বাংলাদেশ  সিভিল সার্ভিস (BCS)

২৯ তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা ২০০৯

পদের নাম: বিভিন্ন পদ (৯ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (97)

a ১৩টি
b ১০টি
c ১২টি
d ১১টি
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১১টি কেন সঠিক: - বাংলা বর্ণমালায় মোট ১১টি স্বরবর্ণ রয়েছে। - এই ১১টি স্বরবর্ণ স্বাধীনভাবে উচ্চারিত হতে পারে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ভাষার ব্যাকরণ অনুযায়ী স্বরবর্ণ হলো অ, আ, ই, ঈ, উ, ঊ, ঋ, এ, ওই, ও, ঔ। - ডক্টর মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর মতে এবং বাংলা একাডেমির প্রমিত ব্যাকরণ অনুযায়ী স্বরবর্ণের সংখ্যা ১১টি। - যেমন অ এবং আ হলো মৌলিক স্বরধ্বনি ভিত্তিক রূপ। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) ১৩টি — এটি প্রাচীন বা সংস্কৃত বর্ণমালার স্বরবর্ণের সংখ্যা, আধুনিক বাংলা বর্ণমালার নয়। - B) ১০টি — এটি ভুল সংখ্যা কারণ বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণের সংখ্যা ১০টি নয়। - C) ১২টি — বাংলা ব্যাকরণে স্বরবর্ণ কখনোই ১২টি ছিল না। - D) সঠিক উত্তর — এটি সঠিক কারণ আধুনিক বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণ ঠিক ১১টি। মনে রাখার টিপস: - বাংলা বর্ণমালার স্বরবর্ণ মনে রাখতে অ থেকে ঔ পর্যন্ত বর্ণগুলো গুনে দেখতে হবে।
a সংক্ষেপ করে
b বিস্তৃত করে
c অর্থপূর্ণ করে
d অর্থের রূপান্তর করে
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সংক্ষেপ করে ১. কেন সঠিক: সমাসের প্রধান কাজ হলো একাধিক পদকে এক পদে পরিণত করে ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করা ও বাক্যকে ছোট করা। সংক্ষিপ্তকরণের মাধ্যমে বাংলা ভাষার প্রকাশভঙ্গি সহজ ও সাবলীল হয় এবং বক্তার বক্তব্য দ্রুত প্রকাশ পায়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: পরস্পর অর্থসংগতিযুক্ত দুই বা ততোধিক পদের এক পদ হওয়ার প্রক্রিয়াকে সমাস বলে। সমাসের মাধ্যমে বাক্য বা বাক্যাংশের অপ্রয়োজনীয় শব্দ কমে যায় এবং ভাব সংহত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সিংহ চিহ্নিত আসন = সিংহাসন ব্যাখ্যা: এখানে তিনটি পদের একটি পদ হয়ে বাক্য সংক্ষেপিত হয়েছে। উদাহরণ ২: দেশ হিতৈষী = দেশহিতৈষী ব্যাখ্যা: বড় বাক্য বা পদগুচ্ছকে এক শব্দে প্রকাশ করে ভাষা সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সংক্ষেপ করে — এই অপশনটি সঠিক কারণ সমাস পদের মিলন ঘটিয়ে বাক্যকে ছোট করে। B) বিস্তৃত করে — এই অপশনটি ভুল কারণ সমাস কখনো বাক্য বা ভাষাকে বড় বা বিস্তৃত করে না। C) অর্থপূর্ণ করে — এই অপশনটি ভুল কারণ পদ এমনিতেই অর্থপূর্ণ হয়, সমাসের কাজ সংক্ষিপ্ত করা। D) অর্থের রূপান্তর করে — এই অপশনটি ভুল কারণ সমাস অর্থের পরিবর্তন করে না, বরং ভাবকে সংহত করে। ৫ মনে রাখার টিপস: সমাস মানেই সংক্ষিপ্ত করা। সমাস শব্দটির অর্থ সংক্ষেপণ, মিলন বা একাধিক পদের একপদীকরণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমাসের মূল কাজ বা সংজ্ঞা সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। সমাসের আক্ষরিক অর্থ সংক্ষেপ, মিলন বা সংক্ষেপণ।
a দিজেন্দ্রজাল রায়
b রজনীকান্ত সেন
c মাইকেল মধুসূদন দত্ত
d অতুলপ্রসাদ সেন
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১. কেন সঠিক: মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে প্রথম সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতার সফল প্রবর্তন করেন। তিনি ইতালীয় কবি পেত্রার্কের সনেট শৈলী বাংলা সাহিত্যে সফলভাবে প্রয়োগ করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মাইকেল মধুসূদন দত্ত আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রথম বিদ্রোহী কবি ও নাট্যকার। তার রচিত চতুর্দশপদী কবিতাবলী বাংলা সাহিত্যের প্রথম সনেট সংকলন যা ১৮৬৬ সালে প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বঙ্গবাণী কবিতা ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সনেটের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ উদাহরণ যেখানে সনেটের ভাবের প্রথমার্ধ ও উত্তরার্ধের মিলবন্ধন দেখা যায়। উদাহরণ ২: কপোতক্ষ নদ কবিতা ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি সনেট যা স্মৃতিচারণমূলক ও দেশপ্রেমের অনন্য নিদর্শন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্বিজেন্দ্রলাল রায় — ইনি একজন বিখ্যাত নাট্যকার ও গীতিকার হলেও সনেটের প্রবর্তক নন। B) রজনীকান্ত সেন — ইনি বাংলা সাহিত্যের প্রখ্যাত ভক্তিমূলক ও দেশাত্মবোধক গানের জন্য পরিচিত, সনেটের সঙ্গে যুক্ত নন। C) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি বাংলা সনেটের প্রবর্তক। D) অতুলপ্রসাদ সেন — ইনি মূলত আধুনিক বাংলা গানের গীতিকার ও সুরকার, সনেটের প্রবর্তক নন। ৫ মনে রাখার টিপস: সনেট মানেই মধুসূদন। বাংলা কাব্যে চতুর্দশপদী কবিতার জনক হিসেবে তাকে মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা সনেটের মূল বৈশিষ্ট্য হলো চৌদ্দটি চরণ এবং নির্দিষ্ট মিলবিন্যাস। এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
a ১৯৫৫ খ্রি.
b ১৩৫৫ বঙ্গাব্দ
c ১৯৫২খ্রি.
d ১৩৫২ বঙ্গাব্দ
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৯৫৫ খ্রি. ১. কেন সঠিক: বাংলা একাডেমি বাংলাদেশের ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতির গবেষণা ও উন্নয়নের জন্য প্রতিষ্ঠিত একটি জাতীয় প্রতিষ্ঠান। ১৯৫৫ সালের ৩ ডিসেম্বর এই প্রতিষ্ঠানটি আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্ধমান হাউস এর প্রথম কার্যালয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ২. সাহিত্য ও ঐতিহাসিক ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের মানোন্নয়ন এবং প্রমিতকরণের লক্ষ্যে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয়। যুক্তফ্রন্ট সরকারের সময় ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ ও অন্যান্য ভাষা সৈনিকদের উদ্যোগে এই প্রতিষ্ঠান গঠনের প্রক্রিয়া দ্রুততর হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ব্যাখ্যা: ১৯২১ সালে প্রতিষ্ঠিত এই উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানটিও বাংলার শিক্ষা ও সংস্কৃতির বিকাশে ঐতিহাসিক ভূমিকা রেখেছে। উদাহরণ ২: বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর ব্যাখ্যা: ১৯১০ সালে প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠানটিও বাংলার ইতিহাস ও প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন সংরক্ষণের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৫৫ খ্রি. — এটি সঠিক কারণ বাংলা একাডেমি এই খ্রিষ্টাব্দেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। B) ১৩৫৫ বঙ্গাব্দ — এই বঙ্গাব্দটি সঠিক নয় কারণ সে সময় একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয়নি। C) ১৯৫২ খ্রি. — এই সালে ভাষা আন্দোলন হয়েছিল কিন্তু বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয়নি। D) ১৩৫২ বঙ্গাব্দ — এই বঙ্গাব্দটিও বাংলা একাডেমির প্রতিষ্ঠার সাল নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: ভাষা আন্দোলনের তিন বছর পর অর্থাৎ ১৯৫৫ সালে বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয়। সালটি মনে রাখতে ৫৬ সালের কাছাকাছি ১৯৫৫ সংখ্যাটি মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা একাডেমির প্রথম সচিব ছিলেন মুহম্মদ মনসুর উদ্দিন এবং প্রথম মহাপরিচালক ছিলেন ড. মযহারুল ইসলাম। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাকাল এবং প্রথম সভাপতির নাম প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
a মুক্তিযুদ্ধের বিবরন
b মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস
c মুক্তিযোদ্ধাদের পত্র সংকলন
d ভিন্নধর্মী ডায়েরী
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মুক্তিযোদ্ধাদের পত্র সংকলন ১. কেন সঠিক: - একাত্তরের চিঠি একটি ঐতিহাসিক দলিল যেখানে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে রণাঙ্গনে থাকা মুক্তিযোদ্ধাদের লেখা চিঠিপত্র সংকলন করা হয়েছে। - প্রথম আলো পত্রিকার উদ্যোগে বিভিন্ন স্থান থেকে সংগৃহীত মুক্তিযোদ্ধাদের এই চিঠিগুলো পরবর্তীতে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধারা তাদের মা, বাবা, স্ত্রী, ভাই বা প্রিয়জনকে যেসব চিঠি লিখেছিলেন, এটি তারই এক অনন্য সংগ্রহ। - এই চিঠিগুলোতে তৎকালীন যুদ্ধের ভয়াবহতা, মুক্তিযোদ্ধাদের আবেগ, দেশপ্রেম এবং ত্যাগের বাস্তব চিত্র ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রণাঙ্গনের চিঠি ব্যাখ্যা: এটিও মুক্তিযোদ্ধাদের ব্যক্তিগত পত্রের সংকলন, যা মুক্তিযুদ্ধকালীন বাস্তবতাকে তুলে ধরে। উদাহরণ ২: একাত্তরের দিনগুলি ব্যাখ্যা: এটি জাহানারা ইমাম রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি প্রামাণ্য দিনলিপি বা ডায়েরি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুক্তিযুদ্ধের বিবরণ — বিবরণ বলতে কোনো নির্দিষ্ট গদ্য বা ইতিহাসের বর্ণনা বোঝায়, কিন্তু এটি সরাসরি চিঠিগুলোর সংকলন। B) মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস — উপন্যাস হলো কাল্পনিক কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে রচিত গদ্যশিল্প, কিন্তু এটি কোনো উপন্যাস নয়। D) ভিন্নধর্মী ডায়েরী — ডায়েরি হলো দিনপঞ্জি আকারে লেখা ব্যক্তিগত বা স্মৃতিকথামূলক রচনা, কিন্তু এটি ব্যক্তিগত চিঠির সংকলন। ৫ মনে রাখার টিপস: - নামের মধ্যেই চিঠি শব্দটি আছে, তাই এটি সহজেই মুক্তিযোদ্ধাদের পত্র সংকলন হিসেবে মনে রাখা যায়। - প্রথম আলোর উদ্যোগে প্রকাশিত এই বইটি মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের একটি প্রামাণ্য দলিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্য গ্রন্থ ও সংকলন থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - এ ধরনের গ্রন্থগুলোর সংকলক বা লেখকের নাম ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a আকাঙ্ক্ষা, আসক্তি ও বিধেয়
b আকাঙ্ক্ষা, আসক্তি ও যোগ্যতা
c যোগ্যতা , উদ্দেশ্য ও বিধেয়
d কোনটিই নয়
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আকাঙ্ক্ষা, আসক্তি ও যোগ্যতা ১. কেন সঠিক: - একটি সার্থক বাক্য গঠনের জন্য তিনটি অপরিহার্য গুণ বা শর্ত থাকা আবশ্যক, যার নাম আকাঙ্ক্ষা, আসক্তি ও যোগ্যতা। - এই তিনটি গুণের যেকোনো একটির অনুপস্থিতি ঘটলে পদসমষ্টিকে ব্যাকরণগতভাবে পরিপূর্ণ বাক্য বলা চলে না। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - আকাঙ্ক্ষা হলো মনের ভাব সম্পূর্ণরূপে প্রকাশ করার জন্য এক পদের পর অন্য পদ শোনার যে ইচ্ছা, তা পূর্ণ হওয়া। - আসক্তি হলো বাক্যের অর্থসঙ্গতি রক্ষা করে পদগুলোকে যথাযথভাবে সাজিয়ে রাখার সুশৃঙ্খল বিন্যাস। - যোগ্যতা হলো বাক্যের পদগুলোর অর্থের সংগতি এবং ভাবগত মিল থাকার পূর্ণাঙ্গ সামর্থ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চন্দ্র সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে। ব্যাখ্যা: এই বাক্যটিতে কোনো আকাঙ্ক্ষা নেই, পদগুলো সুশৃঙ্খলভাবে সাজানো (আসক্তি) এবং এর অর্থ সম্পূর্ণ বাস্তবসম্মত ও অর্থপূর্ণ (যোগ্যতা)। উদাহরণ ২: বর্ষা ঋতুতে আকাশে ঘন কালো মেঘ জমে। ব্যাখ্যা: এটি একটি ত্রুটিহীন বাক্য যেখানে বাক্যের তিনটি গুণই পূর্ণমাত্রায় বিদ্যমান রয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আকাঙ্ক্ষা, আসক্তি ও বিধেয় — এটি ভুল কারণ বাক্যের গুণ বোঝাতে 'বিধেয়' শব্দটি ব্যবহৃত হয় না, এটি বাক্যের অংশবিশেষ। B) আকাঙ্ক্ষা, আসক্তি ও যোগ্যতা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। C) যোগ্যতা, উদ্দেশ্য ও বিধেয় — এটি ভুল কারণ উদ্দেশ্য ও বিধেয় হলো বাক্যের কাঠামোগত অংশ, বাক্যের গুণ নয়। D) কোনটিই নয় — এটি ভুল কারণ অপশন বি তে সঠিক উত্তরটি স্পষ্টভাবে বিদ্যমান রয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - বাক্য গঠনের তিনটি গুণ সহজে মনে রাখার জন্য আ-আ-য সূত্রটি মনে রাখতে পারো। - আ তে আকাঙ্ক্ষা, আসক্তি এবং য তে যোগ্যতা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বাক্য গঠনের গুণ কয়টি বা কী কী তা জানতে চাওয়া হয়। - এ ধরনের প্রশ্নে উদ্দেশ্য বা বিধেয়র মতো অংশগুলোকে গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
a জন+ইক
b জন+এক
c জনৈ+এক
d জন+ঈক
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জন+এক ১. কেন সঠিক: - জনৈক শব্দটির সন্ধি-বিচ্ছেদ হলো জন যোগ এক এবং এটি সংস্কৃত স্বরসন্ধির একটি বিশেষ নিয়মের অন্তর্ভুক্ত। - অ বা আ এর পরে এ বা ঐ থাকলে উভয় মিলে ঐ-কার হয় এবং তা আগের বর্ণের সঙ্গে যুক্ত হয়ে গঠিত হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী অ কিংবা আ এর পরে এ কিংবা ঐ থাকলে উভয়ে মিলে ঐ-কার হয় এবং এই ঐ-কার পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনবর্ণের সঙ্গে যুক্ত হয়। - জন শব্দের শেষে অ এবং এক শব্দের শুরুতে এ রয়েছে, যা মিলিত হয়ে ঐ-কার গঠন করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মত + এক = মতেক ব্যাখ্যা: মত শব্দের অ এবং এক শব্দের এ মিলে ঐ-কার গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: সদা + এব = সদৈব ব্যাখ্যা: সদা শব্দের আ এবং এব শব্দের এ মিলে ঐ-কার গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জন+ইক — ইক প্রত্যয় যুক্ত হলে জানিক হয়, কিন্তু এটি সঠিক সন্ধি-বিচ্ছেদ নয়। B) জন+এক — এই অপশনটি সঠিক এবং নিয়মানুযায়ী এটি জনৈক গঠন করে। C) জনৈ+এক — জনৈ বলে কোনো অর্থপূর্ণ শব্দ বাংলা বা সংস্কৃতি ব্যাকরণে নেই। D) জন+ঈক — ঈক দীর্ঘ স্বরবর্ণ হওয়ায় এই মিলন ব্যাকরণের নিয়মের সঙ্গে মিলে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - দুই মাত্রা বিশিষ্ট বা ঐ-কার যুক্ত শব্দ দেখলে মাঝখানে অ বা আ এবং পরের অংশে এ বা ঐ খোঁজার চেষ্টা করবে। - জনৈক মানে একজন, তাই জন যোগ এক মনে রাখলে সহজে সঠিক উত্তর বের করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় স্বরসন্ধির ব্যতিক্রমী নিয়মগুলো থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - এই একই নিয়মে গঠিত শব্দগুলো চর্চা করলে পরীক্ষার হলে কম সময়ে সঠিক উত্তর চিহ্নিত করা সহজ হয়।
a কল্লোল
b সবুজপত্র
c বঙ্গদর্শন
d কালিকলম
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সবুজপত্র ১. কেন সঠিক: বাংলা সাহিত্যে সাধু রীতির পরিবর্তে কথ্যরীতি বা চলিতীতির সফল প্রচলন ও প্রতিষ্ঠা করার ক্ষেত্রে 'সবুজপত্র' পত্রিকার অবদান সর্বাধিক। প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদনায় ১৯১৪ সালের আগস্ট মাসে এই পত্রিকা প্রকাশিত হওয়ার পর থেকেই বাংলা গদ্যে চলিত রীতির ব্যবহার দাপ্তরিক ও সাহিত্যিক স্বীকৃতি লাভ করে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: সবুজপত্র পত্রিকা বাংলার সাহিত্য অঙ্গনে চলতি ভাষার আন্দোলন গড়ে তোলে এবং এর মাধ্যমে গদ্যরীতির এক নতুন যুগের সূচনা হয়। সম্পাদক প্রমথ চৌধুরী বীরবল ছদ্মনামে এই পত্রিকায় লিখে চলিত রীতির পক্ষে জনমত গঠন করেছিলেন এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরও এই পত্রিকায় লিখে চলিতীতিকে সানন্দে সমর্থন জানান। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বীরবল ছদ্মনামে প্রমথ চৌধুরীর রচিত প্রবন্ধ গ্রন্থ 'বীরবলের হালখাতা'। ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থটি সবুজপত্র আন্দোলনের একটি অন্যতম ঐতিহাসিক ও সাহিত্যিক দলিল যা চলিতীতিতে রচিত। উদাহরণ ২: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত উপন্যাস 'চতুরঙ্গ'। ব্যাখ্যা: সবুজপত্র পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত এই উপন্যাসটি বাংলা কথ্যরীতির শিল্পসম্মত প্রয়োগের এক অনন্য নিদর্শন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কল্লোল — এটি ১৯২৩ সালে প্রকাশিত একটি আধুনিক সাহিত্য পত্রিকা যা মূলত রবীন্দ্রবিরোধী মনোভাব ও নতুন সাহিত্য ধারার জন্য পরিচিত, কথ্যরীতি প্রচলনে এর অবদান প্রথম নয়। C) বঙ্গদর্শন — বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সম্পাদনায় ১৮৭২ সালে প্রকাশিত এই পত্রিকা মূলত সাধু রীতির মান উন্নয়নে এবং তা প্রতিষ্ঠায় প্রধান ভূমিকা রেখেছিল। D) কালিকলম — এটি ১৯২৬ সালে প্রবর্তিত একটি প্রগতিশীল সাহিত্য পত্রিকা যা সবুজপত্রের পথ ধরে চলিতীতিকে আরও এগিয়ে নিলেও এর প্রচলনের মূল কৃতিত্ব সবুজপত্রের। ৫. মনে রাখার টিপস: চলিত রীতির জনক প্রমথ চৌধুরী এবং তাঁর মুখপত্র হলো সবুজপত্র। এভাবে মনে রাখতে পারো যে চলিত ভাষা বা কথ্যরীতি প্রচলনের মূল বাহন ছিল সবুজপত্র। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সবুজপত্র পত্রিকার প্রকাশের সাল ১৯১৪ এবং এর সম্পাদক প্রমথ চৌধুরী প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অত্যন্ত ঘন ঘন আসা প্রশ্ন। চলিত রীতির প্রথম সফল রূপকার হিসেবে প্রমথ চৌধুরীর নাম সবসময় মনে রাখবে।
a ধূমকেতু
b বিদ্রোহী
c প্রলয়োল্লাস
d অগ্রপথিক
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্রলয়োল্লাস ১. কেন সঠিক: 'প্রলয়োল্লাস' হলো বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ 'অগ্নিবীণা'-র প্রথম কবিতা। এই কবিতায় ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের অবসান ঘটিয়ে নতুন মুক্তির বার্তার জন্য ধ্বংসের মধ্য দিয়ে সৃষ্টির আহ্বান জানানো হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'অগ্নিবীণা' প্রকাশিত হয় ১৯২২ সালের অক্টোবর মাসে। এই বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থে মোট বারোটি কবিতা রয়েছে এবং 'প্রলয়োল্লাস' কবিতাটি এর সূচনার কবিতা হিসেবে বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিদ্রোহী ব্যাখ্যা: এটি 'অগ্নিবীণা' কাব্যের দ্বিতীয় কবিতা যা কবিকে বিশ্বজোড়া খ্যাতি এনে দিয়েছে। উদাহরণ ২: কামাল পাশা ব্যাখ্যা: এটিও 'অগ্নিবীণা' কাব্যের একটি অন্যতম বিখ্যাত ঐতিহাসিক ও প্রণোদনামূলক কবিতা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধূমকেতু — এটি কাজী নজরুল ইসলাম কর্তৃক প্রকাশিত একটি বিখ্যাত অর্ধসাপ্তাহিক পত্রিকা, কোনো কবিতা নয়। B) বিদ্রোহী — এটি 'অগ্নিবীণা' কাব্যের দ্বিতীয় কবিতা, প্রথম কবিতা নয়। C) প্রলয়োল্লাস — এটি সঠিক উত্তর এবং এটি 'অগ্নিবীণা' কাব্যের প্রথম কবিতা। D) অগ্রপথিক — এটি 'অগ্নিবীণা' কাব্যের কোনো কবিতা বা তালিকাভুক্ত রচনা নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: প্রলয় শব্দের অর্থ ধ্বংস এবং উল্লাস অর্থ আনন্দ, যা নতুন সৃষ্টির আগে আসে। তাই অগ্নিবীণা বাজানোর শুরুতে প্রলয়ের উল্লাস দিয়েই কাব্যের সূচনা হয়েছে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রথম কাব্যগ্রন্থ, প্রথম কবিতা বা প্রথম গান থেকে প্রশ্ন আসে। অগ্নিবীণার প্রথম কবিতা প্রলয়োল্লাস এবং দ্বিতীয় কবিতা বিদ্রোহী এটি ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজি
b মজাম্মেল হক
c এয়াকুব আলী চৌধুরী
d মুনিরুজ্জামান ইসলামাবাদি
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজি ১. কেন সঠিক: - 'অনল-প্রবাহ' একটি বিখ্যাত জাতীয়তাবাদী ও দেশপ্রেমমূলক কাব্যগ্রন্থ, যার রচয়িতা কবি সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজি। - ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের সময় বাঙালি মুসলমানদের মধ্যে দেশপ্রেম ও মুসলিম জাগরণ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে এই কাব্যটি রচিত হয়েছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজি ছিলেন বিশ শতকের প্রথমার্ধের অন্যতম মুসলিম রেনেসাঁর কবি, ঔপন্যাসিক ও সমাজসংস্কারক। - তাঁর সাহিত্যকর্মে স্বদেশপ্রেম, মুসলিম উম্মাহর জাগরণ এবং ব্রিটিশবিরোধী মনোভাব প্রবলভাবে প্রকাশ পেয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'অনল-প্রবাহ' কাব্যগ্রন্থ ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজি রচিত একটি প্রখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, যা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল। উদাহরণ ২: 'সঙ্গীত-সঞ্জীবনী' ব্যাখ্যা: এটিও সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজি রচিত অপর একটি উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজি — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি 'অনল-প্রবাহ' গ্রন্থের রচয়িতা। B) মজাম্মেল হক — তিনি একজন প্রখ্যাত কবি ও সাহিত্যিক হলেও 'অনল-প্রবাহ' রচনা করেননি। C) এয়াকুব আলী চৌধুরী — তিনি একজন বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক ও সাংবাদিক হলেও এই কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা নন। D) মুনিরুজ্জামান ইসলামাবাদি — তিনি একজন খ্যাতনামা সাংবাদিক ও লেখক হলেও এই গ্রন্থটি তাঁর নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - সিরাজি সাহেবের অনল বা আগুনঝরা লেখার প্রবাহ মনে রাখতে 'অনল-প্রবাহ' ও সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজি একসাথে মনে রাখুন। - বিদ্রোহী ও দেশপ্রেমমূলক লেখার জন্য সিরাজিকে অনেক সময় বিদ্রোহী কবির পূর্বসূরি হিসেবে ভাবা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বাংলা সাহিত্যের মুসলিম জাগরণের কবিদের গ্রন্থ সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। - সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজি রচিত অন্যান্য গ্রন্থগুলোর নামও ভালোভাবে দেখে যাওয়া উচিত।
a প্রভু যিশুর বানী
b কৃপার শাস্ত্রের অর্থভেদ
c ফুলমনি ও করুণার বিবরণ
d মিশনারি জীবণ
0 94 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কৃপার শাস্ত্রের অর্থভেদ ১. কেন সঠিক: - বাংলা কথ্যভাষার আদি বা প্রথম মুদ্রিত গ্রন্থ হলো ডন ম্যানুয়েল দ্য আসসুম্পসাঁও রচিত 'কৃপার শাস্ত্রের অর্থভেদ'। - পর্তুগীজ ভাষায় রচিত হলেও এর মূল কথ্য বাংলা অংশটি লাতিন হরিতে মুদ্রিত হয়েছিল, যা আদি বাংলা কথ্যরীতির নিদর্শন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এই গ্রন্থের রচয়িতা পর্তুগীজ পাদ্রী ডন ম্যানুয়েল দ্য আসসুম্পসাঁও, যিনি অষ্টাদশ শতকে বাংলায় এসেছিলেন। - গ্রন্থটি ১৭৪৩ সালে লিসবন থেকে প্রকাশিত হয় এবং এটি বাংলা গদ্য ও কথ্যরীতির ইতিহাসের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দলিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ডন ম্যানুয়েল দ্য আসসুম্পসাঁও রচিত দ্বিতীয় গ্রন্থ 'ব্রাহ্মণ রোমান ক্যাথলিক সংবাদ'। ব্যাখ্যা: এটিও বাংলা কথ্যভাষার ওপর রচিত একটি আদি গ্রন্থ এবং এর রচয়িতাও একই পাদ্রী। উদাহরণ ২: উইলিয়াম কেরির 'কথোপকথন'। ব্যাখ্যা: এটি বাংলা কথ্যভাষার আরেকটি বিখ্যাত ও প্রামাণ্য গ্রন্থ যা উনিশ শতকে প্রকাশিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রভু যিশুর বানী — এটি এই প্রশ্নের সঠিক গ্রন্থ নয় বরং এটি খ্রিস্টধর্মীয় একটি সাধারণ প্রচারপুস্তিকা। B) কৃপার শাস্ত্রের অর্থভেদ — এটিই সঠিক উত্তর এবং এটি বাংলা কথ্যভাষার আদি গ্রন্থ। C) ফুলমনি ও করুণার বিবরণ — এটি হ্যানসন ক্যাথরিন ম্যালেন্স রচিত প্রথম সার্থক বাংলা উপন্যাস, কথ্যভাষার আদি গ্রন্থ নয়। D) মিশনারি জীবণ — এটি এই প্রশ্নের উত্তরের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ কোনো ঐতিহাসিক বা আদি বাংলা গ্রন্থ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - কথ্যভাষায় কৃপা লাভের জন্য প্রথম গ্রন্থটি মনে রাখতে হবে 'কৃপার শাস্ত্রের অর্থভেদ'। - রচয়িতা ডন ম্যানুয়েল এবং সাল ১৭৪৩ সাল মুখস্থ রাখলে এই টপিকের প্রশ্ন ভুল হবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলা গদ্য ও কথ্যরীতির আদি নিদর্শনগুলো থেকে বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - পাদ্রী ডন ম্যানুয়েলকে বাংলা মুদ্রণশিল্প ও কথ্যরীতির ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একজন ব্যক্তি হিসেবে মনে রাখতে হবে।
a জ্ঞানদাস
b দীনচণ্ডিদাস
c বডু চণ্ডিদাস
d দীনহীন চণ্ডিদাস
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বডু চণ্ডিদাস ১. কেন সঠিক: - শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের ভণিতায় বডু চণ্ডিদাসের নাম পাওয়া যায় এবং ১৯০৯ সালে বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বলভ বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুর থেকে পুঁথিটি আবিষ্কার করেন। - বডু চণ্ডিদাস এই কাব্যের একমাত্র ভণিতাযুক্ত রচয়িতা বিধায় বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তাঁর নাম অমর হয়ে আছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শ্রীকৃষ্ণকীর্তন বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের আদি নিদর্শন এবং রাধা-কৃষ্ণের প্রেমলীলা বিষয়ক একটি নাট্যধর্মী কাব্য। - মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলি ও মঙ্গলকাব্যের ধারার পূর্বে রচিত এই কাব্যে মোট তেরোটি খণ্ড এবং রাধা, কৃষ্ণ ও বাড়াই বুড়ি নামক তিনটি প্রধান চরিত্র রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের জন্মখণ্ড ব্যাখ্যা: এই খণ্ডে রাধা ও কৃষ্ণের জন্ম এবং তাদের প্রথম পরিচয়ের ঘটনা অত্যন্ত সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। উদাহরণ ২: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের দানখণ্ড ব্যাখ্যা: যমুনার ঘাটে রাধাসহ গোপিনীদের দই দুধ বিক্রির পথে কৃষ্ণ কর্তৃক দান আদলের দৃশ্য এই খণ্ডে বর্ণিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জ্ঞানদাস — তিনি মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলির একজন প্রখ্যাত কবি হলেও শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের রচয়িতা নন। B) দীনচণ্ডিদাস — মধ্যযুগের চণ্ডিদাস সমস্যার সঙ্গে যুক্ত একজন ভিন্ন কবি এবং তিনি শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের রচয়িতা নন। D) দীনহীন চণ্ডিদাস — এটি শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের রচয়িতা হিসেবে পরিচিত কোনো ঐতিহাসিক বা প্রামাণিক কবির নাম নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - শ্রীকৃষ্ণকীর্তন আবিষ্কারক বসন্তরঞ্জন রায়ের পদবী বডু এবং রচয়িতাও বডু চণ্ডিদাস, তাই আবিষ্কারক ও রচয়িতার সম্পর্ক মনে রাখা সহজ। - মধ্যযুগের আদি নির্দর্শনের সঙ্গে চণ্ডিদাসের বড় উপাধিটি যুক্ত করলেই সঠিক উত্তর পেয়ে যাবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - শ্রীকৃষ্ণকীর্তন পুথিটি বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরের বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বলভ ১৯০৯ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে প্রকাশ করেন। - বাংলা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই কাব্যটির আবিষ্কারক, খণ্ড সংখ্যা এবং চরিত্র সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
a ফজিলাতুন্নেছা
b ফয়জুন্নেছা
c বেগম রোকেয়া
d সামসুন্নাহার
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বেগম রোকেয়া ১. কেন সঠিক: বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন বাঙালি নারী সমাজের শিক্ষা, অধিকার এবং মুক্তির অগ্রদূত। তিনি তাঁর সাহিত্য ও সামাজিক আন্দোলনের মাধ্যমে অবহেলিত মুসলমান নারীদের জাগরণের মূল ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: বেগম রোকেয়া ১৮৮০ সালের ৯ ডিসেম্বর রংপুর জেলার পায়রাবন্দ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৩২ সালের ৯ ডিসেম্বর মারা যান। তিনি একাধারে প্রাবন্ধিক, ঔপন্যাসিক ও সমাজকর্মী ছিলেন, যাঁর বিখ্যাত সাহিত্যকর্মের মধ্যে সুলতানার স্বপ্ন এবং পদ্মরাগ উল্লেখযোগ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুলতানা স্বপ্ন ব্যাখ্যা: এটি বেগম রোকেয়া রচিত একটি বিখ্যাত নারীবাদী ইউটোপিয়ান বা নারীবাদী কল্পবিজ্ঞান রচনা। উদাহরণ ২: মতিচুর ব্যাখ্যা: এটি তাঁর বিখ্যাত প্রাবন্ধিক রচনা, যেখানে নারী জাগরণ ও অধিকারের কথা জোরালোভাবে তুলে ধরা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফজিলাতুন্নেছা — তিনি বাংলার প্রথম মুসলমান নারী এমএ এবং গণিতবিদ হলেও নারী জাগরণের কবি হিসেবে পরিচিত নন। B) ফয়জুন্নেছা — নবাব ফয়জুন্নেছা চৌধুরাণী একজন বিশিষ্ট নারী শিক্ষানুরাগী ও লেখক হলেও তিনি নারী জাগরণের কবি হিসেবে খ্যাত নন। D) সামসুন্নাহার — সামসুন্নাহার মাহমুদ একজন নারী নেত্রী ও সাহিত্যিক হলেও তিনি এই বিশেষ উপাধির সঙ্গে প্রধানত যুক্ত নন। ৫ মনে রাখার টিপস: মুসলমান নারী জাগরণ বা মুক্তির কথা এলেই সবার আগে বেগম রোকেয়ার নাম মনে রাখতে হবে। তাঁর জন্ম ও মৃত্যুর তারিখ একই দিনে অর্থাৎ ৯ ডিসেম্বর হওয়ায় তারিখটি স্মরণে রাখা সহজ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বেগম রোকেয়ার জন্মস্থান, জন্মতারিখ এবং তাঁর রচিত গ্রন্থ সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। নারীবাদী সাহিত্য ও সমাজ সংস্কারের ইতিহাস পড়তে গেলে বেগম রোকেয়ার অবদান ও গ্রন্থসমূহ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a সৈয়দ সামসুল হক
b শওকত ওসমান
c সৈয়দ মুজতবা আলী
d ফররুখ আহমদ
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সৈয়দ মুজতবা আলী ১. কেন সঠিক: 'চাচা' কাহিনীর লেখক সৈয়দ মুজতবা আলী। এটি লেখকের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও রম্যরচনাধর্মী গল্প বা চরিত্রভিত্তিক সাহিত্যকর্ম। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: সৈয়দ মুজতবা আলী বিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ বাঙালি কথাসাহিত্যিক, প্রাবন্ধিক ও ভ্রমণকাহিনীকার। তাঁর লেখনীতে গভীর পাণ্ডিত্য ও লঘু রসের এক অপূর্ব মিশ্রণ দেখা যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পঞ্চতন্ত্র ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ মুজতবা আলী রচিত একটি বিখ্যাত রম্য রচনা ও প্রবন্ধ সংকলন। উদাহরণ ২: দেশে বিদেশে ব্যাখ্যা: এটি তাঁর রচিত অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি ভ্রমণকাহিনী, যা আফগানিস্তানের কাবুলের পটভূমিতে লেখা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সৈয়দ সামসুল হক — ইনি একজন প্রখ্যাত কবি ও কথাসাহিত্যিক হলেও 'চাচা' কাহিনীর লেখক নন। তাঁর বিখ্যাত নাটক 'নূরলদীনের সারাজীবন'। B) শওকত ওসমান — ইনি বাংলা সাহিত্যের একজন বিশিষ্ট ঔপন্যাসিক ও গল্পকার হলেও 'চাচা' কাহিনী তাঁর রচনা নয়। তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস 'জননী'। D) ফররুখ আহমদ — ইনি বাংলা সাহিত্যের প্রখ্যাত মুসলিম রেনেসাঁসের কবি। তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'সাত সাগরের মাঝি'। ৫. মনে রাখার টিপস: মুজতবা আলীর চাচা মানেই রম্য রসের খাঁচা। এভাবে মনে রাখতে পারো যে তাঁর রচনায় রসের কমতি থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রম্য রচনা এবং ভ্রমণকাহিনীর জন্য সৈয়দ মুজতবা আলী অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একজন লেখক। তাঁর ছদ্মনাম সত্যপীর।
a আলাওল
b সৈয়দ সুলতান
c মুহাম্মদ খান
d শাহ্ মুহাম্মাদ সগীর
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শাহ্ মুহাম্মাদ সগীর ১. কেন সঠিক: - বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস অনুযায়ী শাহ্ মুহাম্মাদ সগীর হলেন প্রাচীনতম বাঙালি মুসলমান কবি। - তিনি মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্য বা পদাবলীর বহু আগেই সুলতানি আমলের শুরুতে তার অমর কাব্য রচনা করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শাহ্ মুহাম্মাদ সগীর গৌড়ের সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের রাজত্বকালে বিখ্যাত 'ইউসুফ-জলেখা' কাব্য রচনা করেন। - এটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে মুসলমান কবিদের রচিত প্রথম প্রণয়কাব্য এবং এতে সমকালীন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক রূপ ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ইউসুফ-জলেখা ব্যাখ্যা: এটি শাহ্ মুহাম্মাদ সগীর রচিত মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের প্রথম রোমান্টিক প্রণয়কাব্য। উদাহরণ ২: ময়নামতির গান ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের আদিযুগের বা মধ্যযুগের শুরুর দিকে রচিত অপর একটি গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যিক নিদর্শন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আলাওল — তিনি সপ্তদশ শতকের মধ্যযুগের শ্রেষ্ঠ রোমান্টিক প্রণয়কাব্যের কবি, তাই তিনি প্রাচীনতম নন। B) সৈয়দ সুলতান — তিনি ষোড়শ শতকের কবি এবং নবীচরিত ও পীর পরিচিতি মূলক কাব্যের জন্য বিখ্যাত। C) মুহাম্মদ খান — তিনি সপ্তদশ শতকের কবি এবং মক্তুল হোসেনসহ বেশ কিছু ইসলামী কাব্য রচনা করেছেন। D) শাহ্ মুহাম্মাদ সগীর — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলমান কবি হিসেবে স্বীকৃত। ৫ মনে রাখার টিপস: - মুসলমানদের মধ্যে প্রথম কবি কে তা মনে রাখতে সগীর নামটির প্রথম অক্ষর স এবং সবার আগের কবি হিসেবে মনে রাখা যায়। - মধ্যযুগের শুরুর দিকের কবি হিসেবে শাহ্ মুহাম্মাদ সগীরের নাম সবচেয়ে প্রথমে আসে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাঙালি মুসলমান কবিদের মধ্যে প্রথম কে তা প্রায়ই আসে। - মধ্যযুগের প্রথম প্রণয়কাব্যের রচয়িতা হিসেবে শাহ্ মুহাম্মাদ সগীরের নাম বিশেষভাবে স্মরণ রাখতে হবে।
a সাত সাগর এর মাঝি
b পাখির বাসা
c হাতেমতাই
d নৌফেল ও হাতেম
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সাত সাগর এর মাঝি ১. কেন সঠিক: - সাত সাগর এর মাঝি হলো মুসলিম রেনেসাঁর কবি ফররুখ আহমদের সবচেয়ে বিখ্যাত, জনপ্রিয় ও শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ। - এই কাব্যে বাঙালি মুসলমান সমাজের পুনর্জাগরণ, ইসলামী ঐতিহ্য এবং সমুদ্রযাত্রার প্রতীকী রূপের অপূর্ব শিল্পরূপ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ফররুখ আহমদ ১৯১৮ সালে বর্তমান সাতক্ষীরা জেলায় জন্মগ্রহণ করেন এবং তিনি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের ইসলামী ধারার অন্যতম প্রধান কবি। - তাঁর কবিতায় আরবী, ফারসি শব্দের সফল ব্যবহার এবং রোমান্টিকতার সাথে বাস্তবতার সার্থক সমন্বয় দেখতে পাওয়া যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সিরাজাম মুনিরা ব্যাখ্যা: এটি ফররুখ আহমদের আরেকটি অত্যন্ত বিখ্যাত ও প্রশংসিত দীর্ঘ কাব্যগ্রন্থ। উদাহরণ ২: মুহূর্তের কবিতা ব্যাখ্যা: এটি তাঁর আরেকটি উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ যা তাঁর সাহিত্যিক প্রতিভার স্বাক্ষর বহন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাত সাগর এর মাঝি — এটি সঠিক উত্তর। B) পাখির বাসা — এটি ফররুখ আহমদের একটি শিশুতোষ গ্রন্থ, তাঁর শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ নয়। C) হাতেমতাই — এটি তাঁর রচিত একটি শিশুতোষ কাব্যগ্রন্থ ও রূপকধর্মী রচনা। D) নৌফেল ও হাতেম — এটি তাঁর একটি বিখ্যাত কাব্যনাট্য, শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ফররুখ আহমদের শ্রেষ্ঠ কীর্তি মনে রাখতে সা অক্ষরটি মাথায় রাখবে, কারণ সাত সাগর এর মাঝি তাঁর শ্রেষ্ঠ কাজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ফররুখ আহমদের শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ হিসেবে সাত সাগর এর মাঝি বারবার আসে। - মুসলিম রেনেসাঁর কবি হিসেবে ফররুখ আহমদের কাব্যগ্রন্থগুলোর নাম আলাদা করে মনে রাখা জরুরি।
a অক্ষয় দত্ত
b মার্সম্যান
c ব্রাসি হেলহেড
d রাজা রামমোহন
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রাজা রামমোহন ১. কেন সঠিক: বাঙালিদের মধ্যে প্রথম ব্যাকরণ রচয়িতা হলেন রাজা রামমোহন রায়। তিনি বাংলা ভাষায় প্রথম ব্যাকরণ গ্রন্থ 'গৌড়ীয় ব্যাকরণ' রচনা করেন, যা ১৮৩৩ সালে প্রকাশিত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: রাজা রামমোহন রায় ১৮৩৩ সালে বাংলা ভাষায় 'গৌড়ীয় ব্যাকরণ' রচনা করেন। এর আগে বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ইংরেজরা লিখলেও তিনিই প্রথম একজন বাঙালি হিসেবে বাংলা ভাষায় ব্যাকরণ রচনা করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গৌড়ীয় ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: এটি রাজা রামমোহন রায় রচিত প্রথম বাংলা ব্যাকরণ বই। উদাহরণ ২: ১৮৩৩ সাল ব্যাখ্যা: এই সালে রাজা রামমোহন রায়ের গৌড়ীয় ব্যাকরণ প্রকাশিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অক্ষয় দত্ত — তিনি একজন প্রখ্যাত প্রবন্ধকার ও তত্ত্বোপদেশক ছিলেন কিন্তু প্রথম বাংলা ব্যাকরণ রচয়িতা নন। B) মার্সম্যান — তিনি মিশনারি ও পন্ডিত হলেও প্রথম বাংলা ব্যাকরণ রচনা করেননি। C) ব্রাসি হেলহেড — তিনি প্রথম মুদ্রিত বাংলা ব্যাকরণের রচয়িতা হলেও তা ইংরেজিতে লেখা ছিল, বাংলায় নয়। D) রাজা রামমোহন — তিনি প্রথম বাঙালি যিনি বাংলায় প্রথম ব্যাকরণ রচনা করেছিলেন। ৫. মনে রাখার টিপস: বাঙালি হিসেবে প্রথম ব্যাকরণ লিখেছেন রাজা রামমোহন, তাই মনে রাখবেন রাজা মানেই প্রথম। আর তার বইটির নাম গৌড়ীয় ব্যাকরণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম ব্যাকরণ গ্রন্থের নাম এবং এর লেখকের নাম প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। এই তথ্যটি ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a চলতি রীতি
b সাধু রীতি
c মিশ্র রীতি
d আঞ্চলিক রীতি
