বাংলাদেশ  সিভিল সার্ভিস (BCS)

২৪ তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা ২০০৩

পদের নাম: বিভিন্ন পদ (৯ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (86)

a হাসান হাফিজুর রহমান
b জহির রায়হান
c শহীদুল্লাহ কায়সার
d আনোয়ার পাশা
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আনোয়ার পাশা ১. কেন সঠিক: ‘রাইফেল রোটি আওরাত’ উপন্যাসের রচয়িতা হলেন শহীদুল্লাহ আনোয়ার পাশা। এটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম রচিত উপন্যাস যা তৎকালীন পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বরতা ও শিক্ষক সমাজের মনস্তত্ত্ব তুলে ধরে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: আনোয়ার পাশা ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলার অধ্যাপক এবং একজন বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবী যিনি মুক্তিযুদ্ধে শহিদ হন। এই উপন্যাসে ১৯৭১ সালের মার্চ থেকে এপ্রিল মাসের ঢাকা শহরের অবরুদ্ধ জীবনের বাস্তব চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সেলিনা হোসেন রচিত ‘হাঙ্গর নদী গ্রেনেড’ ব্যাখ্যা: এটিও বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি উপন্যাস। উদাহরণ ২: শওকত ওসমান রচিত ‘জননী’ ব্যাখ্যা: এটি গ্রামীণ জীবনের পটভূমিতে রচিত একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাসান হাফিজুর রহমান — তিনি ‘একাত্তরের দিনগুলি’ বা মুক্তিযুদ্ধের প্রামাণ্য দলিল সম্পাদনার জন্য পরিচিত, এই উপন্যাসের রচয়িতা নন। B) জহির রায়হান — তিনি বিখ্যাত ‘হাজার বছর ধরে’ এবং মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ‘আরেক ফাল্গুন’ উপন্যাসের রচয়িতা। C) শহীদুল্লাহ কায়সার — তিনি ‘সারেং বউ’ ও ‘সংশপ্তক’ উপন্যাসের রচয়িতা, এই উপন্যাসের সঙ্গে সম্পর্কিত নন। D) আনোয়ার পাশা — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি ভুল নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: রাইফেল হাতে শিক্ষক আনোয়ার পাশা লিখেছিলেন এই উপন্যাস। মুক্তিযুদ্ধের পটভূমি ও লেখকের নামের মিল মনে রাখলে এই প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম উপন্যাস কোনটি এবং এর রচয়িতা কে, তা প্রায়ই আসে। সাহিত্যিকের অন্যান্য অমর কীর্তিগুলো ভালোভাবে মনে রাখা জরুরি।
a কষ্ট
b উপনিষৎ
c কল্যাণীয়েষু
d আষাঢ়
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আষাঢ় ১. কেন সঠিক: - আষাঢ় শব্দটিতে মূর্ধন্য-ষ স্বভাবতই বা প্রাকৃতিকভাবে বসেছে, যা কখনো দন্ত্য-স এ পরিবর্তিত হয় না। বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী শব্দের মধ্যে ট-বর্গীয় ধ্বনির আগে মূর্ধন্য-ষ হয়, এখানে আষাঢ় শব্দে ড ধ্বনির আগে মূর্ধন্য-ষ রয়েছে। - নিত্য মূর্ধন্য-ষ বলতে বোঝায় যে শব্দগুলোতে কোনো প্রকার ষত্ব বিধানের নিয়ম না মেনেই প্রাকৃতিকভাবে বা স্বভাবগত কারণে মূর্ধন্য-ষ ব্যবহৃত হয়। এই শব্দগুলোর ষ কখনো স তে রূপান্তর হয় না এবং এগুলো সর্বদা এভাবেই লেখা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ভাষায় তৎসম শব্দে মূর্ধন্য-ষ ব্যবহারের যে নিয়ম রয়েছে, তাকে ষত্ব বিধান বলা হয়। তবে কিছু শব্দে কোনো নিয়ম কাজ করে না, সেগুলোতে প্রাকৃতিকভাবেই মূর্ধন্য-ষ বসে, যাকে স্বভাবগত বা নিত্য মূর্ধন্য-ষ বলে। - আষাঢ়, ভাষা, পোষণ, ভাষণ, পাষাণ ইত্যাদি শব্দে কোনো নিয়ম ছাড়াই স্বভাবতই মূর্ধন্য-ষ এর ব্যবহার হয়ে থাকে। এগুলো মুখস্থ রাখতে হয় কারণ এখানে সাধারণ ষত্ব বিধানের সূত্র প্রয়োগ করা যায় না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভাষা ব্যাখ্যা: ভাষা শব্দটিতে কোনো তৎসম বা ষত্ব বিধানের নিয়মের অপেক্ষা না রেখে স্বভাবগতভাবেই মূর্ধন্য-ষ ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: আষাঢ় ব্যাখ্যা: আষাঢ় শব্দে ড এর পূর্বে স্বভাবজাতভাবে মূর্ধন্য-ষ বসেছে, যা নিত্য মূর্ধন্য-ষ এর একটি অত্যন্ত প্রচলিত উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কষ্ট — কষ্ট শব্দে মূর্ধন্য-ষ ব্যবহৃত হয়েছে ষত্ব বিধানের নিয়ম অনুযায়ী, ট ও ঠ এর পূর্বে মূর্ধন্য-ষ বসে, তাই এটি নিত্য মূর্ধন্য-ষ নয়। B) উপনিষৎ — উপনিষৎ শব্দটিতে ষত্ব বিধানের নিয়ম অনুসারে ই বা উ কারান্ত উপসর্গের পর ক ষ বর্গীয় ধ্বনি থাকায় মূর্ধন্য-ষ হয়েছে। C) কল্যাণীয়েষু — কল্যাণীয়েষু একটি চিঠিপত্রের সম্বোধন পদ যেখানে ষত্ব বিধানের সাধারণ নিয়ম কার্যকর হয়েছে, এটি স্বভাবগত ষ নয়। D) আষাঢ় — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি সঠিক এবং এটি নিত্য মূর্ধন্য-ষ এর উদাহরণ। ৫. মনে রাখার টিপস: - স্বভাবগত মূর্ধন্য-ষ মনে রাখার জন্য এই লাইনটি পড়তে পারো: আষাঢ় মাসে ভাষা ও পোষণ নিয়ে পাষাণ হৃদয়ে ভাষণ দিও না। - এই বাক্যের আষাঢ়, ভাষা, পোষণ, পাষাণ ও ভাষণ শব্দগুলোতে সবসময় নিত্য মূর্ধন্য-ষ বসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় স্বভাবগত মূর্ধন্য-ষ বা নিত্য মূর্ধন্য-ষ এর শব্দগুলো থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - কষ্ট, পরিষ্কার, আবিষ্কর্তা ইত্যাদি শব্দ দেখলে আগে দেখতে হবে সেখানে ষত্ব বিধানের কোনো নিয়ম খাটছে কি না, না খাটলে বুঝতে হবে সেটি নিত্য মূর্ধন্য-ষ।
a আশা-আকাঙ্ক্ষার সমর্থনে
b ভবিষ্যতের বাঙালি
c উন্নত জীব
d সভ্যতা
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভবিষ্যতের বাঙালি ১. কেন সঠিক: - ভবিষ্যতের বাঙালি প্রবন্ধটির রচয়িতা বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক ও চিন্তাবিদ এস, ওয়াজেদ আলী। - এই প্রবন্ধে লেখক বাঙালি জাতির ভবিষ্যৎ বিকাশ, আধুনিক মনন এবং সংকীর্ণতা মুক্তির দিকনির্দেশনা প্রদান করেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এস, ওয়াজেদ আলী ১৮৯০ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৫১ সালে মৃত্যুবরণ করেন। - তিনি ইংরেজি ও বাংলা সাহিত্যে সুপণ্ডিত ছিলেন এবং মূলত সমাজ ও সংস্কৃতি বিষয়ক প্রবন্ধ রচনা করে খ্যাতি অর্জন করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: এস, ওয়াজেদ আলীর রচিত বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ জীবন ও সংস্কৃতি। ব্যাখ্যা: এটি লেখকের একটি মননশীল প্রবন্ধগ্রন্থ যা বাঙালি সমাজের সংস্কার ও প্রগতি নিয়ে আলোচনা করে। উদাহরণ ২: এস, ওয়াজেদ আলীর আরেকটি উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ আকতার সাহেব। ব্যাখ্যা: এটি তার একটি জনপ্রিয় রম্য রচনা ও সমাজভিত্তিক সাহিত্যকর্ম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আশা-আকাঙ্ক্ষার সমর্থনে — এই শিরোনামে এস, ওয়াজেদ আলীর কোনো বিখ্যাত প্রবন্ধ বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতায় নির্ধারিত নেই। এটি মূলত বিভ্রান্ত করার জন্য অন্য লেখকের লেখার সাথে মিলিয়ে তৈরি করা একটি অপশন। B) ভবিষ্যতের বাঙালি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ এটি এস, ওয়াজেদ আলীর অত্যন্ত পরিচিত একটি প্রবন্ধ। C) উন্নত জীব — এই নামের কোনো প্রবন্ধ এস, ওয়াজেদ আলীর নয়, বরং এটি মমতাজউদ্দীন আহমদ বা অন্য কোনো লেখকের রচনার সাথে সম্পর্কিত হতে পারে। D) সভ্যতা — সভ্যতা নামে বিখ্যাত প্রবন্ধ লিখেছেন প্রমথ চৌধুরী, যা বাংলা সাহিত্যে যুক্তিবাদী গদ্যের এক অনন্য নিদর্শন। ৫ মনে রাখার টিপস: এস, ওয়াজেদ আলীর প্রবন্ধ মানেই প্রগতিশীল চিন্তা ও ভবিষ্যতের বাঙালির রূপরেখা। বাঙালি জাতির ভবিষ্যৎ নিয়ে যিনি ভেবেছেন, তিনিই এস, ওয়াজেদ আলী। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এস, ওয়াজেদ আলীর প্রবন্ধ সাধারণত সমাজ সংস্কার ও বাঙালি মুসলমানের আধুনিক শিক্ষা ও সংস্কৃতি অর্জনের ওপর গুরুত্ব দেয়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তার রচিত প্রবন্ধ এবং গ্রন্থগুলোর নাম বারবার আসে, তাই তার প্রধান গ্রন্থসমূহ ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a পথের দাবী
b নিষকৃতি
c চরিত্রহীন
d দত্তা
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পথের দাবী ১. কেন সঠিক: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক উপন্যাস পথের দাবী ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত হওয়ায় তৎকালীন ব্রিটিশ সরকার এটি বাজেয়াপ্ত করে। উপন্যাসের মূল চরিত্র সব্যসাচী মল্লিক একজন ব্রিটিশ বিরোধী বিপ্লবী, যার দেশপ্রেম ও বিপ্লবের আদর্শ ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের জন্য হুমকিস্বরূপ ছিল। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় ও প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক যিনি সমাজের নিচুতলার মানুষের জীবন ও মনস্তত্ত্ব ফুটিয়ে তুলেছিলেন। পথের দাবী উপন্যাসটি ১৯২৬ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয় এবং ব্রিটিশ সরকার এর বিপ্লবী চেতনার কারণে একই বছর এটি নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাজী নজরুলের বিষের বাঁশী ব্যাখ্যা: ব্রিটিশ সরকার বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুলের এই কাব্যগ্রন্থটিও রাজদ্রোহের অভিযোগে বাজেয়াপ্ত করেছিল। উদাহরণ ২: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কালান্তর ব্যাখ্যা: ইংরেজ আমলে প্রকাশিত এই প্রবন্ধগ্রন্থে উপনিবেশবাদ ও সাম্রাজ্যবাদের তীব্র সমালোচনা থাকায় তৎকালীন রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পথের দাবী — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই রাজনৈতিক উপন্যাসটিই ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল। B) নিষকৃতি — শরৎচন্দ্রের এই সামাজিক উপন্যাসটি পারিবারিক সম্পর্কের টানাপোড়েন নিয়ে রচিত এবং এটি সরকার কর্তৃক বাজেয়াপ্ত হয়নি। C) চরিত্রহীন — এটি শরৎচন্দ্রের একটি বিখ্যাত সমাজভিত্তিক উপন্যাস যা সমাজের নৈতিকতা ও প্রথার সমালোচনা করলেও বাজেয়াপ্ত করা হয়নি। D) দত্তা — এটি শরৎচন্দ্রের একটি জনপ্রিয় রোমান্টিক ও সমাজমূলক উপন্যাস যা প্রকাশের পর কোনো রাজনৈতিক কারণে বাজেয়াপ্ত হয়নি। ৫. মনে রাখার টিপস: শরৎচন্দ্রের যে উপন্যাসটির জন্য ব্রিটিশ সরকারের পুলিশ বা দাবির মুখে পড়তে হয়েছিল, তার নামেই রয়েছে দাবি অর্থাৎ পথের দাবী। বিপ্লবীদের পথ বা দাবি ব্রিটিশ সরকার মেনে নেয়নি বলেই এই উপন্যাসটি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কোন কোন সাহিত্যিক বা গ্রন্থ ব্রিটিশ বিরোধীতার কারণে বাজেয়াপ্ত হয়েছিল, তা প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একমাত্র রাজনৈতিক উপন্যাস কোনটি, এই তথ্যটি মনে রাখা চাকরির পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a স্বভাব নষ্ট করা
b স্পর্ধা বাড়া
c ফাঁকি দেওয়া
d কোনো উপায়ে
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ফাঁকি দেওয়া ১. কেন সঠিক: - কার মাথায় হাত বুলিয়েছে বাক্যে মাথা শব্দের মাধ্যমে কাউকে বিশেষ কৌশলে বঞ্চনা করা বা ফাঁকি দেওয়ার ভাব প্রকাশ পেয়েছে। - এখানে মাথা শব্দটির আক্ষরিক অর্থ না ধরে একটি বিশেষ বাগধারার অন্তর্নিহিত তাৎপর্য হিসেবে প্রতারণা বা ফাঁকি দেওয়ার অর্থ গ্রহণ করা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত বাগধারা বা প্রয়োগগত শব্দার্থের অংশ যেখানে শব্দ তার নিজস্ব অর্থ বাদ দিয়ে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে। - বাংলা ব্যাকরণে এই ধরনের শব্দার্থ আশু বা রূপক অর্থে ব্যবহৃত হয়ে ভাষার সৌন্দর্য ও ভাব প্রকাশের ক্ষমতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সরল পেয়ে ছেলেটার মাথায় হাত বুলিয়েছে। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে মাথায় হাত বুলানো বলতে সুযোগ বুঝে তাকে ফাঁকি দেওয়া বা সর্বস্বান্ত করার অর্থ বোঝানো হয়েছে। উদাহরণ ২: মওকা বুঝে সে পাওনাদারের মাথায় হাত বুলিয়ে চলে গেল। ব্যাখ্যা: এখানেও মাথায় হাত বুলানো অর্থ কৌশলে ফাঁকি দিয়ে পালিয়ে যাওয়া বা প্রতারণা করা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্বভাব নষ্ট করা — এটি চরিত্রের অবক্ষয় বোঝায় যা এই বাগধারার নির্দিষ্ট ভাবার্থের সঙ্গে সরাসরি মেলে না। B) স্পর্ধা বাড়া — এটি মানুষের ঔদ্ধত্য বা সাহস বৃদ্ধি পাওয়া নির্দেশ করে যা ফাঁকি দেওয়ার অর্থের বিপরীত। C) ফাঁকি দেওয়া — এটি সঠিক এবং পরীক্ষিত অর্থ যা প্রদত্ত প্রশ্ন ও উত্তরের সঙ্গে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ। D) কোনো উপায়ে — এটি একটি সাধারণ শব্দগুচ্ছ যা কোনো নির্দিষ্ট বাগধারার বিশেষ অর্থ প্রকাশ করতে অক্ষম। ৫ মনে রাখার টিপস: - মাথায় হাত বুলানো মানে সবসময় আদর করা নয় বরং কাউকে প্রতারিত করা বা ফাঁকি দেওয়াও বোঝাতে পারে। - পরীক্ষার হলে বাক্যের ভাবার্থ বুঝে উত্তর নির্বাচন করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের বিভ্রান্তিকর বাগধারার অর্থ জানতে চাওয়া হয়। - আক্ষরিক অর্থের পরিবর্তে প্রমিত ও প্রচলিত ভাবার্থ মনে রাখলে এসব প্রশ্নের উত্তর সহজে করা সম্ভব।
a সোজন বাদিয়ার ঘাট (উপন্যাস)
b কাঁদো নদী কাঁদো (কাব্য)
c বহিপীর (নাটক)
d মহাশ্মশান (নাটক)
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বহিপীর (নাটক) ১. কেন সঠিক: - বহিপীর নাটকটি বাংলা নাট্যসাহিত্যে একটি ঐতিহাসিক ও সামাজিক গুরুত্বসম্পন্ন রচনা। - নাটকের মূল বিষয়বস্তু হলো তৎকালীন রক্ষণশীল সমাজব্যবস্থা এবং পীরতন্ত্রের অন্ধবিশ্বাসের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের সুর। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বহিপীর নাটকের রচয়িতা হলেন প্রখ্যাত নাট্যকার ও ঔপন্যাসিক সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ। - এটি প্রকাশিত হয় ১৯০ বছরে এবং এটি বাংলা নাট্যধারায় মনস্তুত্ত্বিক ও সামাজিক সংকটের এক অনন্য নিদর্শন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুরঙ্গনা (কাব্য) ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যার মাধ্যমে আধুনিক কাব্যের রূপ ফুটে উঠেছে। উদাহরণ ২: রক্তকরবী (নাটক) ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি রূপকধর্মী নাটক যা যন্ত্রসভ্যতার বিরুদ্ধে মানুষের জয়গান গায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সোজন বাদিয়ার ঘাট (উপন্যাস) — এটি কোনো উপন্যাস নয় বরং জসীমউউদ্দীনের লেখা একটি বিখ্যাত খণ্ডকাব্য বা দীর্ঘ কবিতা। B) কাঁদো নদী কাঁদো (কাব্য) — এটি কোনো কাব্যগ্রন্থ নয় বরং সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর লেখা একটি মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস। C) বহিপীর (নাটক) — এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত একটি সফল সামাজিক নাটক যা সঠিক উত্তরের সঙ্গে মিলে যায়। D) মহাশ্মশান (নাটক) — এটি কোনো নাটক নয় বরং কায়কোবাদের লেখা একটি বিখ্যাত মহাকাব্য। ৫ মনে রাখার টিপস: সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর নাটক মনে রাখার সহজ কৌশল হলো তার বিখ্যাত নাটক 'বহিপীর' এবং 'তরঙ্গময়ী' বা 'সুড়ঙ্গ' সংক্রান্ত নাটকগুলো ভালোভাবে মনে রাখা। নাট্যকার হিসেবে তার সবচেয়ে জনপ্রিয় ও পরীক্ষামুখী সৃষ্টি হলো এই বহিপীর নাটকটি। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর উপন্যাস এবং নাটকের নাম উল্টো করে অপশনে দেওয়া হয়। তাই লালসালু ও কাঁদো নদী কাঁদো যে উপন্যাস এবং বহিপীর যে নাটক, তা পরিষ্কারভাবে মনে রাখতে হবে।
a কাব্য
b নাটক
c উপন্যাস
d প্রবন্ধ
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কাব্য ১. কেন সঠিক: 'মা যে জননী কান্দে' একটি বিখ্যাত আধুনিক কাব্যগ্রন্থ। এটি বাংলাদেশের প্রখ্যাত কবি নির্মলেন্দু গুণ রচিত একটি জনপ্রিয় কাব্য যা বাংলা কবিতাপ্রেমীদের কাছে সমাদৃত। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: কবি নির্মলেন্দু গুণ বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ ও দ্রোহের কবিতার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। তার এই কাব্যটিতে বাঙালি জাতির আবেগ, মুক্তিযুদ্ধকালীন কষ্ট এবং জননী হৃদয়ের বেদনা শিল্পসম্মতভাবে ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'সৈনিক' ব্যাখ্যা: এটিও কবি নির্মলেন্দু গুণের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা তার মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চেতনার প্রকাশ। উদাহরণ ২: 'আনন্দ আমার আনন্দ' ব্যাখ্যা: এটি নির্মলেন্দু গুণ রচিত আরেকটি উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ যা তার রোমান্টিক ও দ্রোহী চেতনার পরিচায়ক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাব্য — এটি সঠিক কারণ গ্রন্থটি একটি কাব্যগ্রন্থ হিসেবে বাংলা সাহিত্যে প্রকাশিত হয়েছে। B) নাটক — এটি নাটক নয় কারণ এতে কোনো দৃশ্যকাব্য বা সংলাপভিত্তিক নাটকীয় বিন্যাস নেই। C) উপন্যাস — এটি উপন্যাস নয় কারণ উপন্যাসের মতো এতে কোনো দীর্ঘ কথাসাহিত্য বা প্লটভিত্তিক গল্প নেই। D) প্রবন্ধ — এটি প্রবন্ধ নয় কারণ প্রবন্ধের মতো এখানে কোনো তথ্যভিত্তিক বা তাত্ত্বিক আলোচনা করা হয়নি। ৫. মনে রাখার টিপস: নির্মলেন্দু গুণের নাম দেখলে সাধারণত কাব্যগ্রন্থের কথাই মাথায় রাখবে। 'মা যে জননী কান্দে' একটি আবেগঘন কাব্য। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিখ্যাত কবিদের কাব্যগ্রন্থের নাম প্রায়ই আসে। নির্মলেন্দু গুণের কাব্যগ্রন্থগুলো ভালোভাবে পড়লে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা সম্ভব।
a মৃত্যুক্ষুধা
b আলেয়া
c ঝিলিমিলি
d মধুমালা
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মৃত্যুক্ষুধা ১. কেন সঠিক: - মৃত্যুক্ষুধা হলো জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস। - এই উপন্যাসে কলকাতার দরিদ্র ও নিম্নবর্গ মানুষের জীবনসংগ্রাম এবং তাদের ক্ষুধা ও দারিদ্র্যের বাস্তব চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি হলেও তিনি কয়েকটি উপন্যাসও রচনা করেছেন। - তাঁর অন্যান্য উল্লেখযোগ্য উপন্যাস হলো বাঁধনহারা ও কুহেলিকা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাঁধনহারা ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত পত্রোপন্যাস। উদাহরণ ২: কুহেলিকা ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের রাজনৈতিক ও রোমান্টিক চেতনার একটি উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মৃত্যুক্ষুধা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি প্রযোজ্য নয়। B) আলেয়া — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত সংগীতনাট্য বা নাটক, কোনো উপন্যাস নয়। C) ঝিলিমিলি — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি রোমান্টিক নাটক। D) মধুমালা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি রূপক নাটিকা বা গীতি নাট্য। ৫. মনে রাখার টিপসের জন্য: - নজরুলের তিনটি বিখ্যাত উপন্যাস মনে রাখার সহজ সূত্র হলো বাঁকু মৃ, যেখানে বাঁধনহারা, কুহেলিকা ও মৃত্যুক্ষুধা বোঝানো হয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবির উপন্যাস ও নাটকের পার্থক্য প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়। - তাই নজরুলের উপন্যাস এবং নাটকগুলোর তালিকা আলাদা করে মুখস্থ রাখা উচিত।
a না-বাচক
b হ্যাঁ-বাচক
c প্রশ্নবোধক
d বিস্ময়সূচক
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) হ্যাঁ-বাচক ১. কেন সঠিক: বাক্যে 'না' অব্যয়টি যখন হ্যাঁ-বাচক বা ইতিবাচক অর্থ প্রকাশ করতে জোরালো সম্মতি বা বিস্ময় প্রকাশ করে, তখন তাকে হ্যাঁ-বাচক না বলা হয়। এখানে বক্তা নিশ্চিতভাবে মনে করিয়ে দিচ্ছেন যে শ্রোতা আসার কথা বলেছিল, তাই 'না' শব্দটি অস্বীকৃতি নয় বরং নিশ্চিতকরণ বোঝাচ্ছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে অব্যয় পদের নানা ব্যবহার রয়েছে। 'না' সাধারণত না-বাচক বা নেতিবাচক অর্থে ব্যবহৃত হলেও বিশেষ বাকপ্রকরণে এটি হ্যাঁ-বাচক অর্থ প্রকাশ করতে পারে। যখন প্রশ্নসূচক বাক্যের মাধ্যমে শ্রোতার কাছ থেকে হ্যাঁ বা সম্মতি আদায় করা হয়, তখন 'না' হ্যাঁ-বাচক অর্থ দেয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তুমি না বলেছিলে কাজটি সহজ হবে? ব্যাখ্যা: এই বাক্যে 'না' শব্দটি আগের প্রতিশ্রুতির কথা মনে করিয়ে দিয়ে হ্যাঁ-বাচক বা নিশ্চিত করার অর্থ প্রকাশ করছে। উদাহরণ ২: সে কি আসবে না ভেবেছিলে? ব্যাখ্যা: এখানে 'না' বাক্যের সুরের কারণে হ্যাঁ-বাচক প্রত্যাশাকে জোরালোভাবে প্রকাশ করছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) না-বাচক — এই বাক্যে 'না' সরাসরি কোনো অস্বীকৃতি বা নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ করছে না, তাই এটি ভুল। C) প্রশ্নবোধক — 'না' নিজেই প্রশ্নবোধক শব্দ নয়, পুরো বাক্যটি প্রশ্নবোধক হলেও 'না' এখানে একটি বিশেষ ভাব প্রকাশ করছে। D) বিস্ময়সূচক — এই বাক্যে বিস্ময় প্রধান নয়, বরং পূর্বের কথার সত্যতা যাচাই বা নিশ্চিতকরণ প্রধান উদ্দেশ্য। ৫. মনে রাখার টিপস: বাক্যের শুরুতে বা মাঝে 'না' ব্যবহার করে যদি আগের কথার সত্যতা বা সম্মতি চাওয়া হয়, তবে তা সর্বদা হ্যাঁ-বাচক অর্থ প্রকাশ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অব্যয়ের বিশেষ অর্থভিত্তিক ব্যবহার থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। বাক্যের অন্তর্নিহিত ভাব না বুঝে শুধু শব্দ দেখে উত্তর করলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
a সন্ধিজনিত
b প্রত্যয়জনিত
c উপসর্গজনিত
d বিভক্তিজনিত
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্রত্যয়জনিত ১. কেন সঠিক: উৎকর্ষতা শব্দটি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী গঠিত হয়নি কারণ এটি দ্বিরুক্ত প্রত্যয় বা বহusing পদদোষে দুষ্ট। উৎকর্ষ শব্দের সাথে তা প্রত্যয় যুক্ত করা হয়েছে, যা ব্যাকরণসম্মত নয় কারণ উৎকর্ষ নিজে একটি ভাববাচক বিশেষ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: উৎকর্ষ শব্দের অর্থ উৎকর্ষের ভাব বা গুণ। শব্দের সাথে তা বা তাড়া প্রত্যয় যুক্ত করে নতুন বিশেষ্য পদ তৈরি করা যায় না যদি মূল শব্দটি ইতিমধ্যে ভাববাচক হয়। তাই উৎকর্ষ শব্দটির সাথে আবার তা প্রত্যয় যোগ করলে বাহুল্য দোষ ঘটে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঔদার্য ব্যাখ্যা: উদার শব্দের শুদ্ধ ভাববাচক রূপ হলো ঔদার্য, এখানে ঔদার্যতা লেখা ভুল। উদাহরণ ২: গুরুত্ব ব্যাখ্যা: গুরু শব্দের শুদ্ধ রূপ গুরুত্ব, এর সাথে আবার তা প্রত্যয় যোগ করে গুরুত্বতা লেখা অশুদ্ধ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সন্ধিজনিত — এই শব্দের গঠনে কোনো সন্ধি নিয়মের ভুল নেই। B) প্রত্যয়জনিত — এটি সঠিক কারণ এখানে অতিরিক্ত তা প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে। C) উপসর্গজনিত — এই শব্দে কোনো উপসর্গ ব্যবহারের ত্রুটি নেই। D) বিভক্তিজনিত — এখানে কোনো বিভক্তির প্রয়োগজনিত ভুল ঘটেনি। ৫ মনে রাখার টিপস: উৎকর্ষ বা সাহচর্যের মতো শব্দের সাথে অতিরিক্ত তা প্রত্যয় ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন। শুদ্ধ রূপটি মনে রাখুন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের বাহুল্য দোষযুক্ত শব্দ আসে। যেমন দৈন্যতা, স্বায়ত্তশাসন ইত্যাদি শব্দের সঠিক গঠন জানা জরুরি।
a অরণ্য
b পর্বত
c স্থাবর
d সমুদ্র
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) স্থাবর ১. কেন সঠিক: - জঙ্গম শব্দের অর্থ যা গতিশীল বা যা এক স্থান থেকে অন্য স্থানে চলতে পারে। - এর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করার জন্য এমন একটি শব্দ প্রয়োজন যার অর্থ স্থির বা যা চলাচল করতে পারে না। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে বিপরীতার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যা ঠিক উল্টো বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। - বিশেষ্য ও বিশেষণ পদের ক্ষেত্রে এই বিপরীত রূপগুলো ব্যাকরণগতভাবে শব্দের শ্রেণি ঠিক রেখে পরিবর্তিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সচল ও অচল ব্যাখ্যা: সচল শব্দের অর্থ যা চলে এবং অচল শব্দের অর্থ যা চলে না, এটি জঙ্গম ও স্থাবরের মতো সমার্থক বিপরীত শব্দ। উদাহরণ ২: চেতন ও অচেতন ব্যাখ্যা: চেতন মানে যার জীবন বা চেতনা আছে এবং অচেতন মানে যার তা নেই, এটিও অর্থের দিক থেকে বিপরীত শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অরণ্য - এর অর্থ বন বা জঙ্গল, যা জঙ্গম শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না। B) পর্বত - এর অর্থ পাহাড়, যা একটি বিশেষ্য পদ এবং জঙ্গমের বিপরীতার্থক নয়। C) স্থাবর - সঠিক উত্তর, এর অর্থ যা নড়ে না বা স্থির। D) সমুদ্র - এর অর্থ সাগর, যা জলরাশি নির্দেশ করে এবং এর সঙ্গে জঙ্গমের কোনো বিপরীত সম্পর্ক নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: - জঙ্গম মানে চলমান এবং স্থাবর মানে স্থির, এই দুটি শব্দ জোড়ায় জোড়ায় মুখস্থ রাখা সবচেয়ে সহজ উপায়। - পরীক্ষায় প্রায়ই এই দুটি শব্দ একসঙ্গে বিপরীতার্থক হিসেবে আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ থেকে আসা বিপরীতার্থক শব্দগুলো বেশি গুরুত্বপূর্ণ। - এই ধরনের শব্দগুলোর মূল সংস্কৃত অর্থ জানা থাকলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
a রবিন্দ্রনাথ ঠাকুর
b কাজী নজরুল ইসলাম
c বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়
d প্রমথ চৌধুরী
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রমথ চৌধুরী ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত উদ্ধৃতিটি প্রমথ চৌধুরীর বিখ্যাত প্রাবন্ধিক পরিচয়ের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। - তিনি বাংলা সাহিত্যে চলতি ভাষার প্রবর্তক এবং এই বাণীর মাধ্যমে তিনি কথ্য ভাষার সাবলীল রূপকে লেখার বাহন করার পক্ষে জোরালো মত প্রকাশ করেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - প্রমথ চৌধুরী বাংলা সাহিত্যে ছদ্মনাম বীরবল হিসেবে পরিচিত এবং তিনি সবুজপত্র পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। - তিনি বাংলা গদ্যে কথ্য ভাষার রীতিনীতি প্রবর্তন করে গদ্যশৈলীকে কৃত্রিমতামুক্ত ও গতিশীল করেছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রমথ চৌধুরীর প্রবন্ধ গ্রন্থ তৈলচিত্র। ব্যাখ্যা: এটি তার অন্যতম জনপ্রিয় ও চিন্তাউদ্দীপক প্রাবন্ধিক রচনা। উদাহরণ ২: প্রমথ চৌধুরীর প্রবন্ধ গ্রন্থ বীরবলের হালখাতা। ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থে তার সমাজ ও সাহিত্য বিষয়ক মননশীল চিন্তার প্রতিফলন ঘটেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবিন্দ্রনাথ ঠাকুর — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা চলিত ভাষার ব্যবহারকে সমর্থন করলেও আলোচিত বিখ্যাত উদ্ধৃতিটি তার নয়। B) কাজী নজরুল ইসলাম — কাজী নজরুল ইসলাম বিদ্রোহী কবি ও কথাসাহিত্যিক হলেও এই নির্দিষ্ট প্রাবন্ধিক উদ্ধৃতির প্রবক্তা নন। C) বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় — বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় বনফুল ছদ্মনামে পরিচিত একজন খ্যাতিমান কথাসাহিত্যিক ও নাট্যকার, এই উক্তির সঙ্গে তার সম্পর্ক নেই। D) প্রমথ চৌধুরী — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি বাংলা সাহিত্যে চলতি রীতির পক্ষে জোরালো অবস্থান নিয়েছিলেন এবং এই বিখ্যাত উক্তিটি তারই। ৫ মনে রাখার টিপস: - ভাষা ও কলমের সম্পর্ক নিয়ে এমন সাহিত্যিক ও আধুনিক চিন্তার কথা বললে চোখ বন্ধ করে প্রমথ চৌধুরীকে মনে রাখবে। - সবুজপত্র পত্রিকা এবং বীরবল ছদ্মনাম দেখলে প্রমথ চৌধুরীর কথা মাথায় রাখবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রমথ চৌধুরীর বিখ্যাত উক্তি এবং তার ছদ্মনাম সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - চলিত রীতির প্রবর্তক হিসেবে তার অবদান বাংলা সাহিত্য ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a সমক্ষ
b পরোক্ষ
c প্রত্যক্ষ
d নিরপেক্ষ
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সমক্ষ ১. কেন সঠিক: - অক্ষির সমীপে বাক্যাংশটির এককথায় প্রকাশ হলো সমক্ষ, যার অর্থ চোখের সামনে বা অক্ষিগোচর। - এখানে অক্ষি শব্দের অর্থ চোখ এবং সমীপে শব্দের অর্থ কাছে বা সামনে, যা মিলে সমক্ষ শব্দটি গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন হলো বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার ব্যাকরণগত প্রক্রিয়া। - এটি ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং ভাবকে সংক্ষেপে ও সুন্দরভাবে প্রকাশ করতে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অক্ষির সমক্ষে বর্তমান = প্রত্যক্ষ ব্যাখ্যা: চোখের সামনে বা সমক্ষে কোনো কিছু উপস্থিত থাকাকে প্রত্যক্ষ বলা হয়। উদাহরণ ২: অক্ষির গোচর নয় = পরোক্ষ ব্যাখ্যা: যা চোখের সামনে বা গোচরে নেই, তাকে পরোক্ষ বলা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সমক্ষ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি অক্ষির সমীপে বাক্যাংশটির নির্ভুল এককথায় প্রকাশ। B) পরোক্ষ — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ যা অক্ষির বা চোখের অগোচরে রয়েছে। C) প্রত্যক্ষ — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ যা অক্ষির সমক্ষে বা চোখের সামনে বর্তমান। D) নিরপেক্ষ — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ কোনো পক্ষ বা মতের প্রতি পক্ষপাতহীন থাকা। ৫. মনে রাখার টিপস: - সমীপে বা সামনে বোঝালে সমক্ষ শব্দটি ব্যবহার করা হয় এবং চোখের অগোচরে বোঝালে পরোক্ষ হয়। - অক্ষি সংক্রান্ত বাক্য সংকোচনের ক্ষেত্রে সমক্ষ ও প্রত্যক্ষ শব্দ দুটির পার্থক্য ভালোভাবে মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এককথায় প্রকাশ থেকে বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - চোখের সঙ্গে সম্পর্কিত বাক্য সংকোচনগুলো যেমন সমক্ষ, প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ একসঙ্গে পড়লে সহজে মনে থাকে।
a অব্যয় ও শব্দাংশ
b নূতন শব্দ গঠনে
c উপসর্গ থাকে সামনে, প্রত্যায় থাকে পেছনে
d ভিন্ন অর্থ প্রকাশে
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) উপসর্গ থাকে সামনে, প্রত্যয় থাকে পেছনে ১. কেন সঠিক: উপসর্গ ও প্রত্যয় উভয়ই শব্দগঠনকারী উপাদান হলেও এদের অবস্থানের মধ্যে মৌলিক পার্থক্য রয়েছে। উপসর্গ সর্বদা মূল শব্দের পূর্বে বা সামনে বসে নতুন শব্দ তৈরি করে এবং প্রত্যয় সর্বদা মূল শব্দ বা ধাতুর পরে বা পেছনে বসে নতুন শব্দ গঠন করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: উপসর্গ হলো কিছু অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা শব্দের আদিতে বসে অর্থের সংকোচন, সম্প্রসারণ বা পরিবর্তন ঘটায়। অন্যদিকে প্রত্যয় হলো বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি যা নামশব্দ বা প্রকৃতির পরে যুক্ত হয়ে নতুন পদ বা শব্দ তৈরি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্র + হার = প্রহার। ব্যাখ্যা: এখানে প্র হলো উপসর্গ যা হার শব্দের সামনে বসে নতুন শব্দ গঠন করেছে। উদাহরণ ২: চল্ + আ = চলা। ব্যাখ্যা: এখানে আ হলো প্রত্যয় যা চল্ ধাতুর পেছনে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অব্যয় ও শব্দাংশ — এই বক্তব্য তাত্ত্বিকভাবে সত্য হলেও এটি উপসর্গ ও প্রত্যয়ের মূল অবস্থানের পার্থক্য বোঝায় না। B) নূতন শব্দ গঠনে — উপসর্গ ও প্রত্যয় উভয়ই নতুন শব্দ গঠন করে, তাই এটি এদের মধ্যকার পার্থক্য নয় বরং মিল। C) উপসর্গ থাকে সামনে, প্রত্যায় থাকে পেছনে — এই অপশনটি উপসর্গ ও প্রত্যয়ের গঠনগত সঠিক পার্থক্য নির্দেশ করে। D) ভিন্ন অর্থ প্রকাশে — উপসর্গ ও প্রত্যয় উভয়েই নতুন অর্থ প্রকাশ করে, তাই এটি এদের অবস্থানের পার্থক্য নির্দেশ করে না। ৫ মনে রাখার টিপস: উপসর্গ থাকে প্রথমে বা সামনে, আর প্রত্যয় থাকে পরে বা পেছনে। এই নিয়মটি মনে রাখলে পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা সম্ভব হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গ ও প্রত্যয়ের অবস্থান সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। শব্দগঠনের ক্ষেত্রে সামনে বসে কে এবং পেছনে বসে কে, তা পরিষ্কার ধারণা রাখলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
a বিশেষণ
b অব্যয়
c সর্বনাম
d ক্রিয়া
