বাংলাদেশ  সিভিল সার্ভিস (BCS)

১৭ তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা ১৯৯৫

পদের নাম: বিভিন্ন পদ (৯ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (99)

a প্রাদিসমাস
b ব্যাতিহার বহূব্রীহি সমাস
c তৎপুরুষ সমাস
d কর্মধারয় সমাস
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ব্যাতিহার বহূব্রীহি সমাস ১. কেন সঠিক: - পদ দুটির মধ্যে পারস্পরিক ক্রিয়ার অর্থে যে বহূব্রীহি সমাস হয়, তাকে ব্যাতিহার বহূব্রীহি সমাস বলে। - এখানে লাঠিতে লাঠিতে যে লড়াই, তা বোঝাতে পারস্পরিক বা বিনিময় অর্থে 'লাঠালাঠি' শব্দটি গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বহূব্রীহি সমাসের একটি বিশেষ রূপ হলো ব্যাতিহার বহূব্রীহি, যেখানে একই শব্দের দ্বিরুক্তি ঘটে এবং পারস্পরিক সংঘর্ষ বা বিনিময় বোঝায়। - এই সমাসের ব্যাসবাক্য সাধারণত পূর্বপদে 'এ' কার এবং উত্তর পদে 'এ' কার যুক্ত হয়ে গড়ে ওঠে, যেমন লাঠিতে লাঠিতে = লাঠালাঠি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কোলাকুলি ব্যাখ্যা: বুকে বুকে যে মিলন, তা বোঝাতে পারস্পরিক অর্থে এটি ব্যাতিহার বহূব্রীহি সমাসের উদাহরণ। উদাহরণ ২: গলাগলি ব্যাখ্যা: গলায় গলায় যে ধরা বা ভাব, তা বোঝাতে এই শব্দটি ব্যাতিহার বহূব্রীহি সমাসে সাধিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রাদিসমাস — প্রাদি উপসর্গ পূর্বে বসে যে সমাস হয় তা এটি নয়, কারণ এখানে উপসর্গ যুক্ত শব্দ নেই। C) তৎপুরুষ সমাস — তৎপুরুষ সমাসে বিভক্তির লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়, যা এই পদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। D) কর্মধারয় সমাস — কর্মধারয় সমাসে বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে নতুন অর্থ প্রকাশ পায়, যা এখানে নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - পারস্পরিক বোঝাপড়া, মারামারি বা একই কাজের বিনিময় বোঝালে চোখ বন্ধ করে ব্যাতিহার বহূব্রীহি সমাস দাগাবে। - শব্দগুলোর মাঝে সাধারণত 'আ' কার এবং শেষে 'ই' যুক্ত থাকে যেমন হাতাহাতি, কানাকানি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় হাতাহাতি, কোলাকুলি, গলাগলি শব্দগুলো প্রায়ই সমাস নির্ণয়ের জন্য আসে। - একই শব্দের পুনরাবৃত্তি দেখে দ্বন্ধ সমাস মনে হলেও পারস্পরিক বোঝাতে এগুলো সর্বদা বহূব্রীহি সমাস হবে।
a দৌলত উজীর বাহরাম খান
b সৈয়দ সুলতান
c আব্দুল করিম সাহিত্যবিশারদ
d আলাওল
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আলাওল ১. কেন সঠিক: মহাকবি আলাওল ষোড়শ শতকের সুফি কবি মালিক মুহম্মদ জায়সী রচিত হিন্দি পদ্মাবত কাব্যের ভাবানুবাদ হিসেবে সপ্তদশ শতকে পদ্মাবতী কাব্য রচনা করেন। আলাওলের এই কাব্যটি বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও জনপ্রিয় একটি নিদর্শন হিসেবে বিবেচিত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: আলাওল মধ্যযুগের আরাকান রাজসভার শ্রেষ্ঠ বাঙালি কবি হিসেবে ব্যাপকভাবে পরিচিত এবং তিনি রোসাঙ্গ বা আরাকান রাজসভার কাপ্তান মাগন ঠাকুরের পৃষ্ঠপোষকতায় কাব্যচর্চা করেন। পদ্মাবতী কাব্যে রাটিন ও পদ্মাবতীর প্রেম এবং চিতোর ধ্বংসের কাহিনীর সাথে আধ্যাত্মিক সুফিবাদের অপূর্ব মিশ্রণ ঘটেছে যা মধ্যযুগের সাহিত্যে অনন্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সতী ময়না ও লোরচন্দ্রানী ব্যাখ্যা: এটি দৌলত কাজীর একটি বিখ্যাত রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান যা বাংলা মুসলিম সাহিত্য ধারার প্রাচীন নিদর্শন। উদাহরণ ২: ইউসুফ জোলেখা ব্যাখ্যা: শাহ মুহম্মদ গরিবুল্লাহ রচিত মধ্যযুগের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি প্রণয়মূলক কাব্য যা ফার্সি সাহিত্যের অনুসরণে রচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দৌলত উজীর বাহরাম খান — ইনি মধ্যযুগের একজন কবি যিনি লাইলি মজনু কাব্য রচনা করেন এবং এটি হিন্দি পদ্মাবত কাব্যের অবলম্বনে রচিত নয়। B) সৈয়দ সুলতান — ইনি মধ্যযুগের একজন বিশিষ্ট পুথি সাহিত্যিক ও পীর যিনি নবী বংশ এবং রাসুল বিজয় কাব্য রচনা করেন। C) আব্দুল করিম সাহিত্যবিশারদ — ইনি মধ্যযুগের বাংলা পুথি আবিষ্কার ও সংরক্ষণের জন্য বিখ্যাত একজন গবেষক ও সাহিত্য সংগ্রাহক। D) আলাওল — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি হিন্দি পদ্মাবত অবলম্বনে পদ্মাবতী কাব্য রচনা করেন। ৫. মনে রাখার টিপস: পদ্মাবত হিন্দি কাব্য আর পদ্মাবতী বাংলা কাব্য, এই দুটি নামের পার্থক্য মনে রাখলেই আলাওলের অবদান সহজে চিহ্নিত করা যায়। আলাওল মানেই আরাকান রাজসভা এবং হিন্দি পদ্মাবতের সফল বাংলা রূপান্তরকারী কবি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মধ্যযুগের কবি আলাওল সম্পর্কে বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন প্রায়ই আসে, বিশেষ করে তার পৃষ্ঠপোষক মাগন ঠাকুর ও আরাকান রাজসভা সম্পর্কে জানা আবশ্যক। একইভাবে দৌলত কাজী ও আলাওলের যৌথ অবদানের কাব্য সতী ময়না ও লোরচন্দ্রানী সম্পর্কেও স্পষ্ট ধারণা রাখতে হবে।
a ১৮৪১ সালে
b ১৮৪২ সালে
c ১৮৫০ সালে
d ১৮৪৩ সালে
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৮৪৩ সালে ১. কেন সঠিক: তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয় বাংলা ১২৫০ সালের ৭ই অগ্রহায়ণ, যা ইংরেজি ১৮৪৩ সালের ১৬ই আগস্ট। এই পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং প্রথম সম্পাদক ছিলেন অক্ষয় কুমার দত্ত। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা সাহিত্যের উনিশ শতকের নবজাগরণে তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক। ব্রাহ্মসমাজ ও তত্ত্ববোধিনী সভার মুখপত্র হিসেবে প্রকাশিত এই পত্রিকা বাংলা ভাষা ও সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করতে বিশেষ অবদান রাখে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সমাচার দর্পণ ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার প্রথম সাপ্তাহিক সংবাদপত্র যা ১৮১৮ সালে প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: বঙ্গদর্শন ব্যাখ্যা: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় সম্পাদিত এই সাহিত্য পত্রিকা ১৮৭২ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৮৪১ সালে — এটি সঠিক সাল নয় কারণ সে সময় পত্রিকাটির কোনো অস্তিত্ব ছিল না। B) ১৮৪২ সালে — এই সালে তত্ত্ববোধিনী সভা প্রতিষ্ঠিত হলেও পত্রিকা প্রকাশিত হয়নি। C) ১৮৫০ সালে — এই সালটি পত্রিকার প্রকাশকাল নয়, যদিও তখন অক্ষয় কুমার দত্ত এর সম্পাদক ছিলেন। D) ১৮৪৩ সালে — এটিই পত্রিকার প্রথম প্রকাশের সঠিক সাল ও ঐতিহাসিক সত্য। ৫. মনে রাখার টিপস: দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৮৩৯ সালে তত্ত্ববোধিনী সভা গঠন করেন এবং তার চার বছর পর ১৮৪৩ সালে পত্রিকা প্রকাশ করেন। এভাবে সাল দুটি মনে রাখতে পারেন যে সভার চার বছর পর পত্রিকার জন্ম হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা, প্রথম সম্পাদক এবং প্রকাশের সাল জানতে চাওয়া হয়। তাই দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর ও অক্ষয় কুমার দত্তের নাম এবং ১৮৪৩ সাল ভালোভাবে মনে রাখা জরুরি।
a স্বরবৃত্ত
b পয়ার
c মাত্রাবৃত্ত
d অক্ষরবৃত্ত
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) স্বরবৃত্ত ১. কেন সঠিক: - স্বরবৃত্ত ছন্দের মূল পর্বের মাত্রা সংখ্যা সাধারণত চার হয়, যা একে বাংলা কবিতার দ্রুত লয়ের ছন্দে পরিণত করে। - এই ছন্দে স্বরধ্বনি বা অক্ষর গুনে মাত্রা নির্ধারণ করা হয় এবং এর আদি রূপ পাওয়া যায় বাংলা লোকসাহিত্যে ও ছড়ায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ছন্দের প্রধান রূপ তিনটি, যার মধ্যে স্বরবৃত্ত ছন্দে ঝোঁক বা শ্বাসাঘাত প্রধান ভূমিকা পালন করে থাকে। - লোকসাহিত্য, ছড়া এবং আধুনিক কবিতার অনেক ক্ষেত্রে এই চার মাত্রার পর্ববিশিষ্ট স্বরবৃত্ত ছন্দ সফলভাবে ব্যবহৃত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: খোকন খোকন ডাক পাড়ি, খোকন রে তুই ঘরে আয়। ব্যাখ্যা: এটি স্বরবৃত্ত ছন্দের একটি জনপ্রিয় উদাহরণ, যেখানে প্রতিটি পর্বে চার মাত্রা রয়েছে। উদাহরণ ২: আয় রে আয় ঝন্টু, আমাদের কাঁঠাল তলা টন্টু। ব্যাখ্যা: এই ছড়ার লাইনটিতেও স্বরবৃত্ত ছন্দের চার মাত্রার বৈশিষ্ট্য স্পষ্টভাবে বজায় রয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্বরবৃত্ত — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই ছন্দের মূল পর্বের মাত্রা সংখ্যা চার। B) পয়ার — এটি অক্ষরবৃত্ত ছন্দের অপর নাম, যার পর্ব সাধারণত আট বা ছয় মাত্রার হয়। C) মাত্রাবৃত্ত — এই ছন্দের মূল পর্বের মাত্রা সংখ্যা সাধারণত পাঁচ, ছয় বা সাত মাত্রার হয়ে থাকে। D) অক্ষরবৃত্ত — এই ছন্দের সাধারণ পর্বের মাত্রা সংখ্যা আট মাত্রার হয়, যা স্বরবৃত্ত থেকে আলাদা। ৫. মনে রাখার টিপস: - স্বরবৃত্ত ছন্দ মনে রাখার সহজ উপায় হলো একে ছড়ার ছন্দ বলা এবং এর প্রতি পর্বের মাত্রা সংখ্যা চার। - মাত্রা গণনার সময় মনে রাখবে স্বরবৃত্তে চার, মাত্রাবৃত্তে ছয় এবং অক্ষরবৃত্তে আট মাত্রা প্রধানত থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ছন্দ থেকে প্রশ্ন আসলে পর্বের মাত্রা সংখ্যা ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে। - ছড়ার ছন্দ হিসেবে পরিচিত স্বরবৃত্ত ছন্দের অপর নাম দলবৃত্ত বা ছড়ার ছন্দ।
a রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
b মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান
c সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
d নির্মেলেন্দু গুণ
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত উদ্ধৃতিটি বাংলা সাহিত্যের প্রখ্যাত ছন্দপণ্ডিত কবি সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের বিখ্যাত দেশপ্রেমমূলক কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে। - এই কবিতার চরণে কবি বাংলাদেশের প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্য এবং মাটির প্রতি গভীর মমত্ববোধ অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত ছন্দের জাদুকর হিসেবে বাংলা সাহিত্যে পরিচিত এবং তিনি বহু বিদেশি ভাষার কবিতার সফল অনুবাদ করেছেন। - তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে কুহু ও কেকা, বেলা শেষের গান, বিদায়-আরতি এবং হসরেণু। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সব তীর্থ ঘুরে কেবলই দেখা মিলল না কানাই / মনে রাখিস এই দেশেতেই সকল তীর্থ ঠাঁই। ব্যাখ্যা: এই পঙক্তিটি থেকেও কবি সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের দেশপ্রেম ও মাতৃভূমির প্রতি গভীর ভক্তির প্রকাশ দেখতে পাওয়া যায়। উদাহরণ ২: জন্মভূমি যদি ছাড়িতে হয় কভু / কেঁদে ওঠে মন হায় ওহে বিশ্বপ্রভু। ব্যাখ্যা: মাতৃভূমির প্রতি মানুষের চিরন্তন টান ও ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে এই ধরনের দেশাত্মবোধক কবিতায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — ইনি বাংলা সাহিত্যের বিশ্বকবি হলেও এই নির্দিষ্ট চরণটি তাঁর কোনো কবিতার অংশ নয়। B) মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান — ইনি আধুনিক যুগের বিশিষ্ট কবি ও অধ্যাপক হলেও এই পঙক্তিটির রচিয়তা নন। D) নির্মলেন্দু গুণ — ইনি বর্তমানকালের প্রখ্যাত কবি হলেও এই বিখ্যাত দেশপ্রেমমূলক চরণের সঙ্গে তাঁর নাম জড়িত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - দেশের মাটি খাঁটি সোনার চেয়েও খাঁটি এমন উপমা যখনই কোনো কবিতায় দেখবে, তা ছন্দের জাদুকর সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের বলে মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিখ্যাত কবিতা ও সাহিত্যিক উদ্ধৃতি প্রায়ই আসে, তাই গুরুত্বপূর্ণ পঙক্তিগুলোর রচিয়তা ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
a ডঃ সুকুমার সেন
b ডঃ মুহাম্মাদ শহীদুল্লাহ
c ডঃ সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
d হরপ্রসাদ শাস্রী
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১. কেন সঠিক: মহ মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেন। তার এই আবিষ্কার বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস ও প্রাচীন রূপ উন্মোচনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম কাব্য তথা গান সংকলন যা বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের দ্বারা রচিত হয়েছিল। ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর সম্পাদনায় হাজার বছরের পুরানো পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় রচিত বৌদ্ধ গান ও দোহা নামে এটি প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চর্যাপদের প্রথম পদটি রচনা করেছেন লুইপা। ব্যাখ্যা: চর্যাপদের প্রথম পদ কা তরুবর পঞ্চ বি ডাল এর রচয়িতা লুইপা এবং তিনিই চর্যাপদের আদি কবি। উদাহরণ ২: চর্যাপদের মোট পদের সংখ্যা সাড়ে ছেচল্লিশটি। ব্যাখ্যা: আবিষ্কৃত পুথিতে সাড়ে ছেচল্লিশটি পদ পাওয়া গেলেও মূল পুথিতে কিছু অংশ নষ্ট থাকায় সম্পূর্ণ পদ উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডঃ সুকুমার সেন — তিনি চর্যাপদের ভাষা ও তত্ত্ব নিয়ে গবেষণা এবং সম্পাদনা করলেও আবিষ্কারক নন। B) ডঃ মুহাম্মাদ শহীদুল্লাহ — তিনি চর্যাপদের সময়কাল ও ভাষা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা করেছেন কিন্তু আবিষ্কারের সঙ্গে যুক্ত নন। C) ডঃ সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় — তিনি চর্যাপদের ভাষা ও ব্যাকরণ নিয়ে গবেষণা করে ওডিবিএল গ্রন্থ রচনা করেছেন। D) হরপ্রসাদ শাস্ত্রী — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি নেপাল থেকে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেছিলেন। ৫ মনে রাখার টিপস: চর্যাপদ আবিষ্কারের সঙ্গে হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর নাম মনে রাখতে হার মানবে না চর্যাপদ আবিষ্কারে এই কথাটি মনে রাখতে পারো। আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এবং প্রকাশনা বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ এই দুটি তথ্য ভালোভাবে মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: চর্যাপদ কোন ধর্মের সাধকদের সৃষ্টি এবং এর আবিষ্কার সাল কত তা বিসিএস পরীক্ষায় বারবার আসে। চর্যাপদের ভাষা সন্ধ্যাম ভাষা বা আলোআঁধারি ভাষা নামে পরিচিত যা পরীক্ষার্থীদের জন্য অত্যন্ত জরুরি তথ্য।
a প্রথম নাথ বিশী
b প্রমথ চৌধুরী
c প্রেমেন্দ্র মিত্র
d প্রথম নাথ বসু
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্রমথ চৌধুরী ১. কেন সঠিক: - প্রমথ চৌধুরী বাংলা সাহিত্যে চলতি ভাষারীতি প্রবর্তনে অনন্য ভূমিকা পালন করেন। - তিনি ছদ্মনামে লেখার মাধ্যমে বুদ্ধিবৃত্তিক ও রম্য প্রবন্ধ রচনায় নতুন ধারা সৃষ্টি করেছিলেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - প্রমথ চৌধুরী ছিলেন বিশ শতকের প্রথমার্ধের অন্যতম প্রধান বাঙালি প্রাবন্ধিক ও সাহিত্যিক। - তিনি ‘বীরবল’ ছদ্মনামে ১৯১৪ সালে প্রকাশিত ‘সবুজ পত্র’ পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবর্তন করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বীরবল ছদ্মনামে লেখা প্রমথ চৌধুরীর বিখ্যাত প্রবন্ধ গ্রন্থ 'বীরবলের হালখাতা'। ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থে তার ছদ্মনামের ব্যবহার এবং সাহিত্যিক রীতির অনন্য প্রকাশ ঘটেছে। উদাহরণ ২: তার আরেকটি বিখ্যাত প্রবন্ধ গ্রন্থ 'সোনালী নুড়ি'। ব্যাখ্যা: এটি তার মননশীল প্রবন্ধ রচনার একটি চমৎকার নিদর্শন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রথম নাথ বিশী — এটি একটি ভুল নাম এবং তিনি এই ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন না। B) প্রমথ চৌধুরী — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে কোনো ভুল নেই। C) প্রেমেন্দ্র মিত্র — তিনি একজন খ্যাতনামা কবি ও কথাসাহিত্যিক হলেও ‘বীরবল’ ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন না। D) প্রথম নাথ বসু — এটি একটি বিভ্রান্তিকর অপশন এবং সঠিক উত্তরের সঙ্গে এর কোনো মিল নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - প্রমথ চৌধুরী চৌধুরীর ‘চ’ এবং বীরবলের ‘ব’ মিলিয়ে মনে রাখতে পারো চৌধুরী মানে বীরবল। - সবুজ পত্র পত্রিকার সঙ্গে প্রমথ চৌধুরী ও তার বীরবল ছদ্মনাম ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ছদ্মনাম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - অন্যান্য বিখ্যাত ছদ্মনামের মধ্যে বনফুল (বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়) এবং কালকুট (সমরেশ বসু) ভালোভাবে পড়ে রাখবে।
a ষড় + ঋতু
b ষড় + ঋতু
c ষট + ঋতু
d ষট্ + ঋতু
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ষট্ + ঋতু ১. কেন সঠিক: - ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়মানুসারে বর্গের প্রথম বর্ণের পর স্বরবর্ণ থাকলে প্রথম বর্ণটি তার নিজ বর্গের তৃতীয় বর্ণে পরিণত হয়। - ষট্ শব্দের ট-বর্গের প্রথম বর্ণ ট পরিবর্তিত হয়ে ড বর্ণে রূপান্তরিত হয়ে ষড়ঋতু গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ক চ ট ত প এই পাঁচটি বর্ণের পর কোনো স্বরবর্ণ বা বর্গের তৃতীয় ও চতুর্থ বর্ণ কিংবা অন্তস্থ য র ল ব হ থাকলে প্রথম বর্ণটি নিজ বর্গের তৃতীয় বর্ণ অর্থাৎ যথাক্রমে গ জ ড দ ব হয়। - এই নিয়মে ট স্থানে ড হয়েছে এবং ঋতু শব্দের ঋ কার ড এর সঙ্গে যুক্ত হয়ে ঋ কার হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জগৎ + ঈশ = জগদীশ ব্যাখ্যা: ত-বর্গের প্রথম বর্ণ ত এর পর স্বরবর্ণ ঈ থাকায় ত পরিবর্তিত হয়ে দ হয়েছে এবং দীর্ঘ ঈ কার যুক্ত হয়েছে। উদাহরণ ২: দিক + অন্ত = দিগন্ত ব্যাখ্যা: ক-বর্গের প্রথম বর্ণ ক এর পর স্বরবর্ণ অ থাকায় ক পরিবর্তিত হয়ে গ হয়েছে এবং দিগন্ত শব্দ গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ষড় + ঋতু — এখানে প্রথম অংশে হসন্ত চিহ্ন না থাকায় এবং ব্যাকরণসম্মত মূল রূপ সঠিক না থাকায় এটি ভুল। B) ষড় + ঋতু — এই অপশনটি প্রথম অপশনের অনুরূপ এবং এতে প্রমিত বাংলা ব্যাকরণের ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম মানা হয়নি। C) ষট + ঋতু — এখানে ট এর নিচে হসন্ত বা খণ্ড ত এর সঠিক রূপ না থাকায় সন্ধির নিয়মের গঠন পূর্ণ হয়নি। D) ষট্ + ঋতু — এটি সঠিক কারণ এতে ব্যঞ্জনবর্ণের নিচে হসন্ত চিহ্ন ব্যবহার করে সন্ধির মূল রূপ সঠিকভাবে দেখানো হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - ব্যঞ্জনসন্ধির ক্ষেত্রে বর্গের প্রথম বর্ণের নিচে হসন্ত থাকা আবশ্যক তা মনে রাখবে। - স্বরবর্ণের মিলনে প্রথম বর্ণ কীভাবে পরিবর্তিত হয় তা বর্গের তালিকা দেখে চর্চা করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ব্যঞ্জনসন্ধির এই নিয়মটি প্রায়ই আসে। - জগদীশ বা দিগন্ত শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ একই নিয়মে অনুশীলন করতে পারো।
a তালিম হোসেন
b ফররুখ আহমদ
c গোলাম মোস্থফা
d আবুল হোসেন
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ফররুখ আহমদ ১. কেন সঠিক: - ‘সিরাজাম মুনীরা’ কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা হলেন প্রখ্যাত কবি ফররুখ আহমদ। - কাব্যটির নামকরণ করা হয়েছে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)-এর একটি বিশেষ গুণ বা উপমা থেকে, যার অর্থ দীপ্তিময় প্রদীপ। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ফররুখ আহমদ বিংশ শতাব্দীর বাঙালি মুসলিম সংস্কৃতির অন্যতম প্রধান কবি ও ইসলামী ভাবধারার শ্রেষ্ঠ কবি হিসেবে পরিচিত। - ১৯৫২ সালে প্রকাশিত ‘সিরাজাম মুনীরা’ তাঁর অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, যা সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতার এক অনন্য নিদর্শন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া উপজেলার মাজীয়ার জন্ম নেওয়া ফররুখ আহমদ বাংলা কাব্যে ইসলামী রেনেসাঁর প্রবক্তা। ব্যাখ্যা: তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ ‘সাত সাগরের মাঝি’ এবং ‘সিরাজাম মুনীরা’ বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছে। উদাহরণ ২: ফররুখ আহমদের আরেকটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ হলো ‘নাফসিয়া’। ব্যাখ্যা: এটিও তাঁর কবিপ্রতিভা এবং ইসলামী মূল্যবোধের গভীর প্রকাশ ঘটিয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তালিম হোসেন — ইনি একজন বিশিষ্ট কবি ও অনুবাদক হলেও ‘সিরাজাম মুনীরা’ কাব্যের রচয়িতা নন। B) ফররুখ আহমদ — এই অপশনটি সঠিক এবং এটিই প্রশ্নের উত্তর। C) গোলাম মোস্থফা — ইনি ‘বিশ্বনবী’ সিরাতগ্রন্থের জন্য বিখ্যাত হলেও ‘সিরাজাম মুনীরা’ কাব্যটি তাঁর নয়। D) আবুল হোসেন — ইনি একজন আধুনিক কবি ও প্রাবন্ধিক, তাঁর লেখার ধরণ ও বিষয়বস্তু ভিন্ন। ৫ মনে রাখার টিপস: - ‘সিরাজাম মুনীরা’ মানে দীপ্তিময় প্রদীপ, আর এই প্রদীপের মতো আলো ছড়িয়েছেন কবি ফররুখ আহমদ। - ফররুখ আহমদের নামের সাথে ‘সাত সাগরের মাঝি’ এবং ‘সিরাজাম মুনীরা’ এই দুটি কাব্যগ্রন্থের নাম একত্রে মনে রাখতে পারো। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ এবং এর রচয়িতার নাম জানতে চাওয়া হয়। - ইসলামী ভাবধারার কবিতা ও সনেট রচনায় ফররুখ আহমদের অবদান মনে রাখলে এজাতীয় প্রশ্ন সহজেই উত্তর করা সম্ভব।
a আরবি ভাষা থেকে
b ফরাসি ভাষা থেকে
c হিন্দি ভাষা থেকে
d উর্দু ভাষা থেকে
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আরবি ভাষা থেকে ১. কেন সঠিক: - ‘লাপাত্তা’ শব্দের ‘লা’ উপসর্গটি একটি আরবি উপসর্গ, যা বাংলায় না বা অর্থহীন অর্থে ব্যবহৃত হয়। - ‘লাপাত্তা’ শব্দের অর্থ খোঁজখবরহীন বা নিখোঁজ, যেখানে ‘লা’ উপসর্গটি নেতিবাচক ভাব প্রকাশ করেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উপসর্গ হলো অব্যয়বাচক শব্দাংশ, যা শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে এবং অর্থের পরিবর্তন ঘটায়। - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত বিদেশি উপসর্গের মধ্যে আরবি উপসর্গগুলোর নিজস্ব বিশেষ অর্থ রয়েছে এবং এগুলো মূলত আইনগত বা দাপ্তরিক শব্দে বেশি ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লাওয়ারিশ ব্যাখ্যা: এখানে ‘লা’ উপসর্গটি আরবি ভাষা থেকে এসেছে এবং এর অর্থ ওয়ারিশ বা উত্তরাধিকারহীন। উদাহরণ ২: লাজবাব ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতে ‘লা’ উপসর্গটি আরবি হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে এবং এর অর্থ জবাবহীন বা চমৎকার। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আরবি ভাষা থেকে — এটি সঠিক কারণ ‘লা’ একটি আরবি উপসর্গ যা বাংলায় আত্মীকরণ হয়েছে। B) ফরাসি ভাষা থেকে — এটি ভুল কারণ ফরাসি উপসর্গ বাংলায় আলাদা এবং এগুলোর উৎস ফরাসি শব্দভাণ্ডার। C) হিন্দি ভাষা থেকে — এটি ভুল কারণ হিন্দি থেকে সরাসরি এই উপসর্গটি বাংলায় আসেনি। D) উর্দু ভাষা থেকে — এটি ভুল কারণ উর্দু ভাষা মূলত ফার্সি ও আরবি শব্দের মিশ্রণে গঠিত হলেও ‘লা’ সরাসরি আরবি উৎস থেকে এসেছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - আরবি উপসর্গগুলো মনে রাখার সহজ ছন্দ হলো আম, খাস, লা, গর। এখানে ‘লা’ উপসর্গটি নিখোঁজ বা না বোধক অর্থে বসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি উপসর্গ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই আরবি, ফার্সি ও ইংরেজি উপসর্গের তালিকা ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
a সমক্ষ
b পরোক্ষ
c প্রত্যক্ষ
d নিরপেক্ষ
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সমক্ষ কেন সঠিক: অক্ষির সমীপে এই বাক্যাংশটির সংক্ষিপ্ত রূপ হলো সমক্ষ শব্দ। অক্ষি শব্দের অর্থ চোখ এবং সমীপে শব্দের অর্থ কাছে বা সামনে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশ ব্যাকরণের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার জন্য এটি ব্যবহার করা হয়। যেমন, অক্ষির সমীপে অর্থ চোখের সামনে বা সমক্ষ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সমক্ষ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। B) পরোক্ষ — অক্ষির সমীপে এর অর্থ চোখের সামনে, কিন্তু পরোক্ষ অর্থ যা চোখের অন্তরালে বা আড়ালে। C) প্রত্যক্ষ — প্রত্যক্ষ বলতে সরাসরি বোঝায়, কিন্তু অক্ষির সমীপে বাক্যাংশের নির্দিষ্ট সংক্ষিপ্ত রূপ সমক্ষ। D) নিরপেক্ষ — নিরপেক্ষ শব্দের অর্থ কোনো পক্ষেই নয়, যা প্রদত্ত বাক্যাংশের সাথে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: অক্ষি মানে চোখ আর সমীপে মানে কাছে মনে রাখবে। চোখের সামনে বা সমীপে থাকলে তাকে সমক্ষ বলে সহজে চিনবে।
a অব্যয় ও শব্দাংশ
b নূতন শব্দ গঠনে
c উপসর্গ থাকে সামনে, প্রত্যায় থাকে পেছনে
d ভিন্ন অর্থ প্রকাশে
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) উপসর্গ থাকে সামনে, প্রত্যয় থাকে পেছনে ১. কেন সঠিক: - উপসর্গ এবং প্রত্যয়ের অবস্থানগত মূল পার্থক্যের কারণে এই উত্তরটি সঠিক হয়েছে। উপসর্গ সবসময় মূল শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে। - অন্যদিকে প্রত্যয় সবসময় মূল শব্দ বা ধাতুর পরে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি করে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - উপসর্গ হলো একধরনের অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা অন্য শব্দের সামনে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে। - প্রত্যয় হলো বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি যা নামশব্দ বা ধাতুর পরে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ সৃষ্টি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্র + হার = প্রহার ব্যাখ্যা: এখানে 'হার' মূল শব্দের সামনে 'প্র' উপসর্গ যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: চল + অন্ত = চলতি ব্যাখ্যা: এখানে 'চল' ধাতুর পেছনে 'অন্ত' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অব্যয় ও শব্দাংশ — উপসর্গ অব্যয় হলেও প্রত্যয় অব্যয় নয়, তাই এটি মৌলিক পার্থক্য বোঝায় না। B) নূতন শব্দ গঠনে — উপসর্গ ও প্রত্যয় উভয়ই নতুন শব্দ গঠন করে, তাই এটি এদের মধ্যকার পার্থক্য নয়। C) উপসর্গ থাকে সামনে, প্রত্যায় থাকে পেছনে — এটি উপসর্গ ও প্রত্যয়ের অবস্থানগত প্রকৃত পার্থক্য নির্দেশ করে। D) ভিন্ন অর্থ প্রকাশে — উপসর্গ ও প্রত্যয় উভয়ই ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করতে পারে, তাই এটি এদের একমাত্র পার্থক্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - উপসর্গের শুরু উ দিয়ে এবং উভয়ের মধ্যে উপসর্গ থাকে আগে। এভাবে মনে রাখতে পারো উপসর্গ মানেই সামনে অবস্থান। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গ ও প্রত্যয়ের স্থান নির্ণয় সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। শব্দের গঠন বুঝতে এই অবস্থানগত পার্থক্য পরিষ্কার রাখা জরুরি।
a The Nile is longest river in Africa
b The Nile is longest river in the Africa
c Nile is longest river in Africa
d The Nile is the longest river in Africa
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) The Nile is the longest river in Africa কেন সঠিক: - নদীর নামের পূর্বে নির্দিষ্ট আর্টিকেল দ্য বসে এবং সুপারলেটিভ ডিগ্রির পূর্বেও দ্য বসে। - আফ্রিকা মহাদেশের নামের পূর্বে কোনো আর্টিকেল বসে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The Nile is longest river in Africa — সুপারলেটিভ ডিগ্রি longest এর পূর্বে দ্য মিস করা হয়েছে। B) The Nile is longest river in the Africa — মহাদেশের নাম Africa এর পূর্বে ভুলভাবে দ্য ব্যবহার করা হয়েছে এবং longest এর পূর্বে দ্য নেই। C) Nile is longest river in Africa — নদীর নাম Nile এর পূর্বে নির্দিষ্ট আর্টিকেল দ্য এবং longest এর পূর্বে দ্য কোনটিই ব্যবহার করা হয়নি। D) The Nile is the longest river in Africa — এটি সঠিক কারণ নদীর নামের পূর্বে দ্য এবং সুপারলেটিভ ডিগ্রির পূর্বে দ্য নিয়মমাফিক বসেছে। মনে রাখার টিপস: নদীর নাম ও সুপারলেটিভ ডিগ্রির আগে দ্য বসে, কিন্তু মহাদেশের নামের আগে সাধারণত কোনো আর্টিকেল বসে না।
a Maria, my student. is on leave today
b Maria my student, is on leave today
c Maria, my student, is on leave today
d Maria my student is, on leave today
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Maria, my student. is on leave today কেন সঠিক: বাক্যের শুরুতে সাবজেক্টের পরিচয় বোঝাতে অ্যাপোজিট্রে ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক নিয়ম মেনে চলেছে। এছাড়াও বাক্যের অন্য সব বিরামচিহ্ন ঠিকঠাকভাবে বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সঠিক উত্তর — কারণ এতে সব বিরামচিহ্ন নিয়ম অনুযায়ী সঠিকভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। B) Maria my student, is on leave today — নামের পরে কমা না দেওয়ায় বাক্যটির গঠন ভুল হয়েছে। C) Maria, my student, is on leave today — মাঝে দুইবার কমা ব্যবহার করায় বাক্যটির মূল অর্থ নষ্ট হয়েছে। D) Maria my student is, on leave today — ক্রিয়ার আগে কমা বসানো ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ভুল। মনে রাখার টিপস: কারো নাম এবং তার পরিচয় একসঙ্গে বসলে পরিচয়ের চারপাশে সঠিক স্থানে কমা ব্যবহার করতে হয়।
a hostile
b friendly
c indifferent
d angry
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: খ) friendly কেন সঠিক: শব্দটির অর্থ শত্রুভাবাপন্ন বা ক্ষতিকর। এর বিপরীত অর্থ হলো বন্ধুত্বপূর্ণ বা সহায়ক। বাকি অপশন কেন ভুল: ক) hostile — এটি inimical শব্দের সমার্থক শব্দ যার অর্থ শত্রুভাবাপন্ন। খ) friendly — এটি সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ যার অর্থ বন্ধুভাবাপন্ন। গ) indifferent — এর অর্থ উদাসীন যা inimical শব্দের বিপরীত অর্থ পুরোপুরি প্রকাশ করে না। ঘ) angry — এর অর্থ রাগান্বিত যা inimical শব্দের কাছাকাছি অর্থ বহন করে। মনে রাখার টিপস: Inimical শব্দটি Enemy বা শত্রুর সাথে মিল আছে, তাই এর বিপরীত অর্থ Friend হবে।
a improve
b exhaust
c rub out
d cut out
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) rub out কেন সঠিক: ‘Efface’ শব্দটির বাংলা অর্থ হলো কোনো কিছু মুছে ফেলা বা বিলোপ করা। এর সাথে সরাসরি মিল রয়েছে ‘rub out’ কথাটির যার অর্থও মুছে ফেলা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) improve — এই শব্দটির অর্থ উন্নতি করা যা মুছে ফেলার বিপরীত। B) exhaust — এর অর্থ ক্লান্ত হওয়া বা নিঃশেষ করা যা সঠিক নয়। C) rub out — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। D) cut out — এর অর্থ কেটে বাদ দেওয়া যা সম্পূর্ণ মুছে ফেলা নয়। মনে রাখার টিপস: ফেস বা মুখ থেকে যেমন দাগ মুছে ফেলা যায়, তেমনি 'efface' মানে হলো মুছে ফেলা।
