষেত্রে উপাংশের ধারণাটি বেশি উপযোগী।
B) সম্মুখ অভিমুখে বলের উপাংশটিকে কার্যকর রাখা হয় — এটি সঠিক বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়া যা ভেক্টরের নিয়মে নৌকাকে এগিয়ে নিয়ে যায়।
C) পালের দড়িতে টানের নিয়ন্ত্রন বিশেষ দিকে বাতাসকে কার্যকর করে — দড়ির টান কেবল পালকে নির্দিষ্ট কোণে ধরে রাখে কিন্তু মূল গতি আসে বলের উপাংশ থেকে।
D) পালের আকৃতিক সুকৌশল ব্যবহার করা যায় — পাল বাঁকানো থাকে ঠিকই, কিন্তু মূল বৈজ্ঞানিক ভিত্তি হলো বলের উপাংশের সঠিক ব্যবহার।
৫. মনে রাখার টিপস:
পালতোলা নৌকা মানেই ভেক্টরের উপাংশ। বাতাস তির্যকভাবে ধাক্কা দিলে সম্মুখ দিকের উপাংশ নৌকাকে সামনে চালায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ভেক্টরের উপাংশ বিভাজন সংক্রান্ত এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। নৌকা কীভাবে বাতাসের বিপরীতে চলে, তা মূলত বলের উপাংশের বাস্তব প্রয়োগ।
সঠিক উত্তর: D) উপগ্রহের সাহায্যে দূর থেকে ভুমন্ডলের অবলোকন
১. কেন সঠিক:
রিমোট সেন্সিং বা দূর অনুধাবন হলো এমন একটি প্রযুক্তি যার মাধ্যমে কোনো বস্তু বা ভূখণ্ডের সংস্পর্শে না এসেই দূর থেকে তার তথ্য সংগ্রহ করা হয়।
সাধারণত মহাশূন্যে স্থাপিত কৃত্রিম উপগ্রহে ক্যামেরা বা সেন্সর বসিয়ে পৃথিবীর পৃষ্ঠের ছবি ও বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করা হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: দূর অনুধাবন হলো স্পর্শ না করে তড়িৎ চুম্বকীয় বিকিরণের মাধ্যমে ভূ-পৃষ্ঠের তথ্য ও উপাত্ত সংগ্রহের বিজ্ঞান।
কার্যপ্রণালি: কৃত্রিম উপগ্রহে অবস্থিত সেন্সর সূর্য থেকে প্রতিফলিত বা ভূপৃষ্ঠ থেকে নির্গত শক্তি রেকর্ড করে এবং তা পৃথিবীতে প্রেরণ করে।
বাস্তব প্রয়োগ: আবহাওয়া পূর্বাভাস, বনভূমি পর্যবেক্ষণ, সমুদ্রের তাপমাত্রা পরিমাপ এবং কৃষি জমি ব্যবস্থাপনায় এটি বহুল ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আবহাওয়া উপগ্রহ থেকে ঘূর্ণিঝড়ের গতিপ্রকৃতি পর্যবেক্ষণ করা।
ব্যাখ্যা: এটি রিমোট সেন্সিং প্রযুক্তির সাহায্যে মেঘের গতিবিধি লক্ষ করে ঝড়ের পূর্বাভাস দেয়।
উদাহরণ ২: গুগ্ল ম্যাপ বা আর্থ ব্যবহার করে দূর থেকে কোনো জায়গার স্যাটেলাইট ইমেজ দেখা।
ব্যাখ্যা: এটি কৃত্রিম উপগ্রহের মাধ্যমে সংগৃহীত দূর অনুধাবনের বাস্তব প্রয়োগ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রেডিও ট্রান্সমিটার সহযোগে দূর থেকে তথ্য সংগ্রহ — এটি সাধারণ রেডিও যোগাযোগ বা সম্প্রচারের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, নির্দিষ্ট রিমোট সেন্সিং নয়।
B) রাডারের সাহায্যে চারদিকের পরিবেশের অবলোকন — রাডার সীমিত এলাকার জন্য ব্যবহৃত হয় এবং এটি রিমোট সেন্সিং এর একটি অংশ হলেও সমগ্র ভুমন্ডল বোঝায় না।
C) কোয়াসার প্রভৃতি মহাজাগতিক উৎস থেকে সংকেত অনুধাবন — এটি জ্যোতির্বিজ্ঞান এবং রেডিও অ্যাস্ট্রোনমির অন্তর্গত, ভূ-মন্ডল অনুধাবনের সাথে সম্পর্কিত নয়।
D) উপগ্রহের সাহায্যে দূর থেকে ভুমন্ডলের অবলোকন — এটি রিমোট সেন্সিং বা দূর অনুধাবনের সঠিক এবং পূর্ণাঙ্গ সংজ্ঞা।
৫ মনে রাখার টিপস:
রিমোট মানে দূর এবং সেন্সিং মানে অনুধাবন বা সংকেত নেওয়া, তাই কৃত্রিম উপগ্রহ দিয়ে দূর থেকে পৃথিবী দেখা হলো রিমোট সেন্সিং।
স্যাটেলাইট বা উপগ্রহ শব্দটির সাথে দূর অনুধাবন বা রিমোট সেন্সিং ধারণাটি সরাসরি যুক্ত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
রিমোট সেন্সিং প্রযুক্তিতে প্রধানত তড়িৎ চুম্বকীয় বিকিরণ ব্যবহার করা হয়।
