সঠিক উত্তর: B) চণ্ডীদাস
১. কেন সঠিক:
- এই বিখ্যাত পঙক্তিটি মধ্যযুগের পদাবলি সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি বড়ু চণ্ডীদাসের রচনা।
- মানবতাবাদ ও মানুষের শ্রেষ্ঠত্ব প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে এই বাণীর গুরুত্ব অপরিসীম।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বড়ু চণ্ডীদাস মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের বৈষ্ণব পদাবলি এবং শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের জন্য বিখ্যাত একজন কবি।
- এই উদ্ধৃতিটি তার অমর সৃষ্টি শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য বা তার পদাবলির মানবতাবাদী দর্শনের মূল সুর প্রকাশ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সব লোকে কয় চণ্ডীদাস গাহে গান
ব্যাখ্যা: এই পঙক্তিটি মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলির সমাজ ও সংস্কৃতির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
উদাহরণ ২: রাধার কি হৈল অন্তরে ব্যথী
ব্যাখ্যা: চণ্ডীদাসের রাধা-কৃষ্ণ বিষয়ক পদের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং পরিচিত উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিবেকানন্দ — স্বামী বিবেকানন্দ আধুনিক যুগের ভারতের দার্শনিক ও সন্ন্যাসী, তিনি মধ্যযুগের এই পঙক্তির রচয়িতা নন।
B) চণ্ডীদাস — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
C) বিদ্যাপতি — বিদ্যাপতি মিথিলার কবি ছিলেন এবং তিনি মূলত মৈথিলি ভাষায় পদ রচনা করতেন।
D) রামকৃষ্ণ পরমহংস — রামকৃষ্ণ পরমহংস উনিশ শতকের সাধক ছিলেন, তিনি কোনো সাহিত্যিক উদ্ধৃতির জন্য বিখ্যাত নন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মানুষের শ্রেষ্ঠত্ব নিয়ে বিখ্যাত কথা বললে চোখ বন্ধ করে মধ্যযুগের কবি চণ্ডীদাসকে মনে রাখবে।
- চণ্ডীদাসের নাম এলেই 'সবার উপরে মানুষ সত্য' এই মানবতাবাদী বাণীটি মাথায় রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মধ্যযুগের সাহিত্যের উদ্ধৃতি প্রায়ই আসে।
- মানবতাবাদ সম্পর্কিত যেকোনো প্রশ্ন এলে চণ্ডীদাস ও তার পদাবলি ভালোভাবে পর্যালোচনা করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) মৈথিলী ভাষার একটি উপভাষা
১. কেন সঠিক:
ব্রজবুলি কোনো স্বতন্ত্র ভাষা বা ব্রজধামের ভাষা নয়, এটি মূলত মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলিতে ব্যবহৃত মৈথিলী ভাষার একটি বিশেষ সাহিত্যিক রূপ বা উপভাষা। মিথিলার কবি বিদ্যাপতি এই ভাষায় পদ রচনা করার পর বাংলার কবিরা তা অনুকরণ করে এই কৃত্রিম উপভাষায় পদ রচনা শুরু করেন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
ব্রজবুলি শব্দের অর্থ ব্রজের বুলি বা ভাষা হলেও এর সঙ্গে উত্তর ভারতের বৃন্দাবন বা ব্রজধামের দৈনন্দিন ভাষার সরাসরি মিল নেই। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে বৈষ্ণব পদাবলি রচনার জন্য কবিরা কৃত্রিমভাবে মৈথিলী ভাষার সঙ্গে বাংলা ও হিন্দি শব্দের মিশ্রণ ঘটিয়ে এই সাহিত্যিক ভাষা তৈরি করেছিলেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিদ্যাপতির পদ
ব্যাখ্যা: মৈথিলী ভাষার কবি বিদ্যাপতি ব্রজবুলি ভাষার প্রধান স্রষ্টা এবং তার পদগুলো বাংলায় অত্যন্ত জনপ্রিয় ছিল।
উদাহরণ ২: চণ্ডীদাসের পদ
ব্যাখ্যা: বাঙালি কবিরা বিদ্যাপতির ভাষা অনুসরণ করে ব্রজবুলিতে পদ রচনা করেন, যা বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের এক অনন্য নিদর্শন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মৈথিলী ভাষার একটি উপভাষা — এটি সঠিক কারণ ব্রজবুলি মূলত মিথিলার ভাষার ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা একটি সাহিত্যিক রূপ।
B) ব্রজধামে কথিত ভাষা — এটি ভুল কারণ ব্রজবুলি উত্তর প্রদেশের ব্রজধামের প্রাকৃত বা সাধারণ মানুষের মুখের ভাষা ছিল না।
C) এক রকম কৃত্রিম কবিভাষা — এটি আংশिक সত্য হলেও মূল ভাষাতাত্ত্বিক পরিচয় হিসেবে এটি মৈথিলী ভাষার উপভাষা হিসেবেই সর্বাধিক স্বীকৃত।
D) বাংলা ও হিন্দির যোগফল — এটি ভুল কারণ ব্রজবুলির মূল ভিত্তি বাংলা বা হিন্দি নয়, বরং মৈথিলী ভাষা।
৫. মনে রাখার টিপস:
ব্রজবুলি মানেই মনে রাখবে মৈথিলী ভাষার উপভাষা এবং এর প্রধান কবি বিদ্যাপতি। ব্রজধাম বা কৃত্রিম ভাষা অপশনে থাকলেও মূল ব্যাকরণগত পরিচয় হলো এটি মৈথিলী ভাষার একটি রূপ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে ব্রজবুলি কোন ভাষার উপভাষা, যার সঠিক উত্তর মৈথিলী। এটি মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলি সাহিত্যের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত।
সঠিক উত্তর: C) মুমূর্ষু
১. কেন সঠিক:
- 'মুমূর্ষু' শব্দটির সঠিক বানান হলো মএ হ্রস্ব উ-কার, মএ দীর্ঘ ঊ-কার, মূর্ষু অর্থাৎ মুমূর্ষু।
- এর অর্থ যার মরার ইচ্ছা আছে বা যে মরতে বসেছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- বাংলা বানান রীতি অনুযায়ী হ্রস্ব ই-কার ও হ্রস্ব উ-কার ব্যবহারের নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে।
- এই শব্দটিতে প্রথম বর্ণে হ্রস্ব উ এবং দ্বিতীয় বর্ণে দীর্ঘ ঊ ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মুমুর্ষু অবস্থা
ব্যাখ্যা: এটি একটি ভুল প্রয়োগ কারণ সঠিক বানান হলো মুমূর্ষু।
উদাহরণ ২: শুশ্রূষা
ব্যাখ্যা: এটি আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ শব্দ যেখানে দীর্ঘ ঊ-কার ব্যবহারের নিয়ম রয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মূমূর্ষু — এই অপশনে প্রথম বর্ণে দীর্ঘ ঊ-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা ভুল।
B) মুমুর্ষু — এই অপশনে উভয় বর্ণে হ্রস্ব উ-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা ভুল।
C) মুমূর্ষু — এটি সঠিক বানান এবং প্রমিত রীতি অনুযায়ী নির্ভুল।
D) মূমুর্ষু — এই অপশনে প্রথম বর্ণে দীর্ঘ ঊ এবং দ্বিতীয় বর্ণে হ্রস্ব উ ব্যবহার করা হয়েছে যা ভুল।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মনে রাখার সহজ উপায় হলো ছোট থেকে বড় অর্থাৎ প্রথমে ছোট উ-কার এবং পরে বড় ঊ-কার বসে।
- এই ক্রমটি মনে রাখলে বানান ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই বানানটি অত্যন্তFrequently আসে।
- হ্রস্ব ও দীর্ঘ স্বরবর্ণের সঠিক প্রয়োগ জানা থাকলে এ ধরনের বানান সহজেই নির্ণয় করা যায়।
সঠিক উত্তর: A) শক্তি
কেন সঠিক:
১. এই প্রবাদে 'মুখ' শব্দটির আক্ষরিক অর্থ শরীরের মুখাবয়ব হলেও এখানে এটি মানুষের সামর্থ্য বা ক্ষমতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে।
২. কথ্য রীতিতে বড় মুখ বলতে সাধারণত বড়াই করার ক্ষমতা বা আস্ফালনকে বোঝানো হয়ে থাকে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১. এটি একটি জনপ্রিয় বাংলা প্রবচন যা বাক্যের অর্থের চেয়ে ব্যঞ্জনাধর্মী ভাব প্রকাশে বেশি কার্যকর।
২. বাংলা প্রবাদে অনেক সময় শরীরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বিশেষ বিশেষ রূপক অর্থে ব্যবহৃত হয়।
৩. যেমন বুকের পাটা বলতে সাহস বোঝানো হয়, তেমনি এখানে মুখের বড়াই বা সামর্থ্য বোঝানো হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শক্তি — এটি সঠিক কারণ এই প্রবাদে মুখ বলতে বড়াই করার শক্তি বা সামর্থ্যকে বোঝানো হয়েছে।
B) অনুভূতি — অনুভূতি মানুষের আবেগ প্রকাশ করে কিন্তু প্রবাদের সাথে এর কোনো মিল নেই।
C) গালি — গালি বা অভিশাপ অর্থে এই প্রবচনটি ব্যবহার করা হয় না।
D) প্রত্যঙ্গ — শরীরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বোঝানো হলেও প্রবাদের রূপক অর্থে এটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
১. প্রবচনের অন্তর্নিহিত অর্থ বোঝার চেষ্টা করবে এবং আক্ষরিক অর্থের চেয়ে রূপক অর্থকে প্রাধান্য দেবে।
সঠিক উত্তর: C) তুমি যাও
কেন সঠিক:
- অনুজ্ঞা পদের মাধ্যমে আদেশ, উপদেশ, নিষেধ বা অনুরোধ প্রকাশ করা হয়।
- এখানে 'যাও' শব্দটি দ্বারা শ্রোতাকে কোনো কাজ করার আদেশ বা নির্দেশ বোঝানো হয়েছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ক্রিয়ার যে ভাব দ্বারা আদেশ, নিষেধ, অনুরোধ বা আশীর্বাদ প্রকাশ পায় তাকে অনুজ্ঞা ভাব বলে।
- বর্তমান ও ভবিষ্যৎকালের মধ্যম পুরুষের ক্ষেত্রে অনুজ্ঞার ব্যবহার দেখা যায়।
- যেমন: তুমি কাজটি করো, কাল একবার এসো।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) তুমি যাচ্ছ — এটি বর্তমানকালের নির্দেশক ক্রিয়া, এর দ্বারা কোনো আদেশ বোঝায় না।
- B) তুমি গিয়েছিলে — এটি অতীতকালের সাধারণ ক্রিয়া, যা অনুজ্ঞা হতে পারে না।
- C) তুমি যাও — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
- D) তুমি যাচ্ছিলে — এটি ঘটমান অতীতকালের ক্রিয়া, এর মাধ্যমে আদেশ প্রকাশ পায় না।
মনে রাখার টিপস:
- বাক্যে আদেশ বা অনুরোধ বুঝলেই তা অনুজ্ঞা হবে।
সঠিক উত্তর: C) কখনো কখনো বাক্যে উহ্য থাকতে পারে
কেন সঠিক:
- বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ প্রকাশ করার জন্য সব সময় ক্রিয়াপদের প্রকাশ্য উপস্থিতি বাধ্যতামূলক নয়।
- বক্তা ও শ্রোতার পারস্পরিক বোঝাপড়ার সুবিধার্থে অনেক সময় বাক্য থেকে ক্রিয়াপদ উহ্য বা অদৃশ্য থাকে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী বাক্যের মূল দুটি অংশ হলো উদ্দেশ্য এবং বিধেয়, যার মধ্যে ক্রিয়াপদ উহ্য থাকলেও বাক্য গঠিত হতে পারে।
- অনেক সময় বাক্যের সাবলীলতা রক্ষা করার জন্য এবং দীর্ঘসূত্রিতা এড়ানোর জন্য ক্রিয়াপদ ব্যবহার করা হয় না।
- উদাহরণস্বরূপ, প্রশ্ন করা হলে 'তুমি কেমন আছো?' এবং উত্তরে কেবল 'ভালো' বললেই সম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশ পায় যেখানে ক্রিয়াপদ উহ্য আছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) আসলে বিশেষণ থেকে অভিন্ন — ক্রিয়াপদ এবং বিশেষণ সম্পূর্ণ ভিন্ন দুটি পদ কারণ বিশেষণ গুণ বা দোষ প্রকাশ করে আর ক্রিয়াপদ কাজ বোঝায়।
- B) সবসময়ে বাক্যে থাকবে — এই ধারণাটি ভুল কারণ অনেক বাক্যে প্রসঙ্গ বুঝে ক্রিয়াপদ ছাড়াই মনের ভাব সম্পূর্ণ প্রকাশ করা যায়।
- C) কখনো কখনো বাক্যে উহ্য থাকতে পারে — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি বাক্যের একটি স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য।
- D) শুধু অতীতকাল বোঝাতে বাক্যে ব্যবহৃত হয় — ক্রিয়াপদ কেবল অতীতকাল নয়, বর্তমান এবং ভবিষ্যৎকালও নির্দেশ করতে পারে।
মনে রাখার টিপস:
- মনে রাখবে বাংলা বাক্যে অর্থ পরিষ্কার থাকলে অনেক সময় ক্রিয়াপদ ছাড়াও সম্পূর্ণ বাক্য গঠিত হতে পারে।
সঠিক উত্তর: C) অক্লান্ত
১. কেন সঠিক:
- কর্মে যার ক্লান্তি নেই, তাকে এককথায় অক্লান্ত বলা হয়।
- এখানে অ উপসর্গটি নঞর্থক বা না বোধক অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকরণগত প্রশ্ন।
- বড় বাক্য বা ভাবকে সংক্ষেপে একটি মাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যম হলো বাক্য সংকোচন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: যা বলা যায় না
ব্যাখ্যা: একে এককথায় অকথ্য বলা হয়।
উদাহরণ ২: যার তুলনা নেই
ব্যাখ্যা: একে এককথায় অদ্বিতীয় বলা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অবিশ্রাম — অবিশ্রাম শব্দের অর্থ যা বিশ্রামহীনভাবে চলে, কিন্তু নির্দিষ্ট এই বাক্যাংশের জন্য এটি মানানসই নয়।
B) ক্লান্তিহীন — ক্লান্তিহীন শব্দটি দিয়ে ক্লান্তি নেই এমন বোঝায়, তবে প্রচলিত এককথায় প্রকাশের প্রমিত রূপ এটি নয়।
D) অক্লান্ত কর্মী — অক্লান্ত অর্থ ক্লান্তিহীন এবং কর্মী যুক্ত হওয়ায় এটি অতিরিক্ত অর্থ প্রকাশ করে, যা মূল বাক্যাংশের সঙ্গে হুবহু মেলে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- না বোধক অর্থে অ উপসর্গ যোগ করে খুব সহজেই এমন অনেক এককথায় প্রকাশ মনে রাখা যায়।
- কর্মের ক্লান্তি নেই মানেই অক্লান্ত, এটি বারবার চর্চা করলে মনে রাখা সহজ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য সংকোচন থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
- প্রমিত বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম মেনে সঠিক শব্দটি নির্বাচন করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) সুচিস্মিতা
১. কেন সঠিক:
- সুচিস্মিতা শব্দটিতে কোনো মূর্ধন্য ষ বা দীর্ঘ ঈ কার নেই, যা বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী সম্পূর্ণ সঠিক।
- এই শব্দের অর্থ সুন্দর বা মৃদু হাসি যার।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- বাংলা বানানরীতিতে তৎসম শব্দে ই এবং ঈ কার ব্যবহারের নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে, যেখানে অনেক ক্ষেত্রে হ্রস্ব ই কার প্রমিতরূপে গৃহীত হয়।
- সমাসবদ্ধ বা স্ত্রীবাচক পদে শব্দের মূল রূপ অক্ষুণ্ণ রেখে প্রমিত বানান ব্যবহার করা হয়, যা এই ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পরিষ্কার
ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল ব্যবহৃত শব্দ যেখানে প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী হ্রস্ব ই কার ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: সুনির্দিষ্ট
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও বানানের নিয়ম মেনে হ্রস্ব ই কার ব্যবহার করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সুচিস্মিতা — এই অপশনটি সঠিক এবং এতে বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছে।
B) সূচিষ্মিতা — এই অপশনে দীর্ঘ ঊ কার এবং মূর্ধন্য ষ ব্যবহার করা হয়েছে, যা এই শব্দের সঠিক প্রমিত বানান নয়।
C) সূচিস্মিতা — এই অপশনে দীর্ঘ ঊ কার ব্যবহার করা হয়েছে, অথচ প্রমিত বানানে হ্রস্ব উ কার হবে।
D) সূচীস্মিতা — এই অপশনে দীর্ঘ ঊ কার এবং দীর্ঘ ঈ কার উভয়ই ব্যবহার করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ ভুল।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সুচিস্মিতা বানানে সবসময় হ্রস্ব উ এবং হ্রস্ব ই কার ব্যবহার করতে হবে।
- মনে রাখবে সুন্দর মুখের হাসি বোঝাতে ছোট বা হ্রস্ব কার চিহ্ন ব্যবহার করা হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বহুল প্রচলিত কিন্তু ভুল বানানযুক্ত শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- বাংলা একাডেমি প্রমিত বানান নিয়ম ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের বানান সহজেই চিহ্নিত করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: D) প্রিয়জন সমাগম
১. কেন সঠিক:
- 'চাঁদের হাট' একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় বাগধারা যার অর্থ প্রিয়জনদের আনন্দময় মিলন বা প্রিয়জন সমাগম।
- চাঁদের আলো যেমন স্নিগ্ধ ও আনন্দদায়ক, তেমনই প্রিয়জনদের একত্রে উপস্থিতি মানুষের মনে আনন্দের হাট বসায়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দ বা শব্দগুচ্ছ যা আভিধানিক অর্থ ছাপিয়ে বিশেষ কোনো ভাব প্রকাশ করে।
- বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে বাগধারা বাক্যের সৌন্দর্য ও ভাবগাম্ভীর্য বৃদ্ধি করতে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দীর্ঘদিন পর পরিবার নিয়ে হানিমুন বা নানা বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে ভাইবোনদের মিলনকে চাঁদের হাট বলা চলে।
ব্যাখ্যা: এটি জীবনের আনন্দঘন মুহূর্তগুলোকে প্রকাশ করে যেখানে সবাই একত্রিত হয়।
উদাহরণ ২: কবিগুরুর জন্মবার্ষিকীতে বরেণ্য সাহিত্যিকদের একত্রিত হওয়া যেন এক টুকরো চাঁদের হাট।
ব্যাখ্যা: এই উদাহরণটিতে বিশিষ্টজনদের মিলনমেলাকে প্রকাশ করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গণ্যমান্যদের সমাগম — এটি ভুল কারণ গণ্যমান্যদের সভা বা সম্মেলন বোঝাতে 'কুজ্ঝটিকা' বা অন্য পরিভাষা আসে, চাঁদের হাট প্রিয়জনদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
B) বন্ধুদের সমাগম — এটি আংশিক মনে হতে পারে, তবে বন্ধুদের পরিধি সীমিত এবং চাঁদের হাটে কেবল বন্ধু নয় বরং সব প্রিয়জন ও আত্মীয় অন্তর্ভুক্ত।
C) আত্মীয় সমাগম — এটি ভুল কারণ আত্মীয় মানেই প্রিয়জন নয়, অনেক সময় অপ্রিয় আত্মীয়ও থাকতে পারে, কিন্তু চাঁদের হাট আনন্দদায়ক প্রিয়জনদের মিলন।
D) প্রিয়জন সমাগম — এটি সঠিক কারণ এর মাধ্যমেই চাঁদের হাটের আসল আনন্দ ও মিলনমেলার ভাবটি প্রকাশিত হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
চাঁদে মানুষ থাকে না বলে রূপক অর্থে সেখানে আনন্দময় মানুষদের হাট কল্পনা করা হয়।
প্রিয়জনদের পেলে মনে যে চাঁদের আলো বা আনন্দের ঢেউ খেলে, তা থেকে মনে রাখা যায় চাঁদের হাট মানে প্রিয়জন সমাগম।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারাগুলোর আভিধানিক অর্থ বাদ দিয়ে অন্তর্নিহিত ভাবার্থ মনে রাখতে হবে।
একই রকম দেখতে বা শোনা যায় এমন বাগধারাগুলোর সূক্ষ্ম পার্থক্য চর্চা করলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।
সঠিক উত্তর: D) মুনীর চৌধুরী
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরটি মুনীর চৌধুরী কারণ ‘কবর’ নাটকটির রচিয়তা তিনিই। এটি বাংলা নাট্যসাহিত্যের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং যুগান্তকারী নাটক।
- ভাষা আন্দোলনের ঐতিহাসিক পটভূমিতে রচিত এই নাটকটি তৎকালীন পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর নির্যাতন ও ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে বুদ্ধিজীবীদের সাহসী প্রতিবাদের প্রতীক।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মুনীর চৌধুরী বিংশ শতাব্দীর বাঙালি নাট্যকার, সাহিত্য সমালোচক ও শহীদ বুদ্ধিজীবী। ১৯৫৩ সালে কারাবন্দী থাকা অবস্থায় তিনি এই নাটকটি রচনা করেন।
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের অমর শহীদদের স্মরণে এবং তাদের আত্মত্যাগের পটভূমিতে নাটকটির কাহিনী গড়ে উঠেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মুনীর চৌধুরীর অনুবাদের নাটক ‘রক্তাক্ত প্রান্তর’।
ব্যাখ্যা: এটি পানিপতের তৃতীয় যুদ্ধের পটভূমিতে রচিত মুনীর চৌধুরীর একটি বিখ্যাত রূপক নাটক।
উদাহরণ ২: মুনীর চৌধুরীর একাঙ্কিকা নাটক ‘সাইরেন’।
ব্যাখ্যা: এটিও মুনীর চৌধুরীর একটি অন্যতম আলোচিত নাটক যা সমাজের বিভিন্ন অসংগতি তুলে ধরে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সত্যেন সেন — সত্যেন সেন একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও প্রাবন্ধিক হলেও তিনি ‘কবর’ নাটকটি রচনা করেননি।
B) শহীদুল্লাহ কায়সার — শহীদুল্লাহ কায়সার একজন বিখ্যাত ঔপন্যাসিক ও সাংবাদিক ছিলেন, তবে ‘কবর’ নাটকটির লেখক তিনি নন।
C) জহির রায়হান — জহির রায়হান প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও চলচ্চিত্রকার হলেও ‘কবর’ নাটকটি তার রচিত নয়।
D) মুনীর চৌধুরী — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি ১৯৫৩ সালে কারাবন্দী অবস্থায় ‘কবর’ নাটকটি রচনা করেন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ভাষা আন্দোলনের শহীদদের কবর নিয়ে রচিত নাটক মুনীর চৌধুরীর লেখা, তাই মনে রাখবেন ভাষা আন্দোলনের কারাবন্দী লেখক মুনীর চৌধুরী।
- নাটকের নাম ‘কবর’ এবং রচিয়তা মুনীর চৌধুরী, এভাবে নাম দুটি একত্রে মনে রাখতে পারেন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক নাটক থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- ১৯৫৩ সালে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বসে মুনীর চৌধুরী এই নাটকটি লিখেছিলেন, যা পরীক্ষার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।
সঠিক উত্তর: B) বিষের বাঁশী
১. কেন সঠিক:
- বিষের বাঁশী হলো বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি বিখ্যাত বিদ্রোহী ও প্রাগৈতিহাসিক গান ও কবিতার সংকলন।
- ব্রিটিশ সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ এবং বিপ্লবের বাণী প্রচারের কারণে বইটি তৎকালীন ব্রিটিশ সরকার বাজোপ্ত করেছিল।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি, যিনি একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক ছিলেন।
- বিষের বাঁশী গ্রন্থটি ১৯২৪ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি তার অন্যতম একটি বাজেয়াপ্ত করা বিপ্লবী গ্রন্থ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অগ্নি-বীণা
ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ যা ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয় এবং এতে তার বিখ্যাত বিদ্রোহী কবিতা রয়েছে।
উদাহরণ ২: প্রলয়োল্লাস
ব্যাখ্যা: এটি অগ্নি-বীণা কাব্যের প্রথম কবিতা যা নজরুলের বিপ্লবী চেতনার বহিঃপ্রকাশ ঘটায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রূপসী বাংলা — এই কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা আধুনিক যুগের অন্যতম প্রধান কবি জীবনানন্দ দাশ।
B) বিষের বাঁশী — এটি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত বিপ্লবী কবিতা ও গানের সংকলন।
C) বন্দীর বন্দনা — এই বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা প্রগতিশীল কবি বুদ্ধদেব বসু।
D) সন্দ্বীপের চর — এই গ্রন্থটির রচয়িতা বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক শহীদুল্লা কায়সার।
৫ মনে রাখার টিপস:
নজরুলের বাজেয়াপ্ত গ্রন্থগুলো মনে রাখার কৌশল হলো বিষের বাঁশী ও প্রলয়শিখা বাজিয়ে যুগবাণী প্রচার করায় ভাঙার গান গাওয়া হয়েছিল।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নজরুলের বাজেয়াপ্ত গ্রন্থসমূহ যেমন বিষের বাঁশী, প্রলয়শিখা, যুগবাণী ও ভাঙ্গার গান থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: D) মাইকেল মধুসূদন দত্ত
১. কেন সঠিক:
- ‘চতুর্দশপদী কবিতাবলী’ মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত একটি বিখ্যাত সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতার সংকলন।
- বাংলা সাহিত্যে সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতার প্রবর্তক হিসেবে মাইকেল মধুসূদন দত্ত অনন্য অবদান রেখেছেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দ এবং সনেটের সফল প্রবক্তা।
- ১৮৬৬ সালে প্রকাশিত ‘চতুর্দশপদী কবিতাবলী’ তাঁর একমাত্র সনেট সংকলন যা ইতালীয় কবি পেত্রার্কের সনেট শৈলী অনুসরণে রচিত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বঙ্গভাষা
ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের বিখ্যাত চতুর্দশপদী কবিতা যেখানে স্বদেশের ভাষার প্রতি গভীর অনুরাগ প্রকাশ পেয়েছে।
উদাহরণ ২: কব্জি
ব্যাখ্যা: এটিও তাঁর একটি উল্লেখযোগ্য সনেট যা এই কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত এবং ভাব ও রূপের দিক থেকে সমৃদ্ধ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায় — তিনি মধ্যযুগের ধারা থেকে বেরিয়ে দেশপ্রেমমূলক কাব্য রচনার জন্য পরিচিত হলেও এই গ্রন্থের রচয়িতা নন।
B) হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় — তিনি মহাকাব্য ও দেশপ্রেমমূলক কবিতা রচনার জন্য বিখ্যাত কিন্তু এই সনেট সংকলনটি তাঁর নয়।
C) নবীনচন্দ্র সেন — তিনি মূলত পলাশীর যুদ্ধসহ ঐতিহাসিক ও বর্ণনামূলক মহাকাব্য রচনার জন্য পরিচিত।
D) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি বাংলা সাহিত্যে চতুর্দশপদী কবিতার প্রবক্তা এবং এই গ্রন্থের রচয়িতা।
৫ মনে রাখার টিপস:
সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতার নাম শুনলেই মাইকেল মধুসূদন দত্তের নাম মনে রাখতে হবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা সাহিত্যে সনেট প্রবর্তনের ইতিহাস এবং প্রথম সনেট সংকলনের নাম বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: C) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
১. কেন সঠিক:
- 'প্রভাবতী সম্ভাষণ' বাংলা গদ্যের জনক ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যকর্ম।
- ঊনবিংশ শতাব্দীতে নারীশিক্ষা ও সমাজসংস্কারের পটভূমিতে শোক ও সান্ত্বনার প্রকাশ হিসেবে এই গ্রন্থটি রচিত হয়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা গদ্যের প্রথম সার্থক শিল্পী যিনি গদ্যে যতিচিহ্নের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করেন।
- তাঁর রচিত মৌলিক গদ্যগ্রন্থের মধ্যে প্রভাবতী সম্ভাষণ, শকুন্তলা, সীতার বনবাস ও কথামালা উল্লেখযোগ্য।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ভ্রান্তিবিলাস
ব্যাখ্যা: এটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কর্তৃক শেক্সপিয়ারের কমেডি অফ এররস নাটকের বাংলা অনুবাদ।
উদাহরণ ২: বেতাল পঞ্চবিংশতি
ব্যাখ্যা: এটি বিদ্যাসাগর রচিত হিন্দি বেতাল পচ্চিসী গ্রন্থের বাংলা অনুবাদ যা ১৮৪৭ সালে প্রকাশিত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কৃষ্ণমোহন বন্দ্যোপাধ্যায় — ইনি ইয়ং বেঙ্গল গোষ্ঠীর একজন বিশিষ্ট সদস্য ছিলেন কিন্তু এই গ্রন্থটি তাঁর রচিত নয়।
B) দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর — ইনি একজন ব্রাহ্মধর্ম প্রচারক ও দার্শনিক ছিলেন তবে এই গ্রন্থটি তাঁর সাহিত্যকর্মের অন্তর্ভুক্ত নয়।
C) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — এটি সঠিক উত্তর বিধায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং এটি তাঁরই মৌলিক গদ্য রচনা।
D) রামমোহন রায় — ইনি আধুনিক বাংলা গদ্যের অন্যতম পথপ্রদর্শক হলেও এই নির্দিষ্ট গ্রন্থটির রচয়িতা নন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বিদ্যাসাগরের মৌলিক গ্রন্থ মনে রাখার সহজ কৌশল হলো প্রভাতী সময়ে শকুন্তলা ও সীতার বনবাসে যাওয়া। এখানে প্রভাতী শব্দ থেকে প্রভাবতী সম্ভাষণ মনে রাখা যায়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদ্যাসাগরের মৌলিক গদ্য এবং অনূদিত গ্রন্থ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। মৌলিক ও অনূদিত গ্রন্থগুলো আলাদা করে মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: B) উদাসীন
১. কেন সঠিক:
বিরাগী শব্দের আক্ষরিক ও প্রচলিত অর্থ হলো যার মনে কোনো রাগ বা অনুরাগ নেই কিংবা যিনি সংসার বা লৌকিক আকর্ষণ থেকে মুক্ত ও উদাসীন।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের অর্থ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে প্রায়ই এমন প্রতিশব্দ আসে যেখানে সঠিক বিকল্পটি বেছে নিতে শব্দের মূল ভাব বুঝতে হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি শব্দের উৎস ও শব্দের অর্থ বিষয়ক প্রশ্ন যেখানে বাংলা ভাষার তৎসম শব্দের অর্থ ও ব্যবহার জানতে চাওয়া হয়েছে।
সংস্কৃত রাগ শব্দটির সঙ্গে বি উপসর্গ এবং ইন প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বিরাগী শব্দের সৃষ্টি হয়েছে যার অর্থ আসক্তিহীন বা উদাসীন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বৈরাগী জীবন বলতে বোঝায় সব ধরনের মায়া-মমতা ও পার্থিব মোহ থেকে দূরে থাকা এক ধরণের উদাসীন জীবনযাপন।
ব্যাখ্যা: বৈরাগী শব্দটি বিরাগী শব্দেরই পরিবর্তিত বা তৎসম রূপ যা সাধু ও চলিত উভয় রীতিতেই উদাসীন অর্থে ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: সংসারধর্মের প্রতি যার কোনো আগ্রহ নেই সেই ব্যক্তিই প্রকৃত অর্থে বিরাগী বা উদাসীন হিসেবে পরিচিত।
ব্যাখ্যা: মানুষের মন যখন পার্থিব সুখ বা রাগের ঊর্ধ্বে ওঠে তখন তাকে বিরাগী বা উদাসীন বলা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিশেষভাবে রুষ্ট — রুষ্ট শব্দের অর্থ রাগ বা ক্রোধের প্রকাশ, কিন্তু বিরাগী শব্দের অর্থ রাগহীন বা উদাসীন।
B) উদাসীন — এই বিকল্পটি সঠিক কারণ বিরাগী শব্দের মূল অর্থ আসক্তিহীন বা উদাসীন হওয়া।
C) প্রতিকুল — প্রতিকুল শব্দের অর্থ অনুকূলের বিপরীত বা প্রতিকূল অবস্থা, যা বিরাগী শব্দের অর্থের সঙ্গে মেলে না।
D) রাগহীন — রাগহীন আক্ষরিক অর্থে কিছুটা কাছাকাছি হলেও প্রমিত বাংলা ব্যাকরণে বিরাগী শব্দের সবচেয়ে সঠিক ও গ্রহণযোগ্য অর্থ উদাসীন।
৫. মনে রাখার টিপস:
বিরাগী শব্দটিতে ভি-র মতো উচ্চারণ বা বৈরাগ্যভাব মনে রাখলে খুব সহজে উদাসীন অর্থটি মাথায় রাখা সম্ভব।
সংসার থেকে দূরে থাকা বৈরাগী বা বিরাগী মানুষ মাত্রই সব বিষয়ে উদাসীন থাকেন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দের পাশাপাশি শব্দের নির্দিষ্ট অর্থ নির্ণয় করতে বলা হয়।
এই ধরনের প্রশ্ন কমন পেতে হলে প্রমিত বাংলা অভিধানের শব্দার্থ এবং শব্দের উৎস ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
১. কেন সঠিক:
- 'লালসালু' বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও কালজয়ী সামাজিক উপন্যাস, যার রচয়িতা কথাসাহিত্যিক সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ।
