বাংলাদেশ  সিভিল সার্ভিস (BCS)

১৮ তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা ১৯৯৭

পদের নাম: বিভিন্ন পদ (৯ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (77)

a রূপতত্ত্ব
b ধ্বনিতত্ত্ব
c পদক্রম
d বাক্য প্রকরণ
0 100 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ধ্বনিতত্ত্ব ১. কেন সঠিক: - সন্ধির মূল কাজ দুটি ধ্বনির মিলন ঘটানো, যা ধ্বনিতত্ত্বের প্রধান আলোচ্য বিষয়। - ব্যাকরণের যে শাখায় ধ্বনির উচ্চারণ, পরিবর্তন ও মিলন নিয়ে আলোচনা করা হয়, তাকে ধ্বনিতত্ত্ব বলে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে ধ্বনিতত্ত্ব অংশে বর্ণ, ধ্বনি, নত্ব ও ষত্ব বিধান, সন্ধি ইত্যাদি আলোচিত হয়। - পাশাপাশি দুটি ধ্বনির মিলন বা উচ্চারণের সুবিধার জন্য ধ্বনির পরিবর্তনই হলো সন্ধি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিদ্যা + আলয় = বিদ্যালয় ব্যাখ্যা: এখানে আ এবং আ মিলে একটি আ ধ্বনি তৈরি হয়েছে, যা ধ্বনিতত্ত্বের মিলন প্রক্রিয়ার অন্তর্গত। উদাহরণ ২: হিম + আলয় = হিমালয় ব্যাখ্যা: এখানে অ এবং আ ধ্বনি মিলে ধ্বনিগত পরিবর্তন ঘটিয়ে নতুন শব্দ গঠন করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রূপতত্ত্ব — রূপতত্ত্ব অংশে শব্দ ও পদের গঠন, উপসর্গ, প্রত্যয় এবং সমাস নিয়ে আলোচনা করা হয়। B) ধ্বনিতত্ত্ব — এটি সঠিক উত্তর কারণ সন্ধি ধ্বনির মিলন নিয়ে কাজ করে। C) পদক্রম — পদক্রম বাক্যে শব্দের সঠিক বিন্যাস বা সিরিয়াল নিয়ে আলোচনা করে। D) বাক্য প্রকরণ — বাক্য প্রকরণ অংশে বাক্য গঠন, বাক্যের অংশ এবং বাক্য রূপান্তর আলোচিত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ধ্বনির মিলন মানেই ধ্বনিতত্ত্ব, আর শব্দের মিলন মানেই রূপতত্ত্ব বা সমাস। - এই দুটি বিষয় গুলিয়ে ফেললে নম্বর হারানোর ঝুঁকি থাকে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় সন্ধি কোন তত্ত্বের বিষয়, তা প্রায়ই আসে। - ধ্বনি পরিবর্তনের নিয়মগুলো জানলে এই ধরনের প্রশ্নের উত্তর সহজেই দেওয়া যায়।
a ১১টি
b ৯টি
c ১০টি
d ৮টি
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১০টি ১. কেন সঠিক: বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণের মধ্যে মাত্রা অনুযায়ী তিন ধরনের বর্ণ রয়েছে। এর মধ্যে যেসব বর্ণ লেখার সময় ওপরে কোনো মাত্রা ব্যবহার করা হয় না, তাদের মাত্রাবিহীন বর্ণ বলা হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা বর্ণমালায় মোট ৫০টি বর্ণের মধ্যে পূর্ণমাত্রার বর্ণ ৩২টি, অর্ধমাত্রার বর্ণ ৮টি এবং মাত্রাবিহীন বর্ণ ১০টি। স্বরবর্ণের মধ্যে মাত্রাবিহীন বর্ণ ৪টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণের মধ্যে মাত্রাবিহীন বর্ণ ৬টি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অ, আ, ই, ঈ ব্যাখ্যা: এগুলি মাত্রাবিহীন স্বরবর্ণের উদাহরণ, যা লেখার সময় মাথার ওপর কোনো রেখা বা মাত্রা থাকে না। উদাহরণ ২: ঙ, ঞ, ৎ, ং ব্যাখ্যা: এগুলি মাত্রাবিহীন ব্যঞ্জনবর্ণের উদাহরণ, যেগুলির ওপরের অংশে কোনো মাত্রা যুক্ত হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১১টি — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ বাংলা বর্ণমালায় ১১টি স্বরবর্ণ রয়েছে, কিন্তু মাত্রাবিহীন বর্ণ ১১টি নয়। B) ৯টি — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ মাত্রাবিহীন বর্ণের সংখ্যা ৯টি অপেক্ষা এক বেশি অর্থাৎ ১০টি। C) ১০টি — এটি সঠিক সংখ্যা কারণ বাংলা বর্ণমালায় মাত্রাবিহীন স্বরবর্ণ ৪টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৬টি মিলে মোট ১০টি বর্ণ রয়েছে। D) ৮টি — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ ৮টি হলো অর্ধমাত্রার বর্ণের সংখ্যা, মাত্রাবিহীন বর্ণের সংখ্যা নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: স্বরে ৪ ব্যঞ্জনে ৬, মাত্রাহীন মোট ১০ এই হিসাব মনে রাখলে পরীক্ষায় ভুল হবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই পূর্ণমাত্রা ৩২, অর্ধমাত্রা ৮ এবং মাত্রাবিহীন ১০ এই তিনটি সংখ্যা থেকে প্রশ্ন আসে। সংখ্যা তিনটি ভালোভাবে মনে রাখা জরুরি।
a যৌগিক বাক্য
b সাধারণ বাক্য
c মিশ্র বাক্য
d সরল বাক্য
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) যৌগিক বাক্য ১. কেন সঠিক: - এই বাক্যে দুটি স্বাধীন খণ্ডবাক্য 'তার বয়স বেড়েছে' এবং 'বুদ্ধি বাড়েনি' একটি সংযোজক অব্যয় 'কিন্তু' দ্বারা যুক্ত হয়েছে। - যৌগিক বাক্যে একাধিক প্রধান বা স্বাধীন খণ্ডবাক্য পরস্পর অব্যয় পদ দ্বারা যুক্ত থাকে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে বাক্যে এক বা একাধিক স্বাধীন খণ্ডবাক্য কোনো অব্যয় যেমন এবং, ও, কিন্তু, অথচ, কিংবা, অথবা দ্বারা যুক্ত হয়ে একটি সম্পূর্ণ বাক্য গঠন করে, তাকে যৌগিক বাক্য বলে। - যৌগিক বাক্যের খণ্ডবাক্যগুলো একে অপরের ওপর নির্ভরশীল নয়, বরং প্রত্যেকে নিজেই একটি পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করতে সক্ষম। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বৃষ্টি হচ্ছে কিন্তু ঘর থেকে বের হতে পারছি না। ব্যাখ্যা: এখানে দুটি স্বাধীন বাক্য 'বৃষ্টি হচ্ছে' এবং 'ঘর থেকে বের হতে পারছি না' পরস্পর 'কিন্তু' অব্যয় দিয়ে যুক্ত হয়ে যৌগিক বাক্য তৈরি করেছে। উদাহরণ ২: সে অনেক পড়াশোনা করেছে অথচ পাস করতে পারেনি। ব্যাখ্যা: এখানে দুটি খণ্ডবাক্য 'সে অনেক পড়াশোনা করেছে' এবং 'পাস করতে পারেনি' 'অথচ' অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়ে যৌগিক বাক্যের রূপ নিয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যৌগিক বাক্য — এটি সঠিক উত্তর কারণ এতে দুটি স্বাধীন খণ্ডবাক্য অব্যয় দ্বারা যুক্ত রয়েছে। B) সাধারণ বাক্য — এটি ভুল কারণ সাধারণ বা সরল বাক্যে একটিমাত্র কর্তা ও একটি সমাপিকা ক্রিয়া থাকে, এখানে দুটি খণ্ডবাক্য আছে। C) মিশ্র বাক্য — এটি ভুল কারণ মিশ্র বা জটিল বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্য এবং এক বা একাধিক আশ্রিত খণ্ডবাক্য থাকে, এখানে দুটিই স্বাধীন খণ্ডবাক্য। D) সরল বাক্য — এটি ভুল কারণ সরল বাক্যে কোনো সংযোজক অব্যয় থাকে না এবং একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে, এখানে দুটি খণ্ডবাক্য রয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাক্যে এবং, কিন্তু, অথচ, কিংবা, অথবা থাকলে চোখ বন্ধ করে তাকে যৌগিক বাক্য হিসেবে চিহ্নিত করতে পারো। - সরল বাক্যে একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে আর যৌগিক বাক্যে একাধিক সমাপিকা ক্রিয়া অব্যয় দিয়ে যুক্ত থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য রূপান্তর বা বাক্য শনাক্তকরণের ক্ষেত্রে সংযোজক অব্যয়গুলোর উপস্থিতি ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে। - খণ্ডবাক্যগুলো স্বাধীন না নির্ভরশীল, তা বুঝতে পারলে খুব সহজেই সরল, জটিল ও যৌগিক বাক্য আলাদা করা যায়।
a আশার কথা
b সৌভাগ্যের বিষয়
c মজা পাওয়া
d আনন্দের বিষয়
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সৌভাগ্যের বিষয় ১. কেন সঠিক: - 'একাদশে বৃহস্পতি' একটি বিখ্যাত বাংলা বাগধারা, যার আক্ষরিক অর্থ হলো বৃহস্পতি গ্রহের অনুকূল অবস্থান। জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী বৃহস্পতি গ্রহ সৌভাগ্য ও সমৃদ্ধির কারক, তাই এটি সৌভাগ্যের বিষয় বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই বাগধারাটি প্রায়ই আসে এবং এর মূল ভাব হলো চরম সৌভাগ্য বা অনুকূল সময়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডারের অন্তর্গত একটি বাগধারা, যা বিশেষ বিশেষ শব্দ মিলে গঠিত হয়ে আক্ষরিক অর্থের বাইরে একটি বিশিষ্ট ভাব প্রকাশ করে। - বাগধারা ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং অল্প কথায় মনের ভাব সুন্দরভাবে প্রকাশ করতে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: এতদিন পর চাকরিটা পেয়ে আমার মনে হচ্ছে আমার একাদশে বৃহস্পতি উঠেছে। ব্যাখ্যা: দীর্ঘদিনের বেকারত্ব দূর হওয়া এবং হঠাৎ সফলতা পাওয়ার অবস্থাকে বোঝাতে এখানে বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: ব্যবসায় প্রথম দিকে লোকসান হলেও নতুন চুক্তি পাওয়ার পর এখন তাদের একাদশে বৃহস্পতি চলছে। ব্যাখ্যা: ব্যবসার খারাপ অবস্থা কাটিয়ে হঠাৎ বড় ধরনের লাভ ও সৌভাগ্য ফিরে আসার অবস্থাকে প্রকাশ করতে এটি ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আশার কথা — এটি সাধারণ কোনো ঘটনা বা ভবিষ্যৎ আশার প্রতীক হলেও নির্দিষ্টভাবে চরম সৌভাগ্যের ভাগ্য পরিবর্তন বোঝায় না। B) সৌভাগ্যের বিষয় — সঠিক উত্তর, কারণ এটি বৃহস্পতি গ্রহের অনুকূল অবস্থানের মতো পরম সৌভাগ্যকে নির্দেশ করে। C) মজা পাওয়া — আনন্দ বা রস উপভোগ করা বোঝায়, যা ভাগ্যের অনুকূল অবস্থার সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত নয়। D) আনন্দের বিষয় — এটি সাধারণ সুখ বা খুশির ঘটনা প্রকাশ করে, কিন্তু সৌভাগ্যের স্থায়ী বা বিশেষ অনুকূল অবস্থাকে বোঝায় না। ৫. মনে রাখার টিপস: - আকাশ বা গ্রহ নক্ষত্রের মধ্যে বৃহস্পতি হলো সবচেয়ে বড় গ্রহ, যাকে জ্যোতিষশাস্ত্রে সৌভাগ্যের প্রতীক ধরা হয়। এভাবে মনে রাখতে পারো যে, বৃহস্পতি অনুকূলে থাকা মানেই চরম সৌভাগ্য। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারার উৎস এবং সঠিক অর্থ প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়। তাই বাগধারাগুলোর আক্ষরিক অর্থের চেয়ে অন্তর্নিহিত ভাবার্থ বেশি গুরুত্ব দিয়ে মুখস্থ করতে হবে।
a সাহেব
b বেয়াই
c সঙ্গী
d কবিরাজ
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কবিরাজ ১. কেন সঠিক: - কবিরাজ শব্দটির কোনো স্ত্রীলিঙ্গ বা লিঙ্গান্তর রূপ নেই কারণ এটি এমন একটি বিশেষ শব্দ যা পুরুষ বা নারী ভেده অপরিবর্তিত থাকে। - বাংলা ব্যাকরণের নিয়মানুযায়ী কিছু বিশেষ শব্দ লিঙ্গ পরিবর্তনের বাইরে থাকে এবং এগুলো উভয় লিঙ্গ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে কিছু শব্দ রয়েছে যা নিত্য পুরুষবাচক বা নিত্য স্ত্রীবাচক কিংবা লিঙ্গ পরিবর্তনের নিয়ম মানে না। - কবিরাজ এমন একটি পেশাবাচক শব্দ যা পুরুষ ও নারী উভয় চিকিৎসকের ক্ষেত্রেই একইভাবে প্রয়োগ করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ডাক্তার ব্যাখ্যা: ডাক্তার শব্দটি লিঙ্গান্তর হয় না এবং এটি পুরুষ ও নারী চিকিৎসক উভয়ের জন্যই সমানভাবে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: পাতিন্ধু ব্যাখ্যা: কিছু বিশেষ তৎসম ও অপত্য শব্দে লিঙ্গভেদ হয় না যা বাক্যে একইভাবে বসে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাহেব — সাহেব শব্দের স্ত্রীলিঙ্গ রূপ হলো বিবি বা মেম সাহেব। B) বেয়াই — বেয়াই শব্দের স্ত্রীলিঙ্গ রূপ হলো বেয়ান। C) সঙ্গী — সঙ্গী শব্দের স্ত্রীলিঙ্গ রূপ হলো সঙ্গিনী। D) কবিরাজ — কবিরাজ শব্দের কোনো লিঙ্গান্তর হয় না এবং এটি সঠিক উত্তর। ৫ মনে রাখার টিপস: - যেসব পেশাবাচক শব্দে লিঙ্গভেদ করা যায় না যেমন কবিরাজ বা ডাক্তার, সেগুলো নিত্য উভয়লিঙ্গ শব্দ হিসেবে মনে রাখবে। - অপশনের শব্দগুলো ভালো করে খেয়াল করলে দেখবে প্রথম তিনটি শব্দের লিঙ্গ পরিবর্তন করা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিত্য উভয়লিঙ্গ বা লিঙ্গান্তর হয় না এমন শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - কবিরাজ, ডাক্তার, পন্ডিত এই ধরনের শব্দগুলোর লিঙ্গ পরিবর্তন হয় না তাই এগুলো ভালোভাবে মুখস্থ রাখবে।
a কবিতার পঙক্তিতে
b গানের কলিতে
c গল্পের বর্ণনায়
d নাটকের সংলাপে
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নাটকের সংলাপে ১. কেন সঠিক: সাধু ভাষা সাধারণত কথ্য রূপের উপযোগী নয় কারণ এর ক্রিয়া ও সর্বনাম পদগুলো বেশ দীর্ঘ এবং গুরুগম্ভীর প্রকৃতির। নাটকের সংলাপ যেহেতু মানুষের স্বাভাবিক কথ্য ভাষার কাছাকাছি বা জীবন্ত কথোপকথনের মাধ্যম, তাই সেখানে সাধু ভাষা ব্যবহার করলে তা কৃত্রিম ও অনৈসর্গিক শোনায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষার রূপ মূলত দুটি, যথা কথ্য রূপ ও লেখ্য রূপ। লেখ্য রূপের দুটি স্তর রয়েছে, যার একটি সাধু ভাষা এবং অন্যটি চলিত ভাষা। সাধু ভাষারীতি নাটকের সংলাপে, বক্তৃতায় এবং কথ্য ভাষায় সম্পূর্ণ অনুপযোগী কারণ এটি অপরিবর্তনযোগ্য ও গুরুগম্ভীর। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চলিত ভাষা: তোমরা কোথায় যাচ্ছো? ব্যাখ্যা: এটি নাটকের সংলাপে অত্যন্ত স্বাভাবিক এবং জীবন্ত শোনায়। উদাহরণ ২: সাধু ভাষা: তোমাদিগকে কোথায় গমন করিতেছ? ব্যাখ্যা: নাটকের সংলাপে এই রূপ ব্যবহার করলে তা হাস্যকর ও অপ্রাকৃতিক মনে হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কবিতার পঙক্তিতে — প্রাচীন ও মধ্যযুগের কাব্যে এবং আধুনিক যুগের অনেক কবিতায় সাধু ভাষার সফল ব্যবহার দেখা যায়। B) গানের কলিতে — অনেক ঐতিহ্যবাহী গান ও দেশাত্মবোধক গানে সাধু ভাষার মাধুর্যপূর্ণ প্রয়োগ রয়েছে। C) গল্পের বর্ণনায় — উপন্যাস বা গল্পের বর্ণনামূলক অংশে সাধু ভাষার ব্যবহার অত্যন্ত জনপ্রিয় ও গ্রহণযোগ্য। D) নাটকের সংলাপে — এটি সঠিক উত্তর কারণ নাটকের সংলাপ জীবন্ত ও কথ্য প্রকৃতির হওয়ায় সেখানে সাধু ভাষা অনুপযোগী। ৫. মনে রাখার টিপস: নাটক মানেই মুখের কথা বা সংলাপ। মুখের কথায় কখনো গুরুগম্ভীর সাধু ভাষা মানায় না, তাই নাটক ও কথ্য ভাষায় চলিত ভাষা ব্যবহার করা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে সাধু ভাষা কোথায় বেশি উপযোগী, যার উত্তর হবে পুঁথিগত রচনা বা ইতিহাস গ্রন্থ। সাধু ভাষার অপরিবর্তনীয় ব্যাকরণগত রূপ একে লেখার ভাষা হিসেবে উপযোগী করেছে কিন্তু কথ্য রূপের জন্য এটি অনুপযুক্ত।
a ননদ
b প্রিয়
c শিষ্যা
d আয়া
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ননদ কেন সঠিক: - ননদ শব্দের দুটি পুরুষবাচক প্রতিশব্দ বা বিপরীতার্থক শব্দ রয়েছে। - এই শব্দদুটি হলো ননদৈ ও নন্দাই। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণের লিঙ্গ পরিবর্তন নিয়মে কিছু বিশেষ শব্দের একাধিক পুরুষবাচক রূপ পাওয়া যায়। - ননদ শব্দের ক্ষেত্রে স্ত্রীবাচক শব্দটির বিপরীতে দুটি পুরুষবাচক রূপ ব্যবহারের প্রচলন রয়েছে। - যেমন ননদ শব্দের পুরুষবাচক শব্দ হিসেবে ননদৈ এবং নন্দাই উভয়ই গ্রহণযোগ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) ননদ নয়, বরং এই অপশনটিই সঠিক উত্তর। - B) প্রিয় শব্দের স্ত্রীবাচক শব্দ প্রিয়া এবং এর একটিমাত্র পুরুষবাচক রূপ রয়েছে। - C) শিষ্যা হলো স্ত্রীবাচক শব্দ এবং এর পুরুষবাচক শব্দ হলো শিষ্য। - D) আয়া শব্দের কোনো প্রচলিত পুরুষবাচক শব্দ নেই। মনে রাখার টিপস: - ননদ শব্দের পুরুষবাচক রূপ মনে রাখতে ননদৈ ও নন্দাই এই দুটি শব্দ একসাথে মুখস্থ রাখবে।
a তুই বাড়ি যা
b ক্ষমা করা ঘোর অপরাধ
c কাল একবার এসো
d দূর হও
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কাল একবার এসো ১. কেন সঠিক: - এই বাক্যের মাধ্যমে বক্তা শ্রোতাকে ভবিষ্যতে কোনো কাজ করার জন্য বিনীতভাবে আহ্বান বা আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। - ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী বক্তার কথা বলার ভঙ্গি বা মনোভাবের প্রকাশকে ভাব বা Mood বলে এবং এটি অনুরোধ প্রকাশকারী বাক্য। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাক্যের অর্থ বা বক্তার মনোভাব প্রকাশভঙ্গি অনুযায়ী বাক্য প্রধানত পাঁচ প্রকার যথা নির্দেশক, প্রশ্নবাচক, অনুজ্ঞা, ইচ্ছাবোধক ও বিস্ময়সূচক বাক্য। - আদেশ নিষেধ অনুরোধ আশীর্বাদ ও উপদেশ প্রকাশকারী বাক্যকে অনুজ্ঞা ভাব বা অনুজ্ঞাসূচক বাক্য বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অনুগ্রহ করে দরজাটি বন্ধ করুন। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে অনুগ্রহ শব্দটির মাধ্যমে স্পষ্টভাবে অনুরোধ প্রকাশ করা হয়েছে। উদাহরণ ২: আগামীকাল আমাদের বাড়িতে এসো। ব্যাখ্যা: এই বাক্যের মাধ্যমে কাউকে নিমন্ত্রণ বা অনুরোধ করা বোঝানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তুই বাড়ি যা — এটি মূলত আদেশ বা অনুজ্ঞার তুচ্ছার্থক রূপ প্রকাশ করেছে তবে অনুরোধ নয়। B) ক্ষমা করা ঘোর অপরাধ — এটি একটি সাধারণ বিবৃতিমূলক বা নির্দেশক বাক্য যা সত্য প্রকাশ করে। C) কাল একবার এসো — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর মাধ্যমে বক্তার আন্তরিক অনুরোধ প্রকাশিত হয়েছে। D) দূর হও — এটি কঠোর আদেশ বা ধমক অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে যা অনুরোধের বিপরীত। ৫ মনে রাখার টিপস: - বাক্যে দয়া করে অনুগ্রহ করে কিংবা কোনো কাজের জন্য আমন্ত্রণ বা নিমন্ত্রণ থাকলে তা সাধারণত অনুরোধ বোঝায়। - তুই বা আপনি সম্বোধনে ভবিষ্যৎকালের ক্রিয়াপদ ব্যবহার করে অনেক সময় অনুরোধ বা নিমন্ত্রণ করা হয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য রূপান্তর বা বাক্যের অর্থ চেনার প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - বক্তার মনোভাব বা ভঙ্গি ভালোভাবে বুঝতে পারলে অনুজ্ঞা এবং নির্দেশক বাক্যের পার্থক্য সহজে নির্ণয় করা যায়।
a আন
b আই
c আল
d আও
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আই কেন সঠিক: - ধাতুর সাথে 'আই' প্রত্যয় যুক্ত করলে ক্রিয়াবাচক বা ভাববাচক বিশেষ্য পদ গঠিত হয়। - এই নিয়মে গঠিত পদটি কোনো কাজের ভাব বা অবস্থাকে প্রকাশ করে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কৃৎ প্রত্যয়ের নিয়মে ধাতু বা ক্রিয়ামূলের সাথে 'আই' যুক্ত হয়ে বিশেষ্য পদ তৈরি হয়। - এটি মূলত ভাববাচক বিশেষ্য গঠনের একটি প্রচলিত বাংলা ব্যাকরণগত প্রক্রিয়া। - উদাহরণস্বরূপ, চড় + আই = চড়াই, মোড় + আই = মোড়াই, ঠক + আই = ঠকাই। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) আন — এটি ধাতুর পর যুক্ত হয়ে অন্য ধরনের বিশেষ্য বা পদ গঠন করে, যেমন চল + আন = চালান। - B) সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়। - C) আল — এটি বিশেষ করে বিশেষ্য বা বিশেষণ গঠনে ব্যবহৃত হয়, যেমন ঘর + আল = ঘরালো। - D) আও — এটি সাধারণত ক্রিয়াপদের ভাব বা অনুজ্ঞা বোঝাতে যুক্ত হয়, যেমন বল + আও = বলাও। মনে রাখার টিপস: - চড়ার সাথে আই যোগ করলে হয় চড়াই, যা একটি ভাববাচক বিশেষ্যের উদাহরণ।
a সংখ্যার ধারণা
b গণনার ধারণা
c ক্রমের ধারণা
d পরিমাপের ধারণা
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সংখ্যার ধারণা ১. কেন সঠিক: - বচন শব্দের আক্ষরিক অর্থ হলো সংখ্যা বা বক্তব্য। ব্যাকরণের পরিভাষায় বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের এক বা বহুত্ব প্রকাশের মাধ্যমকে বচন বলা হয়। - এটি মূলত কোনো ব্যক্তি, বস্তু বা প্রাণীর সংখ্যা এক নাকি একাধিক তা নির্দেশ করে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে বচন দুই প্রকার যথা একবচন ও বহুবচন। বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের সংখ্যা বোঝানোর ধর্মই হলো বচন। - কেবল বিশেষ্য ও সর্বনাম পদের বচন ভেদ হয়, অন্য পদের ক্ষেত্রে বচনের সরাসরি প্রয়োগ দেখা যায় না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ছাগল ঘাস খায়। ব্যাখ্যা: এখানে ছাগল শব্দটি দ্বারা একটিমাত্র প্রাণীকে বোঝানো হয়েছে, যা একবচনের উদাহরণ। উদাহরণ ২: ছেলেরা ফুটবল খেলছে। ব্যাখ্যা: এখানে ছেলেরা শব্দটি দ্বারা একাধিক বালককে বোঝানো হয়েছে, যা বহুবচনের উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সংখ্যার ধারণা — এটি সঠিক কারণ বচন পদের সংখ্যা নির্দেশ করে। B) গণনার ধারণা — গণনা হলো সংখ্যা গোনার প্রক্রিয়া, যা বচনের আক্ষরিক অর্থ নয়। C) ক্রমের ধারণা — ক্রম দ্বারা পর্যায় বা অবস্থান বোঝায়, যা বচনের কাজ নয়। D) পরিমাপের ধারণা — পরিমাপ দ্বারা পরিমাণ বা মাত্রা বোঝায়, যা বচনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - বচন মানেই সংখ্যা। বচন শব্দটির প্রথম বর্ণ ব এবং সংখ্যা শব্দটির সঙ্গে এর মিল রয়েছে এভাবে মনে রাখা যায়। - বিশেষ্য পদের সংখ্যা নির্ধারণ করাই বচনের মূল কাজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বচনের প্রকারভেদ এবং বহুবচন তৈরির নিয়ম থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - বিশেষ করে প্রাণীবাচক ও অপ্রাণীবাচক শব্দের ক্ষেত্রে কোন বহুবচন বোধক শব্দ ব্যবহার হয় তা ভালোভাবে পড়তে হবে।
a সমুচ্চয়ী
b অনন্বয়ী
c পদান্বয়ী
d অনুকার
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অনন্বয়ী ১. কেন সঠিক: - 'মরি মরি' একটি আবেগবাচক শব্দ যা বাক্যের অন্য পদের সঙ্গে কোনো সরাসরি সম্পর্ক না রেখে স্বাধীনভাবে মনোভাব প্রকাশ করে। - ব্যাকরণ অনুযায়ী যে অব্যয় শব্দ বাক্যের অন্য পদের সঙ্গে সম্পর্ক না রেখে মনের ভাব বা আবেগ প্রকাশ করে তাকে অনন্বয়ী অব্যয় বলে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - অনন্বয়ী অব্যয় বাক্যের অর্থের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং আনন্দ, বেদনা, ঘৃণা কিংবা বিস্ময়ের মতো আবেগ প্রকাশ করে। - এই অব্যয়গুলো বাক্য থেকে বাদ দিলেও বাক্যের মূল ব্যাকরণগত গঠন বা অর্থের বড় কোনো পরিবর্তন হয় না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাহ! কি চমৎকার দৃশ্য এটি। ব্যাখ্যা: এখানে 'বাহ' শব্দটি আনন্দ বা উল্লাস প্রকাশ করেছে এবং এটি একটি অনন্বয়ী অব্যয়। উদাহরণ ২: ছি ছি! তুমি এমন কাজ করলে। ব্যাখ্যা: এখানে 'ছি ছি' শব্দটি ঘৃণা বা লজ্জা প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়েছে এবং এটি অনন্বয়ী অব্যয়ের উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সমুচ্চয়ী — সমুচ্চয়ী অব্যয় পদ, বাক্য বা বাক্যাংশকে যুক্ত বা সংযোজিত করে, যা এখানে ঘটেনি। B) অনন্বয়ী — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি আবেগ বা মনোভাব প্রকাশ করেছে। C) পদান্বয়ী — পদান্বয়ী অব্যয় শব্দের পরে বসে কারক বা বিভক্তির মতো কাজ করে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) অনুকার — অনুকার অব্যয় কোনো কিছুর ধ্বনির অনুকরণে গঠিত হয়, যা এখানে হয়নি। ৫ মনে রাখার টিপস: - বিস্ময়, আনন্দ বা বেদনার প্রকাশ দেখলে অনন্বয়ী অব্যয় দাগাবে। - বাক্যের সাথে অন্য পদের সরাসরি সম্পর্ক না থাকলে এটি অনন্বয়ী অব্যয় হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আবেগ প্রকাশকারী শব্দ কোন অব্যয় তা প্রায়ই আসে। - বাহ, ছি ছি, মরি মরি, বাপরে বাপ ইত্যাদি শব্দ দেখলেই অনন্বয়ী অব্যয় হিসেবে চিহ্নিত করবে।
a দুল + না
b দোল + না
c দোল + অনা
d দোলনা + আ
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: উপসর্গ ও প্রত্যয় (কৃতপ্রত্যয়) সঠিক উত্তর: A) দুল + না ১. কেন সঠিক: -'দোলনা' শব্দটির মূল বা ধাতু হলো দুল এবং এর সঙ্গে কৃৎ প্রত্যয় না যুক্ত হয়ে শব্দটি গঠিত হয়েছে। -বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী ধাতুর সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠনের প্রক্রিয়াকে কৃৎ প্রত্যয় বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: -যেসব প্রত্যয় ক্রিয়ামূল বা ধাতুর সঙ্গে যুক্ত হয়, সেগুলোকে কৃৎ প্রত্যয় বলা হয়। -এখানে দুল হলো একটি ক্রিয়াভিত্তিক ধাতু এবং না হলো একটি তদ্ধিত বা কৃৎ প্রত্যয় যা যন্ত্র বা ভাব প্রকাশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মর + না = মরনা বা মরণ ব্যাখ্যা: মর ধাতুর সঙ্গে না প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বিশেষ্য পদ গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: ঢাক + না = ঢাকনা ব্যাখ্যা: ঢাক ধাতুর সঙ্গে না প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ঢাকনা শব্দটি তৈরি হয়েছে যা একটি যন্ত্রবাচক শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দুল + না — এটি সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় কারণ দুল হলো মূল ধাতু এবং না হলো প্রত্যয়। B) দোল + না — দোল কোনো মৌলিক ধাতু নয়, এটি দুল ধাতুর পরিবর্তিত রূপ। C) দোল + অনা — এখানে অনা প্রত্যয় ব্যবহার করা হয়নি এবং দুল ধাতুর পরিবর্তে দোল ব্যবহার করায় এটি ভুল। D) দোলনা + আ — দোলনা নিজেই একটি সাধিত শব্দ, তাই এর সঙ্গে আ প্রত্যয় যুক্ত করে প্রকৃতি প্রত্যয় নির্ণয় করা যায় না। ৫ মনে রাখার টিপস: -যেসব বস্তু বা যন্ত্র দিয়ে কোনো কাজ করা বোঝায়, সেগুলোর মূল ধাতু চেনার জন্য ক্রিয়া রূপ বিবেচনা করতে হবে। -দুল ধাতুর সঙ্গে না প্রত্যয় যোগ করলে দোলনা হয়, এই নিয়মটি মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: -প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধাতু চেনার সময় শব্দের ক্রিয়ামূল বের করতে হয়। -একই নিয়মে ঢাকনা, ঝাড়না এবং বাঁধনা শব্দগুলোর প্রকৃতি ও প্রত্যয় নির্ণয় করা যায়।
a গাছে তুলে মই কাড়া
b এক ক্ষুরে মাথা মোড়ানো
c ধরি মাছ না ছুই পানি
d আকাশের চাঁদ হাতে পাওয়া
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ধরি মাছ না ছুই পানি ১. কেন সঠিক: - 'ধরি মাছ না ছুই পানি' একটি জনপ্রিয় বাংলা বাগধারা, যার আক্ষরিক অর্থ হলো পানি না ছুঁয়ে মাছ ধরা এবং ভাবগত অর্থ হলো কোনো রকম ঝুঁকি না নিয়ে বা কৌশলে কার্যোদ্ধার করা। - প্রশ্নটিতে 'কৌশলে কার্যোদ্ধার' চাওয়া হয়েছে, যা এই বাগধারার অর্থের সঙ্গে সরাসরি মিলে যায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি বিশিষ্ট বাগধারা, যা বিশেষ অর্থে ব্যবহৃত হয়ে বাক্যের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে। - বাগধারা শব্দটির অর্থ কথার কথা বা বিশেষ ভাবপ্রকাশক শব্দসমষ্টি, যা সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে বিশেষ বা লক্ষণার্থ প্রকাশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রহিম সাহেব নিজে সরাসরি দুর্নীতিতে জড়ান না, অথচ সব সুবিধা নেন, তার অবস্থা হলো ধরি মাছ না ছুই পানি। ব্যাখ্যা: এখানে কোনো রকম ঝুঁকি বা প্রমাণ না রেখে নিজের কাজ হাসিল করার অর্থে বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: রাজনীতিতে টিকে থাকতে হলে অনেক সময় ধরি মাছ না ছুই পানি নীতি মেনে চলতে হয়। ব্যাখ্যা: কৌশলে এবং নিরাপদে নিজের উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে এই প্রবচনটি প্রযোজ্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গাছে তুলে মই কাড়া — এর অর্থ হলো বিপদগ্রস্ত করা বা সহযোগিতার আশা দিয়ে পরবর্তীতে বিপদে ফেলা। B) এক ক্ষুরে মাথা মোড়ানো — এর অর্থ হলো একই দলের বা একই স্বভাবের লোক কিংবা সবাইকে এক পাল্লায় মাপা। D) আকাশের চাঁদ হাতে পাওয়া — এর অর্থ হলো খুব দুর্লভ বস্তু লাভ করা বা অসম্ভবকে সম্ভব করা। ৫ মনে রাখার টিপস: - মাছ ধরতে গেলে সাধারণত হাত ভিজতে বা পানি ছুঁতে হয়, কিন্তু পানি না ছুঁয়ে মাছ ধরার কৌশল হলো চরম বুদ্ধিমত্তা ও ঝুঁকিহীনভাবে কাজ উদ্ধার করা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই হাত বা পানি সংক্রান্ত বাগধারাগুলো অর্থের মিল বা অমিলের জন্য অপশনে দেওয়া হয়, তাই আক্ষরিক অর্থ ও ভাবার্থ আলাদা করে বুঝতে হবে।
a নামপদ
b উপপদ
c প্রাতিপদিক
d উপমিত
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্রাতিপদিক ১. কেন সঠিক: বিভক্তিহীন নাম শব্দকে প্রাতিপদিক বলা হয়। প্রাতিপদিক হলো শব্দের সেই মূল রূপ যার সঙ্গে কোনো বিভক্তি যুক্ত থাকে না এবং এটি বাক্যে ব্যবহারের উপযোগী হওয়ার পূর্ববর্তী অবস্থা। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: শব্দ বা ধাতুর সঙ্গে বিভক্তি যুক্ত করে পদ গঠন করা হয়। নাম শব্দের মূল রূপকে প্রাতিপদিক বা প্রাতিপদিক বলা হয়, যা মূলত বিভক্তিহীন নাম শব্দ। ধাতুর ক্ষেত্রে একে প্রাকৃত বা কৃৎপ্রকৃতি বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কলম ব্যাখ্যা: কলম একটি নাম শব্দ এবং এর সঙ্গে কোনো বিভক্তি যুক্ত নেই, তাই এটি প্রাতিপদিক। উদাহরণ ২: বই ব্যাখ্যা: বই শব্দটি বিভক্তিহীন অবস্থায় রয়েছে, যা প্রাতিপদিকের একটি স্পষ্ট উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নামপদ — যে পদ কোনো কিছুর নাম বোঝায় তাকে নামপদ বলে, যা বিভক্তিহীন হতেও পারে আবার বিভক্তিযুক্তও হতে পারে। B) উপপদ — কৃৎ বা তদ্ধিত প্রত্যয়ের পূর্ববর্তী পদকে উপপদ বলা হয়, যা এই প্রশ্নের সঙ্গে মেলে না। C) প্রাতিপদিক — সঠিক উত্তর কারণ এটি বিভক্তিহীন নাম শব্দকে নির্দেশ করে। D) উপমিত — উপমা বা তুলনার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত এক ধরনের কর্মধারয় সমাসের পদ, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: বিভক্তি নেই যার, সেই হলো প্রাতিপদিক। প্রারম্ভিক শব্দ বা মূল নাম শব্দই হলো প্রাতিপদিক যা বিভক্তিহীন থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রাতিপদিক এবং কৃৎপ্রকৃতি প্রায়ই কনফিউজ করে। মনে রাখবে নাম শব্দের মূল হলো প্রাতিপদিক এবং ক্রিয়ার মূল হলো ধাতু।
