বাংলাদেশ  সিভিল সার্ভিস (BCS)

১৯ তম (বিশেষ) বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা ১৯৯৮

পদের নাম: বিভিন্ন পদ (৯ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (42)

a ১৬ শতাংশ
b ২০ শতাংশ
c ২৫ শতাংশ
d ৩০ শতাংশ
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভূগোল ও পরিবেশ সঠিক উত্তর: C) ২৫ শতাংশ কেন সঠিক: - প্রাকৃতিক পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতে এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষা করতে যেকোনো দেশের মোট ভূটমণ্ডলের অন্তত ২৫ শতাংশ বনাঞ্চল থাকা আবশ্যক। - এটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত একটি মানদণ্ড, যা দেশের মাটি ও আবহাওয়াকে প্রতিকূল অবস্থা থেকে রক্ষা করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৬ শতাংশ — এটি বাংলাদেশের বনাঞ্চলের বর্তমান বাস্তবসম্মত বা আনুমানিক অনুপাত নির্দেশ করে, যা আদর্শ মানের চেয়ে কম। B) ২০ শতাংশ — এটি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য আন্তর্জাতিক বা আদর্শ প্রমিত মানদণ্ড হিসেবে নির্ধারিত নয়। C) ২৫ শতাংশ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত আদর্শ মান। D) ৩০ শতাংশ — এটি কিছু নির্দিষ্ট পাহাড়ি বা বিশেষ দেশের বনভূমির প্রাক্কলন হতে পারে, তবে সাধারণ দেশের আদর্শ মান নয়। মনে রাখার টিপস: পরিবেশের চাবি হলো সবুজ প্রকৃতি, তাই মোট জমির ঠিক এক চতুর্থাংশ বা ২৫ শতাংশ বনভূমি থাকতে হয়।
a গরু
b ছাগল
c গয়াল
d রয়েল বেঙ্গল টাইগার
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রয়েল বেঙ্গল টাইগার কেন সঠিক: - রয়েল বেঙ্গল টাইগার বাংলাদেশের জাতীয় পশু হিসেবে সরকারিভাবে স্বীকৃত। - সুন্দরবনের প্রধান প্রাণী এবং সাহসিকতা ও শক্তির প্রতীকের কারণে এটি জাতীয় পশুর মর্যাদা পেয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গরু — এটি আমাদের একটি গৃহপালিত ও উপকারী প্রাণী, তবে জাতীয় পশু নয়। B) ছাগল — এটি একটি গৃহপালিত প্রাণী ও মাংসের উৎস, কিন্তু জাতীয় পশুর মর্যাদাপ্রাপ্ত নয়। C) গয়াল — এটি বাংলাদেশের পাহাড়ি অঞ্চলের একটি বন্য প্রাণী, তবে এটি জাতীয় পশু নয়। D) রয়েল বেঙ্গল টাইগার — এটি সঠিক উত্তর এবং সুন্দরবনের প্রধান প্রাণী হিসেবে জাতীয় পশু। মনে রাখার টিপস: সুন্দরবনের বিখ্যাত হিংস্র ও সুন্দর প্রাণী রয়েল বেঙ্গল টাইগার আমাদের জাতীয় পশু।
a ইথেন
b এমোনিয়া
c মিথেন
d বিউটেন
0 94 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মিথেন কেন সঠিক: - প্রাণীর মলমূত্র এবং জৈব বর্জ্য ব্যাকটেরিয়ার সাহায্যে বায়ুর অনুপস্থিতিতে ফারমেন্টেশন বা অবাত পচন প্রক্রিয়ায় মিথেন গ্যাস উৎপন্ন করে। - জৈব গ্যাসের প্রধান উপাদান হলো এই মিথেন গ্যাস, যা জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইথেন — এটি প্রাকৃতিক গ্যাসের একটি হালকা উপাদান, যা ব্যাকটেরিয়ার অবাত পচনে প্রধান উৎপাদ হিসেবে তৈরি হয় না। B) এমোনিয়া — এটি মূলত প্রোটিন ও নাইট্রোজেনযুক্ত বর্জ্য পচে উৎপন্ন হয়, তবে এটি সাধারণ ফারমেন্টেশন প্রক্রিয়ার প্রধান হাইড্রোকার্বন গ্যাস নয়। C) মিথেন — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশন হিসেবে প্রযোজ্য নয়। D) বিউটেন — এটি সাধারণত পেট্রোলিয়াম গ্যাস বা এলপিজির উপাদান, যা জৈব পচনের মাধ্যমে উৎপন্ন হয় না। মনে রাখার টিপস: পশু-পাখির মলমূত্রের অবাত পচন বা বায়োগ্যাস প্লান্টে প্রধানত মিথেন গ্যাস তৈরি হয়।
a ড. এস ডি চৌধুরী
b ড. কাজী ফজলুর রহিম
c ড. ওসমান গনি
d অধ্যাপক মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ড. ওসমান গনি কেন সঠিক: - ড. ওসমান গনি ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বর্তমানে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ) প্রথম উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পান। - কৃষি শিক্ষার প্রসারে তাঁর অবদানের জন্য তিনি এই শীর্ষ পদে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ড. এস ডি চৌধুরী — তিনি এই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য নন, তবে পরবর্তীতে বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেছিলেন। B) ড. কাজী ফজলুর রহিম — তিনি বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য নন। D) অধ্যাপক মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী — তিনি এই প্রতিষ্ঠানের প্রথম উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেননি। মনে রাখার টিপস: কৃষি শিক্ষার জনক ও প্রথম উপাচার্য হিসেবে ড. ওসমান গনির নাম মনে রাখতে 'কৃষির উ' দিয়ে 'উপাচার্য ওসমান গনি' মনে রাখতে পারেন।
a মি. জে এইচ বি হেলেন
b লর্ড লিনলিথগো
c লর্ড ক্লাইভ
d ওয়ারেন হেস্টিংস
0 95 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) লর্ড লিনলিথগো কেন সঠিক: - লর্ড লিনলিথগো ১৯৩৬ থেকে ১৯৪৩ সাল পর্যন্ত ভারতের ভাইসরয় ছিলেন এবং তিনি কৃষির উন্নয়নে বিশেষ করে গবাদিপশুর জাত উন্নয়নে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন। - তিনি ভারতীয় ইম্পেরিয়াল কাউন্সিল অব এগ্রিকালচারাল রিসার্চের সভাপতি হিসেবে দেশের গবাদিপশুর মানোন্নয়ন ও দুগ্ধ উৎপাদন বৃদ্ধিতে বিভিন্ন কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মি. জে এইচ বি হেলেন — ইনি গবাদিপশুর জাত উন্নয়নে ব্রিটিশ আমলের নীতি নির্ধারণে এই পর্যায়ে যুক্ত ছিলেন না। B) লর্ড লিনলিথগো — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি এখানে প্রযোজ্য নয়। C) লর্ড ক্লাইভ — ইনি ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সামরিক ও রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, কৃষি বা গবাদিপশু উন্নয়নে নয়। D) ওয়ারেন হেস্টিংস — ইনি ব্রিটিশ ভারতের প্রথম গভর্নর-জেনারেল ছিলেন এবং প্রশাসনিক সংস্কারের জন্য পরিচিত, গবাদিপশু উন্নয়নের জন্য নয়। মনে রাখার টিপস: গবাদিপশুর জাত উন্নয়ন ও কৃষির কথা এলেই ব্রিটিশ ভাইসরয় লর্ড লিনলিথগো নামটি মনে রাখতে হবে।
a পাবনা, সিরাজগঞ্জ
b দিনাজপুর
c বরিশাল
d ফরিদপুর
0 92 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পাবনা, সিরাজগঞ্জ কেন সঠিক: - পাবনা ও সিরাজগঞ্জ অঞ্চল গোচারণ ভূমি এবং দুগ্ধ উৎপাদনের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। - এই অঞ্চলে প্রাকৃতিকভাবে গোচারণের সুবিধা থাকায় একে দেশের অন্যতম প্রধান ডেইরি জোন বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পাবনা, সিরাজগঞ্জ — এটি গোচারণের জন্য বিখ্যাত এবং প্রদত্ত সঠিক উত্তরের সঙ্গে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ। B) দিনাজপুর — এই অঞ্চল ধান উৎপাদনে বিখ্যাত হলেও প্রখ্যাত গোচারণ ভূমির জন্য পরিচিত নয়। C) বরিশাল — এটি নদীমাতৃক অঞ্চল ও পেয়ারা উৎপাদনের জন্য পরিচিত, গোচারণ ভূমি হিসেবে নয়। D) ফরিদপুর — এই অঞ্চল পাট উৎপাদনের জন্য পরিচিত, যা গোচারণের জন্য বাগান বা নির্দিষ্ট এলাকার জন্য বিখ্যাত নয়। মনে রাখার টিপস: পাবনা ও সিরাজগঞ্জে বাঘ না থাকলেও গবাদি পশুর জন্য বিশাল গোচারণ ভূমি আছে।
a ৩ জানুয়ারি, ১৯৯৮
b ২ ডিসেম্বর, ১৯৯৭
c ৩ ডিসেম্বর, ১৯৯৭
d ২২ ডিসেম্বর, ১৯৯৭
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২ ডিসেম্বর, ১৯৯৭ কেন সঠিক: - এই দিনে বাংলাদেশ সরকার ও পাহাড়ি জননেতা সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন জনসংহতি সমিতির মধ্যে ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। - দীর্ঘ দুই দশকের বেশি সময় ধরে চলা পার্বত্য অঞ্চলের সংঘাতের অবসান ঘটাতে এই চুক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩ জানুয়ারি, ১৯৯৮ — এই তারিখে পার্বত্য শান্তিচুক্তির সাথে সম্পর্কিত কোনো প্রধান বা ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটেনি। B) ২ ডিসেম্বর, ১৯৯৭ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) ৩ ডিসেম্বর, ১৯৯৭ — এটি চুক্তি স্বাক্ষরের ঠিক পরের দিন, তাই এই তারিখটি সঠিক নয়। D) ২২ ডিসেম্বর, ১৯৯৭ — এই তারিখে পার্বত্য শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর বা কার্যকর হওয়ার কোনো ঐতিহাসিক রেকর্ড নেই। মনে রাখার টিপস: ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর তারিখটি মনে রাখতে শেষ সংখ্যা দুটি অর্থাৎ ৯৭ এবং মাস ও দিন (ডিসেম্বর ২) একত্রে মনে রাখতে পারো।
a কয়লা
b চুনাপাথর
c সাদামাটি
d গ্যাস
0 93 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) গ্যাস কেন সঠিক: - প্রাকৃতিক গ্যাস বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ কারণ দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন, শিল্পকারখানা এবং গৃহস্থালির জ্বালানির মূল উৎস এটি। - দেশের অর্থনীতিতে শক্তির প্রধান জোগানদাতা হিসেবে প্রাকৃতিক গ্যাসের ভূমিকা সর্বাধিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কয়লা — এটি গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি হলেও বাংলাদেশের অর্থনীতিতে প্রাকৃতিক গ্যাসের মতো এত ব্যাপক ও প্রধান ভূমিকা পালন করে না। B) চুনাপাথর — এটি মূলত সিমেন্ট শিল্পের কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যা সামগ্রিক অর্থনীতিতে গ্যাসের মতো এতটা সর্বব্যাপী গুরুত্বপূর্ণ নয়। C) সাদামাটি — এটি মূলত সিরামিক শিল্পে ব্যবহৃত একটি খনিজ, যা শক্তির উৎস বা প্রধান খনিজ সম্পদের মর্যাদায় পড়ে না। D) গ্যাস — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং দেশের জ্বালানি খাতের সবচেয়ে অপরিহার্য উপাদান। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের অর্থনীতি ও শক্তির প্রধান চালিকাশক্তি হলো প্রাকৃতিক গ্যাস, তাই জ্বালানি খনিজ বললেই গ্যাসকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে মনে রাখবে।
a জর্জ ওয়াশিংটন
b আব্রাহাম লিংকন
c রুজভেল্ট
d কেনেডী
0 94 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আব্রাহাম লিংকন কেন সঠিক: - আব্রাহাম লিংকন আমেরিকার ষোড়শ প্রেসিডেন্ট হিসেবে ১৮৬৩ সালের ১ জানুয়ারি দাসপ্রথা বিলোপের ঐতিহাসিক মুক্তি সনদ জারি করেন। - তাঁর নেতৃত্বেই মার্কিন গৃহযুদ্ধের পর ১৮৬৫ সালে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে দাসপ্রথা আইনগতভাবে নিষিদ্ধ হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জর্জ ওয়াশিংটন — তিনি আমেরিকার প্রথম প্রেসিডেন্ট ছিলেন, কিন্তু সেসময়ে যুক্তরাষ্ট্রে দাসপ্রথা চালু ছিল এবং তিনি নিজেও দাসমালিক ছিলেন। B) আব্রাহাম লিংকন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) রুজভেল্ট — ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট বিংশ শতকের প্রথমার্ধে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ছিলেন, যা দাসপ্রথা বিলোপের অনেক পরের সময়কাল। D) কেনেডী — জন এফ কেনেডি বিংশ শতকের ষাটের দশকে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ছিলেন এবং তিনি মূলত নাগরিক অধিকার আন্দোলনে ভূমিকা রেখেছিলেন। মনে রাখার টিপস: যুক্তরাষ্ট্রের মানচিত্র ও দাসমুক্তির ইতিহাস মনে রাখতে লিংকন নামটি স্মরণ করুন, যিনি দাসপ্রথা চিরতরে দূর করেছিলেন।
a ইনসুলিন
b থাইরক্সিন
c এনড্রোজেন
d এস্ট্রোজেন
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ইনসুলিন কেন সঠিক: - অগ্ন্যাশয়ের আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহ্যান্সের বিটা কোষ থেকে উৎপাদিত ইনসুলিন হরমোন রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। - ইনসুলিনের স্বল্পতা বা অকার্যকারিতার কারণে ডায়াবেটিস বা বহুমূত্র রোগ হয়, তাই চিকিৎসায় ইনসুলিন অপরিহার্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইনসুলিন — এটি বহুমূত্র রোগ নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রয়োজনীয় মূল হরমোন। B) থাইরক্সিন — এটি থাইরয়েড গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হয় এবং শরীরের বিপাকক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে, বহুমূত্র রোগের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। C) এনড্রোজেন — এটি এক ধরনের পুরুষ হরমোন যা জনন অঙ্গের বিকাশ ও বৈশিষ্ট্য রক্ষায় কাজ করে। D) এস্ট্রোজেন — এটি নারী দেহের প্রধান যৌন হরমোন যা প্রজনন চক্র নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। মনে রাখার টিপস: ডায়াবেটিস বা বহুমূত্র নিয়ন্ত্রণের প্রধান চাবিকাঠি হলো ইনসুলিন, যা অগ্ন্যাশয় থেকে আসে।