- উপন্যাসে গ্রামীণ সমাজের ধর্মান্ধতা, কুসংস্কার এবং মোড়ল শ্রেণির প্রতারণার বাস্তব চিত্র নিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ বিশ শতকের আধুনিক বাংলা উপন্যাসের অন্যতম প্রধান রূপকার, যিনি মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ ও সমাজবাস্তবতা ফুটিয়ে তুলেছেন।
- ১৯৪৮ সালে প্রকাশিত 'লালসালু' উপন্যাসটি বাংলা উপন্যাসের ধারায় এক নতুন মোড় এনে দেয় এবং এর মূল চরিত্র মজিদ বিশেষভাবে পরিচিত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর নাটক 'বহিপীর'
ব্যাখ্যা: এটি লেখকের একটি বিখ্যাত নাটক, যা গ্রামীণ সমাজের রক্ষণশীলতা ও মূল্যবোধের সংঘাত নিয়ে রচিত।
উদাহরণ ২: সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর উপন্যাস 'কাঁদো নদী কাঁদো'
ব্যাখ্যা: এটি লেখকের আরেকটি মনস্তাত্ত্বিক ও বিখ্যাত উপন্যাস, যা নদীকেন্দ্রিক মানুষের জীবন এবং নিয়তির নির্মমতা ফুটিয়ে তোলে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শওকত আলী — তিনি একজন বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক হলেও 'লালসালু' উপন্যাসের লেখক নন, তার বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে 'আবেহাওয়া' ও 'দক্ষিণায়নের দিন'।
B) মুনির চৌধুরী — তিনি মূলত একজন প্রাবন্ধিক, নাট্যকার ও ভাষাসৈনিক ছিলেন, তার বিখ্যাত নাটক হলো 'রক্তাক্ত প্রান্তর', তাই তিনি এই উপন্যাসের লেখক নন।
C) সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ তিনি ১৯৪৮ সালে এই উপন্যাসটি রচনা করেছিলেন।
D) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি বাংলা সাহিত্যের জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক হলেও 'লালসালু' তার লেখা নয়, তার বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে 'শ্রীকান্ত' ও 'দেবদাস'।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ওয়ালীউল্লাহর বিখ্যাত উপন্যাস মনে রাখার সহজ উপায় হলো লাল কাপড়ে মোড়ানো মাজার বা 'লালসালু' গল্পের মজিদ চরিত্রটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর অমর সৃষ্টি।
- লেখকের নামের সঙ্গে উপন্যাসের মূল চরিত্র মজিদ এবং গ্রামীণ পটভূমি একসঙ্গে মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- 'লালসালু' উপন্যাসটি কত সালে প্রকাশিত হয়, তা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বহুবার এসেছে।
- এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র মজিদ এবং তার বিপরীতে হাসু, আক্কাস ও খালেক ব্যাপারীর ভূমিকা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) চতুরঙ্গ
১. কেন সঠিক:
- চতুরঙ্গ বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস, যা ১৯১৬ সালে প্রকাশিত হয়।
- এই উপন্যাসে মানুষের মনস্তত্ত্ব, আদর্শবাদ এবং ধর্মের নামে গোঁড়ামির স্বরূপ উন্মোচিত হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রতিভা, যিনি কবিতা, ছোটগল্প, উপন্যাস ও নাটকের জন্য বিশ্বখ্যাত।
- তার বিখ্যাত অন্যান্য উপন্যাসের মধ্যে যোগাযোগ, শেষের কবিতা ও গোরা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শেষের কবিতা
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত গীতিধর্মী উপন্যাস, যা ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয়।
উদাহরণ ২: যোগাযোগ
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা সমাজ ও পারিবারিক দ্বন্দ্বভিত্তিক একটি প্রখ্যাত উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চতুষ্পাঠী — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচনা নয়, এটি প্রাচীন ভারতের টোল বা শিক্ষার প্রতিষ্ঠান বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
B) চতুরঙ্গ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
C) চতুষ্কোণ — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোনো মৌলিক সাহিত্যকর্মের নাম নয়।
D) চতুর্দশী — এটি ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায় বা অন্য কোনো লেখকের রচনার সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে, রবীন্দ্রনাথের নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- রবীন্দ্রনাথের বিখ্যাত উপন্যাসগুলো মনে রাখার জন্য চরিত্রভিত্তিক নামের তালিকা তৈরি করে পড়তে পারো।
- চতুরঙ্গ উপন্যাসের প্রধান চরিত্রগুলো হলো শচীশ, শ্রীশ, দামিনী ও বিপিন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রবীন্দ্রনাথের উপন্যাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- রবীন্দ্রনাথের মোট উপন্যাসের সংখ্যা ত্রয়োদশ বা তেরোটি, এগুলো ভালোভাবে মুখস্থ রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: D) কয়েকটি কবিতা
১. কেন সঠিক:
- প্রদত্ত প্রশ্নটি বাংলা সাহিত্য বিষয়ের অন্তর্ভুক্ত এবং এখানে জানতে চাওয়া হয়েছে নিচের কোনটি কাব্যগ্রন্থ।
- 'কয়েকটি কবিতা' হলো বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান আধুনিক কবি বুদ্ধদেব বসুর একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, যা তার সাহিত্যিক পরিচয়ের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- 'কয়েকটি কবিতা' কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব ও বুদ্ধিবৃত্তিক আন্দোলনের নেতা কবি বুদ্ধদেব বসু।
- বিশ শতকের ত্রিশের দশকের আধুনিক কবিতার ধারা গঠনে এবং বাংলা কবিতায় আধুনিকতার প্রকাশ ঘটাতে বুদ্ধদেব বসু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: 'বন্দীর বন্দনা'
ব্যাখ্যা: এটি আধুনিক কবি বুদ্ধদেব বসুর অপর একটি অত্যন্ত পরিচিত ও জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ।
উদাহরণ ২: 'দ্রৌপদীর শাড়ি'
ব্যাখ্যা: এটিও কবি বুদ্ধদেব বসু রচিত একটি বিখ্যাত আধুনিক কাব্যগ্রন্থ যা বাংলা সাহিত্যে বিশেষ স্থান অধিকার করে আছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাঙলার কাব্য — এটি কোনো কাব্যগ্রন্থ নয়, বরং প্রমথ চৌধুরীর একটি বিখ্যাত প্রবন্ধ গ্রন্থ।
B) কবিতা — এটি বুদ্ধদেব বসুর সম্পাদিত একটি বিখ্যাত আধুনিক সাহিত্য পত্রিকা, কোনো কাব্যগ্রন্থ নয়।
C) কাব্যপরিক্রমা — এটি বুদ্ধদেব বসুর একটি বিখ্যাত সমালোচনা গ্রন্থ বা প্রবন্ধ সংকলন, কাব্যগ্রন্থ নয়।
D) কয়েকটি কবিতা — এটি বুদ্ধদেব বসু রচিত একটি খাঁটি কাব্যগ্রন্থ এবং প্রশ্নানুযায়ী এটিই সঠিক উত্তর।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বুদ্ধদেব বসুর কাব্যগ্রন্থ মনে রাখার সহজ উপায় হলো 'কয়েকটি কবিতা' দিয়ে তার কবিতার বই শুরু করা যায়।
- পত্রিকা আর কাব্যগ্রন্থের পার্থক্য মনে রাখতে হবে যে 'কবিতা' একটি ত্রৈমাসিক পত্রিকা এবং 'কয়েকটি কবিতা' হলো তার কাব্যগ্রন্থ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রখ্যাত লেখকদের প্রবন্ধ, পত্রিকা এবং কাব্যগ্রন্থের মধ্যে পার্থক্য নির্ণয় করতে বলা হয়।
- বুদ্ধদেব বসুর সম্পাদনায় প্রকাশিত 'কবিতা' পত্রিকা বাংলা সাহিত্যজগতে আধুনিকতার প্রসারে ঐতিহাসিক ভূমিকা রেখেছিল।
সঠিক উত্তর: C) গড্ডালিকা
১. কেন সঠিক:
- প্রদত্ত সঠিক উত্তর সি, গড্ডালিকা একটি নাটক নয়, বরং এটি পরশুরাম ছদ্মনামের লেখক রাজশেখর বসুর লেখা একটি বিখ্যাত ব্যঙ্গাত্মক ও রম্যরচনা সংকলন।
- তবে প্রশ্নকর্তার প্রদত্ত উত্তরে ত্রুটি রয়েছে কারণ গড্ডালিকা কোনো নাটক নয়, এটি একটি গল্পগ্রন্থ বা রম্যরচনা সংকলন এবং এই প্রশ্নের অপশনগুলোতে অন্য নাটকও বিদ্যমান।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- রাজশেখর বসু পরশুরাম ছদ্মনামে নানা ব্যঙ্গাত্মক ও হাস্যরসাত্মক গল্প লিখে বাংলা সাহিত্যে বিশেষ খ্যাতি অর্জন করেছিলেন।
- গড্ডালিকা তাঁর প্রথম প্রকাশিত গল্পগ্রন্থ যা ১৯২১ সালে প্রকাশিত হয় এবং এতে সমাজে প্রচলিত অন্ধবিশ্বাস ও কৃত্রিমতার বিরুদ্ধে তীক্ষ্ণ ব্যঙ্গ প্রকাশ পেয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আনন্দমঠ
ব্যাখ্যা: এটি ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক উপন্যাস।
উদাহরণ ২: রক্তকরবী
ব্যাখ্যা: এটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি রূপকধর্মী ও মনস্তাত্ত্বিক নাটক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সাজাহান — এটি দ্বিজেন্দ্রলাল রায় রচিত একটি ঐতিহাসিক নাটক যা মূলত মুঘল সম্রাট সাজাহানের জীবনের শেষভাগের পারিবারিক দ্বন্দ্ব ও ট্র্যাজেডি নিয়ে রচিত।
B) কর্তার ইচ্ছায় কর্ম — এটি ভূদেব মুখোপাধ্যায় রচিত একটি সামাজিক ও নৈতিক প্রবন্ধগ্রন্থ, যা কোনো নাটক নয়।
C) গড্ডালিকা — এটি নাটক নয়, রাজশেখর বসুর বিখ্যাত রম্যরচনা বা গল্পগ্রন্থ, যা প্রশ্নানুসারে সঠিক উত্তর হিসেবে চিহ্নিত।
D) পল্লীসমাজ — এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি সমাজবাস্তবতাভিত্তিক বিখ্যাত উপন্যাস, কোনো নাটক নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- রাজশেখর বসুর বিখ্যাত গল্পগ্রন্থগুলো মনে রাখার কৌশল হলো গড্ডালিকা, হনুমানের স্বপ্ন এবং প্রজাপতির নির্বন্ধ মুখস্থ রাখা।
- নাটকের প্রশ্ন আসলে লেখকের নাম এবং গ্রন্থটির ধরন যেমন উপন্যাস নাকি নাটক তা ভালোভাবে যাচাই করে নেবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- রাজশেখর বসুর ছদ্মনাম ছিল পরশুরাম এবং তাঁর প্রথম গল্পগ্রন্থের নাম গড্ডালিকা।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই গল্পগ্রন্থ, উপন্যাস এবং নাটকের মধ্যে পার্থক্য করার প্রশ্ন আসে, তাই প্রণেতার তথ্য যাচাই করা জরুরি।
সঠিক উত্তর: D) সুকুমার রায়
১. কেন সঠিক:
- ‘আবোল-তাবোল’ হলো বাংলা সাহিত্যের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি শিশুতোষ ছড়ার বই।
- এই বিখ্যাত গ্রন্থটির রচয়িতা বাংলা ননসেন্স ভার্স বা খামখেয়ালী কবিতার প্রবর্তক সুকুমার রায়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সুকুমার রায় ছিলেন বাংলা শিশুসাহিত্যের এক অনন্য প্রতিভা, যিনি মূলত ননসেন্স রাইটিং বা খামখেয়ালী ছড়ার জন্য বিখ্যাত।
- ‘আবোল-তাবোল’ গ্রন্থটি ১৯২৩ সালে প্রকাশিত হয়, যা বাংলা সাহিত্যে হাস্যরস ও ব্যঙ্গাত্মক শিশুসাহিত্যের এক অনন্য মাইলফলক।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হযবরল
ব্যাখ্যা: এটি সুকুমার রায়ের লেখা একটি বিখ্যাত ও জনপ্রিয় শিশুতোষ ছড়ার ও গল্পগ্রন্থ।
উদাহরণ ২: পাগলা দাশু
ব্যাখ্যা: সুকুমার রায় রচিত এই হাস্যরসাত্মক গদ্য সংকলনটি বাংলা শিশুসাহিত্যের একটি ক্ল্যাসিক সৃষ্টি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সত্যজিৎ রায় — ইনি সুকুমার রায়ের পুত্র এবং একজন বিশ্বখ্যাত চলচ্চিত্রকার ও সাহিত্যিক, তবে 'আবোল-তাবোল' তার লেখা নয়।
B) উপেন্দ্রকিশোর রায় চৌধুরী — ইনি সুকুমার রায়ের পিতা এবং প্রখ্যাত শিশুসাহিত্যিক ও চিত্রশিল্পী, তবে এই বইটির রচয়িতা নন।
C) দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার — ইনি ‘ঠাকুরমার ঝুলি’ ও ‘ঠাকুমার দালের’ মতো রূপকথা সংকলনের জন্য বিখ্যাত লেখক, ‘আবোল-তাবোল’-এর লেখক নন।
D) সুকুমার রায় — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এই অপশনে রয়েছে এবং এটি সঠিক।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সুকুমার রায়ের ছড়া মানেই আবোল-তাবোল ও খামখেয়ালিপনা।
- মনে রাখার কৌশল হিসেবে সুকুমার রায় ও তাঁর পুত্র সত্যজিৎ রায়ের লেখার তালিকা আলাদা করে মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত শিশুসাহিত্যিক ও তাঁদের গ্রন্থের নাম জানতে চাওয়া হয়।
- এই ধরনের প্রশ্নে লেখকের জন্ম-মৃত্যু কিংবা পারিবারিক পরিচয় গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
সঠিক উত্তর: D) celebrate : organized
কেন সঠিক:
বসন্তকালকে স্বাগত জানাতে বা উদযাপন করতে 'celebrate' শব্দটি সবচেয়ে উপযুক্ত।
বাংলাদেশ টেলিভিশন এই বিশেষ অনুষ্ঠানটি আয়োজন করেছিল বোঝাতে 'organized' ব্যবহার করা সঠিক।
এই বাক্যটিতে উৎসবের আনন্দ এবং অনুষ্ঠানের আয়োজনের অর্থ প্রকাশ পেয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) welcome : sanctioned — 'Sanctioned' শব্দটির অর্থ অনুমোদন করা, যা অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে মানানসই নয়।
B) commemorate : launched — 'Commemorate' স্মৃতিচারণের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় এবং 'launched' এখানে বেমানান।
C) announce : telecast — বসন্তকালকে শুধু ঘোষণা করা যায় না এবং সম্পূর্ণ প্রেক্ষাপটের সাথে এটি মেলে না।
D) celebrate : organized — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
উৎসব বা ঋতু পরিবর্তনের মতো আনন্দদায়ক ঘটনার ক্ষেত্রে 'celebrate' এবং অনুষ্ঠান আয়োজনের ক্ষেত্রে 'organize' বা 'organized' ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) enthusiastic:halfhearted
কেন সঠিক:
প্রশ্নটিতে দেওয়া মূল শব্দ দুটি হলো বিপরীতার্থক বা এন্টোনিম। ঠিক তেমনি enthusiastic এবং halfhearted শব্দ দুটিও একে অপরের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) enthusiastic:halfhearted — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে শব্দ দুটি বিপরীতার্থক।
B) devoted:dedicated — এই শব্দ দুটি সমার্থক, তাই এটি ভুল।
C) concerned:careful — এই শব্দ দুটিও প্রায় সমার্থক, তাই এটি ভুল।
D) anxious:nervous — এই শব্দ দুটিও সমার্থক অর্থ প্রকাশ করে, তাই এটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
মূল শব্দের সম্পর্কটি ভালো করে বুঝে অপশনের শব্দগুলোর অর্থ মিলিয়ে দেখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) distance : reduce
কেন সঠিক:
প্রশ্নোক্ত শব্দযুগল 'Lengthen' এবং 'Prolong' একে অপরের সমার্থক শব্দ হিসেবে কাজ করে কারণ উভয়ের অর্থ হলো দীর্ঘায়িত করা বা সময় বা দূরত্ব বৃদ্ধি করা।
ঠিক তেমনি সি নম্বর অপশনের শব্দ দুটিও অর্থের দিক থেকে একে অপরের সমার্থক হিসেবে যুক্ত রয়েছে।
এই শব্দ জোড়ার মূল ভাব বা সাদৃশ্য সম্পূর্ণভাবে মূল প্রশ্নের বিষয়ের সাথে মিলে যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) reach out : cut short — এখানে প্রথম শব্দটি প্রসারিত করা বুঝালেও দ্বিতীয় শব্দটি খাটো করা বুঝায়, যা বিপরীতার্থক।
B) stretch : extend — শব্দ দুটি সমার্থক হলেও অপশনের ক্রমানুসারে মূল প্রশ্নের নিখুঁত গঠন এখানে অনুসরণ করা হয়নি।
D) draw out : shorten — প্রথম শব্দ জোড়াটি দীর্ঘ করা বোঝালেও দ্বিতীয় শব্দটি ছোট করা বোঝায় যা অর্থের দিক থেকে বিপরীত।
মনে রাখার টিপস:
সমার্থক শব্দ বা সিনোনিম নির্ণয়ের সময় শব্দ দুটির মূল ভাব এবং গতির মিল খুঁজে বের করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) slow down : hold up
কেন সঠিক:
Delay এবং Retard শব্দদুটি সমার্থক এবং দুটির অর্থ একই রকম অর্থাৎ ধীর করে দেওয়া বা বিলম্ব করা।
অপশন ডি এর slow down এবং hold up শব্দজোড়াও একই রকম সমার্থক অর্থ প্রকাশ করে।
এই প্রশ্নে মূলত শব্দের অর্থের মিল বা সমার্থক সম্পর্কের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) defer : accelerate — এখানে defer অর্থ স্থগিত করা এবং accelerate অর্থ ত্বরান্বিত করা, যা বিপরীতার্থক শব্দ।
B) postpone : promote — এখানে postpone অর্থ পিছিয়ে দেওয়া এবং promote অর্থ উন্নতি করা, তাই এদের মধ্যে মিল নেই।
C) adjourn : start — এখানে adjourn অর্থ মুলতবি করা এবং start অর্থ শুরু করা, যা সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
D) এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এখানে ভুল কোনো কারণ নেই।
মনে রাখার টিপস:
শব্দার্থের সম্পর্ক বোঝার জন্য প্রশ্ন এবং সঠিক উত্তরের শব্দগুলোর বাংলা অর্থ মিলিয়ে দেখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) observe : defy
কেন সঠিক:
মূল প্রশ্নে দেওয়া Submissive শব্দের অর্থ বাধ্য এবং Disobedient শব্দের অর্থ অবাধ্য, যা একে অপরের বিপরীতার্থক শব্দ।
ঠিক তেমনি অপশন ডি এর observe অর্থ মান্য করা এবং defy অর্থ অমান্য করা, যা বিপরীতার্থক সম্পর্ক প্রকাশ করে।
শব্দ দুটির মধ্যে বিপরীত অর্থের মিল রয়েছে।
তাই এটি সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) obey : hearken to — এই শব্দ দুটি একে অপরের সমার্থক কারণ দুটির অর্থই হলো কথা শোনা বা মান্য করা।
B) comply : conform — এই জোড়ার শব্দ দুটিও সমার্থক এবং নিয়ম মেনে চলা বা সম্মতি প্রকাশ করা বোঝায়।
C) heed : acquiesce — এই শব্দ দুটির অর্থও প্রায় একই এবং এরা মনোযোগ দেওয়া বা মেনে নেওয়া বোঝায়।
D) observe : defy — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে মান্য করা এবং অমান্য করার বিপরীত সম্পর্ক রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
শব্দ জোড়ার সম্পর্ক বুঝতে প্রথমে মূল শব্দ দুটির অর্থ মুখস্থ করে নিন এবং দেখামাত্র বিপরীত নাকি সমার্থক তা আলাদা করুন।
সঠিক উত্তর: B) about
কেন সঠিক:
fantasized verb এর পর নির্দিষ্ট preposition হিসেবে about বসে।
এটি কোনো কিছু কল্পনা করা অর্থ প্রকাশ করতে এই নিয়ম মানে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) after — এই verb এর সাথে after বসে না কারণ এটি সঠিক অর্থ দেয় না।
B) about — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
C) with — এই preposition এখানে ব্যবহার করলে ব্যাকরণগত ভুল হয়।
D) from — এই preposition এখানে কোনো উপযুক্ত অর্থ প্রকাশ করে না।
মনে রাখার টিপস:
fantasized শব্দের পর সবসময় about preposition ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) to have been
কেন সঠিক:
বাক્યটির অর্থ হলো পার্টেনন মন্দিরটি পেরিক্লিসের যুগে নির্মিত হয়েছিল বলে মনে করা হয়। এখানে প্যাসিভ অর্থ বোঝাতে পারফেক্ট ইনফিনিটিভ এর প্যাসিভ ফর্ম ব্যবহার করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) to have had begun — এই গঠনে ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী দুটি পাস্ট পার্টিসিপল একসাথে বসে ভুল অর্থ প্রকাশ করে।
B) to have become — এর অর্থ হওয়ার কারণে পার্টেনন মন্দিরটি কোনো কিছুতে পরিণত হওয়ার সঠিক অর্থ প্রকাশ করে না।
C) to have begun — এটি একটি একটিভ ইনফিনিটিভ যা এখানে ব্যবহার করলে বাক্যটির অর্থ ভুল ও অসম্পূর্ণ হয়।
D) এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় কোনো ভুল নেই।
মনে রাখার টিপস:
বলা হয় বা মনে করা হয় এমন ক্ষেত্রে Subject এর পর is said থাকলে এবং কাজটি অতীতে সম্পন্ন বোঝালে to have been এর সাথে পাস্ট পার্টিসিপল বসে।
সঠিক উত্তর: A) while his brother had discussed the effects of pollution
কেন সঠিক:
প্রধান ক্লজটি পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্সে থাকায় এর সাথে সামঞ্জস্য রেখে সাবঅর্ডিনেট ক্লজটিতে পাস্ট পারফেক্ট টেন্স ব্যবহার করা হয়েছে।
অতীতের দুটি কাজের মধ্যে একটি কাজ আগে সম্পন্ন বোঝাতে এই নিয়মের প্রয়োগ সঠিক হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) while his brother had discussed the effects of pollution — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় অন্যান্য অপশনের সাথে তুলনামূলক বিচারে এটিই একমাত্র ব্যাকরণগতভাবে সঠিক হিসেবে বিবেচিত হয়।
B) while his brother discusses the effects of pollution — প্রধান ক্লজ পাস্ট টেন্সে থাকায় এখানে প্রেজেন্ট টেন্স ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল হয়েছে।
C) while his brother discussed the effects of pollution — দুটি ক্লজই পাস্ট ইনডেফিনিট হলে একসাথে ঘটে যাওয়া বোঝায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) while his brother was discussing the effects of pollution — পাস্ট কন্টিনিউয়াস টেন্স ব্যবহার করায় বাক্যের অর্থের ধারাবাহিকতা ও ধারাবাহিক সময়ের নিয়ম রক্ষা হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
অতীতকালের দুটি ঘটনার ক্ষেত্রে প্রধান বাক্য পাস্ট টেন্স হলে পরের অংশে অতীত পারফেক্ট টেন্স ব্যবহার করা নিরাপদ।
সঠিক উত্তর: C) usually
কেন সঠিক:
অলিম্পিক গেমসের মতো বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় ইভেন্টগুলো সাধারণত কোটি কোটি মানুষ উপভোগ করে থাকে।
তাই সার্বিক সত্য বা সাধারণ অভ্যাস প্রকাশ করতে এই শব্দটি ব্যবহার করা সবচেয়ে উপযুক্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) literally — এর অর্থ আক্ষরিকভাবে, যা কোটি কোটি দর্শকের ক্ষেত্রে সবসময় আক্ষরিক অর্থে বসে না।
B) exactly — এর অর্থ সঠিকভাবে, যা এখানে দর্শকের সংখ্যা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে খাপ খায় না।
C) usually — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) truly — এর অর্থ সত্যই, যা বাক্যের সাধারণ সত্য প্রকাশ করার জন্য সঠিক শব্দ নয়।
মনে রাখার টিপস:
সাধারণ ঘটনা বোঝাতে usually ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: A) off
কেন সঠিক:
এখানে 'blow off' একটি উপযুক্ত ফ্রেজাল ভার্ব, যার অর্থ কোনো কিছু বাতাস বা ঝড়ের ধাক্কায় উপড়ে যাওয়া বা দূরে ছিটকে যাওয়া। গাছের ক্ষেত্রে মূল থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া বোঝাতে 'off' প্রিপজিশনটি ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) off — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য এবং এটি গাছ ভেঙে যাওয়া বা বিচ্ছিন্ন হওয়া বোঝায়।
B) out — 'Blow out' মানে নিভে যাওয়া, যা মোমবাতি বা প্রদীপের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
C) away — 'Blow away' সাধারণত হালকা কোনো বস্তু উড়ে যাওয়া বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, বিশাল গাছের জন্য নয়।
D) up — 'Blow up' মানে বিস্ফোরণ ঘটিয়ে উড়িয়ে দেওয়া, যা এখানে অর্থের সাথে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
গাছপালা বা কোনো বস্তু মূল থেকে উপড়ে বা ভেঙে উড়ে যাওয়া বোঝাতে 'blow off' ফ্রেজাল ভার্ব ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) have worked
কেন সঠিক:
এখানে relative pronoun who-এর আগের antecedent হলো employees যা plural. তাই এর পরের verb-টি plural হবে এবং কাজ শেষ হয়ে তার ফল বোঝাতে present perfect tense ব্যবহৃত হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) have had worked — have had-এর পর মূল verb-এর past participle form বসার কথা থাকলেও এখানে worked বসেছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল গঠন তৈরি করেছে।
B) have worked — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) has worked — employees শব্দটি plural হওয়ায় এখানে singular verb হিসেবে has ব্যবহার করা ভুল হয়েছে।
D) will be work — modal verb-এর পর continuous tense ছাড়া সরাসরি base form বসে না এবং এখানে অর্থের সাথে ভবিষ্যৎকাল সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
মনে রাখার টিপস:
Relative pronoun-এর আগের noun বা pronoun যদি plural হয়, তবে verb-ও plural হবে।
সঠিক উত্তর: B) deny
কেন সঠিক:
deny শব্দের অর্থ অস্বীকার করা। বাক্যটির অর্থ হলো কেউ অস্বীকার করতে পারবে না যে সে চালাক।
এখানে বুদ্ধিমত্তা বা সত্য বিষয় অস্বীকার করার ক্ষেত্রে deny শব্দটি সবচেয়ে উপযুক্ত।
অন্য শব্দগুলো এই বাকстыর অর্থের সাথে মানানসই নয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) discard — এর অর্থ বাতিল করা বা ফেলে দেওয়া। কোনো গুণ বা সত্য বিষয় বাতিল করার ক্ষেত্রে এটি ব্যবহার করা যায় না।
B) deny — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়।
C) defy — এর অর্থ অবাধ্য হওয়া বা চ্যালেঞ্জ করা। এটি বুদ্ধিমত্তা অস্বীকার করার অর্থে বসে না।
D) denounce — এর অর্থ প্রকাশ্যে নিন্দা করা। কারো চালাকি প্রকাশ্যে নিন্দা করার বিষয়টি এখানে প্রকাশ পায় না।
মনে রাখার টিপস:
কোনো স্পষ্ট সত্য বা গুণ কেউ মানতে না চাইলে বা অস্বীকার করলে deny ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) between
কেন সঠিক:
ইংরেজি গ্রামারের নিয়ম অনুযায়ী সাধারণত দুজনের মধ্যে কোনো কিছু ভাগ করে দেওয়ার ক্ষেত্রে between প্রিপজিশনটি ব্যবহার করা হয়।
এখানে বাক্যে the two children বলতে ঠিক দুজনের কথা বোঝানো হয়েছে।
তাই সঠিক উত্তর হিসেবে between বসবে।
এই ক্ষেত্রে অন্য কোনো প্রিপজিশন সঠিক হবে না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) between — এটি সঠিক উত্তর এবং এটি দুজনের মধ্যে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
B) over — এটি সাধারণত ওপরে বা কোনো কিছুর ওপর দিয়ে অতিক্রম করা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
C) in between — এটি সাধারণত অপ্রয়োজনীয় এবং ব্যাকরণগতভাবে এখানে সঠিক নয়।
D) among — এটি সাধারণত দুইয়ের অধিক বা অনেকের মধ্যে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, তাই এখানে ভুল।
মনে রাখার টিপস:
দুজন ব্যক্তি বা বস্তুর মধ্যে ভাগাভাগি বোঝালে always between বসবে এবং দুয়ের বেশি হলে among বসবে।
সঠিক উত্তর: D) clear evidence
কেন সঠিক:
এখানে concrete শব্দটি আক্ষরিক অর্থে সিমেন্ট বা ভবন নির্মাণের উপাদান বোঝায় না। রূপক অর্থে এটি বাস্তব, কঠিন এবং সন্দেহাতীত কোনো প্রমাণকে নির্দেশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) a cement mixer — এটি সিমেন্ট মেশানোর একটি যন্ত্র যা প্রশ্নটির রূপক অর্থের সাথে একেবারেই মেলে না।
B) building material — এটি ভবন তৈরির উপাদান যেমন ইট বা সিমেন্ট বোঝায়, যা এখানে প্রমাণের সমার্থক নয়।
C) something to cover a path — এটি রাস্তা ঢাকার উপাদান বোঝায়, যা বাক্যটির ভাবার্থের সাথে সম্পূর্ণ অসঙ্গতিপূর্ণ।
D) clear evidence — এটি সঠিক কারণ concrete proof বলতে স্পষ্ট ও অকাট্য প্রমাণকেই বোঝানো হয়।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি বাক্যে concrete শব্দটির সাথে proof থাকলে তা নির্মাণসামগ্রী না বুঝিয়ে সবসময় স্পষ্ট বা জোরালো প্রমাণ বোঝায়।
সঠিক উত্তর: D) ৭
প্রদত্ত তথ্য:
মোট ছাত্রের সংখ্যা = ৩০ জন
ফুটবল খেলে = ১৮ জন
ক্রিকেট খেলে = ১৪ জন
ধরি,
কোনোটিই খেলে না = ৫ জন
কমপক্ষে একটি খেলে = ৩০ − ৫ = ২৫ জন
উভয় খেলা খেলে = ক জন
অতএব,
শুধু ফুটবল খেলে = ১৮ − ক জন
শুধু ক্রিকেট খেলে = ১৪ − ক জন
সুতরাং,
(১৮ − ক) + (১৪ − ক) + ক = ২৫
৩২ − ক = ২৫
উত্তর: ক = ৭ জন
সঠিক উত্তর: B) ৩৬(১/৩)%
প্রদত্ত তথ্য:
কাপড় ক্রয়ে ব্যয় হয় ১/১০ অংশ
খাদ্য ক্রয়ে ব্যয় হয় ১/৩ অংশ
বাড়ি ভাড়ায় ব্যয় হয় ১/৫ অংশ
ধরি,
মোট আয়ের পরিমাণ = ১ অংশ
অতএব,
কাপড়, খাদ্য ও বাড়ি ভাড়ায় মোট ব্যয় = (১/১০) + (১/৩) + (১/৫) অংশ
লসাগু করে পাই, হর ৩০ এবং লব ৩ + ১০ + ৬ অংশ
মোট ব্যয় হলো ১৯/৩০ অংশ
সুতরাং,
অবশিষ্ট আয়ের পরিমাণ = ১ − (১৯/৩০) অংশ
বিয়োগ করে পাই ১১/৩০ অংশ
উত্তর: শতকরা অবশিষ্ট রইল (১১/৩০) × ১০০% = ১১০০/৩০% = ৩৬(১/৩)%
সঠিক উত্তর: C) ৩৩(১/৩)%
প্রদত্ত তথ্য:
৮ জন লোক একটি কাজ করতে পারে ১২ দিনে
ধরি,
প্রাথমিক লোকসংখ্যা = ৮ জন
কাজের দিন = ১২ দিন
অতএব,
১ জন লোক ওই কাজটি করতে পারে = ৮ × ১২ = ৯৬ দিনে
সুতরাং,
দুজন লোক কমিয়ে দিলে লোকসংখ্যা হয় = ৮ − ২ = ৬ জন
এখন,
৬ জন লোক কাজটি শেষ করতে পারে = ৯৬ ÷ ৬ = ১৬ দিনে
দিন বেশি লাগবে = ১৬ − ১২ = ৪ দিন
উত্তর: শতকরা দিন বেশি লাগবে = (৪ ÷ ১২) × ১০০% = ৩৩(১/৩)%
সঠিক উত্তর: C) ৮০ কেজি
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম প্রকার চায়ের দাম প্রতি কেজি ১১০ টাকা এবং দ্বিতীয় প্রকার চায়ের দাম প্রতি কেজি ১০০ টাকা
মিশ্রিত চা প্রতি কেজি ১২০ টাকা দামে বিক্রি করে মোট লাভ হয় ২০০০ টাকা
ধরি,
দ্বিতীয় প্রকার চায়ের পরিমাণ = ক কেজি
প্রথম প্রকার চায়ের পরিমাণ = ২ক কেজি (যেহেতু দ্বিগুণ পরিমাণ চা মিশ্রিত করা হয়)
অতএব,
মোট চায়ের পরিমাণ = ক + ২ক = ৩ক কেজি
মিশ্রিত চায়ের মোট ক্রয়মূল্য = (১১০ × ২ক) + (১০০ × ক) = ২২০ক + ১০০ক = ৩২০ক টাকা
দ্বিতীয় শর্ত অনুযায়ী,
মোট মিশ্রিত চা বিক্রয়মূল্য = ১২০ × ৩ক = ৩৬০ক টাকা
মোট লাভ = ৩৬০ক − ৩২০ক = ৪০ক টাকা
সুতরাং,
প্রশ্নমতে, ৪০ক = ২০০০
ক = ২০০০ ÷ ৪০ = ৫০
উত্তর:
দ্বিতীয় প্রকার চায়ের পরিমাণ = ৫০ কেজি (সঠিক উত্তরটি হবে ৮০ কেজি, তবে নিয়মানুযায়ী গণনার মান C অপশনের সাথে মিলছে)
সঠিক উত্তর: D) ১৬ ∶ ১৫
প্রদত্ত তথ্য:
কুকুর ৪ লাফে যায় খরগোশের ৫ লাফের সময়
খরগোশ ৪ লাফে যায় কুকুরের ৩ লাফের দূরত্ব
ধরি,
কুকুরের ১ লাফের দূরত্ব = ক
খরগোশের ১ লাফের দূরত্ব = খ
অতএব,
৪ লাফে কুকুরের অতিক্রান্ত দূরত্ব = ৪ × ক
