সিকিউরিটি প্রিন্টিং কর্পোরেশন

সিকিউরিটি প্রিন্টিং প্রেসের অধীন সহকারী ব্যবস্থাপক (সাধারণ) পদের নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৬।

পদের নাম: সহকারী ব্যবস্থাপক (সাধারণ) (৯ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (100)

a উদাসিন্য
b উদাসীন্য
c উদাসীন্যা
d ওদাসীন্য
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) উদাসীন্য ১. কেন সঠিক: উদাসীন শব্দের সঙ্গে ভাব অর্থে ষ্ণ বা য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে উদাসীন্য শব্দটি গঠিত হয়েছে। বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী শব্দের আদি স্বরের পরিবর্তন ঘটে এখানে উদাসীন শব্দের উ দীর্ঘ হয়ে ঊ হয়েছে এবং শেষে য প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: শব্দের শেষে ভাব বা কর্ম বোঝাতে য প্রত্যয় যুক্ত হলে শব্দের আদি স্বরের বৃদ্ধি বা পরিবর্তন ঘটে যাকে গুণ ও বৃদ্ধি বলা হয়। উদাসীন শব্দের উদাসিন অংশের সঙ্গে য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে প্রমিত বানানে উদাসীন্য রূপ লাভ করে। বাংলা একাডেমি আধুনিক বানানরীতি অনুযায়ী এই বানানটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: উদাসীন যোগ য সমান উদাসীন্য ব্যাখ্যা: উদাসীন শব্দের সঙ্গে ভাব অর্থে য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে এই নতুন বিশেষ্য পদটি তৈরি হয়েছে। উদাহরণ ২: প্রবীণ যোগ য সমান প্রবীণ্য ব্যাখ্যা: প্রবীণ শব্দের সঙ্গে ভাব অর্থে য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে প্রবীণ্য শব্দটি গঠিত হয়েছে যার অর্থ প্রবীণ ব্যক্তির ভাব বা গুণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উদাসিন্য — এই বানানে দীর্ঘ ঈ কার ব্যবহার না করে স্বরবর্ণ ই ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) উদাসীন্যা — শব্দের শেষে অতিরিক্ত আকার যুক্ত করে স্ত্রীলিঙ্গ করা হয়েছে কিন্তু এটি ভাববাচক বিশেষ্য হিসেবে প্রযোজ্য নয়। D) ওদাসীন্য — শব্দের শুরুতে হ্রস্ব উ এর পরিবর্তে ও কার ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক মূল শব্দের সঙ্গে মেলে না। ৫ মনে রাখার টিপস: উদাসীন শব্দটিতে দীর্ঘ ঈ কার থাকে এবং এর সঙ্গে য প্রত্যয় যুক্ত করার সময় প্রথম অক্ষর উ দীর্ঘ হয়ে ঊ হয়। মূল শব্দের গঠন মনে রাখলে এই ধরনের বানান ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রত্যয়জনিত বানান পরিবর্তনের প্রশ্ন প্রায়ই আসে। তাই মূল শব্দ চেনার পাশাপাশি য প্রত্যয় যুক্ত হলে আদি স্বরের কী পরিবর্তন হয় তা ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
a ৫টি
b ৪টি
c ৩টি
d ২টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩টি ১. কেন সঠিক: বাংলা বর্ণমালায় পরাশ্রয়ী বর্ণ হলো ৩টি। এই বর্ণগুলো স্বাধীনভাবে একা একা উচ্চারিত হতে পারে না, সর্বদা অন্য কোনো বর্ণের সাহায্য নিয়ে শব্দের মধ্যে বা শেষে বসে উচ্চারিত হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণের সংখ্যা ৫০টি, যার মধ্যে স্বরবর্ণ ১১টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি। ব্যঞ্জনবর্ণের মধ্যে অনুস্বার, বিসর্গ এবং চন্দ্রবিন্দু এই তিনটি বর্ণকে পরাশ্রয়ী বর্ণ বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অংশ শব্দে অনুস্বার বর্ণটি অন্য বর্ণের ওপর আশ্রিত হয়ে উচ্চারিত হয়। ব্যাখ্যা: এখানে অনুস্বার পরাধীনভাবে দন্ত্য ন এর মতো ধ্বনি তৈরি করে শব্দের অর্থ প্রকাশ করে। উদাহরণ ২: দুঃখ শব্দে বিসর্গ বর্ণটি ব্যবহৃত হয়েছে। ব্যাখ্যা: বিসর্গ একা উচ্চারিত না হয়ে পূর্ববর্তী স্বরের সাথে যুক্ত হয়ে হ এর মতো উচ্চারণ তৈরি করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৫টি অপশনটি ভুল কারণ বাংলা বর্ণমালায় পরাশ্রয়ী বর্ণ ৫টি নয়, বরং ৩টি রয়েছে। B) ৪টি অপশনটি ভুল কারণ পরাশ্রয়ী বর্ণের সংখ্যা ৪টি হিসেবে গণনা করা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। C) ৩টি অপশনটি সঠিক কারণ বাংলা ব্যাকরণে পরাশ্রয়ী বর্ণ নির্দিষ্টভাবেই ৩টি নির্ধারিত আছে। D) ২টি অপশনটি ভুল কারণ পরাশ্রয়ী বর্ণ মাত্র দুটি নয়, চন্দ্রবিন্দুসহ মোট সংখ্যাটি তিনটি। ৫ মনে রাখার টিপস: পরাশ্রয়ী বর্ণ মনে রাখার সহজ উপায় হলো তিন ছক্কা বা অনুস্বার, বিসর্গ ও চন্দ্রবিন্দু—এই তিনটি নাম একসাথে মনে রাখা। এগুলো একা চলতে পারে না বলে এদের নাম পরাশ্রয়ী। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বর্ণমালা থেকে প্রশ্ন আসে। মনে রাখতে হবে পরাশ্রয়ী বর্ণগুলো স্বরবর্ণ বা ব্যঞ্জনবর্ণের মতো স্বাধীনভাবে পূর্ণ রূপ নিয়ে শব্দের প্রথমে বসতে পারে না।
a 1918
b 1921
c 1923
d 1927
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯২৩ ১. কেন সঠিক: কল্লোল পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯২৩ সালের জানুয়ারি মাসে। বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগে যুগান্তর আনা এবং নতুন ধারার সাহিত্য সৃষ্টির ক্ষেত্রে এই পত্রিকার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: কল্লোল পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা ও প্রথম সম্পাদক ছিলেন দীনেশরঞ্জন দাস এবং পরে বুদ্ধদেব বসু ও অজিত দত্ত এর সঙ্গে যুক্ত হন। এই পত্রিকাকে কেন্দ্র করেই বাংলা সাহিত্যে কল্লোল যুগ বা কল্লোল গোষ্ঠীর সৃষ্টি হয় যা রোমান্টিকতা ও বাস্তবতাবাদের মিশ্রণে নতুন ধারা এনেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শনিবারের চিঠি ব্যাখ্যা: এটি কল্লোল গোষ্ঠীর সাহিত্যিক আন্দোলনের বিরুদ্ধে প্রকাশিত একটি ব্যঙ্গাত্মক পত্রিকা। উদাহরণ ২: প্রগতি পত্রিকা ব্যাখ্যা: বুদ্ধদেব বসু ও অজিত দত্তের সম্পাদনায় প্রকাশিত আরেকটি আধুনিক সাহিত্যপত্র। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯১৮ — এই সালে কল্লোল পত্রিকা প্রকাশিত হয়নি কারণ এটি বিশ শতকের তৃতীয় দশকের ঘটনা। B) ১৯২১ — এই সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হলেও কল্লোল পত্রিকা প্রকাশিত হয়নি। D) ১৯২৭ — এই সালে কল্লোল পত্রিকার প্রকাশনা বন্ধ হওয়ার পথে ছিল কিন্তু এটি প্রতিষ্ঠার বছর নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: কল্লোল মানে তরঙ্গের নাচন আর বাংলা সাহিত্যে এর সূচনা ১৯২৩ সালে। সংখ্যাটি মনে রাখতে বিশ শতকের তেইশ সাল হিসেবে মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পত্রিকার সম্পাদকের নাম এবং প্রকাশের সাল প্রায়ই আসে। দীনেশরঞ্জন দাসের নাম কল্লোল পত্রিকার সঙ্গে বিশেষভাবে স্মরণীয়।
a প্রগতি
b পরিচয়
c কল্লোল
d কবিতা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কবিতা ১. কেন সঠিক: জীবনানন্দ দাশের বিখ্যাত 'বনলতা সেন' কবিতাটি প্রথম প্রকাশিত হয় বুদ্ধদেব বসু সম্পাদিত 'কবিতা' পত্রিকায়। বাংলা ১৩৪২ বঙ্গাব্দের অগ্রহায়ণ সংখ্যায় কবিতাটি প্রথম প্রকাশিত হয়ে আধুনিক বাংলা কবিতার ইতিহাসে এক নতুন দিগন্তের উন্মোচন করেছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: জীবনানন্দ দাশ আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি এবং রূপসী বাংলার কবি হিসেবে সমাদৃত। বুদ্ধদেব বসু সম্পাদিত 'কবিতা' পত্রিকা ছিল আধুনিক বাংলা কবিতার প্রচার ও প্রসারের সবচেয়ে প্রভাবশালী সাহিত্যপত্র। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জীবনানন্দ দাশের 'বোধ' কবিতাটি প্রথম 'প্রগতি' পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। ব্যাখ্যা: কবির সাহিত্যকর্মের প্রথম প্রকাশস্থান সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। উদাহরণ ২: বুদ্ধদেব বসু সম্পাদিত 'কবিতা' পত্রিকার প্রথম প্রকাশকাল ছিল বাংলা ১৩৪২ বঙ্গাব্দের আশ্বিন মাস। ব্যাখ্যা: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এই পত্রিকাটি আধুনিক কবিতার বিকাশ সাধনে অনন্য ভূমিকা পালন করেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রগতি — এই পত্রিকায় জীবনানন্দ দাশের কিছু লেখা প্রকাশিত হলেও 'বনলতা সেন' কবিতাটি এই পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়নি। B) পরিচয় — এটি একটি প্রগতিশীল সাহিত্যপত্র হলেও 'বনলতা সেন' কবিতাটির প্রথম প্রকাশের সঙ্গে এটি সরাসরি সম্পর্কিত নয়। C) কল্লোল — কল্লোল যুগে বাংলা সাহিত্যে নতুন হাওয়া বইলেও 'বনলতা সেন' কবিতাটি এই পত্রিকায় প্রকাশিত হয়নি। D) কবিতা — এই অপশনটি সঠিক কারণ কবিতাটি প্রথম এই সাহিত্যপত্রেই প্রকাশিত হয়েছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: বনলতা সেন কবিতায় খুঁজে ফেরে শান্তা, আর কবিতা প্রকাশের ক্ষেত্রে মনে রাখবে বিখ্যাত পত্রিকা 'কবিতা'। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিখ্যাত কবিতাগুলোর প্রথম প্রকাশ কোন পত্রিকায় হয়েছিল, তা বিসিএস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি তথ্য। কবি জীবনানন্দ দাশের প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'ঝরাপালক' এবং বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'বনলতা সেন'।
a গোবিন্দপুর
b নিশ্চিন্দিপুর
c ইচ্ছামতীর তীর
d হরিহরনগর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নিশ্চিন্দিপুর ১. কেন সঠিক: - এই উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র অপু ও দুর্গার পৈতৃক ভিটে এবং তাদের শৈশবের বেড়ে ওঠার সোনালী সময় কেটেছিল বাংলার গ্রামীণ জনপদের এই কাল্পনিক বা বাস্তবায়িত গ্রামে। - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই অমর সৃষ্টিতে বাংলার নিসর্গ প্রকৃতির সাথে মিশে আছে অপু ও দুর্গার দুরন্ত শৈশব, যা এই গ্রামের পটভূমিতেই চিত্রায়িত হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের ধারায় প্রকৃতি ও মানুষের এক অনন্য মেলবন্ধন ঘটিয়েছেন, যেখানে গ্রামীণ জীবন অত্যন্ত গভীরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। - ১৯২৯ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাসটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ক্লাসিক হিসেবে স্বীকৃত এবং সত্যজিৎ রায় এই উপন্যাসের ওপর ভিত্তি করে বিখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পথের পাঁচালী উপন্যাসের হরিহর চরিত্র ব্যাখ্যা: অপু ও দুর্গার পিতার নাম হরিহর, যিনি এই উপন্যাসের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সহজ-সরল চরিত্র। উদাহরণ ২: পথের পাঁচালী উপন্যাসের সর্বজয়া চরিত্র ব্যাখ্যা: অপু ও দুর্গার মায়ের নাম সর্বজয়া, যিনি চরম দারিদ্র্যের মাঝেও সন্তানদের লালন-পালন করার জন্য সংগ্রাম করেছেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গোবিন্দপুর — এটি এই উপন্যাসের গ্রামের নাম নয়, এটি বাংলা সাহিত্যে বা ইতিহাসে অন্য কোনো স্থান হতে পারে। B) নিশ্চিন্দিপুর — এটি সঠিক উত্তর। C) ইচ্ছামতীর তীর — ইচ্ছামতী হলো এই উপন্যাসের পাশ দিয়ে বয়ে চলা একটি নদী, গ্রামের নাম নয়। D) হরিহরনগর — এটি অপু ও দুর্গার গ্রামের নাম নয়, এটি উপন্যাসের কোনো প্রধান গ্রামের নাম হিসেবে ব্যবহৃত হয়নি। ৫ মনে রাখার টিপস: - অপু ও দুর্গার গ্রামের নাম মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো যে তাদের জীবনের নিশ্চিন্ত শৈশব কেটেছিল নিশ্চিন্দিপুর গ্রামে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাস ও তার চরিত্র বা গ্রামের নাম প্রায়ই আসে। - বিখ্যাত সাহিত্যকর্মের প্রধান চরিত্র এবং স্থানগুলোর নাম ভালোভাবে মনে রাখা পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য অত্যন্ত জরুরি।
a রক্তকরবী
b ডাকঘর
c বিসর্জন
d রাজা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বিসর্জন ১. কেন সঠিক: - বিসর্জন নাটকটি রূপক-সাংকেতিক নাটক নয়, এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি ঐতিহাসিক ও ট্র্যাজেডিধর্মী নাটক। - এই নাটকে প্রতীকী অর্থের চেয়ে মানবীয় আবেগ, সংস্কার এবং অন্ধ বিশ্বাসের সংঘাত বাস্তবিকভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যে রূপক-সাংকেতিক নাটকের প্রবক্তা হিসেবে বিশেষভাবে পরিচিত। - বিসর্জন নাটকের মূল বিষয়বস্তু হলো বলিপ্রথার বিরুদ্ধে মানবতা এবং অন্ধ বিশ্বাসের জয় পরাজয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাজা নাটকটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত রূপক-সাংকেতিক নাটক। ব্যাখ্যা: এই নাটকের মাধ্যমে মানুষের অন্তরাত্মার সঙ্গে পরম সত্তার মিলনের গভীর দার্শনিক তত্ত্ব প্রকাশ করা হয়েছে। উদাহরণ ২: অচলায়তন নাটকটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আরেকটি রূপক-সাংকেতিক নাটক। ব্যাখ্যা: এই নাটকে সামাজিক গোঁড়ামি, অন্ধ অনুশাসন এবং জড়তার বিরুদ্ধে তারুণ্যের বিদ্রোহ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রক্তকরবী — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত রূপক-সাংকেতিক নাটক যেখানে ধনতন্ত্রের শোষণ চিত্রিত হয়েছে। B) ডাকঘর — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি জনপ্রিয় রূপক-সাংকেতিক নাটক যা মুক্তির চিরন্তন আকুলতা প্রকাশ করে। C) বিসর্জন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি রূপক-সাংকেতিক নাটক নয়, বরং এটি ঐতিহাসিক ও সামাজিক দ্বন্দ্বের নাটক। D) রাজা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আধ্যাত্মিক ও দার্শনিক চেতনায় সমৃদ্ধ একটি রূপক-সাংকেতিক নাটক। ৫. মনে রাখার টিপস: - রবীন্দ্রনাথের রূপক-সাংকেতিক নাটকগুলো মনে রাখার একটি উপায় হলো রাজা, ডাকঘর, রক্তকরবী ও অচলায়তন এই নামগুলো বারবার চর্চা করা। - বিসর্জন ও রাজর্ষি একই কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে রচিত, তাই বিসর্জন নাটকে ইতিহাসের ছোঁয়া রয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই রবীন্দ্রনাথের রূপক-সাংকেতিক নাটক কোনটি বা কোনটি নয় তা জানতে চাওয়া হয়। - এই ধরনের প্রশ্ন সমাধানের জন্য রবীন্দ্রনাথের প্রধান প্রধান রূপক-সাংকেতিক নাটকের তালিকা মুখস্থ রাখা জরুরি।
a বিষবৃক্ষ
b চোখের বালি
c কৃষ্ণকান্তের উইল
d চরিত্রহীন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চোখের বালি ১. কেন সঠিক: বাংলা সাহিত্যের প্রথম মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস হিসেবে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'চোখের বালি' উপন্যাসটিকে বিবেচনা করা হয়। এই উপন্যাসে মানুষের মনস্তত্ত্ব, পরকীয়া প্রেম, দাম্পত্য জটিলতা এবং কুসংস্কারের বিরুদ্ধে আধুনিক চেতনার সফল প্রকাশ ঘটেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ছিলেন বাংলা সাহিত্যের এক বহুমুখী প্রতিভাধর লেখক যিনি ১৯১৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। ১৯০৩ সালে প্রকাশিত 'চোখের বালি' উপন্যাসে মহেন্দ্র, বিনোদিনী, আশা ও বিহারী চরিত্রের মাধ্যমে মানুষের জটিল মানসিক দ্বন্দ্ব নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'গৃহদাহ' উপন্যাস। ব্যাখ্যা: এটিও একটি বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক ও পরকীয়া প্রেমের উপন্যাস যেখানে চরিত্রগুলোর মনের দ্বন্দ্ব প্রধান হয়ে উঠেছে। উদাহরণ ২: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'যোগাযোগ' উপন্যাস। ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসেও কুসুম ও কুমুদিনীর মানসিক দ্বন্দ্ব এবং মনস্তাত্ত্বিক সংকটের চমৎকার রূপায়ন দেখা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিষবৃক্ষ — এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম সার্থক সামাজিক উপন্যাস, প্রথম মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস নয়। B) চোখের বালি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, এটিই প্রথম মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস। C) কৃষ্ণকান্তের উইল — এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত পরকীয়া প্রেম ও অপরাধপ্রবণতার উপন্যাস, মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস নয়। D) চরিত্রহীন — এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি সমাজবাস্তবতাভিত্তিক জনপ্রিয় উপন্যাস, প্রথম মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাসের কথা মনে রাখতে চোখের বালি নামটি প্রথমে মনে রাখবে কারণ রবীন্দ্রনাথই প্রথম এই ধারার সফল সূচনা করেন। লেখক রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং তার প্রথম মনস্তাত্ত্বিক সৃষ্টি চোখের বালি এভাবে জোড়া মিলিয়ে মনে রাখা সহজ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা সাহিত্যের প্রথম মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস কোনটি এই প্রশ্নটি বিসিএসসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। সাহিত্যকর্মের সৃষ্টির সাল এবং লেখকের নাম ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
a কাব্যগ্রন্থ
b উপন্যাস
c প্রবন্ধ সংকলন
d পত্র সংকলন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পত্র সংকলন ১. কেন সঠিক: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছিন্নপত্র একটি বিখ্যাত পত্র সংকলন কারণ এটি মূলত তাঁর লেখা চিঠির সমষ্টি। - শিলাইদহ, পতিসর ও শাহজাদপুরে জমিদারি দেখাশোনার সময় তিনি তাঁর ভ্রাতুষ্পুত্রী ইন্দিরা দেবীকে এই চিঠিগুলো লিখেছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি অনন্য প্রকৃতির পত্র সাহিত্য। - এই চিঠিপুলোয় গ্রামীণ বাংলার প্রকৃতি, পদ্মা নদীর রূপ এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার চিত্র অপূর্ব ভাষায় ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ছিন্নপত্রাবলি ব্যাখ্যা: ছিন্নপত্রের পরিবর্ধিত ও পরিবর্তিত রূপ হলো ছিন্নপত্রাবলি, যা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের চিঠিপত্রের আরেকটি বিখ্যাত সংকলন। উদাহরণ ২: ভানুসিংহের পত্রাবলী ব্যাখ্যা: এটিও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অপর একটি চিঠির সংকলন যা সাহিত্য জগতে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাব্যগ্রন্থ — ছিন্নপত্র কোনো কবিতা বা ছন্দের সংকলন নয়, তাই এটি কাব্যগ্রন্থ হতে পারে না। B) উপন্যাস — এটি কোনো কাল্পনিক বা বাস্তবধর্মী গল্পভিত্তিক কাহিনীর উপন্যাস নয়। C) প্রবন্ধ সংকলন — ছিন্নপত্রে কোনো গভীর তাত্ত্বিক বা মননশীল প্রবন্ধের আলোচনা করা হয়নি। D) পত্র সংকলন — এটি একটি পত্র সংকলন এবং এটিই সঠিক উত্তর। ৫ মনে রাখার টিপস: চিঠি মানেই পত্র, আর ছিন্নপত্র নামের মধ্যেই পত্র শব্দটি লুকিয়ে আছে। রবীন্দ্রনাথের চিঠির কথা মনে রাখলেই উত্তরটি সহজে বের করা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রবীন্দ্রসাহিত্যের বিভিন্ন ধারার পরিচয় প্রায়ই আসে। চিঠিপত্রভিত্তিক রচনা হিসেবে ছিন্নপত্র এবং ছিন্নপত্রাবলি খুব ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a গুঞ্জন
b নিনাদ
c কলরব
d মন্ত্র
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মন্ত্র ১. কেন সঠিক: - গম্ভীর ধ্বনি-কে এককথায় মন্ত্র বলা হয়। - এখানে 'মন্ত্র' শব্দটি আধ্যাত্মিক বা গম্ভীর আওয়াজ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন অংশের অন্তর্ভুক্ত। - দীর্ঘ ও ভাবগম্ভীর উচ্চারণ বা ধ্বনি প্রকাশ করতে মন্ত্র শব্দ ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মেঘের গম্ভীর গর্জন ব্যাখ্যা: এটি আকাশের গভীর ও ভারী আওয়াজ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: সমুদ্রের গম্ভীর গর্জন ব্যাখ্যা: এটি সমুদ্রের তরঙ্গের ভারী ও গভীর শব্দ বোঝায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গুঞ্জন — এটি মৌমাছি বা পাখির মৃদু ও একসাথে করা শব্দের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। B) নিনাদ — এটি যেকোনো সাধারণ বা জোরালো শব্দ বা কোলাহল বোঝায়। C) কলরব — এটি বহু মানুষের একসাথে করা শোরগোল বা হইচই বোঝায়। D) মন্ত্র — এটি গম্ভীর ধ্বনি বোঝানোর জন্য সঠিক ও প্রমিত শব্দ। ৫ মনে রাখার টিপস: - গম্ভীর ও আধ্যাত্মিক আওয়াজ বোঝাতে সবসময় মন্ত্র শব্দটি মনে রাখবে। - এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে শব্দের অন্তর্নিহিত ভাবার্থ খেয়াল রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - শব্দের মূল অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করলে সহজেই সঠিক উত্তর নির্বাচন করা যায়।
a জিজ্ঞাসা
b জিজীবিষা
c প্রতিচিকীর্যা
d জিগীষা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্রতিচিকীর্যা ১. কেন সঠিক: - 'প্রতিকার করার ইচ্ছা' এককথায় প্রকাশ করলে প্রতিচিকীর্যা হয়। - এখানে প্রতিচিকীর্যা শব্দটির মাধ্যমে কোনো অন্যায় বা ক্ষতির প্রতিশোধ নেওয়া কিংবা প্রতিকার করার তীব্র ইচ্ছাকে বোঝানো হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন হলো ব্যাকরণের একটি অংশ যেখানে একটি বড় ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করা হয়। - এটি ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং বাক্যকে সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষক করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জানার ইচ্ছা ব্যাখ্যা: জানার ইচ্ছাকে এককথায় জিজ্ঞাসা বলা হয়। উদাহরণ ২: বেঁচে থাকার ইচ্ছা ব্যাখ্যা: বেঁচে থাকার ইচ্ছাকে এককথায় জিজীবিষা বলা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জিজ্ঞাসা — এটি জানার ইচ্ছাকে বোঝায়, তাই এটি সঠিক নয়। B) জিজীবিষা — এটি বেঁচে থাকার ইচ্ছাকে বোঝায়, তাই এটি সঠিক নয়। C) প্রতিচিকীর্যা — এটি প্রতিকার করার ইচ্ছাকে বোঝায় এবং এটিই সঠিক উত্তর। D) জিগীষা — এটি জয় করার ইচ্ছাকে বোঝায়, তাই এটি সঠিক নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - প্রতিচিকীর্যা শব্দের ভেতরে প্রতি আছে যা প্রতিকার শব্দের সঙ্গে মিলে যায়। - এভাবে মিল খুঁজে পড়লে এককথায় প্রকাশ সহজে মনে রাখা সম্ভব। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে প্রায়শই কাছাকাছি অর্থের শব্দ দিয়ে বিভ্রান্ত করা হয়। - তাই প্রাত্যহিক অনুশীলনের মাধ্যমে এ ধরনের শব্দের সূক্ষ্ম পার্থক্য মনে রাখতে হবে।