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সর্বনাম ১. কেন সঠিক: ‘তুমি এতক্ষণ কী করেছ?’ বাক্যে ‘কী’ শব্দটি কোনো নাম পদকে নির্দেশ না করে একটি অজানা কাজ বা বিষয়কে নির্দেশ করেছে। বিশেষ্য পদের পরিবর্তে বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে প্রশ্ন করার কাজটি সম্পন্ন করায় ‘কী’ এখানে সর্বনাম পদ হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: যে শব্দ কোনো বিশেষ্য পদের পরিবর্তে বাক্যে ব্যবহৃত হয়, তাকে সর্বনাম পদ বলে। প্রশ্ন করার সময় বা অনির্দিষ্টতা বোঝাতে যখন কী, কে, কারা ইত্যাদি শব্দ ব্যবহৃত হয়, তখন সেগুলো প্রশ্নবাচক বা অনির্দিষ্টবাচক সর্বনাম হিসেবে গণ্য হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তুমি বাজারে কী কিনলে? ব্যাখ্যা: এ বাক্যে ‘কী’ শব্দটি নির্দিষ্ট কোনো বস্তুর নামের পরিবর্তে বসেছে এবং প্রশ্ন তৈরি করেছে, তাই এটি সর্বনাম। উদাহরণ ২: তোমার ব্যাগে কী আছে? ব্যাখ্যা: এখানে ‘কী’ শব্দটি ব্যাগের ভে ্তরের অজানা বস্তুর নামকে নির্দেশ করেছে, যা সর্বনাম পদের কাজ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিশেষণ — বিশেষণ পদ কোনো বিশেষ্য বা সর্বনামের দোষ, গুণ, সংখ্যা বা পরিমাণ নির্দেশ করে, কিন্তু ‘কী’ এখানে কোনো পদের দোষ-গুণ বোঝাচ্ছে না। B) অব্যয় — অব্যয় পদের নিজস্ব কোনো রূপান্তর হয় না এবং এটি পদগুলোকে সংযুক্ত করে, কিন্তু ‘কী’ এখানে একটি স্বাধীন পদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। D) ক্রিয়া — ক্রিয়া পদ দ্বারা কোনো কাজ করা বোঝায়, কিন্তু ‘কী’ দিয়ে কোনো কাজ সম্পন্ন হওয়া বোঝায়নি বরং কাজটি সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: বাক্যে যদি কোনো নাম পদ বা বস্তুর পরিবর্তে প্রশ্ন করার জন্য কী, কে, কার ব্যবহার করা হয়, তবে চোখ বন্ধ করে তা সর্বনাম পদ হিসেবে চিহ্নিত করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ‘কী’ শব্দটি কখনো বিশেষণ আবার কখনো সর্বনাম হিসেবে আসে। বাক্যের অর্থ বুঝে পদের ধরন নির্ণয় করতে হয়।
a কর্তৃকারকে সপ্তমী
b কর্মকারকে সপ্তমী
c অপাদান কারকে তৃতীয়া
d অধিকরণ কারকে সপ্তমী
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অধিকরণ কারকে সপ্তমী ১. কেন সঠিক: ক্রিয়া সম্পাদনের আধার বা স্থানকে অধিকরণ কারক বলে। এখানে 'আকাশে' শব্দটিতে ক্রিয়াটি সম্পন্ন হওয়ার স্থান বা ক্ষেত্র বোঝাচ্ছে এবং এর সাথে 'এ' বিভক্তি যুক্ত আছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাক্যে ক্রিয়া কখন, কোথায় বা কোন বিষয়ে সংঘটিত হয় তা প্রকাশ করার জন্য অধিকরণ কারক ব্যবহৃত হয়। শব্দের শেষে 'এ' বা 'য়' বিভক্তি যুক্ত থাকলে তা সাধারণত সপ্তমী বিভক্তি হিসেবে গণ্য করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বনে বাঘ থাকে। ব্যাখ্যা: বন একটি স্থান বা আধার বোঝানোয় এটি অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তির উদাহরণ। উদাহরণ ২: পুকুরে মাছ আছে। ব্যাখ্যা: পুকুর হলো মাছ থাকার স্থান, যা অধিকরণ কারক নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্তৃকারক সপ্তমী — কর্তৃকারক বাক্যের মূল প্রণেতা বা কর্তা বোঝায়, যা এখানে নেই। B) কর্মকারক সপ্তমী — কর্মকারক যাকে আশ্রয় করে ক্রিয়া সম্পন্ন হয় তা বোঝায়, কিন্তু এখানে স্থান নির্দেশ করা হয়েছে। C) অপাদান কারক তৃতীয়া — অপাদান কারক থেকে, হতে বা চ্যুতি বোঝায়, যা এই বাক্যে অনুপস্থিত। D) অধিকরণ কারকে সপ্তমী — এটি সঠিক কারণ এটি স্থান এবং সপ্তমী বিভক্তি নির্দেশ করে। ৫ মনে রাখার টিপস: কোথায় বা কিসে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায় এবং তা যদি স্থান বা কাল হয়, তবে তা অধিকরণ কারক হয়। শব্দের শেষে এ, য় বা তে থাকলে সাধারণত সপ্তমী বিভক্তি হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: স্থান বা আধার বুঝলেই তা সবসময় অধিকরণ কারক হবে। বিভক্তি চেনার জন্য শব্দের শেষে অতিরিক্ত বর্ণ বা প্রত্যয় যুক্ত হওয়ার ধরন খেয়াল করতে হবে।
a সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
b সুকুমার সেন
c মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌
d মুহম্মদ এনামুল হক
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌ ১. কেন সঠিক: - ‘বাঙ্গালা ভাষার ইতিবৃত্ত’ গ্রন্থটির রচয়িতা ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌, যা বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ নিয়ে রচিত একটি প্রামাণ্য গ্রন্থ। - বাংলা ভাষাভাষী শিক্ষার্থীদের জন্য ভাষা তত্ত্ব ও ইতিহাসের এই গ্রন্থটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ঐতিহাসিক দলিল। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌ ছিলেন বিশ শতকের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বাঙালি ভাষাতাত্ত্বিক, গবেষক ও পন্ডিত। - ১৯৫৯ সালে প্রকাশিত এই গ্রন্থে তিনি প্রাচীন ও মধ্যযুগের বাংলা ভাষার রূপরেখা এবং ধ্বনিতত্ত্বের ওপর আলোকপাত করেছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভাষা ও সাহিত্য ব্যাখ্যা: ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌ সম্পাদিত ‘বাংলাদেশের আঞ্চলিক ভাষার অভিধান’ বাংলা ভাষা গবেষণার ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক। উদাহরণ ২: বাংলা ভাষার ইতিহাস ব্যাখ্যা: সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের ‘ওডিবিএল’ (ODBL) গ্রন্থের পর বাংলা ভাষার ইতিহাস নিয়ে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌র এই গবেষণা বাংলা সাহিত্যে অমর হয়ে আছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় — তিনি ‘ওডিবিএল’ (The Origin and Development of the Bengali Language) গ্রন্থের রচয়িতা, যা বাংলা ভাষার ইতিহাসের ওপর লেখা হলেও এই নির্দিষ্ট গ্রন্থটির লেখক নন। B) সুকুমার সেন — তিনি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস রচয়িতা এবং তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ ‘বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস’, তবে এই নির্দিষ্ট গ্রন্থটি তাঁর লেখা নয়। C) মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌ — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি ‘বাঙ্গালা ভাষার ইতিবৃত্ত’ গ্রন্থটি রচনা করেছেন। D) মুহম্মদ এনামুল হক — তিনি একজন বিশিষ্ট পন্ডিত ও গবেষক হলেও ‘বাঙ্গালা ভাষার ইতিবৃত্ত’ গ্রন্থের রচয়িতা নন। ৫. মনে রাখার টিপস: - ইতিবৃত্ত মানে ইতিহাস। বাংলা ভাষার আদি ইতিহাস নিয়ে কাজ করেছেন ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌। এভাবে মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাষা ও ইতিবৃত্ত সম্পর্কিত গ্রন্থ এবং লেখকের নাম প্রায়ই আসে। - ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌র অন্যান্য বিখ্যাত গ্রন্থগুলোর নামও ভালোভাবে দেখে যাওয়া উচিত।
a শেষের কবিতা
b বলাকা
c ডাকঘর
d কালান্তর
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) শেষের কবিতা ১. কেন সঠিক: - শেষের কবিতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত ও প্রথাবিরোধী রোমান্টিক উপন্যাস। - নামের শেষে কবিতা শব্দ থাকলেও এটি কোনো কাব্যগ্রন্থ নয়, বরং একটি পূর্ণাঙ্গ উপন্যাস। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যকে বিভিন্ন ধারায় সমৃদ্ধ করেছেন এবং এই উপন্যাসটি প্রকাশিত হয় ১৯২৯ সালে। - উপন্যাসের প্রধান দুটি চরিত্র হলো অমিত রায় ও লাবণ্য সেন এবং এর মূল সুর আধুনিক প্রেমের ভিন্নমাত্রা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোখের বালি ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত প্রথম সার্থক মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস। উদাহরণ ২: যোগাযোগ ব্যাখ্যা: এটিও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শেষের কবিতা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি একটি উপন্যাস। B) বলাকা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা ১৯১৬ সালে প্রকাশিত হয়। C) ডাকঘর — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি প্রতীকধর্মী নাটক যা ১৯১২ সালে রচিত হয়। D) কালান্তর — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত প্রাবন্ধিক গ্রন্থ যা সমসাময়িক রাজনীতি ও সমাজ নিয়ে লেখা। ৫ মনে রাখার টিপস: - নামের ভেতর কবিতা থাকলেই কাব্যগ্রন্থ ভেব না, শেষের কবিতা মূলত একটি উপন্যাস। - রবীন্দ্রনাথের বিখ্যাত উপন্যাসগুলো মনে রাখার জন্য চরিত্রগুলোর নাম যেমন অমিত ও লাবণ্য মাথায় রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিভ্রান্ত করার জন্য কাব্যগ্রন্থের মতো নামযুক্ত উপন্যাস বা নাটকের নাম দেওয়া হয়। - রচনার নাম দেখে ধরন নির্ধারণ না করে লেখকের প্রকৃত সাহিত্যকর্মের তালিকা ভালোভাবে পড়তে হবে।
a কবিতা
b পত্রিকা
c উপন্যাস
d ছোটগল্প
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পত্রিকা ১. কেন সঠিক: - কাজী নজরুল ইসলামের সম্পাদনায় প্রকাশিত একটি অর্ধ-সাপ্তাহিক পত্রিকা হলো ধূমকেতু। - এই পত্রিকার মাধ্যমে বিদ্রোহী কবির সাহিত্যিক ও রাজনৈতিক পরিচিতি ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের এক অনন্য প্রতিভাবান কবি ও ঔপন্যাসিক। - ধূমকেতু পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯২২ সালের আগস্ট মাসে এবং এর প্রচ্ছদ এঁকেছিলেন অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লাঙল ব্যাখ্যা: এটিও কাজী নজরুল ইসলাম কর্তৃক সম্পাদিত একটি বিখ্যাত সাময়িকপত্র। উদাহরণ ২: নবযুগ ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলাম ও শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক যৌথভাবে সম্পাদনা করেছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কবিতা — ধূমকেতু কোনো একক কবিতা নয়, এটি একটি পত্রিকা। B) পত্রিকা — সঠিক উত্তর, এটি নজরুল সম্পাদিত একটি বিখ্যাত অর্ধ-সাপ্তাহিক পত্রিকা। C) উপন্যাস — ধূমকেতু কোনো উপন্যাস বা কথাসাহিত্য নয়। D) ছোটগল্প — ধূমকেতু কোনো গল্পের বই বা ছোটগল্প নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - নজরুলের মুখের কথা এবং তার পরিচালিত পত্রিকার নাম মনে রাখতে ধূমকেতু শব্দটি মাথায় রাখবে। - কবিকে স্বয়ং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আশীর্বাদ করে ধূমকেতু পত্রিকার জন্য একটি কবিতা লিখে দিয়েছিলেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ধূমকেতুর প্রথম পাতার উদ্বোধনী কবিতায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আশীর্বাণী প্রকাশিত হয়েছিল। - এই ধরনের প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পত্রিকা ও সম্পাদকের নাম খুব কমন একটি প্রশ্ন।
a রাখালী
b সোজন বাদিয়ার ঘাট
c নক্‌শী কাঁথার মাঠ
d বালুচর
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রাখালী ১. কেন সঠিক: পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ হলো রাখালী। ১৯২৭ সালে এই কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয় এবং এর মাধ্যমেই তিনি বাংলা সাহিত্যে আত্মপ্রকাশ করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: জসীমউদ্দীন বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধের অন্যতম প্রধান বাঙালি কবি ও সাহিত্যিক। তাঁর কবিতায় গ্রামীণ বাংলার প্রকৃতি, মানুষের সহজ সরল জীবন ও লোকজ সংস্কৃতি অত্যন্ত চমৎকারভাবে ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নকশী কাঁথার মাঠ। ব্যাখ্যা: এটি জসীমউদ্দীনের বিখ্যাত একটি দীর্ঘ কাহিনীকাব্য যা ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: সোজন বাদিয়ার ঘাট। ব্যাখ্যা: এটি কবির আরেকটি জনপ্রিয় প্রণয়ধর্মী কাহিনীকাব্য যা ১৯৩৩ সালে প্রকাশিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাখালী — এটি জসীমউদ্দীনের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ হওয়ায় সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। B) সোজন বাদিয়ার ঘাট — এটি কবির প্রথম কাব্যগ্রন্থ নয়, বরং ১৯৩৩ সালে প্রকাশিত একটি বিখ্যাত কাহিনীকাব্য। C) নক্‌শী কাঁথার মাঠ — এটি ১৯২৯ সালে প্রকাশিত তাঁর প্রথম কাহিনীকাব্য, প্রথম কাব্যগ্রন্থ নয়। D) বালুচর — এটি জসীমউদ্দীনের প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে অন্যতম হলেও প্রথম কাব্যগ্রন্থ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: জসীমউদ্দীনের প্রথম কাব্যগ্রন্থ মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো যে রাখালরা মাঠে গরু চরায় আর পল্লীকবি গ্রামের রাখালদের নিয়ে তাঁর প্রথম কাব্য রাখালী রচনা করেন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের প্রথম কাব্যগ্রন্থ রাখালী এবং তাঁর প্রথম ও শ্রেষ্ঠ কাহিনীকাব্য নকশী কাঁথার মাঠ প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। তাই এগুলোর প্রকাশকাল ভালোভাবে মনে রাখবে।
a A scenery
b Sceneries
c The sceneries
d Scenery
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Scenery কেন সঠিক: - Scenery শব্দটি একটি আনকাউন্টেবল নাউন, তাই এর সঙ্গে কখনো s বা es যুক্ত হয় না। - আনকাউন্টেবল নাউন হওয়ায় এর পূর্বে কখনো a বা an আর্টিকেল বসে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A scenery — Scenery আনকাউন্টেবল নাউন হওয়ায় এর পূর্বে a বা an আর্টিকেল বসানো সম্পূর্ণ ভুল। B) Scereries — Scenery শব্দের কোনো প্লুরাল ফর্ম বা Sceneries বানান ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। C) The sceneries — Scenery শব্দের সাথে s যুক্ত করে প্লুরাল করা যায় না এবং নির্দিষ্ট করতে the বসালেও তা ভুল হয়। D) Scenery — এটি সঠিক কারণ scenery একটি সঠিক আনকাউন্টেবল নাউন যা সর্বদা একবচন হিসেবে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: Scenery, Information, Advice, Luggage ইত্যাদি শব্দগুলো সর্বদা আনকাউন্টেবল নাউন, এদের সাথে s বা es যোগ করা যায় না এবং এদের পূর্বে a বা an বসে না।
a able to
b is able
c can be able to
d can
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) can কেন সঠিক: শূন্যস্থানে বাক্যের অর্থ অনুযায়ী দক্ষতা বা সামর্থ্য প্রকাশ করতে উপযুক্ত মডেল অক্সিলিয়ারি ভার্ব প্রয়োজন। এখানে ক্যান শব্দটি দিয়েピアノ বাজানোর সাধারণ সামর্থ্য বোঝানো হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) able to — এর আগে উপযুক্ত বি ভার্ব যেমন অ্যাম বা ইজ না থাকায় এটি ব্যাকরণগতভাবে অসম্পূর্ণ। B) is able — এই বাক্যে মেইন ভার্ব প্লে এর সাথে সরাসরি ইজ এবল বসালে বাক্যটির গঠন সঠিক হয় না। C) can be able to — ক্যান এবং এবল টু একই সাথে ব্যবহার করলে দুটি মোডাল বা সামর্থ্যসূচক শব্দ একসাথে বসে যা ভুল। D) সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: কোনো কাজ করার ক্ষমতা বোঝাতে সাধারণত ক্যান ব্যবহার করা হয় এবং এর পরে সরাসরি মূল ভার্ব বসে।
a is being asleep
b is sleeping
c asleep
d has slept
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) is sleeping কেন সঠিক: বাকyটির প্রথম অংশ Imperative Sentence হওয়ায় এটি বর্তমান সময়ের কাজ নির্দেশ করছে। তাই while-এর পরের অংশে Present Continuous Tense ব্যবহৃত হবে। father Subject টি Singular হওয়ায় এর পরে is বসে এবং মূল verb-এর সাথে ing যুক্ত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) is being asleep — Asleep একটি Adjective, তাই এর সাথে being ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) is sleeping — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) asleep — এটি শুধু Adjective হওয়ায় এখানে কোনো Verb-এর কাজ সম্পূর্ণ করতে পারে না। D) has slept — Present Perfect Tense বর্তমানের চলমান কাজ বোঝাতে ব্যবহার করা যায় না। মনে রাখার টিপস: While-এর আগের অংশ Present Tense হলে পরের অংশ সাধারণত Present Continuous Tense হয়।
a Show surprise or disapproval
b Show agreement
c Show happiness
d Show indifference
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Show surprise or disapproval কেন সঠিক: এখানে raised his eyebrow একটি ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা। এর অর্থ হলো কোনো অদ্ভুত বা নতুন কথায় অবাক হওয়া বা বিরক্তি প্রকাশ করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Show surprise or disapproval — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাক্যটির ভাবার্থের সাথে এটি সম্পূর্ণ মিলে যায়। B) Show agreement — এই অপশনটি ভুল কারণ ভ্রূ কুঁচকানো বা ওপরে তোলার অর্থ কখনোই সম্মতি জানানো বোঝায় না। C) Show happiness — এই অপশনটি ভুল কারণ এই শারীরিক অভিব্যক্তিটি আনন্দের সাথে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়। D) Show indifference — এই অপশনটি ভুল কারণ উদাসীনতা প্রকাশ করতে অন্য রকম শারীরিক ভাষা ব্যবহার করা হয়। মনে রাখার টিপস: মানুষ যখন কোনো কিছু দেখে অবাক হয় বা অপছন্দ করে, তখন সে প্রায়ই নিজের চোখ বা ভ্রূ ওপরে তুলে ধরে।
a have heard
b was hearing
c am heard
d heard
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) heard কেন সঠিক: বাক্যের প্রথমাংশ opened দেখে বোঝা যায় ঘটনাটি অতীতের। তাই পরের অংশেও পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্স হবে। as soon as যুক্ত অতীতকালের দুটি ক্লজই পাস্ট টেন্সে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) have heard — এটি প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্স হওয়ায় অতীতের ঘটনার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। B) was hearing — এটি পাস্ট কন্টিনিউয়াস টেন্স, যা এখানে ঘটনার ধারাবাহিকতা প্রকাশ করছে না। C) am heard — এটি প্যাসিভ ফর্ম এবং প্রেজেন্ট টেন্সে থাকায় ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ভুল। মনে রাখার টিপস: as soon as এর উভয় পাশে সাধারণত একই টেন্স বসে, বিশেষ করে অতীতকালের ক্ষেত্রে উভয় ক্লজই পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্স হয়।
a whom told you
b that told you
c who told you
d told you
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) who told you কেন সঠিক: - শূন্যস্থানের পর Verb এর Past Form (told) রয়েছে, যার পূর্বে একজন Subject প্রয়োজন। - Subordinate Clause-এ Subject হিসেবে Relative Pronoun 'who' ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) whom told you — 'whom' সাধারণত Object হিসেবে বসে, কিন্তু এখানে Subject প্রয়োজন তাই এটি ভুল। B) that told you — 'that' ব্যক্তির ক্ষেত্রে Subject হিসেবে সাধারণত এভাবে সরাসরি Relative Pronoun হিসেবে ব্যবহৃত হয় না। C) who told you — এটি সঠিক কারণ 'who' এখানে সাবজেক্ট হিসেবে কাজ করেছে। D) told you — এর পূর্বে কোনো Subject বা Relative Pronoun না থাকায় বাক্যটির গঠন অসম্পূর্ণ হয়। মনে রাখার টিপস: Verb এর আগে Subject দরকার হলে 'who' বসবে এবং Object দরকার হলে 'whom' বসবে।
a unless
b until
c if
d although
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) if কেন সঠিক: এখানে জল ফোটার জন্য ১০০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে উত্তপ্ত করার শর্ত বোঝানো হয়েছে। শর্ত বোঝাতে conjunction হিসেবে if ব্যবহার করা সবচেয়ে সঠিক নিয়ম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) unless — unless অর্থ যদি না, যা এই বাক্যের অর্থের সাথে মেলে না। B) until — until অর্থ যতক্ষণ না পর্যন্ত, যা সময়ের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। C) if — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) although — although অর্থ যদিও, যা বিপরীতার্থক দুটি বাক्याংশকে যুক্ত করে। মনে রাখার টিপস: কোনো কাজের নিশ্চিত ফলাফল বোঝাতে conditional sentence-এ if ব্যবহার করা হয়।
a that
b whom
c whose
d what
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) that কেন সঠিক: শূন্যস্থানের আগের শব্দটি বস্তুবাচক (the book) হওয়ায় এখানে Relative Pronoun হিসেবে that বসেছে। বস্তুর ক্ষেত্রে which বা that ব্যবহার করা যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) that — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়। B) whom — এটি ব্যক্তিবাচক Objective Pronoun, তাই বস্তুর ক্ষেত্রে বসে না। C) whose — এটি অধিকার বোঝাতে ব্যবহার করা হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) what — এর পূর্বে কোনো Antecedent বা পূর্বপদ থাকে না, তাই এটি এখানে বসবে না। মনে রাখার টিপস: শূন্যস্থানের ঠিক আগে বস্তু থাকলে Relative Pronoun হিসেবে that বা which ব্যবহার করতে হয়।
a a very lot of
b very many of
c very much of
d a lot of
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) a lot of কেন সঠিক: ড్రাইভার শব্দটি একটি গণনাযোগ্য বহুবচন বিশেষ্য এবং এর আগে পরিমাণ বোঝাতে a lot of ব্যবহার করা হয়। ইংরেজী ব্যাকরণে এটি বাক্যটিকে অর্থপূর্ণ ও সঠিক গঠন প্রদান করে। অন্যান্য বিকল্পগুলো ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী অগঠিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a very lot of — ইংরেজী ব্যাকরণে a very lot of বলে কোনো সঠিক বা গ্রহণযোগ্য ফ্রেজ নেই। B) very many of — many এর সাথে of ব্যবহার করতে হলে সাধারণত নির্দিষ্ট কোনো দলের কথা বোঝাতে হয়। C) very much of — much হলো পরিমাণের জন্য যা শুধুমাত্র অবিগণনাযোগ্য বিশেষ্যের সাথে বসে। মনে রাখার টিপস: গণনাযোগ্য পদের ক্ষেত্রে a lot of ব্যবহার করা নিরাপদ এবং বহুল প্রচলিত।
a Deceitful
b Stubborn
c Sly
d Swindler
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Stubborn কেন সঠিক: - Obdurate শব্দের অর্থ হলো জেদি, একগুঁয়ে বা অনমনীয়। - Stubborn শব্দের অর্থও জেদি বা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ, যা Obdurate শব্দের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Deceitful — এর অর্থ প্রতারক বা কপট, যা Obdurate শব্দের সমার্থক নয়। B) Stubborn — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে সমার্থক হিসেবে প্রযোজ্য। C) Sly — এর অর্থ ধূর্ত বা শঠ, যা জেদি বা একগুঁয়ে বোঝায় না। D) Swindler — এর অর্থ বাটপার বা প্রতারক, যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয়। মনে রাখার টিপস: Obdurate মানে ডেট বা জেদি, আর Stubborn মানেও একই রকম একগুঁয়ে স্বভাব।
a Complaint
b Passive
c Indifferent
d Careful
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Complaint কেন সঠিক: Recalcitrant শব্দটির অর্থ অবাধ্য বা একগুঁয়ে, যা সহজে নিয়ন্ত্রণে থাকে না। এর বিপরীত শব্দ হলো Complaint, যার অর্থ বাধ্য বা অনুগত। অনুকূল মনোভাব বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Complaint — এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ বাধ্য বা অনুগত। B) Passive — এর অর্থ নিষ্ক্রিয়, যা অবাধ্য শব্দের সঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না। C) Indifferent — এর অর্থ উদাসীন, যা মূল শব্দের বিপরীতার্থক হিসেবে উপযুক্ত নয়। D) Careful — এর অর্থ যত্নবান, যার সাথে অবাধ্য শব্দের অর্থের সরাসরি মিল নেই। মনে রাখার টিপস: Recalcitrant মানে যে কথা শোনে না এবং Complaint মানে যে সব নিয়ম মেনে চলে।
a A musical instrument
b A well-planned programme
c A noisy activity
d A musical activity
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) A noisy activity কেন সঠিক: - Razzmatazz একটি ইংরেজি শব্দ যার অর্থ জাঁকজমকপূর্ণ কিন্তু বিশৃঙ্খল ও কোলাহলপূর্ণ কোনো আয়োজন বা কর্মকাণ্ড। - এই শব্দের মূল ভাব হলো অতিরিক্ত উত্তেজনা এবং হৈচৈপূর্ণ পরিবেশ যা প্রশ্ন প্রদত্ত উত্তরের সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A musical instrument — এটি কোনো বাদ্যযন্ত্র বোঝায় না, বরং এটি একটি সামগ্রিক কোলাহলপূর্ণ পরিস্থিতি নির্দেশ করে। B) A well-planned programme — এটি সুপরিকল্পিত কোনো অনুষ্ঠান বোঝায় না, বরং এর মধ্যে বিশৃঙ্খলা ও হৈচৈ থাকে। C) A noisy activity — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এর অর্থ কোলাহলপূর্ণ কর্মকাণ্ড যা razzmatazz শব্দের সমার্থক। D) A musical activity — এটি শুধু সংগীত বিষয়ক কার্যক্রম বোঝায় না, এর পরিধি আরও অনেক বড় এবং বিশৃঙ্খল। মনে রাখার টিপস: Razzmatazz শব্দটিতে জ্যাজ সঙ্গীতের মতো এক ধরণের হৈচৈ ও বিশৃঙ্খলার সুর আছে, যা দিয়ে কোলাহলপূর্ণ কর্মকাণ্ড মনে রাখা যায়।
a shines
b has shone
c shine
d was shining
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) was shining কেন সঠিক: বাক্যটির দুটি অংশের কাজের মধ্যে একটি চলমান থাকা অবস্থাতে অন্যটি ঘটেছিল। অতীতকালে কোনো কাজ দীর্ঘ সময় ধরে চলছিল বোঝালে Past Continuous Tense ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) shines — এটি Present Indefinite Tense হওয়ায় অতীতের ঘটনার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। B) has shone — এটি Present Perfect Tense হওয়ায় অতীতের ঘটনা প্রকাশ করতে পারে না। C) shine — এটি Present Tense এবং Subject-এর সাথে রূপ মেলেনি। মনে রাখার টিপস: অতীতকালের দুটি কাজের মধ্যে একটি চলমান বোঝাতে Past Continuous এবং অন্যটি সাধারণ অতীত হলে Past Indefinite Tense হয়।
a The common language
b The first language
c International language
d The French language
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) The common language কেন সঠিক: - Lingua Franca বলতে এমন একটি ভাষাকে বোঝায় যা ভিন্ন ভাষাভাষী মানুষের যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়। - এটি বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগের কমন মাধ্যম বা সাধারণ ভাষা হিসেবে কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The common language — এটি সঠিক উত্তর কারণ Lingua Franca মানেই হলো বিভিন্ন ভাষাভাষী মানুষের যোগাযোগের সাধারণ ভাষা। B) The first language — এটি ভুল কারণ প্রথম ভাষা বা মাতৃভাষা বলতে মানুষের জন্মসূত্রে শেখা ভাষাকে বোঝায়, সবার যোগাযোগ মাধ্যমকে নয়। C) International language — এটি ভুল কারণ আন্তর্জাতিক ভাষা বিশ্বব্যাপী ব্যবহৃত হলেও Lingua Franca আঞ্চলিক বা যেকোনো ভিন্ন ভাষাভাষীর মধ্যেও হতে পারে। D) The French language — এটি ভুল কারণ আক্ষরিক অর্থে ফরাসি ভাষা মনে হলেও পরিভাষা অনুযায়ী এটি নির্দিষ্ট কোনো দেশের ভাষা নয়। মনে রাখার টিপস: Lingua Franca শব্দটির মূল অর্থ সাধারণ ভাষা, যা ভিন্ন ভাষাভাষী মানুষের যোগাযোগের সেতু হিসেবে কাজ করে।
a My father said that he will have a cup of tea because he wasn\'t hungry
b My father said that he would have had a cup of tea because he wasn\'t hungry
c My father said that he would have a cup fo tea because he wasn\'t hungry
d My father said that he had a cup of tea because he wasn\'t hungry
0 110 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) My father said that he would have had a cup of tea because he wasn't hungry কেন সঠিক: প্রত্যক্ষ উক্তির reporting verb 'said' অতীতের হওয়ায় indirect speech করার সময় tense পরিবর্তন করে past tense করতে হয়। মূল বাক্যের 'will have' পরিবর্তিত হয়ে সঠিক নিয়মে 'would have had' রূপ ধারণ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) এই অপশনে reporting verb অতীতের হলেও tense পরিবর্তন না করে 'will' রাখা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) এটি মূল প্রশ্ন এবং সঠিক উত্তর, তাই এখানে কোনো ভুল নেই। C) এই অপশনে 'would have' এর পর মূল verb-এর past participle রূপ ব্যবহার না করায় বাক্যটি অসম্পূর্ণ হয়েছে। D) এই অপশনে ভবিষ্যতের সম্ভাবনা বোঝাতে চাওয়া হলেও অতীতকালের সাধারণ বাক্য ব্যবহার করায় অর্থের পরিবর্তন ঘটেছে। মনে রাখার টিপস: Direct speech-এ will থাকলে Indirect speech-এ তা পরিবর্তন করে would করতে হয় এবং tense এর পরিবর্তন নিয়মমাফিক করতে হয়।
a with
b from
c against
d beside
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: খ) from কেন সঠিক: পার্টিং ফ্রম ব্যবহার করা হয় যখন কোনো ব্যক্তি অন্য কোনো ব্যক্তি বা মানুষের দলের থেকে বিদায় নেয় বা আলাদা হয়ে যায়। এখানে বন্ধুদের থেকে বিদায় নেওয়ার অর্থ বোঝানো হয়েছে। তাই সঠিক preposition হিসেবে from ব্যবহৃত হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: ক) with — কোনো বস্তু বা প্রিয় জিনিসের থেকে আলাদা হওয়া বোঝাতে parted with ব্যবহৃত হয়। খ) from — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। গ) against — এর অর্থ বিরুদ্ধে, যা এই বাকстыর অর্থ সম্পূর্ণ বদলে দেয়। ঘ) beside — এর অর্থ পাশে, যা শূন্যস্থানে বসালে ব্যাকরণগত ভুল হয়। মনে রাখার টিপস: ব্যক্তির ক্ষেত্রে parted from এবং বস্তুর ক্ষেত্রে parted with বসে।
a with
b for
c to
d at
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) with কেন সঠিক: - কোনো দায়িত্ব বা যত্ন নেওয়ার ক্ষেত্রে ব্যক্তির ওপর আস্থা রেখে কিছু অর্পণ করা বোঝালে 'entrust' শব্দের পর 'with' preposition বসে। - এখানে শিশুদের দায়িত্ব বা যত্ন তাদের চাচার ওপর অর্পণ করার অর্থ প্রকাশ করায় 'entrusted with' সঠিক হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) with — এই অপশনটি সঠিক, কারণ এটি সঠিক preposition হিসেবে দায়িত্ব অর্পণ করা বোঝায়। B) for — এই অপশনটি ভুল, কারণ 'entrusted for' অর্থহীন এবং এটি দায়িত্ব অর্পণের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় না। C) to — এই অপশনটি ভুল, কারণ কোনো বস্তুকে কারো কাছে অর্পণ করলে 'entrust something to someone' হয়, কিন্তু ব্যক্তির দায়িত্ব অন্যকে দিলে 'entrust with' হয়। D) at — এই অপশনটি ভুল, কারণ 'entrust at' কোনো ব্যাকরণগত নিয়ম বা উপযুক্ত অর্থ প্রকাশ করে না। মনে রাখার টিপস: দায়িত্ব বা যত্ন কাউকে দেওয়ার ক্ষেত্রে ব্যক্তির ক্ষেত্রে 'entrust with' এবং বস্তুর ক্ষেত্রে 'entrust to' ব্যবহার করতে হয়।
a is having
b has had
c was having
d had
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) has had কেন সঠিক: বাক্যে Just now থাকার কারণে এটি বর্তমানকালের ঘটনা বোঝাচ্ছে যা মাত্র শেষ হয়েছে। বর্তমানকালে শেষ হওয়া কাজের জন্য Present Perfect Tense ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) is having — এটি Present Continuous Tense বোঝায়, যা এই বাক্যের অর্থ প্রকাশ করে না। B) has had — এটি সঠিক কারণ এটি Present Perfect Tense নির্দেশ করে। C) was having — এটি Past Continuous Tense বোঝায়, যা বর্তমান সময়ের সাথে মেলে না। D) had — এটি Past Indefinite Tense নির্দেশ করে, যা অতীতকালের কাজ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যে Just now থাকলে সাধারণত Present Perfect Tense হয়।
a not
b any
c none
d no
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) no কেন সঠিক: শূন্যস্থানের পর interest একটি নাউন এবং এর আগে কোনো আর্টিকেল নেই। এই নাউনটিকে নেগেটিভ বা শূন্য বোঝাতে ডিটারমিনার হিসেবে no ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) not — এটি সাধারণত ভার্ব, অ্যাডজেক্টিভ বা অ্যাডভার্বের আগে বসে নেগেটিভ করতে, সরাসরি নাউনের আগে বসে না। B) any — এটি সাধারণত ইন্টারোগেটিভ বা নেগেটিভ বাক্যে ব্যবহৃত হয়, এখানে বাক্যটি অ্যাফারমেটিভ হওয়ায় এটি বসে না। C) none — এটি প্রোনাউন হিসেবে একা বসে এবং এর পর সরাসরি কোনো নাউন থাকতে পারে না। মনে রাখার টিপস: নাউনের আগে সরাসরি না বোধক অর্থ প্রকাশ করতে no বসে এবং প্রোনাউন হিসেবে একা বসলে none বসে।
a to play
b playing
c play
d of playing
