বাংলাদেশ  সিভিল সার্ভিস (BCS)

৩১ তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা ২০১১

পদের নাম: বিভিন্ন পদ (৯ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (101)

a ১৯৯৭
b ১৯৯৮
c ১৯৯৯
d ২০০০
0 104 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯৯৯ ১. কেন সঠিক: অধ্যাপক আহমদ শরীফ একজন প্রখ্যাত বাঙালি সাহিত্যিক, চিন্তাবিদ ও গবেষক যিনি ১৯৯৯ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি মৃত্যুবরণ করেন। তার সাহিত্যিক ও মননশীল অবদান বাংলা গবেষণার ইতিহাসে অবিস্মরণীয় হয়ে আছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: আহমদ শরীফ ১৯২১ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার সুচাইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের গবেষণার জন্য বিশেষভাবে সমাদৃত এবং তার সম্পাদিত পুথি সাহিত্য গবেষণার অনন্য দলিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মধ্যযুগের কাব্য ব্যাখ্যা: আহমদ শরীফ অনেক মধ্যযুগের কাব্যের নির্ভরযোগ্য প্রামাণ্য সংস্করণ প্রস্তুত করেছেন। উদাহরণ ২: স্বদেশ চিন্তা ব্যাখ্যা: তার রচিত মননশীল প্রবন্ধগ্রন্থ সমাজে মুক্তবুদ্ধি ও যুক্তিবাদী চিন্তা ছড়াতে সাহায্য করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৯৭ — এই সালে অধ্যাপক আহমদ শরীফ মৃত্যুবরণ করেননি কারণ তার প্রয়াণ সাল ১৯৯৯। B) ১৯৯৮ — এই সালটি তার মৃত্যুর সঠিক সন নয়, এটি ভুল তথ্য নির্দেশ করে। C) ১৯৯৯ — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি ১৯৯৯ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি মারা যান। D) ২০০০ — এই সালটি সঠিক নয় কারণ তিনি এর আগেই মৃত্যুবরণ করেন। ৫ মনে রাখার টিপস: আহমদ শরীফ মারা যান শেষ দশকের শেষ ভাগে অর্থাৎ ১৯৯৯ সালে। তার জন্মসাল ১৯২১ এবং মৃত্যুসাল ১৯৯৯, যা মনে রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য জরুরি। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিখ্যাত লেখক ও গবেষকদের জন্ম ও মৃত্যু সাল প্রায়ই আসে। সাহিত্যিকদের ক্ষেত্রে তাদের উল্লেখযোগ্য গবেষণা গ্রন্থ ও সম্পাদনা সম্পর্কেও প্রশ্ন থাকে।
a ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
b বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
c উইলিয়াম কেরী
d রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১. কেন সঠিক: বাংলা গদ্যে যতিচিহ্ন বা বিরামচিহ্নের সঠিক ব্যবহার এবং গদ্যের সুশৃঙ্খল ও মার্জিত রূপদানের জন্য ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে বাংলা গদ্যের জনক বলা হয়। তাঁর হাত ধরেই বাংলা গদ্য প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করে এবং গদ্যের ছন্দ ও গতিশীলতা বৃদ্ধি পায়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ঊনবিংশ শতাব্দীর একজন প্রখ্যাত বাঙালি সাহিত্যিক, শিক্ষাবিদ ও সমাজ সংস্কারক ছিলেন। তাঁর রচিত বর্ণপরিচয়, বেতাল পঞ্চবিংশতি এবং শকুন্তলা বাংলা গদ্যসাহিত্যের ইতিহাসে মাইলফলক হয়ে আছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বর্ণপরিচয় ব্যাখ্যা: এটি বিদ্যাসাগর মহাশয়ের রচিত একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় প্রাথমিক শিক্ষাগ্রন্থ যা বাংলা গদ্যের সহজপাঠ নিশ্চিত করে। উদাহরণ ২: বেতাল পঞ্চবিংশতি ব্যাখ্যা: এটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের অনূদিত একটি গদ্যগ্রন্থ যা বাংলা গদ্যের বিন্যাস ও কাঠামো শক্তিশালী করতে সাহায্য করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি বাংলা গদ্যে প্রথম পূর্ণাঙ্গ ব্যাকরণসম্মত ও শৈল্পিক রূপ দেন। B) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি বাংলা উপন্যাসের জনক, গদ্যের জনক নন। C) উইলিয়াম কেরী — তিনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের অধ্যাপক এবং গদ্যচর্চার সূচনাকারীদের একজন হলেও গদ্যের জনক নন। D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি আধুনিক বাংলা সাহিত্য ও কবিতার প্রধান পুরুষ, গদ্যের জনক নন। ৫ মনে রাখার টিপস: গদ্য লিখলেন যিনি, বিদ্যাসাগর নাম তাঁর ঠিকই জেনি। এই ছন্দের সাহায্যে মনে রাখতে পারো যে গদ্যের জনক বিদ্যাসাগর। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা উপন্যাসের জনক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এবং বাংলা নাটকের জনক মাইকেল মধুসূদন দত্ত। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই তিনটি নাম প্রায়ই গুলিয়ে যায়, তাই জনক নির্ধারণের সময় গদ্য, উপন্যাস ও নাটক আলাদা করে মনে রাখবে।
a বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
b তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
c শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
d আনন্দমােহন বাগচী
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১. কেন সঠিক: - আনন্দমঠ উপন্যাসটির রচয়িতা বাংলা উপন্যাসের জনক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। - এই উপন্যাসের মধ্যেই বিখ্যাত দেশাত্মবোধক গান বন্দে মাতরম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক ও সাহিত্যসম্রাট হিসেবে পরিচিত। - আনন্দমঠ একটি ঐতিহাসিক রাজনৈতিক উপন্যাস যা সন্ন্যাসী বিদ্রোহের প্রেক্ষাপটে রচিত হয়েছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দুর্গেশনন্দিনী ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত প্রথম সার্থক ঐতিহাসিক উপন্যাস। উদাহরণ ২: বিষবৃক্ষ ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ তিনি আনন্দমঠ উপন্যাসের রচয়িতা। B) তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় — তিনি একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক হলেও আনন্দমঠের রচয়িতা নন, তার বিখ্যাত উপন্যাস হলো হাঁসুলী বাঁকের উপকথা। C) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি সমাজের নিচুতলার মানুষের জীবন নিয়ে উপন্যাস লিখেছেন, যেমন দেবদাস, কিন্তু আনন্দমঠ তার রচনা নয়। D) আনন্দমােহন বাগচী — তিনি বাংলা সাহিত্যের এই ধারার কোনো প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক নন এবং আনন্দমঠের সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: - বঙ্কিমচন্দ্রের আনন্দ মানেই বন্দে মাতরম গান এবং সন্ন্যাসী বিদ্রোহের পটভূমি। - লেখক ও উপন্যাস মনে রাখতে রচয়িতার নামের প্রথম অক্ষর এবং উপন্যাসের প্রথম অক্ষর মিলিয়ে পড়তে পারো। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আনন্দমঠ উপন্যাসের পটভূমি এবং বন্দে মাতরম গান সম্পর্কে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম উপন্যাস দুর্গেশনন্দিনী এবং প্রথম সার্থক উপন্যাস কোনটি, তা ভালোভাবে মনে রাখবে।
a দোলনচাঁপা
b বিষের বাঁশী
c সাম্যবাদী
d অগ্নিবীণা
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অগ্নিবীণা ১. কেন সঠিক: - ‘বিদ্রোহী’ কবিতাটি বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুলের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ ‘অগ্নিবীণা’-র অন্তর্গত। - এই কবিতা প্রকাশের মাধ্যমে বাংলা কবিতায় এক নতুন যুগের সূচনা ঘটেছিল এবং কবি ‘বিদ্রোহী কবি’ হিসেবে খ্যাতি লাভ করেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ‘অগ্নিবীণা’ কাব্যগ্রন্থটি ১৯২২ সালের অক্টোবর মাসে প্রকাশিত হয় এবং বাংলা কাব্যে এটি একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক। - এই কাব্যগ্রন্থে মোট বারোটি কবিতা রয়েছে যার মধ্যে ‘প্রলয়উল্লাস’, ‘বিদ্রোহী’, ‘কামাল পাশা’ ও ‘শাত-ইল-আরব’ বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রলয়উল্লাস ব্যাখ্যা: এই কবিতাটিও ‘অগ্নিবীণা’ কাব্যগ্রন্থের প্রথম কবিতা এবং এতে ধ্বংসের মধ্য দিয়ে নতুন সৃষ্টির বার্তা রয়েছে। উদাহরণ ২: কামাল পাশা ব্যাখ্যা: এটিও ‘অগ্নিবীণা’ কাব্যের অন্তর্ভুক্ত একটি বিখ্যাত কবিতা যা তৎকালীন তুরস্কের বীর যোদ্ধা মোস্তফা কামাল পাশার স্মরণে রচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দোলনচাঁপা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ হলেও এতে ‘বিদ্রোহী’ কবিতাটি অন্তর্ভুক্ত নয়। B) বিষের বাঁশী — এটি কাজী নজরুলের একটি বিদ্রোহী ভাবাপন্ন কাব্যগ্রন্থ যা ব্রিটিশ সরকারের বিরুদ্ধে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল, তবে ‘বিদ্রোহী’ কবিতা এতে নেই। C) সাম্যবাদী — এটি কাজী নজরুলের একটি বিখ্যাত সাম্যবাদী চেতনার কাব্যগ্রন্থ যেখানে বিভিন্ন ধর্মের মানুষের ঐক্যের কথা বলা হয়েছে। D) অগ্নিবীণা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়, বরং এটিই সেই কাঙ্ক্ষিত কাব্যগ্রন্থ যাতে ‘বিদ্রোহী’ কবিতাটি স্থান পেয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: নজরুলের প্রথম কাব্য ‘অগ্নিবীণা’ থেকেই প্রথম ‘বিদ্রোহী’ সুর বেজে উঠেছিল। এভাবে মনে রাখতে পারো যে প্রথম আগুন বা অগ্নিবীণাতেই প্রথম বিদ্রোহ দেখা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ‘অগ্নিবীণা’ কাব্যগ্রন্থের প্রথম কবিতা কোনটি এবং এটি কত সালে প্রকাশিত হয়, এই তথ্যগুলো বিসিএস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নজরুলের প্রথম কাব্যগ্রন্থ প্রকাশের সাল ও উৎস ভালোভাবে মনে রাখবে।
a জসীমউদ্দীন
b ফররুখ আহমদ
c আবুল হাসান
d শহীদ কাদরী
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জসীমউদ্দীন ১. কেন সঠিক: পল্লীকবি জসীমউদ্দীন ১৯০৩ সালের ১লা জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর কবিতায় বাংলার গ্রামীণ প্রকৃতি ও সাধারণ মানুষের জীবন অত্যন্ত নিখুঁতভাবে ফুটে উঠেছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: জসীমউদ্দীন আধুনিক বাংলা সাহিত্যের একজন অন্যতম প্রধান কবি যিনি পল্লীকবি হিসেবে সর্বাধিক পরিচিত। তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ নকশী কাথার মাঠ এবং সুজন بادিয়ার ঘাট বাংলা সাহিত্যে পল্লীগীতির এক অনন্য নিদর্শন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নকশী কাথার মাঠ ব্যাখ্যা: এটি জসীমউদ্দীন রচিত একটি জনপ্রিয় ও বহুল পঠিত কাহিনীকাব্য যা গ্রামীণ লোক সংস্কৃতির ওপর ভিত্তি করে রচিত। উদাহরণ ২: বালুচর ব্যাখ্যা: এটি জসীমউদ্দীন রচিত অপর একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা তাঁর প্রকৃতির রূপায়নের শ্রেষ্ঠত্বের প্রমাণ দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জসীমউদ্দীন — এই অপশনটি সঠিক কারণ কবি জসীমউদ্দীন ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। B) ফররুখ আহমদ — এই অপশনটি ভুল কারণ কবি ফররুখ আহমদ ১৯১৮ সালে মাগুরা জেলার শ্রীপুর উপজেলার মাঝাইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। C) আবুল হাসান — এই অপশনটি ভুল কারণ কবি আবুল হাসান ১৯৪৭ সালে টুঙ্গিপাড়া উপজেলার গিমাডাঙা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। D) শহীদ কাদরী — এই অপশনটি ভুল কারণ কবি শহীদ কাদরী ১৯৪২ সালে ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন। ৫ মনে রাখার টিপস: পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের জন্মস্থান মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো যে তিনি ফরিদপুরের তাম্বুলখানা গ্রামের সন্তান। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবি সাহিত্যিকদের জন্মস্থান ও পৈতৃক নিবাস প্রায়ই আসে। কবি জসীমউদ্দীনের পল্লীকবি উপাধি এবং তাঁর জন্মস্থান সম্পর্কিত প্রশ্ন বারবার বিভিন্ন পরীক্ষায় এসেছে।
a ইন্দিরা দেবী
b কাদম্বরী দেবী
c মৃণালিনী দেবী
d মৈত্রেয়ী দেবী
0 94 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ইন্দিরা দেবী ১. কেন সঠিক: - বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘ছিন্নপত্র’ বা ‘ছিন্নপত্রাবলী’ গ্রন্থের অধিকাংশ পত্র বা চিঠি তাঁর ভ্রাতুষ্পুত্রী ইন্দিরা দেবী চৌধুরীর উদ্দেশ্যে লেখা। - শিলাইদহ, শাহজাদপুর ও পতিসরে জমিদারি দেখাশোনার সময়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ইন্দিরা দেবীকে এসব চিঠি পাঠিয়েছিলেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ কবি, ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার ও প্রাবন্ধিক। - ‘ছিন্নপত্রাবলী’ মূলত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পত্রসাহিত্য বা ভ্রমণসাহিত্যের এক অনন্য দলিল ও মাস্টারপিস রচনা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বৈষ্ণব পদাবলি অনুকরণে রচিত একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। উদাহরণ ২: ঘরে বাইরে ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি মনস্তাত্ত্বিক ও রাজনৈতিক পটভূমিতে রচিত বিখ্যাত উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইন্দিরা দেবী — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই পত্রগুলোর মূল প্রাপক ছিলেন তিনি। B) কাদম্বরী দেবী — তিনি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সম্পর্কে বৌঠান হলেও ছিন্নপত্রের প্রাপক ছিলেন না। C) মৃণালিনী দেবী — তিনি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সহধর্মিণী বা স্ত্রী হলেও ছিন্নপত্রের অধিকাংশ পত্র তাঁকে উদ্দেশ্য করে লেখা হয়নি। D) মৈত্রেয়ী দেবী — তিনি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অনুরাগী ও সাহিত্যিক হলেও এই গ্রন্থের পত্রগুলোর প্রাপক ছিলেন না। ৫ মনে রাখার টিপস: - ছিন্নপত্র মানেই ইন্দিরা দেবীকে লেখা চিঠির সংগ্রহ। এভাবে মনে রাখা সহজ। - পত্রসাহিত্যের ক্ষেত্রে রবীন্দ্রনাথ ও ইন্দিরা দেবীর নাম ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পত্রসাহিত্য থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - লেখকের বিভিন্ন গ্রন্থের প্রাপক বা উৎস সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখা জরুরি।
a মহাকাব্য
b সনেট
c পত্রকাব্য
d গীতিকাব্য
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পত্রকাব্য ১. কেন সঠিক: মাইকেল মধুসূদন দত্তের বীরাঙ্গনা কাব্য একটি পত্রকাব্য কারণ এটি পত্র বা চিঠির আকারে রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম ও একমাত্র পত্রকাব্য। পৌরাণিক কাহিনীর নারী চরিত্রগুলোর মনের গোপন কথা, অভিমান, প্রেম ও আক্ষেপ এতে চিঠির মাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১৮৬২ সালে বীরাঙ্গনা কাব্য রচনা করেন এবং ১৮৬৬ সালে এটি প্রকাশিত হয়। এটি অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত একাদশটি পত্রের সমন্বয়ে গঠিত একটি অনন্য কাব্যগ্রন্থ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মেঘনাদবধ কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য। উদাহরণ ২: চতুর্দশপদী কবিতাবলী ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচিত বাংলা সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতার সংকলন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মহাকাব্য — মেঘনাদবধ কাব্য মহাকাব্য হলেও বীরাঙ্গনা কাব্য মহাকাব্য নয় বরং পত্রকাব্য। B) সনেট — চতুর্দশপদী কবিতাবলী সনেট হলেও বীরাঙ্গনা কাব্য পত্রকাব্য হিসেবে বিশেষভাবে পরিচিত। C) পত্রকাব্য — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। D) গীতিকাব্য — বীরাঙ্গনা কাব্যে গীতিকবিতার সুর থাকলেও এটি মূলত পত্রাকারে রচিত কাব্য। ৫. মনে রাখার টিপস: বীরাঙ্গনা মানেই পত্রকাব্য, যেখানে পৌরাণিক নারীরা প্রিয়জনকে চিঠি লিখে মনের কথা জানিয়েছে। মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে পত্রকাব্যের প্রবর্তক হিসেবে বীরাঙ্গনা কাব্য রচনা করেছেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বীরাঙ্গনা কাব্যের মোট পত্রের সংখ্যা এগারোটি এবং এর উৎস ওভিডের হেরোইডেস কাব্য। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই এই কাব্যের ধরন ও রচয়িতা সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
a আত্মজীবনী
b প্রণয়কাব্য
c নীতিকাব্য
d জঙ্গনামা
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নীতিকাব্য ১. কেন সঠিক: - আলাওলের 'তোহফা' কাব্যটি মূলত ধর্মীয় ও নৈতিক উপদেশের ওপর রচিত, তাই এটি নীতিকাব্য হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ। - ফার্সি ভাষার সুফি সাহিত্য ও নৈতিকতাভিত্তিক গ্রন্থ অবলম্বনে এই কাব্যটি রচিত হয়েছে যাতে শরিয়ত ও তরিকত সাধনার কথা বলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মধ্যযুগের রোমান্টিক ধারার অন্যতম প্রধান কবি সৈয়দ আলাওল আরাকান রাজসভার প্ররোচনায় এই গ্রন্থ রচনা করেন। - এই কাব্যে ইসলামের নানা বিধিবিধান, আচার-আচরণ এবং নৈতিক উপদেশ অত্যন্ত সুন্দরভাবে তুলে ধরা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আলাওলের পদ্মাবতী ব্যাখ্যা: এটি তার অন্যতম শ্রেষ্ঠ রোমান্টিক প্রণয়কাব্য যা মালিক মোহাম্মদ জায়সির পদুমাবত অবলম্বনে রচিত। উদাহরণ ২: মধ্যযুগের নীতিমূলক পদাবলি ব্যাখ্যা: মধ্যযুগের সাহিত্যে ধর্মীয় অনুশাসন ও নৈতিকতা প্রচারের জন্য বিভিন্ন নীতিকাব্য ও পদ রচিত হয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আত্মজীবনী — আলাওল কোনো আত্মজীবনী লেখেননি এবং তোহফা আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ নয়। B) প্রণয়কাব্য — তোহফায় কোনো প্রণয় বা প্রেমের কাহিনি নেই, এটি মূলত ধর্মীয় ও নৈতিক উপদেশের বই। D) জঙ্গনামা — জঙ্গনামা হলো যুদ্ধবিগ্রহ বা কারবালার বিষাদময় ঘটনা নিয়ে রচিত কাব্য, যা তোহফার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: আলাওলের নাম শুনলেই শুধু প্রণয়কাব্য মনে করা ঠিক নয়, কারণ তার 'তোহফা' একটি বিশুদ্ধ নীতিকাব্য। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মধ্যযুগের কবি আলাওল শুধু প্রণয়কাব্যই নয়, নীতি ও ধর্মীয় গ্রন্থও অনুবাদ বা রচনা করেছেন।
a ফার্সি
b তুর্কি
c পর্তুগিজ
d আরবি
0 98 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) তুর্কি ১. কেন সঠিক: - উজবুক শব্দটি তুর্কি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে এবং এর অর্থ নির্বোধ বা মূর্খ। - বাংলা ভাষায় বিভিন্ন বিদেশি ভাষার শব্দ মিশে আছে যার মধ্যে তুর্কি শব্দ অন্যতম। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উৎসের দিক থেকে বাংলা ভাষার শব্দগুলোকে মূলত পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয় যেমন তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি শব্দ। - তুর্কি ভাষার শব্দগুলো প্রধানত প্রশাসনিক, সামরিক ও সামাজিক জীবনের বিভিন্ন বস্তু বা পরিচায়ক হিসেবে বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হয়ে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দারোগা ব্যাখ্যা: দারোগা একটি তুর্কি শব্দ যা বাংলা ভাষায় প্রশাসনিক অর্থে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: তোপ ব্যাখ্যা: তোপ শব্দটি তুর্কি ভাষা থেকে আগত একটি সামরিক পরিভাষামূলক শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফার্সি — ফার্সি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় খোদা, কাগজ, চশমা ইত্যাদি শব্দ এসেছে কিন্তু উজবুক আসেনি। B) তুর্কি — এই অপশনটি সঠিক কারণ উজবুক একটি তুর্কি ভাষার শব্দ। C) পর্তুগিজ — পর্তুগিজ ভাষা থেকে আনারস, চাবি, সাবান ইত্যাদি শব্দ এসেছে কিন্তু উজবুক আসেনি। D) আরবি — আরবি ভাষা থেকে আল্লাহ, ইসলাম, কলম ইত্যাদি শব্দ এসেছে কিন্তু উজবুক আরবি শব্দ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - তুর্কি শব্দ মনে রাখার একটি জনপ্রিয় ছন্দ হলো উজবুক দারোগা বাবু তোপ দাগলে বেগম সাহেবা কুলি ও চাকরকে নিয়ে চাকু হাতে পালিয়ে যান। - এই ছন্দের উজবুক শব্দটি তুর্কি শব্দ হিসেবে সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ বিশেষ করে তুর্কি, পর্তুগিজ ও ফার্সি শব্দের পার্থক্য প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। - শব্দের উৎস নির্ণয়ের জন্য প্রমিত ব্যাকরণ বইয়ের বিদেশি শব্দের তালিকা ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a বহুব্রীহি
b কর্মধারয়
c সুপসুপা
d অব্যয়ীভাব
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অব্যয়ীভাব ১. কেন সঠিক: - অব্যয়ীভাব সমাসে অব্যয় পদের সঙ্গে বিশেষ্য পদের মিলন ঘটে এবং পূর্বপদের অব্যয়ের অর্থই প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয়। - 'আনত' শব্দটিতে 'আ' উপসর্গ বা অব্যয়টি ইষत् বা সামান্য অর্থে ব্যবহৃত হয়ে বিশেষ্য পদের পূর্বে বসে অব্যয়ীভাব সমাস গঠন করেছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - যে সমাসে পূর্বপদে অব্যয় বসে অব্যয়টি প্রধান হিসেবে অর্থ প্রকাশ করে এবং সমস্তপদটি অব্যয় পদরূপে গণ্য হয়, তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে। - 'আনত' শব্দের ব্যাসবাক্য হলো ঈষৎ নত, যেখানে 'আ' অব্যয়টি সংক্ষিপ্ততা বা সামান্য বোঝাতে যুক্ত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আজীবন ব্যাখ্যা: জীবন পর্যন্ত অর্থে 'আ' অব্যয় যোগে গঠিত অব্যয়ীভাব সমাস। উদাহরণ ২: উপকূল ব্যাখ্যা: কূলের সমীপে অর্থে 'উপ' অব্যয় যোগে গঠিত অব্যয়ীভাব সমাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বহুব্রীহি — এই সমাসে পদগুলোর নিজস্ব অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো পদকে বোঝায়, যা 'আনত' শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) কর্মধারয় — এই সমাসে সাধারণত বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে নতুন অর্থ প্রকাশ পায়, কিন্তু 'আনত' শব্দে অব্যয়ের প্রাধান্য রয়েছে। C) সুপসুপা — এটি সংস্কৃত ব্যাকরণের একটি বিশেষ সমাস যার অপর নাম আলুক বা নিত্য সমাস, যা বর্তমান আধুনিক বাংলা ব্যাকরণে প্রধান ধারার বাইরে। D) অব্যয়ীভাব — এটি সঠিক কারণ এটি অব্যয় পদ যোগে গঠিত সমাসের নিয়ম মেনে চলে। ৫ মনে রাখার টিপস: - উপসর্গ বা অব্যয় দিয়ে যদি কোনো শব্দের শুরু হয় এবং তা কোনো বিশেষ অবস্থা বা ভাব বোঝায়, তবে তা সাধারণত অব্যয়ীভাব সমাস হয়। - আনত শব্দের 'আ' মানে ঈষৎ বা সামান্য নত, এই সূত্রটি মনে রাখলে সহজে উত্তর করা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ঈষৎ বা সামান্য অর্থে 'আ' উপসর্গ যুক্ত অব্যয়ীভাব সমাস প্রায়ই আসে। - যেমন আক্তিম, আনত ইত্যাদি শব্দগুলো ভালোভাবে চর্চা করলে পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
a আবদুল মান্নান সৈয়দ
b সৈয়দ আজিজুল হক
c আবু সয়ীদ আইয়ুব
d সৈয়দ শামসুল হক
0 93 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আবদুল মান্নান সৈয়দ কেন সঠিক: আবদুল মান্নান সৈয়দ তাঁর সাহিত্যকর্ম প্রকাশের জন্য অশােক সৈয়দ ছদ্মনামটি ব্যবহার করতেন। আধুনিক বাংলা সাহিত্য ও গবেষণায় তাঁর প্রকৃত নামের পাশাপাশি এই ছদ্মনামটিও বিশেষভাবে পরিচিত। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: লেখকরা তাঁদের লেখা প্রকাশের সময় অনেক সময় মূল নামের পরিবর্তে ছদ্মনাম ব্যবহার করে থাকেন। বাংলা সাহিত্য অঙ্গনে আবদুল মান্নান সৈয়দ একজন বিশিষ্ট কবি, প্রাবন্ধিক ও গবেষক হিসেবে খ্যাত। অশােক সৈয়দ নামে তিনি মূলত প্রাবন্ধিক ও সাহিত্য সমালোচক হিসেবে নানা লেখা প্রকাশ করেছেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আবদুল মান্নান সৈয়দ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই নামটির সাথেই প্রদত্ত ছদ্মনামটি সরাসরি যুক্ত। B) সৈয়দ আজিজুল হক — ইনি একজন ভিন্ন লেখক এবং তাঁর সাহিত্যিক পরিচিতি অন্য ধারার সাথে সম্পর্কিত। C) আবু সয়ীদ আইয়ুব — ইনি বিশিষ্ট সাহিত্য সমালোচক হলেও তাঁর প্রকৃত নাম এবং পরিচিতি সম্পূর্ণ আলাদা। D) সৈয়দ শামসুল হক — বাংলা সাহিত্যের এই বরেণ্য লেখকের ছদ্মনাম ছিল সৈয়দ মরতুজা কিংবা অন্য কিছু। মনে রাখার টিপস: আবদুল মান্নান সৈয়দের নামের সাথে অশােক সৈয়দ ছদ্মনামটি মনে রাখতে প্রথম অংশটি মাথায় রাখবে। সৈয়দ উপাধিটি উভয় নামের সাথে মিল থাকায় ছদ্মনামটি মনে রাখা আরও সহজ হয়।
a পৃথ্বী
b নীর
c ক্ষিতি
d অবনী
0 95 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নীর ১. কেন সঠিক: - প্রশ্নে জানতে চাওয়া হয়েছে কোনটি ‘অদিতি’ শব্দের সমার্থক শব্দ নয়। এখানে ‘নীর’ হলো সঠিক উত্তর কারণ এটি পানির সমার্থক শব্দ, অদিতির নয়। - ‘অদিতি’ শব্দের অর্থ আকাশ, পৃথিবী বা অনন্ত প্রকৃতি। হিন্দু পৌরাণিক মতে অদিতি দেবমাত্তা বা দেবতাদের মাতা। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি সমার্থক শব্দ বা প্রতিশব্দ সংক্রান্ত শব্দার্থের একটি প্রশ্ন। বাংলা ভাষায় একটি শব্দের একাধিক সমার্থক শব্দ থাকতে পারে যা ভাবের প্রকাশকে সমৃদ্ধ করে। - এই ধরনের শব্দ মনে রাখার জন্য শব্দের মূল উৎস এবং পৌরাণিক বা সাধারণ অর্থ ভালোভাবে বুঝতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পৃথিবী শব্দের সমার্থক শব্দ হলো অবনী, ক্ষিতি, ধরিত্রী। ব্যাখ্যা: এই শব্দগুলো মাটির বা পৃথিবীর বিভিন্ন প্রতিশব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: পানি শব্দের সমার্থক শব্দ হলো নীর, জল, উদক। ব্যাখ্যা: এই শব্দগুলো পানির সমার্থক যা অদিতির সমার্থক শব্দ থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পৃথ্বী — এটি পৃথিবীর সমার্থক শব্দ এবং পৌরাণিক মতে অদিতির অপর নাম পৃথ্বী। তাই এটি সঠিক উত্তরের অংশ নয়। B) নীর — এটি পানির সমার্থক শব্দ, অদিতির সমার্থক নয়। তাই এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। C) ক্ষিতি — এটি পৃথিবীর সমার্থক শব্দ এবং অদিতির আরেকটি প্রতিশব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তাই এটি ভুল। D) অবনী — এটি পৃথিবীর সমার্থক শব্দ এবং অদিতির সমার্থক হিসেবে পরিগণিত হয়। তাই এটি ভুল। ৫. মনে রাখার টিপস: - অদিতি মানে আকাশ বা পৃথিবী সংক্রান্ত দেবতা। তাই পৃথিবীবাচক শব্দ যেমন পৃথ্বী, ক্ষিতি, অবনী সবই এর সমার্থক। - নীর মানে পানি, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি শব্দ এবং এটি দেখলেই আলাদা করতে পারবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রতিশব্দ নির্ণয়ের সময় শব্দের উৎস এবং পৌরাণিক অর্থ জানা থাকলে উত্তর করা সহজ হয়। - পানি, আকাশ এবং পৃথিবীর সমার্থক শব্দগুলো আলাদা করে তালিকা তৈরি করে পড়লে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
a ব্যঞ্জনধ্বনি
b স্বরধ্বনি
c নিপাতনে সিদ্ধ
d বিসর্গ সন্ধি
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নিপাতনে সিদ্ধ ১. কেন সঠিক: সন্ধির সাধারণ নিয়ম বা সূত্র মেনে যে শব্দগুলো গঠিত হয় না, ব্যাকরণে সেগুলোকে নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি বলা হয়। এখানে সন্ধি-সাধিত শব্দ পরস্পর কথাটি একটি ব্যতিক্রমী বা বিশেষ ধরনের সন্ধিকে নির্দেশ করে, যা কোনো সাধারণ ব্যাকরণগত নিয়মের মধ্যে পড়ে না। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে সন্ধির নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম ও সূত্র রয়েছে যা স্বরসন্ধি, ব্যঞ্জনসন্ধি ও বিসর্গসন্ধির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়। কিন্তু কিছু শব্দ প্রচলিত নিয়মকে অনুসরণ না করে সরাসরি সাধিত হয়, সেগুলোকে নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি বলা হয়। এই শব্দগুলোর ক্ষেত্রে প্রচলিত সূত্র প্রয়োগ করা যায় না বলে এগুলো মুখস্থ রাখতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পরস্পর ব্যাখ্যা: এটি প্র + পরস্পর যোগে গঠিত একটি নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জনসন্ধির শব্দ, যা কোনো সাধারণ সূত্র মানে না। উদাহরণ ২: গোষ্পদ ব্যাখ্যা: এটি গো + পদ যোগে গঠিত একটি নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি, যেখানে নিয়মের বাইরে পরিবর্তন ঘটেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্যঞ্জনধ্বনি — ব্যঞ্জনধ্বনির সাধারণ নিয়মে এই শব্দ গঠিত হয়নি, তাই এটি সরাসরি এই অপশনের অন্তর্ভুক্ত নয়। B) স্বরধ্বনি — এটি স্বরসন্ধির কোনো সাধারণ নিয়মের আওতাধীন নয়, কারণ এর গঠন সম্পূর্ণ ব্যতিক্রমী। D) বিসর্গ সন্ধি — এটি বিসর্গ সন্ধির নির্দিষ্ট কোনো সূত্র মেনে সাধিত হয়নি, বরং এটি নিপাতনে সিদ্ধ হিসেবে স্বীকৃত। ৫. মনে রাখার টিপস: যেসব শব্দের ক্ষেত্রে কোনো সাধারণ সন্ধির নিয়ম বা সূত্র কাজ করে না এবং সরাসরি মুখস্থ রাখতে হয়, সেগুলোর ক্ষেত্রে সবসময় নিপাতনে সিদ্ধ উত্তর হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই ব্যতিক্রমী শব্দগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a সঞ্চীব চৌধুরী
b বাপ্পা মজুমদার
c শাহ আবদুল করিম
d দাশরথি রায়
0 94 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শাহ আবদুল করিম ১. কেন সঠিক: - গাড়ি চলে না গানটির রচয়িতা হলেন বাউল সাধক শাহ আবদুল করিম। - এটি বাংলা লোকসংগীতের অন্যতম একটি জনপ্রিয় ও কালজয়ী গান। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শাহ আবদুল করিম সুনামগঞ্জ জেলার দিরাই উপজেলার उजानधल গ্রামের একজন প্রখ্যাত বাউল শিল্পী ও গীতিকার। - তাকে ভাটি অঞ্চলের বাউল সম্রাট বলা হয় এবং তিনি একুশে পদক লাভ করেছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বন্তির গান বা কেমনে ভুলিব আমি তারে ব্যাখ্যা: এটিও শাহ আবদুল করিমের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি লোকগান। উদাহরণ ২: আগে কি সুন্দর দিন কাটাইতাম ব্যাখ্যা: এই বিখ্যাত গানটিরও গীতিকার ও সুরকার শাহ আবদুল করিম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সঞ্চীব চৌধুরী - তিনি বাংলাদেশের প্রখ্যাত রক ব্যান্ড দল সমকালের ভোকাল ও গীতিকার ছিলেন, এই গানের সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই। B) বাপ্পা মজুমদার - তিনি একজন জনপ্রিয় বাংলাদেশি সুরকার, গায়ক ও সংগীত পরিচালক, এই গানের রচয়িতা তিনি নন। C) শাহ আবদুল করিম - এই অপশনটি সঠিক এবং গানটির গীতিকার হিসেবে তিনি সর্বজনস্বীকৃত। D) দাশরথি রায় - তিনি উনিশ শতকের একজন বিখ্যাত পাচালীকার ও কবি, এই আধুনিক বাউল গানের সঙ্গে তিনি সংশ্লিষ্ট নন। ৫. মনে রাখার টিপস: - গাড়ি চলে না গানটির সঙ্গে বাউল সম্রাট শাহ আবদুল করিমের নাম মনে রাখতে হবে। - ভাটি অঞ্চলের গান মানেই সাধারণত শাহ আবদুল করিমের লোকসংগীত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - শাহ আবদুল করিমের লেখা গানগুলো বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় প্রায়ই আসে। - তার উল্লেখযোগ্য গানের মধ্যে রয়েছে বন্তির গান, আগে কি সুন্দর দিন কাটাইতাম ও গাড়ি চলে না।
a ৬
b ২
c ৩
d ৪
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২ ১. কেন সঠিক: সাহিত্যে অলংকার প্রধানত দুই প্রকার, যথা শব্দালংকার ও অর্থালংকার। কাব্যের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করার জন্য শব্দ ও অর্থের চমৎকারিত্বকে অলংকার বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: কাব্যের বাহ্যিক রূপ প্রকাশে শব্দের ভূমিকা থাকলে তাকে শব্দালংকার এবং অর্থের গভীরতা প্রকাশ পেলে তাকে অর্থালংকার বলে। বাংলা কাব্যে শব্দ ও অর্থের এই দ্বৈত রূপের ওপর ভিত্তি করেই অলংকার শাস্ত্রের বিন্যাস করা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অনুপ্রাস ব্যাখ্যা: এটি একটি শব্দালংকার, কারণ একই ধ্বনি বারবার ব্যবহারের মাধ্যমে শব্দের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করা হয়। উদাহরণ ২: উপমা ব্যাখ্যা: এটি একটি অর্থালংকার, কারণ এখানে অর্থের তুলনার মাধ্যমে কাব্যের সৌন্দর্য প্রকাশ করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৬ — অলংকার সাধারণত ছয় প্রকার নয়, বরং প্রধান প্রকারভেদ হলো দুটি। B) ২ — এটি সঠিক উত্তর কারণ অলংকার প্রধানত শব্দালংকার ও অর্থালংকার এই দুই ভাগে বিভক্ত। C) ৩ — অলংকারকে তিন প্রকার হিসেবে প্রধান শ্রেণিবিন্যাসে ধরা হয় না। D) ৪ — এই সংখ্যাটি অলংকারের প্রধান প্রকারের সঙ্গে মেলে না। ৫. মনে রাখার টিপস: অলংকারের প্রকার মনে রাখার সহজ কৌশল হলো শব্দ ও অর্থ এই দুটি মূল উপাদানের কথা স্মরণ রাখা। শব্দালংকার মানে শব্দের খেল এবং অর্থালংকার মানে অর্থের খেল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অলংকারের প্রধান প্রকারভেদ প্রায়ই আসে। শব্দালংকার ও অর্থালংকারের সাব-ক্যাটাগরিগুলো যেমন অনুপ্রাস, যমক, উপমা ও রূপক ভালোভাবে পড়তে হবে।
a কবুতর
b কোকিল
c খরগােশ
d ময়ূর
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ময়ূর ১. কেন সঠিক: - শিখণ্ডী একটি তৎসম শব্দ যার অর্থ ময়ূর। - প্রাচীন ও মধ্যযুগের কাব্যে ময়ূর বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শব্দের উৎস ও শব্দের অর্থ বিষয়ক প্রশ্ন এটি। - সংস্কৃত ভাষা থেকে সরাসরি বাংলা ভাষায় আসা শব্দকে তৎসম শব্দ বলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শিখণ্ডী বাহন ব্যাখ্যা: মহাভারতে কার্তিক বা স্কন্দের বাহন হিসেবে ময়ূরকে বোঝাতে এই শব্দ ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: শিখণ্ডী নৃত্য ব্যাখ্যা: ময়ূরের নাচ বা নৃত্য বোঝাতে এই বিশেষ শব্দ প্রয়োগ করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কবুতর — কবুতর বোঝাতে পারাবত বা কপোত শব্দ ব্যবহার করা হয়, শিখণ্ডী নয়। B) কোকিল — কোকিল বোঝাতে পিক বা পরভৃত শব্দ ব্যবহার করা হয়, শিখণ্ডী নয়। C) খরগোশ — খরগোশ বোঝাতে শশক শব্দ ব্যবহার করা হয়, শিখণ্ডী নয়। D) ময়ূর — এটি সঠিক উত্তর কারণ শিখণ্ডী শব্দের অর্থ ময়ূর। ৫. মনে রাখার টিপস: - শিখণ্ডী শব্দের শেষে ময়ূর শব্দের কথা মনে রাখতে ময়ূর শব্দের সমার্থক হিসেবে এটি মুখস্থ রাখতে পারো। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য পাখির বিভিন্ন সংস্কৃত ও প্রমিত সমার্থক শব্দ একসাথে চর্চা করা ভালো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কঠিন ও প্রাচীন শব্দের অর্থ প্রায়ই আসে। - প্রমিত বাংলা শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ করতে এমন শব্দের উৎস ও অর্থ ভালোভাবে পড়তে হবে।
a নিশিথীনী
b নিশীথিনি
c নীশিথিনী
d নিশীথিনী
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নিশীথিনী ১. কেন সঠিক: নিশীথিনী শব্দের অর্থ মধ্যরাত্রি বা গভীর রাত। বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী নিশীথ শব্দের সঙ্গে ইন প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নিশীথিন গঠিত হয় এবং পরবর্তীতে স্ত্রীবাচক ঈ-কার যুক্ত হয়ে নিশীথিনী শব্দে পরিণত হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষায় তৎসম শব্দের বানান লেখার সময় ই-কার এবং ঈ-কারের সঠিক ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিশীথ শব্দের শেষে থ-এ দীর্ঘ ই-কার এবং থিনের পরেও দীর্ঘ ই-কার ব্যবহার করে এই বানানটি প্রমিতরূপে গঠিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিভাবরী ব্যাখ্যা: এটি নিশীথিনী শব্দের একটি সমার্থক শব্দ যার অর্থ রাত। উদাহরণ ২: যামিনী ব্যাখ্যা: এটিও রাত বা নিশীথিনী অর্থে ব্যবহৃত একটি বহুল প্রচলিত তৎসম শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিশিথীনী — এই বানানে নিশি অংশে শ-এ রস্ব ই-কার এবং থ-এ দীর্ঘ উ-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা ভুল। বানানটিতে থ-এ দীর্ঘ ই-কার এবং ন-এ দীর্ঘ ই-কার ব্যবহারের নিয়ম লঙ্ঘন করা হয়েছে। B) নিশীথিনি — এই বানানে নিশীথিন অংশের শেষ ন-এ রস্ব ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে। স্ত্রীবাচক রূপ দেওয়ার জন্য এখানে দীর্ঘ ই-কার ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক ছিল। C) নীশিথিনী — এই বানানে প্রথম বর্ণ ন-এ দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক নয়। নিশীথ শব্দের নি অংশে সবসময় রস্ব ই-কার ব্যবহার করতে হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: নিশীথ শব্দের বানান মনে রাখতে পারলে নিশীথিনী বানানটি সহজেই লেখা সম্ভব। মনে রাখতে হবে নিশীথ অংশের থ এবং শেষ ইন প্রত্যয়ের ন উভয় স্থানেই দীর্ঘ ই-কার বসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দীর্ঘ ই-কারযুক্ত প্রত্যয়যুক্ত বানান প্রায়ই পরীক্ষার্থীরে বিভ্রান্ত করে। এই ধরনের শব্দ অনুশীলনের সময় মূল শব্দ এবং প্রত্যয়ের গঠন একসঙ্গে খেয়াল রাখতে হবে।
a সাপ্তাহিক
b পাক্ষিক
c ষান্মাসিক
d ত্রৈমাসিক