a We are not liked by idle people
b Idle people are not like us
c Idle people are not liked by us
d Idle people are not of our liking
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Idle people are not liked by us কেন সঠিক: - Active বাক্যের অবজেক্ট (idle people) প্যাসিভ বাক্যের সাবজেক্ট হিসেবে প্রথমে বসেছে এবং সাবเจক্ট (we) অবজেক্ট (us) হিসেবে রূপান্তরিত হয়েছে। - Present indefinite টেন্সের negative বাক্যকে প্যাসিভ করার সময় am is are এর পর not এবং মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল (liked) বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) We are not liked by idle people — এটি ভুল কারণ এখানে অর্থ সম্পূর্ণ উল্টে গেছে এবং সাবজেক্ট ও অবজেক্টের স্থান পরিবর্তন সঠিক হয়নি। B) Idle people are not like us — এটি ভুল কারণ এখানে মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল (liked) ব্যবহার না করে শুধু like ব্যবহার করা হয়েছে। C) Idle people are not liked by us — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে কোনো ভুল নেই। D) Idle people are not of our liking — এটি ভুল কারণ এটি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সরাসরি সঠিক passive form নয়, বরং একটি পরিবর্তিত অর্থ প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: Active voice-এর অবজেক্টকে passive-এ সাবজেক্ট বানাতে হয় এবং টেন্স অনুযায়ী be verb-এর পর মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল বসাতে হয়।
a Two voices
b The Scholar Gipsy
c Andrea del sarto
d Oneone
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Andrea del sarto কেন সঠিক: - রবার্ট ব্রাউনিং একজন বিখ্যাত ভিক্টোরিয়ান যুগের কবি, যিনি ড্রামেটিক মনোলগ লেখার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। - 'Andrea del Sarto' হলো রবার্ট ব্রাউনিং রচিত একটি বিখ্যাত ড্রামেটিক মনোলগ, যা ফ্লোরেন্সের চিত্রশিল্পী আন্দ্রিয়া ডেল সার্তোর জীবন নিয়ে লেখা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Two voices — এটি রবার্ট ব্রাউনিংয়ের কবিতা নয়, এটি আলফ্রেড টেনিসনের লেখা একটি বিখ্যাত কবিতা। B) The Scholar Gipsy — এটি ম্যাথু আর্নল্ডের একটি বিখ্যাত কবিতা, ব্রাউনিংয়ের রচনা নয়। C) Andrea del sarto — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটি রবার্ট ব্রাউনিংয়েরই রচনা। D) Oneone — এটি মূলত আলফ্রেড টেনিসনের লেখা 'Oenone' কবিতার ভুল বানানরূপ, যা ব্রাউনিংয়ের নয়। মনে রাখার টিপস: রবার্ট ব্রাউনিংয়ের নাম এলেই ড্রামেটিক মনোলগ এবং চিত্রশিল্পী আন্দ্রিয়া ডেল সার্তোর কথা মনে রাখবে।
a does
b Works
c thinks
d says
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) does কেন সঠিক: এটি একটি প্রচলিত ইংরেজি প্রবচন যার পূর্ণ রূপ হলো Handsome is that handsome does। এর বাংলা অর্থ হলো বাহ্যিক সৌন্দর্যের চেয়ে ভালো কাজ বা আচরণই বেশি মূল্যবান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) does — প্রবচনের নিয়ম অনুযায়ী এখানে সঠিক শব্দ বসেছে। B) Works — এটি প্রবচনের অংশ নয় এবং ব্যাকরণগতভাবে বেমানান। C) thinks — এটি প্রবচনের মূল গঠনের সাথে মিলছে না। D) says — কথার চেয়ে কাজের গুরুত্ব বোঝাতে এই শব্দটি এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: প্রবাদের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট শব্দ মুখস্থ রাখতে হয়, তাই প্রবচন পড়ার সময় শেষের শব্দটিতে বিশেষ নজর দিতে হবে।
a A new cabinet has been sworn in Dhaka
b A new cabinet has been sworn a Dhaka
c A new cabinet has been sworn by in Dhaka
d A new cabinet has sworn in Dhaka
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) A new cabinet has been sworn in Dhaka কেন সঠিক: - শপথ নেওয়া অর্থে sworn in ফ্রেজাল ভার্বটি ব্যবহৃত হয় এবং ঢাকা শহরের পূর্বে ইন প্রিপজিশন বসে। - বাক্যটি প্যাসিভ ফর্মে থাকায় has been এর পর মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম sworn বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A new cabinet has been sworn in Dhaka — এটি সঠিক বাক্য কারণ এখানে প্রিপজিশন এবং ফ্রেজাল ভার্ব সঠিক নিয়মে ব্যবহৃত হয়েছে। B) A new cabinet has been sworn a Dhaka — এখানে ঢাকার পূর্বে এ প্রিপজিশন ভুলভাবে ব্যবহার করা হয়েছে, যা স্থান নির্দেশ করতে পারে না। C) A new cabinet has been sworn by in Dhaka — এখানে দুটি প্রিপজিশন একসাথে বসে বাক্যটিকে ব্যাকরণগতভাবে ভুল ও অর্থহীন করেছে। D) A new cabinet has sworn in Dhaka — বাক্যটি একটিভ ফর্মে করায় এর অর্থ দাঁড়াচ্ছে মন্ত্রিসভা নিজে শপথ নিয়েছে, যা ভুল। মনে রাখার টিপস: শপথ নেওয়ার ইংরেজি ফ্রেজাল ভার্ব sworn in মনে রাখতে হবে এবং বড় শহরের নামের পূর্বে ইন প্রিপজিশন বসে।
a Eliot and pound
b Yeats and Eliot
c Pope and Dryden
d Shelly and keats
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Shelly and keats কেন সঠিক: পার্সি বিশ শেলি এবং জন কিটস ছিলেন রোমান্টিক যুগের দুই বিখ্যাত কবি। তারা উভয়েই একসাথে ১৯ শতকের ইংরেজ সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছিলেন। তাদের মধ্যে গভীর সাহিত্যিক বন্ধুত্বের সম্পর্ক ছিল। শেলির অকাল মৃত্যুর পর কিটসের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি বিখ্যাত শোকগাথা রচনা করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Eliot and pound — এরা আধুনিক যুগের কবি এবং সাহিত্য সমালোচক হলেও প্রধানত এজরা পাউন্ড টি এস এলিয়টের কবিতার সম্পাদক হিসেবে কাজ করেছেন, প্রকৃত কলাবোরেটর নন। B) Yeats and Eliot — এরা দুজনেই আধুনিক যুগের প্রভাবশালী কবি ছিলেন কিন্তু তারা কখনো সরাসরি যৌথভাবে কোনো সাহিত্য রচনা করেননি। C) Pope and Dryden — এরা উভয়েই অগাস্টান যুগের বিখ্যাত কবি হলেও তারা ভিন্ন ভিন্ন সময়ের মানুষ এবং একসাথে কোনো সাহিত্যকর্ম তৈরি করেননি। D) Shelly and keats — এই অপশনটি সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত হওয়ায় এটি ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: রোমান্টিক যুগের অমর দুই কবি পি বি শেলি এবং জন কিটস বন্ধু হিসেবে সাহিত্য জগতে একসাথে স্মরণীয় হয়ে আছেন।
a A large solid piece of stone
b A device to cut off persons head as punishment
c Something that makes movement difficult
d A powerful explosive to demolish buildings
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) A powerful explosive to demolish buildings কেন সঠিক: শব্দটির ঐতিহাসিক উৎপত্তি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্যবহৃত অত্যন্ত শক্তিশালী বোমা থেকে, যা পুরো একটি চত্বর বা ব্লক ধ্বংস করতে পারত। পরবর্তীতে এই আভিধানিক অর্থ থেকেই বিশাল সফল চলচ্চিত্র বা পণ্যের ক্ষেত্রেও শব্দটি রূপক অর্থে ব্যবহৃত হতে শুরু করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A large solid piece of stone — এটি পাথরের একটি বড় টুকরো বোঝায়, যা ব্লকবাস্টার শব্দের আভিধানিক বা রূপক কোনো অর্থের সাথেই মেলে না। B) A device to cut off persons head as punishment — এটি শাস্তিস্বরূপ মাথা কাটার যন্ত্র বোঝায়, যা গিলোটিন বা অনুরূপ যন্ত্রের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। C) Something that makes movement difficult — এটি চলাচলে বাধা সৃষ্টি করে এমন কিছু বোঝায়, যা মূলত কোনো প্রতিবন্ধকতা বা অবরুদ্ধ অবস্থাকে নির্দেশ করে। D) A powerful explosive to demolish buildings — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: ব্লকবাস্টার মানে এমন বিস্ফোরক যা আস্ত ব্লক বা ভবন উড়িয়ে দিতে পারে, যা পরে বড় হিট সিনেমা বোঝাতেও ব্যবহৃত হয়।
a He is very tired
b He is has arrived
c He has finished packing
d He has got everything
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) He is very tired কেন সঠিক: all in একটি ইংরেজি idiomatic expression যার অর্থ চরম ক্লান্তি বা শক্তি শেষ হয়ে যাওয়া। কোনো ব্যক্তি সারাদিন পরিশ্রম করার পর যখন আর নড়ার শক্তি পায় না, তখন সে এই কথাটি বলে। এটি শারীরিক বা মানসিক উভয় প্রকার চরম ক্লান্তি বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। তাই এই অপশনটি সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He is very tired — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) He has has arrived — কাউকে আগমন বোঝাতে all in ব্যবহার করা হয় না। C) He has finished packing — গোছগাছ শেষ করা বোঝাতে এই বাগধারাটি ব্যবহৃত হয় না। D) He has got everything — সবকিছু পেয়ে যাওয়া বা সংগ্রহ করা অর্থে এটি সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: all in মানে হলো শরীরের ভেতরে থাকা সব শক্তি শেষ হয়ে যাওয়া বা ভেতরে আর কিছু বাকি না থাকা।
a A chart of bus fare
b A price list
c A valuable document
d A list of dishes at restaurant
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) A list of dishes at restaurant কেন সঠিক: - 'Bill of fare' একটি ইংরেজি ফ্রেজ, যার আক্ষরিক অর্থ খাবারের তালিকা। - রেস্তোরাঁয় খাওয়ার জন্য উপলব্ধ বিভিন্ন পদের খাবারের তালিকা বা মেনু বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A chart of bus fare — এটি বাসের ভাড়ার তালিকা বোঝাচ্ছে, যা এই ফ্রেজের অর্থ নয়। B) A price list — এটি সাধারণ যেকোনো পণ্যের মূল্য তালিকা, যা নির্দিষ্ট করে রেস্তোরাঁর খাবার বোঝায় না। C) A valuable document — এটি কোনো মূল্যবান দলিল বা কাগজপত্র বোঝায়, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন প্রসঙ্গ। D) A list of dishes at restaurant — এটি রেস্তোরাঁর খাবারের তালিকা বা মেনু নির্দেশ করে, যা সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: 'Bill' মানে বিল বা হিসাব এবং 'fare' মানে খাবার বা ভোজন, তাই দুটি মিলে রেস্তোরাঁর খাবারের তালিকা বোঝায়।
a falling
b rising
c moving
d static
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) rising কেন সঠিক: - অর্থনীতি ও স্টক মার্কেটের পরিভাষায় 'bull market' বলতে এমন একটি পরিস্থিতিকে বোঝায় যেখানে শেয়ারের দাম ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পায়। - এই বাজারে বিনিয়োগকারীদের আত্মবিশ্বাস বেশি থাকে এবং শেয়ার কেনার প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) falling — এটি শেয়ারের দাম পতনের অবস্থাকে নির্দেশ করে, যা মূলত 'bear market' নামে পরিচিত। B) rising — এটি সঠিক উত্তর কারণ বুল মার্কেটে শেয়ারের দাম ঊর্ধ্বমুখী হয়। C) moving — এটি একটি সাধারণ গতিশীলতা বোঝায়, যা শেয়ার বাজারের নির্দিষ্ট কোনো অবস্থাকে নির্দেশ করে না। D) static — এটি স্থবির বা অপরিবর্তিত অবস্থাকে বোঝায়, যা বুল মার্কেটের ক্রমবর্ধমান বৈশিষ্ট্যের বিপরীত। মনে রাখার টিপস: ষাঁড় বা Bull যেভাবে তার শিং ওপরের দিকে তোলে, তেমনি বুল মার্কেটেও শেয়ারের দাম ওপরের দিকে বা rising হয়।
a Securities issued by the government
b Industrial shares considered to be a safe investment
c Industrial shares considered to be a risky investment
d Flat plastic counters used as money tokens
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Industrial shares considered to be a safe investment কেন সঠিক: ‘Blue chips’ বলতে আর্থিকভাবে অত্যন্ত শক্তিশালী এবং লাভজনক বড় কোম্পানির শেয়ারকে বোঝায়। বিনিয়োগকারীদের কাছে এই ধরনের শেয়ারগুলোকে অত্যন্ত নিরাপদ এবং নির্ভরযোগ্য বিনিয়োগ হিসেবে গণ্য করা হয়। এই কোম্পানিগুলো নিয়মিত ভালো লভ্যাংশ প্রদান করে। এগুলোতে লোকসানের ঝুঁকি সাধারণত কম থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Securities issued by the government — এটি সরকারি সিকিউরিটিস বা ট্রেজারি বন্ড বোঝায়, ব্লু চিপ শেয়ার নয়। B) Industrial shares considered to be a safe investment — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) Industrial shares considered to be a risky investment — ব্লু চিপ শেয়ার ঝুঁকিপূর্ণ নয়, বরং এগুলো নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে পরিচিত। D) Flat plastic counters used as money tokens — এটি প্লাস্টিক টোকেন বা ক্যাসিনো চিপ বোঝায়, যা শেয়ার বাজারের সাথে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: ব্লু চিপ মানেই নিরাপদ ও বড় কোম্পানির লাভজনক শেয়ার।
a Privilege
b Utility
c French
d Frankness
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Privilege কেন সঠিক: Franchise শব্দের বাংলা অর্থ ভোটাধিকার বা বিশেষ অধিকার। Privilege শব্দের অর্থও বিশেষ সুযোগ বা অধিকার বোঝায়। তাই এই দুটি শব্দ সমার্থক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Privilege — এটি সঠিক উত্তর। B) Utility — এর অর্থ উপযোগিতা বা ব্যবহার্য জিনিস, যা Franchise শব্দের সাথে মেলে না। C) French — এটি ফ্রান্সের ভাষা বা অধিবাসী বোঝায়, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি শব্দ। D) Frankness — এর অর্থ খোলামেলা ভাব বা সততা, যা Franchise শব্দের অর্থ প্রকাশ করে না। মনে রাখার টিপস: Franchise এবং Privilege দুটি শব্দই বিশেষ অধিকার বা সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
a Humourous
b Humourious
c Humorous
d Humorious
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Humorous কেন সঠিক: - ইংরেজী বানান রীতি অনুযায়ী noun শব্দ humour এর সাথে ous প্রত্যय যুক্ত করার সময় মাঝের u বর্ণটি বাদ যায়। - তাই সঠিক বানানটি দাঁড়ায় humorous এবং এটিই আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত রূপ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Humourous — এই বানানে ous যুক্ত করার আগে অতিরিক্ত u রাখা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) Humourious — এই বানানে ous এর আগে অতিরিক্ত i এবং u ব্যবহার করা হয়েছে যা সম্পূর্ণ অশুদ্ধ। C) Humorous — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। D) Humorious — এই বানানে ous এর পরিবর্তে ious ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: noun থেকে adjective করার সময় humour বানানের শেষ অংশের u বাদ দিয়ে সরাসরি ous যোগ করতে হয়।
a A true statement
b Equal opportunity to get a job
c Free expression of opinions
d Two contrary things in the same statment
0 98 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Two contrary things in the same statment কেন সঠিক: Equivocation শব্দের বাংলা অর্থ হলো দ্ব্যর্থক কথা বা একই বাক্যে দুটি বিপরীত বিষয়ের অবতারণা করা। তাই একই বাক্যে পরস্পরবিরোধী দুটি বিষয় থাকা এই শব্দের মূল অর্থ প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A true statement — এটি সত্য বা সঠিক বিবৃতি বোঝায়, যা Equivocation শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) Equal opportunity to get a job — এটি চাকরির ক্ষেত্রে সমান সুযোগ পাওয়া বোঝায়, যার সাথে শব্দের কোনো মিল নেই। C) Free expression of opinions — এটি মতামতের স্বাধীনতা বোঝায়, যা আলোচ্য শব্দের সাথে সম্পর্কহীন। D) Two contrary things in the same statment — এটি সঠিক উত্তর এবং শব্দের অর্থ পুরোপুরি প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: Equivocation শব্দের শুরুতে Equal আছে, যার সাথে Contrary যুক্ত করে একই বাক্যে দুটি বিপরীত অর্থ মনে রাখা যায়।
a perhaps
b Whether
c in case
d unless
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) in case কেন সঠিক: - 'In case' ফ্রেজটি কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটার আশঙ্কা বা সতর্কতামূলক ব্যবস্থা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। - এখানে হারিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থেকে টেলিফোন নম্বর দেওয়ার কথা বলা হয়েছে, যা এই নিয়মকে সমর্থন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) perhaps — এর অর্থ সম্ভবত, যা এখানে কোনো সতর্কতামূলক বা সম্ভাবনার শর্ত প্রকাশ করে না। B) Whether — এর অর্থ কিনা বা হোক না কেন, যা এই বাক্যের অর্থ ও কাঠামোর সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। C) in case — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ করে। D) unless — এর অর্থ যদি না, যা বসালে বাক্যটির অর্থ বিপরীত ও নেতিবাচক হয়ে যায়। মনে রাখার টিপস: ভবিষ্যতের কোনো অপ্রত্যাশিত বিপদ বা আশঙ্কার কথা বোঝাতে 'in case' ব্যবহার করা হয়।
a dull
b animated
c heavy
d slow
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) animated কেন সঠিক: Sluggish শব্দের অর্থ অলস বা মন্থর গতি সম্পন্ন। এর বিপরীত শব্দ হলো প্রাণবন্ত বা উৎসাহী। বাকি অপশন কেন ভুল: A) dull — এটি sluggish শব্দের সমার্থক শব্দ যার অর্থ নিস্তেজ। C) heavy — এটি ভারী বোঝাতে ব্যবহৃত হয় যা সঠিক বিপরীত নয়। D) slow — এটি sluggish শব্দের সমার্থক শব্দ যার অর্থ ধীর। মনে রাখার টিপস: Sluggish মানে ঝিমিয়ে থাকা আর animated মানে জীবন্ত বা প্রাণবন্ত।
a A musical instrument
b A well-planned programme
c A noisy activity
d A musical activity
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) A noisy activity কেন সঠিক: - 'Razzmatazz' একটি ইংরেজি শব্দ যার অর্থ চাকচিক্যময় কিন্তু গোলমেলে বা হইচইপূর্ণ কোনো পরিবেশ বা কার্যকলাপ। - প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এই শব্দের ভাবার্থের সাথে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A musical instrument — এটি কোনো বাদ্যযন্ত্র বোঝায় না, তাই এটি ভুল। B) A well-planned programme — এটি সুপরিকল্পিত কোনো কর্মসূচি বোঝায় না, বরং এর উল্টো বিশৃঙ্খল অবস্থা বোঝায়। C) A noisy activity — এটি এই শব্দের সঠিক অর্থ হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত। D) A musical activity — এটি নির্দিষ্ট কোনো বা বাদ্যযন্ত্রভিত্তিক কার্যক্রম নয়, তাই এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: 'Razzmatazz' শব্দটি দেখলেই মাথায় রাখবে জ্যাজ (Jazz) সঙ্গীতের মতো হইচই ও হট্টগোলপূর্ণ পরিবেশ।
a to concentrate
b to suspect
c to read carefully
d to grasp the hidden meaning
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) to grasp the hidden meaning কেন সঠিক: - "To read between the lines" একটি ইংরেজি ইডিয়ম যার শাব্দিক অর্থ লাইনের মাঝখানে পড়া হলেও এর অন্তর্নিহিত ভাব হলো কোনো লেখার আসল বা গোপন অর্থ খুঁজে বের করা। - বক্তা বা লেখকের প্রকাশ্য কথার বাইরেও অবাক্ত উদ্দেশ্য বা লুকানো অনুভূতি সঠিকভাবে বুঝে নেওয়ার ক্ষেত্রেই এই বিশেষ ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to concentrate — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ কোনো কিছুর ওপর গভীর মনোযোগ দেওয়া, যা সরাসরি লুকানো অর্থ খোঁজার সাথে সম্পর্কিত নয়। B) to suspect — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ সন্দেহ করা, যা প্রাত্যহিক সংশয় প্রকাশ করে কিন্তু লেখকের অন্তর্নিহিত ভাব বোঝায় না। C) to read carefully — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি কেবল খুব মনযোগ সহকারে সাধারণ পাঠ বোঝায়, কোনো গভীর বা গোপন অর্থ অনুধাবন করা নির্দেশ করে না। D) to grasp the hidden meaning — এটি সঠিক কারণ এই অপশনটি সরাসরি মূল ইডিয়মের আসল ও গোপন অর্থ খুঁজে বের করার ভাবটিকে প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: লাইন বা লেখার মাঝখানে তাকিয়ে যেমন লুকানো কিছু দেখা যায় না, তেমনি লেখার ভেতরের লুকানো অর্থ বুঝতে এই ইডিয়মটি মনে রাখতে হবে।
a f(1) = 1
b f(0) = 1
c f(-1) = 3
d f(1) = 3
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) f(১) = ৩ প্রদত্ত তথ্য: অপেক্ষকটি হলো f(x) = x^২ + (১ ÷ x) + ১ ধরি, x এর মান ১ ধরা হলো অতএব, f(১) = (১)^২ + (১ ÷ ১) + ১ সুতরাং, f(১) = ১ + ১ + ১ উত্তর: ৩
a ৩ গুন
b ৪ গুন
c ৫ গুন
d ৮ গুন
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪ গুন প্রদত্ত তথ্য: একটি কাঠের টুকরার দৈর্ঘ্য অপরটির দৈর্ঘ্যের তিন গুন ধরি, ছোট টুকরাটির দৈর্ঘ্য = ১ একক বড় টুকরাটির দৈর্ঘ্য = ৩ একক অতএব, সংযুক্ত টুকরাটির মোট দৈর্ঘ্য = ১ + ৩ = ৪ একক সুতরাং, সংযুক্ত টুকরাটি ছোট টুকরার চেয়ে বড় হবে = ৪ ÷ ১ = ৪ গুন উত্তর: ৪ গুন
a ৭১
b ৪১
c ৩১
d ৩৯
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩১ প্রদত্ত তথ্য: ভাজকগুলো হলো ৩, ৫ এবং ৬ ভাগশেষ সবসময় ১ হবে ধরি, প্রথমে ৩, ৫ ও ৬ এর লসাগু বের করতে হবে ৩, ৫ ও ৬ এর লসাগু হলো ৩০ অতএব, নির্ণেয় ক্ষুদ্রতম সংখ্যার সাথে লসাগু এর সম্পর্ক হলো লসাগুর সাথে ভাগশেষ ১ যোগ করতে হবে সুতরাং, নির্ণেয় ক্ষুদ্রতম সংখ্যাটি হবে ৩০ + ১ = ৩১ উত্তর: ৩১
a 3 N
b √11 N
c √41 N
d 1 N
0 117 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) √৪১ N প্রদত্ত তথ্য: প্রথম বলের পরিমাণ = ৫ N দ্বিতীয় বলের পরিমাণ = ৪ N বলদুটি লম্বালম্বিভাবে ক্রিয়াশীল ধরি, প্রথম বল = P = ৫ N দ্বিতীয় বল = Q = ৪ N মধ্যবর্তী কোণ = থিটা = ৯০ ডিগ্রি অতএব, লব্ধির সূত্রানুযায়ী, R এর বর্গ = P এর বর্গ + Q এর বর্গ মান বসিয়ে পাই, R এর বর্গ = (৫ × ৫) + (৪ × ৪) হিসাব করে পাই, R এর বর্গ = ২৫ + ১৬ সুতরাং, R এর বর্গ = ৪১ সুতরাং লব্ধি R = √৪১ N উত্তর: √৪১ N
a ৩/৩৫
b ৫/২০
c ৯/২৫
d ৩/২০
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৯/২৫ প্রদত্ত রাশি: ব্র্যাকেটের ভেতরে ১২৫ ÷ ২৭ এবং তার ওপর পাওয়ার আছে মাইনাস দুই ভাগ তিন। সূচকের নিয়ম অনুযায়ী মাইনাস চিহ্ন তোলার জন্য ভগ্নাংশটিকে উল্টে দিতে হবে। তখন রাশিটি দাঁড়ায় ২৭ ÷ ১২৫ এবং তার ওপর পাওয়ার হয় দুই ভাগ তিন। এখন ২৭ হলো তিনের কিউব এবং ১২৫ হলো পাঁচের কিউব। তাই ভেতরের সংখ্যাটিকে তিন ভাগ পাঁচ লিখে তার ওপর হোল কিউব দেওয়া যায়। এর সাথে বাইরের পাওয়ার তিন ভাগ তিন গুণ হয়ে যায়। ফলে তিন এবং তিন কেটে গিয়ে পাওয়ার থাকে শুধু দুই। তিন ভাগ পাঁচ এর ওপর স্কয়ার করলে তিনের স্কয়ার নয় এবং পাঁচের স্কয়ার পঁচিশ হয়। তাই লবের মান হয় নয় এবং হরের মান হয় পঁচিশ। উত্তর: ৯ ÷ ২৫
a ১০ গজ
b ১২ গজ
c ১৪ গজ
d ৭ গজ
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৪ গজ প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজাকৃতি ক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = ৮৪ বর্গগজ শীর্ষবিন্দু হতে ভূমির উপর অংকিত লম্বের দৈর্ঘ্য (উচ্চতা) = ১২ গজ ধরি, ত্রিভুজটির ভূমির দৈর্ঘ্য = ক গজ আমরা জানি, ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × ভূমি × উচ্চতা অতএব, (১ ÷ ২) × ক × ১২ = ৮৪ হিসাব করে পাই, ক × ৬ = ৮৪ সুতরাং, ক = ৮৪ ÷ ৬ = ১৪ উত্তর: ১৪ গজ
a x + 1
b 1
c -1
d x - 1
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) −১ প্রদত্ত তথ্য: বীজগণিতীয় রাশি = x − [x − x − (x + ১)] প্রথম ধাপের হিসাব: প্রথম বন্ধনীর কাজ করে পাই = (x + ১) = x + ১ এর আগের মাইনাস গুণ করে পাই = − x − ১ দ্বিতীয় ধাপের হিসাব: দ্বিতীয় বন্ধনীর ভেতরের অংশ = x − x − ১ = − ১ এর আগের মাইনাস গুণ করে পাই = − (− ১) = + ১ তৃতীয় ধাপের হিসাব: তৃতীয় বন্ধনীর ভেتরের অংশ = x + ১ এর আগের মাইনাস গুণ করে পাই = − x − ১ সুতরাং, সম্পূর্ণ রাশির মান = x − x − ১ = − ১ উত্তর: −১
a ১২
b ৮
c ১০
d ১১
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১০ প্রদত্ত তথ্য: ট্রেনের গন্তব্যে পৌঁছাতে সময় লাগে ৫ ঘণ্টা বিপরীত দিক থেকে প্রতি ঘণ্টায় একটি করে ট্রেন যাত্রা করে ধরি, যাত্রার শুরুতে স্টেশন ছাড়ার সময় একটি ট্রেন যাত্রা শুরু করে এই ট্রেনটি ৫ ঘণ্টার যাত্রাপথে বিপরীত দিক থেকে আসা ট্রেনগুলোর মুখোমুখি হয় অতএব, ৫ ঘণ্টার যাত্রাপথে বিপরীত দিক থেকে ৫টি ট্রেন যাত্রা করে এবং সেগুলো পথে পড়বে নিজের যাত্রার ঠিক সময়ে বিপরীত স্টেশন থেকে যাত্রা করা ১টি ট্রেনকেও পথেই পাওয়া যাবে যাত্রা শুরুর ঠিক আগের ঘণ্টায় এবং শেষের ঠিক পরের ঘণ্টায় ছাড়ান ট্রেনগুলোর হিসাব করতে হবে সুতরাং, সামনে থেকে আসা ৫টি ট্রেন, বিপরীত স্টেশনের ১টি ট্রেন এবং যাত্রার সময়ের আগের ও পরের ট্রেন মিলিয়ে মোট হিসাব করতে হবে ৫ + ৫ = ১০ উত্তর: ১০
a (-1/3, 1/3)
b (1,-1 )
c (-3,3)
d (-1,1)
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) (−১, ১) প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সরলরেখা: x + y = ০ দ্বিতীয় সরলরেখা: ২x − y + ৩ = ০ ধরি, প্রথম সমীকরণ থেকে পাই y = −x এই মান দ্বিতীয় সমীকরণে বসাই অতএব, ২x − (−x) + ৩ = ০ ৩x + ৩ = ০ সুতরাং, ৩x = −৩ x = −১ উত্তর: (−১, ১)
a ৬
b ৯
c ১২
d ১৫
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৯ প্রদত্ত তথ্য: ধারার সংখ্যাগুলো হলো ৮১, ২৭, লুপ্ত সংখ্যা, ৩, ১ ধরি, প্রথম সংখ্যা = ৮১ দ্বিতীয় সংখ্যা = ২৭ অতএব, প্রথম সংখ্যাকে ৩ দ্বারা ভাগ করলে দ্বিতীয় সংখ্যা পাওয়া যায় ৮১ ÷ ৩ = ২৭ সুতরাং, লুপ্ত সংখ্যাটি পাওয়ার জন্য ২৭ কে ৩ দ্বারা ভাগ করতে হবে ২৭ ÷ ৩ = ৯ উত্তর: ৯
a √৪৮
b ০
c √৬
d √২৪
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) √২৪ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো x^2 + px + ৬ = ০ মূল দুটি সমান হলে নিশ্চায়ক বা ডিস্ক্রিমিন্যান্ট এর মান শূন্য হয় ধরি, দ্বিঘাত সমীকরণটির সাধারণ রূপ ax^2 + bx + c = ০ এখানে a = ১, b = p এবং c = ৬ অতএব, নিশ্চায়কের সূত্রটি হলো b^2 − 4ac শর্তানুসারে, p^2 − (৪ × ১ × ৬) = ০ সুতরাং, p^2 = ২৪ উত্তর: p = √২৪
a ১০৮, ১৪৪
b ১১২, ১৪৮
c ১৪৪, ২০৮
d ১৪৪, ২০৪
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৪৪, ২০৪ প্রদত্ত তথ্য: গ.সা.গু = ১২ বিয়োগফল = ৬০ ল.সা.গু = ২৪৪৮ ধরি, সংখ্যা দুটি যথাক্রমে ১২ক এবং ১২খ এখানে ক ও খ পরস্পর সহমৌলিক সংখ্যা অতএব, সংখ্যা দুটির বিয়োগফল = ১২ক − ১২খ = ৬০ বা, ক − খ = ৬০ ÷ ১২ = ৫ সুতরাং, সংখ্যা দুটির ল.সা.গু = ১২ × ক × খ = ২৪৪৮ বা, ক × খ = ২৪৪৮ ÷ ১২ = ২০৪ এখন, ক − খ = ৫ এবং ক × খ = ২০৪ সমীকরণ দুটি সমাধান করে পাই, ক = ১৭ এবং খ = ১২ অতএব, প্রথম সংখ্যাটি = ১২ × ১৭ = ২০৪ দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ১২ × ১২ = ১৪৪ উত্তর: ১৪৪, ২০৪
a নামিবিয়া
b ভ্যাটিক্যান সিটি
c কিউবা
d পানামা
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভ্যাটিক্যান সিটি কেন সঠিক: - ভ্যাটিক্যান সিটি একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হওয়া সত্ত্বেও জাতিসংঘের পূর্ণ সদস্য নয়। - রাষ্ট্রটি জাতিসংঘের স্থায়ী পর্যবেক্ষক বা Observer রাষ্ট্রের মর্যাদা ভোগ করে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নামিবিয়া — এটি ১৯৯০ সালে জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে। B) ভ্যাটিক্যান সিটি — এটি জাতিসংঘের সদস্য নয়, কেবল স্থায়ী পর্যবেক্ষক রাষ্ট্র। C) কিউবা — এটি জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য রাষ্ট্রগুলোর অন্যতম। D) পানামা — এটি জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য রাষ্ট্রগুলোর অন্যতম। মনে রাখার টিপস: বিশ্বের স্বাধীন রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে একমাত্র ভ্যাটিক্যান সিটি জাতিসংঘের পূর্ণ সদস্য নয়।
a যুক্তরাজ্য
b ফ্রান্স
c জাপান
d জার্মান
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ফ্রান্স কেন সঠিক: - ফ্রান্স আমেরিকার স্বাধীনতা যুদ্ধের শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে ১৮৮৬ সালে এই মূর্তি উপহার দেয়। - দুই দেশের বন্ধুত্বের প্রতীক হিসেবে স্ট্যাচু অব লিবার্টি যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটিতে স্থাপন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যুক্তরাজ্য — যুক্তরাজ্য এই ঐতিহাসিক স্মারক উপহার দেয়নি, কারণ ফ্রান্স ও আমেরিকার বিপ্লবের সম্পর্ক আলাদা ছিল। B) ফ্রান্স — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক এবং এখানে ভুল কিছু নেই। C) জাপান — জাপান এই উপহারের সঙ্গে কোনোভাবেই যুক্ত নয় এবং সেসময়ে তাদের এমন কোনো ঐতিহাসিক সম্পর্ক ছিল না। D) জার্মান — জার্মান এই ভাস্কর্য নির্মাণ বা উপহার প্রদানে কোনো ভূমিকা পালন করেনি। মনে রাখার টিপস: যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতাযুদ্ধে ফ্রান্সের অবদান ছিল প্রধান, তাই স্বাধীনতার প্রতীক স্ট্যাচু অব লিবার্টিও ফ্রান্সই উপহার দিয়েছে।
a বেডেন পাওয়েল
b ব্যরন পিয়ারে দ্য কুবার্তা
c প্যাঁরেজ দ্য কুয়েলার
d জুয়ান এন্টানিও সামারাঞ্চ
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ব্যরন পিয়ারে দ্য কুবার্তা কেন সঠিক: - ফরাসি শিক্ষাবিদ ও ইতিহাসবিদ ব্যরন পিয়ারে দ্য কুবার্তার উদ্যোগে ১৮৯৪ সালে আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটি গঠিত হয়। - তার ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় ১৮৯৬ সালে গ্রিসের এথেন্সে প্রথম আধুনিক অলিম্পিক গেমস শুরু হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বেডেন পাওয়েল — ইনি স্কাউট আন্দোলনের প্রবর্তক এবং বিশ্ব স্কাউটের প্রতিষ্ঠাতা, অলিম্পিকের সাথে সম্পর্কিত নন। B) ব্যরন পিয়ারে দ্য কুবার্তা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) প্যাঁরেজ দ্য কুয়েলার — ইনি জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব ছিলেন, আধুনিক অলিম্পিকের জনক নন। D) জুয়ান এন্টানিও সামারাঞ্চ — ইনি আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির সপ্তম সভাপতি ছিলেন, প্রবর্তক নন। মনে রাখার টিপস: কুবার্তাকে কুঁড়ে ঘর থেকে বের করে যিনি অলিম্পিকের মাঠে নিয়ে এসেছিলেন, তিনিই আধুনিক অলিম্পিকের জনক।
a ব্রিটেন
b ফ্রান্স
c অস্ট্রেলিয়া
d নিউজিল্যান্ড
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অস্ট্রেলিয়া কেন সঠিক: - পাপুয়া নিউগিনি প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে অস্ট্রেলিয়ার প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণে ছিল। - ১৯৭৫ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর অস্ট্রেলিয়ার শাসন থেকে পূর্ণ স্বাধীনতা লাভ করে দেশটি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্রিটেন — এই অঞ্চলের ওপর ব্রিটিশদের ঔপনিবেশিক প্রভাব থাকলেও দেশটি অস্ট্রেলিয়ার অধীনে পরিচালিত হতো। B) ফ্রান্স — ফ্রান্সের প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে অন্য কিছু দ্বীপপুঞ্জের ওপর নিয়ন্ত্রণ ছিল, পাপুয়া নিউগিনিতে ছিল না। C) অস্ট্রেলিয়া — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক বিধায় এটি ভুল অপশন নয়। D) নিউজিল্যান্ড — নিউজিল্যান্ডের প্রশান্ত মহাসাগরে অন্য উপনিবেশ ছিল, তবে পাপুয়া নিউগিনি তাদের অধীনে ছিল না। মনে রাখার টিপস: পাপ ও অস্ট্রেলিয়া শব্দ দুটি পাশাপাশি মনে রাখলে পাপুয়া নিউগিনির পূর্বের শাসক দেশ অস্ট্রেলিয়াকে সহজে মনে রাখা যায়।