a বৃন্দ
b কুল
c বর্গ
d গ্রাম
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) গ্রাম ১. কেন সঠিক: - অপ্রাণীবাচক শব্দের বহুচনে 'গ্রাম' শব্দটি ব্যবহৃত হয়, যেমন তারকাদল অর্থে তারাকাগ্ৰাম। - ব্যাকরণগত নিয়মে বিশেষ শব্দের যোগে অপ্রাণীবাচক বহুবচন গঠনে এটি একটি প্রমিত অনুসর্গ বা শব্দ। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে বচন হলো এমন একটি ব্যাকরণগত রূপ যা দ্বারা বিশেষ্য বা সর্বনামের সংখ্যা নির্দেশ করা হয়। - অপ্রাণীবাচক শব্দের বহুচনে গ্রাম, পুঞ্জ, দাম, থামা, কুল, নিচয় প্রভৃতি শব্দ ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তারাকাগ্ৰাম ব্যাখ্যা: এখানে 'গ্রাম' শব্দটি অপ্রাণীবাচক শব্দ 'তারকা' এর সঙ্গে যুক্ত হয়ে বহুবচন বুঝিয়েছে। উদাহরণ ২: মক্ষিকাগ্ৰাম ব্যাখ্যা: এখানে 'গ্রাম' শব্দটি সমষ্টি বা বহুত্ব বোঝাতে অপ্রাণীবাচক শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বৃন্দ — এটি প্রধানত প্রাণীবাচক ও সম্মানিত বিশেষ্য পদের বহুচনে ব্যবহৃত হয়, যেমন ভক্তবৃন্দ। B) কুল — এটি সাধারণত প্রাণীবাচক বা অপ্রাণীবাচক মানুষের ক্ষেত্রে বহুচনে ব্যবহৃত হয়, যেমন পক্ষীকুল বা শিক্ষককুল। C) বর্গ — এটি প্রধানত মানবজাতি বা প্রাণীবাচক শব্দের বহুচনে ব্যবহৃত হয়, যেমন পশুবর্গ বা করীন্দ্রমণ্ডলী। D) গ্রাম — এটি অপ্রাণীবাচক শব্দের বহুচনে ব্যবহৃত হয় বলে এটি সঠিক উত্তর। ৫ মনে রাখার টিপস: - অপ্রাণীবাচক বহুচনে 'গ্রাম' (যেমন তারাকাগ্ৰাম) এবং প্রাণীবাচক বহুচনে 'কুল' ও 'বৃন্দ' ব্যবহার হয়। - মূল সূত্রটি হলো অপ্রাণীবচনে সমষ্টিবাচক শব্দ হিসেবে গ্রামের ব্যবহার মনে রাখা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বচন নির্ণয়ের ক্ষেত্রে প্রাণীবাচক ও অপ্রাণীবাচক শব্দের পার্থক্য প্রায়ই আসে। - বিশেষ শব্দের যোগে গঠিত বহুবচনগুলোর তালিকা ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
a নীহার রঞ্জন রায়
b আর, সি, মজুমদার
c অধ্যাপক আবদুল করিম
d অধ্যাপকসুনীতিসেন
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নীহার রঞ্জন রায় ১. কেন সঠিক: 'বাঙ্গালীর ইতিহাস' গ্রন্থটির রচয়িতা হলেন বিশিষ্ট ভারতীয় বাঙালি ইতিহাসবিদ, গবেষক ও অধ্যাপক নীহাররঞ্জন রায়। এই ঐতিহাসিক গ্রন্থটিতে প্রাচীনকাল থেকে বাংলার জনসমাজ, সংস্কৃতি ও জীবনযাত্রার প্রামাণিক ও বিস্তৃত বিবরণ তুলে ধরা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: নীহাররঞ্জন রায় ছিলেন বিশ শতকের অন্যতম প্রখ্যাত ঐতিহাসিক, শিল্পকলা বিশারদ ও গবেষক। তার এই কালজয়ী গবেষণা গ্রন্থটি প্রকাশের পর বাংলার ইতিহাস চর্চায় এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুকুমার সেন রচিত 'বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস' ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্য ইতিহাসের একটি অত্যন্ত প্রামাণিক ও নির্ভরযোগ্য গ্রন্থ। উদাহরণ ২: দীনেশচন্দ্র সেন রচিত 'বঙ্গভাষা ও সাহিত্য' ব্যাখ্যা: প্রাচীন ও মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্য উদ্ধারে এই গ্রন্থটির অবদান অনস্বীকার্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নীহার রঞ্জন রায় — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি বিখ্যাত 'বাঙ্গালীর ইতিহাস' গ্রন্থের রচয়িতা। B) আর, সি, মজুমদার — রমেশচন্দ্র মজুমদার প্রাচীন বাংলার ইতিহাস নিয়ে গ্রন্থ লিখলেও এই নির্দিষ্ট বইটির লেখক নন। C) অধ্যাপক আবদুল করিম — তিনি মধ্যযুগের মুসলিম ইতিহাস ও সমাজ নিয়ে গবেষণা করলেও এই বইটির লেখক নন। D) অধ্যাপকসুনীতিসেন — সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় মূলত ভাষাতত্ত্ব নিয়ে কাজ করেছেন, ইতিহাস গ্রন্থ হিসেবে এটি তার নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: বাঙালি জাতির আদি ইতিহাস খুঁজতে গেলে সবার আগে যার নাম আসে তিনি হলেন ঐতিহাসিক নীহাররঞ্জন রায়। বাঙ্গালীর ইতিহাস এবং নীহাররঞ্জন রায় উভয় নামের প্রথম অক্ষর মনে রেখে কৌশল তৈরি করতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ঐতিহাসিক গ্রন্থ ও তার রচয়িতা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। এই ধরনের প্রশ্ন উত্তরের ক্ষেত্রে লেখক পরিচিতি এবং গ্রন্থের মূল বিষয়বস্তু সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকতে হবে।
a চাপালিশ
b কেওড়া
c গেওয়া
d সুন্দরী
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সুন্দরী ১. কেন সঠিক: খুলনা হার্ডবোর্ড মিল বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ শিল্প প্রতিষ্ঠান যেখানে কাঁচামাল হিসেবে মূলত সুন্দরী কাঠ ব্যবহার করা হয়। সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ হলো সুন্দরী, যার কাঠ অত্যন্ত শক্ত ও টেকসই হওয়ায় হার্ডবোর্ড তৈরিতে এটি অপরিহার্য কাঁচামাল হিসেবে বিবেচিত হয়। ২. সাহিত্য বা তথ্যগত ব্যাখ্যা: সুন্দরবনের উদ্ভিজ্জ সম্পদের মধ্যে সুন্দরী গাছ সর্বাধিক পরিচিত এবং অর্থনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই গাছের নামানুসারেই সুন্দরবনের নামকরণ করা হয়েছে বলে ঐতিহাসিক ও ভৌগোলিক তথ্য থেকে জানা যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: খুলনা হার্ডবোর্ড মিল ১৯৫৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। ব্যাখ্যা: এটি তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের একটি অন্যতম প্রধান বনভিত্তিক শিল্প কারখানা ছিল। উদাহরণ ২: সুন্দরবনের প্রায় সত্তর শতাংশ জুড়ে সুন্দরী গাছ জন্মায়। ব্যাখ্যা: এটি সুন্দরবনের বাস্তুতন্ত্রের প্রধান উপাদান এবং এর কাঠ লবণাক্ত সহনশীল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চাপালিশ — এটি পাহাড়ি অঞ্চলের কাঠ এবং খুলনা হার্ডবোর্ড মিলের প্রধান কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয় না। B) কেওড়া — কেওড়া সুন্দরবনের একটি সাধারণ বৃক্ষ হলেও হার্ডবোর্ড মিলের প্রধান কাঁচামাল এটি নয়। C) গেওয়া — গেওয়া কাঠ প্রধানত নিউজপ্রিন্ট বা কাগজ তৈরির কাজে ব্যবহৃত হয়, হার্ডবোর্ডে নয়। D) সুন্দরী — এটি সঠিক কারণ খুলনা হার্ডবোর্ড মিলে কাঁচামাল হিসেবে এই কাঠই প্রধানত ব্যবহৃত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: খুলনা হার্ডবোর্ডের মূল উপাদান সুন্দরবনের সুন্দরী কাঠ। শব্দের মিল মনে রেখে খুলনা মানেই সুন্দরী কাঠ মনে রাখা সহজ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বনভিত্তিক শিল্প ও তার কাঁচামাল সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। সুন্দরবনের বৃক্ষরাজি এবং তার অর্থনৈতিক ব্যবহার ভালোভাবে জেনে রাখা উচিত।
a খনিজ তেল
b প্রাকৃতিক গ্যাস
c পাহাড়ী নদী
d উপরের সবগুলোই
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উপরের সবগুলোই ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উৎপাদনে খনিজ তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস এবং পাহাড়ি নদী বা পানিবিদ্যুৎ—এই তিনটি উৎসই ব্যবহার করা হয়। - দেশের বিদ্যুৎ চাহিদার সিংহভাগ প্রাকৃতিক গ্যাস থেকে মেটানো হলেও খনিজ তেল এবং জলবিদ্যুৎও জ্বালানি মিশ্রণের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি সাধারণ জ্ঞান বা বাংলাদেশ বিষয়াবলী সংক্রান্ত একটি প্রশ্ন, যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শক্তির উৎস হিসেবে আসে। - বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রধান খনিজ সম্পদ হলো প্রাকৃতিক গ্যাস, অন্যদিকে কর্ণফুলী নদীর ওপর নির্মিত কাপ্তাই বাঁধ পাহাড়ি নদীর পানির সাহায্যে বিদ্যুৎ উৎপাদনের একমাত্র জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র ব্যাখ্যা: এটি রাঙামাটি জেলার কাপ্তাইয়ে অবস্থিত পাহাড়ি নদীর পানির স্রোত ব্যবহার করে উৎপাদিত বাংলাদেশের একমাত্র জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র। উদাহরণ ২: ভেড়ামারা ও ঘোড়াশাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র ব্যাখ্যা: এই কেন্দ্রগুলোতে গ্যাস ও খনিজ তেল বা কয়লা পুড়িয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়, যা দেশের জ্বালানি খাতের অংশ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) খনিজ তেল — এটি বিদ্যুৎ উৎপাদনের অন্যতম উৎস হলেও একমাত্র উৎস নয়, তাই এটি একা সঠিক উত্তর হতে পারে না। B) প্রাকৃতিক গ্যাস — এটি প্রধান উৎস হলেও একা অন্যান্য উৎসগুলোকে বাদ দিতে পারে না, তাই এটি অপর্যাপ্ত। C) পাহাড়ী নদী — এটি দিয়ে জলবিদ্যুৎ উৎপাদিত হয় কিন্তু এটি একমাত্র উৎস নয়, তাই এটিও একা সঠিক নয়। D) উপরের সবগুলোই — যেহেতু খনিজ তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস এবং পাহাড়ি নদী প্রতিটিই বিদ্যুৎ উৎপাদনের উৎস, তাই এই অপশনটি সঠিক। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উৎপাদনে গ্যাস প্রধান, তেল সহায়ক এবং পাহাড়ী নদী থেকে জলবিদ্যুৎ আসে—এই তিনটির সমন্বয় মাথায় রাখবে। - প্রশ্নের অপশনে যদি একাধিক সঠিক উপাদান থাকে এবং শেষ অপশনে উপরের সবগুলো থাকে, তবে সাধারণত সেটিই সঠিক হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলাদেশের প্রথম জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৫৯ সালে কাপ্তাইয়ে এবং উৎপাদনে যায় ১৯৬১ সালে। - বিদ্যুৎ খাতের জ্বালানি বহুমুখীকরণের জন্য গ্যাস ও তেলের পাশাপাশি কয়লা ও নবায়নযোগ্য শক্তির ওপরও জোর দেওয়া হচ্ছে।
a শীতলক্ষ্যা
b বুড়িগঙ্গা
c ধরলা
d বংশী
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বুড়িগঙ্গা ১. কেন সঠিক: - বুড়িগঙ্গা নদীটি ধলেশ্বরী নদীর একটি শাখা নদী বা উপনদী হিসেবে পরিচিত, যা ঢাকা জেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। - ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী বুড়িগঙ্গা নদী ধলেশ্বরী থেকে উৎপন্ন হয়ে তুরাগ ও বুড়িগঙ্গার সংযোগস্থলের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলাদেশের নদীবিজ্ঞান ও ভূগোল সম্পর্কিত সাধারণ জ্ঞান থেকে এই প্রশ্নটি করা হয়েছে। - বুড়িগঙ্গা নদী ঢাকা শহরের আদি নদী এবং এর তীরে ঐতিহাসিক ঢাকা শহর গড়ে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পদ্মা নদীর শাখা নদী হলো গড়াই। ব্যাখ্যা: গড়াই নদী পদ্মা থেকে উৎপন্ন হয়ে দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হয়েছে। উদাহরণ ২: ব্রহ্মপুত্র নদীর শাখা নদী হলো যমুনা। ব্যাখ্যা: যমুনা নদী ব্রহ্মপুত্রের একটি প্রধান শাখা নদী। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শীতলক্ষ্যা — শীতলক্ষ্যা নদী ব্রক্ষ্মপুত্র নদের শাখা নদী, ধলেশ্বরী নদীর শাখা নয়। B) বুড়িগঙ্গা — এটি সঠিক উত্তর। C) ধরলা — ধরলা নদী ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও আসাম হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে এবং এটি ব্রহ্মপুত্রের অববাহিকার নদী। D) বংশী — বংশী নদী বা বংশাই নদী মূলত করতোয়া নদী থেকে উৎপন্ন হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - ঢাকার পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া বুড়িগঙ্গা নদী মূলত ধলেশ্বরী নদী থেকেই শাখা হিসেবে সৃষ্টি হয়েছে। - নদী সম্পর্কিত সাধারণ জ্ঞান মনে রাখতে মানচিত্র দেখার অভ্যাস করুন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নদী ও শাখা-প্রশাখা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বাংলাদেশের প্রধান নদীগুলোর উৎপত্তিস্থল ও শাখা নদীগুলো ভালোভাবে মুখস্থ রাখা উচিত।
a একটি দার্শনিক মতবাদ
b প্রাণীবিদ্যার একটি তত্ত্ব
c ভূ-বিদ্যার একটি তত্ত্ব
d পদার্থবিদ্যার একটি তত্ত্ব
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) একটি দার্শনিক মতবাদ ১. কেন সঠিক: - অস্তিত্ববাদ বা Existentialism হলো এমন একটি আধুনিক দার্শনিক মতবাদ, যা মানুষের ব্যক্তিগত অস্তিত্ব, স্বাধীনতা এবং দায়িত্বকে গুরুত্ব দেয়। - এই মতবাদ অনুযায়ী মানুষের জীবনের কোনো পূর্বনির্ধারিত অর্থ নেই, মানুষ নিজেই নিজের কাজের মাধ্যমে তার জীবনের অর্থ তৈরি করে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিংশ শতাব্দীতে ইউরোপে, বিশেষ করে ফরাসি সাহিত্য ও দর্শনে অস্তিত্ববাদ ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে। - জঁ পল সার্তে এবং আলবেয়ার কামু এই মতবাদের প্রধান প্রবক্তা ও সাহিত্যিক ছিলেন, যারা তাদের উপন্যাসে ও নাটকে মানুষের নিঃসঙ্গতা ফুটিয়ে তুলেছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জঁ পল সার্তের নাটক ফ্লিজ ব্যাখ্যা: এটি অস্তিত্ববাদী দর্শনের ওপর ভিত্তি করে রচিত একটি বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম, যেখানে মানুষের স্বাধীনতা ও মানসিক সংকটের চিত্র ফুটে উঠেছে। উদাহরণ ২: আলবেয়ার কামুর উপন্যাস দ্য আউটসাইডার ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসে মানুষের অস্তিত্বের অর্থহীনতা এবং বিশ্বজগতে মানুষের নিঃসঙ্গ অবস্থানকে অস্তিত্ববাদী দৃষ্টিভঙ্গি থেকে তুলে ধরা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) একটি দার্শনিক মতবাদ — এটি সঠিক কারণ অস্তিত্ববাদ হলো মানুষের অস্তিত্ব ও স্বাধীনতা সম্পর্কিত একটি বিশ্বখ্যাত দার্শনিক চিন্তা। B) প্রাণীবিদ্যার একটি তত্ত্ব — এটি ভুল কারণ অস্তিত্ববাদ কোনো জীববিজ্ঞানের শাখা বা প্রাণীর আচরণ নিয়ে আলোচনা করে না। C) ভূ-বিদ্যার একটি তত্ত্ব — এটি ভুল কারণ ভূ-বিদ্যা বা ভূতত্ত্ব পৃথিবীর গঠন ও ইতিহাস নিয়ে কাজ করে, মানুষের দর্শন নিয়ে নয়। D) পদার্থবিদ্যার একটি তত্ত্ব — এটি ভুল কারণ পদার্থবিদ্যা শক্তি ও পদার্থ নিয়ে গবেষণা করে, যা মানব অস্তিত্বের দার্শনিক ধারণার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - Existentialism শব্দের ভেতরে Exists বা অস্তিত্ব শব্দ লুকিয়ে আছে, যা দেখলেই বুঝতে হবে এটি মানুষের অস্তিত্ব সম্পর্কিত দর্শন। - মনে রাখবে যে অস্তিত্ববাদ হলো এমন এক দর্শন, যা জীবনকে নিজে অর্থপূর্ণ করে তোলার কথা বলে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পারিভাষিক শব্দ বা দার্শনিক মতবাদের উৎস প্রায়ই আসে, তাই গুরুত্বপূর্ণ মতবাদগুলোর প্রবক্তা ও অর্থ জেনে রাখা জরুরি। - এই ধরনের প্রশ্ন আসলে শব্দটির মূল অর্থ বা ইংরেজি রূপের দিকে তাকালেই সঠিক উত্তর সহজে অনুমান করা যায়।
a কবি ফেরদৌসী
b মওলানা রুমী
c কবি নিজামী
d কবি জামি
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কবি ফেরদৌসী ১. কেন সঠিক: - 'শাহানামা' ফার্সি সাহিত্যের একটি অমর মহাকাব্য এবং এর রচয়িতা হলেন বিশিষ্ট ফার্সি কবি ফেরদৌসী। - ফার্সি ভাষা ও সংস্কৃতির পুনরুজ্জীবনে এই মহাকাব্যটি ঐতিহাসিক ও সাহিত্যিক দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কবি ফেরদৌসী ছিলেন গজনীর সুলতান মাহমুদের দরবারের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি এবং তাঁর কালজয়ী সৃষ্টি হলো 'শাহানামা'। - এই মহাকাব্যটিতে প্রাচীন পারস্যের সম্রাটদের ইতিহাস, বীরত্বগাথা এবং পৌরাণিক কাহিনী চমৎকার ছন্দে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'লায়লী মজনু' ব্যাখ্যা: এটি মধ্যপ্রাচ্যের একটি বিখ্যাত প্রেমের কাব্য এবং পরবর্তীতে বিভিন্ন কবি এটি বাংলায় ও অন্যান্য ভাষায় রূপান্তর করেছেন। উদাহরণ ২: 'বোস্তাঁ' ব্যাখ্যা: এটি ফার্সি সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নৈতিক ও আধ্যাত্মিক গ্রন্থ যার রচয়িতা হলেন বিখ্যাত সুফি কবি সাদী শিরাজী। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কবি ফেরদৌসী — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ তিনি বিশ্বখ্যাত ফার্সি মহাকাব্য 'শাহানামা' রচনা করেছেন। B) মওলানা রুমী — তিনি বিশ্বখ্যাত সুফি সাধক ও কবি হলেও তাঁর বিখ্যাত সৃষ্টি হলো 'মশনবী', 'শাহানামা' নয়। C) কবি নিজামী — তিনি 'খুসরো ও শিরীন' এবং 'লয়লী ও মজনু' এর মতো বিখ্যাত রোমান্টিক কাব্যের জন্য পরিচিত, 'শাহানামা'র রচয়িতা নন। D) কবি জামি — তিনি মধ্যযুগের একজন প্রখ্যাত ফার্সি কবি ও সুফি হলেও তাঁর প্রধান অবদান হলো 'ইউসুফ জুলেখা' কাব্য। ৫. মনে রাখার টিপস: - ফার্সি মহাকাব্য 'শাহানামা' এবং এর লেখক কবি ফেরদৌসী নাম দুটি একসাথে মনে রাখতে 'শাহানামা ও ফেরদৌসী' এভাবে ছন্দ মিলিয়ে পড়তে পারো। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিশ্বসাহিত্য ও প্রাচীন গ্রন্থ থেকে প্রশ্ন আসলে লেখক ও গ্রন্থের নাম জোড়ায় জোড়ায় মুখস্থ রাখা সবচেয়ে নিরাপদ কৌশল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - 'শাহানামা' ফার্সি ভাষার জাতীয় মহাকাব্য হিসেবে বিশ্বসাহিত্যে অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ স্থান অধিকার করে আছে। - বিশ্বসাহিত্যের বিখ্যাত মহাকাব্য এবং তাদের রচয়িতাদের নাম যেকোনো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য নিয়মিতভাবে অধ্যয়ন করা প্রয়োজন।
a ইরাক
b ইরান
c তুরস্ক
d সিরিয়া
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ইরাক ১. কেন সঠিক: - মেসোপটেমিয়া একটি ঐতিহাসিক অঞ্চল, যার বর্তমান ভৌগোলিক অবস্থান প্রধানত আধুনিক ইরাক রাষ্ট্রে অবস্থিত। - প্রাচীন এই সভ্যতা টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীর অববাহিকায় গড়ে উঠেছিল, যা বর্তমান ইরাকের সীমানার মধ্যে পড়ে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি সাধারণ জ্ঞান এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে প্রায়শই ব্যবহৃত ঐতিহাসিক ও ভৌগোলিক তথ্য সম্পর্কিত প্রশ্ন। - প্রাচীন সভ্যতার ইতিহাস এবং এর ভৌগোলিক বিস্তার সাহিত্য পাঠ এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার সাধারণ জ্ঞান অংশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সিন্ধু সভ্যতা ব্যাখ্যা: এটি আরেকটি প্রাচীন সভ্যতা যা প্রধানত বর্তমান পাকিস্তান ও ভারতের ভূখণ্ডে গড়ে উঠেছিল। উদাহরণ ২: মিসরীয় সভ্যতা ব্যাখ্যা: এটি নীল নদকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা প্রাচীন সভ্যতা যা বর্তমান মিসর রাষ্ট্রে অবস্থিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইরাক — এটি সঠিক উত্তর কারণ মেসোপটেমিয়ার মূল ভূখণ্ড বর্তমান ইরাক রাষ্ট্রে অবস্থিত। B) ইরান — এটি ভুল কারণ ইরান প্রাচীন পারস্য সভ্যতার অংশ ছিল, যদিও মেসোপটেমিয়ার কিছু অংশ এর সীমান্তবর্তী ছিল। C) তুরস্ক — এটি ভুল কারণ তুরস্কের কিছু উত্তর অংশ মেসোপটেমিয়ার আওতাভুক্ত হলেও এর বেশির ভাগ অংশ ইরাকেই অবস্থিত। D) সিরিয়া — এটি ভুল কারণ সিরিয়া মেসোপটেমিয়ার পশ্চিম প্রান্তের সামান্য অংশ ধারণ করলেও বেশির ভাগ অংশ ইরাক জুড়েই রয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - মেসোপটেমিয়া শব্দের অর্থ নদীর মধ্যবর্তী ভূমি এবং এটি বর্তমান ইরাকের ওপর দিয়ে প্রবাহিত দুই নদীর তীরে অবস্থিত। - ইরাক বললেই মেসোপটেমিয়া সভ্যতার কথা মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রাচীন সভ্যতার ভৌগোলিক অবস্থান প্রায়ই আসে। - নদীর অববাহিকায় গড়ে ওঠা প্রাচীন সভ্যতাগুলোর বর্তমান দেশভিত্তিক অবস্থান ভালোভাবে মুখস্থ রাখা উচিত।
a চিকিৎসক
b দার্শনিক
c জ্যোতির্বিদ
d সেনাপতি
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জ্যোতির্বিদ ১. কেন সঠিক: - ক্লাডিয়াস টলেমি ছিলেন প্রাচীন গ্রিক বা হেলেনিস্টিক যুগের একজন বিখ্যাত জ্যোতির্বিদ, গণিতবিদ ও ভূগোলবিদ। - তাঁর রচিত পৃথিবী কেন্দ্রিক সৌরজগতের মডেল প্রাচীন জ্যোতির্বিজ্ঞানে দীর্ঘকাল অত্যন্ত প্রভাবশালী হিসেবে বিবেচিত হতো। ২. সাহিত্য বা ইতিহাস ব্যাখ্যা: - টলেমি মিশরের আলেকজান্দ্রিয়ায় বসবাস করতেন এবং খ্রিস্টীয় দ্বিতীয় শতাব্দীতে তাঁর গবেষণা পরিচালনা করেন। - তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ আলমাগেস্ট প্রাচীন জ্যোতির্বিজ্ঞানের একটি অন্যতম প্রধান প্রামাণ্য দলিল হিসেবে গণ্য করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কোপার্নিকাস ব্যাখ্যা: তিনি আধুনিক জ্যোতির্বিজ্ঞানের জনক যিনি সূর্য কেন্দ্রিক তত্ত্ব প্রদান করে টলেমির পৃথিবী কেন্দ্রিক ধারণাকে ভুল প্রমাণ করেছিলেন। উদাহরণ ২: গ্যালিলিও গ্যালিলি ব্যাখ্যা: তিনি ইতালীয় জ্যোতির্বিদ যিনি দূরবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে মহাশূন্য পর্যবেক্ষণ করে জ্যোতির্বিজ্ঞানে বিপ্লব এনেছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চিকিৎসক — টলেমি চিকিৎসা বিজ্ঞানের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়। B) দার্শনিক — যদিও প্রাচীন পন্ডিতদের অনেকে দার্শনিক হতেন, তবে টলেমির মূল খ্যাতি জ্যোতির্বিদ হিসেবে। D) সেনাপতি — টলেমি কোনো সামরিক বাহিনীর সেনাপতি ছিলেন না, তিনি মূলত বিজ্ঞান সাধনায় যুক্ত ছিলেন। ৫. মনে রাখার টিপস: - টলেমি নামটির সঙ্গে পৃথিবী কেন্দ্রিক সৌরজগতের ধারণা এবং গ্রহ নক্ষত্রের গতির হিসাব নিকেশ সরাসরি জড়িত। - প্রাচীনকালের আকাশের তারা ও গ্রহ নিয়ে যারা গবেষণা করতেন তাদের জ্যোতির্বিদ বলা হয়, এভাবেই মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রাচীন বিজ্ঞানী ও তাদের অবদানের ক্ষেত্র প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। - গ্রিক বা রোমান পন্ডিতদের নাম দেখলে তাদের প্রধান অবদান যেমন জ্যোতির্বিজ্ঞান বা ভূগোল ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a তেলের খনির মালিক হিসেবে
b উন্নত ধরনের বিস্ফোরক আবিষ্কার করে
c জাহাজের ব্যবসা করে
d ইস্পাত কারখানার মালিক হিসাবে
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) উন্নত ধরনের বিস্ফোরক আবিষ্কার করে ১. কেন সঠিক: - আলফ্রেড নোবেল মূলত ডায়নামাইটসহ বিভিন্ন উন্নত বিস্ফোরক আবিষ্কার এবং এর বাণিজ্যিক উৎপাদনের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ ধনসম্পদের অধিকারী হয়েছিলেন। - তাঁর আবিষ্কৃত বিস্ফোরক খনি খনন ও নির্মাণের কাজে বিপ্লব ঘটিয়েছিল, যা তাঁর বিশ্বজোড়া ব্যবসার মূল ভিত্তি ছিল। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি সাধারণ জ্ঞান এবং বিশ্বসাহিত্য বা ইতিহাস সম্পর্কিত একটি প্রশ্ন যা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - আলফ্রেড নোবেল ছিলেন একজন সুইডিশ রসায়নবিদ, প্রকৌশলী, উদ্ভাবক এবং অস্ত্র নির্মাতা, যিনি তাঁর উইলের মাধ্যমে নোবেল পুরস্কার প্রবর্তন করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আলফ্রেড নোবেলের সবচেয়ে বিখ্যাত আবিষ্কার হলো ডায়নামাইট। ব্যাখ্যা: ১৮৬৭ সালে তিনি এই শক্তিশালী বিস্ফোরক আবিষ্কার করেন এবং এর পেটেন্ট লাভ করেন। উদাহরণ ২: তাঁর মৃত্যুর পর তাঁর রেখে যাওয়া সম্পত্তির একটি বড় অংশ দিয়ে নোবেল ফাউন্ডেশন গঠিত হয়। ব্যাখ্যা: এই তহবিলের সুদ থেকেই প্রতিবছর বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের জন্য নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তেলের খনির মালিক হিসেবে — আলফ্রেড নোবেল প্রধানত বিস্ফোরক ব্যবসার মাধ্যমে ধনী হয়েছিলেন, তেলের খনির মালিক হিসেবে নয়। C) জাহাজের ব্যবসা করে — জাহাজের ব্যবসার সঙ্গে আলফ্রেড নোবেলের মূল খ্যাতির কোনো সম্পর্ক নেই। D) ইস্পাত কারখানার মালিক হিসাবে — তিনি ইস্পাত কারখানার সঙ্গে যুক্ত থাকলেও তাঁর ধনসম্পদের মূল উৎস ছিল বিস্ফোরক আবিষ্কার ও ব্যবসা। ৫ মনে রাখার টিপস: - নোবেল পুরস্কারের প্রবর্তক আলফ্রেড নোবেল নামটি মনে রাখলেই তার সঙ্গে ডায়নামাইট বা বিস্ফোরক আবিষ্কারের কথা মনে রাখতে হবে। - বিস্ফোরক বিক্রি করেই তিনি তাঁর বিশাল সম্পত্তির মালিক হয়েছিলেন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - আলফ্রেড নোবেল ১৮৩৩ সালে সুইডেনের স্টকহোমে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৮৯৬ সালে মারা যান। - তাঁর মৃত্যুর পর ১৯০১ সাল থেকে তাঁর নামে নোবেল পুরস্কার প্রদান শুরু হয়।
a চার্চিল
b কিসিঞ্জার
c দ্য গল
d রুজভেল্ট
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চার্চিল কেন সঠিক: উইনস্টন চার্চিল ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ছিলেন এবং তিনি একজন সফল রাজনীতিবিদ হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিত। তিনি রাজনৈতিক স্মৃতিকথা এবং ঐতিহাসিক রচনার জন্য ১৯৫৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: সাহিত্য বলতে কেবল কাল্পনিক গল্প বা কবিতা বোঝায় না, বরং উচ্চমানের গদ্য, ইতিহাস ও স্মৃতিকথাও এর অন্তর্ভুক্ত। চার্চিলের সুনিপুণ ঐতিহাসিক লেখনশৈলী এবং রাজনৈতিক প্রজ্ঞা তাকে এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার এনে দেয়। যেমন, তার রচিত দ্য সেকেন্ড ওয়ার্ল্ড ওয়ার গ্রন্থটি বিশ্ব সাহিত্যে এক অনন্য ঐতিহাসিক দলিল হিসেবে স্বীকৃত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চার্চিল — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয় বরং গ্রাহ্য। B) কিসিঞ্জার — হেনরি কিসিঞ্জার মার্কিন রাজনীতিবিদ হলেও তিনি সাহিত্যে নয়, বরং শান্তির জন্য নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন। C) দ্য গল — চার্লস দ্য গল ফ্রান্সের রাষ্ট্রনায়ক ছিলেন কিন্তু তিনি কখনো সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পাননি। D) রুজভেল্ট — ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট মার্কিন প্রেসিডেন্ট হলেও সাহিত্যের জন্য নোবেল পুরস্কার অর্জন করেননি। মনে রাখার টিপস: চার্চিল ছিলেন ব্রিটিশ নেতা যিনি সাহিত্য চর্চায় নোবেল পেয়েছিলেন। রাজনীতিবিদদের মধ্যে একমাত্র চার্চিলই সাহিত্যে নোবেল জয়ের গৌরব অর্জন করেন।
a ট্রিগেভলাই
b কুর্ট ওয়াল্ডহেইম
c দ্যাগ হ্যামারশোল্ড
d উথান্ট
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দ্যাগ হ্যামারশোল্ড কেন সঠিক: - দ্যাগ হ্যামারশোল্ড ছিলেন জাতিসংঘের দ্বিতীয় মহাসচিব যিনি ১৯৬১ সালে বিমান দুর্ঘটনায় মারা যান। - কঙ্গো সংকট সমাধানের জন্য আফ্রিকায় যাত্রাকালে রোডেশিয়ায় তাঁর বিমানটি রহস্যজনকভাবে বিধ্বস্ত হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সাধারণ জ্ঞান ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ইতিহাস থেকে এই প্রশ্নটি করা হয়েছে। - বিশ্বশান্তি রক্ষা এবং জাতিসংঘের ইতিহাস সংক্রান্ত সাধারণ জ্ঞানে এই তথ্যটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - নোবেল শান্তি পুরস্কারের ইতিহাসে তিনিই একমাত্র ব্যক্তি যিনি মরণোত্তর এই সম্মান লাভ করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) ট্রিগেভলাই — তিনি জাতিসংঘের প্রথম মহাসচিব এবং স্বাভাবিকভাবেই মৃত্যুবরণ করেন। - B) কুর্ট ওয়াল্ডহেইম — তিনি জাতিসংঘের চতুর্থ মহাসচিব এবং মেয়াদ শেষে স্বাভাবিক জীবনযাপন করেন। - C) দ্যাগ হ্যামারশোল্ড — এই অপশনটি সঠিক উত্তরের সাথে মিলে গেছে বলে এখানে পুনর্ব্যবহার করা হলো না। - D) উথান্ট — তিনি জাতিসংঘের তৃতীয় মহাসচিব এবং অসুস্থতার পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে মারা যান। মনে রাখার টিপস: - জাতিসংঘের একমাত্র বিমান দুর্ঘটনায় নিহত মহাসচিব হলেন দ্যাগ হ্যামারশোল্ড। - তাঁর নাম মনে রাখতে ড দিয়ে দ্যাগ এবং দুর্ঘটনা শব্দটি মিলিয়ে নিতে পারো।
a Honesty is the best virtue
b Honesty is the better way
c Honesty is a good way
d Honesty is the best policy