a ১৬ বছর
b ১৮ বছর
c ২০ বছর
d ২১ বছর
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৮ বছর কেন সঠিক: - বাংলাদেশের সংবিধান ও ভোটার তালিকা আইন অনুযায়ী দেশের নাগরিকদের ভোটদানের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন বয়স ১৮ বছর নির্ধারিত হয়েছে। - প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পর একজন নাগরিক দেশের জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগের আইনি যোগ্যতা অর্জন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৬ বছর — এই বয়সে বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী কেউ প্রাপ্তবয়স্ক হন না এবং ভোটাধিকার পান না। B) ১৮ বছর — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। C) ২০ বছর — এই বয়সসীমা ভোটার হওয়ার ন্যূনতম শর্তের চেয়ে বেশি, তাই এটি ভুল। D) ২১ বছর — এটি সাধারণত সংসদ সদস্য পদে প্রার্থী হওয়ার সর্বনিম্ন বয়স, কিন্তু ভোটার হওয়ার বয়স নয়। মনে রাখার টিপস: প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার বয়স এবং ভোটার হওয়ার বয়স একই অর্থাৎ আঠারো বছর।
a সাভার, ঢাকা
b রাজশাহী
c চট্টগ্রাম
d সিলেট
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: A) সাভার, ঢাকা কেন সঠিক: - বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় গো-প্রজনন খামারটি ঢাকার সাভারে অবস্থিত। - কৃত্রিম প্রজনন কার্যক্রম পরিচালনা ও উন্নত জাতের গবাদিপশু উন্নয়নে এটি কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাভার, ঢাকা — এটি কেন্দ্রীয় গো-প্রজনন খামারের সঠিক এবং নির্ধারিত ভৌগোলিক অবস্থান। B) রাজশাহী — এখানে গবাদিপশু ও কৃষি সংক্রান্ত অন্যান্য প্রতিষ্ঠান থাকলেও কেন্দ্রীয় গো-প্রজনন খামারটি এখানে নেই। C) চট্টগ্রাম — এটি বন্দরনগরী এবং এখানে প্রধানত সামুদ্রিক ও পাহাড়ি অঞ্চলের কৃষি গবেষণা কেন্দ্র রয়েছে। D) সিলেট — এটি চা বাগান ও পর্যটনের জন্য পরিচিত হলেও কেন্দ্রীয় গো-প্রজনন খামারের অবস্থান এখানে নয়। মনে রাখার টিপস: কেন্দ্রীয় গো-প্রজনন খামার মানেই ঢাকার সাভার, যা গরুর খামারের জন্য বিখ্যাত।
a রোনাল্ডো
b জিদান
c সুকার
d বেবেতো
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সুকার কেন সঠিক: - ১৯৯৮ সালের ফ্রান্স ফুটবল বিশ্বকাপে ক্রোয়েশিয়ার ডavor সুকার সর্বোচ্চ ৬টি গোল করে গোল্ডেন বুট অর্জন করেছিলেন। - তার দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের সুবাদে ক্রোয়েশিয়া দল সেবার বিশ্বকাপে তৃতীয় স্থান লাভ করেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রোনাল্ডো — ব্রাজিলের এই খেলোয়াড় ১৯৯৮ সালের ফাইনালে খেললেও সেবার গোল্ডেন বুট পাননি, তিনি গোল্ডেন বল জিতেছিলেন। B) জিদান — ফ্রান্সের এই মিডফিল্ডার ১৯৯৮ সালের ফাইনালে দুটি গোল করলেও তিনি গোল্ডেন বুট পাননি। D) বেবেতো — ব্রাজিলের এই ফরোয়ার্ড ১৯৯৮ বিশ্বকাপে ৩টি গোল করেছিলেন, যা সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার পাওয়ার জন্য যথেষ্ট ছিল না। মনে রাখার টিপস: ১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপ ফুটবলে ক্রোয়েশিয়ার সুকার ছয় গোল করে জিতেছিল সোনালী জুতো বা গোল্ডেন বুট।
a আশি
b সাতাশি
c ষাট
d একাশি
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) একাশি কেন সঠিক: - খানজাহান আলী নির্মিত ষাট গম্বুজ মসজিদটি প্রকৃতপক্ষে একাশি গম্বুজবিশিষ্ট একটি ঐতিহাসিক স্থাপত্য। - মসজিদটির ছাদের ওপর মোট একাশিটি গম্বুজ রয়েছে, যার মধ্যে কেন্দ্রীয় ছাদের সাত সারিতে ১১টি করে মোট ৭৭টি এবং চার কোণায় ৪টি ছোট গম্বুজ আছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আশি — এটি সঠিক নয় কারণ মসজিদের গম্বুজ সংখ্যা আশিটি নয়, বরং এর সংখ্যা একাশি। B) সাতাশি — এটি ভুল সংখ্যা, ঐতিহাসিক এই মসজিদে সাতাশিটি গম্বুজ নেই। C) ষাট — নাম ষাট গম্বুজ হলেও স্থাপত্যটিতে ষাটটি নয়, বরং একাশিটি গম্বুজ রয়েছে। D) একাশি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই মসজিদে মোট একাশিটি গম্বুজ বিদ্যমান। মনে রাখার টিপস: নামে ষাট গম্বুজ হলেও বাস্তবে মনে রাখবে ষাটের চেয়ে একুশ বেশি অর্থাৎ একাশিটি গম্বুজ।
a পলল গঠিত সমভূমি
b বরেন্দ্রভূমি
c উত্তরবঙ্গ
d মহাস্থানগড়
0 95 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বরেন্দ্রভূমি কেন সঠিক: - এটি বাংলাদেশের উত্তর অঞ্চলের প্রাচীনতম প্লা্ত্তর বা ভূপ্রকৃতি। - রাজশাহী, বগুড়া, রংপুর ও দিনাজপুরের কিছু অংশ নিয়ে এই ঐতিহাসিক ও ভৌগোলিক অঞ্চলটি গঠিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পলল গঠিত সমভূমি — এটি সাধারণত নদনদীর পলি জমে গঠিত নতুন ভূমি, যা সমগ্র বরেন্দ্র অঞ্চলের ভূপ্রকৃতির প্রধান বৈশিষ্ট্য নয়। B) বরেন্দ্রভূমি — এটি প্রদত্ত প্রশ্নের সঠিক উত্তর, যা এই নির্দিষ্ট অঞ্চলের প্লা্ত্তর ভূমিকে নির্দেশ করে। C) উত্তরবঙ্গ — এটি একটি রাজনৈতিক ও আঞ্চলিক পরিচিতি, কিন্তু ভৌগোলিকভাবে নির্দিষ্ট ভূমিরূপ বোঝাতে বরেন্দ্রভূমি ব্যবহার করা হয়। D) মহাস্থানগড় — এটি বরেন্দ্রভূমির ভেতরে অবস্থিত একটি প্রাচীন ঐতিহাসিক স্থান, সমগ্র উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের ভূপ্রকৃতি নয়। মনে রাখার টিপস: উত্তরাঞ্চল ও প্রাচীন ভূমি বললেই বরেন্দ্রভূমি মনে রাখবে।
a ১৯ শতাংশ
b ১২ শতাংশ
c ১৬ শতাংশ
d ১৫ শতাংশ
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৫ শতাংশ কেন সঠিক: - বাংলাদেশের বন অধিদপ্তর এবং পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী দেশের মোট ভূমির বনাঞ্চলের পরিমাণ প্রায় ১৫ শতাংশ। - দেশের ভারসাম্যপূর্ণ পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার জন্য মোট ভূমির অন্তত ২৫ শতাংশ বনাঞ্চল থাকা প্রয়োজন হলেও বর্তমানে এর পরিমাণ প্রায় ১৫ শতাংশ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯ শতাংশ — এটি বাংলাদেশের বনাঞ্চলের বর্তমান বা প্রমিত সরকারি পরিসংখ্যান নয় এবং এটি অতিরিক্ত প্রাক্কলন। B) ১২ শতাংশ — অতীতে বনাঞ্চলের পরিমাণ কম ধরা হলেও বর্তমান হালনাগাদ সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী এটি সঠিক নয়। C) ১৬ শতাংশ — এই নির্দিষ্ট শতকরা হারটি বাংলাদেশের সরকারি বনাঞ্চলের প্রমিত বা স্বীকৃত হিসাবের সঙ্গে মেলে না। D) ১৫ শতাংশ — এটি বন অধিদপ্তর ও সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী বাংলাদেশের মোট ভূমির বনাঞ্চলের সঠিক পরিমাণ। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ বনের হিসাব মনে রাখতে পঞ্চদশ সংশোধনী বা ১৫ সংখ্যাটি মনে রাখুন, যার অর্থ মোট ভূমির ১৫ শতাংশ বনাঞ্চল।
a ৫.৫ কিলোমিটার
b ৭.২ কিলোমিটার
c ৬ কিলোমিটার
d ৪.৮ কিলোমিটার
0 93 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: D) ৪.৮ কিলোমিটার কেন সঠিক: - বঙ্গবন্ধু সেতু বা যমুনা বহুমুখী সেতুর মূল দৈর্ঘ্য হলো চার দশমিক আট কিলোমিটার। - এটি বাংলাদেশের দীর্ঘতম সেতুগুলোর মধ্যে অন্যতম যা যমুনা নদীর ওপর নির্মিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৫.৫ কিলোমিটার — এটি ভুল তথ্য কারণ সেতুটির মূল দৈর্ঘ্য এত নয়। B) ৭.২ কিলোমিটার — এটি পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্য যা এই প্রশ্নের জন্য প্রযোজ্য নয়। ৬ কিলোমিটার — এই দৈর্ঘ্যের সাথে বঙ্গবন্ধু সেতুর কোনো মিল নেই। D) ৪.৮ কিলোমিটার — এটি বঙ্গবন্ধু সেতুর সঠিক দৈর্ঘ্য। মনে রাখার টিপস: বঙ্গবন্ধু সেতুর দৈর্ঘ্য মনে রাখতে চার দশমিক আট সংখ্যাটি মনে রাখুন।
a বলাকা
b শাপলা
c নৌকা
d কাছিবেষ্টিত নোঙর
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কাছিবেষ্টিত নোঙর কেন সঠিক: - বাংলাদেশ নৌবাহিনীর অফিশিয়াল লোগো বা প্রতীকে কাছি দিয়ে পেঁচানো নোঙর ব্যবহার করা হয়, যা সমুদ্রের সঙ্গে তাদের যোগাযোগের প্রতীক। - এই প্রতীকটি নৌবাহিনীর শক্তি, নিরাপত্তা এবং সামুদ্রিক প্রতিরক্ষার ঐতিহ্যকে নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বলাকা — এটি বাংলাদেশ বিমানের প্রতীক, নৌবাহিনীর সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) শাপলা — এটি বাংলাদেশের জাতীয় ফুল, নৌবাহিনীর নিজস্ব প্রতীক নয়। C) নৌকা — এটি বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী জলযান এবং রাজনৈতিক প্রতীক, নৌবাহিনীর লোগো নয়। D) কাছিবেষ্টিত নোঙর — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: নৌবাহিনী মানেই সমুদ্রের জাহাজ এবং জাহাজ থামানোর মাধ্যম নোঙর, তাই প্রতীক হলো কাছিবেষ্টিত নোঙর।
a সিনেট
b পঞ্চায়েত
c কংগ্রেস
d পার্লামেন্ট
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: D) পার্লামেন্ট কেন সঠিক: - নেপালের বর্তমান সংবিধান অনুযায়ী তাদের আইনসভার দাপ্তরিক ও সাংবিধানিক নাম হলো পার্লামেন্ট বা সংসদ। - নেপালের এই পার্লামেন্ট দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট, যা প্রতিনিধি সভা এবং জাতীয় সভা নিয়ে গঠিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সিনেট — এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশের আইনসভার উচ্চকক্ষের নাম, নেপালের পার্লামেন্টের নাম নয়। B) পঞ্চায়েত — এটি রাজা বীরেন্দ্রর আমলে নেপালের নির্দলীয় রাজনৈতিক ব্যবস্থার নাম ছিল, আইনসভার নাম নয়। C) কংগ্রেস — এটি যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভা বা রাজনৈতিক দলের নাম, নেপালের আইনসভার নাম নয়। D) পার্লামেন্ট — এটি নেপালের বর্তমান আইনসভার সঠিক সাংবিধানিক নাম। মনে রাখার টিপস: নেপাল প্রজাতন্ত্র হওয়ার পর তাদের আইনসভার সাধারণ ও সাংবিধানিক নাম রাখা হয়েছে 'পার্লামেন্ট'।
a একটি জলপ্রপাত
b নতুন একটি ওষুধ
c সাড়া জাগানো চলচ্চিত্রের নাম
d নতুন জাহাজের নাম
0 96 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নতুন একটি ওষুধ কেন সঠিক: - এটি ফাইজার কোম্পানির তৈরি পুরুষের যৌন স্বাস্থ্য সম্পর্কিত চিকিৎসায় ব্যবহৃত একটি বিশ্বখ্যাত প্রেসক্রিপশন ওষুধ। - এটি মূলত রক্তনালী প্রসারিত করে রক্তপ্রবাহ বৃদ্ধি করার মাধ্যমে নির্দিষ্ট শারীরিক সমস্যার চিকিৎসায় কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) একটি জলপ্রপাত — ভায়াগ্রা কোনো প্রাকৃতিক জলপ্রপাত বা ভৌগোলিক স্থান নয়। B) নতুন একটি ওষুধ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি একটি আধুনিক চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধ। C) সাড়া জাগানো চলচ্চিত্রের নাম — এটি কোনো সিনেমা, নাটক বা সাহিত্যকর্মের নাম নয়। D) নতুন জাহাজের নাম — এটি কোনো জলযান বা সামুদ্রিক জাহাজের নামও নয়। মনে রাখার টিপস: ভায়াগ্রা নামের সাথে ওষুধ বা চিকিৎসাবিজ্ঞান শব্দটি যুক্ত করে মনে রাখতে হবে।
a অলিভেট
b আইবিএম
c এ্যাপেল ম্যাকিনটশ
d মাইক্রোসফট
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মাইক্রোসফট কেন সঠিক: - মাইক্রোসফট বিশ্বের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় সফটওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান, যা উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম এবং অফিস অ্যাপ্লিকেশনের জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত। - বিল গেটস ও পল অ্যালেনের প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠানটি ব্যক্তিগত কম্পিউটারের সফটওয়্যার বাজার বিপ্লব ঘটিয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অলিভেট — এটি মূলত একটি ইতালীয় অফিস সরঞ্জাম প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান, যা প্রধানত টাইপরাইটার ও ক্যালকুলেটরের জন্য বিখ্যাত। B) আইবিএম — এটি হার্ডওয়্যার এবং প্রযুক্তি সেবার জন্য পরিচিত একটি প্রযুক্তি জায়ান্ট, যা সফটওয়্যারের চেয়ে কম্পিউটার ব্যবস্থার জন্য বেশি বিখ্যাত। C) এ্যাপেল ম্যাকিনটশ — এটি মূলত অ্যাপল কোম্পানির তৈরি করা পার্সোনাল কম্পিউটারের একটি নির্দিষ্ট ব্র্যান্ড বা মডেল, কোনো সফটওয়্যার প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান নয়। D) মাইক্রোসফট — এটি একটি সফটওয়্যার জগতের সর্ববৃহৎ ও নামকরা প্রতিষ্ঠান যা বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করে। মনে রাখার টিপস: বিশ্বখ্যাত উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের নির্মাতা হলো মাইক্রোসফট।
a ভানুসিংহ
b টেকচাঁদ ঠাকুর
c বনফুল
d মুকুন্দরাম
