বাংলাদেশ  সিভিল সার্ভিস (BCS)

২৮ তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা ২০০৮

পদের নাম: বিভিন্ন পদ (৯ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (98)

a দিক্‌দর্শন
b সংবাদ প্রভাকর
c তত্তবোধিনী
d বঙ্গদর্শন
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দিক্‌দর্শন ১. কেন সঠিক: - দিক্‌দর্শন হলো বাংলা ভাষায় প্রকাশিত প্রথম সাময়িকপত্র বা মাসিক পত্রিকা, যা ১৮১৮ সালের এপ্রিল মাসে প্রকাশিত হয়। - এটি মূলত কিশোর পাঠকদের উপযোগী বিভিন্ন জ্ঞানগর্ভ ও শিক্ষণীয় বিষয় নিয়ে প্রকাশিত হতো। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - দিক্‌দর্শন পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন জন ক্লার্ক মার্শম্যান এবং এটি শ্রীরামপুর মিশন প্রেস থেকে প্রকাশিত হয়। - এটি সংবাদপত্রের ইতিহাস শুরু হওয়ার আগের পর্যায় বা সাময়িকপত্রের প্রাথমিক রূপ নির্দেশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সমাচার দর্পণ ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার প্রথম সাপ্তাহিক সংবাদপত্র, যা ১৮১৮ সালের ২৩ মে প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: সংবাদ প্রভাকর ব্যাখ্যা: এটি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের সম্পাদনায় ১৮৩১ সালে প্রকাশিত প্রথম সফল বাংলা দৈনিক পত্রিকা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দিক্‌দর্শন — এটি বাংলা ভাষার প্রথম সাময়িকপত্র হওয়ায় সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। B) সংবাদ প্রভাকর — এটি প্রথম প্রকাশিত দৈনিক সংবাদপত্র, প্রথম সাময়িকপত্র নয়। C) তত্তবোধিনী — এটি তত্ত্ববোধিনী সভার মুখপত্র এবং অনেক পরে প্রকাশিত পত্রিকা। D) বঙ্গদর্শন — এটি একটি বিখ্যাত মাসিক সাহিত্যপত্র যা বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সম্পাদনায় ১৮৭২ সালে প্রকাশিত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: সাময়িকপত্র মানেই 'দিক্‌দর্শন' এবং সংবাদপত্র মানে 'সমাচার দর্পণ' এই পার্থক্যটি মনে রাখতে হবে। ১৮১৮ সালে দুটিই প্রকাশিত হয়েছিল কিন্তু দিক্‌দর্শন ছিল প্রথম সাময়িকপত্র। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা সংবাদপত্র ও সাময়িকপত্রের ইতিহাসের ক্ষেত্রে জন ক্লার্ক মার্শম্যান এবং শ্রীরামপুর মিশনের অবদান প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a নবম
b ত্রয়োদশ শতকে
c ষোড়শ শতকে
d উনিশ শতকে
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উনিশ শতকে ১. কেন সঠিক: - বাংলা সাহিত্যের গদ্যের পূর্ণাঙ্গ সূচনা ঘটে মূলত উনিশ শতকের শুরুতে। - ১৮০০ সালে কলকাতার ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলা গদ্য চর্চা প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পায়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পন্ডিত উইলিয়াম কেরির নেতৃত্বে রামরাম বসু, মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার প্রমুখ বাংলায় গদ্য গ্রন্থ রচনা করেন। - বাংলা গদ্যের জনক বিদ্যাসাগর মহাশয় উনিশ শতকেই গদ্যকে শৈল্পিক রূপ ও পূর্ণতা দান করেছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাজা রামমোহন রায় রচিত বেদান্তসার ব্যাখ্যা: এটি উনিশ শতকের শুরুতে প্রকাশিত বাংলা গদ্যের একটি প্রারম্ভিক ও গুরুত্বপূর্ণ দার্শনিক গ্রন্থ। উদাহরণ ২: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত বেতাল পঞ্চবিংশতি ব্যাখ্যা: উনিশ শতকে বাংলা গদ্যের বুনিয়াদ শক্ত করতে এই গ্রন্থটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নবম — নবম শতকে চর্যাপদ রচিত হয়, যা বাংলা কবিতার প্রাচীন নিদর্শন, গদ্যের নয়। B) ত্রয়োদশ শতকে — ত্রয়োদশ শতক বা মধ্যযুগের শুরুতে বাংলা সাহিত্য প্রধানত পদ্য বা কাব্যের মাধ্যমে বিকশিত হয়েছিল। C) ষোড়শ শতকে — ষোড়শ শতকে বৈষ্ণব পদাবলী ও মঙ্গলকাব্যের যুগ ছিল, তখনও গদ্যের সূচনা হয়নি। ৫ মনে রাখার টিপস: - মনে রাখবে, গদ্য মানেই উনিশ শতক আর পদ্য মানেই প্রাচীন বা মধ্যযুগ। - ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের সালটি (১৮০০ সাল) মনে রাখলে শতক সহজেই নির্ণয় করা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলা গদ্যের বিকাশে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের অবদান এবং ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের ভূমিকা খুব ভালোভাবে পড়তে হবে। - এই ধরনের প্রশ্ন সাধারণত বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় বারবার আসে।
a গ্রামিণ নরনারীর প্রণয়সংবলিত উপাখ্যানকে
b লোক সাধারনের কল্যাণে দেবতার স্তুতিমূলক রচনাকে
c লোকের মুখে মুখে প্রচলিত কাহিনী,গান,ছড়া ইত্যাদিকে
d গ্রামের অশিক্ষিত ও অখ্যাত লোকের সৃষ্ট রচনাকে
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) লোকের মুখে মুখে প্রচলিত কাহিনী,গান,ছড়া ইত্যাদিকে ১. কেন সঠিক: লোকসাহিত্য হলো এমন এক ধরনের সাহিত্য যা কোনো একক লেখকের সৃষ্টি নয় এবং লিখিত রূপের চেয়ে মৌখিক ঐতিহ্যের ওপর নির্ভর করে বেঁচে থাকে। সমাজের সাধারণ মানুষের সুখ, দুঃখ, বিশ্বাস ও সংস্কার প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে মুখে মুখে প্রচলিত থেকে লোকসাহিত্যের রূপ নেয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: লোকসাহিত্য বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন ও অমূল্য এক ঐতিহ্য যা গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর সম্মিলিত মনন ও সংস্কৃতির প্রকাশ ঘটিয়ে থাকে। এটির প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এর মৌখিকতা, যৌথ রচনা এবং পরিবর্তনশীলতা বা লোকায়ত চরিত্র। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: খনার বচন ব্যাখ্যা: এটি কৃষিকাজ ও জীবনযাত্রার অভিজ্ঞতা নিয়ে মুখে মুখে প্রচলিত লোকসাহিত্যের একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ। উদাহরণ ২: ময়মনসিংহ গীতিকা ব্যাখ্যা: বাংলার লোকায়ত জীবনের গাথা ও ট্র্যাজেডি সংবলিত এই গীতিকাগুলো লোকসাহিত্যের লিখিত রূপান্তরের অন্যতম নিদর্শন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গ্রামিণ নরনারীর প্রণয়সংবলিত উপাখ্যানকে — এটি লোকসাহিত্যের একটি অংশ হতে পারে কিন্তু সম্পূর্ণ লোকসাহিত্যের সঠিক সংজ্ঞা নয়। B) লোক সাধারনের কল্যাণে দেবতার স্তুতিমূলক রচনাকে — এটি দেববন্দনা বা মঙ্গলকাব্য ধারার অন্তর্ভুক্ত, যা লোকসাহিত্যের চেয়ে শিষ্ট সাহিত্যের কাছাকাছি। D) গ্রামের অশিক্ষিত ও অখ্যাত লোকের সৃষ্ট রচনাকে — লোকসাহিত্য কেবল অশিক্ষিত মানুষের সৃষ্টি নয়, এটি সামগ্রिक সমাজের অবদানে গড়ে ওঠা ঐতিহ্য। ৫. মনে রাখার টিপস: লোকসাহিত্য মানেই মুখের কথা অর্থাৎ যা মুখে মুখে প্রচলিত থাকে এবং যার কোনো নির্দিষ্ট একক রচয়িতা থাকে না। এই সাহিত্যের মূল উৎস জনজীবন এবং মাধ্যম হলো মৌখিক প্রচার। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: লোকসাহিত্যের প্রধান উপাদানগুলো হলো ছড়া, প্রবাদ, প্রবচন, ধাঁধা, লোকগীতি ও রূপকথা। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই লোকসাহিত্যের বৈশিষ্ট্য বা উপাদান সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে।
a শ্রী রাধার ননদিনী
b শ্রী রাধার শাশুড়ি
c রাধাকৃষ্ণের প্রেমের দূতী
d জনৈক গোপবালা
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রাধাকৃষ্ণের প্রেমের দূতী ১. কেন সঠিক: - শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের বড়ায়ি চরিত্রটি মূলত রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমের মধ্যস্থতাকারী বা দূতী হিসেবে কাজ করেছে। - এই কাব্যের পুটুলি বা খণ্ডগুলোতে বড়ায়ি রাধার নানারকম দ্বিধা দূর করে কৃষ্ণের সঙ্গে মিলনে সহায়তা করে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যটি বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের আদি নিদর্শন এবং এটি রচনা করেছেন বড়ু চণ্ডীদাস। - এই কাব্যটি মূলত রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমের পৌরাণিক কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে রচিত একটি নাট্যগীতি প্রকৃতির কাব্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বড়ু চণ্ডীদাস রচিত শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যটি ১৯০৯ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী আবিষ্কার করেন। ব্যাখ্যা: এই তথ্যটি কাব্যের ঐতিহাসিক গুরুত্ব ও আবিষ্কারের প্রেক্ষাপট বুঝতে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের খণ্ডসমূহ হলো জন্মখণ্ড, তাম্বুলখণ্ড, দানখণ্ড, নৌকাখণ্ড ইত্যাদি। ব্যাখ্যা: এই খণ্ডগুলোতে রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমের বিভিন্ন ধাপ এবং বড়ায়ির ভূমিকা স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শ্রী রাধার ননদিনী — এটি ভুল কারণ বড়ায়ি রাধার ননদিনী বা ছোট বোন নয়, বরং একজন বৃদ্ধা নারী ও মধ্যস্থতাকারী। B) শ্রী রাধার শাশুড়ি — এটি ভুল কারণ রাধার শাশুড়ির নাম আয়ান গর্ভ বা অন্য কেউ হলেও বড়ায়ি সেই সম্পর্কের নয়। C) রাধাকৃষ্ণের প্রেমের দূতী — এটি সঠিক অপশন এবং কাব্যের মূল আখ্যানে তার ভূমিকা এটাই। D) জনৈক গোপবালা — এটি ভুল কারণ বড়ায়ি কোনো সাধারণ তরুণী গোপবালা নয়, বরং মুরুব্বি স্থানীয় এক নারী দূতী। ৫. মনে রাখার টিপস: - শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের একমাত্র নারী চরিত্র রাধা হলেও প্রধান সহায়ক চরিত্র বড়ু বুড়ী বা বড়ায়ি, যিনি প্রেমের দূতী হিসেবে পরিচিত। - বড়ায়ি নামের সাথে বুড়ি শব্দের মিল রেখে মনে রাখতে পারো যে সে একজন বয়স্ক নারী ও দূতী। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের তিনটি প্রধান চরিত্র হলো রাধা, কৃষ্ণ ও বড়ায়ি। - মধ্যযুগের কাব্যে বড়ায়ির ভূমিকা লোকসাহিত্যের বিদূষক বা ঘটিতালী চরিত্রের সমতুল্য।
a নবদ্বীপের
b মিথিলার
c বৃন্দাবনের
d বর্ধমানের
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মিথিলার ১. কেন সঠিক: বিদ্যাপতি ছিলেন ভারতের বর্তমান বিহার রাজ্যের অন্তর্গত মিথিলা অঞ্চলের কবি এবং তিনি মূলত মৈথিলি ভাষায় পদ রচনা করতেন। বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগে পদাবলী সাহিত্যে তার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে এবং তিনি বাংলা ভাষার কবি না হয়েও বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে অমর হয়ে আছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: বিদ্যাপতি মিথিলার দরবারের রাজকবি ছিলেন এবং তার পদগুলো বাংলা ও ব্রজবুলি ভাষায় গভীর প্রভাব ফেলেছিল। বাংলা সাহিত্যের বৈষ্ণব পদাবলীর আদি ও অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি হিসেবে তাকে গণ্য করা হয় এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তার অনুকরণে ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী রচনা করেছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিদ্যাপতি রচিত বিখ্যাত পদ হলো জয় জয় নন্দ নন্দন যদুনন্দিনী। ব্যাখ্যা: এই পদটিতে রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমের রূপ অত্যন্ত সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে যা মৈথিলি ও ব্রজবুলি ভাষার মিশ্রণে রচিত। উদাহরণ ২: বিদ্যাপতি রচিত আরেকটি প্রসিদ্ধ পদ হলো সৈকত শয়ন সিত তনু ঝামর। ব্যাখ্যা: বিরহী রাধার মনের অবস্থা প্রকাশের জন্য এই পদটি বাংলা সাহিত্যে অত্যন্ত সমাদৃত ও পঠিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নবদ্বীপের — নবদ্বীপ বাংলার নদীয়া জেলায় অবস্থিত এবং এটি শ্রীচৈতন্যের জন্মস্থান হলেও বিদ্যাপতির জন্মভূমি বা কর্মক্ষেত্র ছিল না। B) মিথিলার — এই অপশনটি সঠিক কারণ বিদ্যাপতি মিথিলা অঞ্চলের অধিবাসী ও সেখানকার রাজসভার কবি ছিলেন। C) বৃন্দাবনের — বৃন্দাবন ভারতের উত্তর প্রদেশে অবস্থিত শ্রীকৃষ্ণের লীলাক্ষেত্র যা বৈষ্ণব ধর্মের পবিত্র স্থান হলেও বিদ্যাপতির জন্মস্থান নয়। D) বর্ধমানের — বর্ধমান পশ্চিমবঙ্গের একটি জেলা যা বিদ্যাপতির জন্মস্থান বা কর্মক্ষেত্র হিসেবে পরিচিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: বিদ্যাপতি নামটি মনে রাখতে পারলে তার আঞ্চলিক পরিচয় মনে রাখা সহজ হয় কারণ তিনি ছিলেন মিথিলার কোকিল। মৈথিলি ভাষার কবি বিদ্যাপতি ব্রজবুলি ভাষায় পদ লিখে বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছেন এই সূত্রটি মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিদ্যাপতিকে মৈথিলি কোকিল বলা হয় এবং তিনি বাংলা সাহিত্যের বৈষ্ণব পদাবলীর অন্যতম স্তম্ভ। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই কবিদের জন্মস্থান বা তাদের ব্যবহৃত ভাষা সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে যা ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a বিজয় গুপ্ত
b ভারতচন্দ্র রায়গুনাকার
c মুকূন্দারাম চক্রবর্তী
d কানাহরি দত্ত
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভারতচন্দ্র রায়গুনাকার ১. কেন সঠিক: মঙ্গলযুগের শেষ কবি ভারতচন্দ্র রায়গুনাকার। তাঁর বিখ্যাত কাব্য অন্নদামঙ্গল মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের ধারার সর্বশেষ ও অন্যতম শ্রেষ্ঠ সংযোজন হিসেবে বিবেচিত হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: ভারতচন্দ্র রায়গুনাকার অষ্টাদশ শতাব্দীর বিশিষ্ট কবি। নদীয়া জেলার পেকুরিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করা এই কবি মহারাজ কৃষ্ণচন্দ্রের সভাকবি ছিলেন এবং রায়গুনাকার উপাধিতে ভূষিত হন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অন্নদামঙ্গল কাব্য। ব্যাখ্যা: এটি ভারতচন্দ্র রায়গুনাকারের সর্বাধিক পরিচিত মঙ্গলকাব্য যা তিনটি অংশে বিভক্ত। উদাহরণ ২: বিদ্যাসুন্দর পালা। ব্যাখ্যা: এটি অন্নদামঙ্গল কাব্যের দ্বিতীয় অংশের অন্তর্ভুক্ত একটি জনপ্রিয় কাব্যাংশ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিজয় গুপ্ত — তিনি মনসামঙ্গল কাব্যের অন্যতম প্রাচীন ও বিখ্যাত কবি। B) ভারতচন্দ্র রায়গুনাকার — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি এখানে প্রযোজ্য নয়। C) মুকূন্দারাম চক্রবর্তী — তিনি চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের শ্রেষ্ঠ কবি যিনি দ্বিজ কবিকঙ্কণ নামে পরিচিত। D) কানাহরি দত্ত — তিনি মনসামঙ্গল কাব্যের একজন প্রারম্ভিক যুগের কবি। ৫ মনে রাখার টিপস: মঙ্গলযুগের সমাপ্তি টেনেছেন ভারতচন্দ্র, তাই তাঁর নাম মনে রাখতে হবে শেষ কবি হিসেবে। অন্নদামঙ্গল তাঁর অমর সৃষ্টি যা মঙ্গলযুগের ইতি টানে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মঙ্গলযুগের শেষ কবি বা প্রথম কবির নাম জানতে চাওয়া হয়। ভারতচন্দ্র রায়গুনাকার অষ্টাদশ শতাব্দীর কবি এবং তাঁর উপাধি রায়গুনাকার।
a বাঁকুড়ার এক গৃহস্থের গোয়াল ঘর থেকে
b আরাকান রাজগ্রন্থাগার থেকে
c নেপালের রাজগ্রন্থশালা থেকে
d সুদূর চীন দেশ থেকে
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নেপালের রাজগ্রন্থশালা থেকে কেন সঠিক: - মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপাল থেকে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেন। - নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থশালা থেকেই চর্যাপদের একমাত্র প্রাচীন পুথিটি উদ্ধার করা হয়েছিল। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন ও পদ সংকলন। - এটি হাজার বছরের পুরনো বাংলা ভাষার আদি কাব্যগ্রন্থ। - হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় রচিত বৌদ্ধ গান ও দোহা গ্রন্থটি এর মূল পরিচয়। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) বাঁকুড়ার এক গৃহস্থের গোয়াল ঘর থেকে — এই স্থান থেকে চর্যাপদ আবিষ্কৃত হয়নি। - B) আরাকান রাজগ্রন্থাগার থেকে — এই স্থান থেকে মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের নানা পুথি পাওয়া গেলেও চর্যাপদ পাওয়া যায়নি। - C) নেপালের রাজগ্রন্থশালা থেকে — এই অপশনটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়। - D) সুদূর চীন দেশ থেকে — এই দেশ থেকে চর্যাপদের পুথি উদ্ধার করা হয়নি। মনে রাখার টিপস: - হরপ্রসাদ শাস্ত্রী সাহেব নেপাল থেকে চর্যাপদ আবিষ্কার করেছিলেন।
a বাংলাভাষা শিখার্থী ইংরেজ
b ইংরেজি ভাভধারাপুস্ট বাঙালি যুবক
c একটি সাহিত্যিক গোষ্ঠীর নাম
d একটি সাময়িক পত্রের নাম
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ইংরেজি ভাবধারাপুষ্ট বাঙালি যুবক ১. কেন সঠিক: - ইয়ংবেঙ্গল বলতে উনবিংশ শতাব্দীতে হিন্দু কলেজের শিক্ষক হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিওর অনুসারী প্রগতিশীল বাঙালি যুবকদের বোঝানো হয়। - এরা ইংরেজি শিক্ষা ও পাশ্চাত্য যুক্তিবাদী দর্শনে উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশীয় সমাজ সংস্কারে এগিয়ে এসেছিলেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের ইতিহাস এবং উনিশ শতকের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক নবজাগরণের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ। - হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিওর শিষ্যেরাই মূলত ইয়ংবেঙ্গল বা ডিরোজিয়ান নামে পরিচিত ছিলেন এবং তারা অন্ধ বিশ্বাসের তীব্র বিরোধিতা করতেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্যারীচাঁদ মিত্রের আলালের ঘরের দুলাল উপন্যাসে তৎকালীন সমাজের বিভিন্ন শ্রেণির চিত্র ফুটে উঠেছে। ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসে তৎকালীন সমাজ জীবনের বিভিন্ন চরিত্রের মাধ্যমে পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রভাব ও তার ভালো-মন্দ দিক তুলে ধরা হয়েছে। উদাহরণ ২: মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে আধুনিকতার প্রবক্তা হিসেবে পরিচিত। ব্যাখ্যা: তিনি ইংরেজি সাহিত্য দ্বারা গভীরভাবে প্রভাবিত হয়ে বাংলা কাব্যে নতুন মাত্রা যোগ করেছিলেন যা ইয়ংবেঙ্গল ধারারই একটি বৃহত্তর সাংস্কৃতিক বহিঃপ্রকাশ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাংলাভাষা শিক্ষার্থী ইংরেজ — এই অপশনটি ভুল কারণ ইয়ংবেঙ্গল কোনো ইংরেজ শিক্ষার্থীদের বোঝায় না বরং বাঙালি যুবকদের বোঝায়। C) একটি সাহিত্যিক গোষ্ঠীর নাম — এই অপশনটি আংশिक সত্য হলেও মূল অবস্থান সাহিত্যিক গোষ্ঠী নয় বরং একটি সামাজিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক ভাবধারা সম্পন্ন যুবগোষ্ঠী। D) একটি সাময়িক পত্রের নাম — এই অপশনটি সম্পূর্ণ ভুল কারণ ইয়ংবেঙ্গল কোনো পত্রিকা বা সংবাদপত্রের নাম নয়। B) ইংরেজি ভাবধারাপুষ্ট বাঙালি যুবক — এটি সঠিক উত্তর কারণ ডিরোজিওর শিষ্যরা পাশ্চাত্য শিক্ষা ও চিন্তাধারায় পুষ্ট হয়ে সমাজ সংস্কারে ব্রতী হয়েছিলেন। ৫ মনে রাখার টিপস: ইয়ংবেঙ্গল শব্দটির সাথে ডিরোজিও এবং হিন্দু কলেজ নাম দুটি মনে রাখলে উত্তর সহজেই মনে রাখা সম্ভব। ডিরোজিওর ছাত্ররাই মূলত ইংরেজি শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে এই দলের সৃষ্টি করেছিলেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ডিরোজিওর অনুসারীরা পার্থেনন নামক পত্রিকা প্রকাশ করেছিলেন যা তৎকালীন সমাজে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। এই ধরনের ঐতিহাসিক ও সাহিত্যিক চরিত্রভিত্তিক প্রশ্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
a প্রতিরোধ
b উপস্থাপন
c অনুরোধ
d উপযোগী
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অনুরোধ ১. কেন সঠিক: 'উপরোধ' একটি বিশেষ্য পদ যার সাধারণ ও আভিধানিক অর্থ হলো অনুরোধ, বিনম্র আবেদন বা প্ররোচনা। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের সঠিক অর্থ নির্ণয়ের জন্য এই ধরনের তৎসম ও অর্ধতৎসম শব্দের অর্থ জানা অত্যন্ত জরুরি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: শব্দের উৎস ও শব্দের অর্থ বিষয়ের আওতাভুক্ত একটি প্রশ্ন এটি। বাংলা ভাষায় এমন অনেক শব্দ রয়েছে যার প্রচলিত রূপ মূল অর্থ থেকে একটু আলাদাভাবে ব্যবহৃত হয়। এখানে 'উপরোধ' শব্দটি প্রায়ই 'উপরোধে ঢেঁকি গেলা' প্রবচনে ব্যবহৃত হয়, যার অর্থ অনুরোধের বা সাধ্যের অতিরিক্ত কিছু করতে বাধ্য হওয়া। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তার বিশেষ উপরোধে আমি কাজটি করতে বাধ্য হলাম। ব্যাখ্যা: এখানে উপরোধ শব্দটি অনুরোধ বা তাগিদ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: উপরোধে ঢেঁকি গেলা। ব্যাখ্যা: এটি একটি বিখ্যাত প্রবাদ যেখানে উপরোধ শব্দের অর্থ অনুরোধ এবং এই অনুরোধের কারণে কঠিন কাজ করার বাধ্যবাধকতা বোঝায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রতিরোধ — এর অর্থ কোনো কিছু বাধা দেওয়া বা প্রতিহত করা, যা উপরোধ শব্দের অর্থের সঙ্গে মেলে না। B) উপস্থাপন — এর অর্থ কোনো বিষয় সামনে আনা বা পেশ করা, যা অনুরোধ শব্দের সমার্থক নয়। C) অনুরোধ — এটি সঠিক অর্থ প্রকাশ করে। D) উপযোগী — এর অর্থ কোনো কিছুর উপযুক্ত বা মানানসই, যা উপরোধ বা অনুরোধের বিপরীতার্থক বা ভিন্ন অর্থ বহন করে। ৫. মনে রাখার টিপস: উপরোধ এবং অনুরোধ শব্দ দুটি ছন্দ মিলিয়ে মনে রাখতে পারো কারণ উভয়ের অর্থ প্রায় একই। প্রবাদের ক্ষেত্রে মনে রাখবে উপরোধ মানেই জোরাজুরি বা অনুরোধ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: শব্দার্থ সংক্রান্ত প্রশ্নে তৎসম ও প্রমিত বাংলা শব্দের সঠিক অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে। একই ধরনের সমার্থক শব্দগুলো বারবার চর্চা করলে পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।
a বনী আদম
b জননী
c চৌরসন্ধি
d ক্রীতদাসেরহাসি
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ক্রীতদাসেরহাসি কেন সঠিক: শওকত ওসমানের বিখ্যাত উপন্যাস 'ক্রীতদাসের হাসি' প্রকাশের পরই ব্যাপক প্রশংসা লাভ করে এবং সাহিত্যিক উৎকর্ষের স্বীকৃতিস্বরূপ এটি মর্যাদাপূর্ণ আদমজী পুরস্কার অর্জন করে। উপন্যাসটিতে আইয়ুব খানের স্বৈরাচারী শাসনের প্রতীকী প্রতিবাদ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে, যা সে সময়ের সাহিত্য মহলে অত্যন্ত সমাদৃত হয়েছিল। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা উপন্যাসে প্রতীকধর্মী রচনার এক অনন্য নিদর্শন হলো শওকত ওসমানের এই উপন্যাসটি যা মানুষের বাকস্বাধীনতা হরণের বিরুদ্ধে কথা বলে। সাহিত্য অঙ্গনে ঐতিহাসিক পটভূমি ও রাজনৈতিক রূপকের এক অপূর্ব মিশ্রণ ঘটিয়ে লেখক বাংলা কথাসাহিত্যে এক নতুন ধারা সৃষ্টি করেছিলেন। যেমনটি এই উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র মনসুর আলী খলিফা এবং তার হাসির মধ্য দিয়ে তৎকালীন পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর অমানবিক শাসনব্যবস্থাকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বনী আদম — এটি শওকত ওসমানের একটি বিখ্যাত উপন্যাস হলেও এটি আদমজী পুরস্কার লাভ করেনি। B) জননী — এটি লেখকের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি উপন্যাস যা গ্রামীণ সমাজের দুঃখকষ্ট নিয়ে রচিত কিন্তু এর জন্য তিনি এই পুরস্কার পাননি। C) চৌরসন্ধি — এটি শওকত ওসমানের একটি ভিন্নধর্মী উপন্যাস হলেও এটি প্রধানত অন্য বিষয়ের ওপর রচিত এবং পুরস্কারপ্রাপ্ত নয়। D) ক্রীতদাসেরহাসি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল অপশনের তালিকায় এটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: শওকত ওসমানের সবচেয়ে আলোচিত ও পুরস্কারপ্রাপ্ত উপন্যাস হলো ক্রীতদাসের হাসি। পুরস্কারের নামের সাথে এই উপন্যাসের নাম মিলিয়ে পড়ার কৌশল মনে রাখতে পারো।
a শঙ্খনীল কারাগার
b কাঁটাতারে প্রজাপতি
c জাহান্নাম হইতে বিদায়
d আর্তনাদ
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জাহান্নাম হইতে বিদায় ১. কেন সঠিক: - জাহান্নাম হইতে বিদায় উপন্যাসটি শহীদ জননী জাহানারা ইমাম রচিত একটি ঐতিহাসিক ও মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্য দলিলধর্মী উপন্যাস। - ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের পটভূমি, পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বরতা এবং রাজাকারদের ভূমিকা এই উপন্যাসে অত্যন্ত বাস্তবসম্মতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শহীদ জননী জাহানারা ইমাম ১৯২৯ সালের ৩রা মে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৯৪ সালের ২৬শে জুন মারা যান। তিনি একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি ছিলেন। - জাহান্নাম হইতে বিদায় উপন্যাসটি ১৯৭১ সালে সংঘটিত বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ ও তার পূর্ববর্তী রাজনৈতিক সংকটের ওপর রচিত একটি গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যকর্ম। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রশীদ হায়দারের খাঁচায় উপন্যাসের পটভূমিও ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ। ব্যাখ্যা: এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসের একটি অত্যন্ত প্রখ্যাত ও বহুল পঠিত উদাহরণ। উদাহরণ ২: শওকত আলীর জাহান আনে আলো উপন্যাসেও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা স্পষ্টভাবে প্রকাশ পেয়েছে। ব্যাখ্যা: এটিও মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত একটি কালজয়ী সাহিত্যকর্ম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শঙ্খনীল কারাগার হুমায়ূন আহমেদ রচিত একটি পারিবারিক ও মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস। B) কাঁটাতারে প্রজাপতি শহীদুল জহির রচিত একটি ভিন্ন ধারার পরীক্ষামূলক উপন্যাস। C) জাহান্নাম হইতে বিদায় উপন্যাসটি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। D) আর্তনাদ শওকত ওসমান রচিত একটি রাজনৈতিক ও রূপকধর্মী উপন্যাস। ৫ মনে রাখার টিপস: - শহীদ জননী জাহানারা ইমামের বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বই জাহান্নাম হইতে বিদায় মনে রাখতে লেখিকার নামের সঙ্গে মিলিয়ে নেওয়া যায়। - পরীক্ষার হলে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসগুলো আলাদা করে মনে রাখতে লেখকদের নাম ও প্রকাশের সালগুলো চোখ বুলিয়ে যাওয়া ভালো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস প্রায়ই আসে। - একই সঙ্গে শহীদ জননী জাহানারা ইমামের একাত্তরের দিনগুলি গ্রন্থটিও মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক রচনা হিসেবে সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
a অগ্নিসাক্ষী
b চিলেকোঠার সেপাই
c আরেক ফাল্গুন
d অনেক সূর্যের আশা
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আরেক ফাল্গুন কেন সঠিক: - এই উপন্যাসের মূল বিষয়বস্তু বা পটভূমি হলো একান্ন সালের ভাষা আন্দোলন এবং বায়ান্ন সালের একুশে ফেব্রুয়ারির শহিদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা। - ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ও প্রামাণ্য উপন্যাস। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এই উপন্যাসটির রচয়িতা প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক জহির রায়হান। - বাংলা উপন্যাসের ইতিহাসে ঐতিহাসিক ভাষা আন্দোলনকে ফুটিয়ে তোলার ক্ষেত্রে এই গ্রন্থটির সাহিত্যমূল্য অপরিসীম। - উপন্যাসের নাম 'আরেক ফাল্গুন' মূলত বাঙালির দ্রোহ, প্রতিবাদ এবং নতুন প্রাণের স্পন্দনকে নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) অগ্নিসাক্ষী — এটি হাসান আজিজুল হকের লেখা একটি বিখ্যাত উপন্যাস যার বিষয়বস্তু মুক্তিযুদ্ধ। - B) চিলেকোঠার সেপাই — এটি আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের লেখা উপন্যাস যার পটভূমি উনসত্তরের গণঅভুথান। - C) আরেক ফাল্গুন — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। - D) অনেক সূর্যের আশা — এটি শহীদ আকন্দের লেখা একটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস। মনে রাখার টিপস: - জহির রায়হানের প্রথম শব্দ দিয়ে শুরু হয় ভাষা আন্দোলন, তাই 'আরেক ফাল্গুন' মনে রাখলেই ভাষা আন্দোলনের উপন্যাস হিসেবে চেনা সহজ হয়।
a কাজী নজরুল ইসলাম
b ফররুখ আহমদ
c আব্দুল কাদির
d বন্দে আলী মিয়া
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ফররুখ আহমদ ১. কেন সঠিক: - সাত সাগরের মাঝি কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা হলেন বিশিষ্ট মুসলিম রেনেসাঁসের কবি ফররুখ আহমদ। - এই কাব্যগ্রন্থে ইসলামের ইতিহাস ঐতিহ্য এবং সমুদ্রভিত্তিক প্রতীক ও রূপকের চমৎকার ব্যবহার দেখা যায়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ফররুখ আহমদ বিংশ শতাব্দীর বাঙালি মুসলিম কবি এবং সনেট রচয়িতা হিসেবে বিশেষভাবে পরিচিত। - ১৯৪৪ সালে প্রকাশিত সাত সাগরের মাঝি কাব্যগ্রন্থটি আধুনিক বাংলা কাব্যে এক অনন্য ও ঐতিহাসিক সৃষ্টি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সিরাজাম মুনীরা ব্যাখ্যা: এটি কবি ফররুখ আহমদের অপর একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা ইসলামের মহান আদর্শ ও মূল্যবোধের ওপর রচিত। উদাহরণ ২: পাখির বাসা ব্যাখ্যা: এটি ফররুখ আহমদের রচিত একটি জনপ্রিয় শিশুতোষ কাব্যগ্রন্থ যা বাংলা সাহিত্যে বিশেষ স্থান দখল করে আছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি হলেও সাত সাগরের মাঝি কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা নন। B) ফররুখ আহমদ — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি নির্ধারিত প্রশ্নের সঙ্গে সম্পূর্ণভাবে মিলে যায়। C) আব্দুল কাদির — তিনি একজন বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্য গবেষক হলেও এই বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থটি তার রচনা নয়। D) বন্দে আলী মিয়া — তিনি মূলত প্রকৃতি ও পল্লীপ্রকৃতির কবি এবং ময়নামতির চর তার বিখ্যাত রচনা। ৫ মনে রাখার টিপস: - সমুদ্রের বিশালতা ও রেনেসাঁসের চেতনা মনে রাখলে ফররুখ আহমদের সাত সাগরের মাঝি কাব্যগ্রন্থ সহজে স্মরণ রাখা যায়। - কবি ফররুখ আহমদকে মুসলিম রেনেসাঁসের কবি হিসেবে মনে রাখলে তার সাহিত্যকর্ম সহজে মনে থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ফররুখ আহমদের কাব্যগ্রন্থ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বিখ্যাত কবিদের কালজয়ী কাব্যগ্রন্থ এবং তাদের প্রকাশকাল ভালোভাবে আয়ত্ত করা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
a ধূসর পান্ডুলিপি
b কবিতার কথা
c ঝরা পালকের কবি
d দুর্দিনের যাত্রী
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কবিতার কথা ১. কেন সঠিক: - জীবনানন্দ দাশের একমাত্র প্রবন্ধগ্রন্থ হলো কবিতার কথা, যা আধুনিক বাংলা কবিতার রূপ ও প্রকৃতি অনুধাবনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি রচনা। - এই গ্রন্থে কবি কবিতার সৃষ্টিশীলতা, রূপকল্প এবং বাংলা কাব্যরীতির নানা দিক অত্যন্ত গভীরভাবে বিশ্লেষণ করেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - জীবনানন্দ দাশ আধুনিক বাংলা সাহিত্যের একজন অন্যতম প্রধান ও প্রখ্যাত কবি, যিনি রূপসী বাংলার কবি হিসেবে সর্বাধিক পরিচিত। - বিংশ শতাব্দীর ত্রিশের দশকের এই কবি তার কবিতায় নিসর্গপ্রকৃতি ও মানুষের অন্তর্জগতের বিষাদ ফুটিয়ে তুলেছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জীবনানন্দ দাশের কাব্যগ্রন্থ ধূসর পান্ডুলিপি। ব্যাখ্যা: এটি কবির অন্যতম প্রধান ও প্রকৃতিচেতনায় সমৃদ্ধ একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। উদাহরণ ২: জীবনানন্দ দাশের কাব্যগ্রন্থ বনলতা সেন। ব্যাখ্যা: এই কাব্যগ্রন্থের নামকবিতাটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় ও নন্দিত একটি সৃষ্টি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধূসর পান্ডুলিপি — এটি জীবনানন্দ দাশের রচিত কোনো প্রবন্ধগ্রন্থ নয়, বরং এটি তাঁর একটি বিখ্যাত ও সুপরিচিত কাব্যগ্রন্থ। B) কবিতার কথা — এটি জীবনানন্দ দাশের প্রবন্ধগ্রন্থ হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক এবং নির্দিষ্ট চাহিদার সঙ্গে মিলে যায়। C) ঝরা পালকের কবি — এটি জীবনানন্দ দাশের কোনো গ্রন্থ নয়, বরং এটি তাঁকে নিয়ে লেখা বা তাঁর পরিচিতি সূচক একটি শব্দগুচ্ছ। D) দুর্দিনের যাত্রী — এটি জীবনানন্দ দাশের লেখা কোনো গ্রন্থ নয়, এটি মূলত প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও চিন্তাবিদ কাজী আব্দুল ওদুদের একটি বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ। ৫. মনে রাখার টিপস: - জীবনানন্দ দাশ মূলত কবি হলেও তাঁর একটিমাত্র প্রবন্ধগ্রন্থ রয়েছে যার নাম কবিতার কথা। - পরীক্ষার হলে কাব্যের সঙ্গে প্রবন্ধের নাম যেন গুলিয়ে না যায়, সেজন্য এটি আলাদা করে মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - জীবনানন্দ দাশের প্রবন্ধগ্রন্থের নাম প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতায় আসে। - লেখকের নামের পাশাপাশি তাঁর একমাত্র প্রবন্ধগ্রন্থ বা গদ্যকর্মের নাম আলাদা করে নোট করে রাখা ভালো।
a মাহেনও
b সওগাত
c ধূমকেতু
d কালিকলম
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ধূমকেতু ১. কেন সঠিক: - বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের নিজস্ব সম্পাদনায় প্রকাশিত সবচেয়ে বিখ্যাত ও সাড়াজাগানো অর্ধসাপ্তাহিক পত্রিকা হলো ধূমকেতু। - এই পত্রিকার প্রথম সংখ্যা প্রকাশিত হয় ১৯২২ সালের ১২ আগস্ট এবং এর প্রধান প্রচ্ছদ ও বাণী ডিজাইন করেছিলেন স্বয়ং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের একজন বিদ্রোহী কবি, ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক, নাট্যকার ও সঙ্গীতজ্ঞ হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিত। - ধূমকেতু পত্রিকায় প্রকাশিত আনন্দময়ীর আগমনে কবিতার জন্য কবির রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলা হয় এবং তাকে কারাবরণ করতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লাঙল ব্যাখ্যা: এটিও কাজী নজরুল ইসলাম কর্তৃক সম্পাদিত একটি বিখ্যাত রাজনৈতিক ও সাহিত্য বিষয়ক সাময়িক পত্রিকা। উদাহরণ ২: অগ্নিবীণা ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত এবং অত্যন্ত জনপ্রিয় বাংলা কাব্যগ্রন্থ যার মধ্যে বিদ্রোহী কবিতাটি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাহেনও — এটি মাসিক সাহিত্য পত্রিকা এবং এর সম্পাদক ছিলেন মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন, কাজী নজরুল ইসলাম নন। B) সওগাত — এটি মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন কর্তৃক ১৯১৮ সালে প্রকাশিত বিখ্যাত সাহিত্য পত্রিকা, নজরুল এর সঙ্গে যুক্ত থাকলেও এর সম্পাদক ছিলেন না। C) ধূমকেতু — এই অপশনটি সঠিক এবং কাজী নজরুল ইসলামের নিজের সম্পাদনায় প্রকাশিত প্রথম পত্রিকা। D) কালিকলম — এটি প্রমথ চৌধুরীর সবুজপত্র গোষ্ঠীর সমসাময়িক একটি আধুনিক সাহিত্য পত্রিকা যার সম্পাদক ছিলেন ধীরেন দত্ত ও নরেশ সেনগুপ্ত। ৫ মনে রাখার টিপস: নজরুলের ধূমকেতু পত্রিকার কথা মনে রাখতে মাথায় রাখবে কবি নিজেই ছিলেন সাহিত্যের আকাশে এক ধূমকেতু স্বরূপ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে ধূমকেতু পত্রিকার পরিচালক বা সম্পাদক কে ছিলেন এবং এর বাণী কে লিখেছিলেন।
a মোতাহের হোসেন
b ইসমাইল হোসেন সিরাজী
c মীর মশাররফ হোসেন
d ফররুখ আহমদ
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মীর মশাররফ হোসেন ১. কেন সঠিক: - মীর মশাররফ হোসেন বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম ঔপন্যাসিক হিসেবে সর্বস্বীকৃত। - তাঁর রচিত প্রথম উপন্যাস রত্নবতী ১৮৬৯ সালে প্রকাশিত হয়, যা বাংলা সাহিত্যে মুসলিম রচিত প্রথম উপন্যাস। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মীর মশাররফ হোসেন ১৯ শতকের বাঙালি ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক। - তাঁর কালজয়ী উপন্যাস বিষাদ সিন্ধু কারবালার বিষাদময় ঘটনার ওপর ভিত্তি করে রচিত একটি মহাকাব্যিক উপন্যাস। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রত্নবতী (১৮৬৯) ব্যাখ্যা: এটি মীর মশাররফ হোসেন রচিত প্রথম উপন্যাস এবং বাংলা সাহিত্যে কোনো মুসলিম লেখকের প্রথম উপন্যাস। উদাহরণ ২: বিষাদ সিন্ধু (১৮৯১) ব্যাখ্যা: এটি লেখকের সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ঐতিহাসিক উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মোতাহের হোসেন — তিনি একজন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও প্রাবন্ধিক ছিলেন, কোনো ঔপন্যাসিক নন। B) ইসমাইল হোসেন সিরাজী — তিনি একজন ঔপন্যাসিক ও কবি হলেও মীর মশাররফ হোসেনের পরে আবির্ভূত হন। D) ফররুখ আহমদ — তিনি বাংলা সাহিত্যের একজন বিখ্যাত মুসলিম কবি, কোনো ঔপন্যাসিক নন। ৫ মনে রাখার টিপস: - প্রথম মুসলিম ঔপন্যাসিক মানেই মীর মশাররফ হোসেন এবং তাঁর প্রথম উপন্যাস রত্নবতী। - নামের আদ্যক্ষর মনে রেখে ছক তৈরি করতে পারো, প্রথম মুসলিম ঔপন্যাসিক হলেন ম ম (মীর মশাররফ)। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মীর মশাররফ হোসেনের প্রথম উপন্যাস এবং তাঁর বিখ্যাত গদ্যগ্রন্থ বিষাদ সিন্ধু সম্পর্কে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বাংলা উপন্যাসের সূচনার ইতিহাস পড়তে গেলে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের পাশাপাশি মীর মশাররফ হোসেনের নাম গুরুত্বের সঙ্গে মনে রাখতে হবে।
a একরাত্রি
b নষ্টনীড়
c ক্ষুধিত পাষাণ
d মধ্যবর্তিনী