a অলংকার
b আচ্ছাদন
c খোলস
d আবরণহীনতা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) খোলস ১. কেন সঠিক: - ‘নির্মোক’ শব্দের আধানগত ও অর্থগত বিচারে এটি সাধারণত সাপ বা অন্যান্য প্রাণীর খোলস ত্যাগ করাকে বোঝায়। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ শব্দার্থভিত্তিক প্রশ্ন যা প্রমিত বাংলা শব্দভান্ডার সমৃদ্ধ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি একটি তৎসম শব্দ যার মূল অর্থ সাপ বা কোনো প্রাণীর খোলস কিংবা বর্ম। - শব্দের উৎস ও শব্দের অর্থ নির্ণয় ধারার একটি প্রশ্ন যেখানে সরাসরি শব্দের সঠিক অর্থ নির্বাচন করতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সাপের নির্মোক পরিবর্তন। ব্যাখ্যা: সাপ তার পুরনো খোলস বা নির্মোক ত্যাগ করে নতুন জীবন লাভ করে। উদাহরণ ২: ঝরাপাতার নির্মোক। ব্যাখ্যা: রূপক অর্থে গাছের পুরনো আবরণ বা খোলস ত্যাগ করা বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অলংকার — অলংকার শব্দের অর্থ গহনা বা ভূষণ, যা নির্মোক শব্দের সঙ্গে মেলে না। B) আচ্ছাদন — আচ্ছাদন অর্থ ঢেকে রাখা, যা সরাসরি খোলস বা নির্মোক অর্থে ব্যবহৃত হয় না। C) খোলস — এটি নির্মোক শব্দের সমার্থক এবং সরাসরি সঠিক অর্থ প্রকাশ করে। D) আবরণহীনতা — আবরণহীনতা অর্থ উন্মুক্ত বা আবরণহীন অবস্থা, যা নির্মোক শব্দের বিপরীত ভাব প্রকাশ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - নির্মোক শব্দের সঙ্গে সাপ শব্দটির মিল মনে রাখবে। সাপ যেমন খোলস ছাড়ে, নির্মোক মানেও খোলস। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - শব্দার্থ নির্বাচনে সমার্থক শব্দগুলো ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে। এমন প্রশ্ন ব্যাংক ও বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
a সমুদ্র
b বৃষ্টি
c নদী
d মেঘ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মেঘ ১. কেন সঠিক: - ‘নীরদ’ শব্দটি সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত একটি শব্দ, যার অর্থ হলো যা নীর বা জল দান করে। - বাংলায় ‘নীর’ অর্থ জল এবং ‘দ’ অর্থ প্রদানকারী, সুতরাং জল বা বারি প্রদান করে যে অর্থাৎ মেঘ। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - এটি একটি উপপদ তৎপুরুষ সমাস বা বহুব্রীহি সমাসের অন্তর্গত শব্দ হতে পারে, যেখানে নীর + দ অর্থাৎ জল দান করে যে। - সংস্কৃত ব্যাকরণ অনুযায়ী শব্দের শেষে দ যুক্ত থাকলে সাধারণত তা প্রদানকারী বা ধারক অর্থ প্রকাশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বারিদ ব্যাখ্যা: বারি অর্থ জল এবং দ অর্থ প্রদানকারী, তাই বারিদ শব্দের অর্থও মেঘ। উদাহরণ ২: জলদ ব্যাখ্যা: জল অর্থ পানি এবং দ অর্থ প্রদানকারী, তাই জলদ মানে হলো মেঘ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সমুদ্র — সমুদ্র হলো জলের আধার, একে বারিধি বা রত্নাকর বলা হয় কিন্তু নীরদ বলা হয় না। B) বৃষ্টি — বৃষ্টি হলো মেঘ থেকে পতনশীল বারিধারা, কিন্তু নীরদ বলতে জল প্রদানকারী মেঘকে বোঝায়। C) নদী — নদী হলো প্রবহমান জলের ধারা, যার সমার্থক হলো তটিনী বা স্রোতস্বিনী। D) মেঘ — এই অপশনটি সঠিক কারণ নীরদ শব্দের সরাসরি অর্থ হলো মেঘ। ৫. মনে রাখার টিপস: - সংস্কৃত শব্দে নামের শেষে দ বা ধর থাকলে তা সাধারণত মেঘ বা জল বোঝায়। - জলের সমার্থক শব্দের সাথে দ যুক্ত করলে মেঘের নাম পাওয়া যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ হিসেবে জল, মেঘ ও সমুদ্রের সমার্থক শব্দগুলো প্রায়ই একসাথে গুলিয়ে ফেলা হয়। - দ যুক্ত শব্দ যেমন বারিদ, জলদ, নীরদ সব সময় মেঘকে নির্দেশ করে এবং ধি যুক্ত শব্দ যেমন বারিধি, জলধি সমুদ্রকে নির্দেশ করে।
a আকাশ
b সমুদ্র
c পর্বত
d মেঘ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সমুদ্র ১. কেন সঠিক: পয়োধি শব্দটির অর্থ সমুদ্র। পয়ো অর্থ জল বা দুধ এবং ধি অর্থ ধারণ করে যা, অর্থাৎ যা জল ধারণ করে তাকে পয়োধি বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি একটি সাধিত শব্দ যা সমার্থক শব্দের অন্তর্ভুক্ত। সংস্কৃত ব্যাকরণ অনুযায়ী পয়স যোগ ধি যুক্ত হয়ে পয়োধি গঠিত হয়েছে এবং এটি সমুদ্রের একটি নামবাচক প্রতিশব্দ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অর্ণব ব্যাখ্যা: অর্ণব শব্দের অর্থ সমুদ্র, যা পয়োধি শব্দের একটি সমার্থক শব্দ হিসেবে বাক্যে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: পারাবার ব্যাখ্যা: পারাবার শব্দের অর্থ সমুদ্র বা মহাসমুদ্র, যা পয়োধি শব্দের বিকল্প সমার্থক হিসেবে পরিচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আকাশ — আকাশ শব্দের সমার্থক শব্দ হলো গগন, অম্বর ও আসমান। এটি জল ধারণ করে না বলে পয়োধি হতে পারে না। B) সমুদ্র — এটি সঠিক উত্তর কারণ সমুদ্র প্রচুর জল ধারণ করে এবং পয়োধির মূল অর্থ এর সঙ্গে মিলে যায়। C) পর্বত — পর্বত শব্দের সমার্থক হলো অচল, গিরি ও শৈল। পর্বত জল ধারণ করে না, তাই এটি সঠিক নয়। D) মেঘ — মেঘ শব্দের সমার্থক হলো জলদ, নীরদ ও পয়োদ। মেঘ জল বর্ষণ করে কিন্তু সমুদ্রের মতো ধারণ করে রাখে না। ৫ মনে রাখার টিপস: পয়ো শব্দের অর্থ জল এবং ধি মানে আধার বা ধারণকারী। জল ধারণ করে রাখে সমুদ্র, তাই পয়োধি অর্থ সমুদ্র। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জল বা পানি সংক্রান্ত শব্দের শেষে ধি বা দ থাকলে তা সমুদ্র বা মেঘ বোঝায়। যেমন পয়োদ হলো মেঘ এবং পয়োধি হলো সমুদ্র।
a দ্বন্দ্ব
b নিত্য
c বহুব্রীহি
d তৎপুরুষ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নিত্য ১. কেন সঠিক: যে সমাসের ব্যাসবাক্য হয় না বা ব্যাসবাক্য করতে হলে অন্য পদের সাহায্য নিতে হয়, তাকে নিত্য সমাস বলে। কালসাপ শব্দটি একটি বিশেষ প্রজাতির সাপকে বোঝায়, যার নিজস্ব ব্যাসবাক্য হয় না এবং এটি নিত্য সমাসের অন্তর্ভুক্ত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: নিত্য সমাসের ক্ষেত্রে পদের স্বাভাবিক মিলন ঘটে এবং ব্যাসবাক্য হয় না বললেই চলে। অন্য পদ যোগ করে এর অর্থ প্রকাশ করতে হয়, যেমন অন্য গ্রাম = গ্রামান্তর। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অন্য মন = অন্যমনস্ক ব্যাখ্যা: এটি নিত্য সমাসের একটি উদাহরণ যেখানে অন্য পদের সাহায্যে ব্যাসবাক্য করা হয়েছে। উদাহরণ ২: কেবল দর্শন = দর্শনমাত্র ব্যাখ্যা: এখানে কেবল শব্দের যোগে নিত্য সমাস সাধিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্বন্দ্ব — দ্বন্দ্ব সমাসে উভয় পদের অর্থের প্রাধান্য থাকে, যা কালসাপ শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) নিত্য — এই অপশনটি সঠিক কারণ কালসাপ একটি নিত্য সমাসের শব্দ। C) বহুব্রীহি — বহুব্রীহি সমাসে নতুন কোনো অর্থের সৃষ্টি হয়, যা কালসাপ শব্দের ক্ষেত্রে মেলে না। D) তৎপুরুষ — তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদের বিভক্তির লোপ পায়, যা এখানে হয়নি। ৫. মনে রাখার টিপস: যেসব শব্দের ব্যাসবাক্য হয় না এবং অন্য শব্দ যোগ করে অর্থ বুঝতে হয়, সেগুলো সাধারণত নিত্য সমাস হয়। কালসাপ, অন্যগ্রাম, দর্শনমাত্র শব্দগুলো নিত্য সমাসের চেনার উপায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিত্য সমাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। অন্যমনস্ক, গ্রামান্তর, কালসাপ এবং কেবল দর্শন এই শব্দগুলোর সমাস বারবার অনুশীলন করা উচিত।
a অনুজ্ঞাবাচক
b নেতিবাচক
c অস্তিবাচক
d প্রশ্নবাচক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অস্তিবাচক ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যটিতে কোনো কিছু স্বীকার করা হয়েছে বা হ্যাঁ বোধক অর্থ প্রকাশ পেয়েছে, তাই এটি অস্তিবাচক বাক্য। - বাক্যের মূল বক্তব্য হলো নালিশটি অযৌক্তিক, যা সত্য হিসেবে উপস্থাপিত হয়েছে এবং এর মধ্যে কোনো না বোধক বা প্রশ্নবোধক চিহ্ন নেই। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে বাক্যে কোনো কিছু হাহাবোধক বা অস্তিবাচকভাবে স্বীকার করা হয়, তাকে অস্তিবাচক বাক্য বলে। - বাক্য রূপান্তরের নিয়মে অর্থের পরিবর্তন না করে বাক্যকে অস্তিবাচক থেকে নেতিবাচক বা নেতিবাচক থেকে অস্তিবাচক করা যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঢাকা একটি সুন্দর শহর। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে কোনো না বোধক শব্দ নেই এবং এটি একটি ইতিবাচক বা অস্তিবাচক তথ্য প্রকাশ করছে। উদাহরণ ২: সততাই সর্বোৎকৃষ্ট পন্থা। ব্যাখ্যা: এটি একটি সত্য ও হাহাবোধক বা অস্তিবাচক বাক্য যার মধ্যে কোনো অস্বীকৃতি নেই। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অনুজ্ঞাবাচক — এই বাক্যে কোনো আদেশ, অনুরোধ বা উপদেশ বোঝানো হয়নি, তাই এটি অনুজ্ঞাবাচক বাক্য নয়। B) নেতিবাচক — এই বাক্যে না, নি বা নাই এর মতো কোনো না বোধক অব্যয় নেই, তাই এটি নেতিবাচক বাক্য নয়। C) অস্তিবাচক — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাক্যটিতে হ্যাঁ বোধক অর্থ প্রকাশ পেয়েছে। D) প্রশ্নবাচক — এই বাক্যের শেষে কোনো প্রশ্নবোধক চিহ্ন নেই এবং এটি কোনো কিছু জানতে চাইছে না, তাই এটি প্রশ্নবাচক বাক্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - যে বাক্যে না, নি, নাই বা কোনো প্রশ্নবোধক শব্দ থাকে না এবং সহজভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করে, তা সাধারণত অস্তিবাচক বাক্য হয়। - বাক্য চেনার সময় প্রথমে খেয়াল করবে বাক্যে কোনো অস্বীকৃতিসূচক শব্দ আছে কি না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য রূপান্তর বা বাক্যের শ্রেণিবিভাগ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বাক্য চেনার সময় তার অর্থ এবং পদের গঠন ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে।
a নিষ্কুন
b দুর্গ
c নভোচর
d দিশারী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দুর্গ ১. কেন সঠিক: - দুর্গ শব্দটির বানান সঠিক কারণ এতে দীর্ঘ ঊ কার এবং গ ব্যবহার করা হয়েছে যার অর্থ কেল্লা বা প্রাকার। - বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী তৎসম বা সংস্কৃত শব্দে ই ঈ উ ঊ এবং ঋ ধ্বনির সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা বানান শুদ্ধিকরণের ক্ষেত্রে প্রমিত বানানরীতি এবং বাংলা একাডেমির নিয়ম অনুসরণ করা অত্যন্ত জরুরি। - তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে মূল সংস্কৃত রূপ বা ব্যাকরণগত নিয়ম অনুযায়ী বানান নির্ধারণ করতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সূর্য ব্যাখ্যা: সূর্য শব্দটিতে দীর্ঘ ঊ কার ব্যবহার করা হয় যা প্রমিত বানানরীতির সঠিক নিয়ম। উদাহরণ ২: ভূত ব্যাখ্যা: ভূত শব্দটিতে দীর্ঘ ঊ কার বসে কারণ এটি তৎসম শব্দ এবং এর বানানরীতি এমনই নির্ধারিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিষ্কুন — এই বানানটি ভুল কারণ এর সঠিক রূপ নিপুণ বা নিষ্কুণের পরিবর্তে অন্য বানান হয়, এখানে মূর্ধন্য ণ এর ব্যবহার অশুদ্ধ। B) দুর্গ — এই অপশনটি সঠিক এবং এর বানান ও অর্থ সম্পূর্ণ নির্ভুল। C) নভোচর — নভোচর বানানটি প্রমিত হলেও প্রশ্নে শুদ্ধ বানান হিসেবে দুর্গ নির্ধারণ করা হয়েছে এবং নভোচর শব্দের গঠন ভিন্ন। D) দিশারী — দিশারী বানানটিতে ই কার বা দীর্ঘী কারের ক্ষেত্রে প্রমিত নিয়ম অনুযায়ী দিশারি বা দিশারী রূপ নিয়ে বিতর্ক থাকতে পারে, তবে দুর্গ অধিকতর নিশ্চিত ও প্রমিত বানান। ৫ মনে রাখার টিপস: - দুর্গ লেখার সময় সবসময় দীর্ঘ ঊ কার এবং গ ব্যবহার করতে হবে। - তৎসম শব্দের বানান মুখস্থ রাখার সময় মূল সংস্কৃত রূপের দিকে খেয়াল রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই তৎসম শব্দের শুদ্ধ বানান থেকে প্রশ্ন আসে। - উ কার এবং ঊ কারের সঠিক ব্যবহার জানা থাকলে এ ধরনের বানান খুব সহজে নির্ণয় করা যায়।
a আ+চর্য
b আশ+চর্য
c আঃ+চর্য
d আস্+চর্য
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আ+চর্য ১. কেন সঠিক: 'আশ্চর্য' শব্দের প্রকৃতি ও প্রত্যয়গত বিশ্লেষণে দেখা যায় এটি উপসর্গ যোগে গঠিত একটি শব্দ। এখানে 'আ' একটি উপসর্গ যা 'চর্য' শব্দের পূর্বে যুক্ত হয়ে শব্দটির অর্থ পরিবর্তন ও পরিবর্ধন করেছে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের শব্দ সন্ধি বা প্রত্যয় হিসেবে বিভ্রান্তি তৈরি করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে উপসর্গ হলো এমন কিছু অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা ধাতু বা শব্দের পূর্বে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে। 'আ' একটি প্রমিত বাংলা উপসর্গ যা সম্যক, আতিশয্য বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়। 'চর্য' শব্দের সঙ্গে 'আ' উপসর্গ যুক্ত হয়ে বিস্ময়কর বা অবাক করা অর্থে 'আশ্চর্য' শব্দটি তৈরি হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আ+মরণ = আমরণ ব্যাখ্যা: এখানে 'আ' উপসর্গটি পর্যন্ত অর্থে 'মরণ' শব্দের পূর্বে যুক্ত হয়েছে। উদাহরণ ২: আ+কণ্ঠ = আকণ্ঠ ব্যাখ্যা: এখানে 'আ' উপসর্গটি ব্যপ্তি অর্থে 'কণ্ঠ' শব্দের পূর্বে যুক্ত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আ+চর্য — এটি সঠিক কারণ 'আ' উপসর্গের সঙ্গে 'চর্য' মিলে সঠিক শব্দটি গঠিত হয়েছে। B) আশ+চর্য — 'আশ' বলে কোনো বাংলা উপসর্গ বা ব্যাকরণসম্মত শব্দাংশ নেই। C) আঃ+চর্য — বিসর্গসন্ধির কোনো নিয়ম এখানে প্রযোজ্য নয় এবং এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল। D) আস্+চর্য — 'আস্' কোনো প্রমিত উপসর্গ বা শব্দমূল নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: উপসর্গ চেনার জন্য শব্দের শুরুতে থাকা অব্যয় অংশ আলাদা করার অভ্যাস করতে হবে। 'আশ্চর্য' শব্দটিতে 'আ' হলো উপসর্গ এবং 'চর্য' হলো মূল অংশ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গ যোগে গঠিত শব্দগুলো সন্ধি মনে করে ভুল করা হয়। তাই শব্দ গঠনের উৎস ভালোভাবে লক্ষ্য করতে হবে।
a প্র+ঊঢ়
b প্র+উঢ়
c প্রৌ+ঢ়
d প্রঃ+ঊঢ়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্র+উঢ় ১. কেন সঠিক: প্রৌঢ় শব্দটি প্র উপসর্গ এবং উঢ় শব্দের যোগে গঠিত হয়েছে এবং এটি প্রাদি সমাস বা নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির নিয়মে সাধিত। এখানে প্র উপসাগরের সঙ্গে উঢ় শব্দের সন্ধির ফলে প্রৌঢ় শব্দটি তৈরি হয়েছে যার অর্থ বয়স্ক বা পরিপক্ব। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী অ বা আ এর পরে উ বা ঊ থাকলে উভয়ে মিলে ও কার হয় এবং তা আগের বর্ণের সঙ্গে যুক্ত হয়। তবে প্রৌঢ় শব্দটির ক্ষেত্রে এই সাধারণ নিয়মটি কিছুটা ভিন্নভাবে কাজ করে এবং এটি নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি হিসেবে গণ্য হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কুল + অটা = কুলাটা ব্যাখ্যা: এটিও সন্ধির একটি ব্যতিক্রমী নিয়ম বা নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির উদাহরণ। উদাহরণ ২: মার্ত + অণ্ড = মার্তণ্ড ব্যাখ্যা: এটিও সাধারণ নিয়মের বাইরে সাধিত নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির একটি বিখ্যাত উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্র+ঊঢ় — ঊঢ় শব্দটিতে দীর্ঘ ঊ ব্যবহৃত হয়েছে কিন্তু মূল শব্দে হ্রস্ব উ থাকে তাই এটি ভুল। B) প্র+উঢ় — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি প্রৌঢ় শব্দের প্রমিত ও ব্যাকরণগতভাবে অনুমোদিত সন্ধিবিচ্ছেদ। C) প্রৌ+ঢ় — প্রৌ কোনো অর্থপূর্ণ উপসর্গ বা শব্দ নয় তাই এই সন্ধিবিচ্ছেদ সম্পূর্ণ ভুল। D) প্রঃ+ঊঢ় — এখানে বিসর্গ ব্যবহার করা হয়েছে যা এই শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: প্রৌঢ় শব্দের সন্ধি মনে রাখার জন্য প্র এর সঙ্গে উঢ় যুক্ত হয় এই অংশটুকু বারবার অনুশীলন করতে হবে। পরীক্ষায় উ এবং ঊ এর বিভ্রান্তি দূর করতে মনে রাখতে হবে এখানে হ্রস্ব উ ব্যবহৃত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধিগুলো চাকরির পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ এগুলো সাধারণ নিয়ম মেনে চলে না। এই ধরনের প্রশ্নগুলোর ক্ষেত্রে সঠিক শব্দমূল এবং উপসাগরের ব্যবহার ভালোভাবে মুখস্থ রাখা জরুরি।
a আরবি
b ফারসি
c তুর্কি
d ইংরেজি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আরবি ১. কেন সঠিক: - ‘হিসাব’ শব্দটি আরবি ভাষা থেকে আগত একটি অতি পরিচিত শব্দ। - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত দৈনন্দিন অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক কাজের জন্য এই আরবি শব্দটি বহু শতাব্দী ধরে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত শব্দগুলোকে উৎসের দিক থেকে পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয়, যার মধ্যে বিদেশি শব্দ অন্যতম। - আরবি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় বিভিন্ন ধর্মীয়, প্রশাসনিক, সাংস্কৃতিক ও ব্যবসায়িক শব্দ প্রবেশ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আদালত ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল প্রচলিত আরবি শব্দ যা বাংলা বিচার ব্যবস্থায় নিয়মিত ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: কলম ব্যাখ্যা: এটিও একটি আরবি শব্দ যা লেখার কাজে ব্যবহৃত বস্তু বোঝাতে বাংলায় ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আরবি — এটি সঠিক উত্তর কারণ হিসাব শব্দটি আরবি ভাষা থেকে এসেছে। B) ফারসি — ফারসি ভাষা থেকে বাংলায় নানা শব্দ এলেও 'হিসাব' শব্দটি ফারসি নয়। C) তুর্কি — তুর্কি শব্দ সাধারণত অস্ত্র বা সেনাসংশ্লিষ্ট হয়, হিসাব তুর্কি শব্দ নয়। D) ইংরেজি — ইংরেজি ভাষা থেকে বাংলায় অনেক শব্দ এলেও হিসাব একটি সেমিটিক বা আরবি মূলের শব্দ। ৫. মনে রাখার টিপস: - হিসাব, কিতাব, আদালত, কলম এই শব্দগুলো একই গোত্রের অর্থাৎ আরবি শব্দ। - ধর্মীয় ও দাপ্তরিক অনেক পরিভাষা মনে রাখতে পারলে আরবি ও ফারসি শব্দের পার্থক্য সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বিশেষ করে আরবি ও ফারসি শব্দের পার্থক্যের তালিকা ভালোভাবে আয়ত্ত করা আবশ্যক।
a দেশজ
b যোগরূঢ়
c রূঢ়
d যৌগিক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রূঢ় ১. কেন সঠিক: অর্থগত দিক থেকে শব্দকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়, যথা যৌগিক, রূঢ় বা রূঢ়ি এবং যোগরূঢ় শব্দ। যে সকল শব্দ প্রত্যয় বা উপসর্গ যোগে গঠিত হয়েও মূল শব্দের অর্থের অনুগামী না হয়ে অন্য কোনো বিশিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে, সেগুলোকে রূঢ় বা রূঢ়ি শব্দ বলে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: অধিকার শব্দটি অধি উপসর্গ পূর্বক √কৃ ধাতু এবং অ প্রত্যয় যোগে গঠিত হয়েছে। এর বুৎপত্তিগত বা ব্যাকরণিক অর্থ হলো যা অর্জন করা হয়েছে বা যা অধিকৃত হয়েছে, কিন্তু প্রচলিত অর্থে এটি কোনো বিশেষ অধিকার, ক্ষমতা বা মালিকানাকে বোঝায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রবীণ ব্যাখ্যা: প্রবীণ শব্দের বুৎপত্তিগত অর্থ প্রবুদ্ধ বা প্রকৃষ্টরূপে বীণা বাজাতে পারে যে, কিন্তু রূঢ় অর্থে এটি কেবল বয়স্ক বা অভিজ্ঞ ব্যক্তিকে বোঝায়। উদাহরণ ২: গবেষণা ব্যাখ্যা: গবেষণা শব্দের বুৎপত্তিগত অর্থ গরুর অন্বেষণ বা খোঁজা, কিন্তু রূঢ় অর্থে এটি কোনো বিষয়ে বিস্তারিত ও গভীর পঠন-পাঠন বা অনুসন্ধানকে বোঝায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দেশজ — দেশজ শব্দ হলো সেই সমস্ত শব্দ যা আদিবাসীদের ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে, কিন্তু অধিকার একটি তৎসম ও সাধিত শব্দ। B) যোগরূঢ় — যোগরূঢ় শব্দ সমাসের সাহায্যে গঠিত হয়ে কোনো বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে, কিন্তু অধিকার সমাসবদ্ধ শব্দ নয়। D) যৌগিক — যৌগিক শব্দের অর্থ প্রকৃতি ও প্রত্যয়ের অর্থের অনুগামী হয়, কিন্তু অধিকার শব্দের অর্থ প্রকৃতি ও প্রত্যয়ের অর্থের সরাসরি অনুগামী নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: রূঢ় বা রূঢ়ি শব্দগুলো সহজে মনে রাখতে মূল শব্দ ও তার প্রচলিত অর্থের পার্থক্য মনে রাখবে। যেসব শব্দ তাদের শাব্দিক অর্থ ছেড়ে সম্পূর্ণ নতুন বা বিশেষ কোনো অর্থ প্রকাশ করে, সেগুলোই রূঢ় শব্দ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সন্দেশ, হস্তী, বাতিঘর, গবেষণা এবং অধিকার শব্দগুলো কোন প্রকৃতির শব্দ তা জানতে চাওয়া হয়। শব্দের গঠন এবং প্রচলিত অর্থের ভিন্নতা ভালোভাবে খেয়াল করলে এই ধরনের প্রশ্ন খুব সহজে সঠিক উত্তর করা সম্ভব।
a সমুচ্চয়ী
b অনন্বয়ী
c পদান্বয়ী
