বাংলাদেশ  সিভিল সার্ভিস (BCS)

১৪ তম (বিশেষ) বিসিএস প্রিলিমিরি (শিক্ষা) পরীক্ষা ১৯৯২

পদের নাম: বিভিন্ন পদ (৯ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (73)

a আনোয়ার পাশা
b ইস্তাম্বুল যাত্রীর পত্র
c কুচবরণ কণ্যা
d সোনার শিকল
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কুচবরণ কণ্যা কেন সঠিক: - প্রশ্নটিতে ইব্রাহিম খাঁর রচিত নয় এমন গ্রন্থ কোনটি তা জানতে চাওয়া হয়েছে। - অপশন সি তে থাকা কুচবরণ কণ্যা গ্রন্থটি মোহাম্মদ ইব্রাহিম খাঁর রচিত নয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মোহাম্মদ ইব্রাহিম খাঁ ছিলেন একজন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক ও নাট্যকার। - তাঁর উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্মের মধ্যে রয়েছে জীবনী, ভ্রমণকাহিনী ও নাটক। - তাঁর রচিত গ্রন্থগুলোর মধ্যে আনোয়ার পাশা, ইস্তাম্বুল যাত্রীর পত্র এবং সোনার শিকল বিশেষভাবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) আনোয়ার পাশা — এটি মোহাম্মদ ইব্রাহিম খাঁর একটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক জীবনীগ্রন্থ। - B) ইস্তাম্বুল যাত্রীর পত্র — এটি মোহাম্মদ ইব্রাহিম খাঁর রচিত একটি জনপ্রিয় ভ্রমণকাহিনি। - C) কুচবরণ কণ্যা — এটি মোহাম্মদ ইব্রাহিম খাঁর লেখা নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর। - D) সোনার শিকল — এটি মোহাম্মদ ইব্রাহিম খাঁর রচিত একটি নাটক। মনে রাখার টিপস: - ইব্রাহিম খাঁর প্রধান রচনাগুলো মনে রাখতে তাঁর ভ্রমণকাহিনি ইস্তাম্বুল যাত্রীর পত্র এবং নাটক সোনার শিকল মাথায় রাখতে হবে।
a সমাজ
b পানি
c মিছিল
d নদী
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নদী ১. কেন সঠিক: জাতিবাচক বিশেষ্য বলতে সেই বিশেষ্য পদকে বোঝায় যা কোনো একজাতীয় ব্যক্তি, প্রাণী বা পদার্থের সাধারণ নাম প্রকাশ করে। 'নদী' শব্দটি কোনো একটি নির্দিষ্ট নদীকে না বুঝিয়ে পৃথিবীতে যত নদী আছে সবার সাধারণ নামকে বোঝাচ্ছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: যে বিশেষ্য পদ কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি, স্থান বা সমষ্টির নাম না বুঝিয়ে একজাতীয় প্রজাতি বা শ্রেণীর সাধারণ নাম বোঝায় তাকে জাতিবাচক বিশেষ্য বলে। এটি বিশেষ্য পদের একটি প্রধান শ্রেণী এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পর্বত ব্যাখ্যা: পর্বত শব্দটি কোনো নির্দিষ্ট পাহাড় বা পর্বতমালাকে না বুঝিয়ে সকল পর্বতকে বোঝায়। উদাহরণ ২: পাখি ব্যাখ্যা: পাখি বলতে নির্দিষ্ট কোনো পাখিকে বোঝায় না বরং পৃথিবীর সকল পাখিকুলকে বোঝায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সমাজ — এটি একটি সমষ্টিবাচক বিশেষ্য কারণ সমাজ বলতে অনেক মানুষের গড়া একটি সংঘবদ্ধ জনসমষ্টিকে বোঝায়। B) পানি — এটি একটি বস্তুবাচক বা দ্রব্যবাচক বিশেষ্য কারণ পানি একটি উপাদান বা পদার্থের নাম। C) মিছিল — এটি একটি সমষ্টিবাচক বিশেষ্য কারণ মিছিল বলতে অনেক মানুষের একত্রে চলা একটি সমবেত জনতাকে বোঝায়। D) নদী — এটি সঠিক কারণ নদী একটি নির্দিষ্ট নাম না হয়ে সকল নদীর সাধারণ নাম বা জাতিবাচক বিশেষ্য। ৫ মনে রাখার টিপস: যে নাম শুনলে পুরো জাতি বা শ্রেণীকে বোঝা যায় এবং যাকে নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তিতে সীমাবদ্ধ রাখা যায় না, সেটিই জাতিবাচক বিশেষ্য। পর্বত, নদী, মানুষ, গ্রহ এসব সাধারণ নাম দেখলেই জাতিবাচক বিশেষ্য হিসেবে চিহ্নিত করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সমষ্টিবাচক বিশেষ্য এবং জাতিবাচক বিশেষ্যের পার্থক্য প্রায়ই পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করে। সমাজ বা মিছিল হলো সমষ্টিবাচক কারণ এগুলো বহু ব্যক্তির সমষ্টি, পক্ষান্তরে নদী বা মানুষ হলো জাতিবাচক কারণ এগুলো একটি সমগ্র শ্রেণীকে নির্দেশ করে।
a ভবিষ্যত বিচিত্র ও বিপুল সম্ভাবনাময়
b বাধা-বিপত্তি প্রতিভাকে অঙ্কুরেই বিনষ্ট করে
c প্রকৃতি বিপুল ঐশ্বর্যের অধিকারী
d ভাঙ্গার পরেই গড়ার কাজ শুরু হয়
0 106 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ভবিষ্যত বিচিত্র ও বিপুল সম্ভাবনাময় ১. কেন সঠিক: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গ' কবিতায় শীতের ঘুম ভেঙে ঝরনার যেমন নতুন গতিতে ছুটে চলার আনন্দ প্রকাশ পেয়েছে, তেমনি কবির মনেও নবজীবনের জয়গান বেজে উঠেছে। - এখানে কবির অন্তরের অবরুদ্ধ ভাবনার মুক্তি ঘটেছে এবং তিনি বুঝতে পেরেছেন যে বাইরের পৃথিবী অপার সম্ভাবনায় ভরপুর ও রহস্যময়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - 'নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গ' কবিতাটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত 'প্রভাতসংগীত' কাব্যের অন্তর্ভুক্ত একটি প্রণোদনামূলক ও আশাবাদী রচনা। - ১৮৮৩ সালে রচিত এই কবিতায় কবির অন্তরের মুক্তি এবং প্রকৃতির নতুন রূপ অত্যন্ত রূপময় ভাষায় প্রকাশিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রভাতসংগীত কাব্যগ্রন্থ ব্যাখ্যা: নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গ কবিতাটি এই কাব্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবিতা যেখানে কবির নবচেতনার প্রকাশ ঘটেছে। উদাহরণ ২: মানসী কাব্যগ্রন্থ ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রোমান্টিক ধারার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কাব্য যেখানে জীবনের গভীর উপলব্ধি প্রকাশ পেয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভবিষ্যত বিচিত্র ও বিপুল সম্ভাবনাময় — এই অপশনটি কবিতার মূল ভাবকে সঠিকভাবে প্রকাশ করে। B) বাধা-বিপত্তি প্রতিভাকে অঙ্কুরেই বিনষ্ট করে — এটি সঠিক তথ্য হলেও এই কবিতার মূল উপলব্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। C) প্রকৃতি বিপুল ঐশ্বর্যের অধিকারী — প্রকৃতি বা ঐশ্বর্যের কথা থাকলেও মূল থিম হলো ভবিষ্যতের বিপুল সম্ভাবনা। D) ভাঙ্গার পরেই গড়ার কাজ শুরু হয় — এই কথাটি অন্য কোনো প্রগতিশীল ভাবনার হতে পারে কিন্তু নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গের মূল বার্তা হলো অন্তরের মুক্তি ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা। ৫. মনে রাখার টিপস: - ঝরনা বা নির্ঝর মানেই নতুন গতি এবং স্বপ্নভঙ্গ অর্থ চেতনার জাগরণ। - তাই এই কবিতার সঙ্গে ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা বা নবজীবনের জয়গান শব্দটি মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গ কবিতাটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রভাতসংগীত কাব্য থেকে নেওয়া হয়েছে। - এই ধরনের সাহিত্য প্রশ্নে কবির অন্তর্দৃষ্টি এবং কাব্যের মূল সুর ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হয়।
a ১৯০৩-১৯৭৬ ইং
b ১৮৮৯-১৯৬৬ ইং
c ১৮৯৯-১৯৭৯ ইং
d ১৯১০-১৯৮৭ ইং
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৯০৩-১৯৭৬ ইং ১. কেন সঠিক: - পল্লীকবি জসীমউদ্দীন ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। - তিনি বাংলা সাহিত্যে পল্লীপ্রকৃতি ও সাধারণ মানুষের জীবন ফুটিয়ে তোলার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - জসীমউদ্দীন আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় ও প্রগতিশীল কবি এবং গীতিকার। - তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ নকশী কাঁথার মাঠ ও সোজন বাদিয়ার ঘাট বিশ্বসাহিত্যেরও সমাদৃত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নকশী কাঁথার মাঠ ব্যাখ্যা: এটি কবি জসীমউদ্দীনের একটি অমর কাব্যগ্রন্থ যা গ্রামীণ প্রেমের এক অনন্য ট্র্যাজেডি তুলে ধরে। উদাহরণ ২: সোজন বাদিয়ার ঘাট ব্যাখ্যা: এটি কবির আরেকটি বিখ্যাত রোমান্টিক কাব্য যা বাংলার লোকসংস্কৃতির এক সার্থক রূপায়ণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯০৩-১৯৭৬ ইং — এটি কবি জসীমউদ্দীনের সঠিক জন্ম ও মৃত্যুর সাল হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। B) ১৮৮৯-১৯৬৬ ইং — এই সময়কালটি অন্য কোনো লেখকের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, জসীমউদ্দীনের নয়। C) ১৮৯৯-১৯৭৯ ইং — এই সালটি পল্লীকবির জীবনকালের সঙ্গে মেলে না, এটি ভুল তথ্য। D) ১৯১০-১৯৮৭ ইং — এই সময়সীমাটি কবি জসীমউদ্দীনের জীবনকালের সাথে সংগতিপূর্ণ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - জসীমউদ্দীনের জন্ম ১৯০৩ সালে এবং মৃত্যু ১৯৭৬ সালে, এভাবে মনে রাখতে পারো যে তিনি বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে সাহিত্যসাধনা শুরু করেছিলেন। - তার জন্মসাল মনে রাখতে ৩ অঙ্কটি মনে রাখতে পারো কারণ তিনি পল্লী প্রকৃতির তিন প্রধান রূপ নদী, মাঠ ও আকাশ নিয়ে লিখেছেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবি ও লেখকদের জন্ম-মৃত্যু সাল প্রায়ই আসে, তাই গুরুত্বপূর্ণ লেখকদের সালগুলো আলাদা তালিকা করে পড়তে হবে। - জসীমউদ্দীনকে পল্লীকবি বলা হয় কারণ তার কবিতায় গ্রামীণ বাংলার মাটি ও মানুষের গন্ধ মিশে আছে।
a শব্দের ক্ষুদ্রতম অংশ
b একসঙ্গে উচ্চারিত ধ্বনিগুচ্ছ
c ধ্বনির শ্রুতিগ্রাহ্য রূপ
d ধ্বনির শ্রুতি অগ্রাহ্য রূপ
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ধ্বনির শ্রুতিগ্রাহ্য রূপ ১. কেন সঠিক: - ধ্বনি যখন মুখে উচ্চারিত হয় এবং কান দিয়ে শোনা যায়, তখন তাকে ধ্বনির শ্রুতিগ্রাহ্য রূপ বলা হয়। - ভাষার মৌলিক উপাদান হলো ধ্বনি, যা মানুষের বাকযন্ত্রের সাহায্যে উৎপাদিত হয় এবং শ্রুতিগ্রাহ্যতার মাধ্যমে অন্যে তা গ্রহণ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ধ্বনি, বর্ণ ও উচ্চারণ সংক্রান্ত ব্যাকরণিক আলোচনায় ধ্বনি হলো ভাষার প্রাণ এবং বর্ণ হলো সেই ধ্বনির লিখিত বা দৃশ্যমান রূপ। - ধ্বনি কান দিয়ে শোনা যায় বলে এটি শ্রুতিগ্রাহ্য, আর বর্ণ চোখ দিয়ে দেখা যায় বলে এটি দৃষ্টিগ্রাহ্য প্রতীক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মানুষের মুখের উচ্চারিত শব্দ বা ধ্বনি ব্যাখ্যা: এটি কানে শোনা যায় বলে ধ্বনির শ্রুতিগ্রাহ্য রূপ। উদাহরণ ২: পাখির ডাক বা সুর ব্যাখ্যা: এটিও শ্রুতিগ্রাহ্য ধ্বনির একটি প্রাকৃতিক উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শব্দের ক্ষুদ্রতম অংশ — এটি ধ্বনির ব্যাকরণিক সংজ্ঞা হলেও প্রশ্নের নির্দিষ্ট শ্রুতিগ্রাহ্য রূপের সঙ্গে সরাসরি মেলে না। B) একসঙ্গে উচ্চারিত ধ্বনিগুচ্ছ — এটি অক্ষর বা যুক্তধ্বনি বোঝায়, একক ধ্বনির শ্রুতিগ্রাহ্য রূপ নয়। C) ধ্বনির শ্রুতিগ্রাহ্য রূপ — এটি সঠিক কারণ ধ্বনি কান দিয়ে শোনা যায়। D) ধ্বনির শ্রুতি অগ্রাহ্য রূপ — ধ্বনি কখনোই অগ্রাহ্য হতে পারে না, কারণ ধ্বনি মাত্রই শ্রুতিগ্রাহ্য। ৫. মনে রাখার টিপস: - ধ্বনি মানে যা শোনা যায় বা শ্রুতিগ্রাহ্য, আর বর্ণ মানে যা দেখা যায় বা দৃষ্টিগ্রাহ্য। - কান দিয়ে যা গ্রহণ করা হয় তা ধ্বনি এবং চোখ দিয়ে যা দেখা হয় তা বর্ণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ধ্বনি ও বর্ণের মধ্যে পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়। - মনে রাখতে হবে ধ্বনি হলো শ্রুতিগ্রাহ্য আর বর্ণ হলো দৃষ্টিগ্রাহ্য।
a জীবন
b জীবনী
c জীবিকা
d জীবাণু
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জীবনী ১. কেন সঠিক: - জীবনী শব্দটি বিশেষ্য পদ থেকে উৎপন্ন হয়ে কোনো ব্যক্তি বা বিষয় সম্পর্কে বিশেষ বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করার সময় বিশেষণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। - এখানে জীবন শব্দের সঙ্গে ই প্রত্যয় যুক্ত হয়ে জীবনী শব্দ গঠিত হয়েছে যা মূলত কোনো ব্যক্তির জীবনবৃত্তান্ত বা চরিত্রকে নির্দেশ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিশেষ্য পদকে বিশেষিত করার জন্য বা বিশেষ রূপ দেওয়ার জন্য শব্দের শেষে প্রত্যয় যুক্ত করে বিশেষণ পদ তৈরি করা হয়। - বাংলা ব্যাকরণে পদের রূপান্তর একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় যেখানে বিশেষ্য থেকে বিশেষণ পদে রূপান্তরের নিয়ম শেখানো হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জীবনী গ্রন্থটি আমাদের অনেক কিছু শিখিয়েছে। ব্যাখ্যা: এখানে জীবনী শব্দটি গ্রন্থ বিশেষ্যকে বিশেষিত করেছে। উদাহরণ ২: তাঁর একটি সুন্দর জীবনী লেখা হয়েছে। ব্যাখ্যা: এখানে জীবনী শব্দটি জীবনবৃত্তান্ত অর্থে বিশেষ্য বা বিশেষণ উভয় রূপেই বাক্যের চাহিদানুযায়ী কাজ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জীবন — এটি একটি বিশেষ্য পদ যার অর্থ অস্তিত্ব বা হায়াত। C) জীবিকা — এটি একটি বিশেষ্য পদ যার অর্থ বেঁচে থাকার উপায় বা পেশা। D) জীবাণু — এটি একটি বিশেষ্য পদ যার অর্থ অতি ক্ষুদ্র জীব। ৫. মনে রাখার টিপস: - কোনো শব্দের শেষে ই প্রত্যয় যুক্ত থাকলে তা সাধারণত গুণ বা বৈশিষ্ট্য বোঝায় যা বিশেষণ পদ হিসেবে কাজ করতে পারে। - শব্দের রূপান্তর শেখার সময় মূল শব্দ এবং প্রত্যয়যুক্ত রূপের পার্থক্য ভালোভাবে খেয়াল রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দ কোন পদ তা নির্ণয় করার জন্য শব্দের গঠন ও প্রত্যয় ভালোভাবে বুঝতে হবে। - বিশেষ্য থেকে বিশেষণ পরিবর্তনের নিয়মগুলো অনুশীলন করলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
a সংস্কৃত লিপি
b চীনা লিপি
c আরবি লিপি
d ব্রাহ্মী লিপি
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ব্রাহ্মী লিপি ১. কেন সঠিক: - বাংলা লিপির উৎস হলো প্রাচীন ভারতের ব্রাহ্মী লিপি। প্রাচীন ব্রাহ্মী লিপি থেকেই বিবর্তনের মাধ্যমে পূর্ব ভারতীয় লিপি এবং পরবর্তীতে বাংলা লিপির জন্ম হয়েছে। - ভারতীয় প্রায় সব আধুনিক লিপিই মূল ব্রাহ্মী লিপি থেকে উদ্ভূত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ভাষা, উপভাষা ও বাংলা ভাষার ইতিহাস সম্পর্কিত প্রশ্ন এটি। বাংলা লিপি মূলত ডান দিক থেকে বামে লেখার প্রথা বাদ দিয়ে বাম দিক থেকে ডানে লেখার ভারতীয় লিপিমালার অংশ। - ঐতিহাসিক বিবর্তনের ধাপে ব্রাহ্মী লিপি থেকে কুটিল লিপি এবং কুটিল লিপি থেকে সেন যুগে বাংলা লিপির রূপ নিতে শুরু করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দেবনাগরী লিপি ব্যাখ্যা: দেবনাগরী লিপিও ব্রাহ্মী লিপি থেকেই উদ্ভূত হয়েছে, যা হিন্দি ও সংস্কৃত লেখার জন্য ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: ওড়িয়া লিপি ব্যাখ্যা: ওড়িয়া লিপিও ব্রাহ্মী লিপির পূর্বাঞ্চলীয় শাখা থেকে উদ্ভূত একটি ভারতীয় লিপি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সংস্কৃত লিপি — সংস্কৃত কোনো লিপি নয়, এটি একটি ভাষা যা সাধারণত দেবনাগরী বা ব্রাহ্মী লিপিতে লেখা হয়। B) চীনা লিপি — চীনা লিপি চিত্রভিত্তিক এবং এটি বাংলা লিপির উৎস নয়। C) আরবি লিপি — আরবি লিপি সেমিটিক লিপি পরিবারভুক্ত এবং ডান দিক থেকে লেখা হয়, যা বাংলা লিপির উৎস নয়। D) ব্রাহ্মী লিপি — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলা লিপি এই প্রাচীন লিপি থেকেই বিবর্তিত হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - মনে রাখার সহজ উপায় হলো ব্রাহ্মী লিপি হলো ভারতীয় সব লিপির আদি উৎস। বাংলা, হিন্দি ও অসমিয়া লিপির শেকড় এই ব্রাহ্মী লিপিতেই নিহিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা লিপির উৎপত্তি নিয়ে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। বাংলা লিপির আদি উৎস ব্রাহ্মী লিপি এবং মধ্যবর্তী রূপ কুটিল লিপি এটি মনে রাখা জরুরি।
a ডাকাবুকা
b তুলসী বনের বাঘ
c তামার বিষ
d ঢাকের বাঁয়া
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ঢাকের বাঁয়া ১. কেন সঠিক: - ঢাকের বাঁয়া বাগধারাটির অর্থ যার কোনো মূল্য নেই বা অপ্রয়োজনীয় বস্তু। - ঢাক বাজানোর সময় মূল বা ডান দিকের ঢাকটি প্রধান হলেও বাঁ দিকের বাঁয়া ঢাকটি তেমন জোরালো বা স্বতন্ত্র গুরুত্ব বহন করে না। ২. ব্যাকরণ ও প্রবাদ প্রবচন ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দগুচ্ছ যা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে বিশেষ কোনো ভাব বা প্রবাদ প্রকাশ করে। - বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে তুলনাবাচক বা রূপকধর্মী শব্দের মাধ্যমে মানুষের সামাজিক অবস্থা ও গুরুত্ব বোঝাতে এই ধরনের বাগধারা ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অকালকুষ্মাণ্ড ব্যাখ্যা: এই বাগধারাটির অর্থ অপদার্থ বা অকেজো ব্যক্তি, যার কোনো কাজের ক্ষমতা বা মূল্য নেই। উদাহরণ ২: ভুঁইফোড় ব্যাখ্যা: হঠাৎ করে গজিয়ে ওঠা বা অপ্রয়োজনীয় কোনো ব্যক্তি বা বিষয় বোঝাতে এই বাগধারা ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডাকাবুকা — এই বাগধারার সঠিক অর্থ হলো অত্যন্ত সাহসী বা হঠকারী ব্যক্তি, যা প্রশ্নের নির্দেশনার সঙ্গে মেলে না। B) তুলসী বনের বাঘ — এই বাগধারার অর্থ ভদ্রতার আড়ালে বিপজ্জনক বা শঠ প্রকৃতির লোক, যা মূল প্রশ্নের অর্থের বিপরীত। C) তামার বিষ — এই বাগধারার সঠিক অর্থ অর্থের কুপ্রভাব বা অহংকার, যা মূল প্রশ্নের চাহিদার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) ঢাকের বাঁয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ যার কোনো মূল্য নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: ডান পাশের ঢাক বা মূল ঢাকের গুরুত্ব থাকলেও বাঁ দিকের বাঁয়া ঢাকের আলাদা কোনো একক কদর বা মূল্য থাকে না। এভাবে মনে রাখতে পারো যে ঢাকের বাঁয়া মানেই হলো যার কোনো মূল্য নেই। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের অপ্রয়োজনীয় বস্তু বা মূল্যহীন ব্যক্তি বোঝাতে ঢাকের বাঁয়া এবং অকালকুষ্মাণ্ড বাগধারাগুলো বারবার আসে। অপশনগুলো ভালোভাবে খেয়াল করে সঠিক অর্থ মিলাতে হবে।
a গোলাপ
b শীতল
c নেয়ে
d গৌরব
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) গোলাপ ১. কেন সঠিক: - যে শব্দকে ভাঙলে বা বিশ্লেষণ করলে আর কোনো অর্থপূর্ণ অংশ পাওয়া যায় না এবং যা অন্য কোনো শব্দ থেকে উৎপন্ন হয় না, তাকে মৌলিক শব্দ বলে। - গোলাপ একটি মৌলিক শব্দ কারণ একে বিশ্লেষণ করা যায় না এবং এর অর্থ নির্দিষ্ট একটি ফুলের নাম। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - গঠন অনুসারে বাংলা শব্দকে দুটি ভাগে ভাগ করা হয়, যথা মৌলিক শব্দ এবং সাধিত শব্দ। - মৌলিক শব্দ নিজস্ব অর্থে স্বাধীনভাবে ব্যবহৃত হয় এবং এর কোনো প্রত্যয় বা উপসর্গ থাকে না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নাক ব্যাখ্যা: নাক শব্দটিকে ভাঙলে কোনো অর্থপূর্ণ অংশ পাওয়া যায় না, তাই এটি একটি মৌলিক শব্দ। উদাহরণ ২: তিন ব্যাখ্যা: তিন একটি সংখ্যাবাচক শব্দ যা বিশ্লেষণ করা যায় না, তাই এটি মৌলিক শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গোলাপ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি একটি মৌলিক শব্দ এবং একে বিশ্লেষণ করা যায় না। B) শীতল — এটি একটি সাধিত শব্দ যা শীত যোগ অল প্রত্যয় যোগে গঠিত হয়েছে। C) নেয়ে — এটি একটি সাধিত শব্দ যা নাওয়া ধাতু থেকে প্রত্যয় যোগে উৎপন্ন হয়েছে। D) গৌরব — এটি একটি তদ্ধিত প্রত্যয়যুক্ত সাধিত শব্দ যা গুরু যোগ ষ্ণ প্রত্যয় যোগে গঠিত হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: ফুল, পাখি, নদী বা শরীরের অঙ্গবাচক অনেক ছোট শব্দ মৌলিক হয় যেমন গোলাপ, নাক, হাত। সাধিত শব্দ চেনার জন্য প্রত্যয় ও উপসাগরের গঠন খেয়াল করতে হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মৌলিক শব্দ ও সাধিত শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। শব্দের গঠন বুঝতে পারলে সঠিক উত্তর সহজে নির্ণয় করা যায়।
a বেনজির আহমেদ
b কাজী নজরুল ইসলাম
c জীবনানন্দ দাস
d শামসুর রাহমান
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কাজী নজরুল ইসলাম ১. কেন সঠিক: - এই পঙ্ক্তিটি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত বিদ্রোহী ও রোমান্টিক চেতনার বহিঃপ্রকাশযুক্ত কবিতার অংশ। - এখানে বউকথা কও পাখি বা প্রকৃতির রূপকের মাধ্যমে বিরহ ও অভিমানের এক গভীর আবেগ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত হলেও তার কবিতায় প্রেমের সুরও সমানভাবে প্রখর। - এই কবিতাংশটি তার প্রকৃতি ও প্রেমের অনুভূতির এক অনন্য সুন্দর সাহিত্যিক নিদর্শন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: খেয়া পার হয় তরীতে, ওপারে যায় নদী। ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের বিখ্যাত প্রতীকী ও প্রকৃতিভিত্তিক কবিতার একটি অংশ। উদাহরণ ২: মোর প্রিয়া হবে এসো রানী, ভোরে কিবা রজনীতে। ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রেমের গানের একটি বিখ্যাত পঙ্ক্তি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বেনজির আহমেদ — ইনি একজন প্রখ্যাত বাঙালি কবি হলেও এই বিখ্যাত কবিতাটির রচয়িতা নন। B) কাজী নজরুল ইসলাম — এটি সঠিক উত্তর এবং এই কবিতাংশটি তারই সৃষ্টি। C) জীবনানন্দ দাস — ইনি রূপসী বাংলার কবি, যার লেখার ধরন ও প্রকৃতি এই পঙ্ক্তির সঙ্গে মেলে না। D) শামসুর রাহমান — ইনি আধুনিক যুগের প্রধান কবি, যার সাহিত্যশৈলী ভিন্ন ধারার। ৫. মনে রাখার টিপস: - বউকথা কও পাখির ডাকের মতো মিষ্টি সুর এবং অভিমানী শব্দগুলো নজরুল ইসলামের প্রেমের কবিতাতেই বেশি পাওয়া যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত কবিতার পঙ্ক্তি দিয়ে কবি বা লেখকের নাম জানতে চাওয়া হয়। - তাই প্রখ্যাত কবিদের জনপ্রিয় কবিতার প্রথম বা মধ্যবর্তী লাইনগুলো ভালো করে মনে রাখতে হবে।
a প্রমথ নাথ চৌধুরী
b ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
c প্যারীচাঁদ মিত্র
d দীনবন্ধু মিত্র
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করার কারণ হলো ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ১৮৩১ সালের ৩১শে জানুয়ারি সংবাদ প্রভাকর পত্রিকা প্রথম প্রকাশ ও সম্পাদনা করেন। - বাংলা সাংবাদিকতার ইতিহাসে এই সংবাদপত্রটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল কারণ এটি প্রথমে সাপ্তাহিক এবং পরবর্তীতে দৈনিক রূপে প্রকাশিত হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধের একজন বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিক যিনি যুগসন্ধিক্ষণের কবি হিসেবে পরিচিত। - তিনি প্রাচীন ও মধ্যযুগের কবিদের জীবন ও সাহিত্য নিয়ে গবেষণা করে তাদের জীবনি ও রচনা প্রকাশ করেছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সংবাদ প্রভাকর ব্যাখ্যা: এটি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের সম্পাদনায় প্রকাশিত প্রথম বাংলা সংবাদপত্র যা তৎকালীন সমাজের নানা অসঙ্গতি ও সংবাদ তুলে ধরত। উদাহরণ ২: সংবাদ রত্নাবলী ব্যাখ্যা: এটিও ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের সম্পাদনায় প্রকাশিত আরেকটি উল্লেখযোগ্য পত্রিকা যা সেকালের সাহিত্যচর্চায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রমথ নাথ চৌধুরী — তিনি সবুজপত্র পত্রিকার সম্পাদক এবং চলিত রীতির প্রবক্তা হলেও সংবাদ প্রভাকরের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। B) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি সংবাদ প্রভাকর পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন। C) প্যারীচাঁদ মিত্র — তিনি টেকচাঁদ ঠাকুর ছদ্মনামে আলালের ঘরের দুলাল উপন্যাস রচনা করেন এবং হুতোম প্যাঁচার নকশার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। D) দীনবন্ধু মিত্র — তিনি বিখ্যাত নীলদর্পণ নাটকের রচয়িতা যিনি নাট্যকার হিসেবে বেশি পরিচিত কিন্তু সংবাদ প্রভাকরের সম্পাদক নন। ৫ মনে রাখার টিপস: - প্রভাকর শব্দের অর্থ সূর্য এবং ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত হলেন সেই সূর্য যিনি প্রথম সফলভাবে বাংলা পত্রিকা দীর্ঘস্থায়ী করেছিলেন। - এভাবে মনে রাখতে পারো যে প্রভাকরের আলো জ্বালিয়েছিলেন ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সংবাদ প্রভাকর প্রথমে সাপ্তাহিক হিসেবে প্রকাশিত হলেও ১৮৩৯ সাল থেকে এটি দৈনিক পত্রিকায় রূপ নেয়। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই সংবাদ প্রভাকরের সম্পাদকের নাম এবং প্রকাশের সাল জিজ্ঞেস করা হয়।
a আট কপালে
b উড়নচন্ডী
c ছা-পোষা
d ভূশন্ডির কাক
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আট কপালে ১. কেন সঠিক: - 'আট কপালে' একটি জনপ্রিয় বাংলা প্রবাদ বা বাগধারা যার অর্থ হলো হতভাগ্য বা যার ভাগ্য অত্যন্ত মন্দ। - মানুষের কপাল বা ভাগ্য ভালো বা মন্দ হওয়ার ধারণার ওপর ভিত্তি করে এই প্রবাদটি তৈরি হয়েছে, যেখানে দুর্ভাগ্যকে আট কপালে বা আটটি খারাপ ভাগ্যের সঙ্গে তুলনা করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - প্রবাদ ও প্রবচন হলো দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা ও লোকজীবনের সত্যের সংক্ষেপিত রূপ যা ভাষার সৌন্দর্য ও ভাব প্রকাশের ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। - এই ধরনের শব্দগুচ্ছ বা বাক্য বিশেষ অর্থে ব্যবহৃত হয়ে সাধারণ অর্থের বাইরে নতুন ও গভীর তাৎপর্য প্রকাশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আক্কেল সেলামি ব্যাখ্যা: নির্বুদ্ধিতার দণ্ড বা বোকামির শাস্তি অর্থে এই বাগধারাটি ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: উলুবনে মুক্ত ছড়ানো ব্যাখ্যা: অপাত্রে মূল্যবান বস্তু দান করা বা অপচয় করা অর্থে এই প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আট কপালে — এটিই সঠিক উত্তর কারণ এটি সরাসরি 'হতভাগ্য' অর্থ প্রকাশ করে। B) উড়নচন্ডী — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ অপব্যয়ী বা অত্যন্ত খরচে স্বভাবের ব্যক্তি। C) ছা-পোষা — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ অত্যন্ত সাধারণ জীবনযাপনকারী বা দরিদ্র অথচ সন্তুষ্ট ব্যক্তি। D) ভূশন্ডির কাক — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ দীর্ঘজীবী ব্যক্তি বা যে সহজে মরে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - কপাল শব্দ দিয়ে ভাগ্য বোঝানো হয়, তাই কপাল পুড়ে যাওয়া বা আট কপাল মানেই মন্দ ভাগ্য বা হতভাগ্য। - পরীক্ষার হলে অপশনগুলো সাবধানে পড়ে ভাগ্য বা স্বভাববাচক অর্থগুলো আলাদা করে মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবাদের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই শব্দার্থ ভালোভাবে মুখস্থ করতে হবে। - একই অর্থের একাধিক বাগধারা যেমন হতভাগ্যের ক্ষেত্রে পোড়াকপাল বা আট কপাল একত্রে মনে রাখা ভালো।