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ক্ষুধিত পাষাণ ১. কেন সঠিক: - ক্ষুধিত পাষাণ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক ও অতিপ্রাকৃত ছোটগল্প। - এই গল্পে অতীত ও বর্তমানের মেলবন্ধন এবং প্রাসাদের গায়ে জমে থাকা স্মৃতির অতিপ্রাকৃত রূপ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা ছোটগল্পের জনক এবং বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান পুরুষ। - ক্ষুধিত পাষাণ গল্পটি তার বিখ্যাত গল্পগুচ্ছ সংকলনের অন্তর্ভুক্ত একটি অনন্য সৃষ্টি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কঙ্কাল ব্যাখ্যা: এটিও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত অতিপ্রাকৃত বা ভূতপ্রেতসংক্রান্ত ছোটগল্প। উদাহরণ ২: মণিহারা ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আরেকটি রহস্যময় ও অতিপ্রাকৃত উপাদানসমৃদ্ধ ছোটগল্প। ৪. বাকি অপشن কেন ভুল: A) একরাত্রি — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি মনস্তাত্ত্বিক ছোটগল্প, যেখানে শৈশবের স্মৃতি ও প্রাপ্তবয়স্কের জীবনবোধ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। B) নষ্টনীড় — এটি চারুলতা ও অমলকে কেন্দ্র করে রচিত একটি বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক ও পারিবারিক সম্পর্কের ছোটগল্প। C) ক্ষুধিত পাষাণ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) মধ্যবর্তিনী — এটি গ্রামীণ সমাজের টানাপোড়েন ও দাম্পত্য জীবনের জটিলতা নিয়ে রচিত একটি ছোটগল্প। ৫ মনে রাখার টিপস: - রবীন্দ্রনাথের অতিপ্রাকৃত গল্প মনে রাখার সহজ উপায় হলো পাষাণ, কঙ্কাল ও মণিহারা শব্দগুলো খেয়াল রাখা। - এই তিনটি গল্পে রহস্য ও অলৌকিকতার ছোঁয়া রয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রবীন্দ্রনাথের অতিপ্রাকৃত গল্পগুলো বারবার আসে। - গল্পগুলোর নাম এবং তাদের মূল সুর আলাদা করে মনে রাখা জরুরি।
a ১৮১৭
b ১৮৩২
c ১৮৫২সালে
d ১৭৫৩সালে
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৭৫৩সালে ১. কেন সঠিক: কলকাতায় প্রথম রঙ্গমঞ্চ বা থিয়েটার হাউস নির্মিত হয়েছিল ১৭৫৩ সালে, যা ওল্ড প্লে হাউস বা ক্যালিগাট থিয়েটার নামে পরিচিত ছিল। এই রঙ্গমঞ্চটি ব্রিটিশ আমলে নাট্যাভিনয়ের জন্য কলকাতার প্রাচীনতম ইউরোপীয় শৈলীর থিয়েটার হিসেবে পরিচিতি লাভ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা নাট্যশালা এবং কলকাতার সাংস্কৃতিক ইতিহাসের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক তথ্য। বাংলা নাটকের বিকাশের প্রাক্কালে ইউরোপীয়দের উদ্যোগে কলকাতায় প্রথম থিয়েটার নির্মাণের মাধ্যমে আধুনিক মঞ্চনাটকের সূচনা ঘটেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলা নাটকের আদিযুগ ব্যাখ্যা: আধুনিক বাংলা নাটকের ইতিহাস চর্চায় এই ধরনের ঐতিহাসিক সাল ও রঙ্গমঞ্চের প্রতিষ্ঠার তথ্য প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। উদাহরণ ২: বেনারস থিয়েটার ব্যাখ্যা: কলকাতার প্রথম রঙ্গমঞ্চের পাশাপাশি ভারতের অন্যান্য অঞ্চলে ব্রিটিশ আমলে নির্মিত প্রথম দিকের নাট্যশালার ইতিহাস বুঝতে এই তথ্য সহায়ক হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৮১৭সালে — এই সালে কলকাতায় প্রথম রঙ্গমঞ্চ তৈরি হয়নি, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়। B) ১৮৩২সালে — এই সালটি কলকাতার প্রথম রঙ্গমঞ্চ নির্মাণের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়, তাই এটি ভুল। C) ১৮৫২সালে — এই সালে কলকাতায় প্রথম রঙ্গমঞ্চ তৈরি হয়নি, এটি ভুল উত্তর। D) ১৭৫৮সালে বা ১৭৫৩সালে — এই ঐতিহাসিক সালটি কলকাতার প্রথম রঙ্গমঞ্চ তৈরির সঠিক সময় নির্দেশ করে। ৫ মনে রাখার টিপস: কলকাতায় প্রথম রঙ্গমঞ্চ তৈরি হয় ১৭৫৩ সালে। এভাবে মনে রাখতে পারো যে আঠারো শতকের মধ্যভাগে অর্থাৎ ১৭৫০ এর দশকের শুরুতে কলকাতায় প্রথম থিয়েটার হাউস তৈরি হয়েছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলার নাট্যশালা ও সংস্কৃতির ইতিহাস থেকে এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে। সালভিত্তিক সঠিক তথ্য মনে রাখা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
a নটির পূজা
b বেহুলা গীতাভিনয়
c নবীন তপস্বিনী
d কৃষ্ণকুমারী
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বেহুলা গীতাভিনয় ১. কেন সঠিক: - মীর মশাররফ হোসেনের একটি বিখ্যাত নাটক হলো বেহুলা গীতাভিনয়। - এটি মূলত পৌরাণিক কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে রচিত একটি দৃশ্যকাব্যের রূপ। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মীর মশাররফ হোসেন উনিশ শতকের একজন প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক। - তার বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে বিষাদ সিন্ধু এবং নাটকের মধ্যে জমিদার দর্পণ অত্যন্ত জনপ্রিয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জমিদার দর্পণ ব্যাখ্যা: এটি মীর মশাররফ হোসেনের রচিত একটি সামাজিক নাটক যা নীলকর সাহেবদের অত্যাচারের বিরুদ্ধে রচিত। উদাহরণ ২: বসুবিলাস ব্যাখ্যা: এটি মীর মশাররফ হোসেনের একটি বিখ্যাত গদ্য গ্রন্থ ও রচনা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নটির পূজা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত নৃত্যনাট্য এবং পূজা পর্বের নাটক। B) বেহুলা গীতাভিনয় — এটি মীর মশাররফ হোসেনের নাটক বিধায় এই অপশনটি সঠিক। C) নবীন তপস্বিনী — এটি মূলত বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত উপন্যাস। D) কৃষ্ণকুমারী — এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচিত একটি ঐতিহাসিক ট্র্যাজেডি নাটক। ৫ মনে রাখার টিপস: মীর মশাররফ হোসেনের নাটক মনে রাখতে তার বিষাদ সিন্ধু ও জমিদার দর্পণের পাশাপাশি বেহুলা গীতাভিনয় নামটি আলাদা করে মনে রাখতে হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভিন্ন লেখকের নাটক ও উপন্যাস গুলিয়ে ফেলার প্রবণতা থাকে, তাই মূল লেখকের নাটক আলাদা করে তালিকাভুক্ত করতে হবে।
a বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ
b বিয়ে পাগলা বুড়ো
c কিঞ্চিত জলযোগ
d কল্কি অবতার
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বিয়ে পাগলা বুড়ো ১. কেন সঠিক: - দীনবন্ধু মিত্রের রচিত বিখ্যাত প্রহসন হলো বিয়ে পাগলা বুড়ো। - প্রবীণ বয়সে বিবাহ করার সামাজিক কৌতুক ও কুফল এই প্রহসনের মূল বিষয়বস্তু। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - দীনবন্ধু মিত্র উনবিংশ শতকের একজন প্রখ্যাত নাট্যকার ও প্রহসন রচয়িতা। - তাঁর বিখ্যাত নাটক নীলদর্পণ এবং প্রহসনগুলোর মধ্যে সধবার একাদশী ও জামাইবারিক উল্লেখযোগ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সধবার একাদশী ব্যাখ্যা: এটিও দীনবন্ধু মিত্রের একটি বিখ্যাত সমাজসংস্কারমূলক প্রহসন। উদাহরণ ২: নীলদর্পণ ব্যাখ্যা: এটি দীনবন্ধু মিত্রের রচিত নীলকর সাহেবদের নির্যাতনের ওপর লেখা শ্রেষ্ঠ নাটক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ — এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচিত একটি বিখ্যাত প্রহসন। B) বিয়ে পাগলা বুড়ো — এটি দীনবন্ধু মিত্রের প্রহসন হওয়ায় সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। C) কিঞ্চিত জলযোগ — এটি অমৃতলাল বসুর রচিত একটি জনপ্রিয় প্রহসন। D) কল্কি অবতার — এটি গিরিশচন্দ্র ঘোষের রচিত একটি পৌরাণিক নাটক। ৫. মনে রাখার টিপস: - দীনবন্ধু মানেই সমাজচিত্র। তাঁর নাটকের পাশাপাশি প্রহসনগুলো সমাজে প্রচলিত কুসংস্কার ও ত্রুটি নিয়ে লেখা। - দীনবন্ধু মিত্রের প্রহসন মনে রাখার একটি উপায় হলো তিনি মূলত বুড়োদের সমাজ ও বিয়ের চালচিত্র নিয়ে প্রহসন লিখেছেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রহসনের রচয়িতা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - মাইকেল মধুসূদন দত্ত এবং দীনবন্ধু মিত্রের প্রহসনগুলোর নাম খুব ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a 10
b 11
c 18
d 20
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) 20 কেন সঠিক: - ১ থেকে ১০০ পর্যন্ত সংখ্যা গণনার সময় একক স্থানীয় অঙ্কে ৫ পাওয়া যায় ১০ বার (৫, ১৫, ২৫, ৩৫, ৪৫, ৫৫, ৬৫, ৭৫, ৮৫, ৯৫)। - দশক স্থানীয় অঙ্কে বা ৫০ এর ঘরে ৫ পাওয়া যায় ১০ বার (৫০ থেকে ৫৯ পর্যন্ত সব সংখ্যায়)। - সর্বমোট ৫ এর সংখ্যা হলো ১০ বার যোগ ১০ বার সমান ২০ বার। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 10 — এটি শুধু একক স্থানীয় অঙ্কে অথবা শুধু দশক স্থানীয় অঙ্কের ৫ এর সংখ্যা, কিন্তু উভয় স্থানীয় অঙ্কের হিসাব এখানে বাদ পড়েছে। B) 11 — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ এটি কোনো নির্দিষ্ট নিয়মের সাথে মিলে না এবং প্রকৃত হিসাবের চেয়ে অনেক কম। C) 18 — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ ৫৫ সংখ্যাটিতে দুটি ৫ থাকায় তা সঠিকভাবে গণনা না করে ভুল করা হয়েছে। D) 20 — এটি সঠিক উত্তর কারণ ১ থেকে ১০০ এর মধ্যে একক এবং দশক মিলিয়ে মোট ২০ বার ৫ অঙ্কটি আসে। মনে রাখার টিপস: ১ থেকে ১০০ পর্যন্ত যেকোনো একক অঙ্ক (যেমন ৫) মোট ২০ বার পাওয়া যায়, যার ১০ বার থাকে একক ঘরে এবং ১০ বার থাকে দশক ঘরে।
a Sunday
b Tuesday
c Wednesday
d Monday
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Wednesday কেন সঠিক: মাসের দ্বিতীয় দিনটি যদি সোমবার হয়, তবে ১৮ তম দিনটি বের করতে দিনের ব্যবধান হিসাব করতে হবে। ১৮ থেকে ২ বিয়োগ করলে মোট ১৬ দিন পাই এবং একে ৭ দ্বারা ভাগ করলে ভাগশেষ থাকে দুই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Sunday — সোমবারের সাথে দুই দিন যোগ করলে বুধবার হয়, রবিবার হয় না। B) Tuesday — সঠিক হিসাব অনুযায়ী বারের মান মঙ্গলবার আসে না। C) Wednesday — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয়। D) Monday — আঠারোতম দিনটি একই বার হতে পারে না কারণ ১৬ দিন ৭ দ্বারা সম্পূর্ণ বিভাজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: তারিখের অংক করার সময় সর্বদা মোট দিনের ব্যবধানকে সাত দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষ হিসাব করতে হবে।
a i
b e
c a
d t
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) t কেন সঠিক: বাক্যটির শুরু থেকে পঞ্চম কনসোনেন্ট বা ব্যঞ্জনবর্ণ কোনটি তা খুঁজে বের করতে হবে। এখানে প্রদত্ত বাক্যটি হলো The fifth consonant from the beginning of this sentence is the letter_. বাক্যের শুরুর অক্ষরগুলো থেকে প্রথম পাঁচটি কনসোনেন্ট গণনা করলে দেখা যায়, পঞ্চম বর্ণটি হলো t। বাকি অপশন কেন ভুল: A) i — এটি একটি ভাওয়েল বা স্বরবর্ণ, তাই এটি কনসোনেন্ট হিসেবে গণনা করা হয়নি। B) e — এটিও একটি ভাওয়েল হওয়ায় সঠিক উত্তরের তালিকায় আসে না। C) a — এটি বাক্যটির শুরুতে থাকা ভাওয়েল, যা কনসোনেন্টের শর্ত পূরণ করে না। D) t — এটি সঠিক কারণ গণনা অনুযায়ী এটি পঞ্চম কনসোনেন্ট। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি বাক্য থেকে বর্ণ গণনার সময় ভাওয়েল (a, e, i, o, u) বাদ দিয়ে শুধু কনসোনেন্টগুলো ক্রমানুসারে গণনা করতে হবে।
a 3
b 6
c 9
d 18
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: খ) ৬ কেন সঠিক: প্রশ্নটিতে বলা হয়েছে ২ জন টাইপিস্ট ২ মিনিটে টাইপ করেন ২ পৃষ্ঠা। এর মানে হলো ১ জন টাইপিস্ট ২ মিনিটে টাইপ করতে পারেন ১ পৃষ্ঠা। এখন ৬ মিনিটে ১৮ পৃষ্ঠা টাইপ করতে হবে, যা হিসাব করলে দাঁড়ায় ১ মিনিটে ৩ পৃষ্ঠা টাইপের সমান। এই গতি বজায় রাখতে হলে মোট ৬ জন টাইপিস্টের প্রয়োজন হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: ক) ৩ — ৩ জন টাইপিস্ট ৬ মিনিটে মাত্র ৯ পৃষ্ঠা টাইপ করতে পারবেন, যা ১৮ পৃষ্ঠা পূরণের জন্য যথেষ্ট নয়। খ) ৬ — এই অপশনটি সঠিক কারণ সঠিক নিয়মে হিসাব করলে কাজের পরিমাণ ও সময়ের সাথে ৬ জন টাইপিস্ট মিলে ১৮ পৃষ্ঠা সম্পন্ন করতে পারবেন। গ) ৯ — ৯ জন টাইপিস্ট নিয়োগ করলে তারা ৬ মিনিটে ২৭ পৃষ্ঠা টাইপ করে ফেলবেন, যা প্রয়োজনের চেয়ে বেশি। ঘ) ১৮ — ১৮ জন টাইপিস্ট কাজ করলে তারা নির্ধারিত সময়ের অনেক আগেই কাজ শেষ করে ফেলবেন এবং সংখ্যাটি অতিরিক্ত হবে। মনে রাখার টিপস: ঐক্যের নিয়মের অংকে প্রথমে ১ জন টাইপিস্ট ১ মিনিটে কতটুকু কাজ করতে পারে তা বের করে নিলে বড় সমস্যার সমাধান খুব সহজেই করা যায়।
a 0
b 9
c 18
d 16
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৯ কেন সঠিক: - বাক্যে 'All but ९ died' এর অর্থ হলো ৯টি ছাড়া বাকি সব মারা গেছে। - অর্থাৎ, বেঁচে থাকা মুরগির সংখ্যা হলো অবিকৃতভাবে ৯টি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ০ — এটি ভুল উত্তর কারণ মারা যাওয়ার পর শূন্যটি বেঁচে থাকার কথা বলা হয়নি। B) ৯ — এটি সঠিক উত্তর কারণ ৯টি মুরগি মারা যায়নি। C) ১৮ — এটি ভুল উত্তর কারণ ১৭টি মুরগির সঙ্গে অতিরিক্ত কোনো মুরগি যোগ করা হয়নি। D) ১৬ — এটি ভুল উত্তর কারণ ১৭ থেকে ১ বিয়োগ করে ভুল হিসাব করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: 'All but' যুক্ত ট্রিকি প্রশ্নে 'but' এর পরের সংখ্যাটিই সরাসরি উত্তর হিসেবে ধরতে হয়।
a aside
b beside
c outside
d under
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: A) aside কেন সঠিক: - Put aside একটি উপযুক্ত ফ্রেজাল ভার্ব, যার অর্থ ভবিষ্যতের ব্যবহারের জন্য টাকা বা কিছু জমিয়ে রাখা। - সন্তানের শিক্ষার জন্য টাকা জমানো অর্থে এখানে aside শব্দটি বসবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) aside — এটি সঠিক উত্তর কারণ put aside অর্থ জমানো। B) beside — এর অর্থ পাশে, যা এখানে অর্থপূর্ণ নয়। C) outside — এর অর্থ বাইরে, যা বাক্যকে অসম্পূর্ণ করে তোলে। D) under — এর অর্থ নিচে, যা এই বাক্যের শূন্যস্থানে বসে না। মনে রাখার টিপস: টাকা জমানো বা ভবিষ্যতের জন্য কিছু সরিয়ে রাখার ক্ষেত্রে Put এর সাথে aside ব্যবহার করতে হয়।
a going
b go
c went
d gone
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) went কেন সঠিক: বাক্যের প্রথমাংশ 'Only after' দিয়ে শুরু হলে এবং মাঝখানে কমা থাকলে, সাধারণত পরের অংশে পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্স বসে। এখানে মূল ক্লজে 'did I remember' থাকায় আগের অংশে ভার্বের পাস্ট ফর্ম ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) going — এটি জিরান্ড বা পার্টিসিপল ফর্ম, যা এখানে সরাসরি মূল ভার্ব হিসেবে বসতে পারে না। B) go — এটি ভার্বের প্রেজেন্ট ফর্ম, যা পাস্ট টেন্সের বাক্যের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। C) went — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল অপশনের তালিকায় প্রযোজ্য নয়। D) gone — এটি ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম, যা সাহায্যকারী ভার্ব ছাড়া একা বসতে পারে না। মনে রাখার টিপস: Only after যুক্ত বাক্যে দুটি অংশ থাকলে একটি পাস্ট পারফেক্ট বা পাস্ট ইনডেফিনিট হলে অন্যটি পাস্ট ইনডেফিনিট হয়।
a failed
b broke
c lost
d passed
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) lost কেন সঠিক: - ইংরেজি ভাষা ও ব্যাকরণে চেতনা হারানোর ক্ষেত্রে 'lose consciousness' একটি নির্দিষ্ট বা প্রমিত বাকধারা (idiom) হিসেবে ব্যবহৃত হয়। - এখানে আঘাত পাওয়ার কারণে চেতনা হারিয়ে ফেলার অর্থ প্রকাশ করতে 'lost' শব্দটি সবচেয়ে উপযুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) failed — 'fail consciousness' বলতে কোনো অর্থ বোঝায় না এবং এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) broke — 'break consciousness' বাকধারাটি অসঙ্গতিপূর্ণ এবং এর কোনো বাস্তব প্রয়োগ নেই। সি) lost — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল হিসেবে প্রযোজ্য নয়। D) passed — 'pass consciousness' হয় না, তবে 'pass out' বা 'lose consciousness' সঠিক হয়। মনে রাখার টিপস: চেতনা হারানোর ইংরেজি অর্থ মনে রাখতে সবসময় 'lose consciousness' বা 'lost consciousness' এই ফ্রেজটি মুখস্থ রাখবে।
a Cry
b Shiver
c Shout
d Sneer
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Shout কেন সঠিক: এখানে প্রথম শব্দটির সাথে দ্বিতীয় শব্দটির কারণ ও ফলাফল বা প্রতিক্রিয়ার সম্পর্ক আছে। ভয় পেলে মানুষ যেমন ভয়ে চিৎকার বা আর্তনাদ করে, তেমনি প্রচণ্ড রাগের মাথায় মানুষ চিৎকার করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Cry — রাগ হলে মানুষ সবসময় কান্না করে না, তাই এটি সঠিক জোড় নয়। B) Shiver — কাঁপুনি সাধারণত ভয় বা ঠান্ডার সাথে যুক্ত, রাগের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। C) Shout — এটি সঠিক কারণ রাগের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে মানুষ চিৎকার বা চেঁচামেচি করে। D) Sneer — এটি ব্যঙ্গ করা বা তাচ্ছিল্য প্রকাশ করা বোঝায়, যা রাগের তাৎক্ষণিক স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া নয়। মনে রাখার টিপস: শব্দ জোড়ার সম্পর্কের ধরন বুঝলে সহজেই সঠিক উত্তর মেলানো যায়।
a Hurt
b Heal
c Fix
d Plaster
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Heal কেন সঠিক: Break শব্দের অর্থ ভাঙা এবং Repair শব্দের অর্থ মেরামত করা। ঠিক তেমনি Wound শব্দের অর্থ ক্ষত এবং Heal শব্দের অর্থ তা সারিয়ে তোলা। এই দুটি জোড়ার মধ্যে বিপরীতার্থক বা কাজের সম্পর্ক বিদ্যমান। ভাঙা জিনিস যেমন মেরামত করা হয়, তেমনি ক্ষত নিরাময় করা হয়। তাই Heal শব্দটি এখানে নিখুঁতভাবে মিলে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Hurt — এর অর্থ আঘাত করা, যা Wound শব্দের সমার্থক বা কাছাকাছি শব্দ কিন্তু বিপরীত কাজ বোঝায় না। B) Heal — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুলের কোনো কারণ নেই। C) Fix — এর অর্থ ঠিক করা, যা সাধারণত যন্ত্রপাতির ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় কিন্তু শরীরের ক্ষতের জন্য উপযোগী নয়। D) Plaster — এর অর্থ প্লাস্টার করা, যা ক্ষতের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হলেও Heal শব্দের মতো সরাসরি নিরাময় বোঝায় না। মনে রাখার টিপস: সমস্যার সাথে সমাধানের সম্পর্কগুলো ভালোভাবে খেয়াল রাখবে যেমন ভাঙলে মেরামত আর ক্ষত হলে নিরাময়।
a Arctic
b Antarctic
c Antipodes
d Occident
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Antarctic কেন সঠিক: পৃথিবীর ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী দক্ষিণ মেরুটি মূলত অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত। এটি গ্রহের একদম দক্ষিণতম বিন্দু যা সম্পূর্ণ বরফে ঢাকা একটি বিশাল অঞ্চল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Arctic — এটি পৃথিবীর একেবারে উত্তর মেরু অঞ্চলকে নির্দেশ করে, যা দক্ষিণ মেরুর সম্পূর্ণ বিপরীত দিকে অবস্থিত। B) Antarctic — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ এটি নিজেই দক্ষিণ মেরু অঞ্চল। C) Antipodes — এটি সাধারণ অর্থে পৃথিবীর ঠিক বিপরীত দিকের কোনো স্থানকে বোঝায়, কোনো নির্দিষ্ট মহাদেশ নয়। D) Occident — এই শব্দটি সাধারণত পাশ্চাত্য বা পশ্চিম দিক বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা ভৌগোলিক মেরু নয়। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি শব্দ নর্থ পোল যুক্ত থাকে আর্টিকের সাথে আর সাউথ পোল যুক্ত থাকে অ্যান্টার্কটিকার সাথে।
a 1000 years ago
b 1500 years ago
c 2000 years ago
d 3000 years ago
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২০০০ years ago কেন সঠিক: জুলিয়াস সিজার রোমের একজন বিখ্যাত সেনাপতি ও শাসক ছিলেন। তিনি খ্রিস্টপূর্ব প্রথম শতাব্দীতে অর্থাৎ আজ থেকে প্রায় দুই হাজার বছর আগে বেঁচে ছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1000 years ago — এই সময়কাল জুলিয়াস সিজারের রাজত্বের সাথে মেলে না কারণ তিনি আরও এক হাজার বছর আগে ছিলেন। B) 1500 years ago — এটি রোমান সাম্রাজ্যের পতনের পরের সময়কাল তাই এটি সঠিক নয়। C) 2000 years ago — এটি সঠিক উত্তর কারণ সিজারের সময়কাল বর্তমান থেকে প্রায় দুই শতাব্দী বা দুই হাজার বছর আগের ইতিহাস। D) 3000 years ago — এই সময়ে রোম সাম্রাজ্যের সৃষ্টিই হয়নি তাই এটি ভুল উত্তর। মনে রাখার টিপস: জুলিয়াস সিজারের জন্ম খ্রিস্টের জন্মের প্রায় ১০০ বছর আগে হয়েছিল যা বর্তমান থেকে প্রায় ২০০০ বছর আগের ঘটনা।
a lightness
b heaviness
c elasticity
d viscosity
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) elasticity কেন সঠিক: রাবারের প্রধান এবং সবচেয়ে পরিচিত প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য হলো এর স্থিতিস্থাপকতা। এর ফলে এটি টানলে লম্বা হয় এবং ছেড়ে দিলে আবার আগের আকারে ফিরে আসে। তাই রাবার বল বা অন্যান্য সামগ্রী তৈরিতে এই গুণটি সবচেয়ে বেশি কাজে লাগে। এই অনন্য ধর্মের জন্যই এটি অন্যান্য সাধারণ উপাদান থেকে আলাদা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) lightness — রাবার খুব হালকা কোনো পদার্থ নয়, বরং এর নিজস্ব পরিমিত ওজন রয়েছে। B) heaviness — রাবারকে ভারী বা ওজনে খুব ভারী পদার্থ হিসেবে গণ্য করা হয় না। C) elasticity — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না। D) viscosity — সান্দ্রতা বা ঘন তরলের বহমানতার সাথে রাবারের মূল বৈশিষ্ট্যের মিল নেই। মনে রাখার টিপস: রাবার দেখলেই মাথায় রাখবে ইলাস্টিক বা রাবার ব্যান্ডের কথা, যা টেনে লম্বা করা যায়।
a it has no engine
b pace has too much dust
c it has no fuel
d space is airless
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) space is airless কেন সঠিক: মহাকাশে কোনো বায়ু বা বাতাস থাকে না। তাই ডানার কোনো প্রয়োজন হয় না। ডানা শুধু বাতাসের মধ্যে ওড়ার জন্য বা লিফট তৈরি করার জন্য কাজে লাগে। শূন্যতায় ডানা কোনো কাজেই আসে না। রকেট মহাকাশে জ্বালানির জোরে সোজা সামনে এগিয়ে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) it has no engine — রকেটে শক্তিশালী ইঞ্জিন থাকে যা এটিকে চালিত করে। B) pace has too much dust — মহাকাশে অতিরিক্ত ধূলিকণা থাকে এটি সঠিক কারণ নয়। C) it has no fuel — রকেটে পর্যাপ্ত পরিমাণে জ্বালানি থাকে। D) space is airless — এটি সঠিক কারণ কারণ মহাকাশে বাতাস থাকে না। মনে রাখার টিপস: ডানা ওড়ার জন্য বাতাসের প্রয়োজন হয়, কিন্তু মহাকাশ বায়ুশূন্য হওয়ায় সেখানে ডানার কোনো কাজ নেই।
a Astrology
b Astronomy
c Crytology
d Telescopy
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Astronomy কেন সঠিক: - এই প্রশ্নটি সাদৃশ্য বা অ্যানালজি (Analogy) বিষয়ের অন্তর্ভুক্ত। - এখানে প্রথম জোড়ায় প্রাণী ও প্রাণিবিদ্যার সম্পর্ক বোঝানো হয়েছে এবং দ্বিতীয় জোড়ায় গ্রহ ও জ্যোতির্বিজ্ঞানের সম্পর্ক নির্দেশ করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Astrology — এটি জ্যোতিষশাস্ত্র বোঝায়, যা মানুষের ভাগ্য বা ভবিষ্যতের সাথে গ্রহ নক্ষত্রের প্রভাব নিয়ে আলোচনা করে। B) Astronomy — এটি জ্যোতির্বিজ্ঞান বোঝায়, যা মঙ্গল গ্রহসহ মহাবিশ্বের সকল জ্যোতিষ্ক ও গ্রহের বিজ্ঞানসম্মত আলোচনা করে। C) Crytology — এটি কোড বা সংকেত লিখন এবং পাঠোদ্ধার সংক্রান্ত বিজ্ঞান, যার সাথে মহাকাশের কোনো সম্পর্ক নেই। D) Telescopy — এটি দূরবীন ব্যবহারের কৌশল বা প্রযুক্তি বোঝায়, যা কোনো নির্দিষ্ট বিজ্ঞানের নাম নয়। মনে রাখার টিপস: প্রাণীর পড়াশোনা Zoology এবং গ্রহ নক্ষত্রের পড়াশোনা Astronomy মনে রাখলেই উত্তরটি সহজে বের করা সম্ভব।
a hot
b heat
c winter
d cool
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) hot প্রদত্ত তথ্য: এখানে শব্দের বিপরীত অর্থের সম্পর্ক বোঝানো হয়েছে আলোর বিপরীত শব্দ হলো অন্ধকার ঠান্ডার বিপরীত শব্দ হলো গরম ধরি, প্রথম শব্দ জোড়া = light এবং dark দ্বিতীয় শব্দ জোড়া = cold এবং ? অতএব, light এর বিপরীত হলো dark cold এর বিপরীত হলো hot সুতরাং, শূন্যস্থানে সঠিক শব্দটি হবে hot উত্তর: A) hot
a to adjust
b to accompany
c to interest
d to walk
0 57 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) to adjust প্রদত্ত তথ্য: ইংরেজি একটি বাকধারা বা ফ্রেজ দেওয়া হয়েছে যার সঠিক অর্থ নির্ধারণ করতে হবে ধরি, বাকধারাটি হলো to get along with অতএব, এর অর্থ হলো কারো সাথে মিলে চলা বা মানিয়ে নেওয়া প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে A অপশনে আছে to adjust সুতরাং, সঠিক উত্তরটি হলো A) to adjust উত্তর: A) to adjust
a than
b but
c to
d without
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) to প্রদত্ত তথ্য: বাক্যটিতে দুটি কাজের তুলনা করা হচ্ছে একটি কাজের চেয়ে অন্য কাজকে বেশি পছন্দ করার কথা বলা হয়েছে ধরি, প্রথম কাজটি হলো টাকা দান করা দ্বিতীয় কাজটি হলো কাপড় বিতরণ করা অতএব, предпочение বা তুলনার ক্ষেত্রে prefer শব্দের পরে to ব্যবহৃত হয় এখানে than ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল সুতরাং, সঠিক শূন্যস্থানে to বসবে উত্তর: C) to
a since
b about
c in
d for
0 91 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) for প্রদত্ত তথ্য: বাক্যটিতে একটি সময়ের ব্যাপ্তি বা স্থায়িত্ব বোঝানো হয়েছে তিন মাস একটি নির্দিষ্ট সময়কাল বা مدت ধরি, নির্দিষ্ট পয়েন্ট অফ টাইম এর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় since নির্দিষ্ট সময়কাল বা পিরিয়ড অফ টাইমের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় for অতএব, এখানে three months হলো একটি সময়ের ব্যাপ্তি তাই শূন্যস্থানে since বসবে না সুতরাং, ব্যাপ্তির ক্ষেত্রে সঠিক preposition হবে for উত্তর: D) for
a a noun phrase
b an infinitive
c a prepositional phrase
d a verb phrase
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) a noun phrase প্রদত্ত তথ্য: বাক্যটিতে waiting for the bus অংশটি underline করা আছে এটি বাক্যে একটি বিশেষ পদের গুচ্ছ হিসেবে কাজ করছে ধরি, underlined অংশটি একটি নির্দিষ্ট grammatical unit এটি মূল verb এর সাথে যুক্ত হয়ে সম্পূর্ণ noun এর কাজ সম্পন্ন করছে অতএব, এখানে waiting হলো gerund এবং for the bus হলো তার modifier সম্পূর্ণ অংশটি মিলে একটি noun phrase গঠন করেছে সুতরাং, সঠিক অপশনটি হলো a noun phrase উত্তর: A) a noun phrase
a lack of interest
b indifferent
c callous
d neutral
0 92 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) neutral প্রদত্ত তথ্য: disinterested শব্দের সঠিক ইংরেজি অর্থ বের করতে হবে অপশনগুলোতে ভিন্ন ভিন্ন শব্দার্থ দেওয়া আছে ধরি, disinterested শব্দের মূল অর্থ নিরপেক্ষ বা পক্ষপাতহীন lack of interest অর্থ আগ্রহহীনতা indifferent অর্থ উদাসীন callous অর্থ অনুভূতিহীন অতএব, neutral শব্দের অর্থ নিরপেক্ষ বা পক্ষপাতহীন disinterested এবং neutral উভয় শব্দের অর্থ প্রায় একই সুতরাং, সঠিক বিকল্প হিসেবে neutral নির্বাচিত হলো উত্তর: D) neutral
a Boswell
b Ben Jonson
c Samuel Johnson
d Milton
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Samuel Johnson প্রদত্ত তথ্য: ইংরেজী সাহিত্যের ইতিহাস অনুযায়ী প্রথম ইংরেজি অভিধান প্রণয়ন করা হয়েছিল এই ঐতিহাসিক কাজটি সম্পন্ন করেছিলেন স্যামুয়েল জনসন ধরি, অভিধান রচয়িতা হিসেবে প্রথম স্বীকৃতি পেয়েছেন স্যামুয়েল জনসন অতএব, ১৭৫৫ সালে তাঁর বিখ্যাত ডিকশনারি অব দ্য ইংলিশ ল্যাঙ্গুয়েজ প্রকাশিত হয় এটি ইংরেজি ভাষার অন্যতম প্রথম পূর্ণাঙ্গ অভিধান হিসেবে পরিচিত লাভ করে সুতরাং, সঠিক বিকল্পটি হলো স্যামুয়েল জনসন উত্তর: C) Samuel Johnson
a telecast
b published
c telecasted
d broadcasted
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) telecast প্রদত্ত তথ্য: টেলিভিশন বা বেতারের জন্য নতুন অনুষ্ঠান প্রচার করা বোঝাতে বিশেষ শব্দ ব্যবহার করা হয়। ইংরেজি ব্যাকরণ অনুযায়ী telecast শব্দের অতীত ও ভবিষ্যৎ রূপ একই থাকে। ধরি, বাক্যটির শূন্যস্থানে সঠিক verb এর সঠিক রূপ বসাতে হবে। এখানে ভবিষ্যতের অর্থ প্রকাশ করতে future indefinite tense এর গঠন ব্যবহার করা হয়েছে। অতএব, published শব্দটি সাধারণত বই বা পত্রিকার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় যা এখানে প্রযোজ্য নয়। telecasted এবং broadcasted শব্দগুলো ব্যাকরণগতভাবে অপ্রচলিত বা ভুল। সুতরাং, সঠিক নিয়ম অনুযায়ী এখানে telecast শব্দটির ব্যবহার সবচেয়ে উপযুক্ত। উত্তর: A) telecast
a election office
b a body of voter
c many elections
d candidates
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) a body of voter প্রদত্ত তথ্য: The word 'electorate' means ভোটদাতা বা ভোটারদের সমষ্টি। ধরি, এই শব্দটির ইংরেজি অর্থ হলো ভোটারের দল। অতএব, প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে সঠিক অর্থ প্রকাশ করে ভোটারদের একটি শরীর বা সমষ্টি। সুতরাং, সঠিক উত্তরটি হলো ভোটারদের সমষ্টি নির্দেশক অপশন। উত্তর: B) a body of voter
a George Orwell
b Stevenson
c Swift
d Mark Twain
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) George Orwell প্রদত্ত তথ্য: বিখ্যাত উপন্যাস অ্যানিমেল ফার্ম এটি একটি রাজনৈতিক উপন্যাস ধরি, এই উপন্যাসের রচয়িতা একজন বিখ্যাত লেখক তাঁর প্রকৃত নাম এরিক আর্থার ব্লেয়ার অতএব, তিনি জর্জ অরওয়েল ছদ্মনামে লেখালেখি করতেন ১৯৪৫ সালে এই গ্রন্থটি প্রকাশিত হয়েছিল সুতরাং, জর্জ অরওয়েল বিশ্বসাহিত্যে এই অনন্য রচনার জন্য পরিচিত উত্তর: George Orwell
a to
b for
c than
d of
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) of প্রদত্ত তথ্য: ইংরেজি গ্রামারের একটি নির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী কোনো কিছুর বিকল্প বোঝাতে alternative এর পরে preposition হিসেবে of ব্যবহৃত হয়। তাই শূন্যস্থানে সঠিক শব্দ হিসেবে of বসবে। ধরি, প্রদত্ত বাক্যটি হলো there is no alternative of training. এখানে alternative শব্দটির পরে সঠিক preposition নির্বাচন করতে হবে। অতএব, প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে সঠিক ব্যাকরণগত নিয়ম মেনে চলে of. বাক্যের অর্থ দাঁড়ায় প্রশিক্ষণের কোনো বিকল্প নেই। সুতরাং, শূন্যস্থানের জন্য সঠিক বিকল্পটি হলো of. উত্তর: D
a This is an unique case
b This is a unique case
c This is a very unique case
d This is the most unique case
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) This is a unique case প্রদত্ত তথ্য: ইউনিক শব্দের অর্থ হলো অনন্য এর পূর্বে কোনো superlative বা comparative বসে না ধরি, unique শব্দটি একটি absolute adjective এর আগে an বসবে না কারণ এর উচ্চারণ ইউ এর মতো অতএব, vowel থাকা সত্ত্বেও unique শব্দের আগে an না বসে a বসে very বা most শব্দগুলো এই শব্দের আগে ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল সুতরাং, সঠিক বাক্য গঠন হবে a unique case উত্তর: B) This is a unique case
a able
b but
c try
d afford
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) afford প্রদত্ত তথ্য: শূন্যস্থান পূরণে সঠিক ইংরেজি শব্দ নির্বাচন করতে হবে বাক্যটির অর্থ হলো আমি এত বেশি দাম দিতে পারব না ধরি, বাক্যটির ভাবার্থ হলো সামর্থ্য থাকা সামর্থ্য অর্থে সঠিক ইংরেজি শব্দ হলো afford অতএব, অপشن এ তে able আছে যা সঠিক নয় অপشن বি তে but আছে যা এখানে বসে না সুতরাং, খালি ঘরে afford বসলে বাক্যটি অর্থপূর্ণ হয় উত্তর: D) afford
a enshort
b shorten
c shorted
d shorting
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) shorten প্রদত্ত তথ্য: মূল শব্দটি হলো short ধরি, short শব্দটির বিভিন্ন রূপ হলো Noun, Adjective এবং Verb অতএব, short শব্দটির Verb রূপ হলো shorten সুতরাং, সঠিক অপশন হলো B) shorten উত্তর: B) shorten
a Keats
b Forst
c Eliot
d Shelley
0 93 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Shelley প্রদত্ত তথ্য: বিখ্যাত ইংরেজি সাহিত্যিক পার্সি বিশ শেলি তাঁর বিখ্যাত কবিতা ওডে টু দ্য ওয়েস্ট উইন্ড এর শেষ চরণে এই বিখ্যাত পঙক্তিটি লিখেছেন ধরি, শীতকাল মানে কষ্টের সময় বসন্তকাল মানে সুখ ও আশার সময় অতএব, শীতের পরেই বসন্ত আসে তেমনি কষ্টের পরেই সুখ আসে সুতরাং, এই আশাবাদী পঙক্তির রচয়িতা শেলি সঠিক বিকল্পটি হলো ডি উত্তর: D) Shelley
a raising
b risen
c rising
d raised
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) rising প্রদত্ত তথ্য: চালের দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে বাক্যটি বর্তমান চলমান কালের নির্দেশ করছে ধরি, বাক্যটির সাবজেক্ট হলো দ্য প্রাইস অফ রাইস এটি একটি অসংজ্ঞায়িত বা নির্দিষ্ট মূল্যের অবস্থা বোঝাচ্ছে অতএব, এখানে মূল ভার্বের সাথে আইএনজি যুক্ত হবে রাইজিং শব্দটি এই শূন্যস্থানে সঠিকভাবে বসে সুতরাং, সঠিক বাক্যটি হবে দ্য প্রাইস অফ রাইস ইজ রাইসিং এটি বর্তমান continuous tense এর গঠন মেনে চলে উত্তর: C) rising
a 0.8 mph
b 1.6 mph
c 2.4 mph
d 3.2 mph
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১.৬ mph প্রদত্ত তথ্য: প্রতিকূলে সাঁতার কাটার গতি = ১ mph অনুকূলে সাঁতার কাটার গতি = ৪ mph অতিক্রান্ত দূরত্বের পরিমাণ = ৪ মিটার ধরি, প্রতিকূলে যাওয়ার সময় = ৪ ÷ ১ = ৪ ঘণ্টা অনুকূলে ফিরে আসার সময় = ৪ ÷ ৪ = ১ ঘণ্টা মোট অতিক্রান্ত দূরত্ব = ৪ + ৪ = ৮ মিটার অতএব, মোট অতিবাহিত সময় = ৪ + ১ = ৫ ঘণ্টা গড় গতির হিসাব = মোট দূরত্ব ÷ মোট সময় মান বসিয়ে পাই, ৮ ÷ ৫ সুতরাং, নির্ণেয় গড় গতি = ১.৬ mph উত্তর: ১.৬ mph
a 25
b 45
c 55
d 70
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৭০ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যাটি হলো ত্রিশ অর্ধেক দ্বারা ভাগ এবং দশ যোগ করতে হবে ধরি, প্রথম অংশ হলো ত্রিশ ভাগ শূন্য দশমিক পাঁচ দ্বিতীয় অংশ হলো যোগ দশ অতএব, ত্রিশ ভাগ শূন্য দশমিক পাঁচ এর মান ষাট ষাট যোগ দশ এর মান সত্তর সুতরাং, সম্পূর্ণ হিসাবের ফলাফল হলো সত্তর উত্তর: সত্তর
a 15
b 16
c 17
d 18
0 95 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৬ প্রদত্ত তথ্য: রহিমের বর্তমান বয়স ১২ বছর সে করিমের বর্তমান বয়সের তিন গুণ বড় ধরি, করিমের বর্তমান বয়স = ১২ ÷ ৩ = ৪ বছর রহিম ও করিমের বয়সের পার্থক্য = ১২ − ৪ = ৮ বছর অতএব, রহিম যখন করিমের বয়সের দ্বিগুণ হবে তখন তাদের বয়সের পার্থক্য ওই ৮ বছরই থাকবে ধরি, তখন করিমের বয়স = ক বছর সুতরাং, রহিমের বয়স হবে = ২ × ক বছর শর্তমতে, ২ × ক − ক = ৮ উত্তর: রহিমের বয়স হবে ১৬ বছর
a 40
b 60
c 30
d 600
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩০ প্রদত্ত তথ্য: ১০ এর ৩০% এবং একটি অজানা সংখ্যার ১০% পরস্পর সমান ধরি, অজানা সংখ্যাটি ক অতএব, ১০ এর ৩০% = ১০ × (৩০ ÷ ১০০) = ৩ ক এর ১০% = ক × (১০ ÷ ১০০) = ক ÷ ১০ সুতরাং, ক ÷ ১০ = ৩ উত্তর: ক = ৩০
a 7 meters
b 14 meters
c 10 meters
d 6 meters
0 110 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১০ meters প্রদত্ত তথ্য: দুইজন ব্যক্তি একই বিন্দু থেকে বিপরীত দিকে ৪ meters হাঁটে এরপর দুজনেই বাম দিকে ঘুরে আরও ৩ meters হাঁটে ধরি, প্রথম ব্যক্তির যাত্রার বিন্দু থেকে শেষ অবস্থানের দূরত্ব হলো একটি সমকোণী ত্রিভুজের অতিভুজ যার ভূমি হলো ৪ meters এবং লম্ব হলো ৩ meters অতএব, পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুযায়ী দূরত্ব হবে ভূমির বর্গ এবং লম্বের বর্গের যোগফলের বর্গমূল দূরত্ব = √(৪ এর বর্গ + ৩ এর বর্গ) সুতরাং, দূরত্ব = √(১৬ + ৯) = √২৫ = ৫ meters উত্তর: যেহেতু তারা বিপরীত দিকে ছিল, তাই তাদের মধ্যকার মোট দূরত্ব হবে ৫ meters + ৫ meters = ১০ meters
a more busy
b busy
c busiest
d most busiest
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) busiest প্রদত্ত তথ্য: শূন্যস্থানের আগে the আর্টিকেল রয়েছে বাক্যে এশিয়া মহাদেশের সমস্ত ব্যস্ত শহরের সাথে তুলনা করা হয়েছে ধরি, ব্যস্ত শব্দটির ইংরেজি রূপ busy অতএব, busy শব্দটির সুপারলেটিভ ডিগ্রি হলো busiest কারণ the আর্টিকেলের পর সবসময় সুপারলেটিভ ডিগ্রি বসে সুতরাং, most busiest লেখা ভুল কারণ busiest নিজেই সুপারলেটিভ উত্তর: C) busiest
a retired
b had retired
c has retired
d will be retired
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) retired প্রদত্ত তথ্য: বাক্যটিতে দুটি অতীত কালের কাজের উল্লেখ আছে আগের কাজটি পাস্ট পারফেক্ট টেন্স এবং পরের কাজটি সিম্পল পাস্ট টেন্স হয় ধরি, প্রথম কাজ হলো বইটি লেখা দ্বিতীয় কাজ হলো অবসর নেওয়া অতএব, প্রথম অংশটি পাস্ট পারফেক্ট টেন্সে গঠিত হয়েছে দ্বিতীয় অংশটিতে সিম্পল পাস্ট টেন্স বসবে সুতরাং, সঠিক কাল অনুযায়ী শূন্যস্থানে ভি টু রূপ বসবে অবসর নেওয়ার ইংরেজি রিটায়ার্ড শব্দটির পাস্ট ফর্ম হলো retired উত্তর: A) retired
a over
b through
c with
d by
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) over প্রদত্ত তথ্য: টেলিফোনে যোগাযোগের ক্ষেত্রে preposition ব্যবহারের নিয়ম এখানে উপায়ে বা মাধ্যমে বোঝাতে সঠিক শব্দ নির্বাচন ধরি, টেলিফোনের মাধ্যমে যোগাযোগের ক্ষেত্রে মাধ্যম বোঝানো হয়েছে তাই শূন্যস্থানে সঠিক preposition বসাতে হবে অতএব, over telephone একটি বহুল প্রচলিত সঠিক ফ্রেজ with বা by telephone সাধারণত ব্যবহার হয় না সুতরাং, সঠিক উত্তরটি হবে over উত্তর: A) over
a example
b priority
c elderly
d case