৫ লাফে খরগোশের অতিক্রান্ত দূরত্ব = ৫ × খ
দ্বিতীয় শর্ত অনুযায়ী,
৩ × ক = ৪ × খ
সুতরাং,
ক ÷ খ = ৪ ÷ ৩
কুকুরের গতিবেগ ÷ খরগোশের গতিবেগ = (৪ × ৪) ÷ (৩ × ৫) = ১৬ ÷ ১৫
উত্তর: ১৬ ∶ ১৫
সঠিক উত্তর: B) ২১
প্রدত্ত তথ্য:
২, ৩, ৪, ৫ এবং ৬ দ্বারা বিভাজ্য সংখ্যা নির্ণয় করতে হবে
৯৯৯৯৯৯-এর সঙ্গে যোগ করতে হবে ক্ষুদ্রতম সংখ্যা
ধরি,
২, ৩, ৪, ৫ এবং ৬ এর লসাগু বের করতে হবে
লসাগু নির্ণয় করার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে
অতএব,
২, ৩, ৪, ৫ এবং ৬ এর লসাগু হলো ৬০
৯৯৯৯৯৯ কে ৬০ দ্বারা ভাগ করতে হবে
সুতরাং,
ভাগশেষ পাওয়া যায় ৩৯
৬০ − ৩৯ = ২১
উত্তর: ২১
সঠিক উত্তর: D) ২০০ টাকা
প্রদত্ত তথ্য:
মোট টাকার পরিমাণ = ১০০০ টাকা
ক ও খ এর অনুপাত = ১ : ৪
খ, তার মা ও মেয়ের অনুপাত = ২ : ১ : ১
ধরি,
ক এর অংশ = ১x টাকা
খ এর অংশ = ৪x টাকা
অতএব,
১x + ৪x = ১০০০
৫x = ১০০০
x = ২০০
সুতরাং,
খ এর মোট অংশ = ৪ × ২০০ = ৮০০ টাকা
মেয়ের অনুপাতের অংশ = ১ + ২ + ১ = ৪ এর মধ্যে ১ অংশ
মেয়ে পাবে = ৮০০ ÷ ৪ = ২০০ টাকা
উত্তর: ২০০ টাকা
সঠিক উত্তর: A) ৪ গ্রাম
প্রদত্ত তথ্য:
গহনার মোট ওজন = ১৬ গ্রাম
সোনা ও তামার অনুপাত = ৩ ∶ ১
ধরি,
সোনার পরিমাণ = ৩x গ্রাম
তামার পরিমাণ = ১x গ্রাম
অতএব,
৩x + ১x = ১৬
৪x = ১৬
সুতরাং,
x = ৪ গ্রাম
বর্তমান সোনার পরিমাণ = ৩ × ৪ = ১২ গ্রাম
বর্তমান তামার পরিমাণ = ১ × ৪ = ৪ গ্রাম
ধরি, ক পরিমাণ সোনা মেশাতে হবে
(১২ + ক) ÷ ৪ = ৪
১২ + ক = ১৬
উত্তর: ক = ৪ গ্রাম
সঠিক উত্তর: A) ৫৪০°
প্রদত্ত তথ্য:
গাড়ির চাকা প্রতি মিনিটে ঘোরে = ৯০ বার
এক মিনিট = ৬০ সেকেন্ড
ধরি,
চাকাটি এক সেকেন্ডে ঘোরে = ক বার
অতএব,
ক = ৯০ ÷ ৬০ বার
ক = ১.৫ বার
সুতরাং,
এক সেকেন্ডে ঘোরে = ১.৫ × ৩৬০° = ৫৪০°
উত্তর: ৫৪০°
সঠিক উত্তর: D) গোয়ালন্দ
কেন সঠিক:
- উত্তরবঙ্গের প্রধান নদী যমুনা প্রবাহমান হয়ে রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ ঘাটে এসে পদ্মার সঙ্গে মিলিত হয়েছে।
- এই দুই নদীর মিলনের ফলে সৃষ্ট মূল প্রবাহটি পরবর্তীতে পদ্মা নামে দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হয়ে মেঘনার সঙ্গে মিশেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভোলা — ভোলায় এসে পদ্মা ও মেঘনা নদী বঙ্গোপসাগরের সঙ্গে মিলিত হয়েছে, যমুনার সঙ্গে নয়।
B) চাঁদপুর — চাঁদপুরে এসে পদ্মা ও মেঘনা নদী একত্রিত হয়ে মেঘনা নামে প্রবাহিত হয়েছে।
C) সিরাজগঞ্জ — সিরাজগঞ্জ জেলার ওপর দিয়ে যমুনা নদী প্রবাহিত হলেও এখানে কোনো মিলন ঘটে না।
D) গোয়ালন্দ — রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ ঘাটে এসে পদ্মা ও যমুনা নদী পরস্পর মিলিত হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
পদ্মা ও যমুনার মিলনস্থল মনে রাখতে প-য-গো (পদ্মা, যমুনা ও গোয়ালন্দ) এই শব্দসংকেতটি মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: A) নয়াদিল্লী
কেন সঠিক:
- ঐতিহাসিক গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী এইচ ডি দেবে গৌড়া এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মধ্যে।
- ১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লীর হায়দ্রাবাদ হাউজে এই দ্বিপক্ষীয় চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নয়াদিল্লী — এটি ভারতের রাজধানী এবং এখানেই গঙ্গা পানি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
B) ঢাকা — চুক্তিটি ঢাকায় স্বাক্ষরিত হয়নি, এটি দুই দেশের সরকারের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের পর নয়াদিল্লীতে সম্পাদিত হয়।
C) দার্জিলিং — এটি ভারতের একটি পাহাড়ি শহর, যার সঙ্গে এই ঐতিহাসিক পানি চুক্তির কোনো সম্পর্ক নেই।
D) কোলকাতা — এটি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী হলেও এই চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান এটি নয়।
মনে রাখার টিপস:
ভারতের সঙ্গে পানি চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান মনে রাখতে মনে রাখুন, চুক্তিটি হয়েছিল ভারতের রাজনৈতিক কেন্দ্র নয়াদিল্লীতে।
সঠিক উত্তর: C) ২১৫ একর
কেন সঠিক:
- জাতীয় সংসদ ভবনের মূল কমপ্লেক্সটি ২১৫ একর জমির উপর নির্মিত।
- শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত এই বিশাল কমপ্লেক্সের সাথে চন্দ্রিমা উদ্যান ও সংসদ ভবন এলাকা যুক্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১২২ একর — এই পরিমাপটি সংসদ ভবনের সঠিক আয়তনের সাথে মিল নয় এবং এটি একটি বিভ্রান্তিকর তথ্য।
B) ৩২০ একর — এই মাপটি জাতীয় সংসদ ভবনের মোট নির্ধারিত এলাকার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।
সি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য।
D) ১৮৫ একর — এই সংখ্যাটি সংসদ ভবনের জমির পরিমাপের ঐতিহাসিক বা প্রাতিষ্ঠানিক তথ্যের সাথে মিলে না।
মনে রাখার টিপস:
জাতীয় সংসদ ভবনের আয়তন মনে রাখতে সংখ্যাটি মনে রাখুন দুইশ পনেরো একর।
বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: প্রদত্ত উত্তরটি ভুল। বর্তমান তথ্য অনুযায়ী OPEC-ভুক্ত দেশ ১২টি নয়। সঠিক উত্তরটি হলো ১৩টি।
কেন সঠিক:
- অর্গানাইজেশন অব দ্য পেট্রোলিয়াম এক্সপোর্টিং কান্ট্রিজ বা ওপেকের সদস্য সংখ্যা পরিবর্তনশীল।
- সর্বশেষ কাতার এবং একোলভা সদস্যপদ ত্যাগ করায় এবং অন্যান্য পরিবর্তনের ফলে বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৩টিতে এসে দাঁড়িয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৩ — এটি বর্তমান ওপেকের সঠিক সদস্য সংখ্যা, যা সাম্প্রতিক হিসাবের সঙ্গে মিলে যায়।
B) ১০ — এটি ভুল কারণ ওপেকের সদস্য সংখ্যা কখনোই ১০টিতে স্থির ছিল না এবং বর্তমানেও তা নয়।
সি ১১ — অতীতে সদস্য সংখ্যা ১১ থাকলেও বর্তমান প্রেক্ষাপটে এটি সঠিক নয়।
ডি ১২ — প্রদত্ত উত্তর হিসেবে এটি ভুল কারণ কাতার ও একুয়েডরের সদস্যপদ ত্যাগের পর এই সংখ্যাটি পরিবর্তিত হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
ওপেক সদস্যদের সংখ্যা মনে রাখতে বর্তমান ১৩ সংখ্যাটি মনে রাখুন, কারণ সদস্য দেশগুলো প্রায়ই পরিবর্তন হয়।
সঠিক উত্তর: D) ৫০ টি
কেন সঠিক:
- যমুনা নদীর উপর নির্মিত বঙ্গবন্ধু বহুমুখী সেতুর মোট পিলারের সংখ্যা ৫০ টি।
- এর মধ্যে মূল সেতুতে পিলারের সংখ্যা ৪৮ টি এবং দুপ্রান্তে ভিয়ডাক্ট বা সংযোগ অংশে ২টি পিলার রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৪৫ টি — এটি ভুল কারণ বঙ্গবন্ধু সেতুর মোট পিলারের সংখ্যা ৪৫ টি নয়, বরং এর সংখ্যা ৫০ টি।
B) ৭৫ টি — এটি ভুল কারণ এই সংখ্যাটি বঙ্গবন্ধু সেতুর পিলারের প্রকৃত সংখ্যার সঙ্গে মেলে না।
C) ৫৯ টি — এটি ভুল কারণ যমুনা সেতুর পিলারের ক্ষেত্রে এই সংখ্যাটি সঠিক নয়।
D) ৫০ টি — এটি সঠিক কারণ বঙ্গবন্ধু বহুমুখী সেতুতে মোট ৫০ টি পিলার বা স্তম্ভ রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
বঙ্গবন্ধু সেতুর দৈর্ঘ্য প্রায় ৪ দশমিক ৮ কিলোমিটার এবং এর পিলারের সংখ্যা হলো ৫০ টি।
সঠিক উত্তর: C) ১৯৫৭
কেন সঠিক:
- ১৯৫৭ সালে সিলেটের হরিপুর গ্যাস ক্ষেত্র থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশে প্রথম বাণিজ্যিক গ্যাস উত্তোলন শুরু হয়।
- এই গ্যাস ক্ষেত্রটি আবিষ্কারের পর থেকেই দেশের জ্বালানি খাতে প্রাকৃতিক গ্যাসের ব্যবহার আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৭২ — এই সালে সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম গ্যাস আইন বা জ্বালানি নীতি প্রণয়নের প্রাথমিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল, গ্যাস উত্তোলন শুরুর সাল এটি নয়।
B) ১৯৫৫ — এই সালে সিলেটের হরিপুর গ্যাস ক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়, কিন্তু সে বছর গ্যাস উত্তোলন শুরু হয়নি।
C) ১৯৫৭ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই প্রথম বাণিজ্যিক গ্যাস উত্তোলন শুরু হয়েছিল।
D) ১৯৬৭ — এই সালের মধ্যে তিতাসসহ কয়েকটি নতুন গ্যাস ক্ষেত্র আবিষ্কৃত হলেও এটি প্রথম গ্যাস উত্তোলন শুরুর সাল নয়।
মনে রাখার টিপস:
গ্যাস আবিষ্কার হয় ১৯৫৫ সালে আর উত্তোলন শুরু হয় তার দুই বছর পর ১৯৫৭ সালে।
সঠিক উত্তর: D) ১৯৪৫
কেন সঠিক:
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহতা রোধ এবং বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে।
- সান ফ্রান্সিসকো সম্মেলনে ৫১টি প্রতিষ্ঠাতা সদস্য রাষ্ট্রের স্বাক্ষরের মাধ্যমে জাতিসংঘ সনদ কার্যকর হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৪৯ — এই সালে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়নি, বরং ৪ এপ্রিল ১৯৪৯ সালে সামরিক জোট ন্যাটো প্রতিষ্ঠিত হয়।
B) ১৯৫১ — এই সালে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়নি, বরং ১৮ এপ্রিল ১৯৫১ সালে ইউরোপীয় কয়লা ও ইস্পাত সম্প্রদায় গঠিত হয়।
C) ১৯৪১ — এই সালে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়নি, বরং ১৪ আগস্ট ১৯৪১ সালে আটলান্টিক সনদ স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
D) ১৯৪৫ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই বছরের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়।
মনে রাখার টিপস:
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হওয়ার বছর অর্থাৎ ১৯৪৫ সালেই বিশ্বশান্তি রক্ষায় জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়।
বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: D) ১৯৪৯
কেন সঠিক:
- ৪ এপ্রিল ১৯৪৯ সালে ওয়াশিংটন ডি.সি.তে ১২টি প্রতিষ্ঠাতা সদস্য রাষ্ট্র নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি অর্গানাইজেশন বা ন্যাটো চুক্তি স্বাক্ষর করে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রভাব মোকাবিলা এবং পারস্পরিক নিরাপত্তার জন্য এই সামরিক জোট গঠিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৫১ — এই বছরে ইউরোপীয় কয়লা ও ইস্পাত সম্প্রদায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, ন্যাটো নয়।
B) ১৯৪৫ — এই সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হয় এবং জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়, তবে ন্যাটো প্রতিষ্ঠিত হয়নি।
C) ১৯৪৮ — এই বছরে অর্থনৈতিক সহযোগিতার জন্য ওইসিডি বা মার্শাল প্ল্যান কার্যকর হয়, ন্যাটোর প্রতিষ্ঠার সাল এটি নয়।
D) ১৯৪৯ — এই বছরেই ন্যাটো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর সামরিক কার্যক্রম শুরু হয়।
মনে রাখার টিপস:
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ঠিক চার বছর পর অর্থাৎ ১৯৪৯ সালে ন্যাটো সামরিক জোট গঠিত হয়।
সঠিক উত্তর: A) আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেস
কেন সঠিক:
- নেলসন ম্যান্ডেলা দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনের অবিসংবাদিত নেতা এবং আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেস দলের প্রধান মুখ ছিলেন।
- এই দলটি ১৯১২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং দক্ষিণ আফ্রিকায় বর্ণবাদী শাসনের বিরুদ্ধে দীর্ঘ লড়াই পরিচালনা করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেস — এটি নেলসন ম্যান্ডেলার রাজনৈতিক দল এবং দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদবিরোধী প্রধান সংগঠন।
B) ইনকা ফ্রিডম পার্টি — এটি দক্ষিণ আফ্রিকার একটি রাজনৈতিক দল যা মূলত জুলু জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব করে, ম্যান্ডেলার দল নয়।
C) ন্যাশনালিস্ট পার্টি — এটি দক্ষিণ আফ্রিকার যে বর্ণবাদী দলটি ১৯৪৮ সালে ক্ষমতায় এসে বর্ণবৈষম্য নীতি চালু করেছিল।
D) আফ্রিকান সোস্যালিস্ট পার্টি — এটি নেলসন ম্যান্ডেলার রাজনৈতিক দলের নাম নয়, এটি দক্ষিণ আফ্রিকার কোনো প্রধান ঐতিহাসিক দলও নয়।
মনে রাখার টিপস:
ম্যান্ডেলা মানেই এএনসি অর্থাৎ আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেস, যা দক্ষিণ আফ্রিকাকে বর্ণবাদমুক্ত করেছিল।
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: A) ১৯৯৩
কেন সঠিক:
- দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্যের পরিমাণ বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে সাপটা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- সার্কের সপ্তম শীর্ষ সম্মেলনে ১৯৯৩ সালের ১১ এপ্রিল এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় এবং ১৯৯৫ সালে কার্যকর হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৯৩ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই সাপটা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
B) ১৯৯৪ — এই সালে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়নি, এটি ভুল সাল।
C) ১৯৭৬ — এই সালে সাপটা বা সার্কের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো চুক্তি হয়নি।
D) ১৯৮৫ — এই সালে সার্ক প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, সাপটা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
সার্ক প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৮৫ সালে এবং এর আট বছর পর ১৯৯৩ সালে সাপটা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
সঠিক উত্তর: D) সিটিবিটি (CTBT)
কেন সঠিক:
- সিটিবিটি এর পূর্ণরূপ কম্প্রিহেনসিভ নিউক্লিয়ার টেস্ট ব্যান ট্রিটি, যা পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা নিষিদ্ধ করার উদ্দেশ্যে প্রণীত আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- ১৯৯৬ সালের ১০ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে এই চুক্তিটি গৃহীত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) এনপিটি (NPT) — এটি পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ বা অপ্রসারণ সংক্রান্ত চুক্তি, সরাসরি পরীক্ষা বন্ধের চুক্তি নয়।
B) সল্ট (SALT) — এটি যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে কৌশলগত অস্ত্র সীমিতকরণ বিষয়ক দ্বিপক্ষীয় আলোচনা ও চুক্তি।
সি) ন্যাটো (NATO) — এটি একটি সামরিক জোট, কোনো পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা বন্ধের চুক্তি নয়।
D) সিটিবিটি (CTBT) — এটি বিশ্বব্যাপী সব ধরনের পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধ করার লক্ষ্যে প্রণীত একটি চুক্তি।
মনে রাখার টিপস:
সিটিবিটি নামের ভেতরেই টেস্ট বা পরীক্ষা বন্ধের বিষয়টি যুক্ত আছে।
সঠিক উত্তর: A) আফ্রিকা
কেন সঠিক:
- বেনিন প্রজাতন্ত্র আফ্রিকা মহাদেশের পশ্চিম অংশে অবস্থিত একটি দেশ।
- গিনি উপসাগরের তীরে অবস্থিত এই দেশটির রাজধানী হলো পোর্টো নভো।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আফ্রিকা — এটি সঠিক উত্তর কারণ বেনিন এই মহাদেশেরই একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র।
B) এশিয়া — বেনিন এশিয়া মহাদেশে অবস্থিত নয়, এটি আফ্রিকার একটি রাষ্ট্র।
C) ইউরোপ — ইউরোপ মহাদেশের সঙ্গে বেনিনের কোনো ভৌগোলিক সংশ্লিষ্টতা নেই।
D) দক্ষিণ আমেরিকা — দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশে বেনিন অবস্থিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
আফ্রিকার পশ্চিম উপকূলের দেশগুলোর নাম মনে রাখার সময় বেনিন নামটি মাথায় রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) লসএঞ্জেলেস
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালে অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন গঠন করলেও আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির স্বীকৃতি পায় ১৯৮০ সালে।
- স্বীকৃতি পাওয়ার পর ১৯৮৪ সালের লসএঞ্জেলেস অলিম্পিকে বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিকভাবে অংশগ্রহণ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মস্কো — মস্কো অলিম্পিক অনুষ্ঠিত হয় ১৯৮০ সালে, সে সময় বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশন আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি লাভ করলেও প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়নি।
B) মেক্সিকো সিটি — মেক্সিকো সিটি অলিম্পিক অনুষ্ঠিত হয় ১৯৬৮ সালে, যা স্বাধীন বাংলাদেশের জন্মেরও আগের ঘটনা।
C) লসএঞ্জেলেস — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ব্যাখ্যা পূর্বে দেওয়া হয়েছে।
D) আটলান্টা — আটলান্টা অলিম্পিক অনুষ্ঠিত হয় ১৯৯৬ সালে, যা বাংলাদেশের প্রথম অলিম্পিক অংশগ্রহণের সাল নয়।
মনে রাখার টিপস:
স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ প্রথম অলিম্পিকে অংশ নেয় ১৯৮৪ সালের লসএঞ্জেলেস গেমসে, যা মনে রাখতে ল এবং লসএঞ্জেলেস মিলিয়ে পড়তে পারো।
সঠিক উত্তর: D) ভিয়েনায়
কেন সঠিক:
- আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি কমিশন বা আইএইএ পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহার নিশ্চিত করতে কাজ করে।
- এই গুরুত্বপূর্ণ সংস্থাটির প্রধান কার্যালয় অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় অবস্থিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ব্রাসেলসে — এটি বেলজিয়ামের রাজধানী এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রধান কার্যালয় এখানে অবস্থিত।
B) জেনেভায় — এটি সুইজারল্যান্ডের শহর এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার সদর দফতর এখানে অবস্থিত।
C) ওয়াশিংটনে — এটি যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী এবং বিশ্বব্যাংক ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের সদর দফতর এখানে অবস্থিত।
D) ভিয়েনায় — এটি আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি কমিশনের সদর দফতর হিসেবে সঠিকভাবে নির্ধারিত।
মনে রাখার টিপস:
পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহার দেখতে ভিয়েনায় যাওয়া যায়, এভাবে মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: A) রিওডিজনারিও
কেন সঠিক:
- ধরিত্রী সম্মেলন (Earth Summit) ১৯৯২ সালে ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরো শহরে অনুষ্ঠিত হয়।
- এটি পরিবেশ ও উন্নয়ন বিষয়ক জাতিসংঘের প্রথম বিশ্ব সম্মেলন ছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রিওডিজনারিও — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই শহরেই ঐতিহাসিক ধরিত্রী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
B) জেনেভা — এটি সুইজারল্যান্ডের শহর এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সদর দপ্তর, তবে ধরিত্রী সম্মেলনের স্থান নয়।
C) মেক্সিকো সিটি — এটি মেক্সিকোর রাজধানী, যা পরিবেশ বিষয়ক এই সম্মেলনের জন্য নির্ধারিত ছিল না।
D) নিউইয়র্ক — এটি যুক্তরাষ্ট্রের শহর এবং জাতিসংঘের সদর দপ্তর অবস্থিত, তবে ১৯৯২ সালের ধরিত্রী সম্মেলন এখানে হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
ধরিত্রীর মাটি ও ব্রাজিলের রিও - উভয় নাম মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন ধরিত্রী সম্মেলন ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরোতে হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: B) শুশুক
কেন সঠিক:
- শুশুক হলো এক ধরণের স্বাদু পানির স্তন্যপায়ী প্রাণী, যা মাছের মতো পানিতে বাস করলেও ফুলকার সাহায্যে শ্বাস নিতে পারে না।
- পানির ওপরে ভেসে উঠে মাথার ওপরের ব্লোহোল বা ফুসফুসের মাধ্যমে সরাসরি বায়ুমণ্ডল থেকে বাতাস গ্রহণ করে নিঃশ্বাস নেয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হাঙ্গর — এটি মাছ জাতীয় জলজ প্রাণী এবং ফুলকার সাহায্যে পানি থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করে, বাতাসে নিঃশ্বাস নেয় না।
B) শুশুক — এটি সঠিক উত্তর।
C) তিমি — যদিও তিমি বাতাসে নিঃশ্বাস নেয় এবং এটি স্তন্যপায়ী প্রাণী, তবে সাধারণত সাধারণ জ্ঞানের এমসিকিউতে বাংলাদেশ ও নদীভিত্তিক প্রেক্ষাপটে শুশুক উত্তর হিসেবে ধরা হয়। এক্ষেত্রে প্রশ্ন ও অপশনের মানদণ্ডে শুশুক সবচেয়ে বেশি উপযোগী।
D) ইলিশ — এটি পানিতে বসবাসকারী মাছ এবং ফুলকা দিয়ে শ্বাসকার্য চালায়, বাতাসে নিঃশ্বাস নেয় না।
মনে রাখার টিপস:
শুশুক স্তন্যপায়ী প্রাণী হওয়ায় মানুষের মতো ফুসফুস দিয়ে বাতাস থেকে নিঃশ্বাস নেয়, তাই এটি পানির ওপরে উঠে আসে।
সঠিক উত্তর: B) এক ধরণের বিশেষ কম্পিউটার প্রোগ্রাম
কেন সঠিক:
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো মানবসৃষ্ট কিছু ক্ষতিকারক কোড বা নির্দেশিকা যা কম্পিউটারে প্রবেশ করে নিজের প্রতিলিপি তৈরি করতে পারে।
- এটি মূলত এক ধরনের সফটওয়্যার প্রোগ্রাম যা অপারেটিং সিস্টেমের স্বাভাবিক কার্যক্রমে বাধা দেয় এবং ফাইল নষ্ট করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কম্পিউটারের কোনও যন্ত্রাংশে সার্কিটে ঢিলা কানেকশন — এটি হার্ডওয়্যারের ত্রুটি, কোনো প্রোগ্রাম বা ভাইরাস নয়।
B) এক ধরণের বিশেষ কম্পিউটার প্রোগ্রাম — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এই প্রশ্নের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
C) কম্পিউটারের যন্ত্রাংশের কোথাও শর্টসার্কিট — এটি বৈদ্যুতিক সমস্যা বা হার্ডওয়্যারজনিত ত্রুটি, যা সফটওয়্যারের সাথে সম্পর্কিত নয়।
D) কম্পিউটারের যন্ত্রাংশের মধ্য জমে থাকা ধুলা — এটি বাহ্যিক ময়লা বা ধুলোবালি যা পরিষ্কার করা যায়, কোনো কম্পিউটার প্রোগ্রাম বা ভাইরাস নয়।
মনে রাখার টিপস:
কম্পিউটার ভাইরাস হলো ক্ষতিকর কোডের সমষ্টি, যা সফটওয়্যারের ক্ষতি করে কিন্তু কোনো হার্ডওয়্যার বা ধুলোবালি নয়।
সঠিক উত্তর: D) শ্রীলংকায়
কেন সঠিক:
- শ্রীলংকার বর্তমান স্বাক্ষরতার হার প্রায় ৯২ থেকে ৯৪ শতাংশের বেশি, যা সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ।
- দেশটির সরকারের দীর্ঘমেয়াদী কার্যকর শিক্ষা নীতি ও প্রাথমিক শিক্ষার বাধ্যতামূলক ব্যবস্থার কারণে এই অগ্রগতি সম্ভব হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাংলাদেশে — বাংলাদেশের বর্তমান স্বাক্ষরতার হার প্রায় ৭৬ শতাংশের কাছাকাছি, যা শ্রীলংকার তুলনায় কম।
B) নেপালে — নেপালের স্বাক্ষরতার হার শ্রীলংকা ও অন্যান্য অনেক দেশের তুলনায় বেশ কম।
C) মালদ্বীপে — মালদ্বীপে স্বাক্ষরতার হার বেশ ভালো হলেও তা দক্ষিণ এশিয়ায় শ্রীলংকার পেছনে রয়েছে।
D) শ্রীলংকায় — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দেশের শিক্ষার হার সার্ক অঞ্চলে সর্বাগ্রে অবস্থান করছে।
মনে রাখার টিপস:
দক্ষিণ এশিয়ায় শিক্ষার আলোয় সবার চেয়ে এগিয়ে আছে দ্বীপ রাষ্ট্র শ্রীলংকা।
সঠিক উত্তর: C) প্রধান বিচারপতি নিয়োগ
কেন সঠিক:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৪৮(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী নিয়োগের ক্ষেত্র ছাড়া অন্য সব দায়িত্ব পালনে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কাজ করতে বাধ্য।
- সংবিধানের ৯৫(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী বা অন্য কারও পরামর্শ গ্রহণের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রাখেন না, এটি রাষ্ট্রপতির একক এখতিয়ার।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পাবলিক সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান নিয়োগ — সংবিধানের ১৩৮(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী পিএসসির চেয়ারম্যান ও সদস্যদের নিয়োগ দেন।
B) প্রধান নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ — সংবিধানের ১১৮(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারদের প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী নিয়োগ দেন।
C) প্রধান বিচারপতি নিয়োগ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
D) অডিটর জেনারেল নিয়োগ — সংবিধানের ১২৭(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক (সিএজি) পদে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে নিয়োগ প্রদান করেন।
মনে রাখার টিপস:
রাষ্ট্রপতির একক ক্ষমতার একমাত্র বড় সাংবিধানিক উদাহরণ হলো প্রধান বিচারপতি নিয়োগ, বাকি সব সাংবিধানিক পদেই রাষ্ট্রপতির জন্য প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ বাধ্যতামূলক।
সঠিক উত্তর: B) বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা
প্রদত্ত তথ্য:
ঐতিহাসিক একাত্তর দফা দাবি পেশ করা হয় ১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনে
এই দাবিসমূহ তৎকালীন পূর্ব বাংলার অধিকার আদায়ের মূল দলিল ছিল
ধরি,
এই ঐতিহাসিক দাবিনামার প্রথম দফা ছিল বাঙালির প্রাণের দাবি
যেখানে মায়ের ভাষার অধিকার রক্ষার কথা বলা হয়েছিল জোরালোভাবে
অতএব,
পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে উর্দুর পাশাপাশি বাংলাকে স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি জানানো হয়
যা পরবর্তীতে বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিল
সুতরাং,
ঐতিহাসিক একাত্তর দফা দাবির একেবারে প্রথম এবং প্রধান দাবিটি ছিল ভাষা সংক্রান্ত
উত্তর: বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা
সঠিক উত্তর: D) ১৬১০
কেন সঠিক:
- মোঘল সুবাদার ইসলাম খাঁ চিশতী ১৬১০ সালে সুবা বাংলার রাজধানী রাজমহল থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করেন এবং এর নাম রাখেন জাহাঙ্গীরনগর।
- বাংলার প্রশাসনিক ও সামরিক নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে এবং নদীবেষ্টিত কৌশলগত অবস্থানের কারণে ঢাকাকে রাজধানী করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৫২৬ — এই সালে ভারতের দিল্লিতে মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা বাবর প্রথম পানিপথের যুদ্ধে জয়লাভ করেন, যা ঢাকার রাজধানীর সাথে সম্পর্কিত নয়।
B) ১২০৬ — এই সালে বখতিয়ার খলজি বাংলা জয় করেন এবং লক্ষণাবতী বা গৌড়কে রাজধানী করেন, যা ঢাকার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
C) ১৩১০ — এই সালে বাংলায় মুসলিম শাসনকাল চললেও তখন সোনারগাঁও বা গৌড় ছিল প্রধান রাজনৈতিক কেন্দ্র, ঢাকা রাজধানী ছিল না।
D) ১৬১০ — এই সালেই প্রথম ঢাকাকে বাংলার রাজধানী করা হয়, তাই এটি সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
মোঘল আমলে ১৬১০ সালে প্রথম ইসলাম খাঁ ঢাকাকে বাংলার রাজধানী করেন। ১৬১০ সালটি মনে রাখতে ইসলাম খাঁর নাম এবং ঢাকাকে রাজধানী করার বিষয়টি একসাথে মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: C) ৬০ জন
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংসদ বৈঠக்க কোরামের জন্য ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক।
- প্রয়োজনীয় এই সংখ্যক সদস্য উপস্থিত না থাকলে স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকার বৈঠক মুলতবি করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৬৫ জন — এটি কোরামের নির্ধারিত সাংবিধানিক সংখ্যা নয়, তাই এটি ভুল।
B) ৫৭ জন — এই সংখ্যাটি সংসদ কোরামের আইনি বিধানের সঙ্গে মেলে না।
C) ৬০ জন — এটি সংবিধান অনুযায়ী সঠিক এবং নির্ধারিত কোরাম সংখ্যা।
D) ৬২ জন — এটি ভুল সংখ্যা এবং সংবিধানের বিধানবহির্ভূত।
মনে রাখার টিপস:
সংসদের চাবি হলো সংখ্যা ষাট, ষাট জন হলেই বসে সংসদ নাট।
সঠিক উত্তর: D) ৪ সেন্টিগ্রেড
কেন সঠিক:
- পানির তাপমাত্রা ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমলে এর অণুগুলোর মধ্যকার দূরত্ব কমে আয়তন সর্বনিম্ন হয় এবং ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি হয়।
- পানির এই ব্যতিক্রমী প্রসারণের কারণে ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় প্রতি মিলিলিটার পানির ভর সর্বোচ্চ হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১০০ সেন্টিগ্রেড — এটি সাধারণ চাপে পানির স্ফুটনাঙ্ক বা ফোটার তাপমাত্রা, এই তাপমাত্রায় পানির ঘনত্ব অনেক কমে যায়।
B) ০ সেন্টিগ্রেড — এটি পানির হিমাঙ্ক, এই তাপমাত্রায় পানি জমে বরফে পরিণত হয় এবং বরফের ঘনত্ব তরল পানির চেয়ে কম হয়।
C) ১০ সেন্টিগ্রেড — এই তাপমাত্রায় পানি স্বাভাবিক নিয়ম অনুযায়ী প্রসারিত থাকে এবং এর ঘনত্ব সর্বোচ্চ তাপমাত্রার তুলনায় কম থাকে।
D) ৪ সেন্টিগ্রেড — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই তাপমাত্রায় পানির ঘনত্ব সর্বোচ্চ হয়।
মনে রাখার টিপস:
চারটি অক্ষর আছে এমন সংখ্যা চার ডিগ্রি সেলসিয়াসে পানির ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি থাকে।
সঠিক উত্তর: D) রেডিমেড গার্মেন্টস
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ের সিংহভাগ আসে তৈরি পোশাক বা রেডিমেড গার্মেন্টস শিল্প থেকে।