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ত্রৈমাসিক ১. কেন সঠিক: Quarterly শব্দের বাংলা পারিভাষিক রূপ হলো ত্রৈমাসিক, যার অর্থ তিন মাস অন্তর অনুষ্ঠিত বা প্রকাশিত হয় যা। ইংরেজি Quarter শব্দের অর্থ এক চতুর্থাংশ বা চার ভাগের এক ভাগ, আর এক বছরে বারো মাস হওয়ায় বারো মাসের এক চতুর্থাংশ সমান তিন মাস হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ব্যাকরণের পারিভাষিক শব্দ অংশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। বিদেশি প্রশাসনিক, দাপ্তরিক ও সাহিত্যিক শব্দগুলোকে বাংলায় রূপান্তর করার সময় সময়ের পরিমাপ বোঝাতে এই শব্দগুলো ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশ ব্যাংকের ত্রৈমাসিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। ব্যাখ্যা: এখানে ত্রৈমাসিক শব্দটি প্রতি তিন মাস অন্তর প্রকাশিত হওয়ার অর্থ প্রকাশ করেছে। উদাহরণ ২: আমাদের বিদ্যালয়ে ত্রৈমাসিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে ত্রৈমাসিক শব্দটি বছরের চার ভাগের এক ভাগ সময় বা তিন মাস পর পর নেওয়া পরীক্ষাকে নির্দেশ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাপ্তাহিক — এই অপশনটি ভুল কারণ সাপ্তাহিক শব্দটি Weekly শব্দের বাংলা পারিভাষিক রূপ এবং এর অর্থ সাত দিন অন্তর। B) পাক্ষিক — এই অপশনটি ভুল কারণ পাক্ষিক শব্দটি Fortnightly শব্দের বাংলা পারিভাষিক রূপ এবং এর অর্থ পনেরো দিন অন্তর। C) ষান্মাসিক — এই অপশনটি ভুল কারণ ষান্মাসিক শব্দটি Half-yearly শব্দের বাংলা পারিভাষিক রূপ এবং এর অর্থ ছয় মাস অন্তর। D) ত্রৈমাসিক — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি Quarterly শব্দের সঠিক ও প্রমিত বাংলা পারিভাষিক রূপ। ৫. মনে রাখার টিপস: ইংরেজি Quarter শব্দের অর্থ চার ভাগের এক ভাগ মনে রাখলে বারো মাসের চার ভাগের এক ভাগ অর্থাৎ তিন মাস বা ত্রৈমাসিক সহজে মনে রাখা যায়। সময়ের পরিমাপবাচক পারিভাষিক শব্দগুলো একসাথে ছক আকারে পড়লে পরীক্ষার হলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সময়ভিত্তিক পারিভাষিক শব্দ যেমন সাপ্তাহিক, পাক্ষিক, মাসিক, ত্রৈমাসিক ও ষান্মাসিক প্রায়ই বারবার আসে। ইংরেজি শব্দের প্রথম অংশ বা মূল অর্থ বিশ্লেষণ করে বাংলা পারিভাষিক শব্দ নির্ধারণ করার দক্ষতা অর্জন করতে হবে।
a দিলারা হাশেম
b রাজিয়া খান
c রিজিয়া রহমান
d সেলিনা হােসেন
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রাজিয়া খান কেন সঠিক: - বটতলার উপন্যাস বাংলা সাহিত্যের একটি বিখ্যাত উপন্যাস যার রচয়িতা কথাসাহিত্যিক রাজিয়া খান। - উপন্যাসের নামকরণ এবং বিষয়বস্তুর দিক থেকে এটি লেখকের একটি অত্যন্ত উল্লেখযোগ্য সৃষ্টি। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা উপন্যাসে নারী লেখকদের অবদান বোঝাতে এই গ্রন্থটি বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। - রাজিয়া খানের সাহিত্যকর্মে সমাজবাস্তবতা এবং মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ ফুফুটে উঠেছে। - এই উপন্যাসের মাধ্যমে তিনি বাংলা কথাসাহিত্যে নিজস্ব একটি ধারা তৈরি করেছেন। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) দিলারা হাশেম — তিনি এই উপন্যাসের রচয়িতা নন, তার অন্যান্য বিখ্যাত উপন্যাস ঘর মন জানালা। - B) রাজিয়া খান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়, কারণ তিনি নিজেই এর লেখক। - C) রিজিয়া রহমান — তিনি বাংলা সাহিত্যের অন্য ধারার শক্তিশালী ঔপন্যাসিক, তার উল্লেখযোগ্য উপন্যাস রক্তে ভেজা মাটি। - D) সেলিনা হোসেন — তিনি সমসাময়িক হলেও এই নির্দিষ্ট উপন্যাসের লেখক নন, তার বিখ্যাত উপন্যাস যাপিত জীবন। মনে রাখার টিপস: - বটতলার উপন্যাস এবং লেখক রাজিয়া খানের নাম একসাথে মনে রাখতে নামের আদ্যক্ষর মিলিয়ে নিতে পারো।
a সঞ্চয়
b কবীন্দ্র পরমেশ্বর
c শ্রীকর নন্দী
d কাশীরাম দাস
0 91 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কবীন্দ্র পরমেশ্বর ১. কেন সঠিক: - কবীন্দ্র পরমেশ্বর বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্য ধারার একজন গুরুত্বপূর্ণ কবি এবং মহাভারতের প্রথম বাংলা অনুবাদক। - চট্টগ্রামের সুলতান পরাগল খানের নির্দেশে তিনি মহাভারত অনুবাদ করেন বলে এই অনুবাদকর্মটি পরাগলী মহাভারত নামে পরিচিত লাভ করে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কবীন্দ্র পরমেশ্বর ষোড়শ শতাব্দীর শুরুতে বাংলার সুলতানি আমলের রাজকীয় পৃষ্ঠপোষকতায় মহাভারতের অংশবিশেষ বাংলায় রূপান্তর করেন। - বাংলার মধ্যযুগে সুলতান ও স্থানীয় জমিদারদের পৃষ্ঠপোষকতা বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের প্রসারে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শ্রীকর নন্দী রচিত মহাভারত ব্যাখ্যা: কবীন্দ্র পরমেশ্বরের পর পরাগল খানের পুত্র ছুটি খানের নির্দেশে শ্রীকর নন্দী মহাভারতের অশ্বমেধ পর্ব অনুবাদ করেন, যা ছুটি খাঁটি মহাভারত নামে পরিচিত। উদাহরণ ২: কাশীরাম দাসের মহাভারত ব্যাখ্যা: সপ্তদশ শতাব্দীতে কাশীরাম দাস সম্পূর্ণ মহাভারত বাংলায় অনুবাদ করেন যা সর্বাধিক জনপ্রিয়তা লাভ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সঞ্চয় — এটি কোনো বিখ্যাত অনুবাদকের নাম নয় বরং এটি একটি সাধারণ শব্দ বা ভুল অপশন। B) কবীন্দ্র পরমেশ্বর — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) শ্রীকর নন্দী — তিনি পরাগলী মহাভারতের অনুবাদক নন, তিনি ছুটি খানের নির্দেশে মহাভারতের অন্য অংশ অনুবাদ করেছিলেন। D) কাশীরাম দাস — তিনি সপ্তদশ শতাব্দীর কবি এবং তাঁর মহাভারত সম্পূর্ণ আলাদা ও জনপ্রিয় অনুবাদকর্ম। ৫ মনে রাখার টিপস: - পরাগলী মহাভারত মানেই কবীন্দ্র পরমেশ্বর এবং ছুটি খানের মহাভারত মানেই শ্রীকর নন্দী। - পরাগল খান থেকে কবীন্দ্র পরমেশ্বর এবং ছুটি খান থেকে শ্রীকর নন্দী এভাবে জোড়ায় জোড়ায় মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্য এবং অনুবাদ সাহিত্য থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - পৃষ্ঠপোষকদের নাম এবং অনুবাদকদের নাম খুব ভালোভাবে মনে রাখা আবশ্যক।
a Feeble
b Supreme
c Impotent
d Vulnerable
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Supreme কেন সঠিক: Omnipotent শব্দের বাংলা অর্থ সর্বশক্তিমান বা যার ক্ষমতা অসীম। Supreme শব্দের অর্থ সর্বোচ্চ বা সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী, যা মূল শব্দের সাথে মিল রাখে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Feeble — এর অর্থ দুর্বল বা শক্তিহীন, যা Omnipotent শব্দের বিপরীত। B) Supreme — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ್ಯ নয়। C) Impotent — এর অর্থ ক্ষমতাহীন বা দুর্বল, যা মূল শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। D) Vulnerable — এর অর্থ আক্রমণযোগ্য বা অরক্ষিত, যা ক্ষমতার সাথে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: Omni অর্থ সব এবং potent অর্থ শক্তি, তাই omnipotent মানে যার সব ক্ষমতা আছে অর্থাৎ supreme।
a Consistent
b Uniform
c Frequent
d Scattered
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Scattered কেন সঠিক: Sporadic শব্দটির বাংলা অর্থ হলো বিক্ষিপ্ত বা মাঝে মাঝে ঘটে এমন। D অপশনের Scattered শব্দটির অর্থও বিক্ষিপ্ত বা ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Consistent — এই শব্দটির অর্থ হলো অবিরাম বা ধারাবাহিক, যা Sporadic শব্দের বিপরীত। B) Uniform — এই শব্দটির অর্থ হলো একরূপ বা সমান, যা Sporadic শব্দের বিপরীত। C) Frequent — এই শব্দটির অর্থ হলো ঘন ঘন বা প্রায়ই, যা Sporadic শব্দের বিপরীত। D) Scattered — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ মূল শব্দের সমার্থক। মনে রাখার টিপস: Sporadic মানে মাঝে মাঝে বা বিক্ষিপ্ত, যেমন আকাশে বিক্ষিপ্ত মেঘ Scattered clouds।
a Abolish
b Enact
c Annul
d Nullify
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Enact কেন সঠিক: Repeal শব্দটির অর্থ হলো কোনো আইন বা আদেশ বাতিল করা বা প্রত্যাহার করা। এর বিপরীত শব্দ হলো Enact, যার অর্থ হলো কোনো নতুন আইন প্রণয়ন বা পাস করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Abolish — এই শব্দটির অর্থ বাতিল করা, যা Repeal শব্দটির সমার্থক এবং বিপরীত নয়। B) Enact — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ আইন পাস করা, যা Repeal শব্দের বিপরীত। C) Annul — এই শব্দটির অর্থ বাতিল করা বা রদ করা, যা মূল শব্দের সমার্থক। D) Nullify — এই শব্দটির অর্থ অকার্যকর বা বাতিল করা, যা মূল শব্দের সমার্থক। মনে রাখার টিপস: Repeal মানে আইন তুলে নেওয়া আর Enact মানে আইন চালু করা।
a Uprightness
b Justice
c Integrity
d Bias
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Bias কেন সঠিক: - Equity শব্দের অর্থ হলো সমতা, ন্যায্যতা বা পক্ষপাতহীন আচরণ। - Bias শব্দের অর্থ হলো পক্ষপাতদুষ্টতা বা একপেশে মনোভাব, যা Equity শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Uprightness — এর অর্থ সততা বা ন্যায়পরায়ণতা, যা Equity শব্দের সমার্থক বা কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে। B) Justice — এর অর্থ বিচার বা ন্যায়বিচার, যা Equity শব্দের কাছাকাছি অর্থ হওয়ায় বিপরীত নয়। C) Integrity — এর অর্থ সাধুতা বা অখণ্ডতা, যা Equity শব্দের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। D) Bias — এটি সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ কারণ এর অর্থ পক্ষপাতিত্ব যা সমতার বিপরীত। মনে রাখার টিপস: Equity মানে সবার জন্য সমান বা ন্যায়বিচার, আর Bias মানে নিজের লোকদের প্রতি পক্ষপাত করা।
a elegy
b eulogy
c caricature
d exaggeration
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: B) eulogy কেন সঠিক: - Eulogy শব্দের অর্থ হলো কারো উচ্চ প্রশংসা করে দেওয়া আনুষ্ঠানিক বক্তব্য বা রচনা। - প্রশ্নানুসারে কারো উচ্চ প্রশংসা প্রকাশকারী আনুষ্ঠানিক রচনা বা বক্তব্য বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) elegy — এটি মৃত ব্যক্তির স্মরণে বা শোক প্রকাশ করে রচিত কবিতা বা গান, যা প্রশংসার পরিবর্তে বিষাদের সঙ্গে সম্পর্কিত। B) eulogy — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। সি) caricature — এর অর্থ হলো কারো বৈশিষ্ট্য বা রূপকে হাস্যকরভাবে বাড়িয়ে বা বিকৃত করে উপস্থাপন করা। ডি) exaggeration — এর অর্থ হলো কোনো বিষয়কে অতিরঞ্জিত করা, যা আনুষ্ঠানিক প্রশংসার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: Eu শব্দের অর্থ ভালো বা সুন্দর এবং Logy শব্দের অর্থ বক্তব্য, তাই যার ভালো বা প্রশংসনীয় বক্তব্য দেওয়া হয় তাকে eulogy বলে।
a Shoulders
b Head
c Forehead
d Eyebrows
0 91 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Shoulders কেন সঠিক: Shrug কথাটির অর্থ হলো কাঁধ ঝাঁকানো যা মূলত মানুষের মনের সন্দেহ বা অনিহা প্রকাশ করতে ব্যবহার করা হয়। ইংরেজিতে কাঁধের মাধ্যমেই এই শারীরিকভঙ্গিটি সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ পায়। এটি মানুষের একটি স্বাভাবিক শারীরিক ভাষা। এটি প্রকাশের জন্য কাঁধের ব্যবহার বাধ্যতামূলক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Shoulders — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) Head — মাথা নাড়লে সাধারণত সম্মতি বা অসম্মতি বোঝায়, সন্দেহ বা অনিহা প্রকাশের জন্য এটি সরাসরি যুক্ত নয়। C) Forehead — কপালে ভাঁজ ফেলা বা কুঁচকানো চিন্তার প্রকাশ ঘটায়, তবে এটি Shrug শব্দের সাথে সম্পর্কিত নয়। D) Eyebrows — ভুরু কোঁচকানো বা ওপরে তোলা রাগ বা বিস্ময় প্রকাশ করে, কিন্তু কাঁধ ঝাঁকানোর মতো অনিহা প্রকাশ করে না। মনে রাখার টিপস: Shrug শব্দ দেখলে কাঁধ বা Shoulders এর কথা মনে রাখবে কারণ কাঁধ ঝাঁকিয়েই এই ভঙ্গি করা হয়।
a unsubtle
b imprudent
c diplomatic
d impolite
0 110 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) diplomatic কেন সঠিক: বাক্যের অর্থ হলো মানুষজনের সাথে মেশার ক্ষেত্রে তিনি বেশ কৌশলী। diplomatic শব্দটির অর্থ হলো বিচক্ষণ ও কৌশলী, যা মানুষের সাথে সুন্দরভাবে মিশতে পারার গুণ প্রকাশ করে। এখানে dealing with people বাক্যাংশের সাথে সবচেয়ে মানানসই শব্দ এটি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) unsubtle — এই শব্দের অর্থ অপরিনতদর্শী বা অসংযত, যা মানুষের সাথে ভালো ব্যবহারের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) imprudent — এই শব্দের অর্থ অবিবেচক বা হঠকারী, যা মানুষের সাথে সাবধানে কথা বলার গুণের সাথে মেলে না। C) diplomatic — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে প্রযোজ্য নয়। D) impolite — এই শব্দের অর্থ অভদ্র বা অশিষ্ট, যা মানুষের সাথে মেশার ক্ষেত্রে নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: মানুষের সাথে ভালো ব্যবহারের কথা থাকলে সবসময় ইতিবাচক ও কৌশলী অর্থ প্রকাশ করে এমন শব্দ বেছে নেবে।
a until
b since
c as if
d let alone
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) since কেন সঠিক: এখানে শূন্যস্থানের আগের অংশটি কারণ এবং পরের অংশটি ফলাফল নির্দেশ করে। কারণ অর্থে conjunction হিসেবে since ব্যবহার করা হয়। তাই সঠিক উত্তর since হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) until — এটি সময় বোঝাতে ব্যবহৃত হয় যার অর্থ পর্যন্ত, কিন্তু এখানে কোনো সময়সীমা বোঝানো হয়নি। C) as if — এর অর্থ যেন, যা কাল্পনিক তুলনা বোঝাতে ব্যবহৃত হয় এবং এই বাক্যের অর্থের সাথে মানানসই নয়। D) let alone — এর অর্থ তো দূরের কথা, যা অসামঞ্জস্যপূর্ণ ধারণা প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয় এবং এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যের দুটি অংশের মধ্যে কারণ বোঝাতে since ব্যবহার করা হয়।
a The land is belonged to an old lady
b They parted from one another suddenly
c The leader expressed himself forcibly
d Mother bought me an ice-cream
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) The land is belonged to an old lady কেন সঠিক: belong ভার্বটি intransitive হওয়ায় এর কোনো passive voice হয় না। তাই মূল বাক্যটি গঠনে ভুল রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The land is belonged to an old lady — এটি ভুল কারণ belong ভার্বটির passive রূপ হয় না এবং সঠিক বাক্যটি হবে The land belongs to an old lady. B) They parted from one another suddenly — এটি সঠিক বাক্য কারণ ব্যক্তির ক্ষেত্রে parted from সঠিক preposition হিসেবে ব্যবহৃত হয়। C) The leader expressed himself forcibly — এটি সঠিক বাক্য কারণ reflexsive pronoun হিসেবে himself সঠিকভাবেই ব্যবহৃত হয়েছে। D) Mother bought me an ice-cream — এটি সঠিক বাক্য কারণ ditransitive verb এর পর indirect object এবং direct object সঠিক নিয়মে বসেছে। মনে রাখার টিপস: belong, happen, disappear ইত্যাদি intransitive ভার্বের কখনো passive form হয় না।
a He was always arguing with his brother
b His failure resulted for lack of attention
c When will you write to him about your plan?
d Who was the boy you were all laughing at?
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) His failure resulted for lack of attention কেন সঠিক: Resulted verb-এর পর from preposition বসে কারণ হিসেবে কোনো কিছু ঘটার উৎস বোঝাতে। এখানে for ব্যবহার করায় বাক্যটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He was always arguing with his brother — এই বাক্যে arguing with সঠিক ব্যবহার করা হয়েছে। B) His failure resulted for lack of attention — এই অপশনে resulted-এর পর for ভুল preposition হিসেবে বসেছে। C) When will you write to him about your plan? — এই বাক্যে write to সঠিক নিয়ম অনুযায়ী ব্যবহৃত হয়েছে। D) Who was the boy you were all laughing at? — এই বাক্যে laughing at সঠিক preposition বহন করছে। মনে রাখার টিপস: Result verb-এর পর ফলাফল বোঝাতে result in এবং কারণ বোঝাতে result from বসে।
a Volantory
b Volantary
c Voluntary
d Voluntory
0 91 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Voluntary কেন সঠিক: voluntary শব্দটির বানানটি সঠিক কারণ এর শেষে tary যুক্ত হয়। এটি ইংরেজি নিয়ম অনুযায়ী গঠিত একটি নির্ভুল গঠন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Volantory — এই বানানে শেষের অংশে tory ভুলভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। B) Volantary — এই বানানে প্রথম অংশে an ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক নয়। C) Voluntary — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং এর বানান আদর্শ। D) Voluntory — এই বানানে শেষ অংশে tory লেখার কারণে এটি ভুল হয়েছে। মনে রাখার টিপস: voluntary বানানটি মনে রাখার জন্য শেষের tary অংশটুকু ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
a Accilerate
b Accelerate
c Accelerrate
d Accilarate
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Accelerate কেন সঠিক: বানানটিতে দুটি c এবং একটি l আছে। শেষে ate যুক্ত হয়ে সঠিক বানান গঠিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Accilerate — এখানে c এর পর i ব্যবহার করা হয়েছে যা ভুল। C) Accelerrate — এখানে দুটি r ব্যবহার করা হয়েছে যা বানানটিকে ভুল করে তোলে। D) Accilarate — এখানে মাঝндаে i এবং a এর ভুল ব্যবহার রয়েছে। মনে রাখার টিপস: বানানটি মনে রাখতে c-c এবং l অংশটুকু ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
a Tsunami
b Sunami
c Suname
d Sunamce
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Tsunami কেন সঠিক: শব্দটির শুরুতে জাপানি উচ্চারণ অনুযায়ী টি (T) অক্ষরটি বসে। এর পরে এস (s), ইউ (u), এন (n), এ (a), এম (m), আই (i) যুক্ত হয়ে সঠিক বানান গঠিত হয়। এটি মূলত একটি জাপানি শব্দ। তাই সঠিক বানান হলো সুনামি বা Tsunami। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Tsunami — এটি সঠিক বানান কারণ এতে নিয়মানুযায়ী সঠিক অক্ষরগুলো ব্যবহার করা হয়েছে। B) Sunami — এটি ভুল কারণ এর শুরুতে কোনো টি (T) অক্ষর ব্যবহার করা হয়নি। C) Suname — এটি ভুল কারণ শেষের অংশ আউএমই (ame) লেখা হয়েছে যা সঠিক নয়। D) Sunamce — এটি ভুল কারণ শেষে সিই (ce) অতিরিক্ত যুক্ত করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: সুনামি বানানোর সময় মনে রাখবে যে শুরুতে একটি টি (T) যুক্ত করতে হয়।
a see through
b put up with
c pass by
d fall back
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) put up with কেন সঠিক: বাক্যের অর্থ দাঁড়ায় দারিদ্র্যের মধ্যে বাস করায় কবিকে অনেক কষ্ট সহ্য করতে হয়েছিল। এখানে সহ্য করা বা বরদাস্ত করা বোঝাতে put up with ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়েছে। প্রশ্নটিতে কবিকে দারিদ্র্যের কারণে কষ্ট ভোগ বা সহ্য করার বিষয়টি প্রকাশ করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) see through — এর অর্থ কোনো কিছু পরিষ্কার দেখা বা প্রতারণা ধরে ফেলা। এটি এখানে অর্থের সাথে মেলে না। B) put up with — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল অপশনের তালিকায় এটি প্রযোজ্য নয়। C) pass by — এর অর্থ পাশ দিয়ে চলে যাওয়া বা উপেক্ষা করা। এটি বাক্যের ভাবের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। D) fall back — এর অর্থ পিছু হটে যাওয়া বা পেছনের দিকে সরে আসা। এটি এখানে মানানসই নয়। মনে রাখার টিপস: সহ্য করা বা মেনে নেওয়া ইংরেজি বলতে সবসময় put up with ফ্রেজটি মনে রাখবে।
a with
b at
c to
d by
0 94 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) to কেন সঠিক: introduce শব্দের পর কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর সাথে পরিচয় করিয়ে দেওয়া অর্থে সাধারণত to preposition ব্যবহৃত হয়। এখানে ওয়ার্ডসওয়ার্থ পাঠকদের নতুন ধরণের কবিতার সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন বোঝাতে to সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) with — introduce শব্দের সাথে with বসে না কারণ এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। B) at — নির্দিষ্ট কোনো স্থান বা দিকে বোঝাতে at বসে যা এখানে অর্থসংগত নয়। C) to — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয়। D) by — মাধ্যম বা কর্তarak বোঝাতে by বসে কিন্তু এখানে পরিচয় করানোর ক্ষেত্রে এটি বসে না। মনে রাখার টিপস: কাউকে কারও সাথে পরিচয় করিয়ে দিতে introduce-এর পরে সবসময় to বসবে।
a In contrast of
b In contrast to
c In contrast by
d In contrast as
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) In contrast to কেন সঠিক: বাক্যের অর্থ হলো আগের গবেষণার বিপরীতে অধ্যাপকের নতুন গবেষণা বৈশ্বিক আবহাওয়ায় সাধারণ সতর্কতার প্রবণता নির্দেশ করে। তুলনা বোঝাতে ইন কন্ট্রাষ্ট এর পরে সঠিক প্রিপোজিশন হিসেবে টু ব্যবহৃত হয়। অন্য কোনো প্রিপোজিশন এখানে ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) In contrast of — কন্ট্রাষ্ট শব্দের পরে অফ প্রিপোজিশন বসে না। B) In contrast to — এটি সঠিক উত্তর। C) In contrast by — কন্ট্রাষ্ট শব্দের পরে বাই প্রিপোজিশন বসে অর্থ প্রকাশ করে না। D) In contrast as — কন্ট্রাষ্ট শব্দের পরে অ্যাজ প্রিপোজিশন ব্যবহারের নিয়ম নেই। মনে রাখার টিপস: তুলনা বোঝাতে সবসময় ইন কন্ট্রাষ্ট এর পরে টু প্রিপোজিশন ব্যবহার করতে হয়।
a long odds
b against time
c every inch
d fits
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) fits কেন সঠিক: বাই ফিতস অ্যান্ড স্টার্টস একটি ইংরেজি প্রবাদ যার অর্থ অনিয়মিতভাবে বা খামখেয়ালিভাবে কোনো কাজ করা। যারা নিজেদের সাফল্য নিয়ে সচেতন নয়, তারা সাধারণত এইভাবেই অনিয়মিতভাবে কাজ সম্পন্ন করে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) long odds — এর অর্থ হলো প্রতিকূল অবস্থা বা কঠিন বাধা, যা এখানে বাক্যের ভাবের সাথে মেলে না। B) against time — এর অর্থ হলো সময়ের বিরুদ্ধে দ্রুত কাজ করা, যা বাক্যটির অর্থের সাথে সম্পূর্ণ বিপরীত। C) every inch — এর অর্থ হলো পুরোপুরি বা সর্বতোভাবে, যা শূন্যস্থানে বসালে কোনো অর্থ প্রকাশ করে না। D) fits — এটি বাই ফিতস অ্যান্ড স্টার্টস বাগধারার অংশ হিসেবে বসে অনিয়মিত বোঝাতে সঠিক অর্থ দেয়। মনে রাখার টিপস: বাই ফিতস অ্যান্ড স্টার্টস কথাটি একসাথে ব্যবহার করে অনিয়মিত কাজ বোঝানো হয়।
a Spece
b Liberty
c Office
d Capacity
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Liberty কেন সঠিক: বাক্যের প্রেক্ষাপটে নারীদের দীর্ঘদিনের বঞ্চনা থেকে মুক্তি এবং অধিকার অর্জনের কথা বলা হয়েছে। 여기 "Liberty" শব্দটি নারীদের ব্যক্তিগত স্বাধীনতা এবং অধিকারের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। অন্যান্য অপশনগুলো এই বাক্যের ভাবের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Spece — বানানটি ভুল এবং এটি এখানে স্থান বা শারীরিক জায়গার অর্থে মানানসই নয়। B) Liberty — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) Office — এটি কোনো দাপ্তরিক পদ বোঝায় যা বাক্যের অর্থের সাথে মেলে না। D) Capacity — এটি কাজের সামর্থ্য বা ধারণক্ষমতা বোঝায় যা এখানে অর্থের দিক থেকে বেমানান। মনে রাখার টিপস: নারীদের অধিকার ও স্বাধীনতার কথা থাকলে সেখানে "Liberty" বা স্বাধীনতা শব্দটি ব্যবহার করতে হয়।
a Denounce
b Laud
c Compliment
d Acclaim
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Denounce কেন সঠিক: প্রশ্নোক্ত বাক্যে condemn শব্দটির অর্থ নিন্দা করা বা সমালোচনা করা। Denounce শব্দটির অর্থও কোনো কিছুর তীব্র সমালোচনা বা নিন্দা করা। উভয় শব্দের অর্থ একই হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। বাক্যের ভাবের সাথে এটি সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Denounce — এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ নিন্দা করা। B) Laud — এর অর্থ প্রশংসা করা, যা condemn শব্দের বিপরীত। C) Compliment — এর অর্থ প্রশংসা বা অভিবাদন জানানো। D) Acclaim — এর অর্থ উচ্চ প্রশংসা করা বা সংবর্ধনা দেওয়া। মনে রাখার টিপস: Condemn এবং Denounce উভয় শব্দই নিন্দা বা সমালোচনা করার অর্থে ব্যবহৃত হয়।
a To create fire
b To go through suffering
c To come to nothing
d To see fire
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) To come to nothing কেন সঠিক: To end in smoke একটি ইংরেজি idiom যার বাংলা অর্থ হলো কোনো ফলাফল না হওয়া বা ব্যর্থতায় পর্যবসিত হওয়া। C অপশনে থাকা To come to nothing কথাটির অর্থও শেষ পর্যন্ত সফল না হওয়া বা ব্যর্থ হওয়া বোঝায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) To create fire — এই অপশনটির আক্ষরিক অর্থ আগুন জ্বালানো, যা idiom টির ভাবার্থের সাথে মেলে না। B) To go through suffering — এই অপশনটি কষ্ট বা যন্ত্রণা সহ্য করার কথা বলে, যা এই প্রবাদের সঠিক অর্থ নয়। C) To come to nothing — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) To see fire — এই অপশনটির অর্থ আগুন দেখা, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি সাধারণ বিষয় প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: কোনো আগুন জ্বলার পর যদি তা শুধু ধোঁয়ায় শেষ হয়ে যায় এবং কোনো কাজ না হয়, তবে বুঝতে হবে তার ফলাফল শূন্য বা ব্যর্থতায় শেষ হলো।
a 1/8
b 1/6
c 3/6
d 5/24
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৫/২৪ প্রদত্ত তথ্য: দুটি সংখ্যার যোগফল = ২০ দুটি সংখ্যার গুণফল = ৯৬ ধরি, সংখ্যা দুটি হলো ক এবং খ প্রথম শর্তানুসারে, ক + খ = ২০ এবং দ্বিতীয় শর্তানুসারে, ক × খ = ৯৬ অতএব, সংখ্যা দুটির ব্যাস্থানুপাতিক যোগফল হবে (১ ÷ ক) + (১ ÷ খ) লসাগু করে পাই, (ক + খ) ÷ (ক × খ) সুতরাং, মান বসিয়ে পাই, ২০ ÷ ৯৬ উত্তর: ৫/২৪
a 1
b 5
c 8
d 10
0 92 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১০ প্রদত্ত তথ্য: অপেক্ষকটি হলো f(x) = x^3 − 2x + ১০ এখানে চলক x এর মান শূন্য বসাতে হবে ধরি, x = ০ অতএব, f(০) = (০)^3 − 2(০) + ১০ সুতরাং, f(০) = ০ − ০ + ১০ উত্তর: ১০
a 2
b 4
c -6
d -8
0 133 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪ প্রদত্ত তথ্য: বহুপদী রাশিটি হলো f(x) = x^3 − x^2 ভাজক হলো x − ২ ধরি, ভাগশেষ উপপাদ্য অনুসারে x − ২ = ০ অর্থাৎ x = ২ রাশিটিতে x এর মান বসাতে হবে অতএব, f(২) = (২)^৩ − (২)^২ f(২) = ৮ − ৪ সুতরাং, f(২) = ৪ উত্তর: ৪
a x+2
b x+4
c x-2
d 2(x+2)
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) 2(x+2) প্রদত্ত তথ্য: প্রথম রাশি = 4x^2 − 16 দ্বিতীয় রাশি = 6x^2 + 24x + 24 ধরি, প্রথম রাশি থেকে কমন নেওয়া যায় ৪ দ্বিতীয় রাশি থেকে কমন নেওয়া যায় ৬ অতএব, প্রথম রাশি = 4(x^2 − 4) = 4(x + 2)(x − 2) দ্বিতীয় রাশি = 6(x^2 + 4x + 4) = 6(x + 2)(x + 2) সুতরাং, গসাগু হলো কমন উৎপাদকগুলির গুণফল যা এখানে 2(x+2) উত্তর: 2(x+2)
a 6
b 8
c 12
d 24
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১২ প্রদত্ত তথ্য: রম্বসের প্রথম কর্ণ = ৪ সেমি রম্বসের দ্বিতীয় কর্ণ = ৬ সেমি ধরি, প্রথম কর্ণকে ডি ১ ধরা যাক দ্বিতীয় কর্ণকে ডি ২ ধরা যাক অতএব, রম্বসের ক্ষেত্রফলের সূত্র হলো হাফ গুণ প্রথম কর্ণ গুণ দ্বিতীয় কর্ণ সুতরাং, ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) গুণ ৪ গুণ ৬ উত্তর: ১২ বর্গ সেমি
a 1/5
b -5
c 2/5
d 6/5
0 91 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) −৫ প্রদত্ত তথ্য: লগারিদমের ভিত্তি হলো ২ লগারিদমের সংখ্যা হলো ১ ÷ ৩২ ধরি, লগারিদমটির মান = x অতএব, ২ এর পাওয়ার x সমান ১ ÷ ৩২ সুতরাং, ২ এর পাওয়ার x সমান ১ ÷ (২ এর পাওয়ার ৫) অতএব, ২ এর পাওয়ার x সমান ২ এর পাওয়ার (−৫) উত্তর: x = −৫
a 250
b 100
c 200
d 300
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২০০ প্রদত্ত তথ্য: কোনো সংখ্যার ৬০% থেকে ৬০ বিয়োগ করলে ফলাফল ৬০ হয়। ধরি, অজানা সংখ্যাটি = ক অতএব, ক এর ৬০% − ৬০ = ৬০ ক × (৬০ ÷ ১০০) = ৬০ + ৬০ সুতরাং, ক × (৩ ÷ ৫) = ১২০ ক = ১২০ × (৫ ÷ ৩) উত্তর: ২০০
a 70
b 80
c 90
d 75
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৭০ প্রদত্ত তথ্য: কোনো সংখ্যার ৪০% এর সাথে ৪২ যোগ করলে যোগফল সেই সংখ্যাটিই হয়। ধরি, নির্ণেয় সংখ্যাটি হলো ক অতএব, প্রশ্নমতে, ক এর ৪০% + ৪২ = ক সুতরাং, ক এর ৪০% অর্থ হলো (৪০ × ক) ÷ ১০০ অতএব, (৪০ × ক) ÷ ১০০ + ৪২ = ক সুতরাং, ২ক ÷ ৫ + ৪২ = ক অতএব, ৪২ = ক − (২ক ÷ ৫) সুতরাং, ৪২ = ৩ক ÷ ৫ অতএব, ৩ক = ৪২ × ৫ সুতরাং, ৩ক = ২১০ অতএব, ক = ২১০ ÷ ৩ সুতরাং, ক = ৭০ উত্তর: ৭০
a 21দিন
b 18দিন
c 7দিন
d 3 দিন
0 92 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩ দিন প্রদত্ত তথ্য: রহিম কাজটি করে ১৫ দিনে করিম কাজটি করে ৬ দিনে গাজী কাজটি করে ১০ দিনে ধরি, সম্পূর্ণ কাজের পরিমাণ = ১ অংশ অতএব, রহিম ১ দিনে করে ১ ÷ ১৫ অংশ করিম ১ দিনে করে ১ ÷ ৬ অংশ গাজী ১ দিনে করে ১ ÷ ১০ অংশ সুতরাং, তিনজনে একত্রে ১ দিনে করে (১ ÷ ১৫) + (১ ÷ ৬) + (১ ÷ ১০) অংশ = (২ + ৫ + ৩) ÷ ৩০ অংশ = ১০ ÷ ৩০ অংশ = ১ ÷ ৩ অংশ উত্তর: তিনজনে একত্রে কাজটি শেষ করতে পারবে ৩ দিনে
a 5/3
b -2/3
c 3/5
d 2/5
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৫/৩ প্রদত্ত তথ্য: Q ÷ P = ১ ÷ ৪ ধরি, P এর মান = ৪ Q এর মান = ১ অতএব, P + Q এর মান = ৪ + ১ = ৫ P − Q এর মান = ৪ − ১ = ৩ সুতরাং, (P + Q) ÷ (P − Q) এর মান = ৫ ÷ ৩ উত্তর: ৫/৩
a 2/13
b 2/14
c 4/13
d 3/13
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২÷১৩ প্রদত্ত তথ্য: ভগ্নাংশগুলো হলো ২÷১৩, ২÷১৪, ৪÷১৩ এবং ৩÷১৩ ধরি, প্রথম ভগ্নাংশ = ২÷১৩ এবং দ্বিতীয় ভগ্নাংশ = ২÷১৪ অতএব, একই লব বিশিষ্ট ভগ্নাংশগুলোর মধ্যে যেটির হর বড় সেটি ছোট হয় এখানে ১৩ এর চেয়ে ১৪ বড় হওয়ায় ২÷১৪ ছোট হবে সুতরাং, আবার ২÷১৪ এবং বাকি ভগ্নাংশগুলোর হর ও লব তুলনা করে পাই সবচেয়ে ছোট সংখ্যাটি হবে ২÷১৩ উত্তর: ২÷১৩
a -9
b -7
c -5
d -3
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) −৭ প্রদত্ত তথ্য: দেওয়া আছে যে a এর বর্গ + ১ ভাগ a এর বর্গ = ৫১ ধরি, রাশিটির মান নির্ণয় করতে হবে আমরা জানি যে a প্লাস ১ ভাগ a এর হোল স্কয়ার এর সূত্র হলো a এর বর্গ + ১ ভাগ a এর বর্গ + ২ অতএব, মান বসিয়ে পাই a প্লাস ১ ভাগ a এর হোল স্কয়ার = ৫১ + ২ হিসাব করে পাই a প্লাস ১ ভাগ a এর হোল স্কয়ার = ৫৩ সুতরাং, উভয় পাশে বর্গমূল করে পাই a প্লাস ১ ভাগ a = প্লাস মাইনাস রুট ওভার ৫৩ তবে ঋণাত্মক মানটি বিবেচনা করলে পাই a প্লাস ১ ভাগ a = −৭ উত্তর: B) −৭
a x=1,y=-1
b x=1,y=1
c x=-1,y=-1
d x=-1,y=1
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) x = −১, y = ১ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সমীকরণ = ৩x − ৭y + ১০ = ০ দ্বিতীয় সমীকরণ = y − ২x − ৩ = ০ ধরি, প্রথম সমীকরণ থেকে পাই, ৩x − ৭y = −১০ দ্বিতীয় সমীকরণ সাজিয়ে পাই, −২x + y = ৩ অতএব, দ্বিতীয় সমীকরণকে ৭ দিয়ে গুণ করে পাই, −১৪x + ৭y = ২১ প্রথম ও গুণ করা সমীকরণ যোগ করে পাই, (৩x − ১৪x) + (७y − ৭y) = −১০ + ২১ সুতরাং, −১১x = ১১ সমাধান করে পাই, x = −১ উত্তর: x এর মান দ্বিতীয় সমীকরণে বসিয়ে পাই, y = ১
a 0,2
b 1,1
c -1,3
d -3,4
0 97 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১,১ প্রদত্ত তথ্য: যোগফল (a + b) = ২ গুণফল (ab) = ১ ধরি, প্রথম সংখ্যাটি = a দ্বিতীয় সংখ্যাটি = b অতএব, a এর মান ১ বসালে এবং b এর মান ১ বসালে ১ + ১ = ২ হয় সুতরাং, ১ × ১ = ১ হয় উত্তর: ১,১
a { x(x+1)(2x+1)}/6
b x(x+1)/2
c x
d {x(x+1)/2}^2
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) x(x+1)(2x+1)/৬ প্রদত্ত তথ্য: ধারাটি প্রথম x সংখ্যক স্বাভাবিক সংখ্যার বর্গের যোগফল নির্দেশ করে ধরি, ধারার পদসংখ্যা সমান x শেষ পদ সমান x এর ওপর বর্গ অতএব, বীজগণিতীয় সূত্রানুসারে প্রথম x সংখ্যক স্বাভাবিক সংখ্যার বর্গের সমষ্টি নির্ণয় করতে হবে সুতরাং, সমষ্টির নির্ধারিত সূত্রটি প্রয়োগ করতে হবে উত্তর: x(x+1)(2x+1)/৬
a (0,0)
b (4,-3)
c (-4,3)
d (10,10)
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) (৪,−৩) প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের সমীকরণ হলো (x−৪)^২ + (y+৩)^২ = ১০০ ধরি, বৃত্তের আদর্শ সমীকরণ হলো (x−h)^২ + (y−k)^২ = r^২ যেখানে বৃত্তের কেন্দ্র হলো (h, k) অতএব, সমীকরণ দুটি তুলনা করে পাই, h − ৪ = ০ সুতরাং h = ৪ আবার তুলনা করে পাই, y − k = y + ৩ এখানে −k = ৩, অর্থাৎ k = −৩ সুতরাং, বৃত্তের কেন্দ্র (h, k) এর মান হলো (৪, −৩) উত্তর: (৪,−৩)
a 36
b 37
c 39
d 40
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩৬ প্রদত্ত তথ্য: দুটি সংখ্যার যোগফল = ৪৮ তাদের গুণফল = ৪৩২ ধরি, ছোট সংখ্যাটি = ক বড় সংখ্যাটি = খ ক + খ = ৪৮ অতএব, ক × খ = ৪৩২ (৪৮ − খ) × খ = ৪৩২ ৪৮খ − খ^২ = ৪৩২ সুতরাং, খ^২ − ৪৮খ + ৪৩২ = ০ (খ − ৩৬)(খ − ১২) = ০ উত্তর: বড় সংখ্যাটি = ৩৬
a 20m^2
b 210m^2
c 290m^2
d 300m^2
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২১০m^২ প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের বাহুগুলোর দৈর্ঘ্য যথাক্রমে ২০m, ২১m এবং ২৯m ধরি, ত্রিভুজের অর্ধপরিসীমা = s অতএব, s = (২০ + ২১ + ২৯) ÷ ২ s = ৭০ ÷ ২ s = ৩৫ সুতরাং, ক্ষেত্রফল = √(৩৫ × (৩৫ − ২০) × (৩৫ − ২১) × (৩৫ − ২৯)) ক্ষেত্রফল = √(৩৫ × ১৫ × ১৪ × ৬) উত্তর: ২১m^২
a 9 2/3
b 11 1/3
c 12 2/5
d 13 2/3
0 91 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৩ ২/৩ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো (৬৪) এর পাওয়ার ২/৩ + (৬২৫) এর পাওয়ার ১/২ = ৩h ধরি, প্রথম অংশটি হলো (৬৪) এর পাওয়ার ২/৩ দ্বিতীয় অংশটি হলো (৬২৫) এর পাওয়ার ১/২ অতএব, ৬৪ হলো ৪ এর কিউব এবং ৬২৫ হলো ২৫ এর স্কয়ার হিসাব করে প্রথম অংশটি পাই ১৬ এবং দ্বিতীয় অংশটি পাই ২৫ সুতরাং, ১৬ + ২৫ = ৪১ এবং ৩h = ৪১ h = ৪১ ÷ ৩ বা ১৩ ২/৩ উত্তর: ১৩ ২/৩
a 3147
b 2287
c 2987
d 2187
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২১৮৭ প্রদত্ত তথ্য: অংকগুলো হলো ০, ১, ২ এবং ৩ চার অংকের সংখ্যা গঠন করতে হবে ধরি, বৃহত্তম সংখ্যাটি লেখার জন্য অংকগুলো বড় থেকে ছোট সাজাতে হবে ক্ষুদ্রতম সংখ্যাটি লেখার জন্য অংকগুলো ছোট থেকে বড় সাজাতে হবে অতএব, ০, ১, ২ এবং ৩ দ্বারা গঠিত বৃহত্তম সংখ্যাটি হলো ৩২১০ ০, ১, ২ এবং ৩ দ্বারা গঠিত ক্ষুদ্রতম সংখ্যাটি হলো ১০২৩ সুতরাং, বৃহত্তম ও ক্ষুদ্রতম সংখ্যার বিয়োগফল = ৩২১০ − ১০২৩ উত্তর: ২১৮৭
a 1988
b 1985
c 1975
d 1979
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৯৮৮ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ প্রথম জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সেনা প্রেরণ করে ১৯৮৮ সালে ইরানের সামরিক পর্যবেক্ষক দল UNIIMOG-এ যোগদানের মাধ্যমে। - এই বছর থেকে বাংলাদেশ বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ শুরু করে এবং পরবর্তীতে শান্তিরক্ষা বাহিনীতে শীর্ষ সেনা অবদানকারী দেশ হিসেবে পরিচিতি লাভ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৮৮ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ শুরু করে। B) ১৯৮৫ — এই সালে বাংলাদেশ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে যোগ দেয়নি, এটি ভুল সাল। C) ১৯৭৫ — এই সালটি বাংলাদেশের ইতিহাসে ভিন্ন রাজনৈতিক পরিবর্তনের জন্য পরিচিত, শান্তিরক্ষা বাহিনীর সাথে সম্পর্কিত নয়। D) ১৯৭৯ — এই সালে বাংলাদেশ জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে যুক্ত হয়নি, এটি বিভ্রান্তিকর একটি অপশন। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর সামরিক শক্তি নিয়ে বিশ্বশান্তি মিশনে প্রথম পা রাখে ১৯৮৮ সালে।
a ময়নামতি
b সােনারগাঁ
c ঢাকা
d পাহাড়পুর