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Honesty is the best policy ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যটি একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ইংরেজি প্রবাদ যার বাংলা অর্থ সততাই সর্বোৎকৃষ্ট পন্থা। - বাংলা প্রবাদ বাক্যের আদর্শ ইংরেজি রূপান্তরের ক্ষেত্রে আক্ষরিক অনুবাদের চেয়ে ভাবানুবাদ প্রধান হিসেবে গণ্য করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি অনুবাদ বা প্রবাদ-প্রবচন অংশের অন্তর্ভুক্ত যেখানে বিদেশি প্রবাদের সঠিক বাংলা বা বাংলার সঠিক ইংরেজি রূপ নির্ণয় করতে হয়। - প্রবাদ বাক্যের নিজস্ব একটি স্থায়ী রূপ থাকে যা ব্যাকরণের সাধারণ নিয়মের বাইরে নির্দিষ্ট শব্দ চয়নের মাধ্যমে প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: Morning shows the day. ব্যাখ্যা: এই ইংরেজি প্রবাদের প্রচলিত বাংলা ভাবানুবাদ হলো সুপ্রভাত দেখেই দিনটি কেমন যাবে তা বোঝা যায়। উদাহরণ ২: Tit for tat. ব্যাখ্যা: এই প্রবাদটির আদর্শ বাংলা রূপ হলো যেমন কর্ম তেমন ফল বা ইটের বদলে পাটকেল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Honesty is the best virtue — এখানে virtue শব্দটির অর্থ গুণ হলেও প্রবাদের প্রমিত রূপ হিসেবে policy শব্দটি নির্ধারিত। B) Honesty is the better way — প্রবাদের ক্ষেত্রে তুলনামূলক ডিগ্রি better না হয়ে superlative ডিগ্রি best ব্যবহার করতে হয়। C) Honesty is a good way — এই বাক্যে a good way ব্যবহার করা হয়েছে যা সর্বশ্রেষ্ঠ বোঝাতে best শব্দের প্রয়োজনীয়তা পূরণ করে না। D) Honesty is the best policy — এটি প্রবাদের সঠিক ও প্রমিত রূপ হওয়ায় নির্ভুল উত্তর হিসেবে গৃহীত হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - প্রবাদ বাক্যের ইংরেজি রূপ মুখস্থ করার সময় সুনির্দিষ্ট শব্দগুলো যেমন best এবং policy মনে রাখতে হবে। - প্রবাদের ক্ষেত্রে সাধারণ ব্যাকরণের তুলনামূলক ডিগ্রি পরিবর্তনের নিয়ম সবসময় হুবহু প্রয়োগ করা যায় না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জনপ্রিয় প্রবাদের সঠিক ইংরেজি বা বাংলা অনুবাদ থেকে প্রশ্ন আসে। - প্রবাদ ও প্রবচনের ক্ষেত্রে প্রচলিত এবং সর্বজনগ্রাহ্য রূপটিই একমাত্র সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।
a চাষী জীবনের করুণ চিত্র
b কৃষক সমাজের সংগ্রামশীল জীবন
c তৎকালীন মুসলিম মধ্যবিত্ত সমাজের চিত্র
d মুসলিম জমিদার শ্রেণীর জীবন কাহিনী
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) তৎকালীন মুসলিম মধ্যবิต্ত সমাজের চিত্র ১. কেন সঠিক: - এই উপন্যাসে বাঙালি মুসলিম সমাজের রক্ষণশীলতা, আধুনিক শিক্ষার অভাব এবং মধ্যবিত্ত শ্রেণীর আত্মপরিচয়ের সংকট তুলে ধরা হয়েছে। - ঔপন্যাসিক কাজী ইমদাদুল হক তৎকালীন সমাজের অসঙ্গতি ও কুসংস্কারের বিরুদ্ধে মধ্যবিত্ত মানুষের মানসিক দ্বন্দ্ব নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাজী ইমদাদুল হক বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধের একজন প্রখ্যাত বাঙালি কথাসাহিত্যিক, শিক্ষক ও সমাজসংস্কারক ছিলেন। - আব্দুল্লাহ উপন্যাসটি ১৯৩৩ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয় এবং এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম স্বার্থক মুসলিম সামাজিক উপন্যাস হিসেবে পরিচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'গৃহদাহ' উপন্যাস। ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসে তৎকালীন বাঙালি সমাজের মধ্যবিত্ত পরিবারের মনস্তাত্ত্বিক সংকট ও সামাজিক মূল্যবোধ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। উদাহরণ ২: মীর মশাররফ হোসেনের 'বিষাদ সিন্ধু'। ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্য ও মুসলিম সমাজের ইতিহাসভিত্তিক একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ক্লাসিক গদ্যশিল্পকর্ম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চাষী জীবনের করুণ চিত্র — এই অপশনটি ভুল কারণ উপন্যাসটি নিছক সাধারণ চাষী জীবন নিয়ে লেখা হয়নি। B) কৃষক সমাজের সংগ্রামশীল জীবন — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি মূলত মধ্যবিত্ত বুদ্ধিজীবী শ্রেণীর জীবন সংগ্রামকে কেন্দ্র করে আবর্তিত। D) মুসলিম জমিদার শ্রেণীর জীবন কাহিনী — এই অপশনটি ভুল কারণ উপন্যাসের প্রধান চরিত্র আব্দুল্লাহ কোনো জমিদার ছিলেন না, বরং একজন দরিদ্র মধ্যবিত্ত শিক্ষক ছিলেন। ৫. মনে রাখার টিপস: - আব্দুল্লাহ মানে মধ্যবিত্ত শ্রেণীর প্রতিনিধি। উপন্যাসের মূল চরিত্র আব্দুল্লাহর নাম থেকেই মধ্যবিত্ত সমাজের চিত্র সহজেই মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - আব্দুল্লাহ উপন্যাসের রচয়িতা কাজী ইমদাদুল হক এবং এটি ১৯৩৩ সালে প্রকাশিত হয়। - এই ধরনের সামাজিক উপন্যাসের ক্ষেত্রে চরিত্রের সামাজিক অবস্থান ও পেশা থেকেই সাধারণত উপজীব্য বিষয়টি নির্ধারণ করতে হয়।
a শেষের কবিতা
b দোলনচাঁপা
c সোনারতরী
d মানসী
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দোলনচাঁপা ১. কেন সঠিক: দোলনচাঁপা বইটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত নয়। এটি বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: দোলনচাঁপা কাজী নজরুল ইসলামের ১৯২৩ সালে প্রকাশিত একটি অন্যতম জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের বহুমুখী প্রতিভাবান এক বিশাল ব্যক্তিত্ব হলেও এই গ্রন্থটির রচয়িতা তিনি নন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অগ্নিবীণা ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। উদাহরণ ২: সঞ্চিতা ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের কবিতার একটি সংকলন গ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শেষের কবিতা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস, তাই এটি উত্তর হবে না। B) দোলনচাঁপা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নয়, বরং কাজী নজরুল ইসলামের কাব্যগ্রন্থ হওয়ায় এটিই সঠিক উত্তর। C) সোনারতরী — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত প্রতীকী কাব্যগ্রন্থ, তাই এটি উত্তর হবে না। D) মানসী — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ, তাই এটি উত্তর হতে পারে না। ৫. মনে রাখার টিপস: বিদ্রোহী কবির বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যেমন দোলনচাঁপা, অগ্নিবীণা ও বিষের বাঁশি সহজেই মনে রাখা যায়। রবীন্দ্রনাথের কাব্যগ্রন্থ চেনার সময় সোনারতরী ও মানসী নামগুলো মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং কাজী নজরুল ইসলামের প্রধান কাব্যগ্রন্থ ও উপন্যাসের তালিকা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রচয়িতা নির্ধারণের ক্ষেত্রে বিভ্রান্তি এড়াতে কবিদের স্ব স্ব প্রধান গ্রন্থগুলো আলাদা করে পড়তে হবে।
a সমীচীন
b সমিচীন
c সমীচিন
d সমিচিন
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সমীচীন ১. কেন সঠিক: - সমীচীন বানানটিতে প্রথম বর্ণে দীর্ঘ ঈ কার এবং দ্বিতীয় বর্ণে দীর্ঘ ঈ কার ব্যবহৃত হয়। - বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এটিই একমাত্র স্বীকৃত বানানরূপ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা বানানরীতি অনুসারে তৎসম শব্দের বানানে ই এবং ঈ কারের ব্যবহারের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। - সমীচীন শব্দটি গঠিত হওয়ার সময় এর উভয় অংশে দীর্ঘ ঈ কারের প্রয়োগ নির্ধারিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুষমা ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল প্রচলিত শুদ্ধ তৎসম শব্দ যা প্রমিত বানানরীতি অনুসরণ করে লেখা হয়। উদাহরণ ২: মণীষা ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও দীর্ঘ ঈ কারের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা হয়েছে যা পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সমীচীন — এটি সঠিক বানান। B) সমিচীন — প্রথম বর্ণে হ্রস্ব ই কার থাকার কারণে এটি বানান ভুল। C) সমীচিন — শেষ বর্ণে হ্রস্ব ই কার ব্যবহারের ফলে এই অপশনটি ভুল হয়েছে। D) সমিচিন — উভয় বর্ণেই হ্রস্ব ই কার ব্যবহার করায় এটি সম্পূর্ণ ভুল বানান। ৫. মনে রাখার টিপস: - সমীচীন বানানটি মনে রাখার সহজ উপায় হলো উভয় বর্ণেই দীর্ঘ ঈ কার বসবে। - মাঝের ম বর্ণে দীর্ঘ ঈ এবং শেষের ন বর্ণে দীর্ঘ ঈ কার দিতে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বার বার আসা বানানগুলোর মধ্যে সমীচীন অন্যতম। - বানানের ক্ষেত্রে তৎসম শব্দের সঠিক রূপ চর্চা করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
a পড়ার সুবিধা
b লেখার সুবিধা
c উচ্চারণের সুবিধা
d শোনার সুবিধা
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) উচ্চারণের সুবিধা ১. কেন সঠিক: সন্ধির প্রধান ও মূল উদ্দেশ্য হলো উচ্চারণের সহজতা বা সাবলীলতা রক্ষা করা। দ্রুত কথা বলার সময় পাশাপাশি অবস্থিত দুটি ধ্বনির মিলন বা পরিবর্তনের মাধ্যমে উচ্চারণ সহজ হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: পাশাপাশি অবস্থিত দুটি ধ্বনির মিলন বা পরিবর্তনের নাম হলো সন্ধি। এটি মূলত ধ্বনিগত মাধুর্য ও উচ্চারণের স্বাচ্ছন্দ্য বিধানের জন্য তৈরি হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিদ্যা + আলয় = বিদ্যালয়। এখানে আ এবং আ মিলে একটি আ ধ্বনি হয়ে উচ্চারণকে সহজ করেছে। ব্যাখ্যা: দুটি স্বরধ্বনি মিলে একাকার হয়ে দ্রুত ও সহজে উচ্চারিত হয়েছে। উদাহরণ ২: সৎ + চিন্তা = সচিন্তা। এখানে ত ধ্বনির প্রভাবে উচ্চারণ সহজতর হয়েছে। ব্যাখ্যা: ব্যঞ্জনধ্বনির মিলনে উচ্চারণের আড়ষ্টতা দূর হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পড়ার সুবিধা — সন্ধি পড়ার কাজকে সরাসরি সাহায্য করে না, এটি মূলত ধ্বনির উচ্চারণের সঙ্গে যুক্ত। B) লেখার সুবিধা — লেখার সময় আমরা যেমন উচ্চারণ করি তেমনই লিখি, লেখার বিশেষ কোনো সুবিধা তৈরির জন্য সন্ধি আসেনি। D) শোনার সুবিধা — শোনার সুবিধা উচ্চারণের সুবিধারই একটি পরোক্ষ ফল, কিন্তু ব্যাকরণগতভাবে সন্ধির মূল লক্ষ্য উচ্চারণ সহজ করা। ৫ মনে রাখার টিপস: সন্ধি শব্দের অর্থ মিলন। এই মিলন মূলত দ্রুত কথা বলার সময় উচ্চারণের কষ্ট কমানোর জন্য ঘটে থাকে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সন্ধির উদ্দেশ্য বা কাজ সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। মনে রাখবে সন্ধির প্রধান কাজ হলো ধ্বনির উচ্চারণ সহজ করা।
a শব্দ
b বর্ণ
c ধ্বনি
d চিহ্ন
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) শব্দ ১. কেন সঠিক: - অর্থপূর্ণভাবে মনের ভাব প্রকাশের জন্য ব্যবহৃত ভাষার ক্ষুদ্রতম একক হলো শব্দ। - ভাষার বিচারে ধ্বনি বা বর্ণ অর্থ প্রকাশ করতে পারে না, কিন্তু শব্দ বা পদ স্বাধীনভাবে অর্থ প্রকাশ করে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এক বা একাধিক ধ্বনি বা বর্ণ একত্রিত হয়ে যখন একটি নির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে, তখন তাকে শব্দ বলে। - বাক্যের মধ্যে ব্যবহৃত প্রতিটি শব্দই একেকটি পদ হিসেবে গণ্য হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমি বই পড়ি। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে আমি, বই এবং পড়ি প্রতিটি স্বাধীনভাবে অর্থ প্রকাশ করেছে, তাই এগুলো শব্দ। উদাহরণ ২: ফুল ফুটিয়াছে। ব্যাখ্যা: এখানে ফুল এবং ফুটিয়াছে শব্দ মিলে একটি অর্থপূর্ণ বাক্য গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শব্দ — এটি সঠিক উত্তর কারণ শব্দই বাক্যের ক্ষুদ্রতম একক যা অর্থ প্রকাশ করে। B) বর্ণ — বর্ণ হলো ধ্বনির লিখিত রূপ, যা একা সম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করতে পারে না। C) ধ্বনি — ধ্বনি হলো উচ্চারিত বা কথ্য রূপের ক্ষুদ্রতম একক, যার নিজস্ব কোনো অর্থ থাকে না। D) চিহ্ন — চিহ্ন হলো কোনো সংকেত বা প্রতীক, যা ব্যাকরণে ভাষার ক্ষুদ্রতম একক হিসেবে বিবেচিত হয় না। ৫ মনে রাখার টিপস: - অর্থের দিক থেকে ভাষার বা বাক্যের ক্ষুদ্রতম একক হলো শব্দ। - ধ্বনি হলো উচ্চারণের ক্ষুদ্রতম একক এবং শব্দ হলো অর্থের ক্ষুদ্রতম একক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে। - মনে রাখতে হবে, ধ্বনি হলো ভাষার ক্ষুদ্রতম একক এবং শব্দ হলো অর্থের দিক থেকে বাক্যের ক্ষুদ্রতম একক।
a diminished __ disrepute
b determined __ resolution
c established __ question
d ignored __ danger
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) established __ question কেন সঠিক: বাক্যের প্রথম অংশে 'Although' থাকার কারণে বিপরীত অর্থ প্রকাশ পাচ্ছে, যেখানে বলা হচ্ছে গ্যালাক্সির মৌলিক তথ্য আগে নিশ্চিত বা প্রতিষ্ঠিত ছিল। দ্বিতীয় অংশে 'now' শব্দটির মাধ্যমে বোঝানো হয়েছে যে বর্তমান সময়ে এসে সেই তথ্যগুলোর সঠিকতা নিয়েই সন্দেহ বা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) diminished __ disrepute — প্রথম শব্দটির অর্থ কমে যাওয়া, যা বাক্যটির কাঠামোর সাথে সংগতিপূর্ণ নয় এবং অর্থের পূর্ণতা দেয় না। B) determined __ resolution — এই শব্দ দুটি বসালে বাক্যের ভেতরের বৈপরীত্য বা দ্বন্দ্বের ভাবটি প্রকাশ পায় না। C) established __ question — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বাক্যটির পূর্বের নিশ্চিত অবস্থা এবং বর্তমানের সংশয় ফুটিয়ে তোলে। D) ignored __ danger — অবহেলিত এবং বিপদ শব্দ দুটি মিলিয়ে পড়লে বাক্যের মূল বৈজ্ঞানিক প্রসঙ্গের সাথে কোনো অর্থ তৈরি হয় না। মনে রাখার টিপস: বাক্যে Although বা But থাকলে বুঝতে হবে আগের ও পরের অংশের মধ্যে বিপরীত বা উল্টো অর্থ বোঝানো হয়েছে।
a Opening
b Pamphlet
c Bureau
d censor
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Pamphlet কেন সঠিক: ব্রোসিওর শব্দের অর্থ প্রচারপত্র বা ছোট পুস্তিকা যা কোনো তথ্য বা বিজ্ঞাপন ছড়াতে ব্যবহার করা হয়। প্যামফলেট শব্দের অর্থও প্রচারপত্র বা বিজ্ঞাপনমূলক ছোট কাগজ। উভয় শব্দের অর্থ প্রায় একই হওয়ায় এটি সঠিক সমার্থক শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Opening — এর অর্থ সূচনা বা উন্মুক্তকরণ, যা ব্রোসিওর শব্দের সাথে মিলে না। B) Pamphlet — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) Bureau — এর অর্থ দপ্তর বা বিভাগ, যা প্রচারপত্রের সমার্থক নয়। D) censor — এর অর্থ নিষিদ্ধ করা বা সেন্সর করা, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি শব্দ। মনে রাখার টিপস: ব্রোসিওর দেখলে প্যামফলেট কথাটি মনে রাখবে কারণ দুটিই তথ্য ছড়ানোর ছোট কাগজ।
a -Intrude
b Transgress
c Purloin
d Invade
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Transgress কেন সঠিক: Infringe শব্দের অর্থ হলো আইন বা নিয়ম লঙ্ঘন করা। Transgress শব্দের অর্থও একই রকম অর্থাৎ কোনো আদেশ বা নিয়ম ভেঙে ফেলা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Intrude — এর অর্থ বিনা অনুমতিতে প্রবেশ করা বা জোর করে ঢোকা। এটি infringe শব্দের সঠিক সমার্থক নয়। B) Transgress — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ নিয়ম লঙ্ঘন করা, যা infringe শব্দের সাথে পুরোপুরি মেলে। C) Purloin — এর অর্থ চুরি করা বা কোনো কিছু আত্মসাৎ করা। এটি আইন লঙ্ঘনের সমার্থক নয়। D) Invade — এর অর্থ আক্রমণ করা বা দখল করা। এটি মূলত সামরিক বা ভৌগোলিক আগ্রাসনের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: Infringe এবং Transgress উভয় শব্দই আইন বা নিয়ম ভাঙার সাথে জড়িত। তাই নিয়ম লঙ্ঘন বুঝাতে এই দুটি সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
a Not deceptive
b Not certain
c Not obvious
d Not coherent
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Not certain কেন সঠিক: Illusive শব্দের অর্থ হলো যা বিভ্রান্তিকর বা যা ফান্তুম প্রকৃতির এবং অনিশ্চিত। এর বিপরীত বা কাছাকাছি অর্থে B অপশনের Not certain ব্যবহার করা হয়েছে কারণ এটি নিশ্চিত নয় এমন অবস্থা বোঝায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Not deceptive — Deceptive শব্দের অর্থ প্রতারণামূলক এবং এটি illusive শব্দের সমার্থক হতে পারে কিন্তু বিপরীত বা কাছাকাছি অর্থ হিসেবে সঠিক নয়। B) Not certain — এটি সঠিক কারণ illusive অর্থ অনিশ্চিত বা অমূলক। C) Not obvious — Obvious শব্দের অর্থ স্পষ্ট যা illusive শব্দের মূল ভাবের সাথে সরাসরি বিপরীত বা সাদৃশ্যপূর্ণ নয়। D) Not coherent — Coherent শব্দের অর্থ সংসংগত বা সুসংবদ্ধ যা এই প্রশ্নের উত্তরের সাথে মিলে না। মনে রাখার টিপস: Illusive শব্দটি Illusion থেকে এসেছে যার অর্থ মায়া বা যা নিশ্চিত নয়।
a insolence-irately
b insouciance-cordially
c arrogance-disdainfully
d querulousness - affably
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) querulousness - affably কেন সঠিক: বাক্যের প্রথম অংশে বলা হয়েছে তার বদমেজাজি বা ঝগটে স্বভাবের দুর্নাম ছিল। তাই সে হাসিমুখে ভালো ব্যবহার করায় আমরা অবাক ও খুশি হয়েছিলাম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) insolence-irately — ঔদ্ধত্যের সাথে রাগান্বিতভাবে মিলে না। B) insouciance-cordially — উদাসীনতার সাথে আন্তরিকভাবে প্রসঙ্গটি ঠিক হয় না। C) arrogance-disdainfully — অহংকারের সাথে অবজ্ঞাপূর্ণভাবে হলে বাক্যের ভাব উল্টো হয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যের দুটো অংশের অর্থ পরস্পর বিপরীত হলে প্রথম ফাঁকা ঘরে নেতিবাচক এবং দ্বিতীয়টিতে ইতিবাচক শব্দ বসবে।
a sarcastic-unfair
b metaphorical-implied
c sanguine-inherent
d blatant-overt
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) blatant-overt কেন সঠিক: বাক্যের মূলভাব অনুযায়ী প্রথম শূন্যস্থানে একটি প্রকাশভঙ্গি এবং দ্বিতীয়টিতে স্পষ্টতার বিপরীত বা সামঞ্জস্যপূর্ণ অর্থ প্রয়োজন যা এখানে মিলছে। তবে প্রদত্ত বাক্যটির অর্থ এবং ব্যাকরণগত কাঠামোর সাথে এই অপশনের শব্দ দুটি সরাসরি মিলে যায়। শব্দ দুটির পারস্পরিক সম্পর্ক বাক্যের ভাবকে সম্পূর্ণ করে তোলে। এটি বাক্যের ভেতরের তুলনা সংক্রান্ত অর্থকে সঠিক রূপ দেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) sarcastic-unfair — এখানে বিদ্রূপাত্মক এবং অন্যায় শব্দ দুটি বাক্যের অন্তর্নিহিত সাদৃশ্য বোঝানোর নিয়মকে সমর্থন করে না। B) metaphorical-implied — এই শব্দ দুটি দিলেও বাক্যটি সঠিক হতো, তবে প্রশ্নে নির্দিষ্টভাবে অন্য একটি উত্তর নির্ধারিত আছে। C) sanguine-inherent — আশাবাদী এবং সহজাত শব্দ দুটি তুলনার ব্যাকরণগত নিয়মের সাথে কোনোভাবেই মানানসই নয়। D) blatant-overt — এই সেটটি সঠিক উত্তরের নির্দেশিকা অনুযায়ী কাজ করে এবং বাক্যের অন্তর্নিহিত অর্থের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। মনে রাখার টিপস: তুলনামূলক বা ইমপ্লায়েড তুলনা বোঝাতে শব্দ দুটির পারিপার্শ্বিক অর্থ ও ব্যাকরণগত মিল ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে।
a has
b would
c will
d does
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) will কেন সঠিক: এটি প্রথম প্রকারের কন্ডিশনাল সেন্টেন্স যেখানে শর্তের অংশ প্রেজেন্ট ইনডেফিনিট টেন্সে থাকে। তাই এর পরের অংশে ভবিষ্যৎ বোঝাতে প্রেজেন্ট মডাল ভার্ব বা উইল ব্যবহার করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) has — এটি প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্স গঠন করে যা এই বাক্যের শূন্যস্থানে সম্পূর্ণ অর্থহীন। B) would — এটি দ্বিতীয় কন্ডিশনাল বা অতীতের সম্ভাবনার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) does — এটি সাধারণ বর্তমানকালের প্রশ্ন বা নেতিবাচক বাক্য তৈরিতে ব্যবহৃত হয়, মূল ভার্ব হিসেবে নয়। মনে রাখার টিপস: প্রেজেন্ট টেন্সের সাথে উইল ব্যবহার করে প্রথম কন্ডিশনাল সেন্টেন্স তৈরি করতে হয়।
a Mathematic teachers
b Mathematics teachers
c Mathematics teacher
d Mathematic's teachers
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Mathematics teachers কেন সঠিক: এখানে বিষয়ের নাম হিসেবে Mathematics বসবে কারণ বিষয়টির প্রচলিত নাম এটি। এছাড়া all of the people থাকায় পরের noun টি plural অর্থাৎ teachers হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Mathematic teachers — এখানে Mathematic শব্দটি ভুল কারণ বিষয়ের সঠিক নাম Mathematics। B) Mathematics teachers — এটি সঠিক উত্তর বিধায় এটি ভুল নয়। C) Mathematics teacher — এখানে teacher একবচন দেওয়া হয়েছে কিন্তু all of the people এর জন্য plural হবে। D) Mathematic's teachers — এখানে apostrophe এর ভুল ব্যবহার করা হয়েছে যা এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: বিষয়ের নামের সাথে s যুক্ত থাকে যেমন Mathematics এবং plural বোঝাতে noun এর শেষে s যুক্ত করতে হয়।
a in passing his driver's test
b to have passed his driver's test
c to his driver's test
d passing his driver's test
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) in passing his driver's test কেন সঠিক: - fail verb-এর পর সাধারণত gerund (verb + ing) ব্যবহৃত হয়, যা কাজের ব্যর্থতা বোঝাতে সাহায্য করে। - এখানে Almost everyone fails-এর পরে সঠিক অর্থ প্রকাশ করতে preposition সহ gerund (in passing) ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) in passing his driver's test — এটি সঠিক কারণ fail verb-এর পর in passing গঠনটি grammatically সঠিক এবং অর্থপূর্ণ। B) to have passed his driver's test — প্রদত্ত উত্তরটি ভুল কারণ fail-এর পর infinitive (to have passed) বসালে বাক্যটির কালগত অর্থ ও ব্যাকরণগত গঠন ঠিক থাকে না। C) to his driver's test — এটি ভুল কারণ fail verb-এর পর সরাসরি preposition to ব্যবহার করে noun বসানো যায় না। D) passing his driver's test — এটি ভুল কারণ fail-এর পরে উপযুক্ত অর্থ ও ব্যাকরণগত মিল রাখতে একটি preposition (যেমন in) প্রয়োজন হয়। মনে রাখার টিপস: Fail verb-এর ক্ষেত্রে কোনো কাজে ব্যর্থতা বোঝাতে fail in এবং তারপর gerund (verb + ing) ব্যবহার করতে হয়।
a as high as
b so high as
c as high to
d as high for
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) as high as কেন সঠিক: তুলনা বোঝাতে এবং কোনো কিছুর সর্বোচ্চ সীমা প্রকাশ করতে 'as...as' গঠন ব্যবহার করা হয়। এখানে সাইকেলের দাম সর্বোচ্চ কত হতে পারে তা বোঝাতে 'as high as' সঠিক ও স্বাভাবিক ফ্রেজ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) as high as — এটি সঠিক অপশন এবং নিয়ম অনুযায়ী বাক্যটিকে সম্পূর্ণ করে। B) so high as — এই ফ্রেজটি সাধারণত নেতিবাচক বাক্যে বা তুলনার ক্ষেত্রে অন্য নিয়মে ব্যবহৃত হয়। C) as high to — 'high' শব্দের পরে preposition হিসেবে 'to' বসে না। D) as high for — এই গঠনটি ইংরেজি ব্যাকরণ অনুযায়ী সঠিক নয় এবং অর্থ প্রকাশ করে না। মনে রাখার টিপস: দাম বা পরিমাণ সর্বোচ্চ কত হতে পারে তা বোঝাতে সবসময় as high as ব্যবহার করবে।
a as old enough
b old enough
c enough old
d enough old as
0 91 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) old enough কেন সঠিক: - ইংরেজি ব্যাকরণ অনুযায়ী adjective-এর পরে enough বসে। এখানে old হলো adjective এবং তার পরেই enough শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। - বয়স বোঝাতে বা কোনো কিছু করার উপযুক্ততা প্রকাশ করতে positive degree-এর সাথে enough গঠনটি ব্যবহার করতে হয়। - এখানে ১৩ বছর বয়স ভোট দেওয়ার জন্য পর্যাপ্ত নয় তা বোঝাতে old enough গঠনটি সম্পূর্ণ সঠিক হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) as old enough — as-এর সাথে enough একসাথে ব্যবহার করার কোনো নিয়ম নেই এবং এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল গঠন। B) সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়। C) enough old — enough কখনো adjective-এর আগে বসে না, নিয়ম অনুযায়ী তা সবসময় adjective-এর পরে বসে। D) enough old as — এই গঠনটি ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়মের সম্পূর্ণ পরিপন্থী এবং অর্থহীন। মনে রাখার টিপস: সবসময় মনে রাখবে যে adjective-এর পরে enough বসে, যেমন: old enough বা tall enough।
a Accident : delay
b Water : waves
c Event : memories
d Wood : splinters
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Event : memories কেন সঠিক: আগুন নিভে যাওয়ার পর যেমন ছাই বা অবশেষ বাড়ে, তেমনি কোনো ঘটনা ঘটে যাওয়ার পর তার স্মৃতি মনে জমা হয়। মূল জোড়ার কার্যকারণ বা ফলাফলমূলক সম্পর্কের সাথে এই অপশনের মিল সবচেয়ে বেশি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Accident : delay — দুর্ঘটনা ঘটলে সব সময় দেরি হবে এমন কোনো নিশ্চিত সম্পর্ক নেই, যা আগুন ও ছাইয়ের মতো অনিবার্য নয়। B) Water : waves — পানি ও তরঙ্গের সম্পর্ক উপাদানের সাথে রূপের, যা এখানে আগের ঘটনার পর অবশিষ্ট থাকার ধারণাকে বোঝায় না। C) Event : memories — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Wood : splinters — কাঠ ভাঙলে ফালি বা টুকরো হয়, যা ঘটনার পর স্মৃতি জমার মতো বিমূর্ত ফলাফল প্রকাশ করে না। মনে রাখার টিপস: মূল শব্দের জোড়াটি ধ্বংস বা শেষের পরের অবস্থাকে নির্দেশ করে, তাই ঘটনার পরের স্মৃতি এবং আগুন লাগার পরের ছাই একই সম্পর্কযুক্ত।
a gulp : sip
b confide : tell
c scorn : admire
d participate : observe
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) gulp : sip কেন সঠিক: STARE এবং GLANCE শব্দের জোড়াটি তীব্রতা এবং পরিমাপের পার্থক্যের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছে, যেখানে প্রথমটি বড় বা তীব্র এবং দ্বিতীয়টি ছোট বা হালকা রূপ প্রকাশ করে। ঠিক একইভাবে GULP অর্থ গিলে খাওয়া বা একসাথে বেশি খাওয়া এবং SIP অর্থ চুমুক দিয়ে অল্প করে খাওয়া বোঝায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) gulp : sip — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই জোড়াটি মূল প্রশ্নের জোড়ার সাথে সম্পূর্ণ মিলে যায়। B) confide : tell — এখানে কনফাইড অর্থ বিশ্বাস করে কিছু বলা এবং টেল অর্থ সাধারণ বলা, যা তীব্রতার পার্থক্য প্রকাশ করে না। C) scorn : admire — এখানে স্কর্ন অর্থ ঘৃণা করা এবং অ্যাডমায়ার অর্থ প্রশংসা করা, যা একে অপরের সম্পূর্ণ বিপরীতার্থক শব্দ। D) participate : observe — এখানে পার্টিসিপেট অর্থ অংশগ্রহণ করা এবং অবজার্ভ অর্থ পর্যবেক্ষণ করা, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন দুটি কাজের নাম। মনে রাখার টিপস: শব্দ জোড়ার সম্পর্ক বোঝার জন্য প্রথম শব্দটি তীব্র বা বড় এবং দ্বিতীয় শব্দটি মৃদু বা ছোট কি না তা খেয়াল রাখতে হবে।
a Universal
b Mistaken
c Quaint
d Clear
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Mistaken কেন সঠিক: EQUIVOCAL শব্দের অর্থ হলো দ্ব্যর্থক বা যা স্পষ্ট নয়, যার একাধিক অর্থ হতে পারে। তাই এর কাছাকাছি বা বিপরীতার্থক অর্থে ভুল বা বিভ্রান্তিকর বোঝাতে MISTAKEN সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Universal — এর অর্থ সার্বজনীন বা বিশ্বজনীন, যা EQUIVOCAL শব্দের সাথে মিলে না। B) Mistaken — এর অর্থ ভুল বা বিভ্রান্ত, যা এই প্রশ্নের উত্তরের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। C) Quaint — এর অর্থ প্রাচীন বা অদ্ভুত সুন্দর, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Clear — এর অর্থ স্পষ্ট, যা EQUIVOCAL শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: EQUIVOCAL শব্দটিতে ইকুয়াল বা সমান শব্দ লুকিয়ে আছে, যার অর্থ সমানভাবে দুই বা ততোধিক অর্থ প্রকাশ করা এবং এর সাথে ভুল বা অস্পষ্টতার মিল রয়েছে।
a seamstress : scissors
b stenographer : typewriter
c painter : brush
d lawyer : brief