a অনিষ্ট ইষ্ট লাভ
b চির অশান্তি
c অরাজক দেশ
d সামান্য কিছু নিয়ে ঝগড়া
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চির অশান্তি ১. কেন সঠিক: - 'রাবণের চিতা' একটি জনপ্রিয় বাগধারা যার ভাবগত অর্থ এমন একটি কষ্ট বা যন্ত্রণা যা কখনো শেষ হয় না। - পৌরাণিক মতে রাবণের চিতাগ্নি বা মৃতদেহ পোড়ানোর আগুন চিরকাল জ্বলতেই থাকে বলে এই রূপকটি ব্যবহার করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো বিশেষ শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থের বাইরে গিয়ে একটি বিশেষ ও সুনির্দিষ্ট ভাব প্রকাশ করে। - এটি বাংলা ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং বাক্যের ভাবকে অত্যন্ত সংক্ষেপে ও সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আক্কেল সেলামি ব্যাখ্যা: এই বাগধারাটির অর্থ নির্বুদ্ধিতার শাস্তি, যা মানুষের ভুল কাজের পরিণতি বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: ঢাকের কাঠি ব্যাখ্যা: এই বাগধারাটির অর্থ তোষামোদকারী বা চাটুকার ব্যক্তি, যে অন্যের পদলেহন করে চলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অনিষ্ট ইষ্ট লাভ — এই অর্থ প্রকাশের জন্য 'সাপের বর' বা 'কপট সুখ' বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়, যা মূল প্রশ্নের সঙ্গে মিলে না। C) অরাজক দেশ — এই অর্থ প্রকাশের জন্য 'গাছে কাঁঠাল গোঁফে তেল' বা 'কাকের রাজ্য' জাতীয় অন্য কোনো প্রবাদ বা বাগধারা প্রযোজ্য হয়। D) সামান্য কিছু নিয়ে ঝগড়া — এই অর্থ প্রকাশের জন্য 'ডুমুরের ফুল' বা 'তিলকে তাল করা' বাগধারা ব্যবহার করা হয় না, এটি ভিন্ন ভাব প্রকাশ করে। ৫ মনে রাখার টিপস: - রাবণের চিতাগ্নি যেমন কখনো নেভে না, তেমনি মানুষের জীবনের কোনো চিরন্তন ও অবিরাম কষ্টকে 'রাবণের চিতা' বলা হয়। - আগুনের চিরন্তন জ্বলনকে অশান্তির সঙ্গে তুলনা করে এই বাগধারাটি মনে রাখা সহজ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই পৌরাণিক উৎস থেকে আসা বাগধারার অর্থ জানতে চাওয়া হয়। - বাগধারা মুখস্থ না করে এর পেছনের উৎস ও রূপক অর্থ অনুধাবন করলে সহজেই সঠিক উত্তর নির্বাচন করা যায়।
a একটি জটিল ও একটি সরল বাক্যের সাহায্যে বাক্য গঠন
b একটি সংযুক্ত ও একটি বিযুক্ত বাক্যের সাহায্যে বাক্য গঠন
c দুটি সরল বাক্যের সাহায্যে বাক্য গঠন
d দুটি মিশ্র বাক্যের সাহায্যে বাক্য গঠন
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দুটি সরল বাক্যের সাহায্যে বাক্য গঠন ১. কেন সঠিক: - যৌগিক বাক্যে দুই বা ততোধিক স্বাধীন সরল বাক্য এবং, কিন্তু, কিংবা ইত্যাদি অব্যয় দ্বারা যুক্ত থাকে। - এখানে মূল গঠন প্রক্রিয়াটি দুটি স্বাধীন সরল বাক্যের সংযোগের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাক্য গঠনের দিক থেকে বাক্য তিন প্রকার যথা সরল, জটিল ও যৌগিক বাক্য। - যৌগিক বাক্যে একাধিক সরল বাক্য এবং, ও, কিন্তু, অথবা, কিংবা ইত্যাদি সমবায়সূচক বা বিরোধবাচক অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সে গরিব কিন্তু সৎ। ব্যাখ্যা: এখানে সে গরিব এবং সে সৎ দুটি সরল বাক্য কিন্তু অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়ে যৌগিক বাক্য গঠন করেছে। উদাহরণ ২: তিনি এলেন এবং কাজ শেষ হলো। ব্যাখ্যা: এখানে তিনি এলেন এবং কাজ শেষ হলো দুটি স্বাধীন সরল বাক্য এবং দ্বারা যুক্ত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) একটি জটিল ও একটি সরল বাক্যের সাহায্যে বাক্য গঠন — এটি সঠিক নয় কারণ এটি কোনো নির্দিষ্ট বাক্য গঠনের মানদণ্ড নয়। B) একটি সংযুক্ত ও একটি বিযুক্ত বাক্যের সাহায্যে বাক্য গঠন — এটি বাক্য রূপান্তরের কোনো ব্যাকরণগত শ্রেণি নয়। D) দুটি মিশ্র বাক্যের সাহায্যে বাক্য গঠন — মিশ্র বা জটিল বাক্য গঠিত হয় এক বা একাধিক খণ্ডবাক্যের সাহায্যে, যৌগিক বাক্যে এর ব্যবহার নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - যৌগিক বাক্য চেনার সহজ উপায় হলো মাঝখানে এবং, কিন্তু, অথবা, কিংবা শব্দগুলো খোঁজা। - মনে রাখবে যৌগিক মানেই দুটি বা ততোধিক সরল বাক্যের মিলন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য রূপান্তর থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - সরল থেকে যৌগিক বা জটিল বাক্যে রূপান্তরের নিয়মগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a দশম থেকে চতুর্দশ শতাব্দী
b একাদশ থেকে পঞ্চদশ শতাব্দী
c দ্বাদশ থেকে ষোড়শ শতাব্দী
d ত্রয়োদশ থেকে সপ্তদশ শতাব্দী
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দশম থেকে চতুর্দশ শতাব্দী ১. কেন সঠিক: - ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে বাংলা ভাষার আদি স্তর বা উৎপত্তিকাল হলো দশম থেকে চতুর্দশ শতাব্দী। - এই সময়েই বাংলা ভাষার প্রাচীনতম নিদর্শন চর্যাপদ রচিত হয়েছিল বলে ঐতিহাসিক প্রমাণ পাওয়া যায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসকে মূলত তিনটি যুগে ভাগ করা হয়, যার প্রথমটি হলো প্রাচীন যুগ বা আদি স্তর। - বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের একমাত্র নিদর্শন হলো চর্যাপদ, যা বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের দ্বারা রচিত সান্ধ্যভাষায় লেখা পদসংকলন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চর্যাপদের ভাষা ব্যাখ্যা: ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে চর্যাপদের ভাষা হলো বঙ্গকামরূপী, যা প্রাচীন বাংলা ভাষার নিদর্শন। উদাহরণ ২: ডক্টর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের কাল নির্ণয় ব্যাখ্যা: তিনি বাংলা ভাষার উৎপত্তিকাল দশম শতাব্দী বলে মত প্রকাশ করেছেন যা এই ঐতিহাসিক স্তরের অন্তর্ভুক্ত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দশম থেকে চতুর্দশ শতাব্দী — এটি বাংলা ভাষার প্রাচীন যুগের বা আদি স্তরের ঐতিহাসিক ও স্বীকৃত সময়কাল। B) একাদশ থেকে পঞ্চদশ শতাব্দী — এই সময়কালটি বাংলা ভাষার আদি স্তরের সঠিক সময়সীমা হিসেবে সাহিত্য ইতিহাসে স্বীকৃত নয়। C) দ্বাদশ থেকে ষোড়শ শতাব্দী — এই সময়সীমাটি বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের শুরুর দিকের সঙ্গে আংশিক মিলে গেলেও আদি স্তরের জন্য সঠিক নয়। D) ত্রয়োদশ থেকে সপ্তদশ শতাব্দী — এই কালটি বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের অন্তর্ভুক্ত এবং আদি স্তরের সঙ্গে এর কোনো মিল নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: বাংলা ভাষার আদি স্তর মানেই চর্যাপদের সময়কাল এবং এটি দশম শতাব্দী থেকে শুরু হয়ে চতুর্দশ শতাব্দীতে শেষ হয়েছে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের ব্যাপ্তিকাল সম্পর্কে প্রশ্ন আসে, তাই ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতানুযায়ী সময়কালটি ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a জগৎ মোহিনী
b বসন্ত কুমারি
c আয়না
d মোহিনী প্রেমপাস
0 93 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বসন্ত কুমারি ১. কেন সঠিক: বাংলাসাহিত্যে প্রথম মুসলিম নাট্যকার হিসেবে মীর মশাররফ হোসেনের নাম বিশেষভাবে পরিচিত এবং তাঁর রচিত 'বসন্ত কুমারি' নাটকটিই প্রথম মুসলিম নাট্যকার রচিত নাট্যগ্রন্থ হিসেবে স্বীকৃত। এই নাটকের মাধ্যমে বাংলা নাট্যসাহিত্যে মুসলিম সাহিত্যিকদের প্রবেশ ঘটে এবং নাটকটি প্রকাশিত হওয়ার পর তৎকালীন সাহিত্য সমাজে বেশ সাড়া জাগায়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মীর মশাররফ হোসেন বাংলা সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক যিনি ১৮৪৭ সালে কুষ্টিয়া জেলার রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার লাহিনীপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর রচিত 'বসন্ত কুমারি' নাটকটি ১৮৭৩ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি মূলত একটি পৌরাণিক বা কাল্পনিক কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে রচিত সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক নাটক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জমিদার দর্পণ ব্যাখ্যা: এটি মীর মশাররফ হোসেনের বিখ্যাত নাটক যা সিরাজগঞ্জের চৌহালীর নীলকর অত্যাচারের পটভূমিতে রচিত। উদাহরণ ২: বিষাদ সিন্ধু ব্যাখ্যা: এটি মীর মশাররফ হোসেনের সর্বশ্রেষ্ঠ ঐতিহাসিক উপন্যাস যা কারবালার বিষাদময় ঘটনার ওপর ভিত্তি করে রচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জগৎ মোহিনী — এটি মীর মশাররফ হোসেনের কোনো নাটক বা প্রথম নাট্যগ্রন্থ নয়, বরং এটি ভুল বা অপ্রাসঙ্গিক অপশন হিসেবে যুক্ত করা হয়েছে। B) বসন্ত কুমারি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক এবং প্রথম মুসলিম নাট্যকার রচিত নাটক হিসেবে স্বীকৃত। C) আয়না — এটি মীর মশাররফ হোসেন বা প্রথম মুসলিম নাট্যকারের কোনো নাট্যগ্রন্থ নয়, এটি ভিন্ন লেখকের সাহিত্যকর্ম। D) মোহিনী প্রেমপাস — এটি প্রথম মুসলিম নাট্যকার রচিত নাট্যগ্রন্থের তালিকায় পড়ে না, এটি একটি বিভ্রান্তিকর অপশন। ৫ মনে রাখার টিপস: মীর মশাররফ হোসেনের প্রথম নাটক মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো বসন্ত ঋতুতে মীর মশাররফ হোসেন প্রথম নাটক লিখেছিলেন। নাট্যকার হিসেবে তাঁর আত্মপ্রকাশ ঘটেছিল বসন্ত কুমারি নাটকের মাধ্যমে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রথম মুসলিম নাট্যকার বা প্রথম মুসলিম ঔপন্যাসিক সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। মীর মশাররফ হোসেনের প্রথম নাটক 'বসন্ত কুমারি' এবং প্রথম উপন্যাস 'রত্নবতী' ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a by
b in
c with
d no preposition
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) no preposition কেন সঠিক: এখানে green শব্দটি রং বোঝাতে অ্যাডজেক্টিভ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। painted ভার্বের পর রং বা উপাদান সরাসরি বসার কারণে কোনো preposition বসে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) by — passive voice-এ কর্তা বোঝাতে by বসে, কিন্তু এখানে কোনো কর্তার উল্লেখ নেই। B) in — রঙের নামের আগে in বসে না কারণ এখানে কোনো পোশাক বা আবরণের কথা বলা হয়নি। C) with — কোনো যন্ত্র বা মাধ্যম বোঝাতে with বসে, কিন্তু paint কোনো যন্ত্র নয়। মনে রাখার টিপস: রং করার পর সরাসরি রঙের নাম বসলে কোনো preposition বসে না।
a A full dozen
b A little less than a dozen
c A little more than a dozen
d Round about a dozen
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) A full dozen কেন সঠিক: ‘A round dozen’ একটি প্রবাদপ্রতিম বাগধারা যার শাব্দিক অর্থ পুরো বারোটি বা এক ডজন পূর্ণ সংখ্যা। ইংরেজি ব্যাকরণে 'round' শব্দটি এখানে কোনো কিছুর পূর্ণতা বা সম্পূর্ণ পরিমাণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। এটি কোনো কম বা বেশি পরিমাণ নির্দেশ করে না, বরং সঠিক এক ডজন বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। এই বাগধারাটির অর্থ একদম নিখুঁত এবং পূর্ণাঙ্গ একটি ডজন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A full dozen — এটি সঠিক কারণ এই অপশনটি মূল বাগধারাটির আক্ষরিক ও সঠিক অর্থ প্রকাশ করে। B) A little less than a dozen — এটি ভুল কারণ এই বাগধারাটি বারোটির কম কোনো সংখ্যা বোঝায় না। C) A little more than a dozen — এটি ভুল কারণ এটি এক ডজনের বেশি পরিমাণ নির্দেশ করে, যা এর অর্থ নয়। D) Round about a dozen — এটি ভুল কারণ এটি আনুমানিক বা প্রায় এক ডজন বোঝায়, যা নিশ্চিত পূর্ণ সংখ্যা বোঝায় না। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি ভাষায় 'round' শব্দটির সাথে 'dozen' যুক্ত হলে তা প্রায় সবসময় একটি পূর্ণাঙ্গ এক ডজন বা বারোটি বোঝায়।
a Behave gently
b Practice manners
c Behave yourself
d Do not talk rudely
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Behave gently কেন সঠিক: এখানে show good manners বলতে ভদ্র ও মার্জিত আচরণ করা বোঝানো হয়েছে। Behave gently অর্থ নম্র ও ভদ্রভাবে আচরণ করা, যা এই বাক্যের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। তরুণীদের সাথে মিশるとき ভালো আচরণ করা বলতে মূলত মৃদু ও ভদ্র আচরণ বোঝায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Behave gently — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) Practice manners — এটি সরাসরি সঠিক বাগধারা বা উপযুক্ত ফ্রেজ হিসেবে মানানসই নয়। C) Behave yourself — এর অর্থ নিজের চরকায় তেল দেওয়া বা নিজেকে সংযত রাখা, যা এখানে খাপ খায় না। D) Do not talk rudely — এটি কেবল অভদ্রভাবে কথা না বলার কথা বলে, কিন্তু ভালো আচরণের সম্পূর্ণ ভাব প্রকাশ করে না। মনে রাখার টিপস: ভালো আচরণ বা good manners বোঝাতে ভদ্র ও নম্র প্রকাশভঙ্গি নির্দেশক শব্দ বেছে নিতে হয়।
a a period of being carefree
b a period of habing youthful flings
c a period of misfortunate
d hot weather
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) hot weather কেন সঠিক: ‘Dog days’ একটি জনপ্রিয় ইংরেজি ইডিওম যার আক্ষরিক অর্থ কুকurের দিন হলেও এর বাস্তব অর্থ বছরের সবচেয়ে উষ্ণতম সময়। প্রাচীন রোমানরা বিশ্বাস করত যে সিরিয়াস তারা এবং সূর্য একসাথে আকাশে থাকার কারণে গ্রীষ্মকালে অতিরিক্ত গরম পড়ে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a period of being carefree — এটি দিয়ে জীবনের কোনো দুশ্চিন্তামুক্ত বা আনন্দময় সময়কে বোঝায়, যা এই ইডিওমের সাথে মেলে না। B) a period of having youthful flings — এটি তারুণ্যের চঞ্চলতা বা সাময়িক প্রেমের সম্পর্ককে নির্দেশ করে, যা আবহাওয়ার সাথে সম্পর্কিত নয়। C) a period of misfortunate — এটি জীবনের কোনো দুর্ভাগ্যের সময়কে বোঝায়, কিন্তু এই ইডিওমটি কেবল গরম আবহাওয়াকে নির্দেশ করতে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: গ্রীষ্মকালে অতিরিক্ত গরমে কুকurেরা যেভাবে জিব বের করে হাঁপায়, সেটি মনে রাখলেই ‘Dog day’ মানে যে গরম আবহাওয়া তা সহজে মনে থাকবে।
a takes off
b comes off
c will bring about
d will come round
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) comes off কেন সঠিক: ইংরেজিতে কোনো অনুষ্ঠান, উৎসব বা সভা নির্ধারিত সময়ে অনুষ্ঠিত হওয়া বোঝাতে 'come off' ফ্রেজাল ভার্বটি ব্যবহৃত হয়। প্রশ্নটিতে কলেজের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উৎসব নির্ধারিত তারিখে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা বলা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) takes off — বিমান উড্ডয়ন করা বা কোনো ব্যবসা হঠাৎ সফল হওয়া বোঝাতে এটি বসে। B) comes off — অনুষ্ঠান বা উৎসব নির্ধারিত সময়ে অনুষ্ঠিত হওয়া বোঝাতে এই ফ্রেজাল ভার্বটি ব্যবহার করা হয়। C) will bring about — কোনো কিছু ঘটিয়ে ফেলা বা কোনো পরিবর্তনের কারণ হওয়া অর্থে এটি ব্যবহৃত হয়। D) will come round — অসুস্থতা বা কোনো সংকট কাটিয়ে সুস্থ হয়ে ওঠা বা ফিরে আসা বোঝায়। মনে রাখার টিপস: কোনো অনুষ্ঠান বা উৎসব নির্দিষ্ট তারিখে অনুষ্ঠিত হওয়া বোঝাতে সবসময় come off ফ্রেজাল ভার্বটি ব্যবহার করবে।
a with
b by
c from
d on
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) with কেন সঠিক: কোনো জড় বস্তু বা যন্ত্র দিয়ে কাজ সম্পন্ন করা বোঝালে সাধারণত preposition হিসেবে with বসে। এখানে বিদ্যুৎ বা Electricity হলো একটি শক্তির উৎস বা মাধ্যম, যার সাহায্যে গ্রামগুলোকে আলোকিত করা হচ্ছে। তাই সঠিক উত্তর হবে with। বাকি অপশন কেন ভুল: A) with — এটি সঠিক অপশন এবং এখানে কোনো ভুল নেই। B) by — এটি সাধারণত কোনো ব্যক্তি বা জীবন্ত সত্তার দ্বারা কাজ করা বোঝালে ব্যবহৃত হয়। C) from — এটি কোনো উৎস থেকে দূরত্ব বা পৃথক হওয়া বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, তাই এখানে বসবে না। D) on — এটি কোনো কিছুর উপরে অবস্থান বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এই বাক্যের সাথে সংগতিপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: যন্ত্র বা উপাদানের সাহায্যে কিছু করা বোঝালে with বসে এবং ব্যক্তির দ্বারা কিছু করা বোঝালে by বসে।
a Does Mr. Ali live
b Mr. Ali doesn’t live
c Mr. Ali lives
d Lives Mr. Ali
0 91 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Mr. Ali lives কেন সঠিক: বাক্যটির শুরুতে 'Can you tell me where' একটি Indirect Question বা পরোক্ষ প্রশ্ন তৈরি করেছে। তাই এর পরে সাবজেক্ট এবং তারপর মূল ভারബ് বসবে এবং কোনো সাহায্যকারী ভার্ব লাগবে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Does Mr. Ali live — এটি ডাইরেক্ট প্রশ্নের গঠন হওয়ায় এখানে auxiliary verb বসেছে যা ভুল। B) Mr. Ali doesn’t live — অর্থ ও ব্যাকরণের মিল না থাকায় এটি বাক্যটিকে অর্থহীন করে তোলে। C) Mr. Ali lives — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। D) Lives Mr. Ali — এখানে ভার্ব আগে এবং সাবজেক্ট পরে আসায় গঠনটি ভুল হয়েছে। মনে রাখার টিপস: Indirect Question-এ প্রথমে W-word, তারপর সাবজেক্ট এবং শেষে মূল ভার্ব বসে।
a lain
b laid
c lay
d lied
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) laid কেন সঠিক: বাক্যটিতে ডিম পাড়ার কথা বলা হয়েছে যার ইংরেজি ভার্ব হলো lay এবং এর পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম হলো laid। have এর পর মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম বসে বিধায় এখানে laid সঠিক হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) lain — এটি lie ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল, যার অর্থ শয়ন করা বা শুয়ে থাকা। B) laid — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে পুনরাবৃত্তি হলো। C) lay — এটি present tense অথবা lie ভার্বের past form, তাই এখানে বসবে না। D) lied — এটি lie ভার্বের পাস্ট ফর্ম যার অর্থ মিথ্যা বলা। মনে রাখার টিপস: ডিম পাড়ার ক্ষেত্রে lay-laid-laid ব্যবহার করতে হয় এবং মিথ্যা বলার ক্ষেত্রে lie-lied-lied ব্যবহার করতে হয়।
a Benevolent
b Official
c Officious
d Bureaucratic
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Officious কেন সঠিক: বাক্যটিতে এমন একজন ব্যক্তির কথা বলা হয়েছে যিনি অন্যকে সাহায্য করতে অতিরিক্ত বা অযাচিত উৎসাহ দেখান। Officious শব্দটির অর্থ হলো এমন ব্যক্তি যিনি না চাওয়া সত্ত্বেও নিজের মতামত বা সাহায্য জোর করে অন্যের ওপর চাপিয়ে দেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Benevolent — এর অর্থ দয়ালু বা কল্যাণকামী, যা মানুষের উপকার করার ইতিবাচক দিক বোঝায়। কিন্তু প্রশ্নে নেতিবাচক বা অতিরিক্ত হস্তক্ষেপের কথা বলা হয়েছে। B) Official — এর অর্থ দাপ্তরিক বা সরকারি কর্মকর্তা সংক্রান্ত, যা এই বাক্যের সাথে কোনোভাবেই মেলে না। C) Officious — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে পুনরায় ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়। D) Bureaucratic — এর অর্থ আমলাতান্ত্রিক বা লাল ফিতার দৌরাত্ম্য বোঝায়, যা এই চরিত্রের সাথে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: Officious শব্দটিতে Office কথাটি আছে, মনে রাখবেন অফিসের কিছু অতিরিক্ত দায়িত্বশীল লোক যেমন না ডেকেই উপদেশ দেন, তেমনি Officious মানেও অযাচিত সাহায্যকারী।
a A big speech
b Maiden speech
c An unimportnt speach
d A verbose speech
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) A verbose speech কেন সঠিক: Verbose কথাটির অর্থ হলো অতিরিক্ত শব্দবহুল বা প্রয়োজন অপেক্ষা বেশি শব্দ ব্যবহার করা। কোনো বক্তৃতায় যখন ভাবনার চেয়ে শব্দের পরিমাণ অনেক বেশি থাকে, তখন তাকে এই বিশেষ শব্দ দ্বারা প্রকাশ করা হয়। এটি একটি স্ট্যান্ডার্ড ইংরেজি এককথায় প্রকাশ বা substitution। প্রশ্নটিতেও ঠিক একই অর্থের কথা বলা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A big speech — এই শব্দগুচ্ছটি কেবল একটি দীর্ঘ বক্তৃতা বোঝাতে সাধারণ অর্থে ব্যবহৃত হয়। কিন্তু এটি অতিরিক্ত বা বাহুল্য শব্দে ভরা বক্তৃতাকে বিশেষভাবে নির্দেশ করে না। B) Maiden speech — এই কথাটির অর্থ হলো জীবনের প্রথম বা সূচনার বক্তৃতা। এটি বক্তৃতার শব্দের পরিমাণের সাথে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়। C) An unimportant speach — এই কথাটির অর্থ হলো একটি গুরুত্বহীন বা কম তাৎপর্যপূর্ণ বক্তৃতা। এর সাথে বক্তৃতায় অতিরিক্ত শব্দ ব্যবহারের কোনো সম্পর্ক নেই। D) A verbose speech — এটিই সঠিক উত্তর কারণ verbose শব্দের অর্থই হলো অতিরিক্ত শব্দবহুল। প্রয়োজনের অতিরিক্ত শব্দ দিয়ে তৈরি ভাষণ বোঝাতে এই অপশনটি সঠিক। মনে রাখার টিপস: Verbose শব্দের মূল অর্থ হলো শব্দবহুল, তাই বেশি শব্দের ভাষণ মনে রাখতে এই শব্দটি মাথায় রাখবে।
a To be puzzled
b To get nervious
c To be disappointed
d To bear up
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) To be puzzled কেন সঠিক: এই idioms টি কোনো বিপদে পড়ার আগেই অযথা আতঙ্কিত হওয়া বা বিভ্রান্ত হওয়া বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। এখানে সমস্যা আসার আগেই মানсиভাবে ভেঙে পড়া বা দিশেহারা হয়ে যাওয়া অর্থ প্রকাশ করে। তাই এই বাক্যাংশটি বিভ্রান্ত হওয়া বা দ্বিধাদ্বন্দ্বে পড়ার সাথে সরাসরি মিল রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) To be puzzled — এই অপশনটি সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত কারণ এটি মূল ইডিয়মটির অর্থের সাথে মিলে যায়। B) To get nervious — এটি শুধু স্নায়ুচাপ বা ভীতি বোঝায়, যা সম্পূর্ণ ইডিয়মটির মূল ভাব প্রকাশ করতে পারে না। C) To be disappointed — এর অর্থ হতাশ হওয়া, যা কোনো ঘটনার প্রত্যাশা ভঙ্গের সাথে যুক্ত কিন্তু বিপদের মুখোমুখি হওয়ার আগের দ্বিধার সাথে মেলে না। D) To bear up — এর অর্থ সংকট কাটিয়ে ওঠা বা সহ্য করা, যা মূল প্রশ্নটির বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: সমস্যা অর্ধেক পথ আসার আগেই যারা বিভ্রান্ত বা চিন্তিত হয়ে পড়েন, তারা আসলে To be puzzled বা দিশেহারা অবস্থার শিকার হন।
a In the wake of
b In the guise of
c In the plea of
d In the teeth of
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) In the teeth of কেন সঠিক: - প্রশ্নটিতে 'against' (বিরুদ্ধে বা প্রতিকূলতার মাঝে) শব্দটির সমার্থক বা কাছাকাছি অর্থপূর্ণ ফ্রেজ জানতে চাওয়া হয়েছে। - 'In the teeth of' ফ্রেজটির অর্থ তীব্র বাধা বা প্রতিকূলতার মুখেও কোনো কিছু অর্জন করা, যা প্রদত্ত বাক্যের 'against strong oppositions' অর্থকে নিখুঁতভাবে প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) In the wake of — এর অর্থ কোনো কিছুর পরে বা ফলে (After something), যা এখানে প্রযোজ্য নয়। B) In the guise of — এর অর্থ কোনো ছদ্মবেশে বা রূপে (In the disguise of), যা এখানে অর্থের সাথে মেলে না। C) In the plea of — এর অর্থ কোনো অজুহাতে বা ওছিলায় (On the pretext of), যা এই বাক্যের ভাবের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ। D) In the teeth of — এই অপশনটি সঠিক এবং এর অর্থ তীব্র প্রতিকূলতার মুখেও, যা মূল বাক্যের 'against' এর সমার্থক। মনে রাখার টিপস: 'In the teeth of' ফ্রেজটি দাঁতে দাঁত চেপে তীব্র বাধা বা প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে লড়াই করার অবস্থাকে বোঝায়।
a In cool brain and calculeted thought
b So patiently and thoughtfully
c So impatiently and thoughtlessly
d Stirred by sudden emotion
