সঠিক উত্তর: D) হ ম
১. কেন সঠিক:
হ্ম যুক্তবর্ণটি মূলত হ এবং ম বর্ণের সমন্বয়ে গঠিত হয়েছে। প্রমিত বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী এর বিশ্লিষ্ট রূপ হলো হ যোগ ম।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা বর্ণমালায় কিছু যুক্তবর্ণ রয়েছে যা দেখতে এক রকম কিন্তু গঠিত হয় অন্য বর্ণ দিয়ে। হ্ম যুক্তবর্ণটি লেখার সময় হ এর নিচে ম যুক্ত থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ব্রহ্মপুত্র
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতে হ্ম যুক্তবর্ণটি ব্যবহৃত হয়েছে এবং এর সঠিক বিশ্লিষ্ট রূপ হলো হ যোগ ম।
উদাহরণ ২: ব্রাহ্মণ
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও হ্ম যুক্তবর্ণের প্রয়োগ দেখা যায় যা হ এবং ম এর মিলনে তৈরি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ক ষ — এটি ক্ষ যুক্তবর্ণের বিশ্লিষ্ট রূপ।
B) ক ষ ণ — এটি কোনো প্রমিত যুক্তবর্ণের বিশ্লিষ্ট রূপ নয়।
C) ক ষ ম — এটি কোনো প্রমিত যুক্তবর্ণের বিশ্লিষ্ট রূপ নয়।
D) হ ম — এটি সঠিক উত্তর কারণ হ্ম যুক্তবর্ণটি হ এবং ম এর সংযোগে গঠিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
ব্রহ্মপুত্র বা ব্রাহ্মণ শব্দ লেখার সময় খেয়াল রাখবে যে বানানে হ্ম আছে, সেখানে হ এর সাথে ম যুক্ত থাকে, ক বা ষ এর কোনো সম্পর্ক নেই।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই হ্ম এবং ক্ষ যুক্তবর্ণের বিশ্লিষ্ট রূপ নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি করা হয়। তাই হ্ম দেখলে হ এবং ম আর ক্ষ দেখলে ক এবং ষ মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: A) অশোক মুখোপাধ্যায়
কেন সঠিক:
- বাংলা ভাষায় প্রথম পূর্ণাঙ্গ থিসরাস বা সমার্থক শব্দের অভিধান সংকলন করেছেন অধ্যাপক অশোক মুখোপাধ্যায়।
- তাঁর এই ঐতিহাসিক অভিধানটি বাংলা শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধকরণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- থিসরাস হলো এমন একটি গ্রন্থ যেখানে সমার্থক ও প্রায় সমার্থক শব্দগুলোকে এক জায়গায় সাজানো হয়।
- বাংলা সাহিত্যে এবং lexicography বা অভিধান বিজ্ঞানে অশোক মুখোপাধ্যায়ের এই কাজ একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত।
- উদাহরণস্বরূপ, জলের সমার্থক শব্দ যেমন পানি, অম্বু, উদক - এসব এই ধরনের থিসরাসে একসঙ্গে পাওয়া যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) অশোক মুখোপাধ্যায় — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি ভুল নয়।
- B) জগন্নাথ চক্রবর্তী — তিনি একজন বিশিষ্ট কবি ও অধ্যাপক হলেও থিসরাস সংকলক নন।
- C) মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান — তিনি প্রধানত আইনবিদ, প্রাবন্ধিক এবং 'শব্দার্থ ও বচন বৈচিত্র্য' এর মতো কাজের জন্য পরিচিত হলেও প্রথম থিসরাস সংকলক নন।
- D) মুহম্মদ শহীদুল্লাহ — তিনি বিখ্যাত ভাষাবিজ্ঞানী ও পন্ডিত হলেও প্রথম বাংলা থিসরাস তিনি সংকলন করেননি।
মনে রাখার টিপস:
- প্রথম বাংলা থিসরাস মনে রাখতে 'অশোক মুখোপাধ্যায়' নামটি মাথায় রাখবে, কারণ তিনিই প্রথম এই অসাধ্য সাধন করেছিলেন।
সঠিক উত্তর: B) ডান
১. কেন সঠিক:
- বামেতর শব্দটির ব্যাসবাক্য বা গঠন বিশ্লেষণ করলে দাঁড়ায় বাম যোগ ইতর। এখানে ইতর শব্দের অর্থ ভিন্ন বা অপর, ফলে বাম যোগ ইতর অর্থাৎ বামের অপর দিক বোঝায়।
- বাংলা ব্যাকরণ ও সংস্কৃতির প্রথা অনুযায়ী বাম দিকের বিপরীত বা অপর দিক হিসেবে দক্ষিণ বা ডান দিককে নির্দেশ করা হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- সংস্কৃতে ইতর শব্দের অর্থ অন্য বা ভিন্ন, যেমন অহমহমিকায় ইতর বলতে অপরকে বোঝানো হয়।
- বাংলা ভাষায় শব্দের অর্থের এমন উৎকর্ষ বা পরিবর্তন প্রায়ই দেখা যায়, যেখানে সাধারণ অর্থ বাদ দিয়ে নির্দিষ্ট বিপরীত অর্থ প্রকাশ পায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বামেতর লোচন
ব্যাখ্যা: এখানে বামেতর বলতে ডান চোখ বোঝানো হয়েছে, কারণ চোখের ক্ষেত্রে বামের অপর দিক হলো ডান চোখ।
উদাহরণ ২: বামেতর পা
ব্যাখ্যা: শরীরের অঙ্গের ক্ষেত্রে বামের বিপরীত বা অপর দিক হিসেবে ডান পা বোঝাতে এই শব্দ ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বামচোখ — বামেতর শব্দের অর্থ বাম দিক নয়, বরং তার বিপরীত বা অপর দিক তথা ডান দিক বোঝায়।
B) ডান — এটি সঠিক উত্তর কারণ বামেতর শব্দের আভিধানিক অর্থ বামের অপর দিক অর্থাৎ ডান দিক।
C) ইতর — ইতর শব্দের সাধারণ অর্থ ছোটলোক বা ভিন্ন হলেও এখানে পুরো পদের অর্থ সামগ্রিকভাবে ডান দিক নির্দেশ করে।
D) বাম দিক — বামেতর শব্দের অর্থ বাম দিক নয়, বরং বাম দিকের ঠিক বিপরীত বা অন্য দিক অর্থাৎ ডান দিক।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বাম যোগ ইতর অর্থাৎ বামের অপর দিক মনে রাখলে খুব সহজেই ডান দিক উত্তর বের করা সম্ভব।
- ইতর শব্দের ভিন্ন অর্থ মনে রেখে বামের সঙ্গে মেলালে বিভ্রান্তি দূর হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের পদের আভিধানিক অর্থ জানতে চাওয়া হয়।
- শব্দের মূল অর্থ না বুঝে আক্ষরিক বিশ্লেষণ করলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে, তাই বিশেষার্থ মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) ঢাকা, ২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২
১. কেন সঠিক:
বাংলা একাডেমি প্রমিত বাংলা বানরীতি ও বিরামচিহ্ন ব্যবহারের নিয়ম অনুযায়ী, তারিখ লেখার সময় বার, মাস এবং সালের মধ্যে কমা ব্যবহার করতে হয় কিন্তু স্থান বা শহরের নামের পর সরাসরি কমা বসিয়ে তারিখ লেখা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
এখানে 'ঢাকা, ২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২' লেখায় স্থানবাচক শব্দের পর কমা ব্যবহারের ক্ষেত্রে প্রমিত নিয়মের লঙ্ঘন ঘটেছে যা বিরামচিহ্নের যথাযথ প্রয়োগ নয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে বাক্যকে স্পষ্ট করার জন্য এবং অর্থের রূপ পরিষ্কার করার জন্য বিরামচিহ্ন বা যতিচিহ্নের ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
তারিখ লেখার সময় সাধারণত সংখ্যাবাচক বা অক্ষরভিত্তিক ক্রমানুসারে মাস, দিন এবং সালের অংশগুলোকে আলাদা করার জন্য কমা বসানোর নির্দিষ্ট নিয়ম প্রচলিত রয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ঢাকা ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২
ব্যাখ্যা: স্থান এবং তারিখের মাঝে কমা না দিয়ে প্রমিত নিয়ম অনুসরণ করলে বাক্যটি বা ঠিকানাটি সঠিক হয়।
উদাহরণ ২: ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
ব্যাখ্যা: মাস, দিন এবং সালের প্রমিত বিন্যাসে অতিরিক্ত কমা ব্যবহার না করার সঠিক রূপ এটি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ডিসেম্বর ১৬, ১৯৭১ — এই অপশনটি সঠিক কারণ ইংরেজি বা প্রমিত বিন্যাসে মাসের নামের পর দিন এবং কমা দিয়ে সাল সঠিকভাবে লেখা হয়েছে।
B) ২৬ মার্চ, ১৯৭১ — এই অপশনটি সঠিক কারণ তারিখ এবং সালের মাঝে প্রমিত নিয়ম অনুযায়ী কমা সঠিকভাবে ব্যবহার করা হয়েছে।
C) ঢাকা, ২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২ — এই অপশনটি ভুল কারণ স্থান বা শহরের নামের পর কমা বসিয়ে তারিখ লেখার কোনো প্রমিত নিয়ম বাংলা ব্যাকরণে স্বীকৃত নয়।
D) পয়লা বৈশাখ, চৌদ্দশো সাত — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাংলা সনের ক্ষেত্রে দিন বা উৎসবের নামের পর সাল লেখার সময় কমার সঠিক ব্যবহার করা হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
তারিখ লেখার সময় স্থান ও তারিখের মাঝখানে কমা ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকতে হবে এবং শুধু তারিখ ও সালের মধ্যে কমা বসাতে হবে।
বাংলা ব্যাকরণের বিরামচিহ্ন সংক্রান্ত প্রমিত নিয়মগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের ভুল সহজেই চিহ্নিত করা সম্ভব।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বাক্যশুদ্ধি ও বিরামচিহ্নের সঠিক ব্যবহার সংক্রান্ত প্রশ্ন এসে থাকে যা সতর্কতার সাথে সমাধান করতে হয়।
বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বানান ও ব্যাকরণ নিয়ম অনুসরণ করে এ ধরনের প্রশ্নগুলোর সঠিক উত্তর নির্ধারণ করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) গোমড়ামুখো লোক
১. কেন সঠিক:
- রামগরুড়ের ছানা বাগধারাটির আক্ষরিক অর্থ রামগরুড়ের বাচ্চা হলেও প্রমিত অর্থে এটি এমন একজন ব্যক্তিকে বোঝায় যিনি সবসময় গম্ভীর থাকেন, হাসিখুশি থাকেন না এবং সহজে মিশতে পারেন না।
- বাংলা লোকসাহিত্যে বা কথ্য ভাষায় এই বিশেষ শব্দগুচ্ছটি মানুষের স্বভাবের একটি নেতিবাচক বা কৌতুকপূর্ণ দিক প্রকাশ করতে সুনির্দিষ্টভাবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা ভাষার একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও বহুল ব্যবহৃত বাগধারা, যার উৎস মূলত প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও কবি কামিনী রায়ের একটি ছড়া থেকে এসেছে।
- এই ধরনের বাগধারাগুলো সাধারণ শব্দের বাইরে গিয়ে একটি বিশেষ ও ঐতিহ্যগত ভাব প্রকাশ করে, যা বাক্যের সৌন্দর্য ও ভাবার্থ বৃদ্ধি করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ক্লাসের নতুন শিক্ষককে দেখে মনে হচ্ছে তিনি যেন এক রামগরুড়ের ছানা, কেউ তার সামনে হাসতেও সাহস পাচ্ছে না।
ব্যাখ্যা: এখানে শিক্ষকের গম্ভীর ও অমায়িক স্বভাবহীন রূপ বোঝাতে বাগধারাটি সফলভাবে ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: সারাদিন অফিসের কাজে ব্যস্ত থাকার পর লোকটির মুখ সবসময় রামগরুড়ের ছানার মতো গম্ভীর হয়ে থাকে।
ব্যাখ্যা: এই উদাহরণটিতে মানুষের অতিরিক্ত গাম্ভীর্য ও হাসিমুখহীন অবস্থাকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কাল্পনিক জন্তু — রামগরুড় কোনো কাল্পনিক বা পৌরাণিক জন্তু নয়, এটি মানুষের একটি বিশেষ মানবীয় স্বভাব বা আচরণকে নির্দেশ করে।
B) গোমড়ামুখো লোক — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) মুরগি — রামগরুড়ের ছানা কোনো পশুপাখি বা মুরগির বাচ্চাকে বোঝায় না, এটি মানুষের মনস্তাত্ত্বিক রূপ।
D) পুরাণোক্ত পাখি — এটি কোনো পৌরাণিক বা শাস্ত্রীয় পাখি নয়, বরং লোকমুখে প্রচলিত একটি বিশেষ বাগধারা।
৫. মনে রাখার টিপস:
- রামগরুড় মানে যার মুখে হাসি নেই, অর্থাৎ যে সবসময় গোমড়ামুখো হয়ে থাকে। এভাবে মনে রাখলে পরীক্ষার হলে ভুল হবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত বাগধারার উৎস বা সঠিক অর্থ জানতে চাওয়া হয়, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) ক্রিয়া-বিশেষণ
১. কেন সঠিক:
যে পদ বাক্যের ক্রিয়াকে বিশেষিত করে অর্থাৎ ক্রিয়া কীভাবে, কখন, কোথায়, কী পরিমাণে সম্পন্ন হয় তার গুণ, প্রকৃতি বা তীব্রতা প্রকাশ করে, তাকে ক্রিয়া-বিশেষণ বলে।
এই প্রশ্নে ক্রিয়া পদের প্রকৃতি ও তীব্রতা বোঝানোর কথা বলা হয়েছে, যা সরাসরি ক্রিয়া-বিশেষণ পদের সংজ্ঞার সঙ্গে মিলে যায়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে যে পদ বিশেষ্য বা সর্বনাম ছাড়া অন্য পদ যেমন ক্রিয়া, বিশেষণ বা অন্য কোনো ক্রিয়া-বিশেষণকে বিশেষিত করে, তাকে ক্রিয়া-বিশেষণ বলা হয়।
এটি সাধারণত বাক্যের ক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার ভাব, কাল বা স্থান নির্দেশ করে এবং ক্রিয়াকে আরও স্পষ্টভাবে ফুটিয়ে তোলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সে দ্রুত হাঁটে।
ব্যাখ্যা: হাঁটা ক্রিয়াটি কীভাবে ঘটছে তার প্রকৃতি বোঝাচ্ছে দ্রুত শব্দটি, তাই এটি ক্রিয়া-বিশেষণ।
উদাহরণ ২: বৃষ্টি খুব ঝরছে।
ব্যাখ্যা: ঝরা ক্রিয়ার তীব্রতা বোঝাচ্ছে খুব শব্দটি, তাই এটি এখানে ক্রিয়া-বিশেষণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ক্রিয়াবাচক বিশেষ্য — যে বিশেষ্য পদ কোনো কাজের নাম বোঝায় তাকে ক্রিয়াবাচক বিশেষ্য বলে, যা ক্রিয়ার গুণ বা তীব্রতা প্রকাশ করে না।
B) ক্রিয়া-বিশেষণ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ক্রিয়ার গুণ, প্রকৃতি ও তীব্রতা প্রকাশ করে।
C) ক্রিয়াবিশেষ্যজাত বিশেষণ — যে পদ ক্রিয়াবিশেষণ থেকে উৎপন্ন হয়ে অন্য পদকে বিশেষিত করে, তা এই প্রশ্নের মূল চাহিদার সঙ্গে মেলে না।
D) ক্রিয়াবিভক্তি — ক্রিয়াপদের সঙ্গে যুক্ত যে বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি কাল ও পুরুষ নির্দেশ করে, তা ক্রিয়ার প্রকৃতি বা তীব্রতা বোঝায় না।
৫. মনে রাখার টিপস:
ক্রিয়া কীভাবে সম্পাদিত হয় তা জানতে ক্রিয়াকে কীভাবে বা কেন দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, সেটাই ক্রিয়া-বিশেষণ।
বাক্যের মূল ক্রিয়াকে বিশেষিত করার কাজটি কেবল ক্রিয়া-বিশেষণ পদই সম্পন্ন করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পদ প্রকরণ থেকে প্রায়ই এই ধরনের প্রশ্ন আসে, তাই বিশেষ্য ও বিশেষণের পার্থক্য ভালো করে বুঝতে হবে।
অন্যান্য পদের সঙ্গে ক্রিয়া-বিশেষণের পার্থক্য নির্ণয় করার সময় খেয়াল রাখতে হবে পদটি কাকে বিশেষিত করছে।
সঠিক উত্তর: C) প্রাতঃ + আশ
কেন সঠিক:
- এই শব্দটিতে বিসর্গ সন্ধির নিয়ম প্রয়োগ করা হয়েছে।
- প্রাতঃ শব্দের বিসর্গের সঙ্গে আশ শব্দের আ যোগ হয়ে প্রাতরাশ গঠিত হয়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বিসর্গ সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী বিসর্গের পর স্বরবর্ণ থাকলে বিসর্গ লুপ্ত হয় না, বরং বিশেষ নিয়মে পরিবর্তিত হয়।
- এখানে অ কারান্ত পদের পর অ থাকলে বিসর্গ ও কারে রূপান্তরিত হয় এবং পরবর্তী অ লুপ্ত হয়ে আ কার থাকে।
- যেমন অহঃ + অহ = অহরহ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) প্রাত + রাশ — এটি ব্যাকরণের কোনো নিয়ম মেনে গঠিত হয়নি কারণ প্রাত শব্দের পর কোনো বিসর্গ নেই।
- B) প্রাতঃ + রাশ — রাশ শব্দটি ভুল, কারণ সঠিক শব্দটি আশ বা আহার থেকে এসেছে।
- C) সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি এখানে প্রযোজ্য নয়।
- D) প্রাত + আশ — এখানে প্রাত শব্দের সঙ্গে বিসর্গ না থাকায় এটি সঠিক সন্ধি গঠন করে না।
মনে রাখার টিপস:
- সকালের খাবার অর্থে প্রাতঃ শব্দের সঙ্গে আশ যুক্ত করে প্রাতরাশ লিখতে হয়।
- সন্ধি করার সময় বিসর্গের ব্যবহার মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) স্বায়ত্তশাসন, আভ্যন্তর, জন্মবার্ষিক
কেন সঠিক:
এই শব্দগুচ্ছের প্রতিটি শব্দের বানান বাংলা বানান রীতি অনুযায়ী সম্পূর্ণ নির্ভুল ও আদর্শ।
এখানে যুক্তবর্ণ এবং প্রত্যয় ব্যবহারের ক্ষেত্রে বাংলা একাডেমির নিয়ম সঠিকভাবে মেনে চলা হয়েছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা বানানে তৎসম ও অর্ধ-তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে ব্যাকরণের নির্দিষ্ট নিয়ম অনুসরণ করতে হয়।
ডুক্তবর্ণ এবং নত্ব ও শতত্ব বিধানের সঠিক প্রয়োগের মাধ্যমে এই শব্দগুলো গঠিত হয়েছে।
যেমন আভ্যন্তর এবং জন্মবার্ষিক শব্দগুলোতে সঠিক প্রত্যয় ও ফলা যুক্ত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভবিষ্যত — এখানে ভবিষ্যতে খণ্ড ত এর পরিবর্তে ত হবে এবং ভৌগলিক বানানে ও কার হবে না।
B) সম্বর্ধনা — এই শব্দটি ভুল, কারণ সমবর্গীয় ধ্বনির নিয়ম অনুযায়ী এটি সংবর্ধনা হবে।
D) কেবলমাত্র — কেবল এবং মাত্র দুটি একসাথে ব্যবহার করা বাহুল্য, কেবল বা মাত্র ব্যবহার করতে হবে।
মনে রাখার টিপস:
বানান শেখার সময় বাংলা একাডেমির প্রমিত বানান রীতি নিয়মিত চর্চা করতে হবে।
সমাসবদ্ধ ও প্রত্যয়যুক্ত শব্দের ক্ষেত্রে মূল শব্দ ও প্রত্যয়ের রূপ ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) শৈবালিনী, তরঙ্গিনী, সরিৎ
১. কেন সঠিক:
- প্রদত্ত অপশনের শব্দগুলো নদী বা প্রবাহিনী অর্থে সম্পূর্ণ সমার্থক।
- একটি শব্দ অন্যটির পরিপূরক হিসেবে নদীর সমার্থক ধারা নির্দেশ করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দগুলো যাদের অর্থ প্রায় একই রকম।
- এই প্রশ্নটি শব্দের অর্থ ও সমার্থক শব্দ নির্ণয় সম্পর্কিত ব্যাকরণ অংশের অন্তর্ভুক্ত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নদী, তটিনী, প্রবহমান
ব্যাখ্যা: এগুলো নদীর সমার্থক শব্দ হিসেবে বহুল ব্যবহৃত।
উদাহরণ ২: সিন্ধু, সাগর, অর্ণব
ব্যাখ্যা: এগুলো সমুদ্রের সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দীর্ঘিকা, নদী, প্রণালী — দীর্ঘিকা অর্থ দীঘি বা পুকুর এবং প্রণালী হলো জলভাগ, তাই এই গুচ্ছের শব্দগুলো একার্থক নয়।
B) শৈবালিনী, তরঙ্গিনী, সরিৎ — এই অপশনের সবকটি শব্দই নদীর সমার্থক।
C) গাঙ, তটিনী, অর্ণব — অর্ণব অর্থ সমুদ্র, যা নদী বা গাঙ শব্দের সমার্থক নয়।
D) স্রোতস্বিনী, নির্ঝরিণী, সিন্ধু — সিন্ধু অর্থ সমুদ্র, যা ঝরনা বা নদীর স্রোতের সঙ্গে পুরোপুরি মেলে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- নদীর সমার্থক শব্দগুলো মনে রাখার জন্য প্রথম অক্ষর মিলিয়ে পড়তে পারো।
- সমুদ্র ও নদীর সমার্থক শব্দগুলো আলাদা করে তালিকা তৈরি করো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নদী ও সমুদ্রের সমার্থক শব্দ প্রায়ই বিভ্রান্তি তৈরি করে।
- প্রশ্ন সমাধানের সময় শব্দের উৎস ও অন্তর্নিহিত অর্থ ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) পর্তুগিজ
১. কেন সঠিক:
- পেয়ারা শব্দটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে।
- পর্তুগিজ বণিক ও ধর্মযাজকদের মাধ্যমে বাংলায় এই শব্দটি প্রবেশ করেছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বিদেশি শব্দ বা আগন্তুক শব্দ হলো সেসব শব্দ, যা বিভিন্ন বিদেশি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে।
- পর্তুগিজ জাতির সাথে বাঙালির দীর্ঘ বাণিজ্য ও ঔপনিবেশিক যোগাযোগের কারণে বহু পর্তুগিজ শব্দ বাংলায় স্থায়ীভাবে মিশে গেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আনারস
ব্যাখ্যা: এটিও পর্তুগিজ ভাষা থেকে আগত একটি অতি পরিচিত ফলবাচক শব্দ।
উদাহরণ ২: চাবি
ব্যাখ্যা: দৈনন্দিন ব্যবহৃত এই বস্তুটি বোঝাতে পর্তুগিজ ভাষা থেকে আগত এই শব্দটি বাংলায় ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হিন্দি — হিন্দি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় অনেক শব্দ এলেও পেয়ারা শব্দটি হিন্দি নয়।
B) উর্দু — উর্দু ভাষা মূলত ভারতের বিভিন্ন ভাষার মিশ্রণে সৃষ্টি হয়েছে এবং পেয়ারা এর উৎস নয়।
C) পর্তুগিজ — এই অপশনটি সঠিক কারণ পেয়ারা শব্দটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে সরাসরি বাংলায় এসেছে।
D) গ্রিক — গ্রিক ভাষা থেকে বাংলায় খুব কম শব্দ এসেছে এবং পেয়ারা তার মধ্যে পড়ে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- পর্তুগিজ শব্দ মনে রাখার সহজ উপায় হলো খাদ্য ও দৈনন্দিন ব্যবহারের জিনিসগুলো যেমন পেয়ারা, আনারস, চাবি, বালতি এক সাথে মনে রাখা।
- বিদেশি শব্দ চেনার জন্য শব্দের গঠন ও উৎপত্তির ইতিহাস খেয়াল রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পর্তুগিজ শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- ফলমূল ও ঘরের ব্যবহারের অনেক নাম সাধারণত পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে।
সঠিক উত্তর: A) কল্যাণীয়েষু
১. কেন সঠিক:
চিঠিপত্র বা দরখাস্তে প্রাপক বা সম্বোধিত ব্যক্তির বয়স, সামাজিক অবস্থান এবং সম্পর্কের ওপর ভিত্তি করে বিশেষ সম্বোধনবাচক শব্দ ব্যবহার করা হয়।
অপেক্ষাকৃত ছোট বা জুনিয়র নারী, যেমন কন্যা, ছাত্রী বা অনুজার ক্ষেত্রে প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও পত্রযোগাযোগ রীতি অনুযায়ী কল্যাণীয়া শব্দটি প্রযোজ্য হয়, যার বহুবচনে বা সম্বোধনে কল্যাণীয়েষু ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা পত্রলিখন রীতিতে সম্বোধন পদের ক্ষেত্রে লিঙ্গভেদ ও বয়সভেদ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়।
বয়সে ছোট বা পদমর্যাদায় অনুজ পুরুষদের ক্ষেত্রে কল্যাণীয়েষু এবং নারীদের ক্ষেত্রে কল্যাণীয়েষু বা কল্যাণীয়েষু স্ত্রীবাচক রূপ হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তবে আধুনিক বাংলা ব্যাকরণে ছোটদের ক্ষেত্রে সাধারণত পুংলিঙ্গবাচক রূপ বহুল প্রচলিত হলেও নারীর ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: স্নেহাশিষেষু
ব্যাখ্যা: এটি সাধারণত অত্যন্ত স্নেহের ছোট ভাই বা পুত্রতুল্য কাউকে চিঠিতে সম্বোধন করার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
উদাহরণ ২: শ্রদ্ধাস্পদেষু
ব্যাখ্যা: এই সম্বোধনটি নিজের চেয়ে বয়সে বড়, মুরুব্বি বা শিক্ষকদের ক্ষেত্রে সম্মান প্রদর্শন করে চিঠি লেখার সময় ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কল্যাণীয়েষু — এটি সঠিক উত্তর কারণ ছোট বা অনুজ নারীকে সম্বোধনের ক্ষেত্রে এই বহুবচনান্ত পদটি চিঠিপত্রে প্রমিত নিয়ম অনুযায়ী ব্যবহার করা হয়।
B) সুচরিতেষু — এটি উত্তম চরিত্র বা গুণী কোনো পুরুষ ব্যক্তিকে সম্বোধন করার ক্ষেত্রে চিঠিতে ব্যবহার করা হয়, নারীদের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নয়।
C) শ্রদ্ধাস্পদাসু — এটি গুরুজন বা বয়সে বড় কোনো নারীকে শ্রদ্ধার সাথে সম্বোধন করার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, ছোটদের ক্ষেত্রে নয়।
D) প্রীতিভাজনেষু — এটি সমবয়সী বা বন্ধুতুল্য কাউকে প্রীতি বা স্নেহের নিদর্শনস্বরূপ চিঠিতে সম্বোধন করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
ছোটদের জন্য কল্যাণীয়েষু এবং বড়দের জন্য শ্রদ্ধাস্পদেষু বা শ্রদ্ধাস্পদাসু ব্যবহার করা হয়।
নারীদের ক্ষেত্রে আসু প্রত্যয় যুক্ত হয় আর পুরুষদের ক্ষেত্রে এষু প্রত্যয় যুক্ত হয় এই সাধারণ নিয়মটি মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
চিঠিপত্রের সম্বোধন থেকে বিসিএস এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
সম্বোধনের ক্ষেত্রে প্রাপক ছোট নাকি বড় এবং পুরুষ নাকি নারী, তা ভালোভাবে খেয়াল করে সঠিক অপশন নির্ধারণ করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) ঈশ্বরী পাটনী
১. কেন সঠিক:
- 'আমার সন্তান যেন থাকে দুধেভাতে' এই বিখ্যাত প্রার্থনাটি করেছেন অন্নদামঙ্গল কাব্যের চরিত্র ঈশ্বরী পাটনী। দেবী অন্নপূর্ণার বর চাওয়ার সময় তিনি বিত্তবৈভবের পরিবর্তে কেবল সাধারণ অন্ন ও বস্ত্রের প্রার্থনা করেছিলেন।
- বাঙালি সংস্কৃতির মৌলিক চাওয়া হিসেবে এই পংক্তিটি চরমভাবে সমাদৃত। এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষের অকৃত্রিম জীবনবোধ প্রকাশ পেয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এই পংক্তিটির রচয়িতা মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর। তাঁর অমর সৃষ্টি অন্নদামঙ্গল কাব্যের প্রথম ভাগ অন্নপূর্ণা মঙ্গল বা বিদ্যাসুন্দর অংশে এই কাহিনীর অবতারণা করা হয়েছে।
- অষ্টাদশ শতাব্দীর রাজকবি ভারতচন্দ্র নদীয়া জেলার পেকলা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এবং কৃষ্ণচন্দ্র রায়ের সভাকবি ছিলেন। তাঁর কাব্যের ছন্দের চমৎকারিত্ব এবং শব্দচয়ন বাংলা সাহিত্যে অত্যন্ত প্রশংসিত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরের 'অন্নদামঙ্গল' কাব্য।
ব্যাখ্যা: এই কাব্যটি মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের ধারার শেষ সার্থক নিদর্শন এবং এটি তিনটি ভাগে বিভক্ত।
উদাহরণ ২: ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরকে দেওয়া 'রায়গুণাকর' উপাধি।
ব্যাখ্যা: নদীয়া রাজা কৃষ্ণচন্দ্র তাঁকে এই উপাধিতে ভূষিত করেছিলেন যা তাঁর সাহিত্যিক খ্যাতির অন্যতম স্মারক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভাঁড়ুদত্ত — ভাঁড়ুদত্ত মধ্যযুগের মনসামঙ্গল কাব্যের একটি ধূর্ত ও লোভী চরিত্র। তাই এই প্রার্থনাটির সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই।
B) চাঁদ সওদাগর — চাঁদ সওদাগর মনসামঙ্গল কাব্যের এক অহংকারী ও জেদি বণিক চরিত্র। মনসা দেবীর পূজা না করার জন্য তিনি বিখ্যাত হলেও এই প্রার্থনাটি তাঁর নয়।
D) নলকুবের — নলকুবের হিন্দু পৌরাণিক চরিত্র এবং তিনি অন্নদামঙ্গল কাব্যের বিদ্যাসুন্দর উপাখ্যানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। তবে তিনি এই বিখ্যাত প্রার্থনাটি করেননি।
৫ মনে রাখার টিপস:
- দুধেভাতে থাকার প্রার্থনা করেছিলেন গরিব পাটনী ঈশ্বরী। মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো পাটনী মানেই অন্নদা দেবীর ভক্ত ঈশ্বরী পাটনী।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের শেষ কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর এবং তাঁর শ্রেষ্ঠ কাব্য অন্নদামঙ্গল থেকে প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে।
- চরিত্রভিত্তিক সাহিত্যিক উদ্ধৃতি মনে রাখতে চরিত্রের নাম এবং রচয়িতার নাম একসঙ্গে নোট করে পড়া উচিত।
সঠিক উত্তর: C) আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
১. কেন সঠিক:
- দুধেভাতে উৎপাত গল্পগ্রন্থটির রচয়িতা কথাসাহিত্যিক আখতারুজ্জামান ইলিয়াস।
- এটি তাঁর অত্যন্ত প্রশংসিত ও জনপ্রিয় একটি ছোটগল্প সংকলন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- আখতারুজ্জামান ইলিয়াস আধুনিক বাংলা উপন্যাসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও শক্তিশালী ঔপন্যাসিক।
- তাঁর রচনায় নিপুণভাবে উঠে এসেছে গ্রামীণ ও নাগরিক জীবনের বৈচিত্র্যময় চিত্র এবং রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অন্য ঘরে অন্য স্বর
ব্যাখ্যা: এটি আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের আরেকটি বিখ্যাত ছোটগল্প সংকলন।
উদাহরণ ২: খোয়াবনামা
ব্যাখ্যা: এটি আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত অবিস্মরণীয় ও কালজয়ী একটি উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শওকত ওসমান — তিনি বিখ্যাত উপন্যাস ও ছোটগল্প রচয়িতা হলেও এই গ্রন্থের লেখক নন।
B) জ্যোতিপ্রকাশ দত্ত — তিনি বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক হলেও এই গ্রন্থটি তাঁর লেখা নয়।
C) আখতারুজ্জামান ইলিয়াস — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি তাঁরই বিখ্যাত গল্পগ্রন্থ।
D) হাসান আজিজুল হক — তিনি বিখ্যাত গল্পকার হলেও এই গ্রন্থের সঙ্গে তাঁর নাম যুক্ত নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ইলিয়াসের নামের সঙ্গে দ দিয়ে শুরু দুধেভাতে উৎপাত গ্রন্থটি মনে রাখতে পারো।
- তাঁর গল্পের সংখ্যা কম হলেও প্রতিটি রচনা অত্যন্ত মানসম্মত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের গল্পগ্রন্থ ও উপন্যাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- তাঁর রচিত একমাত্র দুটি উপন্যাস হলো চিলেকোঠার সেপাই এবং খোয়াবনামা।
সঠিক উত্তর: C) সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
১. কেন সঠিক:
সুধীন্দ্রনাথ দত্ত বাংলা সাহিত্যের ত্রিশের দশকের আধুনিক কবিতার অন্যতম প্রধান স্তম্ভ এবং বুদ্ধিজীবী কবি হিসেবে পরিচিত। তিনি মূলত কবিতা রচনা এবং সাহিত্য সমালোচনা ও প্রবন্ধ রচনার জন্য খ্যাতি অর্জন করেছেন এবং কখনো কোনো উপন্যাস লেখেন নি।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
সুধীন্দ্রনাথ দত্ত আধুনিক বাংলা কাব্যে বুদ্ধিবৃত্তিক চেতনা, ক্লাসিক বা ধ্রুপদী কাঠিন্য এবং নিরাবেগ দৃষ্টিভঙ্গির প্রবর্তন করেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে অর্কেস্ট্রা, মৃণময়ী ও প্রতিধ্বনি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য হলেও তিনি কোনো উপন্যাস বা গল্পগ্রন্থ রচনা করেননি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সুধীন্দ্রনাথ দত্তের কাব্যগ্রন্থ অর্কেস্ট্রা
ব্যাখ্যা: এটি তাঁর অন্যতম শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ যা তাঁর বুদ্ধিবৃত্তিক ও আধুনিক কাব্যচেতনার পরিচয় বহন করে।
উদাহরণ ২: সুধীন্দ্রনাথ দত্তের প্রবন্ধগ্রন্থ কুলায় ও কালপুরুষ
ব্যাখ্যা: এটি তাঁর বিখ্যাত সাহিত্য সমালোচনামূলক প্রবন্ধগ্রন্থ যেখানে তাঁর গভীর জীবনদর্শন প্রতিফলিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কাজী নজরুল ইসলাম — বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম মৃত্যুক্ষুধা ও কুহেলিকা নামে দুটি বিখ্যাত উপন্যাস রচনা করেছেন।
B) জীবনানন্দ দাশ — আধুনিক কবিতার রূপসী বাংলা খ্যাত কবি জীবনানন্দ দাশ মাল্যবান ও সুতীর্থসহ বেশ কয়েকটি উপন্যাস রচনা করেছেন।
D) বুদ্ধদেব বসু — ত্রিশের দশকের আধুনিক কবি ও সাহিত্যিক বুদ্ধদেব বসু ততীর্থের বসতি ও কালো হাওয়া নামক জনপ্রিয় উপন্যাস রচনা করেছেন।
৫ মনে রাখার টিপস:
ত্রিশের দশকের পাঁচ আধুনিক কবির মধ্যে সুধীন্দ্রনাথ দত্ত একমাত্র কবি যিনি শুধু কবিতা ও প্রবন্ধ লিখেছেন কিন্তু কোনো উপন্যাস লেখেন নি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কবি ও সাহিত্যিকদের উপন্যাস বা ছোটগল্পের উপস্থিতি সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। সুধীন্দ্রনাথ দত্ত মূলত কবি ও প্রাবন্ধিক হিসেবে পরিচিত, তাই তাঁর উপন্যাস না থাকার বিষয়টি পরীক্ষায় বারবার আসে।
সঠিক উত্তর: D) শাহ মুহম্মদ সগীর
১. কেন সঠিক:
- শাহ মুহম্মদ সগীর মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের সুলতানি আমলের প্রথম কবি হিসেবে পরিচিত।
- তিনি গৌড়ের সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের রাজত্বকালে ইউসুফ জোলেখা প্রণয়কাব্য রচনা করেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে প্রণয়কাব্য ধারার প্রথম সার্থক ও জনপ্রিয় কবি শাহ মুহম্মদ সগীর।
- ইউসুফ জোলেখা কাব্যটি মূলত ফার্সি সাহিত্যের একটি জনপ্রিয় প্রেমের কাহিনী অবলম্বনে বাংলায় অনূদিত ও রূপান্তরিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: লাইলী মজনু
ব্যাখ্যা: এটিও মধ্যযুগের অপর একটি বিখ্যাত ফার্সি ভাষার কাহিনীর বাংলা অনুবাদ সাহিত্যকর্ম।
উদাহরণ ২: পদ্মাবতী
ব্যাখ্যা: এটি আলাওল রচিত বাংলা সাহিত্যের আরেকটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ প্রণয়কাব্য বা রোমান্টিক কাব্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দৌলত উজির বাহরাম খান — ইনি লায়লী মজনু প্রণয়কাব্যের অনুবাদক, ইউসুফ জোলেখা কাব্যের নন।
B) মাগন ঠাকুর — ইনি আরাকান রাজসভার অন্যতম পৃষ্ঠপোষক ও চন্দ্রাবতী বা সপ্তপয়কর রচয়িতা দৌলত কাজীর সহায়ক ছিলেন।
C) আলাওল — ইনি মধ্যযুগের শ্রেষ্ঠ রোমান্টিক প্রণয়কাব্য পদ্মাবতীর রচয়িতা, ইউসুফ জোলেখার অনুবাদক নন।
D) শাহ মুহম্মদ সগীর — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি ইউসুফ জোলেখা কাব্য রচনা করেছেন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ইউসুফ ও জোলেখা কাব্যের শুরুতে আছে সগীর, তাই শাহ মুহম্মদ সগীর নাম এভাবে মনে রাখা সহজ।
- মধ্যযুগের প্রথম প্রণয়কাব্যের রচয়িতা হিসেবে শাহ মুহম্মদ সগীরের নাম এভাবে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য মুখস্থ রাখতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সুলতানি আমলের বাংলা সাহিত্য ও প্রথম মুসলিম কবির নাম প্রায়ই বিসিএস পরীক্ষায় আসে।
- প্রণয়কাব্য ধারার কবি ও তাদের রচিত গ্রন্থগুলোর নাম মিলিয়ে পড়ার মাধ্যমে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
সঠিক উত্তর: B) মনসামঙ্গল
১. কেন সঠিক:
চাঁদ সওদাগর মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের মনসামঙ্গল কাব্যের একজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং কেন্দ্রীয় চরিত্র।
মনসা দেবীর পূজা প্রচারে চাঁদ সওদাগরের অনমনীয় জেদ এবং দীর্ঘ লড়াই এই কাব্যের মূল কাহিনীর চালিকাশক্তি।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
মনসামঙ্গল কাব্য মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্য ধারার অন্যতম প্রধান ও জনপ্রিয় একটি শাখা।
এই ধারার প্রধান কবিরা হলেন কানাহ হরিদত্ত, বিজয় গুপ্ত, বিপ্রদাস পিপিলাই এবং মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি কেতকাদাস খেমানন্দ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বেহুলা
ব্যাখ্যা: বেহুলা হলেন মনসামঙ্গল কাব্যের লখিন্দরের স্ত্রী, যিনি পতিভক্তির অনন্য নিদর্শনের জন্য অমর হয়ে আছেন।
উদাহরণ ২: ধনপতি সওদাগর
ব্যাখ্যা: ধনপতি সওদাগর হলেন চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের অন্যতম প্রধান বণিক চরিত্র, যা অন্য মঙ্গলধারার সঙ্গে সম্পর্কিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চণ্ডীমঙ্গল — চণ্ডীমঙ্গল কাব্যধারার প্রধান চরিত্র হলো কালকেতু, ফুল্লরা এবং ধনপতি সওদাগর, চাঁদ সওদাগর নন।
B) মনসামঙ্গল — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে অন্য কোনো মন্তব্য প্রযোজ্য নয়।
C) ধর্মমঙ্গল — ধর্মমঙ্গল কাব্যধারার প্রধান চরিত্র হলো লাউসেন, যিনি ধর্মপূজা প্রচারে নানা বীরত্বপূর্ণ কাজ করেছিলেন।