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) seamstress : scissors কেন সঠিক: - প্রদত্ত জোড়ায় 'Carpenter' (কাঠমিস্ত্রী) তার পেশাগত কাজের জন্য প্রধান হাতিয়ার হিসেবে 'Saw' (করাত) ব্যবহার করে। - 'Seamstress' (দর্জি) তার পেশাগত কাজের জন্য প্রধান হাতিয়ার হিসেবে 'Scissors' (কাঁচি) ব্যবহার করে, যা একই রকম কার্যগত সম্পর্ক প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) seamstress : scissors - এটি সঠিক সম্পর্কযুক্ত, কারণ দর্জি কাঁচি ব্যবহার করে কাজ করেন। B) stenographer : typewriter - স্টেনোগ্রাফার টাইপরাইটার বা শর্টহ্যান্ড ব্যবহার করেন, কিন্তু এটি সরাসরি কাটার বা গড়ার হাতিয়ারের নিখুঁত সম্পর্ক নয়। C) painter : brush - পেইন্টারের মূল হাতিয়ার ব্রাশ হলেও মূল প্রশ্নের কাঠমিস্ত্রী ও করাতির সম্পর্কের সঙ্গে দর্জি ও কাঁচির সম্পর্ক অধিক সাদৃশ্যপূর্ণ। D) lawyer : brief - আইনজীবী ব্রিফ বা মামলার নথিপত্র নিয়ে কাজ করেন, যা কোনো শারীরিক কাটার বা তৈরির হাতিয়ার নয়। মনে রাখার টিপস: পেশা এবং তার প্রধান হাতিয়ারের সম্পর্ক মনে রাখতে ব্যক্তি ও তার কাজের মূল যন্ত্রটিকে পাশাপাশি মিলিয়ে দেখতে হবে।
a ৪৮ ফুট
b ৪১ ফুট
c ৪৪ ফুট
d ৪৩ ফুট
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪১ ফুট প্রদত্ত তথ্য: বাড়িটির উচ্চতা = ৪০ ফুট দেয়াল থেকে মইয়ের দূরত্ব = ৯ ফুট ধরি, মইয়ের দৈর্ঘ্য = অতিভুজ বাড়িটির উচ্চতা = লম্ব মইয়ের দূরত্ব = ভূমি অতএব, লম্বের বর্গ = ৪০ × ৪০ = ১৬০০ ভূমির বর্গ = ৯ × ৯ = ৮১ অতিভুজের বর্গ = ১৬০০ + ৮১ = ১৬৮১ সুতরাং, মইয়ের দৈর্ঘ্য = √১৬৮১ উত্তর: ৪১ ফুট
a ৯/২০
b ৩/৫
c ১১/১৫
d ১১/৩০
0 118 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৯/২০ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম মেশিন কাজটি করতে পারে ৪ ঘণ্টায় দ্বিতীয় মেশিন কাজটি করতে পারে ৫ ঘণ্টায় ধরি, সম্পূর্ণ কাজ = ১ অংশ অতএব, প্রথম মেশিন ১ ঘণ্টায় করে ১/৪ অংশ কাজ দ্বিতীয় মেশিন ১ ঘণ্টায় করে ১/৫ অংশ কাজ সুতরাং, দুটি মেশিন একত্রে ১ ঘণ্টায় করবে (১/৪ + ১/৫) অংশ কাজ = ৯/২০ অংশ কাজ উত্তর: ৯/২০ অংশ
a ৬০ জন
b ৮০ জন
c ১০০ জন
d ১২০ জন
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৬০ জন প্রদত্ত তথ্য: পাস করেছে ৩০% পরীক্ষার্থী ফেল করেছে ১০০% − ৩০% = ৭০% পরীক্ষার্থী ধরি, মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা = ক জন অতএব, ফেল করেছে এমন পরীক্ষার্থীর সংখ্যা = ক এর ৭০% ক এর ৭০% = ১২ + ৩০ সুতরাং, ক এর ৭০% = ৪২ ক = ৪২ × ১০০ ÷ ৭০ = ৬০ উত্তর: ৬০ জন
a লাভ লোকসান কিছুই হয় নি
b ৯০০ টাকা
c ৩০০ টাকা
d ১২০ টাকা
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩০০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: প্রতিটি চেয়ারের বিক্রয়মূল্য ৩৬০০ টাকা একটি চেয়ার ২০% লাভে এবং অন্যটি লোকসানে বিক্রয় করা হয়েছে ধরি, প্রথম চেয়ারের ক্রয়মূল্য = ক টাকা দ্বিতীয় চেয়ারের ক্রয়মূল্য = খ টাকা লোকসানের পরিমাণ = ৩০০ টাকা অতএব, প্রথম চেয়ারের ক্ষেত্রে, ক + ক এর ২০% = ৩৬০০ ক এর ১২০% = ৩৬০০ হলে, ক = ৩০০০ টাকা দ্বিতীয় চেয়ারের ক্ষেত্রে, লোকসান ৩০০ টাকা হলে বিক্রয়মূল্য ৩৩০০ টাকা সুতরাং, মোট ক্রয়মূল্য = ৩০০০০ + ৩৯০০ = ৭৫০০ টাকা মোট বিক্রয়মূল্য = ৩৬০০ + ৩৬০০ = ৭২০০ টাকা উত্তর: মোট লোকসান = ৭৫০০ − ৭২০০ = ৩০০ টাকা
a ৮/১৫ ঘণ্টা
b ৩/৪ ঘণ্টা
c ৫/৪ ঘণ্টা
d ২/৩ ঘণ্টা
0 95 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫/৪ ঘণ্টা প্রদত্ত তথ্য: প্রথম পাইপে চৌবাচ্চাটি সম্পূর্ণ ভর্তি হয় ৫ ঘণ্টায় দ্বিতীয় পাইপে চৌবাচ্চাটি সম্পূর্ণ ভর্তি হয় ৩ ঘণ্টায় ধরি, সম্পূর্ণ চৌবাচ্চার কাজের পরিমাণ = ১ অংশ অতএব, প্রথম পাইপে ১ ঘণ্টায় পূর্ণ হয় ১/৫ অংশ দ্বিতীয় পাইপে ১ ঘণ্টায় পূর্ণ হয় ১/৩ অংশ সুতরাং, দুটি পাইপ একত্রে ১ ঘণ্টায় পূর্ণ করে (১/৫ + ১/৩) অংশ = ৮/১৫ অংশ উত্তর: চৌবাচ্চাটির ২/৩ অংশ পূর্ণ করতে সময় লাগে (২/৩) ÷ (৮/১৫) = ৫/৪ ঘণ্টা
a ২৪
b ২৩
c ২২
d ২১
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২৪ প্রদত্ত তথ্য: ঢাকা থেকে টাঙ্গাইলের মোট দূরত্ব = ৪৫ মাইল করিমের হাঁটার গতি = প্রতি ঘণ্টায় ৩ মাইল রহিমের হাঁটার গতি = প্রতি ঘণ্টায় ৪ মাইল ধরি, করিম ১ ঘণ্টায় একা হেঁটে যায় = ৩ মাইল বাকি থাকে মোট দূরত্ব = ৪৫ − ৩ = ৪২ মাইল অতএব, করিম ও রহিমের একত্রে হাঁটার গতি = ৩ + ৪ = ৭ মাইল প্রতি ঘণ্টা মুখোমুখি মিলিত হতে সময় লাগে = ৪২ ÷ ৭ = ৬ ঘণ্টা সুতরাং, রহিম হেঁটেছে = ৬ ঘণ্টা × ৪ মাইল = ২৪ মাইল উত্তর: ২৪ মাইল
a ২৮ ফুট
b ৩৬.৮ ফুট
c ৪৯.৬ ফুট
d ৪৬ফুট
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪৯.৬ ফুট প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তাকার ক্ষেত্রের ব্যাস = ৫৬ ফুট ধরি, বৃত্তাকার ক্ষেত্রের ব্যাসার্ধ r = ৫৬ ÷ ২ = ২৮ ফুট বর্গক্ষেত্রের এক বাহুর দৈর্ঘ্য = x ফুট অতএব, বৃত্তাকার ক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = পাই × r × r বৃত্তাকার ক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = ২২ ÷ ৭ × ২৮ × ২৮ = ২৪৬৪ বর্গফুট সুতরাং, বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = x এর বর্গ = ২৪৬৪ x = √২৪৬৪ = ৪৯.৬ ফুট উত্তর: ৪৯.৬ ফুট
a ৪৯৯৯
b ৫৫০১
c ৫০৫০
d ৫০০১
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫০৫০ প্রদত্ত তথ্য: ধারাবাহিক সংখ্যা ১ হতে ১০০ পর্যন্ত প্রথম পদ = ১ শেষ পদ = ১০০ ধরি, পদের সংখ্যা n = ১০০ সমান্তর ধারার যোগফলের সূত্র প্রয়োগ করি অতএব, যোগফল = (প্রথম পদ + শেষ পদ) × (পদের সংখ্যা ÷ ২) মান বসিয়ে পাই, যোগফল = (১ + ১০০) × (১০০ ÷ ২) হিসাব করে পাই, যোগফল = ১০১ × ৫০ সুতরাং, ১০১ গুণ ৫০ সমান ৫১৫০ ভুল, সঠিক গুণফল হবে ১০১ × ৫০ = ৫০৫০ উত্তর: ৫০৫০
a ২১
b ২৩
c ২৪
d ২২
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২২ প্রদত্ত তথ্য: ১২ ও ৯৬ সংখ্যা দুটি সহ ৪ দ্বারা বিভাজ্য সংখ্যা নির্ণয় করতে হবে। এখানে প্রথম সংখ্যা ১২ এবং শেষ সংখ্যা ৯৬। ধরি, প্রথম সংখ্যা ক = ১২ শেষ সংখ্যা ল = ৯৬ সাধারণ অন্তর d = ৪ অতএব, সমানান্তর ধারার সূত্র অনুযায়ী, শেষ পদ = প্রথম সংখ্যা + (পদসংখ্যা − ১) × সাধারণ অন্তর। এখানে ৯৬ = ১২ + (ন − ১) × ৪ দ্বিতীয় হিসাব, ৯৬ − ১২ = (ন − ১) × ৪ ৮৪ = (ন − ১) × ৪ তৃতীয় হিসাব, ৮৪ ÷ ৪ = ন − ১ ২১ = ন − ১ সুতরাং, ন = ২১ + ১ ন = ২২ উত্তর: ২২
a ১৬
b ১৮
c ২০
d ২৪
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৮ প্রদত্ত তথ্য: একটি সংখ্যার তিনগুণের সাথে দ্বিগুণ যোগ করলে যোগফল ৯০ হয় ধরি, অজানা সংখ্যাটি = ক সংখ্যাটির তিনগুণ = ৩ক সংখ্যাটির দ্বিগুণ = ২ক অতএব, শর্তমতে লেখা যায়, ৩ক + ২ক = ৯০ সুতরাং, ৫ক = ৯০ ক = ৯০ ÷ ৫ উত্তর: ১৮
a ৫৮৫
b ৫৮০
c ৫৭৫
d ৫৭০
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৫৮৫ প্রদত্ত তথ্য: পরপর দশটি সংখ্যা দেওয়া আছে যার প্রথম পাঁচটির যোগফল পাঁচশত ষাট ধরি, প্রথম সংখ্যাটি ক সংখ্যাগুলি ক, ক+১, ক+২, ক+৩, ক+৪, ক+৫, ক+৬, ক+৭, ক+৮, ক+৯ অতএব, প্রথম পাঁচটি সংখ্যার যোগফল = ৫ক + ১০ = ৫৬০ ৫ক = ৫৫০ ক = ১১০ সুতরাং, শেষ পাঁচটি সংখ্যার যোগফল = ৫ক + ৩৫ = ৫ × ১১০ + ৩৫ = ৫৫০ + ৩৫ = ৫৮৫ উত্তর: ৫৮৫
a ৩৩/৫০
b ৮/১১
c ৩/৫
d ১১/১৭
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৮/১১ প্রدত্ত তথ্য: তুলনা করার জন্য মূল ভগ্নাংশটি হলো দুই তিন অংশ অপশনগুলোর মান যাচাই করতে হবে ধরি, মূল ভগ্নাংশটি সমান দুই ভাগ তিন ভাগ অতএব, প্রথম অপশন তেত্রিশ পঞ্চাশ অংশ সমান শূন্য দশমিক ছিয়াষক্তি দ্বিতীয় অপশন আট এগারো অংশ সমান শূন্য দশমিক সাত দুই সাত সুতরাং, প্রাপ্ত মানে আট এগারো অংশ বড় দুই তিন অংশ থেকে উত্তর: আট এগারো অংশ
a -24
b -2
c 8
d 2
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৮ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সমীকরণটি হলো x + ৫y = ১৬ দ্বিতীয় সমীকরণটি হলো x = −৩y ধরি, x এর মান প্রথম সমীকরণে বসিয়ে পাই −৩y + ৫y = ১৬ অতএব, ২y = ১৬ y = ১৬ ÷ ২ সুতরাং, y এর মান হিসাব করে পাই ৮ উত্তর: ৮
a ৫
b ৯
c ৬
d ১০
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৯ প্রদত্ত তথ্য: ৬, ৮ এবং ১০ এর গাণিতিক গড় দেওয়া আছে ৭, ৮ এবং অজানা একটি সংখ্যার গাণিতিক গড় সমান ধরি, অজানা সংখ্যাটি = ক অতএব, ৬, ৮ ও ১০ এর সমষ্টি = ৬ + ৮ + ১০ = ২৪ এই সংখ্যাগুলোর গড় = ২৪ ÷ ৩ = ৮ সুতরাং, ৭, ৮ ও ক এর সমষ্টির গড় = ৮ ৭ + ৮ + ক = ৮ × ৩ = ২৪ উত্তর: ক = ২৪ − ১৫ = ৯
a ৮ মিনিট ২০ সেকেন্ড
b ৮ মিনিট ১০ সেকেন্ড
c ২০ মিনিট ৮ সেকেন্ড
d ১ ঘণ্টা ২০ মিনিট
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৮ মিনিট ২০ সেকেন্ড কেন সঠিক: - সূর্য থেকে পৃথিবীর গড় দূরত্ব প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার এবং আলোর গতি প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩ লক্ষ কিলোমিটার। - এই দূরত্ব অতিক্রম করতে সূর্যের আলোর সময় লাগে প্রায় ৫০০ সেকেন্ড, যা মিনিটে রূপান্তর করলে হয় ৮ মিনিট ২০ সেকেন্ড। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৮ মিনিট ২০ সেকেন্ড — এটি সঠিক উত্তর কারণ হিসাব অনুযায়ী আলো আসতে ঠিক এই সময়ই লাগে। B) ৮ মিনিট ১০ সেকেন্ড — এই সময়টি ভুল কারণ এটি সঠিক হিসাবের চেয়ে ১০ সেকেন্ড কম। C) ২০ মিনিট ৮ সেকেন্ড — এটি সঠিক উত্তরের উল্টো সংখ্যা, যা পৃথিবী থেকে সূর্যের দূরত্বের আলোর গতির সঙ্গে মেলে না। D) ১ ঘণ্টা ২০ মিনিট — এই সময়টি অতিরিক্ত বেশি এবং এটি শনি বা ইউরেনাসের মতো দূরের গ্রহের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। মনে রাখার টিপস: সূর্য থেকে আলো আসতে সময় লাগে সংখ্যা মনে রাখার সহজ উপায় হলো ৫০০ সেকেন্ডকে ৬০ দিয়ে ভাগ করলে ৮ মিনিট ২০ সেকেন্ড পাওয়া যায়।
a তিন নম্বর সেক্টর
b দুই নম্বর সেক্টর
c চার নম্বর সেক্টর
d এক নম্বর সেক্টর
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দুই নম্বর সেক্টর কেন সঠিক: - মুক্তিযুদ্ধের সময় সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল এবং ঢাকা জেলা দুই নম্বর সেক্টরের অন্তর্ভুক্ত ছিল। - এই সেক্টরের প্রথম কমান্ডার ছিলেন মেজর খালেদ মোশাররফ এবং পরবর্তীতে এ টি এম হায়দার এর দায়িত্ব পালন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) তিন নম্বর সেক্টর — এই সেক্টরের অধীনে ঢাকা ছিল না, এটি মূলত হাওড় অঞ্চল ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া এলাকা নিয়ে গঠিত ছিল। B) দুই নম্বর সেক্টর — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, যা ঢাকা ও এর আশপাশের এলাকা নিয়ে গঠিত ছিল। C) চার নম্বর সেক্টর — এই সেক্টরটি মূলত সিলেট জেলার পূর্বাঞ্চল নিয়ে গঠিত ছিল, তাই এটি সঠিক নয়। D) এক নম্বর সেক্টর — এই সেক্টরটি চট্টগ্রাম ও পাহাড়ি এলাকা নিয়ে গঠিত ছিল, তাই ঢাকার সঙ্গে এর মিল নেই। মনে রাখার টিপস: ঢাকা মানে দুই নম্বর সেক্টর, যেখানে যুদ্ধ করেছিলেন বীর উত্তম খালেদ মোশাররফ।
a ইস্পাত
b হীরা
c লোহা
d সোনা
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) হীরা কেন সঠিক: - হীরা খাঁটি কার্বনের একটি স্ফটিক রূপ এবং প্রাকৃতিক বিশ্বে মোহস স্কেলে এর কাঠিন্য সর্বোচ্চ ১০। - এর কার্বন পরমাণুগুলো অত্যন্ত শক্তিশালী সমযোজী বন্ধনে আবদ্ধ থাকায় এটি কাটার কাজে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইস্পাত — এটি লোহা ও কার্বনের সংকর ধাতু হলেও হীরার তুলনায় অনেক নরম। B) হীরা — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) লোহা — এটি একটি ধাতু যার কাঠিন্য হীরা বা ইস্পাত থেকে অনেক কম। D) সোনা — এটি অত্যন্ত নরম ও নমনীয় ধাতু, তাই এটি শক্ত বস্তুর তালিকায় পড়ে না। মনে রাখার টিপস: প্রকৃতির সবচেয়ে শক্ত বস্তু হলো হীরা, যার কাঠিন্যের মান মোহস স্কেলে সর্বোচ্চ।
a জনগনের সেবা করবার
b রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করবার
c সরকারের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করবার
d সংবিধানের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করবার
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জনগনের সেবা করবার কেন সঠিক: - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ২১(২) অনুচ্ছেদে প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত সকল ব্যক্তির জন্য জনগণের সেবা করার কথা স্পষ্টভাবে বাধ্যতামূলক দায়িত্ব হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। - রাষ্ট্রে কর্মরত প্রতিটি কর্মচারীর মূল লক্ষ্য হলো জনকল্যাণ নিশ্চিত করা এবং জনগণের সেবা করার মানসিকতা বজায় রাখা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জনগনের সেবা করবার — এটি সংবিধানের ২১(২) ধারার মূল বিধান এবং প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের প্রধান সাংবিধানিক কর্তব্য। B) রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করবার — রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করা নাগরিক ও কর্মচারীদের সাধারণ কর্তব্য হলেও ২১(২) ধারার নির্দিষ্ট শূন্যস্থানে এটি প্রযোজ্য নয়। C) সরকারের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করবার — সংবিধানের ২১ ধারায় সরকারের প্রতি আনুগত্যের পরিবর্তে প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত ব্যক্তিদের জনগণের সেবা করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। D) সংবিধানের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করবার — সংবিধানের প্রতি আনুগত্য প্রকাশের বিষয়টি শপথ গ্রহণের সঙ্গে সম্পর্কিত, যা এই নির্দিষ্ট ধারার শূন্যস্থানের জন্য সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: সংবিধানের একুশ মানেই জনগণের সেবা করা। প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের মূল দায়িত্ব হলো জনগণ।
a ৩০ বছর
b ২৫ বছর
c ২৫ বছর
d ৪০ বছর
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: B) ২৫ বছর (প্রদত্ত উত্তরে সি এবং বি অপশনে একই উত্তর থাকায় প্রমিত নিয়ম অনুযায়ী ২৫ বছর বয়সটিকে সঠিক হিসেবে ধরা হলো) কেন সঠিক: - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪৮ এর অনুচ্ছেদ ৪ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি পদের জন্য ন্যূনতম বয়স ৩৫ বছর এবং অনুচ্ছেদ ৬৬ এর অনুচ্ছেদ ১ অনুযায়ী সংসদ সদস্য পদের জন্য ন্যূনতম বয়স ২৫ বছর নির্ধারিত আছে। - প্রধানমন্ত্রী হতে হলে সংসদ সদস্য হতে হয় এবং দেশের সংবিধান অনুযায়ী সংসদ সদস্য পদের ন্যূনতম বয়সসীমা ২৫ বছর বলেই প্রধানমন্ত্রী হওয়ার ন্যূনতম বয়সও ২৫ বছর নির্ধারিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩০ বছর — এই বয়সে বাংলাদেশের সংসদ সদস্য বা প্রধানমন্ত্রী হওয়া যায় না, তবে সংবিধান অনুযায়ী ৩০ বছর বয়স নির্ধারিত আছে শুধুমাত্র উচ্চকক্ষ বা নির্দিষ্ট সাংবিধানিক পদের ক্ষেত্রে। B) ২৫ বছর — এটি বাংলাদেশের সংসদ সদস্য ও প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য সংবিধান নির্ধারিত সর্বনিম্ন বয়সসীমা হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। C) ২৫ বছর — বিকল্পে একই বয়স থাকায় এটিও সঠিক বয়সের মান নির্দেশ করে, যা সংসদ সদস্য পদের যোগ্যতার সাথে মিলে যায়। D) ৪০ বছর — এই বয়স বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বা সংসদ সদস্য হওয়ার ন্যূনতম শর্ত নয়, এটি অন্য কোনো বিশেষ পদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। মনে রাখার টিপস: সংসদে বসার বয়স পঁচিশ, তাই প্রধানমন্ত্রী হতে হলেও বয়স পঁচিশ বছর লাগবে।
a জাপান
b যুক্তরাষ্ট্র
c মিশর
d মালয়েশিয়া
0 125 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জাপান কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ বিনিয়োগ তথ্য অনুযায়ী সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশে সর্বোচ্চ সরাসরি বৈদেশিক বিনিয়োগ এসেছে জাপান থেকে। - জাপানি বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল বিশেষ করে আড়াইহাজারে কারখানা স্থাপন করে বিনিয়োগ বৃদ্ধি করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাপান — এটি বর্তমানের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সরাসরি বৈদেশিক বিনিয়োগকারী দেশ হিসেবে সঠিক উত্তর। B) যুক্তরাষ্ট্র — অতীতে এই দেশটি থেকে অনেক বিনিয়োগ আসলেও বর্তমানে বিনিয়োগের পরিমাণ জাপানের তুলনায় কম। C) মিশর — এই দেশটি থেকে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে সরাসরি বৈদেশিক বিনিয়োগের পরিমাণ অত্যন্ত নগণ্য। D) মালয়েশিয়া — অতীতে কিছু বিনিয়োগ থাকলেও বর্তমানে এটি শীর্ষ বিনিয়োগকারী দেশের তালিকায় নেই। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশে বিনিয়োগের রাজা জাপান, মনে রেখো সূর্যোদয়ের দেশের অবদান।
a স্থপতি
b ক্যান্সার চিকিৎসক
c আণবিক বিজ্ঞানী
d কম্পিউটার বিজ্ঞানী
0 96 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) স্থপতি কেন সঠিক: - ফজলুর রহমান খান বা এফ, আর, খান ছিলেন বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কাঠামোগত প্রকৌশলী ও স্থপতি। - শিকাগোর বিখ্যাত উইলিস টাওয়ার এবং জন হ্যানকক সেন্টারের মতো আকাশচুম্বী ভবন ডিজাইনে তিনি টিউবুলার স্ট্রাকচার সিস্টেম আবিষ্কার করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্থপতি — তিনি কাঠামোগত প্রকৌশল ও স্থাপত্যবিদ্যায় অনন্য অবদানের জন্য বিশ্বজুড়ে সমাদৃত ছিলেন। B) ক্যান্সার চিকিৎসক — তিনি চিকিৎসাবিজ্ঞানের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না, তার ক্ষেত্র ছিল প্রকৌশল ও স্থাপত্য। C) আণবিক বিজ্ঞানী — তিনি পদার্থবিজ্ঞান বা পারমাণবিক গবেষণার সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন না। D) কম্পিউটার বিজ্ঞানী — তিনি আধুনিক কম্পিউটিং প্রযুক্তির উন্নয়নের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। মনে রাখার টিপস: এফ, আর, খান মানেই উঁচু ভবনের রূপকার এবং বিখ্যাত স্থপতি।
a হাতী
b কুমির
c তিমি
d বাদুর
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কুমির কেন সঠিক: - কুমির স্তন্যপায়ী প্রাণী নয়, এটি সরীসৃপ শ্রেণীর প্রাণী কারণ এরা ডিম পাড়ে এবং এদের দেহ আঁশযুক্ত। - স্তন্যপায়ী প্রাণীর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এরা সন্তান প্রসব করে এবং মায়ের দুধ পান করে বড় হয়, যা কুমিরের ক্ষেত্রে অনুপস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাতী — এটি একটি বিশাল আকারের স্তন্যপায়ী প্রাণী যা সরাসরি বাচ্চা প্রসব করে এবং মাতৃস্তন থেকে দুধ পান করায়। B) কুমির — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, এটি সরীসৃপ শ্রেণীর প্রাণী এবং পানিতে বা ডাঙ্গায় ডিম পাড়ে। C) তিমি — এটি জলচর হলেও স্তন্যপায়ী প্রাণী, যা ফুসফুসের সাহায্যে শ্বাস নেয় এবং বাচ্চা প্রসব করে। D) বাদুর — এটি একমাত্র উড়তে সক্ষম স্তন্যপায়ী প্রাণী যা পাখি না হয়েও বাচ্চা প্রসব করে ও স্তন্যপান করায়। মনে রাখার টিপস: কুমির ডিম পাড়ে তাই এটি স্তন্যপায়ী নয়, অন্যদিকে তিমি ও বাদুর দেখতে আলাদা হলেও এরা উভয়েই বাচ্চা প্রসব করে এবং স্তন্যপায়ী।
a হ্যালীর ধূমকেতু
b হেল-বপ ধূমকেতু
c শুমেকার লেভী ধূমকেতু
d কোনটিই নয়
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) হেল-বপ ধূমকেতু কেন সঠিক: - হেল-বপ ধূমকেতু ১৯৯৭ সালে পৃথিবী থেকে খালি চোখে দীর্ঘ ১৮ মাস দৃশ্যমান ছিল, যা একে শতাব্দীর সবচেয়ে উজ্জ্বল ধূমকেতুতে পরিণত করেছে। - এর নিউক্লিয়াস বা কেন্দ্রটি অন্যান্য ধূমকেতুর তুলনায় অনেক বড় হওয়ায় এটি থেকে প্রচুর ধূলিকণা ও গ্যাস নির্গত হয়ে অতিরিক্ত উজ্জ্বলতার সৃষ্টি করেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হ্যালীর ধূমকেতু — এটি ইতিহাসের সবচেয়ে বিখ্যাত ও নিয়মিত দৃশ্যমান ধূমকেতু হলেও হেল-বপের মতো শতাব্দীর সবচেয়ে উজ্জ্বল ধূমকেতু নয়। B) হেল-বপ ধূমকেতু — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং ১৯৯৭ সালে খালি চোখে দৃশ্যমান সবচেয়ে উজ্জ্বল ধূমকেতু হিসেবে স্বীকৃত। C) শুমেকার লেভী ধূমকেতু — এটি ১৯৯৪ সালে বৃহস্পতি গ্রহে আঘাত হানার জন্য বিখ্যাত, শতাব্দীর সবচেয়ে উজ্জ্বল ধূমকেতু নয়। D) কোনটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশন বি তে বিদ্যমান, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: হেল-বপ ধূমকেতুর 'বপ' শব্দটি দিয়ে এর বিশাল আকার ও তীব্র উজ্জ্বলতা মনে রাখতে পারেন।
a মঙ্গল গ্রহের একটি উপগ্রহ
b বৃহস্পতি গ্রহের একটি উপগ্রহ
c শনি গ্রহের একটি উপগ্রহ
d পৃথিবী থেকে পাঠানো বৃহস্পতির একটি কৃত্রিম উপগ্রহ
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পৃথিবী থেকে পাঠানো বৃহস্পতির একটি কৃত্রিম উপগ্রহ কেন সঠিক: - এটি নাসা কর্তৃক প্রেরিত একটি মহাকাশযান যা ১৯৯৫ সালে বৃহস্পতি গ্রহে পৌঁছেছিল। - এটি বৃহস্পতি গ্রহ এবং এর উপগ্রহগুলো গবেষণার জন্য পাঠানো প্রথম কৃত্রিম মহাকাশযান বা অরবিটার। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মঙ্গল গ্রহের একটি উপগ্রহ — মঙ্গল গ্রহের নিজস্ব প্রাকৃতিক উপগ্রহ হলো ফোবোস ও ডিমোস, গ্যালিলিও কোনো উপগ্রহ নয়। B) বৃহস্পতি গ্রহের একটি উপগ্রহ — বৃহস্পতির প্রাকৃতিকভাবে অনেক উপগ্রহ আছে, তবে গ্যালিলিও কোনো প্রাকৃতিক উপগ্রহ নয়। C) শনি গ্রহের একটি উপগ্রহ — শনি গ্রহের টাইটানসহ বহু প্রাকৃতিক উপগ্রহ রয়েছে, গ্যালিলিও শনির কোনো উপগ্রহ নয়। D) পৃথিবী থেকে পাঠানো বৃহস্পতির একটি কৃত্রিম উপগ্রহ — এটি সঠিক কারণ এটি পৃথিবী থেকে পাঠানো একটি কৃত্রিম মহাকাশযান। মনে রাখার টিপস: গ্যালিলিও বিজ্ঞানীর নামে নামকরণ করা হয়েছে, যিনি দূরবীক্ষণ যন্ত্র দিয়ে বৃহস্পতির উপগ্রহ আবিষ্কার করেছিলেন এবং এই কৃত্রিম যানটিও বৃহস্পতির জন্যই পাঠানো হয়েছে।
a বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিন
b আইজ্যাক নিউটন
c টমাস এডিসন
d ভোল্টা
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) টমাস এডিসন কেন সঠিক: - টমাস এডিসন ১৮৭৯ সালে দীর্ঘস্থায়ী ও ব্যবহারিক ভাস্বর বাল্ব আবিষ্কার করেন যা সাধারণ মানুষের ঘরে আলো পৌঁছে দেয়। - তিনি বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রথম বাণিজ্যিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করেন এবং আলো জ্বালানোর জন্য প্রয়োজনীয় সম্পূর্ণ বৈদ্যুতিক সিস্টেম তৈরি করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিন — তিনি মূলত তড়িতের প্রকৃতি আবিষ্কার এবং বজ্রনিরোধক যন্ত্র উদ্ভাবন করেছিলেন, মানুষের দৈনন্দিন ব্যবহারের জন্য বিদ্যুৎ বণ্টন ব্যবস্থার সাথে তিনি যুক্ত ছিলেন না। B) আইজ্যাক নিউটন — তিনি পদার্থবিজ্ঞানে গতির সূত্র এবং মহাকর্ষ তত্ত্বের প্রবক্তা, বিদ্যুৎ প্রযুক্তির বিকাশে তার কোনো অবদান নেই। C) টমাস এডিসন — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল অপশন নয়। D) ভোল্টা — Alessandro Volta প্রথম রাসায়নিক ব্যাটারি বা ভোল্টীয় পাইল আবিষ্কার করেছিলেন, যা বিদ্যুৎ উৎপাদনের উৎস হলেও সাধারণ মানুষের কাজে লাগানোর সামগ্রিক অবকাঠামো তিনি বানাননি। মনে রাখার টিপস: ঘরে ঘরে বাতির আলো জ্বেলে সাধারণ মানুষের জীবন সহজ করেছিলেন টমাস এডিসন।
a ছায়াবৃত্ত
b গুরুবৃত্ত
c ঊষা
d গোধূলি
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ছায়াবৃত্ত কেন সঠিক: - পৃথিবীর যে অংশ সূর্যের আলো পায় তা আলোকিত এবং অপর অংশ অন্ধকার থাকে। - এই আলোকিত ও অন্ধকার অংশের সংযোগকারী কাল্পনিক রেখাকে ছায়াবৃত্ত বা সমরাত্র রেখা বলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ছায়াবৃত্ত — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ভূপৃষ্ঠের আলোক ও অন্ধকারের সংযোগস্থল। B) গুরুবৃত্ত — গোলকের কেন্দ্র দিয়ে অতিক্রমকারী বৃহত্তম বৃত্ত যা দূরত্বের সংক্ষিপ্ত পথ নির্দেশ করে। C) ঊষা — সূর্য ওঠার ঠিক আগের স্বল্পস্থায়ী আলোর সময়কালকে ঊষা বলা হয়। D) গোধূলি — সূর্য ডোবার ঠিক পরের স্বল্পস্থায়ী আলোর সময়কালকে গোধূলি বলা হয়। মনে রাখার টিপস: ছায়া অর্থ অন্ধকার আর বৃত্ত অর্থ রেখা, তাই অন্ধকার ও আলোর সংযোগকারী বৃত্ত হলো ছায়াবৃত্ত।
a ৭৫ সেমি
b ৭৬ সেমি
c ৭২ সেমি
d ৭৭ সেমি
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৭৬ সেমি কেন সঠিক: - সমুদ্রপৃষ্ঠে প্রমাণ বায়ুমণ্ডলীয় চাপ পারদ স্তম্ভের ৭৬ সেন্টিমিটার উচ্চতার সমান হয়। - এই চাপকে আদর্শ বা স্বাভাবিক বায়ুমণ্ডলীয় চাপ হিসেবে ধরা হয়, যা বায়ুর ওজনের কারণে সৃষ্টি হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৭৫ সেমি — এটি সমুদ্রপৃষ্ঠের স্বাভাবিক বায়ুমণ্ডলীয় চাপের সঠিক পরিমাপ নয়। B) ৭৬ সেমি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) ৭২ সেমি — এটি স্বাভাবিক বায়ুচাপের চেয়ে কম এবং এর কোনো ভৌগোলিক বা বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। D) ৭৭ সেমি — এটি স্বাভাবিক বায়ুচাপের চেয়ে বেশি এবং ভুল পরিমাপ। মনে রাখার টিপস: সমুদ্রের তীরে স্বাভাবিক বাতাস ৭৬ সেমি পারদ চাপ দেয়, সংখ্যাটি মনে রাখতে ৭ ও ৬ ব্যবহার করো।
a হরমুজ
b জিব্রাল্টার
c বসফরাস
d দার্দানেলিস
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জিব্রাল্টার কেন সঠিক: - জিব্রাল্টার প্রণালী ইউরোপের স্পেন ও আফ্রিকার মরক্কোর মাঝে অবস্থিত হয়ে ভূমধ্যসাগরকে আটলান্টিক মহাসাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে। - এটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সামুদ্রিক পথ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হরমুজ — এটি ওমান উপসাগর ও পারস্য উপসাগরকে যুক্ত করেছে, যা ভূমধ্যসাগর ও আটলান্টিকের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) জিব্রাল্টার — এটিই সঠিক উত্তর যা ভূমধ্যসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরকে সংযুক্ত করে। C) বসফরাস — এটি কৃষ্ণ সাগর ও মারমারা সাগরকে যুক্ত করেছে, যা এই প্রশ্নের জন্য প্রযোজ্য নয়। D) দার্দানেলিস — এটি এজিয়ান সাগর ও মারমারা সাগরকে যুক্ত করেছে, যা আটলান্টিক বা ভূমধ্যসাগরের সংযোগস্থল নয়। মনে রাখার টিপস: জিব্রাল্টার প্রণালী আটলান্টিক মহাসাগর ও ভূমধ্যসাগরকে সংযুক্ত করেছে।
a ধ্রুবতারা
b প্রক্সিমা সেন্টারাই
c লুব্ধক
d পুলহ
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) লুব্ধক কেন সঠিক: - লুব্ধক বা সাইরিয়াস রাতের আকাশের সবচেয়ে উজ্জ্বল নক্ষত্র এবং এটি পৃথিবী থেকে দৃশ্যমান অন্যতম নিকটবর্তী নক্ষত্র। - খালি চোখে দেখা এই নক্ষত্রের ঔজ্জ্বল্য অন্য যেকোনো নক্ষত্রের চেয়ে বেশি হওয়ায় এটি মহাকাশ গবেষণায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধ্রুবতারা — এটি উত্তর গোলার্ধের দিক নির্দেশক একটি নক্ষত্র হলেও আকাশের সবচেয়ে উজ্জ্বল নক্ষত্র নয়। B) প্রক্সিমা সেন্টারাই — এটি সূর্যের সবচেয়ে নিকটবর্তী নক্ষত্র হলেও এর ঔজ্জ্বল্য কম থাকায় খালি চোখে দেখা যায় না। C) লুব্ধক — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে অন্য কোনো ভুল প্রযোজ্য নয়। D) পুলহ — এটি সপ্তর্ষিমণ্ডলের একটি তারা, যা লুব্ধকের মতো এতটা উজ্জ্বল নয়। মনে রাখার টিপস: রাতে আকাশে সবচেয়ে বেশি আলো বা লুব্ধতা ছড়ায় যে তারা, তার নাম লুব্ধক।
a অমাবস্যায়
b একাদশীতে
c অষ্টমীতে
d পঞ্চমীতে
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অমাবস্যায় কেন সঠিক: - সূর্য, পৃথিবী এবং চাঁদ একই সরলরেখায় অবস্থান করলে তাদের মিলিত আকর্ষণের কারণে জোয়ারের তীব্রতা সবচেয়ে বেশি হয়। - অমাবস্যা তিথিতে সূর্য ও চাঁদ পৃথিবীর একই দিকে অবস্থান করায় এই আকর্ষণ সর্বোচ্চ হয়, যাকে তেজ কটাল বা বান বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অমাবস্যায় — এই অপশনটি সঠিক কারণ এই সময়ে সূর্য ও চাঁদের মিলিত আকর্ষণে জোয়ার সবচেয়ে শক্তিশালী হয়। B) একাদশীতে — এই তিথিতে জোয়ারের তীব্রতা কম থাকে কারণ চাঁদ ও সূর্য পৃথিবীর সাপেক্ষে সমকোণে অবস্থান করে। C) অষ্টমীতে — এই সময়ে মরা কটাল হয়, যা তেজ কাটালের বিপরীত এবং জোয়ারের পানি সবচেয়ে কম ফুলে ওঠে। D) পঞ্চমীতে — এই তিথিতে চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণের প্রাবল্য কম থাকায় সাধারণ জোয়ার হয়, তেজ কটাল হয় না। মনে রাখার টিপস: তেজ কটাল মানে শক্তিশালী জোয়ার, যা হয় অমাবস্যা ও পূর্ণিমায় (এক সরলরেখায়)।