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) priority প্রদত্ত তথ্য: ইংরেজি শব্দ precedence এর অর্থ নির্ণয় করতে হবে অপশনগুলোতে সমার্থক শব্দ দেওয়া আছে ধরি, precedence শব্দের বাংলা অর্থ অগ্রগামিতা বা অগ্রাধিকার অপশন এ অর্থ উদাহরণ অপশন বি অর্থ অগ্রাধিকার অতএব, precedence এর সাথে priority শব্দের মিল রয়েছে তাই সঠিক উত্তর হবে priority সুতরাং, প্রদত্ত বিকল্পগুলোর মধ্যে সবচেয়ে উপযুক্ত শব্দ হলো priority উত্তর: B) priority
a ওয়াশিংটন
b হিউস্টন
c কেপ কেনেডি
d টেক্সাস
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ওয়াশিংটন কেন সঠিক: - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা NASA-এর প্রধান কার্যালয় বা সদরদপ্তর রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত। - সরকারি নীতিনির্ধারণ এবং প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য এর মূল কার্যালয় দেশটির রাজধানীতে স্থাপন করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ওয়াশিংটন — এটি সঠিক উত্তর কারণ NASA-এর প্রধান প্রশাসনিক কার্যালয় এই শহরেই অবস্থিত। B) হিউস্টন — এটি সঠিক উত্তর নয়, কারণ হিউস্টনে NASA-এর জনসন স্পেস সেন্টার অবস্থিত, যা সদরদপ্তর নয়। C) কেপ কেনেডি — এটি সঠিক উত্তর নয়, কারণ এটি ফ্লোরিডায় অবস্থিত NASA-এর একটি রকেট উৎক্ষেপণ কেন্দ্র। D) টেক্সাস — এটি সঠিক উত্তর নয়, কারণ টেক্সাস একটি অঙ্গরাজ্য এবং এর হিউস্টন শহরে শুধু মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র রয়েছে। মনে রাখার টিপস: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসনিক কেন্দ্র রাজধানীতেই থাকে, তাই NASA-এর সদরদপ্তর ওয়াশিংটনে অবস্থিত।
a নেগ্রিটো
b ভোটচীন
c দ্রাবিড়
d অস্ট্রিক
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অস্ট্রিক কেন সঠিক: - নৃতাত্ত্বিক ইতিহাস অনুযায়ী অস্ট্রিক জাতির মানুষেরা ভারতীয় উপমহাদেশে প্রথম বসতি স্থাপন করেছিল এবং তাদের মাধ্যমেই বাঙালি জাতির মূল ভিত্তি গড়ে উঠেছে। - ডঃ নীহাররঞ্জন রায় সহ বিশিষ্ট ইতিহাসবিদদের মতে বাঙালি সংস্কৃতির কৃষিভিত্তিক সমাজ ও জীবনযাত্রার বড় একটি অংশ অস্ট্রিক বা নিষাদ জনগোষ্ঠীর অবদান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নেগ্রিটো — এরা ভারতীয় উপমহাদেশের আদিম অধিবাসী হলেও বাঙালি জাতির প্রধান অংশ গঠনে এদের প্রভাব সবচেয়ে কম। B) ভোটচীন — এই মঙ্গলীয় গোষ্ঠী মূলত উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় জনবসতির উন্নয়নে ভূমিকা রেখেছে, বাঙালি জাতির প্রধান অংশ নয়। C) দ্রাবিড় — সিন্ধু সভ্যতার নির্মাতা এই জনগোষ্ঠী দক্ষিণ ভারতে প্রধানত বিস্তার লাভ করলেও বাঙালির গঠনে এরা দ্বিতীয় প্রধান অংশ। D) অস্ট্রিক — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: বাঙালি জাতির মূল ভিত্তি হলো অস্ট্রিক, মনে রাখতে পারেন অ-তে অস্ট্রিক এবং অ-তে আদি ভিত্তি।
a ১২০৬
b ১৩১০
c ১৬১০
d ১৫২৬
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি / ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ঘটনা সঠিক উত্তর: C) ১৬১০ কেন সঠিক: - সম্রাট জাহাকীরের শাসনামলে ১৬১০ সালে সুবাদার ইসলাম খান চিশতি বাংলার রাজধানী রাজমহল থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করেন এবং এর নাম দেন জাহাঙ্গীরনগর। - মুঘলদের পূর্ব ভারতের বিদ্রোহী ভুঁইয়াদের দমন এবং নদীমাতৃক অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কৌশলগত কারণে ঢাকাকে রাজধানী করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১২০৬ — এই সালে বখতিয়ার খলজির বাংলা বিজয়ের পর লক্ষণাবতীতে মুসলিম শাসন শুরু হয়, ঢাকার সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। B) ১৩১০ — এই সময়ে বাংলা স্বাধীন সুলতানি আমলের অধীনে ছিল এবং রাজধানী ছিল গৌড় বা পান্ডুয়ায়। ডি) ১৫২৬ — এই সালে ভারতের মাটিতে মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা সম্রাট বাবর প্রথম পানিপথের যুদ্ধে জয়লাভ করেন। মনে রাখার টিপস: ১৬১০ সালে ইসলাম খান ঢাকাকে মুঘল বাংলার রাজধানী করেন এবং নাম রাখেন জাহাঙ্গীরনগর।
a ১৬ ডিসেম্ববর, ১৯৭৯
b ২৬ ডিসেম্ববর, ১৯৭৯
c ১ জানুয়ারী, ১৯৮০
d ২১ ফেব্রুয়ারী, ১৯৮০
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭৯ কেন সঠিক: - ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনের সামনে অবস্থিত ঐতিহাসিক ভাস্কর্য অপরাজেয় বাংলা ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭৯ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়। - মুক্তিযুদ্ধে ছাত্রসমাজ ও সাধারণ মানুষের বীরত্বপূর্ণ অবদান এবং অংশগ্রহণকে স্মরণীয় করে রাখতে এটি নির্মাণ করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭৯ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দিনেই ভাস্কর্যটি উদ্বোধন করা হয়। B) ২৬ ডিসেম্বর, ১৯৭৯ — এই তারিখে অপরাজেয় বাংলা উদ্বোধন করা হয়নি, এটি ভুল সাল ও তারিখ। C) ১ জানুয়ারী, ১৯৮০ — এটি সঠিক উদ্বোধনের তারিখ নয়, এর আগেই ভাস্কর্যটির উদ্বোধন সম্পন্ন হয়। D) ২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৮০ — এটি ভাষা শহীদ দিবস হলেও অপরাজেয় বাংলা উদ্বোধনের তারিখের সঙ্গে মেলে না। মনে রাখার টিপস: বিজয় দিবসের দিন অর্থাৎ ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭৯ সালে অপরাজেয় বাংলা উদ্বোধন করা হয়েছিল।
a প্রাকৃতিক পরিবেশ
b সামাজিক পরিবেশ
c বায়বীয় পরিবেশ
d সাংস্কৃতিক পরিবেশ
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্রাকৃতিক পরিবেশ কেন সঠিক: - অতিরিক্ত জনসংখ্যার কারণে বনভূমি ধ্বংস, পাহাড় কাটা এবং জলাভূমি ভরাট হচ্ছে, যা সরাসরি প্রাকৃতিক পরিবেশকে বিপন্ন করে তুলছে। - অপরিকল্পিত নগরায়ণ এবং শিল্পায়নের ফলে প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট হয়ে জলবায়ু পরিবর্তন ও দূষণ মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রাকৃতিক পরিবেশ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের কোনো নেতিবাচক কারণ নেই, বরং এটিই মানুষের বর্ধিত চাপের কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। B) সামাজিক পরিবেশ — এটি জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণে প্রভাবিত হলেও, সরাসরি এবং প্রথম আঘাতটি আসে প্রকৃতির ওপর, তাই এটি প্রধান ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষেত্র নয়। C) বায়বীয় পরিবেশ — এটি প্রাকৃতিক পরিবেশেরই একটি অংশমাত্র, তাই সামগ্রিক ক্ষতির ক্ষেত্রে পৃথকভাবে বায়বীয় পরিবেশের চেয়ে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক পরিবেশ বলা সঠিক। D) সাংস্কৃতিক পরিবেশ — এটি মানবসৃষ্ট জীবনধারা ও সংস্কৃতির সঙ্গে সম্পর্কিত, যা জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে পরিবর্তিত হতে পারে কিন্তু সরাসরি পরিবেশগত ধ্বংসের শিকার হয় না। মনে রাখার টিপস: জনসংখ্যা বাড়লে সবার আগে প্রকৃতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তাই মনে রাখবে মানুষ বাড়লেই প্রকৃতি হারে।
a মেরু অঞ্চলে
b নিরক্ষরেখায়
c উওর গোলার্ধে
d দক্ষিণ গোলার্ধে
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নিরক্ষরেখায় কেন সঠিক: - নিরক্ষরেখায় সূর্য সারা বছর লম্বালম্বিভাবে কিরণ দেয়, ফলে এখানে সারা বছর দিন ও রাতের দৈর্ঘ্য প্রায় সমান হয়। - নিরক্ষরেখায় বারো মাসই দিন ও রাতের দৈর্ঘ্য ১২ ঘণ্টা করে হয়ে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মেরু অঞ্চলে — এখানে প্রায় ছয় মাস দিন এবং ছয় মাস রাত থাকে, তাই দিন-রাত্রি সমান হয় না। B) নিরক্ষরেখায় — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ এখানে সারা বছর দিন ও রাত সমান থাকে। C) উওর গোলার্ধে — এখানে ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথে দিন ও রাতের দৈর্ঘ্যের তারতম্য ঘটে। D) দক্ষিণ গোলার্ধে — এখানেও ঋতুভেদে দিন ও রাতের দৈর্ঘ্যের কমবেশি হয়, সারা বছর সমান থাকে না। মনে রাখার টিপস: নিরক্ষরেখা পৃথিবীর ঠিক মাঝখানে অবস্থিত বলে এখানে সারা বছর দিন ও রাতের দৈর্ঘ্য সমান (১২ ঘণ্টা দিন এবং ১২ ঘণ্টা রাত) থাকে।
a সৌর বছর
b কসমিক ইয়ার
c আলোক ইয়ার
d পলিসার
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কসমিক ইয়ার কেন সঠিক: - ছায়াপথ বা গ্যালাক্সি তার নিজ কেন্দ্রকে একবার ঘুরে আসতে যে বিশাল সময় নেয়, তাকে কসমিক ইয়ার বা গ্যালাক্টিক ইয়ার বলা হয়। - আমাদের সৌরজগতের ক্ষেত্রে এই একটি কসমিক ইয়ার সম্পন্ন করতে প্রায় ২২ কোটি থেকে ২৫ কোটি বছর সময় লাগে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সৌর বছর — পৃথিবী সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করতে যে সময় নেয় তাকে বোঝায়, ছায়াপথের ঘূর্ণনের সঙ্গে এর সম্পর্ক নেই। B) কসমিক ইয়ার — এটি ছায়াপথের নিজ অক্ষকে কেন্দ্র করে ঘুরে আসার সঠিক পরিভাষা। C) আলোক ইয়ার — এটি আলোকবর্ষ নামে পরিচিত এবং এটি সময় নয়, বরং মহাকাশীয় দূরত্ব পরিমাপের একক। D) পলিসার — এটি মহাকাশ বিজ্ঞান বা জ্যোতির্বিজ্ঞানের কোনো স্বীকৃত বা বাস্তব পরিভাষা নয়। মনে রাখার টিপস: মহাজাগতিক বা কসমিক শব্দটির সঙ্গে ছায়াপথের ঘূর্ণন বা মহাবিশ্বের বিশাল সময়কাল যুক্ত থাকে।
a পোল্যান্ড
b লিথুনিয়া
c কাজাকিস্তান
d স্লোভাকিয়া
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) স্লোভাকিয়া প্রদত্ত তথ্য: বিশ্বের বিভিন্ন দেশের স্বাক্ষরতার হার সম্পর্কিত সাধারণ জ্ঞান শতভাগ স্বাক্ষরতা অর্জনকারী ইউরোপীয় দেশগুলোর তালিকা ধরি, শতভাগ স্বাক্ষরতা সম্পন্ন দেশের মোট সংখ্যা = ১ অপশনগুলোতে উল্লেখিত দেশগুলোর স্বাক্ষরতার হার যাচাই করি অতএব, পোল্যান্ড, লিথুনিয়া এবং কাজাকিস্তানের স্বাক্ষরতার হার শতভাগ নয় স্লোভাকিয়ার শিক্ষা ব্যবস্থার মান বিশ্বমানের এবং এর স্বাক্ষরতার হার শতভাগ সুতরাং, প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে একমাত্র স্লোভাকিয়ার স্বাক্ষরতার হার শতভাগ হিসেবে স্বীকৃত উত্তর: D) স্লোভাকিয়া
a বেলজিয়াম
b ফ্রান্স
c জার্মানি
d ফিনল্যান্ড
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বেলজিয়াম কেন সঠিক: - ইউরোপের কৌশলগত ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে ইতিহাসের বহু বড় যুদ্ধের প্রধান রণক্ষেত্র বা যুদ্ধক্ষেত্র ছিল এই দেশ। - অতীতে ইউরোপের বিভিন্ন পরাশক্তির মধ্যে সংঘটিত যুদ্ধের কেন্দ্রবিন্দু হওয়ায় একে রূপক অর্থে ইউরোপের ককপিট বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বেলজিয়াম — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দেশটি ঐতিহাসিক যুদ্ধের কেন্দ্রস্থল হিসেবে পরিচিত। B) ফ্রান্স — এটি ইউরোপের একটি বৃহৎ রাষ্ট্র এবং যুদ্ধক্ষেত্র হলেও একে ককপিট বলা হয় না। C) জার্মানি — এটি বিশ্বযুদ্ধের অন্যতম প্রধান শক্তি হলেও ভৌগোলিক ও ঐতিহাসিক কারণে এই উপাধির জন্য প্রযোজ্য নয়। D) ফিনল্যান্ড — এটি উত্তর ইউরোপের একটি দেশ এবং এর ইতিহাস ভিন্ন ধরনের হওয়ায় এই উপাধির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: বেলজিয়ামের যুদ্ধবাজ পরিবেশ মনে রাখতে যুদ্ধক্ষেত্রের ককপিট শব্দটির সঙ্গে বেলজিয়াম নামটি যুক্ত করে মনে রাখুন।
a সনোরা লাইন
b ম্যাকনামারা লাইন
c ডুরান্ড লাইন
d হিন্ডারবার্গ লাইন
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সনোরা লাইন কেন সঠিক: - সনোরা লাইন হলো মেক্সিকো এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী সীমান্তবর্তী একটি নির্দিষ্ট ভৌগোলিক রেখা। - ভূগোল ও আন্তর্জাতিক সীমানা নির্ধারণের ক্ষেত্রে এই রেখাটি মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্রকে পৃথক করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সনোরা লাইন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই রেখাটি মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্রকে বিভক্ত করেছে। B) ম্যাকনামারা লাইন — এটি ভিয়েতনামের ডি মিলিটারাইজড জোনের কাছে মার্কিন সামরিক বাহিনীর তৈরি একটি প্রতিরক্ষা লাইন। C) ডুরান্ড লাইন — এটি পাকিস্তান ও আফগানিস্তানকে বিভক্তকারী আন্তর্জাতিক সীমান্তবর্তী রেখা। D) হিন্ডারবার্গ লাইন — এটি প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় জার্মানি ও মিত্রবাহিনীর মধ্যে অবস্থিত একটি প্রতিরক্ষা লাইন ছিল। মনে রাখার টিপস: মেক্সিকোর একটি বিখ্যাত মরুভূমির নাম সনোরা, তাই মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্রের সীমান্ত মনে রাখতে সনোরা লাইন নামটা মাথায় রাখবে।
a হিমালয়
b কুনলুন পর্বত
c ব্ল্যাক ফরেস্ট
d আল্পস
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কুনলুন পর্বত কেন সঠিক: - হোয়াংহো নদী চীনের কুনলুন পর্বতমালা থেকে উৎপন্ন হয়ে প্রশান্ত মহাসাগরের বোহাই সাগরে পতিত হয়েছে। - এটি চীনের দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী এবং এর অববাহিকায় চীনা সভ্যতার বিকাশ ঘটেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হিমালয় — হিমালয় পর্বতমালা থেকে ব্রহ্মপুত্র, গঙ্গা ও সিন্ধু নদীর মতো প্রধান নদীগুলো উৎপন্ন হয়েছে, হোয়াংহো নয়। B) কুনলুন পর্বত — এই অপশনটি সঠিক কারণ হোয়াংহো নদী এখানেই উৎপন্ন হয়েছে। C) ব্ল্যাক ফরেস্ট — ব্ল্যাক ফরেস্ট জার্মানির একটি পাহাড়ি অঞ্চল যেখান থেকে ইউরোপের দানিউব নদী উৎপন্ন হয়েছে। D) আল্পস — আল্পস পর্বতমালা ইউরোপে অবস্থিত যেখান থেকে রাইন ও রোন নদীর মতো নদীগুলো উৎপন্ন হয়েছে। মনে রাখার টিপস: হোয়াংহো নদীর উৎপত্তিস্থল মনে রাখতে কুনলুন শব্দটিকে প্রধান সূত্র হিসেবে ধরে রাখতে হবে।
a নিকোলাস সার্কোজি
b ফ্রঁসিয়ে মিতেরাঁ
c জেনারেল দ্য গল
d ফ্রাঁসোয়া ওঁলান্দ
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: D) ফ্রাঁসোয়া ওঁলান্দ কেন সঠিক: - ফ্রাঁসোয়া ওঁলান্দ ২০১২ সাল থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রশ্নে অনেক সময় বিগত বা নির্দিষ্ট সময়ের রাষ্ট্রপ্রধানদের নাম জানতে চাওয়া হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিকোলাস সার্কোজি — তিনি ফ্রাঁসোয়া ওঁলান্দর আগের প্রেসিডেন্ট ছিলেন এবং ২০০৭ সাল থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। B) ফ্রঁসিয়ে মিতেরাঁ — তিনি ১৯৮১ সাল থেকে ১৯৯৫ সাল পর্যন্ত ফ্রান্সের দীর্ঘমেয়াদী প্রেসিডেন্ট ছিলেন। C) জেনারেল দ্য গল — তিনি বিংশ শতাব্দীর ষাটের দশকে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ছিলেন এবং দেশটির পঞ্চম প্রজাতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা। D) ফ্রাঁসোয়া ওঁলান্দ — প্রদত্ত সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: ফ্রান্সের সাবেক প্রেসিডেন্ট ফ্রাঁসোয়া ওঁলান্দ ২০১২ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় ছিলেন।
a বিল ক্লিনটন
b জিমি কার্টার
c নিক্সন
d রিগান
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জিমি কার্টার কেন সঠিক: - যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার ১৯৯৪ সালে বসনিয়ায় যুদ্ধরত পক্ষগুলোর মধ্যে মধ্যস্থতা করে সফলভাবে অস্ত্রবিরতি চুক্তি স্বাক্ষর করান। - তাঁর এই কূটনৈতিক মধ্যস্থতার ফলে বসনিয়াযুদ্ধে সাময়িক শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিল ক্লিনটন — তিনি সে সময় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন এবং বসনিয়া সংকটের শেষ পর্যায়ে ডেটন শান্তিচুক্তিতে ভূমিকা রাখেন, তবে এই সুনির্দিষ্ট যুদ্ধবিরতির মধ্যস্থতাকারী ছিলেন না। B) জিমি কার্টার — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে অন্য কোনো প্রযোজ্য কারণ নেই। C) নিক্সন — রিচার্ড নিক্সন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট হলেও বসনিয়া সংকটের সময় তিনি মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কোনো ভূমিকা পালন করেননি। D) রিগান — রোনাল্ড রিগান যুক্তরাষ্ট্রের আরেকজন সাবেক প্রেসিডেন্ট, যার কার্যকাল বসনিয়া যুদ্ধের অনেক আগেই শেষ হয়ে গিয়েছিল। মনে রাখার টিপস: বসনিয়ার যুদ্ধবিরতিতে কাজ করেছেন আমেরিকার কার্টার, মনে রাখুন বসনিয়ার কার্টার।
a ৩০০বছর
b ৩৩৫বছর
c ৩৪২ বছর
d ৫০০বছর
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩৪২ বছর কেন সঠিক: - ১৬৫২ সালে ডাচ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির হাত ধরে দক্ষিণ আফ্রিকায় ঔপনিবেশিক শাসন শুরু হয়। - ১৯৯৪ সালে বর্ণবাদের অবসান ও প্রথম গণতান্ত্রিক নির্বাচনের মাধ্যমে শ্বেতাঙ্গ শাসনের অবসান ঘটে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩০০বছর — এটি ঐতিহাসিক কালপঞ্জির সঠিক হিসাব নয় এবং ঔপনিবেশিক শাসনের প্রকৃত সময়কালকে নির্দেশ করে না। B) ৩৩৫বছর — এটি ডাচ ও ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের সামগ্রিক দীর্ঘমেয়াদী ইতিহাসের সঙ্গে সঠিক সংখ্যাগত মিল রাখে না। C) ৩৪২ বছর — এটি ১৬৫২ সাল থেকে ১৯৯৪ সাল পর্যন্ত শ্বেতাঙ্গ শাসনের মোট সময়কালকে সঠিকভাবে নির্দেশ করে। D) ৫০০বছর — এটি দক্ষিণ আফ্রিকায় ইউরোপীয় শ্বেতাঙ্গ উপস্থিতির অতিমূল্যায়িত সময়কাল যা সঠিক ঐতিহাসিক তথ্যের সঙ্গে মিলে না। মনে রাখার টিপস: ১৬৫২ সালের শুরু থেকে ১৯৯৪ সালের অবসান পর্যন্ত দক্ষিণ আফ্রিকায় শ্বেতাঙ্গ শাসন স্থায়ী হয়েছিল মোট ৩৪২ বছর।
a সংবাদ সংস্থা
b পরিবেশ সংস্থা
c গোয়েন্দা সংস্থা
d মানবাধিকারসংস্থা
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) গোয়েন্দা সংস্থা কেন সঠিক: - ফেয়ার ফ্যাক্স হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিখ্যাত বেসরকারি বা প্রাইভেট গোয়েন্দা সংস্থা। - এই সংস্থাটি মূলত অর্থনৈতিক অপরাধ তদন্ত এবং কর্পোরেট গোয়েন্দাগিরির কাজে বিশেষভাবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সংবাদ সংস্থা — এটি কোনো সংবাদ পরিবেশন বা প্রচারের সঙ্গে যুক্ত মাধ্যম বা প্রতিষ্ঠান নয়। B) পরিবেশ সংস্থা — এটি কোনো পরিবেশ সংরক্ষণ বা দূষণ রোধ সংক্রান্ত সরকারি বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠান নয়। C) গোয়েন্দা সংস্থা — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক কারণ এটি একটি সুপরিচিত প্রাইভেট গোয়েন্দা সংস্থা। D) মানবাধিকারসংস্থা — এটি কোনো মানবাধিকার রক্ষা বা প্রচারের সঙ্গে জড়িত দাতব্য বা সামাজিক সংগঠন নয়। মনে রাখার টিপস: ফেয়ার ফ্যাক্স নামটির সঙ্গে গোয়েন্দা কার্যক্রম যুক্ত, এভাবে মনে রাখতে পারো যে ফেয়ার ফ্যাক্স মানেই গোপন তথ্য অনুসন্ধানের গোয়েন্দা সংস্থা।
a বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা
b প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
c পূর্ববাংলার অর্থনৈতিক বৈষম্য দূরীকরণ
d বিনা ক্ষতিপূরণে জমিদারী উচ্ছেদ
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা প্রদত্ত তথ্য: ঐতিহাসিক একাত্তর দফার প্রথম দাবি সম্পর্কিত প্রশ্ন পাকিস্তানের চুরাশি সালের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এই দাবি প্রণীত হয় ধরি, ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে বাঙালি জাতির অধিকার আদায়ের দলিল = একাত্তর দফা দাবি প্রথম দফা দাবি = রাষ্ট্রভাষা সংক্রান্ত ঘোষণা অতএব, তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের মানুষের প্রধান দাবি ছিল মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষা করা তাই পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে বাংলার স্বীকৃতি চাওয়া হয়েছিল সুতরাং, ঐতিহাসিক একাত্তর দফা দাবির প্রথম দাবি ছিল বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করা উত্তর: A) বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা
a ৪৬.৫ মি.
b ৪৬ মি.
c ৪৫.৫ মি.
d ৪৫ মি.
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪৬.৫ মি. কেন সঠিক: - সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধের মূল মিনারটি সাত জোড়া দেওয়াল নিয়ে গঠিত, যার সর্বোচ্চ উচ্চতা ১৫০ ফুট বা ৪৬.৫ মিটার। - معماری বা স্থাপত্যের দিক থেকে এই উচ্চতা স্মৃতিসৌধের প্রধান নকশার অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪৬.৫ মি. — এটি জাতীয় স্মৃতিসৌধের সঠিক উচ্চতা। B) ৪৬ মি. — এটি সঠিক উচ্চতা থেকে সামান্য কম, তাই ভুল। C) ৪৫.৫ মি. — এই মাপটি জাতীয় স্মৃতিসৌধের উচ্চতার সঙ্গে মেলে না। D) ৪৫ মি. — এটি স্মৃতিসৌধের প্রকৃত উচ্চতার চেয়ে কম। মনে রাখার টিপস: স্মৃতিসৌধের উচ্চতা মনে রাখতে ৪৬.৫ সংখ্যাটি মনে রাখুন, যা প্রায় দেড়শ ফুটের সমান।
a ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা
b কক্সবাজার ও রামু
c রংপুর ও দিনাজপুর
d সিলেট ও মণিপুর
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও ভূগোল সঠিক উত্তর: A) ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা কেন সঠিক: - হাজংরা বাংলাদেশের একটি ক্ষুদ্র জাতিসত্তা বা উপজাতি, যারা প্রধানত ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা জেলায় বসবাস করে। - এই অঞ্চলের শেরপুর ও সুনামগঞ্জেও কিছু হাজং জনগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা — এটি সঠিক উত্তর কারণ হাজং জনগোষ্ঠীর প্রধান বসবাস এই অঞ্চলেই। B) কক্সবাজার ও রামু — এটি ভুল কারণ এই অঞ্চলে প্রধানত রাখাইন ও চাকমা সম্প্রদায়ের মানুষ বসবাস করে। C) রংপুর ও দিনাজপুর — এটি ভুল কারণ এই অঞ্চলে প্রধানত সাঁওতাল ও রাজবংশী উপজাতির বসবাস। D) সিলেট ও মণিপুর — এটি ভুল কারণ এই অঞ্চলে খাসিয়া, মনিপুরী ও পাত্র সম্প্রদায়ের বসবাস। মনে রাখার টিপস: ম দিয়ে ময়মনসিংহ, ন দিয়ে নেত্রকোনা এবং হাজং শব্দের প্রথম অক্ষর হ দিয়ে মনে রাখতে পারেন ময়মনসিংহ অঞ্চলের হাজং উপজাতি।
a ৮০ বর্গমাইল
b ৮২ বর্গমাইল
c ৮৫ বর্গমাইল
d ৩৫.১৩৫ বর্গমাইল
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩৫.১৩৫ বর্গমাইল কেন সঠিক: - নিঝুম দ্বীপ বাংলাদেশের নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার অন্তর্গত একটি চর এবং এর ভৌগোলিক আয়তন প্রায় ৩৫.১৩৫ বর্গমাইল বা প্রায় ৯১ বর্গকিলোমিটার। - নদীগর্ভে পলি জমে জেগে ওঠা এই দ্বীপটি মূলত ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল এবং গেওয়া গাছের জন্য পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৮০ বর্গমাইল — এটি নিঝুম দ্বীপের সঠিক আয়তন নয় এবং এটি একটি কাল্পনিক বা ভুল মান। B) ৮২ বর্গমাইল — এই আয়তনটি নিঝুম দ্বীপের ভৌগোলিক বাস্তবতার সঙ্গে মেলে না। C) ৮৫ বর্গমাইল — এটিও একটি ভুল পরিমাপ যা নিঝুম দ্বীপের প্রকৃত আয়তনের চেয়ে বেশি। D) ৩৫.১৩৫ বর্গমাইল — এটি নিঝুম দ্বীপের প্রকৃত ও প্রমিত আয়তন নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: নিঝুম দ্বীপের আয়তন মনে রাখতে মূল সংখ্যাটি মনে রাখুন, যা প্রায় পঁয়ত্রিশ বর্গমাইল।
a ৮৫,৪৫০ টি
b ৮৪,৫০০ টি
c ৮৫,৫০০ টি
d ৮৭,৩৭২ টি
0 100 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৮৭,৩৭২ টি কেন সঠিক: - বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো বা বিবিএস এর তথ্য অনুযায়ী দেশের মোট গ্রামের সংখ্যা ৮৭,৩৭২ টি। - এটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য নির্ধারিত একটি প্রমিত ও সর্বশেষ প্রাতিষ্ঠানিক পরিসংখ্যান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৮৫,৪৫০ টি — এটি একটি ভুল সংখ্যা যা বাংলাদেশের মোট গ্রামের সঠিক পরিসংখ্যানের সঙ্গে মেলে না। B) ৮৪,৫০০ টি — এই সংখ্যাটি বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর গ্রামের অনুমোদিত তথ্যের অন্তর্ভুক্ত নয়। C) ৮৫,৫০০ টি — এটি কোনো প্রাতিষ্ঠানিক বা নির্ভরযোগ্য জরিপে প্রকাশিত গ্রামের সংখ্যা নয়। D) ৮৭,৩৭২ টি — এটি সঠিক তথ্য এবং পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ জনশুমারি বা প্রতিবেদন অনুযায়ী নির্ধারিত গ্রামের সংখ্যা। মনে রাখার টিপস: গ্রামের সংখ্যা মনে রাখতে শেষের দুটি সংখ্যা সাঁইত্রิศ বা ৩৭২ সংখ্যাটিকে মনে রাখতে পারেন।
a ৭ মার্চ,১৯৭৩
b ৫ মার্চ,১৯৭৩
c ৬ এপ্রিল,১৯৭৩
d ১১ এপ্রিল,১৯৭৩
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৭ মার্চ,১৯৭৩ কেন সঠিক: - ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গৃহিত এবং ১৬ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হওয়া সংবিধান অনুযায়ী স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৩ সালের ৭ মার্চ। - এই নির্বাচনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ বিজয় লাভ করে ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৩ টি আসন লাভ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৭ মার্চ,১৯৭৩ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই তারিখেই স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। B) ৫ মার্চ,১৯৭৩ — এই তারিখে কোনো নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি, এটি প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কাছাকাছি একটি ভুল তারিখ। C) ৬ এপ্রিল,১৯৭৩ — এই তারিখে প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি, বরং ১৯৭৩ সালের ৭ এপ্রিল প্রথম জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন বসেছিল। D) ১১ এপ্রিল,১৯৭৩ — এই তারিখে প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি, এটি নির্বাচনের তারিখের সঙ্গে মিলে না। মনে রাখার টিপস: ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ যেমন বিখ্যাত, ঠিক তেমনি ৭ মার্চ তারিখেই ১৯৭৩ সালে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
a সেন্ট মার্টিন
b লালপুর
c হিলি
d লালমোহন
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সেন্ট মার্টিন কেন সঠিক: - এটি কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলায় অবস্থিত একমাত্র প্রবাল দ্বীপ এবং দেশের সবচেয়ে ছোট ইউনিয়ন। - ভৌগোলিক অবস্থান ও আয়তনের দিক থেকে এটি বাংলাদেশের অন্যান্য ইউনিয়নগুলোর চেয়ে ক্ষুদ্রতম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সেন্ট মার্টিন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি দেশের আয়তনে সবচেয়ে ছোট ইউনিয়ন। B) লালপুর — এটি নাটোর জেলার একটি উপজেলা, তাই এটি ইউনিয়ন সংক্রান্ত প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয়। C) হিলি — এটি দিনাজপুর জেলার একটি স্থলবন্দর ও সীমান্ত এলাকা, যা ইউনিয়ন নয়। D) লালমোহন — এটি ভোলা জেলার একটি উপজেলা, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। মনে রাখার টিপস: সেন্ট মার্টিন হলো একমাত্র প্রবাল দ্বীপ এবং এটিই দেশের সবচেয়ে ছোট ইউনিয়ন।
a ৯৯
b ১০০
c ১০১
d ১০২
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১০০ কেন সঠিক: - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সিনেট দেশটির আইনসভা তথা কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ। - দেশটির প্রতিটি অঙ্গরাজ্য থেকে দুজন করে প্রতিনিধি নির্বাচিত হন এবং মোট ৫০টি অঙ্গরাজ্যের জন্য আসন সংখ্যা ১০০। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৯৯ — যুক্তরাষ্ট্রের মোট অঙ্গরাজ্যের সংখ্যা ৫০ হওয়ায় সিনেট আসন কখনোই বিজোড় হতে পারে না। B) ১০০ — এটি সঠিক উত্তর এবং প্রতিটি রাজ্য থেকে সমান প্রতিনিধিত্বের নীতি মেনে নির্ধারিত। C) ১০১ — এই সংখ্যাটি যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটের মোট আসনের সঙ্গে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়। D) ১০২ — মার্কিন সংবিধান অনুযায়ী সিনেট সদস্য সংখ্যা নির্দিষ্ট এবং তা ১০০ জনের বেশি নয়। মনে রাখার টিপস: যুক্তরাষ্ট্রের রাজ্য আছে ৫০টি এবং প্রতিটি রাজ্য থেকে সিনেটর আসেন ২ জন, অর্থাৎ ৫০ গুণ ২ সমান ১০০।
a ১০ ক্যালরি
b ২ ক্যালরি
c ৩ ক্যালরি
d ৪ ক্যালরি
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১০ ক্যালরি ১. কেন সঠিক: - পানির তাপমাত্রা এক ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়াতে যে পরিমাণ তাপের প্রয়োজন হয় তাকে পানির আপেক্ষিক তাপ বলে। - ১ গ্রাম পানির তাপমাত্রা ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধির জন্য ১০ ক্যালরি তাপের প্রয়োজন হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: আপেক্ষিক তাপ হলো একক ভরের কোনো পদার্থের তাপমাত্রা এক ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়াতে প্রয়োজনীয় তাপের পরিমাণ। - সূত্র: প্রয়োজনীয় তাপ সমান ভর গুণ আপেক্ষিক তাপ গুণ তাপমাত্রার পরিবর্তন। - কার্যপ্রণালি: এখানে ভর এক গ্রাম, আপেক্ষিক তাপ প্রতি গ্রাম ডিগ্রি সেলসিয়াসে এক ক্যালরি এবং তাপমাত্রার পার্থক্য দশ ডিগ্রি সেলসিয়াস। - কারণ ও ফলাফল: মানগুলো সূত্রে বসিয়ে গুণ করলে মোট প্রয়োজনীয় তাপের পরিমাণ দশ ক্যালরি পাওয়া যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: এক গ্রাম পানির তাপমাত্রা শূন্য থেকে এক ডিগ্রি সেলসিয়াসে নিতে এক ক্যালরি তাপ লাগে। ব্যাখ্যা: এটি পানির আপেক্ষিক তাপের সংজ্ঞা সরাসরি সমর্থন করে। উদাহরণ ২: পাঁচ গ্রাম পানির তাপমাত্রা দশ ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়াতে পঞ্চাশ ক্যালরি তাপ প্রয়োজন। ব্যাখ্যা: ভর ও তাপমাত্রার পার্থক্যের সাথে আপেক্ষিক তাপ গুণ করে এই ফলাফল পাওয়া যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০ ক্যালরি — এটি সঠিক কারণ এক গ্রাম পানির তাপমাত্রা দশ ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়াতে ঠিক দশ ক্যালরি তাপ লাগে। B) ২ ক্যালরি — এটি ভুল কারণ তাপমাত্রার পার্থক্যের সাথে প্রতি গ্রামের জন্য এক ক্যালরি গুণ করলে দুই হয় না। C) ৩ ক্যালরি — এটি ভুল কারণ হিসাব অনুযায়ী প্রয়োজনীয় তাপের পরিমাণ তিন ক্যালরি হতে পারে না। D) ৪ ক্যালরি — এটি ভুল কারণ পানির আপেক্ষিক তাপের মানের সাথে এই সংখ্যার কোনো মিল নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: - পানির আপেক্ষিক তাপ প্রতি গ্রাম ডিগ্রি সেলসিয়াসে এক ক্যালরি হওয়ায় তাপমাত্রার পার্থক্যের মানই প্রয়োজনীয় তাপের পরিমাণ নির্দেশ করে। - যত গ্রাম পানি এবং যত ডিগ্রি তাপমাত্রা বাড়বে, তাদের গুণফলই হবে মোট ক্যালরি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - পানির আপেক্ষিক তাপের মান মুখস্থ রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি। - একই ধারণা থেকে কিলোগ্রাম এককে বা জুল এককেও প্রশ্ন আসতে পারে।
a ফ্রেয়নকে ঘনীভূত করা
b ফ্রেয়নকে বাষ্পে পরিণত করা
c ফ্রেয়নকে সংকুচিত করে এর তাপ ও তাপমাত্রা বাড়ানো
d ১ ও ২
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: তাপ ও তাপগতিবিদ্যা এবং দৈনন্দিন জীবনে বিজ্ঞানের প্রয়োগ সঠিক উত্তর: C) ফ্রেয়নকে সংকুচিত করে এর তাপ ও তাপমাত্রা বাড়ানো *(শিক্ষক নোট: প্রদত্ত প্রশ্নে সঠিক উত্তর D দেওয়া থাকলেও, তাপগতিবিদ্যার সূত্রানুসারে রেফ্রিজারেটরের কমপ্রেসরের মূল কাজ হলো হিমায়ক বা ফ্রেয়ন গ্যাসকে সংকুচিত করে এর চাপ, তাপ ও তাপমাত্রা বৃদ্ধি করা। কমপ্রেসর সরাসরি গ্যাসকে ঘনীভূত বা বাষ্পে পরিণত করে না, বরং কন্ডেন্সার ও evaporator সেই কাজ করে। তাই সঠিক উত্তর হবে C।)* ১. কেন সঠিক: - কমপ্রেসর বা সংপীড়ক পাম্প মেকানিক্যাল শক্তি প্রয়োগ করে ফ্রেয়ন বা হিমায়ক গ্যাসকে উচ্চ চাপে সংকুচিত করে। - বয়েল ও চার্লসের সূত্রানুসারে গ্যাসের আয়তন কমালে চাপ ও তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়, যা কমপ্রেসরের ভেতর ঘটে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: কমপ্রেসর হলো রেফ্রিজারেটর বা এয়ার কন্ডিশনারের হৃৎপিণ্ড যা মূলত একটি পাম্প হিসেবে কাজ করে। - কার্যপ্রণালি: এটি নিম্নচাপের বাষ্পীয় ফ্রেয়ন গ্যাস টেনে নেয় এবং পিস্টনের মাধ্যমে একে সংকুচিত করে উচ্চচাপ ও উচ্চ তাপমাত্রার গ্যাসে পরিণত করে। - বাস্তব প্রয়োগ: এনার্জি ইনপুট দিয়ে গ্যাসের ওপর কাজ করার মাধ্যমে কমপ্রেসর তাপকে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে স্থানান্তরিত করতে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সাইকেলের পাম্প দিয়ে চাকা ফোলানোর সময় পাম্পের গোড়া গরম হয়ে যাওয়া। ব্যাখ্যা: পাম্পের ভেতরে বাতাসকে সংকুচিত করার ফলে তার তাপ ও তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়, যা কমপ্রেসরের কাজের অনুরূপ। উদাহরণ ২: ঘরের এয়ার কন্ডিশনার বা এসি চালুর পর আউটডোর ইউনিট থেকে গরম বাতাস বের হওয়া। ব্যাখ্যা: কমপ্রেসর দ্বারা উত্তপ্ত ফ্রেয়ন গ্যাস কন্ডেন্সারে আসার পর সেই অতিরিক্ত তাপ বাইরে পরিবেশে ছেড়ে দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফ্রেয়নকে ঘনীভূত করা — এই কাজটি কমপ্রেসর করে না, এই কাজটি করে কন্ডেন্সার বা ঘনীভবন কয়েল যেখানে গ্যাস থেকে তরলে রূপান্তর ঘটে। B) ফ্রেয়নকে বাষ্পে পরিণত করা — এই কাজটি ইভাপোরেটর বা বাষ্পীভবন কয়েল করে যেখানে তরল ফ্রেয়ন তাপ শোষণ করে বাষ্পে পরিণত হয়। C) ফ্রেয়নকে সংকুচিত করে এর তাপ ও তাপমাত্রা বাড়ানো — এটিই কমপ্রেসরের একমাত্র সঠিক ও মূল কাজ। D) ১ ও ২ — যেহেতু প্রথম দুটি অপশন ভুল, তাই এই যৌথ অপশনটিও সঠিক নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: কমপ্রেসর শব্দটির অর্থই হলো সংকুচিত করা। গ্যাস সংকুচিত হলে তার চাপ ও তাপমাত্রা সবসময় বৃদ্ধি পায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: রেফ্রিজারেটরে হিমায়ক বা রেফ্রিজারেন্ট হিসেবে সাধারণত ফ্রেয়ন বা সিএফসি গ্যাস ব্যবহার করা হয়। এই প্রশ্নটি থেকে ভবিষ্যতে রেফ্রিজারেটরের কোন অংশ তাপ বর্জন করে বা শোষণ করে, সে সম্পর্কিত আরেকটি প্রশ্ন আসতে পারে।
a ১ সেকেন্ড
b ০.১ সেকেন্ড
c ০.০১ সেকেন্ড
d ০.০০১ সেকেন্ড
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ০.১ সেকেন্ড ১. কেন সঠিক: - কানের পর্দায় কোনো শব্দ শোনার পর তার রেশ বা অনুভূতি আমাদের মস্তিষ্কের স্নায়ুতে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত স্থায়ী হয়। এটিকে শব্দের স্থায়িত্বকাল বলা হয়। - মানুষের মস্তিষ্কের এই শ্রবণ সংক্রান্ত ধারণক্ষমতা বা প্রতিধ্বনি শোনার ন্যূনতম সময়ের ব্যবধান হলো ঠিক ০.১ সেকেন্ড। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: শব্দের এই স্থায়িত্বকালের কারণেই মূলত আমরা মূল শব্দ ও প্রতিফলিত শব্দের মধ্যে পার্থক্য বুঝতে পারি, যাকে প্রতিধ্বনি বলা হয়। - কার্যপ্রণালি: শব্দ শোনার পর আমাদের মস্তিষ্কের সংবেদনশীল কোষে তার রেশ ০.১ সেকেন্ড পর্যন্ত থাকে, তাই এর কম সময়ে অন্য শব্দ পৌঁছালে তা আলাদা করা যায় না। - বাস্তব প্রয়োগ: কোনো বড় ও ফাঁকা ঘরে বা পাহাড়ের সামনে কথা বললে প্রতিধ্বনি শুনতে হলে উৎস ও প্রতিফলকের ন্যূনতম দূরত্ব নির্দিষ্ট থাকতে হয়, যা এই সময়ের ওপর নির্ভর করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: একটি বদ্ধ ঘরে জোরে তালি বা শব্দ করলে তা খুব দ্রুত মিলিয়ে যায় না, সামান্য সময় কানের মধ্যে তার রেশ থেকে যায়। ব্যাখ্যা: মস্তিষ্কের শ্রবণেন্দ্রিয় ০.১ সেকেন্ড পর্যন্ত ওই শব্দের অনুভূতি ধরে রাখে বলেই এমনটি অনুভূত হয়। উদাহরণ ২: বজ্রপাতের শব্দ শোনার সময় একাধিক মেঘের গর্জন খুব কাছাকাছি হলে আমরা তা আলাদা করতে পারি না। ব্যাখ্যা: আগের শব্দের রেশ মস্তিষ্কে থাকা অবস্থায় পরের শব্দ চলে আসায় দুটি শব্দ একত্রিত হয়ে একটি দীর্ঘ শব্দ বলে মনে হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১ সেকেন্ড — এটি অনেক বেশি সময় এবং মানুষের মস্তিষ্কে শব্দের রেশ এত দীর্ঘস্থায়ী হয় না। B) ০.১ সেকেন্ড — এটি সঠিক উত্তর এবং মানব মস্তিষ্কের শ্রবণ অনুভূতির স্থায়িত্বকাল। C) ০.০১ সেকেন্ড — এটি অত্যন্ত কম সময়, যা মানুষের শ্রবণ অনুভূতির স্থায়িত্বকালের চেয়ে অনেক কম। D) ০.০০১ সেকেন্ড — এটি মিলিসেকেন্ডের হিসাব, যা শব্দের রেশ বজায় থাকার ন্যূনতম সময়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - শব্দের রেশ মনে রাখতে ০.১ সংখ্যাটি মাথায় রাখুন, যেখানে দশমিকের পরে এক ঘর এবং মানটি এক সেকেন্ডের দশ ভাগ। - প্রতিধ্বনির ক্ষেত্রেও এই ০.১ সেকেন্ড সময় এবং ন্যূনতম ১৬.৫ মিটার দূরত্বের সম্পর্কটি একসঙ্গে মনে রাখবেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিধ্বনি শোনার জন্য উৎস ও প্রতিফলকের ন্যূনতম দূরত্ব কত, তা এই ধারণার ওপর ভিত্তি করেই নির্ণয় করা হয়। - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি শব্দবিজ্ঞান ও মানবদেহের স্নায়ুবিক প্রতিক্রিয়ার অংশ হিসেবে প্রায়ই আসে।
a স্থায়ী চুম্বক
b অস্থায়ী চুম্বক
c সংকর চুম্বক
d প্রাকৃতিক চুম্বক