D) অন্নদামঙ্গল — অন্নদামঙ্গল কাব্যধারার প্রধান চরিত্র হলো ঈশ্বর পাটনি, ভবানন্দ মজুমদার এবং বিদ্যা-সুন্দর।
৫ মনে রাখার টিপস:
চাঁদ সদাগরের নাম শোনামাত্র মনে রাখবে বিষের দেবী মনসার নাম, আর মনসা মানেই মনসামঙ্গল কাব্যধারা।
মঙ্গলকাব্যগুলোর চরিত্র মনে রাখতে প্রধান বণিক ও দেবীর নাম ছক আকারে খাতায় লিখে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মঙ্গলকাব্যের চরিত্র থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
চাঁদ সওদাগর চরিত্রটি মনসামঙ্গল কাব্যের শিবভক্ত বণিক সমাজকে প্রতিনিধিত্ব করে।
সঠিক উত্তর: B) কৃষ্ণকান্তের উইল-যোগাযোগ-পথের দাবী
১. কেন সঠিক:
- রোহিনী বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কৃষ্ণকান্তের উইল উপন্যাসের চরিত্র, বিনোদিনী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের যোগাযোগ উপন্যাসের চরিত্র এবং কিরণময়ী শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের পথের দাবী উপন্যাসের চরিত্র।
- প্রশ্নটিতে ক্রমানুসারে তিনটি বিখ্যাত উপন্যাসের তিনটি প্রধান নারী চরিত্র এবং তাদের সঠিক গ্রন্থগুলোর নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের জনক এবং তাঁর কৃষ্ণকান্তের উইল একটি ট্র্যাজিক প্রেমের উপন্যাস।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা কথাসাহিত্যে মনস্তাত্ত্বিক ধারার প্রবর্তক এবং যোগাযোগ তাঁর একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ সামাজিক উপন্যাস।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কপালকুণ্ডলা
ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত রোমান্টিক উপন্যাস যার প্রধান চরিত্র কপালকুণ্ডলা ও নবকুমার।
উদাহরণ ২: শ্রীকান্ত
ব্যাখ্যা: এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি আত্মজীবনীমূলক উপন্যাস যার প্রধান চরিত্র শ্রীকান্ত ও রাজলক্ষ্মী।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিষবৃক্ষ-চতুরঙ্গ-চরিত্রহীন — এই অপশনে চতুরঙ্গ ও চরিত্রহীন উপন্যাসের চরিত্রগুলোর সাথে বিনোদিনী ও কিরণময়ী থাকলেও প্রথম জোড়াটি সঠিক নয়।
C) দুর্গেশনন্দিনী-চোখের বালি-গৃহদাহ — এই অপশনে চোখের বালি উপন্যাসের চরিত্র থাকলেও দুর্গেশনন্দিনী ও গৃহদাহ উপন্যাসের সাথে এই চরিত্রগুলোর মিল নেই।
D) কৃষ্ণকান্তের উইল-চোখের বালি-চরিত্রহীন — এই অপশনে কৃষ্ণকান্তের উইল সঠিক হলেও পরের দুটি উপন্যাসের চরিত্রগুলোর ক্রম ও গ্রন্থগুলোর নাম সঠিক নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বঙ্কিমের রোহিনী, রবির বিনোদিনী এবং শরৎচন্দ্রের কিরণময়ী এভাবে তিন কথাসাহিত্যের তিন বিখ্যাত চরিত্র মনে রাখা যায়।
- চরিত্রগুলোর নামের প্রথম অক্ষর দিয়ে (র-বি-কি) খুব সহজেই মনে রাখা সম্ভব।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপন্যাসের নারী চরিত্রগুলো থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- প্রধান চরিত্রগুলোর নাম এবং তাদের স্রষ্টা সাহিত্যিকদের নাম ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
প্রশ্নের ধরন: বাগধারা ও প্রবাদ-প্রবচন
সঠিক উত্তর: B) সঞ্চয়ের প্রবৃত্তি
১. কেন সঠিক:
- নিরানব্বইয়ের ধাক্কা বাগধারাটির অর্থ হলো সঞ্চয়ের প্রবৃত্তি বা আরও বেশি টাকা জমানোর তীব্র বাসনা।
- সাধারণ অর্থে কোনো ব্যক্তি যখন একশ পূর্ণ করার জন্য বা আরও বেশি ধনসম্পদ অর্জনের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে, তখন তাকে এই বাগধারা দিয়ে বোঝানো হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে কিছু বিশেষ শব্দগুচ্ছ আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে বিশেষ কোনো ভাব প্রকাশ করে, তাদেরকে বাগধারা বলে।
- নিরানব্বইয়ের ধাক্কা বাগধারাটিতে নিরানব্বই সংখ্যাটি দিয়ে একশ পূর্ণ করার অদম্য লোভ বা মানুষের চিরন্তন সঞ্চয়প্রবণতাকে নির্দেশ করা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সারাজীবন কৃপণতা করে টাকা জমালেন, একেই বলে নিরানব্বইয়ের ধাক্কা।
ব্যাখ্যা: অতিরিক্ত টাকা জমানোর মানসিকতা বোঝাতে এই উদাহরণটি প্রযোজ্য।
উদাহরণ ২: বৃদ্ধ বয়সেও তার মনে টাকার প্রতি লোভ কমছে না, যেন নিরানব্বইয়ের ধাক্কা লেগেছে।
ব্যাখ্যা: সঞ্চয়ের প্রবৃত্তি বা লোভ সবসময় বজায় থাকাকে এটি নির্দেশ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তীরে পৌঁছার ঝক্কি — এই অর্থটি এই বাগধারার সঙ্গে মেলে না কারণ এটি কাজের শেষ মুহূর্তে বিপদের আশঙ্কা বোঝায় না।
C) মুমূর্ষু অবস্থা — এই অর্থটি প্রকাশের জন্য পটল তোলা বা শেষাশেষি বাগধারা ব্যবহার করা হয়।
D) আসন্ন বিপদ — এই অর্থটি প্রকাশের জন্য মেঘ না চাইতে জল বা খোদাদ্রোহী বাগধারা ব্যবহৃত হয় না, বরং অন্য বাগধারা থাকে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- নিরানব্বই সংখ্যাটি ১০০ তে পৌঁছাতে মাত্র ১ বাকি থাকে, তাই এই ১ পাওয়ার যে প্রবল জেদ বা সঞ্চয়প্রবৃত্তি, তা দিয়েই এটি মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সংখ্যাবাচক শব্দ দিয়ে গঠিত বাগধারাগুলো প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) নিত্য সমাস
১. কেন সঠিক:
যে সমাসের সাধারণ নিয়মে ব্যাসবাক্য হয় না বা ব্যাসবাক্য করতে গেলে অন্য পদের সাহায্য নিতে হয়, তাকে নিত্য সমাস বলে। এই সমাসে সমস্ত পদটি ভেঙে বোঝাতে হয় যে এটি সবসময় সমাসবদ্ধ অবস্থাতেই থাকে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
যে সমাসে কোনো ব্যাসবাক্য থাকে না কিংবা ব্যাসবাক্য করতে হলে অন্য পদের সাহায্য বা অতিরিক্ত পদের প্রয়োজন হয়, তাকে নিত্য সমাস বলে। এই সমাসের সমস্ত পদটি চিরকাল সমাসবদ্ধ থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অন্য গ্রাম = গ্রামান্তর।
ব্যাখ্যা: এখানে 'অন্য গ্রাম' বলতে গ্রামান্তর বোঝানো হয়েছে এবং ব্যাসবাক্য করার জন্য অতিরিক্ত 'অন্য' শব্দ আনতে হয়েছে।
উদাহরণ ২: কেবল দর্শন = দর্শনমাত্র।
ব্যাখ্যা: এখানে 'কেবল' পদটি অতিরিক্ত এনে ব্যাসবাক্য গঠন করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দ্বন্দ্ব সমাস — এই সমাসে উভয় পদের অর্থের প্র্রাধ্য থাকে এবং ব্যাসবাক্য সহজ নিয়মে ও এবং ও বা দিয়ে হয়।
B) অব্যয়ীভাব সমাস — এই সমাসে পূর্বপদে অব্যয় বসে এবং অব্যয়ের অর্থই প্রধানভাবে প্রতভাত হয়।
C) কর্মধারয় সমাস — এই সমাসে পরপদের অর্থ প্রধান হয় এবং বিশেষণ ও বিশেষ্য পদের মিলনে গঠিত হয়।
D) নিত্য সমাস — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সমাসের নিজস্ব কোনো নির্দিষ্ট ব্যাসবাক্য থাকে না।
৫ মনে রাখার টিপস:
নিত্য সমাস চেনার সহজ উপায় হলো সমস্ত পদের সাথে অন্য, মাত্র, কেবল ইত্যাদি শব্দ যোগ করে ব্যাসবাক্য করতে হয়। গ্রামান্তর বা দর্শনমাত্র শব্দ দেখলেই নিত্য সমাস হিসেবে ধরে নেবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিত্য সমাসের উদাহরণ হিসেবে সাধারণত গ্রামান্তর, দর্শনমাত্র, কেবল ভাত = ভাতমাত্র, অন্য মন = অন্যমনস্ক শব্দগুলো বেশি আসে। এই শব্দগুলো ভালোভাবে চর্চা করলে পরীক্ষায় সহজেই উত্তর করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: B) has been
কেন সঠিক:
Fractional expression বা ভগ্নাংশের পর uncountable noun থাকলে verb singular হয়। Work একটি uncountable noun হওয়ায় এখানে has been বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) have been — এটি plural verb, যা singular subject-এর সাথে বসে না।
B) সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়।
C) had — এটি past tense বোঝায়, কিন্তু এখানে passive voice-এর present tense প্রয়োজন।
D) were — এটি plural past verb, যা singular subject-এর সাথে বসে না।
মনে রাখার টিপস:
ভগ্নাংশের পরে uncountable noun থাকলে verb সব সময় singular হয়।
সঠিক উত্তর: B) anger
কেন সঠিক:
Resentment শব্দের বাংলা অর্থ হলো ক্ষোভ বা বিরক্তি, যা মূলত মনের ভেতরের অসন্তোষ প্রকাশ করে।
Anger শব্দের অর্থ ক্রোধ বা রাগ, যা resentment শব্দের সবচেয়ে কাছাকাছি অর্থ বহন করে।
তাই এই দুটি শব্দ একে অপরের পরিপূরক সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) fear — এর অর্থ ভয়, যা ক্ষোভ বা রাগের সাথে সম্পর্কিত নয়।
B) anger — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) indignation — এর অর্থ ন্যায়হীনতার বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ, যা সাধারণ ক্ষোভের চেয়ে একটু আলাদা মাত্রা বোঝায়।
D) panic — এর অর্থ আতঙ্ক বা হঠাৎ ভয় পাওয়া, যা রাগের বিপরীত অবস্থা।
মনে রাখার টিপস:
Resentment এবং anger দুটি শব্দই মনের নেতিবাচক আবেগ এবং রাগ প্রকাশের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: C) one’s
কেন সঠিক:
- বাক্যের শুরুতে subject হিসেবে one থাকলে তার possessive form সবসময় one’s হয়।
- প্রদত্ত বাক্যে subject হলো one, তাই এর পরের possessive pronoun হিসেবে one’s ব্যবহার করা সঠিক হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) his — বাক্যের subject he হলে possessive হিসেবে his ব্যবহার করা যায়, কিন্তু subject one থাকায় এটি ভুল।
B) her — বাক্যের subject she হলে possessive হিসেবে her ব্যবহার করা যায়, কিন্তু subject one থাকায় এটি ভুল।
C) one’s — এটি সঠিক উত্তর এবং subject one এর সাথে সম্পূর্ণ সংগতিপূর্ণ।
D) the — এটি একটি definite article, যা possessive pronoun এর স্থানে বসে possessive এর কাজ করতে পারে না।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে subject যদি one হয়, তবে তার possessive pronoun হিসেবে চোখ বন্ধ করে one’s বসাতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) turned over
কেন সঠিক:
বাক্যের অর্থ অনুযায়ী ক্যাপ্টেন নৌকাটি উল্টে যাওয়ার কারণে তা ত্যাগ করেছিলেন।
এখানে 'turn over' ফ্রেসটি নৌকা উল্টে যাওয়া বা उलट যাওয়ার অর্থ প্রকাশ করে।
সঠিক ঘটনার সাথে এই ফ্রেসটির ভাবগত মিল রয়েছে।
তাই এখানে অন্য কোনো অর্থবোধক শব্দ খাপ খায় না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) turned down — এর অর্থ প্রত্যাখ্যান করা বা কমানো, যা এখানে নৌকার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
B) turned up — এর অর্থ উপস্থিত হওয়া বা খুঁজে পাওয়া, যা এই বাক্যের সাথে পুরোপুরি অর্থহীন।
C) tuned bottom — এটি কোনো সঠিক ইংরেজি ফ্রেস বা ইডিয়ম নয় এবং এর কোনো অর্থ হয় না।
D) turned over — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল অপশন হিসেবে গণ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
নৌকা বা যানবাহন উল্টে যাওয়ার ক্ষেত্রে সবসময় 'turn over' ফ্রেসটি ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) some time
কেন সঠিক:
এখানে some time আলাদাভাবে ব্যবহৃত হয়ে একটি নির্দিষ্ট সময় বা কিছুটা সময় অর্থ প্রকাশ করেছে। বাক্যে সময় কাটানো বোঝাতে noun phrase হিসেবে some time ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) sometimes — এটি একটি adverb যার অর্থ মাঝে মাঝে এবং তা এখানে বসে না।
B) sometime — এটি একটি adverb যার অর্থ অতীতের বা ভবিষ্যতের কোনো এক সময়ে।
D) some times — এর অর্থ কিছুবার, যা এখানে অর্থের সাথে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
সময় কাটানো বা দীর্ঘ সময় বোঝাতে space দিয়ে separately some time লিখতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) took off
কেন সঠিক:
এখানে until শব্দটি সময়ের একটি বিন্দু নির্দেশ করে যা অতীতের ঘটনা।
তাই প্রধান ক্লজ ও সাবোর্ডিনেট ক্লজ উভয় অংশেই সাধারণ অতীত কাল বা পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্স ব্যবহার করা নিয়ম।
এই কারণে সঠিক উত্তর হিসেবে took off নির্বাচিত হয়েছে।
বাক্যের অর্থ পূর্ণ করতে সাধারণ অতীত কালই সবচেয়ে উপযোগী।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) did not take off — এটি নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ করে যা বাক্যের অর্থের সাথে মেলে না।
B) took off — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না।
C) had not taken off — অতীতকালের দুটি ঘটনার একটির আগে অন্যটি ঘটার অর্থে এটি বসে কিন্তু এখানে তেমন কোনো তুলনামূলক পরিস্থিতি নেই।
D) had taken off — বিমান ওড়ার ঘটনাটি অপেক্ষার সময়ের আগে সম্পন্ন হয়েছিল এমন কোনো জটিল পূর্ববর্তী শর্ত এখানে প্রয়োজন নেই।
মনে রাখার টিপস:
until এর উভয় পাশে সাধারণ অতীত কাল ব্যবহার করা হয় যদি ঘটনাটি অতীতের সাধারণ সময় নির্দেশ করে।
সঠিক উত্তর: A) Rahim ate almost the whole fish
কেন সঠিক:
- Adverb হিসেবে 'almost' ঠিক যে শব্দের মাত্রা বা পরিমাণ প্রকাশ করতে চায়, ঠিক তার আগেই বসে।
- এখানে 'whole fish' সম্পূর্ণ মাছটিকে নির্দেশ করায় 'almost' শব্দটি 'the whole fish' অংশের ঠিক পূর্বে বসে সঠিক অর্থ প্রকাশ করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Rahim ate almost the whole fish — এটি সঠিক কারণ 'almost' সরাসরি 'the whole fish' কে модиফাই করেছে।
B) Rahim almost ate the whole fish — এটি ভুল কারণ এখানে মনে হতে পারে সে মাছটি খায়নি প্রায় খেতে বসেছিল।
C) Almost Rahim ate the whole fish — এটি ভুল কারণ 'almost' কখনোই সাবজেক্টের শুরুতে বসে এভাবে অর্থ প্রকাশ করতে পারে না।
D) Rahim ate the whole fish almost — এটি ভুল কারণ 'almost' কে বাক্যের একেবারে শেষে রাখলে এর স্থানবিন্যাস ব্যাকরণগতভাবে বেমানান হয়।
মনে রাখার টিপস:
পরিমাণবাচক বা নির্দিষ্ট কোনো অংশকে ছোট করার জন্য 'almost' শব্দটি ঠিক তার আগেই বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) with
কেন সঠিক:
কোনো ব্যক্তির সাথে কোনো বিষয়ে তর্ক করা বা বিতর্ক করার ক্ষেত্রে argue এর পরে with preposition ব্যবহৃত হয়। এখানে বাক্যের সাবজেক্ট অন্য কোনো ব্যক্তির (me) বিরুদ্ধে বা সাথে যুক্তি দেখাচ্ছে বোঝাচ্ছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) from — from preposition সাধারণত দূরত্ব বা উৎস বোঝাতে বসে, ব্যক্তির সাথে বিতর্কের ক্ষেত্রে এটি বসে না।
B) with — এটি সঠিক অপশন এবং ব্যক্তির সাথে তর্কের ক্ষেত্রে এটিই নিয়ম অনুযায়ী বসে।
C) for — for preposition সাধারণত কোনো কিছুর পক্ষে বা জন্য বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) to — to preposition সাধারণত কোনো নির্দিষ্ট দিকে যাওয়া বা প্রাপক বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
কারো সাথে কোনো বিষয়ে তর্কাঝামেলা বা বিতর্ক করা বোঝালে argue শব্দের পরে সবসময় with preposition বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) Let the window be opened
কেন সঠিক:
- মূল বাক্যটি Imperative Sentence হওয়ায় passive করার সময় প্রথমে Let বসে।
- এর পর অবজেক্ট (the window), তারপর be এবং মূল verb-এর Past Participle (opened) বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Window should be opened — এটি Imperative Sentence-এর সঠিক নিয়ম মেনে গঠিত হয়নি এবং শুরুতে Article অনুপস্থিত।
B) Let the window be opened — এটি Imperative Sentence-এর Active থেকে Passive করার সঠিক নিয়ম অনুযায়ী গঠিত।
C) Let the window be opened by you — Imperative Sentence-এ সাধারণত by you উল্লেখ করার প্রয়োজন হয় না, তাই এটি সেরা উত্তর নয়।
D) The window must be opened — এটি Modal Auxiliary দিয়ে গঠিত Passive রূপ, যা Imperative বাক্যের সঠিক নিয়ম নয়।
মনে রাখার টিপস:
Imperative Sentence-এ মূল verb দিয়ে শুরু হলে Passive করার সময় শুরুতে Let এবং object-এর পর be যুক্ত করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) Last work
কেন সঠিক:
Swan song ইডিওমটির আক্ষরিক অর্থ রাজহাঁসের গান, যা প্রাচীন এক বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছে।
বিশ্বাস করা হতো যে রাজহাঁস মারা যাওয়ার ঠিক আগে খুব সুন্দর সুরের গান গায়।
তাই রূপক অর্থে এটি দিয়ে মানুষের জীবনের বা কর্মজীবনের শেষ কাজকে বোঝানো হয়।
এটি কোনো শিল্পীর সর্বশেষ সৃষ্টি বা পারফর্মেন্স নির্দেশ করতে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) First work — এই অপশনটি ভুল কারণ ইডিওমটি শুরুর কাজ বোঝাতে ব্যবহার করা হয় না।
B) Last work — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি রাজহাঁসের শেষ গানের সাথে মিল রেখে শেষ কাজ বোঝায়।
C) Middle work — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি জীবনের মধ্যবর্তী কোনো কাজ নির্দেশ করে না।
D) Early work — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি প্রাথমিক বা আগের কোনো কাজ বোঝাতে ব্যবহৃত হয় না।
মনে রাখার টিপস:
হাঁস যেমন মৃত্যুর আগে শেষ গান গায়, তেমনি কোনো মানুষের শেষ কাজকে Swan song বলা হয়।
সঠিক উত্তর: A) She had faith in and hopes for the future.
কেন সঠিক:
ইংরেজি নিয়ম অনুযায়ী ভিন্ন প্রিপজিশন গ্রহণকারী দুটি শব্দের পরে তাদের নিজ নিজ প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হয়। এখানে faith শব্দের পরে in এবং hopes শব্দের পরে for প্রিপজিশন সঠিকভাবে বসানো হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) এই অপশনটি সঠিক কারণ এতে প্রিপজিশনের সঠিক ব্যবহার হয়েছে।
B) এই অপশনে hopes শব্দের প্রিপজিশন বাদ দেওয়া হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
C) এই অপশনে hopes শব্দের সাথে ভুল প্রিপজিশন ব্যবহার করা হয়েছে।
D) এই অপশনে প্রিপজিশনের ভুল ছাড়াও future শব্দের পূর্বে আর্টিকেল ব্যবহার করা হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
একাধিক শব্দের সাথে আলাদা প্রিপজিশন প্রয়োজন হলে ঝুলন্ত প্রিপজিশন নিয়ম মেনে প্রতিটি শব্দের সাথে সঠিক প্রিপজিশন বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) a day dreamer
কেন সঠিক:
"Head in the clouds" একটি ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা। এর অর্থ বাস্তব জগত থেকে দূরে থেকে অলীক কল্পনা বা দিবাস্বপ্নে বিভোর থাকা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) proud — এর অর্থ অহংকারী, যা এই ইডিয়ামের অর্থের সাথে মেলে না।
B) a day dreamer — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ দিবাস্বপ্নদ্রষ্টা।
C) an aviator — এর অর্থ বিমানচালক, যা শব্দের আক্ষরিক অর্থ বোঝালেও ইডিয়ামের ভাবার্থ নয়।
D) useless — এর অর্থ দরকারী নয় বা অপদার্থ, যা এই বাকধারার সাথে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
মেঘে মাথা থাকা মানে আকাশে উড়ে বেড়ানো, অর্থাৎ বাস্তব ভুলে দিবাস্বপ্নে ডুবে থাকা।
সঠিক উত্তর: C) It has been drizzling since morning.
কেন সঠিক:
- গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির ইংরেজি হলো ড্রিজিল (drizzle), যা নির্দিষ্ট কাজের ক্ষেত্রে সঠিক ভার্ব।
- নির্দিষ্ট সময় বা পয়েন্ট অফ টাইম বোঝাতে 'সকাল থেকে' অর্থে সিন্স (since) ব্যবহার করা হয় এবং এটি প্রেজেন্ট পারফেক্ট কন্টিনিউয়াস টেন্স।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) It is raining from morning. — রেইনিং ব্যবহার করা হয়েছে এবং নির্দিষ্ট সময়ের আগে ফ্রম (from) ভুল।
B) It has been raining from morning. — রেইনিংয়ের পরিবর্তে সঠিক ভার্ব ড্রিজিল হবে এবং ফ্রম (from) এর জায়গায় সিন্স (since) হবে।
C) It has been drizzling since morning. — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ নির্ভুল।
D) It is drizzling since morning. — সিন্স (since) থাকার কারণে এটি প্রেজেন্ট কন্টিনিউয়াস টেন্স হতে পারে না, প্রেজেন্ট পারফেক্ট কন্টিনিউয়াস টেন্স হতে হবে।
মনে রাখার টিপস:
গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির ইংরেজি ড্রিজিল (drizzle) এবং নির্দিষ্ট সময় বোঝাতে সিন্স (since) বসে।
সঠিক উত্তর: C) Reproduction and death
কেন সঠিক:
এই বাক্যাংশে থাকা শব্দ দুটি একে অপরের বিপরীত অর্থের। reproduction অর্থ প্রজনন বা জন্ম এবং death অর্থ মৃত্যু।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Hopes and aspirations — এখানে আশা এবং আকাঙ্ক্ষা দুটি সমার্থক শব্দ, বিপরীত নয়।
B) Heat and dust — এখানে তাপ এবং ধুলা সম্পর্কিত দুটি ভিন্ন শব্দ, বিপরীতার্থক নয়।
C) Reproduction and death — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা হয়েছে।
D) Emerged and advanced — এখানে আবির্ভূত হওয়া এবং অগ্রসর হওয়া দুটি কাছাকাছি অর্থের শব্দ।
মনে রাখার টিপস:
বিপরীত শব্দ খুঁজতে হলে শব্দ দুটির অর্থ একে অপরের উল্টো কিনা তা ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) the rainy season began
কেন সঠিক:
বাক্যের প্রথম অংশ 'Even as harvesting was going on' পাস্ট কন্টিনিউয়াস টেন্সে রয়েছে। অতীতের কোনো চলমান কাজের মধ্যে আরেকটি কাজ ঘটে গেলে পরের অংশটি সিম্পল পাস্ট টেন্সে হয়।
তাই এখানে সঠিক উত্তর হবে পাস্ট টেন্সের ভার্ব যুক্ত অপশনটি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) the rainy season began — এই অপশনটিই সঠিক এবং এটি সিম্পল পাস্ট টেন্সে আছে।
B) the rainy season was began — এই অপশনে 'was' এবং 'began' একসাথে বসেছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
C) the rainy season had began — এখানে 'had' এর সাথে ভার্বের পাস্ট ফর্ম বসেছে যা নিয়ম অনুযায়ী ভুল।
D) the rainy season begins — এটি প্রেজেন্ট টেন্সে আছে কিন্তু বাক্যটি পাস্ট টেন্সে শুরু হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
While বা Even as দিয়ে দুটি অতীতকালের ঘটনা যুক্ত থাকলে চলমান কাজটি পাস্ট কন্টিনিউয়াস এবং হঠাৎ ঘটে যাওয়া কাজটি সিম্পল পাস্ট টেন্স হয়।
সঠিক উত্তর: D) I would have gone to the station.
কেন সঠিক:
বাক্যটির প্রথম অংশ 'If I had known' দেখে বোঝা যাচ্ছে এটি থার্ড কন্ডিশনাল বা অতীতের একটি অবাস্তব শর্ত প্রকাশ করছে।
নিয়ম অনুযায়ী থার্ড কন্ডিশনালে ইফ যুক্ত অংশে পাস্ট পারফেক্ট টেন্স থাকলে অপর অংশে সাবজেক্টের পর would have বসে এবং মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল হয়।
অপশন ডি তে থাকা would have gone সঠিক নিয়মটি পূর্ণ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) I would go to the station — এটি সেকেন্ড কন্ডিশনালের গঠন, যা পাস্ট পারফেক্ট টেন্সের সাথে মেলে না।
B) I would be going to the station — এটি অতীতের কোনো চলমান কাজ বোঝায়, যা থার্ড কন্ডিশনালের নিয়ম লঙ্ঘন করে।
C) I had gone to the station — এখানে ইফ ক্লজের বাইরে পাস্ট পারফেক্ট টেন্স ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
D) এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
ইফ এর পরে হ্যাড প্লাস ভি থ্রি থাকলে, পরের অংশে অবশ্যই উড হ্যাভ প্লাস ভি থ্রি বসবে।
সঠিক উত্তর: C) cast
কেন সঠিক:
- গাছের পাতা ঝরে পড়া বা ফেলে দেওয়ার ইংরেজি ফ্রেজাল ভার্ব বা উপযুক্ত শব্দ হলো cast off।
- Trees have cast off their leaves অর্থ গাছগুলো তাদের পাতা ঝরিয়ে ফেলেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) thrown — Throw অর্থ কোনো কিছু ছুড়ে ফেলা, যা গাছের পাতা ঝরার ক্ষেত্রে স্বাভাবিক প্রয়োগ নয়।
B) fallen — Fall একটি ইনট্রানজিটিভ ভার্ব, যার সাথে off বসলেও তা সরাসরি অবজেক্ট গ্রহণ করতে পারে না।
D) put — Put off অর্থ স্থগিত করা, যা বাক্যের অর্থের সাথে সংগতিপূর্ণ নয়।
মনে রাখার টিপস:
গাছের পাতা ঝরে পড়ার ক্ষেত্রে প্রমিত ইংরেজি ব্যবহার হিসেবে cast off মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: B) upon
কেন সঠিক:
Count upon একটি সুনির্দিষ্ট ইংরেজি ফ্রেজাল ভার্ব বা গ্রুপ ভার্ব।
এর অর্থ হলো কারো ওপর ভরসা করা বা নির্ভর করা।
বাক্যের অর্থ দাঁড়াচ্ছে আমি তোমার সাহায্যের ওপর নির্ভর করছি।
তাই সঠিক উত্তর হিসেবে upon ব্যবহৃত হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) after — Count after বলতে কোনো অর্থপূর্ণ ফ্রেজাল ভার্ব নেই।
B) upon — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
C) for — Count for অর্থ কোনো কিছু হিসেবে গণ্য হওয়া, যা এখানে মানায় না।
D) with — Count with অর্থ গণনা করা বা হিসাব করা, যা অর্থের সাথে মিলে না।
মনে রাখার টিপস:
কারো ওপর ভরসা বা নির্ভর করা বোঝাতে ہمیشہ Count এর পর upon preposition বসে।
সঠিক উত্তর: C) Javed was so exhausted that he was lying down for a sleep
কেন সঠিক:
প্রধান ক্লজটি পাস্ট টেন্সে থাকায় পরের অংশেও পাস্ট টেন্স ব্যবহার করা হয়েছে।
ক্লান্ত হয়ে পড়ার মুহূর্তে কাজটি চলমান ছিল বোঝাতে পাস্ট কন্টিনিউয়াস টেন্স সঠিক।
শায়িত হওয়া অর্থে lay এর সাথে ing যুক্ত হয়ে lying সঠিক রূপ গঠন করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Javed was so exhausted that he lain down for a sleep — এখানে lain শব্দটি ভুল, কারণ lie এর পাস্ট পার্টিসিপল একা বসে না।
B) Javed was so exhausted that he had lain down for a sleep — এখানে পাস্ট পারফেক্ট টেন্সের ব্যবহার অপ্রয়োজনীয় এবং অর্থগতভাবে বেমানান।
C) Javed was so exhausted that he was lying down for a sleep — এটি সঠিক হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই।
D) Javed was so exhausted that he will lay down for a sleep — মূল অংশ পাস্ট টেন্স হওয়ায় পরের অংশে ভবিষ্যৎকাল ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যের প্রথম অংশ পাস্ট টেন্সে থাকলে পরের অংশেও সাধারণত পাস্ট টেন্স বা পাস্ট কন্টিনিউয়াস টেন্স ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) ৫০০ জন
প্রদত্ত তথ্য:
ইংরেজিতে পাস করেছে ৭০% শিক্ষার্থী এবং বাংলায় পাস করেছে ৮০% শিক্ষার্থী
উভয় বিষয়ে ফেল করেছে ১০% শিক্ষার্থী
ধরি,
মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা = ১০০%
উভয় বিষয়ে ফেল করেছে ১০%
কমপক্ষে একটি বিষয়ে পাস করেছে = ১০০% − ১০% = ৯০%
অতএব,
শুধু ইংরেজিতে পাস করেছে = ৭০% − উভয় বিষয়ে পাস
শুধু বাংলায় পাস করেছে = ৮০% − উভয় বিষয়ে পাস
উভয় বিষয়ে পাস করেছে = (৭০% + ৮০%) − ৯০% = ৬০%
সুতরাং,
৬০% শিক্ষার্থীর সংখ্যা = ৩০০ জন
মোট শিক্ষার্থী = (৩০০ × ১০০) ÷ ৬০ = ৫০০ জন
উত্তর: ৫০০ জন
সঠিক উত্তর: A) ৯ কেজি
প্রদত্ত তথ্য:
মিশ্রণের মোট ওজন = ৭২ কেজি
A, B ও C এর অনুপাতের ভাগ যথাক্রমে ১৭, ৩ ও ৪
ধরি,
অনুপাতের সাধারণ রাশি = x
A এর পরিমাণ = ১৭x কেজি, B এর পরিমাণ = ৩x কেজি এবং C এর পরিমাণ = ৪x কেজি
অতএব,
মোট অনুপাতের ভাগ = ১৭ + ৩ + ৪ = ২৪ ভাগ
২৪x = ৭২
সুতরাং,
x = ৭২ ÷ ২৪ = ৩
B এর পরিমাণ = ৩ × ৩ = ৯ কেজি
উত্তর: ৯ কেজি
সঠিক উত্তর: B) ১(২/৩)
প্রদত্ত তথ্য:
স্রোতের অনুকূলে মাঝি ২ ঘণ্টায় যায় ৫ মাইল
স্রোতের প্রতিকূলে মাঝি ৪ ঘণ্টায় ফিরে আসে ৫ মাইল
ধরি,
মোট অতিক্রান্ত দূরত্ব = ৫ + ৫ = ১০ মাইল
মোট সময় লাগলো = ২ + ৪ = ৬ ঘণ্টা
অতএব,
গড়বেগ বের করার সূত্র হলো মোট দূরত্ব ভাগ মোট সময়
গড়বেগ = ১০ ÷ ৬
কাটাকাটি করলে পাই ৫ ÷ ৩
সুতরাং,
৫ কে ৩ দিয়ে ভাগ করলে মিশ্র ভগ্নাংশে মান পাওয়া যায়
মানটি হলো ১ সমস্ত ৩ এর ২ অংশ
উত্তর: ১(২/৩) মাইল প্রতি ঘণ্টা
সঠিক উত্তর: B) ১৯০
প্রদত্ত তথ্য:
ফুটবল দলের মোট সদস্য সংখ্যা = ২০
নির্বাচন করতে হবে একজন অধিনায়ক ও একজন সহ-অধিনায়ক
ধরি,
অধিনায়ক নির্বাচনের মোট উপায় = ২০ জন থেকে ১ জন
সহ-অধিনায়ক নির্বাচনের অবশিষ্ট উপায় = ১৯ জন থেকে ১ জন
অতএব,
অধিনায়ক নির্বাচন করা যায় ২০ ভাবে
সহ-অধিনায়ক নির্বাচন করা যায় ১৯ ভাবে
সুতরাং,
মোট উপায়ের সংখ্যা = ২০ × ১৯ = ৩৮০ নয়, এখানে ক্রম গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় বিন্যাস হবে
উত্তর: ২০ × ১৯ = ১৯০ ভাবে
সঠিক উত্তর: C) ২৯
প্রদত্ত তথ্য:
সমান্তর প্রগমনের প্রথম পদ = ৫
সমান্তর প্রগমনের দ্বিতীয় পদ = ১৭
ধরি,
প্রগমনের সাধারণ অন্তর = d
প্রথম পদ a = ৫
অতএব,
দ্বিতীয় পদ = a + d = ১৭
৫ + d = ১৭
সুতরাং,
সাধারণ অন্তর d = ১৭ − ৫ = ১২
উত্তর: তৃতীয় পদ = ১৭ + ১২ = ২৯
সঠিক উত্তর: A) ৫৫
প্রদত্ত তথ্য:
১, ২, ৩, ৫, ৮, ১৩, ২১, ৩৪, ... একটি বিখ্যাত ফিবোনাচ্চি ধারা।
এই ধারার নিয়ম হলো প্রতিটি সংখ্যা তার আগের দুটি সংখ্যার যোগফলের সমান।
ধরি,
প্রথম সংখ্যা দুটি হলো ১ এবং ২
পরবর্তী সংখ্যাটি হলো ১ + ২ = ৩
অতএব,
পঞ্চম সংখ্যাটি হলো ৩ + ৫ = ৮
ষষ্ঠ সংখ্যাটি হলো ৫ + ৮ = ১৩
সুতরাং,
নবম সংখ্যাটি বের করতে হবে আগের দুটি সংখ্যা যোগ করে।
৩৪ এর আগের সংখ্যা দুটি হলো ২১ এবং ১৩
উত্তর: ২১ + ৩৪ = ৫৫
সঠিক উত্তর: D) ১৫০.০০%
প্রদত্ত তথ্য:
ভগ্নাংশটি হলো ৩ ÷ ২
ধরি,
নির্ণয় শতকরা পরিমাণ হলো ক%
অতএব,
প্রশ্নমতে লেখা যায়,
৩ ÷ ২ এর ক% = (৩ ÷ ২) × (ক ÷ ১০০)
সুতরাং,
(৩ ÷ ২) × (ক ÷ ১০০) = ১
উত্তর: ১৫০.০০%
সঠিক উত্তর: C) (AM + BN)/(M+N)
প্রদত্ত তথ্য:
M সংখ্যক সংখ্যার গড় A
N সংখ্যক সংখ্যার গড় B
ধরি,
M সংখ্যক সংখ্যার সমষ্টি = AM
N সংখ্যক সংখ্যার সমষ্টি = BN
মোট সংখ্যার সংখ্যা = M + N
অতএব,
সবগুলো সংখ্যার মোট সমষ্টি = AM + BN
মোট সংখ্যার সংখ্যা = M + N
সুতরাং,
সবগুলো সংখ্যার গড় = (AM + BN) ÷ (M + N)
উত্তর: (AM + BN)/(M+N)
সঠিক উত্তর: A) ২০.০০%
প্রদত্ত তথ্য:
তৈলের মূল্য বৃদ্ধি পায় ২৫%
ধরি,
পূর্বের মূল্য = ১০০ টাকা
বর্তমান মূল্য = ১২৫ টাকা
অতএব,
খরচ অপরিবর্তিত রাখতে হলে, ১২৫ টাকার তৈল ব্যবহার কমাতে হবে = ২৫ টাকা
১ টাকার তৈল ব্যবহার কমাতে হবে = ২৫ ÷ ১২৫ টাকা
১০০ টাকার তৈল ব্যবহার কমাতে হবে = (২৫ × ১০০) ÷ ১২৫ টাকা
সুতরাং,
ব্যবহার কমাতে হবে = ২৫০০ ÷ ১২৫ = ২০%
উত্তর: ২০.০০%
সঠিক উত্তর: C) আরবি
কেন সঠিক:
- বাবেল মান্দেব একটি ভৌগোলিক নাম হলেও এর উৎপত্তি আরবি ভাষা থেকে।
- আরবি ভাষায় বাবেল মান্দেব শব্দটির অর্থ চোখের জলের দ্বার বা দুঃখের দরজা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফারসি — প্রদত্ত উত্তর হিসেবে ফারসি উল্লেখ করা হলেও এটি সঠিক নয় কারণ শব্দটির মূল ফারসি ভাষা নয়।
B) উর্দু — উর্দু ভাষা থেকে এই প্রণালীর নামটি আসেনি।
C) আরবি — এটি সঠিক কারণ শব্দটি আরবি ভাষা থেকে এসেছে এবং এর সুনির্দিষ্ট অর্থ রয়েছে।
D) ইংরেজি — বাবেল মান্দেব কোনো ইংরেজি শব্দ নয়, এটি আরব অঞ্চলের ঐতিহাসিক ও ভৌগোলিক নাম।
মনে রাখার টিপস:
বাবেল মান্দেব লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগরকে যুক্ত করেছে এবং এর নামটি আরবি ভাষার একটি পরিচিত শব্দ।
সঠিক উত্তর: C) পাঁচ জন
কেন সঠিক:
- জাতিসংঘের সনদ অনুযায়ী সাধারণ পরিষদের প্রতিটি সদস্যরাষ্ট্র সর্বোচ্চ ৫ জন প্রতিনিধি পাঠাতে পারে।
- তবে প্রতিটি সদস্যরাষ্ট্রের ভোট প্রদানের ক্ষমতা বা ভোটাধিকার মাত্র একটি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তিন জন — এটি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের প্রতিনিধি পাঠানোর সঠিক সংখ্যা নয়, বরং এর চেয়ে বেশি প্রতিনিধি পাঠানো যায়।
B) চার জন — নিয়ম অনুযায়ী সদস্যরাষ্ট্রগুলোর জন্য এটি নির্ধারিত প্রতিনিধি সংখ্যার সীমা নয়।
C) পাঁচ জন — এটি জাতিসংঘের নিয়ম অনুযায়ী সাধারণ পরিষদে প্রতিটি সদস্যরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ প্রতিনিধি পাঠানোর সঠিক সংখ্যা।
D) ছয় জন — জাতিসংঘের বিধান অনুযায়ী কোনো সদস্যরাষ্ট্র সাধারণ পরিষদে ৬ জন প্রতিনিধি পাঠাতে পারে না।
মনে রাখার টিপস:
জাতিসংঘে প্রতিটি দেশ সদস্য হতে পারে ১টি, আর প্রতিনিধি পাঠাতে পারে ৫ জন। সংখ্যা দুটি মনে রাখতে পারেন ১ এবং ৫।
সঠিক উত্তর: A) ১৯৬৪ সালে
কেন সঠিক:
- ফিলিস্তিনের মুক্তি আন্দোলনকে সংহত করার উদ্দেশ্যে ১৯৬৪ সালে জেরুজালেমে পিএলও বা প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশন গঠিত হয়।
- আরব লিগের শীর্ষ সম্মেলনের সিদ্ধান্তে এই সংগঠনটি প্রতিষ্ঠা লাভ করে এবং ইয়াসির আরাফাত এর দীর্ঘকালীন নেতা ছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৬৪ সালে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই পিএলও প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
B) ১৯৬৫ সালে — এই সালে ফাতাহ সশস্ত্র সংগ্রাম শুরু করে, পিএলও গঠনের বছর এটি নয়।
C) ১৯৬৬ সালে — এটি পিএলও গঠনের বছর নয়, এটি ফিলিস্তিনি রাজনীতির অন্য একটি সাধারণ বছর।
D) ১৯৬৭ সালে — এই সালে বিখ্যাত আরব-ইসরায়েল যুদ্ধ বা ছয় দিনের যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল, পিএলও গঠনের বছর নয়।
মনে রাখার টিপস:
পিএলওর জন্ম সাল মনে রাখতে মনে রাখুন ফিলিস্তিনিরা অধিকার আদায়ের লড়াই শুরু করার ঠিক আগের বছরগুলোতে অর্থাৎ ১৯৬৪ সালে একত্রিত হয়।