d অনুকার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পদান্বয়ী ১. কেন সঠিক: যে অব্যয় শব্দগুলো বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের পরে বসে কারক বা বিভক্তির মতো কাজ করে, সেগুলোকে পদান্বয়ী অব্যয় বলে। নিমিত্ত শব্দটি কোনো পদের পরে বসে উদ্দেশ্য বা কারণ প্রকাশ করে বিধায় এটি পদান্বয়ী অব্যয় হিসেবে গণ্য হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে অব্যয় পদ প্রধানত চার ভাগে বিভক্ত যথা সমুচ্চয়ী, অনন্বয়ী, পদান্বয়ী এবং অনুকার অব্যয়। পদান্বয়ী অব্যয়গুলো সাধারণত বিভক্তির ন্যায় কাজ করে এবং বাক্যের অর্থ স্পষ্ট করতে বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের সাথে যুক্ত হয়ে অবস্থান করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দেশের তরে জীবন দাও। ব্যাখ্যা: এখানে তরে শব্দটি পদান্বয়ী অব্যয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে উদ্দেশ্যের অর্থ প্রকাশ করেছে। উদাহরণ ২: জ্ঞানের জন্য সাধনা প্রয়োজন। ব্যাখ্যা: এখানে জন্য শব্দটি পদান্বয়ী অব্যয় হিসেবে বসে কারকের সম্পর্ক স্থাপন করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সমুচ্চয়ী — এই অব্যয় পদগুলো একাধিক শব্দ বা বাক্যকে যুক্ত বা সংযোজিত করে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। B) অনন্বয়ী — এই অব্যয়গুলো বাক্যের অন্য পদের সাথে সম্পর্কহীন থেকে মনের ভাব প্রকাশ করে, যা এখানে ভুল। C) পদান্বয়ী — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই অব্যয় পদের মাধ্যমে পদের সাথে অন্য পদের সম্বন্ধ বোঝায়। D) অনুকার — এই অব্যয়গুলো কোনো কিছুর স্বাভাবিক ধ্বনির অনুকরণে গঠিত হয়, যা এখানে অপ্রাসঙ্গিক। ৫. মনে রাখার টিপস: পদান্বয়ী অব্যয় চেনার সহজ উপায় হলো মনে রাখা যে এগুলো সাধারণত পদের পরে বসে বিভক্তির কাজ সম্পন্ন করে। জন্য, তরে, কর্তৃক, হইতে, থেকে ইত্যাদি শব্দ দেখলে পদান্বয়ী অব্যয় হিসেবে চিহ্নিত করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অব্যয় পদের প্রকারভেদ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে তাই শব্দ দেখে পদ নির্ণয় করা শেখা জরুরি। বাক্যের মধ্যে অব্যয়টি কী কাজ করছে তা লক্ষ করলে খুব সহজেই সঠিক উত্তরটি বের করা সম্ভব হয়।
a যথাসাধ্য
b রাজপুত্র
c নীলকমল
d মা-বাবা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) যথাসাধ্য ১. কেন সঠিক: - যথাসাধ্য শব্দটি অব্যয়ীভাব সমাসের উদাহরণ কারণ এখানে পূর্বপদের অর্থ প্রধান হয়েছে এবং সমস্তপদটি অব্যয়ের অর্থ প্রকাশ করেছে। - এই সমাসে সাধ্য বা নিয়ম অনুযায়ী যথাসাধ্য শব্দটি গঠিত হয়েছে এবং এটি সাধারণত ক্রিয়া-বিশেষণের কাজ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে সমাসে পূর্বপদে অব্যয় যুক্ত হয়ে এবং তার অর্থই প্রধান হয়, তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে। - অব্যয়ীভাব সমাসে সাধারণত উপসর্গ বা অব্যয় পদের সাথে বিশেষ্য পদের সংযোগ ঘটে এবং সমস্তপদটি অব্যয়ে পরিণত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আজীবন ব্যাখ্যা: জীবন পর্যন্ত বুঝাতে আ উপসর্গ যোগে অব্যয়ীভাব সমাস সাধিত হয়েছে। উদাহরণ ২: উপকূল ব্যাখ্যা: কুলের সমীপে বুঝাতে উপ উপসর্গ যোগে অব্যয়ীভাব সমাস গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যথাসাধ্য — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) রাজপুত্র — এটি তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ যার ব্যাসবাক্য রাজার পুত্র। C) নীলকমল — এটি কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ যার ব্যাসবাক্য নীল যে কমল। D) মা-বাবা — এটি দ্বন্দ্ব সমাসের উদাহরণ যার ব্যাসবাক্য মা ও বাবা। ৫. মনে রাখার টিপস: - অব্যয়ীভাব সমাস চেনার সহজ উপায় হলো শব্দের শুরুতে অনু, প্রতি, উপ, আ, যথা ইত্যাদি উপসর্গ বা অব্যয় থাকা। - ব্যাসবাক্যে পর্যন্ত, সমীপে, যোগ্য, অনুযায়ী, সাদৃশ্য ইত্যাদি শব্দ ব্যবহৃত হলে তা সাধারণত অব্যয়ীভাব সমাস হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অব্যয়ীভাব সমাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই উপসর্গযুক্ত শব্দগুলো ভালো করে অনুশীলন করতে হবে। - সমাস নির্ণয়ের সময় সবসময় পদের অর্থ এবং ব্যাসবাক্যের গঠন ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে।
a নীলপদ্ম
b রাজপথ
c নীলকণ্ঠ
d সিংহাসন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নীলকণ্ঠ ১. কেন সঠিক: - নীলকণ্ঠ শব্দটিতে ব্যাসবাক্য করলে দাঁড়ায়, নীল কণ্ঠ যার এবং এর মাধ্যমে এমন একজন বিশেষ সত্তাকে বোঝায় যিনি শিব বা মহাদেব। - সমস্যমান পদ দুটির কোনোটির অর্থ না বুঝিয়ে যখন সম্পূর্ণ নতুন বা অন্য কোনো তৃতীয় কোনো পদ বা অর্থ প্রকাশ পায়, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে সমাসে পূর্বপদ বা পরপদ কোনোটির অর্থ প্রধান না হয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন বা নতুন কোনো অর্থ প্রকাশ পায়, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলা হয়। - বহুব্রীহি সমাসের ক্ষেত্রে সাধারণত ব্যাসবাক্যের শেষে যার, যাতে, যাত ইত্যাদি পদ ব্যবহৃত হয় এবং এটি মূলত বিশেষণ পদ হিসেবে কাজ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চশমাখোর ব্যাখ্যা: চশমা খোরে যে, অর্থাৎ এটিও একটি বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ যেখানে অন্য অর্থ প্রকাশ পায়। উদাহরণ ২: আয়তলোচনা ব্যাখ্যা: আয়ত লোচন যার, এটি নারীবাচক বহুব্রীহি সমাসের একটি সুন্দর উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নীলপদ্ম — এটি কর্মধারয় সমাস কারণ এখানে নীল যে পদ্ম বোঝানো হয়েছে এবং পদ্ম পদের অর্থ প্রধান রয়েছে। B) রাজপথ — এটি ষষ্টি তৎপুরুষ সমাস যার ব্যাসবাক্য হলো পথের রাজা এবং এখানে পথ পদের অর্থই প্রধান। D) সিংহাসন — এটি মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস কারণ এর ব্যাসবাক্য হলো সিংহ চিহ্নিত আসন এবং মধ্যের পদটি লোপ পেয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - বহুব্রীহি সমাস চেনার সহজ উপায় হলো ব্যাসবাক্যের শেষে যার বা যাতে থাকা এবং সমস্ত পদে একটি নতুন অর্থ বা অন্য কাউকে নির্দেশ করা। - কর্মধারয় সমাসে বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে পদের নিজস্ব অর্থ বজায় থাকে, কিন্তু বহুব্রীহি সমাসে সম্পূর্ণ নতুন অর্থ তৈরি হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বহুব্রীহি সমাস থেকে BCS এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিশেষ অর্থবোধক শব্দ যেমন নীলকণ্ঠ, বীণাপাণি বা প্রজাপতি থেকে প্রশ্ন আসে। - ব্যাসবাক্য করার সময় যার শব্দটি যুক্ত হচ্ছে কি না তা খেয়াল করলেই বহুব্রীহি সমাস সহজে চিহ্নিত করা সম্ভব।
a দ্বন্দ্ব
b তৎপুরুষ
c বহুব্রীহি
d কর্মধারয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) তৎপুরুষ ১. কেন সঠিক: গগনচুম্বী শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো গগনকে চুম্বন করে যে। এখানে পূর্বপদ গগন এবং পরপদ চুম্বী। ব্যাসবাক্যের মাঝখানে কে বিভক্তি যুক্ত হয়েছে এবং পরপদের অর্থ প্রধানভাবে প্রতীয়মান হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যে সমাসে পূর্বপদের দ্বিতীয় থেকে সপ্তম বিভক্তি পর্যন্ত কোনো বিভক্তির লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়, তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে। গগনচুম্বী শব্দটিতে দ্বিতীয় বিভক্তি কে লোপ পেয়েছে, তাই এটি দ্বিতীয় তৎপুরুষ সমাস। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দুঃখকে প্রাপ্ত = দুঃখপ্রাপ্ত। ব্যাখ্যা: এখানে কে বিভক্তি লোপ পেয়ে দ্বিতীয় তৎপুরুষ সমাস হয়েছে। উদাহরণ ২: বিপদকে আপাপন্ন = বিপদাপন্ন। ব্যাখ্যা: এখানেও কে বিভক্তি লোপ পেয়ে দ্বিতীয় তৎপুরুষ সমাস গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্বন্দ্ব — দ্বন্দ্ব সমাসে উভয় পদের অর্থ প্রধান থাকে এবং সংযোগ অব্যয় লোপ পায়, কিন্তু গগনচুম্বী শব্দে তা ঘটে না। B) তৎপুরুষ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে বিভক্তি লোপ পেয়ে তৎপুরুষ সমাস গঠিত হয়েছে। C) বহুব্রীহি — বহুব্রীহি সমাসে সমস্যমান পদের কোনোটির অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো নতুন পদ বোঝায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) কর্মধারয় — কর্মধারয় সমাসে বিশেষ্য ও বিশেষণে মিলে অথবা দুটি বিশেষণে মিলে একটি পদ গঠিত হয় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়, কিন্তু এখানে বিভক্তি লোপ পাওয়ার বিষয়টি মুখ্য। ৫ মনে রাখার টিপস: ব্যাসবাক্যে যদি কে, হইতে, দ্বারা, কبه ইত্যাদি বিভক্তি লোপ পায়, তবে চোখ বন্ধ করে তৎপুরুষ সমাস দাগাবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভক্তি লোপ পাওয়া শব্দগুলো প্রায়ই তৎপুরুষ সমাস হিসেবে আসে। তাই ব্যাসবাক্য করার সময় বিভক্তির ব্যবহার খেয়াল রাখতে হবে।
a প্রাদি
b নিত্য
c অব্যয়ীভাব
d তৎপুরুষ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অব্যয়ীভাব ১. কেন সঠিক: - উৎ (উৎকৃষ্ট বা উপরে) উপসর্গের সঙ্গে বেল শব্দের মিলে অব্যয়ীভাব সমাস সাধিত হয়েছে। - এখানে উৎ উপসর্গটি উদ্ রূপে পরিবর্তিত হয়ে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করেছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - যে সমাসে পূর্বপদে অব্যয় যোগ হয়ে অর্থের প্রাধান্য পায় তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে। - উপসর্গগুলো অব্যয় হিসেবে কাজ করায় উপসর্গযোগে গঠিত অনেক শব্দ অব্যয়ীভাব সমাস হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: উপশহর ব্যাখ্যা: শহরের সমীপে অর্থে উপ উপসর্গ যোগে অব্যয়ীভাব সমাস হয়েছে। উদাহরণ ২: প্রতিদিন ব্যাখ্যা: দিন দিন বা প্রতি দিন অর্থে অব্যয়ীভাব সমাসের উদাহরণ এটি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রাদি — প্রাদি সমাসের ক্ষেত্রে প্র, পরা, অপ ইত্যাদি উপসর্গ ধাতু কিংবা বিশেষ্যের পূর্বে বসে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে। B) নিত্য — নিত্য সমাসে কোনো ব্যাসবাক্য হয় না এবং পদগুলো চিরকাল একই সমাসবদ্ধ থাকে। C) অব্যয়ীভাব — অব্যয় পদের পূর্বে বসে অব্যয়ীভাব সমাস গঠিত হয় যা এখানে সঠিক। D) তৎপুরুষ — তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদের বিভক্তির লোপ পেয়ে পরপদের অর্থের প্রাধান্য থাকে। ৫ মনে রাখার টিপস: - উপসর্গ দিয়ে গঠিত বেশিরভাগ শব্দই সাধারণত অব্যয়ীভাব সমাস হয়ে থাকে। - শব্দের শুরুতে উৎ, উপ, প্রতি থাকলে অব্যয়ীভাব সমাস হিসেবে চিহ্নিত করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গযুক্ত শব্দ থেকে প্রায়ই অব্যয়ীভাব সমাসের প্রশ্ন আসে। - প্রাদি সমাস ও অব্যয়ীভাব সমাসের পার্থক্য ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
a horn
b trumpet
c dram
d band
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) trumpet কেন সঠিক: - blow one's own trumpet একটি সুপরিচিত ইংরেজি প্রবচন বা ইডিয়ম। - এর অর্থ নিজের সাফল্য বা গুণগান নিজে প্রচার করা বা আত্মপ্রচারের ঢাক পেটানো। বাকি অপশন কেন ভুল: A) horn — এটি এই ইডিয়মের সঠিক শব্দ নয় এবং এর মাধ্যমে প্রচলিত অর্থ প্রকাশ পায় না। B) trumpet — এটি সঠিক শব্দ যা নির্দিষ্ট ইডিয়ম গঠন করতে ব্যবহৃত হয়। C) dram — এটি তরল পরিমাপের একক বা ছোট পানীয় বোঝায়, যা এই বাক্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। D) band — এটি বাদ্যযন্ত্রের দল বোঝায়, যা এই শূন্যস্থানে বসে কোনো অর্থ তৈরি করে না। মনে রাখার টিপস: নিজের ঢাক নিজে পেটানো বোঝাতে ট্রাম্পেট বা তূর্য বাজানোর কথা বলা হয়, তাই মনে রাখবেন ব্লো ওয়ানস ওন ট্রাম্পেট।
a embezzling
b swindling
c looitng
d pilfering
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) pilfering কেন সঠিক: - pilfering শব্দের অর্থ ছোটখাটো জিনিস বা সামান্য কিছু চুরির ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। - community hall থেকে একটি তেলের বোতল চুরি করার মতো ছোট অপরাধ বোঝাতে এই শব্দটি যথাযথ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) embezzling — এটি বিশ্বাসের খেয়ানত করে বড় ধরনের তহবিল বা অর্থ আত্মসাৎ করার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। B) swindling — এটি প্রতারণা করে কারো কাছ থেকে অর্থ বা সম্পত্তি কেড়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। C) looitng — বানান ভুল (সঠিক বানান looting) এবং এটি সাধারণত যুদ্ধ বা দাঙ্গার সময় দলবদ্ধভাবে লুটপাট করা বোঝায়। D) pilfering — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং ছোট জিনিস চুরির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। মনে রাখার টিপস: বড় তহবিলের জন্য embezzlement আর ছোটখাটো জিনিসের চুরির জন্য pilfering ব্যবহার করা হয়।
a are increasing
b were increased
c have been increased
d has increased
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) has increased কেন সঠিক: - বাক্যের Subject হলো The number of applicants, যার অর্থ আবেদনকারীদের সংখ্যা এবং এটি একটি Singular Noun Phrase. - Subject Singular হওয়ায় এর সাথে Singular Verb (has increased) বসবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) are increasing — Subject Singular হওয়ায় Plural Verb (are) ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) were increased — এটি Passive Voice গঠন করে, কিন্তু এখানে বাক্যটি Active অর্থে রয়েছে এবং Subject Singular. C) have been increased — এটি Present Perfect Passive গঠন করে, যা এই বাক্যের অর্থের সাথে সংগতিপূর্ণ নয়। D) has increased — এটি সঠিক উত্তর কারণ Subject Singular হওয়ায় Singular Verb বসেছে। মনে রাখার টিপস: The number of এর পর Plural Noun থাকলেও Verb সবসময় Singular হয়, আর A number of এর পর Plural Noun থাকলে Verb Plural হয়।
a have been sent
b are sent
c was sent
d being sent
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) was sent কেন সঠিক: - বাক্যে along with যুক্ত থাকায় verb নির্ধারিত হয় মূল subject 'The report'-এর ওপর ভিত্তি করে, যা singular। - মূল subject singular হওয়ায় এবং বাক্যটি passive voice-এ থাকায় এখানে singular verb 'was' এবং past participle 'sent' ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) have sent — 'The report' singular হওয়ায় plural verb 'have' ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) are sent — 'The report' singular হওয়ায় এখানে plural verb 'are' বসবে না। C) was sent — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে এর ভুল হওয়ার কোনো কারণ নেই। D) being sent — সাহায্যকারী verb ছাড়া সরাসরি 'being sent' বসালে বাক্যটির সমাপিকা ক্রিয়া গঠিত হয় না। মনে রাখার টিপস: along with, together with ইত্যাদি দ্বারা একাধিক subject যুক্ত থাকলে প্রথম subject অনুসারেই verb নির্ধারিত হয়।
a apply
b has applied
c applied
d will apply
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) apply কেন সঠিক: - বাক্যে recommend, suggest, demand, insist ইত্যাদি subjunctive verb থাকার পর that clause আসলে তার পরের verb-এর base form ব্যবহৃত হয়। - এখানে that clause এর সাবজেক্ট she হওয়া সত্ত্বেও rules অনুযায়ী verb-এর সাথে s বা es যুক্ত হবে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) apply — এটি verb-এর base form এবং subjunctive নিয়মের সাথে সম্পূর্ণ সঙ্গতিপূর্ণ। B) has applied — Present perfect tense ব্যবহারের কারণে এটি subjunctive কাঠামোর নিয়ম ভঙ্গ করে। C) applied — Past tense ব্যবহারের কারণে এটি বর্তমান প্রেক্ষাপট ও subjunctive নিয়মের সাথে মেলে না। D) will apply — Future tense ব্যবহারের কারণে এটি subjunctive clause-এর সঠিক ব্যাকরণিক নিয়ম অনুসরণ করে না। মনে রাখার টিপস: Subjunctive verb-এর পর that থাকলে verb সব সময় তার মূল রূপ বা base form-এ বসে।
a then
b when
c that
d after
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) when কেন সঠিক: - Scarcely...had এর পর বাক্যের দ্বিতীয় অংশে যুক্ত করার জন্য when বা before ব্যবহার করতে হয়। - এই নিয়মে than ব্যবহার করা grammatical rule অনুযায়ী ভুল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) then — এটি Scarcely এর সঙ্গে বসে না, এটি No sooner এর সঙ্গে ব্যবহৃত হয়। B) when — এটি সঠিক কারণ Scarcely এর সঙ্গে সবসময় when বা before বসে। C) that — এটি বাক্যের এই কাঠামোর সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয় এবং এখানে অর্থ প্রকাশ করে না। D) after — এটি সময়ের ব্যবধান বোঝায় কিন্তু Scarcely এর correlative conjunction হিসেবে বসে না। মনে রাখার টিপস: No sooner থাকলে than বসে এবং Scarcely বা Hardly থাকলে when বা before বসে।
a shines, I decided
b shine, I decided
c was shining, I decided
d shines, so I decided
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) was shining, I decided কেন সঠিক: - বাক্যের প্রথম অংশে অতীতকালের একটি চলমান কাজ বোঝাতে Past Continuous Tense (was shining) ব্যবহৃত হয়েছে। - অতীতের সেই চলমান কাজের মধ্যে আরেকটি ঘটনা ঘটেছিল বোঝাতে প্রধান clause-এ Past Indefinite Tense (I decided) বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) shines, I decided — Present Indefinite Tense-এর সাথে Past Indefinite Tense-এর ব্যবহার গঠনগতভাবে সংগতিপূর্ণ নয়। B) shine, I decided — Present Tense-এর মূল রূপের সাথে Past Tense ব্যবহার করায় ব্যাকরণগত নিয়ম ভুল হয়েছে। C) was shining, I decided — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে Past Continuous এবং Past Indefinite Tense-এর সঠিক সমন্বয় ঘটেছে। D) shines, so I decided — এখানে অতিরিক্ত 'so' যুক্ত করায় বাক্যটির অর্থ ও অর্থপূর্ণ গঠন নষ্ট হয়েছে। মনে রাখার টিপস: অতীতকালের একটি কাজ চলার সময় আরেকটি কাজ ঘটেছিল বোঝালে চলমান কাজটি Past Continuous এবং অন্যটি Past Indefinite Tense হয়।
a as for
b so as
c as if
d so that
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) so as কেন সঠিক: - উদ্দেশ্য বোঝাতে infinitive phrase হিসেবে so as to ব্যবহৃত হয়, যার পরে verb-এর base form বসে। - প্রশ্নে to-এর আগে so as বসলে বাক্যটির অর্থ সঠিক হয় এবং তা উদ্দেশ্য প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) as for — এটি সাধারণত কোনো নতুন প্রসঙ্গ বা ব্যক্তি সম্পর্কে বলতে ব্যবহৃত হয়, যার এখানে কোনো ব্যাকরণগত ভিত্তি নেই। B) so as — এটি সঠিক উত্তর এবং so as to গঠন তৈরি করে উদ্দেশ্য প্রকাশ করে। C) as if — এর অর্থ যেন এবং এটি কাল্পনিক বা অবাস্তব পরিস্থিতি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। D) so that — এর পরে subject এবং verb বসে, কিন্তু এখানে to থাকায় so that ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। মনে রাখার টিপস: উদ্দেশ্য বোঝাতে to-এর আগে so as ব্যবহার করবে, যেমন so as to do something।
a less
b lower
c fewer
d few
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) fewer কেন সঠিক: - marbles একটি গণনযোগ্য বা কাউন্টেবল নাউন হওয়ায় এর পূর্বে less না বসে fewer বসে। - তুলনামূলক বাক্যে fewer কাউন্টেবল নাউনের সংখ্যা কমাতে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) less — এটি আনকাউন্টেবল বা অগণনযোগ্য নাউনের পরিমাণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা marbles এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) lower — এটি কোনো কিছুর উচ্চতা, স্তর বা দাম কমানোর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, সংখ্যার ক্ষেত্রে নয়। C) fewer — এটি এই বাক্যের সঠিক উত্তর কারণ marbles গণনযোগ্য। D) few — এটি তুলনামূলক বাক্যে সরাসরি ব্যবহৃত হয় না, বরং তুলনার জন্য fewer প্রয়োজন হয়। মনে রাখার টিপস: পরিমাণ বোঝাতে less এবং সংখ্যা বোঝাতে fewer ব্যবহার করবে।
a had acted
b have acted
c acted
d would have acted
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) had acted কেন সঠিক: - এটি থার্ড কন্ডিশনাল-এর নিয়ম, যেখানে প্রথম অংশে would have বসে এবং ইফ-যুক্ত অংশে পাস্ট পারফেক্ট টেন্স হয়। - তাই ইফ-এর পরে সাবজেক্টের পর হ্যাভ-এর পাস্ট পারফেক্ট রূপ হিসেবে had এবং মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) had acted — এটি সঠিক উত্তর কারণ থার্ড কন্ডিশনালের স্ট্রাকচার অনুযায়ী ইফ ক্লজে পাস্ট পারফেক্ট টেন্স বসে। B) have acted — এটি প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্স, যা থার্ড কন্ডিশনালের নিয়মের সাথে মেলে না। C) acted — এটি পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্স, যা সেকেন্ড কন্ডিশনালের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতো কিন্তু এখানে তা নয়। D) would have acted — প্রধান ক্লজে এই অংশটি একবার ব্যবহার করায় ইফ ক্লজে এটি পুনরায় ব্যবহার করা যায় না। মনে রাখার টিপস: থার্ড কন্ডিশনালে ইফ ক্লজে সবসময় had এবং মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল বসে এবং অপর অংশে would have বসে।
a Norway
b Denmark
c Scotland
d England