0 98 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ভানুসিংহ কেন সঠিক: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তার কৈশোর ও প্রথম যৌবনের কিছু পদ বা কবিতা ভানুসিংহ ঠাকুর ছদ্মনামে রচনা করেছিলেন। - তিনি বিদ্যাপতি ও চণ্ডীদাসের পদাবলীর অনুকরণে ব্রজবুলি ভাষায় এই পদগুলো লিখেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভানুসিংহ — এটি সঠিক উত্তর কারণ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এই ছদ্মনামটি ব্যবহার করেছিলেন। B) টেকচাঁদ ঠাকুর — এটি প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক প্যারিচাঁদ মিত্রের ছদ্মনাম, যিনি আলালের ঘরের দুলাল উপন্যাসের রচয়িতা। C) বনফুল — এটি প্রখ্যাত সাহিত্যিক বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম, যিনি ছোটগল্প ও উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত। D) মুকুন্দরাম — এটি কোনো ছদ্মনাম নয়, বরং মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের বিখ্যাত কবি কবিকঙ্কণ মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর প্রকৃত নাম। মনে রাখার টিপস: রবির আলো যেমন সকালের আকাশে ভানু হয়ে ফোটে, তেমনি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম জীবনের কাব্যিক প্রকাশ ঘটেছিল ভানুসিংহ ছদ্মনামে।
a ৪ টি
b ৭ টি
c ১১ টি
d ১৪ টি
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: C) ১১ টি কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সামরিক পরিচালনার সুবিধার জন্য সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল। - কৌশলগত কারণে ১০ নম্বর সেক্টরটি ছিল নৌ সেক্টর, যার কোনো নির্দিষ্ট ভৌগোলিক এলাকা ছিল না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪ টি — ৪টি সেক্টর ছিল না, এটি ভুল সংখ্যা কারণ সেক্টর ছিল মোট ১১টি। B) ৭ টি — ৭ সংখ্যাটি সেক্টরের মোট সংখ্যার সাথে মেলে না, তবে ১৯৭১ সালে সশস্ত্র বাহিনীর নিয়মিত ফোর্স বা ব্রিগেড ছিল ৩টি (যথা কে, এস ও জেড ফোর্স)। C) ১১ টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশকে ১১টি প্রশাসনিক ও সামরিক সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল। D) ১৪ টি — ১৪টি সেক্টর সঠিক নয়, কারণ সমগ্র বাংলাদেশকে মোট ১১টি সেক্টর এবং ৬৪টি সাব-সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: মুক্তিযুদ্ধের ১১ সেক্টর মনে রাখতে মনে রাখুন বাংলাদেশের ক্রিকেটে একাদশ দলে যেভাবে ১১ জন খেলোয়াড় খেলে, ঠিক তেমনি মুক্তিযুদ্ধের সেক্টরও ছিল ১১টি।
a লন্ডন
b নিউইয়র্ক
c প্যারিস
d মস্কো
0 91 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: B) নিউইয়র্ক কেন সঠিক: - ১৯৪৫ সালে জাতিসংঘ গঠিত হওয়ার পর এর প্রধান কার্যালয় যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটিতে স্থাপন করা হয়। - ম্যানহাটন দ্বীপে অবস্থিত এই স্থায়ী কার্যালয় থেকেই বিশ্ব সংস্থার দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লন্ডন — এটি যুক্তরাজ্যের রাজধানী এবং এখানে আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থার সদর দপ্তর অবস্থিত, জাতিসংঘের মূল সদর দপ্তর নয়। B) নিউইয়র্ক — এটি জাতিসংঘের প্রধান সদর দপ্তর হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং এখান থেকেই বিশ্ব শান্তির মূল কার্যক্রম পরিচালিত হয়। C) প্যারিস — এটি ফ্রান্সের রাজধানী এবং এখানে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা ইউনেস্কোর সদর দপ্তর অবস্থিত। D) মস্কো — এটি রাশিয়ার রাজধানী এবং এটি জাতিসংঘের কোনো প্রধান সংস্থার মূল কার্যালয় নয়। মনে রাখার টিপস: বিশ্বের রাজধানী হিসেবে পরিচিত নিউইয়র্কেই জাতিসংঘের প্রধান কার্যালয় অবস্থিত।
a নিউইয়র্ক
b রোমে
c জেনেভায়
d অটোয়ায়
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রোমে কেন সঠিক: - খাদ্য ও কৃষি সংস্থা বা এফএও জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা, যার প্রধান কার্যালয় ইতালির রাজধানী রোমে অবস্থিত। - বিশ্বজুড়ে ক্ষুধা নিবারণ ও কৃষি খাতের উন্নয়নে এই শহর থেকেই সংস্থাটির প্রধান কার্যক্রম পরিচালিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিউইয়র্ক — এটি জাতিসংঘের প্রধান সদর দপ্তর এবং ইউনিসেফসহ কয়েকটি সংস্থার কার্যালয়, খাদ্য ও কৃষি সংস্থার নয়। B) রোমে — এটি খাদ্য ও কৃষি সংস্থার প্রধান কার্যালয় এবং এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক। C) জেনেভায় — এটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার মতো গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধান কার্যালয়। D) অটোয়ায় — এটি কানাডার রাজধানী এবং এখানে আন্তর্জাতিক কোনো প্রধান সংস্থার সদর দপ্তর নেই। মনে রাখার টিপস: খাদ্য ও কৃষির সাথে পুষ্টির সম্পর্ক গভীর আর পুষ্টিকর খাবার খেতে হলে রোমান্টিক পরিবেশে রোমে যেতে হয়, এভাবে মনে রাখতে পারেন।
a ২৫ জোড়া
b ২৬ জোড়া
c ২৩ জোড়া
d ২৪জোড়া
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৩ জোড়া কেন সঠিক: - সুস্থ মানুষের প্রতিটি দেহকোষে মোট ৪৬টি বা ২৩ জোড়া ক্রোমোজোম থাকে। - এর মধ্যে ২২ জোড়া অটোজোম এবং ১ জোড়া সেক্স ক্রোমোজোম বা লিঙ্গ নির্ধারণকারী ক্রোমোজোম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৫ জোড়া — মানবদেহের কোষের স্বাভাবিক ক্রোমোজোম সংখ্যার চেয়ে এটি বেশি, তাই এটি ভুল। B) ২৬ জোড়া — মানুষের ক্রোমোজোমের নির্দিষ্ট সংখ্যার সাথে এই সংখ্যাটি মিলে না। C) ২৩ জোড়া — এটি মানবদেহের প্রতিটি কোষে উপস্থিত স্বাভাবিক ক্রোমোজোমের সঠিক জোড়া সংখ্যা। D) ২৪ জোড়া — মানুষের ক্রোমোজোম সংখ্যা ২৪ জোড়া নয়, এটি অন্য কোনো প্রাণীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। মনে রাখার টিপস: মানুষের মোট ক্রোমোজোম সংখ্যা ৪৬টি, যাকে দুই দিয়ে ভাগ করলে ঠিক ২৩ জোড়া পাওয়া যায়।
a শেলী
b ডলি
c মলি
d নেলী
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ডলি কেন সঠিক: - স্কটল্যান্ডের রোসলিন ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানীরা ১৯৯৬ সালে পূর্ণাঙ্গ বা অ্যাডাল্ট সেল থেকে প্রথম সফলভাবে ভেড়ার ক্লোন করেন। - এই ক্লোন করা ভেড়ার নাম রাখা হয়েছিল ডলি এবং এটি বিজ্ঞান জগতের একটি ঐতিহাসিক সাফল্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শেলী — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয় কারণ শেলী নামে কোনো বিখ্যাত ক্লোন ভেড়ার অস্তিত্ব নেই। B) ডলি — এটি সঠিক উত্তর এবং এটি বিশ্বের প্রথম ক্লোন করা ভেড়ার নাম। C) মলি — এটি ভুল কারণ মলি কোনো ক্লোন ভেড়ার নাম নয়। D) নেলী — এটি ভুল কারণ নেলী নামের কোনো ক্লোন প্রাণী এই গবেষণার সঙ্গে যুক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: ক্লোন ভেড়ার নাম মনে রাখতে বিখ্যাত গায়িকা ডলি পার্টনের নাম স্মরণ করতে পারো, যার নামানুসারে ভেড়ার নাম রাখা হয়েছিল।
a নিম্নভূমি নিমজ্জিত হবে
b ক্রমশ উত্তাপ বেড়ে যাবে
c বৃষ্টিপাত কমে যাবে
d উপরের সবগুলো
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উপরের সবগুলো কেন সঠিক: - গ্রীন হাউস গ্যাসের প্রভাবে বিশ্ব উষ্ণায়ন ঘটে যার ফলে মেরু অঞ্চলের বরফ গলে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পায় এবং বাংলাদেশের উপকূলীয় নিম্নভূমি নিমজ্জিত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়। - বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইডসহ অন্যান্য গ্রীন হাউস গ্যাসের ঘনত্ব বৃদ্ধির কারণে বাংলাদেশের গড় তাপমাত্রা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। - জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বৃষ্টিপাতের স্বাভাবিক সময়চক্র বিঘ্নিত হচ্ছে এবং কোনো কোনো অঞ্চলে বৃষ্টিপাত কমে গিয়ে খরা পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিম্নভূমি নিমজ্জিত হবে — এটি সঠিক হলেও গ্রীন হাউস এফেক্টের একমাত্র ফলাফল নয়, বরং এটি একটি অংশমাত্র। B) ক্রমশ উত্তাপ বেড়ে যাবে — এটি সঠিক ফল কিন্তু গ্রীন হাউস এফেক্টের সামগ্রিক ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ চিত্র নয়। C) বৃষ্টিপাত কমে যাবে — এটি পরিবেশের পরিবর্তনের একটি নেতিবাচক দিক, তবে একা এই অপশনটি সব ক্ষতি বোঝায় না। D) উপরের সবগুলো — এই অপশনের সবকটি ঘটনা অর্থাৎ নিম্নভূমি নিমজ্জিত হওয়া, তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়া এবং বৃষ্টিপাত কমে যাওয়া গ্রীন হাউস এফেক্টের কারণে বাংলাদেশে ঘটে থাকে। মনে রাখার টিপস: গ্রীন হাউস এফেক্ট মানেই তাপমাত্রা বৃদ্ধি, বৃষ্টিপাতে বিপর্যয় এবং সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বেড়ে নিম্নভূমি তলিয়ে যাওয়া।
a ২১ ফেব্রুয়ারি
b ১৪ ডিসেম্বর
c ৭ মার্চ
d ১৬ ডিসেম্বর
0 91 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৪ ডিসেম্বর কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের প্রাক্কালে পাকিস্তানি বাহিনী ও তাদের দেশীয় দোসররা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বরেণ্য বুদ্ধিজীবীদের পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে। - এই শোকাবহ ও কলঙ্কজনক ঘটনার স্মরণে প্রতি বছর ১৪ ডিসেম্বর বাংলাদেশে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২১ ফেব্রুয়ারি — এটি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও শহীদ দিবস, যা ভাষা আন্দোলনের আত্মত্যাগের স্মরণে পালিত হয়। B) ১৪ ডিসেম্বর — এটি শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস, কারণ এই দিনে দেশের মেধাবী বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করা হয়েছিল। C) ৭ মার্চ — এটি ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ দিবস, ১৯৭১ সালে এই দিনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার ডাক দিয়েছিলেন। D) ১৬ ডিসেম্বর — এটি মহান বিজয় দিবস, ১৯৭১ সালের এই দিনে বাংলাদেশ পাকিস্তান বাহিনীর বিরুদ্ধে চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করে। মনে রাখার টিপস: বিজয়ের ঠিক আগের দিন অর্থাৎ চৌদ্দই ডিসেম্বর জাতির শ্রেষ্ঠ বুদ্ধিজীবীদের হারানোর শোক থেকে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত হয়।
a সোনারগাঁয়ে
b মহাস্থানগর
c রংপুর
d সিলেট
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সোনারগাঁয়ে কেন সঠিক: - নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁয়ে ঐতিহাসিক পানাম সিটির কাছে বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন অবস্থিত। - শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন ১৯৭৫ সালে এখানে এই যাদুঘরটি প্রতিষ্ঠা করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সোনারগাঁয়ে — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলাদেশের লোকশিল্প যাদুঘরটি এখানেই অবস্থিত। B) মহাস্থানগর — এটি বগুড়ায় অবস্থিত প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধনের রাজধানী ও একটি ঐতিহাসিক প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান, লোকশিল্প যাদুঘর নয়। C) রংপুর — এটি উত্তরবঙ্গের একটি বিভাগ ও জেলা, যা তিস্তা নদীর অববাহিকায় অবস্থিত এবং এর সাথে এই যাদুঘরের সম্পর্ক নেই। D) সিলেট — এটি বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের একটি পাহাড়ি ও চা শিল্পসমৃদ্ধ অঞ্চল, যেখানে এই যাদুঘরটি অবস্থিত নয়। মনে রাখার টিপস: লোকশিল্প মানেই প্রাচীন ঐতিহ্য আর ঐতিহ্যবাহী সোনারগাঁয়ের পানাম নগর এর জন্য বিখ্যাত।
a বাংলাদেশ
b পাকিস্তন
c সৌদি আরব
d ইন্দোনেশিয়া
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ইন্দোনেশিয়া কেন সঠিক: - ইন্দোনেশিয়ার বর্তমান জনসংখ্যা প্রায় ২৭ কোটি, যার প্রায় ৮৭ শতাংশ মানুষ ইসলাম ধর্ম অনুসারী। - জনসংখ্যার দিক থেকে এটি বিশ্বের বৃহত্তম মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাংলাদেশ — বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম প্রধান মুসলিমপ্রধান দেশ হলেও জনসংখ্যার দিক থেকে ইন্দোনেশিয়ার পরেই এর অবস্থান। B) পাকিস্তান — পাকিস্তান মুসলিম জনসংখ্যার দিক থেকে বিশ্বে দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ, প্রথমটি ইন্দোনেশিয়া। সি) সৌদি আরব — ইসলাম ধর্মের উৎপত্তিস্থল ও পবিত্র ভূমি হলেও সৌদি আরবের মোট জনসংখ্যা ইন্দোনেশিয়ার তুলনায় অনেক কম। D) ইন্দোনেশিয়া — এটি প্রশ্নানুযায়ী সঠিক উত্তর এবং বিশ্বে সর্বাধিক মুসলিম জনসংখ্যার দেশ। মনে রাখার টিপস: বিশ্বের সবচেয়ে বড় মুসলিম দেশের নাম মনে রাখতে "ই" দিয়ে শুরু ইন্দোনেশিয়া শব্দটি মাথায় রাখুন, কারণ এটি জনসংখ্যার দিক থেকে প্রথম।