সঠিক উত্তর: D) ঘানা
কেন সঠিক:
কোয়ামে নক্রুমা ১৯৫৭ সালে স্বাধীনতা লাভের পর ঘানার প্রথম প্রধানমন্ত্রী ও পরবর্তীতে প্রথম প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি আফ্রিকান ঐক্যের এক মহান নেতা ছিলেন।
আফ্রিকার মুক্তি আন্দোলনে তার ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি ঘানার আধুনিক ইতিহাসে অবিস্মরণীয় এক নাম।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নাইজেরিয়া — এই দেশের প্রথম প্রেসিডেন্ট ছিলেন ড Nnamdi Azikiwe এবং নক্রুমা এই দেশের সাথে সম্পর্কিত নন।
B) কংগো — এই দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী ছিলেন প্যাট্রিস লুমুম্বা এবং নক্রুমা এখানকার প্রেসিডেন্ট ছিলেন না।
C) আবিসিনিয়া — বর্তমান ইথিওপিয়ার এই প্রাচীন নামে নক্রুমা কখনো শাসনকার্য পরিচালনা করেননি।
D) ঘানা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
নক্রুমা নামটির সাথে ঘানার স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস গভীরভাবে যুক্ত আছে।
সঠিক উত্তর: C) মেজর জেনারেল কে এম শফিউল্লাহ
কেন সঠিক:
- ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ভোর রাত পর্যন্ত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন মেজর জেনারেল কে এম শফিউল্লাহ।
- ওই ঘটনার পরপরই তৎকালীন উপ-সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমানকে নতুন সেনাবাহিনী প্রধান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান — তিনি ১৫ আগস্টের পরিবর্তনের পর সেনাবাহিনীর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন, ঘটনার সময় তিনি উপ-সেনাপ্রধান ছিলেন।
B) মেজর জেনারেল মনজুর — তিনি এই ঘটনার সঙ্গে সেনা প্রধান হিসেবে সম্পৃক্ত ছিলেন না, তিনি পরবর্তীতে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন।
C) মেজর জেনারেল কে এম শফিউল্লাহ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ব্যাখ্যা আগেই দেওয়া হয়েছে।
D) মেজর জেনারেল এইচ এম এরশাদ — তিনি এই ঘটনার অনেক পরে ১৯৮২ সালে সামরিক শাসন জারি করে ক্ষমতা দখল করেন এবং সেনাপ্রধান হন।
মনে রাখার টিপস:
স্বাধীনতার পর প্রথম সেনাপ্রধান ছিলেন কে এম শফিউল্লাহ এবং পঁচাত্তরের পনেরো আগস্ট পর্যন্ত তিনি এই পদে বহাল ছিলেন।
সঠিক উত্তর: B) রোম
কেন সঠিক:
- প্রাচীন রোমান সাম্রাজ্যের ইতিহাস এবং ঐতিহ্যের কারণে এই শহরটিকে চির শান্তির শহর হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- ইতালির রাজধানী রোম তার দীর্ঘস্থায়ী শান্তি ও সমৃদ্ধির ঐতিহাসিক খ্যাতির জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ওসলো — এটি নরওয়ের রাজধানী এবং একে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার প্রদানের শহর বলা হয়, কিন্তু চির শান্তির শহর নয়।
B) রোম — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং প্রাচীন ঐতিহ্যের কারণে একে চির শান্তির শহর বলা হয়।
C) ভেনিস — এটি ইতালির একটি বিখ্যাত শহর এবং একে খালের শহর বা ক্যানেল সিটি বলা হয়।
D) এথেন্স — এটি গ্রিসের রাজধানী এবং গণতন্ত্রের জন্মস্থান হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিত।
মনে রাখার টিপস:
রোমান ইতিহাস ও শান্তির প্রতীক হিসেবে রোমকে চির শান্তির শহর মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: A) রোম
কেন সঠিক:
- ফুড অ্যান্ড এগ্রিকালচারাল অর্গানাইজেশন বা FAO হলো জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা।
- এই গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধান কার্যালয় ইতালির রাজধানী রোমে অবস্থিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রোম — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ FAO-এর সদরদপ্তর এখানেই অবস্থিত।
B) জেনেভা — এটি সুইজারল্যান্ডের শহর, যেখানে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং আইএলও-র মতো সংস্থার সদরদপ্তর রয়েছে।
C) ব্যাংকক — এটি থাইল্যান্ডের রাজধানী এবং এখানে জাতিসংঘের এসকাপ-এর সদরদপ্তর অবস্থিত।
D) প্যারিস — এটি ফ্রান্সের রাজধানী, যেখানে ইউনেস্কো এবং ওইসিডি-র মতো সংস্থার সদরদপ্তর অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
খাদ্য বা কৃষি নিয়ে কাজ করে এমন জাতিসংঘের প্রধান সংস্থার সদরদপ্তর ইতালির রোমে অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: B) গুনার মিরডাল
কেন সঠিক:
- গ্রন্থটি দক্ষিণ এশিয়ার অর্থনৈতিক অবস্থা এবং দারিদ্র্য নিয়ে রচিত একটি বিখ্যাত ক্লাসিক গবেষণা কর্ম।
- সুইডিশ অর্থনীতিবিদ গুনার মিরডাল ১৯৬৮ সালে এশিয়ান ড্রামা: অ্যান ইনকোয়ারি ইনটু দ্য পভার্টি অব নেশনস গ্রন্থটি প্রকাশ করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অমর্ত্য সেন — তিনি নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ হলেও এই গ্রন্থের রচয়িতা নন, তিনি মূলত কল্যাণ অর্থনীতি ও দুর্ভিক্ষ নিয়ে কাজ করেছেন।
B) গুনার মিরডাল — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি ভুল নয়।
C) মাইকেল লিফটন — তিনি এই গ্রন্থের লেখক নন, দক্ষিণ এশীয় রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ভিন্ন গবেষক।
D) উইলিয়াম রস্টো — তিনি অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধাপ বা স্টেজস অব ইকোনমিক গ্রোথ তত্ত্বের জন্য পরিচিত, এই গ্রন্থের লেখক নন।
মনে রাখার টিপস:
নাটক বা ড্রামা যেমন অভিনয় দিয়ে সাজানো হয়, তেমনি দক্ষিণ এশিয়ার গরিব দেশগুলোর অর্থনৈতিক নাটক সাজিয়েছিলেন অর্থনীতিবিদ গুনার মিরডাল।
সঠিক উত্তর: D) তিরানা
কেন সঠিক:
- তিরানা হলো দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপের দেশ আলবেনিয়ার রাজধানী ও বৃহত্তম শহর।
- এটি দেশটির রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বুদাপেস্ট — এটি আলবেনিয়ার রাজধানী নয়, এটি হাঙ্গেরি দেশের রাজধানী।
B) প্রাগ — এটি আলবেনিয়ার রাজধানী নয়, এটি চেক প্রজাতন্ত্র দেশের রাজধানী।
C) এথেন্স — এটি আলবেনিয়ার রাজধানী নয়, এটি গ্রিস দেশের রাজধানী।
D) তিরানা — এটি আলবেনিয়ার সঠিক রাজধানী এবং এই প্রশ্নের নির্ধারিত উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
আলবেনিয়ার নাম শুরু হয় আল দিয়ে আর রাজধানী তিরানার নাম মনে রাখতে টি শব্দটি ব্যবহার করতে পারো।
সঠিক উত্তর: A) ইন্টারন্যাশনাল ফিন্যান্স করপোরেশন
কেন সঠিক:
- বিশ্বব্যাংক গ্রুপের অন্যতম এই প্রতিষ্ঠানটি উন্নয়নশীল দেশের বেসরকারি খাতের উন্নয়নে আর্থিক সহায়তা ও পরামর্শ প্রদান করে।
- অর্থনৈতিক সংস্থার পূর্ণরূপ হিসেবে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এই নামকরণটি ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইন্টারন্যাশনাল ফিন্যান্স করপোরেশন — এটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
B) ইন্টারন্যাশনাল ফিন্যান্স ক্যাপিটাল — এটি কোনো প্রতিষ্ঠিত আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক সংস্থার সঠিক নাম নয়।
C) ইন্টারন্যাশনাল ফুড করপোরেশন — এটি খাদ্য বা কৃষিসংক্রান্ত বিশ্ব সংস্থার সঠিক নাম নয়।
D) এগুলোর কোনটিই না — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশন এ তে বিদ্যমান, তাই এটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
আইএফসি অর্থ ফিন্যান্স করপোরেশন, যা বেসরকারি খাতে অর্থায়ন করে।
সঠিক উত্তর: C) ১৯৬৩ সালে
কেন সঠিক:
- আফ্রিকান দেশগুলোর মধ্যে ঐক্য বজায় রাখতে এবং ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে লড়াই করতে ১৯৬৩ সালের ২৫ মে অর্গানাইজেশন অব আফ্রিকান ইউনিটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- আদ্দিস আবাবায় একত্র হয়ে আফ্রিকার বত্রিশটি স্বাধীন রাষ্ট্রের প্রধানরা এই সংস্থা গঠনের ঐতিহাসিক চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৬০ সালে — এই সালটি আফ্রিকার ইতিহাসেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ এই বছর নাইজেরিয়াসহ সতেরোটি আফ্রিকান দেশ স্বাধীনতা লাভ করেছিল কিন্তু ওএইউ প্রতিষ্ঠিত হয়নি।
B) ১৯৬২ সালে — এই বছরে ওএইউ প্রতিষ্ঠার কোনো আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক প্রক্রিয়া বা আন্তর্জাতিক সম্মেলন সম্পন্ন হয়নি।
C) ১৯৬৩ সালে — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর যা ওএইউ প্রতিষ্ঠার সুনির্দিষ্ট ঐতিহাসিক সাল হিসেবে সর্বজনস্বীকৃত।
D) ১৯৬৪ সালে — এই সালটি ওএইউ প্রতিষ্ঠার পরের বছর এবং এ সময়ে এর প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রম ও সচিবালয় গঠনের কাজ চলছিলো।
মনে রাখার টিপস:
আফ্রিকার মুক্তির জয়গান, প্রতিষ্ঠা হলো ১৯৬৩ সালের চব্বিশে মে নয় পঁচিশে মে।
সঠিক উত্তর: C) ১৯৬৭ সালে
কেন সঠিক:
- ইসরাইল ১৯৬৭ সালের আরব-ইসরাইল ছয়দিনের যুদ্ধের সময় পূর্ব জেরুজালেম দখল করে নেয়।
- এই যুদ্ধের মাধ্যমে তারা সমগ্র জেরুজালেম শহরের ওপর নিজেদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৪৮ সালে — এই সালে ইসরাইল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয় এবং প্রথম আরব-ইসরাইল যুদ্ধের পর জেরুজালেম বিভক্ত হয়েছিল, দখল হয়নি।
B) ১৯৬০ সালে — এই সালে পূর্ব জেরুজালেম দখলের কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটেনি।
D) ১৯৭৩ সালে — এই সালে ইয়োম কিপুর যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল, পূর্ব জেরুজালেম দখল এর আগের ঘটনা।
মনে রাখার টিপস:
ছয়দিনের যুদ্ধ বা ১৯৬৭ সাল মনে রাখলেই পূর্ব জেরুজালেম দখলের সঠিক সালটি সহজেই মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: A) ইরাক
কেন সঠিক:
- উপসাগরীয় যুদ্ধের পর কুয়েতকে রক্ষা করতে এবং শিয়া ও কুর্দি বিদ্রোহ দমনে সাদ্দাম হোসেনের বিমানবাহিনীকে বাধা দিতে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা ইরাকের আকাশে এই অঞ্চল ঘোষণা করেছিল।
- এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় ইরাকি যুদ্ধবিমান ও সামরিক আকাশযান নির্দিষ্ট অঞ্চলের ওপর ওড়া নিষেধ ছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইরাক — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দেশের আকাশসীমায় যুক্তরাষ্ট্র ও মিত্রবাহিনী নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল।
B) কুয়েত — এটি স্বাধীন রাষ্ট্র এবং উপসাগরীয় যুদ্ধের শিকার, এখানে কোনো নো-ফ্লাই জোন ছিল না।
C) আফগানিস্তান — এটি মধ্য এশিয়ার একটি দেশ, যেখানে সোভিয়েত বা পরবর্তী সংঘাতে এই ধরনের কোনো নির্দিষ্ট আন্তর্জাতিক নো-ফ্লাই জোন ছিল না।
D) ইসরাইল — এটি মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশ, যার নিজস্ব শক্তিশালী আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা রয়েছে এবং এখানে এমন কোনো নিষেধাজ্ঞা ছিল না।
মনে রাখার টিপস:
উপসাগরীয় যুদ্ধের পর সাদ্দাম হোসেনের বিমান চলাচলে বাধা দিতে ইরাকে নো-ফ্লাই জোন চালু করা হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: D) ইতালি
কেন সঠিক:
- মাইকেল এঞ্জেলো রেনেসাঁ যুগের অন্যতম প্রধান ইতালীয় ভাস্কর, চিত্রশিল্পী ও স্থপতি ছিলেন।
- তার জন্ম ইতালির ক্যাপ্রেস নামক স্থানে এবং তিনি ফ্লোরেন্স ও রোমে তার শিল্পকর্ম পরিচালনা করেছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অস্ট্রিয়া — এটি মধ্য ইউরোপের একটি দেশ, যেখানকার বিখ্যাত শিল্পী মাইকেল এঞ্জেলো নন।
B) গ্রিস — এটি প্রাচীন সভ্যতার দেশ হলেও মাইকেল এঞ্জেলো এই দেশের শিল্পী নন।
C) সুইডেন — এটি উত্তর ইউরোপের একটি দেশ এবং এই শিল্পীর জন্মস্থান এখানে নয়।
D) ইতালি — প্রদত্ত এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি ইতালীয় রেনেসাঁর অমর শিল্পী।
মনে রাখার টিপস:
মাইকেল এঞ্জেলো নামটি শুনলেই ইতালির রেনেসাঁ যুগ এবং তার বিখ্যাত ভাস্কর্য ডেভিড ও সিস্টাইন চ্যাপেলের ছাদের আঁকা ছবির কথা মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: B) চীন ও ভারত
কেন সঠিক:
- ম্যাকমোহন লাইন হলো চীন ও ভারতের মধ্যকার বিতর্কিত সীমান্ত রেখা।
- ১৯১৪ সালে সিমলা চুক্তির মাধ্যমে এই সীমানা নির্ধারিত হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চীন ও রাশিয়া — চীন ও রাশিয়ার সীমানা নির্ধারণ করে আমুর নদী ও অন্যান্য সীমান্ত চুক্তি, ম্যাকমোহন লাইন নয়।
B) চীন ও ভারত — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, এটি এই দুটি দেশের সীমান্ত নির্দেশ করে।
C) ভারত ও পাকিস্তান — ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার সীমান্ত রেডক্লিফ লাইন নামে পরিচিত।
D) পাকিস্তান ও আফগানিস্তান — পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যকার সীমান্ত ডুরান্ড লাইন নামে পরিচিত।
মনে রাখার টিপস:
ম্যাকমোহন নামের সাথে ভারত ও চীনের সীমান্ত মনে রাখতে 'ম্যাক' শব্দটিকে ভারতের সীমান্ত হিসেবে মাথায় রাখতে পারেন।
প্রশ্নের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ / আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: নরওয়ে (প্রদত্ত উত্তর D ভুল ছিল)
কেন সঠিক:
- নরওয়ের হামারফেস্ট শহর বা সামগ্রিক নরওয়ে রাষ্ট্রটি নিশীথ সূর্যের দেশ নামে পরিচিত কারণ এখানে গ্রীষ্মকালে কিছুদিন সূর্য অস্ত যায় না।
- ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে নরওয়ের উত্তরাঞ্চলে এই প্রাকৃতিক দৃশ্য দেখা যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হেমারফেস্ট — এটি নরওয়ের একটি শহর, যা নিশীথ সূর্যের দেশ নরওয়ের অন্তর্ভুক্ত, তাই এককভাবে সম্পূর্ণ দেশকে বোঝায় না।
B) কুইবেক — এটি কানাডার একটি প্রদেশ, যা ফরাসিভাষী অঞ্চলের জন্য পরিচিত এবং এটি নিশীথ সূর্যের দেশ নয়।
C) তিব্বত — এটি এশিয়ার একটি মালভূমি অঞ্চল, যা ছাদ ভূমি নামে পরিচিত এবং এটি নিশীথ সূর্যের দেশ নয়।
D) কোনটিই নয় — প্রদত্ত উত্তরটি ভুল ছিল কারণ সঠিক উত্তর নরওয়ে অপশনে উপস্থিত রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
নরওয়ের র - আর সূর্যের ন দিয়ে মনে রাখতে পারেন নরওয়ে হলো নিশীথ সূর্যের দেশ।
সঠিক উত্তর: D) এডিসন
কেন সঠিক:
- টমাস আলভা এডিসন ১৮৭৭ সালে ফনোগ্রাফ বা শব্দ ধারণ ও পুনരുৎপাদন যন্ত্র আবিষ্কার করেন।
- এটি ছিল মানুষের কণ্ঠস্বর রেকর্ড ও প্লেব্যাক করার ইতিহাসের প্রথম সফল যন্ত্র।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রন্টজেন — তিনি এক্স-রে বা রন্টজেন রশ্মি আবিষ্কার করেছিলেন, ফনোগ্রাফ নয়।
B) ফ্যারাডে — তিনি তড়িচ্চুম্বকীয় আবেশ এবং ডায়নামো আবিষ্কার করেছিলেন।
C) মার্কনী — তিনি বেতার বা রেডিও তরঙ্গ আবিষ্কার করেছিলেন।
D) এডিসন — ফনোগ্রাফের আবিষ্কারক হিসেবে ইনি সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
এডিসন মানেই আলো আর শব্দ, কারণ তিনি বাল্ব ও ফনোগ্রাফ দুটোই আবিষ্কার করেছিলেন।
সঠিক উত্তর: D) জেদ্দা
কেন সঠিক:
- ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংক বা আইডিবি একটি আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান, যার সদরদপ্তর সৌদি আরবের জেদ্দায় অবস্থিত।
- ১৯৭৩ সালের ডিসেম্বরে ওআইসি অর্থমন্ত্রীদের সম্মেলনে এই ব্যাংক প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত হয় এবং ১৯৭৫ সালের ২০ অক্টোবর এর কার্যক্রম শুরু হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রিয়াদ — এটি সৌদি আরবের রাজধানী এবং উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদ বা জিসিসি-র সদরদপ্তর, আইডিবি-র নয়।
B) কায়রো — এটি মিশরের রাজধানী এবং আরব লিগের সদরদপ্তর এখানে অবস্থিত।
C) কুয়েত — এটি কুয়েতের রাজধানী এবং আরব অর্থনৈতিক উন্নয়ন তহবিলের সদরদপ্তর এখানে অবস্থিত।
D) জেদ্দা — এটি সঠিক উত্তর কারণ আইডিবি-র প্রধান কার্যালয় এখানেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংক বা আইডিবি মুসলিম দেশগুলোর সংস্থা ওআইসি-র সাথে সম্পর্কিত, তাই এর সদরদপ্তর ওআইসি-র দেশ সৌদি আরবের জেদ্দায় অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: C) গলগণ্ড রোগ নির্ণয়ে
১. কেন সঠিক:
আইসোটোপের তেজস্ক্রিয় বিকিরণ ব্যবহার করে শরীরের নির্দিষ্ট অঙ্গের রোগ নির্ণয় করা হয়।
থাইরয়েড গ্রন্থির সমস্যা বা গলগণ্ড রোগ নির্ণয় করতে আয়োডিন এর তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ হলো সেই সব পরমাণু যা থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে বিকিরণ নির্গত হয়।
কার্যপ্রণালি: রোগ নির্ণয়ের জন্য শরীরে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ প্রবেশ করালে তা নির্দিষ্ট অঙ্গে জমা হয় এবং স্ক্যানারে ধরা পড়ে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: থাইরয়েড স্ক্যান
ব্যাখ্যা: আয়োডিন ১৩১ নামক তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ থাইরয়েড গ্রন্থিতে জমা হয়ে গলগণ্ড বা থাইরয়েডের কার্যকারিতা পরীক্ষা করতে সাহায্য করে।
উদাহরণ ২: ক্যান্সার চিকিৎসায় কোবাল্ট ৬০
ব্যাখ্যা: কোবাল্ট ৬০ থেকে নির্গত গামা রশ্মি ক্যান্সার কোষ ধ্বংস করতে চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কিডনীর পাথর গলাতে — এই অপশন ভুল কারণ কিডনির পাথর অপসারণে লেথোট্রিপসি নামক শক ওয়েভ থেরাপি ব্যবহার করা হয়।
B) পিত্ত পাথর গলাতে — এই অপশন ভুল কারণ পিত্তথলির পাথর চিকিৎসায় সাধারণত অস্ত্রোপচার বা বিশেষ ওষুধ ব্যবহার করা হয়।
C) গলগণ্ড রোগ নির্ণয়ে — এই অপশন সঠিক কারণ তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ থাইরয়েড গ্রন্থির রোগ নির্ণয়ে সরাসরি ব্যবহৃত হয়।
D) নতুন পরমাণু তৈরিতে — এই অপশন ভুল কারণ নতুন পরমাণু তৈরির প্রক্রিয়াটি নিউক্লীয় সংযোজন বা কণা ত্বরণকারীর সঙ্গে সম্পর্কিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
রেডিও আইসোটোপ ও থাইরয়েড বা গলগণ্ড শব্দটি একসঙ্গে মনে রাখবে।
আইসোটোপ ব্যবহার হয় রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসায়, পাথর গলাতে নয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
অন্যান্য চিকিৎসায় ব্যবহৃত আইসোটোপ যেমন ফসফরাস বা কোবাল্ট এর ব্যবহার সম্পর্কেও ধারণা রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) ক্রোমোসোম
১. কেন সঠিক:
- ক্রোমোসোম হলো কোষের নিউক্লিয়াসে অবস্থিত বংশগতির মূল ধারক যা পিতা-মাতার বৈশিষ্ট্য সন্তানে বহন করে।
- এতে থাকা ডিএনএ এবং জিন জীবের শারীরিক ও মানসিক সব বৈশিষ্ট্য নির্ধারণ করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: ক্রোমোসোম হলো নিউক্লিওপ্রোটিন দ্বারা গঠিত সুতার মতো অংশ যা কোষ বিভাজনের সময় দৃশ্যমান হয়।
- কার্যপ্রণালি: ক্রোমোসোমে থাকা জিন বংশগতির বৈশিষ্ট্যগুলো এক প্রজন্ম থেকে পরবর্তী প্রজন্মে স্থানান্তরিত করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মানুষের সন্তানের চোখ বা চুলের রং বাবা-মায়ের মতো হওয়া।
ব্যাখ্যা: ক্রোমোসোমে থাকা জিন এই শারীরিক বৈশিষ্ট্যগুলোর তথ্য বহন করে পরবর্তী প্রজন্মে পৌঁছে দেয়।
উদাহরণ ২: আম গাছের বীজ থেকে সবসময় আম গাছ জন্ম নেওয়া।
ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে যে ক্রোমোসোমের মাধ্যমে প্রজাতির নিজস্ব বৈশিষ্ট্য বংশপরম্পরায় বজায় থাকে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নিউক্লিয়াস — নিউক্লিয়াস হলো কোষের সব কাজের নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র এবং ক্রোমোসোমের ধারক, কিন্তু সরাসরি বৈশিষ্ট্য বহন করে না।
B) নিউক্লিওলাস — নিউক্লিওলাস হলো নিউক্লিয়াসের ভেতরে অবস্থিত ঘন গোল অংশ যা রাইবোজোম তৈরি করে।
D) নিওক্লিওপ্লাজম — নিওক্লিওপ্লাজম হলো নিউক্লিয়াসের ভেতরের জেলি সদৃশ তরল পদার্থ যা নিউক্লিয়াসের উপাদান ধারণ করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
বংশগতির মূল বাহক ক্রোমোসোম মনে রাখতে মনে রাখবে ক্রোমোসোম মানেই বৈশিষ্ট্যের বাক্স।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কোশের নিউক্লিয়াসে ক্রোমোসোমের সংখ্যা নির্দিষ্ট থাকে যেমন মানুষের কোষে ৪৬টি।
ভবিষ্যতের MCQ-তে আসতে পারে মানবদেহে সেক্স ক্রোমোসোমের সংখ্যা কয়টি।
সঠিক উত্তর: C) চুম্বক ক্ষেত্র হিসেবে
১. কেন সঠিক:
ক্যাসেটের ফিতায় শব্দ সংরক্ষণের প্রধান মাধ্যম হলো চুম্বকত্ব। ফিতাটির গায়ে চৌম্বক পদার্থের একটি সূক্ষ্ম প্রলেপ থাকে যা শব্দের সিগন্যালকে চুম্বক ক্ষেত্রে রূপান্তর করে ধরে রাখে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: ইলেকট্রোম্যাগনেটিক রেকর্ডিং প্রযুক্তিতে শব্দের অ্যানালগ সিগন্যালকে চৌম্বক সিগন্যালে রূপান্তরিত করা হয়।
কার্যপ্রণালি: মাইক্রোফোনের মাধ্যমে শব্দকে বৈদ্যুতিক তরঙ্গে রূপান্তর করে অডিও হেডের মধ্যে দিয়ে ফিতায় পাঠানো হয় এবং ফিতার কণাগুলো সেই অনুযায়ী চুম্বকিত হয়।
বাস্তব প্রয়োগ: এই প্রযুক্তির মাধ্যমে ক্যাসেট টেপ রেকর্ডারে গান বা কথা দীর্ঘস্থায়ীভাবে সংরক্ষণ ও বারবার বাজানো সম্ভব হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অডিও ক্যাসেট টেপ।
ব্যাখ্যা: অডিও ক্যাসেট প্লেয়ারে টেপ ঘোরার সময় চৌম্বক ফিতার তথ্য রিডিং হেডের মাধ্যমে শব্দে রূপান্তরিত হয়।
উদাহরণ ২: কম্পিউটার হার্ডডিস্ক ড্রাইভ।
ব্যাখ্যা: হার্ডডিস্কেও ঘূর্ণায়মান চৌম্বকীয় প্লেটের ওপর তথ্য সংরক্ষণ করা হয়, যা ক্যাসেট প্রযুক্তির একটি উন্নত রূপ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র হিসেবে — বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র মূলত আধানের চারপাশের অঞ্চল নির্দেশ করে, যা স্থায়ীভাবে ফিতায় শব্দ ধরে রাখতে পারে না।
B) মেমোরি চিপ হিসেবে — মেমোরি চিপ সেমিকন্ডাক্টর বা অর্ধপরিবাহী প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করে কাজ করে, যা অ্যানালগ ক্যাসেট ফিতায় ব্যবহৃত হয় না।
C) চুম্বক ক্ষেত্র হিসেবে — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়, কারণ ফিতায় চুম্বক ক্ষেত্র হিসেবেই শব্দ রক্ষিত থাকে।
D) কার্বন ক্ষেত্র হিসেবে — কার্বন ক্ষেত্র শব্দ সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয় না, এটি কার্বন মাইক্রোফোনে শব্দ তরঙ্গ পরিবর্তনে ব্যবহৃত হতে পারে।
৫. মনে রাখার টিপস:
ক্যাসেটের ফিতা মানেই চুম্বক। ক্যাসেটের ফিতা মুখে লাগালে চুম্বকের মতো টেনে ধরে, এভাবে মনে রাখা যায় যে এখানে চুম্বক ক্ষেত্র কাজ করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কম্পিউটারের ফ্লপি ডিস্ক এবং হার্ডডিস্কেও চুম্বকীয় সঞ্চয়ণ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। চুম্বকত্ব এবং তড়িৎ চুম্বকীয় আবেশ সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: D) -৪০°
১. কেন সঠিক:
- সেলসিয়াস এবং ফারেনহাইট স্কেলের মধ্যে তাপমাত্রার রূপান্তর সম্পর্ক অনুযায়ী মাইনাস চল্লিশ ডিগ্রি তাপমাত্রায় উভয় স্কেলের মান সমান হয়।
- এই নির্দিষ্ট বিন্দুতে পারদ বা অ্যালকোহল থার্মোমিটারের পাঠ সেলসিয়াস ও ফারেনহাইট উভয় মাপে একই সংখ্যা প্রকাশ করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: তাপমাত্রা পরিমাপের জন্য বিভিন্ন স্কেল ব্যবহৃত হয় যার মধ্যে সেলসিয়াস ও ফারেনহাইট সবচেয়ে জনপ্রিয়।
- সূত্র বা তত্ত্ব: সি ভাগ পাঁচ সমান এফ বিয়োগ বত্রিশ ভাগ নয়, যেখানে সি হলো সেলসিয়াস স্কেলের তাপমাত্রা এবং এফ হলো ফারেনহাইট স্কেলের তাপমাত্রা।
- কার্যপ্রণালি: সমীকরণে সি এর পরিবর্তে এফ বসিয়ে বা উভয় চলক সমান ধরে হিসাব করলে ফলাফল মাইনাস চল্লিশ পাওয়া যায়।
- হিসাবের ধাপ: এক্স ভাগ পাঁচ সমান এক্স বিয়োগ বত্রিশ ভাগ নয়, যা সমাধান করলে নয় গুণ এক্স সমান পাঁচ গুণ এক্স বিয়োগ একষট্টি হয় এবং এক্স এর মান মাইনাস চল্লিশ আসে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শীতপ্রধান দেশের তীব্র শীতের আবহাওয়া।
ব্যাখ্যা: অনেক সময় সাইবেরিয়া বা অ্যান্টার্কটিকার কিছু অঞ্চলে তাপমাত্রা এত নিচে নেমে যায় যে স্কেলের এই নেতিবাচক মানের কাছাকাছি পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়।
উদাহরণ ২: পরীক্ষাগারে ব্যবহৃত থার্মোমিটারের ক্রমাঙ্কন।
ব্যাখ্যা: দুটি ভিন্ন স্কেলের সমতা রক্ষা করার জন্য পরীক্ষাগারে এই অভিন্ন তাপমাত্রা বিন্দুটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি গাণিতিক পরীক্ষা হিসেবে গণ্য করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ০° — এটি সেলসিয়াস স্কেলে পানির হিমাঙ্ক বা বরফ জমার তাপমাত্রা নির্দেশ করে, যা ফারেনহাইট স্কেলে বত্রিশ ডিগ্রি হয়।
B) ১০০° — এটি সেলসিয়াস স্কেলে পানির স্ফুটনাঙ্ক বা ফুটন্ত পানির তাপমাত্রা, যা ফারেনহাইট স্কেলে দুই শো বারো ডিগ্রি হয়।
C) ৪° — এটি চার ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় পানির ঘনত্ব সর্বোচ্চ হওয়ার মান, যা ফারেনহাইট স্কেলে উনচল্লিশ দশমিক দুই ডিগ্রি হয়।
D) -৪০° — এটি সেই নির্দিষ্ট ও অনন্য তাপমাত্রা যেখানে সেলসিয়াস ও ফারেনহাইট উভয় স্কেলের মান সম্পূর্ণ সমান হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মাইনাস চল্লিশ সংখ্যাটি সেলসিয়াস এবং ফারেনহাইট উভয় ক্ষেত্রেই নিজের আয়নায় প্রতিচ্ছবির মতো একই মান দেখায়।
- পরীক্ষার হলে বিভ্রান্তি এড়ানোর জন্য সি ভাগ পাঁচ সমান এফ বিয়োগ বত্রিশ ভাগ নয় এই সূত্রটি মনে রাখবে এবং সি ও এফ এর জায়গায় একই চলক ধরে মান বের করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি তাপ ও তাপগতিবিদ্যা অংশ থেকে প্রায়ই বারবার আসে।
- সেলসিয়াস এবং কেলভিন স্কেলের ক্ষেত্রে কোনো সাধারণ সমান তাপমাত্রা নেই কারণ কেলভিন স্কেলের পরম শূন্য মাত্রা মাইনাস দুই শো তিথাত্তর দশমিক পনেরো ডিগ্রি সেলসিয়াস।
সঠিক উত্তর: B) ইনসুলিন
১. কেন সঠিক:
- ইনসুলিন রক্তে গ্লুকোজ বা চিনির মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে প্রধান ভূমিকা পালন করে।
- অগ্ন্যাশয়ের আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহ্যান্সের বেটা কোষ থেকে এই হরমোন নিঃসৃত হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: ইনসুলিন হলো একটি পেপটাইড হরমোন যা বিপাক প্রক্রিয়ায় শর্করা ভাঙতে সাহায্য করে।
- কার্যপ্রণালি: এটি রক্তে শর্করা প্রবেশ করার পর কোষগুলোকে গ্লুকোজ গ্রহণ করতে উদ্দীপিত করে।
- কারণ ও ফলাফল: ইনসুলিনের ঘাটতি হলে রক্তে শর্করার পরিমাণ অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পায় যা ডায়াবেটিস মেলিটাস রোগ সৃষ্টি করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মিষ্টি খাবার খাওয়ার পর অগ্ন্যাশয় থেকে ইনসুলিন নিঃসৃত হয়ে রক্তের শর্করা কোষে পৌঁছে দেয়।
ব্যাখ্যা: এটি রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা স্বাভাবিক রাখতে সরাসরি কাজ করে।
উদাহরণ ২: দীর্ঘক্ষণ না খেয়ে থাকলে ইনসুলিনের ক্ষরণ কমে যায় এবং গ্লুকাগন হরমোন সক্রিয় হয়।
ব্যাখ্যা: এটি দেহে শক্তির ভারসাম্য বজায় রাখতে হরমোনের পারস্পরিক সহযোগিতার উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পেনিসিলিন — এটি কোনো হরমোন নয়, বরং এটি ব্যাকটেরিয়া ধ্বংসকারী একটি অ্যান্টিবায়োটিক বা ওষুধ।
B) ইনসুলিন — এটি অগ্ন্যাশয় থেকে নির্গত চিনির বিপাক নিয়ন্ত্রণকারী হরমোন এবং সঠিক উত্তর।
C) পোলিক এসিড — এটি ভিটামিন বি এর একটি রূপ যা কোষ গঠনে ও রক্ত উৎপাদনে সাহায্য করে।
D) এমিনো এসিড — এটি প্রোটিনের মূল গঠনগত একক এবং হরমোন তৈরির উপাদান, নিজে হরমোন নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- অগ্ন্যাশয়ের বেটা কোষ থেকে ইনসুলিন উৎপন্ন হয় এবং এটি চিনির বিপাক নিয়ন্ত্রণ করে।
- ইনসুলিন শব্দটির সঙ্গে রক্তে শর্করার মাত্রা কমানোর সম্পর্ক মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় মানবদেহের হরমোন অংশ থেকে প্রায়ই আসে।
- অগ্ন্যাশয়কে মিশ্র গ্রন্থি বলা হয় কারণ এটি একই সঙ্গে হরমোন ও এনজাইম উভয়ই নিঃসরণ করে।
সঠিক উত্তর: D) সোডিয়াম মনো গ্লুটামেট
১. কেন সঠিক:
- টেস্টিং সল্ট বা এজিনোমোটোর মূল রাসায়নিক উপাদান হলো সোডিয়াম মনো গ্লুটামেট, যা খাবারের স্বাদ বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।
- এটি গ্লুটামিক অ্যাসিডের একটি সোডিয়াম লবণ, যা আমাদের জিহ্বায় থাকা উমামি স্বাদের রিসেপ্টরকে উদ্দীপিত করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: সোডিয়াম মনো গ্লুটামেট হলো এক ধরনের খাদ্য সংযোজন, যা প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবারের সুস্বাদু ভাব তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়।
- রাসায়নিক গঠন: এর রাসায়নিক সংকেত হলো C5H8NO4Na, যেখানে গ্লুটামিক অ্যাসিডের সঙ্গে সোডিয়াম যুক্ত থাকে।
- বাস্তব প্রয়োগ: চাইনিজ খাবার, স্যুপ এবং ফাস্ট ফুডে রান্নার স্বাদ বাড়ানোর জন্য এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রেস্টুরেন্টের চাইনিজ ফ্রাইড রাইস বা নুডলস।
ব্যাখ্যা: এই খাবারগুলোতে টেস্টিং সল্ট ব্যবহার করায় সাধারণ খাবারের চেয়ে স্বাদ অনেক বেশি সুস্বাদু লাগে।
উদাহরণ ২: টমেটো সস বা প্রক্রিয়াজাত স্যুপ।
ব্যাখ্যা: প্রাকৃতিকভাবে টমেটো ও মাশরুমে গ্লুটামেট থাকায় এগুলো রান্নার পর খাবারে এক ধরনের গভীর স্বাদ এনে দেয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সোডিয়াম বাইকার্বনেট — এটি মূলত খাবার সোডা বা বেকিং সোডা, যা কেক ফোলাতে এবং অ্যান্টাসিড হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
B) সোডিয়াম গ্লুটামেট — এটি আংশিক নাম, সঠিক ও পূর্ণ রাসায়নিক নাম হলো সোডিয়াম মনো গ্লুটামেট।
C) পটাশিয়াম বাইকার্বনেট — এটি একটি ক্ষারীয় লবণ, যা সোডিয়ামের বিকল্প হিসেবে এবং অগ্নি নির্বাপক যন্ত্রে ব্যবহৃত হয়।
D) সোডিয়াম মনো গ্লুটামেট — এটি সঠিক উত্তর, কারণ টেস্টিং সল্টের পূর্ণ ও নির্ভুল রাসায়নিক নাম এটিই।
৫. মনে রাখার টিপস:
- টেস্টিং সল্ট মানেই মনো বা একা সোডিয়ামযুক্ত গ্লুটামেট, তাই নামের শেষে মনো গ্লুটামেট কথাটি মনে রাখতে হবে।
- খাবার সোডার সঙ্গে সোডিয়াম গ্লুটামেটের নাম গুলিয়ে ফেলা যাবে না, কারণ খাবার সোডা হলো সোডিয়াম বাইকার্বনেট।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় খাদ্য সংযোজন ও রাসায়নিক নাম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- টেস্টিং সল্টের বৈজ্ঞানিক নাম সোডিয়াম মনো গ্লুটামেট এবং খাবার সোডার রাসায়নিক নাম সোডিয়াম বাইকার্বনেট, বিষয়টি ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) বায়বীয় পদার্থ
১. কেন সঠিক:
তাপ প্রয়োগ করলে পদার্থের অণুগুলোর গতিশক্তি বৃদ্ধি পায় এবং অণুগুলোর মধ্যকার গড় দূরত্ব বেড়ে যায়।
বায়বীয় পদার্থের অণুগুলোর আন্তঃআণবিক আকর্ষণ বল অত্যন্ত কম এবং তাদের গতিশীলতা সবচেয়ে বেশি থাকায় তাপ পেলে এরা সবচেয়ে দ্রুত ও বেশি প্রসারিত হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: পদার্থের অণুগুলোর মধ্যে ফাঁকা স্থান এবং আন্তঃআণবিক বলের তারতম্যের কারণে তাপ প্রয়োগে কঠিন, তরল ও বায়বীয় পদার্থের প্রসারণ বিভিন্ন হয়।
কার্যপ্রণালি: তাপমাত্রা বাড়লে গ্যাসীয় পদার্থের অণুগুলো অধিক বেগে ছোটাছুটি শুরু করে এবং পাত্রের দেয়ালে অধিক ধাক্কা দেয়, ফলে আয়তন বহুগুণ বেড়ে যায়।
বাস্তব প্রয়োগ: গরমের দিনে সাইকেল বা গাড়ির টায়ারের ভেতরের বাতাস প্রসারিত হয়, তাই টায়ার অতিরিক্ত ফুঁলে গেলে অনেক সময় ফেটে যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বেলুনের ভেতরে বাতাস ভরে রোদে রাখলে বেলুনটি ফুলে ফেটে যায়।
ব্যাখ্যা: রোদের তাপে বেলুনের ভেරের বায়ু প্রসারিত হয়ে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করে।
উদাহরণ ২: শীতকালে বৈদ্যুতিক তার টানটান থাকে কিন্তু গরমে তা কিছুটা ঝুলে পড়ে।
ব্যাখ্যা: তাপমাত্রার তারতম্যের কারণে পদার্থের প্রসারণ ও সংকোচন ঘটে, যদিও ধাতু কঠিন হওয়ায় এর প্রসারণ বায়বীয় পদার্থের চেয়ে অনেক কম।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তরল পদার্থ — কঠিনের চেয়ে বেশি কিন্তু বায়বীয় পদার্থের চেয়ে কম প্রসারিত হয় কারণ এর অণুগুলোর মধ্যকার আকর্ষণ বল গ্যাসের চেয়ে বেশি।
B) বায়বীয় পদার্থ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ গ্যাসের অণুগুলোর স্বাধীনতা ও গতিশীলতা সবচেয়ে বেশি থাকায় তাপমাত্রার পরিবর্তনে এর প্রসারণ সর্বোচ্চ হয়।
C) কঠিন পদার্থ — এর অণুগুলো খুব কাছাকাছি আবদ্ধ থাকে এবং দৃঢ়ভাবে যুক্ত থাকে, ফলে তাপ দিলে এর প্রসারণ সবচেয়ে কম হয়।
D) নরম পদার্থ — নরম বলতে সাধারণত তুলতুলে বা স্থিতিস্থাপকতা কম বোঝায়, যা তাপীয় প্রসারণের মূল নির্ধারণকারী একক বা মৌলিক অবস্থা নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
পদার্থের তিন অবস্থার প্রসারণের ক্রম মনে রাখার সহজ উপায় হলো গ্যাস সবার চেয়ে বেশি, তরল মাঝামাঝি এবং কঠিন সবচেয়ে কম ছড়ায়।