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) In cool brain and calculeted thought কেন সঠিক: ইন কোল্ড ব্লাড একটি ইংরেজি ইডিয়ম যার অর্থ হলো কোনো অন্যায় কাজ অত্যন্ত ঠান্ডা মাথায় ও পরিকল্পিতভাবে করা। অপশন এ তে থাকা ঠান্ডা মস্তিষ্ক ও হিসাব করা চিন্তা কথাটি মূল ইডিয়মের ভাবার্থের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) In cool brain and calculeted thought — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ ঠান্ডা মাথায় চিন্তা করা। B) So patiently and thoughtfully — এটি ভুল কারণ ধৈর্য ও পজিটিভ চিন্তার সাথে অপরাধের কোনো সম্পর্ক নেই। C) So impatiently and thoughtlessly — এটি ভুল কারণ আবেগহীন অপরাধ কখনো অধৈর্য বা হুট করে হয় না। D) Stirred by sudden emotion — এটি ভুল কারণ ইন কোল্ড ব্লাড মানে হঠাৎ আবেগ দ্বারা প্রভাবিত হওয়া নয় বরং ঠান্ডা মাথায় করা। মনে রাখার টিপস: রক্ত ঠান্ডা হয়ে গেলে মানুষ যেমন আবেগ হারায় এবং ঠান্ডা মাথায় সব হিসাব করে, তেমনি ইন কোল্ড ব্লাড মানে ঠান্ডা মাথায় পরিকল্পিত অপরাধ।
a Affable
b Haughty
c Disdainfull
d Wicked
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Affable কেন সঠিক: supercilious শব্দের অর্থ হলো অহংকারী বা অন্যকে তুচ্ছজ্ঞানকারী মানুষ। এর বিপরীতার্থক শব্দ হলো affable যার অর্থ মিশুক ও অমায়িক। তাই এই দুটি শব্দ অর্থের দিক থেকে সম্পূর্ণ বিপরীত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Affable — এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ মিশুক, যা supercilious শব্দের বিপরীত। B) Haughty — এর অর্থ উদ্ধত বা অহংকারী, যা supercilious শব্দের সমার্থক। C) Disdainfull — এর অর্থ অবজ্ঞাপূর্ণ, যা supercilious শব্দের প্রায় সমার্থক। D) Wicked — এর অর্থ দুষ্ট বা পাপিষ্ঠ, যা এই প্রসঙ্গের সাথে মানানসই নয়। মনে রাখার টিপস: Supercilious মানে ওপরে নাক তুলে চলা অহংকারী মানুষ আর Affable মানে সবার সাথে হাসিমুখে মিশে যাওয়া ভালো মানুষ।
a Ardent
b Complacent
c confident
d apprehensive
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Complacent কেন সঠিক: Complacent শব্দের অর্থ আত্মতুষ্টি বা অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী হওয়া। যারা মনে করে তাদের কোনো ক্ষতি হবে না, তারা আসলে অতিরিক্ত আত্মতুষ্ট এবং বোকামি করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Ardent — এর অর্থ উৎসাহী বা অনুরাগী। এটি এখানে বাক্যের ভাবের সাথে মেলে না। B) Complacent — এটি সঠিক উত্তর। C) confident — এর অর্থ আত্মবিশ্বাসী, যা সাধারণ অর্থে পজিটিভ কিন্তু এখানে অতিরিক্ত অন্ধ বিশ্বাসের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নয়। D) apprehensive — এর অর্থ শঙ্কিত বা ভীত। যারা কোনো বিপদ আশঙ্কা করে না, তাদের ক্ষেত্রে এটি বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: যাঁরা অতিরিক্ত আত্মতুষ্ট বা complacent হন, তাঁরা কোনো বিপদ বা অমঙ্গল আসার কথা ভাবেন না এবং বোকামি করেন।
a ২০,০০০ টাকা
b ২৫,০০০ টাকা
c ৩০,০০০ টাকা
d ৩৫,০০০ টাকা
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৫,০০০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: সুদের হার = ৫ টাকা বা ৫% সময় = ২০ বছর সুদে-আসলে = ৫০,০০০ টাকা ধরি, মূলধন = ক টাকা সুদের পরিমাণ = (ক × ৫ × ২০) ÷ ১০০ টাকা অতএব, সুদের পরিমাণ = ক টাকার বা ক ÷ ১ টাকা সুদে-আসল = ক + (ক ÷ ১) টাকা বা, সুদে-আসল = ২ক টাকা সুতরাং, ২ক = ৫০,০০০ টাকা ক = ২৫,০০০ টাকা উত্তর: ২৫,০০০ টাকা
a ৪৭
b ৩৬
c ২৫
d ১৪
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৫ প্রদত্ত তথ্য: দুই অঙ্ক বিশিষ্ট একটি সংখ্যার এককের অঙ্ক দশকের অঙ্ক অপেক্ষা তিন বেশি সংখ্যাটি উহার অংকদ্বয়ের সমষ্টির তিনগুণ অপেক্ষা চার বেশি ধরি, দশকের ঘরের অঙ্ক = ক এককের ঘরের অঙ্ক = ক + ৩ অতএব, সংখ্যাটি = ১০ × ক + (ক + ৩) সংখ্যাটি = ১১ক + ৩ সুতরাং, অংকদ্বয়ের সমষ্টি = ক + ক + ৩ = ২ক + ৩ প্রশ্নানুসারে, ১১ক + ৩ = ৩ × (২ক + ৩) + ৪ উত্তর: ১১ক + ৩ = ৬ক + ৯ + ৪ ৫ক = ১০ ক = ২ সংখ্যাটি = ২৫
a ১০০
b ১৪০
c ১৮০
d ২০০
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৪০ প্রদত্ত তথ্য: চার পুত্রের মধ্যে গাভী বন্টন করা হলো চতুর্থ পুত্র পেল বাকি ৭ টি গাভী ধরি, মোট গাভীর সংখ্যা = n অতএব, প্রথম পুত্র পেল = n ÷ ২ অংশ দ্বিতীয় পুত্র পেল = n ÷ ৪ অংশ তৃতীয় পুত্র পেল = n ÷ ৫ অংশ সুতরাং, চার পুত্রের প্রাপ্ত অংশের যোগফল = (n ÷ ২) + (n ÷ ৪) + (n ÷ ৫) = ১৯n ÷ ২০ উত্তর: n − (১৯n ÷ ২০) = ৭, সমাধান করে n = ১৪০ পাওয়া যায়
a ১১ সেকেন্ড
b ১০ সেকেন্ড
c ১২ সেকেন্ড
d ১০.৫ সেকেন্ড
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১০ সেকেন্ড প্রদত্ত তথ্য: ৬ টার ঘন্টাধ্বনি বাজতে ৫ সেকেন্ড সময় লাগে ঘন্টাধ্বনি সমান সময় ব্যবধানে বাজে ধরি, ৬ টার ঘন্টাধ্বনিতে মোট ৫টি ব্যবধান থাকে ১২ টার ঘন্টাধ্বনিতে মোট ১১টি ব্যবধান থাকে অতএব, ৬ টার ঘন্টাধ্বনির ক্ষেত্রে ৫টি ব্যবধান বাজতে সময় লাগে = ৫ সেকেন্ড ১টি ব্যবধান বাজতে সময় লাগে = ৫ ÷ ৫ = ১ সেকেন্ড সুতরাং, ১২ টার ঘন্টাধ্বনির ক্ষেত্রে ১১টি ব্যবধান বাজতে সময় লাগে = ১১ × ১ = ১১ সেকেন্ড উত্তর: ১১ সেকেন্ড
a ১২ ফুট
b ৯ ফুট
c ৬ ফুট
d ৩ ফুট
0 103 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬ ফুট প্রদত্ত তথ্য: খুঁটির মোট উচ্চতা = ১৮ ফুট ভাঙা অংশ ভূমির সাথে উৎপন্ন কোণ = ৩০° ধরি, খুঁটিটি মাটি থেকে এক্স ফুট উঁচুতে ভেঙেছিল তাহলে ভাঙা অংশের দৈর্ঘ্য = (১৮ − এক্স) ফুট অতএব, ত্রিভুজের লম্ব = এক্স ত্রিভুজের অতিভুজ = (১৮ − এক্স) সুতরাং, সাইন ৩০° = লম্ব ÷ অতিভুজ ১ ÷ ২ = এক্স ÷ (১৮ − এক্স) উত্তর: ২ এক্স = ১৮ − এক্স, অর্থাৎ ৩ এক্স = ১৮, সুতরাং এক্স = ৬ ফুট
a ১ কিলোগ্রাম
b ১০কিলোগ্রাম
c ১০০ কিলোগ্রাম
d ১০০০ কিলোগ্রাম
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১০০ কিলোগ্রাম কেন সঠিক: - কুইন্টাল হলো ওজনের পরিমাপের একটি ঐতিহ্যবাহী একক যা ১০০ কিলোগ্রামের সমপরিমাণ হিসেবে নির্ধারিত। - আন্তর্জাতিক একক পদ্ধতিতে (SI) কৃষিপণ্য বা ওজনের হিসাবের ক্ষেত্রে ১ কুইন্টাল সমান সমান ১০০ কিলোগ্রাম ধরা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১ কিলোগ্রাম — এটি কুইন্টালের সমপরিমাণ নয়, বরং এটি একক কিলোগ্রামের নিজস্ব মান। B) ১০ কিলোগ্রাম — এই পরিমাপটি এক কুইন্টালের দশ ভাগের এক ভাগ মাত্র, যা সঠিক নয়। C) ১০০ কিলোগ্রাম — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে গণ্য। D) ১০০০ কিলোগ্রাম — এক হাজার কিলোগ্রাম মিলে এক মেট্রিক টন হয়, কুইন্টাল নয়। মনে রাখার টিপস: শব্দটি মনে রাখুন এভাবে: শতক থেকে শত, আর এক কুইন্টাল মানেই হলো ঠিক ১০০ কিলোগ্রাম।
a এক রাজনৈতিক মতবাদের
b এক সাংস্কৃতিক আন্দোলনের
c এক নতুন জাতীয় চেতনার
d এক নতুন সমাজ ব্যবস্থার
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) এক নতুন জাতীয় চেতনার কেন সঠিক: - ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমে বাঙালি জনগোষ্ঠীর মধ্যে স্বাধিকার ও নিজস্ব সংস্কৃতির পরিচয় জোরালো হয়। - এই আত্মসচেতনতাই পরবর্তীকালে বাঙালি জাতিকে স্বাধীনতা ও মুক্তির সংগ্রামের দিকে ধাবিত করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) এক রাজনৈতিক মতবাদের — ভাষা আন্দোলন নির্দিষ্ট কোনো একটি রাজনৈতিক মতবাদ তৈরি করেনি, বরং সার্বিক রাজনৈতিক অধিকার অর্জনে ভূমিকা রেখেছে। B) এক সাংস্কৃতিক আন্দোলনের — সংস্কৃতি এর অংশ হলেও ভাষা আন্দোলন কেবল সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলে সীমাবদ্ধ না থেকে সমগ্র জাতীয় জীবনে প্রভাব ফেলেছিল। C) এক নতুন জাতীয় চেতনার — সঠিক উত্তর। D) এক নতুন সমাজ ব্যবস্থার — ভাষা আন্দোলন সরাসরি কোনো নতুন সমাজ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করেনি, এটি মূলত চেতনা ও স্বাধিকারবোধ জাগিয়ে তুলেছিল। মনে রাখার টিপস: ভাষা আন্দোলন মানেই ভাষার জন্য লড়াই, আর এই লড়াই থেকেই বাঙালি মনে জন্ম নিয়েছিল নতুন এক জাতীয় চেতনা।
a ১৮
b ২০
c ২৩
d ২৫
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৩ কেন সঠিক: - মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী রুই মাছের পোনা নিধনের নির্দিষ্ট আইনি মাপকাঠি রয়েছে। - ২৩ সেন্টিমিটার বা তার কম দৈর্ঘ্যের রুই মাছের পোনা ধরা, মারা বা বিক্রি করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৮ — এটি রুই মাছের পোনা মারার নির্ধারিত আইনি মাপ নয়। B) ২০ — এই দৈর্ঘ্যের পোনা ধরার ক্ষেত্রেও আইন অনুযায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য নয়। C) ২৩ — এটিই আইনসম্মত নির্ধারিত সঠিক মাপ। D) ২৫ — এই দৈর্ঘ্য ২৩ সেন্টিমিটারের চেয়ে বেশি এবং এটি পোনার নির্ধারিত আইনি সীমার বাইরে। মনে রাখার টিপস: রুই মাছের পোনা রক্ষা করতে হলে মনে রাখুন, তেইশ (২৩) সেন্টিমিটারের কম মাপের পোনা ধরা যাবে না।
a নারায়ণগঞ্জ
b কক্সবাজার
c চট্টগ্রাম
d খুলনা
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) খুলনা কেন সঠিক: - বাংলাদেশের প্রধান ও বৃহত্তম জাহাজ নির্মাণ কারখানা খুলনা শিপইয়ার্ড খুলনা জেলায় অবস্থিত। - এটি রূপসা নদীর তীরে অবস্থিত এবং বাংলাদেশ নৌবাহিনী এটি পরিচালনা করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নারায়ণগঞ্জ — এটি অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন ও ডকইয়ার্ডের জন্য পরিচিত হলেও প্রধান জাহাজ নির্মাণ কারখানা এখানে অবস্থিত নয়। B) কক্সবাজার — এটি সমুদ্র সৈকতের জন্য বিখ্যাত হলেও এখানে প্রধান কোনো ভারী জাহাজ নির্মাণ কারখানা নেই। সি) চট্টগ্রাম — এখানে বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন ও ড্রাইডক থাকলেও প্রধান জাহাজ নির্মাণ কারখানা খুলনায় অবস্থিত। D) খুলনা — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এখানেই দেশের প্রধান জাহাজ নির্মাণ কারখানা খুলনা শিপইয়ার্ড অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: খুলনা শিপইয়ার্ড রূপসা নদীর তীরে অবস্থিত, যা বাংলাদেশের প্রধান জাহাজ নির্মাণ কারখানা।
a মায়ানমার, থাইল্যান্ড, চীন
b মায়ানমার, থাইল্যান্ড, লাওস
c মায়ানমার, থাইল্যান্ড, কম্বোডিয়া
d ইরান, আফগানিস্তান, পাকিস্তান
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
**সะ** সঠিক উত্তর: খ) মায়ানমার, থাইল্যান্ড, লাওস প্রদত্ত সঠিক উত্তর যাচাই: প্রশ্নে প্রদত্ত সঠিক উত্তর (C) ভুল ছিল। আন্তর্জাতিক ভূরাজনীতি ও মাদক চোরাচালানের তথ্য অনুযায়ী গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গেল গঠিত হয় মায়ানমার, থাইল্যান্ড ও লাওস নিয়ে। তাই সঠিক উত্তর খ হবে। কেন সঠিক: - দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার এই তিনটি দেশের সীমান্তবর্তী পাহাড়ি অঞ্চলে প্রচুর পরিমানে অবৈধ পপি চাষ হয়। - ভৌগোলিক অবস্থান এবং দুর্গম ভূপ্রকৃতির কারণে মাদক উৎপাদন ও ব্যবসায় এই অঞ্চলটি গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গেল নামে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: ক) মায়ানমার, থাইল্যান্ড, চীন — চীন গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গেলের অন্তর্ভুক্ত নয়, কারণ এই অঞ্চলের মূল পপি উৎপাদনকারী দেশ হলো লাওস। খ) মায়ানমার, থাইল্যান্ড, লাওস — এটি গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গেলের সঠিক ভৌগোলিক অঞ্চল এবং এটিই সঠিক উত্তর। গ) মায়ানমার, থাইল্যান্ড, কম্বোডিয়া — কম্বোডিয়া এই ত্রিভুজ অঞ্চলের অংশ নয়, এর পরিবর্তে লাওস অন্তর্ভুক্ত। ঘ) ইরান, আফগানিস্তান, পাকিস্তান — এই তিনটি দেশ মধ্য এশিয়ার মাদক উৎপাদনের অঞ্চল গোল্ডেন ক্রিসেন্ট নামে পরিচিত, গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গেল নয়। মনে রাখার টিপস: মাদক উৎপাদন অঞ্চলের ক্ষেত্রে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার তিন দেশ মনে রাখতে মাথা শব্দটি ব্যবহার করতে পারেন, যার অর্থ মায়ানমার, থাইল্যান্ড ও লাওস।
a ১৯৬৫ সালের ৬ সেপ্টেম্বর
b ১৯৬৫ সালের ১০ ডিসেম্বর
c ১৯৬৬ সালের ১০ জানুয়ারী
d ১৯৬৬ সালের ৩০ জানুয়ারী
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯৬৬ সালের ১০ জানুয়ারী কেন সঠিক: - ১৯৬৫ সালের পাক-ভারত যুদ্ধের অবসান ঘটাতে সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যস্থতায় উজবেকিস্তানের তাসখন্দে এই শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। - পাকিস্তানের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী লাল বাহাদুর শাস্ত্রী এই ঐতিহাসিক চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৬৫ সালের ৬ সেপ্টেম্বর — এই তারিখে পাক-ভারত পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধ শুরু হয়েছিল, কোনো চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়নি। B) ১৯৬৫ সালের ১০ ডিসেম্বর — এই তারিখে কোনো ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার সুনির্দিষ্ট তথ্য নেই। D) ১৯৬৬ সালের ৩০ জানুয়ারী — এই তারিখটি তাসখন্দ চুক্তির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়, চুক্তিটি তার আগেই স্বাক্ষরিত হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: ১৯৬৬ সালের ১০ জানুয়ারি তাসখন্দ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, যেখানে ঠিক পরের দিন অর্থাৎ ১১ জানুয়ারি ভারতের প্রধানমন্ত্রী লাল বাহাদুর শাস্ত্রী মৃত্যুবরণ করেন।
a মাইকেল এঞ্জেলো
b লিওনার্দো দ্যা ভিঞ্চি
c পাবলো পিকাশো
d ভ্যাণগগ
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) লিওনার্দো দ্যা ভিঞ্চি কেন সঠিক: - বিশ্বখ্যাত মোনালিসা চিত্রকর্মটি ইতালীয় রেনেসাঁ যুগের বহুমুখী প্রতিভাধর শিল্পী লিওনার্দো দ্যা ভিঞ্চির সৃষ্টি। - তিনি ষোড়শ শতাব্দীর শুরুর দিকে এই মাস্টারপিস তৈলচিত্রটি অঙ্কন করেছিলেন, যা বর্তমানে ফ্রান্সের প্যারিসের ল্যুভ জাদুঘরে সংরক্ষিত আছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাইকেল এঞ্জেলো — ইনি একজন বিখ্যাত ইতালীয় ভাস্কর ও চিত্রশিল্পী হলেও মোনালিসা তার আঁকা নয়, তার বিখ্যাত কাজের মধ্যে ডেভিড ভাস্কর্য অন্যতম। B) লিওনার্দো দ্যা ভিঞ্চি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়, কারণ তিনি নিজেই এই চিত্রকর্মটির চিত্রকর। C) পাবলো পিকাশো — ইনি স্প্যানিশ চিত্রশিল্পী এবং কিউবিজমের প্রবক্তা, যিনি বিংশ শতাব্দীতে সক্রিয় ছিলেন এবং মোনালিসার চিত্রকর নন। D) ভ্যাণগগ — ইনি ডাচ পোস্ট-ইমপ্রেশনের বিখ্যাত চিত্রশিল্পী, যিনি উনবিংশ শতাব্দীতে স্টার্টি নাইটসহ বিভিন্ন চিত্রকর্ম এঁকেছেন কিন্তু মোনালিসা তার নয়। মনে রাখার টিপস: মোনালিসা নামের ভি এবং ভিঞ্চি শব্দের ভি মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন লিওনার্দো দ্যা ভিঞ্চি।
a জর্ডান
b লেবানন
c ইরান
d বাহরাইন
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ইরান কেন সঠিক: - ইরান মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশ হওয়া সত্ত্বেও আরব লীগের সদস্য নয় এবং এর প্রধান ভাষা ফারসি। - আরব দেশগুলো মূলত আরব বিশ্ব বা আরব লীগের অন্তর্ভুক্ত, যার ভাষা আরবি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জর্ডান — এটি একটি মধ্যপ্রাচ্যের আরব দেশ এবং আরব লীগের সদস্য রাষ্ট্র। B) লেবানন — এটিও মধ্যপ্রাচ্যের একটি আরব দেশ যেখানে আরবি প্রধান ভাষা। C) ইরান — এটি পারস্যসভ্যতার দেশ এবং এর রাষ্ট্রভাষা ফারসি, তাই এটি আরব দেশ নয়। D) বাহরাইন — এটি পারস্য উপসাগরের তীরবর্তী একটি আরব দেশ ও আরব লীগের সদস্য। মনে রাখার টিপস: ইরান, তুরস্ক এবং পাকিস্তান মধ্যপ্রাচ্যের দেশ হওয়া সত্ত্বেও এরা আরব দেশ নয়, কারণ এদের প্রধান ভাষা যথাক্রমে ফারসি, তুর্কি ও উর্দু।
a ধর্ম
b জাতি
c সংস্কৃতি
d ভাষা
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সংস্কৃতি কেন সঠিক: - দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে মিশ্র সংস্কৃতি ও ইতিহাস বিরাজমান থাকায় রাজনৈতিক সংঘাতে সংস্কৃতি কম প্রভাব ফেলে। - ধর্ম, জাতি ও ভাষাভিত্তিক রাজনৈতিক মেরুকরণ এই অঞ্চলে অনেক বেশি দৃশ্যমান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধর্ম — দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে ধর্ম একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল ও প্রভাবশালী বিষয়। B) জাতি — জাতিগত বিভাজন ও আন্দোলন এই অঞ্চলের রাজনৈতিক অস্থিরতার অন্যতম প্রধান কারণ। C) সংস্কৃতি — এই অঞ্চলের মানুষের ঐতিহাসিক ও সামাজিক সংস্কৃতি প্রায় একই রকম হওয়ায় এটি রাজনৈতিক সংঘাতে কম সংশ্লিষ্ট। D) ভাষা — ভাষাভিত্তিক জাতীয়তাবাদ দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। মনে রাখার টিপস: দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে ধর্ম, জাতি ও ভাষা মূল চালিকাশক্তি হলেও সংস্কৃতি তুলনামূলকভাবে কম বিরোধপূর্ণ।
a গারো
b সাঁওতাল
c খাসিয়া
d মারমা
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মারমা কেন সঠিক: - বাংলাদেশের মারমা উপজাতির পারিবারিক ও সামাজিক কাঠামো পিতৃতান্ত্রিক, যেখানে পিতা পরিবারের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। - মারমা সমাজে সম্পত্তির উত্তরাধিকার এবং বংশপরিচয় প্রধানত পিতার মাধ্যমেই নির্ধারিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গারো — গারো উপজাতির সমাজ ব্যবস্থা মাতৃতান্ত্রিক এবং তাদের পারিবারিক প্রধান মা। B) সাঁওতাল — সাঁওতাল সমাজ পিতৃতান্ত্রিক হলেও প্রশ্নে প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে মারমা বিশেষভাবে সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত। C) খাসিয়া — খাসিয়া উপজাতির সমাজ ব্যবস্থা সম্পূর্ণরূপে মাতৃতান্ত্রিক এবং মাতুলালয়ভিত্তিক। D) মারমা — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ মারমা সমাজ পিতৃতান্ত্রিক। মনে রাখার টিপস: মারমা পুরুষরা পরিবারের প্রধান, তাই মারমা সমাজ পিতৃতান্ত্রিক।
a কৃষি ব্যাংক
b গ্রামীণ ব্যাংক
c সমবায় ব্যাংক
d ইসলামী ব্যাংক
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গ্রামীণ ব্যাংক কেন সঠিক: - ড. মুহাম্মদ ইউনূস ১৯৮৩ সালে গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করেন যা জামানতবিহীন ক্ষুদ্রঋণ প্রদানের মাধ্যমে দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে স্বাবলম্বী করে তোলে। - এই অভিনব ক্ষুদ্রঋণ মডেলের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিস্বরূপ ব্যাংকটি এবং এর প্রতিষ্ঠাতা যৌথভাবে ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কৃষি ব্যাংক — এটি মূলত গ্রামীণ এলাকার কৃষি ও কৃষকদের উন্নয়নে ঋণ প্রদান করে, যা দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মাঝে ক্ষুদ্রঋণ বিতরণের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত নয়। B) গ্রামীণ ব্যাংক — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং জামানতবিহীন ক্ষুদ্রঋণ দিয়ে দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে স্বাবলম্বী করে দেশে বিদেশে সুনাম কুড়িয়েছে। C) সমবায় ব্যাংক — এটি সমবায় সমিতির মাধ্যমে আর্থিক কার্যক্রম পরিচালনা করে, যা দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য এককভাবে ক্ষুদ্রঋণ মডেল হিসেবে বিশ্বজোড়া খ্যাতি অর্জন করেনি। D) ইসলামী ব্যাংক — এটি শরিয়াহ ভিত্তিক ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করে, যদিও এটি দেশের অন্যতম বাণিজ্যিক ব্যাংক তবে গ্রামীণ ব্যাংকের মতো ক্ষুদ্রঋণ বিপ্লবের জন্য বিখ্যাত নয়। মনে রাখার টিপস: দরিদ্র জনগোষ্ঠী এবং ক্ষুদ্রঋণ বললেই গ্রামীণ ব্যাংক এবং ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নাম মনে রাখতে হবে।
a আখের ছোবড়া
b বাঁশ
c জারুল গাছ
d নল-খাগড়া
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বাঁশ কেন সঠিক: - চন্দ্রঘোনা কর্ণফুলী পেপার মিলস বাঁশকে প্রধান কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার করে কাগজ উৎপাদন করে থাকে। - পার্বত্য চট্টগ্রামের বনাঞ্চলের বাঁশ এই কারখানার কাগজ তৈরির মূল উপাদান হিসেবে যুগ যুগ ধরে ব্যবহৃত হচ্ছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আখের ছোবড়া — এটি সাধারণত চিনি কল বা অন্য কোনো বিশেষ কাগজ ও বোর্ড মিলে ব্যবহৃত হয়, চন্দ্রঘোনা কাগজ কলের প্রধান কাঁচামাল নয়। B) বাঁশ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং চন্দ্রঘোনা কাগজ কলের প্রধান কাঁচামাল। C) জারুল গাছ — এটি একটি কাঠ উৎপাদনকারী গাছ, যা কাগজ তৈরির প্রধান কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয় না। D) নল-খাগড়া — এটি জলাভূমির উদ্ভিদ, যা ঐতিহ্যগতভাবে অন্য কাজে ব্যবহৃত হলেও চন্দ্রঘোনা কারখানার প্রধান কাঁচামাল নয়। মনে রাখার টিপস: চন্দ্রঘোনা মানেই পাহাড়ের বাঁশ দিয়ে কাগজ তৈরি।
a ২৬ মার্চ,১৯৭১
b ১০ এপ্রিল,১৯৭১
c ৬ সেপ্টেম্বর,১৯৭১
d ১০ নভেম্বর,১৯৭১
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১০ এপ্রিল, ১৯৭১ কেন সঠিক: - এই দিনে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করা হয় এবং স্বাধীন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার গঠিত হয়। - এই ঘোষণাপত্র অনুযায়ী ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা কার্যকর হয়েছে বলে গণ্য করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৬ মার্চ, ১৯৭১ — এটি মূলত স্বাধীনতার ঘোষণার দিন এবং মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস, তবে মুজিবনগর সরকারের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারির তারিখ এটি নয়। B) ১০ এপ্রিল, ১৯৭১ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, এই দিনে মুজিবনগরে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করা হয়। C) ৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৭১ — এটি এই প্রশ্নের ঐতিহাসিক ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো গুরুত্বপূর্ণ তারিখ নয়। D) ১০ নভেম্বর, ১৯৭১ — এটি এই প্রশ্নের প্রেক্ষাপটে কোনো সংশ্লিষ্ট বা সঠিক ঐতিহাসিক তারিখ নয়। মনে রাখার টিপস: স্বাধীনতার ঘোষণা ২৬ মার্চ হলেও, সরকার গঠনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক ঘোষণাপত্র জারি করা হয় ১০ এপ্রিল।
a অষ্ট্রেলিয়া
b কানাডা
c সাইপ্রাস
d মরিশাস
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অস্ট্রেলিয়া কেন সঠিক: - কমনওয়েলথভুক্ত ৫৬টি দেশের মধ্যে ১৫টি দেশ ব্রিটিশ রাজতন্ত্রকে তাদের রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে মানে। - অস্ট্রেলিয়া এই ১৫টি কমনওয়েলথRealm-এর অন্তর্ভুক্ত দেশ, যেখানে যুক্তরাজ্যের রাজা বা রানি সাংবিধানিক রাষ্ট্রপ্রধান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অস্ট্রেলিয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দেশ যুক্তরাজ্যের রাজাকে তাদের রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে স্বীকার করে। B) কানাডা — যদিও কানাডা ব্রিটিশ রাজাকে রাষ্ট্রপ্রধান মানে, তবে প্রদত্ত প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে অস্ট্রেলিয়াকে নির্দিষ্ট করা হয়েছে এবং কানাডা এই অপশনের মূল উত্তর নয়। C) সাইপ্রাস — এটি কমনওয়েলথভুক্ত দেশ হলেও প্রজাতন্ত্র এবং এর নিজস্ব প্রেসিডেন্ট রয়েছে, ব্রিটিশ রাজা এখানে রাষ্ট্রপ্রধান নন। D) মরিশাস — এটি এক সময় কমনওয়েলথ Realm হলেও ১৯৯২ সালে প্রজাতন্ত্রে রূপান্তর হয় এবং ব্রিটিশ রাজাকে রাষ্ট্রপ্রধান পদ থেকে বাদ দেয়। মনে রাখার টিপস: কমনওয়েলথ দেশের সবাই ব্রিটিশ রাজাকে মানে না, তবে অস্ট্রেলিয়ার মতো কিছু দেশ এখনো রাজা বা রানিকে তাদের রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে টিকিয়ে রেখেছে।
a সুইজারল্যান্ড
b পোল্যান্ড
c অষ্ট্রিয়া
d ডেনমার্ক
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অষ্ট্রিয়া কেন সঠিক: - অস্ট্রিয়ার প্রধান ও সরকারি ভাষা হলো জার্মান, যার মাধ্যমে দেশটির প্রায় নব্বই শতাংশ মানুষ কথা বলে। - জার্মানির বাইরে অষ্ট্রিয়া হলো একমাত্র সার্বভৌম রাষ্ট্র যেখানে জার্মান ভাষা সংখ্যাগরিষ্ঠের প্রধান ভাষা হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুইজারল্যান্ড — এখানে জার্মান প্রধান ভাষা হলেও ফরাসি, ইতালীয় ও রোমান্স ভাষাও প্রচলিত রয়েছে। B) পোল্যান্ড — এই দেশের প্রধান এবং রাষ্ট্রভাষা হলো পোলিশ, জার্মান ভাষা এখানে সংখ্যাগরিষ্ঠের ভাষা নয়। C) অষ্ট্রিয়া — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল অপশন হিসেবে বিবেচিত নয়। D) ডেনমার্ক — এই দেশের মূল ভাষা ডেনিশ, এখানে জার্মান ভাষার প্রধান প্রচলন নেই। মনে রাখার টিপস: জার্মানির বাইরে জার্মান ভাষাভাষী প্রধান দেশ মনে রাখতে "অস্ট্রিয়া" নামটি মনে রাখুন।
a ধানু
b নাথু
c থানু
d আনু
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ধানু কেন সঠিক: - রাজিব গান্ধীকে হত্যার ঘটনাটি ঘটেছিল ১৯৯১ সালের ২১ মে ভারতের তামিলনাড়ুতে একটি নির্বাচনী জনসভায়। - এলটিটিই সংগঠনের এই আত্মঘাতী নারী সদস্য মানব বোমা হিসেবে বিস্ফোরক বহন করে বিস্ফোরণ ঘটিয়েছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধানু — ইনি হলেন রাজিব গান্ধীকে হত্যার সময় বোমা বহনকারী সেই নির্দিষ্ট আত্মঘাতী নারী সদস্য। B) নাথু — এই নামে এই ঐতিহাসিক ঘটনার সঙ্গে কোনো হামলাকারী বা আত্মঘাতী মহিলার সংযোগ নেই। C) থানু — এটি ধানু নামের সামান্য বিকৃত রূপ হলেও ঘটনার মূল বিচারে সঠিক অপরাধী হিসেবে স্বীকৃত নয়। D) আনু — এই নামের কোনো ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতা রাজিব গান্ধী হত্যাকাণ্ডের আত্মঘাতী হামলার সঙ্গে নেই। মনে রাখার টিপস: রাজিব গান্ধীর ওপর আত্মঘাতী হামলাকারী নারীর নাম মনে রাখতে 'ধানু' শব্দটি মাথায় রাখুন, যার শেষাংশ বোমা হামলার সঙ্গে মিলে যায়।