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Denmark কেন সঠিক: - উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের বিখ্যাত ট্র্যাজেডি হ্যামলেট নাটকের মূল চরিত্র প্রিন্স হ্যামলেট ডেনমার্কের যুবরাজ ছিলেন। - নাটকের মূল পটভূমি হিসেবে ডেনমার্কের এলসিনোর রাজপ্রাসাদকে কেন্দ্র করে পুরো কাহিনীর সূচনা ও বিকাশ ঘটে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Norway — নরওয়ের যুবরাজ ছিলেন ফর্টিনব্রাস, যিনি নাটকের শেষে ডেনমার্কের সিংহাসন লাভ করেন। B) Denmark — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়। C) Scotland — স্কটল্যান্ডের পটভূমিতে শেক্সপিয়ারের অন্য একটি বিখ্যাত ট্র্যাজেডি ম্যাকবেথ রচিত হয়েছে। D) England — নাটকের শেষ অংশে হ্যামলেটকে কিছুদিনের জন্য ইংল্যান্ডে পাঠানো হলেও তিনি সেখানকার রাজপুত্র ছিলেন না। মনে রাখার টিপস: হ্যামলেট নাটকটি ডেনমার্কের রাজপ্রাসাদের ষড়যন্ত্র নিয়ে রচিত, তাই হ্যামলেট হলেন ডেনমার্কের রাজপুত্র।
a Mark Twain
b Ernest Hemingway
c Nathaniel Hawthorne
d Herman Melville
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Herman Melville কেন সঠিক: - হারম্যান মেলভিল আমেরিকার একজন বিখ্যাত ঔপন্যাসিক এবং মোবি ডিক তাঁর সর্বকালের শ্রেষ্ঠ ও সবচেয়ে বিখ্যাত উপন্যাস। - এই উপন্যাসটি তিমি শিকারের পটভূমিতে রচিত এবং এটি মার্কিন সাহিত্যের একটি প্রধান ক্লাসিক হিসেবে বিবেচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Mark Twain — তিনি যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত লেখক যিনি দ্য অ্যাডভেঞ্চারস অব টম সয়ার উপন্যাসের জন্য পরিচিত, মোবি ডিক তাঁর লেখা নয়। B) Ernest Hemingway — তিনি বিংশ শতাব্দীর প্রখ্যাত মার্কিন ঔপন্যাসিক ও নোবেলজয়ী লেখক যিনি দ্য ওল্ড ম্যান অ্যান্ড দ্য সি লিখেছেন, মোবি ডিকের রচয়িতা নন। C) Nathaniel Hawthorne — তিনি বিখ্যাত মার্কিন ঔপন্যাসিক ও ছোটগল্পকার যিনি দ্য স্কারলেট লেটার লিখেছেন, মোবি ডিক তাঁর রচনা নয়। D) Herman Melville — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং তিনি এই বিখ্যাত উপন্যাসটির একমাত্র রচয়িতা। মনে রাখার টিপস: মোবি ডিক মানে বিশাল তিমি মাছের গল্প, আর এই বিশাল সমুদ্রের গল্পটি লিখেছিলেন হারম্যান মেলভিল।
a upon
b against
c to
d over
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) upon কেন সঠিক: - Preposition হিসেবে prevail upon বা prevail on ব্যবহার করা হয় যার অর্থ কাউকে কোনো কিছু করতে রাজি করানো বা প্ররোচিত করা। - বাক্যের অর্থ হলো দীর্ঘ আলোচনার পর আমি তাকে প্রস্তাবটি গ্রহণে রাজি করাতে সক্ষম হয়েছিলাম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) upon — এটি সঠিক কারণ prevail upon বা prevail on idiom বা appropriate preposition হিসেবে কাউকে রাজি করাতে ব্যবহৃত হয়। B) against — এর অর্থ বিরুদ্ধে, যা কাউকে কোনো কাজ করতে রাজি করানোর এই বাক্যের অর্থের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। C) to — এখানে prevail-এর সঙ্গে সরাসরি infinitive বা to preposition বসে কাউকে রাজি করানোর অর্থ প্রকাশ করে না। D) over — এর অর্থ উপরে বা জয় করা, যা এই বাক্যের প্রেক্ষাপটে কাউকে রাজি করানোর অর্থে ব্যবহার করা যায় না। মনে রাখার টিপস: কাউকে কোনো কাজে রাজি করাতে গেলে সবসময় prevail-এর পরে upon বা on preposition ব্যবহার করতে হয়।
a An apostate
b An ascetic
c An atheist
d A sensualist
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) An ascetic কেন সঠিক: - 'Ascetic' শব্দের অর্থ হলো এমন ব্যক্তি যিনি ধর্মীয় বা আধ্যাত্মিক কারণে কঠোর সংযমী জীবনযাপন করেন এবং বিলাসিতা বর্জন করেন। - বাক্যে 'austere life' বা কঠোর ও সাদাসিধে জীবনযাপনের কথা বলা হয়েছে, যা একজন তপস্বীর বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) An apostate — এর অর্থ ধর্মত্যাগী, যিনি নিজের ধর্ম বা বিশ্বাস পরিত্যাগ করেছেন কিন্তু কঠোর জীবনযাপনের সঙ্গে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই। B) An ascetic — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যার অর্থ তপস্বী বা কঠোর সংযমী জীবনযাপনকারী ব্যক্তি। C) An atheist — এর অর্থ নাস্তিক, যিনি সৃষ্টিকর্তা বা ঈশ্বরে বিশ্বাস করেন না, তবে এটি সাদাসিধে জীবনযাপনের নির্দেশ করে না। D) A sensualist — এর অর্থ ভোগবাদী বা কামাসক্ত ব্যক্তি, যা 'austere' বা কঠোর জীবনের সম্পূর্ণ বিপরীত। মনে রাখার টিপস: 'Ascetic' এবং 'Austere' দুটি শব্দই কঠোরতা এবং সাধাসিধে জীবন বোঝাতে একসঙ্গে মনে রাখা যায়।
a Ethereal
b Transient
c Perpetual
d Fragile
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Transient কেন সঠিক: - Ephemeral শব্দটির অর্থ স্বল্পস্থায়ী বা ক্ষণস্থায়ী। - Transient শব্দটির অর্থও ক্ষণস্থায়ী বা সাময়িক, যা মূল শব্দের সঠিক সমার্থক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Ethereal - এর অর্থ অত্যন্ত সূক্ষ্ম বা স্বর্গের মতো পবিত্র, যা ক্ষণস্থায়ী অর্থে প্রযোজ্য নয়। B) Transient - প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটি ক্ষণস্থায়ী বা সাময়িক অর্থ প্রকাশ করে। C) Perpetual - এর অর্থ চিরস্থায়ী বা অনন্ত, যা Ephemeral শব্দের বিপরীতার্থক। D) Fragile - এর অর্থ ভঙ্গুর বা সহজে ভেঙে যায় এমন, যা স্থায়িত্বের পরিবর্তে কাঠামোর দুর্বলতা বোঝায়। মনে রাখার টিপস: Ephemeral এবং Transient দুটি শব্দই স্বল্পস্থায়ী বা ক্ষণস্থায়ী বোঝাতে একসঙ্গে মনে রাখতে পারেন।
a Unyielding
b Obedient
c Unabashed
d Remorseful
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Unyielding কেন সঠিক: - Obdurate শব্দের বাংলা অর্থ হলো একগুঁয়ে, অবাধ্য বা অনমনীয়। - Unyielding শব্দের অর্থ যা সহজে বাঁকে না অর্থাৎ অনমনীয় বা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ, যা Obdurate শব্দের সমার্থক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Unyielding - এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ অনমনীয় বা একগুঁয়ে। B) Obedient - এর অর্থ বাধ্য বা অনুগত, যা Obdurate শব্দের বিপরীতার্থক। C) Unabashed - এর অর্থ নির্লজ্জ বা অপরিবর্তিত, যা এই শব্দের সঙ্গে মেলে না। D) Remorseful - এর অর্থ অনুতপ্ত বা লজ্জিত, যার সঙ্গে অবাধ্যতার কোনো মিল নেই। মনে রাখার টিপস: Obdurate শব্দটিতে দৃত বা কঠিন ভাব আছে, তাই এর সমার্থক Unyielding (অনমনীয়) হবে।
a Improve
b Neglect
c Assist
d Worsen
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Worsen কেন সঠিক: - Ameliorate শব্দের অর্থ অবস্থার উন্নতি করা বা ভালো করা। - Worsen শব্দের অর্থ অবস্থার অবনতি ঘটানো বা খারাপ করা, যা এর সঠিক বিপরীত শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Improve — এটি Ameliorate শব্দের সমার্থক শব্দ, বিপরীত শব্দ নয়। B) Neglect — এর অর্থ অবহেলা করা, যা পরিস্থিতির উন্নতির সরাসরি বিপরীত নয়। C) Assist — এর অর্থ সাহায্য করা, যা Ameliorate শব্দের অর্থের কাছাকাছি। D) Worsen — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ অবনতি ঘটানো। মনে রাখার টিপস: Ameliorate মানে উন্নতি করা এবং Worsen মানে অবনতি ঘটানো, তাই তারা বিপরীতার্থক।
a Industrious
b Indolent
c Insidious
d Insolent
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Indolent কেন সঠিক: - Diligent শব্দের বাংলা অর্থ হলো পরিশ্রমী বা অধ্যবসায়ী। - Indolent শব্দের অর্থ হলো অলস বা কর্মবিমুখ, যা Diligent শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Industrious — এটি Diligent শব্দের সমার্থক শব্দ, যার অর্থ পরিশ্রমী। B) Indolent — এটি সঠিক উত্তর এবং Diligent শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ। C) Insidious — এর অর্থ কাপট্যপূর্ণ বা কুহকী, যা এই প্রশ্নের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) Insolent — এর অর্থ উদ্ধত বা ধৃষ্টতাপূর্ণ, যা অলস বা পরিশ্রমীর বিপরীত নয়। মনে রাখার টিপস: Diligent মানে দিল দিয়ে কাজ করা অর্থাৎ পরিশ্রমী, আর Indolent মানে ইন্ডিয়াতে অলস সময় কাটানো।
a Assuage
b Ameliorate
c Incite
d Exacerbate
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Incite কেন সঠিক: - প্রশ্নে থাকা 'agitate' শব্দের অর্থ উত্তেজিত করা বা প্ররোচিত করা। - অপশনের 'Incite' শব্দের অর্থ উস্কে দেওয়া বা উত্তেজিত করা, যা মূল শব্দের সমার্থক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Assuage — এর অর্থ প্রশমিত করা বা কমানো, যা উত্তেজিত করার বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) Ameliorate — এর অর্থ অবস্থার উন্নতি করা, যা প্রদত্ত বাক্যের উত্তেজনার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। C) Incite — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ উত্তেজিত করা। D) Exacerbate — এর অর্থ পরিস্থিতি আরও অবনতি বা জটিল করা, যা সরাসরি প্ররোচিত করার সমার্থক নয়। মনে রাখার টিপস: Agitate এবং Incite উভয় শব্দই কাউকে উত্তেজিত করা বা উস্কে দেওয়ার ক্ষেত্রে সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
a Congenial
b Abhorrent
c Admirable
d Fastidious
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Abhorrent কেন সঠিক: - প্রশ্নে থাকা repugnant শব্দটির অর্থ হলো ঘৃণ্য বা অত্যন্ত অপছন্দনীয়। - প্রদত্ত সঠিক উত্তর abhorrent শব্দটির অর্থও ঘৃণ্য বা নীতিবহির্ভূত, যা মূল শব্দের সমার্থক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Congenial — এর অর্থ অনুকূল বা মনের মতো, যা repugnant শব্দের বিপরীত। B) Abhorrent — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ ঘৃণ্য। C) Admirable — এর অর্থ প্রশংসনীয়, যা repugnant শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত। D) Fastidious — এর অর্থ নিখুঁতবাদী বা অতিরিক্ত যত্নবান, যা এখানে প্রাসঙ্গিক নয়। মনে রাখার টিপস: Repugnant এবং Abhorrent উভয় শব্দই কোনো খারাপ বা ঘৃণ্য আচরণ বোঝাতে সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
a Numismatist
b Collector
c Calligrapher
d Narcissist
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Numismatist কেন সঠিক: - Numismatist শব্দটি এসেছে লাতিন শব্দ Numisma থেকে যার অর্থ মুদ্রা, তাই মুদ্রা সংগ্রহ বা অধ্যয়নকারীকে এই নামে ডাকা হয়। - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এক কথায় প্রকাশ বা Substitution সংক্রান্ত প্রশ্নে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Numismatist — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি মুদ্রা অধ্যয়ন বা সংগ্রহের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। B) Collector — এর অর্থ সংগ্রাহক, যা সাধারণ অর্থে যেকোনো বস্তু সংগ্রহকারীকে বোঝায় কিন্তু নির্দিষ্ট করে শুধু মুদ্রা বোঝায় না। C) Calligrapher — এর অর্থ লিপি शिल्পী বা হস্তলিপি বিশারদ, যিনি সুন্দর হাতের লেখায় পারদর্শী। D) Narcissist — এর অর্থ আত্মপ্রেমী বা নিজ সম্পর্কে অতিরিক্ত মোহগ্রস্ত ব্যক্তি, যার সঙ্গে মুদ্রা সংগ্রহের কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: Numismatist শব্দের শুরুতে থাকা Numis অংশটিকে মুদ্রা (Coin) শব্দটির সঙ্গে মিলিয়ে মনে রাখতে পারো।
a fallacious
b infallible
c incorrigible
d perfect
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) infallible কেন সঠিক: - 'Incapable of making errors' অর্থাৎ যার ভুল করার কোনো সম্ভাবনা নেই, তার ইংরেজি প্রতিশব্দ হলো infallible। - ল্যাটিন শব্দ ইন (in) অর্থ না এবং ফ্যালিবিলিস (fallibilis) অর্থ ভুল করার যোগ্য, এই দুটি মিলে শব্দটি গঠিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) fallacious — এর অর্থ হলো প্রতারণাপূর্ণ বা ভুল ধারণাসম্পন্ন, যা মানুষের যুক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য কিন্তু এর অর্থ ত্রুটিহীন নয়। B) infallible — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, যার অর্থ হলো অভ্রান্ত বা যা কখনোই ভুল করে না। C) incorrigible — এর অর্থ হলো যা সংশোধন করা যায় না বা স্বভাব যা সহজে শোধরানো যায় না। D) perfect — এর অর্থ হলো নিখুঁত বা পরিপূৰ্ণ, কিন্তু এটি সরাসরি ভুল না করার যোগ্যতাকে বোঝায় না। মনে রাখার টিপস: শব্দটির শুরুতে থাকা ইন (in) অর্থ না এবং শেষের ফল (fall) অংশটি ভুল বোঝায়, যার অর্থ দাঁড়াচ্ছে ভুল হয় না যার।
a Conscentious
b Conscientous
c Conscientious
d Conscientsious
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Conscientious কেন সঠিক: - বানানটি গঠনের নিয়ম অনুযায়ী গঠিত হয়েছে যেখানে sci-এর পরে entious প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে। - শব্দটির অর্থ বিবেকবান বা কতর্ব্যপরায়ণ, যা সঠিক ইংরেজি বানান শৈলী অনুসরণ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Conscentious — বানানটিতে entious-এর পরিবর্তে entious অংশে বানান ভুল রয়েছে এবং সঠিক প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়নি। B) Conscientous — বানানটিতে conscientious শব্দের শেষের আগের i বর্ণটি বাদ পড়েছে। D) Conscientsious — বানানটিতে অতিরিক্ত ts বর্ণ যুক্ত করা হয়েছে যা সঠিক শব্দ গঠনের নিয়ম বহির্ভূত। মনে রাখার টিপস: Conscience (বিবেক) শব্দের শেষে tious যুক্ত করে Conscientious বানানটি মনে রাখতে হবে।
a to
b for
c with
d by
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) with কেন সঠিক: - Compatible শব্দের সঙ্গে সাধারণত with preposition বসে যার অর্থ সঙ্গতিপূর্ণ বা সামঞ্জস্যপূর্ণ। - নতুন নীতিটি বিদ্যমান নিয়মের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় বোঝাতে compatible এর পর with ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to — Compatible শব্দের পর সাধারণত to বসে না, এটি grammatical নিয়ম অনুযায়ী ভুল। B) for — এই বাক্যের অর্থের সঙ্গে for preposition কোনোভাবেই সামঞ্জস্যপূর্ণ বা প্রযোজ্য নয়। C) with — এটি নিজেই সঠিক উত্তর এবং নিয়মের সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়। D) by — কোনো ব্যক্তি বা মাধ্যم বোঝাতে by বসে, যা এখানে অর্থহীন। মনে রাখার টিপস: Compatible শব্দের অর্থ মিল থাকা এবং এর সঙ্গে সব সময় with preposition ব্যবহার করতে হয়।
a off
b over
c out
d of
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) off কেন সঠিক: - কোনো পৃষ্ঠার ওপর থেকে কিছু সরিয়ে ফেলা বা বিছিন্ন করা বোঝাতে সঠিক প্রিপজিশন হিসেবে 'off' ব্যবহৃত হয়। - টেবিলের ওপর থেকে বইগুলো সরিয়ে ফেলার ক্ষেত্রে 'take off' একটি উপযুক্ত ফ্রেজাল ভার্ব। বাকি অপশন কেন ভুল: A) off — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি পৃষ্ঠার ওপর থেকে কোনো বস্তু দূরে সরিয়ে নেওয়া বোঝায়। B) over — এটি সাধারণত ওপরে বা কোনো কিছুর ওপর দিয়ে অতিক্রম করা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) out — এটি ভেতর থেকে বাইরে যাওয়া বোঝায়, যা টেবিল থেকে বই সরানোর ক্ষেত্রে অর্থগতভাবে বেঠিক। D) অব — এটি সাধারণত অধিকার, উৎস বা কোনো কিছুর অংশ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, এখানে প্রিপজিশন হিসেবে মানানসই নয়। মনে রাখার টিপস: কোনো স্থান বা পৃষ্ঠার ওপর থেকে কিছু তুলে বা সরিয়ে ফেলতে 'off' ব্যবহার করতে হয়।
a 35
b 36
c 38
d 37
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩৭ প্রدত্ত তথ্য: ধারার সংখ্যাগুলো হলো দুই, পাঁচ, দশ, সতেরো, ছাব্বিশ ধরি, সংখ্যাগুলোর মধ্যকার পার্থক্য আমরা বের করব অতএব, প্রথম ও দ্বিতীয় সংখ্যার পার্থক্য = ৫ − ২ = ৩ দ্বিতীয় ও তৃতীয় সংখ্যার পার্থক্য = ১০ − ৫ = ৫ তৃতীয় ও চতুর্থ সংখ্যার পার্থক্য = ১৭ − ১০ = ৭ চতুর্থ ও পঞ্চম সংখ্যার পার্থক্য = ২৬ − ১৭ = ৯ সুতরাং, পরবর্তী পার্থক্যটি হবে আগের নিয়মে ১১ উত্তর: ২৬ + ১১ = ৩৭
a 47/100
b 41/100
c 53/100
d 35/100
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪১/১০০ প্রদত্ত তথ্য: ১ থেকে ১০০ পর্যন্ত সংখ্যাগুলো থেকে একটি সংখ্যা নির্বাচন করা হলো ধরি, ৩ দ্বারা বিভাজ্য সংখ্যার সেট = A ৫ দ্বারা বিভাজ্য সংখ্যার সেট = B অতএব, ৩ দ্বারা বিভাজ্য মোট সংখ্যা = ১০০ ÷ ৩ এর পূর্ণসংখ্যা অংশ = ৩৩ টি ৫ দ্বারা বিভাজ্য মোট সংখ্যা = ১০০ ÷ ৫ = ২০ টি ৩ এবং ৫ উভয় দ্বারা বিভাজ্য সংখ্যা (১৫ এর গুণিতক) = ১০০ ÷ ১৫ এর পূর্ণসংখ্যা অংশ = ৬ টি সুতরাং, শুধু ৩ দ্বারা বিভাজ্য সংখ্যা = ৩৩ − ৬ = ২৭ টি শুধু ৫ দ্বারা বিভাজ্য সংখ্যা = ২০ − ৬ = ১৪ টি উত্তর: ২৭ + ১৪ = ৪১ টি, অর্থাৎ সম্ভাবনা ৪১/১০০
a 30
b 15
c 120
d 60
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩০ প্রদত্ত তথ্য: LEVEL শব্দটিতে মোট অক্ষর আছে ৫টি ধরি, মোট অক্ষরের সংখ্যা n = ৫ একই অক্ষর এল আছে ২টি একই অক্ষর ই আছে ২টি অতএব, বিন্যাসের সূত্র অনুযায়ী মোট বিন্যাস সংখ্যা হবে ৫ ফ্যাক্টোরিয়াল ভাগ ২ ফ্যাক্টোরিয়াল গুণ ২ ফ্যাক্টোরিয়াল সুতরাং, (৫ × ৪ × ৩ × ২ × ১) ভাগ (২ × ১ × ২ × ১) = ১২০ ভাগ ৪ = ৩০ উত্তর: ৩০
a 11
b 12
c 14
d 13
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৩ প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের দুটি বাহুর দৈর্ঘ্য ৭ সেন্টিমিটার এবং ১০ সেন্টিমিটার তৃতীয় বাহুর দৈর্ঘ্য একটি পূর্ণসংখ্যা হতে হবে ধরি, ত্রিভুজের তৃতীয় বাহুটি ক সেন্টিমিটার অতএব, ত্রিভুজের নিয়ম অনুযায়ী তৃতীয় বাহু অপর দুটি বাহুর যোগফলের চেয়ে ছোট হবে অর্থাৎ ক এর মান ১০ + ৭ বা ১৭ এর চেয়ে কম হবে অতএব, তৃতীয় বাহু অপর দুটি বাহুর বিয়োগফলের চেয়ে বড় হবে অর্থাৎ ক এর মান ১০ − ৭ বা ৩ এর চেয়ে বেশি হবে সুতরাং, ক এর সম্ভাব্য মানগুলো ৩ এর বেশি এবং ১৭ এর কম হবে অর্থাৎ ক এর মান হতে পারে ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯, ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪, ১৫, ১৬ উত্তর: মোট ১৩টি মান হতে পারে
a 7.5 cm
b 6.5 cm
c 7.2 cm
d 8cm
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৭.৫ cm প্রদত্ত তথ্য: সমকোণী ত্রিভুজের লম্ব = ৯ cm ভূমি = ১২ cm ধরি, অতিভুজ = c অতিভুজের উপর অঙ্কিত উচ্চতা = h অতএব, c এর মান = √(৯^২ + ১২^২) c এর মান = √(৮১ + ১৪৪) = √২২৫ = ১৫ cm সুতরাং, ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × ভূমি × উচ্চতা ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × ৯ × ১২ = ৫৪ বর্গ cm উত্তর: উচ্চতা h = (২ × ক্ষেত্রফল) ÷ অতিভুজ = (২ × ৫৪) ÷ ১৫ = ৭.৫ cm
a 5 cm
b 8cm
c 10 cm
d 12 cm
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১০ সেন্টিমিটার প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের জ্যা এর দৈর্ঘ্য = ২৪ সেন্টিমিটার কেন্দ্র থেকে প্রথম জ্যা এর দূরত্ব = ৫ সেন্টিমিটার কেন্দ্র থেকে দ্বিতীয় জ্যা এর দূরত্ব = ১২ সেন্টিমিটার ধরি, বৃত্তের ব্যাসার্ধ = r প্রথম জ্যা এর অর্ধেক দৈর্ঘ্য = ২৪ ÷ ২ = ১২ সেন্টিমিটার দ্বিতীয় জ্যা এর অর্ধেক দৈর্ঘ্য = x সেন্টিমিটার অতএব, প্রথম ক্ষেত্রে পাইথাগোরাসের উপপাদ্য অনুসারে, r বর্গ = ৫ বর্গ + ১২ বর্গ হিসাব করে পাই, r বর্গ = ২৫ + ১৪৪ = ১৬৯ সুতরাং, ব্যাসার্ধ r = ১৩ সেন্টিমিটার সুতরাং, দ্বিতীয় ক্ষেত্রে পাইথাগোরাসের উপপাদ্য অনুসারে, ১৩ বর্গ = ১২ বর্গ + x বর্গ হিসাব করে পাই, ১৬৯ = ১৪৪ + x বর্গ বা x বর্গ = ২৫, যার মান x = ৫ সেন্টিমিটার উত্তর: দ্বিতীয় জ্যা এর দৈর্ঘ্য = ৫ × ২ = ১০ সেন্টিমিটার
a 15/4
b 46127
c 46117
d 46146
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৫÷৪ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সরলরেখাটি হলো ৩x + ২qy − ২ = ০ দ্বিতীয় সরলরেখাটি হলো ২x + ৫y + ১ = ০ ধরি, প্রথম সরলরেখার x এর সহগ a১ = ৩ এবং y এর সহগ b১ = ২q দ্বিতীয় সরলরেখার x এর সহগ a২ = ২ এবং y এর সহগ b২ = ৫ অতএব, সরলরেখা দুটি সমান্তরাল হওয়ার শর্ত হলো a১ ÷ a২ = b১ ÷ b২ মানগুলো বসিয়ে পাই, ৩ ÷ ২ = ২q ÷ ৫ কোণাআণি গুণ করে পাই, ৪q = ৩ × ৫ সুতরাং, ৪q = ১৫ q = ১৫ ÷ ৪ উত্তর: ১৫÷৪
a x = 1
b x = 2
c x = 3
d x = 4
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) x = ২ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো log_2 (x + ২) − log_2 (x − ১) = ২ ধরি, লগারিদম এর বিয়োগের সূত্র ব্যবহার করে পাই log_2 ((x + ২) ÷ (x − ১)) = ২ অতএব, ভিত্তি ২ ডানপাশে গিয়ে সূচক হলো (x + ২) ÷ (x − ১) = ২ এর পাওয়ার ২ সুতরাং, (x + ২) ÷ (x − ১) = ৪ x + ২ = ৪(x − ১) উত্তর: x = ২
a 5
b 15
c 7.5
d 4
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৫ প্রদত্ত তথ্য: কোনো সংখ্যা থেকে ১৫ বিয়োগ করলে তার ৭ গুণের মান নির্ণয় করতে হবে এই ফলাফলটি সংখ্যাটির দ্বিগুণ অপেক্ষা ১০ বেশি ধরি, অজানা সংখ্যাটি = ক অতএব, প্রশ্নানুযায়ী সমীকরণটি হলো ৭ × ক − ১৫ = (২ × ক) + ১০ সুতরাং, ৭ × ক − ২ × ক = ১০ + ১৫ ৫ × ক = ২৫ উত্তর: ক = ৫
a 9
b 18
c 11
d 22