মোট প্রশ্ন (32)

a সমুচ্চয়ী
b অনন্বয়ী
c পদান্বয়ী
d অনুকার
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অনন্বয়ী ১. কেন সঠিক: - 'মরি মরি' একটি আবেগবাচক শব্দ যা বাক্যের অন্য পদের সঙ্গে কোনো সরাসরি সম্পর্ক না রেখে স্বাধীনভাবে মনোভাব প্রকাশ করে। - ব্যাকরণ অনুযায়ী যে অব্যয় শব্দ বাক্যের অন্য পদের সঙ্গে সম্পর্ক না রেখে মনের ভাব বা আবেগ প্রকাশ করে তাকে অনন্বয়ী অব্যয় বলে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - অনন্বয়ী অব্যয় বাক্যের অর্থের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং আনন্দ, বেদনা, ঘৃণা কিংবা বিস্ময়ের মতো আবেগ প্রকাশ করে। - এই অব্যয়গুলো বাক্য থেকে বাদ দিলেও বাক্যের মূল ব্যাকরণগত গঠন বা অর্থের বড় কোনো পরিবর্তন হয় না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাহ! কি চমৎকার দৃশ্য এটি। ব্যাখ্যা: এখানে 'বাহ' শব্দটি আনন্দ বা উল্লাস প্রকাশ করেছে এবং এটি একটি অনন্বয়ী অব্যয়। উদাহরণ ২: ছি ছি! তুমি এমন কাজ করলে। ব্যাখ্যা: এখানে 'ছি ছি' শব্দটি ঘৃণা বা লজ্জা প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়েছে এবং এটি অনন্বয়ী অব্যয়ের উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সমুচ্চয়ী — সমুচ্চয়ী অব্যয় পদ, বাক্য বা বাক্যাংশকে যুক্ত বা সংযোজিত করে, যা এখানে ঘটেনি। B) অনন্বয়ী — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি আবেগ বা মনোভাব প্রকাশ করেছে। C) পদান্বয়ী — পদান্বয়ী অব্যয় শব্দের পরে বসে কারক বা বিভক্তির মতো কাজ করে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) অনুকার — অনুকার অব্যয় কোনো কিছুর ধ্বনির অনুকরণে গঠিত হয়, যা এখানে হয়নি। ৫ মনে রাখার টিপস: - বিস্ময়, আনন্দ বা বেদনার প্রকাশ দেখলে অনন্বয়ী অব্যয় দাগাবে। - বাক্যের সাথে অন্য পদের সরাসরি সম্পর্ক না থাকলে এটি অনন্বয়ী অব্যয় হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আবেগ প্রকাশকারী শব্দ কোন অব্যয় তা প্রায়ই আসে। - বাহ, ছি ছি, মরি মরি, বাপরে বাপ ইত্যাদি শব্দ দেখলেই অনন্বয়ী অব্যয় হিসেবে চিহ্নিত করবে।
a ট্রিগেভলাই
b কুর্ট ওয়াল্ডহেইম
c দ্যাগ হ্যামারশোল্ড
d উথান্ট
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দ্যাগ হ্যামারশোল্ড কেন সঠিক: - দ্যাগ হ্যামারশোল্ড ছিলেন জাতিসংঘের দ্বিতীয় মহাসচিব যিনি ১৯৬১ সালে বিমান দুর্ঘটনায় মারা যান। - কঙ্গো সংকট সমাধানের জন্য আফ্রিকায় যাত্রাকালে রোডেশিয়ায় তাঁর বিমানটি রহস্যজনকভাবে বিধ্বস্ত হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সাধারণ জ্ঞান ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ইতিহাস থেকে এই প্রশ্নটি করা হয়েছে। - বিশ্বশান্তি রক্ষা এবং জাতিসংঘের ইতিহাস সংক্রান্ত সাধারণ জ্ঞানে এই তথ্যটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - নোবেল শান্তি পুরস্কারের ইতিহাসে তিনিই একমাত্র ব্যক্তি যিনি মরণোত্তর এই সম্মান লাভ করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) ট্রিগেভলাই — তিনি জাতিসংঘের প্রথম মহাসচিব এবং স্বাভাবিকভাবেই মৃত্যুবরণ করেন। - B) কুর্ট ওয়াল্ডহেইম — তিনি জাতিসংঘের চতুর্থ মহাসচিব এবং মেয়াদ শেষে স্বাভাবিক জীবনযাপন করেন। - C) দ্যাগ হ্যামারশোল্ড — এই অপশনটি সঠিক উত্তরের সাথে মিলে গেছে বলে এখানে পুনর্ব্যবহার করা হলো না। - D) উথান্ট — তিনি জাতিসংঘের তৃতীয় মহাসচিব এবং অসুস্থতার পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে মারা যান। মনে রাখার টিপস: - জাতিসংঘের একমাত্র বিমান দুর্ঘটনায় নিহত মহাসচিব হলেন দ্যাগ হ্যামারশোল্ড। - তাঁর নাম মনে রাখতে ড দিয়ে দ্যাগ এবং দুর্ঘটনা শব্দটি মিলিয়ে নিতে পারো।
a চার্চিল
b কিসিঞ্জার
c দ্য গল
d রুজভেল্ট
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চার্চিল কেন সঠিক: উইনস্টন চার্চিল ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ছিলেন এবং তিনি একজন সফল রাজনীতিবিদ হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিত। তিনি রাজনৈতিক স্মৃতিকথা এবং ঐতিহাসিক রচনার জন্য ১৯৫৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: সাহিত্য বলতে কেবল কাল্পনিক গল্প বা কবিতা বোঝায় না, বরং উচ্চমানের গদ্য, ইতিহাস ও স্মৃতিকথাও এর অন্তর্ভুক্ত। চার্চিলের সুনিপুণ ঐতিহাসিক লেখনশৈলী এবং রাজনৈতিক প্রজ্ঞা তাকে এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার এনে দেয়। যেমন, তার রচিত দ্য সেকেন্ড ওয়ার্ল্ড ওয়ার গ্রন্থটি বিশ্ব সাহিত্যে এক অনন্য ঐতিহাসিক দলিল হিসেবে স্বীকৃত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চার্চিল — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয় বরং গ্রাহ্য। B) কিসিঞ্জার — হেনরি কিসিঞ্জার মার্কিন রাজনীতিবিদ হলেও তিনি সাহিত্যে নয়, বরং শান্তির জন্য নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন। C) দ্য গল — চার্লস দ্য গল ফ্রান্সের রাষ্ট্রনায়ক ছিলেন কিন্তু তিনি কখনো সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পাননি। D) রুজভেল্ট — ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট মার্কিন প্রেসিডেন্ট হলেও সাহিত্যের জন্য নোবেল পুরস্কার অর্জন করেননি। মনে রাখার টিপস: চার্চিল ছিলেন ব্রিটিশ নেতা যিনি সাহিত্য চর্চায় নোবেল পেয়েছিলেন। রাজনীতিবিদদের মধ্যে একমাত্র চার্চিলই সাহিত্যে নোবেল জয়ের গৌরব অর্জন করেন।
a তেলের খনির মালিক হিসেবে
b উন্নত ধরনের বিস্ফোরক আবিষ্কার করে
c জাহাজের ব্যবসা করে
d ইস্পাত কারখানার মালিক হিসাবে
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) উন্নত ধরনের বিস্ফোরক আবিষ্কার করে ১. কেন সঠিক: - আলফ্রেড নোবেল মূলত ডায়নামাইটসহ বিভিন্ন উন্নত বিস্ফোরক আবিষ্কার এবং এর বাণিজ্যিক উৎপাদনের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ ধনসম্পদের অধিকারী হয়েছিলেন। - তাঁর আবিষ্কৃত বিস্ফোরক খনি খনন ও নির্মাণের কাজে বিপ্লব ঘটিয়েছিল, যা তাঁর বিশ্বজোড়া ব্যবসার মূল ভিত্তি ছিল। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি সাধারণ জ্ঞান এবং বিশ্বসাহিত্য বা ইতিহাস সম্পর্কিত একটি প্রশ্ন যা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - আলফ্রেড নোবেল ছিলেন একজন সুইডিশ রসায়নবিদ, প্রকৌশলী, উদ্ভাবক এবং অস্ত্র নির্মাতা, যিনি তাঁর উইলের মাধ্যমে নোবেল পুরস্কার প্রবর্তন করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আলফ্রেড নোবেলের সবচেয়ে বিখ্যাত আবিষ্কার হলো ডায়নামাইট। ব্যাখ্যা: ১৮৬৭ সালে তিনি এই শক্তিশালী বিস্ফোরক আবিষ্কার করেন এবং এর পেটেন্ট লাভ করেন। উদাহরণ ২: তাঁর মৃত্যুর পর তাঁর রেখে যাওয়া সম্পত্তির একটি বড় অংশ দিয়ে নোবেল ফাউন্ডেশন গঠিত হয়। ব্যাখ্যা: এই তহবিলের সুদ থেকেই প্রতিবছর বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের জন্য নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তেলের খনির মালিক হিসেবে — আলফ্রেড নোবেল প্রধানত বিস্ফোরক ব্যবসার মাধ্যমে ধনী হয়েছিলেন, তেলের খনির মালিক হিসেবে নয়। C) জাহাজের ব্যবসা করে — জাহাজের ব্যবসার সঙ্গে আলফ্রেড নোবেলের মূল খ্যাতির কোনো সম্পর্ক নেই। D) ইস্পাত কারখানার মালিক হিসাবে — তিনি ইস্পাত কারখানার সঙ্গে যুক্ত থাকলেও তাঁর ধনসম্পদের মূল উৎস ছিল বিস্ফোরক আবিষ্কার ও ব্যবসা। ৫ মনে রাখার টিপস: - নোবেল পুরস্কারের প্রবর্তক আলফ্রেড নোবেল নামটি মনে রাখলেই তার সঙ্গে ডায়নামাইট বা বিস্ফোরক আবিষ্কারের কথা মনে রাখতে হবে। - বিস্ফোরক বিক্রি করেই তিনি তাঁর বিশাল সম্পত্তির মালিক হয়েছিলেন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - আলফ্রেড নোবেল ১৮৩৩ সালে সুইডেনের স্টকহোমে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৮৯৬ সালে মারা যান। - তাঁর মৃত্যুর পর ১৯০১ সাল থেকে তাঁর নামে নোবেল পুরস্কার প্রদান শুরু হয়।
a চিকিৎসক
b দার্শনিক
c জ্যোতির্বিদ
d সেনাপতি
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জ্যোতির্বিদ ১. কেন সঠিক: - ক্লাডিয়াস টলেমি ছিলেন প্রাচীন গ্রিক বা হেলেনিস্টিক যুগের একজন বিখ্যাত জ্যোতির্বিদ, গণিতবিদ ও ভূগোলবিদ। - তাঁর রচিত পৃথিবী কেন্দ্রিক সৌরজগতের মডেল প্রাচীন জ্যোতির্বিজ্ঞানে দীর্ঘকাল অত্যন্ত প্রভাবশালী হিসেবে বিবেচিত হতো। ২. সাহিত্য বা ইতিহাস ব্যাখ্যা: - টলেমি মিশরের আলেকজান্দ্রিয়ায় বসবাস করতেন এবং খ্রিস্টীয় দ্বিতীয় শতাব্দীতে তাঁর গবেষণা পরিচালনা করেন। - তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ আলমাগেস্ট প্রাচীন জ্যোতির্বিজ্ঞানের একটি অন্যতম প্রধান প্রামাণ্য দলিল হিসেবে গণ্য করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কোপার্নিকাস ব্যাখ্যা: তিনি আধুনিক জ্যোতির্বিজ্ঞানের জনক যিনি সূর্য কেন্দ্রিক তত্ত্ব প্রদান করে টলেমির পৃথিবী কেন্দ্রিক ধারণাকে ভুল প্রমাণ করেছিলেন। উদাহরণ ২: গ্যালিলিও গ্যালিলি ব্যাখ্যা: তিনি ইতালীয় জ্যোতির্বিদ যিনি দূরবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে মহাশূন্য পর্যবেক্ষণ করে জ্যোতির্বিজ্ঞানে বিপ্লব এনেছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চিকিৎসক — টলেমি চিকিৎসা বিজ্ঞানের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়। B) দার্শনিক — যদিও প্রাচীন পন্ডিতদের অনেকে দার্শনিক হতেন, তবে টলেমির মূল খ্যাতি জ্যোতির্বিদ হিসেবে। D) সেনাপতি — টলেমি কোনো সামরিক বাহিনীর সেনাপতি ছিলেন না, তিনি মূলত বিজ্ঞান সাধনায় যুক্ত ছিলেন। ৫. মনে রাখার টিপস: - টলেমি নামটির সঙ্গে পৃথিবী কেন্দ্রিক সৌরজগতের ধারণা এবং গ্রহ নক্ষত্রের গতির হিসাব নিকেশ সরাসরি জড়িত। - প্রাচীনকালের আকাশের তারা ও গ্রহ নিয়ে যারা গবেষণা করতেন তাদের জ্যোতির্বিদ বলা হয়, এভাবেই মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রাচীন বিজ্ঞানী ও তাদের অবদানের ক্ষেত্র প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। - গ্রিক বা রোমান পন্ডিতদের নাম দেখলে তাদের প্রধান অবদান যেমন জ্যোতির্বিজ্ঞান বা ভূগোল ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a ইরাক
b ইরান
c তুরস্ক
d সিরিয়া
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ইরাক ১. কেন সঠিক: - মেসোপটেমিয়া একটি ঐতিহাসিক অঞ্চল, যার বর্তমান ভৌগোলিক অবস্থান প্রধানত আধুনিক ইরাক রাষ্ট্রে অবস্থিত। - প্রাচীন এই সভ্যতা টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীর অববাহিকায় গড়ে উঠেছিল, যা বর্তমান ইরাকের সীমানার মধ্যে পড়ে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি সাধারণ জ্ঞান এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে প্রায়শই ব্যবহৃত ঐতিহাসিক ও ভৌগোলিক তথ্য সম্পর্কিত প্রশ্ন। - প্রাচীন সভ্যতার ইতিহাস এবং এর ভৌগোলিক বিস্তার সাহিত্য পাঠ এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার সাধারণ জ্ঞান অংশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সিন্ধু সভ্যতা ব্যাখ্যা: এটি আরেকটি প্রাচীন সভ্যতা যা প্রধানত বর্তমান পাকিস্তান ও ভারতের ভূখণ্ডে গড়ে উঠেছিল। উদাহরণ ২: মিসরীয় সভ্যতা ব্যাখ্যা: এটি নীল নদকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা প্রাচীন সভ্যতা যা বর্তমান মিসর রাষ্ট্রে অবস্থিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইরাক — এটি সঠিক উত্তর কারণ মেসোপটেমিয়ার মূল ভূখণ্ড বর্তমান ইরাক রাষ্ট্রে অবস্থিত। B) ইরান — এটি ভুল কারণ ইরান প্রাচীন পারস্য সভ্যতার অংশ ছিল, যদিও মেসোপটেমিয়ার কিছু অংশ এর সীমান্তবর্তী ছিল। C) তুরস্ক — এটি ভুল কারণ তুরস্কের কিছু উত্তর অংশ মেসোপটেমিয়ার আওতাভুক্ত হলেও এর বেশির ভাগ অংশ ইরাকেই অবস্থিত। D) সিরিয়া — এটি ভুল কারণ সিরিয়া মেসোপটেমিয়ার পশ্চিম প্রান্তের সামান্য অংশ ধারণ করলেও বেশির ভাগ অংশ ইরাক জুড়েই রয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - মেসোপটেমিয়া শব্দের অর্থ নদীর মধ্যবর্তী ভূমি এবং এটি বর্তমান ইরাকের ওপর দিয়ে প্রবাহিত দুই নদীর তীরে অবস্থিত। - ইরাক বললেই মেসোপটেমিয়া সভ্যতার কথা মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রাচীন সভ্যতার ভৌগোলিক অবস্থান প্রায়ই আসে। - নদীর অববাহিকায় গড়ে ওঠা প্রাচীন সভ্যতাগুলোর বর্তমান দেশভিত্তিক অবস্থান ভালোভাবে মুখস্থ রাখা উচিত।
a কবি ফেরদৌসী
b মওলানা রুমী
c কবি নিজামী
d কবি জামি
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কবি ফেরদৌসী ১. কেন সঠিক: - 'শাহানামা' ফার্সি সাহিত্যের একটি অমর মহাকাব্য এবং এর রচয়িতা হলেন বিশিষ্ট ফার্সি কবি ফেরদৌসী। - ফার্সি ভাষা ও সংস্কৃতির পুনরুজ্জীবনে এই মহাকাব্যটি ঐতিহাসিক ও সাহিত্যিক দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কবি ফেরদৌসী ছিলেন গজনীর সুলতান মাহমুদের দরবারের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি এবং তাঁর কালজয়ী সৃষ্টি হলো 'শাহানামা'। - এই মহাকাব্যটিতে প্রাচীন পারস্যের সম্রাটদের ইতিহাস, বীরত্বগাথা এবং পৌরাণিক কাহিনী চমৎকার ছন্দে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'লায়লী মজনু' ব্যাখ্যা: এটি মধ্যপ্রাচ্যের একটি বিখ্যাত প্রেমের কাব্য এবং পরবর্তীতে বিভিন্ন কবি এটি বাংলায় ও অন্যান্য ভাষায় রূপান্তর করেছেন। উদাহরণ ২: 'বোস্তাঁ' ব্যাখ্যা: এটি ফার্সি সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নৈতিক ও আধ্যাত্মিক গ্রন্থ যার রচয়িতা হলেন বিখ্যাত সুফি কবি সাদী শিরাজী। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কবি ফেরদৌসী — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ তিনি বিশ্বখ্যাত ফার্সি মহাকাব্য 'শাহানামা' রচনা করেছেন। B) মওলানা রুমী — তিনি বিশ্বখ্যাত সুফি সাধক ও কবি হলেও তাঁর বিখ্যাত সৃষ্টি হলো 'মশনবী', 'শাহানামা' নয়। C) কবি নিজামী — তিনি 'খুসরো ও শিরীন' এবং 'লয়লী ও মজনু' এর মতো বিখ্যাত রোমান্টিক কাব্যের জন্য পরিচিত, 'শাহানামা'র রচয়িতা নন। D) কবি জামি — তিনি মধ্যযুগের একজন প্রখ্যাত ফার্সি কবি ও সুফি হলেও তাঁর প্রধান অবদান হলো 'ইউসুফ জুলেখা' কাব্য। ৫. মনে রাখার টিপস: - ফার্সি মহাকাব্য 'শাহানামা' এবং এর লেখক কবি ফেরদৌসী নাম দুটি একসাথে মনে রাখতে 'শাহানামা ও ফেরদৌসী' এভাবে ছন্দ মিলিয়ে পড়তে পারো। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিশ্বসাহিত্য ও প্রাচীন গ্রন্থ থেকে প্রশ্ন আসলে লেখক ও গ্রন্থের নাম জোড়ায় জোড়ায় মুখস্থ রাখা সবচেয়ে নিরাপদ কৌশল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - 'শাহানামা' ফার্সি ভাষার জাতীয় মহাকাব্য হিসেবে বিশ্বসাহিত্যে অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ স্থান অধিকার করে আছে। - বিশ্বসাহিত্যের বিখ্যাত মহাকাব্য এবং তাদের রচয়িতাদের নাম যেকোনো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য নিয়মিতভাবে অধ্যয়ন করা প্রয়োজন।
a একটি দার্শনিক মতবাদ
b প্রাণীবিদ্যার একটি তত্ত্ব
c ভূ-বিদ্যার একটি তত্ত্ব
d পদার্থবিদ্যার একটি তত্ত্ব
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) একটি দার্শনিক মতবাদ ১. কেন সঠিক: - অস্তিত্ববাদ বা Existentialism হলো এমন একটি আধুনিক দার্শনিক মতবাদ, যা মানুষের ব্যক্তিগত অস্তিত্ব, স্বাধীনতা এবং দায়িত্বকে গুরুত্ব দেয়। - এই মতবাদ অনুযায়ী মানুষের জীবনের কোনো পূর্বনির্ধারিত অর্থ নেই, মানুষ নিজেই নিজের কাজের মাধ্যমে তার জীবনের অর্থ তৈরি করে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিংশ শতাব্দীতে ইউরোপে, বিশেষ করে ফরাসি সাহিত্য ও দর্শনে অস্তিত্ববাদ ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে। - জঁ পল সার্তে এবং আলবেয়ার কামু এই মতবাদের প্রধান প্রবক্তা ও সাহিত্যিক ছিলেন, যারা তাদের উপন্যাসে ও নাটকে মানুষের নিঃসঙ্গতা ফুটিয়ে তুলেছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জঁ পল সার্তের নাটক ফ্লিজ ব্যাখ্যা: এটি অস্তিত্ববাদী দর্শনের ওপর ভিত্তি করে রচিত একটি বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম, যেখানে মানুষের স্বাধীনতা ও মানসিক সংকটের চিত্র ফুটে উঠেছে। উদাহরণ ২: আলবেয়ার কামুর উপন্যাস দ্য আউটসাইডার ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসে মানুষের অস্তিত্বের অর্থহীনতা এবং বিশ্বজগতে মানুষের নিঃসঙ্গ অবস্থানকে অস্তিত্ববাদী দৃষ্টিভঙ্গি থেকে তুলে ধরা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) একটি দার্শনিক মতবাদ — এটি সঠিক কারণ অস্তিত্ববাদ হলো মানুষের অস্তিত্ব ও স্বাধীনতা সম্পর্কিত একটি বিশ্বখ্যাত দার্শনিক চিন্তা। B) প্রাণীবিদ্যার একটি তত্ত্ব — এটি ভুল কারণ অস্তিত্ববাদ কোনো জীববিজ্ঞানের শাখা বা প্রাণীর আচরণ নিয়ে আলোচনা করে না। C) ভূ-বিদ্যার একটি তত্ত্ব — এটি ভুল কারণ ভূ-বিদ্যা বা ভূতত্ত্ব পৃথিবীর গঠন ও ইতিহাস নিয়ে কাজ করে, মানুষের দর্শন নিয়ে নয়। D) পদার্থবিদ্যার একটি তত্ত্ব — এটি ভুল কারণ পদার্থবিদ্যা শক্তি ও পদার্থ নিয়ে গবেষণা করে, যা মানব অস্তিত্বের দার্শনিক ধারণার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - Existentialism শব্দের ভেতরে Exists বা অস্তিত্ব শব্দ লুকিয়ে আছে, যা দেখলেই বুঝতে হবে এটি মানুষের অস্তিত্ব সম্পর্কিত দর্শন। - মনে রাখবে যে অস্তিত্ববাদ হলো এমন এক দর্শন, যা জীবনকে নিজে অর্থপূর্ণ করে তোলার কথা বলে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পারিভাষিক শব্দ বা দার্শনিক মতবাদের উৎস প্রায়ই আসে, তাই গুরুত্বপূর্ণ মতবাদগুলোর প্রবক্তা ও অর্থ জেনে রাখা জরুরি। - এই ধরনের প্রশ্ন আসলে শব্দটির মূল অর্থ বা ইংরেজি রূপের দিকে তাকালেই সঠিক উত্তর সহজে অনুমান করা যায়।
a শীতলক্ষ্যা
b বুড়িগঙ্গা
c ধরলা
d বংশী
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বুড়িগঙ্গা ১. কেন সঠিক: - বুড়িগঙ্গা নদীটি ধলেশ্বরী নদীর একটি শাখা নদী বা উপনদী হিসেবে পরিচিত, যা ঢাকা জেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। - ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী বুড়িগঙ্গা নদী ধলেশ্বরী থেকে উৎপন্ন হয়ে তুরাগ ও বুড়িগঙ্গার সংযোগস্থলের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলাদেশের নদীবিজ্ঞান ও ভূগোল সম্পর্কিত সাধারণ জ্ঞান থেকে এই প্রশ্নটি করা হয়েছে। - বুড়িগঙ্গা নদী ঢাকা শহরের আদি নদী এবং এর তীরে ঐতিহাসিক ঢাকা শহর গড়ে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পদ্মা নদীর শাখা নদী হলো গড়াই। ব্যাখ্যা: গড়াই নদী পদ্মা থেকে উৎপন্ন হয়ে দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হয়েছে। উদাহরণ ২: ব্রহ্মপুত্র নদীর শাখা নদী হলো যমুনা। ব্যাখ্যা: যমুনা নদী ব্রহ্মপুত্রের একটি প্রধান শাখা নদী। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শীতলক্ষ্যা — শীতলক্ষ্যা নদী ব্রক্ষ্মপুত্র নদের শাখা নদী, ধলেশ্বরী নদীর শাখা নয়। B) বুড়িগঙ্গা — এটি সঠিক উত্তর। C) ধরলা — ধরলা নদী ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও আসাম হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে এবং এটি ব্রহ্মপুত্রের অববাহিকার নদী। D) বংশী — বংশী নদী বা বংশাই নদী মূলত করতোয়া নদী থেকে উৎপন্ন হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - ঢাকার পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া বুড়িগঙ্গা নদী মূলত ধলেশ্বরী নদী থেকেই শাখা হিসেবে সৃষ্টি হয়েছে। - নদী সম্পর্কিত সাধারণ জ্ঞান মনে রাখতে মানচিত্র দেখার অভ্যাস করুন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নদী ও শাখা-প্রশাখা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বাংলাদেশের প্রধান নদীগুলোর উৎপত্তিস্থল ও শাখা নদীগুলো ভালোভাবে মুখস্থ রাখা উচিত।
a খনিজ তেল
b প্রাকৃতিক গ্যাস
c পাহাড়ী নদী
d উপরের সবগুলোই
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উপরের সবগুলোই ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উৎপাদনে খনিজ তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস এবং পাহাড়ি নদী বা পানিবিদ্যুৎ—এই তিনটি উৎসই ব্যবহার করা হয়। - দেশের বিদ্যুৎ চাহিদার সিংহভাগ প্রাকৃতিক গ্যাস থেকে মেটানো হলেও খনিজ তেল এবং জলবিদ্যুৎও জ্বালানি মিশ্রণের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি সাধারণ জ্ঞান বা বাংলাদেশ বিষয়াবলী সংক্রান্ত একটি প্রশ্ন, যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শক্তির উৎস হিসেবে আসে। - বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রধান খনিজ সম্পদ হলো প্রাকৃতিক গ্যাস, অন্যদিকে কর্ণফুলী নদীর ওপর নির্মিত কাপ্তাই বাঁধ পাহাড়ি নদীর পানির সাহায্যে বিদ্যুৎ উৎপাদনের একমাত্র জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র ব্যাখ্যা: এটি রাঙামাটি জেলার কাপ্তাইয়ে অবস্থিত পাহাড়ি নদীর পানির স্রোত ব্যবহার করে উৎপাদিত বাংলাদেশের একমাত্র জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র। উদাহরণ ২: ভেড়ামারা ও ঘোড়াশাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র ব্যাখ্যা: এই কেন্দ্রগুলোতে গ্যাস ও খনিজ তেল বা কয়লা পুড়িয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়, যা দেশের জ্বালানি খাতের অংশ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) খনিজ তেল — এটি বিদ্যুৎ উৎপাদনের অন্যতম উৎস হলেও একমাত্র উৎস নয়, তাই এটি একা সঠিক উত্তর হতে পারে না। B) প্রাকৃতিক গ্যাস — এটি প্রধান উৎস হলেও একা অন্যান্য উৎসগুলোকে বাদ দিতে পারে না, তাই এটি অপর্যাপ্ত। C) পাহাড়ী নদী — এটি দিয়ে জলবিদ্যুৎ উৎপাদিত হয় কিন্তু এটি একমাত্র উৎস নয়, তাই এটিও একা সঠিক নয়। D) উপরের সবগুলোই — যেহেতু খনিজ তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস এবং পাহাড়ি নদী প্রতিটিই বিদ্যুৎ উৎপাদনের উৎস, তাই এই অপশনটি সঠিক। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উৎপাদনে গ্যাস প্রধান, তেল সহায়ক এবং পাহাড়ী নদী থেকে জলবিদ্যুৎ আসে—এই তিনটির সমন্বয় মাথায় রাখবে। - প্রশ্নের অপশনে যদি একাধিক সঠিক উপাদান থাকে এবং শেষ অপশনে উপরের সবগুলো থাকে, তবে সাধারণত সেটিই সঠিক হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলাদেশের প্রথম জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৫৯ সালে কাপ্তাইয়ে এবং উৎপাদনে যায় ১৯৬১ সালে। - বিদ্যুৎ খাতের জ্বালানি বহুমুখীকরণের জন্য গ্যাস ও তেলের পাশাপাশি কয়লা ও নবায়নযোগ্য শক্তির ওপরও জোর দেওয়া হচ্ছে।
a চাপালিশ
b কেওড়া
c গেওয়া
d সুন্দরী
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সুন্দরী ১. কেন সঠিক: খুলনা হার্ডবোর্ড মিল বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ শিল্প প্রতিষ্ঠান যেখানে কাঁচামাল হিসেবে মূলত সুন্দরী কাঠ ব্যবহার করা হয়। সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ হলো সুন্দরী, যার কাঠ অত্যন্ত শক্ত ও টেকসই হওয়ায় হার্ডবোর্ড তৈরিতে এটি অপরিহার্য কাঁচামাল হিসেবে বিবেচিত হয়। ২. সাহিত্য বা তথ্যগত ব্যাখ্যা: সুন্দরবনের উদ্ভিজ্জ সম্পদের মধ্যে সুন্দরী গাছ সর্বাধিক পরিচিত এবং অর্থনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই গাছের নামানুসারেই সুন্দরবনের নামকরণ করা হয়েছে বলে ঐতিহাসিক ও ভৌগোলিক তথ্য থেকে জানা যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: খুলনা হার্ডবোর্ড মিল ১৯৫৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। ব্যাখ্যা: এটি তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের একটি অন্যতম প্রধান বনভিত্তিক শিল্প কারখানা ছিল। উদাহরণ ২: সুন্দরবনের প্রায় সত্তর শতাংশ জুড়ে সুন্দরী গাছ জন্মায়। ব্যাখ্যা: এটি সুন্দরবনের বাস্তুতন্ত্রের প্রধান উপাদান এবং এর কাঠ লবণাক্ত সহনশীল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চাপালিশ — এটি পাহাড়ি অঞ্চলের কাঠ এবং খুলনা হার্ডবোর্ড মিলের প্রধান কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয় না। B) কেওড়া — কেওড়া সুন্দরবনের একটি সাধারণ বৃক্ষ হলেও হার্ডবোর্ড মিলের প্রধান কাঁচামাল এটি নয়। C) গেওয়া — গেওয়া কাঠ প্রধানত নিউজপ্রিন্ট বা কাগজ তৈরির কাজে ব্যবহৃত হয়, হার্ডবোর্ডে নয়। D) সুন্দরী — এটি সঠিক কারণ খুলনা হার্ডবোর্ড মিলে কাঁচামাল হিসেবে এই কাঠই প্রধানত ব্যবহৃত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: খুলনা হার্ডবোর্ডের মূল উপাদান সুন্দরবনের সুন্দরী কাঠ। শব্দের মিল মনে রেখে খুলনা মানেই সুন্দরী কাঠ মনে রাখা সহজ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বনভিত্তিক শিল্প ও তার কাঁচামাল সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। সুন্দরবনের বৃক্ষরাজি এবং তার অর্থনৈতিক ব্যবহার ভালোভাবে জেনে রাখা উচিত।
a নীহার রঞ্জন রায়
b আর, সি, মজুমদার
c অধ্যাপক আবদুল করিম
d অধ্যাপকসুনীতিসেন
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নীহার রঞ্জন রায় ১. কেন সঠিক: 'বাঙ্গালীর ইতিহাস' গ্রন্থটির রচয়িতা হলেন বিশিষ্ট ভারতীয় বাঙালি ইতিহাসবিদ, গবেষক ও অধ্যাপক নীহাররঞ্জন রায়। এই ঐতিহাসিক গ্রন্থটিতে প্রাচীনকাল থেকে বাংলার জনসমাজ, সংস্কৃতি ও জীবনযাত্রার প্রামাণিক ও বিস্তৃত বিবরণ তুলে ধরা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: নীহাররঞ্জন রায় ছিলেন বিশ শতকের অন্যতম প্রখ্যাত ঐতিহাসিক, শিল্পকলা বিশারদ ও গবেষক। তার এই কালজয়ী গবেষণা গ্রন্থটি প্রকাশের পর বাংলার ইতিহাস চর্চায় এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুকুমার সেন রচিত 'বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস' ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্য ইতিহাসের একটি অত্যন্ত প্রামাণিক ও নির্ভরযোগ্য গ্রন্থ। উদাহরণ ২: দীনেশচন্দ্র সেন রচিত 'বঙ্গভাষা ও সাহিত্য' ব্যাখ্যা: প্রাচীন ও মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্য উদ্ধারে এই গ্রন্থটির অবদান অনস্বীকার্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নীহার রঞ্জন রায় — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি বিখ্যাত 'বাঙ্গালীর ইতিহাস' গ্রন্থের রচয়িতা। B) আর, সি, মজুমদার — রমেশচন্দ্র মজুমদার প্রাচীন বাংলার ইতিহাস নিয়ে গ্রন্থ লিখলেও এই নির্দিষ্ট বইটির লেখক নন। C) অধ্যাপক আবদুল করিম — তিনি মধ্যযুগের মুসলিম ইতিহাস ও সমাজ নিয়ে গবেষণা করলেও এই বইটির লেখক নন। D) অধ্যাপকসুনীতিসেন — সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় মূলত ভাষাতত্ত্ব নিয়ে কাজ করেছেন, ইতিহাস গ্রন্থ হিসেবে এটি তার নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: বাঙালি জাতির আদি ইতিহাস খুঁজতে গেলে সবার আগে যার নাম আসে তিনি হলেন ঐতিহাসিক নীহাররঞ্জন রায়। বাঙ্গালীর ইতিহাস এবং নীহাররঞ্জন রায় উভয় নামের প্রথম অক্ষর মনে রেখে কৌশল তৈরি করতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ঐতিহাসিক গ্রন্থ ও তার রচয়িতা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। এই ধরনের প্রশ্ন উত্তরের ক্ষেত্রে লেখক পরিচিতি এবং গ্রন্থের মূল বিষয়বস্তু সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকতে হবে।
a বৃন্দ
b কুল
c বর্গ
d গ্রাম