a আসলের সমান হবে
b আসলের চেয়ে বেশী হবে
c আসলের চেয়ে কম হবে
d আসল গতির সাথে সম্পর্কযুক্তভাবে কমে যাবে
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আসলের চেয়ে বেশী হবে কেন সঠিক: - এটি ডপলার প্রভাবের একটি ধ্রুপদী উদাহরণ, যেখানে উৎস ও পর্যবেক্ষকের মধ্যকার দূরত্বের পরিবর্তনের কারণে শব্দের কম্পাঙ্কের আপাত পরিবর্তন ঘটে। - ইঞ্জিনটি প্লাটফ্রমের দিকে আসার সময় শব্দতরঙ্গগুলো সংকুচিত হয়, ফলে প্রতি সেকেন্ডে বেশি সংখ্যক তরঙ্গ পর্যবেক্ষকের কানে পৌঁছায় এবং কম্পাঙ্ক বেশি মনে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আসলের সমান হবে — উৎস ও পর্যবেক্ষকের মধ্যে কোনো আপেক্ষিক গতি না থাকলে কম্পাঙ্ক সমান হতো, কিন্তু এখানে গতিশীল অবস্থার কারণে এটি ভুল। B) আসলের চেয়ে বেশী হবে — এটি সঠিক কারণ উৎস পর্যবেক্ষকের নিকটবর্তী হলে শব্দের কম্পাঙ্ক বৃদ্ধি পায়। C) আসলের চেয়ে কম হবে — ইঞ্জিনটি প্লাটফ্রম থেকে দূরে চলে গেলে বা স্টেশন থেকে চলে যাওয়ার সময় কম্পাঙ্ক কম হতো। D) আসল গতির সাথে সম্পর্কযুক্তভাবে কমে যাবে — গতি বাড়লে কম্পাঙ্ক বাড়ে, তাই কমার এই ধারণাটি এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: কাছে আসলে বাড়ে (কম্পাঙ্ক বেশি), দূরে গেলে কমে (কম্পাঙ্ক কম)।
a প্রথম নাথ বিশী
b প্রমথ চৌধুরী
c প্রেমেন্দ্র মিত্র
d প্রথম নাথ বসু
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্রমথ চৌধুরী কেন সঠিক: - প্রমথ চৌধুরী বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবর্তক ও বিখ্যাত প্রাবন্ধিক। - তিনি তার রচনায় 'বীরবল' ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন এবং তার সম্পাদিত পত্রিকার নাম ছিল সবুজপত্র। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রথম নাথ বিশী — এটি একটি বিভ্রান্তিকর নাম এবং তিনি এই ছদ্মনামে লিখতেন না। B) প্রমথ চৌধুরী — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন কোনো ভুল কারণ নেই। C) প্রেমেন্দ্র মিত্র — তিনি বাংলা সাহিত্যের একজন জনপ্রিয় কবি ও কথাসাহিত্যিক হলেও বীরবল ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন না। D) প্রথম নাথ বসু — এটি একটি কাল্পনিক বা ভুল অপশন এবং তিনি এই ছদ্মনামের সঙ্গে সম্পর্কিত নন। মনে রাখার টিপস: প্রমথ চৌধুরীর সবুজপত্রে বীরবল নামে লেখা প্রকাশ পেত, এভাবে প্র ও ব দিয়ে নাম দুটি মনে রাখতে পারেন।
a IBRD
b IDA
c IMF
d IFC
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) IMF কেন সঠিক: - বিশ্বব্যাংক বা ওয়ার্ল্ড ব্যাংক গ্রুপ মোট পাঁচটি আন্তঃসরকারি প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে গঠিত, যার মধ্যে IMF বা আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল অন্তর্ভুক্ত নয়। - IMF জাতিসংঘের একটি স্বাধীন বিশেষায়িত সংস্থা, যা বিশ্বব্যাংকের সহযোগী হিসেবে ১৯৪৫ সাল থেকে আলাদাভাবে বৈশ্বিক আর্থিক নীতিনির্ধারণে কাজ করছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) IBRD — এটি বিশ্বব্যাংকের মূল ও প্রধান অঙ্গ প্রতিষ্ঠান, যা উন্নয়নশীল দেশগুলোকে দীর্ঘমেয়াদী ঋণ ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করে। B) IDA — এটি বিশ্বব্যাংকের আরেকটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান, যা বিশ্বের দরিদ্রতম দেশগুলোকে অত্যন্ত সহজ শর্তে ও সুদমুক্ত ঋণ প্রদান করে থাকে। C) IMF — এটি বিশ্বব্যাংকের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান নয়, বরং এটি একটি স্বাধীন আন্তর্জাতিক আর্থিক সংস্থা যা বিশ্ব অর্থনীতিকে স্থিতিশীল রাখতে কাজ করে। D) IFC — এটি বিশ্বব্যাংকের একটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান, যা উন্নয়নশীল দেশের বেসরকারি খাতের শিল্পপ্রতিষ্ঠানে সরাসরি বিনিয়োগ ও ঋণ প্রদান করে। মনে রাখার টিপস: বিশ্বব্যাংকের পাঁচটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান মনে রাখার সংক্ষিপ্ত রূপ হলো আইবিআরডি, আইডিএ, আইএফসি, মিগা এবং আইসিএসআইডি। এর বাইরে থাকা আইএমএফ স্বাধীন একটি সংস্থা।
a আলাওল
b ফকির গরীবুল্লাহ
c সৈয়দ হামজা
d রেজাউদ্দৌলা
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ফকির গরীবুল্লাহ কেন সঠিক: - মধ্যযুগের পুঁথি সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় ও প্রখ্যাত কবি হলেন ফকির গরীবুল্লাহ। - তিনি ফার্সি কাহিনীর অনুসরণে বাংলা ভাষায় বিখ্যাত 'আমীর হামজা' কাব্য রচনা করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আলাওল — তিনি মধ্যযুগের রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার শ্রেষ্ঠ কবি, যার বিখ্যাত কাব্য পদ্মাবতী। B) ফকির গরীবুল্লাহ — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি আমীর হামজা কাব্যের মূল রচয়িতা। C) সৈয়দ হামজা — তিনি ফকির গরীবুল্লাহর অসমাপ্ত আমীর হামজা কাব্যের বাকি অংশ সমাপ্ত করেছিলেন, কিন্তু মূল রচয়িতা নন। D) রেজাউদ্দৌলা — ইনি এই কাব্যের সঙ্গে সম্পৃক্ত কোনো উল্লেখযোগ্য কবি বা সাহিত্যিক নন। মনে রাখার টিপস: হামজা কাব্যের হাত ধরে গরিব কবি ফকির গরীবুল্লাহর নাম অমর হয়ে আছে।
a ১২ অক্টোবর,১৯৭২
b ১৬ ডিসেম্বর,১৯৭২
c ২৬ মার্চ,১৯৭৩
d ১৬ ডিসেম্বর,১৯৭৪
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১২ অক্টোবর,১৯৭২ কেন সঠিক: - গণপরিষদে সংবিধান বিল প্রথম উত্থাপন করেন আইনমন্ত্রী ড. কামাল হোসেন ১৯৭২ সালের ১২ অক্টোবর। - এই বিল উত্থাপনের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশের সাংবিধানিক যাত্রার আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১২ অক্টোবর,১৯৭২ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দিনেই সংবিধান বিল গণপরিষদে উত্থাপিত হয়েছিল। B) ১৬ ডিসেম্বর,১৯৭২ — এটি ভুল উত্তর কারণ এই তারিখে বাংলাদেশের প্রথম সংবিধান কার্যকর করা হয়েছিল। C) ২৬ মার্চ,১৯৭৩ — এটি ভুল উত্তর কারণ এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের তারিখ। D) ১৬ ডিসেম্বর,১৯৭৪ — এটি ভুল উত্তর কারণ এই তারিখে বিজয়ের দুই বছর পূর্তি উদযাপিত হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: সংবিধান উত্থাপন করেছিলেন ড. কামাল হোসেন ১৯৭২ সালের বারো অক্টোবর।
a লাল
b সবুজ
c নীল
d বেগুনি
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বেগুনি কেন সঠিক: - দৃশ্যমান আলোর বর্ণালীতে বেগুনি রঙের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম এবং লাল রঙের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি। - বেগুনি আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য প্রায় চারশত ন্যানোমিটারের কাছাকাছি হয়ে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লাল — দৃশ্যমান বর্ণালীতে এই রঙের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি থাকে। B) সবুজ — এর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য লাল ও বেগুনি রঙের মাঝামাঝি মানের হয়ে থাকে। সি) নীল — এর তরঙ্গ দৈর্ঘ্যুুু সবুজ অপেক্ষা কম হলেও বেগুনি অপেক্ষা বেশি। D) বেগুনি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সর্বনিম্ন। মনে রাখার টিপস: দৃশ্যমান আলোর বর্ণালীতে বেগুনি থেকে লাল রঙের দিকে গেলে তরঙ্গ দৈর্ঘ্য ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে।
a গাড়ির মধ্যেই বসে থাকবেন
b কোন গাছের তলায় আশ্যয় নিবেন
c বাইরে এসে মাটিতে উপুড় হয়ে শুয়ে পড়বেন
d বাইরে এসে আকাশের দিকে মুখ করে দাড়িয়ে থাকবেন
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) গাড়ির মধ্যেই বসে থাকবেন কেন সঠিক: - ধাতব কাঠামো দিয়ে ঘেরা গাড়ি ফ্যারাডে কেজ হিসেবে কাজ করে, যা বজ্রপাতের বৈদ্যুতিক আধানকে বাইরের অংশ দিয়ে মাটিতে প্রবাহিত করে। - গাড়ির কাঁচের জানালা বন্ধ রাখলে ভিতরের যাত্রীরা সম্পূর্ণ নিরাপদ থাকেন এবং সরাসরি বজ্রপাতের আঘাত থেকে রক্ষা পান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গাড়ির মধ্যেই বসে থাকবেন — এটি সঠিক পদ্ধতি কারণ ধাতব বডি যাত্রীদের সুরক্ষার জন্য ফ্যারাডে কেজ হিসেবে কাজ করে। B) কোন গাছের তলায় আশ্যয় নিবেন — এটি ভুল কারণ বজ্রপাত সাধারণত উঁচু গাছে আঘাত করে এবং গাছের নিচে দাঁড়ালে মৃত্যুর ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যায়। C) বাইরে এসে মাটিতে উপুড় হয়ে শুয়ে পড়বেন — এটি ভুল কারণ মাটিতে শুয়ে পড়লে গ্রাউন্ড কারেন্ট বা ভূগর্ভস্থ বিদ্যুতের প্রবাহে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। D) বাইরে এসে আকাশের দিকে মুখ করে দাড়িয়ে থাকবেন — এটি অত্যন্ত বিপজ্জনক কারণ খোলা আকাশের নিচে দাঁড়িয়ে থাকলে সরাসরি বজ্রপাতে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। মনে রাখার টিপস: বজ্রপাতের সময় খোলা আকাশ বা গাছের নিচে নয়, বরং ধাতব গাড়ির ভেতরে থাকা সবচেয়ে নিরাপদ।
a উড্ডয়ন সংক্রান্ত বিষয়াদী
b পাখি পালন বিষয়াদি
c বাজ পাখি পালন বিষয়াদি
d উড়োজাহাজ ব্যবস্হাপনা
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পাখি পালন বিষয়াদি কেন সঠিক: - এভিকালচার হলো পাখি পালন এবং প্রজনন সম্পর্কিত বিজ্ঞান বা চর্চা। - এর মাধ্যমে বিভিন্ন প্রজাতির পাখির রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচর্যা করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) উড্ডয়ন সংক্রান্ত বিষয়াদী — এটি বিমানের উড্ডয়ন বা এভিয়েশন সম্পর্কিত, পাখি পালনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) পাখি পালন বিষয়াদি — এটি সঠিক কারণ এভিকালচার বলতে পাখি পালন ও পরিচর্যা বোঝায়। C) বাজ পাখি পালন বিষয়াদি — এটি বিশেষায়িত পাখি পালন হলেও সাধারণ অর্থে এভিকালচার সমস্ত পাখি পালনকে নির্দেশ করে। D) উড়োজাহাজ ব্যবস্হাপনা — এটি এভিয়েশন ম্যানেজমেন্ট বা বিমান চলাচল ব্যবস্থাপনা নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি শব্দ এভিয়েশন মানে বিমান চলাচল হলেও এভিকালচার শব্দটি এসেছে ল্যাটিন এভিস থেকে যার অর্থ পাখি।
a প্রথম সোমবার
b দ্বিতীয় সোমবার
c তৃতীয় সোমবার
d চতুর্থ সোমবার
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্রথম সোমবার কেন সঠিক: - জাতিসংঘের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রতি বছর অক্টোবর মাসের প্রথম সোমবার বিশ্ব প্রতিবেশ দিবস বা ওয়ার্ল্ড হ্যাবিট্যাট ডে পালিত হয়। - ১৯৮৫ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ এই দিনটিকে বিশ্ব প্রতিবেশ দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেয় এবং ১৯৮৬ সাল থেকে এটি নিয়মিত পালিত হয়ে আসছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রথম সোমবার — এটি সঠিক উত্তর কারণ বিশ্ব প্রতিবেশ দিবস অক্টোবর মাসের প্রথম সোমবার নির্দিষ্ট করা হয়েছে। B) দ্বিতীয় সোমবার — এই দিনে বিশ্ব প্রতিবেশ দিবস পালিত হয় না, তবে অক্টোবর মাসের দ্বিতীয় বৃহস্পতিবার বিশ্ব দৃষ্টি দিবস পালিত হয়। C) তৃতীয় সোমবার — এই দিনটিতে আন্তর্জাতিক কোনো নির্দিষ্ট প্রধান বিশ্ব দিবস পালিত হয় না। D) চতুর্থ সোমবার — অক্টোবর মাসের চতুর্থ সোমবার বিশ্ব প্রতিবেশ দিবসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: অক্টোবরের শুরুতেই আবাসন বা প্রতিবেশের কথা মনে রাখতে হবে, তাই মাস শুরু হওয়ার প্রথম সোমবারই বিশ্ব প্রতিবেশ দিবস।
a তিতুমির
b ফকির মজনু শাহ
c দুদু মিয়া
d হাজী শরীয়তুল্লাহ
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দুদু মিয়া কেন সঠিক: - দুদু মিয়া ফরায়েজী আন্দোলনের অন্যতম নেতা হাজী শরীয়তুল্লাহর পুত্র এবং এই আন্দোলনের প্রভাবশালী সংস্কারক ছিলেন। - তিনি জমিদারদের বিরুদ্ধে কৃষকদের সংগঠিত করেন এবং ঘোষণা করেন যে জমি থেকে খাজনা আদায় আল্লাহর আইনের পরিপন্থী। বাকি অপশন কেন ভুল: A) তিতুমির — তিনি মূলত ব্রিটিশ নীলকর ও স্থানীয় জমিদারদের শোষণের বিরুদ্ধে বারাসাতের নারকেলবাড়িয়ায় বাঁশের কেল্লা নির্মাণ করে সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। B) ফকির মজনু শাহ — তিনি উত্তরবঙ্গের ব্রিটিশ বিরোধী ফকির-সন্ন্যাস আন্দোলনের একজন অন্যতম প্রধান ও সাহসী বিদ্রোহী নেতা ছিলেন। D) হাজী শরীয়তুল্লাহ — তিনি ফরায়েজী আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা হলেও খাজনা আদায় আল্লাহর আইনের পরিপন্থী বলে ঐতিহাসিক ঘোষণাটি দুদু মিয়া দিয়েছিলেন। মনে রাখার টিপস: খাজনা আদায় আল্লাহর আইনের পরিপন্থী— এই কঠোর ঘোষণাটি ফরায়েজী আন্দোলনের দ্বিতীয় নেতা দুদু মিয়া দিয়েছিলেন।
a টি এস পি
b ইউরিয়া
c পটাশ
d অ্যামোনিয়া
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ইউরিয়া কেন সঠিক: - ঘোড়াশাল সার কারখানা বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রধান ভারী শিল্প প্রতিষ্ঠান যা মূলত নাইট্রোজেনসমৃদ্ধ ইউরিয়া সার উৎপাদন করে। - এই কারখানায় প্রাকৃতিক গ্যাসকে কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার করে ইউরিয়া সার উৎপাদন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) টি এস পি — এটি ট্রিপল সুপার ফসফেট সার, যা ফসফরাসের চাহিদা পূরণের জন্য উৎপাদিত হয় এবং ঘোড়াশাল কারখানায় এটি তৈরি হয় না। B) ইউরিয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই কারখানা থেকে প্রধানত ইউরিয়া সারই উৎপাদিত হয়। C) পটাশ — এটি পটাসিয়ামসমৃদ্ধ সার, যা প্রধানত আমদানি করা হয় এবং ঘোড়াশাল কারখানায় উৎপাদিত হয় না। D) অ্যামোনিয়া — এটি ইউরিয়া সার উৎপাদনের কাঁচামাল বা মধ্যবর্তী উপাদান, তবে কারখানার চূড়ান্ত উৎপাদিত বাণিজ্যিক সার হলো ইউরিয়া। মনে রাখার টিপস: ঘোড়াশাল নাম শুনলেই মাথায় রাখবে দেশের সবচেয়ে পরিচিত ইউরিয়া সার উৎপাদনকারী কেন্দ্রের কথা।
a শূণ্যতায়
b তরল পদার্থে
c বায়বীয় পদার্থে
d কঠিন পদার্থে
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বায়বীয় পদার্থে কেন সঠিক: - শব্দের বেগ মাধ্যমের ঘনত্বের ওপর নির্ভর করে এবং বায়বীয় পদার্থের ঘনত্ব কঠিন বা তরল পদার্থের চেয়ে অনেক কম। - অণুগুলোর দূরত্ব বেশি থাকায় বায়বীয় মাধ্যমে শব্দ তরঙ্গ ধীরগতিতে চলাচল করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শূণ্যতায় — শব্দ সঞ্চালনের জন্য মাধ্যম প্রয়োজন কিন্তু শূন্য মাধ্যমে কোনো জড় মাধ্যম না থাকায় শব্দের গতি শূন্য বা শব্দ চলাচল করতে পারে না। B) তরল পদার্থে — তরল পদার্থের অণুগুলো বায়বীয় পদার্থের চেয়ে কাছাকাছি থাকে, তাই এখানে শব্দের গতি বায়বীয় মাধ্যমের চেয়ে বেশি হয়। C) বায়বীয় পদার্থে — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ বায়বীয় মাধ্যমে অণুগুলোর ব্যবধান বেশি থাকায় শব্দের গতি সবচেয়ে কম হয়। D) কঠিন পদার্থে — কঠিন পদার্থের অণুগুলোর পারস্পরিক দূরত্ব সবচেয়ে কম এবং ঘনত্ব বেশি থাকায় এখানে শব্দের গতি সব মাধ্যমের চেয়ে সবচেয়ে বেশি হয়। মনে রাখার টিপস: শব্দের গতি মনে রাখার সহজ নিয়ম হলো কঠিন মাধ্যমে সবচেয়ে বেশি, তরলে মাঝারি এবং বায়বীয় মাধ্যমে সবচেয়ে কম।
a বাংলা ১০৭৬
b বাংলা ১১৭৬
c বাংলা ১৩৭৬
d ইংরেজি ১৮৭৬
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বাংলা ১১৭৬ কেন সঠিক: - বাংলার ১৭৭০ (ইংরেজিতে ১৭৬৯ থেকে ১৭৭০) সালে সংঘটিত এই ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ বাংলা সন অনুযায়ী ১১৭৬ সালে ঘটেছিল। - এই দুর্ভিক্ষে বাংলার প্রায় এক তৃতীয়াংশ মানুষ মারা গিয়েছিল এবং এটি ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের প্রাথমিক পর্যায়ের একটি ভয়াবহ ট্রাজেডি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাংলা ১০৭৬ — এই সালে এমন কোনো ঐতিহাসিক বা পরিচিত মন্বন্তর বা দুর্ভিক্ষ ঘটেছিল বলে ইতিহাসে উল্লেখ নেই। B) বাংলা ১১৭৬ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই বাংলা সালেই বাংলার ইতিহাসে বিখ্যাত ছিয়াত্তরের মন্বন্তর ঘটেছিল। C) বাংলা ১৩৭৬ — এই সালটি সঠিক নয়, কারণ এর প্রায় দুই শ বছর আগে ছিয়াত্তরের মন্বন্তর সংঘটিত হয়েছিল। D) ইংরেজি ১৮৭৬ — এটি ইংরেজি সাল এবং ভুল, কারণ মন্বন্তরটি ঘটেছিল ১৭৭০ সালের দিকে যার বাংলা সন ছিল ১১৭৬। মনে রাখার টিপস: ছিয়াত্তরের মন্বন্তর মনে রাখতে নামের 'ছিয়াত্তর' সংখ্যাটিকে বাংলা সন ১১৭৬ এর শেষ অংশের সঙ্গে মিলিয়ে মনে রাখা যায়।
a উয়েন
b পেসো
c ইউয়ান
d উয়ন
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উয়ন কেন সঠিক: - দক্ষিণ কোরিয়ার আনুষ্ঠানিক ও প্রচলিত মুদ্রার নাম দক্ষিণ কোরিয়ান উয়ন। - আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে এবং দেশটির অর্থনীতিতে এই মুদ্রা ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) উয়েন — এটি জাপানের সরকারি মুদ্রার নাম, দক্ষিণ কোরিয়ার নয়। B) পেসো — এটি ফিলিপাইন, আর্জেন্টিনা ও মেক্সিকোসহ কয়েকটি দেশের মুদ্রার নাম। C) ইউয়ান — এটি চীনের সরকারি এবং প্রধান মুদ্রার নাম। D) উয়ন — এটি দক্ষিণ কোরিয়ার সঠিক ও নির্দিষ্ট মুদ্রার নাম। মনে রাখার টিপস: কোরিয়া জয় করতে মন উয়ে, মুদ্রা হিসেবে মনে রাখুন উয়ন।
a স্পেন
b বলজিয়াম
c নাইজেরিয়া
d মঙ্গোলিয়া
0 95 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) স্পেন কেন সঠিক: - ক্যাটালোনিয়া স্পেনের একটি উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল এবং সেখানকার প্রধান ভাষা ক্যাটালান। - স্প্যানিশ ভাষার পাশাপাশি ক্যাটালান ভাষা স্পেনের সরকারি ও আঞ্চলিক ভাষার মর্যাদা ভোগ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্পেন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দেশের ক্যাটালোনিয়া অঞ্চলে ক্যাটালান ভাষা প্রচলিত। B) বলজিয়াম — এই দেশের প্রধান ভাষা মূলত ডাচ, ফ্রেঞ্চ ও জার্মান, ক্যাটালান নয়। C) নাইজেরিয়া — এই দেশের প্রধান ভাষা ইংরেজি এবং স্থানীয়ভাবে হাউসা, ইওরুবা ও ইগবো প্রচলিত। D) মঙ্গোলিয়া — এই দেশের প্রধান ও রাষ্ট্রভাষা হলো মঙ্গোলিয়ান। মনে রাখার টিপস: স্পেনের বিখ্যাত ফুটবল ক্লাব বার্সেলোনা যে অঞ্চলে অবস্থিত, সেখানকার প্রধান ভাষা হলো ক্যাটালান।
a পুকুরে
b বিলে
c নদীতে
d সাগরে
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সাগরে কেন সঠিক: - সাগরের পানিতে লবণ ও বিভিন্ন খনিজের পরিমাণ বেশি থাকায় এর ঘনত্ব সাধারণ পানির চেয়ে বেশি হয়। - ঘনত্ব বেশি হওয়ার কারণে আর্কিমিডিসের সূত্রানুসারে সাগরের পানির প্লবতা বা ঊর্ধ্বমুখী ধাক্কা বেশি থাকে, যা শরীরকে সহজে ভাসিয়ে রাখে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পুকুরে — পুকুরের পানি মিষ্টি বা মৃদু পানি হওয়ায় এর ঘনত্ব ও প্লবতা সাগরের পানির তুলনায় কম থাকে। B) বিলে — বিলের পানি সাধারণত আবদ্ধ ও মিষ্টি পানি হওয়ায় এতে সাঁতার কাটার সময় শরীর সহজে ভাসতে চায় না। C) নদীতে — নদীর পানি মিষ্টি পানি এবং এর স্রোত ও কম ঘনত্বের কারণে সাঁতার কাটা সাগরের চেয়ে অপেক্ষাকৃত বেশি কঠিন। D) সাগরে — এটি সঠিক উত্তর কারণ সাগরের লবণাক্ত পানির ঘনত্ব ও প্লবতা সবচেয়ে বেশি। মনে রাখার টিপস: লবণাক্ত পানিতে প্লবতা বেশি থাকে, তাই মিষ্টি পানির চেয়ে সাগরে সাঁতার কাটা সহজ।
a সাদা
b কালো
c লাল
d ধূসর
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কালো কেন সঠিক: - কালো রঙের বস্তু যেকোনো আলো বা তাপ খুব দ্রুত শোষণ করে এবং বিকিরণ করতে পারে। - তাপ দ্রুত বিকিরণ করার ক্ষমতার কারণে কালো কাপের চা চারপাশের পরিবেশে দ্রুত তাপ ছেড়ে দিয়ে তাড়াতাড়ি ঠান্ডা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাদা — সাদা রং তাপ শোষণ ও বিকিরণ কম করে, তাই সাদা কাপে চা দেরিতে ঠান্ডা হয়। B) কালো — এটি সঠিক উত্তর কারণ কালো কাপ দ্রুত তাপ বিকিরণ করে চা ঠান্ডা করে। C) লাল — লাল রঙের কাপ তাপ শোষক বা বিকিরক হিসেবে কালো রঙের মতো অতটা কার্যকরী নয়। D) ধূসর — ধূসর রঙের তাপ শোষণ ও বিকিরণের ক্ষমতা সাদা ও কালোর মাঝামাঝি হওয়ায় চা মাঝারি গতিতে ঠান্ডা হয়। মনে রাখার টিপস: কালো রং তাপ যেমন দ্রুত শোষণ করে, তেমনি খুব দ্রুত তাপ ছেড়েও দিতে পারে।
a নাইট্রোজেন
b হিলিয়াম
c নিয়ন
d অক্সিজেন
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নাইট্রোজেন কেন সঠিক: - সাধারণ বৈদ্যুতিক বাল্বের ভিতরে টাংস্টেন ফিলামেন্টকে পুড়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করতে নাইট্রোজেন গ্যাস ব্যবহার করা হয়। - নাইট্রোজেন একটি নিষ্ক্রিয় গ্যাস হওয়ায় এটি ফিলামেন্টের সাথে বিক্রিয়া করে না এবং বাল্বের আয়ু বৃদ্ধি করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নাইট্রোজেন — এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এটি বাল্বের ফিলামেন্টকে দীর্ঘস্থায়ী করতে এবং অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া রোধ করতে ব্যবহৃত হয়। B) হিলিয়াম — এটি অত্যন্ত হালকা ও নিষ্ক্রিয় গ্যাস হলেও বৈদ্যুতিক বাল্বে সাধারণত খরচ এবং উপযোগিতার কারণে নাইট্রোজেন বা আর্গন ব্যবহার করা হয়। C) নিয়ন — নিয়ন গ্যাস মূলত রঙিন বিজ্ঞাপনের সাইনবোর্ড বা নিয়ন টিউবে আলো জ্বালানোর কাজে ব্যবহৃত হয়, সাধারণ বাল্বে নয়। D) অক্সিজেন — অক্সিজেন গ্যাস দহন সহায়ক হওয়ায় বাল্বের ভিতরে ব্যবহার করলে টাংস্টেন ফিলামেন্ট মুহূর্তেই পুড়ে ছাই হয়ে যেত। মনে রাখার টিপস: বাল্ব ফিলামেন্টের সুরক্ষা, নাইট্রোজেন গ্যাসের ভূমিকা।
a আন্তর্জাতিক ইসলামী আদালত
b সাধারণ সচিবালয়
c ইসলামী উন্নয়ণ ব্যাংক
d ইসলামী বাণিজ্য উন্নয়ন কেন্দ্র
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ইসলামী বাণিজ্য উন্নয়ন কেন্দ্র কেন সঠিক: - প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক নয়। ইসলামী বাণিজ্য উন্নয়ন কেন্দ্র (ICDCI) এবং আন্তর্জাতিক ইসলামী আদালত (International Islamic Court of Justice) উভয়ই ওআইসি-র অঙ্গ সংস্থা বা সংশ্লিষ্ট অঙ্গ প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করে। এই প্রশ্নটিতে একাধিক সঠিক উত্তর থাকার কারণে প্রশ্ন ও অপশনটি ত্রুটিপূর্ণ। - ওআইসি-র প্রধান অঙ্গ সংস্থাগুলোর মধ্যে সাধারণ সচিবালয়, ইসলামী সম্মেলন এবং ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংক (IsDB) অন্যতম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আন্তর্জাতিক ইসলামী আদালত — এটি ওআইসি-র একটি বিচারিক অঙ্গ সংস্থা, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। B) সাধারণ সচিবালয় — এটি ওআইসি-র প্রধান প্রশাসনিক অঙ্গ সংস্থা, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। C) ইসলামী উন্নয়ণ ব্যাংক — এটি ওআইসি-র একটি প্রধান আর্থিক ও অঙ্গ সংস্থা, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। D) ইসলামী বাণিজ্য উন্নয়ন কেন্দ্র — এটি ওআইসি-র একটি অঙ্গ বা সহায়ক সংস্থা, যা মূল প্রশ্নানুসারে সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: ওআইসি-র সচিবালয়, উন্নয়ন ব্যাংক এবং বিভিন্ন কেন্দ্র ও আদালত এর মূল কাঠামোর অংশ হিসেবে কাজ করে।
a ১৯৬৫
b ১৯৬৬
c ১৯৬৭
d ১৯৬৮
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯৬৬ কেন সঠিক: - এশিয়া উন্নয়ন ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৬৬ সালের ১৯ ডিসেম্বর এবং একই বছর এর আনুষ্ঠানিক আর্থিক লেনদেন কার্যক্রম শুরু হয়। - এশিয়ার অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এই আঞ্চলিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানটি কার্যক্রম শুরু করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৬৫ — এই বছরে ব্যাংকটি প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও তখন এর আনুষ্ঠানিক লেনদেন শুরু হয়নি। B) ১৯৬৬ — এই বছরই ব্যাংকটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং কার্যক্রম শুরু করে। C) ১৯৬৭ — এই বছর ব্যাংকটি তার কার্যক্রমের প্রথম পূর্ণ বছর পার করে, কিন্তু লেনদেন শুরু হয় আগের বছর। D) ১৯৬৮ — এই বছর ব্যাংকটির কার্যক্রম আরও বিস্তৃত হয়, এটি লেনদেন শুরুর সাল নয়। মনে রাখার টিপস: এশিয়ার উন্নয়নে ছক্কা হাঁকিয়ে ১৯৬৬ সালে লেনদেন শুরু করে এশিয়া উন্নয়ন ব্যাংক।
a প্রতিফলন
b প্রতিধ্বনি
c প্রতিসরণ
d প্রতিসরাঙ্ক
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্রতিধ্বনি কেন সঠিক: - শব্দের প্রতিফলন বা প্রতিধ্বনি ব্যবহার করে সমুদ্রের গভীরতা মাপা হয়, যাকে সোনার প্রযুক্তি বলা হয়। - সমুদ্রের তলদেশে শব্দ পাঠিয়ে তা ফিরে আসতে লাগা সময় হিসাব করে গভীরতা নির্ণয় করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রতিফলন — এটি আলোর ক্ষেত্রে ঘটে এবং এটি নিজেই গভীরতা নির্ণয়ের সরাসরি পদ্ধতি নয়। B) প্রতিধ্বনি — এই অপশনটি সঠিক কারণ শব্দের ফিরে আসার মাধ্যমেই সমুদ্রের গভীরতা মাপা হয়। C) প্রতিসরণ — এটি আলো বা শব্দের মাধ্যম পরিবর্তনের ঘটনা, গভীরতা মাপার কাজে এটি সরাসরি ব্যবহৃত হয় না। D) প্রতিসরাঙ্ক — এটি আলোর গতি পরিবর্তনের অনুপাত নির্দেশ করে, যা গভীরতার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: গভীরতা মাপতে শব্দের প্রতিধ্বনি লাগে, তাই প্রতিধ্বনি মনে রাখুন।

