ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬ টি
১. কেন সঠিক:
- একজন মানুষের শারীরিক বৃদ্ধি, শক্তি উৎপাদন, ক্ষয়পূরণ এবং রোগ প্রতিরোধের জন্য যে খাদ্যে শরীরের প্রয়োজনীয় সবকটি পুষ্টি উপাদান নির্দিষ্ট অনুপাতে থাকে, তাকে সুষম খাদ্য বলে।
- সুষম খাদ্যের প্রধান উপাদান ছয়টি যা দেহের পুষ্টি চাহিদা নিখুঁতভাবে পূরণ করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: খাদ্য, পুষ্টি ও ভিটামিন বিভাগের আওতাধীন এই প্রশ্নে সুষম খাদ্যের উপাদানগুলো হলো শর্করা, আমিষ, স্নেহ বা চর্বি, ভিটামিন, খনিজ লবণ এবং পানি।
- কার্যপ্রণালি: শর্করা ও স্নেহ পদার্থ শক্তি জোগায়, আমিষ কোষ গঠন ও ক্ষয়পূরণ করে, ভিটামিন ও খনিজ লবণ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং পানি শরীরের অভ্যন্তরীণ রাসায়নিক বিক্রিয়া ও বিপাকক্রিয়া সচল রাখে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: এক প্লেট ভাতের সঙ্গে মাছ বা মাংস, ডাল, শাকসবজি, সালাদ এবং পর্যাপ্ত পানি গ্রহণ।
ব্যাখ্যা: এটি সুষম খাদ্যের উৎকৃষ্ট উদাহরণ কারণ এতে শর্করা, আমিষ, ভিটামিন, খনিজ লবণ ও পানি একসঙ্গে উপস্থিত থাকে।
উদাহরণ ২: প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় দুধ বা ডিম রাখা।
ব্যাখ্যা: ডিম বা দুধকে আদর্শ খাদ্য বলা হয় কারণ এতে সুষম খাদ্যের প্রায় সবকটি উপাদান সঠিক অনুপাতে বিদ্যমান থাকে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৪ টি — এটি ভুল কারণ খাদ্যের প্রধান পুষ্টি উপাদান মূলত ছয়টি, চারটিতে সুষম খাদ্যের সমস্ত উপাদান সম্পূর্ণ হয় না।
B) ৫ টি — এটি ভুল কারণ ভিটামিন এবং খনিজ লবণকে আলাদাভাবে ধরে সুষম খাদ্যের উপাদান সংখ্যা ছয়টি হিসেবে ধরা হয়।
C) ৬ টি — এটি সঠিক কারণ শর্করা, আমিষ, স্নেহ, ভিটামিন, খনিজ লবণ ও পানি মিলিয়ে সুষম খাদ্যের উপাদান মোট ছয়টি।
D) ৮ টি — এটি ভুল কারণ পুষ্টিবিজ্ঞান অনুযায়ী সুষম খাদ্যের মৌলিক উপাদান ছয়টির বেশি নয়, আটটি কোনো বৈজ্ঞানিক সংখ্যা নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সুষম খাদ্যের উপাদান মনে রাখার সহজ কৌশল হলো শআমি স্নেহ বিখপা, অর্থাৎ শর্করা, আমিষ, স্নেহ, ভিটামিন, খনিজ লবণ ও পানি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সুষম খাদ্যের উপাদান সংখ্যা বা এর প্রধান কাজ সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
- এখান থেকে শক্তির উৎস, দেহগঠনকারী উপাদান এবং ভিটামিন ও খনিজ লবণের উৎস সংক্রান্ত প্রশ্নও হতে পারে।