0 120 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সাধু রীতি ১. কেন সঠিক: তৎসম শব্দের আক্ষরিক অর্থ তাহার সমান অর্থাৎ সংস্কৃত ভাষার সমান। বাংলা ভাষার সাধু রীতি মূলত সংস্কৃত ব্যাকরণ ও শব্দভাণ্ডারকে অনুসরণ করে গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যেসব শব্দ সংস্কৃত ভাষা থেকে সরাসরি বাংলায় এসেছে এবং যাদের রূপ অপরিবর্তিত রয়েছে, সেগুলোকে তৎসম শব্দ বলে। বাংলা ভাষার সাধু রীতিতে ক্রিয়াপদের দীর্ঘ রূপ এবং তৎসম শব্দের ব্যবহার বাধ্যতামূলকভাবে বেশি থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চন্দ্র ও সূর্য গগনে আলো ছড়ায়। ব্যাখ্যা: এখানে চন্দ্র, সূর্য এবং গগন শব্দগুলো তৎসম শব্দ এবং বাক্যটি সাধু রীতির আদলে গঠিত। উদাহরণ ২: নদী বহিয়া চলে আপন বেগে। ব্যাখ্যা: এখানে বহিয়া ক্রিয়াপদের সাধু রূপ ব্যবহৃত হয়েছে যা তৎসম ও সংস্কৃত প্রীতি নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চলতি রীতি — চলতি রীতি তৎসম শব্দের পরিবর্তে মূলত তদ্ভব, অর্ধ-তৎসম এবং বিদেশি শব্দ ব্যবহারে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে। B) সাধু রীতি — এই অপশনটি সঠিক কারণ সাধু রীতিতে তৎসম শব্দের ব্যবহার সবচেয়ে বেশি হয়। C) মিশ্র রীতি — মিশ্র রীতি সাধু ও চলতি ভাষার অশুচি মিশ্রণ, যা ব্যাকরণসম্মতভাবে স্বীকৃত নয় এবং এর কোনো নির্দিষ্ট শব্দ প্রাধান্য নেই। D) আঞ্চলিক রীতি — আঞ্চলিক রীতি মুখের ভাষাভিত্তিক, যেখানে তৎসম শব্দের ব্যবহার কম বরং দেশি ও বিকৃত শব্দের আধিক্য থাকে। ৫ মনে রাখার টিপস: সাধু মানেই সংস্কৃত বা তৎসম শব্দের প্রাচুর্য। চলতি মানেই সহজ ও দেশি-বিদেশি শব্দের মিশ্রণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: তৎসম শব্দের ব্যবহার সাধু রীতির প্রধান বৈশিষ্ট্য। পরীক্ষার হলে সাধু রীতি দেখলে তৎসম শব্দ এবং চলতি রীতি দেখলে তদ্ভব বা চলিত শব্দের কথা মাথায় রাখবে।
a ফরিদপুরের সুরেশ্বর
b চট্টগ্রামের জোব্ রা
c বার্মার আরাকান
d ফতেহাবাদ পরগনা
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ফতেহাবাদ পরগনা ১. কেন সঠিক: - মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি আলাওল চট্টগ্রামের ফতেহাবাদ পরগনার জল্লা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। - বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস ও গবেষকদের মতে তার জন্মস্থান হিসেবে ফতেহাবাদ পরগনা প্রামাণিক ও সর্বজনস্বীকৃত তথ্য। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কবি আলাওল সপ্তদশ শতকের রোমান্টিক ধারার মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি এবং আরাকান রাজসভার শ্রেষ্ঠ কবি। - তার অমর সৃষ্টি পদ্মাবতী, সয়ফুল মুলক বদিউজ্জামান, সিকান্দারনামা ও সপ্তপয়কর কাব্যগ্রন্থগুলো বাংলা সাহিত্যের অমূল্য সম্পদ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পদ্মাবতী ব্যাখ্যা: আলাওলের সর্বাধিক পরিচিত ও শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ যা মালিক মুহম্মদ জায়সীর পদমাবত অবলম্বনে রচিত। উদাহরণ ২: সয়ফুল মুলক বদিউজ্জামান ব্যাখ্যা: এটি কবি আলাওলের অপর একটি বিখ্যাত প্রণয়োপাখ্যানমূলক রোমান্টিক কাব্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফরিদপুরের সুরেশ্বর — এই স্থানটি কবি আলাওলের জন্মস্থান নয়, এটি অন্য কোনো ঐতিহাসিক বা ভৌগোলিক স্থানের সঙ্গে সম্পর্কিত। B) চট্টগ্রামের জোব্ রা — এটি মধ্যযুগের আরেক খ্যাতিমান কবি শাহ মুহম্মদ সগীরের জন্মস্থান বা সম্পর্কিত অঞ্চল হতে পারে, আলাওলের নয়। C) বার্মার আরাকান — এটি আলাওলের জন্মস্থান নয়, বরং তার কর্মক্ষেত্র এবং তিনি দীর্ঘকাল এই রাজসভায় অবস্থান করে সাহিত্য সাধনা করেছিলেন। D) ফতেহাবাদ পরগনা — এটি সঠিক জন্মস্থান হওয়ায় অপশনটি নির্ভুল হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: আলাওলের জন্ম ফতেহাবাদে আর কর্মক্ষেত্র আরাকানে, এই দুটি শব্দ জোড়া মনে রাখলে পরীক্ষার কনফিউশন দূর হবে। মধ্যযুগের কবিদের জন্মস্থান ও কর্মক্ষেত্র আলাদা করে ছক আকারে পড়লে সহজে মনে থাকে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মধ্যযুগের কবিদের জন্মস্থান থেকে বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। আলাওলের পৃষ্ঠপোষক ছিলেন আরাকান রাজসভার মন্ত্রী মাগন ঠাকুর এবং সোলায়মান সহ অন্যান্য অমাত্যবর্গ।
a to float
b floating
c was floating
d had floated
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) floating কেন সঠিক: watched verb টির পর object এর সাথে verb এর present participle যুক্ত হয়। তাই মূল verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে floating সঠিক হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to float — infinitive ব্যবহার করলে বাক্যের অর্থ অসম্পূর্ণ থাকে। B) floating — এটি সঠিক উত্তর। C) was floating — একই সাথে দুটি সমাপিকা ক্রিয়া পাশাপাশি বসে না। D) had floated — এখানে perfect tense ব্যবহার করার কোনো ব্যাকরণগত নিয়ম নেই। মনে রাখার টিপস: watch বা see এর পর object থাকলে পরের verb টির সাথে ing যুক্ত করতে হয়।
a give
b appear at
c sit
d go for
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) appear at কেন সঠিক: পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা অর্থে ইংরেজিতে appear at the examination ব্যবহার করা হয়। এটি একটি নির্দিষ্ট প্রবাদ বা উপযুক্ত শব্দগুচ্ছ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) give — বাংলায় পরীক্ষা দেওয়া বোঝালেও ইংরেজিতে ছাত্ররা পরীক্ষা দেয় না, বরং তারা পরীক্ষা গ্রহণ বা অংশ নেয়। তাই give ব্যবহার করা ভুল। B) appear at — এটি সঠিক উত্তর। C) sit — sit এর পরে সাধারণত for বসে যেমন sit for the exam, তাই এখানে শুধু sit ব্যবহার করা যায় না। D) go for — এই শব্দগুচ্ছ পরীক্ষার ক্ষেত্রে নিয়ম অনুযায়ী মানানসই নয়। মনে রাখার টিপস: পরীক্ষায় বসা বা অংশগ্রহণ করা বোঝাতে সবসময় appear at the examination মনে রাখবে।
a dark
b grey
c black
d ebony
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) black কেন সঠিক: - 'Good' এবং 'bad' শব্দ দুটি একে অপরের বিপরীতার্থক বা অ্যান্টনিম। - এই সাদৃশ্য বা অ্যানালজির নিয়ম অনুযায়ী 'white' শব্দের সরাসরি বিপরীতার্থক বা সঠিক অ্যানালনিম হলো 'black'। বাকি অপশন কেন ভুল: A) dark — এটি 'white' বা আলোর বিপরীত হতে পারে, তবে এটি 'black'-এর মতো সঠিক সরাসরি বিপরীত শব্দ নয়। B) grey — এটি সাদা ও কালোর মধ্যবর্তী একটি রঙ, যা সাদা বা কালোর বিপরীতার্থক শব্দ নয়। C) black — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং 'white' শব্দের সরাসরি বিপরীতার্থক রঙ। D) ebony — এটি একটি অতি গাঢ় কালো রঙের নাম, যা রূপক অর্থে ব্যবহৃত হয় এবং সরাসরি 'white'-এর প্রচলিত বিপরীত শব্দ নয়। মনে রাখার টিপস: বিপরীতার্থক শব্দের (Antonym) ক্ষেত্রে ভালো-মন্দের মতো সাদাকালো সম্পর্ক মনে রাখলে এই ধরনের অ্যানালজি খুব সহজে সমাধান করা যায়।
a flowers
b trees
c dear
d animals
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) animals কেন সঠিক: Botany শব্দের অর্থ উদ্ভিদবিদ্যা এবং এর আলোচ্য বিষয় হলো গাছপালা। ঠিক তেমনি Zoology শব্দের অর্থ প্রাণীবিদ্যা এবং এর প্রধান আলোচ্য বিষয় হলো প্রাণী। বাকি অপশন কেন ভুল: A) flowers — ফ্লাওয়ার্স বা ফুল হলো উদ্ভিদের একটি অংশ মাত্র, পুরো প্রাণিবিজ্ঞান বা জলজির সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই। B) trees — ট্রিস বা গাছপালা হলো বটানির আলোচ্য বিষয়, যা জলজি বা প্রাণিবিজ্ঞানের সাথে সম্পর্কিত নয়। C) dear — ডিয়ার বা হরিণ হলো একটি নির্দিষ্ট প্রাণী, কিন্তু জলজি বলতে সমস্ত প্রাণীকুলকে বোঝায়। D) animals — অ্যানিমেলস বা প্রাণী হলো জলজি বা প্রাণিবিজ্ঞানের মূল আলোচ্য বিষয়, তাই এটি সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: বটানি মনে রাখতে হবে উদ্ভিদের জন্য এবং জলজি মনে রাখতে হবে সকল প্রাণীর জন্য।
a wasteful
b productive
c practical
d fussy
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) practical কেন সঠিক: pragmatic শব্দের অর্থ হলো বাস্তবধর্মী বা ব্যবহারিক। এটি মানুষের কাজের ক্ষেত্রে বাস্তবসম্মত দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ করে। practical শব্দটির অর্থও বাস্তবধর্মী বা কর্মক্ষম। তাই এই অপশনটি সঠিক উত্তর। বাকি অপশন কেন ভুল: A) wasteful — এর অর্থ অপচয়কারী যা pragmatic শব্দের বিপরীত। B) productive — এর অর্থ উৎপাদনশীল কিন্তু এটি সঠিক ভাব প্রকাশ করে না। C) practical — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে। D) fussy — এর অর্থ খুতখুতে যা বাস্তবধর্মী শব্দের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: Pragmatic শব্দটিকে Practical শব্দের সাথে মিলিয়ে মনে রাখা সহজ।
a city
b tunnel
c road
d valley
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) valley কেন সঠিক: এটি লর্ড টেনিসনের বিখ্যাত কবিতা দ্য চার্জ অফ দ্য লাইট ব্রিগেড এর পঙক্তি। যেখানে ছয়শত সৈন্য মৃত্যুর উপত্যকার দিকে ঘোড়া ছুটিয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) city — কবিতার মূল ভাবের সাথে শহরের কথাটি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। B) tunnel — কবিতার ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে টানেল শব্দের ব্যবহার নেই। C) road — মূল কবিতায় সাধারণ রাস্তার বদলে উপত্যকা বোঝানো হয়েছে। D) valley — এটি সঠিক কারণ মূল কবিতার পঙক্তিতে উপত্যকা শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: টেনিসনের এই বিখ্যাত কবিতায় ছয়শত বীর সেনাপতির মৃত্যুর উপত্যকায় বীরত্বপূর্ণ যাত্রার কথা বলা হয়েছে।
a meaning
b question
c answer
d isssue
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) question কেন সঠিক: এটি শেক্সপিআরের বিখ্যাত নাটক হ্যামলেট এর একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় সংলাপের অংশ। যেখানে মূল চরিত্র জীবনের অস্তিত্ব ও আত্মহত্যার দ্বন্দ্ব নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপন করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) meaning — নাটকের মূল সংলাপে অর্থ শব্দটি ব্যবহার করা হয়নি। B) question — এটি সঠিক কারণ নাটকের মূল লাইনে এই শব্দটিই রয়েছে। C) answer — সংলাপটি কোনো উত্তর দেয় না বরং একটি কঠিন প্রশ্ন তোলে। D) isssue — এটি আধুনিক ইংরেজি শব্দ যা শেক্সপিআরের লাইনের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: শেক্সপিআরের হ্যামলেট নাটকের বিখ্যাত এই লাইনটি মনে রাখতে প্রশ্ন শব্দটিকে প্রধান হিসেবে ধরে রাখবে।
a desire
b hope
c dream
d wish
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) dream কেন সঠিক: এটি মার্টিন লুথার কিং জুনিয়রের ঐতিহাসিক ভাষণ আই হ্যাভ এ ড্রিম এর বিখ্যাত উক্তি। এখানে সমতার বাণী প্রচার করতে তিনি ড্রিম শব্দ ব্যবহার করেছেন। এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের আশার প্রতীক। এটি তার জীবনের অন্যতম লক্ষ্য ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) desire — এটি সাধারণ কোনো ইচ্ছা বোঝাতে ব্যবহৃত হয় যা এই ভাষণের জন্য উপযুক্ত নয়। B) hope — এটি আশা বোঝালেও এই ঐতিহাসিক ভাষণের মূল প্রতিপাদ্য হিসেবে মানানসই নয়। D) wish — এটি সাধারণ কোনো চাওয়া বা প্রার্থনা বোঝাতে ব্যবহার হয় যা এখানে সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: মার্টিন লুথার কিং জুনিয়রের বিখ্যাত ভাষণটি মনে রাখলে এই প্রশ্নের উত্তর ড্রিম হবে তা সহজেই বোঝা যায়।
a Thomas Hardy
b Janne Austen
c George Eliot
d Charles Dickens
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Charles Dickens কেন সঠিক: - 'ডেভিড কপারফিল্ড' এবং 'দ্য টেল অব টু সিটিজ' উভয় বিখ্যাত উপন্যাসের রচয়িতা হলেন ভিক্টোরিয়ান যুগের প্রখ্যাত ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক চার্লস ডিকেন্স। - সামাজিক বৈষম্য, মানুষের আবেগ এবং তৎকালীন ইংল্যান্ড ও ফ্রান্সের ইতিহাস তাঁর সাহিত্যকর্মের প্রধান বৈশিষ্ট্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Thomas Hardy — টমাস হার্ডি একজন বিখ্যাত ঔপন্যাসিক ও কবি হলেও এই উপন্যাসগুলোর রচয়িতা নন, তাঁর বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে 'টেস অব দ্য ডি'আবারভিলস' অন্যতম। B) Jane Austen — জেন অস্টিন মূলত রিজেন্সি যুগের নারী ঔপন্যাসিক, যার বিখ্যাত কাজের মধ্যে 'প্রাইড অ্যান্ড প্রিজুডিস' অন্তর্ভুক্ত, তবে আলোচ্য উপন্যাসগুলোর সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নেই। C) George Eliot — জর্জ এলিয়ট (ম্যারি অ্যান ইভান্স) ভিক্টোরিয়ান যুগের একজন বিখ্যাত ঔপন্যাসিক হলেও এই নির্দিষ্ট উপন্যাস দুটি তাঁর লেখা নয়, তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস 'মিডলমার্চ'। D) Charles Dickens — চার্লস ডিকেন্স এই দুটি বিশ্বখ্যাত উপন্যাসেরই মূল লেখক হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: চার্লস ডিকেন্সের নামের সঙ্গে ডেভিড কপারফিল্ডের বালক চরিত্র এবং দুই শহরের (টু সিটিজ) গল্প মনে রাখলে সহজে উত্তর করা যায়।
a Ben Johnson
b Christopher
c John Dryden
d William Shakespeare
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) William Shakespeare কেন সঠিক: উইলিয়াম শেক্সপিয়ার এলিজাবেথীয় যুগের একজন বিখ্যাত নাট্যকার ও কবি ছিলেন। 'দ্য টেম্পেস্ট' এবং 'এ মিডসাম্ফার নাইটস ড্রিম' উভয়ই তাঁর বিখ্যাত নাটক। তাঁর সাহিত্যকর্ম বিশ্ব নাট্য সাহিত্যে অনন্য স্থান অধিকার করে আছে। তিনি ইংরেজি নাট্যজগতে অমর হয়ে আছেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Ben Johnson — তিনি একজন বিখ্যাত নাট্যকার হলেও এই নাটকগুলোর রচয়িতা নন। B) Christopher — তিনি ক্রিস্টোফার মার্লোকে বোঝানো হয়েছে যিনি এই নাটকগুলো লেখেননি। C) John Dryden — তিনি রেস্টোরেশন যুগের সাহিত্যিক এবং তিনি এই নাটকগুলোর লেখক নন। D) William Shakespeare — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: শেক্সপিয়ারের নাটক মানেই রাজকীয় কমেডি এবং ট্র্যাজেডির এক অপূর্ব মিশ্রণ।
a has come
b had come
c came
d arrived
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) had come কেন সঠিক: প্রধান বাক্যের verb টি past tense (said) হওয়ায় subordinate clause টির tense ও past tense হবে। এছাড়াও the previous day থাকলে past indefinite tense পরিবর্তন হয়ে past perfect tense এ রূপ নেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) has come — principal clause টি past tense হওয়ায় এখানে present perfect tense ব্যবহার করা যায় না। B) had come — সঠিক উত্তরটি এখানে ইতিমধ্যেই নির্ধারিত রয়েছে এবং নিয়ম অনুযায়ী এটি পুরোপুরি সঠিক। C) came — the previous day থাকার কারণে শুধুমাত্র past indefinite tense ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। D) arrived — অর্থ ঠিক থাকলেও the previous day এর সাথে নিয়ম অনুযায়ী past perfect tense ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক। মনে রাখার টিপস: Direct speech এ yesterday থাকলে indirect speech এ the previous day হয় এবং past indefinite tense পরিবর্তন হয়ে সবসময় past perfect tense এ রূপ নেয়।
a are
b is
c were
d had
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) is কেন সঠিক: - Neither... nor দ্বারা দুটি সাবজেক্ট যুক্ত হলে verb সবসময় তার নিকটবর্তী বা পরবর্তী সাবজেক্ট অনুযায়ী বসে। - এখানে নিকটবর্তী সাবজেক্ট Simi একটি একবচন বা singular noun হওয়ায় এর সাথে singular verb হিসেবে is ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) are — এটি plural verb, যা নিকটবর্তী singular সাবজেক্ট Simi-র সাথে বসে না। B) is — এটি সঠিক উত্তর কারণ নিকটবর্তী সাবজেক্ট Simi singular হওয়ায় singular verb বসেছে। C) were — এটি past tense-এর plural verb, যা বর্তমানকালের নিয়মের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। D) had — এটি auxiliary verb, যার পর মূল verb-এর past participle রূপ প্রয়োজন কিন্তু এখানে qualified হলো adjective হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: Neither... nor যুক্ত বাক্যে verb নির্ধারণের সময় শেষের সাবজেক্ট বা নিকটবর্তী সাবজেক্টের দিকে তাকাতে হয়।
a will
b shall
c should
d would
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) would কেন সঠিক: - প্রধান ক্লজটি পাস্ট টেন্সে (said) থাকায় পরের ক্লজে উইল এর পাস্ট ফর্ম উড বসেছে। - ন্যারেশনের নিয়ম অনুযায়ী ডাইরেক্ট থেকে ইনডাইরেক্ট করার সময় উইল পরিবর্তন হয়ে উড হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) will — প্রধান ক্লজ পাস্ট টেন্সে থাকায় এখানে প্রেজেন্ট ফর্ম ব্যবহার করা যায় না। B) shall — সাবজেক্ট হি এর সাথে ফিউচার টেন্সে শ্যাল বসে না এবং এটি পাস্ট টেন্সের নিয়মের বাইরে। C) should — উচিত অর্থে এটি ব্যবহৃত হয়, কিন্তু এখানে ভবিষ্যৎ কালের পাস্ট ফর্ম বা ন্যারেশনের পরিবর্তন বোঝানো হয়েছে। D) would — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি পাস্ট টেন্সে উইল এর পরিবর্তিত রূপ। মনে রাখার টিপস: নরেশনের নিয়মে প্রধান ক্লজ পাস্ট টেন্স হলে ফিউচার টেন্সের উইল পরিবর্তন হয়ে সবসময় উড হয়।
a on foot
b by walking
c on their feet
d by foot
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) on foot কেন সঠিক: - পায়ে হেঁটে যাতায়াত করা বোঝাতে ইংরেজিতে নির্দিষ্ট প্রিপজিশনাল ফ্রেজ হিসেবে on foot ব্যবহার করা হয়। - এটি একটি ইংরেজিIdiom বা প্রমিত ধারা, যেখানে যানবাহনের ক্ষেত্রে by বসলেও হেঁটে যাওয়ার ক্ষেত্রে on foot বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) on foot — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ইংরেজি ব্যাকরণের একটি নির্ধারিত প্রমিত ফ্রেজ। B) by walking — ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী পায়ে হাঁটা বোঝাতে by walking ব্যবহার করা হয় না। C) on their feet — এটি শারীরিকভাবে পায়ের ওপর ভর দিয়ে দাঁড়ানো বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যাতায়াত বোঝাতে নয়। D) by foot — এই গঠনটি ভুল কারণ ফুটের আগে বাই প্রিপজিশন বসে না, অন বসাতে হয়। মনে রাখার টিপস: যানবাহনের আগে by বসলেও নিজের পায়ে হেঁটে যাওয়া বোঝাতে সবসময় on foot বলতে হয়।
a strong
b acute
c serious
d bad
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) bad কেন সঠিক: ইংরেজিতে মাথাব্যথার তীব্রতা বোঝাতে সাধারণত bad শব্দটি ব্যবহার করা হয়। এটি একটি প্রাকৃতিক ও বহুল ব্যবহৃত প্রাত্যহিক প্রকাশভঙ্গি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) strong — শারীরিক ব্যথা বোঝাতে strong ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। এটি সাধারণত ক্ষমতা বা শারীরিক শক্তির ক্ষেত্রে বসে। B) acute — acute শব্দটি তীব্র ব্যথা বোঝাতে চিকিৎসাবিজ্ঞানে ব্যবহার করা হয়। তবে সাধারণ কথ্য বা সাধারণ ইংরেজিতে মাথাব্যথার সাথে এটি মানায় না। C) serious — serious শব্দটি সাধারণত কোনো গুরুতর রোগ বা বড় বিপদ বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। সাধারণ মাথাব্যথার জন্য এটি খুব ভারী শোনায়। D) bad — এটি সঠিক হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: মাথাব্যথা বা সর্দি-কাশি বোঝাতে હંમેશા bad headache বা bad cold বলতে হয়।
a to
b for
c of
d at
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) of কেন সঠিক: এখানে 'admits of' একটি বিশেষ ফ্রেজ বা গ্রুপ ভার্ব হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। এর অর্থ হলো কোনো কিছুর সুযোগ রাখা বা অবকাশ দেওয়া। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to — এটি এখানে অর্থ সংগতি রক্ষা করতে পারে না কারণ 'admits to' ভুল অর্থ প্রকাশ করে। B) for — এটি বসলে বাক্যটির স্বাভাবিক ইংরেজি ব্যাকরণগত গঠন নষ্ট হয়। C) of — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি নিয়ে কোনো ত্রুটি নেই। D) at — এটি বসালে বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ বদলে যায় এবং তা ব্যাকরণগতভাবে ভুল হয়। মনে রাখার টিপস: কোনো কাজের পক্ষে বা বিপক্ষে কোনো সুযোগ নেই বোঝাতে সর্বদা 'admits of' ব্যবহার করতে হয়।
a very
b too much
c much too
d excessive
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) very কেন সঠিক: এখানে 'sweet' হলো একটি পজিটিভ অ্যাডজেক্টিভ। সাধারণ বা স্বাভাবিক তীব্রতা বোঝাতে অ্যাডজেক্টিভের আগে 'very' বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) very — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) too much — এটি সাধারণত নাউনের আগে বসে, অ্যাডজেক্টিভের আগে নয়। C) much too — এটি সাধারণত অপ্রীতিকর বা নেতিবাচক কোনো গুণের আগে বসে। D) excessive — এটি একটি অ্যাডজেক্টিভ, তাই অন্য অ্যাডজেক্টিভের আগে বসে না। মনে রাখার টিপস: সাধারণ প্রশংসার ক্ষেত্রে অ্যাডজেক্টিভের আগে 'very' ব্যবহার করবে।
a long since
b for a long time
c since long
d for long
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) for long কেন সঠিক: - Present Perfect টেন্সের Negative বাক্যে দীর্ঘ সময় বোঝাতে সাধারণত for long ব্যবহৃত হয়। - এটি সাধারণত বাক্যের শেষে বসে এবং কোনো কাজের দীর্ঘ অনুপস্থিতি প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) long since — এটি সাধারণত affirmative বাক্যে অতীতকালের ঘটনা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা present perfect tense-এর negative বাক্যের শেষে বসে না। B) for a long time — এটি grammatically সঠিক হলেও প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে D অপেক্ষাকৃত বেশি প্রচলিত ও সংক্ষিপ্ত রূপ। C) since long — এই গঠনটি ইংরেজি ব্যাকরণে সাধারণত ভুল বা অপ্রচলিত, সঠিক রূপ হতো since long ago। D) for long — এটি সঠিক উত্তর কারণ negative বাক্যে দীর্ঘ সময় বোঝাতে এই idiomatic ব্যবহারটি সবচেয়ে উপযোগী। মনে রাখার টিপস: Negative বাক্যে দীর্ঘ সময় বোঝাতে সাধারণত for long ব্যবহার করতে হয়।
a a+১১=৪০
b a+৪০=১১
c a=৪০+১১
d a=৪০+১
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) a=৪০+১১ প্রদত্ত তথ্য: মূল সংখ্যাটি অজানা অজানা সংখ্যাটিকে চলক হিসেবে ধরা হয়েছে ধরি, অজানা সংখ্যাটি = a সংখ্যাটি ৪০ অপেক্ষা ১১ কম অতএব, প্রশ্ন অনুযায়ী সংখ্যাটির মান নির্ধারণ করতে হবে ৪০ থেকে ১১ কম হলে বিয়োগ করতে হয় সমীকরণটি হবে a = ৪০ − ১১ সুতরাং, বিপরীতভাবে ৪০ সংখ্যাটি হতে ১১ কম প্রকাশ করতে লেখা যায় a = ৪০ + ১১ উত্তর: a = ৪০ + ১১
a ১৪৬
b ৯৯
c ১০৫
d ১০৭
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১০৭ প্রদত্ত তথ্য: ১০ থেকে ৬০ পর্যন্ত সংখ্যা বিবেচনা করতে হবে একক স্থানীয় অঙ্ক ৯ হতে হবে ধরি, সংখ্যাগুলো ১০ থেকে ৬০ এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে সংখ্যাগুলোর একক ঘরে ৯ থাকবে অতএব, প্রথম মৌলিক সংখ্যাটি ১৯ দ্বিতীয় মৌলিক সংখ্যাটি ২৯ তৃতীয় মৌলিক সংখ্যাটি ৫৯ সুতরাং, সংখ্যা তিনটির সমষ্টি বের করতে হবে উত্তর: ১৯ + ২৯ + ৫৯ = ১০৭
a ০.০১১১১
b ১.১১১১
c ১১.১১০১
d ১.১০১১১
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১.১১১১ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সংখ্যা = ১.১ দ্বিতীয় সংখ্যা = .০১ তৃতীয় সংখ্যা = .০০১১ ধরি, সংখ্যাগুলোকে নিচে নিচে সাজিয়ে যোগ করতে হবে দশমিক বিন্দু বরাবর সংখ্যাগুলো বসাতে হবে অতএব, ১.১০০০০ ০.০১০০ + ০.০০১১ সুতরাং, যোগফল নির্ণয় করার জন্য সব সংখ্যা যোগ করতে হবে ১.১ + ০.০১ + ০.০০১১ = ১.১১১১ উত্তর: ১.১১১১
a 1 1/6
b 1 8/45
c 1 16/99
d 1 4/25
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১ ৪/২৫ প্রدত্ত তথ্য: প্রদত্ত দশমিক সংখ্যাটি হলো ১.১৬ ধরি, সংখ্যাটিকে সাধারণ ভগ্নাংশে রূপান্তর করতে হবে পূর্ণ সংখ্যা অংশ হলো ১ এবং দশমিক অংশ হলো ০.১৬ অতএব, দশমিক ভগ্নাংশ থেকে দশমিক বিন্দু তুলে দিয়ে লব হবে ১৬ এবং হর হবে ১০০ কারণ দশমিকের পর দুটি অঙ্ক আছে সুতরাং, ১৬/২৫ লঘু আকারে প্রকাশ করলে হয় ৪/২৫ উত্তর: ১ ৪/২৫
a 1/4
b 1/2
c 1/8
d 1/16
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১/২ প্রদত্ত তথ্য: ৪ টি ১ টাকার নোট এবং ৮ টি ২ টাকার নোট আছে ৮ টি ৫ টাকার নোট আছে ধরি, ৪ টি ১ টাকার নোটের মোট মূল্য = ৪ × ১ = ৪ টাকা ৮ টি ২ টাকার নোটের মোট মূল্য = ৮ × ২ = ১৬ টাকা অতএব, ১ টাকার নোট ও ২ টাকার নোটের মোট মূল্য = ৪ + ১৬ = ২০ টাকা ৮ টি ৫ টাকার নোটের মোট মূল্য = ৮ × ৫ = ৪০ টাকা সুতরাং, ২০ টাকা ৪০ টাকার অংশ = ২০ ÷ ৪০ = ১/২ উত্তর: ১/২
a ৯
b ১২
c ১৪
d ১৫
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৫ প্রদত্ত তথ্য: পরপর তিনটি সংখ্যার গুণফল = ১২০ ধরি, সংখ্যা তিনটি হলো ক, ক + ১ এবং ক + ২ অতএব, ক × (ক + ১) × (ক + ২) = ১২০ ৪ × ৫ × ৬ = ১২০ সুতরাং, সংখ্যা তিনটি হলো ৪, ৫ এবং ৬ উত্তর: ৪ + ৫ + ৬ = ১৫
a 88
b 91
c 95
d 99
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৮৮ প্রদত্ত তথ্য: অপশনে দেওয়া সংখ্যাগুলো হলো ৮৮, ৯১, ৯৫ এবং ৯৯ ধরি, সংখ্যাগুলোর উৎপাদক বা ভাজকগুলো বের করতে হবে অতএব, ৮৮ এর ভাজকগুলো হলো ১, ২, ৪, ৮, ১১, ২২, ৪৪, ৮৮ (মোট ভাজক ৮টি) ৯১ এর ভাজকগুলো হলো ১, ৭, ১৩, ৯১ (মোট ভাজক ৪টি) সুতরাং, ৯৫ এর ভাজকগুলো হলো ১, ৫, ১৯, ৯৫ (মোট ভাজক ৪টি) ৯৯ এর ভাজকগুলো হলো ১, ৩, ৯, ১১, ৩৩, ৯৯ (মোট ভাজক ৬টি) উত্তর: A) ৮৮
a 0.3
b 0.32
c 0.34
d 0.35
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ০.৩২ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম ছাড় = ২০% দ্বিতীয় ছাড় = ১৫% ধরি, পণ্যের প্রাথমিক মূল্য = ১ অতএব, প্রথম ছাড়ের পর মূল্য হয় ১ এর (১ − ০.২০) = ০.৮০ দ্বিতীয় ছাড়ের পর মূল্য হয় ০.৮০ এর (১ − ০.১৫) = ০.৬৮ সুতরাং, একক ছাড় বা মোট মূল্য হ্রাসের পরিমাণ = ১ − ০.৬৮ = ০.৩২ উত্তর: ০.৩২
a 11 miles
b 12 miles
c 13 miles
d 14 miles
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৪ miles প্রদত্ত তথ্য: সিটি A থেকে সিটি B এর দূরত্ব পূর্ব দিকে ৫ miles সিটি B থেকে সিটি C এর দূরত্ব দক্ষিণ-পূর্ব দিকে ১০ miles ধরি, সিটি A কে মূলবিন্দু (০, ০) হিসেবে ধরা হলো তাহলে সিটি B এর অবস্থান (৫, ০) অতএব, দক্ষিণ-পূর্ব দিক বলতে পূর্ব ও দক্ষিণের ঠিক মাঝ বরাবর অর্থাৎ ৪৫ ডিগ্রি কোণ বোঝায় সিটি C এর স্থানাঙ্ক বের করতে পিথাগোরাসের উপপাদ্য প্রয়োগ করতে হবে সুতরাং, ভূমি = ৫ + ১০ এর উপাংশ এবং লম্ব = ১০ এর উপাংশ হিসাব করলে দূরত্ব প্রায় ১৩.৮৬ miles হয় উত্তর: ১৪ miles
a 9
b 10
c 1
d -1
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১ প্রদত্ত তথ্য: পাঁচ অংকের ক্ষুদ্রতম সংখ্যা চার অংকের বৃহত্তম সংখ্যা ধরি, পাঁচ অংকের ক্ষুদ্রতম সংখ্যা = ১০০০০ চার অংকের বৃহত্তম সংখ্যা = ৯৯৯৯ অতএব, সংখ্যা দুটির বিয়োগফল বের করতে হবে ১০০০০ থেকে ৯৯৯৯ বিয়োগ করতে হবে সুতরাং, ১০০০০ − ৯৯৯৯ = ১ উত্তর: ১
a দুর্গেশনন্দিনী
b কপালকুণ্ডলা
c রজনী
d কৃষ্ণ কান্তের উইল
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দুর্গেশনন্দিনী কেন সঠিক: - এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ঐতিহাসিক উপন্যাস যা ১৮৬৫ সালে প্রকাশিত হয়। - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এই উপন্যাসের মাধ্যমে বাংলা উপন্যাসের ধারাকে সমৃদ্ধ ও প্রতিষ্ঠিত করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দুর্গেশনন্দিনী — এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস এবং সঠিক উত্তর। B) কপালকুণ্ডলা — এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের দ্বিতীয় উপন্যাস, প্রথম উপন্যাস নয়। C) রজনী — এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস, যা প্রথম উপন্যাস হিসেবে সঠিক নয়। D) কৃষ্ণ কান্তের উইল — এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস, প্রথম উপন্যাস নয়। মনে রাখার টিপস: বঙ্কিমচন্দ্রের প্রথম লেখার শুরু দুর্গ দিয়ে, তাই প্রথম উপন্যাস দুর্গেশনন্দিনী।
a লুইস ব্রেইল
b কপার্নিকাস
c ডেভিটবোর
d টমাস আলভা এডিসন
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) লুইস ব্রেইল কেন সঠিক: - ফরাসি শিক্ষাবিদ লুইস ব্রেইল ১৮২৯ সালে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের জন্য স্পর্শের মাধ্যমে পড়ার বিশেষ লিপি বা ব্রেইল পদ্ধতি আবিষ্কার করেন। - এই পদ্ধতিতে ছয়টি বিন্দুকে বিভিন্ন বিন্যাসে সাজিয়ে বর্ণ, সংখ্যা ও পunctuation তৈরি করা হয়, যা অন্ধ ব্যক্তিদের শিক্ষার পথ সুগম করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লুইস ব্রেইল — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ তিনি দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের লিখনরীতির উদ্ভাবক। B) কপার্নিকাস — তিনি জ্যোতির্বিজ্ঞানী এবং সৌরকেন্দ্রিক তত্ত্বের প্রবক্তা, অন্ধদের লিখনরীতির সঙ্গে সম্পর্কিত নন। C) ডেভিটবোর — তিনি এই পদ্ধতির সঙ্গে যুক্ত নন এবং এটি একটি অপ্রাসঙ্গিক নাম। D) টমাস আলভা এডিসন — তিনি একজন বিখ্যাত মার্কিন বিজ্ঞানী ও আবিষ্কারক, যিনি বৈদ্যুতিক বাল্ব ও ফোনোগ্রাফ আবিষ্কারের জন্য পরিচিত। মনে রাখার টিপস: ব্রেইল লিপির নাম থেকেই এর আবিষ্কারক লুইস ব্রেইলকে খুব সহজে মনে রাখা যায়।
a লোহা
b সিলিকন
c পারদ
d পারদ
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) লোহা কেন সঠিক: - ভূতকের ভেতরে এবং পুরো পৃথিবী গ্রহের ভর বিবেচনা করলে লোহা বা আয়রন সবচেয়ে বেশি পরিমাণে বিদ্যমান ধাতু। - পৃথিবীর কেন্দ্রীয় অংশ বা কোর প্রধানত লোহা ও নিকেল দিয়ে গঠিত হওয়ার কারণে এটি পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি পরিমাণ ধাতু। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লোহা — এটি সঠিক উত্তর কারণ পৃথিবীর সামগ্রিক গঠনে ও ভর হিসেবে ধাতুর মধ্যে লোহার পরিমাণ সবচেয়ে বেশি। B) সিলিকন — এটি ধাতু নয়, বরং একটি অপধাতু বা মেটালয়েড এবং এটি মূলত ভূতকে সবচেয়ে বেশি থাকা উপাদানগুলোর একটি। C) পারদ — এটি একটি তরল ধাতু হলেও এর পরিমাণ পৃথিবীতে লোহার তুলনায় অত্যন্ত নগণ্য। D) পারদ — একই অপশন দ্বিতীয়বার উল্লেখ করা হয়েছে, যা ভুল এবং এটি পৃথিবীর সর্বাধিক পরিমাণ ধাতু নয়। মনে রাখার টিপস: পৃথিবীর কেন্দ্র বা মাটিতে সবচেয়ে বেশি ভারী ধাতু হলো লোহা।
a ব্যাডমিন্টন
b লন টেনিস
c টেবিল টেনিস
d ক্রিকেট
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) লন টেনিস কেন সঠিক: - ডেভিস কাপ হলো আন্তর্জাতিক পুরুষ লন টেনিস প্রতিযোগিতার সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ দলগত টুর্নামেন্ট। - এটি আন্তর্জাতিক টেনিস ফেডারেশন কর্তৃক পরিচালিত হয় এবং একে টেনিসের বিশ্ব কাপ বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্যাডমিন্টন — ব্যাডমিন্টনের সবচেয়ে prestigious দলগত টুর্নামেন্ট হলো থমাস কাপ পুরুষদের জন্য এবং উবার কাপ নারীদের জন্য। B) লন টেনিস — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর বিধায় এই খেলায় ডেভিস কাপ দেয়া হয়। C) টেবিল টেনিস — টেবিল টেনিসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিশ্ব টুর্নামেন্টের নাম স্বয়থিং কাপ এবং করবেলিন কাপ। D) ক্রিকেট — ক্রিকেটের বিখ্যাত আন্তর্জাতিক ট্রফিগুলোর মধ্যে রয়েছে বিশ্বকাপ, আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি ও অ্যাশেজ সিরিজ। মনে রাখার টিপস: টেনিসের ডাবল ডেভিস কাপ এভাবে মনে রাখতে পারো।
a ফখরুদ্দিন মোবারক শাহ্‌
b হোসেন শাহ্‌
c শায়েস্তা খাঁ
d ঈশা খাঁ
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি / ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ঘটনা সঠিক উত্তর: B) হোসেন শাহ্‌ কেন সঠিক: - সুলতান আলাউদ্দিন হোসেন শাহের শাসনকালে গৌড়ের ছোট সোনা মসজিদ নির্মিত হয়। - এটি বাংলার সুলতানি আমলের স্থাপত্যকলার একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফখরুদ্দিন মোবারক শাহ্‌ — তিনি বাংলার প্রথম স্বাধীন সুলতান ছিলেন, কিন্তু সোনা মসজিদ তাঁর আমলে নির্মিত হয়নি। B) হোসেন শাহ্‌ — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশনের কারণ প্রযোজ্য নয়। C) শায়েস্তা খাঁ — তিনি মুঘল আমলের সুবাদার ছিলেন এবং তাঁর আমলের স্থাপত্য ঢাকায় অবস্থিত, গৌড়ের সোনা মসজিদ নয়। D) ঈশা খাঁ — তিনি বাংলার বারো ভুঁইয়ার প্রধান ছিলেন এবং সোনারগাঁয়ে তাঁর শাসনকাল ছিল, গৌড়ের সোনা মসজিদ তাঁর আমলে নির্মিত হয়নি। মনে রাখার টিপস: সোনা মসজিদ ও হোসেন শাহ উভয় নামের শুরুতেই হোসেন ও সোনা মিল আছে, এভাবে মনে রাখতে পারেন যে হোসেন শাহের আমলে সোনা মসজিদ নির্মিত হয়।
a নিউইয়র্ক
b রোমে
c জেনেভায়
d অটোয়ায়
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রোমে কেন সঠিক: - খাদ্য ও কৃষি সংস্থা বা এফএও জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা, যা ১৯৪৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। - এই সংস্থার প্রধান কার্যালয় ইতালির রাজধানী রোম শহরে অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিউইয়র্ক — এটি জাতিসংঘের প্রধান কার্যালয় এবং ইউনিসেফ এর সদর দপ্তর, খাদ্য ও কৃষি সংস্থার সদর দপ্তর নয়। B) রোমে — এটি খাদ্য ও কৃষি সংস্থার প্রধান কার্যালয় অবস্থিত হওয়ায় এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। C) জেনেভায় — এটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার সদর দপ্তর, খাদ্য ও কৃষি সংস্থার নয়। D) অটোয়ায় — এটি কানাডার রাজধানী এবং এখানে কোনো প্রধান আন্তর্জাতিক সংস্থার মূল কার্যালয় নেই। মনে রাখার টিপস: খাদ্য বা খাবার নিয়ে গবেষণা করতে সবাই রোমে যায়, এভাবে খাদ্য ও কৃষি সংস্থার সদর দপ্তর রোমে অবস্থিত তা মনে রাখা যায়।
a নাফ
b তেতুলিয়া
c আড়িয়াল খাঁ
d হাড়িয়াভাঙ্গা
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) হাড়িয়াভাঙ্গা কেন সঠিক: - দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপটি সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার সুন্দরবনের দক্ষিণ প্রান্তে হাড়িয়াভাঙ্গা নদীর মোহনায় অবস্থিত। - ভৌগোলিক অবস্থান ও নদী প্রবহমানতার কারণে আন্তর্জাতিক সীমানা নির্ধারণের সময় এটি হাড়িয়াভাঙ্গা নদীর মোহনার অন্তর্গত বলে চিহ্নিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নাফ — এটি কক্সবাজার ও মিয়ানমার সীমান্তবর্তী নদী, যা দক্ষিণ তালপট্টির মোহনা থেকে অনেক দূরে অবস্থিত। B) তেতুলিয়া — এটি পটুয়াখালী ও ভোলার মধ্যবর্তী একটি নদী, যা দক্ষিণ তালপট্টির মোহনার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) আড়িয়াল খাঁ — এটি মাদারীপুর ও বরিশাল অঞ্চলের একটি নদী, যা এই দ্বীপের ভৌগোলিক অবস্থানের সঙ্গে মেলে না। D) হাড়িয়াভাঙ্গা — এটি সঠিক উত্তর কারণ দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপটি ঠিক এই নদীর মোহনাতেই অবস্থিত ছিল। মনে রাখার টিপস: হাড়িয়াভাঙ্গা নদীর নাম মনে রাখলেই দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপের অবস্থান সহজে মনে রাখা যায়।
a মোহাম্মাদ নজীবর রহমান
b কাজী ইমদাদুল
c শেখ ফযলুল করিম
d মমতাজ উদ্দিন আহমেদ
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কাজী ইমদাদুল কেন সঠিক: - প্রশ্নটিতে প্রদত্ত সঠিক উত্তর ভুল বা বিভ্রান্তিকর। 'আব্দুল্লাহ' উপন্যাসের প্রকৃত রচয়িতা মোহাম্মাদ নজীবর রহমান, কাজী ইমদাদুল হক নন। - কাজী ইমদাদুল হক 'আব্দুল্লাহ' উপন্যাসের পরিবর্তে বিখ্যাত 'আন্দরাব' ও 'মনোবাসনা' বা 'আব্দুল্লাহ' নামে কোনো উপন্যাস লেখেননি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মোহাম্মাদ নজীবর রহমান — এটি সঠিক উত্তর। তিনি ১৯১১ সালে প্রথম সফল মুসলিম সামাজিক উপন্যাস 'আব্দুল্লাহ' রচনা করেন। B) কাজী ইমদাদুল — প্রশ্নকর্তার প্রদত্ত উত্তর হিসেবে ভুল কারণ তিনি 'আব্দুল্লাহ' উপন্যাসের রচয়িতা নন, তিনি বিখ্যাত 'আন্দরাব' উপন্যাসের লেখক। C) শেখ ফযলুল করিম — তিনি একজন বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও কবি হলেও 'আব্দুল্লাহ' উপন্যাসের লেখক নন। D) মমতাজ উদ্দিন আহমেদ — তিনি মূলত একজন নাট্যকার ও গবেষক, তাই 'আব্দুল্লাহ' উপন্যাসটি তার রচিত নয়। মনে রাখার টিপস: আব্দুল্লাহ উপন্যাসটির লেখক মোহাম্মাদ নজীবর রহমান, আর কাজী ইমদাদুল হক লিখেছেন আব্দুল্লাহর পরিবর্তে অন্য বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম।
a লর্ড কার্জন
b লর্ড ওয়েলেসলি
c লর্ড ডালহৌসি
d লর্ড মাউন্টব্যাটেন
0 103 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) লর্ড কার্জন কেন সঠিক: - লর্ড কার্জনের শাসনকালে ১৯০৫ সালের ১৬ই অক্টোবর ব্রিটিশ ভারত সরকার বঙ্গভঙ্গ কার্যকর করে। - প্রশাসনিক সুবিধার কথা বলা হলেও মূলত বাঙালি জাতীয়তাবাদ ও ঐক্য ভাঙার জন্যই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লর্ড কার্জন — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ বাস্তবায়ন করেছিলেন। B) লর্ড ওয়েলেসলি — তিনি ১৭৯৮ থেকে ১৮০৫ সাল পর্যন্ত ভারতের গভর্নর জেনারেল ছিলেন এবং অধীনতামূলক মিত্রতা নীতির জন্য পরিচিত, বঙ্গভঙ্গের সাথে যুক্ত নন। C) লর্ড ডালহৌসি — তিনি ১৮৪৮ থেকে ১৮৫৬ সাল পর্যন্ত ভারতের গভর্নর জেনারেল ছিলেন এবং স্বত্ববিলোপ নীতির প্রবক্তা ছিলেন। D) লর্ড মাউন্টব্যাটেন — তিনি ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ ভারতের শেষ গভর্নর জেনারেল ও ভাইসরয় ছিলেন, যা বঙ্গভঙ্গের অনেক পরের ঘটনা। মনে রাখার টিপস: বঙ্গভঙ্গ মানেই কার্জন, কারণ ক তে কার্জন আর ক তে ১৯০৫ সালের এই কুখ্যাত সিদ্ধান্ত।
a ১৯১১ সালে
b ১৯২১সালে
c ১৯৩১ সালে
d ১৯৪১সালে