মোট প্রশ্ন (16)

a জগৎ মোহিনী
b বসন্ত কুমারি
c আয়না
d মোহিনী প্রেমপাস
0 93 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বসন্ত কুমারি ১. কেন সঠিক: বাংলাসাহিত্যে প্রথম মুসলিম নাট্যকার হিসেবে মীর মশাররফ হোসেনের নাম বিশেষভাবে পরিচিত এবং তাঁর রচিত 'বসন্ত কুমারি' নাটকটিই প্রথম মুসলিম নাট্যকার রচিত নাট্যগ্রন্থ হিসেবে স্বীকৃত। এই নাটকের মাধ্যমে বাংলা নাট্যসাহিত্যে মুসলিম সাহিত্যিকদের প্রবেশ ঘটে এবং নাটকটি প্রকাশিত হওয়ার পর তৎকালীন সাহিত্য সমাজে বেশ সাড়া জাগায়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মীর মশাররফ হোসেন বাংলা সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক যিনি ১৮৪৭ সালে কুষ্টিয়া জেলার রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার লাহিনীপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর রচিত 'বসন্ত কুমারি' নাটকটি ১৮৭৩ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি মূলত একটি পৌরাণিক বা কাল্পনিক কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে রচিত সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক নাটক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জমিদার দর্পণ ব্যাখ্যা: এটি মীর মশাররফ হোসেনের বিখ্যাত নাটক যা সিরাজগঞ্জের চৌহালীর নীলকর অত্যাচারের পটভূমিতে রচিত। উদাহরণ ২: বিষাদ সিন্ধু ব্যাখ্যা: এটি মীর মশাররফ হোসেনের সর্বশ্রেষ্ঠ ঐতিহাসিক উপন্যাস যা কারবালার বিষাদময় ঘটনার ওপর ভিত্তি করে রচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জগৎ মোহিনী — এটি মীর মশাররফ হোসেনের কোনো নাটক বা প্রথম নাট্যগ্রন্থ নয়, বরং এটি ভুল বা অপ্রাসঙ্গিক অপশন হিসেবে যুক্ত করা হয়েছে। B) বসন্ত কুমারি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক এবং প্রথম মুসলিম নাট্যকার রচিত নাটক হিসেবে স্বীকৃত। C) আয়না — এটি মীর মশাররফ হোসেন বা প্রথম মুসলিম নাট্যকারের কোনো নাট্যগ্রন্থ নয়, এটি ভিন্ন লেখকের সাহিত্যকর্ম। D) মোহিনী প্রেমপাস — এটি প্রথম মুসলিম নাট্যকার রচিত নাট্যগ্রন্থের তালিকায় পড়ে না, এটি একটি বিভ্রান্তিকর অপশন। ৫ মনে রাখার টিপস: মীর মশাররফ হোসেনের প্রথম নাটক মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো বসন্ত ঋতুতে মীর মশাররফ হোসেন প্রথম নাটক লিখেছিলেন। নাট্যকার হিসেবে তাঁর আত্মপ্রকাশ ঘটেছিল বসন্ত কুমারি নাটকের মাধ্যমে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রথম মুসলিম নাট্যকার বা প্রথম মুসলিম ঔপন্যাসিক সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। মীর মশাররফ হোসেনের প্রথম নাটক 'বসন্ত কুমারি' এবং প্রথম উপন্যাস 'রত্নবতী' ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a দশম থেকে চতুর্দশ শতাব্দী
b একাদশ থেকে পঞ্চদশ শতাব্দী
c দ্বাদশ থেকে ষোড়শ শতাব্দী
d ত্রয়োদশ থেকে সপ্তদশ শতাব্দী
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দশম থেকে চতুর্দশ শতাব্দী ১. কেন সঠিক: - ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে বাংলা ভাষার আদি স্তর বা উৎপত্তিকাল হলো দশম থেকে চতুর্দশ শতাব্দী। - এই সময়েই বাংলা ভাষার প্রাচীনতম নিদর্শন চর্যাপদ রচিত হয়েছিল বলে ঐতিহাসিক প্রমাণ পাওয়া যায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসকে মূলত তিনটি যুগে ভাগ করা হয়, যার প্রথমটি হলো প্রাচীন যুগ বা আদি স্তর। - বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের একমাত্র নিদর্শন হলো চর্যাপদ, যা বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের দ্বারা রচিত সান্ধ্যভাষায় লেখা পদসংকলন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চর্যাপদের ভাষা ব্যাখ্যা: ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে চর্যাপদের ভাষা হলো বঙ্গকামরূপী, যা প্রাচীন বাংলা ভাষার নিদর্শন। উদাহরণ ২: ডক্টর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের কাল নির্ণয় ব্যাখ্যা: তিনি বাংলা ভাষার উৎপত্তিকাল দশম শতাব্দী বলে মত প্রকাশ করেছেন যা এই ঐতিহাসিক স্তরের অন্তর্ভুক্ত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দশম থেকে চতুর্দশ শতাব্দী — এটি বাংলা ভাষার প্রাচীন যুগের বা আদি স্তরের ঐতিহাসিক ও স্বীকৃত সময়কাল। B) একাদশ থেকে পঞ্চদশ শতাব্দী — এই সময়কালটি বাংলা ভাষার আদি স্তরের সঠিক সময়সীমা হিসেবে সাহিত্য ইতিহাসে স্বীকৃত নয়। C) দ্বাদশ থেকে ষোড়শ শতাব্দী — এই সময়সীমাটি বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের শুরুর দিকের সঙ্গে আংশিক মিলে গেলেও আদি স্তরের জন্য সঠিক নয়। D) ত্রয়োদশ থেকে সপ্তদশ শতাব্দী — এই কালটি বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের অন্তর্ভুক্ত এবং আদি স্তরের সঙ্গে এর কোনো মিল নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: বাংলা ভাষার আদি স্তর মানেই চর্যাপদের সময়কাল এবং এটি দশম শতাব্দী থেকে শুরু হয়ে চতুর্দশ শতাব্দীতে শেষ হয়েছে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের ব্যাপ্তিকাল সম্পর্কে প্রশ্ন আসে, তাই ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতানুযায়ী সময়কালটি ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a একটি জটিল ও একটি সরল বাক্যের সাহায্যে বাক্য গঠন
b একটি সংযুক্ত ও একটি বিযুক্ত বাক্যের সাহায্যে বাক্য গঠন
c দুটি সরল বাক্যের সাহায্যে বাক্য গঠন
d দুটি মিশ্র বাক্যের সাহায্যে বাক্য গঠন
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দুটি সরল বাক্যের সাহায্যে বাক্য গঠন ১. কেন সঠিক: - যৌগিক বাক্যে দুই বা ততোধিক স্বাধীন সরল বাক্য এবং, কিন্তু, কিংবা ইত্যাদি অব্যয় দ্বারা যুক্ত থাকে। - এখানে মূল গঠন প্রক্রিয়াটি দুটি স্বাধীন সরল বাক্যের সংযোগের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাক্য গঠনের দিক থেকে বাক্য তিন প্রকার যথা সরল, জটিল ও যৌগিক বাক্য। - যৌগিক বাক্যে একাধিক সরল বাক্য এবং, ও, কিন্তু, অথবা, কিংবা ইত্যাদি সমবায়সূচক বা বিরোধবাচক অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সে গরিব কিন্তু সৎ। ব্যাখ্যা: এখানে সে গরিব এবং সে সৎ দুটি সরল বাক্য কিন্তু অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়ে যৌগিক বাক্য গঠন করেছে। উদাহরণ ২: তিনি এলেন এবং কাজ শেষ হলো। ব্যাখ্যা: এখানে তিনি এলেন এবং কাজ শেষ হলো দুটি স্বাধীন সরল বাক্য এবং দ্বারা যুক্ত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) একটি জটিল ও একটি সরল বাক্যের সাহায্যে বাক্য গঠন — এটি সঠিক নয় কারণ এটি কোনো নির্দিষ্ট বাক্য গঠনের মানদণ্ড নয়। B) একটি সংযুক্ত ও একটি বিযুক্ত বাক্যের সাহায্যে বাক্য গঠন — এটি বাক্য রূপান্তরের কোনো ব্যাকরণগত শ্রেণি নয়। D) দুটি মিশ্র বাক্যের সাহায্যে বাক্য গঠন — মিশ্র বা জটিল বাক্য গঠিত হয় এক বা একাধিক খণ্ডবাক্যের সাহায্যে, যৌগিক বাক্যে এর ব্যবহার নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - যৌগিক বাক্য চেনার সহজ উপায় হলো মাঝখানে এবং, কিন্তু, অথবা, কিংবা শব্দগুলো খোঁজা। - মনে রাখবে যৌগিক মানেই দুটি বা ততোধিক সরল বাক্যের মিলন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য রূপান্তর থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - সরল থেকে যৌগিক বা জটিল বাক্যে রূপান্তরের নিয়মগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a অনিষ্ট ইষ্ট লাভ
b চির অশান্তি
c অরাজক দেশ
d সামান্য কিছু নিয়ে ঝগড়া
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চির অশান্তি ১. কেন সঠিক: - 'রাবণের চিতা' একটি জনপ্রিয় বাগধারা যার ভাবগত অর্থ এমন একটি কষ্ট বা যন্ত্রণা যা কখনো শেষ হয় না। - পৌরাণিক মতে রাবণের চিতাগ্নি বা মৃতদেহ পোড়ানোর আগুন চিরকাল জ্বলতেই থাকে বলে এই রূপকটি ব্যবহার করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো বিশেষ শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থের বাইরে গিয়ে একটি বিশেষ ও সুনির্দিষ্ট ভাব প্রকাশ করে। - এটি বাংলা ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং বাক্যের ভাবকে অত্যন্ত সংক্ষেপে ও সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আক্কেল সেলামি ব্যাখ্যা: এই বাগধারাটির অর্থ নির্বুদ্ধিতার শাস্তি, যা মানুষের ভুল কাজের পরিণতি বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: ঢাকের কাঠি ব্যাখ্যা: এই বাগধারাটির অর্থ তোষামোদকারী বা চাটুকার ব্যক্তি, যে অন্যের পদলেহন করে চলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অনিষ্ট ইষ্ট লাভ — এই অর্থ প্রকাশের জন্য 'সাপের বর' বা 'কপট সুখ' বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়, যা মূল প্রশ্নের সঙ্গে মিলে না। C) অরাজক দেশ — এই অর্থ প্রকাশের জন্য 'গাছে কাঁঠাল গোঁফে তেল' বা 'কাকের রাজ্য' জাতীয় অন্য কোনো প্রবাদ বা বাগধারা প্রযোজ্য হয়। D) সামান্য কিছু নিয়ে ঝগড়া — এই অর্থ প্রকাশের জন্য 'ডুমুরের ফুল' বা 'তিলকে তাল করা' বাগধারা ব্যবহার করা হয় না, এটি ভিন্ন ভাব প্রকাশ করে। ৫ মনে রাখার টিপস: - রাবণের চিতাগ্নি যেমন কখনো নেভে না, তেমনি মানুষের জীবনের কোনো চিরন্তন ও অবিরাম কষ্টকে 'রাবণের চিতা' বলা হয়। - আগুনের চিরন্তন জ্বলনকে অশান্তির সঙ্গে তুলনা করে এই বাগধারাটি মনে রাখা সহজ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই পৌরাণিক উৎস থেকে আসা বাগধারার অর্থ জানতে চাওয়া হয়। - বাগধারা মুখস্থ না করে এর পেছনের উৎস ও রূপক অর্থ অনুধাবন করলে সহজেই সঠিক উত্তর নির্বাচন করা যায়।
a আনোয়ার পাশা
b ইস্তাম্বুল যাত্রীর পত্র
c কুচবরণ কণ্যা
d সোনার শিকল
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কুচবরণ কণ্যা কেন সঠিক: - প্রশ্নটিতে ইব্রাহিম খাঁর রচিত নয় এমন গ্রন্থ কোনটি তা জানতে চাওয়া হয়েছে। - অপশন সি তে থাকা কুচবরণ কণ্যা গ্রন্থটি মোহাম্মদ ইব্রাহিম খাঁর রচিত নয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মোহাম্মদ ইব্রাহিম খাঁ ছিলেন একজন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক ও নাট্যকার। - তাঁর উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্মের মধ্যে রয়েছে জীবনী, ভ্রমণকাহিনী ও নাটক। - তাঁর রচিত গ্রন্থগুলোর মধ্যে আনোয়ার পাশা, ইস্তাম্বুল যাত্রীর পত্র এবং সোনার শিকল বিশেষভাবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) আনোয়ার পাশা — এটি মোহাম্মদ ইব্রাহিম খাঁর একটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক জীবনীগ্রন্থ। - B) ইস্তাম্বুল যাত্রীর পত্র — এটি মোহাম্মদ ইব্রাহিম খাঁর রচিত একটি জনপ্রিয় ভ্রমণকাহিনি। - C) কুচবরণ কণ্যা — এটি মোহাম্মদ ইব্রাহিম খাঁর লেখা নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর। - D) সোনার শিকল — এটি মোহাম্মদ ইব্রাহিম খাঁর রচিত একটি নাটক। মনে রাখার টিপস: - ইব্রাহিম খাঁর প্রধান রচনাগুলো মনে রাখতে তাঁর ভ্রমণকাহিনি ইস্তাম্বুল যাত্রীর পত্র এবং নাটক সোনার শিকল মাথায় রাখতে হবে।
a আট কপালে
b উড়নচন্ডী
c ছা-পোষা
d ভূশন্ডির কাক
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আট কপালে ১. কেন সঠিক: - 'আট কপালে' একটি জনপ্রিয় বাংলা প্রবাদ বা বাগধারা যার অর্থ হলো হতভাগ্য বা যার ভাগ্য অত্যন্ত মন্দ। - মানুষের কপাল বা ভাগ্য ভালো বা মন্দ হওয়ার ধারণার ওপর ভিত্তি করে এই প্রবাদটি তৈরি হয়েছে, যেখানে দুর্ভাগ্যকে আট কপালে বা আটটি খারাপ ভাগ্যের সঙ্গে তুলনা করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - প্রবাদ ও প্রবচন হলো দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা ও লোকজীবনের সত্যের সংক্ষেপিত রূপ যা ভাষার সৌন্দর্য ও ভাব প্রকাশের ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। - এই ধরনের শব্দগুচ্ছ বা বাক্য বিশেষ অর্থে ব্যবহৃত হয়ে সাধারণ অর্থের বাইরে নতুন ও গভীর তাৎপর্য প্রকাশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আক্কেল সেলামি ব্যাখ্যা: নির্বুদ্ধিতার দণ্ড বা বোকামির শাস্তি অর্থে এই বাগধারাটি ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: উলুবনে মুক্ত ছড়ানো ব্যাখ্যা: অপাত্রে মূল্যবান বস্তু দান করা বা অপচয় করা অর্থে এই প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আট কপালে — এটিই সঠিক উত্তর কারণ এটি সরাসরি 'হতভাগ্য' অর্থ প্রকাশ করে। B) উড়নচন্ডী — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ অপব্যয়ী বা অত্যন্ত খরচে স্বভাবের ব্যক্তি। C) ছা-পোষা — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ অত্যন্ত সাধারণ জীবনযাপনকারী বা দরিদ্র অথচ সন্তুষ্ট ব্যক্তি। D) ভূশন্ডির কাক — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ দীর্ঘজীবী ব্যক্তি বা যে সহজে মরে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - কপাল শব্দ দিয়ে ভাগ্য বোঝানো হয়, তাই কপাল পুড়ে যাওয়া বা আট কপাল মানেই মন্দ ভাগ্য বা হতভাগ্য। - পরীক্ষার হলে অপশনগুলো সাবধানে পড়ে ভাগ্য বা স্বভাববাচক অর্থগুলো আলাদা করে মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবাদের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই শব্দার্থ ভালোভাবে মুখস্থ করতে হবে। - একই অর্থের একাধিক বাগধারা যেমন হতভাগ্যের ক্ষেত্রে পোড়াকপাল বা আট কপাল একত্রে মনে রাখা ভালো।
a প্রমথ নাথ চৌধুরী
b ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
c প্যারীচাঁদ মিত্র
d দীনবন্ধু মিত্র
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করার কারণ হলো ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ১৮৩১ সালের ৩১শে জানুয়ারি সংবাদ প্রভাকর পত্রিকা প্রথম প্রকাশ ও সম্পাদনা করেন। - বাংলা সাংবাদিকতার ইতিহাসে এই সংবাদপত্রটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল কারণ এটি প্রথমে সাপ্তাহিক এবং পরবর্তীতে দৈনিক রূপে প্রকাশিত হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধের একজন বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিক যিনি যুগসন্ধিক্ষণের কবি হিসেবে পরিচিত। - তিনি প্রাচীন ও মধ্যযুগের কবিদের জীবন ও সাহিত্য নিয়ে গবেষণা করে তাদের জীবনি ও রচনা প্রকাশ করেছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সংবাদ প্রভাকর ব্যাখ্যা: এটি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের সম্পাদনায় প্রকাশিত প্রথম বাংলা সংবাদপত্র যা তৎকালীন সমাজের নানা অসঙ্গতি ও সংবাদ তুলে ধরত। উদাহরণ ২: সংবাদ রত্নাবলী ব্যাখ্যা: এটিও ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের সম্পাদনায় প্রকাশিত আরেকটি উল্লেখযোগ্য পত্রিকা যা সেকালের সাহিত্যচর্চায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রমথ নাথ চৌধুরী — তিনি সবুজপত্র পত্রিকার সম্পাদক এবং চলিত রীতির প্রবক্তা হলেও সংবাদ প্রভাকরের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। B) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি সংবাদ প্রভাকর পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন। C) প্যারীচাঁদ মিত্র — তিনি টেকচাঁদ ঠাকুর ছদ্মনামে আলালের ঘরের দুলাল উপন্যাস রচনা করেন এবং হুতোম প্যাঁচার নকশার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। D) দীনবন্ধু মিত্র — তিনি বিখ্যাত নীলদর্পণ নাটকের রচয়িতা যিনি নাট্যকার হিসেবে বেশি পরিচিত কিন্তু সংবাদ প্রভাকরের সম্পাদক নন। ৫ মনে রাখার টিপস: - প্রভাকর শব্দের অর্থ সূর্য এবং ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত হলেন সেই সূর্য যিনি প্রথম সফলভাবে বাংলা পত্রিকা দীর্ঘস্থায়ী করেছিলেন। - এভাবে মনে রাখতে পারো যে প্রভাকরের আলো জ্বালিয়েছিলেন ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সংবাদ প্রভাকর প্রথমে সাপ্তাহিক হিসেবে প্রকাশিত হলেও ১৮৩৯ সাল থেকে এটি দৈনিক পত্রিকায় রূপ নেয়। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই সংবাদ প্রভাকরের সম্পাদকের নাম এবং প্রকাশের সাল জিজ্ঞেস করা হয়।
a বেনজির আহমেদ
b কাজী নজরুল ইসলাম
c জীবনানন্দ দাস
d শামসুর রাহমান
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কাজী নজরুল ইসলাম ১. কেন সঠিক: - এই পঙ্ক্তিটি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত বিদ্রোহী ও রোমান্টিক চেতনার বহিঃপ্রকাশযুক্ত কবিতার অংশ। - এখানে বউকথা কও পাখি বা প্রকৃতির রূপকের মাধ্যমে বিরহ ও অভিমানের এক গভীর আবেগ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত হলেও তার কবিতায় প্রেমের সুরও সমানভাবে প্রখর। - এই কবিতাংশটি তার প্রকৃতি ও প্রেমের অনুভূতির এক অনন্য সুন্দর সাহিত্যিক নিদর্শন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: খেয়া পার হয় তরীতে, ওপারে যায় নদী। ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের বিখ্যাত প্রতীকী ও প্রকৃতিভিত্তিক কবিতার একটি অংশ। উদাহরণ ২: মোর প্রিয়া হবে এসো রানী, ভোরে কিবা রজনীতে। ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রেমের গানের একটি বিখ্যাত পঙ্ক্তি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বেনজির আহমেদ — ইনি একজন প্রখ্যাত বাঙালি কবি হলেও এই বিখ্যাত কবিতাটির রচয়িতা নন। B) কাজী নজরুল ইসলাম — এটি সঠিক উত্তর এবং এই কবিতাংশটি তারই সৃষ্টি। C) জীবনানন্দ দাস — ইনি রূপসী বাংলার কবি, যার লেখার ধরন ও প্রকৃতি এই পঙ্ক্তির সঙ্গে মেলে না। D) শামসুর রাহমান — ইনি আধুনিক যুগের প্রধান কবি, যার সাহিত্যশৈলী ভিন্ন ধারার। ৫. মনে রাখার টিপস: - বউকথা কও পাখির ডাকের মতো মিষ্টি সুর এবং অভিমানী শব্দগুলো নজরুল ইসলামের প্রেমের কবিতাতেই বেশি পাওয়া যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত কবিতার পঙ্ক্তি দিয়ে কবি বা লেখকের নাম জানতে চাওয়া হয়। - তাই প্রখ্যাত কবিদের জনপ্রিয় কবিতার প্রথম বা মধ্যবর্তী লাইনগুলো ভালো করে মনে রাখতে হবে।
a গোলাপ
b শীতল
c নেয়ে
d গৌরব
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) গোলাপ ১. কেন সঠিক: - যে শব্দকে ভাঙলে বা বিশ্লেষণ করলে আর কোনো অর্থপূর্ণ অংশ পাওয়া যায় না এবং যা অন্য কোনো শব্দ থেকে উৎপন্ন হয় না, তাকে মৌলিক শব্দ বলে। - গোলাপ একটি মৌলিক শব্দ কারণ একে বিশ্লেষণ করা যায় না এবং এর অর্থ নির্দিষ্ট একটি ফুলের নাম। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - গঠন অনুসারে বাংলা শব্দকে দুটি ভাগে ভাগ করা হয়, যথা মৌলিক শব্দ এবং সাধিত শব্দ। - মৌলিক শব্দ নিজস্ব অর্থে স্বাধীনভাবে ব্যবহৃত হয় এবং এর কোনো প্রত্যয় বা উপসর্গ থাকে না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নাক ব্যাখ্যা: নাক শব্দটিকে ভাঙলে কোনো অর্থপূর্ণ অংশ পাওয়া যায় না, তাই এটি একটি মৌলিক শব্দ। উদাহরণ ২: তিন ব্যাখ্যা: তিন একটি সংখ্যাবাচক শব্দ যা বিশ্লেষণ করা যায় না, তাই এটি মৌলিক শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গোলাপ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি একটি মৌলিক শব্দ এবং একে বিশ্লেষণ করা যায় না। B) শীতল — এটি একটি সাধিত শব্দ যা শীত যোগ অল প্রত্যয় যোগে গঠিত হয়েছে। C) নেয়ে — এটি একটি সাধিত শব্দ যা নাওয়া ধাতু থেকে প্রত্যয় যোগে উৎপন্ন হয়েছে। D) গৌরব — এটি একটি তদ্ধিত প্রত্যয়যুক্ত সাধিত শব্দ যা গুরু যোগ ষ্ণ প্রত্যয় যোগে গঠিত হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: ফুল, পাখি, নদী বা শরীরের অঙ্গবাচক অনেক ছোট শব্দ মৌলিক হয় যেমন গোলাপ, নাক, হাত। সাধিত শব্দ চেনার জন্য প্রত্যয় ও উপসাগরের গঠন খেয়াল করতে হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মৌলিক শব্দ ও সাধিত শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। শব্দের গঠন বুঝতে পারলে সঠিক উত্তর সহজে নির্ণয় করা যায়।
a ডাকাবুকা
b তুলসী বনের বাঘ
c তামার বিষ
d ঢাকের বাঁয়া
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ঢাকের বাঁয়া ১. কেন সঠিক: - ঢাকের বাঁয়া বাগধারাটির অর্থ যার কোনো মূল্য নেই বা অপ্রয়োজনীয় বস্তু। - ঢাক বাজানোর সময় মূল বা ডান দিকের ঢাকটি প্রধান হলেও বাঁ দিকের বাঁয়া ঢাকটি তেমন জোরালো বা স্বতন্ত্র গুরুত্ব বহন করে না। ২. ব্যাকরণ ও প্রবাদ প্রবচন ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দগুচ্ছ যা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে বিশেষ কোনো ভাব বা প্রবাদ প্রকাশ করে। - বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে তুলনাবাচক বা রূপকধর্মী শব্দের মাধ্যমে মানুষের সামাজিক অবস্থা ও গুরুত্ব বোঝাতে এই ধরনের বাগধারা ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অকালকুষ্মাণ্ড ব্যাখ্যা: এই বাগধারাটির অর্থ অপদার্থ বা অকেজো ব্যক্তি, যার কোনো কাজের ক্ষমতা বা মূল্য নেই। উদাহরণ ২: ভুঁইফোড় ব্যাখ্যা: হঠাৎ করে গজিয়ে ওঠা বা অপ্রয়োজনীয় কোনো ব্যক্তি বা বিষয় বোঝাতে এই বাগধারা ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডাকাবুকা — এই বাগধারার সঠিক অর্থ হলো অত্যন্ত সাহসী বা হঠকারী ব্যক্তি, যা প্রশ্নের নির্দেশনার সঙ্গে মেলে না। B) তুলসী বনের বাঘ — এই বাগধারার অর্থ ভদ্রতার আড়ালে বিপজ্জনক বা শঠ প্রকৃতির লোক, যা মূল প্রশ্নের অর্থের বিপরীত। C) তামার বিষ — এই বাগধারার সঠিক অর্থ অর্থের কুপ্রভাব বা অহংকার, যা মূল প্রশ্নের চাহিদার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) ঢাকের বাঁয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ যার কোনো মূল্য নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: ডান পাশের ঢাক বা মূল ঢাকের গুরুত্ব থাকলেও বাঁ দিকের বাঁয়া ঢাকের আলাদা কোনো একক কদর বা মূল্য থাকে না। এভাবে মনে রাখতে পারো যে ঢাকের বাঁয়া মানেই হলো যার কোনো মূল্য নেই। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের অপ্রয়োজনীয় বস্তু বা মূল্যহীন ব্যক্তি বোঝাতে ঢাকের বাঁয়া এবং অকালকুষ্মাণ্ড বাগধারাগুলো বারবার আসে। অপশনগুলো ভালোভাবে খেয়াল করে সঠিক অর্থ মিলাতে হবে।
a সংস্কৃত লিপি
b চীনা লিপি
c আরবি লিপি
d ব্রাহ্মী লিপি
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ব্রাহ্মী লিপি ১. কেন সঠিক: - বাংলা লিপির উৎস হলো প্রাচীন ভারতের ব্রাহ্মী লিপি। প্রাচীন ব্রাহ্মী লিপি থেকেই বিবর্তনের মাধ্যমে পূর্ব ভারতীয় লিপি এবং পরবর্তীতে বাংলা লিপির জন্ম হয়েছে। - ভারতীয় প্রায় সব আধুনিক লিপিই মূল ব্রাহ্মী লিপি থেকে উদ্ভূত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ভাষা, উপভাষা ও বাংলা ভাষার ইতিহাস সম্পর্কিত প্রশ্ন এটি। বাংলা লিপি মূলত ডান দিক থেকে বামে লেখার প্রথা বাদ দিয়ে বাম দিক থেকে ডানে লেখার ভারতীয় লিপিমালার অংশ। - ঐতিহাসিক বিবর্তনের ধাপে ব্রাহ্মী লিপি থেকে কুটিল লিপি এবং কুটিল লিপি থেকে সেন যুগে বাংলা লিপির রূপ নিতে শুরু করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দেবনাগরী লিপি ব্যাখ্যা: দেবনাগরী লিপিও ব্রাহ্মী লিপি থেকেই উদ্ভূত হয়েছে, যা হিন্দি ও সংস্কৃত লেখার জন্য ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: ওড়িয়া লিপি ব্যাখ্যা: ওড়িয়া লিপিও ব্রাহ্মী লিপির পূর্বাঞ্চলীয় শাখা থেকে উদ্ভূত একটি ভারতীয় লিপি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সংস্কৃত লিপি — সংস্কৃত কোনো লিপি নয়, এটি একটি ভাষা যা সাধারণত দেবনাগরী বা ব্রাহ্মী লিপিতে লেখা হয়। B) চীনা লিপি — চীনা লিপি চিত্রভিত্তিক এবং এটি বাংলা লিপির উৎস নয়। C) আরবি লিপি — আরবি লিপি সেমিটিক লিপি পরিবারভুক্ত এবং ডান দিক থেকে লেখা হয়, যা বাংলা লিপির উৎস নয়। D) ব্রাহ্মী লিপি — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলা লিপি এই প্রাচীন লিপি থেকেই বিবর্তিত হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - মনে রাখার সহজ উপায় হলো ব্রাহ্মী লিপি হলো ভারতীয় সব লিপির আদি উৎস। বাংলা, হিন্দি ও অসমিয়া লিপির শেকড় এই ব্রাহ্মী লিপিতেই নিহিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা লিপির উৎপত্তি নিয়ে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। বাংলা লিপির আদি উৎস ব্রাহ্মী লিপি এবং মধ্যবর্তী রূপ কুটিল লিপি এটি মনে রাখা জরুরি।
a জীবন
b জীবনী
c জীবিকা
d জীবাণু