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) playing কেন সঠিক: বাক্যে 'give up' একটি phrasal verb যার অর্থ ত্যাগ করা বা কোনো অভ্যাস বাদ দেওয়া। নিয়ম অনুযায়ী 'give up' এর পর সবসময় verb এর সাথে ing যুক্ত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to play — 'give up' এর পর infinitive বা to + verb বসে না। তাই এই অপশনটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) playing — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) play — 'give up' এর পর কেবল base form বা verb এর মূল রূপ একা বসতে পারে না। D) of playing — 'give up' এর সাথে অতিরিক্ত 'of' preposition এর কোনো প্রয়োজন হয় না। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি ব্যাকরণে 'give up', 'mind', 'keep' এর মতো verb গুলোর পর সবসময় gerund অর্থাৎ verb + ing বসে।
a ২০০০
b ২৩০০
c ২৫০০
d ৩০০০
0 97 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩০০০ প্রদত্ত তথ্য: মোট সম্পত্তির ৩ অংশ ব্যয় করার পর অবশিষ্ট অংশ থাকে অবশিষ্ট অংশের ৫ অংশ ব্যয় করার পর শেষ পর্যন্ত অবশিষ্ট থাকে ১০০০ টাকা ধরি, মোট সম্পত্তির পরিমাণ = ক টাকা অতএব, প্রথম ব্যয়ের পর অবশিষ্ট থাকে = ক − (৩ক ÷ ৭) = ৪ক ÷ ৭ টাকা দ্বিতীয়বার ব্যয় হয় = (৪ক ÷ ৭) এর ৫ অংশ = ২০ক ÷ ৮৪ টাকা সুতরাং, শেষ অবশিষ্ট টাকা = (৪ক ÷ ৭) − (২০ক ÷ ৮৪) = ১০০০ টাকা উত্তর: সমীকরণ সমাধান করে ক এর মান পাওয়া যায় ৩০০০ টাকা
a 3
b 6
c 9
d 12
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৯ প্রদত্ত তথ্য: x + y = ৭ xy = ১০ ধরি, মান নির্ণয় করতে হবে (x − y)^২ এর অতএব, আমরা জানি বীজগণিতের সূত্র অনুযায়ী (x − y)^২ = (x + y)^২ − ৪xy সুতরাং, (x + y) এর মান ৭ এবং xy এর মান ১০ বসিয়ে পাই (৭)^২ − ৪ × ১০ = ৪৯ − ৪০ = ৯ উত্তর: ৯
a ৭০মিটার
b ৭০মিটার
c ৮০ মিটার
d ৯০ মিটার
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৮০ মিটার প্রদত্ত তথ্য: আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য প্রস্থের তিন গুণ ক্ষেত্রফল তিনশত বর্গমিটার ধরি, আয়তক্ষেত্রটির প্রস্থ = ক মিটার আয়তক্ষেত্রটির দৈর্ঘ্য = তিন ক মিটার অতএব, ক্ষেত্রফল = তিন ক × ক = তিন ক বর্গ মিটার তিন ক বর্গ মিটার সমান তিনশত বর্গ মিটার সুতরাং, ক বর্গ মিটার সমান একশত বর্গ মিটার ক এর মান দশ মিটার উত্তর: দৈর্ঘ্য = ত্রিশ মিটার এবং প্রস্থ = দশ মিটার পরিসীমা = দুই × (ত্রিশ + দশ) = আশি মিটার
a ১৬৯
b ২২৫
c ২৫৬
d ২৫২
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২২৫ প্রদত্ত তথ্য: ধারার সংখ্যাগুলো হলো ৯, ৩৬, ৮১, ১৪৪ ধরি, প্রথম সংখ্যাটি = ৩ এর বর্গ দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৬ এর বর্গ তৃতীয় সংখ্যাটি = ৯ এর বর্গ অতএব, চতুর্থ সংখ্যাটি হবে ১২ এর বর্গ সংখ্যাগুলোর ভিত্তি ৩, ৬, ৯, ১২ ক্রমানুসারে বাড়ছে সুতরাং, পরবর্তী সংখ্যাটি হবে ১২ × ১২ উত্তর: ২২৫
a ১৬
b ১৫
c ১৭
d ১৪বর্গমিটার
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৫ প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের বাহু তিনটি হলো ৫, ৬ এবং ৭ মিটার ধরি, বাহুগুলো যথাক্রমে a = ৫, b = ৬ এবং c = ৭ মিটার অতএব, অর্ধপরিসীমা s = (৫ + ৬ + ৭) ÷ ২ = ১৮ ÷ ২ = ৯ মিটার সুতরাং, ক্ষেত্রফল = √[s(s − a)(s − b)(s − c)] উত্তর: √[৯ × (৯ − ৫) × (৯ − ৬) × (৯ − ৭)] = √(৯ × ৪ × ৩ × ২) = √২১৬ যা প্রায় ১৪.৭০ বা নিকটতম ১৫ বর্গমিটার
a (x+3) (2x-5)
b (x-3) (2x-5)
c (x-3) (2x+5)
d (x+3) (2x+5)
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) (x+3) (2x-5) প্রদত্ত তথ্য: দ্বিঘাত রাশিটি হলো ২x^২ + x − ১৫ ধরি, রাশিটির মধ্যপদ বিভাজন করতে হবে এখানে প্রথম ও শেষ পদের গুণফল = ২ × (−১৫) = −৩০x^২ এবং মধ্যপদটি হলো +x অতএব, −৩০x^২ কে এমন দুটি অংশে ভাঙতে হবে যেন তাদের যোগফল +x হয় অংশ দুটি হলো +৬x এবং −৫x সুতরাং, রাশিটি দাঁড়ায় ২x^২ + ৬x − ৫x − ১৫ উৎপাদক দুটি পাওয়া যায় ২x(x + ৩) − ৫(x + ৩) উত্তর: (x + ৩) (২x − ৫)
a ৭৭/২৪৩
b ১০২/২৮৯
c ১১৩/৩৫৫
d ৩৪৩/১০০১
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১১৩/৩৫৫ প্রদত্ত তথ্য: অপশন এ তে আছে ৭৭ ÷ ২৪৩ অপশন বি তে আছে ১০২ ÷ ২৮৯ অপশন সি তে আছে ১১৩ ÷ ৩৫৫ অপশন ডি তে আছে ৩৪৩ ÷ ১০০১ ধরি, সংখ্যাগুলোর লসাগু বা গসাগু নির্ণয় করতে হবে ভগ্নাংশগুলোর লঘিষ্ঠ রূপ দেখতে হবে অতএব, ৭৭ এবং ২৪৩ এর কোনো সাধারণ উৎপাদক নেই ১০২ এবং ২৮৯ এর সাধারণ উৎপাদক ১৭ ৩৪৩ এবং ১০০১ এর সাধারণ উৎপাদক ৭ সুতরাং, ১১৩ একটি মৌলিক সংখ্যা ৩৫৫ সংখ্যাটিকে ১১৩ দ্বারা ভাগ করা যায় না উত্তর: ১১৩/৩৫৫
a ২০.০০%
b ১৬.০০%
c ১৮.০০%
d ১৫.০০%
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২০.০০% প্রদত্ত তথ্য: চালের দাম বৃদ্ধি পেল = ২৫% বাৎসরিক ব্যয় অপরিবর্তিত রাখতে হবে ধরি, পূর্বের চালের দাম = ১০০ টাকা বর্তমান চালের দাম = ১২৫ টাকা অতএব, ১২৫ টাকার চালের ব্যবহার কমাতে হবে = ২৫ টাকা ১ টাকার চালের ব্যবহার কমাতে হবে = ২৫ ÷ ১২৫ টাকা ১০০ টাকার চালের ব্যবহার কমাতে হবে = (২৫ × ১০০) ÷ ১২৫ টাকা সুতরাং, চালের ব্যবহার কমাতে হবে = ২৫০০ ÷ ১২৫ = ২০% উত্তর: ২০.০০%
a ১২৮০
b ১২৮১
c ১৩১০
d ১৩১১
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৩১১ প্রদত্ত তথ্য: দ্রব্যটির ক্রয়মূল্য = ১২০০ টাকা প্রথম বিক্রয় লাভ = ১৫% দ্বিতীয় বিক্রয় ক্ষতি = ৫% ধরি, দ্রব্যটির প্রথম ক্রয়মূল্য = ১২০০ টাকা অতএব, ১৫% লাভে প্রথম বিক্রয়মূল্য = ১২০০ + (১২০০ এর ১৫%) ১২০০ + ১৮০ = ১৩৮০ টাকা সুতরাং, ৫% ক্ষতিতে শেষ বিক্রয়মূল্য = ১৩৮০ − (১৩৮০ এর ৫%) ১৩৮০ − ৬৯ = ১৩১১ টাকা উত্তর: ১৩১১ টাকা
a ২৩২৫৮
b ১৩২৫৬
c ১১২৫৪
d ১০৪১৬
0 110 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১০৪১৬ প্রদত্ত তথ্য: ধারাটি হলো ১ এর বর্গ + ৩ এর বর্গ + ৫ এর বর্গ + ডট ডট + ৩১ এর বর্গ এটি বিজুগ সংখ্যার বর্গের ধারা ধরি, ধারার শেষ পদ সমান ৩১ পদসংখ্যা সমান (শেষ পদ + ১) ÷ ২ পদসংখ্যা সমান (৩১ + ১) ÷ ২ সমান ১৬ অতএব, বিজোড় সংখ্যার বর্গের যোগফলের সূত্র হলো এন গুণনীক (৪ এন এর বর্গ − ১) ভাগ ৩ এখানে এন এর মান ১৬ ৪ গুণ ১৬ এর বর্গ সমান ৪ গুণ ২৫৬ সমান ১০২৪ সুতরাং, ১০২৪ বিয়োগ ১ সমান ১০২৩ ১৬ গুণ ১০২৩ ভাগ ৩ সমান ১৬ গুণ ৩৪১ সমান ১০৪১৬ উত্তর: ১০৪১৬
a দুটি রেডক্রস কনভেনশন নামে
b তিনটি রেডক্রস কনভেনশন নামে
c চারটি রেডক্রস কনভেনশন নামে
d পাঁচটি রেডক্রস কনভেনশন নামে
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) চারটি রেডক্রস কনভেনশন নামে কেন সঠিক: - ১৯৪৯ সালের আগস্ট মাসে জেনেভায় অনুষ্ঠিত কূটনৈতিক সম্মেলনে যুদ্ধাহত ও যুদ্ধবন্দীদের সুরক্ষার জন্য আন্তর্জাতিকভাবে চারটি কনভেনশন গৃহীীত হয়। - এই চারটি কনভেনশন মূলত রেডক্রস আন্দোলনের মূলনীতির ওপর ভিত্তি করে যুদ্ধকালীন মানবিক আচরণ ও আইন প্রণয়ন করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দুটি রেডক্রস কনভেনশন নামে — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ ১৯৪৯ সালের জেনেভা কনভেনশনের মোট সংখ্যা ছিল চারটি। B) তিনটি রেডক্রস কনভেনশন নামে — ১৯৪৯ সালের জেনেভা কনভেনশনে তিনটি নয় বরং যুদ্ধকালীন সুরক্ষার জন্য চারটি প্রধান কনভেনশন রয়েছে। C) চারটি রেডক্রস কনভেনশন নামে — এই অপশনটি সঠিক কারণ ১৯৪৯ সালের জেনেভা কনভেনশনসমূহ আনুষ্ঠানিকভাবে চারটি রেডক্রস কনভেনশন হিসেবে পরিচিত। D) পাঁচটি রেডক্রস কনভেনশন নামে — ১৯৪৯ সালে পাঁচটি কনভেনশন প্রণয়ন করা হয়নি, মূল কনভেনশন ছিল ঠিক চারটি। মনে রাখার টিপস: ১৯৪৯ সালের জেনেভা কনভেনশনের সংখ্যা মনে রাখতে জ-ন-ব-ম সূত্রটি মনে রাখতে পারো, যেখানে ৪টি কনভেনশন যুদ্ধকালীন ৪টি ভিন্ন পরিস্থিতির সুরক্ষা নিশ্চিত করে।
a জাতিতাত্ত্বিক যাদুঘর
b জাতীয় যাদুঘর
c বরেন্দ্র গবেষণা যাদুঘর
d ঢাকা নগর যাদুঘর
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বরেন্দ্র গবেষণা যাদুঘর কেন সঠিক: - বরেন্দ্র গবেষণা যাদুঘরটি ১৯১০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়, যা বাংলাদেশের ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্বের প্রথম যাদুঘর। - এটি রাজশাহীতে অবস্থিত এবং এটি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে এ অঞ্চলে প্রাচীন নিদর্শন সংগ্রহ ও সংরক্ষণের কাজ শুরু হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাতিতাত্ত্বিক যাদুঘর — এটি চট্টগ্রাম এ অবস্থিত এবং এটি বাংলাদেশের প্রথম জাতিতাত্ত্বিক যাদুঘর, সর্বপ্রাচীন নয়। B) জাতীয় যাদুঘর — এটি ঢাকা এ অবস্থিত এবং ১৯১৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হলেও এটি দেশের সর্বপ্রথম যাদুঘর নয়। D) ঢাকা নগর যাদুঘর — এটি ১৯৯৬ সালে প্রতিষ্ঠিত একটি যাদুঘর যা ঢাকার ইতিহাস সংরক্ষণের জন্য তৈরি, প্রাচীনতম নয়। মনে রাখার টিপস: বরেন্দ্র মানেই প্রাচীন, তাই প্রাচীনতম যাদুঘর হিসেবে বরেন্দ্র গবেষণা যাদুঘর সবার আগে মনে রাখতে হবে।
a জাতীয় স্মৃতিসৌধ
b লালবাগের কেল্লা
c সোনা মসজিদ
d বাংলাদেশের ম্যাপ
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও ঐতিহাসিক ঘটনা সঠিক উত্তর: D) বাংলাদেশের ম্যাপ কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ২৯ জুলাই কলকাতার থিয়েটার রোডে প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের প্রথম মন্ত্রীসভায় ডাকটিকিটে ম্যাপ ব্যবহারের সিদ্ধান্ত হয়। - এ কে চৌধুরীর নকশায় ১৯৭১ সালের ২৯ জুলাই মুজিবনগর সরকারের ডাক ও তার বিভাগ থেকে ১০ টাকা মূল্যের বাংলাদেশের ম্যাপখচিত প্রথম ডাকটিকিট প্রকাশিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাতীয় স্মৃতিসৌধ — এটি স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে নির্মিত হয়, যা প্রথম ডাকটিকিটের নকশায় ছিল না। B) লালবাগের কেল্লা — এটি একটি ঐতিহাসিক মোঘল দুর্গ, যা ১৯৭১ সালের প্রথম ডাকটিকিটে স্থান পায়নি। C) সোনা মসজিদ — এটি চাঁপাইনবাবগঞ্জের একটি ঐতিহাসিক স্থাপত্য, যা এই ডাকটিকিটের বিষয়বস্তু ছিল না। D) বাংলাদেশের ম্যাপ — এটি সঠিক উত্তর কারণ প্রথম ডাকটিকিটে স্বাধীন বাংলাদেশের ভূখণ্ডের মানচিত্র ব্যবহার করা হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: স্বাধীনতার প্রথম ডাকটিকিট মানেই পুরো দেশের আকৃতি বা বাংলাদেশের ম্যাপ।
a ১৯৭২
b ১৯৭৬
c ১৯৭৭
d ১৯৭৮
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৯৭৮ কেন সঠিক: - ১৯৭৮ সালে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীতে প্রথম নারীদের সাব-ইন্সপেক্টর ও কনস্টেবল পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। - পুলিশ বাহিনীতে নারী ক্ষমতায়ন ও নারীদের অংশগ্রহণের সূচনা ঘটে এই বছর থেকেই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৭২ — এটি বাংলাদেশের প্রথম সংবিধান প্রণয়নের বছর, এই সালে পুলিশ বাহিনীতে নারী নিয়োগ করা হয়নি। B) ১৯৭৬ — এই সালে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীতে নারী নিয়োগের কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা বা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়নি। C) ১৯৭৭ — এটি রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময়কাল হলেও এই সালে প্রথম নারী পুলিশ নিয়োগের আনুষ্ঠানিক ঘটনা ঘটেনি। D) ১৯৭৮ — এই সালেই প্রথম নারী পুলিশ সদস্য নিয়োগের মাধ্যমে বাংলাদেশ পুলিশে নারী বাহিনী গঠিত হয়, যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: স্বাধীনতার পর ১৯৭৮ সালে প্রথম পুলিশে নারী যোগ দেন, সালটি মনে রাখুন এভাবে যে নারীর ক্ষমতায়ন শুরু ১৯৭৮ সাল থেকে।
a ২৭
b ২৮
c ৩০
d ৪৭
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২৭ কেন সঠিক: - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ২৭ অনুচ্ছেদে আইনের দৃষ্টিতে সমতা এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে। - এটি সংবিধানের তৃতীয় ভাগে বর্ণিত মৌলিক অধিকারের অন্তর্ভুক্ত একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অনুচ্ছেদ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৭ — এটিই সঠিক উত্তর, কারণ এই অনুচ্ছেদে সকল নাগরিকের আইনের চোখে সমানাধিকারের কথা বলা হয়েছে। B) ২৮ — এই অনুচ্ছেদে ধর্ম, বর্ণ, গোত্র, নারী-পুরুষ বা জন্মস্থানের ভিত্তিতে বৈষম্য নিষিদ্ধ করার কথা বলা হয়েছে। C) ৩০ — এই অনুচ্ছেদে খেতাব, সম্মাননা বা ভূষণ গ্রহণ নিষিদ্ধকরণের বিষয়ে বলা হয়েছে। D) ৪৭ — এই অনুচ্ছেদে নির্দিষ্ট কিছু আইন প্রণয়নের সংরক্ষণ ও তা বাতিল বা সংশোধন অযোগ্যতার বিষয়ে বলা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: আইনের দৃষ্টিতে সবাই সমান, এই অধিকারটি সংবিধানের প্রথম দিকের মৌলিক অধিকার হিসেবে ২৭ অনুচ্ছেদে স্থান পেয়েছে।
a সেন্টমার্টিন
b মহেশখালী
c হাতিয়া
d দ্বীপ
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সেন্টমার্টিন কেন সঠিক: - এটি বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ, যা বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্ব অংশে অবস্থিত। - এর স্থানীয় নাম নারিকেল জিনিয়া এবং এর আয়তন প্রায় আট বর্গকিলোমিটার। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সেন্টমার্টিন — এটি নিজেই সঠিক উত্তর। B) মহেশখালী — এটি কক্সবাজার জেলায় অবস্থিত বাংলাদেশের একমাত্র পাহাড়ি দ্বীপ। C) হাতিয়া — এটি নোয়াখালী জেলার একটি উপকূলীয় দ্বীপ ও উপজেলা। D) দ্বীপ — এটি কোনো নির্দিষ্ট দ্বীপের নাম নয়, বরং একটি সাধারণ ভৌগোলিক সংজ্ঞা। মনে রাখার টিপস: প্রবাল দ্বীপ বললেই সেন্টমার্টিন নামটি মনে রাখবে, কারণ এটিই দেশের একমাত্র প্রবাল গঠিত দ্বীপ।
a আয়কর
b আমদানি ও রপ্তানি
c ভূমি রাজস্ব
d মূল্য সংযোজন কর
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: অর্থনীতি ও ব্যবসায়বিষয়ক ধারণা / বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: A) আয়কর যাচাইকরণ: প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি ভুল। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ সরকারের সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় হয় মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট থেকে, আয়কর থেকে নয়। কেন সঠিক: - বাংলাদেশ সরকারের অভ্যন্তরীণ রাজস্ব সংগ্রহের সবচেয়ে বড় উৎস হলো মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট। - দেশের মোট কর রাজস্বের একটি বিশাল অংশ পরোক্ষ কর হিসেবে ভ্যাট থেকে সংগৃহীত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আয়কর — এটি সরকারের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রাজস্ব আয়ের উৎস এবং প্রত্যক্ষ করের প্রধান মাধ্যম, তাই এটি সর্বোচ্চ নয়। B) আমদানি ও রপ্তানি — এটি বৈদেশিক বাণিজ্যের ওপর ধার্যকৃত কর, যা সরকারের মোট রাজস্ব আয়ের একটি নির্দিষ্ট অংশ যোগ করলেও সর্বোচ্চ নয়। C) ভূমি রাজস্ব — এটি স্থানীয় প্রশাসন ও ভূমি অফিস থেকে সংগৃহীত হয় এবং জাতীয় বাজেটে এর অবদান তুলনামূলকভাবে অনেক কম। D) মূল্য সংযোজন কর — এটি বর্তমান অর্থবছরে বাংলাদেশ সরকারের সর্বোচ্চ রাজস্ব আয়ের উৎস, যা প্রদত্ত উত্তরে ভুলবশত অন্য অপশন হিসেবে ছিল। মনে রাখার টিপস: সরকারের সবচেয়ে বেশি রাজস্ব আসে কেনাকাটার ওপর দেওয়া ভ্যাট থেকে, আর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে আয়ের ওপর কাটা আয়কর থেকে।
a জয়নুল আবেদীন
b কামরুল হাসান
c হামিদুর রহমান
d হাসেম খান
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কামরুল হাসান কেন সঠিক: - শিল্পী কামরুল হাসান ১৯৭১ সালে বর্তমান বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার মূল নকশা পরিমার্জন ও চূড়ান্ত রূপ দেন। - শিবনারায়ণ দাসের আঁকা প্রথম পতাকার নকশা থেকে সবুজ মাঠের মাঝে লাল বৃত্তের ভে터 মানচিত্রটি বাদ দিয়ে পতাকাটিকে সহজ ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেন তিনি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জয়নুল আবেদীন — তিনি বাংলাদেশের শিল্পকলার একজন অগ্রপথিক ও জাতীয় পতাকার ডিজাইনার নন। B) কামরুল হাসান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) হামিদুর রহমান — তিনি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের মূল স্থপতি ও নকশাকার। D) হাসেম খান — তিনি একজন প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী হলেও জাতীয় পতাকার ডিজাইনার নন। মনে রাখার টিপস: পতাকা মানেই পটে আঁকা ছবি, আর পটুয়া কামরুল হাসানই এঁকেছেন এই পতাকার চূড়ান্ত রূপ।
a অ্যামোনিয়া
b টিএসপি
c ইউরিয়া
d সুপারফসফেট
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ইউরিয়া কেন সঠিক: - জিয়া সারকারখানা বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রধান ভারী শিল্প প্রতিষ্ঠান যা ইউরিয়া সার উৎপাদন করে। - প্রাকৃতিক গ্যাসকে কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার করে এই কারখানায় ইউরিয়া সার তৈরি করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অ্যামোনিয়া — অ্যামোনিয়া সরাসরি উৎপাদিত সার নয়, বরং এটি ইউরিয়া সার উৎপাদনের একটি মূল মধ্যবর্তী রাসায়নিক কাঁচামাল। B) টিএসপি — টিএসপি বা ট্রিপল সুপার ফসফেট আলাদা সার এবং এটি উৎপাদনের প্রক্রিয়া ও কাঁচামাল জিয়া সারকারখানার সঙ্গে মিলে না। C) ইউরিয়া — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে এটি প্রযোজ্য নয়। D) সুপারফসফেট — এটি ফসফরাসভিত্তিক একটি সার যা জিয়া সারকারখানায় উৎপাদিত হয় না। মনে রাখার টিপস: নামে সারকারখানা থাকলেই সব সার বোঝায় না, জিয়া সারকারখানা মূলত দানাদার ইউরিয়া সার উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত।
a ২৫৭ জন
b ১৬৩ জন
c ৪৪জন
d ৬৯জন
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৬৯জন কেন সঠিক: - বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য ৬৯ জন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে বীরউত্তম উপাধিতে ভূষিত করা হয়। - এটি বাংলাদেশের খেতাবপ্রাপ্ত দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক খেতাব। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৫৭ জন — এটি কোনো নির্দিষ্ট খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা নয়, তবে এটি বীরপ্রতীক খেতাবপ্রাপ্তদের কাছাকাছি একটি ভুল সংখ্যা। B) ১৬৩ জন — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ এটি অন্য কোনো খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যার সঙ্গে মিলে না। C) ৪৪জন — এটি বীরশ্রেষ্ঠ বা অন্য কোনো খেতাবের সংখ্যা নয়, এটি ভুল তথ্য। D) ৬৯জন — এটি সঠিক উত্তর কারণ মুক্তিযুদ্ধে বীরউত্তম খেতাব পেয়েছিলেন ৬৯ জন ব্যক্তি। মনে রাখার টিপস: বীরউত্তমের সংখ্যা মনে রাখতে মনে রাখুন ৭ × ১০ = ৭০, তার থেকে ১ কম অর্থাৎ ৬৯ জন।
a সোনামসজি
b চট্টগ্রাম
c বেনাপোল
d হিলি
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বেনাপোল কেন সঠিক: - বেনাপোল বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ এবং সর্বাধিক ব্যবহৃত স্থলবন্দর। - এটি ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে বাণিজ্যের অন্যতম প্রধান প্রবেশদ্বার। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সোনামসজি — এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থলবন্দর হলেও আকারে বা বাণিজ্যের পরিধিতে বেনাপোলের চেয়ে ছোট। B) চট্টগ্রাম — এটি দেশের বৃহত্তম সমুদ্রবন্দর, কোনো স্থলবন্দর নয়। D) হিলি — এটি একটি স্থলবন্দর হলেও এটি বেনাপোলের মতো বৃহত্তম বা প্রধান স্থলবন্দর হিসেবে বিবেচিত নয়। মনে রাখার টিপস: বৃহৎ স্থলবন্দর মনে রাখতে বেনাপোল নামটি প্রথমে মনে রাখবে।
a ডিসেম্বর ২৬, ২০০২
b জানুয়ারি ৭, ২০০৩
c মার্চ ২৩, ২০০৩
d মার্চ ২৩, ২০০৩
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সঠিক উত্তর: A) ডিসেম্বর ২৬, ২০০২ কেন সঠিক: - মার্কিন প্রতিষ্ঠান ক্লনইড কর্তৃক বিশ্বের প্রথম ক্লোন করা মানব শিশু ইভ জন্ম গ্রহণ করেছিল ২০০২ সালের ২৬ ডিসেম্বর। - প্রজনন ক্লোনিং প্রযুক্তির মাধ্যমে জন্মগ্রহণকারী এই প্রথম শিশুটিকে নিয়ে বিশ্বজুড়ে ব্যাপক বিতর্ক ও কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডিসেম্বর ২৬, ২০০২ — এটি বিশ্বের প্রথম ক্লোন করা শিশু ইভ জন্মগ্রহণের সঠিক তারিখ। B) জানুয়ারি ৭, ২০০৩ — এটি ক্লোন শিশু ইভের জন্মতারিখ নয় এবং এই তারিখে অন্য কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটেছিল। C) মার্চ ২৩, ২০০৩ — এটি ক্লোন শিশু ইভের জন্মতারিখের সঙ্গে মেলে না এবং অপশনে এটি পুনরাবৃত্তি হয়েছে। D) মার্চ ২৩, ২০০৩ — এটিও সঠিক জন্মতারিখ নয় এবং প্রথম ক্লোন শিশুর জন্মের সময়ের সঙ্গে এটি অসঙ্গতিপূর্ণ। মনে রাখার টিপস: ক্লোন শিশু ইভ জন্মায় ২০০২ সালের ডিসেম্বরের ২৬ তারিখে, যা ইংরেজি বছরের শেষের দিকে ঘটেছিল।
a জেনেভায়
b লন্ডনে
c প্যারিসে
d হেগে
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) হেগে কেন সঠিক: - স্থায়ী সালিসি আদালত ১৮৯৯ সালে প্রতিষ্ঠিত বিশ্বের প্রাচীনতম বিরোধ নিষ্পত্তির সংস্থা। - এটি নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে অবস্থিত পিস প্যালেসে কার্যক্রম পরিচালনা করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জেনেভায় — এটি সুইজারল্যান্ডের শহর যেখানে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং ডব্লিউটিও এর মতো আন্তর্জাতিক সংস্থার সদর দপ্তর রয়েছে, স্থায়ী সালিসি আদালতের নয়। B) লন্ডনে — এটি যুক্তরাজ্যের রাজধানী এবং আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থার সদর দপ্তর এখানে অবস্থিত, স্থায়ী সালিসি আদালতের নয়। C) প্যারিসে — এটি ফ্রান্সের রাজধানী এবং ইউনেস্কোর প্রধান কার্যালয় এখানে অবস্থিত, স্থায়ী সালিসি আদালতের নয়। D) হেগে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই শহরেই আদালতের মূল কার্যালয় অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: আন্তর্জাতিক আদালতের মতো স্থায়ী সালিসি আদালতও নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে অবস্থিত।
a ১৯৫০
b ১৯৫৫
c ১৯৬৫
d ১৯৬৬
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৯৬৬ কেন সঠিক: - আন্তর্জাতিক মানবাধিকার চুক্তি বা আইনি দলিল দুটি ১৯৬৬ সালের ১৬ ডিসেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে গৃহীত হয়। - এই চুক্তিসমূহ হলো নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক covenant এবং অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অধিকার সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক covenant। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৫০ — এই সালে মানবাধিকার বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কোনো চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়নি, তবে ১৯৫০ সালে ইউরোপীয় মানবাধিকার কনভেনশন স্বাক্ষরিত হয়েছিল। B) ১৯৫৫ — এই সালে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার বাস্তবায়নের কোনো চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়নি। সি) ১৯৬৫ — এই সালে আন্তর্জাতিকভাবে বর্ণবৈষম্য দূরীকরণ সংক্রান্ত কনভেনশন গৃহীত হয়, যা সার্বিক মানবাধিকার চুক্তি নয়। D) ১৯৬৬ — এই সালেই মানবাধিকার বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ঐতিহাসিক দুটি আন্তর্জাতিক চুক্তি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে গৃহীত হয়। মনে রাখার টিপস: মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণাপত্র ১৯৪৮ সালে হলেও এর বাস্তবায়নের আইনি চুক্তি পাস হয় তার ১৮ বছর পর ১৯৬৬ সালে।
a আদ্দিস আবাবা
b নাইরোবি
c ডাকার
d কায়রো
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আদ্দিস আবাবা কেন সঠিক: - ইসিএ (ECA) হলো জাতিসংঘ অর্থনৈতিক কমিশন ফর আফ্রিকা, যার সদর দপ্তর ইথিওপিয়ার রাজধানী আদ্দিস আবাবায় অবস্থিত। - এটি ১৯৫৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং আফ্রিকার অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আদ্দিস আবাবা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ইসিএ (ECA) এর সদর দপ্তর। B) নাইরোবি — এটি কেনিয়ার রাজধানী এবং এখানে জাতিসংঘের পরিবেশ কর্মসূচি (UNEP) এর সদর দপ্তর অবস্থিত। C) ডাকার — এটি সেনেগালের রাজধানী এবং এটি পশ্চিম আফ্রিকার একটি প্রধান রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কেন্দ্র। D) কায়রো — এটি মিশরের রাজধানী এবং এখানে আরব লীগের সদর দপ্তর অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: আফ্রিকার অর্থনীতি (ECA) চলে ইথিওপিয়ার আদ্দিস আবাবা থেকে।
a ১৯৯০
b ১৯৯১
c ১৯৯২
d ১৯৯৫
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৯৯৫ কেন সঠিক: - এই চুক্তির মাধ্যমে বসনিয়ার যুদ্ধ সমাপ্ত হয় এবং বলকান অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয়। - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ডেটনে স্বাক্ষরিত এই চুক্তির ফলে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা একটি রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৯০ — এই সালে স্লোভেনিয়া ও ক্রোয়েশিয়ায় স্বাধীনতার পক্ষে গণভোট অনুষ্ঠিত হয় কিন্তু ডেটন চুক্তি হয়নি। B) ১৯৯১ — এই সালে যুগোস্লাভিয়া ভেঙে যাওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয় এবং বিভিন্ন প্রজাতন্ত্র স্বাধীনতা ঘোষণা করে। C) ১৯৯২ — এই সালে বসনিয়া যুদ্ধ শুরু হয় এবং আন্তর্জাতিকভাবে বসনিয়ার স্বাধীনতা স্বীকৃত হয়। D) ১৯৯৫ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই ঐতিহাসিক ডেটন শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: বসনিয়া যুদ্ধের অবসান ঘটে ১৯৯৫ সালে, তাই ডেটন চুক্তির সাল মনে রাখতে ১৯৯৫ সংখ্যাটি মনে রাখুন।
a রোম চুক্তি
b ম্যাসট্রিচ চুক্তি
c ভিয়েনা কনভেনশন
d ব্রাসেলস কনভেনশন
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রোম চুক্তি কেন সঠিক: - ১৯৫৭ সালের ২৫ মার্চ রোম চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় এবং ১৯৫৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হয়। - এই চুক্তির মাধ্যমেই ইউরোপীয় অর্থনৈতিক সম্প্রদায় বা ইইসি প্রতিষ্ঠা লাভ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রোম চুক্তি — এটি ইউরোপীয় অর্থনৈতিক সম্প্রদায় প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত এবং এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। B) ম্যাসট্রিচ চুক্তি — এই চুক্তির মাধ্যমে ১৯৯৩ সালে ইউরোপীয় ইউনিয়ন গঠিত হয়, যা ইইসি প্রতিষ্ঠার চুক্তি নয়। C) ভিয়েনা কনভেনশন — এটি সাধারণত কূটনৈতিক সম্পর্ক বা আন্তর্জাতিক আইন সংক্রান্ত চুক্তির জন্য পরিচিত। D) ব্রাসেলস কনভেনশন — এটি মূলত বিচারিক সহযোগিতা এবং আন্তর্জাতিক এখতিয়ার সংক্রান্ত একটি চুক্তি। মনে রাখার টিপস: অর্থনৈতিক উন্নয়নে চুক্তি করতে সবাই রোমে জমা হয়েছিল, তাই ইইসি প্রতিষ্ঠার জন্য রোম চুক্তি মনে রাখবেন।
a ১৯৮০
b ১৯৮২
c ১৯৮৫
d ১৯৮৮
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৯৮৮ কেন সঠিক: - বিশ্বব্যাংক গ্রুপের অন্যতম প্রতিষ্ঠান এমআইজিএ বা বহুপাক্ষিক বিনিয়োগ গ্যারান্টি সংস্থা গঠিত হয় ১৯৮৮ সালের ১২ এপ্রিল। - উন্নয়নশীল সদস্য দেশগুলোতে বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ করার উদ্দেশ্যে রাজনৈতিক ঝুঁকির বিপরীতে বীমা প্রদান করতে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৮০ — এই সালে বিশ্বব্যাংক গ্রুপের কোনো নতুন প্রধান অঙ্গসংগঠন গঠিত হয়নি। B) ১৯৮২ — এই সালে এমআইজিএ গঠনের কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটেনি। C) ১৯৮৫ — এই সালে বিশ্বব্যাংক গভর্নিং বোর্ডে এমআইজিএ গঠনের প্রস্তাব গৃহীত হয়, তবে সংস্থাটি আনুষ্ঠানিকভাবে ১৯৮৮ সালে কার্যক্রম শুরু করে। D) ১৯৮৮ — এই সালে এমআইজিএ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং সদস্য দেশগুলোর মধ্যে কার্যক্রম শুরু করে। মনে রাখার টিপস: বিশ্বব্যাংক গ্রুপের কনিষ্ঠ সদস্য এমআইজিএ গঠিত হয় ১৯৮৮ সালে, যাকে ব্যাংকের শেষ অঙ্গপ্রতিষ্ঠান হিসেবে মনে রাখতে পারেন।
a নিউইয়র্কে
b শিকাগোতে
c টোকিওতে
d ইয়োকোহামা
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভূগোল ও পরিবেশ / আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: D) ইয়োকোহামা কেন সঠিক: - জাপানের ইয়োকোহামা শহরে ল্যান্ডমার্ক টাওয়ার অবস্থিত, যা দেশটির অন্যতম উঁচু আকাশচুম্বী ভবন। - এই ভবনটি তার স্থাপত্যশৈলী এবং পর্যটন আকর্ষণের জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিউইয়র্কে — নিউইয়র্কে বিখ্যাত ল্যান্ডমার্ক টাওয়ার নেই, তবে এখানে এম্পায়ার স্টেট বিল্ডিংয়ের মতো অন্যান্য টাওয়ার রয়েছে। B) শিকাগোতে — শিকাগোতে উইলিস টাওয়ার অবস্থিত, যা এই প্রশ্নের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) টোকিওতে — টোকিওতে টোকিও স্কাইস্ট্রিট ও টোকিও টাওয়ার রয়েছে, তবে 'ল্যান্ডমার্ক টাওয়ার' জাপানের ইয়োকোহামাতেই অবস্থিত। D) ইয়োকোহামা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। মনে রাখার টিপস: জাপানের ইয়োকোহামা শহরের প্রধান প্রতীক হলো এই ল্যান্ডমার্ক টাওয়ার।
a এক জাতীয় ধাতব পাত্র
b সামপ্রতিককালের সর্বাধিক বিক্রীত একটি শিশুতোষ বই
c এক জাতীয় গুচ্ছ বোমা
d এক ধরনের খেলনা
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সামপ্রতিককালের সর্বাধিক বিক্রীত একটি শিশুতোষ বই কেন সঠিক: - হ্যারি পটার হলো বিখ্যাত ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক জে কে রোলিং রচিত একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও সর্বাধিক বিক্রীত ফ্যান্টাসি উপন্যাস সিরিজ। - এটি শিশু ও কিশোর পাঠকদের মধ্যে বিশ্বজুড়ে বিপুল জনপ্রিয়তা লাভ করায় শিশুতোষ বই হিসেবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) এক জাতীয় ধাতব পাত্র — এটি কোনো ধাতব পাত্র নয়, বরং একটি কাল্পনিক চরিত্র ও তার কাহিনী নিয়ে লেখা বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম। B) সামপ্রতিককালের সর্বাধিক বিক্রীত একটি শিশুতোষ বই — এটি সঠিক কারণ হ্যারি পটার সিরিজটি বিশ্বের অন্যতম সর্বাধিক বিক্রিত শিশুতোষ বই ও উপন্যাস। C) এক জাতীয় গুচ্ছ বোমা — এটি কোনো অস্ত্র বা গুচ্ছ বোমা নয়, বরং এটি একটি কাল্পনিক জাদুকরি জগতের ওপর ভিত্তি করে রচিত বই। D) এক ধরনের খেলনা — এটি সরাসরি কোনো খেলনা নয়, যদিও এর আদলে পরবর্তীতে নানা ধরনের খেলনা ও সামগ্রী তৈরি হয়েছে। মনে রাখার টিপস: হ্যারি পটার নামটি দেখলেই মনে রাখবে এটি জে কে রোলিং এর লেখা বিশ্ববিখ্যাত জাদুকরি শিশুতোষ বই সিরিজ।
a গ্রিসে
b মেসোপটেমিয়ায়
c রোমে
d ভারতে
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মেসোপটেমিয়ায় কেন সঠিক: - মেসোপটেমিয়া সভ্যতা টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীর অববাহিকায় গড়ে ওঠে এবং এটিই মানব ইতিহাসের প্রথম নথিভুক্ত সভ্যতা। - যিশু খ্রিস্টের জন্মের প্রায় চার হাজার বছর পূর্বে এই অঞ্চলে সুমেরীয় সভ্যতার বিকাশ ঘটেছিল যা বিশ্বের প্রাচীনতম নগরকেন্দ্রিক সভ্যতা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গ্রিসে — গ্রিক সভ্যতা বা হেলেনীয় সভ্যতা মেসোপটেমিয়ার অনেক পরে খ্রিস্টপূর্ব প্রথম সহাব্দের দিকে বিকশিত হয়। B) মেসোপটেমিয়ায় — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে সঠিক অপশন হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। C) রোমে — রোমান সভ্যতা মেসোপটেমিয়া ও গ্রিক সভ্যতার পতনের পর ইতালিতে গড়ে ওঠা একটি পরবর্তীকালীন প্রাচীন সভ্যতা। D) ভারতে — ভারতীয় উপমহাদেশে গড়ে ওঠা সিন্ধু সভ্যতা মেসোপটেমিয়া সভ্যতার সমসাময়িক হলেও এটি বিশ্বের প্রাচীনতম সভ্যতা নয়। মনে রাখার টিপস: নদীমাতৃক সভ্যতার সূচনা মনে রাখতে মেসোপটেমিয়া নামটি মনে রাখুন, যা বর্তমান ইরাকের টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীর তীরে গড়ে উঠেছিল।
a যুক্তরাজ্য
b যুক্তরাষ্ট্র
c কোরিয়া
d কিউবা
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) যুক্তরাষ্ট্র কেন সঠিক: - স্নায়ুযুদ্ধের সময় নিকারাগুয়ার সমাজতান্ত্রিক সান্দিনিন্ডা সরকারের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র কন্ট্রা বিদ্রোহীদের গোপনে অর্থ ও অস্ত্র সহায়তা দিয়েছিল। - লাতিন আমেরিকায় সাম্যবাদের বিস্তার রোধ করার মার্কিন নীতির অংশ হিসেবে এই সহায়তা প্রদান করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যুক্তরাজ্য — এই বিদ্রোহের পেছনে প্রত্যক্ষ বা প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে যুক্তরাজ্য যুক্ত ছিল না। B) যুক্তরাষ্ট্র — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এখানে ভুল ব্যাখ্যার প্রয়োজন নেই। C) কোরিয়া — কোরিয়ার সঙ্গে নিকারাগুয়ার এই ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক সংঘাতের কোনো সম্পর্ক নেই। D) কিউবা — কিউবা উল্টো সান্দিনিন্ডা সরকারকে সমর্থন করেছিল, কন্ট্রা বিদ্রোহীদের নয়। মনে রাখার টিপস: নিকারাগুয়ার কন্ট্রা বিদ্রোহ মানেই আমেরিকার গোপন সহায়তা, কারণ যুক্তরাষ্ট্র লাতিন আমেরিকায় সমাজবাদ বিরোধী ছিল।