a জাকার্তা
b ম্যানিলা
c ডাবলিন
d কলম্বো
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ম্যানিলা কেন সঠিক: - এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক বা এডিবির সদর দপ্তর ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলা শহরের মান্দালুয়ংয়ে অবস্থিত। - ১৯৬৬ সালের ১৯ ডিসেম্বর এশিয়ার অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য এই আর্থিক প্রতিষ্ঠানটি গঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাকার্তা — এটি ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী এবং আসিয়ানের সদর দপ্তর, এডিবির সদর দপ্তর নয়। B) ম্যানিলা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ফিলিপাইনের এই রাজধানী শহরেই এডিবির সদর দপ্তর অবস্থিত। C) ডাবলিন — এটি আয়ারল্যান্ডের রাজধানী এবং এর সাথে এডিবির কোনো সংযোগ নেই। D) কলম্বো — এটি শ্রীলঙ্কার বাণিজ্যিক রাজধানী, যা এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় নয়। মনে রাখার টিপস: এশিয়ার ব্যাংক বা এডিবির প্রধান অফিস দেখতে হলে ফিলিপাইনের ম্যানিলায় যেতে হয়।
a পেপসিন
b এমাইলেজ
c ট্রিপসিন
d রেনিন
0 101 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রেনিন কেন সঠিক: - রেনিন হলো পাকস্থলীর একধরনের প্রোটিন পরিপাককারী এনজাইম বা জারক রস। - এটি মায়ের দুধের প্রধান প্রোটিন ক্যাসিনোজেনকে তঞ্চন ঘটিয়ে বা জমাট বাঁধিয়ে প্যাকাছিনে পরিণত করে, যা পরবর্তীতে হজম করা সহজ হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পেপসিন — এটি পাকস্থলীর একটি প্রোটিন পরিপাককারী এনজাইম, যা প্রোটিনকে পেপটোনে পরিণত করে কিন্তু দুধ জমাট বাঁধানোর প্রধান কাজ করে না। B) এমাইলেজ — এটি শর্করা জাতীয় খাদ্য পরিপাককারী জারক রস, যা মূলত মুখগহ্বর ও অগ্ন্যাশয়ে উৎপাদিত হয়। C) ট্রিপসিন — এটি অগ্ন্যাশয় থেকে নিঃসৃত প্রোটিন পরিপাককারী এনজাইম, যা ক্ষুদ্রান্ত্রে কাজ করে। D) রেনিন — এটি প্রদত্ত প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: দুধ বা মিল্ক (Milk) শব্দটি মনে রাখলে রেনিন (Renin) নামটি সহজে মনে রাখা যায়, কারণ রেনিন বিশেষ করে দুধ পরিপাকের সাথে যুক্ত।
a ইতালি
b স্পেন
c তুরস্ক
d গ্রীস
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) তুরস্ক কেন সঠিক: - ইতিহাস বিখ্যাত ট্রয় নগরী বর্তমান তুরস্কের আনাতোলিয়া অঞ্চলের উত্তর-পশ্চিমে এজিয়ান সাগরের কাছে অবস্থিত। - হোমারের ইলিয়াড মহাকাব্য ও ট্রয় যুদ্ধের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট এই প্রাচীন নগরীর সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইতালি — এটি রোমান সভ্যতার কেন্দ্র হলেও ট্রয় নগরী এখানে অবস্থিত নয়। B) স্পেন — এটি দক্ষিণ-পশ্চিম ইউরোপের দেশ এবং প্রাচীন ট্রয় নগরীর ভৌগোলিক অবস্থানের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। C) তুরস্ক — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এই দেশের আনাতোলিয়া অঞ্চলে অবস্থিত। D) গ্রীস — গ্রীক মিথলজি ও ট্রয় যুদ্ধের সঙ্গে এটি জড়িত থাকলেও প্রাচীন ট্রয় নগরী গ্রীসে নয়, বর্তমান তুরস্কে অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: হোমারের ট্রয় যুদ্ধ গ্রীসে শুরু হলেও বিখ্যাত ট্রয় নগরীটি বর্তমান তুরস্কের মাটিতে অবস্থিত।
a শামসুর রহমান
b আলতাফ মাহমুদ
c হাসান হাফিজুর রহমান
d আবদুল গাফফার চৌধুরী
0 92 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আবদুল গাফফার চৌধুরী কেন সঠিক: - ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত বিখ্যাত আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি গানটির গীতিকার আবদুল গাফফার চৌধুরী। - এই গানটি ভাষা শহীদদের স্মরণে রচিত বাংলা ভাষার সবচেয়ে জনপ্রিয় ও ঐতিহাসিক গানগুলোর অন্যতম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শামসুর রহমান — তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি হলেও এই গানটির রচয়িতা নন। B) আলতাফ মাহমুদ — তিনি এই গানের সুরকার, তবে এর গীতিকার বা রচয়িতা আবদুল গাফফার চৌধুরী। C) হাসান হাফিজুর রহমান — তিনি বিখ্যাত একুশে সংকলনের সম্পাদক হলেও এই গানটি রচনা করেননি। D) আবদুল গাফফার চৌধুরী — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং তিনিই গানটির রচয়িতা। মনে রাখার টিপস: ভাষা আন্দোলনের গানের লেখক গাফফার চৌধুরী, আর সুরকার ছিলেন আলতাফ মাহমুদ।
a ক্লোরোফ্লুরো কার্বন
b কার্বন মনোক্সাইড
c কার্বন ডাই-অক্সাইড
d মিথেন
0 97 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ক্লোরোফ্লুরো কার্বন কেন সঠিক: - ক্লোরোফ্লুরো কার্বন বা সিএফসি গ্যাসে উপস্থিত ক্লোরিন পরমাণু স্ট্রাটোস্ফিয়ারে পৌঁছে ওজোন গ্যাসের অণুকে ভেঙে অক্সিজেনে পরিণত করে। - এই গ্যাস ওজোন স্তরে স্থায়ীভাবে ছিদ্র তৈরি করার জন্য সবচেয়ে বেশি দায়ী বলে একে ওজোন স্তরের প্রধান ক্ষতিকর উপাদান হিসেবে বিবেচনা করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক্লোরোফ্লুরো কার্বন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই গ্যাসটি ওজোন স্তর ধ্বংসের জন্য সরাসরি দায়ী। B) কার্বন মনোক্সাইড — এটি রক্তে অক্সিজেনের পরিবহন ক্ষমতা কমায় এবং বায়ুদূষণ ঘটালেও ওজোন স্তর হ্রাসে মুখ্য ভূমিকা রাখে না। C) কার্বন ডাই-অক্সাইড — এটি প্রধানত গ্রিনহাউস গ্যাস এবং বিশ্ব উষ্ণায়নের জন্য দায়ী, ওজোন স্তর ফাটলের জন্য এটি মুখ্য নয়। D) মিথেন — এটি একটি শক্তিশালী গ্রিনহাউস গ্যাস যা জলবায়ু পরিবর্তনে প্রভাব ফেলে, তবে ওজোন স্তর ক্ষয়কারী প্রধান উপাদান এটি নয়। মনে রাখার টিপস: ওজোন স্তর ছিদ্রের জন্য দায়ী সিএফসি বা ফ্রিজ ও এসি থেকে নির্গত ক্লোরোফ্লুরো কার্বন গ্যাস।
a নওগাঁ
b বগুড়া
c নাটোর
d রাজশাহী
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নাটোর কেন সঠিক: - উত্তরা গণভবন বাংলাদেশের নাটোর জেলায় অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক রাজবাড়ি ও সরকারি ভবন। - এটি পূর্বে নাটোরের মহারাজার রাজবাড়ি বা দিঘাপতিয়া রাজবাড়ি নামে পরিচিত ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নওগাঁ — নওগাঁ জেলায় ঐতিহাসিক কুসুম্বা মসজিদ ও পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার অবস্থিত, উত্তরা গণভবন নয়। B) বগুড়া — বগুড়া জেলায় প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন বা মহাস্থানগড় অবস্থিত, উত্তরা গণভবন এখানে নেই। C) নাটোর — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। D) রাজশাহী — রাজশাহী জেলায় বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর ও পুঠিয়া রাজবাড়ি অবস্থিত, উত্তরা গণভবন নয়। মনে রাখার টিপস: নাটোরের কাঁচাগোল্লা বিখ্যাত হওয়ার পাশাপাশি ঐতিহাসিক উত্তরা গণভবনও নাটোর জেলাতেই অবস্থিত।
a অগ্নিবীণা
b বিষের বাঁশি
c দোলনচাঁপা
d বাঁধনহারা
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অগ্নিবীণা কেন সঠিক: - বিদ্রোহী কবিতাটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ অগ্নিবীণা-র অন্তর্গত। - ১৯২২ সালে প্রকাশিত এই কাব্যগ্রন্থের দ্বিতীয় কবিতা হিসেবে বিদ্রোহী স্থান পায় এবং এটি কবিকে বিদ্রোহী কবির খ্যাতি এনে দেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অগ্নিবীণা — এটি সঠিক উত্তর কারণ বিখ্যাত বিদ্রোহী কবিতাটি এই কাব্যগ্রন্থের শুরুতেই স্থান পেয়েছে। B) বিষের বাঁশি — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিদ্রোহী ভাবাপন্ন কাব্যগ্রন্থ হলেও এতে বিদ্রোহী কবিতাটি নেই। C) দোলনচাঁপা — এটি নজরুলের একটি বিখ্যাত রোমান্টিক ধারার কাব্যগ্রন্থ, যার বিষয়বস্তু ও প্রেক্ষাপট ভিন্ন। D) বাঁধনহারা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস, কোনো কাব্যগ্রন্থ নয়। মনে রাখার টিপস: নজরুলের প্রথম কাব্যগ্রন্থ অগ্নিবীণা-র প্রথম দিকেই তার সবচেয়ে বিখ্যাত বিদ্রোহী কবিতাটি স্থান পেয়েছে।
a রফিকুল ইসলাম
b রশীদ করিম
c মেজর জেনারেল সুখওয়ান্ত সিং
d কর্নেল সিদ্দিক মালিক
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মেজর জেনারেল সুখওয়ান্ত সিং কেন সঠিক: - ‘দ্য লিবারেশন অফ বাংলাদেশ’ গ্রন্থটির রচয়িতা ভারতের প্রখ্যাত সামরিক ইতিহাসবিদ ও মেজর জেনারেল সুখওয়ান্ত সিং। - ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ এবং তৎকালীন সামরিক কৌশল নিয়ে রচিত এই গ্রন্থটি একটি প্রামাণ্য ঐতিহাসিক দলিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রফিকুল ইসলাম — তিনি ‘লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে’ ও ‘নয় মাসের রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম’ গ্রন্থের রচয়িতা, আলোচ্য গ্রন্থের নন। B) রশীদ করিম — তিনি একজন প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক ও সাহিত্যিক, এই সামরিক ইতিহাস গ্রন্থের সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। C) মেজর জেনারেল সুখওয়ান্ত সিং — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় মূল কারণ অংশে এর বিশদ উল্লেখ করা হয়েছে। D) কর্নেল সিদ্দিক মালিক — তিনি ‘দ্য মিউজ অব ডেথ’ বা অন্য কোনো ঐতিহাসিক বইয়ের সঙ্গে যুক্ত হতে পারেন, তবে এই গ্রন্থের লেখক নন। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ মুক্তিসংগ্রামের সামরিক ইতিহাস নিয়ে বই লিখেছেন ভারতের মেজর জেনারেল সুখওয়ান্ত সিং।
a ময়না
b কাক
c শালিক
d দোয়েল
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) দোয়েল কেন সঠিক: - দোয়েল বাংলাদেশের জাতীয় পাখি হিসেবে সরকারিভাবে স্বীকৃত এবং এর সুমধুর কণ্ঠের জন্য এটি পরিচিত। - এটি গ্রামীণ পরিবেশের অতি পরিচিত একটি পাখি যা বাংলাদেশের প্রকৃতি ও সংস্কৃতির সঙ্গে গভীরভাবে মিশে আছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ময়না — এটি চমৎকার কথা বলতে পারা পাখি হলেও বাংলাদেশের জাতীয় পাখি নয়। B) কাক — এটি অত্যন্ত পরিচিত একটি পাখি, তবে এটি বাংলাদেশের জাতীয় পাখি হিসেবে বিবেচিত হয় না। C) শালিক — এটি আমাদের চারপাশে সচরাচর দেখা যাওয়া পাখি, তবে এটি জাতীয় পাখির মর্যাদা পায়নি। D) দোয়েল — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটিই বাংলাদেশের জাতীয় পাখি। মনে রাখার টিপস: সকালে মিষ্টি সুরে গান গায় যে পাখি, সেই দোয়েল হলো আমাদের জাতীয় পাখি।
a প্যারাগুয়ে
b নরওয়ে
c নেদারল্যান্ড
d পোল্যান্ড
0 91 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নেদারল্যান্ড কেন সঠিক: - নেদারল্যান্ডের ঐতিহাসিক মুদ্রা হলো গিল্ডার, যা ইউরোপীয় ইউনিয়নে যোগদানের আগে প্রচলিত ছিল। - বর্তমান ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য দেশ হিসেবে নেদারল্যান্ডের আনুষ্ঠানিক মুদ্রা হলো ইউরো। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্যারাগুয়ে — এই দেশের মুদ্রার নাম গুয়ারানি, যা দক্ষিণ আমেরিকার একটি রাষ্ট্র। B) নরওয়ে — এই দেশের মুদ্রার নাম ক্রোন, যা স্ক্যান্ডিনেভিয়ান অঞ্চলের একটি মুদ্রা। C) নেদারল্যান্ড — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। D) পোল্যান্ড — এই দেশের মুদ্রার নাম জ্লোটি, যা মধ্য ইউরোপের একটি দেশ। মনে রাখার টিপস: নেদারল্যান্ডের ঐতিহাসিক মুদ্রার নাম গিল্ডার মনে রাখতে নে এবং গি শব্দ দুটি মনে রাখতে পারেন।
a জার্মানি
b রাশিয়া
c ফ্রান্স
d যুক্তরাষ্ট্র
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) যুক্তরাষ্ট্র কেন সঠিক: - নাসা হলো যুক্তরাষ্ট্রের সরকারের অধীন একটি মহাকাশ গবেষণা সংস্থা। - এর পূর্ণরূপ হলো ন্যাশনাল অ্যারোনটিক্স অ্যান্ড স্পেস প্রশাসন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জার্মানি — এটি যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নয়, জার্মানির মহাকাশ সংস্থার নাম ডিএলআর। B) রাশিয়া — এটি যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নয়, রাশিয়ার মহাকাশ সংস্থার নাম রসকসমস। C) ফ্রান্স — এটি যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নয়, ফ্রান্সের মহাকাশ সংস্থার নাম সিএনইএস। D) যুক্তরাষ্ট্র — এটি সঠিক কারণ নাসা যুক্তরাষ্ট্রেই অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: নাসা আমেরিকার ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি মহাকাশ সংস্থা।