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জীবনী ১. কেন সঠিক: - জীবনী শব্দটি বিশেষ্য পদ থেকে উৎপন্ন হয়ে কোনো ব্যক্তি বা বিষয় সম্পর্কে বিশেষ বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করার সময় বিশেষণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। - এখানে জীবন শব্দের সঙ্গে ই প্রত্যয় যুক্ত হয়ে জীবনী শব্দ গঠিত হয়েছে যা মূলত কোনো ব্যক্তির জীবনবৃত্তান্ত বা চরিত্রকে নির্দেশ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিশেষ্য পদকে বিশেষিত করার জন্য বা বিশেষ রূপ দেওয়ার জন্য শব্দের শেষে প্রত্যয় যুক্ত করে বিশেষণ পদ তৈরি করা হয়। - বাংলা ব্যাকরণে পদের রূপান্তর একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় যেখানে বিশেষ্য থেকে বিশেষণ পদে রূপান্তরের নিয়ম শেখানো হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জীবনী গ্রন্থটি আমাদের অনেক কিছু শিখিয়েছে। ব্যাখ্যা: এখানে জীবনী শব্দটি গ্রন্থ বিশেষ্যকে বিশেষিত করেছে। উদাহরণ ২: তাঁর একটি সুন্দর জীবনী লেখা হয়েছে। ব্যাখ্যা: এখানে জীবনী শব্দটি জীবনবৃত্তান্ত অর্থে বিশেষ্য বা বিশেষণ উভয় রূপেই বাক্যের চাহিদানুযায়ী কাজ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জীবন — এটি একটি বিশেষ্য পদ যার অর্থ অস্তিত্ব বা হায়াত। C) জীবিকা — এটি একটি বিশেষ্য পদ যার অর্থ বেঁচে থাকার উপায় বা পেশা। D) জীবাণু — এটি একটি বিশেষ্য পদ যার অর্থ অতি ক্ষুদ্র জীব। ৫. মনে রাখার টিপস: - কোনো শব্দের শেষে ই প্রত্যয় যুক্ত থাকলে তা সাধারণত গুণ বা বৈশিষ্ট্য বোঝায় যা বিশেষণ পদ হিসেবে কাজ করতে পারে। - শব্দের রূপান্তর শেখার সময় মূল শব্দ এবং প্রত্যয়যুক্ত রূপের পার্থক্য ভালোভাবে খেয়াল রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দ কোন পদ তা নির্ণয় করার জন্য শব্দের গঠন ও প্রত্যয় ভালোভাবে বুঝতে হবে। - বিশেষ্য থেকে বিশেষণ পরিবর্তনের নিয়মগুলো অনুশীলন করলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
a শব্দের ক্ষুদ্রতম অংশ
b একসঙ্গে উচ্চারিত ধ্বনিগুচ্ছ
c ধ্বনির শ্রুতিগ্রাহ্য রূপ
d ধ্বনির শ্রুতি অগ্রাহ্য রূপ
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ধ্বনির শ্রুতিগ্রাহ্য রূপ ১. কেন সঠিক: - ধ্বনি যখন মুখে উচ্চারিত হয় এবং কান দিয়ে শোনা যায়, তখন তাকে ধ্বনির শ্রুতিগ্রাহ্য রূপ বলা হয়। - ভাষার মৌলিক উপাদান হলো ধ্বনি, যা মানুষের বাকযন্ত্রের সাহায্যে উৎপাদিত হয় এবং শ্রুতিগ্রাহ্যতার মাধ্যমে অন্যে তা গ্রহণ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ধ্বনি, বর্ণ ও উচ্চারণ সংক্রান্ত ব্যাকরণিক আলোচনায় ধ্বনি হলো ভাষার প্রাণ এবং বর্ণ হলো সেই ধ্বনির লিখিত বা দৃশ্যমান রূপ। - ধ্বনি কান দিয়ে শোনা যায় বলে এটি শ্রুতিগ্রাহ্য, আর বর্ণ চোখ দিয়ে দেখা যায় বলে এটি দৃষ্টিগ্রাহ্য প্রতীক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মানুষের মুখের উচ্চারিত শব্দ বা ধ্বনি ব্যাখ্যা: এটি কানে শোনা যায় বলে ধ্বনির শ্রুতিগ্রাহ্য রূপ। উদাহরণ ২: পাখির ডাক বা সুর ব্যাখ্যা: এটিও শ্রুতিগ্রাহ্য ধ্বনির একটি প্রাকৃতিক উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শব্দের ক্ষুদ্রতম অংশ — এটি ধ্বনির ব্যাকরণিক সংজ্ঞা হলেও প্রশ্নের নির্দিষ্ট শ্রুতিগ্রাহ্য রূপের সঙ্গে সরাসরি মেলে না। B) একসঙ্গে উচ্চারিত ধ্বনিগুচ্ছ — এটি অক্ষর বা যুক্তধ্বনি বোঝায়, একক ধ্বনির শ্রুতিগ্রাহ্য রূপ নয়। C) ধ্বনির শ্রুতিগ্রাহ্য রূপ — এটি সঠিক কারণ ধ্বনি কান দিয়ে শোনা যায়। D) ধ্বনির শ্রুতি অগ্রাহ্য রূপ — ধ্বনি কখনোই অগ্রাহ্য হতে পারে না, কারণ ধ্বনি মাত্রই শ্রুতিগ্রাহ্য। ৫. মনে রাখার টিপস: - ধ্বনি মানে যা শোনা যায় বা শ্রুতিগ্রাহ্য, আর বর্ণ মানে যা দেখা যায় বা দৃষ্টিগ্রাহ্য। - কান দিয়ে যা গ্রহণ করা হয় তা ধ্বনি এবং চোখ দিয়ে যা দেখা হয় তা বর্ণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ধ্বনি ও বর্ণের মধ্যে পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়। - মনে রাখতে হবে ধ্বনি হলো শ্রুতিগ্রাহ্য আর বর্ণ হলো দৃষ্টিগ্রাহ্য।
a ১৯০৩-১৯৭৬ ইং
b ১৮৮৯-১৯৬৬ ইং
c ১৮৯৯-১৯৭৯ ইং
d ১৯১০-১৯৮৭ ইং
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৯০৩-১৯৭৬ ইং ১. কেন সঠিক: - পল্লীকবি জসীমউদ্দীন ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। - তিনি বাংলা সাহিত্যে পল্লীপ্রকৃতি ও সাধারণ মানুষের জীবন ফুটিয়ে তোলার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - জসীমউদ্দীন আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় ও প্রগতিশীল কবি এবং গীতিকার। - তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ নকশী কাঁথার মাঠ ও সোজন বাদিয়ার ঘাট বিশ্বসাহিত্যেরও সমাদৃত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নকশী কাঁথার মাঠ ব্যাখ্যা: এটি কবি জসীমউদ্দীনের একটি অমর কাব্যগ্রন্থ যা গ্রামীণ প্রেমের এক অনন্য ট্র্যাজেডি তুলে ধরে। উদাহরণ ২: সোজন বাদিয়ার ঘাট ব্যাখ্যা: এটি কবির আরেকটি বিখ্যাত রোমান্টিক কাব্য যা বাংলার লোকসংস্কৃতির এক সার্থক রূপায়ণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯০৩-১৯৭৬ ইং — এটি কবি জসীমউদ্দীনের সঠিক জন্ম ও মৃত্যুর সাল হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। B) ১৮৮৯-১৯৬৬ ইং — এই সময়কালটি অন্য কোনো লেখকের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, জসীমউদ্দীনের নয়। C) ১৮৯৯-১৯৭৯ ইং — এই সালটি পল্লীকবির জীবনকালের সঙ্গে মেলে না, এটি ভুল তথ্য। D) ১৯১০-১৯৮৭ ইং — এই সময়সীমাটি কবি জসীমউদ্দীনের জীবনকালের সাথে সংগতিপূর্ণ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - জসীমউদ্দীনের জন্ম ১৯০৩ সালে এবং মৃত্যু ১৯৭৬ সালে, এভাবে মনে রাখতে পারো যে তিনি বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে সাহিত্যসাধনা শুরু করেছিলেন। - তার জন্মসাল মনে রাখতে ৩ অঙ্কটি মনে রাখতে পারো কারণ তিনি পল্লী প্রকৃতির তিন প্রধান রূপ নদী, মাঠ ও আকাশ নিয়ে লিখেছেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবি ও লেখকদের জন্ম-মৃত্যু সাল প্রায়ই আসে, তাই গুরুত্বপূর্ণ লেখকদের সালগুলো আলাদা তালিকা করে পড়তে হবে। - জসীমউদ্দীনকে পল্লীকবি বলা হয় কারণ তার কবিতায় গ্রামীণ বাংলার মাটি ও মানুষের গন্ধ মিশে আছে।
a ভবিষ্যত বিচিত্র ও বিপুল সম্ভাবনাময়
b বাধা-বিপত্তি প্রতিভাকে অঙ্কুরেই বিনষ্ট করে
c প্রকৃতি বিপুল ঐশ্বর্যের অধিকারী
d ভাঙ্গার পরেই গড়ার কাজ শুরু হয়
0 106 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ভবিষ্যত বিচিত্র ও বিপুল সম্ভাবনাময় ১. কেন সঠিক: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গ' কবিতায় শীতের ঘুম ভেঙে ঝরনার যেমন নতুন গতিতে ছুটে চলার আনন্দ প্রকাশ পেয়েছে, তেমনি কবির মনেও নবজীবনের জয়গান বেজে উঠেছে। - এখানে কবির অন্তরের অবরুদ্ধ ভাবনার মুক্তি ঘটেছে এবং তিনি বুঝতে পেরেছেন যে বাইরের পৃথিবী অপার সম্ভাবনায় ভরপুর ও রহস্যময়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - 'নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গ' কবিতাটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত 'প্রভাতসংগীত' কাব্যের অন্তর্ভুক্ত একটি প্রণোদনামূলক ও আশাবাদী রচনা। - ১৮৮৩ সালে রচিত এই কবিতায় কবির অন্তরের মুক্তি এবং প্রকৃতির নতুন রূপ অত্যন্ত রূপময় ভাষায় প্রকাশিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রভাতসংগীত কাব্যগ্রন্থ ব্যাখ্যা: নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গ কবিতাটি এই কাব্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবিতা যেখানে কবির নবচেতনার প্রকাশ ঘটেছে। উদাহরণ ২: মানসী কাব্যগ্রন্থ ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রোমান্টিক ধারার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কাব্য যেখানে জীবনের গভীর উপলব্ধি প্রকাশ পেয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভবিষ্যত বিচিত্র ও বিপুল সম্ভাবনাময় — এই অপশনটি কবিতার মূল ভাবকে সঠিকভাবে প্রকাশ করে। B) বাধা-বিপত্তি প্রতিভাকে অঙ্কুরেই বিনষ্ট করে — এটি সঠিক তথ্য হলেও এই কবিতার মূল উপলব্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। C) প্রকৃতি বিপুল ঐশ্বর্যের অধিকারী — প্রকৃতি বা ঐশ্বর্যের কথা থাকলেও মূল থিম হলো ভবিষ্যতের বিপুল সম্ভাবনা। D) ভাঙ্গার পরেই গড়ার কাজ শুরু হয় — এই কথাটি অন্য কোনো প্রগতিশীল ভাবনার হতে পারে কিন্তু নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গের মূল বার্তা হলো অন্তরের মুক্তি ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা। ৫. মনে রাখার টিপস: - ঝরনা বা নির্ঝর মানেই নতুন গতি এবং স্বপ্নভঙ্গ অর্থ চেতনার জাগরণ। - তাই এই কবিতার সঙ্গে ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা বা নবজীবনের জয়গান শব্দটি মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গ কবিতাটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রভাতসংগীত কাব্য থেকে নেওয়া হয়েছে। - এই ধরনের সাহিত্য প্রশ্নে কবির অন্তর্দৃষ্টি এবং কাব্যের মূল সুর ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হয়।
a সমাজ
b পানি
c মিছিল
d নদী
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নদী ১. কেন সঠিক: জাতিবাচক বিশেষ্য বলতে সেই বিশেষ্য পদকে বোঝায় যা কোনো একজাতীয় ব্যক্তি, প্রাণী বা পদার্থের সাধারণ নাম প্রকাশ করে। 'নদী' শব্দটি কোনো একটি নির্দিষ্ট নদীকে না বুঝিয়ে পৃথিবীতে যত নদী আছে সবার সাধারণ নামকে বোঝাচ্ছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: যে বিশেষ্য পদ কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি, স্থান বা সমষ্টির নাম না বুঝিয়ে একজাতীয় প্রজাতি বা শ্রেণীর সাধারণ নাম বোঝায় তাকে জাতিবাচক বিশেষ্য বলে। এটি বিশেষ্য পদের একটি প্রধান শ্রেণী এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পর্বত ব্যাখ্যা: পর্বত শব্দটি কোনো নির্দিষ্ট পাহাড় বা পর্বতমালাকে না বুঝিয়ে সকল পর্বতকে বোঝায়। উদাহরণ ২: পাখি ব্যাখ্যা: পাখি বলতে নির্দিষ্ট কোনো পাখিকে বোঝায় না বরং পৃথিবীর সকল পাখিকুলকে বোঝায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সমাজ — এটি একটি সমষ্টিবাচক বিশেষ্য কারণ সমাজ বলতে অনেক মানুষের গড়া একটি সংঘবদ্ধ জনসমষ্টিকে বোঝায়। B) পানি — এটি একটি বস্তুবাচক বা দ্রব্যবাচক বিশেষ্য কারণ পানি একটি উপাদান বা পদার্থের নাম। C) মিছিল — এটি একটি সমষ্টিবাচক বিশেষ্য কারণ মিছিল বলতে অনেক মানুষের একত্রে চলা একটি সমবেত জনতাকে বোঝায়। D) নদী — এটি সঠিক কারণ নদী একটি নির্দিষ্ট নাম না হয়ে সকল নদীর সাধারণ নাম বা জাতিবাচক বিশেষ্য। ৫ মনে রাখার টিপস: যে নাম শুনলে পুরো জাতি বা শ্রেণীকে বোঝা যায় এবং যাকে নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তিতে সীমাবদ্ধ রাখা যায় না, সেটিই জাতিবাচক বিশেষ্য। পর্বত, নদী, মানুষ, গ্রহ এসব সাধারণ নাম দেখলেই জাতিবাচক বিশেষ্য হিসেবে চিহ্নিত করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সমষ্টিবাচক বিশেষ্য এবং জাতিবাচক বিশেষ্যের পার্থক্য প্রায়ই পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করে। সমাজ বা মিছিল হলো সমষ্টিবাচক কারণ এগুলো বহু ব্যক্তির সমষ্টি, পক্ষান্তরে নদী বা মানুষ হলো জাতিবাচক কারণ এগুলো একটি সমগ্র শ্রেণীকে নির্দেশ করে।

মোট প্রশ্ন (15)

a by
b in
c with
d no preposition
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) no preposition কেন সঠিক: এখানে green শব্দটি রং বোঝাতে অ্যাডজেক্টিভ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। painted ভার্বের পর রং বা উপাদান সরাসরি বসার কারণে কোনো preposition বসে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) by — passive voice-এ কর্তা বোঝাতে by বসে, কিন্তু এখানে কোনো কর্তার উল্লেখ নেই। B) in — রঙের নামের আগে in বসে না কারণ এখানে কোনো পোশাক বা আবরণের কথা বলা হয়নি। C) with — কোনো যন্ত্র বা মাধ্যম বোঝাতে with বসে, কিন্তু paint কোনো যন্ত্র নয়। মনে রাখার টিপস: রং করার পর সরাসরি রঙের নাম বসলে কোনো preposition বসে না।
a A big speech
b Maiden speech
c An unimportnt speach
d A verbose speech
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) A verbose speech কেন সঠিক: Verbose কথাটির অর্থ হলো অতিরিক্ত শব্দবহুল বা প্রয়োজন অপেক্ষা বেশি শব্দ ব্যবহার করা। কোনো বক্তৃতায় যখন ভাবনার চেয়ে শব্দের পরিমাণ অনেক বেশি থাকে, তখন তাকে এই বিশেষ শব্দ দ্বারা প্রকাশ করা হয়। এটি একটি স্ট্যান্ডার্ড ইংরেজি এককথায় প্রকাশ বা substitution। প্রশ্নটিতেও ঠিক একই অর্থের কথা বলা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A big speech — এই শব্দগুচ্ছটি কেবল একটি দীর্ঘ বক্তৃতা বোঝাতে সাধারণ অর্থে ব্যবহৃত হয়। কিন্তু এটি অতিরিক্ত বা বাহুল্য শব্দে ভরা বক্তৃতাকে বিশেষভাবে নির্দেশ করে না। B) Maiden speech — এই কথাটির অর্থ হলো জীবনের প্রথম বা সূচনার বক্তৃতা। এটি বক্তৃতার শব্দের পরিমাণের সাথে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়। C) An unimportant speach — এই কথাটির অর্থ হলো একটি গুরুত্বহীন বা কম তাৎপর্যপূর্ণ বক্তৃতা। এর সাথে বক্তৃতায় অতিরিক্ত শব্দ ব্যবহারের কোনো সম্পর্ক নেই। D) A verbose speech — এটিই সঠিক উত্তর কারণ verbose শব্দের অর্থই হলো অতিরিক্ত শব্দবহুল। প্রয়োজনের অতিরিক্ত শব্দ দিয়ে তৈরি ভাষণ বোঝাতে এই অপশনটি সঠিক। মনে রাখার টিপস: Verbose শব্দের মূল অর্থ হলো শব্দবহুল, তাই বেশি শব্দের ভাষণ মনে রাখতে এই শব্দটি মাথায় রাখবে।
a To be puzzled
b To get nervious
c To be disappointed
d To bear up
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) To be puzzled কেন সঠিক: এই idioms টি কোনো বিপদে পড়ার আগেই অযথা আতঙ্কিত হওয়া বা বিভ্রান্ত হওয়া বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। এখানে সমস্যা আসার আগেই মানсиভাবে ভেঙে পড়া বা দিশেহারা হয়ে যাওয়া অর্থ প্রকাশ করে। তাই এই বাক্যাংশটি বিভ্রান্ত হওয়া বা দ্বিধাদ্বন্দ্বে পড়ার সাথে সরাসরি মিল রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) To be puzzled — এই অপশনটি সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত কারণ এটি মূল ইডিয়মটির অর্থের সাথে মিলে যায়। B) To get nervious — এটি শুধু স্নায়ুচাপ বা ভীতি বোঝায়, যা সম্পূর্ণ ইডিয়মটির মূল ভাব প্রকাশ করতে পারে না। C) To be disappointed — এর অর্থ হতাশ হওয়া, যা কোনো ঘটনার প্রত্যাশা ভঙ্গের সাথে যুক্ত কিন্তু বিপদের মুখোমুখি হওয়ার আগের দ্বিধার সাথে মেলে না। D) To bear up — এর অর্থ সংকট কাটিয়ে ওঠা বা সহ্য করা, যা মূল প্রশ্নটির বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: সমস্যা অর্ধেক পথ আসার আগেই যারা বিভ্রান্ত বা চিন্তিত হয়ে পড়েন, তারা আসলে To be puzzled বা দিশেহারা অবস্থার শিকার হন।
a A full dozen
b A little less than a dozen
c A little more than a dozen
d Round about a dozen
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) A full dozen কেন সঠিক: ‘A round dozen’ একটি প্রবাদপ্রতিম বাগধারা যার শাব্দিক অর্থ পুরো বারোটি বা এক ডজন পূর্ণ সংখ্যা। ইংরেজি ব্যাকরণে 'round' শব্দটি এখানে কোনো কিছুর পূর্ণতা বা সম্পূর্ণ পরিমাণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। এটি কোনো কম বা বেশি পরিমাণ নির্দেশ করে না, বরং সঠিক এক ডজন বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। এই বাগধারাটির অর্থ একদম নিখুঁত এবং পূর্ণাঙ্গ একটি ডজন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A full dozen — এটি সঠিক কারণ এই অপশনটি মূল বাগধারাটির আক্ষরিক ও সঠিক অর্থ প্রকাশ করে। B) A little less than a dozen — এটি ভুল কারণ এই বাগধারাটি বারোটির কম কোনো সংখ্যা বোঝায় না। C) A little more than a dozen — এটি ভুল কারণ এটি এক ডজনের বেশি পরিমাণ নির্দেশ করে, যা এর অর্থ নয়। D) Round about a dozen — এটি ভুল কারণ এটি আনুমানিক বা প্রায় এক ডজন বোঝায়, যা নিশ্চিত পূর্ণ সংখ্যা বোঝায় না। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি ভাষায় 'round' শব্দটির সাথে 'dozen' যুক্ত হলে তা প্রায় সবসময় একটি পূর্ণাঙ্গ এক ডজন বা বারোটি বোঝায়।
a Behave gently
b Practice manners
c Behave yourself
d Do not talk rudely
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Behave gently কেন সঠিক: এখানে show good manners বলতে ভদ্র ও মার্জিত আচরণ করা বোঝানো হয়েছে। Behave gently অর্থ নম্র ও ভদ্রভাবে আচরণ করা, যা এই বাক্যের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। তরুণীদের সাথে মিশるとき ভালো আচরণ করা বলতে মূলত মৃদু ও ভদ্র আচরণ বোঝায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Behave gently — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) Practice manners — এটি সরাসরি সঠিক বাগধারা বা উপযুক্ত ফ্রেজ হিসেবে মানানসই নয়। C) Behave yourself — এর অর্থ নিজের চরকায় তেল দেওয়া বা নিজেকে সংযত রাখা, যা এখানে খাপ খায় না। D) Do not talk rudely — এটি কেবল অভদ্রভাবে কথা না বলার কথা বলে, কিন্তু ভালো আচরণের সম্পূর্ণ ভাব প্রকাশ করে না। মনে রাখার টিপস: ভালো আচরণ বা good manners বোঝাতে ভদ্র ও নম্র প্রকাশভঙ্গি নির্দেশক শব্দ বেছে নিতে হয়।
a In the wake of
b In the guise of
c In the plea of
d In the teeth of
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) In the teeth of কেন সঠিক: - প্রশ্নটিতে 'against' (বিরুদ্ধে বা প্রতিকূলতার মাঝে) শব্দটির সমার্থক বা কাছাকাছি অর্থপূর্ণ ফ্রেজ জানতে চাওয়া হয়েছে। - 'In the teeth of' ফ্রেজটির অর্থ তীব্র বাধা বা প্রতিকূলতার মুখেও কোনো কিছু অর্জন করা, যা প্রদত্ত বাক্যের 'against strong oppositions' অর্থকে নিখুঁতভাবে প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) In the wake of — এর অর্থ কোনো কিছুর পরে বা ফলে (After something), যা এখানে প্রযোজ্য নয়। B) In the guise of — এর অর্থ কোনো ছদ্মবেশে বা রূপে (In the disguise of), যা এখানে অর্থের সাথে মেলে না। C) In the plea of — এর অর্থ কোনো অজুহাতে বা ওছিলায় (On the pretext of), যা এই বাক্যের ভাবের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ। D) In the teeth of — এই অপশনটি সঠিক এবং এর অর্থ তীব্র প্রতিকূলতার মুখেও, যা মূল বাক্যের 'against' এর সমার্থক। মনে রাখার টিপস: 'In the teeth of' ফ্রেজটি দাঁতে দাঁত চেপে তীব্র বাধা বা প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে লড়াই করার অবস্থাকে বোঝায়।
a In cool brain and calculeted thought
b So patiently and thoughtfully
c So impatiently and thoughtlessly
d Stirred by sudden emotion
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) In cool brain and calculeted thought কেন সঠিক: ইন কোল্ড ব্লাড একটি ইংরেজি ইডিয়ম যার অর্থ হলো কোনো অন্যায় কাজ অত্যন্ত ঠান্ডা মাথায় ও পরিকল্পিতভাবে করা। অপশন এ তে থাকা ঠান্ডা মস্তিষ্ক ও হিসাব করা চিন্তা কথাটি মূল ইডিয়মের ভাবার্থের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) In cool brain and calculeted thought — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ ঠান্ডা মাথায় চিন্তা করা। B) So patiently and thoughtfully — এটি ভুল কারণ ধৈর্য ও পজিটিভ চিন্তার সাথে অপরাধের কোনো সম্পর্ক নেই। C) So impatiently and thoughtlessly — এটি ভুল কারণ আবেগহীন অপরাধ কখনো অধৈর্য বা হুট করে হয় না। D) Stirred by sudden emotion — এটি ভুল কারণ ইন কোল্ড ব্লাড মানে হঠাৎ আবেগ দ্বারা প্রভাবিত হওয়া নয় বরং ঠান্ডা মাথায় করা। মনে রাখার টিপস: রক্ত ঠান্ডা হয়ে গেলে মানুষ যেমন আবেগ হারায় এবং ঠান্ডা মাথায় সব হিসাব করে, তেমনি ইন কোল্ড ব্লাড মানে ঠান্ডা মাথায় পরিকল্পিত অপরাধ।
a Ardent
b Complacent
c confident
d apprehensive
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Complacent কেন সঠিক: Complacent শব্দের অর্থ আত্মতুষ্টি বা অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী হওয়া। যারা মনে করে তাদের কোনো ক্ষতি হবে না, তারা আসলে অতিরিক্ত আত্মতুষ্ট এবং বোকামি করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Ardent — এর অর্থ উৎসাহী বা অনুরাগী। এটি এখানে বাক্যের ভাবের সাথে মেলে না। B) Complacent — এটি সঠিক উত্তর। C) confident — এর অর্থ আত্মবিশ্বাসী, যা সাধারণ অর্থে পজিটিভ কিন্তু এখানে অতিরিক্ত অন্ধ বিশ্বাসের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নয়। D) apprehensive — এর অর্থ শঙ্কিত বা ভীত। যারা কোনো বিপদ আশঙ্কা করে না, তাদের ক্ষেত্রে এটি বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: যাঁরা অতিরিক্ত আত্মতুষ্ট বা complacent হন, তাঁরা কোনো বিপদ বা অমঙ্গল আসার কথা ভাবেন না এবং বোকামি করেন।
a Benevolent
b Official
c Officious
d Bureaucratic
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Officious কেন সঠিক: বাক্যটিতে এমন একজন ব্যক্তির কথা বলা হয়েছে যিনি অন্যকে সাহায্য করতে অতিরিক্ত বা অযাচিত উৎসাহ দেখান। Officious শব্দটির অর্থ হলো এমন ব্যক্তি যিনি না চাওয়া সত্ত্বেও নিজের মতামত বা সাহায্য জোর করে অন্যের ওপর চাপিয়ে দেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Benevolent — এর অর্থ দয়ালু বা কল্যাণকামী, যা মানুষের উপকার করার ইতিবাচক দিক বোঝায়। কিন্তু প্রশ্নে নেতিবাচক বা অতিরিক্ত হস্তক্ষেপের কথা বলা হয়েছে। B) Official — এর অর্থ দাপ্তরিক বা সরকারি কর্মকর্তা সংক্রান্ত, যা এই বাক্যের সাথে কোনোভাবেই মেলে না। C) Officious — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে পুনরায় ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়। D) Bureaucratic — এর অর্থ আমলাতান্ত্রিক বা লাল ফিতার দৌরাত্ম্য বোঝায়, যা এই চরিত্রের সাথে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: Officious শব্দটিতে Office কথাটি আছে, মনে রাখবেন অফিসের কিছু অতিরিক্ত দায়িত্বশীল লোক যেমন না ডেকেই উপদেশ দেন, তেমনি Officious মানেও অযাচিত সাহায্যকারী।
a Affable
b Haughty
c Disdainfull
d Wicked
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Affable কেন সঠিক: supercilious শব্দের অর্থ হলো অহংকারী বা অন্যকে তুচ্ছজ্ঞানকারী মানুষ। এর বিপরীতার্থক শব্দ হলো affable যার অর্থ মিশুক ও অমায়িক। তাই এই দুটি শব্দ অর্থের দিক থেকে সম্পূর্ণ বিপরীত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Affable — এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ মিশুক, যা supercilious শব্দের বিপরীত। B) Haughty — এর অর্থ উদ্ধত বা অহংকারী, যা supercilious শব্দের সমার্থক। C) Disdainfull — এর অর্থ অবজ্ঞাপূর্ণ, যা supercilious শব্দের প্রায় সমার্থক। D) Wicked — এর অর্থ দুষ্ট বা পাপিষ্ঠ, যা এই প্রসঙ্গের সাথে মানানসই নয়। মনে রাখার টিপস: Supercilious মানে ওপরে নাক তুলে চলা অহংকারী মানুষ আর Affable মানে সবার সাথে হাসিমুখে মিশে যাওয়া ভালো মানুষ।
a lain
b laid
c lay
d lied
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) laid কেন সঠিক: বাক্যটিতে ডিম পাড়ার কথা বলা হয়েছে যার ইংরেজি ভার্ব হলো lay এবং এর পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম হলো laid। have এর পর মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম বসে বিধায় এখানে laid সঠিক হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) lain — এটি lie ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল, যার অর্থ শয়ন করা বা শুয়ে থাকা। B) laid — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে পুনরাবৃত্তি হলো। C) lay — এটি present tense অথবা lie ভার্বের past form, তাই এখানে বসবে না। D) lied — এটি lie ভার্বের পাস্ট ফর্ম যার অর্থ মিথ্যা বলা। মনে রাখার টিপস: ডিম পাড়ার ক্ষেত্রে lay-laid-laid ব্যবহার করতে হয় এবং মিথ্যা বলার ক্ষেত্রে lie-lied-lied ব্যবহার করতে হয়।
a Does Mr. Ali live
b Mr. Ali doesn’t live
c Mr. Ali lives
d Lives Mr. Ali
0 91 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Mr. Ali lives কেন সঠিক: বাক্যটির শুরুতে 'Can you tell me where' একটি Indirect Question বা পরোক্ষ প্রশ্ন তৈরি করেছে। তাই এর পরে সাবজেক্ট এবং তারপর মূল ভারബ് বসবে এবং কোনো সাহায্যকারী ভার্ব লাগবে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Does Mr. Ali live — এটি ডাইরেক্ট প্রশ্নের গঠন হওয়ায় এখানে auxiliary verb বসেছে যা ভুল। B) Mr. Ali doesn’t live — অর্থ ও ব্যাকরণের মিল না থাকায় এটি বাক্যটিকে অর্থহীন করে তোলে। C) Mr. Ali lives — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। D) Lives Mr. Ali — এখানে ভার্ব আগে এবং সাবজেক্ট পরে আসায় গঠনটি ভুল হয়েছে। মনে রাখার টিপস: Indirect Question-এ প্রথমে W-word, তারপর সাবজেক্ট এবং শেষে মূল ভার্ব বসে।
a with
b by
c from
d on
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) with কেন সঠিক: কোনো জড় বস্তু বা যন্ত্র দিয়ে কাজ সম্পন্ন করা বোঝালে সাধারণত preposition হিসেবে with বসে। এখানে বিদ্যুৎ বা Electricity হলো একটি শক্তির উৎস বা মাধ্যম, যার সাহায্যে গ্রামগুলোকে আলোকিত করা হচ্ছে। তাই সঠিক উত্তর হবে with। বাকি অপশন কেন ভুল: A) with — এটি সঠিক অপশন এবং এখানে কোনো ভুল নেই। B) by — এটি সাধারণত কোনো ব্যক্তি বা জীবন্ত সত্তার দ্বারা কাজ করা বোঝালে ব্যবহৃত হয়। C) from — এটি কোনো উৎস থেকে দূরত্ব বা পৃথক হওয়া বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, তাই এখানে বসবে না। D) on — এটি কোনো কিছুর উপরে অবস্থান বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এই বাক্যের সাথে সংগতিপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: যন্ত্র বা উপাদানের সাহায্যে কিছু করা বোঝালে with বসে এবং ব্যক্তির দ্বারা কিছু করা বোঝালে by বসে।