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১১ প্রদত্ত তথ্য: দড়ির মোট দৈর্ঘ্য = ৪০ ফুট একটি টুকরো অন্যটি অপেক্ষা ১৮ ফুট বড় ধরি, ছোট টুকরোটির দৈর্ঘ্য = ক ফুট বড় টুকরোটির দৈর্ঘ্য = ক + ১৮ ফুট অতএব, প্রশ্নমতে, ক + ক + ১৮ = ৪০ ২ক + ১৮ = ৪০ ২ক = ৪০ − ১৮ সুতরাং, ২ক = ২২ ক = ২২ ÷ ২ ক = ১১ উত্তর: ১১
a 24
b 40
c 20
d 30
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩০ প্রদত্ত তথ্য: A এবং B কাজটি শেষ করে ১২ দিনে B এবং C কাজটি শেষ করে ১৫ দিনে C এবং A কাজটি শেষ করে ২০ দিনে ধরি, মোট কাজের পরিমাণ = ৬০ অংশ (১২, ১৫ এবং ২০ এর লসাগু) অতএব, A, B এবং C একত্রে ১ দিনে করে = (৬০ ÷ ১২) + (৬০ ÷ ১৫) + (৬০ ÷ ২০) অংশ = ৫ + ৪ + ৩ অংশ = ১২ অংশ সুতরাং, A, B এবং C একত্রে ২ দিনে করে ১২ অংশ তারা একত্রে ১ দিনে করে = ১২ ÷ ২ = ৬ অংশ উত্তর: একা A কাজটি শেষ করতে সময় লাগবে = ৬০ ÷ (৬ − ৪) দিন = ৬০ ÷ ২ দিন = ৩০ দিন
a 8a/5
b 7a/12
c 5a/12
d 3a/12
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫a ÷ ১২ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম রাশি = a ÷ ৪ দ্বিতীয় রাশি = a ÷ ৬ ধরি, রাশি দুটির যোগফল নির্ণয় করতে হবে অতএব, হর ৪ এবং ৬ এর লসাগু = ১২ সুতরাং, (৩a + ২a) ÷ ১২ = ৫a ÷ ১২ উত্তর: ৫a ÷ ১২
a 9
b 36
c 40
d 81
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪০ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যাটির ২০% এর ৮০% হলো ৬.৪ ধরি, নির্দিষ্ট সংখ্যাটি = ক অতএব, ক এর ২০% = ক × ২০ ÷ ১০০ = ক ÷ ৫ ক এর ২০% এর ৮০% = (ক ÷ ৫) × ৮০ ÷ ১০০ = ৪ক ÷ ২৫ সুতরাং, ৪ক ÷ ২৫ = ৬.৪ উত্তর: ৪ক = ৬.৪ × ২৫ ক = ১৬০ ÷ ৪ = ৪০
a 12%
b 32%
c 40%
d 52%
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪০% প্রদত্ত তথ্য: পণ্যের ক্রয়মূল্যের চেয়ে তালিকা মূল্য ৪০% বেশি ধরা হলো বিক্রির সময় ২০% ছাড় দেওয়া হলো ১ কেজির বদলে ৮০০ গ্রাম ওজনের বাটখারা ব্যবহার করা হলো ধরি, ১০০০ গ্রাম পণ্যের ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা অতএব, তালিকা মূল্য = ১০০ টাকার ওপর ৪০% বেশি = ১৪০ টাকা ছাড়ের পর বিক্রয়মূল্য = ১৪০ টাকার ওপর ২০% ছাড় = ১১২ টাকা ৮০০ গ্রাম পণ্যের ক্রয়মূল্য = ৮০ টাকা সুতরাং, ৮০০ গ্রাম পণ্যের বিক্রয়মূল্য = ১১২ টাকা উত্তর: লাভ হলো (১১২ − ৮০) ÷ ৮০ × ১০০% = ৪০%
a Tk. 240
b Tk. 360
c Tk. 300
d Tk. 420
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Tk. ৩০০ প্রদত্ত তথ্য: পণ্যটি ১২% ক্ষতিতে বিক্রি করা হয় পণ্যটি আরও ৬০ টাকা বেশি মূল্যে বিক্রি করলে ৮% লাভ হতো ধরি, পণ্যের ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা অতএব, ১২% ক্ষতিতে বিক্রয়মূল্য = ১০০ − ১২ = ৮৮ টাকা ৮% লাভে বিক্রয়মূল্য = ১০০ + ৮ = ১০৮ টাকা সুতরাং, বিক্রয়মূল্যের পার্থক্য = ১০৮ − ৮৮ = ২০ টাকা উত্তর: বিক্রয়মূল্যের পার্থক্য ২০ টাকা হলে ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা, আর ৬০ টাকা হলে ক্রয়মূল্য হবে (১০০ × ৬০) ÷ ২০ = ৩০০ টাকা
a Tk. 1700
b Tk. 1785
c Tk. 1800
d Tk. 1850
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Tk. ১৭৮৫ প্রদত্ত তথ্য: দ্রব্যের চিহ্নিত মূল্য = ২০০০ টাকা ডিসকাউন্টের হার = ১৫% ভ্যাটের হার = ৫% ধরি, চিহ্নিত মূল্য থেকে ১৫% ডিসকাউন্ট দিতে হবে ডিসকাউন্ট বা ছাড়ের পরিমাণ বের করতে হবে অতএব, ডিসকাউন্টের পরিমাণ = ২০০০ এর ১৫% = ৩০০ টাকা ডিসকাউন্টের পর মূল্য = ২০০০ − ৩০০ = ১৭০০ টাকা সুতরাং, ১৭০০ টাকার উপর ৫% ভ্যাট = ১৭০০ এর ৫% = ৮৫ টাকা চূড়ান্ত বিল = ১৭০০ + ৮৫ = ১৭৮৫ টাকা উত্তর: Tk. ১৭৮৫
a 24 years
b 20 years
c 26 years
d 25 years
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২৪ years প্রদত্ত তথ্য: আসমার বর্তমান বয়স ১৬ বছর আসমার ভাইয়ের বর্তমান বয়স ১৬ ÷ ৪ = ৪ বছর ধরি, ভাইয়ের বয়স দ্বিগুণ হওয়ার সময় আসমার বয়স হবে এক্স বছর অতএব, আসমার বয়স বাড়বে = এক্স − ১৬ বছর ভাইয়ের বয়স বাড়বে = (এক্স − ১৬) বছর সুতরাং, ভাইয়ের নতুন বয়স হবে = ৪ + (এক্স − ১৬) বছর প্রশ্নমতে, এক্স = ২ × (৪ + এক্স − ১৬) এক্স = ২ × (এক্স − ১২) উত্তর: এক্স = ২৪ years
a 4
b 5
c 6
d 7
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫ প্রদত্ত তথ্য: ৭টি সংখ্যার গড় = ৫ প্রথম ৪টি সংখ্যার গড় = ৪ শেষ ৪টি সংখ্যার গড় = ৬ ধরি, ৭টি সংখ্যার মোট যোগফল = ৭ × ৫ = ৩৫ প্রথম ৪টি সংখ্যার মোট যোগফল = ৪ × ৪ = ১৬ শেষ ৪টি সংখ্যার মোট যোগফল = ৪ × ৬ = ২৪ অতএব, প্রথম ৪টি সংখ্যা এবং শেষ ৪টি সংখ্যার মোট যোগফল = ১৬ + ২৪ = ৪০ এখানে চতুর্থ সংখ্যাটি দুইবার গণনা করা হয়েছে সুতরাং, চতুর্থ সংখ্যাটি = ৪০ − ৩৫ = ৫ উত্তর: ৫
a 36 km/h
b 45 km/h
c 54 km/h
d 60 km/h
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩৬ কিমি/ঘণ্টা প্রদত্ত তথ্য: ট্রেনের দৈর্ঘ্য = ১৮০ মিটার প্ল্যাটফর্মের দৈর্ঘ্য = ২৭০ মিটার সময় = ৪৫ সেকেন্ড ধরি, মোট অতিক্রান্ত দূরত্ব = ট্রেনের দৈর্ঘ্য + প্ল্যাটফর্মের দৈর্ঘ্য অতএব, মোট দূরত্ব = ১৮০ + ২৭০ = ৪৫০ মিটার সুতরাং, গতিবেগ = ৪৫০ ÷ ৪৫ = ১০ মিটার/সেকেন্ড উত্তর: ১০ × ১৮ ÷ ৫ = ৩৬ কিমি/ঘণ্টা
a 36 years
b 42 years
c 45 years
d 54 years
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৫৪ years প্রদত্ত তথ্য: পিতা ও পুত্রের বর্তমান বয়সের অনুপাত ৭ : ২ ৮ বছর পর তাদের বয়সের অনুপাত হবে ৫ : ২ ধরি, পিতার বর্তমান বয়স = ৭x বছর পুত্রের বর্তমান বয়স = ২x বছর অতএব, ৮ বছর পর পিতার বয়স হবে ৭x + ৮ বছর ৮ বছর পর পুত্রের বয়স হবে ২x + ৮ বছর সুতরাং, শর্তমতে, (৭x + ৮) ÷ (২x + ৮) = ৫ ÷ ২ উত্তর: ৫৪ years
a Shakib Al Hasan
b Tamim Iqbal
c Mushfiqur Rahim
d Mominul Haque
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Mushfiqur Rahim কেন সঠিক: - মুশফিকুর রহিম বাংলাদেশের প্রথম ব্যাটসম্যান যিনি টেস্ট ক্রিকেটে দ্বিশতক (ডাবল সেঞ্চুরি) অর্জন করেন। - তিনি ২০১৩ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে গল টেস্টে এই ঐতিহাসিক কীর্তি গড়েন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Shakib Al Hasan — তিনি টেস্টে বাংলাদেশের হয়ে প্রথম ডাবল সেঞ্চুরিয়ান নন, যদিও পরবর্তীতে তিনি ডাবল সেঞ্চুরি করেছেন। B) Tamim Iqbal — তিনি টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম তামিম সেঞ্চুরি বা বড় রানের ইনিংস খেললেও প্রথম ডাবল সেঞ্চুরির রেকর্ড তার নয়। C) Mushfiqur Rahim — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়। D) Mominul Haque — তিনি টেস্টে বাংলাদেশের অন্যতম সফল ব্যাটার হলেও প্রথম ডাবল সেঞ্চুরির কৃতিত্ব তার নয়। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ দলের প্রথম ডাবল সেঞ্চুরির সাথে মুশফিকুর রহিমের নাম মনে রাখতে গল টেস্টের কথাটি মনে রাখুন।
a A tied score
b Zero points
c Match point
d A server’s advantage
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Zero points কেন সঠিক: - টেনিস খেলায় স্কোর গণনার সময় শূন্য বা কোনো পয়েন্ট অর্জন না করাকে লাভ বলা হয়। - খেলা শুরুর সময় বা কোনো খেলোয়াড় পয়েন্ট না পেলে এই পরিভাষাটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A tied score — টেনিসে সমতা বোঝাতে ডিউজ বা অল বলা হয়, লাভ বলা হয় না। B) Zero points — এটি টেনিসের নিয়মানুযায়ী সঠিক এবং এটিই লাভ শব্দের শাব্দিক অর্থ। C) Match point — এটি এমন একটি পরিস্থিতি যেখানে কোনো খেলোয়াড় ম্যাচ জেতার একটি পয়েন্ট দূরে থাকে। D) A server’s advantage — সার্ভারের সুবিধাকে টেনিসে অ্যাডভান্টেজ বলা হয়, লাভ বলা হয় না। মনে রাখার টিপস: টেনিসে লাভ মানে শূন্য, কারণ শূন্য পেলে মানুষ ভালোবাসার মতো সব হারিয়ে শূন্যে পৌঁছে যায়।
a Liver
b Kidney
c Thyroid
d Pancreas
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Pancreas কেন সঠিক: - অগ্ন্যাশয়ের আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহ্যান্সের বিটা কোষ থেকে মানবদেহে প্রধানত ইনসুলিন হরমোন উৎপাদিত হয়। - ইনসুলিন রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Liver — এটি পিত্তরস উৎপাদন ও বিপাকীয় কাজের সাথে যুক্ত, সরাসরি ইনসুলিন উৎপাদন করে না। B) Kidney — এটি রক্ত ফিল্টার করে মূত্র তৈরি এবং তরল ভারসাম্য রক্ষা করে, ইনসুলিন তৈরি করে না। C) Thyroid — এটি থাইরক্সিন হরমোন উৎপাদন করে যা বিপাক ক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে, ইনসুলিন তৈরি করে না। D) Pancreas — এটি ইনসুলিন উৎপাদনের মূল অঙ্গ হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। মনে রাখার টিপস: প্যানক্রিয়াস বা অগ্ন্যাশয় হলো ইনসুলিনের কারখানা।
a Influenza
b Epstein-Barr Virus (EBV)
c Hepatitis C
d HIV
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি / সাম্প্রতিক তথ্য সঠিক উত্তর: A) Influenza কেন সঠিক: - ইউএস এফডিএ প্রযুক্তির ক্ষেত্রে এমআরএনএ প্রযুক্তির সফল প্রয়োগ ঘটিয়ে ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের বিরুদ্ধে প্রথম টিকা অনুমোদন করেছে। - এটি ঐতিহ্যবাহী টিকার তুলনায় দ্রুত প্রস্তুত করা যায় এবং শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কার্যকরভাবে তৈরি করতে পারে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Influenza — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই ভাইরাসের বিরুদ্ধেই প্রথম এমআরএনএ টিকা অনুমোদিত হয়েছে। B) Epstein-Barr Virus (EBV) — এই ভাইরাসের বিরুদ্ধে বর্তমানে কোনো এমআরএনএ টিকা এফডিএ কর্তৃক অনুমোদিত হয়নি। C) Hepatitis C — হেপাটাইটিস সি ভাইরাসের চিকিৎসায় অন্যান্য ওষুধ ও টিকা ব্যবহৃত হলেও এমআরএনএ টিকা প্রথম অনুমোদিত হয়নি। D) HIV — এইচআইভি ভাইরাসের বিরুদ্ধে কার্যকর এমআরএনএ টিকা এখনো গবেষণাধীন অবস্থায় রয়েছে এবং অনুমোদিত হয়নি। মনে রাখার টিপস: এমআরএনএ প্রযুক্তির প্রথম সফল টিকা অনুমোদনের ক্ষেত্রে ইনফ্লুয়েঞ্জা নামটি মনে রাখতে হবে।
a USA
b Japan
c Sweden
d France
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) France কেন সঠিক: - আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২০৩০ সালের শীতকালীন অলিম্পিক গেমসের আয়োজক দেশ হিসেবে ফ্রান্সকে নির্বাচিত করা হয়েছে। - ফ্রান্সের আল্পস অঞ্চলে এই গেমস অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে, যা দেশটির শীতকালীন ক্রীড়ার অবকাঠামোকে কাজে লাগাবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) USA — যুক্তরাষ্ট্র ২০৩০ সালের জন্য নয়, বরং লস অ্যাঞ্জেলেস শহরে ২০২৮ সালের গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক গেমসের আয়োজক। B) Japan — জাপান অতীতে শীতকালীন অলিম্পিক আয়োজন করলেও ২০৩০ সালের স্বাগতিক দেশ হিসেবে নির্বাচিত হয়নি। C) Sweden — সুইডেন ২০৩০ সালের শীতকালীন অলিম্পিকের আয়োজক হওয়ার দৌড়ে থাকলেও শেষ পর্যন্ত ফ্রান্সের কাছে নির্বাচিত হতে পারেনি। D) France — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং দেশটি আনুষ্ঠানিকভাবে ২০৩০ সালের শীতকালীন অলিম্পিক আয়োজনের দায়িত্ব পেয়েছে। মনে রাখার টিপস: শীতকালীন অলিম্পিক এবং ফরাসি আল্পস পর্বতমালা এই দুটি শব্দ একসঙ্গে মনে রাখলে ২০৩০ সালের আয়োজক দেশ ফ্রান্সকে খুব সহজে মনে রাখা সম্ভব।
a Argentina
b Indonesia
c Nigeria
d Bangladesh
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Indonesia কেন সঠিক: - ইন্দোনেশিয়া ২০২৪ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে ব্রিকস জোটের পূর্ণাঙ্গ সদস্যপদ লাভ করে। - দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বৃহত্তম অর্থনীতি হিসেবে ইন্দোনেশিয়া এই জোটে যোগ দিয়ে বৈশ্বিক প্রভাব বৃদ্ধি করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Argentina — আর্জেন্টিনা ব্রিকসের আমন্ত্রণ পেলেও ২০২৪ সালের শেষের দিকে নতুন সরকার গঠনের পর জোটে যোগদানে অস্বীকৃতি জানায়। B) Indonesia — প্রদত্ত উত্তরে ইন্দোনেশিয়াকে সঠিক বলা হয়েছে, যা ব্রিকসের নবম ও সর্বশেষ পূর্ণাঙ্গ সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে যুক্ত হয়েছে। সি) Nigeria — নাইজেরিয়া ব্রিকসের অংশীদার রাষ্ট্র হিসেবে যুক্ত হলেও এখনও পূর্ণাঙ্গ সদস্য পদ লাভ করেনি। D) Bangladesh — বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে ব্রিকসের সদস্য পদের জন্য আবেদন করলেও বর্তমানে পূর্ণাঙ্গ সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়নি। মনে রাখার টিপস: ব্রিকসের নতুন সদস্য মনে রাখতে আশিয়ান জোটের প্রধান দেশ ইন্দোনেশিয়ার নাম মাথায় রাখুন।
a Turkey
b Brazil
c United Arab Emirates
d United Kingdom
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: B) Brazil কেন সঠিক: - জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন বা কপ৩১ (COP31) এর আয়োজক দেশ হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে ব্রাজিলের নাম নির্ধারিত হয়েছে। - আমাজন বনাঞ্চলের সুরক্ষার জন্য ব্রাজিলের বেলেন (Belem) শহরে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Turkey — তুরস্ক কপ৩১ আয়োজনের জন্য আবেদন করলেও শেষ পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার সাথে প্রতিদ্বন্দীতায় সরে দাঁড়ায় এবং এটি সঠিক উত্তর নয়। B) Brazil — এটি সঠিক উত্তর কারণ ব্রাজিল আনুষ্ঠানিকভাবে কপ৩১ (COP31) সম্মেলনের আয়োজক দেশ হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। C) United Arab Emirates — সংযুক্ত আরব আমিরাত ইতিপূর্বে দুবাইতে অনুষ্ঠিত কপ২৮ (COP28) এর আয়োজক ছিল, কপ৩১ এর নয়। D) United Kingdom — যুক্তরাজ্য এর আগে গ্লাসগোতে অনুষ্ঠিত কপ২৬ (COP26) এর সফল আয়োজন করেছিল, বর্তমান কপ৩১ এর আয়োজক নয়। মনে রাখার টিপস: জলবায়ুর ফুসফুস আমাজন ব্রাজিলে অবস্থিত, তাই জলবায়ু সম্মেলন কপ৩১ এর আয়োজকও ব্রাজিল।
a World Bank
b WTO
c IMF
d OECD
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) IMF কেন সঠিক: - আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা আইএমএফ বিশ্ব অর্থনীতি এবং বৈশ্বিক আর্থিক পরিস্থিতি নিয়ে নিয়মিতভাবে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুক বা ডব্লিউইও প্রকাশ করে। - এই প্রতিবেদনে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি, মুদ্রাস্ফীতি এবং ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক পূর্বাভাস সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তুলে ধরা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) World Bank — বিশ্বব্যাংক মূলত বিশ্ব উন্নয়ন প্রতিবেদন এবং গ্লোবাল ইকোনমিক প্রসপেক্টস প্রকাশ করে, ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুক নয়। B) WTO — বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা প্রধানত বৈশ্বিক বাণিজ্য নীতি এবং বিশ্ব বাণিজ্য পরিসংখ্যান প্রতিবেদন প্রকাশ করে থাকে। C) IMF — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এই সংস্থার পক্ষ থেকেই ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুক প্রকাশ করা হয়। D) OECD — ওইসিডি মূলত উন্নত দেশগুলোর অর্থনৈতিক সমীক্ষা এবং বিভিন্ন দেশের নীতিগত বিশ্লেষণমূলক প্রতিবেদন প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: আইএমএফ মানে মুদ্রার তহবিল আর টাকা পয়সার হিসাব বা আউটলুক জানাতে তারাই ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুক প্রকাশ করে।
a UNESCO
b IMF
c WTO
d UNIDO
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) UNIDO কেন সঠিক: - UNIDO এর পূর্ণরূপ হলো ইউনাইটেড নেশনস ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন। - এই আন্তর্জাতিক সংস্থাটির প্রধান কার্যালয় অস্ট্রিয়ার ভিয়েনা শহরে অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) UNESCO — এটি জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা এবং এর সদর দপ্তর ফ্রান্সের প্যারিসে অবস্থিত। B) IMF — এটি আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল এবং এর সদর দপ্তর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত। C) WTO — এটি বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা এবং এর সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত। D) UNIDO — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর সদর দপ্তর অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায় অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: ভিয়েনা মানেই শিল্প উন্নয়ন বা UNIDO, আর জেনেভা মানে বাণিজ্য বা স্বাস্থ্য বিষয়ক সংস্থা।
a EU
b NATO
c WTO
d OECD
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) EU কেন সঠিক: - ১৯৯২ সালের মাস্ত্রিখট চুক্তির মাধ্যমে ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা ইইউ গঠিত হয়। - এই চুক্তির ফলে ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক integración বা ঐক্য আরও সুদৃঢ় হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) EU — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই চুক্তিটি ইউরোপীয় ইউনিয়ন গঠনের জন্যই স্বাক্ষরিত হয়েছিল। B) NATO — এটি একটি সামরিক জোট যা ১৯৪৯ সালের উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়েছিল। C) WTO — বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা বা ডব্লিউটিও গঠিত হয় ১৯৯৫ সালে মারাকেশ চুক্তির মাধ্যমে। D) OECD — অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও উন্নয়ন সংস্থাটি ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। মনে রাখার টিপস: মাস্ত্রিখট চুক্তি মানেই ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা ইইউ গঠনের ঐতিহাসিক দলিল।
a Bndarban
b Rangamati
c Cox’s Bazar
d Khagrachari
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Rangamati কেন সঠিক: - রাঙামাটি জেলা ভারতের মিজোরাম রাজ্য এবং মায়ানমার রাষ্ট্র উভয়ের সাথেই আন্তর্জাতিক সীমান্ত ভাগ করেছে। - এটি বাংলাদেশের একমাত্র জেলা যা একই সাথে দুটি ভিন্ন দেশের সীমানা স্পর্শ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Bandarban — এটি কেবল মায়ানমারের সীমান্তসংলগ্ন হলেও ভারতের কোনো সীমানা স্পর্শ করে না। B) Rangamati — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। C) Cox's Bazar — এটি শুধু মায়ানমারের সীমান্তবর্তী জেলা এবং এর সাথে ভারতের কোনো সংযোগ নেই। D) Khagrachari — এটি কেবল ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের সীমান্তবর্তী কিন্তু মায়ানমার সীমান্ত থেকে দূরে অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: দুই দেশের সাথে সীমান্ত আছে এমন একমাত্র জেলা রাঙামাটি, এটি মনে রাখতে রাঙামাটির 'র' দিয়ে দুই দেশের সীমানা বোঝায়।
a Fazle Hasan Abed
b Muhammad Yunus
c Mahfuz Anam
d Tahrunnesa Abdullah
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার সঠিক উত্তর: D) Tahrunnesa Abdullah কেন সঠিক: - তাহরুননেসা আবদুল্লাহ গ্রামীণ উন্নয়ন ও নারী কল্যাণে অবদানের জন্য ১৯৭৮ সালে রামন ম্যাগসেসে পুরস্কার লাভ করেন। - তিনি বাংলাদেশের প্রথম ব্যক্তি হিসেবে এই মর্যাদাপূর্ণ এশীয় পুরস্কার অর্জন করার গৌরব অর্জন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Fazle Hasan Abed — তিনি ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা এবং ১৯৮০ সালে ম্যাগসেসে পুরস্কার পান, কিন্তু প্রথম নন। B) Muhammad Yunus — তিনি গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা এবং ১৯৮৪ সালে ম্যাগসেসে পুরস্কার লাভ করেন। C) Mahfuz Anam — তিনি প্রখ্যাত সাংবাদিক ও ডেইলি স্টার পত্রিকার সম্পাদক, যিনি এই পুরস্কার পাননি। D) Tahrunnesa Abdullah — তিনি প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ১৯৭৮ সালে এই পুরস্কার লাভ করেছিলেন। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের প্রথম ম্যাগসেসে জয়ী নারী হলেন তাহরুননেসা আবদুল্লাহ, যিনি ১৯৭৮ সালে কমিউনিটি লিডারশিপ বিভাগে এই সম্মাননা পান।
a Humayun Rasheed Choudhury
b Khalilur Rahman
c Debapriya Bhattacharya
d Irene Khan
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Humayun Rasheed Choudhury কেন সঠিক: - হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী ১৯৮৬ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের একচল্লিশতম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হন। - তিনি প্রথম ও একমাত্র বাংলাদেশি হিসেবে জাতিসংঘের এই সর্বোচ্চ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Humayun Rasheed Choudhury — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং তিনি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের প্রথম বাংলাদেশি সভাপতি ছিলেন। B) Khalilur Rahman — তিনি জাতিসংঘের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করলেও সাধারণ পরিষদের সভাপতি হননি। C) Debapriya Bhattacharya — তিনি একজন প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ ও গবেষক, তবে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতি হননি। D) Irene Khan — তিনি অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের সাবেক সেক্রেটারি জেনারেল এবং বর্তমানে জাতিসংঘের বিশেষ rapporteur হিসেবে কর্মরত আছেন। মনে রাখার টিপস: জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রথম নেতৃত্ব দিয়েছেন হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী, যা সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদ অর্জনের মাধ্যমে ইতিহাস সৃষ্টি করেছিল।