গ্যাসীয় পদার্থের আয়তন প্রসারণ সহগের মান সবচেয়ে বেশি হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
তাপীয় প্রসারণের ক্ষেত্রে দৈর্ঘ্য প্রসারণ ক্ষেত্র প্রসারণ এবং আয়তন প্রসারণ সহগ ব্যবহৃত হয়।
কঠিন পদার্থের ক্ষেত্রে দৈর্ঘ্য প্রসারণ বেশি আলোচিত হলেও বায়বীয় পদার্থের ক্ষেত্রে কেবল আয়তন প্রসারণ বিবেচনা করা হয়।
সঠিক উত্তর: A) নিউট্রন ও প্রোট্রন
১. কেন সঠিক:
- পরমাণুর ঠিক কেন্দ্রস্থলে অত্যন্ত ঘন এবং ক্ষুদ্র একটি অংশ থাকে যাকে নিউক্লিয়াস বলা হয়।
- এই নিউক্লিয়াসের ভেতরে মূলত দুটি কণা অবস্থান করে যাদের একত্রে নিউক্লিয়ন বলা হয় এবং এরা হলো প্রোটন ও নিউট্রন।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: পরমাণুর সমগ্র ভরের প্রায় পুরোটাই তার নিউক্লিয়াসে পুঞ্জীভূত থাকে কারণ প্রোটন ও নিউট্রনের ভর ইলেকট্রনের তুলনায় অনেক বেশি।
- কার্যপ্রণালি: প্রোটন ধনাত্মক আধানযুক্ত এবং নিউট্রন আধানহীন বা নিরপেক্ষ কণা, যা শক্তিশালী নিউক্লীয় বলের মাধ্যমে নিউক্লিয়াসে আবদ্ধ থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হিলিয়াম পরমাণু
ব্যাখ্যা: হিলিয়াম পরমাণুর নিউক্লিয়াসে দুটি প্রোটন ও দুটি নিউট্রন থাকে যা এর ভর গঠন করে।
উদাহরণ ২: কার্বন পরমাণু
ব্যাখ্যা: কার্বনের নিউক্লিয়াসে ছয়টি প্রোটন ও ছয়টি নিউট্রন একত্রে অবস্থান করে পরমাণুর মূল সত্ত্বা বজায় রাখে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নিউট্রন ও প্রোট্রন — এটি সঠিক উত্তর কারণ পরমাণুর নিউক্লিয়াস এই দুটি কণা নিয়েই গঠিত হয়।
B) ইলেক্ট্রন ও প্রোটন — ইলেক্ট্রন নিউক্লিয়াসে থাকে না, তারা নিউক্লিয়াসকে কেন্দ্র করে বাইরে নির্দিষ্ট কক্ষপথে ঘোরে।
C) নিউট্রন ও পজিট্রন — পজিট্রন হলো ইলেকট্রনের প্রতিকণা যা সাধারণ পরমাণুর নিউক্লিয়াসের স্থায়ী উপাদান নয়।
D) ইলেক্ট্রন ও পজিট্রন — এই কণাগুলো নিউক্লিয়াসের গঠনকারী উপাদান হিসেবে কখনো নিউক্লিয়াসের ভেতরে অবস্থান করে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- নিউক্লিয়াসের ভেতরকার কণাকে নিউক্লিয়ন বলে, যেখানে পি তে প্রোটন এবং এন তে নিউট্রন বোঝায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- পরমাণুর মোট ভর সংখ্যা হলো প্রোটন সংখ্যা ও নিউট্রন সংখ্যার যোগফল।
- পরীক্ষামূলকভাবে পরমাণুর নিউক্লিয়াস আবিষ্কার করেছিলেন বিজ্ঞানী আর্নেস্ট রাদারফোর্ড তাঁর বিখ্যাত আলফা কণা বিচ্ছুরণ পরীক্ষার মাধ্যমে।
সঠিক উত্তর: C) মাটির পাত্র পানির বাষ্পীভবনে সাহায্য করে
১. কেন সঠিক:
মাটির তৈরি পাত্রের গায়ে অসংখ্য অতি ক্ষুদ্র ছিদ্র বা রন্ধ্র থাকে।
এই রন্ধ্রগুলোর মধ্য দিয়ে পাত্রের ভেতরের পানি অত্যন্ত ধীরে ধীরে বাইরে চুইয়ে আসে এবং পাত্রের বাইরের গায়ে জমা হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: তরল থেকে বাষ্পে পরিণত হওয়ার প্রক্রিয়াকে বাষ্পীভবন বলা হয়।
কার্যপ্রণালি: পাত্রের গায়ে চুইয়ে আসা পানি বায়ুমণ্ডলের তাপ শোষণ করে বাষ্পে পরিণত হয়।
কারণ ও ফলাফল: বাষ্পীভবনের জন্য প্রয়োজনীয় সুপ্ততাপ পাত্র ও ভেতরের পানি থেকে সংগৃহীত হয়, ফলে ভেতরের পানির তাপমাত্রা হ্রাস পায়।
বাস্তব প্রয়োগ: এই প্রাকৃতিক শীতলীকরণ প্রক্রিয়ার কারণে গরমের দিনেও মাটির কলসির পানি ঠান্ডা থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হাত বা শরীরে স্পিরিট বা ইথার লাগালে ঠান্ডা অনুভূত হয়।
ব্যাখ্যা: স্পিরিট অতি দ্রুত বাষ্পীভূত হওয়ার সময় ত্বক থেকে প্রয়োজনীয় সুপ্ততাপ শোষণ করে, তাই ঠান্ডা লাগে।
উদাহরণ ২: গরমে মাটির পাত্র বা কলসির পরিবর্তে প্লাস্টিক বা কাঁচের বোতলে পানি রাখলে ঠান্ডা হয় না।
ব্যাখ্যা: প্লাস্টিক বা কাঁচের পাত্রে কোনো ছিদ্র থাকে না, তাই বাষ্পীভবন ঘটে না এবং পানিও ঠান্ডা থাকে না।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মাটির পাত্র পানি হতে তাপ শোষণ করে — মাটি তাপের খুব ভালো শোষক নয়, বরং পাত্রের ভেতরের পানি থেকে তাপ হারিয়ে পানি ঠান্ডা হয়।
B) মাটির পাত্র ভাল তাপ পরিবাহী — মাটি বা পোড়ামাটি তাপের কুপরিবাহী, ভালো পরিবাহী হলে বাইরের গরমে ভেতরের পানি দ্রুত গরম হয়ে যেত।
C) মাটির পাত্র পানির বাষ্পীভবনে সাহায্য করে — মাটির অণুজীবহীন ক্ষুদ্র রন্ধ্র বা ছিদ্রের কারণে পানি চুইয়ে এসে বাষ্পীভবন ঘটাতে সাহায্য করে।
D) মাটির পাত্র তাপ কুপরিবাহী — তাপ কুপরিবাহী হওয়া সঠিক তথ্য হলেও এটি পানি ঠান্ডা থাকার মূল কারণ বা সরাসরি প্রক্রিয়াটিকে সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা করে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
মাটি মানেই হলো ছোট ছোট ছিদ্র বা রন্ধ্র, আর রন্ধ্র থাকলেই বাষ্পীভবন হবে এবং বাষ্পীভবন মানেই হলো ঠান্ডা পানি।
কলসি বা মাটির পাত্রের ক্ষেত্রে বাষ্পীভবন প্রক্রিয়াটিই মূল চাবিকাঠি হিসেবে কাজ করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাষ্পীভবনের ফলে সর্বদা তাপমাত্রা হ্রাস পায় এবং এটি একটি তাপ শোষণকারী প্রক্রিয়া।
একই বৈজ্ঞানিক ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে ঘাম হলে আমাদের ঠান্ডা লাগে কেন অথবা ভেজা কাপড় গায়ে জড়ালে ঠান্ডা লাগে কেন।
সঠিক উত্তর: D) মেঘ পৃথিবীর পৃষ্ঠ থেকে বিকীর্ণ তাপকে উপরে যেতে বাধা দেয় বলে
১. কেন সঠিক:
- মেঘলা রাতে বা দিনে ভূপৃষ্ঠ থেকে তাপ মহাশূন্যে চলে যেতে পারে না কারণ মেঘ সেই তাপ আটকে দেয়।
- গ্রিনহাউস গ্যাসের মতো মেঘ কম্বলের মতো কাজ করে ভূপৃষ্ঠের তাপ আটকে রাখে ফলে গরম বেশি অনুভূত হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: একে বায়ুমণ্ডলের তাপীয় বিকিরণ ও গ্রিনহাউস প্রভাবের একটি রূপ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- কার্যপ্রণালি: সূর্য থেকে আসা আলো পৃথিবীতে এসে ভূপৃষ্ঠকে উত্তপ্ত করে এবং ভূপৃষ্ঠ সেই তাপ অবলোহিত রশ্মি হিসেবে মহাশূন্যে বিকিরণ করে ফিরিয়ে দেয়।
- কারণ ও ফলাফল: আকাশ মেঘলা থাকলে মেঘের স্তর এই বিকীর্ণ তাপকে বাধা দেয় এবং তা আবার ভূপৃষ্ঠে ফেরত পাঠায়, ফলে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়।
- বাস্তব প্রয়োগ: শীতের রাতে আকাশ মেঘলা থাকলে কুয়াশা বা তুষারপাত কম হয় এবং শীত কম অনুভূত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শীতের রাতের আকাশ
ব্যাখ্যা: শীতকালে মেঘমুক্ত রাতে তীব্র ঠান্ডা পড়ে কারণ ভূপৃষ্ঠের তাপ সহজে মহাশূন্যে চলে যায়, কিন্তু মেঘ থাকলে গরম লাগে।
উদাহরণ ২: গ্রিনহাউস বা কাঁচের ঘর
ব্যাখ্যা: কাঁচের ঘর যেমন ভেতরকার তাপ বাইরে যেতে বাধা দেয়, মেঘের স্তরও ঠিক একইভাবে ভূপৃষ্ঠের তাপ আটকে রাখে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মেঘ উত্তম তাপ পরিবাহক — এই বক্তব্যটি বৈজ্ঞানিকভাবে সঠিক নয় কারণ মেঘ মূলত জলীয় বাষ্প ও ধূলিকণার মিশ্রণ এবং এটি তাপের ভালো পরিবাহক নয়।
B) সূর্যালোকের অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাবে মেঘ তাপ উৎপন্ন করে — মেঘ অতিবেগুনি রশ্মি শোষণ করে তাপ উৎপন্ন করে না, বরং ওজোন স্তর অতিবেগুনি রশ্মি শোষণ করে।
C) বজ্রপাতের ফলে তাপ উৎপন্ন হয় বলে — বজ্রপাত আকস্মিক ও স্থানীয় ঘটনা, আর মেঘলা দিনে বা রাতে গরম লাগার কারণ বজ্রপাত নয়, তাপ আটকে থাকা।
D) মেঘ পৃথিবীর পৃষ্ঠ থেকে বিকীর্ণ তাপকে উপরে যেতে বাধা দেয় বলে — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মনে রাখবেন মেঘ মানেই বায়ুমণ্ডলের কম্বল, যা ভূপৃষ্ঠের তাপ আটকে রেখে চারপাশ গরম রাখে।
- আকাশ পরিষ্কার থাকলে তাপ মহাশূন্যে পালিয়ে যায় আর মেঘ থাকলে তাপ আটকা পড়ে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় তাপ ও তাপগতিবিদ্যা এবং আবহাওয়া বিজ্ঞানের অংশ হিসেবে প্রায়ই আসে।
- একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে মেঘলা রাতে শিশির কম পড়ে কেন।
সঠিক উত্তর: D) বৃষ্টি
১. কেন সঠিক:
- প্রাকৃতিক জলের উৎসগুলোর মধ্যে বৃষ্টির জল হলো সবচেয়ে বিশুদ্ধ এবং এতে খনিজ লবণের পরিমাণ সর্বনিম্ন থাকে।
- জলচক্রের অংশ হিসেবে বাষ্পীভবন প্রক্রিয়ায় জল উপরে উঠে ঘনীভূত হয়ে বৃষ্টি হিসেবে ঝরে পড়ে, যেখানে কোনো রকম খনিজ লবণ থাকে না।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: মৃদু পানি বলতে এমন জলকে বোঝায় যাতে ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়ামের দ্রবীভূত লবণ থাকে না বললেই চলে এবং যা সাবানের সাথে সহজেই ফেনা তৈরি করে।
- কার্যপ্রণালি: ভূপৃষ্ঠের জল সূর্যের তাপে বাষ্পীভূত হয়ে মেঘে পরিণত হয় এবং এই বিশুদ্ধ জলই ঘনীভবনের মাধ্যমে বৃষ্টি রূপে নিচে নেমে আসে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বৃষ্টির জল দিয়ে জামাকাপড় ধোয়ার সময় খুব কম সাবানেই প্রচুর ফেনা তৈরি হয়।
ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে যে বৃষ্টির জলে ক্যালসিয়াম বা ম্যাগনেসিয়ামের মতো ভারী ধাতু বা খনিজ লবণ নেই।
উদাহরণ ২: শিল্প কারখানায় বয়লারে ব্যবহারের জন্য ঘনীভূত পাতিত জল বা বৃষ্টির জলের মতো মৃদু জলের প্রয়োজন হয়।
ব্যাখ্যা: মৃদু জল ব্যবহার করলে বয়লারের ভেতরে খনিজ লবণের আস্তরণ বা স্কেল জমে না, ফলে দুর্ঘটনা এড়ানো যায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সাগর — সাগরের জলে প্রচুর পরিমাণে সোডিয়াম ক্লোরাইডসহ বিভিন্ন খনিজ লবণ দ্রবীভূত থাকে, তাই এটি অত্যন্ত খর জল।
B) হ্রদ — হ্রদের জল সাধারণত দীর্ঘকাল ধরে মাটির সংস্পর্শে থাকায় এবং খনিজ পদার্থ মিশ্রিত হওয়ায় মৃদু হয় না।
C) নদী — নদীর জল বহমান থাকার সময় মাটি ও পাথরের ওপর দিয়ে আসার সময় বিভিন্ন খনিজ লবণ শোষণ করে, ফলে এটি মৃদু জলের উৎস নয়।
D) বৃষ্টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি সম্পূর্ণ প্রাকৃতিকভাবে পাতিত জলের রূপ এবং এতে কোনো খনিজ লবণ থাকে না।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মেঘ থেকে সরাসরি যা ঝরে, তা হলো বৃষ্টির জল এবং প্রকৃতিতে সেটিই সবচেয়ে বেশি মৃদু বা বিশুদ্ধ জল।
- প্রাকৃতিকভাবে জলচক্রের পাতন প্রক্রিয়াতেই বৃষ্টির জল মৃদু হয়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই প্রাকৃতিক জলের সবচেয়ে বিশুদ্ধ রূপ কোনটি, তা জানতে চাওয়া হয়।
- মৃদু জল ও খর জলের পার্থক্য এবং সাবানের সাথে ফেনা তৈরির ক্ষমতা সম্পর্কিত প্রশ্ন বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় আসে।
সঠিক উত্তর: D) খ ও গ উভয়ই ঠিক
১. কেন সঠিক:
পেট্রোলের আগুন পানি দিয়ে নেভানো সম্ভব নয় কারণ পেট্রোল পানির সাথে মিশে না এবং পেট্রোল পানির চেয়ে হালকা।
এর ফলে পানি ঢাললে পেট্রোল পানির উপরে ভেসে থাকে এবং আগুন জ্বলতেই থাকে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: পদার্থের ঘনত্ব এবং দ্রবণীয়তা। পেট্রোলের ঘনত্ব পানির ঘনত্বের চেয়ে কম এবং এটি হাইড্রোকার্বনের মিশ্রণ যা অমেরু প্রকৃতির হওয়ায় পানিতে দ্রবীভূত হয় না।
কারণ ও ফলাফল: পানি ঢাললে ভারী পানি নিচে চলে যায় এবং হালকা পেট্রোল উপরে ভেসে উঠে চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে, যা আগুন আরও বাড়িয়ে দেয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পানিতে তেল বা পেট্রোল ঢেলে দেওয়া।
ব্যাখ্যা: তেলের ফোঁটা পানির উপরিভাগে একটি আস্তরণ তৈরি করে কারণ তেল পানির সাথে মেশে না এবং এটি হালকা।
উদাহরণ ২: গাড়ির ইঞ্জিন বা পেট্রোল পাম্পে ফোম বা পাউডার টাইপ অগ্নিিনির্বাপক যন্ত্র ব্যবহার করা।
ব্যাখ্যা: এই যন্ত্রগুলো অক্সিজেনের সরবরাহ বন্ধ করে আগুন নেভায়, পানি ব্যবহার করলে বিপদ আরও বাড়ত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পেট্রোলের সাথে পানি মিশে যায় — এটি ভুল কারণ পেট্রোল ও পানি অসমসত্ব মিশ্রণ তৈরি করে এবং এরা একে অপরের সাথে মেশে না।
B) পেট্রোল পানির সাথে মিশে না — এটি সঠিক তথ্য হলেও এর সাথে গ অপশনটিও সত্য হওয়ায় ডি অপশনটি বেছে নিতে হয়।
C) পেট্রোল পানির চেয়ে হালকা — এটিও সত্য তথ্য, তবে খ অপশনটির সাথে যুক্ত হয়ে ডি অপশনটি পূর্ণতা পায়।
D) খ ও গ উভয়ই ঠিক — এটি সঠিক কারণ পেট্রোল পানিতে অদ্রবণীয় এবং পানির চেয়ে কম ঘনত্বের বা হালকা।
৫ মনে রাখার টিপস:
পেট্রোল পানির চেয়ে হালকা এবং মিশে না, তাই আগুন নেভাতে পানি দিলে পেট্রোল ভেসে ওঠে ও আগুন ছড়ায়।
মনে রাখুন, তেল ও পানি কখনো একসাথে মেশে না এবং তেল সবসময় উপরে ভাসে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
তৈল বা পেট্রোলের আগুনে কখনোই পানি ব্যবহার করা উচিত নয়, বরং বালু বা ফোম ব্যবহার করতে হবে।
এই প্রশ্নটি বারবার বিসিএস ও ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় আসে, তাই ঘনত্ব ও দ্রবণীয়তার ধারণা স্পষ্ট রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: B) সূর্যগ্রহণ
১. কেন সঠিক:
- সূর্য ও পৃথিবীর মাঝখানে চাঁদ সোজাসুজি অবস্থান করলে চাঁদের ছায়া পৃথিবীর ওপর পড়ে এবং সূর্যকে ঢেকে ফেলে।
- এই জ্যামিতিক অবস্থানের কারণে পৃথিবী থেকে তাকালে সূর্য সাময়িকভাবে অদৃশ্য হয়ে যায়, যাকে সূর্যগ্রহণ বলা হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: সূর্যগ্রহণ হলো এমন একটি জ্যোতির্বিজ্ঞানগত ঘটনা যখন সূর্য, চাঁদ ও পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করে।
- কার্যপ্রণালি: চাঁদের আবর্তনের সময় এটি যখন সূর্য ও পৃথিবীর ঠিক মাঝে চলে আসে, তখন চাঁদের ছায়া পৃথিবীর একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলে পড়ে।
- কারণ ও ফলাফল: চাঁদের আকার ছোট হওয়ায় এটি সূর্যের আলোকে সম্পূর্ণ বা আংশিক ঢেকে দেয়, যার ফলে পূর্ণগ্রাস বা আংশিক সূর্যগ্রহণ ঘটে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ
ব্যাখ্যা: চাঁদের প্রচ্ছায়া বা মূল ছায়া পৃথিবীর যে অঞ্চলের ওপর পড়ে, সেখানকার মানুষ সম্পূর্ণ সূর্যকে ঢাকা পড়তে দেখে এবং দিনদুপুরে অন্ধকার নেমে আসে।
উদাহরণ ২: আংশিক সূর্যগ্রহণ
ব্যাখ্যা: চাঁদের উপচ্ছায়া পৃথিবীর ওপর পড়লে সূর্য পুরোপুরি ঢাক না পেরে কেবল একটি অংশ ঢাকা পড়ে, যা আংশিক সূর্যগ্রহণ নামে পরিচিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চন্দ্রগ্রহণ — সূর্য ও চাঁদের মাঝে পৃথিবী অবস্থান করলে চন্দ্রগ্রহণ হয়, কিন্তু এখানে চাঁদ মাঝখানে রয়েছে।
B) সূর্যগ্রহণ — এই অপশনটি সঠিক কারণ সূর্য ও পৃথিবীর মাঝে চাঁদ অবস্থান করার ফলে সূর্যগ্রহণ ঘটে।
C) অমাবস্যা — এটি তিথির নাম, তবে এই বিশেষ অবস্থানের কারণে অমাবস্যার দিনেই শুধুমাত্র সূর্যগ্রহণ হতে পারে।
D) পূর্ণিমা — সূর্য ও পৃথিবীর মাঝে চাঁদ থাকলে কখনোই পূর্ণিমা হয় না, পূর্ণিমার সময় পৃথিবী থাকে সূর্য ও চাঁদের মাঝে।
৫. মনে রাখার টিপস:
সূর্য ও পৃথিবীর মাঝে চাঁদ থাকলে 'সূর্য' শব্দটি আগে আসে, তাই এটি সূর্যগ্রহণ।
মাঝখানে পৃথিবী থাকলে চাঁদ হয় পৃথিবীর ছায়ায় ঢাকা, যাকে বলে চন্দ্রগ্রহণ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
সূর্যগ্রহণ কেবল অমাবস্যার দিনেই সংঘটিত হতে পারে, তবে প্রতি অমাবস্যায় সূর্যগ্রহণ হয় না কারণ কক্ষপথের নতি ৫ ডিগ্রি কোণে থাকে।
বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই এই জ্যামিতিক অবস্থান বা তিথি সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: A) পাশাপাশি দুটো দাঁতের দাগ
১. কেন সঠিক:
বিষধর সাপে কামড়ানোর পর ক্ষতস্থানে সাধারণত দুটি ছিদ্র বা পাশাপাশি দুটো দাঁতের দাগ দেখা যায়। বিষধর সাপের মুখে বিশেষ বিষদাঁত বা ফ্যাং থাকে যার মাধ্যমে তারা শিকারের দেহে বিষ ঢেলে দেয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: বিষধর সাপের উপরের চোয়ালে একজোড়া দীর্ঘ ও ফাঁপা বিষদাঁত থাকে।
কার্যপ্রণালি: সাপ যখন কামড় দেয়, তখন এই দুটি বিষদাঁত ইনজেকশনের সিরিঞ্জের মতো চামড়া ভেদ করে ভেতরে প্রবেশ করে এবং বিষ ছড়ায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কেউটে বা গোখরো সাপের কামড়।
ব্যাখ্যা: এজাতীয় বিষধর সাপের কামড়েও ঠিক দুটি স্পষ্ট দাঁতের দাগ বসে যাওয়ার প্রমাণ পাওয়া যায়।
উদাহরণ ২: ভাইপার বা চন্দ্রবোড়ার আক্রমণ।
ব্যাখ্যা: চন্দ্রবোড়ার মতো বিষধর সাপও কামড়ানোর সময় তাদের দুটি প্রধান বিষদাঁতের মাধ্যমে ক্ষত সৃষ্টি করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পাশাপাশি দুটো দাঁতের দাগ — এটি বিষধর সাপের কামড়ের প্রধান ও নিশ্চিত লক্ষণ।
B) অনেকগুলো ছোট ছোট দাঁতের দাগ — এটি সাধারণত বিষহীন সাপের কামড়ের ক্ষেত্রে দেখা যায় কারণ তাদের মুখে ছোট সারিবদ্ধ দাঁত থাকে।
C) ক্ষতস্থান হতে প্রচুর রক্তপাত হতে থাকে — সাপের কামড়ে প্রচুর রক্তপাত হওয়া সাধারণ লক্ষণ নয়, বরং এটি অন্য কোনো ক্ষতের ক্ষেত্রে ঘটে।
D) ক্ষতস্থানে প্রচুর বিষ লেগে থাকে — বিষ বাইরে লেগে থাকে না, বরং বিষদাঁতের মাধ্যমে শরীরের ভেতরে প্রবেশ করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
বিষধর সাপের দুই চোখ যেমন দুটি, তেমনি তাদের প্রধান বিষদাঁতও থাকে দুটি। এই মিল দিয়ে সহজেই দুটো দাঁতের দাগের বিষয়টি মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
সাপের বিষ মূলত স্নায়ুতন্ত্র বা রক্তকে আক্রমণ করে। এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: C) শূন্য ঘরে শব্দের শোষণ কম হয়
১. কেন সঠিক:
- লোকভর্তি হলে মানুষের শরীর, জামাকাপড় এবং আসবাবপত্র শব্দ শোষণ করে, ফলে শব্দের তীব্রতা কমে যায়।
- শূন্য ঘরে প্রতিফলনের কারণে শব্দ প্রতিধ্বনিত হয় এবং তীব্রতা বেশি থাকে, যাকে শব্দের শোষণ কম হওয়া বলা হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: শব্দ এক প্রকার শক্তি যা তরঙ্গ আকারে সঞ্চালিত হয় এবং মাধ্যম বা কোনো তলে বাধা পেলে প্রতিফলিত বা শোষিত হয়।
- কার্যপ্রণালি: নরম ও অসমান পৃষ্ঠ যেমন মানুষের শরীর বা কার্পেট শব্দ শোষণ করে, আর ফাঁকা ঘরের শক্ত দেওয়াল শব্দকে চারদিকে ছড়িয়ে দেয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আসবাবপত্রহীন একটি নতুন ফাঁকা ফ্ল্যাটে কথা বললে প্রতিধ্বনি শোনা যায় এবং শব্দ জোরালো মনে হয়।
ব্যাখ্যা: ফাঁকা দেওয়ালের প্রতিফলনের কারণে শব্দ ক্ষয়প্রাপ্ত না হয়ে তীব্রতা ধরে রাখে।
উদাহরণ ২: সিনেমা হলের দেওয়াল ও মেঝে অ্যাকৌস্টিক ফোম বা কার্পেট দিয়ে ঢাকা থাকে।
ব্যাখ্যা: এটি অতিরিক্ত শব্দ শোষণ করে এবং প্রতিধ্বনি রোধ করে শোনার পরিবেশ স্পষ্ট করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লোকভর্তি ঘরে মানুষের সোরগোল হয় — এটি শব্দ হ্রাসের মূল বৈজ্ঞানিক কারণ নয়, বরং ঘরের শোষণের পরিমাণই এখানে মুখ্য ভূমিকা পালন করে।
B) শূন্য ঘর নীরব থাকে — শূন্য ঘরে শব্দ প্রতিধ্বনিত হয়ে বরং বেশি জোরে শোনা যায়, নীরব থাকে না।
C) শূন্য ঘরে শব্দের শোষণ কম হয় — এই অপশনটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর হিসেবে চিহ্নিত।
D) শূন্য ঘরে শব্দের শোষণ বেশি হয় — শূন্য ঘরের শক্ত পৃষ্ঠে শব্দ শোষিত না হয়ে প্রতিফলিত হয়, তাই শোষণ বেশি হয় না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ফাঁকা ঘরে মানুষ বা নরম জিনিস থাকে না, তাই শব্দ শোষিত না হয়ে প্রতিধ্বনি তৈরি করে।
- লোকভর্তি ঘরে শরীর সব শব্দ শোষে নেয়, তাই শব্দ ক্ষীণ শোনায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস পরীক্ষার জন্য শব্দ তরঙ্গ, প্রতিফলন ও প্রতিধ্বনি সম্পর্কিত প্রশ্ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- এই একই ধারণা থেকে সিনেমা হলের নকশা বা প্রতিধ্বনি রোধের উপায় সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: A) আইসোটোপ
১. কেন সঠিক:
- কোনো মৌলের পরমাণুর প্রোটন সংখ্যা বা পারমাণবিক সংখ্যা একই থাকা সত্ত্বেও নিউট্রন সংখ্যা ভিন্ন হওয়ার কারণে ভর সংখ্যা আলাদা হলে তাদের আইসোটোপ বলা হয়।
- প্রোটন ও নিউট্রনের সংখ্যার পার্থক্যের এই বৈচিত্র্য পরমাণুর নিউক্লিয়াসকে ভিন্ন ভর প্রদান করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: পারমাণবিক সংখ্যা সমান কিন্তু ভর সংখ্যা ভিন্ন এমন পরমাণুগুলো একই মৌলের ভিন্ন রূপ।
- কারণ ও ফলাফল: নিউট্রন সংখ্যা পরিবর্তনের ফলে পরমাণুর ভর পরিবর্তিত হয়, তবে প্রোটন সংখ্যা অপরিবর্তিত থাকায় রাসায়নিক ধর্মে মিল থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হাইড্রোজেনের তিনটি আইসোটোপ রয়েছে যথা প্রটিয়াম, ডিউটেরিয়াম এবং ট্রিটিয়াম।
ব্যাখ্যা: এদের সবার পারমাণবিক সংখ্যা এক হলেও নিউট্রন সংখ্যা ভিন্ন হওয়ায় এদের ভর সংখ্যা যথাক্রমে এক, দুই এবং তিন হয়।
উদাহরণ ২: কার্বনের আইসোটোপ কার্বন বারো এবং কার্বন চৌদ্দ।
ব্যাখ্যা: কার্বন চৌদ্দ তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ হওয়ায় প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের বয়স নির্ধারণে এটি ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আইসোটোপ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এতে একই পারমাণবিক সংখ্যা এবং ভিন্ন ভর সংখ্যা থাকে।
B) আইসোমার — এটি ভিন্ন যৌগ বা পরমাণুকে বোঝায় যাদের আণবিক সংকেত একই কিন্তু গাঠনিক সংকেত ভিন্ন।
C) আইসোটোন — এটি ভিন্ন মৌলের এমন পরমাণুগুলোকে বোঝায় যাদের নিউট্রন সংখ্যা সমান কিন্তু ভর ও প্রোটন সংখ্যা ভিন্ন।
D) আইসোবার — এটি ভিন্ন মৌলের এমন পরমাণুগুলোকে বোঝায় যাদের ভর সংখ্যা সমান কিন্তু পারমাণবিক সংখ্যা ভিন্ন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- আইসোটোপ শব্দের শেষের প অক্ষরটি দিয়ে পরমাণুর প্রোটন সংখ্যা সমান এবং ভর সংখ্যা ভিন্ন তা মনে রাখা যায়।
- আইসোটোনের শেষের ন অক্ষরটি দিয়ে নিউট্রন সংখ্যা সমান তা সহজে মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ যেমন কোবাল্ট ষাট ক্যানসার চিকিৎসায় ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
- একই মৌলের আইসোটোপগুলোর রাসায়নিক ধর্ম প্রায় একই হলেও তাদের ভৌত ধর্ম ভিন্ন হয়।
সঠিক উত্তর: D) দস্তা (জিঙ্ক)
১. কেন সঠিক:
তামার সাথে দস্তা বা জিঙ্ক নির্দিষ্ট অনুপাতে মিশ্রিত করলে পিতল নামক সংকর ধাতু উৎপন্ন হয়।
সংকর ধাতু তৈরির ফলে মূল ধাতুর তুলনামূলক নমনীয়তা দূর হয় এবং কাঠামোগত শক্তি বৃদ্ধি পায়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: দুই বা ততোধিক ধাতু অথবা একটি ধাতু ও একটি অধাতুর সমসত্ব মিশ্রণকে সংকর ধাতু বলে।
রাসায়নিক গঠন: পিতল হলো তামার প্রধান একটি সংকর ধাতু যেখানে শতকরা প্রায় ষাট ভাগ তামা এবং চল্লিশ ভাগ দস্তা থাকে।
বাস্তব প্রয়োগ: পিতলের চমৎকার ঔজ্জ্বল্য ও ক্ষয়রোধ করার ক্ষমতার কারণে এটি দিয়ে বাসনকোসন ও বাদযন্ত্র তৈরি করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পিতলের তৈরি প্রাচীন থালাবাটি বা প্রাচীন মুদ্রা।
ব্যাখ্যা: পিতল সহজে বাতাসের সাথে বিক্রিয়া করে নষ্ট হয় না বলে দীর্ঘস্থায়ী হয়।
উদাহরণ ২: ট্রাম্পেট বা স্যাক্সোফোনের মতো বাদ্যযন্ত্র।
ব্যাখ্যা: পিতলের ভেতরে ধ্বনি চমৎকারভাবে অনুরণিত হতে পারে বলে বাদ্যযন্ত্রে এটি ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নিকেল — তামার সাথে নিকেল মেশালে ক্যूप्रोনিকেল সংকর ধাতু তৈরি হয় যা মুদ্রা তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
B) টিন — তামার সাথে টিন মেশালে ব্রোঞ্জ বা কাঁসা নামক সংকর ধাতু তৈরি হয়, পিতল নয়।
C) সীসা — সীসা একটি বিষাক্ত ভারী ধাতু যা সাধারণত অন্য ধাতুর সাথে মিশিয়ে সোল্ডার বা পাইপ তৈরি করা হয়।
D) দস্তা (জিঙ্ক) — তামার সাথে দস্তা মেশালে পিতল উৎপন্ন হয়, যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
৫ মনে রাখার টিপস:
পিতল শব্দটিতে তামা ও দস্তার উপস্থিতির কথা মনে রাখতে পিতা শব্দটি ব্যবহার করা যেতে পারে।
পিতা মানে পিতে পিতল এবং তিতে তামা ও দস্তা বোঝায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
সংকর ধাতু সম্পর্কিত প্রশ্ন বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
তামা ও টিনের মিশ্রণে কাঁসা এবং তামা ও দস্তার মিশ্রণে পিতল প্রস্তুত হয়—এই পার্থক্যটি মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) ৯৫% ইথাইল এলকোহল ৫% পানি
১. কেন সঠিক:
- রেক্টিফাইড স্পিরিট হলো ইথাইল অ্যালকোহল এবং পানির একটি নির্দিষ্ট অনুপাতে প্রস্তুত মিশ্রণ।
- এতে ৯৫ শতাংশ ইথাইল অ্যালকোহল এবং ৫ শতাংশ পানি থাকে, যা পরীক্ষাগারে বহুল ব্যবহৃত।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: পাতন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ইথানল ও পানির মিশ্রণ থেকে সর্বোচ্চ ৯৫.৬ শতাংশ ইথানল পাওয়া সম্ভব।
- কার্যপ্রণালি: সাধারণ আংশিক পাতন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এই অনুপাত অর্জন করা হয়, যা স্থির স্ফুটনাংক মিশ্রণ বা অ্যাজিওট্রপ নামে পরিচিত।
- বাস্তব প্রয়োগ: এটি চিকিৎসাবিজ্ঞানে অ্যান্টিসেপ্টিক হিসেবে এবং গবেষণাগারে বিভিন্ন রাসায়নিক দ্রবণ প্রস্তুত করতে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হ্যান্ড স্যানিটাইজার উৎপাদনে অ্যালকোহলের বিশেষ মাত্রা ব্যবহার করা হয়।
ব্যাখ্যা: জীবাণু ধ্বংস করার জন্য অ্যালকোহলের সঠিক ঘনমাত্রা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি।
উদাহরণ ২: পরীক্ষাগারে বিকার বা টেস্ট টিউব জীবাণুমুক্ত করতে এটি ব্যবহৃত হয়।
ব্যাখ্যা: এর উচ্চ ঘনমাত্রা কোষের প্রোটিন জমাট বাঁধিয়ে জীবাণু ধ্বংস করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৯০% ইথাইল এলকোহল ১০% পানি — এটি সঠিক নয় কারণ এতে পানির পরিমাণ বেশি এবং অ্যালকোহলের পরিমাণ কম থাকে।
B) ৮০% ইথাইল এলকোহল ২০% পানি — এটি রেক্টিফাইড স্পিরিটের আদর্শ অনুপাত নির্দেশ করে না, এটি দুর্বল দ্রবণ।
C) ৯৫% ইথাইল এলকোহল ৫% পানি — এটি সঠিক উত্তর এবং এটি রেক্টিফাইড স্পিরিটের প্রকৃত রাসায়নিক গঠন।
D) ৯৮% ইথাইল এলকোহল ২% পানি — এটি সঠিক নয় কারণ সাধারণ পাতন দ্বারা ৯৫.৬ শতাংশের বেশি অ্যালকোহল পাওয়া যায় না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ৯৫-৫ সূত্র মনে রাখুন, যেখানে অ্যালকোহল ৯৫ এবং পানি ৫ শতাংশ।
- রেক্টিফাইড স্পিরিট মানেই ৯৫ শতাংশ বিশুদ্ধ অ্যালকোহল।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- পরম অ্যালকোহল বা অ্যাবসোলিউট অ্যালকোহলে ১০০ শতাংশ বা প্রায় ১০০ শতাংশ বিশুদ্ধ ইথানল থাকে।
- এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় বারবার আসে।
সঠিক উত্তর: A) স্ফিগমোম্যানোমিটার
১. কেন সঠিক:
- মানবদেহের রক্তচাপ বা ব্লাড প্রেসার নিখুঁতভাবে পরিমাপ করার জন্য স্ফিগমোম্যানোমিটার যন্ত্রটি ব্যবহার করা হয়।
- এটি সাধারণত বাহুতে কাফ পেচিয়ে এবং স্টেথস্কোপের সাহায্যে ধমনীর রক্তপ্রবাহের শব্দ শুনে সিস্টোলিক ও ডায়াস্টোলিক চাপ নির্ধারণ করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: রক্তচাপ হলো হৃদপিণ্ডের সংকোচন ও প্রসারণের ফলে ধমনীর গায়ে রক্তের প্রয়োগকৃত চাপ।
- কার্যপ্রণালি: কাফে বাতাস ভরে ধমনীর রক্তপ্রবাহ সাময়িক বন্ধ করে বাতাস কমানোর সময় প্রথম ও শেষ শব্দ শুনে পারদের বা ডিজিটাল স্কেলের মাধ্যমে চাপ মাপা হয়।
- বাস্তব প্রয়োগ: চিকিৎসালয়ে এবং বাড়িতে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য এই যন্ত্রের সাহায্যে খুব সহজে রক্তচাপ মাপা যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন পরীক্ষা
ব্যাখ্যা: চিকিৎসকের কাছে গেলে রোগীর রক্তচাপ স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি কি না তা জানতে এই যন্ত্র ব্যবহার করা হয়।
উদাহরণ ২: কম রক্তচাপ বা হাইপোটেনশন শনাক্তকরণ
ব্যাখ্যা: অতিরিক্ত দুর্বলতা বা মাথা ঘোরার সমস্যা হলে রোগীর রক্তচাপ কমে গেছে কি না তা যাচাই করতে এটি ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) স্ফিগমোম্যানোমিটার — এটি মানবদেহের রক্তচাপ নির্ণয়ের একমাত্র সঠিক যন্ত্র।
B) স্টেথস্কোপ — এটি হৃৎস্পন্দন ও ফুসফুসের শব্দ শোনার যন্ত্র, যা রক্তচাপ মাপে না।
C) কার্ডিওগ্রাফ — এটি হৃৎপিণ্ডের বৈদ্যুতিক কার্যকলাপ বা ইসিজি রেকর্ড করার যন্ত্র।
D) ইস্কোকার্ডিওগ্রাফ — এটি এমন কোনো প্রচলিত বৈজ্ঞানিক যন্ত্র নয়, এটি বিভ্রান্তিকর অপশন।
৫. মনে রাখার টিপস:
- রক্তচাপ মাপার যন্ত্রের নামের শুরুতে স্ফি শব্দ আছে, যা মনে রাখলে সহজে অপশন মিলানো যাবে।
- স্টেথস্কোপ শুধু শব্দ শোনে কিন্তু চাপ মাপে না, এই পার্থক্য মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- স্বাভাবিক মানুষের রক্তচাপ ১২০ এবং ৮০ মিলিমিটার পারদ চাপ ধরা হয়।
- রক্তচাপ আবিষ্কার করেন স্টিফেন হ্যালস এবং স্ফিগমোম্যানোমিটার আবিষ্কার করেন স্যামুয়েল সিগফ্রিড কার্ল ভন বাশ।
সঠিক উত্তর: C) মৎস্য চাষ
১. কেন সঠিক:
- পিসিকালচার বলতে বৈজ্ঞানিকভাবে নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে মাছের চাষ এবং উৎপাদন বৃদ্ধি করাকে বোঝায়।
- এটি জলজ প্রাণীর ব্যবস্থাপনা এবং টেকসই আমিষ সরবরাহের একটি প্রধান জৈবিক প্রক্রিয়া।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: পিসিকালচার হলো অ্যাকোয়াকালচারের একটি বিশেষ শাখা যেখানে শুধু মাছের প্রজনন, লালনপালন ও বংশবৃদ্ধি ঘটানো হয়।
- কার্যপ্রণালি: কৃত্রিম পুকুর বা জলাশয়ে মাছের খাদ্য সরবরাহ, জলের অক্সিজেন মাত্রা নিয়ন্ত্রণ এবং রোগাক্রান্ত মাছ আলাদা করার মাধ্যমে এই চাষ করা হয়।
- বাস্তব প্রয়োগ: বাণিজ্যিকভাবে রুই, কাতলা ও তেলাপিয়া মাছ চাষ করে দেশের আমিষের চাহিদা পূরণ এবং অর্থনৈতিক উন্নয়ন সাধিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পুকুরে রুই ও কাতলা মাছের পোনা ছেড়ে কৃত্রিম খাবার দিয়ে বড় করা।
ব্যাখ্যা: এটি নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে মাছের দ্রুত বৃদ্ধি ও উৎপাদনের একটি সাধারণ পদ্ধতি।
উদাহরণ ২: ঘের বা পুকুরে চিংড়ি ও পাঙ্গাস মাছ চাষ করা।
ব্যাখ্যা: এটি আধুনিক পিসিকালচারের মাধ্যমে লাভজনকভাবে মাছ উৎপাদনের বাস্তব দৃষ্টান্ত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হাঁস-মুরগি পালন — হাঁস-মুরগি পালনকে পোলট্রি ফার্মিং বলা হয়, যা পিসিকালচার নয়।
B) মৌমাছি পালন — মৌমাছি পালনকে এপিকালচার বলা হয়, যা মধু ও মোম উৎপাদনের সঙ্গে যুক্ত।
C) মৎস্য চাষ — এটি পিসিকালচারের সঠিক বৈজ্ঞানিক অর্থ এবং নির্দিষ্ট উত্তর।
D) রেশম চাষ — রেশম পোকা পালনকে সেরিকালচার বলা হয়, যা রেশম সুতা উৎপাদনের জন্য করা হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- পিসি শব্দের সঙ্গে পি কিউ বা ফিশ শব্দের ধ্বনিগত মিল মনে রেখে পিসিকালচার মানে মৎস্য চাষ তা সহজে মনে রাখা যায়।
- কৃষির অন্যান্য শাখার নাম যেমন সেরিকালচার বা এপিকালচারগুলোর সঙ্গে গুলিয়ে না ফেলে আলাদা করে ছক বানিয়ে পড়বে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই বিভিন্ন চাষাবাদের বৈজ্ঞানিক নাম থেকে প্রশ্ন আসে যেমন এপিকালচার ও সেরিকালচার।
- এই প্রশ্ন থেকে এপিকালচার হলো মৌমাছি পালন এবং সেরিকালচার হলো রেশম চাষ এই তথ্যগুলোও মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: B) বুদ্ধি-বিবেচনা
১. কেন সঠিক:
কম্পিউটার একটি ইলেকট্রনিক যন্ত্র যা মানুষের নির্দেশ বা প্রোগ্রাম অনুযায়ী কাজ করে। মানুষের মতো এর নিজস্ব কোনো চিন্তা করার ক্ষমতা, সৃজনশীলতা বা নৈতিক বিচারবোধ নেই।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা যতই উন্নত হোক না কেন, কম্পিউটার মূলত বাইনারি কোড অর্থাৎ শূন্য ও একের হিসাব অনুযায়ী কাজ করে।
কার্যপ্রণালি: ইনপুট হিসেবে যা দেওয়া হয়, প্রসেসর তা কেবল গাণিতিক ও তार्किक প্রক্রিয়ায় বিশ্লেষণ করে আউটপুট দেয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দাবা খেলায় কম্পিউটার বিশ্বচ্যাম্পিয়নকে হারাতে পারে, কারণ এটি কোটি কোটি সম্ভাব্য চালের হিসাব নিমিষেই করতে পারে।
ব্যাখ্যা: এই হিসাব করার ক্ষমতা তার গতির কারণে সম্ভব, কোনো কৌশলগত বুদ্ধি বা অনুভূতির কারণে নয়।
উদাহরণ ২: চিকিৎসাবিজ্ঞানে এক্সরে দেখে রোগ নির্ণয় করতে পারে কম্পিউটার।
ব্যাখ্যা: এটি প্রোগ্রাম করা নিয়ম অনুযায়ী প্যাটার্ন মেলাতে পারে, কিন্তু রোগের কষ্ট অনুধাবন করতে পারে না।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) স্মৃতি — কম্পিউটারের তথ্য সংরক্ষণের জন্য র্যাম এবং রম বা হার্ডডিস্ক নামক স্মৃতি বা মেমোরি থাকে।
B) বুদ্ধি-বিবেচনা — এটি কম্পিউটারের নেই, এটি কেবল মানুষের সহজাত ও মানসিক বৈশিষ্ট্য।
C) দীর্ঘ সময় কাজ করার ক্ষমতা — কম্পিউটার ক্লান্ত না হয়ে একটানা দীর্ঘ সময় নিখুঁতভাবে কাজ করতে পারে।
D) নির্ভুল কাজ করার ক্ষমতা — কম্পিউটার সঠিক ইনপুট পেলে শতভাগ নির্ভুল ফলাফল প্রদানে সক্ষম।
৫ মনে রাখার টিপস:
কম্পিউটারের সুপার স্পিড ও মেমোরি আছে, কিন্তু মানুষের মতো মন ও বিবেক নেই।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কম্পিউটারের জনক চার্লস ব্যাবেজ এবং প্রথম প্রোগ্রামার অ্যাডা লাভলেস।
এই টপিক থেকে ভবিষ্যতে কম্পিউটারের সীমাবদ্ধতা বা প্রধান বৈশিষ্ট্য সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: B) শৈবালিনী, তরঙ্গিনী, সরিৎ