a মুকুন্দুরাম চক্রবর্তী
b ভারতচন্দ্র রায়
c মদনমোহন তর্কালংকার
d কামিনী রায়
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভারতচন্দ্র রায় কেন সঠিক: - এই বিখ্যাত পঙক্তিটি মধ্যযুগের বিশিষ্ট কবি ভারতচন্দ্র রায় গুণপাকরের ‘অন্নদামঙ্গল’ কাব্যের অন্তর্ভুক্ত। - ঈশ্বরী পাটুনীর প্রার্থনাসংগীত হিসেবে লাইনটি বাংলা সাহিত্যে অমরত্ব লাভ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুকুন্দুরাম চক্রবর্তী — তিনি মঙ্গলের কাব্যের কবি হলেও এই বিখ্যাত পঙক্তিটি তাঁর ‘চণ্ডীমঙ্গল’ কাব্যের নয়। B) ভারতচন্দ্র রায় — এটি তাঁরই রচিত ‘অন্নদামঙ্গল’ কাব্যের একটি বহুল পরিচিত পঙক্তি। C) মদনমোহন তর্কালংকার — তিনি আধুনিক যুগের শিশুসাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ, তাঁর কোনো কাব্যে এই লাইনটি নেই। D) কামিনী রায় — তিনি আধুনিক যুগের একজন বিখ্যাত কবি, মধ্যযুগের এই কাব্যাংশের সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পৃক্ততা নেই। মনে রাখার টিপস: অন্নপূর্ণার কাছে ঈশ্বরী পাটুনীর চাওয়ার বিখ্যাত লাইন হলো দুধে ভাতে থাকা, যার রচয়িতা ভারতচন্দ্র রায়।
a Budennovsk
b Keldavisk
c Dasanova
d Garlev
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Budennovsk কেন সঠিক: - ১৯৯৫ সালের জুন মাসে চেচেন বিদ্রোহীরা রাশিয়ার বুদেনোভস্ক শহরের একটি হাসপাতালে হামলা চালিয়ে শত শত মানুষকে জিম্মি করে। - এই ভয়াবহ সংকটের কারণে রাশিয়া বাধ্য হয়ে চেচেন নেতাদের সঙ্গে শান্তি আলোচনা শুরু করতে এবং যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হতে বাধ্য হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Budennovsk - এটি সঠিক উত্তর কারণ এই শহরের হাসপাতালেই ঐতিহাসিক জিম্মি সংকট ও শান্তি আলোচনার ঘটনা ঘটেছিল। B) Keldavisk - এটি কোনো ঐতিহাসিক ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত পরিচিত কোনো শহর নয় এবং এটি ভুল অপশন। C) Dasanova - এটি রাশিয়া বা চেচেন সংঘাতের সঙ্গে জড়িত কোনো উল্লেখযোগ্য বা পরিচিত ভূপ্রাকৃতিক বা শহুরে নাম নয়। D) Garlev - এই নামের কোনো গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক স্থান বা যুদ্ধক্ষেত্রের অস্তিত্ব রাশিয়া-চেচনিয়া সংঘাতে নেই। মনে রাখার টিপস: চেচনিয়ার সাথে শান্তির জন্য রাশিয়ার বুদেনোভস্ক হাসপাতালের জিম্মি সংকট একটি মোড় পরিবর্তনকারী ঐতিহাসিক ঘটনা ছিল।
a দ্বিতীয়
b তৃতীয়
c পঞ্চম
d ষষ্ঠ
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ষষ্ঠ কেন সঠিক: - ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ষষ্ঠ বিশেষ অধিবেশনে উন্নয়নশীল দেশের দাবি অনুযায়ী নয়া আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা বা NIEO প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব গৃহীত হয়। - বিশ্ব অর্থনীতির বৈষম্য দূর করতে এবং উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশের মধ্যকার অর্থনৈতিক ব্যবধান কমানোর লক্ষ্যে এই প্রস্তাব পাশ করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্বিতীয় — এই অধিবেশনে নয়া আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার প্রস্তাব গৃহীত হয়নি, কারণ এটি ভিন্ন সময়ের অন্য কোনো ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তের সঙ্গে সম্পর্কিত। B) তৃতীয় — এই অধিবেশনে উক্ত প্রস্তাব গৃহীত হয়নি, এটি এই আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। নির্মাতা সি C) পঞ্চম — এই অধিবেশনে নয়া আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার প্রস্তাব পেশ বা গৃহীত হয়নি, এটি অন্য কোনো সাধারণ বা বিশেষ অধিবেশন ছিল। D) ষষ্ঠ — এই বিশেষ অধিবেশনেই ঐতিহাসিক নয়া আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার প্রস্তাব আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: ষষ্ঠ সংখ্যাটির সঙ্গে অর্থনৈতিক শোষণের ষষ্ঠ রূপ মুক্তির তুলনা করে মনে রাখতে পারেন যে ষষ্ঠ বিশেষ অধিবেশনেই এই অর্থনৈতিক প্রস্তাব গৃহীত হয়।
a দুই ভাগে
b তিন ভাগে
c চার ভাগে
d পাঁচ ভাগে
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) তিন ভাগে কেন সঠিক: - উৎস বা উৎপত্তি অনুসারে বাংলা শব্দগুলোকে যৌগিক, রূঢ় ও যোগরূঢ় - এই তিন ভাগে ভাগ করা হয়। - শব্দার্থের গভীরতা ও গঠনের ওপর ভিত্তি করে বাংলা ব্যাকরণে শব্দসমষ্টির এই ত্রিবিধ রূপ নির্ধারণ করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দুই ভাগে — বাংলা ব্যাকরণে শব্দার্থ বা উৎসের বিচার সাধারণত দুই ভাগে হয় না, এটি ভুল বিভাজন। B) তিন ভাগে — এটি সঠিক উত্তর কারণ শব্দার্থ অনুসারে শব্দ তিন প্রকার। C) চার ভাগে — উৎসের দিক থেকে বাংলা শব্দ চার প্রকার হলেও শব্দার্থ অনুসারে চার প্রকার নয়। D) পাঁচ ভাগে — উৎস বা গঠনভেদে কোনো শ্রেণিবিন্যাসই পাঁচ ভাগে বিভক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: শব্দার্থের তিন ভাই, যৌগিক, রূঢ় আর যোগরূঢ় ভাই।
a সংস্কৃত
b পালি
c প্রাকৃত
d অপভ্রংশ
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্রাকৃত কেন সঠিক: - ডক্টর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে বাংলা ভাষার উদ্ভব হয়েছে প্রাকৃত বা বিশেষ করে মাগধী অপভ্রংশ বা প্রাকৃত স্তর থেকে। - ভারতীয় আর্য ভাষার বিবর্তনে প্রাচীন ভারতীয় আর্য ও মধ্য ভারতীয় আর্য ভাষার প্রাকৃত স্তর পার হয়ে বাংলা ভাষা রূপ লাভ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সংস্কৃত — সংস্কৃত সরাসরি বাংলা ভাষার জননী নয়, এটি প্রাচীন ভারতীয় আর্য ভাষা যা প্রাকৃত ভাষার পূর্ববর্তী স্তর। B) পালি — পালি হলো একটি মধ্য ভারতীয় আর্য ভাষা যা প্রধানত বৌদ্ধ ধর্মের শাস্ত্র প্রচারে ব্যবহৃত হতো, বাংলা এর থেকে আসেনি। C) প্রাকৃত — এটি সঠিক উত্তর। D) অপভ্রংশ — ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে বাংলা ভাষার উদ্ভব গৌড়ীয় অপভ্রংশ থেকে, তবে সাধারণ পরীক্ষায় প্রাকৃত স্তরকেই উত্তর হিসেবে ধরা হয়। মনে রাখার টিপস: প্রাকৃত ভাষা থেকেই বিবর্তিত হয়ে বাংলা ভাষার জন্ম হয়েছে।
a লালন শাহ্
b সিরাজ সাঁই
c মদন বাউল
d পাগলা কানাই
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) লালন শাহ্ কেন সঠিক: - পঙক্তিটি বাংলা মরমি সাহিত্যের প্রবাদপ্রতিম সাধক ও গীতিকার লালন শাহের বিখ্যাত একটি গানের অংশ। - এই গানে তিনি মানবধর্মের শ্রেষ্ঠত্ব এবং মানুষের তৈরি বিভিন্ন কৃত্রিম জাতিভেদের কঠোর সমালোচনা করেছেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লালন শাহ্ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। B) সিরাজ সাঁই — তিনি লালন শাহের আধ্যাত্মিক গুরু হলেও এই পঙক্তির রচয়িতা নন। C) মদন বাউল — তিনি একজন প্রখ্যাত বাউল সাধক হলেও এই পঙক্তিটি তার রচিত নয়। D) পাগলা কানাই — তিনি লোককবি ও মরমী সাধক হলেও এই গানটির সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: ধর্ম বা জাত নিয়ে মানবতার বাণী থাকলে এবং কোনো নির্দিষ্ট অপশনে লালন শাহের নাম থাকলে সাধারণত তিনিই উত্তর হন।
a মিশ্র
b জটিল
c যৌগিক
d সরল
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সরল কেন সঠিক: - এই বাক্যে একটি মাত্র উদ্দেশ্য বা কর্তা (হযরত মোহাম্মদ (সঃ)) এবং একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া (ছিলেন) রয়েছে। - সরল বাক্যের সংজ্ঞানুযায়ী, যে বাক্যে একটিমাত্র কর্তা এবং একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে, তাকে সরল বাক্য বলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মিশ্র — মিশ্র বা জটিল বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্যের অধীন এক বা একাধিক আশ্রিত খণ্ডবাক্য থাকে, যা এই বাক্যে নেই। B) জটিল — জটিল বাক্যে পরস্পরনির্ভর দুটি খণ্ডবাক্য থাকে, যা এই বাক্যের গঠনশৈলীর সঙ্গে মেলে না। C) যৌগিক — যৌগিক বাক্যে দুই বা ততোধিক স্বাধীন বাক্য বা খণ্ডবাক্য সংযোজক অব্যয় দ্বারা যুক্ত থাকে, যা এখানে অনুপস্থিত। D) সরল — প্রদত্ত বাক্যটি সরল বাক্যের সব শর্ত পূরণ করে, তাই এটি সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: যে বাক্যে একটি মাত্র কর্তা এবং একটি সমাপিকা ক্রিয়া থাকে, চোখ বন্ধ করে তাকে সরল বাক্য হিসেবে চিহ্নিত করবে।
a ৪৮
b ৫০
c ৫৪ (২০১২)
d ৫৭
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫৪ (২০১২) কেন সঠিক: - প্রশ্নটিতে প্রদত্ত উত্তরটি বর্তমান বাস্তবতার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয় কারণ কমনওয়েলথের সদস্য সংখ্যা পরিবর্তনশীল। - বর্তমানে কমনওয়েলথের সদস্য দেশ ৫৬টি এবং সর্বশেষ যুক্ত হওয়া দেশ গ্যাবন ও টোগো। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪৮ — এই সংখ্যাটি বর্তমান বা নির্দিষ্ট কোনো সময়ের কমনওয়েলথ সদস্য সংখ্যার সঙ্গে মিল নেই। B) ৫০ — এটি কমনওয়েলথের সঠিক সদস্য সংখ্যা নয় এবং কোনো নির্দিষ্ট ঐতিহাসিক সদস্য সংখ্যাও নির্দেশ করে না। C) ৫৪ (২০১২) — প্রদত্ত এই সংখ্যাটি ২০১২ সালের তথ্য অনুযায়ী সঠিক হলেও বর্তমান সদস্য সংখ্যার ক্ষেত্রে এটি সঠিক নয়। D) ৫৭ — কমনওয়েলথের সদস্য সংখ্যা বর্তমানে ৫৭টি নয়, তাই এই অপশনটি ভুল। মনে রাখার টিপস: কমনওয়েলথের বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৫৬টি মনে রাখতে ৫৬ সংখ্যাটি মাথায় রাখুন।
a সুয়েজ খাল
b কোরীয় যুদ্ধ
c পাক-ভারত যুদ্ধ - ১৯৬৫
d ফকল্যান্ড
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কোরীয় যুদ্ধ কেন সঠিক: - ১৯৫০ সালে কোরীয় যুদ্ধের সময় নিরাপত্তা পরিষদে সোভিয়েত ইউনিয়নের ভেটো প্রদানের কারণে শান্তি বজায় রাখতে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে এই রেজুলেশন গৃহীত হয়। - এই প্রস্তাবের মাধ্যমে নিরাপত্তা পরিষদ ব্যর্থ হলে সাধারণ পরিষদ বিশ্বশান্তি রক্ষায় জরুরি ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষমতা লাভ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুয়েজ খাল — এটি ১৯৫৬ সালের সুয়েজ সংকটের সঙ্গে সম্পর্কিত, যা এই রেজুলেশনের প্রেক্ষাপট নয়। B) কোরীয় যুদ্ধ — এটিই সঠিক উত্তর কারণ এই যুদ্ধের জট খুলতে প্রস্তাবটি আনা হয়েছিল। C) পাক-ভারত যুদ্ধ - ১৯৬৫ — এটি ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সংঘাত, যা এই বিশ্ব সংস্থার রেজুলেশনের প্রেক্ষাপট নয়। D) ফকল্যান্ড — এটি ১৯৮২ সালে যুক্তরাজ্য ও আর্জেন্টিনার মধ্যকার যুদ্ধ, যা এই ঘটনার বহু পরের। মনে রাখার টিপস: কোরিয়া যুদ্ধ থামাতে নিরাপত্তা পরিষদ যখন আটকে যায়, তখন সাধারণ পরিষদ শান্তি আনতে এগিয়ে আসে।
a রাজনীতিবিদ
b ক্রীড়াবিদ
c ব্যবসায়ী
d কূটনীতিবিদ
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কূটনীতিবিদ কেন সঠিক: - এটি একটি লাতিন শব্দগুচ্ছ, যার অর্থ হলো অপছন্দনীয় বা অবাঞ্ছিত ব্যক্তি। - আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে কোনো দেশের কূটনীতিককে সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্র যখন আর গ্রহণ করতে চায় না, তখন তাকে এই অভিধা দেওয়া হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাজনীতিবিদ — এটি রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের ক্ষেত্রে সরাসরি আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক আইন হিসেবে প্রযোজ্য নয়। B) ক্রীড়াবিদ — ক্রীড়াবিদরা প্রতিযোগিতায় অংশ নেন এবং তাদের ক্ষেত্রে এই কূটনৈতিক পরিভাষা ব্যবহার করা হয় না। C) ব্যবসায়ী — ব্যবসায়ীরা বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সাথে যুক্ত, কূটনীতির এই বিশেষ পদের সাথে তাদের সম্পর্ক নেই। D) কূটনীতিবিদ — এই পদ বা পরিভাষাটি কেবল আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে কূটনীতিকদের বহিষ্কার বা অবাঞ্ছিত ঘোষণা করার জন্যই প্রযোজ্য। মনে রাখার টিপস: Persona non grata শব্দটির সাথে কূটনীতি এবং অবাঞ্ছিত ব্যক্তি বিষয়টি মনে রাখলেই সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সহজ হয়।
a ইন্দোনেশিয়া
b মালয়েশিয়া
c থাইল্যান্ড
d ফিলিপাইন
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ইন্দোনেশিয়া কেন সঠিক: - ইন্দোনেশিয়া এশিয়া মহাদেশে অবস্থিত হলেও এর অধিকাংশ মানুষ মুসলিম এবং দেশটি তেল রপ্তানিকারক দেশগুলোর সংগঠন ওপেকের সদস্য। - মধ্যপ্রাচ্যের আরব দেশগুলোর বাইরে এশিয়া থেকে ওপেকের সদস্যপদ লাভকারী একমাত্র দেশ হলো ইন্দোনেশিয়া। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইন্দোনেশিয়া — এটি প্রশ্নানুযায়ী সঠিক উত্তর কারণ এটি এশিয়ার একমাত্র অনারব ওপেক সদস্য দেশ। B) মালয়েশিয়া — এটি এশিয়ার মুসলিমপ্রধান দেশ হলেও ওপেকভুক্ত নয়, তাই এটি সঠিক নয়। C) থাইল্যান্ড — এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ হলেও ওপেক সংস্থার সদস্যপদভুক্ত নয়। D) ফিলিপাইন — এটি এশিয়ার একটি দ্বীপরাষ্ট্র এবং ওপেকের সদস্য তালিকার অন্তর্ভুক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: ওপেক জোনে এশিয়ার অনারব দেশ বলতে শুধু ইন্দোনেশিয়ার নাম মনে রাখবে।
a ইউরোপের হল্যান্ড থেকে
b দক্ষিণ আমেরিকা পেরু-চিলি থেকে
c আফ্রিকার মিশর থেকে
d এশিয়ার থাইল্যান্ড থেকে
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ইউরোপের হল্যান্ড থেকে কেন সঠিক: - গোলআলু মূলত দক্ষিণ আমেরিকার ফসল হলেও উপমহাদেশে এর বাণিজ্যিক চাষ ও বিস্তার ঘটে হল্যান্ড বা ওলন্দাজদের মাধ্যমে। - ঐতিহাসিক তথ্যানুযায়ী, সপ্তদশ শতকের দিকে ইউরোপের বণিকরা এই কৃষিপণ্য আমাদের অঞ্চলে নিয়ে আসেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইউরোপের হল্যান্ড থেকে — এই অপশনটি সঠিক কারণ হল্যান্ডের বণিকরাই প্রথম আমাদের দেশে গোলআলু নিয়ে এসেছিলেন। B) দক্ষিণ আমেরিকা পেরু-চিলি থেকে — গোলআলুর আদি উৎস দক্ষিণ আমেরিকা হলেও সেখান থেকে সরাসরি আমাদের দেশে আনা হয়নি। C) আফ্রিকার মিশর থেকে — মিশর থেকে আমাদের দেশে গোলআলু আমদানির কোনো ঐতিহাসিক ভিত্তি নেই। D) এশিয়ার থাইল্যান্ড থেকে — থাইল্যান্ড গোলআলুর উৎস বা এখান থেকে আমাদের দেশে আলু আনা হয়নি। মনে রাখার টিপস: আলু আমদানির ক্ষেত্রে মনে রাখুন হল্যান্ডের ওলন্দাজ বণিকদের কথা।
a মারিস্যা ভ্যালি
b খাগড়া ভ্যালি
c জাবরী ভ্যালি
d ভেঙ্গী ভ্যালি
0 94 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ভেঙ্গী ভ্যালি কেন সঠিক: - কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের বাঁধ নির্মাণের ফলে কর্ণফুলী নদীর অববাহিকায় সৃষ্ট কৃত্রিম কাপ্তাই হ্রদের পানিতে পার্বত্য চট্টগ্রামের ভেঙ্গী ভ্যালি এলাকাটি সম্পূর্ণ প্লাবিত হয়েছিল। - ১৯৬০ সালে কাপ্তাই বাঁধ নির্মাণের কারণে এই উপত্যকার বিস্তীর্ণ জনপদ ও কৃষিজমি পানির নিচে তলিয়ে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মারিস্যা ভ্যালি — এটি কাপ্তাই হ্রদের পানিতে প্লাবিত হওয়া প্রধান উপত্যকা নয়, এটি রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার একটি এলাকা। B) খাগড়া ভ্যালি — এটি খাগড়াছড়ি জেলায় অবস্থিত একটি পাহাড়ি উপত্যকা যা কাপ্তাই হ্রদের প্লাবনভূমির অন্তর্ভুক্ত নয়। C) জাবরী ভ্যালি — এটি পার্বত্য চট্টগ্রামের অন্য একটি নদীভিত্তিক উপত্যকা, যা কাপ্তাই হ্রদের পানিতে তলিয়ে যায়নি। D) ভেঙ্গী ভ্যালি — এটি কাপ্তাই হ্রদের পানিতে প্লাবিত হওয়া সঠিক উপত্যকা। মনে রাখার টিপস: কাপ্তাই হ্রদের পানিতে প্লাবিত ভ্যালি মনে রাখতে ভেঙ্গী নামটি মনে রাখুন, কারণ ভেঙ্গী ভ্যালিই হ্রদের তলদেশে হারিয়ে গেছে।
a সিলেটের মালনীছড়ায়
b পার্বত্য চট্টগ্রামের খাগড়াছড়িতে
c সিলেটের জাফলং
d সিলেটের তামাবিলে
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সিলেটের মালনীছড়ায় কেন সঠিক: - ১৮৫৪ সালে সিলেটের মালনীছড়া চা বাগানে বাণিজ্যিকভাবে প্রথম চায়ের চাষ শুরু হয়। - ব্রিটিশ আমলে ভারতের আসাম কোম্পানির উদ্যোগে এই বাগান প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলাদেশের চা শিল্পের সূচনা ঘটে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সিলেটের মালনীছড়ায় — এটি বাংলাদেশের প্রথম চা চাষের ঐতিহাসিক স্থান এবং বাণিজ্যিকভাবে চা চাষের সূতিকাগার। B) পার্বত্য চট্টগ্রামের খাগড়াছড়িতে — এটি বর্তমান সময়ে চা চাষের একটি অঞ্চল হলেও প্রথম চা চাষের স্থান নয়। C) সিলেটের জাফলং — এটি পাথর ও পর্যটনের জন্য বিখ্যাত হলেও প্রথম চা চাষের স্থান হিসেবে পরিচিত নয়। D) সিলেটের তামাবিলে — এটি একটি স্থলবন্দর ও সীমান্ত এলাকা, যা ঐতিহাসিক চা চাষের সূচনার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: চা চাষের সূচনা মনে রাখতে 'মা' দিয়ে মালনীছড়া মনে রাখুন, যা প্রথম চা বাগান।
a নভেরা আহমেদ
b হামিদুজ্জামান খান
c আব্দুল্লাহ খালেক
d সুলতান ইসলাম
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) হামিদুজ্জামান খান কেন সঠিক: - বিশ্বখ্যাত বাংলাদেশি ভাস্কর হামিদুজ্জামান খান সিউল অলিম্পিক পার্কের জন্য ‘স্টেপস’ বা সোপান ভাস্কর্যটি তৈরি করেছেন। - তাঁর বহু ভাস্কর্য দেশ ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে উন্মুক্ত প্রদর্শনীর জন্য বিশেষভাবে সমাদৃত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নভেরা আহমেদ — তিনি বাংলাদেশের আধুনিক ভাস্কর্য শিল্পের অগ্রদূত হলেও এই ভাস্কর্যের স্রষ্টা নন। B) হামিদুজ্জামান খান — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং সিউল অলিম্পিক পার্কে তাঁর ভাস্কর্য স্থান পেয়েছে। C) আব্দুল্লাহ খালেক — তিনি এই আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ভাস্কর্যটির সঙ্গে যুক্ত নন। D) সুলতান ইসলাম — তিনি এই প্রশ্নের উত্তরের জন্য প্রাসঙ্গিক বা সঠিক কোনো ভাস্কর নন। মনে রাখার টিপস: সিউল অলিম্পিক পার্কের ‘স্টেপস’ ভাস্কর্য মানেই ভাস্কর হামিদুজ্জামান খান।
a হুমায়ূন আজাদ
b আহমদ রফিক
c ওয়াকিল আহমদ
d আবদুল মতিন খান
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ওয়াকিল আহমদ কেন সঠিক: - প্রাবন্ধিক ও গবেষক ওয়াকিল আহমদ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য ক্ষেত্রে অবদানের জন্য ১৯৯৪ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করেন। - তাঁর সাহিত্যিক ও গবেষণা কর্মের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলা একাডেমি তাকে এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কারে ভূষিত করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হুমায়ূন আজাদ — তিনি মূলত ১৯৯২ সালে প্রবন্ধ বিভাগে বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করেছিলেন। B) আহমদ রফিক — তিনি সাহিত্য ও গবেষণায় বিশেষ অবদানের জন্য ১৯৯৫ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার পান। C) ওয়াকিল আহমদ — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি নির্ধারিত ১৯৯৪ সালে এই পুরস্কার লাভ করেন। D) আবদুল মতিন খান — তিনি ১৯৯৪ সালের বাংলা একাডেমি পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রাবন্ধিক নন। মনে রাখার টিপস: ওয়াকিল আহমদের নামের শেষাংশের ওয়াকিল এবং বাংলা একাডেমি পুরস্কার প্রাপ্তির সাল ১৯৯৪ একত্রে মনে রাখতে পারেন।
a ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯
b ৩ জানুয়ারি, ১৯৫৪
c ২৬ মে, ১৯৫৫
d ১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৬
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯ কেন সঠিক: - উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা বা ন্যাটো (NATO) একটি সামরিক জোট যা ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডি সি তে স্বাক্ষরিত হয়। - সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রভাব মোকাবিলা এবং পশ্চিমা দেশগুলোর পারস্পরিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে এই সামরিক জোট গঠিত হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯ — এটি ন্যাটো প্রতিষ্ঠার সঠিক তারিখ এবং তৎকালীন সময়ে ১২টি প্রতিষ্ঠাতা সদস্য রাষ্ট্র এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিল। B) ৩ জানুয়ারি, ১৯৫৪ — এই তারিখে কোনো আন্তর্জাতিক সামরিক জোট গঠিত হওয়ার ঐতিহাসিক রেকর্ড নেই। C) ২৬ মে, ১৯৫৫ — এই তারিখে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে পূর্ব ইউরোপীয় দেশগুলো নিয়ে ওয়ারশ প্যাক্ট গঠিত হয়েছিল। D) ১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৬ — এই তারিখটি ন্যাটোর প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সম্পর্কিত নয় বরং এটি অন্য কোনো রাজনৈতিক বা ঐতিহাসিক ঘটনার দিন। মনে রাখার টিপস: ন্যাটো গঠনের সাল মনে রাখতে ৪ এপ্রিল ১৯৪৯ সংখ্যাগুলো মনে রাখতে হবে যা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অব্যবহিত পরের একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা।
a protein – P53
b Protien – P51
c Protien – P49
d Protien – P54
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি / সাধারণ জ্ঞান সঠিক উত্তর: C) Protien – P49 কেন সঠিক: - প্রাকৃতিক প্রোটিনের একটি বিশেষ গবেষণামূলক কোড নাম হলো পি ঊনপঞ্চাশ বা পি উনপঞ্চাশ কোড। - বিভিন্ন জৈব রাসায়নিক গবেষণায় এই কোডটি নির্দিষ্ট প্রোটিন শনাক্তকরণে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) protein – P53 — এটি মানবদেহের টিউব সাপ্রেসর প্রোটিন বা ক্যানসার রোধক জিন কোড হিসেবে পরিচিত, প্রাকৃতিক প্রোটিনের সাধারণ কোড নয়। B) Protien – P51 — এটি এই নির্দিষ্ট প্রশ্নের জন্য নির্ধারিত বা স্বীকৃত কোনো প্রোটিন কোড নাম নয়। C) Protien – P49 — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং গবেষণায় ব্যবহৃত নির্দিষ্ট কোড নাম। D) Protien – P54 — এটি এই নির্দিষ্ট প্রাকৃতিক প্রোটিনের জন্য প্রযোজ্য কোনো বৈজ্ঞানিক কোড নাম নয়। মনে রাখার টিপস: প্রাকৃতিক প্রোটিনের কোড নাম মনে রাখতে শেষ সংখ্যা উনপঞ্চাশ বা ঊনপঞ্চাশ মনে রাখবে।
a জেলি ও মশলা
b ভোজ্য তেল ও সোডা
c সাবান ও পাউডার
d ফ্লোরাইড ও ক্লোরোফিল
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাবান ও পাউডার কেন সঠিক: - টুথপেস্ট দাঁত পরিষ্কার ও পলিশ করার জন্য তৈরি এক ধরণের পেস্ট, যার মূল ভিত্তি হলো ঘষতে সাহায্যকারী উপাদান বা পাউডার। - দাঁতের ময়লা ও জীবাণু দূর করে ফেনা তৈরি করতে এতে সাবান বা সার্ফ্যাক্ট্যান্ট ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জেলি ও মশলা — জেলি বা মশলা দাঁত পরিষ্কার করার কাজে ব্যবহৃত হয় না এবং এটি টুথপেস্টের মূল উপাদান নয়। B) ভোজ্য তেল ও সোডা — ভোজ্য তেল দাঁত পরিষ্কার করে না এবং সোডা একা টুথপেস্টের প্রধান উপাদান হিসেবে কাজ করে না। C) সাবান ও পাউডার — এটি টুথপেস্টের প্রধান উপাদান হওয়ায় প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক। D) ফ্লোরাইড ও ক্লোরোফিল — ফ্লোরাইড ও ক্লোরোফিল টুথপেস্টে সংযোজন বা সুরক্ষা হিসেবে থাকে, তবে এগুলো প্রধান ভিত্তি বা উপাদান নয়। মনে রাখার টিপস: দাঁত পরিষ্কার করতে মুখের ভেতর ফেনা ও ঘষা লাগানোর জন্য সাবান ও পাউডারই হলো টুথপেস্টের মূল উপাদান।
a ছোট কুকুর
b পর্বতারোহণ সামগ্রী
c বাদ্যযন্ত্র
d ছোট কম্পিউটার
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ছোট কম্পিউটার কেন সঠিক: - ল্যাপটপ হলো একটি বহনযোগ্য বা পোর্টেবল পার্সোনাল কম্পিউটার, যা ব্যাটারির সাহায্যে কাজ করে। - এটি একটি ডেস্কটপ কম্পিউটারের মতো সমস্ত কাজ করতে পারে কিন্তু আকারে ছোট এবং সহজে বহনযোগ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ছোট কুকুর — এটি একটি প্রাণী, যা কোনো ইলেকট্রনিক যন্ত্র বা কম্পিউটার হতে পারে না। B) পর্বতারোহণ সামগ্রী — এটি পাহাড়ে ওঠার জন্য ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জামকে বোঝায়, যার সঙ্গে কম্পিউটারের কোনো সম্পর্ক নেই। C) বাদ্যযন্ত্র — এটি গান বা সুর সৃষ্টির কাজে ব্যবহৃত হয়, যা কোনো প্রযুক্তিগত কম্পিউটিং যন্ত্র নয়। D) ছোট কম্পিউটার — ল্যাপটপ হলো একটি ব্যক্তিগত বা পার্সোনাল কম্পিউটার যা আকারে ছোট ও সহজে বহনযোগ্য। মনে রাখার টিপস: ল্যাপটপ শব্দের 'ল্যাপ' অর্থ কোলা, কোলে রেখে ব্যবহার করা যায় এমন ছোট কম্পিউটারই হলো ল্যাপটপ।
a কনসেনট্রেটেড নাইট্রিক ও হাইড্রোক্লরিক এসিডের মিশ্রণ
b কনসেনট্রেটেড সালফিউরিক এসিড
c কনসেনট্রেটেড নাইট্রিক এসিড
d কনসেনট্রেটেড সালফিউরিক এসিড এবং কনসেনট্রেটেড নাইট্রিক এসিডের মিশ্রণ
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কনসেনট্রেটেড নাইট্রিক ও হাইড্রোক্লরিক এসিডের মিশ্রণ কেন সঠিক: - এটি নাইট্রিক এসিড এবং হাইড্রোক্লোরিক এসিডের ১ অনুপাত ৩ মিশ্রণ, যা অম্লরাজ বা অ্যাকোয়া রেজিয়া নামে পরিচিত। - এই শক্তিশালী মিশ্রণ সোনা ও প্লাটিনামের মতো নিষ্ক্রিয় ধাতু দ্রবীভূত করতে পারে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কনসেনট্রেটেড নাইট্রিক ও হাইড্রোক্লরিক এসিডের মিশ্রণ — এটি অ্যাকোয়া রেজিয়ার সঠিক উপাদান হওয়ায় সঠিক উত্তর। B) কনসেনট্রেটেড সালফিউরিক এসিড — এটি একক এসিড এবং একে অয়েল অব ভিট্রিয়ল বলা হয়। C) কনসেনট্রেটেড নাইট্রিক এসিড — এটি একটি শক্তিশালী খনিজ এসিড হলেও এটি একা অ্যাকোয়া রেজিয়া নয়। D) কনসেনট্রেটেড সালফিউরিক এসিড এবং কনসেনট্রেটেড নাইট্রিক এসিডের মিশ্রণ — এটি নাইট্রেশনের কাজে ব্যবহৃত এসিড মিশ্রণ, অ্যাকোয়া রেজিয়া নয়। মনে রাখার টিপস: অ্যাকোয়া রেজিয়া মনে রাখতে 'এক ভাগ নাইট্রিক ও তিন ভাগ হাইড্রোক্লোরিক এসিডের মিশ্রণ' এই সূত্রটি মনে রাখবে।
a স্নো লোরিস
b রাজ কাঁকড়া
c গণ্ডার
d পিপীলিকাভুক ম্যানিস
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রাজ কাঁকড়া কেন সঠিক: - রাজ কাঁকড়া প্রায় মিলিয়ন বছর ধরে পৃথিবীতে টিকে আছে এবং এর শারীরিক গঠন কোটি বছরেও তেমন কোনো পরিবর্তন হয়নি। - বৈজ্ঞানিক সংজ্ঞায় যেসকল প্রাচীন প্রাণী দীর্ঘদিন ধরে অপরিবর্তিত অবস্থায় বেঁচে আছে, তাদেরকে জীবন্ত জীবাশ্ম বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্নো লোরিস — এটি একটি নিশাচর প্রাইমেট বা শ্লথ প্রজাতির প্রাণী, যা জীবন্ত জীবাশ্মের অন্তর্ভুক্ত নয়। B) রাজ কাঁকড়া — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) গণ্ডার — এটি একটি স্তন্যপায়ী বিশাল আকৃতির প্রাণী, যা প্রাচীন হলেও জীবন্ত জীবাশ্ম হিসেবে পরিচিত নয়। D) পিপীলিকাভুক ম্যানিস — এটি প্যানগোলোনিফর্ম বর্গের একটি স্তন্যপায়ী প্রাণী, যা পিঁপড়া খেয়ে বেঁচে থাকে। মনে রাখার টিপস: রাজকীয়ভাবে কোটি বছর ধরে অপরিবর্তিত বেঁচে আছে বলে রাজ কাঁকড়া হলো জীবন্ত জীবাশ্ম।
a ইসলামপুর
b চকবাজার
c সদরঘাট
d লালবাগ
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চকবাজার কেন সঠিক: - বড় কাটরা ও ছোট কাটরা মুঘল আমলের ঐতিহাসিক স্থাপত্য নিদর্শন, যা পুরান ঢাকার চকবাজার এলাকায় বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত। - শাহ সুজার আমল থেকে শুরু করে মুঘল সুবেদারদের সময়ে চকবাজার কেন্দ্রিক এই বাণিজ্য কুঠি ও বাসস্থানগুলো নির্মিত হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইসলামপুর — এটি কাপড়ের ব্যবসার জন্য বিখ্যাত পুরান ঢাকার একটি এলাকা, তবে কাটরা দুটি এখানে অবস্থিত নয়। B) চকবাজার — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কাটরা দুটি অবস্থিত। C) সদরঘাট — এটি বুড়িগঙ্গা নদীর তীরবর্তী প্রধান লঞ্চঘাট ও ব্যবসায়িক কেন্দ্র, যা কাটারার মূল অবস্থান থেকে আলাদা। D) লালবাগ — এখানে ঐতিহাসিক লালবাগ কেল্লা অবস্থিত হলেও বড় কাটরা বা ছোট কাটরা এই এলাকায় নয়। মনে রাখার টিপস: মুঘল আমলের ঐতিহাসিক কাটরা দুটি পুরান ঢাকার চকবাজার এলাকার বুড়িগঙ্গা নদীর কাছে অবস্থিত।
a নারায়ণগঞ্জ
b গোয়ালন্দ
c বাহাদুরবাদ
d ভৈরববাজার
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গোয়ালন্দ কেন সঠিক: - ভারতে উৎপন্ন গঙ্গা নদী বাংলাদেশে প্রবেশ করার পর রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ ঘাটে ব্রহ্মপুত্র নদের প্রধান ধারা যমুনার সাথে মিলিত হয়েছে। - গঙ্গা ও যমুনার এই মিলনের ফলে সৃষ্ট মিলিত ধারাটি পরবর্তীতে পদ্মা নামে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়ে মেঘনার সাথে মিশেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নারায়ণগঞ্জ — এটি শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ নদীবন্দর, যেখানে গঙ্গা ও যমুনা নদী মিলিত হয়নি। B) গোয়ালন্দ — এটি গঙ্গা ও যমুনা নদীর মিললস্থল বা সঙ্গমস্থান হিসেবে পরিচিত, যা রাজবাড়ী জেলায় অবস্থিত। C) বাহাদুরবাদ — এটি জামালপুর জেলার একটি বিখ্যাত ঘাট এলাকা, যা যমুনা নদীর তীরে অবস্থিত হলেও গঙ্গার সাথে মিলনের স্থান নয়। D) ভৈরববাজার — এটি কিশোরগঞ্জ জেলায় মেঘনা নদীর তীরে অবস্থিত একটি বন্দর, যা গঙ্গা ও যমুনার মিলনের সাথে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: গঙ্গা ও যমুনার মিলনস্থান মনে রাখতে গোয়ালন্দ শব্দটি মাথায় রাখুন, কারণ এই দুই নদী রাজবাড়ীর গোয়ালন্দেই প্রথম একত্রে মিলিত হয়।
a ইংল্যান্ড, আইরিশ প্রজাতন্ত্র, ফ্রান্স
b সুইডেন, নরওয়ে, ফিনল্যান্ড
c চেক প্রজাতন্ত্র, পোল্যান্ড, জার্মানি
d বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ড, লুক্সেমবার্গ
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ড, লুক্সেমবার্গ কেন সঠিক: - বেনোলাক্স বা বেনেলাক্স হলো ইউরোপের তিনটি প্রতিবেশী দেশের একটি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক জোট। - দেশ তিনটির নামের প্রথম অংশ নিয়ে এই নামকরণ করা হয়েছে, যেমন বেলজিয়ামের বে, নেদারল্যান্ডের নে এবং লুক্সেমবার্গের লাক্স। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইংল্যান্ড, আইরিশ প্রজাতন্ত্র, ফ্রান্স — এরা ব্রিটিশ দ্বীপপুঞ্জ ও পশ্চিম ইউরোপের দেশ, কোনো যৌথ অর্থনৈতিক জোটের এই নাম নয়। B) সুইডেন, নরওয়ে, ফিনল্যান্ড — এগুলো উত্তর ইউরোপের স্ক্যান্ডিনেভিয়ান ও নর্ডিক অঞ্চলের দেশ। C) চেক প্রজাতন্ত্র, পোল্যান্ড, জার্মানি — এগুলো মধ্য ইউরোপের দেশ এবং বেনেলাক্স জোটের অন্তর্ভুক্ত নয়। D) বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ড, লুক্সেমবার্গ — এটি বেনেলাক্স জোটের তিনটি সদস্য রাষ্ট্রের সঠিক组合। মনে রাখার টিপস: বে (বেলজিয়াম) + নে (নেদারল্যান্ড) + লাক্স (লুক্সেমবার্গ) = বেনেলাক্স।
a পরীবিবি
b ইরান দুখত
c জাহানারা
d মরিয়ম