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) স্থায়ী চুম্বক ১. কেন সঠিক: টেপ রেকর্ডার এবং কম্পিউটারের স্মৃতির ফিতায় (magnetic tape) তথ্য স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ বা ধারণ করার জন্য ফেরোম্যাগনেটিক পদার্থ দিয়ে তৈরি স্থায়ী চুম্বকের ক্ষুদ্র কণা ব্যবহার করা হয়। ফিতার গায়ে চুম্বকের এই ক্ষুদ্র ডোমেনগুলো একবার নির্দিষ্ট দিকে বিন্যস্ত হলে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলেও তা দীর্ঘকাল সংরক্ষিত থাকে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: চুম্বকত্ব এবং তড়িৎ চুম্বকীয় আবেশের মাধ্যমে পদার্থের মধ্যে চৌম্বক ক্ষেত্র তৈরি করে তথ্য সংরক্ষণ করা হয়। কার্যপ্রণালি: রেকর্ডিং হেডের মাধ্যমে তড়িৎ প্রবাহ পাঠিয়ে ফিতার ওপর থাকা ক্ষুদ্র চৌম্বক কণাগুলোকে উত্তর ও দক্ষিণ মেরু বরাবর সাজানো হয়। বাস্তব প্রয়োগ: কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক ড্রাইভ এবং অডিও ক্যাসেট টেপে এই প্রযুক্তির সাহায্যে ডেটা বা শব্দ সংরক্ষণ করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক্যাসেট টেপের ফিতা। ব্যাখ্যা: এতে ব্যবহৃত চৌম্বক আস্তরণ গান বা কথা স্থায়ীভাবে ধরে রাখে যা বারবার বাজানো সম্ভব হয়। উদাহরণ ২: কম্পিউটারের ফ্লপি ডিস্ক বা হার্ডডিস্ক। ব্যাখ্যা: এগুলোর প্লেটেও চৌম্বকীয় স্তরের মাধ্যমে ডিজিটাল তথ্য দীর্ঘদিন সংরক্ষিত থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্থায়ী চুম্বক — সঠিক উত্তর কারণ এটি দীর্ঘকাল চৌম্বকত্ব ধরে রাখতে পারে। B) অস্থায়ী চুম্বক — এগুলো বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ করলে চৌম্বকত্ব হারিয়ে ফেলে, তাই তথ্য সংরক্ষণের জন্য উপযোগী নয়। C) সংকর চুম্বক — এটি বিভিন্ন ধাতুর মিশ্রণ হলেও নির্দিষ্ট কাজের জন্য এদের স্থায়ী বা অস্থায়ী হিসেবে ব্যবহার করা হয়। D) প্রাকৃতিক চুম্বক — প্রাকৃতিক চুম্বক বা ম্যাগনেটাইট ফিতায় তথ্য সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয় না। ৫ মনে রাখার টিপস: স্মৃতি বা মেমোরিতে তথ্য দীর্ঘদিন ধরে রাখতে হয়, তাই টেপ রেকর্ডারে স্থায়ী চুম্বক ব্যবহার করা হয়। স্থায়ী শব্দটির সঙ্গে তথ্য সংরক্ষণের দীর্ঘস্থায়ীত্বের সম্পর্ক মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক এবং ম্যাগনেটিক টেপে ফেরোম্যাগনেটিক উপাদান হিসেবে সাধারণত আয়রন অক্সাইড ব্যবহার করা হয়। এই ধরনের প্রশ্ন BCS এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় বিদ্যুৎ ও চুম্বকত্ব অধ্যায় থেকে প্রায়ই আসে।
a 1
b 2
c 3
d 4
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩ ১. কেন সঠিক: টেলিভিশনে রঙিন ছবি উৎপাদনের জন্য মূলত তিনটি মৌলিক রঙের আলো ব্যবহার করা হয়। এই তিনটি মৌলিক রঙ হলো লাল, সবুজ ও নীল, যা মানুষের চোখের আলো সংবেদী কোষের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: আলোর ক্ষেত্রে লাল, সবুজ ও নীল রঙের তীব্রতা বিভিন্ন অনুপাতে মিশিয়ে যেকোনো রঙের আলো তৈরি করা যায়। কার্যপ্রণালি: টেলিভিশনের পর্দায় অসংখ্য ক্ষুদ্র পিক্সেল থাকে এবং প্রতিটি পিক্সেলে লাল, সবুজ ও নীল উপপিক্সেল বা সাবপিক্সেল থাকে। কারণ ও ফলাফল: এই তিনটি রঙের আলো বিভিন্ন মাত্রায় মিশ্রিত হয়ে আমাদের চোখে রঙিন ইমেজের বিভ্রম তৈরি করে। বাস্তব প্রয়োগ: রঙিন টেলিভিশন, কম্পিউটার মনিটর এবং স্মার্টফোনের ডিসপ্লে এই তিন রঙের আলো ব্যবহারের মাধ্যমে সম্পূর্ণ রঙিন চিত্র প্রদর্শন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রঙিন টেলিভিশন বা কম্পিউটার স্ক্রিনের খুব কাছে গেলে ছোট ছোট লাল, সবুজ ও নীল বিন্দু দেখা যায়। ব্যাখ্যা: এই বিন্দুগুলোর আলো একত্রিত হয়ে আমাদের চোখে রঙিন ছবি ফুটিয়ে তোলে। উদাহরণ ২: ক্যামেরা সেন্সর আলো গ্রহণ করার সময় লাল, সবুজ ও নীল ফিল্টার ব্যবহার করে ছবি ধারণ করে। ব্যাখ্যা: এর মাধ্যমে বাস্তবের প্রাকৃতিক রঙ নিখুঁতভাবে ডিজিটাল পর্দায় ফুটিয়ে তোলা সম্ভব হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১ — একটিমাত্র রঙের আলো দিয়ে রঙিন ছবি তৈরি করা সম্ভব নয়, কারণ রঙের বৈচিত্র্যের জন্য একাধিক রঙের মিশ্রণ প্রয়োজন। B) দুইটি রঙের মিশ্রণ দিয়ে সীমিত রঙ তৈরি করা যায়, তবে মানুষের চোখের পূর্ণাঙ্গ রঙিন দৃষ্টির জন্য তিনটি মৌলিক রঙের প্রয়োজন হয়। C) ৩ — এই অপশনটি সঠিক কারণ রঙিন ছবি উৎপাদনের জন্য লাল, সবুজ ও নীল এই তিনটি মৌলিক রঙের আলো ব্যবহার করা হয়। D) ৪ — চারটি মৌলিক রঙ রঙিন ডিসপ্লের ক্ষেত্রে অপ্রয়োজনীয় এবং এটি আলোকবিজ্ঞানের মৌলিক নীতির সঙ্গে মেলে না। ৫ মনে রাখার টিপস: টেলিভিশনের রঙিন ছবির জন্য ইংরেজিতে আরজিবি বা আর জি বি সংক্ষেপে লাল, সবুজ ও নীল মনে রাখতে পারো। আলোর ক্ষেত্রে তিনটি মৌলিক রঙ সব সময় লাল, সবুজ ও নীল হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: আলোর মৌলিক রঙ এবং রঞ্জক পদার্থের মৌলিক রঙ এক নয়, এটি প্রায়ই পরীক্ষায় পৃথকভাবে আসে। রঙিন টেলিভিশন ও মনিটরে কোন তিনটি রঙ ব্যবহার করা হয়, তা বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে।
a কমপ্যাক, ১৯৮৫
b এপসন, ১৯৮১
c আইবিএম, ১৯৮৩
d অ্যাপল, ১৯৭৭
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) এপসন, ১৯৮১ ১. কেন সঠিক: - জাপানি প্রতিষ্ঠান এপসন ১৯৮১ সালে প্রথম বাণিজ্যিক ল্যাপটপ কম্পিউটার বাজারে আনে যার নাম ছিল এপসন এইচএক্স কুড়ি। - এটি ছিল বহনযোগ্য কম্পিউটার তৈরির ক্ষেত্রে একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ কারণ এতে ব্যাটারি এবং ছোট পর্দা যুক্ত ছিল। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: আধুনিক প্রযুক্তির উন্নয়নে ল্যাপটপ হলো ডেস্কটপ কম্পিউটারের একটি ছোট ও বহনযোগ্য সংস্করণ যা রিচার্জেবল ব্যাটারির সাহায্যে চলতে পারে। - কার্যপ্রণালি: এতে প্রসেসর, মেমরি, মাদারবোর্ড এবং ডিসপ্লে একটিমাত্র কমপ্যাক্ট কাঠামোর মধ্যে যুক্ত থাকে যাতে ব্যবহারকারী সহজেই এটি এক স্থান থেকে অন্য স্থানে নিতে পারেন। - বাস্তব প্রয়োগ: কর্মক্ষেত্র, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং দৈনন্দিন জীবনে তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও যোগাযোগের কাজে ল্যাপটপ ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: - উদাহরণ ১: এপসন এইচএক্স কুড়ি ল্যাপটপটিতে একটি ছোট প্রিন্টার এবং এলসিডি স্ক্রিন যুক্ত ছিল। - ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে যে প্রযুক্তির প্রাথমিক পর্যায়েও বহনযোগ্য ডিভাইসে বহুমুখী সুবিধা যুক্ত করার চেষ্টা করা হয়েছিল। - উদাহরণ ২: আজকের দিনে ব্যবহৃত আধুনিক আল্ট্রাবুক বা ম্যাকবুক। - ব্যাখ্যা: এগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি হালকা, শক্তিশালী এবং দীর্ঘ ব্যাটারি ব্যাকআপ বিশিষ্ট হয়ে থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: - A) কমপ্যাক, ১৯৮৫ — কমপ্যাক কোম্পানিটি ১৯৮৫ সালে প্রথম কমপ্যাক পোর্টেবল দ্বিতীয় কম্পিউটার বাজারে এনেছিল যা ল্যাপটপের চেয়ে ওজনে ভারী ছিল। - B) এপসন, ১৯৮১ — এটি সঠিক কারণ এপসন কোম্পানি এই সালেই বিশ্বের প্রথম বাণিজ্যিক ল্যাপটপ কম্পিউটার তৈরি ও বাজারজাত করেছিল। - C) আইবিএম, ১৯৮৩ — আইবিএম কোম্পানি ১৯৮৩ সালে তাদের প্রথম পার্সোনাল কম্পিউটার বা আইবিএম পিসি এক্সটি বাজারে এনেছিল, যা ল্যাপটপ ছিল না। - D) অ্যাপল, ১৯৭৭ — অ্যাপল ১৯৭৭ সালে অ্যাপল টু নামক বিখ্যাত ডেস্কটপ কম্পিউটার বাজারে এনেছিল, যা কোনো ল্যাপটপ ছিল না। ৫ মনে রাখার টিপস: - এপসনের প্রথম ল্যাপটপের নাম মনে রাখতে সালটি মাথায় রাখুন, ১৯৮১ সাল মানেই এপসনের বহনযোগ্য বিপ্লব। - প্রযুক্তির ইতিহাস মনে রাখার জন্য আবিষ্কারক কোম্পানি এবং সাল একসঙ্গে একটি বাকve লিখে চর্চা করুন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য প্রথম ল্যাপটপ বা প্রথম কম্পিউটারের নাম ও সাল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সাধারণ জ্ঞান। - এই প্রশ্ন থেকে অন্য ধরনের প্রশ্ন আসতে পারে যেমন, বিশ্বের প্রথম ল্যাপটপের নাম কী ছিল।
a ট্রান্সফর্মার
b মোটর
c জেনারেটর
d ডায়নামো
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ট্রান্সফর্মার ১. কেন সঠিক: ট্রান্সফর্মার হলো এমন একটি বৈদ্যুতিক যন্ত্র যা তড়িৎ চুম্বকীয় আবেশ নীতিতে কাজ করে পর্যায়বৃত্ত প্রবাহ বা এসি ভোল্টেজের মান পরিবর্তন করে। এটি অপরিবর্তিত রেখে ক্ষমতা ঠিক রেখে নিম্ন বিভবকে উচ্চ বিভবে বা উচ্চ বিভবকে নিম্ন বিভবে রূপান্তর করতে পারে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: ট্রান্সফর্মার হলো মিউচুয়াল ইন্ডাকশন বা পারস্পরিক আবেশের নীতিতে কাজ করা একটি স্থির যন্ত্র যা শুধুমাত্র এসি প্রবাহে কাজ করে। কার্যপ্রণালি: এর প্রাইমারি কুণ্ডলীতে পরিবর্তী প্রবাহ দিলে চৌম্বক ফ্লাক্সের পরিবর্তন ঘটে এবং সেকেন্ডারি কুণ্ডলীতে তড়িৎ চালক শক্তি আবিষ্ট হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মোবাইল চার্জার বা অ্যাডাপ্টার ব্যাখ্যা: এটি ঘরের দুইশ বিশ ভোল্টের এসি লাইন থেকে ভোল্টেজ কমিয়ে পাঁচ ভোল্ট ডিসি তৈরিতে সহায়তা করে। উদাহরণ ২: পাওয়ার গ্রিড সাবস্টেশন ব্যাখ্যা: বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র থেকে দূরদূরান্তে উচ্চ বিভবে বিদ্যুৎ পাঠানোর জন্য স্টেপ আপ ট্রান্সফর্মার ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ট্রান্সফর্মার — এটি প্রদত্ত প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এটি বিভব বাড়াতে ও কমাতে পারে। B) মোটর — এটি এমন একটি যন্ত্র যা তড়িৎ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে এবং বিভব পরিবর্তন করে না। C) জেনারেটর — এটি যান্ত্রিক শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করে কিন্তু ভোল্টেজ রূপান্তর এর প্রধান কাজ নয়। D) ডায়নামো — এটি ছোট আকারের জেনারেটর যা মূলত চুম্বক ও কুণ্ডলীর ঘূর্ণনের মাধ্যমে তড়িৎ উৎপাদন করে। ৫ মনে রাখার টিপস: ট্রান্সফর্ম অর্থ রূপান্তর করা, তাই যে যন্ত্র বিভব বা ভোল্টেজ রূপান্তর করে তাকে ট্রান্সফর্মার বলে। মনে রাখবে এটি শুধু এসি প্রবাহে কাজ করে, ডিসি প্রবাহে কাজ করে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: স্টেপ আপ ট্রান্সফর্মার ভোল্টেজ বাড়ায় কিন্তু তড়িৎ প্রবাহ কমায়, আর স্টেপ ডাউন ট্রান্সফর্মার ভোল্টেজ কমায় কিন্তু তড়িৎ প্রবাহ বাড়ায়। পরীক্ষায় প্রায়ই আসে ট্রান্সফর্মার কোন প্রবাহে কাজ করে, যার উত্তর হলো পরিবর্তী প্রবাহ বা এসি।
a ওয়াট আওয়ারে
b ওয়াটে
c ভোল্ট
d কিলোওয়াট ঘণ্টায়
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কিলোওয়াট ঘণ্টায় ১. কেন সঠিক: বিদ্যুৎ বিল হিসাব করার জন্য শক্তির বাণিজ্যিক একক ব্যবহার করা হয়, যা হলো কিলোওয়াট ঘণ্টা বা বিওটি ইউনিট। এটি মূলত কোনো বৈদ্যুতিক যন্ত্রের ক্ষমতা এবং সেটি কত সময় ধরে চলছে তার মোট পরিমাণের ওপর নির্ভর করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: বৈদ্যুতিক শক্তি ব্যবহারের পরিমাণ নির্ণয় করার জন্য ক্ষমতা এবং সময়ের গুণফল হিসাব করা হয়। সূত্র: শক্তি সমান ক্ষমতা গুণ সময়। কার্যপ্রণালি: ওয়াটে প্রকাশিত ক্ষমতাকে কিলোওয়াটে রূপান্তর করতে এক হাজার দিয়ে ভাগ করা হয় এবং ঘণ্টার সঙ্গে গুণ করে কিলোওয়াট ঘণ্টা বা ইউনিট বের করা হয়। বাস্তব প্রয়োগ: আমাদের বাসাবাড়ির বৈদ্যুতিক মিটারে এই কিলোওয়াট ঘণ্টা বা ইউনিট হিসেবেই মাসিক বিদ্যুৎ ব্যবহার রেকর্ড করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: একটি একশো ওয়াটের বাতি প্রতিদিন দশ ঘণ্টা করে ত্রিশ দিন জ্বালালে মোট ত্রিশ কিলোওয়াট ঘণ্টা বা ত্রিশ ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ হয়। ব্যাখ্যা: এখানে ক্ষমতা একশো ওয়াট অর্থাৎ শূন্য দশমিক এক কিলোওয়াট এবং মোট সময় তিনশত ঘণ্টা, যাদের গুণ করলে ত্রিশ কিলোওয়াট ঘণ্টা পাওয়া যায়। উদাহরণ ২: একটি এক হাজার ওয়াটের ইস্ত্রি এক ঘণ্টা ব্যবহার করলে এক কিলোওয়াট ঘণ্টা বা এক ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ হয়। ব্যাখ্যা: এটি দেখায় যে বেশি ক্ষমতার যন্ত্র কম সময় চললেও নির্দিষ্ট পরিমাণ শক্তি খরচ করতে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ওয়াট আওয়ারে — এটি সঠিক একক নয় কারণ ওয়াট হলো ক্ষমতার একক, শক্তির বাণিজ্যিক হিসাবের জন্য সময়ের সঙ্গে কিলোওয়াট একক ব্যবহার করা হয়। B) ওয়াটে — এটি শুধু বৈদ্যুতিক ক্ষমতার একক, যা দিয়ে নির্দিষ্ট মুহূর্তের ক্ষমতা বোঝায় কিন্তু মোট ব্যবহৃত শক্তির হিসাব করা যায় না। C) ভোল্ট — এটি বৈদ্যুতিক বিভব পার্থক্য বা ভোল্টেজের একক, যা দিয়ে শক্তির পরিমাণ মাপা হয় না। D) কিলোওয়াট ঘণ্টায় — এটি সঠিক কারণ এটি বৈদ্যুতিক শক্তির বাণিজ্যিক একক এবং এর মাধ্যমেই বাসা বাড়ির বিদ্যুৎ বিল নির্ধারণ করা হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: বিদ্যুৎ বিলের হিসাব মনে রাখতে কিলোওয়াট ঘণ্টা কথাটি মাথায় রাখবে কারণ একে সংক্ষেপে এক ইউনিট বলা হয়। ক্ষমতাকে কিলোওয়াটে এবং সময়কে ঘণ্টায় প্রকাশ করে গুণ করলেই কাঙ্ক্ষিত মান পাওয়া যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এক কিলোওয়াট ঘণ্টা বা এক ইউনিট বিদ্যুৎ মানে তিন দশমিক ছয় গুণ দশের শক্তি ছয় জুল শক্তি। এই একই ধারণা থেকে বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদ্যুৎ বিলের খরচ বের করার অঙ্কের প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
a গ্লিসারিন
b ফিটকিরি
c সোডিয়াম ক্লোরাইড
d ক্যালসিয়াম কার্বনেট
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ক্যালসিয়াম কার্বনেট ১. কেন সঠিক: - ক্যালসিয়াম কার্বনেট পানিতে অদ্রবণীয় একটি যৌগ, যা সাধারণ তাপমাত্রায় জলের সাথে মিশে নিচে তলানি হিসেবে জমা হয়। - পানির অণুগুলোর পোলার প্রকৃতির কারণে পোলার বা আয়নিক যৌগ দ্রবীভূত হলেও ক্যালসিয়াম কার্বনেটের কণার ভেতরের আকর্ষণ বল প্রবল হওয়ায় তা ভাঙে না। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: রাসায়নিক দ্রবণীয়তা, যেখানে সমযোজী বা আয়নিক যৌগের জালিকাকে পানির অণু বিছিন্ন করতে না পারলে তা অদ্রবণীয় থাকে। - রাসায়নিক সংকেত: ক্যালসিয়াম কার্বনেটের রাসায়নিক সংকেত হলো CaCO৩। - কার্যপ্রণালি: জলে দেওয়ার পর এর আয়নগুলো আলাদা হতে পারে না কারণ এদের মধ্যকার বন্ধন শক্তি পানির সাথে মিথস্ক্রিয়া শক্তির চেয়ে অনেক বেশি। - বাস্তব প্রয়োগ: মার্বেল পাথর, চক কিংবা চুনাপাথর হলো ক্যালসিয়াম কার্বনেটের রূপ, যা পানিতে মেশালে গলে যায় না বরং অক্ষত থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চক দিয়ে বোর্ডে লেখার পর তা পানি দিয়ে মুছলে দেখা যায় চক সম্পূর্ণ দ্রবীভূত না হয়ে গুঁড়ো হিসেবে নিচে পড়ে থাকে। ব্যাখ্যা: চকের মূল উপাদান ক্যালসিয়াম কার্বনেট পানিতে অদ্রবণীয় বলেই এটি জলের সাথে মিশে স্বচ্ছ দ্রবণ তৈরি করে না। উদাহরণ ২: শামুক বা ঝিনুকের খোলস পানিতে ডুবে থাকলেও বছরের পর বছর ধরে তা গলে যায় না। ব্যাখ্যা: খোলসের প্রধান উপাদান ক্যালসিয়াম কার্বনেট পানিতে অদ্রবণীয় হওয়ার কারণে জলীয় পরিবেশে এটি সহজেই নষ্ট হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গ্লিসারিন — গ্লিসারিন একটি অ্যালকোহলজাতীয় জৈব যৌগ যা পানিতে সম্পূর্ণভাবে দ্রবণীয়। B) ফিটকিরি — ফিটকিরি একটি লবণের স্ফটিক যা পানিতে খুব সহজেই দ্রবীভূত হয় এবং পানি পরিষ্কার করতে ব্যবহৃত হয়। C) সোডিয়াম ক্লোرات — সোডিয়াম ক্লোরাইড বা সাধারণ লবণ পানিতে পুরোপুরি দ্রবীভূত হয়ে সোডিয়াম ও ক্লোরাইড আয়নে বিভক্ত হয়। D) ক্যালসিয়াম কার্বনেট — এটি পানিতে অদ্রবণীয় হওয়ায় সঠিক উত্তর হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - প্রাকৃতিক পাথর যেমন মার্বেল বা চুনাপাথর জলে গলে না, তাই এদের মূল উপাদান ক্যালসিয়াম কার্বনেট পানিতে অদ্রবণীয় এটি মনে রাখা সহজ। - লবণ ও চিনি জলে মেশে কিন্তু পাথর বা চক জলে মেশে না, এই সাধারণ অভিজ্ঞতা দিয়ে দ্রবণীয়তার বিষয়টি মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কোন যৌগ পানিতে দ্রবণীয় বা অদ্রবণীয় তা থেকে প্রশ্ন আসে। - সোডিয়াম ক্লোরাইড ও ফিটকিরি জলে দ্রবণীয় হলেও ক্যালসিয়াম কার্বনেট ও সিলিকা জলে অদ্রবণীয় থাকে, এই তথ্যটি মনে রাখা জরুরি।
a সোডিয়াম
b পটাসিয়াম
c ম্যাগনেসিয়াম
d কোনটিইনয়
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সোডিয়াম ১. কেন সঠিক: পারমাণবিক চুল্লিতে উৎপন্ন প্রচণ্ড তাপ দ্রুত সরিয়ে নেওয়ার জন্য সোডিয়াম ধাতু ব্যবহার করা হয়। সোডিয়াম চমৎকার তাপ পরিবাহী এবং এটি তরল অবস্থায় চুল্লির ভেতর সহজে চলাচল করতে পারে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: পারমাণবিক চুল্লিতে নিউক্লীয় বিভাজন বিক্রিয়ার মাধ্যমে প্রচুর তাপশক্তি উৎপন্ন হয়। এই তাপ বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহার করার জন্য চুল্লি থেকে বাইরে স্থানান্তর করা প্রয়োজন হয়। কার্যপ্রণালি: তরল সোডিয়াম বা সোডিয়াম ও পটাশিয়ামের সংকর ধাতু চুল্লির কোর বা কেন্দ্র থেকে তাপ শোষণ করে হিট এক্সচেঞ্জারে নিয়ে যায়। সেখানে পানির সঙ্গে তাপ বিনিময়ের মাধ্যমে উচ্চচাপের বাষ্প তৈরি করা হয়, যা টারবাইন ঘোরায়। বাস্তব প্রয়োগ: ফাস্ট ব্রিডার রিঅ্যাক্টরে কুল্যান্ট বা তাপ পরিবাহক হিসেবে তরল ধাতু ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক, কারণ সাধারণ পানি অতিরিক্ত তাপে বাষ্পীভূত হয়ে চাপ নিয়ন্ত্রণ অসম্ভব করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রান্নার সময় ধাতু বা অ্যালুমিনিয়ামের চামচ তাপ দ্রুত নিজের মধ্যে ছড়িয়ে দেয়। সোডিয়ামও একইভাবে চুল্লির ভেতর থেকে তাপ দ্রুত টেনে নেয়। ব্যাখ্যা: উচ্চ তাপ পরিবাহিতা থাকার কারণে সোডিয়াম যেকোনো স্থান থেকে তাপ দ্রুত অন্য স্থানে স্থানান্তর করতে পারে। উদাহরণ ২: ফাস্ট ব্রিডার নিউক্লিয়ার রিঅ্যাক্টর। ব্যাখ্যা: এই ধরণের আধুনিক পারমাণবিক চুল্লিতে জ্বালানি হিসেবে প্লুটোনিয়াম এবং শীতলীকরণ মাধ্যম হিসেবে তরল সোডিয়াম ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সোডিয়াম — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি চমৎকার তাপ পরিবাহী এবং এর গলনাঙ্ক কম থাকায় সহজে তরল রাখা যায়। B) পটাসিয়াম — পটাসিয়ামও তাপ পরিবাহী এবং সোডিয়ামের সঙ্গে মিশিয়ে সংকর ধাতু হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তবে এককভাবে প্রধান কুল্যান্ট হিসেবে সোডিয়াম বেশি প্রচলিত। C) ম্যাগনেসিয়াম — ম্যাগনেসিয়াম পারমাণবিক চুল্লির কাঠামোগত উপাদান বা ক্ল্যাডিং তৈরিতে ব্যবহৃত হয়, তাপ পরিবাহক কুল্যান্ট হিসেবে নয়। D) কোনটিই নয় — যেহেতু অপশন এ সঠিক, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: পারমাণবিক চুল্লির তাপ সরানোর জন্য সোডা বা সোডিয়াম মাথায় রাখবে। সোডিয়াম দ্রুত তাপ শুষে নেয় তাই একে কুল্যান্ট বলে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পারমাণবিক চুল্লিতে মডারেটর হিসেবে গ্রাফাইট বা ভারী পানি ব্যবহার করা হয় এবং কুল্যান্ট হিসেবে তরল সোডিয়াম ব্যবহার করা হয়। এই দুটি প্রশ্ন প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
a ভিটামিন-ই
b ভিটামিন-কে
c ভিটামিন-বি কমপ্লেক্স
d ভিটামিন-এ
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: খাদ্য, পুষ্টি ও ভিটামিন (মানবদেহ ও শারীরবৃত্ত) সঠিক উত্তর: C) ভিটামিন-বি কমপ্লেক্স ১. কেন সঠিক: চা পাতায় ভিটামিন বি কমপ্লেক্স, বিশেষ করে ভিটামিন বি-১, বি-২ এবং ফলিক এসিড বা ভিটামিন বি-৯ প্রচুর পরিমাণে থাকে। ভিটামিন বি কমপ্লেক্স পানিতে দ্রবণীয় হওয়ায় গরম পানিতে চা পাতা ভেজানোর সময় এই ভিটামিনগুলো চায়ের লিকারে মিশে যায়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: ভিটামিন বি কমপ্লেক্স হলো মানবদেহের বিপাকক্রিয়া এবং স্নায়ুতন্ত্রের স্বাভাবিক কার্যকারিতা বজায় রাখার জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান। কার্যপ্রণালি: চা পাতার কোষে থাকা পানি-দ্রবণীয় ভিটামিনগুলো ফুটন্ত পানির সংস্পর্শে আসলে দ্রবীভূত হয় এবং পানযোগ্য চায়ে রূপান্তরিত হয়। বাস্তব প্রয়োগ: প্রতিদিনের চায়ের মাধ্যমে আমাদের শরীর সামান্য পরিমাণে হলেও প্রয়োজনীয় ভিটামিন বি কমপ্লেক্স গ্রহণ করে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সকালে এক কাপ চা পান করা। ব্যাখ্যা: এটি ক্লান্তি দূর করার পাশাপাশি স্নায়ুতন্ত্রকে সতেজ রাখতে এবং শক্তি উৎপাদনে সামান্য পুষ্টি যোগায়। উদাহরণ ২: চা পাতায় লিকারে বিভিন্ন পুষ্টি উপাদানের উপস্থিতি। ব্যাখ্যা: চা পাতা কেবল ভিটামিন নয়, বরং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং খনিজ উপাদানেও সমৃদ্ধ যা শরীরের জন্য উপকারী। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভিটামিন-ই — এটি ফ্যাট বা চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিন যা প্রধানত বীজ, বাদাম এবং উদ্ভিজ তেলে পাওয়া যায়, চা পাতায় এর উপস্থিতি প্রধান নয়। B) ভিটামিন-কে — এটি রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে এবং সবুজ শাকসবজিতে বেশি থাকে, যা চা পাতার প্রধান ভিটামিন নয়। C) ভিটামিন-বি কমপ্লেক্স — এটি সঠিক উত্তর কারণ চা পাতায় এই ভিটামিনটি পানিতে দ্রবণীয় অবস্থায় বিদ্যমান থাকে। D) ভিটামিন-এ — এটি দৃষ্টিশক্তি রক্ষায় সাহায্য করে এবং গাজর বা মিষ্টি আলুতে বেশি পাওয়া যায়, যা চা পাতায় থাকে না। ৫. মনে রাখার টিপস: চা পান করলে তরল ও শক্তি পাওয়া যায়, তাই মনে রাখবেন তরল ভিটামিন অর্থাৎ ভিটামিন বি কমপ্লেক্স চায়ে থাকে। বি অক্ষরটি পানীয় বা বেভারেজ শব্দটির সঙ্গে মিলিয়েও এটি মনে রাখা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পানি-দ্রবণীয় ভিটামিনগুলোর নাম প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে যেমন ভিটামিন বি এবং সি। ভবিষ্যতে প্রশ্ন আসতে পারে কোন ভিটামিনগুলো চায়ে বা পানিতে দ্রবীভূত হয়।
a নাইট্রোজেনের
b ফসফরাসের
c ইউরিয়ার
d পটাসিয়ামের
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নাইট্রোজেনের ১. কেন সঠিক: - উদ্ভিদের পাতায় ক্লোরোফিল উৎপাদনের জন্য নাইট্রোজেন অপরিহার্য উপাদান হিসেবে কাজ করে। - নাইট্রোজেনের অভাবে ক্লোরোফিল তৈরি ব্যাহত হয়, ফলে পাতা সবুজ রং হারিয়ে হলুদ হয়ে যায়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: উদ্ভিদের পুষ্টি উপাদানের মধ্যে নাইট্রোজেন একটি প্রধান বা ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট। - কার্যপ্রণালি: নাইট্রোজেনের অভাবে গাছের নিচের পুরনো পাতাগুলো আগে হলুদ হয়, যাকে ক্লোরোসিস বলা হয়। - কারণ ও ফলাফল: ক্লোরোফিলের ঘাটতির কারণে সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হয় এবং উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যাহত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ধানের ক্ষেতে নাইট্রোজেন সারের ঘাটতি। ব্যাখ্যা: ইউরিয়া সার প্রয়োগ না করলে ধানের পাতা হলুদ হয়ে গাছ দুর্বল হয়ে যায়। উদাহরণ ২: টমেটো গাছের নিচের পাতা হলুদ হয়ে যাওয়া। ব্যাখ্যা: পর্যাপ্ত নাইট্রোজেন না পেলে গাছ খাদ্য তৈরি করতে পারে না এবং ফলন কমে যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নাইট্রোজেনের — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অভাবে ক্লোরোফিল কমে পাতা হলুদ হয়। B) ফসফরাসের — ফসফরাসের অভাবে গাছের পাতা ও কান্ডে বেগুনি বা কালচে দাগ দেখা যায়। C) ইউরিয়ার — ইউরিয়া সরাসরি কোনো খনিজ উপাদান নয়, এটি নাইট্রোজেন সরবরাহের একটি সার মাত্র। D) পটাসিয়ামের — পটাসিয়ামের অভাবে পাতার কিনার পুড়ে যায় বা বাদামি রং ধারণ করে। ৫ মনে রাখার টিপস: - নাইট্রোজেন মানেই উদ্ভিদের সবুজ রঙ, তাই এর অভাবে পাতা হলুদ হয়ে যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - উদ্ভিদের পাতায় ক্লোরোসিসের প্রধান কারণ কী, তা BCS পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা মুখ্য পুষ্টি উপাদানের কাজগুলো ভালো করে পড়তে হবে।
a ১৫ ইঞ্চি(প্রায়)
b ১৭ ইঞ্চি(প্রায়)
c ১৮ ইঞ্চি(প্রায়)
d ২০ ইঞ্চি(প্রায়)
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৮ ইঞ্চি(প্রায়) ১. কেন সঠিক: মানুষের কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো সুষুম্নাকান্ড বা স্পাইনাল কর্ড। পূর্ণবয়স্ক মানুষের ক্ষেত্রে মেরুদণ্ডের মধ্যবর্তী নার্ভ বা স্নায়ুর এই রজ্জুর গড় দৈর্ঘ্য প্রায় ১৮ ইঞ্চি বা ৪৫ সেন্টিমিটার হয়ে থাকে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: স্পাইনাল কর্ড হলো স্নায়ুকোষের দীর্ঘ ও নমনীয় একটি গুচ্ছ যা মস্তিষ্ক থেকে শুরু হয়ে কটিদেশ পর্যন্ত বিস্তৃত থাকে। কার্যপ্রণালি: এটি মস্তিষ্ক ও শরীরের অন্যান্য অংশের মধ্যে সংকেত আদান-প্রদান করে এবং বিভিন্ন স্বয়ংক্রিয় প্রতিবর্ত ক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পায়ে কোনো গরম বস্তু লাগলে তাত্ক্ষণিকভাবে পা সরিয়ে নেওয়া। ব্যাখ্যা: এই প্রক্রিয়ায় স্পাইনাল কর্ড মস্তিষ্ক পর্যন্ত বার্তা পৌঁছানোর আগেই তাৎক্ষণিক নির্দেশ দিয়ে পেশি সংকোচন ঘটায়। উদাহরণ ২: হাঁটুর নিচে আঘাত করলে পা স্বয়ংক্রিয়ভাবে সামনের দিকে লাফিয়ে ওঠা। ব্যাখ্যা: এটি মোনাসিনেপ্টিক প্রতিবর্ত চাপের একটি ধ্রুপদী উদাহরণ যা স্পাইনাল কর্ডের কার্যকারিতা প্রমাণ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৫ ইঞ্চি(প্রায়) — এই মাপটি একজন কিশোর বা অপেক্ষাকৃত কম উচ্চতার মানুষের স্পাইনাল কর্ডের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে কিন্তু পূর্ণবয়স্ক মানুষের জন্য এটি ছোট। B) ১৭ ইঞ্চি(প্রায়) — এটি সঠিক উত্তরের কাছাকাছি হলেও প্রমিত মানবদেহের শারীরবৃত্তীয় মাপে পূর্ণবয়স্কদের জন্য সাধারণত ১৮ ইঞ্চি ধরা হয়। C) ১৮ ইঞ্চি(প্রায়) — এটি পূর্ণবয়স্ক মানুষের স্পাইনাল কর্ডের বৈজ্ঞানিক ও প্রমিত গড় দৈর্ঘ্যের সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়। D) ২০ ইঞ্চি(প্রায়) — এই দৈর্ঘ্যটি মানুষের স্পাইনাল কর্ডের স্বাভাবিক গড়ের চেয়ে বেশি, যা পূর্ণবয়স্ক মানুষের ক্ষেত্রে সচরাচর দেখা যায় না। ৫. মনে রাখার টিপস: মানুষের স্পাইনাল কর্ডের দৈর্ঘ্য ১৮ ইঞ্চি বা দেড় ফুট মনে রাখতে পারেন। মস্তিষ্কের ওজন দেড় কেজি আর স্পাইনাল কর্ডের দৈর্ঘ্য দেড় ফুট এভাবে মিলিয়ে পড়লে সহজে মনে থাকবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: স্পাইনাল কর্ডের দৈর্ঘ্য সাধারণত কটিদেশীয় অঞ্চলের প্রথম বা দ্বিতীয় কশেরুকা পর্যন্ত বিস্তৃত থাকে। এই ধরনের প্রতিযোগিতামূলক প্রশ্নে স্নায়ুতন্ত্রের বিভিন্ন অংশের দৈর্ঘ্য বা ওজন প্রায়ই পরীক্ষণে আসে।
a কোষের অস্বাভাবিক মৃত্যু
b কোষের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি
c কোষের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি জমাট বাঁধা
d ওপরের সবগুলো
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কোষের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি ১. কেন সঠিক: - ক্যান্সার হলো কোষের অনিয়ন্ত্রিত ও অস্বাভাবিক বিভাজন এবং বৃদ্ধির ফল। - শরীরের স্বাভাবিক কোষের বৃদ্ধি ও বিভাজন একটি সুনির্দিষ্ট নিয়মে ঘটে, কিন্তু ক্যান্সার কোষে এই নিয়ন্ত্রণ নষ্ট হয়ে যায়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: কোষ চক্রের নিয়ন্ত্রক জিন মিউটেশন বা পরিবর্তনের মাধ্যমে স্বাভাবিক কোষ যখন অনিয়ন্ত্রিতভাবে বিভাজিত হতে থাকে, তখন তাকে ক্যান্সার বলে। - কার্যপ্রণালি: ডিএনএ ক্ষতিগ্রস্ত হলে স্বাভাবিক কোষ ধ্বংস হয়ে যাওয়ার কথা, কিন্তু ক্যান্সার কোষে সেই প্রক্রিয়া ব্যাহত হয় এবং কোষগুলো অমরত্বের মতো আচরণ করে দ্রুত সংখ্যায় বৃদ্ধি পায়। - কারণ ও ফলাফল: অতিরিক্ত কোষগুলো একত্রে জমা হয়ে টিউমার গঠন করে, যা রক্তনালী ও লসিকা তন্ত্রের মাধ্যমে শরীরের অন্যান্য সুস্থ অঙ্গে ছড়িয়ে পড়তে পারে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ফুসফুসের ক্যান্সার ব্যাখ্যা: অতিরিক্ত ধূমপানের কারণে ফুসফুসের কোষের ডিএনএ ক্ষতিগ্রস্ত হয়, যা পরবর্তীতে অনিয়ন্ত্রিত কোষ বিভাজনের মাধ্যমে ফুসফুসের ক্যান্সারের সৃষ্টি করে। উদাহরণ ২: ত্বকের ক্যান্সার বা মেলানোমা ব্যাখ্যা: অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাবে ত্বকের কোষের মিউটেশন ঘটে এবং কোষগুলোর অস্বাভাবিক বৃদ্ধির ফলে ত্বকে ক্যান্সার দেখা দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কোষের অস্বাভাবিক মৃত্যু — কোষের স্বাভাবিক মৃত্যুর প্রক্রিয়াকে অ্যাপোপটোসিস বলে, যা ক্যান্সার কোষে বাধাগ্রস্ত হয় এবং এটি সঠিক উত্তর নয়। B) কোষের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি — এটি ক্যান্সারের মূল বৈজ্ঞানিক সংজ্ঞা ও প্রধান কারণ হিসেবে সরাসরি মিলে যায় এবং এটিই সঠিক উত্তর। C) কোষের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি জমাট বাঁধা — কোষ জমাট বেঁধে টিউমার তৈরি করলেও কেবল জমাট বাঁধাই ক্যান্সারের একমাত্র একক কারণ বা সংজ্ঞা নয়। D) ওপরের সবগুলো — যেহেতু ক এবং গ অপশন দুটির তথ্য পুরোপুরি সঠিক বা পূর্ণাঙ্গ নয়, তাই এই অপশনটি সঠিক হতে পারে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - ক্যান্সার মনে রাখার সহজ কৌশল হলো অনিয়ন্ত্রিত কোষ বিভাজন বা অতিরিক্ত বৃদ্ধি। স্বাভাবিক কোষ বিভাজনের শৃঙ্খলা ভেঙে যাওয়া মানেই ক্যান্সার। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ক্যান্সার সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে, যেমন টিউমার দুই প্রকার (বিনাইন ও ম্যালিগন্যান্ট)। ম্যালিগন্যান্ট টিউমারই মূলত মারাত্মক ক্যান্সার হিসেবে পরিচিত।
a আলট্রা-ভ্যায়োলেট রশ্মি
b বিটা রশ্মি
c আলফা রশ্মি
d গামারশ্মি
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: পরিবেশবিজ্ঞান এবং আলো ও তরঙ্গ সঠিক উত্তর: D) গামারশ্মি ১. কেন সঠিক: - জীবজগতের জন্য সবচেয়ে ক্ষতিকারক রশ্মি হলো গামারশ্মি, কারণ এটি একটি অত্যন্ত শক্তিশালী তড়িৎচুম্বকীয় বিকিরণ যা ডিএনএ এর গঠন ভেঙে ফেলতে পারে। - এর ভেদন ক্ষমতা সর্বোচ্চ হওয়ায় এটি কোষের গভীরে প্রবেশ করে কোষের মিউটেশন ও মৃত্যু ঘটায় যা ক্যানসারের কারণ হতে পারে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: গামারশ্মি হলো তেজস্ক্রিয় পরমাণুর নিউক্লিয়াস থেকে নির্গত উচ্চ শক্তির ফোটন কণা যার তরঙ্গদৈর্ঘ্য অত্যন্ত ক্ষুদ্র। - কারণ ও ফলাফল: কোষের ভেতরের পানির অণুকে আয়নিত করে মুক্ত মূলক তৈরি করে যা জীবকোষের জৈব অণুকে স্থায়ীভাবে ধ্বংস করে দেয়। - বাস্তব প্রয়োগ: চিকিৎসাবিজ্ঞানে ক্যানসার কোষ ধ্বংসে রেডিওথেরাপিতে গামারশ্মি ব্যবহার করা হয়, যা নিয়ন্ত্রিত মাত্রায় না দিলে সুস্থ কোষের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চেরনোবিল পারমাণবিক দুর্ঘটনা ব্যাখ্যা: এই দুর্ঘটনায় নির্গত উচ্চ মাত্রার গামারশ্মি ও তেজস্ক্রিয়তা ওই অঞ্চলের সমস্ত উদ্ভিদ ও প্রাণিকুলকে ধ্বংস করেছিল এবং দীর্ঘমেয়াদি জিনগত ত্রুটি সৃষ্টি করেছিল। উদাহরণ ২: মহাকাশচারীদের বিকিরণ ঝুঁকি ব্যাখ্যা: বায়ুমণ্ডলের বাইরে মহাকাশচারীদের ওপর সরাসরি গামারশ্মির প্রভাব পড়ার ঝুঁকি থাকে, যা জীবদেহের কোষের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আলট্রা-ভ্যায়োলেট রশ্মি — এটি ক্ষতিকর হলেও গামারশ্মির মতো এত বেশি শক্তি ও ভেদন ক্ষমতা সম্পন্ন নয় এবং এটি ত্বকের ক্যানসার ও চোখের ক্ষতি করে। B) বিটা রশ্মি — এটি মূলত ইলেকট্রন কণা যা ত্বকের উপরিভাগে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে, তবে গামারশ্মির মতো জীবজগতের জন্য সর্বব্যাপী মারাত্মক নয়। C) আলফা রশ্মি — এটি হিলিয়াম নিউক্লিয়াসের স্রোত যার ভেদন ক্ষমতা খুব কম এবং কাগজের পাতা দিয়েই একে আটকানো যায়। D) গামারশ্মি — এটি তেজস্ক্রিয় ক্ষয়ের ফলে সৃষ্ট সর্বোচ্চ শক্তি সম্পন্ন রশ্মি যা জীবজগতের জন্য সবচেয়ে বেশি ক্ষতিকর। ৫ মনে রাখার টিপস: - তেজস্ক্রিয় রশ্মিগুলোর ভেদন ক্ষমতা মনে রাখার কৌশল হলো আলফা থেকে গামার দিকে গেলে শক্তি ও ক্ষতিকর প্রভাব ক্রমাগত বৃদ্ধি পায়। - গামারশ্মি হলো গেম ওভার এর মতো, অর্থাৎ এটি জীবজগতের জন্য চরম ধ্বংসাত্মক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - তড়িৎচুম্বকীয় বর্ণালীতে গামারশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম এবং ফ্রিকোয়েন্সি বা কম্পাঙ্ক সবচেয়ে বেশি। - এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় পরিবেশের উপর তেজস্ক্রিয়তার প্রভাব অংশে প্রায়শই আসে।

মোট প্রশ্ন (20)

a নটির পূজা
b বেহুলা গীতাভিনয়
c নবীন তপস্বিনী
d কৃষ্ণকুমারী
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বেহুলা গীতাভিনয় ১. কেন সঠিক: - মীর মশাররফ হোসেনের একটি বিখ্যাত নাটক হলো বেহুলা গীতাভিনয়। - এটি মূলত পৌরাণিক কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে রচিত একটি দৃশ্যকাব্যের রূপ। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মীর মশাররফ হোসেন উনিশ শতকের একজন প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক। - তার বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে বিষাদ সিন্ধু এবং নাটকের মধ্যে জমিদার দর্পণ অত্যন্ত জনপ্রিয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জমিদার দর্পণ ব্যাখ্যা: এটি মীর মশাররফ হোসেনের রচিত একটি সামাজিক নাটক যা নীলকর সাহেবদের অত্যাচারের বিরুদ্ধে রচিত। উদাহরণ ২: বসুবিলাস ব্যাখ্যা: এটি মীর মশাররফ হোসেনের একটি বিখ্যাত গদ্য গ্রন্থ ও রচনা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নটির পূজা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত নৃত্যনাট্য এবং পূজা পর্বের নাটক। B) বেহুলা গীতাভিনয় — এটি মীর মশাররফ হোসেনের নাটক বিধায় এই অপশনটি সঠিক। C) নবীন তপস্বিনী — এটি মূলত বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত উপন্যাস। D) কৃষ্ণকুমারী — এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচিত একটি ঐতিহাসিক ট্র্যাজেডি নাটক। ৫ মনে রাখার টিপস: মীর মশাররফ হোসেনের নাটক মনে রাখতে তার বিষাদ সিন্ধু ও জমিদার দর্পণের পাশাপাশি বেহুলা গীতাভিনয় নামটি আলাদা করে মনে রাখতে হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভিন্ন লেখকের নাটক ও উপন্যাস গুলিয়ে ফেলার প্রবণতা থাকে, তাই মূল লেখকের নাটক আলাদা করে তালিকাভুক্ত করতে হবে।
a বাঁকুড়ার এক গৃহস্থের গোয়াল ঘর থেকে
b আরাকান রাজগ্রন্থাগার থেকে
c নেপালের রাজগ্রন্থশালা থেকে
d সুদূর চীন দেশ থেকে
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নেপালের রাজগ্রন্থশালা থেকে কেন সঠিক: - মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপাল থেকে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেন। - নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থশালা থেকেই চর্যাপদের একমাত্র প্রাচীন পুথিটি উদ্ধার করা হয়েছিল। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন ও পদ সংকলন। - এটি হাজার বছরের পুরনো বাংলা ভাষার আদি কাব্যগ্রন্থ। - হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় রচিত বৌদ্ধ গান ও দোহা গ্রন্থটি এর মূল পরিচয়। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) বাঁকুড়ার এক গৃহস্থের গোয়াল ঘর থেকে — এই স্থান থেকে চর্যাপদ আবিষ্কৃত হয়নি। - B) আরাকান রাজগ্রন্থাগার থেকে — এই স্থান থেকে মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের নানা পুথি পাওয়া গেলেও চর্যাপদ পাওয়া যায়নি। - C) নেপালের রাজগ্রন্থশালা থেকে — এই অপশনটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়। - D) সুদূর চীন দেশ থেকে — এই দেশ থেকে চর্যাপদের পুথি উদ্ধার করা হয়নি। মনে রাখার টিপস: - হরপ্রসাদ শাস্ত্রী সাহেব নেপাল থেকে চর্যাপদ আবিষ্কার করেছিলেন।
a বিজয় গুপ্ত
b ভারতচন্দ্র রায়গুনাকার
c মুকূন্দারাম চক্রবর্তী
d কানাহরি দত্ত
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভারতচন্দ্র রায়গুনাকার ১. কেন সঠিক: মঙ্গলযুগের শেষ কবি ভারতচন্দ্র রায়গুনাকার। তাঁর বিখ্যাত কাব্য অন্নদামঙ্গল মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের ধারার সর্বশেষ ও অন্যতম শ্রেষ্ঠ সংযোজন হিসেবে বিবেচিত হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: ভারতচন্দ্র রায়গুনাকার অষ্টাদশ শতাব্দীর বিশিষ্ট কবি। নদীয়া জেলার পেকুরিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করা এই কবি মহারাজ কৃষ্ণচন্দ্রের সভাকবি ছিলেন এবং রায়গুনাকার উপাধিতে ভূষিত হন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অন্নদামঙ্গল কাব্য। ব্যাখ্যা: এটি ভারতচন্দ্র রায়গুনাকারের সর্বাধিক পরিচিত মঙ্গলকাব্য যা তিনটি অংশে বিভক্ত। উদাহরণ ২: বিদ্যাসুন্দর পালা। ব্যাখ্যা: এটি অন্নদামঙ্গল কাব্যের দ্বিতীয় অংশের অন্তর্ভুক্ত একটি জনপ্রিয় কাব্যাংশ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিজয় গুপ্ত — তিনি মনসামঙ্গল কাব্যের অন্যতম প্রাচীন ও বিখ্যাত কবি। B) ভারতচন্দ্র রায়গুনাকার — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি এখানে প্রযোজ্য নয়। C) মুকূন্দারাম চক্রবর্তী — তিনি চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের শ্রেষ্ঠ কবি যিনি দ্বিজ কবিকঙ্কণ নামে পরিচিত। D) কানাহরি দত্ত — তিনি মনসামঙ্গল কাব্যের একজন প্রারম্ভিক যুগের কবি। ৫ মনে রাখার টিপস: মঙ্গলযুগের সমাপ্তি টেনেছেন ভারতচন্দ্র, তাই তাঁর নাম মনে রাখতে হবে শেষ কবি হিসেবে। অন্নদামঙ্গল তাঁর অমর সৃষ্টি যা মঙ্গলযুগের ইতি টানে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মঙ্গলযুগের শেষ কবি বা প্রথম কবির নাম জানতে চাওয়া হয়। ভারতচন্দ্র রায়গুনাকার অষ্টাদশ শতাব্দীর কবি এবং তাঁর উপাধি রায়গুনাকার।
a নবদ্বীপের
b মিথিলার
c বৃন্দাবনের
d বর্ধমানের