a ফ্রান্স
b যুক্তরাজ্য
c রাশিয়া
d দি নেদারল্যান্ডস্‌
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) দি নেদারল্যান্ডস্‌ কেন সঠিক: - দি নেদারল্যান্ডস্‌ বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় অর্থনৈতিক দেশ হওয়া সত্ত্বেও জি-৮ বা বর্তমান জি-৭ জোটের সদস্য নয়। - যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জার্মানি, ফ্রান্স, ইতালি, জাপান, কানাডা ও রাশিয়া নিয়ে জি-৮ গঠিত হয়েছিল, যেখানে নেদারল্যান্ডসের নাম নেই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফ্রান্স — এটি জি-৮ জোটের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ও স্থায়ী সদস্য রাষ্ট্র। B) যুক্তরাজ্য — এটি বিশ্বের অন্যতম প্রধান অর্থনৈতিক শক্তি এবং জি-৮ জোটের সদস্য দেশ। সি) রাশিয়া — এটি অতীতে জি-৮ জোটের সদস্য ছিল এবং পূর্বে একে জি-৮ বলা হতো। D) দি নেদারল্যান্ডস্‌ — এটি জি-৮ জোটের অন্তর্ভুক্ত কোনো দেশ নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: জি-৭ বা জি-৮ জোটের সদস্য দেশগুলোর মধ্যে ইউরোপের প্রধান অর্থনৈতিক দেশগুলো থাকলেও নেদারল্যান্ডস্‌ এর অন্তর্ভুক্ত নয়।
a আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক
b কোনটাই না
c এডিবি
d আইডিবি
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক কেন সঠিক: - ১৯৪৪ সালের জুলাই মাসে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ হ্যাম্পশায়ারের ব্রেটন উড্‌স শহরে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের মুদ্রা ও আর্থিক সম্মেলনে এই দুটি প্রতিষ্ঠান গঠিত হয়। - বিশ্বব্যাংক ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (IMF)-কে একত্রে ব্রেটন উড্‌স ইনস্টিটিউট বা ব্রেটন উড্‌স সিস্টার কনসার্ন বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এই দুটি সংস্থা ব্রেটন উড্‌স সম্মেলনে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। B) কোনটাই না — এটি ভুল কারণ সঠিক অপশনটি তালিকায় বিদ্যমান রয়েছে। C) এডিবি — এটি একটি আঞ্চলিক উন্নয়ন ব্যাংক, যা ১৯৬৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর সঙ্গে ব্রেটন উড্‌স সম্মেলনের কোনো সম্পর্ক নেই। D) আইডিবি — এটি ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক, যা ১৯৭৩ সালে ওআইসিভুক্ত দেশগুলোর অর্থায়নে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ব্রেটন উড্‌স ব্যবস্থার অংশ নয়। মনে রাখার টিপস: ব্রেটন উড্‌স মানেই বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফের জন্মস্থান।
a হোসে সামও
b রবার্ট মুরাবে
c নেলসন ম্যান্ডেলা
d অংসান সুচি
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নেলসন ম্যান্ডেলা কেন সঠিক: - এটি দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনের মহান নেতা নেলসন ম্যান্ডেলার বিখ্যাত আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ। - এই বইটিতে তার দীর্ঘ কারাজীবন, সংগ্রামের দিনগুলো এবং দক্ষিণ আফ্রিকায় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হোসে সামও — ইনি এই বিশ্বখ্যাত আত্মজীবনীর লেখক নন এবং দক্ষিণ আফ্রিকার রাজনীতির সঙ্গে সম্পর্কিত নন। B) রবার্ট মুরাবে — ইনি জিম্বাবুয়ের দীর্ঘকালীন প্রেসিডেন্ট ছিলেন, দক্ষিণ আফ্রিকার নেলসন ম্যান্ডেলার এই গ্রন্থের সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই। C) নেলসন ম্যান্ডেলা — এটি সঠিক উত্তর এবং এটি তার নিজের লেখা বিশ্বখ্যাত আত্মজীবনী। D) অংসান সুচি — ইনি মিয়ানমারের গণতন্ত্রপন্থী নেত্রী, নেলসন ম্যান্ডেলার এই বিখ্যাত আত্মজীবনীটি তিনি লেখেননি। মনে রাখার টিপস: ম্যান্ডেলা দীর্ঘদিন কারাগারে হেঁটে হেঁটে স্বাধীনতা এনেছেন, তাই তার আত্মজীবনীর নাম 'A Long Walk to Freedom'।
a ইসরাইল ও জর্ডান
b দক্ষিণ কোরিয়া ও উত্তর কোরিয়া
c চীন ও তাইওয়ান
d ভারত ও পাকিস্তান
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ভারত ও পাকিস্তান কেন সঠিক: - এটি জম্মু ও কাশ্মীরে ভারত ও পাকিস্তানের নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলগুলোকে বিভক্তকারী সামরিক রেখা। - ১৯৭২ সালের সিমলা চুক্তির মাধ্যমে এই যুদ্ধবিরতি রেখাকে লাইন অব কন্ট্রোল হিসেবে নির্ধারণ করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইসরাইল ও জর্ডান — এদের মধ্যবর্তী সীমান্তবর্তী বা সংঘাতময় অঞ্চলকে লাইন অব কন্ট্রোল বলা হয় না। B) দক্ষিণ কোরিয়া ও উত্তর কোরিয়া — এই দুটি দেশের সীমান্তবর্তী অঞ্চলকে উনপঞ্চাশ ডিগ্রি সমান্তরাল রেখা বা ডিমিলিটারাইজড জোন বলা হয়। C) চীন ও তাইওয়ান — এদের মধ্যবর্তী প্রণালী তাইওয়ান প্রণালী নামে পরিচিত, লাইন অব কন্ট্রোল নয়। D) ভারত ও পাকিস্তান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য। মনে রাখার টিপস: পাকিস্তান ও ভারতের কাশ্মীরের নিয়ন্ত্রণ রেখাকে সংক্ষেপে এলওসি বা লাইন অব কন্ট্রোল বলা হয়।
a বায়ুর চাপ বেশি থাকার কারণে
b বায়ুর চাপ কম থাকার কারণে
c পাহাড়ের ওপর বাতাস কম থাকায়
d পাহাড়ের ওপর তাপমাত্রা বেশি থাকায়
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বায়ুর চাপ কম থাকার কারণে ১. কেন সঠিক: পাহাড়ের ওপরে বায়ুমণ্ডলীয় চাপ সমুদ্রপৃষ্ঠের তুলনায় কম থাকে। বায়ুর চাপ কম থাকার কারণে পানির স্ফুটনাঙ্কও কমে যায়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: তরলের স্ফুটনাঙ্ক বায়ুমণ্ডলের চাপের ওপর সরাসরি নির্ভর করে। চাপ কমলে স্ফুটনাঙ্ক কমে এবং চাপ বাড়লে স্ফুটনাঙ্ক বাড়ে। কার্যপ্রণালি: পাহাড়ের ওপরে বায়ুর চাপ কম থাকায় পানি ১০০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কম তাপমাত্রাতেই ফুটতে শুরু করে। কম তাপমাত্রায় পানি ফুটলে রান্নার জন্য পর্যাপ্ত তাপশক্তি পাওয়া যায় না, ফলে রান্না হতে বেশি সময় লাগে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রেসার কুকার ব্যাখ্যা: প্রেসার কুকারের ভেতরে বায়ুর চাপ কৃত্রিমভাবে বাড়ানো হয়, যার ফলে পানির স্ফুটনাঙ্ক বৃদ্ধি পায় এবং উচ্চ তাপমাত্রায় খাবার দ্রুত সিদ্ধ হয়। উদাহরণ ২: উচু পাহাড়ে চা তৈরি ব্যাখ্যা: এভারেস্ট বা উচু পাহাড়ে ১০০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আগেই পানি বাষ্পীভূত হয়, তাই সেখানে ভাত বা মাংস সেদ্ধ করা অত্যন্ত কঠিন ও সময়সাপেক্ষ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বায়ুর চাপ বেশি থাকার কারণে — পাহাড়ের ওপর বায়ুর চাপ বেশি থাকে না, বরং উচ্চতা বাড়ার সাথে সাথে বায়ুর চাপ কমতে থাকে। B) বায়ুর চাপ কম থাকার কারণে — এটি সঠিক কারণ এবং এটিই পানির স্ফুটনাঙ্ক কমিয়ে রান্নার সময় বাড়িয়ে দেয়। C) পাহাড়ের ওপর বাতাস কম থাকায় — বায়ুর উপস্থিতি বা বাতাস কম থাকা সরাসরি রান্নার সময়কে প্রভাবিত করে না, বরং বায়ুর চাপই এখানে মূল নিয়ন্ত্রক। D) পাহাড়ের ওপর তাপমাত্রা বেশি থাকায় — পাহাড়ের ওপর তাপমাত্রা বেশি থাকে না, বরং উচ্চতা বাড়ার সাথে সাথে বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা কমতে থাকে। ৫ মনে রাখার টিপস: উচ্চতা বাড়লে চাপ কমে, চাপ কমলে স্ফুটনাঙ্ক কমে এবং স্ফুটনাঙ্ক কমলে রান্না হতে দেরি হয়। পাহাড় মানেই কম চাপ এবং দেরিতে রান্না। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় তাপগতিবিদ্যা ও পদার্থের অবস্থা অধ্যায় থেকে প্রায়ই আসে। একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে প্রেশার কুকারে রান্না দ্রুত হয় কেন।
a এক-চতুর্থাংশ ধ্বংস হয়ে গেলে
b অর্ধেক ধ্বংস হয়ে গেলে
c এক-তৃতীয়াংশ বেড়ে গেলে
d এক-তৃতীয়াংশ বেড়ে গেলে
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) এক-চতুর্থাংশ ধ্বংস হয়ে গেলে ১. কেন সঠিক: মস্তিষ্কের স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা মূলত স্নায়ু কোষ বা নিউরনের ওপর নির্ভরশীল। মানবদেহে নিউরন একবার ধ্বংস হলে সাধারণত নতুন করে তৈরি হয় না। যখন মস্তিষ্কের মোট স্নায়ু কোষের প্রায় এক-চতুর্থাংশ বা পঁচিশ শতাংশ ধ্বংস হয়ে যায়, তখন মস্তিষ্কের স্মৃতিশক্তি, চিন্তা এবং বিচারবুদ্ধির ক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেতে শুরু করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: মানব মস্তিষ্কে প্রায় আটষট্টি বিলিয়ন থেকে শত বিলিয়ন স্নায়ু কোষ বা নিউরন থাকে। এই কোষগুলো বৈদ্যুতিক ও রাসায়নিক সংকেতের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদান করে। কার্যপ্রণালি: স্নায়ু কোষগুলো সিন্যাপস নামক সংযোগস্থলের মাধ্যমে জালক তৈরি করে স্মৃতি সংরক্ষণ করে। কোষ ধ্বংস হলে এই সংযোগগুলো ভেঙে যায় এবং তথ্যপ্রবাহ ব্যাহত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আলঝেইমার রোগ। ব্যাখ্যা: এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির মস্তিষ্কের স্নায়ু কোষগুলো ক্রমান্বয়ে ধ্বংস হতে থাকে এবং কোষের সংখ্যা এক-চতুর্থাংশ কমলে স্মৃতিশক্তি লোপ পাওয়ার তীব্র লক্ষণ প্রকাশ পায়। উদাহরণ ২: স্ট্রোক বা মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ। ব্যাখ্যা: স্ট্রোকের কারণে মস্তিষ্কের নির্দিষ্ট এলাকার কোষগুলো পুষ্টি ও অক্সিজেন না পেয়ে মারা যায়, যার ফলে ওই অঞ্চলের নিয়ন্ত্রিত শারীরিক বা মানসিক ক্ষমতা ক্ষয় হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) এক-চতুর্থাংশ ধ্বংস হয়ে গেলে — এটিই সঠিক কারণ মস্তিষ্কের সূক্ষ্ম কাজের জাল রক্ষা করতে স্নায়ু কোষের নির্দিষ্ট পরিমাণের বেশি ক্ষতি সহ্য হয় না। B) অর্ধেক ধ্বংস হয়ে গেলে — এই অপশনটি ভুল কারণ কোষের অর্ধেক ধ্বংস হলে মস্তিষ্ক সম্পূর্ণ অকার্যকর বা কোমায় চলে যাওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয়, কেবল ক্ষমতা ক্ষয় হওয়ার প্রাথমিক পর্যায় এটি নয়। C) এক-তৃতীয়াংশ বেড়ে গেলে — স্নায়ু কোষ সাধারণ অবস্থায় প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে কমে কিন্তু বাড়ে না, তাই এই অপশনটি বৈজ্ঞানিকভাবে অমূলক। D) এক-তৃতীয়াংশ বেড়ে গেলে — একই কারণে এই অপশনটিও ভুল এবং প্রশ্ন ও প্রসঙ্গের সঙ্গে এটি সম্পূর্ণ অবাস্তব। ৫ মনে রাখার টিপস: মস্তিষ্কের ক্ষমতা ক্ষয়ের সীমা মনে রাখতে এক-চতুর্থাংশ বা পঁচিশ শতাংশ সংখ্যাটি মনে রাখুন। কোষে কোষে যোগাযোগ নষ্ট হলে স্মৃতিশক্তি কমতে শুরু করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য মানব স্নায়ুতন্ত্রের গঠন এবং নিউরনের কাজ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা জরুরি। একই ধারণা থেকে নিউরনের মৃত্যুর কারণ বা আলঝেইমার রোগের লক্ষণ সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
a অক্সিজেন সরবরাহে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে
b ইাইট্রোজেন সরবরাহ করে
c হাইড্রোজেন সরবরাহ করে
d হাইড্রোজেন সরবরাহ করে
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অক্সিজেন সরবরাহে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে ১. কেন সঠিক: - আগুন জ্বলার জন্য তিনটি উপাদানের প্রয়োজন হয়, যা ফায়ার ট্রায়াঙ্গেল নামে পরিচিত এবং এগুলো হলো জ্বালানি, তাপ ও অক্সিজেন। - রাসায়নিক অগ্নি নির্বাপক যন্ত্র ব্যবহার করলে সেখানে কার্বন ডাইঅক্সাইড বা ফوم বা পাউডার নির্গত হয় যা আগুনের চারপাশে একটি আবরণ তৈরি করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: আগুন মূলত একটি দ্রুত জারণ বিক্রিয়া যেখানে জ্বালানি অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে তাপ ও আলো উৎপন্ন করে। - কার্যপ্রণালি: অগ্নি নির্বাপক থেকে আসা পদার্থগুলো বাতাসের চেয়ে ভারী হওয়ায় তা বাতাসের অক্সিজেনকে আগুনের সংস্পর্শে আসতে বাধা দেয়। - কারণ ও ফলাফল: অক্সিজেনের সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে আগুন জ্বালানোর ত্রিভুজ ভেঙে যায় এবং আগুন নিভে যায়। - বাস্তব প্রয়োগ: রান্নাঘরের তেল বা বিদ্যুতের আগুনে পানি ব্যবহার না করে ড্রাই পাউডার বা কার্বন ডাইঅক্সাইড সিলিন্ডার ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পেট্রোল পাম্পে ফোম বা কার্বন ডাইঅক্সাইডভিত্তিক অগ্নি নির্বাপক ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: পেট্রোল পানির চেয়ে হালকা হওয়ায় তেলের ওপর পানি ভাসতে থাকে, তাই অক্সিজেন সরবরাহ বন্ধ করতে ফோம் বা গ্যাস ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: আগুন লাগার পর কম্বল বা ভারী চাদর চাপা দেওয়া। ব্যাখ্যা: ভারী চাদর বা কম্বল আগুনের ওপর চাপা দিলে অক্সিজেন সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায় এবং আগুন নিভে যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অক্সিজেন সরবরাহে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে — এই অপশনটি সঠিক কারণ অগ্নি নির্বাপক মূলত অক্সিজেনের সাথে আগুনের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে। B) ইাইট্রোজেন সরবরাহ করে — নাইট্রোজেন আগুন নেভাতে নিষ্ক্রিয় গ্যাস হিসেবে কাজ করলেও অগ্নি নির্বাপক প্রধানত অক্সিজেন সরবরাহ বন্ধ করে কাজ করে। C) হাইড্রোজেন সরবরাহ করে — হাইড্রোজেন একটি অত্যন্ত দাহ্য গ্যাস যা আগুন নিভানোর বদলে আগুন আরও বাড়িয়ে দেয়। D) হাইড্রোজেন সরবরাহ করে — এটি পুনরাবৃত্তিমূলক ভুল অপশন এবং হাইড্রোজেন সবসময় আগুন জ্বালাতে সাহায্য করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - আগুন নেভানোর মূল চাবিকাঠি হলো অক্সিজেনের সাথে সম্পর্কচ্ছেদ করা। - ফায়ার ট্রায়াঙ্গেলের যেকোনো একটি বাহু সরিয়ে ফেললেই আগুন নিভে যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - আগুন নেভানোর কাজে কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাস ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয় কারণ এটি বাতাসের চেয়ে দেড় গুণ ভারী। - বিদ্যুৎ ও তেলের আগুনে পানি ব্যবহার করা নিষেধ কেন, এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
a বিদ্যুৎ খরচ কমানোর উদ্দেশ্য
b অতিমাত্রায় বিদ্যুৎ প্রবাহজনিত দুর্ঘটনা রোধের উদ্দেশ্যে
c বৈদ্যুতিক বালব থেকে বেশি আলো পাওয়ার জন্য
d বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি যাতে সুষ্ঠুভাবে কাজ করে
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বিদ্যুৎ ও চুম্বকত্ব এবং দৈনন্দিন জীবনে বিজ্ঞানের প্রয়োগ সঠিক উত্তর: B) অতিমাত্রায় বিদ্যুৎ প্রবাহজনিত দুর্ঘটনা রোধের উদ্দেশ্যে ১. কেন সঠিক: - আবাসিক বাড়ির বর্তনীতে যখন অতিরিক্ত বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়, তখন সার্কিট ব্রেকার স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। - এর ফলে বড় ধরনের বৈদ্যুতিক দুর্ঘটনা এবং শর্ট সার্কিটজনিত অগ্নিকাণ্ড রোধ করা সম্ভব হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: সার্কিট ব্রেকার হলো একটি স্বয়ংক্রিয় সুইচ যা অতিরিক্ত বিদ্যুৎ প্রবাহ বা শর্ট সার্কিটের সময় বর্তনী রক্ষা করে। - কার্যপ্রণালি: বর্তনীতে নির্ধারিত সীমার বেশি বিদ্যুৎ প্রবাহিত হলে এর ভেতরের চুম্বকীয় বা তাপীয় কৌশল কাজ করে এবং সুইচটি অফ হয়ে যায়। - বাস্তব প্রয়োগ: আমাদের ঘরের প্রধান বিদ্যুৎ মিটারের সাথে এটি যুক্ত থাকে যাতে ঘরের সব যন্ত্রপাতি নিরাপদ থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হঠাৎ অনেকগুলো ভারী যন্ত্রপাতি একসাথে চালালে লাইনে অতিরিক্ত চাপ পড়ে এবং সার্কিট ব্রেকার লাইন কেটে দেয়। ব্যাখ্যা: এটি দেখায় যে সার্কিট ব্রেকার অতিরিক্ত লোড থেকে ঘরকে রক্ষা করছে। উদাহরণ ২: বজ্রপাত বা লাইনে ত্রুটির কারণে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ আসার সাথে সাথে সার্কিট ব্রেকার পড়ে যায়। ব্যাখ্যা: এটি ঘরের দামি ফ্রিজ বা টেলিভিশন পুড়ে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিদ্যুৎ খরচ কমানোর উদ্দেশ্য — সার্কিট ব্রেকার বিদ্যুৎ খরচ নিয়ন্ত্রণ বা কমানোর জন্য তৈরি করা হয়নি, এটি কেবল সুরক্ষার কাজ করে। B) অতিমাত্রায় বিদ্যুৎ প্রবাহজনিত দুর্ঘটনা রোধের উদ্দেশ্যে — এটি সঠিক উত্তর এবং এটি বর্তনীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। C) বৈদ্যুতিক বালব থেকে বেশি আলো পাওয়ার জন্য — বালবের আলো নির্ভর করে ভোল্টেজ এবং ওয়াটের ওপর, সার্কিট ব্রেকারের এখানে কোনো ভূমিকা নেই। D) বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি যাতে সুষ্ঠুভাবে কাজ করে — যন্ত্রপাতি সুষ্ঠুভাবে কাজ করার জন্য সঠিক ভোল্টেজ প্রয়োজন, সার্কিট ব্রেকার শুধু দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা করে। ৫ মনে রাখার টিপস: - সার্কিট ব্রেকার শব্দের সাথে ব্রেকার শব্দটি যুক্ত আছে যার অর্থ ভেঙে দেওয়া বা সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা। - অতিরিক্ত বিদ্যুৎ দেখলেই এটি সংযোগ ব্রেক করে দেয়, এভাবেই এটি মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - অতীতে ফিউজ তার ব্যবহার করা হলেও বর্তমানে আধুনিক বাড়িতে এর পরিবর্তে সার্কিট ব্রেকার ব্যবহার করা হয়। - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসতে পারে যে সার্কিট ব্রেকার কোন নীতির ওপর কাজ করে, উত্তর হবে এটি তড়িৎ প্রবাহের চৌম্বকীয় বা তাপীয় ক্রিয়ার ওপর কাজ করে।
a নিউট্রন ও প্রোটনের সংখ্যা সমান
b প্রোটন ও নিউট্রনের ওজন সমান
c নিউট্রন ও প্রোটন নিউক্লিয়াসে থাকে
d ইলেক্ট্রন ও প্রোটনের সংখ্যা সমান
0 92 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ইলেক্ট্রন ও প্রোটনের সংখ্যা নিরপেক্ষ হয় ১. কেন সঠিক: - পরমাণুর ভেতরে ধনাত্মক চার্জযুক্ত প্রোটন এবং ঋণাত্মক চার্জযুক্ত ইলেক্ট্রন থাকে। - একটি পরমাণুতে যতগুলো প্রোটন থাকে, ঠিক ততগুলোই ইলেক্ট্রন থাকে বলে মোট চার্জ শূন্য হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: পরমাণু হলো পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণা যার কেন্দ্রে থাকে নিউক্লিয়াস এবং চারপাশে ঘোরে ইলেক্ট্রন। - কার্যপ্রণালি: প্রোটনের ধনাত্মক চার্জ এবং ইলেক্ট্রনের ঋণাত্মক চার্জ পরস্পরকে সমানভাবে প্রশমিত করে। - কারণ ও ফলাফল: চার্জ সমান থাকার কারণে স্বাভাবিক অবস্থায় পরমাণু সামগ্রিকভাবে চার্জ নিরপেক্ষ বা আধানহীন হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হিলিয়াম পরমাণু ব্যাখ্যা: হিলিয়াম পরমাণুতে দুটি প্রোটন ও দুটি ইলেক্ট্রন থাকে, ফলে এটি চার্জ নিরপেক্ষ। উদাহরণ ২: কার্বন পরমাণু ব্যাখ্যা: কার্বন পরমাণুতে ছয়টি প্রোটন ও ছয়টি ইলেক্ট্রন থাকায় এটিও আধানহীন বা নিরপেক্ষ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিউট্রন ও প্রোটনের সংখ্যা সমান — এই বক্তব্যটি ভুল কারণ পরমাণুর ভর সংখ্যা ভেদে নিউট্রন সংখ্যা ভিন্ন হতে পারে, যা চার্জের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) প্রোটন ও নিউট্রনের ওজন সমান — এই বক্তব্যটি আংশিক ভুল কারণ নিউট্রনের ভর প্রোটনের ভরের চেয়ে সামান্য বেশি এবং ওজনের সঙ্গে চার্জ নিরপেক্ষতার কোনো সম্পর্ক নেই। C) নিউট্রন ও প্রোটন নিউক্লিয়াসে থাকে — এই বক্তব্যটি সত্য হলেও এটি পরমাণুর নিউক্লিয়াসের অবস্থান বোঝায়, চার্জ নিরপেক্ষতার মূল কারণ এটি নয়। D) ইলেক্ট্রন ও প্রোটনের সংখ্যা সমান — এই বক্তব্যটি সঠিক কারণ সমপরিমাণ ধনাত্মক ও ঋণাত্মক আধান একে অপরকে বাতিল করে। ৫. মনে রাখার টিপস: পরমাণুর নিরপেক্ষতা মানে সমান সমান খেলা যেখানে ধনাত্মক প্রোটন ও ঋণাত্মক ইলেক্ট্রন সংখ্যায় সমান থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কোনো পরমাণু যদি ইলেক্ট্রন হারায় বা গ্রহণ করে তবে তা আয়নে পরিণত হয় এবং চার্জ নিরপেক্ষতা হারায়। এই ধারণা থেকে প্রায়ই বিসিএস বা ব্যাংক পরীক্ষায় আয়ন সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে।
a ৭০
b ৭২.০০%
c ৭৩.০০%
d ৮০.০০%
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৭৩.০০% ১. কেন সঠিক: মাইকোকন্ড্রিয়া কোষের শক্তির উৎস এবং এর গঠন প্রধানত প্রোটিন ও লিপিড দ্বারা গঠিত। বায়োকেমিকাল বিশ্লেষণে দেখা গেছে যে মাইটোকন্ড্রিয়ার শুষ্ক ওজনের প্রায় তিয়াত্তর ভাগই প্রোটিন থাকে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: মাইটোকন্ড্রিয়া হলো কোষের পাওয়ার হাউস যা ক্রেবস চক্র ও ইলেকট্রন পরিবহন তন্ত্রের মাধ্যমে শক্তি উৎপন্ন করে। কার্যপ্রণালি: এর ভেতরের ঝিল্লিতে প্রোটিন সমৃদ্ধ এনজাইম ও কমপ্লেক্স থাকে যা এটিপি উৎপাদনে সরাসরি কাজ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মানুষের পেশি কোষে প্রচুর মাইটোকন্ড্রিয়া থাকে। ব্যাখ্যা: বেশি প্রোটিন সমৃদ্ধ এই অঙ্গাণু পেশিকে অবিরাম সংকোচনের জন্য পর্যাপ্ত শক্তি সরবরাহ করে। উদাহরণ ২: পাখির ডানার পেশি কোষে মাইটোকন্ড্রিয়ার ঘনত্ব বেশি। ব্যাখ্যা: উচ্চ প্রোটিন ও এনজাইম থাকার কারণে এরা দ্রুত শক্তি তৈরি করে দীর্ঘক্ষণ উড়তে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৭০ — এটি কোষের প্রোটোপ্লাজমে পানির সাধারণ শতকরা হারের কাছাকাছি একটি মান। B) ৭২.০০% — এটি মাইটোকন্ড্রিয়ার প্রোটিনের আদর্শ পরীক্ষামূলক মান হিসেবে স্বীকৃত নয়। C) ৭৩.০০% — এটি মাইটোকন্ড্রিয়ায় উপস্থিত প্রোটিনের সঠিক ও পরীক্ষিত শতকরা হার। D) ৮০.০০% — এটি ব্যাকটেরিয়ার শুষ্ক ওজনে প্রোটিনের পরিমাণের সাথে বেশি সামঞ্জস্যপূর্ণ। ৫. মনে রাখার টিপস: মাইটোকন্ড্রিয়া মানেই শক্তি এবং শক্তির পেছনে থাকে প্রোটিন। প্রোটিনের ঘরে তিয়াত্তর শতাংশ মনে রাখতে মাইটোকন্ড্রিয়ার ইংরেজি নামের দীর্ঘতার কথা চিন্তা করতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মাইটোকন্ড্রিয়াকে কোষের শক্তির আধার বলা হয় এবং এটি আবিষ্কার করেন রিচার্ড অল্টম্যান। এই অঙ্গাণুর নিজস্ব ডিএনএ ও রাইবোজোম থাকে যা থেকে প্রায়শই বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে।
a ফণিমনসা
b বিরুৎ
c গুল্ম
d ঊপরের একটিও নয়
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ঊপরের একটিও নয় ১. কেন সঠিক: - প্রশ্নে দেওয়া সঠিক উত্তরটি ভুল কারণ প্রকৃতপক্ষেই মূলবিহীন উদ্ভিদ পৃথিবীতে বিদ্যমান রয়েছে। - সাধারণ সপুষ্পক উদ্ভিদের মূল থাকলেও ব্রায়োফাইটা বা সমাঙ্গদেহী উদ্ভিদের সত্যিকারের কোনো মূল থাকে না। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: উদ্ভিদ জগতের কিছু প্রাচীন ও অনুন্নত বর্গের উদ্ভিদে মূল, কাণ্ড ও পাতার মতো প্রকৃত অঙ্গ থাকে না। - কার্যপ্রণালি: এসব উদ্ভিদের মূলের পরিবর্তে এককোষী বা বহুকোষী রাইজয়েড থাকে যা মাটি থেকে জল ও খনিজ লবণ শোষণ করে। - বাস্তব প্রয়োগ: বায়ুমণ্ডল বা ভেজা মাটি থেকে জল শোষণ করে বেঁচে থাকা এসব উদ্ভিদ পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রিকসিয়া বা মার্চেনসিয়া জাতীয় লিভারওয়ার্ট। ব্যাখ্যা: এদের দেহ চ্যাপ্টা সমাঙ্গদেহী এবং মূল না থাকায় এরা রাইজয়েডের সাহায্যে মাটিতে আটকে থাকে। উদাহরণ ২: স্পাইরোভাইরা বা শৈবাল। ব্যাখ্যা: জলে ভাসমান এই উদ্ভিদের কোনো মূল বা বাহ্যিক অঙ্গবিন্যাস থাকে না এবং পুরো দেহ দিয়েই এরা পুষ্টি উপাদান গ্রহণ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফণিমনসা — এটি একটি জেনোফাইটিক বা মরুজ সপুষ্পক উদ্ভিদ যার সুগঠিত মূলতন্ত্র বিদ্যমান। B) বিরুৎ — এটি নরম কাণ্ডবিশিষ্ট সপুষ্পক উদ্ভিদের একটি শ্রেণি যাদের সুনির্দিষ্ট মূল থাকে। C) গুল্ম — এটি মাঝারি আকৃতির কাষ্ঠল উদ্ভিদ যাদের সুগঠিত ও গভীর মূলতন্ত্র থাকে। D) ঊপরের একটিও নয় — যেহেতু উপরের তিনটি উদ্ভিদেরই মূল আছে এবং মূলবিহীন উদ্ভিদও পৃথিবীতে রয়েছে, তাই সঠিক উত্তর এটিই হবে। ৫. মনে রাখার টিপস: সব সপুষ্পক উদ্ভিদের মূল থাকলেও সমাঙ্গদেহী উদ্ভিদ বা থ্যালফাইটা এবং ব্রায়োফাইটা বর্গের উদ্ভিদের কোনো প্রকৃত মূল থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অপশন ভুল থাকলে সাহসিকতার সাথে সঠিক বৈজ্ঞানিক তথ্য চিহ্নিত করতে হবে। শৈবাল ও ব্রায়োফাইটা বর্গের উদ্ভিদে মূল থাকে না এই তথ্যটি উদ্ভিদবিজ্ঞানের প্রশ্নগুলোর জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ।
a মৃদু রঞ্জন রশ্মি
b বিটা রশ্মি
c গামা রশ্মি
d কসমিন রশ্মি
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মৃদু রঞ্জন রশ্মি ১. কেন সঠিক: - রঙ্গীন টেলিভিশনের ক্যাথোড রে টিউব কাজ করার সময় উচ্চ গতির ইলেকট্রন যখন পজিটিভ অ্যানোড বা পর্দায় আঘাত করে, তখন মৃদু রঞ্জন রশ্মি বা এক্স-রে তৈরি হয়। - টেলিভিশনের ভেতরে এই ক্ষতিকর রশ্মি উৎপাদনের মূল কারণ হলো ইলেকট্রনের তীব্র গতি রোধ বা ব্রেকিং রেডিয়েশন প্রক্রিয়া। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: ক্যাথোড রশ্মি নল বা টিউবে উচ্চ বিভব পার্থক্যের কারণে ইলেকট্রন দ্রুত গতিতে সামনের দিকে ধাবিত হয় এবং ভারী ধাতুতে বাধা পেয়ে এক্স-রে বা রঞ্জন রশ্মি উৎপন্ন করে। - কার্যপ্রণালি: রঙিন টেলিভিশনের পিকচার টিউবে ইলেকট্রন গান থেকে নির্গত ইলেকট্রন রশ্মি উচ্চ বেগে ফসফরের পর্দায় আঘাত হানে এবং এই প্রক্রিয়ায় মৃদু মানের রঞ্জন রশ্মি বিকিরিত হয়। - বাস্তব প্রয়োগ: আধুনিক এলসিডি বা এলইডি টিভিতে এই সমস্যা না থাকলেও পুরোনো সিআরটি মনিটর বা রঙিন টেলিভিশনে এই মৃদু রঞ্জন রশ্মি ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পুরোনো মডেলের ডেস্কটপ কম্পিউটার বা রঙিন টেলিভিশন। ব্যাখ্যা: এগুলোতে ক্যাথোড রে টিউব ব্যবহারের কারণে সামান্য পরিমাণ মৃদু রঞ্জন রশ্মি নির্গত হয়, তাই খুব কাছে বসে টেলিভিশন দেখা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। উদাহরণ ২: হাসপাতালের এক্স-রে যন্ত্র। ব্যাখ্যা: উচ্চ শক্তির রঞ্জন রশ্মি যেভাবে চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়, টেলিভিশন থেকে নির্গত রঞ্জন রশ্মি তার চেয়ে অনেক মৃদু প্রকৃতির কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতিকর। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মৃদু রঞ্জন রশ্মি — এটি সঠিক উত্তর কারণ রঙিন টেলিভিশনের পিকচার টিউব থেকে ক্যাথোড রশ্মি আঘাত হানার ফলে এই মৃদু রঞ্জন রশ্মি উৎপন্ন হয়। B) বিটা রশ্মি — এটি তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ থেকে নির্গত উচ্চ গতির ইলেকট্রন কণার স্রোত, যা সাধারণ টেলিভিশনে উৎপন্ন হয় না। C) গামা রশ্মি — এটি অত্যন্ত উচ্চ শক্তির তড়িৎ চৌম্বকীয় বিকিরণ যা নিউক্লিয়াস থেকে আসে, সাধারণ টেলিভিশন থেকে এটি নির্গত হয় না। D) কসমিন রশ্মি — এটি মহাকাশ থেকে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে আসা অত্যন্ত উচ্চ শক্তির কণা, যার সঙ্গে টেলিভিশনের কোনো সম্পর্ক নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: - রঙিন টেলিভিশন মানেই ছবি দেখার যন্ত্র, আর ছবি তৈরির টিউব থেকে এক্স-রে বা মৃদু রঞ্জন রশ্মি বের হয় এটি মনে রাখবে। - এক্স-রে যেমন হাড়ের ছবি তোলে, রঙিন টেলিভিশনের টিউবও ইলেকট্রন দিয়ে ছবি আঁকার সময় মৃদু এক্স-রে তৈরি করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে সিআরটি মনিটর বা রঙিন টেলিভিশন থেকে কোন ক্ষতিকর রশ্মি বের হয়। - এই প্রশ্ন থেকে অন্যভাবে আসতে পারে যে ক্যাথোড রে টিউব ব্যবহারের ফলে কোন তেজস্ক্রিয় বা ক্ষতিকর বিকিরণ তৈরি হয়।
a ছোট কুকুর
b পর্বতারোহণ সামগ্রী
c বাদ্যযন্ত্র
d ছোট কম্পিউটার
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ছোট কম্পিউটার ১. কেন সঠিক: ল্যাপটপ হলো একটি বহনযোগ্য বা পোর্টেবল পার্সোনাল কম্পিউটার, যা ডেক্সটপ কম্পিউটারের মতো সমস্ত কাজ করতে পারে। এর ভেতরে প্রসেসর, মেমোরি, হার্ডডিস্ক এবং ব্যাটারি থাকে যা একে স্বাধীনভাবে কাজ করতে সাহায্য করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: আধুনিক প্রযুক্তি ও সাধারণ বিজ্ঞান। কার্যপ্রণালি: এটি রিচার্জেবল ব্যাটারির সাহায্যে বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করে এবং ইনপুট বা আউটপুট ডিভাইসগুলোকে একটি একক কাঠামোর মধ্যে যুক্ত করে। বাস্তব প্রয়োগ: শিক্ষা, অফিসিয়াল কাজ এবং চলাচলের সময় সহজে তথ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ ও ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য এটি বহুল ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অ্যাপল কোম্পানির ম্যাকবুক এয়ার একটি জনপ্রিয় ল্যাপটপ। ব্যাখ্যা: এটি ব্যাটারি চালিত হয়ে বাইরে কোথাও নিয়ে গিয়ে সহজে ব্যবহার করা যায়। উদাহরণ ২: ডেল ইনস্পিরন সিরিজের ল্যাপটপ দিয়ে কোডিং বা গ্রাফিক্সের কাজ করা। ব্যাখ্যা: এটি ডেক্সটপের বিকল্প হিসেবে ঘরের বাইরে বহন করে সব ধরনের কম্পিউটিং কাজ সম্পন্ন করতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ছোট কুকুর — এটি একটি গৃহপালিত চতুষ্পদ প্রাণী, কোনো যান্ত্রিক বা ইলেকট্রনিক ডিভাইস নয়। B) পর্বতারোহণ সামগ্রী — এটি পাহাড়ে ওঠার জন্য ব্যবহৃত রশি, হুক বা ব্যাগ নির্দেশ করে, প্রযুক্তি পণ্য নয়। C) বাদ্যযন্ত্র — এটি গিটার বা ড্রামের মতো সুর সৃষ্টির কোনো যন্ত্র নয়, এটি একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস। D) ছোট কম্পিউটার — এই অপশনটি সঠিক কারণ ল্যাপটপ হলো মূলত একটি বহনযোগ্য ছোট কম্পিউটার। ৫ মনে রাখার টিপস: ল্যাপটপের 'ল্যাপ' অর্থ কোল এবং 'টপ' অর্থ ওপর, অর্থাৎ কোলের ওপর রেখে ব্যবহার করার উপযোগী ছোট কম্পিউটার। কম্পিউটার শব্দটির সাথে পোর্টেবল বা বহনযোগ্য যুক্ত করলেই ল্যাপটপ ধারণাটি পরিষ্কার হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিশ্বের প্রথম সফল বাণিজ্যিক ল্যাপটপ হলো ইবসিলন অসবর্ন ১, যা ১৯৮১ সালে বাজারে আসে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আধুনিক প্রযুক্তি ও কম্পিউটারের প্রজন্ম সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
a অগ্নি নিরোধক খনিজ পদার্থ
b কম ঘনত্ববিশিষ্ট তরল পদার্থ
c বেশি ঘনত্ববিশিষ্ট তরল পদার্থ
d এক ধরনের রাসায়নিক পদার্থ
0 100 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অগ্নি নিরোধক খনিজ পদার্থ ১. কেন সঠিক: এসবেসটস হলো প্রাকৃতিকভাবে উৎপন্ন কিছু সিলিকেট খনিজের সমষ্টি যা আঁশযুক্ত গঠন বিশিষ্ট হয়ে থাকে। এর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এটি অত্যন্ত উচ্চ তাপেও গলে যায় না এবং আগুন প্রতিরোধ করতে পারে। বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: এসবেসটস হলো এক ধরনের তন্তুময় বা আঁশযুক্ত সিলিকেট খনিজ যা তাপ, বিদ্যুৎ এবং রাসায়নিক পদার্থের বিরুদ্ধে অত্যন্ত প্রতিরোধী। কারণ ও ফলাফল: এই খনিজের বিশেষ রাসায়নিক গঠন ও ভৌত আঁশের কারণে এটি সহজে আগুনে পুড়ে না, ফলে এটি চমৎকার অগ্নি নিরোধক হিসেবে কাজ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শিল্প কারখানায় কাজ করা শ্রমিকদের সুরক্ষায় ব্যবহৃত ফায়ারপ্রুফ পোশাক তৈরিতে এর ব্যবহার দেখা যেত। ব্যাখ্যা: এটি উচ্চ তাপমাত্রা সহ্য করতে পারে বলে শ্রমিকদের শরীর আগুন থেকে রক্ষা পায়। উদাহরণ ২: অতীতে ভবন নির্মাণের সময় ছাদ বা দেয়ালের ইনসুলেশনে এসবেসটস ব্যবহার করা হতো। ব্যাখ্যা: এর ফলে ভবনের ভেতরে আগুন ছড়ানোর ঝুঁকি অনেক কমে যেত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অগ্নি নিরোধক খনিজ পদার্থ - সঠিক উত্তর কারণ এটি প্রাকৃতিকভাবে প্রাপ্ত সিলিকেট খনিজ যা তাপ ও আগুন প্রতিরোধ করতে সক্ষম। B) কম ঘনত্ববিশিষ্ট তরল পদার্থ - এটি ভুল কারণ এসবেসটস কোনো তরল পদার্থ নয়, এটি একটি কঠিন খনিজ উপাদান। C) বেশি ঘনত্ববিশিষ্ট তরল পদার্থ - এটি ভুল কারণ এসবেসটস তরল নয়, এটি কঠিন fibrous বা আঁশযুক্ত খনিজ পদার্থ। D) এক ধরনের রাসায়নিক পদার্থ - এটি আংশিক সত্য হলেও বেঠিক কারণ এটি কৃত্রিম রাসায়নিক নয়, বরং প্রাকৃতিকভাবে প্রাপ্ত খনিজ। ৫. মনে রাখার টিপস: এসবেসটস শব্দটি মনে রাখতে এর প্রথম অংশ অ্যাস এবং বেসটস মিলিয়ে ভাবুন এটি তাপ ও আগুনকে বেইজ বা ভিত্তি থেকে দূরে রাখে। এটি একটি খনিজ যা আগুন নেভাতে বা প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এসবেসটস দীর্ঘকাল শ্বাসপ্ৰশ্বাসের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করলে ফুসফুসে গুরুতর রোগ যেমন অ্যাসবেসটোসিস বা ক্যানসার হতে পারে। বিসিএস পরীক্ষায় পরিবেশগত স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং খনিজ পদার্থের ব্যবহার সম্পর্কিত প্রশ্নে এটি প্রায়ই আসে।