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ইরান দুখত কেন সঠিক: - লালবাগ কেল্লার অভ্যন্তরে সমাহিত পরীবিবির আসল নাম ছিল ইরান দুখত। - তিনি মুঘল সুবাদার ও বাংলার নবাব শায়েস্তা খানের কন্যা ছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পরীবিবি — এটি তাঁর আসল নাম নয়, বরং এটি তাঁর ডাকনাম বা পরিচিত নাম ছিল। C) জাহানারা — এটি সম্রাট শাহজাহানের জ্যেষ্ঠ কন্যার নাম, যিনি লালবাগ কেল্লার সঙ্গে সম্পর্কিত নন। D) মরিয়ম — এটি এই ঐতিহাসিক চরিত্রের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো নাম নয়। মনে রাখার টিপস: শায়েস্তা খানের কন্যার আসল নাম ইরান দুখত আর জনপ্রিয় নাম পরীবিবি।
a ১২ গ্রাম
b ৬ গ্রাম
c ৩ গ্রাম
d ৪ গ্রাম
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৪ গ্রাম কেন সঠিক: - ১৬ গ্রামের গহনায় সোনা ও তামার অনুপাত ৩ অনুপাত ১ হওয়ায় সোনা আছে ১২ গ্রাম এবং তামা আছে ৪ গ্রাম। - নতুন অনুপাত ৪ অনুপাত ১ করতে হলে তামার পরিমাণ ৪ গ্রামের সাপেক্ষে সোনা হতে হবে ১৬ গ্রাম, অর্থাৎ সোনা মেশাতে হবে আরও ৪ গ্রাম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১২ গ্রাম — এটি মোট সোনার পরিমাণ নির্দেশ করে, মেশানোর পরিমাণ নয়। B) ৬ গ্রাম — এই পরিমাণ সোনা মেশালে সোনা ও তামার নতুন অনুপাত চার অনুপাত এক হবে না। C) ৩ গ্রাম — এই পরিমাণ সোনা মেশালে সোনা ও তামার অনুপাত পনেরো অনুপাত চার হবে। D) ৪ গ্রাম — এই পরিমাণ সোনা মেশালেই সোনা ও তামার অনুপাত চার অনুপাত এক হয়। মনে রাখার টিপস: মিশ্রণের অংকে অনুপাতের পূর্বরাশি এবং উত্তররাশির পরিবর্তন হিসাব করে খুব সহজেই সঠিক উত্তর বের করা যায়।
a ১৯৭৮ সালে
b ১৯৭০ সালে
c ১৯৭৩ সালে
d ১৯৭৪ সালে
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯৭৩ সালে কেন সঠিক: - আরব ইসরাইল যুদ্ধের সময় আরব দেশগুলো ইসরাইলকে সমর্থনকারী পশ্চিমা দেশগুলোর ওপর এই তেল অবরোধ আরোপ করে। - এই অবরোধের ফলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বহুগুণ বৃদ্ধি পায় এবং আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে তেলের অস্ত্র কার্যকরভাবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৭৪৮ সালে — এই সালে ইসরাইল রাষ্ট্র গঠিত হয় এবং প্রথম আরব ইসরাইল যুদ্ধ সংঘটিত হয়, তবে তেল অবরোধের ঘটনাটি ঘটেছিল পরবর্তীতে। B) ১৯৭০ সালে — এই সময় তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোর সংগঠন ওপেকের প্রভাব বৃদ্ধি পেতে শুরু করলেও কোনো তেল অবরোধের ঘটনা ঘটেনি। C) ১৯৭৩ সালে — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এই সালেই আরব দেশসমূহ পাশ্চাত্যের ওপর প্রথম তেল অবরোধ কার্যকর করেছিল। D) ১৯৭৪ সালে — এই সালে আগের বছরের শুরু হওয়া তেল অবরোধ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাহার করা হয়েছিল, অবরোধের সূচনা নয়। মনে রাখার টিপস: তেল অবরোধের ঘটনাটি ঘটেছিল ৭৩ সালের আরব ইসরাইল যুদ্ধের সময়।
a La Martini
b La Zola
c San Antinio
d San Hose
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি / সাধারণ জ্ঞান সঠিক উত্তর: প্রদাত্ত অপশনগুলোতে একটি ঐতিহাসিক ভুল রয়েছে। জোনাস সাল্ক যুক্তরাষ্ট্রের ল্যা জোল্লা (La Jolla) শহরে মারা যান, যা অপশনের বানানের সাথে পুরোপুরি মিলে না। তবে নিকটতম সম্ভাব্য উত্তর হিসেবে বি অপশনটি নির্দেশ করা যেতে পারে, যদিও সঠিক বানানটি La Jolla। কেন সঠিক: - পোলিও টিকার আবিষ্কারক জোনাস সাল্ক ১৯৯৫ সালের ২৩ জুন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের সান ডিয়েগো শহরের লা জোল্লা (La Jolla) এলাকায় মৃত্যুবরণ করেন। - লা জোল্লা হলো ক্যালিফোর্নিয়ার সান ডিয়েগো শহরের একটি বিখ্যাত সমুদ্র তীরবর্তী ধনী এলাকা যেখানে বিখ্যাত সাল্ক ইনস্টিটিউট অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) La Martini — এটি এই প্রশ্নের উত্তরের সাথে সম্পর্কিত নয় এবং এটি কোনো নির্দিষ্ট বা সঠিক ভৌত অবস্থান নির্দেশ করে না। B) La Zola — প্রদত্ত অপশনে বানান ভুল রয়েছে, এর সঠিক বানান হলো লা জোল্লা বা La Jolla যেখানে জোনাস সাল্ক মারা যান। C) San Antinio — এটি যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের একটি শহর, যা জোনাস সাল্কের মৃত্যুর সাথে সম্পর্কিত নয়। D) San Hose — এটি ক্যালিফোর্নিয়ার একটি শহর হলেও এটি জোনাস সাল্কের মৃত্যুর স্থান লা জোল্লা থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। মনে রাখার টিপস: পোলিও টিকার জনক জোনাস সাল্ক মারা যান ক্যালিফোর্নিয়ার লা জোল্লা (La Jolla) শহরে।
a ৫ মে, ১৯৯৪
b ৬ এপ্রিল, ১৯৯৪
c ৫ মে, ১৯৯৫
d ৭ মে ১৯৯৫
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫ মে, ১৯৯৫ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল এবং প্রাণিসম্পদ গবেষণা প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে এই দিনে প্রথম সফল ভ্রুন প্রতিস্থাপন বা বদল করা হয়। - উন্নত জাতের গবাদি পশুর বংশবৃদ্ধির মাধ্যমে দুধ ও মাংসের উৎপাদন বৃদ্ধি করার উদ্দেশ্যে এই প্রযুক্তি প্রথম প্রয়োগ করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৫ মে, ১৯৯৪ — এই সালটি বাংলাদেশের গবাদি পশুতে প্রথম ভ্রুন বদল করার ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত নয় এবং এটি ভুল তারিখ। B) ৬ এপ্রিল, ১৯৯৪ — এটি প্রাণিসম্পদসংক্রান্ত কোনো ঐতিহাসিক বা সফল ভ্রুন প্রতিস্থাপনের পরীক্ষামূলক সঠিক তারিখ নয়। C) ৫ মে, ১৯৯৫ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য। D) ৭ মে ১৯৯৫ — তারিখের হিসেবে এটি সঠিক দিনের সঙ্গে মিলছে না, কারণ সফল ভ্রুন বদল ৫ মে সম্পন্ন হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: গবাদি পশুর ভ্রুন বদলের সাল মনে রাখতে ১৯৯৫ সালের ৫ মে তারিখটি মনে রাখবে, যা ১৯৯৪ সালের ঠিক এক বছর পরের ঘটনা।
a সদরঘাটে
b চাঁদনীঘাটে
c পোস্তগোলায়
d শ্যামবাজারে
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চাঁদনীঘাটে কেন সঠিক: - ১৮৭৪ সালে ঢাকার বুড়িগঙ্গা নদীর তীরবর্তী চাঁদনীঘাটে প্রথম আধুনিক পানি সরবরাহ ও শোধন কার্যক্রম স্থাপন করা হয়। - তৎকালীন ঢাকা পৌরসভার উদ্যোগে এবং খাজা আব্দুল গনির আর্থিক সহায়তায় এই পানি সরবরাহ ব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সদরঘাটে — এটি ঢাকার একটি ঐতিহাসিক লঞ্চ ঘাট ও বাণিজ্য কেন্দ্র হলেও প্রথম পানি সরবরাহ ব্যবস্থা এখানে স্থাপিত হয়নি। C) পোস্তগোলায় — এটি ঢাকার একটি প্রাচীন এলাকা হলেও ১৮৭৪ সালের পানি সরবরাহ প্রকল্পের সঙ্গে এর কোনো ঐতিহাসিক সংশ্লিষ্টতা নেই। D) শ্যামবাজারে — এটি ঢাকার একটি পুরোনো ও বিখ্যাত ব্যবসাকেন্দ্র হলেও প্রথম পানি সরবরাহ কার্যক্রম এখানে করা হয়নি। মনে রাখার টিপস: ঢাকায় পানি সরবরাহের প্রথম কাজ শুরু হয়েছিল চাঁদনীঘাটে, যা মনে রাখতে পারি চাঁদের আলো বা পানির স্রোতের সঙ্গে চাঁদনীঘাট নামটি মিলিয়ে।
a টেবিল
b চেয়ার
c বালতি
d শরবত
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বালতি কেন সঠিক: - বালতি শব্দটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে সরাসরি বাংলা ভাষায় গৃহিত হয়েছে এবং এটি আমাদের দৈনন্দিন জীবনের একটি বহুল ব্যবহৃত শব্দ। - পর্তুগিজরা বাংলাদেশে আসার পর তাদের ব্যবহৃত অনেক সামগ্রীর নাম বাংলায় যুক্ত হয়, যার মধ্যে বালতি একটি অন্যতম প্রধান শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) টেবিল — এটি পর্তুগিজ শব্দ নয়, এটি ইংরেজি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় আত্তীকরণ করা হয়েছে। B) চেয়ার — এটিও ইংরেজি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে, পর্তুগিজ শব্দ নয়। D) শরবত — এটি আরবি বা ফারসি ভাষা থেকে আগত একটি শব্দ, যা পর্তুগিজ ভাষার অন্তর্ভুক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: পর্তুগিজ শব্দ মনে রাখার সহজ কৌশল হলো গৃহস্থালি ও পানীয় সম্পর্কিত কিছু শব্দ যেমন বালতি, চাবি, আনারস ও আলমারি সবসময় একসঙ্গে মনে রাখা।
a মাকাও
b হাইতি
c ওকিনাওয়া
d ভিয়েতনাম
0 118 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ওকিনাওয়া কেন সঠিক: - জাপানের ওকিনাওয়া দ্বীপে বিশ্বযুদ্ধের হতাহতদের স্মরণে কর্নার স্টোন অব পিস স্মৃতিসৌধটি নির্মাণ করা হয়েছে। - এই স্মৃতিসৌধে জাতীয়তা বা ভেদাভেদ ভুলে যুদ্ধের সকল বলিদানকারী মানুষের নাম উৎকীর্ণ করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাকাও — এটি চীনের একটি বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চল এবং জুয়ার জন্য পরিচিত, যা এই স্মৃতিসৌধের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) হাইতি — এটি ক্যারিবীয় অঞ্চলের একটি দেশ এবং রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার জন্য পরিচিত, যেখানে এই স্মৃতিসৌধটি নেই। C) ওকিনাওয়া — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো কারণ প্রযোজ্য নয়। D) ভিয়েতনাম — এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি দেশ যা ভিয়েতনাম যুদ্ধের সঙ্গে জড়িত, কিন্তু এই নির্দিষ্ট স্মৃতিসৌধটি এখানে অবস্থিত নয়। মনে রাখার টিপস: শান্তির ভিত্তি বা কর্নার স্টোন অব পিস এবং ওকিনাওয়া উভয় নামই জাপানের শান্তি ইতিহাসের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
a ১ মিটার
b ১০ মিটার
c ১৫ মিটার
d ৩০ মিটার
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১০ মিটার কেন সঠিক: - বায়ুমণ্ডলের স্বাভাবিক চাপে (১ বায়ুমণ্ডলীয় চাপ) পানির স্তম্ভ সর্বোচ্চ প্রায় ১০ মিটার বা ৩৪ ফুট পর্যন্ত উঠতে পারে। - লিফট পাম্প মূলত বায়ুমণ্ডলের চাপের ওপর ভিত্তি করে কাজ করে, তাই এর মাধ্যমে এর বেশি গভীরতা থেকে পানি তোলা সম্ভব নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১ মিটার — এই গভীরতা লিফট পাম্পের ক্ষমতার তুলনায় অনেক কম এবং বায়ুমণ্ডলীয় চাপের পূর্ণ সদ্ব্যবহার এখানে হয় না। B) ১০ মিটার — এটি সঠিক উত্তর কারণ স্বাভাবিক বায়ুমণ্ডলীয় চাপে লিফট পাম্প এই সর্বোচ্চ গভীরতা পর্যন্ত পানি তুলতে পারে। C) ১৫ মিটার — বায়ুমণ্ডলীয় চাপ কেবল ১০ মিটার পর্যন্ত পানির স্তম্ভ ধরে রাখতে পারে, তাই এই গভীরতা থেকে পাম্প পানি তুলতে পারে না। D) ৩০ মিটার — এত বেশি গভীরতা থেকে পানি তোলার জন্য সাধারণ লিফট পাম্প কাজ করে না, এর জন্য সাবমার্সিবল বা টিউবওয়েল প্রয়োজন হয়। মনে রাখার টিপস: লিফট পাম্প এবং বায়ুমণ্ডলীয় চাপের ক্ষেত্রে ১০ সংখ্যাটি মনে রাখলেই সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সহজ হয়।
a ৩১ জানুয়ারি
b ৩০ মার্চ
c ৩০ এপ্রিল
d ৩১ মে
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩১ মে কেন সঠিক: - বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) ১৯৮৭ সাল থেকে প্রতি বছর ৩১ মে তারিখটিকে বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস হিসেবে পালন করে আসছে। - তামাক ব্যবহারের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে জনসচেতনতা সৃষ্টি করাই এই দিবস পালনের মূল উদ্দেশ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩১ জানুয়ারি — এই তারিখে বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস পালন করা হয় না এবং এটি একটি সাধারণ মাস ও তারিখ। B) ৩০ মার্চ — এই তারিখে অন্য কোনো জাতীয় বা আন্তর্জাতিক দিবস থাকতে পারে, তবে এটি তামাকমুক্ত দিবসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) ৩০ এপ্রিল — এই তারিখে বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস পালিত হয় না, এটি তামাকবিরোধী দিবসের সঠিক তারিখ নয়। D) ৩১ মে — এটি বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস পালনের জন্য নির্ধারিত সঠিক আন্তর্জাতিক তারিখ। মনে রাখার টিপস: বছরের শেষ দিন মে মাসের একত্রিশ (৩১) তামাক ছেড়ে দেওয়ার তারিখটি মনে রেখো নির্দিষ্ট এই দিনে।
a আদ্রতা
b স্থিতিস্থাপকতা
c প্লবতা
d পৃষ্টটান
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পৃষ্টটান কেন সঠিক: - তরলের পৃষ্ঠটানের কারণে এর মুক্তপৃষ্ঠ সর্বনিম্ন ক্ষেত্রফল ধারণ করার চেষ্টা করে, যার ফলে পানির ফোঁটা গোলাকৃতি হয়। - গোলকের আয়তনের তুলনায় পৃষ্ঠের ক্ষেত্রফল সবচেয়ে কম হয় বলে তরল ফোঁটা সর্বদা গোলকাকৃতি ধারণ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আদ্রতা — এটি বাতাসে জলীয় বাষ্পের উপস্থিতির পরিমাণ নির্দেশ করে, যা তরলের আকৃতির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। বি) স্থিতিস্থাপকতা — এটি পদার্থের এমন একটি ধর্ম যার প্রভাবে বাহ্যিক বল অপসারণ করলে বস্তু আগের অবস্থায় ফিরে যায়। সি) প্লবতা — এটি তরল বা বায়বীয় পদার্থে নিমজ্জিত বস্তুর ওপর প্রযুক্ত ঊর্ধ্বমুখী বল, যা ফোঁটার আকৃতির জন্য দায়ী নয়। ডি) পৃষ্টটান — এটি সঠিক উত্তর, কারণ তরলের এই গুণের জন্যই পানির ফোঁটা গোলাকৃতি ধারণ করে। মনে রাখার টিপস: তরলের আকর্ষণ বল বা পৃষ্ঠটান কমালেই ফোঁটা ছড়ায়, আর পৃষ্ঠটানের টানেই ফোঁটা গোল হয়।
a খোলসের টুকরা
b চোখের মণি
c প্রদাহের ফল
d জমাট হরমোন
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্রদাহের ফল কেন সঠিক: - ঝিনুকের নরম অংশে যখন বালুকণা বা পরজীবী জাতীয় ক্ষতিকর বস্তু প্রবেশ করে, তখন ঝিনুক সুরক্ষার জন্য এক প্রকার রাসায়নিক পদার্থ নিঃসৃত করে। - এই প্রতিরক্ষামূলক পদার্থের স্তর দীর্ঘদিন ধরে জমা হয়ে শক্ত মার্জার বা মুক্তা তৈরি হয়, যা মূলত এক ধরনের প্রদাহের প্রতিক্রিয়া। বাকি অপশন কেন ভুল: A) খোলসের টুকরা — মুক্তা খোলসের কোনো ভাঙা অংশ নয়, এটি ঝিনুকের ভেতরে তৈরি হওয়া একটি স্বাধীন জৈব রাসায়নিক বস্তু। B) চোখের মণি — ঝিনুকের কোনো চোখ বা চোখের মণি থাকে না, তাই মুক্তার সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। C) প্রদাহের ফল — এটি সঠিক উত্তর, কারণ বাহ্যিক বস্তুর কারণে সৃষ্ট প্রদাহ থেকে মুক্তার উৎপত্তি হয়। D) জমাট হরমোন — মুক্তা হরমোন জমে তৈরি হয় না, এটি ক্যালসিয়াম কার্বনেট এবং প্রোটিনের স্তর দ্বারা গঠিত। মনে রাখার টিপস: ঝিনুকের চোখে ধুলো পড়লে মুক্তা হয় না, প্রদাহ বা জ্বালাপোড়ার কারণে মুক্তার জন্ম হয়।
a প্লাইসটোসিন যুগের
b টারশিয়ারী যুগের
c মায়োসিন যুগের
d ডেবোনিয়ান যুগের
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ / বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: B) টারশিয়ারী যুগের কেন সঠিক: - বাংলাদেশের পাহাড়ি অঞ্চল টারশিয়ারি যুগে গঠিত হয়েছিল, যা বর্তমান ভূত্বকের আল্পাইন পাহান্দোলনের অংশ হিসেবে গণ্য করা হয়। - এ সময় হিমালয় পর্বতমালা সৃষ্টির সময় দক্ষিণ-পূর্ব এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়গুলো গঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্লাইসটোসিন যুগের — এটি টারশিয়ারি যুগের পরের সময়কাল, যা দিয়ে বাংলাদেশের বরেন্দ্র ভূমি, মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় গঠিত হয়েছে। B) টারশিয়ারী যুগের — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি পাহাড় শ্রেণীর ভূতাত্ত্বিক যুগের সঠিক ভূমিরূপ হিসেবে বিবেচিত। C) মায়োসিন যুগের — মায়োসিন টারশিয়ারি যুগের একটি উপযুগ হলেও সার্বিকভাবে সামগ্রিক পাহাড়ি অঞ্চলের যুগ হিসেবে টারশিয়ারি নামটি প্রধান ও সর্বগ্রহণযোগ্য। D) ডেভোনিয়ান যুগের — এটি অত্যন্ত প্রাচীন প্যালিওজোয়িক যুগের একটি উপযুগ, যা বাংলাদেশের ভূমিরূপ গঠনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নয়। মনে রাখার টিপস: পাহাড় মানেই টারশিয়ারি যুগ এবং গড় বা সোপান মানেই প্লাইসটোসিন যুগ।
a তেতুলিয়া
b বাংলাবান্ধা
c নকশালবাড়ি
d পঞ্চগড়
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বাংলাবান্ধা কেন সঠিক: - বাংলাবান্ধা বাংলাদেশের সর্বউত্তরে পঞ্চগড় জেলার তেতুলিয়া উপজেলার অন্তর্গত একটি সীমান্তবর্তী স্থান ও ভৌগোলিক বিন্দু। - এটি বাংলাদেশের সর্বশেষ ভূখণ্ড হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) তেতুলিয়া — এটি সর্বউত্তরের উপজেলা, তবে একেবারে শেষ ভূখণ্ড বা নির্দিষ্ট স্থান হলো বাংলাবান্ধা। B) বাংলাবান্ধা — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বাংলাদেশের সর্বউত্তরের নির্দিষ্ট স্থান। C) নকশালবাড়ি — এটি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের একটি ঐতিহাসিক স্থান, যা বাংলাদেশের ভূখণ্ডের অংশ নয়। D) পঞ্চগড় — এটি সর্বউত্তরের জেলা, তবে এটি একটি সম্পূর্ণ জেলাকে নির্দেশ করে নির্দিষ্ট কোনো স্থান নয়। মনে রাখার টিপস: জেলা হিসেবে পঞ্চগড়, উপজেলা হিসেবে তেতুলিয়া এবং নির্দিষ্ট স্থান বা গ্রাম হিসেবে বাংলাবান্ধা হলো বাংলাদেশের সর্বউত্তরের প্রান্তবিন্দু।
a একটি খেলার মাঠ
b একটি প্লাবন ভূমির নাম
c বঙ্গোপসাগরের একটি খাদের নাম
d ঢাকা সেনানিবাসের পোলো গ্রাউণ্ডের নাম
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বঙ্গোপসাগরের একটি খাদের নাম কেন সঠিক: - এটি বঙ্গোপসাগরের গভীর সমুদ্রের একটি সাবমেরিন ক্যানিয়ন বা পানির নিচের খাদ। - সুন্দরবনের দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরে এই প্রমত্ত খাদটি অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) একটি খেলার মাঠ — এটি কোনো খেলার মাঠ নয়, বরং বঙ্গোপসাগরের তলদেশের একটি প্রাকৃতিকভাবে গঠিত বিশাল খাদ। B) একটি প্লাবন ভূমির নাম — এটি নদীভাঙন বা বন্যার সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো প্লাবন ভূমি নয়, এটি গভীর সমুদ্রের খাদ। C) বঙ্গোপসাগরের একটি খাদের নাম — এই অপশনটি সঠিক কারণ সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড বঙ্গোপসাগরের একটি বিখ্যাত সাবমেরিন ক্যানিয়ন। D) ঢাকা সেনানিবাসের পোলো গ্রাউণ্ডের নাম — এটি সেনানিবাসের কোনো মাঠ নয়, এটি সম্পূর্ণ ভিন্ন প্রকৃতির একটি ভৌগোলিক স্থান। মনে রাখার টিপস: সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড মানে যার তলদেশ বা গ্রাউন্ড নেই, এটি বঙ্গোপসাগরের এমন একটি গভীর খাদ।
a রাজা ত্রিদিব রায়
b রাজা ত্রিভুবন চাকমা
c জুম্মা খান
d জান বকস খাঁ
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জুম্মা খান কেন সঠিক: - ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির ঔপনিবেশিক নীতির বিরুদ্ধে ১৭৭৬ থেকে ১৭৮৭ সালের মধ্যে চাকমা জুমিয়াদের নিয়ে জুম্মা খান বিদ্রোহ পরিচালনা করেছিলেন। - পাহাড়ি অঞ্চলে ব্রিটিশ আধিপত্য বিস্তার রোধ এবং চাকমা জনগোষ্ঠীর স্বাধিকার রক্ষার জন্য তিনি এই ঐতিহাসিক প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাজা ত্রিদিব রায় — তিনি পার্বত্য চট্টগ্রামের একজন প্রখ্যাত চাকমা রাজা ও রাজনীতিবিদ ছিলেন, যিনি ব্রিটিশ বিরোধী এই বিদ্রোহের সাথে সম্পর্কিত নন। B) রাজা ত্রিভুবন চাকমা — তিনি ব্রিটিশ আমলের একজন চাকমা রাজা ছিলেন, তবে ১৭ শতকের এই জুমিয়া বিদ্রোহের নেতা ছিলেন না। C) জুম্মা খান — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যিনি ব্রিটিশ বেনিয়াদের বিরুদ্ধে চাকমা জুমিয়াদের নিয়ে সফলভাবে বিদ্রোহের পতাকা উড়িয়েছিলেন। D) জান বকস খাঁ — তিনি চাকমা রাজপরিবারের একজন প্রভাবশালী ব্যক্তি বা বিদ্রোহী নেতা নন, তাই এই প্রশ্নের উত্তর হিসেবে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: চাকমা জুমিয়াদের বিদ্রোহ এবং জুম্মার 'জ' অক্ষর দুটি একসাথে মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন যে জুম্মা খান ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে জুমিয়া বিদ্রোহ করেছিলেন।
a তাজিকিস্তান
b কাজাকিস্তান
c উজবেকিস্তান
d কিরগিজস্তান
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কাজাকিস্তান কেন সঠিক: - কাজাকিস্তান মধ্য এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে আয়তনে সর্ববৃহৎ এবং এটি বিশ্বের নবম বৃহত্তম দেশ। - ভৌগোলিক অবস্থান ও বিশাল ভূখণ্ডের কারণে এটি মধ্য এশিয়ার অন্যান্য দেশের চেয়ে আয়তনে অনেক বড়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) তাজিকিস্তান — এটি মধ্য এশিয়ার একটি দেশ হলেও আয়তনে অনেক ছোট এবং এর বেশিরভাগ অংশ পাহাড়ি। B) কাজাকিস্তান — এটিই মধ্য এশিয়ার আয়তনে সর্ববৃহৎ প্রজাতন্ত্র, তাই এটি সঠিক উত্তর। C) উজবেকিস্তান — এটি মধ্য এশিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্র হলেও আয়তনে কাজাকিস্তানের চেয়ে ছোট। D) কিরগিজস্তান — এটি মধ্য এশিয়ার ক্ষুদ্রতম দেশগুলোর একটি এবং এর ভূখণ্ড মূলত পাহাড়ি। মনে রাখার টিপস: মধ্য এশিয়ার বড় দেশ মনে রাখতে কা (কাজাকিস্তান) দিয়ে শুরু নামটি সবার আগে মাথায় রাখবে।
a হারারে, ১৯৮৯ সাল
b বেলগ্রেড, ১৯৬১ সাল
c হাভানা, ১৯৭৩ সাল
d কায়রো, ১৯৭০ সাল
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বেলগ্রেড, ১৯৬১ সাল কেন সঠিক: - জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন বা ন্যাম এর প্রথম শীর্ষ সম্মেলন ১৯৬১ সালের ১ থেকে ৬ সেপ্টেম্বর যুগোস্লাভিয়ার রাজধানী বেলগ্রেডে অনুষ্ঠিত হয়। - এ সম্মেলনে ২৫টি দেশ অংশ নেয় এবং জোসেফ ব্রজ টিটো, জওহরলাল নেহরু ও কাওয়ামে নক্রুমার মতো নেতারা এর প্রতিষ্ঠাতা ভূমিকা পালন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হারারে, ১৯৮৯ সাল — এই সালে হারারেতে জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়নি, এটি নবম শীর্ষ সম্মেলনের সাল ও স্থান নয় এবং প্রদত্ত উত্তরের সাথে মিলে না। B) বেলগ্রেড, ১৯৬১ সাল — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। C) হাভানা, ১৯৭৩ সাল — হাভানায় জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের ষষ্ঠ শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৭৯ সালে, ১৯৭৩ সালে নয়। D) কায়রো, ১৯৭০ সাল — কায়রোতে জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের দ্বিতীয় শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৬৪ সালে, ১৯৭০ সালে নয়। মনে রাখার টিপস: জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের জন্ম বা প্রথম সম্মেলন হয়েছে বেলগ্রেডে ১৯৬১ সালে, এটি মনে রাখতে বেলগ্রেডের ব এবং বাংলা একাত্তরের এক এর সাথে মিলিয়ে নিন।
a হারারে, ১৯৮৯ সাল
b বেলগ্রেড, ১৯৬১ সাল
c হাভানা, ১৯৭৩ সাল
d কায়রো, ১৯৭০ সাল
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বেলগ্রেড, ১৯৬১ সাল কেন সঠিক: - জোটনিরপেক্ষ আন্দোলন বা ন্যাম এর প্রথম শীর্ষ সম্মেলন ১৯৬১ সালের ১ থেকে ৬ সেপ্টেম্বর যুগোস্লাভিয়ার বেলগ্রেড শহরে অনুষ্ঠিত হয়। - জওহরলাল নেহরু, জোসেপ ব্রোজ টিটো এবং জামাল আবদেল নাসেরের উদ্যোগে এই ঐতিহাসিক সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হারারে, ১৯৮৯ সাল — হারারে ১৯৮৬ সালে অষ্টম ন্যাম সম্মেলনের আয়োজক শহর ছিল, ১৯৮৯ সালের নয়। B) বেলগ্রেড, ১৯৬১ সাল — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ এখানেই প্রথম জোটনিরপেক্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সি) হাভানা, ১৯৭৩ সাল — হাভানা কিউবার রাজধানী এবং এখানে ষষ্ঠ ন্যাম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৭৯ সালে, ১৯৭৩ সালে নয়। D) কায়রো, ১৯৭০ সাল — কায়রো মিসরের রাজধানী এবং এখানে দ্বিতীয় ন্যাম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৬৪ সালে, ১৯৭০ সালে নয়। মনে রাখার টিপস: নাম ও স্থান মনে রাখতে মাথায় রাখুন, জোটনিরপেক্ষ আন্দোলন শুরু হয় বেলগ্রেডে ১৯৬১ সালে।
a ইতালির মিলান শহর, মালদিনীয়ানি
b জার্মানির হামবুর্গ শহর, ক্যাসানোভা
c স্পেনের মাদ্রিদ শহর, কাসা বোতিল
d ফ্রান্সের টুলোন শহর, লাফ্রাঁসে
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) স্পেনের মাদ্রিদ শহর, কাসা বোতিল কেন সঠিক: - গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস অনুসারে স্পেনের মাদ্রিদে অবস্থিত কাসা বোতিল রেস্তোরাঁটি ১৭২৫ সালে প্রতিষ্ঠিত বিশ্বের প্রাচীনতম সক্রিয় রেস্তোরাঁ। - এই ঐতিহাসিক রেস্তোরাঁটি তার ঐতিহ্যবাহী খাবার এবং দীর্ঘ প্রায় তিন শতাব্দী ধরে একটানা কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইতালির মিলান শহর, মালদিনীয়ানি — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তরের সঙ্গে মিলছে না এবং ১৭২৫ সালের বিশ্বের প্রাচীনতম রেস্তোরাঁ হিসেবে এটি স্বীকৃত নয়। B) জার্মানির হামবুর্গ শহর, ক্যাসানোভা — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয় এবং বিশ্বের প্রাচীনতম রেস্তোরাঁ তালিকার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) স্পেনের মাদ্রিদ শহর, কাসা বোতিল — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং গিনেস রেকর্ড অনুযায়ী এটিই বিশ্বের প্রাচীনতম চালু রেস্তোরাঁ। D) ফ্রান্সের টুলোন শহর, লাফ্রাঁসে — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয় এবং ফরাসি কোনো রেস্তোরাঁ ১৭২৫ সালের এই প্রাচীনতম খেতাব পায়নি। মনে রাখার টিপস: স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদের প্রাচীনতম রেস্তোরাঁ কাসা বোতিল প্রতিষ্ঠা সাল ১৭২৫ সাল মনে রাখতে স্পেনের এস এবং ১৭২৫ এর এস মেলাতে পারো।
a মালেতে
b দিল্লীতে
c কলম্বোতে
d কাঠমুন্ডতে
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কলম্বোতে কেন সঠিক: - দক্ষিণ এশীয় সহযোগিতা সংস্থা বা সার্কের ষষ্ঠ শীর্ষ সম্মেলন ১৯৯২ সালের ২১ থেকে ২২ ডিসেম্বর শ্রীলঙ্কার রাজধানী কলম্বোতে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। - এই সম্মেলনে আঞ্চলিক অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং সন্ত্রাসবাদ দমনে যৌথভাবে কাজ করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মালেতে — এটি মালদ্বীপের রাজধানী এবং সার্কের পঞ্চম শীর্ষ সম্মেলন ১৯৯১ সালে এখানে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। B) দিল্লীতে — এটি ভারতের রাজধানী এবং সার্কের অষ্টম শীর্ষ সম্মেলন ১৯৯৫ সালে এখানে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। C) কলম্বোতে — এটি শ্রীলঙ্কার রাজধানী এবং এখানেই সার্কের ষষ্ঠ শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল, যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। D) কাঠমুন্ডতে — এটি নেপালের রাজধানী এবং সার্কের প্রথম শীর্ষ সম্মেলন ১৯৮৭ সালে এখানে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: সার্কের ষষ্ঠ সম্মেলন কলম্বোতে হয়েছিল মনে রাখতে শ্রীলঙ্কার রাজধানী কলম্বো এবং ষষ্ঠ এই দুটি শব্দ একসাথে মিলিয়ে পড়তে পারো।
a ভারত
b রাশিয়া
c ভুটান
d নেপাল
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ভুটান কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর ভুটান বাংলাদেশকে স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি প্রদান করে। - ভারত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেওয়ার ঠিক পরপরই ভুটান দ্বিতীয় দেশ হিসেবে এই স্বীকৃতি দেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারত — ভারত বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি দেয় ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর, দ্বিতীয় দেশ হিসেবে নয়। B) রাশিয়া — রাশিয়া বা তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন বাংলাদেশকে সরাসরি স্বীকৃতি দিয়েছিল আরও পরে ১৯৭২ সালের ২৪ জানুয়ারি। C) ভুটান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। D) নেপাল — নেপাল বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় ১৯৭১ সালের ৩০ ডিসেম্বর, যা ছিল তৃতীয় দেশ। মনে রাখার টিপস: প্রথম ভারত, দ্বিতীয় ভুটান এবং তৃতীয় নেপাল। வரிভাবে মনে রাখতে ভারত-ভুটান-নেপাল ক্রমটি মনে রাখুন।
a নোয়াখালীর ছাগলনাইয়া
b চট্টগ্রামের বাশখালি
c খুলনার মংলা
d পটুয়াখালীর কুয়াকাটা
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পটুয়াখালীর কুয়াকাটা কেন সঠিক: - কুয়াকাটা বাংলাদেশের দক্ষিণ অঞ্চলে পটুয়াখালী জেলায় অবস্থিত একটি বিখ্যাত সমুদ্র সৈকত। - এই সৈকত থেকে একই স্থান থেকে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত দেখা যায়, যা এর প্রধান আকর্ষণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নোয়াখালীর ছাগলনাইয়া — এটি নোয়াখালী জেলায় নয়, ফেনী জেলার একটি উপজেলা এবং এখানে কোনো সমুদ্র সৈকত নেই। B) চট্টগ্রামের বাশখালি — বাঁশখালীতে সমুদ্র সৈকত থাকলেও এটি কক্সবাজারের মতো প্রধান ও সমাদৃত পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত নয়। C) খুলনার মংলা — এটি একটি সুন্দর বন্দর ও উপকূলীয় উপজেলা, তবে এখানে পর্যটন উপযোগী কোনো সমুদ্র সৈকত নেই। D) পটুয়াখালীর কুয়াকাটা — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং কক্সবাজারের পর দেশের দ্বিতীয় প্রধান পর্যটন সমুদ্র সৈকত। মনে রাখার টিপস: সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের লীলাভূমি কুয়াকাটা পটুয়াখালী জেলায় অবস্থিত, যা কক্সবাজারের বিকল্প পর্যটন কেন্দ্র।
a সাঁওতাল
b মাওরি
c মুরং
d গারো
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মাওরি কেন সঠিক: - মাওরি হলো নিউজিল্যান্ডের আদিবাসী জনগোষ্ঠী, তাই এরা বাংলাদেশে বসবাস করে না। - ভৌগোলিক অবস্থানগত কারণে এই উপজাতিটি বাংলাদেশ ছাড়া নিউজিল্যান্ডের মূল ভূখণ্ডে অবস্হিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাঁওতাল — এটি বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রধান ও পরিচিত ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী। B) মাওরি — এটি নিউজিল্যান্ডের আদিবাসী জনগোষ্ঠী এবং বাংলাদেশে বাস করে না। C) মুরং — এটি বাংলাদেশের বান্দরবান ও পাহাড়ি অঞ্চলে বসবাসকারী একটি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী। D) গারো — এটি বাংলাদেশের ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল ও সিলেট অঞ্চলে বসবাসকারী একটি প্রধান উপজাতি। মনে রাখার টিপস: বিদেশি উপজাতি মনে রাখতে মাওরি শব্দটি মাথায় রাখুন যা নিউজিল্যান্ডের সাথে যুক্ত।
a বৃহস্পতিবার
b শুক্রবার
c রবিবার
d শনিবার
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শুক্রবার কেন সঠিক: - ১৯৯৪ সালটি সাধারণ বছর ছিল এবং ১৯৯৫ সালটিও সাধারণ বছর, তাই সাধারণ বছরে একই তারিখ এক দিন বৃদ্ধি পায়। - ১৯৯৪ সালের ১লা ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার হওয়ায় ১৯৯৫ সালের ১লা ডিসেম্বর ১ দিন বেড়ে শুক্রবার হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বৃহস্পতিবার — এটি ১৯৯৪ সালের ১লা ডিসেম্বর ছিল, সাধারণ বছরে এক দিন বৃদ্ধি পাওয়ায় ১৯৯৫ সালে তা হবে না। B) শুক্রবার — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ বৃহস্পতিবারের সাথে ১ দিন যোগ করলে শুক্রবার হয়। C) রবিবার — বৃহস্পতিবারের সাথে ৩ দিন যোগ করলে রবিবার হয়, যা এই ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। D) শনিবার — বৃহস্পতিবারের সাথে ২ দিন যোগ করলে শনিবার হয়, যা লিপি ইয়ারের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। মনে রাখার টিপস: সাধারণ বছরে একই তারিখ এক দিন বাড়ে এবং লিপি ইয়ারে দুই দিন বাড়ে।