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মিথিলার ১. কেন সঠিক: বিদ্যাপতি ছিলেন ভারতের বর্তমান বিহার রাজ্যের অন্তর্গত মিথিলা অঞ্চলের কবি এবং তিনি মূলত মৈথিলি ভাষায় পদ রচনা করতেন। বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগে পদাবলী সাহিত্যে তার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে এবং তিনি বাংলা ভাষার কবি না হয়েও বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে অমর হয়ে আছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: বিদ্যাপতি মিথিলার দরবারের রাজকবি ছিলেন এবং তার পদগুলো বাংলা ও ব্রজবুলি ভাষায় গভীর প্রভাব ফেলেছিল। বাংলা সাহিত্যের বৈষ্ণব পদাবলীর আদি ও অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি হিসেবে তাকে গণ্য করা হয় এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তার অনুকরণে ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী রচনা করেছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিদ্যাপতি রচিত বিখ্যাত পদ হলো জয় জয় নন্দ নন্দন যদুনন্দিনী। ব্যাখ্যা: এই পদটিতে রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমের রূপ অত্যন্ত সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে যা মৈথিলি ও ব্রজবুলি ভাষার মিশ্রণে রচিত। উদাহরণ ২: বিদ্যাপতি রচিত আরেকটি প্রসিদ্ধ পদ হলো সৈকত শয়ন সিত তনু ঝামর। ব্যাখ্যা: বিরহী রাধার মনের অবস্থা প্রকাশের জন্য এই পদটি বাংলা সাহিত্যে অত্যন্ত সমাদৃত ও পঠিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নবদ্বীপের — নবদ্বীপ বাংলার নদীয়া জেলায় অবস্থিত এবং এটি শ্রীচৈতন্যের জন্মস্থান হলেও বিদ্যাপতির জন্মভূমি বা কর্মক্ষেত্র ছিল না। B) মিথিলার — এই অপশনটি সঠিক কারণ বিদ্যাপতি মিথিলা অঞ্চলের অধিবাসী ও সেখানকার রাজসভার কবি ছিলেন। C) বৃন্দাবনের — বৃন্দাবন ভারতের উত্তর প্রদেশে অবস্থিত শ্রীকৃষ্ণের লীলাক্ষেত্র যা বৈষ্ণব ধর্মের পবিত্র স্থান হলেও বিদ্যাপতির জন্মস্থান নয়। D) বর্ধমানের — বর্ধমান পশ্চিমবঙ্গের একটি জেলা যা বিদ্যাপতির জন্মস্থান বা কর্মক্ষেত্র হিসেবে পরিচিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: বিদ্যাপতি নামটি মনে রাখতে পারলে তার আঞ্চলিক পরিচয় মনে রাখা সহজ হয় কারণ তিনি ছিলেন মিথিলার কোকিল। মৈথিলি ভাষার কবি বিদ্যাপতি ব্রজবুলি ভাষায় পদ লিখে বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছেন এই সূত্রটি মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিদ্যাপতিকে মৈথিলি কোকিল বলা হয় এবং তিনি বাংলা সাহিত্যের বৈষ্ণব পদাবলীর অন্যতম স্তম্ভ। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই কবিদের জন্মস্থান বা তাদের ব্যবহৃত ভাষা সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে যা ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a শ্রী রাধার ননদিনী
b শ্রী রাধার শাশুড়ি
c রাধাকৃষ্ণের প্রেমের দূতী
d জনৈক গোপবালা
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রাধাকৃষ্ণের প্রেমের দূতী ১. কেন সঠিক: - শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের বড়ায়ি চরিত্রটি মূলত রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমের মধ্যস্থতাকারী বা দূতী হিসেবে কাজ করেছে। - এই কাব্যের পুটুলি বা খণ্ডগুলোতে বড়ায়ি রাধার নানারকম দ্বিধা দূর করে কৃষ্ণের সঙ্গে মিলনে সহায়তা করে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যটি বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের আদি নিদর্শন এবং এটি রচনা করেছেন বড়ু চণ্ডীদাস। - এই কাব্যটি মূলত রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমের পৌরাণিক কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে রচিত একটি নাট্যগীতি প্রকৃতির কাব্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বড়ু চণ্ডীদাস রচিত শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যটি ১৯০৯ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী আবিষ্কার করেন। ব্যাখ্যা: এই তথ্যটি কাব্যের ঐতিহাসিক গুরুত্ব ও আবিষ্কারের প্রেক্ষাপট বুঝতে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের খণ্ডসমূহ হলো জন্মখণ্ড, তাম্বুলখণ্ড, দানখণ্ড, নৌকাখণ্ড ইত্যাদি। ব্যাখ্যা: এই খণ্ডগুলোতে রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমের বিভিন্ন ধাপ এবং বড়ায়ির ভূমিকা স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শ্রী রাধার ননদিনী — এটি ভুল কারণ বড়ায়ি রাধার ননদিনী বা ছোট বোন নয়, বরং একজন বৃদ্ধা নারী ও মধ্যস্থতাকারী। B) শ্রী রাধার শাশুড়ি — এটি ভুল কারণ রাধার শাশুড়ির নাম আয়ান গর্ভ বা অন্য কেউ হলেও বড়ায়ি সেই সম্পর্কের নয়। C) রাধাকৃষ্ণের প্রেমের দূতী — এটি সঠিক অপশন এবং কাব্যের মূল আখ্যানে তার ভূমিকা এটাই। D) জনৈক গোপবালা — এটি ভুল কারণ বড়ায়ি কোনো সাধারণ তরুণী গোপবালা নয়, বরং মুরুব্বি স্থানীয় এক নারী দূতী। ৫. মনে রাখার টিপস: - শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের একমাত্র নারী চরিত্র রাধা হলেও প্রধান সহায়ক চরিত্র বড়ু বুড়ী বা বড়ায়ি, যিনি প্রেমের দূতী হিসেবে পরিচিত। - বড়ায়ি নামের সাথে বুড়ি শব্দের মিল রেখে মনে রাখতে পারো যে সে একজন বয়স্ক নারী ও দূতী। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের তিনটি প্রধান চরিত্র হলো রাধা, কৃষ্ণ ও বড়ায়ি। - মধ্যযুগের কাব্যে বড়ায়ির ভূমিকা লোকসাহিত্যের বিদূষক বা ঘটিতালী চরিত্রের সমতুল্য।
a গ্রামিণ নরনারীর প্রণয়সংবলিত উপাখ্যানকে
b লোক সাধারনের কল্যাণে দেবতার স্তুতিমূলক রচনাকে
c লোকের মুখে মুখে প্রচলিত কাহিনী,গান,ছড়া ইত্যাদিকে
d গ্রামের অশিক্ষিত ও অখ্যাত লোকের সৃষ্ট রচনাকে
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) লোকের মুখে মুখে প্রচলিত কাহিনী,গান,ছড়া ইত্যাদিকে ১. কেন সঠিক: লোকসাহিত্য হলো এমন এক ধরনের সাহিত্য যা কোনো একক লেখকের সৃষ্টি নয় এবং লিখিত রূপের চেয়ে মৌখিক ঐতিহ্যের ওপর নির্ভর করে বেঁচে থাকে। সমাজের সাধারণ মানুষের সুখ, দুঃখ, বিশ্বাস ও সংস্কার প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে মুখে মুখে প্রচলিত থেকে লোকসাহিত্যের রূপ নেয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: লোকসাহিত্য বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন ও অমূল্য এক ঐতিহ্য যা গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর সম্মিলিত মনন ও সংস্কৃতির প্রকাশ ঘটিয়ে থাকে। এটির প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এর মৌখিকতা, যৌথ রচনা এবং পরিবর্তনশীলতা বা লোকায়ত চরিত্র। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: খনার বচন ব্যাখ্যা: এটি কৃষিকাজ ও জীবনযাত্রার অভিজ্ঞতা নিয়ে মুখে মুখে প্রচলিত লোকসাহিত্যের একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ। উদাহরণ ২: ময়মনসিংহ গীতিকা ব্যাখ্যা: বাংলার লোকায়ত জীবনের গাথা ও ট্র্যাজেডি সংবলিত এই গীতিকাগুলো লোকসাহিত্যের লিখিত রূপান্তরের অন্যতম নিদর্শন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গ্রামিণ নরনারীর প্রণয়সংবলিত উপাখ্যানকে — এটি লোকসাহিত্যের একটি অংশ হতে পারে কিন্তু সম্পূর্ণ লোকসাহিত্যের সঠিক সংজ্ঞা নয়। B) লোক সাধারনের কল্যাণে দেবতার স্তুতিমূলক রচনাকে — এটি দেববন্দনা বা মঙ্গলকাব্য ধারার অন্তর্ভুক্ত, যা লোকসাহিত্যের চেয়ে শিষ্ট সাহিত্যের কাছাকাছি। D) গ্রামের অশিক্ষিত ও অখ্যাত লোকের সৃষ্ট রচনাকে — লোকসাহিত্য কেবল অশিক্ষিত মানুষের সৃষ্টি নয়, এটি সামগ্রिक সমাজের অবদানে গড়ে ওঠা ঐতিহ্য। ৫. মনে রাখার টিপস: লোকসাহিত্য মানেই মুখের কথা অর্থাৎ যা মুখে মুখে প্রচলিত থাকে এবং যার কোনো নির্দিষ্ট একক রচয়িতা থাকে না। এই সাহিত্যের মূল উৎস জনজীবন এবং মাধ্যম হলো মৌখিক প্রচার। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: লোকসাহিত্যের প্রধান উপাদানগুলো হলো ছড়া, প্রবাদ, প্রবচন, ধাঁধা, লোকগীতি ও রূপকথা। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই লোকসাহিত্যের বৈশিষ্ট্য বা উপাদান সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে।
a নবম
b ত্রয়োদশ শতকে
c ষোড়শ শতকে
d উনিশ শতকে
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উনিশ শতকে ১. কেন সঠিক: - বাংলা সাহিত্যের গদ্যের পূর্ণাঙ্গ সূচনা ঘটে মূলত উনিশ শতকের শুরুতে। - ১৮০০ সালে কলকাতার ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলা গদ্য চর্চা প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পায়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পন্ডিত উইলিয়াম কেরির নেতৃত্বে রামরাম বসু, মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার প্রমুখ বাংলায় গদ্য গ্রন্থ রচনা করেন। - বাংলা গদ্যের জনক বিদ্যাসাগর মহাশয় উনিশ শতকেই গদ্যকে শৈল্পিক রূপ ও পূর্ণতা দান করেছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাজা রামমোহন রায় রচিত বেদান্তসার ব্যাখ্যা: এটি উনিশ শতকের শুরুতে প্রকাশিত বাংলা গদ্যের একটি প্রারম্ভিক ও গুরুত্বপূর্ণ দার্শনিক গ্রন্থ। উদাহরণ ২: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত বেতাল পঞ্চবিংশতি ব্যাখ্যা: উনিশ শতকে বাংলা গদ্যের বুনিয়াদ শক্ত করতে এই গ্রন্থটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নবম — নবম শতকে চর্যাপদ রচিত হয়, যা বাংলা কবিতার প্রাচীন নিদর্শন, গদ্যের নয়। B) ত্রয়োদশ শতকে — ত্রয়োদশ শতক বা মধ্যযুগের শুরুতে বাংলা সাহিত্য প্রধানত পদ্য বা কাব্যের মাধ্যমে বিকশিত হয়েছিল। C) ষোড়শ শতকে — ষোড়শ শতকে বৈষ্ণব পদাবলী ও মঙ্গলকাব্যের যুগ ছিল, তখনও গদ্যের সূচনা হয়নি। ৫ মনে রাখার টিপস: - মনে রাখবে, গদ্য মানেই উনিশ শতক আর পদ্য মানেই প্রাচীন বা মধ্যযুগ। - ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের সালটি (১৮০০ সাল) মনে রাখলে শতক সহজেই নির্ণয় করা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলা গদ্যের বিকাশে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের অবদান এবং ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের ভূমিকা খুব ভালোভাবে পড়তে হবে। - এই ধরনের প্রশ্ন সাধারণত বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় বারবার আসে।
a দিক্‌দর্শন
b সংবাদ প্রভাকর
c তত্তবোধিনী
d বঙ্গদর্শন
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দিক্‌দর্শন ১. কেন সঠিক: - দিক্‌দর্শন হলো বাংলা ভাষায় প্রকাশিত প্রথম সাময়িকপত্র বা মাসিক পত্রিকা, যা ১৮১৮ সালের এপ্রিল মাসে প্রকাশিত হয়। - এটি মূলত কিশোর পাঠকদের উপযোগী বিভিন্ন জ্ঞানগর্ভ ও শিক্ষণীয় বিষয় নিয়ে প্রকাশিত হতো। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - দিক্‌দর্শন পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন জন ক্লার্ক মার্শম্যান এবং এটি শ্রীরামপুর মিশন প্রেস থেকে প্রকাশিত হয়। - এটি সংবাদপত্রের ইতিহাস শুরু হওয়ার আগের পর্যায় বা সাময়িকপত্রের প্রাথমিক রূপ নির্দেশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সমাচার দর্পণ ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার প্রথম সাপ্তাহিক সংবাদপত্র, যা ১৮১৮ সালের ২৩ মে প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: সংবাদ প্রভাকর ব্যাখ্যা: এটি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের সম্পাদনায় ১৮৩১ সালে প্রকাশিত প্রথম সফল বাংলা দৈনিক পত্রিকা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দিক্‌দর্শন — এটি বাংলা ভাষার প্রথম সাময়িকপত্র হওয়ায় সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। B) সংবাদ প্রভাকর — এটি প্রথম প্রকাশিত দৈনিক সংবাদপত্র, প্রথম সাময়িকপত্র নয়। C) তত্তবোধিনী — এটি তত্ত্ববোধিনী সভার মুখপত্র এবং অনেক পরে প্রকাশিত পত্রিকা। D) বঙ্গদর্শন — এটি একটি বিখ্যাত মাসিক সাহিত্যপত্র যা বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সম্পাদনায় ১৮৭২ সালে প্রকাশিত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: সাময়িকপত্র মানেই 'দিক্‌দর্শন' এবং সংবাদপত্র মানে 'সমাচার দর্পণ' এই পার্থক্যটি মনে রাখতে হবে। ১৮১৮ সালে দুটিই প্রকাশিত হয়েছিল কিন্তু দিক্‌দর্শন ছিল প্রথম সাময়িকপত্র। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা সংবাদপত্র ও সাময়িকপত্রের ইতিহাসের ক্ষেত্রে জন ক্লার্ক মার্শম্যান এবং শ্রীরামপুর মিশনের অবদান প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a বাংলাভাষা শিখার্থী ইংরেজ
b ইংরেজি ভাভধারাপুস্ট বাঙালি যুবক
c একটি সাহিত্যিক গোষ্ঠীর নাম
d একটি সাময়িক পত্রের নাম
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ইংরেজি ভাবধারাপুষ্ট বাঙালি যুবক ১. কেন সঠিক: - ইয়ংবেঙ্গল বলতে উনবিংশ শতাব্দীতে হিন্দু কলেজের শিক্ষক হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিওর অনুসারী প্রগতিশীল বাঙালি যুবকদের বোঝানো হয়। - এরা ইংরেজি শিক্ষা ও পাশ্চাত্য যুক্তিবাদী দর্শনে উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশীয় সমাজ সংস্কারে এগিয়ে এসেছিলেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের ইতিহাস এবং উনিশ শতকের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক নবজাগরণের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ। - হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিওর শিষ্যেরাই মূলত ইয়ংবেঙ্গল বা ডিরোজিয়ান নামে পরিচিত ছিলেন এবং তারা অন্ধ বিশ্বাসের তীব্র বিরোধিতা করতেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্যারীচাঁদ মিত্রের আলালের ঘরের দুলাল উপন্যাসে তৎকালীন সমাজের বিভিন্ন শ্রেণির চিত্র ফুটে উঠেছে। ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসে তৎকালীন সমাজ জীবনের বিভিন্ন চরিত্রের মাধ্যমে পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রভাব ও তার ভালো-মন্দ দিক তুলে ধরা হয়েছে। উদাহরণ ২: মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে আধুনিকতার প্রবক্তা হিসেবে পরিচিত। ব্যাখ্যা: তিনি ইংরেজি সাহিত্য দ্বারা গভীরভাবে প্রভাবিত হয়ে বাংলা কাব্যে নতুন মাত্রা যোগ করেছিলেন যা ইয়ংবেঙ্গল ধারারই একটি বৃহত্তর সাংস্কৃতিক বহিঃপ্রকাশ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাংলাভাষা শিক্ষার্থী ইংরেজ — এই অপশনটি ভুল কারণ ইয়ংবেঙ্গল কোনো ইংরেজ শিক্ষার্থীদের বোঝায় না বরং বাঙালি যুবকদের বোঝায়। C) একটি সাহিত্যিক গোষ্ঠীর নাম — এই অপশনটি আংশिक সত্য হলেও মূল অবস্থান সাহিত্যিক গোষ্ঠী নয় বরং একটি সামাজিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক ভাবধারা সম্পন্ন যুবগোষ্ঠী। D) একটি সাময়িক পত্রের নাম — এই অপশনটি সম্পূর্ণ ভুল কারণ ইয়ংবেঙ্গল কোনো পত্রিকা বা সংবাদপত্রের নাম নয়। B) ইংরেজি ভাবধারাপুষ্ট বাঙালি যুবক — এটি সঠিক উত্তর কারণ ডিরোজিওর শিষ্যরা পাশ্চাত্য শিক্ষা ও চিন্তাধারায় পুষ্ট হয়ে সমাজ সংস্কারে ব্রতী হয়েছিলেন। ৫ মনে রাখার টিপস: ইয়ংবেঙ্গল শব্দটির সাথে ডিরোজিও এবং হিন্দু কলেজ নাম দুটি মনে রাখলে উত্তর সহজেই মনে রাখা সম্ভব। ডিরোজিওর ছাত্ররাই মূলত ইংরেজি শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে এই দলের সৃষ্টি করেছিলেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ডিরোজিওর অনুসারীরা পার্থেনন নামক পত্রিকা প্রকাশ করেছিলেন যা তৎকালীন সমাজে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। এই ধরনের ঐতিহাসিক ও সাহিত্যিক চরিত্রভিত্তিক প্রশ্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
a বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ
b বিয়ে পাগলা বুড়ো
c কিঞ্চিত জলযোগ
d কল্কি অবতার
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বিয়ে পাগলা বুড়ো ১. কেন সঠিক: - দীনবন্ধু মিত্রের রচিত বিখ্যাত প্রহসন হলো বিয়ে পাগলা বুড়ো। - প্রবীণ বয়সে বিবাহ করার সামাজিক কৌতুক ও কুফল এই প্রহসনের মূল বিষয়বস্তু। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - দীনবন্ধু মিত্র উনবিংশ শতকের একজন প্রখ্যাত নাট্যকার ও প্রহসন রচয়িতা। - তাঁর বিখ্যাত নাটক নীলদর্পণ এবং প্রহসনগুলোর মধ্যে সধবার একাদশী ও জামাইবারিক উল্লেখযোগ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সধবার একাদশী ব্যাখ্যা: এটিও দীনবন্ধু মিত্রের একটি বিখ্যাত সমাজসংস্কারমূলক প্রহসন। উদাহরণ ২: নীলদর্পণ ব্যাখ্যা: এটি দীনবন্ধু মিত্রের রচিত নীলকর সাহেবদের নির্যাতনের ওপর লেখা শ্রেষ্ঠ নাটক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ — এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচিত একটি বিখ্যাত প্রহসন। B) বিয়ে পাগলা বুড়ো — এটি দীনবন্ধু মিত্রের প্রহসন হওয়ায় সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। C) কিঞ্চিত জলযোগ — এটি অমৃতলাল বসুর রচিত একটি জনপ্রিয় প্রহসন। D) কল্কি অবতার — এটি গিরিশচন্দ্র ঘোষের রচিত একটি পৌরাণিক নাটক। ৫. মনে রাখার টিপস: - দীনবন্ধু মানেই সমাজচিত্র। তাঁর নাটকের পাশাপাশি প্রহসনগুলো সমাজে প্রচলিত কুসংস্কার ও ত্রুটি নিয়ে লেখা। - দীনবন্ধু মিত্রের প্রহসন মনে রাখার একটি উপায় হলো তিনি মূলত বুড়োদের সমাজ ও বিয়ের চালচিত্র নিয়ে প্রহসন লিখেছেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রহসনের রচয়িতা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - মাইকেল মধুসূদন দত্ত এবং দীনবন্ধু মিত্রের প্রহসনগুলোর নাম খুব ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a প্রতিরোধ
b উপস্থাপন
c অনুরোধ
d উপযোগী
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অনুরোধ ১. কেন সঠিক: 'উপরোধ' একটি বিশেষ্য পদ যার সাধারণ ও আভিধানিক অর্থ হলো অনুরোধ, বিনম্র আবেদন বা প্ররোচনা। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের সঠিক অর্থ নির্ণয়ের জন্য এই ধরনের তৎসম ও অর্ধতৎসম শব্দের অর্থ জানা অত্যন্ত জরুরি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: শব্দের উৎস ও শব্দের অর্থ বিষয়ের আওতাভুক্ত একটি প্রশ্ন এটি। বাংলা ভাষায় এমন অনেক শব্দ রয়েছে যার প্রচলিত রূপ মূল অর্থ থেকে একটু আলাদাভাবে ব্যবহৃত হয়। এখানে 'উপরোধ' শব্দটি প্রায়ই 'উপরোধে ঢেঁকি গেলা' প্রবচনে ব্যবহৃত হয়, যার অর্থ অনুরোধের বা সাধ্যের অতিরিক্ত কিছু করতে বাধ্য হওয়া। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তার বিশেষ উপরোধে আমি কাজটি করতে বাধ্য হলাম। ব্যাখ্যা: এখানে উপরোধ শব্দটি অনুরোধ বা তাগিদ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: উপরোধে ঢেঁকি গেলা। ব্যাখ্যা: এটি একটি বিখ্যাত প্রবাদ যেখানে উপরোধ শব্দের অর্থ অনুরোধ এবং এই অনুরোধের কারণে কঠিন কাজ করার বাধ্যবাধকতা বোঝায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রতিরোধ — এর অর্থ কোনো কিছু বাধা দেওয়া বা প্রতিহত করা, যা উপরোধ শব্দের অর্থের সঙ্গে মেলে না। B) উপস্থাপন — এর অর্থ কোনো বিষয় সামনে আনা বা পেশ করা, যা অনুরোধ শব্দের সমার্থক নয়। C) অনুরোধ — এটি সঠিক অর্থ প্রকাশ করে। D) উপযোগী — এর অর্থ কোনো কিছুর উপযুক্ত বা মানানসই, যা উপরোধ বা অনুরোধের বিপরীতার্থক বা ভিন্ন অর্থ বহন করে। ৫. মনে রাখার টিপস: উপরোধ এবং অনুরোধ শব্দ দুটি ছন্দ মিলিয়ে মনে রাখতে পারো কারণ উভয়ের অর্থ প্রায় একই। প্রবাদের ক্ষেত্রে মনে রাখবে উপরোধ মানেই জোরাজুরি বা অনুরোধ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: শব্দার্থ সংক্রান্ত প্রশ্নে তৎসম ও প্রমিত বাংলা শব্দের সঠিক অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে। একই ধরনের সমার্থক শব্দগুলো বারবার চর্চা করলে পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।
a ১৮১৭
b ১৮৩২
c ১৮৫২সালে
d ১৭৫৩সালে
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৭৫৩সালে ১. কেন সঠিক: কলকাতায় প্রথম রঙ্গমঞ্চ বা থিয়েটার হাউস নির্মিত হয়েছিল ১৭৫৩ সালে, যা ওল্ড প্লে হাউস বা ক্যালিগাট থিয়েটার নামে পরিচিত ছিল। এই রঙ্গমঞ্চটি ব্রিটিশ আমলে নাট্যাভিনয়ের জন্য কলকাতার প্রাচীনতম ইউরোপীয় শৈলীর থিয়েটার হিসেবে পরিচিতি লাভ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা নাট্যশালা এবং কলকাতার সাংস্কৃতিক ইতিহাসের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক তথ্য। বাংলা নাটকের বিকাশের প্রাক্কালে ইউরোপীয়দের উদ্যোগে কলকাতায় প্রথম থিয়েটার নির্মাণের মাধ্যমে আধুনিক মঞ্চনাটকের সূচনা ঘটেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলা নাটকের আদিযুগ ব্যাখ্যা: আধুনিক বাংলা নাটকের ইতিহাস চর্চায় এই ধরনের ঐতিহাসিক সাল ও রঙ্গমঞ্চের প্রতিষ্ঠার তথ্য প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। উদাহরণ ২: বেনারস থিয়েটার ব্যাখ্যা: কলকাতার প্রথম রঙ্গমঞ্চের পাশাপাশি ভারতের অন্যান্য অঞ্চলে ব্রিটিশ আমলে নির্মিত প্রথম দিকের নাট্যশালার ইতিহাস বুঝতে এই তথ্য সহায়ক হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৮১৭সালে — এই সালে কলকাতায় প্রথম রঙ্গমঞ্চ তৈরি হয়নি, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়। B) ১৮৩২সালে — এই সালটি কলকাতার প্রথম রঙ্গমঞ্চ নির্মাণের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়, তাই এটি ভুল। C) ১৮৫২সালে — এই সালে কলকাতায় প্রথম রঙ্গমঞ্চ তৈরি হয়নি, এটি ভুল উত্তর। D) ১৭৫৮সালে বা ১৭৫৩সালে — এই ঐতিহাসিক সালটি কলকাতার প্রথম রঙ্গমঞ্চ তৈরির সঠিক সময় নির্দেশ করে। ৫ মনে রাখার টিপস: কলকাতায় প্রথম রঙ্গমঞ্চ তৈরি হয় ১৭৫৩ সালে। এভাবে মনে রাখতে পারো যে আঠারো শতকের মধ্যভাগে অর্থাৎ ১৭৫০ এর দশকের শুরুতে কলকাতায় প্রথম থিয়েটার হাউস তৈরি হয়েছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলার নাট্যশালা ও সংস্কৃতির ইতিহাস থেকে এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে। সালভিত্তিক সঠিক তথ্য মনে রাখা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
a একরাত্রি
b নষ্টনীড়
c ক্ষুধিত পাষাণ
d মধ্যবর্তিনী
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ক্ষুধিত পাষাণ ১. কেন সঠিক: - ক্ষুধিত পাষাণ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক ও অতিপ্রাকৃত ছোটগল্প। - এই গল্পে অতীত ও বর্তমানের মেলবন্ধন এবং প্রাসাদের গায়ে জমে থাকা স্মৃতির অতিপ্রাকৃত রূপ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা ছোটগল্পের জনক এবং বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান পুরুষ। - ক্ষুধিত পাষাণ গল্পটি তার বিখ্যাত গল্পগুচ্ছ সংকলনের অন্তর্ভুক্ত একটি অনন্য সৃষ্টি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কঙ্কাল ব্যাখ্যা: এটিও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত অতিপ্রাকৃত বা ভূতপ্রেতসংক্রান্ত ছোটগল্প। উদাহরণ ২: মণিহারা ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আরেকটি রহস্যময় ও অতিপ্রাকৃত উপাদানসমৃদ্ধ ছোটগল্প। ৪. বাকি অপشن কেন ভুল: A) একরাত্রি — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি মনস্তাত্ত্বিক ছোটগল্প, যেখানে শৈশবের স্মৃতি ও প্রাপ্তবয়স্কের জীবনবোধ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। B) নষ্টনীড় — এটি চারুলতা ও অমলকে কেন্দ্র করে রচিত একটি বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক ও পারিবারিক সম্পর্কের ছোটগল্প। C) ক্ষুধিত পাষাণ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) মধ্যবর্তিনী — এটি গ্রামীণ সমাজের টানাপোড়েন ও দাম্পত্য জীবনের জটিলতা নিয়ে রচিত একটি ছোটগল্প। ৫ মনে রাখার টিপস: - রবীন্দ্রনাথের অতিপ্রাকৃত গল্প মনে রাখার সহজ উপায় হলো পাষাণ, কঙ্কাল ও মণিহারা শব্দগুলো খেয়াল রাখা। - এই তিনটি গল্পে রহস্য ও অলৌকিকতার ছোঁয়া রয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রবীন্দ্রনাথের অতিপ্রাকৃত গল্পগুলো বারবার আসে। - গল্পগুলোর নাম এবং তাদের মূল সুর আলাদা করে মনে রাখা জরুরি।
a মোতাহের হোসেন
b ইসমাইল হোসেন সিরাজী
c মীর মশাররফ হোসেন
d ফররুখ আহমদ
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মীর মশাররফ হোসেন ১. কেন সঠিক: - মীর মশাররফ হোসেন বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম ঔপন্যাসিক হিসেবে সর্বস্বীকৃত। - তাঁর রচিত প্রথম উপন্যাস রত্নবতী ১৮৬৯ সালে প্রকাশিত হয়, যা বাংলা সাহিত্যে মুসলিম রচিত প্রথম উপন্যাস। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মীর মশাররফ হোসেন ১৯ শতকের বাঙালি ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক। - তাঁর কালজয়ী উপন্যাস বিষাদ সিন্ধু কারবালার বিষাদময় ঘটনার ওপর ভিত্তি করে রচিত একটি মহাকাব্যিক উপন্যাস। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রত্নবতী (১৮৬৯) ব্যাখ্যা: এটি মীর মশাররফ হোসেন রচিত প্রথম উপন্যাস এবং বাংলা সাহিত্যে কোনো মুসলিম লেখকের প্রথম উপন্যাস। উদাহরণ ২: বিষাদ সিন্ধু (১৮৯১) ব্যাখ্যা: এটি লেখকের সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ঐতিহাসিক উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মোতাহের হোসেন — তিনি একজন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও প্রাবন্ধিক ছিলেন, কোনো ঔপন্যাসিক নন। B) ইসমাইল হোসেন সিরাজী — তিনি একজন ঔপন্যাসিক ও কবি হলেও মীর মশাররফ হোসেনের পরে আবির্ভূত হন। D) ফররুখ আহমদ — তিনি বাংলা সাহিত্যের একজন বিখ্যাত মুসলিম কবি, কোনো ঔপন্যাসিক নন। ৫ মনে রাখার টিপস: - প্রথম মুসলিম ঔপন্যাসিক মানেই মীর মশাররফ হোসেন এবং তাঁর প্রথম উপন্যাস রত্নবতী। - নামের আদ্যক্ষর মনে রেখে ছক তৈরি করতে পারো, প্রথম মুসলিম ঔপন্যাসিক হলেন ম ম (মীর মশাররফ)। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মীর মশাররফ হোসেনের প্রথম উপন্যাস এবং তাঁর বিখ্যাত গদ্যগ্রন্থ বিষাদ সিন্ধু সম্পর্কে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বাংলা উপন্যাসের সূচনার ইতিহাস পড়তে গেলে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের পাশাপাশি মীর মশাররফ হোসেনের নাম গুরুত্বের সঙ্গে মনে রাখতে হবে।
a মাহেনও
b সওগাত
c ধূমকেতু
d কালিকলম
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ধূমকেতু ১. কেন সঠিক: - বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের নিজস্ব সম্পাদনায় প্রকাশিত সবচেয়ে বিখ্যাত ও সাড়াজাগানো অর্ধসাপ্তাহিক পত্রিকা হলো ধূমকেতু। - এই পত্রিকার প্রথম সংখ্যা প্রকাশিত হয় ১৯২২ সালের ১২ আগস্ট এবং এর প্রধান প্রচ্ছদ ও বাণী ডিজাইন করেছিলেন স্বয়ং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের একজন বিদ্রোহী কবি, ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক, নাট্যকার ও সঙ্গীতজ্ঞ হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিত। - ধূমকেতু পত্রিকায় প্রকাশিত আনন্দময়ীর আগমনে কবিতার জন্য কবির রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলা হয় এবং তাকে কারাবরণ করতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লাঙল ব্যাখ্যা: এটিও কাজী নজরুল ইসলাম কর্তৃক সম্পাদিত একটি বিখ্যাত রাজনৈতিক ও সাহিত্য বিষয়ক সাময়িক পত্রিকা। উদাহরণ ২: অগ্নিবীণা ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত এবং অত্যন্ত জনপ্রিয় বাংলা কাব্যগ্রন্থ যার মধ্যে বিদ্রোহী কবিতাটি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাহেনও — এটি মাসিক সাহিত্য পত্রিকা এবং এর সম্পাদক ছিলেন মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন, কাজী নজরুল ইসলাম নন। B) সওগাত — এটি মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন কর্তৃক ১৯১৮ সালে প্রকাশিত বিখ্যাত সাহিত্য পত্রিকা, নজরুল এর সঙ্গে যুক্ত থাকলেও এর সম্পাদক ছিলেন না। C) ধূমকেতু — এই অপশনটি সঠিক এবং কাজী নজরুল ইসলামের নিজের সম্পাদনায় প্রকাশিত প্রথম পত্রিকা। D) কালিকলম — এটি প্রমথ চৌধুরীর সবুজপত্র গোষ্ঠীর সমসাময়িক একটি আধুনিক সাহিত্য পত্রিকা যার সম্পাদক ছিলেন ধীরেন দত্ত ও নরেশ সেনগুপ্ত। ৫ মনে রাখার টিপস: নজরুলের ধূমকেতু পত্রিকার কথা মনে রাখতে মাথায় রাখবে কবি নিজেই ছিলেন সাহিত্যের আকাশে এক ধূমকেতু স্বরূপ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে ধূমকেতু পত্রিকার পরিচালক বা সম্পাদক কে ছিলেন এবং এর বাণী কে লিখেছিলেন।
a ধূসর পান্ডুলিপি
b কবিতার কথা
c ঝরা পালকের কবি
d দুর্দিনের যাত্রী
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কবিতার কথা ১. কেন সঠিক: - জীবনানন্দ দাশের একমাত্র প্রবন্ধগ্রন্থ হলো কবিতার কথা, যা আধুনিক বাংলা কবিতার রূপ ও প্রকৃতি অনুধাবনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি রচনা। - এই গ্রন্থে কবি কবিতার সৃষ্টিশীলতা, রূপকল্প এবং বাংলা কাব্যরীতির নানা দিক অত্যন্ত গভীরভাবে বিশ্লেষণ করেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - জীবনানন্দ দাশ আধুনিক বাংলা সাহিত্যের একজন অন্যতম প্রধান ও প্রখ্যাত কবি, যিনি রূপসী বাংলার কবি হিসেবে সর্বাধিক পরিচিত। - বিংশ শতাব্দীর ত্রিশের দশকের এই কবি তার কবিতায় নিসর্গপ্রকৃতি ও মানুষের অন্তর্জগতের বিষাদ ফুটিয়ে তুলেছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জীবনানন্দ দাশের কাব্যগ্রন্থ ধূসর পান্ডুলিপি। ব্যাখ্যা: এটি কবির অন্যতম প্রধান ও প্রকৃতিচেতনায় সমৃদ্ধ একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। উদাহরণ ২: জীবনানন্দ দাশের কাব্যগ্রন্থ বনলতা সেন। ব্যাখ্যা: এই কাব্যগ্রন্থের নামকবিতাটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় ও নন্দিত একটি সৃষ্টি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধূসর পান্ডুলিপি — এটি জীবনানন্দ দাশের রচিত কোনো প্রবন্ধগ্রন্থ নয়, বরং এটি তাঁর একটি বিখ্যাত ও সুপরিচিত কাব্যগ্রন্থ। B) কবিতার কথা — এটি জীবনানন্দ দাশের প্রবন্ধগ্রন্থ হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক এবং নির্দিষ্ট চাহিদার সঙ্গে মিলে যায়। C) ঝরা পালকের কবি — এটি জীবনানন্দ দাশের কোনো গ্রন্থ নয়, বরং এটি তাঁকে নিয়ে লেখা বা তাঁর পরিচিতি সূচক একটি শব্দগুচ্ছ। D) দুর্দিনের যাত্রী — এটি জীবনানন্দ দাশের লেখা কোনো গ্রন্থ নয়, এটি মূলত প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও চিন্তাবিদ কাজী আব্দুল ওদুদের একটি বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ। ৫. মনে রাখার টিপস: - জীবনানন্দ দাশ মূলত কবি হলেও তাঁর একটিমাত্র প্রবন্ধগ্রন্থ রয়েছে যার নাম কবিতার কথা। - পরীক্ষার হলে কাব্যের সঙ্গে প্রবন্ধের নাম যেন গুলিয়ে না যায়, সেজন্য এটি আলাদা করে মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - জীবনানন্দ দাশের প্রবন্ধগ্রন্থের নাম প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতায় আসে। - লেখকের নামের পাশাপাশি তাঁর একমাত্র প্রবন্ধগ্রন্থ বা গদ্যকর্মের নাম আলাদা করে নোট করে রাখা ভালো।
a কাজী নজরুল ইসলাম
b ফররুখ আহমদ
c আব্দুল কাদির
d বন্দে আলী মিয়া
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ফররুখ আহমদ ১. কেন সঠিক: - সাত সাগরের মাঝি কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা হলেন বিশিষ্ট মুসলিম রেনেসাঁসের কবি ফররুখ আহমদ। - এই কাব্যগ্রন্থে ইসলামের ইতিহাস ঐতিহ্য এবং সমুদ্রভিত্তিক প্রতীক ও রূপকের চমৎকার ব্যবহার দেখা যায়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ফররুখ আহমদ বিংশ শতাব্দীর বাঙালি মুসলিম কবি এবং সনেট রচয়িতা হিসেবে বিশেষভাবে পরিচিত। - ১৯৪৪ সালে প্রকাশিত সাত সাগরের মাঝি কাব্যগ্রন্থটি আধুনিক বাংলা কাব্যে এক অনন্য ও ঐতিহাসিক সৃষ্টি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সিরাজাম মুনীরা ব্যাখ্যা: এটি কবি ফররুখ আহমদের অপর একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা ইসলামের মহান আদর্শ ও মূল্যবোধের ওপর রচিত। উদাহরণ ২: পাখির বাসা ব্যাখ্যা: এটি ফররুখ আহমদের রচিত একটি জনপ্রিয় শিশুতোষ কাব্যগ্রন্থ যা বাংলা সাহিত্যে বিশেষ স্থান দখল করে আছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি হলেও সাত সাগরের মাঝি কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা নন। B) ফররুখ আহমদ — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি নির্ধারিত প্রশ্নের সঙ্গে সম্পূর্ণভাবে মিলে যায়। C) আব্দুল কাদির — তিনি একজন বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্য গবেষক হলেও এই বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থটি তার রচনা নয়। D) বন্দে আলী মিয়া — তিনি মূলত প্রকৃতি ও পল্লীপ্রকৃতির কবি এবং ময়নামতির চর তার বিখ্যাত রচনা। ৫ মনে রাখার টিপস: - সমুদ্রের বিশালতা ও রেনেসাঁসের চেতনা মনে রাখলে ফররুখ আহমদের সাত সাগরের মাঝি কাব্যগ্রন্থ সহজে স্মরণ রাখা যায়। - কবি ফররুখ আহমদকে মুসলিম রেনেসাঁসের কবি হিসেবে মনে রাখলে তার সাহিত্যকর্ম সহজে মনে থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ফররুখ আহমদের কাব্যগ্রন্থ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বিখ্যাত কবিদের কালজয়ী কাব্যগ্রন্থ এবং তাদের প্রকাশকাল ভালোভাবে আয়ত্ত করা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
a অগ্নিসাক্ষী
b চিলেকোঠার সেপাই
c আরেক ফাল্গুন
d অনেক সূর্যের আশা
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আরেক ফাল্গুন কেন সঠিক: - এই উপন্যাসের মূল বিষয়বস্তু বা পটভূমি হলো একান্ন সালের ভাষা আন্দোলন এবং বায়ান্ন সালের একুশে ফেব্রুয়ারির শহিদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা। - ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ও প্রামাণ্য উপন্যাস। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এই উপন্যাসটির রচয়িতা প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক জহির রায়হান। - বাংলা উপন্যাসের ইতিহাসে ঐতিহাসিক ভাষা আন্দোলনকে ফুটিয়ে তোলার ক্ষেত্রে এই গ্রন্থটির সাহিত্যমূল্য অপরিসীম। - উপন্যাসের নাম 'আরেক ফাল্গুন' মূলত বাঙালির দ্রোহ, প্রতিবাদ এবং নতুন প্রাণের স্পন্দনকে নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) অগ্নিসাক্ষী — এটি হাসান আজিজুল হকের লেখা একটি বিখ্যাত উপন্যাস যার বিষয়বস্তু মুক্তিযুদ্ধ। - B) চিলেকোঠার সেপাই — এটি আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের লেখা উপন্যাস যার পটভূমি উনসত্তরের গণঅভুথান। - C) আরেক ফাল্গুন — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। - D) অনেক সূর্যের আশা — এটি শহীদ আকন্দের লেখা একটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস। মনে রাখার টিপস: - জহির রায়হানের প্রথম শব্দ দিয়ে শুরু হয় ভাষা আন্দোলন, তাই 'আরেক ফাল্গুন' মনে রাখলেই ভাষা আন্দোলনের উপন্যাস হিসেবে চেনা সহজ হয়।
a শঙ্খনীল কারাগার
b কাঁটাতারে প্রজাপতি
c জাহান্নাম হইতে বিদায়
d আর্তনাদ
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জাহান্নাম হইতে বিদায় ১. কেন সঠিক: - জাহান্নাম হইতে বিদায় উপন্যাসটি শহীদ জননী জাহানারা ইমাম রচিত একটি ঐতিহাসিক ও মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্য দলিলধর্মী উপন্যাস। - ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের পটভূমি, পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বরতা এবং রাজাকারদের ভূমিকা এই উপন্যাসে অত্যন্ত বাস্তবসম্মতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শহীদ জননী জাহানারা ইমাম ১৯২৯ সালের ৩রা মে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৯৪ সালের ২৬শে জুন মারা যান। তিনি একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি ছিলেন। - জাহান্নাম হইতে বিদায় উপন্যাসটি ১৯৭১ সালে সংঘটিত বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ ও তার পূর্ববর্তী রাজনৈতিক সংকটের ওপর রচিত একটি গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যকর্ম। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রশীদ হায়দারের খাঁচায় উপন্যাসের পটভূমিও ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ। ব্যাখ্যা: এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসের একটি অত্যন্ত প্রখ্যাত ও বহুল পঠিত উদাহরণ। উদাহরণ ২: শওকত আলীর জাহান আনে আলো উপন্যাসেও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা স্পষ্টভাবে প্রকাশ পেয়েছে। ব্যাখ্যা: এটিও মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত একটি কালজয়ী সাহিত্যকর্ম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শঙ্খনীল কারাগার হুমায়ূন আহমেদ রচিত একটি পারিবারিক ও মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস। B) কাঁটাতারে প্রজাপতি শহীদুল জহির রচিত একটি ভিন্ন ধারার পরীক্ষামূলক উপন্যাস। C) জাহান্নাম হইতে বিদায় উপন্যাসটি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। D) আর্তনাদ শওকত ওসমান রচিত একটি রাজনৈতিক ও রূপকধর্মী উপন্যাস। ৫ মনে রাখার টিপস: - শহীদ জননী জাহানারা ইমামের বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বই জাহান্নাম হইতে বিদায় মনে রাখতে লেখিকার নামের সঙ্গে মিলিয়ে নেওয়া যায়। - পরীক্ষার হলে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসগুলো আলাদা করে মনে রাখতে লেখকদের নাম ও প্রকাশের সালগুলো চোখ বুলিয়ে যাওয়া ভালো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস প্রায়ই আসে। - একই সঙ্গে শহীদ জননী জাহানারা ইমামের একাত্তরের দিনগুলি গ্রন্থটিও মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক রচনা হিসেবে সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
a বনী আদম
b জননী
c চৌরসন্ধি
d ক্রীতদাসেরহাসি