১. কেন সঠিক:
- প্রদত্ত অপশনের শব্দগুলো নদী বা প্রবাহিনী অর্থে সম্পূর্ণ সমার্থক।
- একটি শব্দ অন্যটির পরিপূরক হিসেবে নদীর সমার্থক ধারা নির্দেশ করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দগুলো যাদের অর্থ প্রায় একই রকম।
- এই প্রশ্নটি শব্দের অর্থ ও সমার্থক শব্দ নির্ণয় সম্পর্কিত ব্যাকরণ অংশের অন্তর্ভুক্ত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নদী, তটিনী, প্রবহমান
ব্যাখ্যা: এগুলো নদীর সমার্থক শব্দ হিসেবে বহুল ব্যবহৃত।
উদাহরণ ২: সিন্ধু, সাগর, অর্ণব
ব্যাখ্যা: এগুলো সমুদ্রের সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দীর্ঘিকা, নদী, প্রণালী — দীর্ঘিকা অর্থ দীঘি বা পুকুর এবং প্রণালী হলো জলভাগ, তাই এই গুচ্ছের শব্দগুলো একার্থক নয়।
B) শৈবালিনী, তরঙ্গিনী, সরিৎ — এই অপশনের সবকটি শব্দই নদীর সমার্থক।
C) গাঙ, তটিনী, অর্ণব — অর্ণব অর্থ সমুদ্র, যা নদী বা গাঙ শব্দের সমার্থক নয়।
D) স্রোতস্বিনী, নির্ঝরিণী, সিন্ধু — সিন্ধু অর্থ সমুদ্র, যা ঝরনা বা নদীর স্রোতের সঙ্গে পুরোপুরি মেলে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- নদীর সমার্থক শব্দগুলো মনে রাখার জন্য প্রথম অক্ষর মিলিয়ে পড়তে পারো।
- সমুদ্র ও নদীর সমার্থক শব্দগুলো আলাদা করে তালিকা তৈরি করো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নদী ও সমুদ্রের সমার্থক শব্দ প্রায়ই বিভ্রান্তি তৈরি করে।
- প্রশ্ন সমাধানের সময় শব্দের উৎস ও অন্তর্নিহিত অর্থ ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) নিত্য সমাস
১. কেন সঠিক:
যে সমাসের সাধারণ নিয়মে ব্যাসবাক্য হয় না বা ব্যাসবাক্য করতে গেলে অন্য পদের সাহায্য নিতে হয়, তাকে নিত্য সমাস বলে। এই সমাসে সমস্ত পদটি ভেঙে বোঝাতে হয় যে এটি সবসময় সমাসবদ্ধ অবস্থাতেই থাকে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
যে সমাসে কোনো ব্যাসবাক্য থাকে না কিংবা ব্যাসবাক্য করতে হলে অন্য পদের সাহায্য বা অতিরিক্ত পদের প্রয়োজন হয়, তাকে নিত্য সমাস বলে। এই সমাসের সমস্ত পদটি চিরকাল সমাসবদ্ধ থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অন্য গ্রাম = গ্রামান্তর।
ব্যাখ্যা: এখানে 'অন্য গ্রাম' বলতে গ্রামান্তর বোঝানো হয়েছে এবং ব্যাসবাক্য করার জন্য অতিরিক্ত 'অন্য' শব্দ আনতে হয়েছে।
উদাহরণ ২: কেবল দর্শন = দর্শনমাত্র।
ব্যাখ্যা: এখানে 'কেবল' পদটি অতিরিক্ত এনে ব্যাসবাক্য গঠন করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দ্বন্দ্ব সমাস — এই সমাসে উভয় পদের অর্থের প্র্রাধ্য থাকে এবং ব্যাসবাক্য সহজ নিয়মে ও এবং ও বা দিয়ে হয়।
B) অব্যয়ীভাব সমাস — এই সমাসে পূর্বপদে অব্যয় বসে এবং অব্যয়ের অর্থই প্রধানভাবে প্রতভাত হয়।
C) কর্মধারয় সমাস — এই সমাসে পরপদের অর্থ প্রধান হয় এবং বিশেষণ ও বিশেষ্য পদের মিলনে গঠিত হয়।
D) নিত্য সমাস — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সমাসের নিজস্ব কোনো নির্দিষ্ট ব্যাসবাক্য থাকে না।
৫ মনে রাখার টিপস:
নিত্য সমাস চেনার সহজ উপায় হলো সমস্ত পদের সাথে অন্য, মাত্র, কেবল ইত্যাদি শব্দ যোগ করে ব্যাসবাক্য করতে হয়। গ্রামান্তর বা দর্শনমাত্র শব্দ দেখলেই নিত্য সমাস হিসেবে ধরে নেবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিত্য সমাসের উদাহরণ হিসেবে সাধারণত গ্রামান্তর, দর্শনমাত্র, কেবল ভাত = ভাতমাত্র, অন্য মন = অন্যমনস্ক শব্দগুলো বেশি আসে। এই শব্দগুলো ভালোভাবে চর্চা করলে পরীক্ষায় সহজেই উত্তর করা সম্ভব।
প্রশ্নের ধরন: বাগধারা ও প্রবাদ-প্রবচন
সঠিক উত্তর: B) সঞ্চয়ের প্রবৃত্তি
১. কেন সঠিক:
- নিরানব্বইয়ের ধাক্কা বাগধারাটির অর্থ হলো সঞ্চয়ের প্রবৃত্তি বা আরও বেশি টাকা জমানোর তীব্র বাসনা।
- সাধারণ অর্থে কোনো ব্যক্তি যখন একশ পূর্ণ করার জন্য বা আরও বেশি ধনসম্পদ অর্জনের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে, তখন তাকে এই বাগধারা দিয়ে বোঝানো হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে কিছু বিশেষ শব্দগুচ্ছ আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে বিশেষ কোনো ভাব প্রকাশ করে, তাদেরকে বাগধারা বলে।
- নিরানব্বইয়ের ধাক্কা বাগধারাটিতে নিরানব্বই সংখ্যাটি দিয়ে একশ পূর্ণ করার অদম্য লোভ বা মানুষের চিরন্তন সঞ্চয়প্রবণতাকে নির্দেশ করা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সারাজীবন কৃপণতা করে টাকা জমালেন, একেই বলে নিরানব্বইয়ের ধাক্কা।
ব্যাখ্যা: অতিরিক্ত টাকা জমানোর মানসিকতা বোঝাতে এই উদাহরণটি প্রযোজ্য।
উদাহরণ ২: বৃদ্ধ বয়সেও তার মনে টাকার প্রতি লোভ কমছে না, যেন নিরানব্বইয়ের ধাক্কা লেগেছে।
ব্যাখ্যা: সঞ্চয়ের প্রবৃত্তি বা লোভ সবসময় বজায় থাকাকে এটি নির্দেশ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তীরে পৌঁছার ঝক্কি — এই অর্থটি এই বাগধারার সঙ্গে মেলে না কারণ এটি কাজের শেষ মুহূর্তে বিপদের আশঙ্কা বোঝায় না।
C) মুমূর্ষু অবস্থা — এই অর্থটি প্রকাশের জন্য পটল তোলা বা শেষাশেষি বাগধারা ব্যবহার করা হয়।
D) আসন্ন বিপদ — এই অর্থটি প্রকাশের জন্য মেঘ না চাইতে জল বা খোদাদ্রোহী বাগধারা ব্যবহৃত হয় না, বরং অন্য বাগধারা থাকে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- নিরানব্বই সংখ্যাটি ১০০ তে পৌঁছাতে মাত্র ১ বাকি থাকে, তাই এই ১ পাওয়ার যে প্রবল জেদ বা সঞ্চয়প্রবৃত্তি, তা দিয়েই এটি মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সংখ্যাবাচক শব্দ দিয়ে গঠিত বাগধারাগুলো প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) অশোক মুখোপাধ্যায়
কেন সঠিক:
- বাংলা ভাষায় প্রথম পূর্ণাঙ্গ থিসরাস বা সমার্থক শব্দের অভিধান সংকলন করেছেন অধ্যাপক অশোক মুখোপাধ্যায়।
- তাঁর এই ঐতিহাসিক অভিধানটি বাংলা শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধকরণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- থিসরাস হলো এমন একটি গ্রন্থ যেখানে সমার্থক ও প্রায় সমার্থক শব্দগুলোকে এক জায়গায় সাজানো হয়।
- বাংলা সাহিত্যে এবং lexicography বা অভিধান বিজ্ঞানে অশোক মুখোপাধ্যায়ের এই কাজ একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত।
- উদাহরণস্বরূপ, জলের সমার্থক শব্দ যেমন পানি, অম্বু, উদক - এসব এই ধরনের থিসরাসে একসঙ্গে পাওয়া যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) অশোক মুখোপাধ্যায় — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি ভুল নয়।
- B) জগন্নাথ চক্রবর্তী — তিনি একজন বিশিষ্ট কবি ও অধ্যাপক হলেও থিসরাস সংকলক নন।
- C) মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান — তিনি প্রধানত আইনবিদ, প্রাবন্ধিক এবং 'শব্দার্থ ও বচন বৈচিত্র্য' এর মতো কাজের জন্য পরিচিত হলেও প্রথম থিসরাস সংকলক নন।
- D) মুহম্মদ শহীদুল্লাহ — তিনি বিখ্যাত ভাষাবিজ্ঞানী ও পন্ডিত হলেও প্রথম বাংলা থিসরাস তিনি সংকলন করেননি।
মনে রাখার টিপস:
- প্রথম বাংলা থিসরাস মনে রাখতে 'অশোক মুখোপাধ্যায়' নামটি মাথায় রাখবে, কারণ তিনিই প্রথম এই অসাধ্য সাধন করেছিলেন।
সঠিক উত্তর: B) ডান
১. কেন সঠিক:
- বামেতর শব্দটির ব্যাসবাক্য বা গঠন বিশ্লেষণ করলে দাঁড়ায় বাম যোগ ইতর। এখানে ইতর শব্দের অর্থ ভিন্ন বা অপর, ফলে বাম যোগ ইতর অর্থাৎ বামের অপর দিক বোঝায়।
- বাংলা ব্যাকরণ ও সংস্কৃতির প্রথা অনুযায়ী বাম দিকের বিপরীত বা অপর দিক হিসেবে দক্ষিণ বা ডান দিককে নির্দেশ করা হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- সংস্কৃতে ইতর শব্দের অর্থ অন্য বা ভিন্ন, যেমন অহমহমিকায় ইতর বলতে অপরকে বোঝানো হয়।
- বাংলা ভাষায় শব্দের অর্থের এমন উৎকর্ষ বা পরিবর্তন প্রায়ই দেখা যায়, যেখানে সাধারণ অর্থ বাদ দিয়ে নির্দিষ্ট বিপরীত অর্থ প্রকাশ পায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বামেতর লোচন
ব্যাখ্যা: এখানে বামেতর বলতে ডান চোখ বোঝানো হয়েছে, কারণ চোখের ক্ষেত্রে বামের অপর দিক হলো ডান চোখ।
উদাহরণ ২: বামেতর পা
ব্যাখ্যা: শরীরের অঙ্গের ক্ষেত্রে বামের বিপরীত বা অপর দিক হিসেবে ডান পা বোঝাতে এই শব্দ ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বামচোখ — বামেতর শব্দের অর্থ বাম দিক নয়, বরং তার বিপরীত বা অপর দিক তথা ডান দিক বোঝায়।
B) ডান — এটি সঠিক উত্তর কারণ বামেতর শব্দের আভিধানিক অর্থ বামের অপর দিক অর্থাৎ ডান দিক।
C) ইতর — ইতর শব্দের সাধারণ অর্থ ছোটলোক বা ভিন্ন হলেও এখানে পুরো পদের অর্থ সামগ্রিকভাবে ডান দিক নির্দেশ করে।
D) বাম দিক — বামেতর শব্দের অর্থ বাম দিক নয়, বরং বাম দিকের ঠিক বিপরীত বা অন্য দিক অর্থাৎ ডান দিক।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বাম যোগ ইতর অর্থাৎ বামের অপর দিক মনে রাখলে খুব সহজেই ডান দিক উত্তর বের করা সম্ভব।
- ইতর শব্দের ভিন্ন অর্থ মনে রেখে বামের সঙ্গে মেলালে বিভ্রান্তি দূর হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের পদের আভিধানিক অর্থ জানতে চাওয়া হয়।
- শব্দের মূল অর্থ না বুঝে আক্ষরিক বিশ্লেষণ করলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে, তাই বিশেষার্থ মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) ঢাকা, ২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২
১. কেন সঠিক:
বাংলা একাডেমি প্রমিত বাংলা বানরীতি ও বিরামচিহ্ন ব্যবহারের নিয়ম অনুযায়ী, তারিখ লেখার সময় বার, মাস এবং সালের মধ্যে কমা ব্যবহার করতে হয় কিন্তু স্থান বা শহরের নামের পর সরাসরি কমা বসিয়ে তারিখ লেখা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
এখানে 'ঢাকা, ২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২' লেখায় স্থানবাচক শব্দের পর কমা ব্যবহারের ক্ষেত্রে প্রমিত নিয়মের লঙ্ঘন ঘটেছে যা বিরামচিহ্নের যথাযথ প্রয়োগ নয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে বাক্যকে স্পষ্ট করার জন্য এবং অর্থের রূপ পরিষ্কার করার জন্য বিরামচিহ্ন বা যতিচিহ্নের ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
তারিখ লেখার সময় সাধারণত সংখ্যাবাচক বা অক্ষরভিত্তিক ক্রমানুসারে মাস, দিন এবং সালের অংশগুলোকে আলাদা করার জন্য কমা বসানোর নির্দিষ্ট নিয়ম প্রচলিত রয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ঢাকা ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২
ব্যাখ্যা: স্থান এবং তারিখের মাঝে কমা না দিয়ে প্রমিত নিয়ম অনুসরণ করলে বাক্যটি বা ঠিকানাটি সঠিক হয়।
উদাহরণ ২: ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
ব্যাখ্যা: মাস, দিন এবং সালের প্রমিত বিন্যাসে অতিরিক্ত কমা ব্যবহার না করার সঠিক রূপ এটি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ডিসেম্বর ১৬, ১৯৭১ — এই অপশনটি সঠিক কারণ ইংরেজি বা প্রমিত বিন্যাসে মাসের নামের পর দিন এবং কমা দিয়ে সাল সঠিকভাবে লেখা হয়েছে।
B) ২৬ মার্চ, ১৯৭১ — এই অপশনটি সঠিক কারণ তারিখ এবং সালের মাঝে প্রমিত নিয়ম অনুযায়ী কমা সঠিকভাবে ব্যবহার করা হয়েছে।
C) ঢাকা, ২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২ — এই অপশনটি ভুল কারণ স্থান বা শহরের নামের পর কমা বসিয়ে তারিখ লেখার কোনো প্রমিত নিয়ম বাংলা ব্যাকরণে স্বীকৃত নয়।
D) পয়লা বৈশাখ, চৌদ্দশো সাত — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাংলা সনের ক্ষেত্রে দিন বা উৎসবের নামের পর সাল লেখার সময় কমার সঠিক ব্যবহার করা হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
তারিখ লেখার সময় স্থান ও তারিখের মাঝখানে কমা ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকতে হবে এবং শুধু তারিখ ও সালের মধ্যে কমা বসাতে হবে।
বাংলা ব্যাকরণের বিরামচিহ্ন সংক্রান্ত প্রমিত নিয়মগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের ভুল সহজেই চিহ্নিত করা সম্ভব।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বাক্যশুদ্ধি ও বিরামচিহ্নের সঠিক ব্যবহার সংক্রান্ত প্রশ্ন এসে থাকে যা সতর্কতার সাথে সমাধান করতে হয়।
বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বানান ও ব্যাকরণ নিয়ম অনুসরণ করে এ ধরনের প্রশ্নগুলোর সঠিক উত্তর নির্ধারণ করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) গোমড়ামুখো লোক
১. কেন সঠিক:
- রামগরুড়ের ছানা বাগধারাটির আক্ষরিক অর্থ রামগরুড়ের বাচ্চা হলেও প্রমিত অর্থে এটি এমন একজন ব্যক্তিকে বোঝায় যিনি সবসময় গম্ভীর থাকেন, হাসিখুশি থাকেন না এবং সহজে মিশতে পারেন না।
- বাংলা লোকসাহিত্যে বা কথ্য ভাষায় এই বিশেষ শব্দগুচ্ছটি মানুষের স্বভাবের একটি নেতিবাচক বা কৌতুকপূর্ণ দিক প্রকাশ করতে সুনির্দিষ্টভাবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা ভাষার একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও বহুল ব্যবহৃত বাগধারা, যার উৎস মূলত প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও কবি কামিনী রায়ের একটি ছড়া থেকে এসেছে।
- এই ধরনের বাগধারাগুলো সাধারণ শব্দের বাইরে গিয়ে একটি বিশেষ ও ঐতিহ্যগত ভাব প্রকাশ করে, যা বাক্যের সৌন্দর্য ও ভাবার্থ বৃদ্ধি করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ক্লাসের নতুন শিক্ষককে দেখে মনে হচ্ছে তিনি যেন এক রামগরুড়ের ছানা, কেউ তার সামনে হাসতেও সাহস পাচ্ছে না।
ব্যাখ্যা: এখানে শিক্ষকের গম্ভীর ও অমায়িক স্বভাবহীন রূপ বোঝাতে বাগধারাটি সফলভাবে ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: সারাদিন অফিসের কাজে ব্যস্ত থাকার পর লোকটির মুখ সবসময় রামগরুড়ের ছানার মতো গম্ভীর হয়ে থাকে।
ব্যাখ্যা: এই উদাহরণটিতে মানুষের অতিরিক্ত গাম্ভীর্য ও হাসিমুখহীন অবস্থাকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কাল্পনিক জন্তু — রামগরুড় কোনো কাল্পনিক বা পৌরাণিক জন্তু নয়, এটি মানুষের একটি বিশেষ মানবীয় স্বভাব বা আচরণকে নির্দেশ করে।
B) গোমড়ামুখো লোক — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) মুরগি — রামগরুড়ের ছানা কোনো পশুপাখি বা মুরগির বাচ্চাকে বোঝায় না, এটি মানুষের মনস্তাত্ত্বিক রূপ।
D) পুরাণোক্ত পাখি — এটি কোনো পৌরাণিক বা শাস্ত্রীয় পাখি নয়, বরং লোকমুখে প্রচলিত একটি বিশেষ বাগধারা।
৫. মনে রাখার টিপস:
- রামগরুড় মানে যার মুখে হাসি নেই, অর্থাৎ যে সবসময় গোমড়ামুখো হয়ে থাকে। এভাবে মনে রাখলে পরীক্ষার হলে ভুল হবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত বাগধারার উৎস বা সঠিক অর্থ জানতে চাওয়া হয়, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) ক্রিয়া-বিশেষণ
১. কেন সঠিক:
যে পদ বাক্যের ক্রিয়াকে বিশেষিত করে অর্থাৎ ক্রিয়া কীভাবে, কখন, কোথায়, কী পরিমাণে সম্পন্ন হয় তার গুণ, প্রকৃতি বা তীব্রতা প্রকাশ করে, তাকে ক্রিয়া-বিশেষণ বলে।
এই প্রশ্নে ক্রিয়া পদের প্রকৃতি ও তীব্রতা বোঝানোর কথা বলা হয়েছে, যা সরাসরি ক্রিয়া-বিশেষণ পদের সংজ্ঞার সঙ্গে মিলে যায়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে যে পদ বিশেষ্য বা সর্বনাম ছাড়া অন্য পদ যেমন ক্রিয়া, বিশেষণ বা অন্য কোনো ক্রিয়া-বিশেষণকে বিশেষিত করে, তাকে ক্রিয়া-বিশেষণ বলা হয়।
এটি সাধারণত বাক্যের ক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার ভাব, কাল বা স্থান নির্দেশ করে এবং ক্রিয়াকে আরও স্পষ্টভাবে ফুটিয়ে তোলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সে দ্রুত হাঁটে।
ব্যাখ্যা: হাঁটা ক্রিয়াটি কীভাবে ঘটছে তার প্রকৃতি বোঝাচ্ছে দ্রুত শব্দটি, তাই এটি ক্রিয়া-বিশেষণ।
উদাহরণ ২: বৃষ্টি খুব ঝরছে।
ব্যাখ্যা: ঝরা ক্রিয়ার তীব্রতা বোঝাচ্ছে খুব শব্দটি, তাই এটি এখানে ক্রিয়া-বিশেষণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ক্রিয়াবাচক বিশেষ্য — যে বিশেষ্য পদ কোনো কাজের নাম বোঝায় তাকে ক্রিয়াবাচক বিশেষ্য বলে, যা ক্রিয়ার গুণ বা তীব্রতা প্রকাশ করে না।
B) ক্রিয়া-বিশেষণ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ক্রিয়ার গুণ, প্রকৃতি ও তীব্রতা প্রকাশ করে।
C) ক্রিয়াবিশেষ্যজাত বিশেষণ — যে পদ ক্রিয়াবিশেষণ থেকে উৎপন্ন হয়ে অন্য পদকে বিশেষিত করে, তা এই প্রশ্নের মূল চাহিদার সঙ্গে মেলে না।
D) ক্রিয়াবিভক্তি — ক্রিয়াপদের সঙ্গে যুক্ত যে বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি কাল ও পুরুষ নির্দেশ করে, তা ক্রিয়ার প্রকৃতি বা তীব্রতা বোঝায় না।
৫. মনে রাখার টিপস:
ক্রিয়া কীভাবে সম্পাদিত হয় তা জানতে ক্রিয়াকে কীভাবে বা কেন দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, সেটাই ক্রিয়া-বিশেষণ।
বাক্যের মূল ক্রিয়াকে বিশেষিত করার কাজটি কেবল ক্রিয়া-বিশেষণ পদই সম্পন্ন করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পদ প্রকরণ থেকে প্রায়ই এই ধরনের প্রশ্ন আসে, তাই বিশেষ্য ও বিশেষণের পার্থক্য ভালো করে বুঝতে হবে।
অন্যান্য পদের সঙ্গে ক্রিয়া-বিশেষণের পার্থক্য নির্ণয় করার সময় খেয়াল রাখতে হবে পদটি কাকে বিশেষিত করছে।
সঠিক উত্তর: C) প্রাতঃ + আশ
কেন সঠিক:
- এই শব্দটিতে বিসর্গ সন্ধির নিয়ম প্রয়োগ করা হয়েছে।
- প্রাতঃ শব্দের বিসর্গের সঙ্গে আশ শব্দের আ যোগ হয়ে প্রাতরাশ গঠিত হয়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বিসর্গ সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী বিসর্গের পর স্বরবর্ণ থাকলে বিসর্গ লুপ্ত হয় না, বরং বিশেষ নিয়মে পরিবর্তিত হয়।
- এখানে অ কারান্ত পদের পর অ থাকলে বিসর্গ ও কারে রূপান্তরিত হয় এবং পরবর্তী অ লুপ্ত হয়ে আ কার থাকে।
- যেমন অহঃ + অহ = অহরহ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) প্রাত + রাশ — এটি ব্যাকরণের কোনো নিয়ম মেনে গঠিত হয়নি কারণ প্রাত শব্দের পর কোনো বিসর্গ নেই।
- B) প্রাতঃ + রাশ — রাশ শব্দটি ভুল, কারণ সঠিক শব্দটি আশ বা আহার থেকে এসেছে।
- C) সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি এখানে প্রযোজ্য নয়।
- D) প্রাত + আশ — এখানে প্রাত শব্দের সঙ্গে বিসর্গ না থাকায় এটি সঠিক সন্ধি গঠন করে না।
মনে রাখার টিপস:
- সকালের খাবার অর্থে প্রাতঃ শব্দের সঙ্গে আশ যুক্ত করে প্রাতরাশ লিখতে হয়।
- সন্ধি করার সময় বিসর্গের ব্যবহার মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) স্বায়ত্তশাসন, আভ্যন্তর, জন্মবার্ষিক
কেন সঠিক:
এই শব্দগুচ্ছের প্রতিটি শব্দের বানান বাংলা বানান রীতি অনুযায়ী সম্পূর্ণ নির্ভুল ও আদর্শ।
এখানে যুক্তবর্ণ এবং প্রত্যয় ব্যবহারের ক্ষেত্রে বাংলা একাডেমির নিয়ম সঠিকভাবে মেনে চলা হয়েছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা বানানে তৎসম ও অর্ধ-তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে ব্যাকরণের নির্দিষ্ট নিয়ম অনুসরণ করতে হয়।
ডুক্তবর্ণ এবং নত্ব ও শতত্ব বিধানের সঠিক প্রয়োগের মাধ্যমে এই শব্দগুলো গঠিত হয়েছে।
যেমন আভ্যন্তর এবং জন্মবার্ষিক শব্দগুলোতে সঠিক প্রত্যয় ও ফলা যুক্ত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভবিষ্যত — এখানে ভবিষ্যতে খণ্ড ত এর পরিবর্তে ত হবে এবং ভৌগলিক বানানে ও কার হবে না।
B) সম্বর্ধনা — এই শব্দটি ভুল, কারণ সমবর্গীয় ধ্বনির নিয়ম অনুযায়ী এটি সংবর্ধনা হবে।
D) কেবলমাত্র — কেবল এবং মাত্র দুটি একসাথে ব্যবহার করা বাহুল্য, কেবল বা মাত্র ব্যবহার করতে হবে।
মনে রাখার টিপস:
বানান শেখার সময় বাংলা একাডেমির প্রমিত বানান রীতি নিয়মিত চর্চা করতে হবে।
সমাসবদ্ধ ও প্রত্যয়যুক্ত শব্দের ক্ষেত্রে মূল শব্দ ও প্রত্যয়ের রূপ ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) কৃষ্ণকান্তের উইল-যোগাযোগ-পথের দাবী
১. কেন সঠিক:
- রোহিনী বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কৃষ্ণকান্তের উইল উপন্যাসের চরিত্র, বিনোদিনী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের যোগাযোগ উপন্যাসের চরিত্র এবং কিরণময়ী শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের পথের দাবী উপন্যাসের চরিত্র।
- প্রশ্নটিতে ক্রমানুসারে তিনটি বিখ্যাত উপন্যাসের তিনটি প্রধান নারী চরিত্র এবং তাদের সঠিক গ্রন্থগুলোর নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের জনক এবং তাঁর কৃষ্ণকান্তের উইল একটি ট্র্যাজিক প্রেমের উপন্যাস।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা কথাসাহিত্যে মনস্তাত্ত্বিক ধারার প্রবর্তক এবং যোগাযোগ তাঁর একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ সামাজিক উপন্যাস।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কপালকুণ্ডলা
ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত রোমান্টিক উপন্যাস যার প্রধান চরিত্র কপালকুণ্ডলা ও নবকুমার।
উদাহরণ ২: শ্রীকান্ত
ব্যাখ্যা: এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি আত্মজীবনীমূলক উপন্যাস যার প্রধান চরিত্র শ্রীকান্ত ও রাজলক্ষ্মী।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিষবৃক্ষ-চতুরঙ্গ-চরিত্রহীন — এই অপশনে চতুরঙ্গ ও চরিত্রহীন উপন্যাসের চরিত্রগুলোর সাথে বিনোদিনী ও কিরণময়ী থাকলেও প্রথম জোড়াটি সঠিক নয়।
C) দুর্গেশনন্দিনী-চোখের বালি-গৃহদাহ — এই অপশনে চোখের বালি উপন্যাসের চরিত্র থাকলেও দুর্গেশনন্দিনী ও গৃহদাহ উপন্যাসের সাথে এই চরিত্রগুলোর মিল নেই।
D) কৃষ্ণকান্তের উইল-চোখের বালি-চরিত্রহীন — এই অপশনে কৃষ্ণকান্তের উইল সঠিক হলেও পরের দুটি উপন্যাসের চরিত্রগুলোর ক্রম ও গ্রন্থগুলোর নাম সঠিক নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বঙ্কিমের রোহিনী, রবির বিনোদিনী এবং শরৎচন্দ্রের কিরণময়ী এভাবে তিন কথাসাহিত্যের তিন বিখ্যাত চরিত্র মনে রাখা যায়।
- চরিত্রগুলোর নামের প্রথম অক্ষর দিয়ে (র-বি-কি) খুব সহজেই মনে রাখা সম্ভব।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপন্যাসের নারী চরিত্রগুলো থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- প্রধান চরিত্রগুলোর নাম এবং তাদের স্রষ্টা সাহিত্যিকদের নাম ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) পর্তুগিজ
১. কেন সঠিক:
- পেয়ারা শব্দটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে।
- পর্তুগিজ বণিক ও ধর্মযাজকদের মাধ্যমে বাংলায় এই শব্দটি প্রবেশ করেছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বিদেশি শব্দ বা আগন্তুক শব্দ হলো সেসব শব্দ, যা বিভিন্ন বিদেশি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে।
- পর্তুগিজ জাতির সাথে বাঙালির দীর্ঘ বাণিজ্য ও ঔপনিবেশিক যোগাযোগের কারণে বহু পর্তুগিজ শব্দ বাংলায় স্থায়ীভাবে মিশে গেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আনারস
ব্যাখ্যা: এটিও পর্তুগিজ ভাষা থেকে আগত একটি অতি পরিচিত ফলবাচক শব্দ।
উদাহরণ ২: চাবি
ব্যাখ্যা: দৈনন্দিন ব্যবহৃত এই বস্তুটি বোঝাতে পর্তুগিজ ভাষা থেকে আগত এই শব্দটি বাংলায় ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হিন্দি — হিন্দি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় অনেক শব্দ এলেও পেয়ারা শব্দটি হিন্দি নয়।
B) উর্দু — উর্দু ভাষা মূলত ভারতের বিভিন্ন ভাষার মিশ্রণে সৃষ্টি হয়েছে এবং পেয়ারা এর উৎস নয়।
C) পর্তুগিজ — এই অপশনটি সঠিক কারণ পেয়ারা শব্দটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে সরাসরি বাংলায় এসেছে।
D) গ্রিক — গ্রিক ভাষা থেকে বাংলায় খুব কম শব্দ এসেছে এবং পেয়ারা তার মধ্যে পড়ে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- পর্তুগিজ শব্দ মনে রাখার সহজ উপায় হলো খাদ্য ও দৈনন্দিন ব্যবহারের জিনিসগুলো যেমন পেয়ারা, আনারস, চাবি, বালতি এক সাথে মনে রাখা।
- বিদেশি শব্দ চেনার জন্য শব্দের গঠন ও উৎপত্তির ইতিহাস খেয়াল রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পর্তুগিজ শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- ফলমূল ও ঘরের ব্যবহারের অনেক নাম সাধারণত পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে।
সঠিক উত্তর: A) কল্যাণীয়েষু
১. কেন সঠিক:
চিঠিপত্র বা দরখাস্তে প্রাপক বা সম্বোধিত ব্যক্তির বয়স, সামাজিক অবস্থান এবং সম্পর্কের ওপর ভিত্তি করে বিশেষ সম্বোধনবাচক শব্দ ব্যবহার করা হয়।
অপেক্ষাকৃত ছোট বা জুনিয়র নারী, যেমন কন্যা, ছাত্রী বা অনুজার ক্ষেত্রে প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও পত্রযোগাযোগ রীতি অনুযায়ী কল্যাণীয়া শব্দটি প্রযোজ্য হয়, যার বহুবচনে বা সম্বোধনে কল্যাণীয়েষু ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা পত্রলিখন রীতিতে সম্বোধন পদের ক্ষেত্রে লিঙ্গভেদ ও বয়সভেদ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়।
বয়সে ছোট বা পদমর্যাদায় অনুজ পুরুষদের ক্ষেত্রে কল্যাণীয়েষু এবং নারীদের ক্ষেত্রে কল্যাণীয়েষু বা কল্যাণীয়েষু স্ত্রীবাচক রূপ হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তবে আধুনিক বাংলা ব্যাকরণে ছোটদের ক্ষেত্রে সাধারণত পুংলিঙ্গবাচক রূপ বহুল প্রচলিত হলেও নারীর ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: স্নেহাশিষেষু
ব্যাখ্যা: এটি সাধারণত অত্যন্ত স্নেহের ছোট ভাই বা পুত্রতুল্য কাউকে চিঠিতে সম্বোধন করার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
উদাহরণ ২: শ্রদ্ধাস্পদেষু
ব্যাখ্যা: এই সম্বোধনটি নিজের চেয়ে বয়সে বড়, মুরুব্বি বা শিক্ষকদের ক্ষেত্রে সম্মান প্রদর্শন করে চিঠি লেখার সময় ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কল্যাণীয়েষু — এটি সঠিক উত্তর কারণ ছোট বা অনুজ নারীকে সম্বোধনের ক্ষেত্রে এই বহুবচনান্ত পদটি চিঠিপত্রে প্রমিত নিয়ম অনুযায়ী ব্যবহার করা হয়।
B) সুচরিতেষু — এটি উত্তম চরিত্র বা গুণী কোনো পুরুষ ব্যক্তিকে সম্বোধন করার ক্ষেত্রে চিঠিতে ব্যবহার করা হয়, নারীদের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নয়।
C) শ্রদ্ধাস্পদাসু — এটি গুরুজন বা বয়সে বড় কোনো নারীকে শ্রদ্ধার সাথে সম্বোধন করার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, ছোটদের ক্ষেত্রে নয়।
D) প্রীতিভাজনেষু — এটি সমবয়সী বা বন্ধুতুল্য কাউকে প্রীতি বা স্নেহের নিদর্শনস্বরূপ চিঠিতে সম্বোধন করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
ছোটদের জন্য কল্যাণীয়েষু এবং বড়দের জন্য শ্রদ্ধাস্পদেষু বা শ্রদ্ধাস্পদাসু ব্যবহার করা হয়।
নারীদের ক্ষেত্রে আসু প্রত্যয় যুক্ত হয় আর পুরুষদের ক্ষেত্রে এষু প্রত্যয় যুক্ত হয় এই সাধারণ নিয়মটি মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
চিঠিপত্রের সম্বোধন থেকে বিসিএস এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
সম্বোধনের ক্ষেত্রে প্রাপক ছোট নাকি বড় এবং পুরুষ নাকি নারী, তা ভালোভাবে খেয়াল করে সঠিক অপশন নির্ধারণ করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) হ ম
১. কেন সঠিক:
হ্ম যুক্তবর্ণটি মূলত হ এবং ম বর্ণের সমন্বয়ে গঠিত হয়েছে। প্রমিত বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী এর বিশ্লিষ্ট রূপ হলো হ যোগ ম।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা বর্ণমালায় কিছু যুক্তবর্ণ রয়েছে যা দেখতে এক রকম কিন্তু গঠিত হয় অন্য বর্ণ দিয়ে। হ্ম যুক্তবর্ণটি লেখার সময় হ এর নিচে ম যুক্ত থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ব্রহ্মপুত্র
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতে হ্ম যুক্তবর্ণটি ব্যবহৃত হয়েছে এবং এর সঠিক বিশ্লিষ্ট রূপ হলো হ যোগ ম।
উদাহরণ ২: ব্রাহ্মণ
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও হ্ম যুক্তবর্ণের প্রয়োগ দেখা যায় যা হ এবং ম এর মিলনে তৈরি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ক ষ — এটি ক্ষ যুক্তবর্ণের বিশ্লিষ্ট রূপ।
B) ক ষ ণ — এটি কোনো প্রমিত যুক্তবর্ণের বিশ্লিষ্ট রূপ নয়।
C) ক ষ ম — এটি কোনো প্রমিত যুক্তবর্ণের বিশ্লিষ্ট রূপ নয়।
D) হ ম — এটি সঠিক উত্তর কারণ হ্ম যুক্তবর্ণটি হ এবং ম এর সংযোগে গঠিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
ব্রহ্মপুত্র বা ব্রাহ্মণ শব্দ লেখার সময় খেয়াল রাখবে যে বানানে হ্ম আছে, সেখানে হ এর সাথে ম যুক্ত থাকে, ক বা ষ এর কোনো সম্পর্ক নেই।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই হ্ম এবং ক্ষ যুক্তবর্ণের বিশ্লিষ্ট রূপ নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি করা হয়। তাই হ্ম দেখলে হ এবং ম আর ক্ষ দেখলে ক এবং ষ মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) ঈশ্বরী পাটনী
১. কেন সঠিক:
- 'আমার সন্তান যেন থাকে দুধেভাতে' এই বিখ্যাত প্রার্থনাটি করেছেন অন্নদামঙ্গল কাব্যের চরিত্র ঈশ্বরী পাটনী। দেবী অন্নপূর্ণার বর চাওয়ার সময় তিনি বিত্তবৈভবের পরিবর্তে কেবল সাধারণ অন্ন ও বস্ত্রের প্রার্থনা করেছিলেন।
- বাঙালি সংস্কৃতির মৌলিক চাওয়া হিসেবে এই পংক্তিটি চরমভাবে সমাদৃত। এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষের অকৃত্রিম জীবনবোধ প্রকাশ পেয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এই পংক্তিটির রচয়িতা মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর। তাঁর অমর সৃষ্টি অন্নদামঙ্গল কাব্যের প্রথম ভাগ অন্নপূর্ণা মঙ্গল বা বিদ্যাসুন্দর অংশে এই কাহিনীর অবতারণা করা হয়েছে।
- অষ্টাদশ শতাব্দীর রাজকবি ভারতচন্দ্র নদীয়া জেলার পেকলা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এবং কৃষ্ণচন্দ্র রায়ের সভাকবি ছিলেন। তাঁর কাব্যের ছন্দের চমৎকারিত্ব এবং শব্দচয়ন বাংলা সাহিত্যে অত্যন্ত প্রশংসিত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরের 'অন্নদামঙ্গল' কাব্য।
ব্যাখ্যা: এই কাব্যটি মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের ধারার শেষ সার্থক নিদর্শন এবং এটি তিনটি ভাগে বিভক্ত।
উদাহরণ ২: ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরকে দেওয়া 'রায়গুণাকর' উপাধি।
ব্যাখ্যা: নদীয়া রাজা কৃষ্ণচন্দ্র তাঁকে এই উপাধিতে ভূষিত করেছিলেন যা তাঁর সাহিত্যিক খ্যাতির অন্যতম স্মারক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভাঁড়ুদত্ত — ভাঁড়ুদত্ত মধ্যযুগের মনসামঙ্গল কাব্যের একটি ধূর্ত ও লোভী চরিত্র। তাই এই প্রার্থনাটির সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই।
B) চাঁদ সওদাগর — চাঁদ সওদাগর মনসামঙ্গল কাব্যের এক অহংকারী ও জেদি বণিক চরিত্র। মনসা দেবীর পূজা না করার জন্য তিনি বিখ্যাত হলেও এই প্রার্থনাটি তাঁর নয়।
D) নলকুবের — নলকুবের হিন্দু পৌরাণিক চরিত্র এবং তিনি অন্নদামঙ্গল কাব্যের বিদ্যাসুন্দর উপাখ্যানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। তবে তিনি এই বিখ্যাত প্রার্থনাটি করেননি।
৫ মনে রাখার টিপস:
- দুধেভাতে থাকার প্রার্থনা করেছিলেন গরিব পাটনী ঈশ্বরী। মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো পাটনী মানেই অন্নদা দেবীর ভক্ত ঈশ্বরী পাটনী।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের শেষ কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর এবং তাঁর শ্রেষ্ঠ কাব্য অন্নদামঙ্গল থেকে প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে।
- চরিত্রভিত্তিক সাহিত্যিক উদ্ধৃতি মনে রাখতে চরিত্রের নাম এবং রচয়িতার নাম একসঙ্গে নোট করে পড়া উচিত।
সঠিক উত্তর: C) আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
১. কেন সঠিক:
- দুধেভাতে উৎপাত গল্পগ্রন্থটির রচয়িতা কথাসাহিত্যিক আখতারুজ্জামান ইলিয়াস।
- এটি তাঁর অত্যন্ত প্রশংসিত ও জনপ্রিয় একটি ছোটগল্প সংকলন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- আখতারুজ্জামান ইলিয়াস আধুনিক বাংলা উপন্যাসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও শক্তিশালী ঔপন্যাসিক।
- তাঁর রচনায় নিপুণভাবে উঠে এসেছে গ্রামীণ ও নাগরিক জীবনের বৈচিত্র্যময় চিত্র এবং রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অন্য ঘরে অন্য স্বর
ব্যাখ্যা: এটি আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের আরেকটি বিখ্যাত ছোটগল্প সংকলন।
উদাহরণ ২: খোয়াবনামা
ব্যাখ্যা: এটি আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত অবিস্মরণীয় ও কালজয়ী একটি উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শওকত ওসমান — তিনি বিখ্যাত উপন্যাস ও ছোটগল্প রচয়িতা হলেও এই গ্রন্থের লেখক নন।
B) জ্যোতিপ্রকাশ দত্ত — তিনি বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক হলেও এই গ্রন্থটি তাঁর লেখা নয়।
C) আখতারুজ্জামান ইলিয়াস — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি তাঁরই বিখ্যাত গল্পগ্রন্থ।
D) হাসান আজিজুল হক — তিনি বিখ্যাত গল্পকার হলেও এই গ্রন্থের সঙ্গে তাঁর নাম যুক্ত নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ইলিয়াসের নামের সঙ্গে দ দিয়ে শুরু দুধেভাতে উৎপাত গ্রন্থটি মনে রাখতে পারো।