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) গ্রাম ১. কেন সঠিক: - অপ্রাণীবাচক শব্দের বহুচনে 'গ্রাম' শব্দটি ব্যবহৃত হয়, যেমন তারকাদল অর্থে তারাকাগ্ৰাম। - ব্যাকরণগত নিয়মে বিশেষ শব্দের যোগে অপ্রাণীবাচক বহুবচন গঠনে এটি একটি প্রমিত অনুসর্গ বা শব্দ। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে বচন হলো এমন একটি ব্যাকরণগত রূপ যা দ্বারা বিশেষ্য বা সর্বনামের সংখ্যা নির্দেশ করা হয়। - অপ্রাণীবাচক শব্দের বহুচনে গ্রাম, পুঞ্জ, দাম, থামা, কুল, নিচয় প্রভৃতি শব্দ ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তারাকাগ্ৰাম ব্যাখ্যা: এখানে 'গ্রাম' শব্দটি অপ্রাণীবাচক শব্দ 'তারকা' এর সঙ্গে যুক্ত হয়ে বহুবচন বুঝিয়েছে। উদাহরণ ২: মক্ষিকাগ্ৰাম ব্যাখ্যা: এখানে 'গ্রাম' শব্দটি সমষ্টি বা বহুত্ব বোঝাতে অপ্রাণীবাচক শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বৃন্দ — এটি প্রধানত প্রাণীবাচক ও সম্মানিত বিশেষ্য পদের বহুচনে ব্যবহৃত হয়, যেমন ভক্তবৃন্দ। B) কুল — এটি সাধারণত প্রাণীবাচক বা অপ্রাণীবাচক মানুষের ক্ষেত্রে বহুচনে ব্যবহৃত হয়, যেমন পক্ষীকুল বা শিক্ষককুল। C) বর্গ — এটি প্রধানত মানবজাতি বা প্রাণীবাচক শব্দের বহুচনে ব্যবহৃত হয়, যেমন পশুবর্গ বা করীন্দ্রমণ্ডলী। D) গ্রাম — এটি অপ্রাণীবাচক শব্দের বহুচনে ব্যবহৃত হয় বলে এটি সঠিক উত্তর। ৫ মনে রাখার টিপস: - অপ্রাণীবাচক বহুচনে 'গ্রাম' (যেমন তারাকাগ্ৰাম) এবং প্রাণীবাচক বহুচনে 'কুল' ও 'বৃন্দ' ব্যবহার হয়। - মূল সূত্রটি হলো অপ্রাণীবচনে সমষ্টিবাচক শব্দ হিসেবে গ্রামের ব্যবহার মনে রাখা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বচন নির্ণয়ের ক্ষেত্রে প্রাণীবাচক ও অপ্রাণীবাচক শব্দের পার্থক্য প্রায়ই আসে। - বিশেষ শব্দের যোগে গঠিত বহুবচনগুলোর তালিকা ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
a রূপতত্ত্ব
b ধ্বনিতত্ত্ব
c পদক্রম
d বাক্য প্রকরণ
0 100 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ধ্বনিতত্ত্ব ১. কেন সঠিক: - সন্ধির মূল কাজ দুটি ধ্বনির মিলন ঘটানো, যা ধ্বনিতত্ত্বের প্রধান আলোচ্য বিষয়। - ব্যাকরণের যে শাখায় ধ্বনির উচ্চারণ, পরিবর্তন ও মিলন নিয়ে আলোচনা করা হয়, তাকে ধ্বনিতত্ত্ব বলে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে ধ্বনিতত্ত্ব অংশে বর্ণ, ধ্বনি, নত্ব ও ষত্ব বিধান, সন্ধি ইত্যাদি আলোচিত হয়। - পাশাপাশি দুটি ধ্বনির মিলন বা উচ্চারণের সুবিধার জন্য ধ্বনির পরিবর্তনই হলো সন্ধি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিদ্যা + আলয় = বিদ্যালয় ব্যাখ্যা: এখানে আ এবং আ মিলে একটি আ ধ্বনি তৈরি হয়েছে, যা ধ্বনিতত্ত্বের মিলন প্রক্রিয়ার অন্তর্গত। উদাহরণ ২: হিম + আলয় = হিমালয় ব্যাখ্যা: এখানে অ এবং আ ধ্বনি মিলে ধ্বনিগত পরিবর্তন ঘটিয়ে নতুন শব্দ গঠন করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রূপতত্ত্ব — রূপতত্ত্ব অংশে শব্দ ও পদের গঠন, উপসর্গ, প্রত্যয় এবং সমাস নিয়ে আলোচনা করা হয়। B) ধ্বনিতত্ত্ব — এটি সঠিক উত্তর কারণ সন্ধি ধ্বনির মিলন নিয়ে কাজ করে। C) পদক্রম — পদক্রম বাক্যে শব্দের সঠিক বিন্যাস বা সিরিয়াল নিয়ে আলোচনা করে। D) বাক্য প্রকরণ — বাক্য প্রকরণ অংশে বাক্য গঠন, বাক্যের অংশ এবং বাক্য রূপান্তর আলোচিত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ধ্বনির মিলন মানেই ধ্বনিতত্ত্ব, আর শব্দের মিলন মানেই রূপতত্ত্ব বা সমাস। - এই দুটি বিষয় গুলিয়ে ফেললে নম্বর হারানোর ঝুঁকি থাকে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় সন্ধি কোন তত্ত্বের বিষয়, তা প্রায়ই আসে। - ধ্বনি পরিবর্তনের নিয়মগুলো জানলে এই ধরনের প্রশ্নের উত্তর সহজেই দেওয়া যায়।
a গাছে তুলে মই কাড়া
b এক ক্ষুরে মাথা মোড়ানো
c ধরি মাছ না ছুই পানি
d আকাশের চাঁদ হাতে পাওয়া
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ধরি মাছ না ছুই পানি ১. কেন সঠিক: - 'ধরি মাছ না ছুই পানি' একটি জনপ্রিয় বাংলা বাগধারা, যার আক্ষরিক অর্থ হলো পানি না ছুঁয়ে মাছ ধরা এবং ভাবগত অর্থ হলো কোনো রকম ঝুঁকি না নিয়ে বা কৌশলে কার্যোদ্ধার করা। - প্রশ্নটিতে 'কৌশলে কার্যোদ্ধার' চাওয়া হয়েছে, যা এই বাগধারার অর্থের সঙ্গে সরাসরি মিলে যায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি বিশিষ্ট বাগধারা, যা বিশেষ অর্থে ব্যবহৃত হয়ে বাক্যের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে। - বাগধারা শব্দটির অর্থ কথার কথা বা বিশেষ ভাবপ্রকাশক শব্দসমষ্টি, যা সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে বিশেষ বা লক্ষণার্থ প্রকাশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রহিম সাহেব নিজে সরাসরি দুর্নীতিতে জড়ান না, অথচ সব সুবিধা নেন, তার অবস্থা হলো ধরি মাছ না ছুই পানি। ব্যাখ্যা: এখানে কোনো রকম ঝুঁকি বা প্রমাণ না রেখে নিজের কাজ হাসিল করার অর্থে বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: রাজনীতিতে টিকে থাকতে হলে অনেক সময় ধরি মাছ না ছুই পানি নীতি মেনে চলতে হয়। ব্যাখ্যা: কৌশলে এবং নিরাপদে নিজের উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে এই প্রবচনটি প্রযোজ্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গাছে তুলে মই কাড়া — এর অর্থ হলো বিপদগ্রস্ত করা বা সহযোগিতার আশা দিয়ে পরবর্তীতে বিপদে ফেলা। B) এক ক্ষুরে মাথা মোড়ানো — এর অর্থ হলো একই দলের বা একই স্বভাবের লোক কিংবা সবাইকে এক পাল্লায় মাপা। D) আকাশের চাঁদ হাতে পাওয়া — এর অর্থ হলো খুব দুর্লভ বস্তু লাভ করা বা অসম্ভবকে সম্ভব করা। ৫ মনে রাখার টিপস: - মাছ ধরতে গেলে সাধারণত হাত ভিজতে বা পানি ছুঁতে হয়, কিন্তু পানি না ছুঁয়ে মাছ ধরার কৌশল হলো চরম বুদ্ধিমত্তা ও ঝুঁকিহীনভাবে কাজ উদ্ধার করা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই হাত বা পানি সংক্রান্ত বাগধারাগুলো অর্থের মিল বা অমিলের জন্য অপশনে দেওয়া হয়, তাই আক্ষরিক অর্থ ও ভাবার্থ আলাদা করে বুঝতে হবে।
a দুল + না
b দোল + না
c দোল + অনা
d দোলনা + আ
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: উপসর্গ ও প্রত্যয় (কৃতপ্রত্যয়) সঠিক উত্তর: A) দুল + না ১. কেন সঠিক: -'দোলনা' শব্দটির মূল বা ধাতু হলো দুল এবং এর সঙ্গে কৃৎ প্রত্যয় না যুক্ত হয়ে শব্দটি গঠিত হয়েছে। -বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী ধাতুর সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠনের প্রক্রিয়াকে কৃৎ প্রত্যয় বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: -যেসব প্রত্যয় ক্রিয়ামূল বা ধাতুর সঙ্গে যুক্ত হয়, সেগুলোকে কৃৎ প্রত্যয় বলা হয়। -এখানে দুল হলো একটি ক্রিয়াভিত্তিক ধাতু এবং না হলো একটি তদ্ধিত বা কৃৎ প্রত্যয় যা যন্ত্র বা ভাব প্রকাশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মর + না = মরনা বা মরণ ব্যাখ্যা: মর ধাতুর সঙ্গে না প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বিশেষ্য পদ গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: ঢাক + না = ঢাকনা ব্যাখ্যা: ঢাক ধাতুর সঙ্গে না প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ঢাকনা শব্দটি তৈরি হয়েছে যা একটি যন্ত্রবাচক শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দুল + না — এটি সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় কারণ দুল হলো মূল ধাতু এবং না হলো প্রত্যয়। B) দোল + না — দোল কোনো মৌলিক ধাতু নয়, এটি দুল ধাতুর পরিবর্তিত রূপ। C) দোল + অনা — এখানে অনা প্রত্যয় ব্যবহার করা হয়নি এবং দুল ধাতুর পরিবর্তে দোল ব্যবহার করায় এটি ভুল। D) দোলনা + আ — দোলনা নিজেই একটি সাধিত শব্দ, তাই এর সঙ্গে আ প্রত্যয় যুক্ত করে প্রকৃতি প্রত্যয় নির্ণয় করা যায় না। ৫ মনে রাখার টিপস: -যেসব বস্তু বা যন্ত্র দিয়ে কোনো কাজ করা বোঝায়, সেগুলোর মূল ধাতু চেনার জন্য ক্রিয়া রূপ বিবেচনা করতে হবে। -দুল ধাতুর সঙ্গে না প্রত্যয় যোগ করলে দোলনা হয়, এই নিয়মটি মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: -প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধাতু চেনার সময় শব্দের ক্রিয়ামূল বের করতে হয়। -একই নিয়মে ঢাকনা, ঝাড়না এবং বাঁধনা শব্দগুলোর প্রকৃতি ও প্রত্যয় নির্ণয় করা যায়।
a নামপদ
b উপপদ
c প্রাতিপদিক
d উপমিত
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্রাতিপদিক ১. কেন সঠিক: বিভক্তিহীন নাম শব্দকে প্রাতিপদিক বলা হয়। প্রাতিপদিক হলো শব্দের সেই মূল রূপ যার সঙ্গে কোনো বিভক্তি যুক্ত থাকে না এবং এটি বাক্যে ব্যবহারের উপযোগী হওয়ার পূর্ববর্তী অবস্থা। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: শব্দ বা ধাতুর সঙ্গে বিভক্তি যুক্ত করে পদ গঠন করা হয়। নাম শব্দের মূল রূপকে প্রাতিপদিক বা প্রাতিপদিক বলা হয়, যা মূলত বিভক্তিহীন নাম শব্দ। ধাতুর ক্ষেত্রে একে প্রাকৃত বা কৃৎপ্রকৃতি বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কলম ব্যাখ্যা: কলম একটি নাম শব্দ এবং এর সঙ্গে কোনো বিভক্তি যুক্ত নেই, তাই এটি প্রাতিপদিক। উদাহরণ ২: বই ব্যাখ্যা: বই শব্দটি বিভক্তিহীন অবস্থায় রয়েছে, যা প্রাতিপদিকের একটি স্পষ্ট উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নামপদ — যে পদ কোনো কিছুর নাম বোঝায় তাকে নামপদ বলে, যা বিভক্তিহীন হতেও পারে আবার বিভক্তিযুক্তও হতে পারে। B) উপপদ — কৃৎ বা তদ্ধিত প্রত্যয়ের পূর্ববর্তী পদকে উপপদ বলা হয়, যা এই প্রশ্নের সঙ্গে মেলে না। C) প্রাতিপদিক — সঠিক উত্তর কারণ এটি বিভক্তিহীন নাম শব্দকে নির্দেশ করে। D) উপমিত — উপমা বা তুলনার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত এক ধরনের কর্মধারয় সমাসের পদ, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: বিভক্তি নেই যার, সেই হলো প্রাতিপদিক। প্রারম্ভিক শব্দ বা মূল নাম শব্দই হলো প্রাতিপদিক যা বিভক্তিহীন থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রাতিপদিক এবং কৃৎপ্রকৃতি প্রায়ই কনফিউজ করে। মনে রাখবে নাম শব্দের মূল হলো প্রাতিপদিক এবং ক্রিয়ার মূল হলো ধাতু।
a সংখ্যার ধারণা
b গণনার ধারণা
c ক্রমের ধারণা
d পরিমাপের ধারণা
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সংখ্যার ধারণা ১. কেন সঠিক: - বচন শব্দের আক্ষরিক অর্থ হলো সংখ্যা বা বক্তব্য। ব্যাকরণের পরিভাষায় বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের এক বা বহুত্ব প্রকাশের মাধ্যমকে বচন বলা হয়। - এটি মূলত কোনো ব্যক্তি, বস্তু বা প্রাণীর সংখ্যা এক নাকি একাধিক তা নির্দেশ করে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে বচন দুই প্রকার যথা একবচন ও বহুবচন। বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের সংখ্যা বোঝানোর ধর্মই হলো বচন। - কেবল বিশেষ্য ও সর্বনাম পদের বচন ভেদ হয়, অন্য পদের ক্ষেত্রে বচনের সরাসরি প্রয়োগ দেখা যায় না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ছাগল ঘাস খায়। ব্যাখ্যা: এখানে ছাগল শব্দটি দ্বারা একটিমাত্র প্রাণীকে বোঝানো হয়েছে, যা একবচনের উদাহরণ। উদাহরণ ২: ছেলেরা ফুটবল খেলছে। ব্যাখ্যা: এখানে ছেলেরা শব্দটি দ্বারা একাধিক বালককে বোঝানো হয়েছে, যা বহুবচনের উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সংখ্যার ধারণা — এটি সঠিক কারণ বচন পদের সংখ্যা নির্দেশ করে। B) গণনার ধারণা — গণনা হলো সংখ্যা গোনার প্রক্রিয়া, যা বচনের আক্ষরিক অর্থ নয়। C) ক্রমের ধারণা — ক্রম দ্বারা পর্যায় বা অবস্থান বোঝায়, যা বচনের কাজ নয়। D) পরিমাপের ধারণা — পরিমাপ দ্বারা পরিমাণ বা মাত্রা বোঝায়, যা বচনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - বচন মানেই সংখ্যা। বচন শব্দটির প্রথম বর্ণ ব এবং সংখ্যা শব্দটির সঙ্গে এর মিল রয়েছে এভাবে মনে রাখা যায়। - বিশেষ্য পদের সংখ্যা নির্ধারণ করাই বচনের মূল কাজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বচনের প্রকারভেদ এবং বহুবচন তৈরির নিয়ম থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - বিশেষ করে প্রাণীবাচক ও অপ্রাণীবাচক শব্দের ক্ষেত্রে কোন বহুবচন বোধক শব্দ ব্যবহার হয় তা ভালোভাবে পড়তে হবে।
a আন
b আই
c আল
d আও
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আই কেন সঠিক: - ধাতুর সাথে 'আই' প্রত্যয় যুক্ত করলে ক্রিয়াবাচক বা ভাববাচক বিশেষ্য পদ গঠিত হয়। - এই নিয়মে গঠিত পদটি কোনো কাজের ভাব বা অবস্থাকে প্রকাশ করে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কৃৎ প্রত্যয়ের নিয়মে ধাতু বা ক্রিয়ামূলের সাথে 'আই' যুক্ত হয়ে বিশেষ্য পদ তৈরি হয়। - এটি মূলত ভাববাচক বিশেষ্য গঠনের একটি প্রচলিত বাংলা ব্যাকরণগত প্রক্রিয়া। - উদাহরণস্বরূপ, চড় + আই = চড়াই, মোড় + আই = মোড়াই, ঠক + আই = ঠকাই। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) আন — এটি ধাতুর পর যুক্ত হয়ে অন্য ধরনের বিশেষ্য বা পদ গঠন করে, যেমন চল + আন = চালান। - B) সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়। - C) আল — এটি বিশেষ করে বিশেষ্য বা বিশেষণ গঠনে ব্যবহৃত হয়, যেমন ঘর + আল = ঘরালো। - D) আও — এটি সাধারণত ক্রিয়াপদের ভাব বা অনুজ্ঞা বোঝাতে যুক্ত হয়, যেমন বল + আও = বলাও। মনে রাখার টিপস: - চড়ার সাথে আই যোগ করলে হয় চড়াই, যা একটি ভাববাচক বিশেষ্যের উদাহরণ।
a তুই বাড়ি যা
b ক্ষমা করা ঘোর অপরাধ
c কাল একবার এসো
d দূর হও
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কাল একবার এসো ১. কেন সঠিক: - এই বাক্যের মাধ্যমে বক্তা শ্রোতাকে ভবিষ্যতে কোনো কাজ করার জন্য বিনীতভাবে আহ্বান বা আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। - ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী বক্তার কথা বলার ভঙ্গি বা মনোভাবের প্রকাশকে ভাব বা Mood বলে এবং এটি অনুরোধ প্রকাশকারী বাক্য। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাক্যের অর্থ বা বক্তার মনোভাব প্রকাশভঙ্গি অনুযায়ী বাক্য প্রধানত পাঁচ প্রকার যথা নির্দেশক, প্রশ্নবাচক, অনুজ্ঞা, ইচ্ছাবোধক ও বিস্ময়সূচক বাক্য। - আদেশ নিষেধ অনুরোধ আশীর্বাদ ও উপদেশ প্রকাশকারী বাক্যকে অনুজ্ঞা ভাব বা অনুজ্ঞাসূচক বাক্য বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অনুগ্রহ করে দরজাটি বন্ধ করুন। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে অনুগ্রহ শব্দটির মাধ্যমে স্পষ্টভাবে অনুরোধ প্রকাশ করা হয়েছে। উদাহরণ ২: আগামীকাল আমাদের বাড়িতে এসো। ব্যাখ্যা: এই বাক্যের মাধ্যমে কাউকে নিমন্ত্রণ বা অনুরোধ করা বোঝানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তুই বাড়ি যা — এটি মূলত আদেশ বা অনুজ্ঞার তুচ্ছার্থক রূপ প্রকাশ করেছে তবে অনুরোধ নয়। B) ক্ষমা করা ঘোর অপরাধ — এটি একটি সাধারণ বিবৃতিমূলক বা নির্দেশক বাক্য যা সত্য প্রকাশ করে। C) কাল একবার এসো — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর মাধ্যমে বক্তার আন্তরিক অনুরোধ প্রকাশিত হয়েছে। D) দূর হও — এটি কঠোর আদেশ বা ধমক অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে যা অনুরোধের বিপরীত। ৫ মনে রাখার টিপস: - বাক্যে দয়া করে অনুগ্রহ করে কিংবা কোনো কাজের জন্য আমন্ত্রণ বা নিমন্ত্রণ থাকলে তা সাধারণত অনুরোধ বোঝায়। - তুই বা আপনি সম্বোধনে ভবিষ্যৎকালের ক্রিয়াপদ ব্যবহার করে অনেক সময় অনুরোধ বা নিমন্ত্রণ করা হয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য রূপান্তর বা বাক্যের অর্থ চেনার প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - বক্তার মনোভাব বা ভঙ্গি ভালোভাবে বুঝতে পারলে অনুজ্ঞা এবং নির্দেশক বাক্যের পার্থক্য সহজে নির্ণয় করা যায়।
a ননদ
b প্রিয়
c শিষ্যা
d আয়া
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ননদ কেন সঠিক: - ননদ শব্দের দুটি পুরুষবাচক প্রতিশব্দ বা বিপরীতার্থক শব্দ রয়েছে। - এই শব্দদুটি হলো ননদৈ ও নন্দাই। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণের লিঙ্গ পরিবর্তন নিয়মে কিছু বিশেষ শব্দের একাধিক পুরুষবাচক রূপ পাওয়া যায়। - ননদ শব্দের ক্ষেত্রে স্ত্রীবাচক শব্দটির বিপরীতে দুটি পুরুষবাচক রূপ ব্যবহারের প্রচলন রয়েছে। - যেমন ননদ শব্দের পুরুষবাচক শব্দ হিসেবে ননদৈ এবং নন্দাই উভয়ই গ্রহণযোগ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) ননদ নয়, বরং এই অপশনটিই সঠিক উত্তর। - B) প্রিয় শব্দের স্ত্রীবাচক শব্দ প্রিয়া এবং এর একটিমাত্র পুরুষবাচক রূপ রয়েছে। - C) শিষ্যা হলো স্ত্রীবাচক শব্দ এবং এর পুরুষবাচক শব্দ হলো শিষ্য। - D) আয়া শব্দের কোনো প্রচলিত পুরুষবাচক শব্দ নেই। মনে রাখার টিপস: - ননদ শব্দের পুরুষবাচক রূপ মনে রাখতে ননদৈ ও নন্দাই এই দুটি শব্দ একসাথে মুখস্থ রাখবে।
a কবিতার পঙক্তিতে
b গানের কলিতে
c গল্পের বর্ণনায়
d নাটকের সংলাপে
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নাটকের সংলাপে ১. কেন সঠিক: সাধু ভাষা সাধারণত কথ্য রূপের উপযোগী নয় কারণ এর ক্রিয়া ও সর্বনাম পদগুলো বেশ দীর্ঘ এবং গুরুগম্ভীর প্রকৃতির। নাটকের সংলাপ যেহেতু মানুষের স্বাভাবিক কথ্য ভাষার কাছাকাছি বা জীবন্ত কথোপকথনের মাধ্যম, তাই সেখানে সাধু ভাষা ব্যবহার করলে তা কৃত্রিম ও অনৈসর্গিক শোনায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষার রূপ মূলত দুটি, যথা কথ্য রূপ ও লেখ্য রূপ। লেখ্য রূপের দুটি স্তর রয়েছে, যার একটি সাধু ভাষা এবং অন্যটি চলিত ভাষা। সাধু ভাষারীতি নাটকের সংলাপে, বক্তৃতায় এবং কথ্য ভাষায় সম্পূর্ণ অনুপযোগী কারণ এটি অপরিবর্তনযোগ্য ও গুরুগম্ভীর। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চলিত ভাষা: তোমরা কোথায় যাচ্ছো? ব্যাখ্যা: এটি নাটকের সংলাপে অত্যন্ত স্বাভাবিক এবং জীবন্ত শোনায়। উদাহরণ ২: সাধু ভাষা: তোমাদিগকে কোথায় গমন করিতেছ? ব্যাখ্যা: নাটকের সংলাপে এই রূপ ব্যবহার করলে তা হাস্যকর ও অপ্রাকৃতিক মনে হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কবিতার পঙক্তিতে — প্রাচীন ও মধ্যযুগের কাব্যে এবং আধুনিক যুগের অনেক কবিতায় সাধু ভাষার সফল ব্যবহার দেখা যায়। B) গানের কলিতে — অনেক ঐতিহ্যবাহী গান ও দেশাত্মবোধক গানে সাধু ভাষার মাধুর্যপূর্ণ প্রয়োগ রয়েছে। C) গল্পের বর্ণনায় — উপন্যাস বা গল্পের বর্ণনামূলক অংশে সাধু ভাষার ব্যবহার অত্যন্ত জনপ্রিয় ও গ্রহণযোগ্য। D) নাটকের সংলাপে — এটি সঠিক উত্তর কারণ নাটকের সংলাপ জীবন্ত ও কথ্য প্রকৃতির হওয়ায় সেখানে সাধু ভাষা অনুপযোগী। ৫. মনে রাখার টিপস: নাটক মানেই মুখের কথা বা সংলাপ। মুখের কথায় কখনো গুরুগম্ভীর সাধু ভাষা মানায় না, তাই নাটক ও কথ্য ভাষায় চলিত ভাষা ব্যবহার করা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে সাধু ভাষা কোথায় বেশি উপযোগী, যার উত্তর হবে পুঁথিগত রচনা বা ইতিহাস গ্রন্থ। সাধু ভাষার অপরিবর্তনীয় ব্যাকরণগত রূপ একে লেখার ভাষা হিসেবে উপযোগী করেছে কিন্তু কথ্য রূপের জন্য এটি অনুপযুক্ত।
a সাহেব
b বেয়াই
c সঙ্গী
d কবিরাজ
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কবিরাজ ১. কেন সঠিক: - কবিরাজ শব্দটির কোনো স্ত্রীলিঙ্গ বা লিঙ্গান্তর রূপ নেই কারণ এটি এমন একটি বিশেষ শব্দ যা পুরুষ বা নারী ভেده অপরিবর্তিত থাকে। - বাংলা ব্যাকরণের নিয়মানুযায়ী কিছু বিশেষ শব্দ লিঙ্গ পরিবর্তনের বাইরে থাকে এবং এগুলো উভয় লিঙ্গ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে কিছু শব্দ রয়েছে যা নিত্য পুরুষবাচক বা নিত্য স্ত্রীবাচক কিংবা লিঙ্গ পরিবর্তনের নিয়ম মানে না। - কবিরাজ এমন একটি পেশাবাচক শব্দ যা পুরুষ ও নারী উভয় চিকিৎসকের ক্ষেত্রেই একইভাবে প্রয়োগ করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ডাক্তার ব্যাখ্যা: ডাক্তার শব্দটি লিঙ্গান্তর হয় না এবং এটি পুরুষ ও নারী চিকিৎসক উভয়ের জন্যই সমানভাবে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: পাতিন্ধু ব্যাখ্যা: কিছু বিশেষ তৎসম ও অপত্য শব্দে লিঙ্গভেদ হয় না যা বাক্যে একইভাবে বসে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাহেব — সাহেব শব্দের স্ত্রীলিঙ্গ রূপ হলো বিবি বা মেম সাহেব। B) বেয়াই — বেয়াই শব্দের স্ত্রীলিঙ্গ রূপ হলো বেয়ান। C) সঙ্গী — সঙ্গী শব্দের স্ত্রীলিঙ্গ রূপ হলো সঙ্গিনী। D) কবিরাজ — কবিরাজ শব্দের কোনো লিঙ্গান্তর হয় না এবং এটি সঠিক উত্তর। ৫ মনে রাখার টিপস: - যেসব পেশাবাচক শব্দে লিঙ্গভেদ করা যায় না যেমন কবিরাজ বা ডাক্তার, সেগুলো নিত্য উভয়লিঙ্গ শব্দ হিসেবে মনে রাখবে। - অপশনের শব্দগুলো ভালো করে খেয়াল করলে দেখবে প্রথম তিনটি শব্দের লিঙ্গ পরিবর্তন করা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিত্য উভয়লিঙ্গ বা লিঙ্গান্তর হয় না এমন শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - কবিরাজ, ডাক্তার, পন্ডিত এই ধরনের শব্দগুলোর লিঙ্গ পরিবর্তন হয় না তাই এগুলো ভালোভাবে মুখস্থ রাখবে।
a আশার কথা
b সৌভাগ্যের বিষয়
c মজা পাওয়া
d আনন্দের বিষয়
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সৌভাগ্যের বিষয় ১. কেন সঠিক: - 'একাদশে বৃহস্পতি' একটি বিখ্যাত বাংলা বাগধারা, যার আক্ষরিক অর্থ হলো বৃহস্পতি গ্রহের অনুকূল অবস্থান। জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী বৃহস্পতি গ্রহ সৌভাগ্য ও সমৃদ্ধির কারক, তাই এটি সৌভাগ্যের বিষয় বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই বাগধারাটি প্রায়ই আসে এবং এর মূল ভাব হলো চরম সৌভাগ্য বা অনুকূল সময়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডারের অন্তর্গত একটি বাগধারা, যা বিশেষ বিশেষ শব্দ মিলে গঠিত হয়ে আক্ষরিক অর্থের বাইরে একটি বিশিষ্ট ভাব প্রকাশ করে। - বাগধারা ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং অল্প কথায় মনের ভাব সুন্দরভাবে প্রকাশ করতে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: এতদিন পর চাকরিটা পেয়ে আমার মনে হচ্ছে আমার একাদশে বৃহস্পতি উঠেছে। ব্যাখ্যা: দীর্ঘদিনের বেকারত্ব দূর হওয়া এবং হঠাৎ সফলতা পাওয়ার অবস্থাকে বোঝাতে এখানে বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: ব্যবসায় প্রথম দিকে লোকসান হলেও নতুন চুক্তি পাওয়ার পর এখন তাদের একাদশে বৃহস্পতি চলছে। ব্যাখ্যা: ব্যবসার খারাপ অবস্থা কাটিয়ে হঠাৎ বড় ধরনের লাভ ও সৌভাগ্য ফিরে আসার অবস্থাকে প্রকাশ করতে এটি ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আশার কথা — এটি সাধারণ কোনো ঘটনা বা ভবিষ্যৎ আশার প্রতীক হলেও নির্দিষ্টভাবে চরম সৌভাগ্যের ভাগ্য পরিবর্তন বোঝায় না। B) সৌভাগ্যের বিষয় — সঠিক উত্তর, কারণ এটি বৃহস্পতি গ্রহের অনুকূল অবস্থানের মতো পরম সৌভাগ্যকে নির্দেশ করে। C) মজা পাওয়া — আনন্দ বা রস উপভোগ করা বোঝায়, যা ভাগ্যের অনুকূল অবস্থার সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত নয়। D) আনন্দের বিষয় — এটি সাধারণ সুখ বা খুশির ঘটনা প্রকাশ করে, কিন্তু সৌভাগ্যের স্থায়ী বা বিশেষ অনুকূল অবস্থাকে বোঝায় না। ৫. মনে রাখার টিপস: - আকাশ বা গ্রহ নক্ষত্রের মধ্যে বৃহস্পতি হলো সবচেয়ে বড় গ্রহ, যাকে জ্যোতিষশাস্ত্রে সৌভাগ্যের প্রতীক ধরা হয়। এভাবে মনে রাখতে পারো যে, বৃহস্পতি অনুকূলে থাকা মানেই চরম সৌভাগ্য। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারার উৎস এবং সঠিক অর্থ প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়। তাই বাগধারাগুলোর আক্ষরিক অর্থের চেয়ে অন্তর্নিহিত ভাবার্থ বেশি গুরুত্ব দিয়ে মুখস্থ করতে হবে।
a যৌগিক বাক্য
b সাধারণ বাক্য
c মিশ্র বাক্য
d সরল বাক্য
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) যৌগিক বাক্য ১. কেন সঠিক: - এই বাক্যে দুটি স্বাধীন খণ্ডবাক্য 'তার বয়স বেড়েছে' এবং 'বুদ্ধি বাড়েনি' একটি সংযোজক অব্যয় 'কিন্তু' দ্বারা যুক্ত হয়েছে। - যৌগিক বাক্যে একাধিক প্রধান বা স্বাধীন খণ্ডবাক্য পরস্পর অব্যয় পদ দ্বারা যুক্ত থাকে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে বাক্যে এক বা একাধিক স্বাধীন খণ্ডবাক্য কোনো অব্যয় যেমন এবং, ও, কিন্তু, অথচ, কিংবা, অথবা দ্বারা যুক্ত হয়ে একটি সম্পূর্ণ বাক্য গঠন করে, তাকে যৌগিক বাক্য বলে। - যৌগিক বাক্যের খণ্ডবাক্যগুলো একে অপরের ওপর নির্ভরশীল নয়, বরং প্রত্যেকে নিজেই একটি পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করতে সক্ষম। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বৃষ্টি হচ্ছে কিন্তু ঘর থেকে বের হতে পারছি না। ব্যাখ্যা: এখানে দুটি স্বাধীন বাক্য 'বৃষ্টি হচ্ছে' এবং 'ঘর থেকে বের হতে পারছি না' পরস্পর 'কিন্তু' অব্যয় দিয়ে যুক্ত হয়ে যৌগিক বাক্য তৈরি করেছে। উদাহরণ ২: সে অনেক পড়াশোনা করেছে অথচ পাস করতে পারেনি। ব্যাখ্যা: এখানে দুটি খণ্ডবাক্য 'সে অনেক পড়াশোনা করেছে' এবং 'পাস করতে পারেনি' 'অথচ' অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়ে যৌগিক বাক্যের রূপ নিয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যৌগিক বাক্য — এটি সঠিক উত্তর কারণ এতে দুটি স্বাধীন খণ্ডবাক্য অব্যয় দ্বারা যুক্ত রয়েছে। B) সাধারণ বাক্য — এটি ভুল কারণ সাধারণ বা সরল বাক্যে একটিমাত্র কর্তা ও একটি সমাপিকা ক্রিয়া থাকে, এখানে দুটি খণ্ডবাক্য আছে। C) মিশ্র বাক্য — এটি ভুল কারণ মিশ্র বা জটিল বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্য এবং এক বা একাধিক আশ্রিত খণ্ডবাক্য থাকে, এখানে দুটিই স্বাধীন খণ্ডবাক্য। D) সরল বাক্য — এটি ভুল কারণ সরল বাক্যে কোনো সংযোজক অব্যয় থাকে না এবং একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে, এখানে দুটি খণ্ডবাক্য রয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাক্যে এবং, কিন্তু, অথচ, কিংবা, অথবা থাকলে চোখ বন্ধ করে তাকে যৌগিক বাক্য হিসেবে চিহ্নিত করতে পারো। - সরল বাক্যে একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে আর যৌগিক বাক্যে একাধিক সমাপিকা ক্রিয়া অব্যয় দিয়ে যুক্ত থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য রূপান্তর বা বাক্য শনাক্তকরণের ক্ষেত্রে সংযোজক অব্যয়গুলোর উপস্থিতি ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে। - খণ্ডবাক্যগুলো স্বাধীন না নির্ভরশীল, তা বুঝতে পারলে খুব সহজেই সরল, জটিল ও যৌগিক বাক্য আলাদা করা যায়।
a ১১টি
b ৯টি
c ১০টি
d ৮টি
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১০টি ১. কেন সঠিক: বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণের মধ্যে মাত্রা অনুযায়ী তিন ধরনের বর্ণ রয়েছে। এর মধ্যে যেসব বর্ণ লেখার সময় ওপরে কোনো মাত্রা ব্যবহার করা হয় না, তাদের মাত্রাবিহীন বর্ণ বলা হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা বর্ণমালায় মোট ৫০টি বর্ণের মধ্যে পূর্ণমাত্রার বর্ণ ৩২টি, অর্ধমাত্রার বর্ণ ৮টি এবং মাত্রাবিহীন বর্ণ ১০টি। স্বরবর্ণের মধ্যে মাত্রাবিহীন বর্ণ ৪টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণের মধ্যে মাত্রাবিহীন বর্ণ ৬টি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অ, আ, ই, ঈ ব্যাখ্যা: এগুলি মাত্রাবিহীন স্বরবর্ণের উদাহরণ, যা লেখার সময় মাথার ওপর কোনো রেখা বা মাত্রা থাকে না। উদাহরণ ২: ঙ, ঞ, ৎ, ং ব্যাখ্যা: এগুলি মাত্রাবিহীন ব্যঞ্জনবর্ণের উদাহরণ, যেগুলির ওপরের অংশে কোনো মাত্রা যুক্ত হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১১টি — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ বাংলা বর্ণমালায় ১১টি স্বরবর্ণ রয়েছে, কিন্তু মাত্রাবিহীন বর্ণ ১১টি নয়। B) ৯টি — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ মাত্রাবিহীন বর্ণের সংখ্যা ৯টি অপেক্ষা এক বেশি অর্থাৎ ১০টি। C) ১০টি — এটি সঠিক সংখ্যা কারণ বাংলা বর্ণমালায় মাত্রাবিহীন স্বরবর্ণ ৪টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৬টি মিলে মোট ১০টি বর্ণ রয়েছে। D) ৮টি — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ ৮টি হলো অর্ধমাত্রার বর্ণের সংখ্যা, মাত্রাবিহীন বর্ণের সংখ্যা নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: স্বরে ৪ ব্যঞ্জনে ৬, মাত্রাহীন মোট ১০ এই হিসাব মনে রাখলে পরীক্ষায় ভুল হবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই পূর্ণমাত্রা ৩২, অর্ধমাত্রা ৮ এবং মাত্রাবিহীন ১০ এই তিনটি সংখ্যা থেকে প্রশ্ন আসে। সংখ্যা তিনটি ভালোভাবে মনে রাখা জরুরি।
a Honesty is the best virtue
b Honesty is the better way
c Honesty is a good way
d Honesty is the best policy