মোট প্রশ্ন (42)

a ১৬ শতাংশ
b ২০ শতাংশ
c ২৫ শতাংশ
d ৩০ শতাংশ
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভূগোল ও পরিবেশ সঠিক উত্তর: C) ২৫ শতাংশ কেন সঠিক: - প্রাকৃতিক পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতে এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষা করতে যেকোনো দেশের মোট ভূটমণ্ডলের অন্তত ২৫ শতাংশ বনাঞ্চল থাকা আবশ্যক। - এটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত একটি মানদণ্ড, যা দেশের মাটি ও আবহাওয়াকে প্রতিকূল অবস্থা থেকে রক্ষা করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৬ শতাংশ — এটি বাংলাদেশের বনাঞ্চলের বর্তমান বাস্তবসম্মত বা আনুমানিক অনুপাত নির্দেশ করে, যা আদর্শ মানের চেয়ে কম। B) ২০ শতাংশ — এটি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য আন্তর্জাতিক বা আদর্শ প্রমিত মানদণ্ড হিসেবে নির্ধারিত নয়। C) ২৫ শতাংশ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত আদর্শ মান। D) ৩০ শতাংশ — এটি কিছু নির্দিষ্ট পাহাড়ি বা বিশেষ দেশের বনভূমির প্রাক্কলন হতে পারে, তবে সাধারণ দেশের আদর্শ মান নয়। মনে রাখার টিপস: পরিবেশের চাবি হলো সবুজ প্রকৃতি, তাই মোট জমির ঠিক এক চতুর্থাংশ বা ২৫ শতাংশ বনভূমি থাকতে হয়।
a গরু
b ছাগল
c গয়াল
d রয়েল বেঙ্গল টাইগার
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রয়েল বেঙ্গল টাইগার কেন সঠিক: - রয়েল বেঙ্গল টাইগার বাংলাদেশের জাতীয় পশু হিসেবে সরকারিভাবে স্বীকৃত। - সুন্দরবনের প্রধান প্রাণী এবং সাহসিকতা ও শক্তির প্রতীকের কারণে এটি জাতীয় পশুর মর্যাদা পেয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গরু — এটি আমাদের একটি গৃহপালিত ও উপকারী প্রাণী, তবে জাতীয় পশু নয়। B) ছাগল — এটি একটি গৃহপালিত প্রাণী ও মাংসের উৎস, কিন্তু জাতীয় পশুর মর্যাদাপ্রাপ্ত নয়। C) গয়াল — এটি বাংলাদেশের পাহাড়ি অঞ্চলের একটি বন্য প্রাণী, তবে এটি জাতীয় পশু নয়। D) রয়েল বেঙ্গল টাইগার — এটি সঠিক উত্তর এবং সুন্দরবনের প্রধান প্রাণী হিসেবে জাতীয় পশু। মনে রাখার টিপস: সুন্দরবনের বিখ্যাত হিংস্র ও সুন্দর প্রাণী রয়েল বেঙ্গল টাইগার আমাদের জাতীয় পশু।
a ইথেন
b এমোনিয়া
c মিথেন
d বিউটেন
0 94 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মিথেন কেন সঠিক: - প্রাণীর মলমূত্র এবং জৈব বর্জ্য ব্যাকটেরিয়ার সাহায্যে বায়ুর অনুপস্থিতিতে ফারমেন্টেশন বা অবাত পচন প্রক্রিয়ায় মিথেন গ্যাস উৎপন্ন করে। - জৈব গ্যাসের প্রধান উপাদান হলো এই মিথেন গ্যাস, যা জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইথেন — এটি প্রাকৃতিক গ্যাসের একটি হালকা উপাদান, যা ব্যাকটেরিয়ার অবাত পচনে প্রধান উৎপাদ হিসেবে তৈরি হয় না। B) এমোনিয়া — এটি মূলত প্রোটিন ও নাইট্রোজেনযুক্ত বর্জ্য পচে উৎপন্ন হয়, তবে এটি সাধারণ ফারমেন্টেশন প্রক্রিয়ার প্রধান হাইড্রোকার্বন গ্যাস নয়। C) মিথেন — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশন হিসেবে প্রযোজ্য নয়। D) বিউটেন — এটি সাধারণত পেট্রোলিয়াম গ্যাস বা এলপিজির উপাদান, যা জৈব পচনের মাধ্যমে উৎপন্ন হয় না। মনে রাখার টিপস: পশু-পাখির মলমূত্রের অবাত পচন বা বায়োগ্যাস প্লান্টে প্রধানত মিথেন গ্যাস তৈরি হয়।
a ড. এস ডি চৌধুরী
b ড. কাজী ফজলুর রহিম
c ড. ওসমান গনি
d অধ্যাপক মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ড. ওসমান গনি কেন সঠিক: - ড. ওসমান গনি ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বর্তমানে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ) প্রথম উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পান। - কৃষি শিক্ষার প্রসারে তাঁর অবদানের জন্য তিনি এই শীর্ষ পদে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ড. এস ডি চৌধুরী — তিনি এই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য নন, তবে পরবর্তীতে বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেছিলেন। B) ড. কাজী ফজলুর রহিম — তিনি বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য নন। D) অধ্যাপক মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী — তিনি এই প্রতিষ্ঠানের প্রথম উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেননি। মনে রাখার টিপস: কৃষি শিক্ষার জনক ও প্রথম উপাচার্য হিসেবে ড. ওসমান গনির নাম মনে রাখতে 'কৃষির উ' দিয়ে 'উপাচার্য ওসমান গনি' মনে রাখতে পারেন।
a মি. জে এইচ বি হেলেন
b লর্ড লিনলিথগো
c লর্ড ক্লাইভ
d ওয়ারেন হেস্টিংস
0 95 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) লর্ড লিনলিথগো কেন সঠিক: - লর্ড লিনলিথগো ১৯৩৬ থেকে ১৯৪৩ সাল পর্যন্ত ভারতের ভাইসরয় ছিলেন এবং তিনি কৃষির উন্নয়নে বিশেষ করে গবাদিপশুর জাত উন্নয়নে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন। - তিনি ভারতীয় ইম্পেরিয়াল কাউন্সিল অব এগ্রিকালচারাল রিসার্চের সভাপতি হিসেবে দেশের গবাদিপশুর মানোন্নয়ন ও দুগ্ধ উৎপাদন বৃদ্ধিতে বিভিন্ন কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মি. জে এইচ বি হেলেন — ইনি গবাদিপশুর জাত উন্নয়নে ব্রিটিশ আমলের নীতি নির্ধারণে এই পর্যায়ে যুক্ত ছিলেন না। B) লর্ড লিনলিথগো — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি এখানে প্রযোজ্য নয়। C) লর্ড ক্লাইভ — ইনি ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সামরিক ও রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, কৃষি বা গবাদিপশু উন্নয়নে নয়। D) ওয়ারেন হেস্টিংস — ইনি ব্রিটিশ ভারতের প্রথম গভর্নর-জেনারেল ছিলেন এবং প্রশাসনিক সংস্কারের জন্য পরিচিত, গবাদিপশু উন্নয়নের জন্য নয়। মনে রাখার টিপস: গবাদিপশুর জাত উন্নয়ন ও কৃষির কথা এলেই ব্রিটিশ ভাইসরয় লর্ড লিনলিথগো নামটি মনে রাখতে হবে।
a পাবনা, সিরাজগঞ্জ
b দিনাজপুর
c বরিশাল
d ফরিদপুর
0 92 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পাবনা, সিরাজগঞ্জ কেন সঠিক: - পাবনা ও সিরাজগঞ্জ অঞ্চল গোচারণ ভূমি এবং দুগ্ধ উৎপাদনের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। - এই অঞ্চলে প্রাকৃতিকভাবে গোচারণের সুবিধা থাকায় একে দেশের অন্যতম প্রধান ডেইরি জোন বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পাবনা, সিরাজগঞ্জ — এটি গোচারণের জন্য বিখ্যাত এবং প্রদত্ত সঠিক উত্তরের সঙ্গে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ। B) দিনাজপুর — এই অঞ্চল ধান উৎপাদনে বিখ্যাত হলেও প্রখ্যাত গোচারণ ভূমির জন্য পরিচিত নয়। C) বরিশাল — এটি নদীমাতৃক অঞ্চল ও পেয়ারা উৎপাদনের জন্য পরিচিত, গোচারণ ভূমি হিসেবে নয়। D) ফরিদপুর — এই অঞ্চল পাট উৎপাদনের জন্য পরিচিত, যা গোচারণের জন্য বাগান বা নির্দিষ্ট এলাকার জন্য বিখ্যাত নয়। মনে রাখার টিপস: পাবনা ও সিরাজগঞ্জে বাঘ না থাকলেও গবাদি পশুর জন্য বিশাল গোচারণ ভূমি আছে।
a ৩ জানুয়ারি, ১৯৯৮
b ২ ডিসেম্বর, ১৯৯৭
c ৩ ডিসেম্বর, ১৯৯৭
d ২২ ডিসেম্বর, ১৯৯৭
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২ ডিসেম্বর, ১৯৯৭ কেন সঠিক: - এই দিনে বাংলাদেশ সরকার ও পাহাড়ি জননেতা সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন জনসংহতি সমিতির মধ্যে ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। - দীর্ঘ দুই দশকের বেশি সময় ধরে চলা পার্বত্য অঞ্চলের সংঘাতের অবসান ঘটাতে এই চুক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩ জানুয়ারি, ১৯৯৮ — এই তারিখে পার্বত্য শান্তিচুক্তির সাথে সম্পর্কিত কোনো প্রধান বা ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটেনি। B) ২ ডিসেম্বর, ১৯৯৭ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) ৩ ডিসেম্বর, ১৯৯৭ — এটি চুক্তি স্বাক্ষরের ঠিক পরের দিন, তাই এই তারিখটি সঠিক নয়। D) ২২ ডিসেম্বর, ১৯৯৭ — এই তারিখে পার্বত্য শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর বা কার্যকর হওয়ার কোনো ঐতিহাসিক রেকর্ড নেই। মনে রাখার টিপস: ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর তারিখটি মনে রাখতে শেষ সংখ্যা দুটি অর্থাৎ ৯৭ এবং মাস ও দিন (ডিসেম্বর ২) একত্রে মনে রাখতে পারো।
a কয়লা
b চুনাপাথর
c সাদামাটি
d গ্যাস
0 93 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) গ্যাস কেন সঠিক: - প্রাকৃতিক গ্যাস বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ কারণ দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন, শিল্পকারখানা এবং গৃহস্থালির জ্বালানির মূল উৎস এটি। - দেশের অর্থনীতিতে শক্তির প্রধান জোগানদাতা হিসেবে প্রাকৃতিক গ্যাসের ভূমিকা সর্বাধিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কয়লা — এটি গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি হলেও বাংলাদেশের অর্থনীতিতে প্রাকৃতিক গ্যাসের মতো এত ব্যাপক ও প্রধান ভূমিকা পালন করে না। B) চুনাপাথর — এটি মূলত সিমেন্ট শিল্পের কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যা সামগ্রিক অর্থনীতিতে গ্যাসের মতো এতটা সর্বব্যাপী গুরুত্বপূর্ণ নয়। C) সাদামাটি — এটি মূলত সিরামিক শিল্পে ব্যবহৃত একটি খনিজ, যা শক্তির উৎস বা প্রধান খনিজ সম্পদের মর্যাদায় পড়ে না। D) গ্যাস — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং দেশের জ্বালানি খাতের সবচেয়ে অপরিহার্য উপাদান। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের অর্থনীতি ও শক্তির প্রধান চালিকাশক্তি হলো প্রাকৃতিক গ্যাস, তাই জ্বালানি খনিজ বললেই গ্যাসকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে মনে রাখবে।
a জর্জ ওয়াশিংটন
b আব্রাহাম লিংকন
c রুজভেল্ট
d কেনেডী
0 94 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আব্রাহাম লিংকন কেন সঠিক: - আব্রাহাম লিংকন আমেরিকার ষোড়শ প্রেসিডেন্ট হিসেবে ১৮৬৩ সালের ১ জানুয়ারি দাসপ্রথা বিলোপের ঐতিহাসিক মুক্তি সনদ জারি করেন। - তাঁর নেতৃত্বেই মার্কিন গৃহযুদ্ধের পর ১৮৬৫ সালে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে দাসপ্রথা আইনগতভাবে নিষিদ্ধ হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জর্জ ওয়াশিংটন — তিনি আমেরিকার প্রথম প্রেসিডেন্ট ছিলেন, কিন্তু সেসময়ে যুক্তরাষ্ট্রে দাসপ্রথা চালু ছিল এবং তিনি নিজেও দাসমালিক ছিলেন। B) আব্রাহাম লিংকন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) রুজভেল্ট — ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট বিংশ শতকের প্রথমার্ধে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ছিলেন, যা দাসপ্রথা বিলোপের অনেক পরের সময়কাল। D) কেনেডী — জন এফ কেনেডি বিংশ শতকের ষাটের দশকে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ছিলেন এবং তিনি মূলত নাগরিক অধিকার আন্দোলনে ভূমিকা রেখেছিলেন। মনে রাখার টিপস: যুক্তরাষ্ট্রের মানচিত্র ও দাসমুক্তির ইতিহাস মনে রাখতে লিংকন নামটি স্মরণ করুন, যিনি দাসপ্রথা চিরতরে দূর করেছিলেন।
a ইনসুলিন
b থাইরক্সিন
c এনড্রোজেন
d এস্ট্রোজেন
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ইনসুলিন কেন সঠিক: - অগ্ন্যাশয়ের আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহ্যান্সের বিটা কোষ থেকে উৎপাদিত ইনসুলিন হরমোন রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। - ইনসুলিনের স্বল্পতা বা অকার্যকারিতার কারণে ডায়াবেটিস বা বহুমূত্র রোগ হয়, তাই চিকিৎসায় ইনসুলিন অপরিহার্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইনসুলিন — এটি বহুমূত্র রোগ নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রয়োজনীয় মূল হরমোন। B) থাইরক্সিন — এটি থাইরয়েড গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হয় এবং শরীরের বিপাকক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে, বহুমূত্র রোগের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। C) এনড্রোজেন — এটি এক ধরনের পুরুষ হরমোন যা জনন অঙ্গের বিকাশ ও বৈশিষ্ট্য রক্ষায় কাজ করে। D) এস্ট্রোজেন — এটি নারী দেহের প্রধান যৌন হরমোন যা প্রজনন চক্র নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। মনে রাখার টিপস: ডায়াবেটিস বা বহুমূত্র নিয়ন্ত্রণের প্রধান চাবিকাঠি হলো ইনসুলিন, যা অগ্ন্যাশয় থেকে আসে।
a ১৬ বছর
b ১৮ বছর
c ২০ বছর
d ২১ বছর