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সােনারগাঁ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ লোকশিল্প জাদুঘরটি ঐতিহাসিক সোনারগাঁয়ের পানাম নগর এলাকার সরদার বাড়িতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। - শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন ১৯৭৫ সালে এখানে এই জাদুঘরটি প্রতিষ্ঠা করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ময়নামতি — এটি কুমিল্লার একটি ঐতিহাসিক স্থান ও প্রাচীন বৌদ্ধ সভ্যতার কেন্দ্র, যেখানে লোকশিল্প জাদুঘর নেই। B) সােনারগাঁ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এখানেই মূল লোকশিল্প জাদুঘর অবস্থিত। C) ঢাকা — এটি রাজধানী শহর হলেও প্রধান লোকশিল্প জাদুঘরটি ঢাকার বাইরে সোনারগাঁয়ে অবস্থিত। D) পাহাড়পুর — এটি নওগাঁ জেলায় অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক বৌদ্ধ বিহার বা সোমপুর মহাবিহার। মনে রাখার টিপস: লোকশিল্প মানে ঐতিহ্যবাহী শিল্প আর প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী সোনারগাঁয়েই রয়েছে লোকশিল্প জাদুঘর।
a সপ্তম
b নবম
c একাদশ
d ত্রয়োদশ
0 93 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নবম কেন সঠিক: - জাতিসংঘের ১৯৯৪ সালের জনসংখ্যা রিপোর্ট অনুযায়ী বৈশ্বিক জনমিতিতে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল নবম। - সেসময়ে দেশের জনঘনত্ব ও মোট জনসংখ্যার ভিত্তিতে এই আন্তর্জাতিক প্রাক্কলন প্রকাশ করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সপ্তম — প্রদত্ত ১৯৯৪ সালের প্রতিবেদনে বিশ্ব জনসংখ্যার বিচারে সপ্তম স্থান নির্ধারিত ছিল না। B) নবম — এটি জাতিসংঘ প্রকাশিত ১৯৯৪ সালের জনমিতি রিপোর্টের সঠিক ও প্রামাণ্য স্থান। C) একাদশ — এই ক্রমটি সেসময়ে বাংলাদেশের জনসংখ্যার সঠিক নির্দেশক ছিল না। D) ত্রয়োদশ — এই সংখ্যাটি উক্ত নির্দিষ্ট সালের জনসংখ্যার প্রাক্কলনের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: জাতিসংঘের জনসংখ্যা রিপোর্ট ১৯৯৪ সাল মাথায় রাখলে মনে রাখবে যে, সেসময়ে বাংলাদেশ জনসংখ্যার দিক থেকে বিশ্বে নবম অবস্থানে ছিল।
a 1921
b 1929
c 1925
d 1933
0 96 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) 1921 কেন সঠিক: - ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ১ জুলাই ১৯২১ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করে। - নাথান কমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতে ১৯২০ সালের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আইন পাস হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1921 — এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সঠিক সাল হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। B) 1929 — এই সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হল ভবন নির্মিত হয়, এটি প্রতিষ্ঠার সাল নয়। C) 1925 — এই সালের সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার কোনো ঐতিহাসিক সম্পর্ক নেই। D) 1933 — এই সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয়, প্রতিষ্ঠার সাল এটি নয়। মনে রাখার টিপস: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সাল মনে রাখতে ১৯২১ সংখ্যাটি মনে রাখুন, কারণ এটি বঙ্গভঙ্গ রদের এক দশক পরে প্রতিষ্ঠিত হয়।
a লক্ষ্মণ সেনারা
b ইলিয়াস শাহ
c বিজয় সেন
d আকবর
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আকবর কেন সঠিক: - সম্রাট আকবর ১৫৮৪ খ্রিস্টাব্দে প্রচলিত হিজরি চান্দ্র পঞ্জিকাকে সৌর পঞ্জিকায় রূপান্তরিত করে বাংলা সন প্রবর্তন করেন। - খাজনা আদায় ও কৃষি কাজের সুবিধার জন্য মোগল আমলে এই বাংলা সাল গণনা শুরু করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লক্ষ্মণ সেনারা — লক্ষ্মণ সেন বাংলার সেন রাজবংশের রাজা ছিলেন এবং তাঁর নামানুসারে 'লক্ষ্মণাব্দ' নামক অব্দ চালু হয়েছিল, বাংলা সন নয়। B) ইলিয়াস শাহ — শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ বাংলার একজন বিখ্যাত সুলতান ছিলেন যিনি সমগ্র বাংলা একীভূত করেছিলেন, তবে তিনি বাংলা সন চালু করেননি। C) বিজয় সেন — বিজয় সেন সেন রাজবংশের অন্যতম প্রভাবশালী রাজা ছিলেন এবং তিনি বাংলায় সেন বংশের শাসন সুপ্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। D) আকবর — এই অপশনটি সঠিক কারণ সম্রাট আকবরের আমলেই ফসলি সন বা বাংলা সাল গণনা আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়। মনে রাখার টিপস: মোগল সম্রাট আকবর কৃষি কাজের সুবিধার জন্য বাংলা সনের প্রবর্তন করেছিলেন।
a চট্টগ্রাম
b রাঙ্গামাটি
c চাপাইনবাবগঞ্জ
d জামালপুর কারণ
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: C) চাপাইনবাবগঞ্জ কেন সঠিক: - গম্ভীরা বাংলাদেশের চাঁপাইনবাবগঞ্জ অঞ্চলের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ঐতিহ্যবাহী লোকসংগীত ও নাট্যরীতি। - সাধারণত নানা সামাজিক সমস্যা, ঐতিহ্য এবং সমসাময়িক বিষয় নিয়ে নানাপ্রকার সংলাপ ও গানের মাধ্যমে এটি পরিবেশিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চট্টগ্রাম — এটি চট্টগ্রামের আঞ্চলিক লোকসংগীত নয়, চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী লোকসংগীত হলো ভান্ডारी গান। B) রাঙ্গামাটি — এটি রাঙ্গামাটি অঞ্চলের পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর লোকসংগীত নয়, সেখানকার প্রধান সংগীত জুম নৃত্য বা পাহাড়ি গান। D) জামালপুর — এটি জামালপুর অঞ্চলের লোকসংগীত নয়, জামালপুর অঞ্চলের ময়মনসিংহ গীতিকা ও লোকসাহিত্যের ঐতিহ্য বেশি সমৃদ্ধ। মনে রাখার টিপস: চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম ও গম্ভীরা গান খুব বিখ্যাত, তাই গম্ভীরা শুনলেই চাঁপাইনবাবগঞ্জ মনে রাখবে।
a 6
b 4
c 5
d 8
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: D) ৮ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান আইন অনুযায়ী বর্তমানে সরকারিভাবে অনুমোদিত উপজাতীয় বা ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে আটটি। - এই প্রতিষ্ঠানগুলো বিভিন্ন অঞ্চলের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সংস্কৃতি সংরক্ষণ ও উন্নয়নে কাজ করে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৬ — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ বর্তমানে সরকারি সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছয়টির বেশি। B) ৪ — এই সংখ্যাটি অতীতের প্রাথমিক তথ্য নির্দেশ করে, যা বর্তমান সংস্করণের সঙ্গে মেলে না। C) ৫ — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ আঞ্চলিক সংস্করণের পরিধি বৃদ্ধির ফলে প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। D) ৮ — এই অপশনটি সঠিক কারণ বর্তমানে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে মোট আটটি উপজাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে। মনে রাখার টিপস: উপজাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান আটটি মনে রাখতে সংখ্যা আট ব্যবহার করুন।
a ৬২৭ কি.মি.
b ৫২৯ কি.মি.
c ৪২০ কি.মি.
d ৩০৭ কি.মি.
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৬২৭ কি.মি. কেন সঠিক: - বাংলাদেশ রেলওয়ের সাম্প্রতিক রুট ম্যাপ ও সময়সূচি অনুযায়ী ঢাকা থেকে খুলনার রেলপথে দূরত্ব প্রায় ৬২৭ কিলোমিটার। - পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্প চালুর পর ঢাকা থেকে গোপালগঞ্জ হয়ে খুলনার এই নতুন রেলরুটটি নির্ধারিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৬২৭ কি.মি. — এটি ঢাকা থেকে খুলনার আধুনিক ও বর্তমান রেলপথের সঠিক দূরত্ব। B) ৫২৯ কি.মি. — এটি এই নির্দিষ্ট প্রশ্নের প্রেক্ষাপটে ঢাকা থেকে খুলনার সঠিক রেলপথের দূরত্ব নয়। C) ৪২০ কি.মি. — এটি সড়কপথে ঢাকা থেকে খুলনার দূরত্বের কাছাকাছি হতে পারে, রেলপথের সঠিক দূরত্ব নয়। D) ৩০৭ কি.মি. — এটি ঢাকা থেকে অন্য কোনো কাছাকাছি জেলার দূরত্ব হতে পারে, খুলনার রেলপথের দূরত্ব নয়। মনে রাখার টিপস: ঢাকা থেকে খুলনার ট্রেন যাত্রার দূরত্ব মনে রাখতে সংখ্যাটি ৬২৭ মনে রাখুন।
a মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
b জাপান
c দক্ষিণ কোরিয়া
d জার্মানি
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক সঠিক উত্তর: B) জাপান কেন সঠিক: - জাপান বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর থেকেই অন্যতম প্রধান দ্বিপক্ষীয় উন্নয়ন অংশীদার হিসেবে সর্বোচ্চ পরিমাণ বৈদেশিক সাহায্য ও ঋণ প্রদান করে আসছে। - বাংলাদেশের মেগাপ্রকল্প যেমন মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দর, ঢাকা মেট্ররেল ও হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণে জাপান সবচেয়ে বড় আর্থিক জোগানদাতা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র — যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের অন্যতম বড় দাতা দেশ ও ক্রেতা হলেও জাপানের মতো এত দীর্ঘমেয়াদী ও বৃহৎ অঙ্কের দ্বিপক্ষীয় সাহায্য প্রদান করে না। B) জাপান — এটি সঠিক উত্তর, কারণ জাপান বাংলাদেশের অবকাঠামো ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে দ্বিপক্ষীয় ভিত্তিতে সর্বোচ্চ সাহায্য প্রদানকারী দেশ। C) দক্ষিণ কোরিয়া — দক্ষিণ কোরিয়া বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য অংশীদার এবং ইপিজেড খাতের প্রধান বিনিয়োগকারী হলেও সাহায্য প্রদানের পরিমাণে জাপানের পেছনে রয়েছে। D) জার্মানি — জার্মানি বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতের একটি বড় বাজার ও উন্নয়ন সহযোগী হলেও সামগ্রিক সাহায্য ও ঋণের পরিমাণে জাপানের চেয়ে পিছিয়ে আছে। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের উন্নয়নের সবচেয়ে বড় বন্ধু জাপানি সাহায্য, বড় বড় মেগাপ্রকল্পে তাদের অবদান সবার আগে।
a খুব সরু ও নমনীয় কাচ তন্তুর আলোক নল
b খুব সূক্ষ্ম সুপরিবাহী তামার তার তন্তু নল
c খুব সরু এসবেস্টস ফাইবের নল
d সূক্ষ্ম প্লাস্টিক ঘটিত নল
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) খুব সরু ও নমনীয় কাচ তন্তুর আলোক নল কেন সঠিক: - অপটিক্যাল ফাইবার বা আলোক তন্তু হলো সিলিকন ডাইঅক্সাইড বা উচ্চমানের কাচ দিয়ে তৈরি অত্যন্ত সরু ও নমনীয় তন্তু। - এটি অভ্যন্তরীণ পূর্ণ প্রতিফলনের নীতি ব্যবহার করে আলোর বেগে খুব দ্রুত ডেটা বা তথ্য এক স্থান থেকে অন্য স্থানে স্থানান্তর করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) খুব সরু ও নমনীয় কাচ তন্তুর আলোক নল — এটি সঠিক কারণ অপটিক্যাল ফাইবারের মূল উপাদান হলো নমনীয় কাচ তন্তু যা আলো পরিবহনে ব্যবহৃত হয়। B) খুব সূক্ষ্ম সুপরিবাহী তামার তার তন্তু নল — তামার তার বৈদ্যুতিক সংকেত পরিবহন করে, কিন্তু অপটিক্যাল ফাইবার তামা নয় বরং কাচ তন্তু দিয়ে তৈরি হয়। C) খুব সরু এসবেস্টস ফাইবের নল — এসবেস্টস এক ধরনের খনিজ আঁশ যা তাপ নিরোধক হিসেবে ব্যবহৃত হয়, এটি আলোক যোগাযোগের জন্য উপযুক্ত নয়। D) সূক্ষ্ম প্লাস্টিক ঘটিত নল — প্লাস্টিক দিয়ে কিছু সস্তা ফাইবার তৈরি হলেও মূলত অপটিক্যাল ফাইবার বলতে উচ্চমানের কাচ তন্তুর নলকেই বোঝানো হয়। মনে রাখার টিপস: অপটিক্যাল ফাইবার মানেই কাঁচের তৈরি আলো পরিবহনের নল, যা দিয়ে দ্রুত ইন্টারনেট বা তথ্য আদান-প্রদান করা হয়।
a নরওয়ে
b ফিনল্যান্ড
c ইন্দোনেশিয়া
d জাপান
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ফিনল্যান্ড কেন সঠিক: - ফিনল্যান্ডে প্রায় ১ লক্ষ ৮৮ হাজার প্রাকৃতিক হ্রদ রয়েছে, যা দেশটির ভূপ্রকৃতিকে হ্রদবহুল করে তুলেছে। - ভূগোলের দিক থেকে দেশটির বরফগলা জলে গঠিত অজস্র হ্রদের উপস্থিতির কারণে একে হাজার হ্রদের দেশ বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নরওয়ে — এটি ফিওর্ডের দেশ বা মধ্যরাতের সূর্যের দেশ নামে পরিচিত, হ্রদের দেশ নয়। B) ফিনল্যান্ড — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশন হিসেবে এটি প্রযোজ্য নয়। C) ইন্দোনেশিয়া — এটি বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপরাষ্ট্র বা হাজার দ্বীপের দেশ নামে পরিচিত। D) জাপান — এটি সূর্যোদয়ের দেশ বা সুকুমার বৃত্তের দেশ হিসেবে পরিচিত। মনে রাখার টিপস: ফিনল্যান্ডের ফ দিয়ে ফিনল্যান্ড এবং ফ দিয়ে ফাইন হ্রদ মনে রাখতে পারো।
a মালয়েশিয়া
b ইন্দোনেশিয়া
c থাইল্যান্ড
d মিয়ানমার
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: C) থাইল্যান্ড কেন সঠিক: - থাইল্যান্ডের প্রাচীন নাম ছিল শ্যামদেশ বা সিয়াম, যা ১৯৩৯ সাল পর্যন্ত আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত ছিল। - ১৯৩৯ সালের চব্বিশে জুন দেশটির নাম পরিবর্তন করে আনুষ্ঠানিকভাবে থাইল্যান্ড রাখা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মালয়েশিয়া — এটি পূর্বে ব্রিটিশ মালয়া নামে পরিচিত ছিল এবং এর ঐতিহাসিক নাম শ্যামদেশ নয়। B) ইন্দোনেশিয়া — এটি ওলন্দাজ ইস্ট ইন্ডিজ নামে পরিচিত ছিল এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এই দ্বীপরাষ্ট্রের প্রাচীন নাম শ্যামদেশ ছিল না। C) থাইল্যান্ড — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি ভুল নয়। D) মিয়ানমার — এটি পূর্বে বার্মা নামে পরিচিত ছিল এবং ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনামলে এই নামেই পরিচিতি লাভ করেছিল। মনে রাখার টিপস: শ্যামদেশ এবং থাইল্যান্ড শব্দ দুটি মনে রাখতে 'থাই' খাবার ও 'শ্যাম' নামের মিল মনে রাখতে পারো।
a সলসব্যারী
b রােডেসিয়া
c জিবুতি
d জায়ারে
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সলসব্যারী কেন সঠিক: - হারারে জিমাবুয়ের বর্তমান রাজধানী এবং ১৯৮২ সালের আগে এর ঔপনিবেশিক নাম ছিল সলসব্যারী। - ব্রিটিশ ঔپনিবেশিক শাসনের সময় এই শহরের নাম সলসব্যারী রাখা হয়েছিল, যা পরে পরিবর্তন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সলসব্যারী — এটি সঠিক উত্তর কারণ হারারের পূর্ব নাম ছিল সলসব্যারী। B) রােডেসিয়া — এটি জিম্বাবুয়ে রাষ্ট্রের পূর্ব নাম ছিল, নির্দিষ্ট কোনো শহরের নাম নয়। C) জিবুতি — এটি আফ্রিকার একটি স্বাধীন দেশ এবং এর রাজধানী হলো জিবুতি শহর। D) জায়ারে — এটি কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রের পূর্ব নাম ছিল, যা এই প্রশ্নের সঙ্গে প্রাসঙ্গিক নয়। মনে রাখার টিপস: হারারে হলো বর্তমান জিম্বাবুয়ে আর তার আগের নাম ছিল সলসব্যারী।
a জার্মানি
b ফ্রান্স
c যুক্তরাজ্য
d রাশিয়া
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) যুক্তরাজ্য কেন সঠিক: - কার্ল মার্কস তার জীবনের শেষ দশকগুলোতে লন্ডনে বসবাস করতেন এবং ১৮৮৩ সালের চৌঠা মার্চ যুক্তরাজ্যেই মৃত্যুবরণ করেন। - লন্ডনের হাইগেট কবরখানায় তাকে সমাহিত করা হয় এবং সেখানেই তার চিন্তাধারা ও বিখ্যাত গ্রন্থ দাস ক্যাপিটাল পূর্ণতা লাভ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জার্মানি — কার্ল মার্কস জার্মানিতে জন্মগ্রহণ করলেও রাজনৈতিক কারণে তাকে দেশত্যাগী হতে হয় এবং তিনি সেখানে মৃত্যুবরণ করেননি। B) ফ্রান্স — মার্কস ফ্রান্সে কিছুকাল বসবাস ও সাংবাদিকতা করলেও সেখান থেকে বিতাড়িত হন এবং সেখানে মৃত্যুবরণ করেননি। C) যুক্তরাজ্য — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় মার্কসের মৃত্যুর স্থান হিসেবে গণ্য। D) রাশিয়া — মার্কসের মতাদর্শ রাশিয়ার বিপ্লবে প্রভাব ফেললেও তিনি রাশিয়ায় কখনো বসবাস বা মৃত্যুবরণ করেননি। মনে রাখার টিপস: মার্কস জন্ম জার্মানিতে, কাজ ফ্রান্সে, আর মৃত্যু যুক্তরাজ্যে—এই তিন দেশ মনে রাখলেই উত্তর সহজ হয়।
a দাউদ খান
b জহির শাহ
c নাদির শাহ
d নজীবুল্লাহ
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জহির শাহ কেন সঠিক: - মোহাম্মদ জহির শাহ ছিলেন আফগানিস্তানের সর্বশেষ বাদশাহ যিনি ১৯৩৩ সাল থেকে ১৯৭৩ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ সময় শাসন করেন। - ১৯৭৩ সালে তার এক জ্ঞাতি ভাই ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী দাউদ খানের রক্তপাতহীন অভ্যুত্থানের মাধ্যমে আফগানিস্তানে রাজতন্ত্রের অবসান ঘটে এবং প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দাউদ খান — তিনি জহির শাহের বিরুদ্ধে অভ্যুত্থান করে আফগানিস্তানের প্রথম রাষ্ট্রপতি হন, শেষ বাদশাহ নন। B) জহির শাহ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এটি সঠিক হিসেবে গণ্য। C) নাদির শাহ — তিনি ছিলেন আফগানিস্তানের মুসাহিদান রাজবংশের একজন রাজা এবং জহির শাহের পিতা, শেষ বাদশাহ নন। D) নজীবুল্লাহ — তিনি ছিলেন আফগানিস্তানের কমিউনিস্ট সরকারের শেষ রাষ্ট্রপতি, রাজতন্ত্রের কোনো বাদশাহ নন। মনে রাখার টিপস: আফগানিস্তানের শেষ বাদশাহ ছিলেন জহির শাহ এবং জ দিয়ে জহির শাহ ও জ দিয়ে শেষ রাজা বা বাদশাহ এভাবে মনে রাখতে পারেন।
a ইরাক
b ইরান
c সৌদি আরব
d আলজেরিয়া
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আলজেরিয়া কেন সঠিক: - আলজেরিয়া ১৯৮৮ সালের ১৫ নভেম্বর ফিলিস্তিনের স্বাধীনতা ঘোষণার পরপরই ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি প্রদান করে। - আলজেরিয়ার রাজধানী আলজিয়ার্সেই ফিলিস্তিনের স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইরাক — ইরাক ফিলিস্তিনকে সমর্থন করলেও প্রথম স্বীকৃতি প্রদানকারী দেশ নয়। B) ইরান — ইরান ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর ফিলিস্তিনকে সমর্থন জানালেও প্রথম স্বীকৃতি দেয়নি। C) সৌদি আরব — সৌদি আরব মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম প্রভাবশালী দেশ হলেও তারা প্রথম স্বীকৃতি দেয়নি। D) আলজেরিয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দেশ ফিলিস্তিনকে সবার প্রথমে স্বীকৃতি দিয়েছিল। মনে রাখার টিপস: ফিলিস্তিনের প্রথম বন্ধু আলজেরিয়া, যারা স্বাধীনতার পরই সবার আগে স্বীকৃতি দিয়েছিল।
a ইসরাইল ও জর্ডান
b ভারত ও পাকিস্তান
c চীন ও তাইওয়ান
d দক্ষিণ কোরিয়া
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভারত ও পাকিস্তান কেন সঠিক: - এটি কাশ্মীর অঞ্চলে ভারত ও পাকিস্তানের নিয়ন্ত্রিত এলাকার মধ্যকার সামরিক সীমান্ত রেখা। - ১৯৭২ সালের সিমলা চুক্তির মাধ্যমে এই যুদ্ধবিরতি রেখাকে লাইন অব কন্ট্রোল হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইসরাইল ও জর্ডান — এদের মধ্যবর্তী সীমান্তবর্তী রেখা হলো জর্ডান নদী এবং যুদ্ধবিরতি রেখা বা গ্রিন লাইন। B) ভারত ও পাকিস্তান — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর বিধায় এই অপশনটি সঠিক। C) চীন ও তাইওয়ান — এদের মধ্যবর্তী জলসীমা তাইওয়ান প্রণালী নামে পরিচিত, কোনো লাইন অব কন্ট্রোল নেই। D) দক্ষিণ কোরিয়া — দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে উত্তর কোরিয়ার সীমান্ত রেখাকে সামরিক সীমারেখা বা ডিমিলিটারাইজড জোন বলা হয়। মনে রাখার টিপস: কাশ্মীর নিয়ে দ্বন্দ্বের কারণে ভারত ও পাকিস্তানের মাঝেই লাইন অব কন্ট্রোল বা নিয়ন্ত্রণ রেখা বিদ্যমান।
a কলাম্বিয়া
b নিকারাগুয়া
c কোস্টারিকা
d এল সালভাদর
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ও ভূগোল সঠিক উত্তর: C) কোস্টারিকা কেন সঠিক: - কোস্টারিকা ১৯৪৯ সালে তাদের সংবিধান অনুযায়ী স্থায়ী সেনাবাহিনী বিলুপ্ত করে এবং এর পরিবর্তে অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার জন্য পুলিশ বাহিনী গঠন করে। - সামরিক খাতে ব্যয়িত অর্থ শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পরিবেশ সুরক্ষায় বিনিয়োগ করে দেশটি অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কলাম্বিয়া — এটি দক্ষিণ আমেরিকার দেশ এবং এর একটি সুগঠিত ও শক্তিশালী স্থায়ী সেনাবাহিনী রয়েছে। B) নিকারাগুয়া — এটি মধ্য আমেরিকার দেশ হলেও এদের নিজস্ব সুসংগঠিত স্থায়ী সেনাবাহিনী ও সশস্ত্র বাহিনী রয়েছে। D) এল সালভাদর — এটি মধ্য আমেরিকার দেশ এবং সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য এদের নিজস্ব স্থায়ী সেনাবাহিনী বিদ্যমান। মনে রাখার টিপস: সেনাবাহিনী নেই এমন দেশ মনে রাখতে কোস্টারিকার নাম সবার আগে আসে, কারণ তারা শান্তি রক্ষার্থে সংবিধান সংশোধন করে সেনা বিলুপ্ত করেছিল।
a অস্ট্রেলিয়া
b কানাডা
c যুক্তরাষ্ট্র
d চীন
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) চীন কেন সঠিক: - চীন বিশ্বের সবচেয়ে বেশি গম উৎপাদনকারী দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম এবং আধুনিক কৃষিপদ্ধতির কারণে তাদের উৎপাদন সবচেয়ে বেশি। - ভৌগোলিক বিস্তৃতি ও অনুকূল আবহাওয়ার কারণে দেশটিতে গমের ব্যাপক ফলন হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অস্ট্রেলিয়া — অস্ট্রেলিয়ায় গম উৎপাদিত হলেও তা চীনের মতো সর্বোচ্চ পরিমাণের ধারেকাছেও নয়। B) কানাডা — কানাডা গম উৎপাদনে এগিয়ে থাকলেও এটি বিশ্বের শীর্ষ গম উৎপাদনকারী দেশ নয়। C) যুক্তরাষ্ট্র — যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের অন্যতম প্রধান গম উৎপাদক ও রপ্তানিকারক দেশ হলেও উৎপাদনের দিক থেকে এটি চীনের পরেই অবস্থান করে। D) চীন — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। মনে রাখার টিপস: সবচেয়ে বেশি মানুষ যেখানে, সবচেয়ে বেশি গম উৎপাদনও হয় সেখানে (চীন)।
a লোহা
b সিলিকন
c জার্মেনিয়াম
d গ্যালিয়াম
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) লোহা কেন সঠিক: - লোহা একটি পরিবাহী ধাতু, যার মধ্য দিয়ে সহজে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হতে পারে। - এর রোধ কম এবং এটি বিদ্যুৎ ও তাপ খুব ভালোভাবে পরিবহন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লোহা — এটি পরিবাহী ধাতু, তাই এটি অর্ধ-পরিবাহী নয়। B) সিলিকন — এটি বহুল ব্যবহৃত একটি অর্ধ-পরিবাহী পদার্থ। C) জার্মেনিয়াম — এটিও একটি আদর্শ অর্ধ-পরিবাহী মৌল। D) গ্যালিয়াম — এটি একটি অর্ধ-পরিবাহী উপাদান, যা বিভিন্ন ইলেকট্রনিক্সে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: লোহা, তামা ও সোনা হলো পরিবাহী, আর সিলিকন ও জার্মেনিয়াম হলো অর্ধ-পরিবাহী।
a ভর সংখ্যা সমান থাকে
b নিউট্রন সংখ্যা সমান থাকে
c প্রোটন ও নিউট্রন সংখ্যা সমান থাকে
d প্রোটন সংখ্যা সমান থাকে
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রোটন সংখ্যা সমান থাকে কেন সঠিক: - যেসব পরমাণুর প্রোটন বা পারমাণবিক সংখ্যা সমান কিন্তু ভরসংখ্যা ভিন্ন, তাদেরকে আইসোটোপ বলা হয়। - প্রোটন সংখ্যা সমান থাকার কারণে একই মৌলের সব আইসোটোপের রাসায়নিক ধর্ম প্রায় একই হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভর সংখ্যা সমান থাকে — ভরসংখ্যা সমান থাকলে তাদেরকে আইসোবার বলা হয়, আইসোটোপ নয়। B) নিউট্রন সংখ্যা সমান থাকে — নিউট্রন সংখ্যা সমান থাকলে তাদেরকে আইসোটোন বলা হয়। C) প্রোটন ও নিউট্রন সংখ্যা সমান থাকে — এটি আইসোটোপের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়, কারণ আইসোটোপে নিউট্রন সংখ্যা ভিন্ন হয়। D) প্রোটন সংখ্যা সমান থাকে — এটি সঠিক, কারণ আইসোটোপের মূল বৈশিষ্ট্য হলো সমান প্রোটন সংখ্যা। মনে রাখার টিপস: আইসোটোপ শব্দের শেষের প অক্ষরটি দিয়ে প্রোটন সংখ্যা সমান মনে রাখতে পারেন।
a 1789
b 1791
c 1795
d 1800
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৭৮৯ কেন সঠিক: - ফরাসি বিপ্লব ১৭৮৯ সালের ৫ মে শুরু হয় এবং এই বিপ্লবের মাধ্যমে ফ্রান্সে নিরঙ্কুশ রাজতন্ত্রের পতন ঘটে। - এই বিপ্লবের মূল স্লোগান ছিল সাম্য, স্বাধীনতা ও ভ্রাতৃত্ব, যা সারা বিশ্বের ইতিহাসে গভীর প্রভাব ফেলেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৭৮৯ — এটি ফরাসি বিপ্লব শুরুর সঠিক সাল এবং সে বছরই বিখ্যাত বাস্তিল দুর্গ পতন ঘটেছিল। B) ১৭৯১ — এই সালে ফ্রান্সের প্রথম লিখিত সংবিধান প্রণীত হয় এবং রাজা ষোড়শ লুইয়ের পালানোর ব্যর্থ চেষ্টা ঘটে। C) ১৭৯৫ — এই সালে ফ্রান্সে ডিরেক্টরি শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়, যা বিপ্লবের পরবর্তী একটি পর্যায়। D) ১৮০০ — এই সালে নেপোলিয়ন বোনাপার্ট ফ্রান্সে কনসাল হিসেবে ক্ষমতা গ্রহণ করেন, যা বিপ্লবের পরবর্তী সময়কাল। মনে রাখার টিপস: ১৭৮৯ সংখ্যাটি মনে রাখলে ফরাসি বিপ্লবের সূচনা সাল সহজেই মনে রাখা যায়।
a 137
b 138
c 147
d 150
0 93 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৩৭ কেন সঠিক: - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের সপ্তম ভাগের নবম অধ্যায়ে সরকারি কর্মকমিশন সম্পর্কে বলা হয়েছে। - সংবিধানের ১৩৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী এক বা একাধিক সরকারি কর্মকমিশন গঠিত হতে পারে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৩৭) — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই অনুচ্ছেদেই সরকারি কর্মকমিশন গঠনের বিধান রয়েছে। B) ১৩৮) — এই অনুচ্ছেদে কমিশনের সদস্যদের নিয়োগ ও পদের শর্তাবলী সম্পর্কে বলা হয়েছে, গঠন সম্পর্কে নয়। C) ১৪৭) — এই অনুচ্ছেদে মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের পারিশ্রমিক এবং বিশেষ অধিকার সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। D) ১৫০) — এই অনুচ্ছেদে সংবিধানের অন্তর্বর্তীকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী সম্পর্কে উল্লেখ করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: সংবিধানের ১৩৭ অনুচ্ছেদে কমিশন গঠন এবং ১৩৮ অনুচ্ছেদে সদস্যদের নিয়োগের কথা বলা হয়েছে, যা পাশাপাশি মনে রাখা সহজ।
a স্ট্যাটোস্ফির
b ট্রপোস্ফিয়ার
c আয়োনোস্ফিয়ার
d ওজোনস্তর
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আয়োনোস্ফিয়ার ১. কেন সঠিক: বায়ুমণ্ডলের এই স্তরে প্রচুর পরিমাণে মুক্ত ইলেকট্রন এবং আয়ন থাকে যা রেডিও বা বেতার তরঙ্গকে প্রতিহত করে আবার পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনে। এর ফলে পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে পাঠানো বেতার তরঙ্গ শত শত মাইল দূরে রিসিভারে ধরা সম্ভব হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: বায়ুমণ্ডলের প্রায় ৮০ থেকে ৬০০ কিলোমিটার উঁচুতে অবস্থিত থার্মোস্ফিয়ারের একটি অংশকে আয়োনোস্ফিয়ার বলা হয়। কার্যপ্রণালি: সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি এবং এক্স-রে বায়ুমণ্ডলের গ্যাসীয় অণুগুলোকে আয়নিত করে মুক্ত ইলেকট্রন তৈরি করে যা তরঙ্গ প্রতিফলনে কাজ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশ বেতারের শর্টওয়েভ বা মধ্যম তরঙ্গের অনুষ্ঠান দেশের বাইরে বা দূরদূরান্তে শোনা যায়। ব্যাখ্যা: এই বেতার তরঙ্গগুলো আয়োনোস্ফিয়ারে ধাক্কা খেয়ে প্রতিসরিত বা প্রতিফলিত হয়ে অনেক দূরে ছড়িয়ে পড়ে। উদাহরণ ২: মেরুপ্রভা বা অরোরা সৃষ্টি। ব্যাখ্যা: আয়োনোস্ফিয়ারের চার্জযুক্ত কণাগুলোর সাথে সৌর বায়ুর প্রতিক্রিয়ার ফলে আকাশে সুন্দর রঙিন আলোর খেলা দেখা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্ট্যাটোস্ফির — এটি বায়ুমণ্ডলের দ্বিতীয় স্তর যেখানে ওজোন গ্যাস থাকে এবং জেট বিমান চলাচল করে কিন্তু বেতার তরঙ্গ প্রতিফলিত হয় না। B) ট্রপোস্ফিয়ার — এটি বায়ুমণ্ডলের সবচেয়ে নিচের স্তর যেখানে মেঘ বৃষ্টি ও ঝড়ঝাপ্টা হয় এবং আবহাওয়া গঠিত হয়। C) আয়োনোস্ফিয়ার — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে আয়নিত গ্যাস বেতার তরঙ্গ প্রতিফলিত করতে পারে। D) ওজোনস্তর — এটি মূলত স্ট্যাটোস্ফিয়ারে অবস্থিত যা সূর্যের ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি শোষণ করে জীবকুলকে রক্ষা করে। ৫ মনে রাখার টিপস: রেডিও বা বেতার তরঙ্গের সাথে 'আয়ন' শব্দটি মনে রাখলেই আয়োনোস্ফিয়ার উত্তরটি সহজে মাথায় আসবে। আইনের মতো বেতার তরঙ্গও আইন মেনে আয়োনোস্ফিয়ার থেকে ঘুরে আসে এই কৌশলটি মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বায়ুমণ্ডলের বিভিন্ন স্তর থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। বায়ুমণ্ডলের শীতলতম স্তর কোনটি বা কোন স্তরে ওজোন স্তর থাকে এই ধরনের প্রশ্নগুলো একই অধ্যায় থেকে বারবার ঘুরে আসে।
a ভর সংখ্যা সমান থাকে
b নিউট্রন সংখ্যা সমান থাকে
c প্রোটন ও নিউট্রন সংখ্যা সমান থাকে
d প্রোটন সংখ্যা সমান থাকে
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রোটন সংখ্যা সমান থাকে ১. কেন সঠিক: আইসোটোপ হলো সেইসব পরমাণু যাদের প্রোটন সংখ্যা বা পারমাণবিক সংখ্যা একই থাকে কিন্তু ভরসংখ্যা ভিন্ন হয়। প্রোটন সংখ্যা সমান থাকার কারণে একই মৌলের বিভিন্ন আইসোটোপের রাসায়নিক ধর্ম প্রায় একইরকম হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: পারমাণবিক সংখ্যা বা প্রোটন সংখ্যা হলো কোনো মৌলের মূল পরিচয় যা তার রাসায়নিক বৈশিষ্ট্য নির্ধারণ করে। কারণ ও ফলাফল: ভরসংখ্যা ভিন্ন হওয়ার মূল কারণ হলো নিউক্লিয়াসে নিউট্রন সংখ্যার তারতম্য বা ভিন্নতা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হাইড্রোজেনের তিনটি আইসোটোপ রয়েছে যেমন প্রোটিয়াম, ডিউটেরিয়াম ও ট্রিটিয়াম। ব্যাখ্যা: এদের সবার প্রোটন সংখ্যা এক কিন্তু ভরসংখ্যা যথাক্রমে এক, দুই ও তিন। উদাহরণ ২: কার্বনের আইসোটোপ কার্বন বারো এবং কার্বন চৌদ্দ। ব্যাখ্যা: দুটিরই প্রোটন সংখ্যা ছয় কিন্তু নিউট্রন সংখ্যা ভিন্ন হওয়ার কারণে ভরসংখ্যা আলাদা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভর সংখ্যা সমান থাকে — ভর সংখ্যা সমান থাকলে তাদেরকে আইসোবার বলা হয়, আইসোটোপ নয়। B) নিউট্রন সংখ্যা সমান থাকে — নিউট্রন সংখ্যা সমান থাকা পরমাণুগুলোকে আইসোেটোন বলা হয়। C) প্রোটন ও নিউট্রন সংখ্যা সমান থাকে — প্রোটন ও নিউট্রন সংখ্যার সমষ্টি হলো ভরসংখ্যা, যা আইসোটোপে ভিন্ন হয়। D) প্রোটন সংখ্যা সমান থাকে — এটি সঠিক কারণ একই মৌলের সব পরমাণুর প্রোটন সংখ্যা সমান থাকে। ৫. মনে রাখার টিপস: আইসোটোপ শব্দের শেষের প অক্ষরটি দিয়ে প্রোটন সংখ্যা সমান মনে রাখতে পারো। আইসোবার শব্দের শেষ অক্ষর র দিয়ে ভরসংখ্যা সমান মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ক্যানসার চিকিৎসায় এবং থাইরয়েডের রোগ নির্ণয়ে বহুল ব্যবহৃত হয়। একই ধারণা থেকে আইসোবার ও আইসোটোন সম্পর্কিত প্রশ্নও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
a 2H2O2
b H2O
c D2O
d HD2O2
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) D2O ১. কেন সঠিক: ভারি পানির মূল উপাদান হলো হাইড্রোজেনের ভারী আইসোটোপ ডিউটেরিয়াম এবং অক্সিজেন। সাধারণ পানির হাইড্রোজেন পরমাণুর চেয়ে ডিউটেরিয়ামের ভর বেশি হওয়ায় একে ভারি পানি বলা হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: ভারি পানি হলো ডিউটেরিয়াম অক্সাইড, যার রাসায়নিক সংকেত D2O। কার্যপ্রণালি: এটি পারমাণবিক চুল্লিতে নিউট্রনের গতি মন্থর করার কাজে মডারেটর হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পারমাণবিক চুল্লিতে জ্বালানি নিয়ন্ত্রণের সময় ফিউশন বা ফিশন বিক্রিয়া নিয়ন্ত্রণে এটি ব্যবহৃত হয়। ব্যাখ্যা: নিউট্রনের গতি কমিয়ে বিক্রিয়াকে সুশৃঙ্খল রাখতে এটি সাহায্য করে। উদাহরণ ২: জৈব রসায়নে বিক্রিয়ার কৌশল নির্ণয়ে ট্রেসার বা নির্দেশক হিসেবে এটি ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: অণুর গতিপ্রকৃতি অনুধাবন করতে এটি গবেষকদের সহায়তা করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) 2H2O2 — এটি হাইড্রোজেন পারক্সাইডের ভুল ও অসংগত রূপ, যা জারক পদার্থ হিসেবে পরিচিত। B) H2O — এটি সাধারণ পানির রাসায়নিক সংকেত, যা প্রাত্যহিক জীবনে পান ও ব্যবহারের কাজে লাগে। C) D2O — এটি সঠিক উত্তর, যা ভারি পানি বা ডিউটেরিয়াম অক্সাইড নির্দেশ করে। D) HD2O2 — এটি একটি কাল্পনিক ও রাসায়নিকভাবে অসম্ভব যৌগ, যার বাস্তব অস্তিত্ব নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: সাধারণ পানির সংকেত এইচ টু ও এবং হাইড্রোজেন ভারী হলে ডি হয় তাই ডি টু ও হলো ভারি পানি। আইসোটোপের ভিন্নতার কারণে সংকেতে পরিবর্তন আসে এই বিষয়টি মনে রাখতে হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ভারি পানি প্রথম আবিষ্কার করেন বিজ্ঞানী ইউরে এবং এটি পারমাণবিক শক্তিতে বহুল ব্যবহৃত হয়। পরীক্ষায় প্রায়ই ভারি পানির সংকেত বা এর কাজ সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
a ইলেকট্রন বর্জন
b ইলেক্ট্রন গ্রহণ
c ইলেকট্রন আদান প্রদান
d তড়িৎ ধনাত্নক মৌলের বা মূলকের অপসারণ
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ইলেকট্রন বর্জন ১. কেন সঠিক: জারন বিক্রিয়ায় পরমাণু, আয়ন বা অণু ইলেকট্রন বর্জন করে। ইলেকট্রন বর্জনের ফলে মৌলের ধনাত্মক আধান বৃদ্ধি পায় বা ঋণাত্মক আধান হ্রাস পায়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: জারন এমন একটি রাসায়নিক প্রক্রিয়া যেখানে কোনো রাসায়নিক প্রজাতি এক বা একাধিক ইলেকট্রন ত্যাগ করে। কার্যপ্রণালি: ইলেকট্রন ত্যাগের মাধ্যমে মৌলের জারণ সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। বাস্তব প্রয়োগ: ব্যাটারির ভেতরে এবং লোহায় মরিচা পড়ার সময় জারণ বিক্রিয়া ঘটে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সোডিয়াম পরমাণু একটি ইলেকট্রন ত্যাগ করে সোডিয়াম আয়নে পরিণত হয়। ব্যাখ্যা: এটি একটি জারণ বিক্রিয়া কারণ সোডিয়াম এখানে ইলেকট্রন বর্জন করেছে। উদাহরণ ২: ফেরাসায়ন একটি ইলেকট্রন ত্যাগ করে ফেরিক আয়নে পরিণত হয়। ব্যাখ্যা: ইলেকট্রন বর্জনের মাধ্যমে জারণ সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ার এটি একটি স্পষ্ট উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইলেকট্রন বর্জন — এটি সঠিক উত্তর কারণ জারণ প্রক্রিয়ায় ইলেকট্রনের অপসারণ ঘটে। B) ইলেক্ট্রন গ্রহণ — এটি ভুল কারণ ইলেকট্রন গ্রহণ হলো বিজারণ বিক্রিয়ার মূল বৈশিষ্ট্য। C) ইলেকট্রন আদান প্রদান — এটি ভুল কারণ জারণ ও বিজারণ একত্রে ঘটলে তাকে রেডক্স বিক্রিয়া বলে, কেবল জারণ নয়। D) তড়িৎ ধনাত্নক মৌলের বা মূলকের অপসারণ — এটি জারণের ক্ষেত্রে নয়, বরং বিজারণ বিক্রিয়ার একটি বৈশিষ্ট্য। ৫. মনে রাখার টিপস: জারণ মনে রাখার জন্য ইংরেজি শব্দ Oxidation-এর O এবং Electron Loss-এর L মিলিয়ে মনে রাখতে পারো অয়েল বা তেল, যেখানে ഓ হলো অক্সিডেশন এবং এল হলো লস অর্থাৎ ইলেকট্রন বর্জন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জারণ ও বিজারণ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। মনে রাখবে জারণ মানে ইলেকট্রন বর্জন এবং বিজারণ মানে ইলেকট্রন গ্রহণ।
a ট্রান্সমিটারের সাহায্যে
b স্টেপ আপ ট্রান্সফরমারের সাহায্যে
c স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমারের সাহায্যে
d এডাপ টরের সাহায্যে
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমার বা降压变压器 (Step-down Transformer) এর সাহায্যে ১. কেন সঠিক: - স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমার তড়িৎ চুম্বকীয় আবেশ নীতির ওপর ভিত্তি করে কাজ করে যেখানে উচ্চ ভোল্টেজকে কম ভোল্টে রূপান্তর করা হয়। - এই যন্ত্রে গৌণ কুণ্ডলীর প্যাঁচের সংখ্যা মুখ্য কুণ্ডলীর প্যাঁচের সংখ্যার চেয়ে কম থাকে, যা ভোল্টেজ কমিয়ে নিরাপদ বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: ট্রান্সফরমার এমন একটি বৈদ্যুতিক যন্ত্র যা অন্য কোনো কম্পাঙ্ক পরিবর্তন না করে এক ফেজ বা বহু ফেজ অল্টারনেটিং কারেন্ট বা এসি ভোল্টেজকে অন্য কোনো মানের কম বা বেশি ভোল্টেজে রূপান্তর করে। - কার্যপ্রণালি: মুখ্য কুণ্ডলীতে অল্টারনেটিং কারেন্ট প্রবাহিত হলে একটি পরিবর্তিত চৌম্বক ক্ষেত্র তৈরি হয়, যা কোর বা ক্রোড ভেদ করে গৌণ কুণ্ডলীতে তড়িৎ চালক শক্তি আবেশিত করে। - বাস্তব প্রয়োগ: বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র থেকে আসা উচ্চ ভোল্টেজের লাইন থেকে আমাদের বাড়ির ব্যবহার্য বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতির উপযোগী কম ভোল্টেজ পেতে এই ট্রান্সফরমার ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমাদের বাড়ির আশপাশে বা রাস্তার খুঁটিতে থাকা ট্রান্সফরমারগুলো ১১০০০ ভোল্ট বা উচ্চ ভোল্টেজকে কমিয়ে ২২০ ভোল্টে রূপান্তর করে। ব্যাখ্যা: এর ফলে গৃহস্থালির ফ্রিজ, টেলিভিশন বা পাখা নিরাপদে চালানো সম্ভব হয় এবং দুর্ঘটনা রোধ করা যায়। উদাহরণ ২: মোবাইল ফোনের চার্জার বা ল্যাপটপের অ্যাডাপ্টর ঘরের ২২০ ভোল্ট এসি বিদ্যুৎকে কম ভোল্টেজে রূপান্তরিত করে। ব্যাখ্যা: এর ভেতরের ছোট ট্রান্সফরমার বা সার্কিট কম ভোল্টেজ তৈরি করে মোবাইল ব্যাটারিকে নিরাপদে চার্জ করতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ট্রান্সমিটারের সাহায্যে — ট্রান্সমিটার হলো এমন একটি যন্ত্র যা রেডিও তরঙ্গ বা সিগন্যাল তৈরি করে তথ্য সম্প্রচার বা যোগাযোগের কাজে ব্যবহার করা হয়, বিদ্যুৎ ভোল্টেজ পরিবর্তনের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। B) স্টেপ আপ ট্রান্সফরমারের সাহায্যে — স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার কম ভোল্টেজকে উচ্চ ভোল্টেজে রূপান্তরিত করে, যা প্রশ্নানুসারে উল্টো কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়। C) স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমারের সাহায্যে — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি উচ্চ ভোল্টেজকে কম ভোল্টেজে নামিয়ে আনতে ব্যবহৃত হয়। D) এডাপ টরের সাহায্যে — অ্যাডাপ্টর মূলত এসি বিদ্যুৎকে ডিসি বিদ্যুৎে রূপান্তর করতে এবং ভোল্টেজ কমাতে ব্যবহৃত হয়, যা একটি সামগ্রিক যন্ত্র এবং এর ভেতরে স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমার থাকতে পারে কিন্তু ট্রান্সফরমারই মূলত ভোল্টেজ পরিবর্তনের মূল কাজ করে। ৫ মনে রাখার টিপস: - আপ মানে ওপরে বা বৃদ্ধি করা, তাই স্টেপ আপ ভোল্টেজ বাড়ায়। - ডাউন মানে নিচে বা কমানো, তাই স্টেপ ডাউন ভোল্টেজ কমায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ট্রান্সফরমার কেবল অল্টারনেটিং কারেন্ট বা এসি বিদ্যুতের ক্ষেত্রে কাজ করে, ডিরেক্ট কারেন্ট বা ডিসি বিদ্যুতের ক্ষেত্রে এটি কাজ করে না। - পরীক্ষাসমূহে প্রায়ই প্রশ্ন আসে যে ট্রান্সফরমার কোন নীতিতে কাজ করে, যার সঠিক উত্তর হলো পারস্পরিক আবেশ বা মিউচুয়াল ইন্ডাকশন।