মোট প্রশ্ন (12)

a প্রাদিসমাস
b ব্যাতিহার বহূব্রীহি সমাস
c তৎপুরুষ সমাস
d কর্মধারয় সমাস
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ব্যাতিহার বহূব্রীহি সমাস ১. কেন সঠিক: - পদ দুটির মধ্যে পারস্পরিক ক্রিয়ার অর্থে যে বহূব্রীহি সমাস হয়, তাকে ব্যাতিহার বহূব্রীহি সমাস বলে। - এখানে লাঠিতে লাঠিতে যে লড়াই, তা বোঝাতে পারস্পরিক বা বিনিময় অর্থে 'লাঠালাঠি' শব্দটি গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বহূব্রীহি সমাসের একটি বিশেষ রূপ হলো ব্যাতিহার বহূব্রীহি, যেখানে একই শব্দের দ্বিরুক্তি ঘটে এবং পারস্পরিক সংঘর্ষ বা বিনিময় বোঝায়। - এই সমাসের ব্যাসবাক্য সাধারণত পূর্বপদে 'এ' কার এবং উত্তর পদে 'এ' কার যুক্ত হয়ে গড়ে ওঠে, যেমন লাঠিতে লাঠিতে = লাঠালাঠি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কোলাকুলি ব্যাখ্যা: বুকে বুকে যে মিলন, তা বোঝাতে পারস্পরিক অর্থে এটি ব্যাতিহার বহূব্রীহি সমাসের উদাহরণ। উদাহরণ ২: গলাগলি ব্যাখ্যা: গলায় গলায় যে ধরা বা ভাব, তা বোঝাতে এই শব্দটি ব্যাতিহার বহূব্রীহি সমাসে সাধিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রাদিসমাস — প্রাদি উপসর্গ পূর্বে বসে যে সমাস হয় তা এটি নয়, কারণ এখানে উপসর্গ যুক্ত শব্দ নেই। C) তৎপুরুষ সমাস — তৎপুরুষ সমাসে বিভক্তির লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়, যা এই পদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। D) কর্মধারয় সমাস — কর্মধারয় সমাসে বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে নতুন অর্থ প্রকাশ পায়, যা এখানে নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - পারস্পরিক বোঝাপড়া, মারামারি বা একই কাজের বিনিময় বোঝালে চোখ বন্ধ করে ব্যাতিহার বহূব্রীহি সমাস দাগাবে। - শব্দগুলোর মাঝে সাধারণত 'আ' কার এবং শেষে 'ই' যুক্ত থাকে যেমন হাতাহাতি, কানাকানি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় হাতাহাতি, কোলাকুলি, গলাগলি শব্দগুলো প্রায়ই সমাস নির্ণয়ের জন্য আসে। - একই শব্দের পুনরাবৃত্তি দেখে দ্বন্ধ সমাস মনে হলেও পারস্পরিক বোঝাতে এগুলো সর্বদা বহূব্রীহি সমাস হবে।
a সমক্ষ
b পরোক্ষ
c প্রত্যক্ষ
d নিরপেক্ষ
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সমক্ষ কেন সঠিক: অক্ষির সমীপে এই বাক্যাংশটির সংক্ষিপ্ত রূপ হলো সমক্ষ শব্দ। অক্ষি শব্দের অর্থ চোখ এবং সমীপে শব্দের অর্থ কাছে বা সামনে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশ ব্যাকরণের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার জন্য এটি ব্যবহার করা হয়। যেমন, অক্ষির সমীপে অর্থ চোখের সামনে বা সমক্ষ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সমক্ষ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। B) পরোক্ষ — অক্ষির সমীপে এর অর্থ চোখের সামনে, কিন্তু পরোক্ষ অর্থ যা চোখের অন্তরালে বা আড়ালে। C) প্রত্যক্ষ — প্রত্যক্ষ বলতে সরাসরি বোঝায়, কিন্তু অক্ষির সমীপে বাক্যাংশের নির্দিষ্ট সংক্ষিপ্ত রূপ সমক্ষ। D) নিরপেক্ষ — নিরপেক্ষ শব্দের অর্থ কোনো পক্ষেই নয়, যা প্রদত্ত বাক্যাংশের সাথে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: অক্ষি মানে চোখ আর সমীপে মানে কাছে মনে রাখবে। চোখের সামনে বা সমীপে থাকলে তাকে সমক্ষ বলে সহজে চিনবে।
a অব্যয় ও শব্দাংশ
b নূতন শব্দ গঠনে
c উপসর্গ থাকে সামনে, প্রত্যায় থাকে পেছনে
d ভিন্ন অর্থ প্রকাশে
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) উপসর্গ থাকে সামনে, প্রত্যয় থাকে পেছনে ১. কেন সঠিক: - উপসর্গ এবং প্রত্যয়ের অবস্থানগত মূল পার্থক্যের কারণে এই উত্তরটি সঠিক হয়েছে। উপসর্গ সবসময় মূল শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে। - অন্যদিকে প্রত্যয় সবসময় মূল শব্দ বা ধাতুর পরে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি করে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - উপসর্গ হলো একধরনের অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা অন্য শব্দের সামনে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে। - প্রত্যয় হলো বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি যা নামশব্দ বা ধাতুর পরে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ সৃষ্টি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্র + হার = প্রহার ব্যাখ্যা: এখানে 'হার' মূল শব্দের সামনে 'প্র' উপসর্গ যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: চল + অন্ত = চলতি ব্যাখ্যা: এখানে 'চল' ধাতুর পেছনে 'অন্ত' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অব্যয় ও শব্দাংশ — উপসর্গ অব্যয় হলেও প্রত্যয় অব্যয় নয়, তাই এটি মৌলিক পার্থক্য বোঝায় না। B) নূতন শব্দ গঠনে — উপসর্গ ও প্রত্যয় উভয়ই নতুন শব্দ গঠন করে, তাই এটি এদের মধ্যকার পার্থক্য নয়। C) উপসর্গ থাকে সামনে, প্রত্যায় থাকে পেছনে — এটি উপসর্গ ও প্রত্যয়ের অবস্থানগত প্রকৃত পার্থক্য নির্দেশ করে। D) ভিন্ন অর্থ প্রকাশে — উপসর্গ ও প্রত্যয় উভয়ই ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করতে পারে, তাই এটি এদের একমাত্র পার্থক্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - উপসর্গের শুরু উ দিয়ে এবং উভয়ের মধ্যে উপসর্গ থাকে আগে। এভাবে মনে রাখতে পারো উপসর্গ মানেই সামনে অবস্থান। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গ ও প্রত্যয়ের স্থান নির্ণয় সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। শব্দের গঠন বুঝতে এই অবস্থানগত পার্থক্য পরিষ্কার রাখা জরুরি।
a প্রথম নাথ বিশী
b প্রমথ চৌধুরী
c প্রেমেন্দ্র মিত্র
d প্রথম নাথ বসু
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্রমথ চৌধুরী ১. কেন সঠিক: - প্রমথ চৌধুরী বাংলা সাহিত্যে চলতি ভাষারীতি প্রবর্তনে অনন্য ভূমিকা পালন করেন। - তিনি ছদ্মনামে লেখার মাধ্যমে বুদ্ধিবৃত্তিক ও রম্য প্রবন্ধ রচনায় নতুন ধারা সৃষ্টি করেছিলেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - প্রমথ চৌধুরী ছিলেন বিশ শতকের প্রথমার্ধের অন্যতম প্রধান বাঙালি প্রাবন্ধিক ও সাহিত্যিক। - তিনি ‘বীরবল’ ছদ্মনামে ১৯১৪ সালে প্রকাশিত ‘সবুজ পত্র’ পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবর্তন করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বীরবল ছদ্মনামে লেখা প্রমথ চৌধুরীর বিখ্যাত প্রবন্ধ গ্রন্থ 'বীরবলের হালখাতা'। ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থে তার ছদ্মনামের ব্যবহার এবং সাহিত্যিক রীতির অনন্য প্রকাশ ঘটেছে। উদাহরণ ২: তার আরেকটি বিখ্যাত প্রবন্ধ গ্রন্থ 'সোনালী নুড়ি'। ব্যাখ্যা: এটি তার মননশীল প্রবন্ধ রচনার একটি চমৎকার নিদর্শন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রথম নাথ বিশী — এটি একটি ভুল নাম এবং তিনি এই ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন না। B) প্রমথ চৌধুরী — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে কোনো ভুল নেই। C) প্রেমেন্দ্র মিত্র — তিনি একজন খ্যাতনামা কবি ও কথাসাহিত্যিক হলেও ‘বীরবল’ ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন না। D) প্রথম নাথ বসু — এটি একটি বিভ্রান্তিকর অপশন এবং সঠিক উত্তরের সঙ্গে এর কোনো মিল নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - প্রমথ চৌধুরী চৌধুরীর ‘চ’ এবং বীরবলের ‘ব’ মিলিয়ে মনে রাখতে পারো চৌধুরী মানে বীরবল। - সবুজ পত্র পত্রিকার সঙ্গে প্রমথ চৌধুরী ও তার বীরবল ছদ্মনাম ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ছদ্মনাম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - অন্যান্য বিখ্যাত ছদ্মনামের মধ্যে বনফুল (বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়) এবং কালকুট (সমরেশ বসু) ভালোভাবে পড়ে রাখবে।
a ডঃ সুকুমার সেন
b ডঃ মুহাম্মাদ শহীদুল্লাহ
c ডঃ সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
d হরপ্রসাদ শাস্রী
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১. কেন সঠিক: মহ মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেন। তার এই আবিষ্কার বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস ও প্রাচীন রূপ উন্মোচনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম কাব্য তথা গান সংকলন যা বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের দ্বারা রচিত হয়েছিল। ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর সম্পাদনায় হাজার বছরের পুরানো পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় রচিত বৌদ্ধ গান ও দোহা নামে এটি প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চর্যাপদের প্রথম পদটি রচনা করেছেন লুইপা। ব্যাখ্যা: চর্যাপদের প্রথম পদ কা তরুবর পঞ্চ বি ডাল এর রচয়িতা লুইপা এবং তিনিই চর্যাপদের আদি কবি। উদাহরণ ২: চর্যাপদের মোট পদের সংখ্যা সাড়ে ছেচল্লিশটি। ব্যাখ্যা: আবিষ্কৃত পুথিতে সাড়ে ছেচল্লিশটি পদ পাওয়া গেলেও মূল পুথিতে কিছু অংশ নষ্ট থাকায় সম্পূর্ণ পদ উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডঃ সুকুমার সেন — তিনি চর্যাপদের ভাষা ও তত্ত্ব নিয়ে গবেষণা এবং সম্পাদনা করলেও আবিষ্কারক নন। B) ডঃ মুহাম্মাদ শহীদুল্লাহ — তিনি চর্যাপদের সময়কাল ও ভাষা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা করেছেন কিন্তু আবিষ্কারের সঙ্গে যুক্ত নন। C) ডঃ সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় — তিনি চর্যাপদের ভাষা ও ব্যাকরণ নিয়ে গবেষণা করে ওডিবিএল গ্রন্থ রচনা করেছেন। D) হরপ্রসাদ শাস্ত্রী — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি নেপাল থেকে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেছিলেন। ৫ মনে রাখার টিপস: চর্যাপদ আবিষ্কারের সঙ্গে হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর নাম মনে রাখতে হার মানবে না চর্যাপদ আবিষ্কারে এই কথাটি মনে রাখতে পারো। আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এবং প্রকাশনা বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ এই দুটি তথ্য ভালোভাবে মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: চর্যাপদ কোন ধর্মের সাধকদের সৃষ্টি এবং এর আবিষ্কার সাল কত তা বিসিএস পরীক্ষায় বারবার আসে। চর্যাপদের ভাষা সন্ধ্যাম ভাষা বা আলোআঁধারি ভাষা নামে পরিচিত যা পরীক্ষার্থীদের জন্য অত্যন্ত জরুরি তথ্য।
a দৌলত উজীর বাহরাম খান
b সৈয়দ সুলতান
c আব্দুল করিম সাহিত্যবিশারদ
d আলাওল
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আলাওল ১. কেন সঠিক: মহাকবি আলাওল ষোড়শ শতকের সুফি কবি মালিক মুহম্মদ জায়সী রচিত হিন্দি পদ্মাবত কাব্যের ভাবানুবাদ হিসেবে সপ্তদশ শতকে পদ্মাবতী কাব্য রচনা করেন। আলাওলের এই কাব্যটি বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও জনপ্রিয় একটি নিদর্শন হিসেবে বিবেচিত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: আলাওল মধ্যযুগের আরাকান রাজসভার শ্রেষ্ঠ বাঙালি কবি হিসেবে ব্যাপকভাবে পরিচিত এবং তিনি রোসাঙ্গ বা আরাকান রাজসভার কাপ্তান মাগন ঠাকুরের পৃষ্ঠপোষকতায় কাব্যচর্চা করেন। পদ্মাবতী কাব্যে রাটিন ও পদ্মাবতীর প্রেম এবং চিতোর ধ্বংসের কাহিনীর সাথে আধ্যাত্মিক সুফিবাদের অপূর্ব মিশ্রণ ঘটেছে যা মধ্যযুগের সাহিত্যে অনন্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সতী ময়না ও লোরচন্দ্রানী ব্যাখ্যা: এটি দৌলত কাজীর একটি বিখ্যাত রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান যা বাংলা মুসলিম সাহিত্য ধারার প্রাচীন নিদর্শন। উদাহরণ ২: ইউসুফ জোলেখা ব্যাখ্যা: শাহ মুহম্মদ গরিবুল্লাহ রচিত মধ্যযুগের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি প্রণয়মূলক কাব্য যা ফার্সি সাহিত্যের অনুসরণে রচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দৌলত উজীর বাহরাম খান — ইনি মধ্যযুগের একজন কবি যিনি লাইলি মজনু কাব্য রচনা করেন এবং এটি হিন্দি পদ্মাবত কাব্যের অবলম্বনে রচিত নয়। B) সৈয়দ সুলতান — ইনি মধ্যযুগের একজন বিশিষ্ট পুথি সাহিত্যিক ও পীর যিনি নবী বংশ এবং রাসুল বিজয় কাব্য রচনা করেন। C) আব্দুল করিম সাহিত্যবিশারদ — ইনি মধ্যযুগের বাংলা পুথি আবিষ্কার ও সংরক্ষণের জন্য বিখ্যাত একজন গবেষক ও সাহিত্য সংগ্রাহক। D) আলাওল — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি হিন্দি পদ্মাবত অবলম্বনে পদ্মাবতী কাব্য রচনা করেন। ৫. মনে রাখার টিপস: পদ্মাবত হিন্দি কাব্য আর পদ্মাবতী বাংলা কাব্য, এই দুটি নামের পার্থক্য মনে রাখলেই আলাওলের অবদান সহজে চিহ্নিত করা যায়। আলাওল মানেই আরাকান রাজসভা এবং হিন্দি পদ্মাবতের সফল বাংলা রূপান্তরকারী কবি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মধ্যযুগের কবি আলাওল সম্পর্কে বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন প্রায়ই আসে, বিশেষ করে তার পৃষ্ঠপোষক মাগন ঠাকুর ও আরাকান রাজসভা সম্পর্কে জানা আবশ্যক। একইভাবে দৌলত কাজী ও আলাওলের যৌথ অবদানের কাব্য সতী ময়না ও লোরচন্দ্রানী সম্পর্কেও স্পষ্ট ধারণা রাখতে হবে।
a ১৮৪১ সালে
b ১৮৪২ সালে
c ১৮৫০ সালে
d ১৮৪৩ সালে
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৮৪৩ সালে ১. কেন সঠিক: তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয় বাংলা ১২৫০ সালের ৭ই অগ্রহায়ণ, যা ইংরেজি ১৮৪৩ সালের ১৬ই আগস্ট। এই পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং প্রথম সম্পাদক ছিলেন অক্ষয় কুমার দত্ত। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা সাহিত্যের উনিশ শতকের নবজাগরণে তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক। ব্রাহ্মসমাজ ও তত্ত্ববোধিনী সভার মুখপত্র হিসেবে প্রকাশিত এই পত্রিকা বাংলা ভাষা ও সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করতে বিশেষ অবদান রাখে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সমাচার দর্পণ ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার প্রথম সাপ্তাহিক সংবাদপত্র যা ১৮১৮ সালে প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: বঙ্গদর্শন ব্যাখ্যা: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় সম্পাদিত এই সাহিত্য পত্রিকা ১৮৭২ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৮৪১ সালে — এটি সঠিক সাল নয় কারণ সে সময় পত্রিকাটির কোনো অস্তিত্ব ছিল না। B) ১৮৪২ সালে — এই সালে তত্ত্ববোধিনী সভা প্রতিষ্ঠিত হলেও পত্রিকা প্রকাশিত হয়নি। C) ১৮৫০ সালে — এই সালটি পত্রিকার প্রকাশকাল নয়, যদিও তখন অক্ষয় কুমার দত্ত এর সম্পাদক ছিলেন। D) ১৮৪৩ সালে — এটিই পত্রিকার প্রথম প্রকাশের সঠিক সাল ও ঐতিহাসিক সত্য। ৫. মনে রাখার টিপস: দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৮৩৯ সালে তত্ত্ববোধিনী সভা গঠন করেন এবং তার চার বছর পর ১৮৪৩ সালে পত্রিকা প্রকাশ করেন। এভাবে সাল দুটি মনে রাখতে পারেন যে সভার চার বছর পর পত্রিকার জন্ম হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা, প্রথম সম্পাদক এবং প্রকাশের সাল জানতে চাওয়া হয়। তাই দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর ও অক্ষয় কুমার দত্তের নাম এবং ১৮৪৩ সাল ভালোভাবে মনে রাখা জরুরি।
a স্বরবৃত্ত
b পয়ার
c মাত্রাবৃত্ত
d অক্ষরবৃত্ত
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) স্বরবৃত্ত ১. কেন সঠিক: - স্বরবৃত্ত ছন্দের মূল পর্বের মাত্রা সংখ্যা সাধারণত চার হয়, যা একে বাংলা কবিতার দ্রুত লয়ের ছন্দে পরিণত করে। - এই ছন্দে স্বরধ্বনি বা অক্ষর গুনে মাত্রা নির্ধারণ করা হয় এবং এর আদি রূপ পাওয়া যায় বাংলা লোকসাহিত্যে ও ছড়ায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ছন্দের প্রধান রূপ তিনটি, যার মধ্যে স্বরবৃত্ত ছন্দে ঝোঁক বা শ্বাসাঘাত প্রধান ভূমিকা পালন করে থাকে। - লোকসাহিত্য, ছড়া এবং আধুনিক কবিতার অনেক ক্ষেত্রে এই চার মাত্রার পর্ববিশিষ্ট স্বরবৃত্ত ছন্দ সফলভাবে ব্যবহৃত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: খোকন খোকন ডাক পাড়ি, খোকন রে তুই ঘরে আয়। ব্যাখ্যা: এটি স্বরবৃত্ত ছন্দের একটি জনপ্রিয় উদাহরণ, যেখানে প্রতিটি পর্বে চার মাত্রা রয়েছে। উদাহরণ ২: আয় রে আয় ঝন্টু, আমাদের কাঁঠাল তলা টন্টু। ব্যাখ্যা: এই ছড়ার লাইনটিতেও স্বরবৃত্ত ছন্দের চার মাত্রার বৈশিষ্ট্য স্পষ্টভাবে বজায় রয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্বরবৃত্ত — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই ছন্দের মূল পর্বের মাত্রা সংখ্যা চার। B) পয়ার — এটি অক্ষরবৃত্ত ছন্দের অপর নাম, যার পর্ব সাধারণত আট বা ছয় মাত্রার হয়। C) মাত্রাবৃত্ত — এই ছন্দের মূল পর্বের মাত্রা সংখ্যা সাধারণত পাঁচ, ছয় বা সাত মাত্রার হয়ে থাকে। D) অক্ষরবৃত্ত — এই ছন্দের সাধারণ পর্বের মাত্রা সংখ্যা আট মাত্রার হয়, যা স্বরবৃত্ত থেকে আলাদা। ৫. মনে রাখার টিপস: - স্বরবৃত্ত ছন্দ মনে রাখার সহজ উপায় হলো একে ছড়ার ছন্দ বলা এবং এর প্রতি পর্বের মাত্রা সংখ্যা চার। - মাত্রা গণনার সময় মনে রাখবে স্বরবৃত্তে চার, মাত্রাবৃত্তে ছয় এবং অক্ষরবৃত্তে আট মাত্রা প্রধানত থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ছন্দ থেকে প্রশ্ন আসলে পর্বের মাত্রা সংখ্যা ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে। - ছড়ার ছন্দ হিসেবে পরিচিত স্বরবৃত্ত ছন্দের অপর নাম দলবৃত্ত বা ছড়ার ছন্দ।
a তালিম হোসেন
b ফররুখ আহমদ
c গোলাম মোস্থফা
d আবুল হোসেন
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ফররুখ আহমদ ১. কেন সঠিক: - ‘সিরাজাম মুনীরা’ কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা হলেন প্রখ্যাত কবি ফররুখ আহমদ। - কাব্যটির নামকরণ করা হয়েছে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)-এর একটি বিশেষ গুণ বা উপমা থেকে, যার অর্থ দীপ্তিময় প্রদীপ। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ফররুখ আহমদ বিংশ শতাব্দীর বাঙালি মুসলিম সংস্কৃতির অন্যতম প্রধান কবি ও ইসলামী ভাবধারার শ্রেষ্ঠ কবি হিসেবে পরিচিত। - ১৯৫২ সালে প্রকাশিত ‘সিরাজাম মুনীরা’ তাঁর অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, যা সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতার এক অনন্য নিদর্শন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া উপজেলার মাজীয়ার জন্ম নেওয়া ফররুখ আহমদ বাংলা কাব্যে ইসলামী রেনেসাঁর প্রবক্তা। ব্যাখ্যা: তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ ‘সাত সাগরের মাঝি’ এবং ‘সিরাজাম মুনীরা’ বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছে। উদাহরণ ২: ফররুখ আহমদের আরেকটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ হলো ‘নাফসিয়া’। ব্যাখ্যা: এটিও তাঁর কবিপ্রতিভা এবং ইসলামী মূল্যবোধের গভীর প্রকাশ ঘটিয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তালিম হোসেন — ইনি একজন বিশিষ্ট কবি ও অনুবাদক হলেও ‘সিরাজাম মুনীরা’ কাব্যের রচয়িতা নন। B) ফররুখ আহমদ — এই অপশনটি সঠিক এবং এটিই প্রশ্নের উত্তর। C) গোলাম মোস্থফা — ইনি ‘বিশ্বনবী’ সিরাতগ্রন্থের জন্য বিখ্যাত হলেও ‘সিরাজাম মুনীরা’ কাব্যটি তাঁর নয়। D) আবুল হোসেন — ইনি একজন আধুনিক কবি ও প্রাবন্ধিক, তাঁর লেখার ধরণ ও বিষয়বস্তু ভিন্ন। ৫ মনে রাখার টিপস: - ‘সিরাজাম মুনীরা’ মানে দীপ্তিময় প্রদীপ, আর এই প্রদীপের মতো আলো ছড়িয়েছেন কবি ফররুখ আহমদ। - ফররুখ আহমদের নামের সাথে ‘সাত সাগরের মাঝি’ এবং ‘সিরাজাম মুনীরা’ এই দুটি কাব্যগ্রন্থের নাম একত্রে মনে রাখতে পারো। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ এবং এর রচয়িতার নাম জানতে চাওয়া হয়। - ইসলামী ভাবধারার কবিতা ও সনেট রচনায় ফররুখ আহমদের অবদান মনে রাখলে এজাতীয় প্রশ্ন সহজেই উত্তর করা সম্ভব।
a ষড় + ঋতু
b ষড় + ঋতু
c ষট + ঋতু
d ষট্ + ঋতু
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ষট্ + ঋতু ১. কেন সঠিক: - ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়মানুসারে বর্গের প্রথম বর্ণের পর স্বরবর্ণ থাকলে প্রথম বর্ণটি তার নিজ বর্গের তৃতীয় বর্ণে পরিণত হয়। - ষট্ শব্দের ট-বর্গের প্রথম বর্ণ ট পরিবর্তিত হয়ে ড বর্ণে রূপান্তরিত হয়ে ষড়ঋতু গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ক চ ট ত প এই পাঁচটি বর্ণের পর কোনো স্বরবর্ণ বা বর্গের তৃতীয় ও চতুর্থ বর্ণ কিংবা অন্তস্থ য র ল ব হ থাকলে প্রথম বর্ণটি নিজ বর্গের তৃতীয় বর্ণ অর্থাৎ যথাক্রমে গ জ ড দ ব হয়। - এই নিয়মে ট স্থানে ড হয়েছে এবং ঋতু শব্দের ঋ কার ড এর সঙ্গে যুক্ত হয়ে ঋ কার হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জগৎ + ঈশ = জগদীশ ব্যাখ্যা: ত-বর্গের প্রথম বর্ণ ত এর পর স্বরবর্ণ ঈ থাকায় ত পরিবর্তিত হয়ে দ হয়েছে এবং দীর্ঘ ঈ কার যুক্ত হয়েছে। উদাহরণ ২: দিক + অন্ত = দিগন্ত ব্যাখ্যা: ক-বর্গের প্রথম বর্ণ ক এর পর স্বরবর্ণ অ থাকায় ক পরিবর্তিত হয়ে গ হয়েছে এবং দিগন্ত শব্দ গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ষড় + ঋতু — এখানে প্রথম অংশে হসন্ত চিহ্ন না থাকায় এবং ব্যাকরণসম্মত মূল রূপ সঠিক না থাকায় এটি ভুল। B) ষড় + ঋতু — এই অপশনটি প্রথম অপশনের অনুরূপ এবং এতে প্রমিত বাংলা ব্যাকরণের ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম মানা হয়নি। C) ষট + ঋতু — এখানে ট এর নিচে হসন্ত বা খণ্ড ত এর সঠিক রূপ না থাকায় সন্ধির নিয়মের গঠন পূর্ণ হয়নি। D) ষট্ + ঋতু — এটি সঠিক কারণ এতে ব্যঞ্জনবর্ণের নিচে হসন্ত চিহ্ন ব্যবহার করে সন্ধির মূল রূপ সঠিকভাবে দেখানো হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - ব্যঞ্জনসন্ধির ক্ষেত্রে বর্গের প্রথম বর্ণের নিচে হসন্ত থাকা আবশ্যক তা মনে রাখবে। - স্বরবর্ণের মিলনে প্রথম বর্ণ কীভাবে পরিবর্তিত হয় তা বর্গের তালিকা দেখে চর্চা করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ব্যঞ্জনসন্ধির এই নিয়মটি প্রায়ই আসে। - জগদীশ বা দিগন্ত শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ একই নিয়মে অনুশীলন করতে পারো।
a আরবি ভাষা থেকে
b ফরাসি ভাষা থেকে
c হিন্দি ভাষা থেকে
d উর্দু ভাষা থেকে
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আরবি ভাষা থেকে ১. কেন সঠিক: - ‘লাপাত্তা’ শব্দের ‘লা’ উপসর্গটি একটি আরবি উপসর্গ, যা বাংলায় না বা অর্থহীন অর্থে ব্যবহৃত হয়। - ‘লাপাত্তা’ শব্দের অর্থ খোঁজখবরহীন বা নিখোঁজ, যেখানে ‘লা’ উপসর্গটি নেতিবাচক ভাব প্রকাশ করেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উপসর্গ হলো অব্যয়বাচক শব্দাংশ, যা শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে এবং অর্থের পরিবর্তন ঘটায়। - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত বিদেশি উপসর্গের মধ্যে আরবি উপসর্গগুলোর নিজস্ব বিশেষ অর্থ রয়েছে এবং এগুলো মূলত আইনগত বা দাপ্তরিক শব্দে বেশি ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লাওয়ারিশ ব্যাখ্যা: এখানে ‘লা’ উপসর্গটি আরবি ভাষা থেকে এসেছে এবং এর অর্থ ওয়ারিশ বা উত্তরাধিকারহীন। উদাহরণ ২: লাজবাব ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতে ‘লা’ উপসর্গটি আরবি হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে এবং এর অর্থ জবাবহীন বা চমৎকার। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আরবি ভাষা থেকে — এটি সঠিক কারণ ‘লা’ একটি আরবি উপসর্গ যা বাংলায় আত্মীকরণ হয়েছে। B) ফরাসি ভাষা থেকে — এটি ভুল কারণ ফরাসি উপসর্গ বাংলায় আলাদা এবং এগুলোর উৎস ফরাসি শব্দভাণ্ডার। C) হিন্দি ভাষা থেকে — এটি ভুল কারণ হিন্দি থেকে সরাসরি এই উপসর্গটি বাংলায় আসেনি। D) উর্দু ভাষা থেকে — এটি ভুল কারণ উর্দু ভাষা মূলত ফার্সি ও আরবি শব্দের মিশ্রণে গঠিত হলেও ‘লা’ সরাসরি আরবি উৎস থেকে এসেছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - আরবি উপসর্গগুলো মনে রাখার সহজ ছন্দ হলো আম, খাস, লা, গর। এখানে ‘লা’ উপসর্গটি নিখোঁজ বা না বোধক অর্থে বসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি উপসর্গ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই আরবি, ফার্সি ও ইংরেজি উপসর্গের তালিকা ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
a রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
b মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান
c সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
d নির্মেলেন্দু গুণ
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত উদ্ধৃতিটি বাংলা সাহিত্যের প্রখ্যাত ছন্দপণ্ডিত কবি সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের বিখ্যাত দেশপ্রেমমূলক কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে। - এই কবিতার চরণে কবি বাংলাদেশের প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্য এবং মাটির প্রতি গভীর মমত্ববোধ অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত ছন্দের জাদুকর হিসেবে বাংলা সাহিত্যে পরিচিত এবং তিনি বহু বিদেশি ভাষার কবিতার সফল অনুবাদ করেছেন। - তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে কুহু ও কেকা, বেলা শেষের গান, বিদায়-আরতি এবং হসরেণু। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সব তীর্থ ঘুরে কেবলই দেখা মিলল না কানাই / মনে রাখিস এই দেশেতেই সকল তীর্থ ঠাঁই। ব্যাখ্যা: এই পঙক্তিটি থেকেও কবি সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের দেশপ্রেম ও মাতৃভূমির প্রতি গভীর ভক্তির প্রকাশ দেখতে পাওয়া যায়। উদাহরণ ২: জন্মভূমি যদি ছাড়িতে হয় কভু / কেঁদে ওঠে মন হায় ওহে বিশ্বপ্রভু। ব্যাখ্যা: মাতৃভূমির প্রতি মানুষের চিরন্তন টান ও ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে এই ধরনের দেশাত্মবোধক কবিতায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — ইনি বাংলা সাহিত্যের বিশ্বকবি হলেও এই নির্দিষ্ট চরণটি তাঁর কোনো কবিতার অংশ নয়। B) মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান — ইনি আধুনিক যুগের বিশিষ্ট কবি ও অধ্যাপক হলেও এই পঙক্তিটির রচিয়তা নন। D) নির্মলেন্দু গুণ — ইনি বর্তমানকালের প্রখ্যাত কবি হলেও এই বিখ্যাত দেশপ্রেমমূলক চরণের সঙ্গে তাঁর নাম জড়িত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - দেশের মাটি খাঁটি সোনার চেয়েও খাঁটি এমন উপমা যখনই কোনো কবিতায় দেখবে, তা ছন্দের জাদুকর সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের বলে মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিখ্যাত কবিতা ও সাহিত্যিক উদ্ধৃতি প্রায়ই আসে, তাই গুরুত্বপূর্ণ পঙক্তিগুলোর রচিয়তা ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।

মোট প্রশ্ন (21)

a falling
b rising
c moving
d static
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) rising কেন সঠিক: - অর্থনীতি ও স্টক মার্কেটের পরিভাষায় 'bull market' বলতে এমন একটি পরিস্থিতিকে বোঝায় যেখানে শেয়ারের দাম ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পায়। - এই বাজারে বিনিয়োগকারীদের আত্মবিশ্বাস বেশি থাকে এবং শেয়ার কেনার প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) falling — এটি শেয়ারের দাম পতনের অবস্থাকে নির্দেশ করে, যা মূলত 'bear market' নামে পরিচিত। B) rising — এটি সঠিক উত্তর কারণ বুল মার্কেটে শেয়ারের দাম ঊর্ধ্বমুখী হয়। C) moving — এটি একটি সাধারণ গতিশীলতা বোঝায়, যা শেয়ার বাজারের নির্দিষ্ট কোনো অবস্থাকে নির্দেশ করে না। D) static — এটি স্থবির বা অপরিবর্তিত অবস্থাকে বোঝায়, যা বুল মার্কেটের ক্রমবর্ধমান বৈশিষ্ট্যের বিপরীত। মনে রাখার টিপস: ষাঁড় বা Bull যেভাবে তার শিং ওপরের দিকে তোলে, তেমনি বুল মার্কেটেও শেয়ারের দাম ওপরের দিকে বা rising হয়।
a A true statement
b Equal opportunity to get a job
c Free expression of opinions
d Two contrary things in the same statment
0 98 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Two contrary things in the same statment কেন সঠিক: Equivocation শব্দের বাংলা অর্থ হলো দ্ব্যর্থক কথা বা একই বাক্যে দুটি বিপরীত বিষয়ের অবতারণা করা। তাই একই বাক্যে পরস্পরবিরোধী দুটি বিষয় থাকা এই শব্দের মূল অর্থ প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A true statement — এটি সত্য বা সঠিক বিবৃতি বোঝায়, যা Equivocation শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) Equal opportunity to get a job — এটি চাকরির ক্ষেত্রে সমান সুযোগ পাওয়া বোঝায়, যার সাথে শব্দের কোনো মিল নেই। C) Free expression of opinions — এটি মতামতের স্বাধীনতা বোঝায়, যা আলোচ্য শব্দের সাথে সম্পর্কহীন। D) Two contrary things in the same statment — এটি সঠিক উত্তর এবং শব্দের অর্থ পুরোপুরি প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: Equivocation শব্দের শুরুতে Equal আছে, যার সাথে Contrary যুক্ত করে একই বাক্যে দুটি বিপরীত অর্থ মনে রাখা যায়।
a Humourous
b Humourious
c Humorous
d Humorious
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Humorous কেন সঠিক: - ইংরেজী বানান রীতি অনুযায়ী noun শব্দ humour এর সাথে ous প্রত্যय যুক্ত করার সময় মাঝের u বর্ণটি বাদ যায়। - তাই সঠিক বানানটি দাঁড়ায় humorous এবং এটিই আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত রূপ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Humourous — এই বানানে ous যুক্ত করার আগে অতিরিক্ত u রাখা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) Humourious — এই বানানে ous এর আগে অতিরিক্ত i এবং u ব্যবহার করা হয়েছে যা সম্পূর্ণ অশুদ্ধ। C) Humorous — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। D) Humorious — এই বানানে ous এর পরিবর্তে ious ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: noun থেকে adjective করার সময় humour বানানের শেষ অংশের u বাদ দিয়ে সরাসরি ous যোগ করতে হয়।
a Privilege
b Utility
c French
d Frankness
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Privilege কেন সঠিক: Franchise শব্দের বাংলা অর্থ ভোটাধিকার বা বিশেষ অধিকার। Privilege শব্দের অর্থও বিশেষ সুযোগ বা অধিকার বোঝায়। তাই এই দুটি শব্দ সমার্থক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Privilege — এটি সঠিক উত্তর। B) Utility — এর অর্থ উপযোগিতা বা ব্যবহার্য জিনিস, যা Franchise শব্দের সাথে মেলে না। C) French — এটি ফ্রান্সের ভাষা বা অধিবাসী বোঝায়, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি শব্দ। D) Frankness — এর অর্থ খোলামেলা ভাব বা সততা, যা Franchise শব্দের অর্থ প্রকাশ করে না। মনে রাখার টিপস: Franchise এবং Privilege দুটি শব্দই বিশেষ অধিকার বা সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