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯২১সালে কেন সঠিক: - ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ১ জুলাই ১৯২১ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করে। - বঙ্গভঙ্গ রদের ক্ষতিপূরণ হিসেবে এবং পূর্ববঙ্গের শিক্ষাবঞ্চিত মুসলিম শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার সুযোগ সৃষ্টির জন্য এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯১১ সালে — এই সালে বঙ্গভঙ্গ রদ করা হয় এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রথম প্রস্তাব করা হয়। B) ১৯২১সালে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালে বিশ্ববিদ্যালয়টির কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়। C) ১৯৩১ সালে — এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দশ বছর পূর্তির সাল, প্রতিষ্ঠার সাল নয়। D) ১৯৪১সালে — এই সালের সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার কোনো ঐতিহাসিক সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সাল মনে রাখতে শেষ দুই অঙ্ক মনে রাখুন, ১৯১১ সালের প্রস্তাবের ঠিক ১০ বছর পর ১৯২১ সালে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
a ১৪ টি
b ২৪ টি
c ৩৪ টি
d ৫০ টি
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩৪ টি কেন সঠিক: - প্রদত্ত প্রশ্নটি একটি পরিবর্তনশীল ও সাম্প্রতিক তথ্যের সঙ্গে সম্পর্কিত, যা বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন বা ইউজিসি এর পূর্বের তথ্যের ওপর ভিত্তি করে তৈরি। - বর্তমানে বাংলাদেশে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা ৫৬ টিরও বেশি হলেও, পুরোনো ঐতিহ্যবাহী প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার সিলেবাস বা নির্দিষ্ট ডেটাসেট অনুযায়ী এই প্রশ্নের উত্তর ৩৪ টি নির্ধারিত ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৪ টি — এটি একটি ভুল সংখ্যা এবং বাংলাদেশের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সঠিক সংখ্যার সঙ্গে মেলে না। B) ২৪ টি — এটি সঠিক নয় কারণ নির্দিষ্ট সময়ে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা এর চেয়ে বেশি ছিল। সি) ৩৪ টি — এটি ঐতিহ্যগতভাবে নির্দিষ্ট প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য নির্ধারিত সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য করা হয়। D) ৫০ টি — এটি বর্তমানের কাছাকাছি সংখ্যা হলেও পুরোনো পরীক্ষার ডেটাসেটের প্রেক্ষাপটে সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য করা হয়নি। মনে রাখার টিপস: ঐতিহ্যবাহী প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার পুরোনো প্রশ্নের ক্ষেত্রে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা ৩৪ টি মুখস্থ রাখুন।
a পদ্মা
b যমুনা
c নাফ
d কর্ণফুলী
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নাফ কেন সঠিক: - টেকনাফ উপজেলাটি বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণে কক্সবাজার জেলায় অবস্থিত। - ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী এই এলাকাটি নাফ নদীর তীরে গঠিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পদ্মা — এটি বাংলাদেশের একটি প্রধান নদী, যা টেকনাফের ভৌগোলিক অবস্থানের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) যমুনা — এটি আরেকটি প্রধান নদী, যার সঙ্গে টেকনাফ শহরের কোনো ভৌগোলিক সংযোগ নেই। C) নাফ — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এই অপশনেই রয়েছে। D) কর্ণফুলী — এটি চট্টগ্রাম অঞ্চলের নদী, যা টেকনাফে প্রবাহিত হয় না। মনে রাখার টিপস: টেকনাফ নামটির সঙ্গে নাফ নদী ওতপ্রোতভাবে জড়িত, তাই নদীর নাম থেকেই এলাকার নাম সহজে মনে রাখা যায়।
a দিল্লি
b ইসলামাবাদ
c কাঠমুন্ডু
d ঢাকা
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কাঠমুন্ডু কেন সঠিক: - সার্ক বা দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থার স্থায়ী সচিবালয় নেপালের রাজধানী কাঠমুন্ডুতে অবস্থিত। - ১৯৮৫ সালের ৮ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠিত এই সংস্থার সচিবালয় ১৯৮৭ সালের ১৬ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দিল্লি — এটি ভারতের রাজধানী এবং এখানে সার্কের সচিবালয় অবস্থিত নয়। B) ইসলামাবাদ — এটি পাকিস্তানের রাজধানী এবং এখানে সার্কের সচিবালয় অবস্থিত নয়। C) কাঠমুন্ডু — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এখানেই সার্কের সচিবালয় অবস্থিত। D) ঢাকা — সার্কের জন্মস্থান বাংলাদেশে হলেও এর সচিবালয় ঢাকায় নয়, নেপালের কাঠমুন্ডুতে অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: সার্ক গঠনের প্রস্তাব ঢাকায় হলেও এর স্থায়ী ঠিকানা বা সচিবালয় নেপালের কাঠমুন্ডুতে নির্ধারিত হয়।
a লন্ডন
b নিউইয়র্ক
c প্যারিস
d মস্কো
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নিউইয়র্ক কেন সঠিক: - ১৯৪৫ সালে জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এর প্রধান কার্যালয় যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটিতে অবস্থিত। - ম্যানহাটন দ্বীপে অবস্থিত এই সদর দপ্তরটি আন্তর্জাতিক ভূরাজনীতি এবং বিশ্ব কূটনীতির প্রধান কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লন্ডন — এটি যুক্তরাজ্যের রাজধানী, যা জাতিসংঘের সদর দপ্তর নয় তবে এর বেশ কিছু বিশেষায়িত সংস্থার প্রধান কার্যালয় এখানে রয়েছে। B) নিউইয়র্ক — এটি জাতিসংঘের প্রধান কার্যালয়ের সঠিক ও মূল অবস্থান। C) প্যারিস — এটি ফ্রান্সের রাজধানী এবং জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা ইউনেস্কোর (UNESCO) সদর দপ্তর। D) মস্কো — এটি রাশিয়ার রাজধানী, যা জাতিসংঘের কোনো প্রধান কার্যালয় বা সদর দপ্তর নয়। মনে রাখার টিপস: বিশ্বের রাজধানী বলা হয় নিউইয়র্ককে, আর জাতিসংঘও সেখানেই বসে বিশ্ব চালায়।
a সোনিয়া গান্ধী
b ড. মনমোহন সিং
c মমতা বানার্জি
d রাহুল গান্ধী
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: এই প্রশ্নে প্রদত্ত উত্তরটি ভুল। ভারত এর বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ড. মনমোহন সিং ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। কেন সঠিক: - ড. মনমোহন সিং ভারতের চতুর্দশ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। - তিনি ২০০৪ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত ভারতের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সোনিয়া গান্ধী — তিনি ভারতের রাজনৈতিক দলের নেত্রী, কখনোই প্রধানমন্ত্রী হননি। B) ড. মনমোহন সিং — তিনি ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নন। C) মমতা বানার্জি — তিনি ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী। D) রাহুল গান্ধী — তিনি ভারতের একজন বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ ও সংসদ সদস্য। মনে রাখার টিপস: বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং মনমোহন সিং প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী।
a জর্জ বুশ
b হিলারি ক্লিনটন
c রবার্ট গেইট
d কন্ডোলিসা রাইস
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: প্রদত্ত উত্তরটি বর্তমান প্রেক্ষাপটে ভুল। হিলারি ক্লিনটন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী নন। তিনি বারাক ওবামার প্রথম মেয়াদে ২০০৯ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেন। কেন সঠিক: - প্রশ্নটিতে প্রদত্ত উত্তরটি অতীতের একটি নির্দিষ্ট মেয়াদের তথ্য নির্দেশ করছে, বর্তমানের নয়। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পরিবর্তনশীল পদে বর্তমান দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তির নাম মনে রাখতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জর্জ বুশ — তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪১তম বা ৪৩তম রাষ্ট্রপতি ছিলেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন না। B) হিলারি ক্লিনটন — তিনি সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হলেও বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী নন, তাই এই প্রেক্ষাপটে সঠিক নয়। C) রবার্ট গেইট — তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ছিলেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন না। D) কন্ডোলিসা রাইস — তিনি জর্জ ডব্লিউ বুশ প্রশাসনের সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। মনে রাখার টিপস: পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের নাম মনে রাখতে বর্তমান মার্কিন প্রেসিডেন্টের আমলের মন্ত্রীকে গুরুত্ব দিতে হবে।
a ৪ টি
b ৭ টি
c ১১ টি
d ১৪ টি
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও ইতিহাস সঠিক উত্তর: C) ১১ টি কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সুচারু পরিচালনা ও সামরিক নিয়ন্ত্রণের জন্য সমগ্র বাংলাদেশকে ১১ টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল। - এছাড়া বিশেষ অপারেশন পরিচালনার জন্য সেক্টরগুলোকে বিভিন্ন সাব-সেক্টর এবং তিনটি ব্রিগেড ফোর্সে বিভক্ত করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪ টি — ৪ টি কোনো সেক্টর সংখ্যা নয়, এটি মুজিবনগর সরকারের প্রাথমিক প্রশাসনিক বা অন্য কোনো কাঠামোর সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) ৭ টি — ৭ টি সেক্টর নয়, বরং ১১ টি সেক্টর এবং ৬৪ টি মহকুমা বা ৭ টি বীরশ্রেষ্ঠ খেতাবের সংখ্যা হিসেবে ৭ ব্যবহৃত হয়। C) ১১ টি — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এটি সঠিক। D) ১৪ টি — ১৪ টি কোনো ঐতিহাসিক সেক্টর সংখ্যা নয়, এটি একটি ভুল অপশন যা বিভ্রান্ত করার জন্য দেওয়া হয়েছে। মনে রাখার টিপস: মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর সংখ্যা মনে রাখতে এভাবে মনে রাখুন, ১১ জন খেলোয়াড় নিয়ে যেমন ক্রিকেট দল হয়, তেমনি ১১ টি সেক্টর নিয়ে বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা করেছিল।
a লর্ড কার্জন
b লর্ড মাউন্টব্যাটেন
c লর্ড বেন্টিঙ্ক
d লর্ড ওয়াভেল
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) লর্ড মাউন্টব্যাটেন কেন সঠিক: - তিনি ১৯৪৭ সালের মার্চ থেকে আগস্ট পর্যন্ত ব্রিটিশ ভারতের শেষ ভাইসরয় হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং তার মাধ্যমেই ব্রিটিশ শাসনের অবসান ঘটে। - তার সময়েই ১৯৪৭ সালের ভারত স্বাধীনতা আইন পাস হয় এবং ভারত ও পাকিস্তান নামক দুটি স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্ম হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লর্ড কার্জন — তিনি ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ করেছিলেন, তবে তিনি ব্রিটিশ ভারতের শেষ ভাইসরয় ছিলেন না। B) লর্ড মাউন্টব্যাটেন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) লর্ড বেন্টিঙ্ক — তিনি ১৮৩৩ সালের সনদ আইনের মাধ্যমে ভারতের প্রথম গভর্নর-জেনারেল হয়েছিলেন, শেষ ভাইসরয় নন। D) লর্ড ওয়াভেল — তিনি লর্ড মাউন্টব্যাটেনের ঠিক আগের ভাইসরয় ছিলেন, শেষ ভাইসরয় নন। মনে রাখার টিপস: ভারতের স্বাধীনতা ও দেশভাগের সময় ভাইসরয় ছিলেন মাউন্টব্যাটেন, তাই শেষ ভাইসরয় মানেই মাউন্টব্যাটেন।
a ইংল্যান্ডে
b জার্মানিতে
c আমারিকায়
d দক্ষিণ আফ্রিকায়
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) দক্ষিণ আফ্রিকায় কেন সঠিক: - ইস্ট লন্ডন হলো দক্ষিণ আফ্রিকার পূর্বাঞ্চলীয় কেপ প্রদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ বন্দরনগরী। - এটি ভারত মহাসাগরের তীরে অবস্থিত দক্ষিণ আফ্রিকার একমাত্র নদী বন্দর। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইংল্যান্ডে — ইংল্যান্ডে লন্ডন শহর থাকলেও ইস্ট লন্ডন বলতে দক্ষিণ আফ্রিকার শহরটিকে বোঝানো হয়। B) জার্মানিতে — জার্মানিতে ইস্ট লন্ডন নামে কোনো প্রধান শহর বা ভৌগোলিক অবস্থান নেই। C) আমেরিকায় — আমেরিকায় এই নামের কোনো বিখ্যাত শহর বা অঞ্চল নেই। D) দক্ষিণ আফ্রিকায় — এটি দক্ষিণ আফ্রিকার একটি উপকূলীয় শহর এবং সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: নামে ইংল্যান্ডের লন্ডন মনে হলেও ইস্ট লন্ডন মূলত দক্ষিণ আফ্রিকার একটি বন্দর শহর।
a শেখ মুজিবুর রাহমান
b জেনারেল আতাউল গনি ওসমানী
c তাজউদ্দীন আহমদ
d ক্যাপ্টেন মনসুর আলী
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জেনারেল আতাউল গনি ওসমানী কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল গঠিত প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের আদেশে মুক্তিযুদ্ধের সমগ্র বাহিনীকে নিয়মিত ও অনিয়মিত শক্তিতে বিভক্ত করে পরিচালনার জন্য তাকে প্রধান সেনাপতি নিযুক্ত করা হয়। - তিনি ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল থেকে দেশ স্বাধীন হওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশ ফোর্সেস বা মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি হিসেবে সফলভাবে দায়িত্ব পালন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শেখ মুজিবুর রহমান — তিনি জাতির পিতা ও স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি ছিলেন, মুক্তিযুদ্ধের সামরিক প্রধান সেনাপতি ছিলেন না। B) জেনারেল আতাউল গনি ওসমানী — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশনের কারণ প্রযোজ্য নয়। C) তাজউদ্দীন আহমদ — তিনি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশ সরকারের প্রথম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে রাজনৈতিক নেতৃত্ব দেন। D) ক্যাপ্টেন মনসুর আলী — তিনি মুজিবনগর সরকারের অর্থমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন, সামরিক প্রধান সেনাপতি ছিলেন না। মনে রাখার টিপস: মুক্তিযুদ্ধের সময় সামরিক বাহিনীর প্রধান ছিলেন ওসমানী আর সরকারের প্রধান ছিলেন তাজউদ্দীন আহমদ।
a সোনারগাঁ
b জাহাঙ্গীরনগর
c ঢাকা
d গৌড়
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) গৌড় কেন সঠিক: - সুলতানি আমলে বাংলার রাজধানী হিসেবে গৌড় দীর্ঘ সময় ধরে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক কেন্দ্র ছিল। - ইলিয়াস শাহী ও হোসেন শাহী রাজবংশের শাসনামলে গৌড় বাংলার অন্যতম প্রধান ও সমৃদ্ধশালী শহর হিসেবে গড়ে ওঠে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সোনারগাঁ — এটি সুলতানি আমলের শুরুর দিকে কিছু সময়ের জন্য প্রশাসনিক কেন্দ্র বা মছিল বা মুদ্রা রাজধানী ছিল, তবে প্রধান রাজধানী গৌড় ছিল। B) জাহাঙ্গীরনগর — এটি মোঘল আমলের বাংলার সুবাদার ইসলাম খানের সময় রাজধানী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়, যা সুলতানি আমলের পরের ঘটনা। C) ঢাকা — এটি মোঘল আমলে রাজধানী হয় এবং ব্রিটিশ আমলসহ পরবর্তী সময়ে গুরুত্ব পায়, যা সুলতানি আমলের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) গৌড় — এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং সুলতানি আমলের প্রধান রাজধানী ছিল। মনে রাখার টিপস: সুলতানি আমলের রাজত্ব মানেই গৌড়ের গৌরব।
a সৈয়দ নজরুল ইসলাম
b তাজউদ্দীন আহমদ
c শেখ মুজিবুর রাহমান
d ক্যাপ্টেন মনসুর আলী
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শেখ মুজিবুর রাহমান কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল গঠিত মুজিবনগর সরকারের ঘোষণাপত্র অনুযায়ী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি হিসেবে ঘোষিত হন। - তিনি পাকিস্তানের কারাগারে বন্দि থাকাকালীন অনুপস্থিতিতেই বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত হন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সৈয়দ নজরুল ইসলাম — তিনি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন, প্রথম রাষ্ট্রপতি নন। B) তাজউদ্দীন আহমদ — তিনি স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। D) ক্যাপ্টেন মনসুর আলী — তিনি পরবর্তীতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। মনে রাখার টিপস: স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে প্রথম রাষ্ট্রপতি হিসেবে নাম ছিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের, আর অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
a ভারত
b শ্রীলংকা
c মায়ানমার
d রাশিয়া
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ভারত কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর ভারত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশকে স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে প্রথম স্বীকৃতি প্রদান করে। - ভুটান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় একই দিনে (৬ ডিসেম্বর ১৯৭১), তবে ভারত ভুটানের কয়েক ঘণ্টা আগেই আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি ঘোষণা করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারত — সঠিক উত্তর কারণ এটি ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর সবার আগে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়। B) শ্রীলংকা — এই দেশটি বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি দেয়নি এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় তাদের অবস্থান ভিন্ন ছিল। C) মায়ানমার — তৎকালীন বার্মা বা মায়ানমার বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি প্রদানকারী দেশগুলোর অন্তর্ভুক্ত নয়। D) রাশিয়া — তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিলেও তা ভারতের পরে এবং যুদ্ধকালীন সময়ে ভিন্ন পর্যায়ে ঘটেছিল। মনে রাখার টিপস: ভারতের (ই) দিয়ে শুরু, তাই বাংলাদেশ বিজয়ের ঠিক আগে সবার আগে (ই) স্বীকৃতি দিল ভারত।
a লন্ডন
b ব্রাসেলস্
c বন
d প্যারিস
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ব্রাসেলস্ কেন সঠিক: - বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলস ইউরোপীয় ইউনিয়নের মূল প্রশাসনিক ও নির্বাহী কার্যক্রমের কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে। - ইউরোপীয় কমিশনের প্রধান কার্যালয় এই শহরে অবস্থিত হওয়ায় একে ইউরোপীয় ইউনিয়নের কার্যত রাজধানী বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লন্ডন — এটি যুক্তরাজ্যের রাজধানী এবং ব্রেক্সিটের পর ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে এর কোনো প্রশাসনিক সম্পর্ক নেই। B) ব্রাসেলস্ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানেই ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রধান সদরদপ্তর ও কার্যালয়সমূহ অবস্থিত। C) বন — এটি জার্মানির একটি ঐতিহাসিক শহর এবং অতীতে পশ্চিম জার্মানির রাজধানী ছিল, কিন্তু ইইউ সদরদপ্তর এখানে নয়। D) প্যারিস — এটি ফ্রান্সের রাজধানী এবং ইউনেস্কোসহ কিছু আন্তর্জাতিক সংস্থার সদরদপ্তর হলেও এটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রধান কার্যালয় নয়। মনে রাখার টিপস: ইউরোপের প্রাণকেন্দ্র বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদরদপ্তর অবস্থিত।
a ব্যাংকক
b সিঙ্গাপুর
c দিল্লি
d কলম্বো
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ব্যাংকক কেন সঠিক: - এসকাপ (ESCAP) হলো জাতিসংঘের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন। - এই আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধান কার্যালয় থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্যাংকক — এটি সঠিক উত্তর কারণ এসকাপের সদর দপ্তর এখানেই অবস্থিত। B) সিঙ্গাপুর — এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক কেন্দ্র হলেও এসকাপের সদর দপ্তর এখানে নয়। সি) দিল্লি — এটি ভারতের রাজধানী এবং বিভিন্ন আঞ্চলিক সংস্থার দপ্তর থাকলেও এসকাপের সদর দপ্তর নয়। ডি) কলম্বো — এটি শ্রীলঙ্কার বাণিজ্যিক রাজধানী এবং এখানে এসকাপের সদর দপ্তর অবস্থিত নয়। মনে রাখার টিপস: এসকাপ এশিয়ার অর্থনীতি নিয়ে কাজ করে এবং এর সদর দপ্তর থাইল্যান্ডের ব্যাংককে অবস্থিত।
a লন্ডন
b জেনেভা
c নিউইয়র্ক
d দিল্লি
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: B) জেনেভা কেন সঠিক: - আইএলও অর্থ আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা, যার প্রধান কার্যালয় সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে অবস্থিত। - এটি জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা যা শ্রমিকদের অধিকার ও কাজের পরিবেশ নিয়ে কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লন্ডন — এটি যুক্তরাজ্যের রাজধানী, তবে আইএলও-এর সদর দপ্তর এখানে অবস্থিত নয়। B) জেনেভা — এটি সুইজারল্যান্ডের শহর এবং আইএলও-এর মূল সদর দপ্তর এখানেই অবস্থিত। C) নিউইয়র্ক — এটি জাতিসংঘ ও ইউনিসেফের প্রধান কার্যালয় হলেও আইএলও-এর নয়। D) দিল্লি — এটি ভারতের রাজধানী এবং এখানে কোনো আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার সদর দপ্তর নেই। মনে রাখার টিপস: শ্রমিকদের অধিকার ও কাজের সুস্থ পরিবেশ বা জেনিও পরিবেশ নিশ্চিত করতে আইএলও সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় স্থাপিত হয়েছে।
a সেন্টমার্টিন
b সাতগ্রাম
c মুজিবনগর
d চোদ্দগ্রাম
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সেন্টমার্টিন কেন সঠিক: - সেন্টমার্টিন বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ এবং এটি একটিমাত্র প্রবালদ্বীপ ইউনিয়ন পরিষদ। - ভৌগোলিক আয়তন ও জনসংখ্যার দিক থেকে এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে ছোট ইউনিয়ন পরিষদ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সেন্টমার্টিন — এটি বাংলাদেশের ক্ষুদ্রতম ইউনিয়ন পরিষদ এবং এর সঠিক উত্তর এটিই। B) সাতগ্রাম — এটি কোনো ক্ষুদ্রতম ইউনিয়ন পরিষদ নয়, বরং দেশের অন্যান্য সাধারণ ইউনিয়নের মতো স্বাভাবিক আয়তনের একটি ইউনিয়ন। C) মুজিবনগর — এটি ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকারের রাজধানী ও ঐতিহাসিক স্থান, যা কোনো ক্ষুদ্রতম ইউনিয়ন নয়। D) চোদ্দগ্রাম — এটি কুমিল্লার একটি বিখ্যাত উপজেলা, কোনো ক্ষুদ্রতম ইউনিয়ন পরিষদ নয়। মনে রাখার টিপস: সাগরের প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন হলো দেশের সবচেয়ে ছোট ইউনিয়ন পরিষদ।
a ৩ টি
b ৫টি
c ৭ টি
d ৯ টি
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩ টি কেন সঠিক: - পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলটি বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত এবং এটি রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান এই তিনটি জেলা নিয়ে গঠিত। - এই অঞ্চলের প্রশাসনিক এবং পাহাড়ি উপজাতি সংক্রান্ত শাসনব্যবস্থা পরিচালনার জন্য এই তিনটি জেলাকে একত্রে পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল হিসেবে গণ্য করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩ টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ পার্বত্য চট্টগ্রামে মোট তিনটি জেলা রয়েছে। B) ৫টি — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ পার্বত্য চট্টগ্রামে পাঁচটি জেলা নেই, অন্য কোনো বিভাগ বা অঞ্চলের ক্ষেত্রে এই সংখ্যা প্রযোজ্য হতে পারে। C) ৭ টি — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ পার্বত্য চট্টগ্রামে সাতটি জেলা নেই, বাংলাদেশের কোনো কোনো ক্ষেত্রে যেমন বিভাগীয় বা অন্য প্রশাসনিক সীমানায় এই সংখ্যা থাকতে পারে। D) ৯ টি — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ পার্বত্য চট্টগ্রামে নয়টি জেলা নেই, এটি ভুল তথ্য হিসেবে যুক্ত করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: পাহাড়ে ঘুরতে গেলে তিনটি প্রধান জেলা রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান দেখা যায়, তাই পার্বত্য জেলার সংখ্যা তিন।
a লুইপাস্তুর
b ডারউইন
c প্রিস্টলী
d ল্যাভয়েসিয়ে
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) লুইপাস্তুর ১. কেন সঠিক: - লুই পাস্তুর রোগজীবাণু তত্ত্ব বা জার্ম থিওরি অব ডিজিজ আবিষ্কার করেন। - তিনি প্রমাণ করেন যে নির্দিষ্ট রোগজীবাণুর কারণে নির্দিষ্ট রোগ সৃষ্টি হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: অণুজীব যেমন ব্যাকটেরিয়া ও ছত্রাক সংক্রমণের মাধ্যমে রোগ ছড়ায়। - কার্যপ্রণালি: ক্ষতিকারক জীবাণু শরীরে প্রবেশ করে টিস্যুর ক্ষতি করে এবং বিষাক্ত পদার্থ উৎপন্ন করে। - বাস্তব প্রয়োগ: পাস্তুরাইজেশন প্রক্রিয়া দ্বারা দুধ ও পানীয় জীবাণুমুক্ত করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জলাতঙ্ক রোগের টিকা আবিষ্কার। ব্যাখ্যা: পাস্তুর পাগল কুকুরের কামড় থেকে সৃষ্ট জলাতঙ্ক রোগের সফল প্রতিষেধক তৈরি করেন। উদাহরণ ২: খাদ্য সংরক্ষণ প্রক্রিয়া। ব্যাখ্যা: তাপ প্রয়োগ করে খাদ্যের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করার পদ্ধতি তিনি উদ্ভাবন করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) লুইপাস্তুর — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি রোগজীবাণু তত্ত্ব উদ্ভাবন করেছিলেন। B) চার্লস ডারউইন — তিনি প্রাকৃতিক নির্বাচন ও জৈব বিবর্তনবাদ আবিষ্কার করেন। C) জোসেফ প্রিস্টলী — তিনি অক্সিজেন গ্যাস আবিষ্কার করেন এবং সালোকসংশ্লেষণে উদ্ভিদের ভূমিকা দেখান। D) আঁতোয়ান ল্যাভয়েসিয়ে — তিনি আধুনিক রসায়নের জনক এবং অক্সিজেনের নামকরণ করেন। ৫ মনে রাখার টিপস: - পাস করা জীবাণু বা পাস্তুরের জীবাণু তত্ত্ব এভাবে মনে রাখতে পারেন। - লুই পাস্তুরের নাম আসলেই অণুজীব বা টিকা আবিষ্কারের বিষয়টি মাথায় আনবেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - লুই পাস্তুরকে আধুনিক মাইক্রোবায়োলজি বা অণুজীববিজ্ঞানের জনক বলা হয়। - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তার করা পাস্তুরাইজেশন প্রক্রিয়া থেকে প্রশ্ন আসে।
a ৪ টি
b ৫ টি
c ৬ টি
d ৮ টি
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬ টি ১. কেন সঠিক: - একজন মানুষের শারীরিক বৃদ্ধি, শক্তি উৎপাদন, ক্ষয়পূরণ এবং রোগ প্রতিরোধের জন্য যে খাদ্যে শরীরের প্রয়োজনীয় সবকটি পুষ্টি উপাদান নির্দিষ্ট অনুপাতে থাকে, তাকে সুষম খাদ্য বলে। - সুষম খাদ্যের প্রধান উপাদান ছয়টি যা দেহের পুষ্টি চাহিদা নিখুঁতভাবে পূরণ করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: খাদ্য, পুষ্টি ও ভিটামিন বিভাগের আওতাধীন এই প্রশ্নে সুষম খাদ্যের উপাদানগুলো হলো শর্করা, আমিষ, স্নেহ বা চর্বি, ভিটামিন, খনিজ লবণ এবং পানি। - কার্যপ্রণালি: শর্করা ও স্নেহ পদার্থ শক্তি জোগায়, আমিষ কোষ গঠন ও ক্ষয়পূরণ করে, ভিটামিন ও খনিজ লবণ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং পানি শরীরের অভ্যন্তরীণ রাসায়নিক বিক্রিয়া ও বিপাকক্রিয়া সচল রাখে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: এক প্লেট ভাতের সঙ্গে মাছ বা মাংস, ডাল, শাকসবজি, সালাদ এবং পর্যাপ্ত পানি গ্রহণ। ব্যাখ্যা: এটি সুষম খাদ্যের উৎকৃষ্ট উদাহরণ কারণ এতে শর্করা, আমিষ, ভিটামিন, খনিজ লবণ ও পানি একসঙ্গে উপস্থিত থাকে। উদাহরণ ২: প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় দুধ বা ডিম রাখা। ব্যাখ্যা: ডিম বা দুধকে আদর্শ খাদ্য বলা হয় কারণ এতে সুষম খাদ্যের প্রায় সবকটি উপাদান সঠিক অনুপাতে বিদ্যমান থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪ টি — এটি ভুল কারণ খাদ্যের প্রধান পুষ্টি উপাদান মূলত ছয়টি, চারটিতে সুষম খাদ্যের সমস্ত উপাদান সম্পূর্ণ হয় না। B) ৫ টি — এটি ভুল কারণ ভিটামিন এবং খনিজ লবণকে আলাদাভাবে ধরে সুষম খাদ্যের উপাদান সংখ্যা ছয়টি হিসেবে ধরা হয়। C) ৬ টি — এটি সঠিক কারণ শর্করা, আমিষ, স্নেহ, ভিটামিন, খনিজ লবণ ও পানি মিলিয়ে সুষম খাদ্যের উপাদান মোট ছয়টি। D) ৮ টি — এটি ভুল কারণ পুষ্টিবিজ্ঞান অনুযায়ী সুষম খাদ্যের মৌলিক উপাদান ছয়টির বেশি নয়, আটটি কোনো বৈজ্ঞানিক সংখ্যা নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - সুষম খাদ্যের উপাদান মনে রাখার সহজ কৌশল হলো শআমি স্নেহ বিখপা, অর্থাৎ শর্করা, আমিষ, স্নেহ, ভিটামিন, খনিজ লবণ ও পানি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সুষম খাদ্যের উপাদান সংখ্যা বা এর প্রধান কাজ সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। - এখান থেকে শক্তির উৎস, দেহগঠনকারী উপাদান এবং ভিটামিন ও খনিজ লবণের উৎস সংক্রান্ত প্রশ্নও হতে পারে।
a উষ্ণতা থেকে রক্ষার জন্য
b অত্যাধিক ঠাণ্ডা থেকে রক্ষার জন্য
c আলোথেকেরক্ষারজন্য
d ঝর-বৃষ্টি থেকে রক্ষার জন্য
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অত্যাধিক ঠাণ্ডা থেকে রক্ষার জন্য ১. কেন সঠিক: - তীব্র শীতে উদ্ভিদের বৃদ্ধি ব্যাহত হয় এবং কোষের পানি জমে বরফ হয়ে গেলে কোষপ্রাচীর নষ্ট হয়ে গাছ মারা যায়। - গ্রীন হাউজ একটি কাঁচ বা স্বচ্ছ প্লাস্টিকের ঘর যা সূর্যের তাপ আটকে রেখে ভেতরের পরিবেশ উষ্ণ ও উদ্ভিদের উপযোগী রাখে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: গ্রীন হাউজ প্রভাবে সূর্যের শর্টওয়েভ রেডিয়েশন স্বচ্ছ কাঁচ ভেদ করে ভেতরে প্রবেশ করে এবং মাটি ও গাছ দ্বারা শোষিত হয়ে লংওয়েভ থার্মাল রেডিয়েশনে রূপান্তরিত হয়। - কার্যপ্রণালি: এই তাপীয় বিকিরণ সহজে কাঁচের দেওয়াল ভেদ করে বাইরে যেতে পারে না, ফলে গ্রীন হাউজের ভেতরের তাপমাত্রা বাইরের তুলনায় অনেক বেশি থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শীতপ্রধান দেশে নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলের ফল যেমন স্ট্রবেরি চাষ। ব্যাখ্যা: কাঁচের ঘরে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে প্রতিকূল শীতেও এই সুস্বাদু ফল সফলভাবে উৎপাদন করা হয়। উদাহরণ ২: বারিট্যাল বা নার্সারিতে শীতকালে বীজ থেকে চারা উৎপাদন। ব্যাখ্যা: অতিরিক্ত কুয়াশা ও শৈত্যপ্রবাহ থেকে ছোট ও সংবেদনশীল চারাগুলোকে সুরক্ষা দিতে এই পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উষ্ণতা থেকে রক্ষার জন্য — উষ্ণতা থেকে রক্ষার জন্য গাছকে ছায়ায় বা শীতল স্থানে রাখা হয়, গ্রীন হাউজে তাপমাত্রা আরও বৃদ্ধি পায়। B) অত্যাধিক ঠাণ্ডা থেকে রক্ষার জন্য — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি গ্রীন হাউজের মূল কাজ। C) আলো থেকে রক্ষার জন্য — গাছের শালোকসংশ্লেষণের জন্য আলোর প্রয়োজন হয়, তাই আলোকে বাধা দেওয়া গ্রীন হাউজের কাজ নয়। D) ঝর-বৃষ্টি থেকে রক্ষার জন্য — ঝড়-বৃষ্টি থেকে রক্ষা পেলেও এটি গ্রীন হাউজ তৈরির মূল উদ্দেশ্য নয়, এটি কাঁচঘরের একটি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া মাত্র। ৫ মনে রাখার টিপস: - গ্রীন হাউজ মানেই সবুজ ঘরে উষ্ণতার পরশ। শীতের তীব্রতা থেকে গাছ বাঁচাতে এর ব্যবহার। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - গ্রীন হাউজ প্রভাবে প্রধান ভূমিকা পালন করে কার্বন ডাই অক্সাইড ও জলীয় বাষ্প। - বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই পরিবেশগত গ্রীন হাউজ গ্যাস এবং কৃষিভিত্তিক গ্রীন হাউজের পার্থক্য থেকে প্রশ্ন আসে।
a আলিবার্ড হল
b এস্ট্রেলার হল
c ওয়েরী হল
d কসমস
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আলিবার্ড হল ১. কেন সঠিক: - আলিবার্ড হল হলো বিশ্বের প্রথম বাণিজ্যিক যোগাযোগ কৃত্রিম উপগ্রহ যা ১৯৬৫ সালে মহাকাশে উৎক্ষেপণ করা হয়। - এটি মূলত আটলান্টিক মহাসাগরের ওপর ভূ-স্থির কক্ষপথে স্থাপন করা হয়েছিল যাতে ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার মধ্যে প্রথম বাণিজ্যিকভাবে দূরপাল্লার টেলিযোগাযোগ ও টেলিভিশন সম্প্রচার সম্ভব হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: কৃত্রিম উপগ্রহ হলো মানুষের তৈরি এমন বস্তু যা নির্দিষ্ট কক্ষপথে থেকে পৃথিবীর চারদিকে ঘোরে এবং যোগাযোগ, আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ ও বৈজ্ঞানিক গবেষণায় ব্যবহৃত হয়। - কার্যপ্রণালি: এটি মহাশূন্যে সংকেত গ্রহণ করে এবং বিবর্ধিত করে আবার পৃথিবীর বিভিন্ন স্টেশনে ফেরত পাঠায়। - বাস্তব প্রয়োগ: বর্তমান যুগের ইন্টারনেট, জিপিএস, স্যাটেলাইট টেলিভিশন এবং মোবাইল যোগাযোগের মূল ভিত্তি এই কৃত্রিম উপগ্রহ প্রযুক্তি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ইন্টারকমিউনিকেশন সিস্টেম ব্যাখ্যা: কৃত্রিম উপগ্রহের মাধ্যমে বর্তমানে পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে নিমেষেই তথ্য ও ইন্টারনেট সেবা আদান-প্রদান করা সম্ভব হচ্ছে। উদাহরণ ২: আবহাওয়া পূর্বাভাস ব্যাখ্যা: কৃত্রিম উপগ্রহ মহাকাশ থেকে ছবি তুলে পৃথিবীর আবহাওয়া পরিবর্তন ও ঘূর্ণিঝড়ের আগাম বার্তা দিতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আলিবার্ড হল — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বিশ্বের প্রথম বাণিজ্যিক যোগাযোগ কৃত্রিম উপগ্রহ হিসেবে সফলভাবে কাজ শুরু করেছিল। B) এস্ট্রেলার হল — এটি কোনো প্রতিষ্ঠিত বা ঐতিহাসিক প্রথম বাণিজ্যিক কৃত্রিম উপগ্রহের নাম নয়। C) ওয়েরী হল — এটি মহাকাশ বিজ্ঞান বা কৃত্রিম উপগ্রহের ইতিহাসে এমন কোনো প্রামাণিক বা স্বীকৃত নাম নয়। D) কসমস — এটি সোভিয়েত ইউনিয়নের কৃত্রিম উপগ্রহ সিরিজের নাম, যা প্রথম বাণিজ্যিক যোগাযোগ উপগ্রহ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - আলিবার্ড নামের সাথে পাখি বা ওড়ার সম্পর্ক আছে, যা আকাশে ওড়া উপগ্রহের কথা মনে করিয়ে দেয়। - বাণিজ্যিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে প্রথম পাখি অর্থাৎ আলিবার্ড হল নামটি এভাবে মনে রাখতে পারেন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ স্পুটনিক ১ হলেও প্রথম বাণিজ্যিক যোগাযোগ উপগ্রহ হলো আলিবার্ড হল। - বিসিএস বা ব্যাংক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ বা প্রথম যোগাযোগ উপগ্রহ সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে।
a ৬০০০ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড
b ৮০০০ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড
c ১০০০০ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড
d ১২০০০ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৬০০০ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড ১. কেন সঠিক: সূর্যপৃষ্ঠের তাপমাত্রা প্রায় ৬০০০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড হওয়ার মূল কারণ হলো এর তীব্র নিউক্লীয় ফিউশন বিক্রিয়া। এই প্রচুর পরিমাণ তাপশক্তি আলো ও তাপ আকারে মহাকাশে ছড়িয়ে পড়ে যা আমাদের পৃথিবী পর্যন্ত পৌঁছায়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: সূর্যের বাইরের আবরণ বা দৃশ্যমান স্তরকে ফটোস্ফিয়ার বলা হয় এবং এর তাপমাত্রা এই মানে নির্ধারিত হয়েছে। কার্যপ্রণালি: সূর্যের কেন্দ্র থেকে উৎপন্ন শক্তি বিভিন্ন স্তরের মধ্য দিয়ে পরিবাহিত হয়ে পৃষ্ঠে এসে পৌঁছায় এবং চারদিকে বিকিরিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বৈদ্যুতিক বালンএর ফিলামেন্ট ব্যাখ্যা: বাল্বের ফিলামেন্ট অত্যন্ত উত্তপ্ত হয়ে আলো ছড়ায়, যা ক্ষুদ্র পরিসরে সূর্যের আলো ও তাপ ছড়ানোর ধারণার অনুরূপ। উদাহরণ ২: লোহা গলানোর চুল্লি ব্যাখ্যা: শিল্প কারখানায় লোহা গলানোর জন্য হাজার হাজার ডিগ্রি তাপমাত্রার প্রয়োজন হয়, যা সূর্যের অতি উচ্চ তাপমাত্রার তীব্রতা বুঝতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৬০০০ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড — এটি সূর্যের পৃষ্ঠদেশের বা ফটোস্ফিয়ারের সঠিক তাপমাত্রা। B) ৮০০০ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড — এটি সূর্যের পৃষ্ঠের তাপমাত্রার চেয়ে বেশি এবং ভুল মান নির্দেশ করে। C) ১০০০০ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড — এটি সূর্যের পৃষ্ঠের চেয়ে অনেক বেশি এবং এটি মূলত সূর্যের ভেতরের কোনো কোনো স্তরের কাছাকাছি হতে পারে। D) ১২০০০ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড — এটি সূর্যের পৃষ্ঠের তাপমাত্রার জন্য ভুল এবং অতিরিক্ত একটি মান। ৫ মনে রাখার টিপস: সূর্যের পৃষ্ঠের তাপমাত্রা মনে রাখতে সংখ্যাটি ছয় হাজার ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড মনে রাখতে হবে। সূর্যের কেন্দ্র এবং পৃষ্ঠের তাপমাত্রার পার্থক্য পরিষ্কারভাবে আলাদা করে পড়তে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সূর্যের কেন্দ্র বা কোরের তাপমাত্রা প্রায় এক কোটি পঞ্চাশ লক্ষ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড হয়ে থাকে। এই ধরনের জ্যোতির্বিজ্ঞান বিষয়ক প্রশ্ন বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
a ৬ ঘণ্টা ১৩ মি.
b ৮ ঘণ্টা
c ১২ ঘণ্টা
d ১৩ ঘণ্টা ১৫ মি.
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৬ ঘণ্টা ১৩ মি. ১. কেন সঠিক: চাঁদ ও সূর্যের আকর্ষণে পৃথিবীর সমুদ্রের পানি ফুলে ওঠাকে জোয়ার এবং নেমে যাওয়াকে ভাটা বলে। জোয়ারের ঠিক কত সময় পর ভাটা হবে তা পৃথিবীর আবর্তন ও চাঁদের গতির ওপর নির্ভর করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: জোয়ার ও ভাটা মূলত চাঁদ ও সূর্যের মহাকর্ষ বল এবং পৃথিবীর কেন্দ্রাতিগ বলের কারণে সৃষ্টি হয়। কার্যপ্রণালি: পৃথিবী ২৪ ঘণ্টায় একবার নিজ অক্ষে আবর্তন করে এবং একই সময়ে চাঁদ পৃথিবীর চারদিকে কিছুটা এগিয়ে যায়। ফলে নির্দিষ্ট কোনো স্থানে জোয়ার শেষ হয়ে ভাটা আসতে ৬ ঘণ্টা ১৩ মিনিট সময় লাগে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সমুদ্রের উপকূলবর্তী এলাকায় দৈনিক দুটি জোয়ার ও দুটি ভাটা হয়। ব্যাখ্যা: একটি জোয়ারের পর ভাটা এবং সেই ভাটার পর আবার জোয়ার হতে নির্দিষ্ট সময় অতিক্রান্ত হয়। উদাহরণ ২: নদী বা সমুদ্রে জোয়ারের পানি বৃদ্ধি ও ভাটার পানি হ্রাস। ব্যাখ্যা: এই চক্রটি নিয়মিতভাবে ঘটার কারণে উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষ জোয়ার ভাটার হিসাব করে যাতায়াত করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৬ ঘণ্টা ১৩ মি. — এটি একটি জোয়ারের পর পরবর্তী ভাটা সৃষ্টির সঠিক বৈজ্ঞানিক সময়কাল। B) ৮ ঘণ্টা — এই সময়ের ব্যবধানে কোনো স্বাভাবিক জোয়ার বা ভাটার চক্র সম্পন্ন হয় না। C) ১২ ঘণ্টা — এটি দুটি জোয়ারের মধ্যবর্তী গড় সময়, ভাটার সময়কাল নয়। D) ১৩ ঘণ্টা ১৫ মি. — এই সময়ের মান জোয়ার ভাটার স্বাভাবিক হিসাবের সঙ্গে মেলে না। ৫ মনে রাখার টিপস: একটি সম্পূর্ণ জোয়ার ভাটার চক্রের হিসাব মনে রাখতে ১২ ঘণ্টা ২৫ মিনিট সময়কে মনে রাখা সহজ। এর অর্ধেক বা প্রায় ছয় ঘণ্টা তেরো মিনিট হলো জোয়ার থেকে ভাটার ব্যবধান। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণের ফলে জোয়ার ভাটা সৃষ্টি হয় এটি প্রায়ই পরীক্ষায় আসে। জোয়ারের ১২ ঘণ্টা ২৫ মিনিট পর আবার জোয়ার হয় এই তথ্যটিও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ।
