বাংলাদেশ  সিভিল সার্ভিস (BCS)

২২ তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা ২০০১

পদের নাম: বিভিন্ন পদ (৯ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (65)

a আবু ইসহাক
b রবি ঠাকুর
c শরত্‍চন্দ্র চট্রোপাধ্যায়
d কাজী নজরুল ইসলাম
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১. কেন সঠিক: - পথের দাবি উপন্যাসের রচয়িতা হলেন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম জনপ্রিয় ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে রচিত উপন্যাস। - ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত এই উপন্যাসের মূল চরিত্র হলো সব্যসাচী মল্লিক। উপন্যাসটি তৎকালীন ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা সাহিত্যের এক যুগান্তকারী ঔপন্যাসিক। সমাজের নানা অসঙ্গতি, পরাধীনতা ও মানুষের মনস্তত্ত্ব তাঁর সাহিত্যে প্রধান্য পেয়েছে। - তাঁর অন্যান্য বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে শ্রীকান্ত, চরিত্রহীন, গৃহদাহ ও বরদিদি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। এই উপন্যাসগুলো বাংলা কথাসাহিত্যে চিরস্মরণীয় হয়ে আছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দেবদাস ব্যাখ্যা: এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ট্র্যাজিক উপন্যাস। উদাহরণ ২: পরিণীতা ব্যাখ্যা: এটিও শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি সামাজিক ও রোমান্টিক উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আবু ইসহাক — ইনি একজন প্রখ্যাত সাহিত্যিক হলেও পথের দাবি উপন্যাসের রচয়িতা নন, তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস সূর্য দীঘল বাড়ি। B) রবি ঠাকুর — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের নোবেলজয়ী কবি ও ঔপন্যাসিক হলেও এই উপন্যাসের সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই। C) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এই সাহিত্যকর্মটির স্রষ্টা তিনিই। D) কাজী নজরুল ইসলাম — ইনি আমাদের জাতীয় কবি এবং বিদ্রোহী কবি, যাঁর প্রধান পরিচয় কবিতা ও গানে, এই উপন্যাসে তাঁর কোনো ভূমিকা নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: - পথের দাবি উপন্যাসটি লিখেছিলেন শরৎচন্দ্র, তাই মনে রাখুন শরৎচন্দ্রের পথের দাবি। বিদ্রোহী চেতনার এই উপন্যাসটি তাঁর অনন্য সৃষ্টি। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শরৎচন্দ্রের রাজনৈতিক উপন্যাস কোনটি, এই প্রশ্ন প্রায়ই আসে। উত্তর হবে পথের দাবি।
a ভয়
b রাগ
c বিরক্তি
d বিপদ
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বিরক্তি ১. কেন সঠিক: - বাক্যে ব্যবহৃত কী শব্দটি এখানে কোনো প্রশ্ন করতে ব্যবহার করা হয়নি, বরং বক্তার মনের তীব্র বিরক্তি বা নাখোশ ভাব প্রকাশ করেছে। - ভিক্ষুকটির বারবার পিছনে লেগে থাকা বা তাড়া করার কারণে বক্তার মনে যে অস্বস্তি ও বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে, কী শব্দটি ঠিক তা-ই প্রকাশ করছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে অব্যয় পদের নানা বৈচিত্র্যের মধ্যে আবেগসূচক বা ভাববাচক অব্যয় অন্যতম যা মনের নানাবিধ ভাব যেমন আনন্দ, বেদনা, ঘৃণা, ভয় কিংবা বিরক্তি প্রকাশ করে। - এখানে কী শব্দটি আবেগসূচক অব্যয় হিসেবে কাজ করেছে এবং বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে এর প্রয়োগ বাক্যের অর্থকে সম্পূর্ণ বদলে দিয়ে আবেগঘন করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কী জ্বালা, আর কতক্ষণ অপেক্ষা করতে হবে! ব্যাখ্যা: এই বাক্যে কী শব্দটি কাজের দীর্ঘসূত্রতা নিয়ে মানুষের চরম বিরক্তি বা অতিষ্ঠ ভাব প্রকাশ করেছে। উদাহরণ ২: কী রোদ্রটাই না উঠেছে আজ! ব্যাখ্যা: এই বাক্যে কী শব্দটি তীব্র গরমের কারণে সৃষ্ট কষ্ট ও বিরক্তি প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভয় — এই বাক্যে বক্তার মনে কোনো ধরনের আতঙ্ক বা ভয়ের প্রকাশ ঘটছে না, বরং ভিক্ষুকটির আচরণে বিরক্ত হওয়ার ভাব স্পষ্ট। B) রাগ — যদিও বিরক্তির সঙ্গে সামান্য রাগের সম্পর্ক থাকতে পারে, তবে ব্যাকরণগত ও ভাবগত বিচারে এটি প্রধানত বিরক্তি প্রকাশের উদাহরণ। D) বিপদ — ভিক্ষুক পিছনে লাগাকে বক্তা বিপদ হিসেবে উল্লেখ করলেও, কী শব্দটি এখানে বিপদ বোঝাতে নয় বরং মনের বিরক্তি প্রকাশে বসেছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাক্যের শুরুতে বা মাঝে থাকা কী শব্দটি যদি প্রশ্ন না করে মনের কোনো বিশেষ আবেগ যেমন বিরক্তি, বিস্ময় বা ক্ষোভ প্রকাশ করে, তবে তা আবেগসূচক অব্যয় হিসেবে গণ্য হবে। - প্রেক্ষাপট বুঝে শব্দের অন্তর্নিহিত ভাব বা ইমোশন ধরতে পারলে এ ধরনের প্রশ্নের উত্তর খুব সহজেই নির্ণয় করা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অব্যয় পদের ব্যবহার এবং বাক্যের অন্তর্নিহিত ভাব সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - শব্দের আক্ষরিক অর্থের চেয়ে বাক্যের সামগ্রিক প্রেক্ষাপট ও বক্তার মনোভাবের ওপর ভিত্তি করে উত্তর নির্বাচন করতে হবে।
a মুহম্মদ আবদুল হাই
b মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ
c মুহম্মদ এনামুল হক
d আহমদ শরীফ
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আহমদ শরীফ ১. কেন সঠিক: - বাংলা একাডেমি সংক্ষিপ্ত বাংলা অভিধান প্রণয়ন ও সম্পাদনার কাজটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অভিধানিক কাজ। - প্রখ্যাত মধ্যযুগের সাহিত্যের গবেষক, প্রাবন্ধিক ও অধ্যাপক ড. আহমদ শরীফ এই অভিধানটির সম্পাদনার দায়িত্ব সফলভাবে পালন করেছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ড. আহমদ শরীফ বাংলা সাহিত্যের একজন মুক্তবুদ্ধি চর্চাকারী গবেষক এবং বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক। - তিনি প্রধানত প্রাচীন ও মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্য নিয়ে গবেষণা করে খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ড. আহমদ শরীফ সম্পাদিত মধ্যযুগের কাব্য: লোরচন্দ্রানী বা সতী ময়না ও লোরচন্দ্রানী। ব্যাখ্যা: এই কাব্যগ্রন্থটি সম্পাদনা করে তিনি প্রাচীন ও মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছেন। উদাহরণ ২: ড. আহমদ শরীফের প্রবন্ধ গ্রন্থ: বাঙালী ও বাংলা সাহিত্য। ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থে তিনি বাঙালি জাতির বিকাশ এবং বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস অত্যন্ত মুনশিয়ানার সাথে তুলে ধরেছেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুহম্মদ আবদুল হাই — তিনি একজন প্রখ্যাত ভাষাবিজ্ঞানী হলেও এই অভিধানটির সম্পাদক নন, তিনি ধ্বনিবিজ্ঞানের ওপর কাজ করেছেন। B) মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ — তিনি বিখ্যাত ডক্টরস অব লিটারেচার এবং পন্ডিত ব্যক্তি হলেও এই অভিধানের সম্পাদক হিসেবে পরিচিত নন। C) মুহম্মদ এনামুল হক — তিনি মূলত বাংলা ভাষার ইতিহাস ও আঞ্চলিক ভাষা নিয়ে গবেষণা করেছেন, এই অভিধানের সঙ্গে যুক্ত নন। D) আহমদ শরীফ — তিনি বাংলা একাডেমি সংক্ষিপ্ত বাংলা অভিধানের সফল সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। ৫. মনে রাখার টিপস: - অভিধান সংক্ষিপ্ত আকারে যিনি সাজিয়েছেন, সেই শরীফ সাহেবের নাম মনে রাখলেই উত্তরটি সহজ হবে। - আহমদ শরীফ মানেই মধ্যযুগের গবেষণা এবং সংক্ষিপ্ত অভিধানের সম্পাদনা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অভিধান ও কোষগ্রন্থের সম্পাদকের নাম প্রায়ই আসে। - বাংলা একাডেমির বিভিন্ন প্রকাশনার সম্পাদক কারা, তা ভালোভাবে দেখে যাওয়া উচিত।
a রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
b মাইকেল মধুসূদন
c ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
d কায়কোবাদ
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কেন সঠিক: ১. বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর পদাবলী নামে একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ রচনা করেছেন যা বাংলা সাহিত্যে অত্যন্ত সমাদৃত। ২. বৈষ্ণব পদাবলীর অনুকরণে রচিত এই গ্রন্থে রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমের গভীর ভাব প্রকাশ পেয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. বাংলা সাহিত্যে পদাবলী বলতে মূলত বৈষ্ণব পদাবলীকে বোঝানো হয় যা মধ্যযুগের সাহিত্য ধারার অন্যতম প্রধান অংশ। ২. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মধ্যযুগের এই পদাবলীর দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে আধুনিক যুগে পদাবলী কাব্য রচনা করেন। ৩. এই কাব্যে বাংলা ভাষার অপূর্ব মাধুর্য এবং উপমা ব্যবহার করা হয়েছে যা রবীন্দ্রনাথের কাব্য প্রতিভার এক অনন্য নিদর্শন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) মাইকেল মধুসূদন — তিনি বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দ এবং সনেট প্রবর্তন করেছিলেন কিন্তু পদাবলী লেখেননি। C) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত — তিনি মূলত সংবাদ প্রভাকর পত্রিকার সম্পাদক এবং যুগসন্ধিক্ষণের কবি হিসেবে পরিচিত। D) কায়কোবাদ — তিনি মহাকাব্য মহাশ্মশান রচনার জন্য বিখ্যাত হলেও পদাবলী ধারার সাথে যুক্ত নন। মনে রাখার টিপস: ১. রবীন্দ্রনাথের লেখা ছোট কাব্যগ্রন্থগুলোর নাম মনে রাখার সময় পদাবলী নামটি আলাদা করে মনে রাখা যায়। ২. মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলী এবং রবীন্দ্রনাথের আধুনিক পদাবলী এই দুটি বিষয় গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
a মরুমায়া
b মরুভাস্কর
c মরুতীর্থ
d মরুকুসুম
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মরুভাস্কর ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি হযরত মুহাম্মদ (স.) এর জীবন ও কর্মের ওপর রচিত একটি বিখ্যাত জীবনী গ্রন্থ। - 'মরুভাস্কর' শব্দের অর্থ হলো মরুভূমির সূর্য, যা এখানে মহানবী (স.) এর জীবনকে নির্দেশ করেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা সাহিত্যের বিশিষ্ট লেখক ও গবেষক মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলী কর্তৃক রচিত একটি প্রশংসিত জীবনী গ্রন্থ। - লেখক এই গ্রন্থে মহানবীর জীবনদর্শন, মহানুভবতা ও মানবপ্রেম সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হযরত মুহাম্মদ (স.) ব্যাখ্যা: এটি ইসলামের সর্বশেষ নবীর পূর্ণ নাম ও পবিত্র সত্তা। উদাহরণ ২: বিশ্বনবী ব্যাখ্যা: এটি মহানবী হযরত মুহাম্মদ (স.) এর আরেকটি পরিচিত সম্মানসূচক উপাধি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মরুমায়া — এটি মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলীর অপর একটি বিখ্যাত প্রবন্ধ গ্রন্থ হলেও এটি সরাসরি নবীর জীবনী গ্রন্থ নয়। B) মরুভাস্কর — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি প্রযোজ্য নয়। C) মরুতীর্থ — এটি এই নির্দিষ্ট প্রশ্নের সঠিক জীবনী গ্রন্থ নয়। D) মরুকুসুম — এটি মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলীর কোনো বিখ্যাত জীবনী গ্রন্থ হিসেবে স্বীকৃত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - মরুভূমির সূর্য বা ভাস্কর বলতে মহানবীকে বোঝানো হয়েছে, তাই ভাস্কর শব্দযুক্ত গ্রন্থটিই জীবন চরিত। - মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলীর লেখা জীবনী মানেই মরুভাস্কর তা মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জীবনী গ্রন্থ ও রচয়িতা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলীর রচনা হিসেবে মরুভাস্কর নামটি খুব গুরুত্বের সঙ্গে পড়তে হবে।
a গোরা (নাট্যগ্রন্থ)
b বিদ্রোহী (কাব্যগ্রন্থ)
c পথের দাবী (উপন্যাস)
d একাত্তরের দিনগুলি (উপন্যাস)
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পথের দাবী (উপন্যাস) ১. কেন সঠিক: - পথের দাবী শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি বিখ্যাত রাজনৈতিক উপন্যাস। - এই উপন্যাসে ব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রেক্ষাপট এবং বিপ্লবীদের দেশপ্রেম ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের এক জনপ্রিয় ও প্রভাবশালী লেখক। - ১৯২৬ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাসে তৎকালীন ব্রিটিশ সরকারের দমনপীড়নের চিত্র এবং ভারতবাসীর মুক্তির আকুতি প্রকাশ পেয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শ্রীকান্ত ব্যাখ্যা: এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত আত্মজীবনীমূলক উপন্যাস, যার চারটি খণ্ড রয়েছে। উদাহরণ ২: চরিত্রহীন ব্যাখ্যা: এটিও শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি জনপ্রিয় সামাজিক উপন্যাস, যা সমাজে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গোরা (নাট্যগ্রন্থ) — এটি ভুল কারণ গোরা কোনো নাটক নয়, এটি কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত দার্শনিক উপন্যাস। B) বিদ্রোহী (কাব্যগ্রন্থ) — এটি ভুল কারণ বিদ্রোহী বাংলা সাহিত্যের একটি বিখ্যাত কবিতা, যা কাজী নজরুল ইসলামের অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থে অন্তর্ভুক্ত। D) একাত্তরের দিনগুলি (উপন্যাস) — এটি ভুল কারণ একাত্তরের দিনগুলি কোনো উপন্যাস নয়, এটি শহীদ জননী জাহানারা ইমামের লেখা একটি বিখ্যাত দিনলিপি বা স্মৃতিকথা। ৫ মনে রাখার টিপস: - শরৎচন্দ্রের উপন্যাস মনে রাখার সহজ উপায় হলো বিপ্লবী চরিত্র বা সমাজ জীবনের নানা দিক এর মূল ভিত্তি। - উপন্যাসের নাম দেখে তার ধরন বা ক্যাটাগরি চেনার জন্য লেখকের অন্যান্য বিখ্যাত কাজের সঙ্গে তুলনা করতে পারো। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত বইয়ের সঠিক শ্রেণি বা লেখার ধরন জানতে চাওয়া হয়। - কোনো সাহিত্যকর্মের নাম দেখলেই তা উপন্যাস, নাটক নাকি কাব্যগ্রন্থ তা ভালোভাবে যাচাই করার অভ্যাস করতে হবে।
a ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ও সৈয়দ আলী আহসান
b ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ও মুহম্মদ আবদুল হাই
c মুহম্মদ আবদুল হাই, আনিসুজ্জামান ও আনোয়ার পাশা
d মুহম্মদ আবদুল হাই ও সৈয়দ আলী আহসান
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মুহম্মদ আবদুল হাই ও সৈয়দ আলী আহসান ১. কেন সঠিক: - এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নির্ধারণের জন্য বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস গ্রন্থগুলোর রচয়িতা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকতে হবে। - বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের ইতিহাস রচনার ক্ষেত্রে মুহম্মদ আবদুল হাই ও সৈয়দ আলী আহসান যৌথভাবে একটি গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ রচনা করেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মুহম্মদ আবদুল হাই ও সৈয়দ আলী আহসান বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের ইতিহাস নিয়ে গবেষণা করেছেন এবং গ্রন্থ রচনা করেছেন। - এই গ্রন্থটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাহিত্য ইতিহাসের প্রামাণ্য উৎস হিসেবে প্রায়শই প্রশ্ন আকারে আসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত (আধুনিক) ব্যাখ্যা: এটি মুহম্মদ আবদুল হাই ও সৈয়দ আলী আহসান রচিত আধুনিক বাংলা সাহিত্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ ইতিহাস গ্রন্থ। উদাহরণ ২: বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত (অষ্টাদশ শতক) ব্যাখ্যা: বাংলা সাহিত্যের বিভিন্ন যুগের ইতিহাস রচনার ক্ষেত্রে প্রখ্যাত গবেষকগণ আলাদাভাবে বিভিন্ন পর্যায় নিয়ে কাজ করেছেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ও সৈয়দ আলী আহসান — ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস রচনার সঙ্গে যুক্ত থাকলেও এই নির্দিষ্ট গ্রন্থটি তিনি রচনা করেননি। B) ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ও মুহম্মদ আবদুল হাই — ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ প্রাচীন ও মধ্যযুগের ইতিহাস নিয়ে কাজ করেছেন, যৌথভাবে এই গ্রন্থটি রচনা করেননি। C) মুহম্মদ আবদুল হাই, আনিসুজ্জামান ও আনোয়ার পাশা — আনিসুজ্জামান ও আনোয়ার পাশা অন্যান্য সাহিত্যকর্ম ও গবেষণার সঙ্গে যুক্ত থাকলেও এই গ্রন্থটির রচয়িতা নন। D) মুহম্মদ আবদুল হাই ও সৈয়দ আলী আহসান — এই অপশনটি সঠিক কারণ এই দুই প্রাবন্ধিক ও গবেষক যৌথভাবে গ্রন্থটি রচনা করেছেন। ৫. মনে রাখার টিপস: - আধুনিক সাহিত্যের ইতিবৃত্ত জানতে চাইলে হাই এবং আহসানের নাম মনে রাখতে হবে। - বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস সম্পর্কিত প্রশ্নগুলো বারবার চর্চা করলে সহজে মনে থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সাহিত্যিকদের যৌথ রচনাগুলো পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এগুলো থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - লেখকের নাম মনে রাখার জন্য সাহিত্যকর্মের তালিকা আলাদা করে নোট করে রাখা ভালো।
a লাচাড়ী ছন্দে রচিত পদ্য বা কবিতাবলি
b পদ্যাকারে রচিত দেবস্তুতিমূলক রচনা
c বাউল বা মরমী গীতি
d বৌদ্ধ বা বৈষ্ণবীয় ধর্মের গুঢ় বিষয়ের বিশেষ সৃষ্টি
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পদ্যাকারে রচিত দেবস্তুতিমূলক রচনা ১. কেন সঠিক: - পদ বা পদাবলী বলতে মূলত দেবদেবীর বন্দনা বা স্তুতিমূলক পদ্যাকারে রচিত গান বা কবিতাকে বোঝানো হয়। - মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে রাধাকৃষ্ণের প্রেমলীলা বা দেবস্তুতিমূলক গানগুলো পদ বা পদাবলী নামে পরিচিতি লাভ করেছিল। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - পদাবলী সাহিত্যের প্রধান ধারা হলো বৈষ্ণব পদাবলী ও শাক্ত পদাবলী যা মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি সমৃদ্ধ অধ্যায়। - চণ্ডীদাস, বিদ্যাপতি, জ্ঞানদাস ও গোবিন্দদাস বৈষ্ণব পদাবলীর জন্য এবং রামপ্রসাদ সেন ও কমলাকান্ত ভট্টাচার্য শাক্ত পদাবলীর জন্য বিখ্যাত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চণ্ডীদাসের পদ ব্যাখ্যা: এটি বৈষ্ণব পদাবলীর অন্তর্ভুক্ত যেখানে রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমের মাধ্যমে জীবাত্মা ও পরমাত্মার মিলন ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। উদাহরণ ২: রামপ্রসাদ সেনের গান ব্যাখ্যা: এটি শাক্ত পদাবলীর অন্তর্ভুক্ত যেখানে দেবী দুর্গাকালিকে মা হিসেবে সম্বোধন করে ভক্তি প্রকাশ করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) লাচাড়ী ছন্দে রচিত পদ্য বা কবিতাবলি — লাচাড়ী ছন্দ মঙ্গলকাব্যের বর্ণনায় ব্যবহৃত হয়, পদাবলীর মূল বৈশিষ্ট্য দেবস্তুতিমূলক গান হওয়া। C) বাউল বা মরমী গীতি — বাউল বা মরমী গীতি সাধনামূলক গান, যা মধ্যযুগের বৈষ্ণব বা শাক্ত পদাবলীর মূল ধারা নয়। D) বৌদ্ধ বা বৈষ্ণবীয় ধর্মের গুঢ় বিষয়ের বিশেষ সৃষ্টি — বৌদ্ধ ধর্মের গুঢ় বিষয় চর্যাপদে পাওয়া যায়, যা পদাবলীর চেয়ে প্রাচীন ও ভিন্ন সাহিত্যধারা। ৫. মনে রাখার টিপস: - পদাবলী শব্দটির অর্থ পদের সমষ্টি। - মধ্যযুগের দেবস্তুতিমূলক গান বা কবিতাই হলো পদ বা পদাবলী। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলা সাহিত্যে পদাবলীর স্বর্ণযুগ বলা হয় মধ্যযুগকে। - বৈষ্ণব পদাবলীর আদি রচয়িতা বিদ্যাপতি হলেও বাংলা ভাষার প্রথম পদকর্তা চণ্ডীদাস।
a অস্বীকার
b মিথ্যা
c প্রলাপ
d অসদালাপ
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অস্বীকার ১. কেন সঠিক: - অপলাপ শব্দের আক্ষরিক ও প্রমিত অর্থ হলো কোনো কিছু স্পষ্টভাবে অস্বীকার করা বা কোনো সত্য গোপন করা। - বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে কোনো অভিযোগ বা ঘটনাকে না মানার ভাব প্রকাশ করতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি একটি সংস্কৃত শব্দ যা বাংলা ভাষায় তৎসম শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং এর মাধ্যমে মনের বিশেষ একটি অবস্থাকে বোঝানো হয়। - শব্দের উৎস ও শব্দের অর্থ নির্দেশক এই প্রশ্নটি সাধারণত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ বা এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে পরীক্ষার্থীর শব্দভাণ্ডার যাচাই করতে আসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চুরির অপবাদ পেয়ে সে তীব্র ভাষায় সব অভিযোগ অপলাপ করল। ব্যাখ্যা: এখানে নিজের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ বা সত্যকে অস্বীকার করার অর্থে অপলাপ শব্দটি সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: নিজের অপরাধ লুকিয়ে যাওয়ার জন্য সে নানা রকম অপলাপের আশ্রয় নিল। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে সত্য গোপন করা বা অস্বীকার করার ভাবটি ফুটিয়ে তুলতে অপলাপ শব্দের প্রয়োগ করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অস্বীকার — এটি সঠিক উত্তর কারণ অপলাপ শব্দের সরাসরি অর্থ হলো কোনো কিছু অস্বীকার করা বা না মানা। B) মিথ্যা — মিথ্যা বলতে অসত্য বা অবাস্তব কিছু বোঝায়, কিন্তু অপলাপ শব্দের অর্থ মিথ্যা বলা নয় বরং সত্যকে অস্বীকার করা। C) প্রলাপ — প্রলাপ অর্থ আবলতাবলা বকা বা উন্মত্তের মতো প্রবচনহীন কথা বলা, যা অপলাপ শব্দের অর্থ থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। D) অসদালাপ — অসদালাপ অর্থ খারাপ বা কর্কশ ভাষায় কথা বলা, যা অস্বীকার বা অপলাপ শব্দের সঙ্গে কোনোভাবেই মিলrelated নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - অপলাপ শব্দটি মনে রাখতে অ-প-লা-প শব্দটির প্রথম অংশ অস্বীকারের সঙ্গে মিলিয়ে নিতে পারো। - অপলাপ মানেই হলো কোনো কিছু সোজাসাপ্টা অস্বীকার করা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কঠিন তৎসম শব্দের সঠিক অর্থ জানতে চাওয়া হয়, তাই শব্দের মূল অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে। - সমার্থক বা বিপরীতার্থক শব্দ পড়ার সময় শব্দের সুনির্দিষ্ট অর্থ বোঝার অভ্যাস করতে হবে।
a মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন
b আবুল কালাম শামসুদ্দিন
c কাজী আব্দুল ওদুদ
d সিকান্দার আবু জাফর