- তাঁর গল্পের সংখ্যা কম হলেও প্রতিটি রচনা অত্যন্ত মানসম্মত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের গল্পগ্রন্থ ও উপন্যাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- তাঁর রচিত একমাত্র দুটি উপন্যাস হলো চিলেকোঠার সেপাই এবং খোয়াবনামা।
সঠিক উত্তর: C) সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
১. কেন সঠিক:
সুধীন্দ্রনাথ দত্ত বাংলা সাহিত্যের ত্রিশের দশকের আধুনিক কবিতার অন্যতম প্রধান স্তম্ভ এবং বুদ্ধিজীবী কবি হিসেবে পরিচিত। তিনি মূলত কবিতা রচনা এবং সাহিত্য সমালোচনা ও প্রবন্ধ রচনার জন্য খ্যাতি অর্জন করেছেন এবং কখনো কোনো উপন্যাস লেখেন নি।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
সুধীন্দ্রনাথ দত্ত আধুনিক বাংলা কাব্যে বুদ্ধিবৃত্তিক চেতনা, ক্লাসিক বা ধ্রুপদী কাঠিন্য এবং নিরাবেগ দৃষ্টিভঙ্গির প্রবর্তন করেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে অর্কেস্ট্রা, মৃণময়ী ও প্রতিধ্বনি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য হলেও তিনি কোনো উপন্যাস বা গল্পগ্রন্থ রচনা করেননি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সুধীন্দ্রনাথ দত্তের কাব্যগ্রন্থ অর্কেস্ট্রা
ব্যাখ্যা: এটি তাঁর অন্যতম শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ যা তাঁর বুদ্ধিবৃত্তিক ও আধুনিক কাব্যচেতনার পরিচয় বহন করে।
উদাহরণ ২: সুধীন্দ্রনাথ দত্তের প্রবন্ধগ্রন্থ কুলায় ও কালপুরুষ
ব্যাখ্যা: এটি তাঁর বিখ্যাত সাহিত্য সমালোচনামূলক প্রবন্ধগ্রন্থ যেখানে তাঁর গভীর জীবনদর্শন প্রতিফলিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কাজী নজরুল ইসলাম — বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম মৃত্যুক্ষুধা ও কুহেলিকা নামে দুটি বিখ্যাত উপন্যাস রচনা করেছেন।
B) জীবনানন্দ দাশ — আধুনিক কবিতার রূপসী বাংলা খ্যাত কবি জীবনানন্দ দাশ মাল্যবান ও সুতীর্থসহ বেশ কয়েকটি উপন্যাস রচনা করেছেন।
D) বুদ্ধদেব বসু — ত্রিশের দশকের আধুনিক কবি ও সাহিত্যিক বুদ্ধদেব বসু ততীর্থের বসতি ও কালো হাওয়া নামক জনপ্রিয় উপন্যাস রচনা করেছেন।
৫ মনে রাখার টিপস:
ত্রিশের দশকের পাঁচ আধুনিক কবির মধ্যে সুধীন্দ্রনাথ দত্ত একমাত্র কবি যিনি শুধু কবিতা ও প্রবন্ধ লিখেছেন কিন্তু কোনো উপন্যাস লেখেন নি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কবি ও সাহিত্যিকদের উপন্যাস বা ছোটগল্পের উপস্থিতি সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। সুধীন্দ্রনাথ দত্ত মূলত কবি ও প্রাবন্ধিক হিসেবে পরিচিত, তাই তাঁর উপন্যাস না থাকার বিষয়টি পরীক্ষায় বারবার আসে।
সঠিক উত্তর: D) শাহ মুহম্মদ সগীর
১. কেন সঠিক:
- শাহ মুহম্মদ সগীর মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের সুলতানি আমলের প্রথম কবি হিসেবে পরিচিত।
- তিনি গৌড়ের সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের রাজত্বকালে ইউসুফ জোলেখা প্রণয়কাব্য রচনা করেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে প্রণয়কাব্য ধারার প্রথম সার্থক ও জনপ্রিয় কবি শাহ মুহম্মদ সগীর।
- ইউসুফ জোলেখা কাব্যটি মূলত ফার্সি সাহিত্যের একটি জনপ্রিয় প্রেমের কাহিনী অবলম্বনে বাংলায় অনূদিত ও রূপান্তরিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: লাইলী মজনু
ব্যাখ্যা: এটিও মধ্যযুগের অপর একটি বিখ্যাত ফার্সি ভাষার কাহিনীর বাংলা অনুবাদ সাহিত্যকর্ম।
উদাহরণ ২: পদ্মাবতী
ব্যাখ্যা: এটি আলাওল রচিত বাংলা সাহিত্যের আরেকটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ প্রণয়কাব্য বা রোমান্টিক কাব্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দৌলত উজির বাহরাম খান — ইনি লায়লী মজনু প্রণয়কাব্যের অনুবাদক, ইউসুফ জোলেখা কাব্যের নন।
B) মাগন ঠাকুর — ইনি আরাকান রাজসভার অন্যতম পৃষ্ঠপোষক ও চন্দ্রাবতী বা সপ্তপয়কর রচয়িতা দৌলত কাজীর সহায়ক ছিলেন।
C) আলাওল — ইনি মধ্যযুগের শ্রেষ্ঠ রোমান্টিক প্রণয়কাব্য পদ্মাবতীর রচয়িতা, ইউসুফ জোলেখার অনুবাদক নন।
D) শাহ মুহম্মদ সগীর — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি ইউসুফ জোলেখা কাব্য রচনা করেছেন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ইউসুফ ও জোলেখা কাব্যের শুরুতে আছে সগীর, তাই শাহ মুহম্মদ সগীর নাম এভাবে মনে রাখা সহজ।
- মধ্যযুগের প্রথম প্রণয়কাব্যের রচয়িতা হিসেবে শাহ মুহম্মদ সগীরের নাম এভাবে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য মুখস্থ রাখতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সুলতানি আমলের বাংলা সাহিত্য ও প্রথম মুসলিম কবির নাম প্রায়ই বিসিএস পরীক্ষায় আসে।
- প্রণয়কাব্য ধারার কবি ও তাদের রচিত গ্রন্থগুলোর নাম মিলিয়ে পড়ার মাধ্যমে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
সঠিক উত্তর: B) মনসামঙ্গল
১. কেন সঠিক:
চাঁদ সওদাগর মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের মনসামঙ্গল কাব্যের একজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং কেন্দ্রীয় চরিত্র।
মনসা দেবীর পূজা প্রচারে চাঁদ সওদাগরের অনমনীয় জেদ এবং দীর্ঘ লড়াই এই কাব্যের মূল কাহিনীর চালিকাশক্তি।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
মনসামঙ্গল কাব্য মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্য ধারার অন্যতম প্রধান ও জনপ্রিয় একটি শাখা।
এই ধারার প্রধান কবিরা হলেন কানাহ হরিদত্ত, বিজয় গুপ্ত, বিপ্রদাস পিপিলাই এবং মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি কেতকাদাস খেমানন্দ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বেহুলা
ব্যাখ্যা: বেহুলা হলেন মনসামঙ্গল কাব্যের লখিন্দরের স্ত্রী, যিনি পতিভক্তির অনন্য নিদর্শনের জন্য অমর হয়ে আছেন।
উদাহরণ ২: ধনপতি সওদাগর
ব্যাখ্যা: ধনপতি সওদাগর হলেন চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের অন্যতম প্রধান বণিক চরিত্র, যা অন্য মঙ্গলধারার সঙ্গে সম্পর্কিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চণ্ডীমঙ্গল — চণ্ডীমঙ্গল কাব্যধারার প্রধান চরিত্র হলো কালকেতু, ফুল্লরা এবং ধনপতি সওদাগর, চাঁদ সওদাগর নন।
B) মনসামঙ্গল — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে অন্য কোনো মন্তব্য প্রযোজ্য নয়।
C) ধর্মমঙ্গল — ধর্মমঙ্গল কাব্যধারার প্রধান চরিত্র হলো লাউসেন, যিনি ধর্মপূজা প্রচারে নানা বীরত্বপূর্ণ কাজ করেছিলেন।
D) অন্নদামঙ্গল — অন্নদামঙ্গল কাব্যধারার প্রধান চরিত্র হলো ঈশ্বর পাটনি, ভবানন্দ মজুমদার এবং বিদ্যা-সুন্দর।
৫ মনে রাখার টিপস:
চাঁদ সদাগরের নাম শোনামাত্র মনে রাখবে বিষের দেবী মনসার নাম, আর মনসা মানেই মনসামঙ্গল কাব্যধারা।
মঙ্গলকাব্যগুলোর চরিত্র মনে রাখতে প্রধান বণিক ও দেবীর নাম ছক আকারে খাতায় লিখে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মঙ্গলকাব্যের চরিত্র থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
চাঁদ সওদাগর চরিত্রটি মনসামঙ্গল কাব্যের শিবভক্ত বণিক সমাজকে প্রতিনিধিত্ব করে।
সঠিক উত্তর: C) Javed was so exhausted that he was lying down for a sleep
কেন সঠিক:
প্রধান ক্লজটি পাস্ট টেন্সে থাকায় পরের অংশেও পাস্ট টেন্স ব্যবহার করা হয়েছে।
ক্লান্ত হয়ে পড়ার মুহূর্তে কাজটি চলমান ছিল বোঝাতে পাস্ট কন্টিনিউয়াস টেন্স সঠিক।
শায়িত হওয়া অর্থে lay এর সাথে ing যুক্ত হয়ে lying সঠিক রূপ গঠন করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Javed was so exhausted that he lain down for a sleep — এখানে lain শব্দটি ভুল, কারণ lie এর পাস্ট পার্টিসিপল একা বসে না।
B) Javed was so exhausted that he had lain down for a sleep — এখানে পাস্ট পারফেক্ট টেন্সের ব্যবহার অপ্রয়োজনীয় এবং অর্থগতভাবে বেমানান।
C) Javed was so exhausted that he was lying down for a sleep — এটি সঠিক হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই।
D) Javed was so exhausted that he will lay down for a sleep — মূল অংশ পাস্ট টেন্স হওয়ায় পরের অংশে ভবিষ্যৎকাল ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যের প্রথম অংশ পাস্ট টেন্সে থাকলে পরের অংশেও সাধারণত পাস্ট টেন্স বা পাস্ট কন্টিনিউয়াস টেন্স ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) Last work
কেন সঠিক:
Swan song ইডিওমটির আক্ষরিক অর্থ রাজহাঁসের গান, যা প্রাচীন এক বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছে।
বিশ্বাস করা হতো যে রাজহাঁস মারা যাওয়ার ঠিক আগে খুব সুন্দর সুরের গান গায়।
তাই রূপক অর্থে এটি দিয়ে মানুষের জীবনের বা কর্মজীবনের শেষ কাজকে বোঝানো হয়।
এটি কোনো শিল্পীর সর্বশেষ সৃষ্টি বা পারফর্মেন্স নির্দেশ করতে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) First work — এই অপশনটি ভুল কারণ ইডিওমটি শুরুর কাজ বোঝাতে ব্যবহার করা হয় না।
B) Last work — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি রাজহাঁসের শেষ গানের সাথে মিল রেখে শেষ কাজ বোঝায়।
C) Middle work — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি জীবনের মধ্যবর্তী কোনো কাজ নির্দেশ করে না।
D) Early work — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি প্রাথমিক বা আগের কোনো কাজ বোঝাতে ব্যবহৃত হয় না।
মনে রাখার টিপস:
হাঁস যেমন মৃত্যুর আগে শেষ গান গায়, তেমনি কোনো মানুষের শেষ কাজকে Swan song বলা হয়।
সঠিক উত্তর: B) Let the window be opened
কেন সঠিক:
- মূল বাক্যটি Imperative Sentence হওয়ায় passive করার সময় প্রথমে Let বসে।
- এর পর অবজেক্ট (the window), তারপর be এবং মূল verb-এর Past Participle (opened) বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Window should be opened — এটি Imperative Sentence-এর সঠিক নিয়ম মেনে গঠিত হয়নি এবং শুরুতে Article অনুপস্থিত।
B) Let the window be opened — এটি Imperative Sentence-এর Active থেকে Passive করার সঠিক নিয়ম অনুযায়ী গঠিত।
C) Let the window be opened by you — Imperative Sentence-এ সাধারণত by you উল্লেখ করার প্রয়োজন হয় না, তাই এটি সেরা উত্তর নয়।
D) The window must be opened — এটি Modal Auxiliary দিয়ে গঠিত Passive রূপ, যা Imperative বাক্যের সঠিক নিয়ম নয়।
মনে রাখার টিপস:
Imperative Sentence-এ মূল verb দিয়ে শুরু হলে Passive করার সময় শুরুতে Let এবং object-এর পর be যুক্ত করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) with
কেন সঠিক:
কোনো ব্যক্তির সাথে কোনো বিষয়ে তর্ক করা বা বিতর্ক করার ক্ষেত্রে argue এর পরে with preposition ব্যবহৃত হয়। এখানে বাক্যের সাবজেক্ট অন্য কোনো ব্যক্তির (me) বিরুদ্ধে বা সাথে যুক্তি দেখাচ্ছে বোঝাচ্ছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) from — from preposition সাধারণত দূরত্ব বা উৎস বোঝাতে বসে, ব্যক্তির সাথে বিতর্কের ক্ষেত্রে এটি বসে না।
B) with — এটি সঠিক অপশন এবং ব্যক্তির সাথে তর্কের ক্ষেত্রে এটিই নিয়ম অনুযায়ী বসে।
C) for — for preposition সাধারণত কোনো কিছুর পক্ষে বা জন্য বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) to — to preposition সাধারণত কোনো নির্দিষ্ট দিকে যাওয়া বা প্রাপক বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
কারো সাথে কোনো বিষয়ে তর্কাঝামেলা বা বিতর্ক করা বোঝালে argue শব্দের পরে সবসময় with preposition বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) Rahim ate almost the whole fish
কেন সঠিক:
- Adverb হিসেবে 'almost' ঠিক যে শব্দের মাত্রা বা পরিমাণ প্রকাশ করতে চায়, ঠিক তার আগেই বসে।
- এখানে 'whole fish' সম্পূর্ণ মাছটিকে নির্দেশ করায় 'almost' শব্দটি 'the whole fish' অংশের ঠিক পূর্বে বসে সঠিক অর্থ প্রকাশ করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Rahim ate almost the whole fish — এটি সঠিক কারণ 'almost' সরাসরি 'the whole fish' কে модиফাই করেছে।
B) Rahim almost ate the whole fish — এটি ভুল কারণ এখানে মনে হতে পারে সে মাছটি খায়নি প্রায় খেতে বসেছিল।
C) Almost Rahim ate the whole fish — এটি ভুল কারণ 'almost' কখনোই সাবজেক্টের শুরুতে বসে এভাবে অর্থ প্রকাশ করতে পারে না।
D) Rahim ate the whole fish almost — এটি ভুল কারণ 'almost' কে বাক্যের একেবারে শেষে রাখলে এর স্থানবিন্যাস ব্যাকরণগতভাবে বেমানান হয়।
মনে রাখার টিপস:
পরিমাণবাচক বা নির্দিষ্ট কোনো অংশকে ছোট করার জন্য 'almost' শব্দটি ঠিক তার আগেই বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) took off
কেন সঠিক:
এখানে until শব্দটি সময়ের একটি বিন্দু নির্দেশ করে যা অতীতের ঘটনা।
তাই প্রধান ক্লজ ও সাবোর্ডিনেট ক্লজ উভয় অংশেই সাধারণ অতীত কাল বা পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্স ব্যবহার করা নিয়ম।
এই কারণে সঠিক উত্তর হিসেবে took off নির্বাচিত হয়েছে।
বাক্যের অর্থ পূর্ণ করতে সাধারণ অতীত কালই সবচেয়ে উপযোগী।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) did not take off — এটি নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ করে যা বাক্যের অর্থের সাথে মেলে না।
B) took off — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না।
C) had not taken off — অতীতকালের দুটি ঘটনার একটির আগে অন্যটি ঘটার অর্থে এটি বসে কিন্তু এখানে তেমন কোনো তুলনামূলক পরিস্থিতি নেই।
D) had taken off — বিমান ওড়ার ঘটনাটি অপেক্ষার সময়ের আগে সম্পন্ন হয়েছিল এমন কোনো জটিল পূর্ববর্তী শর্ত এখানে প্রয়োজন নেই।
মনে রাখার টিপস:
until এর উভয় পাশে সাধারণ অতীত কাল ব্যবহার করা হয় যদি ঘটনাটি অতীতের সাধারণ সময় নির্দেশ করে।
সঠিক উত্তর: B) has been
কেন সঠিক:
Fractional expression বা ভগ্নাংশের পর uncountable noun থাকলে verb singular হয়। Work একটি uncountable noun হওয়ায় এখানে has been বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) have been — এটি plural verb, যা singular subject-এর সাথে বসে না।
B) সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়।
C) had — এটি past tense বোঝায়, কিন্তু এখানে passive voice-এর present tense প্রয়োজন।
D) were — এটি plural past verb, যা singular subject-এর সাথে বসে না।
মনে রাখার টিপস:
ভগ্নাংশের পরে uncountable noun থাকলে verb সব সময় singular হয়।
সঠিক উত্তর: C) one’s
কেন সঠিক:
- বাক্যের শুরুতে subject হিসেবে one থাকলে তার possessive form সবসময় one’s হয়।
- প্রদত্ত বাক্যে subject হলো one, তাই এর পরের possessive pronoun হিসেবে one’s ব্যবহার করা সঠিক হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) his — বাক্যের subject he হলে possessive হিসেবে his ব্যবহার করা যায়, কিন্তু subject one থাকায় এটি ভুল।
B) her — বাক্যের subject she হলে possessive হিসেবে her ব্যবহার করা যায়, কিন্তু subject one থাকায় এটি ভুল।
C) one’s — এটি সঠিক উত্তর এবং subject one এর সাথে সম্পূর্ণ সংগতিপূর্ণ।
D) the — এটি একটি definite article, যা possessive pronoun এর স্থানে বসে possessive এর কাজ করতে পারে না।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে subject যদি one হয়, তবে তার possessive pronoun হিসেবে চোখ বন্ধ করে one’s বসাতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) turned over
কেন সঠিক:
বাক্যের অর্থ অনুযায়ী ক্যাপ্টেন নৌকাটি উল্টে যাওয়ার কারণে তা ত্যাগ করেছিলেন।
এখানে 'turn over' ফ্রেসটি নৌকা উল্টে যাওয়া বা उलट যাওয়ার অর্থ প্রকাশ করে।
সঠিক ঘটনার সাথে এই ফ্রেসটির ভাবগত মিল রয়েছে।
তাই এখানে অন্য কোনো অর্থবোধক শব্দ খাপ খায় না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) turned down — এর অর্থ প্রত্যাখ্যান করা বা কমানো, যা এখানে নৌকার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
B) turned up — এর অর্থ উপস্থিত হওয়া বা খুঁজে পাওয়া, যা এই বাক্যের সাথে পুরোপুরি অর্থহীন।
C) tuned bottom — এটি কোনো সঠিক ইংরেজি ফ্রেস বা ইডিয়ম নয় এবং এর কোনো অর্থ হয় না।
D) turned over — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল অপশন হিসেবে গণ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
নৌকা বা যানবাহন উল্টে যাওয়ার ক্ষেত্রে সবসময় 'turn over' ফ্রেসটি ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) anger
কেন সঠিক:
Resentment শব্দের বাংলা অর্থ হলো ক্ষোভ বা বিরক্তি, যা মূলত মনের ভেতরের অসন্তোষ প্রকাশ করে।
Anger শব্দের অর্থ ক্রোধ বা রাগ, যা resentment শব্দের সবচেয়ে কাছাকাছি অর্থ বহন করে।
তাই এই দুটি শব্দ একে অপরের পরিপূরক সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) fear — এর অর্থ ভয়, যা ক্ষোভ বা রাগের সাথে সম্পর্কিত নয়।
B) anger — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) indignation — এর অর্থ ন্যায়হীনতার বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ, যা সাধারণ ক্ষোভের চেয়ে একটু আলাদা মাত্রা বোঝায়।
D) panic — এর অর্থ আতঙ্ক বা হঠাৎ ভয় পাওয়া, যা রাগের বিপরীত অবস্থা।
মনে রাখার টিপস:
Resentment এবং anger দুটি শব্দই মনের নেতিবাচক আবেগ এবং রাগ প্রকাশের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: C) some time
কেন সঠিক:
এখানে some time আলাদাভাবে ব্যবহৃত হয়ে একটি নির্দিষ্ট সময় বা কিছুটা সময় অর্থ প্রকাশ করেছে। বাক্যে সময় কাটানো বোঝাতে noun phrase হিসেবে some time ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) sometimes — এটি একটি adverb যার অর্থ মাঝে মাঝে এবং তা এখানে বসে না।
B) sometime — এটি একটি adverb যার অর্থ অতীতের বা ভবিষ্যতের কোনো এক সময়ে।
D) some times — এর অর্থ কিছুবার, যা এখানে অর্থের সাথে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
সময় কাটানো বা দীর্ঘ সময় বোঝাতে space দিয়ে separately some time লিখতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) She had faith in and hopes for the future.
কেন সঠিক:
ইংরেজি নিয়ম অনুযায়ী ভিন্ন প্রিপজিশন গ্রহণকারী দুটি শব্দের পরে তাদের নিজ নিজ প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হয়। এখানে faith শব্দের পরে in এবং hopes শব্দের পরে for প্রিপজিশন সঠিকভাবে বসানো হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) এই অপশনটি সঠিক কারণ এতে প্রিপজিশনের সঠিক ব্যবহার হয়েছে।
B) এই অপশনে hopes শব্দের প্রিপজিশন বাদ দেওয়া হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
C) এই অপশনে hopes শব্দের সাথে ভুল প্রিপজিশন ব্যবহার করা হয়েছে।
D) এই অপশনে প্রিপজিশনের ভুল ছাড়াও future শব্দের পূর্বে আর্টিকেল ব্যবহার করা হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
একাধিক শব্দের সাথে আলাদা প্রিপজিশন প্রয়োজন হলে ঝুলন্ত প্রিপজিশন নিয়ম মেনে প্রতিটি শব্দের সাথে সঠিক প্রিপজিশন বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) a day dreamer
কেন সঠিক:
"Head in the clouds" একটি ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা। এর অর্থ বাস্তব জগত থেকে দূরে থেকে অলীক কল্পনা বা দিবাস্বপ্নে বিভোর থাকা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) proud — এর অর্থ অহংকারী, যা এই ইডিয়ামের অর্থের সাথে মেলে না।
B) a day dreamer — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ দিবাস্বপ্নদ্রষ্টা।
C) an aviator — এর অর্থ বিমানচালক, যা শব্দের আক্ষরিক অর্থ বোঝালেও ইডিয়ামের ভাবার্থ নয়।
D) useless — এর অর্থ দরকারী নয় বা অপদার্থ, যা এই বাকধারার সাথে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
মেঘে মাথা থাকা মানে আকাশে উড়ে বেড়ানো, অর্থাৎ বাস্তব ভুলে দিবাস্বপ্নে ডুবে থাকা।
সঠিক উত্তর: C) It has been drizzling since morning.
কেন সঠিক:
- গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির ইংরেজি হলো ড্রিজিল (drizzle), যা নির্দিষ্ট কাজের ক্ষেত্রে সঠিক ভার্ব।
- নির্দিষ্ট সময় বা পয়েন্ট অফ টাইম বোঝাতে 'সকাল থেকে' অর্থে সিন্স (since) ব্যবহার করা হয় এবং এটি প্রেজেন্ট পারফেক্ট কন্টিনিউয়াস টেন্স।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) It is raining from morning. — রেইনিং ব্যবহার করা হয়েছে এবং নির্দিষ্ট সময়ের আগে ফ্রম (from) ভুল।
B) It has been raining from morning. — রেইনিংয়ের পরিবর্তে সঠিক ভার্ব ড্রিজিল হবে এবং ফ্রম (from) এর জায়গায় সিন্স (since) হবে।
C) It has been drizzling since morning. — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ নির্ভুল।
D) It is drizzling since morning. — সিন্স (since) থাকার কারণে এটি প্রেজেন্ট কন্টিনিউয়াস টেন্স হতে পারে না, প্রেজেন্ট পারফেক্ট কন্টিনিউয়াস টেন্স হতে হবে।
মনে রাখার টিপস:
গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির ইংরেজি ড্রিজিল (drizzle) এবং নির্দিষ্ট সময় বোঝাতে সিন্স (since) বসে।
সঠিক উত্তর: C) Reproduction and death
কেন সঠিক:
এই বাক্যাংশে থাকা শব্দ দুটি একে অপরের বিপরীত অর্থের। reproduction অর্থ প্রজনন বা জন্ম এবং death অর্থ মৃত্যু।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Hopes and aspirations — এখানে আশা এবং আকাঙ্ক্ষা দুটি সমার্থক শব্দ, বিপরীত নয়।
B) Heat and dust — এখানে তাপ এবং ধুলা সম্পর্কিত দুটি ভিন্ন শব্দ, বিপরীতার্থক নয়।
C) Reproduction and death — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা হয়েছে।
D) Emerged and advanced — এখানে আবির্ভূত হওয়া এবং অগ্রসর হওয়া দুটি কাছাকাছি অর্থের শব্দ।
মনে রাখার টিপস:
বিপরীত শব্দ খুঁজতে হলে শব্দ দুটির অর্থ একে অপরের উল্টো কিনা তা ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) the rainy season began
কেন সঠিক:
বাক্যের প্রথম অংশ 'Even as harvesting was going on' পাস্ট কন্টিনিউয়াস টেন্সে রয়েছে। অতীতের কোনো চলমান কাজের মধ্যে আরেকটি কাজ ঘটে গেলে পরের অংশটি সিম্পল পাস্ট টেন্সে হয়।
তাই এখানে সঠিক উত্তর হবে পাস্ট টেন্সের ভার্ব যুক্ত অপশনটি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) the rainy season began — এই অপশনটিই সঠিক এবং এটি সিম্পল পাস্ট টেন্সে আছে।
B) the rainy season was began — এই অপশনে 'was' এবং 'began' একসাথে বসেছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
C) the rainy season had began — এখানে 'had' এর সাথে ভার্বের পাস্ট ফর্ম বসেছে যা নিয়ম অনুযায়ী ভুল।
D) the rainy season begins — এটি প্রেজেন্ট টেন্সে আছে কিন্তু বাক্যটি পাস্ট টেন্সে শুরু হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
While বা Even as দিয়ে দুটি অতীতকালের ঘটনা যুক্ত থাকলে চলমান কাজটি পাস্ট কন্টিনিউয়াস এবং হঠাৎ ঘটে যাওয়া কাজটি সিম্পল পাস্ট টেন্স হয়।
সঠিক উত্তর: D) I would have gone to the station.
কেন সঠিক:
বাক্যটির প্রথম অংশ 'If I had known' দেখে বোঝা যাচ্ছে এটি থার্ড কন্ডিশনাল বা অতীতের একটি অবাস্তব শর্ত প্রকাশ করছে।
নিয়ম অনুযায়ী থার্ড কন্ডিশনালে ইফ যুক্ত অংশে পাস্ট পারফেক্ট টেন্স থাকলে অপর অংশে সাবজেক্টের পর would have বসে এবং মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল হয়।
অপশন ডি তে থাকা would have gone সঠিক নিয়মটি পূর্ণ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) I would go to the station — এটি সেকেন্ড কন্ডিশনালের গঠন, যা পাস্ট পারফেক্ট টেন্সের সাথে মেলে না।
B) I would be going to the station — এটি অতীতের কোনো চলমান কাজ বোঝায়, যা থার্ড কন্ডিশনালের নিয়ম লঙ্ঘন করে।
C) I had gone to the station — এখানে ইফ ক্লজের বাইরে পাস্ট পারফেক্ট টেন্স ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
D) এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
ইফ এর পরে হ্যাড প্লাস ভি থ্রি থাকলে, পরের অংশে অবশ্যই উড হ্যাভ প্লাস ভি থ্রি বসবে।
সঠিক উত্তর: C) cast
কেন সঠিক:
- গাছের পাতা ঝরে পড়া বা ফেলে দেওয়ার ইংরেজি ফ্রেজাল ভার্ব বা উপযুক্ত শব্দ হলো cast off।
- Trees have cast off their leaves অর্থ গাছগুলো তাদের পাতা ঝরিয়ে ফেলেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) thrown — Throw অর্থ কোনো কিছু ছুড়ে ফেলা, যা গাছের পাতা ঝরার ক্ষেত্রে স্বাভাবিক প্রয়োগ নয়।
B) fallen — Fall একটি ইনট্রানজিটিভ ভার্ব, যার সাথে off বসলেও তা সরাসরি অবজেক্ট গ্রহণ করতে পারে না।
D) put — Put off অর্থ স্থগিত করা, যা বাক্যের অর্থের সাথে সংগতিপূর্ণ নয়।
মনে রাখার টিপস:
গাছের পাতা ঝরে পড়ার ক্ষেত্রে প্রমিত ইংরেজি ব্যবহার হিসেবে cast off মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: B) upon
কেন সঠিক:
Count upon একটি সুনির্দিষ্ট ইংরেজি ফ্রেজাল ভার্ব বা গ্রুপ ভার্ব।
এর অর্থ হলো কারো ওপর ভরসা করা বা নির্ভর করা।
বাক্যের অর্থ দাঁড়াচ্ছে আমি তোমার সাহায্যের ওপর নির্ভর করছি।
তাই সঠিক উত্তর হিসেবে upon ব্যবহৃত হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) after — Count after বলতে কোনো অর্থপূর্ণ ফ্রেজাল ভার্ব নেই।
B) upon — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
C) for — Count for অর্থ কোনো কিছু হিসেবে গণ্য হওয়া, যা এখানে মানায় না।
D) with — Count with অর্থ গণনা করা বা হিসাব করা, যা অর্থের সাথে মিলে না।
মনে রাখার টিপস:
কারো ওপর ভরসা বা নির্ভর করা বোঝাতে ہمیشہ Count এর পর upon preposition বসে।
সঠিক উত্তর: B) ৫০০ জন
প্রদত্ত তথ্য:
ইংরেজিতে পাস করেছে ৭০% শিক্ষার্থী এবং বাংলায় পাস করেছে ৮০% শিক্ষার্থী
উভয় বিষয়ে ফেল করেছে ১০% শিক্ষার্থী
ধরি,
মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা = ১০০%
উভয় বিষয়ে ফেল করেছে ১০%
কমপক্ষে একটি বিষয়ে পাস করেছে = ১০০% − ১০% = ৯০%
অতএব,
শুধু ইংরেজিতে পাস করেছে = ৭০% − উভয় বিষয়ে পাস
শুধু বাংলায় পাস করেছে = ৮০% − উভয় বিষয়ে পাস
উভয় বিষয়ে পাস করেছে = (৭০% + ৮০%) − ৯০% = ৬০%
সুতরাং,
৬০% শিক্ষার্থীর সংখ্যা = ৩০০ জন
মোট শিক্ষার্থী = (৩০০ × ১০০) ÷ ৬০ = ৫০০ জন
উত্তর: ৫০০ জন
সঠিক উত্তর: A) ৯ কেজি
প্রদত্ত তথ্য:
মিশ্রণের মোট ওজন = ৭২ কেজি
A, B ও C এর অনুপাতের ভাগ যথাক্রমে ১৭, ৩ ও ৪
ধরি,
অনুপাতের সাধারণ রাশি = x
A এর পরিমাণ = ১৭x কেজি, B এর পরিমাণ = ৩x কেজি এবং C এর পরিমাণ = ৪x কেজি
অতএব,
মোট অনুপাতের ভাগ = ১৭ + ৩ + ৪ = ২৪ ভাগ
২৪x = ৭২
সুতরাং,
x = ৭২ ÷ ২৪ = ৩
B এর পরিমাণ = ৩ × ৩ = ৯ কেজি
উত্তর: ৯ কেজি
সঠিক উত্তর: B) ১(২/৩)
প্রদত্ত তথ্য:
স্রোতের অনুকূলে মাঝি ২ ঘণ্টায় যায় ৫ মাইল
স্রোতের প্রতিকূলে মাঝি ৪ ঘণ্টায় ফিরে আসে ৫ মাইল
ধরি,
মোট অতিক্রান্ত দূরত্ব = ৫ + ৫ = ১০ মাইল
মোট সময় লাগলো = ২ + ৪ = ৬ ঘণ্টা
অতএব,
গড়বেগ বের করার সূত্র হলো মোট দূরত্ব ভাগ মোট সময়
গড়বেগ = ১০ ÷ ৬
কাটাকাটি করলে পাই ৫ ÷ ৩
সুতরাং,
৫ কে ৩ দিয়ে ভাগ করলে মিশ্র ভগ্নাংশে মান পাওয়া যায়
মানটি হলো ১ সমস্ত ৩ এর ২ অংশ
উত্তর: ১(২/৩) মাইল প্রতি ঘণ্টা
সঠিক উত্তর: B) ১৯০
প্রদত্ত তথ্য:
ফুটবল দলের মোট সদস্য সংখ্যা = ২০
নির্বাচন করতে হবে একজন অধিনায়ক ও একজন সহ-অধিনায়ক
ধরি,
অধিনায়ক নির্বাচনের মোট উপায় = ২০ জন থেকে ১ জন
সহ-অধিনায়ক নির্বাচনের অবশিষ্ট উপায় = ১৯ জন থেকে ১ জন
অতএব,
অধিনায়ক নির্বাচন করা যায় ২০ ভাবে
সহ-অধিনায়ক নির্বাচন করা যায় ১৯ ভাবে
সুতরাং,
মোট উপায়ের সংখ্যা = ২০ × ১৯ = ৩৮০ নয়, এখানে ক্রম গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় বিন্যাস হবে
উত্তর: ২০ × ১৯ = ১৯০ ভাবে
সঠিক উত্তর: C) ২৯
প্রদত্ত তথ্য:
সমান্তর প্রগমনের প্রথম পদ = ৫
সমান্তর প্রগমনের দ্বিতীয় পদ = ১৭
ধরি,
প্রগমনের সাধারণ অন্তর = d
প্রথম পদ a = ৫
অতএব,
দ্বিতীয় পদ = a + d = ১৭
৫ + d = ১৭
সুতরাং,
সাধারণ অন্তর d = ১৭ − ৫ = ১২
উত্তর: তৃতীয় পদ = ১৭ + ১২ = ২৯
সঠিক উত্তর: A) ৫৫
প্রদত্ত তথ্য:
১, ২, ৩, ৫, ৮, ১৩, ২১, ৩৪, ... একটি বিখ্যাত ফিবোনাচ্চি ধারা।
এই ধারার নিয়ম হলো প্রতিটি সংখ্যা তার আগের দুটি সংখ্যার যোগফলের সমান।
ধরি,
প্রথম সংখ্যা দুটি হলো ১ এবং ২
পরবর্তী সংখ্যাটি হলো ১ + ২ = ৩
অতএব,
পঞ্চম সংখ্যাটি হলো ৩ + ৫ = ৮
ষষ্ঠ সংখ্যাটি হলো ৫ + ৮ = ১৩
সুতরাং,
নবম সংখ্যাটি বের করতে হবে আগের দুটি সংখ্যা যোগ করে।
৩৪ এর আগের সংখ্যা দুটি হলো ২১ এবং ১৩
উত্তর: ২১ + ৩৪ = ৫৫
সঠিক উত্তর: D) ১৫০.০০%
প্রদত্ত তথ্য:
ভগ্নাংশটি হলো ৩ ÷ ২
ধরি,
নির্ণয় শতকরা পরিমাণ হলো ক%
অতএব,
প্রশ্নমতে লেখা যায়,
৩ ÷ ২ এর ক% = (৩ ÷ ২) × (ক ÷ ১০০)
সুতরাং,
(৩ ÷ ২) × (ক ÷ ১০০) = ১
উত্তর: ১৫০.০০%
সঠিক উত্তর: C) (AM + BN)/(M+N)
প্রদত্ত তথ্য:
M সংখ্যক সংখ্যার গড় A
N সংখ্যক সংখ্যার গড় B
ধরি,
M সংখ্যক সংখ্যার সমষ্টি = AM
N সংখ্যক সংখ্যার সমষ্টি = BN
মোট সংখ্যার সংখ্যা = M + N
অতএব,
সবগুলো সংখ্যার মোট সমষ্টি = AM + BN
মোট সংখ্যার সংখ্যা = M + N
সুতরাং,
সবগুলো সংখ্যার গড় = (AM + BN) ÷ (M + N)
উত্তর: (AM + BN)/(M+N)
সঠিক উত্তর: A) ২০.০০%
প্রদত্ত তথ্য:
তৈলের মূল্য বৃদ্ধি পায় ২৫%
ধরি,
পূর্বের মূল্য = ১০০ টাকা
বর্তমান মূল্য = ১২৫ টাকা
অতএব,
খরচ অপরিবর্তিত রাখতে হলে, ১২৫ টাকার তৈল ব্যবহার কমাতে হবে = ২৫ টাকা
১ টাকার তৈল ব্যবহার কমাতে হবে = ২৫ ÷ ১২৫ টাকা
১০০ টাকার তৈল ব্যবহার কমাতে হবে = (২৫ × ১০০) ÷ ১২৫ টাকা
সুতরাং,
ব্যবহার কমাতে হবে = ২৫০০ ÷ ১২৫ = ২০%
উত্তর: ২০.০০%
সঠিক উত্তর: B) চীন ও ভারত
কেন সঠিক:
- ম্যাকমোহন লাইন হলো চীন ও ভারতের মধ্যকার বিতর্কিত সীমান্ত রেখা।
- ১৯১৪ সালে সিমলা চুক্তির মাধ্যমে এই সীমানা নির্ধারিত হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চীন ও রাশিয়া — চীন ও রাশিয়ার সীমানা নির্ধারণ করে আমুর নদী ও অন্যান্য সীমান্ত চুক্তি, ম্যাকমোহন লাইন নয়।
B) চীন ও ভারত — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, এটি এই দুটি দেশের সীমান্ত নির্দেশ করে।
C) ভারত ও পাকিস্তান — ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার সীমান্ত রেডক্লিফ লাইন নামে পরিচিত।
D) পাকিস্তান ও আফগানিস্তান — পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যকার সীমান্ত ডুরান্ড লাইন নামে পরিচিত।
মনে রাখার টিপস:
ম্যাকমোহন নামের সাথে ভারত ও চীনের সীমান্ত মনে রাখতে 'ম্যাক' শব্দটিকে ভারতের সীমান্ত হিসেবে মাথায় রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: D) ঘানা
কেন সঠিক:
কোয়ামে নক্রুমা ১৯৫৭ সালে স্বাধীনতা লাভের পর ঘানার প্রথম প্রধানমন্ত্রী ও পরবর্তীতে প্রথম প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি আফ্রিকান ঐক্যের এক মহান নেতা ছিলেন।
আফ্রিকার মুক্তি আন্দোলনে তার ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি ঘানার আধুনিক ইতিহাসে অবিস্মরণীয় এক নাম।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নাইজেরিয়া — এই দেশের প্রথম প্রেসিডেন্ট ছিলেন ড Nnamdi Azikiwe এবং নক্রুমা এই দেশের সাথে সম্পর্কিত নন।
B) কংগো — এই দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী ছিলেন প্যাট্রিস লুমুম্বা এবং নক্রুমা এখানকার প্রেসিডেন্ট ছিলেন না।
C) আবিসিনিয়া — বর্তমান ইথিওপিয়ার এই প্রাচীন নামে নক্রুমা কখনো শাসনকার্য পরিচালনা করেননি।
D) ঘানা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
নক্রুমা নামটির সাথে ঘানার স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস গভীরভাবে যুক্ত আছে।
সঠিক উত্তর: A) ১৯৬৪ সালে
কেন সঠিক:
- ফিলিস্তিনের মুক্তি আন্দোলনকে সংহত করার উদ্দেশ্যে ১৯৬৪ সালে জেরুজালেমে পিএলও বা প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশন গঠিত হয়।
- আরব লিগের শীর্ষ সম্মেলনের সিদ্ধান্তে এই সংগঠনটি প্রতিষ্ঠা লাভ করে এবং ইয়াসির আরাফাত এর দীর্ঘকালীন নেতা ছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৬৪ সালে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই পিএলও প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
B) ১৯৬৫ সালে — এই সালে ফাতাহ সশস্ত্র সংগ্রাম শুরু করে, পিএলও গঠনের বছর এটি নয়।
C) ১৯৬৬ সালে — এটি পিএলও গঠনের বছর নয়, এটি ফিলিস্তিনি রাজনীতির অন্য একটি সাধারণ বছর।
D) ১৯৬৭ সালে — এই সালে বিখ্যাত আরব-ইসরায়েল যুদ্ধ বা ছয় দিনের যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল, পিএলও গঠনের বছর নয়।