a নাইট্রোজেন
b হাইড্রোজেন
c কার্বন
d ফসফরাস
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ফসফরাস ১. কেন সঠিক: বায়ুমণ্ডল মূলত বিভিন্ন গ্যাসের মিশ্রণে গঠিত। ফসফরাস কোনো গ্যাসীয় মৌল বা বায়ুর উপাদান নয়, এটি একটি কঠিন অধাতু যা সাধারণত ফসফেট রূপে মাটিতে ও জীবদেহে থাকে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: বায়ুমণ্ডল বিভিন্ন গ্যাসের সমন্বয়ে গঠিত একটি স্তর। রাসায়নিক গঠন: বায়ুতে নাইট্রোজেন প্রায় ৭৮.০৯%, অক্সিজেন প্রায় ২০.৯৫%, আর্গন প্রায় ০.৯৩% এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড প্রায় ০.০৪% পরিমাণে বিদ্যমান। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: উদ্ভিদের পুষ্টি ব্যাখ্যা: উদ্ভিদ মাটি থেকে ফসফরাস গ্রহণ করে যা বায়ুর উপাদান নয়। উদাহরণ ২: দেশলাই কাঠি ব্যাখ্যা: দেশলাই কাঠিতে লাল ফসফরাস ব্যবহার করা হয় যা বায়ুতে গ্যাস হিসেবে থাকে না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নাইট্রোজেন — এটি বায়ুর প্রধান উপাদান যা বায়ুমণ্ডলের প্রায় ৭৮ শতাংশ দখল করে থাকে। B) হাইড্রোজেন — এটি বায়ুমণ্ডলে মুক্ত অবস্থায় খুব কম থাকে তবে গ্যাসীয় মৌল হিসেবে পরিচিত। C) কার্বন — কার্বন ডাই-অক্সাইড আকারে কার্বন বায়ুর একটি স্বাভাবিক ও অবিচ্ছেদ্য উপাদান। D) ফসফরাস — এটি একটি কঠিন অধাতু এবং এটি বায়ুর কোনো গ্যাসীয় উপাদান নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: বায়ুর প্রধান উপাদানগুলো মনে রাখার সহজ উপায় হলো নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন সবার আগে মনে রাখা। ফসফরাস মাটিতে থাকে, বাতাসে ওড়ে না। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বায়ুতে কোন গ্যাসের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি তা প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। বায়ুমণ্ডলের উপাদানগুলোর শতকরা হার ভালোভাবে মুখস্থ রাখা উচিত।
a পায়খানা,প্রস্রাবখানায়
b গোসলখানায়
c পুকুরে
d নালায়
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পায়খানা,প্রস্রাবখানায় ১. কেন সঠিক: - সলিড ফিনাইল মূলত জীবাণুনাশক হিসেবে কাজ করে এবং দুর্গন্ধ দূর করতে ব্যবহৃত হয়। - পায়খানা এবং প্রস্রাবখানায় ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ও জীবাণুর বংশবৃদ্ধির জন্য আদর্শ পরিবেশ থাকে, যা ফিনাইল ধ্বংস করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: ফিনাইলে কার্বলিক এসিড বা ক্রিসল থাকে যা অণুজীবের প্রোটিন coagulate করে তাদের মেরে ফেলে। - কার্যপ্রণালি: এটি ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীর ভেদ করে ভেতরের সজীব অংশ ধ্বংস করে এবং তীব্র গন্ধে কীটপতঙ্গ দূরে রাখে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হাসপাতাল ও ক্লিনিকের শৌচাগার। ব্যাখ্যা: সেখানে জীবাণুর সংক্রমণ রোধ করতে নিয়মিত সলিড ফিনাইল বা শক্তিশালী ডিসইনফেক্ট্যান্ট ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: গৃহস্থালির কমোড বা টয়লেট বেসিন। ব্যাখ্যা: এটি ব্যবহারের ফলে ক্ষতিকর জীবাণু ছড়ায় না এবং দীর্ঘক্ষণ সতেজ সুবাস থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পায়খানা,প্রস্রাবখানায় — এই স্থানে জীবাণু ও দুর্গন্ধ দূর করার জন্য সলিড ফিনাইল ব্যবহার করা সম্পূর্ণ সঠিক। B) গোসলখানায় — গোসলখানায় সাধারণত তরল সাবান বা ফ্লোর ক্লিনার ব্যবহৃত হয়, সলিড ফিনাইল টয়লেটের মতো নির্দিষ্ট স্থানে কার্যকর। C) পুকুরে — পুকুরের পানিতে মাছ ও জলজ উদ্ভিদ থাকে, যেখানে ফিনাইল ব্যবহার করলে জলজ প্রাণী বিষাক্ত রাসায়নিকের কারণে মারা যাবে। D) নালায় — নালায় তরল বর্জ্য নিষ্কাশন হয় এবং সেখানে সলিড ফিনাইল দীর্ঘস্থায়ী হয় না, বরং ব্লিচিং পাউডার বা লাইসল বেশি উপযোগী। ৫. মনে রাখার টিপস: - ফিনাইল কেবল দুর্গন্ধযুক্ত ও জীবাণুবহুল স্থানে যেমন টয়লেটে ব্যবহার করা হয়। - পানি বা উন্মুক্ত স্থানে জীবাণুনাশক হিসেবে ফিনাইল ব্যবহার করা নিষেধ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ফিনাইলের মূল সক্রিয় উপাদান হলো ক্রিসল বা ফেনল ডেরিভেটিভ। - এই ধরনের প্রশ্ন সাধারণত দৈনন্দিন জীবনে বিজ্ঞানের প্রয়োগ ও স্বাস্থ্যবিধি অধ্যায় থেকে আসে।
a ফিটকিরি
b চুন
c সেভিং সোপ
d কস্টিক সোডা
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ফিটকিরি ১. কেন সঠিক: - ফিটকিরি হলো মূলত পটাশ অ্যালুম বা পটাসিয়াম অ্যালুমিনিয়াম সালফেট, যা জলে দ্রবীভূত হয়ে কোয়াগুলান বা তঞ্চন হিসেবে কাজ করে। - এটি পানির ভেতরের悬浮 ময়লা বা কোলায়েড কণাগুলোকে নিজেদের সাথে আটকে ভারী করে নিচে থিতিয়ে পড়তে সাহায্য করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: ফিটকিরি একটি ডাবল সল্ট বা দ্বি-লবণ, যার রাসায়নিক সংকেত K2SO4.Al2(SO4)3.24H2O। - কার্যপ্রণালি: পানিতে যোগ করলে অ্যালুমিনিয়াম আয়ন পানির সাথে বিক্রিয়া করে অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রক্সাইডের আঠালো অধঃক্ষেপ তৈরি করে। - কারণ ও ফলাফল: এই আঠালো আস্তরণ পানির মধ্যকার ধূলিকণা ও জীবাণুকে একসাথে বেঁধে ফেলে এবং সহজেই ফিল্টার বা থিতিয়ে পরিষ্কার করা যায়। - বাস্তব প্রয়োগ: ঘোলা পানি পরিষ্কার করতে, রক্তপাত বন্ধ করতে শেভিংয়ের পর এবং চামড়া শিল্পে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বর্ষাকালে ঘোলা নদীর পানি পরিষ্কার করার জন্য ড্রামে ফিটকিরি ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: ফিটকিরি পানির মধ্যে থাকা কাদামাটি ও ভাসমান কণাগুলোকে আষ্টেপৃষ্ঠে বেঁধে নিচে ফেলে দেয় এবং পানি স্বচ্ছ করে। উদাহরণ ২: সেলুনে শেভিং করার পর মুখে ফিটকিরি ঘষা হয়। ব্যাখ্যা: ফিটকিরির অ্যাস্ট্রিঞ্জেন্ট বা সংকোচনকারী গুণ ত্বকের কাটা স্থান বা ক্ষতের রক্তনালি সংকুচিত করে রক্তপাত দ্রুত বন্ধ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফিটকিরি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর মূল রাসায়নিক উপাদান হলো অ্যালুমিনিয়াম সালফেট ও পটাশিয়াম সালফেট। B) চুন — এটি ক্যালসিয়াম অক্সাইড, যা মূলত মাটি বা পানির অম্লত্ব দূর করতে এবং নির্মাণকাজে ব্যবহৃত হয়। C) সেভিং সোপ — এটি ফ্যাটি অ্যাসিডের সোডিয়াম বা পটাসিয়াম লবণ, যা শেভিংয়ের সময় ফেনা তৈরি করে। D) কস্টিক সোডা — এটি সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড, যা একটি শক্তিশালী ক্ষার এবং সাবান তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ফিটকিরি আর অ্যালুমিনিয়াম সালফেট যেন মিলে যায়, কারণ ফিটকিরির মূল বৈজ্ঞানিক পরিচয় হলো এটি অ্যালুমিনিয়ামের একটি বিশেষ লবণ। - পরীক্ষার হলে প্রশ্ন দেখলে মনে রাখবে পানি পরিষ্কার করার বহুল ব্যবহৃত রাসায়নিকটিই হলো ফিটকিরি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ফিটকিরির রাসায়নিক সংকেতে পানির অণুর সংখ্যা চব্বিশটি, যা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে পানি শোধনে ফিটকিরি কোন প্রক্রিয়ায় কাজ করে, যার উত্তর হলো তঞ্চন বা কোয়াগুলেশন।
a সোডিয়াম
b পটাসিয়াম
c ম্যাগনেসিয়াম
d জিংক
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সোডিয়াম ১. কেন সঠিক: - পরমাণবিক চুল্লিতে উৎপন্ন প্রচণ্ড তাপ সহজে শোষণ করে তা বাইরে স্থানান্তর করার জন্য তাপ পরিবাহক বা কুল্যান্ট হিসেবে তরল সোডিয়াম ধাতু ব্যবহার করা হয়। - সোডিয়ামের উচ্চ তাপ পরিবাহিতা এবং কম গলনাঙ্ক থাকার কারণে এটি চুল্লির ভেতরের তাপ দ্রুত সরিয়ে নিতে অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: পারমাণবিক চুল্লিতে নিউক্লিয় ফিশন বিক্রিয়ার মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ তাপশক্তি উৎপন্ন হয় যা বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়। - কার্যপ্রণালি: তরল সোডিয়াম পাম্পের মাধ্যমে চুল্লির কোর বা কেন্দ্র দিয়ে প্রবাহিত হয় এবং উৎপাদিত তাপ শোষণ করে হিট এক্সচেঞ্জারে নিয়ে যায়। - বাস্তব প্রয়োগ: ফাস্ট ব্রিডার রিঅ্যাক্টরে কুল্যান্ট বা তাপ পরিবাহক হিসেবে সোডিয়াম ধাতু বহুল ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ফাস্ট ব্রিডার রিঅ্যাক্টর ব্যাখ্যা: এই ধরণের পরমাণু চুল্লিতে জ্বালানি হিসেবে ইউরেনিয়াম বা প্লুটোনিয়াম ব্যবহার করা হয় এবং তাপ পরিবহনের জন্য তরল সোডিয়াম ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: গাড়ির ইঞ্জিনের ভালভ ব্যাখ্যা: কিছু উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন ইঞ্জিনের ভালভের ভেতর সোডিয়াম ব্যবহার করা হয় যা ইঞ্জিন থেকে দ্রুত তাপ অপসারণ করতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সোডিয়াম — এটি সঠিক কারণ এর তাপ পরিবাহিতা অনেক বেশি এবং এটি তরল অবস্থায় সহজেই তাপ পরিবহন করতে পারে। B) পটাসিয়াম — এটিও তাপ পরিবাহক হতে পারে তবে একা পটাসিয়াম ব্যবহারের চেয়ে সোডিয়ামের সাথে মিশ্রণ (NaK) বেশি কার্যকর হলেও বিশুদ্ধ সোডিয়াম বেশি প্রচলিত। C) ম্যাগনেসিয়াম — এটি সাধারণত ক্ল্যাডিং বা চুল্লির জ্বালানি পিনের আবরণ তৈরিতে ব্যবহৃত হয়, সরাসরি তরল কুল্যান্ট হিসেবে নয়। D) জিংক — এটি ক্ষয় প্রতিরোধক ও সংকর ধাতু তৈরিতে ব্যবহৃত হয়, পরমাণবিক চুল্লিতে তাপ পরিবাহক হিসেবে এর কার্যকারিতা নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: পরমাণু চুল্লির তাপ সরাতে সোডার মতো তরল সোডিয়াম ব্যবহার করা হয়, এটি মনে রাখলেই উত্তর সহজ হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পরমাণু চুল্লিতে মডারেটর হিসেবে ভারী পানি বা গ্রাফাইট ব্যবহৃত হয় আর কুল্যান্ট হিসেবে তরল সোডিয়াম ব্যবহৃত হয়। এই দুটি বিষয় প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উল্টো করে কনফিউজ করার জন্য আসে।
a ম্যাগনেসিয়াম
b ক্যালসিয়াম
c সোডিয়াম
d পটাসিয়াম
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সোডিয়াম ১. কেন সঠিক: - সোডিয়াম একটি অত্যন্ত হালকা ধাতু যার ঘনত্ব পানির ঘনত্বের চেয়ে কম হওয়ায় এটি পানিতে ভাসে। - পানির ঘনত্ব প্রতি ঘন সেন্টিমিটারে ১ গ্রাম, পক্ষান্তরে সোডিয়ামের ঘনত্ব প্রতি ঘন সেন্টিমিটারে শূন্য দশমিক ৯৭ গ্রাম। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: কোনো বস্তুর ঘনত্ব পানির ঘনত্বের চেয়ে কম হলে বস্তুটি পানিতে ভাসে এবং বেশি হলে ডুবে যায়। - কার্যপ্রণালি: সোডিয়াম পানিতে ফেলা হলে পানির সাথে তীব্র রাসায়নিক বিক্রিয়া করে এবং হাইড্রোজেন গ্যাস উৎপন্ন করে ভেসে থাকে। - বাস্তব প্রয়োগ: রসায়ন গবেষণাগারে সোডিয়ামের মতো সক্রিয় ধাতুগুলো মাটির তেলে ডুবিয়ে সংরক্ষণ করা হয় যাতে বাতাসের জলীয় বাষ্পের সাথে বিক্রিয়া না করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কেরোসিনে সোডিয়াম সংরক্ষণ ব্যাখ্যা: সোডিয়াম এতটাই হালকা ও সক্রিয় যে এটি পানিতে না ডুবলেও বাতাসে থাকা আর্দ্রতার সাথে বিস্ফোরক বিক্রিয়া করে, তাই একে কেরোসিনে রাখা হয়। উদাহরণ ২: বরফ জলে ভাসা ব্যাখ্যা: কঠিন বরফের ঘনত্ব তরল পানির চেয়ে কম হওয়ায় বরফ পানিতে ভাসে, যা ধাতু ও তরলের ঘনত্বের পার্থক্যের মতো একটি প্রাকৃতিক ঘটনা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ম্যাগনেসিয়াম — ম্যাগনেসিয়ামের ঘনত্ব প্রতি ঘন সেন্টিমিটারে ১ দশমিক ৭৪ গ্রাম, যা পানির চেয়ে বেশি হওয়ায় এটি পানিতে ডোবে। B) ক্যালসিয়াম — ক্যালসিয়ামের ঘনত্ব প্রতি ঘন সেন্টিমিটারে ১ দশমিক ৫৫ গ্রাম, যা পানির ঘনত্বের চেয়ে বেশি এবং এটি পানিতে ডুবে যায়। C) সোডিয়াম — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর ঘনত্ব পানির ঘনত্বের চেয়ে কম এবং এটি পানিতে ভাসে। D) পটাসিয়াম — পটাসিয়ামের ঘনত্ব প্রতি ঘন সেন্টিমিটারে শূন্য দশমিক ৮৬ গ্রাম, যা পানির চেয়ে কম এবং এটিও পানিতে ভাসে, তবে প্রশ্নটির স্ট্যান্ডার্ড উত্তরে সোডিয়ামকে প্রধান হালকা ধাতু হিসেবে গণ্য করা হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - সোডিয়ামের ঘনত্ব এক গ্রামের কম হওয়ায় এটি পানিতে ভাসে কথাটি মনে রাখতে হবে। - এস দিয়ে সোডিয়াম এবং এস দিয়ে সস্তা বা হালকা এই মিল মনে রেখে প্রশ্নটি আয়ত্ত করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই কোন ধাতু পানিতে ভাসে বা কেরোসিনে রাখা হয় তা জানতে চাওয়া হয়। - ধাতুগুলোর ঘনত্ব এবং পানির ঘনত্বের তুলনামূলক মান থেকে বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে।
a P4O10
b MgO
c CO
d ZnO
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) MgO ১. কেন সঠিক: - ম্যাগনেশিয়াম অক্সাইড একটি ধাতব অক্সাইড যা পানির সাথে বিক্রিয়া করে ক্ষার উৎপন্ন করে। - ধাতব অক্সাইড সাধারণত পানিতে দ্রবীভূত হয়ে হাইড্রোক্সাইড আয়ন সৃষ্টি করে, তাই এরা ক্ষারকীয় প্রকৃতির হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: ধাতুর অক্সাইড বা হাইড্রক্সাইড যা অম্লের সাথে বিক্রিয়া করে লবণ ও পানি উৎপন্ন করে তাকে ক্ষারকীয় অক্সাইড বলে। - রাসায়নিক বিক্রিয়া: ম্যাগনেশিয়াম অক্সাইড পানির সাথে বিক্রিয়া করে ম্যাগনেশিয়াম হাইড্রোক্সাইড নামক ক্ষার তৈরি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সোডিয়াম অক্সাইড পানির সাথে বিক্রিয়া করে সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড উৎপন্ন করে। ব্যাখ্যা: এটি একটি তীব্র ক্ষারকীয় অক্সাইডের উদাহরণ যা লাল লিটমাস কাগজকে নীল করে। উদাহরণ ২: ক্যালসিয়াম অক্সাইড বা চুন পানির সাথে মিশলে কলিচুন বা ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড তৈরি হয়। ব্যাখ্যা: এটিও একটি ধাতব অক্সাইড যা পানিতে ক্ষারীয় দ্রবণ প্রস্তুত করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) P4O10 — এটি অধাতুর অক্সাইড হওয়ায় একটি অম্লীয় অক্সাইড। B) MgO — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি একটি ক্ষারকীয় ধাতব অক্সাইড। C) CO — এটি একটি প্রশমিত বা নিরপেক্ষ অক্সাইড যা অম্ল বা ক্ষার কোনোটিই উৎপন্ন করে না। D) ZnO — এটি একটি উভধর্মী অক্সাইড যা অম্ল ও ক্ষার উভয়ের সাথেই বিক্রিয়া করতে পারে। ৫ মনে রাখার টিপস: - ধাতু সমান ক্ষারকীয় অক্সাইড এবং অধাতু সমান অম্লীয় অক্সাইড, এই সাধারণ নিয়মটি মনে রাখবে। - পর্যায় সারণির বাম দিকের মৌলগুলোর অক্সাইড সাধারণত ক্ষারকীয় হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অক্সাইডের প্রকৃতি নির্ধারণের প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - উভধর্মী অক্সাইড যেমন জিংক অক্সাইড বা অ্যালুমিনিয়াম অক্সাইডের উদাহরণগুলো ভালোভাবে মুখস্থ রাখবে।
a ইলেক্ট্রন গ্রহণ
b ইলেক্ট্রন আদান-প্রদান
c ইলেক্ট্রন বর্জন
d শুধু তাপ উৎপন্ন হয়
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ইলেক্ট্রন বর্জন ১. কেন সঠিক: জারণ বিক্রিয়ায় পরমাণু, আয়ন বা অণু থেকে এক বা একাধিক ইলেক্ট্রন বর্জিত হয়। ইলেক্ট্রন বর্জনের ফলে পদার্থের ধনাত্মক আধান বৃদ্ধি পায় অথবা ঋণাত্মক আধান হ্রাস পায়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: যে রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় কোনো পরমাণু বা আয়ন ইলেক্ট্রন ত্যাগ করে তাকে জারণ বলে। কার্যপ্রণালি: জারণ প্রক্রিয়ায় মৌলের জারণ সংখ্যা বৃদ্ধি পায় এবং এটি সবসময় বিজারণ বিক্রিয়ার সঙ্গে যুগপৎ ঘটে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সোডিয়াম পরমাণু একটি ইলেক্ট্রন বর্জন করে সোডিয়াম আয়নে পরিণত হয়। ব্যাখ্যা: এটি একটি ধ্রুপদী জারণ বিক্রিয়া যেখানে সোডিয়াম তার সর্ববহিঃস্থ স্তরের ইলেক্ট্রন ত্যাগ করে। উদাহরণ ২: লোহায় মরিচা ধরার সময় আয়রন বা লোহা অক্সিজেন ও পানির উপস্থিতিতে ইলেক্ট্রন বর্জন করে। ব্যাখ্যা: এই প্রক্রিয়ায় লোহার জারণ ঘটে এবং মরিচা উৎপন্ন হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইলেক্ট্রন গ্রহণ — ইলেক্ট্রন গ্রহণ হলো বিজারণ বিক্রিয়া, যা জারণের বিপরীত প্রক্রিয়া। B) ইলেক্ট্রন আদান-প্রদান — এটি জারণ ও বিজারণ বা রেডক্স বিক্রিয়ার সামগ্রিক রূপ, শুধু জারণ নয়। D) শুধু তাপ উৎপন্ন হয় — সব জারণ বিক্রিয়ায় তাপ উৎপন্ন হয় না, কিছু বিক্রিয়ায় তাপ শোষিতও হতে পারে। ৫ মনে রাখার টিপস: জারণ মানে ত্যাগ বা বর্জন এবং বিজারণ মানে গ্রহণ। ইংরেজি শব্দ মনে রাখতে অয়েল রিগ মনে রাখতে পারো যেখানে অক্সিডেশন লস অব ইলেক্ট্রন বোঝায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জারণ ও বিজারণ যুগপৎ ঘটে কি না তা প্রায়ই আসে। একই ধারণা থেকে বিজারণ বিক্রিয়ায় কী ঘটে বা রেডক্স বিক্রিয়া কাকে বলে তা নিয়ে প্রশ্ন আসতে পারে।
a সংকর ধাতু
b সীসা
c টাংস্টেন
d তামা
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) টাংস্টেন ১. কেন সঠিক: - বৈদ্যুতিক বাল্বের ফিলামেন্ট হিসেবে টাংস্টেন ধাতু ব্যবহার করা হয় কারণ এর গলনাঙ্ক অত্যন্ত বেশি। - অতিরিক্ত বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়ে উত্তপ্ত হলেও এটি সহজে গলে যায় না এবং আলো ছড়ায়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: তড়িৎপ্রবাহের ফলে তাপ উৎপন্ন হওয়ার ঘটনাকে জুলের তাপীয় ফল বলে। - কার্যপ্রণালি: ফিলামেন্টের উচ্চ রোধের কারণে তড়িৎশক্তি আলোক ও তাপশক্তিতে রূপান্তরিত হয়। - বাস্তব প্রয়োগ: গৃহস্থালির সাধারণ ইনক্যানডেসেন্ট বাল্বে এই পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বৈদ্যুতিক হিটার বা ইস্ত্রি ব্যাখ্যা: এগুলোতে উচ্চ রোধের নাইক্রোম তার ব্যবহার করা হয় যা উত্তপ্ত হয়ে তাপ প্রদান করে। উদাহরণ ২: ফিউজ তার ব্যাখ্যা: এটি কম গলনাঙ্কবিশিষ্ট ধাতু দিয়ে তৈরি হয় যা অতিরিক্ত বিদ্যুৎ প্রবাহে নিজে গলে গিয়ে ঘরবাড়ি রক্ষা করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সংকর ধাতু — এটি মূলত দুটি বা ততোধিক ধাতুর মিশ্রণ, যা ফিলামেন্টের জন্য আদর্শ নয়। B) সীসা — সীসার গলনাঙ্ক অনেক কম হওয়ায় এটি বাল্বের ফিলামেন্ট হিসেবে ব্যবহার করা যায় না। D) তামা — তামার রোধ কম এবং গলনাঙ্ক টাংস্টেনের চেয়ে অনেক কম হওয়ায় এটি ফিলামেন্টে টিকে থাকে না। ৫ মনে রাখার টিপস: - বাল্বের আলো পেতে চাই, টাংস্টেন ধাতু ব্যবহার তাই। - টাংস্টেন শব্দের প্রথম অক্ষর 'ট' দিয়ে তীব্র তাপ সহ্যকারী ধাতু মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - টাংস্টেনের সংকেত হলো ডব্লিউ এবং এর গলনাঙ্ক প্রায় ৩৩৮০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। - এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় বিদ্যুৎ ও তাপীয় ফল অধ্যায়ের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
a বেগুনি
b সবুজ
c হলুদ
d কালো
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কালো ১. কেন সঠিক: - লাল আলোতে নীল রঙের বস্তু কালো দেখায় কারণ নীল বস্তু কেবল নীল আলো প্রতিফলিত করতে পারে এবং অন্য সব আলো শোষণ করে। - লাল আলোতে কোনো নীল আলো না থাকায় বস্তুটি কোনো আলো প্রতিফলিত করতে পারে না এবং সম্পূর্ণ আলো শোষণ করে নেয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: কোনো বস্তুর ওপর আলো আপতিত হলে বস্তুটি তার নিজের রঙের আলো প্রতিফলিত করে এবং বাকি রঙের আলো শোষণ করে। - কার্যপ্রণালি: নীল রঙের একটি বস্তু তার ওপর আপতিত আলোর মধ্য থেকে শুধুমাত্র নীল বর্ণকে প্রতিফলিত করে এবং অন্য বর্ণগুলোকে শোষণ করে নেয়। - কারণ ও ফলাফল: লাল আলোতে কোনো নীল আলোর উপস্থিতি না থাকায় নীল বস্তু থেকে কোনো আলো আমাদের চোখে পৌঁছায় না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লাল আলোতে সবুজ পাতা কালো দেখায়। ব্যাখ্যা: সবুজ পাতা লাল আলো সম্পূর্ণ শোষণ করে এবং কোনো আলো প্রতিফলিত করতে পারে না বলে কালো দেখায়। উদাহরণ ২: অন্ধকারে যেকোনো রঙিন বস্তু কালো দেখায়। ব্যাখ্যা: আলোর অনুপস্থিতিতে কোনো বস্তু থেকে আলো প্রতিফলিত হতে পারে না, তাই বস্তুটি কালো দেখায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বেগুনি — বেগুনি সঠিক নয় কারণ লাল আলোতে নীল বস্তু আলো প্রতিফলিত করতে না পেরে সম্পূর্ণ কালো দেখায়। B) সবুজ — সবুজ সঠিক নয় কারণ নীল বস্তু সবুজ আলো শোষণ করে এবং লাল আলোতে এটি কোনো রং প্রতিফলিত করে না। C) হলুদ — হলুদ সঠিক নয় কারণ নীল বস্তুর ওপর লাল আলো ফেললে কোনো হলুদ রঙের সৃষ্টি হয় না। D) কালো — কালো সঠিক উত্তর কারণ বস্তুটি আলো প্রতিফলিত করতে না পারায় অন্ধকার বা কালো দেখায়। ৫ মনে রাখার টিপস: অসঙ্গতিপূর্ণ আলো পড়লে অর্থাৎ নিজের রঙের আলো না পেলে যেকোনো রঙিন বস্তু কালো দেখায়। আলোর শোষণ ও প্রতিফলনের এই নিয়মটি মনে রাখলে আলোকবিজ্ঞানের এই ধরনের প্রশ্নের উত্তর দেওয়া সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই ধরনের প্রশ্ন BCS এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আলোর প্রতিফলন ও শোষণ ক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে প্রায়ই আসে। পরীক্ষায় লাল, নীল ও সবুজ প্রাথমিক রঙের পারস্পরিক প্রতিক্রিয়ার ওপর বিভিন্ন প্রশ্ন থাকতে পারে।
a বায়ুমণ্ডলীয় প্রতিসরণ
b আলোর বিচ্ছুরণে
c অপাবর্তনে
d দৃষ্টিভ্রমে
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বায়ুমণ্ডলীয় প্রতিসরণ ১. কেন সঠিক: - চাঁদ দিগন্তের কাছে থাকার সময় তার থেকে আসা আলো পৃথিবীর ঘন বায়ুমণ্ডলের বিভিন্ন স্তরের মধ্য দিয়ে তির্যকভাবে প্রবেশ করে বেঁকে যায়। - এই প্রতিসরণের কারণে চাঁদের প্রতিবিম্ব তার প্রকৃত অবস্থানের চেয়ে কিছুটা উপরে ও আকারে বড় দেখায়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: আলোর প্রতিসরণ হলো আলো যখন এক মাধ্যম থেকে অন্য মাধ্যমে প্রবেশ করে, তখন তার গতিবেগের পরিবর্তনের কারণে দিক পরিবর্তনের ঘটনা। - কার্যপ্রণালি: দিগন্তের কাছাকাছি বায়ুমণ্ডলের ঘনত্ব বেশি থাকায় আলোর প্রতিসরণ মাত্রাতিরিক্ত হয় এবং চোখের অপটিক্যাল ইলিউশন তৈরি হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জলের নিচে কয়েন উপরে ওঠা দেখা ব্যাখ্যা: এটি আলোর প্রতিসরণের কারণে ঘটে, যেখানে জলের ঘনত্ব থেকে আলো বাতাসে আসার সময় বেঁকে যায়। উদাহরণ ২: তারার মিটমিট করা ব্যাখ্যা: বায়ুমণ্ডলের বিভিন্ন স্তরের ঘনত্বের তারতম্যের কারণে তারার আলো প্রতিসৃত হয়ে মিটমিট করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বায়ুমণ্ডলীয় প্রতিসরণ — এটি সঠিক কারণ বায়ুমণ্ডলের স্তরের পার্থক্যের কারণে আলোর দিক পরিবর্তিত হয়। B) আলোর বিচ্ছুরণে — বিচ্ছুরণ হলো আলোর সাতটি রঙে ভেঙে যাওয়ার ঘটনা, যা এখানে ঘটে না। C) অপাবর্তনে — অপাবর্তন বা ডিফ্লেকশন হলো কোণ বা অবয়বের পাশ দিয়ে আলোর বেঁকে যাওয়ার ঘটনা, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) দৃষ্টিভ্রমে — দৃষ্টিভ্রম বা ইলিউশন মূলত প্রতিসরণের ফলাফল হিসেবে ঘটে, কিন্তু মূল বৈজ্ঞানিক কারণটি প্রতিসরণ নিজে। ৫ মনে রাখার টিপস: - দিগন্ত মানেই বায়ুমণ্ডলের বেশি পথ পাড়ি দেওয়া, আর বেশি পথ মানেই আলোর প্রতিসরণ ও বড় দেখা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের সময় সূর্যকে লাল দেখার এবং একটু আগে দেখার কারণও একই ধরনের বায়ুমণ্ডলীয় প্রতিসরণ।
a আইসোটোপ
b আইসোটোন
c আইসোমার
d আইসোবার
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আইসোটোন ১. কেন সঠিক: যেসব পরমাণুর নিউট্রন সংখ্যা সমান কিন্তু প্রোটন সংখ্যা ও ভর সংখ্যা ভিন্ন, তাদেরকে আইসোটোন বলা হয়। পরমাণুর কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত নিউট্রনের সংখ্যা সমান হওয়ার কারণে এদের বিশেষ এই নামে অভিহিত করা হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: পারমাণবিক কাঠামোর ক্ষেত্রে প্রোটন সংখ্যা, নিউট্রন সংখ্যা ও ভর সংখ্যার পারস্পরিক সম্পর্কের ওপর ভিত্তি করে মৌলের বিভিন্ন রূপ দেখা যায়। কারণ ও ফলাফল: পরমাণুর ভর সংখ্যা হলো প্রোটন সংখ্যা এবং নিউট্রন সংখ্যার যোগফল, তাই নিউট্রন সমান হলেও প্রোটন ভিন্ন হওয়ায় ভর সংখ্যা ভিন্ন হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বোরনের একটি আইসোটোপ এবং কার্বনের একটি আইসোটোপ। ব্যাখ্যা: বোরন এগারোতে প্রোটন সংখ্যা পাঁচ এবং নিউট্রন সংখ্যা ছয়। কার্বন বারোতে প্রোটন সংখ্যা ছয় এবং নিউট্রন সংখ্যা ছয়। উদাহরণ ২: ফসফরাস একত্রিশ এবং সালফার বত্রিশ। ব্যাখ্যা: ফসফরাস একত্রিশে নিউট্রন সংখ্যা ষোল এবং সালফার বত্রিশে নিউট্রন সংখ্যা ষোল, তাই এরা পরস্পরের আইসোটোন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আইসোটোপ — যে সব পরমাণুর প্রোটন সংখ্যা সমান কিন্তু ভর সংখ্যা ভিন্ন, তাদের আইসোটোপ বলে। এটি নিউট্রন সংখ্যা সমান হওয়ার শর্ত পূরণ করে না। B) আইসোটোন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে নিউট্রন সংখ্যা সমান থাকে। C) আইসোমার — যেসব যৌগের আণবিক সংকেত একই কিন্তু গঠন সংকেত ভিন্ন, তাদের আইসোমার বা সমাণু বলা হয়। এটি পরমাণুর নিউক্লিয়াসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) আইসোবার — যেসব পরমাণুর ভর সংখ্যা সমান কিন্তু প্রোটন সংখ্যা ভিন্ন, তাদের আইসোবার বলা হয়। এটি নিউট্রন সংখ্যা সমান হওয়ার ধারণার বিপরীত। ৫. মনে রাখার টিপস: আইসোটোন শব্দের শেষে ন আছে, যা দিয়ে নিউট্রন বোঝানো হয়। এভাবে মনে রাখা যায় যে আইসোতোনে নিউট্রন সংখ্যা সমান থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আইসোটোপ, আইসোটোন ও আইসোবারের পার্থক্য থেকে প্রশ্ন আসে। ভর সংখ্যা থেকে প্রোটন সংখ্যা বিয়োগ করে নিউট্রন সংখ্যা বের করার নিয়মটি মনে রাখা জরুরি।
a বিদ্যুৎ
b তাপ
c চুম্বক
d কিছু হয় না
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিদ্যুৎ ১. কেন সঠিক: - ফটোইলেকট্রিক কোষে আলো পড়লে আলোক শক্তি সরাসরি বৈদ্যুতিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। - আলোর ফোটন কণার প্রভাবে ধাতু বা আলোক সংবেদনশীল পদার্থ থেকে ইলেকট্রন নির্গত হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: আলো বা ফোটন কণার প্রতিক্রিয়ায় কোনো পদার্থের পৃষ্ঠ থেকে ইলেকট্রন নির্গমনের ঘটনাকে ফটোইলেকট্রিক প্রভাব বা আলোক তড়িৎ ক্রিয়া বলে। - কার্যপ্রণালি: নির্দিষ্ট কম্পাঙ্কের আলো কোনো ধাতব পৃষ্ঠে আপতিত হলে ধাতুর ভেতরের ইলেকট্রনগুলো শক্তি শোষণ করে মুক্ত হয় এবং বর্তনীর মাধ্যমে প্রবাহিত হয়ে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করে। - বাস্তব প্রয়োগ: সোলার প্যানেল বা সৌর কোষে এই নীতি ব্যবহার করে সূর্যের আলো থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক্যালকুলেটরের সোলার সেল ব্যাখ্যা: পকেটের ছোট ক্যালকুলেটরের ওপরে থাকা ছোট সোলার প্যানেল ঘরের আলো বা সূর্যের আলো শোষণ করে বিদ্যুৎ তৈরি করে ক্যালকুলেটর চালায়। উদাহরণ ২: সৌর বিদ্যুতের প্ল্যান্ট ব্যাখ্যা: বিশাল আকারের সৌর প্যানেল বা সোলার পার্ক সূর্যের আলোকে ফটোইলেকট্রিক প্রক্রিয়ায় বিদ্যুতে রূপান্তর করে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিদ্যুৎ — এই অপশনটি সঠিক কারণ ফটোইলেকট্রিক কোষে আলো পড়লে ইলেকট্রন চালিত হয়ে বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয়। B) তাপ — তাপ উৎপন্ন হওয়া ফটোইলেকট্রিক কোষের মূল কাজ নয়, যদিও আলোর কারণে সামান্য তাপ বাড়তে পারে। C) চুম্বক — ফটোইলেকট্রিক কোষে সরাসরি চুম্বক ক্ষেত্র তৈরি হয় না, এটি মূলত বিদ্যুৎ উৎপাদনের সাথে সম্পর্কিত। D) কিছু হয় না — এই অপশনটি ভুল কারণ আলোক সংবেদনশীল পদার্থে আলো পড়লে নিশ্চিতভাবেই ইলেকট্রন নির্গত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: ফটো শব্দের অর্থ আলো এবং ইলেকট্রিক শব্দের অর্থ বিদ্যুৎ। তাই ফটোইলেকট্রিক কোষ মানেই আলো থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের মাধ্যম। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি পদার্থবিজ্ঞানের আধুনিক শাখা এবং শক্তির রূপান্তর অধ্যায়ের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এখান থেকে পরীক্ষাতে ফটোইলেকট্রিক প্রভাবের আবিষ্কারক আলবার্ট আইনস্টাইন সম্পর্কিত প্রশ্নও আসতে পারে।
a যুক্তরাষ্ট্র
b ভারত
c জাপান
d নেপাল
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জাপান ১. কেন সঠিক: - জাপানের ফুসিতে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সৌরচুল্লি বা সোলার ফার্নেস স্থাপন করা হয়েছে। - এই চুল্লিতে বিশাল আকৃতির অবতল আয়না ব্যবহার করে সূর্যের আলোকে একটি বিন্দুতে কেন্দ্রীভূত করা হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: সৌরশক্তিকে কাজে লাগিয়ে অত্যন্ত উচ্চ তাপমাত্রা উৎপন্ন করার প্রযুক্তি হলো সোলার ফার্নেস। - কার্যপ্রণালি: অনেকগুলো সমতল আয়নার সাহায্যে সূর্যের আলোকে প্রতিফলিত করে একটি বড় অবতল আয়নায় ফেলা হয়, যা আলোকরশ্মিকে এক জায়গায় ঘনীভূত করে। - কারণ ও ফলাফল: আলোর এই কেন্দ্রীভূত রূপের ফলে কয়েক হাজার ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা উৎপন্ন হয়, যা ধাতু গলানো বা জ্বালানি উৎপাদনে ব্যবহার করা হয়। - বাস্তব প্রয়োগ: মহাশূন্যের চরম পরিবেশ অনুকরণ করে উপকরণের স্থায়িত্ব পরীক্ষা এবং পরিচ্ছন্ন জ্বালানি হাইড্রোজেন গ্যাস উৎপাদনে এটি ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: - উদাহরণ ১: অবতল আয়নার সাহায্যে সূর্যের আলো কেন্দ্রীভূত করে কাগজ জ্বালানোর ছোট পরীক্ষা। - ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে যে আলোর ফোকাস দূরবিন্দুতে শক্তি ঘনত্ব বহুগুণ বৃদ্ধি পায়। - উদাহরণ ২: বাড়ির ছাদে ব্যবহৃত সোলার প্যানেল বা ওয়াটার হিটার। - ব্যাখ্যা: এটিও সৌরশক্তিকে তাপ বা শক্তিতে রূপান্তর করার একটি দৈনন্দিন প্রয়োগ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: - A) যুক্তরাষ্ট্র — যুক্তরাষ্ট্র মহাশূন্য গবেষণা ও সৌরশক্তিতে এগিয়ে থাকলেও এই বিশেষ চুল্লির ক্ষেত্রে সঠিক নয়। - B) ভারত — ভারত সৌরশক্তিতে নানা প্রকল্প বাস্তবায়ন করলেও বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী এই চুল্লিটি তাদের নয়। - C) জাপান — জাপান এই চুল্লি নির্মাণের জন্য বিশ্বখ্যাত এবং সঠিক উত্তর। - D) নেপাল — নেপাল পাহাড়ি দেশ হওয়ায় জলবিদ্যুতে এগিয়ে থাকলেও এই ধরনের প্রযুক্তির জন্য পরিচিত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - জাপানের প্রযুক্তিগত উৎকর্ষতা এবং সূর্যাোদয়ের দেশ হিসেবে সৌর প্রযুক্তির এই রেকর্ডটি মনে রাখতে পারেন। - জাপানিরা সূক্ষ্ম ও ভারী প্রযুক্তিতে এগিয়ে, তাই সবচেয়ে শক্তিশালী সৌরচুল্লি তাদের তৈরি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সৌরচুল্লিতে আলো কেন্দ্রীভূত করতে অবতল আয়না বা কনকেভ মিরর ব্যবহার করা হয়। - এই ধরনের প্রশ্ন থেকে নবায়নযোগ্য শক্তি এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার সম্পর্কিত এমসিকিউ প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
a পেট্রোলিয়াম
b ইউরেনিয়াম-২৩৫
c অক্সিজেন
d হাইড্রোজেন
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ইউরেনিয়াম-২৩৫ ১. কেন সঠিক: পারমাণবিক চুল্লিতে নিউক্লীয় বিভাজন বা ফিশন বিক্রিয়ার মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ শক্তি উৎপন্ন করা হয়। ইউরেনিয়াম-২৩৫ হলো এমন একটি তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ যা ধীরগতির নিউট্রন দ্বারা আঘাত করলে সহজেই ভেঙে দুটি হালকা নিউক্লিয়াসে পরিণত হয় এবং প্রচুর তাপশক্তি উৎপন্ন করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: নিউক্লীয় ফিশন হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে একটি ভারী পরমাণুর নিউক্লিয়াস ভেঙে প্রায় সমমানের দুটি হালকা নিউক্লিয়াসে পরিণত হয়। কার্যপ্রণালি: ইউরেনিয়াম-২৩৫ পরমাণুর ওপর একটি মুক্ত নিউট্রন আঘাত হানলে তা অবক্ষয়িত হয়ে বেরিয়াম ও ক্রিপ್ಟন উৎপন্ন করে এবং সাথে ৩টি নতুন নিউট্রন ও বিশাল পরিমাণ শক্তি মুক্ত করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র। ব্যাখ্যা: এখানে পারমাণবিক জ্বালানি হিসেবে ইউরেনিয়াম ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয় যা আমাদের জাতীয় বিদ্যুতের চাহিদা পূরণে ভূমিকা রাখে। উদাহরণ ২: পারমাণবিক সাবমেরিন চালনা। ব্যাখ্যা: সাবমেরিনে পারমাণবিক চুল্লির মাধ্যমে শক্তি উৎপাদন করে দীর্ঘকাল জ্বালানি পরিবর্তন না করে মহাসাগরের নিচে চলাচল করা সম্ভব হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পেট্রোলিয়াম — পেট্রোলিয়াম হলো জীবাশ্ম জ্বালানি যা অভ্যন্তরীণ দহন ইঞ্জিনে ব্যবহার করা হয় এবং এটি পারমাণবিক চুল্লির জন্য উপযুক্ত নয়। B) ইউরেনিয়াম-২৩৫ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি নিয়ন্ত্রিত ফিশন বিক্রিয়ার মাধ্যমে শক্তি উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়। C) অক্সিজেন — অক্সিজেন একটি দহন সহায়ক মৌল যা আগুন জ্বালাতে সাহায্য করে এবং এটি কোনো পারমাণবিক জ্বালানি নয়। D) হাইড্রোজেন — হাইড্রোজেন সাধারণত ফিউশন বিক্রিয়ায় শক্তি উৎপন্ন করে, যা সূর্যের শক্তির উৎস, কিন্তু প্রচলিত পারমাণবিক চুল্লিতে এটি প্রধান জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হয় না। ৫. মনে রাখার টিপস: পারমাণবিক চুল্লির জ্বালানি মনে রাখতে ইউরেনিয়াম শব্দের সাথে ২৩৫ সংখ্যাটি মনে রাখবে। ইউরেনিয়ামের ফিশন দিয়েই চুল্লিতে বিদ্যুৎ তৈরি হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পারমাণবিক চুল্লিতে নিয়ন্ত্রক হিসেবে গ্রাফাইট বা ক্যাডমিয়াম দণ্ড ব্যবহার করা হয়। একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে পারমাণবিক বোমায় কোন বিক্রিয়া ঘটে।
a তামা
b নাইক্রোম
c স্টেনিয়াম
d প্লাটিনাম
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নাইক্রোম ১. কেন সঠিক: - নাইক্রোম তার নিকেল, ক্রোমিয়াম, লোহা এবং ম্যাঙ্গানিজের সংকর ধাতু। এর রোধ অনেক বেশি হওয়ায় এর মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হলে প্রচণ্ড তাপ উৎপন্ন হয়। - উচ্চ রোধ এবং উচ্চ তাপমাত্রায় গলে না যাওয়ার ক্ষমতার কারণে বৈদ্যুতিক হিটার ও ইস্ত্রিতে এই তার ব্যবহার করা হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: জুলের তাপীয় সূত্র অনুসারে কোনো পরিবাহীর মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হলে বৈদ্যুতিক শক্তি তাপে রূপান্তরিত হয়। - কার্যপ্রণালি: নাইক্রোম তারের রোধ বেশি থাকায় এটি বিদ্যুৎ প্রবাহে বাধা দেয় এবং তড়িৎ শক্তিকে দ্রুত তাপে রূপান্তরিত করে। - কারণ ও ফলাফল: এর উচ্চ রোধের কারণে তারটি দ্রুত লাল হয়ে ওঠে এবং গলনাঙ্ক অনেক বেশি হওয়ায় সহজে পুড়ে নষ্ট হয় না। - বাস্তব প্রয়োগ: বৈদ্যুতিক ইস্ত্রি, হিটার, টোস্টার এবং কেটলিতে এই তার তাপ উৎপাদনের মূল উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শীতকালে রুম হিটার চালু করলে নাইক্রোম কয়েল লাল হয়ে ঘর গরম করে। ব্যাখ্যা: এর কারণ কয়েলের মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহের ফলে বৈদ্যুতিক শক্তি সুষমভাবে তাপে রূপান্তরিত হয়। উদাহরণ ২: ইস্ত্রি দিয়ে কাপড় সময়মতো গরম করা। ব্যাখ্যা: ইস্ত্রির ভেতরে থাকা নাইক্রোম তারের মাধ্যমে বিদ্যুৎ তাপশক্তিতে রূপান্তরিত হয়ে ভারী ধাতব তলকে গরম করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তামা — তামার রোধ খুব কম এবং এটি উত্তম পরিবাহী তাই এটি হিটার বা ইস্ত্রিতে তাপ উৎপাদনের জন্য উপযুক্ত নয়। B) নাইক্রোম — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি উচ্চ রোধ ও উচ্চ গলনাঙ্কের সংকর ধাতু। C) স্টেনিয়াম — এটি কোনো পরিচিত বা প্রচলিত ধাতব উপাদান নয়। D) প্লাটিনাম — প্লাটিনাম একটি মূল্যবান ধাতু এবং এর গলনাঙ্ক অনেক বেশি হলেও এর দাম খুব বেশি হওয়ায় হিটার বা ইস্ত্রিতে ব্যবহার করা হয় না। ৫. মনে রাখার টিপস: - হিটার এবং ইস্ত্রির প্রধান কাজ তাপ তৈরি করা, আর তাপ তৈরির জন্য উচ্চ রোধের সংকর ধাতু নাইক্রোম ব্যবহার করতে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - নাইক্রোম তার মূলত নিকেল এবং ক্রোমিয়ামের সংকর ধাতু। - একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে হিটার বা ইস্ত্রির কয়েল তৈরিতে কোন ধাতুর সংকর ব্যবহার করা হয়।
a RAM
b ROM
c হার্ডওয়্যার
d সফটওয়্যার
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ROM ১. কেন সঠিক: ROM-এর পূর্ণরূপ হলো Read Only Memory। এটি কম্পিউটারের স্থায়ী স্মৃতিশক্তি, যেখানে ডেটা বা নির্দেশাবলি স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত থাকে এবং কম্পিউটার বন্ধ করলেও তা মুছে যায় না। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ROM হলো এমন এক ধরনের অবিনশ্বর মেমোরি যাতে সংরক্ষিত তথ্য বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলেও মুছে যায় না। কার্যপদ্ধতি: কম্পিউটার চালুর জন্য প্রয়োজনীয় বুটস্ট্র্যাপ প্রোগ্রাম বা বায়োস নির্দেশনা এর মধ্যে প্রস্তুত থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাদারবোর্ডে থাকা বায়োস চিপ। ব্যাখ্যা: কম্পিউটার অন করার সময় প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার চেক করার নির্দেশ এই চিপ থেকে পড়ে। উদাহরণ ২: মাইক্রোওয়েভ ওভেন বা ওয়াশিং মেশিনের কন্ট্রোল মডিউল। ব্যাখ্যা: এই ডিভাইসগুলোতে নির্দিষ্ট কাজ করার জন্য স্থায়ী প্রোগ্রাম ROM-এ সংরক্ষণ করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) RAM — এটি কম্পিউটারের অস্থায়ী বা ভোলাটাইল মেমোরি, যা বিদ্যুৎ বন্ধ করলেই ডেটা মুছে ফেলে। B) ROM — এটি সঠিক কারণ এটি স্থায়ী স্মৃতিশক্তি হিসেবে কাজ করে এবং ডেটা সংরক্ষণ করে রাখে। C) হার্ডওয়্যার — এটি কোনো মেমোরি চিপ নয়, বরং কম্পিউটারের শারীরিক যন্ত্রাংশ বোঝায়। D) সফটওয়্যার — এটি কোনো মেমোরি নয়, বরং নির্দেশমালার সমষ্টি বা প্রোগ্রাম। ৫. মনে রাখার টিপস: RAM হলো রেন্ডম অ্যাক্সেস মেমোরি যা অস্থায়ী আর ROM হলো রিড অনলি মেমোরি যা স্থায়ী। বিদ্যুৎ গেলে RAM খালি হয় আর ROM অক্ষত থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার চালুর সময় প্রাথমিক নির্দেশিকা ROM থেকে লোড হয়। ROM-এর ডেটা সাধারণত পরিবর্তন বা মুছে ফেলা যায় না।