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন ১. কেন সঠিক: সওগাত পত্রিকার খ্যাতনামা সম্পাদক ছিলেন মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন। তিনি ১৯১৮ সালের ডিসেম্বর মাসে কলকাতা থেকে এই সাহিত্য পত্রিকা প্রকাশ করেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন বাংলা সাহিত্যে সওগাত পত্রিকার মাধ্যমে মুসলিম নারী জাগরণ এবং সাহিত্যচর্চায় অনন্য অবদান রাখেন। সওগাত পত্রিকা কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্যকর্ম প্রচারে এবং তাকে বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত করতে ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সওগাত পত্রিকার প্রকাশকাল ১৯১৮ সাল। ব্যাখ্যা: এই পত্রিকাটি বাংলার সাহিত্য ও সংস্কৃতির ইতিহাসে একটি মাইলফলক যা কলকাতার আমহার্স্ট স্ট্রিট থেকে প্রথম প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: বেগম পত্রিকা। ব্যাখ্যা: এটিও মোহাম্মদ নাসির উদ্দিনের সম্পাদনায় নারীদের জন্য প্রকাশিত বিখ্যাত একটি পত্রিকা যার সূচনা হয়েছিল ১৯৪৭ সালে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি সওগাত পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা ও দীর্ঘকালীন সম্পাদক ছিলেন। B) আবুল কালাম শামসুদ্দিন — তিনি একজন প্রখ্যাত সাংবাদিক ও সাহিত্যিক হলেও সওগাত পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন না। C) কাজী আব্দুল ওদুদ — তিনি বুদ্ধিমুক্তির আন্দোলনের অন্যতম প্রবক্তা ও লেখক হলেও সওগাত পত্রিকার সঙ্গে সম্পাদক হিসেবে যুক্ত ছিলেন না। D) সিকান্দার আবু জাফর — তিনি বিখ্যাত সমকাল পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন, সওগাত পত্রিকার সম্পাদক নন। ৫ মনে রাখার টিপস: নাসির মানে সাহায্যকারী, আর নাসির উদ্দিন সওগাত বা উপহারস্বরূপ বাংলা সাহিত্যকে বিখ্যাত সওগাত পত্রিকা উপহার দিয়েছিলেন। এভাবে সম্পাদক মোহাম্মদ নাসির উদ্দিনকে সহজেই মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সওগাত পত্রিকার সম্পাদক এবং এর প্রকাশকাল সম্পর্কে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। একই ধরনের অন্য একটি বিখ্যাত পত্রিকা হলো মোহাম্মদী, যার সম্পাদক ছিলেন মোহাম্মদ আকরাম খাঁ।
a বাউণ্ডুলের আত্মকাহিনী
b মুক্তি
c হেবা
d বিদ্রোহী
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বাউণ্ডুলের আত্মকাহিনী ১. কেন সঠিক: - কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত গল্প বা লেখা হলো বাউণ্ডুলের আত্মকাহিনী। - এটি ১৯১৯ সালে কলকাতার বঙ্গীয় মুসলিম সাহিত্য পত্রিকা প্রথম বর্ষের প্রথম সংখ্যায় প্রকাশিত হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত হলেও ছোটগল্প দিয়ে তাঁর সাহিত্য জীবন শুরু হয়। - তাঁর প্রথম প্রকাশিত এই গল্পটি প্রকাশের মাধ্যমে তিনি তৎকালীন সাহিত্য অঙ্গনে নিজের আগমন বার্তা জানান দেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মুক্তি ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত কবিতা, যা তাঁর সাহিত্যকর্মের অন্য একটি ধারার পরিচয় বহন করে কিন্তু প্রথম প্রকাশিত লেখা নয়। উদাহরণ ২: বিদ্রোহী ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের সর্বাধিক পরিচিত ও জনপ্রিয় কবিতা যা অগ্নিবীণা কাব্যে সংকলিত হয়েছে, তবে এটি তাঁর প্রথম প্রকাশিত লেখা নয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাউণ্ডুলের আত্মকাহিনী — এটি সঠিক কারণ এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত ছোটগল্প ও সাহিত্যকর্ম। B) মুক্তি — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত কবিতা কিন্তু তাঁর প্রথম প্রকাশিত লেখা নয়। C) হেবা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি ছোটগল্প যা পরবর্তী সময়ে প্রকাশিত হয়, প্রথম প্রকাশিত লেখা নয়। D) বিদ্রোহী — এটি কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত কবিতা যা অগ্নিবীণা কাব্যে অন্তর্ভুক্ত এবং এটি প্রথম প্রকাশিত লেখা নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: নজরুলের প্রথম লেখা মানেই একজন ভবঘুরের আত্মকাহিনী বা বাউণ্ডুলের আত্মকাহিনী। এভাবে প্রথম লেখা ও গল্পের নাম মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকদের প্রথম লেখা বা প্রথম গ্রন্থ সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। তাই প্রথম প্রকাশিত লেখা ও প্রথম গ্রন্থের নাম আলাদা করে মনে রাখা জরুরি।
a দুই ভাষায় রচিত পুঁথি
b কয়েকটি ভাষার শব্দ ব্যবহার করে মিশ্রিত ভাষায় রচিত পুঁথি
c তৈরি করা কৃত্রিম ভাষায় রচিত পুঁথি
d আঞ্চলিক ভাষায় রচিত পুঁথি
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কয়েকটি ভাষার শব্দ ব্যবহার করে মিশ্রিত ভাষায় রচিত পুঁথি ১. কেন সঠিক: - দোভাষী পুঁথি বলতে এমন সাহিত্যকর্মকে বোঝায় যা প্রধানত বাংলা ভাষার কাঠামোগত রূপের মধ্যে আরবি, ফার্সি, হিন্দি এবং উদু শব্দের সমন্বয়ে মিশ্রিত ভাষায় রচিত হয়েছে। - সপ্তদশ থেকে উনবিংশ শতাব্দী পর্যন্ত মধ্যযুগের শেষ পর্যায়ে বাঙালি মুসলমান কবি ও লেখকরা ইসলামি ধর্মীয় ও ঐতিহাসিক কাহিনি সাধারণ মানুষের বোধগম্য করার জন্য এই বিশেষ মিশ্র ভাষা ব্যবহার করেছিলেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে মুসলমান কবিদের সাধনায় এক অনন্য ধারা হলো দোভাষী পুঁথি সাহিত্য, যা মূলত মধ্যযুগের পুঁথি সাহিত্যের একটি বিশেষ শাখা হিসেবে পরিচিত। - এই ধারার লেখকরা আরবি ও ফার্সি শব্দভাণ্ডারকে বাংলা ব্যাকরণের কাঠামোর সঙ্গে মিলিয়ে এমন এক কৃত্রিম অথচ সহজবোধ্য মিশ্র রূপ তৈরি করেছিলেন যা তৎকালীন মুসলিম সমাজে অত্যন্ত জনপ্রিয় ছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সৈয়দ হামজা রচিত আমির হামজার পুঁথি। ব্যাখ্যা: এই পুঁথিতে বাংলা ভাষার পাশাপাশি প্রচুর আরবি ও ফার্সি শব্দের মিশ্রণ রয়েছে যা দোভাষী পুঁথির একটি ধ্রুপদী উদাহরণ। উদাহরণ ২: মোহাম্মদ খান রচিত মক্তুল হোসেন। ব্যাখ্যা: এটিও কারবালার বিষাদময় ঘটনা অবলম্বনে রচিত একটি বিখ্যাত দোভাষী পুঁথি যেখানে মিশ্র ভাষার শৈল্পিক ব্যবহার দেখা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দুই ভাষায় রচিত পুঁথি — দোভাষী পুঁথি মানে আক্ষরিক অর্থে কেবল দুটি আলাদা ভাষার অনুবাদ বা মিশ্রণ বোঝায় না, বরং এটি একাধিক ভাষার শব্দের সংমিশ্রণে তৈরি একটি নির্দিষ্ট মিশ্র ভাষরীতি। C) তৈরি করা কৃত্রিম ভাষায় রচিত পুঁথি — পুঁথিগুলোর ভাষা কৃত্রিম মনে হতে পারে, তবে এটি কোনো কাল্পনিক বা সাংকেতিক কৃত্রিম ভাষা নয়, বরং তৎকালীন কথ্য ও সাংস্কৃতিক প্রভাবজাত মিশ্র ভাষা। D) আঞ্চলিক ভাষায় রচিত পুঁথি — এই পুঁথিগুলো নির্দিষ্ট কোনো একটি অঞ্চলের স্থানীয় উপভাষায় রচিত হয়নি, বরং সমগ্র বাংলার মুসলিম সমাজে প্রচলিত একটি সর্বজনগ্রাহ্য মিশ্র রূপ ছিল। ৫. মনে রাখার টিপস: - দোভাষী পুঁথি মানেই হলো আরবি ও ফার্সি শব্দের জাদু মিশিয়ে তৈরি মিশ্র ভাষার পুঁথি। - মধ্যযুগের ইসলামি ভাবধারার প্রচারের জন্য এই মিশ্র ভাষা ব্যবহার করা হতো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দোভাষী পুঁথির ভাষা সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - মধ্যযুগের পুঁথি সাহিত্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য এবং এর ভাষা ব্যবহারের নেপথ্য ইতিহাস ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a শ্রীচৈতন্য
b বিদ্যাপতি
c চণ্ডীদাস
d জ্ঞানদাস
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) চণ্ডীদাস ১. কেন সঠিক: পদাবলীর প্রথম কবি হিসেবে বিদ্যাপতি ও চণ্ডীদাসের মধ্যে আলোচনা থাকলেও বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস অনুযায়ী বড়ু চণ্ডীদাসকে প্রথম কবি হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। প্রাকৃত ও বাংলা ভাষার মিশ্রণে রচিত শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের আবিষ্কারক ও রচয়িতা হিসেবে চণ্ডীদাস বাংলা পদাবলি সাহিত্যের সূচনা করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: চণ্ডীদাস মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের বৈষ্ণব পদাবলি ধারার আদি কবি হিসেবে পরিচিত। রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমলীলা এবং মানবীয় অনুভূতির গভীর প্রকাশ তাঁর পদগুলোতে স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাধিকা রঙ্গে মাতল গোকুল ব্যাখ্যা: এটি চণ্ডীদাসের পদাবলির রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমের একটি বিখ্যাত পদের অংশ। উদাহরণ ২: সই কেমনে ধরিব হিয়া ব্যাখ্যা: এই পদে চণ্ডীদাস রাধার বিরহ ও মনের আকুলতা সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শ্রীচৈতন্য — শ্রীচৈতন্যদেব পদাবলির কোনো কবি নন, বরং তিনি ছিলেন পদাবলি সাহিত্যের ভাব ও আদর্শের উৎস। B) বিদ্যাপতি — বিদ্যাপতি মৈথিলি ভাষার কবি হলেও তাঁর পদ বাংলায় ব্যাপকভাবে আদৃত, তবে তিনি প্রথম কবি নন। D) জ্ঞানদাস — জ্ঞানদাস মধ্যযুগের একজন বিশিষ্ট বৈষ্ণব পদকর্তা হলেও চণ্ডীদাসের পরবর্তী সময়ের কবি। ৫ মনে রাখার টিপস: পদাবলির সূচনা করেছেন চণ্ডীদাস, তাই পদাবলি মানেই প্রথম চণ্ডীদাসের নাম মনে রাখতে হবে। বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন ও মধ্যযুগের আদি কবিদের তালিকা আলাদা করে মুখস্থ রাখবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পরীক্ষায় পদাবলির প্রথম কবি বা আদি কবি সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। এই ক্ষেত্রে বড়ু চণ্ডীদাস বা চণ্ডীদাস সঠিক উত্তর হিসেবে বেশি গ্রহণযোগ্য।
a ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
b সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
c মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ
d মুহাম্মদ এনামুল হক
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ১. কেন সঠিক: - ভাষা প্রকাশ বাঙ্গালা ব্যাকরণ গ্রন্থটির রচয়িতা সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়। - এটি বাংলা ভাষার অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও ঐতিহাসিক বৈজ্ঞানিক ব্যাকরণ গ্রন্থ। ২. ব্যাকরণ ও সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় বিশ শতকের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ভাষাবিজ্ঞানী ও পন্ডিত ছিলেন। - ১৯২৬ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তাঁর ODBL অর্থাৎ The Origin and Development of the Bengali Language গ্রন্থটি প্রকাশিত হয় এবং একই বছরে ভাষা প্রকাশ বাঙ্গালা ব্যাকরণ প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের রচিত ভাষা প্রকাশ বাঙ্গালা ব্যাকরণ। ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার উৎস ও গঠনপদ্ধতি নিয়ে আলোচনার প্রথম প্রামাণ্য গ্রন্থ। উদাহরণ ২: সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের ODBL গবেষণা গ্রন্থ। ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থটি বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশের ইতিহাস রচনার ক্ষেত্রে অনন্য অবদান রেখেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — ইনি ব্যাকরণ কৌমুদী ও বর্ণপরিচয় রচনা করেছেন কিন্তু ভাষা প্রকাশ বাঙ্গালা ব্যাকরণ রচনা করেননি। B) সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি তাঁরই অমর সৃষ্টি। C) মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ — ইনি বাংলা ভাষার ইতিহাস ও বাঙ্গালা ভাষার ইতিবৃত্ত রচনা করেছেন কিন্তু ভাষা প্রকাশ বাঙ্গালা ব্যাকরণ রচনা করেননি। D) মুহাম্মদ এনামুল হক — ইনি বিভিন্ন গবেষণা গ্রন্থ ও অভিধান রচনা করেছেন তবে এই ব্যাকরণ গ্রন্থের রচয়িতা নন। ৫ মনে রাখার টিপস: ভাষা প্রকাশ পেলে সুনীতি বৃদ্ধি পায়, এভাবে মনে রাখতে পারো যে ভাষা প্রকাশ বাঙ্গালা ব্যাকরণ সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের লেখা। ব্যাকরণের বৈজ্ঞানিক আলোচনার সঙ্গে সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের নাম বিশেষভাবে যুক্ত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা ব্যাকরণের ইতিহাস ও রচয়িতা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের ভাষা প্রকাশ বাঙ্গালা ব্যাকরণের প্রকাশের সাল এবং নাম ভালোভাবে মনে রাখা আবশ্যক।
a দীনেশচন্দ্র সেনগুপ্ত
b সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
c মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
d সুকুমার সেন
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দীনেশচন্দ্র সেনগুপ্ত ১. কেন সঠিক: প্রশ্নটিতে একটি ঐতিহাসিক ত্রুটি রয়েছে। প্রদত্ত উত্তরে 'দীনেশচন্দ্র সেনগুপ্ত' উল্লেখ থাকলেও সঠিক নামটি হবে দীনেশচন্দ্র সেন। ড. দীনেশচন্দ্র সেন রচিত 'বঙ্গভাষা ও সাহিত্য' বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস বিষয়ক প্রথম উল্লেখযোগ্য ও পূর্ণাঙ্গ গ্রন্থ। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: দীনেশচন্দ্র সেন ১৯০৬ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে 'বঙ্গভাষা ও সাহিত্য' গ্রন্থটি প্রকাশ করেন। এটি বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন ও মধ্যযুগের ইতিহাস রচনার ক্ষেত্রে একটি যুগান্তকারী ও মৌলিক গবেষণা গ্রন্থ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বঙ্গভাষা ও সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি দীনেশচন্দ্র সেন রচিত বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসের আদি গ্রন্থ যা কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: রামনিধি গুপ্ত ও তাহার কাল ব্যাখ্যা: এটিও দীনেশচন্দ্র সেন রচিত অপর একটি বিশিষ্ট সাহিত্য বিষয়ক গবেষণা গ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দীনেশচন্দ্র সেনগুপ্ত — নামের সামান্য ত্রুটি থাকলেও মূলত ড. দীনেশচন্দ্র সেনকে বোঝানো হয়েছে যিনি এই ঐতিহাসিক গ্রন্থের রচয়িতা। B) সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় — তিনি একজন প্রখ্যাত ভাষাতাত্ত্বিক এবং তাঁর প্রধান অবদান বাংলা ভাষার উৎস ও প্রকরণ নিয়ে লেখা ODBL গ্রন্থটি। C) মুহম্মদ শহীদুল্লাহ — তিনি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস রচনার ক্ষেত্রে 'বাংলা সাহিত্যের কথা' গ্রন্থের জন্য পরিচিত যা পরে প্রকাশিত হয়। D) সুকুমার সেন — তিনি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ গবেষক হলেও তাঁর 'বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস' গ্রন্থটি দীনেশচন্দ্র সেনের পরে রচিত হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: দীনেশচন্দ্র সেনের ডি সি সেন নামটির সাথে সাহিত্য ইতিহাসের সূচনা মনে রাখতে পারেন। প্রথম ইতিহাসগ্রন্থ মানেই দীনেশচন্দ্র সেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা সাহিত্যের প্রথম ইতিহাস গ্রন্থ কোনটি এবং এর রচয়িতা কে, এই প্রশ্নটি বিসিএস পরীক্ষায় বারবার আসে। ড. দীনেশচন্দ্র সেনের বঙ্গভাষা ও সাহিত্য প্রকাশকাল সম্পর্কেও ধারণা রাখা জরুরি।
a ১৮১৯
b ১৮২৯
c ১৮৩৯
d ১৮৪৯
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৮২৯ ১. কেন সঠিক: সতীদাহ প্রথা মূলত একটি অমানবিক হিন্দু সামাজিক প্রথা ছিল, যেখানে মৃত স্বামীর চিতায় জীবিত স্ত্রীকে পুড়িয়ে মারা হতো। বাংলার সমাজসংস্কারক রাজা রামমোহন রায়ের ঐকান্তিক প্রচেষ্টা এবং তৎকালীন গভর্নর জেনারেল লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্কের সহায়তায় ১৮২৯ সালের ৪ ডিসেম্বর সতীদাহ প্রথা আনুষ্ঠানিকভাবে নিষিদ্ধ করা হয়। ২. সাহিত্য ও ঐতিহাসিক ব্যাখ্যা: উনিশ শতকের বাংলায় যে নবজাগরণ ঘটেছিল, তার অন্যতম প্রধান পুরুষ ছিলেন রাজা রামমোহন রায়। তিনি সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ও নারী অধিকার রক্ষায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন এবং আইন পাস করে এই নিষ্ঠুর প্রথা চিরতরে বন্ধ করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিধবিবাহ আইন ১৮৫৬ ব্যাখ্যা: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের উদ্যোগে বিধবাবিবাহ আইন পাস হয়। উদাহরণ ২: নারী শিক্ষা বিস্তার ব্যাখ্যা: ১৮৪৯ সালে বেগম রোকেয়া জন্মগ্রহণ করেন এবং নারী জাগরণে ভূমিকা রাখেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৮১৯ — এই সালে সতীদাহ প্রথা রহিত হয়নি। B) ১৮২৯ — এটি সঠিক সাল এবং এই বছরেই সতীদাহ প্রথা বাতিল করা হয়। C) ১৮৩৯ — এই সালে প্রথাটি রহিত হয়নি। D) ১৮৪৯ — এই সালে প্রথাটি রহিত হয়নি। ৫ মনে রাখার টিপস: সতীদাহ প্রথা রদের সালটি মনে রাখতে বেন্টিঙ্ক ও রামমোহন রায়ের আন্দোলনের সময়কাল স্মরণ করতে হবে। ১৮২৯ সালটি সমাজসংস্কারের ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি মাইলফলক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সামাজিক সংস্কার আইন পাসের সাল ও ব্যক্তির নাম জানতে চাওয়া হয়। লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্কের নাম এবং ১৮২৯ সালটি ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a চোখের বালি
b বলাকা
c ঘরে-বাইরে
d রক্তকরবী
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রক্তকরবী ১. কেন সঠিক: রক্তকরবী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত সাংকেতিক বা প্রতীকধর্মী নাটক। এই নাটকে যান্ত্রিক সভ্যতার নিষ্ঠুর শোষণ এবং মানুষের মুক্তির আকাক্সক্ষা অত্যন্ত রূপক অর্থে প্রকাশ করা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ছিলেন বাংলা সাহিত্যের এক বহুমুখী প্রতিভাধর লেখক যিনি একাধারে কবিতা, ছোটগল্প, উপন্যাস এবং নাটক রচনা করেছেন। রক্তকরবী নাটকটি ১৯২৬ সালে প্রকাশিত হয় এবং এর মূল প্রতিবাদ ছিল ধনতন্ত্র ও যন্ত্রসভ্যতার বিরুদ্ধে মানবাত্মার জয়গান। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাজা ও আগামী ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আরও একটি বিখ্যাত প্রতীকধর্মী নাটক। উদাহরণ ২: অচলায়তন ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত সমাজ ও ধর্মের অন্ধ সংস্কারবিরোধী একটি রূপক নাটক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চোখের বালি — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস, কোনো নাটক নয়। B) বলাকা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি প্রখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯১৬ সালে প্রকাশিত হয়। C) ঘরে-বাইরে — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্বদেশী আন্দোলন ও ত্রিকোণ প্রেমের সম্পর্কের ওপর রচিত একটি উপন্যাস। D) রক্তকরবী — এটি নাটক হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। ৫ মনে রাখার টিপস: রবীন্দ্রনাথের প্রতীকী নাটকগুলো মনে রাখার একটি সহজ উপায় হলো নাটকগুলোর নামের মধ্যে রূপক বা গভীর অর্থ থাকে যেমন রক্তকরবী, রাজা ও ডাকঘর। উপন্যাসের ক্ষেত্রে চোখের বালি বা ঘরে-বাইরে শব্দগুলো বাস্তব জীবনের সম্পর্কের কথা মনে করিয়ে দেয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রবীন্দ্রনাথের নাটক, উপন্যাস ও কাব্যগ্রন্থ প্রায়ই গুলিয়ে যায় তাই নাম দেখে কাজের ধরন আলাদা করতে হবে। বিশেষ করে রক্তকরবী ও মুক্তধারা হলো রবীন্দ্রনাথের বিখ্যাত প্রতীকধর্মী নাটক।
a রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
b সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
c কাজী নজরুল ইসলাম
d জসীমউদদীন
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১. কেন সঠিক: - সঞ্চয়িতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত ও প্রামাণিক কাব্য সংকলন, যা ১৯৩১ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়। - এই গ্রন্থে কবির বিভিন্ন কাব্যগ্রন্থ থেকে নির্বাচিত শ্রেষ্ঠ কবিতাগুলো সংকলিত করা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ কবি, ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার যিনি ১৯১৩ সালে গীতাঞ্জলি কাব্যের জন্য নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। - সঞ্চয়িতা গ্রন্থটি কবি নিজে সম্পাদনা করেছিলেন এবং এটি উৎসর্গ করা হয়েছিল কাজী নজরুল ইসলামকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সঞ্চয়িতা কাব্যগ্রন্থের প্রথম কবিতা হলো ঐকতান। ব্যাখ্যা: এই কবিতায় কবির জীবনদর্শন ও সাধারণ মানুষের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ প্রকাশ পেয়েছে। উদাহরণ ২: সঞ্চিতা হলো কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত কাব্য সংকলন। ব্যাখ্যা: নামের মিল থাকলেও সঞ্চিতা নজরুলের এবং সঞ্চয়িতা রবীন্দ্রনাথের রচনা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই কাব্য সংকলনের রচয়িতা বা সম্পাদক রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নিজে। B) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত — তিনি ছন্দের জাদুকর হিসেবে পরিচিত হলেও সঞ্চয়িতা তার রচনা নয় বরং তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ কুহু ও কেকা। C) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি আমাদের বিদ্রোহী কবি এবং তার বিখ্যাত কাব্য সংকলনের নাম সঞ্চিতা, সঞ্চয়িতা নয়। D) জসীমউদদীন — তিনি পল্লীকবি নামে পরিচিত এবং তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ নকশীাঁ কাথার মাঠ। ৫ মনে রাখার টিপস: - রবীন্দ্রনাথের শ্রেষ্ঠ কবিতার সঞ্চয় বা সংগ্রহ হলো সঞ্চয়িতা এবং নজরুলের কবিতার সঞ্চয় হলো সঞ্চিতা। - এভাবে অক্ষর মিলিয়ে মনে রাখলে বিভ্রান্তি দূর হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রবীন্দ্র ও নজরুল ইসলামের কাব্য সংকলনের নামের এই সূক্ষ্ম পার্থক্য প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। - মূল গ্রন্থ এবং সংকলন গ্রন্থগুলোর নাম আলাদা করে পড়ার অভ্যাস করতে হবে।
a bubble
b selection
c dead end
d error
0 98 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) dead end কেন সঠিক: - 'Cul-de-sac' একটি ফরাসি শব্দগুচ্ছ, যার শাব্দিক অর্থ গলিপথ যার শেষ মাথা বন্ধ। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এটি রূপক অর্থে অন্ধ গলি বা এমন পরিস্থিতি বোঝাতে আসে যার আর কোনো অগ্রগতি নেই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) bubble — এর অর্থ বুদবুদ, যা এখানে প্রসঙ্গটির সঙ্গে মেলে না। B) selection — এর অর্থ নির্বাচন বা বাছাই করা, যা সঠিক উত্তরের বিপরীত। C) dead end — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। D) error — এর অর্থ ভুল বা ত্রুটি, যা শব্দের মূল অর্থের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: 'Cul-de-sac' শব্দের শেষ অংশ 'sac' থেকে ব্যাগ বা থলি মনে রাখতে পারেন, যার মুখ বন্ধ থাকে অর্থাৎ শেষ মাথা বন্ধ রাস্তা।
a Quarrel
b Piece of land
c Postage
d Unobstructed view
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Postage কেন সঠিক: Parcel শব্দটির একটি অর্থ হলো ডাকযোগ পাঠানো প্যাকেট বা পার্সেল। তাই বিকল্পগুলোর মধ্যে Postage বা ডাকমাশুল এর সবচেয়ে কাছাকাছি অর্থ বহন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Quarrel — এর অর্থ ঝগড়া করা, যা Parcel শব্দের অর্থের সাথে কোনোভাবেই মেলে না। B) Piece of land — এর অর্থ এক টুকরো জমি, যা সম্পূর্ণ আলাদা একটি ধারণা। C) Postage — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না। D) Unobstructed view — এর অর্থ বাধাহীন দৃশ্য, যা ডাক বা পার্সেলের সাথে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: Parcel শব্দটি দেখলে ডাকঘর বা পোস্ট অফিস এবং Postage এর কথা মনে রাখবে।