মোট প্রশ্ন (20)

a সোজন বাদিয়ার ঘাট (উপন্যাস)
b কাঁদো নদী কাঁদো (কাব্য)
c বহিপীর (নাটক)
d মহাশ্মশান (নাটক)
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বহিপীর (নাটক) ১. কেন সঠিক: - বহিপীর নাটকটি বাংলা নাট্যসাহিত্যে একটি ঐতিহাসিক ও সামাজিক গুরুত্বসম্পন্ন রচনা। - নাটকের মূল বিষয়বস্তু হলো তৎকালীন রক্ষণশীল সমাজব্যবস্থা এবং পীরতন্ত্রের অন্ধবিশ্বাসের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের সুর। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বহিপীর নাটকের রচয়িতা হলেন প্রখ্যাত নাট্যকার ও ঔপন্যাসিক সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ। - এটি প্রকাশিত হয় ১৯০ বছরে এবং এটি বাংলা নাট্যধারায় মনস্তুত্ত্বিক ও সামাজিক সংকটের এক অনন্য নিদর্শন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুরঙ্গনা (কাব্য) ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যার মাধ্যমে আধুনিক কাব্যের রূপ ফুটে উঠেছে। উদাহরণ ২: রক্তকরবী (নাটক) ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি রূপকধর্মী নাটক যা যন্ত্রসভ্যতার বিরুদ্ধে মানুষের জয়গান গায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সোজন বাদিয়ার ঘাট (উপন্যাস) — এটি কোনো উপন্যাস নয় বরং জসীমউউদ্দীনের লেখা একটি বিখ্যাত খণ্ডকাব্য বা দীর্ঘ কবিতা। B) কাঁদো নদী কাঁদো (কাব্য) — এটি কোনো কাব্যগ্রন্থ নয় বরং সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর লেখা একটি মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস। C) বহিপীর (নাটক) — এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত একটি সফল সামাজিক নাটক যা সঠিক উত্তরের সঙ্গে মিলে যায়। D) মহাশ্মশান (নাটক) — এটি কোনো নাটক নয় বরং কায়কোবাদের লেখা একটি বিখ্যাত মহাকাব্য। ৫ মনে রাখার টিপস: সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর নাটক মনে রাখার সহজ কৌশল হলো তার বিখ্যাত নাটক 'বহিপীর' এবং 'তরঙ্গময়ী' বা 'সুড়ঙ্গ' সংক্রান্ত নাটকগুলো ভালোভাবে মনে রাখা। নাট্যকার হিসেবে তার সবচেয়ে জনপ্রিয় ও পরীক্ষামুখী সৃষ্টি হলো এই বহিপীর নাটকটি। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর উপন্যাস এবং নাটকের নাম উল্টো করে অপশনে দেওয়া হয়। তাই লালসালু ও কাঁদো নদী কাঁদো যে উপন্যাস এবং বহিপীর যে নাটক, তা পরিষ্কারভাবে মনে রাখতে হবে।
a কর্তৃকারকে সপ্তমী
b কর্মকারকে সপ্তমী
c অপাদান কারকে তৃতীয়া
d অধিকরণ কারকে সপ্তমী
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অধিকরণ কারকে সপ্তমী ১. কেন সঠিক: ক্রিয়া সম্পাদনের আধার বা স্থানকে অধিকরণ কারক বলে। এখানে 'আকাশে' শব্দটিতে ক্রিয়াটি সম্পন্ন হওয়ার স্থান বা ক্ষেত্র বোঝাচ্ছে এবং এর সাথে 'এ' বিভক্তি যুক্ত আছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাক্যে ক্রিয়া কখন, কোথায় বা কোন বিষয়ে সংঘটিত হয় তা প্রকাশ করার জন্য অধিকরণ কারক ব্যবহৃত হয়। শব্দের শেষে 'এ' বা 'য়' বিভক্তি যুক্ত থাকলে তা সাধারণত সপ্তমী বিভক্তি হিসেবে গণ্য করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বনে বাঘ থাকে। ব্যাখ্যা: বন একটি স্থান বা আধার বোঝানোয় এটি অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তির উদাহরণ। উদাহরণ ২: পুকুরে মাছ আছে। ব্যাখ্যা: পুকুর হলো মাছ থাকার স্থান, যা অধিকরণ কারক নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্তৃকারক সপ্তমী — কর্তৃকারক বাক্যের মূল প্রণেতা বা কর্তা বোঝায়, যা এখানে নেই। B) কর্মকারক সপ্তমী — কর্মকারক যাকে আশ্রয় করে ক্রিয়া সম্পন্ন হয় তা বোঝায়, কিন্তু এখানে স্থান নির্দেশ করা হয়েছে। C) অপাদান কারক তৃতীয়া — অপাদান কারক থেকে, হতে বা চ্যুতি বোঝায়, যা এই বাক্যে অনুপস্থিত। D) অধিকরণ কারকে সপ্তমী — এটি সঠিক কারণ এটি স্থান এবং সপ্তমী বিভক্তি নির্দেশ করে। ৫ মনে রাখার টিপস: কোথায় বা কিসে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায় এবং তা যদি স্থান বা কাল হয়, তবে তা অধিকরণ কারক হয়। শব্দের শেষে এ, য় বা তে থাকলে সাধারণত সপ্তমী বিভক্তি হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: স্থান বা আধার বুঝলেই তা সবসময় অধিকরণ কারক হবে। বিভক্তি চেনার জন্য শব্দের শেষে অতিরিক্ত বর্ণ বা প্রত্যয় যুক্ত হওয়ার ধরন খেয়াল করতে হবে।
a বিশেষণ
b অব্যয়
c সর্বনাম
d ক্রিয়া
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সর্বনাম ১. কেন সঠিক: ‘তুমি এতক্ষণ কী করেছ?’ বাক্যে ‘কী’ শব্দটি কোনো নাম পদকে নির্দেশ না করে একটি অজানা কাজ বা বিষয়কে নির্দেশ করেছে। বিশেষ্য পদের পরিবর্তে বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে প্রশ্ন করার কাজটি সম্পন্ন করায় ‘কী’ এখানে সর্বনাম পদ হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: যে শব্দ কোনো বিশেষ্য পদের পরিবর্তে বাক্যে ব্যবহৃত হয়, তাকে সর্বনাম পদ বলে। প্রশ্ন করার সময় বা অনির্দিষ্টতা বোঝাতে যখন কী, কে, কারা ইত্যাদি শব্দ ব্যবহৃত হয়, তখন সেগুলো প্রশ্নবাচক বা অনির্দিষ্টবাচক সর্বনাম হিসেবে গণ্য হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তুমি বাজারে কী কিনলে? ব্যাখ্যা: এ বাক্যে ‘কী’ শব্দটি নির্দিষ্ট কোনো বস্তুর নামের পরিবর্তে বসেছে এবং প্রশ্ন তৈরি করেছে, তাই এটি সর্বনাম। উদাহরণ ২: তোমার ব্যাগে কী আছে? ব্যাখ্যা: এখানে ‘কী’ শব্দটি ব্যাগের ভে ্তরের অজানা বস্তুর নামকে নির্দেশ করেছে, যা সর্বনাম পদের কাজ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিশেষণ — বিশেষণ পদ কোনো বিশেষ্য বা সর্বনামের দোষ, গুণ, সংখ্যা বা পরিমাণ নির্দেশ করে, কিন্তু ‘কী’ এখানে কোনো পদের দোষ-গুণ বোঝাচ্ছে না। B) অব্যয় — অব্যয় পদের নিজস্ব কোনো রূপান্তর হয় না এবং এটি পদগুলোকে সংযুক্ত করে, কিন্তু ‘কী’ এখানে একটি স্বাধীন পদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। D) ক্রিয়া — ক্রিয়া পদ দ্বারা কোনো কাজ করা বোঝায়, কিন্তু ‘কী’ দিয়ে কোনো কাজ সম্পন্ন হওয়া বোঝায়নি বরং কাজটি সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: বাক্যে যদি কোনো নাম পদ বা বস্তুর পরিবর্তে প্রশ্ন করার জন্য কী, কে, কার ব্যবহার করা হয়, তবে চোখ বন্ধ করে তা সর্বনাম পদ হিসেবে চিহ্নিত করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ‘কী’ শব্দটি কখনো বিশেষণ আবার কখনো সর্বনাম হিসেবে আসে। বাক্যের অর্থ বুঝে পদের ধরন নির্ণয় করতে হয়।
a অব্যয় ও শব্দাংশ
b নূতন শব্দ গঠনে
c উপসর্গ থাকে সামনে, প্রত্যায় থাকে পেছনে
d ভিন্ন অর্থ প্রকাশে
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) উপসর্গ থাকে সামনে, প্রত্যয় থাকে পেছনে ১. কেন সঠিক: উপসর্গ ও প্রত্যয় উভয়ই শব্দগঠনকারী উপাদান হলেও এদের অবস্থানের মধ্যে মৌলিক পার্থক্য রয়েছে। উপসর্গ সর্বদা মূল শব্দের পূর্বে বা সামনে বসে নতুন শব্দ তৈরি করে এবং প্রত্যয় সর্বদা মূল শব্দ বা ধাতুর পরে বা পেছনে বসে নতুন শব্দ গঠন করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: উপসর্গ হলো কিছু অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা শব্দের আদিতে বসে অর্থের সংকোচন, সম্প্রসারণ বা পরিবর্তন ঘটায়। অন্যদিকে প্রত্যয় হলো বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি যা নামশব্দ বা প্রকৃতির পরে যুক্ত হয়ে নতুন পদ বা শব্দ তৈরি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্র + হার = প্রহার। ব্যাখ্যা: এখানে প্র হলো উপসর্গ যা হার শব্দের সামনে বসে নতুন শব্দ গঠন করেছে। উদাহরণ ২: চল্ + আ = চলা। ব্যাখ্যা: এখানে আ হলো প্রত্যয় যা চল্ ধাতুর পেছনে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অব্যয় ও শব্দাংশ — এই বক্তব্য তাত্ত্বিকভাবে সত্য হলেও এটি উপসর্গ ও প্রত্যয়ের মূল অবস্থানের পার্থক্য বোঝায় না। B) নূতন শব্দ গঠনে — উপসর্গ ও প্রত্যয় উভয়ই নতুন শব্দ গঠন করে, তাই এটি এদের মধ্যকার পার্থক্য নয় বরং মিল। C) উপসর্গ থাকে সামনে, প্রত্যায় থাকে পেছনে — এই অপশনটি উপসর্গ ও প্রত্যয়ের গঠনগত সঠিক পার্থক্য নির্দেশ করে। D) ভিন্ন অর্থ প্রকাশে — উপসর্গ ও প্রত্যয় উভয়েই নতুন অর্থ প্রকাশ করে, তাই এটি এদের অবস্থানের পার্থক্য নির্দেশ করে না। ৫ মনে রাখার টিপস: উপসর্গ থাকে প্রথমে বা সামনে, আর প্রত্যয় থাকে পরে বা পেছনে। এই নিয়মটি মনে রাখলে পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা সম্ভব হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গ ও প্রত্যয়ের অবস্থান সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। শব্দগঠনের ক্ষেত্রে সামনে বসে কে এবং পেছনে বসে কে, তা পরিষ্কার ধারণা রাখলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
a সমক্ষ
b পরোক্ষ
c প্রত্যক্ষ
d নিরপেক্ষ
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সমক্ষ ১. কেন সঠিক: - অক্ষির সমীপে বাক্যাংশটির এককথায় প্রকাশ হলো সমক্ষ, যার অর্থ চোখের সামনে বা অক্ষিগোচর। - এখানে অক্ষি শব্দের অর্থ চোখ এবং সমীপে শব্দের অর্থ কাছে বা সামনে, যা মিলে সমক্ষ শব্দটি গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন হলো বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার ব্যাকরণগত প্রক্রিয়া। - এটি ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং ভাবকে সংক্ষেপে ও সুন্দরভাবে প্রকাশ করতে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অক্ষির সমক্ষে বর্তমান = প্রত্যক্ষ ব্যাখ্যা: চোখের সামনে বা সমক্ষে কোনো কিছু উপস্থিত থাকাকে প্রত্যক্ষ বলা হয়। উদাহরণ ২: অক্ষির গোচর নয় = পরোক্ষ ব্যাখ্যা: যা চোখের সামনে বা গোচরে নেই, তাকে পরোক্ষ বলা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সমক্ষ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি অক্ষির সমীপে বাক্যাংশটির নির্ভুল এককথায় প্রকাশ। B) পরোক্ষ — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ যা অক্ষির বা চোখের অগোচরে রয়েছে। C) প্রত্যক্ষ — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ যা অক্ষির সমক্ষে বা চোখের সামনে বর্তমান। D) নিরপেক্ষ — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ কোনো পক্ষ বা মতের প্রতি পক্ষপাতহীন থাকা। ৫. মনে রাখার টিপস: - সমীপে বা সামনে বোঝালে সমক্ষ শব্দটি ব্যবহার করা হয় এবং চোখের অগোচরে বোঝালে পরোক্ষ হয়। - অক্ষি সংক্রান্ত বাক্য সংকোচনের ক্ষেত্রে সমক্ষ ও প্রত্যক্ষ শব্দ দুটির পার্থক্য ভালোভাবে মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এককথায় প্রকাশ থেকে বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - চোখের সঙ্গে সম্পর্কিত বাক্য সংকোচনগুলো যেমন সমক্ষ, প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ একসঙ্গে পড়লে সহজে মনে থাকে।
a রবিন্দ্রনাথ ঠাকুর
b কাজী নজরুল ইসলাম
c বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়
d প্রমথ চৌধুরী
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রমথ চৌধুরী ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত উদ্ধৃতিটি প্রমথ চৌধুরীর বিখ্যাত প্রাবন্ধিক পরিচয়ের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। - তিনি বাংলা সাহিত্যে চলতি ভাষার প্রবর্তক এবং এই বাণীর মাধ্যমে তিনি কথ্য ভাষার সাবলীল রূপকে লেখার বাহন করার পক্ষে জোরালো মত প্রকাশ করেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - প্রমথ চৌধুরী বাংলা সাহিত্যে ছদ্মনাম বীরবল হিসেবে পরিচিত এবং তিনি সবুজপত্র পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। - তিনি বাংলা গদ্যে কথ্য ভাষার রীতিনীতি প্রবর্তন করে গদ্যশৈলীকে কৃত্রিমতামুক্ত ও গতিশীল করেছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রমথ চৌধুরীর প্রবন্ধ গ্রন্থ তৈলচিত্র। ব্যাখ্যা: এটি তার অন্যতম জনপ্রিয় ও চিন্তাউদ্দীপক প্রাবন্ধিক রচনা। উদাহরণ ২: প্রমথ চৌধুরীর প্রবন্ধ গ্রন্থ বীরবলের হালখাতা। ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থে তার সমাজ ও সাহিত্য বিষয়ক মননশীল চিন্তার প্রতিফলন ঘটেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবিন্দ্রনাথ ঠাকুর — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা চলিত ভাষার ব্যবহারকে সমর্থন করলেও আলোচিত বিখ্যাত উদ্ধৃতিটি তার নয়। B) কাজী নজরুল ইসলাম — কাজী নজরুল ইসলাম বিদ্রোহী কবি ও কথাসাহিত্যিক হলেও এই নির্দিষ্ট প্রাবন্ধিক উদ্ধৃতির প্রবক্তা নন। C) বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় — বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় বনফুল ছদ্মনামে পরিচিত একজন খ্যাতিমান কথাসাহিত্যিক ও নাট্যকার, এই উক্তির সঙ্গে তার সম্পর্ক নেই। D) প্রমথ চৌধুরী — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি বাংলা সাহিত্যে চলতি রীতির পক্ষে জোরালো অবস্থান নিয়েছিলেন এবং এই বিখ্যাত উক্তিটি তারই। ৫ মনে রাখার টিপস: - ভাষা ও কলমের সম্পর্ক নিয়ে এমন সাহিত্যিক ও আধুনিক চিন্তার কথা বললে চোখ বন্ধ করে প্রমথ চৌধুরীকে মনে রাখবে। - সবুজপত্র পত্রিকা এবং বীরবল ছদ্মনাম দেখলে প্রমথ চৌধুরীর কথা মাথায় রাখবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রমথ চৌধুরীর বিখ্যাত উক্তি এবং তার ছদ্মনাম সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - চলিত রীতির প্রবর্তক হিসেবে তার অবদান বাংলা সাহিত্য ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a কষ্ট
b উপনিষৎ
c কল্যাণীয়েষু
d আষাঢ়
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আষাঢ় ১. কেন সঠিক: - আষাঢ় শব্দটিতে মূর্ধন্য-ষ স্বভাবতই বা প্রাকৃতিকভাবে বসেছে, যা কখনো দন্ত্য-স এ পরিবর্তিত হয় না। বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী শব্দের মধ্যে ট-বর্গীয় ধ্বনির আগে মূর্ধন্য-ষ হয়, এখানে আষাঢ় শব্দে ড ধ্বনির আগে মূর্ধন্য-ষ রয়েছে। - নিত্য মূর্ধন্য-ষ বলতে বোঝায় যে শব্দগুলোতে কোনো প্রকার ষত্ব বিধানের নিয়ম না মেনেই প্রাকৃতিকভাবে বা স্বভাবগত কারণে মূর্ধন্য-ষ ব্যবহৃত হয়। এই শব্দগুলোর ষ কখনো স তে রূপান্তর হয় না এবং এগুলো সর্বদা এভাবেই লেখা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ভাষায় তৎসম শব্দে মূর্ধন্য-ষ ব্যবহারের যে নিয়ম রয়েছে, তাকে ষত্ব বিধান বলা হয়। তবে কিছু শব্দে কোনো নিয়ম কাজ করে না, সেগুলোতে প্রাকৃতিকভাবেই মূর্ধন্য-ষ বসে, যাকে স্বভাবগত বা নিত্য মূর্ধন্য-ষ বলে। - আষাঢ়, ভাষা, পোষণ, ভাষণ, পাষাণ ইত্যাদি শব্দে কোনো নিয়ম ছাড়াই স্বভাবতই মূর্ধন্য-ষ এর ব্যবহার হয়ে থাকে। এগুলো মুখস্থ রাখতে হয় কারণ এখানে সাধারণ ষত্ব বিধানের সূত্র প্রয়োগ করা যায় না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভাষা ব্যাখ্যা: ভাষা শব্দটিতে কোনো তৎসম বা ষত্ব বিধানের নিয়মের অপেক্ষা না রেখে স্বভাবগতভাবেই মূর্ধন্য-ষ ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: আষাঢ় ব্যাখ্যা: আষাঢ় শব্দে ড এর পূর্বে স্বভাবজাতভাবে মূর্ধন্য-ষ বসেছে, যা নিত্য মূর্ধন্য-ষ এর একটি অত্যন্ত প্রচলিত উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কষ্ট — কষ্ট শব্দে মূর্ধন্য-ষ ব্যবহৃত হয়েছে ষত্ব বিধানের নিয়ম অনুযায়ী, ট ও ঠ এর পূর্বে মূর্ধন্য-ষ বসে, তাই এটি নিত্য মূর্ধন্য-ষ নয়। B) উপনিষৎ — উপনিষৎ শব্দটিতে ষত্ব বিধানের নিয়ম অনুসারে ই বা উ কারান্ত উপসর্গের পর ক ষ বর্গীয় ধ্বনি থাকায় মূর্ধন্য-ষ হয়েছে। C) কল্যাণীয়েষু — কল্যাণীয়েষু একটি চিঠিপত্রের সম্বোধন পদ যেখানে ষত্ব বিধানের সাধারণ নিয়ম কার্যকর হয়েছে, এটি স্বভাবগত ষ নয়। D) আষাঢ় — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি সঠিক এবং এটি নিত্য মূর্ধন্য-ষ এর উদাহরণ। ৫. মনে রাখার টিপস: - স্বভাবগত মূর্ধন্য-ষ মনে রাখার জন্য এই লাইনটি পড়তে পারো: আষাঢ় মাসে ভাষা ও পোষণ নিয়ে পাষাণ হৃদয়ে ভাষণ দিও না। - এই বাক্যের আষাঢ়, ভাষা, পোষণ, পাষাণ ও ভাষণ শব্দগুলোতে সবসময় নিত্য মূর্ধন্য-ষ বসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় স্বভাবগত মূর্ধন্য-ষ বা নিত্য মূর্ধন্য-ষ এর শব্দগুলো থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - কষ্ট, পরিষ্কার, আবিষ্কর্তা ইত্যাদি শব্দ দেখলে আগে দেখতে হবে সেখানে ষত্ব বিধানের কোনো নিয়ম খাটছে কি না, না খাটলে বুঝতে হবে সেটি নিত্য মূর্ধন্য-ষ।
a আশা-আকাঙ্ক্ষার সমর্থনে
b ভবিষ্যতের বাঙালি
c উন্নত জীব
d সভ্যতা
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভবিষ্যতের বাঙালি ১. কেন সঠিক: - ভবিষ্যতের বাঙালি প্রবন্ধটির রচয়িতা বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক ও চিন্তাবিদ এস, ওয়াজেদ আলী। - এই প্রবন্ধে লেখক বাঙালি জাতির ভবিষ্যৎ বিকাশ, আধুনিক মনন এবং সংকীর্ণতা মুক্তির দিকনির্দেশনা প্রদান করেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এস, ওয়াজেদ আলী ১৮৯০ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৫১ সালে মৃত্যুবরণ করেন। - তিনি ইংরেজি ও বাংলা সাহিত্যে সুপণ্ডিত ছিলেন এবং মূলত সমাজ ও সংস্কৃতি বিষয়ক প্রবন্ধ রচনা করে খ্যাতি অর্জন করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: এস, ওয়াজেদ আলীর রচিত বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ জীবন ও সংস্কৃতি। ব্যাখ্যা: এটি লেখকের একটি মননশীল প্রবন্ধগ্রন্থ যা বাঙালি সমাজের সংস্কার ও প্রগতি নিয়ে আলোচনা করে। উদাহরণ ২: এস, ওয়াজেদ আলীর আরেকটি উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ আকতার সাহেব। ব্যাখ্যা: এটি তার একটি জনপ্রিয় রম্য রচনা ও সমাজভিত্তিক সাহিত্যকর্ম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আশা-আকাঙ্ক্ষার সমর্থনে — এই শিরোনামে এস, ওয়াজেদ আলীর কোনো বিখ্যাত প্রবন্ধ বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতায় নির্ধারিত নেই। এটি মূলত বিভ্রান্ত করার জন্য অন্য লেখকের লেখার সাথে মিলিয়ে তৈরি করা একটি অপশন। B) ভবিষ্যতের বাঙালি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ এটি এস, ওয়াজেদ আলীর অত্যন্ত পরিচিত একটি প্রবন্ধ। C) উন্নত জীব — এই নামের কোনো প্রবন্ধ এস, ওয়াজেদ আলীর নয়, বরং এটি মমতাজউদ্দীন আহমদ বা অন্য কোনো লেখকের রচনার সাথে সম্পর্কিত হতে পারে। D) সভ্যতা — সভ্যতা নামে বিখ্যাত প্রবন্ধ লিখেছেন প্রমথ চৌধুরী, যা বাংলা সাহিত্যে যুক্তিবাদী গদ্যের এক অনন্য নিদর্শন। ৫ মনে রাখার টিপস: এস, ওয়াজেদ আলীর প্রবন্ধ মানেই প্রগতিশীল চিন্তা ও ভবিষ্যতের বাঙালির রূপরেখা। বাঙালি জাতির ভবিষ্যৎ নিয়ে যিনি ভেবেছেন, তিনিই এস, ওয়াজেদ আলী। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এস, ওয়াজেদ আলীর প্রবন্ধ সাধারণত সমাজ সংস্কার ও বাঙালি মুসলমানের আধুনিক শিক্ষা ও সংস্কৃতি অর্জনের ওপর গুরুত্ব দেয়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তার রচিত প্রবন্ধ এবং গ্রন্থগুলোর নাম বারবার আসে, তাই তার প্রধান গ্রন্থসমূহ ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a পথের দাবী
b নিষকৃতি
c চরিত্রহীন
d দত্তা
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পথের দাবী ১. কেন সঠিক: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক উপন্যাস পথের দাবী ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত হওয়ায় তৎকালীন ব্রিটিশ সরকার এটি বাজেয়াপ্ত করে। উপন্যাসের মূল চরিত্র সব্যসাচী মল্লিক একজন ব্রিটিশ বিরোধী বিপ্লবী, যার দেশপ্রেম ও বিপ্লবের আদর্শ ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের জন্য হুমকিস্বরূপ ছিল। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় ও প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক যিনি সমাজের নিচুতলার মানুষের জীবন ও মনস্তত্ত্ব ফুটিয়ে তুলেছিলেন। পথের দাবী উপন্যাসটি ১৯২৬ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয় এবং ব্রিটিশ সরকার এর বিপ্লবী চেতনার কারণে একই বছর এটি নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাজী নজরুলের বিষের বাঁশী ব্যাখ্যা: ব্রিটিশ সরকার বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুলের এই কাব্যগ্রন্থটিও রাজদ্রোহের অভিযোগে বাজেয়াপ্ত করেছিল। উদাহরণ ২: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কালান্তর ব্যাখ্যা: ইংরেজ আমলে প্রকাশিত এই প্রবন্ধগ্রন্থে উপনিবেশবাদ ও সাম্রাজ্যবাদের তীব্র সমালোচনা থাকায় তৎকালীন রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পথের দাবী — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই রাজনৈতিক উপন্যাসটিই ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল। B) নিষকৃতি — শরৎচন্দ্রের এই সামাজিক উপন্যাসটি পারিবারিক সম্পর্কের টানাপোড়েন নিয়ে রচিত এবং এটি সরকার কর্তৃক বাজেয়াপ্ত হয়নি। C) চরিত্রহীন — এটি শরৎচন্দ্রের একটি বিখ্যাত সমাজভিত্তিক উপন্যাস যা সমাজের নৈতিকতা ও প্রথার সমালোচনা করলেও বাজেয়াপ্ত করা হয়নি। D) দত্তা — এটি শরৎচন্দ্রের একটি জনপ্রিয় রোমান্টিক ও সমাজমূলক উপন্যাস যা প্রকাশের পর কোনো রাজনৈতিক কারণে বাজেয়াপ্ত হয়নি। ৫. মনে রাখার টিপস: শরৎচন্দ্রের যে উপন্যাসটির জন্য ব্রিটিশ সরকারের পুলিশ বা দাবির মুখে পড়তে হয়েছিল, তার নামেই রয়েছে দাবি অর্থাৎ পথের দাবী। বিপ্লবীদের পথ বা দাবি ব্রিটিশ সরকার মেনে নেয়নি বলেই এই উপন্যাসটি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কোন কোন সাহিত্যিক বা গ্রন্থ ব্রিটিশ বিরোধীতার কারণে বাজেয়াপ্ত হয়েছিল, তা প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একমাত্র রাজনৈতিক উপন্যাস কোনটি, এই তথ্যটি মনে রাখা চাকরির পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a স্বভাব নষ্ট করা
b স্পর্ধা বাড়া
c ফাঁকি দেওয়া
d কোনো উপায়ে
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ফাঁকি দেওয়া ১. কেন সঠিক: - কার মাথায় হাত বুলিয়েছে বাক্যে মাথা শব্দের মাধ্যমে কাউকে বিশেষ কৌশলে বঞ্চনা করা বা ফাঁকি দেওয়ার ভাব প্রকাশ পেয়েছে। - এখানে মাথা শব্দটির আক্ষরিক অর্থ না ধরে একটি বিশেষ বাগধারার অন্তর্নিহিত তাৎপর্য হিসেবে প্রতারণা বা ফাঁকি দেওয়ার অর্থ গ্রহণ করা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত বাগধারা বা প্রয়োগগত শব্দার্থের অংশ যেখানে শব্দ তার নিজস্ব অর্থ বাদ দিয়ে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে। - বাংলা ব্যাকরণে এই ধরনের শব্দার্থ আশু বা রূপক অর্থে ব্যবহৃত হয়ে ভাষার সৌন্দর্য ও ভাব প্রকাশের ক্ষমতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সরল পেয়ে ছেলেটার মাথায় হাত বুলিয়েছে। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে মাথায় হাত বুলানো বলতে সুযোগ বুঝে তাকে ফাঁকি দেওয়া বা সর্বস্বান্ত করার অর্থ বোঝানো হয়েছে। উদাহরণ ২: মওকা বুঝে সে পাওনাদারের মাথায় হাত বুলিয়ে চলে গেল। ব্যাখ্যা: এখানেও মাথায় হাত বুলানো অর্থ কৌশলে ফাঁকি দিয়ে পালিয়ে যাওয়া বা প্রতারণা করা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্বভাব নষ্ট করা — এটি চরিত্রের অবক্ষয় বোঝায় যা এই বাগধারার নির্দিষ্ট ভাবার্থের সঙ্গে সরাসরি মেলে না। B) স্পর্ধা বাড়া — এটি মানুষের ঔদ্ধত্য বা সাহস বৃদ্ধি পাওয়া নির্দেশ করে যা ফাঁকি দেওয়ার অর্থের বিপরীত। C) ফাঁকি দেওয়া — এটি সঠিক এবং পরীক্ষিত অর্থ যা প্রদত্ত প্রশ্ন ও উত্তরের সঙ্গে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ। D) কোনো উপায়ে — এটি একটি সাধারণ শব্দগুচ্ছ যা কোনো নির্দিষ্ট বাগধারার বিশেষ অর্থ প্রকাশ করতে অক্ষম। ৫ মনে রাখার টিপস: - মাথায় হাত বুলানো মানে সবসময় আদর করা নয় বরং কাউকে প্রতারিত করা বা ফাঁকি দেওয়াও বোঝাতে পারে। - পরীক্ষার হলে বাক্যের ভাবার্থ বুঝে উত্তর নির্বাচন করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের বিভ্রান্তিকর বাগধারার অর্থ জানতে চাওয়া হয়। - আক্ষরিক অর্থের পরিবর্তে প্রমিত ও প্রচলিত ভাবার্থ মনে রাখলে এসব প্রশ্নের উত্তর সহজে করা সম্ভব।
a সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
b সুকুমার সেন
c মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌
d মুহম্মদ এনামুল হক
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌ ১. কেন সঠিক: - ‘বাঙ্গালা ভাষার ইতিবৃত্ত’ গ্রন্থটির রচয়িতা ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌, যা বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ নিয়ে রচিত একটি প্রামাণ্য গ্রন্থ। - বাংলা ভাষাভাষী শিক্ষার্থীদের জন্য ভাষা তত্ত্ব ও ইতিহাসের এই গ্রন্থটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ঐতিহাসিক দলিল। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌ ছিলেন বিশ শতকের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বাঙালি ভাষাতাত্ত্বিক, গবেষক ও পন্ডিত। - ১৯৫৯ সালে প্রকাশিত এই গ্রন্থে তিনি প্রাচীন ও মধ্যযুগের বাংলা ভাষার রূপরেখা এবং ধ্বনিতত্ত্বের ওপর আলোকপাত করেছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভাষা ও সাহিত্য ব্যাখ্যা: ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌ সম্পাদিত ‘বাংলাদেশের আঞ্চলিক ভাষার অভিধান’ বাংলা ভাষা গবেষণার ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক। উদাহরণ ২: বাংলা ভাষার ইতিহাস ব্যাখ্যা: সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের ‘ওডিবিএল’ (ODBL) গ্রন্থের পর বাংলা ভাষার ইতিহাস নিয়ে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌র এই গবেষণা বাংলা সাহিত্যে অমর হয়ে আছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় — তিনি ‘ওডিবিএল’ (The Origin and Development of the Bengali Language) গ্রন্থের রচয়িতা, যা বাংলা ভাষার ইতিহাসের ওপর লেখা হলেও এই নির্দিষ্ট গ্রন্থটির লেখক নন। B) সুকুমার সেন — তিনি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস রচয়িতা এবং তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ ‘বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস’, তবে এই নির্দিষ্ট গ্রন্থটি তাঁর লেখা নয়। C) মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌ — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি ‘বাঙ্গালা ভাষার ইতিবৃত্ত’ গ্রন্থটি রচনা করেছেন। D) মুহম্মদ এনামুল হক — তিনি একজন বিশিষ্ট পন্ডিত ও গবেষক হলেও ‘বাঙ্গালা ভাষার ইতিবৃত্ত’ গ্রন্থের রচয়িতা নন। ৫. মনে রাখার টিপস: - ইতিবৃত্ত মানে ইতিহাস। বাংলা ভাষার আদি ইতিহাস নিয়ে কাজ করেছেন ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌। এভাবে মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাষা ও ইতিবৃত্ত সম্পর্কিত গ্রন্থ এবং লেখকের নাম প্রায়ই আসে। - ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌র অন্যান্য বিখ্যাত গ্রন্থগুলোর নামও ভালোভাবে দেখে যাওয়া উচিত।
a কাব্য
b নাটক
c উপন্যাস
d প্রবন্ধ
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কাব্য ১. কেন সঠিক: 'মা যে জননী কান্দে' একটি বিখ্যাত আধুনিক কাব্যগ্রন্থ। এটি বাংলাদেশের প্রখ্যাত কবি নির্মলেন্দু গুণ রচিত একটি জনপ্রিয় কাব্য যা বাংলা কবিতাপ্রেমীদের কাছে সমাদৃত। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: কবি নির্মলেন্দু গুণ বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ ও দ্রোহের কবিতার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। তার এই কাব্যটিতে বাঙালি জাতির আবেগ, মুক্তিযুদ্ধকালীন কষ্ট এবং জননী হৃদয়ের বেদনা শিল্পসম্মতভাবে ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'সৈনিক' ব্যাখ্যা: এটিও কবি নির্মলেন্দু গুণের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা তার মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চেতনার প্রকাশ। উদাহরণ ২: 'আনন্দ আমার আনন্দ' ব্যাখ্যা: এটি নির্মলেন্দু গুণ রচিত আরেকটি উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ যা তার রোমান্টিক ও দ্রোহী চেতনার পরিচায়ক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাব্য — এটি সঠিক কারণ গ্রন্থটি একটি কাব্যগ্রন্থ হিসেবে বাংলা সাহিত্যে প্রকাশিত হয়েছে। B) নাটক — এটি নাটক নয় কারণ এতে কোনো দৃশ্যকাব্য বা সংলাপভিত্তিক নাটকীয় বিন্যাস নেই। C) উপন্যাস — এটি উপন্যাস নয় কারণ উপন্যাসের মতো এতে কোনো দীর্ঘ কথাসাহিত্য বা প্লটভিত্তিক গল্প নেই। D) প্রবন্ধ — এটি প্রবন্ধ নয় কারণ প্রবন্ধের মতো এখানে কোনো তথ্যভিত্তিক বা তাত্ত্বিক আলোচনা করা হয়নি। ৫. মনে রাখার টিপস: নির্মলেন্দু গুণের নাম দেখলে সাধারণত কাব্যগ্রন্থের কথাই মাথায় রাখবে। 'মা যে জননী কান্দে' একটি আবেগঘন কাব্য। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিখ্যাত কবিদের কাব্যগ্রন্থের নাম প্রায়ই আসে। নির্মলেন্দু গুণের কাব্যগ্রন্থগুলো ভালোভাবে পড়লে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা সম্ভব।
a মৃত্যুক্ষুধা
b আলেয়া
c ঝিলিমিলি
d মধুমালা
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মৃত্যুক্ষুধা ১. কেন সঠিক: - মৃত্যুক্ষুধা হলো জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস। - এই উপন্যাসে কলকাতার দরিদ্র ও নিম্নবর্গ মানুষের জীবনসংগ্রাম এবং তাদের ক্ষুধা ও দারিদ্র্যের বাস্তব চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি হলেও তিনি কয়েকটি উপন্যাসও রচনা করেছেন। - তাঁর অন্যান্য উল্লেখযোগ্য উপন্যাস হলো বাঁধনহারা ও কুহেলিকা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাঁধনহারা ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত পত্রোপন্যাস। উদাহরণ ২: কুহেলিকা ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের রাজনৈতিক ও রোমান্টিক চেতনার একটি উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মৃত্যুক্ষুধা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি প্রযোজ্য নয়। B) আলেয়া — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত সংগীতনাট্য বা নাটক, কোনো উপন্যাস নয়। C) ঝিলিমিলি — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি রোমান্টিক নাটক। D) মধুমালা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি রূপক নাটিকা বা গীতি নাট্য। ৫. মনে রাখার টিপসের জন্য: - নজরুলের তিনটি বিখ্যাত উপন্যাস মনে রাখার সহজ সূত্র হলো বাঁকু মৃ, যেখানে বাঁধনহারা, কুহেলিকা ও মৃত্যুক্ষুধা বোঝানো হয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবির উপন্যাস ও নাটকের পার্থক্য প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়। - তাই নজরুলের উপন্যাস এবং নাটকগুলোর তালিকা আলাদা করে মুখস্থ রাখা উচিত।
a না-বাচক
b হ্যাঁ-বাচক
c প্রশ্নবোধক
d বিস্ময়সূচক
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) হ্যাঁ-বাচক ১. কেন সঠিক: বাক্যে 'না' অব্যয়টি যখন হ্যাঁ-বাচক বা ইতিবাচক অর্থ প্রকাশ করতে জোরালো সম্মতি বা বিস্ময় প্রকাশ করে, তখন তাকে হ্যাঁ-বাচক না বলা হয়। এখানে বক্তা নিশ্চিতভাবে মনে করিয়ে দিচ্ছেন যে শ্রোতা আসার কথা বলেছিল, তাই 'না' শব্দটি অস্বীকৃতি নয় বরং নিশ্চিতকরণ বোঝাচ্ছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে অব্যয় পদের নানা ব্যবহার রয়েছে। 'না' সাধারণত না-বাচক বা নেতিবাচক অর্থে ব্যবহৃত হলেও বিশেষ বাকপ্রকরণে এটি হ্যাঁ-বাচক অর্থ প্রকাশ করতে পারে। যখন প্রশ্নসূচক বাক্যের মাধ্যমে শ্রোতার কাছ থেকে হ্যাঁ বা সম্মতি আদায় করা হয়, তখন 'না' হ্যাঁ-বাচক অর্থ দেয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তুমি না বলেছিলে কাজটি সহজ হবে? ব্যাখ্যা: এই বাক্যে 'না' শব্দটি আগের প্রতিশ্রুতির কথা মনে করিয়ে দিয়ে হ্যাঁ-বাচক বা নিশ্চিত করার অর্থ প্রকাশ করছে। উদাহরণ ২: সে কি আসবে না ভেবেছিলে? ব্যাখ্যা: এখানে 'না' বাক্যের সুরের কারণে হ্যাঁ-বাচক প্রত্যাশাকে জোরালোভাবে প্রকাশ করছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) না-বাচক — এই বাক্যে 'না' সরাসরি কোনো অস্বীকৃতি বা নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ করছে না, তাই এটি ভুল। C) প্রশ্নবোধক — 'না' নিজেই প্রশ্নবোধক শব্দ নয়, পুরো বাক্যটি প্রশ্নবোধক হলেও 'না' এখানে একটি বিশেষ ভাব প্রকাশ করছে। D) বিস্ময়সূচক — এই বাক্যে বিস্ময় প্রধান নয়, বরং পূর্বের কথার সত্যতা যাচাই বা নিশ্চিতকরণ প্রধান উদ্দেশ্য। ৫. মনে রাখার টিপস: বাক্যের শুরুতে বা মাঝে 'না' ব্যবহার করে যদি আগের কথার সত্যতা বা সম্মতি চাওয়া হয়, তবে তা সর্বদা হ্যাঁ-বাচক অর্থ প্রকাশ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অব্যয়ের বিশেষ অর্থভিত্তিক ব্যবহার থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। বাক্যের অন্তর্নিহিত ভাব না বুঝে শুধু শব্দ দেখে উত্তর করলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