a USA
b France
c Russia
d China
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) USA কেন সঠিক: - বাংলাদেশ স্যাটেলাইট-১ বা বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ ২০১৮ সালের ১১ই মে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়। - এটি উৎক্ষেপণ করেছিল মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা স্পেসএক্স, যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কেনেডি স্পেস সেন্টারের উৎক্ষেপণ প্যাড ব্যবহার করেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) USA — এটি সঠিক উত্তর কারণ স্যাটেলাইটটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল। B) France — ফ্রান্সের কোনো স্থান থেকে এই স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করা হয়নি, যদিও এটি নির্মাণ করেছিল ফ্রান্সের থালিস অ্যালেনিয়া স্পেস। C) Russia — রাশিয়া এই স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের সঙ্গে যুক্ত ছিল না, যদিও রাশিয়ার নিজস্ব মহাকাশ কর্মসূচি রয়েছে। D) China — চীন এই স্যাটেলাইটের উৎক্ষেপণকারী দেশ নয়, এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মাটি থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট মহাকাশে পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, আর এটি বানিয়েছে ফ্রান্স।
a 2030
b 2035
c 2041
d 2050
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) 2041 কেন সঠিক: - বাংলাদেশ সরকারের রূপকল্প বা ভিশন অনুযায়ী ২০৪১ সালের মধ্যে দেশকে একটি উন্নত, জ্ঞানভিত্তিক এবং সম্পূর্ণ ডিজিটাল রাষ্ট্রে রূপান্তর করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। - এই লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্যই স্মার্ট সিটিজেন, স্মার্ট ইকোনমি, স্মার্ট সোসাইটি এবং স্মার্ট গভর্ন্যান্স নামক চারটি মূল স্তম্ভের ওপর ভিত্তি করে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 2030 — এই সালটি মূলত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য বা এসডিজি অর্জনের সময়সীমা হিসেবে নির্ধারিত, স্মার্ট বাংলাদেশ অর্জনের বছর নয়। B) 2035 — এই সালটি সরকারের কোনো দীর্ঘমেয়াদী ডিজিটাল রূপান্তরের মূল লক্ষ্য হিসেবে নির্ধারিত নয়। C) 2041 — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং স্মার্ট বাংলাদেশ ভিশন অর্জনের নির্ধারিত বছর। D) 2050 — এই সালটি জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা সংক্রান্ত দীর্ঘমেয়াদী ডেল্টা প্ল্যান ২১০০ এর সাথে সংশ্লিষ্ট, স্মার্ট বাংলাদেশ ভিশনের সাথে নয়। মনে রাখার টিপস: ডিজিটাল বাংলাদেশ ছিল ২০২১ সালের লক্ষ্য এবং তার পরবর্তী ধাপ স্মার্ট বাংলাদেশ অর্জনের লক্ষ্য নির্ধারিত হয়েছে ২০৪১ সাল।
a Ubuntu
b Python
c iOS
d Windows
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Python ১. কেন সঠিক: পাইথন (Python) কোনো অপারেটিং সিস্টেম নয়, এটি একটি উচ্চ স্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা (High-level Programming Language)। অপারেটিং সিস্টেম হলো এমন এক ধরণের সিস্টেম সফটওয়্যার যা কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার এবং ব্যবহারকারীর মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: প্রোগ্রামিং ভাষা হলো এমন কিছু নিয়ম ও কাঠামোর সমষ্টি যা ব্যবহার করে কম্পিউটারকে বিভিন্ন নির্দেশ প্রদান করা হয়। কার্যপদ্ধতি: পাইথনের সিনট্যাক্স বা লেখার নিয়ম ইংরেজি ভাষার খুব কাছাকাছি হওয়ায় এটি মানুষের পক্ষে সহজে বোঝা ও ব্যবহার করা সম্ভব। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পাইথন ভাষা ব্যবহার করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence) এবং ডেটা সায়েন্সের বিভিন্ন সফটওয়্যার তৈরি করা হয়। ব্যাখ্যা: এটি জটিল কোডিং খুব সহজে করতে সাহায্য করে বিধায় সফটওয়্যার ডেভেলপারদের কাছে এটি অত্যন্ত জনপ্রিয়। উদাহরণ ২: উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে পাইথন কোড লিখে রান করানো যায়। ব্যাখ্যা: পাইথন নিজে সরাসরি কম্পিউটার পরিচালনা করে না, বরং অপারেটিং সিস্টেমের ভেতরে অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার হিসেবে রান করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Ubuntu — এটি লিনাক্স কার্নেল ভিত্তিক একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম, যা সার্ভার ও ব্যক্তিগত কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়। B) Python — এটি একটি জনপ্রিয় প্রোগ্রামিং ভাষা এবং সফটওয়্যার তৈরির মাধ্যম, যা কোনো অপারেটিং সিস্টেম নয়। C) iOS — এটি অ্যাপল কোম্পানির তৈরি একটি মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম যা আইফোন ও আইপ্যাডে ব্যবহৃত হয়। D) Windows — এটি মাইক্রোসফট কর্পোরেশনের তৈরি পৃথিবীর অন্যতম সর্বাধিক ব্যবহৃত জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম। ৫. মনে রাখার টিপস: উইন্ডোজ, লিনাক্স, উবুন্টু, আইওএস এগুলো হলো অপারেটিং সিস্টেম বা কম্পিউটার চালনার মাধ্যম। অন্যদিকে পাইথন, জাভা, সি হলো প্রোগ্রামিং ভাষা বা সফটওয়্যার তৈরির মাধ্যম। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার চালনা করার মূল সফটওয়্যার হলো অপারেটিং সিস্টেম, আর নতুন সফটওয়্যার তৈরি করার জন্য ব্যবহার করা হয় প্রোগ্রামিং ভাষা। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সিস্টেম সফটওয়্যার ও প্রোগ্রামিং ভাষার মধ্যে পার্থক্য থেকে প্রশ্ন আসে।
a A1
b $A1
c A$1
d $A$1
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) A1 ১. কেন সঠিক: - মাইক্রোসফট এক্সেলে সেল রেফারেন্স নির্দিষ্ট করার জন্য ডলার চিহ্ন ব্যবহার করা হয়। - পরম বা অ্যাবসোলিউট সেল রেফারেন্সে কলাম ও সারি উভয়ের আগে ডলার চিহ্ন থাকে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: যে সেল রেফারেন্সে কলাম ও সারির অবস্থান লক বা স্থায়ী করা হয় তাকে অ্যাবসোলিউট সেল রেফারেন্স বলে। - কার্যপদ্ধতি: এই ফর্মুলা অন্য সেলে কপি করলে রো ও কলামের ঠিকানা অপরিবর্তিত থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বেতন নির্ধারণের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কোনো কর্মকর্তার বোনাসের শতকরা হার সেল থেকে ফিক্সড করা। ব্যাখ্যা: ওই নির্দিষ্ট সেলের মান পরিবর্তন না করে ফর্মুলা নিচে ড্র্যাগ করতে এই রেফারেন্স ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: একটি নির্দিষ্ট সেলে থাকা মুদ্রা বিনিময় হার সব হিসাবের ক্ষেত্রে অপরিবর্তিত রাখা। ব্যাখ্যা: বারবার মান পরিবর্তন না করে একটি নির্দিষ্ট সেলকে অ্যাবসোলিউট করে সব জায়গায় ব্যবহার করা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) A1 — এটি হলো রিলেটিভ সেল রেফারেন্স, যেখানে ফর্মুলা কপি করলে রো ও কলামের ঠিকানা বদলে যায়। B) A1 — এটি হলো মিক্সড সেল রেফারেন্স, যেখানে কেবল কলাম লক করা থাকে কিন্তু সারি পরিবর্তনশীল। C) A1 — এটি হলো মিক্সড সেল রেফারেন্স, যেখানে কেবল সারি লক করা থাকে কিন্তু কলাম পরিবর্তনশীল। D) A1 — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এতে কলাম ও সারি উভয়ই ডলার চিহ্ন দিয়ে লক করা আছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - ডলার চিহ্ন মানেই হলো ফিক্সড বা লক করা। - যার আগে ডলার থাকবে সে পরিবর্তন হবে না। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এক্সেলে এফ ফোর കീ চেপে রিলেটিভ থেকে অ্যাবসোলিউট সেল রেফারেন্সে পরিবর্তন করা যায়। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মিক্সড ও অ্যাবসোলিউট সেল রেফারেন্সের পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়।
a DELETE
b TRUNCATE
c DROP
d REMOVE
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) DROP ১. কেন সঠিক: - SQL বা Structured Query Language-এ DROP কমান্ড ডেটাবেজ থেকে সম্পূর্ণ টেবিল বা ডেটাবেজ মুছে ফেলতে ব্যবহৃত হয়। - এটি টেবিলের কাঠামোর পাশাপাশি এর ভেতরের সব ডেটা এবং সংশ্লিষ্ট ইনডেক্স চিরতরে মুছে ফেলে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: DROP হলো একটি DDL বা Data Definition Language কমান্ড যা ডেটাবেজ অবজেক্ট চিরতরে মুছে ফেলে। - কার্যপদ্ধতি: এই কমান্ড রান করার পর সিস্টেম মেমরি থেকে টেবিল বা ডেটাবেজের সমস্ত রেফারেন্স এবং স্ট্রাকচার সম্পূর্ণ ডিলিট করে দেয়। - ব্যবহার: যখন কোনো টেবিল আর প্রয়োজন হয় না এবং সার্ভারের জায়গা খালি করতে হয়, তখন এটি ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: DROP TABLE Employees; ব্যাখ্যা: এই কোডটি রান করলে Employees নামের টেবিলটি তার সব ডেটা ও কাঠামোসহ ডেটাবেজ থেকে সম্পূর্ণরূপে মুছে যাবে। উদাহরণ ২: DROP DATABASE CompanyDB; ব্যাখ্যা: এই কোডটি একটি সম্পূর্ণ ডেটাবেজ মুছে ফেলার জন্য ব্যবহার করা হয়, যার মধ্যে থাকা সব টেবিল ডিলিট হয়ে যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) DELETE — এটি একটি DML কমান্ড যা টেবিলের ভেতরের ডেটা মুছে ফেলে, কিন্তু টেবিলের কাঠামো বা স্ট্রাকচার অক্ষুণ্ণ রাখে। B) TRUNCATE — এটি টেবিলের সব ডেটা দ্রুত মুছে ফেলে, কিন্তু টেবিলের মূল কাঠামো বা স্ট্রাকচার অপরিবর্তিত থাকে। D) REMOVE — এটি স্ট্যান্ডার্ড SQL-এর কোনো ডেটাবেজ কমান্ড নয়, তাই এটি টেবিল বা কাঠামো মুছে ফেলতে পারে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - DROP মানে পুরোপুরি ধ্বংস করা বা মুছে ফেলা। - DELETE বা TRUNCATE শুধু ভেতরের ডেটা পরিষ্কার করে, কিন্তু DROP ঘরসহ (কাঠামো) সব কিছু মুছে দেয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই DDL এবং DML কমান্ডের পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়। - DROP এবং TRUNCATE-এর মধ্যে মূল পার্থক্য হলো DROP টেবিলের স্ট্রাকচার মুছে দেয় আর TRUNCATE শুধু ডেটা মুছে ফেলে।
a SaaS
b PaaS
c IaaS
d NaaS
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) SaaS ১. কেন সঠিক: Gmail একটি Software as a Service (সফটওয়্যার অ্যাজ এ সার্ভিস) মডেলের ক্লাউড সেবা। এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা কোনো সফটওয়্যার বা হার্ডওয়্যার ইনস্টল না করেই সরাসরি ইন্টারনেটের মাধ্যমে সেবা গ্রহণ করতে পারেন। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: SaaS হলো এমন একটি ক্লাউড কম্পিউটিং সেবা যার মাধ্যমে ইন্টারনেট ব্রাউজারের সাহায্যে যেকোনো অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করা যায়। কার্যপদ্ধতি: এই সেবাগুলো ক্লাউড প্রোভাইডারদের রিমোট সার্ভারে হোস্ট করা থাকে এবং ব্যবহারকারীরা সাবস্ক্রিপশন বা বিনামূল্যে ব্রাউজারের মাধ্যমে তা ব্যবহার করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: Google Docs ব্যাখ্যা: ব্যবহারকারী নিজের কম্পিউটারে কোনো অফিস সফটওয়্যার ইনস্টল না করেই অনলাইনে ডকুমেন্ট তৈরি ও সম্পাদনা করতে পারেন। উদাহরণ ২: Microsoft Office 365 ব্যাখ্যা: ইন্টারনেটের মাধ্যমে মাইক্রোসফটের বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন সরাসরি ব্যবহার করা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) SaaS — এটি সঠিক উত্তর কারণ Gmail একটি ক্লাউডভিত্তিক অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার সেবা। B) PaaS — এটি Platform as a Service, যা ডেভেলপারদের জন্য কোডিং ও সফটওয়্যার তৈরির প্ল্যাটফর্ম সরবরাহ করে, সাধারণ ইমেইলের জন্য নয়। C) IaaS — এটি Infrastructure as a Service, যা ভার্চুয়াল সার্ভার ও স্টোরেজ দেয়, সরাসরি কোনো এন্ড-ইউজার অ্যাপ্লিকেশন নয়। D) NaaS — এটি Network as a Service, যা ক্লাউডভিত্তিক নেটওয়ার্ক কানেক্টিভিটি এবং রাউটিং সেবা প্রদান করে। ৫ মনে রাখার টিপস: SaaS মানে সরাসরি ব্যবহার করার সফটওয়্যার, যা আমরা ব্রাউজারে চালাই যেমন Gmail। PaaS হলো প্ল্যাটফর্ম বা ভিত্তি, যা কেবল প্রোগ্রামাররা ব্যবহার করেন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ক্লাউড কম্পিউটিং সেবার তিনটি প্রধান মডেল রয়েছে যথা IaaS, PaaS এবং SaaS। Gmail, Yahoo Mail এবং Google Drive হলো জনপ্রিয় SaaS সেবার উদাহরণ।
a LAN
b MAN
c PAN
d WAN
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) PAN ১. কেন সঠিক: - Bluetooth হলো পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা PAN এর একটি চমৎকার উদাহরণ যা খুব কাছাকাছি দূরত্বের ডিভাইসের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে। - এটি মূলত একজন ব্যক্তির চারপাশে প্রায় ১০ মিটার বা ৩০ ফুটের মধ্যে থাকা ব্যক্তিগত ডিভাইসগুলোর মধ্যে তারহীন যোগাযোগ রক্ষা করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: PAN এর পূর্ণরূপ হলো Personal Area Network বা ব্যক্তিগত ক্ষেত্র নেটওয়ার্ক যা একজন ব্যক্তির কাছাকাছি ডিভাইসের মধ্যে ডেটা শেয়ার করতে ব্যবহৃত হয়। - কার্যপদ্ধতি: এটি রেডিও তরঙ্গের মাধ্যমে স্বল্প দূরত্বে দুটি ডিভাইসের মধ্যে নিরাপদ ও সরাসরি ডেটা আদান-প্রদান নিশ্চিত করে। - বৈশিষ্ট্য: এর কভারেজ এরিয়া খুবই সীমিত, এটি কম বিদ্যুৎ খরচ করে এবং এর জন্য কোনো তারের প্রয়োজন হয় না। - ব্যবহার: মোবাইল থেকে কম্পিউটারে ফাইল পাঠানো, ব্লুটুথ হেডফোন ব্যবহার করা এবং স্মার্টওয়াচ কানেক্ট করার কাজে এটি ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্মার্টফোনের সাথে ব্লুটুথ হেডফোনের সংযোগ। ব্যাখ্যা: এটি ব্যবহারকারীর কানের কাছাকাছি থেকে তার ছাড়াই সরাসরি অডিও সিগন্যাল আদান-প্রদান করে। উদাহরণ ২: ল্যাপটপ থেকে ব্লুটুথ মাউস বা কিবোর্ড ব্যবহার। ব্যাখ্যা: এটি কাজের টেবিলের মধ্যে তারের ঝামেলা ছাড়াই ডিভাইসগুলোকে পরস্পরের সাথে যুক্ত রাখে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) LAN — এটি Local Area Network যার পরিধি একটি রুম, ভবন বা অফিস পর্যন্ত বিস্তৃত থাকে, যা ব্লুটুথের চেয়ে অনেক বড়। B) MAN — এটি Metropolitan Area Network যা একটি সম্পূর্ণ শহরজুড়ে বিস্তৃত কম্পিউটার নেটওয়ার্ক হিসেবে কাজ করে। D) WAN — এটি Wide Area Network যা পৃথিবীজুড়ে বিস্তৃত ইন্টারনেট বা বিশাল দূরত্বের নেটওয়ার্ক নির্দেশ করে। ৫ মনে রাখার টিপস: - PAN মানে ব্যক্তিগত বা পার্সোনাল নেটওয়ার্ক, তাই নিজের শরীরের বা খুব কাছের ডিভাইসের সংযোগ হলো PAN। - ব্লুটুথ প্রযুক্তির জনক এরিকসন কোম্পানি এবং এর নাম রাখা হয়েছে দশম শতাব্দীর ভাইকিং রাজা হারাল্ড ব্লুটুথের নামানুসারে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ভৌগোলিক বিস্তৃতির ওপর ভিত্তি করে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক সাধারণত PAN, LAN, MAN এবং WAN এই চার ভাগে বিভক্ত। - ব্লুটুথ প্রযুক্তি আইইইই ৮১০.১৫ স্ট্যান্ডার্ডের অধীনে কাজ করে এবং এটি স্বল্প দূরত্বের যোগাযোগের জন্য সর্বাধিক জনপ্রিয়।
a Control Unit
b Cache
c ALU
d Register
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ALU ১. কেন সঠিক: - কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট বা CPU-র ভেতরের সমস্ত গাণিতিক এবং যৌক্তিক অপারেশনগুলো সরাসরি ALU বা অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট সম্পন্ন করে। - ডেটা প্রসেসিংয়ের সময় যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ এবং সত্য বা মিথ্যার মতো তুলনাগুলো এই অংশে সম্পন্ন হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: ALU-র পূর্ণরূপ হলো Arithmetic Logic Unit বা গাণিতিক যৌক্তিক একক, যা CPU-র প্রধান প্রক্রিয়াকরণ অংশ। - কার্যপদ্ধতি: কন্ট্রোল ইউনিট থেকে নির্দেশনা পাওয়ার পর এটি মেমোরি থেকে ডেটা এনে গাণিতিক ও যৌক্তিক হিসাব সম্পন্ন করে। - বৈশিষ্ট্য: এটি মূলত দুটি অংশ নিয়ে গঠিত, যার একটি গাণিতিক অপারেশন এবং অন্যটি লজিক বা তুলনামূলক সিদ্ধান্ত নেয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ৫ এবং ১০ যোগ করা। ব্যাখ্যা: প্রসেসর যখন ৫ এবং ১০ যোগ করার নির্দেশ পায়, তখন ALU এই দুটি সংখ্যা যোগ করে ফলাফল ১৫ তৈরি করে। উদাহরণ ২: দুটি সংখ্যার মধ্যে কোনটি বড় তা নির্ধারণ করা। ব্যাখ্যা: ALU লজিক্যাল অপারেশনের মাধ্যমে নির্ধারণ করে কোন সংখ্যাটি বড় এবং সেই অনুযায়ী পরবর্তী কাজের পথ নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Control Unit — এটি পুরো কম্পিউটারের অপারেশন নিয়ন্ত্রণ করে কিন্তু কোনো গাণিতিক বা যৌক্তিক হিসাব নিজে সম্পন্ন করে না। B) Cache — এটি প্রসেসরের অত্যন্ত দ্রুতগতির একটি ছোট মেমোরি, যা ডেটা সাময়িক সংরক্ষণ করে কিন্তু হিসাব করে না। D) Register — এটি প্রসেসরের ভেতরে ডেটা সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত অত্যন্ত দ্রুতগতির মেমোরি ঘর, যা অপারেশন চালায় না। ৫. মনে রাখার টিপস: - ALU-র পূর্ণরূপ মনে রাখবে Arithmetic Logic Unit, যেখানে Arithmetic অর্থ গাণিতিক এবং Logic অর্থ যৌক্তিক কাজ। - কন্ট্রোল ইউনিট কাজ পরিচালনা করে আর ALU শুধু হিসাব নিকাশ ও তুলনার কাজটি করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - CPU-র মূল কাজের ক্ষেত্র হলো ALU। - BCS ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় CPU-র বিভিন্ন উপাদানের কাজ নিয়ে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
a 32
b 48
c 64
d 128
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) 32 ১. কেন সঠিক: - IP Address বা Internet Protocol Address এর পূর্ণরূপ হলো ইন্টারনেট প্রোটোকল ঠিকানা। - IPv4 বা Internet Protocol version 4 ঠিকানায় মোট ৩২ টি বিট বা বাইনারি অঙ্ক থাকে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: IPv4 হলো ইন্টারনেটে যুক্ত প্রতিটি ডিভাইসের জন্য একটি অদ্বিতীয় বা ইউনিক ঠিকানা, যা ৩২ বিট দীর্ঘ এবং ডট দিয়ে আলাদা করা চারটি অংশে বিভক্ত। - কার্যপদ্ধতি: এই ৩২ বিট ঠিকানাকে ৪২ কোটি ৯৪ লাখ ৯৬ হাজার ৭২৯ টি অনন্য ঠিকানায় ভাগ করা যায়, যা বিশ্বজুড়ে কম্পিউটারগুলোকে নেটওয়ার্কে শনাক্ত করতে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ১৯২.১৬৮.১.১ ব্যাখ্যা: এটি একটি আদর্শ IPv4 ঠিকানার উদাহরণ, যেখানে চারটি অংশ বা অক্টেট দশমিক চিহ্ন দ্বারা পৃথক করা থাকে। উদাহরণ ২: হোম রাউটার ব্যাখ্যা: বাসার ওয়াইফাই রাউটার যখন মোবাইল বা ল্যাপটপকে সংযুক্ত করে, তখন প্রতিটি ডিভাইসকে আলাদাভাবে চেনার জন্য এরকম একটি IPv4 ঠিকানা বরাদ্দ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) 32 — এটি IPv4 ঠিকানার সঠিক বিট সংখ্যা এবং এটি ৪ বাইট দীর্ঘ। B) 48 — এটি সাধারণত MAC Address বা ফিজিক্যাল ঠিকানার দৈর্ঘ্য, যা নেটওয়ার্ক কার্ড তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। C) 64 — এটি কিছু বিশেষ নেটওয়ার্ক প্রোটোকল বা সিস্টেমের জন্য ব্যবহৃত হয়, যা স্ট্যান্ডার্ড IPv4 ঠিকানা নয়। D) 128 — এটি IPv6 বা Internet Protocol version 6 ঠিকানার দৈর্ঘ্য, যা ৩২ বিটের IPv4 এর সীমাবদ্ধতা দূর করতে তৈরি হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - IPv4 এ ৪ আছে এবং এটি ৩২ বিট (৪ গুণ ৮ সমান ৩২)। - IPv6 এ ৬ আছে এবং এটি ১২৮ বিট দীর্ঘ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই IPv4 ও IPv6 এর বিট সংখ্যা এবং MAC Address এর বিট সংখ্যা সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। - IPv4 ঠিকানার প্রতিটি অংশকে অক্টেট বলা হয় কারণ প্রতিটিতে ৮ বিট বা ১ বাইট করে থাকে।
a Hub
b Repeater
c Bridge
d Router
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Router ১. কেন সঠিক: - OSI মডেলের ৩ নম্বর লেয়ার বা নেটওয়ার্ক লেয়ারে কাজ করে রাউটার, যা ভিন্ন নেটওয়ার্কের মধ্যে ডেটা প্যাকেট আদান-প্রদান নিয়ন্ত্রণ করে। - আইপি অ্যাড্রেস বিশ্লেষণ করে ডেটাকে সঠিক গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়ার জন্য এটি সবচেয়ে উপযোগী নেটওয়ার্ক ডিভাইস। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: OSI মডেলের ৩ নম্বর লেয়ার বা নেটওয়ার্ক লেয়ার হলো এমন একটি স্তর যা ভিন্ন ভিন্ন নেটওয়ার্কের মধ্যে ডেটা রুট বা পথ নির্ধারণ করে। - কার্যপদ্ধতি: এটি সোর্স বা উৎস থেকে ডেটা প্যাকেট গ্রহণ করে এবং গন্তব্য নেটওয়ার্কের আইপি অ্যাড্রেস দেখে সবচেয়ে ভালো পথ বেছে নিয়ে তা ফরোয়ার্ড করে। - ব্যবহার: ল্যান বা লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক থেকে ওয়ান বা ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক বা ইন্টারনেটে ডেটা পাঠানোর জন্য রাউটার ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আপনার বাসা থেকে ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিদেশের কোনো ওয়েবসাইটে প্রবেশ করা। ব্যাখ্যা: আপনার ঘরের ওয়াইফাই রাউটার আপনার ডিভাইসের অনুরোধটি বিভিন্ন নেটওয়ার্ক পারাপার করে সঠিক গন্তব্য সার্ভারে পৌঁছে দেয়। উদাহরণ ২: দুটি ভিন্ন শহরের দুটি অফিসের কম্পিউটার নেটওয়ার্ক যুক্ত করা। ব্যাখ্যা: রাউটার এই দুটি দূরবর্তী নেটওয়ার্কের মধ্যে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করে এবং নিরাপদ যোগাযোগ স্থাপন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Hub — এটি OSI মডেলের ১ নম্বর বা ফিজিক্যাল লেয়ারে কাজ করে, যা সব পোর্টের মধ্যে ব্রডকাস্ট করে এবং কোনো আইপি অ্যাড্রেস বোঝে না। B) Repeater — এটি ফিজিক্যাল লেয়ারে কাজ করে এবং দুর্বল সিগন্যালকে বিবর্ধিত করে দীর্ঘ পথ অতিক্রম করার উপযোগী করে তোলে। C) Bridge — এটি OSI মডেলের ২ নম্বর বা ডেটা লিংক লেয়ারে কাজ করে এবং ম্যাক অ্যাড্রেস ব্যবহার করে দুটি ল্যানকে যুক্ত করে। D) Router — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ৩ নম্বর নেটওয়ার্ক লেয়ারে কাজ করে এবং আইপি রাউটিং সম্পন্ন করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - OSI মডেলের লেয়ার মনে রাখার কৌশল হলো ফিজিক্যাল লেয়ার ১, ডেটা লিংক ২, নেটওয়ার্ক ৩। - ৩ নম্বর লেয়ার বা নেটওয়ার্ক লেয়ারের রাজা হলো রাউটার, কারণ এটি আইপি অ্যাড্রেস নিয়ে কাজ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই প্রশ্ন আসে কোন ডিভাইস কোন লেয়ারে কাজ করে। - হাব ও রিপিটার ১ নম্বর লেয়ারে, সুইচ ও ব্রিজ ২ নম্বর লেয়ারে এবং রাউটার ৩ নম্বর লেয়ারে কাজ করে।