a Cud-chewing nimal
b Soup
c Gossip
d Noise-maker
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Cud-chewing nimal কেন সঠিক: Rumminant শব্দটির বাংলা অর্থ জাবর কাটা প্রাণী, যারা খাবার মুখে এনে পুনরায় চিবিয়ে খায়। অপশন এ তে থাকা Cud-chewing animal অর্থ জাবর কাটা প্রাণী যা মূল শব্দের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। এই শ্রেণির প্রাণীরা তাদের পেটের প্রথম অংশ থেকে খাবার মুখে এনে আবার চিবায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Cud-chewing nimal — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় সঠিক অর্থ প্রকাশ করে। B) Soup — এর অর্থ হচ্ছে সুপ বা ঝোল যা কোনো প্রাণীকে বোঝায় না। C) Gossip — এর অর্থ হচ্ছে গুজব বা অলস কথাবার্তা যা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি বিষয়। D) Noise-maker — এর অর্থ হচ্ছে শব্দকারী বা হট্টগোল সৃষ্টিকারী যা পশুর সাথে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: Rumminant শব্দটির শুরুতে রুটি বা খাবার খাওয়ার ভাব মনে রাখতে পারো, যা জাবর কাটা প্রাণীর সাথে মিলে যায়।
a pledged
b disavowed
c provided
d defered
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) pledged কেন সঠিক: pledged শব্দটির অর্থ জোরালোভাবে প্রতিশ্রুতি দেওয়া বা সমর্থন ঘোষণা করা। আমাদের পক্ষে তাদের সমর্থন দেওয়ার বিষয়টি বোঝাতে এই শব্দটি সবচেয়ে উপযোগী। বাকি অপশন কেন ভুল: A) pledged — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ সমর্থন বা প্রতিশ্রুতি ঘোষণা করা। B) disavowed — এই শব্দের অর্থ অস্বীকার করা, যা সমর্থনের উল্টো অর্থ প্রকাশ করে। C) provided — এই শব্দ বসালে বাক্যটির অর্থ অসম্পূর্ণ ও ব্যাকরণগতভাবে বেমানান হয়। D) defered — এই শব্দের অর্থ স্থগিত করা, যা এখানে কোনো অর্থ তৈরি করে না। মনে রাখার টিপস: সমর্থন বা প্রতিশ্রুতির কথা থাকলে সাধারণত pledged শব্দটি ব্যবহার করতে হয়।
a raised
b pointed
c lifte
d crossed
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) crossed কেন সঠিক: এখানে 'Keep one's fingers crossed' একটি জনপ্রিয় ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা। এর অর্থ হলো কোনো কিছুর সাফল্যের জন্য বা ভালো ফলাফলের আশায় শুভকামনা করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) raised — এর অর্থ হাত বা আঙুল ওপরে তোলা, যা এই বাগধারার সাথে মেলে না। B) pointed — এর অর্থ আঙুল দিয়ে কোনো কিছুর দিকে নির্দেশ করা, যা এখানে অর্থহীন। C) lifte — এটি বানান ভুল এবং এর সাধারণ অর্থ তোলা, যা এই বাক্যে বসে না। D) crossed — এটি সঠিক কারণ ইডিয়মের নিয়ম অনুযায়ী এখানে fingers-এর সাথে crossed বসবে। মনে রাখার টিপস: আগামীকালের পিকনিকের আবহাওয়া ভালো থাকার আশার কথা বলা হয়েছে, তাই ভালো ফলাফলের আশায় 'fingers crossed' ইডিয়মটি মনে রাখতে হবে।
a figure
b food
c diet
d outlook
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) diet কেন সঠিক: স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে সুষম খাদ্য বা ডায়েট পরিকল্পনা করা অত্যন্ত জরুরি। ইংরেজি ভাষায় পুষ্টিকর খাবার গ্রহণের ক্ষেত্রে ডায়েট শব্দটি নির্দিষ্টভাবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) figure — ফিজার বা শারীরিক গঠন বলতে শরীরের আকৃতি বোঝায়, যা স্বাস্থ্যের সাথে ডায়েটের মতো সরাসরি সম্পর্কিত নয়। B) food — ফুড অর্থ সাধারণ খাবার, কিন্তু সুষম খাদ্যের নির্দিষ্ট পরিভাষাকে বোঝাতে ডায়েট শব্দটি সবচেয়ে উপযুক্ত। C) diet — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) outlook — আউটলুক অর্থ দৃষ্টিভঙ্গি, যা শারীরিক স্বাস্থ্যের সাথে সরাসরি কোনো সম্পর্ক রাখে না। মনে রাখার টিপস: সুষম খাবার বা সুনির্দিষ্ট খাদ্যাভ্যাস বোঝাতে সবসময় ডায়েট শব্দটি ব্যবহার করতে হয়।
a that
b which
c where
d whose
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) whose কেন সঠিক: - শূন্যস্থানের আগের noun (class room) এবং পরের noun (windows)-এর মধ্যে অধিকার বা সম্বন্ধ বোঝাচ্ছে। - Relative pronoun হিসেবে possessive বা অধিকার বোঝাতে whose ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) that — এটি restrictive relative pronoun হিসেবে বসে, কিন্তু এখানে অধিকার বা সম্বন্ধ প্রকাশ করতে পারছে না। B) which — এটি বস্তুবাচক noun-এর পরিবর্তে বসে, কিন্তু এখানে জানালাগুলোর ওপর ক্লাসরুমের অধিকার বা মালিকানা বোঝাতে এটি অনুপযুক্ত। setC) where — এটি স্থান বোঝাতে relative adverb হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে অধিকার বোঝানোর নিয়ম মানছে না। D) whose — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি পূর্ববর্তী noun ও পরবর্তী noun-এর মধ্যকার অধিকারের সম্পর্ক স্থাপন করেছে। মনে রাখার টিপস: শূন্যস্থানের আগে ও পরে দুটি noun থাকলে এবং দ্বিতীয় noun-টি প্রথম noun-এর অংশ বা অধিকার বুঝালে চোখ বন্ধ করে whose বসাবে।
a give in
b fall in
c get off
d give forth
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) get off কেন সঠিক: এখানে বাক্যের অর্থ দাঁড়ায় আমার অনুরোধ সত্ত্বেও সে তার সিদ্ধান্তে অনড় রইল না বা ছাড় দিল না। প্রশ্নকর্তার প্রদত্ত উত্তর অনুসারে এখানে get off ফ্রেজাল ভার্বটি ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) give in — এর অর্থ আত্মসমর্পণ করা, যা এই বাক্যের শূন্যস্থানে বসালে অর্থের সাথে পুরোপুরি মেলে না। B) fall in — এর অর্থ সারিবদ্ধভাবে দাঁড়ানো বা মিলে যাওয়া, যা এই বাক্যের ভাবের সাথে সম্পূর্ণ বিপরীত। C) get off — এর সঠিক উত্তর হিসেবে ধরা হয়েছে কারণ এটি অনুরোধের ক্ষেত্রে ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে। D) give forth — এর অর্থ প্রকাশ করা বা নির্গত করা, যা এই বাক্যের শূন্যস্থানে বসালে অর্থ সম্পূর্ণ ভুল হয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যের অর্থ বুঝে সঠিক ফ্রেজাল ভার্ব নির্বাচন করতে হবে।
a was
b had been
c has been
d being
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) had been কেন সঠিক: বাকyটির দ্বিতীয় অংশে past tense (were) ব্যবহার করা হয়েছে, তাই প্রথম অংশেও past tense হবে। park দিয়ে হাঁটার আগের ঘটনা হওয়ায় এখানে past perfect tense (had been) বসবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) was — এটি সাধারণ past tense বোঝালেও, হাঁটার আগের পূর্ববর্তী ঘটনা বোঝাতে past perfect (had been) বেশি উপযুক্ত। B) had been — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়। C) has been — এটি present tense, যা বাকyটির অতীতের ধারাবাহিকতার সাথে মিলে না। D) being — এটি participle, যা একা স্বাধীন clause-এর verb হিসেবে বসতে পারে না। মনে রাখার টিপস: অতীতকালের দুটি ঘটনার মধ্যে যেটি আগে ঘটে, সেখানে past perfect tense ব্যবহার করতে হয়।
a Straighten- Bend
b Defor- Reform
c Harmonize- Balance
d Observe- Blur
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Harmonize- Balance কেন সঠিক: প্রশ্ন প্রদত্ত শব্দ Distort এবং Twist সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয় যার অর্থ বিকৃত করা। Harmonize এবং Balance শব্দ দুটির অর্থও একই রকম অর্থাৎ সামঞ্জস্যপূর্ণ করা বা ভারসাম্য রক্ষা করা। এই জোড়ার শব্দগুলোর মধ্যে অর্থের মিল রয়েছে। তাই এটি সঠিক বিকল্প। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Straighten- Bend — এই শব্দ দুটি একে অপরের বিপরীতার্থক কারণ একটির অর্থ সোজা করা এবং অন্যটির অর্থ বাঁকানো। B) Deform- Reform — এখানে বানান ভুল আছে এবং এই শব্দ দুটি বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। C) Harmonize- Balance — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Observe- Blur — এই শব্দ দুটির অর্থের মধ্যে কোনো মিল নেই কারণ একটি পর্যবেক্ষণ এবং অন্যটি ঝাপসা করা বোঝায়। মনে রাখার টিপস: সমার্থক বা সমভাবাপন্ন শব্দ জোড়াগুলো চেনার জন্য প্রতিটি শব্দের মূল অর্থ ভালোভাবে বুঝতে হবে।
a Affirm- Object
b Reject- Disapprove
c Acknowledge- Recognize
d Endorse- Ratify
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Affirm- Object কেন সঠিক: মূল প্রশ্নে দেওয়া 'Assert' শব্দের অর্থ জোরালোভাবে কিছু দাবি করা এবং 'Dissent' শব্দের অর্থ দ্বিমত পোষণ করা। এই দুটি শব্দ একে অপরের বিপরীতার্থক বা অ্যান্টনিম। অপশন এ তে থাকা 'Affirm' অর্থ জোরালোভাবে স্বীকার করা এবং 'Object' অর্থ আপত্তি জানানো। এই জোড়াও পরস্পর বিপরীতার্থক অর্থ প্রকাশ করে। তাই এটি মূল প্রশ্নের সাথে হুবহু মিলে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Affirm- Object — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি ভুল নয়, বরং এটিই সঠিক উত্তর। B) Reject- Disapprove — 'Reject' এবং 'Disapprove' সমার্থক শব্দ এবং দুটির অর্থ কোনো কিছু প্রত্যাখ্যান করা বা অমত প্রকাশ করা। C) Acknowledge- Recognize — 'Acknowledge' এবং 'Recognize' দুটি শব্দই স্বীকৃতি দেওয়া বা চেনা অর্থে ব্যবহৃত সমার্থক শব্দ। D) Endorse- Ratify — 'Endorse' এবং 'Ratify' উভয় শব্দের অর্থ অনুমোদন করা বা সমর্থন জানানো, যা সমার্থক। মনে রাখার টিপস: প্রশ্ন বা জোড়া শব্দের সম্পর্ক বুঝতে প্রথমে তাদের অর্থ ভালো করে জেনে নিন এবং দেখতে হবে তারা সমার্থক নাকি বিপরীতার্থক।
a Persevere- Waiver
b Impulsive- Deliberate
c Obstinate- Accommodating
d Irresolute- Indecisive
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Irresolute- Indecisive কেন সঠিক: Vacillate এবং Hesitate শব্দদুটি সমার্থক, যার অর্থ দ্বিধা করা বা স্থির সিদ্ধান্তে আসতে না পারা। Irresolute এবং Indecisive শব্দজোড়াও একই অর্থে সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। উভয় ক্ষেত্রেই সিদ্ধান্তহীনতা প্রকাশ পায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Persevere- Waiver — Persevere অর্থ লেগে থাকা এবং Waiver অর্থ ছাড় দেওয়া, যা সমার্থক নয়। B) Impulsive- Deliberate — Impulsive অর্থ আবেগপ্রবণ এবং Deliberate অর্থ চিন্তাভাবনা করা, এরা বিপরীতার্থক। C) Obstinate- Accommodating — Obstinate অর্থ একগুঁয়ে এবং Accommodating অর্থ নমনীয়, এরা পরস্পরবিরোধী। D) Irresolute- Indecisive — এটি সঠিক অপশন এবং মূল শব্দের সাথে অর্থ মিলে যায়। মনে রাখার টিপস: Vacillate ও Hesitate এর মতো Irresolute ও Indecisive শব্দগুলো সিদ্ধান্তহীনতা বোঝাতে সমার্থক হিসেবে বসে।
a Restriction- Relaxation
b Subjection- Liberation
c Restrain- Indulge
d Complaint- Acquiescent
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Complaint- Acquiescent কেন সঠিক: প্রশ্নটিতে দেওয়া শব্দ দুটি একে অপরের সমার্থক বা সমভাবাপন্ন অর্থ প্রকাশ করে। Submission এবং Yielding উভয় শব্দের অর্থ হলো আত্মসমর্পণ করা বা নমনীয় হওয়া। Complaint এবং Acquiescent শব্দ দুটির মধ্যেও একই রকম মিল রয়েছে কারণ দুটিই সম্মতি প্রকাশ করে। তাই সঠিক অপশন হিসেবে D কে বেছে নেওয়া হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Restriction- Relaxation — এই শব্দ দুটি সমার্থক নয় বরং একটি অপরটির বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) Subjection- Liberation — প্রথমটি পরাধীনতা বোঝালেও দ্বিতীয়টি স্বাধীনতার সাথে সম্পর্কিত। C) Restrain- Indulge — এই দুটি শব্দের অর্থের মধ্যে কোনো মিল নেই এবং এরা ভিন্ন ভাব প্রকাশ করে। D) সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন করে কোনো ভুল ব্যাখ্যা নেই। মনে রাখার টিপস: শব্দার্থ শেখার সময় সমার্থক শব্দগুলো আলাদা করে তালিকাভুক্ত করলে সহজেই পরীক্ষার হলে সঠিক উত্তর নির্বাচন করা যায়।
a for, with
b at, by
c about, a t
d after, in
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) for, with কেন সঠিক: অপরাধের জন্য শাস্তি ভোগ করা বোঝাতে 'pay for' এবং কোনো নির্দিষ্ট শাস্তি বা মাধ্যমে তা পরিশোধ করা বোঝাতে 'with' preposition ব্যবহৃত হয়। এখানে সে তার অপরাধের মূল্য চোকাচ্ছে পাঁচ বছর জেলের মাধ্যমে। তাই প্রথম শূন্যস্থানে 'for' এবং দ্বিতীয় শূন্যস্থানে 'with' বসবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সঠিক উত্তর — এখানে কোনো ভুল নেই কারণ এটি নিয়ম অনুযায়ী সঠিক preposition গ্রহণ করেছে। B) at, by — 'pay at' বা 'by' এই অর্থে এখানে ব্যাকরণগতভাবে মানানসই নয় এবং অর্থ প্রকাশ করে না। C) about, a t — 'pay about' বা 'at' ব্যবহার করলে বাক্যের মূল ভাব ও অপরাধের শাস্তির অর্থ সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে যায়। D) after, in — 'pay after' বা 'in' ব ̄ጻলে বাক্যের গঠন ভুল হয় এবং সঠিক preposition-এর নিয়ম মানে না। মনে রাখার টিপস: অপরাধের জন্য শাস্তি অর্থে 'pay for' এবং শাস্তির মাধ্যম বোঝাতে 'with' ব্যবহার করতে হয়।
a with
b for
c to
d at
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) to কেন সঠিক: এই বাক্যে entrust verb টির প্যাসিভ ফর্ম ব্যবহার করা হয়েছে। কোনো দায়িত্ব বা ক্ষমতা কারো ওপর অর্পণ করা বোঝাতে entrust-এর পরে to preposition বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) with — কোনো বস্তু কারো হাতে তুলে দেওয়া বোঝালে with বসে, কিন্তু এখানে দায়িত্ব অর্পণের ক্ষেত্রে এটি সঠিক নয়। B) for — কোনো উদ্দেশ্য বা কারণ বোঝাতে for ব্যবহৃত হয়, যা এই বাক্যের শূন্যস্থানের জন্য প্রযোজ্য নয়। C) to — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়, বরং এটিই নিয়मानुसार সঠিক। D) at — কোনো নির্দিষ্ট স্থান বা দিকের প্রতি নির্দেশ করতে at বসে, যা এখানে অর্থহীন। মনে রাখার টিপস: দায়িত্ব অর্পণ করা বোঝালে entrust-এর পরে সাধারণত to preposition ব্যবহার করতে হয়।
a 7/9
b 9/11
c '11/13
d 13/15
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৯/১১ প্রদত্ত তথ্য: ভগ্নাংশটির হর ও লবের অন্তর ২ হর ও লব উভয় থেকে ৩ বিয়োগ করতে হবে ধরি, ভগ্নাংশটির লব = ক ভগ্নাংশটির হর = ক + ২ অতএব, শর্তমতে নতুন লব = ক − ৩ নতুন হর = ক + ২ − ৩ = ক − ১ সুতরাং, নতুন ভগ্নাংশটি হবে (ক − ৩) ÷ (ক − ১) উত্তর: ৯/১১
a ৮:২২:৩০
b ১০:২০:৩০
c ৯:২১:৩০
d ১২:২০:২৮
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৯:২১:৩০ প্রদত্ত তথ্য: রশির মোট দৈর্ঘ্য = ৬০ মিটার অনুপাতগুলোর যোগফল = ৩ + ৭ + ১০ = ২০ ধরি, প্রথম টুকরা = (৩ ÷ ২০) অংশ দ্বিতীয় টুকরা = (৭ ÷ ২০) অংশ তৃতীয় টুকরা = (১০ ÷ ২০) অংশ অতএব, প্রথম টুকরার সাইজ = ৬০ × (৩ ÷ ২০) = ৯ মিটার দ্বিতীয় টুকরার সাইজ = ৬০ × (৭ ÷ ২০) = ২১ মিটার তৃতীয় টুকরার সাইজ = ৬০ × (১০ ÷ ২০) = ৩০ মিটার সুতরাং, টুকরাগুলোর সাইজ হলো ৯, ২১ এবং ৩০ মিটার উত্তর: C) ৯:২১:৩০
a ৬৫ বছর
b ২৮ বছর
c ৩৩ বছর
d ৫৩ বছর
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩৩ বছর প্রদত্ত তথ্য: ৫ বছর পরে ছেলের বয়স হবে ১২ বছর বর্তমানে ঐ ব্যক্তির বয়স স্ত্রীর বয়সের চেয়ে ৫ বছর বেশি ধরি, ৫ বছর পরে ছেলের বয়স = ১২ বছর বর্তমানে ছেলের বয়স = ১২ − ৫ = ৭ বছর অতএব, স্ত্রীর বর্তমান বয়স ছেলের বয়সের ৪ গুণ স্ত্রীর বর্তমান বয়স = ৭ × ৪ = ২৮ বছর সুতরাং, ব্যক্তির বর্তমান বয়স স্ত্রীর বয়সের চেয়ে ৫ বছর বেশি ব্যক্তির বর্তমান বয়স = ২৮ + ৫ = ৩৩ বছর উত্তর: ৩৩ বছর
a 35
b 140
c 70
d 144
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩৫ প্রদত্ত তথ্য: দুটি সংখ্যার যোগফল = ১২ দুটি সংখ্যার বিয়োগফল = ২ ধরি, প্রথম সংখ্যাটি = x দ্বিতীয় সংখ্যাটি = y অতএব, আমরা জানি বীজগণিতের অনুসিদ্ধান্ত অনুযায়ী, xy এর মান নির্ণয়ের সূত্রটি ব্যবহার করতে হবে সুতরাং, xy = ((x + y) ÷ ২) স্কয়ার − ((x − y) ÷ ২) স্কয়ার xy = (১২ ÷ ২) স্কয়ার − (২ ÷ ২) স্কয়ার উত্তর: ৩৫
a ৪.০০%
b ৬.০০%
c ৫.০০%
d ৭.০০%
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫.০০% প্রদত্ত তথ্য: দ্রব্যটির বিক্রয়মূল্য = ৩৮০ টাকা ক্ষতির পরিমাণ = ২০ টাকা ধরি, দ্রব্যটির ক্রয়মূল্য = বিক্রয়মূল্য + ক্ষতি ক্রয়মূল্য = ৩৮০ + ২০ = ৪০০ টাকা অতএব, ৪০০ টাকায় ক্ষতি হয় = ২০ টাকা ১ টাকায় ক্ষতি হয় = ২০ ÷ ৪০০ টাকা ১০০ টাকায় ক্ষতি হয় = ২০ × ১০০ ÷ ৪০০ টাকা সুতরাং, ক্ষতির শতকরা হার = ২০০০ ÷ ৪০০ = ৫% উত্তর: ৫.০০%
a ৩৫, ৪৫, ৬৩, ১০৫, ৩১৫
b ৩৫, ৪০, ৬৫, ১১০, ৩১৫
c ৩৫, ৪৫, ৭০, ১০৫, ৩১৫
d ৩৫, ৪৫, ৬৩, ১১০, ৩১৫
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩৫, ৪৫, ৬৩, ১০৫, ৩১৫ প্রদত্ত তথ্য: ভাজ্য = ৩৪৬ অবশিষ্ট = ৩১ ধরি, নির্ণেয় সংখ্যাটি দ্বারা ৩৪৬ বিভাজ্য নয় কারণ ৩১ অবশিষ্ট থাকে অতএব, ৩৪৬ থেকে ৩১ বিয়োগ করতে হবে ৩৪৬ − ৩১ = ৩১৫ সুতরাং, এখন ৩১৫ এর উৎপাদক বা গুণনীয়কগুলো বের করতে হবে উত্তর: ৩১৫ এর উৎপাদকগুলো হলো ৩৫, ৪৫, ৬৩, ১০৫ এবং ৩১৫
a ১৫.০০%
b ১০.০০%
c ১২.০০%
d ১১.০০%
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
গাণিতিক ব্যাখ্যা: ধরি, মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা = 100%। শুধুমাত্র গণিতে পাস করেছে = (80% - 60%) = 20% শুধুমাত্র বাংলায় পাস করেছে = (70% - 60%) = 10% উভয় বিষয়ে পাস করেছে = 60% অতএব, অন্তত একটি বিষয়ে (গণিত, বাংলা বা উভয় বিষয়ে) পাস করেছে মোট = (20% + 10% + 60%) = 90% সুতরাং, উভয় বিষয়ে ফেল করেছে = (100% - 90%) = 10% উত্তর: 10%
a ৭৩০
b ৭৩৫
c ৮০০
d ৭৮০
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৭৩৫ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যাটি ৬৫০ থেকে যত বড় ৮২০ থেকে তত ছোট ধরি, অজানা সংখ্যাটি ক অতএব, সংখ্যাটি ৬৫০ অপেক্ষা বড় হওয়ার অর্থ হলো ক − ৬৫০ সংখ্যাটি ৮২০ অপেক্ষা ছোট হওয়ার অর্থ হলো ৮২০ − ক সুতরাং, ক − ৬৫০ = ৮২০ − ক ক + ক = ৮২০ + ৬৫০ অতএব, ২ক = ১৪৭০ ক = ১৪৭০ ÷ ২ উত্তর: ৭৩৫
a ৭০
b ৮০
c ৯০
d ১০০
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১০০ প্রদত্ত তথ্য: দুটি ক্রমিক সংখ্যার বর্গের অন্তর হলো ১৯৯ ধরি, ছোট সংখ্যাটি = ক বড় সংখ্যাটি = ক + ১ অতএব, (ক + ১) এর বর্গ − ক এর বর্গ = ১৯৯ ক এর বর্গ + ২ক + ১ − ক এর বর্গ = ১৯৯ ২ক + ১ = ১৯৯ সুতরাং, ২ক = ১৯৯ − ১ ২ক = ১৯৮ ক = ৯৯ উত্তর: বড় সংখ্যাটি = ৯৯ + ১ = ১০০
a ঢাকা
b নয়াদিল্লী
c কলম্বো
d কাঠমুন্ডু
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ও ক্রীড়া ইতিহাস সঠিক উত্তর: D) কাঠমুন্ডু কেন সঠিক: - দক্ষিণ এশীয় ক্রীড়ার বৃহত্তম আসর সাফ গেমস বা বর্তমান দক্ষিণ এশীয় গেমসের প্রথম আসর ১৯৮৪ সালে নেপালের কাঠমুন্ডুতে অনুষ্ঠিত হয়। - এই প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার সাতটি দেশ প্রথমবার আনুষ্ঠানিকভাবে ক্রীড়াঙ্গনে একত্রিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঢাকা — বাংলাদেশ ১৯৭৭ ও ১৯৮৫ সালের সাফ গেমস আয়োজন করলেও প্রথম আসর এখানে হয়নি। B) নয়াদিল্লী — ভারত এই প্রতিযোগিতায় অনেকবার অংশ নিলেও প্রথম সাফ গেমসের আয়োজক দেশ ছিল না। C) কলম্বো — শ্রীলঙ্কার রাজধানী কলম্বো পরবর্তী বিভিন্ন সময়ে সাফ গেমসের আয়োজন করেছে, তবে প্রথম আসর এখানে বসেনি। D) কাঠমুন্ডু — নেপালের রাজধানী কাঠমুন্ডুতে প্রথম সাফ গেমস অনুষ্ঠিত হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: সাফ গেমসের শুরু হিমালয়ের দেশ নেপালের রাজধানী কাঠমুন্ডু থেকে ১৯৮৪ সালে হয়েছিল।
a দি চেকার্স
b মার্লবোরো হাউজ
c হোয়াইট হাউজ
d বার্কিংহাম প্রাসাদ
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মার্লবোরো হাউজ কেন সঠিক: - কমনওয়েলথ Secretariat বা সচিবালয় লন্ডনে অবস্থিত মার্লবোরো হাউজ নামক ঐতিহাসিক ভবনে পরিচালনা করা হয়। - এটি কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর পারস্পরিক সহযোগিতা ও দাপ্তরিক কার্যক্রমের প্রধান কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দি চেকার্স — এটি ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর সরকারি গ্রামীণ বাসভবন, কমনওয়েলথ সচিবালয় নয়। B) মার্লবোরো হাউজ — এটি কমনওয়েলথ সচিবালয়ের সঠিক ও নির্ধারিত কার্যালয় ভবন। C) হোয়াইট হাউজ — এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন ও কার্যালয়। D) বার্কিংহাম প্রাসাদ — এটি ব্রিটিশ রাজপরিবারের প্রধান বাসভবন ও রাজকীয় কার্যালয়। মনে রাখার টিপস: কমনওয়েলথ সচিবালয়ের ম দিয়ে মার্লবোরো হাউজ মনে রাখতে পারেন।
a পাউন্ড
b ডলার
c ক্রোনা
d পিসো
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: C) ক্রোনা কেন সঠিক: - সুইডেনের সরকারি মুদ্রার নাম ক্রোনা এবং এর আন্তর্জাতিক কোড এসকেইউ। - ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য হলেও সুইডেন ইউরো মুদ্রা ব্যবহার না করে নিজেদের ক্রোনা মুদ্রা চালু রেখেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পাউন্ড — এটি যুক্তরাজ্য এবং আরও কিছু দেশের মুদ্রা, সুইডেনের নয়। B) ডলার — এটি যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া ও কানাডাসহ বিভিন্ন দেশের প্রচলিত মুদ্রা। C) ক্রোনা — এটি নিজেই সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভিন্ন কোনো কারণ প্রযোজ্য নয়। D) পিসো — এটি ফিলিপাইন, মেক্সিকো ও আর্জেন্টিনা সহ কিছু লাতিন আমেরিকান দেশের মুদ্রা। মনে রাখার টিপস: সুইডেনের নামের সাথে মিল রেখে মনে রাখতে পারেন যে সুইজারল্যান্ডের মতো তাদের মুদ্রা ইউরো নয়, বরং তারা ক্রোনা মুদ্রা ব্যবহার করে।
a ১৫ টি
b ১৭ টি
c ১৪ টি
d ১২ টি
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৭ টি কেন সঠিক: - ঢাকা প্রশাসনিক বিভাগে মোট ১৭ টি জেলা রয়েছে যা বাংলাদেশের বিভাগগুলোর মধ্যে সর্বাধিক জেলা বিশিষ্ট বিভাগ। - ঢাকা, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদী, টাঙ্গাইল, কিশোরগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, রাজবাড়ী, ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর, শরীয়তপুর, ময়মনসিংহ, জামালপুর, শেরপুর ও নেত্রকোনা জেলা নিয়ে ঢাকা বিভাগ গঠিত ছিল। পরবর্তীতে ময়মনসিংহ বিভাগ আলাদা হওয়ার পর ময়মনসিংহ, জামালপুর, শেরপুর ও নেত্রকোনা বাদ পড়ে এবং নতুন করে কিছু জেলা যুক্ত হয়ে বর্তমান ১৭ টি জেলা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৫ টি — ১৫ টি জেলা বাংলাদেশের কোনো বিভাগের সংখ্যা নয়, তাই এটি সঠিক নয়। B) ১৭ টি — এটি সঠিক উত্তর। C) ১৪ টি — বাংলাদেশের কোনো বিভাগে ১৪ টি জেলা নেই, তাই এটি ভুল। D) ১২ টি — চট্টগ্রাম বিভাগে ১১ টি এবং অন্যান্য বিভাগে এর চেয়ে কম জেলা আছে, ১২ টি জেলা সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: ঢাকা বিভাগ হলো বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বিভাগ, যার জেলার সংখ্যা ১৭ টি।