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ক্রীতদাসেরহাসি কেন সঠিক: শওকত ওসমানের বিখ্যাত উপন্যাস 'ক্রীতদাসের হাসি' প্রকাশের পরই ব্যাপক প্রশংসা লাভ করে এবং সাহিত্যিক উৎকর্ষের স্বীকৃতিস্বরূপ এটি মর্যাদাপূর্ণ আদমজী পুরস্কার অর্জন করে। উপন্যাসটিতে আইয়ুব খানের স্বৈরাচারী শাসনের প্রতীকী প্রতিবাদ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে, যা সে সময়ের সাহিত্য মহলে অত্যন্ত সমাদৃত হয়েছিল। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা উপন্যাসে প্রতীকধর্মী রচনার এক অনন্য নিদর্শন হলো শওকত ওসমানের এই উপন্যাসটি যা মানুষের বাকস্বাধীনতা হরণের বিরুদ্ধে কথা বলে। সাহিত্য অঙ্গনে ঐতিহাসিক পটভূমি ও রাজনৈতিক রূপকের এক অপূর্ব মিশ্রণ ঘটিয়ে লেখক বাংলা কথাসাহিত্যে এক নতুন ধারা সৃষ্টি করেছিলেন। যেমনটি এই উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র মনসুর আলী খলিফা এবং তার হাসির মধ্য দিয়ে তৎকালীন পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর অমানবিক শাসনব্যবস্থাকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বনী আদম — এটি শওকত ওসমানের একটি বিখ্যাত উপন্যাস হলেও এটি আদমজী পুরস্কার লাভ করেনি। B) জননী — এটি লেখকের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি উপন্যাস যা গ্রামীণ সমাজের দুঃখকষ্ট নিয়ে রচিত কিন্তু এর জন্য তিনি এই পুরস্কার পাননি। C) চৌরসন্ধি — এটি শওকত ওসমানের একটি ভিন্নধর্মী উপন্যাস হলেও এটি প্রধানত অন্য বিষয়ের ওপর রচিত এবং পুরস্কারপ্রাপ্ত নয়। D) ক্রীতদাসেরহাসি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল অপশনের তালিকায় এটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: শওকত ওসমানের সবচেয়ে আলোচিত ও পুরস্কারপ্রাপ্ত উপন্যাস হলো ক্রীতদাসের হাসি। পুরস্কারের নামের সাথে এই উপন্যাসের নাম মিলিয়ে পড়ার কৌশল মনে রাখতে পারো।

মোট প্রশ্ন (15)

a it has no engine
b pace has too much dust
c it has no fuel
d space is airless
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) space is airless কেন সঠিক: মহাকাশে কোনো বায়ু বা বাতাস থাকে না। তাই ডানার কোনো প্রয়োজন হয় না। ডানা শুধু বাতাসের মধ্যে ওড়ার জন্য বা লিফট তৈরি করার জন্য কাজে লাগে। শূন্যতায় ডানা কোনো কাজেই আসে না। রকেট মহাকাশে জ্বালানির জোরে সোজা সামনে এগিয়ে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) it has no engine — রকেটে শক্তিশালী ইঞ্জিন থাকে যা এটিকে চালিত করে। B) pace has too much dust — মহাকাশে অতিরিক্ত ধূলিকণা থাকে এটি সঠিক কারণ নয়। C) it has no fuel — রকেটে পর্যাপ্ত পরিমাণে জ্বালানি থাকে। D) space is airless — এটি সঠিক কারণ কারণ মহাকাশে বাতাস থাকে না। মনে রাখার টিপস: ডানা ওড়ার জন্য বাতাসের প্রয়োজন হয়, কিন্তু মহাকাশ বায়ুশূন্য হওয়ায় সেখানে ডানার কোনো কাজ নেই।
a lightness
b heaviness
c elasticity
d viscosity
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) elasticity কেন সঠিক: রাবারের প্রধান এবং সবচেয়ে পরিচিত প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য হলো এর স্থিতিস্থাপকতা। এর ফলে এটি টানলে লম্বা হয় এবং ছেড়ে দিলে আবার আগের আকারে ফিরে আসে। তাই রাবার বল বা অন্যান্য সামগ্রী তৈরিতে এই গুণটি সবচেয়ে বেশি কাজে লাগে। এই অনন্য ধর্মের জন্যই এটি অন্যান্য সাধারণ উপাদান থেকে আলাদা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) lightness — রাবার খুব হালকা কোনো পদার্থ নয়, বরং এর নিজস্ব পরিমিত ওজন রয়েছে। B) heaviness — রাবারকে ভারী বা ওজনে খুব ভারী পদার্থ হিসেবে গণ্য করা হয় না। C) elasticity — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না। D) viscosity — সান্দ্রতা বা ঘন তরলের বহমানতার সাথে রাবারের মূল বৈশিষ্ট্যের মিল নেই। মনে রাখার টিপস: রাবার দেখলেই মাথায় রাখবে ইলাস্টিক বা রাবার ব্যান্ডের কথা, যা টেনে লম্বা করা যায়।
a 1000 years ago
b 1500 years ago
c 2000 years ago
d 3000 years ago
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২০০০ years ago কেন সঠিক: জুলিয়াস সিজার রোমের একজন বিখ্যাত সেনাপতি ও শাসক ছিলেন। তিনি খ্রিস্টপূর্ব প্রথম শতাব্দীতে অর্থাৎ আজ থেকে প্রায় দুই হাজার বছর আগে বেঁচে ছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1000 years ago — এই সময়কাল জুলিয়াস সিজারের রাজত্বের সাথে মেলে না কারণ তিনি আরও এক হাজার বছর আগে ছিলেন। B) 1500 years ago — এটি রোমান সাম্রাজ্যের পতনের পরের সময়কাল তাই এটি সঠিক নয়। C) 2000 years ago — এটি সঠিক উত্তর কারণ সিজারের সময়কাল বর্তমান থেকে প্রায় দুই শতাব্দী বা দুই হাজার বছর আগের ইতিহাস। D) 3000 years ago — এই সময়ে রোম সাম্রাজ্যের সৃষ্টিই হয়নি তাই এটি ভুল উত্তর। মনে রাখার টিপস: জুলিয়াস সিজারের জন্ম খ্রিস্টের জন্মের প্রায় ১০০ বছর আগে হয়েছিল যা বর্তমান থেকে প্রায় ২০০০ বছর আগের ঘটনা।
a Arctic
b Antarctic
c Antipodes
d Occident
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Antarctic কেন সঠিক: পৃথিবীর ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী দক্ষিণ মেরুটি মূলত অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত। এটি গ্রহের একদম দক্ষিণতম বিন্দু যা সম্পূর্ণ বরফে ঢাকা একটি বিশাল অঞ্চল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Arctic — এটি পৃথিবীর একেবারে উত্তর মেরু অঞ্চলকে নির্দেশ করে, যা দক্ষিণ মেরুর সম্পূর্ণ বিপরীত দিকে অবস্থিত। B) Antarctic — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ এটি নিজেই দক্ষিণ মেরু অঞ্চল। C) Antipodes — এটি সাধারণ অর্থে পৃথিবীর ঠিক বিপরীত দিকের কোনো স্থানকে বোঝায়, কোনো নির্দিষ্ট মহাদেশ নয়। D) Occident — এই শব্দটি সাধারণত পাশ্চাত্য বা পশ্চিম দিক বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা ভৌগোলিক মেরু নয়। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি শব্দ নর্থ পোল যুক্ত থাকে আর্টিকের সাথে আর সাউথ পোল যুক্ত থাকে অ্যান্টার্কটিকার সাথে।
a Astrology
b Astronomy
c Crytology
d Telescopy
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Astronomy কেন সঠিক: - এই প্রশ্নটি সাদৃশ্য বা অ্যানালজি (Analogy) বিষয়ের অন্তর্ভুক্ত। - এখানে প্রথম জোড়ায় প্রাণী ও প্রাণিবিদ্যার সম্পর্ক বোঝানো হয়েছে এবং দ্বিতীয় জোড়ায় গ্রহ ও জ্যোতির্বিজ্ঞানের সম্পর্ক নির্দেশ করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Astrology — এটি জ্যোতিষশাস্ত্র বোঝায়, যা মানুষের ভাগ্য বা ভবিষ্যতের সাথে গ্রহ নক্ষত্রের প্রভাব নিয়ে আলোচনা করে। B) Astronomy — এটি জ্যোতির্বিজ্ঞান বোঝায়, যা মঙ্গল গ্রহসহ মহাবিশ্বের সকল জ্যোতিষ্ক ও গ্রহের বিজ্ঞানসম্মত আলোচনা করে। C) Crytology — এটি কোড বা সংকেত লিখন এবং পাঠোদ্ধার সংক্রান্ত বিজ্ঞান, যার সাথে মহাকাশের কোনো সম্পর্ক নেই। D) Telescopy — এটি দূরবীন ব্যবহারের কৌশল বা প্রযুক্তি বোঝায়, যা কোনো নির্দিষ্ট বিজ্ঞানের নাম নয়। মনে রাখার টিপস: প্রাণীর পড়াশোনা Zoology এবং গ্রহ নক্ষত্রের পড়াশোনা Astronomy মনে রাখলেই উত্তরটি সহজে বের করা সম্ভব।
a Hurt
b Heal
c Fix
d Plaster
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Heal কেন সঠিক: Break শব্দের অর্থ ভাঙা এবং Repair শব্দের অর্থ মেরামত করা। ঠিক তেমনি Wound শব্দের অর্থ ক্ষত এবং Heal শব্দের অর্থ তা সারিয়ে তোলা। এই দুটি জোড়ার মধ্যে বিপরীতার্থক বা কাজের সম্পর্ক বিদ্যমান। ভাঙা জিনিস যেমন মেরামত করা হয়, তেমনি ক্ষত নিরাময় করা হয়। তাই Heal শব্দটি এখানে নিখুঁতভাবে মিলে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Hurt — এর অর্থ আঘাত করা, যা Wound শব্দের সমার্থক বা কাছাকাছি শব্দ কিন্তু বিপরীত কাজ বোঝায় না। B) Heal — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুলের কোনো কারণ নেই। C) Fix — এর অর্থ ঠিক করা, যা সাধারণত যন্ত্রপাতির ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় কিন্তু শরীরের ক্ষতের জন্য উপযোগী নয়। D) Plaster — এর অর্থ প্লাস্টার করা, যা ক্ষতের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হলেও Heal শব্দের মতো সরাসরি নিরাময় বোঝায় না। মনে রাখার টিপস: সমস্যার সাথে সমাধানের সম্পর্কগুলো ভালোভাবে খেয়াল রাখবে যেমন ভাঙলে মেরামত আর ক্ষত হলে নিরাময়।
a Cry
b Shiver
c Shout
d Sneer
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Shout কেন সঠিক: এখানে প্রথম শব্দটির সাথে দ্বিতীয় শব্দটির কারণ ও ফলাফল বা প্রতিক্রিয়ার সম্পর্ক আছে। ভয় পেলে মানুষ যেমন ভয়ে চিৎকার বা আর্তনাদ করে, তেমনি প্রচণ্ড রাগের মাথায় মানুষ চিৎকার করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Cry — রাগ হলে মানুষ সবসময় কান্না করে না, তাই এটি সঠিক জোড় নয়। B) Shiver — কাঁপুনি সাধারণত ভয় বা ঠান্ডার সাথে যুক্ত, রাগের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। C) Shout — এটি সঠিক কারণ রাগের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে মানুষ চিৎকার বা চেঁচামেচি করে। D) Sneer — এটি ব্যঙ্গ করা বা তাচ্ছিল্য প্রকাশ করা বোঝায়, যা রাগের তাৎক্ষণিক স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া নয়। মনে রাখার টিপস: শব্দ জোড়ার সম্পর্কের ধরন বুঝলে সহজেই সঠিক উত্তর মেলানো যায়।
a failed
b broke
c lost
d passed
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) lost কেন সঠিক: - ইংরেজি ভাষা ও ব্যাকরণে চেতনা হারানোর ক্ষেত্রে 'lose consciousness' একটি নির্দিষ্ট বা প্রমিত বাকধারা (idiom) হিসেবে ব্যবহৃত হয়। - এখানে আঘাত পাওয়ার কারণে চেতনা হারিয়ে ফেলার অর্থ প্রকাশ করতে 'lost' শব্দটি সবচেয়ে উপযুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) failed — 'fail consciousness' বলতে কোনো অর্থ বোঝায় না এবং এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) broke — 'break consciousness' বাকধারাটি অসঙ্গতিপূর্ণ এবং এর কোনো বাস্তব প্রয়োগ নেই। সি) lost — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল হিসেবে প্রযোজ্য নয়। D) passed — 'pass consciousness' হয় না, তবে 'pass out' বা 'lose consciousness' সঠিক হয়। মনে রাখার টিপস: চেতনা হারানোর ইংরেজি অর্থ মনে রাখতে সবসময় 'lose consciousness' বা 'lost consciousness' এই ফ্রেজটি মুখস্থ রাখবে।
a going
b go
c went
d gone
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) went কেন সঠিক: বাক্যের প্রথমাংশ 'Only after' দিয়ে শুরু হলে এবং মাঝখানে কমা থাকলে, সাধারণত পরের অংশে পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্স বসে। এখানে মূল ক্লজে 'did I remember' থাকায় আগের অংশে ভার্বের পাস্ট ফর্ম ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) going — এটি জিরান্ড বা পার্টিসিপল ফর্ম, যা এখানে সরাসরি মূল ভার্ব হিসেবে বসতে পারে না। B) go — এটি ভার্বের প্রেজেন্ট ফর্ম, যা পাস্ট টেন্সের বাক্যের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। C) went — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল অপশনের তালিকায় প্রযোজ্য নয়। D) gone — এটি ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম, যা সাহায্যকারী ভার্ব ছাড়া একা বসতে পারে না। মনে রাখার টিপস: Only after যুক্ত বাক্যে দুটি অংশ থাকলে একটি পাস্ট পারফেক্ট বা পাস্ট ইনডেফিনিট হলে অন্যটি পাস্ট ইনডেফিনিট হয়।
a aside
b beside
c outside
d under
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: A) aside কেন সঠিক: - Put aside একটি উপযুক্ত ফ্রেজাল ভার্ব, যার অর্থ ভবিষ্যতের ব্যবহারের জন্য টাকা বা কিছু জমিয়ে রাখা। - সন্তানের শিক্ষার জন্য টাকা জমানো অর্থে এখানে aside শব্দটি বসবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) aside — এটি সঠিক উত্তর কারণ put aside অর্থ জমানো। B) beside — এর অর্থ পাশে, যা এখানে অর্থপূর্ণ নয়। C) outside — এর অর্থ বাইরে, যা বাক্যকে অসম্পূর্ণ করে তোলে। D) under — এর অর্থ নিচে, যা এই বাক্যের শূন্যস্থানে বসে না। মনে রাখার টিপস: টাকা জমানো বা ভবিষ্যতের জন্য কিছু সরিয়ে রাখার ক্ষেত্রে Put এর সাথে aside ব্যবহার করতে হয়।
a 10
b 11
c 18
d 20
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) 20 কেন সঠিক: - ১ থেকে ১০০ পর্যন্ত সংখ্যা গণনার সময় একক স্থানীয় অঙ্কে ৫ পাওয়া যায় ১০ বার (৫, ১৫, ২৫, ৩৫, ৪৫, ৫৫, ৬৫, ৭৫, ৮৫, ৯৫)। - দশক স্থানীয় অঙ্কে বা ৫০ এর ঘরে ৫ পাওয়া যায় ১০ বার (৫০ থেকে ৫৯ পর্যন্ত সব সংখ্যায়)। - সর্বমোট ৫ এর সংখ্যা হলো ১০ বার যোগ ১০ বার সমান ২০ বার। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 10 — এটি শুধু একক স্থানীয় অঙ্কে অথবা শুধু দশক স্থানীয় অঙ্কের ৫ এর সংখ্যা, কিন্তু উভয় স্থানীয় অঙ্কের হিসাব এখানে বাদ পড়েছে। B) 11 — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ এটি কোনো নির্দিষ্ট নিয়মের সাথে মিলে না এবং প্রকৃত হিসাবের চেয়ে অনেক কম। C) 18 — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ ৫৫ সংখ্যাটিতে দুটি ৫ থাকায় তা সঠিকভাবে গণনা না করে ভুল করা হয়েছে। D) 20 — এটি সঠিক উত্তর কারণ ১ থেকে ১০০ এর মধ্যে একক এবং দশক মিলিয়ে মোট ২০ বার ৫ অঙ্কটি আসে। মনে রাখার টিপস: ১ থেকে ১০০ পর্যন্ত যেকোনো একক অঙ্ক (যেমন ৫) মোট ২০ বার পাওয়া যায়, যার ১০ বার থাকে একক ঘরে এবং ১০ বার থাকে দশক ঘরে।
a 0
b 9
c 18
d 16
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৯ কেন সঠিক: - বাক্যে 'All but ९ died' এর অর্থ হলো ৯টি ছাড়া বাকি সব মারা গেছে। - অর্থাৎ, বেঁচে থাকা মুরগির সংখ্যা হলো অবিকৃতভাবে ৯টি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ০ — এটি ভুল উত্তর কারণ মারা যাওয়ার পর শূন্যটি বেঁচে থাকার কথা বলা হয়নি। B) ৯ — এটি সঠিক উত্তর কারণ ৯টি মুরগি মারা যায়নি। C) ১৮ — এটি ভুল উত্তর কারণ ১৭টি মুরগির সঙ্গে অতিরিক্ত কোনো মুরগি যোগ করা হয়নি। D) ১৬ — এটি ভুল উত্তর কারণ ১৭ থেকে ১ বিয়োগ করে ভুল হিসাব করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: 'All but' যুক্ত ট্রিকি প্রশ্নে 'but' এর পরের সংখ্যাটিই সরাসরি উত্তর হিসেবে ধরতে হয়।
a 3
b 6
c 9
d 18
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: খ) ৬ কেন সঠিক: প্রশ্নটিতে বলা হয়েছে ২ জন টাইপিস্ট ২ মিনিটে টাইপ করেন ২ পৃষ্ঠা। এর মানে হলো ১ জন টাইপিস্ট ২ মিনিটে টাইপ করতে পারেন ১ পৃষ্ঠা। এখন ৬ মিনিটে ১৮ পৃষ্ঠা টাইপ করতে হবে, যা হিসাব করলে দাঁড়ায় ১ মিনিটে ৩ পৃষ্ঠা টাইপের সমান। এই গতি বজায় রাখতে হলে মোট ৬ জন টাইপিস্টের প্রয়োজন হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: ক) ৩ — ৩ জন টাইপিস্ট ৬ মিনিটে মাত্র ৯ পৃষ্ঠা টাইপ করতে পারবেন, যা ১৮ পৃষ্ঠা পূরণের জন্য যথেষ্ট নয়। খ) ৬ — এই অপশনটি সঠিক কারণ সঠিক নিয়মে হিসাব করলে কাজের পরিমাণ ও সময়ের সাথে ৬ জন টাইপিস্ট মিলে ১৮ পৃষ্ঠা সম্পন্ন করতে পারবেন। গ) ৯ — ৯ জন টাইপিস্ট নিয়োগ করলে তারা ৬ মিনিটে ২৭ পৃষ্ঠা টাইপ করে ফেলবেন, যা প্রয়োজনের চেয়ে বেশি। ঘ) ১৮ — ১৮ জন টাইপিস্ট কাজ করলে তারা নির্ধারিত সময়ের অনেক আগেই কাজ শেষ করে ফেলবেন এবং সংখ্যাটি অতিরিক্ত হবে। মনে রাখার টিপস: ঐক্যের নিয়মের অংকে প্রথমে ১ জন টাইপিস্ট ১ মিনিটে কতটুকু কাজ করতে পারে তা বের করে নিলে বড় সমস্যার সমাধান খুব সহজেই করা যায়।
a i
b e
c a
d t
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) t কেন সঠিক: বাক্যটির শুরু থেকে পঞ্চম কনসোনেন্ট বা ব্যঞ্জনবর্ণ কোনটি তা খুঁজে বের করতে হবে। এখানে প্রদত্ত বাক্যটি হলো The fifth consonant from the beginning of this sentence is the letter_. বাক্যের শুরুর অক্ষরগুলো থেকে প্রথম পাঁচটি কনসোনেন্ট গণনা করলে দেখা যায়, পঞ্চম বর্ণটি হলো t। বাকি অপশন কেন ভুল: A) i — এটি একটি ভাওয়েল বা স্বরবর্ণ, তাই এটি কনসোনেন্ট হিসেবে গণনা করা হয়নি। B) e — এটিও একটি ভাওয়েল হওয়ায় সঠিক উত্তরের তালিকায় আসে না। C) a — এটি বাক্যটির শুরুতে থাকা ভাওয়েল, যা কনসোনেন্টের শর্ত পূরণ করে না। D) t — এটি সঠিক কারণ গণনা অনুযায়ী এটি পঞ্চম কনসোনেন্ট। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি বাক্য থেকে বর্ণ গণনার সময় ভাওয়েল (a, e, i, o, u) বাদ দিয়ে শুধু কনসোনেন্টগুলো ক্রমানুসারে গণনা করতে হবে।
a Sunday
b Tuesday
c Wednesday
d Monday
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Wednesday কেন সঠিক: মাসের দ্বিতীয় দিনটি যদি সোমবার হয়, তবে ১৮ তম দিনটি বের করতে দিনের ব্যবধান হিসাব করতে হবে। ১৮ থেকে ২ বিয়োগ করলে মোট ১৬ দিন পাই এবং একে ৭ দ্বারা ভাগ করলে ভাগশেষ থাকে দুই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Sunday — সোমবারের সাথে দুই দিন যোগ করলে বুধবার হয়, রবিবার হয় না। B) Tuesday — সঠিক হিসাব অনুযায়ী বারের মান মঙ্গলবার আসে না। C) Wednesday — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয়। D) Monday — আঠারোতম দিনটি একই বার হতে পারে না কারণ ১৬ দিন ৭ দ্বারা সম্পূর্ণ বিভাজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: তারিখের অংক করার সময় সর্বদা মোট দিনের ব্যবধানকে সাত দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষ হিসাব করতে হবে।

মোট প্রশ্ন (25)

a lack of interest
b indifferent
c callous
d neutral
0 92 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) neutral প্রদত্ত তথ্য: disinterested শব্দের সঠিক ইংরেজি অর্থ বের করতে হবে অপশনগুলোতে ভিন্ন ভিন্ন শব্দার্থ দেওয়া আছে ধরি, disinterested শব্দের মূল অর্থ নিরপেক্ষ বা পক্ষপাতহীন lack of interest অর্থ আগ্রহহীনতা indifferent অর্থ উদাসীন callous অর্থ অনুভূতিহীন অতএব, neutral শব্দের অর্থ নিরপেক্ষ বা পক্ষপাতহীন disinterested এবং neutral উভয় শব্দের অর্থ প্রায় একই সুতরাং, সঠিক বিকল্প হিসেবে neutral নির্বাচিত হলো উত্তর: D) neutral
a more busy
b busy
c busiest
d most busiest
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) busiest প্রদত্ত তথ্য: শূন্যস্থানের আগে the আর্টিকেল রয়েছে বাক্যে এশিয়া মহাদেশের সমস্ত ব্যস্ত শহরের সাথে তুলনা করা হয়েছে ধরি, ব্যস্ত শব্দটির ইংরেজি রূপ busy অতএব, busy শব্দটির সুপারলেটিভ ডিগ্রি হলো busiest কারণ the আর্টিকেলের পর সবসময় সুপারলেটিভ ডিগ্রি বসে সুতরাং, most busiest লেখা ভুল কারণ busiest নিজেই সুপারলেটিভ উত্তর: C) busiest
a retired
b had retired
c has retired
d will be retired
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) retired প্রদত্ত তথ্য: বাক্যটিতে দুটি অতীত কালের কাজের উল্লেখ আছে আগের কাজটি পাস্ট পারফেক্ট টেন্স এবং পরের কাজটি সিম্পল পাস্ট টেন্স হয় ধরি, প্রথম কাজ হলো বইটি লেখা দ্বিতীয় কাজ হলো অবসর নেওয়া অতএব, প্রথম অংশটি পাস্ট পারফেক্ট টেন্সে গঠিত হয়েছে দ্বিতীয় অংশটিতে সিম্পল পাস্ট টেন্স বসবে সুতরাং, সঠিক কাল অনুযায়ী শূন্যস্থানে ভি টু রূপ বসবে অবসর নেওয়ার ইংরেজি রিটায়ার্ড শব্দটির পাস্ট ফর্ম হলো retired উত্তর: A) retired
a over
b through
c with
d by
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) over প্রদত্ত তথ্য: টেলিফোনে যোগাযোগের ক্ষেত্রে preposition ব্যবহারের নিয়ম এখানে উপায়ে বা মাধ্যমে বোঝাতে সঠিক শব্দ নির্বাচন ধরি, টেলিফোনের মাধ্যমে যোগাযোগের ক্ষেত্রে মাধ্যম বোঝানো হয়েছে তাই শূন্যস্থানে সঠিক preposition বসাতে হবে অতএব, over telephone একটি বহুল প্রচলিত সঠিক ফ্রেজ with বা by telephone সাধারণত ব্যবহার হয় না সুতরাং, সঠিক উত্তরটি হবে over উত্তর: A) over
a example
b priority
c elderly
d case
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) priority প্রদত্ত তথ্য: ইংরেজি শব্দ precedence এর অর্থ নির্ণয় করতে হবে অপশনগুলোতে সমার্থক শব্দ দেওয়া আছে ধরি, precedence শব্দের বাংলা অর্থ অগ্রগামিতা বা অগ্রাধিকার অপশন এ অর্থ উদাহরণ অপশন বি অর্থ অগ্রাধিকার অতএব, precedence এর সাথে priority শব্দের মিল রয়েছে তাই সঠিক উত্তর হবে priority সুতরাং, প্রদত্ত বিকল্পগুলোর মধ্যে সবচেয়ে উপযুক্ত শব্দ হলো priority উত্তর: B) priority
a raising
b risen
c rising
d raised
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) rising প্রদত্ত তথ্য: চালের দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে বাক্যটি বর্তমান চলমান কালের নির্দেশ করছে ধরি, বাক্যটির সাবজেক্ট হলো দ্য প্রাইস অফ রাইস এটি একটি অসংজ্ঞায়িত বা নির্দিষ্ট মূল্যের অবস্থা বোঝাচ্ছে অতএব, এখানে মূল ভার্বের সাথে আইএনজি যুক্ত হবে রাইজিং শব্দটি এই শূন্যস্থানে সঠিকভাবে বসে সুতরাং, সঠিক বাক্যটি হবে দ্য প্রাইস অফ রাইস ইজ রাইসিং এটি বর্তমান continuous tense এর গঠন মেনে চলে উত্তর: C) rising
a to adjust
b to accompany
c to interest
d to walk
0 57 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) to adjust প্রদত্ত তথ্য: ইংরেজি একটি বাকধারা বা ফ্রেজ দেওয়া হয়েছে যার সঠিক অর্থ নির্ধারণ করতে হবে ধরি, বাকধারাটি হলো to get along with অতএব, এর অর্থ হলো কারো সাথে মিলে চলা বা মানিয়ে নেওয়া প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে A অপশনে আছে to adjust সুতরাং, সঠিক উত্তরটি হলো A) to adjust উত্তর: A) to adjust
a Keats
b Forst
c Eliot
d Shelley
0 93 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Shelley প্রদত্ত তথ্য: বিখ্যাত ইংরেজি সাহিত্যিক পার্সি বিশ শেলি তাঁর বিখ্যাত কবিতা ওডে টু দ্য ওয়েস্ট উইন্ড এর শেষ চরণে এই বিখ্যাত পঙক্তিটি লিখেছেন ধরি, শীতকাল মানে কষ্টের সময় বসন্তকাল মানে সুখ ও আশার সময় অতএব, শীতের পরেই বসন্ত আসে তেমনি কষ্টের পরেই সুখ আসে সুতরাং, এই আশাবাদী পঙক্তির রচয়িতা শেলি সঠিক বিকল্পটি হলো ডি উত্তর: D) Shelley
a enshort
b shorten
c shorted
d shorting
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) shorten প্রদত্ত তথ্য: মূল শব্দটি হলো short ধরি, short শব্দটির বিভিন্ন রূপ হলো Noun, Adjective এবং Verb অতএব, short শব্দটির Verb রূপ হলো shorten সুতরাং, সঠিক অপশন হলো B) shorten উত্তর: B) shorten
a hot
b heat
c winter
d cool
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) hot প্রদত্ত তথ্য: এখানে শব্দের বিপরীত অর্থের সম্পর্ক বোঝানো হয়েছে আলোর বিপরীত শব্দ হলো অন্ধকার ঠান্ডার বিপরীত শব্দ হলো গরম ধরি, প্রথম শব্দ জোড়া = light এবং dark দ্বিতীয় শব্দ জোড়া = cold এবং ? অতএব, light এর বিপরীত হলো dark cold এর বিপরীত হলো hot সুতরাং, শূন্যস্থানে সঠিক শব্দটি হবে hot উত্তর: A) hot
a than
b but
c to
d without
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) to প্রদত্ত তথ্য: বাক্যটিতে দুটি কাজের তুলনা করা হচ্ছে একটি কাজের চেয়ে অন্য কাজকে বেশি পছন্দ করার কথা বলা হয়েছে ধরি, প্রথম কাজটি হলো টাকা দান করা দ্বিতীয় কাজটি হলো কাপড় বিতরণ করা অতএব, предпочение বা তুলনার ক্ষেত্রে prefer শব্দের পরে to ব্যবহৃত হয় এখানে than ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল সুতরাং, সঠিক শূন্যস্থানে to বসবে উত্তর: C) to
a since
b about
c in
d for
0 91 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) for প্রদত্ত তথ্য: বাক্যটিতে একটি সময়ের ব্যাপ্তি বা স্থায়িত্ব বোঝানো হয়েছে তিন মাস একটি নির্দিষ্ট সময়কাল বা مدت ধরি, নির্দিষ্ট পয়েন্ট অফ টাইম এর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় since নির্দিষ্ট সময়কাল বা পিরিয়ড অফ টাইমের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় for অতএব, এখানে three months হলো একটি সময়ের ব্যাপ্তি তাই শূন্যস্থানে since বসবে না সুতরাং, ব্যাপ্তির ক্ষেত্রে সঠিক preposition হবে for উত্তর: D) for
a a noun phrase
b an infinitive
c a prepositional phrase
d a verb phrase
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) a noun phrase প্রদত্ত তথ্য: বাক্যটিতে waiting for the bus অংশটি underline করা আছে এটি বাক্যে একটি বিশেষ পদের গুচ্ছ হিসেবে কাজ করছে ধরি, underlined অংশটি একটি নির্দিষ্ট grammatical unit এটি মূল verb এর সাথে যুক্ত হয়ে সম্পূর্ণ noun এর কাজ সম্পন্ন করছে অতএব, এখানে waiting হলো gerund এবং for the bus হলো তার modifier সম্পূর্ণ অংশটি মিলে একটি noun phrase গঠন করেছে সুতরাং, সঠিক অপশনটি হলো a noun phrase উত্তর: A) a noun phrase
a 7 meters
b 14 meters
c 10 meters
d 6 meters
0 110 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১০ meters প্রদত্ত তথ্য: দুইজন ব্যক্তি একই বিন্দু থেকে বিপরীত দিকে ৪ meters হাঁটে এরপর দুজনেই বাম দিকে ঘুরে আরও ৩ meters হাঁটে ধরি, প্রথম ব্যক্তির যাত্রার বিন্দু থেকে শেষ অবস্থানের দূরত্ব হলো একটি সমকোণী ত্রিভুজের অতিভুজ যার ভূমি হলো ৪ meters এবং লম্ব হলো ৩ meters অতএব, পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুযায়ী দূরত্ব হবে ভূমির বর্গ এবং লম্বের বর্গের যোগফলের বর্গমূল দূরত্ব = √(৪ এর বর্গ + ৩ এর বর্গ) সুতরাং, দূরত্ব = √(১৬ + ৯) = √২৫ = ৫ meters উত্তর: যেহেতু তারা বিপরীত দিকে ছিল, তাই তাদের মধ্যকার মোট দূরত্ব হবে ৫ meters + ৫ meters = ১০ meters
a Boswell
b Ben Jonson
c Samuel Johnson
d Milton
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Samuel Johnson প্রদত্ত তথ্য: ইংরেজী সাহিত্যের ইতিহাস অনুযায়ী প্রথম ইংরেজি অভিধান প্রণয়ন করা হয়েছিল এই ঐতিহাসিক কাজটি সম্পন্ন করেছিলেন স্যামুয়েল জনসন ধরি, অভিধান রচয়িতা হিসেবে প্রথম স্বীকৃতি পেয়েছেন স্যামুয়েল জনসন অতএব, ১৭৫৫ সালে তাঁর বিখ্যাত ডিকশনারি অব দ্য ইংলিশ ল্যাঙ্গুয়েজ প্রকাশিত হয় এটি ইংরেজি ভাষার অন্যতম প্রথম পূর্ণাঙ্গ অভিধান হিসেবে পরিচিত লাভ করে সুতরাং, সঠিক বিকল্পটি হলো স্যামুয়েল জনসন উত্তর: C) Samuel Johnson
a telecast
b published
c telecasted
d broadcasted
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) telecast প্রদত্ত তথ্য: টেলিভিশন বা বেতারের জন্য নতুন অনুষ্ঠান প্রচার করা বোঝাতে বিশেষ শব্দ ব্যবহার করা হয়। ইংরেজি ব্যাকরণ অনুযায়ী telecast শব্দের অতীত ও ভবিষ্যৎ রূপ একই থাকে। ধরি, বাক্যটির শূন্যস্থানে সঠিক verb এর সঠিক রূপ বসাতে হবে। এখানে ভবিষ্যতের অর্থ প্রকাশ করতে future indefinite tense এর গঠন ব্যবহার করা হয়েছে। অতএব, published শব্দটি সাধারণত বই বা পত্রিকার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় যা এখানে প্রযোজ্য নয়। telecasted এবং broadcasted শব্দগুলো ব্যাকরণগতভাবে অপ্রচলিত বা ভুল। সুতরাং, সঠিক নিয়ম অনুযায়ী এখানে telecast শব্দটির ব্যবহার সবচেয়ে উপযুক্ত। উত্তর: A) telecast
a election office
b a body of voter
c many elections
d candidates
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) a body of voter প্রদত্ত তথ্য: The word 'electorate' means ভোটদাতা বা ভোটারদের সমষ্টি। ধরি, এই শব্দটির ইংরেজি অর্থ হলো ভোটারের দল। অতএব, প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে সঠিক অর্থ প্রকাশ করে ভোটারদের একটি শরীর বা সমষ্টি। সুতরাং, সঠিক উত্তরটি হলো ভোটারদের সমষ্টি নির্দেশক অপশন। উত্তর: B) a body of voter
a George Orwell
b Stevenson
c Swift
d Mark Twain
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) George Orwell প্রদত্ত তথ্য: বিখ্যাত উপন্যাস অ্যানিমেল ফার্ম এটি একটি রাজনৈতিক উপন্যাস ধরি, এই উপন্যাসের রচয়িতা একজন বিখ্যাত লেখক তাঁর প্রকৃত নাম এরিক আর্থার ব্লেয়ার অতএব, তিনি জর্জ অরওয়েল ছদ্মনামে লেখালেখি করতেন ১৯৪৫ সালে এই গ্রন্থটি প্রকাশিত হয়েছিল সুতরাং, জর্জ অরওয়েল বিশ্বসাহিত্যে এই অনন্য রচনার জন্য পরিচিত উত্তর: George Orwell
a to
b for
c than
d of
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) of প্রদত্ত তথ্য: ইংরেজি গ্রামারের একটি নির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী কোনো কিছুর বিকল্প বোঝাতে alternative এর পরে preposition হিসেবে of ব্যবহৃত হয়। তাই শূন্যস্থানে সঠিক শব্দ হিসেবে of বসবে। ধরি, প্রদত্ত বাক্যটি হলো there is no alternative of training. এখানে alternative শব্দটির পরে সঠিক preposition নির্বাচন করতে হবে। অতএব, প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে সঠিক ব্যাকরণগত নিয়ম মেনে চলে of. বাক্যের অর্থ দাঁড়ায় প্রশিক্ষণের কোনো বিকল্প নেই। সুতরাং, শূন্যস্থানের জন্য সঠিক বিকল্পটি হলো of. উত্তর: D
a This is an unique case
b This is a unique case
c This is a very unique case
d This is the most unique case
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) This is a unique case প্রদত্ত তথ্য: ইউনিক শব্দের অর্থ হলো অনন্য এর পূর্বে কোনো superlative বা comparative বসে না ধরি, unique শব্দটি একটি absolute adjective এর আগে an বসবে না কারণ এর উচ্চারণ ইউ এর মতো অতএব, vowel থাকা সত্ত্বেও unique শব্দের আগে an না বসে a বসে very বা most শব্দগুলো এই শব্দের আগে ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল সুতরাং, সঠিক বাক্য গঠন হবে a unique case উত্তর: B) This is a unique case
a able
b but
c try
d afford
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) afford প্রদত্ত তথ্য: শূন্যস্থান পূরণে সঠিক ইংরেজি শব্দ নির্বাচন করতে হবে বাক্যটির অর্থ হলো আমি এত বেশি দাম দিতে পারব না ধরি, বাক্যটির ভাবার্থ হলো সামর্থ্য থাকা সামর্থ্য অর্থে সঠিক ইংরেজি শব্দ হলো afford অতএব, অপشن এ তে able আছে যা সঠিক নয় অপشن বি তে but আছে যা এখানে বসে না সুতরাং, খালি ঘরে afford বসলে বাক্যটি অর্থপূর্ণ হয় উত্তর: D) afford
a 0.8 mph
b 1.6 mph
c 2.4 mph
d 3.2 mph
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১.৬ mph প্রদত্ত তথ্য: প্রতিকূলে সাঁতার কাটার গতি = ১ mph অনুকূলে সাঁতার কাটার গতি = ৪ mph অতিক্রান্ত দূরত্বের পরিমাণ = ৪ মিটার ধরি, প্রতিকূলে যাওয়ার সময় = ৪ ÷ ১ = ৪ ঘণ্টা অনুকূলে ফিরে আসার সময় = ৪ ÷ ৪ = ১ ঘণ্টা মোট অতিক্রান্ত দূরত্ব = ৪ + ৪ = ৮ মিটার অতএব, মোট অতিবাহিত সময় = ৪ + ১ = ৫ ঘণ্টা গড় গতির হিসাব = মোট দূরত্ব ÷ মোট সময় মান বসিয়ে পাই, ৮ ÷ ৫ সুতরাং, নির্ণেয় গড় গতি = ১.৬ mph উত্তর: ১.৬ mph
a 25
b 45
c 55
d 70
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৭০ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যাটি হলো ত্রিশ অর্ধেক দ্বারা ভাগ এবং দশ যোগ করতে হবে ধরি, প্রথম অংশ হলো ত্রিশ ভাগ শূন্য দশমিক পাঁচ দ্বিতীয় অংশ হলো যোগ দশ অতএব, ত্রিশ ভাগ শূন্য দশমিক পাঁচ এর মান ষাট ষাট যোগ দশ এর মান সত্তর সুতরাং, সম্পূর্ণ হিসাবের ফলাফল হলো সত্তর উত্তর: সত্তর
a 15
b 16
c 17
d 18
0 95 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৬ প্রদত্ত তথ্য: রহিমের বর্তমান বয়স ১২ বছর সে করিমের বর্তমান বয়সের তিন গুণ বড় ধরি, করিমের বর্তমান বয়স = ১২ ÷ ৩ = ৪ বছর রহিম ও করিমের বয়সের পার্থক্য = ১২ − ৪ = ৮ বছর অতএব, রহিম যখন করিমের বয়সের দ্বিগুণ হবে তখন তাদের বয়সের পার্থক্য ওই ৮ বছরই থাকবে ধরি, তখন করিমের বয়স = ক বছর সুতরাং, রহিমের বয়স হবে = ২ × ক বছর শর্তমতে, ২ × ক − ক = ৮ উত্তর: রহিমের বয়স হবে ১৬ বছর
a 40
b 60
c 30
d 600
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩০ প্রদত্ত তথ্য: ১০ এর ৩০% এবং একটি অজানা সংখ্যার ১০% পরস্পর সমান ধরি, অজানা সংখ্যাটি ক অতএব, ১০ এর ৩০% = ১০ × (৩০ ÷ ১০০) = ৩ ক এর ১০% = ক × (১০ ÷ ১০০) = ক ÷ ১০ সুতরাং, ক ÷ ১০ = ৩ উত্তর: ক = ৩০

মোট প্রশ্ন (23)

a সংবাদ সংস্থা
b পরিবেশ সংস্থা
c গোয়েন্দা সংস্থা
d মানবাধিকারসংস্থা
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) গোয়েন্দা সংস্থা কেন সঠিক: - ফেয়ার ফ্যাক্স হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিখ্যাত বেসরকারি বা প্রাইভেট গোয়েন্দা সংস্থা। - এই সংস্থাটি মূলত অর্থনৈতিক অপরাধ তদন্ত এবং কর্পোরেট গোয়েন্দাগিরির কাজে বিশেষভাবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সংবাদ সংস্থা — এটি কোনো সংবাদ পরিবেশন বা প্রচারের সঙ্গে যুক্ত মাধ্যম বা প্রতিষ্ঠান নয়। B) পরিবেশ সংস্থা — এটি কোনো পরিবেশ সংরক্ষণ বা দূষণ রোধ সংক্রান্ত সরকারি বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠান নয়। C) গোয়েন্দা সংস্থা — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক কারণ এটি একটি সুপরিচিত প্রাইভেট গোয়েন্দা সংস্থা। D) মানবাধিকারসংস্থা — এটি কোনো মানবাধিকার রক্ষা বা প্রচারের সঙ্গে জড়িত দাতব্য বা সামাজিক সংগঠন নয়। মনে রাখার টিপস: ফেয়ার ফ্যাক্স নামটির সঙ্গে গোয়েন্দা কার্যক্রম যুক্ত, এভাবে মনে রাখতে পারো যে ফেয়ার ফ্যাক্স মানেই গোপন তথ্য অনুসন্ধানের গোয়েন্দা সংস্থা।
a নেগ্রিটো
b ভোটচীন
c দ্রাবিড়
d অস্ট্রিক
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অস্ট্রিক কেন সঠিক: - নৃতাত্ত্বিক ইতিহাস অনুযায়ী অস্ট্রিক জাতির মানুষেরা ভারতীয় উপমহাদেশে প্রথম বসতি স্থাপন করেছিল এবং তাদের মাধ্যমেই বাঙালি জাতির মূল ভিত্তি গড়ে উঠেছে। - ডঃ নীহাররঞ্জন রায় সহ বিশিষ্ট ইতিহাসবিদদের মতে বাঙালি সংস্কৃতির কৃষিভিত্তিক সমাজ ও জীবনযাত্রার বড় একটি অংশ অস্ট্রিক বা নিষাদ জনগোষ্ঠীর অবদান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নেগ্রিটো — এরা ভারতীয় উপমহাদেশের আদিম অধিবাসী হলেও বাঙালি জাতির প্রধান অংশ গঠনে এদের প্রভাব সবচেয়ে কম। B) ভোটচীন — এই মঙ্গলীয় গোষ্ঠী মূলত উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় জনবসতির উন্নয়নে ভূমিকা রেখেছে, বাঙালি জাতির প্রধান অংশ নয়। C) দ্রাবিড় — সিন্ধু সভ্যতার নির্মাতা এই জনগোষ্ঠী দক্ষিণ ভারতে প্রধানত বিস্তার লাভ করলেও বাঙালির গঠনে এরা দ্বিতীয় প্রধান অংশ। D) অস্ট্রিক — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: বাঙালি জাতির মূল ভিত্তি হলো অস্ট্রিক, মনে রাখতে পারেন অ-তে অস্ট্রিক এবং অ-তে আদি ভিত্তি।
a ১২০৬
b ১৩১০
c ১৬১০
d ১৫২৬
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি / ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ঘটনা সঠিক উত্তর: C) ১৬১০ কেন সঠিক: - সম্রাট জাহাকীরের শাসনামলে ১৬১০ সালে সুবাদার ইসলাম খান চিশতি বাংলার রাজধানী রাজমহল থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করেন এবং এর নাম দেন জাহাঙ্গীরনগর। - মুঘলদের পূর্ব ভারতের বিদ্রোহী ভুঁইয়াদের দমন এবং নদীমাতৃক অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কৌশলগত কারণে ঢাকাকে রাজধানী করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১২০৬ — এই সালে বখতিয়ার খলজির বাংলা বিজয়ের পর লক্ষণাবতীতে মুসলিম শাসন শুরু হয়, ঢাকার সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। B) ১৩১০ — এই সময়ে বাংলা স্বাধীন সুলতানি আমলের অধীনে ছিল এবং রাজধানী ছিল গৌড় বা পান্ডুয়ায়। ডি) ১৫২৬ — এই সালে ভারতের মাটিতে মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা সম্রাট বাবর প্রথম পানিপথের যুদ্ধে জয়লাভ করেন। মনে রাখার টিপস: ১৬১০ সালে ইসলাম খান ঢাকাকে মুঘল বাংলার রাজধানী করেন এবং নাম রাখেন জাহাঙ্গীরনগর।
a বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা
b প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
c পূর্ববাংলার অর্থনৈতিক বৈষম্য দূরীকরণ
d বিনা ক্ষতিপূরণে জমিদারী উচ্ছেদ
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা প্রদত্ত তথ্য: ঐতিহাসিক একাত্তর দফার প্রথম দাবি সম্পর্কিত প্রশ্ন পাকিস্তানের চুরাশি সালের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এই দাবি প্রণীত হয় ধরি, ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে বাঙালি জাতির অধিকার আদায়ের দলিল = একাত্তর দফা দাবি প্রথম দফা দাবি = রাষ্ট্রভাষা সংক্রান্ত ঘোষণা অতএব, তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের মানুষের প্রধান দাবি ছিল মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষা করা তাই পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে বাংলার স্বীকৃতি চাওয়া হয়েছিল সুতরাং, ঐতিহাসিক একাত্তর দফা দাবির প্রথম দাবি ছিল বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করা উত্তর: A) বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা
a ১৬ ডিসেম্ববর, ১৯৭৯
b ২৬ ডিসেম্ববর, ১৯৭৯
c ১ জানুয়ারী, ১৯৮০
d ২১ ফেব্রুয়ারী, ১৯৮০
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭৯ কেন সঠিক: - ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনের সামনে অবস্থিত ঐতিহাসিক ভাস্কর্য অপরাজেয় বাংলা ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭৯ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়। - মুক্তিযুদ্ধে ছাত্রসমাজ ও সাধারণ মানুষের বীরত্বপূর্ণ অবদান এবং অংশগ্রহণকে স্মরণীয় করে রাখতে এটি নির্মাণ করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭৯ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দিনেই ভাস্কর্যটি উদ্বোধন করা হয়। B) ২৬ ডিসেম্বর, ১৯৭৯ — এই তারিখে অপরাজেয় বাংলা উদ্বোধন করা হয়নি, এটি ভুল সাল ও তারিখ। C) ১ জানুয়ারী, ১৯৮০ — এটি সঠিক উদ্বোধনের তারিখ নয়, এর আগেই ভাস্কর্যটির উদ্বোধন সম্পন্ন হয়। D) ২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৮০ — এটি ভাষা শহীদ দিবস হলেও অপরাজেয় বাংলা উদ্বোধনের তারিখের সঙ্গে মেলে না। মনে রাখার টিপস: বিজয় দিবসের দিন অর্থাৎ ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭৯ সালে অপরাজেয় বাংলা উদ্বোধন করা হয়েছিল।
a ৪৬.৫ মি.