a সন্ধিজনিত
b প্রত্যয়জনিত
c উপসর্গজনিত
d বিভক্তিজনিত
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্রত্যয়জনিত ১. কেন সঠিক: উৎকর্ষতা শব্দটি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী গঠিত হয়নি কারণ এটি দ্বিরুক্ত প্রত্যয় বা বহusing পদদোষে দুষ্ট। উৎকর্ষ শব্দের সাথে তা প্রত্যয় যুক্ত করা হয়েছে, যা ব্যাকরণসম্মত নয় কারণ উৎকর্ষ নিজে একটি ভাববাচক বিশেষ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: উৎকর্ষ শব্দের অর্থ উৎকর্ষের ভাব বা গুণ। শব্দের সাথে তা বা তাড়া প্রত্যয় যুক্ত করে নতুন বিশেষ্য পদ তৈরি করা যায় না যদি মূল শব্দটি ইতিমধ্যে ভাববাচক হয়। তাই উৎকর্ষ শব্দটির সাথে আবার তা প্রত্যয় যোগ করলে বাহুল্য দোষ ঘটে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঔদার্য ব্যাখ্যা: উদার শব্দের শুদ্ধ ভাববাচক রূপ হলো ঔদার্য, এখানে ঔদার্যতা লেখা ভুল। উদাহরণ ২: গুরুত্ব ব্যাখ্যা: গুরু শব্দের শুদ্ধ রূপ গুরুত্ব, এর সাথে আবার তা প্রত্যয় যোগ করে গুরুত্বতা লেখা অশুদ্ধ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সন্ধিজনিত — এই শব্দের গঠনে কোনো সন্ধি নিয়মের ভুল নেই। B) প্রত্যয়জনিত — এটি সঠিক কারণ এখানে অতিরিক্ত তা প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে। C) উপসর্গজনিত — এই শব্দে কোনো উপসর্গ ব্যবহারের ত্রুটি নেই। D) বিভক্তিজনিত — এখানে কোনো বিভক্তির প্রয়োগজনিত ভুল ঘটেনি। ৫ মনে রাখার টিপস: উৎকর্ষ বা সাহচর্যের মতো শব্দের সাথে অতিরিক্ত তা প্রত্যয় ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন। শুদ্ধ রূপটি মনে রাখুন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের বাহুল্য দোষযুক্ত শব্দ আসে। যেমন দৈন্যতা, স্বায়ত্তশাসন ইত্যাদি শব্দের সঠিক গঠন জানা জরুরি।
a অরণ্য
b পর্বত
c স্থাবর
d সমুদ্র
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) স্থাবর ১. কেন সঠিক: - জঙ্গম শব্দের অর্থ যা গতিশীল বা যা এক স্থান থেকে অন্য স্থানে চলতে পারে। - এর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করার জন্য এমন একটি শব্দ প্রয়োজন যার অর্থ স্থির বা যা চলাচল করতে পারে না। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে বিপরীতার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যা ঠিক উল্টো বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। - বিশেষ্য ও বিশেষণ পদের ক্ষেত্রে এই বিপরীত রূপগুলো ব্যাকরণগতভাবে শব্দের শ্রেণি ঠিক রেখে পরিবর্তিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সচল ও অচল ব্যাখ্যা: সচল শব্দের অর্থ যা চলে এবং অচল শব্দের অর্থ যা চলে না, এটি জঙ্গম ও স্থাবরের মতো সমার্থক বিপরীত শব্দ। উদাহরণ ২: চেতন ও অচেতন ব্যাখ্যা: চেতন মানে যার জীবন বা চেতনা আছে এবং অচেতন মানে যার তা নেই, এটিও অর্থের দিক থেকে বিপরীত শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অরণ্য - এর অর্থ বন বা জঙ্গল, যা জঙ্গম শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না। B) পর্বত - এর অর্থ পাহাড়, যা একটি বিশেষ্য পদ এবং জঙ্গমের বিপরীতার্থক নয়। C) স্থাবর - সঠিক উত্তর, এর অর্থ যা নড়ে না বা স্থির। D) সমুদ্র - এর অর্থ সাগর, যা জলরাশি নির্দেশ করে এবং এর সঙ্গে জঙ্গমের কোনো বিপরীত সম্পর্ক নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: - জঙ্গম মানে চলমান এবং স্থাবর মানে স্থির, এই দুটি শব্দ জোড়ায় জোড়ায় মুখস্থ রাখা সবচেয়ে সহজ উপায়। - পরীক্ষায় প্রায়ই এই দুটি শব্দ একসঙ্গে বিপরীতার্থক হিসেবে আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ থেকে আসা বিপরীতার্থক শব্দগুলো বেশি গুরুত্বপূর্ণ। - এই ধরনের শব্দগুলোর মূল সংস্কৃত অর্থ জানা থাকলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
a হাসান হাফিজুর রহমান
b জহির রায়হান
c শহীদুল্লাহ কায়সার
d আনোয়ার পাশা
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আনোয়ার পাশা ১. কেন সঠিক: ‘রাইফেল রোটি আওরাত’ উপন্যাসের রচয়িতা হলেন শহীদুল্লাহ আনোয়ার পাশা। এটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম রচিত উপন্যাস যা তৎকালীন পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বরতা ও শিক্ষক সমাজের মনস্তত্ত্ব তুলে ধরে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: আনোয়ার পাশা ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলার অধ্যাপক এবং একজন বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবী যিনি মুক্তিযুদ্ধে শহিদ হন। এই উপন্যাসে ১৯৭১ সালের মার্চ থেকে এপ্রিল মাসের ঢাকা শহরের অবরুদ্ধ জীবনের বাস্তব চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সেলিনা হোসেন রচিত ‘হাঙ্গর নদী গ্রেনেড’ ব্যাখ্যা: এটিও বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি উপন্যাস। উদাহরণ ২: শওকত ওসমান রচিত ‘জননী’ ব্যাখ্যা: এটি গ্রামীণ জীবনের পটভূমিতে রচিত একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাসান হাফিজুর রহমান — তিনি ‘একাত্তরের দিনগুলি’ বা মুক্তিযুদ্ধের প্রামাণ্য দলিল সম্পাদনার জন্য পরিচিত, এই উপন্যাসের রচয়িতা নন। B) জহির রায়হান — তিনি বিখ্যাত ‘হাজার বছর ধরে’ এবং মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ‘আরেক ফাল্গুন’ উপন্যাসের রচয়িতা। C) শহীদুল্লাহ কায়সার — তিনি ‘সারেং বউ’ ও ‘সংশপ্তক’ উপন্যাসের রচয়িতা, এই উপন্যাসের সঙ্গে সম্পর্কিত নন। D) আনোয়ার পাশা — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি ভুল নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: রাইফেল হাতে শিক্ষক আনোয়ার পাশা লিখেছিলেন এই উপন্যাস। মুক্তিযুদ্ধের পটভূমি ও লেখকের নামের মিল মনে রাখলে এই প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম উপন্যাস কোনটি এবং এর রচয়িতা কে, তা প্রায়ই আসে। সাহিত্যিকের অন্যান্য অমর কীর্তিগুলো ভালোভাবে মনে রাখা জরুরি।
a রাখালী
b সোজন বাদিয়ার ঘাট
c নক্‌শী কাঁথার মাঠ
d বালুচর
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রাখালী ১. কেন সঠিক: পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ হলো রাখালী। ১৯২৭ সালে এই কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয় এবং এর মাধ্যমেই তিনি বাংলা সাহিত্যে আত্মপ্রকাশ করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: জসীমউদ্দীন বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধের অন্যতম প্রধান বাঙালি কবি ও সাহিত্যিক। তাঁর কবিতায় গ্রামীণ বাংলার প্রকৃতি, মানুষের সহজ সরল জীবন ও লোকজ সংস্কৃতি অত্যন্ত চমৎকারভাবে ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নকশী কাঁথার মাঠ। ব্যাখ্যা: এটি জসীমউদ্দীনের বিখ্যাত একটি দীর্ঘ কাহিনীকাব্য যা ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: সোজন বাদিয়ার ঘাট। ব্যাখ্যা: এটি কবির আরেকটি জনপ্রিয় প্রণয়ধর্মী কাহিনীকাব্য যা ১৯৩৩ সালে প্রকাশিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাখালী — এটি জসীমউদ্দীনের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ হওয়ায় সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। B) সোজন বাদিয়ার ঘাট — এটি কবির প্রথম কাব্যগ্রন্থ নয়, বরং ১৯৩৩ সালে প্রকাশিত একটি বিখ্যাত কাহিনীকাব্য। C) নক্‌শী কাঁথার মাঠ — এটি ১৯২৯ সালে প্রকাশিত তাঁর প্রথম কাহিনীকাব্য, প্রথম কাব্যগ্রন্থ নয়। D) বালুচর — এটি জসীমউদ্দীনের প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে অন্যতম হলেও প্রথম কাব্যগ্রন্থ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: জসীমউদ্দীনের প্রথম কাব্যগ্রন্থ মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো যে রাখালরা মাঠে গরু চরায় আর পল্লীকবি গ্রামের রাখালদের নিয়ে তাঁর প্রথম কাব্য রাখালী রচনা করেন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের প্রথম কাব্যগ্রন্থ রাখালী এবং তাঁর প্রথম ও শ্রেষ্ঠ কাহিনীকাব্য নকশী কাঁথার মাঠ প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। তাই এগুলোর প্রকাশকাল ভালোভাবে মনে রাখবে।
a কবিতা
b পত্রিকা
c উপন্যাস
d ছোটগল্প
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পত্রিকা ১. কেন সঠিক: - কাজী নজরুল ইসলামের সম্পাদনায় প্রকাশিত একটি অর্ধ-সাপ্তাহিক পত্রিকা হলো ধূমকেতু। - এই পত্রিকার মাধ্যমে বিদ্রোহী কবির সাহিত্যিক ও রাজনৈতিক পরিচিতি ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের এক অনন্য প্রতিভাবান কবি ও ঔপন্যাসিক। - ধূমকেতু পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯২২ সালের আগস্ট মাসে এবং এর প্রচ্ছদ এঁকেছিলেন অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লাঙল ব্যাখ্যা: এটিও কাজী নজরুল ইসলাম কর্তৃক সম্পাদিত একটি বিখ্যাত সাময়িকপত্র। উদাহরণ ২: নবযুগ ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলাম ও শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক যৌথভাবে সম্পাদনা করেছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কবিতা — ধূমকেতু কোনো একক কবিতা নয়, এটি একটি পত্রিকা। B) পত্রিকা — সঠিক উত্তর, এটি নজরুল সম্পাদিত একটি বিখ্যাত অর্ধ-সাপ্তাহিক পত্রিকা। C) উপন্যাস — ধূমকেতু কোনো উপন্যাস বা কথাসাহিত্য নয়। D) ছোটগল্প — ধূমকেতু কোনো গল্পের বই বা ছোটগল্প নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - নজরুলের মুখের কথা এবং তার পরিচালিত পত্রিকার নাম মনে রাখতে ধূমকেতু শব্দটি মাথায় রাখবে। - কবিকে স্বয়ং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আশীর্বাদ করে ধূমকেতু পত্রিকার জন্য একটি কবিতা লিখে দিয়েছিলেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ধূমকেতুর প্রথম পাতার উদ্বোধনী কবিতায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আশীর্বাণী প্রকাশিত হয়েছিল। - এই ধরনের প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পত্রিকা ও সম্পাদকের নাম খুব কমন একটি প্রশ্ন।
a শেষের কবিতা
b বলাকা
c ডাকঘর
d কালান্তর
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) শেষের কবিতা ১. কেন সঠিক: - শেষের কবিতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত ও প্রথাবিরোধী রোমান্টিক উপন্যাস। - নামের শেষে কবিতা শব্দ থাকলেও এটি কোনো কাব্যগ্রন্থ নয়, বরং একটি পূর্ণাঙ্গ উপন্যাস। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যকে বিভিন্ন ধারায় সমৃদ্ধ করেছেন এবং এই উপন্যাসটি প্রকাশিত হয় ১৯২৯ সালে। - উপন্যাসের প্রধান দুটি চরিত্র হলো অমিত রায় ও লাবণ্য সেন এবং এর মূল সুর আধুনিক প্রেমের ভিন্নমাত্রা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোখের বালি ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত প্রথম সার্থক মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস। উদাহরণ ২: যোগাযোগ ব্যাখ্যা: এটিও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শেষের কবিতা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি একটি উপন্যাস। B) বলাকা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা ১৯১৬ সালে প্রকাশিত হয়। C) ডাকঘর — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি প্রতীকধর্মী নাটক যা ১৯১২ সালে রচিত হয়। D) কালান্তর — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত প্রাবন্ধিক গ্রন্থ যা সমসাময়িক রাজনীতি ও সমাজ নিয়ে লেখা। ৫ মনে রাখার টিপস: - নামের ভেতর কবিতা থাকলেই কাব্যগ্রন্থ ভেব না, শেষের কবিতা মূলত একটি উপন্যাস। - রবীন্দ্রনাথের বিখ্যাত উপন্যাসগুলো মনে রাখার জন্য চরিত্রগুলোর নাম যেমন অমিত ও লাবণ্য মাথায় রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিভ্রান্ত করার জন্য কাব্যগ্রন্থের মতো নামযুক্ত উপন্যাস বা নাটকের নাম দেওয়া হয়। - রচনার নাম দেখে ধরন নির্ধারণ না করে লেখকের প্রকৃত সাহিত্যকর্মের তালিকা ভালোভাবে পড়তে হবে।

মোট প্রশ্ন (20)

a A scenery
b Sceneries
c The sceneries
d Scenery
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Scenery কেন সঠিক: - Scenery শব্দটি একটি আনকাউন্টেবল নাউন, তাই এর সঙ্গে কখনো s বা es যুক্ত হয় না। - আনকাউন্টেবল নাউন হওয়ায় এর পূর্বে কখনো a বা an আর্টিকেল বসে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A scenery — Scenery আনকাউন্টেবল নাউন হওয়ায় এর পূর্বে a বা an আর্টিকেল বসানো সম্পূর্ণ ভুল। B) Scereries — Scenery শব্দের কোনো প্লুরাল ফর্ম বা Sceneries বানান ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। C) The sceneries — Scenery শব্দের সাথে s যুক্ত করে প্লুরাল করা যায় না এবং নির্দিষ্ট করতে the বসালেও তা ভুল হয়। D) Scenery — এটি সঠিক কারণ scenery একটি সঠিক আনকাউন্টেবল নাউন যা সর্বদা একবচন হিসেবে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: Scenery, Information, Advice, Luggage ইত্যাদি শব্দগুলো সর্বদা আনকাউন্টেবল নাউন, এদের সাথে s বা es যোগ করা যায় না এবং এদের পূর্বে a বা an বসে না।
a Deceitful
b Stubborn
c Sly
d Swindler
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Stubborn কেন সঠিক: - Obdurate শব্দের অর্থ হলো জেদি, একগুঁয়ে বা অনমনীয়। - Stubborn শব্দের অর্থও জেদি বা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ, যা Obdurate শব্দের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Deceitful — এর অর্থ প্রতারক বা কপট, যা Obdurate শব্দের সমার্থক নয়। B) Stubborn — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে সমার্থক হিসেবে প্রযোজ্য। C) Sly — এর অর্থ ধূর্ত বা শঠ, যা জেদি বা একগুঁয়ে বোঝায় না। D) Swindler — এর অর্থ বাটপার বা প্রতারক, যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয়। মনে রাখার টিপস: Obdurate মানে ডেট বা জেদি, আর Stubborn মানেও একই রকম একগুঁয়ে স্বভাব।
a Complaint
b Passive
c Indifferent
d Careful
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Complaint কেন সঠিক: Recalcitrant শব্দটির অর্থ অবাধ্য বা একগুঁয়ে, যা সহজে নিয়ন্ত্রণে থাকে না। এর বিপরীত শব্দ হলো Complaint, যার অর্থ বাধ্য বা অনুগত। অনুকূল মনোভাব বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Complaint — এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ বাধ্য বা অনুগত। B) Passive — এর অর্থ নিষ্ক্রিয়, যা অবাধ্য শব্দের সঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না। C) Indifferent — এর অর্থ উদাসীন, যা মূল শব্দের বিপরীতার্থক হিসেবে উপযুক্ত নয়। D) Careful — এর অর্থ যত্নবান, যার সাথে অবাধ্য শব্দের অর্থের সরাসরি মিল নেই। মনে রাখার টিপস: Recalcitrant মানে যে কথা শোনে না এবং Complaint মানে যে সব নিয়ম মেনে চলে।
a A musical instrument
b A well-planned programme
c A noisy activity
d A musical activity
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) A noisy activity কেন সঠিক: - Razzmatazz একটি ইংরেজি শব্দ যার অর্থ জাঁকজমকপূর্ণ কিন্তু বিশৃঙ্খল ও কোলাহলপূর্ণ কোনো আয়োজন বা কর্মকাণ্ড। - এই শব্দের মূল ভাব হলো অতিরিক্ত উত্তেজনা এবং হৈচৈপূর্ণ পরিবেশ যা প্রশ্ন প্রদত্ত উত্তরের সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A musical instrument — এটি কোনো বাদ্যযন্ত্র বোঝায় না, বরং এটি একটি সামগ্রিক কোলাহলপূর্ণ পরিস্থিতি নির্দেশ করে। B) A well-planned programme — এটি সুপরিকল্পিত কোনো অনুষ্ঠান বোঝায় না, বরং এর মধ্যে বিশৃঙ্খলা ও হৈচৈ থাকে। C) A noisy activity — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এর অর্থ কোলাহলপূর্ণ কর্মকাণ্ড যা razzmatazz শব্দের সমার্থক। D) A musical activity — এটি শুধু সংগীত বিষয়ক কার্যক্রম বোঝায় না, এর পরিধি আরও অনেক বড় এবং বিশৃঙ্খল। মনে রাখার টিপস: Razzmatazz শব্দটিতে জ্যাজ সঙ্গীতের মতো এক ধরণের হৈচৈ ও বিশৃঙ্খলার সুর আছে, যা দিয়ে কোলাহলপূর্ণ কর্মকাণ্ড মনে রাখা যায়।
a Show surprise or disapproval
b Show agreement
c Show happiness
d Show indifference
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Show surprise or disapproval কেন সঠিক: এখানে raised his eyebrow একটি ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা। এর অর্থ হলো কোনো অদ্ভুত বা নতুন কথায় অবাক হওয়া বা বিরক্তি প্রকাশ করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Show surprise or disapproval — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাক্যটির ভাবার্থের সাথে এটি সম্পূর্ণ মিলে যায়। B) Show agreement — এই অপশনটি ভুল কারণ ভ্রূ কুঁচকানো বা ওপরে তোলার অর্থ কখনোই সম্মতি জানানো বোঝায় না। C) Show happiness — এই অপশনটি ভুল কারণ এই শারীরিক অভিব্যক্তিটি আনন্দের সাথে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়। D) Show indifference — এই অপশনটি ভুল কারণ উদাসীনতা প্রকাশ করতে অন্য রকম শারীরিক ভাষা ব্যবহার করা হয়। মনে রাখার টিপস: মানুষ যখন কোনো কিছু দেখে অবাক হয় বা অপছন্দ করে, তখন সে প্রায়ই নিজের চোখ বা ভ্রূ ওপরে তুলে ধরে।
a The common language
b The first language
c International language
d The French language
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) The common language কেন সঠিক: - Lingua Franca বলতে এমন একটি ভাষাকে বোঝায় যা ভিন্ন ভাষাভাষী মানুষের যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়। - এটি বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগের কমন মাধ্যম বা সাধারণ ভাষা হিসেবে কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The common language — এটি সঠিক উত্তর কারণ Lingua Franca মানেই হলো বিভিন্ন ভাষাভাষী মানুষের যোগাযোগের সাধারণ ভাষা। B) The first language — এটি ভুল কারণ প্রথম ভাষা বা মাতৃভাষা বলতে মানুষের জন্মসূত্রে শেখা ভাষাকে বোঝায়, সবার যোগাযোগ মাধ্যমকে নয়। C) International language — এটি ভুল কারণ আন্তর্জাতিক ভাষা বিশ্বব্যাপী ব্যবহৃত হলেও Lingua Franca আঞ্চলিক বা যেকোনো ভিন্ন ভাষাভাষীর মধ্যেও হতে পারে। D) The French language — এটি ভুল কারণ আক্ষরিক অর্থে ফরাসি ভাষা মনে হলেও পরিভাষা অনুযায়ী এটি নির্দিষ্ট কোনো দেশের ভাষা নয়। মনে রাখার টিপস: Lingua Franca শব্দটির মূল অর্থ সাধারণ ভাষা, যা ভিন্ন ভাষাভাষী মানুষের যোগাযোগের সেতু হিসেবে কাজ করে।
a My father said that he will have a cup of tea because he wasn\'t hungry
b My father said that he would have had a cup of tea because he wasn\'t hungry
c My father said that he would have a cup fo tea because he wasn\'t hungry
d My father said that he had a cup of tea because he wasn\'t hungry
0 110 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) My father said that he would have had a cup of tea because he wasn't hungry কেন সঠিক: প্রত্যক্ষ উক্তির reporting verb 'said' অতীতের হওয়ায় indirect speech করার সময় tense পরিবর্তন করে past tense করতে হয়। মূল বাক্যের 'will have' পরিবর্তিত হয়ে সঠিক নিয়মে 'would have had' রূপ ধারণ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) এই অপশনে reporting verb অতীতের হলেও tense পরিবর্তন না করে 'will' রাখা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) এটি মূল প্রশ্ন এবং সঠিক উত্তর, তাই এখানে কোনো ভুল নেই। C) এই অপশনে 'would have' এর পর মূল verb-এর past participle রূপ ব্যবহার না করায় বাক্যটি অসম্পূর্ণ হয়েছে। D) এই অপশনে ভবিষ্যতের সম্ভাবনা বোঝাতে চাওয়া হলেও অতীতকালের সাধারণ বাক্য ব্যবহার করায় অর্থের পরিবর্তন ঘটেছে। মনে রাখার টিপস: Direct speech-এ will থাকলে Indirect speech-এ তা পরিবর্তন করে would করতে হয় এবং tense এর পরিবর্তন নিয়মমাফিক করতে হয়।
a with
b from
c against
d beside
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: খ) from কেন সঠিক: পার্টিং ফ্রম ব্যবহার করা হয় যখন কোনো ব্যক্তি অন্য কোনো ব্যক্তি বা মানুষের দলের থেকে বিদায় নেয় বা আলাদা হয়ে যায়। এখানে বন্ধুদের থেকে বিদায় নেওয়ার অর্থ বোঝানো হয়েছে। তাই সঠিক preposition হিসেবে from ব্যবহৃত হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: ক) with — কোনো বস্তু বা প্রিয় জিনিসের থেকে আলাদা হওয়া বোঝাতে parted with ব্যবহৃত হয়। খ) from — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। গ) against — এর অর্থ বিরুদ্ধে, যা এই বাকстыর অর্থ সম্পূর্ণ বদলে দেয়। ঘ) beside — এর অর্থ পাশে, যা শূন্যস্থানে বসালে ব্যাকরণগত ভুল হয়। মনে রাখার টিপস: ব্যক্তির ক্ষেত্রে parted from এবং বস্তুর ক্ষেত্রে parted with বসে।
a with
b for
c to
d at
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) with কেন সঠিক: - কোনো দায়িত্ব বা যত্ন নেওয়ার ক্ষেত্রে ব্যক্তির ওপর আস্থা রেখে কিছু অর্পণ করা বোঝালে 'entrust' শব্দের পর 'with' preposition বসে। - এখানে শিশুদের দায়িত্ব বা যত্ন তাদের চাচার ওপর অর্পণ করার অর্থ প্রকাশ করায় 'entrusted with' সঠিক হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) with — এই অপশনটি সঠিক, কারণ এটি সঠিক preposition হিসেবে দায়িত্ব অর্পণ করা বোঝায়। B) for — এই অপশনটি ভুল, কারণ 'entrusted for' অর্থহীন এবং এটি দায়িত্ব অর্পণের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় না। C) to — এই অপশনটি ভুল, কারণ কোনো বস্তুকে কারো কাছে অর্পণ করলে 'entrust something to someone' হয়, কিন্তু ব্যক্তির দায়িত্ব অন্যকে দিলে 'entrust with' হয়। D) at — এই অপশনটি ভুল, কারণ 'entrust at' কোনো ব্যাকরণগত নিয়ম বা উপযুক্ত অর্থ প্রকাশ করে না। মনে রাখার টিপস: দায়িত্ব বা যত্ন কাউকে দেওয়ার ক্ষেত্রে ব্যক্তির ক্ষেত্রে 'entrust with' এবং বস্তুর ক্ষেত্রে 'entrust to' ব্যবহার করতে হয়।
a is having
b has had
c was having
d had
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) has had কেন সঠিক: বাক্যে Just now থাকার কারণে এটি বর্তমানকালের ঘটনা বোঝাচ্ছে যা মাত্র শেষ হয়েছে। বর্তমানকালে শেষ হওয়া কাজের জন্য Present Perfect Tense ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) is having — এটি Present Continuous Tense বোঝায়, যা এই বাক্যের অর্থ প্রকাশ করে না। B) has had — এটি সঠিক কারণ এটি Present Perfect Tense নির্দেশ করে। C) was having — এটি Past Continuous Tense বোঝায়, যা বর্তমান সময়ের সাথে মেলে না। D) had — এটি Past Indefinite Tense নির্দেশ করে, যা অতীতকালের কাজ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যে Just now থাকলে সাধারণত Present Perfect Tense হয়।
a a very lot of
b very many of
c very much of
d a lot of
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) a lot of কেন সঠিক: ড్రাইভার শব্দটি একটি গণনাযোগ্য বহুবচন বিশেষ্য এবং এর আগে পরিমাণ বোঝাতে a lot of ব্যবহার করা হয়। ইংরেজী ব্যাকরণে এটি বাক্যটিকে অর্থপূর্ণ ও সঠিক গঠন প্রদান করে। অন্যান্য বিকল্পগুলো ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী অগঠিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a very lot of — ইংরেজী ব্যাকরণে a very lot of বলে কোনো সঠিক বা গ্রহণযোগ্য ফ্রেজ নেই। B) very many of — many এর সাথে of ব্যবহার করতে হলে সাধারণত নির্দিষ্ট কোনো দলের কথা বোঝাতে হয়। C) very much of — much হলো পরিমাণের জন্য যা শুধুমাত্র অবিগণনাযোগ্য বিশেষ্যের সাথে বসে। মনে রাখার টিপস: গণনাযোগ্য পদের ক্ষেত্রে a lot of ব্যবহার করা নিরাপদ এবং বহুল প্রচলিত।
a not
b any
c none
d no
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) no কেন সঠিক: শূন্যস্থানের পর interest একটি নাউন এবং এর আগে কোনো আর্টিকেল নেই। এই নাউনটিকে নেগেটিভ বা শূন্য বোঝাতে ডিটারমিনার হিসেবে no ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) not — এটি সাধারণত ভার্ব, অ্যাডজেক্টিভ বা অ্যাডভার্বের আগে বসে নেগেটিভ করতে, সরাসরি নাউনের আগে বসে না। B) any — এটি সাধারণত ইন্টারোগেটিভ বা নেগেটিভ বাক্যে ব্যবহৃত হয়, এখানে বাক্যটি অ্যাফারমেটিভ হওয়ায় এটি বসে না। C) none — এটি প্রোনাউন হিসেবে একা বসে এবং এর পর সরাসরি কোনো নাউন থাকতে পারে না। মনে রাখার টিপস: নাউনের আগে সরাসরি না বোধক অর্থ প্রকাশ করতে no বসে এবং প্রোনাউন হিসেবে একা বসলে none বসে।
a to play
b playing
c play
d of playing
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) playing কেন সঠিক: বাক্যে 'give up' একটি phrasal verb যার অর্থ ত্যাগ করা বা কোনো অভ্যাস বাদ দেওয়া। নিয়ম অনুযায়ী 'give up' এর পর সবসময় verb এর সাথে ing যুক্ত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to play — 'give up' এর পর infinitive বা to + verb বসে না। তাই এই অপশনটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) playing — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) play — 'give up' এর পর কেবল base form বা verb এর মূল রূপ একা বসতে পারে না। D) of playing — 'give up' এর সাথে অতিরিক্ত 'of' preposition এর কোনো প্রয়োজন হয় না। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি ব্যাকরণে 'give up', 'mind', 'keep' এর মতো verb গুলোর পর সবসময় gerund অর্থাৎ verb + ing বসে।
a shines
b has shone
c shine
d was shining
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) was shining কেন সঠিক: বাক্যটির দুটি অংশের কাজের মধ্যে একটি চলমান থাকা অবস্থাতে অন্যটি ঘটেছিল। অতীতকালে কোনো কাজ দীর্ঘ সময় ধরে চলছিল বোঝালে Past Continuous Tense ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) shines — এটি Present Indefinite Tense হওয়ায় অতীতের ঘটনার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। B) has shone — এটি Present Perfect Tense হওয়ায় অতীতের ঘটনা প্রকাশ করতে পারে না। C) shine — এটি Present Tense এবং Subject-এর সাথে রূপ মেলেনি। মনে রাখার টিপস: অতীতকালের দুটি কাজের মধ্যে একটি চলমান বোঝাতে Past Continuous এবং অন্যটি সাধারণ অতীত হলে Past Indefinite Tense হয়।
a is being asleep
b is sleeping
c asleep
d has slept
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) is sleeping কেন সঠিক: বাকyটির প্রথম অংশ Imperative Sentence হওয়ায় এটি বর্তমান সময়ের কাজ নির্দেশ করছে। তাই while-এর পরের অংশে Present Continuous Tense ব্যবহৃত হবে। father Subject টি Singular হওয়ায় এর পরে is বসে এবং মূল verb-এর সাথে ing যুক্ত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) is being asleep — Asleep একটি Adjective, তাই এর সাথে being ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) is sleeping — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) asleep — এটি শুধু Adjective হওয়ায় এখানে কোনো Verb-এর কাজ সম্পূর্ণ করতে পারে না। D) has slept — Present Perfect Tense বর্তমানের চলমান কাজ বোঝাতে ব্যবহার করা যায় না। মনে রাখার টিপস: While-এর আগের অংশ Present Tense হলে পরের অংশ সাধারণত Present Continuous Tense হয়।
a able to
b is able
c can be able to
d can
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) can কেন সঠিক: শূন্যস্থানে বাক্যের অর্থ অনুযায়ী দক্ষতা বা সামর্থ্য প্রকাশ করতে উপযুক্ত মডেল অক্সিলিয়ারি ভার্ব প্রয়োজন। এখানে ক্যান শব্দটি দিয়েピアノ বাজানোর সাধারণ সামর্থ্য বোঝানো হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) able to — এর আগে উপযুক্ত বি ভার্ব যেমন অ্যাম বা ইজ না থাকায় এটি ব্যাকরণগতভাবে অসম্পূর্ণ। B) is able — এই বাক্যে মেইন ভার্ব প্লে এর সাথে সরাসরি ইজ এবল বসালে বাক্যটির গঠন সঠিক হয় না। C) can be able to — ক্যান এবং এবল টু একই সাথে ব্যবহার করলে দুটি মোডাল বা সামর্থ্যসূচক শব্দ একসাথে বসে যা ভুল। D) সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: কোনো কাজ করার ক্ষমতা বোঝাতে সাধারণত ক্যান ব্যবহার করা হয় এবং এর পরে সরাসরি মূল ভার্ব বসে।
a have heard
b was hearing
c am heard
d heard
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) heard কেন সঠিক: বাক্যের প্রথমাংশ opened দেখে বোঝা যায় ঘটনাটি অতীতের। তাই পরের অংশেও পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্স হবে। as soon as যুক্ত অতীতকালের দুটি ক্লজই পাস্ট টেন্সে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) have heard — এটি প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্স হওয়ায় অতীতের ঘটনার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। B) was hearing — এটি পাস্ট কন্টিনিউয়াস টেন্স, যা এখানে ঘটনার ধারাবাহিকতা প্রকাশ করছে না। C) am heard — এটি প্যাসিভ ফর্ম এবং প্রেজেন্ট টেন্সে থাকায় ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ভুল। মনে রাখার টিপস: as soon as এর উভয় পাশে সাধারণত একই টেন্স বসে, বিশেষ করে অতীতকালের ক্ষেত্রে উভয় ক্লজই পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্স হয়।
a whom told you
b that told you
c who told you
d told you
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) who told you কেন সঠিক: - শূন্যস্থানের পর Verb এর Past Form (told) রয়েছে, যার পূর্বে একজন Subject প্রয়োজন। - Subordinate Clause-এ Subject হিসেবে Relative Pronoun 'who' ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) whom told you — 'whom' সাধারণত Object হিসেবে বসে, কিন্তু এখানে Subject প্রয়োজন তাই এটি ভুল। B) that told you — 'that' ব্যক্তির ক্ষেত্রে Subject হিসেবে সাধারণত এভাবে সরাসরি Relative Pronoun হিসেবে ব্যবহৃত হয় না। C) who told you — এটি সঠিক কারণ 'who' এখানে সাবজেক্ট হিসেবে কাজ করেছে। D) told you — এর পূর্বে কোনো Subject বা Relative Pronoun না থাকায় বাক্যটির গঠন অসম্পূর্ণ হয়। মনে রাখার টিপস: Verb এর আগে Subject দরকার হলে 'who' বসবে এবং Object দরকার হলে 'whom' বসবে।
a unless
b until
c if
d although
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) if কেন সঠিক: এখানে জল ফোটার জন্য ১০০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে উত্তপ্ত করার শর্ত বোঝানো হয়েছে। শর্ত বোঝাতে conjunction হিসেবে if ব্যবহার করা সবচেয়ে সঠিক নিয়ম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) unless — unless অর্থ যদি না, যা এই বাক্যের অর্থের সাথে মেলে না। B) until — until অর্থ যতক্ষণ না পর্যন্ত, যা সময়ের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। C) if — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) although — although অর্থ যদিও, যা বিপরীতার্থক দুটি বাক्याংশকে যুক্ত করে। মনে রাখার টিপস: কোনো কাজের নিশ্চিত ফলাফল বোঝাতে conditional sentence-এ if ব্যবহার করা হয়।
a that
b whom
c whose
d what
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) that কেন সঠিক: শূন্যস্থানের আগের শব্দটি বস্তুবাচক (the book) হওয়ায় এখানে Relative Pronoun হিসেবে that বসেছে। বস্তুর ক্ষেত্রে which বা that ব্যবহার করা যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) that — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়। B) whom — এটি ব্যক্তিবাচক Objective Pronoun, তাই বস্তুর ক্ষেত্রে বসে না। C) whose — এটি অধিকার বোঝাতে ব্যবহার করা হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) what — এর পূর্বে কোনো Antecedent বা পূর্বপদ থাকে না, তাই এটি এখানে বসবে না। মনে রাখার টিপস: শূন্যস্থানের ঠিক আগে বস্তু থাকলে Relative Pronoun হিসেবে that বা which ব্যবহার করতে হয়।