এই টপিক থেকে আবহাওয়া উপগ্রহ এবং জিওস্টেশনারি স্যাটেলাইট সম্পর্কিত প্রশ্নও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: B) তাপ আটকে পড়ে সার্বিক তাপমাত্রা বৃ্দ্ধি
১. কেন সঠিক:
পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে থাকা গ্রীন হাউজ গ্যাসগুলো সূর্য থেকে আসা শর্টওয়েভ রেডিয়েশন বা আলোকশক্তিকে পৃথিবীতে প্রবেশ করতে দেয়। পৃথিবী সেই শক্তি শোষণ করে লংওয়েভ রেডিয়েশন বা তাপশক্তি হিসেবে মহাশূন্যে ফিরে যেতে চাইলে এই গ্যাসগুলো তা আটকে ফেলে।
এই তাপ বায়ুমণ্ডলে আটকে থাকার কারণে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা ক্রমশ বৃদ্ধি পায়, যাকে বৈশ্বিক উষ্ণায়ন বা গ্লোবাল ওয়ার্মিং বলা হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: গ্রীন হাউজ এফেক্ট হলো এমন একটি প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে বায়ুমণ্ডলের নির্দিষ্ট কিছু গ্যাস পৃথিবীর পৃষ্ঠের তাপ আটকে রেখে গ্রহটিকে বসবাসের উপযোগী উষ্ণতা প্রদান করে।
প্রধান গ্যাসসমূহ: কার্বন ডাই-অক্সাইড, মিথেন, নাইট্রাস অক্সাইড এবং জলীয় বাষ্প হলো প্রধান গ্রীন হাউজ গ্যাস।
কারণ ও ফলাফল: শিল্পায়ন এবং জীবাশ্ম জ্বালানি পুড়ানোর ফলে বায়ুমণ্ডলে এই গ্যাসগুলোর মাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে, যার ফলে অতিরিক্ত তাপ আটকে গিয়ে সমুদ্রের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং জলবায়ু পরিবর্তন ঘটছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শীতের দিনে কাচের ঘরে বা গ্রীনহাউজে শাকসবজি চাষ করা হয়।
ব্যাখ্যা: কাচের ছাদ সূর্যের আলোকে ভেতরে প্রবেশ করতে দেয় কিন্তু ভেতরের তাপ বাইরে বের হতে দেয় না, ফলে ভেতরের উষ্ণতা সংরক্ষিত থাকে।
উদাহরণ ২: ঠান্ডা রাতে মেঘাচ্ছন্ন আকাশ থাকলে ঠান্ডা কম লাগে।
ব্যাখ্যা: মেঘ গ্রীন হাউজ গ্যাসের মতো কাজ করে এবং পৃথিবী থেকে বিকিরিত তাপ মহাশূন্যে চলে যেতে বাধা দিয়ে বায়ুমণ্ডলে আটকে রাখে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সূর্যালোকের অভাবে সালোক সংশ্লেষনে ঘাটতি — এটি উদ্ভিদের খাদ্য প্রস্তুত প্রক্রিয়া সম্পর্কিত যা আলোর তীব্রতার সঙ্গে যুক্ত, গ্রীন হাউজ এফেক্টের সঙ্গে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই।
B) তাপ আটকে পড়ে সার্বিক তাপমাত্রা বৃ্দ্ধি — এটি সঠিক কারণ, যা গ্রীন হাউজ এফেক্টের মূল বৈজ্ঞানিক কার্যপ্রণালি ও ফলাফল নিখুঁতভাবে প্রকাশ করে।
C) প্রাকৃতিক চাষের বদলে ক্রমবর্ধমানভাবে কৃএিম চাষের প্রয়োজনীয়তা — এটি কৃষি প্রযুক্তির পরিবর্তনের সঙ্গে সম্পর্কিত, যা পরিবেশগত উষ্ণতা বৃদ্ধির সরাসরি ফলাফল বা সংজ্ঞা নয়।
D) গাছপালা আচ্ছাদন নষ্ট হয়ে মরুভূমির বিস্তার — এটি মূলত বনভূমি নিধন এবং মরুকরণ প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত, যা গ্রীন হাউজ এফেক্টের প্রত্যক্ষ সংজ্ঞা নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
গ্রীন হাউজ মানেই হলো তাপ ধরে রাখা। কাচের ঘরের ভেতর যেমন তাপ আটকে থাকে, তেমনি পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল গ্রীন হাউজ গ্যাসের কারণে তাপ আটকে রাখে এবং তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
গ্রীন হাউজ গ্যাসের মধ্যে বায়ুমণ্ডলে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে থাকে জলীয় বাষ্প, তবে মানবসৃষ্ট কারণে কার্বন ডাই-অক্সাইড বৈশ্বিক উষ্ণায়নের জন্য সবচেয়ে বেশি দায়ী।
এই টপিক থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে যে নিচের কোনটি গ্রীন হাউজ গ্যাস বা কোনটি নয়।
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)