a takes off
b comes off
c will bring about
d will come round
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) comes off কেন সঠিক: ইংরেজিতে কোনো অনুষ্ঠান, উৎসব বা সভা নির্ধারিত সময়ে অনুষ্ঠিত হওয়া বোঝাতে 'come off' ফ্রেজাল ভার্বটি ব্যবহৃত হয়। প্রশ্নটিতে কলেজের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উৎসব নির্ধারিত তারিখে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা বলা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) takes off — বিমান উড্ডয়ন করা বা কোনো ব্যবসা হঠাৎ সফল হওয়া বোঝাতে এটি বসে। B) comes off — অনুষ্ঠান বা উৎসব নির্ধারিত সময়ে অনুষ্ঠিত হওয়া বোঝাতে এই ফ্রেজাল ভার্বটি ব্যবহার করা হয়। C) will bring about — কোনো কিছু ঘটিয়ে ফেলা বা কোনো পরিবর্তনের কারণ হওয়া অর্থে এটি ব্যবহৃত হয়। D) will come round — অসুস্থতা বা কোনো সংকট কাটিয়ে সুস্থ হয়ে ওঠা বা ফিরে আসা বোঝায়। মনে রাখার টিপস: কোনো অনুষ্ঠান বা উৎসব নির্দিষ্ট তারিখে অনুষ্ঠিত হওয়া বোঝাতে সবসময় come off ফ্রেজাল ভার্বটি ব্যবহার করবে।
a a period of being carefree
b a period of habing youthful flings
c a period of misfortunate
d hot weather
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) hot weather কেন সঠিক: ‘Dog days’ একটি জনপ্রিয় ইংরেজি ইডিওম যার আক্ষরিক অর্থ কুকurের দিন হলেও এর বাস্তব অর্থ বছরের সবচেয়ে উষ্ণতম সময়। প্রাচীন রোমানরা বিশ্বাস করত যে সিরিয়াস তারা এবং সূর্য একসাথে আকাশে থাকার কারণে গ্রীষ্মকালে অতিরিক্ত গরম পড়ে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a period of being carefree — এটি দিয়ে জীবনের কোনো দুশ্চিন্তামুক্ত বা আনন্দময় সময়কে বোঝায়, যা এই ইডিওমের সাথে মেলে না। B) a period of having youthful flings — এটি তারুণ্যের চঞ্চলতা বা সাময়িক প্রেমের সম্পর্ককে নির্দেশ করে, যা আবহাওয়ার সাথে সম্পর্কিত নয়। C) a period of misfortunate — এটি জীবনের কোনো দুর্ভাগ্যের সময়কে বোঝায়, কিন্তু এই ইডিওমটি কেবল গরম আবহাওয়াকে নির্দেশ করতে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: গ্রীষ্মকালে অতিরিক্ত গরমে কুকurেরা যেভাবে জিব বের করে হাঁপায়, সেটি মনে রাখলেই ‘Dog day’ মানে যে গরম আবহাওয়া তা সহজে মনে থাকবে।

মোট প্রশ্ন (5)

a ১১ সেকেন্ড
b ১০ সেকেন্ড
c ১২ সেকেন্ড
d ১০.৫ সেকেন্ড
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১০ সেকেন্ড প্রদত্ত তথ্য: ৬ টার ঘন্টাধ্বনি বাজতে ৫ সেকেন্ড সময় লাগে ঘন্টাধ্বনি সমান সময় ব্যবধানে বাজে ধরি, ৬ টার ঘন্টাধ্বনিতে মোট ৫টি ব্যবধান থাকে ১২ টার ঘন্টাধ্বনিতে মোট ১১টি ব্যবধান থাকে অতএব, ৬ টার ঘন্টাধ্বনির ক্ষেত্রে ৫টি ব্যবধান বাজতে সময় লাগে = ৫ সেকেন্ড ১টি ব্যবধান বাজতে সময় লাগে = ৫ ÷ ৫ = ১ সেকেন্ড সুতরাং, ১২ টার ঘন্টাধ্বনির ক্ষেত্রে ১১টি ব্যবধান বাজতে সময় লাগে = ১১ × ১ = ১১ সেকেন্ড উত্তর: ১১ সেকেন্ড
a ১২ ফুট
b ৯ ফুট
c ৬ ফুট
d ৩ ফুট
0 103 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬ ফুট প্রদত্ত তথ্য: খুঁটির মোট উচ্চতা = ১৮ ফুট ভাঙা অংশ ভূমির সাথে উৎপন্ন কোণ = ৩০° ধরি, খুঁটিটি মাটি থেকে এক্স ফুট উঁচুতে ভেঙেছিল তাহলে ভাঙা অংশের দৈর্ঘ্য = (১৮ − এক্স) ফুট অতএব, ত্রিভুজের লম্ব = এক্স ত্রিভুজের অতিভুজ = (১৮ − এক্স) সুতরাং, সাইন ৩০° = লম্ব ÷ অতিভুজ ১ ÷ ২ = এক্স ÷ (১৮ − এক্স) উত্তর: ২ এক্স = ১৮ − এক্স, অর্থাৎ ৩ এক্স = ১৮, সুতরাং এক্স = ৬ ফুট
a ৪৭
b ৩৬
c ২৫
d ১৪
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৫ প্রদত্ত তথ্য: দুই অঙ্ক বিশিষ্ট একটি সংখ্যার এককের অঙ্ক দশকের অঙ্ক অপেক্ষা তিন বেশি সংখ্যাটি উহার অংকদ্বয়ের সমষ্টির তিনগুণ অপেক্ষা চার বেশি ধরি, দশকের ঘরের অঙ্ক = ক এককের ঘরের অঙ্ক = ক + ৩ অতএব, সংখ্যাটি = ১০ × ক + (ক + ৩) সংখ্যাটি = ১১ক + ৩ সুতরাং, অংকদ্বয়ের সমষ্টি = ক + ক + ৩ = ২ক + ৩ প্রশ্নানুসারে, ১১ক + ৩ = ৩ × (২ক + ৩) + ৪ উত্তর: ১১ক + ৩ = ৬ক + ৯ + ৪ ৫ক = ১০ ক = ২ সংখ্যাটি = ২৫
a ১০০
b ১৪০
c ১৮০
d ২০০
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৪০ প্রদত্ত তথ্য: চার পুত্রের মধ্যে গাভী বন্টন করা হলো চতুর্থ পুত্র পেল বাকি ৭ টি গাভী ধরি, মোট গাভীর সংখ্যা = n অতএব, প্রথম পুত্র পেল = n ÷ ২ অংশ দ্বিতীয় পুত্র পেল = n ÷ ৪ অংশ তৃতীয় পুত্র পেল = n ÷ ৫ অংশ সুতরাং, চার পুত্রের প্রাপ্ত অংশের যোগফল = (n ÷ ২) + (n ÷ ৪) + (n ÷ ৫) = ১৯n ÷ ২০ উত্তর: n − (১৯n ÷ ২০) = ৭, সমাধান করে n = ১৪০ পাওয়া যায়
a ২০,০০০ টাকা
b ২৫,০০০ টাকা
c ৩০,০০০ টাকা
d ৩৫,০০০ টাকা
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৫,০০০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: সুদের হার = ৫ টাকা বা ৫% সময় = ২০ বছর সুদে-আসলে = ৫০,০০০ টাকা ধরি, মূলধন = ক টাকা সুদের পরিমাণ = (ক × ৫ × ২০) ÷ ১০০ টাকা অতএব, সুদের পরিমাণ = ক টাকার বা ক ÷ ১ টাকা সুদে-আসল = ক + (ক ÷ ১) টাকা বা, সুদে-আসল = ২ক টাকা সুতরাং, ২ক = ৫০,০০০ টাকা ক = ২৫,০০০ টাকা উত্তর: ২৫,০০০ টাকা

মোট প্রশ্ন (37)

a ধর্ম
b জাতি
c সংস্কৃতি
d ভাষা
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সংস্কৃতি কেন সঠিক: - দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে মিশ্র সংস্কৃতি ও ইতিহাস বিরাজমান থাকায় রাজনৈতিক সংঘাতে সংস্কৃতি কম প্রভাব ফেলে। - ধর্ম, জাতি ও ভাষাভিত্তিক রাজনৈতিক মেরুকরণ এই অঞ্চলে অনেক বেশি দৃশ্যমান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধর্ম — দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে ধর্ম একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল ও প্রভাবশালী বিষয়। B) জাতি — জাতিগত বিভাজন ও আন্দোলন এই অঞ্চলের রাজনৈতিক অস্থিরতার অন্যতম প্রধান কারণ। C) সংস্কৃতি — এই অঞ্চলের মানুষের ঐতিহাসিক ও সামাজিক সংস্কৃতি প্রায় একই রকম হওয়ায় এটি রাজনৈতিক সংঘাতে কম সংশ্লিষ্ট। D) ভাষা — ভাষাভিত্তিক জাতীয়তাবাদ দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। মনে রাখার টিপস: দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে ধর্ম, জাতি ও ভাষা মূল চালিকাশক্তি হলেও সংস্কৃতি তুলনামূলকভাবে কম বিরোধপূর্ণ।
a আন্তর্জাতিক ইসলামী আদালত
b সাধারণ সচিবালয়
c ইসলামী উন্নয়ণ ব্যাংক
d ইসলামী বাণিজ্য উন্নয়ন কেন্দ্র
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ইসলামী বাণিজ্য উন্নয়ন কেন্দ্র কেন সঠিক: - প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক নয়। ইসলামী বাণিজ্য উন্নয়ন কেন্দ্র (ICDCI) এবং আন্তর্জাতিক ইসলামী আদালত (International Islamic Court of Justice) উভয়ই ওআইসি-র অঙ্গ সংস্থা বা সংশ্লিষ্ট অঙ্গ প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করে। এই প্রশ্নটিতে একাধিক সঠিক উত্তর থাকার কারণে প্রশ্ন ও অপশনটি ত্রুটিপূর্ণ। - ওআইসি-র প্রধান অঙ্গ সংস্থাগুলোর মধ্যে সাধারণ সচিবালয়, ইসলামী সম্মেলন এবং ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংক (IsDB) অন্যতম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আন্তর্জাতিক ইসলামী আদালত — এটি ওআইসি-র একটি বিচারিক অঙ্গ সংস্থা, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। B) সাধারণ সচিবালয় — এটি ওআইসি-র প্রধান প্রশাসনিক অঙ্গ সংস্থা, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। C) ইসলামী উন্নয়ণ ব্যাংক — এটি ওআইসি-র একটি প্রধান আর্থিক ও অঙ্গ সংস্থা, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। D) ইসলামী বাণিজ্য উন্নয়ন কেন্দ্র — এটি ওআইসি-র একটি অঙ্গ বা সহায়ক সংস্থা, যা মূল প্রশ্নানুসারে সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: ওআইসি-র সচিবালয়, উন্নয়ন ব্যাংক এবং বিভিন্ন কেন্দ্র ও আদালত এর মূল কাঠামোর অংশ হিসেবে কাজ করে।
a ১৯৬৫
b ১৯৬৬
c ১৯৬৭
d ১৯৬৮
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯৬৬ কেন সঠিক: - এশিয়া উন্নয়ন ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৬৬ সালের ১৯ ডিসেম্বর এবং একই বছর এর আনুষ্ঠানিক আর্থিক লেনদেন কার্যক্রম শুরু হয়। - এশিয়ার অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এই আঞ্চলিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানটি কার্যক্রম শুরু করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৬৫ — এই বছরে ব্যাংকটি প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও তখন এর আনুষ্ঠানিক লেনদেন শুরু হয়নি। B) ১৯৬৬ — এই বছরই ব্যাংকটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং কার্যক্রম শুরু করে। C) ১৯৬৭ — এই বছর ব্যাংকটি তার কার্যক্রমের প্রথম পূর্ণ বছর পার করে, কিন্তু লেনদেন শুরু হয় আগের বছর। D) ১৯৬৮ — এই বছর ব্যাংকটির কার্যক্রম আরও বিস্তৃত হয়, এটি লেনদেন শুরুর সাল নয়। মনে রাখার টিপস: এশিয়ার উন্নয়নে ছক্কা হাঁকিয়ে ১৯৬৬ সালে লেনদেন শুরু করে এশিয়া উন্নয়ন ব্যাংক।
a এক রাজনৈতিক মতবাদের
b এক সাংস্কৃতিক আন্দোলনের
c এক নতুন জাতীয় চেতনার
d এক নতুন সমাজ ব্যবস্থার
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) এক নতুন জাতীয় চেতনার কেন সঠিক: - ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমে বাঙালি জনগোষ্ঠীর মধ্যে স্বাধিকার ও নিজস্ব সংস্কৃতির পরিচয় জোরালো হয়। - এই আত্মসচেতনতাই পরবর্তীকালে বাঙালি জাতিকে স্বাধীনতা ও মুক্তির সংগ্রামের দিকে ধাবিত করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) এক রাজনৈতিক মতবাদের — ভাষা আন্দোলন নির্দিষ্ট কোনো একটি রাজনৈতিক মতবাদ তৈরি করেনি, বরং সার্বিক রাজনৈতিক অধিকার অর্জনে ভূমিকা রেখেছে। B) এক সাংস্কৃতিক আন্দোলনের — সংস্কৃতি এর অংশ হলেও ভাষা আন্দোলন কেবল সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলে সীমাবদ্ধ না থেকে সমগ্র জাতীয় জীবনে প্রভাব ফেলেছিল। C) এক নতুন জাতীয় চেতনার — সঠিক উত্তর। D) এক নতুন সমাজ ব্যবস্থার — ভাষা আন্দোলন সরাসরি কোনো নতুন সমাজ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করেনি, এটি মূলত চেতনা ও স্বাধিকারবোধ জাগিয়ে তুলেছিল। মনে রাখার টিপস: ভাষা আন্দোলন মানেই ভাষার জন্য লড়াই, আর এই লড়াই থেকেই বাঙালি মনে জন্ম নিয়েছিল নতুন এক জাতীয় চেতনা।
a ১৮
b ২০
c ২৩
d ২৫
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৩ কেন সঠিক: - মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী রুই মাছের পোনা নিধনের নির্দিষ্ট আইনি মাপকাঠি রয়েছে। - ২৩ সেন্টিমিটার বা তার কম দৈর্ঘ্যের রুই মাছের পোনা ধরা, মারা বা বিক্রি করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৮ — এটি রুই মাছের পোনা মারার নির্ধারিত আইনি মাপ নয়। B) ২০ — এই দৈর্ঘ্যের পোনা ধরার ক্ষেত্রেও আইন অনুযায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য নয়। C) ২৩ — এটিই আইনসম্মত নির্ধারিত সঠিক মাপ। D) ২৫ — এই দৈর্ঘ্য ২৩ সেন্টিমিটারের চেয়ে বেশি এবং এটি পোনার নির্ধারিত আইনি সীমার বাইরে। মনে রাখার টিপস: রুই মাছের পোনা রক্ষা করতে হলে মনে রাখুন, তেইশ (২৩) সেন্টিমিটারের কম মাপের পোনা ধরা যাবে না।
a নারায়ণগঞ্জ
b কক্সবাজার
c চট্টগ্রাম
d খুলনা
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) খুলনা কেন সঠিক: - বাংলাদেশের প্রধান ও বৃহত্তম জাহাজ নির্মাণ কারখানা খুলনা শিপইয়ার্ড খুলনা জেলায় অবস্থিত। - এটি রূপসা নদীর তীরে অবস্থিত এবং বাংলাদেশ নৌবাহিনী এটি পরিচালনা করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নারায়ণগঞ্জ — এটি অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন ও ডকইয়ার্ডের জন্য পরিচিত হলেও প্রধান জাহাজ নির্মাণ কারখানা এখানে অবস্থিত নয়। B) কক্সবাজার — এটি সমুদ্র সৈকতের জন্য বিখ্যাত হলেও এখানে প্রধান কোনো ভারী জাহাজ নির্মাণ কারখানা নেই। সি) চট্টগ্রাম — এখানে বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন ও ড্রাইডক থাকলেও প্রধান জাহাজ নির্মাণ কারখানা খুলনায় অবস্থিত। D) খুলনা — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এখানেই দেশের প্রধান জাহাজ নির্মাণ কারখানা খুলনা শিপইয়ার্ড অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: খুলনা শিপইয়ার্ড রূপসা নদীর তীরে অবস্থিত, যা বাংলাদেশের প্রধান জাহাজ নির্মাণ কারখানা।
a মায়ানমার, থাইল্যান্ড, চীন
b মায়ানমার, থাইল্যান্ড, লাওস
c মায়ানমার, থাইল্যান্ড, কম্বোডিয়া
d ইরান, আফগানিস্তান, পাকিস্তান
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
**সะ** সঠিক উত্তর: খ) মায়ানমার, থাইল্যান্ড, লাওস প্রদত্ত সঠিক উত্তর যাচাই: প্রশ্নে প্রদত্ত সঠিক উত্তর (C) ভুল ছিল। আন্তর্জাতিক ভূরাজনীতি ও মাদক চোরাচালানের তথ্য অনুযায়ী গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গেল গঠিত হয় মায়ানমার, থাইল্যান্ড ও লাওস নিয়ে। তাই সঠিক উত্তর খ হবে। কেন সঠিক: - দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার এই তিনটি দেশের সীমান্তবর্তী পাহাড়ি অঞ্চলে প্রচুর পরিমানে অবৈধ পপি চাষ হয়। - ভৌগোলিক অবস্থান এবং দুর্গম ভূপ্রকৃতির কারণে মাদক উৎপাদন ও ব্যবসায় এই অঞ্চলটি গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গেল নামে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: ক) মায়ানমার, থাইল্যান্ড, চীন — চীন গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গেলের অন্তর্ভুক্ত নয়, কারণ এই অঞ্চলের মূল পপি উৎপাদনকারী দেশ হলো লাওস। খ) মায়ানমার, থাইল্যান্ড, লাওস — এটি গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গেলের সঠিক ভৌগোলিক অঞ্চল এবং এটিই সঠিক উত্তর। গ) মায়ানমার, থাইল্যান্ড, কম্বোডিয়া — কম্বোডিয়া এই ত্রিভুজ অঞ্চলের অংশ নয়, এর পরিবর্তে লাওস অন্তর্ভুক্ত। ঘ) ইরান, আফগানিস্তান, পাকিস্তান — এই তিনটি দেশ মধ্য এশিয়ার মাদক উৎপাদনের অঞ্চল গোল্ডেন ক্রিসেন্ট নামে পরিচিত, গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গেল নয়। মনে রাখার টিপস: মাদক উৎপাদন অঞ্চলের ক্ষেত্রে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার তিন দেশ মনে রাখতে মাথা শব্দটি ব্যবহার করতে পারেন, যার অর্থ মায়ানমার, থাইল্যান্ড ও লাওস।
a ১৯৬৫ সালের ৬ সেপ্টেম্বর
b ১৯৬৫ সালের ১০ ডিসেম্বর
c ১৯৬৬ সালের ১০ জানুয়ারী
d ১৯৬৬ সালের ৩০ জানুয়ারী
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯৬৬ সালের ১০ জানুয়ারী কেন সঠিক: - ১৯৬৫ সালের পাক-ভারত যুদ্ধের অবসান ঘটাতে সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যস্থতায় উজবেকিস্তানের তাসখন্দে এই শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। - পাকিস্তানের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী লাল বাহাদুর শাস্ত্রী এই ঐতিহাসিক চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৬৫ সালের ৬ সেপ্টেম্বর — এই তারিখে পাক-ভারত পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধ শুরু হয়েছিল, কোনো চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়নি। B) ১৯৬৫ সালের ১০ ডিসেম্বর — এই তারিখে কোনো ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার সুনির্দিষ্ট তথ্য নেই। D) ১৯৬৬ সালের ৩০ জানুয়ারী — এই তারিখটি তাসখন্দ চুক্তির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়, চুক্তিটি তার আগেই স্বাক্ষরিত হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: ১৯৬৬ সালের ১০ জানুয়ারি তাসখন্দ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, যেখানে ঠিক পরের দিন অর্থাৎ ১১ জানুয়ারি ভারতের প্রধানমন্ত্রী লাল বাহাদুর শাস্ত্রী মৃত্যুবরণ করেন।
a মাইকেল এঞ্জেলো
b লিওনার্দো দ্যা ভিঞ্চি
c পাবলো পিকাশো
d ভ্যাণগগ
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) লিওনার্দো দ্যা ভিঞ্চি কেন সঠিক: - বিশ্বখ্যাত মোনালিসা চিত্রকর্মটি ইতালীয় রেনেসাঁ যুগের বহুমুখী প্রতিভাধর শিল্পী লিওনার্দো দ্যা ভিঞ্চির সৃষ্টি। - তিনি ষোড়শ শতাব্দীর শুরুর দিকে এই মাস্টারপিস তৈলচিত্রটি অঙ্কন করেছিলেন, যা বর্তমানে ফ্রান্সের প্যারিসের ল্যুভ জাদুঘরে সংরক্ষিত আছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাইকেল এঞ্জেলো — ইনি একজন বিখ্যাত ইতালীয় ভাস্কর ও চিত্রশিল্পী হলেও মোনালিসা তার আঁকা নয়, তার বিখ্যাত কাজের মধ্যে ডেভিড ভাস্কর্য অন্যতম। B) লিওনার্দো দ্যা ভিঞ্চি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়, কারণ তিনি নিজেই এই চিত্রকর্মটির চিত্রকর। C) পাবলো পিকাশো — ইনি স্প্যানিশ চিত্রশিল্পী এবং কিউবিজমের প্রবক্তা, যিনি বিংশ শতাব্দীতে সক্রিয় ছিলেন এবং মোনালিসার চিত্রকর নন। D) ভ্যাণগগ — ইনি ডাচ পোস্ট-ইমপ্রেশনের বিখ্যাত চিত্রশিল্পী, যিনি উনবিংশ শতাব্দীতে স্টার্টি নাইটসহ বিভিন্ন চিত্রকর্ম এঁকেছেন কিন্তু মোনালিসা তার নয়। মনে রাখার টিপস: মোনালিসা নামের ভি এবং ভিঞ্চি শব্দের ভি মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন লিওনার্দো দ্যা ভিঞ্চি।
a জর্ডান
b লেবানন
c ইরান
d বাহরাইন
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ইরান কেন সঠিক: - ইরান মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশ হওয়া সত্ত্বেও আরব লীগের সদস্য নয় এবং এর প্রধান ভাষা ফারসি। - আরব দেশগুলো মূলত আরব বিশ্ব বা আরব লীগের অন্তর্ভুক্ত, যার ভাষা আরবি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জর্ডান — এটি একটি মধ্যপ্রাচ্যের আরব দেশ এবং আরব লীগের সদস্য রাষ্ট্র। B) লেবানন — এটিও মধ্যপ্রাচ্যের একটি আরব দেশ যেখানে আরবি প্রধান ভাষা। C) ইরান — এটি পারস্যসভ্যতার দেশ এবং এর রাষ্ট্রভাষা ফারসি, তাই এটি আরব দেশ নয়। D) বাহরাইন — এটি পারস্য উপসাগরের তীরবর্তী একটি আরব দেশ ও আরব লীগের সদস্য। মনে রাখার টিপস: ইরান, তুরস্ক এবং পাকিস্তান মধ্যপ্রাচ্যের দেশ হওয়া সত্ত্বেও এরা আরব দেশ নয়, কারণ এদের প্রধান ভাষা যথাক্রমে ফারসি, তুর্কি ও উর্দু।
a নাইট্রোজেন
b হিলিয়াম
c নিয়ন
d অক্সিজেন
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নাইট্রোজেন কেন সঠিক: - সাধারণ বৈদ্যুতিক বাল্বের ভিতরে টাংস্টেন ফিলামেন্টকে পুড়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করতে নাইট্রোজেন গ্যাস ব্যবহার করা হয়। - নাইট্রোজেন একটি নিষ্ক্রিয় গ্যাস হওয়ায় এটি ফিলামেন্টের সাথে বিক্রিয়া করে না এবং বাল্বের আয়ু বৃদ্ধি করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নাইট্রোজেন — এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এটি বাল্বের ফিলামেন্টকে দীর্ঘস্থায়ী করতে এবং অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া রোধ করতে ব্যবহৃত হয়। B) হিলিয়াম — এটি অত্যন্ত হালকা ও নিষ্ক্রিয় গ্যাস হলেও বৈদ্যুতিক বাল্বে সাধারণত খরচ এবং উপযোগিতার কারণে নাইট্রোজেন বা আর্গন ব্যবহার করা হয়। C) নিয়ন — নিয়ন গ্যাস মূলত রঙিন বিজ্ঞাপনের সাইনবোর্ড বা নিয়ন টিউবে আলো জ্বালানোর কাজে ব্যবহৃত হয়, সাধারণ বাল্বে নয়। D) অক্সিজেন — অক্সিজেন গ্যাস দহন সহায়ক হওয়ায় বাল্বের ভিতরে ব্যবহার করলে টাংস্টেন ফিলামেন্ট মুহূর্তেই পুড়ে ছাই হয়ে যেত। মনে রাখার টিপস: বাল্ব ফিলামেন্টের সুরক্ষা, নাইট্রোজেন গ্যাসের ভূমিকা।
a গারো
b সাঁওতাল
c খাসিয়া
d মারমা
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মারমা কেন সঠিক: - বাংলাদেশের মারমা উপজাতির পারিবারিক ও সামাজিক কাঠামো পিতৃতান্ত্রিক, যেখানে পিতা পরিবারের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। - মারমা সমাজে সম্পত্তির উত্তরাধিকার এবং বংশপরিচয় প্রধানত পিতার মাধ্যমেই নির্ধারিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গারো — গারো উপজাতির সমাজ ব্যবস্থা মাতৃতান্ত্রিক এবং তাদের পারিবারিক প্রধান মা। B) সাঁওতাল — সাঁওতাল সমাজ পিতৃতান্ত্রিক হলেও প্রশ্নে প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে মারমা বিশেষভাবে সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত। C) খাসিয়া — খাসিয়া উপজাতির সমাজ ব্যবস্থা সম্পূর্ণরূপে মাতৃতান্ত্রিক এবং মাতুলালয়ভিত্তিক। D) মারমা — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ মারমা সমাজ পিতৃতান্ত্রিক। মনে রাখার টিপস: মারমা পুরুষরা পরিবারের প্রধান, তাই মারমা সমাজ পিতৃতান্ত্রিক।
a কৃষি ব্যাংক
b গ্রামীণ ব্যাংক
c সমবায় ব্যাংক
d ইসলামী ব্যাংক
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গ্রামীণ ব্যাংক কেন সঠিক: - ড. মুহাম্মদ ইউনূস ১৯৮৩ সালে গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করেন যা জামানতবিহীন ক্ষুদ্রঋণ প্রদানের মাধ্যমে দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে স্বাবলম্বী করে তোলে। - এই অভিনব ক্ষুদ্রঋণ মডেলের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিস্বরূপ ব্যাংকটি এবং এর প্রতিষ্ঠাতা যৌথভাবে ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কৃষি ব্যাংক — এটি মূলত গ্রামীণ এলাকার কৃষি ও কৃষকদের উন্নয়নে ঋণ প্রদান করে, যা দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মাঝে ক্ষুদ্রঋণ বিতরণের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত নয়। B) গ্রামীণ ব্যাংক — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং জামানতবিহীন ক্ষুদ্রঋণ দিয়ে দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে স্বাবলম্বী করে দেশে বিদেশে সুনাম কুড়িয়েছে। C) সমবায় ব্যাংক — এটি সমবায় সমিতির মাধ্যমে আর্থিক কার্যক্রম পরিচালনা করে, যা দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য এককভাবে ক্ষুদ্রঋণ মডেল হিসেবে বিশ্বজোড়া খ্যাতি অর্জন করেনি। D) ইসলামী ব্যাংক — এটি শরিয়াহ ভিত্তিক ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করে, যদিও এটি দেশের অন্যতম বাণিজ্যিক ব্যাংক তবে গ্রামীণ ব্যাংকের মতো ক্ষুদ্রঋণ বিপ্লবের জন্য বিখ্যাত নয়। মনে রাখার টিপস: দরিদ্র জনগোষ্ঠী এবং ক্ষুদ্রঋণ বললেই গ্রামীণ ব্যাংক এবং ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নাম মনে রাখতে হবে।
a আখের ছোবড়া
b বাঁশ
c জারুল গাছ
d নল-খাগড়া
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বাঁশ কেন সঠিক: - চন্দ্রঘোনা কর্ণফুলী পেপার মিলস বাঁশকে প্রধান কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার করে কাগজ উৎপাদন করে থাকে। - পার্বত্য চট্টগ্রামের বনাঞ্চলের বাঁশ এই কারখানার কাগজ তৈরির মূল উপাদান হিসেবে যুগ যুগ ধরে ব্যবহৃত হচ্ছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আখের ছোবড়া — এটি সাধারণত চিনি কল বা অন্য কোনো বিশেষ কাগজ ও বোর্ড মিলে ব্যবহৃত হয়, চন্দ্রঘোনা কাগজ কলের প্রধান কাঁচামাল নয়। B) বাঁশ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং চন্দ্রঘোনা কাগজ কলের প্রধান কাঁচামাল। C) জারুল গাছ — এটি একটি কাঠ উৎপাদনকারী গাছ, যা কাগজ তৈরির প্রধান কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয় না। D) নল-খাগড়া — এটি জলাভূমির উদ্ভিদ, যা ঐতিহ্যগতভাবে অন্য কাজে ব্যবহৃত হলেও চন্দ্রঘোনা কারখানার প্রধান কাঁচামাল নয়। মনে রাখার টিপস: চন্দ্রঘোনা মানেই পাহাড়ের বাঁশ দিয়ে কাগজ তৈরি।
a ২৬ মার্চ,১৯৭১
b ১০ এপ্রিল,১৯৭১
c ৬ সেপ্টেম্বর,১৯৭১
d ১০ নভেম্বর,১৯৭১
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১০ এপ্রিল, ১৯৭১ কেন সঠিক: - এই দিনে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করা হয় এবং স্বাধীন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার গঠিত হয়। - এই ঘোষণাপত্র অনুযায়ী ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা কার্যকর হয়েছে বলে গণ্য করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৬ মার্চ, ১৯৭১ — এটি মূলত স্বাধীনতার ঘোষণার দিন এবং মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস, তবে মুজিবনগর সরকারের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারির তারিখ এটি নয়। B) ১০ এপ্রিল, ১৯৭১ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, এই দিনে মুজিবনগরে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করা হয়। C) ৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৭১ — এটি এই প্রশ্নের ঐতিহাসিক ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো গুরুত্বপূর্ণ তারিখ নয়। D) ১০ নভেম্বর, ১৯৭১ — এটি এই প্রশ্নের প্রেক্ষাপটে কোনো সংশ্লিষ্ট বা সঠিক ঐতিহাসিক তারিখ নয়। মনে রাখার টিপস: স্বাধীনতার ঘোষণা ২৬ মার্চ হলেও, সরকার গঠনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক ঘোষণাপত্র জারি করা হয় ১০ এপ্রিল।
a অষ্ট্রেলিয়া
b কানাডা
c সাইপ্রাস
d মরিশাস