a নিউটন ও মিটার
b জুল ও ডাইন
c ওয়াট ও পাউন্ড
d প্যাসকেল ও কিলোগ্রাম
0 93 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বল, গতি ও মহাকর্ষ / কাজ ও শক্তি সঠিক উত্তর: B) জুল ও ডাইন (এখানে মূল প্রশ্নে দেওয়া উত্তরটি আংশিক সঠিক হলেও বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকে ত্রুটিপূর্ণ। কাজের এসআই একক জুল এবং সিজিএস একক আর্গ বা বলের সিজিএস একক ডাইন। তাই প্রশ্নকর্তার দেওয়া অপশনগুলোর মধ্যে এই সমন্বয়টিই সবচেয়ে কাছাকাছি ধরা হয়েছে, তবে নিখুঁত বৈজ্ঞানিক বিচারে কাজের একক জুল ও বলের একক নিউটন হওয়া উচিত।) ১. কেন সঠিক: - বলের সিজিএস একক হলো ডাইন এবং কাজের এসআই একক হলো জুল। - কাজের পরিমাণ হলো বল এবং স্মরণের গুণফল, যা শক্তি হিসেবে পরিমাপ করা হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: কোনো বস্তুর ওপর বল প্রয়োগ করলে যদি বলের দিকে বস্তুর সরণ ঘটে, তবে কাজ সম্পন্ন হয়। - সূত্র বা তত্ত্ব: কাজের সূত্র হলো ডব্লিউ সমান এফ গুণ এস, যেখানে ডব্লিউ হলো কাজ, এফ হলো বল এবং এস হলো সরণ। - কার্যপ্রণালি: নির্দিষ্ট ভরের বস্তুর ওপর বল প্রয়োগ করে নির্দিষ্ট দূরত্ব অতিক্রম করালে কাজের সৃষ্টি হয়। - বাস্তব প্রয়োগ: মাটি থেকে একটি বই উঠাতে বল প্রয়োগ করতে হয় এবং তা কিছুটা উপরে ওঠে, যা কাজের বাস্তব উদাহরণ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মেঝেতে রাখা একটি বাক্স ঠেলে নির্দিষ্ট দূরে সরানো। ব্যাখ্যা: এখানে বাক্সটির ওপর বল প্রয়োগ করা হয়েছে এবং বলের দিকে সরণ ঘটেছে, ফলে কাজ সম্পন্ন হয়েছে। উদাহরণ ২: একটি ভারী পাথরের টুকরো হাত দিয়ে ওপরের দিকে তোলা। ব্যাখ্যা: মধ্যাকর্ষণ বলের বিরুদ্ধে কাজ করে পাথরটিকে নির্দিষ্ট উচ্চতায় তোলা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিউটন ও মিটার — নিউটন হলো বলের একক এবং মিটার হলো দূরত্বের একক, যা কাজের একক নয়। B) জুল ও ডাইন — প্রদত্ত উত্তর হিসেবে এটি নির্ধারিত হলেও এখানে কাজের একক এসআই পদ্ধতিতে এবং বলের একক সিজিএস পদ্ধতিতে মিশ্রিত আছে। C) ওয়াট ও পাউন্ড — ওয়াট হলো ক্ষমতার একক এবং পাউন্ড হলো ভরের একক, যা কাজ বা বলের একক নয়। D) প্যাসকেল ও কিলোগ্রাম — প্যাসকেল হলো চাপের একক এবং কিলোগ্রাম হলো ভরের একক। ৫ মনে রাখার টিপস: কাজ মানেই শক্তির ব্যবহার যার একক জুল এবং বলের ছোট একক হলো ডাইন। এসআই পদ্ধতিতে বলের একক নিউটন এবং কাজের একক জুল মনে রাখা সবচেয়ে নিরাপদ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কাজের একক জুল এবং বলের একক নিউটন—এই এসআই একক যুগল সবচেয়ে বেশি পরীক্ষায় আসে। একক সংক্রান্ত প্রশ্নগুলোতে সবসময় খেয়াল রাখতে হবে এককগুলো একই পদ্ধতি অর্থাৎ এসআই বা সিজিএস পদ্ধতিতে আছে কি না।
a মেঘের অসংখ্য জলকনা /বরফকনার মধ্যে চার্জ সঞ্চিত হলে
b দুই খণ্ড মেঘ পরস্পর সংঘর্ষ হলে
c মেঘের মধে বিদ্যুৎ কোষ তৈরি হলে
d মেঘ বিদ্যুৎ পরিবাহী অবস্থায় এলে
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মেঘের অসংখ্য জলকনা /বরফকনার মধ্যে চার্জ সঞ্চিত হলে ১. কেন সঠিক: - আকাশে বিদ্যুৎ চমকানোর মূল কারণ হলো মেঘের অভ্যন্তরে অসংখ্য জলকণা ও বরফকনার পারস্পরিক ঘর্ষণের ফলে স্থির তড়িৎ বা চার্জের সঞ্চয়ন ঘটে। - মেঘের ভেতরে হালকা বরফকণা উপরে উঠে ধনাত্মক চার্জ এবং ভারী জলকণা নিচে জমে ঋণাত্মক চার্জ তৈরি করে, যার ফলে বিশাল বৈদ্যুতিক বিভব পার্থক্য সৃষ্টি হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: স্থির তড়িৎ এবং বৈদ্যুতিক আধান বা চার্জের পারস্পরিক আকর্ষণ ও বিকর্ষণ প্রক্রিয়ায় বিদ্যুৎ চমকায়। - কার্যপ্রণালি: মেঘের কণাগুলোর ঘর্ষণে যখন চার্জের পরিমাণ অতিরিক্ত বৃদ্ধি পায়, তখন দুই বিপরীত চার্জযুক্ত মেঘের মাঝে বা মেঘ ও মাটির মাঝে তীব্র বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র তৈরি হয়। - কারণ ও ফলাফল: এই প্রবল বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র বাতাসের অন্তরক বাধাকে ভেঙে ফেলে এবং প্রচণ্ড আলোর ঝলকানি ও শব্দের সৃষ্টি করে, যাকে আমরা বজ্রপাত ও বিদ্যুৎ চমকানো বলি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শীতকালে কম্বলের নিচে ঘর্ষণের ফলে ছোট স্ফুলঙ্গ বা শব্দ হওয়া। ব্যাখ্যা: এটি স্থির তড়িতের সাধারণ উদাহরণ, যা মেঘের ভেতর চার্জ জমার প্রক্রিয়াকে বোঝায়। উদাহরণ ২: প্লাস্টিকের চিরুনি দিয়ে শুকনো চুল আঁচড়ে কাগজের টুকরো আকর্ষণ করা। ব্যাখ্যা: ঘর্ষণের মাধ্যমে আধান বা চার্জ সৃষ্টির এই বৈজ্ঞানিক সত্য মেঘের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মেঘের অসংখ্য জলকনা /বরফকনার মধ্যে চার্জ সঞ্চিত হলে — এটি সঠিক কারণ মেঘের কণার ঘর্ষণে স্থির তড়িৎ সঞ্চিত হয় এবং বিদ্যুৎ চমকায়। B) দুই খণ্ড মেঘ পরস্পর সংঘর্ষ হলে — মেঘের মধ্যে সরাসরি যান্ত্রিক সংঘর্ষ ঘটে না, বরং বাতাস ও বরফকনার ঘর্ষণে চার্জ তৈরি হয়। C) মেঘের মধে বিদ্যুৎ কোষ তৈরি হলে — মেঘের ভেতরে কোনো রাসায়নিক বা কৃত্রিম বিদ্যুৎ কোষ বা ব্যাটারি তৈরি হয় না। D) মেঘ বিদ্যুৎ পরিবাহী অবস্থায় এলে — বাতাস সাধারণত বিদ্যুৎ পরিবাহী নয়, অতিরিক্ত চার্জের কারণে এটি সাময়িকভাবে পরিবাহী হয়ে ওঠে। ৫. মনে রাখার টিপস: - মেঘ মানেই জলকণা ও বরফকণা, আর এদের ঘর্ষণ মানেই চার্জ বা স্থির তড়িৎ। - মনে রাখবে, মেঘের উপরে ধনাত্মক এবং নিচে ঋণাত্মক চার্জ জমে বিদ্যুৎ চমকায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি পরিবেশবিজ্ঞান এবং পদার্থবিজ্ঞানের স্থির তড়িৎ অংশ থেকে প্রায়ই আসে। - বজ্রপাতের সময় বিদ্যুৎতের ভোল্টেজ কোটি কোটি ভোল্ট হতে পারে এবং এর তাপমাত্রা সূর্যের উপরিভাগের চেয়েও বেশি হয়।
a হিলিয়াম
b নিয়ন
c আর্গন
d জেনন
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) হিলিয়াম ১. কেন সঠিক: হিলিয়াম পরমাণুর ইলেকট্রন বিন্যাস বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় এর মোট ইলেকট্রন সংখ্যা দুই এবং এর একমাত্র কক্ষপথ বা শক্তিস্তর হলো প্রথম কক্ষপথ বা কে শেল। এই প্রথম কক্ষপথে সর্বোচ্চ ধারণক্ষমতা মাত্র দুটি ইলেকট্রন, তাই হিলিয়াম দুটি ইলেকট্রন দ্বারাই এর শেল পূর্ণ করে অত্যন্ত স্থিতিশীল বা নিষ্ক্রিয় গ্যাসে পরিণত হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: নিষ্ক্রিয় গ্যাসগুলোর পরমাণুর সর্বশেষ শক্তিস্তর সম্পূর্ণ থাকে বলে এরা সাধারণত রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে না এবং এদের যোজনী শূন্য হয়। কার্যপ্রণালি: পর্যায় সারণির আঠারো নম্বর গ্রুপের মৌলগুলো নিষ্ক্রিয় গ্যাস নামে পরিচিত এবং হিলিয়াম ব্যতীত এই গ্রুপের বাকি সব মৌলের সর্বশেষ শক্তিস্তরে আটটি করে ইলেকট্রন থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বেলুনে ওড়ার কাজে হালকা গ্যাস হিসেবে হিলিয়াম ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: এর পরমাণুতে মাত্র দুটি ইলেকট্রন থাকা সত্ত্বেও এটি অত্যন্ত হালকা ও নিষ্ক্রিয় হওয়ায় আগুন ধরে যাওয়ার কোনো ঝুঁকি থাকে না। উদাহরণ ২: সাধারণ বৈদ্যুতিক বাল্বের ভেতরে আর্গন গ্যাস ভরা থাকে। ব্যাখ্যা: আর্গন গ্যাসের সর্বশেষ শক্তিস্তরে আটটি ইলেকট্রন থাকে এবং এটি নিষ্ক্রিয় বলে বাল্বের ভেতরের টাংস্টেন তার পুড়ে যাওয়া থেকে রক্ষা পায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হিলিয়াম — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর সর্বশেষ ও একমাত্র শক্তিস্তরে আটটি নয়, বরং মাত্র দুটি ইলেকট্রন থাকে। B) নিয়ন — এটি ভুল কারণ নিয়ন একটি নিষ্ক্রিয় গ্যাস এবং এর সর্বশেষ শক্তিস্তরে নিয়ম অনুযায়ী আটটি ইলেকট্রন থাকে। C) আর্গন — এটি ভুল কারণ আর্গন একটি নিষ্ক্রিয় গ্যাস যার সর্বশেষ শক্তিস্তরে অষ্টক পূর্ণ অর্থাৎ আটটি ইলেকট্রন বিদ্যমান। D) জেনন — এটি ভুল কারণ জেনন ভারী নিষ্ক্রিয় গ্যাসগুলোর একটি এবং এর যোজনী স্তরে আটটি ইলেকট্রন থাকে। ৫. মনে রাখার টিপস: নিষ্ক্রিয় গ্যাসগুলোর মধ্যে কেবল হিলিয়ামের প্রথম শক্তিস্তরে দুটি ইলেকট্রন থাকে বাকি সবার শেষে আটটি ইলেকট্রন পূর্ণ থাকে। পর্যায় সারণির আঠারো নম্বর গ্রুপের প্রথম মৌল হিলিয়াম ডুপেট বা দ্বৈত নিয়ম মানে এবং অন্য সবাই অক্টেট বা অষ্টক নিয়ম মানে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: হিলিয়াম পরমাণুর পারমাণবিক সংখ্যা দুই এবং এর ভরসংখ্যা চার যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। নিষ্ক্রিয় গ্যাসগুলোকে শূন্য গ্রুপের মৌল বা নোবেল গ্যাসও বলা হয় এবং এরা সাধারণ তাপমাত্রায় গ্যাসীয় অবস্থায় থাকে।
a রেশমের চাষ
b মৎস্য চাষ
c মৌমাছির চাষ
d পাখিপালন বিদ্যা
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মৌমাছির চাষ ১. কেন সঠিক: - 'এপিকালচার' হলো বৈজ্ঞানিকভাবে নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে মৌমাছি পালন এবং তাদের থেকে মধু ও মোম উৎপাদনের পদ্ধতি। - এই প্রক্রিয়ায় মৌচাক থেকে বাণিজ্যিক ও ঔষধি উদ্দেশ্যে মধু সংগ্রহ করা হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: বিভিন্ন প্রজাতির মৌমাছি যেমন এপিস ইন্ডিকা বা এপিস মেলিফেরা লালন-পালন ও ব্যবস্থাপনা হলো এপিকালচার। - কার্যপ্রণালি: নির্দিষ্ট বাক্সে রানি মৌমাছি ও শ্রমিক মৌমাছি রেখে কৃত্রিম উপায়ে মৌচাক তৈরি করা হয় এবং ফুল থেকে রস সংগ্রহে সহায়তা করা হয়। - বাস্তব প্রয়োগ: কৃষি ক্ষেত্রে ফসলের পরাগায়ন বৃদ্ধি এবং বাণিজ্যিক মধু উৎপাদনে এপিকালচার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আম বা সরিষা ক্ষেতের পাশে মৌবাক্স স্থাপন করা। ব্যাখ্যা: এতে মৌমাছিরা ফুলের পরাগায়ন ঘটিয়ে ফসলের ফলন বৃদ্ধি করে এবং প্রচুর পরিমাণে মধু সংগ্রহ করে। উদাহরণ ২: বাণিজ্যিক মৌমাছি খামার স্থাপন। ব্যাখ্যা: এখান থেকে উৎপাদিত মধু ও মোম খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ ও প্রসাধন শিল্পে কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রেশমের চাষ — রেশমের চাষকে বলা হয় সেরিকালচার, যা বম্বিক্স মরি মথ পালনের সঙ্গে সম্পর্কিত। B) মৎস্য চাষ — মৎস্য চাষকে বলা হয় পিসিকালচার, যা মাছের কৃত্রিম প্রজনন ও ব্যবস্থাপনার সঙ্গে যুক্ত। C) মৌমাছির চাষ — এটি সঠিক উত্তর এবং একে এপিকালচার বলা হয়। D) পাখিপালন বিদ্যা — পাখি পালন বা বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে পাখি পালনকে অর্নিথোলজি বা অ্যাভিকালচার বলা হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - এপিস মানে মৌমাছি, তাই মৌমাছির চাষকে এপিকালচার বলা হয়। - সেরিকালচার মানে রেশম এবং পিসিকালচার মানে মাছ, এই তিনটি নাম একসঙ্গে মনে রাখলে পরীক্ষায় কনফিউশন হবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভিন্ন চাষাবাদের বৈজ্ঞানিক নাম প্রায়ই আসে। - হর্টিকালচার হলো উদ্যানতত্ত্ব বা ফলমূল ও সবজির চাষ, যা এই ধরনের প্রশ্নের সঙ্গে মিলিয়ে পড়তে হয়।
a স্টিফেন হকিং
b জি লেমেটার
c আব্দুস সালাম
d এডুইন হাবল
0 96 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) স্টিফেন হকিং ১. কেন সঠিক: বিগ ব্যাং বা মহাবিস্ফোরণ তত্ত্বের মূল ধারণাটি প্রথম দিকে দেওয়া হলেও, এর আধুনিক গাণিতিক ব্যাখ্যা এবং কৃষ্ণগহ্বর বা ব্ল্যাকহোলের সঙ্গে এর সম্পর্ক যুক্ত করে আধুনিক জ্যোতির্বিজ্ঞানে একে সুদৃঢ় করেছেন বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং। তাঁর বিশ্বখ্যাত গ্রন্থ এ ব্রিফ হিস্ট্রি অব টাইম এবং কোয়ান্টাম মহাকর্ষের ধারণার মাধ্যমে মহাবিশ্বের শুরু ও প্রসারণের আধুনিক রূপটি স্পষ্ট হয়েছে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: বিগ ব্যাং তত্ত্ব হলো এমন একটি বৈজ্ঞানিক মডেল যা বলে মহাবিশ্ব আজ থেকে প্রায় এক হাজার তিনশ কোটি বছর পূর্বে একটি অত্যন্ত ঘন ও উত্তপ্ত বিন্দু থেকে প্রসারিত হতে শুরু করেছে। কার্যপ্রণালি: এই তত্ত্বে স্থান ও কালের উৎপত্তি এবং মহাবিশ্বের ধারাবাহিক প্রসারণের বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়া কোয়ান্টাম বলবিদ্যা ও আপেক্ষিকতার সাধারণ সূত্রের সাহায্যে ব্যাখ্যা করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: একটি ফোলানো বেলুনের গায়ে কিছু বিন্দু এঁকে বেলুনটি ফোলালে বিন্দুগুলো যেমন দূরে সরে যায়, তেমনি আমাদের মহাবিশ্বের গ্যালাক্সিগুলোও পরস্পরের থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। ব্যাখ্যা: এটি বিগ ব্যাং তত্ত্বের পরে মহাবিশ্বের প্রসারণশীল রূপটিকে খুব সহজে ফুটিয়ে তোলে। উদাহরণ ২: একটি বোমার বিস্ফোরণ ঘটার পর কণাগুলো যেমন চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে, তেমনি আদি মহাবিস্ফোরণের পরেও শক্তির কণাগুলো ছড়িয়ে পড়েছিল। ব্যাখ্যা: এই ঘটনাটি থেকে বোঝা যায় কীভাবে একটি ঘনীভূত বিন্দু থেকে আজকের এই বিশাল মহাবিশ্ব সৃষ্টি হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্টিফেন হকিং — ইনি আধুনিক জ্যোতির্বিজ্ঞানে বিগ ব্যাং তত্ত্বের আধুনিক ব্যাখ্যা, কোয়ান্টাম মহাকর্ষ এবং ব্ল্যাকহোলের হকিং রেডিয়েশন নিয়ে কাজ করে একে আধুনিক রূপ দিয়েছেন। B) জি লেমেটার — ইনি হলেন সেই বেলজিয়ান জ্যোতির্বিদ যিনি প্রথম ১৯২৭ সালে মহাবিশ্বের প্রসারণের ধারণা এবং বিগ ব্যাং তত্ত্বের প্রাথমিক রূপ বা প্রাইমেডিয়াল অ্যাটম প্রস্তাব করেছিলেন। C) আব্দুস সালাম — ইনি একজন প্রখ্যাত পাকিস্তানি তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী যিনি দুর্বল নিউক্লীয় বল ও তড়িৎ চৌম্বকীয় বলের একত্রীকরণ বা ইলেকট্রোয়াক তত্ত্বের জন্য নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন। D) এডুইন হাবল — ইনি একজন আমেরিকান জ্যোতির্বিদ যিনি ১৯২৯ সালে পরীক্ষা করে প্রমাণ করেছিলেন যে দূরের গ্যালাক্সিগুলো আমাদের থেকে দূরে সরে যাচ্ছে এবং এর নাম হাবলের সূত্র। ৫. মনে রাখার টিপস: মহাবিশ্বের আধুনিক রহস্য এবং বিগ ব্যাং তত্ত্বের আধুনিক ব্যাখ্যার কথা এলেই অধ্যাপক স্টিফেন হকিং এর নাম সবার আগে মনে রাখতে হবে। লেমেটার দিয়েছেন প্রথম ধারণা, আর হকিং দিয়েছেন তার আধুনিক ও আকর্ষণীয় বৈজ্ঞানিক রূপ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মহাবিশ্বের প্রসারণের প্রমাণ প্রথম দিয়েছিলেন এডুইন হাবল এবং এর সূচনা তত্ত্ব দিয়েছিলেন জর্জ লেমেটার। বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিগ ব্যাং তত্ত্বের প্রবক্তা হিসেবে জর্জ লেমেটার এবং আধুনিক ব্যাখ্যাকারী হিসেবে স্টিফেন হকিং উভয় প্রশ্নই বারবার আসে।
a ২৫ জোড়া
b ২৪ জোড়া
c ২৩ জোড়া
d ২০ জোড়া
0 93 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৩ জোড়া ১. কেন সঠিক: মানবদেহের কোষে সাধারণ অবস্থায় ২৩ জোড়া বা মোট ছেচল্লিশটি ক্রোমোজোম থাকে। পিতা ও মাতা থেকে প্রাপ্ত সেক্স ক্রোমোজোমসহ এই বিন্যাস মানব প্রজাতির বৈশিষ্ট্য নির্ধারণ করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: ক্রোমোজোম হলো কোষের নিউক্লিয়াসে অবস্থিত ডিএনএ এবং প্রোটিন দ্বারা গঠিত বংশগতির ধারক। কার্যপ্রণালি: এর মধ্যে বাইশ জোড়া অটোসোম শারীরিক বৈশিষ্ট্য এবং এক জোড়া সেক্স ক্রোমোজোম লিঙ্গ নির্ধারণ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মানুষের ক্ষেত্রে বাহ্যিক বৈশিষ্ট্য যেমন চোখের রঙ বা উচ্চতা নির্ধারিত হয় অটোসোমের মাধ্যমে। ব্যাখ্যা: এই তেইশ জোড়ার সঠিক বিন্যাস মানব দেহের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও শারীরিক গঠন নিশ্চিত করে। উদাহরণ ২: পুরুষের ক্ষেত্রে এক জোড়া সেক্স ক্রোমোজোম এক্স ও ওয়াই এবং নারীর ক্ষেত্রে দুটি এক্স হয়। ব্যাখ্যা: এই ক্রোমোজোমের সুনির্দিষ্ট মিলনের মাধ্যমেই নবজাতকের লিঙ্গ নির্ধারিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৫ জোড়া — মানবদেহের স্বাভাবিক ক্রোমোজোম সংখ্যা এটি নয় কারণ এটি ভুল পরিসংখ্যান। B) ২৪ জোড়া — শিম্পাঞ্জি বা অন্য কোনো প্রাণীর ক্রোমোজোম সংখ্যা হতে পারে মানুষের নয়। C) ২৩ জোড়া — এটি মানবদেহের স্বাভাবিক ও সঠিক ক্রোমোজোম সংখ্যার নির্ধারিত মান। D) ২০ জোড়া — এটি মানবদেহের জন্য সম্পূর্ণ অসত্য এবং বৈজ্ঞানিকভাবে ভুল একটি সংখ্যা। ৫ মনে রাখার টিপস: মানুষের জোড়ায় সংখ্যা মনে রাখতে চব্বিশের ঠিক আগের সংখ্যা অর্থাৎ তেইশ মনে রাখা যায়। টোটাল সংখ্যা ছেচল্লিশ এবং জোড়ার হিসেবে তার অর্ধেক অর্থাৎ তেইশ জোড়া ক্রোমোজোম থাকে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মানবদেহের মোট ক্রোমোজোমের সংখ্যা ছেচল্লিশটি এবং সেক্স ক্রোমোজোমের সংখ্যা মাত্র এক জোড়া। পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে মানবদেহের অটোসোম কয়টি যার উত্তর হলো বাইশ জোড়া বা চুয়াল্লিশটি।
a ক্রোনোমিটার
b কম্পাস
c সিসমোগ্রাফ
d সেক্সট্যান্ট
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সেক্সট্যান্ট ১. কেন সঠিক: - সমুদ্রে বা আকাশে জাহাজের অবস্থান নিশ্চিত করতে সেক্সট্যান্ট যন্ত্র ব্যবহার করে কোনো নক্ষত্র বা সূর্যের উচ্চতা মাপা হয়। - এর মাধ্যমে অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশ সঠিকভাবে নির্ণয় করা সম্ভব হয়, যা সমুদ্রযাত্রায় দিক ঠিক রাখতে সাহায্য করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: সেক্সট্যান্ট হলো একটি দ্বৈত প্রতিফলন যন্ত্র যা দিগন্তের সাপেক্ষে কোনো খগােলকের কৌণিক দূরত্ব পরিমাপ করে। - কার্যপ্রণালি: এটি আয়না ও প্রিজমের সাহায্যে সূর্য বা তারার আলো প্রতিফলিত করে দিগন্তের সঙ্গে তার কোণ নির্ধারণ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গভীর সমুদ্রে জাহাজের ক্যাপ্টেন রাতের আকাশে ধ্রুবতারার উচ্চতা মেপে নিজের অবস্থান নিশ্চিত করেন। ব্যাখ্যা: এই কোণ হিসাব করে জাহাজের অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশ খুব সহজে বের করা যায়। উদাহরণ ২: প্রাচীন নাবিকরা দিনের বেলায় সূর্যের উন্নতি কোণ মেপে সেক্সট্যান্টের সাহায্যে নিজেদের গন্তব্য ঠিক করতেন। ব্যাখ্যা: এটি আধুনিক জিপিএস প্রযুক্তির আগের যুগে সমুদ্রের நடுখানে পথ হারানোর হাত থেকে রক্ষা করত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক্রোনোমিটার — এটি একটি অত্যন্ত নিখুঁত সময় পরিমাপক যন্ত্র যা দ্রাঘিমাংশ নির্ণয়ে সহায়ক হলেও সরাসরি কৌণিক দূরত্ব মাপে না। B) কম্পাস — এটি চৌম্বক উত্তর দিক নির্দেশ করে যা দিক নির্ণয়ে ব্যবহৃত হয় কিন্তু দ্রাঘিমাংশ মাপে না। C) সিসমোগ্রাফ — এটি ভূকম্পন বা ভূমিকম্পের তীব্রতা ও স্থায়িত্ব রেকর্ড করার জন্য ব্যবহৃত হয়। D) সেক্সট্যান্ট — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি খগােলকের উচ্চতা মেপে অবস্থান নির্ণয় করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - সমুদ্রের দূরত্ব বা কোণ মাপার জন্য এস অক্ষর দিয়ে শুরু সেক্সট্যান্ট মনে রাখবে। - সময় মাপার জন্য ক্রোনোমিটার এবং দিক মাপার জন্য কম্পাস ব্যবহার করা হয়, এই পার্থক্য মাথায় রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় যন্ত্র ও তার ব্যবহারের ওপর প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - ক্রোনোমিটার কে আবিষ্কার করেন এবং সেক্সট্যান্টের কার্যপদ্ধতি কী, তা ভালোভাবে পড়ে রাখবে।
a সূর্য ও চন্দ্রের পৃথিবীর সঙ্গে সমকোণে অবস্থান করে
b চন্দ্র পৃথিবীর সবচেয়ে কাছে অবস্থান করে
c পৃথিবী সূর্যের সবচেয়ে কাছে থাকে
d সূর্য, চন্দ্র ও পৃথিবী যথাক্রমে এক সরলরেখায় অবস্থান করে
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সূর্য, চন্দ্র ও পৃথিবী যথাক্রমে এক সরলরেখায় অবস্থান করে ১. কেন সঠিক: - সূর্য ও চন্দ্রের মিলিত মহাকর্ষীয় আকর্ষণের ফলে সমুদ্রের পানিতে প্রবল বা মুখ্য জোয়ারের সৃষ্টি হয়। - যখন এই দুটি জ্যোতিষ্ক পৃথিবীকে একদিকে টানে, তখন তাদের আকর্ষণ বল একত্রিত হয়ে জোয়ারের পানিকে সর্বোচ্চ পরিমাণে ফুটিয়ে তোলে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: জোয়ার-ভাটা মূলত চাঁদ ও সূর্যের আকর্ষণ বল এবং পৃথিবীর কেন্দ্রাতিগ বলের প্রভাবে সমুদ্রপৃষ্ঠের পানির নিয়মিত ওঠানামা। - কার্যপ্রণালি: অমাবস্যা বা পূর্ণিমার দিনে যখন সূর্য, পৃথিবী ও চাঁদ একই সরলরেখায় অবস্থান করে, তখন চন্দ্র ও সূর্যের সম্মিলিত আকর্ষণে প্রবল জোয়ার হয়। - কারণ ও ফলাফল: এই অবস্থাকে সিজিজি বা সংযোগ-যুতি বলা হয়, যেখানে আকর্ষণ বল সর্বাধিক হওয়ায় পানি উপকূলের দিকে প্রবল বেগে ধাবিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অমাবস্যার রাত ব্যাখ্যা: এই সময়ে সূর্য ও চাঁদ পৃথিবীর একই দিকে অবস্থান করায় উভয়ের আকর্ষণ বল একই দিকে কাজ করে এবং প্রবল জোয়ারের সৃষ্টি হয়। উদাহরণ ২: পূর্ণিমার রাত ব্যাখ্যা: এই সময়ে সূর্য ও চাঁদ পৃথিবীর দুই বিপরীত দিকে সরলরেখায় থাকে, তবুও তাদের আকর্ষণের মিলিত প্রভাবে প্রবল জোয়ার বা ভরা কোটাল দেখা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সূর্য ও চন্দ্রের পৃথিবীর সঙ্গে সমকোণে অবস্থান করে — এই অবস্থায় চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণ বল একে অপরের বিপরীত দিক থেকে কাজ করে, ফলে পানির আকর্ষণ কমে যায় এবং মৃদু বা মরা জোয়ারের সৃষ্টি হয়। B) চন্দ্র পৃথিবীর সবচেয়ে কাছে অবস্থান করে — চাঁদ কাছে থাকলে আকর্ষণ বেশি হয় ঠিকই, তবে প্রবল জোয়ারের জন্য সূর্য ও চন্দ্রের সরলরৈখিক অবস্থানের মিলিত প্রভাব অপরিহার্য। C) পৃথিবী সূর্যের সবচেয়ে কাছে থাকে — পৃথিবী সূর্যের সবচেয়ে কাছে থাকাকে অনুসুর বলে, যা বার্ষিক সৌর আকর্ষণের সঙ্গে সম্পর্কিত কিন্তু দৈনিক প্রবল জোয়ারের প্রধান কারণ নয়। D) সূর্য, চন্দ্র ও পৃথিবী যথাক্রমে এক সরলরেখায় অবস্থান করে — এই অপশনটি সঠিক কারণ এই অবস্থানেই উভয়ের আকর্ষণ একত্রে কাজ করে প্রবল জোয়ার উৎপন্ন করে। ৫ মনে রাখার টিপস: - সরলরেখা মানেই শক্তিশালী টান বা প্রবল জোয়ার, আর সমকোণ মানেই টানাটানিতে ভাগ বসা, অর্থাৎ দুর্বল জোয়ার। - অমাবস্যা ও পূর্ণিমার দিনে সরলরেখা তৈরি হয় বলে এই দিনে ভরা কোটাল বা প্রবল জোয়ারের দেখা মেলে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় মহাকর্ষ ও জ্যোতির্বিজ্ঞানের সাধারণ জ্ঞান অংশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - একই ধারণা থেকে মরা জোয়ার বা নবমী তিথিতে জোয়ারের অবস্থা সম্পর্কে প্রশ্ন আসতে পারে।
a অসম্পৃক্ত এলকোহল
b জৈব এসিড
c পলিমার
d এমিনো এসিড
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অসম্পৃক্ত এলকোহল ১. কেন সঠিক: কোলেস্টেরল হলো লিপিডের একটি বিশেষ শ্রেণি স্টেরয়েডের অন্তর্ভুক্ত এবং এর রাসায়নিক গঠনে একটি হাইড্রোক্সিল গ্রুপ যুক্ত থাকে। রাসায়নিক গঠনের দিক থেকে এটি অসম্পৃক্ত চক্রাকার অ্যালকোহল হিসেবে পরিচিত এবং এটি প্রাণিজ কোষে প্রাকৃতিকভাবে উৎপাদিত হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: কোলেস্টেরল এক ধরনের জটিল স্টেরয়েড যা লিপিড বা ফ্যাট জাতীয় পদার্থের অংশবিশেষ। কার্যপ্রণালি: যকৃতে কোলেস্টেরল সংশ্লেষিত হয় এবং এটি কোষের ঝিল্লি গঠনে ও হরমোন তৈরিতে সরাসরি অংশগ্রহণ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ডিমের কুসুম এবং মাখনে প্রচুর পরিমাণে কোলেস্টেরল থাকে। ব্যাখ্যা: এগুলো প্রাণিজ উৎস হওয়ায় আমাদের শরীরে প্রয়োজনীয় কোলেস্টেরল সরবরাহ করে। উদাহরণ ২: মানুষের রক্তনালীর প্রাচীরে কোলেস্টেরল জমা হতে পারে। ব্যাখ্যা: অতিরিক্ত কোলেস্টেরল রক্ত চলাচলে বাধা সৃষ্টি করে এবং হৃদরোগের ঝুঁকি বৃদ্ধি করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অসম্পৃক্ত এলকোহল — এটি কোলেস্টেরলের সঠিক রাসায়নিক শ্রেণি নির্দেশ করে কারণ এতে হাইড্রোক্সিল গ্রুপ ও অসম্পৃক্ত বন্ধন থাকে। B) জৈব এসিড — জৈব এসিড হলো এমন যৌগ যাতে কার্বক্সিল গ্রুপ থাকে, যা কোলেস্টেরলে থাকে না। C) পলিমার — পলিমার হলো অনেকগুলো অণু মিলে গঠিত বৃহৎ শিকল, কিন্তু কোলেস্টেরল একটি ছোট একক বা মনোমার জাতীয় অণু। D) এমিনো এসিড — এমিনো এসিড হলো প্রোটিনের একক যাতে অ্যামিন ও এসিড গ্রুপ থাকে, যা কোলেস্টেরলের সাথে সম্পর্কিত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: কোলেস্টেরলের নামের শেষে অল শব্দটি যুক্ত থাকে যা অ্যালকোহলের প্রতীক, তাই এটি এক ধরনের অ্যালকোহল। এটি লিপিড হলেও এর রাসায়নিক প্রকৃতি অ্যালকোহল শ্রেণীর সাথে মিলে যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কোলেস্টেরল মানুষের দেহে ভিটামিন ডি এবং হরমোন তৈরিতে সাহায্য করে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে যে কোলেস্টেরল কোন জাতীয় জৈব যৌগ।
a মাটির ক্ষয় রোধের জন্য
b মাটির অম্লতা বৃ্ধির জন্য
c মাতির অম্লতে হ্রাসের জন্য
d মাটির জৈব পদার্থ বৃধির জন্য
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মাতির অম্লতে হ্রাসের জন্য ১. কেন সঠিক: - মাটির অম্লতা বা pH এর মান কমে গেলে চুন প্রয়োগ করা হয় কারণ চুন একটি ক্ষারকীয় পদার্থ যা মাটির অতিরিক্ত অ্যাসিড প্রশমিত করে। - মাটির অম্লতা হ্রাসের মাধ্যমে ফসলের পুষ্টি উপাদান গ্রহণ করার ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় এবং উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধি নিশ্চিত হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: অম্ল, ক্ষার ও লবণ সংক্রান্ত রসায়নের neutralization বিক্রিয়া যেখানে ক্ষারক অম্লের সাথে বিক্রিয়া করে লবণ ও পানি উৎপন্ন করে। - কার্যপ্রণালি: কৃষি চুন বা ক্যালসিয়াম অক্সাইড মাটিতে যোগ করলে তা পানির সাথে বিক্রিয়া করে ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড উৎপন্ন করে এবং মাটির হাইড্রোজেন আয়নের মাত্রা কমায়। - কারণ ও ফলাফল: মাটির pH মান ৫.০ এর নিচে নেমে গেলে ফসফরাসসহ প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান অদ্রবণীয় হয়ে যায়, চুন প্রয়োগ করলে pH এর মান বৃদ্ধি পেয়ে ৬.০ থেকে ৭.০ এর মধ্যে আসে। - বাস্তব প্রয়োগ: অতিরিক্ত রাসায়নিক সার ব্যবহারের ফলে যেসব কৃষি জমির মাটি অম্লীয় হয়ে যায়, সেখানে চুন প্রয়োগ করে উর্বরতা রক্ষা করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চা বাগান ও আনারস চাষের জমি। ব্যাখ্যা: এই সমস্ত জমিতে অতিরিক্ত অম্লতা কমানোর জন্য চুন বা ডলোমাইট ব্যবহার করা হয় যাতে উদ্ভিদের মূলের ক্ষতি না হয়। উদাহরণ ২: অম্লীয় জলাশয়ে চুন প্রয়োগ। ব্যাখ্যা: অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে পুকুরের পানি অম্লীয় হয়ে গেলে মাছের খাদ্যগ্রহণ কমে যায়, তখন চুন প্রয়োগ করে পানির অম্লতা ও pH নিয়ন্ত্রণ করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাটির ক্ষয় রোধের জন্য — মাটির ক্ষয় মূলত পানি বা বাতাসের প্রবাহের কারণে হয়, যা রোধ করতে গাছ লাগানো বা ঢাল কমানো হয়, চুন কোনো ভূমিকা রাখে না। B) মাটির অম্লতা বৃ্ধির জন্য — চুন ব্যবহারের ফলে মাটির অম্লতা বৃদ্ধি পায় না বরং হ্রাস পায়, কারণ চুন নিজেই একটি ক্ষারকীয় পদার্থ। D) মাটির জৈব পদার্থ বৃধির জন্য — মাটির জৈব পদার্থ বৃদ্ধির জন্য কম্পোস্ট সার বা গোবর সার ব্যবহার করা হয়, খনিজ চুন জৈব পদার্থ সরবরাহ করে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - চুন হলো ক্ষারক এবং অম্ল হলো অ্যাসিড, তাই চুন দিলে মাটির অম্লতা কমে যায় এবং মাটি ক্ষারীয় বা নিরপেক্ষ হয়। - অম্লতা কমানো মানে pH এর মান বৃদ্ধি করা, যা উদ্ভিদের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - কৃষি জমিতে চুন হিসেবে প্রধানত ক্যালসিয়াম কার্বনেট বা ক্যালসিয়াম অক্সাইড ব্যবহার করা হয়। - এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় আসে যেখানে মাটির উর্বরতা ও pH এর সম্পর্ক জানতে চাওয়া হয়।
a ১০ থেকে ৪০০ নেমি
b ৪০০ থেকে ৭০০ নেমি
c ১০০ মাইচ্রোমিটার থেকে ১ মি.
d ১ মি এর ঊর্ধে
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪০০ থেকে ৭০০ নেমি ১. কেন সঠিক: - মানব চোখ দৃশ্যমান আলোর প্রতি সংবেদনশীল এবং এই আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য ৪০০ থেকে ৭০০ ন্যানোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত। - দৃশ্যমান আলোর এই সীমার ভেতরেই আলোর বিভিন্ন রঙের অনুভূতি আমাদের মস্তিষ্কে তৈরি হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: তড়িৎ চৌম্বকীয় বর্ণালীর যে অংশটুকু মানব চোখে উদ্দীপনা সৃষ্টি করে তাকে দৃশ্যমান আলো বলে। - কার্যপ্রণালি: আলোর এই তরঙ্গগুলো চোখে প্রবেশ করে রেটিনার রড ও কোণ কোষে আঘাত করে এবং মস্তিষ্কে সংকেত পাঠায়। - বাস্তব প্রয়োগ: রংধনু দেখা, রঙিন ফুল চেনা এবং আমাদের প্রাত্যহিক দৃষ্টিশক্তি এই তরঙ্গদৈর্ঘ্যের ওপর নির্ভরশীল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বেগুনি রং ব্যাখ্যা: দৃশ্যমান আলোর স্বল্পতম তরঙ্গদৈর্ঘ্য চারশ ন্যানোমিটারের কাছাকাছি এবং এটি বেগুনি রঙের আলো তৈরি করে। উদাহরণ ২: লাল রং ব্যাখ্যা: দৃশ্যমান আলোর দীর্ঘতম তরঙ্গদৈর্ঘ্য সাতশ ন্যানোমিটারের কাছাকাছি এবং এটি লাল রঙের আলো তৈরি করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০ থেকে ৪০০ নেমি — এই তরঙ্গদৈর্ঘ্য অতিবেগুনি রশ্মির অন্তর্গত যা মানব চোখে দেখা যায় না। B) ৪০০ থেকে ৭০০ নেমি — এটি দৃশ্যমান আলোর সঠিক পরিসীমা যা মানব চোখ দেখতে পায়। C) ১০০ মাইচ্রোমিটার থেকে ১ মি. — এই পরিসীমা অবলোহিত রশ্মি ও মাইক্রোওয়েভের অন্তর্ভুক্ত যা খালি চোখে দৃশ্যমান নয়। D) ১ মি এর ঊর্ধে — এটি রেডিও তরঙ্গের অংশ যা অনেক দীর্ঘ এবং মানব চোখ তা দেখতে অক্ষম। ৫ মনে রাখার টিপস: - দৃশ্যমান আলোর সীমা মনে রাখতে চারশ থেকে সাতশ ন্যানোমিটার সংখ্যা দুটি মনে রাখুন। - বেগুনি থেকে লাল রঙের বর্ণালী এই সীমার ভেতরে অবস্থান করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - দৃশ্যমান আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্যের একক ন্যানোমিটার হিসেবে পরীক্ষায় বেশি আসে। - এই একই ধারণা থেকে অবলোহিত বা অতিবেগুনি রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য সম্পর্কিত প্রশ্নও হতে পারে।
a পূর্ণঅভ্যন্তরীণপ্রতিফলনেরজন্য
b প্রতিসরনের জন্য
c প্রতিফলনের জন্য
d অপবর্তনের জন্য
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পূর্ণঅভ্যন্তরীণপ্রতিফলনেরজন্য ১. কেন সঠিক: হীরক বা হীরা উজ্জ্বল দেখানোর প্রধান কারণ হলো এর ভেতরে আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন। হীরকের সংকট কোণ অত্যন্ত ক্ষুদ্র হওয়ায় আলো এর ভেতরে প্রবেশ করলে বিভিন্ন তলে বারবার পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলিত হয়ে নির্দিষ্ট মুখ দিয়ে বেরিয়ে আসে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: আলো যখন ঘন মাধ্যম থেকে হালকা মাধ্যমে যাওয়ার সময় আপতন কোণ সংকট কোণের চেয়ে বেশি হয়, তখন আলো প্রতিসরিত না হয়ে সম্পূর্ণভাবে প্রথম মাধ্যমে ফিরে আসে। একে পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন বলে। কার্যপ্রণালি: হীরা অত্যন্ত ঘন পদার্থ হওয়ায় এর প্রতিসরাঙ্ক অনেক বেশি এবং সংকট কোণ প্রায় ২৪ ডিগ্রি। একবার আলো হীরার ভেতরে ঢুকলে তা সহজে বের হতে না পেরে বারবার প্রতিফলিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অপটিক্যাল ফাইবার ব্যাখ্যা: অপটিক্যাল ফাইবারে আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন ঘটিয়ে তথ্য দ্রুত এক স্থান থেকে অন্য স্থানে পাঠানো হয়। উদাহরণ ২: মরীচিকা সৃষ্টি ব্যাখ্যা: মরুভূমিতে বা পিচ ঢালা রাস্তায় আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের কারণে পানির আভাষ বা মরীচিকা দেখা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পূর্ণঅভ্যন্তরীণপ্রতিফলনেরজন্য — এটি সঠিক কারণ হীরার উচ্চ প্রতিসরাঙ্ক ও ক্ষুদ্র সংকট কোণের কারণে আলো বারবার প্রতিফলিত হয়ে উজ্জ্বলতা ছড়ায়। B) প্রতিসরনের জন্য — আলো এক মাধ্যম থেকে অন্য মাধ্যমে যাওয়ার সময় দিক পরিবর্তন করে, যা হীরার চকচকে ভাবের প্রধান কারণ নয়। C) প্রতিফলনের জন্য — সাধারণ প্রতিফলন হীরার ভেতরে আলো আটকে রেখে তাকে উজ্জ্বল করে তুলতে পারে না। D) অপবর্তনের জন্য — আলোর কোনো ধার ঘেঁষে বেঁকে যাওয়ার ঘটনা এখানে কাজ করে না। ৫. মনে রাখার টিপস: হীরা মানেই চমৎকার উজ্জ্বলতা, আর এই উজ্জ্বলতার চাবিকাঠি হলো পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন। সংকট কোণ ছোট থাকায় আলো বাইরে বের হতে না পেরে হীরার ভেতরেই বন্দি থেকে চকচক করতে থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: হীরকের সংকট কোণ প্রায় ২৪ ডিগ্রি এবং এর প্রতিসরাঙ্ক প্রায় ২.৪২। বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় হীরকের প্রতিসরাঙ্ক ও সংকট কোণ সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
a মেইল
b ইন্টারকম
c ইন্টারনেট
d টেলিকমিউনেশন
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ইন্টারনেট ১. কেন সঠিক: ইন্টারনেট হলো বিশ্বজুড়ে বিস্তৃত কম্পিউটার নেটওয়ার্কগুলোর একটি নেটওয়ার্ক, যা প্রোটোকল ব্যবহার করে সারা পৃথিবীর কম্পিউটারগুলোর মধ্যে ডেটা বা তথ্য আদান-প্রদান নিশ্চিত করে। এই বৈশ্বিক পরিকাঠামোর মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট কম্পিউটার অন্য যেকোনো কম্পিউটারের সঙ্গে যুক্ত হয়ে তথ্য পাঠাতে ও গ্রহণ করতে পারে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ইন্টারনেট হলো ইন্টারকানেক্টেড নেটওয়ার্কের সংক্ষিপ্ত রূপ, যা বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে থাকা কোটি কোটি ডিভাইসকে পরস্পরের সাথে যুক্ত করে। কার্যপদ্ধতি: প্যাকেট সুইচিং প্রযুক্তির মাধ্যমে এবং টিসিপি আইপি প্রোটোকল অনুসরণ করে ডেটা ছোট ছোট প্যাকেটে বিভক্ত হয়ে এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে স্থানান্তরিত হয়। বৈশিষ্ট্য: এটি সর্বজনীন, বিকেন্দ্রীভূত এবং রিয়েল-টাইম যোগাযোগ সমর্থনকারী একটি ডিজিটাল যোগাযোগ ব্যবস্থা। ব্যবহার: বিশ্বজুড়ে ফাইল শেয়ারিং, ই-মেইল আদান-প্রদান, ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব ব্রাউজিং এবং অনলাইন যোগাযোগের কাজে এটি ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশ থেকে আমেরিকার কোনো কম্পিউটারে ই-মেইল পাঠানো। ব্যাখ্যা: ইন্টারনেট প্রোটোকল ব্যবহার করে মহাসাগরের তলদেশের সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে এই তথ্য এক দেশ থেকে অন্য দেশের কম্পিউটারে পৌঁছে যায়। উদাহরণ ২: ঘরে বসে ল্যাপটপের মাধ্যমে ইউটিউব বা ফেসবুক ব্যবহার করা। ব্যাখ্যা: ইন্টারনেট সংযোগের মাধ্যমেই ক্লাউড সার্ভারে থাকা ভিডিও বা তথ্য ব্যবহারকারীর কম্পিউটারে প্রদর্শিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মেইল — এটি কেবল বার্তা বা ইলেকট্রনিক ডকুমেন্ট আদান-প্রদানের একটি মাধ্যম, যা ইন্টারনেটের ওপর ভিত্তি করে কাজ করে কিন্তু সামগ্রিক কম্পিউটার টু কম্পিউটার সংযোগ বোঝায় না। B) ইন্টারকম — এটি সাধারণত একটি নির্দিষ্ট ভবন বা প্রতিষ্ঠানের ভেতরের সীমিত পরিসরে যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত অ্যানালগ বা ডিজিটাল ইন্টারনাল কমিউনিকেশন সিস্টেম। D) টেলিকমিউনেশন — এটি সামগ্রিকভাবে যেকোনো দূরবর্তী যোগাযোগ ব্যবস্থাকে বোঝায়, যার মধ্যে টেলিফোন, রেডিও ও টেলিভিশন অন্তর্ভুক্ত, যা শুধুমাত্র কম্পিউটার টু কম্পিউটার ডেটা আদান-প্রদানের বিশেষ প্রযুক্তির নাম নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: বিশ্বের সব নেটওয়ার্কের মহা-নেটওয়ার্ক বা নেটওয়ার্কের নেটওয়ার্ক হলো ইন্টারনেট। মনে রাখবে, কম্পিউটারগুলোর আন্তঃসংযোগের বৈশ্বিক মাধ্যমই হলো ইন্টারনেট। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ইন্টারনেটের জনক ভিনসেন্ট সার্ফ এবং বব কান। পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে ইন্টারনেট প্রোটোকলের মূল ভিত্তি কোনটি, যার সঠিক উত্তর টিসিপি আইপি।