মোট প্রশ্ন (19)

a ফরিদপুরের সুরেশ্বর
b চট্টগ্রামের জোব্ রা
c বার্মার আরাকান
d ফতেহাবাদ পরগনা
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ফতেহাবাদ পরগনা ১. কেন সঠিক: - মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি আলাওল চট্টগ্রামের ফতেহাবাদ পরগনার জল্লা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। - বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস ও গবেষকদের মতে তার জন্মস্থান হিসেবে ফতেহাবাদ পরগনা প্রামাণিক ও সর্বজনস্বীকৃত তথ্য। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কবি আলাওল সপ্তদশ শতকের রোমান্টিক ধারার মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি এবং আরাকান রাজসভার শ্রেষ্ঠ কবি। - তার অমর সৃষ্টি পদ্মাবতী, সয়ফুল মুলক বদিউজ্জামান, সিকান্দারনামা ও সপ্তপয়কর কাব্যগ্রন্থগুলো বাংলা সাহিত্যের অমূল্য সম্পদ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পদ্মাবতী ব্যাখ্যা: আলাওলের সর্বাধিক পরিচিত ও শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ যা মালিক মুহম্মদ জায়সীর পদমাবত অবলম্বনে রচিত। উদাহরণ ২: সয়ফুল মুলক বদিউজ্জামান ব্যাখ্যা: এটি কবি আলাওলের অপর একটি বিখ্যাত প্রণয়োপাখ্যানমূলক রোমান্টিক কাব্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফরিদপুরের সুরেশ্বর — এই স্থানটি কবি আলাওলের জন্মস্থান নয়, এটি অন্য কোনো ঐতিহাসিক বা ভৌগোলিক স্থানের সঙ্গে সম্পর্কিত। B) চট্টগ্রামের জোব্ রা — এটি মধ্যযুগের আরেক খ্যাতিমান কবি শাহ মুহম্মদ সগীরের জন্মস্থান বা সম্পর্কিত অঞ্চল হতে পারে, আলাওলের নয়। C) বার্মার আরাকান — এটি আলাওলের জন্মস্থান নয়, বরং তার কর্মক্ষেত্র এবং তিনি দীর্ঘকাল এই রাজসভায় অবস্থান করে সাহিত্য সাধনা করেছিলেন। D) ফতেহাবাদ পরগনা — এটি সঠিক জন্মস্থান হওয়ায় অপশনটি নির্ভুল হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: আলাওলের জন্ম ফতেহাবাদে আর কর্মক্ষেত্র আরাকানে, এই দুটি শব্দ জোড়া মনে রাখলে পরীক্ষার কনফিউশন দূর হবে। মধ্যযুগের কবিদের জন্মস্থান ও কর্মক্ষেত্র আলাদা করে ছক আকারে পড়লে সহজে মনে থাকে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মধ্যযুগের কবিদের জন্মস্থান থেকে বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। আলাওলের পৃষ্ঠপোষক ছিলেন আরাকান রাজসভার মন্ত্রী মাগন ঠাকুর এবং সোলায়মান সহ অন্যান্য অমাত্যবর্গ।
a সংক্ষেপ করে
b বিস্তৃত করে
c অর্থপূর্ণ করে
d অর্থের রূপান্তর করে
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সংক্ষেপ করে ১. কেন সঠিক: সমাসের প্রধান কাজ হলো একাধিক পদকে এক পদে পরিণত করে ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করা ও বাক্যকে ছোট করা। সংক্ষিপ্তকরণের মাধ্যমে বাংলা ভাষার প্রকাশভঙ্গি সহজ ও সাবলীল হয় এবং বক্তার বক্তব্য দ্রুত প্রকাশ পায়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: পরস্পর অর্থসংগতিযুক্ত দুই বা ততোধিক পদের এক পদ হওয়ার প্রক্রিয়াকে সমাস বলে। সমাসের মাধ্যমে বাক্য বা বাক্যাংশের অপ্রয়োজনীয় শব্দ কমে যায় এবং ভাব সংহত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সিংহ চিহ্নিত আসন = সিংহাসন ব্যাখ্যা: এখানে তিনটি পদের একটি পদ হয়ে বাক্য সংক্ষেপিত হয়েছে। উদাহরণ ২: দেশ হিতৈষী = দেশহিতৈষী ব্যাখ্যা: বড় বাক্য বা পদগুচ্ছকে এক শব্দে প্রকাশ করে ভাষা সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সংক্ষেপ করে — এই অপশনটি সঠিক কারণ সমাস পদের মিলন ঘটিয়ে বাক্যকে ছোট করে। B) বিস্তৃত করে — এই অপশনটি ভুল কারণ সমাস কখনো বাক্য বা ভাষাকে বড় বা বিস্তৃত করে না। C) অর্থপূর্ণ করে — এই অপশনটি ভুল কারণ পদ এমনিতেই অর্থপূর্ণ হয়, সমাসের কাজ সংক্ষিপ্ত করা। D) অর্থের রূপান্তর করে — এই অপশনটি ভুল কারণ সমাস অর্থের পরিবর্তন করে না, বরং ভাবকে সংহত করে। ৫ মনে রাখার টিপস: সমাস মানেই সংক্ষিপ্ত করা। সমাস শব্দটির অর্থ সংক্ষেপণ, মিলন বা একাধিক পদের একপদীকরণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমাসের মূল কাজ বা সংজ্ঞা সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। সমাসের আক্ষরিক অর্থ সংক্ষেপ, মিলন বা সংক্ষেপণ।
a দিজেন্দ্রজাল রায়
b রজনীকান্ত সেন
c মাইকেল মধুসূদন দত্ত
d অতুলপ্রসাদ সেন
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১. কেন সঠিক: মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে প্রথম সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতার সফল প্রবর্তন করেন। তিনি ইতালীয় কবি পেত্রার্কের সনেট শৈলী বাংলা সাহিত্যে সফলভাবে প্রয়োগ করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মাইকেল মধুসূদন দত্ত আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রথম বিদ্রোহী কবি ও নাট্যকার। তার রচিত চতুর্দশপদী কবিতাবলী বাংলা সাহিত্যের প্রথম সনেট সংকলন যা ১৮৬৬ সালে প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বঙ্গবাণী কবিতা ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সনেটের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ উদাহরণ যেখানে সনেটের ভাবের প্রথমার্ধ ও উত্তরার্ধের মিলবন্ধন দেখা যায়। উদাহরণ ২: কপোতক্ষ নদ কবিতা ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি সনেট যা স্মৃতিচারণমূলক ও দেশপ্রেমের অনন্য নিদর্শন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্বিজেন্দ্রলাল রায় — ইনি একজন বিখ্যাত নাট্যকার ও গীতিকার হলেও সনেটের প্রবর্তক নন। B) রজনীকান্ত সেন — ইনি বাংলা সাহিত্যের প্রখ্যাত ভক্তিমূলক ও দেশাত্মবোধক গানের জন্য পরিচিত, সনেটের সঙ্গে যুক্ত নন। C) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি বাংলা সনেটের প্রবর্তক। D) অতুলপ্রসাদ সেন — ইনি মূলত আধুনিক বাংলা গানের গীতিকার ও সুরকার, সনেটের প্রবর্তক নন। ৫ মনে রাখার টিপস: সনেট মানেই মধুসূদন। বাংলা কাব্যে চতুর্দশপদী কবিতার জনক হিসেবে তাকে মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা সনেটের মূল বৈশিষ্ট্য হলো চৌদ্দটি চরণ এবং নির্দিষ্ট মিলবিন্যাস। এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
a ১৯৫৫ খ্রি.
b ১৩৫৫ বঙ্গাব্দ
c ১৯৫২খ্রি.
d ১৩৫২ বঙ্গাব্দ
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৯৫৫ খ্রি. ১. কেন সঠিক: বাংলা একাডেমি বাংলাদেশের ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতির গবেষণা ও উন্নয়নের জন্য প্রতিষ্ঠিত একটি জাতীয় প্রতিষ্ঠান। ১৯৫৫ সালের ৩ ডিসেম্বর এই প্রতিষ্ঠানটি আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্ধমান হাউস এর প্রথম কার্যালয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ২. সাহিত্য ও ঐতিহাসিক ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের মানোন্নয়ন এবং প্রমিতকরণের লক্ষ্যে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয়। যুক্তফ্রন্ট সরকারের সময় ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ ও অন্যান্য ভাষা সৈনিকদের উদ্যোগে এই প্রতিষ্ঠান গঠনের প্রক্রিয়া দ্রুততর হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ব্যাখ্যা: ১৯২১ সালে প্রতিষ্ঠিত এই উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানটিও বাংলার শিক্ষা ও সংস্কৃতির বিকাশে ঐতিহাসিক ভূমিকা রেখেছে। উদাহরণ ২: বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর ব্যাখ্যা: ১৯১০ সালে প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠানটিও বাংলার ইতিহাস ও প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন সংরক্ষণের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৫৫ খ্রি. — এটি সঠিক কারণ বাংলা একাডেমি এই খ্রিষ্টাব্দেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। B) ১৩৫৫ বঙ্গাব্দ — এই বঙ্গাব্দটি সঠিক নয় কারণ সে সময় একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয়নি। C) ১৯৫২ খ্রি. — এই সালে ভাষা আন্দোলন হয়েছিল কিন্তু বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয়নি। D) ১৩৫২ বঙ্গাব্দ — এই বঙ্গাব্দটিও বাংলা একাডেমির প্রতিষ্ঠার সাল নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: ভাষা আন্দোলনের তিন বছর পর অর্থাৎ ১৯৫৫ সালে বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয়। সালটি মনে রাখতে ৫৬ সালের কাছাকাছি ১৯৫৫ সংখ্যাটি মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা একাডেমির প্রথম সচিব ছিলেন মুহম্মদ মনসুর উদ্দিন এবং প্রথম মহাপরিচালক ছিলেন ড. মযহারুল ইসলাম। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাকাল এবং প্রথম সভাপতির নাম প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
a মুক্তিযুদ্ধের বিবরন
b মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস
c মুক্তিযোদ্ধাদের পত্র সংকলন
d ভিন্নধর্মী ডায়েরী
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মুক্তিযোদ্ধাদের পত্র সংকলন ১. কেন সঠিক: - একাত্তরের চিঠি একটি ঐতিহাসিক দলিল যেখানে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে রণাঙ্গনে থাকা মুক্তিযোদ্ধাদের লেখা চিঠিপত্র সংকলন করা হয়েছে। - প্রথম আলো পত্রিকার উদ্যোগে বিভিন্ন স্থান থেকে সংগৃহীত মুক্তিযোদ্ধাদের এই চিঠিগুলো পরবর্তীতে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধারা তাদের মা, বাবা, স্ত্রী, ভাই বা প্রিয়জনকে যেসব চিঠি লিখেছিলেন, এটি তারই এক অনন্য সংগ্রহ। - এই চিঠিগুলোতে তৎকালীন যুদ্ধের ভয়াবহতা, মুক্তিযোদ্ধাদের আবেগ, দেশপ্রেম এবং ত্যাগের বাস্তব চিত্র ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রণাঙ্গনের চিঠি ব্যাখ্যা: এটিও মুক্তিযোদ্ধাদের ব্যক্তিগত পত্রের সংকলন, যা মুক্তিযুদ্ধকালীন বাস্তবতাকে তুলে ধরে। উদাহরণ ২: একাত্তরের দিনগুলি ব্যাখ্যা: এটি জাহানারা ইমাম রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি প্রামাণ্য দিনলিপি বা ডায়েরি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুক্তিযুদ্ধের বিবরণ — বিবরণ বলতে কোনো নির্দিষ্ট গদ্য বা ইতিহাসের বর্ণনা বোঝায়, কিন্তু এটি সরাসরি চিঠিগুলোর সংকলন। B) মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস — উপন্যাস হলো কাল্পনিক কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে রচিত গদ্যশিল্প, কিন্তু এটি কোনো উপন্যাস নয়। D) ভিন্নধর্মী ডায়েরী — ডায়েরি হলো দিনপঞ্জি আকারে লেখা ব্যক্তিগত বা স্মৃতিকথামূলক রচনা, কিন্তু এটি ব্যক্তিগত চিঠির সংকলন। ৫ মনে রাখার টিপস: - নামের মধ্যেই চিঠি শব্দটি আছে, তাই এটি সহজেই মুক্তিযোদ্ধাদের পত্র সংকলন হিসেবে মনে রাখা যায়। - প্রথম আলোর উদ্যোগে প্রকাশিত এই বইটি মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের একটি প্রামাণ্য দলিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্য গ্রন্থ ও সংকলন থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - এ ধরনের গ্রন্থগুলোর সংকলক বা লেখকের নাম ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a আকাঙ্ক্ষা, আসক্তি ও বিধেয়
b আকাঙ্ক্ষা, আসক্তি ও যোগ্যতা
c যোগ্যতা , উদ্দেশ্য ও বিধেয়
d কোনটিই নয়
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আকাঙ্ক্ষা, আসক্তি ও যোগ্যতা ১. কেন সঠিক: - একটি সার্থক বাক্য গঠনের জন্য তিনটি অপরিহার্য গুণ বা শর্ত থাকা আবশ্যক, যার নাম আকাঙ্ক্ষা, আসক্তি ও যোগ্যতা। - এই তিনটি গুণের যেকোনো একটির অনুপস্থিতি ঘটলে পদসমষ্টিকে ব্যাকরণগতভাবে পরিপূর্ণ বাক্য বলা চলে না। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - আকাঙ্ক্ষা হলো মনের ভাব সম্পূর্ণরূপে প্রকাশ করার জন্য এক পদের পর অন্য পদ শোনার যে ইচ্ছা, তা পূর্ণ হওয়া। - আসক্তি হলো বাক্যের অর্থসঙ্গতি রক্ষা করে পদগুলোকে যথাযথভাবে সাজিয়ে রাখার সুশৃঙ্খল বিন্যাস। - যোগ্যতা হলো বাক্যের পদগুলোর অর্থের সংগতি এবং ভাবগত মিল থাকার পূর্ণাঙ্গ সামর্থ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চন্দ্র সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে। ব্যাখ্যা: এই বাক্যটিতে কোনো আকাঙ্ক্ষা নেই, পদগুলো সুশৃঙ্খলভাবে সাজানো (আসক্তি) এবং এর অর্থ সম্পূর্ণ বাস্তবসম্মত ও অর্থপূর্ণ (যোগ্যতা)। উদাহরণ ২: বর্ষা ঋতুতে আকাশে ঘন কালো মেঘ জমে। ব্যাখ্যা: এটি একটি ত্রুটিহীন বাক্য যেখানে বাক্যের তিনটি গুণই পূর্ণমাত্রায় বিদ্যমান রয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আকাঙ্ক্ষা, আসক্তি ও বিধেয় — এটি ভুল কারণ বাক্যের গুণ বোঝাতে 'বিধেয়' শব্দটি ব্যবহৃত হয় না, এটি বাক্যের অংশবিশেষ। B) আকাঙ্ক্ষা, আসক্তি ও যোগ্যতা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। C) যোগ্যতা, উদ্দেশ্য ও বিধেয় — এটি ভুল কারণ উদ্দেশ্য ও বিধেয় হলো বাক্যের কাঠামোগত অংশ, বাক্যের গুণ নয়। D) কোনটিই নয় — এটি ভুল কারণ অপশন বি তে সঠিক উত্তরটি স্পষ্টভাবে বিদ্যমান রয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - বাক্য গঠনের তিনটি গুণ সহজে মনে রাখার জন্য আ-আ-য সূত্রটি মনে রাখতে পারো। - আ তে আকাঙ্ক্ষা, আসক্তি এবং য তে যোগ্যতা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বাক্য গঠনের গুণ কয়টি বা কী কী তা জানতে চাওয়া হয়। - এ ধরনের প্রশ্নে উদ্দেশ্য বা বিধেয়র মতো অংশগুলোকে গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
a জন+ইক
b জন+এক
c জনৈ+এক
d জন+ঈক
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জন+এক ১. কেন সঠিক: - জনৈক শব্দটির সন্ধি-বিচ্ছেদ হলো জন যোগ এক এবং এটি সংস্কৃত স্বরসন্ধির একটি বিশেষ নিয়মের অন্তর্ভুক্ত। - অ বা আ এর পরে এ বা ঐ থাকলে উভয় মিলে ঐ-কার হয় এবং তা আগের বর্ণের সঙ্গে যুক্ত হয়ে গঠিত হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী অ কিংবা আ এর পরে এ কিংবা ঐ থাকলে উভয়ে মিলে ঐ-কার হয় এবং এই ঐ-কার পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনবর্ণের সঙ্গে যুক্ত হয়। - জন শব্দের শেষে অ এবং এক শব্দের শুরুতে এ রয়েছে, যা মিলিত হয়ে ঐ-কার গঠন করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মত + এক = মতেক ব্যাখ্যা: মত শব্দের অ এবং এক শব্দের এ মিলে ঐ-কার গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: সদা + এব = সদৈব ব্যাখ্যা: সদা শব্দের আ এবং এব শব্দের এ মিলে ঐ-কার গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জন+ইক — ইক প্রত্যয় যুক্ত হলে জানিক হয়, কিন্তু এটি সঠিক সন্ধি-বিচ্ছেদ নয়। B) জন+এক — এই অপশনটি সঠিক এবং নিয়মানুযায়ী এটি জনৈক গঠন করে। C) জনৈ+এক — জনৈ বলে কোনো অর্থপূর্ণ শব্দ বাংলা বা সংস্কৃতি ব্যাকরণে নেই। D) জন+ঈক — ঈক দীর্ঘ স্বরবর্ণ হওয়ায় এই মিলন ব্যাকরণের নিয়মের সঙ্গে মিলে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - দুই মাত্রা বিশিষ্ট বা ঐ-কার যুক্ত শব্দ দেখলে মাঝখানে অ বা আ এবং পরের অংশে এ বা ঐ খোঁজার চেষ্টা করবে। - জনৈক মানে একজন, তাই জন যোগ এক মনে রাখলে সহজে সঠিক উত্তর বের করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় স্বরসন্ধির ব্যতিক্রমী নিয়মগুলো থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - এই একই নিয়মে গঠিত শব্দগুলো চর্চা করলে পরীক্ষার হলে কম সময়ে সঠিক উত্তর চিহ্নিত করা সহজ হয়।
a কল্লোল
b সবুজপত্র
c বঙ্গদর্শন
d কালিকলম
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সবুজপত্র ১. কেন সঠিক: বাংলা সাহিত্যে সাধু রীতির পরিবর্তে কথ্যরীতি বা চলিতীতির সফল প্রচলন ও প্রতিষ্ঠা করার ক্ষেত্রে 'সবুজপত্র' পত্রিকার অবদান সর্বাধিক। প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদনায় ১৯১৪ সালের আগস্ট মাসে এই পত্রিকা প্রকাশিত হওয়ার পর থেকেই বাংলা গদ্যে চলিত রীতির ব্যবহার দাপ্তরিক ও সাহিত্যিক স্বীকৃতি লাভ করে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: সবুজপত্র পত্রিকা বাংলার সাহিত্য অঙ্গনে চলতি ভাষার আন্দোলন গড়ে তোলে এবং এর মাধ্যমে গদ্যরীতির এক নতুন যুগের সূচনা হয়। সম্পাদক প্রমথ চৌধুরী বীরবল ছদ্মনামে এই পত্রিকায় লিখে চলিত রীতির পক্ষে জনমত গঠন করেছিলেন এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরও এই পত্রিকায় লিখে চলিতীতিকে সানন্দে সমর্থন জানান। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বীরবল ছদ্মনামে প্রমথ চৌধুরীর রচিত প্রবন্ধ গ্রন্থ 'বীরবলের হালখাতা'। ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থটি সবুজপত্র আন্দোলনের একটি অন্যতম ঐতিহাসিক ও সাহিত্যিক দলিল যা চলিতীতিতে রচিত। উদাহরণ ২: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত উপন্যাস 'চতুরঙ্গ'। ব্যাখ্যা: সবুজপত্র পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত এই উপন্যাসটি বাংলা কথ্যরীতির শিল্পসম্মত প্রয়োগের এক অনন্য নিদর্শন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কল্লোল — এটি ১৯২৩ সালে প্রকাশিত একটি আধুনিক সাহিত্য পত্রিকা যা মূলত রবীন্দ্রবিরোধী মনোভাব ও নতুন সাহিত্য ধারার জন্য পরিচিত, কথ্যরীতি প্রচলনে এর অবদান প্রথম নয়। C) বঙ্গদর্শন — বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সম্পাদনায় ১৮৭২ সালে প্রকাশিত এই পত্রিকা মূলত সাধু রীতির মান উন্নয়নে এবং তা প্রতিষ্ঠায় প্রধান ভূমিকা রেখেছিল। D) কালিকলম — এটি ১৯২৬ সালে প্রবর্তিত একটি প্রগতিশীল সাহিত্য পত্রিকা যা সবুজপত্রের পথ ধরে চলিতীতিকে আরও এগিয়ে নিলেও এর প্রচলনের মূল কৃতিত্ব সবুজপত্রের। ৫. মনে রাখার টিপস: চলিত রীতির জনক প্রমথ চৌধুরী এবং তাঁর মুখপত্র হলো সবুজপত্র। এভাবে মনে রাখতে পারো যে চলিত ভাষা বা কথ্যরীতি প্রচলনের মূল বাহন ছিল সবুজপত্র। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সবুজপত্র পত্রিকার প্রকাশের সাল ১৯১৪ এবং এর সম্পাদক প্রমথ চৌধুরী প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অত্যন্ত ঘন ঘন আসা প্রশ্ন। চলিত রীতির প্রথম সফল রূপকার হিসেবে প্রমথ চৌধুরীর নাম সবসময় মনে রাখবে।
a ধূমকেতু
b বিদ্রোহী
c প্রলয়োল্লাস
d অগ্রপথিক
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্রলয়োল্লাস ১. কেন সঠিক: 'প্রলয়োল্লাস' হলো বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ 'অগ্নিবীণা'-র প্রথম কবিতা। এই কবিতায় ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের অবসান ঘটিয়ে নতুন মুক্তির বার্তার জন্য ধ্বংসের মধ্য দিয়ে সৃষ্টির আহ্বান জানানো হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'অগ্নিবীণা' প্রকাশিত হয় ১৯২২ সালের অক্টোবর মাসে। এই বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থে মোট বারোটি কবিতা রয়েছে এবং 'প্রলয়োল্লাস' কবিতাটি এর সূচনার কবিতা হিসেবে বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিদ্রোহী ব্যাখ্যা: এটি 'অগ্নিবীণা' কাব্যের দ্বিতীয় কবিতা যা কবিকে বিশ্বজোড়া খ্যাতি এনে দিয়েছে। উদাহরণ ২: কামাল পাশা ব্যাখ্যা: এটিও 'অগ্নিবীণা' কাব্যের একটি অন্যতম বিখ্যাত ঐতিহাসিক ও প্রণোদনামূলক কবিতা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধূমকেতু — এটি কাজী নজরুল ইসলাম কর্তৃক প্রকাশিত একটি বিখ্যাত অর্ধসাপ্তাহিক পত্রিকা, কোনো কবিতা নয়। B) বিদ্রোহী — এটি 'অগ্নিবীণা' কাব্যের দ্বিতীয় কবিতা, প্রথম কবিতা নয়। C) প্রলয়োল্লাস — এটি সঠিক উত্তর এবং এটি 'অগ্নিবীণা' কাব্যের প্রথম কবিতা। D) অগ্রপথিক — এটি 'অগ্নিবীণা' কাব্যের কোনো কবিতা বা তালিকাভুক্ত রচনা নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: প্রলয় শব্দের অর্থ ধ্বংস এবং উল্লাস অর্থ আনন্দ, যা নতুন সৃষ্টির আগে আসে। তাই অগ্নিবীণা বাজানোর শুরুতে প্রলয়ের উল্লাস দিয়েই কাব্যের সূচনা হয়েছে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রথম কাব্যগ্রন্থ, প্রথম কবিতা বা প্রথম গান থেকে প্রশ্ন আসে। অগ্নিবীণার প্রথম কবিতা প্রলয়োল্লাস এবং দ্বিতীয় কবিতা বিদ্রোহী এটি ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজি
b মজাম্মেল হক
c এয়াকুব আলী চৌধুরী
d মুনিরুজ্জামান ইসলামাবাদি
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজি ১. কেন সঠিক: - 'অনল-প্রবাহ' একটি বিখ্যাত জাতীয়তাবাদী ও দেশপ্রেমমূলক কাব্যগ্রন্থ, যার রচয়িতা কবি সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজি। - ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের সময় বাঙালি মুসলমানদের মধ্যে দেশপ্রেম ও মুসলিম জাগরণ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে এই কাব্যটি রচিত হয়েছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজি ছিলেন বিশ শতকের প্রথমার্ধের অন্যতম মুসলিম রেনেসাঁর কবি, ঔপন্যাসিক ও সমাজসংস্কারক। - তাঁর সাহিত্যকর্মে স্বদেশপ্রেম, মুসলিম উম্মাহর জাগরণ এবং ব্রিটিশবিরোধী মনোভাব প্রবলভাবে প্রকাশ পেয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'অনল-প্রবাহ' কাব্যগ্রন্থ ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজি রচিত একটি প্রখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, যা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল। উদাহরণ ২: 'সঙ্গীত-সঞ্জীবনী' ব্যাখ্যা: এটিও সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজি রচিত অপর একটি উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজি — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি 'অনল-প্রবাহ' গ্রন্থের রচয়িতা। B) মজাম্মেল হক — তিনি একজন প্রখ্যাত কবি ও সাহিত্যিক হলেও 'অনল-প্রবাহ' রচনা করেননি। C) এয়াকুব আলী চৌধুরী — তিনি একজন বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক ও সাংবাদিক হলেও এই কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা নন। D) মুনিরুজ্জামান ইসলামাবাদি — তিনি একজন খ্যাতনামা সাংবাদিক ও লেখক হলেও এই গ্রন্থটি তাঁর নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - সিরাজি সাহেবের অনল বা আগুনঝরা লেখার প্রবাহ মনে রাখতে 'অনল-প্রবাহ' ও সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজি একসাথে মনে রাখুন। - বিদ্রোহী ও দেশপ্রেমমূলক লেখার জন্য সিরাজিকে অনেক সময় বিদ্রোহী কবির পূর্বসূরি হিসেবে ভাবা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বাংলা সাহিত্যের মুসলিম জাগরণের কবিদের গ্রন্থ সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। - সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজি রচিত অন্যান্য গ্রন্থগুলোর নামও ভালোভাবে দেখে যাওয়া উচিত।
a ১৩টি
b ১০টি
c ১২টি
d ১১টি
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১১টি কেন সঠিক: - বাংলা বর্ণমালায় মোট ১১টি স্বরবর্ণ রয়েছে। - এই ১১টি স্বরবর্ণ স্বাধীনভাবে উচ্চারিত হতে পারে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ভাষার ব্যাকরণ অনুযায়ী স্বরবর্ণ হলো অ, আ, ই, ঈ, উ, ঊ, ঋ, এ, ওই, ও, ঔ। - ডক্টর মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর মতে এবং বাংলা একাডেমির প্রমিত ব্যাকরণ অনুযায়ী স্বরবর্ণের সংখ্যা ১১টি। - যেমন অ এবং আ হলো মৌলিক স্বরধ্বনি ভিত্তিক রূপ। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) ১৩টি — এটি প্রাচীন বা সংস্কৃত বর্ণমালার স্বরবর্ণের সংখ্যা, আধুনিক বাংলা বর্ণমালার নয়। - B) ১০টি — এটি ভুল সংখ্যা কারণ বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণের সংখ্যা ১০টি নয়। - C) ১২টি — বাংলা ব্যাকরণে স্বরবর্ণ কখনোই ১২টি ছিল না। - D) সঠিক উত্তর — এটি সঠিক কারণ আধুনিক বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণ ঠিক ১১টি। মনে রাখার টিপস: - বাংলা বর্ণমালার স্বরবর্ণ মনে রাখতে অ থেকে ঔ পর্যন্ত বর্ণগুলো গুনে দেখতে হবে।
a প্রভু যিশুর বানী
b কৃপার শাস্ত্রের অর্থভেদ
c ফুলমনি ও করুণার বিবরণ
d মিশনারি জীবণ
0 94 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কৃপার শাস্ত্রের অর্থভেদ ১. কেন সঠিক: - বাংলা কথ্যভাষার আদি বা প্রথম মুদ্রিত গ্রন্থ হলো ডন ম্যানুয়েল দ্য আসসুম্পসাঁও রচিত 'কৃপার শাস্ত্রের অর্থভেদ'। - পর্তুগীজ ভাষায় রচিত হলেও এর মূল কথ্য বাংলা অংশটি লাতিন হরিতে মুদ্রিত হয়েছিল, যা আদি বাংলা কথ্যরীতির নিদর্শন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এই গ্রন্থের রচয়িতা পর্তুগীজ পাদ্রী ডন ম্যানুয়েল দ্য আসসুম্পসাঁও, যিনি অষ্টাদশ শতকে বাংলায় এসেছিলেন। - গ্রন্থটি ১৭৪৩ সালে লিসবন থেকে প্রকাশিত হয় এবং এটি বাংলা গদ্য ও কথ্যরীতির ইতিহাসের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দলিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ডন ম্যানুয়েল দ্য আসসুম্পসাঁও রচিত দ্বিতীয় গ্রন্থ 'ব্রাহ্মণ রোমান ক্যাথলিক সংবাদ'। ব্যাখ্যা: এটিও বাংলা কথ্যভাষার ওপর রচিত একটি আদি গ্রন্থ এবং এর রচয়িতাও একই পাদ্রী। উদাহরণ ২: উইলিয়াম কেরির 'কথোপকথন'। ব্যাখ্যা: এটি বাংলা কথ্যভাষার আরেকটি বিখ্যাত ও প্রামাণ্য গ্রন্থ যা উনিশ শতকে প্রকাশিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রভু যিশুর বানী — এটি এই প্রশ্নের সঠিক গ্রন্থ নয় বরং এটি খ্রিস্টধর্মীয় একটি সাধারণ প্রচারপুস্তিকা। B) কৃপার শাস্ত্রের অর্থভেদ — এটিই সঠিক উত্তর এবং এটি বাংলা কথ্যভাষার আদি গ্রন্থ। C) ফুলমনি ও করুণার বিবরণ — এটি হ্যানসন ক্যাথরিন ম্যালেন্স রচিত প্রথম সার্থক বাংলা উপন্যাস, কথ্যভাষার আদি গ্রন্থ নয়। D) মিশনারি জীবণ — এটি এই প্রশ্নের উত্তরের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ কোনো ঐতিহাসিক বা আদি বাংলা গ্রন্থ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - কথ্যভাষায় কৃপা লাভের জন্য প্রথম গ্রন্থটি মনে রাখতে হবে 'কৃপার শাস্ত্রের অর্থভেদ'। - রচয়িতা ডন ম্যানুয়েল এবং সাল ১৭৪৩ সাল মুখস্থ রাখলে এই টপিকের প্রশ্ন ভুল হবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলা গদ্য ও কথ্যরীতির আদি নিদর্শনগুলো থেকে বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - পাদ্রী ডন ম্যানুয়েলকে বাংলা মুদ্রণশিল্প ও কথ্যরীতির ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একজন ব্যক্তি হিসেবে মনে রাখতে হবে।
a জ্ঞানদাস
b দীনচণ্ডিদাস
c বডু চণ্ডিদাস
d দীনহীন চণ্ডিদাস
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বডু চণ্ডিদাস ১. কেন সঠিক: - শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের ভণিতায় বডু চণ্ডিদাসের নাম পাওয়া যায় এবং ১৯০৯ সালে বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বলভ বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুর থেকে পুঁথিটি আবিষ্কার করেন। - বডু চণ্ডিদাস এই কাব্যের একমাত্র ভণিতাযুক্ত রচয়িতা বিধায় বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তাঁর নাম অমর হয়ে আছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শ্রীকৃষ্ণকীর্তন বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের আদি নিদর্শন এবং রাধা-কৃষ্ণের প্রেমলীলা বিষয়ক একটি নাট্যধর্মী কাব্য। - মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলি ও মঙ্গলকাব্যের ধারার পূর্বে রচিত এই কাব্যে মোট তেরোটি খণ্ড এবং রাধা, কৃষ্ণ ও বাড়াই বুড়ি নামক তিনটি প্রধান চরিত্র রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের জন্মখণ্ড ব্যাখ্যা: এই খণ্ডে রাধা ও কৃষ্ণের জন্ম এবং তাদের প্রথম পরিচয়ের ঘটনা অত্যন্ত সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। উদাহরণ ২: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের দানখণ্ড ব্যাখ্যা: যমুনার ঘাটে রাধাসহ গোপিনীদের দই দুধ বিক্রির পথে কৃষ্ণ কর্তৃক দান আদলের দৃশ্য এই খণ্ডে বর্ণিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জ্ঞানদাস — তিনি মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলির একজন প্রখ্যাত কবি হলেও শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের রচয়িতা নন। B) দীনচণ্ডিদাস — মধ্যযুগের চণ্ডিদাস সমস্যার সঙ্গে যুক্ত একজন ভিন্ন কবি এবং তিনি শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের রচয়িতা নন। D) দীনহীন চণ্ডিদাস — এটি শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের রচয়িতা হিসেবে পরিচিত কোনো ঐতিহাসিক বা প্রামাণিক কবির নাম নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - শ্রীকৃষ্ণকীর্তন আবিষ্কারক বসন্তরঞ্জন রায়ের পদবী বডু এবং রচয়িতাও বডু চণ্ডিদাস, তাই আবিষ্কারক ও রচয়িতার সম্পর্ক মনে রাখা সহজ। - মধ্যযুগের আদি নির্দর্শনের সঙ্গে চণ্ডিদাসের বড় উপাধিটি যুক্ত করলেই সঠিক উত্তর পেয়ে যাবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - শ্রীকৃষ্ণকীর্তন পুথিটি বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরের বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বলভ ১৯০৯ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে প্রকাশ করেন। - বাংলা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই কাব্যটির আবিষ্কারক, খণ্ড সংখ্যা এবং চরিত্র সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
a ফজিলাতুন্নেছা
b ফয়জুন্নেছা
c বেগম রোকেয়া
d সামসুন্নাহার
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বেগম রোকেয়া ১. কেন সঠিক: বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন বাঙালি নারী সমাজের শিক্ষা, অধিকার এবং মুক্তির অগ্রদূত। তিনি তাঁর সাহিত্য ও সামাজিক আন্দোলনের মাধ্যমে অবহেলিত মুসলমান নারীদের জাগরণের মূল ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: বেগম রোকেয়া ১৮৮০ সালের ৯ ডিসেম্বর রংপুর জেলার পায়রাবন্দ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৩২ সালের ৯ ডিসেম্বর মারা যান। তিনি একাধারে প্রাবন্ধিক, ঔপন্যাসিক ও সমাজকর্মী ছিলেন, যাঁর বিখ্যাত সাহিত্যকর্মের মধ্যে সুলতানার স্বপ্ন এবং পদ্মরাগ উল্লেখযোগ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুলতানা স্বপ্ন ব্যাখ্যা: এটি বেগম রোকেয়া রচিত একটি বিখ্যাত নারীবাদী ইউটোপিয়ান বা নারীবাদী কল্পবিজ্ঞান রচনা। উদাহরণ ২: মতিচুর ব্যাখ্যা: এটি তাঁর বিখ্যাত প্রাবন্ধিক রচনা, যেখানে নারী জাগরণ ও অধিকারের কথা জোরালোভাবে তুলে ধরা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফজিলাতুন্নেছা — তিনি বাংলার প্রথম মুসলমান নারী এমএ এবং গণিতবিদ হলেও নারী জাগরণের কবি হিসেবে পরিচিত নন। B) ফয়জুন্নেছা — নবাব ফয়জুন্নেছা চৌধুরাণী একজন বিশিষ্ট নারী শিক্ষানুরাগী ও লেখক হলেও তিনি নারী জাগরণের কবি হিসেবে খ্যাত নন। D) সামসুন্নাহার — সামসুন্নাহার মাহমুদ একজন নারী নেত্রী ও সাহিত্যিক হলেও তিনি এই বিশেষ উপাধির সঙ্গে প্রধানত যুক্ত নন। ৫ মনে রাখার টিপস: মুসলমান নারী জাগরণ বা মুক্তির কথা এলেই সবার আগে বেগম রোকেয়ার নাম মনে রাখতে হবে। তাঁর জন্ম ও মৃত্যুর তারিখ একই দিনে অর্থাৎ ৯ ডিসেম্বর হওয়ায় তারিখটি স্মরণে রাখা সহজ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বেগম রোকেয়ার জন্মস্থান, জন্মতারিখ এবং তাঁর রচিত গ্রন্থ সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। নারীবাদী সাহিত্য ও সমাজ সংস্কারের ইতিহাস পড়তে গেলে বেগম রোকেয়ার অবদান ও গ্রন্থসমূহ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a সৈয়দ সামসুল হক
b শওকত ওসমান
c সৈয়দ মুজতবা আলী
d ফররুখ আহমদ
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সৈয়দ মুজতবা আলী ১. কেন সঠিক: 'চাচা' কাহিনীর লেখক সৈয়দ মুজতবা আলী। এটি লেখকের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও রম্যরচনাধর্মী গল্প বা চরিত্রভিত্তিক সাহিত্যকর্ম। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: সৈয়দ মুজতবা আলী বিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ বাঙালি কথাসাহিত্যিক, প্রাবন্ধিক ও ভ্রমণকাহিনীকার। তাঁর লেখনীতে গভীর পাণ্ডিত্য ও লঘু রসের এক অপূর্ব মিশ্রণ দেখা যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পঞ্চতন্ত্র ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ মুজতবা আলী রচিত একটি বিখ্যাত রম্য রচনা ও প্রবন্ধ সংকলন। উদাহরণ ২: দেশে বিদেশে ব্যাখ্যা: এটি তাঁর রচিত অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি ভ্রমণকাহিনী, যা আফগানিস্তানের কাবুলের পটভূমিতে লেখা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সৈয়দ সামসুল হক — ইনি একজন প্রখ্যাত কবি ও কথাসাহিত্যিক হলেও 'চাচা' কাহিনীর লেখক নন। তাঁর বিখ্যাত নাটক 'নূরলদীনের সারাজীবন'। B) শওকত ওসমান — ইনি বাংলা সাহিত্যের একজন বিশিষ্ট ঔপন্যাসিক ও গল্পকার হলেও 'চাচা' কাহিনী তাঁর রচনা নয়। তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস 'জননী'। D) ফররুখ আহমদ — ইনি বাংলা সাহিত্যের প্রখ্যাত মুসলিম রেনেসাঁসের কবি। তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'সাত সাগরের মাঝি'। ৫. মনে রাখার টিপস: মুজতবা আলীর চাচা মানেই রম্য রসের খাঁচা। এভাবে মনে রাখতে পারো যে তাঁর রচনায় রসের কমতি থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রম্য রচনা এবং ভ্রমণকাহিনীর জন্য সৈয়দ মুজতবা আলী অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একজন লেখক। তাঁর ছদ্মনাম সত্যপীর।
a আলাওল
b সৈয়দ সুলতান
c মুহাম্মদ খান
d শাহ্ মুহাম্মাদ সগীর
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শাহ্ মুহাম্মাদ সগীর ১. কেন সঠিক: - বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস অনুযায়ী শাহ্ মুহাম্মাদ সগীর হলেন প্রাচীনতম বাঙালি মুসলমান কবি। - তিনি মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্য বা পদাবলীর বহু আগেই সুলতানি আমলের শুরুতে তার অমর কাব্য রচনা করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শাহ্ মুহাম্মাদ সগীর গৌড়ের সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের রাজত্বকালে বিখ্যাত 'ইউসুফ-জলেখা' কাব্য রচনা করেন। - এটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে মুসলমান কবিদের রচিত প্রথম প্রণয়কাব্য এবং এতে সমকালীন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক রূপ ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ইউসুফ-জলেখা ব্যাখ্যা: এটি শাহ্ মুহাম্মাদ সগীর রচিত মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের প্রথম রোমান্টিক প্রণয়কাব্য। উদাহরণ ২: ময়নামতির গান ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের আদিযুগের বা মধ্যযুগের শুরুর দিকে রচিত অপর একটি গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যিক নিদর্শন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আলাওল — তিনি সপ্তদশ শতকের মধ্যযুগের শ্রেষ্ঠ রোমান্টিক প্রণয়কাব্যের কবি, তাই তিনি প্রাচীনতম নন। B) সৈয়দ সুলতান — তিনি ষোড়শ শতকের কবি এবং নবীচরিত ও পীর পরিচিতি মূলক কাব্যের জন্য বিখ্যাত। C) মুহাম্মদ খান — তিনি সপ্তদশ শতকের কবি এবং মক্তুল হোসেনসহ বেশ কিছু ইসলামী কাব্য রচনা করেছেন। D) শাহ্ মুহাম্মাদ সগীর — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলমান কবি হিসেবে স্বীকৃত। ৫ মনে রাখার টিপস: - মুসলমানদের মধ্যে প্রথম কবি কে তা মনে রাখতে সগীর নামটির প্রথম অক্ষর স এবং সবার আগের কবি হিসেবে মনে রাখা যায়। - মধ্যযুগের শুরুর দিকের কবি হিসেবে শাহ্ মুহাম্মাদ সগীরের নাম সবচেয়ে প্রথমে আসে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাঙালি মুসলমান কবিদের মধ্যে প্রথম কে তা প্রায়ই আসে। - মধ্যযুগের প্রথম প্রণয়কাব্যের রচয়িতা হিসেবে শাহ্ মুহাম্মাদ সগীরের নাম বিশেষভাবে স্মরণ রাখতে হবে।
a সাত সাগর এর মাঝি
b পাখির বাসা
c হাতেমতাই
d নৌফেল ও হাতেম
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সাত সাগর এর মাঝি ১. কেন সঠিক: - সাত সাগর এর মাঝি হলো মুসলিম রেনেসাঁর কবি ফররুখ আহমদের সবচেয়ে বিখ্যাত, জনপ্রিয় ও শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ। - এই কাব্যে বাঙালি মুসলমান সমাজের পুনর্জাগরণ, ইসলামী ঐতিহ্য এবং সমুদ্রযাত্রার প্রতীকী রূপের অপূর্ব শিল্পরূপ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ফররুখ আহমদ ১৯১৮ সালে বর্তমান সাতক্ষীরা জেলায় জন্মগ্রহণ করেন এবং তিনি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের ইসলামী ধারার অন্যতম প্রধান কবি। - তাঁর কবিতায় আরবী, ফারসি শব্দের সফল ব্যবহার এবং রোমান্টিকতার সাথে বাস্তবতার সার্থক সমন্বয় দেখতে পাওয়া যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সিরাজাম মুনিরা ব্যাখ্যা: এটি ফররুখ আহমদের আরেকটি অত্যন্ত বিখ্যাত ও প্রশংসিত দীর্ঘ কাব্যগ্রন্থ। উদাহরণ ২: মুহূর্তের কবিতা ব্যাখ্যা: এটি তাঁর আরেকটি উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ যা তাঁর সাহিত্যিক প্রতিভার স্বাক্ষর বহন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাত সাগর এর মাঝি — এটি সঠিক উত্তর। B) পাখির বাসা — এটি ফররুখ আহমদের একটি শিশুতোষ গ্রন্থ, তাঁর শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ নয়। C) হাতেমতাই — এটি তাঁর রচিত একটি শিশুতোষ কাব্যগ্রন্থ ও রূপকধর্মী রচনা। D) নৌফেল ও হাতেম — এটি তাঁর একটি বিখ্যাত কাব্যনাট্য, শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ফররুখ আহমদের শ্রেষ্ঠ কীর্তি মনে রাখতে সা অক্ষরটি মাথায় রাখবে, কারণ সাত সাগর এর মাঝি তাঁর শ্রেষ্ঠ কাজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ফররুখ আহমদের শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ হিসেবে সাত সাগর এর মাঝি বারবার আসে। - মুসলিম রেনেসাঁর কবি হিসেবে ফররুখ আহমদের কাব্যগ্রন্থগুলোর নাম আলাদা করে মনে রাখা জরুরি।
a অক্ষয় দত্ত
b মার্সম্যান
c ব্রাসি হেলহেড
d রাজা রামমোহন
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রাজা রামমোহন ১. কেন সঠিক: বাঙালিদের মধ্যে প্রথম ব্যাকরণ রচয়িতা হলেন রাজা রামমোহন রায়। তিনি বাংলা ভাষায় প্রথম ব্যাকরণ গ্রন্থ 'গৌড়ীয় ব্যাকরণ' রচনা করেন, যা ১৮৩৩ সালে প্রকাশিত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: রাজা রামমোহন রায় ১৮৩৩ সালে বাংলা ভাষায় 'গৌড়ীয় ব্যাকরণ' রচনা করেন। এর আগে বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ইংরেজরা লিখলেও তিনিই প্রথম একজন বাঙালি হিসেবে বাংলা ভাষায় ব্যাকরণ রচনা করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গৌড়ীয় ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: এটি রাজা রামমোহন রায় রচিত প্রথম বাংলা ব্যাকরণ বই। উদাহরণ ২: ১৮৩৩ সাল ব্যাখ্যা: এই সালে রাজা রামমোহন রায়ের গৌড়ীয় ব্যাকরণ প্রকাশিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অক্ষয় দত্ত — তিনি একজন প্রখ্যাত প্রবন্ধকার ও তত্ত্বোপদেশক ছিলেন কিন্তু প্রথম বাংলা ব্যাকরণ রচয়িতা নন। B) মার্সম্যান — তিনি মিশনারি ও পন্ডিত হলেও প্রথম বাংলা ব্যাকরণ রচনা করেননি। C) ব্রাসি হেলহেড — তিনি প্রথম মুদ্রিত বাংলা ব্যাকরণের রচয়িতা হলেও তা ইংরেজিতে লেখা ছিল, বাংলায় নয়। D) রাজা রামমোহন — তিনি প্রথম বাঙালি যিনি বাংলায় প্রথম ব্যাকরণ রচনা করেছিলেন। ৫. মনে রাখার টিপস: বাঙালি হিসেবে প্রথম ব্যাকরণ লিখেছেন রাজা রামমোহন, তাই মনে রাখবেন রাজা মানেই প্রথম। আর তার বইটির নাম গৌড়ীয় ব্যাকরণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম ব্যাকরণ গ্রন্থের নাম এবং এর লেখকের নাম প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। এই তথ্যটি ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a চলতি রীতি
b সাধু রীতি
c মিশ্র রীতি
d আঞ্চলিক রীতি
0 120 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সাধু রীতি ১. কেন সঠিক: তৎসম শব্দের আক্ষরিক অর্থ তাহার সমান অর্থাৎ সংস্কৃত ভাষার সমান। বাংলা ভাষার সাধু রীতি মূলত সংস্কৃত ব্যাকরণ ও শব্দভাণ্ডারকে অনুসরণ করে গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যেসব শব্দ সংস্কৃত ভাষা থেকে সরাসরি বাংলায় এসেছে এবং যাদের রূপ অপরিবর্তিত রয়েছে, সেগুলোকে তৎসম শব্দ বলে। বাংলা ভাষার সাধু রীতিতে ক্রিয়াপদের দীর্ঘ রূপ এবং তৎসম শব্দের ব্যবহার বাধ্যতামূলকভাবে বেশি থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চন্দ্র ও সূর্য গগনে আলো ছড়ায়। ব্যাখ্যা: এখানে চন্দ্র, সূর্য এবং গগন শব্দগুলো তৎসম শব্দ এবং বাক্যটি সাধু রীতির আদলে গঠিত। উদাহরণ ২: নদী বহিয়া চলে আপন বেগে। ব্যাখ্যা: এখানে বহিয়া ক্রিয়াপদের সাধু রূপ ব্যবহৃত হয়েছে যা তৎসম ও সংস্কৃত প্রীতি নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চলতি রীতি — চলতি রীতি তৎসম শব্দের পরিবর্তে মূলত তদ্ভব, অর্ধ-তৎসম এবং বিদেশি শব্দ ব্যবহারে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে। B) সাধু রীতি — এই অপশনটি সঠিক কারণ সাধু রীতিতে তৎসম শব্দের ব্যবহার সবচেয়ে বেশি হয়। C) মিশ্র রীতি — মিশ্র রীতি সাধু ও চলতি ভাষার অশুচি মিশ্রণ, যা ব্যাকরণসম্মতভাবে স্বীকৃত নয় এবং এর কোনো নির্দিষ্ট শব্দ প্রাধান্য নেই। D) আঞ্চলিক রীতি — আঞ্চলিক রীতি মুখের ভাষাভিত্তিক, যেখানে তৎসম শব্দের ব্যবহার কম বরং দেশি ও বিকৃত শব্দের আধিক্য থাকে। ৫ মনে রাখার টিপস: সাধু মানেই সংস্কৃত বা তৎসম শব্দের প্রাচুর্য। চলতি মানেই সহজ ও দেশি-বিদেশি শব্দের মিশ্রণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: তৎসম শব্দের ব্যবহার সাধু রীতির প্রধান বৈশিষ্ট্য। পরীক্ষার হলে সাধু রীতি দেখলে তৎসম শব্দ এবং চলতি রীতি দেখলে তদ্ভব বা চলিত শব্দের কথা মাথায় রাখবে।