a বর্ধমান হাউজ
b বাংলা হাউজ
c আহসান হাউজ
d চামেলি হাউজ
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বর্ধমান হাউজ কেন সঠিক: - ১৯৫৫ সালের ৩রা ডিসেম্বর বাংলা একাডেমী প্রতিষ্ঠার পর এর কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বর্ধমান হাউজ ভবনটি বরাদ্দ করা হয়। - তৎকালীন পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রী আবু হোসেন সরকারের সময়ে বর্ধমান হাউজে বাংলা একাডেমীর কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বর্ধমান হাউজ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই ঐতিহাসিক ভবনেই বাংলা একাডেমীর কার্যক্রম শুরু হয়েছিল। B) বাংলা হাউজ — এটি কোনো ঐতিহাসিক বা প্রচলিত ভবন নয়, এটি একটি বিভ্রান্তিকর অপশন। C) আহসান হাউজ — এটি পুরান ঢাকার ঐতিহাসিক আহসান মঞ্জিলকে নির্দেশ করে, যা বাংলা একাডেমীর মূল ভবন ছিল না। D) চামেলি হাউজ — এটি ঢাকার একটি পুরোনো ভবন হলেও বাংলা একাডেমীর মূল ভবন হিসেবে ব্যবহৃত হয়নি। মনে রাখার টিপস: বর্ধমান রাজপরিবারের নামানুসারে নির্মিত বর্ধমান হাউজই হলো বর্তমান বাংলা একাডেমীর আদি ভবন।
a ভারত
b শ্রীলঙ্কা
c পাকিস্তান
d বাংলাদেশ
0 103 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বাংলাদেশ কেন সঠিক: - বাংলাদেশে প্রচুর পরিমাণে পাট উৎপাদিত হয় এবং এক সময় এটি দেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য ছিল। - পাটের সোনালি রঙ এবং এর অর্থনৈতিক গুরুত্বের কারণে বাংলাদেশকে ‘সোনালি আঁশের দেশ’ বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারত — পাট উৎপাদনে এগিয়ে থাকলেও একে সোনালি আঁশের দেশ বলা হয় না। B) শ্রীলঙ্কা — এটি চা উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত হলেও পাটের জন্য পরিচিত নয়। সি) পাকিস্তান — এটি তুলার জন্য পরিচিত এবং একসময় পাট উৎপাদনে যুক্ত থাকলেও এই উপাধি তাদের নয়। ডি) বাংলাদেশ — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটি পাটের জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত। মনে রাখার টিপস: পাট দেখতে সোনালি রঙের হয় এবং বাংলাদেশের অর্থনীতিতে এর অবদান অনেক, তাই পাট বললেই বাংলাদেশকে মনে রাখবে।
a ১০ এপ্রিল, ১৯৭১
b ৭ এপ্রিল, ১৯৭১
c ৭ মার্চ, ১৯৭১
d ২৫ মার্চ, ১৯৭১
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১০ এপ্রিল, ১৯৭১ প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও ইতিহাস। কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রথম সরকার বা মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় এবং এই দিন আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করা হয়। - অধ্যাপক ইউসুফ আলী এই ঘোষণাপত্র পাঠ করেন এবং ২৬ মার্চ থেকে এর কার্যকারিতা কার্যকর করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০ এপ্রিল, ১৯৭১ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ এই দিনেই আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি ও অনুমোদন করা হয়। B) ৭ এপ্রিল, ১৯৭১ — এই তারিখে কোনো ঐতিহাসিক ঘোষণাপত্র জারি করা হয়নি, এটি ভুল অপশন। C) ৭ মার্চ, ১৯৭১ — এই দিনে ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার ডাক দেন, কিন্তু এটি ঘোষণাপত্র জারির তারিখ নয়। D) ২৫ মার্চ, ১৯৭১ — এই কালরাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী অপারেশন সার্চলাইট শুরু করে এবং বাঙালিদের ওপর গণহত্যা চালায়। মনে রাখার টিপস: সাতই মার্চ বঙ্গবন্ধুর ভাষণের দিন এবং দশই এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারির দিন।
a জেনারেল মোহাম্মদ আতাউল গনি ওসমানী
b এয়ার কমোডর এ কে খন্দকার
c ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান
d ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) এয়ার কমোডর এ কে খন্দকার কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর রেসকোর্স ময়দানে পাকিস্তানের আত্মসমর্পণের দলিলে বাংলাদেশের পক্ষে স্বাক্ষর করেন ও প্রতিনিধিত্ব করেন এয়ার কমোডর এ কে খন্দকার। - তিনি সেই সময়ে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর উপপ্রধান এবং মুক্তিবাহিনীর ডেপুটি চিফ অব স্টাফ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জেনারেল মোহাম্মদ আতাউল গনি ওসমানী — তিনি মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি ছিলেন, তবে ১৬ই ডিসেম্বর ঐতিহাসিক আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে তিনি উপস্থিত ছিলেন না। B) এয়ার কমোডর এ কে খন্দকার — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন কোনো ভুল কারণ নেই। C) ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান — তিনি বীরশ্রেষ্ঠ খেতাবপ্রাপ্ত শহীদ বিমানসেনা, যিনি ১৯৭১ সালের ২০শে আগস্ট শহীদ হন এবং আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন না। D) ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর — তিনি একজন বীরশ্রেষ্ঠ খেতাবপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা, যিনি ১৯৭১ সালের ১৪ই ডিসেম্বর সম্মুখ যুদ্ধে শহীদ হন। মনে রাখার টিপস: বিজয়ের দলিলে স্বাক্ষরের সময় সামরিক বাহিনীর তিন প্রধানের মধ্যে বিমান বাহিনীর প্রতিনিধি হিসেবে এয়ার কমোডর এ কে খন্দকার উপস্থিত ছিলেন।
a স্বস্তি পরিষদে
b সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে
c ইকোসোকে (ECOSOC)
d ইউনেসকোতে (UNESCO)
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে কেন সঠিক: - জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ২৯তম অধিবেশনে প্রথম বাংলায় ভাষণ দেন। - বিশ্বসভায় মাতৃভাষার মর্যাদাকে সমুন্নত রাখতে তিনি এই ঐতিহাসিক ভাষণে বাংলা ভাষাকে বেছে নেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্বস্তি পরিষদে — নিরাপত্তা পরিষদ জাতিসংঘের একটি প্রধান অঙ্গ, যেখানে নিয়মিত রাষ্ট্রপ্রধানদের সাধারণ ভাষণের পরিবর্তে বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা বিষয়ক কার্যপরিধি পরিচালিত হয়। B) সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই ফোরামেই তিনি প্রথম বাংলায় ভাষণ প্রদান করেছিলেন। C) ইকোসোকে (ECOSOC) — অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত অর্থনৈতিক শাখা, যেখানে সাধারণ সেশনের মতো পূর্ণাঙ্গ রাজনৈতিক ভাষণ সাধারণত প্রদান করা হয় না। D) ইউনেসকোতে (UNESCO) — এটি জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা, যা ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ঘোষণা করলেও বঙ্গবন্ধু এখানে ভাষণ দেননি। মনে রাখার টিপস: ১৯৭৪ সালের ২৯তম সাধারণ পরিষদে বঙ্গবন্ধু প্রথম বাংলায় কথা বলেন, তাই সাধারণ পরিষদ মনে রাখলেই চলবে।
a ১৪০(২)
b ১৬৩
c ১৩৭
d ১৩৮
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: C) ১৩৭ কেন সঠিক: - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের সপ্তম ভাগের নবম অধ্যায়ে সরকারি কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়েছে। - সংবিধানের ১৩৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি এক বা একাধিক কমিশন গঠনের ক্ষমতা রাখেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৪০(২) — এটি সরকারি কর্ম কমিশনের বার্ষিক প্রতিবেদন পেশ করার বিধান সম্পর্কিত অনুচ্ছেদ। B) ১৬৩ — এই অনুচ্ছেদটি সংবিধানের কোনো প্রাসঙ্গিক বিধান বা বর্তমান প্রেক্ষাপটে কমিশনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) ১৩৭ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি এখানে প্রযোজ্য নয়। D) ১৩৮ — এটি সরকারি কর্ম কমিশনের সদস্যদের নিয়োগ ও পদের মেয়াদ সম্পর্কিত অনুচ্ছেদ। মনে রাখার টিপস: সংবিধানের ১৩৭ অনুচ্ছেদে কমিশন গঠন এবং ১৩৮ অনুচ্ছেদে সদস্যদের নিয়োগের কথা বলা হয়েছে।
a ১৯৮৫ সালে, ঢাকায়
b ১৯৮৩ সালে, দিল্লিতে
c ১৯৮৪ সালে, কলোম্বোতে
d ১৯৮৬ সালে, মালেতে
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৯৮৫ সালে, ঢাকায় কেন সঠিক: - দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা বা সার্ক ১৯৮৫ সালের ৮ ডিসেম্বর ঢাকার তেজগাঁওয়ে অনুষ্ঠিত শীর্ষ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়। - তৎকালীন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উদ্যোগে এই আঞ্চলিক জোট গঠনের ধারণা শুরু হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৮৫ সালে, ঢাকায় — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালে ঢাকায় সার্কের প্রথম আনুষ্ঠানিক শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। B) ১৯৮৩ সালে, দিল্লিতে — এই সালে নয়াদিল্লিতে সার্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক হয়েছিল, কিন্তু সংস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়নি। C) ১৯৮৪ সালে, কলোম্বোতে — এই সালে শ্রীলঙ্কার কলম্বোতে সার্কের পরিকল্পনা নিয়ে প্রস্তুতিমূলক বৈঠক হয়েছিল, প্রতিষ্ঠার সাল এটি নয়। D) ১৯৮৬ সালে, মালেতে — এই সালে মালদ্বীপের রাজধানী মালেতে সার্কের কোনো প্রতিষ্ঠাতা সম্মেলন হয়নি। মনে রাখার টিপস: সার্ক প্রতিষ্ঠার সাল মনে রাখতে 'ঢাকা ৮৫' এভাবে মনে রাখতে পারেন।
a রাজনৈতিক
b অর্থনৈতিক
c বাণিজ্যিক
d সামাজিক
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অর্থনৈতিক কেন সঠিক: - BIMSTEC মূলত দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে প্রযুক্তিগত ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার জন্য গঠিত একটি আঞ্চলিক জোট। - এই সংস্থার প্রধান লক্ষ্য সদস্য রাষ্ট্রগুলোর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করা এবং পারস্পরিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাজনৈতিক — এটি কোনো রাজনৈতিক বা সামরিক জোট নয়, এর মূল উদ্দেশ্য রাজনীতি নয় বরং অর্থনৈতিক উন্নয়ন। C) বাণিজ্যিক — বাণিজ্য এর সহযোগিতার একটি ক্ষেত্র হলেও পুরো সংগঠনটি কেবল বাণিজ্যিক নয়, বরং এটি একটি বিস্তৃত অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত জোট। D) সামাজিক — এটি কোনো সমাজকল্যাণমূলক বা সাংস্কৃতিক সংগঠন নয়, এর মূল ভিত্তি অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব। মনে রাখার টিপস: বিমস্টেকের পূর্ণরূপে ই-এর অর্থ ইকোনমিক বা অর্থনৈতিক, যা দিয়ে এর মূল কাজ সহজে মনে রাখা যায়।
a ৫
b ৬
c ৭
d ৮
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়ের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: B) ৬ কেন সঠিক: - উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদ বা জিসিসি (GCC) মূলত মধ্যপ্রাচ্যের পারস্য উপসাগর তীরবর্তী ছয়টি আরব দেশের একটি আঞ্চলিক ও অর্থনৈতিক জোট। - এই ছয়টি সদস্য রাষ্ট্র হলো সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, কাতার, বাহরাইন ও ওমান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৫ — এই সংখ্যাটি জিসিসির সদস্য সংখ্যার চেয়ে কম, কারণ জোটে আনুষ্ঠানিকভাবে ছয়টি দেশ রয়েছে। B) ৬ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ জিসিসির বর্তমান ও প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য সংখ্যা ঠিক ছয়টি। C) ৭ — এই সংখ্যাটি ভুল, কারণ জিসিসিতে সাতটি সদস্য দেশ কখনো ছিল না। D) ৮ — এই সংখ্যাটি সঠিক নয়, জিসিসির সদস্য সংখ্যা আটটি নয় বরং ছয়টি। মনে রাখার টিপস: জিসিসির ছয়টি দেশকে মনে রাখতে কুয়েত ও কাতারের সাথে সৌদি আরব, ওমান, বাহরাইন এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতকে মিলিয়ে ছয় সংখ্যাটি মনে রাখুন।
a দুর্ভিক্ষ ও দারিদ্র্য
b উন্নয়নের গতিধারা
c মাইক্রো ক্রেডিট
d বৈদেশিক সাহায্য
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দুর্ভিক্ষ ও দারিদ্র্য কেন সঠিক: - অমর্ত্য সেন কল্যাণ অর্থনীতিতে অবদানের জন্য ১৯৯৮ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। - তার মূল গবেষণার বিষয় ছিল দুর্ভিক্ষ, দারিদ্র্য এবং সামাজিক পছন্দের তত্ত্ব। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দুর্ভিক্ষ ও দারিদ্র্য — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি দুর্ভিক্ষ ও দারিদ্র্যের অর্থনৈতিক কারণ সফলভাবে বিশ্লেষণ করেছেন। B) উন্নয়নের গতিধারা — এটি তার গবেষণার একটি অংশ হলেও নোবেল পুরস্কার অর্জনের মূল বিষয় ছিল দুর্ভিক্ষ ও দারিদ্র্য। C) মাইক্রো ক্রেডিট — এটি ক্ষুদ্রঋণের সঙ্গে সম্পর্কিত, যার জন্য নোবেল পেয়েছিলেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস। D) বৈদেশিক সাহায্য — এটি আন্তর্জাতিক অর্থনীতির একটি বিষয়, যা তার নোবেলজয়ী মূল গবেষণার বিষয় ছিল না। মনে রাখার টিপস: অমর্ত্য সেন মানেই দুর্ভিক্ষ ও দারিদ্র্য নিয়ে নোবেল গবেষণা।
a ১৯৭২
b ১৯৭৩
c ১৯৭৪
d ১৯৭৫
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯৭৪ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে লাহোরে অনুষ্ঠিত ওআইসি (OIC) শীর্ষ সম্মেলনে যোগদান করে এই সংস্থার সদস্যপদ লাভ করে। - জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কূটনৈতিক সাফল্যের কারণে বাংলাদেশ স্বাধীনতার পরপরই মুসলিম বিশ্বের এই গুরুত্বপূর্ণ সংগঠনের সদস্য হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৭২ — এই সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হলেও ওআইসি সংস্থাটির সদস্যপদ লাভ করেনি। B) ১৯৭৩ — এই বছর বাংলাদেশ ওআইসি-র সদস্যপদ পায়নি, তবে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়নে কাজ করে। C) ১৯৭৪ — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাংলাদেশ এই সালেই ওআইসি-র আনুষ্ঠানিক সদস্যপদ লাভ করে। D) ১৯৭৫ — এই সালে সদস্যপদ লাভের ঘটনা ঘটেনি, এটি ওআইসি সদস্যপদ প্রাপ্তির পরের বছর। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার তিন বছর পর অর্থাৎ ১৯৭৪ সালে ওআইসি-র সদস্যপদ লাভ করে।
a রাঙ্গামাটি
b রংপুর
c কুমিল্লা
d সিলেট
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সিলেট কেন সঠিক: - মনিপুরী নাচ বাংলাদেশের সিলেট অঞ্চলের মনিপুর সম্প্রদায়ের একটি অত্যন্ত সমৃদ্ধ ঐতিহ্যবাহী নৃত্যশৈলী। - এই নৃত্যের মূল বৈশিষ্ট্য হলো এর লাস্যময়ী ভঙ্গি, পদচারণা এবং শ্রীকৃষ্ণের রাধাকে কেন্দ্র করে ভক্তিমূলক ভাবপ্রকাশ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাঙ্গামাটি — এটি পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের জেলা যেখানে চাকমা, মারমা ও তঞ্চঙ্গ্যাসহ বিভিন্ন পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর নিজস্ব ঐতিহ্যবাহী নৃত্য প্রচলিত আছে। B) রংপুর — এটি উত্তরবঙ্গের একটি জেলা যেখানে ভাওয়াইয়া গান ও পাইক নাচসহ স্থানীয় লোকসংস্কৃতি চর্চা করা হয়। C) কুমিল্লা — এটি সমতট অঞ্চলের ঐতিহাসিক জেলা যেখানে লাঠিখেলা ও গাজীর গানসহ বিভিন্ন লোকজ সংস্কৃতির প্রচলন রয়েছে। D) সিলেট — এটি সঠিক উত্তর কারণ মনিপুরী নাচ এই অঞ্চলের মনিপুরী সম্প্রদায়ের সংস্কৃতির প্রধান ঐতিহ্য। মনে রাখার টিপস: মনিপুরী নাচ ও সিলেট অঞ্চল মনে রাখতে মনিপুরী জনগোষ্ঠীর প্রধান আবাসস্থল সিলেটকে মনে রাখুন।
a আড়িয়াল খাঁ
b সুরমা
c চন্দনা
d রূপসা
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সুরমা কেন সঠিক: - সিলেট শহরটি সুরমা নদীর তীরে অবস্থিত। - বরাক নদী থেকে উৎপন্ন হয়ে সুরমা নদী সিলেটের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আড়িয়াল খাঁ — এটি মাদারীপুর ও বরিশাল অঞ্চলের একটি নদী, সিলেটের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) সুরমা — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং সিলেট শহর এই নদীর তীরে অবস্থিত। C) চন্দনা — এটি ফরিদপুর অঞ্চলের একটি নদী, সিলেটের সঙ্গে এর কোনো সংযোগ নেই। D) রূপসা — এটি খুলনা অঞ্চলের একটি নদী, যা সিলেটের ভৌগোলিক সীমানার বাইরে অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: সিলেটের সুরমা নদী মনে রাখতে 'স' দিয়ে সিলেট এবং 'স' দিয়ে সুরমা এভাবে মিলিয়ে পড়া যায়।
a কর্নওয়ালিস
b ক্লাইভ
c জন মেয়ার
d ওয়ারেন হেস্টিংস
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কর্নওয়ালিস কেন সঠিক: - লর্ড কর্নওয়ালিস ১৭৯৩ সালে বাংলায় চিরস্থায়ী বন্দोबस्त বা ভূমি ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন। - এই ব্যবস্থার মাধ্যমে জমিদারগণ নির্দিষ্ট রাজস্বের বিনিময়ে ভূমির চিরস্থায়ী মালিকানা লাভ করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্নওয়ালিস — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। B) ক্লাইভ — রবার্ট ক্লাইভ বাংলায় দ্বৈত শাসন প্রবর্তন করেছিলেন, চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত নয়। C) জন মেয়ার — জন মেয়ার এই ঐতিহাসিক ভূমি ব্যবস্থার সাথে যুক্ত ছিলেন না। D) ওয়ারেন হেস্টিংস — ওয়ারেন হেস্টিংস পাঁচসালা ও একসালা বন্দোবস্ত প্রবর্তন করেছিলেন। মনে রাখার টিপস: চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের সাথে কর্নওয়ালিসের নাম মনে রাখতে "ক" দিয়ে চিরস্থায়ী এবং "ক" দিয়ে কর্নওয়ালিস মিলিয়ে পড়তে পারো।
a মোহাম্মদ আইউব খান
b আখতার হামিদ খান
c আবদুল হামিদ খান ভাসানী
d এ. কে. ফজলুল হক
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আখতার হামিদ খান কেন সঠিক: - ড. আখতার হামিদ খান ১৯৫৯ সালে কুমিল্লায় বাংলাদেশ একাডেমী ফর রুরাল ডেভেলপমেন্ট (BARD) প্রতিষ্ঠা করেন। - তিনি পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় আন্দোলনের একজন প্রবীন চিন্তাবিদ এবং প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মোহাম্মদ আইউব খান — তিনি তৎকালীন পাকিস্তানের সামরিক শাসক ও প্রেসিডেন্ট ছিলেন, বার্ডের প্রতিষ্ঠাতা নন। B) আখতার হামিদ খান — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই ভুল নয়। C) আবদুল হামিদ খান ভাসানী — তিনি একজন প্রখ্যাত রাজনৈতিক নেতা ও মজলুম জননেতা ছিলেন, বার্ডের সঙ্গে যুক্ত নন। D) এ. কে. ফজলুল হক — তিনি বাংলার প্রখ্যাত রাজনৈতিক নেতা ও শেরেবাংলা নামে পরিচিত, বার্ড প্রতিষ্ঠা করেননি। মনে রাখার টিপস: কুমিল্লার 'বার্ড' (BARD) এবং 'আখতার হামিদ খান' উভয় নামের শুরুতে অ বর্ণটি আছে অথবা এভাবে মনে রাখুন, পল্লী উন্নয়নের বরপুত্র আখতার হামিদ খান কুমিল্লায় বার্ড প্রতিষ্ঠা করেন।
a ক্রনোমিটার
b ট্যাকোমিটার
c হাইগ্রোমিটার
d ওডোমিটার
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ট্যাকোমিটার কেন সঠিক: - ট্যাকোমিটার হলো এমন একটি যন্ত্র যা কোনো যানের, বিশেষ করে উড়োজাহাজ বা মোটর গাড়ির ইঞ্জিন প্রতি মিনিটে কতবার ঘোরে (RPM) তা পরিমাপ করে। - উড়োজাহাজের ক্ষেত্রে ইঞ্জিনের গতি ও কার্যক্ষমতা সঠিক রাখার জন্য এই যন্ত্র অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক্রনোমিটার — এটি অত্যন্ত নিখُুঁতভাবে সময় পরিমাপ করার জন্য ব্যবহৃত এক ধরণের ঘড়ি, যা সাধারণত জাহাজে দ্রাঘিমা নির্ণয়ে ব্যবহৃত হয়। B) ট্যাকোমিটার — এটি উড়োজাহাজ বা মোটর গাড়ির ইঞ্জিনের ঘূর্ণন গতি বা গতি নির্ণায়ক সঠিক যন্ত্র। C) হাইগ্রোমিটার — এটি বাতাসের আর্দ্রতা বা জলীয় বাষ্পের পরিমাণ পরিমাপ করার জন্য ব্যবহৃত হয়। D) ওডোমিটার — এটি কোনো যানবাহন কত দূরত্ব বা পথ অতিক্রম করেছে তা পরিমাপ করার যন্ত্র। মনে রাখার টিপস: ট্যাকো দিয়ে টার্বাইন বা ইঞ্জিনের ঘূর্ণন গতি মনে রাখতে পারেন।
a কিউরী
b রাদারফোর্ড
c চ্যাডউইক
d থমসন
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) চ্যাডউইক কেন সঠিক: - বিজ্ঞানী জেমস চ্যাডউইক ১৯৩২ সালে বেরিলিয়াম ধাতুর ওপর আলফা কণা ফেলিয়ে আধানহীন বা নিরপেক্ষ কণা হিসেবে নিউট্রন আবিষ্কার করেন। - পরমাণুর নিউক্লিয়াসে প্রোটনের সঙ্গে এই নিউট্রন অবস্থান করে এবং এর ভর প্রোটনের প্রায় সমান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কিউরী — পিয়েরে কিউরী ও মারি কিউরী তেজস্ক্রিয়তা নিয়ে গবেষণা এবং পলোনিয়াম ও রেডিয়াম মৌল আবিষ্কার করেন। B) রাদারফোর্ড — আর্নেস্ট রাদারফোর্ড পরমাণুর নিউক্লিয়াস ও প্রোটন আবিষ্কার করেন এবং আলফা কণা বিচ্ছুরণ পরীক্ষা করেন। C) চ্যাডউইক — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো প্রেক্ষাপট প্রযোজ্য নয়। D) থমসন — জে জে থমসন পরমাণুর ইলেকট্রন আবিষ্কার করেন এবং প্লাম পুডিং মডেল প্রদান করেন। মনে রাখার টিপস: ইট পরে চারে নাচ (ইলেকট্রন থমসন, প্রোটন রাদারফোর্ড, নিউট্রন চ্যাডউইক)।
a ফিনল্যান্ড
b আয়ারল্যান্ড
c রাশিয়া
d হল্যান্ড
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ফিনল্যান্ড কেন সঠিক: - হেলসিংকি হলো উত্তর ইউরোপের দেশ ফিনল্যান্ডের রাজধানী ও বৃহত্তম শহর। - এটি ফিনল্যান্ড উপসাগরের তীরে অবস্থিত দেশটির প্রধান রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফিনল্যান্ড — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ হেলসিংকি ফিনল্যান্ডের রাজধানী। B) আয়ারল্যান্ড — এটি উত্তর ইউরোপের একটি দেশ যার রাজধানী ডাবলিন। C) রাশিয়া — এটি বিশ্বের বৃহত্তম দেশ যার রাজধানী মস্কো। D) হল্যান্ড — এটি নেদারল্যান্ডস দেশের একটি অঞ্চল, যার রাজধানীর নাম আমস্টারডাম। মনে রাখার টিপস: ফিনল্যান্ডের রাজধানী হেলসিংকি মনে রাখতে "ফি-হেল" এই সংক্ষিপ্ত রূপটি ব্যবহার করতে পারো।
a এশিয়া
b ইউরোপ
c আফ্রিকা
d এন্টার্কটিকা
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) এশিয়া কেন সঠিক: - এশিয়া পৃথিবীর ক্ষেত্রফল এবং জনসংখ্যা উভয় দিক থেকেই সর্ববৃহৎ মহাদেশ। - পৃথিবীর মোট স্থলভাগের প্রায় ত্রিশ শতাংশ এশিয়া মহাদেশের অন্তর্ভুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) এশিয়া — এটি পৃথিবীর বৃহত্তম মহাদেশ এবং জনসংখ্যার দিক থেকেও প্রথম স্থানে রয়েছে। B) ইউরোপ — এটি আয়তন ও জনসংখ্যার দিক থেকে এশিয়ার তুলনায় অনেক ছোট একটি মহাদেশ। C) আফ্রিকা — এটি পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাদেশ হলেও ক্ষেত্রফলে এশিয়ার চেয়ে ছোট। D) এন্টার্কটিকা — এটি একটি জনবিরল ও বরফাবৃত মহাদেশ এবং এর আয়তন এশিয়ার তুলনায় বেশ কম। মনে রাখার টিপস: বিশ্বের বৃহত্তম মহাদেশ মনে রাখতে নামের প্রথম অক্ষর এশিয়া এবং আকারেও এটি সবার আগে।