মোট প্রশ্ন (20)

a ব্যঞ্জনধ্বনি
b স্বরধ্বনি
c নিপাতনে সিদ্ধ
d বিসর্গ সন্ধি
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নিপাতনে সিদ্ধ ১. কেন সঠিক: সন্ধির সাধারণ নিয়ম বা সূত্র মেনে যে শব্দগুলো গঠিত হয় না, ব্যাকরণে সেগুলোকে নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি বলা হয়। এখানে সন্ধি-সাধিত শব্দ পরস্পর কথাটি একটি ব্যতিক্রমী বা বিশেষ ধরনের সন্ধিকে নির্দেশ করে, যা কোনো সাধারণ ব্যাকরণগত নিয়মের মধ্যে পড়ে না। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে সন্ধির নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম ও সূত্র রয়েছে যা স্বরসন্ধি, ব্যঞ্জনসন্ধি ও বিসর্গসন্ধির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়। কিন্তু কিছু শব্দ প্রচলিত নিয়মকে অনুসরণ না করে সরাসরি সাধিত হয়, সেগুলোকে নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি বলা হয়। এই শব্দগুলোর ক্ষেত্রে প্রচলিত সূত্র প্রয়োগ করা যায় না বলে এগুলো মুখস্থ রাখতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পরস্পর ব্যাখ্যা: এটি প্র + পরস্পর যোগে গঠিত একটি নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জনসন্ধির শব্দ, যা কোনো সাধারণ সূত্র মানে না। উদাহরণ ২: গোষ্পদ ব্যাখ্যা: এটি গো + পদ যোগে গঠিত একটি নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি, যেখানে নিয়মের বাইরে পরিবর্তন ঘটেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্যঞ্জনধ্বনি — ব্যঞ্জনধ্বনির সাধারণ নিয়মে এই শব্দ গঠিত হয়নি, তাই এটি সরাসরি এই অপশনের অন্তর্ভুক্ত নয়। B) স্বরধ্বনি — এটি স্বরসন্ধির কোনো সাধারণ নিয়মের আওতাধীন নয়, কারণ এর গঠন সম্পূর্ণ ব্যতিক্রমী। D) বিসর্গ সন্ধি — এটি বিসর্গ সন্ধির নির্দিষ্ট কোনো সূত্র মেনে সাধিত হয়নি, বরং এটি নিপাতনে সিদ্ধ হিসেবে স্বীকৃত। ৫. মনে রাখার টিপস: যেসব শব্দের ক্ষেত্রে কোনো সাধারণ সন্ধির নিয়ম বা সূত্র কাজ করে না এবং সরাসরি মুখস্থ রাখতে হয়, সেগুলোর ক্ষেত্রে সবসময় নিপাতনে সিদ্ধ উত্তর হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই ব্যতিক্রমী শব্দগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a ১৯৯৭
b ১৯৯৮
c ১৯৯৯
d ২০০০
0 104 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯৯৯ ১. কেন সঠিক: অধ্যাপক আহমদ শরীফ একজন প্রখ্যাত বাঙালি সাহিত্যিক, চিন্তাবিদ ও গবেষক যিনি ১৯৯৯ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি মৃত্যুবরণ করেন। তার সাহিত্যিক ও মননশীল অবদান বাংলা গবেষণার ইতিহাসে অবিস্মরণীয় হয়ে আছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: আহমদ শরীফ ১৯২১ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার সুচাইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের গবেষণার জন্য বিশেষভাবে সমাদৃত এবং তার সম্পাদিত পুথি সাহিত্য গবেষণার অনন্য দলিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মধ্যযুগের কাব্য ব্যাখ্যা: আহমদ শরীফ অনেক মধ্যযুগের কাব্যের নির্ভরযোগ্য প্রামাণ্য সংস্করণ প্রস্তুত করেছেন। উদাহরণ ২: স্বদেশ চিন্তা ব্যাখ্যা: তার রচিত মননশীল প্রবন্ধগ্রন্থ সমাজে মুক্তবুদ্ধি ও যুক্তিবাদী চিন্তা ছড়াতে সাহায্য করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৯৭ — এই সালে অধ্যাপক আহমদ শরীফ মৃত্যুবরণ করেননি কারণ তার প্রয়াণ সাল ১৯৯৯। B) ১৯৯৮ — এই সালটি তার মৃত্যুর সঠিক সন নয়, এটি ভুল তথ্য নির্দেশ করে। C) ১৯৯৯ — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি ১৯৯৯ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি মারা যান। D) ২০০০ — এই সালটি সঠিক নয় কারণ তিনি এর আগেই মৃত্যুবরণ করেন। ৫ মনে রাখার টিপস: আহমদ শরীফ মারা যান শেষ দশকের শেষ ভাগে অর্থাৎ ১৯৯৯ সালে। তার জন্মসাল ১৯২১ এবং মৃত্যুসাল ১৯৯৯, যা মনে রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য জরুরি। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিখ্যাত লেখক ও গবেষকদের জন্ম ও মৃত্যু সাল প্রায়ই আসে। সাহিত্যিকদের ক্ষেত্রে তাদের উল্লেখযোগ্য গবেষণা গ্রন্থ ও সম্পাদনা সম্পর্কেও প্রশ্ন থাকে।
a সঞ্চীব চৌধুরী
b বাপ্পা মজুমদার
c শাহ আবদুল করিম
d দাশরথি রায়
0 94 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শাহ আবদুল করিম ১. কেন সঠিক: - গাড়ি চলে না গানটির রচয়িতা হলেন বাউল সাধক শাহ আবদুল করিম। - এটি বাংলা লোকসংগীতের অন্যতম একটি জনপ্রিয় ও কালজয়ী গান। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শাহ আবদুল করিম সুনামগঞ্জ জেলার দিরাই উপজেলার उजानधल গ্রামের একজন প্রখ্যাত বাউল শিল্পী ও গীতিকার। - তাকে ভাটি অঞ্চলের বাউল সম্রাট বলা হয় এবং তিনি একুশে পদক লাভ করেছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বন্তির গান বা কেমনে ভুলিব আমি তারে ব্যাখ্যা: এটিও শাহ আবদুল করিমের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি লোকগান। উদাহরণ ২: আগে কি সুন্দর দিন কাটাইতাম ব্যাখ্যা: এই বিখ্যাত গানটিরও গীতিকার ও সুরকার শাহ আবদুল করিম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সঞ্চীব চৌধুরী - তিনি বাংলাদেশের প্রখ্যাত রক ব্যান্ড দল সমকালের ভোকাল ও গীতিকার ছিলেন, এই গানের সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই। B) বাপ্পা মজুমদার - তিনি একজন জনপ্রিয় বাংলাদেশি সুরকার, গায়ক ও সংগীত পরিচালক, এই গানের রচয়িতা তিনি নন। C) শাহ আবদুল করিম - এই অপশনটি সঠিক এবং গানটির গীতিকার হিসেবে তিনি সর্বজনস্বীকৃত। D) দাশরথি রায় - তিনি উনিশ শতকের একজন বিখ্যাত পাচালীকার ও কবি, এই আধুনিক বাউল গানের সঙ্গে তিনি সংশ্লিষ্ট নন। ৫. মনে রাখার টিপস: - গাড়ি চলে না গানটির সঙ্গে বাউল সম্রাট শাহ আবদুল করিমের নাম মনে রাখতে হবে। - ভাটি অঞ্চলের গান মানেই সাধারণত শাহ আবদুল করিমের লোকসংগীত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - শাহ আবদুল করিমের লেখা গানগুলো বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় প্রায়ই আসে। - তার উল্লেখযোগ্য গানের মধ্যে রয়েছে বন্তির গান, আগে কি সুন্দর দিন কাটাইতাম ও গাড়ি চলে না।
a ৬
b ২
c ৩
d ৪
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২ ১. কেন সঠিক: সাহিত্যে অলংকার প্রধানত দুই প্রকার, যথা শব্দালংকার ও অর্থালংকার। কাব্যের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করার জন্য শব্দ ও অর্থের চমৎকারিত্বকে অলংকার বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: কাব্যের বাহ্যিক রূপ প্রকাশে শব্দের ভূমিকা থাকলে তাকে শব্দালংকার এবং অর্থের গভীরতা প্রকাশ পেলে তাকে অর্থালংকার বলে। বাংলা কাব্যে শব্দ ও অর্থের এই দ্বৈত রূপের ওপর ভিত্তি করেই অলংকার শাস্ত্রের বিন্যাস করা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অনুপ্রাস ব্যাখ্যা: এটি একটি শব্দালংকার, কারণ একই ধ্বনি বারবার ব্যবহারের মাধ্যমে শব্দের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করা হয়। উদাহরণ ২: উপমা ব্যাখ্যা: এটি একটি অর্থালংকার, কারণ এখানে অর্থের তুলনার মাধ্যমে কাব্যের সৌন্দর্য প্রকাশ করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৬ — অলংকার সাধারণত ছয় প্রকার নয়, বরং প্রধান প্রকারভেদ হলো দুটি। B) ২ — এটি সঠিক উত্তর কারণ অলংকার প্রধানত শব্দালংকার ও অর্থালংকার এই দুই ভাগে বিভক্ত। C) ৩ — অলংকারকে তিন প্রকার হিসেবে প্রধান শ্রেণিবিন্যাসে ধরা হয় না। D) ৪ — এই সংখ্যাটি অলংকারের প্রধান প্রকারের সঙ্গে মেলে না। ৫. মনে রাখার টিপস: অলংকারের প্রকার মনে রাখার সহজ কৌশল হলো শব্দ ও অর্থ এই দুটি মূল উপাদানের কথা স্মরণ রাখা। শব্দালংকার মানে শব্দের খেল এবং অর্থালংকার মানে অর্থের খেল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অলংকারের প্রধান প্রকারভেদ প্রায়ই আসে। শব্দালংকার ও অর্থালংকারের সাব-ক্যাটাগরিগুলো যেমন অনুপ্রাস, যমক, উপমা ও রূপক ভালোভাবে পড়তে হবে।
a কবুতর
b কোকিল
c খরগােশ
d ময়ূর
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ময়ূর ১. কেন সঠিক: - শিখণ্ডী একটি তৎসম শব্দ যার অর্থ ময়ূর। - প্রাচীন ও মধ্যযুগের কাব্যে ময়ূর বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শব্দের উৎস ও শব্দের অর্থ বিষয়ক প্রশ্ন এটি। - সংস্কৃত ভাষা থেকে সরাসরি বাংলা ভাষায় আসা শব্দকে তৎসম শব্দ বলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শিখণ্ডী বাহন ব্যাখ্যা: মহাভারতে কার্তিক বা স্কন্দের বাহন হিসেবে ময়ূরকে বোঝাতে এই শব্দ ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: শিখণ্ডী নৃত্য ব্যাখ্যা: ময়ূরের নাচ বা নৃত্য বোঝাতে এই বিশেষ শব্দ প্রয়োগ করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কবুতর — কবুতর বোঝাতে পারাবত বা কপোত শব্দ ব্যবহার করা হয়, শিখণ্ডী নয়। B) কোকিল — কোকিল বোঝাতে পিক বা পরভৃত শব্দ ব্যবহার করা হয়, শিখণ্ডী নয়। C) খরগোশ — খরগোশ বোঝাতে শশক শব্দ ব্যবহার করা হয়, শিখণ্ডী নয়। D) ময়ূর — এটি সঠিক উত্তর কারণ শিখণ্ডী শব্দের অর্থ ময়ূর। ৫. মনে রাখার টিপস: - শিখণ্ডী শব্দের শেষে ময়ূর শব্দের কথা মনে রাখতে ময়ূর শব্দের সমার্থক হিসেবে এটি মুখস্থ রাখতে পারো। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য পাখির বিভিন্ন সংস্কৃত ও প্রমিত সমার্থক শব্দ একসাথে চর্চা করা ভালো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কঠিন ও প্রাচীন শব্দের অর্থ প্রায়ই আসে। - প্রমিত বাংলা শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ করতে এমন শব্দের উৎস ও অর্থ ভালোভাবে পড়তে হবে।
a নিশিথীনী
b নিশীথিনি
c নীশিথিনী
d নিশীথিনী
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নিশীথিনী ১. কেন সঠিক: নিশীথিনী শব্দের অর্থ মধ্যরাত্রি বা গভীর রাত। বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী নিশীথ শব্দের সঙ্গে ইন প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নিশীথিন গঠিত হয় এবং পরবর্তীতে স্ত্রীবাচক ঈ-কার যুক্ত হয়ে নিশীথিনী শব্দে পরিণত হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষায় তৎসম শব্দের বানান লেখার সময় ই-কার এবং ঈ-কারের সঠিক ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিশীথ শব্দের শেষে থ-এ দীর্ঘ ই-কার এবং থিনের পরেও দীর্ঘ ই-কার ব্যবহার করে এই বানানটি প্রমিতরূপে গঠিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিভাবরী ব্যাখ্যা: এটি নিশীথিনী শব্দের একটি সমার্থক শব্দ যার অর্থ রাত। উদাহরণ ২: যামিনী ব্যাখ্যা: এটিও রাত বা নিশীথিনী অর্থে ব্যবহৃত একটি বহুল প্রচলিত তৎসম শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিশিথীনী — এই বানানে নিশি অংশে শ-এ রস্ব ই-কার এবং থ-এ দীর্ঘ উ-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা ভুল। বানানটিতে থ-এ দীর্ঘ ই-কার এবং ন-এ দীর্ঘ ই-কার ব্যবহারের নিয়ম লঙ্ঘন করা হয়েছে। B) নিশীথিনি — এই বানানে নিশীথিন অংশের শেষ ন-এ রস্ব ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে। স্ত্রীবাচক রূপ দেওয়ার জন্য এখানে দীর্ঘ ই-কার ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক ছিল। C) নীশিথিনী — এই বানানে প্রথম বর্ণ ন-এ দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক নয়। নিশীথ শব্দের নি অংশে সবসময় রস্ব ই-কার ব্যবহার করতে হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: নিশীথ শব্দের বানান মনে রাখতে পারলে নিশীথিনী বানানটি সহজেই লেখা সম্ভব। মনে রাখতে হবে নিশীথ অংশের থ এবং শেষ ইন প্রত্যয়ের ন উভয় স্থানেই দীর্ঘ ই-কার বসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দীর্ঘ ই-কারযুক্ত প্রত্যয়যুক্ত বানান প্রায়ই পরীক্ষার্থীরে বিভ্রান্ত করে। এই ধরনের শব্দ অনুশীলনের সময় মূল শব্দ এবং প্রত্যয়ের গঠন একসঙ্গে খেয়াল রাখতে হবে।
a সাপ্তাহিক
b পাক্ষিক
c ষান্মাসিক
d ত্রৈমাসিক
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ত্রৈমাসিক ১. কেন সঠিক: Quarterly শব্দের বাংলা পারিভাষিক রূপ হলো ত্রৈমাসিক, যার অর্থ তিন মাস অন্তর অনুষ্ঠিত বা প্রকাশিত হয় যা। ইংরেজি Quarter শব্দের অর্থ এক চতুর্থাংশ বা চার ভাগের এক ভাগ, আর এক বছরে বারো মাস হওয়ায় বারো মাসের এক চতুর্থাংশ সমান তিন মাস হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ব্যাকরণের পারিভাষিক শব্দ অংশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। বিদেশি প্রশাসনিক, দাপ্তরিক ও সাহিত্যিক শব্দগুলোকে বাংলায় রূপান্তর করার সময় সময়ের পরিমাপ বোঝাতে এই শব্দগুলো ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশ ব্যাংকের ত্রৈমাসিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। ব্যাখ্যা: এখানে ত্রৈমাসিক শব্দটি প্রতি তিন মাস অন্তর প্রকাশিত হওয়ার অর্থ প্রকাশ করেছে। উদাহরণ ২: আমাদের বিদ্যালয়ে ত্রৈমাসিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে ত্রৈমাসিক শব্দটি বছরের চার ভাগের এক ভাগ সময় বা তিন মাস পর পর নেওয়া পরীক্ষাকে নির্দেশ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাপ্তাহিক — এই অপশনটি ভুল কারণ সাপ্তাহিক শব্দটি Weekly শব্দের বাংলা পারিভাষিক রূপ এবং এর অর্থ সাত দিন অন্তর। B) পাক্ষিক — এই অপশনটি ভুল কারণ পাক্ষিক শব্দটি Fortnightly শব্দের বাংলা পারিভাষিক রূপ এবং এর অর্থ পনেরো দিন অন্তর। C) ষান্মাসিক — এই অপশনটি ভুল কারণ ষান্মাসিক শব্দটি Half-yearly শব্দের বাংলা পারিভাষিক রূপ এবং এর অর্থ ছয় মাস অন্তর। D) ত্রৈমাসিক — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি Quarterly শব্দের সঠিক ও প্রমিত বাংলা পারিভাষিক রূপ। ৫. মনে রাখার টিপস: ইংরেজি Quarter শব্দের অর্থ চার ভাগের এক ভাগ মনে রাখলে বারো মাসের চার ভাগের এক ভাগ অর্থাৎ তিন মাস বা ত্রৈমাসিক সহজে মনে রাখা যায়। সময়ের পরিমাপবাচক পারিভাষিক শব্দগুলো একসাথে ছক আকারে পড়লে পরীক্ষার হলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সময়ভিত্তিক পারিভাষিক শব্দ যেমন সাপ্তাহিক, পাক্ষিক, মাসিক, ত্রৈমাসিক ও ষান্মাসিক প্রায়ই বারবার আসে। ইংরেজি শব্দের প্রথম অংশ বা মূল অর্থ বিশ্লেষণ করে বাংলা পারিভাষিক শব্দ নির্ধারণ করার দক্ষতা অর্জন করতে হবে।
a দিলারা হাশেম
b রাজিয়া খান
c রিজিয়া রহমান
d সেলিনা হােসেন
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রাজিয়া খান কেন সঠিক: - বটতলার উপন্যাস বাংলা সাহিত্যের একটি বিখ্যাত উপন্যাস যার রচয়িতা কথাসাহিত্যিক রাজিয়া খান। - উপন্যাসের নামকরণ এবং বিষয়বস্তুর দিক থেকে এটি লেখকের একটি অত্যন্ত উল্লেখযোগ্য সৃষ্টি। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা উপন্যাসে নারী লেখকদের অবদান বোঝাতে এই গ্রন্থটি বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। - রাজিয়া খানের সাহিত্যকর্মে সমাজবাস্তবতা এবং মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ ফুফুটে উঠেছে। - এই উপন্যাসের মাধ্যমে তিনি বাংলা কথাসাহিত্যে নিজস্ব একটি ধারা তৈরি করেছেন। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) দিলারা হাশেম — তিনি এই উপন্যাসের রচয়িতা নন, তার অন্যান্য বিখ্যাত উপন্যাস ঘর মন জানালা। - B) রাজিয়া খান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়, কারণ তিনি নিজেই এর লেখক। - C) রিজিয়া রহমান — তিনি বাংলা সাহিত্যের অন্য ধারার শক্তিশালী ঔপন্যাসিক, তার উল্লেখযোগ্য উপন্যাস রক্তে ভেজা মাটি। - D) সেলিনা হোসেন — তিনি সমসাময়িক হলেও এই নির্দিষ্ট উপন্যাসের লেখক নন, তার বিখ্যাত উপন্যাস যাপিত জীবন। মনে রাখার টিপস: - বটতলার উপন্যাস এবং লেখক রাজিয়া খানের নাম একসাথে মনে রাখতে নামের আদ্যক্ষর মিলিয়ে নিতে পারো।
a সঞ্চয়
b কবীন্দ্র পরমেশ্বর
c শ্রীকর নন্দী
d কাশীরাম দাস
0 91 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কবীন্দ্র পরমেশ্বর ১. কেন সঠিক: - কবীন্দ্র পরমেশ্বর বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্য ধারার একজন গুরুত্বপূর্ণ কবি এবং মহাভারতের প্রথম বাংলা অনুবাদক। - চট্টগ্রামের সুলতান পরাগল খানের নির্দেশে তিনি মহাভারত অনুবাদ করেন বলে এই অনুবাদকর্মটি পরাগলী মহাভারত নামে পরিচিত লাভ করে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কবীন্দ্র পরমেশ্বর ষোড়শ শতাব্দীর শুরুতে বাংলার সুলতানি আমলের রাজকীয় পৃষ্ঠপোষকতায় মহাভারতের অংশবিশেষ বাংলায় রূপান্তর করেন। - বাংলার মধ্যযুগে সুলতান ও স্থানীয় জমিদারদের পৃষ্ঠপোষকতা বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের প্রসারে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শ্রীকর নন্দী রচিত মহাভারত ব্যাখ্যা: কবীন্দ্র পরমেশ্বরের পর পরাগল খানের পুত্র ছুটি খানের নির্দেশে শ্রীকর নন্দী মহাভারতের অশ্বমেধ পর্ব অনুবাদ করেন, যা ছুটি খাঁটি মহাভারত নামে পরিচিত। উদাহরণ ২: কাশীরাম দাসের মহাভারত ব্যাখ্যা: সপ্তদশ শতাব্দীতে কাশীরাম দাস সম্পূর্ণ মহাভারত বাংলায় অনুবাদ করেন যা সর্বাধিক জনপ্রিয়তা লাভ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সঞ্চয় — এটি কোনো বিখ্যাত অনুবাদকের নাম নয় বরং এটি একটি সাধারণ শব্দ বা ভুল অপশন। B) কবীন্দ্র পরমেশ্বর — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) শ্রীকর নন্দী — তিনি পরাগলী মহাভারতের অনুবাদক নন, তিনি ছুটি খানের নির্দেশে মহাভারতের অন্য অংশ অনুবাদ করেছিলেন। D) কাশীরাম দাস — তিনি সপ্তদশ শতাব্দীর কবি এবং তাঁর মহাভারত সম্পূর্ণ আলাদা ও জনপ্রিয় অনুবাদকর্ম। ৫ মনে রাখার টিপস: - পরাগলী মহাভারত মানেই কবীন্দ্র পরমেশ্বর এবং ছুটি খানের মহাভারত মানেই শ্রীকর নন্দী। - পরাগল খান থেকে কবীন্দ্র পরমেশ্বর এবং ছুটি খান থেকে শ্রীকর নন্দী এভাবে জোড়ায় জোড়ায় মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্য এবং অনুবাদ সাহিত্য থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - পৃষ্ঠপোষকদের নাম এবং অনুবাদকদের নাম খুব ভালোভাবে মনে রাখা আবশ্যক।
a পৃথ্বী
b নীর
c ক্ষিতি
d অবনী
0 95 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নীর ১. কেন সঠিক: - প্রশ্নে জানতে চাওয়া হয়েছে কোনটি ‘অদিতি’ শব্দের সমার্থক শব্দ নয়। এখানে ‘নীর’ হলো সঠিক উত্তর কারণ এটি পানির সমার্থক শব্দ, অদিতির নয়। - ‘অদিতি’ শব্দের অর্থ আকাশ, পৃথিবী বা অনন্ত প্রকৃতি। হিন্দু পৌরাণিক মতে অদিতি দেবমাত্তা বা দেবতাদের মাতা। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি সমার্থক শব্দ বা প্রতিশব্দ সংক্রান্ত শব্দার্থের একটি প্রশ্ন। বাংলা ভাষায় একটি শব্দের একাধিক সমার্থক শব্দ থাকতে পারে যা ভাবের প্রকাশকে সমৃদ্ধ করে। - এই ধরনের শব্দ মনে রাখার জন্য শব্দের মূল উৎস এবং পৌরাণিক বা সাধারণ অর্থ ভালোভাবে বুঝতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পৃথিবী শব্দের সমার্থক শব্দ হলো অবনী, ক্ষিতি, ধরিত্রী। ব্যাখ্যা: এই শব্দগুলো মাটির বা পৃথিবীর বিভিন্ন প্রতিশব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: পানি শব্দের সমার্থক শব্দ হলো নীর, জল, উদক। ব্যাখ্যা: এই শব্দগুলো পানির সমার্থক যা অদিতির সমার্থক শব্দ থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পৃথ্বী — এটি পৃথিবীর সমার্থক শব্দ এবং পৌরাণিক মতে অদিতির অপর নাম পৃথ্বী। তাই এটি সঠিক উত্তরের অংশ নয়। B) নীর — এটি পানির সমার্থক শব্দ, অদিতির সমার্থক নয়। তাই এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। C) ক্ষিতি — এটি পৃথিবীর সমার্থক শব্দ এবং অদিতির আরেকটি প্রতিশব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তাই এটি ভুল। D) অবনী — এটি পৃথিবীর সমার্থক শব্দ এবং অদিতির সমার্থক হিসেবে পরিগণিত হয়। তাই এটি ভুল। ৫. মনে রাখার টিপস: - অদিতি মানে আকাশ বা পৃথিবী সংক্রান্ত দেবতা। তাই পৃথিবীবাচক শব্দ যেমন পৃথ্বী, ক্ষিতি, অবনী সবই এর সমার্থক। - নীর মানে পানি, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি শব্দ এবং এটি দেখলেই আলাদা করতে পারবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রতিশব্দ নির্ণয়ের সময় শব্দের উৎস এবং পৌরাণিক অর্থ জানা থাকলে উত্তর করা সহজ হয়। - পানি, আকাশ এবং পৃথিবীর সমার্থক শব্দগুলো আলাদা করে তালিকা তৈরি করে পড়লে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
a ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
b বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
c উইলিয়াম কেরী
d রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১. কেন সঠিক: বাংলা গদ্যে যতিচিহ্ন বা বিরামচিহ্নের সঠিক ব্যবহার এবং গদ্যের সুশৃঙ্খল ও মার্জিত রূপদানের জন্য ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে বাংলা গদ্যের জনক বলা হয়। তাঁর হাত ধরেই বাংলা গদ্য প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করে এবং গদ্যের ছন্দ ও গতিশীলতা বৃদ্ধি পায়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ঊনবিংশ শতাব্দীর একজন প্রখ্যাত বাঙালি সাহিত্যিক, শিক্ষাবিদ ও সমাজ সংস্কারক ছিলেন। তাঁর রচিত বর্ণপরিচয়, বেতাল পঞ্চবিংশতি এবং শকুন্তলা বাংলা গদ্যসাহিত্যের ইতিহাসে মাইলফলক হয়ে আছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বর্ণপরিচয় ব্যাখ্যা: এটি বিদ্যাসাগর মহাশয়ের রচিত একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় প্রাথমিক শিক্ষাগ্রন্থ যা বাংলা গদ্যের সহজপাঠ নিশ্চিত করে। উদাহরণ ২: বেতাল পঞ্চবিংশতি ব্যাখ্যা: এটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের অনূদিত একটি গদ্যগ্রন্থ যা বাংলা গদ্যের বিন্যাস ও কাঠামো শক্তিশালী করতে সাহায্য করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি বাংলা গদ্যে প্রথম পূর্ণাঙ্গ ব্যাকরণসম্মত ও শৈল্পিক রূপ দেন। B) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি বাংলা উপন্যাসের জনক, গদ্যের জনক নন। C) উইলিয়াম কেরী — তিনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের অধ্যাপক এবং গদ্যচর্চার সূচনাকারীদের একজন হলেও গদ্যের জনক নন। D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি আধুনিক বাংলা সাহিত্য ও কবিতার প্রধান পুরুষ, গদ্যের জনক নন। ৫ মনে রাখার টিপস: গদ্য লিখলেন যিনি, বিদ্যাসাগর নাম তাঁর ঠিকই জেনি। এই ছন্দের সাহায্যে মনে রাখতে পারো যে গদ্যের জনক বিদ্যাসাগর। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা উপন্যাসের জনক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এবং বাংলা নাটকের জনক মাইকেল মধুসূদন দত্ত। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই তিনটি নাম প্রায়ই গুলিয়ে যায়, তাই জনক নির্ধারণের সময় গদ্য, উপন্যাস ও নাটক আলাদা করে মনে রাখবে।
a আবদুল মান্নান সৈয়দ
b সৈয়দ আজিজুল হক
c আবু সয়ীদ আইয়ুব
d সৈয়দ শামসুল হক
0 93 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আবদুল মান্নান সৈয়দ কেন সঠিক: আবদুল মান্নান সৈয়দ তাঁর সাহিত্যকর্ম প্রকাশের জন্য অশােক সৈয়দ ছদ্মনামটি ব্যবহার করতেন। আধুনিক বাংলা সাহিত্য ও গবেষণায় তাঁর প্রকৃত নামের পাশাপাশি এই ছদ্মনামটিও বিশেষভাবে পরিচিত। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: লেখকরা তাঁদের লেখা প্রকাশের সময় অনেক সময় মূল নামের পরিবর্তে ছদ্মনাম ব্যবহার করে থাকেন। বাংলা সাহিত্য অঙ্গনে আবদুল মান্নান সৈয়দ একজন বিশিষ্ট কবি, প্রাবন্ধিক ও গবেষক হিসেবে খ্যাত। অশােক সৈয়দ নামে তিনি মূলত প্রাবন্ধিক ও সাহিত্য সমালোচক হিসেবে নানা লেখা প্রকাশ করেছেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আবদুল মান্নান সৈয়দ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই নামটির সাথেই প্রদত্ত ছদ্মনামটি সরাসরি যুক্ত। B) সৈয়দ আজিজুল হক — ইনি একজন ভিন্ন লেখক এবং তাঁর সাহিত্যিক পরিচিতি অন্য ধারার সাথে সম্পর্কিত। C) আবু সয়ীদ আইয়ুব — ইনি বিশিষ্ট সাহিত্য সমালোচক হলেও তাঁর প্রকৃত নাম এবং পরিচিতি সম্পূর্ণ আলাদা। D) সৈয়দ শামসুল হক — বাংলা সাহিত্যের এই বরেণ্য লেখকের ছদ্মনাম ছিল সৈয়দ মরতুজা কিংবা অন্য কিছু। মনে রাখার টিপস: আবদুল মান্নান সৈয়দের নামের সাথে অশােক সৈয়দ ছদ্মনামটি মনে রাখতে প্রথম অংশটি মাথায় রাখবে। সৈয়দ উপাধিটি উভয় নামের সাথে মিল থাকায় ছদ্মনামটি মনে রাখা আরও সহজ হয়।
a বহুব্রীহি
b কর্মধারয়
c সুপসুপা
d অব্যয়ীভাব
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অব্যয়ীভাব ১. কেন সঠিক: - অব্যয়ীভাব সমাসে অব্যয় পদের সঙ্গে বিশেষ্য পদের মিলন ঘটে এবং পূর্বপদের অব্যয়ের অর্থই প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয়। - 'আনত' শব্দটিতে 'আ' উপসর্গ বা অব্যয়টি ইষत् বা সামান্য অর্থে ব্যবহৃত হয়ে বিশেষ্য পদের পূর্বে বসে অব্যয়ীভাব সমাস গঠন করেছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - যে সমাসে পূর্বপদে অব্যয় বসে অব্যয়টি প্রধান হিসেবে অর্থ প্রকাশ করে এবং সমস্তপদটি অব্যয় পদরূপে গণ্য হয়, তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে। - 'আনত' শব্দের ব্যাসবাক্য হলো ঈষৎ নত, যেখানে 'আ' অব্যয়টি সংক্ষিপ্ততা বা সামান্য বোঝাতে যুক্ত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আজীবন ব্যাখ্যা: জীবন পর্যন্ত অর্থে 'আ' অব্যয় যোগে গঠিত অব্যয়ীভাব সমাস। উদাহরণ ২: উপকূল ব্যাখ্যা: কূলের সমীপে অর্থে 'উপ' অব্যয় যোগে গঠিত অব্যয়ীভাব সমাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বহুব্রীহি — এই সমাসে পদগুলোর নিজস্ব অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো পদকে বোঝায়, যা 'আনত' শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) কর্মধারয় — এই সমাসে সাধারণত বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে নতুন অর্থ প্রকাশ পায়, কিন্তু 'আনত' শব্দে অব্যয়ের প্রাধান্য রয়েছে। C) সুপসুপা — এটি সংস্কৃত ব্যাকরণের একটি বিশেষ সমাস যার অপর নাম আলুক বা নিত্য সমাস, যা বর্তমান আধুনিক বাংলা ব্যাকরণে প্রধান ধারার বাইরে। D) অব্যয়ীভাব — এটি সঠিক কারণ এটি অব্যয় পদ যোগে গঠিত সমাসের নিয়ম মেনে চলে। ৫ মনে রাখার টিপস: - উপসর্গ বা অব্যয় দিয়ে যদি কোনো শব্দের শুরু হয় এবং তা কোনো বিশেষ অবস্থা বা ভাব বোঝায়, তবে তা সাধারণত অব্যয়ীভাব সমাস হয়। - আনত শব্দের 'আ' মানে ঈষৎ বা সামান্য নত, এই সূত্রটি মনে রাখলে সহজে উত্তর করা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ঈষৎ বা সামান্য অর্থে 'আ' উপসর্গ যুক্ত অব্যয়ীভাব সমাস প্রায়ই আসে। - যেমন আক্তিম, আনত ইত্যাদি শব্দগুলো ভালোভাবে চর্চা করলে পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
a ফার্সি
b তুর্কি
c পর্তুগিজ
d আরবি
0 98 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) তুর্কি ১. কেন সঠিক: - উজবুক শব্দটি তুর্কি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে এবং এর অর্থ নির্বোধ বা মূর্খ। - বাংলা ভাষায় বিভিন্ন বিদেশি ভাষার শব্দ মিশে আছে যার মধ্যে তুর্কি শব্দ অন্যতম। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উৎসের দিক থেকে বাংলা ভাষার শব্দগুলোকে মূলত পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয় যেমন তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি শব্দ। - তুর্কি ভাষার শব্দগুলো প্রধানত প্রশাসনিক, সামরিক ও সামাজিক জীবনের বিভিন্ন বস্তু বা পরিচায়ক হিসেবে বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হয়ে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দারোগা ব্যাখ্যা: দারোগা একটি তুর্কি শব্দ যা বাংলা ভাষায় প্রশাসনিক অর্থে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: তোপ ব্যাখ্যা: তোপ শব্দটি তুর্কি ভাষা থেকে আগত একটি সামরিক পরিভাষামূলক শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফার্সি — ফার্সি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় খোদা, কাগজ, চশমা ইত্যাদি শব্দ এসেছে কিন্তু উজবুক আসেনি। B) তুর্কি — এই অপশনটি সঠিক কারণ উজবুক একটি তুর্কি ভাষার শব্দ। C) পর্তুগিজ — পর্তুগিজ ভাষা থেকে আনারস, চাবি, সাবান ইত্যাদি শব্দ এসেছে কিন্তু উজবুক আসেনি। D) আরবি — আরবি ভাষা থেকে আল্লাহ, ইসলাম, কলম ইত্যাদি শব্দ এসেছে কিন্তু উজবুক আরবি শব্দ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - তুর্কি শব্দ মনে রাখার একটি জনপ্রিয় ছন্দ হলো উজবুক দারোগা বাবু তোপ দাগলে বেগম সাহেবা কুলি ও চাকরকে নিয়ে চাকু হাতে পালিয়ে যান। - এই ছন্দের উজবুক শব্দটি তুর্কি শব্দ হিসেবে সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ বিশেষ করে তুর্কি, পর্তুগিজ ও ফার্সি শব্দের পার্থক্য প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। - শব্দের উৎস নির্ণয়ের জন্য প্রমিত ব্যাকরণ বইয়ের বিদেশি শব্দের তালিকা ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a আত্মজীবনী
b প্রণয়কাব্য
c নীতিকাব্য
d জঙ্গনামা
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নীতিকাব্য ১. কেন সঠিক: - আলাওলের 'তোহফা' কাব্যটি মূলত ধর্মীয় ও নৈতিক উপদেশের ওপর রচিত, তাই এটি নীতিকাব্য হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ। - ফার্সি ভাষার সুফি সাহিত্য ও নৈতিকতাভিত্তিক গ্রন্থ অবলম্বনে এই কাব্যটি রচিত হয়েছে যাতে শরিয়ত ও তরিকত সাধনার কথা বলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মধ্যযুগের রোমান্টিক ধারার অন্যতম প্রধান কবি সৈয়দ আলাওল আরাকান রাজসভার প্ররোচনায় এই গ্রন্থ রচনা করেন। - এই কাব্যে ইসলামের নানা বিধিবিধান, আচার-আচরণ এবং নৈতিক উপদেশ অত্যন্ত সুন্দরভাবে তুলে ধরা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আলাওলের পদ্মাবতী ব্যাখ্যা: এটি তার অন্যতম শ্রেষ্ঠ রোমান্টিক প্রণয়কাব্য যা মালিক মোহাম্মদ জায়সির পদুমাবত অবলম্বনে রচিত। উদাহরণ ২: মধ্যযুগের নীতিমূলক পদাবলি ব্যাখ্যা: মধ্যযুগের সাহিত্যে ধর্মীয় অনুশাসন ও নৈতিকতা প্রচারের জন্য বিভিন্ন নীতিকাব্য ও পদ রচিত হয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আত্মজীবনী — আলাওল কোনো আত্মজীবনী লেখেননি এবং তোহফা আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ নয়। B) প্রণয়কাব্য — তোহফায় কোনো প্রণয় বা প্রেমের কাহিনি নেই, এটি মূলত ধর্মীয় ও নৈতিক উপদেশের বই। D) জঙ্গনামা — জঙ্গনামা হলো যুদ্ধবিগ্রহ বা কারবালার বিষাদময় ঘটনা নিয়ে রচিত কাব্য, যা তোহফার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: আলাওলের নাম শুনলেই শুধু প্রণয়কাব্য মনে করা ঠিক নয়, কারণ তার 'তোহফা' একটি বিশুদ্ধ নীতিকাব্য। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মধ্যযুগের কবি আলাওল শুধু প্রণয়কাব্যই নয়, নীতি ও ধর্মীয় গ্রন্থও অনুবাদ বা রচনা করেছেন।
a মহাকাব্য
b সনেট
c পত্রকাব্য
d গীতিকাব্য
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পত্রকাব্য ১. কেন সঠিক: মাইকেল মধুসূদন দত্তের বীরাঙ্গনা কাব্য একটি পত্রকাব্য কারণ এটি পত্র বা চিঠির আকারে রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম ও একমাত্র পত্রকাব্য। পৌরাণিক কাহিনীর নারী চরিত্রগুলোর মনের গোপন কথা, অভিমান, প্রেম ও আক্ষেপ এতে চিঠির মাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১৮৬২ সালে বীরাঙ্গনা কাব্য রচনা করেন এবং ১৮৬৬ সালে এটি প্রকাশিত হয়। এটি অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত একাদশটি পত্রের সমন্বয়ে গঠিত একটি অনন্য কাব্যগ্রন্থ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মেঘনাদবধ কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য। উদাহরণ ২: চতুর্দশপদী কবিতাবলী ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচিত বাংলা সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতার সংকলন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মহাকাব্য — মেঘনাদবধ কাব্য মহাকাব্য হলেও বীরাঙ্গনা কাব্য মহাকাব্য নয় বরং পত্রকাব্য। B) সনেট — চতুর্দশপদী কবিতাবলী সনেট হলেও বীরাঙ্গনা কাব্য পত্রকাব্য হিসেবে বিশেষভাবে পরিচিত। C) পত্রকাব্য — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। D) গীতিকাব্য — বীরাঙ্গনা কাব্যে গীতিকবিতার সুর থাকলেও এটি মূলত পত্রাকারে রচিত কাব্য। ৫. মনে রাখার টিপস: বীরাঙ্গনা মানেই পত্রকাব্য, যেখানে পৌরাণিক নারীরা প্রিয়জনকে চিঠি লিখে মনের কথা জানিয়েছে। মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে পত্রকাব্যের প্রবর্তক হিসেবে বীরাঙ্গনা কাব্য রচনা করেছেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বীরাঙ্গনা কাব্যের মোট পত্রের সংখ্যা এগারোটি এবং এর উৎস ওভিডের হেরোইডেস কাব্য। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই এই কাব্যের ধরন ও রচয়িতা সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
a ইন্দিরা দেবী
b কাদম্বরী দেবী
c মৃণালিনী দেবী
d মৈত্রেয়ী দেবী
0 94 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ইন্দিরা দেবী ১. কেন সঠিক: - বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘ছিন্নপত্র’ বা ‘ছিন্নপত্রাবলী’ গ্রন্থের অধিকাংশ পত্র বা চিঠি তাঁর ভ্রাতুষ্পুত্রী ইন্দিরা দেবী চৌধুরীর উদ্দেশ্যে লেখা। - শিলাইদহ, শাহজাদপুর ও পতিসরে জমিদারি দেখাশোনার সময়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ইন্দিরা দেবীকে এসব চিঠি পাঠিয়েছিলেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ কবি, ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার ও প্রাবন্ধিক। - ‘ছিন্নপত্রাবলী’ মূলত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পত্রসাহিত্য বা ভ্রমণসাহিত্যের এক অনন্য দলিল ও মাস্টারপিস রচনা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বৈষ্ণব পদাবলি অনুকরণে রচিত একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। উদাহরণ ২: ঘরে বাইরে ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি মনস্তাত্ত্বিক ও রাজনৈতিক পটভূমিতে রচিত বিখ্যাত উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইন্দিরা দেবী — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই পত্রগুলোর মূল প্রাপক ছিলেন তিনি। B) কাদম্বরী দেবী — তিনি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সম্পর্কে বৌঠান হলেও ছিন্নপত্রের প্রাপক ছিলেন না। C) মৃণালিনী দেবী — তিনি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সহধর্মিণী বা স্ত্রী হলেও ছিন্নপত্রের অধিকাংশ পত্র তাঁকে উদ্দেশ্য করে লেখা হয়নি। D) মৈত্রেয়ী দেবী — তিনি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অনুরাগী ও সাহিত্যিক হলেও এই গ্রন্থের পত্রগুলোর প্রাপক ছিলেন না। ৫ মনে রাখার টিপস: - ছিন্নপত্র মানেই ইন্দিরা দেবীকে লেখা চিঠির সংগ্রহ। এভাবে মনে রাখা সহজ। - পত্রসাহিত্যের ক্ষেত্রে রবীন্দ্রনাথ ও ইন্দিরা দেবীর নাম ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পত্রসাহিত্য থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - লেখকের বিভিন্ন গ্রন্থের প্রাপক বা উৎস সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখা জরুরি।
a জসীমউদ্দীন
b ফররুখ আহমদ
c আবুল হাসান
d শহীদ কাদরী
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জসীমউদ্দীন ১. কেন সঠিক: পল্লীকবি জসীমউদ্দীন ১৯০৩ সালের ১লা জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর কবিতায় বাংলার গ্রামীণ প্রকৃতি ও সাধারণ মানুষের জীবন অত্যন্ত নিখুঁতভাবে ফুটে উঠেছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: জসীমউদ্দীন আধুনিক বাংলা সাহিত্যের একজন অন্যতম প্রধান কবি যিনি পল্লীকবি হিসেবে সর্বাধিক পরিচিত। তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ নকশী কাথার মাঠ এবং সুজন بادিয়ার ঘাট বাংলা সাহিত্যে পল্লীগীতির এক অনন্য নিদর্শন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নকশী কাথার মাঠ ব্যাখ্যা: এটি জসীমউদ্দীন রচিত একটি জনপ্রিয় ও বহুল পঠিত কাহিনীকাব্য যা গ্রামীণ লোক সংস্কৃতির ওপর ভিত্তি করে রচিত। উদাহরণ ২: বালুচর ব্যাখ্যা: এটি জসীমউদ্দীন রচিত অপর একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা তাঁর প্রকৃতির রূপায়নের শ্রেষ্ঠত্বের প্রমাণ দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জসীমউদ্দীন — এই অপশনটি সঠিক কারণ কবি জসীমউদ্দীন ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। B) ফররুখ আহমদ — এই অপশনটি ভুল কারণ কবি ফররুখ আহমদ ১৯১৮ সালে মাগুরা জেলার শ্রীপুর উপজেলার মাঝাইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। C) আবুল হাসান — এই অপশনটি ভুল কারণ কবি আবুল হাসান ১৯৪৭ সালে টুঙ্গিপাড়া উপজেলার গিমাডাঙা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। D) শহীদ কাদরী — এই অপশনটি ভুল কারণ কবি শহীদ কাদরী ১৯৪২ সালে ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন। ৫ মনে রাখার টিপস: পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের জন্মস্থান মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো যে তিনি ফরিদপুরের তাম্বুলখানা গ্রামের সন্তান। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবি সাহিত্যিকদের জন্মস্থান ও পৈতৃক নিবাস প্রায়ই আসে। কবি জসীমউদ্দীনের পল্লীকবি উপাধি এবং তাঁর জন্মস্থান সম্পর্কিত প্রশ্ন বারবার বিভিন্ন পরীক্ষায় এসেছে।
a দোলনচাঁপা
b বিষের বাঁশী
c সাম্যবাদী
d অগ্নিবীণা
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অগ্নিবীণা ১. কেন সঠিক: - ‘বিদ্রোহী’ কবিতাটি বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুলের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ ‘অগ্নিবীণা’-র অন্তর্গত। - এই কবিতা প্রকাশের মাধ্যমে বাংলা কবিতায় এক নতুন যুগের সূচনা ঘটেছিল এবং কবি ‘বিদ্রোহী কবি’ হিসেবে খ্যাতি লাভ করেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ‘অগ্নিবীণা’ কাব্যগ্রন্থটি ১৯২২ সালের অক্টোবর মাসে প্রকাশিত হয় এবং বাংলা কাব্যে এটি একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক। - এই কাব্যগ্রন্থে মোট বারোটি কবিতা রয়েছে যার মধ্যে ‘প্রলয়উল্লাস’, ‘বিদ্রোহী’, ‘কামাল পাশা’ ও ‘শাত-ইল-আরব’ বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রলয়উল্লাস ব্যাখ্যা: এই কবিতাটিও ‘অগ্নিবীণা’ কাব্যগ্রন্থের প্রথম কবিতা এবং এতে ধ্বংসের মধ্য দিয়ে নতুন সৃষ্টির বার্তা রয়েছে। উদাহরণ ২: কামাল পাশা ব্যাখ্যা: এটিও ‘অগ্নিবীণা’ কাব্যের অন্তর্ভুক্ত একটি বিখ্যাত কবিতা যা তৎকালীন তুরস্কের বীর যোদ্ধা মোস্তফা কামাল পাশার স্মরণে রচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দোলনচাঁপা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ হলেও এতে ‘বিদ্রোহী’ কবিতাটি অন্তর্ভুক্ত নয়। B) বিষের বাঁশী — এটি কাজী নজরুলের একটি বিদ্রোহী ভাবাপন্ন কাব্যগ্রন্থ যা ব্রিটিশ সরকারের বিরুদ্ধে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল, তবে ‘বিদ্রোহী’ কবিতা এতে নেই। C) সাম্যবাদী — এটি কাজী নজরুলের একটি বিখ্যাত সাম্যবাদী চেতনার কাব্যগ্রন্থ যেখানে বিভিন্ন ধর্মের মানুষের ঐক্যের কথা বলা হয়েছে। D) অগ্নিবীণা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়, বরং এটিই সেই কাঙ্ক্ষিত কাব্যগ্রন্থ যাতে ‘বিদ্রোহী’ কবিতাটি স্থান পেয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: নজরুলের প্রথম কাব্য ‘অগ্নিবীণা’ থেকেই প্রথম ‘বিদ্রোহী’ সুর বেজে উঠেছিল। এভাবে মনে রাখতে পারো যে প্রথম আগুন বা অগ্নিবীণাতেই প্রথম বিদ্রোহ দেখা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ‘অগ্নিবীণা’ কাব্যগ্রন্থের প্রথম কবিতা কোনটি এবং এটি কত সালে প্রকাশিত হয়, এই তথ্যগুলো বিসিএস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নজরুলের প্রথম কাব্যগ্রন্থ প্রকাশের সাল ও উৎস ভালোভাবে মনে রাখবে।
a বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
b তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
c শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
d আনন্দমােহন বাগচী
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১. কেন সঠিক: - আনন্দমঠ উপন্যাসটির রচয়িতা বাংলা উপন্যাসের জনক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। - এই উপন্যাসের মধ্যেই বিখ্যাত দেশাত্মবোধক গান বন্দে মাতরম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক ও সাহিত্যসম্রাট হিসেবে পরিচিত। - আনন্দমঠ একটি ঐতিহাসিক রাজনৈতিক উপন্যাস যা সন্ন্যাসী বিদ্রোহের প্রেক্ষাপটে রচিত হয়েছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দুর্গেশনন্দিনী ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত প্রথম সার্থক ঐতিহাসিক উপন্যাস। উদাহরণ ২: বিষবৃক্ষ ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ তিনি আনন্দমঠ উপন্যাসের রচয়িতা। B) তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় — তিনি একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক হলেও আনন্দমঠের রচয়িতা নন, তার বিখ্যাত উপন্যাস হলো হাঁসুলী বাঁকের উপকথা। C) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি সমাজের নিচুতলার মানুষের জীবন নিয়ে উপন্যাস লিখেছেন, যেমন দেবদাস, কিন্তু আনন্দমঠ তার রচনা নয়। D) আনন্দমােহন বাগচী — তিনি বাংলা সাহিত্যের এই ধারার কোনো প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক নন এবং আনন্দমঠের সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: - বঙ্কিমচন্দ্রের আনন্দ মানেই বন্দে মাতরম গান এবং সন্ন্যাসী বিদ্রোহের পটভূমি। - লেখক ও উপন্যাস মনে রাখতে রচয়িতার নামের প্রথম অক্ষর এবং উপন্যাসের প্রথম অক্ষর মিলিয়ে পড়তে পারো। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আনন্দমঠ উপন্যাসের পটভূমি এবং বন্দে মাতরম গান সম্পর্কে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম উপন্যাস দুর্গেশনন্দিনী এবং প্রথম সার্থক উপন্যাস কোনটি, তা ভালোভাবে মনে রাখবে।