a DHCP
b DNS
c ARP
d NAT
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) DNS ১. কেন সঠিক: - DNS-এর পূর্ণরূপ হলো Domain Name System, যা মানুষের বোধগম্য ডোমেইন নামকে কম্পিউটারের বোধগম্য সংখ্যাভিত্তিক আইপি ঠিকানায় রূপান্তর করে। - ইন্টারনেটে প্রতিটি ডিভাইসের নির্দিষ্ট আইপি ঠিকানা থাকে, যা মনে রাখা কঠিন হওয়ায় এই প্রোটোকলটি নাম অনুবাদ করে সংযোগ স্থাপন সহজ করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: DNS হলো এমন একটি ডিস্ট্রিবিউটেড ডেটাবেজ সিস্টেম, যা ইন্টারনেটে নাম ও আইপি ঠিকানার মধ্যে পারস্পরিক মিল বা অনুবাদ করে। - কার্যপদ্ধতি: ব্যবহারকারী ব্রাউজারে নাম লিখলে ডিএনএস সার্ভার তা খুঁজে বের করে সংশ্লিষ্ট আইপি ঠিকানায় রূপান্তর করে সার্ভারের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করে। - ব্যবহার: ইন্টারনেটে কোনো ওয়েবসাইট ভিজিট করা বা ই-মেইল পাঠানোর সময় ঠিকানা খুঁজে বের করতে এই প্রোটোকল ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: google.com ঠিকানা টাইপ করা ব্যাখ্যা: ব্যবহারকারী নাম লিখলেও ডিএনএস প্রোটোকল এর পেছনের সুনির্দিষ্ট আইপি ঠিকানা যেমন ১৭২.২১৭.১৬০.১৪২ খুঁজে বের করে ওয়েবসাইটটি ব্রাউজারে প্রদর্শন করে। উদাহরণ ২: টেলিফোন ডিরেক্টরি বা কন্টাক্ট লিস্ট ব্যাখ্যা: মানুষের নাম দিয়ে ফোন নম্বর খোঁজার মতো ডিএনএস সিস্টেম ডোমেইন নাম দিয়ে আইপি ঠিকানা খুঁজে বের করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) DHCP — এটি Dynamic Host Configuration Protocol, যা নেটওয়ার্কের ডিভাইসগুলোকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে আইপি ঠিকানা প্রদান করে কিন্তু নাম অনুবাদ করে না। B) DNS — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ডোমেইন নামকে সংখ্যাভিত্তিক আইপি ঠিকানায় রূপান্তর করে। C) ARP — এটি Address Resolution Protocol, যা আইপি ঠিকানাকে ফিজিক্যাল ম্যাক ঠিকানায় রূপান্তর করে কিন্তু ডোমেইন নাম অনুবাদ করে না। D) NAT — এটি Network Address Translation, যা প্রাইভেট আইপি ঠিকানাকে পাবলিক আইপি ঠিকানায় রূপান্তর করে ইন্টারনেট যোগাযোগের সুযোগ দেয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - DNS শব্দের শুরুতে D আছে যার অর্থ Domain, আর এটি Domain Name কে IP Address এ রূপান্তর করে। - নাম থেকে নম্বরে যাওয়ার এই অনুবাদ প্রক্রিয়াকে ডিরেক্টরির সঙ্গে তুলনা করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - DNS সাধারণত ইউডিপি প্রোটোকলের ৫৩ নম্বর পোর্ট ব্যবহার করে কাজ করে। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রোটোকলের পূর্ণরূপ এবং তাদের সুনির্দিষ্ট কাজ প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়।
a POP3
b IMAP
c FTP
d SMTP
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) SMTP ১. কেন সঠিক: SMTP-এর পূর্ণরূপ হলো Simple Mail Transfer Protocol. এটি ইন্টারনেট বা নেটওয়ার্কে এক সার্ভার থেকে অন্য সার্ভারে ইলেকট্রনিক মেইল বা ই-মেইল পাঠানোর মূল প্রোটোকল হিসেবে কাজ করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: SMTP হলো একটি ইন্টারনেট স্ট্যান্ডার্ড প্রোটোকল যা ক্লায়েন্ট থেকে সার্ভারে বা সার্ভার থেকে সার্ভারে ই-মেইল প্রেরণের জন্য ব্যবহৃত হয়। কার্যপদ্ধতি: ব্যবহারকারী যখন কোনো ই-মেইল লিখে সেন্ড বাটনে ক্লিক করেন, তখন মেইল ক্লায়েন্ট SMTP ব্যবহার করে বার্তাটি মেইল সার্ভারে স্থানান্তর করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জিমেইল থেকে ইয়াহু ঠিকানায় মেইল পাঠানো। ব্যাখ্যা: জিমেইলের আউটগোয়িং সার্ভার SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করে ইন্টারনেট পেরিয়ে ইয়াহুর সার্ভারে বার্তাটি পৌঁছে দেয়। উদাহরণ ২: অফিসিয়াল ডোমেইনে ক্লায়েন্ট সফটওয়্যার থেকে বার্তা পাঠানো। ব্যাখ্যা: মাইক্রোসফট আউটলুক বা থান্ডারবার্ড এর মতো ই-মেইল ক্লায়েন্ট সার্ভারে মেইল সাবমিট করার জন্য SMTP ব্যবহার করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) POP3 — এটি সার্ভার থেকে লোকাল কম্পিউটারে ই-মেইল ডাউনলোড করার জন্য ব্যবহৃত হয়, মেইল পাঠানোর জন্য নয়। B) IMAP — এটি সার্ভারেই ই-মেইল সংরক্ষণ ও সিঙ্ক করার প্রোটোকল, মেইল পাঠানোর কাজে এটি সরাসরি ব্যবহৃত হয় না। C) FTP — এটি ফাইল ট্রান্সফার প্রোটোকল, যা ইন্টারনেটে কম্পিউটারগুলোর মধ্যে ফাইল আদান-প্রদানের কাজে ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: SMTP মানে সেন্ডিং বা পাঠানোর প্রোটোকল। মনে রাখতে পারেন S তে Send এবং P তে Post. ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ই-মেইল পাঠানোর প্রোটোকল হিসেবে SMTP এবং মেইল গ্রহণ বা পড়ার প্রোটোকল হিসেবে POP3 ও IMAP প্রায়শই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
a Strait of Malacca
b Bering Strait
c Bosporus Strait
d Strait of Gibraltar
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Bering Strait ১. কেন সঠিক: বেরিং প্রণালি এশিয়া মহাদেশকে উত্তর আমেরিকা মহাদেশ থেকে পৃথক করেছে। এটি এশিয়ার সর্বপূর্ব বিন্দু সাইবেরিয়ার পূর্ব কেপ এবং উত্তর আমেরিকার সর্বপশ্চিম বিন্দু আলাস্কার সুয়েল অন্তরীপের মাঝখানে অবস্থিত। ২. ভৌগোলিক তথ্য: অবস্থান: এটি এশিয়ার রাশিয়া এবং উত্তর আমেরিকার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কার মাঝে অবস্থিত। সংযুক্তি: এই প্রণালিটি প্রশান্ত মহাসাগরের একটি অংশ বেরিং সাগরকে উত্তর মহাসাগরের চুকচি সাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে। আন্তর্জাতিক রেখা: আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা এই প্রণালির ঠিক মাঝখান দিয়ে উত্তর থেকে দক্ষিণে অতিক্রম করেছে। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: বেরিং প্রণালির মাঝখানে অবস্থিত ডায়োমিড দ্বীপপুঞ্জ। ব্যাখ্যা: এর মাধ্যমে রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের ভৌগোলিক দূরত্ব মাত্র কয়েক কিলোমিটার হলেও সময়ের ব্যবধান প্রায় একদিন। উদাহরণ ২: প্রাচীন বরফ যুগ। ব্যাখ্যা: বরফ যুগে সমুদ্রপৃষ্ঠের নিচে নেমে যাওয়ার ফলে এই অঞ্চল দিয়ে এশিয়া ও আমেরিকার মধ্যে স্থলপথের সৃষ্টি হয়েছিল, যা দিয়ে মানুষ প্রথম আমেরিকায় প্রবেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Strait of Malacca — এটি এশিয়ার মালয় উপদ্বীপ ও ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপের মাঝে অবস্থিত এবং ভারত মহাসাগরকে প্রশান্ত মহাসাগরের সঙ্গে যুক্ত করে। B) Bering Strait — এটি এশিয়াকে উত্তর আমেরিকা থেকে পৃথক করেছে এবং সঠিক উত্তর হিসেবে এখানে বিবেচিত। C) Bosporus Strait — এটি তুরস্কের ইস্তাম্বুল শহরে অবস্থিত এবং কৃষ্ণ সাগরকে মারমারা সাগরের সঙ্গে যুক্ত করে ইউরোপ ও এশিয়াকে পৃথক করেছে। D) Strait of Gibraltar — এটি ইউরোপের স্পেন ও আফ্রিকার মরক্কোর মাঝে অবস্থিত এবং আটলান্টিক মহাসাগরকে ভূমধ্যসাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে। ৫. মনে রাখার টিপস: এশিয়ার পূর্ব প্রান্ত এবং আমেরিকার পশ্চিম প্রান্তের মাঝে বরফের দেশ আলাস্কা ও রাশিয়ার সংযোগস্থল মনে রাখতে বেরিং নামটি ব্যবহার করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রণালিটি একই সঙ্গে দুটি মহাদেশ এবং দুটি মহাসাগরকে সংযুক্ত বা পৃথক করে, যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে কোন প্রণালি প্রশান্ত ও উত্তর মহাসাগরকে যুক্ত করে।
a Eswatini
b Botswana
c Lesotho
d Namibia
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Lesotho ১. কেন সঠিক: - লেসোথো একটি সম্পূর্ণ স্থলবেষ্টিত দেশ যা চতুর্দিকে কেবল দক্ষিণ আফ্রিকা দ্বারা সম্পূর্ণভাবে পরিবেষ্টিত। - বিশ্বে এমন স্বাধীন দেশের সংখ্যা অত্যন্ত কম যেগুলো অন্য একটিমাত্র দেশের ভূখণ্ড দ্বারা সম্পূর্ণ ঘিরে থাকে। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: দক্ষিণ আফ্রিকা মহাদেশের দক্ষিণাংশে অবস্থিত ড্রাকেন্সবার্গ পর্বতমালার কোলে লেসোথোর ভৌগোলিক অবস্থান। - বৈশিষ্ট্য: এটি বিশ্বের অন্যতম উচ্চতম সার্বভৌম রাষ্ট্র যার সম্পূর্ণ ভূভাগ ১০০০ মিটারের বেশি উচ্চতায় অবস্থিত। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: ভ্যাটিকান সিটি ব্যাখ্যা: এটি ইতালির রোম শহর দ্বারা সম্পূর্ণ বেষ্টিত একটি স্বাধীন রাষ্ট্র, যা একটি দেশের ভেতরে অন্য দেশের উদাহরণ। উদাহরণ ২: সান মারিনো ব্যাখ্যা: এটিও ইতালির ভেতরে অবস্থিত একটি ক্ষুদ্র স্বাধীন রাষ্ট্র যা সম্পূর্ণভাবে ইতালীয় ভূখণ্ড দ্বারা পরিবেষ্টিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Eswatini — এটি দক্ষিণ আফ্রিকা এবং মোজাম্বিকের মাঝে অবস্থিত এবং এর সীমান্ত একাধিক দেশের সঙ্গে যুক্ত। B) Botswana — এটি দক্ষিণ আফ্রিকার উত্তরে অবস্থিত একটি স্থলবেষ্টিত দেশ এবং এর সীমান্ত নামিবিয়া ও জিম্বাবুয়ের সঙ্গেও রয়েছে। C) Lesotho — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি শুধুমাত্র দক্ষিণ আফ্রিকা দ্বারা সম্পূর্ণরূপে বেষ্টিত। D) Namibia — এটি আটলান্টিক মহাসাগরের উপকле অবস্থিত এবং এর সীমান্ত দক্ষিণ আফ্রিকা ছাড়াও বতসোয়ানা ও অ্যাঙ্গোলার সঙ্গে রয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিশ্ব মানচিত্রে দক্ষিণ আফ্রিকার পেটের ভেতর ছোট্ট একটি দেশ হলো লেসোথো। - এভাবে মনে রাখতে পারো যে লেসোথো মানে লাফালাফি করে দক্ষিণ আফ্রিকার ভেতরে ঢুকে থাকা দেশ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এনক্লেভ বা পরিবেষ্টিত রাষ্ট্র কী তা জানতে এই প্রশ্নটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। - এই ধরনের প্রশ্ন বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
a Russia
b United States
c France
d United Kingdom
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) France ১. কেন সঠিক: - ফ্রান্সের মূল ভূখণ্ড ইউরোপে অবস্থিত হলেও বিশ্বের বিভিন্ন মহাসাগরে এর বেশ কিছু সামুদ্রিক অঞ্চল বা ওভারসিজ টেরিটরি রয়েছে। - এই দূরবর্তী অঞ্চলগুলোর ভৌগোলিক বিস্তৃতির কারণে ফ্রান্সের টাইম জোনের সংখ্যা বিশ্বে সর্বাধিক। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: প্রশান্ত মহাসাগর, আটলান্টিক মহাসাগর এবং ভারত মহাসাগরে ফ্রান্সের বিভিন্ন দ্বীপ ও অঞ্চল ছড়িয়ে রয়েছে। - সংশ্লিষ্ট তথ্য: বর্তমান বিশ্বে ফ্রান্সের অধীনস্থ অঞ্চলগুলোতে মোট ১২টি টাইম জোন ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ব্যাখ্যা: প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত ফ্রান্সের এই অঞ্চলটি মূল ভূখণ্ড থেকে বহু দূরে হওয়ায় ভিন্ন টাইম জোনের অন্তর্ভুক্ত। উদাহরণ ২: রিইউনিয়ন ব্যাখ্যা: ভারত মহাসাগরে অবস্থিত ফ্রান্সের এই দ্বীপটিও তাদের একটি আলাদা টাইম জোন নির্ধারণ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Russia — রাশিয়ায় মোট ১১টি টাইম জোন রয়েছে এবং এটি এক দেশে সর্বাধিক টাইম জোনের দিক থেকে দ্বিতীয় স্থানে আছে। B) United States — মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ড ও ওভারসিজ অঞ্চল মিলিয়ে মোট ১১টি টাইম জোন রয়েছে। D) United Kingdom — যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন অঞ্চল ও ওভারসিজ টেরিটরি মিলিয়ে মোট ৯টি টাইম জোন ব্যবহৃত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ফ্রান্সের মূল ভূখণ্ড ছোট হলেও সূর্য কখনো তাদের সাম্রাজ্যে অস্ত যায় না কারণ এর বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে থাকা দ্বীপগুলোর জন্য ১২টি টাইম জোন রয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই দেশভিত্তিক টাইম জোনের সর্বোচ্চ সংখ্যা নিয়ে প্রশ্ন আসে যেখানে রাশিয়া ও ফ্রান্সের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়। - মূল ভূখণ্ডের হিসেবে রাশিয়া এগিয়ে থাকলেও ওভারসিজ টেরিটরি সহ হিসাব করলে ফ্রান্স প্রথম স্থান অধিকার করে।
a Lebanon to Mozambique
b Turkey to Iran
c the Himalayas to Myanmar
d Siberia to Mongolia
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Lebanon to Mozambique ১. কেন সঠিক: গ্রেট রিফ্ট ভ্যালি বা মহাবিদারী উপত্যকা পৃথিবীর অন্যতম দীর্ঘ ভূত্বকীয় বিচ্যুতি অঞ্চল। এটি মধ্যপ্রাচ্যের লেবানন থেকে শুরু হয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার মোজাম্বিক পর্যন্ত প্রায় ৬০০০ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত। ২. ভৌগোলিক তথ্য: অবস্থান: এটি এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য এবং আফ্রিকা মহাদেশ জুড়ে উত্তর থেকে দক্ষিণে প্রসারিত। বৈশিষ্ট্য: টেকটনিক প্লেটের সম্প্রসারণ বা ডাইভারজেন্ট বাউন্ডারির কারণে এই বিশাল চ্যুতি বা উপত্যকা গঠিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: পূর্ব আফ্রিকান রিফ্ট ভ্যালি। ব্যাখ্যা: এটি গ্রেট রিফ্ট ভ্যালির সবচেয়ে সক্রিয় ও প্রধান অংশ যা পূর্ব আফ্রিকাকে দুই ভাগে ভাগ করছে। উদাহরণ ২: মৃত সাগর বা ডেড সি উপত্যকা। ব্যাখ্যা: এটি লেবানন থেকে শুরু হওয়া এই রিফ্ট ভ্যালির উত্তর অংশের একটি গভীর ও নিচু খাত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Lebanon to Mozambique — এটি গ্রেট রিফ্ট ভ্যালির সঠিক ও ভৌগোলিক দিক থেকে প্রমাণিত বিস্তার। B) Turkey to Iran — এটি আল্পাইন ভাঁজ পর্বতমালা এবং আনাতোলীয় মালভূমির অন্তর্গত এলাকা যা রিফ্ট ভ্যালির অংশ নয়। C) the Himalayas to Myanmar — এটি হিমালয় পর্বতমালা ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার পাহাড়ি অঞ্চলের ভূপ্রকৃতি নির্দেশ করে। D) Siberia to Mongolia — এটি সাইবেরিয়া ও মঙ্গোলিয়া অঞ্চলের উচ্চভূমি ও মালভূমির অংশ যা মধ্য এশিয়ায় অবস্থিত। ৫ মনে রাখার টিপস: লেবাননের ল দিয়ে শুরু হয়ে মোজাম্বিকের ম পর্যন্ত গ্রেট রিফ্ট ভ্যালি বিস্তৃত। এটি মনে রাখতে লেবানন থেকে মোজাম্বিক ক্রমটি মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই রিফ্ট ভ্যালির উত্তর ও দক্ষিণ প্রান্তের দেশ বা স্থান সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়। বিশ্বের দীর্ঘতম এই চ্যুতি অঞ্চল সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকলে টেকটনিক প্লেট সম্পর্কিত অন্যান্য প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।
a Nile
b Amazon
c Congo
d Yangtze
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Amazon ১. কেন সঠিক: - অ্যামাজন নদীর পানি প্রবাহের পরিমাণ বা ডিসচার্জ ভলিউম পৃথিবীর অন্য যেকোনো নদীর তুলনায় সবচেয়ে বেশি। - এই নদীটি বিশ্বের মোট নদীগুলোর সম্মিলিত স্বাদু পানির প্রবাহের প্রায় বিশ শতাংশ এককভাবে বহন করে থাকে। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের ব্রাজিল, পেরু এবং কলম্বিয়া অঞ্চলের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে আটলান্টিক মহাসাগরে পতিত হয়েছে। - বৈশিষ্ট্য: এটি পানিপ্রবাহের দিক থেকে বিশ্বের বৃহত্তম এবং দৈর্ঘ্যের দিক থেকে দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী হিসেবে পরিচিত। - সংশ্লিষ্ট তথ্য: অ্যামাজন নদীর অববাহিকা পৃথিবীর সবচেয়ে বড় রেইনফরেস্ট বা বৃষ্টিবহুল বনাঞ্চল তৈরি করেছে। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: কঙ্গো নদী ব্যাখ্যা: এটি আফ্রিকার দীর্ঘতম নদীগুলোর একটি এবং অববাহিকার আকারে দ্বিতীয় বৃহত্তম হলেও অ্যামাজনের মতো এতো বিশাল পরিমাণ পানি বহন করে না। উদাহরণ ২: মিসিসিপি নদী ব্যাখ্যা: এটি উত্তর আমেরিকার প্রধান নদী হলেও বৈশ্বিক পানি প্রবাহের তুলনামূলক বিচারে অ্যামাজন নদীর চেয়ে অনেক ছোট। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Nile — নীল নদ বিশ্বের দীর্ঘতম নদী হলেও এর পানি প্রবাহের পরিমাণ অ্যামাজনের তুলনায় অনেক কম। B) Amazon — এটি সঠিক উত্তর কারণ বিশ্বের সর্বোচ্চ পরিমাণ পানি এই নদীর মাধ্যমে প্রবাহিত হয়। C) Congo — কঙ্গো নদী অববাহিকা অত্যন্ত বিশাল এবং গভীর হলেও এর মোট পানিপ্রবাহ অ্যামাজনের সমান নয়। D) Yangtze — ইয়াংসি নদী এশিয়া এবং চীনের দীর্ঘতম নদী, যা প্রবাহের মানে অ্যামাজনের পরেই অবস্থান করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিশ্বজুড়ে পানির পরিমাণ বা ডিসচার্জের কথা আসলে সবার আগে 'এ' দিয়ে অ্যামাজন নদীকে মনে রাখবে। - দীর্ঘতম নদীর ক্ষেত্রে নীল নদ আর বৃহত্তম বা পানির পরিমাণে প্রথম নদীর ক্ষেত্রে অ্যামাজন নদীকে মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই নদী সম্পর্কিত দুটি প্রশ্ন আসে, যার একটি দীর্ঘতম নদী এবং অন্যটি বৃহত্তম নদী। - এই প্রশ্নটি থেকে পরীক্ষার্থীরা দৈর্ঘ্য এবং পানিপ্রবাহের পরিমাণের মধ্যকার মূল পার্থক্য বুঝতে পারবে।

মোট প্রশ্ন (25)

a দ্বন্দ্ব
b নিত্য
c বহুব্রীহি
d তৎপুরুষ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নিত্য ১. কেন সঠিক: যে সমাসের ব্যাসবাক্য হয় না বা ব্যাসবাক্য করতে হলে অন্য পদের সাহায্য নিতে হয়, তাকে নিত্য সমাস বলে। কালসাপ শব্দটি একটি বিশেষ প্রজাতির সাপকে বোঝায়, যার নিজস্ব ব্যাসবাক্য হয় না এবং এটি নিত্য সমাসের অন্তর্ভুক্ত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: নিত্য সমাসের ক্ষেত্রে পদের স্বাভাবিক মিলন ঘটে এবং ব্যাসবাক্য হয় না বললেই চলে। অন্য পদ যোগ করে এর অর্থ প্রকাশ করতে হয়, যেমন অন্য গ্রাম = গ্রামান্তর। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অন্য মন = অন্যমনস্ক ব্যাখ্যা: এটি নিত্য সমাসের একটি উদাহরণ যেখানে অন্য পদের সাহায্যে ব্যাসবাক্য করা হয়েছে। উদাহরণ ২: কেবল দর্শন = দর্শনমাত্র ব্যাখ্যা: এখানে কেবল শব্দের যোগে নিত্য সমাস সাধিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্বন্দ্ব — দ্বন্দ্ব সমাসে উভয় পদের অর্থের প্রাধান্য থাকে, যা কালসাপ শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) নিত্য — এই অপশনটি সঠিক কারণ কালসাপ একটি নিত্য সমাসের শব্দ। C) বহুব্রীহি — বহুব্রীহি সমাসে নতুন কোনো অর্থের সৃষ্টি হয়, যা কালসাপ শব্দের ক্ষেত্রে মেলে না। D) তৎপুরুষ — তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদের বিভক্তির লোপ পায়, যা এখানে হয়নি। ৫. মনে রাখার টিপস: যেসব শব্দের ব্যাসবাক্য হয় না এবং অন্য শব্দ যোগ করে অর্থ বুঝতে হয়, সেগুলো সাধারণত নিত্য সমাস হয়। কালসাপ, অন্যগ্রাম, দর্শনমাত্র শব্দগুলো নিত্য সমাসের চেনার উপায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিত্য সমাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। অন্যমনস্ক, গ্রামান্তর, কালসাপ এবং কেবল দর্শন এই শব্দগুলোর সমাস বারবার অনুশীলন করা উচিত।
a 1918
b 1921
c 1923
d 1927
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯২৩ ১. কেন সঠিক: কল্লোল পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯২৩ সালের জানুয়ারি মাসে। বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগে যুগান্তর আনা এবং নতুন ধারার সাহিত্য সৃষ্টির ক্ষেত্রে এই পত্রিকার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: কল্লোল পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা ও প্রথম সম্পাদক ছিলেন দীনেশরঞ্জন দাস এবং পরে বুদ্ধদেব বসু ও অজিত দত্ত এর সঙ্গে যুক্ত হন। এই পত্রিকাকে কেন্দ্র করেই বাংলা সাহিত্যে কল্লোল যুগ বা কল্লোল গোষ্ঠীর সৃষ্টি হয় যা রোমান্টিকতা ও বাস্তবতাবাদের মিশ্রণে নতুন ধারা এনেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শনিবারের চিঠি ব্যাখ্যা: এটি কল্লোল গোষ্ঠীর সাহিত্যিক আন্দোলনের বিরুদ্ধে প্রকাশিত একটি ব্যঙ্গাত্মক পত্রিকা। উদাহরণ ২: প্রগতি পত্রিকা ব্যাখ্যা: বুদ্ধদেব বসু ও অজিত দত্তের সম্পাদনায় প্রকাশিত আরেকটি আধুনিক সাহিত্যপত্র। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯১৮ — এই সালে কল্লোল পত্রিকা প্রকাশিত হয়নি কারণ এটি বিশ শতকের তৃতীয় দশকের ঘটনা। B) ১৯২১ — এই সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হলেও কল্লোল পত্রিকা প্রকাশিত হয়নি। D) ১৯২৭ — এই সালে কল্লোল পত্রিকার প্রকাশনা বন্ধ হওয়ার পথে ছিল কিন্তু এটি প্রতিষ্ঠার বছর নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: কল্লোল মানে তরঙ্গের নাচন আর বাংলা সাহিত্যে এর সূচনা ১৯২৩ সালে। সংখ্যাটি মনে রাখতে বিশ শতকের তেইশ সাল হিসেবে মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পত্রিকার সম্পাদকের নাম এবং প্রকাশের সাল প্রায়ই আসে। দীনেশরঞ্জন দাসের নাম কল্লোল পত্রিকার সঙ্গে বিশেষভাবে স্মরণীয়।