মোট প্রশ্ন (18)

a মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন
b আবুল কালাম শামসুদ্দিন
c কাজী আব্দুল ওদুদ
d সিকান্দার আবু জাফর
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন ১. কেন সঠিক: সওগাত পত্রিকার খ্যাতনামা সম্পাদক ছিলেন মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন। তিনি ১৯১৮ সালের ডিসেম্বর মাসে কলকাতা থেকে এই সাহিত্য পত্রিকা প্রকাশ করেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন বাংলা সাহিত্যে সওগাত পত্রিকার মাধ্যমে মুসলিম নারী জাগরণ এবং সাহিত্যচর্চায় অনন্য অবদান রাখেন। সওগাত পত্রিকা কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্যকর্ম প্রচারে এবং তাকে বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত করতে ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সওগাত পত্রিকার প্রকাশকাল ১৯১৮ সাল। ব্যাখ্যা: এই পত্রিকাটি বাংলার সাহিত্য ও সংস্কৃতির ইতিহাসে একটি মাইলফলক যা কলকাতার আমহার্স্ট স্ট্রিট থেকে প্রথম প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: বেগম পত্রিকা। ব্যাখ্যা: এটিও মোহাম্মদ নাসির উদ্দিনের সম্পাদনায় নারীদের জন্য প্রকাশিত বিখ্যাত একটি পত্রিকা যার সূচনা হয়েছিল ১৯৪৭ সালে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি সওগাত পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা ও দীর্ঘকালীন সম্পাদক ছিলেন। B) আবুল কালাম শামসুদ্দিন — তিনি একজন প্রখ্যাত সাংবাদিক ও সাহিত্যিক হলেও সওগাত পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন না। C) কাজী আব্দুল ওদুদ — তিনি বুদ্ধিমুক্তির আন্দোলনের অন্যতম প্রবক্তা ও লেখক হলেও সওগাত পত্রিকার সঙ্গে সম্পাদক হিসেবে যুক্ত ছিলেন না। D) সিকান্দার আবু জাফর — তিনি বিখ্যাত সমকাল পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন, সওগাত পত্রিকার সম্পাদক নন। ৫ মনে রাখার টিপস: নাসির মানে সাহায্যকারী, আর নাসির উদ্দিন সওগাত বা উপহারস্বরূপ বাংলা সাহিত্যকে বিখ্যাত সওগাত পত্রিকা উপহার দিয়েছিলেন। এভাবে সম্পাদক মোহাম্মদ নাসির উদ্দিনকে সহজেই মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সওগাত পত্রিকার সম্পাদক এবং এর প্রকাশকাল সম্পর্কে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। একই ধরনের অন্য একটি বিখ্যাত পত্রিকা হলো মোহাম্মদী, যার সম্পাদক ছিলেন মোহাম্মদ আকরাম খাঁ।
a ভয়
b রাগ
c বিরক্তি
d বিপদ
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বিরক্তি ১. কেন সঠিক: - বাক্যে ব্যবহৃত কী শব্দটি এখানে কোনো প্রশ্ন করতে ব্যবহার করা হয়নি, বরং বক্তার মনের তীব্র বিরক্তি বা নাখোশ ভাব প্রকাশ করেছে। - ভিক্ষুকটির বারবার পিছনে লেগে থাকা বা তাড়া করার কারণে বক্তার মনে যে অস্বস্তি ও বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে, কী শব্দটি ঠিক তা-ই প্রকাশ করছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে অব্যয় পদের নানা বৈচিত্র্যের মধ্যে আবেগসূচক বা ভাববাচক অব্যয় অন্যতম যা মনের নানাবিধ ভাব যেমন আনন্দ, বেদনা, ঘৃণা, ভয় কিংবা বিরক্তি প্রকাশ করে। - এখানে কী শব্দটি আবেগসূচক অব্যয় হিসেবে কাজ করেছে এবং বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে এর প্রয়োগ বাক্যের অর্থকে সম্পূর্ণ বদলে দিয়ে আবেগঘন করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কী জ্বালা, আর কতক্ষণ অপেক্ষা করতে হবে! ব্যাখ্যা: এই বাক্যে কী শব্দটি কাজের দীর্ঘসূত্রতা নিয়ে মানুষের চরম বিরক্তি বা অতিষ্ঠ ভাব প্রকাশ করেছে। উদাহরণ ২: কী রোদ্রটাই না উঠেছে আজ! ব্যাখ্যা: এই বাক্যে কী শব্দটি তীব্র গরমের কারণে সৃষ্ট কষ্ট ও বিরক্তি প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভয় — এই বাক্যে বক্তার মনে কোনো ধরনের আতঙ্ক বা ভয়ের প্রকাশ ঘটছে না, বরং ভিক্ষুকটির আচরণে বিরক্ত হওয়ার ভাব স্পষ্ট। B) রাগ — যদিও বিরক্তির সঙ্গে সামান্য রাগের সম্পর্ক থাকতে পারে, তবে ব্যাকরণগত ও ভাবগত বিচারে এটি প্রধানত বিরক্তি প্রকাশের উদাহরণ। D) বিপদ — ভিক্ষুক পিছনে লাগাকে বক্তা বিপদ হিসেবে উল্লেখ করলেও, কী শব্দটি এখানে বিপদ বোঝাতে নয় বরং মনের বিরক্তি প্রকাশে বসেছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাক্যের শুরুতে বা মাঝে থাকা কী শব্দটি যদি প্রশ্ন না করে মনের কোনো বিশেষ আবেগ যেমন বিরক্তি, বিস্ময় বা ক্ষোভ প্রকাশ করে, তবে তা আবেগসূচক অব্যয় হিসেবে গণ্য হবে। - প্রেক্ষাপট বুঝে শব্দের অন্তর্নিহিত ভাব বা ইমোশন ধরতে পারলে এ ধরনের প্রশ্নের উত্তর খুব সহজেই নির্ণয় করা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অব্যয় পদের ব্যবহার এবং বাক্যের অন্তর্নিহিত ভাব সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - শব্দের আক্ষরিক অর্থের চেয়ে বাক্যের সামগ্রিক প্রেক্ষাপট ও বক্তার মনোভাবের ওপর ভিত্তি করে উত্তর নির্বাচন করতে হবে।
a মুহম্মদ আবদুল হাই
b মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ
c মুহম্মদ এনামুল হক
d আহমদ শরীফ
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আহমদ শরীফ ১. কেন সঠিক: - বাংলা একাডেমি সংক্ষিপ্ত বাংলা অভিধান প্রণয়ন ও সম্পাদনার কাজটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অভিধানিক কাজ। - প্রখ্যাত মধ্যযুগের সাহিত্যের গবেষক, প্রাবন্ধিক ও অধ্যাপক ড. আহমদ শরীফ এই অভিধানটির সম্পাদনার দায়িত্ব সফলভাবে পালন করেছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ড. আহমদ শরীফ বাংলা সাহিত্যের একজন মুক্তবুদ্ধি চর্চাকারী গবেষক এবং বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক। - তিনি প্রধানত প্রাচীন ও মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্য নিয়ে গবেষণা করে খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ড. আহমদ শরীফ সম্পাদিত মধ্যযুগের কাব্য: লোরচন্দ্রানী বা সতী ময়না ও লোরচন্দ্রানী। ব্যাখ্যা: এই কাব্যগ্রন্থটি সম্পাদনা করে তিনি প্রাচীন ও মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছেন। উদাহরণ ২: ড. আহমদ শরীফের প্রবন্ধ গ্রন্থ: বাঙালী ও বাংলা সাহিত্য। ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থে তিনি বাঙালি জাতির বিকাশ এবং বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস অত্যন্ত মুনশিয়ানার সাথে তুলে ধরেছেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুহম্মদ আবদুল হাই — তিনি একজন প্রখ্যাত ভাষাবিজ্ঞানী হলেও এই অভিধানটির সম্পাদক নন, তিনি ধ্বনিবিজ্ঞানের ওপর কাজ করেছেন। B) মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ — তিনি বিখ্যাত ডক্টরস অব লিটারেচার এবং পন্ডিত ব্যক্তি হলেও এই অভিধানের সম্পাদক হিসেবে পরিচিত নন। C) মুহম্মদ এনামুল হক — তিনি মূলত বাংলা ভাষার ইতিহাস ও আঞ্চলিক ভাষা নিয়ে গবেষণা করেছেন, এই অভিধানের সঙ্গে যুক্ত নন। D) আহমদ শরীফ — তিনি বাংলা একাডেমি সংক্ষিপ্ত বাংলা অভিধানের সফল সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। ৫. মনে রাখার টিপস: - অভিধান সংক্ষিপ্ত আকারে যিনি সাজিয়েছেন, সেই শরীফ সাহেবের নাম মনে রাখলেই উত্তরটি সহজ হবে। - আহমদ শরীফ মানেই মধ্যযুগের গবেষণা এবং সংক্ষিপ্ত অভিধানের সম্পাদনা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অভিধান ও কোষগ্রন্থের সম্পাদকের নাম প্রায়ই আসে। - বাংলা একাডেমির বিভিন্ন প্রকাশনার সম্পাদক কারা, তা ভালোভাবে দেখে যাওয়া উচিত।
a রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
b মাইকেল মধুসূদন
c ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
d কায়কোবাদ
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কেন সঠিক: ১. বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর পদাবলী নামে একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ রচনা করেছেন যা বাংলা সাহিত্যে অত্যন্ত সমাদৃত। ২. বৈষ্ণব পদাবলীর অনুকরণে রচিত এই গ্রন্থে রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমের গভীর ভাব প্রকাশ পেয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. বাংলা সাহিত্যে পদাবলী বলতে মূলত বৈষ্ণব পদাবলীকে বোঝানো হয় যা মধ্যযুগের সাহিত্য ধারার অন্যতম প্রধান অংশ। ২. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মধ্যযুগের এই পদাবলীর দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে আধুনিক যুগে পদাবলী কাব্য রচনা করেন। ৩. এই কাব্যে বাংলা ভাষার অপূর্ব মাধুর্য এবং উপমা ব্যবহার করা হয়েছে যা রবীন্দ্রনাথের কাব্য প্রতিভার এক অনন্য নিদর্শন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) মাইকেল মধুসূদন — তিনি বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দ এবং সনেট প্রবর্তন করেছিলেন কিন্তু পদাবলী লেখেননি। C) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত — তিনি মূলত সংবাদ প্রভাকর পত্রিকার সম্পাদক এবং যুগসন্ধিক্ষণের কবি হিসেবে পরিচিত। D) কায়কোবাদ — তিনি মহাকাব্য মহাশ্মশান রচনার জন্য বিখ্যাত হলেও পদাবলী ধারার সাথে যুক্ত নন। মনে রাখার টিপস: ১. রবীন্দ্রনাথের লেখা ছোট কাব্যগ্রন্থগুলোর নাম মনে রাখার সময় পদাবলী নামটি আলাদা করে মনে রাখা যায়। ২. মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলী এবং রবীন্দ্রনাথের আধুনিক পদাবলী এই দুটি বিষয় গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
a মরুমায়া
b মরুভাস্কর
c মরুতীর্থ
d মরুকুসুম
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মরুভাস্কর ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি হযরত মুহাম্মদ (স.) এর জীবন ও কর্মের ওপর রচিত একটি বিখ্যাত জীবনী গ্রন্থ। - 'মরুভাস্কর' শব্দের অর্থ হলো মরুভূমির সূর্য, যা এখানে মহানবী (স.) এর জীবনকে নির্দেশ করেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা সাহিত্যের বিশিষ্ট লেখক ও গবেষক মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলী কর্তৃক রচিত একটি প্রশংসিত জীবনী গ্রন্থ। - লেখক এই গ্রন্থে মহানবীর জীবনদর্শন, মহানুভবতা ও মানবপ্রেম সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হযরত মুহাম্মদ (স.) ব্যাখ্যা: এটি ইসলামের সর্বশেষ নবীর পূর্ণ নাম ও পবিত্র সত্তা। উদাহরণ ২: বিশ্বনবী ব্যাখ্যা: এটি মহানবী হযরত মুহাম্মদ (স.) এর আরেকটি পরিচিত সম্মানসূচক উপাধি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মরুমায়া — এটি মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলীর অপর একটি বিখ্যাত প্রবন্ধ গ্রন্থ হলেও এটি সরাসরি নবীর জীবনী গ্রন্থ নয়। B) মরুভাস্কর — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি প্রযোজ্য নয়। C) মরুতীর্থ — এটি এই নির্দিষ্ট প্রশ্নের সঠিক জীবনী গ্রন্থ নয়। D) মরুকুসুম — এটি মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলীর কোনো বিখ্যাত জীবনী গ্রন্থ হিসেবে স্বীকৃত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - মরুভূমির সূর্য বা ভাস্কর বলতে মহানবীকে বোঝানো হয়েছে, তাই ভাস্কর শব্দযুক্ত গ্রন্থটিই জীবন চরিত। - মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলীর লেখা জীবনী মানেই মরুভাস্কর তা মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জীবনী গ্রন্থ ও রচয়িতা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলীর রচনা হিসেবে মরুভাস্কর নামটি খুব গুরুত্বের সঙ্গে পড়তে হবে।
a গোরা (নাট্যগ্রন্থ)
b বিদ্রোহী (কাব্যগ্রন্থ)
c পথের দাবী (উপন্যাস)
d একাত্তরের দিনগুলি (উপন্যাস)
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পথের দাবী (উপন্যাস) ১. কেন সঠিক: - পথের দাবী শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি বিখ্যাত রাজনৈতিক উপন্যাস। - এই উপন্যাসে ব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রেক্ষাপট এবং বিপ্লবীদের দেশপ্রেম ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের এক জনপ্রিয় ও প্রভাবশালী লেখক। - ১৯২৬ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাসে তৎকালীন ব্রিটিশ সরকারের দমনপীড়নের চিত্র এবং ভারতবাসীর মুক্তির আকুতি প্রকাশ পেয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শ্রীকান্ত ব্যাখ্যা: এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত আত্মজীবনীমূলক উপন্যাস, যার চারটি খণ্ড রয়েছে। উদাহরণ ২: চরিত্রহীন ব্যাখ্যা: এটিও শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি জনপ্রিয় সামাজিক উপন্যাস, যা সমাজে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গোরা (নাট্যগ্রন্থ) — এটি ভুল কারণ গোরা কোনো নাটক নয়, এটি কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত দার্শনিক উপন্যাস। B) বিদ্রোহী (কাব্যগ্রন্থ) — এটি ভুল কারণ বিদ্রোহী বাংলা সাহিত্যের একটি বিখ্যাত কবিতা, যা কাজী নজরুল ইসলামের অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থে অন্তর্ভুক্ত। D) একাত্তরের দিনগুলি (উপন্যাস) — এটি ভুল কারণ একাত্তরের দিনগুলি কোনো উপন্যাস নয়, এটি শহীদ জননী জাহানারা ইমামের লেখা একটি বিখ্যাত দিনলিপি বা স্মৃতিকথা। ৫ মনে রাখার টিপস: - শরৎচন্দ্রের উপন্যাস মনে রাখার সহজ উপায় হলো বিপ্লবী চরিত্র বা সমাজ জীবনের নানা দিক এর মূল ভিত্তি। - উপন্যাসের নাম দেখে তার ধরন বা ক্যাটাগরি চেনার জন্য লেখকের অন্যান্য বিখ্যাত কাজের সঙ্গে তুলনা করতে পারো। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত বইয়ের সঠিক শ্রেণি বা লেখার ধরন জানতে চাওয়া হয়। - কোনো সাহিত্যকর্মের নাম দেখলেই তা উপন্যাস, নাটক নাকি কাব্যগ্রন্থ তা ভালোভাবে যাচাই করার অভ্যাস করতে হবে।
a ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ও সৈয়দ আলী আহসান
b ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ও মুহম্মদ আবদুল হাই
c মুহম্মদ আবদুল হাই, আনিসুজ্জামান ও আনোয়ার পাশা
d মুহম্মদ আবদুল হাই ও সৈয়দ আলী আহসান
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মুহম্মদ আবদুল হাই ও সৈয়দ আলী আহসান ১. কেন সঠিক: - এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নির্ধারণের জন্য বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস গ্রন্থগুলোর রচয়িতা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকতে হবে। - বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের ইতিহাস রচনার ক্ষেত্রে মুহম্মদ আবদুল হাই ও সৈয়দ আলী আহসান যৌথভাবে একটি গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ রচনা করেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মুহম্মদ আবদুল হাই ও সৈয়দ আলী আহসান বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের ইতিহাস নিয়ে গবেষণা করেছেন এবং গ্রন্থ রচনা করেছেন। - এই গ্রন্থটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাহিত্য ইতিহাসের প্রামাণ্য উৎস হিসেবে প্রায়শই প্রশ্ন আকারে আসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত (আধুনিক) ব্যাখ্যা: এটি মুহম্মদ আবদুল হাই ও সৈয়দ আলী আহসান রচিত আধুনিক বাংলা সাহিত্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ ইতিহাস গ্রন্থ। উদাহরণ ২: বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত (অষ্টাদশ শতক) ব্যাখ্যা: বাংলা সাহিত্যের বিভিন্ন যুগের ইতিহাস রচনার ক্ষেত্রে প্রখ্যাত গবেষকগণ আলাদাভাবে বিভিন্ন পর্যায় নিয়ে কাজ করেছেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ও সৈয়দ আলী আহসান — ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস রচনার সঙ্গে যুক্ত থাকলেও এই নির্দিষ্ট গ্রন্থটি তিনি রচনা করেননি। B) ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ও মুহম্মদ আবদুল হাই — ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ প্রাচীন ও মধ্যযুগের ইতিহাস নিয়ে কাজ করেছেন, যৌথভাবে এই গ্রন্থটি রচনা করেননি। C) মুহম্মদ আবদুল হাই, আনিসুজ্জামান ও আনোয়ার পাশা — আনিসুজ্জামান ও আনোয়ার পাশা অন্যান্য সাহিত্যকর্ম ও গবেষণার সঙ্গে যুক্ত থাকলেও এই গ্রন্থটির রচয়িতা নন। D) মুহম্মদ আবদুল হাই ও সৈয়দ আলী আহসান — এই অপশনটি সঠিক কারণ এই দুই প্রাবন্ধিক ও গবেষক যৌথভাবে গ্রন্থটি রচনা করেছেন। ৫. মনে রাখার টিপস: - আধুনিক সাহিত্যের ইতিবৃত্ত জানতে চাইলে হাই এবং আহসানের নাম মনে রাখতে হবে। - বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস সম্পর্কিত প্রশ্নগুলো বারবার চর্চা করলে সহজে মনে থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সাহিত্যিকদের যৌথ রচনাগুলো পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এগুলো থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - লেখকের নাম মনে রাখার জন্য সাহিত্যকর্মের তালিকা আলাদা করে নোট করে রাখা ভালো।
a লাচাড়ী ছন্দে রচিত পদ্য বা কবিতাবলি
b পদ্যাকারে রচিত দেবস্তুতিমূলক রচনা
c বাউল বা মরমী গীতি
d বৌদ্ধ বা বৈষ্ণবীয় ধর্মের গুঢ় বিষয়ের বিশেষ সৃষ্টি
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পদ্যাকারে রচিত দেবস্তুতিমূলক রচনা ১. কেন সঠিক: - পদ বা পদাবলী বলতে মূলত দেবদেবীর বন্দনা বা স্তুতিমূলক পদ্যাকারে রচিত গান বা কবিতাকে বোঝানো হয়। - মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে রাধাকৃষ্ণের প্রেমলীলা বা দেবস্তুতিমূলক গানগুলো পদ বা পদাবলী নামে পরিচিতি লাভ করেছিল। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - পদাবলী সাহিত্যের প্রধান ধারা হলো বৈষ্ণব পদাবলী ও শাক্ত পদাবলী যা মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি সমৃদ্ধ অধ্যায়। - চণ্ডীদাস, বিদ্যাপতি, জ্ঞানদাস ও গোবিন্দদাস বৈষ্ণব পদাবলীর জন্য এবং রামপ্রসাদ সেন ও কমলাকান্ত ভট্টাচার্য শাক্ত পদাবলীর জন্য বিখ্যাত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চণ্ডীদাসের পদ ব্যাখ্যা: এটি বৈষ্ণব পদাবলীর অন্তর্ভুক্ত যেখানে রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমের মাধ্যমে জীবাত্মা ও পরমাত্মার মিলন ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। উদাহরণ ২: রামপ্রসাদ সেনের গান ব্যাখ্যা: এটি শাক্ত পদাবলীর অন্তর্ভুক্ত যেখানে দেবী দুর্গাকালিকে মা হিসেবে সম্বোধন করে ভক্তি প্রকাশ করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) লাচাড়ী ছন্দে রচিত পদ্য বা কবিতাবলি — লাচাড়ী ছন্দ মঙ্গলকাব্যের বর্ণনায় ব্যবহৃত হয়, পদাবলীর মূল বৈশিষ্ট্য দেবস্তুতিমূলক গান হওয়া। C) বাউল বা মরমী গীতি — বাউল বা মরমী গীতি সাধনামূলক গান, যা মধ্যযুগের বৈষ্ণব বা শাক্ত পদাবলীর মূল ধারা নয়। D) বৌদ্ধ বা বৈষ্ণবীয় ধর্মের গুঢ় বিষয়ের বিশেষ সৃষ্টি — বৌদ্ধ ধর্মের গুঢ় বিষয় চর্যাপদে পাওয়া যায়, যা পদাবলীর চেয়ে প্রাচীন ও ভিন্ন সাহিত্যধারা। ৫. মনে রাখার টিপস: - পদাবলী শব্দটির অর্থ পদের সমষ্টি। - মধ্যযুগের দেবস্তুতিমূলক গান বা কবিতাই হলো পদ বা পদাবলী। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলা সাহিত্যে পদাবলীর স্বর্ণযুগ বলা হয় মধ্যযুগকে। - বৈষ্ণব পদাবলীর আদি রচয়িতা বিদ্যাপতি হলেও বাংলা ভাষার প্রথম পদকর্তা চণ্ডীদাস।
a অস্বীকার
b মিথ্যা
c প্রলাপ
d অসদালাপ
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অস্বীকার ১. কেন সঠিক: - অপলাপ শব্দের আক্ষরিক ও প্রমিত অর্থ হলো কোনো কিছু স্পষ্টভাবে অস্বীকার করা বা কোনো সত্য গোপন করা। - বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে কোনো অভিযোগ বা ঘটনাকে না মানার ভাব প্রকাশ করতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি একটি সংস্কৃত শব্দ যা বাংলা ভাষায় তৎসম শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং এর মাধ্যমে মনের বিশেষ একটি অবস্থাকে বোঝানো হয়। - শব্দের উৎস ও শব্দের অর্থ নির্দেশক এই প্রশ্নটি সাধারণত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ বা এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে পরীক্ষার্থীর শব্দভাণ্ডার যাচাই করতে আসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চুরির অপবাদ পেয়ে সে তীব্র ভাষায় সব অভিযোগ অপলাপ করল। ব্যাখ্যা: এখানে নিজের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ বা সত্যকে অস্বীকার করার অর্থে অপলাপ শব্দটি সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: নিজের অপরাধ লুকিয়ে যাওয়ার জন্য সে নানা রকম অপলাপের আশ্রয় নিল। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে সত্য গোপন করা বা অস্বীকার করার ভাবটি ফুটিয়ে তুলতে অপলাপ শব্দের প্রয়োগ করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অস্বীকার — এটি সঠিক উত্তর কারণ অপলাপ শব্দের সরাসরি অর্থ হলো কোনো কিছু অস্বীকার করা বা না মানা। B) মিথ্যা — মিথ্যা বলতে অসত্য বা অবাস্তব কিছু বোঝায়, কিন্তু অপলাপ শব্দের অর্থ মিথ্যা বলা নয় বরং সত্যকে অস্বীকার করা। C) প্রলাপ — প্রলাপ অর্থ আবলতাবলা বকা বা উন্মত্তের মতো প্রবচনহীন কথা বলা, যা অপলাপ শব্দের অর্থ থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। D) অসদালাপ — অসদালাপ অর্থ খারাপ বা কর্কশ ভাষায় কথা বলা, যা অস্বীকার বা অপলাপ শব্দের সঙ্গে কোনোভাবেই মিলrelated নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - অপলাপ শব্দটি মনে রাখতে অ-প-লা-প শব্দটির প্রথম অংশ অস্বীকারের সঙ্গে মিলিয়ে নিতে পারো। - অপলাপ মানেই হলো কোনো কিছু সোজাসাপ্টা অস্বীকার করা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কঠিন তৎসম শব্দের সঠিক অর্থ জানতে চাওয়া হয়, তাই শব্দের মূল অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে। - সমার্থক বা বিপরীতার্থক শব্দ পড়ার সময় শব্দের সুনির্দিষ্ট অর্থ বোঝার অভ্যাস করতে হবে।
a আবু ইসহাক
b রবি ঠাকুর
c শরত্‍চন্দ্র চট্রোপাধ্যায়
d কাজী নজরুল ইসলাম