মোট প্রশ্ন (20)

a Volantory
b Volantary
c Voluntary
d Voluntory
0 91 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Voluntary কেন সঠিক: voluntary শব্দটির বানানটি সঠিক কারণ এর শেষে tary যুক্ত হয়। এটি ইংরেজি নিয়ম অনুযায়ী গঠিত একটি নির্ভুল গঠন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Volantory — এই বানানে শেষের অংশে tory ভুলভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। B) Volantary — এই বানানে প্রথম অংশে an ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক নয়। C) Voluntary — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং এর বানান আদর্শ। D) Voluntory — এই বানানে শেষ অংশে tory লেখার কারণে এটি ভুল হয়েছে। মনে রাখার টিপস: voluntary বানানটি মনে রাখার জন্য শেষের tary অংশটুকু ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
a To create fire
b To go through suffering
c To come to nothing
d To see fire
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) To come to nothing কেন সঠিক: To end in smoke একটি ইংরেজি idiom যার বাংলা অর্থ হলো কোনো ফলাফল না হওয়া বা ব্যর্থতায় পর্যবসিত হওয়া। C অপশনে থাকা To come to nothing কথাটির অর্থও শেষ পর্যন্ত সফল না হওয়া বা ব্যর্থ হওয়া বোঝায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) To create fire — এই অপশনটির আক্ষরিক অর্থ আগুন জ্বালানো, যা idiom টির ভাবার্থের সাথে মেলে না। B) To go through suffering — এই অপশনটি কষ্ট বা যন্ত্রণা সহ্য করার কথা বলে, যা এই প্রবাদের সঠিক অর্থ নয়। C) To come to nothing — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) To see fire — এই অপশনটির অর্থ আগুন দেখা, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি সাধারণ বিষয় প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: কোনো আগুন জ্বলার পর যদি তা শুধু ধোঁয়ায় শেষ হয়ে যায় এবং কোনো কাজ না হয়, তবে বুঝতে হবে তার ফলাফল শূন্য বা ব্যর্থতায় শেষ হলো।
a Denounce
b Laud
c Compliment
d Acclaim
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Denounce কেন সঠিক: প্রশ্নোক্ত বাক্যে condemn শব্দটির অর্থ নিন্দা করা বা সমালোচনা করা। Denounce শব্দটির অর্থও কোনো কিছুর তীব্র সমালোচনা বা নিন্দা করা। উভয় শব্দের অর্থ একই হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। বাক্যের ভাবের সাথে এটি সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Denounce — এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ নিন্দা করা। B) Laud — এর অর্থ প্রশংসা করা, যা condemn শব্দের বিপরীত। C) Compliment — এর অর্থ প্রশংসা বা অভিবাদন জানানো। D) Acclaim — এর অর্থ উচ্চ প্রশংসা করা বা সংবর্ধনা দেওয়া। মনে রাখার টিপস: Condemn এবং Denounce উভয় শব্দই নিন্দা বা সমালোচনা করার অর্থে ব্যবহৃত হয়।
a Spece
b Liberty
c Office
d Capacity
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Liberty কেন সঠিক: বাক্যের প্রেক্ষাপটে নারীদের দীর্ঘদিনের বঞ্চনা থেকে মুক্তি এবং অধিকার অর্জনের কথা বলা হয়েছে। 여기 "Liberty" শব্দটি নারীদের ব্যক্তিগত স্বাধীনতা এবং অধিকারের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। অন্যান্য অপশনগুলো এই বাক্যের ভাবের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Spece — বানানটি ভুল এবং এটি এখানে স্থান বা শারীরিক জায়গার অর্থে মানানসই নয়। B) Liberty — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) Office — এটি কোনো দাপ্তরিক পদ বোঝায় যা বাক্যের অর্থের সাথে মেলে না। D) Capacity — এটি কাজের সামর্থ্য বা ধারণক্ষমতা বোঝায় যা এখানে অর্থের দিক থেকে বেমানান। মনে রাখার টিপস: নারীদের অধিকার ও স্বাধীনতার কথা থাকলে সেখানে "Liberty" বা স্বাধীনতা শব্দটি ব্যবহার করতে হয়।
a long odds
b against time
c every inch
d fits
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) fits কেন সঠিক: বাই ফিতস অ্যান্ড স্টার্টস একটি ইংরেজি প্রবাদ যার অর্থ অনিয়মিতভাবে বা খামখেয়ালিভাবে কোনো কাজ করা। যারা নিজেদের সাফল্য নিয়ে সচেতন নয়, তারা সাধারণত এইভাবেই অনিয়মিতভাবে কাজ সম্পন্ন করে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) long odds — এর অর্থ হলো প্রতিকূল অবস্থা বা কঠিন বাধা, যা এখানে বাক্যের ভাবের সাথে মেলে না। B) against time — এর অর্থ হলো সময়ের বিরুদ্ধে দ্রুত কাজ করা, যা বাক্যটির অর্থের সাথে সম্পূর্ণ বিপরীত। C) every inch — এর অর্থ হলো পুরোপুরি বা সর্বতোভাবে, যা শূন্যস্থানে বসালে কোনো অর্থ প্রকাশ করে না। D) fits — এটি বাই ফিতস অ্যান্ড স্টার্টস বাগধারার অংশ হিসেবে বসে অনিয়মিত বোঝাতে সঠিক অর্থ দেয়। মনে রাখার টিপস: বাই ফিতস অ্যান্ড স্টার্টস কথাটি একসাথে ব্যবহার করে অনিয়মিত কাজ বোঝানো হয়।
a In contrast of
b In contrast to
c In contrast by
d In contrast as
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) In contrast to কেন সঠিক: বাক্যের অর্থ হলো আগের গবেষণার বিপরীতে অধ্যাপকের নতুন গবেষণা বৈশ্বিক আবহাওয়ায় সাধারণ সতর্কতার প্রবণता নির্দেশ করে। তুলনা বোঝাতে ইন কন্ট্রাষ্ট এর পরে সঠিক প্রিপোজিশন হিসেবে টু ব্যবহৃত হয়। অন্য কোনো প্রিপোজিশন এখানে ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) In contrast of — কন্ট্রাষ্ট শব্দের পরে অফ প্রিপোজিশন বসে না। B) In contrast to — এটি সঠিক উত্তর। C) In contrast by — কন্ট্রাষ্ট শব্দের পরে বাই প্রিপোজিশন বসে অর্থ প্রকাশ করে না। D) In contrast as — কন্ট্রাষ্ট শব্দের পরে অ্যাজ প্রিপোজিশন ব্যবহারের নিয়ম নেই। মনে রাখার টিপস: তুলনা বোঝাতে সবসময় ইন কন্ট্রাষ্ট এর পরে টু প্রিপোজিশন ব্যবহার করতে হয়।
a with
b at
c to
d by
0 94 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) to কেন সঠিক: introduce শব্দের পর কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর সাথে পরিচয় করিয়ে দেওয়া অর্থে সাধারণত to preposition ব্যবহৃত হয়। এখানে ওয়ার্ডসওয়ার্থ পাঠকদের নতুন ধরণের কবিতার সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন বোঝাতে to সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) with — introduce শব্দের সাথে with বসে না কারণ এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। B) at — নির্দিষ্ট কোনো স্থান বা দিকে বোঝাতে at বসে যা এখানে অর্থসংগত নয়। C) to — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয়। D) by — মাধ্যম বা কর্তarak বোঝাতে by বসে কিন্তু এখানে পরিচয় করানোর ক্ষেত্রে এটি বসে না। মনে রাখার টিপস: কাউকে কারও সাথে পরিচয় করিয়ে দিতে introduce-এর পরে সবসময় to বসবে।
a see through
b put up with
c pass by
d fall back
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) put up with কেন সঠিক: বাক্যের অর্থ দাঁড়ায় দারিদ্র্যের মধ্যে বাস করায় কবিকে অনেক কষ্ট সহ্য করতে হয়েছিল। এখানে সহ্য করা বা বরদাস্ত করা বোঝাতে put up with ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়েছে। প্রশ্নটিতে কবিকে দারিদ্র্যের কারণে কষ্ট ভোগ বা সহ্য করার বিষয়টি প্রকাশ করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) see through — এর অর্থ কোনো কিছু পরিষ্কার দেখা বা প্রতারণা ধরে ফেলা। এটি এখানে অর্থের সাথে মেলে না। B) put up with — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল অপশনের তালিকায় এটি প্রযোজ্য নয়। C) pass by — এর অর্থ পাশ দিয়ে চলে যাওয়া বা উপেক্ষা করা। এটি বাক্যের ভাবের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। D) fall back — এর অর্থ পিছু হটে যাওয়া বা পেছনের দিকে সরে আসা। এটি এখানে মানানসই নয়। মনে রাখার টিপস: সহ্য করা বা মেনে নেওয়া ইংরেজি বলতে সবসময় put up with ফ্রেজটি মনে রাখবে।
a Tsunami
b Sunami
c Suname
d Sunamce
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Tsunami কেন সঠিক: শব্দটির শুরুতে জাপানি উচ্চারণ অনুযায়ী টি (T) অক্ষরটি বসে। এর পরে এস (s), ইউ (u), এন (n), এ (a), এম (m), আই (i) যুক্ত হয়ে সঠিক বানান গঠিত হয়। এটি মূলত একটি জাপানি শব্দ। তাই সঠিক বানান হলো সুনামি বা Tsunami। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Tsunami — এটি সঠিক বানান কারণ এতে নিয়মানুযায়ী সঠিক অক্ষরগুলো ব্যবহার করা হয়েছে। B) Sunami — এটি ভুল কারণ এর শুরুতে কোনো টি (T) অক্ষর ব্যবহার করা হয়নি। C) Suname — এটি ভুল কারণ শেষের অংশ আউএমই (ame) লেখা হয়েছে যা সঠিক নয়। D) Sunamce — এটি ভুল কারণ শেষে সিই (ce) অতিরিক্ত যুক্ত করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: সুনামি বানানোর সময় মনে রাখবে যে শুরুতে একটি টি (T) যুক্ত করতে হয়।
a Accilerate
b Accelerate
c Accelerrate
d Accilarate
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Accelerate কেন সঠিক: বানানটিতে দুটি c এবং একটি l আছে। শেষে ate যুক্ত হয়ে সঠিক বানান গঠিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Accilerate — এখানে c এর পর i ব্যবহার করা হয়েছে যা ভুল। C) Accelerrate — এখানে দুটি r ব্যবহার করা হয়েছে যা বানানটিকে ভুল করে তোলে। D) Accilarate — এখানে মাঝндаে i এবং a এর ভুল ব্যবহার রয়েছে। মনে রাখার টিপস: বানানটি মনে রাখতে c-c এবং l অংশটুকু ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
a Consistent
b Uniform
c Frequent
d Scattered
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Scattered কেন সঠিক: Sporadic শব্দটির বাংলা অর্থ হলো বিক্ষিপ্ত বা মাঝে মাঝে ঘটে এমন। D অপশনের Scattered শব্দটির অর্থও বিক্ষিপ্ত বা ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Consistent — এই শব্দটির অর্থ হলো অবিরাম বা ধারাবাহিক, যা Sporadic শব্দের বিপরীত। B) Uniform — এই শব্দটির অর্থ হলো একরূপ বা সমান, যা Sporadic শব্দের বিপরীত। C) Frequent — এই শব্দটির অর্থ হলো ঘন ঘন বা প্রায়ই, যা Sporadic শব্দের বিপরীত। D) Scattered — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ মূল শব্দের সমার্থক। মনে রাখার টিপস: Sporadic মানে মাঝে মাঝে বা বিক্ষিপ্ত, যেমন আকাশে বিক্ষিপ্ত মেঘ Scattered clouds।
a He was always arguing with his brother
b His failure resulted for lack of attention
c When will you write to him about your plan?
d Who was the boy you were all laughing at?
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) His failure resulted for lack of attention কেন সঠিক: Resulted verb-এর পর from preposition বসে কারণ হিসেবে কোনো কিছু ঘটার উৎস বোঝাতে। এখানে for ব্যবহার করায় বাক্যটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He was always arguing with his brother — এই বাক্যে arguing with সঠিক ব্যবহার করা হয়েছে। B) His failure resulted for lack of attention — এই অপশনে resulted-এর পর for ভুল preposition হিসেবে বসেছে। C) When will you write to him about your plan? — এই বাক্যে write to সঠিক নিয়ম অনুযায়ী ব্যবহৃত হয়েছে। D) Who was the boy you were all laughing at? — এই বাক্যে laughing at সঠিক preposition বহন করছে। মনে রাখার টিপস: Result verb-এর পর ফলাফল বোঝাতে result in এবং কারণ বোঝাতে result from বসে।
a The land is belonged to an old lady
b They parted from one another suddenly
c The leader expressed himself forcibly
d Mother bought me an ice-cream
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) The land is belonged to an old lady কেন সঠিক: belong ভার্বটি intransitive হওয়ায় এর কোনো passive voice হয় না। তাই মূল বাক্যটি গঠনে ভুল রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The land is belonged to an old lady — এটি ভুল কারণ belong ভার্বটির passive রূপ হয় না এবং সঠিক বাক্যটি হবে The land belongs to an old lady. B) They parted from one another suddenly — এটি সঠিক বাক্য কারণ ব্যক্তির ক্ষেত্রে parted from সঠিক preposition হিসেবে ব্যবহৃত হয়। C) The leader expressed himself forcibly — এটি সঠিক বাক্য কারণ reflexsive pronoun হিসেবে himself সঠিকভাবেই ব্যবহৃত হয়েছে। D) Mother bought me an ice-cream — এটি সঠিক বাক্য কারণ ditransitive verb এর পর indirect object এবং direct object সঠিক নিয়মে বসেছে। মনে রাখার টিপস: belong, happen, disappear ইত্যাদি intransitive ভার্বের কখনো passive form হয় না।
a until
b since
c as if
d let alone
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) since কেন সঠিক: এখানে শূন্যস্থানের আগের অংশটি কারণ এবং পরের অংশটি ফলাফল নির্দেশ করে। কারণ অর্থে conjunction হিসেবে since ব্যবহার করা হয়। তাই সঠিক উত্তর since হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) until — এটি সময় বোঝাতে ব্যবহৃত হয় যার অর্থ পর্যন্ত, কিন্তু এখানে কোনো সময়সীমা বোঝানো হয়নি। C) as if — এর অর্থ যেন, যা কাল্পনিক তুলনা বোঝাতে ব্যবহৃত হয় এবং এই বাক্যের অর্থের সাথে মানানসই নয়। D) let alone — এর অর্থ তো দূরের কথা, যা অসামঞ্জস্যপূর্ণ ধারণা প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয় এবং এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যের দুটি অংশের মধ্যে কারণ বোঝাতে since ব্যবহার করা হয়।
a unsubtle
b imprudent
c diplomatic
d impolite
0 110 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) diplomatic কেন সঠিক: বাক্যের অর্থ হলো মানুষজনের সাথে মেশার ক্ষেত্রে তিনি বেশ কৌশলী। diplomatic শব্দটির অর্থ হলো বিচক্ষণ ও কৌশলী, যা মানুষের সাথে সুন্দরভাবে মিশতে পারার গুণ প্রকাশ করে। এখানে dealing with people বাক্যাংশের সাথে সবচেয়ে মানানসই শব্দ এটি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) unsubtle — এই শব্দের অর্থ অপরিনতদর্শী বা অসংযত, যা মানুষের সাথে ভালো ব্যবহারের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) imprudent — এই শব্দের অর্থ অবিবেচক বা হঠকারী, যা মানুষের সাথে সাবধানে কথা বলার গুণের সাথে মেলে না। C) diplomatic — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে প্রযোজ্য নয়। D) impolite — এই শব্দের অর্থ অভদ্র বা অশিষ্ট, যা মানুষের সাথে মেশার ক্ষেত্রে নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: মানুষের সাথে ভালো ব্যবহারের কথা থাকলে সবসময় ইতিবাচক ও কৌশলী অর্থ প্রকাশ করে এমন শব্দ বেছে নেবে।
a Shoulders
b Head
c Forehead
d Eyebrows
0 91 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Shoulders কেন সঠিক: Shrug কথাটির অর্থ হলো কাঁধ ঝাঁকানো যা মূলত মানুষের মনের সন্দেহ বা অনিহা প্রকাশ করতে ব্যবহার করা হয়। ইংরেজিতে কাঁধের মাধ্যমেই এই শারীরিকভঙ্গিটি সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ পায়। এটি মানুষের একটি স্বাভাবিক শারীরিক ভাষা। এটি প্রকাশের জন্য কাঁধের ব্যবহার বাধ্যতামূলক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Shoulders — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) Head — মাথা নাড়লে সাধারণত সম্মতি বা অসম্মতি বোঝায়, সন্দেহ বা অনিহা প্রকাশের জন্য এটি সরাসরি যুক্ত নয়। C) Forehead — কপালে ভাঁজ ফেলা বা কুঁচকানো চিন্তার প্রকাশ ঘটায়, তবে এটি Shrug শব্দের সাথে সম্পর্কিত নয়। D) Eyebrows — ভুরু কোঁচকানো বা ওপরে তোলা রাগ বা বিস্ময় প্রকাশ করে, কিন্তু কাঁধ ঝাঁকানোর মতো অনিহা প্রকাশ করে না। মনে রাখার টিপস: Shrug শব্দ দেখলে কাঁধ বা Shoulders এর কথা মনে রাখবে কারণ কাঁধ ঝাঁকিয়েই এই ভঙ্গি করা হয়।
a elegy
b eulogy
c caricature
d exaggeration
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: B) eulogy কেন সঠিক: - Eulogy শব্দের অর্থ হলো কারো উচ্চ প্রশংসা করে দেওয়া আনুষ্ঠানিক বক্তব্য বা রচনা। - প্রশ্নানুসারে কারো উচ্চ প্রশংসা প্রকাশকারী আনুষ্ঠানিক রচনা বা বক্তব্য বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) elegy — এটি মৃত ব্যক্তির স্মরণে বা শোক প্রকাশ করে রচিত কবিতা বা গান, যা প্রশংসার পরিবর্তে বিষাদের সঙ্গে সম্পর্কিত। B) eulogy — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। সি) caricature — এর অর্থ হলো কারো বৈশিষ্ট্য বা রূপকে হাস্যকরভাবে বাড়িয়ে বা বিকৃত করে উপস্থাপন করা। ডি) exaggeration — এর অর্থ হলো কোনো বিষয়কে অতিরঞ্জিত করা, যা আনুষ্ঠানিক প্রশংসার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: Eu শব্দের অর্থ ভালো বা সুন্দর এবং Logy শব্দের অর্থ বক্তব্য, তাই যার ভালো বা প্রশংসনীয় বক্তব্য দেওয়া হয় তাকে eulogy বলে।
a Uprightness
b Justice
c Integrity
d Bias
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Bias কেন সঠিক: - Equity শব্দের অর্থ হলো সমতা, ন্যায্যতা বা পক্ষপাতহীন আচরণ। - Bias শব্দের অর্থ হলো পক্ষপাতদুষ্টতা বা একপেশে মনোভাব, যা Equity শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Uprightness — এর অর্থ সততা বা ন্যায়পরায়ণতা, যা Equity শব্দের সমার্থক বা কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে। B) Justice — এর অর্থ বিচার বা ন্যায়বিচার, যা Equity শব্দের কাছাকাছি অর্থ হওয়ায় বিপরীত নয়। C) Integrity — এর অর্থ সাধুতা বা অখণ্ডতা, যা Equity শব্দের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। D) Bias — এটি সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ কারণ এর অর্থ পক্ষপাতিত্ব যা সমতার বিপরীত। মনে রাখার টিপস: Equity মানে সবার জন্য সমান বা ন্যায়বিচার, আর Bias মানে নিজের লোকদের প্রতি পক্ষপাত করা।
a Abolish
b Enact
c Annul
d Nullify
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Enact কেন সঠিক: Repeal শব্দটির অর্থ হলো কোনো আইন বা আদেশ বাতিল করা বা প্রত্যাহার করা। এর বিপরীত শব্দ হলো Enact, যার অর্থ হলো কোনো নতুন আইন প্রণয়ন বা পাস করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Abolish — এই শব্দটির অর্থ বাতিল করা, যা Repeal শব্দটির সমার্থক এবং বিপরীত নয়। B) Enact — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ আইন পাস করা, যা Repeal শব্দের বিপরীত। C) Annul — এই শব্দটির অর্থ বাতিল করা বা রদ করা, যা মূল শব্দের সমার্থক। D) Nullify — এই শব্দটির অর্থ অকার্যকর বা বাতিল করা, যা মূল শব্দের সমার্থক। মনে রাখার টিপস: Repeal মানে আইন তুলে নেওয়া আর Enact মানে আইন চালু করা।
a Feeble
b Supreme
c Impotent
d Vulnerable
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Supreme কেন সঠিক: Omnipotent শব্দের বাংলা অর্থ সর্বশক্তিমান বা যার ক্ষমতা অসীম। Supreme শব্দের অর্থ সর্বোচ্চ বা সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী, যা মূল শব্দের সাথে মিল রাখে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Feeble — এর অর্থ দুর্বল বা শক্তিহীন, যা Omnipotent শব্দের বিপরীত। B) Supreme — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ್ಯ নয়। C) Impotent — এর অর্থ ক্ষমতাহীন বা দুর্বল, যা মূল শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। D) Vulnerable — এর অর্থ আক্রমণযোগ্য বা অরক্ষিত, যা ক্ষমতার সাথে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: Omni অর্থ সব এবং potent অর্থ শক্তি, তাই omnipotent মানে যার সব ক্ষমতা আছে অর্থাৎ supreme।

মোট প্রশ্ন (20)

a -9
b -7
c -5
d -3
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) −৭ প্রদত্ত তথ্য: দেওয়া আছে যে a এর বর্গ + ১ ভাগ a এর বর্গ = ৫১ ধরি, রাশিটির মান নির্ণয় করতে হবে আমরা জানি যে a প্লাস ১ ভাগ a এর হোল স্কয়ার এর সূত্র হলো a এর বর্গ + ১ ভাগ a এর বর্গ + ২ অতএব, মান বসিয়ে পাই a প্লাস ১ ভাগ a এর হোল স্কয়ার = ৫১ + ২ হিসাব করে পাই a প্লাস ১ ভাগ a এর হোল স্কয়ার = ৫৩ সুতরাং, উভয় পাশে বর্গমূল করে পাই a প্লাস ১ ভাগ a = প্লাস মাইনাস রুট ওভার ৫৩ তবে ঋণাত্মক মানটি বিবেচনা করলে পাই a প্লাস ১ ভাগ a = −৭ উত্তর: B) −৭
a 2/13
b 2/14
c 4/13
d 3/13
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২÷১৩ প্রদত্ত তথ্য: ভগ্নাংশগুলো হলো ২÷১৩, ২÷১৪, ৪÷১৩ এবং ৩÷১৩ ধরি, প্রথম ভগ্নাংশ = ২÷১৩ এবং দ্বিতীয় ভগ্নাংশ = ২÷১৪ অতএব, একই লব বিশিষ্ট ভগ্নাংশগুলোর মধ্যে যেটির হর বড় সেটি ছোট হয় এখানে ১৩ এর চেয়ে ১৪ বড় হওয়ায় ২÷১৪ ছোট হবে সুতরাং, আবার ২÷১৪ এবং বাকি ভগ্নাংশগুলোর হর ও লব তুলনা করে পাই সবচেয়ে ছোট সংখ্যাটি হবে ২÷১৩ উত্তর: ২÷১৩
a 5/3
b -2/3
c 3/5
d 2/5
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৫/৩ প্রদত্ত তথ্য: Q ÷ P = ১ ÷ ৪ ধরি, P এর মান = ৪ Q এর মান = ১ অতএব, P + Q এর মান = ৪ + ১ = ৫ P − Q এর মান = ৪ − ১ = ৩ সুতরাং, (P + Q) ÷ (P − Q) এর মান = ৫ ÷ ৩ উত্তর: ৫/৩
a 21দিন
b 18দিন
c 7দিন
d 3 দিন
0 92 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩ দিন প্রদত্ত তথ্য: রহিম কাজটি করে ১৫ দিনে করিম কাজটি করে ৬ দিনে গাজী কাজটি করে ১০ দিনে ধরি, সম্পূর্ণ কাজের পরিমাণ = ১ অংশ অতএব, রহিম ১ দিনে করে ১ ÷ ১৫ অংশ করিম ১ দিনে করে ১ ÷ ৬ অংশ গাজী ১ দিনে করে ১ ÷ ১০ অংশ সুতরাং, তিনজনে একত্রে ১ দিনে করে (১ ÷ ১৫) + (১ ÷ ৬) + (১ ÷ ১০) অংশ = (২ + ৫ + ৩) ÷ ৩০ অংশ = ১০ ÷ ৩০ অংশ = ১ ÷ ৩ অংশ উত্তর: তিনজনে একত্রে কাজটি শেষ করতে পারবে ৩ দিনে
a 70
b 80
c 90
d 75
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৭০ প্রদত্ত তথ্য: কোনো সংখ্যার ৪০% এর সাথে ৪২ যোগ করলে যোগফল সেই সংখ্যাটিই হয়। ধরি, নির্ণেয় সংখ্যাটি হলো ক অতএব, প্রশ্নমতে, ক এর ৪০% + ৪২ = ক সুতরাং, ক এর ৪০% অর্থ হলো (৪০ × ক) ÷ ১০০ অতএব, (৪০ × ক) ÷ ১০০ + ৪২ = ক সুতরাং, ২ক ÷ ৫ + ৪২ = ক অতএব, ৪২ = ক − (২ক ÷ ৫) সুতরাং, ৪২ = ৩ক ÷ ৫ অতএব, ৩ক = ৪২ × ৫ সুতরাং, ৩ক = ২১০ অতএব, ক = ২১০ ÷ ৩ সুতরাং, ক = ৭০ উত্তর: ৭০
a 250
b 100
c 200
d 300
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২০০ প্রদত্ত তথ্য: কোনো সংখ্যার ৬০% থেকে ৬০ বিয়োগ করলে ফলাফল ৬০ হয়। ধরি, অজানা সংখ্যাটি = ক অতএব, ক এর ৬০% − ৬০ = ৬০ ক × (৬০ ÷ ১০০) = ৬০ + ৬০ সুতরাং, ক × (৩ ÷ ৫) = ১২০ ক = ১২০ × (৫ ÷ ৩) উত্তর: ২০০
a 1/5
b -5
c 2/5
d 6/5
0 91 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) −৫ প্রদত্ত তথ্য: লগারিদমের ভিত্তি হলো ২ লগারিদমের সংখ্যা হলো ১ ÷ ৩২ ধরি, লগারিদমটির মান = x অতএব, ২ এর পাওয়ার x সমান ১ ÷ ৩২ সুতরাং, ২ এর পাওয়ার x সমান ১ ÷ (২ এর পাওয়ার ৫) অতএব, ২ এর পাওয়ার x সমান ২ এর পাওয়ার (−৫) উত্তর: x = −৫
a 6
b 8
c 12
d 24
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১২ প্রদত্ত তথ্য: রম্বসের প্রথম কর্ণ = ৪ সেমি রম্বসের দ্বিতীয় কর্ণ = ৬ সেমি ধরি, প্রথম কর্ণকে ডি ১ ধরা যাক দ্বিতীয় কর্ণকে ডি ২ ধরা যাক অতএব, রম্বসের ক্ষেত্রফলের সূত্র হলো হাফ গুণ প্রথম কর্ণ গুণ দ্বিতীয় কর্ণ সুতরাং, ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) গুণ ৪ গুণ ৬ উত্তর: ১২ বর্গ সেমি
a x+2
b x+4
c x-2
d 2(x+2)
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) 2(x+2) প্রদত্ত তথ্য: প্রথম রাশি = 4x^2 − 16 দ্বিতীয় রাশি = 6x^2 + 24x + 24 ধরি, প্রথম রাশি থেকে কমন নেওয়া যায় ৪ দ্বিতীয় রাশি থেকে কমন নেওয়া যায় ৬ অতএব, প্রথম রাশি = 4(x^2 − 4) = 4(x + 2)(x − 2) দ্বিতীয় রাশি = 6(x^2 + 4x + 4) = 6(x + 2)(x + 2) সুতরাং, গসাগু হলো কমন উৎপাদকগুলির গুণফল যা এখানে 2(x+2) উত্তর: 2(x+2)
a 2
b 4
c -6
d -8
0 133 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪ প্রদত্ত তথ্য: বহুপদী রাশিটি হলো f(x) = x^3 − x^2 ভাজক হলো x − ২ ধরি, ভাগশেষ উপপাদ্য অনুসারে x − ২ = ০ অর্থাৎ x = ২ রাশিটিতে x এর মান বসাতে হবে অতএব, f(২) = (২)^৩ − (২)^২ f(২) = ৮ − ৪ সুতরাং, f(২) = ৪ উত্তর: ৪
a 3147
b 2287
c 2987
d 2187
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২১৮৭ প্রদত্ত তথ্য: অংকগুলো হলো ০, ১, ২ এবং ৩ চার অংকের সংখ্যা গঠন করতে হবে ধরি, বৃহত্তম সংখ্যাটি লেখার জন্য অংকগুলো বড় থেকে ছোট সাজাতে হবে ক্ষুদ্রতম সংখ্যাটি লেখার জন্য অংকগুলো ছোট থেকে বড় সাজাতে হবে অতএব, ০, ১, ২ এবং ৩ দ্বারা গঠিত বৃহত্তম সংখ্যাটি হলো ৩২১০ ০, ১, ২ এবং ৩ দ্বারা গঠিত ক্ষুদ্রতম সংখ্যাটি হলো ১০২৩ সুতরাং, বৃহত্তম ও ক্ষুদ্রতম সংখ্যার বিয়োগফল = ৩২১০ − ১০২৩ উত্তর: ২১৮৭
a x=1,y=-1
b x=1,y=1
c x=-1,y=-1
d x=-1,y=1
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) x = −১, y = ১ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সমীকরণ = ৩x − ৭y + ১০ = ০ দ্বিতীয় সমীকরণ = y − ২x − ৩ = ০ ধরি, প্রথম সমীকরণ থেকে পাই, ৩x − ৭y = −১০ দ্বিতীয় সমীকরণ সাজিয়ে পাই, −২x + y = ৩ অতএব, দ্বিতীয় সমীকরণকে ৭ দিয়ে গুণ করে পাই, −১৪x + ৭y = ২১ প্রথম ও গুণ করা সমীকরণ যোগ করে পাই, (৩x − ১৪x) + (७y − ৭y) = −১০ + ২১ সুতরাং, −১১x = ১১ সমাধান করে পাই, x = −১ উত্তর: x এর মান দ্বিতীয় সমীকরণে বসিয়ে পাই, y = ১
a 0,2
b 1,1
c -1,3
d -3,4
0 97 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১,১ প্রদত্ত তথ্য: যোগফল (a + b) = ২ গুণফল (ab) = ১ ধরি, প্রথম সংখ্যাটি = a দ্বিতীয় সংখ্যাটি = b অতএব, a এর মান ১ বসালে এবং b এর মান ১ বসালে ১ + ১ = ২ হয় সুতরাং, ১ × ১ = ১ হয় উত্তর: ১,১
a { x(x+1)(2x+1)}/6
b x(x+1)/2
c x
d {x(x+1)/2}^2
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) x(x+1)(2x+1)/৬ প্রদত্ত তথ্য: ধারাটি প্রথম x সংখ্যক স্বাভাবিক সংখ্যার বর্গের যোগফল নির্দেশ করে ধরি, ধারার পদসংখ্যা সমান x শেষ পদ সমান x এর ওপর বর্গ অতএব, বীজগণিতীয় সূত্রানুসারে প্রথম x সংখ্যক স্বাভাবিক সংখ্যার বর্গের সমষ্টি নির্ণয় করতে হবে সুতরাং, সমষ্টির নির্ধারিত সূত্রটি প্রয়োগ করতে হবে উত্তর: x(x+1)(2x+1)/৬
a 1
b 5
c 8
d 10
0 92 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১০ প্রদত্ত তথ্য: অপেক্ষকটি হলো f(x) = x^3 − 2x + ১০ এখানে চলক x এর মান শূন্য বসাতে হবে ধরি, x = ০ অতএব, f(০) = (০)^3 − 2(০) + ১০ সুতরাং, f(০) = ০ − ০ + ১০ উত্তর: ১০
a (0,0)
b (4,-3)
c (-4,3)
d (10,10)
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) (৪,−৩) প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের সমীকরণ হলো (x−৪)^২ + (y+৩)^২ = ১০০ ধরি, বৃত্তের আদর্শ সমীকরণ হলো (x−h)^২ + (y−k)^২ = r^২ যেখানে বৃত্তের কেন্দ্র হলো (h, k) অতএব, সমীকরণ দুটি তুলনা করে পাই, h − ৪ = ০ সুতরাং h = ৪ আবার তুলনা করে পাই, y − k = y + ৩ এখানে −k = ৩, অর্থাৎ k = −৩ সুতরাং, বৃত্তের কেন্দ্র (h, k) এর মান হলো (৪, −৩) উত্তর: (৪,−৩)
a 36
b 37
c 39
d 40
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩৬ প্রদত্ত তথ্য: দুটি সংখ্যার যোগফল = ৪৮ তাদের গুণফল = ৪৩২ ধরি, ছোট সংখ্যাটি = ক বড় সংখ্যাটি = খ ক + খ = ৪৮ অতএব, ক × খ = ৪৩২ (৪৮ − খ) × খ = ৪৩২ ৪৮খ − খ^২ = ৪৩২ সুতরাং, খ^২ − ৪৮খ + ৪৩২ = ০ (খ − ৩৬)(খ − ১২) = ০ উত্তর: বড় সংখ্যাটি = ৩৬
a 20m^2
b 210m^2
c 290m^2
d 300m^2
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২১০m^২ প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের বাহুগুলোর দৈর্ঘ্য যথাক্রমে ২০m, ২১m এবং ২৯m ধরি, ত্রিভুজের অর্ধপরিসীমা = s অতএব, s = (২০ + ২১ + ২৯) ÷ ২ s = ৭০ ÷ ২ s = ৩৫ সুতরাং, ক্ষেত্রফল = √(৩৫ × (৩৫ − ২০) × (৩৫ − ২১) × (৩৫ − ২৯)) ক্ষেত্রফল = √(৩৫ × ১৫ × ১৪ × ৬) উত্তর: ২১m^২
a 9 2/3
b 11 1/3
c 12 2/5
d 13 2/3
0 91 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৩ ২/৩ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো (৬৪) এর পাওয়ার ২/৩ + (৬২৫) এর পাওয়ার ১/২ = ৩h ধরি, প্রথম অংশটি হলো (৬৪) এর পাওয়ার ২/৩ দ্বিতীয় অংশটি হলো (৬২৫) এর পাওয়ার ১/২ অতএব, ৬৪ হলো ৪ এর কিউব এবং ৬২৫ হলো ২৫ এর স্কয়ার হিসাব করে প্রথম অংশটি পাই ১৬ এবং দ্বিতীয় অংশটি পাই ২৫ সুতরাং, ১৬ + ২৫ = ৪১ এবং ৩h = ৪১ h = ৪১ ÷ ৩ বা ১৩ ২/৩ উত্তর: ১৩ ২/৩
a 1/8
b 1/6
c 3/6
d 5/24
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৫/২৪ প্রদত্ত তথ্য: দুটি সংখ্যার যোগফল = ২০ দুটি সংখ্যার গুণফল = ৯৬ ধরি, সংখ্যা দুটি হলো ক এবং খ প্রথম শর্তানুসারে, ক + খ = ২০ এবং দ্বিতীয় শর্তানুসারে, ক × খ = ৯৬ অতএব, সংখ্যা দুটির ব্যাস্থানুপাতিক যোগফল হবে (১ ÷ ক) + (১ ÷ খ) লসাগু করে পাই, (ক + খ) ÷ (ক × খ) সুতরাং, মান বসিয়ে পাই, ২০ ÷ ৯৬ উত্তর: ৫/২৪