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Honesty is the best policy ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যটি একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ইংরেজি প্রবাদ যার বাংলা অর্থ সততাই সর্বোৎকৃষ্ট পন্থা। - বাংলা প্রবাদ বাক্যের আদর্শ ইংরেজি রূপান্তরের ক্ষেত্রে আক্ষরিক অনুবাদের চেয়ে ভাবানুবাদ প্রধান হিসেবে গণ্য করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি অনুবাদ বা প্রবাদ-প্রবচন অংশের অন্তর্ভুক্ত যেখানে বিদেশি প্রবাদের সঠিক বাংলা বা বাংলার সঠিক ইংরেজি রূপ নির্ণয় করতে হয়। - প্রবাদ বাক্যের নিজস্ব একটি স্থায়ী রূপ থাকে যা ব্যাকরণের সাধারণ নিয়মের বাইরে নির্দিষ্ট শব্দ চয়নের মাধ্যমে প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: Morning shows the day. ব্যাখ্যা: এই ইংরেজি প্রবাদের প্রচলিত বাংলা ভাবানুবাদ হলো সুপ্রভাত দেখেই দিনটি কেমন যাবে তা বোঝা যায়। উদাহরণ ২: Tit for tat. ব্যাখ্যা: এই প্রবাদটির আদর্শ বাংলা রূপ হলো যেমন কর্ম তেমন ফল বা ইটের বদলে পাটকেল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Honesty is the best virtue — এখানে virtue শব্দটির অর্থ গুণ হলেও প্রবাদের প্রমিত রূপ হিসেবে policy শব্দটি নির্ধারিত। B) Honesty is the better way — প্রবাদের ক্ষেত্রে তুলনামূলক ডিগ্রি better না হয়ে superlative ডিগ্রি best ব্যবহার করতে হয়। C) Honesty is a good way — এই বাক্যে a good way ব্যবহার করা হয়েছে যা সর্বশ্রেষ্ঠ বোঝাতে best শব্দের প্রয়োজনীয়তা পূরণ করে না। D) Honesty is the best policy — এটি প্রবাদের সঠিক ও প্রমিত রূপ হওয়ায় নির্ভুল উত্তর হিসেবে গৃহীত হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - প্রবাদ বাক্যের ইংরেজি রূপ মুখস্থ করার সময় সুনির্দিষ্ট শব্দগুলো যেমন best এবং policy মনে রাখতে হবে। - প্রবাদের ক্ষেত্রে সাধারণ ব্যাকরণের তুলনামূলক ডিগ্রি পরিবর্তনের নিয়ম সবসময় হুবহু প্রয়োগ করা যায় না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জনপ্রিয় প্রবাদের সঠিক ইংরেজি বা বাংলা অনুবাদ থেকে প্রশ্ন আসে। - প্রবাদ ও প্রবচনের ক্ষেত্রে প্রচলিত এবং সর্বজনগ্রাহ্য রূপটিই একমাত্র সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।
a চাষী জীবনের করুণ চিত্র
b কৃষক সমাজের সংগ্রামশীল জীবন
c তৎকালীন মুসলিম মধ্যবিত্ত সমাজের চিত্র
d মুসলিম জমিদার শ্রেণীর জীবন কাহিনী
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) তৎকালীন মুসলিম মধ্যবิต্ত সমাজের চিত্র ১. কেন সঠিক: - এই উপন্যাসে বাঙালি মুসলিম সমাজের রক্ষণশীলতা, আধুনিক শিক্ষার অভাব এবং মধ্যবিত্ত শ্রেণীর আত্মপরিচয়ের সংকট তুলে ধরা হয়েছে। - ঔপন্যাসিক কাজী ইমদাদুল হক তৎকালীন সমাজের অসঙ্গতি ও কুসংস্কারের বিরুদ্ধে মধ্যবিত্ত মানুষের মানসিক দ্বন্দ্ব নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাজী ইমদাদুল হক বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধের একজন প্রখ্যাত বাঙালি কথাসাহিত্যিক, শিক্ষক ও সমাজসংস্কারক ছিলেন। - আব্দুল্লাহ উপন্যাসটি ১৯৩৩ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয় এবং এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম স্বার্থক মুসলিম সামাজিক উপন্যাস হিসেবে পরিচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'গৃহদাহ' উপন্যাস। ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসে তৎকালীন বাঙালি সমাজের মধ্যবিত্ত পরিবারের মনস্তাত্ত্বিক সংকট ও সামাজিক মূল্যবোধ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। উদাহরণ ২: মীর মশাররফ হোসেনের 'বিষাদ সিন্ধু'। ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্য ও মুসলিম সমাজের ইতিহাসভিত্তিক একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ক্লাসিক গদ্যশিল্পকর্ম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চাষী জীবনের করুণ চিত্র — এই অপশনটি ভুল কারণ উপন্যাসটি নিছক সাধারণ চাষী জীবন নিয়ে লেখা হয়নি। B) কৃষক সমাজের সংগ্রামশীল জীবন — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি মূলত মধ্যবিত্ত বুদ্ধিজীবী শ্রেণীর জীবন সংগ্রামকে কেন্দ্র করে আবর্তিত। D) মুসলিম জমিদার শ্রেণীর জীবন কাহিনী — এই অপশনটি ভুল কারণ উপন্যাসের প্রধান চরিত্র আব্দুল্লাহ কোনো জমিদার ছিলেন না, বরং একজন দরিদ্র মধ্যবিত্ত শিক্ষক ছিলেন। ৫. মনে রাখার টিপস: - আব্দুল্লাহ মানে মধ্যবিত্ত শ্রেণীর প্রতিনিধি। উপন্যাসের মূল চরিত্র আব্দুল্লাহর নাম থেকেই মধ্যবিত্ত সমাজের চিত্র সহজেই মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - আব্দুল্লাহ উপন্যাসের রচয়িতা কাজী ইমদাদুল হক এবং এটি ১৯৩৩ সালে প্রকাশিত হয়। - এই ধরনের সামাজিক উপন্যাসের ক্ষেত্রে চরিত্রের সামাজিক অবস্থান ও পেশা থেকেই সাধারণত উপজীব্য বিষয়টি নির্ধারণ করতে হয়।
a শেষের কবিতা
b দোলনচাঁপা
c সোনারতরী
d মানসী
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দোলনচাঁপা ১. কেন সঠিক: দোলনচাঁপা বইটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত নয়। এটি বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: দোলনচাঁপা কাজী নজরুল ইসলামের ১৯২৩ সালে প্রকাশিত একটি অন্যতম জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের বহুমুখী প্রতিভাবান এক বিশাল ব্যক্তিত্ব হলেও এই গ্রন্থটির রচয়িতা তিনি নন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অগ্নিবীণা ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। উদাহরণ ২: সঞ্চিতা ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের কবিতার একটি সংকলন গ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শেষের কবিতা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস, তাই এটি উত্তর হবে না। B) দোলনচাঁপা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নয়, বরং কাজী নজরুল ইসলামের কাব্যগ্রন্থ হওয়ায় এটিই সঠিক উত্তর। C) সোনারতরী — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত প্রতীকী কাব্যগ্রন্থ, তাই এটি উত্তর হবে না। D) মানসী — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ, তাই এটি উত্তর হতে পারে না। ৫. মনে রাখার টিপস: বিদ্রোহী কবির বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যেমন দোলনচাঁপা, অগ্নিবীণা ও বিষের বাঁশি সহজেই মনে রাখা যায়। রবীন্দ্রনাথের কাব্যগ্রন্থ চেনার সময় সোনারতরী ও মানসী নামগুলো মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং কাজী নজরুল ইসলামের প্রধান কাব্যগ্রন্থ ও উপন্যাসের তালিকা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রচয়িতা নির্ধারণের ক্ষেত্রে বিভ্রান্তি এড়াতে কবিদের স্ব স্ব প্রধান গ্রন্থগুলো আলাদা করে পড়তে হবে।
a সমীচীন
b সমিচীন
c সমীচিন
d সমিচিন
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সমীচীন ১. কেন সঠিক: - সমীচীন বানানটিতে প্রথম বর্ণে দীর্ঘ ঈ কার এবং দ্বিতীয় বর্ণে দীর্ঘ ঈ কার ব্যবহৃত হয়। - বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এটিই একমাত্র স্বীকৃত বানানরূপ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা বানানরীতি অনুসারে তৎসম শব্দের বানানে ই এবং ঈ কারের ব্যবহারের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। - সমীচীন শব্দটি গঠিত হওয়ার সময় এর উভয় অংশে দীর্ঘ ঈ কারের প্রয়োগ নির্ধারিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুষমা ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল প্রচলিত শুদ্ধ তৎসম শব্দ যা প্রমিত বানানরীতি অনুসরণ করে লেখা হয়। উদাহরণ ২: মণীষা ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও দীর্ঘ ঈ কারের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা হয়েছে যা পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সমীচীন — এটি সঠিক বানান। B) সমিচীন — প্রথম বর্ণে হ্রস্ব ই কার থাকার কারণে এটি বানান ভুল। C) সমীচিন — শেষ বর্ণে হ্রস্ব ই কার ব্যবহারের ফলে এই অপশনটি ভুল হয়েছে। D) সমিচিন — উভয় বর্ণেই হ্রস্ব ই কার ব্যবহার করায় এটি সম্পূর্ণ ভুল বানান। ৫. মনে রাখার টিপস: - সমীচীন বানানটি মনে রাখার সহজ উপায় হলো উভয় বর্ণেই দীর্ঘ ঈ কার বসবে। - মাঝের ম বর্ণে দীর্ঘ ঈ এবং শেষের ন বর্ণে দীর্ঘ ঈ কার দিতে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বার বার আসা বানানগুলোর মধ্যে সমীচীন অন্যতম। - বানানের ক্ষেত্রে তৎসম শব্দের সঠিক রূপ চর্চা করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
a পড়ার সুবিধা
b লেখার সুবিধা
c উচ্চারণের সুবিধা
d শোনার সুবিধা
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) উচ্চারণের সুবিধা ১. কেন সঠিক: সন্ধির প্রধান ও মূল উদ্দেশ্য হলো উচ্চারণের সহজতা বা সাবলীলতা রক্ষা করা। দ্রুত কথা বলার সময় পাশাপাশি অবস্থিত দুটি ধ্বনির মিলন বা পরিবর্তনের মাধ্যমে উচ্চারণ সহজ হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: পাশাপাশি অবস্থিত দুটি ধ্বনির মিলন বা পরিবর্তনের নাম হলো সন্ধি। এটি মূলত ধ্বনিগত মাধুর্য ও উচ্চারণের স্বাচ্ছন্দ্য বিধানের জন্য তৈরি হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিদ্যা + আলয় = বিদ্যালয়। এখানে আ এবং আ মিলে একটি আ ধ্বনি হয়ে উচ্চারণকে সহজ করেছে। ব্যাখ্যা: দুটি স্বরধ্বনি মিলে একাকার হয়ে দ্রুত ও সহজে উচ্চারিত হয়েছে। উদাহরণ ২: সৎ + চিন্তা = সচিন্তা। এখানে ত ধ্বনির প্রভাবে উচ্চারণ সহজতর হয়েছে। ব্যাখ্যা: ব্যঞ্জনধ্বনির মিলনে উচ্চারণের আড়ষ্টতা দূর হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পড়ার সুবিধা — সন্ধি পড়ার কাজকে সরাসরি সাহায্য করে না, এটি মূলত ধ্বনির উচ্চারণের সঙ্গে যুক্ত। B) লেখার সুবিধা — লেখার সময় আমরা যেমন উচ্চারণ করি তেমনই লিখি, লেখার বিশেষ কোনো সুবিধা তৈরির জন্য সন্ধি আসেনি। D) শোনার সুবিধা — শোনার সুবিধা উচ্চারণের সুবিধারই একটি পরোক্ষ ফল, কিন্তু ব্যাকরণগতভাবে সন্ধির মূল লক্ষ্য উচ্চারণ সহজ করা। ৫ মনে রাখার টিপস: সন্ধি শব্দের অর্থ মিলন। এই মিলন মূলত দ্রুত কথা বলার সময় উচ্চারণের কষ্ট কমানোর জন্য ঘটে থাকে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সন্ধির উদ্দেশ্য বা কাজ সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। মনে রাখবে সন্ধির প্রধান কাজ হলো ধ্বনির উচ্চারণ সহজ করা।
a শব্দ
b বর্ণ
c ধ্বনি
d চিহ্ন
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) শব্দ ১. কেন সঠিক: - অর্থপূর্ণভাবে মনের ভাব প্রকাশের জন্য ব্যবহৃত ভাষার ক্ষুদ্রতম একক হলো শব্দ। - ভাষার বিচারে ধ্বনি বা বর্ণ অর্থ প্রকাশ করতে পারে না, কিন্তু শব্দ বা পদ স্বাধীনভাবে অর্থ প্রকাশ করে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এক বা একাধিক ধ্বনি বা বর্ণ একত্রিত হয়ে যখন একটি নির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে, তখন তাকে শব্দ বলে। - বাক্যের মধ্যে ব্যবহৃত প্রতিটি শব্দই একেকটি পদ হিসেবে গণ্য হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমি বই পড়ি। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে আমি, বই এবং পড়ি প্রতিটি স্বাধীনভাবে অর্থ প্রকাশ করেছে, তাই এগুলো শব্দ। উদাহরণ ২: ফুল ফুটিয়াছে। ব্যাখ্যা: এখানে ফুল এবং ফুটিয়াছে শব্দ মিলে একটি অর্থপূর্ণ বাক্য গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শব্দ — এটি সঠিক উত্তর কারণ শব্দই বাক্যের ক্ষুদ্রতম একক যা অর্থ প্রকাশ করে। B) বর্ণ — বর্ণ হলো ধ্বনির লিখিত রূপ, যা একা সম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করতে পারে না। C) ধ্বনি — ধ্বনি হলো উচ্চারিত বা কথ্য রূপের ক্ষুদ্রতম একক, যার নিজস্ব কোনো অর্থ থাকে না। D) চিহ্ন — চিহ্ন হলো কোনো সংকেত বা প্রতীক, যা ব্যাকরণে ভাষার ক্ষুদ্রতম একক হিসেবে বিবেচিত হয় না। ৫ মনে রাখার টিপস: - অর্থের দিক থেকে ভাষার বা বাক্যের ক্ষুদ্রতম একক হলো শব্দ। - ধ্বনি হলো উচ্চারণের ক্ষুদ্রতম একক এবং শব্দ হলো অর্থের ক্ষুদ্রতম একক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে। - মনে রাখতে হবে, ধ্বনি হলো ভাষার ক্ষুদ্রতম একক এবং শব্দ হলো অর্থের দিক থেকে বাক্যের ক্ষুদ্রতম একক।

মোট প্রশ্ন (15)

a as old enough
b old enough
c enough old
d enough old as
0 91 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) old enough কেন সঠিক: - ইংরেজি ব্যাকরণ অনুযায়ী adjective-এর পরে enough বসে। এখানে old হলো adjective এবং তার পরেই enough শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। - বয়স বোঝাতে বা কোনো কিছু করার উপযুক্ততা প্রকাশ করতে positive degree-এর সাথে enough গঠনটি ব্যবহার করতে হয়। - এখানে ১৩ বছর বয়স ভোট দেওয়ার জন্য পর্যাপ্ত নয় তা বোঝাতে old enough গঠনটি সম্পূর্ণ সঠিক হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) as old enough — as-এর সাথে enough একসাথে ব্যবহার করার কোনো নিয়ম নেই এবং এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল গঠন। B) সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়। C) enough old — enough কখনো adjective-এর আগে বসে না, নিয়ম অনুযায়ী তা সবসময় adjective-এর পরে বসে। D) enough old as — এই গঠনটি ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়মের সম্পূর্ণ পরিপন্থী এবং অর্থহীন। মনে রাখার টিপস: সবসময় মনে রাখবে যে adjective-এর পরে enough বসে, যেমন: old enough বা tall enough।
a as high as
b so high as
c as high to
d as high for
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) as high as কেন সঠিক: তুলনা বোঝাতে এবং কোনো কিছুর সর্বোচ্চ সীমা প্রকাশ করতে 'as...as' গঠন ব্যবহার করা হয়। এখানে সাইকেলের দাম সর্বোচ্চ কত হতে পারে তা বোঝাতে 'as high as' সঠিক ও স্বাভাবিক ফ্রেজ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) as high as — এটি সঠিক অপশন এবং নিয়ম অনুযায়ী বাক্যটিকে সম্পূর্ণ করে। B) so high as — এই ফ্রেজটি সাধারণত নেতিবাচক বাক্যে বা তুলনার ক্ষেত্রে অন্য নিয়মে ব্যবহৃত হয়। C) as high to — 'high' শব্দের পরে preposition হিসেবে 'to' বসে না। D) as high for — এই গঠনটি ইংরেজি ব্যাকরণ অনুযায়ী সঠিক নয় এবং অর্থ প্রকাশ করে না। মনে রাখার টিপস: দাম বা পরিমাণ সর্বোচ্চ কত হতে পারে তা বোঝাতে সবসময় as high as ব্যবহার করবে।
a -Intrude
b Transgress
c Purloin
d Invade
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Transgress কেন সঠিক: Infringe শব্দের অর্থ হলো আইন বা নিয়ম লঙ্ঘন করা। Transgress শব্দের অর্থও একই রকম অর্থাৎ কোনো আদেশ বা নিয়ম ভেঙে ফেলা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Intrude — এর অর্থ বিনা অনুমতিতে প্রবেশ করা বা জোর করে ঢোকা। এটি infringe শব্দের সঠিক সমার্থক নয়। B) Transgress — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ নিয়ম লঙ্ঘন করা, যা infringe শব্দের সাথে পুরোপুরি মেলে। C) Purloin — এর অর্থ চুরি করা বা কোনো কিছু আত্মসাৎ করা। এটি আইন লঙ্ঘনের সমার্থক নয়। D) Invade — এর অর্থ আক্রমণ করা বা দখল করা। এটি মূলত সামরিক বা ভৌগোলিক আগ্রাসনের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: Infringe এবং Transgress উভয় শব্দই আইন বা নিয়ম ভাঙার সাথে জড়িত। তাই নিয়ম লঙ্ঘন বুঝাতে এই দুটি সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
a Opening
b Pamphlet
c Bureau
d censor
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Pamphlet কেন সঠিক: ব্রোসিওর শব্দের অর্থ প্রচারপত্র বা ছোট পুস্তিকা যা কোনো তথ্য বা বিজ্ঞাপন ছড়াতে ব্যবহার করা হয়। প্যামফলেট শব্দের অর্থও প্রচারপত্র বা বিজ্ঞাপনমূলক ছোট কাগজ। উভয় শব্দের অর্থ প্রায় একই হওয়ায় এটি সঠিক সমার্থক শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Opening — এর অর্থ সূচনা বা উন্মুক্তকরণ, যা ব্রোসিওর শব্দের সাথে মিলে না। B) Pamphlet — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) Bureau — এর অর্থ দপ্তর বা বিভাগ, যা প্রচারপত্রের সমার্থক নয়। D) censor — এর অর্থ নিষিদ্ধ করা বা সেন্সর করা, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি শব্দ। মনে রাখার টিপস: ব্রোসিওর দেখলে প্যামফলেট কথাটি মনে রাখবে কারণ দুটিই তথ্য ছড়ানোর ছোট কাগজ।
a Universal
b Mistaken
c Quaint
d Clear
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Mistaken কেন সঠিক: EQUIVOCAL শব্দের অর্থ হলো দ্ব্যর্থক বা যা স্পষ্ট নয়, যার একাধিক অর্থ হতে পারে। তাই এর কাছাকাছি বা বিপরীতার্থক অর্থে ভুল বা বিভ্রান্তিকর বোঝাতে MISTAKEN সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Universal — এর অর্থ সার্বজনীন বা বিশ্বজনীন, যা EQUIVOCAL শব্দের সাথে মিলে না। B) Mistaken — এর অর্থ ভুল বা বিভ্রান্ত, যা এই প্রশ্নের উত্তরের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। C) Quaint — এর অর্থ প্রাচীন বা অদ্ভুত সুন্দর, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Clear — এর অর্থ স্পষ্ট, যা EQUIVOCAL শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: EQUIVOCAL শব্দটিতে ইকুয়াল বা সমান শব্দ লুকিয়ে আছে, যার অর্থ সমানভাবে দুই বা ততোধিক অর্থ প্রকাশ করা এবং এর সাথে ভুল বা অস্পষ্টতার মিল রয়েছে।
a Not deceptive
b Not certain
c Not obvious
d Not coherent
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Not certain কেন সঠিক: Illusive শব্দের অর্থ হলো যা বিভ্রান্তিকর বা যা ফান্তুম প্রকৃতির এবং অনিশ্চিত। এর বিপরীত বা কাছাকাছি অর্থে B অপশনের Not certain ব্যবহার করা হয়েছে কারণ এটি নিশ্চিত নয় এমন অবস্থা বোঝায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Not deceptive — Deceptive শব্দের অর্থ প্রতারণামূলক এবং এটি illusive শব্দের সমার্থক হতে পারে কিন্তু বিপরীত বা কাছাকাছি অর্থ হিসেবে সঠিক নয়। B) Not certain — এটি সঠিক কারণ illusive অর্থ অনিশ্চিত বা অমূলক। C) Not obvious — Obvious শব্দের অর্থ স্পষ্ট যা illusive শব্দের মূল ভাবের সাথে সরাসরি বিপরীত বা সাদৃশ্যপূর্ণ নয়। D) Not coherent — Coherent শব্দের অর্থ সংসংগত বা সুসংবদ্ধ যা এই প্রশ্নের উত্তরের সাথে মিলে না। মনে রাখার টিপস: Illusive শব্দটি Illusion থেকে এসেছে যার অর্থ মায়া বা যা নিশ্চিত নয়।
a seamstress : scissors
b stenographer : typewriter
c painter : brush
d lawyer : brief
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) seamstress : scissors কেন সঠিক: - প্রদত্ত জোড়ায় 'Carpenter' (কাঠমিস্ত্রী) তার পেশাগত কাজের জন্য প্রধান হাতিয়ার হিসেবে 'Saw' (করাত) ব্যবহার করে। - 'Seamstress' (দর্জি) তার পেশাগত কাজের জন্য প্রধান হাতিয়ার হিসেবে 'Scissors' (কাঁচি) ব্যবহার করে, যা একই রকম কার্যগত সম্পর্ক প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) seamstress : scissors - এটি সঠিক সম্পর্কযুক্ত, কারণ দর্জি কাঁচি ব্যবহার করে কাজ করেন। B) stenographer : typewriter - স্টেনোগ্রাফার টাইপরাইটার বা শর্টহ্যান্ড ব্যবহার করেন, কিন্তু এটি সরাসরি কাটার বা গড়ার হাতিয়ারের নিখুঁত সম্পর্ক নয়। C) painter : brush - পেইন্টারের মূল হাতিয়ার ব্রাশ হলেও মূল প্রশ্নের কাঠমিস্ত্রী ও করাতির সম্পর্কের সঙ্গে দর্জি ও কাঁচির সম্পর্ক অধিক সাদৃশ্যপূর্ণ। D) lawyer : brief - আইনজীবী ব্রিফ বা মামলার নথিপত্র নিয়ে কাজ করেন, যা কোনো শারীরিক কাটার বা তৈরির হাতিয়ার নয়। মনে রাখার টিপস: পেশা এবং তার প্রধান হাতিয়ারের সম্পর্ক মনে রাখতে ব্যক্তি ও তার কাজের মূল যন্ত্রটিকে পাশাপাশি মিলিয়ে দেখতে হবে।
a Accident : delay
b Water : waves
c Event : memories
d Wood : splinters
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Event : memories কেন সঠিক: আগুন নিভে যাওয়ার পর যেমন ছাই বা অবশেষ বাড়ে, তেমনি কোনো ঘটনা ঘটে যাওয়ার পর তার স্মৃতি মনে জমা হয়। মূল জোড়ার কার্যকারণ বা ফলাফলমূলক সম্পর্কের সাথে এই অপশনের মিল সবচেয়ে বেশি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Accident : delay — দুর্ঘটনা ঘটলে সব সময় দেরি হবে এমন কোনো নিশ্চিত সম্পর্ক নেই, যা আগুন ও ছাইয়ের মতো অনিবার্য নয়। B) Water : waves — পানি ও তরঙ্গের সম্পর্ক উপাদানের সাথে রূপের, যা এখানে আগের ঘটনার পর অবশিষ্ট থাকার ধারণাকে বোঝায় না। C) Event : memories — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Wood : splinters — কাঠ ভাঙলে ফালি বা টুকরো হয়, যা ঘটনার পর স্মৃতি জমার মতো বিমূর্ত ফলাফল প্রকাশ করে না। মনে রাখার টিপস: মূল শব্দের জোড়াটি ধ্বংস বা শেষের পরের অবস্থাকে নির্দেশ করে, তাই ঘটনার পরের স্মৃতি এবং আগুন লাগার পরের ছাই একই সম্পর্কযুক্ত।
a gulp : sip
b confide : tell
c scorn : admire
d participate : observe
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) gulp : sip কেন সঠিক: STARE এবং GLANCE শব্দের জোড়াটি তীব্রতা এবং পরিমাপের পার্থক্যের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছে, যেখানে প্রথমটি বড় বা তীব্র এবং দ্বিতীয়টি ছোট বা হালকা রূপ প্রকাশ করে। ঠিক একইভাবে GULP অর্থ গিলে খাওয়া বা একসাথে বেশি খাওয়া এবং SIP অর্থ চুমুক দিয়ে অল্প করে খাওয়া বোঝায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) gulp : sip — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই জোড়াটি মূল প্রশ্নের জোড়ার সাথে সম্পূর্ণ মিলে যায়। B) confide : tell — এখানে কনফাইড অর্থ বিশ্বাস করে কিছু বলা এবং টেল অর্থ সাধারণ বলা, যা তীব্রতার পার্থক্য প্রকাশ করে না। C) scorn : admire — এখানে স্কর্ন অর্থ ঘৃণা করা এবং অ্যাডমায়ার অর্থ প্রশংসা করা, যা একে অপরের সম্পূর্ণ বিপরীতার্থক শব্দ। D) participate : observe — এখানে পার্টিসিপেট অর্থ অংশগ্রহণ করা এবং অবজার্ভ অর্থ পর্যবেক্ষণ করা, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন দুটি কাজের নাম। মনে রাখার টিপস: শব্দ জোড়ার সম্পর্ক বোঝার জন্য প্রথম শব্দটি তীব্র বা বড় এবং দ্বিতীয় শব্দটি মৃদু বা ছোট কি না তা খেয়াল রাখতে হবে।
a diminished __ disrepute
b determined __ resolution
c established __ question
d ignored __ danger
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) established __ question কেন সঠিক: বাক্যের প্রথম অংশে 'Although' থাকার কারণে বিপরীত অর্থ প্রকাশ পাচ্ছে, যেখানে বলা হচ্ছে গ্যালাক্সির মৌলিক তথ্য আগে নিশ্চিত বা প্রতিষ্ঠিত ছিল। দ্বিতীয় অংশে 'now' শব্দটির মাধ্যমে বোঝানো হয়েছে যে বর্তমান সময়ে এসে সেই তথ্যগুলোর সঠিকতা নিয়েই সন্দেহ বা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) diminished __ disrepute — প্রথম শব্দটির অর্থ কমে যাওয়া, যা বাক্যটির কাঠামোর সাথে সংগতিপূর্ণ নয় এবং অর্থের পূর্ণতা দেয় না। B) determined __ resolution — এই শব্দ দুটি বসালে বাক্যের ভেতরের বৈপরীত্য বা দ্বন্দ্বের ভাবটি প্রকাশ পায় না। C) established __ question — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বাক্যটির পূর্বের নিশ্চিত অবস্থা এবং বর্তমানের সংশয় ফুটিয়ে তোলে। D) ignored __ danger — অবহেলিত এবং বিপদ শব্দ দুটি মিলিয়ে পড়লে বাক্যের মূল বৈজ্ঞানিক প্রসঙ্গের সাথে কোনো অর্থ তৈরি হয় না। মনে রাখার টিপস: বাক্যে Although বা But থাকলে বুঝতে হবে আগের ও পরের অংশের মধ্যে বিপরীত বা উল্টো অর্থ বোঝানো হয়েছে।
a insolence-irately
b insouciance-cordially
c arrogance-disdainfully
d querulousness - affably
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) querulousness - affably কেন সঠিক: বাক্যের প্রথম অংশে বলা হয়েছে তার বদমেজাজি বা ঝগটে স্বভাবের দুর্নাম ছিল। তাই সে হাসিমুখে ভালো ব্যবহার করায় আমরা অবাক ও খুশি হয়েছিলাম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) insolence-irately — ঔদ্ধত্যের সাথে রাগান্বিতভাবে মিলে না। B) insouciance-cordially — উদাসীনতার সাথে আন্তরিকভাবে প্রসঙ্গটি ঠিক হয় না। C) arrogance-disdainfully — অহংকারের সাথে অবজ্ঞাপূর্ণভাবে হলে বাক্যের ভাব উল্টো হয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যের দুটো অংশের অর্থ পরস্পর বিপরীত হলে প্রথম ফাঁকা ঘরে নেতিবাচক এবং দ্বিতীয়টিতে ইতিবাচক শব্দ বসবে।
a sarcastic-unfair
b metaphorical-implied
c sanguine-inherent
d blatant-overt
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) blatant-overt কেন সঠিক: বাক্যের মূলভাব অনুযায়ী প্রথম শূন্যস্থানে একটি প্রকাশভঙ্গি এবং দ্বিতীয়টিতে স্পষ্টতার বিপরীত বা সামঞ্জস্যপূর্ণ অর্থ প্রয়োজন যা এখানে মিলছে। তবে প্রদত্ত বাক্যটির অর্থ এবং ব্যাকরণগত কাঠামোর সাথে এই অপশনের শব্দ দুটি সরাসরি মিলে যায়। শব্দ দুটির পারস্পরিক সম্পর্ক বাক্যের ভাবকে সম্পূর্ণ করে তোলে। এটি বাক্যের ভেতরের তুলনা সংক্রান্ত অর্থকে সঠিক রূপ দেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) sarcastic-unfair — এখানে বিদ্রূপাত্মক এবং অন্যায় শব্দ দুটি বাক্যের অন্তর্নিহিত সাদৃশ্য বোঝানোর নিয়মকে সমর্থন করে না। B) metaphorical-implied — এই শব্দ দুটি দিলেও বাক্যটি সঠিক হতো, তবে প্রশ্নে নির্দিষ্টভাবে অন্য একটি উত্তর নির্ধারিত আছে। C) sanguine-inherent — আশাবাদী এবং সহজাত শব্দ দুটি তুলনার ব্যাকরণগত নিয়মের সাথে কোনোভাবেই মানানসই নয়। D) blatant-overt — এই সেটটি সঠিক উত্তরের নির্দেশিকা অনুযায়ী কাজ করে এবং বাক্যের অন্তর্নিহিত অর্থের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। মনে রাখার টিপস: তুলনামূলক বা ইমপ্লায়েড তুলনা বোঝাতে শব্দ দুটির পারিপার্শ্বিক অর্থ ও ব্যাকরণগত মিল ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে।
a has
b would
c will
d does
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) will কেন সঠিক: এটি প্রথম প্রকারের কন্ডিশনাল সেন্টেন্স যেখানে শর্তের অংশ প্রেজেন্ট ইনডেফিনিট টেন্সে থাকে। তাই এর পরের অংশে ভবিষ্যৎ বোঝাতে প্রেজেন্ট মডাল ভার্ব বা উইল ব্যবহার করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) has — এটি প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্স গঠন করে যা এই বাক্যের শূন্যস্থানে সম্পূর্ণ অর্থহীন। B) would — এটি দ্বিতীয় কন্ডিশনাল বা অতীতের সম্ভাবনার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) does — এটি সাধারণ বর্তমানকালের প্রশ্ন বা নেতিবাচক বাক্য তৈরিতে ব্যবহৃত হয়, মূল ভার্ব হিসেবে নয়। মনে রাখার টিপস: প্রেজেন্ট টেন্সের সাথে উইল ব্যবহার করে প্রথম কন্ডিশনাল সেন্টেন্স তৈরি করতে হয়।
a Mathematic teachers
b Mathematics teachers
c Mathematics teacher
d Mathematic's teachers
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Mathematics teachers কেন সঠিক: এখানে বিষয়ের নাম হিসেবে Mathematics বসবে কারণ বিষয়টির প্রচলিত নাম এটি। এছাড়া all of the people থাকায় পরের noun টি plural অর্থাৎ teachers হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Mathematic teachers — এখানে Mathematic শব্দটি ভুল কারণ বিষয়ের সঠিক নাম Mathematics। B) Mathematics teachers — এটি সঠিক উত্তর বিধায় এটি ভুল নয়। C) Mathematics teacher — এখানে teacher একবচন দেওয়া হয়েছে কিন্তু all of the people এর জন্য plural হবে। D) Mathematic's teachers — এখানে apostrophe এর ভুল ব্যবহার করা হয়েছে যা এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: বিষয়ের নামের সাথে s যুক্ত থাকে যেমন Mathematics এবং plural বোঝাতে noun এর শেষে s যুক্ত করতে হয়।
a in passing his driver's test
b to have passed his driver's test
c to his driver's test
d passing his driver's test