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৮ বছর কেন সঠিক: - বাংলাদেশের সংবিধান ও ভোটার তালিকা আইন অনুযায়ী দেশের নাগরিকদের ভোটদানের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন বয়স ১৮ বছর নির্ধারিত হয়েছে। - প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পর একজন নাগরিক দেশের জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগের আইনি যোগ্যতা অর্জন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৬ বছর — এই বয়সে বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী কেউ প্রাপ্তবয়স্ক হন না এবং ভোটাধিকার পান না। B) ১৮ বছর — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। C) ২০ বছর — এই বয়সসীমা ভোটার হওয়ার ন্যূনতম শর্তের চেয়ে বেশি, তাই এটি ভুল। D) ২১ বছর — এটি সাধারণত সংসদ সদস্য পদে প্রার্থী হওয়ার সর্বনিম্ন বয়স, কিন্তু ভোটার হওয়ার বয়স নয়। মনে রাখার টিপস: প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার বয়স এবং ভোটার হওয়ার বয়স একই অর্থাৎ আঠারো বছর।
a সাভার, ঢাকা
b রাজশাহী
c চট্টগ্রাম
d সিলেট
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: A) সাভার, ঢাকা কেন সঠিক: - বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় গো-প্রজনন খামারটি ঢাকার সাভারে অবস্থিত। - কৃত্রিম প্রজনন কার্যক্রম পরিচালনা ও উন্নত জাতের গবাদিপশু উন্নয়নে এটি কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাভার, ঢাকা — এটি কেন্দ্রীয় গো-প্রজনন খামারের সঠিক এবং নির্ধারিত ভৌগোলিক অবস্থান। B) রাজশাহী — এখানে গবাদিপশু ও কৃষি সংক্রান্ত অন্যান্য প্রতিষ্ঠান থাকলেও কেন্দ্রীয় গো-প্রজনন খামারটি এখানে নেই। C) চট্টগ্রাম — এটি বন্দরনগরী এবং এখানে প্রধানত সামুদ্রিক ও পাহাড়ি অঞ্চলের কৃষি গবেষণা কেন্দ্র রয়েছে। D) সিলেট — এটি চা বাগান ও পর্যটনের জন্য পরিচিত হলেও কেন্দ্রীয় গো-প্রজনন খামারের অবস্থান এখানে নয়। মনে রাখার টিপস: কেন্দ্রীয় গো-প্রজনন খামার মানেই ঢাকার সাভার, যা গরুর খামারের জন্য বিখ্যাত।
a রোনাল্ডো
b জিদান
c সুকার
d বেবেতো
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সুকার কেন সঠিক: - ১৯৯৮ সালের ফ্রান্স ফুটবল বিশ্বকাপে ক্রোয়েশিয়ার ডavor সুকার সর্বোচ্চ ৬টি গোল করে গোল্ডেন বুট অর্জন করেছিলেন। - তার দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের সুবাদে ক্রোয়েশিয়া দল সেবার বিশ্বকাপে তৃতীয় স্থান লাভ করেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রোনাল্ডো — ব্রাজিলের এই খেলোয়াড় ১৯৯৮ সালের ফাইনালে খেললেও সেবার গোল্ডেন বুট পাননি, তিনি গোল্ডেন বল জিতেছিলেন। B) জিদান — ফ্রান্সের এই মিডফিল্ডার ১৯৯৮ সালের ফাইনালে দুটি গোল করলেও তিনি গোল্ডেন বুট পাননি। D) বেবেতো — ব্রাজিলের এই ফরোয়ার্ড ১৯৯৮ বিশ্বকাপে ৩টি গোল করেছিলেন, যা সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার পাওয়ার জন্য যথেষ্ট ছিল না। মনে রাখার টিপস: ১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপ ফুটবলে ক্রোয়েশিয়ার সুকার ছয় গোল করে জিতেছিল সোনালী জুতো বা গোল্ডেন বুট।
a আশি
b সাতাশি
c ষাট
d একাশি
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) একাশি কেন সঠিক: - খানজাহান আলী নির্মিত ষাট গম্বুজ মসজিদটি প্রকৃতপক্ষে একাশি গম্বুজবিশিষ্ট একটি ঐতিহাসিক স্থাপত্য। - মসজিদটির ছাদের ওপর মোট একাশিটি গম্বুজ রয়েছে, যার মধ্যে কেন্দ্রীয় ছাদের সাত সারিতে ১১টি করে মোট ৭৭টি এবং চার কোণায় ৪টি ছোট গম্বুজ আছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আশি — এটি সঠিক নয় কারণ মসজিদের গম্বুজ সংখ্যা আশিটি নয়, বরং এর সংখ্যা একাশি। B) সাতাশি — এটি ভুল সংখ্যা, ঐতিহাসিক এই মসজিদে সাতাশিটি গম্বুজ নেই। C) ষাট — নাম ষাট গম্বুজ হলেও স্থাপত্যটিতে ষাটটি নয়, বরং একাশিটি গম্বুজ রয়েছে। D) একাশি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই মসজিদে মোট একাশিটি গম্বুজ বিদ্যমান। মনে রাখার টিপস: নামে ষাট গম্বুজ হলেও বাস্তবে মনে রাখবে ষাটের চেয়ে একুশ বেশি অর্থাৎ একাশিটি গম্বুজ।
a পলল গঠিত সমভূমি
b বরেন্দ্রভূমি
c উত্তরবঙ্গ
d মহাস্থানগড়
0 95 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বরেন্দ্রভূমি কেন সঠিক: - এটি বাংলাদেশের উত্তর অঞ্চলের প্রাচীনতম প্লা্ত্তর বা ভূপ্রকৃতি। - রাজশাহী, বগুড়া, রংপুর ও দিনাজপুরের কিছু অংশ নিয়ে এই ঐতিহাসিক ও ভৌগোলিক অঞ্চলটি গঠিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পলল গঠিত সমভূমি — এটি সাধারণত নদনদীর পলি জমে গঠিত নতুন ভূমি, যা সমগ্র বরেন্দ্র অঞ্চলের ভূপ্রকৃতির প্রধান বৈশিষ্ট্য নয়। B) বরেন্দ্রভূমি — এটি প্রদত্ত প্রশ্নের সঠিক উত্তর, যা এই নির্দিষ্ট অঞ্চলের প্লা্ত্তর ভূমিকে নির্দেশ করে। C) উত্তরবঙ্গ — এটি একটি রাজনৈতিক ও আঞ্চলিক পরিচিতি, কিন্তু ভৌগোলিকভাবে নির্দিষ্ট ভূমিরূপ বোঝাতে বরেন্দ্রভূমি ব্যবহার করা হয়। D) মহাস্থানগড় — এটি বরেন্দ্রভূমির ভেতরে অবস্থিত একটি প্রাচীন ঐতিহাসিক স্থান, সমগ্র উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের ভূপ্রকৃতি নয়। মনে রাখার টিপস: উত্তরাঞ্চল ও প্রাচীন ভূমি বললেই বরেন্দ্রভূমি মনে রাখবে।
a ১৯ শতাংশ
b ১২ শতাংশ
c ১৬ শতাংশ
d ১৫ শতাংশ
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৫ শতাংশ কেন সঠিক: - বাংলাদেশের বন অধিদপ্তর এবং পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী দেশের মোট ভূমির বনাঞ্চলের পরিমাণ প্রায় ১৫ শতাংশ। - দেশের ভারসাম্যপূর্ণ পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার জন্য মোট ভূমির অন্তত ২৫ শতাংশ বনাঞ্চল থাকা প্রয়োজন হলেও বর্তমানে এর পরিমাণ প্রায় ১৫ শতাংশ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯ শতাংশ — এটি বাংলাদেশের বনাঞ্চলের বর্তমান বা প্রমিত সরকারি পরিসংখ্যান নয় এবং এটি অতিরিক্ত প্রাক্কলন। B) ১২ শতাংশ — অতীতে বনাঞ্চলের পরিমাণ কম ধরা হলেও বর্তমান হালনাগাদ সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী এটি সঠিক নয়। C) ১৬ শতাংশ — এই নির্দিষ্ট শতকরা হারটি বাংলাদেশের সরকারি বনাঞ্চলের প্রমিত বা স্বীকৃত হিসাবের সঙ্গে মেলে না। D) ১৫ শতাংশ — এটি বন অধিদপ্তর ও সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী বাংলাদেশের মোট ভূমির বনাঞ্চলের সঠিক পরিমাণ। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ বনের হিসাব মনে রাখতে পঞ্চদশ সংশোধনী বা ১৫ সংখ্যাটি মনে রাখুন, যার অর্থ মোট ভূমির ১৫ শতাংশ বনাঞ্চল।
a ৫.৫ কিলোমিটার
b ৭.২ কিলোমিটার
c ৬ কিলোমিটার
d ৪.৮ কিলোমিটার
0 93 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: D) ৪.৮ কিলোমিটার কেন সঠিক: - বঙ্গবন্ধু সেতু বা যমুনা বহুমুখী সেতুর মূল দৈর্ঘ্য হলো চার দশমিক আট কিলোমিটার। - এটি বাংলাদেশের দীর্ঘতম সেতুগুলোর মধ্যে অন্যতম যা যমুনা নদীর ওপর নির্মিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৫.৫ কিলোমিটার — এটি ভুল তথ্য কারণ সেতুটির মূল দৈর্ঘ্য এত নয়। B) ৭.২ কিলোমিটার — এটি পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্য যা এই প্রশ্নের জন্য প্রযোজ্য নয়। ৬ কিলোমিটার — এই দৈর্ঘ্যের সাথে বঙ্গবন্ধু সেতুর কোনো মিল নেই। D) ৪.৮ কিলোমিটার — এটি বঙ্গবন্ধু সেতুর সঠিক দৈর্ঘ্য। মনে রাখার টিপস: বঙ্গবন্ধু সেতুর দৈর্ঘ্য মনে রাখতে চার দশমিক আট সংখ্যাটি মনে রাখুন।
a বলাকা
b শাপলা
c নৌকা
d কাছিবেষ্টিত নোঙর
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কাছিবেষ্টিত নোঙর কেন সঠিক: - বাংলাদেশ নৌবাহিনীর অফিশিয়াল লোগো বা প্রতীকে কাছি দিয়ে পেঁচানো নোঙর ব্যবহার করা হয়, যা সমুদ্রের সঙ্গে তাদের যোগাযোগের প্রতীক। - এই প্রতীকটি নৌবাহিনীর শক্তি, নিরাপত্তা এবং সামুদ্রিক প্রতিরক্ষার ঐতিহ্যকে নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বলাকা — এটি বাংলাদেশ বিমানের প্রতীক, নৌবাহিনীর সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) শাপলা — এটি বাংলাদেশের জাতীয় ফুল, নৌবাহিনীর নিজস্ব প্রতীক নয়। C) নৌকা — এটি বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী জলযান এবং রাজনৈতিক প্রতীক, নৌবাহিনীর লোগো নয়। D) কাছিবেষ্টিত নোঙর — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: নৌবাহিনী মানেই সমুদ্রের জাহাজ এবং জাহাজ থামানোর মাধ্যম নোঙর, তাই প্রতীক হলো কাছিবেষ্টিত নোঙর।
a সিনেট
b পঞ্চায়েত
c কংগ্রেস
d পার্লামেন্ট
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: D) পার্লামেন্ট কেন সঠিক: - নেপালের বর্তমান সংবিধান অনুযায়ী তাদের আইনসভার দাপ্তরিক ও সাংবিধানিক নাম হলো পার্লামেন্ট বা সংসদ। - নেপালের এই পার্লামেন্ট দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট, যা প্রতিনিধি সভা এবং জাতীয় সভা নিয়ে গঠিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সিনেট — এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশের আইনসভার উচ্চকক্ষের নাম, নেপালের পার্লামেন্টের নাম নয়। B) পঞ্চায়েত — এটি রাজা বীরেন্দ্রর আমলে নেপালের নির্দলীয় রাজনৈতিক ব্যবস্থার নাম ছিল, আইনসভার নাম নয়। C) কংগ্রেস — এটি যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভা বা রাজনৈতিক দলের নাম, নেপালের আইনসভার নাম নয়। D) পার্লামেন্ট — এটি নেপালের বর্তমান আইনসভার সঠিক সাংবিধানিক নাম। মনে রাখার টিপস: নেপাল প্রজাতন্ত্র হওয়ার পর তাদের আইনসভার সাধারণ ও সাংবিধানিক নাম রাখা হয়েছে 'পার্লামেন্ট'।
a একটি জলপ্রপাত
b নতুন একটি ওষুধ
c সাড়া জাগানো চলচ্চিত্রের নাম
d নতুন জাহাজের নাম
0 96 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নতুন একটি ওষুধ কেন সঠিক: - এটি ফাইজার কোম্পানির তৈরি পুরুষের যৌন স্বাস্থ্য সম্পর্কিত চিকিৎসায় ব্যবহৃত একটি বিশ্বখ্যাত প্রেসক্রিপশন ওষুধ। - এটি মূলত রক্তনালী প্রসারিত করে রক্তপ্রবাহ বৃদ্ধি করার মাধ্যমে নির্দিষ্ট শারীরিক সমস্যার চিকিৎসায় কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) একটি জলপ্রপাত — ভায়াগ্রা কোনো প্রাকৃতিক জলপ্রপাত বা ভৌগোলিক স্থান নয়। B) নতুন একটি ওষুধ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি একটি আধুনিক চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধ। C) সাড়া জাগানো চলচ্চিত্রের নাম — এটি কোনো সিনেমা, নাটক বা সাহিত্যকর্মের নাম নয়। D) নতুন জাহাজের নাম — এটি কোনো জলযান বা সামুদ্রিক জাহাজের নামও নয়। মনে রাখার টিপস: ভায়াগ্রা নামের সাথে ওষুধ বা চিকিৎসাবিজ্ঞান শব্দটি যুক্ত করে মনে রাখতে হবে।
a অলিভেট
b আইবিএম
c এ্যাপেল ম্যাকিনটশ
d মাইক্রোসফট
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মাইক্রোসফট কেন সঠিক: - মাইক্রোসফট বিশ্বের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় সফটওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান, যা উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম এবং অফিস অ্যাপ্লিকেশনের জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত। - বিল গেটস ও পল অ্যালেনের প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠানটি ব্যক্তিগত কম্পিউটারের সফটওয়্যার বাজার বিপ্লব ঘটিয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অলিভেট — এটি মূলত একটি ইতালীয় অফিস সরঞ্জাম প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান, যা প্রধানত টাইপরাইটার ও ক্যালকুলেটরের জন্য বিখ্যাত। B) আইবিএম — এটি হার্ডওয়্যার এবং প্রযুক্তি সেবার জন্য পরিচিত একটি প্রযুক্তি জায়ান্ট, যা সফটওয়্যারের চেয়ে কম্পিউটার ব্যবস্থার জন্য বেশি বিখ্যাত। C) এ্যাপেল ম্যাকিনটশ — এটি মূলত অ্যাপল কোম্পানির তৈরি করা পার্সোনাল কম্পিউটারের একটি নির্দিষ্ট ব্র্যান্ড বা মডেল, কোনো সফটওয়্যার প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান নয়। D) মাইক্রোসফট — এটি একটি সফটওয়্যার জগতের সর্ববৃহৎ ও নামকরা প্রতিষ্ঠান যা বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করে। মনে রাখার টিপস: বিশ্বখ্যাত উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের নির্মাতা হলো মাইক্রোসফট।
a ভানুসিংহ
b টেকচাঁদ ঠাকুর
c বনফুল
d মুকুন্দরাম