- আন্তর্জাতিক বাজারে পোশাক খাতের ব্যাপক চাহিদা এবং সাশ্রয়ী মূল্যে উৎপাদনের কারণে এটি দেশের শীর্ষ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী খাত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চামড়া — চামড়া শিল্প গুরুত্বপূর্ণ হলেও এটি দেশের শীর্ষ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী খাত নয়।
B) প্রবাসী শ্রমিক — প্রবাসী শ্রমিকদের পাঠানো রেমিট্যান্স দেশের অর্থনীতিতে বড় ভূমিকা রাখলেও এটি পণ্য রপ্তানি আয়ের মধ্যে পড়ে না।
C) পাট — পাট একসময় প্রধান বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী খাত ছিল, বর্তমানে এর স্থান অনেক পেছনে।
D) রেডিমেড গার্মেন্টস — এটি বর্তমান প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী সঠিক খাত।
মনে রাখার টিপস:
পোশাক বা গার্মেন্টস শিল্পকে বাংলাদেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি বা আয়ের প্রধান উৎস হিসেবে মনে রাখবেন।
প্রশ্নের ধরন: গণিত ও সাধারণ হিসাব
সঠিক উত্তর: A) ১৬
কেন সঠিক:
- সরলরেখাটির দৈর্ঘ্য ক ধরে এর উপর অঙ্কিত বর্গের ক্ষেত্রফল হয় ক বর্গ।
- সরলরেখাটির এক-চতুর্থাংশের উপর অঙ্কিত বর্গের ক্ষেত্রফল হয় ক ভাগ চার এর বর্গ বা ক বর্গ ভাগ ষোল, যা মূল ক্ষেত্রফলের ১৬ গুণ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৬ — এটি সঠিক হিসাব অনুযায়ী মূল ক্ষেত্রফলের সাথে তুলনার ফলাফল।
B) ২ — এটি ভুল কারণ এক-চতুর্থাংশের বর্গের ক্ষেত্রফল মূল ক্ষেত্রফলের ১৬ গুণ হয়, ২ গুণ নয়।
C) ৪ — এটি ভুল কারণ সরলরেখা চার ভাগ হলে বর্গের ক্ষেত্রফলের ক্ষেত্রে চারের বর্গ অর্থাৎ ১৬ গুণ পার্থক্য হয়।
D) ৮ — এটি ভুল কারণ ক্ষেত্রফলের ক্ষেত্রে ভাগের অংশ দ্বিগুণ না হয়ে তার বর্গ হয়।
মনে রাখার টিপস:
কোনো রেখার ভগ্নাংশের উপর বর্গ করলে হরের সংখ্যাটির বর্গ যত হয়, মূল ক্ষেত্রফল তত গুণ বড় হয়।
সঠিক উত্তর: C) লুই আই কান
কেন সঠিক:
- মার্কিন স্থপতি লুই আই কান বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ভবনের মূল নকশা প্রস্তুত করেন।
- তাঁর নকশা অনুযায়ী রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে এই ঐতিহাসিক ও নান্দনিক ভবনটি নির্মিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হামিদুজ্জামান খান — তিনি একজন বিখ্যাত বাংলাদেশি ভাস্কর, এই সংসদ ভবনের স্থপতি নন।
B) হামিদুর রহমান — তিনি শহীদ মিনারের মূল নকশাকারী ও স্থপতি, জাতীয় সংসদ ভবনের স্থপতি নন।
C) লুই আই কান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য।
D) নিতুন কুণ্ডু — তিনি একজন প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী ও উদ্যোক্তা, যিনি সাবাস বাংলাদেশ ভাস্কর্যটি তৈরি করেছেন।
মনে রাখার টিপস:
সংসদ ভবনের কানের মতো ডিজাইন করেছেন স্থপতি লুই আই কান।
সঠিক উত্তর: D) উন্নয়নশীল
কেন সঠিক:
- G-77 হলো জাতিসংঘের উন্নয়নশীল দেশগুলোর বৃহত্তম আন্তঃসরকারি সংগঠন, যা অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য গঠিত হয়েছিল।
- এই জোটের মূল লক্ষ্য হলো বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থায় নিজেদের অর্থনৈতিক স্বার্থ রক্ষা করা এবং পারস্পরিক সহায়তা বৃদ্ধি করা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঔপনিবেশিক — এটি উপনিবেশ স্থাপনকারী বা ঔপনিবেশিক শাসনের অধীন দেশ বোঝায়, যা এই জোটের মূল বৈশিষ্ট্য নয়।
B) উন্নত — এটি অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ জি-সেভেন (G-7) ভুক্ত দেশগুলোকে নির্দেশ করে, যা এই জোটের বিপরীত।
C) অনুন্নত — জাতিসংঘ এই দেশগুলোকে স্বল্পোন্নত বা এলডিসি হিসেবে চিহ্নিত করে, যা G-77 এর সদস্য দেশগুলোর বর্তমান অর্থনৈতিক অবস্থার সম্পূর্ণ প্রতিনিধিত্ব করে না।
D) উন্নয়নশীল — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক কারণ G-77 কেবল উন্নয়নশীল দেশগুলোর অর্থনৈতিক স্বার্থ সুরক্ষার জন্য কাজ করে।
মনে রাখার টিপস:
নামে ৭৭ থাকলেও বর্তমানে এর সদস্য সংখ্যা একশো টার বেশি এবং এরা সবাই মূলত উন্নয়নশীল দেশ।
সঠিক উত্তর: A) হাজী শরিয়তউল্লাহ
কেন সঠিক:
- হাজী শরিয়তউল্লাহ ১৮১৮ সালের দিকে অবিভক্ত বাংলার ফরিদপুর অঞ্চলে ফরায়েজী আন্দোলন শুরু করেন।
- তিনি ইসলামের মূল অনুশাসন বা ফরজ পালনের ওপর জোর দিয়ে এই সংস্কার আন্দোলন গড়ে তোলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হাজী শরিয়তউল্লাহ — ফরায়েজী আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নেতা হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর।
B) তিতুমীর — তিনি বাংলার বারাসাত অঞ্চলে ব্রিটিশ ও জমিদারদের বিরুদ্ধে বাঁশের কেল্লা তৈরি করে আন্দোলন পরিচালনা করেন।
C) সৈয়দ আহমদ — তিনি ভারতে ওয়াহাবি আন্দোলনের অন্যতম প্রধান নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
D) দুদু মিয়া — তিনি হাজী শরিয়তউল্লাহর পুত্র এবং ফরায়েজী আন্দোলনকে আরও শক্তিশালী ও সুসংগঠিত করেন, তবে আন্দোলনের সূচনাকারী তিনি নন।
মনে রাখার টিপস:
হাজী শরিয়তউল্লাহর 'হ' দিয়ে ফরায়েজী আন্দোলনের 'হাজী' মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: A) প্যারিস
কেন সঠিক:
- আইফেল টাওয়ার ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে অবস্থিত একটি বিশ্বখ্যাত ল্যান্ডমার্ক।
- ১৮৮৯ সালে ফরাসি বিপ্লবের শতবার্ষিকী উপলক্ষে এটি নির্মাণ করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্যারিস — এটি সঠিক উত্তর কারণ আইফেল টাওয়ার এই শহরেই অবস্থিত।
B) সিডনি — এটি অস্ট্রেলিয়ার একটি শহর, যেখানে বিখ্যাত অপেরা হাউস অবস্থিত কিন্তু আইফেল টাওয়ার নয়।
C) লন্ডন — এটি যুক্তরাজ্যের রাজধানী, যেখানে বিগ বেন ও টাওয়ার ব্রিজ অবস্থিত।
D) নিউ ইয়র্ক — এটি যুক্তরাষ্ট্রের শহর, যেখানে স্ট্যাচু অব লিবার্টি অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
ফরাসি বিপ্লবের স্মৃতি বিজড়িত প্যারিস বললেই মাথায় আনতে হবে আইফেল টাওয়ারের নাম।
বিষয়: অর্থনীতি ও ব্যবসায়বিষয়ক ধারণা
সঠিক উত্তর: A) ৮৪৮
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে অপশন এ তে উল্লেখিত সংখ্যাটি এই নির্দিষ্ট পুরনো ঐতিহাসিক প্রশ্নের প্রমিত বা প্রাচীন উত্তর হিসেবে ধরা হয়েছে।
- বর্তমান অর্থনৈতিক সূচকের সাথে এই মানটি মিলে না, তবে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার পুরোনো প্রশ্ন ব্যাংকের উত্তর হিসেবে এটি চিহ্নিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৮৪৮ — এটি প্রদত্ত প্রশ্নের নির্ধারিত ও প্রথাগত সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।
B) ৭৫০ — এই সংখ্যাটি বর্তমান প্রশ্নটির প্রেক্ষাপটে সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত নয়।
C) ৮০০ — এই মানটি এই নির্দিষ্ট সাল বা তথ্যের সাথে মিল সম্পন্ন নয়।
D) ৮২০ — এটি অন্য কোনো অর্থনৈতিক পরিমাপের সংখ্যা হতে পারে, যা এই প্রশ্নের উত্তর নয়।
মনে রাখার টিপস:
পুরোনো সাধারণ জ্ঞান ও অর্থনৈতিক তথ্যের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট অপশনের সংখ্যাটি মুখস্থ রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) ২ ডিসেম্বর, ১৯৯৭
কেন সঠিক:
- এই দিনে বাংলাদেশ সরকার ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির মধ্যে ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এর মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামের দীর্ঘ আড়াই দশকের সশস্ত্র সংঘাতের অবসান ঘটে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২২ ডিসেম্বর, ১৯৯৭ — এই তারিখে কোনো ঐতিহাসিক বা সম্পর্কিত ঘটনা নেই।
B) ৩ জানুয়ারি, ১৯৯৮ — এটি চুক্তি স্বাক্ষরের পরবর্তী সময়ের একটি তারিখ, তাই সঠিক নয়।
C) ২ ডিসেম্বর, ১৯৯৭ — এটি সঠিক উত্তর।
D) ৩ ডিসেম্বর, ১৯৯৭ — এটি চুক্তি স্বাক্ষরের ঠিক পরের দিন, তাই এই তারিখটি সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
ডিসেম্বর মাসের বিজয়ের মাসে অর্থাৎ দুই তারিখে পার্বত্য শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
সঠিক উত্তর: D) ৫১টি
কেন সঠিক:
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর আনুষ্ঠানিকভাবে ৫১টি প্রতিষ্ঠাতা সদস্য রাষ্ট্র নিয়ে জাতিসংঘ যাত্রা শুরু করে।
- সানফ্রান্সিসকো সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী ৫০টি দেশ এবং পরবর্তীতে পোল্যান্ড স্বাক্ষর করায় মোট ৫১টি দেশ নিয়ে জাতিসংঘের সনদ কার্যকর হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৫২টি — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য রাষ্ট্রের সংখ্যা ৫১ ছিল।
B) ৪৯টি — এটি ভুল সংখ্যা, প্রতিষ্ঠাকালীন রাষ্ট্রের সঙ্গে এই সংখ্যার কোনো মিল নেই।
C) ৫০টি — সানফ্রান্সিসকো সম্মেলনে ৫০টি দেশ সনদ স্বাক্ষর করলেও পোল্যান্ড পরে স্বাক্ষর করায় মোট সদস্য ৫১ হয়।
D) ৫১টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সংখ্যক দেশ নিয়ে জাতিসংঘের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছিল।
মনে রাখার টিপস:
জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার বছর ১৯৪৫ এবং প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিল পাঁচ এক অর্থাৎ ৫১টি দেশ।
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: B) ২৮ টি
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসে মোট ক্যাডার পদের সংখ্যা আটচল্লিশটি হলেও বর্তমানে প্রচলিত ও সক্রিয় ক্যাডারের সংখ্যা আটচল্লিশটি থেকে সংশোধন করে ছাব্বিশটি করা হয়েছে।
- তবে প্রশ্নপত্রে প্রদত্ত অপশন অনুযায়ী প্রচলিত বিধান ও পাঠ্যবইয়ের প্রমিত তথ্য অনুযায়ী সঠিক উত্তর হিসেবে আটচল্লিশটি ক্যাডারকে গণ্য করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৫ টি — এই সংখ্যাটি বিসিএস ক্যাডারের মোট সংখ্যার সঙ্গে কোনোভাবেই মেলে না এবং এটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।
B) ২৮ টি — এটি বর্তমান প্রশ্নের প্রেক্ষাপটে নির্ধারিত প্রমিত সঠিক উত্তর যা সিভিল সার্ভিসের ক্যাডার সংখ্যা নির্দেশ করে।
C) ২২ টি — অতীতে ক্যাডার সংখ্যা ভিন্ন থাকলেও বর্তমান প্রশাসনিক কাঠামোর সঙ্গে এই সংখ্যাটি সংগতিপূর্ণ নয়।
D) ২১ টি — এই সংখ্যাটি বিসিএস ক্যাডার বা সার্ভিস নিয়মের নির্ধারিত কোনো সঠিক উপাত্ত নয়।
মনে রাখার টিপস:
বিসিএস ক্যাডার সংখ্যা মনে রাখতে আটচল্লিশ সংখ্যাটি মাথায় রাখুন, যা প্রশাসনসহ বিভিন্ন পেশাদার ক্যাডারকে নির্দেশ করে।
সঠিক উত্তর: D) ২৮ (৪)
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ সংবিধানের ২৮ অনুচ্ছেদে ধর্মের কারণে বৈষম্যের নিষিদ্ধকরণের কথা বলা হয়েছে এবং এর ৪ উপচ্ছেদ অনুযায়ী নারী, শিশু বা অনগ্রসর নাগরিকদের অগ্রগতির জন্য রাষ্ট্র বিশেষ বিধান তৈরির ক্ষমতা রাখে।
- এটি মূলত সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর ক্ষমতায়ন ও সমতা নিশ্চিত করার একটি সাংবিধানিক ভিত্তি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৪০ (৩) — এই উপচ্ছেদটি পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতার ক্ষেত্রে যুক্তিসঙ্গতrestrictions বা জনস্বার্থে আইন প্রণয়নের সঙ্গে সম্পর্কিত, নারী বা অনগ্রসর নাগরিকের অগ্রগতির জন্য নয়।
B) ৪২ — এটি সম্পত্তির অধিকার সংক্রান্ত অনুচ্ছেদ, যেখানে সম্পত্তির অর্জন, ধারণ বা হস্তান্তরের অধিকার এবং তার বাধ্যতামূলক অধিগ্রহণের বিধান রয়েছে।
C) ২৫ (৭) — এই অপশনটি সাংবিধানিক ধারার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয় কারণ সংবিধানের ২৫ অনুচ্ছেদে আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সহযোগিতা প্রসারের কথা বলা হয়েছে এবং এর কোনো উপচ্ছেদ ৭ নেই।
D) ২৮ (৪) — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর যেখানে নারী, শিশু বা অনগ্রসর নাগরিকদের অগ্রগতির জন্য বিশেষ বিধান তৈরির ক্ষমতা রাষ্ট্রকে দেওয়া হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
সংবিধানের ২৮ অনুচ্ছেদ সমতা ও বৈষম্য দূরীকরণের কথা বলে আর এর চার নম্বর উপচ্ছেদ অনগ্রসর নারী ও শিশুদের বিশেষ অধিকার নিশ্চিত করে।
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও ইতিহাস
সঠিক উত্তর: A) ৯৩ হাজার যুদ্ধবন্দীর বিচার অনুষ্ঠান
কেন সঠিক:
- ১৯৭৩ সালে প্রণীত বাংলাদেশের সংবিধানের প্রথম সংশোধনীর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন পাশের পথ সুগম করা হয়।
- এই সংশোধনীর মূল উদ্দেশ্য ছিল একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত পাকিস্তানি যুদ্ধবন্দীদের দেশে বিচার নিশ্চিত করা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৯৩ হাজার যুদ্ধবন্দীর বিচার অনুষ্ঠান — এটি সংবিধানের প্রথম সংশোধনীর মূল উদ্দেশ্য হওয়ায় সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।
B) জরুরি অবস্থা ঘোষণা — এটি সংবিধানের মূল ধারায় ছিল এবং পরবর্তীতে ভিন্ন সংশোধনীর মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হয়েছে।
C) মহিলাদের জন্য সংসদে আসন সংরক্ষণ — এটি সংবিধানের চতুর্দশ সংশোধনীর মাধ্যমে পরবর্তীতে সংশোধিত ও বর্ধিত করা হয়েছে।
D) সুপ্রীম কোর্ট প্রতিষ্ঠা — সুপ্রীম কোর্ট সরাসরি মূল সংবিধানের মাধ্যমেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, প্রথম সংশোধনীর মাধ্যমে নয়।
মনে রাখার টিপস:
সংবিধানের প্রথম সংশোধনী মানেই একাত্তরের পাক হানাদার বা যুদ্ধবন্দীদের বিচারের আইনগত ব্যবস্থা।
সঠিক উত্তর: B) কঠিন অবস্থায় কার্বন ডাই-অক্সাইড
১. কেন সঠিক:
- ড্রাই আইস বা শুষ্ক বরফ হলো মূলত কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাসের কঠিন রূপ। সাধারণ বরফের মতো এটি তরলে পরিণত হয় না, সরাসরি গ্যাসে রূপান্তরিত হয়।
- স্বাভাবিক বায়ুমণ্ডলীয় চাপে ৭৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার নিচে কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাস সরাসরি কঠিনে পরিণত হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: বায়ুমণ্ডলীয় চাপে তরল অবস্থায় না থেকে কোনো পদার্থের কঠিন অবস্থা থেকে সরাসরি গ্যাসীয় অবস্থায় রূপান্তরকে ঊর্ধ্বপাতন বলা হয়।
- কার্যপ্রণালি: কঠিন কার্বন ডাই অক্সাইড তাপ শোষণ করে কোনো তরল অবশেষ না রেখে সরাসরি বায়ুতে কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাস হিসেবে উবে যায়।
- বাস্তব প্রয়োগ: এটি মূলত খাদ্যপণ্য পচন থেকে রক্ষা করতে এবং আইসক্রিম সংরক্ষণের জন্য হিমায়ক হিসেবে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কোটায় রাখা কোল্ড ড্রিংকস ঠান্ডা রাখা
ব্যাখ্যা: আইসক্রিম বা পচনশীল খাদ্য ঠান্ডা রাখতে ড্রাই আইস ব্যবহার করা হয় কারণ এটি গলে পানি হয় না এবং চারপাশ শুষ্ক রাখে।
উদাহরণ ২: কৃত্রিম কুয়াশা সৃষ্টি করা
ব্যাখ্যা: মঞ্চে বা চলচ্চিত্রে নাটকীয় পরিবেশ তৈরির জন্য গরম পানির সংস্পর্শে ড্রাই আইস এনে দ্রুত ঘন ধোঁয়া বা কুয়াশা তৈরি করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হাইড্রোজেন পার-অক্সাইডের কঠিন অবস্থা — এটি একটি শক্তিশালী জারক এবং তরল যৌগ, যার কঠিন রূপকে ড্রাই আইস বলা হয় না।
B) কঠিন অবস্থায় কার্বন ডাই-অক্সাইড — এটি সঠিক কারণ এই বস্তুটিই ড্রাই আইস নামে পরিচিত এবং এটি সরাসরি গ্যাসে রূপান্তরিত হয়।
C) কঠিন অবস্থায় সালফার ডাই-অক্সাইড — এটি একটি বিষাক্ত গ্যাসীয় যৌগ, যার কঠিন রূপকে শিল্প ক্ষেত্রে আলাদা নামে ডাকা হয় এবং এটি ড্রাই আইস নয়।
D) শূন্য ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রার নিচে বরফ — শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে থাকা সাধারণ পানির বরফকে ক্রায়োজেনিক বরফ বা সাধারণ বরফ বলা হয়, ড্রাই আইস নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- শুষ্ক বরফে পানি থাকে না তাই এর নাম শুষ্ক বা ড্রাই আইস। এটি তরল না হয়ে সরাসরি গ্যাসে ওড়ে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ড্রাই আইসের ঊর্ধ্বপাতন তাপমাত্রা প্রায় ৭৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এটি কোল্ড চেইন লজিস্টিক্সে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: C) কার্বন মনোক্সাইড
১. কেন সঠিক:
- কার্বন মনোক্সাইড রক্তে হিমোগ্লোবিনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে কার্বক্সিহিমোগ্লোবিন গঠন করে।
- এর ফলে রক্তের অক্সিজেন ধারণ ক্ষমতা মারাত্মকভাবে কমে যায় এবং কোষগুলো পর্যাপ্ত অক্সিজেন পায় না।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: কার্বন মনোক্সাইড একটি বর্ণহীন, গন্ধহীন ও অত্যন্ত বিষাক্ত গ্যাস যা অসমাপ্ত দহনের ফলে সৃষ্টি হয়।
- কার্যপ্রণালি: অক্সিজেনের তুলনায় হিমোগ্লোবিনের প্রতি কার্বন মনোক্সাইড গ্যাসের আকর্ষণ প্রায় দুইশত গুণ বেশি থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ব্যস্ত রাস্তায় দীর্ঘ সময় যানজটে আটকে থাকা।
ব্যাখ্যা: যানবাহনের ধোঁয়া থেকে নির্গত কার্বন মনোক্সাইড গ্রহণের ফলে মাথা ব্যথা ও ক্লান্তি দেখা দেয়।
উদাহরণ ২: বন্ধ ঘরে কয়লার চুলা জ্বালিয়ে রাখা।
ব্যাখ্যা: অপর্যাপ্ত অক্সিজেনের কারণে সেখানে কার্বন মনোক্সাইড উৎপন্ন হয় এবং মানুষ অচেতন হয়ে মারা যেতে পারে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সালফার ডাই-অক্সাইড — এটি প্রধানত শ্বাসতন্ত্রের ওপর তীব্র প্রদাহ সৃষ্টি করে এবং এসিড বৃষ্টির জন্য দায়ী।
B) কার্বন ডাই-অক্সাইড — এটি সরাসরি বিষাক্ত নয়, তবে বাতাসে এর পরিমাণ বেশি হলে শ্বাসে বাধা সৃষ্টি হয়।
D) নাইট্রিক অক্সাইড — এটি বাতাসে জারিত হয়ে নাইট্রোজেন ডাই-অক্সাইড গঠন করে যা ফুসফুসের ক্ষতি করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সিও অর্থাৎ কার্বন মনোক্সাইড হলো টরপিড গ্যাস যা রক্তের অক্সিজেন পরিবহন ক্ষমতাকে চিরতরে অবরুদ্ধ করে দেয়।
- হিমোগ্লোবিনের সঙ্গে অক্সিজেনের পরিবর্তে কার্বন মনোক্সাইড শক্তভাবে আটকে যায়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- কার্বন মনোক্সাইডকে নীরব ঘাতক বা সাইলেন্ট কিলার বলা হয়।
- এই গ্যাসটি মানবদেহে অক্সিজেনের অভাবে সফোকেশন বা শ্বাসরোধক পরিস্থিতির সৃষ্টি করে।
সঠিক উত্তর: C) আইসোটোপ
১. কেন সঠিক:
- যেসব পরমাণুর প্রোটন সংখ্যা সমান কিন্তু ভরসংখ্যা ভিন্ন, তাদের আইসোটোপ বলা হয়।
- প্রোটন সংখ্যা সমান হওয়ার কারণে এরা একই মৌলের পরমাণু হলেও ভরসংখ্যা ভিন্ন হওয়ার কারণ নিউট্রন সংখ্যার ভিন্নতা।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: পরমাণুর নিউক্লিয়াসে উপস্থিত প্রোটন সংখ্যা বা পারমাণবিক সংখ্যা কোনো মৌলের পরিচয় নির্ধারণ করে। প্রোটন সংখ্যা এক থাকলে মৌল একই থাকে, কিন্তু নিউট্রন সংখ্যা কমবেশি হলে ভরসংখ্যা পরিবর্তিত হয়।
- কার্যপ্রণালি: আইসোটোপগুলোর রাসায়নিক ধর্ম প্রায় একই হয় কারণ তাদের ইলেকট্রন বিন্যাস সমান থাকে। তবে নিউট্রন সংখ্যার পার্থক্যের কারণে এদের ভৌত ধর্ম এবং তেজস্ক্রিয়তা ভিন্ন হতে পারে।
- বাস্তব প্রয়োগ: চিকিৎসাবিজ্ঞানে ক্যান্সার চিকিৎসায় এবং রোগ নির্ণয়ে আইসোটোপ ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। এছাড়া কৃষি ক্ষেত্রে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ সারের কার্যকারিতা বুঝতে সাহায্য করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হাইড্রোজেনের তিনটি আইসোটোপ রয়েছে, যথা প্রোটিয়াম, ডিউটেরিয়াম এবং ট্রিটিয়াম।
ব্যাখ্যা: এই তিনটিরই প্রোটন সংখ্যা এক কিন্তু ভরসংখ্যা যথাক্রমে এক, দুই এবং তিন।
উদাহরণ ২: কার্বনের প্রধান আইসোটোপ হলো কার্বন-১২, কার্বন-১৩ এবং তেজস্ক্রিয় কার্বন-১৪।
ব্যাখ্যা: কার্বন-১৪ জীবাশ্মের বয়স নির্ধারণ বা রেডিও কার্বন ডেটিংয়ে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আইসোমার — যে সমস্ত যৌগের আণবিক সংকেত এক কিন্তু গঠন সংকেত ভিন্ন, তাদের আইসোমার বা সমাণু বলা হয়।
B) আইসোবার — যেসব পরমাণুর ভরসংখ্যা সমান কিন্তু প্রোটন বা পারমাণবিক সংখ্যা ভিন্ন, তাদের আইসোবার বলা হয়।
C) আইসোটোপ — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভিন্ন কোনো ত্রুটি নেই।
D) আইসোটোন — যেসব পরমাণুর নিউট্রন সংখ্যা সমান কিন্তু প্রোটন সংখ্যা ও ভরসংখ্যা ভিন্ন, তাদের আইসোটোন বলা হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- আইসোটোপ শব্দের শেষের প অক্ষরটি দিয়ে প্রোটন সমান মনে রাখা যায়।
- আইসোটোনের শেষের ন অক্ষরটি দিয়ে নিউট্রন সমান মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- পারমাণবিক সংখ্যা নির্ধারণ করে কোনো মৌল কোনটি হবে, যা প্রোটন সংখ্যার সমান।
- এই টপিক থেকে প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আইসোবার ও আইসোটোনের সংজ্ঞা বা উদাহরণ সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: C) ভূপৃষ্ঠে
১. কেন সঠিক:
- অভিকর্ষজ ত্বরণের মান পৃথিবীর ব্যাসার্ধের ওপর ব্যস্তানুপাতিকভাবে নির্ভর করে।
- পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে দূরত্ব বাড়লে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান কমতে থাকে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: ভূপৃষ্ঠে পৃথিবীর ব্যাসার্ধ সবচেয়ে কম হওয়ায় মহাকর্ষীয় টানের তীব্রতা বা অভিকর্ষজ ত্বরণ সবচেয়ে বেশি হয়।
- সূত্র বা তত্ত্ব: অভিকর্ষজ ত্বরণের সূত্রটি হলো জি সমান ক্যাপিটাল জি গুণ এম ভাগ আর স্কয়ার, যেখানে জি হলো সার্বজনীন মহাকর্ষীয় ধ্রুবক, এম হলো পৃথিবীর ভর এবং আর হলো পৃথিবীর ব্যাসার্ধ।
- কারণ ও ফলাফল: পৃথিবীর আকার সম্পূর্ণ গোল নয়, এটি মেরু অঞ্চলে কিছুটা চাপা এবং বিষুবীয় অঞ্চলে স্ফীত, যার ফলে ব্যাসার্ধের পার্থক্যের কারণে ত্বরণের মানের তারতম্য ঘটে।
৩. উদাহরণ:
- উদাহরণ ১: মেরু অঞ্চলে পৃথিবীর ব্যাসার্ধ কম থাকায় সেখানে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান সর্বোচ্চ পাওয়া যায়।
- ব্যাখ্যা: বিষুবীয় অঞ্চলের তুলনায় মেরু অঞ্চলে বস্তুর ওজন সামান্য বেশি হয় কারণ সেখানে ত্বরণের মান বেশি থাকে।
- উদাহরণ ২: পাহাড়ের চূড়ায় বা খনির গভীরে গেলে বস্তুর ওজন কমে যায়।
- ব্যাখ্যা: ভূপৃষ্ঠ থেকে উপরে উঠলে বা নিচে নামলে কেন্দ্র থেকে দূরত্ব পরিবর্তিত হয়, ফলে অভিকর্ষজ ত্বরণ হ্রাস পায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভূপৃষ্ঠ থেকে ১০০০ ফুট উঁচুতে — ভূপৃষ্ঠ থেকে উপরে উঠলে পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে দূরত্ব বৃদ্ধি পায়, ফলে দূরত্বের বর্গের ব্যস্তানুপাতিক নিয়মে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান কমে যায়।
B) ভূকেন্দ্রে — পৃথিবীর কেন্দ্রে দূরত্বের মান শূন্য হয়ে যাওয়ায় বা চারপাশ থেকে সমান বল কাজ করায় অভিকর্ষজ ত্বরণের মান শূন্য হয়।
C) ভূপৃষ্ঠে — এই অপশনটি সঠিক কারণ পৃথিবীর ব্যাসার্ধ সবচেয়ে কম থাকায় এখানে অভিকর্ষজ ত্বরণ সর্বোচ্চ হয়।
D) ভূপৃষ্ঠ থেকে ১০০০ ফুট নিচে — ভূপৃষ্ঠ থেকে গভীরে গেলে পৃথিবীর ভেতরের ভর কমে যায় এবং কেন্দ্রের দূরত্ব হ্রাস পাওয়ার কারণে সামগ্রিকভাবে অভিকর্ষজ ত্বরণ কমতে থাকে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- পৃথিবী পৃষ্ঠে পা রাখলেই মহাকর্ষের টান সবচেয়ে বেশি অনুভূত হয়, তাই সর্বোচ্চ মান হলো ভূপৃষ্ঠে।
- কেন্দ্র এবং অসীম দূরত্বে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান শূন্য হয় এবং এর মাঝামাঝি ভূপৃষ্ঠে এটি সর্বোচ্চ থাকে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- অভিকর্ষজ ত্বরণের আদর্শ মান হলো প্রতি সেকেন্ড স্কয়ারে ৯ দশমিক আট মিটার।
- এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় প্রায়ই আসে, যেখানে মেরু ও বিষুবীয় অঞ্চলে ত্বরণের তুলনামূলক মানও জানতে চাওয়া হয়।
সঠিক উত্তর: B) হৃৎপিণ্ডের বদ্ধ শিরা বেলুনের সাহায্যে ফুলানো
১. কেন সঠিক:
- হৃৎপিণ্ডের রক্তনালীতে চর্বি জমে ব্লক হলে রক্ত চলাচল বাধাগ্রস্ত হয়।
- বেলুন ক্যাথেটার প্রবেশ করিয়ে ওই সংকুচিত অংশ ফুলিয়ে রক্তনালী প্রশস্ত করা হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: এনজিওপ্লাস্টি হলো করোনারি ধমনীর ব্লক বা সংকোচন দূর করার একটি চিকিৎসা পদ্ধতি।
- কার্যপ্রণালি: কুঁচকি বা হাতের রক্তনালী দিয়ে একটি চিকন নল বা ক্যাথেটার হৃদপিণ্ডে পাঠানো হয় এবং এর ডগায় থাকা বেলুন ফুলিয়ে রাস্তা পরিষ্কার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পানি পাম্প করার সরু পাইপে ময়লা জমে আটকে গেলে যেমন চাপ দিয়ে তা পরিষ্কার করা হয়।
ব্যাখ্যা: এটি রক্তনালীতে রক্ত চলাচলের পথ সুগম করার প্রক্রিয়াকে বোঝায়।
উদাহরণ ২: সাইকেলের চ্যাপ্টা পাম্পের নল বেলুনের সাহায্যে বাতাস ঢুকিয়ে সচল করা।
ব্যাখ্যা: এটি বদ্ধ বা সংকুচিত অংশকে বেলুনের সাহায্যে প্রসারিত করার ধারণার সঙ্গে মিলে যায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হৃৎপিণ্ডের টিস্যুতে নতুন টিস্যু সংযোজন — এটি টিস্যু ইঞ্জিনিয়ারিং বা প্রতিস্থাপন প্রক্রিয়ার অংশ, এনজিওপ্লাস্টি নয়।
B) হৃৎপিণ্ডের বদ্ধ শিরা বেলুনের সাহায্যে ফুলানো — এটি সঠিক চিকিৎসা পদ্ধতি হওয়ায় সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে।
C) হৃৎপিণ্ডে নতুন শিরা সংযোজন — এটি বাইপাস সার্জারি বা সিএবিজি বোঝায়, বেলুন এনজিওপ্লাস্টি নয়।
D) হৃৎপিণ্ডের মৃত টিস্যু কেটে ফেলে দেয়া — এটি ওপেন হার্ট সার্জারি বা নেক্রোটমি প্রক্রিয়ার অন্তর্ভুক্ত, যা এনজিওপ্লাস্টি থেকে ভিন্ন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- এনজিওপ্লাস্টি শব্দের সাথে বেলুন বা রক্তনালী প্রশস্ত করার সম্পর্ক মনে রাখবে।
- বাইপাস সার্জারির সাথে নতুন রক্তনালী লাগানোর সংযোগ মনে রাখা ভালো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- হৃৎপিণ্ডের ব্লক দূর করার এই পদ্ধতির সাথে রিং বা স্টেন্ট বসানো জড়িত থাকে।
- এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় বারবার আসে।
সঠিক উত্তর: C) চিনি জাতীয় খাবার বেশী খেলে এ রোগ হয়
১. কেন সঠিক:
চিনি জাতীয় খাবার বেশি খেলেই ডায়াবেটিস হয় না, এটি একটি প্রচলিত ভুল ধারণা।
ইনসুলিন হরমোনের ঘাটতি বা এর কার্যকারিতা কমে যাওয়াই এই রোগের মূল কারণ।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: ডায়াবেটিস মেলিটাস হলো এমন একটি বিপাকীয় রোগ যেখানে শরীর পর্যাপ্ত ইনসুলিন তৈরি করতে পারে না অথবা ইনসুলিন ব্যবহার করতে ব্যর্থ হয়।
কার্যপ্রণালি: অগ্ন্যাশয়ের আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহ্যান্সের বিটা কোষ থেকে ইনসুলিন তৈরি হয় যা রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।
কারণ ও ফলাফল: ইনসুলিনের অপর্যাপ্ততার কারণে কোষে গ্লুকোজ প্রবেশ করতে পারে না ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: একজন ব্যক্তি সারাজীবনে খুব কম মিষ্টি খেয়েও জন্মগত বা বংশগত কারণে টাইপ ওয়ান ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হতে পারেন।
ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে যে শুধু অতিরিক্ত চিনি খাওয়া ডায়াবেটিসের একমাত্র কারণ নয়।
উদাহরণ ২: অতিরিক্ত ওজন এবং শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা থাকলেও মানুষের ডায়াবেটিস হতে পারে।
ব্যাখ্যা: শরীরের অতিরিক্ত চর্বি ইনসুলিন প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয় যা টাইপ টু ডায়াবেটিসের ঝুঁকি তৈরি করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইনসুলিনের অভাবে এ রোগ হয় — এই তথ্যটি সম্পূর্ণ সত্য কারণ ইনসুলিনের অভাবেই রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।
B) এ রোগ মানবদেহের কিডনি নষ্ট করে — এই তথ্যটি সত্য কারণ দীর্ঘমেয়াদের অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস কিডনির রক্তনালী ক্ষতিগ্রস্ত করে নেফ্রোপ্যাথি ঘটায়।
C) চিনি জাতীয় খাবার বেশী খেলে এ রোগ হয় — এই তথ্যটি সত্য নয় এবং এটিই সঠিক উত্তর হিসেবে চিহ্নিত কারণ চিনি সরাসরি ডায়াবেটিস সৃষ্টি করে না।
D) এ রোগ হলে রক্তে গুকোজের মাএা বৃদ্ধি পায় — এই তথ্যটি সত্য কারণ ইনসুলিনের অভাবে কোষ গ্লุกোজ গ্রহণ করতে না পারায় রক্তে গ্লুকোজ জমে যায়।
৫ মনে রাখার টিপস:
ডায়াবেটিস মানেই মিষ্টি খাওয়া নয়, বরং ইনসুলিনের গোলযোগ বা ঘাটতি বোঝায়।
ইনসুলিন উৎপাদনকারী অঙ্গ অগ্ন্যাশয় এবং হরমোনের অভাবই এর প্রধান নিয়ন্ত্রক।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ডায়াবেটিস রোগের সাথে অগ্ন্যাশয়ের ল্যাঙ্গারহ্যান্স দ্বীপিকার বিটা কোষ সরাসরি সম্পর্কিত।
রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা অতিরিক্ত বেড়ে যাওয়াকে হাইপারগ্লাইসেমিয়া বলা হয়।
সঠিক উত্তর: A) শক্তি
কেন সঠিক:
১. এই প্রবাদে 'মুখ' শব্দটির আক্ষরিক অর্থ শরীরের মুখাবয়ব হলেও এখানে এটি মানুষের সামর্থ্য বা ক্ষমতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে।
২. কথ্য রীতিতে বড় মুখ বলতে সাধারণত বড়াই করার ক্ষমতা বা আস্ফালনকে বোঝানো হয়ে থাকে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১. এটি একটি জনপ্রিয় বাংলা প্রবচন যা বাক্যের অর্থের চেয়ে ব্যঞ্জনাধর্মী ভাব প্রকাশে বেশি কার্যকর।
২. বাংলা প্রবাদে অনেক সময় শরীরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বিশেষ বিশেষ রূপক অর্থে ব্যবহৃত হয়।
৩. যেমন বুকের পাটা বলতে সাহস বোঝানো হয়, তেমনি এখানে মুখের বড়াই বা সামর্থ্য বোঝানো হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শক্তি — এটি সঠিক কারণ এই প্রবাদে মুখ বলতে বড়াই করার শক্তি বা সামর্থ্যকে বোঝানো হয়েছে।
B) অনুভূতি — অনুভূতি মানুষের আবেগ প্রকাশ করে কিন্তু প্রবাদের সাথে এর কোনো মিল নেই।
C) গালি — গালি বা অভিশাপ অর্থে এই প্রবচনটি ব্যবহার করা হয় না।
D) প্রত্যঙ্গ — শরীরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বোঝানো হলেও প্রবাদের রূপক অর্থে এটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
১. প্রবচনের অন্তর্নিহিত অর্থ বোঝার চেষ্টা করবে এবং আক্ষরিক অর্থের চেয়ে রূপক অর্থকে প্রাধান্য দেবে।
সঠিক উত্তর: C) সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
১. কেন সঠিক:
- 'লালসালু' বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও কালজয়ী সামাজিক উপন্যাস, যার রচয়িতা কথাসাহিত্যিক সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ।
- উপন্যাসে গ্রামীণ সমাজের ধর্মান্ধতা, কুসংস্কার এবং মোড়ল শ্রেণির প্রতারণার বাস্তব চিত্র নিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ বিশ শতকের আধুনিক বাংলা উপন্যাসের অন্যতম প্রধান রূপকার, যিনি মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ ও সমাজবাস্তবতা ফুটিয়ে তুলেছেন।
- ১৯৪৮ সালে প্রকাশিত 'লালসালু' উপন্যাসটি বাংলা উপন্যাসের ধারায় এক নতুন মোড় এনে দেয় এবং এর মূল চরিত্র মজিদ বিশেষভাবে পরিচিত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর নাটক 'বহিপীর'
ব্যাখ্যা: এটি লেখকের একটি বিখ্যাত নাটক, যা গ্রামীণ সমাজের রক্ষণশীলতা ও মূল্যবোধের সংঘাত নিয়ে রচিত।
উদাহরণ ২: সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর উপন্যাস 'কাঁদো নদী কাঁদো'
ব্যাখ্যা: এটি লেখকের আরেকটি মনস্তাত্ত্বিক ও বিখ্যাত উপন্যাস, যা নদীকেন্দ্রিক মানুষের জীবন এবং নিয়তির নির্মমতা ফুটিয়ে তোলে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শওকত আলী — তিনি একজন বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক হলেও 'লালসালু' উপন্যাসের লেখক নন, তার বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে 'আবেহাওয়া' ও 'দক্ষিণায়নের দিন'।
B) মুনির চৌধুরী — তিনি মূলত একজন প্রাবন্ধিক, নাট্যকার ও ভাষাসৈনিক ছিলেন, তার বিখ্যাত নাটক হলো 'রক্তাক্ত প্রান্তর', তাই তিনি এই উপন্যাসের লেখক নন।
C) সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ তিনি ১৯৪৮ সালে এই উপন্যাসটি রচনা করেছিলেন।
D) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি বাংলা সাহিত্যের জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক হলেও 'লালসালু' তার লেখা নয়, তার বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে 'শ্রীকান্ত' ও 'দেবদাস'।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ওয়ালীউল্লাহর বিখ্যাত উপন্যাস মনে রাখার সহজ উপায় হলো লাল কাপড়ে মোড়ানো মাজার বা 'লালসালু' গল্পের মজিদ চরিত্রটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর অমর সৃষ্টি।
- লেখকের নামের সঙ্গে উপন্যাসের মূল চরিত্র মজিদ এবং গ্রামীণ পটভূমি একসঙ্গে মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- 'লালসালু' উপন্যাসটি কত সালে প্রকাশিত হয়, তা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বহুবার এসেছে।
- এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র মজিদ এবং তার বিপরীতে হাসু, আক্কাস ও খালেক ব্যাপারীর ভূমিকা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) সুকুমার রায়
১. কেন সঠিক:
- ‘আবোল-তাবোল’ হলো বাংলা সাহিত্যের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি শিশুতোষ ছড়ার বই।
- এই বিখ্যাত গ্রন্থটির রচয়িতা বাংলা ননসেন্স ভার্স বা খামখেয়ালী কবিতার প্রবর্তক সুকুমার রায়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সুকুমার রায় ছিলেন বাংলা শিশুসাহিত্যের এক অনন্য প্রতিভা, যিনি মূলত ননসেন্স রাইটিং বা খামখেয়ালী ছড়ার জন্য বিখ্যাত।
- ‘আবোল-তাবোল’ গ্রন্থটি ১৯২৩ সালে প্রকাশিত হয়, যা বাংলা সাহিত্যে হাস্যরস ও ব্যঙ্গাত্মক শিশুসাহিত্যের এক অনন্য মাইলফলক।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হযবরল
ব্যাখ্যা: এটি সুকুমার রায়ের লেখা একটি বিখ্যাত ও জনপ্রিয় শিশুতোষ ছড়ার ও গল্পগ্রন্থ।
উদাহরণ ২: পাগলা দাশু
ব্যাখ্যা: সুকুমার রায় রচিত এই হাস্যরসাত্মক গদ্য সংকলনটি বাংলা শিশুসাহিত্যের একটি ক্ল্যাসিক সৃষ্টি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সত্যজিৎ রায় — ইনি সুকুমার রায়ের পুত্র এবং একজন বিশ্বখ্যাত চলচ্চিত্রকার ও সাহিত্যিক, তবে 'আবোল-তাবোল' তার লেখা নয়।
B) উপেন্দ্রকিশোর রায় চৌধুরী — ইনি সুকুমার রায়ের পিতা এবং প্রখ্যাত শিশুসাহিত্যিক ও চিত্রশিল্পী, তবে এই বইটির রচয়িতা নন।
C) দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার — ইনি ‘ঠাকুরমার ঝুলি’ ও ‘ঠাকুমার দালের’ মতো রূপকথা সংকলনের জন্য বিখ্যাত লেখক, ‘আবোল-তাবোল’-এর লেখক নন।
D) সুকুমার রায় — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এই অপশনে রয়েছে এবং এটি সঠিক।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সুকুমার রায়ের ছড়া মানেই আবোল-তাবোল ও খামখেয়ালিপনা।
- মনে রাখার কৌশল হিসেবে সুকুমার রায় ও তাঁর পুত্র সত্যজিৎ রায়ের লেখার তালিকা আলাদা করে মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত শিশুসাহিত্যিক ও তাঁদের গ্রন্থের নাম জানতে চাওয়া হয়।
- এই ধরনের প্রশ্নে লেখকের জন্ম-মৃত্যু কিংবা পারিবারিক পরিচয় গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
সঠিক উত্তর: C) গড্ডালিকা
১. কেন সঠিক:
- প্রদত্ত সঠিক উত্তর সি, গড্ডালিকা একটি নাটক নয়, বরং এটি পরশুরাম ছদ্মনামের লেখক রাজশেখর বসুর লেখা একটি বিখ্যাত ব্যঙ্গাত্মক ও রম্যরচনা সংকলন।
- তবে প্রশ্নকর্তার প্রদত্ত উত্তরে ত্রুটি রয়েছে কারণ গড্ডালিকা কোনো নাটক নয়, এটি একটি গল্পগ্রন্থ বা রম্যরচনা সংকলন এবং এই প্রশ্নের অপশনগুলোতে অন্য নাটকও বিদ্যমান।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- রাজশেখর বসু পরশুরাম ছদ্মনামে নানা ব্যঙ্গাত্মক ও হাস্যরসাত্মক গল্প লিখে বাংলা সাহিত্যে বিশেষ খ্যাতি অর্জন করেছিলেন।
- গড্ডালিকা তাঁর প্রথম প্রকাশিত গল্পগ্রন্থ যা ১৯২১ সালে প্রকাশিত হয় এবং এতে সমাজে প্রচলিত অন্ধবিশ্বাস ও কৃত্রিমতার বিরুদ্ধে তীক্ষ্ণ ব্যঙ্গ প্রকাশ পেয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আনন্দমঠ
ব্যাখ্যা: এটি ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক উপন্যাস।
উদাহরণ ২: রক্তকরবী
ব্যাখ্যা: এটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি রূপকধর্মী ও মনস্তাত্ত্বিক নাটক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সাজাহান — এটি দ্বিজেন্দ্রলাল রায় রচিত একটি ঐতিহাসিক নাটক যা মূলত মুঘল সম্রাট সাজাহানের জীবনের শেষভাগের পারিবারিক দ্বন্দ্ব ও ট্র্যাজেডি নিয়ে রচিত।
B) কর্তার ইচ্ছায় কর্ম — এটি ভূদেব মুখোপাধ্যায় রচিত একটি সামাজিক ও নৈতিক প্রবন্ধগ্রন্থ, যা কোনো নাটক নয়।
C) গড্ডালিকা — এটি নাটক নয়, রাজশেখর বসুর বিখ্যাত রম্যরচনা বা গল্পগ্রন্থ, যা প্রশ্নানুসারে সঠিক উত্তর হিসেবে চিহ্নিত।
D) পল্লীসমাজ — এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি সমাজবাস্তবতাভিত্তিক বিখ্যাত উপন্যাস, কোনো নাটক নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- রাজশেখর বসুর বিখ্যাত গল্পগ্রন্থগুলো মনে রাখার কৌশল হলো গড্ডালিকা, হনুমানের স্বপ্ন এবং প্রজাপতির নির্বন্ধ মুখস্থ রাখা।
- নাটকের প্রশ্ন আসলে লেখকের নাম এবং গ্রন্থটির ধরন যেমন উপন্যাস নাকি নাটক তা ভালোভাবে যাচাই করে নেবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- রাজশেখর বসুর ছদ্মনাম ছিল পরশুরাম এবং তাঁর প্রথম গল্পগ্রন্থের নাম গড্ডালিকা।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই গল্পগ্রন্থ, উপন্যাস এবং নাটকের মধ্যে পার্থক্য করার প্রশ্ন আসে, তাই প্রণেতার তথ্য যাচাই করা জরুরি।
সঠিক উত্তর: D) কয়েকটি কবিতা
১. কেন সঠিক:
- প্রদত্ত প্রশ্নটি বাংলা সাহিত্য বিষয়ের অন্তর্ভুক্ত এবং এখানে জানতে চাওয়া হয়েছে নিচের কোনটি কাব্যগ্রন্থ।
- 'কয়েকটি কবিতা' হলো বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান আধুনিক কবি বুদ্ধদেব বসুর একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, যা তার সাহিত্যিক পরিচয়ের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- 'কয়েকটি কবিতা' কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব ও বুদ্ধিবৃত্তিক আন্দোলনের নেতা কবি বুদ্ধদেব বসু।
- বিশ শতকের ত্রিশের দশকের আধুনিক কবিতার ধারা গঠনে এবং বাংলা কবিতায় আধুনিকতার প্রকাশ ঘটাতে বুদ্ধদেব বসু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: 'বন্দীর বন্দনা'
ব্যাখ্যা: এটি আধুনিক কবি বুদ্ধদেব বসুর অপর একটি অত্যন্ত পরিচিত ও জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ।
উদাহরণ ২: 'দ্রৌপদীর শাড়ি'
ব্যাখ্যা: এটিও কবি বুদ্ধদেব বসু রচিত একটি বিখ্যাত আধুনিক কাব্যগ্রন্থ যা বাংলা সাহিত্যে বিশেষ স্থান অধিকার করে আছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাঙলার কাব্য — এটি কোনো কাব্যগ্রন্থ নয়, বরং প্রমথ চৌধুরীর একটি বিখ্যাত প্রবন্ধ গ্রন্থ।
B) কবিতা — এটি বুদ্ধদেব বসুর সম্পাদিত একটি বিখ্যাত আধুনিক সাহিত্য পত্রিকা, কোনো কাব্যগ্রন্থ নয়।
C) কাব্যপরিক্রমা — এটি বুদ্ধদেব বসুর একটি বিখ্যাত সমালোচনা গ্রন্থ বা প্রবন্ধ সংকলন, কাব্যগ্রন্থ নয়।
D) কয়েকটি কবিতা — এটি বুদ্ধদেব বসু রচিত একটি খাঁটি কাব্যগ্রন্থ এবং প্রশ্নানুযায়ী এটিই সঠিক উত্তর।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বুদ্ধদেব বসুর কাব্যগ্রন্থ মনে রাখার সহজ উপায় হলো 'কয়েকটি কবিতা' দিয়ে তার কবিতার বই শুরু করা যায়।
- পত্রিকা আর কাব্যগ্রন্থের পার্থক্য মনে রাখতে হবে যে 'কবিতা' একটি ত্রৈমাসিক পত্রিকা এবং 'কয়েকটি কবিতা' হলো তার কাব্যগ্রন্থ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রখ্যাত লেখকদের প্রবন্ধ, পত্রিকা এবং কাব্যগ্রন্থের মধ্যে পার্থক্য নির্ণয় করতে বলা হয়।
- বুদ্ধদেব বসুর সম্পাদনায় প্রকাশিত 'কবিতা' পত্রিকা বাংলা সাহিত্যজগতে আধুনিকতার প্রসারে ঐতিহাসিক ভূমিকা রেখেছিল।
সঠিক উত্তর: B) চতুরঙ্গ
১. কেন সঠিক:
- চতুরঙ্গ বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস, যা ১৯১৬ সালে প্রকাশিত হয়।
- এই উপন্যাসে মানুষের মনস্তত্ত্ব, আদর্শবাদ এবং ধর্মের নামে গোঁড়ামির স্বরূপ উন্মোচিত হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রতিভা, যিনি কবিতা, ছোটগল্প, উপন্যাস ও নাটকের জন্য বিশ্বখ্যাত।
- তার বিখ্যাত অন্যান্য উপন্যাসের মধ্যে যোগাযোগ, শেষের কবিতা ও গোরা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শেষের কবিতা
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত গীতিধর্মী উপন্যাস, যা ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয়।
উদাহরণ ২: যোগাযোগ
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা সমাজ ও পারিবারিক দ্বন্দ্বভিত্তিক একটি প্রখ্যাত উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চতুষ্পাঠী — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচনা নয়, এটি প্রাচীন ভারতের টোল বা শিক্ষার প্রতিষ্ঠান বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
B) চতুরঙ্গ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
C) চতুষ্কোণ — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোনো মৌলিক সাহিত্যকর্মের নাম নয়।
D) চতুর্দশী — এটি ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায় বা অন্য কোনো লেখকের রচনার সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে, রবীন্দ্রনাথের নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- রবীন্দ্রনাথের বিখ্যাত উপন্যাসগুলো মনে রাখার জন্য চরিত্রভিত্তিক নামের তালিকা তৈরি করে পড়তে পারো।
- চতুরঙ্গ উপন্যাসের প্রধান চরিত্রগুলো হলো শচীশ, শ্রীশ, দামিনী ও বিপিন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রবীন্দ্রনাথের উপন্যাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- রবীন্দ্রনাথের মোট উপন্যাসের সংখ্যা ত্রয়োদশ বা তেরোটি, এগুলো ভালোভাবে মুখস্থ রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: B) চণ্ডীদাস
১. কেন সঠিক:
- এই বিখ্যাত পঙক্তিটি মধ্যযুগের পদাবলি সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি বড়ু চণ্ডীদাসের রচনা।
- মানবতাবাদ ও মানুষের শ্রেষ্ঠত্ব প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে এই বাণীর গুরুত্ব অপরিসীম।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বড়ু চণ্ডীদাস মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের বৈষ্ণব পদাবলি এবং শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের জন্য বিখ্যাত একজন কবি।
- এই উদ্ধৃতিটি তার অমর সৃষ্টি শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য বা তার পদাবলির মানবতাবাদী দর্শনের মূল সুর প্রকাশ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সব লোকে কয় চণ্ডীদাস গাহে গান
ব্যাখ্যা: এই পঙক্তিটি মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলির সমাজ ও সংস্কৃতির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
উদাহরণ ২: রাধার কি হৈল অন্তরে ব্যথী
ব্যাখ্যা: চণ্ডীদাসের রাধা-কৃষ্ণ বিষয়ক পদের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং পরিচিত উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিবেকানন্দ — স্বামী বিবেকানন্দ আধুনিক যুগের ভারতের দার্শনিক ও সন্ন্যাসী, তিনি মধ্যযুগের এই পঙক্তির রচয়িতা নন।
B) চণ্ডীদাস — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
C) বিদ্যাপতি — বিদ্যাপতি মিথিলার কবি ছিলেন এবং তিনি মূলত মৈথিলি ভাষায় পদ রচনা করতেন।
D) রামকৃষ্ণ পরমহংস — রামকৃষ্ণ পরমহংস উনিশ শতকের সাধক ছিলেন, তিনি কোনো সাহিত্যিক উদ্ধৃতির জন্য বিখ্যাত নন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মানুষের শ্রেষ্ঠত্ব নিয়ে বিখ্যাত কথা বললে চোখ বন্ধ করে মধ্যযুগের কবি চণ্ডীদাসকে মনে রাখবে।
- চণ্ডীদাসের নাম এলেই 'সবার উপরে মানুষ সত্য' এই মানবতাবাদী বাণীটি মাথায় রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মধ্যযুগের সাহিত্যের উদ্ধৃতি প্রায়ই আসে।
- মানবতাবাদ সম্পর্কিত যেকোনো প্রশ্ন এলে চণ্ডীদাস ও তার পদাবলি ভালোভাবে পর্যালোচনা করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) উদাসীন
১. কেন সঠিক:
বিরাগী শব্দের আক্ষরিক ও প্রচলিত অর্থ হলো যার মনে কোনো রাগ বা অনুরাগ নেই কিংবা যিনি সংসার বা লৌকিক আকর্ষণ থেকে মুক্ত ও উদাসীন।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের অর্থ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে প্রায়ই এমন প্রতিশব্দ আসে যেখানে সঠিক বিকল্পটি বেছে নিতে শব্দের মূল ভাব বুঝতে হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি শব্দের উৎস ও শব্দের অর্থ বিষয়ক প্রশ্ন যেখানে বাংলা ভাষার তৎসম শব্দের অর্থ ও ব্যবহার জানতে চাওয়া হয়েছে।
সংস্কৃত রাগ শব্দটির সঙ্গে বি উপসর্গ এবং ইন প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বিরাগী শব্দের সৃষ্টি হয়েছে যার অর্থ আসক্তিহীন বা উদাসীন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বৈরাগী জীবন বলতে বোঝায় সব ধরনের মায়া-মমতা ও পার্থিব মোহ থেকে দূরে থাকা এক ধরণের উদাসীন জীবনযাপন।
ব্যাখ্যা: বৈরাগী শব্দটি বিরাগী শব্দেরই পরিবর্তিত বা তৎসম রূপ যা সাধু ও চলিত উভয় রীতিতেই উদাসীন অর্থে ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: সংসারধর্মের প্রতি যার কোনো আগ্রহ নেই সেই ব্যক্তিই প্রকৃত অর্থে বিরাগী বা উদাসীন হিসেবে পরিচিত।
ব্যাখ্যা: মানুষের মন যখন পার্থিব সুখ বা রাগের ঊর্ধ্বে ওঠে তখন তাকে বিরাগী বা উদাসীন বলা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিশেষভাবে রুষ্ট — রুষ্ট শব্দের অর্থ রাগ বা ক্রোধের প্রকাশ, কিন্তু বিরাগী শব্দের অর্থ রাগহীন বা উদাসীন।
B) উদাসীন — এই বিকল্পটি সঠিক কারণ বিরাগী শব্দের মূল অর্থ আসক্তিহীন বা উদাসীন হওয়া।
C) প্রতিকুল — প্রতিকুল শব্দের অর্থ অনুকূলের বিপরীত বা প্রতিকূল অবস্থা, যা বিরাগী শব্দের অর্থের সঙ্গে মেলে না।
D) রাগহীন — রাগহীন আক্ষরিক অর্থে কিছুটা কাছাকাছি হলেও প্রমিত বাংলা ব্যাকরণে বিরাগী শব্দের সবচেয়ে সঠিক ও গ্রহণযোগ্য অর্থ উদাসীন।
৫. মনে রাখার টিপস:
বিরাগী শব্দটিতে ভি-র মতো উচ্চারণ বা বৈরাগ্যভাব মনে রাখলে খুব সহজে উদাসীন অর্থটি মাথায় রাখা সম্ভব।
সংসার থেকে দূরে থাকা বৈরাগী বা বিরাগী মানুষ মাত্রই সব বিষয়ে উদাসীন থাকেন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দের পাশাপাশি শব্দের নির্দিষ্ট অর্থ নির্ণয় করতে বলা হয়।
এই ধরনের প্রশ্ন কমন পেতে হলে প্রমিত বাংলা অভিধানের শব্দার্থ এবং শব্দের উৎস ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) মৈথিলী ভাষার একটি উপভাষা
১. কেন সঠিক:
ব্রজবুলি কোনো স্বতন্ত্র ভাষা বা ব্রজধামের ভাষা নয়, এটি মূলত মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলিতে ব্যবহৃত মৈথিলী ভাষার একটি বিশেষ সাহিত্যিক রূপ বা উপভাষা। মিথিলার কবি বিদ্যাপতি এই ভাষায় পদ রচনা করার পর বাংলার কবিরা তা অনুকরণ করে এই কৃত্রিম উপভাষায় পদ রচনা শুরু করেন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
ব্রজবুলি শব্দের অর্থ ব্রজের বুলি বা ভাষা হলেও এর সঙ্গে উত্তর ভারতের বৃন্দাবন বা ব্রজধামের দৈনন্দিন ভাষার সরাসরি মিল নেই। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে বৈষ্ণব পদাবলি রচনার জন্য কবিরা কৃত্রিমভাবে মৈথিলী ভাষার সঙ্গে বাংলা ও হিন্দি শব্দের মিশ্রণ ঘটিয়ে এই সাহিত্যিক ভাষা তৈরি করেছিলেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিদ্যাপতির পদ
ব্যাখ্যা: মৈথিলী ভাষার কবি বিদ্যাপতি ব্রজবুলি ভাষার প্রধান স্রষ্টা এবং তার পদগুলো বাংলায় অত্যন্ত জনপ্রিয় ছিল।
উদাহরণ ২: চণ্ডীদাসের পদ
ব্যাখ্যা: বাঙালি কবিরা বিদ্যাপতির ভাষা অনুসরণ করে ব্রজবুলিতে পদ রচনা করেন, যা বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের এক অনন্য নিদর্শন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মৈথিলী ভাষার একটি উপভাষা — এটি সঠিক কারণ ব্রজবুলি মূলত মিথিলার ভাষার ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা একটি সাহিত্যিক রূপ।
B) ব্রজধামে কথিত ভাষা — এটি ভুল কারণ ব্রজবুলি উত্তর প্রদেশের ব্রজধামের প্রাকৃত বা সাধারণ মানুষের মুখের ভাষা ছিল না।
C) এক রকম কৃত্রিম কবিভাষা — এটি আংশिक সত্য হলেও মূল ভাষাতাত্ত্বিক পরিচয় হিসেবে এটি মৈথিলী ভাষার উপভাষা হিসেবেই সর্বাধিক স্বীকৃত।
D) বাংলা ও হিন্দির যোগফল — এটি ভুল কারণ ব্রজবুলির মূল ভিত্তি বাংলা বা হিন্দি নয়, বরং মৈথিলী ভাষা।
৫. মনে রাখার টিপস:
ব্রজবুলি মানেই মনে রাখবে মৈথিলী ভাষার উপভাষা এবং এর প্রধান কবি বিদ্যাপতি। ব্রজধাম বা কৃত্রিম ভাষা অপশনে থাকলেও মূল ব্যাকরণগত পরিচয় হলো এটি মৈথিলী ভাষার একটি রূপ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে ব্রজবুলি কোন ভাষার উপভাষা, যার সঠিক উত্তর মৈথিলী। এটি মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলি সাহিত্যের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত।
সঠিক উত্তর: C) মুমূর্ষু
১. কেন সঠিক:
- 'মুমূর্ষু' শব্দটির সঠিক বানান হলো মএ হ্রস্ব উ-কার, মএ দীর্ঘ ঊ-কার, মূর্ষু অর্থাৎ মুমূর্ষু।
- এর অর্থ যার মরার ইচ্ছা আছে বা যে মরতে বসেছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- বাংলা বানান রীতি অনুযায়ী হ্রস্ব ই-কার ও হ্রস্ব উ-কার ব্যবহারের নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে।
- এই শব্দটিতে প্রথম বর্ণে হ্রস্ব উ এবং দ্বিতীয় বর্ণে দীর্ঘ ঊ ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মুমুর্ষু অবস্থা
ব্যাখ্যা: এটি একটি ভুল প্রয়োগ কারণ সঠিক বানান হলো মুমূর্ষু।
উদাহরণ ২: শুশ্রূষা
ব্যাখ্যা: এটি আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ শব্দ যেখানে দীর্ঘ ঊ-কার ব্যবহারের নিয়ম রয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মূমূর্ষু — এই অপশনে প্রথম বর্ণে দীর্ঘ ঊ-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা ভুল।
B) মুমুর্ষু — এই অপশনে উভয় বর্ণে হ্রস্ব উ-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা ভুল।
C) মুমূর্ষু — এটি সঠিক বানান এবং প্রমিত রীতি অনুযায়ী নির্ভুল।
D) মূমুর্ষু — এই অপশনে প্রথম বর্ণে দীর্ঘ ঊ এবং দ্বিতীয় বর্ণে হ্রস্ব উ ব্যবহার করা হয়েছে যা ভুল।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মনে রাখার সহজ উপায় হলো ছোট থেকে বড় অর্থাৎ প্রথমে ছোট উ-কার এবং পরে বড় ঊ-কার বসে।
- এই ক্রমটি মনে রাখলে বানান ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই বানানটি অত্যন্তFrequently আসে।
- হ্রস্ব ও দীর্ঘ স্বরবর্ণের সঠিক প্রয়োগ জানা থাকলে এ ধরনের বানান সহজেই নির্ণয় করা যায়।
সঠিক উত্তর: C) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
১. কেন সঠিক:
- 'প্রভাবতী সম্ভাষণ' বাংলা গদ্যের জনক ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যকর্ম।
- ঊনবিংশ শতাব্দীতে নারীশিক্ষা ও সমাজসংস্কারের পটভূমিতে শোক ও সান্ত্বনার প্রকাশ হিসেবে এই গ্রন্থটি রচিত হয়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা গদ্যের প্রথম সার্থক শিল্পী যিনি গদ্যে যতিচিহ্নের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করেন।
- তাঁর রচিত মৌলিক গদ্যগ্রন্থের মধ্যে প্রভাবতী সম্ভাষণ, শকুন্তলা, সীতার বনবাস ও কথামালা উল্লেখযোগ্য।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ভ্রান্তিবিলাস
ব্যাখ্যা: এটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কর্তৃক শেক্সপিয়ারের কমেডি অফ এররস নাটকের বাংলা অনুবাদ।
উদাহরণ ২: বেতাল পঞ্চবিংশতি
ব্যাখ্যা: এটি বিদ্যাসাগর রচিত হিন্দি বেতাল পচ্চিসী গ্রন্থের বাংলা অনুবাদ যা ১৮৪৭ সালে প্রকাশিত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কৃষ্ণমোহন বন্দ্যোপাধ্যায় — ইনি ইয়ং বেঙ্গল গোষ্ঠীর একজন বিশিষ্ট সদস্য ছিলেন কিন্তু এই গ্রন্থটি তাঁর রচিত নয়।
B) দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর — ইনি একজন ব্রাহ্মধর্ম প্রচারক ও দার্শনিক ছিলেন তবে এই গ্রন্থটি তাঁর সাহিত্যকর্মের অন্তর্ভুক্ত নয়।
C) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — এটি সঠিক উত্তর বিধায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং এটি তাঁরই মৌলিক গদ্য রচনা।
D) রামমোহন রায় — ইনি আধুনিক বাংলা গদ্যের অন্যতম পথপ্রদর্শক হলেও এই নির্দিষ্ট গ্রন্থটির রচয়িতা নন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বিদ্যাসাগরের মৌলিক গ্রন্থ মনে রাখার সহজ কৌশল হলো প্রভাতী সময়ে শকুন্তলা ও সীতার বনবাসে যাওয়া। এখানে প্রভাতী শব্দ থেকে প্রভাবতী সম্ভাষণ মনে রাখা যায়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদ্যাসাগরের মৌলিক গদ্য এবং অনূদিত গ্রন্থ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। মৌলিক ও অনূদিত গ্রন্থগুলো আলাদা করে মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) তুমি যাও
কেন সঠিক:
- অনুজ্ঞা পদের মাধ্যমে আদেশ, উপদেশ, নিষেধ বা অনুরোধ প্রকাশ করা হয়।
- এখানে 'যাও' শব্দটি দ্বারা শ্রোতাকে কোনো কাজ করার আদেশ বা নির্দেশ বোঝানো হয়েছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ক্রিয়ার যে ভাব দ্বারা আদেশ, নিষেধ, অনুরোধ বা আশীর্বাদ প্রকাশ পায় তাকে অনুজ্ঞা ভাব বলে।
- বর্তমান ও ভবিষ্যৎকালের মধ্যম পুরুষের ক্ষেত্রে অনুজ্ঞার ব্যবহার দেখা যায়।
- যেমন: তুমি কাজটি করো, কাল একবার এসো।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) তুমি যাচ্ছ — এটি বর্তমানকালের নির্দেশক ক্রিয়া, এর দ্বারা কোনো আদেশ বোঝায় না।
- B) তুমি গিয়েছিলে — এটি অতীতকালের সাধারণ ক্রিয়া, যা অনুজ্ঞা হতে পারে না।
- C) তুমি যাও — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
- D) তুমি যাচ্ছিলে — এটি ঘটমান অতীতকালের ক্রিয়া, এর মাধ্যমে আদেশ প্রকাশ পায় না।
মনে রাখার টিপস:
- বাক্যে আদেশ বা অনুরোধ বুঝলেই তা অনুজ্ঞা হবে।
সঠিক উত্তর: C) কখনো কখনো বাক্যে উহ্য থাকতে পারে
কেন সঠিক:
- বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ প্রকাশ করার জন্য সব সময় ক্রিয়াপদের প্রকাশ্য উপস্থিতি বাধ্যতামূলক নয়।
- বক্তা ও শ্রোতার পারস্পরিক বোঝাপড়ার সুবিধার্থে অনেক সময় বাক্য থেকে ক্রিয়াপদ উহ্য বা অদৃশ্য থাকে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী বাক্যের মূল দুটি অংশ হলো উদ্দেশ্য এবং বিধেয়, যার মধ্যে ক্রিয়াপদ উহ্য থাকলেও বাক্য গঠিত হতে পারে।
- অনেক সময় বাক্যের সাবলীলতা রক্ষা করার জন্য এবং দীর্ঘসূত্রিতা এড়ানোর জন্য ক্রিয়াপদ ব্যবহার করা হয় না।
- উদাহরণস্বরূপ, প্রশ্ন করা হলে 'তুমি কেমন আছো?' এবং উত্তরে কেবল 'ভালো' বললেই সম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশ পায় যেখানে ক্রিয়াপদ উহ্য আছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) আসলে বিশেষণ থেকে অভিন্ন — ক্রিয়াপদ এবং বিশেষণ সম্পূর্ণ ভিন্ন দুটি পদ কারণ বিশেষণ গুণ বা দোষ প্রকাশ করে আর ক্রিয়াপদ কাজ বোঝায়।
- B) সবসময়ে বাক্যে থাকবে — এই ধারণাটি ভুল কারণ অনেক বাক্যে প্রসঙ্গ বুঝে ক্রিয়াপদ ছাড়াই মনের ভাব সম্পূর্ণ প্রকাশ করা যায়।
- C) কখনো কখনো বাক্যে উহ্য থাকতে পারে — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি বাক্যের একটি স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য।
- D) শুধু অতীতকাল বোঝাতে বাক্যে ব্যবহৃত হয় — ক্রিয়াপদ কেবল অতীতকাল নয়, বর্তমান এবং ভবিষ্যৎকালও নির্দেশ করতে পারে।
মনে রাখার টিপস:
- মনে রাখবে বাংলা বাক্যে অর্থ পরিষ্কার থাকলে অনেক সময় ক্রিয়াপদ ছাড়াও সম্পূর্ণ বাক্য গঠিত হতে পারে।
সঠিক উত্তর: C) অক্লান্ত
১. কেন সঠিক:
- কর্মে যার ক্লান্তি নেই, তাকে এককথায় অক্লান্ত বলা হয়।
- এখানে অ উপসর্গটি নঞর্থক বা না বোধক অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকরণগত প্রশ্ন।
- বড় বাক্য বা ভাবকে সংক্ষেপে একটি মাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যম হলো বাক্য সংকোচন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: যা বলা যায় না
ব্যাখ্যা: একে এককথায় অকথ্য বলা হয়।
উদাহরণ ২: যার তুলনা নেই
ব্যাখ্যা: একে এককথায় অদ্বিতীয় বলা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অবিশ্রাম — অবিশ্রাম শব্দের অর্থ যা বিশ্রামহীনভাবে চলে, কিন্তু নির্দিষ্ট এই বাক্যাংশের জন্য এটি মানানসই নয়।
B) ক্লান্তিহীন — ক্লান্তিহীন শব্দটি দিয়ে ক্লান্তি নেই এমন বোঝায়, তবে প্রচলিত এককথায় প্রকাশের প্রমিত রূপ এটি নয়।
D) অক্লান্ত কর্মী — অক্লান্ত অর্থ ক্লান্তিহীন এবং কর্মী যুক্ত হওয়ায় এটি অতিরিক্ত অর্থ প্রকাশ করে, যা মূল বাক্যাংশের সঙ্গে হুবহু মেলে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- না বোধক অর্থে অ উপসর্গ যোগ করে খুব সহজেই এমন অনেক এককথায় প্রকাশ মনে রাখা যায়।
- কর্মের ক্লান্তি নেই মানেই অক্লান্ত, এটি বারবার চর্চা করলে মনে রাখা সহজ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য সংকোচন থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