b ৪৬ মি.
c ৪৫.৫ মি.
d ৪৫ মি.
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪৬.৫ মি. কেন সঠিক: - সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধের মূল মিনারটি সাত জোড়া দেওয়াল নিয়ে গঠিত, যার সর্বোচ্চ উচ্চতা ১৫০ ফুট বা ৪৬.৫ মিটার। - معماری বা স্থাপত্যের দিক থেকে এই উচ্চতা স্মৃতিসৌধের প্রধান নকশার অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪৬.৫ মি. — এটি জাতীয় স্মৃতিসৌধের সঠিক উচ্চতা। B) ৪৬ মি. — এটি সঠিক উচ্চতা থেকে সামান্য কম, তাই ভুল। C) ৪৫.৫ মি. — এই মাপটি জাতীয় স্মৃতিসৌধের উচ্চতার সঙ্গে মেলে না। D) ৪৫ মি. — এটি স্মৃতিসৌধের প্রকৃত উচ্চতার চেয়ে কম। মনে রাখার টিপস: স্মৃতিসৌধের উচ্চতা মনে রাখতে ৪৬.৫ সংখ্যাটি মনে রাখুন, যা প্রায় দেড়শ ফুটের সমান।
a ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা
b কক্সবাজার ও রামু
c রংপুর ও দিনাজপুর
d সিলেট ও মণিপুর
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও ভূগোল সঠিক উত্তর: A) ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা কেন সঠিক: - হাজংরা বাংলাদেশের একটি ক্ষুদ্র জাতিসত্তা বা উপজাতি, যারা প্রধানত ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা জেলায় বসবাস করে। - এই অঞ্চলের শেরপুর ও সুনামগঞ্জেও কিছু হাজং জনগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা — এটি সঠিক উত্তর কারণ হাজং জনগোষ্ঠীর প্রধান বসবাস এই অঞ্চলেই। B) কক্সবাজার ও রামু — এটি ভুল কারণ এই অঞ্চলে প্রধানত রাখাইন ও চাকমা সম্প্রদায়ের মানুষ বসবাস করে। C) রংপুর ও দিনাজপুর — এটি ভুল কারণ এই অঞ্চলে প্রধানত সাঁওতাল ও রাজবংশী উপজাতির বসবাস। D) সিলেট ও মণিপুর — এটি ভুল কারণ এই অঞ্চলে খাসিয়া, মনিপুরী ও পাত্র সম্প্রদায়ের বসবাস। মনে রাখার টিপস: ম দিয়ে ময়মনসিংহ, ন দিয়ে নেত্রকোনা এবং হাজং শব্দের প্রথম অক্ষর হ দিয়ে মনে রাখতে পারেন ময়মনসিংহ অঞ্চলের হাজং উপজাতি।
a ৮০ বর্গমাইল
b ৮২ বর্গমাইল
c ৮৫ বর্গমাইল
d ৩৫.১৩৫ বর্গমাইল
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩৫.১৩৫ বর্গমাইল কেন সঠিক: - নিঝুম দ্বীপ বাংলাদেশের নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার অন্তর্গত একটি চর এবং এর ভৌগোলিক আয়তন প্রায় ৩৫.১৩৫ বর্গমাইল বা প্রায় ৯১ বর্গকিলোমিটার। - নদীগর্ভে পলি জমে জেগে ওঠা এই দ্বীপটি মূলত ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল এবং গেওয়া গাছের জন্য পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৮০ বর্গমাইল — এটি নিঝুম দ্বীপের সঠিক আয়তন নয় এবং এটি একটি কাল্পনিক বা ভুল মান। B) ৮২ বর্গমাইল — এই আয়তনটি নিঝুম দ্বীপের ভৌগোলিক বাস্তবতার সঙ্গে মেলে না। C) ৮৫ বর্গমাইল — এটিও একটি ভুল পরিমাপ যা নিঝুম দ্বীপের প্রকৃত আয়তনের চেয়ে বেশি। D) ৩৫.১৩৫ বর্গমাইল — এটি নিঝুম দ্বীপের প্রকৃত ও প্রমিত আয়তন নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: নিঝুম দ্বীপের আয়তন মনে রাখতে মূল সংখ্যাটি মনে রাখুন, যা প্রায় পঁয়ত্রিশ বর্গমাইল।
a ৮৫,৪৫০ টি
b ৮৪,৫০০ টি
c ৮৫,৫০০ টি
d ৮৭,৩৭২ টি
0 100 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৮৭,৩৭২ টি কেন সঠিক: - বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো বা বিবিএস এর তথ্য অনুযায়ী দেশের মোট গ্রামের সংখ্যা ৮৭,৩৭২ টি। - এটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য নির্ধারিত একটি প্রমিত ও সর্বশেষ প্রাতিষ্ঠানিক পরিসংখ্যান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৮৫,৪৫০ টি — এটি একটি ভুল সংখ্যা যা বাংলাদেশের মোট গ্রামের সঠিক পরিসংখ্যানের সঙ্গে মেলে না। B) ৮৪,৫০০ টি — এই সংখ্যাটি বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর গ্রামের অনুমোদিত তথ্যের অন্তর্ভুক্ত নয়। C) ৮৫,৫০০ টি — এটি কোনো প্রাতিষ্ঠানিক বা নির্ভরযোগ্য জরিপে প্রকাশিত গ্রামের সংখ্যা নয়। D) ৮৭,৩৭২ টি — এটি সঠিক তথ্য এবং পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ জনশুমারি বা প্রতিবেদন অনুযায়ী নির্ধারিত গ্রামের সংখ্যা। মনে রাখার টিপস: গ্রামের সংখ্যা মনে রাখতে শেষের দুটি সংখ্যা সাঁইত্রิศ বা ৩৭২ সংখ্যাটিকে মনে রাখতে পারেন।
a ৭ মার্চ,১৯৭৩
b ৫ মার্চ,১৯৭৩
c ৬ এপ্রিল,১৯৭৩
d ১১ এপ্রিল,১৯৭৩
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৭ মার্চ,১৯৭৩ কেন সঠিক: - ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গৃহিত এবং ১৬ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হওয়া সংবিধান অনুযায়ী স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৩ সালের ৭ মার্চ। - এই নির্বাচনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ বিজয় লাভ করে ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৩ টি আসন লাভ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৭ মার্চ,১৯৭৩ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই তারিখেই স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। B) ৫ মার্চ,১৯৭৩ — এই তারিখে কোনো নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি, এটি প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কাছাকাছি একটি ভুল তারিখ। C) ৬ এপ্রিল,১৯৭৩ — এই তারিখে প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি, বরং ১৯৭৩ সালের ৭ এপ্রিল প্রথম জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন বসেছিল। D) ১১ এপ্রিল,১৯৭৩ — এই তারিখে প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি, এটি নির্বাচনের তারিখের সঙ্গে মিলে না। মনে রাখার টিপস: ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ যেমন বিখ্যাত, ঠিক তেমনি ৭ মার্চ তারিখেই ১৯৭৩ সালে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
a সেন্ট মার্টিন
b লালপুর
c হিলি
d লালমোহন
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সেন্ট মার্টিন কেন সঠিক: - এটি কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলায় অবস্থিত একমাত্র প্রবাল দ্বীপ এবং দেশের সবচেয়ে ছোট ইউনিয়ন। - ভৌগোলিক অবস্থান ও আয়তনের দিক থেকে এটি বাংলাদেশের অন্যান্য ইউনিয়নগুলোর চেয়ে ক্ষুদ্রতম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সেন্ট মার্টিন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি দেশের আয়তনে সবচেয়ে ছোট ইউনিয়ন। B) লালপুর — এটি নাটোর জেলার একটি উপজেলা, তাই এটি ইউনিয়ন সংক্রান্ত প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয়। C) হিলি — এটি দিনাজপুর জেলার একটি স্থলবন্দর ও সীমান্ত এলাকা, যা ইউনিয়ন নয়। D) লালমোহন — এটি ভোলা জেলার একটি উপজেলা, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। মনে রাখার টিপস: সেন্ট মার্টিন হলো একমাত্র প্রবাল দ্বীপ এবং এটিই দেশের সবচেয়ে ছোট ইউনিয়ন।
a ৯৯
b ১০০
c ১০১
d ১০২
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১০০ কেন সঠিক: - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সিনেট দেশটির আইনসভা তথা কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ। - দেশটির প্রতিটি অঙ্গরাজ্য থেকে দুজন করে প্রতিনিধি নির্বাচিত হন এবং মোট ৫০টি অঙ্গরাজ্যের জন্য আসন সংখ্যা ১০০। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৯৯ — যুক্তরাষ্ট্রের মোট অঙ্গরাজ্যের সংখ্যা ৫০ হওয়ায় সিনেট আসন কখনোই বিজোড় হতে পারে না। B) ১০০ — এটি সঠিক উত্তর এবং প্রতিটি রাজ্য থেকে সমান প্রতিনিধিত্বের নীতি মেনে নির্ধারিত। C) ১০১ — এই সংখ্যাটি যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটের মোট আসনের সঙ্গে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়। D) ১০২ — মার্কিন সংবিধান অনুযায়ী সিনেট সদস্য সংখ্যা নির্দিষ্ট এবং তা ১০০ জনের বেশি নয়। মনে রাখার টিপস: যুক্তরাষ্ট্রের রাজ্য আছে ৫০টি এবং প্রতিটি রাজ্য থেকে সিনেটর আসেন ২ জন, অর্থাৎ ৫০ গুণ ২ সমান ১০০।
a প্রাকৃতিক পরিবেশ
b সামাজিক পরিবেশ
c বায়বীয় পরিবেশ
d সাংস্কৃতিক পরিবেশ
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্রাকৃতিক পরিবেশ কেন সঠিক: - অতিরিক্ত জনসংখ্যার কারণে বনভূমি ধ্বংস, পাহাড় কাটা এবং জলাভূমি ভরাট হচ্ছে, যা সরাসরি প্রাকৃতিক পরিবেশকে বিপন্ন করে তুলছে। - অপরিকল্পিত নগরায়ণ এবং শিল্পায়নের ফলে প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট হয়ে জলবায়ু পরিবর্তন ও দূষণ মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রাকৃতিক পরিবেশ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের কোনো নেতিবাচক কারণ নেই, বরং এটিই মানুষের বর্ধিত চাপের কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। B) সামাজিক পরিবেশ — এটি জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণে প্রভাবিত হলেও, সরাসরি এবং প্রথম আঘাতটি আসে প্রকৃতির ওপর, তাই এটি প্রধান ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষেত্র নয়। C) বায়বীয় পরিবেশ — এটি প্রাকৃতিক পরিবেশেরই একটি অংশমাত্র, তাই সামগ্রিক ক্ষতির ক্ষেত্রে পৃথকভাবে বায়বীয় পরিবেশের চেয়ে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক পরিবেশ বলা সঠিক। D) সাংস্কৃতিক পরিবেশ — এটি মানবসৃষ্ট জীবনধারা ও সংস্কৃতির সঙ্গে সম্পর্কিত, যা জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে পরিবর্তিত হতে পারে কিন্তু সরাসরি পরিবেশগত ধ্বংসের শিকার হয় না। মনে রাখার টিপস: জনসংখ্যা বাড়লে সবার আগে প্রকৃতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তাই মনে রাখবে মানুষ বাড়লেই প্রকৃতি হারে।
a ওয়াশিংটন
b হিউস্টন
c কেপ কেনেডি
d টেক্সাস
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ওয়াশিংটন কেন সঠিক: - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা NASA-এর প্রধান কার্যালয় বা সদরদপ্তর রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত। - সরকারি নীতিনির্ধারণ এবং প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য এর মূল কার্যালয় দেশটির রাজধানীতে স্থাপন করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ওয়াশিংটন — এটি সঠিক উত্তর কারণ NASA-এর প্রধান প্রশাসনিক কার্যালয় এই শহরেই অবস্থিত। B) হিউস্টন — এটি সঠিক উত্তর নয়, কারণ হিউস্টনে NASA-এর জনসন স্পেস সেন্টার অবস্থিত, যা সদরদপ্তর নয়। C) কেপ কেনেডি — এটি সঠিক উত্তর নয়, কারণ এটি ফ্লোরিডায় অবস্থিত NASA-এর একটি রকেট উৎক্ষেপণ কেন্দ্র। D) টেক্সাস — এটি সঠিক উত্তর নয়, কারণ টেক্সাস একটি অঙ্গরাজ্য এবং এর হিউস্টন শহরে শুধু মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র রয়েছে। মনে রাখার টিপস: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসনিক কেন্দ্র রাজধানীতেই থাকে, তাই NASA-এর সদরদপ্তর ওয়াশিংটনে অবস্থিত।
a ৩০০বছর
b ৩৩৫বছর
c ৩৪২ বছর
d ৫০০বছর
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩৪২ বছর কেন সঠিক: - ১৬৫২ সালে ডাচ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির হাত ধরে দক্ষিণ আফ্রিকায় ঔপনিবেশিক শাসন শুরু হয়। - ১৯৯৪ সালে বর্ণবাদের অবসান ও প্রথম গণতান্ত্রিক নির্বাচনের মাধ্যমে শ্বেতাঙ্গ শাসনের অবসান ঘটে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩০০বছর — এটি ঐতিহাসিক কালপঞ্জির সঠিক হিসাব নয় এবং ঔপনিবেশিক শাসনের প্রকৃত সময়কালকে নির্দেশ করে না। B) ৩৩৫বছর — এটি ডাচ ও ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের সামগ্রিক দীর্ঘমেয়াদী ইতিহাসের সঙ্গে সঠিক সংখ্যাগত মিল রাখে না। C) ৩৪২ বছর — এটি ১৬৫২ সাল থেকে ১৯৯৪ সাল পর্যন্ত শ্বেতাঙ্গ শাসনের মোট সময়কালকে সঠিকভাবে নির্দেশ করে। D) ৫০০বছর — এটি দক্ষিণ আফ্রিকায় ইউরোপীয় শ্বেতাঙ্গ উপস্থিতির অতিমূল্যায়িত সময়কাল যা সঠিক ঐতিহাসিক তথ্যের সঙ্গে মিলে না। মনে রাখার টিপস: ১৬৫২ সালের শুরু থেকে ১৯৯৪ সালের অবসান পর্যন্ত দক্ষিণ আফ্রিকায় শ্বেতাঙ্গ শাসন স্থায়ী হয়েছিল মোট ৩৪২ বছর।
a বিল ক্লিনটন
b জিমি কার্টার
c নিক্সন
d রিগান
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জিমি কার্টার কেন সঠিক: - যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার ১৯৯৪ সালে বসনিয়ায় যুদ্ধরত পক্ষগুলোর মধ্যে মধ্যস্থতা করে সফলভাবে অস্ত্রবিরতি চুক্তি স্বাক্ষর করান। - তাঁর এই কূটনৈতিক মধ্যস্থতার ফলে বসনিয়াযুদ্ধে সাময়িক শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিল ক্লিনটন — তিনি সে সময় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন এবং বসনিয়া সংকটের শেষ পর্যায়ে ডেটন শান্তিচুক্তিতে ভূমিকা রাখেন, তবে এই সুনির্দিষ্ট যুদ্ধবিরতির মধ্যস্থতাকারী ছিলেন না। B) জিমি কার্টার — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে অন্য কোনো প্রযোজ্য কারণ নেই। C) নিক্সন — রিচার্ড নিক্সন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট হলেও বসনিয়া সংকটের সময় তিনি মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কোনো ভূমিকা পালন করেননি। D) রিগান — রোনাল্ড রিগান যুক্তরাষ্ট্রের আরেকজন সাবেক প্রেসিডেন্ট, যার কার্যকাল বসনিয়া যুদ্ধের অনেক আগেই শেষ হয়ে গিয়েছিল। মনে রাখার টিপস: বসনিয়ার যুদ্ধবিরতিতে কাজ করেছেন আমেরিকার কার্টার, মনে রাখুন বসনিয়ার কার্টার।
a নিকোলাস সার্কোজি
b ফ্রঁসিয়ে মিতেরাঁ
c জেনারেল দ্য গল
d ফ্রাঁসোয়া ওঁলান্দ
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: D) ফ্রাঁসোয়া ওঁলান্দ কেন সঠিক: - ফ্রাঁসোয়া ওঁলান্দ ২০১২ সাল থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রশ্নে অনেক সময় বিগত বা নির্দিষ্ট সময়ের রাষ্ট্রপ্রধানদের নাম জানতে চাওয়া হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিকোলাস সার্কোজি — তিনি ফ্রাঁসোয়া ওঁলান্দর আগের প্রেসিডেন্ট ছিলেন এবং ২০০৭ সাল থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। B) ফ্রঁসিয়ে মিতেরাঁ — তিনি ১৯৮১ সাল থেকে ১৯৯৫ সাল পর্যন্ত ফ্রান্সের দীর্ঘমেয়াদী প্রেসিডেন্ট ছিলেন। C) জেনারেল দ্য গল — তিনি বিংশ শতাব্দীর ষাটের দশকে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ছিলেন এবং দেশটির পঞ্চম প্রজাতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা। D) ফ্রাঁসোয়া ওঁলান্দ — প্রদত্ত সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: ফ্রান্সের সাবেক প্রেসিডেন্ট ফ্রাঁসোয়া ওঁলান্দ ২০১২ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় ছিলেন।
a হিমালয়
b কুনলুন পর্বত
c ব্ল্যাক ফরেস্ট
d আল্পস
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কুনলুন পর্বত কেন সঠিক: - হোয়াংহো নদী চীনের কুনলুন পর্বতমালা থেকে উৎপন্ন হয়ে প্রশান্ত মহাসাগরের বোহাই সাগরে পতিত হয়েছে। - এটি চীনের দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী এবং এর অববাহিকায় চীনা সভ্যতার বিকাশ ঘটেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হিমালয় — হিমালয় পর্বতমালা থেকে ব্রহ্মপুত্র, গঙ্গা ও সিন্ধু নদীর মতো প্রধান নদীগুলো উৎপন্ন হয়েছে, হোয়াংহো নয়। B) কুনলুন পর্বত — এই অপশনটি সঠিক কারণ হোয়াংহো নদী এখানেই উৎপন্ন হয়েছে। C) ব্ল্যাক ফরেস্ট — ব্ল্যাক ফরেস্ট জার্মানির একটি পাহাড়ি অঞ্চল যেখান থেকে ইউরোপের দানিউব নদী উৎপন্ন হয়েছে। D) আল্পস — আল্পস পর্বতমালা ইউরোপে অবস্থিত যেখান থেকে রাইন ও রোন নদীর মতো নদীগুলো উৎপন্ন হয়েছে। মনে রাখার টিপস: হোয়াংহো নদীর উৎপত্তিস্থল মনে রাখতে কুনলুন শব্দটিকে প্রধান সূত্র হিসেবে ধরে রাখতে হবে।
a সনোরা লাইন
b ম্যাকনামারা লাইন
c ডুরান্ড লাইন
d হিন্ডারবার্গ লাইন
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সনোরা লাইন কেন সঠিক: - সনোরা লাইন হলো মেক্সিকো এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী সীমান্তবর্তী একটি নির্দিষ্ট ভৌগোলিক রেখা। - ভূগোল ও আন্তর্জাতিক সীমানা নির্ধারণের ক্ষেত্রে এই রেখাটি মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্রকে পৃথক করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সনোরা লাইন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই রেখাটি মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্রকে বিভক্ত করেছে। B) ম্যাকনামারা লাইন — এটি ভিয়েতনামের ডি মিলিটারাইজড জোনের কাছে মার্কিন সামরিক বাহিনীর তৈরি একটি প্রতিরক্ষা লাইন। C) ডুরান্ড লাইন — এটি পাকিস্তান ও আফগানিস্তানকে বিভক্তকারী আন্তর্জাতিক সীমান্তবর্তী রেখা। D) হিন্ডারবার্গ লাইন — এটি প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় জার্মানি ও মিত্রবাহিনীর মধ্যে অবস্থিত একটি প্রতিরক্ষা লাইন ছিল। মনে রাখার টিপস: মেক্সিকোর একটি বিখ্যাত মরুভূমির নাম সনোরা, তাই মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্রের সীমান্ত মনে রাখতে সনোরা লাইন নামটা মাথায় রাখবে।
a বেলজিয়াম
b ফ্রান্স
c জার্মানি
d ফিনল্যান্ড
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বেলজিয়াম কেন সঠিক: - ইউরোপের কৌশলগত ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে ইতিহাসের বহু বড় যুদ্ধের প্রধান রণক্ষেত্র বা যুদ্ধক্ষেত্র ছিল এই দেশ। - অতীতে ইউরোপের বিভিন্ন পরাশক্তির মধ্যে সংঘটিত যুদ্ধের কেন্দ্রবিন্দু হওয়ায় একে রূপক অর্থে ইউরোপের ককপিট বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বেলজিয়াম — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দেশটি ঐতিহাসিক যুদ্ধের কেন্দ্রস্থল হিসেবে পরিচিত। B) ফ্রান্স — এটি ইউরোপের একটি বৃহৎ রাষ্ট্র এবং যুদ্ধক্ষেত্র হলেও একে ককপিট বলা হয় না। C) জার্মানি — এটি বিশ্বযুদ্ধের অন্যতম প্রধান শক্তি হলেও ভৌগোলিক ও ঐতিহাসিক কারণে এই উপাধির জন্য প্রযোজ্য নয়। D) ফিনল্যান্ড — এটি উত্তর ইউরোপের একটি দেশ এবং এর ইতিহাস ভিন্ন ধরনের হওয়ায় এই উপাধির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: বেলজিয়ামের যুদ্ধবাজ পরিবেশ মনে রাখতে যুদ্ধক্ষেত্রের ককপিট শব্দটির সঙ্গে বেলজিয়াম নামটি যুক্ত করে মনে রাখুন।
a পোল্যান্ড
b লিথুনিয়া
c কাজাকিস্তান
d স্লোভাকিয়া
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) স্লোভাকিয়া প্রদত্ত তথ্য: বিশ্বের বিভিন্ন দেশের স্বাক্ষরতার হার সম্পর্কিত সাধারণ জ্ঞান শতভাগ স্বাক্ষরতা অর্জনকারী ইউরোপীয় দেশগুলোর তালিকা ধরি, শতভাগ স্বাক্ষরতা সম্পন্ন দেশের মোট সংখ্যা = ১ অপশনগুলোতে উল্লেখিত দেশগুলোর স্বাক্ষরতার হার যাচাই করি অতএব, পোল্যান্ড, লিথুনিয়া এবং কাজাকিস্তানের স্বাক্ষরতার হার শতভাগ নয় স্লোভাকিয়ার শিক্ষা ব্যবস্থার মান বিশ্বমানের এবং এর স্বাক্ষরতার হার শতভাগ সুতরাং, প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে একমাত্র স্লোভাকিয়ার স্বাক্ষরতার হার শতভাগ হিসেবে স্বীকৃত উত্তর: D) স্লোভাকিয়া
a সৌর বছর
b কসমিক ইয়ার
c আলোক ইয়ার
d পলিসার
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কসমিক ইয়ার কেন সঠিক: - ছায়াপথ বা গ্যালাক্সি তার নিজ কেন্দ্রকে একবার ঘুরে আসতে যে বিশাল সময় নেয়, তাকে কসমিক ইয়ার বা গ্যালাক্টিক ইয়ার বলা হয়। - আমাদের সৌরজগতের ক্ষেত্রে এই একটি কসমিক ইয়ার সম্পন্ন করতে প্রায় ২২ কোটি থেকে ২৫ কোটি বছর সময় লাগে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সৌর বছর — পৃথিবী সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করতে যে সময় নেয় তাকে বোঝায়, ছায়াপথের ঘূর্ণনের সঙ্গে এর সম্পর্ক নেই। B) কসমিক ইয়ার — এটি ছায়াপথের নিজ অক্ষকে কেন্দ্র করে ঘুরে আসার সঠিক পরিভাষা। C) আলোক ইয়ার — এটি আলোকবর্ষ নামে পরিচিত এবং এটি সময় নয়, বরং মহাকাশীয় দূরত্ব পরিমাপের একক। D) পলিসার — এটি মহাকাশ বিজ্ঞান বা জ্যোতির্বিজ্ঞানের কোনো স্বীকৃত বা বাস্তব পরিভাষা নয়। মনে রাখার টিপস: মহাজাগতিক বা কসমিক শব্দটির সঙ্গে ছায়াপথের ঘূর্ণন বা মহাবিশ্বের বিশাল সময়কাল যুক্ত থাকে।
a মেরু অঞ্চলে
b নিরক্ষরেখায়
c উওর গোলার্ধে
d দক্ষিণ গোলার্ধে
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নিরক্ষরেখায় কেন সঠিক: - নিরক্ষরেখায় সূর্য সারা বছর লম্বালম্বিভাবে কিরণ দেয়, ফলে এখানে সারা বছর দিন ও রাতের দৈর্ঘ্য প্রায় সমান হয়। - নিরক্ষরেখায় বারো মাসই দিন ও রাতের দৈর্ঘ্য ১২ ঘণ্টা করে হয়ে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মেরু অঞ্চলে — এখানে প্রায় ছয় মাস দিন এবং ছয় মাস রাত থাকে, তাই দিন-রাত্রি সমান হয় না। B) নিরক্ষরেখায় — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ এখানে সারা বছর দিন ও রাত সমান থাকে। C) উওর গোলার্ধে — এখানে ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথে দিন ও রাতের দৈর্ঘ্যের তারতম্য ঘটে। D) দক্ষিণ গোলার্ধে — এখানেও ঋতুভেদে দিন ও রাতের দৈর্ঘ্যের কমবেশি হয়, সারা বছর সমান থাকে না। মনে রাখার টিপস: নিরক্ষরেখা পৃথিবীর ঠিক মাঝখানে অবস্থিত বলে এখানে সারা বছর দিন ও রাতের দৈর্ঘ্য সমান (১২ ঘণ্টা দিন এবং ১২ ঘণ্টা রাত) থাকে।

মোট প্রশ্ন (15)

a ফ্রেয়নকে ঘনীভূত করা
b ফ্রেয়নকে বাষ্পে পরিণত করা
c ফ্রেয়নকে সংকুচিত করে এর তাপ ও তাপমাত্রা বাড়ানো
d ১ ও ২
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: তাপ ও তাপগতিবিদ্যা এবং দৈনন্দিন জীবনে বিজ্ঞানের প্রয়োগ সঠিক উত্তর: C) ফ্রেয়নকে সংকুচিত করে এর তাপ ও তাপমাত্রা বাড়ানো *(শিক্ষক নোট: প্রদত্ত প্রশ্নে সঠিক উত্তর D দেওয়া থাকলেও, তাপগতিবিদ্যার সূত্রানুসারে রেফ্রিজারেটরের কমপ্রেসরের মূল কাজ হলো হিমায়ক বা ফ্রেয়ন গ্যাসকে সংকুচিত করে এর চাপ, তাপ ও তাপমাত্রা বৃদ্ধি করা। কমপ্রেসর সরাসরি গ্যাসকে ঘনীভূত বা বাষ্পে পরিণত করে না, বরং কন্ডেন্সার ও evaporator সেই কাজ করে। তাই সঠিক উত্তর হবে C।)* ১. কেন সঠিক: - কমপ্রেসর বা সংপীড়ক পাম্প মেকানিক্যাল শক্তি প্রয়োগ করে ফ্রেয়ন বা হিমায়ক গ্যাসকে উচ্চ চাপে সংকুচিত করে। - বয়েল ও চার্লসের সূত্রানুসারে গ্যাসের আয়তন কমালে চাপ ও তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়, যা কমপ্রেসরের ভেতর ঘটে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: কমপ্রেসর হলো রেফ্রিজারেটর বা এয়ার কন্ডিশনারের হৃৎপিণ্ড যা মূলত একটি পাম্প হিসেবে কাজ করে। - কার্যপ্রণালি: এটি নিম্নচাপের বাষ্পীয় ফ্রেয়ন গ্যাস টেনে নেয় এবং পিস্টনের মাধ্যমে একে সংকুচিত করে উচ্চচাপ ও উচ্চ তাপমাত্রার গ্যাসে পরিণত করে। - বাস্তব প্রয়োগ: এনার্জি ইনপুট দিয়ে গ্যাসের ওপর কাজ করার মাধ্যমে কমপ্রেসর তাপকে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে স্থানান্তরিত করতে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সাইকেলের পাম্প দিয়ে চাকা ফোলানোর সময় পাম্পের গোড়া গরম হয়ে যাওয়া। ব্যাখ্যা: পাম্পের ভেতরে বাতাসকে সংকুচিত করার ফলে তার তাপ ও তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়, যা কমপ্রেসরের কাজের অনুরূপ। উদাহরণ ২: ঘরের এয়ার কন্ডিশনার বা এসি চালুর পর আউটডোর ইউনিট থেকে গরম বাতাস বের হওয়া। ব্যাখ্যা: কমপ্রেসর দ্বারা উত্তপ্ত ফ্রেয়ন গ্যাস কন্ডেন্সারে আসার পর সেই অতিরিক্ত তাপ বাইরে পরিবেশে ছেড়ে দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফ্রেয়নকে ঘনীভূত করা — এই কাজটি কমপ্রেসর করে না, এই কাজটি করে কন্ডেন্সার বা ঘনীভবন কয়েল যেখানে গ্যাস থেকে তরলে রূপান্তর ঘটে। B) ফ্রেয়নকে বাষ্পে পরিণত করা — এই কাজটি ইভাপোরেটর বা বাষ্পীভবন কয়েল করে যেখানে তরল ফ্রেয়ন তাপ শোষণ করে বাষ্পে পরিণত হয়। C) ফ্রেয়নকে সংকুচিত করে এর তাপ ও তাপমাত্রা বাড়ানো — এটিই কমপ্রেসরের একমাত্র সঠিক ও মূল কাজ। D) ১ ও ২ — যেহেতু প্রথম দুটি অপশন ভুল, তাই এই যৌথ অপশনটিও সঠিক নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: কমপ্রেসর শব্দটির অর্থই হলো সংকুচিত করা। গ্যাস সংকুচিত হলে তার চাপ ও তাপমাত্রা সবসময় বৃদ্ধি পায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: রেফ্রিজারেটরে হিমায়ক বা রেফ্রিজারেন্ট হিসেবে সাধারণত ফ্রেয়ন বা সিএফসি গ্যাস ব্যবহার করা হয়। এই প্রশ্নটি থেকে ভবিষ্যতে রেফ্রিজারেটরের কোন অংশ তাপ বর্জন করে বা শোষণ করে, সে সম্পর্কিত আরেকটি প্রশ্ন আসতে পারে।
a ১০ ক্যালরি
b ২ ক্যালরি
c ৩ ক্যালরি
d ৪ ক্যালরি
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১০ ক্যালরি ১. কেন সঠিক: - পানির তাপমাত্রা এক ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়াতে যে পরিমাণ তাপের প্রয়োজন হয় তাকে পানির আপেক্ষিক তাপ বলে। - ১ গ্রাম পানির তাপমাত্রা ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধির জন্য ১০ ক্যালরি তাপের প্রয়োজন হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: আপেক্ষিক তাপ হলো একক ভরের কোনো পদার্থের তাপমাত্রা এক ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়াতে প্রয়োজনীয় তাপের পরিমাণ। - সূত্র: প্রয়োজনীয় তাপ সমান ভর গুণ আপেক্ষিক তাপ গুণ তাপমাত্রার পরিবর্তন। - কার্যপ্রণালি: এখানে ভর এক গ্রাম, আপেক্ষিক তাপ প্রতি গ্রাম ডিগ্রি সেলসিয়াসে এক ক্যালরি এবং তাপমাত্রার পার্থক্য দশ ডিগ্রি সেলসিয়াস। - কারণ ও ফলাফল: মানগুলো সূত্রে বসিয়ে গুণ করলে মোট প্রয়োজনীয় তাপের পরিমাণ দশ ক্যালরি পাওয়া যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: এক গ্রাম পানির তাপমাত্রা শূন্য থেকে এক ডিগ্রি সেলসিয়াসে নিতে এক ক্যালরি তাপ লাগে। ব্যাখ্যা: এটি পানির আপেক্ষিক তাপের সংজ্ঞা সরাসরি সমর্থন করে। উদাহরণ ২: পাঁচ গ্রাম পানির তাপমাত্রা দশ ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়াতে পঞ্চাশ ক্যালরি তাপ প্রয়োজন। ব্যাখ্যা: ভর ও তাপমাত্রার পার্থক্যের সাথে আপেক্ষিক তাপ গুণ করে এই ফলাফল পাওয়া যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০ ক্যালরি — এটি সঠিক কারণ এক গ্রাম পানির তাপমাত্রা দশ ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়াতে ঠিক দশ ক্যালরি তাপ লাগে। B) ২ ক্যালরি — এটি ভুল কারণ তাপমাত্রার পার্থক্যের সাথে প্রতি গ্রামের জন্য এক ক্যালরি গুণ করলে দুই হয় না। C) ৩ ক্যালরি — এটি ভুল কারণ হিসাব অনুযায়ী প্রয়োজনীয় তাপের পরিমাণ তিন ক্যালরি হতে পারে না। D) ৪ ক্যালরি — এটি ভুল কারণ পানির আপেক্ষিক তাপের মানের সাথে এই সংখ্যার কোনো মিল নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: - পানির আপেক্ষিক তাপ প্রতি গ্রাম ডিগ্রি সেলসিয়াসে এক ক্যালরি হওয়ায় তাপমাত্রার পার্থক্যের মানই প্রয়োজনীয় তাপের পরিমাণ নির্দেশ করে। - যত গ্রাম পানি এবং যত ডিগ্রি তাপমাত্রা বাড়বে, তাদের গুণফলই হবে মোট ক্যালরি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - পানির আপেক্ষিক তাপের মান মুখস্থ রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি। - একই ধারণা থেকে কিলোগ্রাম এককে বা জুল এককেও প্রশ্ন আসতে পারে।
a ১ সেকেন্ড
b ০.১ সেকেন্ড
c ০.০১ সেকেন্ড
d ০.০০১ সেকেন্ড
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ০.১ সেকেন্ড ১. কেন সঠিক: - কানের পর্দায় কোনো শব্দ শোনার পর তার রেশ বা অনুভূতি আমাদের মস্তিষ্কের স্নায়ুতে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত স্থায়ী হয়। এটিকে শব্দের স্থায়িত্বকাল বলা হয়। - মানুষের মস্তিষ্কের এই শ্রবণ সংক্রান্ত ধারণক্ষমতা বা প্রতিধ্বনি শোনার ন্যূনতম সময়ের ব্যবধান হলো ঠিক ০.১ সেকেন্ড। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: শব্দের এই স্থায়িত্বকালের কারণেই মূলত আমরা মূল শব্দ ও প্রতিফলিত শব্দের মধ্যে পার্থক্য বুঝতে পারি, যাকে প্রতিধ্বনি বলা হয়। - কার্যপ্রণালি: শব্দ শোনার পর আমাদের মস্তিষ্কের সংবেদনশীল কোষে তার রেশ ০.১ সেকেন্ড পর্যন্ত থাকে, তাই এর কম সময়ে অন্য শব্দ পৌঁছালে তা আলাদা করা যায় না। - বাস্তব প্রয়োগ: কোনো বড় ও ফাঁকা ঘরে বা পাহাড়ের সামনে কথা বললে প্রতিধ্বনি শুনতে হলে উৎস ও প্রতিফলকের ন্যূনতম দূরত্ব নির্দিষ্ট থাকতে হয়, যা এই সময়ের ওপর নির্ভর করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: একটি বদ্ধ ঘরে জোরে তালি বা শব্দ করলে তা খুব দ্রুত মিলিয়ে যায় না, সামান্য সময় কানের মধ্যে তার রেশ থেকে যায়। ব্যাখ্যা: মস্তিষ্কের শ্রবণেন্দ্রিয় ০.১ সেকেন্ড পর্যন্ত ওই শব্দের অনুভূতি ধরে রাখে বলেই এমনটি অনুভূত হয়। উদাহরণ ২: বজ্রপাতের শব্দ শোনার সময় একাধিক মেঘের গর্জন খুব কাছাকাছি হলে আমরা তা আলাদা করতে পারি না। ব্যাখ্যা: আগের শব্দের রেশ মস্তিষ্কে থাকা অবস্থায় পরের শব্দ চলে আসায় দুটি শব্দ একত্রিত হয়ে একটি দীর্ঘ শব্দ বলে মনে হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১ সেকেন্ড — এটি অনেক বেশি সময় এবং মানুষের মস্তিষ্কে শব্দের রেশ এত দীর্ঘস্থায়ী হয় না। B) ০.১ সেকেন্ড — এটি সঠিক উত্তর এবং মানব মস্তিষ্কের শ্রবণ অনুভূতির স্থায়িত্বকাল। C) ০.০১ সেকেন্ড — এটি অত্যন্ত কম সময়, যা মানুষের শ্রবণ অনুভূতির স্থায়িত্বকালের চেয়ে অনেক কম। D) ০.০০১ সেকেন্ড — এটি মিলিসেকেন্ডের হিসাব, যা শব্দের রেশ বজায় থাকার ন্যূনতম সময়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - শব্দের রেশ মনে রাখতে ০.১ সংখ্যাটি মাথায় রাখুন, যেখানে দশমিকের পরে এক ঘর এবং মানটি এক সেকেন্ডের দশ ভাগ। - প্রতিধ্বনির ক্ষেত্রেও এই ০.১ সেকেন্ড সময় এবং ন্যূনতম ১৬.৫ মিটার দূরত্বের সম্পর্কটি একসঙ্গে মনে রাখবেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিধ্বনি শোনার জন্য উৎস ও প্রতিফলকের ন্যূনতম দূরত্ব কত, তা এই ধারণার ওপর ভিত্তি করেই নির্ণয় করা হয়। - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি শব্দবিজ্ঞান ও মানবদেহের স্নায়ুবিক প্রতিক্রিয়ার অংশ হিসেবে প্রায়ই আসে।
a স্থায়ী চুম্বক
b অস্থায়ী চুম্বক
c সংকর চুম্বক
d প্রাকৃতিক চুম্বক