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১. কেন সঠিক: - পথের দাবি উপন্যাসের রচয়িতা হলেন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম জনপ্রিয় ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে রচিত উপন্যাস। - ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত এই উপন্যাসের মূল চরিত্র হলো সব্যসাচী মল্লিক। উপন্যাসটি তৎকালীন ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা সাহিত্যের এক যুগান্তকারী ঔপন্যাসিক। সমাজের নানা অসঙ্গতি, পরাধীনতা ও মানুষের মনস্তত্ত্ব তাঁর সাহিত্যে প্রধান্য পেয়েছে। - তাঁর অন্যান্য বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে শ্রীকান্ত, চরিত্রহীন, গৃহদাহ ও বরদিদি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। এই উপন্যাসগুলো বাংলা কথাসাহিত্যে চিরস্মরণীয় হয়ে আছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দেবদাস ব্যাখ্যা: এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ট্র্যাজিক উপন্যাস। উদাহরণ ২: পরিণীতা ব্যাখ্যা: এটিও শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি সামাজিক ও রোমান্টিক উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আবু ইসহাক — ইনি একজন প্রখ্যাত সাহিত্যিক হলেও পথের দাবি উপন্যাসের রচয়িতা নন, তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস সূর্য দীঘল বাড়ি। B) রবি ঠাকুর — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের নোবেলজয়ী কবি ও ঔপন্যাসিক হলেও এই উপন্যাসের সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই। C) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এই সাহিত্যকর্মটির স্রষ্টা তিনিই। D) কাজী নজরুল ইসলাম — ইনি আমাদের জাতীয় কবি এবং বিদ্রোহী কবি, যাঁর প্রধান পরিচয় কবিতা ও গানে, এই উপন্যাসে তাঁর কোনো ভূমিকা নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: - পথের দাবি উপন্যাসটি লিখেছিলেন শরৎচন্দ্র, তাই মনে রাখুন শরৎচন্দ্রের পথের দাবি। বিদ্রোহী চেতনার এই উপন্যাসটি তাঁর অনন্য সৃষ্টি। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শরৎচন্দ্রের রাজনৈতিক উপন্যাস কোনটি, এই প্রশ্ন প্রায়ই আসে। উত্তর হবে পথের দাবি।
a বাউণ্ডুলের আত্মকাহিনী
b মুক্তি
c হেবা
d বিদ্রোহী
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বাউণ্ডুলের আত্মকাহিনী ১. কেন সঠিক: - কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত গল্প বা লেখা হলো বাউণ্ডুলের আত্মকাহিনী। - এটি ১৯১৯ সালে কলকাতার বঙ্গীয় মুসলিম সাহিত্য পত্রিকা প্রথম বর্ষের প্রথম সংখ্যায় প্রকাশিত হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত হলেও ছোটগল্প দিয়ে তাঁর সাহিত্য জীবন শুরু হয়। - তাঁর প্রথম প্রকাশিত এই গল্পটি প্রকাশের মাধ্যমে তিনি তৎকালীন সাহিত্য অঙ্গনে নিজের আগমন বার্তা জানান দেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মুক্তি ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত কবিতা, যা তাঁর সাহিত্যকর্মের অন্য একটি ধারার পরিচয় বহন করে কিন্তু প্রথম প্রকাশিত লেখা নয়। উদাহরণ ২: বিদ্রোহী ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের সর্বাধিক পরিচিত ও জনপ্রিয় কবিতা যা অগ্নিবীণা কাব্যে সংকলিত হয়েছে, তবে এটি তাঁর প্রথম প্রকাশিত লেখা নয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাউণ্ডুলের আত্মকাহিনী — এটি সঠিক কারণ এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত ছোটগল্প ও সাহিত্যকর্ম। B) মুক্তি — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত কবিতা কিন্তু তাঁর প্রথম প্রকাশিত লেখা নয়। C) হেবা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি ছোটগল্প যা পরবর্তী সময়ে প্রকাশিত হয়, প্রথম প্রকাশিত লেখা নয়। D) বিদ্রোহী — এটি কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত কবিতা যা অগ্নিবীণা কাব্যে অন্তর্ভুক্ত এবং এটি প্রথম প্রকাশিত লেখা নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: নজরুলের প্রথম লেখা মানেই একজন ভবঘুরের আত্মকাহিনী বা বাউণ্ডুলের আত্মকাহিনী। এভাবে প্রথম লেখা ও গল্পের নাম মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকদের প্রথম লেখা বা প্রথম গ্রন্থ সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। তাই প্রথম প্রকাশিত লেখা ও প্রথম গ্রন্থের নাম আলাদা করে মনে রাখা জরুরি।
a দুই ভাষায় রচিত পুঁথি
b কয়েকটি ভাষার শব্দ ব্যবহার করে মিশ্রিত ভাষায় রচিত পুঁথি
c তৈরি করা কৃত্রিম ভাষায় রচিত পুঁথি
d আঞ্চলিক ভাষায় রচিত পুঁথি
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কয়েকটি ভাষার শব্দ ব্যবহার করে মিশ্রিত ভাষায় রচিত পুঁথি ১. কেন সঠিক: - দোভাষী পুঁথি বলতে এমন সাহিত্যকর্মকে বোঝায় যা প্রধানত বাংলা ভাষার কাঠামোগত রূপের মধ্যে আরবি, ফার্সি, হিন্দি এবং উদু শব্দের সমন্বয়ে মিশ্রিত ভাষায় রচিত হয়েছে। - সপ্তদশ থেকে উনবিংশ শতাব্দী পর্যন্ত মধ্যযুগের শেষ পর্যায়ে বাঙালি মুসলমান কবি ও লেখকরা ইসলামি ধর্মীয় ও ঐতিহাসিক কাহিনি সাধারণ মানুষের বোধগম্য করার জন্য এই বিশেষ মিশ্র ভাষা ব্যবহার করেছিলেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে মুসলমান কবিদের সাধনায় এক অনন্য ধারা হলো দোভাষী পুঁথি সাহিত্য, যা মূলত মধ্যযুগের পুঁথি সাহিত্যের একটি বিশেষ শাখা হিসেবে পরিচিত। - এই ধারার লেখকরা আরবি ও ফার্সি শব্দভাণ্ডারকে বাংলা ব্যাকরণের কাঠামোর সঙ্গে মিলিয়ে এমন এক কৃত্রিম অথচ সহজবোধ্য মিশ্র রূপ তৈরি করেছিলেন যা তৎকালীন মুসলিম সমাজে অত্যন্ত জনপ্রিয় ছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সৈয়দ হামজা রচিত আমির হামজার পুঁথি। ব্যাখ্যা: এই পুঁথিতে বাংলা ভাষার পাশাপাশি প্রচুর আরবি ও ফার্সি শব্দের মিশ্রণ রয়েছে যা দোভাষী পুঁথির একটি ধ্রুপদী উদাহরণ। উদাহরণ ২: মোহাম্মদ খান রচিত মক্তুল হোসেন। ব্যাখ্যা: এটিও কারবালার বিষাদময় ঘটনা অবলম্বনে রচিত একটি বিখ্যাত দোভাষী পুঁথি যেখানে মিশ্র ভাষার শৈল্পিক ব্যবহার দেখা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দুই ভাষায় রচিত পুঁথি — দোভাষী পুঁথি মানে আক্ষরিক অর্থে কেবল দুটি আলাদা ভাষার অনুবাদ বা মিশ্রণ বোঝায় না, বরং এটি একাধিক ভাষার শব্দের সংমিশ্রণে তৈরি একটি নির্দিষ্ট মিশ্র ভাষরীতি। C) তৈরি করা কৃত্রিম ভাষায় রচিত পুঁথি — পুঁথিগুলোর ভাষা কৃত্রিম মনে হতে পারে, তবে এটি কোনো কাল্পনিক বা সাংকেতিক কৃত্রিম ভাষা নয়, বরং তৎকালীন কথ্য ও সাংস্কৃতিক প্রভাবজাত মিশ্র ভাষা। D) আঞ্চলিক ভাষায় রচিত পুঁথি — এই পুঁথিগুলো নির্দিষ্ট কোনো একটি অঞ্চলের স্থানীয় উপভাষায় রচিত হয়নি, বরং সমগ্র বাংলার মুসলিম সমাজে প্রচলিত একটি সর্বজনগ্রাহ্য মিশ্র রূপ ছিল। ৫. মনে রাখার টিপস: - দোভাষী পুঁথি মানেই হলো আরবি ও ফার্সি শব্দের জাদু মিশিয়ে তৈরি মিশ্র ভাষার পুঁথি। - মধ্যযুগের ইসলামি ভাবধারার প্রচারের জন্য এই মিশ্র ভাষা ব্যবহার করা হতো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দোভাষী পুঁথির ভাষা সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - মধ্যযুগের পুঁথি সাহিত্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য এবং এর ভাষা ব্যবহারের নেপথ্য ইতিহাস ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a শ্রীচৈতন্য
b বিদ্যাপতি
c চণ্ডীদাস
d জ্ঞানদাস
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) চণ্ডীদাস ১. কেন সঠিক: পদাবলীর প্রথম কবি হিসেবে বিদ্যাপতি ও চণ্ডীদাসের মধ্যে আলোচনা থাকলেও বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস অনুযায়ী বড়ু চণ্ডীদাসকে প্রথম কবি হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। প্রাকৃত ও বাংলা ভাষার মিশ্রণে রচিত শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের আবিষ্কারক ও রচয়িতা হিসেবে চণ্ডীদাস বাংলা পদাবলি সাহিত্যের সূচনা করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: চণ্ডীদাস মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের বৈষ্ণব পদাবলি ধারার আদি কবি হিসেবে পরিচিত। রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমলীলা এবং মানবীয় অনুভূতির গভীর প্রকাশ তাঁর পদগুলোতে স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাধিকা রঙ্গে মাতল গোকুল ব্যাখ্যা: এটি চণ্ডীদাসের পদাবলির রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমের একটি বিখ্যাত পদের অংশ। উদাহরণ ২: সই কেমনে ধরিব হিয়া ব্যাখ্যা: এই পদে চণ্ডীদাস রাধার বিরহ ও মনের আকুলতা সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শ্রীচৈতন্য — শ্রীচৈতন্যদেব পদাবলির কোনো কবি নন, বরং তিনি ছিলেন পদাবলি সাহিত্যের ভাব ও আদর্শের উৎস। B) বিদ্যাপতি — বিদ্যাপতি মৈথিলি ভাষার কবি হলেও তাঁর পদ বাংলায় ব্যাপকভাবে আদৃত, তবে তিনি প্রথম কবি নন। D) জ্ঞানদাস — জ্ঞানদাস মধ্যযুগের একজন বিশিষ্ট বৈষ্ণব পদকর্তা হলেও চণ্ডীদাসের পরবর্তী সময়ের কবি। ৫ মনে রাখার টিপস: পদাবলির সূচনা করেছেন চণ্ডীদাস, তাই পদাবলি মানেই প্রথম চণ্ডীদাসের নাম মনে রাখতে হবে। বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন ও মধ্যযুগের আদি কবিদের তালিকা আলাদা করে মুখস্থ রাখবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পরীক্ষায় পদাবলির প্রথম কবি বা আদি কবি সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। এই ক্ষেত্রে বড়ু চণ্ডীদাস বা চণ্ডীদাস সঠিক উত্তর হিসেবে বেশি গ্রহণযোগ্য।
a ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
b সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
c মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ
d মুহাম্মদ এনামুল হক
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ১. কেন সঠিক: - ভাষা প্রকাশ বাঙ্গালা ব্যাকরণ গ্রন্থটির রচয়িতা সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়। - এটি বাংলা ভাষার অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও ঐতিহাসিক বৈজ্ঞানিক ব্যাকরণ গ্রন্থ। ২. ব্যাকরণ ও সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় বিশ শতকের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ভাষাবিজ্ঞানী ও পন্ডিত ছিলেন। - ১৯২৬ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তাঁর ODBL অর্থাৎ The Origin and Development of the Bengali Language গ্রন্থটি প্রকাশিত হয় এবং একই বছরে ভাষা প্রকাশ বাঙ্গালা ব্যাকরণ প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের রচিত ভাষা প্রকাশ বাঙ্গালা ব্যাকরণ। ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার উৎস ও গঠনপদ্ধতি নিয়ে আলোচনার প্রথম প্রামাণ্য গ্রন্থ। উদাহরণ ২: সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের ODBL গবেষণা গ্রন্থ। ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থটি বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশের ইতিহাস রচনার ক্ষেত্রে অনন্য অবদান রেখেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — ইনি ব্যাকরণ কৌমুদী ও বর্ণপরিচয় রচনা করেছেন কিন্তু ভাষা প্রকাশ বাঙ্গালা ব্যাকরণ রচনা করেননি। B) সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি তাঁরই অমর সৃষ্টি। C) মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ — ইনি বাংলা ভাষার ইতিহাস ও বাঙ্গালা ভাষার ইতিবৃত্ত রচনা করেছেন কিন্তু ভাষা প্রকাশ বাঙ্গালা ব্যাকরণ রচনা করেননি। D) মুহাম্মদ এনামুল হক — ইনি বিভিন্ন গবেষণা গ্রন্থ ও অভিধান রচনা করেছেন তবে এই ব্যাকরণ গ্রন্থের রচয়িতা নন। ৫ মনে রাখার টিপস: ভাষা প্রকাশ পেলে সুনীতি বৃদ্ধি পায়, এভাবে মনে রাখতে পারো যে ভাষা প্রকাশ বাঙ্গালা ব্যাকরণ সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের লেখা। ব্যাকরণের বৈজ্ঞানিক আলোচনার সঙ্গে সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের নাম বিশেষভাবে যুক্ত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা ব্যাকরণের ইতিহাস ও রচয়িতা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের ভাষা প্রকাশ বাঙ্গালা ব্যাকরণের প্রকাশের সাল এবং নাম ভালোভাবে মনে রাখা আবশ্যক।
a দীনেশচন্দ্র সেনগুপ্ত
b সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
c মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
d সুকুমার সেন
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দীনেশচন্দ্র সেনগুপ্ত ১. কেন সঠিক: প্রশ্নটিতে একটি ঐতিহাসিক ত্রুটি রয়েছে। প্রদত্ত উত্তরে 'দীনেশচন্দ্র সেনগুপ্ত' উল্লেখ থাকলেও সঠিক নামটি হবে দীনেশচন্দ্র সেন। ড. দীনেশচন্দ্র সেন রচিত 'বঙ্গভাষা ও সাহিত্য' বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস বিষয়ক প্রথম উল্লেখযোগ্য ও পূর্ণাঙ্গ গ্রন্থ। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: দীনেশচন্দ্র সেন ১৯০৬ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে 'বঙ্গভাষা ও সাহিত্য' গ্রন্থটি প্রকাশ করেন। এটি বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন ও মধ্যযুগের ইতিহাস রচনার ক্ষেত্রে একটি যুগান্তকারী ও মৌলিক গবেষণা গ্রন্থ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বঙ্গভাষা ও সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি দীনেশচন্দ্র সেন রচিত বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসের আদি গ্রন্থ যা কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: রামনিধি গুপ্ত ও তাহার কাল ব্যাখ্যা: এটিও দীনেশচন্দ্র সেন রচিত অপর একটি বিশিষ্ট সাহিত্য বিষয়ক গবেষণা গ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দীনেশচন্দ্র সেনগুপ্ত — নামের সামান্য ত্রুটি থাকলেও মূলত ড. দীনেশচন্দ্র সেনকে বোঝানো হয়েছে যিনি এই ঐতিহাসিক গ্রন্থের রচয়িতা। B) সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় — তিনি একজন প্রখ্যাত ভাষাতাত্ত্বিক এবং তাঁর প্রধান অবদান বাংলা ভাষার উৎস ও প্রকরণ নিয়ে লেখা ODBL গ্রন্থটি। C) মুহম্মদ শহীদুল্লাহ — তিনি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস রচনার ক্ষেত্রে 'বাংলা সাহিত্যের কথা' গ্রন্থের জন্য পরিচিত যা পরে প্রকাশিত হয়। D) সুকুমার সেন — তিনি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ গবেষক হলেও তাঁর 'বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস' গ্রন্থটি দীনেশচন্দ্র সেনের পরে রচিত হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: দীনেশচন্দ্র সেনের ডি সি সেন নামটির সাথে সাহিত্য ইতিহাসের সূচনা মনে রাখতে পারেন। প্রথম ইতিহাসগ্রন্থ মানেই দীনেশচন্দ্র সেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা সাহিত্যের প্রথম ইতিহাস গ্রন্থ কোনটি এবং এর রচয়িতা কে, এই প্রশ্নটি বিসিএস পরীক্ষায় বারবার আসে। ড. দীনেশচন্দ্র সেনের বঙ্গভাষা ও সাহিত্য প্রকাশকাল সম্পর্কেও ধারণা রাখা জরুরি।
a ১৮১৯
b ১৮২৯
c ১৮৩৯
d ১৮৪৯
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৮২৯ ১. কেন সঠিক: সতীদাহ প্রথা মূলত একটি অমানবিক হিন্দু সামাজিক প্রথা ছিল, যেখানে মৃত স্বামীর চিতায় জীবিত স্ত্রীকে পুড়িয়ে মারা হতো। বাংলার সমাজসংস্কারক রাজা রামমোহন রায়ের ঐকান্তিক প্রচেষ্টা এবং তৎকালীন গভর্নর জেনারেল লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্কের সহায়তায় ১৮২৯ সালের ৪ ডিসেম্বর সতীদাহ প্রথা আনুষ্ঠানিকভাবে নিষিদ্ধ করা হয়। ২. সাহিত্য ও ঐতিহাসিক ব্যাখ্যা: উনিশ শতকের বাংলায় যে নবজাগরণ ঘটেছিল, তার অন্যতম প্রধান পুরুষ ছিলেন রাজা রামমোহন রায়। তিনি সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ও নারী অধিকার রক্ষায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন এবং আইন পাস করে এই নিষ্ঠুর প্রথা চিরতরে বন্ধ করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিধবিবাহ আইন ১৮৫৬ ব্যাখ্যা: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের উদ্যোগে বিধবাবিবাহ আইন পাস হয়। উদাহরণ ২: নারী শিক্ষা বিস্তার ব্যাখ্যা: ১৮৪৯ সালে বেগম রোকেয়া জন্মগ্রহণ করেন এবং নারী জাগরণে ভূমিকা রাখেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৮১৯ — এই সালে সতীদাহ প্রথা রহিত হয়নি। B) ১৮২৯ — এটি সঠিক সাল এবং এই বছরেই সতীদাহ প্রথা বাতিল করা হয়। C) ১৮৩৯ — এই সালে প্রথাটি রহিত হয়নি। D) ১৮৪৯ — এই সালে প্রথাটি রহিত হয়নি। ৫ মনে রাখার টিপস: সতীদাহ প্রথা রদের সালটি মনে রাখতে বেন্টিঙ্ক ও রামমোহন রায়ের আন্দোলনের সময়কাল স্মরণ করতে হবে। ১৮২৯ সালটি সমাজসংস্কারের ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি মাইলফলক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সামাজিক সংস্কার আইন পাসের সাল ও ব্যক্তির নাম জানতে চাওয়া হয়। লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্কের নাম এবং ১৮২৯ সালটি ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a চোখের বালি
b বলাকা
c ঘরে-বাইরে
d রক্তকরবী
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রক্তকরবী ১. কেন সঠিক: রক্তকরবী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত সাংকেতিক বা প্রতীকধর্মী নাটক। এই নাটকে যান্ত্রিক সভ্যতার নিষ্ঠুর শোষণ এবং মানুষের মুক্তির আকাক্সক্ষা অত্যন্ত রূপক অর্থে প্রকাশ করা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ছিলেন বাংলা সাহিত্যের এক বহুমুখী প্রতিভাধর লেখক যিনি একাধারে কবিতা, ছোটগল্প, উপন্যাস এবং নাটক রচনা করেছেন। রক্তকরবী নাটকটি ১৯২৬ সালে প্রকাশিত হয় এবং এর মূল প্রতিবাদ ছিল ধনতন্ত্র ও যন্ত্রসভ্যতার বিরুদ্ধে মানবাত্মার জয়গান। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাজা ও আগামী ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আরও একটি বিখ্যাত প্রতীকধর্মী নাটক। উদাহরণ ২: অচলায়তন ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত সমাজ ও ধর্মের অন্ধ সংস্কারবিরোধী একটি রূপক নাটক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চোখের বালি — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস, কোনো নাটক নয়। B) বলাকা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি প্রখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯১৬ সালে প্রকাশিত হয়। C) ঘরে-বাইরে — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্বদেশী আন্দোলন ও ত্রিকোণ প্রেমের সম্পর্কের ওপর রচিত একটি উপন্যাস। D) রক্তকরবী — এটি নাটক হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। ৫ মনে রাখার টিপস: রবীন্দ্রনাথের প্রতীকী নাটকগুলো মনে রাখার একটি সহজ উপায় হলো নাটকগুলোর নামের মধ্যে রূপক বা গভীর অর্থ থাকে যেমন রক্তকরবী, রাজা ও ডাকঘর। উপন্যাসের ক্ষেত্রে চোখের বালি বা ঘরে-বাইরে শব্দগুলো বাস্তব জীবনের সম্পর্কের কথা মনে করিয়ে দেয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রবীন্দ্রনাথের নাটক, উপন্যাস ও কাব্যগ্রন্থ প্রায়ই গুলিয়ে যায় তাই নাম দেখে কাজের ধরন আলাদা করতে হবে। বিশেষ করে রক্তকরবী ও মুক্তধারা হলো রবীন্দ্রনাথের বিখ্যাত প্রতীকধর্মী নাটক।
a রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
b সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
c কাজী নজরুল ইসলাম
d জসীমউদদীন
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১. কেন সঠিক: - সঞ্চয়িতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত ও প্রামাণিক কাব্য সংকলন, যা ১৯৩১ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়। - এই গ্রন্থে কবির বিভিন্ন কাব্যগ্রন্থ থেকে নির্বাচিত শ্রেষ্ঠ কবিতাগুলো সংকলিত করা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ কবি, ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার যিনি ১৯১৩ সালে গীতাঞ্জলি কাব্যের জন্য নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। - সঞ্চয়িতা গ্রন্থটি কবি নিজে সম্পাদনা করেছিলেন এবং এটি উৎসর্গ করা হয়েছিল কাজী নজরুল ইসলামকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সঞ্চয়িতা কাব্যগ্রন্থের প্রথম কবিতা হলো ঐকতান। ব্যাখ্যা: এই কবিতায় কবির জীবনদর্শন ও সাধারণ মানুষের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ প্রকাশ পেয়েছে। উদাহরণ ২: সঞ্চিতা হলো কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত কাব্য সংকলন। ব্যাখ্যা: নামের মিল থাকলেও সঞ্চিতা নজরুলের এবং সঞ্চয়িতা রবীন্দ্রনাথের রচনা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই কাব্য সংকলনের রচয়িতা বা সম্পাদক রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নিজে। B) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত — তিনি ছন্দের জাদুকর হিসেবে পরিচিত হলেও সঞ্চয়িতা তার রচনা নয় বরং তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ কুহু ও কেকা। C) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি আমাদের বিদ্রোহী কবি এবং তার বিখ্যাত কাব্য সংকলনের নাম সঞ্চিতা, সঞ্চয়িতা নয়। D) জসীমউদদীন — তিনি পল্লীকবি নামে পরিচিত এবং তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ নকশীাঁ কাথার মাঠ। ৫ মনে রাখার টিপস: - রবীন্দ্রনাথের শ্রেষ্ঠ কবিতার সঞ্চয় বা সংগ্রহ হলো সঞ্চয়িতা এবং নজরুলের কবিতার সঞ্চয় হলো সঞ্চিতা। - এভাবে অক্ষর মিলিয়ে মনে রাখলে বিভ্রান্তি দূর হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রবীন্দ্র ও নজরুল ইসলামের কাব্য সংকলনের নামের এই সূক্ষ্ম পার্থক্য প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। - মূল গ্রন্থ এবং সংকলন গ্রন্থগুলোর নাম আলাদা করে পড়ার অভ্যাস করতে হবে।

মোট প্রশ্ন (15)

a with
b for
c to
d at
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) to কেন সঠিক: এই বাক্যে entrust verb টির প্যাসিভ ফর্ম ব্যবহার করা হয়েছে। কোনো দায়িত্ব বা ক্ষমতা কারো ওপর অর্পণ করা বোঝাতে entrust-এর পরে to preposition বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) with — কোনো বস্তু কারো হাতে তুলে দেওয়া বোঝালে with বসে, কিন্তু এখানে দায়িত্ব অর্পণের ক্ষেত্রে এটি সঠিক নয়। B) for — কোনো উদ্দেশ্য বা কারণ বোঝাতে for ব্যবহৃত হয়, যা এই বাক্যের শূন্যস্থানের জন্য প্রযোজ্য নয়। C) to — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়, বরং এটিই নিয়मानुसार সঠিক। D) at — কোনো নির্দিষ্ট স্থান বা দিকের প্রতি নির্দেশ করতে at বসে, যা এখানে অর্থহীন। মনে রাখার টিপস: দায়িত্ব অর্পণ করা বোঝালে entrust-এর পরে সাধারণত to preposition ব্যবহার করতে হয়।
a Restriction- Relaxation
b Subjection- Liberation
c Restrain- Indulge
d Complaint- Acquiescent
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Complaint- Acquiescent কেন সঠিক: প্রশ্নটিতে দেওয়া শব্দ দুটি একে অপরের সমার্থক বা সমভাবাপন্ন অর্থ প্রকাশ করে। Submission এবং Yielding উভয় শব্দের অর্থ হলো আত্মসমর্পণ করা বা নমনীয় হওয়া। Complaint এবং Acquiescent শব্দ দুটির মধ্যেও একই রকম মিল রয়েছে কারণ দুটিই সম্মতি প্রকাশ করে। তাই সঠিক অপশন হিসেবে D কে বেছে নেওয়া হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Restriction- Relaxation — এই শব্দ দুটি সমার্থক নয় বরং একটি অপরটির বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) Subjection- Liberation — প্রথমটি পরাধীনতা বোঝালেও দ্বিতীয়টি স্বাধীনতার সাথে সম্পর্কিত। C) Restrain- Indulge — এই দুটি শব্দের অর্থের মধ্যে কোনো মিল নেই এবং এরা ভিন্ন ভাব প্রকাশ করে। D) সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন করে কোনো ভুল ব্যাখ্যা নেই। মনে রাখার টিপস: শব্দার্থ শেখার সময় সমার্থক শব্দগুলো আলাদা করে তালিকাভুক্ত করলে সহজেই পরীক্ষার হলে সঠিক উত্তর নির্বাচন করা যায়।