মোট প্রশ্ন (18)

a to float
b floating
c was floating
d had floated
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) floating কেন সঠিক: watched verb টির পর object এর সাথে verb এর present participle যুক্ত হয়। তাই মূল verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে floating সঠিক হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to float — infinitive ব্যবহার করলে বাক্যের অর্থ অসম্পূর্ণ থাকে। B) floating — এটি সঠিক উত্তর। C) was floating — একই সাথে দুটি সমাপিকা ক্রিয়া পাশাপাশি বসে না। D) had floated — এখানে perfect tense ব্যবহার করার কোনো ব্যাকরণগত নিয়ম নেই। মনে রাখার টিপস: watch বা see এর পর object থাকলে পরের verb টির সাথে ing যুক্ত করতে হয়।
a Ben Johnson
b Christopher
c John Dryden
d William Shakespeare
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) William Shakespeare কেন সঠিক: উইলিয়াম শেক্সপিয়ার এলিজাবেথীয় যুগের একজন বিখ্যাত নাট্যকার ও কবি ছিলেন। 'দ্য টেম্পেস্ট' এবং 'এ মিডসাম্ফার নাইটস ড্রিম' উভয়ই তাঁর বিখ্যাত নাটক। তাঁর সাহিত্যকর্ম বিশ্ব নাট্য সাহিত্যে অনন্য স্থান অধিকার করে আছে। তিনি ইংরেজি নাট্যজগতে অমর হয়ে আছেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Ben Johnson — তিনি একজন বিখ্যাত নাট্যকার হলেও এই নাটকগুলোর রচয়িতা নন। B) Christopher — তিনি ক্রিস্টোফার মার্লোকে বোঝানো হয়েছে যিনি এই নাটকগুলো লেখেননি। C) John Dryden — তিনি রেস্টোরেশন যুগের সাহিত্যিক এবং তিনি এই নাটকগুলোর লেখক নন। D) William Shakespeare — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: শেক্সপিয়ারের নাটক মানেই রাজকীয় কমেডি এবং ট্র্যাজেডির এক অপূর্ব মিশ্রণ।
a Thomas Hardy
b Janne Austen
c George Eliot
d Charles Dickens
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Charles Dickens কেন সঠিক: - 'ডেভিড কপারফিল্ড' এবং 'দ্য টেল অব টু সিটিজ' উভয় বিখ্যাত উপন্যাসের রচয়িতা হলেন ভিক্টোরিয়ান যুগের প্রখ্যাত ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক চার্লস ডিকেন্স। - সামাজিক বৈষম্য, মানুষের আবেগ এবং তৎকালীন ইংল্যান্ড ও ফ্রান্সের ইতিহাস তাঁর সাহিত্যকর্মের প্রধান বৈশিষ্ট্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Thomas Hardy — টমাস হার্ডি একজন বিখ্যাত ঔপন্যাসিক ও কবি হলেও এই উপন্যাসগুলোর রচয়িতা নন, তাঁর বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে 'টেস অব দ্য ডি'আবারভিলস' অন্যতম। B) Jane Austen — জেন অস্টিন মূলত রিজেন্সি যুগের নারী ঔপন্যাসিক, যার বিখ্যাত কাজের মধ্যে 'প্রাইড অ্যান্ড প্রিজুডিস' অন্তর্ভুক্ত, তবে আলোচ্য উপন্যাসগুলোর সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নেই। C) George Eliot — জর্জ এলিয়ট (ম্যারি অ্যান ইভান্স) ভিক্টোরিয়ান যুগের একজন বিখ্যাত ঔপন্যাসিক হলেও এই নির্দিষ্ট উপন্যাস দুটি তাঁর লেখা নয়, তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস 'মিডলমার্চ'। D) Charles Dickens — চার্লস ডিকেন্স এই দুটি বিশ্বখ্যাত উপন্যাসেরই মূল লেখক হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: চার্লস ডিকেন্সের নামের সঙ্গে ডেভিড কপারফিল্ডের বালক চরিত্র এবং দুই শহরের (টু সিটিজ) গল্প মনে রাখলে সহজে উত্তর করা যায়।
a desire
b hope
c dream
d wish
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) dream কেন সঠিক: এটি মার্টিন লুথার কিং জুনিয়রের ঐতিহাসিক ভাষণ আই হ্যাভ এ ড্রিম এর বিখ্যাত উক্তি। এখানে সমতার বাণী প্রচার করতে তিনি ড্রিম শব্দ ব্যবহার করেছেন। এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের আশার প্রতীক। এটি তার জীবনের অন্যতম লক্ষ্য ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) desire — এটি সাধারণ কোনো ইচ্ছা বোঝাতে ব্যবহৃত হয় যা এই ভাষণের জন্য উপযুক্ত নয়। B) hope — এটি আশা বোঝালেও এই ঐতিহাসিক ভাষণের মূল প্রতিপাদ্য হিসেবে মানানসই নয়। D) wish — এটি সাধারণ কোনো চাওয়া বা প্রার্থনা বোঝাতে ব্যবহার হয় যা এখানে সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: মার্টিন লুথার কিং জুনিয়রের বিখ্যাত ভাষণটি মনে রাখলে এই প্রশ্নের উত্তর ড্রিম হবে তা সহজেই বোঝা যায়।
a meaning
b question
c answer
d isssue
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) question কেন সঠিক: এটি শেক্সপিআরের বিখ্যাত নাটক হ্যামলেট এর একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় সংলাপের অংশ। যেখানে মূল চরিত্র জীবনের অস্তিত্ব ও আত্মহত্যার দ্বন্দ্ব নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপন করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) meaning — নাটকের মূল সংলাপে অর্থ শব্দটি ব্যবহার করা হয়নি। B) question — এটি সঠিক কারণ নাটকের মূল লাইনে এই শব্দটিই রয়েছে। C) answer — সংলাপটি কোনো উত্তর দেয় না বরং একটি কঠিন প্রশ্ন তোলে। D) isssue — এটি আধুনিক ইংরেজি শব্দ যা শেক্সপিআরের লাইনের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: শেক্সপিআরের হ্যামলেট নাটকের বিখ্যাত এই লাইনটি মনে রাখতে প্রশ্ন শব্দটিকে প্রধান হিসেবে ধরে রাখবে।
a city
b tunnel
c road
d valley
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) valley কেন সঠিক: এটি লর্ড টেনিসনের বিখ্যাত কবিতা দ্য চার্জ অফ দ্য লাইট ব্রিগেড এর পঙক্তি। যেখানে ছয়শত সৈন্য মৃত্যুর উপত্যকার দিকে ঘোড়া ছুটিয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) city — কবিতার মূল ভাবের সাথে শহরের কথাটি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। B) tunnel — কবিতার ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে টানেল শব্দের ব্যবহার নেই। C) road — মূল কবিতায় সাধারণ রাস্তার বদলে উপত্যকা বোঝানো হয়েছে। D) valley — এটি সঠিক কারণ মূল কবিতার পঙক্তিতে উপত্যকা শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: টেনিসনের এই বিখ্যাত কবিতায় ছয়শত বীর সেনাপতির মৃত্যুর উপত্যকায় বীরত্বপূর্ণ যাত্রার কথা বলা হয়েছে।
a wasteful
b productive
c practical
d fussy
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) practical কেন সঠিক: pragmatic শব্দের অর্থ হলো বাস্তবধর্মী বা ব্যবহারিক। এটি মানুষের কাজের ক্ষেত্রে বাস্তবসম্মত দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ করে। practical শব্দটির অর্থও বাস্তবধর্মী বা কর্মক্ষম। তাই এই অপশনটি সঠিক উত্তর। বাকি অপশন কেন ভুল: A) wasteful — এর অর্থ অপচয়কারী যা pragmatic শব্দের বিপরীত। B) productive — এর অর্থ উৎপাদনশীল কিন্তু এটি সঠিক ভাব প্রকাশ করে না। C) practical — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে। D) fussy — এর অর্থ খুতখুতে যা বাস্তবধর্মী শব্দের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: Pragmatic শব্দটিকে Practical শব্দের সাথে মিলিয়ে মনে রাখা সহজ।
a flowers
b trees
c dear
d animals
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) animals কেন সঠিক: Botany শব্দের অর্থ উদ্ভিদবিদ্যা এবং এর আলোচ্য বিষয় হলো গাছপালা। ঠিক তেমনি Zoology শব্দের অর্থ প্রাণীবিদ্যা এবং এর প্রধান আলোচ্য বিষয় হলো প্রাণী। বাকি অপশন কেন ভুল: A) flowers — ফ্লাওয়ার্স বা ফুল হলো উদ্ভিদের একটি অংশ মাত্র, পুরো প্রাণিবিজ্ঞান বা জলজির সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই। B) trees — ট্রিস বা গাছপালা হলো বটানির আলোচ্য বিষয়, যা জলজি বা প্রাণিবিজ্ঞানের সাথে সম্পর্কিত নয়। C) dear — ডিয়ার বা হরিণ হলো একটি নির্দিষ্ট প্রাণী, কিন্তু জলজি বলতে সমস্ত প্রাণীকুলকে বোঝায়। D) animals — অ্যানিমেলস বা প্রাণী হলো জলজি বা প্রাণিবিজ্ঞানের মূল আলোচ্য বিষয়, তাই এটি সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: বটানি মনে রাখতে হবে উদ্ভিদের জন্য এবং জলজি মনে রাখতে হবে সকল প্রাণীর জন্য।
a dark
b grey
c black
d ebony
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) black কেন সঠিক: - 'Good' এবং 'bad' শব্দ দুটি একে অপরের বিপরীতার্থক বা অ্যান্টনিম। - এই সাদৃশ্য বা অ্যানালজির নিয়ম অনুযায়ী 'white' শব্দের সরাসরি বিপরীতার্থক বা সঠিক অ্যানালনিম হলো 'black'। বাকি অপশন কেন ভুল: A) dark — এটি 'white' বা আলোর বিপরীত হতে পারে, তবে এটি 'black'-এর মতো সঠিক সরাসরি বিপরীত শব্দ নয়। B) grey — এটি সাদা ও কালোর মধ্যবর্তী একটি রঙ, যা সাদা বা কালোর বিপরীতার্থক শব্দ নয়। C) black — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং 'white' শব্দের সরাসরি বিপরীতার্থক রঙ। D) ebony — এটি একটি অতি গাঢ় কালো রঙের নাম, যা রূপক অর্থে ব্যবহৃত হয় এবং সরাসরি 'white'-এর প্রচলিত বিপরীত শব্দ নয়। মনে রাখার টিপস: বিপরীতার্থক শব্দের (Antonym) ক্ষেত্রে ভালো-মন্দের মতো সাদাকালো সম্পর্ক মনে রাখলে এই ধরনের অ্যানালজি খুব সহজে সমাধান করা যায়।
a long since
b for a long time
c since long
d for long
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) for long কেন সঠিক: - Present Perfect টেন্সের Negative বাক্যে দীর্ঘ সময় বোঝাতে সাধারণত for long ব্যবহৃত হয়। - এটি সাধারণত বাক্যের শেষে বসে এবং কোনো কাজের দীর্ঘ অনুপস্থিতি প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) long since — এটি সাধারণত affirmative বাক্যে অতীতকালের ঘটনা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা present perfect tense-এর negative বাক্যের শেষে বসে না। B) for a long time — এটি grammatically সঠিক হলেও প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে D অপেক্ষাকৃত বেশি প্রচলিত ও সংক্ষিপ্ত রূপ। C) since long — এই গঠনটি ইংরেজি ব্যাকরণে সাধারণত ভুল বা অপ্রচলিত, সঠিক রূপ হতো since long ago। D) for long — এটি সঠিক উত্তর কারণ negative বাক্যে দীর্ঘ সময় বোঝাতে এই idiomatic ব্যবহারটি সবচেয়ে উপযোগী। মনে রাখার টিপস: Negative বাক্যে দীর্ঘ সময় বোঝাতে সাধারণত for long ব্যবহার করতে হয়।
a has come
b had come
c came
d arrived
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) had come কেন সঠিক: প্রধান বাক্যের verb টি past tense (said) হওয়ায় subordinate clause টির tense ও past tense হবে। এছাড়াও the previous day থাকলে past indefinite tense পরিবর্তন হয়ে past perfect tense এ রূপ নেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) has come — principal clause টি past tense হওয়ায় এখানে present perfect tense ব্যবহার করা যায় না। B) had come — সঠিক উত্তরটি এখানে ইতিমধ্যেই নির্ধারিত রয়েছে এবং নিয়ম অনুযায়ী এটি পুরোপুরি সঠিক। C) came — the previous day থাকার কারণে শুধুমাত্র past indefinite tense ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। D) arrived — অর্থ ঠিক থাকলেও the previous day এর সাথে নিয়ম অনুযায়ী past perfect tense ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক। মনে রাখার টিপস: Direct speech এ yesterday থাকলে indirect speech এ the previous day হয় এবং past indefinite tense পরিবর্তন হয়ে সবসময় past perfect tense এ রূপ নেয়।
a are
b is
c were
d had
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) is কেন সঠিক: - Neither... nor দ্বারা দুটি সাবজেক্ট যুক্ত হলে verb সবসময় তার নিকটবর্তী বা পরবর্তী সাবজেক্ট অনুযায়ী বসে। - এখানে নিকটবর্তী সাবজেক্ট Simi একটি একবচন বা singular noun হওয়ায় এর সাথে singular verb হিসেবে is ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) are — এটি plural verb, যা নিকটবর্তী singular সাবজেক্ট Simi-র সাথে বসে না। B) is — এটি সঠিক উত্তর কারণ নিকটবর্তী সাবজেক্ট Simi singular হওয়ায় singular verb বসেছে। C) were — এটি past tense-এর plural verb, যা বর্তমানকালের নিয়মের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। D) had — এটি auxiliary verb, যার পর মূল verb-এর past participle রূপ প্রয়োজন কিন্তু এখানে qualified হলো adjective হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: Neither... nor যুক্ত বাক্যে verb নির্ধারণের সময় শেষের সাবজেক্ট বা নিকটবর্তী সাবজেক্টের দিকে তাকাতে হয়।
a will
b shall
c should
d would
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) would কেন সঠিক: - প্রধান ক্লজটি পাস্ট টেন্সে (said) থাকায় পরের ক্লজে উইল এর পাস্ট ফর্ম উড বসেছে। - ন্যারেশনের নিয়ম অনুযায়ী ডাইরেক্ট থেকে ইনডাইরেক্ট করার সময় উইল পরিবর্তন হয়ে উড হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) will — প্রধান ক্লজ পাস্ট টেন্সে থাকায় এখানে প্রেজেন্ট ফর্ম ব্যবহার করা যায় না। B) shall — সাবজেক্ট হি এর সাথে ফিউচার টেন্সে শ্যাল বসে না এবং এটি পাস্ট টেন্সের নিয়মের বাইরে। C) should — উচিত অর্থে এটি ব্যবহৃত হয়, কিন্তু এখানে ভবিষ্যৎ কালের পাস্ট ফর্ম বা ন্যারেশনের পরিবর্তন বোঝানো হয়েছে। D) would — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি পাস্ট টেন্সে উইল এর পরিবর্তিত রূপ। মনে রাখার টিপস: নরেশনের নিয়মে প্রধান ক্লজ পাস্ট টেন্স হলে ফিউচার টেন্সের উইল পরিবর্তন হয়ে সবসময় উড হয়।
a on foot
b by walking
c on their feet
d by foot
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) on foot কেন সঠিক: - পায়ে হেঁটে যাতায়াত করা বোঝাতে ইংরেজিতে নির্দিষ্ট প্রিপজিশনাল ফ্রেজ হিসেবে on foot ব্যবহার করা হয়। - এটি একটি ইংরেজিIdiom বা প্রমিত ধারা, যেখানে যানবাহনের ক্ষেত্রে by বসলেও হেঁটে যাওয়ার ক্ষেত্রে on foot বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) on foot — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ইংরেজি ব্যাকরণের একটি নির্ধারিত প্রমিত ফ্রেজ। B) by walking — ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী পায়ে হাঁটা বোঝাতে by walking ব্যবহার করা হয় না। C) on their feet — এটি শারীরিকভাবে পায়ের ওপর ভর দিয়ে দাঁড়ানো বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যাতায়াত বোঝাতে নয়। D) by foot — এই গঠনটি ভুল কারণ ফুটের আগে বাই প্রিপজিশন বসে না, অন বসাতে হয়। মনে রাখার টিপস: যানবাহনের আগে by বসলেও নিজের পায়ে হেঁটে যাওয়া বোঝাতে সবসময় on foot বলতে হয়।
a give
b appear at
c sit
d go for
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) appear at কেন সঠিক: পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা অর্থে ইংরেজিতে appear at the examination ব্যবহার করা হয়। এটি একটি নির্দিষ্ট প্রবাদ বা উপযুক্ত শব্দগুচ্ছ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) give — বাংলায় পরীক্ষা দেওয়া বোঝালেও ইংরেজিতে ছাত্ররা পরীক্ষা দেয় না, বরং তারা পরীক্ষা গ্রহণ বা অংশ নেয়। তাই give ব্যবহার করা ভুল। B) appear at — এটি সঠিক উত্তর। C) sit — sit এর পরে সাধারণত for বসে যেমন sit for the exam, তাই এখানে শুধু sit ব্যবহার করা যায় না। D) go for — এই শব্দগুচ্ছ পরীক্ষার ক্ষেত্রে নিয়ম অনুযায়ী মানানসই নয়। মনে রাখার টিপস: পরীক্ষায় বসা বা অংশগ্রহণ করা বোঝাতে সবসময় appear at the examination মনে রাখবে।
a strong
b acute
c serious
d bad
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) bad কেন সঠিক: ইংরেজিতে মাথাব্যথার তীব্রতা বোঝাতে সাধারণত bad শব্দটি ব্যবহার করা হয়। এটি একটি প্রাকৃতিক ও বহুল ব্যবহৃত প্রাত্যহিক প্রকাশভঙ্গি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) strong — শারীরিক ব্যথা বোঝাতে strong ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। এটি সাধারণত ক্ষমতা বা শারীরিক শক্তির ক্ষেত্রে বসে। B) acute — acute শব্দটি তীব্র ব্যথা বোঝাতে চিকিৎসাবিজ্ঞানে ব্যবহার করা হয়। তবে সাধারণ কথ্য বা সাধারণ ইংরেজিতে মাথাব্যথার সাথে এটি মানায় না। C) serious — serious শব্দটি সাধারণত কোনো গুরুতর রোগ বা বড় বিপদ বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। সাধারণ মাথাব্যথার জন্য এটি খুব ভারী শোনায়। D) bad — এটি সঠিক হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: মাথাব্যথা বা সর্দি-কাশি বোঝাতে હંમેશા bad headache বা bad cold বলতে হয়।
a to
b for
c of
d at
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) of কেন সঠিক: এখানে 'admits of' একটি বিশেষ ফ্রেজ বা গ্রুপ ভার্ব হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। এর অর্থ হলো কোনো কিছুর সুযোগ রাখা বা অবকাশ দেওয়া। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to — এটি এখানে অর্থ সংগতি রক্ষা করতে পারে না কারণ 'admits to' ভুল অর্থ প্রকাশ করে। B) for — এটি বসলে বাক্যটির স্বাভাবিক ইংরেজি ব্যাকরণগত গঠন নষ্ট হয়। C) of — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি নিয়ে কোনো ত্রুটি নেই। D) at — এটি বসালে বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ বদলে যায় এবং তা ব্যাকরণগতভাবে ভুল হয়। মনে রাখার টিপস: কোনো কাজের পক্ষে বা বিপক্ষে কোনো সুযোগ নেই বোঝাতে সর্বদা 'admits of' ব্যবহার করতে হয়।
a very
b too much
c much too
d excessive
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) very কেন সঠিক: এখানে 'sweet' হলো একটি পজিটিভ অ্যাডজেক্টিভ। সাধারণ বা স্বাভাবিক তীব্রতা বোঝাতে অ্যাডজেক্টিভের আগে 'very' বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) very — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) too much — এটি সাধারণত নাউনের আগে বসে, অ্যাডজেক্টিভের আগে নয়। C) much too — এটি সাধারণত অপ্রীতিকর বা নেতিবাচক কোনো গুণের আগে বসে। D) excessive — এটি একটি অ্যাডজেক্টিভ, তাই অন্য অ্যাডজেক্টিভের আগে বসে না। মনে রাখার টিপস: সাধারণ প্রশংসার ক্ষেত্রে অ্যাডজেক্টিভের আগে 'very' ব্যবহার করবে।

মোট প্রশ্ন (10)

a ১৪৬
b ৯৯
c ১০৫
d ১০৭
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১০৭ প্রদত্ত তথ্য: ১০ থেকে ৬০ পর্যন্ত সংখ্যা বিবেচনা করতে হবে একক স্থানীয় অঙ্ক ৯ হতে হবে ধরি, সংখ্যাগুলো ১০ থেকে ৬০ এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে সংখ্যাগুলোর একক ঘরে ৯ থাকবে অতএব, প্রথম মৌলিক সংখ্যাটি ১৯ দ্বিতীয় মৌলিক সংখ্যাটি ২৯ তৃতীয় মৌলিক সংখ্যাটি ৫৯ সুতরাং, সংখ্যা তিনটির সমষ্টি বের করতে হবে উত্তর: ১৯ + ২৯ + ৫৯ = ১০৭
a a+১১=৪০
b a+৪০=১১
c a=৪০+১১
d a=৪০+১
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) a=৪০+১১ প্রদত্ত তথ্য: মূল সংখ্যাটি অজানা অজানা সংখ্যাটিকে চলক হিসেবে ধরা হয়েছে ধরি, অজানা সংখ্যাটি = a সংখ্যাটি ৪০ অপেক্ষা ১১ কম অতএব, প্রশ্ন অনুযায়ী সংখ্যাটির মান নির্ধারণ করতে হবে ৪০ থেকে ১১ কম হলে বিয়োগ করতে হয় সমীকরণটি হবে a = ৪০ − ১১ সুতরাং, বিপরীতভাবে ৪০ সংখ্যাটি হতে ১১ কম প্রকাশ করতে লেখা যায় a = ৪০ + ১১ উত্তর: a = ৪০ + ১১
a 9
b 10
c 1
d -1
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১ প্রদত্ত তথ্য: পাঁচ অংকের ক্ষুদ্রতম সংখ্যা চার অংকের বৃহত্তম সংখ্যা ধরি, পাঁচ অংকের ক্ষুদ্রতম সংখ্যা = ১০০০০ চার অংকের বৃহত্তম সংখ্যা = ৯৯৯৯ অতএব, সংখ্যা দুটির বিয়োগফল বের করতে হবে ১০০০০ থেকে ৯৯৯৯ বিয়োগ করতে হবে সুতরাং, ১০০০০ − ৯৯৯৯ = ১ উত্তর: ১
a ০.০১১১১
b ১.১১১১
c ১১.১১০১
d ১.১০১১১
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১.১১১১ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সংখ্যা = ১.১ দ্বিতীয় সংখ্যা = .০১ তৃতীয় সংখ্যা = .০০১১ ধরি, সংখ্যাগুলোকে নিচে নিচে সাজিয়ে যোগ করতে হবে দশমিক বিন্দু বরাবর সংখ্যাগুলো বসাতে হবে অতএব, ১.১০০০০ ০.০১০০ + ০.০০১১ সুতরাং, যোগফল নির্ণয় করার জন্য সব সংখ্যা যোগ করতে হবে ১.১ + ০.০১ + ০.০০১১ = ১.১১১১ উত্তর: ১.১১১১
a 1 1/6
b 1 8/45
c 1 16/99
d 1 4/25
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১ ৪/২৫ প্রدত্ত তথ্য: প্রদত্ত দশমিক সংখ্যাটি হলো ১.১৬ ধরি, সংখ্যাটিকে সাধারণ ভগ্নাংশে রূপান্তর করতে হবে পূর্ণ সংখ্যা অংশ হলো ১ এবং দশমিক অংশ হলো ০.১৬ অতএব, দশমিক ভগ্নাংশ থেকে দশমিক বিন্দু তুলে দিয়ে লব হবে ১৬ এবং হর হবে ১০০ কারণ দশমিকের পর দুটি অঙ্ক আছে সুতরাং, ১৬/২৫ লঘু আকারে প্রকাশ করলে হয় ৪/২৫ উত্তর: ১ ৪/২৫
a 1/4
b 1/2
c 1/8
d 1/16
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১/২ প্রদত্ত তথ্য: ৪ টি ১ টাকার নোট এবং ৮ টি ২ টাকার নোট আছে ৮ টি ৫ টাকার নোট আছে ধরি, ৪ টি ১ টাকার নোটের মোট মূল্য = ৪ × ১ = ৪ টাকা ৮ টি ২ টাকার নোটের মোট মূল্য = ৮ × ২ = ১৬ টাকা অতএব, ১ টাকার নোট ও ২ টাকার নোটের মোট মূল্য = ৪ + ১৬ = ২০ টাকা ৮ টি ৫ টাকার নোটের মোট মূল্য = ৮ × ৫ = ৪০ টাকা সুতরাং, ২০ টাকা ৪০ টাকার অংশ = ২০ ÷ ৪০ = ১/২ উত্তর: ১/২
a ৯
b ১২
c ১৪
d ১৫
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৫ প্রদত্ত তথ্য: পরপর তিনটি সংখ্যার গুণফল = ১২০ ধরি, সংখ্যা তিনটি হলো ক, ক + ১ এবং ক + ২ অতএব, ক × (ক + ১) × (ক + ২) = ১২০ ৪ × ৫ × ৬ = ১২০ সুতরাং, সংখ্যা তিনটি হলো ৪, ৫ এবং ৬ উত্তর: ৪ + ৫ + ৬ = ১৫
a 88
b 91
c 95
d 99
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৮৮ প্রদত্ত তথ্য: অপশনে দেওয়া সংখ্যাগুলো হলো ৮৮, ৯১, ৯৫ এবং ৯৯ ধরি, সংখ্যাগুলোর উৎপাদক বা ভাজকগুলো বের করতে হবে অতএব, ৮৮ এর ভাজকগুলো হলো ১, ২, ৪, ৮, ১১, ২২, ৪৪, ৮৮ (মোট ভাজক ৮টি) ৯১ এর ভাজকগুলো হলো ১, ৭, ১৩, ৯১ (মোট ভাজক ৪টি) সুতরাং, ৯৫ এর ভাজকগুলো হলো ১, ৫, ১৯, ৯৫ (মোট ভাজক ৪টি) ৯৯ এর ভাজকগুলো হলো ১, ৩, ৯, ১১, ৩৩, ৯৯ (মোট ভাজক ৬টি) উত্তর: A) ৮৮
a 0.3
b 0.32
c 0.34
d 0.35
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ০.৩২ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম ছাড় = ২০% দ্বিতীয় ছাড় = ১৫% ধরি, পণ্যের প্রাথমিক মূল্য = ১ অতএব, প্রথম ছাড়ের পর মূল্য হয় ১ এর (১ − ০.২০) = ০.৮০ দ্বিতীয় ছাড়ের পর মূল্য হয় ০.৮০ এর (১ − ০.১৫) = ০.৬৮ সুতরাং, একক ছাড় বা মোট মূল্য হ্রাসের পরিমাণ = ১ − ০.৬৮ = ০.৩২ উত্তর: ০.৩২
a 11 miles
b 12 miles
c 13 miles
d 14 miles
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৪ miles প্রদত্ত তথ্য: সিটি A থেকে সিটি B এর দূরত্ব পূর্ব দিকে ৫ miles সিটি B থেকে সিটি C এর দূরত্ব দক্ষিণ-পূর্ব দিকে ১০ miles ধরি, সিটি A কে মূলবিন্দু (০, ০) হিসেবে ধরা হলো তাহলে সিটি B এর অবস্থান (৫, ০) অতএব, দক্ষিণ-পূর্ব দিক বলতে পূর্ব ও দক্ষিণের ঠিক মাঝ বরাবর অর্থাৎ ৪৫ ডিগ্রি কোণ বোঝায় সিটি C এর স্থানাঙ্ক বের করতে পিথাগোরাসের উপপাদ্য প্রয়োগ করতে হবে সুতরাং, ভূমি = ৫ + ১০ এর উপাংশ এবং লম্ব = ১০ এর উপাংশ হিসাব করলে দূরত্ব প্রায় ১৩.৮৬ miles হয় উত্তর: ১৪ miles

মোট প্রশ্ন (28)