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) স্থায়ী চুম্বক ১. কেন সঠিক: টেপ রেকর্ডার এবং কম্পিউটারের স্মৃতির ফিতায় (magnetic tape) তথ্য স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ বা ধারণ করার জন্য ফেরোম্যাগনেটিক পদার্থ দিয়ে তৈরি স্থায়ী চুম্বকের ক্ষুদ্র কণা ব্যবহার করা হয়। ফিতার গায়ে চুম্বকের এই ক্ষুদ্র ডোমেনগুলো একবার নির্দিষ্ট দিকে বিন্যস্ত হলে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলেও তা দীর্ঘকাল সংরক্ষিত থাকে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: চুম্বকত্ব এবং তড়িৎ চুম্বকীয় আবেশের মাধ্যমে পদার্থের মধ্যে চৌম্বক ক্ষেত্র তৈরি করে তথ্য সংরক্ষণ করা হয়। কার্যপ্রণালি: রেকর্ডিং হেডের মাধ্যমে তড়িৎ প্রবাহ পাঠিয়ে ফিতার ওপর থাকা ক্ষুদ্র চৌম্বক কণাগুলোকে উত্তর ও দক্ষিণ মেরু বরাবর সাজানো হয়। বাস্তব প্রয়োগ: কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক ড্রাইভ এবং অডিও ক্যাসেট টেপে এই প্রযুক্তির সাহায্যে ডেটা বা শব্দ সংরক্ষণ করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক্যাসেট টেপের ফিতা। ব্যাখ্যা: এতে ব্যবহৃত চৌম্বক আস্তরণ গান বা কথা স্থায়ীভাবে ধরে রাখে যা বারবার বাজানো সম্ভব হয়। উদাহরণ ২: কম্পিউটারের ফ্লপি ডিস্ক বা হার্ডডিস্ক। ব্যাখ্যা: এগুলোর প্লেটেও চৌম্বকীয় স্তরের মাধ্যমে ডিজিটাল তথ্য দীর্ঘদিন সংরক্ষিত থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্থায়ী চুম্বক — সঠিক উত্তর কারণ এটি দীর্ঘকাল চৌম্বকত্ব ধরে রাখতে পারে। B) অস্থায়ী চুম্বক — এগুলো বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ করলে চৌম্বকত্ব হারিয়ে ফেলে, তাই তথ্য সংরক্ষণের জন্য উপযোগী নয়। C) সংকর চুম্বক — এটি বিভিন্ন ধাতুর মিশ্রণ হলেও নির্দিষ্ট কাজের জন্য এদের স্থায়ী বা অস্থায়ী হিসেবে ব্যবহার করা হয়। D) প্রাকৃতিক চুম্বক — প্রাকৃতিক চুম্বক বা ম্যাগনেটাইট ফিতায় তথ্য সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয় না। ৫ মনে রাখার টিপস: স্মৃতি বা মেমোরিতে তথ্য দীর্ঘদিন ধরে রাখতে হয়, তাই টেপ রেকর্ডারে স্থায়ী চুম্বক ব্যবহার করা হয়। স্থায়ী শব্দটির সঙ্গে তথ্য সংরক্ষণের দীর্ঘস্থায়ীত্বের সম্পর্ক মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক এবং ম্যাগনেটিক টেপে ফেরোম্যাগনেটিক উপাদান হিসেবে সাধারণত আয়রন অক্সাইড ব্যবহার করা হয়। এই ধরনের প্রশ্ন BCS এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় বিদ্যুৎ ও চুম্বকত্ব অধ্যায় থেকে প্রায়ই আসে।
a 1
b 2
c 3
d 4
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩ ১. কেন সঠিক: টেলিভিশনে রঙিন ছবি উৎপাদনের জন্য মূলত তিনটি মৌলিক রঙের আলো ব্যবহার করা হয়। এই তিনটি মৌলিক রঙ হলো লাল, সবুজ ও নীল, যা মানুষের চোখের আলো সংবেদী কোষের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: আলোর ক্ষেত্রে লাল, সবুজ ও নীল রঙের তীব্রতা বিভিন্ন অনুপাতে মিশিয়ে যেকোনো রঙের আলো তৈরি করা যায়। কার্যপ্রণালি: টেলিভিশনের পর্দায় অসংখ্য ক্ষুদ্র পিক্সেল থাকে এবং প্রতিটি পিক্সেলে লাল, সবুজ ও নীল উপপিক্সেল বা সাবপিক্সেল থাকে। কারণ ও ফলাফল: এই তিনটি রঙের আলো বিভিন্ন মাত্রায় মিশ্রিত হয়ে আমাদের চোখে রঙিন ইমেজের বিভ্রম তৈরি করে। বাস্তব প্রয়োগ: রঙিন টেলিভিশন, কম্পিউটার মনিটর এবং স্মার্টফোনের ডিসপ্লে এই তিন রঙের আলো ব্যবহারের মাধ্যমে সম্পূর্ণ রঙিন চিত্র প্রদর্শন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রঙিন টেলিভিশন বা কম্পিউটার স্ক্রিনের খুব কাছে গেলে ছোট ছোট লাল, সবুজ ও নীল বিন্দু দেখা যায়। ব্যাখ্যা: এই বিন্দুগুলোর আলো একত্রিত হয়ে আমাদের চোখে রঙিন ছবি ফুটিয়ে তোলে। উদাহরণ ২: ক্যামেরা সেন্সর আলো গ্রহণ করার সময় লাল, সবুজ ও নীল ফিল্টার ব্যবহার করে ছবি ধারণ করে। ব্যাখ্যা: এর মাধ্যমে বাস্তবের প্রাকৃতিক রঙ নিখুঁতভাবে ডিজিটাল পর্দায় ফুটিয়ে তোলা সম্ভব হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১ — একটিমাত্র রঙের আলো দিয়ে রঙিন ছবি তৈরি করা সম্ভব নয়, কারণ রঙের বৈচিত্র্যের জন্য একাধিক রঙের মিশ্রণ প্রয়োজন। B) দুইটি রঙের মিশ্রণ দিয়ে সীমিত রঙ তৈরি করা যায়, তবে মানুষের চোখের পূর্ণাঙ্গ রঙিন দৃষ্টির জন্য তিনটি মৌলিক রঙের প্রয়োজন হয়। C) ৩ — এই অপশনটি সঠিক কারণ রঙিন ছবি উৎপাদনের জন্য লাল, সবুজ ও নীল এই তিনটি মৌলিক রঙের আলো ব্যবহার করা হয়। D) ৪ — চারটি মৌলিক রঙ রঙিন ডিসপ্লের ক্ষেত্রে অপ্রয়োজনীয় এবং এটি আলোকবিজ্ঞানের মৌলিক নীতির সঙ্গে মেলে না। ৫ মনে রাখার টিপস: টেলিভিশনের রঙিন ছবির জন্য ইংরেজিতে আরজিবি বা আর জি বি সংক্ষেপে লাল, সবুজ ও নীল মনে রাখতে পারো। আলোর ক্ষেত্রে তিনটি মৌলিক রঙ সব সময় লাল, সবুজ ও নীল হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: আলোর মৌলিক রঙ এবং রঞ্জক পদার্থের মৌলিক রঙ এক নয়, এটি প্রায়ই পরীক্ষায় পৃথকভাবে আসে। রঙিন টেলিভিশন ও মনিটরে কোন তিনটি রঙ ব্যবহার করা হয়, তা বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে।
a কমপ্যাক, ১৯৮৫
b এপসন, ১৯৮১
c আইবিএম, ১৯৮৩
d অ্যাপল, ১৯৭৭
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) এপসন, ১৯৮১ ১. কেন সঠিক: - জাপানি প্রতিষ্ঠান এপসন ১৯৮১ সালে প্রথম বাণিজ্যিক ল্যাপটপ কম্পিউটার বাজারে আনে যার নাম ছিল এপসন এইচএক্স কুড়ি। - এটি ছিল বহনযোগ্য কম্পিউটার তৈরির ক্ষেত্রে একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ কারণ এতে ব্যাটারি এবং ছোট পর্দা যুক্ত ছিল। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: আধুনিক প্রযুক্তির উন্নয়নে ল্যাপটপ হলো ডেস্কটপ কম্পিউটারের একটি ছোট ও বহনযোগ্য সংস্করণ যা রিচার্জেবল ব্যাটারির সাহায্যে চলতে পারে। - কার্যপ্রণালি: এতে প্রসেসর, মেমরি, মাদারবোর্ড এবং ডিসপ্লে একটিমাত্র কমপ্যাক্ট কাঠামোর মধ্যে যুক্ত থাকে যাতে ব্যবহারকারী সহজেই এটি এক স্থান থেকে অন্য স্থানে নিতে পারেন। - বাস্তব প্রয়োগ: কর্মক্ষেত্র, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং দৈনন্দিন জীবনে তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও যোগাযোগের কাজে ল্যাপটপ ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: - উদাহরণ ১: এপসন এইচএক্স কুড়ি ল্যাপটপটিতে একটি ছোট প্রিন্টার এবং এলসিডি স্ক্রিন যুক্ত ছিল। - ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে যে প্রযুক্তির প্রাথমিক পর্যায়েও বহনযোগ্য ডিভাইসে বহুমুখী সুবিধা যুক্ত করার চেষ্টা করা হয়েছিল। - উদাহরণ ২: আজকের দিনে ব্যবহৃত আধুনিক আল্ট্রাবুক বা ম্যাকবুক। - ব্যাখ্যা: এগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি হালকা, শক্তিশালী এবং দীর্ঘ ব্যাটারি ব্যাকআপ বিশিষ্ট হয়ে থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: - A) কমপ্যাক, ১৯৮৫ — কমপ্যাক কোম্পানিটি ১৯৮৫ সালে প্রথম কমপ্যাক পোর্টেবল দ্বিতীয় কম্পিউটার বাজারে এনেছিল যা ল্যাপটপের চেয়ে ওজনে ভারী ছিল। - B) এপসন, ১৯৮১ — এটি সঠিক কারণ এপসন কোম্পানি এই সালেই বিশ্বের প্রথম বাণিজ্যিক ল্যাপটপ কম্পিউটার তৈরি ও বাজারজাত করেছিল। - C) আইবিএম, ১৯৮৩ — আইবিএম কোম্পানি ১৯৮৩ সালে তাদের প্রথম পার্সোনাল কম্পিউটার বা আইবিএম পিসি এক্সটি বাজারে এনেছিল, যা ল্যাপটপ ছিল না। - D) অ্যাপল, ১৯৭৭ — অ্যাপল ১৯৭৭ সালে অ্যাপল টু নামক বিখ্যাত ডেস্কটপ কম্পিউটার বাজারে এনেছিল, যা কোনো ল্যাপটপ ছিল না। ৫ মনে রাখার টিপস: - এপসনের প্রথম ল্যাপটপের নাম মনে রাখতে সালটি মাথায় রাখুন, ১৯৮১ সাল মানেই এপসনের বহনযোগ্য বিপ্লব। - প্রযুক্তির ইতিহাস মনে রাখার জন্য আবিষ্কারক কোম্পানি এবং সাল একসঙ্গে একটি বাকve লিখে চর্চা করুন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য প্রথম ল্যাপটপ বা প্রথম কম্পিউটারের নাম ও সাল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সাধারণ জ্ঞান। - এই প্রশ্ন থেকে অন্য ধরনের প্রশ্ন আসতে পারে যেমন, বিশ্বের প্রথম ল্যাপটপের নাম কী ছিল।
a ট্রান্সফর্মার
b মোটর
c জেনারেটর
d ডায়নামো
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ট্রান্সফর্মার ১. কেন সঠিক: ট্রান্সফর্মার হলো এমন একটি বৈদ্যুতিক যন্ত্র যা তড়িৎ চুম্বকীয় আবেশ নীতিতে কাজ করে পর্যায়বৃত্ত প্রবাহ বা এসি ভোল্টেজের মান পরিবর্তন করে। এটি অপরিবর্তিত রেখে ক্ষমতা ঠিক রেখে নিম্ন বিভবকে উচ্চ বিভবে বা উচ্চ বিভবকে নিম্ন বিভবে রূপান্তর করতে পারে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: ট্রান্সফর্মার হলো মিউচুয়াল ইন্ডাকশন বা পারস্পরিক আবেশের নীতিতে কাজ করা একটি স্থির যন্ত্র যা শুধুমাত্র এসি প্রবাহে কাজ করে। কার্যপ্রণালি: এর প্রাইমারি কুণ্ডলীতে পরিবর্তী প্রবাহ দিলে চৌম্বক ফ্লাক্সের পরিবর্তন ঘটে এবং সেকেন্ডারি কুণ্ডলীতে তড়িৎ চালক শক্তি আবিষ্ট হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মোবাইল চার্জার বা অ্যাডাপ্টার ব্যাখ্যা: এটি ঘরের দুইশ বিশ ভোল্টের এসি লাইন থেকে ভোল্টেজ কমিয়ে পাঁচ ভোল্ট ডিসি তৈরিতে সহায়তা করে। উদাহরণ ২: পাওয়ার গ্রিড সাবস্টেশন ব্যাখ্যা: বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র থেকে দূরদূরান্তে উচ্চ বিভবে বিদ্যুৎ পাঠানোর জন্য স্টেপ আপ ট্রান্সফর্মার ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ট্রান্সফর্মার — এটি প্রদত্ত প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এটি বিভব বাড়াতে ও কমাতে পারে। B) মোটর — এটি এমন একটি যন্ত্র যা তড়িৎ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে এবং বিভব পরিবর্তন করে না। C) জেনারেটর — এটি যান্ত্রিক শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করে কিন্তু ভোল্টেজ রূপান্তর এর প্রধান কাজ নয়। D) ডায়নামো — এটি ছোট আকারের জেনারেটর যা মূলত চুম্বক ও কুণ্ডলীর ঘূর্ণনের মাধ্যমে তড়িৎ উৎপাদন করে। ৫ মনে রাখার টিপস: ট্রান্সফর্ম অর্থ রূপান্তর করা, তাই যে যন্ত্র বিভব বা ভোল্টেজ রূপান্তর করে তাকে ট্রান্সফর্মার বলে। মনে রাখবে এটি শুধু এসি প্রবাহে কাজ করে, ডিসি প্রবাহে কাজ করে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: স্টেপ আপ ট্রান্সফর্মার ভোল্টেজ বাড়ায় কিন্তু তড়িৎ প্রবাহ কমায়, আর স্টেপ ডাউন ট্রান্সফর্মার ভোল্টেজ কমায় কিন্তু তড়িৎ প্রবাহ বাড়ায়। পরীক্ষায় প্রায়ই আসে ট্রান্সফর্মার কোন প্রবাহে কাজ করে, যার উত্তর হলো পরিবর্তী প্রবাহ বা এসি।
a ওয়াট আওয়ারে
b ওয়াটে
c ভোল্ট
d কিলোওয়াট ঘণ্টায়
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কিলোওয়াট ঘণ্টায় ১. কেন সঠিক: বিদ্যুৎ বিল হিসাব করার জন্য শক্তির বাণিজ্যিক একক ব্যবহার করা হয়, যা হলো কিলোওয়াট ঘণ্টা বা বিওটি ইউনিট। এটি মূলত কোনো বৈদ্যুতিক যন্ত্রের ক্ষমতা এবং সেটি কত সময় ধরে চলছে তার মোট পরিমাণের ওপর নির্ভর করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: বৈদ্যুতিক শক্তি ব্যবহারের পরিমাণ নির্ণয় করার জন্য ক্ষমতা এবং সময়ের গুণফল হিসাব করা হয়। সূত্র: শক্তি সমান ক্ষমতা গুণ সময়। কার্যপ্রণালি: ওয়াটে প্রকাশিত ক্ষমতাকে কিলোওয়াটে রূপান্তর করতে এক হাজার দিয়ে ভাগ করা হয় এবং ঘণ্টার সঙ্গে গুণ করে কিলোওয়াট ঘণ্টা বা ইউনিট বের করা হয়। বাস্তব প্রয়োগ: আমাদের বাসাবাড়ির বৈদ্যুতিক মিটারে এই কিলোওয়াট ঘণ্টা বা ইউনিট হিসেবেই মাসিক বিদ্যুৎ ব্যবহার রেকর্ড করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: একটি একশো ওয়াটের বাতি প্রতিদিন দশ ঘণ্টা করে ত্রিশ দিন জ্বালালে মোট ত্রিশ কিলোওয়াট ঘণ্টা বা ত্রিশ ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ হয়। ব্যাখ্যা: এখানে ক্ষমতা একশো ওয়াট অর্থাৎ শূন্য দশমিক এক কিলোওয়াট এবং মোট সময় তিনশত ঘণ্টা, যাদের গুণ করলে ত্রিশ কিলোওয়াট ঘণ্টা পাওয়া যায়। উদাহরণ ২: একটি এক হাজার ওয়াটের ইস্ত্রি এক ঘণ্টা ব্যবহার করলে এক কিলোওয়াট ঘণ্টা বা এক ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ হয়। ব্যাখ্যা: এটি দেখায় যে বেশি ক্ষমতার যন্ত্র কম সময় চললেও নির্দিষ্ট পরিমাণ শক্তি খরচ করতে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ওয়াট আওয়ারে — এটি সঠিক একক নয় কারণ ওয়াট হলো ক্ষমতার একক, শক্তির বাণিজ্যিক হিসাবের জন্য সময়ের সঙ্গে কিলোওয়াট একক ব্যবহার করা হয়। B) ওয়াটে — এটি শুধু বৈদ্যুতিক ক্ষমতার একক, যা দিয়ে নির্দিষ্ট মুহূর্তের ক্ষমতা বোঝায় কিন্তু মোট ব্যবহৃত শক্তির হিসাব করা যায় না। C) ভোল্ট — এটি বৈদ্যুতিক বিভব পার্থক্য বা ভোল্টেজের একক, যা দিয়ে শক্তির পরিমাণ মাপা হয় না। D) কিলোওয়াট ঘণ্টায় — এটি সঠিক কারণ এটি বৈদ্যুতিক শক্তির বাণিজ্যিক একক এবং এর মাধ্যমেই বাসা বাড়ির বিদ্যুৎ বিল নির্ধারণ করা হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: বিদ্যুৎ বিলের হিসাব মনে রাখতে কিলোওয়াট ঘণ্টা কথাটি মাথায় রাখবে কারণ একে সংক্ষেপে এক ইউনিট বলা হয়। ক্ষমতাকে কিলোওয়াটে এবং সময়কে ঘণ্টায় প্রকাশ করে গুণ করলেই কাঙ্ক্ষিত মান পাওয়া যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এক কিলোওয়াট ঘণ্টা বা এক ইউনিট বিদ্যুৎ মানে তিন দশমিক ছয় গুণ দশের শক্তি ছয় জুল শক্তি। এই একই ধারণা থেকে বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদ্যুৎ বিলের খরচ বের করার অঙ্কের প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
a গ্লিসারিন
b ফিটকিরি
c সোডিয়াম ক্লোরাইড
d ক্যালসিয়াম কার্বনেট
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ক্যালসিয়াম কার্বনেট ১. কেন সঠিক: - ক্যালসিয়াম কার্বনেট পানিতে অদ্রবণীয় একটি যৌগ, যা সাধারণ তাপমাত্রায় জলের সাথে মিশে নিচে তলানি হিসেবে জমা হয়। - পানির অণুগুলোর পোলার প্রকৃতির কারণে পোলার বা আয়নিক যৌগ দ্রবীভূত হলেও ক্যালসিয়াম কার্বনেটের কণার ভেতরের আকর্ষণ বল প্রবল হওয়ায় তা ভাঙে না। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: রাসায়নিক দ্রবণীয়তা, যেখানে সমযোজী বা আয়নিক যৌগের জালিকাকে পানির অণু বিছিন্ন করতে না পারলে তা অদ্রবণীয় থাকে। - রাসায়নিক সংকেত: ক্যালসিয়াম কার্বনেটের রাসায়নিক সংকেত হলো CaCO৩। - কার্যপ্রণালি: জলে দেওয়ার পর এর আয়নগুলো আলাদা হতে পারে না কারণ এদের মধ্যকার বন্ধন শক্তি পানির সাথে মিথস্ক্রিয়া শক্তির চেয়ে অনেক বেশি। - বাস্তব প্রয়োগ: মার্বেল পাথর, চক কিংবা চুনাপাথর হলো ক্যালসিয়াম কার্বনেটের রূপ, যা পানিতে মেশালে গলে যায় না বরং অক্ষত থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চক দিয়ে বোর্ডে লেখার পর তা পানি দিয়ে মুছলে দেখা যায় চক সম্পূর্ণ দ্রবীভূত না হয়ে গুঁড়ো হিসেবে নিচে পড়ে থাকে। ব্যাখ্যা: চকের মূল উপাদান ক্যালসিয়াম কার্বনেট পানিতে অদ্রবণীয় বলেই এটি জলের সাথে মিশে স্বচ্ছ দ্রবণ তৈরি করে না। উদাহরণ ২: শামুক বা ঝিনুকের খোলস পানিতে ডুবে থাকলেও বছরের পর বছর ধরে তা গলে যায় না। ব্যাখ্যা: খোলসের প্রধান উপাদান ক্যালসিয়াম কার্বনেট পানিতে অদ্রবণীয় হওয়ার কারণে জলীয় পরিবেশে এটি সহজেই নষ্ট হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গ্লিসারিন — গ্লিসারিন একটি অ্যালকোহলজাতীয় জৈব যৌগ যা পানিতে সম্পূর্ণভাবে দ্রবণীয়। B) ফিটকিরি — ফিটকিরি একটি লবণের স্ফটিক যা পানিতে খুব সহজেই দ্রবীভূত হয় এবং পানি পরিষ্কার করতে ব্যবহৃত হয়। C) সোডিয়াম ক্লোرات — সোডিয়াম ক্লোরাইড বা সাধারণ লবণ পানিতে পুরোপুরি দ্রবীভূত হয়ে সোডিয়াম ও ক্লোরাইড আয়নে বিভক্ত হয়। D) ক্যালসিয়াম কার্বনেট — এটি পানিতে অদ্রবণীয় হওয়ায় সঠিক উত্তর হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - প্রাকৃতিক পাথর যেমন মার্বেল বা চুনাপাথর জলে গলে না, তাই এদের মূল উপাদান ক্যালসিয়াম কার্বনেট পানিতে অদ্রবণীয় এটি মনে রাখা সহজ। - লবণ ও চিনি জলে মেশে কিন্তু পাথর বা চক জলে মেশে না, এই সাধারণ অভিজ্ঞতা দিয়ে দ্রবণীয়তার বিষয়টি মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কোন যৌগ পানিতে দ্রবণীয় বা অদ্রবণীয় তা থেকে প্রশ্ন আসে। - সোডিয়াম ক্লোরাইড ও ফিটকিরি জলে দ্রবণীয় হলেও ক্যালসিয়াম কার্বনেট ও সিলিকা জলে অদ্রবণীয় থাকে, এই তথ্যটি মনে রাখা জরুরি।
a সোডিয়াম
b পটাসিয়াম
c ম্যাগনেসিয়াম
d কোনটিইনয়
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সোডিয়াম ১. কেন সঠিক: পারমাণবিক চুল্লিতে উৎপন্ন প্রচণ্ড তাপ দ্রুত সরিয়ে নেওয়ার জন্য সোডিয়াম ধাতু ব্যবহার করা হয়। সোডিয়াম চমৎকার তাপ পরিবাহী এবং এটি তরল অবস্থায় চুল্লির ভেতর সহজে চলাচল করতে পারে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: পারমাণবিক চুল্লিতে নিউক্লীয় বিভাজন বিক্রিয়ার মাধ্যমে প্রচুর তাপশক্তি উৎপন্ন হয়। এই তাপ বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহার করার জন্য চুল্লি থেকে বাইরে স্থানান্তর করা প্রয়োজন হয়। কার্যপ্রণালি: তরল সোডিয়াম বা সোডিয়াম ও পটাশিয়ামের সংকর ধাতু চুল্লির কোর বা কেন্দ্র থেকে তাপ শোষণ করে হিট এক্সচেঞ্জারে নিয়ে যায়। সেখানে পানির সঙ্গে তাপ বিনিময়ের মাধ্যমে উচ্চচাপের বাষ্প তৈরি করা হয়, যা টারবাইন ঘোরায়। বাস্তব প্রয়োগ: ফাস্ট ব্রিডার রিঅ্যাক্টরে কুল্যান্ট বা তাপ পরিবাহক হিসেবে তরল ধাতু ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক, কারণ সাধারণ পানি অতিরিক্ত তাপে বাষ্পীভূত হয়ে চাপ নিয়ন্ত্রণ অসম্ভব করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রান্নার সময় ধাতু বা অ্যালুমিনিয়ামের চামচ তাপ দ্রুত নিজের মধ্যে ছড়িয়ে দেয়। সোডিয়ামও একইভাবে চুল্লির ভেতর থেকে তাপ দ্রুত টেনে নেয়। ব্যাখ্যা: উচ্চ তাপ পরিবাহিতা থাকার কারণে সোডিয়াম যেকোনো স্থান থেকে তাপ দ্রুত অন্য স্থানে স্থানান্তর করতে পারে। উদাহরণ ২: ফাস্ট ব্রিডার নিউক্লিয়ার রিঅ্যাক্টর। ব্যাখ্যা: এই ধরণের আধুনিক পারমাণবিক চুল্লিতে জ্বালানি হিসেবে প্লুটোনিয়াম এবং শীতলীকরণ মাধ্যম হিসেবে তরল সোডিয়াম ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সোডিয়াম — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি চমৎকার তাপ পরিবাহী এবং এর গলনাঙ্ক কম থাকায় সহজে তরল রাখা যায়। B) পটাসিয়াম — পটাসিয়ামও তাপ পরিবাহী এবং সোডিয়ামের সঙ্গে মিশিয়ে সংকর ধাতু হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তবে এককভাবে প্রধান কুল্যান্ট হিসেবে সোডিয়াম বেশি প্রচলিত। C) ম্যাগনেসিয়াম — ম্যাগনেসিয়াম পারমাণবিক চুল্লির কাঠামোগত উপাদান বা ক্ল্যাডিং তৈরিতে ব্যবহৃত হয়, তাপ পরিবাহক কুল্যান্ট হিসেবে নয়। D) কোনটিই নয় — যেহেতু অপশন এ সঠিক, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: পারমাণবিক চুল্লির তাপ সরানোর জন্য সোডা বা সোডিয়াম মাথায় রাখবে। সোডিয়াম দ্রুত তাপ শুষে নেয় তাই একে কুল্যান্ট বলে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পারমাণবিক চুল্লিতে মডারেটর হিসেবে গ্রাফাইট বা ভারী পানি ব্যবহার করা হয় এবং কুল্যান্ট হিসেবে তরল সোডিয়াম ব্যবহার করা হয়। এই দুটি প্রশ্ন প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
a ভিটামিন-ই
b ভিটামিন-কে
c ভিটামিন-বি কমপ্লেক্স
d ভিটামিন-এ
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: খাদ্য, পুষ্টি ও ভিটামিন (মানবদেহ ও শারীরবৃত্ত) সঠিক উত্তর: C) ভিটামিন-বি কমপ্লেক্স ১. কেন সঠিক: চা পাতায় ভিটামিন বি কমপ্লেক্স, বিশেষ করে ভিটামিন বি-১, বি-২ এবং ফলিক এসিড বা ভিটামিন বি-৯ প্রচুর পরিমাণে থাকে। ভিটামিন বি কমপ্লেক্স পানিতে দ্রবণীয় হওয়ায় গরম পানিতে চা পাতা ভেজানোর সময় এই ভিটামিনগুলো চায়ের লিকারে মিশে যায়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: ভিটামিন বি কমপ্লেক্স হলো মানবদেহের বিপাকক্রিয়া এবং স্নায়ুতন্ত্রের স্বাভাবিক কার্যকারিতা বজায় রাখার জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান। কার্যপ্রণালি: চা পাতার কোষে থাকা পানি-দ্রবণীয় ভিটামিনগুলো ফুটন্ত পানির সংস্পর্শে আসলে দ্রবীভূত হয় এবং পানযোগ্য চায়ে রূপান্তরিত হয়। বাস্তব প্রয়োগ: প্রতিদিনের চায়ের মাধ্যমে আমাদের শরীর সামান্য পরিমাণে হলেও প্রয়োজনীয় ভিটামিন বি কমপ্লেক্স গ্রহণ করে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সকালে এক কাপ চা পান করা। ব্যাখ্যা: এটি ক্লান্তি দূর করার পাশাপাশি স্নায়ুতন্ত্রকে সতেজ রাখতে এবং শক্তি উৎপাদনে সামান্য পুষ্টি যোগায়। উদাহরণ ২: চা পাতায় লিকারে বিভিন্ন পুষ্টি উপাদানের উপস্থিতি। ব্যাখ্যা: চা পাতা কেবল ভিটামিন নয়, বরং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং খনিজ উপাদানেও সমৃদ্ধ যা শরীরের জন্য উপকারী। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভিটামিন-ই — এটি ফ্যাট বা চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিন যা প্রধানত বীজ, বাদাম এবং উদ্ভিজ তেলে পাওয়া যায়, চা পাতায় এর উপস্থিতি প্রধান নয়। B) ভিটামিন-কে — এটি রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে এবং সবুজ শাকসবজিতে বেশি থাকে, যা চা পাতার প্রধান ভিটামিন নয়। C) ভিটামিন-বি কমপ্লেক্স — এটি সঠিক উত্তর কারণ চা পাতায় এই ভিটামিনটি পানিতে দ্রবণীয় অবস্থায় বিদ্যমান থাকে। D) ভিটামিন-এ — এটি দৃষ্টিশক্তি রক্ষায় সাহায্য করে এবং গাজর বা মিষ্টি আলুতে বেশি পাওয়া যায়, যা চা পাতায় থাকে না। ৫. মনে রাখার টিপস: চা পান করলে তরল ও শক্তি পাওয়া যায়, তাই মনে রাখবেন তরল ভিটামিন অর্থাৎ ভিটামিন বি কমপ্লেক্স চায়ে থাকে। বি অক্ষরটি পানীয় বা বেভারেজ শব্দটির সঙ্গে মিলিয়েও এটি মনে রাখা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পানি-দ্রবণীয় ভিটামিনগুলোর নাম প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে যেমন ভিটামিন বি এবং সি। ভবিষ্যতে প্রশ্ন আসতে পারে কোন ভিটামিনগুলো চায়ে বা পানিতে দ্রবীভূত হয়।
a নাইট্রোজেনের
b ফসফরাসের
c ইউরিয়ার
d পটাসিয়ামের
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নাইট্রোজেনের ১. কেন সঠিক: - উদ্ভিদের পাতায় ক্লোরোফিল উৎপাদনের জন্য নাইট্রোজেন অপরিহার্য উপাদান হিসেবে কাজ করে। - নাইট্রোজেনের অভাবে ক্লোরোফিল তৈরি ব্যাহত হয়, ফলে পাতা সবুজ রং হারিয়ে হলুদ হয়ে যায়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: উদ্ভিদের পুষ্টি উপাদানের মধ্যে নাইট্রোজেন একটি প্রধান বা ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট। - কার্যপ্রণালি: নাইট্রোজেনের অভাবে গাছের নিচের পুরনো পাতাগুলো আগে হলুদ হয়, যাকে ক্লোরোসিস বলা হয়। - কারণ ও ফলাফল: ক্লোরোফিলের ঘাটতির কারণে সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হয় এবং উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যাহত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ধানের ক্ষেতে নাইট্রোজেন সারের ঘাটতি। ব্যাখ্যা: ইউরিয়া সার প্রয়োগ না করলে ধানের পাতা হলুদ হয়ে গাছ দুর্বল হয়ে যায়। উদাহরণ ২: টমেটো গাছের নিচের পাতা হলুদ হয়ে যাওয়া। ব্যাখ্যা: পর্যাপ্ত নাইট্রোজেন না পেলে গাছ খাদ্য তৈরি করতে পারে না এবং ফলন কমে যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নাইট্রোজেনের — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অভাবে ক্লোরোফিল কমে পাতা হলুদ হয়। B) ফসফরাসের — ফসফরাসের অভাবে গাছের পাতা ও কান্ডে বেগুনি বা কালচে দাগ দেখা যায়। C) ইউরিয়ার — ইউরিয়া সরাসরি কোনো খনিজ উপাদান নয়, এটি নাইট্রোজেন সরবরাহের একটি সার মাত্র। D) পটাসিয়ামের — পটাসিয়ামের অভাবে পাতার কিনার পুড়ে যায় বা বাদামি রং ধারণ করে। ৫ মনে রাখার টিপস: - নাইট্রোজেন মানেই উদ্ভিদের সবুজ রঙ, তাই এর অভাবে পাতা হলুদ হয়ে যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - উদ্ভিদের পাতায় ক্লোরোসিসের প্রধান কারণ কী, তা BCS পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা মুখ্য পুষ্টি উপাদানের কাজগুলো ভালো করে পড়তে হবে।
a ১৫ ইঞ্চি(প্রায়)
b ১৭ ইঞ্চি(প্রায়)
c ১৮ ইঞ্চি(প্রায়)
d ২০ ইঞ্চি(প্রায়)
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৮ ইঞ্চি(প্রায়) ১. কেন সঠিক: মানুষের কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো সুষুম্নাকান্ড বা স্পাইনাল কর্ড। পূর্ণবয়স্ক মানুষের ক্ষেত্রে মেরুদণ্ডের মধ্যবর্তী নার্ভ বা স্নায়ুর এই রজ্জুর গড় দৈর্ঘ্য প্রায় ১৮ ইঞ্চি বা ৪৫ সেন্টিমিটার হয়ে থাকে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: স্পাইনাল কর্ড হলো স্নায়ুকোষের দীর্ঘ ও নমনীয় একটি গুচ্ছ যা মস্তিষ্ক থেকে শুরু হয়ে কটিদেশ পর্যন্ত বিস্তৃত থাকে। কার্যপ্রণালি: এটি মস্তিষ্ক ও শরীরের অন্যান্য অংশের মধ্যে সংকেত আদান-প্রদান করে এবং বিভিন্ন স্বয়ংক্রিয় প্রতিবর্ত ক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পায়ে কোনো গরম বস্তু লাগলে তাত্ক্ষণিকভাবে পা সরিয়ে নেওয়া। ব্যাখ্যা: এই প্রক্রিয়ায় স্পাইনাল কর্ড মস্তিষ্ক পর্যন্ত বার্তা পৌঁছানোর আগেই তাৎক্ষণিক নির্দেশ দিয়ে পেশি সংকোচন ঘটায়। উদাহরণ ২: হাঁটুর নিচে আঘাত করলে পা স্বয়ংক্রিয়ভাবে সামনের দিকে লাফিয়ে ওঠা। ব্যাখ্যা: এটি মোনাসিনেপ্টিক প্রতিবর্ত চাপের একটি ধ্রুপদী উদাহরণ যা স্পাইনাল কর্ডের কার্যকারিতা প্রমাণ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৫ ইঞ্চি(প্রায়) — এই মাপটি একজন কিশোর বা অপেক্ষাকৃত কম উচ্চতার মানুষের স্পাইনাল কর্ডের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে কিন্তু পূর্ণবয়স্ক মানুষের জন্য এটি ছোট। B) ১৭ ইঞ্চি(প্রায়) — এটি সঠিক উত্তরের কাছাকাছি হলেও প্রমিত মানবদেহের শারীরবৃত্তীয় মাপে পূর্ণবয়স্কদের জন্য সাধারণত ১৮ ইঞ্চি ধরা হয়। C) ১৮ ইঞ্চি(প্রায়) — এটি পূর্ণবয়স্ক মানুষের স্পাইনাল কর্ডের বৈজ্ঞানিক ও প্রমিত গড় দৈর্ঘ্যের সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়। D) ২০ ইঞ্চি(প্রায়) — এই দৈর্ঘ্যটি মানুষের স্পাইনাল কর্ডের স্বাভাবিক গড়ের চেয়ে বেশি, যা পূর্ণবয়স্ক মানুষের ক্ষেত্রে সচরাচর দেখা যায় না। ৫. মনে রাখার টিপস: মানুষের স্পাইনাল কর্ডের দৈর্ঘ্য ১৮ ইঞ্চি বা দেড় ফুট মনে রাখতে পারেন। মস্তিষ্কের ওজন দেড় কেজি আর স্পাইনাল কর্ডের দৈর্ঘ্য দেড় ফুট এভাবে মিলিয়ে পড়লে সহজে মনে থাকবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: স্পাইনাল কর্ডের দৈর্ঘ্য সাধারণত কটিদেশীয় অঞ্চলের প্রথম বা দ্বিতীয় কশেরুকা পর্যন্ত বিস্তৃত থাকে। এই ধরনের প্রতিযোগিতামূলক প্রশ্নে স্নায়ুতন্ত্রের বিভিন্ন অংশের দৈর্ঘ্য বা ওজন প্রায়ই পরীক্ষণে আসে।
a কোষের অস্বাভাবিক মৃত্যু
b কোষের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি
c কোষের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি জমাট বাঁধা
d ওপরের সবগুলো
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কোষের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি ১. কেন সঠিক: - ক্যান্সার হলো কোষের অনিয়ন্ত্রিত ও অস্বাভাবিক বিভাজন এবং বৃদ্ধির ফল। - শরীরের স্বাভাবিক কোষের বৃদ্ধি ও বিভাজন একটি সুনির্দিষ্ট নিয়মে ঘটে, কিন্তু ক্যান্সার কোষে এই নিয়ন্ত্রণ নষ্ট হয়ে যায়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: কোষ চক্রের নিয়ন্ত্রক জিন মিউটেশন বা পরিবর্তনের মাধ্যমে স্বাভাবিক কোষ যখন অনিয়ন্ত্রিতভাবে বিভাজিত হতে থাকে, তখন তাকে ক্যান্সার বলে। - কার্যপ্রণালি: ডিএনএ ক্ষতিগ্রস্ত হলে স্বাভাবিক কোষ ধ্বংস হয়ে যাওয়ার কথা, কিন্তু ক্যান্সার কোষে সেই প্রক্রিয়া ব্যাহত হয় এবং কোষগুলো অমরত্বের মতো আচরণ করে দ্রুত সংখ্যায় বৃদ্ধি পায়। - কারণ ও ফলাফল: অতিরিক্ত কোষগুলো একত্রে জমা হয়ে টিউমার গঠন করে, যা রক্তনালী ও লসিকা তন্ত্রের মাধ্যমে শরীরের অন্যান্য সুস্থ অঙ্গে ছড়িয়ে পড়তে পারে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ফুসফুসের ক্যান্সার ব্যাখ্যা: অতিরিক্ত ধূমপানের কারণে ফুসফুসের কোষের ডিএনএ ক্ষতিগ্রস্ত হয়, যা পরবর্তীতে অনিয়ন্ত্রিত কোষ বিভাজনের মাধ্যমে ফুসফুসের ক্যান্সারের সৃষ্টি করে। উদাহরণ ২: ত্বকের ক্যান্সার বা মেলানোমা ব্যাখ্যা: অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাবে ত্বকের কোষের মিউটেশন ঘটে এবং কোষগুলোর অস্বাভাবিক বৃদ্ধির ফলে ত্বকে ক্যান্সার দেখা দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কোষের অস্বাভাবিক মৃত্যু — কোষের স্বাভাবিক মৃত্যুর প্রক্রিয়াকে অ্যাপোপটোসিস বলে, যা ক্যান্সার কোষে বাধাগ্রস্ত হয় এবং এটি সঠিক উত্তর নয়। B) কোষের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি — এটি ক্যান্সারের মূল বৈজ্ঞানিক সংজ্ঞা ও প্রধান কারণ হিসেবে সরাসরি মিলে যায় এবং এটিই সঠিক উত্তর। C) কোষের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি জমাট বাঁধা — কোষ জমাট বেঁধে টিউমার তৈরি করলেও কেবল জমাট বাঁধাই ক্যান্সারের একমাত্র একক কারণ বা সংজ্ঞা নয়। D) ওপরের সবগুলো — যেহেতু ক এবং গ অপশন দুটির তথ্য পুরোপুরি সঠিক বা পূর্ণাঙ্গ নয়, তাই এই অপশনটি সঠিক হতে পারে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - ক্যান্সার মনে রাখার সহজ কৌশল হলো অনিয়ন্ত্রিত কোষ বিভাজন বা অতিরিক্ত বৃদ্ধি। স্বাভাবিক কোষ বিভাজনের শৃঙ্খলা ভেঙে যাওয়া মানেই ক্যান্সার। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ক্যান্সার সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে, যেমন টিউমার দুই প্রকার (বিনাইন ও ম্যালিগন্যান্ট)। ম্যালিগন্যান্ট টিউমারই মূলত মারাত্মক ক্যান্সার হিসেবে পরিচিত।
a আলট্রা-ভ্যায়োলেট রশ্মি
b বিটা রশ্মি
c আলফা রশ্মি
d গামারশ্মি
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: পরিবেশবিজ্ঞান এবং আলো ও তরঙ্গ সঠিক উত্তর: D) গামারশ্মি ১. কেন সঠিক: - জীবজগতের জন্য সবচেয়ে ক্ষতিকারক রশ্মি হলো গামারশ্মি, কারণ এটি একটি অত্যন্ত শক্তিশালী তড়িৎচুম্বকীয় বিকিরণ যা ডিএনএ এর গঠন ভেঙে ফেলতে পারে। - এর ভেদন ক্ষমতা সর্বোচ্চ হওয়ায় এটি কোষের গভীরে প্রবেশ করে কোষের মিউটেশন ও মৃত্যু ঘটায় যা ক্যানসারের কারণ হতে পারে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: গামারশ্মি হলো তেজস্ক্রিয় পরমাণুর নিউক্লিয়াস থেকে নির্গত উচ্চ শক্তির ফোটন কণা যার তরঙ্গদৈর্ঘ্য অত্যন্ত ক্ষুদ্র। - কারণ ও ফলাফল: কোষের ভেতরের পানির অণুকে আয়নিত করে মুক্ত মূলক তৈরি করে যা জীবকোষের জৈব অণুকে স্থায়ীভাবে ধ্বংস করে দেয়। - বাস্তব প্রয়োগ: চিকিৎসাবিজ্ঞানে ক্যানসার কোষ ধ্বংসে রেডিওথেরাপিতে গামারশ্মি ব্যবহার করা হয়, যা নিয়ন্ত্রিত মাত্রায় না দিলে সুস্থ কোষের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চেরনোবিল পারমাণবিক দুর্ঘটনা ব্যাখ্যা: এই দুর্ঘটনায় নির্গত উচ্চ মাত্রার গামারশ্মি ও তেজস্ক্রিয়তা ওই অঞ্চলের সমস্ত উদ্ভিদ ও প্রাণিকুলকে ধ্বংস করেছিল এবং দীর্ঘমেয়াদি জিনগত ত্রুটি সৃষ্টি করেছিল। উদাহরণ ২: মহাকাশচারীদের বিকিরণ ঝুঁকি ব্যাখ্যা: বায়ুমণ্ডলের বাইরে মহাকাশচারীদের ওপর সরাসরি গামারশ্মির প্রভাব পড়ার ঝুঁকি থাকে, যা জীবদেহের কোষের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আলট্রা-ভ্যায়োলেট রশ্মি — এটি ক্ষতিকর হলেও গামারশ্মির মতো এত বেশি শক্তি ও ভেদন ক্ষমতা সম্পন্ন নয় এবং এটি ত্বকের ক্যানসার ও চোখের ক্ষতি করে। B) বিটা রশ্মি — এটি মূলত ইলেকট্রন কণা যা ত্বকের উপরিভাগে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে, তবে গামারশ্মির মতো জীবজগতের জন্য সর্বব্যাপী মারাত্মক নয়। C) আলফা রশ্মি — এটি হিলিয়াম নিউক্লিয়াসের স্রোত যার ভেদন ক্ষমতা খুব কম এবং কাগজের পাতা দিয়েই একে আটকানো যায়। D) গামারশ্মি — এটি তেজস্ক্রিয় ক্ষয়ের ফলে সৃষ্ট সর্বোচ্চ শক্তি সম্পন্ন রশ্মি যা জীবজগতের জন্য সবচেয়ে বেশি ক্ষতিকর। ৫ মনে রাখার টিপস: - তেজস্ক্রিয় রশ্মিগুলোর ভেদন ক্ষমতা মনে রাখার কৌশল হলো আলফা থেকে গামার দিকে গেলে শক্তি ও ক্ষতিকর প্রভাব ক্রমাগত বৃদ্ধি পায়। - গামারশ্মি হলো গেম ওভার এর মতো, অর্থাৎ এটি জীবজগতের জন্য চরম ধ্বংসাত্মক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - তড়িৎচুম্বকীয় বর্ণালীতে গামারশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম এবং ফ্রিকোয়েন্সি বা কম্পাঙ্ক সবচেয়ে বেশি। - এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় পরিবেশের উপর তেজস্ক্রিয়তার প্রভাব অংশে প্রায়শই আসে।