a perhaps
b Whether
c in case
d unless
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) in case কেন সঠিক: - 'In case' ফ্রেজটি কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটার আশঙ্কা বা সতর্কতামূলক ব্যবস্থা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। - এখানে হারিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থেকে টেলিফোন নম্বর দেওয়ার কথা বলা হয়েছে, যা এই নিয়মকে সমর্থন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) perhaps — এর অর্থ সম্ভবত, যা এখানে কোনো সতর্কতামূলক বা সম্ভাবনার শর্ত প্রকাশ করে না। B) Whether — এর অর্থ কিনা বা হোক না কেন, যা এই বাক্যের অর্থ ও কাঠামোর সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। C) in case — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ করে। D) unless — এর অর্থ যদি না, যা বসালে বাক্যটির অর্থ বিপরীত ও নেতিবাচক হয়ে যায়। মনে রাখার টিপস: ভবিষ্যতের কোনো অপ্রত্যাশিত বিপদ বা আশঙ্কার কথা বোঝাতে 'in case' ব্যবহার করা হয়।
a Two voices
b The Scholar Gipsy
c Andrea del sarto
d Oneone
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Andrea del sarto কেন সঠিক: - রবার্ট ব্রাউনিং একজন বিখ্যাত ভিক্টোরিয়ান যুগের কবি, যিনি ড্রামেটিক মনোলগ লেখার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। - 'Andrea del Sarto' হলো রবার্ট ব্রাউনিং রচিত একটি বিখ্যাত ড্রামেটিক মনোলগ, যা ফ্লোরেন্সের চিত্রশিল্পী আন্দ্রিয়া ডেল সার্তোর জীবন নিয়ে লেখা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Two voices — এটি রবার্ট ব্রাউনিংয়ের কবিতা নয়, এটি আলফ্রেড টেনিসনের লেখা একটি বিখ্যাত কবিতা। B) The Scholar Gipsy — এটি ম্যাথু আর্নল্ডের একটি বিখ্যাত কবিতা, ব্রাউনিংয়ের রচনা নয়। C) Andrea del sarto — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটি রবার্ট ব্রাউনিংয়েরই রচনা। D) Oneone — এটি মূলত আলফ্রেড টেনিসনের লেখা 'Oenone' কবিতার ভুল বানানরূপ, যা ব্রাউনিংয়ের নয়। মনে রাখার টিপস: রবার্ট ব্রাউনিংয়ের নাম এলেই ড্রামেটিক মনোলগ এবং চিত্রশিল্পী আন্দ্রিয়া ডেল সার্তোর কথা মনে রাখবে।
a does
b Works
c thinks
d says
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) does কেন সঠিক: এটি একটি প্রচলিত ইংরেজি প্রবচন যার পূর্ণ রূপ হলো Handsome is that handsome does। এর বাংলা অর্থ হলো বাহ্যিক সৌন্দর্যের চেয়ে ভালো কাজ বা আচরণই বেশি মূল্যবান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) does — প্রবচনের নিয়ম অনুযায়ী এখানে সঠিক শব্দ বসেছে। B) Works — এটি প্রবচনের অংশ নয় এবং ব্যাকরণগতভাবে বেমানান। C) thinks — এটি প্রবচনের মূল গঠনের সাথে মিলছে না। D) says — কথার চেয়ে কাজের গুরুত্ব বোঝাতে এই শব্দটি এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: প্রবাদের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট শব্দ মুখস্থ রাখতে হয়, তাই প্রবচন পড়ার সময় শেষের শব্দটিতে বিশেষ নজর দিতে হবে।
a A new cabinet has been sworn in Dhaka
b A new cabinet has been sworn a Dhaka
c A new cabinet has been sworn by in Dhaka
d A new cabinet has sworn in Dhaka
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) A new cabinet has been sworn in Dhaka কেন সঠিক: - শপথ নেওয়া অর্থে sworn in ফ্রেজাল ভার্বটি ব্যবহৃত হয় এবং ঢাকা শহরের পূর্বে ইন প্রিপজিশন বসে। - বাক্যটি প্যাসিভ ফর্মে থাকায় has been এর পর মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম sworn বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A new cabinet has been sworn in Dhaka — এটি সঠিক বাক্য কারণ এখানে প্রিপজিশন এবং ফ্রেজাল ভার্ব সঠিক নিয়মে ব্যবহৃত হয়েছে। B) A new cabinet has been sworn a Dhaka — এখানে ঢাকার পূর্বে এ প্রিপজিশন ভুলভাবে ব্যবহার করা হয়েছে, যা স্থান নির্দেশ করতে পারে না। C) A new cabinet has been sworn by in Dhaka — এখানে দুটি প্রিপজিশন একসাথে বসে বাক্যটিকে ব্যাকরণগতভাবে ভুল ও অর্থহীন করেছে। D) A new cabinet has sworn in Dhaka — বাক্যটি একটিভ ফর্মে করায় এর অর্থ দাঁড়াচ্ছে মন্ত্রিসভা নিজে শপথ নিয়েছে, যা ভুল। মনে রাখার টিপস: শপথ নেওয়ার ইংরেজি ফ্রেজাল ভার্ব sworn in মনে রাখতে হবে এবং বড় শহরের নামের পূর্বে ইন প্রিপজিশন বসে।
a Eliot and pound
b Yeats and Eliot
c Pope and Dryden
d Shelly and keats
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Shelly and keats কেন সঠিক: পার্সি বিশ শেলি এবং জন কিটস ছিলেন রোমান্টিক যুগের দুই বিখ্যাত কবি। তারা উভয়েই একসাথে ১৯ শতকের ইংরেজ সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছিলেন। তাদের মধ্যে গভীর সাহিত্যিক বন্ধুত্বের সম্পর্ক ছিল। শেলির অকাল মৃত্যুর পর কিটসের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি বিখ্যাত শোকগাথা রচনা করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Eliot and pound — এরা আধুনিক যুগের কবি এবং সাহিত্য সমালোচক হলেও প্রধানত এজরা পাউন্ড টি এস এলিয়টের কবিতার সম্পাদক হিসেবে কাজ করেছেন, প্রকৃত কলাবোরেটর নন। B) Yeats and Eliot — এরা দুজনেই আধুনিক যুগের প্রভাবশালী কবি ছিলেন কিন্তু তারা কখনো সরাসরি যৌথভাবে কোনো সাহিত্য রচনা করেননি। C) Pope and Dryden — এরা উভয়েই অগাস্টান যুগের বিখ্যাত কবি হলেও তারা ভিন্ন ভিন্ন সময়ের মানুষ এবং একসাথে কোনো সাহিত্যকর্ম তৈরি করেননি। D) Shelly and keats — এই অপশনটি সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত হওয়ায় এটি ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: রোমান্টিক যুগের অমর দুই কবি পি বি শেলি এবং জন কিটস বন্ধু হিসেবে সাহিত্য জগতে একসাথে স্মরণীয় হয়ে আছেন।
a A large solid piece of stone
b A device to cut off persons head as punishment
c Something that makes movement difficult
d A powerful explosive to demolish buildings
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) A powerful explosive to demolish buildings কেন সঠিক: শব্দটির ঐতিহাসিক উৎপত্তি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্যবহৃত অত্যন্ত শক্তিশালী বোমা থেকে, যা পুরো একটি চত্বর বা ব্লক ধ্বংস করতে পারত। পরবর্তীতে এই আভিধানিক অর্থ থেকেই বিশাল সফল চলচ্চিত্র বা পণ্যের ক্ষেত্রেও শব্দটি রূপক অর্থে ব্যবহৃত হতে শুরু করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A large solid piece of stone — এটি পাথরের একটি বড় টুকরো বোঝায়, যা ব্লকবাস্টার শব্দের আভিধানিক বা রূপক কোনো অর্থের সাথেই মেলে না। B) A device to cut off persons head as punishment — এটি শাস্তিস্বরূপ মাথা কাটার যন্ত্র বোঝায়, যা গিলোটিন বা অনুরূপ যন্ত্রের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। C) Something that makes movement difficult — এটি চলাচলে বাধা সৃষ্টি করে এমন কিছু বোঝায়, যা মূলত কোনো প্রতিবন্ধকতা বা অবরুদ্ধ অবস্থাকে নির্দেশ করে। D) A powerful explosive to demolish buildings — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: ব্লকবাস্টার মানে এমন বিস্ফোরক যা আস্ত ব্লক বা ভবন উড়িয়ে দিতে পারে, যা পরে বড় হিট সিনেমা বোঝাতেও ব্যবহৃত হয়।
a Securities issued by the government
b Industrial shares considered to be a safe investment
c Industrial shares considered to be a risky investment
d Flat plastic counters used as money tokens
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Industrial shares considered to be a safe investment কেন সঠিক: ‘Blue chips’ বলতে আর্থিকভাবে অত্যন্ত শক্তিশালী এবং লাভজনক বড় কোম্পানির শেয়ারকে বোঝায়। বিনিয়োগকারীদের কাছে এই ধরনের শেয়ারগুলোকে অত্যন্ত নিরাপদ এবং নির্ভরযোগ্য বিনিয়োগ হিসেবে গণ্য করা হয়। এই কোম্পানিগুলো নিয়মিত ভালো লভ্যাংশ প্রদান করে। এগুলোতে লোকসানের ঝুঁকি সাধারণত কম থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Securities issued by the government — এটি সরকারি সিকিউরিটিস বা ট্রেজারি বন্ড বোঝায়, ব্লু চিপ শেয়ার নয়। B) Industrial shares considered to be a safe investment — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) Industrial shares considered to be a risky investment — ব্লু চিপ শেয়ার ঝুঁকিপূর্ণ নয়, বরং এগুলো নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে পরিচিত। D) Flat plastic counters used as money tokens — এটি প্লাস্টিক টোকেন বা ক্যাসিনো চিপ বোঝায়, যা শেয়ার বাজারের সাথে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: ব্লু চিপ মানেই নিরাপদ ও বড় কোম্পানির লাভজনক শেয়ার।
a to concentrate
b to suspect
c to read carefully
d to grasp the hidden meaning
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) to grasp the hidden meaning কেন সঠিক: - "To read between the lines" একটি ইংরেজি ইডিয়ম যার শাব্দিক অর্থ লাইনের মাঝখানে পড়া হলেও এর অন্তর্নিহিত ভাব হলো কোনো লেখার আসল বা গোপন অর্থ খুঁজে বের করা। - বক্তা বা লেখকের প্রকাশ্য কথার বাইরেও অবাক্ত উদ্দেশ্য বা লুকানো অনুভূতি সঠিকভাবে বুঝে নেওয়ার ক্ষেত্রেই এই বিশেষ ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to concentrate — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ কোনো কিছুর ওপর গভীর মনোযোগ দেওয়া, যা সরাসরি লুকানো অর্থ খোঁজার সাথে সম্পর্কিত নয়। B) to suspect — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ সন্দেহ করা, যা প্রাত্যহিক সংশয় প্রকাশ করে কিন্তু লেখকের অন্তর্নিহিত ভাব বোঝায় না। C) to read carefully — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি কেবল খুব মনযোগ সহকারে সাধারণ পাঠ বোঝায়, কোনো গভীর বা গোপন অর্থ অনুধাবন করা নির্দেশ করে না। D) to grasp the hidden meaning — এটি সঠিক কারণ এই অপশনটি সরাসরি মূল ইডিয়মের আসল ও গোপন অর্থ খুঁজে বের করার ভাবটিকে প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: লাইন বা লেখার মাঝখানে তাকিয়ে যেমন লুকানো কিছু দেখা যায় না, তেমনি লেখার ভেতরের লুকানো অর্থ বুঝতে এই ইডিয়মটি মনে রাখতে হবে।
a A chart of bus fare
b A price list
c A valuable document
d A list of dishes at restaurant
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) A list of dishes at restaurant কেন সঠিক: - 'Bill of fare' একটি ইংরেজি ফ্রেজ, যার আক্ষরিক অর্থ খাবারের তালিকা। - রেস্তোরাঁয় খাওয়ার জন্য উপলব্ধ বিভিন্ন পদের খাবারের তালিকা বা মেনু বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A chart of bus fare — এটি বাসের ভাড়ার তালিকা বোঝাচ্ছে, যা এই ফ্রেজের অর্থ নয়। B) A price list — এটি সাধারণ যেকোনো পণ্যের মূল্য তালিকা, যা নির্দিষ্ট করে রেস্তোরাঁর খাবার বোঝায় না। C) A valuable document — এটি কোনো মূল্যবান দলিল বা কাগজপত্র বোঝায়, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন প্রসঙ্গ। D) A list of dishes at restaurant — এটি রেস্তোরাঁর খাবারের তালিকা বা মেনু নির্দেশ করে, যা সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: 'Bill' মানে বিল বা হিসাব এবং 'fare' মানে খাবার বা ভোজন, তাই দুটি মিলে রেস্তোরাঁর খাবারের তালিকা বোঝায়।
a He is very tired
b He is has arrived
c He has finished packing
d He has got everything
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) He is very tired কেন সঠিক: all in একটি ইংরেজি idiomatic expression যার অর্থ চরম ক্লান্তি বা শক্তি শেষ হয়ে যাওয়া। কোনো ব্যক্তি সারাদিন পরিশ্রম করার পর যখন আর নড়ার শক্তি পায় না, তখন সে এই কথাটি বলে। এটি শারীরিক বা মানসিক উভয় প্রকার চরম ক্লান্তি বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। তাই এই অপশনটি সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He is very tired — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) He has has arrived — কাউকে আগমন বোঝাতে all in ব্যবহার করা হয় না। C) He has finished packing — গোছগাছ শেষ করা বোঝাতে এই বাগধারাটি ব্যবহৃত হয় না। D) He has got everything — সবকিছু পেয়ে যাওয়া বা সংগ্রহ করা অর্থে এটি সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: all in মানে হলো শরীরের ভেতরে থাকা সব শক্তি শেষ হয়ে যাওয়া বা ভেতরে আর কিছু বাকি না থাকা।
a The Nile is longest river in Africa
b The Nile is longest river in the Africa
c Nile is longest river in Africa
d The Nile is the longest river in Africa
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) The Nile is the longest river in Africa কেন সঠিক: - নদীর নামের পূর্বে নির্দিষ্ট আর্টিকেল দ্য বসে এবং সুপারলেটিভ ডিগ্রির পূর্বেও দ্য বসে। - আফ্রিকা মহাদেশের নামের পূর্বে কোনো আর্টিকেল বসে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The Nile is longest river in Africa — সুপারলেটিভ ডিগ্রি longest এর পূর্বে দ্য মিস করা হয়েছে। B) The Nile is longest river in the Africa — মহাদেশের নাম Africa এর পূর্বে ভুলভাবে দ্য ব্যবহার করা হয়েছে এবং longest এর পূর্বে দ্য নেই। C) Nile is longest river in Africa — নদীর নাম Nile এর পূর্বে নির্দিষ্ট আর্টিকেল দ্য এবং longest এর পূর্বে দ্য কোনটিই ব্যবহার করা হয়নি। D) The Nile is the longest river in Africa — এটি সঠিক কারণ নদীর নামের পূর্বে দ্য এবং সুপারলেটিভ ডিগ্রির পূর্বে দ্য নিয়মমাফিক বসেছে। মনে রাখার টিপস: নদীর নাম ও সুপারলেটিভ ডিগ্রির আগে দ্য বসে, কিন্তু মহাদেশের নামের আগে সাধারণত কোনো আর্টিকেল বসে না।
a We are not liked by idle people
b Idle people are not like us
c Idle people are not liked by us
d Idle people are not of our liking
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Idle people are not liked by us কেন সঠিক: - Active বাক্যের অবজেক্ট (idle people) প্যাসিভ বাক্যের সাবজেক্ট হিসেবে প্রথমে বসেছে এবং সাবเจক্ট (we) অবজেক্ট (us) হিসেবে রূপান্তরিত হয়েছে। - Present indefinite টেন্সের negative বাক্যকে প্যাসিভ করার সময় am is are এর পর not এবং মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল (liked) বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) We are not liked by idle people — এটি ভুল কারণ এখানে অর্থ সম্পূর্ণ উল্টে গেছে এবং সাবজেক্ট ও অবজেক্টের স্থান পরিবর্তন সঠিক হয়নি। B) Idle people are not like us — এটি ভুল কারণ এখানে মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল (liked) ব্যবহার না করে শুধু like ব্যবহার করা হয়েছে। C) Idle people are not liked by us — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে কোনো ভুল নেই। D) Idle people are not of our liking — এটি ভুল কারণ এটি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সরাসরি সঠিক passive form নয়, বরং একটি পরিবর্তিত অর্থ প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: Active voice-এর অবজেক্টকে passive-এ সাবজেক্ট বানাতে হয় এবং টেন্স অনুযায়ী be verb-এর পর মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল বসাতে হয়।
a improve
b exhaust
c rub out
d cut out
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) rub out কেন সঠিক: ‘Efface’ শব্দটির বাংলা অর্থ হলো কোনো কিছু মুছে ফেলা বা বিলোপ করা। এর সাথে সরাসরি মিল রয়েছে ‘rub out’ কথাটির যার অর্থও মুছে ফেলা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) improve — এই শব্দটির অর্থ উন্নতি করা যা মুছে ফেলার বিপরীত। B) exhaust — এর অর্থ ক্লান্ত হওয়া বা নিঃশেষ করা যা সঠিক নয়। C) rub out — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। D) cut out — এর অর্থ কেটে বাদ দেওয়া যা সম্পূর্ণ মুছে ফেলা নয়। মনে রাখার টিপস: ফেস বা মুখ থেকে যেমন দাগ মুছে ফেলা যায়, তেমনি 'efface' মানে হলো মুছে ফেলা।
a hostile
b friendly
c indifferent
d angry
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: খ) friendly কেন সঠিক: শব্দটির অর্থ শত্রুভাবাপন্ন বা ক্ষতিকর। এর বিপরীত অর্থ হলো বন্ধুত্বপূর্ণ বা সহায়ক। বাকি অপশন কেন ভুল: ক) hostile — এটি inimical শব্দের সমার্থক শব্দ যার অর্থ শত্রুভাবাপন্ন। খ) friendly — এটি সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ যার অর্থ বন্ধুভাবাপন্ন। গ) indifferent — এর অর্থ উদাসীন যা inimical শব্দের বিপরীত অর্থ পুরোপুরি প্রকাশ করে না। ঘ) angry — এর অর্থ রাগান্বিত যা inimical শব্দের কাছাকাছি অর্থ বহন করে। মনে রাখার টিপস: Inimical শব্দটি Enemy বা শত্রুর সাথে মিল আছে, তাই এর বিপরীত অর্থ Friend হবে।
a Maria, my student. is on leave today
b Maria my student, is on leave today
c Maria, my student, is on leave today
d Maria my student is, on leave today
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Maria, my student. is on leave today কেন সঠিক: বাক্যের শুরুতে সাবজেক্টের পরিচয় বোঝাতে অ্যাপোজিট্রে ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক নিয়ম মেনে চলেছে। এছাড়াও বাক্যের অন্য সব বিরামচিহ্ন ঠিকঠাকভাবে বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সঠিক উত্তর — কারণ এতে সব বিরামচিহ্ন নিয়ম অনুযায়ী সঠিকভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। B) Maria my student, is on leave today — নামের পরে কমা না দেওয়ায় বাক্যটির গঠন ভুল হয়েছে। C) Maria, my student, is on leave today — মাঝে দুইবার কমা ব্যবহার করায় বাক্যটির মূল অর্থ নষ্ট হয়েছে। D) Maria my student is, on leave today — ক্রিয়ার আগে কমা বসানো ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ভুল। মনে রাখার টিপস: কারো নাম এবং তার পরিচয় একসঙ্গে বসলে পরিচয়ের চারপাশে সঠিক স্থানে কমা ব্যবহার করতে হয়।
a dull
b animated
c heavy
d slow
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) animated কেন সঠিক: Sluggish শব্দের অর্থ অলস বা মন্থর গতি সম্পন্ন। এর বিপরীত শব্দ হলো প্রাণবন্ত বা উৎসাহী। বাকি অপশন কেন ভুল: A) dull — এটি sluggish শব্দের সমার্থক শব্দ যার অর্থ নিস্তেজ। C) heavy — এটি ভারী বোঝাতে ব্যবহৃত হয় যা সঠিক বিপরীত নয়। D) slow — এটি sluggish শব্দের সমার্থক শব্দ যার অর্থ ধীর। মনে রাখার টিপস: Sluggish মানে ঝিমিয়ে থাকা আর animated মানে জীবন্ত বা প্রাণবন্ত।
a A musical instrument
b A well-planned programme
c A noisy activity
d A musical activity
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) A noisy activity কেন সঠিক: - 'Razzmatazz' একটি ইংরেজি শব্দ যার অর্থ চাকচিক্যময় কিন্তু গোলমেলে বা হইচইপূর্ণ কোনো পরিবেশ বা কার্যকলাপ। - প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এই শব্দের ভাবার্থের সাথে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A musical instrument — এটি কোনো বাদ্যযন্ত্র বোঝায় না, তাই এটি ভুল। B) A well-planned programme — এটি সুপরিকল্পিত কোনো কর্মসূচি বোঝায় না, বরং এর উল্টো বিশৃঙ্খল অবস্থা বোঝায়। C) A noisy activity — এটি এই শব্দের সঠিক অর্থ হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত। D) A musical activity — এটি নির্দিষ্ট কোনো বা বাদ্যযন্ত্রভিত্তিক কার্যক্রম নয়, তাই এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: 'Razzmatazz' শব্দটি দেখলেই মাথায় রাখবে জ্যাজ (Jazz) সঙ্গীতের মতো হইচই ও হট্টগোলপূর্ণ পরিবেশ।

মোট প্রশ্ন (12)

a f(1) = 1
b f(0) = 1
c f(-1) = 3
d f(1) = 3
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) f(১) = ৩ প্রদত্ত তথ্য: অপেক্ষকটি হলো f(x) = x^২ + (১ ÷ x) + ১ ধরি, x এর মান ১ ধরা হলো অতএব, f(১) = (১)^২ + (১ ÷ ১) + ১ সুতরাং, f(১) = ১ + ১ + ১ উত্তর: ৩
a (-1/3, 1/3)
b (1,-1 )
c (-3,3)
d (-1,1)
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) (−১, ১) প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সরলরেখা: x + y = ০ দ্বিতীয় সরলরেখা: ২x − y + ৩ = ০ ধরি, প্রথম সমীকরণ থেকে পাই y = −x এই মান দ্বিতীয় সমীকরণে বসাই অতএব, ২x − (−x) + ৩ = ০ ৩x + ৩ = ০ সুতরাং, ৩x = −৩ x = −১ উত্তর: (−১, ১)
a √৪৮
b ০
c √৬
d √২৪
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) √২৪ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো x^2 + px + ৬ = ০ মূল দুটি সমান হলে নিশ্চায়ক বা ডিস্ক্রিমিন্যান্ট এর মান শূন্য হয় ধরি, দ্বিঘাত সমীকরণটির সাধারণ রূপ ax^2 + bx + c = ০ এখানে a = ১, b = p এবং c = ৬ অতএব, নিশ্চায়কের সূত্রটি হলো b^2 − 4ac শর্তানুসারে, p^2 − (৪ × ১ × ৬) = ০ সুতরাং, p^2 = ২৪ উত্তর: p = √২৪
a ৩/৩৫
b ৫/২০
c ৯/২৫
d ৩/২০
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৯/২৫ প্রদত্ত রাশি: ব্র্যাকেটের ভেতরে ১২৫ ÷ ২৭ এবং তার ওপর পাওয়ার আছে মাইনাস দুই ভাগ তিন। সূচকের নিয়ম অনুযায়ী মাইনাস চিহ্ন তোলার জন্য ভগ্নাংশটিকে উল্টে দিতে হবে। তখন রাশিটি দাঁড়ায় ২৭ ÷ ১২৫ এবং তার ওপর পাওয়ার হয় দুই ভাগ তিন। এখন ২৭ হলো তিনের কিউব এবং ১২৫ হলো পাঁচের কিউব। তাই ভেতরের সংখ্যাটিকে তিন ভাগ পাঁচ লিখে তার ওপর হোল কিউব দেওয়া যায়। এর সাথে বাইরের পাওয়ার তিন ভাগ তিন গুণ হয়ে যায়। ফলে তিন এবং তিন কেটে গিয়ে পাওয়ার থাকে শুধু দুই। তিন ভাগ পাঁচ এর ওপর স্কয়ার করলে তিনের স্কয়ার নয় এবং পাঁচের স্কয়ার পঁচিশ হয়। তাই লবের মান হয় নয় এবং হরের মান হয় পঁচিশ। উত্তর: ৯ ÷ ২৫
a 3 N
b √11 N
c √41 N
d 1 N
0 117 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) √৪১ N প্রদত্ত তথ্য: প্রথম বলের পরিমাণ = ৫ N দ্বিতীয় বলের পরিমাণ = ৪ N বলদুটি লম্বালম্বিভাবে ক্রিয়াশীল ধরি, প্রথম বল = P = ৫ N দ্বিতীয় বল = Q = ৪ N মধ্যবর্তী কোণ = থিটা = ৯০ ডিগ্রি অতএব, লব্ধির সূত্রানুযায়ী, R এর বর্গ = P এর বর্গ + Q এর বর্গ মান বসিয়ে পাই, R এর বর্গ = (৫ × ৫) + (৪ × ৪) হিসাব করে পাই, R এর বর্গ = ২৫ + ১৬ সুতরাং, R এর বর্গ = ৪১ সুতরাং লব্ধি R = √৪১ N উত্তর: √৪১ N
a ৭১
b ৪১
c ৩১
d ৩৯
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩১ প্রদত্ত তথ্য: ভাজকগুলো হলো ৩, ৫ এবং ৬ ভাগশেষ সবসময় ১ হবে ধরি, প্রথমে ৩, ৫ ও ৬ এর লসাগু বের করতে হবে ৩, ৫ ও ৬ এর লসাগু হলো ৩০ অতএব, নির্ণেয় ক্ষুদ্রতম সংখ্যার সাথে লসাগু এর সম্পর্ক হলো লসাগুর সাথে ভাগশেষ ১ যোগ করতে হবে সুতরাং, নির্ণেয় ক্ষুদ্রতম সংখ্যাটি হবে ৩০ + ১ = ৩১ উত্তর: ৩১
a ৩ গুন
b ৪ গুন
c ৫ গুন
d ৮ গুন
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪ গুন প্রদত্ত তথ্য: একটি কাঠের টুকরার দৈর্ঘ্য অপরটির দৈর্ঘ্যের তিন গুন ধরি, ছোট টুকরাটির দৈর্ঘ্য = ১ একক বড় টুকরাটির দৈর্ঘ্য = ৩ একক অতএব, সংযুক্ত টুকরাটির মোট দৈর্ঘ্য = ১ + ৩ = ৪ একক সুতরাং, সংযুক্ত টুকরাটি ছোট টুকরার চেয়ে বড় হবে = ৪ ÷ ১ = ৪ গুন উত্তর: ৪ গুন
a ১০ গজ
b ১২ গজ
c ১৪ গজ
d ৭ গজ
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৪ গজ প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজাকৃতি ক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = ৮৪ বর্গগজ শীর্ষবিন্দু হতে ভূমির উপর অংকিত লম্বের দৈর্ঘ্য (উচ্চতা) = ১২ গজ ধরি, ত্রিভুজটির ভূমির দৈর্ঘ্য = ক গজ আমরা জানি, ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × ভূমি × উচ্চতা অতএব, (১ ÷ ২) × ক × ১২ = ৮৪ হিসাব করে পাই, ক × ৬ = ৮৪ সুতরাং, ক = ৮৪ ÷ ৬ = ১৪ উত্তর: ১৪ গজ
a x + 1
b 1
c -1
d x - 1
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) −১ প্রদত্ত তথ্য: বীজগণিতীয় রাশি = x − [x − x − (x + ১)] প্রথম ধাপের হিসাব: প্রথম বন্ধনীর কাজ করে পাই = (x + ১) = x + ১ এর আগের মাইনাস গুণ করে পাই = − x − ১ দ্বিতীয় ধাপের হিসাব: দ্বিতীয় বন্ধনীর ভেতরের অংশ = x − x − ১ = − ১ এর আগের মাইনাস গুণ করে পাই = − (− ১) = + ১ তৃতীয় ধাপের হিসাব: তৃতীয় বন্ধনীর ভেتরের অংশ = x + ১ এর আগের মাইনাস গুণ করে পাই = − x − ১ সুতরাং, সম্পূর্ণ রাশির মান = x − x − ১ = − ১ উত্তর: −১
a ১২
b ৮
c ১০
d ১১
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১০ প্রদত্ত তথ্য: ট্রেনের গন্তব্যে পৌঁছাতে সময় লাগে ৫ ঘণ্টা বিপরীত দিক থেকে প্রতি ঘণ্টায় একটি করে ট্রেন যাত্রা করে ধরি, যাত্রার শুরুতে স্টেশন ছাড়ার সময় একটি ট্রেন যাত্রা শুরু করে এই ট্রেনটি ৫ ঘণ্টার যাত্রাপথে বিপরীত দিক থেকে আসা ট্রেনগুলোর মুখোমুখি হয় অতএব, ৫ ঘণ্টার যাত্রাপথে বিপরীত দিক থেকে ৫টি ট্রেন যাত্রা করে এবং সেগুলো পথে পড়বে নিজের যাত্রার ঠিক সময়ে বিপরীত স্টেশন থেকে যাত্রা করা ১টি ট্রেনকেও পথেই পাওয়া যাবে যাত্রা শুরুর ঠিক আগের ঘণ্টায় এবং শেষের ঠিক পরের ঘণ্টায় ছাড়ান ট্রেনগুলোর হিসাব করতে হবে সুতরাং, সামনে থেকে আসা ৫টি ট্রেন, বিপরীত স্টেশনের ১টি ট্রেন এবং যাত্রার সময়ের আগের ও পরের ট্রেন মিলিয়ে মোট হিসাব করতে হবে ৫ + ৫ = ১০ উত্তর: ১০
a ৬
b ৯
c ১২
d ১৫
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৯ প্রদত্ত তথ্য: ধারার সংখ্যাগুলো হলো ৮১, ২৭, লুপ্ত সংখ্যা, ৩, ১ ধরি, প্রথম সংখ্যা = ৮১ দ্বিতীয় সংখ্যা = ২৭ অতএব, প্রথম সংখ্যাকে ৩ দ্বারা ভাগ করলে দ্বিতীয় সংখ্যা পাওয়া যায় ৮১ ÷ ৩ = ২৭ সুতরাং, লুপ্ত সংখ্যাটি পাওয়ার জন্য ২৭ কে ৩ দ্বারা ভাগ করতে হবে ২৭ ÷ ৩ = ৯ উত্তর: ৯
a ১০৮, ১৪৪
b ১১২, ১৪৮
c ১৪৪, ২০৮
d ১৪৪, ২০৪
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৪৪, ২০৪ প্রদত্ত তথ্য: গ.সা.গু = ১২ বিয়োগফল = ৬০ ল.সা.গু = ২৪৪৮ ধরি, সংখ্যা দুটি যথাক্রমে ১২ক এবং ১২খ এখানে ক ও খ পরস্পর সহমৌলিক সংখ্যা অতএব, সংখ্যা দুটির বিয়োগফল = ১২ক − ১২খ = ৬০ বা, ক − খ = ৬০ ÷ ১২ = ৫ সুতরাং, সংখ্যা দুটির ল.সা.গু = ১২ × ক × খ = ২৪৪৮ বা, ক × খ = ২৪৪৮ ÷ ১২ = ২০৪ এখন, ক − খ = ৫ এবং ক × খ = ২০৪ সমীকরণ দুটি সমাধান করে পাই, ক = ১৭ এবং খ = ১২ অতএব, প্রথম সংখ্যাটি = ১২ × ১৭ = ২০৪ দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ১২ × ১২ = ১৪৪ উত্তর: ১৪৪, ২০৪

মোট প্রশ্ন (54)

a সিলেটের মালনীছড়ায়
b পার্বত্য চট্টগ্রামের খাগড়াছড়িতে
c সিলেটের জাফলং
d সিলেটের তামাবিলে
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সিলেটের মালনীছড়ায় কেন সঠিক: - ১৮৫৪ সালে সিলেটের মালনীছড়া চা বাগানে বাণিজ্যিকভাবে প্রথম চায়ের চাষ শুরু হয়। - ব্রিটিশ আমলে ভারতের আসাম কোম্পানির উদ্যোগে এই বাগান প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলাদেশের চা শিল্পের সূচনা ঘটে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সিলেটের মালনীছড়ায় — এটি বাংলাদেশের প্রথম চা চাষের ঐতিহাসিক স্থান এবং বাণিজ্যিকভাবে চা চাষের সূতিকাগার। B) পার্বত্য চট্টগ্রামের খাগড়াছড়িতে — এটি বর্তমান সময়ে চা চাষের একটি অঞ্চল হলেও প্রথম চা চাষের স্থান নয়। C) সিলেটের জাফলং — এটি পাথর ও পর্যটনের জন্য বিখ্যাত হলেও প্রথম চা চাষের স্থান হিসেবে পরিচিত নয়। D) সিলেটের তামাবিলে — এটি একটি স্থলবন্দর ও সীমান্ত এলাকা, যা ঐতিহাসিক চা চাষের সূচনার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: চা চাষের সূচনা মনে রাখতে 'মা' দিয়ে মালনীছড়া মনে রাখুন, যা প্রথম চা বাগান।
a নোয়াখালীর ছাগলনাইয়া
b চট্টগ্রামের বাশখালি
c খুলনার মংলা
d পটুয়াখালীর কুয়াকাটা
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পটুয়াখালীর কুয়াকাটা কেন সঠিক: - কুয়াকাটা বাংলাদেশের দক্ষিণ অঞ্চলে পটুয়াখালী জেলায় অবস্থিত একটি বিখ্যাত সমুদ্র সৈকত। - এই সৈকত থেকে একই স্থান থেকে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত দেখা যায়, যা এর প্রধান আকর্ষণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নোয়াখালীর ছাগলনাইয়া — এটি নোয়াখালী জেলায় নয়, ফেনী জেলার একটি উপজেলা এবং এখানে কোনো সমুদ্র সৈকত নেই। B) চট্টগ্রামের বাশখালি — বাঁশখালীতে সমুদ্র সৈকত থাকলেও এটি কক্সবাজারের মতো প্রধান ও সমাদৃত পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত নয়। C) খুলনার মংলা — এটি একটি সুন্দর বন্দর ও উপকূলীয় উপজেলা, তবে এখানে পর্যটন উপযোগী কোনো সমুদ্র সৈকত নেই। D) পটুয়াখালীর কুয়াকাটা — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং কক্সবাজারের পর দেশের দ্বিতীয় প্রধান পর্যটন সমুদ্র সৈকত। মনে রাখার টিপস: সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের লীলাভূমি কুয়াকাটা পটুয়াখালী জেলায় অবস্থিত, যা কক্সবাজারের বিকল্প পর্যটন কেন্দ্র।
a সাঁওতাল
b মাওরি
c মুরং
d গারো
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মাওরি কেন সঠিক: - মাওরি হলো নিউজিল্যান্ডের আদিবাসী জনগোষ্ঠী, তাই এরা বাংলাদেশে বসবাস করে না। - ভৌগোলিক অবস্থানগত কারণে এই উপজাতিটি বাংলাদেশ ছাড়া নিউজিল্যান্ডের মূল ভূখণ্ডে অবস্হিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাঁওতাল — এটি বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রধান ও পরিচিত ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী। B) মাওরি — এটি নিউজিল্যান্ডের আদিবাসী জনগোষ্ঠী এবং বাংলাদেশে বাস করে না। C) মুরং — এটি বাংলাদেশের বান্দরবান ও পাহাড়ি অঞ্চলে বসবাসকারী একটি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী। D) গারো — এটি বাংলাদেশের ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল ও সিলেট অঞ্চলে বসবাসকারী একটি প্রধান উপজাতি। মনে রাখার টিপস: বিদেশি উপজাতি মনে রাখতে মাওরি শব্দটি মাথায় রাখুন যা নিউজিল্যান্ডের সাথে যুক্ত।
a বৃহস্পতিবার
b শুক্রবার
c রবিবার
d শনিবার
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শুক্রবার কেন সঠিক: - ১৯৯৪ সালটি সাধারণ বছর ছিল এবং ১৯৯৫ সালটিও সাধারণ বছর, তাই সাধারণ বছরে একই তারিখ এক দিন বৃদ্ধি পায়। - ১৯৯৪ সালের ১লা ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার হওয়ায় ১৯৯৫ সালের ১লা ডিসেম্বর ১ দিন বেড়ে শুক্রবার হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বৃহস্পতিবার — এটি ১৯৯৪ সালের ১লা ডিসেম্বর ছিল, সাধারণ বছরে এক দিন বৃদ্ধি পাওয়ায় ১৯৯৫ সালে তা হবে না। B) শুক্রবার — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ বৃহস্পতিবারের সাথে ১ দিন যোগ করলে শুক্রবার হয়। C) রবিবার — বৃহস্পতিবারের সাথে ৩ দিন যোগ করলে রবিবার হয়, যা এই ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। D) শনিবার — বৃহস্পতিবারের সাথে ২ দিন যোগ করলে শনিবার হয়, যা লিপি ইয়ারের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। মনে রাখার টিপস: সাধারণ বছরে একই তারিখ এক দিন বাড়ে এবং লিপি ইয়ারে দুই দিন বাড়ে।