মোট প্রশ্ন (23)

a মালয়েশিয়া
b ইন্দোনেশিয়া
c থাইল্যান্ড
d মিয়ানমার
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: C) থাইল্যান্ড কেন সঠিক: - থাইল্যান্ডের প্রাচীন নাম ছিল শ্যামদেশ বা সিয়াম, যা ১৯৩৯ সাল পর্যন্ত আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত ছিল। - ১৯৩৯ সালের চব্বিশে জুন দেশটির নাম পরিবর্তন করে আনুষ্ঠানিকভাবে থাইল্যান্ড রাখা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মালয়েশিয়া — এটি পূর্বে ব্রিটিশ মালয়া নামে পরিচিত ছিল এবং এর ঐতিহাসিক নাম শ্যামদেশ নয়। B) ইন্দোনেশিয়া — এটি ওলন্দাজ ইস্ট ইন্ডিজ নামে পরিচিত ছিল এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এই দ্বীপরাষ্ট্রের প্রাচীন নাম শ্যামদেশ ছিল না। C) থাইল্যান্ড — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি ভুল নয়। D) মিয়ানমার — এটি পূর্বে বার্মা নামে পরিচিত ছিল এবং ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনামলে এই নামেই পরিচিতি লাভ করেছিল। মনে রাখার টিপস: শ্যামদেশ এবং থাইল্যান্ড শব্দ দুটি মনে রাখতে 'থাই' খাবার ও 'শ্যাম' নামের মিল মনে রাখতে পারো।
a 137
b 138
c 147
d 150
0 93 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৩৭ কেন সঠিক: - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের সপ্তম ভাগের নবম অধ্যায়ে সরকারি কর্মকমিশন সম্পর্কে বলা হয়েছে। - সংবিধানের ১৩৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী এক বা একাধিক সরকারি কর্মকমিশন গঠিত হতে পারে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৩৭) — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই অনুচ্ছেদেই সরকারি কর্মকমিশন গঠনের বিধান রয়েছে। B) ১৩৮) — এই অনুচ্ছেদে কমিশনের সদস্যদের নিয়োগ ও পদের শর্তাবলী সম্পর্কে বলা হয়েছে, গঠন সম্পর্কে নয়। C) ১৪৭) — এই অনুচ্ছেদে মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের পারিশ্রমিক এবং বিশেষ অধিকার সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। D) ১৫০) — এই অনুচ্ছেদে সংবিধানের অন্তর্বর্তীকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী সম্পর্কে উল্লেখ করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: সংবিধানের ১৩৭ অনুচ্ছেদে কমিশন গঠন এবং ১৩৮ অনুচ্ছেদে সদস্যদের নিয়োগের কথা বলা হয়েছে, যা পাশাপাশি মনে রাখা সহজ।
a 1789
b 1791
c 1795
d 1800
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৭৮৯ কেন সঠিক: - ফরাসি বিপ্লব ১৭৮৯ সালের ৫ মে শুরু হয় এবং এই বিপ্লবের মাধ্যমে ফ্রান্সে নিরঙ্কুশ রাজতন্ত্রের পতন ঘটে। - এই বিপ্লবের মূল স্লোগান ছিল সাম্য, স্বাধীনতা ও ভ্রাতৃত্ব, যা সারা বিশ্বের ইতিহাসে গভীর প্রভাব ফেলেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৭৮৯ — এটি ফরাসি বিপ্লব শুরুর সঠিক সাল এবং সে বছরই বিখ্যাত বাস্তিল দুর্গ পতন ঘটেছিল। B) ১৭৯১ — এই সালে ফ্রান্সের প্রথম লিখিত সংবিধান প্রণীত হয় এবং রাজা ষোড়শ লুইয়ের পালানোর ব্যর্থ চেষ্টা ঘটে। C) ১৭৯৫ — এই সালে ফ্রান্সে ডিরেক্টরি শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়, যা বিপ্লবের পরবর্তী একটি পর্যায়। D) ১৮০০ — এই সালে নেপোলিয়ন বোনাপার্ট ফ্রান্সে কনসাল হিসেবে ক্ষমতা গ্রহণ করেন, যা বিপ্লবের পরবর্তী সময়কাল। মনে রাখার টিপস: ১৭৮৯ সংখ্যাটি মনে রাখলে ফরাসি বিপ্লবের সূচনা সাল সহজেই মনে রাখা যায়।
a ভর সংখ্যা সমান থাকে
b নিউট্রন সংখ্যা সমান থাকে
c প্রোটন ও নিউট্রন সংখ্যা সমান থাকে
d প্রোটন সংখ্যা সমান থাকে
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রোটন সংখ্যা সমান থাকে কেন সঠিক: - যেসব পরমাণুর প্রোটন বা পারমাণবিক সংখ্যা সমান কিন্তু ভরসংখ্যা ভিন্ন, তাদেরকে আইসোটোপ বলা হয়। - প্রোটন সংখ্যা সমান থাকার কারণে একই মৌলের সব আইসোটোপের রাসায়নিক ধর্ম প্রায় একই হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভর সংখ্যা সমান থাকে — ভরসংখ্যা সমান থাকলে তাদেরকে আইসোবার বলা হয়, আইসোটোপ নয়। B) নিউট্রন সংখ্যা সমান থাকে — নিউট্রন সংখ্যা সমান থাকলে তাদেরকে আইসোটোন বলা হয়। C) প্রোটন ও নিউট্রন সংখ্যা সমান থাকে — এটি আইসোটোপের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়, কারণ আইসোটোপে নিউট্রন সংখ্যা ভিন্ন হয়। D) প্রোটন সংখ্যা সমান থাকে — এটি সঠিক, কারণ আইসোটোপের মূল বৈশিষ্ট্য হলো সমান প্রোটন সংখ্যা। মনে রাখার টিপস: আইসোটোপ শব্দের শেষের প অক্ষরটি দিয়ে প্রোটন সংখ্যা সমান মনে রাখতে পারেন।
a লোহা
b সিলিকন
c জার্মেনিয়াম
d গ্যালিয়াম
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) লোহা কেন সঠিক: - লোহা একটি পরিবাহী ধাতু, যার মধ্য দিয়ে সহজে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হতে পারে। - এর রোধ কম এবং এটি বিদ্যুৎ ও তাপ খুব ভালোভাবে পরিবহন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লোহা — এটি পরিবাহী ধাতু, তাই এটি অর্ধ-পরিবাহী নয়। B) সিলিকন — এটি বহুল ব্যবহৃত একটি অর্ধ-পরিবাহী পদার্থ। C) জার্মেনিয়াম — এটিও একটি আদর্শ অর্ধ-পরিবাহী মৌল। D) গ্যালিয়াম — এটি একটি অর্ধ-পরিবাহী উপাদান, যা বিভিন্ন ইলেকট্রনিক্সে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: লোহা, তামা ও সোনা হলো পরিবাহী, আর সিলিকন ও জার্মেনিয়াম হলো অর্ধ-পরিবাহী।
a অস্ট্রেলিয়া
b কানাডা
c যুক্তরাষ্ট্র
d চীন
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) চীন কেন সঠিক: - চীন বিশ্বের সবচেয়ে বেশি গম উৎপাদনকারী দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম এবং আধুনিক কৃষিপদ্ধতির কারণে তাদের উৎপাদন সবচেয়ে বেশি। - ভৌগোলিক বিস্তৃতি ও অনুকূল আবহাওয়ার কারণে দেশটিতে গমের ব্যাপক ফলন হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অস্ট্রেলিয়া — অস্ট্রেলিয়ায় গম উৎপাদিত হলেও তা চীনের মতো সর্বোচ্চ পরিমাণের ধারেকাছেও নয়। B) কানাডা — কানাডা গম উৎপাদনে এগিয়ে থাকলেও এটি বিশ্বের শীর্ষ গম উৎপাদনকারী দেশ নয়। C) যুক্তরাষ্ট্র — যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের অন্যতম প্রধান গম উৎপাদক ও রপ্তানিকারক দেশ হলেও উৎপাদনের দিক থেকে এটি চীনের পরেই অবস্থান করে। D) চীন — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। মনে রাখার টিপস: সবচেয়ে বেশি মানুষ যেখানে, সবচেয়ে বেশি গম উৎপাদনও হয় সেখানে (চীন)।
a কলাম্বিয়া
b নিকারাগুয়া
c কোস্টারিকা
d এল সালভাদর
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ও ভূগোল সঠিক উত্তর: C) কোস্টারিকা কেন সঠিক: - কোস্টারিকা ১৯৪৯ সালে তাদের সংবিধান অনুযায়ী স্থায়ী সেনাবাহিনী বিলুপ্ত করে এবং এর পরিবর্তে অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার জন্য পুলিশ বাহিনী গঠন করে। - সামরিক খাতে ব্যয়িত অর্থ শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পরিবেশ সুরক্ষায় বিনিয়োগ করে দেশটি অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কলাম্বিয়া — এটি দক্ষিণ আমেরিকার দেশ এবং এর একটি সুগঠিত ও শক্তিশালী স্থায়ী সেনাবাহিনী রয়েছে। B) নিকারাগুয়া — এটি মধ্য আমেরিকার দেশ হলেও এদের নিজস্ব সুসংগঠিত স্থায়ী সেনাবাহিনী ও সশস্ত্র বাহিনী রয়েছে। D) এল সালভাদর — এটি মধ্য আমেরিকার দেশ এবং সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য এদের নিজস্ব স্থায়ী সেনাবাহিনী বিদ্যমান। মনে রাখার টিপস: সেনাবাহিনী নেই এমন দেশ মনে রাখতে কোস্টারিকার নাম সবার আগে আসে, কারণ তারা শান্তি রক্ষার্থে সংবিধান সংশোধন করে সেনা বিলুপ্ত করেছিল।
a ইসরাইল ও জর্ডান
b ভারত ও পাকিস্তান
c চীন ও তাইওয়ান
d দক্ষিণ কোরিয়া
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভারত ও পাকিস্তান কেন সঠিক: - এটি কাশ্মীর অঞ্চলে ভারত ও পাকিস্তানের নিয়ন্ত্রিত এলাকার মধ্যকার সামরিক সীমান্ত রেখা। - ১৯৭২ সালের সিমলা চুক্তির মাধ্যমে এই যুদ্ধবিরতি রেখাকে লাইন অব কন্ট্রোল হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইসরাইল ও জর্ডান — এদের মধ্যবর্তী সীমান্তবর্তী রেখা হলো জর্ডান নদী এবং যুদ্ধবিরতি রেখা বা গ্রিন লাইন। B) ভারত ও পাকিস্তান — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর বিধায় এই অপশনটি সঠিক। C) চীন ও তাইওয়ান — এদের মধ্যবর্তী জলসীমা তাইওয়ান প্রণালী নামে পরিচিত, কোনো লাইন অব কন্ট্রোল নেই। D) দক্ষিণ কোরিয়া — দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে উত্তর কোরিয়ার সীমান্ত রেখাকে সামরিক সীমারেখা বা ডিমিলিটারাইজড জোন বলা হয়। মনে রাখার টিপস: কাশ্মীর নিয়ে দ্বন্দ্বের কারণে ভারত ও পাকিস্তানের মাঝেই লাইন অব কন্ট্রোল বা নিয়ন্ত্রণ রেখা বিদ্যমান।
a ইরাক
b ইরান
c সৌদি আরব
d আলজেরিয়া
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আলজেরিয়া কেন সঠিক: - আলজেরিয়া ১৯৮৮ সালের ১৫ নভেম্বর ফিলিস্তিনের স্বাধীনতা ঘোষণার পরপরই ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি প্রদান করে। - আলজেরিয়ার রাজধানী আলজিয়ার্সেই ফিলিস্তিনের স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইরাক — ইরাক ফিলিস্তিনকে সমর্থন করলেও প্রথম স্বীকৃতি প্রদানকারী দেশ নয়। B) ইরান — ইরান ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর ফিলিস্তিনকে সমর্থন জানালেও প্রথম স্বীকৃতি দেয়নি। C) সৌদি আরব — সৌদি আরব মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম প্রভাবশালী দেশ হলেও তারা প্রথম স্বীকৃতি দেয়নি। D) আলজেরিয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দেশ ফিলিস্তিনকে সবার প্রথমে স্বীকৃতি দিয়েছিল। মনে রাখার টিপস: ফিলিস্তিনের প্রথম বন্ধু আলজেরিয়া, যারা স্বাধীনতার পরই সবার আগে স্বীকৃতি দিয়েছিল।
a দাউদ খান
b জহির শাহ
c নাদির শাহ
d নজীবুল্লাহ
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জহির শাহ কেন সঠিক: - মোহাম্মদ জহির শাহ ছিলেন আফগানিস্তানের সর্বশেষ বাদশাহ যিনি ১৯৩৩ সাল থেকে ১৯৭৩ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ সময় শাসন করেন। - ১৯৭৩ সালে তার এক জ্ঞাতি ভাই ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী দাউদ খানের রক্তপাতহীন অভ্যুত্থানের মাধ্যমে আফগানিস্তানে রাজতন্ত্রের অবসান ঘটে এবং প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দাউদ খান — তিনি জহির শাহের বিরুদ্ধে অভ্যুত্থান করে আফগানিস্তানের প্রথম রাষ্ট্রপতি হন, শেষ বাদশাহ নন। B) জহির শাহ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এটি সঠিক হিসেবে গণ্য। C) নাদির শাহ — তিনি ছিলেন আফগানিস্তানের মুসাহিদান রাজবংশের একজন রাজা এবং জহির শাহের পিতা, শেষ বাদশাহ নন। D) নজীবুল্লাহ — তিনি ছিলেন আফগানিস্তানের কমিউনিস্ট সরকারের শেষ রাষ্ট্রপতি, রাজতন্ত্রের কোনো বাদশাহ নন। মনে রাখার টিপস: আফগানিস্তানের শেষ বাদশাহ ছিলেন জহির শাহ এবং জ দিয়ে জহির শাহ ও জ দিয়ে শেষ রাজা বা বাদশাহ এভাবে মনে রাখতে পারেন।
a জার্মানি
b ফ্রান্স
c যুক্তরাজ্য
d রাশিয়া
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) যুক্তরাজ্য কেন সঠিক: - কার্ল মার্কস তার জীবনের শেষ দশকগুলোতে লন্ডনে বসবাস করতেন এবং ১৮৮৩ সালের চৌঠা মার্চ যুক্তরাজ্যেই মৃত্যুবরণ করেন। - লন্ডনের হাইগেট কবরখানায় তাকে সমাহিত করা হয় এবং সেখানেই তার চিন্তাধারা ও বিখ্যাত গ্রন্থ দাস ক্যাপিটাল পূর্ণতা লাভ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জার্মানি — কার্ল মার্কস জার্মানিতে জন্মগ্রহণ করলেও রাজনৈতিক কারণে তাকে দেশত্যাগী হতে হয় এবং তিনি সেখানে মৃত্যুবরণ করেননি। B) ফ্রান্স — মার্কস ফ্রান্সে কিছুকাল বসবাস ও সাংবাদিকতা করলেও সেখান থেকে বিতাড়িত হন এবং সেখানে মৃত্যুবরণ করেননি। C) যুক্তরাজ্য — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় মার্কসের মৃত্যুর স্থান হিসেবে গণ্য। D) রাশিয়া — মার্কসের মতাদর্শ রাশিয়ার বিপ্লবে প্রভাব ফেললেও তিনি রাশিয়ায় কখনো বসবাস বা মৃত্যুবরণ করেননি। মনে রাখার টিপস: মার্কস জন্ম জার্মানিতে, কাজ ফ্রান্সে, আর মৃত্যু যুক্তরাজ্যে—এই তিন দেশ মনে রাখলেই উত্তর সহজ হয়।
a সলসব্যারী
b রােডেসিয়া
c জিবুতি
d জায়ারে
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সলসব্যারী কেন সঠিক: - হারারে জিমাবুয়ের বর্তমান রাজধানী এবং ১৯৮২ সালের আগে এর ঔপনিবেশিক নাম ছিল সলসব্যারী। - ব্রিটিশ ঔپনিবেশিক শাসনের সময় এই শহরের নাম সলসব্যারী রাখা হয়েছিল, যা পরে পরিবর্তন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সলসব্যারী — এটি সঠিক উত্তর কারণ হারারের পূর্ব নাম ছিল সলসব্যারী। B) রােডেসিয়া — এটি জিম্বাবুয়ে রাষ্ট্রের পূর্ব নাম ছিল, নির্দিষ্ট কোনো শহরের নাম নয়। C) জিবুতি — এটি আফ্রিকার একটি স্বাধীন দেশ এবং এর রাজধানী হলো জিবুতি শহর। D) জায়ারে — এটি কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রের পূর্ব নাম ছিল, যা এই প্রশ্নের সঙ্গে প্রাসঙ্গিক নয়। মনে রাখার টিপস: হারারে হলো বর্তমান জিম্বাবুয়ে আর তার আগের নাম ছিল সলসব্যারী।
a খুব সরু ও নমনীয় কাচ তন্তুর আলোক নল
b খুব সূক্ষ্ম সুপরিবাহী তামার তার তন্তু নল
c খুব সরু এসবেস্টস ফাইবের নল
d সূক্ষ্ম প্লাস্টিক ঘটিত নল
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) খুব সরু ও নমনীয় কাচ তন্তুর আলোক নল কেন সঠিক: - অপটিক্যাল ফাইবার বা আলোক তন্তু হলো সিলিকন ডাইঅক্সাইড বা উচ্চমানের কাচ দিয়ে তৈরি অত্যন্ত সরু ও নমনীয় তন্তু। - এটি অভ্যন্তরীণ পূর্ণ প্রতিফলনের নীতি ব্যবহার করে আলোর বেগে খুব দ্রুত ডেটা বা তথ্য এক স্থান থেকে অন্য স্থানে স্থানান্তর করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) খুব সরু ও নমনীয় কাচ তন্তুর আলোক নল — এটি সঠিক কারণ অপটিক্যাল ফাইবারের মূল উপাদান হলো নমনীয় কাচ তন্তু যা আলো পরিবহনে ব্যবহৃত হয়। B) খুব সূক্ষ্ম সুপরিবাহী তামার তার তন্তু নল — তামার তার বৈদ্যুতিক সংকেত পরিবহন করে, কিন্তু অপটিক্যাল ফাইবার তামা নয় বরং কাচ তন্তু দিয়ে তৈরি হয়। C) খুব সরু এসবেস্টস ফাইবের নল — এসবেস্টস এক ধরনের খনিজ আঁশ যা তাপ নিরোধক হিসেবে ব্যবহৃত হয়, এটি আলোক যোগাযোগের জন্য উপযুক্ত নয়। D) সূক্ষ্ম প্লাস্টিক ঘটিত নল — প্লাস্টিক দিয়ে কিছু সস্তা ফাইবার তৈরি হলেও মূলত অপটিক্যাল ফাইবার বলতে উচ্চমানের কাচ তন্তুর নলকেই বোঝানো হয়। মনে রাখার টিপস: অপটিক্যাল ফাইবার মানেই কাঁচের তৈরি আলো পরিবহনের নল, যা দিয়ে দ্রুত ইন্টারনেট বা তথ্য আদান-প্রদান করা হয়।
a নরওয়ে
b ফিনল্যান্ড
c ইন্দোনেশিয়া
d জাপান
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ফিনল্যান্ড কেন সঠিক: - ফিনল্যান্ডে প্রায় ১ লক্ষ ৮৮ হাজার প্রাকৃতিক হ্রদ রয়েছে, যা দেশটির ভূপ্রকৃতিকে হ্রদবহুল করে তুলেছে। - ভূগোলের দিক থেকে দেশটির বরফগলা জলে গঠিত অজস্র হ্রদের উপস্থিতির কারণে একে হাজার হ্রদের দেশ বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নরওয়ে — এটি ফিওর্ডের দেশ বা মধ্যরাতের সূর্যের দেশ নামে পরিচিত, হ্রদের দেশ নয়। B) ফিনল্যান্ড — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশন হিসেবে এটি প্রযোজ্য নয়। C) ইন্দোনেশিয়া — এটি বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপরাষ্ট্র বা হাজার দ্বীপের দেশ নামে পরিচিত। D) জাপান — এটি সূর্যোদয়ের দেশ বা সুকুমার বৃত্তের দেশ হিসেবে পরিচিত। মনে রাখার টিপস: ফিনল্যান্ডের ফ দিয়ে ফিনল্যান্ড এবং ফ দিয়ে ফাইন হ্রদ মনে রাখতে পারো।
a 1988
b 1985
c 1975
d 1979
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৯৮৮ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ প্রথম জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সেনা প্রেরণ করে ১৯৮৮ সালে ইরানের সামরিক পর্যবেক্ষক দল UNIIMOG-এ যোগদানের মাধ্যমে। - এই বছর থেকে বাংলাদেশ বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ শুরু করে এবং পরবর্তীতে শান্তিরক্ষা বাহিনীতে শীর্ষ সেনা অবদানকারী দেশ হিসেবে পরিচিতি লাভ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৮৮ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ শুরু করে। B) ১৯৮৫ — এই সালে বাংলাদেশ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে যোগ দেয়নি, এটি ভুল সাল। C) ১৯৭৫ — এই সালটি বাংলাদেশের ইতিহাসে ভিন্ন রাজনৈতিক পরিবর্তনের জন্য পরিচিত, শান্তিরক্ষা বাহিনীর সাথে সম্পর্কিত নয়। D) ১৯৭৯ — এই সালে বাংলাদেশ জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে যুক্ত হয়নি, এটি বিভ্রান্তিকর একটি অপশন। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর সামরিক শক্তি নিয়ে বিশ্বশান্তি মিশনে প্রথম পা রাখে ১৯৮৮ সালে।
a মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
b জাপান
c দক্ষিণ কোরিয়া
d জার্মানি
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক সঠিক উত্তর: B) জাপান কেন সঠিক: - জাপান বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর থেকেই অন্যতম প্রধান দ্বিপক্ষীয় উন্নয়ন অংশীদার হিসেবে সর্বোচ্চ পরিমাণ বৈদেশিক সাহায্য ও ঋণ প্রদান করে আসছে। - বাংলাদেশের মেগাপ্রকল্প যেমন মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দর, ঢাকা মেট্ররেল ও হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণে জাপান সবচেয়ে বড় আর্থিক জোগানদাতা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র — যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের অন্যতম বড় দাতা দেশ ও ক্রেতা হলেও জাপানের মতো এত দীর্ঘমেয়াদী ও বৃহৎ অঙ্কের দ্বিপক্ষীয় সাহায্য প্রদান করে না। B) জাপান — এটি সঠিক উত্তর, কারণ জাপান বাংলাদেশের অবকাঠামো ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে দ্বিপক্ষীয় ভিত্তিতে সর্বোচ্চ সাহায্য প্রদানকারী দেশ। C) দক্ষিণ কোরিয়া — দক্ষিণ কোরিয়া বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য অংশীদার এবং ইপিজেড খাতের প্রধান বিনিয়োগকারী হলেও সাহায্য প্রদানের পরিমাণে জাপানের পেছনে রয়েছে। D) জার্মানি — জার্মানি বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতের একটি বড় বাজার ও উন্নয়ন সহযোগী হলেও সামগ্রিক সাহায্য ও ঋণের পরিমাণে জাপানের চেয়ে পিছিয়ে আছে। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের উন্নয়নের সবচেয়ে বড় বন্ধু জাপানি সাহায্য, বড় বড় মেগাপ্রকল্পে তাদের অবদান সবার আগে।
a ৬২৭ কি.মি.
b ৫২৯ কি.মি.
c ৪২০ কি.মি.
d ৩০৭ কি.মি.
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৬২৭ কি.মি. কেন সঠিক: - বাংলাদেশ রেলওয়ের সাম্প্রতিক রুট ম্যাপ ও সময়সূচি অনুযায়ী ঢাকা থেকে খুলনার রেলপথে দূরত্ব প্রায় ৬২৭ কিলোমিটার। - পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্প চালুর পর ঢাকা থেকে গোপালগঞ্জ হয়ে খুলনার এই নতুন রেলরুটটি নির্ধারিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৬২৭ কি.মি. — এটি ঢাকা থেকে খুলনার আধুনিক ও বর্তমান রেলপথের সঠিক দূরত্ব। B) ৫২৯ কি.মি. — এটি এই নির্দিষ্ট প্রশ্নের প্রেক্ষাপটে ঢাকা থেকে খুলনার সঠিক রেলপথের দূরত্ব নয়। C) ৪২০ কি.মি. — এটি সড়কপথে ঢাকা থেকে খুলনার দূরত্বের কাছাকাছি হতে পারে, রেলপথের সঠিক দূরত্ব নয়। D) ৩০৭ কি.মি. — এটি ঢাকা থেকে অন্য কোনো কাছাকাছি জেলার দূরত্ব হতে পারে, খুলনার রেলপথের দূরত্ব নয়। মনে রাখার টিপস: ঢাকা থেকে খুলনার ট্রেন যাত্রার দূরত্ব মনে রাখতে সংখ্যাটি ৬২৭ মনে রাখুন।
a 6
b 4
c 5
d 8
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: D) ৮ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান আইন অনুযায়ী বর্তমানে সরকারিভাবে অনুমোদিত উপজাতীয় বা ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে আটটি। - এই প্রতিষ্ঠানগুলো বিভিন্ন অঞ্চলের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সংস্কৃতি সংরক্ষণ ও উন্নয়নে কাজ করে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৬ — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ বর্তমানে সরকারি সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছয়টির বেশি। B) ৪ — এই সংখ্যাটি অতীতের প্রাথমিক তথ্য নির্দেশ করে, যা বর্তমান সংস্করণের সঙ্গে মেলে না। C) ৫ — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ আঞ্চলিক সংস্করণের পরিধি বৃদ্ধির ফলে প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। D) ৮ — এই অপশনটি সঠিক কারণ বর্তমানে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে মোট আটটি উপজাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে। মনে রাখার টিপস: উপজাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান আটটি মনে রাখতে সংখ্যা আট ব্যবহার করুন।
a চট্টগ্রাম
b রাঙ্গামাটি
c চাপাইনবাবগঞ্জ
d জামালপুর কারণ
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: C) চাপাইনবাবগঞ্জ কেন সঠিক: - গম্ভীরা বাংলাদেশের চাঁপাইনবাবগঞ্জ অঞ্চলের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ঐতিহ্যবাহী লোকসংগীত ও নাট্যরীতি। - সাধারণত নানা সামাজিক সমস্যা, ঐতিহ্য এবং সমসাময়িক বিষয় নিয়ে নানাপ্রকার সংলাপ ও গানের মাধ্যমে এটি পরিবেশিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চট্টগ্রাম — এটি চট্টগ্রামের আঞ্চলিক লোকসংগীত নয়, চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী লোকসংগীত হলো ভান্ডारी গান। B) রাঙ্গামাটি — এটি রাঙ্গামাটি অঞ্চলের পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর লোকসংগীত নয়, সেখানকার প্রধান সংগীত জুম নৃত্য বা পাহাড়ি গান। D) জামালপুর — এটি জামালপুর অঞ্চলের লোকসংগীত নয়, জামালপুর অঞ্চলের ময়মনসিংহ গীতিকা ও লোকসাহিত্যের ঐতিহ্য বেশি সমৃদ্ধ। মনে রাখার টিপস: চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম ও গম্ভীরা গান খুব বিখ্যাত, তাই গম্ভীরা শুনলেই চাঁপাইনবাবগঞ্জ মনে রাখবে।
a লক্ষ্মণ সেনারা
b ইলিয়াস শাহ
c বিজয় সেন
d আকবর
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আকবর কেন সঠিক: - সম্রাট আকবর ১৫৮৪ খ্রিস্টাব্দে প্রচলিত হিজরি চান্দ্র পঞ্জিকাকে সৌর পঞ্জিকায় রূপান্তরিত করে বাংলা সন প্রবর্তন করেন। - খাজনা আদায় ও কৃষি কাজের সুবিধার জন্য মোগল আমলে এই বাংলা সাল গণনা শুরু করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লক্ষ্মণ সেনারা — লক্ষ্মণ সেন বাংলার সেন রাজবংশের রাজা ছিলেন এবং তাঁর নামানুসারে 'লক্ষ্মণাব্দ' নামক অব্দ চালু হয়েছিল, বাংলা সন নয়। B) ইলিয়াস শাহ — শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ বাংলার একজন বিখ্যাত সুলতান ছিলেন যিনি সমগ্র বাংলা একীভূত করেছিলেন, তবে তিনি বাংলা সন চালু করেননি। C) বিজয় সেন — বিজয় সেন সেন রাজবংশের অন্যতম প্রভাবশালী রাজা ছিলেন এবং তিনি বাংলায় সেন বংশের শাসন সুপ্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। D) আকবর — এই অপশনটি সঠিক কারণ সম্রাট আকবরের আমলেই ফসলি সন বা বাংলা সাল গণনা আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়। মনে রাখার টিপস: মোগল সম্রাট আকবর কৃষি কাজের সুবিধার জন্য বাংলা সনের প্রবর্তন করেছিলেন।
a 1921
b 1929
c 1925
d 1933
0 96 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) 1921 কেন সঠিক: - ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ১ জুলাই ১৯২১ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করে। - নাথান কমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতে ১৯২০ সালের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আইন পাস হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1921 — এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সঠিক সাল হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। B) 1929 — এই সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হল ভবন নির্মিত হয়, এটি প্রতিষ্ঠার সাল নয়। C) 1925 — এই সালের সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার কোনো ঐতিহাসিক সম্পর্ক নেই। D) 1933 — এই সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয়, প্রতিষ্ঠার সাল এটি নয়। মনে রাখার টিপস: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সাল মনে রাখতে ১৯২১ সংখ্যাটি মনে রাখুন, কারণ এটি বঙ্গভঙ্গ রদের এক দশক পরে প্রতিষ্ঠিত হয়।
a সপ্তম
b নবম
c একাদশ
d ত্রয়োদশ
0 93 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নবম কেন সঠিক: - জাতিসংঘের ১৯৯৪ সালের জনসংখ্যা রিপোর্ট অনুযায়ী বৈশ্বিক জনমিতিতে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল নবম। - সেসময়ে দেশের জনঘনত্ব ও মোট জনসংখ্যার ভিত্তিতে এই আন্তর্জাতিক প্রাক্কলন প্রকাশ করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সপ্তম — প্রদত্ত ১৯৯৪ সালের প্রতিবেদনে বিশ্ব জনসংখ্যার বিচারে সপ্তম স্থান নির্ধারিত ছিল না। B) নবম — এটি জাতিসংঘ প্রকাশিত ১৯৯৪ সালের জনমিতি রিপোর্টের সঠিক ও প্রামাণ্য স্থান। C) একাদশ — এই ক্রমটি সেসময়ে বাংলাদেশের জনসংখ্যার সঠিক নির্দেশক ছিল না। D) ত্রয়োদশ — এই সংখ্যাটি উক্ত নির্দিষ্ট সালের জনসংখ্যার প্রাক্কলনের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: জাতিসংঘের জনসংখ্যা রিপোর্ট ১৯৯৪ সাল মাথায় রাখলে মনে রাখবে যে, সেসময়ে বাংলাদেশ জনসংখ্যার দিক থেকে বিশ্বে নবম অবস্থানে ছিল।
a ময়নামতি
b সােনারগাঁ
c ঢাকা
d পাহাড়পুর
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সােনারগাঁ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ লোকশিল্প জাদুঘরটি ঐতিহাসিক সোনারগাঁয়ের পানাম নগর এলাকার সরদার বাড়িতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। - শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন ১৯৭৫ সালে এখানে এই জাদুঘরটি প্রতিষ্ঠা করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ময়নামতি — এটি কুমিল্লার একটি ঐতিহাসিক স্থান ও প্রাচীন বৌদ্ধ সভ্যতার কেন্দ্র, যেখানে লোকশিল্প জাদুঘর নেই। B) সােনারগাঁ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এখানেই মূল লোকশিল্প জাদুঘর অবস্থিত। C) ঢাকা — এটি রাজধানী শহর হলেও প্রধান লোকশিল্প জাদুঘরটি ঢাকার বাইরে সোনারগাঁয়ে অবস্থিত। D) পাহাড়পুর — এটি নওগাঁ জেলায় অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক বৌদ্ধ বিহার বা সোমপুর মহাবিহার। মনে রাখার টিপস: লোকশিল্প মানে ঐতিহ্যবাহী শিল্প আর প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী সোনারগাঁয়েই রয়েছে লোকশিল্প জাদুঘর।

মোট প্রশ্ন (17)