- প্রমিত বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম মেনে সঠিক শব্দটি নির্বাচন করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) সুচিস্মিতা
১. কেন সঠিক:
- সুচিস্মিতা শব্দটিতে কোনো মূর্ধন্য ষ বা দীর্ঘ ঈ কার নেই, যা বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী সম্পূর্ণ সঠিক।
- এই শব্দের অর্থ সুন্দর বা মৃদু হাসি যার।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- বাংলা বানানরীতিতে তৎসম শব্দে ই এবং ঈ কার ব্যবহারের নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে, যেখানে অনেক ক্ষেত্রে হ্রস্ব ই কার প্রমিতরূপে গৃহীত হয়।
- সমাসবদ্ধ বা স্ত্রীবাচক পদে শব্দের মূল রূপ অক্ষুণ্ণ রেখে প্রমিত বানান ব্যবহার করা হয়, যা এই ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পরিষ্কার
ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল ব্যবহৃত শব্দ যেখানে প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী হ্রস্ব ই কার ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: সুনির্দিষ্ট
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও বানানের নিয়ম মেনে হ্রস্ব ই কার ব্যবহার করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সুচিস্মিতা — এই অপশনটি সঠিক এবং এতে বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছে।
B) সূচিষ্মিতা — এই অপশনে দীর্ঘ ঊ কার এবং মূর্ধন্য ষ ব্যবহার করা হয়েছে, যা এই শব্দের সঠিক প্রমিত বানান নয়।
C) সূচিস্মিতা — এই অপশনে দীর্ঘ ঊ কার ব্যবহার করা হয়েছে, অথচ প্রমিত বানানে হ্রস্ব উ কার হবে।
D) সূচীস্মিতা — এই অপশনে দীর্ঘ ঊ কার এবং দীর্ঘ ঈ কার উভয়ই ব্যবহার করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ ভুল।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সুচিস্মিতা বানানে সবসময় হ্রস্ব উ এবং হ্রস্ব ই কার ব্যবহার করতে হবে।
- মনে রাখবে সুন্দর মুখের হাসি বোঝাতে ছোট বা হ্রস্ব কার চিহ্ন ব্যবহার করা হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বহুল প্রচলিত কিন্তু ভুল বানানযুক্ত শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- বাংলা একাডেমি প্রমিত বানান নিয়ম ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের বানান সহজেই চিহ্নিত করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: D) প্রিয়জন সমাগম
১. কেন সঠিক:
- 'চাঁদের হাট' একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় বাগধারা যার অর্থ প্রিয়জনদের আনন্দময় মিলন বা প্রিয়জন সমাগম।
- চাঁদের আলো যেমন স্নিগ্ধ ও আনন্দদায়ক, তেমনই প্রিয়জনদের একত্রে উপস্থিতি মানুষের মনে আনন্দের হাট বসায়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দ বা শব্দগুচ্ছ যা আভিধানিক অর্থ ছাপিয়ে বিশেষ কোনো ভাব প্রকাশ করে।
- বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে বাগধারা বাক্যের সৌন্দর্য ও ভাবগাম্ভীর্য বৃদ্ধি করতে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দীর্ঘদিন পর পরিবার নিয়ে হানিমুন বা নানা বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে ভাইবোনদের মিলনকে চাঁদের হাট বলা চলে।
ব্যাখ্যা: এটি জীবনের আনন্দঘন মুহূর্তগুলোকে প্রকাশ করে যেখানে সবাই একত্রিত হয়।
উদাহরণ ২: কবিগুরুর জন্মবার্ষিকীতে বরেণ্য সাহিত্যিকদের একত্রিত হওয়া যেন এক টুকরো চাঁদের হাট।
ব্যাখ্যা: এই উদাহরণটিতে বিশিষ্টজনদের মিলনমেলাকে প্রকাশ করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গণ্যমান্যদের সমাগম — এটি ভুল কারণ গণ্যমান্যদের সভা বা সম্মেলন বোঝাতে 'কুজ্ঝটিকা' বা অন্য পরিভাষা আসে, চাঁদের হাট প্রিয়জনদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
B) বন্ধুদের সমাগম — এটি আংশিক মনে হতে পারে, তবে বন্ধুদের পরিধি সীমিত এবং চাঁদের হাটে কেবল বন্ধু নয় বরং সব প্রিয়জন ও আত্মীয় অন্তর্ভুক্ত।
C) আত্মীয় সমাগম — এটি ভুল কারণ আত্মীয় মানেই প্রিয়জন নয়, অনেক সময় অপ্রিয় আত্মীয়ও থাকতে পারে, কিন্তু চাঁদের হাট আনন্দদায়ক প্রিয়জনদের মিলন।
D) প্রিয়জন সমাগম — এটি সঠিক কারণ এর মাধ্যমেই চাঁদের হাটের আসল আনন্দ ও মিলনমেলার ভাবটি প্রকাশিত হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
চাঁদে মানুষ থাকে না বলে রূপক অর্থে সেখানে আনন্দময় মানুষদের হাট কল্পনা করা হয়।
প্রিয়জনদের পেলে মনে যে চাঁদের আলো বা আনন্দের ঢেউ খেলে, তা থেকে মনে রাখা যায় চাঁদের হাট মানে প্রিয়জন সমাগম।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারাগুলোর আভিধানিক অর্থ বাদ দিয়ে অন্তর্নিহিত ভাবার্থ মনে রাখতে হবে।
একই রকম দেখতে বা শোনা যায় এমন বাগধারাগুলোর সূক্ষ্ম পার্থক্য চর্চা করলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।
সঠিক উত্তর: D) মুনীর চৌধুরী
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরটি মুনীর চৌধুরী কারণ ‘কবর’ নাটকটির রচিয়তা তিনিই। এটি বাংলা নাট্যসাহিত্যের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং যুগান্তকারী নাটক।
- ভাষা আন্দোলনের ঐতিহাসিক পটভূমিতে রচিত এই নাটকটি তৎকালীন পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর নির্যাতন ও ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে বুদ্ধিজীবীদের সাহসী প্রতিবাদের প্রতীক।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মুনীর চৌধুরী বিংশ শতাব্দীর বাঙালি নাট্যকার, সাহিত্য সমালোচক ও শহীদ বুদ্ধিজীবী। ১৯৫৩ সালে কারাবন্দী থাকা অবস্থায় তিনি এই নাটকটি রচনা করেন।
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের অমর শহীদদের স্মরণে এবং তাদের আত্মত্যাগের পটভূমিতে নাটকটির কাহিনী গড়ে উঠেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মুনীর চৌধুরীর অনুবাদের নাটক ‘রক্তাক্ত প্রান্তর’।
ব্যাখ্যা: এটি পানিপতের তৃতীয় যুদ্ধের পটভূমিতে রচিত মুনীর চৌধুরীর একটি বিখ্যাত রূপক নাটক।
উদাহরণ ২: মুনীর চৌধুরীর একাঙ্কিকা নাটক ‘সাইরেন’।
ব্যাখ্যা: এটিও মুনীর চৌধুরীর একটি অন্যতম আলোচিত নাটক যা সমাজের বিভিন্ন অসংগতি তুলে ধরে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সত্যেন সেন — সত্যেন সেন একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও প্রাবন্ধিক হলেও তিনি ‘কবর’ নাটকটি রচনা করেননি।
B) শহীদুল্লাহ কায়সার — শহীদুল্লাহ কায়সার একজন বিখ্যাত ঔপন্যাসিক ও সাংবাদিক ছিলেন, তবে ‘কবর’ নাটকটির লেখক তিনি নন।
C) জহির রায়হান — জহির রায়হান প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও চলচ্চিত্রকার হলেও ‘কবর’ নাটকটি তার রচিত নয়।
D) মুনীর চৌধুরী — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি ১৯৫৩ সালে কারাবন্দী অবস্থায় ‘কবর’ নাটকটি রচনা করেন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ভাষা আন্দোলনের শহীদদের কবর নিয়ে রচিত নাটক মুনীর চৌধুরীর লেখা, তাই মনে রাখবেন ভাষা আন্দোলনের কারাবন্দী লেখক মুনীর চৌধুরী।
- নাটকের নাম ‘কবর’ এবং রচিয়তা মুনীর চৌধুরী, এভাবে নাম দুটি একত্রে মনে রাখতে পারেন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক নাটক থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- ১৯৫৩ সালে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বসে মুনীর চৌধুরী এই নাটকটি লিখেছিলেন, যা পরীক্ষার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।
সঠিক উত্তর: B) বিষের বাঁশী
১. কেন সঠিক:
- বিষের বাঁশী হলো বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি বিখ্যাত বিদ্রোহী ও প্রাগৈতিহাসিক গান ও কবিতার সংকলন।
- ব্রিটিশ সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ এবং বিপ্লবের বাণী প্রচারের কারণে বইটি তৎকালীন ব্রিটিশ সরকার বাজোপ্ত করেছিল।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি, যিনি একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক ছিলেন।
- বিষের বাঁশী গ্রন্থটি ১৯২৪ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি তার অন্যতম একটি বাজেয়াপ্ত করা বিপ্লবী গ্রন্থ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অগ্নি-বীণা
ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ যা ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয় এবং এতে তার বিখ্যাত বিদ্রোহী কবিতা রয়েছে।
উদাহরণ ২: প্রলয়োল্লাস
ব্যাখ্যা: এটি অগ্নি-বীণা কাব্যের প্রথম কবিতা যা নজরুলের বিপ্লবী চেতনার বহিঃপ্রকাশ ঘটায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রূপসী বাংলা — এই কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা আধুনিক যুগের অন্যতম প্রধান কবি জীবনানন্দ দাশ।
B) বিষের বাঁশী — এটি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত বিপ্লবী কবিতা ও গানের সংকলন।
C) বন্দীর বন্দনা — এই বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা প্রগতিশীল কবি বুদ্ধদেব বসু।
D) সন্দ্বীপের চর — এই গ্রন্থটির রচয়িতা বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক শহীদুল্লা কায়সার।
৫ মনে রাখার টিপস:
নজরুলের বাজেয়াপ্ত গ্রন্থগুলো মনে রাখার কৌশল হলো বিষের বাঁশী ও প্রলয়শিখা বাজিয়ে যুগবাণী প্রচার করায় ভাঙার গান গাওয়া হয়েছিল।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নজরুলের বাজেয়াপ্ত গ্রন্থসমূহ যেমন বিষের বাঁশী, প্রলয়শিখা, যুগবাণী ও ভাঙ্গার গান থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: D) মাইকেল মধুসূদন দত্ত
১. কেন সঠিক:
- ‘চতুর্দশপদী কবিতাবলী’ মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত একটি বিখ্যাত সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতার সংকলন।
- বাংলা সাহিত্যে সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতার প্রবর্তক হিসেবে মাইকেল মধুসূদন দত্ত অনন্য অবদান রেখেছেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দ এবং সনেটের সফল প্রবক্তা।
- ১৮৬৬ সালে প্রকাশিত ‘চতুর্দশপদী কবিতাবলী’ তাঁর একমাত্র সনেট সংকলন যা ইতালীয় কবি পেত্রার্কের সনেট শৈলী অনুসরণে রচিত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বঙ্গভাষা
ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের বিখ্যাত চতুর্দশপদী কবিতা যেখানে স্বদেশের ভাষার প্রতি গভীর অনুরাগ প্রকাশ পেয়েছে।
উদাহরণ ২: কব্জি
ব্যাখ্যা: এটিও তাঁর একটি উল্লেখযোগ্য সনেট যা এই কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত এবং ভাব ও রূপের দিক থেকে সমৃদ্ধ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায় — তিনি মধ্যযুগের ধারা থেকে বেরিয়ে দেশপ্রেমমূলক কাব্য রচনার জন্য পরিচিত হলেও এই গ্রন্থের রচয়িতা নন।
B) হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় — তিনি মহাকাব্য ও দেশপ্রেমমূলক কবিতা রচনার জন্য বিখ্যাত কিন্তু এই সনেট সংকলনটি তাঁর নয়।
C) নবীনচন্দ্র সেন — তিনি মূলত পলাশীর যুদ্ধসহ ঐতিহাসিক ও বর্ণনামূলক মহাকাব্য রচনার জন্য পরিচিত।
D) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি বাংলা সাহিত্যে চতুর্দশপদী কবিতার প্রবক্তা এবং এই গ্রন্থের রচয়িতা।
৫ মনে রাখার টিপস:
সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতার নাম শুনলেই মাইকেল মধুসূদন দত্তের নাম মনে রাখতে হবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা সাহিত্যে সনেট প্রবর্তনের ইতিহাস এবং প্রথম সনেট সংকলনের নাম বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: B) deny
কেন সঠিক:
deny শব্দের অর্থ অস্বীকার করা। বাক্যটির অর্থ হলো কেউ অস্বীকার করতে পারবে না যে সে চালাক।
এখানে বুদ্ধিমত্তা বা সত্য বিষয় অস্বীকার করার ক্ষেত্রে deny শব্দটি সবচেয়ে উপযুক্ত।
অন্য শব্দগুলো এই বাকстыর অর্থের সাথে মানানসই নয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) discard — এর অর্থ বাতিল করা বা ফেলে দেওয়া। কোনো গুণ বা সত্য বিষয় বাতিল করার ক্ষেত্রে এটি ব্যবহার করা যায় না।
B) deny — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়।
C) defy — এর অর্থ অবাধ্য হওয়া বা চ্যালেঞ্জ করা। এটি বুদ্ধিমত্তা অস্বীকার করার অর্থে বসে না।
D) denounce — এর অর্থ প্রকাশ্যে নিন্দা করা। কারো চালাকি প্রকাশ্যে নিন্দা করার বিষয়টি এখানে প্রকাশ পায় না।
মনে রাখার টিপস:
কোনো স্পষ্ট সত্য বা গুণ কেউ মানতে না চাইলে বা অস্বীকার করলে deny ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) between
কেন সঠিক:
ইংরেজি গ্রামারের নিয়ম অনুযায়ী সাধারণত দুজনের মধ্যে কোনো কিছু ভাগ করে দেওয়ার ক্ষেত্রে between প্রিপজিশনটি ব্যবহার করা হয়।
এখানে বাক্যে the two children বলতে ঠিক দুজনের কথা বোঝানো হয়েছে।
তাই সঠিক উত্তর হিসেবে between বসবে।
এই ক্ষেত্রে অন্য কোনো প্রিপজিশন সঠিক হবে না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) between — এটি সঠিক উত্তর এবং এটি দুজনের মধ্যে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
B) over — এটি সাধারণত ওপরে বা কোনো কিছুর ওপর দিয়ে অতিক্রম করা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
C) in between — এটি সাধারণত অপ্রয়োজনীয় এবং ব্যাকরণগতভাবে এখানে সঠিক নয়।
D) among — এটি সাধারণত দুইয়ের অধিক বা অনেকের মধ্যে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, তাই এখানে ভুল।
মনে রাখার টিপস:
দুজন ব্যক্তি বা বস্তুর মধ্যে ভাগাভাগি বোঝালে always between বসবে এবং দুয়ের বেশি হলে among বসবে।
সঠিক উত্তর: D) clear evidence
কেন সঠিক:
এখানে concrete শব্দটি আক্ষরিক অর্থে সিমেন্ট বা ভবন নির্মাণের উপাদান বোঝায় না। রূপক অর্থে এটি বাস্তব, কঠিন এবং সন্দেহাতীত কোনো প্রমাণকে নির্দেশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) a cement mixer — এটি সিমেন্ট মেশানোর একটি যন্ত্র যা প্রশ্নটির রূপক অর্থের সাথে একেবারেই মেলে না।
B) building material — এটি ভবন তৈরির উপাদান যেমন ইট বা সিমেন্ট বোঝায়, যা এখানে প্রমাণের সমার্থক নয়।
C) something to cover a path — এটি রাস্তা ঢাকার উপাদান বোঝায়, যা বাক্যটির ভাবার্থের সাথে সম্পূর্ণ অসঙ্গতিপূর্ণ।
D) clear evidence — এটি সঠিক কারণ concrete proof বলতে স্পষ্ট ও অকাট্য প্রমাণকেই বোঝানো হয়।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি বাক্যে concrete শব্দটির সাথে proof থাকলে তা নির্মাণসামগ্রী না বুঝিয়ে সবসময় স্পষ্ট বা জোরালো প্রমাণ বোঝায়।
সঠিক উত্তর: A) enthusiastic:halfhearted
কেন সঠিক:
প্রশ্নটিতে দেওয়া মূল শব্দ দুটি হলো বিপরীতার্থক বা এন্টোনিম। ঠিক তেমনি enthusiastic এবং halfhearted শব্দ দুটিও একে অপরের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) enthusiastic:halfhearted — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে শব্দ দুটি বিপরীতার্থক।
B) devoted:dedicated — এই শব্দ দুটি সমার্থক, তাই এটি ভুল।
C) concerned:careful — এই শব্দ দুটিও প্রায় সমার্থক, তাই এটি ভুল।
D) anxious:nervous — এই শব্দ দুটিও সমার্থক অর্থ প্রকাশ করে, তাই এটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
মূল শব্দের সম্পর্কটি ভালো করে বুঝে অপশনের শব্দগুলোর অর্থ মিলিয়ে দেখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) distance : reduce
কেন সঠিক:
প্রশ্নোক্ত শব্দযুগল 'Lengthen' এবং 'Prolong' একে অপরের সমার্থক শব্দ হিসেবে কাজ করে কারণ উভয়ের অর্থ হলো দীর্ঘায়িত করা বা সময় বা দূরত্ব বৃদ্ধি করা।
ঠিক তেমনি সি নম্বর অপশনের শব্দ দুটিও অর্থের দিক থেকে একে অপরের সমার্থক হিসেবে যুক্ত রয়েছে।
এই শব্দ জোড়ার মূল ভাব বা সাদৃশ্য সম্পূর্ণভাবে মূল প্রশ্নের বিষয়ের সাথে মিলে যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) reach out : cut short — এখানে প্রথম শব্দটি প্রসারিত করা বুঝালেও দ্বিতীয় শব্দটি খাটো করা বুঝায়, যা বিপরীতার্থক।
B) stretch : extend — শব্দ দুটি সমার্থক হলেও অপশনের ক্রমানুসারে মূল প্রশ্নের নিখুঁত গঠন এখানে অনুসরণ করা হয়নি।
D) draw out : shorten — প্রথম শব্দ জোড়াটি দীর্ঘ করা বোঝালেও দ্বিতীয় শব্দটি ছোট করা বোঝায় যা অর্থের দিক থেকে বিপরীত।
মনে রাখার টিপস:
সমার্থক শব্দ বা সিনোনিম নির্ণয়ের সময় শব্দ দুটির মূল ভাব এবং গতির মিল খুঁজে বের করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) slow down : hold up
কেন সঠিক:
Delay এবং Retard শব্দদুটি সমার্থক এবং দুটির অর্থ একই রকম অর্থাৎ ধীর করে দেওয়া বা বিলম্ব করা।
অপশন ডি এর slow down এবং hold up শব্দজোড়াও একই রকম সমার্থক অর্থ প্রকাশ করে।
এই প্রশ্নে মূলত শব্দের অর্থের মিল বা সমার্থক সম্পর্কের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) defer : accelerate — এখানে defer অর্থ স্থগিত করা এবং accelerate অর্থ ত্বরান্বিত করা, যা বিপরীতার্থক শব্দ।
B) postpone : promote — এখানে postpone অর্থ পিছিয়ে দেওয়া এবং promote অর্থ উন্নতি করা, তাই এদের মধ্যে মিল নেই।
C) adjourn : start — এখানে adjourn অর্থ মুলতবি করা এবং start অর্থ শুরু করা, যা সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
D) এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এখানে ভুল কোনো কারণ নেই।
মনে রাখার টিপস:
শব্দার্থের সম্পর্ক বোঝার জন্য প্রশ্ন এবং সঠিক উত্তরের শব্দগুলোর বাংলা অর্থ মিলিয়ে দেখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) observe : defy
কেন সঠিক:
মূল প্রশ্নে দেওয়া Submissive শব্দের অর্থ বাধ্য এবং Disobedient শব্দের অর্থ অবাধ্য, যা একে অপরের বিপরীতার্থক শব্দ।
ঠিক তেমনি অপশন ডি এর observe অর্থ মান্য করা এবং defy অর্থ অমান্য করা, যা বিপরীতার্থক সম্পর্ক প্রকাশ করে।
শব্দ দুটির মধ্যে বিপরীত অর্থের মিল রয়েছে।
তাই এটি সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) obey : hearken to — এই শব্দ দুটি একে অপরের সমার্থক কারণ দুটির অর্থই হলো কথা শোনা বা মান্য করা।
B) comply : conform — এই জোড়ার শব্দ দুটিও সমার্থক এবং নিয়ম মেনে চলা বা সম্মতি প্রকাশ করা বোঝায়।
C) heed : acquiesce — এই শব্দ দুটির অর্থও প্রায় একই এবং এরা মনোযোগ দেওয়া বা মেনে নেওয়া বোঝায়।
D) observe : defy — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে মান্য করা এবং অমান্য করার বিপরীত সম্পর্ক রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
শব্দ জোড়ার সম্পর্ক বুঝতে প্রথমে মূল শব্দ দুটির অর্থ মুখস্থ করে নিন এবং দেখামাত্র বিপরীত নাকি সমার্থক তা আলাদা করুন।
সঠিক উত্তর: B) about
কেন সঠিক:
fantasized verb এর পর নির্দিষ্ট preposition হিসেবে about বসে।
এটি কোনো কিছু কল্পনা করা অর্থ প্রকাশ করতে এই নিয়ম মানে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) after — এই verb এর সাথে after বসে না কারণ এটি সঠিক অর্থ দেয় না।
B) about — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
C) with — এই preposition এখানে ব্যবহার করলে ব্যাকরণগত ভুল হয়।
D) from — এই preposition এখানে কোনো উপযুক্ত অর্থ প্রকাশ করে না।
মনে রাখার টিপস:
fantasized শব্দের পর সবসময় about preposition ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) to have been
কেন সঠিক:
বাক્યটির অর্থ হলো পার্টেনন মন্দিরটি পেরিক্লিসের যুগে নির্মিত হয়েছিল বলে মনে করা হয়। এখানে প্যাসিভ অর্থ বোঝাতে পারফেক্ট ইনফিনিটিভ এর প্যাসিভ ফর্ম ব্যবহার করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) to have had begun — এই গঠনে ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী দুটি পাস্ট পার্টিসিপল একসাথে বসে ভুল অর্থ প্রকাশ করে।
B) to have become — এর অর্থ হওয়ার কারণে পার্টেনন মন্দিরটি কোনো কিছুতে পরিণত হওয়ার সঠিক অর্থ প্রকাশ করে না।
C) to have begun — এটি একটি একটিভ ইনফিনিটিভ যা এখানে ব্যবহার করলে বাক্যটির অর্থ ভুল ও অসম্পূর্ণ হয়।
D) এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় কোনো ভুল নেই।
মনে রাখার টিপস:
বলা হয় বা মনে করা হয় এমন ক্ষেত্রে Subject এর পর is said থাকলে এবং কাজটি অতীতে সম্পন্ন বোঝালে to have been এর সাথে পাস্ট পার্টিসিপল বসে।
সঠিক উত্তর: A) while his brother had discussed the effects of pollution
কেন সঠিক:
প্রধান ক্লজটি পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্সে থাকায় এর সাথে সামঞ্জস্য রেখে সাবঅর্ডিনেট ক্লজটিতে পাস্ট পারফেক্ট টেন্স ব্যবহার করা হয়েছে।
অতীতের দুটি কাজের মধ্যে একটি কাজ আগে সম্পন্ন বোঝাতে এই নিয়মের প্রয়োগ সঠিক হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) while his brother had discussed the effects of pollution — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় অন্যান্য অপশনের সাথে তুলনামূলক বিচারে এটিই একমাত্র ব্যাকরণগতভাবে সঠিক হিসেবে বিবেচিত হয়।
B) while his brother discusses the effects of pollution — প্রধান ক্লজ পাস্ট টেন্সে থাকায় এখানে প্রেজেন্ট টেন্স ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল হয়েছে।
C) while his brother discussed the effects of pollution — দুটি ক্লজই পাস্ট ইনডেফিনিট হলে একসাথে ঘটে যাওয়া বোঝায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) while his brother was discussing the effects of pollution — পাস্ট কন্টিনিউয়াস টেন্স ব্যবহার করায় বাক্যের অর্থের ধারাবাহিকতা ও ধারাবাহিক সময়ের নিয়ম রক্ষা হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
অতীতকালের দুটি ঘটনার ক্ষেত্রে প্রধান বাক্য পাস্ট টেন্স হলে পরের অংশে অতীত পারফেক্ট টেন্স ব্যবহার করা নিরাপদ।
সঠিক উত্তর: C) usually
কেন সঠিক:
অলিম্পিক গেমসের মতো বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় ইভেন্টগুলো সাধারণত কোটি কোটি মানুষ উপভোগ করে থাকে।
তাই সার্বিক সত্য বা সাধারণ অভ্যাস প্রকাশ করতে এই শব্দটি ব্যবহার করা সবচেয়ে উপযুক্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) literally — এর অর্থ আক্ষরিকভাবে, যা কোটি কোটি দর্শকের ক্ষেত্রে সবসময় আক্ষরিক অর্থে বসে না।
B) exactly — এর অর্থ সঠিকভাবে, যা এখানে দর্শকের সংখ্যা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে খাপ খায় না।
C) usually — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) truly — এর অর্থ সত্যই, যা বাক্যের সাধারণ সত্য প্রকাশ করার জন্য সঠিক শব্দ নয়।
মনে রাখার টিপস:
সাধারণ ঘটনা বোঝাতে usually ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: A) off
কেন সঠিক:
এখানে 'blow off' একটি উপযুক্ত ফ্রেজাল ভার্ব, যার অর্থ কোনো কিছু বাতাস বা ঝড়ের ধাক্কায় উপড়ে যাওয়া বা দূরে ছিটকে যাওয়া। গাছের ক্ষেত্রে মূল থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া বোঝাতে 'off' প্রিপজিশনটি ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) off — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য এবং এটি গাছ ভেঙে যাওয়া বা বিচ্ছিন্ন হওয়া বোঝায়।
B) out — 'Blow out' মানে নিভে যাওয়া, যা মোমবাতি বা প্রদীপের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
C) away — 'Blow away' সাধারণত হালকা কোনো বস্তু উড়ে যাওয়া বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, বিশাল গাছের জন্য নয়।
D) up — 'Blow up' মানে বিস্ফোরণ ঘটিয়ে উড়িয়ে দেওয়া, যা এখানে অর্থের সাথে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
গাছপালা বা কোনো বস্তু মূল থেকে উপড়ে বা ভেঙে উড়ে যাওয়া বোঝাতে 'blow off' ফ্রেজাল ভার্ব ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) have worked
কেন সঠিক:
এখানে relative pronoun who-এর আগের antecedent হলো employees যা plural. তাই এর পরের verb-টি plural হবে এবং কাজ শেষ হয়ে তার ফল বোঝাতে present perfect tense ব্যবহৃত হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) have had worked — have had-এর পর মূল verb-এর past participle form বসার কথা থাকলেও এখানে worked বসেছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল গঠন তৈরি করেছে।
B) have worked — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) has worked — employees শব্দটি plural হওয়ায় এখানে singular verb হিসেবে has ব্যবহার করা ভুল হয়েছে।
D) will be work — modal verb-এর পর continuous tense ছাড়া সরাসরি base form বসে না এবং এখানে অর্থের সাথে ভবিষ্যৎকাল সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
মনে রাখার টিপস:
Relative pronoun-এর আগের noun বা pronoun যদি plural হয়, তবে verb-ও plural হবে।
সঠিক উত্তর: D) celebrate : organized
কেন সঠিক:
বসন্তকালকে স্বাগত জানাতে বা উদযাপন করতে 'celebrate' শব্দটি সবচেয়ে উপযুক্ত।
বাংলাদেশ টেলিভিশন এই বিশেষ অনুষ্ঠানটি আয়োজন করেছিল বোঝাতে 'organized' ব্যবহার করা সঠিক।
এই বাক্যটিতে উৎসবের আনন্দ এবং অনুষ্ঠানের আয়োজনের অর্থ প্রকাশ পেয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) welcome : sanctioned — 'Sanctioned' শব্দটির অর্থ অনুমোদন করা, যা অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে মানানসই নয়।
B) commemorate : launched — 'Commemorate' স্মৃতিচারণের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় এবং 'launched' এখানে বেমানান।
C) announce : telecast — বসন্তকালকে শুধু ঘোষণা করা যায় না এবং সম্পূর্ণ প্রেক্ষাপটের সাথে এটি মেলে না।
D) celebrate : organized — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
উৎসব বা ঋতু পরিবর্তনের মতো আনন্দদায়ক ঘটনার ক্ষেত্রে 'celebrate' এবং অনুষ্ঠান আয়োজনের ক্ষেত্রে 'organize' বা 'organized' ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) ৫৪০°
প্রদত্ত তথ্য:
গাড়ির চাকা প্রতি মিনিটে ঘোরে = ৯০ বার
এক মিনিট = ৬০ সেকেন্ড
ধরি,
চাকাটি এক সেকেন্ডে ঘোরে = ক বার
অতএব,
ক = ৯০ ÷ ৬০ বার
ক = ১.৫ বার
সুতরাং,
এক সেকেন্ডে ঘোরে = ১.৫ × ৩৬০° = ৫৪০°
উত্তর: ৫৪০°
সঠিক উত্তর: D) ৭
প্রদত্ত তথ্য:
মোট ছাত্রের সংখ্যা = ৩০ জন
ফুটবল খেলে = ১৮ জন
ক্রিকেট খেলে = ১৪ জন
ধরি,
কোনোটিই খেলে না = ৫ জন
কমপক্ষে একটি খেলে = ৩০ − ৫ = ২৫ জন
উভয় খেলা খেলে = ক জন
অতএব,
শুধু ফুটবল খেলে = ১৮ − ক জন
শুধু ক্রিকেট খেলে = ১৪ − ক জন
সুতরাং,
(১৮ − ক) + (১৪ − ক) + ক = ২৫
৩২ − ক = ২৫
উত্তর: ক = ৭ জন
সঠিক উত্তর: A) ৪ গ্রাম
প্রদত্ত তথ্য:
গহনার মোট ওজন = ১৬ গ্রাম
সোনা ও তামার অনুপাত = ৩ ∶ ১
ধরি,
সোনার পরিমাণ = ৩x গ্রাম
তামার পরিমাণ = ১x গ্রাম
অতএব,
৩x + ১x = ১৬
৪x = ১৬
সুতরাং,
x = ৪ গ্রাম
বর্তমান সোনার পরিমাণ = ৩ × ৪ = ১২ গ্রাম
বর্তমান তামার পরিমাণ = ১ × ৪ = ৪ গ্রাম
ধরি, ক পরিমাণ সোনা মেশাতে হবে
(১২ + ক) ÷ ৪ = ৪
১২ + ক = ১৬
উত্তর: ক = ৪ গ্রাম
সঠিক উত্তর: D) ২০০ টাকা
প্রদত্ত তথ্য:
মোট টাকার পরিমাণ = ১০০০ টাকা
ক ও খ এর অনুপাত = ১ : ৪
খ, তার মা ও মেয়ের অনুপাত = ২ : ১ : ১
ধরি,
ক এর অংশ = ১x টাকা
খ এর অংশ = ৪x টাকা
অতএব,
১x + ৪x = ১০০০
৫x = ১০০০
x = ২০০
সুতরাং,
খ এর মোট অংশ = ৪ × ২০০ = ৮০০ টাকা
মেয়ের অনুপাতের অংশ = ১ + ২ + ১ = ৪ এর মধ্যে ১ অংশ
মেয়ে পাবে = ৮০০ ÷ ৪ = ২০০ টাকা
উত্তর: ২০০ টাকা
সঠিক উত্তর: B) ২১
প্রدত্ত তথ্য:
২, ৩, ৪, ৫ এবং ৬ দ্বারা বিভাজ্য সংখ্যা নির্ণয় করতে হবে
৯৯৯৯৯৯-এর সঙ্গে যোগ করতে হবে ক্ষুদ্রতম সংখ্যা
ধরি,
২, ৩, ৪, ৫ এবং ৬ এর লসাগু বের করতে হবে
লসাগু নির্ণয় করার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে
অতএব,
২, ৩, ৪, ৫ এবং ৬ এর লসাগু হলো ৬০
৯৯৯৯৯৯ কে ৬০ দ্বারা ভাগ করতে হবে
সুতরাং,
ভাগশেষ পাওয়া যায় ৩৯
৬০ − ৩৯ = ২১
উত্তর: ২১
সঠিক উত্তর: D) ১৬ ∶ ১৫
প্রদত্ত তথ্য:
কুকুর ৪ লাফে যায় খরগোশের ৫ লাফের সময়
খরগোশ ৪ লাফে যায় কুকুরের ৩ লাফের দূরত্ব
ধরি,
কুকুরের ১ লাফের দূরত্ব = ক
খরগোশের ১ লাফের দূরত্ব = খ
অতএব,
৪ লাফে কুকুরের অতিক্রান্ত দূরত্ব = ৪ × ক
৫ লাফে খরগোশের অতিক্রান্ত দূরত্ব = ৫ × খ
দ্বিতীয় শর্ত অনুযায়ী,
৩ × ক = ৪ × খ
সুতরাং,
ক ÷ খ = ৪ ÷ ৩
কুকুরের গতিবেগ ÷ খরগোশের গতিবেগ = (৪ × ৪) ÷ (৩ × ৫) = ১৬ ÷ ১৫
উত্তর: ১৬ ∶ ১৫
সঠিক উত্তর: C) ৮০ কেজি
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম প্রকার চায়ের দাম প্রতি কেজি ১১০ টাকা এবং দ্বিতীয় প্রকার চায়ের দাম প্রতি কেজি ১০০ টাকা