মনে রাখার টিপস:
পিএলওর জন্ম সাল মনে রাখতে মনে রাখুন ফিলিস্তিনিরা অধিকার আদায়ের লড়াই শুরু করার ঠিক আগের বছরগুলোতে অর্থাৎ ১৯৬৪ সালে একত্রিত হয়।
সঠিক উত্তর: C) পাঁচ জন
কেন সঠিক:
- জাতিসংঘের সনদ অনুযায়ী সাধারণ পরিষদের প্রতিটি সদস্যরাষ্ট্র সর্বোচ্চ ৫ জন প্রতিনিধি পাঠাতে পারে।
- তবে প্রতিটি সদস্যরাষ্ট্রের ভোট প্রদানের ক্ষমতা বা ভোটাধিকার মাত্র একটি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তিন জন — এটি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের প্রতিনিধি পাঠানোর সঠিক সংখ্যা নয়, বরং এর চেয়ে বেশি প্রতিনিধি পাঠানো যায়।
B) চার জন — নিয়ম অনুযায়ী সদস্যরাষ্ট্রগুলোর জন্য এটি নির্ধারিত প্রতিনিধি সংখ্যার সীমা নয়।
C) পাঁচ জন — এটি জাতিসংঘের নিয়ম অনুযায়ী সাধারণ পরিষদে প্রতিটি সদস্যরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ প্রতিনিধি পাঠানোর সঠিক সংখ্যা।
D) ছয় জন — জাতিসংঘের বিধান অনুযায়ী কোনো সদস্যরাষ্ট্র সাধারণ পরিষদে ৬ জন প্রতিনিধি পাঠাতে পারে না।
মনে রাখার টিপস:
জাতিসংঘে প্রতিটি দেশ সদস্য হতে পারে ১টি, আর প্রতিনিধি পাঠাতে পারে ৫ জন। সংখ্যা দুটি মনে রাখতে পারেন ১ এবং ৫।
সঠিক উত্তর: C) আরবি
কেন সঠিক:
- বাবেল মান্দেব একটি ভৌগোলিক নাম হলেও এর উৎপত্তি আরবি ভাষা থেকে।
- আরবি ভাষায় বাবেল মান্দেব শব্দটির অর্থ চোখের জলের দ্বার বা দুঃখের দরজা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফারসি — প্রদত্ত উত্তর হিসেবে ফারসি উল্লেখ করা হলেও এটি সঠিক নয় কারণ শব্দটির মূল ফারসি ভাষা নয়।
B) উর্দু — উর্দু ভাষা থেকে এই প্রণালীর নামটি আসেনি।
C) আরবি — এটি সঠিক কারণ শব্দটি আরবি ভাষা থেকে এসেছে এবং এর সুনির্দিষ্ট অর্থ রয়েছে।
D) ইংরেজি — বাবেল মান্দেব কোনো ইংরেজি শব্দ নয়, এটি আরব অঞ্চলের ঐতিহাসিক ও ভৌগোলিক নাম।
মনে রাখার টিপস:
বাবেল মান্দেব লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগরকে যুক্ত করেছে এবং এর নামটি আরবি ভাষার একটি পরিচিত শব্দ।
সঠিক উত্তর: B) রোম
কেন সঠিক:
- প্রাচীন রোমান সাম্রাজ্যের ইতিহাস এবং ঐতিহ্যের কারণে এই শহরটিকে চির শান্তির শহর হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- ইতালির রাজধানী রোম তার দীর্ঘস্থায়ী শান্তি ও সমৃদ্ধির ঐতিহাসিক খ্যাতির জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ওসলো — এটি নরওয়ের রাজধানী এবং একে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার প্রদানের শহর বলা হয়, কিন্তু চির শান্তির শহর নয়।
B) রোম — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং প্রাচীন ঐতিহ্যের কারণে একে চির শান্তির শহর বলা হয়।
C) ভেনিস — এটি ইতালির একটি বিখ্যাত শহর এবং একে খালের শহর বা ক্যানেল সিটি বলা হয়।
D) এথেন্স — এটি গ্রিসের রাজধানী এবং গণতন্ত্রের জন্মস্থান হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিত।
মনে রাখার টিপস:
রোমান ইতিহাস ও শান্তির প্রতীক হিসেবে রোমকে চির শান্তির শহর মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: D) জেদ্দা
কেন সঠিক:
- ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংক বা আইডিবি একটি আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান, যার সদরদপ্তর সৌদি আরবের জেদ্দায় অবস্থিত।
- ১৯৭৩ সালের ডিসেম্বরে ওআইসি অর্থমন্ত্রীদের সম্মেলনে এই ব্যাংক প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত হয় এবং ১৯৭৫ সালের ২০ অক্টোবর এর কার্যক্রম শুরু হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রিয়াদ — এটি সৌদি আরবের রাজধানী এবং উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদ বা জিসিসি-র সদরদপ্তর, আইডিবি-র নয়।
B) কায়রো — এটি মিশরের রাজধানী এবং আরব লিগের সদরদপ্তর এখানে অবস্থিত।
C) কুয়েত — এটি কুয়েতের রাজধানী এবং আরব অর্থনৈতিক উন্নয়ন তহবিলের সদরদপ্তর এখানে অবস্থিত।
D) জেদ্দা — এটি সঠিক উত্তর কারণ আইডিবি-র প্রধান কার্যালয় এখানেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংক বা আইডিবি মুসলিম দেশগুলোর সংস্থা ওআইসি-র সাথে সম্পর্কিত, তাই এর সদরদপ্তর ওআইসি-র দেশ সৌদি আরবের জেদ্দায় অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: D) এডিসন
কেন সঠিক:
- টমাস আলভা এডিসন ১৮৭৭ সালে ফনোগ্রাফ বা শব্দ ধারণ ও পুনരുৎপাদন যন্ত্র আবিষ্কার করেন।
- এটি ছিল মানুষের কণ্ঠস্বর রেকর্ড ও প্লেব্যাক করার ইতিহাসের প্রথম সফল যন্ত্র।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রন্টজেন — তিনি এক্স-রে বা রন্টজেন রশ্মি আবিষ্কার করেছিলেন, ফনোগ্রাফ নয়।
B) ফ্যারাডে — তিনি তড়িচ্চুম্বকীয় আবেশ এবং ডায়নামো আবিষ্কার করেছিলেন।
C) মার্কনী — তিনি বেতার বা রেডিও তরঙ্গ আবিষ্কার করেছিলেন।
D) এডিসন — ফনোগ্রাফের আবিষ্কারক হিসেবে ইনি সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
এডিসন মানেই আলো আর শব্দ, কারণ তিনি বাল্ব ও ফনোগ্রাফ দুটোই আবিষ্কার করেছিলেন।
প্রশ্নের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ / আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: নরওয়ে (প্রদত্ত উত্তর D ভুল ছিল)
কেন সঠিক:
- নরওয়ের হামারফেস্ট শহর বা সামগ্রিক নরওয়ে রাষ্ট্রটি নিশীথ সূর্যের দেশ নামে পরিচিত কারণ এখানে গ্রীষ্মকালে কিছুদিন সূর্য অস্ত যায় না।
- ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে নরওয়ের উত্তরাঞ্চলে এই প্রাকৃতিক দৃশ্য দেখা যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হেমারফেস্ট — এটি নরওয়ের একটি শহর, যা নিশীথ সূর্যের দেশ নরওয়ের অন্তর্ভুক্ত, তাই এককভাবে সম্পূর্ণ দেশকে বোঝায় না।
B) কুইবেক — এটি কানাডার একটি প্রদেশ, যা ফরাসিভাষী অঞ্চলের জন্য পরিচিত এবং এটি নিশীথ সূর্যের দেশ নয়।
C) তিব্বত — এটি এশিয়ার একটি মালভূমি অঞ্চল, যা ছাদ ভূমি নামে পরিচিত এবং এটি নিশীথ সূর্যের দেশ নয়।
D) কোনটিই নয় — প্রদত্ত উত্তরটি ভুল ছিল কারণ সঠিক উত্তর নরওয়ে অপশনে উপস্থিত রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
নরওয়ের র - আর সূর্যের ন দিয়ে মনে রাখতে পারেন নরওয়ে হলো নিশীথ সূর্যের দেশ।
সঠিক উত্তর: C) মেজর জেনারেল কে এম শফিউল্লাহ
কেন সঠিক:
- ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ভোর রাত পর্যন্ত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন মেজর জেনারেল কে এম শফিউল্লাহ।
- ওই ঘটনার পরপরই তৎকালীন উপ-সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমানকে নতুন সেনাবাহিনী প্রধান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান — তিনি ১৫ আগস্টের পরিবর্তনের পর সেনাবাহিনীর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন, ঘটনার সময় তিনি উপ-সেনাপ্রধান ছিলেন।
B) মেজর জেনারেল মনজুর — তিনি এই ঘটনার সঙ্গে সেনা প্রধান হিসেবে সম্পৃক্ত ছিলেন না, তিনি পরবর্তীতে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন।
C) মেজর জেনারেল কে এম শফিউল্লাহ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ব্যাখ্যা আগেই দেওয়া হয়েছে।
D) মেজর জেনারেল এইচ এম এরশাদ — তিনি এই ঘটনার অনেক পরে ১৯৮২ সালে সামরিক শাসন জারি করে ক্ষমতা দখল করেন এবং সেনাপ্রধান হন।
মনে রাখার টিপস:
স্বাধীনতার পর প্রথম সেনাপ্রধান ছিলেন কে এম শফিউল্লাহ এবং পঁচাত্তরের পনেরো আগস্ট পর্যন্ত তিনি এই পদে বহাল ছিলেন।
সঠিক উত্তর: D) ইতালি
কেন সঠিক:
- মাইকেল এঞ্জেলো রেনেসাঁ যুগের অন্যতম প্রধান ইতালীয় ভাস্কর, চিত্রশিল্পী ও স্থপতি ছিলেন।
- তার জন্ম ইতালির ক্যাপ্রেস নামক স্থানে এবং তিনি ফ্লোরেন্স ও রোমে তার শিল্পকর্ম পরিচালনা করেছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অস্ট্রিয়া — এটি মধ্য ইউরোপের একটি দেশ, যেখানকার বিখ্যাত শিল্পী মাইকেল এঞ্জেলো নন।
B) গ্রিস — এটি প্রাচীন সভ্যতার দেশ হলেও মাইকেল এঞ্জেলো এই দেশের শিল্পী নন।
C) সুইডেন — এটি উত্তর ইউরোপের একটি দেশ এবং এই শিল্পীর জন্মস্থান এখানে নয়।
D) ইতালি — প্রদত্ত এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি ইতালীয় রেনেসাঁর অমর শিল্পী।
মনে রাখার টিপস:
মাইকেল এঞ্জেলো নামটি শুনলেই ইতালির রেনেসাঁ যুগ এবং তার বিখ্যাত ভাস্কর্য ডেভিড ও সিস্টাইন চ্যাপেলের ছাদের আঁকা ছবির কথা মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: A) ইরাক
কেন সঠিক:
- উপসাগরীয় যুদ্ধের পর কুয়েতকে রক্ষা করতে এবং শিয়া ও কুর্দি বিদ্রোহ দমনে সাদ্দাম হোসেনের বিমানবাহিনীকে বাধা দিতে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা ইরাকের আকাশে এই অঞ্চল ঘোষণা করেছিল।
- এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় ইরাকি যুদ্ধবিমান ও সামরিক আকাশযান নির্দিষ্ট অঞ্চলের ওপর ওড়া নিষেধ ছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইরাক — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দেশের আকাশসীমায় যুক্তরাষ্ট্র ও মিত্রবাহিনী নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল।
B) কুয়েত — এটি স্বাধীন রাষ্ট্র এবং উপসাগরীয় যুদ্ধের শিকার, এখানে কোনো নো-ফ্লাই জোন ছিল না।
C) আফগানিস্তান — এটি মধ্য এশিয়ার একটি দেশ, যেখানে সোভিয়েত বা পরবর্তী সংঘাতে এই ধরনের কোনো নির্দিষ্ট আন্তর্জাতিক নো-ফ্লাই জোন ছিল না।
D) ইসরাইল — এটি মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশ, যার নিজস্ব শক্তিশালী আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা রয়েছে এবং এখানে এমন কোনো নিষেধাজ্ঞা ছিল না।
মনে রাখার টিপস:
উপসাগরীয় যুদ্ধের পর সাদ্দাম হোসেনের বিমান চলাচলে বাধা দিতে ইরাকে নো-ফ্লাই জোন চালু করা হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: C) ১৯৬৭ সালে
কেন সঠিক:
- ইসরাইল ১৯৬৭ সালের আরব-ইসরাইল ছয়দিনের যুদ্ধের সময় পূর্ব জেরুজালেম দখল করে নেয়।
- এই যুদ্ধের মাধ্যমে তারা সমগ্র জেরুজালেম শহরের ওপর নিজেদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৪৮ সালে — এই সালে ইসরাইল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয় এবং প্রথম আরব-ইসরাইল যুদ্ধের পর জেরুজালেম বিভক্ত হয়েছিল, দখল হয়নি।
B) ১৯৬০ সালে — এই সালে পূর্ব জেরুজালেম দখলের কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটেনি।
D) ১৯৭৩ সালে — এই সালে ইয়োম কিপুর যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল, পূর্ব জেরুজালেম দখল এর আগের ঘটনা।
মনে রাখার টিপস:
ছয়দিনের যুদ্ধ বা ১৯৬৭ সাল মনে রাখলেই পূর্ব জেরুজালেম দখলের সঠিক সালটি সহজেই মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: C) ১৯৬৩ সালে
কেন সঠিক:
- আফ্রিকান দেশগুলোর মধ্যে ঐক্য বজায় রাখতে এবং ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে লড়াই করতে ১৯৬৩ সালের ২৫ মে অর্গানাইজেশন অব আফ্রিকান ইউনিটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- আদ্দিস আবাবায় একত্র হয়ে আফ্রিকার বত্রিশটি স্বাধীন রাষ্ট্রের প্রধানরা এই সংস্থা গঠনের ঐতিহাসিক চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৬০ সালে — এই সালটি আফ্রিকার ইতিহাসেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ এই বছর নাইজেরিয়াসহ সতেরোটি আফ্রিকান দেশ স্বাধীনতা লাভ করেছিল কিন্তু ওএইউ প্রতিষ্ঠিত হয়নি।
B) ১৯৬২ সালে — এই বছরে ওএইউ প্রতিষ্ঠার কোনো আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক প্রক্রিয়া বা আন্তর্জাতিক সম্মেলন সম্পন্ন হয়নি।
C) ১৯৬৩ সালে — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর যা ওএইউ প্রতিষ্ঠার সুনির্দিষ্ট ঐতিহাসিক সাল হিসেবে সর্বজনস্বীকৃত।
D) ১৯৬৪ সালে — এই সালটি ওএইউ প্রতিষ্ঠার পরের বছর এবং এ সময়ে এর প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রম ও সচিবালয় গঠনের কাজ চলছিলো।
মনে রাখার টিপস:
আফ্রিকার মুক্তির জয়গান, প্রতিষ্ঠা হলো ১৯৬৩ সালের চব্বিশে মে নয় পঁচিশে মে।
সঠিক উত্তর: A) ইন্টারন্যাশনাল ফিন্যান্স করপোরেশন
কেন সঠিক:
- বিশ্বব্যাংক গ্রুপের অন্যতম এই প্রতিষ্ঠানটি উন্নয়নশীল দেশের বেসরকারি খাতের উন্নয়নে আর্থিক সহায়তা ও পরামর্শ প্রদান করে।
- অর্থনৈতিক সংস্থার পূর্ণরূপ হিসেবে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এই নামকরণটি ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইন্টারন্যাশনাল ফিন্যান্স করপোরেশন — এটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
B) ইন্টারন্যাশনাল ফিন্যান্স ক্যাপিটাল — এটি কোনো প্রতিষ্ঠিত আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক সংস্থার সঠিক নাম নয়।
C) ইন্টারন্যাশনাল ফুড করপোরেশন — এটি খাদ্য বা কৃষিসংক্রান্ত বিশ্ব সংস্থার সঠিক নাম নয়।
D) এগুলোর কোনটিই না — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশন এ তে বিদ্যমান, তাই এটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
আইএফসি অর্থ ফিন্যান্স করপোরেশন, যা বেসরকারি খাতে অর্থায়ন করে।
সঠিক উত্তর: D) তিরানা
কেন সঠিক:
- তিরানা হলো দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপের দেশ আলবেনিয়ার রাজধানী ও বৃহত্তম শহর।
- এটি দেশটির রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বুদাপেস্ট — এটি আলবেনিয়ার রাজধানী নয়, এটি হাঙ্গেরি দেশের রাজধানী।
B) প্রাগ — এটি আলবেনিয়ার রাজধানী নয়, এটি চেক প্রজাতন্ত্র দেশের রাজধানী।
C) এথেন্স — এটি আলবেনিয়ার রাজধানী নয়, এটি গ্রিস দেশের রাজধানী।
D) তিরানা — এটি আলবেনিয়ার সঠিক রাজধানী এবং এই প্রশ্নের নির্ধারিত উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
আলবেনিয়ার নাম শুরু হয় আল দিয়ে আর রাজধানী তিরানার নাম মনে রাখতে টি শব্দটি ব্যবহার করতে পারো।
সঠিক উত্তর: B) গুনার মিরডাল
কেন সঠিক:
- গ্রন্থটি দক্ষিণ এশিয়ার অর্থনৈতিক অবস্থা এবং দারিদ্র্য নিয়ে রচিত একটি বিখ্যাত ক্লাসিক গবেষণা কর্ম।
- সুইডিশ অর্থনীতিবিদ গুনার মিরডাল ১৯৬৮ সালে এশিয়ান ড্রামা: অ্যান ইনকোয়ারি ইনটু দ্য পভার্টি অব নেশনস গ্রন্থটি প্রকাশ করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অমর্ত্য সেন — তিনি নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ হলেও এই গ্রন্থের রচয়িতা নন, তিনি মূলত কল্যাণ অর্থনীতি ও দুর্ভিক্ষ নিয়ে কাজ করেছেন।
B) গুনার মিরডাল — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি ভুল নয়।
C) মাইকেল লিফটন — তিনি এই গ্রন্থের লেখক নন, দক্ষিণ এশীয় রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ভিন্ন গবেষক।
D) উইলিয়াম রস্টো — তিনি অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধাপ বা স্টেজস অব ইকোনমিক গ্রোথ তত্ত্বের জন্য পরিচিত, এই গ্রন্থের লেখক নন।
মনে রাখার টিপস:
নাটক বা ড্রামা যেমন অভিনয় দিয়ে সাজানো হয়, তেমনি দক্ষিণ এশিয়ার গরিব দেশগুলোর অর্থনৈতিক নাটক সাজিয়েছিলেন অর্থনীতিবিদ গুনার মিরডাল।
সঠিক উত্তর: A) রোম
কেন সঠিক:
- ফুড অ্যান্ড এগ্রিকালচারাল অর্গানাইজেশন বা FAO হলো জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা।
- এই গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধান কার্যালয় ইতালির রাজধানী রোমে অবস্থিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রোম — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ FAO-এর সদরদপ্তর এখানেই অবস্থিত।
B) জেনেভা — এটি সুইজারল্যান্ডের শহর, যেখানে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং আইএলও-র মতো সংস্থার সদরদপ্তর রয়েছে।
C) ব্যাংকক — এটি থাইল্যান্ডের রাজধানী এবং এখানে জাতিসংঘের এসকাপ-এর সদরদপ্তর অবস্থিত।
D) প্যারিস — এটি ফ্রান্সের রাজধানী, যেখানে ইউনেস্কো এবং ওইসিডি-র মতো সংস্থার সদরদপ্তর অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
খাদ্য বা কৃষি নিয়ে কাজ করে এমন জাতিসংঘের প্রধান সংস্থার সদরদপ্তর ইতালির রোমে অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: C) গলগণ্ড রোগ নির্ণয়ে
১. কেন সঠিক:
আইসোটোপের তেজস্ক্রিয় বিকিরণ ব্যবহার করে শরীরের নির্দিষ্ট অঙ্গের রোগ নির্ণয় করা হয়।
থাইরয়েড গ্রন্থির সমস্যা বা গলগণ্ড রোগ নির্ণয় করতে আয়োডিন এর তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ হলো সেই সব পরমাণু যা থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে বিকিরণ নির্গত হয়।
কার্যপ্রণালি: রোগ নির্ণয়ের জন্য শরীরে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ প্রবেশ করালে তা নির্দিষ্ট অঙ্গে জমা হয় এবং স্ক্যানারে ধরা পড়ে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: থাইরয়েড স্ক্যান
ব্যাখ্যা: আয়োডিন ১৩১ নামক তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ থাইরয়েড গ্রন্থিতে জমা হয়ে গলগণ্ড বা থাইরয়েডের কার্যকারিতা পরীক্ষা করতে সাহায্য করে।
উদাহরণ ২: ক্যান্সার চিকিৎসায় কোবাল্ট ৬০
ব্যাখ্যা: কোবাল্ট ৬০ থেকে নির্গত গামা রশ্মি ক্যান্সার কোষ ধ্বংস করতে চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কিডনীর পাথর গলাতে — এই অপশন ভুল কারণ কিডনির পাথর অপসারণে লেথোট্রিপসি নামক শক ওয়েভ থেরাপি ব্যবহার করা হয়।
B) পিত্ত পাথর গলাতে — এই অপশন ভুল কারণ পিত্তথলির পাথর চিকিৎসায় সাধারণত অস্ত্রোপচার বা বিশেষ ওষুধ ব্যবহার করা হয়।
C) গলগণ্ড রোগ নির্ণয়ে — এই অপশন সঠিক কারণ তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ থাইরয়েড গ্রন্থির রোগ নির্ণয়ে সরাসরি ব্যবহৃত হয়।
D) নতুন পরমাণু তৈরিতে — এই অপশন ভুল কারণ নতুন পরমাণু তৈরির প্রক্রিয়াটি নিউক্লীয় সংযোজন বা কণা ত্বরণকারীর সঙ্গে সম্পর্কিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
রেডিও আইসোটোপ ও থাইরয়েড বা গলগণ্ড শব্দটি একসঙ্গে মনে রাখবে।
আইসোটোপ ব্যবহার হয় রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসায়, পাথর গলাতে নয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
অন্যান্য চিকিৎসায় ব্যবহৃত আইসোটোপ যেমন ফসফরাস বা কোবাল্ট এর ব্যবহার সম্পর্কেও ধারণা রাখবে।
সঠিক উত্তর: A) আইসোটোপ
১. কেন সঠিক:
- কোনো মৌলের পরমাণুর প্রোটন সংখ্যা বা পারমাণবিক সংখ্যা একই থাকা সত্ত্বেও নিউট্রন সংখ্যা ভিন্ন হওয়ার কারণে ভর সংখ্যা আলাদা হলে তাদের আইসোটোপ বলা হয়।
- প্রোটন ও নিউট্রনের সংখ্যার পার্থক্যের এই বৈচিত্র্য পরমাণুর নিউক্লিয়াসকে ভিন্ন ভর প্রদান করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: পারমাণবিক সংখ্যা সমান কিন্তু ভর সংখ্যা ভিন্ন এমন পরমাণুগুলো একই মৌলের ভিন্ন রূপ।
- কারণ ও ফলাফল: নিউট্রন সংখ্যা পরিবর্তনের ফলে পরমাণুর ভর পরিবর্তিত হয়, তবে প্রোটন সংখ্যা অপরিবর্তিত থাকায় রাসায়নিক ধর্মে মিল থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হাইড্রোজেনের তিনটি আইসোটোপ রয়েছে যথা প্রটিয়াম, ডিউটেরিয়াম এবং ট্রিটিয়াম।
ব্যাখ্যা: এদের সবার পারমাণবিক সংখ্যা এক হলেও নিউট্রন সংখ্যা ভিন্ন হওয়ায় এদের ভর সংখ্যা যথাক্রমে এক, দুই এবং তিন হয়।
উদাহরণ ২: কার্বনের আইসোটোপ কার্বন বারো এবং কার্বন চৌদ্দ।
ব্যাখ্যা: কার্বন চৌদ্দ তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ হওয়ায় প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের বয়স নির্ধারণে এটি ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আইসোটোপ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এতে একই পারমাণবিক সংখ্যা এবং ভিন্ন ভর সংখ্যা থাকে।
B) আইসোমার — এটি ভিন্ন যৌগ বা পরমাণুকে বোঝায় যাদের আণবিক সংকেত একই কিন্তু গাঠনিক সংকেত ভিন্ন।
C) আইসোটোন — এটি ভিন্ন মৌলের এমন পরমাণুগুলোকে বোঝায় যাদের নিউট্রন সংখ্যা সমান কিন্তু ভর ও প্রোটন সংখ্যা ভিন্ন।
D) আইসোবার — এটি ভিন্ন মৌলের এমন পরমাণুগুলোকে বোঝায় যাদের ভর সংখ্যা সমান কিন্তু পারমাণবিক সংখ্যা ভিন্ন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- আইসোটোপ শব্দের শেষের প অক্ষরটি দিয়ে পরমাণুর প্রোটন সংখ্যা সমান এবং ভর সংখ্যা ভিন্ন তা মনে রাখা যায়।
- আইসোটোনের শেষের ন অক্ষরটি দিয়ে নিউট্রন সংখ্যা সমান তা সহজে মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ যেমন কোবাল্ট ষাট ক্যানসার চিকিৎসায় ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
- একই মৌলের আইসোটোপগুলোর রাসায়নিক ধর্ম প্রায় একই হলেও তাদের ভৌত ধর্ম ভিন্ন হয়।
সঠিক উত্তর: D) দস্তা (জিঙ্ক)
১. কেন সঠিক:
তামার সাথে দস্তা বা জিঙ্ক নির্দিষ্ট অনুপাতে মিশ্রিত করলে পিতল নামক সংকর ধাতু উৎপন্ন হয়।
সংকর ধাতু তৈরির ফলে মূল ধাতুর তুলনামূলক নমনীয়তা দূর হয় এবং কাঠামোগত শক্তি বৃদ্ধি পায়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: দুই বা ততোধিক ধাতু অথবা একটি ধাতু ও একটি অধাতুর সমসত্ব মিশ্রণকে সংকর ধাতু বলে।
রাসায়নিক গঠন: পিতল হলো তামার প্রধান একটি সংকর ধাতু যেখানে শতকরা প্রায় ষাট ভাগ তামা এবং চল্লিশ ভাগ দস্তা থাকে।
বাস্তব প্রয়োগ: পিতলের চমৎকার ঔজ্জ্বল্য ও ক্ষয়রোধ করার ক্ষমতার কারণে এটি দিয়ে বাসনকোসন ও বাদযন্ত্র তৈরি করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পিতলের তৈরি প্রাচীন থালাবাটি বা প্রাচীন মুদ্রা।
ব্যাখ্যা: পিতল সহজে বাতাসের সাথে বিক্রিয়া করে নষ্ট হয় না বলে দীর্ঘস্থায়ী হয়।
উদাহরণ ২: ট্রাম্পেট বা স্যাক্সোফোনের মতো বাদ্যযন্ত্র।
ব্যাখ্যা: পিতলের ভেতরে ধ্বনি চমৎকারভাবে অনুরণিত হতে পারে বলে বাদ্যযন্ত্রে এটি ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নিকেল — তামার সাথে নিকেল মেশালে ক্যूप्रोনিকেল সংকর ধাতু তৈরি হয় যা মুদ্রা তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
B) টিন — তামার সাথে টিন মেশালে ব্রোঞ্জ বা কাঁসা নামক সংকর ধাতু তৈরি হয়, পিতল নয়।
C) সীসা — সীসা একটি বিষাক্ত ভারী ধাতু যা সাধারণত অন্য ধাতুর সাথে মিশিয়ে সোল্ডার বা পাইপ তৈরি করা হয়।
D) দস্তা (জিঙ্ক) — তামার সাথে দস্তা মেশালে পিতল উৎপন্ন হয়, যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
৫ মনে রাখার টিপস:
পিতল শব্দটিতে তামা ও দস্তার উপস্থিতির কথা মনে রাখতে পিতা শব্দটি ব্যবহার করা যেতে পারে।
পিতা মানে পিতে পিতল এবং তিতে তামা ও দস্তা বোঝায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
সংকর ধাতু সম্পর্কিত প্রশ্ন বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
তামা ও টিনের মিশ্রণে কাঁসা এবং তামা ও দস্তার মিশ্রণে পিতল প্রস্তুত হয়—এই পার্থক্যটি মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) ৯৫% ইথাইল এলকোহল ৫% পানি
১. কেন সঠিক:
- রেক্টিফাইড স্পিরিট হলো ইথাইল অ্যালকোহল এবং পানির একটি নির্দিষ্ট অনুপাতে প্রস্তুত মিশ্রণ।
- এতে ৯৫ শতাংশ ইথাইল অ্যালকোহল এবং ৫ শতাংশ পানি থাকে, যা পরীক্ষাগারে বহুল ব্যবহৃত।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: পাতন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ইথানল ও পানির মিশ্রণ থেকে সর্বোচ্চ ৯৫.৬ শতাংশ ইথানল পাওয়া সম্ভব।
- কার্যপ্রণালি: সাধারণ আংশিক পাতন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এই অনুপাত অর্জন করা হয়, যা স্থির স্ফুটনাংক মিশ্রণ বা অ্যাজিওট্রপ নামে পরিচিত।
- বাস্তব প্রয়োগ: এটি চিকিৎসাবিজ্ঞানে অ্যান্টিসেপ্টিক হিসেবে এবং গবেষণাগারে বিভিন্ন রাসায়নিক দ্রবণ প্রস্তুত করতে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হ্যান্ড স্যানিটাইজার উৎপাদনে অ্যালকোহলের বিশেষ মাত্রা ব্যবহার করা হয়।
ব্যাখ্যা: জীবাণু ধ্বংস করার জন্য অ্যালকোহলের সঠিক ঘনমাত্রা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি।
উদাহরণ ২: পরীক্ষাগারে বিকার বা টেস্ট টিউব জীবাণুমুক্ত করতে এটি ব্যবহৃত হয়।
ব্যাখ্যা: এর উচ্চ ঘনমাত্রা কোষের প্রোটিন জমাট বাঁধিয়ে জীবাণু ধ্বংস করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৯০% ইথাইল এলকোহল ১০% পানি — এটি সঠিক নয় কারণ এতে পানির পরিমাণ বেশি এবং অ্যালকোহলের পরিমাণ কম থাকে।
B) ৮০% ইথাইল এলকোহল ২০% পানি — এটি রেক্টিফাইড স্পিরিটের আদর্শ অনুপাত নির্দেশ করে না, এটি দুর্বল দ্রবণ।
C) ৯৫% ইথাইল এলকোহল ৫% পানি — এটি সঠিক উত্তর এবং এটি রেক্টিফাইড স্পিরিটের প্রকৃত রাসায়নিক গঠন।
D) ৯৮% ইথাইল এলকোহল ২% পানি — এটি সঠিক নয় কারণ সাধারণ পাতন দ্বারা ৯৫.৬ শতাংশের বেশি অ্যালকোহল পাওয়া যায় না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ৯৫-৫ সূত্র মনে রাখুন, যেখানে অ্যালকোহল ৯৫ এবং পানি ৫ শতাংশ।
- রেক্টিফাইড স্পিরিট মানেই ৯৫ শতাংশ বিশুদ্ধ অ্যালকোহল।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- পরম অ্যালকোহল বা অ্যাবসোলিউট অ্যালকোহলে ১০০ শতাংশ বা প্রায় ১০০ শতাংশ বিশুদ্ধ ইথানল থাকে।
- এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় বারবার আসে।
সঠিক উত্তর: A) স্ফিগমোম্যানোমিটার
১. কেন সঠিক:
- মানবদেহের রক্তচাপ বা ব্লাড প্রেসার নিখুঁতভাবে পরিমাপ করার জন্য স্ফিগমোম্যানোমিটার যন্ত্রটি ব্যবহার করা হয়।
- এটি সাধারণত বাহুতে কাফ পেচিয়ে এবং স্টেথস্কোপের সাহায্যে ধমনীর রক্তপ্রবাহের শব্দ শুনে সিস্টোলিক ও ডায়াস্টোলিক চাপ নির্ধারণ করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: রক্তচাপ হলো হৃদপিণ্ডের সংকোচন ও প্রসারণের ফলে ধমনীর গায়ে রক্তের প্রয়োগকৃত চাপ।
- কার্যপ্রণালি: কাফে বাতাস ভরে ধমনীর রক্তপ্রবাহ সাময়িক বন্ধ করে বাতাস কমানোর সময় প্রথম ও শেষ শব্দ শুনে পারদের বা ডিজিটাল স্কেলের মাধ্যমে চাপ মাপা হয়।
- বাস্তব প্রয়োগ: চিকিৎসালয়ে এবং বাড়িতে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য এই যন্ত্রের সাহায্যে খুব সহজে রক্তচাপ মাপা যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন পরীক্ষা
ব্যাখ্যা: চিকিৎসকের কাছে গেলে রোগীর রক্তচাপ স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি কি না তা জানতে এই যন্ত্র ব্যবহার করা হয়।
উদাহরণ ২: কম রক্তচাপ বা হাইপোটেনশন শনাক্তকরণ
ব্যাখ্যা: অতিরিক্ত দুর্বলতা বা মাথা ঘোরার সমস্যা হলে রোগীর রক্তচাপ কমে গেছে কি না তা যাচাই করতে এটি ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) স্ফিগমোম্যানোমিটার — এটি মানবদেহের রক্তচাপ নির্ণয়ের একমাত্র সঠিক যন্ত্র।
B) স্টেথস্কোপ — এটি হৃৎস্পন্দন ও ফুসফুসের শব্দ শোনার যন্ত্র, যা রক্তচাপ মাপে না।
C) কার্ডিওগ্রাফ — এটি হৃৎপিণ্ডের বৈদ্যুতিক কার্যকলাপ বা ইসিজি রেকর্ড করার যন্ত্র।
D) ইস্কোকার্ডিওগ্রাফ — এটি এমন কোনো প্রচলিত বৈজ্ঞানিক যন্ত্র নয়, এটি বিভ্রান্তিকর অপশন।
৫. মনে রাখার টিপস:
- রক্তচাপ মাপার যন্ত্রের নামের শুরুতে স্ফি শব্দ আছে, যা মনে রাখলে সহজে অপশন মিলানো যাবে।
- স্টেথস্কোপ শুধু শব্দ শোনে কিন্তু চাপ মাপে না, এই পার্থক্য মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- স্বাভাবিক মানুষের রক্তচাপ ১২০ এবং ৮০ মিলিমিটার পারদ চাপ ধরা হয়।
- রক্তচাপ আবিষ্কার করেন স্টিফেন হ্যালস এবং স্ফিগমোম্যানোমিটার আবিষ্কার করেন স্যামুয়েল সিগফ্রিড কার্ল ভন বাশ।
সঠিক উত্তর: C) মৎস্য চাষ
১. কেন সঠিক:
- পিসিকালচার বলতে বৈজ্ঞানিকভাবে নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে মাছের চাষ এবং উৎপাদন বৃদ্ধি করাকে বোঝায়।
- এটি জলজ প্রাণীর ব্যবস্থাপনা এবং টেকসই আমিষ সরবরাহের একটি প্রধান জৈবিক প্রক্রিয়া।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: পিসিকালচার হলো অ্যাকোয়াকালচারের একটি বিশেষ শাখা যেখানে শুধু মাছের প্রজনন, লালনপালন ও বংশবৃদ্ধি ঘটানো হয়।
- কার্যপ্রণালি: কৃত্রিম পুকুর বা জলাশয়ে মাছের খাদ্য সরবরাহ, জলের অক্সিজেন মাত্রা নিয়ন্ত্রণ এবং রোগাক্রান্ত মাছ আলাদা করার মাধ্যমে এই চাষ করা হয়।
- বাস্তব প্রয়োগ: বাণিজ্যিকভাবে রুই, কাতলা ও তেলাপিয়া মাছ চাষ করে দেশের আমিষের চাহিদা পূরণ এবং অর্থনৈতিক উন্নয়ন সাধিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পুকুরে রুই ও কাতলা মাছের পোনা ছেড়ে কৃত্রিম খাবার দিয়ে বড় করা।
ব্যাখ্যা: এটি নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে মাছের দ্রুত বৃদ্ধি ও উৎপাদনের একটি সাধারণ পদ্ধতি।
উদাহরণ ২: ঘের বা পুকুরে চিংড়ি ও পাঙ্গাস মাছ চাষ করা।
ব্যাখ্যা: এটি আধুনিক পিসিকালচারের মাধ্যমে লাভজনকভাবে মাছ উৎপাদনের বাস্তব দৃষ্টান্ত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হাঁস-মুরগি পালন — হাঁস-মুরগি পালনকে পোলট্রি ফার্মিং বলা হয়, যা পিসিকালচার নয়।
B) মৌমাছি পালন — মৌমাছি পালনকে এপিকালচার বলা হয়, যা মধু ও মোম উৎপাদনের সঙ্গে যুক্ত।
C) মৎস্য চাষ — এটি পিসিকালচারের সঠিক বৈজ্ঞানিক অর্থ এবং নির্দিষ্ট উত্তর।
D) রেশম চাষ — রেশম পোকা পালনকে সেরিকালচার বলা হয়, যা রেশম সুতা উৎপাদনের জন্য করা হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- পিসি শব্দের সঙ্গে পি কিউ বা ফিশ শব্দের ধ্বনিগত মিল মনে রেখে পিসিকালচার মানে মৎস্য চাষ তা সহজে মনে রাখা যায়।
- কৃষির অন্যান্য শাখার নাম যেমন সেরিকালচার বা এপিকালচারগুলোর সঙ্গে গুলিয়ে না ফেলে আলাদা করে ছক বানিয়ে পড়বে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই বিভিন্ন চাষাবাদের বৈজ্ঞানিক নাম থেকে প্রশ্ন আসে যেমন এপিকালচার ও সেরিকালচার।
- এই প্রশ্ন থেকে এপিকালচার হলো মৌমাছি পালন এবং সেরিকালচার হলো রেশম চাষ এই তথ্যগুলোও মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: B) বুদ্ধি-বিবেচনা
১. কেন সঠিক:
কম্পিউটার একটি ইলেকট্রনিক যন্ত্র যা মানুষের নির্দেশ বা প্রোগ্রাম অনুযায়ী কাজ করে। মানুষের মতো এর নিজস্ব কোনো চিন্তা করার ক্ষমতা, সৃজনশীলতা বা নৈতিক বিচারবোধ নেই।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা যতই উন্নত হোক না কেন, কম্পিউটার মূলত বাইনারি কোড অর্থাৎ শূন্য ও একের হিসাব অনুযায়ী কাজ করে।
কার্যপ্রণালি: ইনপুট হিসেবে যা দেওয়া হয়, প্রসেসর তা কেবল গাণিতিক ও তार्किक প্রক্রিয়ায় বিশ্লেষণ করে আউটপুট দেয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দাবা খেলায় কম্পিউটার বিশ্বচ্যাম্পিয়নকে হারাতে পারে, কারণ এটি কোটি কোটি সম্ভাব্য চালের হিসাব নিমিষেই করতে পারে।
ব্যাখ্যা: এই হিসাব করার ক্ষমতা তার গতির কারণে সম্ভব, কোনো কৌশলগত বুদ্ধি বা অনুভূতির কারণে নয়।
উদাহরণ ২: চিকিৎসাবিজ্ঞানে এক্সরে দেখে রোগ নির্ণয় করতে পারে কম্পিউটার।
ব্যাখ্যা: এটি প্রোগ্রাম করা নিয়ম অনুযায়ী প্যাটার্ন মেলাতে পারে, কিন্তু রোগের কষ্ট অনুধাবন করতে পারে না।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) স্মৃতি — কম্পিউটারের তথ্য সংরক্ষণের জন্য র্যাম এবং রম বা হার্ডডিস্ক নামক স্মৃতি বা মেমোরি থাকে।
B) বুদ্ধি-বিবেচনা — এটি কম্পিউটারের নেই, এটি কেবল মানুষের সহজাত ও মানসিক বৈশিষ্ট্য।
C) দীর্ঘ সময় কাজ করার ক্ষমতা — কম্পিউটার ক্লান্ত না হয়ে একটানা দীর্ঘ সময় নিখুঁতভাবে কাজ করতে পারে।
D) নির্ভুল কাজ করার ক্ষমতা — কম্পিউটার সঠিক ইনপুট পেলে শতভাগ নির্ভুল ফলাফল প্রদানে সক্ষম।
৫ মনে রাখার টিপস:
কম্পিউটারের সুপার স্পিড ও মেমোরি আছে, কিন্তু মানুষের মতো মন ও বিবেক নেই।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কম্পিউটারের জনক চার্লস ব্যাবেজ এবং প্রথম প্রোগ্রামার অ্যাডা লাভলেস।
এই টপিক থেকে ভবিষ্যতে কম্পিউটারের সীমাবদ্ধতা বা প্রধান বৈশিষ্ট্য সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: D) খ ও গ উভয়ই ঠিক
১. কেন সঠিক:
পেট্রোলের আগুন পানি দিয়ে নেভানো সম্ভব নয় কারণ পেট্রোল পানির সাথে মিশে না এবং পেট্রোল পানির চেয়ে হালকা।
এর ফলে পানি ঢাললে পেট্রোল পানির উপরে ভেসে থাকে এবং আগুন জ্বলতেই থাকে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: পদার্থের ঘনত্ব এবং দ্রবণীয়তা। পেট্রোলের ঘনত্ব পানির ঘনত্বের চেয়ে কম এবং এটি হাইড্রোকার্বনের মিশ্রণ যা অমেরু প্রকৃতির হওয়ায় পানিতে দ্রবীভূত হয় না।
কারণ ও ফলাফল: পানি ঢাললে ভারী পানি নিচে চলে যায় এবং হালকা পেট্রোল উপরে ভেসে উঠে চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে, যা আগুন আরও বাড়িয়ে দেয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পানিতে তেল বা পেট্রোল ঢেলে দেওয়া।
ব্যাখ্যা: তেলের ফোঁটা পানির উপরিভাগে একটি আস্তরণ তৈরি করে কারণ তেল পানির সাথে মেশে না এবং এটি হালকা।
উদাহরণ ২: গাড়ির ইঞ্জিন বা পেট্রোল পাম্পে ফোম বা পাউডার টাইপ অগ্নিিনির্বাপক যন্ত্র ব্যবহার করা।