0 98 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ভানুসিংহ কেন সঠিক: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তার কৈশোর ও প্রথম যৌবনের কিছু পদ বা কবিতা ভানুসিংহ ঠাকুর ছদ্মনামে রচনা করেছিলেন। - তিনি বিদ্যাপতি ও চণ্ডীদাসের পদাবলীর অনুকরণে ব্রজবুলি ভাষায় এই পদগুলো লিখেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভানুসিংহ — এটি সঠিক উত্তর কারণ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এই ছদ্মনামটি ব্যবহার করেছিলেন। B) টেকচাঁদ ঠাকুর — এটি প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক প্যারিচাঁদ মিত্রের ছদ্মনাম, যিনি আলালের ঘরের দুলাল উপন্যাসের রচয়িতা। C) বনফুল — এটি প্রখ্যাত সাহিত্যিক বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম, যিনি ছোটগল্প ও উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত। D) মুকুন্দরাম — এটি কোনো ছদ্মনাম নয়, বরং মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের বিখ্যাত কবি কবিকঙ্কণ মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর প্রকৃত নাম। মনে রাখার টিপস: রবির আলো যেমন সকালের আকাশে ভানু হয়ে ফোটে, তেমনি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম জীবনের কাব্যিক প্রকাশ ঘটেছিল ভানুসিংহ ছদ্মনামে।
a ৪ টি
b ৭ টি
c ১১ টি
d ১৪ টি
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: C) ১১ টি কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সামরিক পরিচালনার সুবিধার জন্য সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল। - কৌশলগত কারণে ১০ নম্বর সেক্টরটি ছিল নৌ সেক্টর, যার কোনো নির্দিষ্ট ভৌগোলিক এলাকা ছিল না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪ টি — ৪টি সেক্টর ছিল না, এটি ভুল সংখ্যা কারণ সেক্টর ছিল মোট ১১টি। B) ৭ টি — ৭ সংখ্যাটি সেক্টরের মোট সংখ্যার সাথে মেলে না, তবে ১৯৭১ সালে সশস্ত্র বাহিনীর নিয়মিত ফোর্স বা ব্রিগেড ছিল ৩টি (যথা কে, এস ও জেড ফোর্স)। C) ১১ টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশকে ১১টি প্রশাসনিক ও সামরিক সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল। D) ১৪ টি — ১৪টি সেক্টর সঠিক নয়, কারণ সমগ্র বাংলাদেশকে মোট ১১টি সেক্টর এবং ৬৪টি সাব-সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: মুক্তিযুদ্ধের ১১ সেক্টর মনে রাখতে মনে রাখুন বাংলাদেশের ক্রিকেটে একাদশ দলে যেভাবে ১১ জন খেলোয়াড় খেলে, ঠিক তেমনি মুক্তিযুদ্ধের সেক্টরও ছিল ১১টি।
a লন্ডন
b নিউইয়র্ক
c প্যারিস
d মস্কো
0 91 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: B) নিউইয়র্ক কেন সঠিক: - ১৯৪৫ সালে জাতিসংঘ গঠিত হওয়ার পর এর প্রধান কার্যালয় যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটিতে স্থাপন করা হয়। - ম্যানহাটন দ্বীপে অবস্থিত এই স্থায়ী কার্যালয় থেকেই বিশ্ব সংস্থার দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লন্ডন — এটি যুক্তরাজ্যের রাজধানী এবং এখানে আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থার সদর দপ্তর অবস্থিত, জাতিসংঘের মূল সদর দপ্তর নয়। B) নিউইয়র্ক — এটি জাতিসংঘের প্রধান সদর দপ্তর হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং এখান থেকেই বিশ্ব শান্তির মূল কার্যক্রম পরিচালিত হয়। C) প্যারিস — এটি ফ্রান্সের রাজধানী এবং এখানে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা ইউনেস্কোর সদর দপ্তর অবস্থিত। D) মস্কো — এটি রাশিয়ার রাজধানী এবং এটি জাতিসংঘের কোনো প্রধান সংস্থার মূল কার্যালয় নয়। মনে রাখার টিপস: বিশ্বের রাজধানী হিসেবে পরিচিত নিউইয়র্কেই জাতিসংঘের প্রধান কার্যালয় অবস্থিত।
a নিউইয়র্ক
b রোমে
c জেনেভায়
d অটোয়ায়
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রোমে কেন সঠিক: - খাদ্য ও কৃষি সংস্থা বা এফএও জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা, যার প্রধান কার্যালয় ইতালির রাজধানী রোমে অবস্থিত। - বিশ্বজুড়ে ক্ষুধা নিবারণ ও কৃষি খাতের উন্নয়নে এই শহর থেকেই সংস্থাটির প্রধান কার্যক্রম পরিচালিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিউইয়র্ক — এটি জাতিসংঘের প্রধান সদর দপ্তর এবং ইউনিসেফসহ কয়েকটি সংস্থার কার্যালয়, খাদ্য ও কৃষি সংস্থার নয়। B) রোমে — এটি খাদ্য ও কৃষি সংস্থার প্রধান কার্যালয় এবং এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক। C) জেনেভায় — এটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার মতো গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধান কার্যালয়। D) অটোয়ায় — এটি কানাডার রাজধানী এবং এখানে আন্তর্জাতিক কোনো প্রধান সংস্থার সদর দপ্তর নেই। মনে রাখার টিপস: খাদ্য ও কৃষির সাথে পুষ্টির সম্পর্ক গভীর আর পুষ্টিকর খাবার খেতে হলে রোমান্টিক পরিবেশে রোমে যেতে হয়, এভাবে মনে রাখতে পারেন।
a ২৫ জোড়া
b ২৬ জোড়া
c ২৩ জোড়া
d ২৪জোড়া
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৩ জোড়া কেন সঠিক: - সুস্থ মানুষের প্রতিটি দেহকোষে মোট ৪৬টি বা ২৩ জোড়া ক্রোমোজোম থাকে। - এর মধ্যে ২২ জোড়া অটোজোম এবং ১ জোড়া সেক্স ক্রোমোজোম বা লিঙ্গ নির্ধারণকারী ক্রোমোজোম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৫ জোড়া — মানবদেহের কোষের স্বাভাবিক ক্রোমোজোম সংখ্যার চেয়ে এটি বেশি, তাই এটি ভুল। B) ২৬ জোড়া — মানুষের ক্রোমোজোমের নির্দিষ্ট সংখ্যার সাথে এই সংখ্যাটি মিলে না। C) ২৩ জোড়া — এটি মানবদেহের প্রতিটি কোষে উপস্থিত স্বাভাবিক ক্রোমোজোমের সঠিক জোড়া সংখ্যা। D) ২৪ জোড়া — মানুষের ক্রোমোজোম সংখ্যা ২৪ জোড়া নয়, এটি অন্য কোনো প্রাণীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। মনে রাখার টিপস: মানুষের মোট ক্রোমোজোম সংখ্যা ৪৬টি, যাকে দুই দিয়ে ভাগ করলে ঠিক ২৩ জোড়া পাওয়া যায়।
a শেলী
b ডলি
c মলি
d নেলী
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ডলি কেন সঠিক: - স্কটল্যান্ডের রোসলিন ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানীরা ১৯৯৬ সালে পূর্ণাঙ্গ বা অ্যাডাল্ট সেল থেকে প্রথম সফলভাবে ভেড়ার ক্লোন করেন। - এই ক্লোন করা ভেড়ার নাম রাখা হয়েছিল ডলি এবং এটি বিজ্ঞান জগতের একটি ঐতিহাসিক সাফল্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শেলী — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয় কারণ শেলী নামে কোনো বিখ্যাত ক্লোন ভেড়ার অস্তিত্ব নেই। B) ডলি — এটি সঠিক উত্তর এবং এটি বিশ্বের প্রথম ক্লোন করা ভেড়ার নাম। C) মলি — এটি ভুল কারণ মলি কোনো ক্লোন ভেড়ার নাম নয়। D) নেলী — এটি ভুল কারণ নেলী নামের কোনো ক্লোন প্রাণী এই গবেষণার সঙ্গে যুক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: ক্লোন ভেড়ার নাম মনে রাখতে বিখ্যাত গায়িকা ডলি পার্টনের নাম স্মরণ করতে পারো, যার নামানুসারে ভেড়ার নাম রাখা হয়েছিল।
a নিম্নভূমি নিমজ্জিত হবে
b ক্রমশ উত্তাপ বেড়ে যাবে
c বৃষ্টিপাত কমে যাবে
d উপরের সবগুলো
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উপরের সবগুলো কেন সঠিক: - গ্রীন হাউস গ্যাসের প্রভাবে বিশ্ব উষ্ণায়ন ঘটে যার ফলে মেরু অঞ্চলের বরফ গলে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পায় এবং বাংলাদেশের উপকূলীয় নিম্নভূমি নিমজ্জিত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়। - বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইডসহ অন্যান্য গ্রীন হাউস গ্যাসের ঘনত্ব বৃদ্ধির কারণে বাংলাদেশের গড় তাপমাত্রা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। - জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বৃষ্টিপাতের স্বাভাবিক সময়চক্র বিঘ্নিত হচ্ছে এবং কোনো কোনো অঞ্চলে বৃষ্টিপাত কমে গিয়ে খরা পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিম্নভূমি নিমজ্জিত হবে — এটি সঠিক হলেও গ্রীন হাউস এফেক্টের একমাত্র ফলাফল নয়, বরং এটি একটি অংশমাত্র। B) ক্রমশ উত্তাপ বেড়ে যাবে — এটি সঠিক ফল কিন্তু গ্রীন হাউস এফেক্টের সামগ্রিক ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ চিত্র নয়। C) বৃষ্টিপাত কমে যাবে — এটি পরিবেশের পরিবর্তনের একটি নেতিবাচক দিক, তবে একা এই অপশনটি সব ক্ষতি বোঝায় না। D) উপরের সবগুলো — এই অপশনের সবকটি ঘটনা অর্থাৎ নিম্নভূমি নিমজ্জিত হওয়া, তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়া এবং বৃষ্টিপাত কমে যাওয়া গ্রীন হাউস এফেক্টের কারণে বাংলাদেশে ঘটে থাকে। মনে রাখার টিপস: গ্রীন হাউস এফেক্ট মানেই তাপমাত্রা বৃদ্ধি, বৃষ্টিপাতে বিপর্যয় এবং সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বেড়ে নিম্নভূমি তলিয়ে যাওয়া।
a ২১ ফেব্রুয়ারি
b ১৪ ডিসেম্বর
c ৭ মার্চ
d ১৬ ডিসেম্বর
0 91 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৪ ডিসেম্বর কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের প্রাক্কালে পাকিস্তানি বাহিনী ও তাদের দেশীয় দোসররা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বরেণ্য বুদ্ধিজীবীদের পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে। - এই শোকাবহ ও কলঙ্কজনক ঘটনার স্মরণে প্রতি বছর ১৪ ডিসেম্বর বাংলাদেশে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২১ ফেব্রুয়ারি — এটি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও শহীদ দিবস, যা ভাষা আন্দোলনের আত্মত্যাগের স্মরণে পালিত হয়। B) ১৪ ডিসেম্বর — এটি শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস, কারণ এই দিনে দেশের মেধাবী বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করা হয়েছিল। C) ৭ মার্চ — এটি ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ দিবস, ১৯৭১ সালে এই দিনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার ডাক দিয়েছিলেন। D) ১৬ ডিসেম্বর — এটি মহান বিজয় দিবস, ১৯৭১ সালের এই দিনে বাংলাদেশ পাকিস্তান বাহিনীর বিরুদ্ধে চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করে। মনে রাখার টিপস: বিজয়ের ঠিক আগের দিন অর্থাৎ চৌদ্দই ডিসেম্বর জাতির শ্রেষ্ঠ বুদ্ধিজীবীদের হারানোর শোক থেকে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত হয়।
a সোনারগাঁয়ে
b মহাস্থানগর
c রংপুর
d সিলেট
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সোনারগাঁয়ে কেন সঠিক: - নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁয়ে ঐতিহাসিক পানাম সিটির কাছে বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন অবস্থিত। - শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন ১৯৭৫ সালে এখানে এই যাদুঘরটি প্রতিষ্ঠা করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সোনারগাঁয়ে — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলাদেশের লোকশিল্প যাদুঘরটি এখানেই অবস্থিত। B) মহাস্থানগর — এটি বগুড়ায় অবস্থিত প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধনের রাজধানী ও একটি ঐতিহাসিক প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান, লোকশিল্প যাদুঘর নয়। C) রংপুর — এটি উত্তরবঙ্গের একটি বিভাগ ও জেলা, যা তিস্তা নদীর অববাহিকায় অবস্থিত এবং এর সাথে এই যাদুঘরের সম্পর্ক নেই। D) সিলেট — এটি বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের একটি পাহাড়ি ও চা শিল্পসমৃদ্ধ অঞ্চল, যেখানে এই যাদুঘরটি অবস্থিত নয়। মনে রাখার টিপস: লোকশিল্প মানেই প্রাচীন ঐতিহ্য আর ঐতিহ্যবাহী সোনারগাঁয়ের পানাম নগর এর জন্য বিখ্যাত।
a বাংলাদেশ
b পাকিস্তন
c সৌদি আরব
d ইন্দোনেশিয়া
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ইন্দোনেশিয়া কেন সঠিক: - ইন্দোনেশিয়ার বর্তমান জনসংখ্যা প্রায় ২৭ কোটি, যার প্রায় ৮৭ শতাংশ মানুষ ইসলাম ধর্ম অনুসারী। - জনসংখ্যার দিক থেকে এটি বিশ্বের বৃহত্তম মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাংলাদেশ — বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম প্রধান মুসলিমপ্রধান দেশ হলেও জনসংখ্যার দিক থেকে ইন্দোনেশিয়ার পরেই এর অবস্থান। B) পাকিস্তান — পাকিস্তান মুসলিম জনসংখ্যার দিক থেকে বিশ্বে দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ, প্রথমটি ইন্দোনেশিয়া। সি) সৌদি আরব — ইসলাম ধর্মের উৎপত্তিস্থল ও পবিত্র ভূমি হলেও সৌদি আরবের মোট জনসংখ্যা ইন্দোনেশিয়ার তুলনায় অনেক কম। D) ইন্দোনেশিয়া — এটি প্রশ্নানুযায়ী সঠিক উত্তর এবং বিশ্বে সর্বাধিক মুসলিম জনসংখ্যার দেশ। মনে রাখার টিপস: বিশ্বের সবচেয়ে বড় মুসলিম দেশের নাম মনে রাখতে "ই" দিয়ে শুরু ইন্দোনেশিয়া শব্দটি মাথায় রাখুন, কারণ এটি জনসংখ্যার দিক থেকে প্রথম।