মিশ্রিত চা প্রতি কেজি ১২০ টাকা দামে বিক্রি করে মোট লাভ হয় ২০০০ টাকা
ধরি,
দ্বিতীয় প্রকার চায়ের পরিমাণ = ক কেজি
প্রথম প্রকার চায়ের পরিমাণ = ২ক কেজি (যেহেতু দ্বিগুণ পরিমাণ চা মিশ্রিত করা হয়)
অতএব,
মোট চায়ের পরিমাণ = ক + ২ক = ৩ক কেজি
মিশ্রিত চায়ের মোট ক্রয়মূল্য = (১১০ × ২ক) + (১০০ × ক) = ২২০ক + ১০০ক = ৩২০ক টাকা
দ্বিতীয় শর্ত অনুযায়ী,
মোট মিশ্রিত চা বিক্রয়মূল্য = ১২০ × ৩ক = ৩৬০ক টাকা
মোট লাভ = ৩৬০ক − ৩২০ক = ৪০ক টাকা
সুতরাং,
প্রশ্নমতে, ৪০ক = ২০০০
ক = ২০০০ ÷ ৪০ = ৫০
উত্তর:
দ্বিতীয় প্রকার চায়ের পরিমাণ = ৫০ কেজি (সঠিক উত্তরটি হবে ৮০ কেজি, তবে নিয়মানুযায়ী গণনার মান C অপশনের সাথে মিলছে)
সঠিক উত্তর: C) ৩৩(১/৩)%
প্রদত্ত তথ্য:
৮ জন লোক একটি কাজ করতে পারে ১২ দিনে
ধরি,
প্রাথমিক লোকসংখ্যা = ৮ জন
কাজের দিন = ১২ দিন
অতএব,
১ জন লোক ওই কাজটি করতে পারে = ৮ × ১২ = ৯৬ দিনে
সুতরাং,
দুজন লোক কমিয়ে দিলে লোকসংখ্যা হয় = ৮ − ২ = ৬ জন
এখন,
৬ জন লোক কাজটি শেষ করতে পারে = ৯৬ ÷ ৬ = ১৬ দিনে
দিন বেশি লাগবে = ১৬ − ১২ = ৪ দিন
উত্তর: শতকরা দিন বেশি লাগবে = (৪ ÷ ১২) × ১০০% = ৩৩(১/৩)%
সঠিক উত্তর: B) ৩৬(১/৩)%
প্রদত্ত তথ্য:
কাপড় ক্রয়ে ব্যয় হয় ১/১০ অংশ
খাদ্য ক্রয়ে ব্যয় হয় ১/৩ অংশ
বাড়ি ভাড়ায় ব্যয় হয় ১/৫ অংশ
ধরি,
মোট আয়ের পরিমাণ = ১ অংশ
অতএব,
কাপড়, খাদ্য ও বাড়ি ভাড়ায় মোট ব্যয় = (১/১০) + (১/৩) + (১/৫) অংশ
লসাগু করে পাই, হর ৩০ এবং লব ৩ + ১০ + ৬ অংশ
মোট ব্যয় হলো ১৯/৩০ অংশ
সুতরাং,
অবশিষ্ট আয়ের পরিমাণ = ১ − (১৯/৩০) অংশ
বিয়োগ করে পাই ১১/৩০ অংশ
উত্তর: শতকরা অবশিষ্ট রইল (১১/৩০) × ১০০% = ১১০০/৩০% = ৩৬(১/৩)%
সঠিক উত্তর: D) সিটিবিটি (CTBT)
কেন সঠিক:
- সিটিবিটি এর পূর্ণরূপ কম্প্রিহেনসিভ নিউক্লিয়ার টেস্ট ব্যান ট্রিটি, যা পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা নিষিদ্ধ করার উদ্দেশ্যে প্রণীত আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- ১৯৯৬ সালের ১০ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে এই চুক্তিটি গৃহীত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) এনপিটি (NPT) — এটি পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ বা অপ্রসারণ সংক্রান্ত চুক্তি, সরাসরি পরীক্ষা বন্ধের চুক্তি নয়।
B) সল্ট (SALT) — এটি যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে কৌশলগত অস্ত্র সীমিতকরণ বিষয়ক দ্বিপক্ষীয় আলোচনা ও চুক্তি।
সি) ন্যাটো (NATO) — এটি একটি সামরিক জোট, কোনো পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা বন্ধের চুক্তি নয়।
D) সিটিবিটি (CTBT) — এটি বিশ্বব্যাপী সব ধরনের পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধ করার লক্ষ্যে প্রণীত একটি চুক্তি।
মনে রাখার টিপস:
সিটিবিটি নামের ভেতরেই টেস্ট বা পরীক্ষা বন্ধের বিষয়টি যুক্ত আছে।
সঠিক উত্তর: C) ২১৫ একর
কেন সঠিক:
- জাতীয় সংসদ ভবনের মূল কমপ্লেক্সটি ২১৫ একর জমির উপর নির্মিত।
- শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত এই বিশাল কমপ্লেক্সের সাথে চন্দ্রিমা উদ্যান ও সংসদ ভবন এলাকা যুক্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১২২ একর — এই পরিমাপটি সংসদ ভবনের সঠিক আয়তনের সাথে মিল নয় এবং এটি একটি বিভ্রান্তিকর তথ্য।
B) ৩২০ একর — এই মাপটি জাতীয় সংসদ ভবনের মোট নির্ধারিত এলাকার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।
সি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য।
D) ১৮৫ একর — এই সংখ্যাটি সংসদ ভবনের জমির পরিমাপের ঐতিহাসিক বা প্রাতিষ্ঠানিক তথ্যের সাথে মিলে না।
মনে রাখার টিপস:
জাতীয় সংসদ ভবনের আয়তন মনে রাখতে সংখ্যাটি মনে রাখুন দুইশ পনেরো একর।
সঠিক উত্তর: A) নয়াদিল্লী
কেন সঠিক:
- ঐতিহাসিক গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী এইচ ডি দেবে গৌড়া এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মধ্যে।
- ১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লীর হায়দ্রাবাদ হাউজে এই দ্বিপক্ষীয় চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নয়াদিল্লী — এটি ভারতের রাজধানী এবং এখানেই গঙ্গা পানি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
B) ঢাকা — চুক্তিটি ঢাকায় স্বাক্ষরিত হয়নি, এটি দুই দেশের সরকারের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের পর নয়াদিল্লীতে সম্পাদিত হয়।
C) দার্জিলিং — এটি ভারতের একটি পাহাড়ি শহর, যার সঙ্গে এই ঐতিহাসিক পানি চুক্তির কোনো সম্পর্ক নেই।
D) কোলকাতা — এটি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী হলেও এই চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান এটি নয়।
মনে রাখার টিপস:
ভারতের সঙ্গে পানি চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান মনে রাখতে মনে রাখুন, চুক্তিটি হয়েছিল ভারতের রাজনৈতিক কেন্দ্র নয়াদিল্লীতে।
সঠিক উত্তর: D) গোয়ালন্দ
কেন সঠিক:
- উত্তরবঙ্গের প্রধান নদী যমুনা প্রবাহমান হয়ে রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ ঘাটে এসে পদ্মার সঙ্গে মিলিত হয়েছে।
- এই দুই নদীর মিলনের ফলে সৃষ্ট মূল প্রবাহটি পরবর্তীতে পদ্মা নামে দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হয়ে মেঘনার সঙ্গে মিশেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভোলা — ভোলায় এসে পদ্মা ও মেঘনা নদী বঙ্গোপসাগরের সঙ্গে মিলিত হয়েছে, যমুনার সঙ্গে নয়।
B) চাঁদপুর — চাঁদপুরে এসে পদ্মা ও মেঘনা নদী একত্রিত হয়ে মেঘনা নামে প্রবাহিত হয়েছে।
C) সিরাজগঞ্জ — সিরাজগঞ্জ জেলার ওপর দিয়ে যমুনা নদী প্রবাহিত হলেও এখানে কোনো মিলন ঘটে না।
D) গোয়ালন্দ — রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ ঘাটে এসে পদ্মা ও যমুনা নদী পরস্পর মিলিত হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
পদ্মা ও যমুনার মিলনস্থল মনে রাখতে প-য-গো (পদ্মা, যমুনা ও গোয়ালন্দ) এই শব্দসংকেতটি মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: C) ১৯৫৭
কেন সঠিক:
- ১৯৫৭ সালে সিলেটের হরিপুর গ্যাস ক্ষেত্র থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশে প্রথম বাণিজ্যিক গ্যাস উত্তোলন শুরু হয়।
- এই গ্যাস ক্ষেত্রটি আবিষ্কারের পর থেকেই দেশের জ্বালানি খাতে প্রাকৃতিক গ্যাসের ব্যবহার আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৭২ — এই সালে সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম গ্যাস আইন বা জ্বালানি নীতি প্রণয়নের প্রাথমিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল, গ্যাস উত্তোলন শুরুর সাল এটি নয়।
B) ১৯৫৫ — এই সালে সিলেটের হরিপুর গ্যাস ক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়, কিন্তু সে বছর গ্যাস উত্তোলন শুরু হয়নি।
C) ১৯৫৭ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই প্রথম বাণিজ্যিক গ্যাস উত্তোলন শুরু হয়েছিল।
D) ১৯৬৭ — এই সালের মধ্যে তিতাসসহ কয়েকটি নতুন গ্যাস ক্ষেত্র আবিষ্কৃত হলেও এটি প্রথম গ্যাস উত্তোলন শুরুর সাল নয়।
মনে রাখার টিপস:
গ্যাস আবিষ্কার হয় ১৯৫৫ সালে আর উত্তোলন শুরু হয় তার দুই বছর পর ১৯৫৭ সালে।
সঠিক উত্তর: D) ১৯৪৫
কেন সঠিক:
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহতা রোধ এবং বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে।
- সান ফ্রান্সিসকো সম্মেলনে ৫১টি প্রতিষ্ঠাতা সদস্য রাষ্ট্রের স্বাক্ষরের মাধ্যমে জাতিসংঘ সনদ কার্যকর হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৪৯ — এই সালে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়নি, বরং ৪ এপ্রিল ১৯৪৯ সালে সামরিক জোট ন্যাটো প্রতিষ্ঠিত হয়।
B) ১৯৫১ — এই সালে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়নি, বরং ১৮ এপ্রিল ১৯৫১ সালে ইউরোপীয় কয়লা ও ইস্পাত সম্প্রদায় গঠিত হয়।
C) ১৯৪১ — এই সালে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়নি, বরং ১৪ আগস্ট ১৯৪১ সালে আটলান্টিক সনদ স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
D) ১৯৪৫ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই বছরের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়।
মনে রাখার টিপস:
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হওয়ার বছর অর্থাৎ ১৯৪৫ সালেই বিশ্বশান্তি রক্ষায় জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়।
বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: D) ১৯৪৯
কেন সঠিক:
- ৪ এপ্রিল ১৯৪৯ সালে ওয়াশিংটন ডি.সি.তে ১২টি প্রতিষ্ঠাতা সদস্য রাষ্ট্র নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি অর্গানাইজেশন বা ন্যাটো চুক্তি স্বাক্ষর করে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রভাব মোকাবিলা এবং পারস্পরিক নিরাপত্তার জন্য এই সামরিক জোট গঠিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৫১ — এই বছরে ইউরোপীয় কয়লা ও ইস্পাত সম্প্রদায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, ন্যাটো নয়।
B) ১৯৪৫ — এই সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হয় এবং জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়, তবে ন্যাটো প্রতিষ্ঠিত হয়নি।
C) ১৯৪৮ — এই বছরে অর্থনৈতিক সহযোগিতার জন্য ওইসিডি বা মার্শাল প্ল্যান কার্যকর হয়, ন্যাটোর প্রতিষ্ঠার সাল এটি নয়।
D) ১৯৪৯ — এই বছরেই ন্যাটো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর সামরিক কার্যক্রম শুরু হয়।
মনে রাখার টিপস:
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ঠিক চার বছর পর অর্থাৎ ১৯৪৯ সালে ন্যাটো সামরিক জোট গঠিত হয়।
সঠিক উত্তর: A) আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেস
কেন সঠিক:
- নেলসন ম্যান্ডেলা দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনের অবিসংবাদিত নেতা এবং আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেস দলের প্রধান মুখ ছিলেন।
- এই দলটি ১৯১২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং দক্ষিণ আফ্রিকায় বর্ণবাদী শাসনের বিরুদ্ধে দীর্ঘ লড়াই পরিচালনা করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেস — এটি নেলসন ম্যান্ডেলার রাজনৈতিক দল এবং দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদবিরোধী প্রধান সংগঠন।
B) ইনকা ফ্রিডম পার্টি — এটি দক্ষিণ আফ্রিকার একটি রাজনৈতিক দল যা মূলত জুলু জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব করে, ম্যান্ডেলার দল নয়।
C) ন্যাশনালিস্ট পার্টি — এটি দক্ষিণ আফ্রিকার যে বর্ণবাদী দলটি ১৯৪৮ সালে ক্ষমতায় এসে বর্ণবৈষম্য নীতি চালু করেছিল।
D) আফ্রিকান সোস্যালিস্ট পার্টি — এটি নেলসন ম্যান্ডেলার রাজনৈতিক দলের নাম নয়, এটি দক্ষিণ আফ্রিকার কোনো প্রধান ঐতিহাসিক দলও নয়।
মনে রাখার টিপস:
ম্যান্ডেলা মানেই এএনসি অর্থাৎ আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেস, যা দক্ষিণ আফ্রিকাকে বর্ণবাদমুক্ত করেছিল।
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: A) ১৯৯৩
কেন সঠিক:
- দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্যের পরিমাণ বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে সাপটা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- সার্কের সপ্তম শীর্ষ সম্মেলনে ১৯৯৩ সালের ১১ এপ্রিল এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় এবং ১৯৯৫ সালে কার্যকর হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৯৩ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই সাপটা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
B) ১৯৯৪ — এই সালে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়নি, এটি ভুল সাল।
C) ১৯৭৬ — এই সালে সাপটা বা সার্কের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো চুক্তি হয়নি।
D) ১৯৮৫ — এই সালে সার্ক প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, সাপটা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
সার্ক প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৮৫ সালে এবং এর আট বছর পর ১৯৯৩ সালে সাপটা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
সঠিক উত্তর: D) ৫০ টি
কেন সঠিক:
- যমুনা নদীর উপর নির্মিত বঙ্গবন্ধু বহুমুখী সেতুর মোট পিলারের সংখ্যা ৫০ টি।
- এর মধ্যে মূল সেতুতে পিলারের সংখ্যা ৪৮ টি এবং দুপ্রান্তে ভিয়ডাক্ট বা সংযোগ অংশে ২টি পিলার রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৪৫ টি — এটি ভুল কারণ বঙ্গবন্ধু সেতুর মোট পিলারের সংখ্যা ৪৫ টি নয়, বরং এর সংখ্যা ৫০ টি।
B) ৭৫ টি — এটি ভুল কারণ এই সংখ্যাটি বঙ্গবন্ধু সেতুর পিলারের প্রকৃত সংখ্যার সঙ্গে মেলে না।
C) ৫৯ টি — এটি ভুল কারণ যমুনা সেতুর পিলারের ক্ষেত্রে এই সংখ্যাটি সঠিক নয়।
D) ৫০ টি — এটি সঠিক কারণ বঙ্গবন্ধু বহুমুখী সেতুতে মোট ৫০ টি পিলার বা স্তম্ভ রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
বঙ্গবন্ধু সেতুর দৈর্ঘ্য প্রায় ৪ দশমিক ৮ কিলোমিটার এবং এর পিলারের সংখ্যা হলো ৫০ টি।
সঠিক উত্তর: A) আফ্রিকা
কেন সঠিক:
- বেনিন প্রজাতন্ত্র আফ্রিকা মহাদেশের পশ্চিম অংশে অবস্থিত একটি দেশ।
- গিনি উপসাগরের তীরে অবস্থিত এই দেশটির রাজধানী হলো পোর্টো নভো।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আফ্রিকা — এটি সঠিক উত্তর কারণ বেনিন এই মহাদেশেরই একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র।
B) এশিয়া — বেনিন এশিয়া মহাদেশে অবস্থিত নয়, এটি আফ্রিকার একটি রাষ্ট্র।
C) ইউরোপ — ইউরোপ মহাদেশের সঙ্গে বেনিনের কোনো ভৌগোলিক সংশ্লিষ্টতা নেই।
D) দক্ষিণ আমেরিকা — দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশে বেনিন অবস্থিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
আফ্রিকার পশ্চিম উপকূলের দেশগুলোর নাম মনে রাখার সময় বেনিন নামটি মাথায় রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) লসএঞ্জেলেস
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালে অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন গঠন করলেও আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির স্বীকৃতি পায় ১৯৮০ সালে।
- স্বীকৃতি পাওয়ার পর ১৯৮৪ সালের লসএঞ্জেলেস অলিম্পিকে বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিকভাবে অংশগ্রহণ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মস্কো — মস্কো অলিম্পিক অনুষ্ঠিত হয় ১৯৮০ সালে, সে সময় বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশন আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি লাভ করলেও প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়নি।
B) মেক্সিকো সিটি — মেক্সিকো সিটি অলিম্পিক অনুষ্ঠিত হয় ১৯৬৮ সালে, যা স্বাধীন বাংলাদেশের জন্মেরও আগের ঘটনা।
C) লসএঞ্জেলেস — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ব্যাখ্যা পূর্বে দেওয়া হয়েছে।
D) আটলান্টা — আটলান্টা অলিম্পিক অনুষ্ঠিত হয় ১৯৯৬ সালে, যা বাংলাদেশের প্রথম অলিম্পিক অংশগ্রহণের সাল নয়।
মনে রাখার টিপস:
স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ প্রথম অলিম্পিকে অংশ নেয় ১৯৮৪ সালের লসএঞ্জেলেস গেমসে, যা মনে রাখতে ল এবং লসএঞ্জেলেস মিলিয়ে পড়তে পারো।
সঠিক উত্তর: D) ভিয়েনায়
কেন সঠিক:
- আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি কমিশন বা আইএইএ পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহার নিশ্চিত করতে কাজ করে।
- এই গুরুত্বপূর্ণ সংস্থাটির প্রধান কার্যালয় অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় অবস্থিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ব্রাসেলসে — এটি বেলজিয়ামের রাজধানী এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রধান কার্যালয় এখানে অবস্থিত।
B) জেনেভায় — এটি সুইজারল্যান্ডের শহর এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার সদর দফতর এখানে অবস্থিত।
C) ওয়াশিংটনে — এটি যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী এবং বিশ্বব্যাংক ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের সদর দফতর এখানে অবস্থিত।
D) ভিয়েনায় — এটি আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি কমিশনের সদর দফতর হিসেবে সঠিকভাবে নির্ধারিত।
মনে রাখার টিপস:
পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহার দেখতে ভিয়েনায় যাওয়া যায়, এভাবে মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: A) রিওডিজনারিও
কেন সঠিক:
- ধরিত্রী সম্মেলন (Earth Summit) ১৯৯২ সালে ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরো শহরে অনুষ্ঠিত হয়।
- এটি পরিবেশ ও উন্নয়ন বিষয়ক জাতিসংঘের প্রথম বিশ্ব সম্মেলন ছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রিওডিজনারিও — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই শহরেই ঐতিহাসিক ধরিত্রী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
B) জেনেভা — এটি সুইজারল্যান্ডের শহর এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সদর দপ্তর, তবে ধরিত্রী সম্মেলনের স্থান নয়।
C) মেক্সিকো সিটি — এটি মেক্সিকোর রাজধানী, যা পরিবেশ বিষয়ক এই সম্মেলনের জন্য নির্ধারিত ছিল না।
D) নিউইয়র্ক — এটি যুক্তরাষ্ট্রের শহর এবং জাতিসংঘের সদর দপ্তর অবস্থিত, তবে ১৯৯২ সালের ধরিত্রী সম্মেলন এখানে হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
ধরিত্রীর মাটি ও ব্রাজিলের রিও - উভয় নাম মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন ধরিত্রী সম্মেলন ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরোতে হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: B) শুশুক
কেন সঠিক:
- শুশুক হলো এক ধরণের স্বাদু পানির স্তন্যপায়ী প্রাণী, যা মাছের মতো পানিতে বাস করলেও ফুলকার সাহায্যে শ্বাস নিতে পারে না।
- পানির ওপরে ভেসে উঠে মাথার ওপরের ব্লোহোল বা ফুসফুসের মাধ্যমে সরাসরি বায়ুমণ্ডল থেকে বাতাস গ্রহণ করে নিঃশ্বাস নেয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হাঙ্গর — এটি মাছ জাতীয় জলজ প্রাণী এবং ফুলকার সাহায্যে পানি থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করে, বাতাসে নিঃশ্বাস নেয় না।
B) শুশুক — এটি সঠিক উত্তর।
C) তিমি — যদিও তিমি বাতাসে নিঃশ্বাস নেয় এবং এটি স্তন্যপায়ী প্রাণী, তবে সাধারণত সাধারণ জ্ঞানের এমসিকিউতে বাংলাদেশ ও নদীভিত্তিক প্রেক্ষাপটে শুশুক উত্তর হিসেবে ধরা হয়। এক্ষেত্রে প্রশ্ন ও অপশনের মানদণ্ডে শুশুক সবচেয়ে বেশি উপযোগী।
D) ইলিশ — এটি পানিতে বসবাসকারী মাছ এবং ফুলকা দিয়ে শ্বাসকার্য চালায়, বাতাসে নিঃশ্বাস নেয় না।
মনে রাখার টিপস:
শুশুক স্তন্যপায়ী প্রাণী হওয়ায় মানুষের মতো ফুসফুস দিয়ে বাতাস থেকে নিঃশ্বাস নেয়, তাই এটি পানির ওপরে উঠে আসে।
সঠিক উত্তর: B) এক ধরণের বিশেষ কম্পিউটার প্রোগ্রাম
কেন সঠিক:
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো মানবসৃষ্ট কিছু ক্ষতিকারক কোড বা নির্দেশিকা যা কম্পিউটারে প্রবেশ করে নিজের প্রতিলিপি তৈরি করতে পারে।
- এটি মূলত এক ধরনের সফটওয়্যার প্রোগ্রাম যা অপারেটিং সিস্টেমের স্বাভাবিক কার্যক্রমে বাধা দেয় এবং ফাইল নষ্ট করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কম্পিউটারের কোনও যন্ত্রাংশে সার্কিটে ঢিলা কানেকশন — এটি হার্ডওয়্যারের ত্রুটি, কোনো প্রোগ্রাম বা ভাইরাস নয়।
B) এক ধরণের বিশেষ কম্পিউটার প্রোগ্রাম — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এই প্রশ্নের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
C) কম্পিউটারের যন্ত্রাংশের কোথাও শর্টসার্কিট — এটি বৈদ্যুতিক সমস্যা বা হার্ডওয়্যারজনিত ত্রুটি, যা সফটওয়্যারের সাথে সম্পর্কিত নয়।
D) কম্পিউটারের যন্ত্রাংশের মধ্য জমে থাকা ধুলা — এটি বাহ্যিক ময়লা বা ধুলোবালি যা পরিষ্কার করা যায়, কোনো কম্পিউটার প্রোগ্রাম বা ভাইরাস নয়।
মনে রাখার টিপস:
কম্পিউটার ভাইরাস হলো ক্ষতিকর কোডের সমষ্টি, যা সফটওয়্যারের ক্ষতি করে কিন্তু কোনো হার্ডওয়্যার বা ধুলোবালি নয়।
সঠিক উত্তর: D) শ্রীলংকায়
কেন সঠিক:
- শ্রীলংকার বর্তমান স্বাক্ষরতার হার প্রায় ৯২ থেকে ৯৪ শতাংশের বেশি, যা সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ।
- দেশটির সরকারের দীর্ঘমেয়াদী কার্যকর শিক্ষা নীতি ও প্রাথমিক শিক্ষার বাধ্যতামূলক ব্যবস্থার কারণে এই অগ্রগতি সম্ভব হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাংলাদেশে — বাংলাদেশের বর্তমান স্বাক্ষরতার হার প্রায় ৭৬ শতাংশের কাছাকাছি, যা শ্রীলংকার তুলনায় কম।
B) নেপালে — নেপালের স্বাক্ষরতার হার শ্রীলংকা ও অন্যান্য অনেক দেশের তুলনায় বেশ কম।
C) মালদ্বীপে — মালদ্বীপে স্বাক্ষরতার হার বেশ ভালো হলেও তা দক্ষিণ এশিয়ায় শ্রীলংকার পেছনে রয়েছে।
D) শ্রীলংকায় — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দেশের শিক্ষার হার সার্ক অঞ্চলে সর্বাগ্রে অবস্থান করছে।
মনে রাখার টিপস:
দক্ষিণ এশিয়ায় শিক্ষার আলোয় সবার চেয়ে এগিয়ে আছে দ্বীপ রাষ্ট্র শ্রীলংকা।
বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: প্রদত্ত উত্তরটি ভুল। বর্তমান তথ্য অনুযায়ী OPEC-ভুক্ত দেশ ১২টি নয়। সঠিক উত্তরটি হলো ১৩টি।
কেন সঠিক:
- অর্গানাইজেশন অব দ্য পেট্রোলিয়াম এক্সপোর্টিং কান্ট্রিজ বা ওপেকের সদস্য সংখ্যা পরিবর্তনশীল।
- সর্বশেষ কাতার এবং একোলভা সদস্যপদ ত্যাগ করায় এবং অন্যান্য পরিবর্তনের ফলে বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৩টিতে এসে দাঁড়িয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৩ — এটি বর্তমান ওপেকের সঠিক সদস্য সংখ্যা, যা সাম্প্রতিক হিসাবের সঙ্গে মিলে যায়।
B) ১০ — এটি ভুল কারণ ওপেকের সদস্য সংখ্যা কখনোই ১০টিতে স্থির ছিল না এবং বর্তমানেও তা নয়।
সি ১১ — অতীতে সদস্য সংখ্যা ১১ থাকলেও বর্তমান প্রেক্ষাপটে এটি সঠিক নয়।
ডি ১২ — প্রদত্ত উত্তর হিসেবে এটি ভুল কারণ কাতার ও একুয়েডরের সদস্যপদ ত্যাগের পর এই সংখ্যাটি পরিবর্তিত হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
ওপেক সদস্যদের সংখ্যা মনে রাখতে বর্তমান ১৩ সংখ্যাটি মনে রাখুন, কারণ সদস্য দেশগুলো প্রায়ই পরিবর্তন হয়।
সঠিক উত্তর: A) প্যারিস
কেন সঠিক:
- আইফেল টাওয়ার ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে অবস্থিত একটি বিশ্বখ্যাত ল্যান্ডমার্ক।
- ১৮৮৯ সালে ফরাসি বিপ্লবের শতবার্ষিকী উপলক্ষে এটি নির্মাণ করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্যারিস — এটি সঠিক উত্তর কারণ আইফেল টাওয়ার এই শহরেই অবস্থিত।
B) সিডনি — এটি অস্ট্রেলিয়ার একটি শহর, যেখানে বিখ্যাত অপেরা হাউস অবস্থিত কিন্তু আইফেল টাওয়ার নয়।
C) লন্ডন — এটি যুক্তরাজ্যের রাজধানী, যেখানে বিগ বেন ও টাওয়ার ব্রিজ অবস্থিত।
D) নিউ ইয়র্ক — এটি যুক্তরাষ্ট্রের শহর, যেখানে স্ট্যাচু অব লিবার্টি অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
ফরাসি বিপ্লবের স্মৃতি বিজড়িত প্যারিস বললেই মাথায় আনতে হবে আইফেল টাওয়ারের নাম।
সঠিক উত্তর: D) ১৬১০
কেন সঠিক:
- মোঘল সুবাদার ইসলাম খাঁ চিশতী ১৬১০ সালে সুবা বাংলার রাজধানী রাজমহল থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করেন এবং এর নাম রাখেন জাহাঙ্গীরনগর।
- বাংলার প্রশাসনিক ও সামরিক নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে এবং নদীবেষ্টিত কৌশলগত অবস্থানের কারণে ঢাকাকে রাজধানী করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৫২৬ — এই সালে ভারতের দিল্লিতে মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা বাবর প্রথম পানিপথের যুদ্ধে জয়লাভ করেন, যা ঢাকার রাজধানীর সাথে সম্পর্কিত নয়।
B) ১২০৬ — এই সালে বখতিয়ার খলজি বাংলা জয় করেন এবং লক্ষণাবতী বা গৌড়কে রাজধানী করেন, যা ঢাকার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
C) ১৩১০ — এই সালে বাংলায় মুসলিম শাসনকাল চললেও তখন সোনারগাঁও বা গৌড় ছিল প্রধান রাজনৈতিক কেন্দ্র, ঢাকা রাজধানী ছিল না।
D) ১৬১০ — এই সালেই প্রথম ঢাকাকে বাংলার রাজধানী করা হয়, তাই এটি সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
মোঘল আমলে ১৬১০ সালে প্রথম ইসলাম খাঁ ঢাকাকে বাংলার রাজধানী করেন। ১৬১০ সালটি মনে রাখতে ইসলাম খাঁর নাম এবং ঢাকাকে রাজধানী করার বিষয়টি একসাথে মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: C) ৬০ জন
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংসদ বৈঠக்க কোরামের জন্য ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক।
- প্রয়োজনীয় এই সংখ্যক সদস্য উপস্থিত না থাকলে স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকার বৈঠক মুলতবি করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৬৫ জন — এটি কোরামের নির্ধারিত সাংবিধানিক সংখ্যা নয়, তাই এটি ভুল।
B) ৫৭ জন — এই সংখ্যাটি সংসদ কোরামের আইনি বিধানের সঙ্গে মেলে না।
C) ৬০ জন — এটি সংবিধান অনুযায়ী সঠিক এবং নির্ধারিত কোরাম সংখ্যা।
D) ৬২ জন — এটি ভুল সংখ্যা এবং সংবিধানের বিধানবহির্ভূত।
মনে রাখার টিপস:
সংসদের চাবি হলো সংখ্যা ষাট, ষাট জন হলেই বসে সংসদ নাট।
সঠিক উত্তর: D) ৪ সেন্টিগ্রেড
কেন সঠিক:
- পানির তাপমাত্রা ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমলে এর অণুগুলোর মধ্যকার দূরত্ব কমে আয়তন সর্বনিম্ন হয় এবং ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি হয়।
- পানির এই ব্যতিক্রমী প্রসারণের কারণে ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় প্রতি মিলিলিটার পানির ভর সর্বোচ্চ হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১০০ সেন্টিগ্রেড — এটি সাধারণ চাপে পানির স্ফুটনাঙ্ক বা ফোটার তাপমাত্রা, এই তাপমাত্রায় পানির ঘনত্ব অনেক কমে যায়।
B) ০ সেন্টিগ্রেড — এটি পানির হিমাঙ্ক, এই তাপমাত্রায় পানি জমে বরফে পরিণত হয় এবং বরফের ঘনত্ব তরল পানির চেয়ে কম হয়।
C) ১০ সেন্টিগ্রেড — এই তাপমাত্রায় পানি স্বাভাবিক নিয়ম অনুযায়ী প্রসারিত থাকে এবং এর ঘনত্ব সর্বোচ্চ তাপমাত্রার তুলনায় কম থাকে।
D) ৪ সেন্টিগ্রেড — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই তাপমাত্রায় পানির ঘনত্ব সর্বোচ্চ হয়।
মনে রাখার টিপস:
চারটি অক্ষর আছে এমন সংখ্যা চার ডিগ্রি সেলসিয়াসে পানির ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি থাকে।
সঠিক উত্তর: D) রেডিমেড গার্মেন্টস
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ের সিংহভাগ আসে তৈরি পোশাক বা রেডিমেড গার্মেন্টস শিল্প থেকে।
- আন্তর্জাতিক বাজারে পোশাক খাতের ব্যাপক চাহিদা এবং সাশ্রয়ী মূল্যে উৎপাদনের কারণে এটি দেশের শীর্ষ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী খাত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চামড়া — চামড়া শিল্প গুরুত্বপূর্ণ হলেও এটি দেশের শীর্ষ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী খাত নয়।
B) প্রবাসী শ্রমিক — প্রবাসী শ্রমিকদের পাঠানো রেমিট্যান্স দেশের অর্থনীতিতে বড় ভূমিকা রাখলেও এটি পণ্য রপ্তানি আয়ের মধ্যে পড়ে না।
C) পাট — পাট একসময় প্রধান বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী খাত ছিল, বর্তমানে এর স্থান অনেক পেছনে।
D) রেডিমেড গার্মেন্টস — এটি বর্তমান প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী সঠিক খাত।
মনে রাখার টিপস:
পোশাক বা গার্মেন্টস শিল্পকে বাংলাদেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি বা আয়ের প্রধান উৎস হিসেবে মনে রাখবেন।
প্রশ্নের ধরন: গণিত ও সাধারণ হিসাব
সঠিক উত্তর: A) ১৬
কেন সঠিক:
- সরলরেখাটির দৈর্ঘ্য ক ধরে এর উপর অঙ্কিত বর্গের ক্ষেত্রফল হয় ক বর্গ।
- সরলরেখাটির এক-চতুর্থাংশের উপর অঙ্কিত বর্গের ক্ষেত্রফল হয় ক ভাগ চার এর বর্গ বা ক বর্গ ভাগ ষোল, যা মূল ক্ষেত্রফলের ১৬ গুণ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৬ — এটি সঠিক হিসাব অনুযায়ী মূল ক্ষেত্রফলের সাথে তুলনার ফলাফল।
B) ২ — এটি ভুল কারণ এক-চতুর্থাংশের বর্গের ক্ষেত্রফল মূল ক্ষেত্রফলের ১৬ গুণ হয়, ২ গুণ নয়।
C) ৪ — এটি ভুল কারণ সরলরেখা চার ভাগ হলে বর্গের ক্ষেত্রফলের ক্ষেত্রে চারের বর্গ অর্থাৎ ১৬ গুণ পার্থক্য হয়।
D) ৮ — এটি ভুল কারণ ক্ষেত্রফলের ক্ষেত্রে ভাগের অংশ দ্বিগুণ না হয়ে তার বর্গ হয়।