a ৩১ জানুয়ারি
b ৩০ মার্চ
c ৩০ এপ্রিল
d ৩১ মে
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩১ মে কেন সঠিক: - বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) ১৯৮৭ সাল থেকে প্রতি বছর ৩১ মে তারিখটিকে বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস হিসেবে পালন করে আসছে। - তামাক ব্যবহারের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে জনসচেতনতা সৃষ্টি করাই এই দিবস পালনের মূল উদ্দেশ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩১ জানুয়ারি — এই তারিখে বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস পালন করা হয় না এবং এটি একটি সাধারণ মাস ও তারিখ। B) ৩০ মার্চ — এই তারিখে অন্য কোনো জাতীয় বা আন্তর্জাতিক দিবস থাকতে পারে, তবে এটি তামাকমুক্ত দিবসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) ৩০ এপ্রিল — এই তারিখে বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস পালিত হয় না, এটি তামাকবিরোধী দিবসের সঠিক তারিখ নয়। D) ৩১ মে — এটি বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস পালনের জন্য নির্ধারিত সঠিক আন্তর্জাতিক তারিখ। মনে রাখার টিপস: বছরের শেষ দিন মে মাসের একত্রিশ (৩১) তামাক ছেড়ে দেওয়ার তারিখটি মনে রেখো নির্দিষ্ট এই দিনে।
a যুক্তরাজ্য
b ফ্রান্স
c জাপান
d জার্মান
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ফ্রান্স কেন সঠিক: - ফ্রান্স আমেরিকার স্বাধীনতা যুদ্ধের শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে ১৮৮৬ সালে এই মূর্তি উপহার দেয়। - দুই দেশের বন্ধুত্বের প্রতীক হিসেবে স্ট্যাচু অব লিবার্টি যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটিতে স্থাপন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যুক্তরাজ্য — যুক্তরাজ্য এই ঐতিহাসিক স্মারক উপহার দেয়নি, কারণ ফ্রান্স ও আমেরিকার বিপ্লবের সম্পর্ক আলাদা ছিল। B) ফ্রান্স — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক এবং এখানে ভুল কিছু নেই। C) জাপান — জাপান এই উপহারের সঙ্গে কোনোভাবেই যুক্ত নয় এবং সেসময়ে তাদের এমন কোনো ঐতিহাসিক সম্পর্ক ছিল না। D) জার্মান — জার্মান এই ভাস্কর্য নির্মাণ বা উপহার প্রদানে কোনো ভূমিকা পালন করেনি। মনে রাখার টিপস: যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতাযুদ্ধে ফ্রান্সের অবদান ছিল প্রধান, তাই স্বাধীনতার প্রতীক স্ট্যাচু অব লিবার্টিও ফ্রান্সই উপহার দিয়েছে।
a নামিবিয়া
b ভ্যাটিক্যান সিটি
c কিউবা
d পানামা
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভ্যাটিক্যান সিটি কেন সঠিক: - ভ্যাটিক্যান সিটি একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হওয়া সত্ত্বেও জাতিসংঘের পূর্ণ সদস্য নয়। - রাষ্ট্রটি জাতিসংঘের স্থায়ী পর্যবেক্ষক বা Observer রাষ্ট্রের মর্যাদা ভোগ করে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নামিবিয়া — এটি ১৯৯০ সালে জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে। B) ভ্যাটিক্যান সিটি — এটি জাতিসংঘের সদস্য নয়, কেবল স্থায়ী পর্যবেক্ষক রাষ্ট্র। C) কিউবা — এটি জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য রাষ্ট্রগুলোর অন্যতম। D) পানামা — এটি জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য রাষ্ট্রগুলোর অন্যতম। মনে রাখার টিপস: বিশ্বের স্বাধীন রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে একমাত্র ভ্যাটিক্যান সিটি জাতিসংঘের পূর্ণ সদস্য নয়।
a বেডেন পাওয়েল
b ব্যরন পিয়ারে দ্য কুবার্তা
c প্যাঁরেজ দ্য কুয়েলার
d জুয়ান এন্টানিও সামারাঞ্চ
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ব্যরন পিয়ারে দ্য কুবার্তা কেন সঠিক: - ফরাসি শিক্ষাবিদ ও ইতিহাসবিদ ব্যরন পিয়ারে দ্য কুবার্তার উদ্যোগে ১৮৯৪ সালে আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটি গঠিত হয়। - তার ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় ১৮৯৬ সালে গ্রিসের এথেন্সে প্রথম আধুনিক অলিম্পিক গেমস শুরু হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বেডেন পাওয়েল — ইনি স্কাউট আন্দোলনের প্রবর্তক এবং বিশ্ব স্কাউটের প্রতিষ্ঠাতা, অলিম্পিকের সাথে সম্পর্কিত নন। B) ব্যরন পিয়ারে দ্য কুবার্তা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) প্যাঁরেজ দ্য কুয়েলার — ইনি জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব ছিলেন, আধুনিক অলিম্পিকের জনক নন। D) জুয়ান এন্টানিও সামারাঞ্চ — ইনি আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির সপ্তম সভাপতি ছিলেন, প্রবর্তক নন। মনে রাখার টিপস: কুবার্তাকে কুঁড়ে ঘর থেকে বের করে যিনি অলিম্পিকের মাঠে নিয়ে এসেছিলেন, তিনিই আধুনিক অলিম্পিকের জনক।
a ব্রিটেন
b ফ্রান্স
c অস্ট্রেলিয়া
d নিউজিল্যান্ড
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অস্ট্রেলিয়া কেন সঠিক: - পাপুয়া নিউগিনি প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে অস্ট্রেলিয়ার প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণে ছিল। - ১৯৭৫ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর অস্ট্রেলিয়ার শাসন থেকে পূর্ণ স্বাধীনতা লাভ করে দেশটি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্রিটেন — এই অঞ্চলের ওপর ব্রিটিশদের ঔপনিবেশিক প্রভাব থাকলেও দেশটি অস্ট্রেলিয়ার অধীনে পরিচালিত হতো। B) ফ্রান্স — ফ্রান্সের প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে অন্য কিছু দ্বীপপুঞ্জের ওপর নিয়ন্ত্রণ ছিল, পাপুয়া নিউগিনিতে ছিল না। C) অস্ট্রেলিয়া — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক বিধায় এটি ভুল অপশন নয়। D) নিউজিল্যান্ড — নিউজিল্যান্ডের প্রশান্ত মহাসাগরে অন্য উপনিবেশ ছিল, তবে পাপুয়া নিউগিনি তাদের অধীনে ছিল না। মনে রাখার টিপস: পাপ ও অস্ট্রেলিয়া শব্দ দুটি পাশাপাশি মনে রাখলে পাপুয়া নিউগিনির পূর্বের শাসক দেশ অস্ট্রেলিয়াকে সহজে মনে রাখা যায়।
a মুকুন্দুরাম চক্রবর্তী
b ভারতচন্দ্র রায়
c মদনমোহন তর্কালংকার
d কামিনী রায়
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভারতচন্দ্র রায় কেন সঠিক: - এই বিখ্যাত পঙক্তিটি মধ্যযুগের বিশিষ্ট কবি ভারতচন্দ্র রায় গুণপাকরের ‘অন্নদামঙ্গল’ কাব্যের অন্তর্ভুক্ত। - ঈশ্বরী পাটুনীর প্রার্থনাসংগীত হিসেবে লাইনটি বাংলা সাহিত্যে অমরত্ব লাভ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুকুন্দুরাম চক্রবর্তী — তিনি মঙ্গলের কাব্যের কবি হলেও এই বিখ্যাত পঙক্তিটি তাঁর ‘চণ্ডীমঙ্গল’ কাব্যের নয়। B) ভারতচন্দ্র রায় — এটি তাঁরই রচিত ‘অন্নদামঙ্গল’ কাব্যের একটি বহুল পরিচিত পঙক্তি। C) মদনমোহন তর্কালংকার — তিনি আধুনিক যুগের শিশুসাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ, তাঁর কোনো কাব্যে এই লাইনটি নেই। D) কামিনী রায় — তিনি আধুনিক যুগের একজন বিখ্যাত কবি, মধ্যযুগের এই কাব্যাংশের সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পৃক্ততা নেই। মনে রাখার টিপস: অন্নপূর্ণার কাছে ঈশ্বরী পাটুনীর চাওয়ার বিখ্যাত লাইন হলো দুধে ভাতে থাকা, যার রচয়িতা ভারতচন্দ্র রায়।
a লালন শাহ্
b সিরাজ সাঁই
c মদন বাউল
d পাগলা কানাই
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) লালন শাহ্ কেন সঠিক: - পঙক্তিটি বাংলা মরমি সাহিত্যের প্রবাদপ্রতিম সাধক ও গীতিকার লালন শাহের বিখ্যাত একটি গানের অংশ। - এই গানে তিনি মানবধর্মের শ্রেষ্ঠত্ব এবং মানুষের তৈরি বিভিন্ন কৃত্রিম জাতিভেদের কঠোর সমালোচনা করেছেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লালন শাহ্ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। B) সিরাজ সাঁই — তিনি লালন শাহের আধ্যাত্মিক গুরু হলেও এই পঙক্তির রচয়িতা নন। C) মদন বাউল — তিনি একজন প্রখ্যাত বাউল সাধক হলেও এই পঙক্তিটি তার রচিত নয়। D) পাগলা কানাই — তিনি লোককবি ও মরমী সাধক হলেও এই গানটির সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: ধর্ম বা জাত নিয়ে মানবতার বাণী থাকলে এবং কোনো নির্দিষ্ট অপশনে লালন শাহের নাম থাকলে সাধারণত তিনিই উত্তর হন।
a মিশ্র
b জটিল
c যৌগিক
d সরল
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সরল কেন সঠিক: - এই বাক্যে একটি মাত্র উদ্দেশ্য বা কর্তা (হযরত মোহাম্মদ (সঃ)) এবং একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া (ছিলেন) রয়েছে। - সরল বাক্যের সংজ্ঞানুযায়ী, যে বাক্যে একটিমাত্র কর্তা এবং একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে, তাকে সরল বাক্য বলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মিশ্র — মিশ্র বা জটিল বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্যের অধীন এক বা একাধিক আশ্রিত খণ্ডবাক্য থাকে, যা এই বাক্যে নেই। B) জটিল — জটিল বাক্যে পরস্পরনির্ভর দুটি খণ্ডবাক্য থাকে, যা এই বাক্যের গঠনশৈলীর সঙ্গে মেলে না। C) যৌগিক — যৌগিক বাক্যে দুই বা ততোধিক স্বাধীন বাক্য বা খণ্ডবাক্য সংযোজক অব্যয় দ্বারা যুক্ত থাকে, যা এখানে অনুপস্থিত। D) সরল — প্রদত্ত বাক্যটি সরল বাক্যের সব শর্ত পূরণ করে, তাই এটি সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: যে বাক্যে একটি মাত্র কর্তা এবং একটি সমাপিকা ক্রিয়া থাকে, চোখ বন্ধ করে তাকে সরল বাক্য হিসেবে চিহ্নিত করবে।
a ইউরোপের হল্যান্ড থেকে
b দক্ষিণ আমেরিকা পেরু-চিলি থেকে
c আফ্রিকার মিশর থেকে
d এশিয়ার থাইল্যান্ড থেকে
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ইউরোপের হল্যান্ড থেকে কেন সঠিক: - গোলআলু মূলত দক্ষিণ আমেরিকার ফসল হলেও উপমহাদেশে এর বাণিজ্যিক চাষ ও বিস্তার ঘটে হল্যান্ড বা ওলন্দাজদের মাধ্যমে। - ঐতিহাসিক তথ্যানুযায়ী, সপ্তদশ শতকের দিকে ইউরোপের বণিকরা এই কৃষিপণ্য আমাদের অঞ্চলে নিয়ে আসেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইউরোপের হল্যান্ড থেকে — এই অপশনটি সঠিক কারণ হল্যান্ডের বণিকরাই প্রথম আমাদের দেশে গোলআলু নিয়ে এসেছিলেন। B) দক্ষিণ আমেরিকা পেরু-চিলি থেকে — গোলআলুর আদি উৎস দক্ষিণ আমেরিকা হলেও সেখান থেকে সরাসরি আমাদের দেশে আনা হয়নি। C) আফ্রিকার মিশর থেকে — মিশর থেকে আমাদের দেশে গোলআলু আমদানির কোনো ঐতিহাসিক ভিত্তি নেই। D) এশিয়ার থাইল্যান্ড থেকে — থাইল্যান্ড গোলআলুর উৎস বা এখান থেকে আমাদের দেশে আলু আনা হয়নি। মনে রাখার টিপস: আলু আমদানির ক্ষেত্রে মনে রাখুন হল্যান্ডের ওলন্দাজ বণিকদের কথা।
a মারিস্যা ভ্যালি
b খাগড়া ভ্যালি
c জাবরী ভ্যালি
d ভেঙ্গী ভ্যালি
0 94 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ভেঙ্গী ভ্যালি কেন সঠিক: - কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের বাঁধ নির্মাণের ফলে কর্ণফুলী নদীর অববাহিকায় সৃষ্ট কৃত্রিম কাপ্তাই হ্রদের পানিতে পার্বত্য চট্টগ্রামের ভেঙ্গী ভ্যালি এলাকাটি সম্পূর্ণ প্লাবিত হয়েছিল। - ১৯৬০ সালে কাপ্তাই বাঁধ নির্মাণের কারণে এই উপত্যকার বিস্তীর্ণ জনপদ ও কৃষিজমি পানির নিচে তলিয়ে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মারিস্যা ভ্যালি — এটি কাপ্তাই হ্রদের পানিতে প্লাবিত হওয়া প্রধান উপত্যকা নয়, এটি রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার একটি এলাকা। B) খাগড়া ভ্যালি — এটি খাগড়াছড়ি জেলায় অবস্থিত একটি পাহাড়ি উপত্যকা যা কাপ্তাই হ্রদের প্লাবনভূমির অন্তর্ভুক্ত নয়। C) জাবরী ভ্যালি — এটি পার্বত্য চট্টগ্রামের অন্য একটি নদীভিত্তিক উপত্যকা, যা কাপ্তাই হ্রদের পানিতে তলিয়ে যায়নি। D) ভেঙ্গী ভ্যালি — এটি কাপ্তাই হ্রদের পানিতে প্লাবিত হওয়া সঠিক উপত্যকা। মনে রাখার টিপস: কাপ্তাই হ্রদের পানিতে প্লাবিত ভ্যালি মনে রাখতে ভেঙ্গী নামটি মনে রাখুন, কারণ ভেঙ্গী ভ্যালিই হ্রদের তলদেশে হারিয়ে গেছে।
a ভারত
b রাশিয়া
c ভুটান
d নেপাল
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ভুটান কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর ভুটান বাংলাদেশকে স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি প্রদান করে। - ভারত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেওয়ার ঠিক পরপরই ভুটান দ্বিতীয় দেশ হিসেবে এই স্বীকৃতি দেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারত — ভারত বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি দেয় ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর, দ্বিতীয় দেশ হিসেবে নয়। B) রাশিয়া — রাশিয়া বা তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন বাংলাদেশকে সরাসরি স্বীকৃতি দিয়েছিল আরও পরে ১৯৭২ সালের ২৪ জানুয়ারি। C) ভুটান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। D) নেপাল — নেপাল বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় ১৯৭১ সালের ৩০ ডিসেম্বর, যা ছিল তৃতীয় দেশ। মনে রাখার টিপস: প্রথম ভারত, দ্বিতীয় ভুটান এবং তৃতীয় নেপাল। வரிভাবে মনে রাখতে ভারত-ভুটান-নেপাল ক্রমটি মনে রাখুন।
a নভেরা আহমেদ
b হামিদুজ্জামান খান
c আব্দুল্লাহ খালেক
d সুলতান ইসলাম
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) হামিদুজ্জামান খান কেন সঠিক: - বিশ্বখ্যাত বাংলাদেশি ভাস্কর হামিদুজ্জামান খান সিউল অলিম্পিক পার্কের জন্য ‘স্টেপস’ বা সোপান ভাস্কর্যটি তৈরি করেছেন। - তাঁর বহু ভাস্কর্য দেশ ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে উন্মুক্ত প্রদর্শনীর জন্য বিশেষভাবে সমাদৃত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নভেরা আহমেদ — তিনি বাংলাদেশের আধুনিক ভাস্কর্য শিল্পের অগ্রদূত হলেও এই ভাস্কর্যের স্রষ্টা নন। B) হামিদুজ্জামান খান — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং সিউল অলিম্পিক পার্কে তাঁর ভাস্কর্য স্থান পেয়েছে। C) আব্দুল্লাহ খালেক — তিনি এই আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ভাস্কর্যটির সঙ্গে যুক্ত নন। D) সুলতান ইসলাম — তিনি এই প্রশ্নের উত্তরের জন্য প্রাসঙ্গিক বা সঠিক কোনো ভাস্কর নন। মনে রাখার টিপস: সিউল অলিম্পিক পার্কের ‘স্টেপস’ ভাস্কর্য মানেই ভাস্কর হামিদুজ্জামান খান।
a protein – P53
b Protien – P51
c Protien – P49
d Protien – P54
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি / সাধারণ জ্ঞান সঠিক উত্তর: C) Protien – P49 কেন সঠিক: - প্রাকৃতিক প্রোটিনের একটি বিশেষ গবেষণামূলক কোড নাম হলো পি ঊনপঞ্চাশ বা পি উনপঞ্চাশ কোড। - বিভিন্ন জৈব রাসায়নিক গবেষণায় এই কোডটি নির্দিষ্ট প্রোটিন শনাক্তকরণে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) protein – P53 — এটি মানবদেহের টিউব সাপ্রেসর প্রোটিন বা ক্যানসার রোধক জিন কোড হিসেবে পরিচিত, প্রাকৃতিক প্রোটিনের সাধারণ কোড নয়। B) Protien – P51 — এটি এই নির্দিষ্ট প্রশ্নের জন্য নির্ধারিত বা স্বীকৃত কোনো প্রোটিন কোড নাম নয়। C) Protien – P49 — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং গবেষণায় ব্যবহৃত নির্দিষ্ট কোড নাম। D) Protien – P54 — এটি এই নির্দিষ্ট প্রাকৃতিক প্রোটিনের জন্য প্রযোজ্য কোনো বৈজ্ঞানিক কোড নাম নয়। মনে রাখার টিপস: প্রাকৃতিক প্রোটিনের কোড নাম মনে রাখতে শেষ সংখ্যা উনপঞ্চাশ বা ঊনপঞ্চাশ মনে রাখবে।
a ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯
b ৩ জানুয়ারি, ১৯৫৪
c ২৬ মে, ১৯৫৫
d ১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৬
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯ কেন সঠিক: - উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা বা ন্যাটো (NATO) একটি সামরিক জোট যা ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডি সি তে স্বাক্ষরিত হয়। - সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রভাব মোকাবিলা এবং পশ্চিমা দেশগুলোর পারস্পরিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে এই সামরিক জোট গঠিত হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯ — এটি ন্যাটো প্রতিষ্ঠার সঠিক তারিখ এবং তৎকালীন সময়ে ১২টি প্রতিষ্ঠাতা সদস্য রাষ্ট্র এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিল। B) ৩ জানুয়ারি, ১৯৫৪ — এই তারিখে কোনো আন্তর্জাতিক সামরিক জোট গঠিত হওয়ার ঐতিহাসিক রেকর্ড নেই। C) ২৬ মে, ১৯৫৫ — এই তারিখে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে পূর্ব ইউরোপীয় দেশগুলো নিয়ে ওয়ারশ প্যাক্ট গঠিত হয়েছিল। D) ১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৬ — এই তারিখটি ন্যাটোর প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সম্পর্কিত নয় বরং এটি অন্য কোনো রাজনৈতিক বা ঐতিহাসিক ঘটনার দিন। মনে রাখার টিপস: ন্যাটো গঠনের সাল মনে রাখতে ৪ এপ্রিল ১৯৪৯ সংখ্যাগুলো মনে রাখতে হবে যা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অব্যবহিত পরের একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা।
a ইন্দোনেশিয়া
b মালয়েশিয়া
c থাইল্যান্ড
d ফিলিপাইন
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ইন্দোনেশিয়া কেন সঠিক: - ইন্দোনেশিয়া এশিয়া মহাদেশে অবস্থিত হলেও এর অধিকাংশ মানুষ মুসলিম এবং দেশটি তেল রপ্তানিকারক দেশগুলোর সংগঠন ওপেকের সদস্য। - মধ্যপ্রাচ্যের আরব দেশগুলোর বাইরে এশিয়া থেকে ওপেকের সদস্যপদ লাভকারী একমাত্র দেশ হলো ইন্দোনেশিয়া। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইন্দোনেশিয়া — এটি প্রশ্নানুযায়ী সঠিক উত্তর কারণ এটি এশিয়ার একমাত্র অনারব ওপেক সদস্য দেশ। B) মালয়েশিয়া — এটি এশিয়ার মুসলিমপ্রধান দেশ হলেও ওপেকভুক্ত নয়, তাই এটি সঠিক নয়। C) থাইল্যান্ড — এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ হলেও ওপেক সংস্থার সদস্যপদভুক্ত নয়। D) ফিলিপাইন — এটি এশিয়ার একটি দ্বীপরাষ্ট্র এবং ওপেকের সদস্য তালিকার অন্তর্ভুক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: ওপেক জোনে এশিয়ার অনারব দেশ বলতে শুধু ইন্দোনেশিয়ার নাম মনে রাখবে।
a রাজনীতিবিদ
b ক্রীড়াবিদ
c ব্যবসায়ী
d কূটনীতিবিদ
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কূটনীতিবিদ কেন সঠিক: - এটি একটি লাতিন শব্দগুচ্ছ, যার অর্থ হলো অপছন্দনীয় বা অবাঞ্ছিত ব্যক্তি। - আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে কোনো দেশের কূটনীতিককে সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্র যখন আর গ্রহণ করতে চায় না, তখন তাকে এই অভিধা দেওয়া হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাজনীতিবিদ — এটি রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের ক্ষেত্রে সরাসরি আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক আইন হিসেবে প্রযোজ্য নয়। B) ক্রীড়াবিদ — ক্রীড়াবিদরা প্রতিযোগিতায় অংশ নেন এবং তাদের ক্ষেত্রে এই কূটনৈতিক পরিভাষা ব্যবহার করা হয় না। C) ব্যবসায়ী — ব্যবসায়ীরা বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সাথে যুক্ত, কূটনীতির এই বিশেষ পদের সাথে তাদের সম্পর্ক নেই। D) কূটনীতিবিদ — এই পদ বা পরিভাষাটি কেবল আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে কূটনীতিকদের বহিষ্কার বা অবাঞ্ছিত ঘোষণা করার জন্যই প্রযোজ্য। মনে রাখার টিপস: Persona non grata শব্দটির সাথে কূটনীতি এবং অবাঞ্ছিত ব্যক্তি বিষয়টি মনে রাখলেই সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সহজ হয়।
a সুয়েজ খাল
b কোরীয় যুদ্ধ
c পাক-ভারত যুদ্ধ - ১৯৬৫
d ফকল্যান্ড
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কোরীয় যুদ্ধ কেন সঠিক: - ১৯৫০ সালে কোরীয় যুদ্ধের সময় নিরাপত্তা পরিষদে সোভিয়েত ইউনিয়নের ভেটো প্রদানের কারণে শান্তি বজায় রাখতে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে এই রেজুলেশন গৃহীত হয়। - এই প্রস্তাবের মাধ্যমে নিরাপত্তা পরিষদ ব্যর্থ হলে সাধারণ পরিষদ বিশ্বশান্তি রক্ষায় জরুরি ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষমতা লাভ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুয়েজ খাল — এটি ১৯৫৬ সালের সুয়েজ সংকটের সঙ্গে সম্পর্কিত, যা এই রেজুলেশনের প্রেক্ষাপট নয়। B) কোরীয় যুদ্ধ — এটিই সঠিক উত্তর কারণ এই যুদ্ধের জট খুলতে প্রস্তাবটি আনা হয়েছিল। C) পাক-ভারত যুদ্ধ - ১৯৬৫ — এটি ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সংঘাত, যা এই বিশ্ব সংস্থার রেজুলেশনের প্রেক্ষাপট নয়। D) ফকল্যান্ড — এটি ১৯৮২ সালে যুক্তরাজ্য ও আর্জেন্টিনার মধ্যকার যুদ্ধ, যা এই ঘটনার বহু পরের। মনে রাখার টিপস: কোরিয়া যুদ্ধ থামাতে নিরাপত্তা পরিষদ যখন আটকে যায়, তখন সাধারণ পরিষদ শান্তি আনতে এগিয়ে আসে।
a ৪৮
b ৫০
c ৫৪ (২০১২)
d ৫৭
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫৪ (২০১২) কেন সঠিক: - প্রশ্নটিতে প্রদত্ত উত্তরটি বর্তমান বাস্তবতার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয় কারণ কমনওয়েলথের সদস্য সংখ্যা পরিবর্তনশীল। - বর্তমানে কমনওয়েলথের সদস্য দেশ ৫৬টি এবং সর্বশেষ যুক্ত হওয়া দেশ গ্যাবন ও টোগো। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪৮ — এই সংখ্যাটি বর্তমান বা নির্দিষ্ট কোনো সময়ের কমনওয়েলথ সদস্য সংখ্যার সঙ্গে মিল নেই। B) ৫০ — এটি কমনওয়েলথের সঠিক সদস্য সংখ্যা নয় এবং কোনো নির্দিষ্ট ঐতিহাসিক সদস্য সংখ্যাও নির্দেশ করে না। C) ৫৪ (২০১২) — প্রদত্ত এই সংখ্যাটি ২০১২ সালের তথ্য অনুযায়ী সঠিক হলেও বর্তমান সদস্য সংখ্যার ক্ষেত্রে এটি সঠিক নয়। D) ৫৭ — কমনওয়েলথের সদস্য সংখ্যা বর্তমানে ৫৭টি নয়, তাই এই অপশনটি ভুল। মনে রাখার টিপস: কমনওয়েলথের বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৫৬টি মনে রাখতে ৫৬ সংখ্যাটি মাথায় রাখুন।
a সংস্কৃত
b পালি
c প্রাকৃত
d অপভ্রংশ
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্রাকৃত কেন সঠিক: - ডক্টর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে বাংলা ভাষার উদ্ভব হয়েছে প্রাকৃত বা বিশেষ করে মাগধী অপভ্রংশ বা প্রাকৃত স্তর থেকে। - ভারতীয় আর্য ভাষার বিবর্তনে প্রাচীন ভারতীয় আর্য ও মধ্য ভারতীয় আর্য ভাষার প্রাকৃত স্তর পার হয়ে বাংলা ভাষা রূপ লাভ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সংস্কৃত — সংস্কৃত সরাসরি বাংলা ভাষার জননী নয়, এটি প্রাচীন ভারতীয় আর্য ভাষা যা প্রাকৃত ভাষার পূর্ববর্তী স্তর। B) পালি — পালি হলো একটি মধ্য ভারতীয় আর্য ভাষা যা প্রধানত বৌদ্ধ ধর্মের শাস্ত্র প্রচারে ব্যবহৃত হতো, বাংলা এর থেকে আসেনি। C) প্রাকৃত — এটি সঠিক উত্তর। D) অপভ্রংশ — ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে বাংলা ভাষার উদ্ভব গৌড়ীয় অপভ্রংশ থেকে, তবে সাধারণ পরীক্ষায় প্রাকৃত স্তরকেই উত্তর হিসেবে ধরা হয়। মনে রাখার টিপস: প্রাকৃত ভাষা থেকেই বিবর্তিত হয়ে বাংলা ভাষার জন্ম হয়েছে।
a দুই ভাগে
b তিন ভাগে
c চার ভাগে
d পাঁচ ভাগে
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) তিন ভাগে কেন সঠিক: - উৎস বা উৎপত্তি অনুসারে বাংলা শব্দগুলোকে যৌগিক, রূঢ় ও যোগরূঢ় - এই তিন ভাগে ভাগ করা হয়। - শব্দার্থের গভীরতা ও গঠনের ওপর ভিত্তি করে বাংলা ব্যাকরণে শব্দসমষ্টির এই ত্রিবিধ রূপ নির্ধারণ করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দুই ভাগে — বাংলা ব্যাকরণে শব্দার্থ বা উৎসের বিচার সাধারণত দুই ভাগে হয় না, এটি ভুল বিভাজন। B) তিন ভাগে — এটি সঠিক উত্তর কারণ শব্দার্থ অনুসারে শব্দ তিন প্রকার। C) চার ভাগে — উৎসের দিক থেকে বাংলা শব্দ চার প্রকার হলেও শব্দার্থ অনুসারে চার প্রকার নয়। D) পাঁচ ভাগে — উৎস বা গঠনভেদে কোনো শ্রেণিবিন্যাসই পাঁচ ভাগে বিভক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: শব্দার্থের তিন ভাই, যৌগিক, রূঢ় আর যোগরূঢ় ভাই।
a দ্বিতীয়
b তৃতীয়
c পঞ্চম
d ষষ্ঠ
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ষষ্ঠ কেন সঠিক: - ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ষষ্ঠ বিশেষ অধিবেশনে উন্নয়নশীল দেশের দাবি অনুযায়ী নয়া আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা বা NIEO প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব গৃহীত হয়। - বিশ্ব অর্থনীতির বৈষম্য দূর করতে এবং উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশের মধ্যকার অর্থনৈতিক ব্যবধান কমানোর লক্ষ্যে এই প্রস্তাব পাশ করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্বিতীয় — এই অধিবেশনে নয়া আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার প্রস্তাব গৃহীত হয়নি, কারণ এটি ভিন্ন সময়ের অন্য কোনো ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তের সঙ্গে সম্পর্কিত। B) তৃতীয় — এই অধিবেশনে উক্ত প্রস্তাব গৃহীত হয়নি, এটি এই আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। নির্মাতা সি C) পঞ্চম — এই অধিবেশনে নয়া আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার প্রস্তাব পেশ বা গৃহীত হয়নি, এটি অন্য কোনো সাধারণ বা বিশেষ অধিবেশন ছিল। D) ষষ্ঠ — এই বিশেষ অধিবেশনেই ঐতিহাসিক নয়া আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার প্রস্তাব আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: ষষ্ঠ সংখ্যাটির সঙ্গে অর্থনৈতিক শোষণের ষষ্ঠ রূপ মুক্তির তুলনা করে মনে রাখতে পারেন যে ষষ্ঠ বিশেষ অধিবেশনেই এই অর্থনৈতিক প্রস্তাব গৃহীত হয়।
a Budennovsk
b Keldavisk
c Dasanova
d Garlev
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Budennovsk কেন সঠিক: - ১৯৯৫ সালের জুন মাসে চেচেন বিদ্রোহীরা রাশিয়ার বুদেনোভস্ক শহরের একটি হাসপাতালে হামলা চালিয়ে শত শত মানুষকে জিম্মি করে। - এই ভয়াবহ সংকটের কারণে রাশিয়া বাধ্য হয়ে চেচেন নেতাদের সঙ্গে শান্তি আলোচনা শুরু করতে এবং যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হতে বাধ্য হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Budennovsk - এটি সঠিক উত্তর কারণ এই শহরের হাসপাতালেই ঐতিহাসিক জিম্মি সংকট ও শান্তি আলোচনার ঘটনা ঘটেছিল। B) Keldavisk - এটি কোনো ঐতিহাসিক ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত পরিচিত কোনো শহর নয় এবং এটি ভুল অপশন। C) Dasanova - এটি রাশিয়া বা চেচেন সংঘাতের সঙ্গে জড়িত কোনো উল্লেখযোগ্য বা পরিচিত ভূপ্রাকৃতিক বা শহুরে নাম নয়। D) Garlev - এই নামের কোনো গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক স্থান বা যুদ্ধক্ষেত্রের অস্তিত্ব রাশিয়া-চেচনিয়া সংঘাতে নেই। মনে রাখার টিপস: চেচনিয়ার সাথে শান্তির জন্য রাশিয়ার বুদেনোভস্ক হাসপাতালের জিম্মি সংকট একটি মোড় পরিবর্তনকারী ঐতিহাসিক ঘটনা ছিল।
a হুমায়ূন আজাদ
b আহমদ রফিক
c ওয়াকিল আহমদ
d আবদুল মতিন খান
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ওয়াকিল আহমদ কেন সঠিক: - প্রাবন্ধিক ও গবেষক ওয়াকিল আহমদ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য ক্ষেত্রে অবদানের জন্য ১৯৯৪ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করেন। - তাঁর সাহিত্যিক ও গবেষণা কর্মের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলা একাডেমি তাকে এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কারে ভূষিত করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হুমায়ূন আজাদ — তিনি মূলত ১৯৯২ সালে প্রবন্ধ বিভাগে বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করেছিলেন। B) আহমদ রফিক — তিনি সাহিত্য ও গবেষণায় বিশেষ অবদানের জন্য ১৯৯৫ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার পান। C) ওয়াকিল আহমদ — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি নির্ধারিত ১৯৯৪ সালে এই পুরস্কার লাভ করেন। D) আবদুল মতিন খান — তিনি ১৯৯৪ সালের বাংলা একাডেমি পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রাবন্ধিক নন। মনে রাখার টিপস: ওয়াকিল আহমদের নামের শেষাংশের ওয়াকিল এবং বাংলা একাডেমি পুরস্কার প্রাপ্তির সাল ১৯৯৪ একত্রে মনে রাখতে পারেন।
a ১ মিটার
b ১০ মিটার
c ১৫ মিটার
d ৩০ মিটার
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১০ মিটার কেন সঠিক: - বায়ুমণ্ডলের স্বাভাবিক চাপে (১ বায়ুমণ্ডলীয় চাপ) পানির স্তম্ভ সর্বোচ্চ প্রায় ১০ মিটার বা ৩৪ ফুট পর্যন্ত উঠতে পারে। - লিফট পাম্প মূলত বায়ুমণ্ডলের চাপের ওপর ভিত্তি করে কাজ করে, তাই এর মাধ্যমে এর বেশি গভীরতা থেকে পানি তোলা সম্ভব নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১ মিটার — এই গভীরতা লিফট পাম্পের ক্ষমতার তুলনায় অনেক কম এবং বায়ুমণ্ডলীয় চাপের পূর্ণ সদ্ব্যবহার এখানে হয় না। B) ১০ মিটার — এটি সঠিক উত্তর কারণ স্বাভাবিক বায়ুমণ্ডলীয় চাপে লিফট পাম্প এই সর্বোচ্চ গভীরতা পর্যন্ত পানি তুলতে পারে। C) ১৫ মিটার — বায়ুমণ্ডলীয় চাপ কেবল ১০ মিটার পর্যন্ত পানির স্তম্ভ ধরে রাখতে পারে, তাই এই গভীরতা থেকে পাম্প পানি তুলতে পারে না। D) ৩০ মিটার — এত বেশি গভীরতা থেকে পানি তোলার জন্য সাধারণ লিফট পাম্প কাজ করে না, এর জন্য সাবমার্সিবল বা টিউবওয়েল প্রয়োজন হয়। মনে রাখার টিপস: লিফট পাম্প এবং বায়ুমণ্ডলীয় চাপের ক্ষেত্রে ১০ সংখ্যাটি মনে রাখলেই সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সহজ হয়।
a কনসেনট্রেটেড নাইট্রিক ও হাইড্রোক্লরিক এসিডের মিশ্রণ
b কনসেনট্রেটেড সালফিউরিক এসিড
c কনসেনট্রেটেড নাইট্রিক এসিড
d কনসেনট্রেটেড সালফিউরিক এসিড এবং কনসেনট্রেটেড নাইট্রিক এসিডের মিশ্রণ
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কনসেনট্রেটেড নাইট্রিক ও হাইড্রোক্লরিক এসিডের মিশ্রণ কেন সঠিক: - এটি নাইট্রিক এসিড এবং হাইড্রোক্লোরিক এসিডের ১ অনুপাত ৩ মিশ্রণ, যা অম্লরাজ বা অ্যাকোয়া রেজিয়া নামে পরিচিত। - এই শক্তিশালী মিশ্রণ সোনা ও প্লাটিনামের মতো নিষ্ক্রিয় ধাতু দ্রবীভূত করতে পারে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কনসেনট্রেটেড নাইট্রিক ও হাইড্রোক্লরিক এসিডের মিশ্রণ — এটি অ্যাকোয়া রেজিয়ার সঠিক উপাদান হওয়ায় সঠিক উত্তর। B) কনসেনট্রেটেড সালফিউরিক এসিড — এটি একক এসিড এবং একে অয়েল অব ভিট্রিয়ল বলা হয়। C) কনসেনট্রেটেড নাইট্রিক এসিড — এটি একটি শক্তিশালী খনিজ এসিড হলেও এটি একা অ্যাকোয়া রেজিয়া নয়। D) কনসেনট্রেটেড সালফিউরিক এসিড এবং কনসেনট্রেটেড নাইট্রিক এসিডের মিশ্রণ — এটি নাইট্রেশনের কাজে ব্যবহৃত এসিড মিশ্রণ, অ্যাকোয়া রেজিয়া নয়। মনে রাখার টিপস: অ্যাকোয়া রেজিয়া মনে রাখতে 'এক ভাগ নাইট্রিক ও তিন ভাগ হাইড্রোক্লোরিক এসিডের মিশ্রণ' এই সূত্রটি মনে রাখবে।
a স্নো লোরিস
b রাজ কাঁকড়া