মোট প্রশ্ন (10)

a ২৩২৫৮
b ১৩২৫৬
c ১১২৫৪
d ১০৪১৬
0 110 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১০৪১৬ প্রদত্ত তথ্য: ধারাটি হলো ১ এর বর্গ + ৩ এর বর্গ + ৫ এর বর্গ + ডট ডট + ৩১ এর বর্গ এটি বিজুগ সংখ্যার বর্গের ধারা ধরি, ধারার শেষ পদ সমান ৩১ পদসংখ্যা সমান (শেষ পদ + ১) ÷ ২ পদসংখ্যা সমান (৩১ + ১) ÷ ২ সমান ১৬ অতএব, বিজোড় সংখ্যার বর্গের যোগফলের সূত্র হলো এন গুণনীক (৪ এন এর বর্গ − ১) ভাগ ৩ এখানে এন এর মান ১৬ ৪ গুণ ১৬ এর বর্গ সমান ৪ গুণ ২৫৬ সমান ১০২৪ সুতরাং, ১০২৪ বিয়োগ ১ সমান ১০২৩ ১৬ গুণ ১০২৩ ভাগ ৩ সমান ১৬ গুণ ৩৪১ সমান ১০৪১৬ উত্তর: ১০৪১৬
a ১২৮০
b ১২৮১
c ১৩১০
d ১৩১১
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৩১১ প্রদত্ত তথ্য: দ্রব্যটির ক্রয়মূল্য = ১২০০ টাকা প্রথম বিক্রয় লাভ = ১৫% দ্বিতীয় বিক্রয় ক্ষতি = ৫% ধরি, দ্রব্যটির প্রথম ক্রয়মূল্য = ১২০০ টাকা অতএব, ১৫% লাভে প্রথম বিক্রয়মূল্য = ১২০০ + (১২০০ এর ১৫%) ১২০০ + ১৮০ = ১৩৮০ টাকা সুতরাং, ৫% ক্ষতিতে শেষ বিক্রয়মূল্য = ১৩৮০ − (১৩৮০ এর ৫%) ১৩৮০ − ৬৯ = ১৩১১ টাকা উত্তর: ১৩১১ টাকা
a ২০.০০%
b ১৬.০০%
c ১৮.০০%
d ১৫.০০%
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২০.০০% প্রদত্ত তথ্য: চালের দাম বৃদ্ধি পেল = ২৫% বাৎসরিক ব্যয় অপরিবর্তিত রাখতে হবে ধরি, পূর্বের চালের দাম = ১০০ টাকা বর্তমান চালের দাম = ১২৫ টাকা অতএব, ১২৫ টাকার চালের ব্যবহার কমাতে হবে = ২৫ টাকা ১ টাকার চালের ব্যবহার কমাতে হবে = ২৫ ÷ ১২৫ টাকা ১০০ টাকার চালের ব্যবহার কমাতে হবে = (২৫ × ১০০) ÷ ১২৫ টাকা সুতরাং, চালের ব্যবহার কমাতে হবে = ২৫০০ ÷ ১২৫ = ২০% উত্তর: ২০.০০%
a ৭৭/২৪৩
b ১০২/২৮৯
c ১১৩/৩৫৫
d ৩৪৩/১০০১
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১১৩/৩৫৫ প্রদত্ত তথ্য: অপশন এ তে আছে ৭৭ ÷ ২৪৩ অপশন বি তে আছে ১০২ ÷ ২৮৯ অপশন সি তে আছে ১১৩ ÷ ৩৫৫ অপশন ডি তে আছে ৩৪৩ ÷ ১০০১ ধরি, সংখ্যাগুলোর লসাগু বা গসাগু নির্ণয় করতে হবে ভগ্নাংশগুলোর লঘিষ্ঠ রূপ দেখতে হবে অতএব, ৭৭ এবং ২৪৩ এর কোনো সাধারণ উৎপাদক নেই ১০২ এবং ২৮৯ এর সাধারণ উৎপাদক ১৭ ৩৪৩ এবং ১০০১ এর সাধারণ উৎপাদক ৭ সুতরাং, ১১৩ একটি মৌলিক সংখ্যা ৩৫৫ সংখ্যাটিকে ১১৩ দ্বারা ভাগ করা যায় না উত্তর: ১১৩/৩৫৫
a ২০০০
b ২৩০০
c ২৫০০
d ৩০০০
0 97 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩০০০ প্রদত্ত তথ্য: মোট সম্পত্তির ৩ অংশ ব্যয় করার পর অবশিষ্ট অংশ থাকে অবশিষ্ট অংশের ৫ অংশ ব্যয় করার পর শেষ পর্যন্ত অবশিষ্ট থাকে ১০০০ টাকা ধরি, মোট সম্পত্তির পরিমাণ = ক টাকা অতএব, প্রথম ব্যয়ের পর অবশিষ্ট থাকে = ক − (৩ক ÷ ৭) = ৪ক ÷ ৭ টাকা দ্বিতীয়বার ব্যয় হয় = (৪ক ÷ ৭) এর ৫ অংশ = ২০ক ÷ ৮৪ টাকা সুতরাং, শেষ অবশিষ্ট টাকা = (৪ক ÷ ৭) − (২০ক ÷ ৮৪) = ১০০০ টাকা উত্তর: সমীকরণ সমাধান করে ক এর মান পাওয়া যায় ৩০০০ টাকা
a ১৬
b ১৫
c ১৭
d ১৪বর্গমিটার
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৫ প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের বাহু তিনটি হলো ৫, ৬ এবং ৭ মিটার ধরি, বাহুগুলো যথাক্রমে a = ৫, b = ৬ এবং c = ৭ মিটার অতএব, অর্ধপরিসীমা s = (৫ + ৬ + ৭) ÷ ২ = ১৮ ÷ ২ = ৯ মিটার সুতরাং, ক্ষেত্রফল = √[s(s − a)(s − b)(s − c)] উত্তর: √[৯ × (৯ − ৫) × (৯ − ৬) × (৯ − ৭)] = √(৯ × ৪ × ৩ × ২) = √২১৬ যা প্রায় ১৪.৭০ বা নিকটতম ১৫ বর্গমিটার
a ১৬৯
b ২২৫
c ২৫৬
d ২৫২
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২২৫ প্রদত্ত তথ্য: ধারার সংখ্যাগুলো হলো ৯, ৩৬, ৮১, ১৪৪ ধরি, প্রথম সংখ্যাটি = ৩ এর বর্গ দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৬ এর বর্গ তৃতীয় সংখ্যাটি = ৯ এর বর্গ অতএব, চতুর্থ সংখ্যাটি হবে ১২ এর বর্গ সংখ্যাগুলোর ভিত্তি ৩, ৬, ৯, ১২ ক্রমানুসারে বাড়ছে সুতরাং, পরবর্তী সংখ্যাটি হবে ১২ × ১২ উত্তর: ২২৫
a ৭০মিটার
b ৭০মিটার
c ৮০ মিটার
d ৯০ মিটার
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৮০ মিটার প্রদত্ত তথ্য: আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য প্রস্থের তিন গুণ ক্ষেত্রফল তিনশত বর্গমিটার ধরি, আয়তক্ষেত্রটির প্রস্থ = ক মিটার আয়তক্ষেত্রটির দৈর্ঘ্য = তিন ক মিটার অতএব, ক্ষেত্রফল = তিন ক × ক = তিন ক বর্গ মিটার তিন ক বর্গ মিটার সমান তিনশত বর্গ মিটার সুতরাং, ক বর্গ মিটার সমান একশত বর্গ মিটার ক এর মান দশ মিটার উত্তর: দৈর্ঘ্য = ত্রিশ মিটার এবং প্রস্থ = দশ মিটার পরিসীমা = দুই × (ত্রিশ + দশ) = আশি মিটার
a 3
b 6
c 9
d 12
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৯ প্রদত্ত তথ্য: x + y = ৭ xy = ১০ ধরি, মান নির্ণয় করতে হবে (x − y)^২ এর অতএব, আমরা জানি বীজগণিতের সূত্র অনুযায়ী (x − y)^২ = (x + y)^২ − ৪xy সুতরাং, (x + y) এর মান ৭ এবং xy এর মান ১০ বসিয়ে পাই (৭)^২ − ৪ × ১০ = ৪৯ − ৪০ = ৯ উত্তর: ৯
a (x+3) (2x-5)
b (x-3) (2x-5)
c (x-3) (2x+5)
d (x+3) (2x+5)
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) (x+3) (2x-5) প্রদত্ত তথ্য: দ্বিঘাত রাশিটি হলো ২x^২ + x − ১৫ ধরি, রাশিটির মধ্যপদ বিভাজন করতে হবে এখানে প্রথম ও শেষ পদের গুণফল = ২ × (−১৫) = −৩০x^২ এবং মধ্যপদটি হলো +x অতএব, −৩০x^২ কে এমন দুটি অংশে ভাঙতে হবে যেন তাদের যোগফল +x হয় অংশ দুটি হলো +৬x এবং −৫x সুতরাং, রাশিটি দাঁড়ায় ২x^২ + ৬x − ৫x − ১৫ উৎপাদক দুটি পাওয়া যায় ২x(x + ৩) − ৫(x + ৩) উত্তর: (x + ৩) (২x − ৫)

মোট প্রশ্ন (26)

a ডিসেম্বর ২৬, ২০০২
b জানুয়ারি ৭, ২০০৩
c মার্চ ২৩, ২০০৩
d মার্চ ২৩, ২০০৩
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সঠিক উত্তর: A) ডিসেম্বর ২৬, ২০০২ কেন সঠিক: - মার্কিন প্রতিষ্ঠান ক্লনইড কর্তৃক বিশ্বের প্রথম ক্লোন করা মানব শিশু ইভ জন্ম গ্রহণ করেছিল ২০০২ সালের ২৬ ডিসেম্বর। - প্রজনন ক্লোনিং প্রযুক্তির মাধ্যমে জন্মগ্রহণকারী এই প্রথম শিশুটিকে নিয়ে বিশ্বজুড়ে ব্যাপক বিতর্ক ও কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডিসেম্বর ২৬, ২০০২ — এটি বিশ্বের প্রথম ক্লোন করা শিশু ইভ জন্মগ্রহণের সঠিক তারিখ। B) জানুয়ারি ৭, ২০০৩ — এটি ক্লোন শিশু ইভের জন্মতারিখ নয় এবং এই তারিখে অন্য কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটেছিল। C) মার্চ ২৩, ২০০৩ — এটি ক্লোন শিশু ইভের জন্মতারিখের সঙ্গে মেলে না এবং অপশনে এটি পুনরাবৃত্তি হয়েছে। D) মার্চ ২৩, ২০০৩ — এটিও সঠিক জন্মতারিখ নয় এবং প্রথম ক্লোন শিশুর জন্মের সময়ের সঙ্গে এটি অসঙ্গতিপূর্ণ। মনে রাখার টিপস: ক্লোন শিশু ইভ জন্মায় ২০০২ সালের ডিসেম্বরের ২৬ তারিখে, যা ইংরেজি বছরের শেষের দিকে ঘটেছিল।
a সোনামসজি
b চট্টগ্রাম
c বেনাপোল
d হিলি
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বেনাপোল কেন সঠিক: - বেনাপোল বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ এবং সর্বাধিক ব্যবহৃত স্থলবন্দর। - এটি ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে বাণিজ্যের অন্যতম প্রধান প্রবেশদ্বার। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সোনামসজি — এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থলবন্দর হলেও আকারে বা বাণিজ্যের পরিধিতে বেনাপোলের চেয়ে ছোট। B) চট্টগ্রাম — এটি দেশের বৃহত্তম সমুদ্রবন্দর, কোনো স্থলবন্দর নয়। D) হিলি — এটি একটি স্থলবন্দর হলেও এটি বেনাপোলের মতো বৃহত্তম বা প্রধান স্থলবন্দর হিসেবে বিবেচিত নয়। মনে রাখার টিপস: বৃহৎ স্থলবন্দর মনে রাখতে বেনাপোল নামটি প্রথমে মনে রাখবে।
a জাতিতাত্ত্বিক যাদুঘর
b জাতীয় যাদুঘর
c বরেন্দ্র গবেষণা যাদুঘর
d ঢাকা নগর যাদুঘর
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বরেন্দ্র গবেষণা যাদুঘর কেন সঠিক: - বরেন্দ্র গবেষণা যাদুঘরটি ১৯১০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়, যা বাংলাদেশের ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্বের প্রথম যাদুঘর। - এটি রাজশাহীতে অবস্থিত এবং এটি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে এ অঞ্চলে প্রাচীন নিদর্শন সংগ্রহ ও সংরক্ষণের কাজ শুরু হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাতিতাত্ত্বিক যাদুঘর — এটি চট্টগ্রাম এ অবস্থিত এবং এটি বাংলাদেশের প্রথম জাতিতাত্ত্বিক যাদুঘর, সর্বপ্রাচীন নয়। B) জাতীয় যাদুঘর — এটি ঢাকা এ অবস্থিত এবং ১৯১৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হলেও এটি দেশের সর্বপ্রথম যাদুঘর নয়। D) ঢাকা নগর যাদুঘর — এটি ১৯৯৬ সালে প্রতিষ্ঠিত একটি যাদুঘর যা ঢাকার ইতিহাস সংরক্ষণের জন্য তৈরি, প্রাচীনতম নয়। মনে রাখার টিপস: বরেন্দ্র মানেই প্রাচীন, তাই প্রাচীনতম যাদুঘর হিসেবে বরেন্দ্র গবেষণা যাদুঘর সবার আগে মনে রাখতে হবে।
a জাতীয় স্মৃতিসৌধ
b লালবাগের কেল্লা
c সোনা মসজিদ
d বাংলাদেশের ম্যাপ
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও ঐতিহাসিক ঘটনা সঠিক উত্তর: D) বাংলাদেশের ম্যাপ কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ২৯ জুলাই কলকাতার থিয়েটার রোডে প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের প্রথম মন্ত্রীসভায় ডাকটিকিটে ম্যাপ ব্যবহারের সিদ্ধান্ত হয়। - এ কে চৌধুরীর নকশায় ১৯৭১ সালের ২৯ জুলাই মুজিবনগর সরকারের ডাক ও তার বিভাগ থেকে ১০ টাকা মূল্যের বাংলাদেশের ম্যাপখচিত প্রথম ডাকটিকিট প্রকাশিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাতীয় স্মৃতিসৌধ — এটি স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে নির্মিত হয়, যা প্রথম ডাকটিকিটের নকশায় ছিল না। B) লালবাগের কেল্লা — এটি একটি ঐতিহাসিক মোঘল দুর্গ, যা ১৯৭১ সালের প্রথম ডাকটিকিটে স্থান পায়নি। C) সোনা মসজিদ — এটি চাঁপাইনবাবগঞ্জের একটি ঐতিহাসিক স্থাপত্য, যা এই ডাকটিকিটের বিষয়বস্তু ছিল না। D) বাংলাদেশের ম্যাপ — এটি সঠিক উত্তর কারণ প্রথম ডাকটিকিটে স্বাধীন বাংলাদেশের ভূখণ্ডের মানচিত্র ব্যবহার করা হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: স্বাধীনতার প্রথম ডাকটিকিট মানেই পুরো দেশের আকৃতি বা বাংলাদেশের ম্যাপ।
a ১৯৭২
b ১৯৭৬
c ১৯৭৭
d ১৯৭৮
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৯৭৮ কেন সঠিক: - ১৯৭৮ সালে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীতে প্রথম নারীদের সাব-ইন্সপেক্টর ও কনস্টেবল পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। - পুলিশ বাহিনীতে নারী ক্ষমতায়ন ও নারীদের অংশগ্রহণের সূচনা ঘটে এই বছর থেকেই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৭২ — এটি বাংলাদেশের প্রথম সংবিধান প্রণয়নের বছর, এই সালে পুলিশ বাহিনীতে নারী নিয়োগ করা হয়নি। B) ১৯৭৬ — এই সালে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীতে নারী নিয়োগের কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা বা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়নি। C) ১৯৭৭ — এটি রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময়কাল হলেও এই সালে প্রথম নারী পুলিশ নিয়োগের আনুষ্ঠানিক ঘটনা ঘটেনি। D) ১৯৭৮ — এই সালেই প্রথম নারী পুলিশ সদস্য নিয়োগের মাধ্যমে বাংলাদেশ পুলিশে নারী বাহিনী গঠিত হয়, যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: স্বাধীনতার পর ১৯৭৮ সালে প্রথম পুলিশে নারী যোগ দেন, সালটি মনে রাখুন এভাবে যে নারীর ক্ষমতায়ন শুরু ১৯৭৮ সাল থেকে।
a ২৭
b ২৮
c ৩০
d ৪৭
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২৭ কেন সঠিক: - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ২৭ অনুচ্ছেদে আইনের দৃষ্টিতে সমতা এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে। - এটি সংবিধানের তৃতীয় ভাগে বর্ণিত মৌলিক অধিকারের অন্তর্ভুক্ত একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অনুচ্ছেদ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৭ — এটিই সঠিক উত্তর, কারণ এই অনুচ্ছেদে সকল নাগরিকের আইনের চোখে সমানাধিকারের কথা বলা হয়েছে। B) ২৮ — এই অনুচ্ছেদে ধর্ম, বর্ণ, গোত্র, নারী-পুরুষ বা জন্মস্থানের ভিত্তিতে বৈষম্য নিষিদ্ধ করার কথা বলা হয়েছে। C) ৩০ — এই অনুচ্ছেদে খেতাব, সম্মাননা বা ভূষণ গ্রহণ নিষিদ্ধকরণের বিষয়ে বলা হয়েছে। D) ৪৭ — এই অনুচ্ছেদে নির্দিষ্ট কিছু আইন প্রণয়নের সংরক্ষণ ও তা বাতিল বা সংশোধন অযোগ্যতার বিষয়ে বলা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: আইনের দৃষ্টিতে সবাই সমান, এই অধিকারটি সংবিধানের প্রথম দিকের মৌলিক অধিকার হিসেবে ২৭ অনুচ্ছেদে স্থান পেয়েছে।
a সেন্টমার্টিন
b মহেশখালী
c হাতিয়া
d দ্বীপ
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সেন্টমার্টিন কেন সঠিক: - এটি বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ, যা বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্ব অংশে অবস্থিত। - এর স্থানীয় নাম নারিকেল জিনিয়া এবং এর আয়তন প্রায় আট বর্গকিলোমিটার। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সেন্টমার্টিন — এটি নিজেই সঠিক উত্তর। B) মহেশখালী — এটি কক্সবাজার জেলায় অবস্থিত বাংলাদেশের একমাত্র পাহাড়ি দ্বীপ। C) হাতিয়া — এটি নোয়াখালী জেলার একটি উপকূলীয় দ্বীপ ও উপজেলা। D) দ্বীপ — এটি কোনো নির্দিষ্ট দ্বীপের নাম নয়, বরং একটি সাধারণ ভৌগোলিক সংজ্ঞা। মনে রাখার টিপস: প্রবাল দ্বীপ বললেই সেন্টমার্টিন নামটি মনে রাখবে, কারণ এটিই দেশের একমাত্র প্রবাল গঠিত দ্বীপ।
a আয়কর
b আমদানি ও রপ্তানি
c ভূমি রাজস্ব
d মূল্য সংযোজন কর
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: অর্থনীতি ও ব্যবসায়বিষয়ক ধারণা / বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: A) আয়কর যাচাইকরণ: প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি ভুল। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ সরকারের সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় হয় মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট থেকে, আয়কর থেকে নয়। কেন সঠিক: - বাংলাদেশ সরকারের অভ্যন্তরীণ রাজস্ব সংগ্রহের সবচেয়ে বড় উৎস হলো মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট। - দেশের মোট কর রাজস্বের একটি বিশাল অংশ পরোক্ষ কর হিসেবে ভ্যাট থেকে সংগৃহীত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আয়কর — এটি সরকারের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রাজস্ব আয়ের উৎস এবং প্রত্যক্ষ করের প্রধান মাধ্যম, তাই এটি সর্বোচ্চ নয়। B) আমদানি ও রপ্তানি — এটি বৈদেশিক বাণিজ্যের ওপর ধার্যকৃত কর, যা সরকারের মোট রাজস্ব আয়ের একটি নির্দিষ্ট অংশ যোগ করলেও সর্বোচ্চ নয়। C) ভূমি রাজস্ব — এটি স্থানীয় প্রশাসন ও ভূমি অফিস থেকে সংগৃহীত হয় এবং জাতীয় বাজেটে এর অবদান তুলনামূলকভাবে অনেক কম। D) মূল্য সংযোজন কর — এটি বর্তমান অর্থবছরে বাংলাদেশ সরকারের সর্বোচ্চ রাজস্ব আয়ের উৎস, যা প্রদত্ত উত্তরে ভুলবশত অন্য অপশন হিসেবে ছিল। মনে রাখার টিপস: সরকারের সবচেয়ে বেশি রাজস্ব আসে কেনাকাটার ওপর দেওয়া ভ্যাট থেকে, আর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে আয়ের ওপর কাটা আয়কর থেকে।
a জয়নুল আবেদীন
b কামরুল হাসান
c হামিদুর রহমান
d হাসেম খান
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কামরুল হাসান কেন সঠিক: - শিল্পী কামরুল হাসান ১৯৭১ সালে বর্তমান বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার মূল নকশা পরিমার্জন ও চূড়ান্ত রূপ দেন। - শিবনারায়ণ দাসের আঁকা প্রথম পতাকার নকশা থেকে সবুজ মাঠের মাঝে লাল বৃত্তের ভে터 মানচিত্রটি বাদ দিয়ে পতাকাটিকে সহজ ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেন তিনি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জয়নুল আবেদীন — তিনি বাংলাদেশের শিল্পকলার একজন অগ্রপথিক ও জাতীয় পতাকার ডিজাইনার নন। B) কামরুল হাসান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) হামিদুর রহমান — তিনি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের মূল স্থপতি ও নকশাকার। D) হাসেম খান — তিনি একজন প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী হলেও জাতীয় পতাকার ডিজাইনার নন। মনে রাখার টিপস: পতাকা মানেই পটে আঁকা ছবি, আর পটুয়া কামরুল হাসানই এঁকেছেন এই পতাকার চূড়ান্ত রূপ।
a অ্যামোনিয়া
b টিএসপি
c ইউরিয়া
d সুপারফসফেট
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ইউরিয়া কেন সঠিক: - জিয়া সারকারখানা বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রধান ভারী শিল্প প্রতিষ্ঠান যা ইউরিয়া সার উৎপাদন করে। - প্রাকৃতিক গ্যাসকে কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার করে এই কারখানায় ইউরিয়া সার তৈরি করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অ্যামোনিয়া — অ্যামোনিয়া সরাসরি উৎপাদিত সার নয়, বরং এটি ইউরিয়া সার উৎপাদনের একটি মূল মধ্যবর্তী রাসায়নিক কাঁচামাল। B) টিএসপি — টিএসপি বা ট্রিপল সুপার ফসফেট আলাদা সার এবং এটি উৎপাদনের প্রক্রিয়া ও কাঁচামাল জিয়া সারকারখানার সঙ্গে মিলে না। C) ইউরিয়া — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে এটি প্রযোজ্য নয়। D) সুপারফসফেট — এটি ফসফরাসভিত্তিক একটি সার যা জিয়া সারকারখানায় উৎপাদিত হয় না। মনে রাখার টিপস: নামে সারকারখানা থাকলেই সব সার বোঝায় না, জিয়া সারকারখানা মূলত দানাদার ইউরিয়া সার উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত।
a ২৫৭ জন
b ১৬৩ জন
c ৪৪জন
d ৬৯জন
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৬৯জন কেন সঠিক: - বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য ৬৯ জন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে বীরউত্তম উপাধিতে ভূষিত করা হয়। - এটি বাংলাদেশের খেতাবপ্রাপ্ত দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক খেতাব। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৫৭ জন — এটি কোনো নির্দিষ্ট খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা নয়, তবে এটি বীরপ্রতীক খেতাবপ্রাপ্তদের কাছাকাছি একটি ভুল সংখ্যা। B) ১৬৩ জন — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ এটি অন্য কোনো খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যার সঙ্গে মিলে না। C) ৪৪জন — এটি বীরশ্রেষ্ঠ বা অন্য কোনো খেতাবের সংখ্যা নয়, এটি ভুল তথ্য। D) ৬৯জন — এটি সঠিক উত্তর কারণ মুক্তিযুদ্ধে বীরউত্তম খেতাব পেয়েছিলেন ৬৯ জন ব্যক্তি। মনে রাখার টিপস: বীরউত্তমের সংখ্যা মনে রাখতে মনে রাখুন ৭ × ১০ = ৭০, তার থেকে ১ কম অর্থাৎ ৬৯ জন।
a ইসরাইল ও জর্ডান
b দক্ষিণ কোরিয়া ও উত্তর কোরিয়া
c চীন ও তাইওয়ান
d ভারত ও পাকিস্তান
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ভারত ও পাকিস্তান কেন সঠিক: - এটি জম্মু ও কাশ্মীরে ভারত ও পাকিস্তানের নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলগুলোকে বিভক্তকারী সামরিক রেখা। - ১৯৭২ সালের সিমলা চুক্তির মাধ্যমে এই যুদ্ধবিরতি রেখাকে লাইন অব কন্ট্রোল হিসেবে নির্ধারণ করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইসরাইল ও জর্ডান — এদের মধ্যবর্তী সীমান্তবর্তী বা সংঘাতময় অঞ্চলকে লাইন অব কন্ট্রোল বলা হয় না। B) দক্ষিণ কোরিয়া ও উত্তর কোরিয়া — এই দুটি দেশের সীমান্তবর্তী অঞ্চলকে উনপঞ্চাশ ডিগ্রি সমান্তরাল রেখা বা ডিমিলিটারাইজড জোন বলা হয়। C) চীন ও তাইওয়ান — এদের মধ্যবর্তী প্রণালী তাইওয়ান প্রণালী নামে পরিচিত, লাইন অব কন্ট্রোল নয়। D) ভারত ও পাকিস্তান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য। মনে রাখার টিপস: পাকিস্তান ও ভারতের কাশ্মীরের নিয়ন্ত্রণ রেখাকে সংক্ষেপে এলওসি বা লাইন অব কন্ট্রোল বলা হয়।
a হোসে সামও
b রবার্ট মুরাবে
c নেলসন ম্যান্ডেলা
d অংসান সুচি
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নেলসন ম্যান্ডেলা কেন সঠিক: - এটি দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনের মহান নেতা নেলসন ম্যান্ডেলার বিখ্যাত আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ। - এই বইটিতে তার দীর্ঘ কারাজীবন, সংগ্রামের দিনগুলো এবং দক্ষিণ আফ্রিকায় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হোসে সামও — ইনি এই বিশ্বখ্যাত আত্মজীবনীর লেখক নন এবং দক্ষিণ আফ্রিকার রাজনীতির সঙ্গে সম্পর্কিত নন। B) রবার্ট মুরাবে — ইনি জিম্বাবুয়ের দীর্ঘকালীন প্রেসিডেন্ট ছিলেন, দক্ষিণ আফ্রিকার নেলসন ম্যান্ডেলার এই গ্রন্থের সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই। C) নেলসন ম্যান্ডেলা — এটি সঠিক উত্তর এবং এটি তার নিজের লেখা বিশ্বখ্যাত আত্মজীবনী। D) অংসান সুচি — ইনি মিয়ানমারের গণতন্ত্রপন্থী নেত্রী, নেলসন ম্যান্ডেলার এই বিখ্যাত আত্মজীবনীটি তিনি লেখেননি। মনে রাখার টিপস: ম্যান্ডেলা দীর্ঘদিন কারাগারে হেঁটে হেঁটে স্বাধীনতা এনেছেন, তাই তার আত্মজীবনীর নাম 'A Long Walk to Freedom'।
a দুটি রেডক্রস কনভেনশন নামে
b তিনটি রেডক্রস কনভেনশন নামে
c চারটি রেডক্রস কনভেনশন নামে
d পাঁচটি রেডক্রস কনভেনশন নামে
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) চারটি রেডক্রস কনভেনশন নামে কেন সঠিক: - ১৯৪৯ সালের আগস্ট মাসে জেনেভায় অনুষ্ঠিত কূটনৈতিক সম্মেলনে যুদ্ধাহত ও যুদ্ধবন্দীদের সুরক্ষার জন্য আন্তর্জাতিকভাবে চারটি কনভেনশন গৃহীীত হয়। - এই চারটি কনভেনশন মূলত রেডক্রস আন্দোলনের মূলনীতির ওপর ভিত্তি করে যুদ্ধকালীন মানবিক আচরণ ও আইন প্রণয়ন করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দুটি রেডক্রস কনভেনশন নামে — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ ১৯৪৯ সালের জেনেভা কনভেনশনের মোট সংখ্যা ছিল চারটি। B) তিনটি রেডক্রস কনভেনশন নামে — ১৯৪৯ সালের জেনেভা কনভেনশনে তিনটি নয় বরং যুদ্ধকালীন সুরক্ষার জন্য চারটি প্রধান কনভেনশন রয়েছে। C) চারটি রেডক্রস কনভেনশন নামে — এই অপশনটি সঠিক কারণ ১৯৪৯ সালের জেনেভা কনভেনশনসমূহ আনুষ্ঠানিকভাবে চারটি রেডক্রস কনভেনশন হিসেবে পরিচিত। D) পাঁচটি রেডক্রস কনভেনশন নামে — ১৯৪৯ সালে পাঁচটি কনভেনশন প্রণয়ন করা হয়নি, মূল কনভেনশন ছিল ঠিক চারটি। মনে রাখার টিপস: ১৯৪৯ সালের জেনেভা কনভেনশনের সংখ্যা মনে রাখতে জ-ন-ব-ম সূত্রটি মনে রাখতে পারো, যেখানে ৪টি কনভেনশন যুদ্ধকালীন ৪টি ভিন্ন পরিস্থিতির সুরক্ষা নিশ্চিত করে।
a আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক
b কোনটাই না
c এডিবি
d আইডিবি
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক কেন সঠিক: - ১৯৪৪ সালের জুলাই মাসে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ হ্যাম্পশায়ারের ব্রেটন উড্‌স শহরে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের মুদ্রা ও আর্থিক সম্মেলনে এই দুটি প্রতিষ্ঠান গঠিত হয়। - বিশ্বব্যাংক ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (IMF)-কে একত্রে ব্রেটন উড্‌স ইনস্টিটিউট বা ব্রেটন উড্‌স সিস্টার কনসার্ন বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এই দুটি সংস্থা ব্রেটন উড্‌স সম্মেলনে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। B) কোনটাই না — এটি ভুল কারণ সঠিক অপশনটি তালিকায় বিদ্যমান রয়েছে। C) এডিবি — এটি একটি আঞ্চলিক উন্নয়ন ব্যাংক, যা ১৯৬৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর সঙ্গে ব্রেটন উড্‌স সম্মেলনের কোনো সম্পর্ক নেই। D) আইডিবি — এটি ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক, যা ১৯৭৩ সালে ওআইসিভুক্ত দেশগুলোর অর্থায়নে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ব্রেটন উড্‌স ব্যবস্থার অংশ নয়। মনে রাখার টিপস: ব্রেটন উড্‌স মানেই বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফের জন্মস্থান।
a ফ্রান্স
b যুক্তরাজ্য
c রাশিয়া
d দি নেদারল্যান্ডস্‌
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) দি নেদারল্যান্ডস্‌ কেন সঠিক: - দি নেদারল্যান্ডস্‌ বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় অর্থনৈতিক দেশ হওয়া সত্ত্বেও জি-৮ বা বর্তমান জি-৭ জোটের সদস্য নয়। - যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জার্মানি, ফ্রান্স, ইতালি, জাপান, কানাডা ও রাশিয়া নিয়ে জি-৮ গঠিত হয়েছিল, যেখানে নেদারল্যান্ডসের নাম নেই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফ্রান্স — এটি জি-৮ জোটের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ও স্থায়ী সদস্য রাষ্ট্র। B) যুক্তরাজ্য — এটি বিশ্বের অন্যতম প্রধান অর্থনৈতিক শক্তি এবং জি-৮ জোটের সদস্য দেশ। সি) রাশিয়া — এটি অতীতে জি-৮ জোটের সদস্য ছিল এবং পূর্বে একে জি-৮ বলা হতো। D) দি নেদারল্যান্ডস্‌ — এটি জি-৮ জোটের অন্তর্ভুক্ত কোনো দেশ নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: জি-৭ বা জি-৮ জোটের সদস্য দেশগুলোর মধ্যে ইউরোপের প্রধান অর্থনৈতিক দেশগুলো থাকলেও নেদারল্যান্ডস্‌ এর অন্তর্ভুক্ত নয়।
a যুক্তরাজ্য
b যুক্তরাষ্ট্র
c কোরিয়া
d কিউবা
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) যুক্তরাষ্ট্র কেন সঠিক: - স্নায়ুযুদ্ধের সময় নিকারাগুয়ার সমাজতান্ত্রিক সান্দিনিন্ডা সরকারের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র কন্ট্রা বিদ্রোহীদের গোপনে অর্থ ও অস্ত্র সহায়তা দিয়েছিল। - লাতিন আমেরিকায় সাম্যবাদের বিস্তার রোধ করার মার্কিন নীতির অংশ হিসেবে এই সহায়তা প্রদান করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যুক্তরাজ্য — এই বিদ্রোহের পেছনে প্রত্যক্ষ বা প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে যুক্তরাজ্য যুক্ত ছিল না। B) যুক্তরাষ্ট্র — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এখানে ভুল ব্যাখ্যার প্রয়োজন নেই। C) কোরিয়া — কোরিয়ার সঙ্গে নিকারাগুয়ার এই ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক সংঘাতের কোনো সম্পর্ক নেই। D) কিউবা — কিউবা উল্টো সান্দিনিন্ডা সরকারকে সমর্থন করেছিল, কন্ট্রা বিদ্রোহীদের নয়। মনে রাখার টিপস: নিকারাগুয়ার কন্ট্রা বিদ্রোহ মানেই আমেরিকার গোপন সহায়তা, কারণ যুক্তরাষ্ট্র লাতিন আমেরিকায় সমাজবাদ বিরোধী ছিল।
a গ্রিসে
b মেসোপটেমিয়ায়
c রোমে
d ভারতে
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মেসোপটেমিয়ায় কেন সঠিক: - মেসোপটেমিয়া সভ্যতা টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীর অববাহিকায় গড়ে ওঠে এবং এটিই মানব ইতিহাসের প্রথম নথিভুক্ত সভ্যতা। - যিশু খ্রিস্টের জন্মের প্রায় চার হাজার বছর পূর্বে এই অঞ্চলে সুমেরীয় সভ্যতার বিকাশ ঘটেছিল যা বিশ্বের প্রাচীনতম নগরকেন্দ্রিক সভ্যতা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গ্রিসে — গ্রিক সভ্যতা বা হেলেনীয় সভ্যতা মেসোপটেমিয়ার অনেক পরে খ্রিস্টপূর্ব প্রথম সহাব্দের দিকে বিকশিত হয়। B) মেসোপটেমিয়ায় — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে সঠিক অপশন হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। C) রোমে — রোমান সভ্যতা মেসোপটেমিয়া ও গ্রিক সভ্যতার পতনের পর ইতালিতে গড়ে ওঠা একটি পরবর্তীকালীন প্রাচীন সভ্যতা। D) ভারতে — ভারতীয় উপমহাদেশে গড়ে ওঠা সিন্ধু সভ্যতা মেসোপটেমিয়া সভ্যতার সমসাময়িক হলেও এটি বিশ্বের প্রাচীনতম সভ্যতা নয়। মনে রাখার টিপস: নদীমাতৃক সভ্যতার সূচনা মনে রাখতে মেসোপটেমিয়া নামটি মনে রাখুন, যা বর্তমান ইরাকের টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীর তীরে গড়ে উঠেছিল।
a এক জাতীয় ধাতব পাত্র
b সামপ্রতিককালের সর্বাধিক বিক্রীত একটি শিশুতোষ বই
c এক জাতীয় গুচ্ছ বোমা
d এক ধরনের খেলনা
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সামপ্রতিককালের সর্বাধিক বিক্রীত একটি শিশুতোষ বই কেন সঠিক: - হ্যারি পটার হলো বিখ্যাত ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক জে কে রোলিং রচিত একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও সর্বাধিক বিক্রীত ফ্যান্টাসি উপন্যাস সিরিজ। - এটি শিশু ও কিশোর পাঠকদের মধ্যে বিশ্বজুড়ে বিপুল জনপ্রিয়তা লাভ করায় শিশুতোষ বই হিসেবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) এক জাতীয় ধাতব পাত্র — এটি কোনো ধাতব পাত্র নয়, বরং একটি কাল্পনিক চরিত্র ও তার কাহিনী নিয়ে লেখা বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম। B) সামপ্রতিককালের সর্বাধিক বিক্রীত একটি শিশুতোষ বই — এটি সঠিক কারণ হ্যারি পটার সিরিজটি বিশ্বের অন্যতম সর্বাধিক বিক্রিত শিশুতোষ বই ও উপন্যাস। C) এক জাতীয় গুচ্ছ বোমা — এটি কোনো অস্ত্র বা গুচ্ছ বোমা নয়, বরং এটি একটি কাল্পনিক জাদুকরি জগতের ওপর ভিত্তি করে রচিত বই। D) এক ধরনের খেলনা — এটি সরাসরি কোনো খেলনা নয়, যদিও এর আদলে পরবর্তীতে নানা ধরনের খেলনা ও সামগ্রী তৈরি হয়েছে। মনে রাখার টিপস: হ্যারি পটার নামটি দেখলেই মনে রাখবে এটি জে কে রোলিং এর লেখা বিশ্ববিখ্যাত জাদুকরি শিশুতোষ বই সিরিজ।
a নিউইয়র্কে
b শিকাগোতে
c টোকিওতে
d ইয়োকোহামা
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভূগোল ও পরিবেশ / আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: D) ইয়োকোহামা কেন সঠিক: - জাপানের ইয়োকোহামা শহরে ল্যান্ডমার্ক টাওয়ার অবস্থিত, যা দেশটির অন্যতম উঁচু আকাশচুম্বী ভবন। - এই ভবনটি তার স্থাপত্যশৈলী এবং পর্যটন আকর্ষণের জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিউইয়র্কে — নিউইয়র্কে বিখ্যাত ল্যান্ডমার্ক টাওয়ার নেই, তবে এখানে এম্পায়ার স্টেট বিল্ডিংয়ের মতো অন্যান্য টাওয়ার রয়েছে। B) শিকাগোতে — শিকাগোতে উইলিস টাওয়ার অবস্থিত, যা এই প্রশ্নের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) টোকিওতে — টোকিওতে টোকিও স্কাইস্ট্রিট ও টোকিও টাওয়ার রয়েছে, তবে 'ল্যান্ডমার্ক টাওয়ার' জাপানের ইয়োকোহামাতেই অবস্থিত। D) ইয়োকোহামা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। মনে রাখার টিপস: জাপানের ইয়োকোহামা শহরের প্রধান প্রতীক হলো এই ল্যান্ডমার্ক টাওয়ার।
a ১৯৮০
b ১৯৮২
c ১৯৮৫
d ১৯৮৮
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৯৮৮ কেন সঠিক: - বিশ্বব্যাংক গ্রুপের অন্যতম প্রতিষ্ঠান এমআইজিএ বা বহুপাক্ষিক বিনিয়োগ গ্যারান্টি সংস্থা গঠিত হয় ১৯৮৮ সালের ১২ এপ্রিল। - উন্নয়নশীল সদস্য দেশগুলোতে বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ করার উদ্দেশ্যে রাজনৈতিক ঝুঁকির বিপরীতে বীমা প্রদান করতে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৮০ — এই সালে বিশ্বব্যাংক গ্রুপের কোনো নতুন প্রধান অঙ্গসংগঠন গঠিত হয়নি। B) ১৯৮২ — এই সালে এমআইজিএ গঠনের কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটেনি। C) ১৯৮৫ — এই সালে বিশ্বব্যাংক গভর্নিং বোর্ডে এমআইজিএ গঠনের প্রস্তাব গৃহীত হয়, তবে সংস্থাটি আনুষ্ঠানিকভাবে ১৯৮৮ সালে কার্যক্রম শুরু করে। D) ১৯৮৮ — এই সালে এমআইজিএ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং সদস্য দেশগুলোর মধ্যে কার্যক্রম শুরু করে। মনে রাখার টিপস: বিশ্বব্যাংক গ্রুপের কনিষ্ঠ সদস্য এমআইজিএ গঠিত হয় ১৯৮৮ সালে, যাকে ব্যাংকের শেষ অঙ্গপ্রতিষ্ঠান হিসেবে মনে রাখতে পারেন।
a রোম চুক্তি
b ম্যাসট্রিচ চুক্তি
c ভিয়েনা কনভেনশন
d ব্রাসেলস কনভেনশন
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রোম চুক্তি কেন সঠিক: - ১৯৫৭ সালের ২৫ মার্চ রোম চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় এবং ১৯৫৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হয়। - এই চুক্তির মাধ্যমেই ইউরোপীয় অর্থনৈতিক সম্প্রদায় বা ইইসি প্রতিষ্ঠা লাভ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রোম চুক্তি — এটি ইউরোপীয় অর্থনৈতিক সম্প্রদায় প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত এবং এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। B) ম্যাসট্রিচ চুক্তি — এই চুক্তির মাধ্যমে ১৯৯৩ সালে ইউরোপীয় ইউনিয়ন গঠিত হয়, যা ইইসি প্রতিষ্ঠার চুক্তি নয়। C) ভিয়েনা কনভেনশন — এটি সাধারণত কূটনৈতিক সম্পর্ক বা আন্তর্জাতিক আইন সংক্রান্ত চুক্তির জন্য পরিচিত। D) ব্রাসেলস কনভেনশন — এটি মূলত বিচারিক সহযোগিতা এবং আন্তর্জাতিক এখতিয়ার সংক্রান্ত একটি চুক্তি। মনে রাখার টিপস: অর্থনৈতিক উন্নয়নে চুক্তি করতে সবাই রোমে জমা হয়েছিল, তাই ইইসি প্রতিষ্ঠার জন্য রোম চুক্তি মনে রাখবেন।