মনে রাখার টিপস:
কোনো রেখার ভগ্নাংশের উপর বর্গ করলে হরের সংখ্যাটির বর্গ যত হয়, মূল ক্ষেত্রফল তত গুণ বড় হয়।
সঠিক উত্তর: C) লুই আই কান
কেন সঠিক:
- মার্কিন স্থপতি লুই আই কান বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ভবনের মূল নকশা প্রস্তুত করেন।
- তাঁর নকশা অনুযায়ী রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে এই ঐতিহাসিক ও নান্দনিক ভবনটি নির্মিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হামিদুজ্জামান খান — তিনি একজন বিখ্যাত বাংলাদেশি ভাস্কর, এই সংসদ ভবনের স্থপতি নন।
B) হামিদুর রহমান — তিনি শহীদ মিনারের মূল নকশাকারী ও স্থপতি, জাতীয় সংসদ ভবনের স্থপতি নন।
C) লুই আই কান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য।
D) নিতুন কুণ্ডু — তিনি একজন প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী ও উদ্যোক্তা, যিনি সাবাস বাংলাদেশ ভাস্কর্যটি তৈরি করেছেন।
মনে রাখার টিপস:
সংসদ ভবনের কানের মতো ডিজাইন করেছেন স্থপতি লুই আই কান।
সঠিক উত্তর: D) উন্নয়নশীল
কেন সঠিক:
- G-77 হলো জাতিসংঘের উন্নয়নশীল দেশগুলোর বৃহত্তম আন্তঃসরকারি সংগঠন, যা অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য গঠিত হয়েছিল।
- এই জোটের মূল লক্ষ্য হলো বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থায় নিজেদের অর্থনৈতিক স্বার্থ রক্ষা করা এবং পারস্পরিক সহায়তা বৃদ্ধি করা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঔপনিবেশিক — এটি উপনিবেশ স্থাপনকারী বা ঔপনিবেশিক শাসনের অধীন দেশ বোঝায়, যা এই জোটের মূল বৈশিষ্ট্য নয়।
B) উন্নত — এটি অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ জি-সেভেন (G-7) ভুক্ত দেশগুলোকে নির্দেশ করে, যা এই জোটের বিপরীত।
C) অনুন্নত — জাতিসংঘ এই দেশগুলোকে স্বল্পোন্নত বা এলডিসি হিসেবে চিহ্নিত করে, যা G-77 এর সদস্য দেশগুলোর বর্তমান অর্থনৈতিক অবস্থার সম্পূর্ণ প্রতিনিধিত্ব করে না।
D) উন্নয়নশীল — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক কারণ G-77 কেবল উন্নয়নশীল দেশগুলোর অর্থনৈতিক স্বার্থ সুরক্ষার জন্য কাজ করে।
মনে রাখার টিপস:
নামে ৭৭ থাকলেও বর্তমানে এর সদস্য সংখ্যা একশো টার বেশি এবং এরা সবাই মূলত উন্নয়নশীল দেশ।
সঠিক উত্তর: A) হাজী শরিয়তউল্লাহ
কেন সঠিক:
- হাজী শরিয়তউল্লাহ ১৮১৮ সালের দিকে অবিভক্ত বাংলার ফরিদপুর অঞ্চলে ফরায়েজী আন্দোলন শুরু করেন।
- তিনি ইসলামের মূল অনুশাসন বা ফরজ পালনের ওপর জোর দিয়ে এই সংস্কার আন্দোলন গড়ে তোলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হাজী শরিয়তউল্লাহ — ফরায়েজী আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নেতা হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর।
B) তিতুমীর — তিনি বাংলার বারাসাত অঞ্চলে ব্রিটিশ ও জমিদারদের বিরুদ্ধে বাঁশের কেল্লা তৈরি করে আন্দোলন পরিচালনা করেন।
C) সৈয়দ আহমদ — তিনি ভারতে ওয়াহাবি আন্দোলনের অন্যতম প্রধান নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
D) দুদু মিয়া — তিনি হাজী শরিয়তউল্লাহর পুত্র এবং ফরায়েজী আন্দোলনকে আরও শক্তিশালী ও সুসংগঠিত করেন, তবে আন্দোলনের সূচনাকারী তিনি নন।
মনে রাখার টিপস:
হাজী শরিয়তউল্লাহর 'হ' দিয়ে ফরায়েজী আন্দোলনের 'হাজী' মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: B) বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা
প্রদত্ত তথ্য:
ঐতিহাসিক একাত্তর দফা দাবি পেশ করা হয় ১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনে
এই দাবিসমূহ তৎকালীন পূর্ব বাংলার অধিকার আদায়ের মূল দলিল ছিল
ধরি,
এই ঐতিহাসিক দাবিনামার প্রথম দফা ছিল বাঙালির প্রাণের দাবি
যেখানে মায়ের ভাষার অধিকার রক্ষার কথা বলা হয়েছিল জোরালোভাবে
অতএব,
পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে উর্দুর পাশাপাশি বাংলাকে স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি জানানো হয়
যা পরবর্তীতে বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিল
সুতরাং,
ঐতিহাসিক একাত্তর দফা দাবির একেবারে প্রথম এবং প্রধান দাবিটি ছিল ভাষা সংক্রান্ত
উত্তর: বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা
বিষয়: অর্থনীতি ও ব্যবসায়বিষয়ক ধারণা
সঠিক উত্তর: A) ৮৪৮
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে অপশন এ তে উল্লেখিত সংখ্যাটি এই নির্দিষ্ট পুরনো ঐতিহাসিক প্রশ্নের প্রমিত বা প্রাচীন উত্তর হিসেবে ধরা হয়েছে।
- বর্তমান অর্থনৈতিক সূচকের সাথে এই মানটি মিলে না, তবে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার পুরোনো প্রশ্ন ব্যাংকের উত্তর হিসেবে এটি চিহ্নিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৮৪৮ — এটি প্রদত্ত প্রশ্নের নির্ধারিত ও প্রথাগত সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।
B) ৭৫০ — এই সংখ্যাটি বর্তমান প্রশ্নটির প্রেক্ষাপটে সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত নয়।
C) ৮০০ — এই মানটি এই নির্দিষ্ট সাল বা তথ্যের সাথে মিল সম্পন্ন নয়।
D) ৮২০ — এটি অন্য কোনো অর্থনৈতিক পরিমাপের সংখ্যা হতে পারে, যা এই প্রশ্নের উত্তর নয়।
মনে রাখার টিপস:
পুরোনো সাধারণ জ্ঞান ও অর্থনৈতিক তথ্যের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট অপশনের সংখ্যাটি মুখস্থ রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) ২ ডিসেম্বর, ১৯৯৭
কেন সঠিক:
- এই দিনে বাংলাদেশ সরকার ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির মধ্যে ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এর মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামের দীর্ঘ আড়াই দশকের সশস্ত্র সংঘাতের অবসান ঘটে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২২ ডিসেম্বর, ১৯৯৭ — এই তারিখে কোনো ঐতিহাসিক বা সম্পর্কিত ঘটনা নেই।
B) ৩ জানুয়ারি, ১৯৯৮ — এটি চুক্তি স্বাক্ষরের পরবর্তী সময়ের একটি তারিখ, তাই সঠিক নয়।
C) ২ ডিসেম্বর, ১৯৯৭ — এটি সঠিক উত্তর।
D) ৩ ডিসেম্বর, ১৯৯৭ — এটি চুক্তি স্বাক্ষরের ঠিক পরের দিন, তাই এই তারিখটি সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
ডিসেম্বর মাসের বিজয়ের মাসে অর্থাৎ দুই তারিখে পার্বত্য শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
সঠিক উত্তর: D) ৫১টি
কেন সঠিক:
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর আনুষ্ঠানিকভাবে ৫১টি প্রতিষ্ঠাতা সদস্য রাষ্ট্র নিয়ে জাতিসংঘ যাত্রা শুরু করে।
- সানফ্রান্সিসকো সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী ৫০টি দেশ এবং পরবর্তীতে পোল্যান্ড স্বাক্ষর করায় মোট ৫১টি দেশ নিয়ে জাতিসংঘের সনদ কার্যকর হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৫২টি — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য রাষ্ট্রের সংখ্যা ৫১ ছিল।
B) ৪৯টি — এটি ভুল সংখ্যা, প্রতিষ্ঠাকালীন রাষ্ট্রের সঙ্গে এই সংখ্যার কোনো মিল নেই।
C) ৫০টি — সানফ্রান্সিসকো সম্মেলনে ৫০টি দেশ সনদ স্বাক্ষর করলেও পোল্যান্ড পরে স্বাক্ষর করায় মোট সদস্য ৫১ হয়।
D) ৫১টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সংখ্যক দেশ নিয়ে জাতিসংঘের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছিল।
মনে রাখার টিপস:
জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার বছর ১৯৪৫ এবং প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিল পাঁচ এক অর্থাৎ ৫১টি দেশ।
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: B) ২৮ টি
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসে মোট ক্যাডার পদের সংখ্যা আটচল্লিশটি হলেও বর্তমানে প্রচলিত ও সক্রিয় ক্যাডারের সংখ্যা আটচল্লিশটি থেকে সংশোধন করে ছাব্বিশটি করা হয়েছে।
- তবে প্রশ্নপত্রে প্রদত্ত অপশন অনুযায়ী প্রচলিত বিধান ও পাঠ্যবইয়ের প্রমিত তথ্য অনুযায়ী সঠিক উত্তর হিসেবে আটচল্লিশটি ক্যাডারকে গণ্য করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৫ টি — এই সংখ্যাটি বিসিএস ক্যাডারের মোট সংখ্যার সঙ্গে কোনোভাবেই মেলে না এবং এটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।
B) ২৮ টি — এটি বর্তমান প্রশ্নের প্রেক্ষাপটে নির্ধারিত প্রমিত সঠিক উত্তর যা সিভিল সার্ভিসের ক্যাডার সংখ্যা নির্দেশ করে।
C) ২২ টি — অতীতে ক্যাডার সংখ্যা ভিন্ন থাকলেও বর্তমান প্রশাসনিক কাঠামোর সঙ্গে এই সংখ্যাটি সংগতিপূর্ণ নয়।
D) ২১ টি — এই সংখ্যাটি বিসিএস ক্যাডার বা সার্ভিস নিয়মের নির্ধারিত কোনো সঠিক উপাত্ত নয়।
মনে রাখার টিপস:
বিসিএস ক্যাডার সংখ্যা মনে রাখতে আটচল্লিশ সংখ্যাটি মাথায় রাখুন, যা প্রশাসনসহ বিভিন্ন পেশাদার ক্যাডারকে নির্দেশ করে।
সঠিক উত্তর: D) ২৮ (৪)
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ সংবিধানের ২৮ অনুচ্ছেদে ধর্মের কারণে বৈষম্যের নিষিদ্ধকরণের কথা বলা হয়েছে এবং এর ৪ উপচ্ছেদ অনুযায়ী নারী, শিশু বা অনগ্রসর নাগরিকদের অগ্রগতির জন্য রাষ্ট্র বিশেষ বিধান তৈরির ক্ষমতা রাখে।
- এটি মূলত সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর ক্ষমতায়ন ও সমতা নিশ্চিত করার একটি সাংবিধানিক ভিত্তি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৪০ (৩) — এই উপচ্ছেদটি পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতার ক্ষেত্রে যুক্তিসঙ্গতrestrictions বা জনস্বার্থে আইন প্রণয়নের সঙ্গে সম্পর্কিত, নারী বা অনগ্রসর নাগরিকের অগ্রগতির জন্য নয়।
B) ৪২ — এটি সম্পত্তির অধিকার সংক্রান্ত অনুচ্ছেদ, যেখানে সম্পত্তির অর্জন, ধারণ বা হস্তান্তরের অধিকার এবং তার বাধ্যতামূলক অধিগ্রহণের বিধান রয়েছে।
C) ২৫ (৭) — এই অপশনটি সাংবিধানিক ধারার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয় কারণ সংবিধানের ২৫ অনুচ্ছেদে আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সহযোগিতা প্রসারের কথা বলা হয়েছে এবং এর কোনো উপচ্ছেদ ৭ নেই।
D) ২৮ (৪) — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর যেখানে নারী, শিশু বা অনগ্রসর নাগরিকদের অগ্রগতির জন্য বিশেষ বিধান তৈরির ক্ষমতা রাষ্ট্রকে দেওয়া হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
সংবিধানের ২৮ অনুচ্ছেদ সমতা ও বৈষম্য দূরীকরণের কথা বলে আর এর চার নম্বর উপচ্ছেদ অনগ্রসর নারী ও শিশুদের বিশেষ অধিকার নিশ্চিত করে।
সঠিক উত্তর: C) প্রধান বিচারপতি নিয়োগ
কেন সঠিক:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৪৮(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী নিয়োগের ক্ষেত্র ছাড়া অন্য সব দায়িত্ব পালনে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কাজ করতে বাধ্য।
- সংবিধানের ৯৫(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী বা অন্য কারও পরামর্শ গ্রহণের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রাখেন না, এটি রাষ্ট্রপতির একক এখতিয়ার।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পাবলিক সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান নিয়োগ — সংবিধানের ১৩৮(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী পিএসসির চেয়ারম্যান ও সদস্যদের নিয়োগ দেন।
B) প্রধান নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ — সংবিধানের ১১৮(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারদের প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী নিয়োগ দেন।
C) প্রধান বিচারপতি নিয়োগ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
D) অডিটর জেনারেল নিয়োগ — সংবিধানের ১২৭(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক (সিএজি) পদে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে নিয়োগ প্রদান করেন।
মনে রাখার টিপস:
রাষ্ট্রপতির একক ক্ষমতার একমাত্র বড় সাংবিধানিক উদাহরণ হলো প্রধান বিচারপতি নিয়োগ, বাকি সব সাংবিধানিক পদেই রাষ্ট্রপতির জন্য প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ বাধ্যতামূলক।
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও ইতিহাস
সঠিক উত্তর: A) ৯৩ হাজার যুদ্ধবন্দীর বিচার অনুষ্ঠান
কেন সঠিক:
- ১৯৭৩ সালে প্রণীত বাংলাদেশের সংবিধানের প্রথম সংশোধনীর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন পাশের পথ সুগম করা হয়।
- এই সংশোধনীর মূল উদ্দেশ্য ছিল একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত পাকিস্তানি যুদ্ধবন্দীদের দেশে বিচার নিশ্চিত করা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৯৩ হাজার যুদ্ধবন্দীর বিচার অনুষ্ঠান — এটি সংবিধানের প্রথম সংশোধনীর মূল উদ্দেশ্য হওয়ায় সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।
B) জরুরি অবস্থা ঘোষণা — এটি সংবিধানের মূল ধারায় ছিল এবং পরবর্তীতে ভিন্ন সংশোধনীর মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হয়েছে।
C) মহিলাদের জন্য সংসদে আসন সংরক্ষণ — এটি সংবিধানের চতুর্দশ সংশোধনীর মাধ্যমে পরবর্তীতে সংশোধিত ও বর্ধিত করা হয়েছে।
D) সুপ্রীম কোর্ট প্রতিষ্ঠা — সুপ্রীম কোর্ট সরাসরি মূল সংবিধানের মাধ্যমেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, প্রথম সংশোধনীর মাধ্যমে নয়।
মনে রাখার টিপস:
সংবিধানের প্রথম সংশোধনী মানেই একাত্তরের পাক হানাদার বা যুদ্ধবন্দীদের বিচারের আইনগত ব্যবস্থা।
সঠিক উত্তর: C) চিনি জাতীয় খাবার বেশী খেলে এ রোগ হয়
১. কেন সঠিক:
চিনি জাতীয় খাবার বেশি খেলেই ডায়াবেটিস হয় না, এটি একটি প্রচলিত ভুল ধারণা।
ইনসুলিন হরমোনের ঘাটতি বা এর কার্যকারিতা কমে যাওয়াই এই রোগের মূল কারণ।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: ডায়াবেটিস মেলিটাস হলো এমন একটি বিপাকীয় রোগ যেখানে শরীর পর্যাপ্ত ইনসুলিন তৈরি করতে পারে না অথবা ইনসুলিন ব্যবহার করতে ব্যর্থ হয়।
কার্যপ্রণালি: অগ্ন্যাশয়ের আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহ্যান্সের বিটা কোষ থেকে ইনসুলিন তৈরি হয় যা রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।
কারণ ও ফলাফল: ইনসুলিনের অপর্যাপ্ততার কারণে কোষে গ্লুকোজ প্রবেশ করতে পারে না ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: একজন ব্যক্তি সারাজীবনে খুব কম মিষ্টি খেয়েও জন্মগত বা বংশগত কারণে টাইপ ওয়ান ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হতে পারেন।
ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে যে শুধু অতিরিক্ত চিনি খাওয়া ডায়াবেটিসের একমাত্র কারণ নয়।
উদাহরণ ২: অতিরিক্ত ওজন এবং শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা থাকলেও মানুষের ডায়াবেটিস হতে পারে।
ব্যাখ্যা: শরীরের অতিরিক্ত চর্বি ইনসুলিন প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয় যা টাইপ টু ডায়াবেটিসের ঝুঁকি তৈরি করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইনসুলিনের অভাবে এ রোগ হয় — এই তথ্যটি সম্পূর্ণ সত্য কারণ ইনসুলিনের অভাবেই রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।
B) এ রোগ মানবদেহের কিডনি নষ্ট করে — এই তথ্যটি সত্য কারণ দীর্ঘমেয়াদের অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস কিডনির রক্তনালী ক্ষতিগ্রস্ত করে নেফ্রোপ্যাথি ঘটায়।
C) চিনি জাতীয় খাবার বেশী খেলে এ রোগ হয় — এই তথ্যটি সত্য নয় এবং এটিই সঠিক উত্তর হিসেবে চিহ্নিত কারণ চিনি সরাসরি ডায়াবেটিস সৃষ্টি করে না।
D) এ রোগ হলে রক্তে গুকোজের মাএা বৃদ্ধি পায় — এই তথ্যটি সত্য কারণ ইনসুলিনের অভাবে কোষ গ্লุกোজ গ্রহণ করতে না পারায় রক্তে গ্লুকোজ জমে যায়।
৫ মনে রাখার টিপস:
ডায়াবেটিস মানেই মিষ্টি খাওয়া নয়, বরং ইনসুলিনের গোলযোগ বা ঘাটতি বোঝায়।
ইনসুলিন উৎপাদনকারী অঙ্গ অগ্ন্যাশয় এবং হরমোনের অভাবই এর প্রধান নিয়ন্ত্রক।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ডায়াবেটিস রোগের সাথে অগ্ন্যাশয়ের ল্যাঙ্গারহ্যান্স দ্বীপিকার বিটা কোষ সরাসরি সম্পর্কিত।
রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা অতিরিক্ত বেড়ে যাওয়াকে হাইপারগ্লাইসেমিয়া বলা হয়।
সঠিক উত্তর: B) হৃৎপিণ্ডের বদ্ধ শিরা বেলুনের সাহায্যে ফুলানো
১. কেন সঠিক:
- হৃৎপিণ্ডের রক্তনালীতে চর্বি জমে ব্লক হলে রক্ত চলাচল বাধাগ্রস্ত হয়।
- বেলুন ক্যাথেটার প্রবেশ করিয়ে ওই সংকুচিত অংশ ফুলিয়ে রক্তনালী প্রশস্ত করা হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: এনজিওপ্লাস্টি হলো করোনারি ধমনীর ব্লক বা সংকোচন দূর করার একটি চিকিৎসা পদ্ধতি।
- কার্যপ্রণালি: কুঁচকি বা হাতের রক্তনালী দিয়ে একটি চিকন নল বা ক্যাথেটার হৃদপিণ্ডে পাঠানো হয় এবং এর ডগায় থাকা বেলুন ফুলিয়ে রাস্তা পরিষ্কার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পানি পাম্প করার সরু পাইপে ময়লা জমে আটকে গেলে যেমন চাপ দিয়ে তা পরিষ্কার করা হয়।
ব্যাখ্যা: এটি রক্তনালীতে রক্ত চলাচলের পথ সুগম করার প্রক্রিয়াকে বোঝায়।
উদাহরণ ২: সাইকেলের চ্যাপ্টা পাম্পের নল বেলুনের সাহায্যে বাতাস ঢুকিয়ে সচল করা।
ব্যাখ্যা: এটি বদ্ধ বা সংকুচিত অংশকে বেলুনের সাহায্যে প্রসারিত করার ধারণার সঙ্গে মিলে যায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হৃৎপিণ্ডের টিস্যুতে নতুন টিস্যু সংযোজন — এটি টিস্যু ইঞ্জিনিয়ারিং বা প্রতিস্থাপন প্রক্রিয়ার অংশ, এনজিওপ্লাস্টি নয়।
B) হৃৎপিণ্ডের বদ্ধ শিরা বেলুনের সাহায্যে ফুলানো — এটি সঠিক চিকিৎসা পদ্ধতি হওয়ায় সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে।
C) হৃৎপিণ্ডে নতুন শিরা সংযোজন — এটি বাইপাস সার্জারি বা সিএবিজি বোঝায়, বেলুন এনজিওপ্লাস্টি নয়।
D) হৃৎপিণ্ডের মৃত টিস্যু কেটে ফেলে দেয়া — এটি ওপেন হার্ট সার্জারি বা নেক্রোটমি প্রক্রিয়ার অন্তর্ভুক্ত, যা এনজিওপ্লাস্টি থেকে ভিন্ন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- এনজিওপ্লাস্টি শব্দের সাথে বেলুন বা রক্তনালী প্রশস্ত করার সম্পর্ক মনে রাখবে।
- বাইপাস সার্জারির সাথে নতুন রক্তনালী লাগানোর সংযোগ মনে রাখা ভালো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- হৃৎপিণ্ডের ব্লক দূর করার এই পদ্ধতির সাথে রিং বা স্টেন্ট বসানো জড়িত থাকে।
- এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় বারবার আসে।
সঠিক উত্তর: B) কঠিন অবস্থায় কার্বন ডাই-অক্সাইড
১. কেন সঠিক:
- ড্রাই আইস বা শুষ্ক বরফ হলো মূলত কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাসের কঠিন রূপ। সাধারণ বরফের মতো এটি তরলে পরিণত হয় না, সরাসরি গ্যাসে রূপান্তরিত হয়।
- স্বাভাবিক বায়ুমণ্ডলীয় চাপে ৭৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার নিচে কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাস সরাসরি কঠিনে পরিণত হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: বায়ুমণ্ডলীয় চাপে তরল অবস্থায় না থেকে কোনো পদার্থের কঠিন অবস্থা থেকে সরাসরি গ্যাসীয় অবস্থায় রূপান্তরকে ঊর্ধ্বপাতন বলা হয়।
- কার্যপ্রণালি: কঠিন কার্বন ডাই অক্সাইড তাপ শোষণ করে কোনো তরল অবশেষ না রেখে সরাসরি বায়ুতে কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাস হিসেবে উবে যায়।
- বাস্তব প্রয়োগ: এটি মূলত খাদ্যপণ্য পচন থেকে রক্ষা করতে এবং আইসক্রিম সংরক্ষণের জন্য হিমায়ক হিসেবে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কোটায় রাখা কোল্ড ড্রিংকস ঠান্ডা রাখা
ব্যাখ্যা: আইসক্রিম বা পচনশীল খাদ্য ঠান্ডা রাখতে ড্রাই আইস ব্যবহার করা হয় কারণ এটি গলে পানি হয় না এবং চারপাশ শুষ্ক রাখে।
উদাহরণ ২: কৃত্রিম কুয়াশা সৃষ্টি করা
ব্যাখ্যা: মঞ্চে বা চলচ্চিত্রে নাটকীয় পরিবেশ তৈরির জন্য গরম পানির সংস্পর্শে ড্রাই আইস এনে দ্রুত ঘন ধোঁয়া বা কুয়াশা তৈরি করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হাইড্রোজেন পার-অক্সাইডের কঠিন অবস্থা — এটি একটি শক্তিশালী জারক এবং তরল যৌগ, যার কঠিন রূপকে ড্রাই আইস বলা হয় না।
B) কঠিন অবস্থায় কার্বন ডাই-অক্সাইড — এটি সঠিক কারণ এই বস্তুটিই ড্রাই আইস নামে পরিচিত এবং এটি সরাসরি গ্যাসে রূপান্তরিত হয়।
C) কঠিন অবস্থায় সালফার ডাই-অক্সাইড — এটি একটি বিষাক্ত গ্যাসীয় যৌগ, যার কঠিন রূপকে শিল্প ক্ষেত্রে আলাদা নামে ডাকা হয় এবং এটি ড্রাই আইস নয়।
D) শূন্য ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রার নিচে বরফ — শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে থাকা সাধারণ পানির বরফকে ক্রায়োজেনিক বরফ বা সাধারণ বরফ বলা হয়, ড্রাই আইস নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- শুষ্ক বরফে পানি থাকে না তাই এর নাম শুষ্ক বা ড্রাই আইস। এটি তরল না হয়ে সরাসরি গ্যাসে ওড়ে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ড্রাই আইসের ঊর্ধ্বপাতন তাপমাত্রা প্রায় ৭৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এটি কোল্ড চেইন লজিস্টিক্সে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: C) কার্বন মনোক্সাইড
১. কেন সঠিক:
- কার্বন মনোক্সাইড রক্তে হিমোগ্লোবিনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে কার্বক্সিহিমোগ্লোবিন গঠন করে।
- এর ফলে রক্তের অক্সিজেন ধারণ ক্ষমতা মারাত্মকভাবে কমে যায় এবং কোষগুলো পর্যাপ্ত অক্সিজেন পায় না।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: কার্বন মনোক্সাইড একটি বর্ণহীন, গন্ধহীন ও অত্যন্ত বিষাক্ত গ্যাস যা অসমাপ্ত দহনের ফলে সৃষ্টি হয়।
- কার্যপ্রণালি: অক্সিজেনের তুলনায় হিমোগ্লোবিনের প্রতি কার্বন মনোক্সাইড গ্যাসের আকর্ষণ প্রায় দুইশত গুণ বেশি থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ব্যস্ত রাস্তায় দীর্ঘ সময় যানজটে আটকে থাকা।
ব্যাখ্যা: যানবাহনের ধোঁয়া থেকে নির্গত কার্বন মনোক্সাইড গ্রহণের ফলে মাথা ব্যথা ও ক্লান্তি দেখা দেয়।
উদাহরণ ২: বন্ধ ঘরে কয়লার চুলা জ্বালিয়ে রাখা।
ব্যাখ্যা: অপর্যাপ্ত অক্সিজেনের কারণে সেখানে কার্বন মনোক্সাইড উৎপন্ন হয় এবং মানুষ অচেতন হয়ে মারা যেতে পারে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সালফার ডাই-অক্সাইড — এটি প্রধানত শ্বাসতন্ত্রের ওপর তীব্র প্রদাহ সৃষ্টি করে এবং এসিড বৃষ্টির জন্য দায়ী।
B) কার্বন ডাই-অক্সাইড — এটি সরাসরি বিষাক্ত নয়, তবে বাতাসে এর পরিমাণ বেশি হলে শ্বাসে বাধা সৃষ্টি হয়।
D) নাইট্রিক অক্সাইড — এটি বাতাসে জারিত হয়ে নাইট্রোজেন ডাই-অক্সাইড গঠন করে যা ফুসফুসের ক্ষতি করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সিও অর্থাৎ কার্বন মনোক্সাইড হলো টরপিড গ্যাস যা রক্তের অক্সিজেন পরিবহন ক্ষমতাকে চিরতরে অবরুদ্ধ করে দেয়।
- হিমোগ্লোবিনের সঙ্গে অক্সিজেনের পরিবর্তে কার্বন মনোক্সাইড শক্তভাবে আটকে যায়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- কার্বন মনোক্সাইডকে নীরব ঘাতক বা সাইলেন্ট কিলার বলা হয়।
- এই গ্যাসটি মানবদেহে অক্সিজেনের অভাবে সফোকেশন বা শ্বাসরোধক পরিস্থিতির সৃষ্টি করে।
সঠিক উত্তর: C) আইসোটোপ
১. কেন সঠিক:
- যেসব পরমাণুর প্রোটন সংখ্যা সমান কিন্তু ভরসংখ্যা ভিন্ন, তাদের আইসোটোপ বলা হয়।
- প্রোটন সংখ্যা সমান হওয়ার কারণে এরা একই মৌলের পরমাণু হলেও ভরসংখ্যা ভিন্ন হওয়ার কারণ নিউট্রন সংখ্যার ভিন্নতা।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: পরমাণুর নিউক্লিয়াসে উপস্থিত প্রোটন সংখ্যা বা পারমাণবিক সংখ্যা কোনো মৌলের পরিচয় নির্ধারণ করে। প্রোটন সংখ্যা এক থাকলে মৌল একই থাকে, কিন্তু নিউট্রন সংখ্যা কমবেশি হলে ভরসংখ্যা পরিবর্তিত হয়।
- কার্যপ্রণালি: আইসোটোপগুলোর রাসায়নিক ধর্ম প্রায় একই হয় কারণ তাদের ইলেকট্রন বিন্যাস সমান থাকে। তবে নিউট্রন সংখ্যার পার্থক্যের কারণে এদের ভৌত ধর্ম এবং তেজস্ক্রিয়তা ভিন্ন হতে পারে।
- বাস্তব প্রয়োগ: চিকিৎসাবিজ্ঞানে ক্যান্সার চিকিৎসায় এবং রোগ নির্ণয়ে আইসোটোপ ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। এছাড়া কৃষি ক্ষেত্রে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ সারের কার্যকারিতা বুঝতে সাহায্য করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হাইড্রোজেনের তিনটি আইসোটোপ রয়েছে, যথা প্রোটিয়াম, ডিউটেরিয়াম এবং ট্রিটিয়াম।
ব্যাখ্যা: এই তিনটিরই প্রোটন সংখ্যা এক কিন্তু ভরসংখ্যা যথাক্রমে এক, দুই এবং তিন।
উদাহরণ ২: কার্বনের প্রধান আইসোটোপ হলো কার্বন-১২, কার্বন-১৩ এবং তেজস্ক্রিয় কার্বন-১৪।
ব্যাখ্যা: কার্বন-১৪ জীবাশ্মের বয়স নির্ধারণ বা রেডিও কার্বন ডেটিংয়ে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আইসোমার — যে সমস্ত যৌগের আণবিক সংকেত এক কিন্তু গঠন সংকেত ভিন্ন, তাদের আইসোমার বা সমাণু বলা হয়।
B) আইসোবার — যেসব পরমাণুর ভরসংখ্যা সমান কিন্তু প্রোটন বা পারমাণবিক সংখ্যা ভিন্ন, তাদের আইসোবার বলা হয়।
C) আইসোটোপ — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভিন্ন কোনো ত্রুটি নেই।
D) আইসোটোন — যেসব পরমাণুর নিউট্রন সংখ্যা সমান কিন্তু প্রোটন সংখ্যা ও ভরসংখ্যা ভিন্ন, তাদের আইসোটোন বলা হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- আইসোটোপ শব্দের শেষের প অক্ষরটি দিয়ে প্রোটন সমান মনে রাখা যায়।
- আইসোটোনের শেষের ন অক্ষরটি দিয়ে নিউট্রন সমান মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- পারমাণবিক সংখ্যা নির্ধারণ করে কোনো মৌল কোনটি হবে, যা প্রোটন সংখ্যার সমান।
- এই টপিক থেকে প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আইসোবার ও আইসোটোনের সংজ্ঞা বা উদাহরণ সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: C) ভূপৃষ্ঠে
১. কেন সঠিক:
- অভিকর্ষজ ত্বরণের মান পৃথিবীর ব্যাসার্ধের ওপর ব্যস্তানুপাতিকভাবে নির্ভর করে।
- পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে দূরত্ব বাড়লে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান কমতে থাকে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: ভূপৃষ্ঠে পৃথিবীর ব্যাসার্ধ সবচেয়ে কম হওয়ায় মহাকর্ষীয় টানের তীব্রতা বা অভিকর্ষজ ত্বরণ সবচেয়ে বেশি হয়।
- সূত্র বা তত্ত্ব: অভিকর্ষজ ত্বরণের সূত্রটি হলো জি সমান ক্যাপিটাল জি গুণ এম ভাগ আর স্কয়ার, যেখানে জি হলো সার্বজনীন মহাকর্ষীয় ধ্রুবক, এম হলো পৃথিবীর ভর এবং আর হলো পৃথিবীর ব্যাসার্ধ।
- কারণ ও ফলাফল: পৃথিবীর আকার সম্পূর্ণ গোল নয়, এটি মেরু অঞ্চলে কিছুটা চাপা এবং বিষুবীয় অঞ্চলে স্ফীত, যার ফলে ব্যাসার্ধের পার্থক্যের কারণে ত্বরণের মানের তারতম্য ঘটে।
৩. উদাহরণ:
- উদাহরণ ১: মেরু অঞ্চলে পৃথিবীর ব্যাসার্ধ কম থাকায় সেখানে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান সর্বোচ্চ পাওয়া যায়।
- ব্যাখ্যা: বিষুবীয় অঞ্চলের তুলনায় মেরু অঞ্চলে বস্তুর ওজন সামান্য বেশি হয় কারণ সেখানে ত্বরণের মান বেশি থাকে।
- উদাহরণ ২: পাহাড়ের চূড়ায় বা খনির গভীরে গেলে বস্তুর ওজন কমে যায়।
- ব্যাখ্যা: ভূপৃষ্ঠ থেকে উপরে উঠলে বা নিচে নামলে কেন্দ্র থেকে দূরত্ব পরিবর্তিত হয়, ফলে অভিকর্ষজ ত্বরণ হ্রাস পায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভূপৃষ্ঠ থেকে ১০০০ ফুট উঁচুতে — ভূপৃষ্ঠ থেকে উপরে উঠলে পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে দূরত্ব বৃদ্ধি পায়, ফলে দূরত্বের বর্গের ব্যস্তানুপাতিক নিয়মে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান কমে যায়।
B) ভূকেন্দ্রে — পৃথিবীর কেন্দ্রে দূরত্বের মান শূন্য হয়ে যাওয়ায় বা চারপাশ থেকে সমান বল কাজ করায় অভিকর্ষজ ত্বরণের মান শূন্য হয়।
C) ভূপৃষ্ঠে — এই অপশনটি সঠিক কারণ পৃথিবীর ব্যাসার্ধ সবচেয়ে কম থাকায় এখানে অভিকর্ষজ ত্বরণ সর্বোচ্চ হয়।
D) ভূপৃষ্ঠ থেকে ১০০০ ফুট নিচে — ভূপৃষ্ঠ থেকে গভীরে গেলে পৃথিবীর ভেতরের ভর কমে যায় এবং কেন্দ্রের দূরত্ব হ্রাস পাওয়ার কারণে সামগ্রিকভাবে অভিকর্ষজ ত্বরণ কমতে থাকে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- পৃথিবী পৃষ্ঠে পা রাখলেই মহাকর্ষের টান সবচেয়ে বেশি অনুভূত হয়, তাই সর্বোচ্চ মান হলো ভূপৃষ্ঠে।
- কেন্দ্র এবং অসীম দূরত্বে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান শূন্য হয় এবং এর মাঝামাঝি ভূপৃষ্ঠে এটি সর্বোচ্চ থাকে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- অভিকর্ষজ ত্বরণের আদর্শ মান হলো প্রতি সেকেন্ড স্কয়ারে ৯ দশমিক আট মিটার।
- এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় প্রায়ই আসে, যেখানে মেরু ও বিষুবীয় অঞ্চলে ত্বরণের তুলনামূলক মানও জানতে চাওয়া হয়।
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)