a জাকার্তা
b ম্যানিলা
c ডাবলিন
d কলম্বো
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ম্যানিলা কেন সঠিক: - এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক বা এডিবির সদর দপ্তর ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলা শহরের মান্দালুয়ংয়ে অবস্থিত। - ১৯৬৬ সালের ১৯ ডিসেম্বর এশিয়ার অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য এই আর্থিক প্রতিষ্ঠানটি গঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাকার্তা — এটি ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী এবং আসিয়ানের সদর দপ্তর, এডিবির সদর দপ্তর নয়। B) ম্যানিলা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ফিলিপাইনের এই রাজধানী শহরেই এডিবির সদর দপ্তর অবস্থিত। C) ডাবলিন — এটি আয়ারল্যান্ডের রাজধানী এবং এর সাথে এডিবির কোনো সংযোগ নেই। D) কলম্বো — এটি শ্রীলঙ্কার বাণিজ্যিক রাজধানী, যা এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় নয়। মনে রাখার টিপস: এশিয়ার ব্যাংক বা এডিবির প্রধান অফিস দেখতে হলে ফিলিপাইনের ম্যানিলায় যেতে হয়।
a পেপসিন
b এমাইলেজ
c ট্রিপসিন
d রেনিন
0 101 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রেনিন কেন সঠিক: - রেনিন হলো পাকস্থলীর একধরনের প্রোটিন পরিপাককারী এনজাইম বা জারক রস। - এটি মায়ের দুধের প্রধান প্রোটিন ক্যাসিনোজেনকে তঞ্চন ঘটিয়ে বা জমাট বাঁধিয়ে প্যাকাছিনে পরিণত করে, যা পরবর্তীতে হজম করা সহজ হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পেপসিন — এটি পাকস্থলীর একটি প্রোটিন পরিপাককারী এনজাইম, যা প্রোটিনকে পেপটোনে পরিণত করে কিন্তু দুধ জমাট বাঁধানোর প্রধান কাজ করে না। B) এমাইলেজ — এটি শর্করা জাতীয় খাদ্য পরিপাককারী জারক রস, যা মূলত মুখগহ্বর ও অগ্ন্যাশয়ে উৎপাদিত হয়। C) ট্রিপসিন — এটি অগ্ন্যাশয় থেকে নিঃসৃত প্রোটিন পরিপাককারী এনজাইম, যা ক্ষুদ্রান্ত্রে কাজ করে। D) রেনিন — এটি প্রদত্ত প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: দুধ বা মিল্ক (Milk) শব্দটি মনে রাখলে রেনিন (Renin) নামটি সহজে মনে রাখা যায়, কারণ রেনিন বিশেষ করে দুধ পরিপাকের সাথে যুক্ত।
a ইতালি
b স্পেন
c তুরস্ক
d গ্রীস
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) তুরস্ক কেন সঠিক: - ইতিহাস বিখ্যাত ট্রয় নগরী বর্তমান তুরস্কের আনাতোলিয়া অঞ্চলের উত্তর-পশ্চিমে এজিয়ান সাগরের কাছে অবস্থিত। - হোমারের ইলিয়াড মহাকাব্য ও ট্রয় যুদ্ধের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট এই প্রাচীন নগরীর সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইতালি — এটি রোমান সভ্যতার কেন্দ্র হলেও ট্রয় নগরী এখানে অবস্থিত নয়। B) স্পেন — এটি দক্ষিণ-পশ্চিম ইউরোপের দেশ এবং প্রাচীন ট্রয় নগরীর ভৌগোলিক অবস্থানের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। C) তুরস্ক — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এই দেশের আনাতোলিয়া অঞ্চলে অবস্থিত। D) গ্রীস — গ্রীক মিথলজি ও ট্রয় যুদ্ধের সঙ্গে এটি জড়িত থাকলেও প্রাচীন ট্রয় নগরী গ্রীসে নয়, বর্তমান তুরস্কে অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: হোমারের ট্রয় যুদ্ধ গ্রীসে শুরু হলেও বিখ্যাত ট্রয় নগরীটি বর্তমান তুরস্কের মাটিতে অবস্থিত।
a শামসুর রহমান
b আলতাফ মাহমুদ
c হাসান হাফিজুর রহমান
d আবদুল গাফফার চৌধুরী
0 92 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আবদুল গাফফার চৌধুরী কেন সঠিক: - ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত বিখ্যাত আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি গানটির গীতিকার আবদুল গাফফার চৌধুরী। - এই গানটি ভাষা শহীদদের স্মরণে রচিত বাংলা ভাষার সবচেয়ে জনপ্রিয় ও ঐতিহাসিক গানগুলোর অন্যতম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শামসুর রহমান — তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি হলেও এই গানটির রচয়িতা নন। B) আলতাফ মাহমুদ — তিনি এই গানের সুরকার, তবে এর গীতিকার বা রচয়িতা আবদুল গাফফার চৌধুরী। C) হাসান হাফিজুর রহমান — তিনি বিখ্যাত একুশে সংকলনের সম্পাদক হলেও এই গানটি রচনা করেননি। D) আবদুল গাফফার চৌধুরী — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং তিনিই গানটির রচয়িতা। মনে রাখার টিপস: ভাষা আন্দোলনের গানের লেখক গাফফার চৌধুরী, আর সুরকার ছিলেন আলতাফ মাহমুদ।
a ক্লোরোফ্লুরো কার্বন
b কার্বন মনোক্সাইড
c কার্বন ডাই-অক্সাইড
d মিথেন
0 97 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ক্লোরোফ্লুরো কার্বন কেন সঠিক: - ক্লোরোফ্লুরো কার্বন বা সিএফসি গ্যাসে উপস্থিত ক্লোরিন পরমাণু স্ট্রাটোস্ফিয়ারে পৌঁছে ওজোন গ্যাসের অণুকে ভেঙে অক্সিজেনে পরিণত করে। - এই গ্যাস ওজোন স্তরে স্থায়ীভাবে ছিদ্র তৈরি করার জন্য সবচেয়ে বেশি দায়ী বলে একে ওজোন স্তরের প্রধান ক্ষতিকর উপাদান হিসেবে বিবেচনা করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক্লোরোফ্লুরো কার্বন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই গ্যাসটি ওজোন স্তর ধ্বংসের জন্য সরাসরি দায়ী। B) কার্বন মনোক্সাইড — এটি রক্তে অক্সিজেনের পরিবহন ক্ষমতা কমায় এবং বায়ুদূষণ ঘটালেও ওজোন স্তর হ্রাসে মুখ্য ভূমিকা রাখে না। C) কার্বন ডাই-অক্সাইড — এটি প্রধানত গ্রিনহাউস গ্যাস এবং বিশ্ব উষ্ণায়নের জন্য দায়ী, ওজোন স্তর ফাটলের জন্য এটি মুখ্য নয়। D) মিথেন — এটি একটি শক্তিশালী গ্রিনহাউস গ্যাস যা জলবায়ু পরিবর্তনে প্রভাব ফেলে, তবে ওজোন স্তর ক্ষয়কারী প্রধান উপাদান এটি নয়। মনে রাখার টিপস: ওজোন স্তর ছিদ্রের জন্য দায়ী সিএফসি বা ফ্রিজ ও এসি থেকে নির্গত ক্লোরোফ্লুরো কার্বন গ্যাস।
a নওগাঁ
b বগুড়া
c নাটোর
d রাজশাহী
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নাটোর কেন সঠিক: - উত্তরা গণভবন বাংলাদেশের নাটোর জেলায় অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক রাজবাড়ি ও সরকারি ভবন। - এটি পূর্বে নাটোরের মহারাজার রাজবাড়ি বা দিঘাপতিয়া রাজবাড়ি নামে পরিচিত ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নওগাঁ — নওগাঁ জেলায় ঐতিহাসিক কুসুম্বা মসজিদ ও পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার অবস্থিত, উত্তরা গণভবন নয়। B) বগুড়া — বগুড়া জেলায় প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন বা মহাস্থানগড় অবস্থিত, উত্তরা গণভবন এখানে নেই। C) নাটোর — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। D) রাজশাহী — রাজশাহী জেলায় বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর ও পুঠিয়া রাজবাড়ি অবস্থিত, উত্তরা গণভবন নয়। মনে রাখার টিপস: নাটোরের কাঁচাগোল্লা বিখ্যাত হওয়ার পাশাপাশি ঐতিহাসিক উত্তরা গণভবনও নাটোর জেলাতেই অবস্থিত।
a অগ্নিবীণা
b বিষের বাঁশি
c দোলনচাঁপা
d বাঁধনহারা
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অগ্নিবীণা কেন সঠিক: - বিদ্রোহী কবিতাটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ অগ্নিবীণা-র অন্তর্গত। - ১৯২২ সালে প্রকাশিত এই কাব্যগ্রন্থের দ্বিতীয় কবিতা হিসেবে বিদ্রোহী স্থান পায় এবং এটি কবিকে বিদ্রোহী কবির খ্যাতি এনে দেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অগ্নিবীণা — এটি সঠিক উত্তর কারণ বিখ্যাত বিদ্রোহী কবিতাটি এই কাব্যগ্রন্থের শুরুতেই স্থান পেয়েছে। B) বিষের বাঁশি — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিদ্রোহী ভাবাপন্ন কাব্যগ্রন্থ হলেও এতে বিদ্রোহী কবিতাটি নেই। C) দোলনচাঁপা — এটি নজরুলের একটি বিখ্যাত রোমান্টিক ধারার কাব্যগ্রন্থ, যার বিষয়বস্তু ও প্রেক্ষাপট ভিন্ন। D) বাঁধনহারা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস, কোনো কাব্যগ্রন্থ নয়। মনে রাখার টিপস: নজরুলের প্রথম কাব্যগ্রন্থ অগ্নিবীণা-র প্রথম দিকেই তার সবচেয়ে বিখ্যাত বিদ্রোহী কবিতাটি স্থান পেয়েছে।
a রফিকুল ইসলাম
b রশীদ করিম
c মেজর জেনারেল সুখওয়ান্ত সিং
d কর্নেল সিদ্দিক মালিক
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মেজর জেনারেল সুখওয়ান্ত সিং কেন সঠিক: - ‘দ্য লিবারেশন অফ বাংলাদেশ’ গ্রন্থটির রচয়িতা ভারতের প্রখ্যাত সামরিক ইতিহাসবিদ ও মেজর জেনারেল সুখওয়ান্ত সিং। - ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ এবং তৎকালীন সামরিক কৌশল নিয়ে রচিত এই গ্রন্থটি একটি প্রামাণ্য ঐতিহাসিক দলিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রফিকুল ইসলাম — তিনি ‘লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে’ ও ‘নয় মাসের রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম’ গ্রন্থের রচয়িতা, আলোচ্য গ্রন্থের নন। B) রশীদ করিম — তিনি একজন প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক ও সাহিত্যিক, এই সামরিক ইতিহাস গ্রন্থের সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। C) মেজর জেনারেল সুখওয়ান্ত সিং — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় মূল কারণ অংশে এর বিশদ উল্লেখ করা হয়েছে। D) কর্নেল সিদ্দিক মালিক — তিনি ‘দ্য মিউজ অব ডেথ’ বা অন্য কোনো ঐতিহাসিক বইয়ের সঙ্গে যুক্ত হতে পারেন, তবে এই গ্রন্থের লেখক নন। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ মুক্তিসংগ্রামের সামরিক ইতিহাস নিয়ে বই লিখেছেন ভারতের মেজর জেনারেল সুখওয়ান্ত সিং।
a ময়না
b কাক
c শালিক
d দোয়েল
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) দোয়েল কেন সঠিক: - দোয়েল বাংলাদেশের জাতীয় পাখি হিসেবে সরকারিভাবে স্বীকৃত এবং এর সুমধুর কণ্ঠের জন্য এটি পরিচিত। - এটি গ্রামীণ পরিবেশের অতি পরিচিত একটি পাখি যা বাংলাদেশের প্রকৃতি ও সংস্কৃতির সঙ্গে গভীরভাবে মিশে আছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ময়না — এটি চমৎকার কথা বলতে পারা পাখি হলেও বাংলাদেশের জাতীয় পাখি নয়। B) কাক — এটি অত্যন্ত পরিচিত একটি পাখি, তবে এটি বাংলাদেশের জাতীয় পাখি হিসেবে বিবেচিত হয় না। C) শালিক — এটি আমাদের চারপাশে সচরাচর দেখা যাওয়া পাখি, তবে এটি জাতীয় পাখির মর্যাদা পায়নি। D) দোয়েল — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটিই বাংলাদেশের জাতীয় পাখি। মনে রাখার টিপস: সকালে মিষ্টি সুরে গান গায় যে পাখি, সেই দোয়েল হলো আমাদের জাতীয় পাখি।
a প্যারাগুয়ে
b নরওয়ে
c নেদারল্যান্ড
d পোল্যান্ড
0 91 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নেদারল্যান্ড কেন সঠিক: - নেদারল্যান্ডের ঐতিহাসিক মুদ্রা হলো গিল্ডার, যা ইউরোপীয় ইউনিয়নে যোগদানের আগে প্রচলিত ছিল। - বর্তমান ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য দেশ হিসেবে নেদারল্যান্ডের আনুষ্ঠানিক মুদ্রা হলো ইউরো। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্যারাগুয়ে — এই দেশের মুদ্রার নাম গুয়ারানি, যা দক্ষিণ আমেরিকার একটি রাষ্ট্র। B) নরওয়ে — এই দেশের মুদ্রার নাম ক্রোন, যা স্ক্যান্ডিনেভিয়ান অঞ্চলের একটি মুদ্রা। C) নেদারল্যান্ড — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। D) পোল্যান্ড — এই দেশের মুদ্রার নাম জ্লোটি, যা মধ্য ইউরোপের একটি দেশ। মনে রাখার টিপস: নেদারল্যান্ডের ঐতিহাসিক মুদ্রার নাম গিল্ডার মনে রাখতে নে এবং গি শব্দ দুটি মনে রাখতে পারেন।
a জার্মানি
b রাশিয়া
c ফ্রান্স
d যুক্তরাষ্ট্র
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) যুক্তরাষ্ট্র কেন সঠিক: - নাসা হলো যুক্তরাষ্ট্রের সরকারের অধীন একটি মহাকাশ গবেষণা সংস্থা। - এর পূর্ণরূপ হলো ন্যাশনাল অ্যারোনটিক্স অ্যান্ড স্পেস প্রশাসন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জার্মানি — এটি যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নয়, জার্মানির মহাকাশ সংস্থার নাম ডিএলআর। B) রাশিয়া — এটি যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নয়, রাশিয়ার মহাকাশ সংস্থার নাম রসকসমস। C) ফ্রান্স — এটি যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নয়, ফ্রান্সের মহাকাশ সংস্থার নাম সিএনইএস। D) যুক্তরাষ্ট্র — এটি সঠিক কারণ নাসা যুক্তরাষ্ট্রেই অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: নাসা আমেরিকার ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি মহাকাশ সংস্থা।