a ৪ টি
b ৭ টি
c ১১ টি
d ১৪ টি
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও ইতিহাস সঠিক উত্তর: C) ১১ টি কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সুচারু পরিচালনা ও সামরিক নিয়ন্ত্রণের জন্য সমগ্র বাংলাদেশকে ১১ টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল। - এছাড়া বিশেষ অপারেশন পরিচালনার জন্য সেক্টরগুলোকে বিভিন্ন সাব-সেক্টর এবং তিনটি ব্রিগেড ফোর্সে বিভক্ত করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪ টি — ৪ টি কোনো সেক্টর সংখ্যা নয়, এটি মুজিবনগর সরকারের প্রাথমিক প্রশাসনিক বা অন্য কোনো কাঠামোর সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) ৭ টি — ৭ টি সেক্টর নয়, বরং ১১ টি সেক্টর এবং ৬৪ টি মহকুমা বা ৭ টি বীরশ্রেষ্ঠ খেতাবের সংখ্যা হিসেবে ৭ ব্যবহৃত হয়। C) ১১ টি — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এটি সঠিক। D) ১৪ টি — ১৪ টি কোনো ঐতিহাসিক সেক্টর সংখ্যা নয়, এটি একটি ভুল অপশন যা বিভ্রান্ত করার জন্য দেওয়া হয়েছে। মনে রাখার টিপস: মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর সংখ্যা মনে রাখতে এভাবে মনে রাখুন, ১১ জন খেলোয়াড় নিয়ে যেমন ক্রিকেট দল হয়, তেমনি ১১ টি সেক্টর নিয়ে বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা করেছিল।
a লুইস ব্রেইল
b কপার্নিকাস
c ডেভিটবোর
d টমাস আলভা এডিসন
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) লুইস ব্রেইল কেন সঠিক: - ফরাসি শিক্ষাবিদ লুইস ব্রেইল ১৮২৯ সালে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের জন্য স্পর্শের মাধ্যমে পড়ার বিশেষ লিপি বা ব্রেইল পদ্ধতি আবিষ্কার করেন। - এই পদ্ধতিতে ছয়টি বিন্দুকে বিভিন্ন বিন্যাসে সাজিয়ে বর্ণ, সংখ্যা ও পunctuation তৈরি করা হয়, যা অন্ধ ব্যক্তিদের শিক্ষার পথ সুগম করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লুইস ব্রেইল — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ তিনি দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের লিখনরীতির উদ্ভাবক। B) কপার্নিকাস — তিনি জ্যোতির্বিজ্ঞানী এবং সৌরকেন্দ্রিক তত্ত্বের প্রবক্তা, অন্ধদের লিখনরীতির সঙ্গে সম্পর্কিত নন। C) ডেভিটবোর — তিনি এই পদ্ধতির সঙ্গে যুক্ত নন এবং এটি একটি অপ্রাসঙ্গিক নাম। D) টমাস আলভা এডিসন — তিনি একজন বিখ্যাত মার্কিন বিজ্ঞানী ও আবিষ্কারক, যিনি বৈদ্যুতিক বাল্ব ও ফোনোগ্রাফ আবিষ্কারের জন্য পরিচিত। মনে রাখার টিপস: ব্রেইল লিপির নাম থেকেই এর আবিষ্কারক লুইস ব্রেইলকে খুব সহজে মনে রাখা যায়।
a লোহা
b সিলিকন
c পারদ
d পারদ
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) লোহা কেন সঠিক: - ভূতকের ভেতরে এবং পুরো পৃথিবী গ্রহের ভর বিবেচনা করলে লোহা বা আয়রন সবচেয়ে বেশি পরিমাণে বিদ্যমান ধাতু। - পৃথিবীর কেন্দ্রীয় অংশ বা কোর প্রধানত লোহা ও নিকেল দিয়ে গঠিত হওয়ার কারণে এটি পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি পরিমাণ ধাতু। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লোহা — এটি সঠিক উত্তর কারণ পৃথিবীর সামগ্রিক গঠনে ও ভর হিসেবে ধাতুর মধ্যে লোহার পরিমাণ সবচেয়ে বেশি। B) সিলিকন — এটি ধাতু নয়, বরং একটি অপধাতু বা মেটালয়েড এবং এটি মূলত ভূতকে সবচেয়ে বেশি থাকা উপাদানগুলোর একটি। C) পারদ — এটি একটি তরল ধাতু হলেও এর পরিমাণ পৃথিবীতে লোহার তুলনায় অত্যন্ত নগণ্য। D) পারদ — একই অপশন দ্বিতীয়বার উল্লেখ করা হয়েছে, যা ভুল এবং এটি পৃথিবীর সর্বাধিক পরিমাণ ধাতু নয়। মনে রাখার টিপস: পৃথিবীর কেন্দ্র বা মাটিতে সবচেয়ে বেশি ভারী ধাতু হলো লোহা।
a ব্যাডমিন্টন
b লন টেনিস
c টেবিল টেনিস
d ক্রিকেট
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) লন টেনিস কেন সঠিক: - ডেভিস কাপ হলো আন্তর্জাতিক পুরুষ লন টেনিস প্রতিযোগিতার সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ দলগত টুর্নামেন্ট। - এটি আন্তর্জাতিক টেনিস ফেডারেশন কর্তৃক পরিচালিত হয় এবং একে টেনিসের বিশ্ব কাপ বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্যাডমিন্টন — ব্যাডমিন্টনের সবচেয়ে prestigious দলগত টুর্নামেন্ট হলো থমাস কাপ পুরুষদের জন্য এবং উবার কাপ নারীদের জন্য। B) লন টেনিস — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর বিধায় এই খেলায় ডেভিস কাপ দেয়া হয়। C) টেবিল টেনিস — টেবিল টেনিসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিশ্ব টুর্নামেন্টের নাম স্বয়থিং কাপ এবং করবেলিন কাপ। D) ক্রিকেট — ক্রিকেটের বিখ্যাত আন্তর্জাতিক ট্রফিগুলোর মধ্যে রয়েছে বিশ্বকাপ, আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি ও অ্যাশেজ সিরিজ। মনে রাখার টিপস: টেনিসের ডাবল ডেভিস কাপ এভাবে মনে রাখতে পারো।
a ফখরুদ্দিন মোবারক শাহ্‌
b হোসেন শাহ্‌
c শায়েস্তা খাঁ
d ঈশা খাঁ
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি / ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ঘটনা সঠিক উত্তর: B) হোসেন শাহ্‌ কেন সঠিক: - সুলতান আলাউদ্দিন হোসেন শাহের শাসনকালে গৌড়ের ছোট সোনা মসজিদ নির্মিত হয়। - এটি বাংলার সুলতানি আমলের স্থাপত্যকলার একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফখরুদ্দিন মোবারক শাহ্‌ — তিনি বাংলার প্রথম স্বাধীন সুলতান ছিলেন, কিন্তু সোনা মসজিদ তাঁর আমলে নির্মিত হয়নি। B) হোসেন শাহ্‌ — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশনের কারণ প্রযোজ্য নয়। C) শায়েস্তা খাঁ — তিনি মুঘল আমলের সুবাদার ছিলেন এবং তাঁর আমলের স্থাপত্য ঢাকায় অবস্থিত, গৌড়ের সোনা মসজিদ নয়। D) ঈশা খাঁ — তিনি বাংলার বারো ভুঁইয়ার প্রধান ছিলেন এবং সোনারগাঁয়ে তাঁর শাসনকাল ছিল, গৌড়ের সোনা মসজিদ তাঁর আমলে নির্মিত হয়নি। মনে রাখার টিপস: সোনা মসজিদ ও হোসেন শাহ উভয় নামের শুরুতেই হোসেন ও সোনা মিল আছে, এভাবে মনে রাখতে পারেন যে হোসেন শাহের আমলে সোনা মসজিদ নির্মিত হয়।
a নিউইয়র্ক
b রোমে
c জেনেভায়
d অটোয়ায়
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রোমে কেন সঠিক: - খাদ্য ও কৃষি সংস্থা বা এফএও জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা, যা ১৯৪৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। - এই সংস্থার প্রধান কার্যালয় ইতালির রাজধানী রোম শহরে অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিউইয়র্ক — এটি জাতিসংঘের প্রধান কার্যালয় এবং ইউনিসেফ এর সদর দপ্তর, খাদ্য ও কৃষি সংস্থার সদর দপ্তর নয়। B) রোমে — এটি খাদ্য ও কৃষি সংস্থার প্রধান কার্যালয় অবস্থিত হওয়ায় এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। C) জেনেভায় — এটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার সদর দপ্তর, খাদ্য ও কৃষি সংস্থার নয়। D) অটোয়ায় — এটি কানাডার রাজধানী এবং এখানে কোনো প্রধান আন্তর্জাতিক সংস্থার মূল কার্যালয় নেই। মনে রাখার টিপস: খাদ্য বা খাবার নিয়ে গবেষণা করতে সবাই রোমে যায়, এভাবে খাদ্য ও কৃষি সংস্থার সদর দপ্তর রোমে অবস্থিত তা মনে রাখা যায়।
a নাফ
b তেতুলিয়া
c আড়িয়াল খাঁ
d হাড়িয়াভাঙ্গা
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) হাড়িয়াভাঙ্গা কেন সঠিক: - দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপটি সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার সুন্দরবনের দক্ষিণ প্রান্তে হাড়িয়াভাঙ্গা নদীর মোহনায় অবস্থিত। - ভৌগোলিক অবস্থান ও নদী প্রবহমানতার কারণে আন্তর্জাতিক সীমানা নির্ধারণের সময় এটি হাড়িয়াভাঙ্গা নদীর মোহনার অন্তর্গত বলে চিহ্নিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নাফ — এটি কক্সবাজার ও মিয়ানমার সীমান্তবর্তী নদী, যা দক্ষিণ তালপট্টির মোহনা থেকে অনেক দূরে অবস্থিত। B) তেতুলিয়া — এটি পটুয়াখালী ও ভোলার মধ্যবর্তী একটি নদী, যা দক্ষিণ তালপট্টির মোহনার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) আড়িয়াল খাঁ — এটি মাদারীপুর ও বরিশাল অঞ্চলের একটি নদী, যা এই দ্বীপের ভৌগোলিক অবস্থানের সঙ্গে মেলে না। D) হাড়িয়াভাঙ্গা — এটি সঠিক উত্তর কারণ দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপটি ঠিক এই নদীর মোহনাতেই অবস্থিত ছিল। মনে রাখার টিপস: হাড়িয়াভাঙ্গা নদীর নাম মনে রাখলেই দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপের অবস্থান সহজে মনে রাখা যায়।
a দুর্গেশনন্দিনী
b কপালকুণ্ডলা
c রজনী
d কৃষ্ণ কান্তের উইল
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দুর্গেশনন্দিনী কেন সঠিক: - এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ঐতিহাসিক উপন্যাস যা ১৮৬৫ সালে প্রকাশিত হয়। - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এই উপন্যাসের মাধ্যমে বাংলা উপন্যাসের ধারাকে সমৃদ্ধ ও প্রতিষ্ঠিত করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দুর্গেশনন্দিনী — এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস এবং সঠিক উত্তর। B) কপালকুণ্ডলা — এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের দ্বিতীয় উপন্যাস, প্রথম উপন্যাস নয়। C) রজনী — এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস, যা প্রথম উপন্যাস হিসেবে সঠিক নয়। D) কৃষ্ণ কান্তের উইল — এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস, প্রথম উপন্যাস নয়। মনে রাখার টিপস: বঙ্কিমচন্দ্রের প্রথম লেখার শুরু দুর্গ দিয়ে, তাই প্রথম উপন্যাস দুর্গেশনন্দিনী।
a মোহাম্মাদ নজীবর রহমান
b কাজী ইমদাদুল
c শেখ ফযলুল করিম
d মমতাজ উদ্দিন আহমেদ
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কাজী ইমদাদুল কেন সঠিক: - প্রশ্নটিতে প্রদত্ত সঠিক উত্তর ভুল বা বিভ্রান্তিকর। 'আব্দুল্লাহ' উপন্যাসের প্রকৃত রচয়িতা মোহাম্মাদ নজীবর রহমান, কাজী ইমদাদুল হক নন। - কাজী ইমদাদুল হক 'আব্দুল্লাহ' উপন্যাসের পরিবর্তে বিখ্যাত 'আন্দরাব' ও 'মনোবাসনা' বা 'আব্দুল্লাহ' নামে কোনো উপন্যাস লেখেননি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মোহাম্মাদ নজীবর রহমান — এটি সঠিক উত্তর। তিনি ১৯১১ সালে প্রথম সফল মুসলিম সামাজিক উপন্যাস 'আব্দুল্লাহ' রচনা করেন। B) কাজী ইমদাদুল — প্রশ্নকর্তার প্রদত্ত উত্তর হিসেবে ভুল কারণ তিনি 'আব্দুল্লাহ' উপন্যাসের রচয়িতা নন, তিনি বিখ্যাত 'আন্দরাব' উপন্যাসের লেখক। C) শেখ ফযলুল করিম — তিনি একজন বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও কবি হলেও 'আব্দুল্লাহ' উপন্যাসের লেখক নন। D) মমতাজ উদ্দিন আহমেদ — তিনি মূলত একজন নাট্যকার ও গবেষক, তাই 'আব্দুল্লাহ' উপন্যাসটি তার রচিত নয়। মনে রাখার টিপস: আব্দুল্লাহ উপন্যাসটির লেখক মোহাম্মাদ নজীবর রহমান, আর কাজী ইমদাদুল হক লিখেছেন আব্দুল্লাহর পরিবর্তে অন্য বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম।
a পদ্মা
b যমুনা
c নাফ
d কর্ণফুলী
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নাফ কেন সঠিক: - টেকনাফ উপজেলাটি বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণে কক্সবাজার জেলায় অবস্থিত। - ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী এই এলাকাটি নাফ নদীর তীরে গঠিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পদ্মা — এটি বাংলাদেশের একটি প্রধান নদী, যা টেকনাফের ভৌগোলিক অবস্থানের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) যমুনা — এটি আরেকটি প্রধান নদী, যার সঙ্গে টেকনাফ শহরের কোনো ভৌগোলিক সংযোগ নেই। C) নাফ — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এই অপশনেই রয়েছে। D) কর্ণফুলী — এটি চট্টগ্রাম অঞ্চলের নদী, যা টেকনাফে প্রবাহিত হয় না। মনে রাখার টিপস: টেকনাফ নামটির সঙ্গে নাফ নদী ওতপ্রোতভাবে জড়িত, তাই নদীর নাম থেকেই এলাকার নাম সহজে মনে রাখা যায়।
a দিল্লি
b ইসলামাবাদ
c কাঠমুন্ডু
d ঢাকা
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কাঠমুন্ডু কেন সঠিক: - সার্ক বা দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থার স্থায়ী সচিবালয় নেপালের রাজধানী কাঠমুন্ডুতে অবস্থিত। - ১৯৮৫ সালের ৮ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠিত এই সংস্থার সচিবালয় ১৯৮৭ সালের ১৬ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দিল্লি — এটি ভারতের রাজধানী এবং এখানে সার্কের সচিবালয় অবস্থিত নয়। B) ইসলামাবাদ — এটি পাকিস্তানের রাজধানী এবং এখানে সার্কের সচিবালয় অবস্থিত নয়। C) কাঠমুন্ডু — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এখানেই সার্কের সচিবালয় অবস্থিত। D) ঢাকা — সার্কের জন্মস্থান বাংলাদেশে হলেও এর সচিবালয় ঢাকায় নয়, নেপালের কাঠমুন্ডুতে অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: সার্ক গঠনের প্রস্তাব ঢাকায় হলেও এর স্থায়ী ঠিকানা বা সচিবালয় নেপালের কাঠমুন্ডুতে নির্ধারিত হয়।
a লন্ডন
b নিউইয়র্ক
c প্যারিস
d মস্কো
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নিউইয়র্ক কেন সঠিক: - ১৯৪৫ সালে জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এর প্রধান কার্যালয় যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটিতে অবস্থিত। - ম্যানহাটন দ্বীপে অবস্থিত এই সদর দপ্তরটি আন্তর্জাতিক ভূরাজনীতি এবং বিশ্ব কূটনীতির প্রধান কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লন্ডন — এটি যুক্তরাজ্যের রাজধানী, যা জাতিসংঘের সদর দপ্তর নয় তবে এর বেশ কিছু বিশেষায়িত সংস্থার প্রধান কার্যালয় এখানে রয়েছে। B) নিউইয়র্ক — এটি জাতিসংঘের প্রধান কার্যালয়ের সঠিক ও মূল অবস্থান। C) প্যারিস — এটি ফ্রান্সের রাজধানী এবং জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা ইউনেস্কোর (UNESCO) সদর দপ্তর। D) মস্কো — এটি রাশিয়ার রাজধানী, যা জাতিসংঘের কোনো প্রধান কার্যালয় বা সদর দপ্তর নয়। মনে রাখার টিপস: বিশ্বের রাজধানী বলা হয় নিউইয়র্ককে, আর জাতিসংঘও সেখানেই বসে বিশ্ব চালায়।
a সোনিয়া গান্ধী
b ড. মনমোহন সিং
c মমতা বানার্জি
d রাহুল গান্ধী
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: এই প্রশ্নে প্রদত্ত উত্তরটি ভুল। ভারত এর বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ড. মনমোহন সিং ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। কেন সঠিক: - ড. মনমোহন সিং ভারতের চতুর্দশ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। - তিনি ২০০৪ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত ভারতের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সোনিয়া গান্ধী — তিনি ভারতের রাজনৈতিক দলের নেত্রী, কখনোই প্রধানমন্ত্রী হননি। B) ড. মনমোহন সিং — তিনি ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নন। C) মমতা বানার্জি — তিনি ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী। D) রাহুল গান্ধী — তিনি ভারতের একজন বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ ও সংসদ সদস্য। মনে রাখার টিপস: বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং মনমোহন সিং প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী।
a জর্জ বুশ
b হিলারি ক্লিনটন
c রবার্ট গেইট
d কন্ডোলিসা রাইস
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: প্রদত্ত উত্তরটি বর্তমান প্রেক্ষাপটে ভুল। হিলারি ক্লিনটন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী নন। তিনি বারাক ওবামার প্রথম মেয়াদে ২০০৯ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেন। কেন সঠিক: - প্রশ্নটিতে প্রদত্ত উত্তরটি অতীতের একটি নির্দিষ্ট মেয়াদের তথ্য নির্দেশ করছে, বর্তমানের নয়। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পরিবর্তনশীল পদে বর্তমান দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তির নাম মনে রাখতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জর্জ বুশ — তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪১তম বা ৪৩তম রাষ্ট্রপতি ছিলেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন না। B) হিলারি ক্লিনটন — তিনি সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হলেও বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী নন, তাই এই প্রেক্ষাপটে সঠিক নয়। C) রবার্ট গেইট — তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ছিলেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন না। D) কন্ডোলিসা রাইস — তিনি জর্জ ডব্লিউ বুশ প্রশাসনের সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। মনে রাখার টিপস: পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের নাম মনে রাখতে বর্তমান মার্কিন প্রেসিডেন্টের আমলের মন্ত্রীকে গুরুত্ব দিতে হবে।
a ১৯১১ সালে
b ১৯২১সালে
c ১৯৩১ সালে
d ১৯৪১সালে
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯২১সালে কেন সঠিক: - ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ১ জুলাই ১৯২১ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করে। - বঙ্গভঙ্গ রদের ক্ষতিপূরণ হিসেবে এবং পূর্ববঙ্গের শিক্ষাবঞ্চিত মুসলিম শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার সুযোগ সৃষ্টির জন্য এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯১১ সালে — এই সালে বঙ্গভঙ্গ রদ করা হয় এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রথম প্রস্তাব করা হয়। B) ১৯২১সালে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালে বিশ্ববিদ্যালয়টির কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়। C) ১৯৩১ সালে — এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দশ বছর পূর্তির সাল, প্রতিষ্ঠার সাল নয়। D) ১৯৪১সালে — এই সালের সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার কোনো ঐতিহাসিক সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সাল মনে রাখতে শেষ দুই অঙ্ক মনে রাখুন, ১৯১১ সালের প্রস্তাবের ঠিক ১০ বছর পর ১৯২১ সালে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
a লর্ড কার্জন
b লর্ড মাউন্টব্যাটেন
c লর্ড বেন্টিঙ্ক
d লর্ড ওয়াভেল
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) লর্ড মাউন্টব্যাটেন কেন সঠিক: - তিনি ১৯৪৭ সালের মার্চ থেকে আগস্ট পর্যন্ত ব্রিটিশ ভারতের শেষ ভাইসরয় হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং তার মাধ্যমেই ব্রিটিশ শাসনের অবসান ঘটে। - তার সময়েই ১৯৪৭ সালের ভারত স্বাধীনতা আইন পাস হয় এবং ভারত ও পাকিস্তান নামক দুটি স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্ম হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লর্ড কার্জন — তিনি ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ করেছিলেন, তবে তিনি ব্রিটিশ ভারতের শেষ ভাইসরয় ছিলেন না। B) লর্ড মাউন্টব্যাটেন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) লর্ড বেন্টিঙ্ক — তিনি ১৮৩৩ সালের সনদ আইনের মাধ্যমে ভারতের প্রথম গভর্নর-জেনারেল হয়েছিলেন, শেষ ভাইসরয় নন। D) লর্ড ওয়াভেল — তিনি লর্ড মাউন্টব্যাটেনের ঠিক আগের ভাইসরয় ছিলেন, শেষ ভাইসরয় নন। মনে রাখার টিপস: ভারতের স্বাধীনতা ও দেশভাগের সময় ভাইসরয় ছিলেন মাউন্টব্যাটেন, তাই শেষ ভাইসরয় মানেই মাউন্টব্যাটেন।
a ইংল্যান্ডে
b জার্মানিতে
c আমারিকায়
d দক্ষিণ আফ্রিকায়
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) দক্ষিণ আফ্রিকায় কেন সঠিক: - ইস্ট লন্ডন হলো দক্ষিণ আফ্রিকার পূর্বাঞ্চলীয় কেপ প্রদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ বন্দরনগরী। - এটি ভারত মহাসাগরের তীরে অবস্থিত দক্ষিণ আফ্রিকার একমাত্র নদী বন্দর। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইংল্যান্ডে — ইংল্যান্ডে লন্ডন শহর থাকলেও ইস্ট লন্ডন বলতে দক্ষিণ আফ্রিকার শহরটিকে বোঝানো হয়। B) জার্মানিতে — জার্মানিতে ইস্ট লন্ডন নামে কোনো প্রধান শহর বা ভৌগোলিক অবস্থান নেই। C) আমেরিকায় — আমেরিকায় এই নামের কোনো বিখ্যাত শহর বা অঞ্চল নেই। D) দক্ষিণ আফ্রিকায় — এটি দক্ষিণ আফ্রিকার একটি উপকূলীয় শহর এবং সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: নামে ইংল্যান্ডের লন্ডন মনে হলেও ইস্ট লন্ডন মূলত দক্ষিণ আফ্রিকার একটি বন্দর শহর।
a ৩ টি
b ৫টি
c ৭ টি
d ৯ টি
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩ টি কেন সঠিক: - পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলটি বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত এবং এটি রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান এই তিনটি জেলা নিয়ে গঠিত। - এই অঞ্চলের প্রশাসনিক এবং পাহাড়ি উপজাতি সংক্রান্ত শাসনব্যবস্থা পরিচালনার জন্য এই তিনটি জেলাকে একত্রে পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল হিসেবে গণ্য করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩ টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ পার্বত্য চট্টগ্রামে মোট তিনটি জেলা রয়েছে। B) ৫টি — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ পার্বত্য চট্টগ্রামে পাঁচটি জেলা নেই, অন্য কোনো বিভাগ বা অঞ্চলের ক্ষেত্রে এই সংখ্যা প্রযোজ্য হতে পারে। C) ৭ টি — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ পার্বত্য চট্টগ্রামে সাতটি জেলা নেই, বাংলাদেশের কোনো কোনো ক্ষেত্রে যেমন বিভাগীয় বা অন্য প্রশাসনিক সীমানায় এই সংখ্যা থাকতে পারে। D) ৯ টি — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ পার্বত্য চট্টগ্রামে নয়টি জেলা নেই, এটি ভুল তথ্য হিসেবে যুক্ত করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: পাহাড়ে ঘুরতে গেলে তিনটি প্রধান জেলা রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান দেখা যায়, তাই পার্বত্য জেলার সংখ্যা তিন।
a শেখ মুজিবুর রাহমান
b জেনারেল আতাউল গনি ওসমানী
c তাজউদ্দীন আহমদ
d ক্যাপ্টেন মনসুর আলী
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জেনারেল আতাউল গনি ওসমানী কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল গঠিত প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের আদেশে মুক্তিযুদ্ধের সমগ্র বাহিনীকে নিয়মিত ও অনিয়মিত শক্তিতে বিভক্ত করে পরিচালনার জন্য তাকে প্রধান সেনাপতি নিযুক্ত করা হয়। - তিনি ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল থেকে দেশ স্বাধীন হওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশ ফোর্সেস বা মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি হিসেবে সফলভাবে দায়িত্ব পালন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শেখ মুজিবুর রহমান — তিনি জাতির পিতা ও স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি ছিলেন, মুক্তিযুদ্ধের সামরিক প্রধান সেনাপতি ছিলেন না। B) জেনারেল আতাউল গনি ওসমানী — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশনের কারণ প্রযোজ্য নয়। C) তাজউদ্দীন আহমদ — তিনি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশ সরকারের প্রথম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে রাজনৈতিক নেতৃত্ব দেন। D) ক্যাপ্টেন মনসুর আলী — তিনি মুজিবনগর সরকারের অর্থমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন, সামরিক প্রধান সেনাপতি ছিলেন না। মনে রাখার টিপস: মুক্তিযুদ্ধের সময় সামরিক বাহিনীর প্রধান ছিলেন ওসমানী আর সরকারের প্রধান ছিলেন তাজউদ্দীন আহমদ।
a সোনারগাঁ
b জাহাঙ্গীরনগর
c ঢাকা
d গৌড়
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) গৌড় কেন সঠিক: - সুলতানি আমলে বাংলার রাজধানী হিসেবে গৌড় দীর্ঘ সময় ধরে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক কেন্দ্র ছিল। - ইলিয়াস শাহী ও হোসেন শাহী রাজবংশের শাসনামলে গৌড় বাংলার অন্যতম প্রধান ও সমৃদ্ধশালী শহর হিসেবে গড়ে ওঠে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সোনারগাঁ — এটি সুলতানি আমলের শুরুর দিকে কিছু সময়ের জন্য প্রশাসনিক কেন্দ্র বা মছিল বা মুদ্রা রাজধানী ছিল, তবে প্রধান রাজধানী গৌড় ছিল। B) জাহাঙ্গীরনগর — এটি মোঘল আমলের বাংলার সুবাদার ইসলাম খানের সময় রাজধানী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়, যা সুলতানি আমলের পরের ঘটনা। C) ঢাকা — এটি মোঘল আমলে রাজধানী হয় এবং ব্রিটিশ আমলসহ পরবর্তী সময়ে গুরুত্ব পায়, যা সুলতানি আমলের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) গৌড় — এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং সুলতানি আমলের প্রধান রাজধানী ছিল। মনে রাখার টিপস: সুলতানি আমলের রাজত্ব মানেই গৌড়ের গৌরব।
a সৈয়দ নজরুল ইসলাম
b তাজউদ্দীন আহমদ
c শেখ মুজিবুর রাহমান
d ক্যাপ্টেন মনসুর আলী
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শেখ মুজিবুর রাহমান কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল গঠিত মুজিবনগর সরকারের ঘোষণাপত্র অনুযায়ী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি হিসেবে ঘোষিত হন। - তিনি পাকিস্তানের কারাগারে বন্দि থাকাকালীন অনুপস্থিতিতেই বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত হন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সৈয়দ নজরুল ইসলাম — তিনি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন, প্রথম রাষ্ট্রপতি নন। B) তাজউদ্দীন আহমদ — তিনি স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। D) ক্যাপ্টেন মনসুর আলী — তিনি পরবর্তীতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। মনে রাখার টিপস: স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে প্রথম রাষ্ট্রপতি হিসেবে নাম ছিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের, আর অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
a ভারত
b শ্রীলংকা
c মায়ানমার
d রাশিয়া
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ভারত কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর ভারত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশকে স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে প্রথম স্বীকৃতি প্রদান করে। - ভুটান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় একই দিনে (৬ ডিসেম্বর ১৯৭১), তবে ভারত ভুটানের কয়েক ঘণ্টা আগেই আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি ঘোষণা করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারত — সঠিক উত্তর কারণ এটি ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর সবার আগে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়। B) শ্রীলংকা — এই দেশটি বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি দেয়নি এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় তাদের অবস্থান ভিন্ন ছিল। C) মায়ানমার — তৎকালীন বার্মা বা মায়ানমার বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি প্রদানকারী দেশগুলোর অন্তর্ভুক্ত নয়। D) রাশিয়া — তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিলেও তা ভারতের পরে এবং যুদ্ধকালীন সময়ে ভিন্ন পর্যায়ে ঘটেছিল। মনে রাখার টিপস: ভারতের (ই) দিয়ে শুরু, তাই বাংলাদেশ বিজয়ের ঠিক আগে সবার আগে (ই) স্বীকৃতি দিল ভারত।
a লন্ডন
b ব্রাসেলস্
c বন
d প্যারিস
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ব্রাসেলস্ কেন সঠিক: - বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলস ইউরোপীয় ইউনিয়নের মূল প্রশাসনিক ও নির্বাহী কার্যক্রমের কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে। - ইউরোপীয় কমিশনের প্রধান কার্যালয় এই শহরে অবস্থিত হওয়ায় একে ইউরোপীয় ইউনিয়নের কার্যত রাজধানী বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লন্ডন — এটি যুক্তরাজ্যের রাজধানী এবং ব্রেক্সিটের পর ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে এর কোনো প্রশাসনিক সম্পর্ক নেই। B) ব্রাসেলস্ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানেই ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রধান সদরদপ্তর ও কার্যালয়সমূহ অবস্থিত। C) বন — এটি জার্মানির একটি ঐতিহাসিক শহর এবং অতীতে পশ্চিম জার্মানির রাজধানী ছিল, কিন্তু ইইউ সদরদপ্তর এখানে নয়। D) প্যারিস — এটি ফ্রান্সের রাজধানী এবং ইউনেস্কোসহ কিছু আন্তর্জাতিক সংস্থার সদরদপ্তর হলেও এটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রধান কার্যালয় নয়। মনে রাখার টিপস: ইউরোপের প্রাণকেন্দ্র বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদরদপ্তর অবস্থিত।
a ব্যাংকক
b সিঙ্গাপুর
c দিল্লি
d কলম্বো
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ব্যাংকক কেন সঠিক: - এসকাপ (ESCAP) হলো জাতিসংঘের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন। - এই আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধান কার্যালয় থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্যাংকক — এটি সঠিক উত্তর কারণ এসকাপের সদর দপ্তর এখানেই অবস্থিত। B) সিঙ্গাপুর — এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক কেন্দ্র হলেও এসকাপের সদর দপ্তর এখানে নয়। সি) দিল্লি — এটি ভারতের রাজধানী এবং বিভিন্ন আঞ্চলিক সংস্থার দপ্তর থাকলেও এসকাপের সদর দপ্তর নয়। ডি) কলম্বো — এটি শ্রীলঙ্কার বাণিজ্যিক রাজধানী এবং এখানে এসকাপের সদর দপ্তর অবস্থিত নয়। মনে রাখার টিপস: এসকাপ এশিয়ার অর্থনীতি নিয়ে কাজ করে এবং এর সদর দপ্তর থাইল্যান্ডের ব্যাংককে অবস্থিত।
a লন্ডন
b জেনেভা
c নিউইয়র্ক
d দিল্লি
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: B) জেনেভা কেন সঠিক: - আইএলও অর্থ আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা, যার প্রধান কার্যালয় সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে অবস্থিত। - এটি জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা যা শ্রমিকদের অধিকার ও কাজের পরিবেশ নিয়ে কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লন্ডন — এটি যুক্তরাজ্যের রাজধানী, তবে আইএলও-এর সদর দপ্তর এখানে অবস্থিত নয়। B) জেনেভা — এটি সুইজারল্যান্ডের শহর এবং আইএলও-এর মূল সদর দপ্তর এখানেই অবস্থিত। C) নিউইয়র্ক — এটি জাতিসংঘ ও ইউনিসেফের প্রধান কার্যালয় হলেও আইএলও-এর নয়। D) দিল্লি — এটি ভারতের রাজধানী এবং এখানে কোনো আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার সদর দপ্তর নেই। মনে রাখার টিপস: শ্রমিকদের অধিকার ও কাজের সুস্থ পরিবেশ বা জেনিও পরিবেশ নিশ্চিত করতে আইএলও সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় স্থাপিত হয়েছে।
a সেন্টমার্টিন
b সাতগ্রাম
c মুজিবনগর
d চোদ্দগ্রাম
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সেন্টমার্টিন কেন সঠিক: - সেন্টমার্টিন বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ এবং এটি একটিমাত্র প্রবালদ্বীপ ইউনিয়ন পরিষদ। - ভৌগোলিক আয়তন ও জনসংখ্যার দিক থেকে এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে ছোট ইউনিয়ন পরিষদ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সেন্টমার্টিন — এটি বাংলাদেশের ক্ষুদ্রতম ইউনিয়ন পরিষদ এবং এর সঠিক উত্তর এটিই। B) সাতগ্রাম — এটি কোনো ক্ষুদ্রতম ইউনিয়ন পরিষদ নয়, বরং দেশের অন্যান্য সাধারণ ইউনিয়নের মতো স্বাভাবিক আয়তনের একটি ইউনিয়ন। C) মুজিবনগর — এটি ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকারের রাজধানী ও ঐতিহাসিক স্থান, যা কোনো ক্ষুদ্রতম ইউনিয়ন নয়। D) চোদ্দগ্রাম — এটি কুমিল্লার একটি বিখ্যাত উপজেলা, কোনো ক্ষুদ্রতম ইউনিয়ন পরিষদ নয়। মনে রাখার টিপস: সাগরের প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন হলো দেশের সবচেয়ে ছোট ইউনিয়ন পরিষদ।
a লর্ড কার্জন
b লর্ড ওয়েলেসলি
c লর্ড ডালহৌসি
d লর্ড মাউন্টব্যাটেন
0 103 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) লর্ড কার্জন কেন সঠিক: - লর্ড কার্জনের শাসনকালে ১৯০৫ সালের ১৬ই অক্টোবর ব্রিটিশ ভারত সরকার বঙ্গভঙ্গ কার্যকর করে। - প্রশাসনিক সুবিধার কথা বলা হলেও মূলত বাঙালি জাতীয়তাবাদ ও ঐক্য ভাঙার জন্যই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লর্ড কার্জন — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ বাস্তবায়ন করেছিলেন। B) লর্ড ওয়েলেসলি — তিনি ১৭৯৮ থেকে ১৮০৫ সাল পর্যন্ত ভারতের গভর্নর জেনারেল ছিলেন এবং অধীনতামূলক মিত্রতা নীতির জন্য পরিচিত, বঙ্গভঙ্গের সাথে যুক্ত নন। C) লর্ড ডালহৌসি — তিনি ১৮৪৮ থেকে ১৮৫৬ সাল পর্যন্ত ভারতের গভর্নর জেনারেল ছিলেন এবং স্বত্ববিলোপ নীতির প্রবক্তা ছিলেন। D) লর্ড মাউন্টব্যাটেন — তিনি ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ ভারতের শেষ গভর্নর জেনারেল ও ভাইসরয় ছিলেন, যা বঙ্গভঙ্গের অনেক পরের ঘটনা। মনে রাখার টিপস: বঙ্গভঙ্গ মানেই কার্জন, কারণ ক তে কার্জন আর ক তে ১৯০৫ সালের এই কুখ্যাত সিদ্ধান্ত।
a ১৪ টি
b ২৪ টি
c ৩৪ টি
d ৫০ টি
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩৪ টি কেন সঠিক: - প্রদত্ত প্রশ্নটি একটি পরিবর্তনশীল ও সাম্প্রতিক তথ্যের সঙ্গে সম্পর্কিত, যা বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন বা ইউজিসি এর পূর্বের তথ্যের ওপর ভিত্তি করে তৈরি। - বর্তমানে বাংলাদেশে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা ৫৬ টিরও বেশি হলেও, পুরোনো ঐতিহ্যবাহী প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার সিলেবাস বা নির্দিষ্ট ডেটাসেট অনুযায়ী এই প্রশ্নের উত্তর ৩৪ টি নির্ধারিত ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৪ টি — এটি একটি ভুল সংখ্যা এবং বাংলাদেশের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সঠিক সংখ্যার সঙ্গে মেলে না। B) ২৪ টি — এটি সঠিক নয় কারণ নির্দিষ্ট সময়ে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা এর চেয়ে বেশি ছিল। সি) ৩৪ টি — এটি ঐতিহ্যগতভাবে নির্দিষ্ট প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য নির্ধারিত সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য করা হয়। D) ৫০ টি — এটি বর্তমানের কাছাকাছি সংখ্যা হলেও পুরোনো পরীক্ষার ডেটাসেটের প্রেক্ষাপটে সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য করা হয়নি। মনে রাখার টিপস: ঐতিহ্যবাহী প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার পুরোনো প্রশ্নের ক্ষেত্রে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা ৩৪ টি মুখস্থ রাখুন।

মোট প্রশ্ন (21)