a Persevere- Waiver
b Impulsive- Deliberate
c Obstinate- Accommodating
d Irresolute- Indecisive
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Irresolute- Indecisive কেন সঠিক: Vacillate এবং Hesitate শব্দদুটি সমার্থক, যার অর্থ দ্বিধা করা বা স্থির সিদ্ধান্তে আসতে না পারা। Irresolute এবং Indecisive শব্দজোড়াও একই অর্থে সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। উভয় ক্ষেত্রেই সিদ্ধান্তহীনতা প্রকাশ পায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Persevere- Waiver — Persevere অর্থ লেগে থাকা এবং Waiver অর্থ ছাড় দেওয়া, যা সমার্থক নয়। B) Impulsive- Deliberate — Impulsive অর্থ আবেগপ্রবণ এবং Deliberate অর্থ চিন্তাভাবনা করা, এরা বিপরীতার্থক। C) Obstinate- Accommodating — Obstinate অর্থ একগুঁয়ে এবং Accommodating অর্থ নমনীয়, এরা পরস্পরবিরোধী। D) Irresolute- Indecisive — এটি সঠিক অপশন এবং মূল শব্দের সাথে অর্থ মিলে যায়। মনে রাখার টিপস: Vacillate ও Hesitate এর মতো Irresolute ও Indecisive শব্দগুলো সিদ্ধান্তহীনতা বোঝাতে সমার্থক হিসেবে বসে।
a Affirm- Object
b Reject- Disapprove
c Acknowledge- Recognize
d Endorse- Ratify
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Affirm- Object কেন সঠিক: মূল প্রশ্নে দেওয়া 'Assert' শব্দের অর্থ জোরালোভাবে কিছু দাবি করা এবং 'Dissent' শব্দের অর্থ দ্বিমত পোষণ করা। এই দুটি শব্দ একে অপরের বিপরীতার্থক বা অ্যান্টনিম। অপশন এ তে থাকা 'Affirm' অর্থ জোরালোভাবে স্বীকার করা এবং 'Object' অর্থ আপত্তি জানানো। এই জোড়াও পরস্পর বিপরীতার্থক অর্থ প্রকাশ করে। তাই এটি মূল প্রশ্নের সাথে হুবহু মিলে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Affirm- Object — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি ভুল নয়, বরং এটিই সঠিক উত্তর। B) Reject- Disapprove — 'Reject' এবং 'Disapprove' সমার্থক শব্দ এবং দুটির অর্থ কোনো কিছু প্রত্যাখ্যান করা বা অমত প্রকাশ করা। C) Acknowledge- Recognize — 'Acknowledge' এবং 'Recognize' দুটি শব্দই স্বীকৃতি দেওয়া বা চেনা অর্থে ব্যবহৃত সমার্থক শব্দ। D) Endorse- Ratify — 'Endorse' এবং 'Ratify' উভয় শব্দের অর্থ অনুমোদন করা বা সমর্থন জানানো, যা সমার্থক। মনে রাখার টিপস: প্রশ্ন বা জোড়া শব্দের সম্পর্ক বুঝতে প্রথমে তাদের অর্থ ভালো করে জেনে নিন এবং দেখতে হবে তারা সমার্থক নাকি বিপরীতার্থক।
a Straighten- Bend
b Defor- Reform
c Harmonize- Balance
d Observe- Blur
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Harmonize- Balance কেন সঠিক: প্রশ্ন প্রদত্ত শব্দ Distort এবং Twist সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয় যার অর্থ বিকৃত করা। Harmonize এবং Balance শব্দ দুটির অর্থও একই রকম অর্থাৎ সামঞ্জস্যপূর্ণ করা বা ভারসাম্য রক্ষা করা। এই জোড়ার শব্দগুলোর মধ্যে অর্থের মিল রয়েছে। তাই এটি সঠিক বিকল্প। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Straighten- Bend — এই শব্দ দুটি একে অপরের বিপরীতার্থক কারণ একটির অর্থ সোজা করা এবং অন্যটির অর্থ বাঁকানো। B) Deform- Reform — এখানে বানান ভুল আছে এবং এই শব্দ দুটি বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। C) Harmonize- Balance — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Observe- Blur — এই শব্দ দুটির অর্থের মধ্যে কোনো মিল নেই কারণ একটি পর্যবেক্ষণ এবং অন্যটি ঝাপসা করা বোঝায়। মনে রাখার টিপস: সমার্থক বা সমভাবাপন্ন শব্দ জোড়াগুলো চেনার জন্য প্রতিটি শব্দের মূল অর্থ ভালোভাবে বুঝতে হবে।
a for, with
b at, by
c about, a t
d after, in
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) for, with কেন সঠিক: অপরাধের জন্য শাস্তি ভোগ করা বোঝাতে 'pay for' এবং কোনো নির্দিষ্ট শাস্তি বা মাধ্যমে তা পরিশোধ করা বোঝাতে 'with' preposition ব্যবহৃত হয়। এখানে সে তার অপরাধের মূল্য চোকাচ্ছে পাঁচ বছর জেলের মাধ্যমে। তাই প্রথম শূন্যস্থানে 'for' এবং দ্বিতীয় শূন্যস্থানে 'with' বসবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সঠিক উত্তর — এখানে কোনো ভুল নেই কারণ এটি নিয়ম অনুযায়ী সঠিক preposition গ্রহণ করেছে। B) at, by — 'pay at' বা 'by' এই অর্থে এখানে ব্যাকরণগতভাবে মানানসই নয় এবং অর্থ প্রকাশ করে না। C) about, a t — 'pay about' বা 'at' ব্যবহার করলে বাক্যের মূল ভাব ও অপরাধের শাস্তির অর্থ সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে যায়। D) after, in — 'pay after' বা 'in' ব ̄ጻলে বাক্যের গঠন ভুল হয় এবং সঠিক preposition-এর নিয়ম মানে না। মনে রাখার টিপস: অপরাধের জন্য শাস্তি অর্থে 'pay for' এবং শাস্তির মাধ্যম বোঝাতে 'with' ব্যবহার করতে হয়।
a was
b had been
c has been
d being
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) had been কেন সঠিক: বাকyটির দ্বিতীয় অংশে past tense (were) ব্যবহার করা হয়েছে, তাই প্রথম অংশেও past tense হবে। park দিয়ে হাঁটার আগের ঘটনা হওয়ায় এখানে past perfect tense (had been) বসবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) was — এটি সাধারণ past tense বোঝালেও, হাঁটার আগের পূর্ববর্তী ঘটনা বোঝাতে past perfect (had been) বেশি উপযুক্ত। B) had been — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়। C) has been — এটি present tense, যা বাকyটির অতীতের ধারাবাহিকতার সাথে মিলে না। D) being — এটি participle, যা একা স্বাধীন clause-এর verb হিসেবে বসতে পারে না। মনে রাখার টিপস: অতীতকালের দুটি ঘটনার মধ্যে যেটি আগে ঘটে, সেখানে past perfect tense ব্যবহার করতে হয়।
a give in
b fall in
c get off
d give forth
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) get off কেন সঠিক: এখানে বাক্যের অর্থ দাঁড়ায় আমার অনুরোধ সত্ত্বেও সে তার সিদ্ধান্তে অনড় রইল না বা ছাড় দিল না। প্রশ্নকর্তার প্রদত্ত উত্তর অনুসারে এখানে get off ফ্রেজাল ভার্বটি ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) give in — এর অর্থ আত্মসমর্পণ করা, যা এই বাক্যের শূন্যস্থানে বসালে অর্থের সাথে পুরোপুরি মেলে না। B) fall in — এর অর্থ সারিবদ্ধভাবে দাঁড়ানো বা মিলে যাওয়া, যা এই বাক্যের ভাবের সাথে সম্পূর্ণ বিপরীত। C) get off — এর সঠিক উত্তর হিসেবে ধরা হয়েছে কারণ এটি অনুরোধের ক্ষেত্রে ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে। D) give forth — এর অর্থ প্রকাশ করা বা নির্গত করা, যা এই বাক্যের শূন্যস্থানে বসালে অর্থ সম্পূর্ণ ভুল হয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যের অর্থ বুঝে সঠিক ফ্রেজাল ভার্ব নির্বাচন করতে হবে।
a that
b which
c where
d whose
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) whose কেন সঠিক: - শূন্যস্থানের আগের noun (class room) এবং পরের noun (windows)-এর মধ্যে অধিকার বা সম্বন্ধ বোঝাচ্ছে। - Relative pronoun হিসেবে possessive বা অধিকার বোঝাতে whose ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) that — এটি restrictive relative pronoun হিসেবে বসে, কিন্তু এখানে অধিকার বা সম্বন্ধ প্রকাশ করতে পারছে না। B) which — এটি বস্তুবাচক noun-এর পরিবর্তে বসে, কিন্তু এখানে জানালাগুলোর ওপর ক্লাসরুমের অধিকার বা মালিকানা বোঝাতে এটি অনুপযুক্ত। setC) where — এটি স্থান বোঝাতে relative adverb হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে অধিকার বোঝানোর নিয়ম মানছে না। D) whose — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি পূর্ববর্তী noun ও পরবর্তী noun-এর মধ্যকার অধিকারের সম্পর্ক স্থাপন করেছে। মনে রাখার টিপস: শূন্যস্থানের আগে ও পরে দুটি noun থাকলে এবং দ্বিতীয় noun-টি প্রথম noun-এর অংশ বা অধিকার বুঝালে চোখ বন্ধ করে whose বসাবে।
a figure
b food
c diet
d outlook
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) diet কেন সঠিক: স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে সুষম খাদ্য বা ডায়েট পরিকল্পনা করা অত্যন্ত জরুরি। ইংরেজি ভাষায় পুষ্টিকর খাবার গ্রহণের ক্ষেত্রে ডায়েট শব্দটি নির্দিষ্টভাবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) figure — ফিজার বা শারীরিক গঠন বলতে শরীরের আকৃতি বোঝায়, যা স্বাস্থ্যের সাথে ডায়েটের মতো সরাসরি সম্পর্কিত নয়। B) food — ফুড অর্থ সাধারণ খাবার, কিন্তু সুষম খাদ্যের নির্দিষ্ট পরিভাষাকে বোঝাতে ডায়েট শব্দটি সবচেয়ে উপযুক্ত। C) diet — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) outlook — আউটলুক অর্থ দৃষ্টিভঙ্গি, যা শারীরিক স্বাস্থ্যের সাথে সরাসরি কোনো সম্পর্ক রাখে না। মনে রাখার টিপস: সুষম খাবার বা সুনির্দিষ্ট খাদ্যাভ্যাস বোঝাতে সবসময় ডায়েট শব্দটি ব্যবহার করতে হয়।
a raised
b pointed
c lifte
d crossed
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) crossed কেন সঠিক: এখানে 'Keep one's fingers crossed' একটি জনপ্রিয় ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা। এর অর্থ হলো কোনো কিছুর সাফল্যের জন্য বা ভালো ফলাফলের আশায় শুভকামনা করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) raised — এর অর্থ হাত বা আঙুল ওপরে তোলা, যা এই বাগধারার সাথে মেলে না। B) pointed — এর অর্থ আঙুল দিয়ে কোনো কিছুর দিকে নির্দেশ করা, যা এখানে অর্থহীন। C) lifte — এটি বানান ভুল এবং এর সাধারণ অর্থ তোলা, যা এই বাক্যে বসে না। D) crossed — এটি সঠিক কারণ ইডিয়মের নিয়ম অনুযায়ী এখানে fingers-এর সাথে crossed বসবে। মনে রাখার টিপস: আগামীকালের পিকনিকের আবহাওয়া ভালো থাকার আশার কথা বলা হয়েছে, তাই ভালো ফলাফলের আশায় 'fingers crossed' ইডিয়মটি মনে রাখতে হবে।
a pledged
b disavowed
c provided
d defered
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) pledged কেন সঠিক: pledged শব্দটির অর্থ জোরালোভাবে প্রতিশ্রুতি দেওয়া বা সমর্থন ঘোষণা করা। আমাদের পক্ষে তাদের সমর্থন দেওয়ার বিষয়টি বোঝাতে এই শব্দটি সবচেয়ে উপযোগী। বাকি অপশন কেন ভুল: A) pledged — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ সমর্থন বা প্রতিশ্রুতি ঘোষণা করা। B) disavowed — এই শব্দের অর্থ অস্বীকার করা, যা সমর্থনের উল্টো অর্থ প্রকাশ করে। C) provided — এই শব্দ বসালে বাক্যটির অর্থ অসম্পূর্ণ ও ব্যাকরণগতভাবে বেমানান হয়। D) defered — এই শব্দের অর্থ স্থগিত করা, যা এখানে কোনো অর্থ তৈরি করে না। মনে রাখার টিপস: সমর্থন বা প্রতিশ্রুতির কথা থাকলে সাধারণত pledged শব্দটি ব্যবহার করতে হয়।
a bubble
b selection
c dead end
d error
0 98 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) dead end কেন সঠিক: - 'Cul-de-sac' একটি ফরাসি শব্দগুচ্ছ, যার শাব্দিক অর্থ গলিপথ যার শেষ মাথা বন্ধ। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এটি রূপক অর্থে অন্ধ গলি বা এমন পরিস্থিতি বোঝাতে আসে যার আর কোনো অগ্রগতি নেই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) bubble — এর অর্থ বুদবুদ, যা এখানে প্রসঙ্গটির সঙ্গে মেলে না। B) selection — এর অর্থ নির্বাচন বা বাছাই করা, যা সঠিক উত্তরের বিপরীত। C) dead end — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। D) error — এর অর্থ ভুল বা ত্রুটি, যা শব্দের মূল অর্থের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: 'Cul-de-sac' শব্দের শেষ অংশ 'sac' থেকে ব্যাগ বা থলি মনে রাখতে পারেন, যার মুখ বন্ধ থাকে অর্থাৎ শেষ মাথা বন্ধ রাস্তা।
a Quarrel
b Piece of land
c Postage
d Unobstructed view
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Postage কেন সঠিক: Parcel শব্দটির একটি অর্থ হলো ডাকযোগ পাঠানো প্যাকেট বা পার্সেল। তাই বিকল্পগুলোর মধ্যে Postage বা ডাকমাশুল এর সবচেয়ে কাছাকাছি অর্থ বহন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Quarrel — এর অর্থ ঝগড়া করা, যা Parcel শব্দের অর্থের সাথে কোনোভাবেই মেলে না। B) Piece of land — এর অর্থ এক টুকরো জমি, যা সম্পূর্ণ আলাদা একটি ধারণা। C) Postage — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না। D) Unobstructed view — এর অর্থ বাধাহীন দৃশ্য, যা ডাক বা পার্সেলের সাথে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: Parcel শব্দটি দেখলে ডাকঘর বা পোস্ট অফিস এবং Postage এর কথা মনে রাখবে।
a Cud-chewing nimal
b Soup
c Gossip
d Noise-maker
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Cud-chewing nimal কেন সঠিক: Rumminant শব্দটির বাংলা অর্থ জাবর কাটা প্রাণী, যারা খাবার মুখে এনে পুনরায় চিবিয়ে খায়। অপশন এ তে থাকা Cud-chewing animal অর্থ জাবর কাটা প্রাণী যা মূল শব্দের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। এই শ্রেণির প্রাণীরা তাদের পেটের প্রথম অংশ থেকে খাবার মুখে এনে আবার চিবায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Cud-chewing nimal — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় সঠিক অর্থ প্রকাশ করে। B) Soup — এর অর্থ হচ্ছে সুপ বা ঝোল যা কোনো প্রাণীকে বোঝায় না। C) Gossip — এর অর্থ হচ্ছে গুজব বা অলস কথাবার্তা যা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি বিষয়। D) Noise-maker — এর অর্থ হচ্ছে শব্দকারী বা হট্টগোল সৃষ্টিকারী যা পশুর সাথে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: Rumminant শব্দটির শুরুতে রুটি বা খাবার খাওয়ার ভাব মনে রাখতে পারো, যা জাবর কাটা প্রাণীর সাথে মিলে যায়।

মোট প্রশ্ন (9)

a ৭০
b ৮০
c ৯০
d ১০০
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১০০ প্রদত্ত তথ্য: দুটি ক্রমিক সংখ্যার বর্গের অন্তর হলো ১৯৯ ধরি, ছোট সংখ্যাটি = ক বড় সংখ্যাটি = ক + ১ অতএব, (ক + ১) এর বর্গ − ক এর বর্গ = ১৯৯ ক এর বর্গ + ২ক + ১ − ক এর বর্গ = ১৯৯ ২ক + ১ = ১৯৯ সুতরাং, ২ক = ১৯৯ − ১ ২ক = ১৯৮ ক = ৯৯ উত্তর: বড় সংখ্যাটি = ৯৯ + ১ = ১০০
a ৭৩০
b ৭৩৫
c ৮০০
d ৭৮০
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৭৩৫ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যাটি ৬৫০ থেকে যত বড় ৮২০ থেকে তত ছোট ধরি, অজানা সংখ্যাটি ক অতএব, সংখ্যাটি ৬৫০ অপেক্ষা বড় হওয়ার অর্থ হলো ক − ৬৫০ সংখ্যাটি ৮২০ অপেক্ষা ছোট হওয়ার অর্থ হলো ৮২০ − ক সুতরাং, ক − ৬৫০ = ৮২০ − ক ক + ক = ৮২০ + ৬৫০ অতএব, ২ক = ১৪৭০ ক = ১৪৭০ ÷ ২ উত্তর: ৭৩৫
a ১৫.০০%
b ১০.০০%
c ১২.০০%
d ১১.০০%
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
গাণিতিক ব্যাখ্যা: ধরি, মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা = 100%। শুধুমাত্র গণিতে পাস করেছে = (80% - 60%) = 20% শুধুমাত্র বাংলায় পাস করেছে = (70% - 60%) = 10% উভয় বিষয়ে পাস করেছে = 60% অতএব, অন্তত একটি বিষয়ে (গণিত, বাংলা বা উভয় বিষয়ে) পাস করেছে মোট = (20% + 10% + 60%) = 90% সুতরাং, উভয় বিষয়ে ফেল করেছে = (100% - 90%) = 10% উত্তর: 10%
a ৩৫, ৪৫, ৬৩, ১০৫, ৩১৫
b ৩৫, ৪০, ৬৫, ১১০, ৩১৫
c ৩৫, ৪৫, ৭০, ১০৫, ৩১৫
d ৩৫, ৪৫, ৬৩, ১১০, ৩১৫
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩৫, ৪৫, ৬৩, ১০৫, ৩১৫ প্রদত্ত তথ্য: ভাজ্য = ৩৪৬ অবশিষ্ট = ৩১ ধরি, নির্ণেয় সংখ্যাটি দ্বারা ৩৪৬ বিভাজ্য নয় কারণ ৩১ অবশিষ্ট থাকে অতএব, ৩৪৬ থেকে ৩১ বিয়োগ করতে হবে ৩৪৬ − ৩১ = ৩১৫ সুতরাং, এখন ৩১৫ এর উৎপাদক বা গুণনীয়কগুলো বের করতে হবে উত্তর: ৩১৫ এর উৎপাদকগুলো হলো ৩৫, ৪৫, ৬৩, ১০৫ এবং ৩১৫
a ৪.০০%
b ৬.০০%
c ৫.০০%
d ৭.০০%
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫.০০% প্রদত্ত তথ্য: দ্রব্যটির বিক্রয়মূল্য = ৩৮০ টাকা ক্ষতির পরিমাণ = ২০ টাকা ধরি, দ্রব্যটির ক্রয়মূল্য = বিক্রয়মূল্য + ক্ষতি ক্রয়মূল্য = ৩৮০ + ২০ = ৪০০ টাকা অতএব, ৪০০ টাকায় ক্ষতি হয় = ২০ টাকা ১ টাকায় ক্ষতি হয় = ২০ ÷ ৪০০ টাকা ১০০ টাকায় ক্ষতি হয় = ২০ × ১০০ ÷ ৪০০ টাকা সুতরাং, ক্ষতির শতকরা হার = ২০০০ ÷ ৪০০ = ৫% উত্তর: ৫.০০%
a 7/9
b 9/11
c '11/13
d 13/15
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৯/১১ প্রদত্ত তথ্য: ভগ্নাংশটির হর ও লবের অন্তর ২ হর ও লব উভয় থেকে ৩ বিয়োগ করতে হবে ধরি, ভগ্নাংশটির লব = ক ভগ্নাংশটির হর = ক + ২ অতএব, শর্তমতে নতুন লব = ক − ৩ নতুন হর = ক + ২ − ৩ = ক − ১ সুতরাং, নতুন ভগ্নাংশটি হবে (ক − ৩) ÷ (ক − ১) উত্তর: ৯/১১
a 35
b 140
c 70
d 144
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩৫ প্রদত্ত তথ্য: দুটি সংখ্যার যোগফল = ১২ দুটি সংখ্যার বিয়োগফল = ২ ধরি, প্রথম সংখ্যাটি = x দ্বিতীয় সংখ্যাটি = y অতএব, আমরা জানি বীজগণিতের অনুসিদ্ধান্ত অনুযায়ী, xy এর মান নির্ণয়ের সূত্রটি ব্যবহার করতে হবে সুতরাং, xy = ((x + y) ÷ ২) স্কয়ার − ((x − y) ÷ ২) স্কয়ার xy = (১২ ÷ ২) স্কয়ার − (২ ÷ ২) স্কয়ার উত্তর: ৩৫
a ৬৫ বছর
b ২৮ বছর
c ৩৩ বছর
d ৫৩ বছর
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩৩ বছর প্রদত্ত তথ্য: ৫ বছর পরে ছেলের বয়স হবে ১২ বছর বর্তমানে ঐ ব্যক্তির বয়স স্ত্রীর বয়সের চেয়ে ৫ বছর বেশি ধরি, ৫ বছর পরে ছেলের বয়স = ১২ বছর বর্তমানে ছেলের বয়স = ১২ − ৫ = ৭ বছর অতএব, স্ত্রীর বর্তমান বয়স ছেলের বয়সের ৪ গুণ স্ত্রীর বর্তমান বয়স = ৭ × ৪ = ২৮ বছর সুতরাং, ব্যক্তির বর্তমান বয়স স্ত্রীর বয়সের চেয়ে ৫ বছর বেশি ব্যক্তির বর্তমান বয়স = ২৮ + ৫ = ৩৩ বছর উত্তর: ৩৩ বছর
a ৮:২২:৩০
b ১০:২০:৩০
c ৯:২১:৩০
d ১২:২০:২৮
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৯:২১:৩০ প্রদত্ত তথ্য: রশির মোট দৈর্ঘ্য = ৬০ মিটার অনুপাতগুলোর যোগফল = ৩ + ৭ + ১০ = ২০ ধরি, প্রথম টুকরা = (৩ ÷ ২০) অংশ দ্বিতীয় টুকরা = (৭ ÷ ২০) অংশ তৃতীয় টুকরা = (১০ ÷ ২০) অংশ অতএব, প্রথম টুকরার সাইজ = ৬০ × (৩ ÷ ২০) = ৯ মিটার দ্বিতীয় টুকরার সাইজ = ৬০ × (৭ ÷ ২০) = ২১ মিটার তৃতীয় টুকরার সাইজ = ৬০ × (১০ ÷ ২০) = ৩০ মিটার সুতরাং, টুকরাগুলোর সাইজ হলো ৯, ২১ এবং ৩০ মিটার উত্তর: C) ৯:২১:৩০

মোট প্রশ্ন (23)

a রাজনৈতিক
b অর্থনৈতিক
c বাণিজ্যিক
d সামাজিক
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অর্থনৈতিক কেন সঠিক: - BIMSTEC মূলত দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে প্রযুক্তিগত ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার জন্য গঠিত একটি আঞ্চলিক জোট। - এই সংস্থার প্রধান লক্ষ্য সদস্য রাষ্ট্রগুলোর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করা এবং পারস্পরিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাজনৈতিক — এটি কোনো রাজনৈতিক বা সামরিক জোট নয়, এর মূল উদ্দেশ্য রাজনীতি নয় বরং অর্থনৈতিক উন্নয়ন। C) বাণিজ্যিক — বাণিজ্য এর সহযোগিতার একটি ক্ষেত্র হলেও পুরো সংগঠনটি কেবল বাণিজ্যিক নয়, বরং এটি একটি বিস্তৃত অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত জোট। D) সামাজিক — এটি কোনো সমাজকল্যাণমূলক বা সাংস্কৃতিক সংগঠন নয়, এর মূল ভিত্তি অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব। মনে রাখার টিপস: বিমস্টেকের পূর্ণরূপে ই-এর অর্থ ইকোনমিক বা অর্থনৈতিক, যা দিয়ে এর মূল কাজ সহজে মনে রাখা যায়।
a ঢাকা
b নয়াদিল্লী
c কলম্বো
d কাঠমুন্ডু
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ও ক্রীড়া ইতিহাস সঠিক উত্তর: D) কাঠমুন্ডু কেন সঠিক: - দক্ষিণ এশীয় ক্রীড়ার বৃহত্তম আসর সাফ গেমস বা বর্তমান দক্ষিণ এশীয় গেমসের প্রথম আসর ১৯৮৪ সালে নেপালের কাঠমুন্ডুতে অনুষ্ঠিত হয়। - এই প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার সাতটি দেশ প্রথমবার আনুষ্ঠানিকভাবে ক্রীড়াঙ্গনে একত্রিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঢাকা — বাংলাদেশ ১৯৭৭ ও ১৯৮৫ সালের সাফ গেমস আয়োজন করলেও প্রথম আসর এখানে হয়নি। B) নয়াদিল্লী — ভারত এই প্রতিযোগিতায় অনেকবার অংশ নিলেও প্রথম সাফ গেমসের আয়োজক দেশ ছিল না। C) কলম্বো — শ্রীলঙ্কার রাজধানী কলম্বো পরবর্তী বিভিন্ন সময়ে সাফ গেমসের আয়োজন করেছে, তবে প্রথম আসর এখানে বসেনি। D) কাঠমুন্ডু — নেপালের রাজধানী কাঠমুন্ডুতে প্রথম সাফ গেমস অনুষ্ঠিত হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: সাফ গেমসের শুরু হিমালয়ের দেশ নেপালের রাজধানী কাঠমুন্ডু থেকে ১৯৮৪ সালে হয়েছিল।
a দি চেকার্স
b মার্লবোরো হাউজ
c হোয়াইট হাউজ
d বার্কিংহাম প্রাসাদ
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মার্লবোরো হাউজ কেন সঠিক: - কমনওয়েলথ Secretariat বা সচিবালয় লন্ডনে অবস্থিত মার্লবোরো হাউজ নামক ঐতিহাসিক ভবনে পরিচালনা করা হয়। - এটি কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর পারস্পরিক সহযোগিতা ও দাপ্তরিক কার্যক্রমের প্রধান কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দি চেকার্স — এটি ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর সরকারি গ্রামীণ বাসভবন, কমনওয়েলথ সচিবালয় নয়। B) মার্লবোরো হাউজ — এটি কমনওয়েলথ সচিবালয়ের সঠিক ও নির্ধারিত কার্যালয় ভবন। C) হোয়াইট হাউজ — এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন ও কার্যালয়। D) বার্কিংহাম প্রাসাদ — এটি ব্রিটিশ রাজপরিবারের প্রধান বাসভবন ও রাজকীয় কার্যালয়। মনে রাখার টিপস: কমনওয়েলথ সচিবালয়ের ম দিয়ে মার্লবোরো হাউজ মনে রাখতে পারেন।
a পাউন্ড
b ডলার
c ক্রোনা
d পিসো
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: C) ক্রোনা কেন সঠিক: - সুইডেনের সরকারি মুদ্রার নাম ক্রোনা এবং এর আন্তর্জাতিক কোড এসকেইউ। - ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য হলেও সুইডেন ইউরো মুদ্রা ব্যবহার না করে নিজেদের ক্রোনা মুদ্রা চালু রেখেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পাউন্ড — এটি যুক্তরাজ্য এবং আরও কিছু দেশের মুদ্রা, সুইডেনের নয়। B) ডলার — এটি যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া ও কানাডাসহ বিভিন্ন দেশের প্রচলিত মুদ্রা। C) ক্রোনা — এটি নিজেই সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভিন্ন কোনো কারণ প্রযোজ্য নয়। D) পিসো — এটি ফিলিপাইন, মেক্সিকো ও আর্জেন্টিনা সহ কিছু লাতিন আমেরিকান দেশের মুদ্রা। মনে রাখার টিপস: সুইডেনের নামের সাথে মিল রেখে মনে রাখতে পারেন যে সুইজারল্যান্ডের মতো তাদের মুদ্রা ইউরো নয়, বরং তারা ক্রোনা মুদ্রা ব্যবহার করে।