ব্যাখ্যা: এই যন্ত্রগুলো অক্সিজেনের সরবরাহ বন্ধ করে আগুন নেভায়, পানি ব্যবহার করলে বিপদ আরও বাড়ত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পেট্রোলের সাথে পানি মিশে যায় — এটি ভুল কারণ পেট্রোল ও পানি অসমসত্ব মিশ্রণ তৈরি করে এবং এরা একে অপরের সাথে মেশে না।
B) পেট্রোল পানির সাথে মিশে না — এটি সঠিক তথ্য হলেও এর সাথে গ অপশনটিও সত্য হওয়ায় ডি অপশনটি বেছে নিতে হয়।
C) পেট্রোল পানির চেয়ে হালকা — এটিও সত্য তথ্য, তবে খ অপশনটির সাথে যুক্ত হয়ে ডি অপশনটি পূর্ণতা পায়।
D) খ ও গ উভয়ই ঠিক — এটি সঠিক কারণ পেট্রোল পানিতে অদ্রবণীয় এবং পানির চেয়ে কম ঘনত্বের বা হালকা।
৫ মনে রাখার টিপস:
পেট্রোল পানির চেয়ে হালকা এবং মিশে না, তাই আগুন নেভাতে পানি দিলে পেট্রোল ভেসে ওঠে ও আগুন ছড়ায়।
মনে রাখুন, তেল ও পানি কখনো একসাথে মেশে না এবং তেল সবসময় উপরে ভাসে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
তৈল বা পেট্রোলের আগুনে কখনোই পানি ব্যবহার করা উচিত নয়, বরং বালু বা ফোম ব্যবহার করতে হবে।
এই প্রশ্নটি বারবার বিসিএস ও ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় আসে, তাই ঘনত্ব ও দ্রবণীয়তার ধারণা স্পষ্ট রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) শূন্য ঘরে শব্দের শোষণ কম হয়
১. কেন সঠিক:
- লোকভর্তি হলে মানুষের শরীর, জামাকাপড় এবং আসবাবপত্র শব্দ শোষণ করে, ফলে শব্দের তীব্রতা কমে যায়।
- শূন্য ঘরে প্রতিফলনের কারণে শব্দ প্রতিধ্বনিত হয় এবং তীব্রতা বেশি থাকে, যাকে শব্দের শোষণ কম হওয়া বলা হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: শব্দ এক প্রকার শক্তি যা তরঙ্গ আকারে সঞ্চালিত হয় এবং মাধ্যম বা কোনো তলে বাধা পেলে প্রতিফলিত বা শোষিত হয়।
- কার্যপ্রণালি: নরম ও অসমান পৃষ্ঠ যেমন মানুষের শরীর বা কার্পেট শব্দ শোষণ করে, আর ফাঁকা ঘরের শক্ত দেওয়াল শব্দকে চারদিকে ছড়িয়ে দেয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আসবাবপত্রহীন একটি নতুন ফাঁকা ফ্ল্যাটে কথা বললে প্রতিধ্বনি শোনা যায় এবং শব্দ জোরালো মনে হয়।
ব্যাখ্যা: ফাঁকা দেওয়ালের প্রতিফলনের কারণে শব্দ ক্ষয়প্রাপ্ত না হয়ে তীব্রতা ধরে রাখে।
উদাহরণ ২: সিনেমা হলের দেওয়াল ও মেঝে অ্যাকৌস্টিক ফোম বা কার্পেট দিয়ে ঢাকা থাকে।
ব্যাখ্যা: এটি অতিরিক্ত শব্দ শোষণ করে এবং প্রতিধ্বনি রোধ করে শোনার পরিবেশ স্পষ্ট করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লোকভর্তি ঘরে মানুষের সোরগোল হয় — এটি শব্দ হ্রাসের মূল বৈজ্ঞানিক কারণ নয়, বরং ঘরের শোষণের পরিমাণই এখানে মুখ্য ভূমিকা পালন করে।
B) শূন্য ঘর নীরব থাকে — শূন্য ঘরে শব্দ প্রতিধ্বনিত হয়ে বরং বেশি জোরে শোনা যায়, নীরব থাকে না।
C) শূন্য ঘরে শব্দের শোষণ কম হয় — এই অপশনটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর হিসেবে চিহ্নিত।
D) শূন্য ঘরে শব্দের শোষণ বেশি হয় — শূন্য ঘরের শক্ত পৃষ্ঠে শব্দ শোষিত না হয়ে প্রতিফলিত হয়, তাই শোষণ বেশি হয় না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ফাঁকা ঘরে মানুষ বা নরম জিনিস থাকে না, তাই শব্দ শোষিত না হয়ে প্রতিধ্বনি তৈরি করে।
- লোকভর্তি ঘরে শরীর সব শব্দ শোষে নেয়, তাই শব্দ ক্ষীণ শোনায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস পরীক্ষার জন্য শব্দ তরঙ্গ, প্রতিফলন ও প্রতিধ্বনি সম্পর্কিত প্রশ্ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- এই একই ধারণা থেকে সিনেমা হলের নকশা বা প্রতিধ্বনি রোধের উপায় সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: A) পাশাপাশি দুটো দাঁতের দাগ
১. কেন সঠিক:
বিষধর সাপে কামড়ানোর পর ক্ষতস্থানে সাধারণত দুটি ছিদ্র বা পাশাপাশি দুটো দাঁতের দাগ দেখা যায়। বিষধর সাপের মুখে বিশেষ বিষদাঁত বা ফ্যাং থাকে যার মাধ্যমে তারা শিকারের দেহে বিষ ঢেলে দেয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: বিষধর সাপের উপরের চোয়ালে একজোড়া দীর্ঘ ও ফাঁপা বিষদাঁত থাকে।
কার্যপ্রণালি: সাপ যখন কামড় দেয়, তখন এই দুটি বিষদাঁত ইনজেকশনের সিরিঞ্জের মতো চামড়া ভেদ করে ভেতরে প্রবেশ করে এবং বিষ ছড়ায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কেউটে বা গোখরো সাপের কামড়।
ব্যাখ্যা: এজাতীয় বিষধর সাপের কামড়েও ঠিক দুটি স্পষ্ট দাঁতের দাগ বসে যাওয়ার প্রমাণ পাওয়া যায়।
উদাহরণ ২: ভাইপার বা চন্দ্রবোড়ার আক্রমণ।
ব্যাখ্যা: চন্দ্রবোড়ার মতো বিষধর সাপও কামড়ানোর সময় তাদের দুটি প্রধান বিষদাঁতের মাধ্যমে ক্ষত সৃষ্টি করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পাশাপাশি দুটো দাঁতের দাগ — এটি বিষধর সাপের কামড়ের প্রধান ও নিশ্চিত লক্ষণ।
B) অনেকগুলো ছোট ছোট দাঁতের দাগ — এটি সাধারণত বিষহীন সাপের কামড়ের ক্ষেত্রে দেখা যায় কারণ তাদের মুখে ছোট সারিবদ্ধ দাঁত থাকে।
C) ক্ষতস্থান হতে প্রচুর রক্তপাত হতে থাকে — সাপের কামড়ে প্রচুর রক্তপাত হওয়া সাধারণ লক্ষণ নয়, বরং এটি অন্য কোনো ক্ষতের ক্ষেত্রে ঘটে।
D) ক্ষতস্থানে প্রচুর বিষ লেগে থাকে — বিষ বাইরে লেগে থাকে না, বরং বিষদাঁতের মাধ্যমে শরীরের ভেতরে প্রবেশ করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
বিষধর সাপের দুই চোখ যেমন দুটি, তেমনি তাদের প্রধান বিষদাঁতও থাকে দুটি। এই মিল দিয়ে সহজেই দুটো দাঁতের দাগের বিষয়টি মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
সাপের বিষ মূলত স্নায়ুতন্ত্র বা রক্তকে আক্রমণ করে। এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: B) সূর্যগ্রহণ
১. কেন সঠিক:
- সূর্য ও পৃথিবীর মাঝখানে চাঁদ সোজাসুজি অবস্থান করলে চাঁদের ছায়া পৃথিবীর ওপর পড়ে এবং সূর্যকে ঢেকে ফেলে।
- এই জ্যামিতিক অবস্থানের কারণে পৃথিবী থেকে তাকালে সূর্য সাময়িকভাবে অদৃশ্য হয়ে যায়, যাকে সূর্যগ্রহণ বলা হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: সূর্যগ্রহণ হলো এমন একটি জ্যোতির্বিজ্ঞানগত ঘটনা যখন সূর্য, চাঁদ ও পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করে।
- কার্যপ্রণালি: চাঁদের আবর্তনের সময় এটি যখন সূর্য ও পৃথিবীর ঠিক মাঝে চলে আসে, তখন চাঁদের ছায়া পৃথিবীর একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলে পড়ে।
- কারণ ও ফলাফল: চাঁদের আকার ছোট হওয়ায় এটি সূর্যের আলোকে সম্পূর্ণ বা আংশিক ঢেকে দেয়, যার ফলে পূর্ণগ্রাস বা আংশিক সূর্যগ্রহণ ঘটে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ
ব্যাখ্যা: চাঁদের প্রচ্ছায়া বা মূল ছায়া পৃথিবীর যে অঞ্চলের ওপর পড়ে, সেখানকার মানুষ সম্পূর্ণ সূর্যকে ঢাকা পড়তে দেখে এবং দিনদুপুরে অন্ধকার নেমে আসে।
উদাহরণ ২: আংশিক সূর্যগ্রহণ
ব্যাখ্যা: চাঁদের উপচ্ছায়া পৃথিবীর ওপর পড়লে সূর্য পুরোপুরি ঢাক না পেরে কেবল একটি অংশ ঢাকা পড়ে, যা আংশিক সূর্যগ্রহণ নামে পরিচিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চন্দ্রগ্রহণ — সূর্য ও চাঁদের মাঝে পৃথিবী অবস্থান করলে চন্দ্রগ্রহণ হয়, কিন্তু এখানে চাঁদ মাঝখানে রয়েছে।
B) সূর্যগ্রহণ — এই অপশনটি সঠিক কারণ সূর্য ও পৃথিবীর মাঝে চাঁদ অবস্থান করার ফলে সূর্যগ্রহণ ঘটে।
C) অমাবস্যা — এটি তিথির নাম, তবে এই বিশেষ অবস্থানের কারণে অমাবস্যার দিনেই শুধুমাত্র সূর্যগ্রহণ হতে পারে।
D) পূর্ণিমা — সূর্য ও পৃথিবীর মাঝে চাঁদ থাকলে কখনোই পূর্ণিমা হয় না, পূর্ণিমার সময় পৃথিবী থাকে সূর্য ও চাঁদের মাঝে।
৫. মনে রাখার টিপস:
সূর্য ও পৃথিবীর মাঝে চাঁদ থাকলে 'সূর্য' শব্দটি আগে আসে, তাই এটি সূর্যগ্রহণ।
মাঝখানে পৃথিবী থাকলে চাঁদ হয় পৃথিবীর ছায়ায় ঢাকা, যাকে বলে চন্দ্রগ্রহণ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
সূর্যগ্রহণ কেবল অমাবস্যার দিনেই সংঘটিত হতে পারে, তবে প্রতি অমাবস্যায় সূর্যগ্রহণ হয় না কারণ কক্ষপথের নতি ৫ ডিগ্রি কোণে থাকে।
বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই এই জ্যামিতিক অবস্থান বা তিথি সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: C) ক্রোমোসোম
১. কেন সঠিক:
- ক্রোমোসোম হলো কোষের নিউক্লিয়াসে অবস্থিত বংশগতির মূল ধারক যা পিতা-মাতার বৈশিষ্ট্য সন্তানে বহন করে।
- এতে থাকা ডিএনএ এবং জিন জীবের শারীরিক ও মানসিক সব বৈশিষ্ট্য নির্ধারণ করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: ক্রোমোসোম হলো নিউক্লিওপ্রোটিন দ্বারা গঠিত সুতার মতো অংশ যা কোষ বিভাজনের সময় দৃশ্যমান হয়।
- কার্যপ্রণালি: ক্রোমোসোমে থাকা জিন বংশগতির বৈশিষ্ট্যগুলো এক প্রজন্ম থেকে পরবর্তী প্রজন্মে স্থানান্তরিত করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মানুষের সন্তানের চোখ বা চুলের রং বাবা-মায়ের মতো হওয়া।
ব্যাখ্যা: ক্রোমোসোমে থাকা জিন এই শারীরিক বৈশিষ্ট্যগুলোর তথ্য বহন করে পরবর্তী প্রজন্মে পৌঁছে দেয়।
উদাহরণ ২: আম গাছের বীজ থেকে সবসময় আম গাছ জন্ম নেওয়া।
ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে যে ক্রোমোসোমের মাধ্যমে প্রজাতির নিজস্ব বৈশিষ্ট্য বংশপরম্পরায় বজায় থাকে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নিউক্লিয়াস — নিউক্লিয়াস হলো কোষের সব কাজের নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র এবং ক্রোমোসোমের ধারক, কিন্তু সরাসরি বৈশিষ্ট্য বহন করে না।
B) নিউক্লিওলাস — নিউক্লিওলাস হলো নিউক্লিয়াসের ভেতরে অবস্থিত ঘন গোল অংশ যা রাইবোজোম তৈরি করে।
D) নিওক্লিওপ্লাজম — নিওক্লিওপ্লাজম হলো নিউক্লিয়াসের ভেতরের জেলি সদৃশ তরল পদার্থ যা নিউক্লিয়াসের উপাদান ধারণ করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
বংশগতির মূল বাহক ক্রোমোসোম মনে রাখতে মনে রাখবে ক্রোমোসোম মানেই বৈশিষ্ট্যের বাক্স।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কোশের নিউক্লিয়াসে ক্রোমোসোমের সংখ্যা নির্দিষ্ট থাকে যেমন মানুষের কোষে ৪৬টি।
ভবিষ্যতের MCQ-তে আসতে পারে মানবদেহে সেক্স ক্রোমোসোমের সংখ্যা কয়টি।
সঠিক উত্তর: D) বৃষ্টি
১. কেন সঠিক:
- প্রাকৃতিক জলের উৎসগুলোর মধ্যে বৃষ্টির জল হলো সবচেয়ে বিশুদ্ধ এবং এতে খনিজ লবণের পরিমাণ সর্বনিম্ন থাকে।
- জলচক্রের অংশ হিসেবে বাষ্পীভবন প্রক্রিয়ায় জল উপরে উঠে ঘনীভূত হয়ে বৃষ্টি হিসেবে ঝরে পড়ে, যেখানে কোনো রকম খনিজ লবণ থাকে না।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: মৃদু পানি বলতে এমন জলকে বোঝায় যাতে ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়ামের দ্রবীভূত লবণ থাকে না বললেই চলে এবং যা সাবানের সাথে সহজেই ফেনা তৈরি করে।
- কার্যপ্রণালি: ভূপৃষ্ঠের জল সূর্যের তাপে বাষ্পীভূত হয়ে মেঘে পরিণত হয় এবং এই বিশুদ্ধ জলই ঘনীভবনের মাধ্যমে বৃষ্টি রূপে নিচে নেমে আসে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বৃষ্টির জল দিয়ে জামাকাপড় ধোয়ার সময় খুব কম সাবানেই প্রচুর ফেনা তৈরি হয়।
ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে যে বৃষ্টির জলে ক্যালসিয়াম বা ম্যাগনেসিয়ামের মতো ভারী ধাতু বা খনিজ লবণ নেই।
উদাহরণ ২: শিল্প কারখানায় বয়লারে ব্যবহারের জন্য ঘনীভূত পাতিত জল বা বৃষ্টির জলের মতো মৃদু জলের প্রয়োজন হয়।
ব্যাখ্যা: মৃদু জল ব্যবহার করলে বয়লারের ভেতরে খনিজ লবণের আস্তরণ বা স্কেল জমে না, ফলে দুর্ঘটনা এড়ানো যায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সাগর — সাগরের জলে প্রচুর পরিমাণে সোডিয়াম ক্লোরাইডসহ বিভিন্ন খনিজ লবণ দ্রবীভূত থাকে, তাই এটি অত্যন্ত খর জল।
B) হ্রদ — হ্রদের জল সাধারণত দীর্ঘকাল ধরে মাটির সংস্পর্শে থাকায় এবং খনিজ পদার্থ মিশ্রিত হওয়ায় মৃদু হয় না।
C) নদী — নদীর জল বহমান থাকার সময় মাটি ও পাথরের ওপর দিয়ে আসার সময় বিভিন্ন খনিজ লবণ শোষণ করে, ফলে এটি মৃদু জলের উৎস নয়।
D) বৃষ্টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি সম্পূর্ণ প্রাকৃতিকভাবে পাতিত জলের রূপ এবং এতে কোনো খনিজ লবণ থাকে না।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মেঘ থেকে সরাসরি যা ঝরে, তা হলো বৃষ্টির জল এবং প্রকৃতিতে সেটিই সবচেয়ে বেশি মৃদু বা বিশুদ্ধ জল।
- প্রাকৃতিকভাবে জলচক্রের পাতন প্রক্রিয়াতেই বৃষ্টির জল মৃদু হয়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই প্রাকৃতিক জলের সবচেয়ে বিশুদ্ধ রূপ কোনটি, তা জানতে চাওয়া হয়।
- মৃদু জল ও খর জলের পার্থক্য এবং সাবানের সাথে ফেনা তৈরির ক্ষমতা সম্পর্কিত প্রশ্ন বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় আসে।
সঠিক উত্তর: D) মেঘ পৃথিবীর পৃষ্ঠ থেকে বিকীর্ণ তাপকে উপরে যেতে বাধা দেয় বলে
১. কেন সঠিক:
- মেঘলা রাতে বা দিনে ভূপৃষ্ঠ থেকে তাপ মহাশূন্যে চলে যেতে পারে না কারণ মেঘ সেই তাপ আটকে দেয়।
- গ্রিনহাউস গ্যাসের মতো মেঘ কম্বলের মতো কাজ করে ভূপৃষ্ঠের তাপ আটকে রাখে ফলে গরম বেশি অনুভূত হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: একে বায়ুমণ্ডলের তাপীয় বিকিরণ ও গ্রিনহাউস প্রভাবের একটি রূপ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- কার্যপ্রণালি: সূর্য থেকে আসা আলো পৃথিবীতে এসে ভূপৃষ্ঠকে উত্তপ্ত করে এবং ভূপৃষ্ঠ সেই তাপ অবলোহিত রশ্মি হিসেবে মহাশূন্যে বিকিরণ করে ফিরিয়ে দেয়।
- কারণ ও ফলাফল: আকাশ মেঘলা থাকলে মেঘের স্তর এই বিকীর্ণ তাপকে বাধা দেয় এবং তা আবার ভূপৃষ্ঠে ফেরত পাঠায়, ফলে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়।
- বাস্তব প্রয়োগ: শীতের রাতে আকাশ মেঘলা থাকলে কুয়াশা বা তুষারপাত কম হয় এবং শীত কম অনুভূত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শীতের রাতের আকাশ
ব্যাখ্যা: শীতকালে মেঘমুক্ত রাতে তীব্র ঠান্ডা পড়ে কারণ ভূপৃষ্ঠের তাপ সহজে মহাশূন্যে চলে যায়, কিন্তু মেঘ থাকলে গরম লাগে।
উদাহরণ ২: গ্রিনহাউস বা কাঁচের ঘর
ব্যাখ্যা: কাঁচের ঘর যেমন ভেতরকার তাপ বাইরে যেতে বাধা দেয়, মেঘের স্তরও ঠিক একইভাবে ভূপৃষ্ঠের তাপ আটকে রাখে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মেঘ উত্তম তাপ পরিবাহক — এই বক্তব্যটি বৈজ্ঞানিকভাবে সঠিক নয় কারণ মেঘ মূলত জলীয় বাষ্প ও ধূলিকণার মিশ্রণ এবং এটি তাপের ভালো পরিবাহক নয়।
B) সূর্যালোকের অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাবে মেঘ তাপ উৎপন্ন করে — মেঘ অতিবেগুনি রশ্মি শোষণ করে তাপ উৎপন্ন করে না, বরং ওজোন স্তর অতিবেগুনি রশ্মি শোষণ করে।
C) বজ্রপাতের ফলে তাপ উৎপন্ন হয় বলে — বজ্রপাত আকস্মিক ও স্থানীয় ঘটনা, আর মেঘলা দিনে বা রাতে গরম লাগার কারণ বজ্রপাত নয়, তাপ আটকে থাকা।
D) মেঘ পৃথিবীর পৃষ্ঠ থেকে বিকীর্ণ তাপকে উপরে যেতে বাধা দেয় বলে — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মনে রাখবেন মেঘ মানেই বায়ুমণ্ডলের কম্বল, যা ভূপৃষ্ঠের তাপ আটকে রেখে চারপাশ গরম রাখে।
- আকাশ পরিষ্কার থাকলে তাপ মহাশূন্যে পালিয়ে যায় আর মেঘ থাকলে তাপ আটকা পড়ে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় তাপ ও তাপগতিবিদ্যা এবং আবহাওয়া বিজ্ঞানের অংশ হিসেবে প্রায়ই আসে।
- একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে মেঘলা রাতে শিশির কম পড়ে কেন।
সঠিক উত্তর: C) মাটির পাত্র পানির বাষ্পীভবনে সাহায্য করে
১. কেন সঠিক:
মাটির তৈরি পাত্রের গায়ে অসংখ্য অতি ক্ষুদ্র ছিদ্র বা রন্ধ্র থাকে।
এই রন্ধ্রগুলোর মধ্য দিয়ে পাত্রের ভেতরের পানি অত্যন্ত ধীরে ধীরে বাইরে চুইয়ে আসে এবং পাত্রের বাইরের গায়ে জমা হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: তরল থেকে বাষ্পে পরিণত হওয়ার প্রক্রিয়াকে বাষ্পীভবন বলা হয়।
কার্যপ্রণালি: পাত্রের গায়ে চুইয়ে আসা পানি বায়ুমণ্ডলের তাপ শোষণ করে বাষ্পে পরিণত হয়।
কারণ ও ফলাফল: বাষ্পীভবনের জন্য প্রয়োজনীয় সুপ্ততাপ পাত্র ও ভেতরের পানি থেকে সংগৃহীত হয়, ফলে ভেতরের পানির তাপমাত্রা হ্রাস পায়।
বাস্তব প্রয়োগ: এই প্রাকৃতিক শীতলীকরণ প্রক্রিয়ার কারণে গরমের দিনেও মাটির কলসির পানি ঠান্ডা থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হাত বা শরীরে স্পিরিট বা ইথার লাগালে ঠান্ডা অনুভূত হয়।
ব্যাখ্যা: স্পিরিট অতি দ্রুত বাষ্পীভূত হওয়ার সময় ত্বক থেকে প্রয়োজনীয় সুপ্ততাপ শোষণ করে, তাই ঠান্ডা লাগে।
উদাহরণ ২: গরমে মাটির পাত্র বা কলসির পরিবর্তে প্লাস্টিক বা কাঁচের বোতলে পানি রাখলে ঠান্ডা হয় না।
ব্যাখ্যা: প্লাস্টিক বা কাঁচের পাত্রে কোনো ছিদ্র থাকে না, তাই বাষ্পীভবন ঘটে না এবং পানিও ঠান্ডা থাকে না।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মাটির পাত্র পানি হতে তাপ শোষণ করে — মাটি তাপের খুব ভালো শোষক নয়, বরং পাত্রের ভেতরের পানি থেকে তাপ হারিয়ে পানি ঠান্ডা হয়।
B) মাটির পাত্র ভাল তাপ পরিবাহী — মাটি বা পোড়ামাটি তাপের কুপরিবাহী, ভালো পরিবাহী হলে বাইরের গরমে ভেতরের পানি দ্রুত গরম হয়ে যেত।
C) মাটির পাত্র পানির বাষ্পীভবনে সাহায্য করে — মাটির অণুজীবহীন ক্ষুদ্র রন্ধ্র বা ছিদ্রের কারণে পানি চুইয়ে এসে বাষ্পীভবন ঘটাতে সাহায্য করে।
D) মাটির পাত্র তাপ কুপরিবাহী — তাপ কুপরিবাহী হওয়া সঠিক তথ্য হলেও এটি পানি ঠান্ডা থাকার মূল কারণ বা সরাসরি প্রক্রিয়াটিকে সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা করে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
মাটি মানেই হলো ছোট ছোট ছিদ্র বা রন্ধ্র, আর রন্ধ্র থাকলেই বাষ্পীভবন হবে এবং বাষ্পীভবন মানেই হলো ঠান্ডা পানি।
কলসি বা মাটির পাত্রের ক্ষেত্রে বাষ্পীভবন প্রক্রিয়াটিই মূল চাবিকাঠি হিসেবে কাজ করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাষ্পীভবনের ফলে সর্বদা তাপমাত্রা হ্রাস পায় এবং এটি একটি তাপ শোষণকারী প্রক্রিয়া।
একই বৈজ্ঞানিক ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে ঘাম হলে আমাদের ঠান্ডা লাগে কেন অথবা ভেজা কাপড় গায়ে জড়ালে ঠান্ডা লাগে কেন।
সঠিক উত্তর: A) নিউট্রন ও প্রোট্রন
১. কেন সঠিক:
- পরমাণুর ঠিক কেন্দ্রস্থলে অত্যন্ত ঘন এবং ক্ষুদ্র একটি অংশ থাকে যাকে নিউক্লিয়াস বলা হয়।
- এই নিউক্লিয়াসের ভেতরে মূলত দুটি কণা অবস্থান করে যাদের একত্রে নিউক্লিয়ন বলা হয় এবং এরা হলো প্রোটন ও নিউট্রন।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: পরমাণুর সমগ্র ভরের প্রায় পুরোটাই তার নিউক্লিয়াসে পুঞ্জীভূত থাকে কারণ প্রোটন ও নিউট্রনের ভর ইলেকট্রনের তুলনায় অনেক বেশি।
- কার্যপ্রণালি: প্রোটন ধনাত্মক আধানযুক্ত এবং নিউট্রন আধানহীন বা নিরপেক্ষ কণা, যা শক্তিশালী নিউক্লীয় বলের মাধ্যমে নিউক্লিয়াসে আবদ্ধ থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হিলিয়াম পরমাণু
ব্যাখ্যা: হিলিয়াম পরমাণুর নিউক্লিয়াসে দুটি প্রোটন ও দুটি নিউট্রন থাকে যা এর ভর গঠন করে।
উদাহরণ ২: কার্বন পরমাণু
ব্যাখ্যা: কার্বনের নিউক্লিয়াসে ছয়টি প্রোটন ও ছয়টি নিউট্রন একত্রে অবস্থান করে পরমাণুর মূল সত্ত্বা বজায় রাখে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নিউট্রন ও প্রোট্রন — এটি সঠিক উত্তর কারণ পরমাণুর নিউক্লিয়াস এই দুটি কণা নিয়েই গঠিত হয়।
B) ইলেক্ট্রন ও প্রোটন — ইলেক্ট্রন নিউক্লিয়াসে থাকে না, তারা নিউক্লিয়াসকে কেন্দ্র করে বাইরে নির্দিষ্ট কক্ষপথে ঘোরে।
C) নিউট্রন ও পজিট্রন — পজিট্রন হলো ইলেকট্রনের প্রতিকণা যা সাধারণ পরমাণুর নিউক্লিয়াসের স্থায়ী উপাদান নয়।
D) ইলেক্ট্রন ও পজিট্রন — এই কণাগুলো নিউক্লিয়াসের গঠনকারী উপাদান হিসেবে কখনো নিউক্লিয়াসের ভেতরে অবস্থান করে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- নিউক্লিয়াসের ভেতরকার কণাকে নিউক্লিয়ন বলে, যেখানে পি তে প্রোটন এবং এন তে নিউট্রন বোঝায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- পরমাণুর মোট ভর সংখ্যা হলো প্রোটন সংখ্যা ও নিউট্রন সংখ্যার যোগফল।
- পরীক্ষামূলকভাবে পরমাণুর নিউক্লিয়াস আবিষ্কার করেছিলেন বিজ্ঞানী আর্নেস্ট রাদারফোর্ড তাঁর বিখ্যাত আলফা কণা বিচ্ছুরণ পরীক্ষার মাধ্যমে।
সঠিক উত্তর: B) বায়বীয় পদার্থ
১. কেন সঠিক:
তাপ প্রয়োগ করলে পদার্থের অণুগুলোর গতিশক্তি বৃদ্ধি পায় এবং অণুগুলোর মধ্যকার গড় দূরত্ব বেড়ে যায়।
বায়বীয় পদার্থের অণুগুলোর আন্তঃআণবিক আকর্ষণ বল অত্যন্ত কম এবং তাদের গতিশীলতা সবচেয়ে বেশি থাকায় তাপ পেলে এরা সবচেয়ে দ্রুত ও বেশি প্রসারিত হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: পদার্থের অণুগুলোর মধ্যে ফাঁকা স্থান এবং আন্তঃআণবিক বলের তারতম্যের কারণে তাপ প্রয়োগে কঠিন, তরল ও বায়বীয় পদার্থের প্রসারণ বিভিন্ন হয়।
কার্যপ্রণালি: তাপমাত্রা বাড়লে গ্যাসীয় পদার্থের অণুগুলো অধিক বেগে ছোটাছুটি শুরু করে এবং পাত্রের দেয়ালে অধিক ধাক্কা দেয়, ফলে আয়তন বহুগুণ বেড়ে যায়।
বাস্তব প্রয়োগ: গরমের দিনে সাইকেল বা গাড়ির টায়ারের ভেতরের বাতাস প্রসারিত হয়, তাই টায়ার অতিরিক্ত ফুঁলে গেলে অনেক সময় ফেটে যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বেলুনের ভেতরে বাতাস ভরে রোদে রাখলে বেলুনটি ফুলে ফেটে যায়।
ব্যাখ্যা: রোদের তাপে বেলুনের ভেරের বায়ু প্রসারিত হয়ে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করে।
উদাহরণ ২: শীতকালে বৈদ্যুতিক তার টানটান থাকে কিন্তু গরমে তা কিছুটা ঝুলে পড়ে।
ব্যাখ্যা: তাপমাত্রার তারতম্যের কারণে পদার্থের প্রসারণ ও সংকোচন ঘটে, যদিও ধাতু কঠিন হওয়ায় এর প্রসারণ বায়বীয় পদার্থের চেয়ে অনেক কম।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তরল পদার্থ — কঠিনের চেয়ে বেশি কিন্তু বায়বীয় পদার্থের চেয়ে কম প্রসারিত হয় কারণ এর অণুগুলোর মধ্যকার আকর্ষণ বল গ্যাসের চেয়ে বেশি।
B) বায়বীয় পদার্থ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ গ্যাসের অণুগুলোর স্বাধীনতা ও গতিশীলতা সবচেয়ে বেশি থাকায় তাপমাত্রার পরিবর্তনে এর প্রসারণ সর্বোচ্চ হয়।
C) কঠিন পদার্থ — এর অণুগুলো খুব কাছাকাছি আবদ্ধ থাকে এবং দৃঢ়ভাবে যুক্ত থাকে, ফলে তাপ দিলে এর প্রসারণ সবচেয়ে কম হয়।
D) নরম পদার্থ — নরম বলতে সাধারণত তুলতুলে বা স্থিতিস্থাপকতা কম বোঝায়, যা তাপীয় প্রসারণের মূল নির্ধারণকারী একক বা মৌলিক অবস্থা নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
পদার্থের তিন অবস্থার প্রসারণের ক্রম মনে রাখার সহজ উপায় হলো গ্যাস সবার চেয়ে বেশি, তরল মাঝামাঝি এবং কঠিন সবচেয়ে কম ছড়ায়।
গ্যাসীয় পদার্থের আয়তন প্রসারণ সহগের মান সবচেয়ে বেশি হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
তাপীয় প্রসারণের ক্ষেত্রে দৈর্ঘ্য প্রসারণ ক্ষেত্র প্রসারণ এবং আয়তন প্রসারণ সহগ ব্যবহৃত হয়।
কঠিন পদার্থের ক্ষেত্রে দৈর্ঘ্য প্রসারণ বেশি আলোচিত হলেও বায়বীয় পদার্থের ক্ষেত্রে কেবল আয়তন প্রসারণ বিবেচনা করা হয়।
সঠিক উত্তর: D) সোডিয়াম মনো গ্লুটামেট
১. কেন সঠিক:
- টেস্টিং সল্ট বা এজিনোমোটোর মূল রাসায়নিক উপাদান হলো সোডিয়াম মনো গ্লুটামেট, যা খাবারের স্বাদ বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।
- এটি গ্লুটামিক অ্যাসিডের একটি সোডিয়াম লবণ, যা আমাদের জিহ্বায় থাকা উমামি স্বাদের রিসেপ্টরকে উদ্দীপিত করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: সোডিয়াম মনো গ্লুটামেট হলো এক ধরনের খাদ্য সংযোজন, যা প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবারের সুস্বাদু ভাব তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়।
- রাসায়নিক গঠন: এর রাসায়নিক সংকেত হলো C5H8NO4Na, যেখানে গ্লুটামিক অ্যাসিডের সঙ্গে সোডিয়াম যুক্ত থাকে।
- বাস্তব প্রয়োগ: চাইনিজ খাবার, স্যুপ এবং ফাস্ট ফুডে রান্নার স্বাদ বাড়ানোর জন্য এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রেস্টুরেন্টের চাইনিজ ফ্রাইড রাইস বা নুডলস।
ব্যাখ্যা: এই খাবারগুলোতে টেস্টিং সল্ট ব্যবহার করায় সাধারণ খাবারের চেয়ে স্বাদ অনেক বেশি সুস্বাদু লাগে।
উদাহরণ ২: টমেটো সস বা প্রক্রিয়াজাত স্যুপ।
ব্যাখ্যা: প্রাকৃতিকভাবে টমেটো ও মাশরুমে গ্লুটামেট থাকায় এগুলো রান্নার পর খাবারে এক ধরনের গভীর স্বাদ এনে দেয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সোডিয়াম বাইকার্বনেট — এটি মূলত খাবার সোডা বা বেকিং সোডা, যা কেক ফোলাতে এবং অ্যান্টাসিড হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
B) সোডিয়াম গ্লুটামেট — এটি আংশিক নাম, সঠিক ও পূর্ণ রাসায়নিক নাম হলো সোডিয়াম মনো গ্লুটামেট।
C) পটাশিয়াম বাইকার্বনেট — এটি একটি ক্ষারীয় লবণ, যা সোডিয়ামের বিকল্প হিসেবে এবং অগ্নি নির্বাপক যন্ত্রে ব্যবহৃত হয়।
D) সোডিয়াম মনো গ্লুটামেট — এটি সঠিক উত্তর, কারণ টেস্টিং সল্টের পূর্ণ ও নির্ভুল রাসায়নিক নাম এটিই।
৫. মনে রাখার টিপস:
- টেস্টিং সল্ট মানেই মনো বা একা সোডিয়ামযুক্ত গ্লুটামেট, তাই নামের শেষে মনো গ্লুটামেট কথাটি মনে রাখতে হবে।
- খাবার সোডার সঙ্গে সোডিয়াম গ্লুটামেটের নাম গুলিয়ে ফেলা যাবে না, কারণ খাবার সোডা হলো সোডিয়াম বাইকার্বনেট।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় খাদ্য সংযোজন ও রাসায়নিক নাম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- টেস্টিং সল্টের বৈজ্ঞানিক নাম সোডিয়াম মনো গ্লুটামেট এবং খাবার সোডার রাসায়নিক নাম সোডিয়াম বাইকার্বনেট, বিষয়টি ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) ইনসুলিন
১. কেন সঠিক:
- ইনসুলিন রক্তে গ্লুকোজ বা চিনির মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে প্রধান ভূমিকা পালন করে।
- অগ্ন্যাশয়ের আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহ্যান্সের বেটা কোষ থেকে এই হরমোন নিঃসৃত হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: ইনসুলিন হলো একটি পেপটাইড হরমোন যা বিপাক প্রক্রিয়ায় শর্করা ভাঙতে সাহায্য করে।
- কার্যপ্রণালি: এটি রক্তে শর্করা প্রবেশ করার পর কোষগুলোকে গ্লুকোজ গ্রহণ করতে উদ্দীপিত করে।
- কারণ ও ফলাফল: ইনসুলিনের ঘাটতি হলে রক্তে শর্করার পরিমাণ অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পায় যা ডায়াবেটিস মেলিটাস রোগ সৃষ্টি করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মিষ্টি খাবার খাওয়ার পর অগ্ন্যাশয় থেকে ইনসুলিন নিঃসৃত হয়ে রক্তের শর্করা কোষে পৌঁছে দেয়।
ব্যাখ্যা: এটি রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা স্বাভাবিক রাখতে সরাসরি কাজ করে।
উদাহরণ ২: দীর্ঘক্ষণ না খেয়ে থাকলে ইনসুলিনের ক্ষরণ কমে যায় এবং গ্লুকাগন হরমোন সক্রিয় হয়।
ব্যাখ্যা: এটি দেহে শক্তির ভারসাম্য বজায় রাখতে হরমোনের পারস্পরিক সহযোগিতার উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পেনিসিলিন — এটি কোনো হরমোন নয়, বরং এটি ব্যাকটেরিয়া ধ্বংসকারী একটি অ্যান্টিবায়োটিক বা ওষুধ।
B) ইনসুলিন — এটি অগ্ন্যাশয় থেকে নির্গত চিনির বিপাক নিয়ন্ত্রণকারী হরমোন এবং সঠিক উত্তর।
C) পোলিক এসিড — এটি ভিটামিন বি এর একটি রূপ যা কোষ গঠনে ও রক্ত উৎপাদনে সাহায্য করে।
D) এমিনো এসিড — এটি প্রোটিনের মূল গঠনগত একক এবং হরমোন তৈরির উপাদান, নিজে হরমোন নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- অগ্ন্যাশয়ের বেটা কোষ থেকে ইনসুলিন উৎপন্ন হয় এবং এটি চিনির বিপাক নিয়ন্ত্রণ করে।
- ইনসুলিন শব্দটির সঙ্গে রক্তে শর্করার মাত্রা কমানোর সম্পর্ক মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় মানবদেহের হরমোন অংশ থেকে প্রায়ই আসে।
- অগ্ন্যাশয়কে মিশ্র গ্রন্থি বলা হয় কারণ এটি একই সঙ্গে হরমোন ও এনজাইম উভয়ই নিঃসরণ করে।
সঠিক উত্তর: D) -৪০°
১. কেন সঠিক:
- সেলসিয়াস এবং ফারেনহাইট স্কেলের মধ্যে তাপমাত্রার রূপান্তর সম্পর্ক অনুযায়ী মাইনাস চল্লিশ ডিগ্রি তাপমাত্রায় উভয় স্কেলের মান সমান হয়।
- এই নির্দিষ্ট বিন্দুতে পারদ বা অ্যালকোহল থার্মোমিটারের পাঠ সেলসিয়াস ও ফারেনহাইট উভয় মাপে একই সংখ্যা প্রকাশ করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: তাপমাত্রা পরিমাপের জন্য বিভিন্ন স্কেল ব্যবহৃত হয় যার মধ্যে সেলসিয়াস ও ফারেনহাইট সবচেয়ে জনপ্রিয়।
- সূত্র বা তত্ত্ব: সি ভাগ পাঁচ সমান এফ বিয়োগ বত্রিশ ভাগ নয়, যেখানে সি হলো সেলসিয়াস স্কেলের তাপমাত্রা এবং এফ হলো ফারেনহাইট স্কেলের তাপমাত্রা।
- কার্যপ্রণালি: সমীকরণে সি এর পরিবর্তে এফ বসিয়ে বা উভয় চলক সমান ধরে হিসাব করলে ফলাফল মাইনাস চল্লিশ পাওয়া যায়।
- হিসাবের ধাপ: এক্স ভাগ পাঁচ সমান এক্স বিয়োগ বত্রিশ ভাগ নয়, যা সমাধান করলে নয় গুণ এক্স সমান পাঁচ গুণ এক্স বিয়োগ একষট্টি হয় এবং এক্স এর মান মাইনাস চল্লিশ আসে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শীতপ্রধান দেশের তীব্র শীতের আবহাওয়া।
ব্যাখ্যা: অনেক সময় সাইবেরিয়া বা অ্যান্টার্কটিকার কিছু অঞ্চলে তাপমাত্রা এত নিচে নেমে যায় যে স্কেলের এই নেতিবাচক মানের কাছাকাছি পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়।
উদাহরণ ২: পরীক্ষাগারে ব্যবহৃত থার্মোমিটারের ক্রমাঙ্কন।
ব্যাখ্যা: দুটি ভিন্ন স্কেলের সমতা রক্ষা করার জন্য পরীক্ষাগারে এই অভিন্ন তাপমাত্রা বিন্দুটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি গাণিতিক পরীক্ষা হিসেবে গণ্য করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ০° — এটি সেলসিয়াস স্কেলে পানির হিমাঙ্ক বা বরফ জমার তাপমাত্রা নির্দেশ করে, যা ফারেনহাইট স্কেলে বত্রিশ ডিগ্রি হয়।
B) ১০০° — এটি সেলসিয়াস স্কেলে পানির স্ফুটনাঙ্ক বা ফুটন্ত পানির তাপমাত্রা, যা ফারেনহাইট স্কেলে দুই শো বারো ডিগ্রি হয়।
C) ৪° — এটি চার ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় পানির ঘনত্ব সর্বোচ্চ হওয়ার মান, যা ফারেনহাইট স্কেলে উনচল্লিশ দশমিক দুই ডিগ্রি হয়।
D) -৪০° — এটি সেই নির্দিষ্ট ও অনন্য তাপমাত্রা যেখানে সেলসিয়াস ও ফারেনহাইট উভয় স্কেলের মান সম্পূর্ণ সমান হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মাইনাস চল্লিশ সংখ্যাটি সেলসিয়াস এবং ফারেনহাইট উভয় ক্ষেত্রেই নিজের আয়নায় প্রতিচ্ছবির মতো একই মান দেখায়।
- পরীক্ষার হলে বিভ্রান্তি এড়ানোর জন্য সি ভাগ পাঁচ সমান এফ বিয়োগ বত্রিশ ভাগ নয় এই সূত্রটি মনে রাখবে এবং সি ও এফ এর জায়গায় একই চলক ধরে মান বের করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি তাপ ও তাপগতিবিদ্যা অংশ থেকে প্রায়ই বারবার আসে।
- সেলসিয়াস এবং কেলভিন স্কেলের ক্ষেত্রে কোনো সাধারণ সমান তাপমাত্রা নেই কারণ কেলভিন স্কেলের পরম শূন্য মাত্রা মাইনাস দুই শো তিথাত্তর দশমিক পনেরো ডিগ্রি সেলসিয়াস।
সঠিক উত্তর: C) চুম্বক ক্ষেত্র হিসেবে
১. কেন সঠিক:
ক্যাসেটের ফিতায় শব্দ সংরক্ষণের প্রধান মাধ্যম হলো চুম্বকত্ব। ফিতাটির গায়ে চৌম্বক পদার্থের একটি সূক্ষ্ম প্রলেপ থাকে যা শব্দের সিগন্যালকে চুম্বক ক্ষেত্রে রূপান্তর করে ধরে রাখে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: ইলেকট্রোম্যাগনেটিক রেকর্ডিং প্রযুক্তিতে শব্দের অ্যানালগ সিগন্যালকে চৌম্বক সিগন্যালে রূপান্তরিত করা হয়।
কার্যপ্রণালি: মাইক্রোফোনের মাধ্যমে শব্দকে বৈদ্যুতিক তরঙ্গে রূপান্তর করে অডিও হেডের মধ্যে দিয়ে ফিতায় পাঠানো হয় এবং ফিতার কণাগুলো সেই অনুযায়ী চুম্বকিত হয়।
বাস্তব প্রয়োগ: এই প্রযুক্তির মাধ্যমে ক্যাসেট টেপ রেকর্ডারে গান বা কথা দীর্ঘস্থায়ীভাবে সংরক্ষণ ও বারবার বাজানো সম্ভব হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অডিও ক্যাসেট টেপ।
ব্যাখ্যা: অডিও ক্যাসেট প্লেয়ারে টেপ ঘোরার সময় চৌম্বক ফিতার তথ্য রিডিং হেডের মাধ্যমে শব্দে রূপান্তরিত হয়।
উদাহরণ ২: কম্পিউটার হার্ডডিস্ক ড্রাইভ।
ব্যাখ্যা: হার্ডডিস্কেও ঘূর্ণায়মান চৌম্বকীয় প্লেটের ওপর তথ্য সংরক্ষণ করা হয়, যা ক্যাসেট প্রযুক্তির একটি উন্নত রূপ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র হিসেবে — বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র মূলত আধানের চারপাশের অঞ্চল নির্দেশ করে, যা স্থায়ীভাবে ফিতায় শব্দ ধরে রাখতে পারে না।
B) মেমোরি চিপ হিসেবে — মেমোরি চিপ সেমিকন্ডাক্টর বা অর্ধপরিবাহী প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করে কাজ করে, যা অ্যানালগ ক্যাসেট ফিতায় ব্যবহৃত হয় না।
C) চুম্বক ক্ষেত্র হিসেবে — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়, কারণ ফিতায় চুম্বক ক্ষেত্র হিসেবেই শব্দ রক্ষিত থাকে।
D) কার্বন ক্ষেত্র হিসেবে — কার্বন ক্ষেত্র শব্দ সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয় না, এটি কার্বন মাইক্রোফোনে শব্দ তরঙ্গ পরিবর্তনে ব্যবহৃত হতে পারে।
৫. মনে রাখার টিপস:
ক্যাসেটের ফিতা মানেই চুম্বক। ক্যাসেটের ফিতা মুখে লাগালে চুম্বকের মতো টেনে ধরে, এভাবে মনে রাখা যায় যে এখানে চুম্বক ক্ষেত্র কাজ করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কম্পিউটারের ফ্লপি ডিস্ক এবং হার্ডডিস্কেও চুম্বকীয় সঞ্চয়ণ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। চুম্বকত্ব এবং তড়িৎ চুম্বকীয় আবেশ সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)