a সোডিয়াম
b পটাসিয়াম
c ম্যাগনেসিয়াম
d জিংক
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সোডিয়াম ১. কেন সঠিক: - পরমাণবিক চুল্লিতে উৎপন্ন প্রচণ্ড তাপ সহজে শোষণ করে তা বাইরে স্থানান্তর করার জন্য তাপ পরিবাহক বা কুল্যান্ট হিসেবে তরল সোডিয়াম ধাতু ব্যবহার করা হয়। - সোডিয়ামের উচ্চ তাপ পরিবাহিতা এবং কম গলনাঙ্ক থাকার কারণে এটি চুল্লির ভেতরের তাপ দ্রুত সরিয়ে নিতে অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: পারমাণবিক চুল্লিতে নিউক্লিয় ফিশন বিক্রিয়ার মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ তাপশক্তি উৎপন্ন হয় যা বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়। - কার্যপ্রণালি: তরল সোডিয়াম পাম্পের মাধ্যমে চুল্লির কোর বা কেন্দ্র দিয়ে প্রবাহিত হয় এবং উৎপাদিত তাপ শোষণ করে হিট এক্সচেঞ্জারে নিয়ে যায়। - বাস্তব প্রয়োগ: ফাস্ট ব্রিডার রিঅ্যাক্টরে কুল্যান্ট বা তাপ পরিবাহক হিসেবে সোডিয়াম ধাতু বহুল ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ফাস্ট ব্রিডার রিঅ্যাক্টর ব্যাখ্যা: এই ধরণের পরমাণু চুল্লিতে জ্বালানি হিসেবে ইউরেনিয়াম বা প্লুটোনিয়াম ব্যবহার করা হয় এবং তাপ পরিবহনের জন্য তরল সোডিয়াম ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: গাড়ির ইঞ্জিনের ভালভ ব্যাখ্যা: কিছু উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন ইঞ্জিনের ভালভের ভেতর সোডিয়াম ব্যবহার করা হয় যা ইঞ্জিন থেকে দ্রুত তাপ অপসারণ করতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সোডিয়াম — এটি সঠিক কারণ এর তাপ পরিবাহিতা অনেক বেশি এবং এটি তরল অবস্থায় সহজেই তাপ পরিবহন করতে পারে। B) পটাসিয়াম — এটিও তাপ পরিবাহক হতে পারে তবে একা পটাসিয়াম ব্যবহারের চেয়ে সোডিয়ামের সাথে মিশ্রণ (NaK) বেশি কার্যকর হলেও বিশুদ্ধ সোডিয়াম বেশি প্রচলিত। C) ম্যাগনেসিয়াম — এটি সাধারণত ক্ল্যাডিং বা চুল্লির জ্বালানি পিনের আবরণ তৈরিতে ব্যবহৃত হয়, সরাসরি তরল কুল্যান্ট হিসেবে নয়। D) জিংক — এটি ক্ষয় প্রতিরোধক ও সংকর ধাতু তৈরিতে ব্যবহৃত হয়, পরমাণবিক চুল্লিতে তাপ পরিবাহক হিসেবে এর কার্যকারিতা নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: পরমাণু চুল্লির তাপ সরাতে সোডার মতো তরল সোডিয়াম ব্যবহার করা হয়, এটি মনে রাখলেই উত্তর সহজ হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পরমাণু চুল্লিতে মডারেটর হিসেবে ভারী পানি বা গ্রাফাইট ব্যবহৃত হয় আর কুল্যান্ট হিসেবে তরল সোডিয়াম ব্যবহৃত হয়। এই দুটি বিষয় প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উল্টো করে কনফিউজ করার জন্য আসে।
a তামা
b নাইক্রোম
c স্টেনিয়াম
d প্লাটিনাম
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নাইক্রোম ১. কেন সঠিক: - নাইক্রোম তার নিকেল, ক্রোমিয়াম, লোহা এবং ম্যাঙ্গানিজের সংকর ধাতু। এর রোধ অনেক বেশি হওয়ায় এর মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হলে প্রচণ্ড তাপ উৎপন্ন হয়। - উচ্চ রোধ এবং উচ্চ তাপমাত্রায় গলে না যাওয়ার ক্ষমতার কারণে বৈদ্যুতিক হিটার ও ইস্ত্রিতে এই তার ব্যবহার করা হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: জুলের তাপীয় সূত্র অনুসারে কোনো পরিবাহীর মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হলে বৈদ্যুতিক শক্তি তাপে রূপান্তরিত হয়। - কার্যপ্রণালি: নাইক্রোম তারের রোধ বেশি থাকায় এটি বিদ্যুৎ প্রবাহে বাধা দেয় এবং তড়িৎ শক্তিকে দ্রুত তাপে রূপান্তরিত করে। - কারণ ও ফলাফল: এর উচ্চ রোধের কারণে তারটি দ্রুত লাল হয়ে ওঠে এবং গলনাঙ্ক অনেক বেশি হওয়ায় সহজে পুড়ে নষ্ট হয় না। - বাস্তব প্রয়োগ: বৈদ্যুতিক ইস্ত্রি, হিটার, টোস্টার এবং কেটলিতে এই তার তাপ উৎপাদনের মূল উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শীতকালে রুম হিটার চালু করলে নাইক্রোম কয়েল লাল হয়ে ঘর গরম করে। ব্যাখ্যা: এর কারণ কয়েলের মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহের ফলে বৈদ্যুতিক শক্তি সুষমভাবে তাপে রূপান্তরিত হয়। উদাহরণ ২: ইস্ত্রি দিয়ে কাপড় সময়মতো গরম করা। ব্যাখ্যা: ইস্ত্রির ভেতরে থাকা নাইক্রোম তারের মাধ্যমে বিদ্যুৎ তাপশক্তিতে রূপান্তরিত হয়ে ভারী ধাতব তলকে গরম করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তামা — তামার রোধ খুব কম এবং এটি উত্তম পরিবাহী তাই এটি হিটার বা ইস্ত্রিতে তাপ উৎপাদনের জন্য উপযুক্ত নয়। B) নাইক্রোম — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি উচ্চ রোধ ও উচ্চ গলনাঙ্কের সংকর ধাতু। C) স্টেনিয়াম — এটি কোনো পরিচিত বা প্রচলিত ধাতব উপাদান নয়। D) প্লাটিনাম — প্লাটিনাম একটি মূল্যবান ধাতু এবং এর গলনাঙ্ক অনেক বেশি হলেও এর দাম খুব বেশি হওয়ায় হিটার বা ইস্ত্রিতে ব্যবহার করা হয় না। ৫. মনে রাখার টিপস: - হিটার এবং ইস্ত্রির প্রধান কাজ তাপ তৈরি করা, আর তাপ তৈরির জন্য উচ্চ রোধের সংকর ধাতু নাইক্রোম ব্যবহার করতে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - নাইক্রোম তার মূলত নিকেল এবং ক্রোমিয়ামের সংকর ধাতু। - একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে হিটার বা ইস্ত্রির কয়েল তৈরিতে কোন ধাতুর সংকর ব্যবহার করা হয়।
a পেট্রোলিয়াম
b ইউরেনিয়াম-২৩৫
c অক্সিজেন
d হাইড্রোজেন
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ইউরেনিয়াম-২৩৫ ১. কেন সঠিক: পারমাণবিক চুল্লিতে নিউক্লীয় বিভাজন বা ফিশন বিক্রিয়ার মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ শক্তি উৎপন্ন করা হয়। ইউরেনিয়াম-২৩৫ হলো এমন একটি তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ যা ধীরগতির নিউট্রন দ্বারা আঘাত করলে সহজেই ভেঙে দুটি হালকা নিউক্লিয়াসে পরিণত হয় এবং প্রচুর তাপশক্তি উৎপন্ন করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: নিউক্লীয় ফিশন হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে একটি ভারী পরমাণুর নিউক্লিয়াস ভেঙে প্রায় সমমানের দুটি হালকা নিউক্লিয়াসে পরিণত হয়। কার্যপ্রণালি: ইউরেনিয়াম-২৩৫ পরমাণুর ওপর একটি মুক্ত নিউট্রন আঘাত হানলে তা অবক্ষয়িত হয়ে বেরিয়াম ও ক্রিপ್ಟন উৎপন্ন করে এবং সাথে ৩টি নতুন নিউট্রন ও বিশাল পরিমাণ শক্তি মুক্ত করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র। ব্যাখ্যা: এখানে পারমাণবিক জ্বালানি হিসেবে ইউরেনিয়াম ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয় যা আমাদের জাতীয় বিদ্যুতের চাহিদা পূরণে ভূমিকা রাখে। উদাহরণ ২: পারমাণবিক সাবমেরিন চালনা। ব্যাখ্যা: সাবমেরিনে পারমাণবিক চুল্লির মাধ্যমে শক্তি উৎপাদন করে দীর্ঘকাল জ্বালানি পরিবর্তন না করে মহাসাগরের নিচে চলাচল করা সম্ভব হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পেট্রোলিয়াম — পেট্রোলিয়াম হলো জীবাশ্ম জ্বালানি যা অভ্যন্তরীণ দহন ইঞ্জিনে ব্যবহার করা হয় এবং এটি পারমাণবিক চুল্লির জন্য উপযুক্ত নয়। B) ইউরেনিয়াম-২৩৫ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি নিয়ন্ত্রিত ফিশন বিক্রিয়ার মাধ্যমে শক্তি উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়। C) অক্সিজেন — অক্সিজেন একটি দহন সহায়ক মৌল যা আগুন জ্বালাতে সাহায্য করে এবং এটি কোনো পারমাণবিক জ্বালানি নয়। D) হাইড্রোজেন — হাইড্রোজেন সাধারণত ফিউশন বিক্রিয়ায় শক্তি উৎপন্ন করে, যা সূর্যের শক্তির উৎস, কিন্তু প্রচলিত পারমাণবিক চুল্লিতে এটি প্রধান জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হয় না। ৫. মনে রাখার টিপস: পারমাণবিক চুল্লির জ্বালানি মনে রাখতে ইউরেনিয়াম শব্দের সাথে ২৩৫ সংখ্যাটি মনে রাখবে। ইউরেনিয়ামের ফিশন দিয়েই চুল্লিতে বিদ্যুৎ তৈরি হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পারমাণবিক চুল্লিতে নিয়ন্ত্রক হিসেবে গ্রাফাইট বা ক্যাডমিয়াম দণ্ড ব্যবহার করা হয়। একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে পারমাণবিক বোমায় কোন বিক্রিয়া ঘটে।
a পায়খানা,প্রস্রাবখানায়
b গোসলখানায়
c পুকুরে
d নালায়
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পায়খানা,প্রস্রাবখানায় ১. কেন সঠিক: - সলিড ফিনাইল মূলত জীবাণুনাশক হিসেবে কাজ করে এবং দুর্গন্ধ দূর করতে ব্যবহৃত হয়। - পায়খানা এবং প্রস্রাবখানায় ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ও জীবাণুর বংশবৃদ্ধির জন্য আদর্শ পরিবেশ থাকে, যা ফিনাইল ধ্বংস করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: ফিনাইলে কার্বলিক এসিড বা ক্রিসল থাকে যা অণুজীবের প্রোটিন coagulate করে তাদের মেরে ফেলে। - কার্যপ্রণালি: এটি ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীর ভেদ করে ভেতরের সজীব অংশ ধ্বংস করে এবং তীব্র গন্ধে কীটপতঙ্গ দূরে রাখে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হাসপাতাল ও ক্লিনিকের শৌচাগার। ব্যাখ্যা: সেখানে জীবাণুর সংক্রমণ রোধ করতে নিয়মিত সলিড ফিনাইল বা শক্তিশালী ডিসইনফেক্ট্যান্ট ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: গৃহস্থালির কমোড বা টয়লেট বেসিন। ব্যাখ্যা: এটি ব্যবহারের ফলে ক্ষতিকর জীবাণু ছড়ায় না এবং দীর্ঘক্ষণ সতেজ সুবাস থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পায়খানা,প্রস্রাবখানায় — এই স্থানে জীবাণু ও দুর্গন্ধ দূর করার জন্য সলিড ফিনাইল ব্যবহার করা সম্পূর্ণ সঠিক। B) গোসলখানায় — গোসলখানায় সাধারণত তরল সাবান বা ফ্লোর ক্লিনার ব্যবহৃত হয়, সলিড ফিনাইল টয়লেটের মতো নির্দিষ্ট স্থানে কার্যকর। C) পুকুরে — পুকুরের পানিতে মাছ ও জলজ উদ্ভিদ থাকে, যেখানে ফিনাইল ব্যবহার করলে জলজ প্রাণী বিষাক্ত রাসায়নিকের কারণে মারা যাবে। D) নালায় — নালায় তরল বর্জ্য নিষ্কাশন হয় এবং সেখানে সলিড ফিনাইল দীর্ঘস্থায়ী হয় না, বরং ব্লিচিং পাউডার বা লাইসল বেশি উপযোগী। ৫. মনে রাখার টিপস: - ফিনাইল কেবল দুর্গন্ধযুক্ত ও জীবাণুবহুল স্থানে যেমন টয়লেটে ব্যবহার করা হয়। - পানি বা উন্মুক্ত স্থানে জীবাণুনাশক হিসেবে ফিনাইল ব্যবহার করা নিষেধ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ফিনাইলের মূল সক্রিয় উপাদান হলো ক্রিসল বা ফেনল ডেরিভেটিভ। - এই ধরনের প্রশ্ন সাধারণত দৈনন্দিন জীবনে বিজ্ঞানের প্রয়োগ ও স্বাস্থ্যবিধি অধ্যায় থেকে আসে।
a নাইট্রোজেন
b হাইড্রোজেন
c কার্বন
d ফসফরাস
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ফসফরাস ১. কেন সঠিক: বায়ুমণ্ডল মূলত বিভিন্ন গ্যাসের মিশ্রণে গঠিত। ফসফরাস কোনো গ্যাসীয় মৌল বা বায়ুর উপাদান নয়, এটি একটি কঠিন অধাতু যা সাধারণত ফসফেট রূপে মাটিতে ও জীবদেহে থাকে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: বায়ুমণ্ডল বিভিন্ন গ্যাসের সমন্বয়ে গঠিত একটি স্তর। রাসায়নিক গঠন: বায়ুতে নাইট্রোজেন প্রায় ৭৮.০৯%, অক্সিজেন প্রায় ২০.৯৫%, আর্গন প্রায় ০.৯৩% এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড প্রায় ০.০৪% পরিমাণে বিদ্যমান। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: উদ্ভিদের পুষ্টি ব্যাখ্যা: উদ্ভিদ মাটি থেকে ফসফরাস গ্রহণ করে যা বায়ুর উপাদান নয়। উদাহরণ ২: দেশলাই কাঠি ব্যাখ্যা: দেশলাই কাঠিতে লাল ফসফরাস ব্যবহার করা হয় যা বায়ুতে গ্যাস হিসেবে থাকে না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নাইট্রোজেন — এটি বায়ুর প্রধান উপাদান যা বায়ুমণ্ডলের প্রায় ৭৮ শতাংশ দখল করে থাকে। B) হাইড্রোজেন — এটি বায়ুমণ্ডলে মুক্ত অবস্থায় খুব কম থাকে তবে গ্যাসীয় মৌল হিসেবে পরিচিত। C) কার্বন — কার্বন ডাই-অক্সাইড আকারে কার্বন বায়ুর একটি স্বাভাবিক ও অবিচ্ছেদ্য উপাদান। D) ফসফরাস — এটি একটি কঠিন অধাতু এবং এটি বায়ুর কোনো গ্যাসীয় উপাদান নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: বায়ুর প্রধান উপাদানগুলো মনে রাখার সহজ উপায় হলো নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন সবার আগে মনে রাখা। ফসফরাস মাটিতে থাকে, বাতাসে ওড়ে না। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বায়ুতে কোন গ্যাসের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি তা প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। বায়ুমণ্ডলের উপাদানগুলোর শতকরা হার ভালোভাবে মুখস্থ রাখা উচিত।
a ৬ ঘণ্টা ১৩ মি.
b ৮ ঘণ্টা
c ১২ ঘণ্টা
d ১৩ ঘণ্টা ১৫ মি.
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৬ ঘণ্টা ১৩ মি. ১. কেন সঠিক: চাঁদ ও সূর্যের আকর্ষণে পৃথিবীর সমুদ্রের পানি ফুলে ওঠাকে জোয়ার এবং নেমে যাওয়াকে ভাটা বলে। জোয়ারের ঠিক কত সময় পর ভাটা হবে তা পৃথিবীর আবর্তন ও চাঁদের গতির ওপর নির্ভর করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: জোয়ার ও ভাটা মূলত চাঁদ ও সূর্যের মহাকর্ষ বল এবং পৃথিবীর কেন্দ্রাতিগ বলের কারণে সৃষ্টি হয়। কার্যপ্রণালি: পৃথিবী ২৪ ঘণ্টায় একবার নিজ অক্ষে আবর্তন করে এবং একই সময়ে চাঁদ পৃথিবীর চারদিকে কিছুটা এগিয়ে যায়। ফলে নির্দিষ্ট কোনো স্থানে জোয়ার শেষ হয়ে ভাটা আসতে ৬ ঘণ্টা ১৩ মিনিট সময় লাগে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সমুদ্রের উপকূলবর্তী এলাকায় দৈনিক দুটি জোয়ার ও দুটি ভাটা হয়। ব্যাখ্যা: একটি জোয়ারের পর ভাটা এবং সেই ভাটার পর আবার জোয়ার হতে নির্দিষ্ট সময় অতিক্রান্ত হয়। উদাহরণ ২: নদী বা সমুদ্রে জোয়ারের পানি বৃদ্ধি ও ভাটার পানি হ্রাস। ব্যাখ্যা: এই চক্রটি নিয়মিতভাবে ঘটার কারণে উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষ জোয়ার ভাটার হিসাব করে যাতায়াত করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৬ ঘণ্টা ১৩ মি. — এটি একটি জোয়ারের পর পরবর্তী ভাটা সৃষ্টির সঠিক বৈজ্ঞানিক সময়কাল। B) ৮ ঘণ্টা — এই সময়ের ব্যবধানে কোনো স্বাভাবিক জোয়ার বা ভাটার চক্র সম্পন্ন হয় না। C) ১২ ঘণ্টা — এটি দুটি জোয়ারের মধ্যবর্তী গড় সময়, ভাটার সময়কাল নয়। D) ১৩ ঘণ্টা ১৫ মি. — এই সময়ের মান জোয়ার ভাটার স্বাভাবিক হিসাবের সঙ্গে মেলে না। ৫ মনে রাখার টিপস: একটি সম্পূর্ণ জোয়ার ভাটার চক্রের হিসাব মনে রাখতে ১২ ঘণ্টা ২৫ মিনিট সময়কে মনে রাখা সহজ। এর অর্ধেক বা প্রায় ছয় ঘণ্টা তেরো মিনিট হলো জোয়ার থেকে ভাটার ব্যবধান। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণের ফলে জোয়ার ভাটা সৃষ্টি হয় এটি প্রায়ই পরীক্ষায় আসে। জোয়ারের ১২ ঘণ্টা ২৫ মিনিট পর আবার জোয়ার হয় এই তথ্যটিও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ।
a ৬০০০ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড
b ৮০০০ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড
c ১০০০০ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড
d ১২০০০ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৬০০০ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড ১. কেন সঠিক: সূর্যপৃষ্ঠের তাপমাত্রা প্রায় ৬০০০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড হওয়ার মূল কারণ হলো এর তীব্র নিউক্লীয় ফিউশন বিক্রিয়া। এই প্রচুর পরিমাণ তাপশক্তি আলো ও তাপ আকারে মহাকাশে ছড়িয়ে পড়ে যা আমাদের পৃথিবী পর্যন্ত পৌঁছায়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: সূর্যের বাইরের আবরণ বা দৃশ্যমান স্তরকে ফটোস্ফিয়ার বলা হয় এবং এর তাপমাত্রা এই মানে নির্ধারিত হয়েছে। কার্যপ্রণালি: সূর্যের কেন্দ্র থেকে উৎপন্ন শক্তি বিভিন্ন স্তরের মধ্য দিয়ে পরিবাহিত হয়ে পৃষ্ঠে এসে পৌঁছায় এবং চারদিকে বিকিরিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বৈদ্যুতিক বালンএর ফিলামেন্ট ব্যাখ্যা: বাল্বের ফিলামেন্ট অত্যন্ত উত্তপ্ত হয়ে আলো ছড়ায়, যা ক্ষুদ্র পরিসরে সূর্যের আলো ও তাপ ছড়ানোর ধারণার অনুরূপ। উদাহরণ ২: লোহা গলানোর চুল্লি ব্যাখ্যা: শিল্প কারখানায় লোহা গলানোর জন্য হাজার হাজার ডিগ্রি তাপমাত্রার প্রয়োজন হয়, যা সূর্যের অতি উচ্চ তাপমাত্রার তীব্রতা বুঝতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৬০০০ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড — এটি সূর্যের পৃষ্ঠদেশের বা ফটোস্ফিয়ারের সঠিক তাপমাত্রা। B) ৮০০০ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড — এটি সূর্যের পৃষ্ঠের তাপমাত্রার চেয়ে বেশি এবং ভুল মান নির্দেশ করে। C) ১০০০০ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড — এটি সূর্যের পৃষ্ঠের চেয়ে অনেক বেশি এবং এটি মূলত সূর্যের ভেতরের কোনো কোনো স্তরের কাছাকাছি হতে পারে। D) ১২০০০ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড — এটি সূর্যের পৃষ্ঠের তাপমাত্রার জন্য ভুল এবং অতিরিক্ত একটি মান। ৫ মনে রাখার টিপস: সূর্যের পৃষ্ঠের তাপমাত্রা মনে রাখতে সংখ্যাটি ছয় হাজার ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড মনে রাখতে হবে। সূর্যের কেন্দ্র এবং পৃষ্ঠের তাপমাত্রার পার্থক্য পরিষ্কারভাবে আলাদা করে পড়তে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সূর্যের কেন্দ্র বা কোরের তাপমাত্রা প্রায় এক কোটি পঞ্চাশ লক্ষ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড হয়ে থাকে। এই ধরনের জ্যোতির্বিজ্ঞান বিষয়ক প্রশ্ন বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
a আলিবার্ড হল
b এস্ট্রেলার হল
c ওয়েরী হল
d কসমস
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আলিবার্ড হল ১. কেন সঠিক: - আলিবার্ড হল হলো বিশ্বের প্রথম বাণিজ্যিক যোগাযোগ কৃত্রিম উপগ্রহ যা ১৯৬৫ সালে মহাকাশে উৎক্ষেপণ করা হয়। - এটি মূলত আটলান্টিক মহাসাগরের ওপর ভূ-স্থির কক্ষপথে স্থাপন করা হয়েছিল যাতে ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার মধ্যে প্রথম বাণিজ্যিকভাবে দূরপাল্লার টেলিযোগাযোগ ও টেলিভিশন সম্প্রচার সম্ভব হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: কৃত্রিম উপগ্রহ হলো মানুষের তৈরি এমন বস্তু যা নির্দিষ্ট কক্ষপথে থেকে পৃথিবীর চারদিকে ঘোরে এবং যোগাযোগ, আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ ও বৈজ্ঞানিক গবেষণায় ব্যবহৃত হয়। - কার্যপ্রণালি: এটি মহাশূন্যে সংকেত গ্রহণ করে এবং বিবর্ধিত করে আবার পৃথিবীর বিভিন্ন স্টেশনে ফেরত পাঠায়। - বাস্তব প্রয়োগ: বর্তমান যুগের ইন্টারনেট, জিপিএস, স্যাটেলাইট টেলিভিশন এবং মোবাইল যোগাযোগের মূল ভিত্তি এই কৃত্রিম উপগ্রহ প্রযুক্তি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ইন্টারকমিউনিকেশন সিস্টেম ব্যাখ্যা: কৃত্রিম উপগ্রহের মাধ্যমে বর্তমানে পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে নিমেষেই তথ্য ও ইন্টারনেট সেবা আদান-প্রদান করা সম্ভব হচ্ছে। উদাহরণ ২: আবহাওয়া পূর্বাভাস ব্যাখ্যা: কৃত্রিম উপগ্রহ মহাকাশ থেকে ছবি তুলে পৃথিবীর আবহাওয়া পরিবর্তন ও ঘূর্ণিঝড়ের আগাম বার্তা দিতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আলিবার্ড হল — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বিশ্বের প্রথম বাণিজ্যিক যোগাযোগ কৃত্রিম উপগ্রহ হিসেবে সফলভাবে কাজ শুরু করেছিল। B) এস্ট্রেলার হল — এটি কোনো প্রতিষ্ঠিত বা ঐতিহাসিক প্রথম বাণিজ্যিক কৃত্রিম উপগ্রহের নাম নয়। C) ওয়েরী হল — এটি মহাকাশ বিজ্ঞান বা কৃত্রিম উপগ্রহের ইতিহাসে এমন কোনো প্রামাণিক বা স্বীকৃত নাম নয়। D) কসমস — এটি সোভিয়েত ইউনিয়নের কৃত্রিম উপগ্রহ সিরিজের নাম, যা প্রথম বাণিজ্যিক যোগাযোগ উপগ্রহ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - আলিবার্ড নামের সাথে পাখি বা ওড়ার সম্পর্ক আছে, যা আকাশে ওড়া উপগ্রহের কথা মনে করিয়ে দেয়। - বাণিজ্যিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে প্রথম পাখি অর্থাৎ আলিবার্ড হল নামটি এভাবে মনে রাখতে পারেন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ স্পুটনিক ১ হলেও প্রথম বাণিজ্যিক যোগাযোগ উপগ্রহ হলো আলিবার্ড হল। - বিসিএস বা ব্যাংক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ বা প্রথম যোগাযোগ উপগ্রহ সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে।
a উষ্ণতা থেকে রক্ষার জন্য
b অত্যাধিক ঠাণ্ডা থেকে রক্ষার জন্য
c আলোথেকেরক্ষারজন্য
d ঝর-বৃষ্টি থেকে রক্ষার জন্য
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অত্যাধিক ঠাণ্ডা থেকে রক্ষার জন্য ১. কেন সঠিক: - তীব্র শীতে উদ্ভিদের বৃদ্ধি ব্যাহত হয় এবং কোষের পানি জমে বরফ হয়ে গেলে কোষপ্রাচীর নষ্ট হয়ে গাছ মারা যায়। - গ্রীন হাউজ একটি কাঁচ বা স্বচ্ছ প্লাস্টিকের ঘর যা সূর্যের তাপ আটকে রেখে ভেতরের পরিবেশ উষ্ণ ও উদ্ভিদের উপযোগী রাখে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: গ্রীন হাউজ প্রভাবে সূর্যের শর্টওয়েভ রেডিয়েশন স্বচ্ছ কাঁচ ভেদ করে ভেতরে প্রবেশ করে এবং মাটি ও গাছ দ্বারা শোষিত হয়ে লংওয়েভ থার্মাল রেডিয়েশনে রূপান্তরিত হয়। - কার্যপ্রণালি: এই তাপীয় বিকিরণ সহজে কাঁচের দেওয়াল ভেদ করে বাইরে যেতে পারে না, ফলে গ্রীন হাউজের ভেতরের তাপমাত্রা বাইরের তুলনায় অনেক বেশি থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শীতপ্রধান দেশে নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলের ফল যেমন স্ট্রবেরি চাষ। ব্যাখ্যা: কাঁচের ঘরে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে প্রতিকূল শীতেও এই সুস্বাদু ফল সফলভাবে উৎপাদন করা হয়। উদাহরণ ২: বারিট্যাল বা নার্সারিতে শীতকালে বীজ থেকে চারা উৎপাদন। ব্যাখ্যা: অতিরিক্ত কুয়াশা ও শৈত্যপ্রবাহ থেকে ছোট ও সংবেদনশীল চারাগুলোকে সুরক্ষা দিতে এই পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উষ্ণতা থেকে রক্ষার জন্য — উষ্ণতা থেকে রক্ষার জন্য গাছকে ছায়ায় বা শীতল স্থানে রাখা হয়, গ্রীন হাউজে তাপমাত্রা আরও বৃদ্ধি পায়। B) অত্যাধিক ঠাণ্ডা থেকে রক্ষার জন্য — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি গ্রীন হাউজের মূল কাজ। C) আলো থেকে রক্ষার জন্য — গাছের শালোকসংশ্লেষণের জন্য আলোর প্রয়োজন হয়, তাই আলোকে বাধা দেওয়া গ্রীন হাউজের কাজ নয়। D) ঝর-বৃষ্টি থেকে রক্ষার জন্য — ঝড়-বৃষ্টি থেকে রক্ষা পেলেও এটি গ্রীন হাউজ তৈরির মূল উদ্দেশ্য নয়, এটি কাঁচঘরের একটি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া মাত্র। ৫ মনে রাখার টিপস: - গ্রীন হাউজ মানেই সবুজ ঘরে উষ্ণতার পরশ। শীতের তীব্রতা থেকে গাছ বাঁচাতে এর ব্যবহার। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - গ্রীন হাউজ প্রভাবে প্রধান ভূমিকা পালন করে কার্বন ডাই অক্সাইড ও জলীয় বাষ্প। - বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই পরিবেশগত গ্রীন হাউজ গ্যাস এবং কৃষিভিত্তিক গ্রীন হাউজের পার্থক্য থেকে প্রশ্ন আসে।
a ৪ টি
b ৫ টি
c ৬ টি
d ৮ টি
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬ টি ১. কেন সঠিক: - একজন মানুষের শারীরিক বৃদ্ধি, শক্তি উৎপাদন, ক্ষয়পূরণ এবং রোগ প্রতিরোধের জন্য যে খাদ্যে শরীরের প্রয়োজনীয় সবকটি পুষ্টি উপাদান নির্দিষ্ট অনুপাতে থাকে, তাকে সুষম খাদ্য বলে। - সুষম খাদ্যের প্রধান উপাদান ছয়টি যা দেহের পুষ্টি চাহিদা নিখুঁতভাবে পূরণ করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: খাদ্য, পুষ্টি ও ভিটামিন বিভাগের আওতাধীন এই প্রশ্নে সুষম খাদ্যের উপাদানগুলো হলো শর্করা, আমিষ, স্নেহ বা চর্বি, ভিটামিন, খনিজ লবণ এবং পানি। - কার্যপ্রণালি: শর্করা ও স্নেহ পদার্থ শক্তি জোগায়, আমিষ কোষ গঠন ও ক্ষয়পূরণ করে, ভিটামিন ও খনিজ লবণ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং পানি শরীরের অভ্যন্তরীণ রাসায়নিক বিক্রিয়া ও বিপাকক্রিয়া সচল রাখে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: এক প্লেট ভাতের সঙ্গে মাছ বা মাংস, ডাল, শাকসবজি, সালাদ এবং পর্যাপ্ত পানি গ্রহণ। ব্যাখ্যা: এটি সুষম খাদ্যের উৎকৃষ্ট উদাহরণ কারণ এতে শর্করা, আমিষ, ভিটামিন, খনিজ লবণ ও পানি একসঙ্গে উপস্থিত থাকে। উদাহরণ ২: প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় দুধ বা ডিম রাখা। ব্যাখ্যা: ডিম বা দুধকে আদর্শ খাদ্য বলা হয় কারণ এতে সুষম খাদ্যের প্রায় সবকটি উপাদান সঠিক অনুপাতে বিদ্যমান থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪ টি — এটি ভুল কারণ খাদ্যের প্রধান পুষ্টি উপাদান মূলত ছয়টি, চারটিতে সুষম খাদ্যের সমস্ত উপাদান সম্পূর্ণ হয় না। B) ৫ টি — এটি ভুল কারণ ভিটামিন এবং খনিজ লবণকে আলাদাভাবে ধরে সুষম খাদ্যের উপাদান সংখ্যা ছয়টি হিসেবে ধরা হয়। C) ৬ টি — এটি সঠিক কারণ শর্করা, আমিষ, স্নেহ, ভিটামিন, খনিজ লবণ ও পানি মিলিয়ে সুষম খাদ্যের উপাদান মোট ছয়টি। D) ৮ টি — এটি ভুল কারণ পুষ্টিবিজ্ঞান অনুযায়ী সুষম খাদ্যের মৌলিক উপাদান ছয়টির বেশি নয়, আটটি কোনো বৈজ্ঞানিক সংখ্যা নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - সুষম খাদ্যের উপাদান মনে রাখার সহজ কৌশল হলো শআমি স্নেহ বিখপা, অর্থাৎ শর্করা, আমিষ, স্নেহ, ভিটামিন, খনিজ লবণ ও পানি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সুষম খাদ্যের উপাদান সংখ্যা বা এর প্রধান কাজ সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। - এখান থেকে শক্তির উৎস, দেহগঠনকারী উপাদান এবং ভিটামিন ও খনিজ লবণের উৎস সংক্রান্ত প্রশ্নও হতে পারে।
a লুইপাস্তুর
b ডারউইন
c প্রিস্টলী
d ল্যাভয়েসিয়ে
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) লুইপাস্তুর ১. কেন সঠিক: - লুই পাস্তুর রোগজীবাণু তত্ত্ব বা জার্ম থিওরি অব ডিজিজ আবিষ্কার করেন। - তিনি প্রমাণ করেন যে নির্দিষ্ট রোগজীবাণুর কারণে নির্দিষ্ট রোগ সৃষ্টি হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: অণুজীব যেমন ব্যাকটেরিয়া ও ছত্রাক সংক্রমণের মাধ্যমে রোগ ছড়ায়। - কার্যপ্রণালি: ক্ষতিকারক জীবাণু শরীরে প্রবেশ করে টিস্যুর ক্ষতি করে এবং বিষাক্ত পদার্থ উৎপন্ন করে। - বাস্তব প্রয়োগ: পাস্তুরাইজেশন প্রক্রিয়া দ্বারা দুধ ও পানীয় জীবাণুমুক্ত করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জলাতঙ্ক রোগের টিকা আবিষ্কার। ব্যাখ্যা: পাস্তুর পাগল কুকুরের কামড় থেকে সৃষ্ট জলাতঙ্ক রোগের সফল প্রতিষেধক তৈরি করেন। উদাহরণ ২: খাদ্য সংরক্ষণ প্রক্রিয়া। ব্যাখ্যা: তাপ প্রয়োগ করে খাদ্যের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করার পদ্ধতি তিনি উদ্ভাবন করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) লুইপাস্তুর — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি রোগজীবাণু তত্ত্ব উদ্ভাবন করেছিলেন। B) চার্লস ডারউইন — তিনি প্রাকৃতিক নির্বাচন ও জৈব বিবর্তনবাদ আবিষ্কার করেন। C) জোসেফ প্রিস্টলী — তিনি অক্সিজেন গ্যাস আবিষ্কার করেন এবং সালোকসংশ্লেষণে উদ্ভিদের ভূমিকা দেখান। D) আঁতোয়ান ল্যাভয়েসিয়ে — তিনি আধুনিক রসায়নের জনক এবং অক্সিজেনের নামকরণ করেন। ৫ মনে রাখার টিপস: - পাস করা জীবাণু বা পাস্তুরের জীবাণু তত্ত্ব এভাবে মনে রাখতে পারেন। - লুই পাস্তুরের নাম আসলেই অণুজীব বা টিকা আবিষ্কারের বিষয়টি মাথায় আনবেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - লুই পাস্তুরকে আধুনিক মাইক্রোবায়োলজি বা অণুজীববিজ্ঞানের জনক বলা হয়। - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তার করা পাস্তুরাইজেশন প্রক্রিয়া থেকে প্রশ্ন আসে।
a ফিটকিরি
b চুন
c সেভিং সোপ
d কস্টিক সোডা
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ফিটকিরি ১. কেন সঠিক: - ফিটকিরি হলো মূলত পটাশ অ্যালুম বা পটাসিয়াম অ্যালুমিনিয়াম সালফেট, যা জলে দ্রবীভূত হয়ে কোয়াগুলান বা তঞ্চন হিসেবে কাজ করে। - এটি পানির ভেতরের悬浮 ময়লা বা কোলায়েড কণাগুলোকে নিজেদের সাথে আটকে ভারী করে নিচে থিতিয়ে পড়তে সাহায্য করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: ফিটকিরি একটি ডাবল সল্ট বা দ্বি-লবণ, যার রাসায়নিক সংকেত K2SO4.Al2(SO4)3.24H2O। - কার্যপ্রণালি: পানিতে যোগ করলে অ্যালুমিনিয়াম আয়ন পানির সাথে বিক্রিয়া করে অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রক্সাইডের আঠালো অধঃক্ষেপ তৈরি করে। - কারণ ও ফলাফল: এই আঠালো আস্তরণ পানির মধ্যকার ধূলিকণা ও জীবাণুকে একসাথে বেঁধে ফেলে এবং সহজেই ফিল্টার বা থিতিয়ে পরিষ্কার করা যায়। - বাস্তব প্রয়োগ: ঘোলা পানি পরিষ্কার করতে, রক্তপাত বন্ধ করতে শেভিংয়ের পর এবং চামড়া শিল্পে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বর্ষাকালে ঘোলা নদীর পানি পরিষ্কার করার জন্য ড্রামে ফিটকিরি ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: ফিটকিরি পানির মধ্যে থাকা কাদামাটি ও ভাসমান কণাগুলোকে আষ্টেপৃষ্ঠে বেঁধে নিচে ফেলে দেয় এবং পানি স্বচ্ছ করে। উদাহরণ ২: সেলুনে শেভিং করার পর মুখে ফিটকিরি ঘষা হয়। ব্যাখ্যা: ফিটকিরির অ্যাস্ট্রিঞ্জেন্ট বা সংকোচনকারী গুণ ত্বকের কাটা স্থান বা ক্ষতের রক্তনালি সংকুচিত করে রক্তপাত দ্রুত বন্ধ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফিটকিরি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর মূল রাসায়নিক উপাদান হলো অ্যালুমিনিয়াম সালফেট ও পটাশিয়াম সালফেট। B) চুন — এটি ক্যালসিয়াম অক্সাইড, যা মূলত মাটি বা পানির অম্লত্ব দূর করতে এবং নির্মাণকাজে ব্যবহৃত হয়। C) সেভিং সোপ — এটি ফ্যাটি অ্যাসিডের সোডিয়াম বা পটাসিয়াম লবণ, যা শেভিংয়ের সময় ফেনা তৈরি করে। D) কস্টিক সোডা — এটি সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড, যা একটি শক্তিশালী ক্ষার এবং সাবান তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ফিটকিরি আর অ্যালুমিনিয়াম সালফেট যেন মিলে যায়, কারণ ফিটকিরির মূল বৈজ্ঞানিক পরিচয় হলো এটি অ্যালুমিনিয়ামের একটি বিশেষ লবণ। - পরীক্ষার হলে প্রশ্ন দেখলে মনে রাখবে পানি পরিষ্কার করার বহুল ব্যবহৃত রাসায়নিকটিই হলো ফিটকিরি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ফিটকিরির রাসায়নিক সংকেতে পানির অণুর সংখ্যা চব্বিশটি, যা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে পানি শোধনে ফিটকিরি কোন প্রক্রিয়ায় কাজ করে, যার উত্তর হলো তঞ্চন বা কোয়াগুলেশন।
a ম্যাগনেসিয়াম
b ক্যালসিয়াম
c সোডিয়াম
d পটাসিয়াম
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সোডিয়াম ১. কেন সঠিক: - সোডিয়াম একটি অত্যন্ত হালকা ধাতু যার ঘনত্ব পানির ঘনত্বের চেয়ে কম হওয়ায় এটি পানিতে ভাসে। - পানির ঘনত্ব প্রতি ঘন সেন্টিমিটারে ১ গ্রাম, পক্ষান্তরে সোডিয়ামের ঘনত্ব প্রতি ঘন সেন্টিমিটারে শূন্য দশমিক ৯৭ গ্রাম। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: কোনো বস্তুর ঘনত্ব পানির ঘনত্বের চেয়ে কম হলে বস্তুটি পানিতে ভাসে এবং বেশি হলে ডুবে যায়। - কার্যপ্রণালি: সোডিয়াম পানিতে ফেলা হলে পানির সাথে তীব্র রাসায়নিক বিক্রিয়া করে এবং হাইড্রোজেন গ্যাস উৎপন্ন করে ভেসে থাকে। - বাস্তব প্রয়োগ: রসায়ন গবেষণাগারে সোডিয়ামের মতো সক্রিয় ধাতুগুলো মাটির তেলে ডুবিয়ে সংরক্ষণ করা হয় যাতে বাতাসের জলীয় বাষ্পের সাথে বিক্রিয়া না করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কেরোসিনে সোডিয়াম সংরক্ষণ ব্যাখ্যা: সোডিয়াম এতটাই হালকা ও সক্রিয় যে এটি পানিতে না ডুবলেও বাতাসে থাকা আর্দ্রতার সাথে বিস্ফোরক বিক্রিয়া করে, তাই একে কেরোসিনে রাখা হয়। উদাহরণ ২: বরফ জলে ভাসা ব্যাখ্যা: কঠিন বরফের ঘনত্ব তরল পানির চেয়ে কম হওয়ায় বরফ পানিতে ভাসে, যা ধাতু ও তরলের ঘনত্বের পার্থক্যের মতো একটি প্রাকৃতিক ঘটনা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ম্যাগনেসিয়াম — ম্যাগনেসিয়ামের ঘনত্ব প্রতি ঘন সেন্টিমিটারে ১ দশমিক ৭৪ গ্রাম, যা পানির চেয়ে বেশি হওয়ায় এটি পানিতে ডোবে। B) ক্যালসিয়াম — ক্যালসিয়ামের ঘনত্ব প্রতি ঘন সেন্টিমিটারে ১ দশমিক ৫৫ গ্রাম, যা পানির ঘনত্বের চেয়ে বেশি এবং এটি পানিতে ডুবে যায়। C) সোডিয়াম — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর ঘনত্ব পানির ঘনত্বের চেয়ে কম এবং এটি পানিতে ভাসে। D) পটাসিয়াম — পটাসিয়ামের ঘনত্ব প্রতি ঘন সেন্টিমিটারে শূন্য দশমিক ৮৬ গ্রাম, যা পানির চেয়ে কম এবং এটিও পানিতে ভাসে, তবে প্রশ্নটির স্ট্যান্ডার্ড উত্তরে সোডিয়ামকে প্রধান হালকা ধাতু হিসেবে গণ্য করা হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - সোডিয়ামের ঘনত্ব এক গ্রামের কম হওয়ায় এটি পানিতে ভাসে কথাটি মনে রাখতে হবে। - এস দিয়ে সোডিয়াম এবং এস দিয়ে সস্তা বা হালকা এই মিল মনে রেখে প্রশ্নটি আয়ত্ত করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই কোন ধাতু পানিতে ভাসে বা কেরোসিনে রাখা হয় তা জানতে চাওয়া হয়। - ধাতুগুলোর ঘনত্ব এবং পানির ঘনত্বের তুলনামূলক মান থেকে বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে।
a P4O10
b MgO
c CO
d ZnO
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) MgO ১. কেন সঠিক: - ম্যাগনেশিয়াম অক্সাইড একটি ধাতব অক্সাইড যা পানির সাথে বিক্রিয়া করে ক্ষার উৎপন্ন করে। - ধাতব অক্সাইড সাধারণত পানিতে দ্রবীভূত হয়ে হাইড্রোক্সাইড আয়ন সৃষ্টি করে, তাই এরা ক্ষারকীয় প্রকৃতির হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: ধাতুর অক্সাইড বা হাইড্রক্সাইড যা অম্লের সাথে বিক্রিয়া করে লবণ ও পানি উৎপন্ন করে তাকে ক্ষারকীয় অক্সাইড বলে। - রাসায়নিক বিক্রিয়া: ম্যাগনেশিয়াম অক্সাইড পানির সাথে বিক্রিয়া করে ম্যাগনেশিয়াম হাইড্রোক্সাইড নামক ক্ষার তৈরি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সোডিয়াম অক্সাইড পানির সাথে বিক্রিয়া করে সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড উৎপন্ন করে। ব্যাখ্যা: এটি একটি তীব্র ক্ষারকীয় অক্সাইডের উদাহরণ যা লাল লিটমাস কাগজকে নীল করে। উদাহরণ ২: ক্যালসিয়াম অক্সাইড বা চুন পানির সাথে মিশলে কলিচুন বা ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড তৈরি হয়। ব্যাখ্যা: এটিও একটি ধাতব অক্সাইড যা পানিতে ক্ষারীয় দ্রবণ প্রস্তুত করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) P4O10 — এটি অধাতুর অক্সাইড হওয়ায় একটি অম্লীয় অক্সাইড। B) MgO — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি একটি ক্ষারকীয় ধাতব অক্সাইড। C) CO — এটি একটি প্রশমিত বা নিরপেক্ষ অক্সাইড যা অম্ল বা ক্ষার কোনোটিই উৎপন্ন করে না। D) ZnO — এটি একটি উভধর্মী অক্সাইড যা অম্ল ও ক্ষার উভয়ের সাথেই বিক্রিয়া করতে পারে। ৫ মনে রাখার টিপস: - ধাতু সমান ক্ষারকীয় অক্সাইড এবং অধাতু সমান অম্লীয় অক্সাইড, এই সাধারণ নিয়মটি মনে রাখবে। - পর্যায় সারণির বাম দিকের মৌলগুলোর অক্সাইড সাধারণত ক্ষারকীয় হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অক্সাইডের প্রকৃতি নির্ধারণের প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - উভধর্মী অক্সাইড যেমন জিংক অক্সাইড বা অ্যালুমিনিয়াম অক্সাইডের উদাহরণগুলো ভালোভাবে মুখস্থ রাখবে।
a ইলেক্ট্রন গ্রহণ
b ইলেক্ট্রন আদান-প্রদান
c ইলেক্ট্রন বর্জন
d শুধু তাপ উৎপন্ন হয়
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ইলেক্ট্রন বর্জন ১. কেন সঠিক: জারণ বিক্রিয়ায় পরমাণু, আয়ন বা অণু থেকে এক বা একাধিক ইলেক্ট্রন বর্জিত হয়। ইলেক্ট্রন বর্জনের ফলে পদার্থের ধনাত্মক আধান বৃদ্ধি পায় অথবা ঋণাত্মক আধান হ্রাস পায়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: যে রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় কোনো পরমাণু বা আয়ন ইলেক্ট্রন ত্যাগ করে তাকে জারণ বলে। কার্যপ্রণালি: জারণ প্রক্রিয়ায় মৌলের জারণ সংখ্যা বৃদ্ধি পায় এবং এটি সবসময় বিজারণ বিক্রিয়ার সঙ্গে যুগপৎ ঘটে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সোডিয়াম পরমাণু একটি ইলেক্ট্রন বর্জন করে সোডিয়াম আয়নে পরিণত হয়। ব্যাখ্যা: এটি একটি ধ্রুপদী জারণ বিক্রিয়া যেখানে সোডিয়াম তার সর্ববহিঃস্থ স্তরের ইলেক্ট্রন ত্যাগ করে। উদাহরণ ২: লোহায় মরিচা ধরার সময় আয়রন বা লোহা অক্সিজেন ও পানির উপস্থিতিতে ইলেক্ট্রন বর্জন করে। ব্যাখ্যা: এই প্রক্রিয়ায় লোহার জারণ ঘটে এবং মরিচা উৎপন্ন হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইলেক্ট্রন গ্রহণ — ইলেক্ট্রন গ্রহণ হলো বিজারণ বিক্রিয়া, যা জারণের বিপরীত প্রক্রিয়া। B) ইলেক্ট্রন আদান-প্রদান — এটি জারণ ও বিজারণ বা রেডক্স বিক্রিয়ার সামগ্রিক রূপ, শুধু জারণ নয়। D) শুধু তাপ উৎপন্ন হয় — সব জারণ বিক্রিয়ায় তাপ উৎপন্ন হয় না, কিছু বিক্রিয়ায় তাপ শোষিতও হতে পারে। ৫ মনে রাখার টিপস: জারণ মানে ত্যাগ বা বর্জন এবং বিজারণ মানে গ্রহণ। ইংরেজি শব্দ মনে রাখতে অয়েল রিগ মনে রাখতে পারো যেখানে অক্সিডেশন লস অব ইলেক্ট্রন বোঝায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জারণ ও বিজারণ যুগপৎ ঘটে কি না তা প্রায়ই আসে। একই ধারণা থেকে বিজারণ বিক্রিয়ায় কী ঘটে বা রেডক্স বিক্রিয়া কাকে বলে তা নিয়ে প্রশ্ন আসতে পারে।
a সংকর ধাতু
b সীসা
c টাংস্টেন
d তামা
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) টাংস্টেন ১. কেন সঠিক: - বৈদ্যুতিক বাল্বের ফিলামেন্ট হিসেবে টাংস্টেন ধাতু ব্যবহার করা হয় কারণ এর গলনাঙ্ক অত্যন্ত বেশি। - অতিরিক্ত বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়ে উত্তপ্ত হলেও এটি সহজে গলে যায় না এবং আলো ছড়ায়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: তড়িৎপ্রবাহের ফলে তাপ উৎপন্ন হওয়ার ঘটনাকে জুলের তাপীয় ফল বলে। - কার্যপ্রণালি: ফিলামেন্টের উচ্চ রোধের কারণে তড়িৎশক্তি আলোক ও তাপশক্তিতে রূপান্তরিত হয়। - বাস্তব প্রয়োগ: গৃহস্থালির সাধারণ ইনক্যানডেসেন্ট বাল্বে এই পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বৈদ্যুতিক হিটার বা ইস্ত্রি ব্যাখ্যা: এগুলোতে উচ্চ রোধের নাইক্রোম তার ব্যবহার করা হয় যা উত্তপ্ত হয়ে তাপ প্রদান করে। উদাহরণ ২: ফিউজ তার ব্যাখ্যা: এটি কম গলনাঙ্কবিশিষ্ট ধাতু দিয়ে তৈরি হয় যা অতিরিক্ত বিদ্যুৎ প্রবাহে নিজে গলে গিয়ে ঘরবাড়ি রক্ষা করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সংকর ধাতু — এটি মূলত দুটি বা ততোধিক ধাতুর মিশ্রণ, যা ফিলামেন্টের জন্য আদর্শ নয়। B) সীসা — সীসার গলনাঙ্ক অনেক কম হওয়ায় এটি বাল্বের ফিলামেন্ট হিসেবে ব্যবহার করা যায় না। D) তামা — তামার রোধ কম এবং গলনাঙ্ক টাংস্টেনের চেয়ে অনেক কম হওয়ায় এটি ফিলামেন্টে টিকে থাকে না। ৫ মনে রাখার টিপস: - বাল্বের আলো পেতে চাই, টাংস্টেন ধাতু ব্যবহার তাই। - টাংস্টেন শব্দের প্রথম অক্ষর 'ট' দিয়ে তীব্র তাপ সহ্যকারী ধাতু মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - টাংস্টেনের সংকেত হলো ডব্লিউ এবং এর গলনাঙ্ক প্রায় ৩৩৮০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। - এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় বিদ্যুৎ ও তাপীয় ফল অধ্যায়ের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
a বেগুনি
b সবুজ
c হলুদ
d কালো
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কালো ১. কেন সঠিক: - লাল আলোতে নীল রঙের বস্তু কালো দেখায় কারণ নীল বস্তু কেবল নীল আলো প্রতিফলিত করতে পারে এবং অন্য সব আলো শোষণ করে। - লাল আলোতে কোনো নীল আলো না থাকায় বস্তুটি কোনো আলো প্রতিফলিত করতে পারে না এবং সম্পূর্ণ আলো শোষণ করে নেয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: কোনো বস্তুর ওপর আলো আপতিত হলে বস্তুটি তার নিজের রঙের আলো প্রতিফলিত করে এবং বাকি রঙের আলো শোষণ করে। - কার্যপ্রণালি: নীল রঙের একটি বস্তু তার ওপর আপতিত আলোর মধ্য থেকে শুধুমাত্র নীল বর্ণকে প্রতিফলিত করে এবং অন্য বর্ণগুলোকে শোষণ করে নেয়। - কারণ ও ফলাফল: লাল আলোতে কোনো নীল আলোর উপস্থিতি না থাকায় নীল বস্তু থেকে কোনো আলো আমাদের চোখে পৌঁছায় না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লাল আলোতে সবুজ পাতা কালো দেখায়। ব্যাখ্যা: সবুজ পাতা লাল আলো সম্পূর্ণ শোষণ করে এবং কোনো আলো প্রতিফলিত করতে পারে না বলে কালো দেখায়। উদাহরণ ২: অন্ধকারে যেকোনো রঙিন বস্তু কালো দেখায়। ব্যাখ্যা: আলোর অনুপস্থিতিতে কোনো বস্তু থেকে আলো প্রতিফলিত হতে পারে না, তাই বস্তুটি কালো দেখায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বেগুনি — বেগুনি সঠিক নয় কারণ লাল আলোতে নীল বস্তু আলো প্রতিফলিত করতে না পেরে সম্পূর্ণ কালো দেখায়। B) সবুজ — সবুজ সঠিক নয় কারণ নীল বস্তু সবুজ আলো শোষণ করে এবং লাল আলোতে এটি কোনো রং প্রতিফলিত করে না। C) হলুদ — হলুদ সঠিক নয় কারণ নীল বস্তুর ওপর লাল আলো ফেললে কোনো হলুদ রঙের সৃষ্টি হয় না। D) কালো — কালো সঠিক উত্তর কারণ বস্তুটি আলো প্রতিফলিত করতে না পারায় অন্ধকার বা কালো দেখায়। ৫ মনে রাখার টিপস: অসঙ্গতিপূর্ণ আলো পড়লে অর্থাৎ নিজের রঙের আলো না পেলে যেকোনো রঙিন বস্তু কালো দেখায়। আলোর শোষণ ও প্রতিফলনের এই নিয়মটি মনে রাখলে আলোকবিজ্ঞানের এই ধরনের প্রশ্নের উত্তর দেওয়া সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই ধরনের প্রশ্ন BCS এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আলোর প্রতিফলন ও শোষণ ক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে প্রায়ই আসে। পরীক্ষায় লাল, নীল ও সবুজ প্রাথমিক রঙের পারস্পরিক প্রতিক্রিয়ার ওপর বিভিন্ন প্রশ্ন থাকতে পারে।
a বায়ুমণ্ডলীয় প্রতিসরণ
b আলোর বিচ্ছুরণে
c অপাবর্তনে
d দৃষ্টিভ্রমে
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বায়ুমণ্ডলীয় প্রতিসরণ ১. কেন সঠিক: - চাঁদ দিগন্তের কাছে থাকার সময় তার থেকে আসা আলো পৃথিবীর ঘন বায়ুমণ্ডলের বিভিন্ন স্তরের মধ্য দিয়ে তির্যকভাবে প্রবেশ করে বেঁকে যায়। - এই প্রতিসরণের কারণে চাঁদের প্রতিবিম্ব তার প্রকৃত অবস্থানের চেয়ে কিছুটা উপরে ও আকারে বড় দেখায়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: আলোর প্রতিসরণ হলো আলো যখন এক মাধ্যম থেকে অন্য মাধ্যমে প্রবেশ করে, তখন তার গতিবেগের পরিবর্তনের কারণে দিক পরিবর্তনের ঘটনা। - কার্যপ্রণালি: দিগন্তের কাছাকাছি বায়ুমণ্ডলের ঘনত্ব বেশি থাকায় আলোর প্রতিসরণ মাত্রাতিরিক্ত হয় এবং চোখের অপটিক্যাল ইলিউশন তৈরি হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জলের নিচে কয়েন উপরে ওঠা দেখা ব্যাখ্যা: এটি আলোর প্রতিসরণের কারণে ঘটে, যেখানে জলের ঘনত্ব থেকে আলো বাতাসে আসার সময় বেঁকে যায়। উদাহরণ ২: তারার মিটমিট করা ব্যাখ্যা: বায়ুমণ্ডলের বিভিন্ন স্তরের ঘনত্বের তারতম্যের কারণে তারার আলো প্রতিসৃত হয়ে মিটমিট করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বায়ুমণ্ডলীয় প্রতিসরণ — এটি সঠিক কারণ বায়ুমণ্ডলের স্তরের পার্থক্যের কারণে আলোর দিক পরিবর্তিত হয়। B) আলোর বিচ্ছুরণে — বিচ্ছুরণ হলো আলোর সাতটি রঙে ভেঙে যাওয়ার ঘটনা, যা এখানে ঘটে না। C) অপাবর্তনে — অপাবর্তন বা ডিফ্লেকশন হলো কোণ বা অবয়বের পাশ দিয়ে আলোর বেঁকে যাওয়ার ঘটনা, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) দৃষ্টিভ্রমে — দৃষ্টিভ্রম বা ইলিউশন মূলত প্রতিসরণের ফলাফল হিসেবে ঘটে, কিন্তু মূল বৈজ্ঞানিক কারণটি প্রতিসরণ নিজে। ৫ মনে রাখার টিপস: - দিগন্ত মানেই বায়ুমণ্ডলের বেশি পথ পাড়ি দেওয়া, আর বেশি পথ মানেই আলোর প্রতিসরণ ও বড় দেখা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের সময় সূর্যকে লাল দেখার এবং একটু আগে দেখার কারণও একই ধরনের বায়ুমণ্ডলীয় প্রতিসরণ।
a আইসোটোপ
b আইসোটোন
c আইসোমার
d আইসোবার
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আইসোটোন ১. কেন সঠিক: যেসব পরমাণুর নিউট্রন সংখ্যা সমান কিন্তু প্রোটন সংখ্যা ও ভর সংখ্যা ভিন্ন, তাদেরকে আইসোটোন বলা হয়। পরমাণুর কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত নিউট্রনের সংখ্যা সমান হওয়ার কারণে এদের বিশেষ এই নামে অভিহিত করা হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: পারমাণবিক কাঠামোর ক্ষেত্রে প্রোটন সংখ্যা, নিউট্রন সংখ্যা ও ভর সংখ্যার পারস্পরিক সম্পর্কের ওপর ভিত্তি করে মৌলের বিভিন্ন রূপ দেখা যায়। কারণ ও ফলাফল: পরমাণুর ভর সংখ্যা হলো প্রোটন সংখ্যা এবং নিউট্রন সংখ্যার যোগফল, তাই নিউট্রন সমান হলেও প্রোটন ভিন্ন হওয়ায় ভর সংখ্যা ভিন্ন হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বোরনের একটি আইসোটোপ এবং কার্বনের একটি আইসোটোপ। ব্যাখ্যা: বোরন এগারোতে প্রোটন সংখ্যা পাঁচ এবং নিউট্রন সংখ্যা ছয়। কার্বন বারোতে প্রোটন সংখ্যা ছয় এবং নিউট্রন সংখ্যা ছয়। উদাহরণ ২: ফসফরাস একত্রিশ এবং সালফার বত্রিশ। ব্যাখ্যা: ফসফরাস একত্রিশে নিউট্রন সংখ্যা ষোল এবং সালফার বত্রিশে নিউট্রন সংখ্যা ষোল, তাই এরা পরস্পরের আইসোটোন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আইসোটোপ — যে সব পরমাণুর প্রোটন সংখ্যা সমান কিন্তু ভর সংখ্যা ভিন্ন, তাদের আইসোটোপ বলে। এটি নিউট্রন সংখ্যা সমান হওয়ার শর্ত পূরণ করে না। B) আইসোটোন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে নিউট্রন সংখ্যা সমান থাকে। C) আইসোমার — যেসব যৌগের আণবিক সংকেত একই কিন্তু গঠন সংকেত ভিন্ন, তাদের আইসোমার বা সমাণু বলা হয়। এটি পরমাণুর নিউক্লিয়াসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) আইসোবার — যেসব পরমাণুর ভর সংখ্যা সমান কিন্তু প্রোটন সংখ্যা ভিন্ন, তাদের আইসোবার বলা হয়। এটি নিউট্রন সংখ্যা সমান হওয়ার ধারণার বিপরীত। ৫. মনে রাখার টিপস: আইসোটোন শব্দের শেষে ন আছে, যা দিয়ে নিউট্রন বোঝানো হয়। এভাবে মনে রাখা যায় যে আইসোতোনে নিউট্রন সংখ্যা সমান থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আইসোটোপ, আইসোটোন ও আইসোবারের পার্থক্য থেকে প্রশ্ন আসে। ভর সংখ্যা থেকে প্রোটন সংখ্যা বিয়োগ করে নিউট্রন সংখ্যা বের করার নিয়মটি মনে রাখা জরুরি।
a বিদ্যুৎ
b তাপ
c চুম্বক
d কিছু হয় না
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিদ্যুৎ ১. কেন সঠিক: - ফটোইলেকট্রিক কোষে আলো পড়লে আলোক শক্তি সরাসরি বৈদ্যুতিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। - আলোর ফোটন কণার প্রভাবে ধাতু বা আলোক সংবেদনশীল পদার্থ থেকে ইলেকট্রন নির্গত হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: আলো বা ফোটন কণার প্রতিক্রিয়ায় কোনো পদার্থের পৃষ্ঠ থেকে ইলেকট্রন নির্গমনের ঘটনাকে ফটোইলেকট্রিক প্রভাব বা আলোক তড়িৎ ক্রিয়া বলে। - কার্যপ্রণালি: নির্দিষ্ট কম্পাঙ্কের আলো কোনো ধাতব পৃষ্ঠে আপতিত হলে ধাতুর ভেতরের ইলেকট্রনগুলো শক্তি শোষণ করে মুক্ত হয় এবং বর্তনীর মাধ্যমে প্রবাহিত হয়ে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করে। - বাস্তব প্রয়োগ: সোলার প্যানেল বা সৌর কোষে এই নীতি ব্যবহার করে সূর্যের আলো থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক্যালকুলেটরের সোলার সেল ব্যাখ্যা: পকেটের ছোট ক্যালকুলেটরের ওপরে থাকা ছোট সোলার প্যানেল ঘরের আলো বা সূর্যের আলো শোষণ করে বিদ্যুৎ তৈরি করে ক্যালকুলেটর চালায়। উদাহরণ ২: সৌর বিদ্যুতের প্ল্যান্ট ব্যাখ্যা: বিশাল আকারের সৌর প্যানেল বা সোলার পার্ক সূর্যের আলোকে ফটোইলেকট্রিক প্রক্রিয়ায় বিদ্যুতে রূপান্তর করে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিদ্যুৎ — এই অপশনটি সঠিক কারণ ফটোইলেকট্রিক কোষে আলো পড়লে ইলেকট্রন চালিত হয়ে বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয়। B) তাপ — তাপ উৎপন্ন হওয়া ফটোইলেকট্রিক কোষের মূল কাজ নয়, যদিও আলোর কারণে সামান্য তাপ বাড়তে পারে। C) চুম্বক — ফটোইলেকট্রিক কোষে সরাসরি চুম্বক ক্ষেত্র তৈরি হয় না, এটি মূলত বিদ্যুৎ উৎপাদনের সাথে সম্পর্কিত। D) কিছু হয় না — এই অপশনটি ভুল কারণ আলোক সংবেদনশীল পদার্থে আলো পড়লে নিশ্চিতভাবেই ইলেকট্রন নির্গত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: ফটো শব্দের অর্থ আলো এবং ইলেকট্রিক শব্দের অর্থ বিদ্যুৎ। তাই ফটোইলেকট্রিক কোষ মানেই আলো থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের মাধ্যম। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি পদার্থবিজ্ঞানের আধুনিক শাখা এবং শক্তির রূপান্তর অধ্যায়ের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এখান থেকে পরীক্ষাতে ফটোইলেকট্রিক প্রভাবের আবিষ্কারক আলবার্ট আইনস্টাইন সম্পর্কিত প্রশ্নও আসতে পারে।
a যুক্তরাষ্ট্র
b ভারত
c জাপান
d নেপাল
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জাপান ১. কেন সঠিক: - জাপানের ফুসিতে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সৌরচুল্লি বা সোলার ফার্নেস স্থাপন করা হয়েছে। - এই চুল্লিতে বিশাল আকৃতির অবতল আয়না ব্যবহার করে সূর্যের আলোকে একটি বিন্দুতে কেন্দ্রীভূত করা হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: সৌরশক্তিকে কাজে লাগিয়ে অত্যন্ত উচ্চ তাপমাত্রা উৎপন্ন করার প্রযুক্তি হলো সোলার ফার্নেস। - কার্যপ্রণালি: অনেকগুলো সমতল আয়নার সাহায্যে সূর্যের আলোকে প্রতিফলিত করে একটি বড় অবতল আয়নায় ফেলা হয়, যা আলোকরশ্মিকে এক জায়গায় ঘনীভূত করে। - কারণ ও ফলাফল: আলোর এই কেন্দ্রীভূত রূপের ফলে কয়েক হাজার ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা উৎপন্ন হয়, যা ধাতু গলানো বা জ্বালানি উৎপাদনে ব্যবহার করা হয়। - বাস্তব প্রয়োগ: মহাশূন্যের চরম পরিবেশ অনুকরণ করে উপকরণের স্থায়িত্ব পরীক্ষা এবং পরিচ্ছন্ন জ্বালানি হাইড্রোজেন গ্যাস উৎপাদনে এটি ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: - উদাহরণ ১: অবতল আয়নার সাহায্যে সূর্যের আলো কেন্দ্রীভূত করে কাগজ জ্বালানোর ছোট পরীক্ষা। - ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে যে আলোর ফোকাস দূরবিন্দুতে শক্তি ঘনত্ব বহুগুণ বৃদ্ধি পায়। - উদাহরণ ২: বাড়ির ছাদে ব্যবহৃত সোলার প্যানেল বা ওয়াটার হিটার। - ব্যাখ্যা: এটিও সৌরশক্তিকে তাপ বা শক্তিতে রূপান্তর করার একটি দৈনন্দিন প্রয়োগ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: - A) যুক্তরাষ্ট্র — যুক্তরাষ্ট্র মহাশূন্য গবেষণা ও সৌরশক্তিতে এগিয়ে থাকলেও এই বিশেষ চুল্লির ক্ষেত্রে সঠিক নয়। - B) ভারত — ভারত সৌরশক্তিতে নানা প্রকল্প বাস্তবায়ন করলেও বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী এই চুল্লিটি তাদের নয়। - C) জাপান — জাপান এই চুল্লি নির্মাণের জন্য বিশ্বখ্যাত এবং সঠিক উত্তর। - D) নেপাল — নেপাল পাহাড়ি দেশ হওয়ায় জলবিদ্যুতে এগিয়ে থাকলেও এই ধরনের প্রযুক্তির জন্য পরিচিত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - জাপানের প্রযুক্তিগত উৎকর্ষতা এবং সূর্যাোদয়ের দেশ হিসেবে সৌর প্রযুক্তির এই রেকর্ডটি মনে রাখতে পারেন। - জাপানিরা সূক্ষ্ম ও ভারী প্রযুক্তিতে এগিয়ে, তাই সবচেয়ে শক্তিশালী সৌরচুল্লি তাদের তৈরি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সৌরচুল্লিতে আলো কেন্দ্রীভূত করতে অবতল আয়না বা কনকেভ মিরর ব্যবহার করা হয়। - এই ধরনের প্রশ্ন থেকে নবায়নযোগ্য শক্তি এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার সম্পর্কিত এমসিকিউ প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।

মোট প্রশ্ন (1)

a RAM
b ROM
c হার্ডওয়্যার
d সফটওয়্যার
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ROM ১. কেন সঠিক: ROM-এর পূর্ণরূপ হলো Read Only Memory। এটি কম্পিউটারের স্থায়ী স্মৃতিশক্তি, যেখানে ডেটা বা নির্দেশাবলি স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত থাকে এবং কম্পিউটার বন্ধ করলেও তা মুছে যায় না। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ROM হলো এমন এক ধরনের অবিনশ্বর মেমোরি যাতে সংরক্ষিত তথ্য বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলেও মুছে যায় না। কার্যপদ্ধতি: কম্পিউটার চালুর জন্য প্রয়োজনীয় বুটস্ট্র্যাপ প্রোগ্রাম বা বায়োস নির্দেশনা এর মধ্যে প্রস্তুত থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাদারবোর্ডে থাকা বায়োস চিপ। ব্যাখ্যা: কম্পিউটার অন করার সময় প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার চেক করার নির্দেশ এই চিপ থেকে পড়ে। উদাহরণ ২: মাইক্রোওয়েভ ওভেন বা ওয়াশিং মেশিনের কন্ট্রোল মডিউল। ব্যাখ্যা: এই ডিভাইসগুলোতে নির্দিষ্ট কাজ করার জন্য স্থায়ী প্রোগ্রাম ROM-এ সংরক্ষণ করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) RAM — এটি কম্পিউটারের অস্থায়ী বা ভোলাটাইল মেমোরি, যা বিদ্যুৎ বন্ধ করলেই ডেটা মুছে ফেলে। B) ROM — এটি সঠিক কারণ এটি স্থায়ী স্মৃতিশক্তি হিসেবে কাজ করে এবং ডেটা সংরক্ষণ করে রাখে। C) হার্ডওয়্যার — এটি কোনো মেমোরি চিপ নয়, বরং কম্পিউটারের শারীরিক যন্ত্রাংশ বোঝায়। D) সফটওয়্যার — এটি কোনো মেমোরি নয়, বরং নির্দেশমালার সমষ্টি বা প্রোগ্রাম। ৫. মনে রাখার টিপস: RAM হলো রেন্ডম অ্যাক্সেস মেমোরি যা অস্থায়ী আর ROM হলো রিড অনলি মেমোরি যা স্থায়ী। বিদ্যুৎ গেলে RAM খালি হয় আর ROM অক্ষত থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার চালুর সময় প্রাথমিক নির্দেশিকা ROM থেকে লোড হয়। ROM-এর ডেটা সাধারণত পরিবর্তন বা মুছে ফেলা যায় না।