a ১৯৯০
b ১৯৯১
c ১৯৯২
d ১৯৯৫
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৯৯৫ কেন সঠিক: - এই চুক্তির মাধ্যমে বসনিয়ার যুদ্ধ সমাপ্ত হয় এবং বলকান অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয়। - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ডেটনে স্বাক্ষরিত এই চুক্তির ফলে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা একটি রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৯০ — এই সালে স্লোভেনিয়া ও ক্রোয়েশিয়ায় স্বাধীনতার পক্ষে গণভোট অনুষ্ঠিত হয় কিন্তু ডেটন চুক্তি হয়নি। B) ১৯৯১ — এই সালে যুগোস্লাভিয়া ভেঙে যাওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয় এবং বিভিন্ন প্রজাতন্ত্র স্বাধীনতা ঘোষণা করে। C) ১৯৯২ — এই সালে বসনিয়া যুদ্ধ শুরু হয় এবং আন্তর্জাতিকভাবে বসনিয়ার স্বাধীনতা স্বীকৃত হয়। D) ১৯৯৫ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই ঐতিহাসিক ডেটন শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: বসনিয়া যুদ্ধের অবসান ঘটে ১৯৯৫ সালে, তাই ডেটন চুক্তির সাল মনে রাখতে ১৯৯৫ সংখ্যাটি মনে রাখুন।
a আদ্দিস আবাবা
b নাইরোবি
c ডাকার
d কায়রো
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আদ্দিস আবাবা কেন সঠিক: - ইসিএ (ECA) হলো জাতিসংঘ অর্থনৈতিক কমিশন ফর আফ্রিকা, যার সদর দপ্তর ইথিওপিয়ার রাজধানী আদ্দিস আবাবায় অবস্থিত। - এটি ১৯৫৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং আফ্রিকার অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আদ্দিস আবাবা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ইসিএ (ECA) এর সদর দপ্তর। B) নাইরোবি — এটি কেনিয়ার রাজধানী এবং এখানে জাতিসংঘের পরিবেশ কর্মসূচি (UNEP) এর সদর দপ্তর অবস্থিত। C) ডাকার — এটি সেনেগালের রাজধানী এবং এটি পশ্চিম আফ্রিকার একটি প্রধান রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কেন্দ্র। D) কায়রো — এটি মিশরের রাজধানী এবং এখানে আরব লীগের সদর দপ্তর অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: আফ্রিকার অর্থনীতি (ECA) চলে ইথিওপিয়ার আদ্দিস আবাবা থেকে।
a ১৯৫০
b ১৯৫৫
c ১৯৬৫
d ১৯৬৬
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৯৬৬ কেন সঠিক: - আন্তর্জাতিক মানবাধিকার চুক্তি বা আইনি দলিল দুটি ১৯৬৬ সালের ১৬ ডিসেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে গৃহীত হয়। - এই চুক্তিসমূহ হলো নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক covenant এবং অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অধিকার সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক covenant। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৫০ — এই সালে মানবাধিকার বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কোনো চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়নি, তবে ১৯৫০ সালে ইউরোপীয় মানবাধিকার কনভেনশন স্বাক্ষরিত হয়েছিল। B) ১৯৫৫ — এই সালে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার বাস্তবায়নের কোনো চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়নি। সি) ১৯৬৫ — এই সালে আন্তর্জাতিকভাবে বর্ণবৈষম্য দূরীকরণ সংক্রান্ত কনভেনশন গৃহীত হয়, যা সার্বিক মানবাধিকার চুক্তি নয়। D) ১৯৬৬ — এই সালেই মানবাধিকার বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ঐতিহাসিক দুটি আন্তর্জাতিক চুক্তি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে গৃহীত হয়। মনে রাখার টিপস: মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণাপত্র ১৯৪৮ সালে হলেও এর বাস্তবায়নের আইনি চুক্তি পাস হয় তার ১৮ বছর পর ১৯৬৬ সালে।
a জেনেভায়
b লন্ডনে
c প্যারিসে
d হেগে
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) হেগে কেন সঠিক: - স্থায়ী সালিসি আদালত ১৮৯৯ সালে প্রতিষ্ঠিত বিশ্বের প্রাচীনতম বিরোধ নিষ্পত্তির সংস্থা। - এটি নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে অবস্থিত পিস প্যালেসে কার্যক্রম পরিচালনা করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জেনেভায় — এটি সুইজারল্যান্ডের শহর যেখানে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং ডব্লিউটিও এর মতো আন্তর্জাতিক সংস্থার সদর দপ্তর রয়েছে, স্থায়ী সালিসি আদালতের নয়। B) লন্ডনে — এটি যুক্তরাজ্যের রাজধানী এবং আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থার সদর দপ্তর এখানে অবস্থিত, স্থায়ী সালিসি আদালতের নয়। C) প্যারিসে — এটি ফ্রান্সের রাজধানী এবং ইউনেস্কোর প্রধান কার্যালয় এখানে অবস্থিত, স্থায়ী সালিসি আদালতের নয়। D) হেগে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই শহরেই আদালতের মূল কার্যালয় অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: আন্তর্জাতিক আদালতের মতো স্থায়ী সালিসি আদালতও নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে অবস্থিত।

মোট প্রশ্ন (10)

a এক-চতুর্থাংশ ধ্বংস হয়ে গেলে
b অর্ধেক ধ্বংস হয়ে গেলে
c এক-তৃতীয়াংশ বেড়ে গেলে
d এক-তৃতীয়াংশ বেড়ে গেলে
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) এক-চতুর্থাংশ ধ্বংস হয়ে গেলে ১. কেন সঠিক: মস্তিষ্কের স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা মূলত স্নায়ু কোষ বা নিউরনের ওপর নির্ভরশীল। মানবদেহে নিউরন একবার ধ্বংস হলে সাধারণত নতুন করে তৈরি হয় না। যখন মস্তিষ্কের মোট স্নায়ু কোষের প্রায় এক-চতুর্থাংশ বা পঁচিশ শতাংশ ধ্বংস হয়ে যায়, তখন মস্তিষ্কের স্মৃতিশক্তি, চিন্তা এবং বিচারবুদ্ধির ক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেতে শুরু করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: মানব মস্তিষ্কে প্রায় আটষট্টি বিলিয়ন থেকে শত বিলিয়ন স্নায়ু কোষ বা নিউরন থাকে। এই কোষগুলো বৈদ্যুতিক ও রাসায়নিক সংকেতের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদান করে। কার্যপ্রণালি: স্নায়ু কোষগুলো সিন্যাপস নামক সংযোগস্থলের মাধ্যমে জালক তৈরি করে স্মৃতি সংরক্ষণ করে। কোষ ধ্বংস হলে এই সংযোগগুলো ভেঙে যায় এবং তথ্যপ্রবাহ ব্যাহত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আলঝেইমার রোগ। ব্যাখ্যা: এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির মস্তিষ্কের স্নায়ু কোষগুলো ক্রমান্বয়ে ধ্বংস হতে থাকে এবং কোষের সংখ্যা এক-চতুর্থাংশ কমলে স্মৃতিশক্তি লোপ পাওয়ার তীব্র লক্ষণ প্রকাশ পায়। উদাহরণ ২: স্ট্রোক বা মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ। ব্যাখ্যা: স্ট্রোকের কারণে মস্তিষ্কের নির্দিষ্ট এলাকার কোষগুলো পুষ্টি ও অক্সিজেন না পেয়ে মারা যায়, যার ফলে ওই অঞ্চলের নিয়ন্ত্রিত শারীরিক বা মানসিক ক্ষমতা ক্ষয় হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) এক-চতুর্থাংশ ধ্বংস হয়ে গেলে — এটিই সঠিক কারণ মস্তিষ্কের সূক্ষ্ম কাজের জাল রক্ষা করতে স্নায়ু কোষের নির্দিষ্ট পরিমাণের বেশি ক্ষতি সহ্য হয় না। B) অর্ধেক ধ্বংস হয়ে গেলে — এই অপশনটি ভুল কারণ কোষের অর্ধেক ধ্বংস হলে মস্তিষ্ক সম্পূর্ণ অকার্যকর বা কোমায় চলে যাওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয়, কেবল ক্ষমতা ক্ষয় হওয়ার প্রাথমিক পর্যায় এটি নয়। C) এক-তৃতীয়াংশ বেড়ে গেলে — স্নায়ু কোষ সাধারণ অবস্থায় প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে কমে কিন্তু বাড়ে না, তাই এই অপশনটি বৈজ্ঞানিকভাবে অমূলক। D) এক-তৃতীয়াংশ বেড়ে গেলে — একই কারণে এই অপশনটিও ভুল এবং প্রশ্ন ও প্রসঙ্গের সঙ্গে এটি সম্পূর্ণ অবাস্তব। ৫ মনে রাখার টিপস: মস্তিষ্কের ক্ষমতা ক্ষয়ের সীমা মনে রাখতে এক-চতুর্থাংশ বা পঁচিশ শতাংশ সংখ্যাটি মনে রাখুন। কোষে কোষে যোগাযোগ নষ্ট হলে স্মৃতিশক্তি কমতে শুরু করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য মানব স্নায়ুতন্ত্রের গঠন এবং নিউরনের কাজ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা জরুরি। একই ধারণা থেকে নিউরনের মৃত্যুর কারণ বা আলঝেইমার রোগের লক্ষণ সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
a অক্সিজেন সরবরাহে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে
b ইাইট্রোজেন সরবরাহ করে
c হাইড্রোজেন সরবরাহ করে
d হাইড্রোজেন সরবরাহ করে
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অক্সিজেন সরবরাহে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে ১. কেন সঠিক: - আগুন জ্বলার জন্য তিনটি উপাদানের প্রয়োজন হয়, যা ফায়ার ট্রায়াঙ্গেল নামে পরিচিত এবং এগুলো হলো জ্বালানি, তাপ ও অক্সিজেন। - রাসায়নিক অগ্নি নির্বাপক যন্ত্র ব্যবহার করলে সেখানে কার্বন ডাইঅক্সাইড বা ফوم বা পাউডার নির্গত হয় যা আগুনের চারপাশে একটি আবরণ তৈরি করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: আগুন মূলত একটি দ্রুত জারণ বিক্রিয়া যেখানে জ্বালানি অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে তাপ ও আলো উৎপন্ন করে। - কার্যপ্রণালি: অগ্নি নির্বাপক থেকে আসা পদার্থগুলো বাতাসের চেয়ে ভারী হওয়ায় তা বাতাসের অক্সিজেনকে আগুনের সংস্পর্শে আসতে বাধা দেয়। - কারণ ও ফলাফল: অক্সিজেনের সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে আগুন জ্বালানোর ত্রিভুজ ভেঙে যায় এবং আগুন নিভে যায়। - বাস্তব প্রয়োগ: রান্নাঘরের তেল বা বিদ্যুতের আগুনে পানি ব্যবহার না করে ড্রাই পাউডার বা কার্বন ডাইঅক্সাইড সিলিন্ডার ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পেট্রোল পাম্পে ফোম বা কার্বন ডাইঅক্সাইডভিত্তিক অগ্নি নির্বাপক ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: পেট্রোল পানির চেয়ে হালকা হওয়ায় তেলের ওপর পানি ভাসতে থাকে, তাই অক্সিজেন সরবরাহ বন্ধ করতে ফோம் বা গ্যাস ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: আগুন লাগার পর কম্বল বা ভারী চাদর চাপা দেওয়া। ব্যাখ্যা: ভারী চাদর বা কম্বল আগুনের ওপর চাপা দিলে অক্সিজেন সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায় এবং আগুন নিভে যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অক্সিজেন সরবরাহে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে — এই অপশনটি সঠিক কারণ অগ্নি নির্বাপক মূলত অক্সিজেনের সাথে আগুনের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে। B) ইাইট্রোজেন সরবরাহ করে — নাইট্রোজেন আগুন নেভাতে নিষ্ক্রিয় গ্যাস হিসেবে কাজ করলেও অগ্নি নির্বাপক প্রধানত অক্সিজেন সরবরাহ বন্ধ করে কাজ করে। C) হাইড্রোজেন সরবরাহ করে — হাইড্রোজেন একটি অত্যন্ত দাহ্য গ্যাস যা আগুন নিভানোর বদলে আগুন আরও বাড়িয়ে দেয়। D) হাইড্রোজেন সরবরাহ করে — এটি পুনরাবৃত্তিমূলক ভুল অপশন এবং হাইড্রোজেন সবসময় আগুন জ্বালাতে সাহায্য করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - আগুন নেভানোর মূল চাবিকাঠি হলো অক্সিজেনের সাথে সম্পর্কচ্ছেদ করা। - ফায়ার ট্রায়াঙ্গেলের যেকোনো একটি বাহু সরিয়ে ফেললেই আগুন নিভে যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - আগুন নেভানোর কাজে কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাস ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয় কারণ এটি বাতাসের চেয়ে দেড় গুণ ভারী। - বিদ্যুৎ ও তেলের আগুনে পানি ব্যবহার করা নিষেধ কেন, এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
a বিদ্যুৎ খরচ কমানোর উদ্দেশ্য
b অতিমাত্রায় বিদ্যুৎ প্রবাহজনিত দুর্ঘটনা রোধের উদ্দেশ্যে
c বৈদ্যুতিক বালব থেকে বেশি আলো পাওয়ার জন্য
d বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি যাতে সুষ্ঠুভাবে কাজ করে
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বিদ্যুৎ ও চুম্বকত্ব এবং দৈনন্দিন জীবনে বিজ্ঞানের প্রয়োগ সঠিক উত্তর: B) অতিমাত্রায় বিদ্যুৎ প্রবাহজনিত দুর্ঘটনা রোধের উদ্দেশ্যে ১. কেন সঠিক: - আবাসিক বাড়ির বর্তনীতে যখন অতিরিক্ত বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়, তখন সার্কিট ব্রেকার স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। - এর ফলে বড় ধরনের বৈদ্যুতিক দুর্ঘটনা এবং শর্ট সার্কিটজনিত অগ্নিকাণ্ড রোধ করা সম্ভব হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: সার্কিট ব্রেকার হলো একটি স্বয়ংক্রিয় সুইচ যা অতিরিক্ত বিদ্যুৎ প্রবাহ বা শর্ট সার্কিটের সময় বর্তনী রক্ষা করে। - কার্যপ্রণালি: বর্তনীতে নির্ধারিত সীমার বেশি বিদ্যুৎ প্রবাহিত হলে এর ভেতরের চুম্বকীয় বা তাপীয় কৌশল কাজ করে এবং সুইচটি অফ হয়ে যায়। - বাস্তব প্রয়োগ: আমাদের ঘরের প্রধান বিদ্যুৎ মিটারের সাথে এটি যুক্ত থাকে যাতে ঘরের সব যন্ত্রপাতি নিরাপদ থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হঠাৎ অনেকগুলো ভারী যন্ত্রপাতি একসাথে চালালে লাইনে অতিরিক্ত চাপ পড়ে এবং সার্কিট ব্রেকার লাইন কেটে দেয়। ব্যাখ্যা: এটি দেখায় যে সার্কিট ব্রেকার অতিরিক্ত লোড থেকে ঘরকে রক্ষা করছে। উদাহরণ ২: বজ্রপাত বা লাইনে ত্রুটির কারণে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ আসার সাথে সাথে সার্কিট ব্রেকার পড়ে যায়। ব্যাখ্যা: এটি ঘরের দামি ফ্রিজ বা টেলিভিশন পুড়ে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিদ্যুৎ খরচ কমানোর উদ্দেশ্য — সার্কিট ব্রেকার বিদ্যুৎ খরচ নিয়ন্ত্রণ বা কমানোর জন্য তৈরি করা হয়নি, এটি কেবল সুরক্ষার কাজ করে। B) অতিমাত্রায় বিদ্যুৎ প্রবাহজনিত দুর্ঘটনা রোধের উদ্দেশ্যে — এটি সঠিক উত্তর এবং এটি বর্তনীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। C) বৈদ্যুতিক বালব থেকে বেশি আলো পাওয়ার জন্য — বালবের আলো নির্ভর করে ভোল্টেজ এবং ওয়াটের ওপর, সার্কিট ব্রেকারের এখানে কোনো ভূমিকা নেই। D) বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি যাতে সুষ্ঠুভাবে কাজ করে — যন্ত্রপাতি সুষ্ঠুভাবে কাজ করার জন্য সঠিক ভোল্টেজ প্রয়োজন, সার্কিট ব্রেকার শুধু দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা করে। ৫ মনে রাখার টিপস: - সার্কিট ব্রেকার শব্দের সাথে ব্রেকার শব্দটি যুক্ত আছে যার অর্থ ভেঙে দেওয়া বা সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা। - অতিরিক্ত বিদ্যুৎ দেখলেই এটি সংযোগ ব্রেক করে দেয়, এভাবেই এটি মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - অতীতে ফিউজ তার ব্যবহার করা হলেও বর্তমানে আধুনিক বাড়িতে এর পরিবর্তে সার্কিট ব্রেকার ব্যবহার করা হয়। - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসতে পারে যে সার্কিট ব্রেকার কোন নীতির ওপর কাজ করে, উত্তর হবে এটি তড়িৎ প্রবাহের চৌম্বকীয় বা তাপীয় ক্রিয়ার ওপর কাজ করে।
a নিউট্রন ও প্রোটনের সংখ্যা সমান
b প্রোটন ও নিউট্রনের ওজন সমান
c নিউট্রন ও প্রোটন নিউক্লিয়াসে থাকে
d ইলেক্ট্রন ও প্রোটনের সংখ্যা সমান
0 92 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ইলেক্ট্রন ও প্রোটনের সংখ্যা নিরপেক্ষ হয় ১. কেন সঠিক: - পরমাণুর ভেতরে ধনাত্মক চার্জযুক্ত প্রোটন এবং ঋণাত্মক চার্জযুক্ত ইলেক্ট্রন থাকে। - একটি পরমাণুতে যতগুলো প্রোটন থাকে, ঠিক ততগুলোই ইলেক্ট্রন থাকে বলে মোট চার্জ শূন্য হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: পরমাণু হলো পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণা যার কেন্দ্রে থাকে নিউক্লিয়াস এবং চারপাশে ঘোরে ইলেক্ট্রন। - কার্যপ্রণালি: প্রোটনের ধনাত্মক চার্জ এবং ইলেক্ট্রনের ঋণাত্মক চার্জ পরস্পরকে সমানভাবে প্রশমিত করে। - কারণ ও ফলাফল: চার্জ সমান থাকার কারণে স্বাভাবিক অবস্থায় পরমাণু সামগ্রিকভাবে চার্জ নিরপেক্ষ বা আধানহীন হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হিলিয়াম পরমাণু ব্যাখ্যা: হিলিয়াম পরমাণুতে দুটি প্রোটন ও দুটি ইলেক্ট্রন থাকে, ফলে এটি চার্জ নিরপেক্ষ। উদাহরণ ২: কার্বন পরমাণু ব্যাখ্যা: কার্বন পরমাণুতে ছয়টি প্রোটন ও ছয়টি ইলেক্ট্রন থাকায় এটিও আধানহীন বা নিরপেক্ষ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিউট্রন ও প্রোটনের সংখ্যা সমান — এই বক্তব্যটি ভুল কারণ পরমাণুর ভর সংখ্যা ভেদে নিউট্রন সংখ্যা ভিন্ন হতে পারে, যা চার্জের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) প্রোটন ও নিউট্রনের ওজন সমান — এই বক্তব্যটি আংশিক ভুল কারণ নিউট্রনের ভর প্রোটনের ভরের চেয়ে সামান্য বেশি এবং ওজনের সঙ্গে চার্জ নিরপেক্ষতার কোনো সম্পর্ক নেই। C) নিউট্রন ও প্রোটন নিউক্লিয়াসে থাকে — এই বক্তব্যটি সত্য হলেও এটি পরমাণুর নিউক্লিয়াসের অবস্থান বোঝায়, চার্জ নিরপেক্ষতার মূল কারণ এটি নয়। D) ইলেক্ট্রন ও প্রোটনের সংখ্যা সমান — এই বক্তব্যটি সঠিক কারণ সমপরিমাণ ধনাত্মক ও ঋণাত্মক আধান একে অপরকে বাতিল করে। ৫. মনে রাখার টিপস: পরমাণুর নিরপেক্ষতা মানে সমান সমান খেলা যেখানে ধনাত্মক প্রোটন ও ঋণাত্মক ইলেক্ট্রন সংখ্যায় সমান থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কোনো পরমাণু যদি ইলেক্ট্রন হারায় বা গ্রহণ করে তবে তা আয়নে পরিণত হয় এবং চার্জ নিরপেক্ষতা হারায়। এই ধারণা থেকে প্রায়ই বিসিএস বা ব্যাংক পরীক্ষায় আয়ন সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে।
a ৭০
b ৭২.০০%
c ৭৩.০০%
d ৮০.০০%
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৭৩.০০% ১. কেন সঠিক: মাইকোকন্ড্রিয়া কোষের শক্তির উৎস এবং এর গঠন প্রধানত প্রোটিন ও লিপিড দ্বারা গঠিত। বায়োকেমিকাল বিশ্লেষণে দেখা গেছে যে মাইটোকন্ড্রিয়ার শুষ্ক ওজনের প্রায় তিয়াত্তর ভাগই প্রোটিন থাকে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: মাইটোকন্ড্রিয়া হলো কোষের পাওয়ার হাউস যা ক্রেবস চক্র ও ইলেকট্রন পরিবহন তন্ত্রের মাধ্যমে শক্তি উৎপন্ন করে। কার্যপ্রণালি: এর ভেতরের ঝিল্লিতে প্রোটিন সমৃদ্ধ এনজাইম ও কমপ্লেক্স থাকে যা এটিপি উৎপাদনে সরাসরি কাজ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মানুষের পেশি কোষে প্রচুর মাইটোকন্ড্রিয়া থাকে। ব্যাখ্যা: বেশি প্রোটিন সমৃদ্ধ এই অঙ্গাণু পেশিকে অবিরাম সংকোচনের জন্য পর্যাপ্ত শক্তি সরবরাহ করে। উদাহরণ ২: পাখির ডানার পেশি কোষে মাইটোকন্ড্রিয়ার ঘনত্ব বেশি। ব্যাখ্যা: উচ্চ প্রোটিন ও এনজাইম থাকার কারণে এরা দ্রুত শক্তি তৈরি করে দীর্ঘক্ষণ উড়তে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৭০ — এটি কোষের প্রোটোপ্লাজমে পানির সাধারণ শতকরা হারের কাছাকাছি একটি মান। B) ৭২.০০% — এটি মাইটোকন্ড্রিয়ার প্রোটিনের আদর্শ পরীক্ষামূলক মান হিসেবে স্বীকৃত নয়। C) ৭৩.০০% — এটি মাইটোকন্ড্রিয়ায় উপস্থিত প্রোটিনের সঠিক ও পরীক্ষিত শতকরা হার। D) ৮০.০০% — এটি ব্যাকটেরিয়ার শুষ্ক ওজনে প্রোটিনের পরিমাণের সাথে বেশি সামঞ্জস্যপূর্ণ। ৫. মনে রাখার টিপস: মাইটোকন্ড্রিয়া মানেই শক্তি এবং শক্তির পেছনে থাকে প্রোটিন। প্রোটিনের ঘরে তিয়াত্তর শতাংশ মনে রাখতে মাইটোকন্ড্রিয়ার ইংরেজি নামের দীর্ঘতার কথা চিন্তা করতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মাইটোকন্ড্রিয়াকে কোষের শক্তির আধার বলা হয় এবং এটি আবিষ্কার করেন রিচার্ড অল্টম্যান। এই অঙ্গাণুর নিজস্ব ডিএনএ ও রাইবোজোম থাকে যা থেকে প্রায়শই বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে।
a ফণিমনসা
b বিরুৎ
c গুল্ম
d ঊপরের একটিও নয়
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ঊপরের একটিও নয় ১. কেন সঠিক: - প্রশ্নে দেওয়া সঠিক উত্তরটি ভুল কারণ প্রকৃতপক্ষেই মূলবিহীন উদ্ভিদ পৃথিবীতে বিদ্যমান রয়েছে। - সাধারণ সপুষ্পক উদ্ভিদের মূল থাকলেও ব্রায়োফাইটা বা সমাঙ্গদেহী উদ্ভিদের সত্যিকারের কোনো মূল থাকে না। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: উদ্ভিদ জগতের কিছু প্রাচীন ও অনুন্নত বর্গের উদ্ভিদে মূল, কাণ্ড ও পাতার মতো প্রকৃত অঙ্গ থাকে না। - কার্যপ্রণালি: এসব উদ্ভিদের মূলের পরিবর্তে এককোষী বা বহুকোষী রাইজয়েড থাকে যা মাটি থেকে জল ও খনিজ লবণ শোষণ করে। - বাস্তব প্রয়োগ: বায়ুমণ্ডল বা ভেজা মাটি থেকে জল শোষণ করে বেঁচে থাকা এসব উদ্ভিদ পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রিকসিয়া বা মার্চেনসিয়া জাতীয় লিভারওয়ার্ট। ব্যাখ্যা: এদের দেহ চ্যাপ্টা সমাঙ্গদেহী এবং মূল না থাকায় এরা রাইজয়েডের সাহায্যে মাটিতে আটকে থাকে। উদাহরণ ২: স্পাইরোভাইরা বা শৈবাল। ব্যাখ্যা: জলে ভাসমান এই উদ্ভিদের কোনো মূল বা বাহ্যিক অঙ্গবিন্যাস থাকে না এবং পুরো দেহ দিয়েই এরা পুষ্টি উপাদান গ্রহণ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফণিমনসা — এটি একটি জেনোফাইটিক বা মরুজ সপুষ্পক উদ্ভিদ যার সুগঠিত মূলতন্ত্র বিদ্যমান। B) বিরুৎ — এটি নরম কাণ্ডবিশিষ্ট সপুষ্পক উদ্ভিদের একটি শ্রেণি যাদের সুনির্দিষ্ট মূল থাকে। C) গুল্ম — এটি মাঝারি আকৃতির কাষ্ঠল উদ্ভিদ যাদের সুগঠিত ও গভীর মূলতন্ত্র থাকে। D) ঊপরের একটিও নয় — যেহেতু উপরের তিনটি উদ্ভিদেরই মূল আছে এবং মূলবিহীন উদ্ভিদও পৃথিবীতে রয়েছে, তাই সঠিক উত্তর এটিই হবে। ৫. মনে রাখার টিপস: সব সপুষ্পক উদ্ভিদের মূল থাকলেও সমাঙ্গদেহী উদ্ভিদ বা থ্যালফাইটা এবং ব্রায়োফাইটা বর্গের উদ্ভিদের কোনো প্রকৃত মূল থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অপশন ভুল থাকলে সাহসিকতার সাথে সঠিক বৈজ্ঞানিক তথ্য চিহ্নিত করতে হবে। শৈবাল ও ব্রায়োফাইটা বর্গের উদ্ভিদে মূল থাকে না এই তথ্যটি উদ্ভিদবিজ্ঞানের প্রশ্নগুলোর জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ।
a মৃদু রঞ্জন রশ্মি
b বিটা রশ্মি
c গামা রশ্মি
d কসমিন রশ্মি
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মৃদু রঞ্জন রশ্মি ১. কেন সঠিক: - রঙ্গীন টেলিভিশনের ক্যাথোড রে টিউব কাজ করার সময় উচ্চ গতির ইলেকট্রন যখন পজিটিভ অ্যানোড বা পর্দায় আঘাত করে, তখন মৃদু রঞ্জন রশ্মি বা এক্স-রে তৈরি হয়। - টেলিভিশনের ভেতরে এই ক্ষতিকর রশ্মি উৎপাদনের মূল কারণ হলো ইলেকট্রনের তীব্র গতি রোধ বা ব্রেকিং রেডিয়েশন প্রক্রিয়া। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: ক্যাথোড রশ্মি নল বা টিউবে উচ্চ বিভব পার্থক্যের কারণে ইলেকট্রন দ্রুত গতিতে সামনের দিকে ধাবিত হয় এবং ভারী ধাতুতে বাধা পেয়ে এক্স-রে বা রঞ্জন রশ্মি উৎপন্ন করে। - কার্যপ্রণালি: রঙিন টেলিভিশনের পিকচার টিউবে ইলেকট্রন গান থেকে নির্গত ইলেকট্রন রশ্মি উচ্চ বেগে ফসফরের পর্দায় আঘাত হানে এবং এই প্রক্রিয়ায় মৃদু মানের রঞ্জন রশ্মি বিকিরিত হয়। - বাস্তব প্রয়োগ: আধুনিক এলসিডি বা এলইডি টিভিতে এই সমস্যা না থাকলেও পুরোনো সিআরটি মনিটর বা রঙিন টেলিভিশনে এই মৃদু রঞ্জন রশ্মি ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পুরোনো মডেলের ডেস্কটপ কম্পিউটার বা রঙিন টেলিভিশন। ব্যাখ্যা: এগুলোতে ক্যাথোড রে টিউব ব্যবহারের কারণে সামান্য পরিমাণ মৃদু রঞ্জন রশ্মি নির্গত হয়, তাই খুব কাছে বসে টেলিভিশন দেখা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। উদাহরণ ২: হাসপাতালের এক্স-রে যন্ত্র। ব্যাখ্যা: উচ্চ শক্তির রঞ্জন রশ্মি যেভাবে চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়, টেলিভিশন থেকে নির্গত রঞ্জন রশ্মি তার চেয়ে অনেক মৃদু প্রকৃতির কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতিকর। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মৃদু রঞ্জন রশ্মি — এটি সঠিক উত্তর কারণ রঙিন টেলিভিশনের পিকচার টিউব থেকে ক্যাথোড রশ্মি আঘাত হানার ফলে এই মৃদু রঞ্জন রশ্মি উৎপন্ন হয়। B) বিটা রশ্মি — এটি তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ থেকে নির্গত উচ্চ গতির ইলেকট্রন কণার স্রোত, যা সাধারণ টেলিভিশনে উৎপন্ন হয় না। C) গামা রশ্মি — এটি অত্যন্ত উচ্চ শক্তির তড়িৎ চৌম্বকীয় বিকিরণ যা নিউক্লিয়াস থেকে আসে, সাধারণ টেলিভিশন থেকে এটি নির্গত হয় না। D) কসমিন রশ্মি — এটি মহাকাশ থেকে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে আসা অত্যন্ত উচ্চ শক্তির কণা, যার সঙ্গে টেলিভিশনের কোনো সম্পর্ক নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: - রঙিন টেলিভিশন মানেই ছবি দেখার যন্ত্র, আর ছবি তৈরির টিউব থেকে এক্স-রে বা মৃদু রঞ্জন রশ্মি বের হয় এটি মনে রাখবে। - এক্স-রে যেমন হাড়ের ছবি তোলে, রঙিন টেলিভিশনের টিউবও ইলেকট্রন দিয়ে ছবি আঁকার সময় মৃদু এক্স-রে তৈরি করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে সিআরটি মনিটর বা রঙিন টেলিভিশন থেকে কোন ক্ষতিকর রশ্মি বের হয়। - এই প্রশ্ন থেকে অন্যভাবে আসতে পারে যে ক্যাথোড রে টিউব ব্যবহারের ফলে কোন তেজস্ক্রিয় বা ক্ষতিকর বিকিরণ তৈরি হয়।
a ছোট কুকুর
b পর্বতারোহণ সামগ্রী
c বাদ্যযন্ত্র
d ছোট কম্পিউটার
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ছোট কম্পিউটার ১. কেন সঠিক: ল্যাপটপ হলো একটি বহনযোগ্য বা পোর্টেবল পার্সোনাল কম্পিউটার, যা ডেক্সটপ কম্পিউটারের মতো সমস্ত কাজ করতে পারে। এর ভেতরে প্রসেসর, মেমোরি, হার্ডডিস্ক এবং ব্যাটারি থাকে যা একে স্বাধীনভাবে কাজ করতে সাহায্য করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: আধুনিক প্রযুক্তি ও সাধারণ বিজ্ঞান। কার্যপ্রণালি: এটি রিচার্জেবল ব্যাটারির সাহায্যে বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করে এবং ইনপুট বা আউটপুট ডিভাইসগুলোকে একটি একক কাঠামোর মধ্যে যুক্ত করে। বাস্তব প্রয়োগ: শিক্ষা, অফিসিয়াল কাজ এবং চলাচলের সময় সহজে তথ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ ও ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য এটি বহুল ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অ্যাপল কোম্পানির ম্যাকবুক এয়ার একটি জনপ্রিয় ল্যাপটপ। ব্যাখ্যা: এটি ব্যাটারি চালিত হয়ে বাইরে কোথাও নিয়ে গিয়ে সহজে ব্যবহার করা যায়। উদাহরণ ২: ডেল ইনস্পিরন সিরিজের ল্যাপটপ দিয়ে কোডিং বা গ্রাফিক্সের কাজ করা। ব্যাখ্যা: এটি ডেক্সটপের বিকল্প হিসেবে ঘরের বাইরে বহন করে সব ধরনের কম্পিউটিং কাজ সম্পন্ন করতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ছোট কুকুর — এটি একটি গৃহপালিত চতুষ্পদ প্রাণী, কোনো যান্ত্রিক বা ইলেকট্রনিক ডিভাইস নয়। B) পর্বতারোহণ সামগ্রী — এটি পাহাড়ে ওঠার জন্য ব্যবহৃত রশি, হুক বা ব্যাগ নির্দেশ করে, প্রযুক্তি পণ্য নয়। C) বাদ্যযন্ত্র — এটি গিটার বা ড্রামের মতো সুর সৃষ্টির কোনো যন্ত্র নয়, এটি একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস। D) ছোট কম্পিউটার — এই অপশনটি সঠিক কারণ ল্যাপটপ হলো মূলত একটি বহনযোগ্য ছোট কম্পিউটার। ৫ মনে রাখার টিপস: ল্যাপটপের 'ল্যাপ' অর্থ কোল এবং 'টপ' অর্থ ওপর, অর্থাৎ কোলের ওপর রেখে ব্যবহার করার উপযোগী ছোট কম্পিউটার। কম্পিউটার শব্দটির সাথে পোর্টেবল বা বহনযোগ্য যুক্ত করলেই ল্যাপটপ ধারণাটি পরিষ্কার হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিশ্বের প্রথম সফল বাণিজ্যিক ল্যাপটপ হলো ইবসিলন অসবর্ন ১, যা ১৯৮১ সালে বাজারে আসে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আধুনিক প্রযুক্তি ও কম্পিউটারের প্রজন্ম সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
a অগ্নি নিরোধক খনিজ পদার্থ
b কম ঘনত্ববিশিষ্ট তরল পদার্থ
c বেশি ঘনত্ববিশিষ্ট তরল পদার্থ
d এক ধরনের রাসায়নিক পদার্থ
0 100 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অগ্নি নিরোধক খনিজ পদার্থ ১. কেন সঠিক: এসবেসটস হলো প্রাকৃতিকভাবে উৎপন্ন কিছু সিলিকেট খনিজের সমষ্টি যা আঁশযুক্ত গঠন বিশিষ্ট হয়ে থাকে। এর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এটি অত্যন্ত উচ্চ তাপেও গলে যায় না এবং আগুন প্রতিরোধ করতে পারে। বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: এসবেসটস হলো এক ধরনের তন্তুময় বা আঁশযুক্ত সিলিকেট খনিজ যা তাপ, বিদ্যুৎ এবং রাসায়নিক পদার্থের বিরুদ্ধে অত্যন্ত প্রতিরোধী। কারণ ও ফলাফল: এই খনিজের বিশেষ রাসায়নিক গঠন ও ভৌত আঁশের কারণে এটি সহজে আগুনে পুড়ে না, ফলে এটি চমৎকার অগ্নি নিরোধক হিসেবে কাজ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শিল্প কারখানায় কাজ করা শ্রমিকদের সুরক্ষায় ব্যবহৃত ফায়ারপ্রুফ পোশাক তৈরিতে এর ব্যবহার দেখা যেত। ব্যাখ্যা: এটি উচ্চ তাপমাত্রা সহ্য করতে পারে বলে শ্রমিকদের শরীর আগুন থেকে রক্ষা পায়। উদাহরণ ২: অতীতে ভবন নির্মাণের সময় ছাদ বা দেয়ালের ইনসুলেশনে এসবেসটস ব্যবহার করা হতো। ব্যাখ্যা: এর ফলে ভবনের ভেতরে আগুন ছড়ানোর ঝুঁকি অনেক কমে যেত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অগ্নি নিরোধক খনিজ পদার্থ - সঠিক উত্তর কারণ এটি প্রাকৃতিকভাবে প্রাপ্ত সিলিকেট খনিজ যা তাপ ও আগুন প্রতিরোধ করতে সক্ষম। B) কম ঘনত্ববিশিষ্ট তরল পদার্থ - এটি ভুল কারণ এসবেসটস কোনো তরল পদার্থ নয়, এটি একটি কঠিন খনিজ উপাদান। C) বেশি ঘনত্ববিশিষ্ট তরল পদার্থ - এটি ভুল কারণ এসবেসটস তরল নয়, এটি কঠিন fibrous বা আঁশযুক্ত খনিজ পদার্থ। D) এক ধরনের রাসায়নিক পদার্থ - এটি আংশিক সত্য হলেও বেঠিক কারণ এটি কৃত্রিম রাসায়নিক নয়, বরং প্রাকৃতিকভাবে প্রাপ্ত খনিজ। ৫. মনে রাখার টিপস: এসবেসটস শব্দটি মনে রাখতে এর প্রথম অংশ অ্যাস এবং বেসটস মিলিয়ে ভাবুন এটি তাপ ও আগুনকে বেইজ বা ভিত্তি থেকে দূরে রাখে। এটি একটি খনিজ যা আগুন নেভাতে বা প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এসবেসটস দীর্ঘকাল শ্বাসপ্ৰশ্বাসের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করলে ফুসফুসে গুরুতর রোগ যেমন অ্যাসবেসটোসিস বা ক্যানসার হতে পারে। বিসিএস পরীক্ষায় পরিবেশগত স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং খনিজ পদার্থের ব্যবহার সম্পর্কিত প্রশ্নে এটি প্রায়ই আসে।
a বায়ুর চাপ বেশি থাকার কারণে
b বায়ুর চাপ কম থাকার কারণে
c পাহাড়ের ওপর বাতাস কম থাকায়
d পাহাড়ের ওপর তাপমাত্রা বেশি থাকায়
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বায়ুর চাপ কম থাকার কারণে ১. কেন সঠিক: পাহাড়ের ওপরে বায়ুমণ্ডলীয় চাপ সমুদ্রপৃষ্ঠের তুলনায় কম থাকে। বায়ুর চাপ কম থাকার কারণে পানির স্ফুটনাঙ্কও কমে যায়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: তরলের স্ফুটনাঙ্ক বায়ুমণ্ডলের চাপের ওপর সরাসরি নির্ভর করে। চাপ কমলে স্ফুটনাঙ্ক কমে এবং চাপ বাড়লে স্ফুটনাঙ্ক বাড়ে। কার্যপ্রণালি: পাহাড়ের ওপরে বায়ুর চাপ কম থাকায় পানি ১০০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কম তাপমাত্রাতেই ফুটতে শুরু করে। কম তাপমাত্রায় পানি ফুটলে রান্নার জন্য পর্যাপ্ত তাপশক্তি পাওয়া যায় না, ফলে রান্না হতে বেশি সময় লাগে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রেসার কুকার ব্যাখ্যা: প্রেসার কুকারের ভেতরে বায়ুর চাপ কৃত্রিমভাবে বাড়ানো হয়, যার ফলে পানির স্ফুটনাঙ্ক বৃদ্ধি পায় এবং উচ্চ তাপমাত্রায় খাবার দ্রুত সিদ্ধ হয়। উদাহরণ ২: উচু পাহাড়ে চা তৈরি ব্যাখ্যা: এভারেস্ট বা উচু পাহাড়ে ১০০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আগেই পানি বাষ্পীভূত হয়, তাই সেখানে ভাত বা মাংস সেদ্ধ করা অত্যন্ত কঠিন ও সময়সাপেক্ষ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বায়ুর চাপ বেশি থাকার কারণে — পাহাড়ের ওপর বায়ুর চাপ বেশি থাকে না, বরং উচ্চতা বাড়ার সাথে সাথে বায়ুর চাপ কমতে থাকে। B) বায়ুর চাপ কম থাকার কারণে — এটি সঠিক কারণ এবং এটিই পানির স্ফুটনাঙ্ক কমিয়ে রান্নার সময় বাড়িয়ে দেয়। C) পাহাড়ের ওপর বাতাস কম থাকায় — বায়ুর উপস্থিতি বা বাতাস কম থাকা সরাসরি রান্নার সময়কে প্রভাবিত করে না, বরং বায়ুর চাপই এখানে মূল নিয়ন্ত্রক। D) পাহাড়ের ওপর তাপমাত্রা বেশি থাকায় — পাহাড়ের ওপর তাপমাত্রা বেশি থাকে না, বরং উচ্চতা বাড়ার সাথে সাথে বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা কমতে থাকে। ৫ মনে রাখার টিপস: উচ্চতা বাড়লে চাপ কমে, চাপ কমলে স্ফুটনাঙ্ক কমে এবং স্ফুটনাঙ্ক কমলে রান্না হতে দেরি হয়। পাহাড় মানেই কম চাপ এবং দেরিতে রান্না। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় তাপগতিবিদ্যা ও পদার্থের অবস্থা অধ্যায় থেকে প্রায়ই আসে। একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে প্রেশার কুকারে রান্না দ্রুত হয় কেন।