c গণ্ডার
d পিপীলিকাভুক ম্যানিস
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রাজ কাঁকড়া কেন সঠিক: - রাজ কাঁকড়া প্রায় মিলিয়ন বছর ধরে পৃথিবীতে টিকে আছে এবং এর শারীরিক গঠন কোটি বছরেও তেমন কোনো পরিবর্তন হয়নি। - বৈজ্ঞানিক সংজ্ঞায় যেসকল প্রাচীন প্রাণী দীর্ঘদিন ধরে অপরিবর্তিত অবস্থায় বেঁচে আছে, তাদেরকে জীবন্ত জীবাশ্ম বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্নো লোরিস — এটি একটি নিশাচর প্রাইমেট বা শ্লথ প্রজাতির প্রাণী, যা জীবন্ত জীবাশ্মের অন্তর্ভুক্ত নয়। B) রাজ কাঁকড়া — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) গণ্ডার — এটি একটি স্তন্যপায়ী বিশাল আকৃতির প্রাণী, যা প্রাচীন হলেও জীবন্ত জীবাশ্ম হিসেবে পরিচিত নয়। D) পিপীলিকাভুক ম্যানিস — এটি প্যানগোলোনিফর্ম বর্গের একটি স্তন্যপায়ী প্রাণী, যা পিঁপড়া খেয়ে বেঁচে থাকে। মনে রাখার টিপস: রাজকীয়ভাবে কোটি বছর ধরে অপরিবর্তিত বেঁচে আছে বলে রাজ কাঁকড়া হলো জীবন্ত জীবাশ্ম।
a ইসলামপুর
b চকবাজার
c সদরঘাট
d লালবাগ
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চকবাজার কেন সঠিক: - বড় কাটরা ও ছোট কাটরা মুঘল আমলের ঐতিহাসিক স্থাপত্য নিদর্শন, যা পুরান ঢাকার চকবাজার এলাকায় বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত। - শাহ সুজার আমল থেকে শুরু করে মুঘল সুবেদারদের সময়ে চকবাজার কেন্দ্রিক এই বাণিজ্য কুঠি ও বাসস্থানগুলো নির্মিত হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইসলামপুর — এটি কাপড়ের ব্যবসার জন্য বিখ্যাত পুরান ঢাকার একটি এলাকা, তবে কাটরা দুটি এখানে অবস্থিত নয়। B) চকবাজার — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কাটরা দুটি অবস্থিত। C) সদরঘাট — এটি বুড়িগঙ্গা নদীর তীরবর্তী প্রধান লঞ্চঘাট ও ব্যবসায়িক কেন্দ্র, যা কাটারার মূল অবস্থান থেকে আলাদা। D) লালবাগ — এখানে ঐতিহাসিক লালবাগ কেল্লা অবস্থিত হলেও বড় কাটরা বা ছোট কাটরা এই এলাকায় নয়। মনে রাখার টিপস: মুঘল আমলের ঐতিহাসিক কাটরা দুটি পুরান ঢাকার চকবাজার এলাকার বুড়িগঙ্গা নদীর কাছে অবস্থিত।
a নারায়ণগঞ্জ
b গোয়ালন্দ
c বাহাদুরবাদ
d ভৈরববাজার
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গোয়ালন্দ কেন সঠিক: - ভারতে উৎপন্ন গঙ্গা নদী বাংলাদেশে প্রবেশ করার পর রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ ঘাটে ব্রহ্মপুত্র নদের প্রধান ধারা যমুনার সাথে মিলিত হয়েছে। - গঙ্গা ও যমুনার এই মিলনের ফলে সৃষ্ট মিলিত ধারাটি পরবর্তীতে পদ্মা নামে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়ে মেঘনার সাথে মিশেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নারায়ণগঞ্জ — এটি শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ নদীবন্দর, যেখানে গঙ্গা ও যমুনা নদী মিলিত হয়নি। B) গোয়ালন্দ — এটি গঙ্গা ও যমুনা নদীর মিললস্থল বা সঙ্গমস্থান হিসেবে পরিচিত, যা রাজবাড়ী জেলায় অবস্থিত। C) বাহাদুরবাদ — এটি জামালপুর জেলার একটি বিখ্যাত ঘাট এলাকা, যা যমুনা নদীর তীরে অবস্থিত হলেও গঙ্গার সাথে মিলনের স্থান নয়। D) ভৈরববাজার — এটি কিশোরগঞ্জ জেলায় মেঘনা নদীর তীরে অবস্থিত একটি বন্দর, যা গঙ্গা ও যমুনার মিলনের সাথে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: গঙ্গা ও যমুনার মিলনস্থান মনে রাখতে গোয়ালন্দ শব্দটি মাথায় রাখুন, কারণ এই দুই নদী রাজবাড়ীর গোয়ালন্দেই প্রথম একত্রে মিলিত হয়।
a ইংল্যান্ড, আইরিশ প্রজাতন্ত্র, ফ্রান্স
b সুইডেন, নরওয়ে, ফিনল্যান্ড
c চেক প্রজাতন্ত্র, পোল্যান্ড, জার্মানি
d বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ড, লুক্সেমবার্গ
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ড, লুক্সেমবার্গ কেন সঠিক: - বেনোলাক্স বা বেনেলাক্স হলো ইউরোপের তিনটি প্রতিবেশী দেশের একটি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক জোট। - দেশ তিনটির নামের প্রথম অংশ নিয়ে এই নামকরণ করা হয়েছে, যেমন বেলজিয়ামের বে, নেদারল্যান্ডের নে এবং লুক্সেমবার্গের লাক্স। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইংল্যান্ড, আইরিশ প্রজাতন্ত্র, ফ্রান্স — এরা ব্রিটিশ দ্বীপপুঞ্জ ও পশ্চিম ইউরোপের দেশ, কোনো যৌথ অর্থনৈতিক জোটের এই নাম নয়। B) সুইডেন, নরওয়ে, ফিনল্যান্ড — এগুলো উত্তর ইউরোপের স্ক্যান্ডিনেভিয়ান ও নর্ডিক অঞ্চলের দেশ। C) চেক প্রজাতন্ত্র, পোল্যান্ড, জার্মানি — এগুলো মধ্য ইউরোপের দেশ এবং বেনেলাক্স জোটের অন্তর্ভুক্ত নয়। D) বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ড, লুক্সেমবার্গ — এটি বেনেলাক্স জোটের তিনটি সদস্য রাষ্ট্রের সঠিক组合। মনে রাখার টিপস: বে (বেলজিয়াম) + নে (নেদারল্যান্ড) + লাক্স (লুক্সেমবার্গ) = বেনেলাক্স।
a পরীবিবি
b ইরান দুখত
c জাহানারা
d মরিয়ম
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ইরান দুখত কেন সঠিক: - লালবাগ কেল্লার অভ্যন্তরে সমাহিত পরীবিবির আসল নাম ছিল ইরান দুখত। - তিনি মুঘল সুবাদার ও বাংলার নবাব শায়েস্তা খানের কন্যা ছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পরীবিবি — এটি তাঁর আসল নাম নয়, বরং এটি তাঁর ডাকনাম বা পরিচিত নাম ছিল। C) জাহানারা — এটি সম্রাট শাহজাহানের জ্যেষ্ঠ কন্যার নাম, যিনি লালবাগ কেল্লার সঙ্গে সম্পর্কিত নন। D) মরিয়ম — এটি এই ঐতিহাসিক চরিত্রের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো নাম নয়। মনে রাখার টিপস: শায়েস্তা খানের কন্যার আসল নাম ইরান দুখত আর জনপ্রিয় নাম পরীবিবি।
a ১২ গ্রাম
b ৬ গ্রাম
c ৩ গ্রাম
d ৪ গ্রাম
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৪ গ্রাম কেন সঠিক: - ১৬ গ্রামের গহনায় সোনা ও তামার অনুপাত ৩ অনুপাত ১ হওয়ায় সোনা আছে ১২ গ্রাম এবং তামা আছে ৪ গ্রাম। - নতুন অনুপাত ৪ অনুপাত ১ করতে হলে তামার পরিমাণ ৪ গ্রামের সাপেক্ষে সোনা হতে হবে ১৬ গ্রাম, অর্থাৎ সোনা মেশাতে হবে আরও ৪ গ্রাম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১২ গ্রাম — এটি মোট সোনার পরিমাণ নির্দেশ করে, মেশানোর পরিমাণ নয়। B) ৬ গ্রাম — এই পরিমাণ সোনা মেশালে সোনা ও তামার নতুন অনুপাত চার অনুপাত এক হবে না। C) ৩ গ্রাম — এই পরিমাণ সোনা মেশালে সোনা ও তামার অনুপাত পনেরো অনুপাত চার হবে। D) ৪ গ্রাম — এই পরিমাণ সোনা মেশালেই সোনা ও তামার অনুপাত চার অনুপাত এক হয়। মনে রাখার টিপস: মিশ্রণের অংকে অনুপাতের পূর্বরাশি এবং উত্তররাশির পরিবর্তন হিসাব করে খুব সহজেই সঠিক উত্তর বের করা যায়।
a ১৯৭৮ সালে
b ১৯৭০ সালে
c ১৯৭৩ সালে
d ১৯৭৪ সালে
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯৭৩ সালে কেন সঠিক: - আরব ইসরাইল যুদ্ধের সময় আরব দেশগুলো ইসরাইলকে সমর্থনকারী পশ্চিমা দেশগুলোর ওপর এই তেল অবরোধ আরোপ করে। - এই অবরোধের ফলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বহুগুণ বৃদ্ধি পায় এবং আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে তেলের অস্ত্র কার্যকরভাবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৭৪৮ সালে — এই সালে ইসরাইল রাষ্ট্র গঠিত হয় এবং প্রথম আরব ইসরাইল যুদ্ধ সংঘটিত হয়, তবে তেল অবরোধের ঘটনাটি ঘটেছিল পরবর্তীতে। B) ১৯৭০ সালে — এই সময় তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোর সংগঠন ওপেকের প্রভাব বৃদ্ধি পেতে শুরু করলেও কোনো তেল অবরোধের ঘটনা ঘটেনি। C) ১৯৭৩ সালে — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এই সালেই আরব দেশসমূহ পাশ্চাত্যের ওপর প্রথম তেল অবরোধ কার্যকর করেছিল। D) ১৯৭৪ সালে — এই সালে আগের বছরের শুরু হওয়া তেল অবরোধ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাহার করা হয়েছিল, অবরোধের সূচনা নয়। মনে রাখার টিপস: তেল অবরোধের ঘটনাটি ঘটেছিল ৭৩ সালের আরব ইসরাইল যুদ্ধের সময়।
a La Martini
b La Zola
c San Antinio
d San Hose
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি / সাধারণ জ্ঞান সঠিক উত্তর: প্রদাত্ত অপশনগুলোতে একটি ঐতিহাসিক ভুল রয়েছে। জোনাস সাল্ক যুক্তরাষ্ট্রের ল্যা জোল্লা (La Jolla) শহরে মারা যান, যা অপশনের বানানের সাথে পুরোপুরি মিলে না। তবে নিকটতম সম্ভাব্য উত্তর হিসেবে বি অপশনটি নির্দেশ করা যেতে পারে, যদিও সঠিক বানানটি La Jolla। কেন সঠিক: - পোলিও টিকার আবিষ্কারক জোনাস সাল্ক ১৯৯৫ সালের ২৩ জুন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের সান ডিয়েগো শহরের লা জোল্লা (La Jolla) এলাকায় মৃত্যুবরণ করেন। - লা জোল্লা হলো ক্যালিফোর্নিয়ার সান ডিয়েগো শহরের একটি বিখ্যাত সমুদ্র তীরবর্তী ধনী এলাকা যেখানে বিখ্যাত সাল্ক ইনস্টিটিউট অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) La Martini — এটি এই প্রশ্নের উত্তরের সাথে সম্পর্কিত নয় এবং এটি কোনো নির্দিষ্ট বা সঠিক ভৌত অবস্থান নির্দেশ করে না। B) La Zola — প্রদত্ত অপশনে বানান ভুল রয়েছে, এর সঠিক বানান হলো লা জোল্লা বা La Jolla যেখানে জোনাস সাল্ক মারা যান। C) San Antinio — এটি যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের একটি শহর, যা জোনাস সাল্কের মৃত্যুর সাথে সম্পর্কিত নয়। D) San Hose — এটি ক্যালিফোর্নিয়ার একটি শহর হলেও এটি জোনাস সাল্কের মৃত্যুর স্থান লা জোল্লা থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। মনে রাখার টিপস: পোলিও টিকার জনক জোনাস সাল্ক মারা যান ক্যালিফোর্নিয়ার লা জোল্লা (La Jolla) শহরে।
a ৫ মে, ১৯৯৪
b ৬ এপ্রিল, ১৯৯৪
c ৫ মে, ১৯৯৫
d ৭ মে ১৯৯৫
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫ মে, ১৯৯৫ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল এবং প্রাণিসম্পদ গবেষণা প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে এই দিনে প্রথম সফল ভ্রুন প্রতিস্থাপন বা বদল করা হয়। - উন্নত জাতের গবাদি পশুর বংশবৃদ্ধির মাধ্যমে দুধ ও মাংসের উৎপাদন বৃদ্ধি করার উদ্দেশ্যে এই প্রযুক্তি প্রথম প্রয়োগ করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৫ মে, ১৯৯৪ — এই সালটি বাংলাদেশের গবাদি পশুতে প্রথম ভ্রুন বদল করার ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত নয় এবং এটি ভুল তারিখ। B) ৬ এপ্রিল, ১৯৯৪ — এটি প্রাণিসম্পদসংক্রান্ত কোনো ঐতিহাসিক বা সফল ভ্রুন প্রতিস্থাপনের পরীক্ষামূলক সঠিক তারিখ নয়। C) ৫ মে, ১৯৯৫ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য। D) ৭ মে ১৯৯৫ — তারিখের হিসেবে এটি সঠিক দিনের সঙ্গে মিলছে না, কারণ সফল ভ্রুন বদল ৫ মে সম্পন্ন হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: গবাদি পশুর ভ্রুন বদলের সাল মনে রাখতে ১৯৯৫ সালের ৫ মে তারিখটি মনে রাখবে, যা ১৯৯৪ সালের ঠিক এক বছর পরের ঘটনা।
a সদরঘাটে
b চাঁদনীঘাটে
c পোস্তগোলায়
d শ্যামবাজারে
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চাঁদনীঘাটে কেন সঠিক: - ১৮৭৪ সালে ঢাকার বুড়িগঙ্গা নদীর তীরবর্তী চাঁদনীঘাটে প্রথম আধুনিক পানি সরবরাহ ও শোধন কার্যক্রম স্থাপন করা হয়। - তৎকালীন ঢাকা পৌরসভার উদ্যোগে এবং খাজা আব্দুল গনির আর্থিক সহায়তায় এই পানি সরবরাহ ব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সদরঘাটে — এটি ঢাকার একটি ঐতিহাসিক লঞ্চ ঘাট ও বাণিজ্য কেন্দ্র হলেও প্রথম পানি সরবরাহ ব্যবস্থা এখানে স্থাপিত হয়নি। C) পোস্তগোলায় — এটি ঢাকার একটি প্রাচীন এলাকা হলেও ১৮৭৪ সালের পানি সরবরাহ প্রকল্পের সঙ্গে এর কোনো ঐতিহাসিক সংশ্লিষ্টতা নেই। D) শ্যামবাজারে — এটি ঢাকার একটি পুরোনো ও বিখ্যাত ব্যবসাকেন্দ্র হলেও প্রথম পানি সরবরাহ কার্যক্রম এখানে করা হয়নি। মনে রাখার টিপস: ঢাকায় পানি সরবরাহের প্রথম কাজ শুরু হয়েছিল চাঁদনীঘাটে, যা মনে রাখতে পারি চাঁদের আলো বা পানির স্রোতের সঙ্গে চাঁদনীঘাট নামটি মিলিয়ে।
a টেবিল
b চেয়ার
c বালতি
d শরবত
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বালতি কেন সঠিক: - বালতি শব্দটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে সরাসরি বাংলা ভাষায় গৃহিত হয়েছে এবং এটি আমাদের দৈনন্দিন জীবনের একটি বহুল ব্যবহৃত শব্দ। - পর্তুগিজরা বাংলাদেশে আসার পর তাদের ব্যবহৃত অনেক সামগ্রীর নাম বাংলায় যুক্ত হয়, যার মধ্যে বালতি একটি অন্যতম প্রধান শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) টেবিল — এটি পর্তুগিজ শব্দ নয়, এটি ইংরেজি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় আত্তীকরণ করা হয়েছে। B) চেয়ার — এটিও ইংরেজি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে, পর্তুগিজ শব্দ নয়। D) শরবত — এটি আরবি বা ফারসি ভাষা থেকে আগত একটি শব্দ, যা পর্তুগিজ ভাষার অন্তর্ভুক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: পর্তুগিজ শব্দ মনে রাখার সহজ কৌশল হলো গৃহস্থালি ও পানীয় সম্পর্কিত কিছু শব্দ যেমন বালতি, চাবি, আনারস ও আলমারি সবসময় একসঙ্গে মনে রাখা।
a মাকাও
b হাইতি
c ওকিনাওয়া
d ভিয়েতনাম
0 118 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ওকিনাওয়া কেন সঠিক: - জাপানের ওকিনাওয়া দ্বীপে বিশ্বযুদ্ধের হতাহতদের স্মরণে কর্নার স্টোন অব পিস স্মৃতিসৌধটি নির্মাণ করা হয়েছে। - এই স্মৃতিসৌধে জাতীয়তা বা ভেদাভেদ ভুলে যুদ্ধের সকল বলিদানকারী মানুষের নাম উৎকীর্ণ করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাকাও — এটি চীনের একটি বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চল এবং জুয়ার জন্য পরিচিত, যা এই স্মৃতিসৌধের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) হাইতি — এটি ক্যারিবীয় অঞ্চলের একটি দেশ এবং রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার জন্য পরিচিত, যেখানে এই স্মৃতিসৌধটি নেই। C) ওকিনাওয়া — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো কারণ প্রযোজ্য নয়। D) ভিয়েতনাম — এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি দেশ যা ভিয়েতনাম যুদ্ধের সঙ্গে জড়িত, কিন্তু এই নির্দিষ্ট স্মৃতিসৌধটি এখানে অবস্থিত নয়। মনে রাখার টিপস: শান্তির ভিত্তি বা কর্নার স্টোন অব পিস এবং ওকিনাওয়া উভয় নামই জাপানের শান্তি ইতিহাসের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
a ছোট কুকুর
b পর্বতারোহণ সামগ্রী
c বাদ্যযন্ত্র
d ছোট কম্পিউটার
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ছোট কম্পিউটার কেন সঠিক: - ল্যাপটপ হলো একটি বহনযোগ্য বা পোর্টেবল পার্সোনাল কম্পিউটার, যা ব্যাটারির সাহায্যে কাজ করে। - এটি একটি ডেস্কটপ কম্পিউটারের মতো সমস্ত কাজ করতে পারে কিন্তু আকারে ছোট এবং সহজে বহনযোগ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ছোট কুকুর — এটি একটি প্রাণী, যা কোনো ইলেকট্রনিক যন্ত্র বা কম্পিউটার হতে পারে না। B) পর্বতারোহণ সামগ্রী — এটি পাহাড়ে ওঠার জন্য ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জামকে বোঝায়, যার সঙ্গে কম্পিউটারের কোনো সম্পর্ক নেই। C) বাদ্যযন্ত্র — এটি গান বা সুর সৃষ্টির কাজে ব্যবহৃত হয়, যা কোনো প্রযুক্তিগত কম্পিউটিং যন্ত্র নয়। D) ছোট কম্পিউটার — ল্যাপটপ হলো একটি ব্যক্তিগত বা পার্সোনাল কম্পিউটার যা আকারে ছোট ও সহজে বহনযোগ্য। মনে রাখার টিপস: ল্যাপটপ শব্দের 'ল্যাপ' অর্থ কোলা, কোলে রেখে ব্যবহার করা যায় এমন ছোট কম্পিউটারই হলো ল্যাপটপ।
a জেলি ও মশলা
b ভোজ্য তেল ও সোডা
c সাবান ও পাউডার
d ফ্লোরাইড ও ক্লোরোফিল
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাবান ও পাউডার কেন সঠিক: - টুথপেস্ট দাঁত পরিষ্কার ও পলিশ করার জন্য তৈরি এক ধরণের পেস্ট, যার মূল ভিত্তি হলো ঘষতে সাহায্যকারী উপাদান বা পাউডার। - দাঁতের ময়লা ও জীবাণু দূর করে ফেনা তৈরি করতে এতে সাবান বা সার্ফ্যাক্ট্যান্ট ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জেলি ও মশলা — জেলি বা মশলা দাঁত পরিষ্কার করার কাজে ব্যবহৃত হয় না এবং এটি টুথপেস্টের মূল উপাদান নয়। B) ভোজ্য তেল ও সোডা — ভোজ্য তেল দাঁত পরিষ্কার করে না এবং সোডা একা টুথপেস্টের প্রধান উপাদান হিসেবে কাজ করে না। C) সাবান ও পাউডার — এটি টুথপেস্টের প্রধান উপাদান হওয়ায় প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক। D) ফ্লোরাইড ও ক্লোরোফিল — ফ্লোরাইড ও ক্লোরোফিল টুথপেস্টে সংযোজন বা সুরক্ষা হিসেবে থাকে, তবে এগুলো প্রধান ভিত্তি বা উপাদান নয়। মনে রাখার টিপস: দাঁত পরিষ্কার করতে মুখের ভেতর ফেনা ও ঘষা লাগানোর জন্য সাবান ও পাউডারই হলো টুথপেস্টের মূল উপাদান।
a আদ্রতা
b স্থিতিস্থাপকতা
c প্লবতা
d পৃষ্টটান
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পৃষ্টটান কেন সঠিক: - তরলের পৃষ্ঠটানের কারণে এর মুক্তপৃষ্ঠ সর্বনিম্ন ক্ষেত্রফল ধারণ করার চেষ্টা করে, যার ফলে পানির ফোঁটা গোলাকৃতি হয়। - গোলকের আয়তনের তুলনায় পৃষ্ঠের ক্ষেত্রফল সবচেয়ে কম হয় বলে তরল ফোঁটা সর্বদা গোলকাকৃতি ধারণ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আদ্রতা — এটি বাতাসে জলীয় বাষ্পের উপস্থিতির পরিমাণ নির্দেশ করে, যা তরলের আকৃতির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। বি) স্থিতিস্থাপকতা — এটি পদার্থের এমন একটি ধর্ম যার প্রভাবে বাহ্যিক বল অপসারণ করলে বস্তু আগের অবস্থায় ফিরে যায়। সি) প্লবতা — এটি তরল বা বায়বীয় পদার্থে নিমজ্জিত বস্তুর ওপর প্রযুক্ত ঊর্ধ্বমুখী বল, যা ফোঁটার আকৃতির জন্য দায়ী নয়। ডি) পৃষ্টটান — এটি সঠিক উত্তর, কারণ তরলের এই গুণের জন্যই পানির ফোঁটা গোলাকৃতি ধারণ করে। মনে রাখার টিপস: তরলের আকর্ষণ বল বা পৃষ্ঠটান কমালেই ফোঁটা ছড়ায়, আর পৃষ্ঠটানের টানেই ফোঁটা গোল হয়।
a খোলসের টুকরা
b চোখের মণি
c প্রদাহের ফল
d জমাট হরমোন
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্রদাহের ফল কেন সঠিক: - ঝিনুকের নরম অংশে যখন বালুকণা বা পরজীবী জাতীয় ক্ষতিকর বস্তু প্রবেশ করে, তখন ঝিনুক সুরক্ষার জন্য এক প্রকার রাসায়নিক পদার্থ নিঃসৃত করে। - এই প্রতিরক্ষামূলক পদার্থের স্তর দীর্ঘদিন ধরে জমা হয়ে শক্ত মার্জার বা মুক্তা তৈরি হয়, যা মূলত এক ধরনের প্রদাহের প্রতিক্রিয়া। বাকি অপশন কেন ভুল: A) খোলসের টুকরা — মুক্তা খোলসের কোনো ভাঙা অংশ নয়, এটি ঝিনুকের ভেতরে তৈরি হওয়া একটি স্বাধীন জৈব রাসায়নিক বস্তু। B) চোখের মণি — ঝিনুকের কোনো চোখ বা চোখের মণি থাকে না, তাই মুক্তার সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। C) প্রদাহের ফল — এটি সঠিক উত্তর, কারণ বাহ্যিক বস্তুর কারণে সৃষ্ট প্রদাহ থেকে মুক্তার উৎপত্তি হয়। D) জমাট হরমোন — মুক্তা হরমোন জমে তৈরি হয় না, এটি ক্যালসিয়াম কার্বনেট এবং প্রোটিনের স্তর দ্বারা গঠিত। মনে রাখার টিপস: ঝিনুকের চোখে ধুলো পড়লে মুক্তা হয় না, প্রদাহ বা জ্বালাপোড়ার কারণে মুক্তার জন্ম হয়।
a প্লাইসটোসিন যুগের
b টারশিয়ারী যুগের
c মায়োসিন যুগের
d ডেবোনিয়ান যুগের
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ / বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: B) টারশিয়ারী যুগের কেন সঠিক: - বাংলাদেশের পাহাড়ি অঞ্চল টারশিয়ারি যুগে গঠিত হয়েছিল, যা বর্তমান ভূত্বকের আল্পাইন পাহান্দোলনের অংশ হিসেবে গণ্য করা হয়। - এ সময় হিমালয় পর্বতমালা সৃষ্টির সময় দক্ষিণ-পূর্ব এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়গুলো গঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্লাইসটোসিন যুগের — এটি টারশিয়ারি যুগের পরের সময়কাল, যা দিয়ে বাংলাদেশের বরেন্দ্র ভূমি, মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় গঠিত হয়েছে। B) টারশিয়ারী যুগের — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি পাহাড় শ্রেণীর ভূতাত্ত্বিক যুগের সঠিক ভূমিরূপ হিসেবে বিবেচিত। C) মায়োসিন যুগের — মায়োসিন টারশিয়ারি যুগের একটি উপযুগ হলেও সার্বিকভাবে সামগ্রিক পাহাড়ি অঞ্চলের যুগ হিসেবে টারশিয়ারি নামটি প্রধান ও সর্বগ্রহণযোগ্য। D) ডেভোনিয়ান যুগের — এটি অত্যন্ত প্রাচীন প্যালিওজোয়িক যুগের একটি উপযুগ, যা বাংলাদেশের ভূমিরূপ গঠনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নয়। মনে রাখার টিপস: পাহাড় মানেই টারশিয়ারি যুগ এবং গড় বা সোপান মানেই প্লাইসটোসিন যুগ।
a তেতুলিয়া
b বাংলাবান্ধা
c নকশালবাড়ি
d পঞ্চগড়
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বাংলাবান্ধা কেন সঠিক: - বাংলাবান্ধা বাংলাদেশের সর্বউত্তরে পঞ্চগড় জেলার তেতুলিয়া উপজেলার অন্তর্গত একটি সীমান্তবর্তী স্থান ও ভৌগোলিক বিন্দু। - এটি বাংলাদেশের সর্বশেষ ভূখণ্ড হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) তেতুলিয়া — এটি সর্বউত্তরের উপজেলা, তবে একেবারে শেষ ভূখণ্ড বা নির্দিষ্ট স্থান হলো বাংলাবান্ধা। B) বাংলাবান্ধা — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বাংলাদেশের সর্বউত্তরের নির্দিষ্ট স্থান। C) নকশালবাড়ি — এটি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের একটি ঐতিহাসিক স্থান, যা বাংলাদেশের ভূখণ্ডের অংশ নয়। D) পঞ্চগড় — এটি সর্বউত্তরের জেলা, তবে এটি একটি সম্পূর্ণ জেলাকে নির্দেশ করে নির্দিষ্ট কোনো স্থান নয়। মনে রাখার টিপস: জেলা হিসেবে পঞ্চগড়, উপজেলা হিসেবে তেতুলিয়া এবং নির্দিষ্ট স্থান বা গ্রাম হিসেবে বাংলাবান্ধা হলো বাংলাদেশের সর্বউত্তরের প্রান্তবিন্দু।
a একটি খেলার মাঠ
b একটি প্লাবন ভূমির নাম
c বঙ্গোপসাগরের একটি খাদের নাম
d ঢাকা সেনানিবাসের পোলো গ্রাউণ্ডের নাম
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বঙ্গোপসাগরের একটি খাদের নাম কেন সঠিক: - এটি বঙ্গোপসাগরের গভীর সমুদ্রের একটি সাবমেরিন ক্যানিয়ন বা পানির নিচের খাদ। - সুন্দরবনের দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরে এই প্রমত্ত খাদটি অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) একটি খেলার মাঠ — এটি কোনো খেলার মাঠ নয়, বরং বঙ্গোপসাগরের তলদেশের একটি প্রাকৃতিকভাবে গঠিত বিশাল খাদ। B) একটি প্লাবন ভূমির নাম — এটি নদীভাঙন বা বন্যার সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো প্লাবন ভূমি নয়, এটি গভীর সমুদ্রের খাদ। C) বঙ্গোপসাগরের একটি খাদের নাম — এই অপশনটি সঠিক কারণ সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড বঙ্গোপসাগরের একটি বিখ্যাত সাবমেরিন ক্যানিয়ন। D) ঢাকা সেনানিবাসের পোলো গ্রাউণ্ডের নাম — এটি সেনানিবাসের কোনো মাঠ নয়, এটি সম্পূর্ণ ভিন্ন প্রকৃতির একটি ভৌগোলিক স্থান। মনে রাখার টিপস: সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড মানে যার তলদেশ বা গ্রাউন্ড নেই, এটি বঙ্গোপসাগরের এমন একটি গভীর খাদ।
a রাজা ত্রিদিব রায়
b রাজা ত্রিভুবন চাকমা
c জুম্মা খান
d জান বকস খাঁ
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জুম্মা খান কেন সঠিক: - ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির ঔপনিবেশিক নীতির বিরুদ্ধে ১৭৭৬ থেকে ১৭৮৭ সালের মধ্যে চাকমা জুমিয়াদের নিয়ে জুম্মা খান বিদ্রোহ পরিচালনা করেছিলেন। - পাহাড়ি অঞ্চলে ব্রিটিশ আধিপত্য বিস্তার রোধ এবং চাকমা জনগোষ্ঠীর স্বাধিকার রক্ষার জন্য তিনি এই ঐতিহাসিক প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাজা ত্রিদিব রায় — তিনি পার্বত্য চট্টগ্রামের একজন প্রখ্যাত চাকমা রাজা ও রাজনীতিবিদ ছিলেন, যিনি ব্রিটিশ বিরোধী এই বিদ্রোহের সাথে সম্পর্কিত নন। B) রাজা ত্রিভুবন চাকমা — তিনি ব্রিটিশ আমলের একজন চাকমা রাজা ছিলেন, তবে ১৭ শতকের এই জুমিয়া বিদ্রোহের নেতা ছিলেন না। C) জুম্মা খান — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যিনি ব্রিটিশ বেনিয়াদের বিরুদ্ধে চাকমা জুমিয়াদের নিয়ে সফলভাবে বিদ্রোহের পতাকা উড়িয়েছিলেন। D) জান বকস খাঁ — তিনি চাকমা রাজপরিবারের একজন প্রভাবশালী ব্যক্তি বা বিদ্রোহী নেতা নন, তাই এই প্রশ্নের উত্তর হিসেবে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: চাকমা জুমিয়াদের বিদ্রোহ এবং জুম্মার 'জ' অক্ষর দুটি একসাথে মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন যে জুম্মা খান ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে জুমিয়া বিদ্রোহ করেছিলেন।
a তাজিকিস্তান
b কাজাকিস্তান
c উজবেকিস্তান
d কিরগিজস্তান
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কাজাকিস্তান কেন সঠিক: - কাজাকিস্তান মধ্য এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে আয়তনে সর্ববৃহৎ এবং এটি বিশ্বের নবম বৃহত্তম দেশ। - ভৌগোলিক অবস্থান ও বিশাল ভূখণ্ডের কারণে এটি মধ্য এশিয়ার অন্যান্য দেশের চেয়ে আয়তনে অনেক বড়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) তাজিকিস্তান — এটি মধ্য এশিয়ার একটি দেশ হলেও আয়তনে অনেক ছোট এবং এর বেশিরভাগ অংশ পাহাড়ি। B) কাজাকিস্তান — এটিই মধ্য এশিয়ার আয়তনে সর্ববৃহৎ প্রজাতন্ত্র, তাই এটি সঠিক উত্তর। C) উজবেকিস্তান — এটি মধ্য এশিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্র হলেও আয়তনে কাজাকিস্তানের চেয়ে ছোট। D) কিরগিজস্তান — এটি মধ্য এশিয়ার ক্ষুদ্রতম দেশগুলোর একটি এবং এর ভূখণ্ড মূলত পাহাড়ি। মনে রাখার টিপস: মধ্য এশিয়ার বড় দেশ মনে রাখতে কা (কাজাকিস্তান) দিয়ে শুরু নামটি সবার আগে মাথায় রাখবে।
a হারারে, ১৯৮৯ সাল
b বেলগ্রেড, ১৯৬১ সাল
c হাভানা, ১৯৭৩ সাল
d কায়রো, ১৯৭০ সাল
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বেলগ্রেড, ১৯৬১ সাল কেন সঠিক: - জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন বা ন্যাম এর প্রথম শীর্ষ সম্মেলন ১৯৬১ সালের ১ থেকে ৬ সেপ্টেম্বর যুগোস্লাভিয়ার রাজধানী বেলগ্রেডে অনুষ্ঠিত হয়। - এ সম্মেলনে ২৫টি দেশ অংশ নেয় এবং জোসেফ ব্রজ টিটো, জওহরলাল নেহরু ও কাওয়ামে নক্রুমার মতো নেতারা এর প্রতিষ্ঠাতা ভূমিকা পালন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হারারে, ১৯৮৯ সাল — এই সালে হারারেতে জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়নি, এটি নবম শীর্ষ সম্মেলনের সাল ও স্থান নয় এবং প্রদত্ত উত্তরের সাথে মিলে না। B) বেলগ্রেড, ১৯৬১ সাল — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। C) হাভানা, ১৯৭৩ সাল — হাভানায় জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের ষষ্ঠ শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৭৯ সালে, ১৯৭৩ সালে নয়। D) কায়রো, ১৯৭০ সাল — কায়রোতে জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের দ্বিতীয় শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৬৪ সালে, ১৯৭০ সালে নয়। মনে রাখার টিপস: জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের জন্ম বা প্রথম সম্মেলন হয়েছে বেলগ্রেডে ১৯৬১ সালে, এটি মনে রাখতে বেলগ্রেডের ব এবং বাংলা একাত্তরের এক এর সাথে মিলিয়ে নিন।
a হারারে, ১৯৮৯ সাল
b বেলগ্রেড, ১৯৬১ সাল
c হাভানা, ১৯৭৩ সাল
d কায়রো, ১৯৭০ সাল
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বেলগ্রেড, ১৯৬১ সাল কেন সঠিক: - জোটনিরপেক্ষ আন্দোলন বা ন্যাম এর প্রথম শীর্ষ সম্মেলন ১৯৬১ সালের ১ থেকে ৬ সেপ্টেম্বর যুগোস্লাভিয়ার বেলগ্রেড শহরে অনুষ্ঠিত হয়। - জওহরলাল নেহরু, জোসেপ ব্রোজ টিটো এবং জামাল আবদেল নাসেরের উদ্যোগে এই ঐতিহাসিক সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হারারে, ১৯৮৯ সাল — হারারে ১৯৮৬ সালে অষ্টম ন্যাম সম্মেলনের আয়োজক শহর ছিল, ১৯৮৯ সালের নয়। B) বেলগ্রেড, ১৯৬১ সাল — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ এখানেই প্রথম জোটনিরপেক্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সি) হাভানা, ১৯৭৩ সাল — হাভানা কিউবার রাজধানী এবং এখানে ষষ্ঠ ন্যাম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৭৯ সালে, ১৯৭৩ সালে নয়। D) কায়রো, ১৯৭০ সাল — কায়রো মিসরের রাজধানী এবং এখানে দ্বিতীয় ন্যাম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৬৪ সালে, ১৯৭০ সালে নয়। মনে রাখার টিপস: নাম ও স্থান মনে রাখতে মাথায় রাখুন, জোটনিরপেক্ষ আন্দোলন শুরু হয় বেলগ্রেডে ১৯৬১ সালে।
a ইতালির মিলান শহর, মালদিনীয়ানি
b জার্মানির হামবুর্গ শহর, ক্যাসানোভা
c স্পেনের মাদ্রিদ শহর, কাসা বোতিল
d ফ্রান্সের টুলোন শহর, লাফ্রাঁসে
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) স্পেনের মাদ্রিদ শহর, কাসা বোতিল কেন সঠিক: - গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস অনুসারে স্পেনের মাদ্রিদে অবস্থিত কাসা বোতিল রেস্তোরাঁটি ১৭২৫ সালে প্রতিষ্ঠিত বিশ্বের প্রাচীনতম সক্রিয় রেস্তোরাঁ। - এই ঐতিহাসিক রেস্তোরাঁটি তার ঐতিহ্যবাহী খাবার এবং দীর্ঘ প্রায় তিন শতাব্দী ধরে একটানা কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইতালির মিলান শহর, মালদিনীয়ানি — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তরের সঙ্গে মিলছে না এবং ১৭২৫ সালের বিশ্বের প্রাচীনতম রেস্তোরাঁ হিসেবে এটি স্বীকৃত নয়। B) জার্মানির হামবুর্গ শহর, ক্যাসানোভা — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয় এবং বিশ্বের প্রাচীনতম রেস্তোরাঁ তালিকার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) স্পেনের মাদ্রিদ শহর, কাসা বোতিল — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং গিনেস রেকর্ড অনুযায়ী এটিই বিশ্বের প্রাচীনতম চালু রেস্তোরাঁ। D) ফ্রান্সের টুলোন শহর, লাফ্রাঁসে — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয় এবং ফরাসি কোনো রেস্তোরাঁ ১৭২৫ সালের এই প্রাচীনতম খেতাব পায়নি। মনে রাখার টিপস: স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদের প্রাচীনতম রেস্তোরাঁ কাসা বোতিল প্রতিষ্ঠা সাল ১৭২৫ সাল মনে রাখতে স্পেনের এস এবং ১৭২৫ এর এস মেলাতে পারো।
a মালেতে
b দিল্লীতে
c কলম্বোতে
d কাঠমুন্ডতে
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কলম্বোতে কেন সঠিক: - দক্ষিণ এশীয় সহযোগিতা সংস্থা বা সার্কের ষষ্ঠ শীর্ষ সম্মেলন ১৯৯২ সালের ২১ থেকে ২২ ডিসেম্বর শ্রীলঙ্কার রাজধানী কলম্বোতে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। - এই সম্মেলনে আঞ্চলিক অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং সন্ত্রাসবাদ দমনে যৌথভাবে কাজ করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মালেতে — এটি মালদ্বীপের রাজধানী এবং সার্কের পঞ্চম শীর্ষ সম্মেলন ১৯৯১ সালে এখানে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। B) দিল্লীতে — এটি ভারতের রাজধানী এবং সার্কের অষ্টম শীর্ষ সম্মেলন ১৯৯৫ সালে এখানে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। C) কলম্বোতে — এটি শ্রীলঙ্কার রাজধানী এবং এখানেই সার্কের ষষ্ঠ শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল, যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। D) কাঠমুন্ডতে — এটি নেপালের রাজধানী এবং সার্কের প্রথম শীর্ষ সম্মেলন ১৯৮৭ সালে এখানে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: সার্কের ষষ্ঠ সম্মেলন কলম্বোতে হয়েছিল মনে রাখতে শ্রীলঙ্কার রাজধানী কলম্বো এবং ষষ্ঠ এই দুটি শব্দ একসাথে মিলিয়ে পড়তে পারো।