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অস্ট্রেলিয়া কেন সঠিক: - কমনওয়েলথভুক্ত ৫৬টি দেশের মধ্যে ১৫টি দেশ ব্রিটিশ রাজতন্ত্রকে তাদের রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে মানে। - অস্ট্রেলিয়া এই ১৫টি কমনওয়েলথRealm-এর অন্তর্ভুক্ত দেশ, যেখানে যুক্তরাজ্যের রাজা বা রানি সাংবিধানিক রাষ্ট্রপ্রধান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অস্ট্রেলিয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দেশ যুক্তরাজ্যের রাজাকে তাদের রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে স্বীকার করে। B) কানাডা — যদিও কানাডা ব্রিটিশ রাজাকে রাষ্ট্রপ্রধান মানে, তবে প্রদত্ত প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে অস্ট্রেলিয়াকে নির্দিষ্ট করা হয়েছে এবং কানাডা এই অপশনের মূল উত্তর নয়। C) সাইপ্রাস — এটি কমনওয়েলথভুক্ত দেশ হলেও প্রজাতন্ত্র এবং এর নিজস্ব প্রেসিডেন্ট রয়েছে, ব্রিটিশ রাজা এখানে রাষ্ট্রপ্রধান নন। D) মরিশাস — এটি এক সময় কমনওয়েলথ Realm হলেও ১৯৯২ সালে প্রজাতন্ত্রে রূপান্তর হয় এবং ব্রিটিশ রাজাকে রাষ্ট্রপ্রধান পদ থেকে বাদ দেয়। মনে রাখার টিপস: কমনওয়েলথ দেশের সবাই ব্রিটিশ রাজাকে মানে না, তবে অস্ট্রেলিয়ার মতো কিছু দেশ এখনো রাজা বা রানিকে তাদের রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে টিকিয়ে রেখেছে।
a সুইজারল্যান্ড
b পোল্যান্ড
c অষ্ট্রিয়া
d ডেনমার্ক
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অষ্ট্রিয়া কেন সঠিক: - অস্ট্রিয়ার প্রধান ও সরকারি ভাষা হলো জার্মান, যার মাধ্যমে দেশটির প্রায় নব্বই শতাংশ মানুষ কথা বলে। - জার্মানির বাইরে অষ্ট্রিয়া হলো একমাত্র সার্বভৌম রাষ্ট্র যেখানে জার্মান ভাষা সংখ্যাগরিষ্ঠের প্রধান ভাষা হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুইজারল্যান্ড — এখানে জার্মান প্রধান ভাষা হলেও ফরাসি, ইতালীয় ও রোমান্স ভাষাও প্রচলিত রয়েছে। B) পোল্যান্ড — এই দেশের প্রধান এবং রাষ্ট্রভাষা হলো পোলিশ, জার্মান ভাষা এখানে সংখ্যাগরিষ্ঠের ভাষা নয়। C) অষ্ট্রিয়া — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল অপশন হিসেবে বিবেচিত নয়। D) ডেনমার্ক — এই দেশের মূল ভাষা ডেনিশ, এখানে জার্মান ভাষার প্রধান প্রচলন নেই। মনে রাখার টিপস: জার্মানির বাইরে জার্মান ভাষাভাষী প্রধান দেশ মনে রাখতে "অস্ট্রিয়া" নামটি মনে রাখুন।
a ধানু
b নাথু
c থানু
d আনু
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ধানু কেন সঠিক: - রাজিব গান্ধীকে হত্যার ঘটনাটি ঘটেছিল ১৯৯১ সালের ২১ মে ভারতের তামিলনাড়ুতে একটি নির্বাচনী জনসভায়। - এলটিটিই সংগঠনের এই আত্মঘাতী নারী সদস্য মানব বোমা হিসেবে বিস্ফোরক বহন করে বিস্ফোরণ ঘটিয়েছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধানু — ইনি হলেন রাজিব গান্ধীকে হত্যার সময় বোমা বহনকারী সেই নির্দিষ্ট আত্মঘাতী নারী সদস্য। B) নাথু — এই নামে এই ঐতিহাসিক ঘটনার সঙ্গে কোনো হামলাকারী বা আত্মঘাতী মহিলার সংযোগ নেই। C) থানু — এটি ধানু নামের সামান্য বিকৃত রূপ হলেও ঘটনার মূল বিচারে সঠিক অপরাধী হিসেবে স্বীকৃত নয়। D) আনু — এই নামের কোনো ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতা রাজিব গান্ধী হত্যাকাণ্ডের আত্মঘাতী হামলার সঙ্গে নেই। মনে রাখার টিপস: রাজিব গান্ধীর ওপর আত্মঘাতী হামলাকারী নারীর নাম মনে রাখতে 'ধানু' শব্দটি মাথায় রাখুন, যার শেষাংশ বোমা হামলার সঙ্গে মিলে যায়।
a আসলের সমান হবে
b আসলের চেয়ে বেশী হবে
c আসলের চেয়ে কম হবে
d আসল গতির সাথে সম্পর্কযুক্তভাবে কমে যাবে
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আসলের চেয়ে বেশী হবে কেন সঠিক: - এটি ডপলার প্রভাবের একটি ধ্রুপদী উদাহরণ, যেখানে উৎস ও পর্যবেক্ষকের মধ্যকার দূরত্বের পরিবর্তনের কারণে শব্দের কম্পাঙ্কের আপাত পরিবর্তন ঘটে। - ইঞ্জিনটি প্লাটফ্রমের দিকে আসার সময় শব্দতরঙ্গগুলো সংকুচিত হয়, ফলে প্রতি সেকেন্ডে বেশি সংখ্যক তরঙ্গ পর্যবেক্ষকের কানে পৌঁছায় এবং কম্পাঙ্ক বেশি মনে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আসলের সমান হবে — উৎস ও পর্যবেক্ষকের মধ্যে কোনো আপেক্ষিক গতি না থাকলে কম্পাঙ্ক সমান হতো, কিন্তু এখানে গতিশীল অবস্থার কারণে এটি ভুল। B) আসলের চেয়ে বেশী হবে — এটি সঠিক কারণ উৎস পর্যবেক্ষকের নিকটবর্তী হলে শব্দের কম্পাঙ্ক বৃদ্ধি পায়। C) আসলের চেয়ে কম হবে — ইঞ্জিনটি প্লাটফ্রম থেকে দূরে চলে গেলে বা স্টেশন থেকে চলে যাওয়ার সময় কম্পাঙ্ক কম হতো। D) আসল গতির সাথে সম্পর্কযুক্তভাবে কমে যাবে — গতি বাড়লে কম্পাঙ্ক বাড়ে, তাই কমার এই ধারণাটি এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: কাছে আসলে বাড়ে (কম্পাঙ্ক বেশি), দূরে গেলে কমে (কম্পাঙ্ক কম)।
a আলাওল
b ফকির গরীবুল্লাহ
c সৈয়দ হামজা
d রেজাউদ্দৌলা
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ফকির গরীবুল্লাহ কেন সঠিক: - মধ্যযুগের পুঁথি সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় ও প্রখ্যাত কবি হলেন ফকির গরীবুল্লাহ। - তিনি ফার্সি কাহিনীর অনুসরণে বাংলা ভাষায় বিখ্যাত 'আমীর হামজা' কাব্য রচনা করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আলাওল — তিনি মধ্যযুগের রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার শ্রেষ্ঠ কবি, যার বিখ্যাত কাব্য পদ্মাবতী। B) ফকির গরীবুল্লাহ — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি আমীর হামজা কাব্যের মূল রচয়িতা। C) সৈয়দ হামজা — তিনি ফকির গরীবুল্লাহর অসমাপ্ত আমীর হামজা কাব্যের বাকি অংশ সমাপ্ত করেছিলেন, কিন্তু মূল রচয়িতা নন। D) রেজাউদ্দৌলা — ইনি এই কাব্যের সঙ্গে সম্পৃক্ত কোনো উল্লেখযোগ্য কবি বা সাহিত্যিক নন। মনে রাখার টিপস: হামজা কাব্যের হাত ধরে গরিব কবি ফকির গরীবুল্লাহর নাম অমর হয়ে আছে।
a শূণ্যতায়
b তরল পদার্থে
c বায়বীয় পদার্থে
d কঠিন পদার্থে
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বায়বীয় পদার্থে কেন সঠিক: - শব্দের বেগ মাধ্যমের ঘনত্বের ওপর নির্ভর করে এবং বায়বীয় পদার্থের ঘনত্ব কঠিন বা তরল পদার্থের চেয়ে অনেক কম। - অণুগুলোর দূরত্ব বেশি থাকায় বায়বীয় মাধ্যমে শব্দ তরঙ্গ ধীরগতিতে চলাচল করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শূণ্যতায় — শব্দ সঞ্চালনের জন্য মাধ্যম প্রয়োজন কিন্তু শূন্য মাধ্যমে কোনো জড় মাধ্যম না থাকায় শব্দের গতি শূন্য বা শব্দ চলাচল করতে পারে না। B) তরল পদার্থে — তরল পদার্থের অণুগুলো বায়বীয় পদার্থের চেয়ে কাছাকাছি থাকে, তাই এখানে শব্দের গতি বায়বীয় মাধ্যমের চেয়ে বেশি হয়। C) বায়বীয় পদার্থে — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ বায়বীয় মাধ্যমে অণুগুলোর ব্যবধান বেশি থাকায় শব্দের গতি সবচেয়ে কম হয়। D) কঠিন পদার্থে — কঠিন পদার্থের অণুগুলোর পারস্পরিক দূরত্ব সবচেয়ে কম এবং ঘনত্ব বেশি থাকায় এখানে শব্দের গতি সব মাধ্যমের চেয়ে সবচেয়ে বেশি হয়। মনে রাখার টিপস: শব্দের গতি মনে রাখার সহজ নিয়ম হলো কঠিন মাধ্যমে সবচেয়ে বেশি, তরলে মাঝারি এবং বায়বীয় মাধ্যমে সবচেয়ে কম।
a প্রতিফলন
b প্রতিধ্বনি
c প্রতিসরণ
d প্রতিসরাঙ্ক
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্রতিধ্বনি কেন সঠিক: - শব্দের প্রতিফলন বা প্রতিধ্বনি ব্যবহার করে সমুদ্রের গভীরতা মাপা হয়, যাকে সোনার প্রযুক্তি বলা হয়। - সমুদ্রের তলদেশে শব্দ পাঠিয়ে তা ফিরে আসতে লাগা সময় হিসাব করে গভীরতা নির্ণয় করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রতিফলন — এটি আলোর ক্ষেত্রে ঘটে এবং এটি নিজেই গভীরতা নির্ণয়ের সরাসরি পদ্ধতি নয়। B) প্রতিধ্বনি — এই অপশনটি সঠিক কারণ শব্দের ফিরে আসার মাধ্যমেই সমুদ্রের গভীরতা মাপা হয়। C) প্রতিসরণ — এটি আলো বা শব্দের মাধ্যম পরিবর্তনের ঘটনা, গভীরতা মাপার কাজে এটি সরাসরি ব্যবহৃত হয় না। D) প্রতিসরাঙ্ক — এটি আলোর গতি পরিবর্তনের অনুপাত নির্দেশ করে, যা গভীরতার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: গভীরতা মাপতে শব্দের প্রতিধ্বনি লাগে, তাই প্রতিধ্বনি মনে রাখুন।
a প্রথম নাথ বিশী
b প্রমথ চৌধুরী
c প্রেমেন্দ্র মিত্র
d প্রথম নাথ বসু
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্রমথ চৌধুরী কেন সঠিক: - প্রমথ চৌধুরী বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবর্তক ও বিখ্যাত প্রাবন্ধিক। - তিনি তার রচনায় 'বীরবল' ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন এবং তার সম্পাদিত পত্রিকার নাম ছিল সবুজপত্র। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রথম নাথ বিশী — এটি একটি বিভ্রান্তিকর নাম এবং তিনি এই ছদ্মনামে লিখতেন না। B) প্রমথ চৌধুরী — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন কোনো ভুল কারণ নেই। C) প্রেমেন্দ্র মিত্র — তিনি বাংলা সাহিত্যের একজন জনপ্রিয় কবি ও কথাসাহিত্যিক হলেও বীরবল ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন না। D) প্রথম নাথ বসু — এটি একটি কাল্পনিক বা ভুল অপশন এবং তিনি এই ছদ্মনামের সঙ্গে সম্পর্কিত নন। মনে রাখার টিপস: প্রমথ চৌধুরীর সবুজপত্রে বীরবল নামে লেখা প্রকাশ পেত, এভাবে প্র ও ব দিয়ে নাম দুটি মনে রাখতে পারেন।
a তিতুমির
b ফকির মজনু শাহ
c দুদু মিয়া
d হাজী শরীয়তুল্লাহ
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দুদু মিয়া কেন সঠিক: - দুদু মিয়া ফরায়েজী আন্দোলনের অন্যতম নেতা হাজী শরীয়তুল্লাহর পুত্র এবং এই আন্দোলনের প্রভাবশালী সংস্কারক ছিলেন। - তিনি জমিদারদের বিরুদ্ধে কৃষকদের সংগঠিত করেন এবং ঘোষণা করেন যে জমি থেকে খাজনা আদায় আল্লাহর আইনের পরিপন্থী। বাকি অপশন কেন ভুল: A) তিতুমির — তিনি মূলত ব্রিটিশ নীলকর ও স্থানীয় জমিদারদের শোষণের বিরুদ্ধে বারাসাতের নারকেলবাড়িয়ায় বাঁশের কেল্লা নির্মাণ করে সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। B) ফকির মজনু শাহ — তিনি উত্তরবঙ্গের ব্রিটিশ বিরোধী ফকির-সন্ন্যাস আন্দোলনের একজন অন্যতম প্রধান ও সাহসী বিদ্রোহী নেতা ছিলেন। D) হাজী শরীয়তুল্লাহ — তিনি ফরায়েজী আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা হলেও খাজনা আদায় আল্লাহর আইনের পরিপন্থী বলে ঐতিহাসিক ঘোষণাটি দুদু মিয়া দিয়েছিলেন। মনে রাখার টিপস: খাজনা আদায় আল্লাহর আইনের পরিপন্থী— এই কঠোর ঘোষণাটি ফরায়েজী আন্দোলনের দ্বিতীয় নেতা দুদু মিয়া দিয়েছিলেন।
a প্রথম সোমবার
b দ্বিতীয় সোমবার
c তৃতীয় সোমবার
d চতুর্থ সোমবার
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্রথম সোমবার কেন সঠিক: - জাতিসংঘের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রতি বছর অক্টোবর মাসের প্রথম সোমবার বিশ্ব প্রতিবেশ দিবস বা ওয়ার্ল্ড হ্যাবিট্যাট ডে পালিত হয়। - ১৯৮৫ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ এই দিনটিকে বিশ্ব প্রতিবেশ দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেয় এবং ১৯৮৬ সাল থেকে এটি নিয়মিত পালিত হয়ে আসছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রথম সোমবার — এটি সঠিক উত্তর কারণ বিশ্ব প্রতিবেশ দিবস অক্টোবর মাসের প্রথম সোমবার নির্দিষ্ট করা হয়েছে। B) দ্বিতীয় সোমবার — এই দিনে বিশ্ব প্রতিবেশ দিবস পালিত হয় না, তবে অক্টোবর মাসের দ্বিতীয় বৃহস্পতিবার বিশ্ব দৃষ্টি দিবস পালিত হয়। C) তৃতীয় সোমবার — এই দিনটিতে আন্তর্জাতিক কোনো নির্দিষ্ট প্রধান বিশ্ব দিবস পালিত হয় না। D) চতুর্থ সোমবার — অক্টোবর মাসের চতুর্থ সোমবার বিশ্ব প্রতিবেশ দিবসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: অক্টোবরের শুরুতেই আবাসন বা প্রতিবেশের কথা মনে রাখতে হবে, তাই মাস শুরু হওয়ার প্রথম সোমবারই বিশ্ব প্রতিবেশ দিবস।
a উড্ডয়ন সংক্রান্ত বিষয়াদী
b পাখি পালন বিষয়াদি
c বাজ পাখি পালন বিষয়াদি
d উড়োজাহাজ ব্যবস্হাপনা
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পাখি পালন বিষয়াদি কেন সঠিক: - এভিকালচার হলো পাখি পালন এবং প্রজনন সম্পর্কিত বিজ্ঞান বা চর্চা। - এর মাধ্যমে বিভিন্ন প্রজাতির পাখির রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচর্যা করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) উড্ডয়ন সংক্রান্ত বিষয়াদী — এটি বিমানের উড্ডয়ন বা এভিয়েশন সম্পর্কিত, পাখি পালনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) পাখি পালন বিষয়াদি — এটি সঠিক কারণ এভিকালচার বলতে পাখি পালন ও পরিচর্যা বোঝায়। C) বাজ পাখি পালন বিষয়াদি — এটি বিশেষায়িত পাখি পালন হলেও সাধারণ অর্থে এভিকালচার সমস্ত পাখি পালনকে নির্দেশ করে। D) উড়োজাহাজ ব্যবস্হাপনা — এটি এভিয়েশন ম্যানেজমেন্ট বা বিমান চলাচল ব্যবস্থাপনা নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি শব্দ এভিয়েশন মানে বিমান চলাচল হলেও এভিকালচার শব্দটি এসেছে ল্যাটিন এভিস থেকে যার অর্থ পাখি।
a সাদা
b কালো
c লাল
d ধূসর
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কালো কেন সঠিক: - কালো রঙের বস্তু যেকোনো আলো বা তাপ খুব দ্রুত শোষণ করে এবং বিকিরণ করতে পারে। - তাপ দ্রুত বিকিরণ করার ক্ষমতার কারণে কালো কাপের চা চারপাশের পরিবেশে দ্রুত তাপ ছেড়ে দিয়ে তাড়াতাড়ি ঠান্ডা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাদা — সাদা রং তাপ শোষণ ও বিকিরণ কম করে, তাই সাদা কাপে চা দেরিতে ঠান্ডা হয়। B) কালো — এটি সঠিক উত্তর কারণ কালো কাপ দ্রুত তাপ বিকিরণ করে চা ঠান্ডা করে। C) লাল — লাল রঙের কাপ তাপ শোষক বা বিকিরক হিসেবে কালো রঙের মতো অতটা কার্যকরী নয়। D) ধূসর — ধূসর রঙের তাপ শোষণ ও বিকিরণের ক্ষমতা সাদা ও কালোর মাঝামাঝি হওয়ায় চা মাঝারি গতিতে ঠান্ডা হয়। মনে রাখার টিপস: কালো রং তাপ যেমন দ্রুত শোষণ করে, তেমনি খুব দ্রুত তাপ ছেড়েও দিতে পারে।
a IBRD
b IDA
c IMF
d IFC
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) IMF কেন সঠিক: - বিশ্বব্যাংক বা ওয়ার্ল্ড ব্যাংক গ্রুপ মোট পাঁচটি আন্তঃসরকারি প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে গঠিত, যার মধ্যে IMF বা আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল অন্তর্ভুক্ত নয়। - IMF জাতিসংঘের একটি স্বাধীন বিশেষায়িত সংস্থা, যা বিশ্বব্যাংকের সহযোগী হিসেবে ১৯৪৫ সাল থেকে আলাদাভাবে বৈশ্বিক আর্থিক নীতিনির্ধারণে কাজ করছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) IBRD — এটি বিশ্বব্যাংকের মূল ও প্রধান অঙ্গ প্রতিষ্ঠান, যা উন্নয়নশীল দেশগুলোকে দীর্ঘমেয়াদী ঋণ ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করে। B) IDA — এটি বিশ্বব্যাংকের আরেকটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান, যা বিশ্বের দরিদ্রতম দেশগুলোকে অত্যন্ত সহজ শর্তে ও সুদমুক্ত ঋণ প্রদান করে থাকে। C) IMF — এটি বিশ্বব্যাংকের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান নয়, বরং এটি একটি স্বাধীন আন্তর্জাতিক আর্থিক সংস্থা যা বিশ্ব অর্থনীতিকে স্থিতিশীল রাখতে কাজ করে। D) IFC — এটি বিশ্বব্যাংকের একটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান, যা উন্নয়নশীল দেশের বেসরকারি খাতের শিল্পপ্রতিষ্ঠানে সরাসরি বিনিয়োগ ও ঋণ প্রদান করে। মনে রাখার টিপস: বিশ্বব্যাংকের পাঁচটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান মনে রাখার সংক্ষিপ্ত রূপ হলো আইবিআরডি, আইডিএ, আইএফসি, মিগা এবং আইসিএসআইডি। এর বাইরে থাকা আইএমএফ স্বাধীন একটি সংস্থা।
a টি এস পি
b ইউরিয়া
c পটাশ
d অ্যামোনিয়া
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ইউরিয়া কেন সঠিক: - ঘোড়াশাল সার কারখানা বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রধান ভারী শিল্প প্রতিষ্ঠান যা মূলত নাইট্রোজেনসমৃদ্ধ ইউরিয়া সার উৎপাদন করে। - এই কারখানায় প্রাকৃতিক গ্যাসকে কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার করে ইউরিয়া সার উৎপাদন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) টি এস পি — এটি ট্রিপল সুপার ফসফেট সার, যা ফসফরাসের চাহিদা পূরণের জন্য উৎপাদিত হয় এবং ঘোড়াশাল কারখানায় এটি তৈরি হয় না। B) ইউরিয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই কারখানা থেকে প্রধানত ইউরিয়া সারই উৎপাদিত হয়। C) পটাশ — এটি পটাসিয়ামসমৃদ্ধ সার, যা প্রধানত আমদানি করা হয় এবং ঘোড়াশাল কারখানায় উৎপাদিত হয় না। D) অ্যামোনিয়া — এটি ইউরিয়া সার উৎপাদনের কাঁচামাল বা মধ্যবর্তী উপাদান, তবে কারখানার চূড়ান্ত উৎপাদিত বাণিজ্যিক সার হলো ইউরিয়া। মনে রাখার টিপস: ঘোড়াশাল নাম শুনলেই মাথায় রাখবে দেশের সবচেয়ে পরিচিত ইউরিয়া সার উৎপাদনকারী কেন্দ্রের কথা।
a ১২ অক্টোবর,১৯৭২
b ১৬ ডিসেম্বর,১৯৭২
c ২৬ মার্চ,১৯৭৩
d ১৬ ডিসেম্বর,১৯৭৪
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১২ অক্টোবর,১৯৭২ কেন সঠিক: - গণপরিষদে সংবিধান বিল প্রথম উত্থাপন করেন আইনমন্ত্রী ড. কামাল হোসেন ১৯৭২ সালের ১২ অক্টোবর। - এই বিল উত্থাপনের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশের সাংবিধানিক যাত্রার আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১২ অক্টোবর,১৯৭২ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দিনেই সংবিধান বিল গণপরিষদে উত্থাপিত হয়েছিল। B) ১৬ ডিসেম্বর,১৯৭২ — এটি ভুল উত্তর কারণ এই তারিখে বাংলাদেশের প্রথম সংবিধান কার্যকর করা হয়েছিল। C) ২৬ মার্চ,১৯৭৩ — এটি ভুল উত্তর কারণ এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের তারিখ। D) ১৬ ডিসেম্বর,১৯৭৪ — এটি ভুল উত্তর কারণ এই তারিখে বিজয়ের দুই বছর পূর্তি উদযাপিত হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: সংবিধান উত্থাপন করেছিলেন ড. কামাল হোসেন ১৯৭২ সালের বারো অক্টোবর।
a লাল
b সবুজ
c নীল
d বেগুনি
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বেগুনি কেন সঠিক: - দৃশ্যমান আলোর বর্ণালীতে বেগুনি রঙের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম এবং লাল রঙের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি। - বেগুনি আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য প্রায় চারশত ন্যানোমিটারের কাছাকাছি হয়ে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লাল — দৃশ্যমান বর্ণালীতে এই রঙের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি থাকে। B) সবুজ — এর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য লাল ও বেগুনি রঙের মাঝামাঝি মানের হয়ে থাকে। সি) নীল — এর তরঙ্গ দৈর্ঘ্যুুু সবুজ অপেক্ষা কম হলেও বেগুনি অপেক্ষা বেশি। D) বেগুনি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সর্বনিম্ন। মনে রাখার টিপস: দৃশ্যমান আলোর বর্ণালীতে বেগুনি থেকে লাল রঙের দিকে গেলে তরঙ্গ দৈর্ঘ্য ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে।
a গাড়ির মধ্যেই বসে থাকবেন
b কোন গাছের তলায় আশ্যয় নিবেন
c বাইরে এসে মাটিতে উপুড় হয়ে শুয়ে পড়বেন
d বাইরে এসে আকাশের দিকে মুখ করে দাড়িয়ে থাকবেন
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) গাড়ির মধ্যেই বসে থাকবেন কেন সঠিক: - ধাতব কাঠামো দিয়ে ঘেরা গাড়ি ফ্যারাডে কেজ হিসেবে কাজ করে, যা বজ্রপাতের বৈদ্যুতিক আধানকে বাইরের অংশ দিয়ে মাটিতে প্রবাহিত করে। - গাড়ির কাঁচের জানালা বন্ধ রাখলে ভিতরের যাত্রীরা সম্পূর্ণ নিরাপদ থাকেন এবং সরাসরি বজ্রপাতের আঘাত থেকে রক্ষা পান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গাড়ির মধ্যেই বসে থাকবেন — এটি সঠিক পদ্ধতি কারণ ধাতব বডি যাত্রীদের সুরক্ষার জন্য ফ্যারাডে কেজ হিসেবে কাজ করে। B) কোন গাছের তলায় আশ্যয় নিবেন — এটি ভুল কারণ বজ্রপাত সাধারণত উঁচু গাছে আঘাত করে এবং গাছের নিচে দাঁড়ালে মৃত্যুর ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যায়। C) বাইরে এসে মাটিতে উপুড় হয়ে শুয়ে পড়বেন — এটি ভুল কারণ মাটিতে শুয়ে পড়লে গ্রাউন্ড কারেন্ট বা ভূগর্ভস্থ বিদ্যুতের প্রবাহে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। D) বাইরে এসে আকাশের দিকে মুখ করে দাড়িয়ে থাকবেন — এটি অত্যন্ত বিপজ্জনক কারণ খোলা আকাশের নিচে দাঁড়িয়ে থাকলে সরাসরি বজ্রপাতে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। মনে রাখার টিপস: বজ্রপাতের সময় খোলা আকাশ বা গাছের নিচে নয়, বরং ধাতব গাড়ির ভেতরে থাকা সবচেয়ে নিরাপদ।
a বাংলা ১০৭৬
b বাংলা ১১৭৬
c বাংলা ১৩৭৬
d ইংরেজি ১৮৭৬
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বাংলা ১১৭৬ কেন সঠিক: - বাংলার ১৭৭০ (ইংরেজিতে ১৭৬৯ থেকে ১৭৭০) সালে সংঘটিত এই ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ বাংলা সন অনুযায়ী ১১৭৬ সালে ঘটেছিল। - এই দুর্ভিক্ষে বাংলার প্রায় এক তৃতীয়াংশ মানুষ মারা গিয়েছিল এবং এটি ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের প্রাথমিক পর্যায়ের একটি ভয়াবহ ট্রাজেডি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাংলা ১০৭৬ — এই সালে এমন কোনো ঐতিহাসিক বা পরিচিত মন্বন্তর বা দুর্ভিক্ষ ঘটেছিল বলে ইতিহাসে উল্লেখ নেই। B) বাংলা ১১৭৬ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই বাংলা সালেই বাংলার ইতিহাসে বিখ্যাত ছিয়াত্তরের মন্বন্তর ঘটেছিল। C) বাংলা ১৩৭৬ — এই সালটি সঠিক নয়, কারণ এর প্রায় দুই শ বছর আগে ছিয়াত্তরের মন্বন্তর সংঘটিত হয়েছিল। D) ইংরেজি ১৮৭৬ — এটি ইংরেজি সাল এবং ভুল, কারণ মন্বন্তরটি ঘটেছিল ১৭৭০ সালের দিকে যার বাংলা সন ছিল ১১৭৬। মনে রাখার টিপস: ছিয়াত্তরের মন্বন্তর মনে রাখতে নামের 'ছিয়াত্তর' সংখ্যাটিকে বাংলা সন ১১৭৬ এর শেষ অংশের সঙ্গে মিলিয়ে মনে রাখা যায়।
a উয়েন
b পেসো
c ইউয়ান
d উয়ন
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উয়ন কেন সঠিক: - দক্ষিণ কোরিয়ার আনুষ্ঠানিক ও প্রচলিত মুদ্রার নাম দক্ষিণ কোরিয়ান উয়ন। - আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে এবং দেশটির অর্থনীতিতে এই মুদ্রা ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) উয়েন — এটি জাপানের সরকারি মুদ্রার নাম, দক্ষিণ কোরিয়ার নয়। B) পেসো — এটি ফিলিপাইন, আর্জেন্টিনা ও মেক্সিকোসহ কয়েকটি দেশের মুদ্রার নাম। C) ইউয়ান — এটি চীনের সরকারি এবং প্রধান মুদ্রার নাম। D) উয়ন — এটি দক্ষিণ কোরিয়ার সঠিক ও নির্দিষ্ট মুদ্রার নাম। মনে রাখার টিপস: কোরিয়া জয় করতে মন উয়ে, মুদ্রা হিসেবে মনে রাখুন উয়ন।
a স্পেন
b বলজিয়াম
c নাইজেরিয়া
d মঙ্গোলিয়া
0 95 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) স্পেন কেন সঠিক: - ক্যাটালোনিয়া স্পেনের একটি উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল এবং সেখানকার প্রধান ভাষা ক্যাটালান। - স্প্যানিশ ভাষার পাশাপাশি ক্যাটালান ভাষা স্পেনের সরকারি ও আঞ্চলিক ভাষার মর্যাদা ভোগ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্পেন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দেশের ক্যাটালোনিয়া অঞ্চলে ক্যাটালান ভাষা প্রচলিত। B) বলজিয়াম — এই দেশের প্রধান ভাষা মূলত ডাচ, ফ্রেঞ্চ ও জার্মান, ক্যাটালান নয়। C) নাইজেরিয়া — এই দেশের প্রধান ভাষা ইংরেজি এবং স্থানীয়ভাবে হাউসা, ইওরুবা ও ইগবো প্রচলিত। D) মঙ্গোলিয়া — এই দেশের প্রধান ও রাষ্ট্রভাষা হলো মঙ্গোলিয়ান। মনে রাখার টিপস: স্পেনের বিখ্যাত ফুটবল ক্লাব বার্সেলোনা যে অঞ্চলে অবস্থিত, সেখানকার প্রধান ভাষা হলো ক্যাটালান।
a পুকুরে
b বিলে
c নদীতে
d সাগরে
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সাগরে কেন সঠিক: - সাগরের পানিতে লবণ ও বিভিন্ন খনিজের পরিমাণ বেশি থাকায় এর ঘনত্ব সাধারণ পানির চেয়ে বেশি হয়। - ঘনত্ব বেশি হওয়ার কারণে আর্কিমিডিসের সূত্রানুসারে সাগরের পানির প্লবতা বা ঊর্ধ্বমুখী ধাক্কা বেশি থাকে, যা শরীরকে সহজে ভাসিয়ে রাখে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পুকুরে — পুকুরের পানি মিষ্টি বা মৃদু পানি হওয়ায় এর ঘনত্ব ও প্লবতা সাগরের পানির তুলনায় কম থাকে। B) বিলে — বিলের পানি সাধারণত আবদ্ধ ও মিষ্টি পানি হওয়ায় এতে সাঁতার কাটার সময় শরীর সহজে ভাসতে চায় না। C) নদীতে — নদীর পানি মিষ্টি পানি এবং এর স্রোত ও কম ঘনত্বের কারণে সাঁতার কাটা সাগরের চেয়ে অপেক্ষাকৃত বেশি কঠিন। D) সাগরে — এটি সঠিক উত্তর কারণ সাগরের লবণাক্ত পানির ঘনত্ব ও প্লবতা সবচেয়ে বেশি। মনে রাখার টিপস: লবণাক্ত পানিতে প্লবতা বেশি থাকে, তাই মিষ্টি পানির চেয়ে সাগরে সাঁতার কাটা সহজ।
a ১ কিলোগ্রাম
b ১০কিলোগ্রাম
c ১০০ কিলোগ্রাম
d ১০০০ কিলোগ্রাম
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১০০ কিলোগ্রাম কেন সঠিক: - কুইন্টাল হলো ওজনের পরিমাপের একটি ঐতিহ্যবাহী একক যা ১০০ কিলোগ্রামের সমপরিমাণ হিসেবে নির্ধারিত। - আন্তর্জাতিক একক পদ্ধতিতে (SI) কৃষিপণ্য বা ওজনের হিসাবের ক্ষেত্রে ১ কুইন্টাল সমান সমান ১০০ কিলোগ্রাম ধরা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১ কিলোগ্রাম — এটি কুইন্টালের সমপরিমাণ নয়, বরং এটি একক কিলোগ্রামের নিজস্ব মান। B) ১০ কিলোগ্রাম — এই পরিমাপটি এক কুইন্টালের দশ ভাগের এক ভাগ মাত্র, যা সঠিক নয়। C) ১০০ কিলোগ্রাম — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে গণ্য। D) ১০০০ কিলোগ্রাম — এক হাজার কিলোগ্রাম মিলে এক মেট্রিক টন হয়, কুইন্টাল নয়। মনে রাখার টিপস: শব্দটি মনে রাখুন এভাবে: শতক থেকে শত, আর এক কুইন্টাল মানেই হলো ঠিক ১০০ কিলোগ্রাম।