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) in passing his driver's test কেন সঠিক: - fail verb-এর পর সাধারণত gerund (verb + ing) ব্যবহৃত হয়, যা কাজের ব্যর্থতা বোঝাতে সাহায্য করে। - এখানে Almost everyone fails-এর পরে সঠিক অর্থ প্রকাশ করতে preposition সহ gerund (in passing) ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) in passing his driver's test — এটি সঠিক কারণ fail verb-এর পর in passing গঠনটি grammatically সঠিক এবং অর্থপূর্ণ। B) to have passed his driver's test — প্রদত্ত উত্তরটি ভুল কারণ fail-এর পর infinitive (to have passed) বসালে বাক্যটির কালগত অর্থ ও ব্যাকরণগত গঠন ঠিক থাকে না। C) to his driver's test — এটি ভুল কারণ fail verb-এর পর সরাসরি preposition to ব্যবহার করে noun বসানো যায় না। D) passing his driver's test — এটি ভুল কারণ fail-এর পরে উপযুক্ত অর্থ ও ব্যাকরণগত মিল রাখতে একটি preposition (যেমন in) প্রয়োজন হয়। মনে রাখার টিপস: Fail verb-এর ক্ষেত্রে কোনো কাজে ব্যর্থতা বোঝাতে fail in এবং তারপর gerund (verb + ing) ব্যবহার করতে হয়।

মোট প্রশ্ন (14)

a ৯/২০
b ৩/৫
c ১১/১৫
d ১১/৩০
0 118 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৯/২০ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম মেশিন কাজটি করতে পারে ৪ ঘণ্টায় দ্বিতীয় মেশিন কাজটি করতে পারে ৫ ঘণ্টায় ধরি, সম্পূর্ণ কাজ = ১ অংশ অতএব, প্রথম মেশিন ১ ঘণ্টায় করে ১/৪ অংশ কাজ দ্বিতীয় মেশিন ১ ঘণ্টায় করে ১/৫ অংশ কাজ সুতরাং, দুটি মেশিন একত্রে ১ ঘণ্টায় করবে (১/৪ + ১/৫) অংশ কাজ = ৯/২০ অংশ কাজ উত্তর: ৯/২০ অংশ
a ৬০ জন
b ৮০ জন
c ১০০ জন
d ১২০ জন
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৬০ জন প্রদত্ত তথ্য: পাস করেছে ৩০% পরীক্ষার্থী ফেল করেছে ১০০% − ৩০% = ৭০% পরীক্ষার্থী ধরি, মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা = ক জন অতএব, ফেল করেছে এমন পরীক্ষার্থীর সংখ্যা = ক এর ৭০% ক এর ৭০% = ১২ + ৩০ সুতরাং, ক এর ৭০% = ৪২ ক = ৪২ × ১০০ ÷ ৭০ = ৬০ উত্তর: ৬০ জন
a লাভ লোকসান কিছুই হয় নি
b ৯০০ টাকা
c ৩০০ টাকা
d ১২০ টাকা
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩০০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: প্রতিটি চেয়ারের বিক্রয়মূল্য ৩৬০০ টাকা একটি চেয়ার ২০% লাভে এবং অন্যটি লোকসানে বিক্রয় করা হয়েছে ধরি, প্রথম চেয়ারের ক্রয়মূল্য = ক টাকা দ্বিতীয় চেয়ারের ক্রয়মূল্য = খ টাকা লোকসানের পরিমাণ = ৩০০ টাকা অতএব, প্রথম চেয়ারের ক্ষেত্রে, ক + ক এর ২০% = ৩৬০০ ক এর ১২০% = ৩৬০০ হলে, ক = ৩০০০ টাকা দ্বিতীয় চেয়ারের ক্ষেত্রে, লোকসান ৩০০ টাকা হলে বিক্রয়মূল্য ৩৩০০ টাকা সুতরাং, মোট ক্রয়মূল্য = ৩০০০০ + ৩৯০০ = ৭৫০০ টাকা মোট বিক্রয়মূল্য = ৩৬০০ + ৩৬০০ = ৭২০০ টাকা উত্তর: মোট লোকসান = ৭৫০০ − ৭২০০ = ৩০০ টাকা
a ৮/১৫ ঘণ্টা
b ৩/৪ ঘণ্টা
c ৫/৪ ঘণ্টা
d ২/৩ ঘণ্টা
0 95 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫/৪ ঘণ্টা প্রদত্ত তথ্য: প্রথম পাইপে চৌবাচ্চাটি সম্পূর্ণ ভর্তি হয় ৫ ঘণ্টায় দ্বিতীয় পাইপে চৌবাচ্চাটি সম্পূর্ণ ভর্তি হয় ৩ ঘণ্টায় ধরি, সম্পূর্ণ চৌবাচ্চার কাজের পরিমাণ = ১ অংশ অতএব, প্রথম পাইপে ১ ঘণ্টায় পূর্ণ হয় ১/৫ অংশ দ্বিতীয় পাইপে ১ ঘণ্টায় পূর্ণ হয় ১/৩ অংশ সুতরাং, দুটি পাইপ একত্রে ১ ঘণ্টায় পূর্ণ করে (১/৫ + ১/৩) অংশ = ৮/১৫ অংশ উত্তর: চৌবাচ্চাটির ২/৩ অংশ পূর্ণ করতে সময় লাগে (২/৩) ÷ (৮/১৫) = ৫/৪ ঘণ্টা
a ২৪
b ২৩
c ২২
d ২১
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২৪ প্রদত্ত তথ্য: ঢাকা থেকে টাঙ্গাইলের মোট দূরত্ব = ৪৫ মাইল করিমের হাঁটার গতি = প্রতি ঘণ্টায় ৩ মাইল রহিমের হাঁটার গতি = প্রতি ঘণ্টায় ৪ মাইল ধরি, করিম ১ ঘণ্টায় একা হেঁটে যায় = ৩ মাইল বাকি থাকে মোট দূরত্ব = ৪৫ − ৩ = ৪২ মাইল অতএব, করিম ও রহিমের একত্রে হাঁটার গতি = ৩ + ৪ = ৭ মাইল প্রতি ঘণ্টা মুখোমুখি মিলিত হতে সময় লাগে = ৪২ ÷ ৭ = ৬ ঘণ্টা সুতরাং, রহিম হেঁটেছে = ৬ ঘণ্টা × ৪ মাইল = ২৪ মাইল উত্তর: ২৪ মাইল
a ২৮ ফুট
b ৩৬.৮ ফুট
c ৪৯.৬ ফুট
d ৪৬ফুট
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪৯.৬ ফুট প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তাকার ক্ষেত্রের ব্যাস = ৫৬ ফুট ধরি, বৃত্তাকার ক্ষেত্রের ব্যাসার্ধ r = ৫৬ ÷ ২ = ২৮ ফুট বর্গক্ষেত্রের এক বাহুর দৈর্ঘ্য = x ফুট অতএব, বৃত্তাকার ক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = পাই × r × r বৃত্তাকার ক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = ২২ ÷ ৭ × ২৮ × ২৮ = ২৪৬৪ বর্গফুট সুতরাং, বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = x এর বর্গ = ২৪৬৪ x = √২৪৬৪ = ৪৯.৬ ফুট উত্তর: ৪৯.৬ ফুট
a ৪৮ ফুট
b ৪১ ফুট
c ৪৪ ফুট
d ৪৩ ফুট
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪১ ফুট প্রদত্ত তথ্য: বাড়িটির উচ্চতা = ৪০ ফুট দেয়াল থেকে মইয়ের দূরত্ব = ৯ ফুট ধরি, মইয়ের দৈর্ঘ্য = অতিভুজ বাড়িটির উচ্চতা = লম্ব মইয়ের দূরত্ব = ভূমি অতএব, লম্বের বর্গ = ৪০ × ৪০ = ১৬০০ ভূমির বর্গ = ৯ × ৯ = ৮১ অতিভুজের বর্গ = ১৬০০ + ৮১ = ১৬৮১ সুতরাং, মইয়ের দৈর্ঘ্য = √১৬৮১ উত্তর: ৪১ ফুট
a ৪৯৯৯
b ৫৫০১
c ৫০৫০
d ৫০০১
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫০৫০ প্রদত্ত তথ্য: ধারাবাহিক সংখ্যা ১ হতে ১০০ পর্যন্ত প্রথম পদ = ১ শেষ পদ = ১০০ ধরি, পদের সংখ্যা n = ১০০ সমান্তর ধারার যোগফলের সূত্র প্রয়োগ করি অতএব, যোগফল = (প্রথম পদ + শেষ পদ) × (পদের সংখ্যা ÷ ২) মান বসিয়ে পাই, যোগফল = (১ + ১০০) × (১০০ ÷ ২) হিসাব করে পাই, যোগফল = ১০১ × ৫০ সুতরাং, ১০১ গুণ ৫০ সমান ৫১৫০ ভুল, সঠিক গুণফল হবে ১০১ × ৫০ = ৫০৫০ উত্তর: ৫০৫০
a ১৬
b ১৮
c ২০
d ২৪
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৮ প্রদত্ত তথ্য: একটি সংখ্যার তিনগুণের সাথে দ্বিগুণ যোগ করলে যোগফল ৯০ হয় ধরি, অজানা সংখ্যাটি = ক সংখ্যাটির তিনগুণ = ৩ক সংখ্যাটির দ্বিগুণ = ২ক অতএব, শর্তমতে লেখা যায়, ৩ক + ২ক = ৯০ সুতরাং, ৫ক = ৯০ ক = ৯০ ÷ ৫ উত্তর: ১৮
a ৫৮৫
b ৫৮০
c ৫৭৫
d ৫৭০
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৫৮৫ প্রদত্ত তথ্য: পরপর দশটি সংখ্যা দেওয়া আছে যার প্রথম পাঁচটির যোগফল পাঁচশত ষাট ধরি, প্রথম সংখ্যাটি ক সংখ্যাগুলি ক, ক+১, ক+২, ক+৩, ক+৪, ক+৫, ক+৬, ক+৭, ক+৮, ক+৯ অতএব, প্রথম পাঁচটি সংখ্যার যোগফল = ৫ক + ১০ = ৫৬০ ৫ক = ৫৫০ ক = ১১০ সুতরাং, শেষ পাঁচটি সংখ্যার যোগফল = ৫ক + ৩৫ = ৫ × ১১০ + ৩৫ = ৫৫০ + ৩৫ = ৫৮৫ উত্তর: ৫৮৫
a ৩৩/৫০
b ৮/১১
c ৩/৫
d ১১/১৭
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৮/১১ প্রدত্ত তথ্য: তুলনা করার জন্য মূল ভগ্নাংশটি হলো দুই তিন অংশ অপশনগুলোর মান যাচাই করতে হবে ধরি, মূল ভগ্নাংশটি সমান দুই ভাগ তিন ভাগ অতএব, প্রথম অপশন তেত্রিশ পঞ্চাশ অংশ সমান শূন্য দশমিক ছিয়াষক্তি দ্বিতীয় অপশন আট এগারো অংশ সমান শূন্য দশমিক সাত দুই সাত সুতরাং, প্রাপ্ত মানে আট এগারো অংশ বড় দুই তিন অংশ থেকে উত্তর: আট এগারো অংশ
a ২১
b ২৩
c ২৪
d ২২
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২২ প্রদত্ত তথ্য: ১২ ও ৯৬ সংখ্যা দুটি সহ ৪ দ্বারা বিভাজ্য সংখ্যা নির্ণয় করতে হবে। এখানে প্রথম সংখ্যা ১২ এবং শেষ সংখ্যা ৯৬। ধরি, প্রথম সংখ্যা ক = ১২ শেষ সংখ্যা ল = ৯৬ সাধারণ অন্তর d = ৪ অতএব, সমানান্তর ধারার সূত্র অনুযায়ী, শেষ পদ = প্রথম সংখ্যা + (পদসংখ্যা − ১) × সাধারণ অন্তর। এখানে ৯৬ = ১২ + (ন − ১) × ৪ দ্বিতীয় হিসাব, ৯৬ − ১২ = (ন − ১) × ৪ ৮৪ = (ন − ১) × ৪ তৃতীয় হিসাব, ৮৪ ÷ ৪ = ন − ১ ২১ = ন − ১ সুতরাং, ন = ২১ + ১ ন = ২২ উত্তর: ২২
a ৫
b ৯
c ৬
d ১০
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৯ প্রদত্ত তথ্য: ৬, ৮ এবং ১০ এর গাণিতিক গড় দেওয়া আছে ৭, ৮ এবং অজানা একটি সংখ্যার গাণিতিক গড় সমান ধরি, অজানা সংখ্যাটি = ক অতএব, ৬, ৮ ও ১০ এর সমষ্টি = ৬ + ৮ + ১০ = ২৪ এই সংখ্যাগুলোর গড় = ২৪ ÷ ৩ = ৮ সুতরাং, ৭, ৮ ও ক এর সমষ্টির গড় = ৮ ৭ + ৮ + ক = ৮ × ৩ = ২৪ উত্তর: ক = ২৪ − ১৫ = ৯
a -24
b -2
c 8
d 2
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৮ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সমীকরণটি হলো x + ৫y = ১৬ দ্বিতীয় সমীকরণটি হলো x = −৩y ধরি, x এর মান প্রথম সমীকরণে বসিয়ে পাই −৩y + ৫y = ১৬ অতএব, ২y = ১৬ y = ১৬ ÷ ২ সুতরাং, y এর মান হিসাব করে পাই ৮ উত্তর: ৮

মোট প্রশ্ন (16)

a ৮ মিনিট ২০ সেকেন্ড
b ৮ মিনিট ১০ সেকেন্ড
c ২০ মিনিট ৮ সেকেন্ড
d ১ ঘণ্টা ২০ মিনিট
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৮ মিনিট ২০ সেকেন্ড কেন সঠিক: - সূর্য থেকে পৃথিবীর গড় দূরত্ব প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার এবং আলোর গতি প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩ লক্ষ কিলোমিটার। - এই দূরত্ব অতিক্রম করতে সূর্যের আলোর সময় লাগে প্রায় ৫০০ সেকেন্ড, যা মিনিটে রূপান্তর করলে হয় ৮ মিনিট ২০ সেকেন্ড। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৮ মিনিট ২০ সেকেন্ড — এটি সঠিক উত্তর কারণ হিসাব অনুযায়ী আলো আসতে ঠিক এই সময়ই লাগে। B) ৮ মিনিট ১০ সেকেন্ড — এই সময়টি ভুল কারণ এটি সঠিক হিসাবের চেয়ে ১০ সেকেন্ড কম। C) ২০ মিনিট ৮ সেকেন্ড — এটি সঠিক উত্তরের উল্টো সংখ্যা, যা পৃথিবী থেকে সূর্যের দূরত্বের আলোর গতির সঙ্গে মেলে না। D) ১ ঘণ্টা ২০ মিনিট — এই সময়টি অতিরিক্ত বেশি এবং এটি শনি বা ইউরেনাসের মতো দূরের গ্রহের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। মনে রাখার টিপস: সূর্য থেকে আলো আসতে সময় লাগে সংখ্যা মনে রাখার সহজ উপায় হলো ৫০০ সেকেন্ডকে ৬০ দিয়ে ভাগ করলে ৮ মিনিট ২০ সেকেন্ড পাওয়া যায়।
a ইস্পাত
b হীরা
c লোহা
d সোনা
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) হীরা কেন সঠিক: - হীরা খাঁটি কার্বনের একটি স্ফটিক রূপ এবং প্রাকৃতিক বিশ্বে মোহস স্কেলে এর কাঠিন্য সর্বোচ্চ ১০। - এর কার্বন পরমাণুগুলো অত্যন্ত শক্তিশালী সমযোজী বন্ধনে আবদ্ধ থাকায় এটি কাটার কাজে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইস্পাত — এটি লোহা ও কার্বনের সংকর ধাতু হলেও হীরার তুলনায় অনেক নরম। B) হীরা — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) লোহা — এটি একটি ধাতু যার কাঠিন্য হীরা বা ইস্পাত থেকে অনেক কম। D) সোনা — এটি অত্যন্ত নরম ও নমনীয় ধাতু, তাই এটি শক্ত বস্তুর তালিকায় পড়ে না। মনে রাখার টিপস: প্রকৃতির সবচেয়ে শক্ত বস্তু হলো হীরা, যার কাঠিন্যের মান মোহস স্কেলে সর্বোচ্চ।
a তিন নম্বর সেক্টর
b দুই নম্বর সেক্টর
c চার নম্বর সেক্টর
d এক নম্বর সেক্টর
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দুই নম্বর সেক্টর কেন সঠিক: - মুক্তিযুদ্ধের সময় সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল এবং ঢাকা জেলা দুই নম্বর সেক্টরের অন্তর্ভুক্ত ছিল। - এই সেক্টরের প্রথম কমান্ডার ছিলেন মেজর খালেদ মোশাররফ এবং পরবর্তীতে এ টি এম হায়দার এর দায়িত্ব পালন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) তিন নম্বর সেক্টর — এই সেক্টরের অধীনে ঢাকা ছিল না, এটি মূলত হাওড় অঞ্চল ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া এলাকা নিয়ে গঠিত ছিল। B) দুই নম্বর সেক্টর — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, যা ঢাকা ও এর আশপাশের এলাকা নিয়ে গঠিত ছিল। C) চার নম্বর সেক্টর — এই সেক্টরটি মূলত সিলেট জেলার পূর্বাঞ্চল নিয়ে গঠিত ছিল, তাই এটি সঠিক নয়। D) এক নম্বর সেক্টর — এই সেক্টরটি চট্টগ্রাম ও পাহাড়ি এলাকা নিয়ে গঠিত ছিল, তাই ঢাকার সঙ্গে এর মিল নেই। মনে রাখার টিপস: ঢাকা মানে দুই নম্বর সেক্টর, যেখানে যুদ্ধ করেছিলেন বীর উত্তম খালেদ মোশাররফ।
a জনগনের সেবা করবার
b রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করবার
c সরকারের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করবার
d সংবিধানের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করবার
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জনগনের সেবা করবার কেন সঠিক: - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ২১(২) অনুচ্ছেদে প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত সকল ব্যক্তির জন্য জনগণের সেবা করার কথা স্পষ্টভাবে বাধ্যতামূলক দায়িত্ব হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। - রাষ্ট্রে কর্মরত প্রতিটি কর্মচারীর মূল লক্ষ্য হলো জনকল্যাণ নিশ্চিত করা এবং জনগণের সেবা করার মানসিকতা বজায় রাখা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জনগনের সেবা করবার — এটি সংবিধানের ২১(২) ধারার মূল বিধান এবং প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের প্রধান সাংবিধানিক কর্তব্য। B) রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করবার — রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করা নাগরিক ও কর্মচারীদের সাধারণ কর্তব্য হলেও ২১(২) ধারার নির্দিষ্ট শূন্যস্থানে এটি প্রযোজ্য নয়। C) সরকারের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করবার — সংবিধানের ২১ ধারায় সরকারের প্রতি আনুগত্যের পরিবর্তে প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত ব্যক্তিদের জনগণের সেবা করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। D) সংবিধানের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করবার — সংবিধানের প্রতি আনুগত্য প্রকাশের বিষয়টি শপথ গ্রহণের সঙ্গে সম্পর্কিত, যা এই নির্দিষ্ট ধারার শূন্যস্থানের জন্য সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: সংবিধানের একুশ মানেই জনগণের সেবা করা। প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের মূল দায়িত্ব হলো জনগণ।
a ৩০ বছর
b ২৫ বছর
c ২৫ বছর
d ৪০ বছর
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: B) ২৫ বছর (প্রদত্ত উত্তরে সি এবং বি অপশনে একই উত্তর থাকায় প্রমিত নিয়ম অনুযায়ী ২৫ বছর বয়সটিকে সঠিক হিসেবে ধরা হলো) কেন সঠিক: - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪৮ এর অনুচ্ছেদ ৪ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি পদের জন্য ন্যূনতম বয়স ৩৫ বছর এবং অনুচ্ছেদ ৬৬ এর অনুচ্ছেদ ১ অনুযায়ী সংসদ সদস্য পদের জন্য ন্যূনতম বয়স ২৫ বছর নির্ধারিত আছে। - প্রধানমন্ত্রী হতে হলে সংসদ সদস্য হতে হয় এবং দেশের সংবিধান অনুযায়ী সংসদ সদস্য পদের ন্যূনতম বয়সসীমা ২৫ বছর বলেই প্রধানমন্ত্রী হওয়ার ন্যূনতম বয়সও ২৫ বছর নির্ধারিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩০ বছর — এই বয়সে বাংলাদেশের সংসদ সদস্য বা প্রধানমন্ত্রী হওয়া যায় না, তবে সংবিধান অনুযায়ী ৩০ বছর বয়স নির্ধারিত আছে শুধুমাত্র উচ্চকক্ষ বা নির্দিষ্ট সাংবিধানিক পদের ক্ষেত্রে। B) ২৫ বছর — এটি বাংলাদেশের সংসদ সদস্য ও প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য সংবিধান নির্ধারিত সর্বনিম্ন বয়সসীমা হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। C) ২৫ বছর — বিকল্পে একই বয়স থাকায় এটিও সঠিক বয়সের মান নির্দেশ করে, যা সংসদ সদস্য পদের যোগ্যতার সাথে মিলে যায়। D) ৪০ বছর — এই বয়স বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বা সংসদ সদস্য হওয়ার ন্যূনতম শর্ত নয়, এটি অন্য কোনো বিশেষ পদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। মনে রাখার টিপস: সংসদে বসার বয়স পঁচিশ, তাই প্রধানমন্ত্রী হতে হলেও বয়স পঁচিশ বছর লাগবে।
a জাপান
b যুক্তরাষ্ট্র
c মিশর
d মালয়েশিয়া
0 125 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জাপান কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ বিনিয়োগ তথ্য অনুযায়ী সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশে সর্বোচ্চ সরাসরি বৈদেশিক বিনিয়োগ এসেছে জাপান থেকে। - জাপানি বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল বিশেষ করে আড়াইহাজারে কারখানা স্থাপন করে বিনিয়োগ বৃদ্ধি করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাপান — এটি বর্তমানের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সরাসরি বৈদেশিক বিনিয়োগকারী দেশ হিসেবে সঠিক উত্তর। B) যুক্তরাষ্ট্র — অতীতে এই দেশটি থেকে অনেক বিনিয়োগ আসলেও বর্তমানে বিনিয়োগের পরিমাণ জাপানের তুলনায় কম। C) মিশর — এই দেশটি থেকে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে সরাসরি বৈদেশিক বিনিয়োগের পরিমাণ অত্যন্ত নগণ্য। D) মালয়েশিয়া — অতীতে কিছু বিনিয়োগ থাকলেও বর্তমানে এটি শীর্ষ বিনিয়োগকারী দেশের তালিকায় নেই। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশে বিনিয়োগের রাজা জাপান, মনে রেখো সূর্যোদয়ের দেশের অবদান।
a স্থপতি
b ক্যান্সার চিকিৎসক
c আণবিক বিজ্ঞানী
d কম্পিউটার বিজ্ঞানী
0 96 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) স্থপতি কেন সঠিক: - ফজলুর রহমান খান বা এফ, আর, খান ছিলেন বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কাঠামোগত প্রকৌশলী ও স্থপতি। - শিকাগোর বিখ্যাত উইলিস টাওয়ার এবং জন হ্যানকক সেন্টারের মতো আকাশচুম্বী ভবন ডিজাইনে তিনি টিউবুলার স্ট্রাকচার সিস্টেম আবিষ্কার করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্থপতি — তিনি কাঠামোগত প্রকৌশল ও স্থাপত্যবিদ্যায় অনন্য অবদানের জন্য বিশ্বজুড়ে সমাদৃত ছিলেন। B) ক্যান্সার চিকিৎসক — তিনি চিকিৎসাবিজ্ঞানের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না, তার ক্ষেত্র ছিল প্রকৌশল ও স্থাপত্য। C) আণবিক বিজ্ঞানী — তিনি পদার্থবিজ্ঞান বা পারমাণবিক গবেষণার সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন না। D) কম্পিউটার বিজ্ঞানী — তিনি আধুনিক কম্পিউটিং প্রযুক্তির উন্নয়নের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। মনে রাখার টিপস: এফ, আর, খান মানেই উঁচু ভবনের রূপকার এবং বিখ্যাত স্থপতি।
a হাতী
b কুমির
c তিমি
d বাদুর
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কুমির কেন সঠিক: - কুমির স্তন্যপায়ী প্রাণী নয়, এটি সরীসৃপ শ্রেণীর প্রাণী কারণ এরা ডিম পাড়ে এবং এদের দেহ আঁশযুক্ত। - স্তন্যপায়ী প্রাণীর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এরা সন্তান প্রসব করে এবং মায়ের দুধ পান করে বড় হয়, যা কুমিরের ক্ষেত্রে অনুপস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাতী — এটি একটি বিশাল আকারের স্তন্যপায়ী প্রাণী যা সরাসরি বাচ্চা প্রসব করে এবং মাতৃস্তন থেকে দুধ পান করায়। B) কুমির — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, এটি সরীসৃপ শ্রেণীর প্রাণী এবং পানিতে বা ডাঙ্গায় ডিম পাড়ে। C) তিমি — এটি জলচর হলেও স্তন্যপায়ী প্রাণী, যা ফুসফুসের সাহায্যে শ্বাস নেয় এবং বাচ্চা প্রসব করে। D) বাদুর — এটি একমাত্র উড়তে সক্ষম স্তন্যপায়ী প্রাণী যা পাখি না হয়েও বাচ্চা প্রসব করে ও স্তন্যপান করায়। মনে রাখার টিপস: কুমির ডিম পাড়ে তাই এটি স্তন্যপায়ী নয়, অন্যদিকে তিমি ও বাদুর দেখতে আলাদা হলেও এরা উভয়েই বাচ্চা প্রসব করে এবং স্তন্যপায়ী।
a হ্যালীর ধূমকেতু
b হেল-বপ ধূমকেতু
c শুমেকার লেভী ধূমকেতু
d কোনটিই নয়
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) হেল-বপ ধূমকেতু কেন সঠিক: - হেল-বপ ধূমকেতু ১৯৯৭ সালে পৃথিবী থেকে খালি চোখে দীর্ঘ ১৮ মাস দৃশ্যমান ছিল, যা একে শতাব্দীর সবচেয়ে উজ্জ্বল ধূমকেতুতে পরিণত করেছে। - এর নিউক্লিয়াস বা কেন্দ্রটি অন্যান্য ধূমকেতুর তুলনায় অনেক বড় হওয়ায় এটি থেকে প্রচুর ধূলিকণা ও গ্যাস নির্গত হয়ে অতিরিক্ত উজ্জ্বলতার সৃষ্টি করেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হ্যালীর ধূমকেতু — এটি ইতিহাসের সবচেয়ে বিখ্যাত ও নিয়মিত দৃশ্যমান ধূমকেতু হলেও হেল-বপের মতো শতাব্দীর সবচেয়ে উজ্জ্বল ধূমকেতু নয়। B) হেল-বপ ধূমকেতু — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং ১৯৯৭ সালে খালি চোখে দৃশ্যমান সবচেয়ে উজ্জ্বল ধূমকেতু হিসেবে স্বীকৃত। C) শুমেকার লেভী ধূমকেতু — এটি ১৯৯৪ সালে বৃহস্পতি গ্রহে আঘাত হানার জন্য বিখ্যাত, শতাব্দীর সবচেয়ে উজ্জ্বল ধূমকেতু নয়। D) কোনটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশন বি তে বিদ্যমান, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: হেল-বপ ধূমকেতুর 'বপ' শব্দটি দিয়ে এর বিশাল আকার ও তীব্র উজ্জ্বলতা মনে রাখতে পারেন।
a মঙ্গল গ্রহের একটি উপগ্রহ
b বৃহস্পতি গ্রহের একটি উপগ্রহ
c শনি গ্রহের একটি উপগ্রহ
d পৃথিবী থেকে পাঠানো বৃহস্পতির একটি কৃত্রিম উপগ্রহ
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পৃথিবী থেকে পাঠানো বৃহস্পতির একটি কৃত্রিম উপগ্রহ কেন সঠিক: - এটি নাসা কর্তৃক প্রেরিত একটি মহাকাশযান যা ১৯৯৫ সালে বৃহস্পতি গ্রহে পৌঁছেছিল। - এটি বৃহস্পতি গ্রহ এবং এর উপগ্রহগুলো গবেষণার জন্য পাঠানো প্রথম কৃত্রিম মহাকাশযান বা অরবিটার। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মঙ্গল গ্রহের একটি উপগ্রহ — মঙ্গল গ্রহের নিজস্ব প্রাকৃতিক উপগ্রহ হলো ফোবোস ও ডিমোস, গ্যালিলিও কোনো উপগ্রহ নয়। B) বৃহস্পতি গ্রহের একটি উপগ্রহ — বৃহস্পতির প্রাকৃতিকভাবে অনেক উপগ্রহ আছে, তবে গ্যালিলিও কোনো প্রাকৃতিক উপগ্রহ নয়। C) শনি গ্রহের একটি উপগ্রহ — শনি গ্রহের টাইটানসহ বহু প্রাকৃতিক উপগ্রহ রয়েছে, গ্যালিলিও শনির কোনো উপগ্রহ নয়। D) পৃথিবী থেকে পাঠানো বৃহস্পতির একটি কৃত্রিম উপগ্রহ — এটি সঠিক কারণ এটি পৃথিবী থেকে পাঠানো একটি কৃত্রিম মহাকাশযান। মনে রাখার টিপস: গ্যালিলিও বিজ্ঞানীর নামে নামকরণ করা হয়েছে, যিনি দূরবীক্ষণ যন্ত্র দিয়ে বৃহস্পতির উপগ্রহ আবিষ্কার করেছিলেন এবং এই কৃত্রিম যানটিও বৃহস্পতির জন্যই পাঠানো হয়েছে।
a বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিন
b আইজ্যাক নিউটন
c টমাস এডিসন
d ভোল্টা
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) টমাস এডিসন কেন সঠিক: - টমাস এডিসন ১৮৭৯ সালে দীর্ঘস্থায়ী ও ব্যবহারিক ভাস্বর বাল্ব আবিষ্কার করেন যা সাধারণ মানুষের ঘরে আলো পৌঁছে দেয়। - তিনি বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রথম বাণিজ্যিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করেন এবং আলো জ্বালানোর জন্য প্রয়োজনীয় সম্পূর্ণ বৈদ্যুতিক সিস্টেম তৈরি করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিন — তিনি মূলত তড়িতের প্রকৃতি আবিষ্কার এবং বজ্রনিরোধক যন্ত্র উদ্ভাবন করেছিলেন, মানুষের দৈনন্দিন ব্যবহারের জন্য বিদ্যুৎ বণ্টন ব্যবস্থার সাথে তিনি যুক্ত ছিলেন না। B) আইজ্যাক নিউটন — তিনি পদার্থবিজ্ঞানে গতির সূত্র এবং মহাকর্ষ তত্ত্বের প্রবক্তা, বিদ্যুৎ প্রযুক্তির বিকাশে তার কোনো অবদান নেই। C) টমাস এডিসন — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল অপশন নয়। D) ভোল্টা — Alessandro Volta প্রথম রাসায়নিক ব্যাটারি বা ভোল্টীয় পাইল আবিষ্কার করেছিলেন, যা বিদ্যুৎ উৎপাদনের উৎস হলেও সাধারণ মানুষের কাজে লাগানোর সামগ্রিক অবকাঠামো তিনি বানাননি। মনে রাখার টিপস: ঘরে ঘরে বাতির আলো জ্বেলে সাধারণ মানুষের জীবন সহজ করেছিলেন টমাস এডিসন।
a ছায়াবৃত্ত
b গুরুবৃত্ত
c ঊষা
d গোধূলি
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ছায়াবৃত্ত কেন সঠিক: - পৃথিবীর যে অংশ সূর্যের আলো পায় তা আলোকিত এবং অপর অংশ অন্ধকার থাকে। - এই আলোকিত ও অন্ধকার অংশের সংযোগকারী কাল্পনিক রেখাকে ছায়াবৃত্ত বা সমরাত্র রেখা বলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ছায়াবৃত্ত — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ভূপৃষ্ঠের আলোক ও অন্ধকারের সংযোগস্থল। B) গুরুবৃত্ত — গোলকের কেন্দ্র দিয়ে অতিক্রমকারী বৃহত্তম বৃত্ত যা দূরত্বের সংক্ষিপ্ত পথ নির্দেশ করে। C) ঊষা — সূর্য ওঠার ঠিক আগের স্বল্পস্থায়ী আলোর সময়কালকে ঊষা বলা হয়। D) গোধূলি — সূর্য ডোবার ঠিক পরের স্বল্পস্থায়ী আলোর সময়কালকে গোধূলি বলা হয়। মনে রাখার টিপস: ছায়া অর্থ অন্ধকার আর বৃত্ত অর্থ রেখা, তাই অন্ধকার ও আলোর সংযোগকারী বৃত্ত হলো ছায়াবৃত্ত।
a ৭৫ সেমি
b ৭৬ সেমি
c ৭২ সেমি
d ৭৭ সেমি
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৭৬ সেমি কেন সঠিক: - সমুদ্রপৃষ্ঠে প্রমাণ বায়ুমণ্ডলীয় চাপ পারদ স্তম্ভের ৭৬ সেন্টিমিটার উচ্চতার সমান হয়। - এই চাপকে আদর্শ বা স্বাভাবিক বায়ুমণ্ডলীয় চাপ হিসেবে ধরা হয়, যা বায়ুর ওজনের কারণে সৃষ্টি হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৭৫ সেমি — এটি সমুদ্রপৃষ্ঠের স্বাভাবিক বায়ুমণ্ডলীয় চাপের সঠিক পরিমাপ নয়। B) ৭৬ সেমি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) ৭২ সেমি — এটি স্বাভাবিক বায়ুচাপের চেয়ে কম এবং এর কোনো ভৌগোলিক বা বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। D) ৭৭ সেমি — এটি স্বাভাবিক বায়ুচাপের চেয়ে বেশি এবং ভুল পরিমাপ। মনে রাখার টিপস: সমুদ্রের তীরে স্বাভাবিক বাতাস ৭৬ সেমি পারদ চাপ দেয়, সংখ্যাটি মনে রাখতে ৭ ও ৬ ব্যবহার করো।
a হরমুজ
b জিব্রাল্টার
c বসফরাস
d দার্দানেলিস
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জিব্রাল্টার কেন সঠিক: - জিব্রাল্টার প্রণালী ইউরোপের স্পেন ও আফ্রিকার মরক্কোর মাঝে অবস্থিত হয়ে ভূমধ্যসাগরকে আটলান্টিক মহাসাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে। - এটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সামুদ্রিক পথ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হরমুজ — এটি ওমান উপসাগর ও পারস্য উপসাগরকে যুক্ত করেছে, যা ভূমধ্যসাগর ও আটলান্টিকের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) জিব্রাল্টার — এটিই সঠিক উত্তর যা ভূমধ্যসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরকে সংযুক্ত করে। C) বসফরাস — এটি কৃষ্ণ সাগর ও মারমারা সাগরকে যুক্ত করেছে, যা এই প্রশ্নের জন্য প্রযোজ্য নয়। D) দার্দানেলিস — এটি এজিয়ান সাগর ও মারমারা সাগরকে যুক্ত করেছে, যা আটলান্টিক বা ভূমধ্যসাগরের সংযোগস্থল নয়। মনে রাখার টিপস: জিব্রাল্টার প্রণালী আটলান্টিক মহাসাগর ও ভূমধ্যসাগরকে সংযুক্ত করেছে।
a ধ্রুবতারা
b প্রক্সিমা সেন্টারাই
c লুব্ধক
d পুলহ
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) লুব্ধক কেন সঠিক: - লুব্ধক বা সাইরিয়াস রাতের আকাশের সবচেয়ে উজ্জ্বল নক্ষত্র এবং এটি পৃথিবী থেকে দৃশ্যমান অন্যতম নিকটবর্তী নক্ষত্র। - খালি চোখে দেখা এই নক্ষত্রের ঔজ্জ্বল্য অন্য যেকোনো নক্ষত্রের চেয়ে বেশি হওয়ায় এটি মহাকাশ গবেষণায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধ্রুবতারা — এটি উত্তর গোলার্ধের দিক নির্দেশক একটি নক্ষত্র হলেও আকাশের সবচেয়ে উজ্জ্বল নক্ষত্র নয়। B) প্রক্সিমা সেন্টারাই — এটি সূর্যের সবচেয়ে নিকটবর্তী নক্ষত্র হলেও এর ঔজ্জ্বল্য কম থাকায় খালি চোখে দেখা যায় না। C) লুব্ধক — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে অন্য কোনো ভুল প্রযোজ্য নয়। D) পুলহ — এটি সপ্তর্ষিমণ্ডলের একটি তারা, যা লুব্ধকের মতো এতটা উজ্জ্বল নয়। মনে রাখার টিপস: রাতে আকাশে সবচেয়ে বেশি আলো বা লুব্ধতা ছড়ায় যে তারা, তার নাম লুব্ধক।
a অমাবস্যায়
b একাদশীতে
c অষ্টমীতে
d পঞ্চমীতে
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অমাবস্যায় কেন সঠিক: - সূর্য, পৃথিবী এবং চাঁদ একই সরলরেখায় অবস্থান করলে তাদের মিলিত আকর্ষণের কারণে জোয়ারের তীব্রতা সবচেয়ে বেশি হয়। - অমাবস্যা তিথিতে সূর্য ও চাঁদ পৃথিবীর একই দিকে অবস্থান করায় এই আকর্ষণ সর্বোচ্চ হয়, যাকে তেজ কটাল বা বান বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অমাবস্যায় — এই অপশনটি সঠিক কারণ এই সময়ে সূর্য ও চাঁদের মিলিত আকর্ষণে জোয়ার সবচেয়ে শক্তিশালী হয়। B) একাদশীতে — এই তিথিতে জোয়ারের তীব্রতা কম থাকে কারণ চাঁদ ও সূর্য পৃথিবীর সাপেক্ষে সমকোণে অবস্থান করে। C) অষ্টমীতে — এই সময়ে মরা কটাল হয়, যা তেজ কাটালের বিপরীত এবং জোয়ারের পানি সবচেয়ে কম ফুলে ওঠে। D) পঞ্চমীতে — এই তিথিতে চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণের প্রাবল্য কম থাকায় সাধারণ জোয়ার হয়, তেজ কটাল হয় না। মনে রাখার টিপস: তেজ কটাল মানে শক্তিশালী জোয়ার, যা হয় অমাবস্যা ও পূর্ণিমায় (এক সরলরেখায়)।