a স্টিফেন হকিং
b জি লেমেটার
c আব্দুস সালাম
d এডুইন হাবল
0 96 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) স্টিফেন হকিং ১. কেন সঠিক: বিগ ব্যাং বা মহাবিস্ফোরণ তত্ত্বের মূল ধারণাটি প্রথম দিকে দেওয়া হলেও, এর আধুনিক গাণিতিক ব্যাখ্যা এবং কৃষ্ণগহ্বর বা ব্ল্যাকহোলের সঙ্গে এর সম্পর্ক যুক্ত করে আধুনিক জ্যোতির্বিজ্ঞানে একে সুদৃঢ় করেছেন বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং। তাঁর বিশ্বখ্যাত গ্রন্থ এ ব্রিফ হিস্ট্রি অব টাইম এবং কোয়ান্টাম মহাকর্ষের ধারণার মাধ্যমে মহাবিশ্বের শুরু ও প্রসারণের আধুনিক রূপটি স্পষ্ট হয়েছে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: বিগ ব্যাং তত্ত্ব হলো এমন একটি বৈজ্ঞানিক মডেল যা বলে মহাবিশ্ব আজ থেকে প্রায় এক হাজার তিনশ কোটি বছর পূর্বে একটি অত্যন্ত ঘন ও উত্তপ্ত বিন্দু থেকে প্রসারিত হতে শুরু করেছে। কার্যপ্রণালি: এই তত্ত্বে স্থান ও কালের উৎপত্তি এবং মহাবিশ্বের ধারাবাহিক প্রসারণের বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়া কোয়ান্টাম বলবিদ্যা ও আপেক্ষিকতার সাধারণ সূত্রের সাহায্যে ব্যাখ্যা করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: একটি ফোলানো বেলুনের গায়ে কিছু বিন্দু এঁকে বেলুনটি ফোলালে বিন্দুগুলো যেমন দূরে সরে যায়, তেমনি আমাদের মহাবিশ্বের গ্যালাক্সিগুলোও পরস্পরের থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। ব্যাখ্যা: এটি বিগ ব্যাং তত্ত্বের পরে মহাবিশ্বের প্রসারণশীল রূপটিকে খুব সহজে ফুটিয়ে তোলে। উদাহরণ ২: একটি বোমার বিস্ফোরণ ঘটার পর কণাগুলো যেমন চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে, তেমনি আদি মহাবিস্ফোরণের পরেও শক্তির কণাগুলো ছড়িয়ে পড়েছিল। ব্যাখ্যা: এই ঘটনাটি থেকে বোঝা যায় কীভাবে একটি ঘনীভূত বিন্দু থেকে আজকের এই বিশাল মহাবিশ্ব সৃষ্টি হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্টিফেন হকিং — ইনি আধুনিক জ্যোতির্বিজ্ঞানে বিগ ব্যাং তত্ত্বের আধুনিক ব্যাখ্যা, কোয়ান্টাম মহাকর্ষ এবং ব্ল্যাকহোলের হকিং রেডিয়েশন নিয়ে কাজ করে একে আধুনিক রূপ দিয়েছেন। B) জি লেমেটার — ইনি হলেন সেই বেলজিয়ান জ্যোতির্বিদ যিনি প্রথম ১৯২৭ সালে মহাবিশ্বের প্রসারণের ধারণা এবং বিগ ব্যাং তত্ত্বের প্রাথমিক রূপ বা প্রাইমেডিয়াল অ্যাটম প্রস্তাব করেছিলেন। C) আব্দুস সালাম — ইনি একজন প্রখ্যাত পাকিস্তানি তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী যিনি দুর্বল নিউক্লীয় বল ও তড়িৎ চৌম্বকীয় বলের একত্রীকরণ বা ইলেকট্রোয়াক তত্ত্বের জন্য নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন। D) এডুইন হাবল — ইনি একজন আমেরিকান জ্যোতির্বিদ যিনি ১৯২৯ সালে পরীক্ষা করে প্রমাণ করেছিলেন যে দূরের গ্যালাক্সিগুলো আমাদের থেকে দূরে সরে যাচ্ছে এবং এর নাম হাবলের সূত্র। ৫. মনে রাখার টিপস: মহাবিশ্বের আধুনিক রহস্য এবং বিগ ব্যাং তত্ত্বের আধুনিক ব্যাখ্যার কথা এলেই অধ্যাপক স্টিফেন হকিং এর নাম সবার আগে মনে রাখতে হবে। লেমেটার দিয়েছেন প্রথম ধারণা, আর হকিং দিয়েছেন তার আধুনিক ও আকর্ষণীয় বৈজ্ঞানিক রূপ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মহাবিশ্বের প্রসারণের প্রমাণ প্রথম দিয়েছিলেন এডুইন হাবল এবং এর সূচনা তত্ত্ব দিয়েছিলেন জর্জ লেমেটার। বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিগ ব্যাং তত্ত্বের প্রবক্তা হিসেবে জর্জ লেমেটার এবং আধুনিক ব্যাখ্যাকারী হিসেবে স্টিফেন হকিং উভয় প্রশ্নই বারবার আসে।
a ভর সংখ্যা সমান থাকে
b নিউট্রন সংখ্যা সমান থাকে
c প্রোটন ও নিউট্রন সংখ্যা সমান থাকে
d প্রোটন সংখ্যা সমান থাকে
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রোটন সংখ্যা সমান থাকে ১. কেন সঠিক: আইসোটোপ হলো সেইসব পরমাণু যাদের প্রোটন সংখ্যা বা পারমাণবিক সংখ্যা একই থাকে কিন্তু ভরসংখ্যা ভিন্ন হয়। প্রোটন সংখ্যা সমান থাকার কারণে একই মৌলের বিভিন্ন আইসোটোপের রাসায়নিক ধর্ম প্রায় একইরকম হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: পারমাণবিক সংখ্যা বা প্রোটন সংখ্যা হলো কোনো মৌলের মূল পরিচয় যা তার রাসায়নিক বৈশিষ্ট্য নির্ধারণ করে। কারণ ও ফলাফল: ভরসংখ্যা ভিন্ন হওয়ার মূল কারণ হলো নিউক্লিয়াসে নিউট্রন সংখ্যার তারতম্য বা ভিন্নতা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হাইড্রোজেনের তিনটি আইসোটোপ রয়েছে যেমন প্রোটিয়াম, ডিউটেরিয়াম ও ট্রিটিয়াম। ব্যাখ্যা: এদের সবার প্রোটন সংখ্যা এক কিন্তু ভরসংখ্যা যথাক্রমে এক, দুই ও তিন। উদাহরণ ২: কার্বনের আইসোটোপ কার্বন বারো এবং কার্বন চৌদ্দ। ব্যাখ্যা: দুটিরই প্রোটন সংখ্যা ছয় কিন্তু নিউট্রন সংখ্যা ভিন্ন হওয়ার কারণে ভরসংখ্যা আলাদা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভর সংখ্যা সমান থাকে — ভর সংখ্যা সমান থাকলে তাদেরকে আইসোবার বলা হয়, আইসোটোপ নয়। B) নিউট্রন সংখ্যা সমান থাকে — নিউট্রন সংখ্যা সমান থাকা পরমাণুগুলোকে আইসোেটোন বলা হয়। C) প্রোটন ও নিউট্রন সংখ্যা সমান থাকে — প্রোটন ও নিউট্রন সংখ্যার সমষ্টি হলো ভরসংখ্যা, যা আইসোটোপে ভিন্ন হয়। D) প্রোটন সংখ্যা সমান থাকে — এটি সঠিক কারণ একই মৌলের সব পরমাণুর প্রোটন সংখ্যা সমান থাকে। ৫. মনে রাখার টিপস: আইসোটোপ শব্দের শেষের প অক্ষরটি দিয়ে প্রোটন সংখ্যা সমান মনে রাখতে পারো। আইসোবার শব্দের শেষ অক্ষর র দিয়ে ভরসংখ্যা সমান মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ক্যানসার চিকিৎসায় এবং থাইরয়েডের রোগ নির্ণয়ে বহুল ব্যবহৃত হয়। একই ধারণা থেকে আইসোবার ও আইসোটোন সম্পর্কিত প্রশ্নও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
a 2H2O2
b H2O
c D2O
d HD2O2
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) D2O ১. কেন সঠিক: ভারি পানির মূল উপাদান হলো হাইড্রোজেনের ভারী আইসোটোপ ডিউটেরিয়াম এবং অক্সিজেন। সাধারণ পানির হাইড্রোজেন পরমাণুর চেয়ে ডিউটেরিয়ামের ভর বেশি হওয়ায় একে ভারি পানি বলা হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: ভারি পানি হলো ডিউটেরিয়াম অক্সাইড, যার রাসায়নিক সংকেত D2O। কার্যপ্রণালি: এটি পারমাণবিক চুল্লিতে নিউট্রনের গতি মন্থর করার কাজে মডারেটর হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পারমাণবিক চুল্লিতে জ্বালানি নিয়ন্ত্রণের সময় ফিউশন বা ফিশন বিক্রিয়া নিয়ন্ত্রণে এটি ব্যবহৃত হয়। ব্যাখ্যা: নিউট্রনের গতি কমিয়ে বিক্রিয়াকে সুশৃঙ্খল রাখতে এটি সাহায্য করে। উদাহরণ ২: জৈব রসায়নে বিক্রিয়ার কৌশল নির্ণয়ে ট্রেসার বা নির্দেশক হিসেবে এটি ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: অণুর গতিপ্রকৃতি অনুধাবন করতে এটি গবেষকদের সহায়তা করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) 2H2O2 — এটি হাইড্রোজেন পারক্সাইডের ভুল ও অসংগত রূপ, যা জারক পদার্থ হিসেবে পরিচিত। B) H2O — এটি সাধারণ পানির রাসায়নিক সংকেত, যা প্রাত্যহিক জীবনে পান ও ব্যবহারের কাজে লাগে। C) D2O — এটি সঠিক উত্তর, যা ভারি পানি বা ডিউটেরিয়াম অক্সাইড নির্দেশ করে। D) HD2O2 — এটি একটি কাল্পনিক ও রাসায়নিকভাবে অসম্ভব যৌগ, যার বাস্তব অস্তিত্ব নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: সাধারণ পানির সংকেত এইচ টু ও এবং হাইড্রোজেন ভারী হলে ডি হয় তাই ডি টু ও হলো ভারি পানি। আইসোটোপের ভিন্নতার কারণে সংকেতে পরিবর্তন আসে এই বিষয়টি মনে রাখতে হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ভারি পানি প্রথম আবিষ্কার করেন বিজ্ঞানী ইউরে এবং এটি পারমাণবিক শক্তিতে বহুল ব্যবহৃত হয়। পরীক্ষায় প্রায়ই ভারি পানির সংকেত বা এর কাজ সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
a ইলেকট্রন বর্জন
b ইলেক্ট্রন গ্রহণ
c ইলেকট্রন আদান প্রদান
d তড়িৎ ধনাত্নক মৌলের বা মূলকের অপসারণ
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ইলেকট্রন বর্জন ১. কেন সঠিক: জারন বিক্রিয়ায় পরমাণু, আয়ন বা অণু ইলেকট্রন বর্জন করে। ইলেকট্রন বর্জনের ফলে মৌলের ধনাত্মক আধান বৃদ্ধি পায় বা ঋণাত্মক আধান হ্রাস পায়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: জারন এমন একটি রাসায়নিক প্রক্রিয়া যেখানে কোনো রাসায়নিক প্রজাতি এক বা একাধিক ইলেকট্রন ত্যাগ করে। কার্যপ্রণালি: ইলেকট্রন ত্যাগের মাধ্যমে মৌলের জারণ সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। বাস্তব প্রয়োগ: ব্যাটারির ভেতরে এবং লোহায় মরিচা পড়ার সময় জারণ বিক্রিয়া ঘটে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সোডিয়াম পরমাণু একটি ইলেকট্রন ত্যাগ করে সোডিয়াম আয়নে পরিণত হয়। ব্যাখ্যা: এটি একটি জারণ বিক্রিয়া কারণ সোডিয়াম এখানে ইলেকট্রন বর্জন করেছে। উদাহরণ ২: ফেরাসায়ন একটি ইলেকট্রন ত্যাগ করে ফেরিক আয়নে পরিণত হয়। ব্যাখ্যা: ইলেকট্রন বর্জনের মাধ্যমে জারণ সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ার এটি একটি স্পষ্ট উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইলেকট্রন বর্জন — এটি সঠিক উত্তর কারণ জারণ প্রক্রিয়ায় ইলেকট্রনের অপসারণ ঘটে। B) ইলেক্ট্রন গ্রহণ — এটি ভুল কারণ ইলেকট্রন গ্রহণ হলো বিজারণ বিক্রিয়ার মূল বৈশিষ্ট্য। C) ইলেকট্রন আদান প্রদান — এটি ভুল কারণ জারণ ও বিজারণ একত্রে ঘটলে তাকে রেডক্স বিক্রিয়া বলে, কেবল জারণ নয়। D) তড়িৎ ধনাত্নক মৌলের বা মূলকের অপসারণ — এটি জারণের ক্ষেত্রে নয়, বরং বিজারণ বিক্রিয়ার একটি বৈশিষ্ট্য। ৫. মনে রাখার টিপস: জারণ মনে রাখার জন্য ইংরেজি শব্দ Oxidation-এর O এবং Electron Loss-এর L মিলিয়ে মনে রাখতে পারো অয়েল বা তেল, যেখানে ഓ হলো অক্সিডেশন এবং এল হলো লস অর্থাৎ ইলেকট্রন বর্জন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জারণ ও বিজারণ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। মনে রাখবে জারণ মানে ইলেকট্রন বর্জন এবং বিজারণ মানে ইলেকট্রন গ্রহণ।
a ট্রান্সমিটারের সাহায্যে
b স্টেপ আপ ট্রান্সফরমারের সাহায্যে
c স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমারের সাহায্যে
d এডাপ টরের সাহায্যে
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমার বা降压变压器 (Step-down Transformer) এর সাহায্যে ১. কেন সঠিক: - স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমার তড়িৎ চুম্বকীয় আবেশ নীতির ওপর ভিত্তি করে কাজ করে যেখানে উচ্চ ভোল্টেজকে কম ভোল্টে রূপান্তর করা হয়। - এই যন্ত্রে গৌণ কুণ্ডলীর প্যাঁচের সংখ্যা মুখ্য কুণ্ডলীর প্যাঁচের সংখ্যার চেয়ে কম থাকে, যা ভোল্টেজ কমিয়ে নিরাপদ বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: ট্রান্সফরমার এমন একটি বৈদ্যুতিক যন্ত্র যা অন্য কোনো কম্পাঙ্ক পরিবর্তন না করে এক ফেজ বা বহু ফেজ অল্টারনেটিং কারেন্ট বা এসি ভোল্টেজকে অন্য কোনো মানের কম বা বেশি ভোল্টেজে রূপান্তর করে। - কার্যপ্রণালি: মুখ্য কুণ্ডলীতে অল্টারনেটিং কারেন্ট প্রবাহিত হলে একটি পরিবর্তিত চৌম্বক ক্ষেত্র তৈরি হয়, যা কোর বা ক্রোড ভেদ করে গৌণ কুণ্ডলীতে তড়িৎ চালক শক্তি আবেশিত করে। - বাস্তব প্রয়োগ: বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র থেকে আসা উচ্চ ভোল্টেজের লাইন থেকে আমাদের বাড়ির ব্যবহার্য বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতির উপযোগী কম ভোল্টেজ পেতে এই ট্রান্সফরমার ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমাদের বাড়ির আশপাশে বা রাস্তার খুঁটিতে থাকা ট্রান্সফরমারগুলো ১১০০০ ভোল্ট বা উচ্চ ভোল্টেজকে কমিয়ে ২২০ ভোল্টে রূপান্তর করে। ব্যাখ্যা: এর ফলে গৃহস্থালির ফ্রিজ, টেলিভিশন বা পাখা নিরাপদে চালানো সম্ভব হয় এবং দুর্ঘটনা রোধ করা যায়। উদাহরণ ২: মোবাইল ফোনের চার্জার বা ল্যাপটপের অ্যাডাপ্টর ঘরের ২২০ ভোল্ট এসি বিদ্যুৎকে কম ভোল্টেজে রূপান্তরিত করে। ব্যাখ্যা: এর ভেতরের ছোট ট্রান্সফরমার বা সার্কিট কম ভোল্টেজ তৈরি করে মোবাইল ব্যাটারিকে নিরাপদে চার্জ করতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ট্রান্সমিটারের সাহায্যে — ট্রান্সমিটার হলো এমন একটি যন্ত্র যা রেডিও তরঙ্গ বা সিগন্যাল তৈরি করে তথ্য সম্প্রচার বা যোগাযোগের কাজে ব্যবহার করা হয়, বিদ্যুৎ ভোল্টেজ পরিবর্তনের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। B) স্টেপ আপ ট্রান্সফরমারের সাহায্যে — স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার কম ভোল্টেজকে উচ্চ ভোল্টেজে রূপান্তরিত করে, যা প্রশ্নানুসারে উল্টো কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়। C) স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমারের সাহায্যে — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি উচ্চ ভোল্টেজকে কম ভোল্টেজে নামিয়ে আনতে ব্যবহৃত হয়। D) এডাপ টরের সাহায্যে — অ্যাডাপ্টর মূলত এসি বিদ্যুৎকে ডিসি বিদ্যুৎে রূপান্তর করতে এবং ভোল্টেজ কমাতে ব্যবহৃত হয়, যা একটি সামগ্রিক যন্ত্র এবং এর ভেতরে স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমার থাকতে পারে কিন্তু ট্রান্সফরমারই মূলত ভোল্টেজ পরিবর্তনের মূল কাজ করে। ৫ মনে রাখার টিপস: - আপ মানে ওপরে বা বৃদ্ধি করা, তাই স্টেপ আপ ভোল্টেজ বাড়ায়। - ডাউন মানে নিচে বা কমানো, তাই স্টেপ ডাউন ভোল্টেজ কমায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ট্রান্সফরমার কেবল অল্টারনেটিং কারেন্ট বা এসি বিদ্যুতের ক্ষেত্রে কাজ করে, ডিরেক্ট কারেন্ট বা ডিসি বিদ্যুতের ক্ষেত্রে এটি কাজ করে না। - পরীক্ষাসমূহে প্রায়ই প্রশ্ন আসে যে ট্রান্সফরমার কোন নীতিতে কাজ করে, যার সঠিক উত্তর হলো পারস্পরিক আবেশ বা মিউচুয়াল ইন্ডাকশন।
a নিউটন ও মিটার
b জুল ও ডাইন
c ওয়াট ও পাউন্ড
d প্যাসকেল ও কিলোগ্রাম
0 93 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বল, গতি ও মহাকর্ষ / কাজ ও শক্তি সঠিক উত্তর: B) জুল ও ডাইন (এখানে মূল প্রশ্নে দেওয়া উত্তরটি আংশিক সঠিক হলেও বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকে ত্রুটিপূর্ণ। কাজের এসআই একক জুল এবং সিজিএস একক আর্গ বা বলের সিজিএস একক ডাইন। তাই প্রশ্নকর্তার দেওয়া অপশনগুলোর মধ্যে এই সমন্বয়টিই সবচেয়ে কাছাকাছি ধরা হয়েছে, তবে নিখুঁত বৈজ্ঞানিক বিচারে কাজের একক জুল ও বলের একক নিউটন হওয়া উচিত।) ১. কেন সঠিক: - বলের সিজিএস একক হলো ডাইন এবং কাজের এসআই একক হলো জুল। - কাজের পরিমাণ হলো বল এবং স্মরণের গুণফল, যা শক্তি হিসেবে পরিমাপ করা হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: কোনো বস্তুর ওপর বল প্রয়োগ করলে যদি বলের দিকে বস্তুর সরণ ঘটে, তবে কাজ সম্পন্ন হয়। - সূত্র বা তত্ত্ব: কাজের সূত্র হলো ডব্লিউ সমান এফ গুণ এস, যেখানে ডব্লিউ হলো কাজ, এফ হলো বল এবং এস হলো সরণ। - কার্যপ্রণালি: নির্দিষ্ট ভরের বস্তুর ওপর বল প্রয়োগ করে নির্দিষ্ট দূরত্ব অতিক্রম করালে কাজের সৃষ্টি হয়। - বাস্তব প্রয়োগ: মাটি থেকে একটি বই উঠাতে বল প্রয়োগ করতে হয় এবং তা কিছুটা উপরে ওঠে, যা কাজের বাস্তব উদাহরণ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মেঝেতে রাখা একটি বাক্স ঠেলে নির্দিষ্ট দূরে সরানো। ব্যাখ্যা: এখানে বাক্সটির ওপর বল প্রয়োগ করা হয়েছে এবং বলের দিকে সরণ ঘটেছে, ফলে কাজ সম্পন্ন হয়েছে। উদাহরণ ২: একটি ভারী পাথরের টুকরো হাত দিয়ে ওপরের দিকে তোলা। ব্যাখ্যা: মধ্যাকর্ষণ বলের বিরুদ্ধে কাজ করে পাথরটিকে নির্দিষ্ট উচ্চতায় তোলা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিউটন ও মিটার — নিউটন হলো বলের একক এবং মিটার হলো দূরত্বের একক, যা কাজের একক নয়। B) জুল ও ডাইন — প্রদত্ত উত্তর হিসেবে এটি নির্ধারিত হলেও এখানে কাজের একক এসআই পদ্ধতিতে এবং বলের একক সিজিএস পদ্ধতিতে মিশ্রিত আছে। C) ওয়াট ও পাউন্ড — ওয়াট হলো ক্ষমতার একক এবং পাউন্ড হলো ভরের একক, যা কাজ বা বলের একক নয়। D) প্যাসকেল ও কিলোগ্রাম — প্যাসকেল হলো চাপের একক এবং কিলোগ্রাম হলো ভরের একক। ৫ মনে রাখার টিপস: কাজ মানেই শক্তির ব্যবহার যার একক জুল এবং বলের ছোট একক হলো ডাইন। এসআই পদ্ধতিতে বলের একক নিউটন এবং কাজের একক জুল মনে রাখা সবচেয়ে নিরাপদ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কাজের একক জুল এবং বলের একক নিউটন—এই এসআই একক যুগল সবচেয়ে বেশি পরীক্ষায় আসে। একক সংক্রান্ত প্রশ্নগুলোতে সবসময় খেয়াল রাখতে হবে এককগুলো একই পদ্ধতি অর্থাৎ এসআই বা সিজিএস পদ্ধতিতে আছে কি না।
a মেঘের অসংখ্য জলকনা /বরফকনার মধ্যে চার্জ সঞ্চিত হলে
b দুই খণ্ড মেঘ পরস্পর সংঘর্ষ হলে
c মেঘের মধে বিদ্যুৎ কোষ তৈরি হলে
d মেঘ বিদ্যুৎ পরিবাহী অবস্থায় এলে
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মেঘের অসংখ্য জলকনা /বরফকনার মধ্যে চার্জ সঞ্চিত হলে ১. কেন সঠিক: - আকাশে বিদ্যুৎ চমকানোর মূল কারণ হলো মেঘের অভ্যন্তরে অসংখ্য জলকণা ও বরফকনার পারস্পরিক ঘর্ষণের ফলে স্থির তড়িৎ বা চার্জের সঞ্চয়ন ঘটে। - মেঘের ভেতরে হালকা বরফকণা উপরে উঠে ধনাত্মক চার্জ এবং ভারী জলকণা নিচে জমে ঋণাত্মক চার্জ তৈরি করে, যার ফলে বিশাল বৈদ্যুতিক বিভব পার্থক্য সৃষ্টি হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: স্থির তড়িৎ এবং বৈদ্যুতিক আধান বা চার্জের পারস্পরিক আকর্ষণ ও বিকর্ষণ প্রক্রিয়ায় বিদ্যুৎ চমকায়। - কার্যপ্রণালি: মেঘের কণাগুলোর ঘর্ষণে যখন চার্জের পরিমাণ অতিরিক্ত বৃদ্ধি পায়, তখন দুই বিপরীত চার্জযুক্ত মেঘের মাঝে বা মেঘ ও মাটির মাঝে তীব্র বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র তৈরি হয়। - কারণ ও ফলাফল: এই প্রবল বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র বাতাসের অন্তরক বাধাকে ভেঙে ফেলে এবং প্রচণ্ড আলোর ঝলকানি ও শব্দের সৃষ্টি করে, যাকে আমরা বজ্রপাত ও বিদ্যুৎ চমকানো বলি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শীতকালে কম্বলের নিচে ঘর্ষণের ফলে ছোট স্ফুলঙ্গ বা শব্দ হওয়া। ব্যাখ্যা: এটি স্থির তড়িতের সাধারণ উদাহরণ, যা মেঘের ভেতর চার্জ জমার প্রক্রিয়াকে বোঝায়। উদাহরণ ২: প্লাস্টিকের চিরুনি দিয়ে শুকনো চুল আঁচড়ে কাগজের টুকরো আকর্ষণ করা। ব্যাখ্যা: ঘর্ষণের মাধ্যমে আধান বা চার্জ সৃষ্টির এই বৈজ্ঞানিক সত্য মেঘের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মেঘের অসংখ্য জলকনা /বরফকনার মধ্যে চার্জ সঞ্চিত হলে — এটি সঠিক কারণ মেঘের কণার ঘর্ষণে স্থির তড়িৎ সঞ্চিত হয় এবং বিদ্যুৎ চমকায়। B) দুই খণ্ড মেঘ পরস্পর সংঘর্ষ হলে — মেঘের মধ্যে সরাসরি যান্ত্রিক সংঘর্ষ ঘটে না, বরং বাতাস ও বরফকনার ঘর্ষণে চার্জ তৈরি হয়। C) মেঘের মধে বিদ্যুৎ কোষ তৈরি হলে — মেঘের ভেতরে কোনো রাসায়নিক বা কৃত্রিম বিদ্যুৎ কোষ বা ব্যাটারি তৈরি হয় না। D) মেঘ বিদ্যুৎ পরিবাহী অবস্থায় এলে — বাতাস সাধারণত বিদ্যুৎ পরিবাহী নয়, অতিরিক্ত চার্জের কারণে এটি সাময়িকভাবে পরিবাহী হয়ে ওঠে। ৫. মনে রাখার টিপস: - মেঘ মানেই জলকণা ও বরফকণা, আর এদের ঘর্ষণ মানেই চার্জ বা স্থির তড়িৎ। - মনে রাখবে, মেঘের উপরে ধনাত্মক এবং নিচে ঋণাত্মক চার্জ জমে বিদ্যুৎ চমকায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি পরিবেশবিজ্ঞান এবং পদার্থবিজ্ঞানের স্থির তড়িৎ অংশ থেকে প্রায়ই আসে। - বজ্রপাতের সময় বিদ্যুৎতের ভোল্টেজ কোটি কোটি ভোল্ট হতে পারে এবং এর তাপমাত্রা সূর্যের উপরিভাগের চেয়েও বেশি হয়।
a হিলিয়াম
b নিয়ন
c আর্গন
d জেনন
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) হিলিয়াম ১. কেন সঠিক: হিলিয়াম পরমাণুর ইলেকট্রন বিন্যাস বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় এর মোট ইলেকট্রন সংখ্যা দুই এবং এর একমাত্র কক্ষপথ বা শক্তিস্তর হলো প্রথম কক্ষপথ বা কে শেল। এই প্রথম কক্ষপথে সর্বোচ্চ ধারণক্ষমতা মাত্র দুটি ইলেকট্রন, তাই হিলিয়াম দুটি ইলেকট্রন দ্বারাই এর শেল পূর্ণ করে অত্যন্ত স্থিতিশীল বা নিষ্ক্রিয় গ্যাসে পরিণত হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: নিষ্ক্রিয় গ্যাসগুলোর পরমাণুর সর্বশেষ শক্তিস্তর সম্পূর্ণ থাকে বলে এরা সাধারণত রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে না এবং এদের যোজনী শূন্য হয়। কার্যপ্রণালি: পর্যায় সারণির আঠারো নম্বর গ্রুপের মৌলগুলো নিষ্ক্রিয় গ্যাস নামে পরিচিত এবং হিলিয়াম ব্যতীত এই গ্রুপের বাকি সব মৌলের সর্বশেষ শক্তিস্তরে আটটি করে ইলেকট্রন থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বেলুনে ওড়ার কাজে হালকা গ্যাস হিসেবে হিলিয়াম ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: এর পরমাণুতে মাত্র দুটি ইলেকট্রন থাকা সত্ত্বেও এটি অত্যন্ত হালকা ও নিষ্ক্রিয় হওয়ায় আগুন ধরে যাওয়ার কোনো ঝুঁকি থাকে না। উদাহরণ ২: সাধারণ বৈদ্যুতিক বাল্বের ভেতরে আর্গন গ্যাস ভরা থাকে। ব্যাখ্যা: আর্গন গ্যাসের সর্বশেষ শক্তিস্তরে আটটি ইলেকট্রন থাকে এবং এটি নিষ্ক্রিয় বলে বাল্বের ভেতরের টাংস্টেন তার পুড়ে যাওয়া থেকে রক্ষা পায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হিলিয়াম — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর সর্বশেষ ও একমাত্র শক্তিস্তরে আটটি নয়, বরং মাত্র দুটি ইলেকট্রন থাকে। B) নিয়ন — এটি ভুল কারণ নিয়ন একটি নিষ্ক্রিয় গ্যাস এবং এর সর্বশেষ শক্তিস্তরে নিয়ম অনুযায়ী আটটি ইলেকট্রন থাকে। C) আর্গন — এটি ভুল কারণ আর্গন একটি নিষ্ক্রিয় গ্যাস যার সর্বশেষ শক্তিস্তরে অষ্টক পূর্ণ অর্থাৎ আটটি ইলেকট্রন বিদ্যমান। D) জেনন — এটি ভুল কারণ জেনন ভারী নিষ্ক্রিয় গ্যাসগুলোর একটি এবং এর যোজনী স্তরে আটটি ইলেকট্রন থাকে। ৫. মনে রাখার টিপস: নিষ্ক্রিয় গ্যাসগুলোর মধ্যে কেবল হিলিয়ামের প্রথম শক্তিস্তরে দুটি ইলেকট্রন থাকে বাকি সবার শেষে আটটি ইলেকট্রন পূর্ণ থাকে। পর্যায় সারণির আঠারো নম্বর গ্রুপের প্রথম মৌল হিলিয়াম ডুপেট বা দ্বৈত নিয়ম মানে এবং অন্য সবাই অক্টেট বা অষ্টক নিয়ম মানে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: হিলিয়াম পরমাণুর পারমাণবিক সংখ্যা দুই এবং এর ভরসংখ্যা চার যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। নিষ্ক্রিয় গ্যাসগুলোকে শূন্য গ্রুপের মৌল বা নোবেল গ্যাসও বলা হয় এবং এরা সাধারণ তাপমাত্রায় গ্যাসীয় অবস্থায় থাকে।
a রেশমের চাষ
b মৎস্য চাষ
c মৌমাছির চাষ
d পাখিপালন বিদ্যা
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মৌমাছির চাষ ১. কেন সঠিক: - 'এপিকালচার' হলো বৈজ্ঞানিকভাবে নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে মৌমাছি পালন এবং তাদের থেকে মধু ও মোম উৎপাদনের পদ্ধতি। - এই প্রক্রিয়ায় মৌচাক থেকে বাণিজ্যিক ও ঔষধি উদ্দেশ্যে মধু সংগ্রহ করা হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: বিভিন্ন প্রজাতির মৌমাছি যেমন এপিস ইন্ডিকা বা এপিস মেলিফেরা লালন-পালন ও ব্যবস্থাপনা হলো এপিকালচার। - কার্যপ্রণালি: নির্দিষ্ট বাক্সে রানি মৌমাছি ও শ্রমিক মৌমাছি রেখে কৃত্রিম উপায়ে মৌচাক তৈরি করা হয় এবং ফুল থেকে রস সংগ্রহে সহায়তা করা হয়। - বাস্তব প্রয়োগ: কৃষি ক্ষেত্রে ফসলের পরাগায়ন বৃদ্ধি এবং বাণিজ্যিক মধু উৎপাদনে এপিকালচার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আম বা সরিষা ক্ষেতের পাশে মৌবাক্স স্থাপন করা। ব্যাখ্যা: এতে মৌমাছিরা ফুলের পরাগায়ন ঘটিয়ে ফসলের ফলন বৃদ্ধি করে এবং প্রচুর পরিমাণে মধু সংগ্রহ করে। উদাহরণ ২: বাণিজ্যিক মৌমাছি খামার স্থাপন। ব্যাখ্যা: এখান থেকে উৎপাদিত মধু ও মোম খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ ও প্রসাধন শিল্পে কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রেশমের চাষ — রেশমের চাষকে বলা হয় সেরিকালচার, যা বম্বিক্স মরি মথ পালনের সঙ্গে সম্পর্কিত। B) মৎস্য চাষ — মৎস্য চাষকে বলা হয় পিসিকালচার, যা মাছের কৃত্রিম প্রজনন ও ব্যবস্থাপনার সঙ্গে যুক্ত। C) মৌমাছির চাষ — এটি সঠিক উত্তর এবং একে এপিকালচার বলা হয়। D) পাখিপালন বিদ্যা — পাখি পালন বা বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে পাখি পালনকে অর্নিথোলজি বা অ্যাভিকালচার বলা হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - এপিস মানে মৌমাছি, তাই মৌমাছির চাষকে এপিকালচার বলা হয়। - সেরিকালচার মানে রেশম এবং পিসিকালচার মানে মাছ, এই তিনটি নাম একসঙ্গে মনে রাখলে পরীক্ষায় কনফিউশন হবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভিন্ন চাষাবাদের বৈজ্ঞানিক নাম প্রায়ই আসে। - হর্টিকালচার হলো উদ্যানতত্ত্ব বা ফলমূল ও সবজির চাষ, যা এই ধরনের প্রশ্নের সঙ্গে মিলিয়ে পড়তে হয়।
a ২৫ জোড়া
b ২৪ জোড়া
c ২৩ জোড়া
d ২০ জোড়া
0 93 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৩ জোড়া ১. কেন সঠিক: মানবদেহের কোষে সাধারণ অবস্থায় ২৩ জোড়া বা মোট ছেচল্লিশটি ক্রোমোজোম থাকে। পিতা ও মাতা থেকে প্রাপ্ত সেক্স ক্রোমোজোমসহ এই বিন্যাস মানব প্রজাতির বৈশিষ্ট্য নির্ধারণ করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: ক্রোমোজোম হলো কোষের নিউক্লিয়াসে অবস্থিত ডিএনএ এবং প্রোটিন দ্বারা গঠিত বংশগতির ধারক। কার্যপ্রণালি: এর মধ্যে বাইশ জোড়া অটোসোম শারীরিক বৈশিষ্ট্য এবং এক জোড়া সেক্স ক্রোমোজোম লিঙ্গ নির্ধারণ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মানুষের ক্ষেত্রে বাহ্যিক বৈশিষ্ট্য যেমন চোখের রঙ বা উচ্চতা নির্ধারিত হয় অটোসোমের মাধ্যমে। ব্যাখ্যা: এই তেইশ জোড়ার সঠিক বিন্যাস মানব দেহের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও শারীরিক গঠন নিশ্চিত করে। উদাহরণ ২: পুরুষের ক্ষেত্রে এক জোড়া সেক্স ক্রোমোজোম এক্স ও ওয়াই এবং নারীর ক্ষেত্রে দুটি এক্স হয়। ব্যাখ্যা: এই ক্রোমোজোমের সুনির্দিষ্ট মিলনের মাধ্যমেই নবজাতকের লিঙ্গ নির্ধারিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৫ জোড়া — মানবদেহের স্বাভাবিক ক্রোমোজোম সংখ্যা এটি নয় কারণ এটি ভুল পরিসংখ্যান। B) ২৪ জোড়া — শিম্পাঞ্জি বা অন্য কোনো প্রাণীর ক্রোমোজোম সংখ্যা হতে পারে মানুষের নয়। C) ২৩ জোড়া — এটি মানবদেহের স্বাভাবিক ও সঠিক ক্রোমোজোম সংখ্যার নির্ধারিত মান। D) ২০ জোড়া — এটি মানবদেহের জন্য সম্পূর্ণ অসত্য এবং বৈজ্ঞানিকভাবে ভুল একটি সংখ্যা। ৫ মনে রাখার টিপস: মানুষের জোড়ায় সংখ্যা মনে রাখতে চব্বিশের ঠিক আগের সংখ্যা অর্থাৎ তেইশ মনে রাখা যায়। টোটাল সংখ্যা ছেচল্লিশ এবং জোড়ার হিসেবে তার অর্ধেক অর্থাৎ তেইশ জোড়া ক্রোমোজোম থাকে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মানবদেহের মোট ক্রোমোজোমের সংখ্যা ছেচল্লিশটি এবং সেক্স ক্রোমোজোমের সংখ্যা মাত্র এক জোড়া। পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে মানবদেহের অটোসোম কয়টি যার উত্তর হলো বাইশ জোড়া বা চুয়াল্লিশটি।
a স্ট্যাটোস্ফির
b ট্রপোস্ফিয়ার
c আয়োনোস্ফিয়ার
d ওজোনস্তর
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আয়োনোস্ফিয়ার ১. কেন সঠিক: বায়ুমণ্ডলের এই স্তরে প্রচুর পরিমাণে মুক্ত ইলেকট্রন এবং আয়ন থাকে যা রেডিও বা বেতার তরঙ্গকে প্রতিহত করে আবার পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনে। এর ফলে পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে পাঠানো বেতার তরঙ্গ শত শত মাইল দূরে রিসিভারে ধরা সম্ভব হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: বায়ুমণ্ডলের প্রায় ৮০ থেকে ৬০০ কিলোমিটার উঁচুতে অবস্থিত থার্মোস্ফিয়ারের একটি অংশকে আয়োনোস্ফিয়ার বলা হয়। কার্যপ্রণালি: সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি এবং এক্স-রে বায়ুমণ্ডলের গ্যাসীয় অণুগুলোকে আয়নিত করে মুক্ত ইলেকট্রন তৈরি করে যা তরঙ্গ প্রতিফলনে কাজ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশ বেতারের শর্টওয়েভ বা মধ্যম তরঙ্গের অনুষ্ঠান দেশের বাইরে বা দূরদূরান্তে শোনা যায়। ব্যাখ্যা: এই বেতার তরঙ্গগুলো আয়োনোস্ফিয়ারে ধাক্কা খেয়ে প্রতিসরিত বা প্রতিফলিত হয়ে অনেক দূরে ছড়িয়ে পড়ে। উদাহরণ ২: মেরুপ্রভা বা অরোরা সৃষ্টি। ব্যাখ্যা: আয়োনোস্ফিয়ারের চার্জযুক্ত কণাগুলোর সাথে সৌর বায়ুর প্রতিক্রিয়ার ফলে আকাশে সুন্দর রঙিন আলোর খেলা দেখা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্ট্যাটোস্ফির — এটি বায়ুমণ্ডলের দ্বিতীয় স্তর যেখানে ওজোন গ্যাস থাকে এবং জেট বিমান চলাচল করে কিন্তু বেতার তরঙ্গ প্রতিফলিত হয় না। B) ট্রপোস্ফিয়ার — এটি বায়ুমণ্ডলের সবচেয়ে নিচের স্তর যেখানে মেঘ বৃষ্টি ও ঝড়ঝাপ্টা হয় এবং আবহাওয়া গঠিত হয়। C) আয়োনোস্ফিয়ার — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে আয়নিত গ্যাস বেতার তরঙ্গ প্রতিফলিত করতে পারে। D) ওজোনস্তর — এটি মূলত স্ট্যাটোস্ফিয়ারে অবস্থিত যা সূর্যের ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি শোষণ করে জীবকুলকে রক্ষা করে। ৫ মনে রাখার টিপস: রেডিও বা বেতার তরঙ্গের সাথে 'আয়ন' শব্দটি মনে রাখলেই আয়োনোস্ফিয়ার উত্তরটি সহজে মাথায় আসবে। আইনের মতো বেতার তরঙ্গও আইন মেনে আয়োনোস্ফিয়ার থেকে ঘুরে আসে এই কৌশলটি মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বায়ুমণ্ডলের বিভিন্ন স্তর থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। বায়ুমণ্ডলের শীতলতম স্তর কোনটি বা কোন স্তরে ওজোন স্তর থাকে এই ধরনের প্রশ্নগুলো একই অধ্যায় থেকে বারবার ঘুরে আসে।
a ক্রোনোমিটার
b কম্পাস
c সিসমোগ্রাফ
d সেক্সট্যান্ট
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সেক্সট্যান্ট ১. কেন সঠিক: - সমুদ্রে বা আকাশে জাহাজের অবস্থান নিশ্চিত করতে সেক্সট্যান্ট যন্ত্র ব্যবহার করে কোনো নক্ষত্র বা সূর্যের উচ্চতা মাপা হয়। - এর মাধ্যমে অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশ সঠিকভাবে নির্ণয় করা সম্ভব হয়, যা সমুদ্রযাত্রায় দিক ঠিক রাখতে সাহায্য করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: সেক্সট্যান্ট হলো একটি দ্বৈত প্রতিফলন যন্ত্র যা দিগন্তের সাপেক্ষে কোনো খগােলকের কৌণিক দূরত্ব পরিমাপ করে। - কার্যপ্রণালি: এটি আয়না ও প্রিজমের সাহায্যে সূর্য বা তারার আলো প্রতিফলিত করে দিগন্তের সঙ্গে তার কোণ নির্ধারণ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গভীর সমুদ্রে জাহাজের ক্যাপ্টেন রাতের আকাশে ধ্রুবতারার উচ্চতা মেপে নিজের অবস্থান নিশ্চিত করেন। ব্যাখ্যা: এই কোণ হিসাব করে জাহাজের অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশ খুব সহজে বের করা যায়। উদাহরণ ২: প্রাচীন নাবিকরা দিনের বেলায় সূর্যের উন্নতি কোণ মেপে সেক্সট্যান্টের সাহায্যে নিজেদের গন্তব্য ঠিক করতেন। ব্যাখ্যা: এটি আধুনিক জিপিএস প্রযুক্তির আগের যুগে সমুদ্রের நடுখানে পথ হারানোর হাত থেকে রক্ষা করত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক্রোনোমিটার — এটি একটি অত্যন্ত নিখুঁত সময় পরিমাপক যন্ত্র যা দ্রাঘিমাংশ নির্ণয়ে সহায়ক হলেও সরাসরি কৌণিক দূরত্ব মাপে না। B) কম্পাস — এটি চৌম্বক উত্তর দিক নির্দেশ করে যা দিক নির্ণয়ে ব্যবহৃত হয় কিন্তু দ্রাঘিমাংশ মাপে না। C) সিসমোগ্রাফ — এটি ভূকম্পন বা ভূমিকম্পের তীব্রতা ও স্থায়িত্ব রেকর্ড করার জন্য ব্যবহৃত হয়। D) সেক্সট্যান্ট — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি খগােলকের উচ্চতা মেপে অবস্থান নির্ণয় করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - সমুদ্রের দূরত্ব বা কোণ মাপার জন্য এস অক্ষর দিয়ে শুরু সেক্সট্যান্ট মনে রাখবে। - সময় মাপার জন্য ক্রোনোমিটার এবং দিক মাপার জন্য কম্পাস ব্যবহার করা হয়, এই পার্থক্য মাথায় রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় যন্ত্র ও তার ব্যবহারের ওপর প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - ক্রোনোমিটার কে আবিষ্কার করেন এবং সেক্সট্যান্টের কার্যপদ্ধতি কী, তা ভালোভাবে পড়ে রাখবে।
a সূর্য ও চন্দ্রের পৃথিবীর সঙ্গে সমকোণে অবস্থান করে
b চন্দ্র পৃথিবীর সবচেয়ে কাছে অবস্থান করে
c পৃথিবী সূর্যের সবচেয়ে কাছে থাকে
d সূর্য, চন্দ্র ও পৃথিবী যথাক্রমে এক সরলরেখায় অবস্থান করে
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সূর্য, চন্দ্র ও পৃথিবী যথাক্রমে এক সরলরেখায় অবস্থান করে ১. কেন সঠিক: - সূর্য ও চন্দ্রের মিলিত মহাকর্ষীয় আকর্ষণের ফলে সমুদ্রের পানিতে প্রবল বা মুখ্য জোয়ারের সৃষ্টি হয়। - যখন এই দুটি জ্যোতিষ্ক পৃথিবীকে একদিকে টানে, তখন তাদের আকর্ষণ বল একত্রিত হয়ে জোয়ারের পানিকে সর্বোচ্চ পরিমাণে ফুটিয়ে তোলে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: জোয়ার-ভাটা মূলত চাঁদ ও সূর্যের আকর্ষণ বল এবং পৃথিবীর কেন্দ্রাতিগ বলের প্রভাবে সমুদ্রপৃষ্ঠের পানির নিয়মিত ওঠানামা। - কার্যপ্রণালি: অমাবস্যা বা পূর্ণিমার দিনে যখন সূর্য, পৃথিবী ও চাঁদ একই সরলরেখায় অবস্থান করে, তখন চন্দ্র ও সূর্যের সম্মিলিত আকর্ষণে প্রবল জোয়ার হয়। - কারণ ও ফলাফল: এই অবস্থাকে সিজিজি বা সংযোগ-যুতি বলা হয়, যেখানে আকর্ষণ বল সর্বাধিক হওয়ায় পানি উপকূলের দিকে প্রবল বেগে ধাবিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অমাবস্যার রাত ব্যাখ্যা: এই সময়ে সূর্য ও চাঁদ পৃথিবীর একই দিকে অবস্থান করায় উভয়ের আকর্ষণ বল একই দিকে কাজ করে এবং প্রবল জোয়ারের সৃষ্টি হয়। উদাহরণ ২: পূর্ণিমার রাত ব্যাখ্যা: এই সময়ে সূর্য ও চাঁদ পৃথিবীর দুই বিপরীত দিকে সরলরেখায় থাকে, তবুও তাদের আকর্ষণের মিলিত প্রভাবে প্রবল জোয়ার বা ভরা কোটাল দেখা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সূর্য ও চন্দ্রের পৃথিবীর সঙ্গে সমকোণে অবস্থান করে — এই অবস্থায় চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণ বল একে অপরের বিপরীত দিক থেকে কাজ করে, ফলে পানির আকর্ষণ কমে যায় এবং মৃদু বা মরা জোয়ারের সৃষ্টি হয়। B) চন্দ্র পৃথিবীর সবচেয়ে কাছে অবস্থান করে — চাঁদ কাছে থাকলে আকর্ষণ বেশি হয় ঠিকই, তবে প্রবল জোয়ারের জন্য সূর্য ও চন্দ্রের সরলরৈখিক অবস্থানের মিলিত প্রভাব অপরিহার্য। C) পৃথিবী সূর্যের সবচেয়ে কাছে থাকে — পৃথিবী সূর্যের সবচেয়ে কাছে থাকাকে অনুসুর বলে, যা বার্ষিক সৌর আকর্ষণের সঙ্গে সম্পর্কিত কিন্তু দৈনিক প্রবল জোয়ারের প্রধান কারণ নয়। D) সূর্য, চন্দ্র ও পৃথিবী যথাক্রমে এক সরলরেখায় অবস্থান করে — এই অপশনটি সঠিক কারণ এই অবস্থানেই উভয়ের আকর্ষণ একত্রে কাজ করে প্রবল জোয়ার উৎপন্ন করে। ৫ মনে রাখার টিপস: - সরলরেখা মানেই শক্তিশালী টান বা প্রবল জোয়ার, আর সমকোণ মানেই টানাটানিতে ভাগ বসা, অর্থাৎ দুর্বল জোয়ার। - অমাবস্যা ও পূর্ণিমার দিনে সরলরেখা তৈরি হয় বলে এই দিনে ভরা কোটাল বা প্রবল জোয়ারের দেখা মেলে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় মহাকর্ষ ও জ্যোতির্বিজ্ঞানের সাধারণ জ্ঞান অংশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - একই ধারণা থেকে মরা জোয়ার বা নবমী তিথিতে জোয়ারের অবস্থা সম্পর্কে প্রশ্ন আসতে পারে।
a অসম্পৃক্ত এলকোহল
b জৈব এসিড
c পলিমার
d এমিনো এসিড
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অসম্পৃক্ত এলকোহল ১. কেন সঠিক: কোলেস্টেরল হলো লিপিডের একটি বিশেষ শ্রেণি স্টেরয়েডের অন্তর্ভুক্ত এবং এর রাসায়নিক গঠনে একটি হাইড্রোক্সিল গ্রুপ যুক্ত থাকে। রাসায়নিক গঠনের দিক থেকে এটি অসম্পৃক্ত চক্রাকার অ্যালকোহল হিসেবে পরিচিত এবং এটি প্রাণিজ কোষে প্রাকৃতিকভাবে উৎপাদিত হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: কোলেস্টেরল এক ধরনের জটিল স্টেরয়েড যা লিপিড বা ফ্যাট জাতীয় পদার্থের অংশবিশেষ। কার্যপ্রণালি: যকৃতে কোলেস্টেরল সংশ্লেষিত হয় এবং এটি কোষের ঝিল্লি গঠনে ও হরমোন তৈরিতে সরাসরি অংশগ্রহণ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ডিমের কুসুম এবং মাখনে প্রচুর পরিমাণে কোলেস্টেরল থাকে। ব্যাখ্যা: এগুলো প্রাণিজ উৎস হওয়ায় আমাদের শরীরে প্রয়োজনীয় কোলেস্টেরল সরবরাহ করে। উদাহরণ ২: মানুষের রক্তনালীর প্রাচীরে কোলেস্টেরল জমা হতে পারে। ব্যাখ্যা: অতিরিক্ত কোলেস্টেরল রক্ত চলাচলে বাধা সৃষ্টি করে এবং হৃদরোগের ঝুঁকি বৃদ্ধি করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অসম্পৃক্ত এলকোহল — এটি কোলেস্টেরলের সঠিক রাসায়নিক শ্রেণি নির্দেশ করে কারণ এতে হাইড্রোক্সিল গ্রুপ ও অসম্পৃক্ত বন্ধন থাকে। B) জৈব এসিড — জৈব এসিড হলো এমন যৌগ যাতে কার্বক্সিল গ্রুপ থাকে, যা কোলেস্টেরলে থাকে না। C) পলিমার — পলিমার হলো অনেকগুলো অণু মিলে গঠিত বৃহৎ শিকল, কিন্তু কোলেস্টেরল একটি ছোট একক বা মনোমার জাতীয় অণু। D) এমিনো এসিড — এমিনো এসিড হলো প্রোটিনের একক যাতে অ্যামিন ও এসিড গ্রুপ থাকে, যা কোলেস্টেরলের সাথে সম্পর্কিত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: কোলেস্টেরলের নামের শেষে অল শব্দটি যুক্ত থাকে যা অ্যালকোহলের প্রতীক, তাই এটি এক ধরনের অ্যালকোহল। এটি লিপিড হলেও এর রাসায়নিক প্রকৃতি অ্যালকোহল শ্রেণীর সাথে মিলে যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কোলেস্টেরল মানুষের দেহে ভিটামিন ডি এবং হরমোন তৈরিতে সাহায্য করে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে যে কোলেস্টেরল কোন জাতীয় জৈব যৌগ।
a মাটির ক্ষয় রোধের জন্য
b মাটির অম্লতা বৃ্ধির জন্য
c মাতির অম্লতে হ্রাসের জন্য
d মাটির জৈব পদার্থ বৃধির জন্য
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মাতির অম্লতে হ্রাসের জন্য ১. কেন সঠিক: - মাটির অম্লতা বা pH এর মান কমে গেলে চুন প্রয়োগ করা হয় কারণ চুন একটি ক্ষারকীয় পদার্থ যা মাটির অতিরিক্ত অ্যাসিড প্রশমিত করে। - মাটির অম্লতা হ্রাসের মাধ্যমে ফসলের পুষ্টি উপাদান গ্রহণ করার ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় এবং উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধি নিশ্চিত হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: অম্ল, ক্ষার ও লবণ সংক্রান্ত রসায়নের neutralization বিক্রিয়া যেখানে ক্ষারক অম্লের সাথে বিক্রিয়া করে লবণ ও পানি উৎপন্ন করে। - কার্যপ্রণালি: কৃষি চুন বা ক্যালসিয়াম অক্সাইড মাটিতে যোগ করলে তা পানির সাথে বিক্রিয়া করে ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড উৎপন্ন করে এবং মাটির হাইড্রোজেন আয়নের মাত্রা কমায়। - কারণ ও ফলাফল: মাটির pH মান ৫.০ এর নিচে নেমে গেলে ফসফরাসসহ প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান অদ্রবণীয় হয়ে যায়, চুন প্রয়োগ করলে pH এর মান বৃদ্ধি পেয়ে ৬.০ থেকে ৭.০ এর মধ্যে আসে। - বাস্তব প্রয়োগ: অতিরিক্ত রাসায়নিক সার ব্যবহারের ফলে যেসব কৃষি জমির মাটি অম্লীয় হয়ে যায়, সেখানে চুন প্রয়োগ করে উর্বরতা রক্ষা করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চা বাগান ও আনারস চাষের জমি। ব্যাখ্যা: এই সমস্ত জমিতে অতিরিক্ত অম্লতা কমানোর জন্য চুন বা ডলোমাইট ব্যবহার করা হয় যাতে উদ্ভিদের মূলের ক্ষতি না হয়। উদাহরণ ২: অম্লীয় জলাশয়ে চুন প্রয়োগ। ব্যাখ্যা: অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে পুকুরের পানি অম্লীয় হয়ে গেলে মাছের খাদ্যগ্রহণ কমে যায়, তখন চুন প্রয়োগ করে পানির অম্লতা ও pH নিয়ন্ত্রণ করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাটির ক্ষয় রোধের জন্য — মাটির ক্ষয় মূলত পানি বা বাতাসের প্রবাহের কারণে হয়, যা রোধ করতে গাছ লাগানো বা ঢাল কমানো হয়, চুন কোনো ভূমিকা রাখে না। B) মাটির অম্লতা বৃ্ধির জন্য — চুন ব্যবহারের ফলে মাটির অম্লতা বৃদ্ধি পায় না বরং হ্রাস পায়, কারণ চুন নিজেই একটি ক্ষারকীয় পদার্থ। D) মাটির জৈব পদার্থ বৃধির জন্য — মাটির জৈব পদার্থ বৃদ্ধির জন্য কম্পোস্ট সার বা গোবর সার ব্যবহার করা হয়, খনিজ চুন জৈব পদার্থ সরবরাহ করে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - চুন হলো ক্ষারক এবং অম্ল হলো অ্যাসিড, তাই চুন দিলে মাটির অম্লতা কমে যায় এবং মাটি ক্ষারীয় বা নিরপেক্ষ হয়। - অম্লতা কমানো মানে pH এর মান বৃদ্ধি করা, যা উদ্ভিদের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - কৃষি জমিতে চুন হিসেবে প্রধানত ক্যালসিয়াম কার্বনেট বা ক্যালসিয়াম অক্সাইড ব্যবহার করা হয়। - এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় আসে যেখানে মাটির উর্বরতা ও pH এর সম্পর্ক জানতে চাওয়া হয়।
a ১০ থেকে ৪০০ নেমি
b ৪০০ থেকে ৭০০ নেমি
c ১০০ মাইচ্রোমিটার থেকে ১ মি.
d ১ মি এর ঊর্ধে
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪০০ থেকে ৭০০ নেমি ১. কেন সঠিক: - মানব চোখ দৃশ্যমান আলোর প্রতি সংবেদনশীল এবং এই আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য ৪০০ থেকে ৭০০ ন্যানোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত। - দৃশ্যমান আলোর এই সীমার ভেতরেই আলোর বিভিন্ন রঙের অনুভূতি আমাদের মস্তিষ্কে তৈরি হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: তড়িৎ চৌম্বকীয় বর্ণালীর যে অংশটুকু মানব চোখে উদ্দীপনা সৃষ্টি করে তাকে দৃশ্যমান আলো বলে। - কার্যপ্রণালি: আলোর এই তরঙ্গগুলো চোখে প্রবেশ করে রেটিনার রড ও কোণ কোষে আঘাত করে এবং মস্তিষ্কে সংকেত পাঠায়। - বাস্তব প্রয়োগ: রংধনু দেখা, রঙিন ফুল চেনা এবং আমাদের প্রাত্যহিক দৃষ্টিশক্তি এই তরঙ্গদৈর্ঘ্যের ওপর নির্ভরশীল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বেগুনি রং ব্যাখ্যা: দৃশ্যমান আলোর স্বল্পতম তরঙ্গদৈর্ঘ্য চারশ ন্যানোমিটারের কাছাকাছি এবং এটি বেগুনি রঙের আলো তৈরি করে। উদাহরণ ২: লাল রং ব্যাখ্যা: দৃশ্যমান আলোর দীর্ঘতম তরঙ্গদৈর্ঘ্য সাতশ ন্যানোমিটারের কাছাকাছি এবং এটি লাল রঙের আলো তৈরি করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০ থেকে ৪০০ নেমি — এই তরঙ্গদৈর্ঘ্য অতিবেগুনি রশ্মির অন্তর্গত যা মানব চোখে দেখা যায় না। B) ৪০০ থেকে ৭০০ নেমি — এটি দৃশ্যমান আলোর সঠিক পরিসীমা যা মানব চোখ দেখতে পায়। C) ১০০ মাইচ্রোমিটার থেকে ১ মি. — এই পরিসীমা অবলোহিত রশ্মি ও মাইক্রোওয়েভের অন্তর্ভুক্ত যা খালি চোখে দৃশ্যমান নয়। D) ১ মি এর ঊর্ধে — এটি রেডিও তরঙ্গের অংশ যা অনেক দীর্ঘ এবং মানব চোখ তা দেখতে অক্ষম। ৫ মনে রাখার টিপস: - দৃশ্যমান আলোর সীমা মনে রাখতে চারশ থেকে সাতশ ন্যানোমিটার সংখ্যা দুটি মনে রাখুন। - বেগুনি থেকে লাল রঙের বর্ণালী এই সীমার ভেতরে অবস্থান করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - দৃশ্যমান আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্যের একক ন্যানোমিটার হিসেবে পরীক্ষায় বেশি আসে। - এই একই ধারণা থেকে অবলোহিত বা অতিবেগুনি রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য সম্পর্কিত প্রশ্নও হতে পারে।
a পূর্ণঅভ্যন্তরীণপ্রতিফলনেরজন্য
b প্রতিসরনের জন্য
c প্রতিফলনের জন্য
d অপবর্তনের জন্য
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পূর্ণঅভ্যন্তরীণপ্রতিফলনেরজন্য ১. কেন সঠিক: হীরক বা হীরা উজ্জ্বল দেখানোর প্রধান কারণ হলো এর ভেতরে আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন। হীরকের সংকট কোণ অত্যন্ত ক্ষুদ্র হওয়ায় আলো এর ভেতরে প্রবেশ করলে বিভিন্ন তলে বারবার পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলিত হয়ে নির্দিষ্ট মুখ দিয়ে বেরিয়ে আসে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: আলো যখন ঘন মাধ্যম থেকে হালকা মাধ্যমে যাওয়ার সময় আপতন কোণ সংকট কোণের চেয়ে বেশি হয়, তখন আলো প্রতিসরিত না হয়ে সম্পূর্ণভাবে প্রথম মাধ্যমে ফিরে আসে। একে পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন বলে। কার্যপ্রণালি: হীরা অত্যন্ত ঘন পদার্থ হওয়ায় এর প্রতিসরাঙ্ক অনেক বেশি এবং সংকট কোণ প্রায় ২৪ ডিগ্রি। একবার আলো হীরার ভেতরে ঢুকলে তা সহজে বের হতে না পেরে বারবার প্রতিফলিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অপটিক্যাল ফাইবার ব্যাখ্যা: অপটিক্যাল ফাইবারে আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন ঘটিয়ে তথ্য দ্রুত এক স্থান থেকে অন্য স্থানে পাঠানো হয়। উদাহরণ ২: মরীচিকা সৃষ্টি ব্যাখ্যা: মরুভূমিতে বা পিচ ঢালা রাস্তায় আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের কারণে পানির আভাষ বা মরীচিকা দেখা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পূর্ণঅভ্যন্তরীণপ্রতিফলনেরজন্য — এটি সঠিক কারণ হীরার উচ্চ প্রতিসরাঙ্ক ও ক্ষুদ্র সংকট কোণের কারণে আলো বারবার প্রতিফলিত হয়ে উজ্জ্বলতা ছড়ায়। B) প্রতিসরনের জন্য — আলো এক মাধ্যম থেকে অন্য মাধ্যমে যাওয়ার সময় দিক পরিবর্তন করে, যা হীরার চকচকে ভাবের প্রধান কারণ নয়। C) প্রতিফলনের জন্য — সাধারণ প্রতিফলন হীরার ভেতরে আলো আটকে রেখে তাকে উজ্জ্বল করে তুলতে পারে না। D) অপবর্তনের জন্য — আলোর কোনো ধার ঘেঁষে বেঁকে যাওয়ার ঘটনা এখানে কাজ করে না। ৫. মনে রাখার টিপস: হীরা মানেই চমৎকার উজ্জ্বলতা, আর এই উজ্জ্বলতার চাবিকাঠি হলো পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন। সংকট কোণ ছোট থাকায় আলো বাইরে বের হতে না পেরে হীরার ভেতরেই বন্দি থেকে চকচক করতে থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: হীরকের সংকট কোণ প্রায় ২৪ ডিগ্রি এবং এর প্রতিসরাঙ্ক প্রায় ২.৪২। বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় হীরকের প্রতিসরাঙ্ক ও সংকট কোণ সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।

মোট প্রশ্ন (1)

a মেইল
b ইন্টারকম
c ইন্টারনেট
d টেলিকমিউনেশন
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ইন্টারনেট ১. কেন সঠিক: ইন্টারনেট হলো বিশ্বজুড়ে বিস্তৃত কম্পিউটার নেটওয়ার্কগুলোর একটি নেটওয়ার্ক, যা প্রোটোকল ব্যবহার করে সারা পৃথিবীর কম্পিউটারগুলোর মধ্যে ডেটা বা তথ্য আদান-প্রদান নিশ্চিত করে। এই বৈশ্বিক পরিকাঠামোর মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট কম্পিউটার অন্য যেকোনো কম্পিউটারের সঙ্গে যুক্ত হয়ে তথ্য পাঠাতে ও গ্রহণ করতে পারে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ইন্টারনেট হলো ইন্টারকানেক্টেড নেটওয়ার্কের সংক্ষিপ্ত রূপ, যা বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে থাকা কোটি কোটি ডিভাইসকে পরস্পরের সাথে যুক্ত করে। কার্যপদ্ধতি: প্যাকেট সুইচিং প্রযুক্তির মাধ্যমে এবং টিসিপি আইপি প্রোটোকল অনুসরণ করে ডেটা ছোট ছোট প্যাকেটে বিভক্ত হয়ে এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে স্থানান্তরিত হয়। বৈশিষ্ট্য: এটি সর্বজনীন, বিকেন্দ্রীভূত এবং রিয়েল-টাইম যোগাযোগ সমর্থনকারী একটি ডিজিটাল যোগাযোগ ব্যবস্থা। ব্যবহার: বিশ্বজুড়ে ফাইল শেয়ারিং, ই-মেইল আদান-প্রদান, ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব ব্রাউজিং এবং অনলাইন যোগাযোগের কাজে এটি ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশ থেকে আমেরিকার কোনো কম্পিউটারে ই-মেইল পাঠানো। ব্যাখ্যা: ইন্টারনেট প্রোটোকল ব্যবহার করে মহাসাগরের তলদেশের সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে এই তথ্য এক দেশ থেকে অন্য দেশের কম্পিউটারে পৌঁছে যায়। উদাহরণ ২: ঘরে বসে ল্যাপটপের মাধ্যমে ইউটিউব বা ফেসবুক ব্যবহার করা। ব্যাখ্যা: ইন্টারনেট সংযোগের মাধ্যমেই ক্লাউড সার্ভারে থাকা ভিডিও বা তথ্য ব্যবহারকারীর কম্পিউটারে প্রদর্শিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মেইল — এটি কেবল বার্তা বা ইলেকট্রনিক ডকুমেন্ট আদান-প্রদানের একটি মাধ্যম, যা ইন্টারনেটের ওপর ভিত্তি করে কাজ করে কিন্তু সামগ্রিক কম্পিউটার টু কম্পিউটার সংযোগ বোঝায় না। B) ইন্টারকম — এটি সাধারণত একটি নির্দিষ্ট ভবন বা প্রতিষ্ঠানের ভেতরের সীমিত পরিসরে যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত অ্যানালগ বা ডিজিটাল ইন্টারনাল কমিউনিকেশন সিস্টেম। D) টেলিকমিউনেশন — এটি সামগ্রিকভাবে যেকোনো দূরবর্তী যোগাযোগ ব্যবস্থাকে বোঝায়, যার মধ্যে টেলিফোন, রেডিও ও টেলিভিশন অন্তর্ভুক্ত, যা শুধুমাত্র কম্পিউটার টু কম্পিউটার ডেটা আদান-প্রদানের বিশেষ প্রযুক্তির নাম নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: বিশ্বের সব নেটওয়ার্কের মহা-নেটওয়ার্ক বা নেটওয়ার্কের নেটওয়ার্ক হলো ইন্টারনেট। মনে রাখবে, কম্পিউটারগুলোর আন্তঃসংযোগের বৈশ্বিক মাধ্যমই হলো ইন্টারনেট। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ইন্টারনেটের জনক ভিনসেন্ট সার্ফ এবং বব কান। পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে ইন্টারনেট প্রোটোকলের মূল ভিত্তি কোনটি, যার সঠিক উত্তর টিসিপি আইপি।