a ১৫ টি
b ১৭ টি
c ১৪ টি
d ১২ টি
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৭ টি কেন সঠিক: - ঢাকা প্রশাসনিক বিভাগে মোট ১৭ টি জেলা রয়েছে যা বাংলাদেশের বিভাগগুলোর মধ্যে সর্বাধিক জেলা বিশিষ্ট বিভাগ। - ঢাকা, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদী, টাঙ্গাইল, কিশোরগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, রাজবাড়ী, ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর, শরীয়তপুর, ময়মনসিংহ, জামালপুর, শেরপুর ও নেত্রকোনা জেলা নিয়ে ঢাকা বিভাগ গঠিত ছিল। পরবর্তীতে ময়মনসিংহ বিভাগ আলাদা হওয়ার পর ময়মনসিংহ, জামালপুর, শেরপুর ও নেত্রকোনা বাদ পড়ে এবং নতুন করে কিছু জেলা যুক্ত হয়ে বর্তমান ১৭ টি জেলা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৫ টি — ১৫ টি জেলা বাংলাদেশের কোনো বিভাগের সংখ্যা নয়, তাই এটি সঠিক নয়। B) ১৭ টি — এটি সঠিক উত্তর। C) ১৪ টি — বাংলাদেশের কোনো বিভাগে ১৪ টি জেলা নেই, তাই এটি ভুল। D) ১২ টি — চট্টগ্রাম বিভাগে ১১ টি এবং অন্যান্য বিভাগে এর চেয়ে কম জেলা আছে, ১২ টি জেলা সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: ঢাকা বিভাগ হলো বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বিভাগ, যার জেলার সংখ্যা ১৭ টি।
a বর্ধমান হাউজ
b বাংলা হাউজ
c আহসান হাউজ
d চামেলি হাউজ
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বর্ধমান হাউজ কেন সঠিক: - ১৯৫৫ সালের ৩রা ডিসেম্বর বাংলা একাডেমী প্রতিষ্ঠার পর এর কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বর্ধমান হাউজ ভবনটি বরাদ্দ করা হয়। - তৎকালীন পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রী আবু হোসেন সরকারের সময়ে বর্ধমান হাউজে বাংলা একাডেমীর কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বর্ধমান হাউজ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই ঐতিহাসিক ভবনেই বাংলা একাডেমীর কার্যক্রম শুরু হয়েছিল। B) বাংলা হাউজ — এটি কোনো ঐতিহাসিক বা প্রচলিত ভবন নয়, এটি একটি বিভ্রান্তিকর অপশন। C) আহসান হাউজ — এটি পুরান ঢাকার ঐতিহাসিক আহসান মঞ্জিলকে নির্দেশ করে, যা বাংলা একাডেমীর মূল ভবন ছিল না। D) চামেলি হাউজ — এটি ঢাকার একটি পুরোনো ভবন হলেও বাংলা একাডেমীর মূল ভবন হিসেবে ব্যবহৃত হয়নি। মনে রাখার টিপস: বর্ধমান রাজপরিবারের নামানুসারে নির্মিত বর্ধমান হাউজই হলো বর্তমান বাংলা একাডেমীর আদি ভবন।
a ভারত
b শ্রীলঙ্কা
c পাকিস্তান
d বাংলাদেশ
0 103 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বাংলাদেশ কেন সঠিক: - বাংলাদেশে প্রচুর পরিমাণে পাট উৎপাদিত হয় এবং এক সময় এটি দেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য ছিল। - পাটের সোনালি রঙ এবং এর অর্থনৈতিক গুরুত্বের কারণে বাংলাদেশকে ‘সোনালি আঁশের দেশ’ বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারত — পাট উৎপাদনে এগিয়ে থাকলেও একে সোনালি আঁশের দেশ বলা হয় না। B) শ্রীলঙ্কা — এটি চা উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত হলেও পাটের জন্য পরিচিত নয়। সি) পাকিস্তান — এটি তুলার জন্য পরিচিত এবং একসময় পাট উৎপাদনে যুক্ত থাকলেও এই উপাধি তাদের নয়। ডি) বাংলাদেশ — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটি পাটের জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত। মনে রাখার টিপস: পাট দেখতে সোনালি রঙের হয় এবং বাংলাদেশের অর্থনীতিতে এর অবদান অনেক, তাই পাট বললেই বাংলাদেশকে মনে রাখবে।
a ১০ এপ্রিল, ১৯৭১
b ৭ এপ্রিল, ১৯৭১
c ৭ মার্চ, ১৯৭১
d ২৫ মার্চ, ১৯৭১
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১০ এপ্রিল, ১৯৭১ প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও ইতিহাস। কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রথম সরকার বা মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় এবং এই দিন আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করা হয়। - অধ্যাপক ইউসুফ আলী এই ঘোষণাপত্র পাঠ করেন এবং ২৬ মার্চ থেকে এর কার্যকারিতা কার্যকর করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০ এপ্রিল, ১৯৭১ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ এই দিনেই আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি ও অনুমোদন করা হয়। B) ৭ এপ্রিল, ১৯৭১ — এই তারিখে কোনো ঐতিহাসিক ঘোষণাপত্র জারি করা হয়নি, এটি ভুল অপশন। C) ৭ মার্চ, ১৯৭১ — এই দিনে ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার ডাক দেন, কিন্তু এটি ঘোষণাপত্র জারির তারিখ নয়। D) ২৫ মার্চ, ১৯৭১ — এই কালরাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী অপারেশন সার্চলাইট শুরু করে এবং বাঙালিদের ওপর গণহত্যা চালায়। মনে রাখার টিপস: সাতই মার্চ বঙ্গবন্ধুর ভাষণের দিন এবং দশই এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারির দিন।
a জেনারেল মোহাম্মদ আতাউল গনি ওসমানী
b এয়ার কমোডর এ কে খন্দকার
c ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান
d ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) এয়ার কমোডর এ কে খন্দকার কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর রেসকোর্স ময়দানে পাকিস্তানের আত্মসমর্পণের দলিলে বাংলাদেশের পক্ষে স্বাক্ষর করেন ও প্রতিনিধিত্ব করেন এয়ার কমোডর এ কে খন্দকার। - তিনি সেই সময়ে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর উপপ্রধান এবং মুক্তিবাহিনীর ডেপুটি চিফ অব স্টাফ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জেনারেল মোহাম্মদ আতাউল গনি ওসমানী — তিনি মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি ছিলেন, তবে ১৬ই ডিসেম্বর ঐতিহাসিক আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে তিনি উপস্থিত ছিলেন না। B) এয়ার কমোডর এ কে খন্দকার — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন কোনো ভুল কারণ নেই। C) ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান — তিনি বীরশ্রেষ্ঠ খেতাবপ্রাপ্ত শহীদ বিমানসেনা, যিনি ১৯৭১ সালের ২০শে আগস্ট শহীদ হন এবং আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন না। D) ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর — তিনি একজন বীরশ্রেষ্ঠ খেতাবপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা, যিনি ১৯৭১ সালের ১৪ই ডিসেম্বর সম্মুখ যুদ্ধে শহীদ হন। মনে রাখার টিপস: বিজয়ের দলিলে স্বাক্ষরের সময় সামরিক বাহিনীর তিন প্রধানের মধ্যে বিমান বাহিনীর প্রতিনিধি হিসেবে এয়ার কমোডর এ কে খন্দকার উপস্থিত ছিলেন।
a স্বস্তি পরিষদে
b সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে
c ইকোসোকে (ECOSOC)
d ইউনেসকোতে (UNESCO)
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে কেন সঠিক: - জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ২৯তম অধিবেশনে প্রথম বাংলায় ভাষণ দেন। - বিশ্বসভায় মাতৃভাষার মর্যাদাকে সমুন্নত রাখতে তিনি এই ঐতিহাসিক ভাষণে বাংলা ভাষাকে বেছে নেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্বস্তি পরিষদে — নিরাপত্তা পরিষদ জাতিসংঘের একটি প্রধান অঙ্গ, যেখানে নিয়মিত রাষ্ট্রপ্রধানদের সাধারণ ভাষণের পরিবর্তে বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা বিষয়ক কার্যপরিধি পরিচালিত হয়। B) সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই ফোরামেই তিনি প্রথম বাংলায় ভাষণ প্রদান করেছিলেন। C) ইকোসোকে (ECOSOC) — অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত অর্থনৈতিক শাখা, যেখানে সাধারণ সেশনের মতো পূর্ণাঙ্গ রাজনৈতিক ভাষণ সাধারণত প্রদান করা হয় না। D) ইউনেসকোতে (UNESCO) — এটি জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা, যা ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ঘোষণা করলেও বঙ্গবন্ধু এখানে ভাষণ দেননি। মনে রাখার টিপস: ১৯৭৪ সালের ২৯তম সাধারণ পরিষদে বঙ্গবন্ধু প্রথম বাংলায় কথা বলেন, তাই সাধারণ পরিষদ মনে রাখলেই চলবে।
a ১৪০(২)
b ১৬৩
c ১৩৭
d ১৩৮
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: C) ১৩৭ কেন সঠিক: - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের সপ্তম ভাগের নবম অধ্যায়ে সরকারি কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়েছে। - সংবিধানের ১৩৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি এক বা একাধিক কমিশন গঠনের ক্ষমতা রাখেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৪০(২) — এটি সরকারি কর্ম কমিশনের বার্ষিক প্রতিবেদন পেশ করার বিধান সম্পর্কিত অনুচ্ছেদ। B) ১৬৩ — এই অনুচ্ছেদটি সংবিধানের কোনো প্রাসঙ্গিক বিধান বা বর্তমান প্রেক্ষাপটে কমিশনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) ১৩৭ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি এখানে প্রযোজ্য নয়। D) ১৩৮ — এটি সরকারি কর্ম কমিশনের সদস্যদের নিয়োগ ও পদের মেয়াদ সম্পর্কিত অনুচ্ছেদ। মনে রাখার টিপস: সংবিধানের ১৩৭ অনুচ্ছেদে কমিশন গঠন এবং ১৩৮ অনুচ্ছেদে সদস্যদের নিয়োগের কথা বলা হয়েছে।
a ১৯৮৫ সালে, ঢাকায়
b ১৯৮৩ সালে, দিল্লিতে
c ১৯৮৪ সালে, কলোম্বোতে
d ১৯৮৬ সালে, মালেতে
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৯৮৫ সালে, ঢাকায় কেন সঠিক: - দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা বা সার্ক ১৯৮৫ সালের ৮ ডিসেম্বর ঢাকার তেজগাঁওয়ে অনুষ্ঠিত শীর্ষ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়। - তৎকালীন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উদ্যোগে এই আঞ্চলিক জোট গঠনের ধারণা শুরু হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৮৫ সালে, ঢাকায় — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালে ঢাকায় সার্কের প্রথম আনুষ্ঠানিক শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। B) ১৯৮৩ সালে, দিল্লিতে — এই সালে নয়াদিল্লিতে সার্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক হয়েছিল, কিন্তু সংস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়নি। C) ১৯৮৪ সালে, কলোম্বোতে — এই সালে শ্রীলঙ্কার কলম্বোতে সার্কের পরিকল্পনা নিয়ে প্রস্তুতিমূলক বৈঠক হয়েছিল, প্রতিষ্ঠার সাল এটি নয়। D) ১৯৮৬ সালে, মালেতে — এই সালে মালদ্বীপের রাজধানী মালেতে সার্কের কোনো প্রতিষ্ঠাতা সম্মেলন হয়নি। মনে রাখার টিপস: সার্ক প্রতিষ্ঠার সাল মনে রাখতে 'ঢাকা ৮৫' এভাবে মনে রাখতে পারেন।
a এশিয়া
b ইউরোপ
c আফ্রিকা
d এন্টার্কটিকা
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) এশিয়া কেন সঠিক: - এশিয়া পৃথিবীর ক্ষেত্রফল এবং জনসংখ্যা উভয় দিক থেকেই সর্ববৃহৎ মহাদেশ। - পৃথিবীর মোট স্থলভাগের প্রায় ত্রিশ শতাংশ এশিয়া মহাদেশের অন্তর্ভুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) এশিয়া — এটি পৃথিবীর বৃহত্তম মহাদেশ এবং জনসংখ্যার দিক থেকেও প্রথম স্থানে রয়েছে। B) ইউরোপ — এটি আয়তন ও জনসংখ্যার দিক থেকে এশিয়ার তুলনায় অনেক ছোট একটি মহাদেশ। C) আফ্রিকা — এটি পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাদেশ হলেও ক্ষেত্রফলে এশিয়ার চেয়ে ছোট। D) এন্টার্কটিকা — এটি একটি জনবিরল ও বরফাবৃত মহাদেশ এবং এর আয়তন এশিয়ার তুলনায় বেশ কম। মনে রাখার টিপস: বিশ্বের বৃহত্তম মহাদেশ মনে রাখতে নামের প্রথম অক্ষর এশিয়া এবং আকারেও এটি সবার আগে।
a ৫
b ৬
c ৭
d ৮
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়ের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: B) ৬ কেন সঠিক: - উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদ বা জিসিসি (GCC) মূলত মধ্যপ্রাচ্যের পারস্য উপসাগর তীরবর্তী ছয়টি আরব দেশের একটি আঞ্চলিক ও অর্থনৈতিক জোট। - এই ছয়টি সদস্য রাষ্ট্র হলো সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, কাতার, বাহরাইন ও ওমান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৫ — এই সংখ্যাটি জিসিসির সদস্য সংখ্যার চেয়ে কম, কারণ জোটে আনুষ্ঠানিকভাবে ছয়টি দেশ রয়েছে। B) ৬ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ জিসিসির বর্তমান ও প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য সংখ্যা ঠিক ছয়টি। C) ৭ — এই সংখ্যাটি ভুল, কারণ জিসিসিতে সাতটি সদস্য দেশ কখনো ছিল না। D) ৮ — এই সংখ্যাটি সঠিক নয়, জিসিসির সদস্য সংখ্যা আটটি নয় বরং ছয়টি। মনে রাখার টিপস: জিসিসির ছয়টি দেশকে মনে রাখতে কুয়েত ও কাতারের সাথে সৌদি আরব, ওমান, বাহরাইন এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতকে মিলিয়ে ছয় সংখ্যাটি মনে রাখুন।
a দুর্ভিক্ষ ও দারিদ্র্য
b উন্নয়নের গতিধারা
c মাইক্রো ক্রেডিট
d বৈদেশিক সাহায্য
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দুর্ভিক্ষ ও দারিদ্র্য কেন সঠিক: - অমর্ত্য সেন কল্যাণ অর্থনীতিতে অবদানের জন্য ১৯৯৮ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। - তার মূল গবেষণার বিষয় ছিল দুর্ভিক্ষ, দারিদ্র্য এবং সামাজিক পছন্দের তত্ত্ব। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দুর্ভিক্ষ ও দারিদ্র্য — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি দুর্ভিক্ষ ও দারিদ্র্যের অর্থনৈতিক কারণ সফলভাবে বিশ্লেষণ করেছেন। B) উন্নয়নের গতিধারা — এটি তার গবেষণার একটি অংশ হলেও নোবেল পুরস্কার অর্জনের মূল বিষয় ছিল দুর্ভিক্ষ ও দারিদ্র্য। C) মাইক্রো ক্রেডিট — এটি ক্ষুদ্রঋণের সঙ্গে সম্পর্কিত, যার জন্য নোবেল পেয়েছিলেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস। D) বৈদেশিক সাহায্য — এটি আন্তর্জাতিক অর্থনীতির একটি বিষয়, যা তার নোবেলজয়ী মূল গবেষণার বিষয় ছিল না। মনে রাখার টিপস: অমর্ত্য সেন মানেই দুর্ভিক্ষ ও দারিদ্র্য নিয়ে নোবেল গবেষণা।
a ১৯৭২
b ১৯৭৩
c ১৯৭৪
d ১৯৭৫
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯৭৪ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে লাহোরে অনুষ্ঠিত ওআইসি (OIC) শীর্ষ সম্মেলনে যোগদান করে এই সংস্থার সদস্যপদ লাভ করে। - জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কূটনৈতিক সাফল্যের কারণে বাংলাদেশ স্বাধীনতার পরপরই মুসলিম বিশ্বের এই গুরুত্বপূর্ণ সংগঠনের সদস্য হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৭২ — এই সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হলেও ওআইসি সংস্থাটির সদস্যপদ লাভ করেনি। B) ১৯৭৩ — এই বছর বাংলাদেশ ওআইসি-র সদস্যপদ পায়নি, তবে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়নে কাজ করে। C) ১৯৭৪ — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাংলাদেশ এই সালেই ওআইসি-র আনুষ্ঠানিক সদস্যপদ লাভ করে। D) ১৯৭৫ — এই সালে সদস্যপদ লাভের ঘটনা ঘটেনি, এটি ওআইসি সদস্যপদ প্রাপ্তির পরের বছর। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার তিন বছর পর অর্থাৎ ১৯৭৪ সালে ওআইসি-র সদস্যপদ লাভ করে।
a রাঙ্গামাটি
b রংপুর
c কুমিল্লা
d সিলেট
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সিলেট কেন সঠিক: - মনিপুরী নাচ বাংলাদেশের সিলেট অঞ্চলের মনিপুর সম্প্রদায়ের একটি অত্যন্ত সমৃদ্ধ ঐতিহ্যবাহী নৃত্যশৈলী। - এই নৃত্যের মূল বৈশিষ্ট্য হলো এর লাস্যময়ী ভঙ্গি, পদচারণা এবং শ্রীকৃষ্ণের রাধাকে কেন্দ্র করে ভক্তিমূলক ভাবপ্রকাশ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাঙ্গামাটি — এটি পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের জেলা যেখানে চাকমা, মারমা ও তঞ্চঙ্গ্যাসহ বিভিন্ন পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর নিজস্ব ঐতিহ্যবাহী নৃত্য প্রচলিত আছে। B) রংপুর — এটি উত্তরবঙ্গের একটি জেলা যেখানে ভাওয়াইয়া গান ও পাইক নাচসহ স্থানীয় লোকসংস্কৃতি চর্চা করা হয়। C) কুমিল্লা — এটি সমতট অঞ্চলের ঐতিহাসিক জেলা যেখানে লাঠিখেলা ও গাজীর গানসহ বিভিন্ন লোকজ সংস্কৃতির প্রচলন রয়েছে। D) সিলেট — এটি সঠিক উত্তর কারণ মনিপুরী নাচ এই অঞ্চলের মনিপুরী সম্প্রদায়ের সংস্কৃতির প্রধান ঐতিহ্য। মনে রাখার টিপস: মনিপুরী নাচ ও সিলেট অঞ্চল মনে রাখতে মনিপুরী জনগোষ্ঠীর প্রধান আবাসস্থল সিলেটকে মনে রাখুন।
a আড়িয়াল খাঁ
b সুরমা
c চন্দনা
d রূপসা
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সুরমা কেন সঠিক: - সিলেট শহরটি সুরমা নদীর তীরে অবস্থিত। - বরাক নদী থেকে উৎপন্ন হয়ে সুরমা নদী সিলেটের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আড়িয়াল খাঁ — এটি মাদারীপুর ও বরিশাল অঞ্চলের একটি নদী, সিলেটের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) সুরমা — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং সিলেট শহর এই নদীর তীরে অবস্থিত। C) চন্দনা — এটি ফরিদপুর অঞ্চলের একটি নদী, সিলেটের সঙ্গে এর কোনো সংযোগ নেই। D) রূপসা — এটি খুলনা অঞ্চলের একটি নদী, যা সিলেটের ভৌগোলিক সীমানার বাইরে অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: সিলেটের সুরমা নদী মনে রাখতে 'স' দিয়ে সিলেট এবং 'স' দিয়ে সুরমা এভাবে মিলিয়ে পড়া যায়।
a কর্নওয়ালিস
b ক্লাইভ
c জন মেয়ার
d ওয়ারেন হেস্টিংস
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কর্নওয়ালিস কেন সঠিক: - লর্ড কর্নওয়ালিস ১৭৯৩ সালে বাংলায় চিরস্থায়ী বন্দोबस्त বা ভূমি ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন। - এই ব্যবস্থার মাধ্যমে জমিদারগণ নির্দিষ্ট রাজস্বের বিনিময়ে ভূমির চিরস্থায়ী মালিকানা লাভ করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্নওয়ালিস — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। B) ক্লাইভ — রবার্ট ক্লাইভ বাংলায় দ্বৈত শাসন প্রবর্তন করেছিলেন, চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত নয়। C) জন মেয়ার — জন মেয়ার এই ঐতিহাসিক ভূমি ব্যবস্থার সাথে যুক্ত ছিলেন না। D) ওয়ারেন হেস্টিংস — ওয়ারেন হেস্টিংস পাঁচসালা ও একসালা বন্দোবস্ত প্রবর্তন করেছিলেন। মনে রাখার টিপস: চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের সাথে কর্নওয়ালিসের নাম মনে রাখতে "ক" দিয়ে চিরস্থায়ী এবং "ক" দিয়ে কর্নওয়ালিস মিলিয়ে পড়তে পারো।
a মোহাম্মদ আইউব খান
b আখতার হামিদ খান
c আবদুল হামিদ খান ভাসানী
d এ. কে. ফজলুল হক
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আখতার হামিদ খান কেন সঠিক: - ড. আখতার হামিদ খান ১৯৫৯ সালে কুমিল্লায় বাংলাদেশ একাডেমী ফর রুরাল ডেভেলপমেন্ট (BARD) প্রতিষ্ঠা করেন। - তিনি পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় আন্দোলনের একজন প্রবীন চিন্তাবিদ এবং প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মোহাম্মদ আইউব খান — তিনি তৎকালীন পাকিস্তানের সামরিক শাসক ও প্রেসিডেন্ট ছিলেন, বার্ডের প্রতিষ্ঠাতা নন। B) আখতার হামিদ খান — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই ভুল নয়। C) আবদুল হামিদ খান ভাসানী — তিনি একজন প্রখ্যাত রাজনৈতিক নেতা ও মজলুম জননেতা ছিলেন, বার্ডের সঙ্গে যুক্ত নন। D) এ. কে. ফজলুল হক — তিনি বাংলার প্রখ্যাত রাজনৈতিক নেতা ও শেরেবাংলা নামে পরিচিত, বার্ড প্রতিষ্ঠা করেননি। মনে রাখার টিপস: কুমিল্লার 'বার্ড' (BARD) এবং 'আখতার হামিদ খান' উভয় নামের শুরুতে অ বর্ণটি আছে অথবা এভাবে মনে রাখুন, পল্লী উন্নয়নের বরপুত্র আখতার হামিদ খান কুমিল্লায় বার্ড প্রতিষ্ঠা করেন।
a ক্রনোমিটার
b ট্যাকোমিটার
c হাইগ্রোমিটার
d ওডোমিটার
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ট্যাকোমিটার কেন সঠিক: - ট্যাকোমিটার হলো এমন একটি যন্ত্র যা কোনো যানের, বিশেষ করে উড়োজাহাজ বা মোটর গাড়ির ইঞ্জিন প্রতি মিনিটে কতবার ঘোরে (RPM) তা পরিমাপ করে। - উড়োজাহাজের ক্ষেত্রে ইঞ্জিনের গতি ও কার্যক্ষমতা সঠিক রাখার জন্য এই যন্ত্র অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক্রনোমিটার — এটি অত্যন্ত নিখُুঁতভাবে সময় পরিমাপ করার জন্য ব্যবহৃত এক ধরণের ঘড়ি, যা সাধারণত জাহাজে দ্রাঘিমা নির্ণয়ে ব্যবহৃত হয়। B) ট্যাকোমিটার — এটি উড়োজাহাজ বা মোটর গাড়ির ইঞ্জিনের ঘূর্ণন গতি বা গতি নির্ণায়ক সঠিক যন্ত্র। C) হাইগ্রোমিটার — এটি বাতাসের আর্দ্রতা বা জলীয় বাষ্পের পরিমাণ পরিমাপ করার জন্য ব্যবহৃত হয়। D) ওডোমিটার — এটি কোনো যানবাহন কত দূরত্ব বা পথ অতিক্রম করেছে তা পরিমাপ করার যন্ত্র। মনে রাখার টিপস: ট্যাকো দিয়ে টার্বাইন বা ইঞ্জিনের ঘূর্ণন গতি মনে রাখতে পারেন।
a কিউরী
b রাদারফোর্ড
c চ্যাডউইক
d থমসন
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) চ্যাডউইক কেন সঠিক: - বিজ্ঞানী জেমস চ্যাডউইক ১৯৩২ সালে বেরিলিয়াম ধাতুর ওপর আলফা কণা ফেলিয়ে আধানহীন বা নিরপেক্ষ কণা হিসেবে নিউট্রন আবিষ্কার করেন। - পরমাণুর নিউক্লিয়াসে প্রোটনের সঙ্গে এই নিউট্রন অবস্থান করে এবং এর ভর প্রোটনের প্রায় সমান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কিউরী — পিয়েরে কিউরী ও মারি কিউরী তেজস্ক্রিয়তা নিয়ে গবেষণা এবং পলোনিয়াম ও রেডিয়াম মৌল আবিষ্কার করেন। B) রাদারফোর্ড — আর্নেস্ট রাদারফোর্ড পরমাণুর নিউক্লিয়াস ও প্রোটন আবিষ্কার করেন এবং আলফা কণা বিচ্ছুরণ পরীক্ষা করেন। C) চ্যাডউইক — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো প্রেক্ষাপট প্রযোজ্য নয়। D) থমসন — জে জে থমসন পরমাণুর ইলেকট্রন আবিষ্কার করেন এবং প্লাম পুডিং মডেল প্রদান করেন। মনে রাখার টিপস: ইট পরে চারে নাচ (ইলেকট্রন থমসন, প্রোটন রাদারফোর্ড, নিউট্রন চ্যাডউইক)।
a ফিনল্যান্ড
b আয়ারল্যান্ড
c রাশিয়া
d হল্যান্ড
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ফিনল্যান্ড কেন সঠিক: - হেলসিংকি হলো উত্তর ইউরোপের দেশ ফিনল্যান্ডের রাজধানী ও বৃহত্তম শহর। - এটি ফিনল্যান্ড উপসাগরের তীরে অবস্থিত দেশটির প্রধান রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফিনল্যান্ড — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ হেলসিংকি ফিনল্যান্ডের রাজধানী। B) আয়ারল্যান্ড — এটি উত্তর ইউরোপের একটি দেশ যার রাজধানী ডাবলিন। C) রাশিয়া — এটি বিশ্বের বৃহত্তম দেশ যার রাজধানী মস্কো। D) হল্যান্ড — এটি নেদারল্যান্ডস দেশের একটি অঞ্চল, যার রাজধানীর নাম আমস্টারডাম। মনে রাখার টিপস: ফিনল্যান্ডের রাজধানী হেলসিংকি মনে রাখতে "ফি-হেল" এই সংক্ষিপ্ত রূপটি ব্যবহার করতে পারো।

মোট প্রশ্ন (0)