a প্রগতি
b পরিচয়
c কল্লোল
d কবিতা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কবিতা ১. কেন সঠিক: জীবনানন্দ দাশের বিখ্যাত 'বনলতা সেন' কবিতাটি প্রথম প্রকাশিত হয় বুদ্ধদেব বসু সম্পাদিত 'কবিতা' পত্রিকায়। বাংলা ১৩৪২ বঙ্গাব্দের অগ্রহায়ণ সংখ্যায় কবিতাটি প্রথম প্রকাশিত হয়ে আধুনিক বাংলা কবিতার ইতিহাসে এক নতুন দিগন্তের উন্মোচন করেছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: জীবনানন্দ দাশ আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি এবং রূপসী বাংলার কবি হিসেবে সমাদৃত। বুদ্ধদেব বসু সম্পাদিত 'কবিতা' পত্রিকা ছিল আধুনিক বাংলা কবিতার প্রচার ও প্রসারের সবচেয়ে প্রভাবশালী সাহিত্যপত্র। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জীবনানন্দ দাশের 'বোধ' কবিতাটি প্রথম 'প্রগতি' পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। ব্যাখ্যা: কবির সাহিত্যকর্মের প্রথম প্রকাশস্থান সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। উদাহরণ ২: বুদ্ধদেব বসু সম্পাদিত 'কবিতা' পত্রিকার প্রথম প্রকাশকাল ছিল বাংলা ১৩৪২ বঙ্গাব্দের আশ্বিন মাস। ব্যাখ্যা: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এই পত্রিকাটি আধুনিক কবিতার বিকাশ সাধনে অনন্য ভূমিকা পালন করেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রগতি — এই পত্রিকায় জীবনানন্দ দাশের কিছু লেখা প্রকাশিত হলেও 'বনলতা সেন' কবিতাটি এই পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়নি। B) পরিচয় — এটি একটি প্রগতিশীল সাহিত্যপত্র হলেও 'বনলতা সেন' কবিতাটির প্রথম প্রকাশের সঙ্গে এটি সরাসরি সম্পর্কিত নয়। C) কল্লোল — কল্লোল যুগে বাংলা সাহিত্যে নতুন হাওয়া বইলেও 'বনলতা সেন' কবিতাটি এই পত্রিকায় প্রকাশিত হয়নি। D) কবিতা — এই অপশনটি সঠিক কারণ কবিতাটি প্রথম এই সাহিত্যপত্রেই প্রকাশিত হয়েছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: বনলতা সেন কবিতায় খুঁজে ফেরে শান্তা, আর কবিতা প্রকাশের ক্ষেত্রে মনে রাখবে বিখ্যাত পত্রিকা 'কবিতা'। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিখ্যাত কবিতাগুলোর প্রথম প্রকাশ কোন পত্রিকায় হয়েছিল, তা বিসিএস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি তথ্য। কবি জীবনানন্দ দাশের প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'ঝরাপালক' এবং বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'বনলতা সেন'।
a গোবিন্দপুর
b নিশ্চিন্দিপুর
c ইচ্ছামতীর তীর
d হরিহরনগর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নিশ্চিন্দিপুর ১. কেন সঠিক: - এই উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র অপু ও দুর্গার পৈতৃক ভিটে এবং তাদের শৈশবের বেড়ে ওঠার সোনালী সময় কেটেছিল বাংলার গ্রামীণ জনপদের এই কাল্পনিক বা বাস্তবায়িত গ্রামে। - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই অমর সৃষ্টিতে বাংলার নিসর্গ প্রকৃতির সাথে মিশে আছে অপু ও দুর্গার দুরন্ত শৈশব, যা এই গ্রামের পটভূমিতেই চিত্রায়িত হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের ধারায় প্রকৃতি ও মানুষের এক অনন্য মেলবন্ধন ঘটিয়েছেন, যেখানে গ্রামীণ জীবন অত্যন্ত গভীরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। - ১৯২৯ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাসটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ক্লাসিক হিসেবে স্বীকৃত এবং সত্যজিৎ রায় এই উপন্যাসের ওপর ভিত্তি করে বিখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পথের পাঁচালী উপন্যাসের হরিহর চরিত্র ব্যাখ্যা: অপু ও দুর্গার পিতার নাম হরিহর, যিনি এই উপন্যাসের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সহজ-সরল চরিত্র। উদাহরণ ২: পথের পাঁচালী উপন্যাসের সর্বজয়া চরিত্র ব্যাখ্যা: অপু ও দুর্গার মায়ের নাম সর্বজয়া, যিনি চরম দারিদ্র্যের মাঝেও সন্তানদের লালন-পালন করার জন্য সংগ্রাম করেছেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গোবিন্দপুর — এটি এই উপন্যাসের গ্রামের নাম নয়, এটি বাংলা সাহিত্যে বা ইতিহাসে অন্য কোনো স্থান হতে পারে। B) নিশ্চিন্দিপুর — এটি সঠিক উত্তর। C) ইচ্ছামতীর তীর — ইচ্ছামতী হলো এই উপন্যাসের পাশ দিয়ে বয়ে চলা একটি নদী, গ্রামের নাম নয়। D) হরিহরনগর — এটি অপু ও দুর্গার গ্রামের নাম নয়, এটি উপন্যাসের কোনো প্রধান গ্রামের নাম হিসেবে ব্যবহৃত হয়নি। ৫ মনে রাখার টিপস: - অপু ও দুর্গার গ্রামের নাম মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো যে তাদের জীবনের নিশ্চিন্ত শৈশব কেটেছিল নিশ্চিন্দিপুর গ্রামে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাস ও তার চরিত্র বা গ্রামের নাম প্রায়ই আসে। - বিখ্যাত সাহিত্যকর্মের প্রধান চরিত্র এবং স্থানগুলোর নাম ভালোভাবে মনে রাখা পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য অত্যন্ত জরুরি।
a রক্তকরবী
b ডাকঘর
c বিসর্জন
d রাজা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বিসর্জন ১. কেন সঠিক: - বিসর্জন নাটকটি রূপক-সাংকেতিক নাটক নয়, এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি ঐতিহাসিক ও ট্র্যাজেডিধর্মী নাটক। - এই নাটকে প্রতীকী অর্থের চেয়ে মানবীয় আবেগ, সংস্কার এবং অন্ধ বিশ্বাসের সংঘাত বাস্তবিকভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যে রূপক-সাংকেতিক নাটকের প্রবক্তা হিসেবে বিশেষভাবে পরিচিত। - বিসর্জন নাটকের মূল বিষয়বস্তু হলো বলিপ্রথার বিরুদ্ধে মানবতা এবং অন্ধ বিশ্বাসের জয় পরাজয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাজা নাটকটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত রূপক-সাংকেতিক নাটক। ব্যাখ্যা: এই নাটকের মাধ্যমে মানুষের অন্তরাত্মার সঙ্গে পরম সত্তার মিলনের গভীর দার্শনিক তত্ত্ব প্রকাশ করা হয়েছে। উদাহরণ ২: অচলায়তন নাটকটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আরেকটি রূপক-সাংকেতিক নাটক। ব্যাখ্যা: এই নাটকে সামাজিক গোঁড়ামি, অন্ধ অনুশাসন এবং জড়তার বিরুদ্ধে তারুণ্যের বিদ্রোহ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রক্তকরবী — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত রূপক-সাংকেতিক নাটক যেখানে ধনতন্ত্রের শোষণ চিত্রিত হয়েছে। B) ডাকঘর — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি জনপ্রিয় রূপক-সাংকেতিক নাটক যা মুক্তির চিরন্তন আকুলতা প্রকাশ করে। C) বিসর্জন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি রূপক-সাংকেতিক নাটক নয়, বরং এটি ঐতিহাসিক ও সামাজিক দ্বন্দ্বের নাটক। D) রাজা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আধ্যাত্মিক ও দার্শনিক চেতনায় সমৃদ্ধ একটি রূপক-সাংকেতিক নাটক। ৫. মনে রাখার টিপস: - রবীন্দ্রনাথের রূপক-সাংকেতিক নাটকগুলো মনে রাখার একটি উপায় হলো রাজা, ডাকঘর, রক্তকরবী ও অচলায়তন এই নামগুলো বারবার চর্চা করা। - বিসর্জন ও রাজর্ষি একই কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে রচিত, তাই বিসর্জন নাটকে ইতিহাসের ছোঁয়া রয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই রবীন্দ্রনাথের রূপক-সাংকেতিক নাটক কোনটি বা কোনটি নয় তা জানতে চাওয়া হয়। - এই ধরনের প্রশ্ন সমাধানের জন্য রবীন্দ্রনাথের প্রধান প্রধান রূপক-সাংকেতিক নাটকের তালিকা মুখস্থ রাখা জরুরি।
a বিষবৃক্ষ
b চোখের বালি
c কৃষ্ণকান্তের উইল
d চরিত্রহীন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চোখের বালি ১. কেন সঠিক: বাংলা সাহিত্যের প্রথম মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস হিসেবে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'চোখের বালি' উপন্যাসটিকে বিবেচনা করা হয়। এই উপন্যাসে মানুষের মনস্তত্ত্ব, পরকীয়া প্রেম, দাম্পত্য জটিলতা এবং কুসংস্কারের বিরুদ্ধে আধুনিক চেতনার সফল প্রকাশ ঘটেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ছিলেন বাংলা সাহিত্যের এক বহুমুখী প্রতিভাধর লেখক যিনি ১৯১৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। ১৯০৩ সালে প্রকাশিত 'চোখের বালি' উপন্যাসে মহেন্দ্র, বিনোদিনী, আশা ও বিহারী চরিত্রের মাধ্যমে মানুষের জটিল মানসিক দ্বন্দ্ব নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'গৃহদাহ' উপন্যাস। ব্যাখ্যা: এটিও একটি বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক ও পরকীয়া প্রেমের উপন্যাস যেখানে চরিত্রগুলোর মনের দ্বন্দ্ব প্রধান হয়ে উঠেছে। উদাহরণ ২: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'যোগাযোগ' উপন্যাস। ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসেও কুসুম ও কুমুদিনীর মানসিক দ্বন্দ্ব এবং মনস্তাত্ত্বিক সংকটের চমৎকার রূপায়ন দেখা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিষবৃক্ষ — এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম সার্থক সামাজিক উপন্যাস, প্রথম মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস নয়। B) চোখের বালি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, এটিই প্রথম মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস। C) কৃষ্ণকান্তের উইল — এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত পরকীয়া প্রেম ও অপরাধপ্রবণতার উপন্যাস, মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস নয়। D) চরিত্রহীন — এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি সমাজবাস্তবতাভিত্তিক জনপ্রিয় উপন্যাস, প্রথম মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাসের কথা মনে রাখতে চোখের বালি নামটি প্রথমে মনে রাখবে কারণ রবীন্দ্রনাথই প্রথম এই ধারার সফল সূচনা করেন। লেখক রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং তার প্রথম মনস্তাত্ত্বিক সৃষ্টি চোখের বালি এভাবে জোড়া মিলিয়ে মনে রাখা সহজ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা সাহিত্যের প্রথম মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস কোনটি এই প্রশ্নটি বিসিএসসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। সাহিত্যকর্মের সৃষ্টির সাল এবং লেখকের নাম ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
a কাব্যগ্রন্থ
b উপন্যাস
c প্রবন্ধ সংকলন
d পত্র সংকলন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পত্র সংকলন ১. কেন সঠিক: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছিন্নপত্র একটি বিখ্যাত পত্র সংকলন কারণ এটি মূলত তাঁর লেখা চিঠির সমষ্টি। - শিলাইদহ, পতিসর ও শাহজাদপুরে জমিদারি দেখাশোনার সময় তিনি তাঁর ভ্রাতুষ্পুত্রী ইন্দিরা দেবীকে এই চিঠিগুলো লিখেছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি অনন্য প্রকৃতির পত্র সাহিত্য। - এই চিঠিপুলোয় গ্রামীণ বাংলার প্রকৃতি, পদ্মা নদীর রূপ এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার চিত্র অপূর্ব ভাষায় ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ছিন্নপত্রাবলি ব্যাখ্যা: ছিন্নপত্রের পরিবর্ধিত ও পরিবর্তিত রূপ হলো ছিন্নপত্রাবলি, যা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের চিঠিপত্রের আরেকটি বিখ্যাত সংকলন। উদাহরণ ২: ভানুসিংহের পত্রাবলী ব্যাখ্যা: এটিও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অপর একটি চিঠির সংকলন যা সাহিত্য জগতে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাব্যগ্রন্থ — ছিন্নপত্র কোনো কবিতা বা ছন্দের সংকলন নয়, তাই এটি কাব্যগ্রন্থ হতে পারে না। B) উপন্যাস — এটি কোনো কাল্পনিক বা বাস্তবধর্মী গল্পভিত্তিক কাহিনীর উপন্যাস নয়। C) প্রবন্ধ সংকলন — ছিন্নপত্রে কোনো গভীর তাত্ত্বিক বা মননশীল প্রবন্ধের আলোচনা করা হয়নি। D) পত্র সংকলন — এটি একটি পত্র সংকলন এবং এটিই সঠিক উত্তর। ৫ মনে রাখার টিপস: চিঠি মানেই পত্র, আর ছিন্নপত্র নামের মধ্যেই পত্র শব্দটি লুকিয়ে আছে। রবীন্দ্রনাথের চিঠির কথা মনে রাখলেই উত্তরটি সহজে বের করা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রবীন্দ্রসাহিত্যের বিভিন্ন ধারার পরিচয় প্রায়ই আসে। চিঠিপত্রভিত্তিক রচনা হিসেবে ছিন্নপত্র এবং ছিন্নপত্রাবলি খুব ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a গুঞ্জন
b নিনাদ
c কলরব
d মন্ত্র
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মন্ত্র ১. কেন সঠিক: - গম্ভীর ধ্বনি-কে এককথায় মন্ত্র বলা হয়। - এখানে 'মন্ত্র' শব্দটি আধ্যাত্মিক বা গম্ভীর আওয়াজ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন অংশের অন্তর্ভুক্ত। - দীর্ঘ ও ভাবগম্ভীর উচ্চারণ বা ধ্বনি প্রকাশ করতে মন্ত্র শব্দ ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মেঘের গম্ভীর গর্জন ব্যাখ্যা: এটি আকাশের গভীর ও ভারী আওয়াজ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: সমুদ্রের গম্ভীর গর্জন ব্যাখ্যা: এটি সমুদ্রের তরঙ্গের ভারী ও গভীর শব্দ বোঝায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গুঞ্জন — এটি মৌমাছি বা পাখির মৃদু ও একসাথে করা শব্দের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। B) নিনাদ — এটি যেকোনো সাধারণ বা জোরালো শব্দ বা কোলাহল বোঝায়। C) কলরব — এটি বহু মানুষের একসাথে করা শোরগোল বা হইচই বোঝায়। D) মন্ত্র — এটি গম্ভীর ধ্বনি বোঝানোর জন্য সঠিক ও প্রমিত শব্দ। ৫ মনে রাখার টিপস: - গম্ভীর ও আধ্যাত্মিক আওয়াজ বোঝাতে সবসময় মন্ত্র শব্দটি মনে রাখবে। - এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে শব্দের অন্তর্নিহিত ভাবার্থ খেয়াল রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - শব্দের মূল অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করলে সহজেই সঠিক উত্তর নির্বাচন করা যায়।
a জিজ্ঞাসা
b জিজীবিষা
c প্রতিচিকীর্যা
d জিগীষা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্রতিচিকীর্যা ১. কেন সঠিক: - 'প্রতিকার করার ইচ্ছা' এককথায় প্রকাশ করলে প্রতিচিকীর্যা হয়। - এখানে প্রতিচিকীর্যা শব্দটির মাধ্যমে কোনো অন্যায় বা ক্ষতির প্রতিশোধ নেওয়া কিংবা প্রতিকার করার তীব্র ইচ্ছাকে বোঝানো হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন হলো ব্যাকরণের একটি অংশ যেখানে একটি বড় ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করা হয়। - এটি ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং বাক্যকে সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষক করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জানার ইচ্ছা ব্যাখ্যা: জানার ইচ্ছাকে এককথায় জিজ্ঞাসা বলা হয়। উদাহরণ ২: বেঁচে থাকার ইচ্ছা ব্যাখ্যা: বেঁচে থাকার ইচ্ছাকে এককথায় জিজীবিষা বলা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জিজ্ঞাসা — এটি জানার ইচ্ছাকে বোঝায়, তাই এটি সঠিক নয়। B) জিজীবিষা — এটি বেঁচে থাকার ইচ্ছাকে বোঝায়, তাই এটি সঠিক নয়। C) প্রতিচিকীর্যা — এটি প্রতিকার করার ইচ্ছাকে বোঝায় এবং এটিই সঠিক উত্তর। D) জিগীষা — এটি জয় করার ইচ্ছাকে বোঝায়, তাই এটি সঠিক নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - প্রতিচিকীর্যা শব্দের ভেতরে প্রতি আছে যা প্রতিকার শব্দের সঙ্গে মিলে যায়। - এভাবে মিল খুঁজে পড়লে এককথায় প্রকাশ সহজে মনে রাখা সম্ভব। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে প্রায়শই কাছাকাছি অর্থের শব্দ দিয়ে বিভ্রান্ত করা হয়। - তাই প্রাত্যহিক অনুশীলনের মাধ্যমে এ ধরনের শব্দের সূক্ষ্ম পার্থক্য মনে রাখতে হবে।
a অলংকার
b আচ্ছাদন
c খোলস
d আবরণহীনতা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) খোলস ১. কেন সঠিক: - ‘নির্মোক’ শব্দের আধানগত ও অর্থগত বিচারে এটি সাধারণত সাপ বা অন্যান্য প্রাণীর খোলস ত্যাগ করাকে বোঝায়। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ শব্দার্থভিত্তিক প্রশ্ন যা প্রমিত বাংলা শব্দভান্ডার সমৃদ্ধ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি একটি তৎসম শব্দ যার মূল অর্থ সাপ বা কোনো প্রাণীর খোলস কিংবা বর্ম। - শব্দের উৎস ও শব্দের অর্থ নির্ণয় ধারার একটি প্রশ্ন যেখানে সরাসরি শব্দের সঠিক অর্থ নির্বাচন করতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সাপের নির্মোক পরিবর্তন। ব্যাখ্যা: সাপ তার পুরনো খোলস বা নির্মোক ত্যাগ করে নতুন জীবন লাভ করে। উদাহরণ ২: ঝরাপাতার নির্মোক। ব্যাখ্যা: রূপক অর্থে গাছের পুরনো আবরণ বা খোলস ত্যাগ করা বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অলংকার — অলংকার শব্দের অর্থ গহনা বা ভূষণ, যা নির্মোক শব্দের সঙ্গে মেলে না। B) আচ্ছাদন — আচ্ছাদন অর্থ ঢেকে রাখা, যা সরাসরি খোলস বা নির্মোক অর্থে ব্যবহৃত হয় না। C) খোলস — এটি নির্মোক শব্দের সমার্থক এবং সরাসরি সঠিক অর্থ প্রকাশ করে। D) আবরণহীনতা — আবরণহীনতা অর্থ উন্মুক্ত বা আবরণহীন অবস্থা, যা নির্মোক শব্দের বিপরীত ভাব প্রকাশ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - নির্মোক শব্দের সঙ্গে সাপ শব্দটির মিল মনে রাখবে। সাপ যেমন খোলস ছাড়ে, নির্মোক মানেও খোলস। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - শব্দার্থ নির্বাচনে সমার্থক শব্দগুলো ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে। এমন প্রশ্ন ব্যাংক ও বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
a সমুদ্র
b বৃষ্টি
c নদী
d মেঘ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মেঘ ১. কেন সঠিক: - ‘নীরদ’ শব্দটি সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত একটি শব্দ, যার অর্থ হলো যা নীর বা জল দান করে। - বাংলায় ‘নীর’ অর্থ জল এবং ‘দ’ অর্থ প্রদানকারী, সুতরাং জল বা বারি প্রদান করে যে অর্থাৎ মেঘ। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - এটি একটি উপপদ তৎপুরুষ সমাস বা বহুব্রীহি সমাসের অন্তর্গত শব্দ হতে পারে, যেখানে নীর + দ অর্থাৎ জল দান করে যে। - সংস্কৃত ব্যাকরণ অনুযায়ী শব্দের শেষে দ যুক্ত থাকলে সাধারণত তা প্রদানকারী বা ধারক অর্থ প্রকাশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বারিদ ব্যাখ্যা: বারি অর্থ জল এবং দ অর্থ প্রদানকারী, তাই বারিদ শব্দের অর্থও মেঘ। উদাহরণ ২: জলদ ব্যাখ্যা: জল অর্থ পানি এবং দ অর্থ প্রদানকারী, তাই জলদ মানে হলো মেঘ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সমুদ্র — সমুদ্র হলো জলের আধার, একে বারিধি বা রত্নাকর বলা হয় কিন্তু নীরদ বলা হয় না। B) বৃষ্টি — বৃষ্টি হলো মেঘ থেকে পতনশীল বারিধারা, কিন্তু নীরদ বলতে জল প্রদানকারী মেঘকে বোঝায়। C) নদী — নদী হলো প্রবহমান জলের ধারা, যার সমার্থক হলো তটিনী বা স্রোতস্বিনী। D) মেঘ — এই অপশনটি সঠিক কারণ নীরদ শব্দের সরাসরি অর্থ হলো মেঘ। ৫. মনে রাখার টিপস: - সংস্কৃত শব্দে নামের শেষে দ বা ধর থাকলে তা সাধারণত মেঘ বা জল বোঝায়। - জলের সমার্থক শব্দের সাথে দ যুক্ত করলে মেঘের নাম পাওয়া যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ হিসেবে জল, মেঘ ও সমুদ্রের সমার্থক শব্দগুলো প্রায়ই একসাথে গুলিয়ে ফেলা হয়। - দ যুক্ত শব্দ যেমন বারিদ, জলদ, নীরদ সব সময় মেঘকে নির্দেশ করে এবং ধি যুক্ত শব্দ যেমন বারিধি, জলধি সমুদ্রকে নির্দেশ করে।
a আকাশ
b সমুদ্র
c পর্বত
d মেঘ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সমুদ্র ১. কেন সঠিক: পয়োধি শব্দটির অর্থ সমুদ্র। পয়ো অর্থ জল বা দুধ এবং ধি অর্থ ধারণ করে যা, অর্থাৎ যা জল ধারণ করে তাকে পয়োধি বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি একটি সাধিত শব্দ যা সমার্থক শব্দের অন্তর্ভুক্ত। সংস্কৃত ব্যাকরণ অনুযায়ী পয়স যোগ ধি যুক্ত হয়ে পয়োধি গঠিত হয়েছে এবং এটি সমুদ্রের একটি নামবাচক প্রতিশব্দ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অর্ণব ব্যাখ্যা: অর্ণব শব্দের অর্থ সমুদ্র, যা পয়োধি শব্দের একটি সমার্থক শব্দ হিসেবে বাক্যে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: পারাবার ব্যাখ্যা: পারাবার শব্দের অর্থ সমুদ্র বা মহাসমুদ্র, যা পয়োধি শব্দের বিকল্প সমার্থক হিসেবে পরিচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আকাশ — আকাশ শব্দের সমার্থক শব্দ হলো গগন, অম্বর ও আসমান। এটি জল ধারণ করে না বলে পয়োধি হতে পারে না। B) সমুদ্র — এটি সঠিক উত্তর কারণ সমুদ্র প্রচুর জল ধারণ করে এবং পয়োধির মূল অর্থ এর সঙ্গে মিলে যায়। C) পর্বত — পর্বত শব্দের সমার্থক হলো অচল, গিরি ও শৈল। পর্বত জল ধারণ করে না, তাই এটি সঠিক নয়। D) মেঘ — মেঘ শব্দের সমার্থক হলো জলদ, নীরদ ও পয়োদ। মেঘ জল বর্ষণ করে কিন্তু সমুদ্রের মতো ধারণ করে রাখে না। ৫ মনে রাখার টিপস: পয়ো শব্দের অর্থ জল এবং ধি মানে আধার বা ধারণকারী। জল ধারণ করে রাখে সমুদ্র, তাই পয়োধি অর্থ সমুদ্র। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জল বা পানি সংক্রান্ত শব্দের শেষে ধি বা দ থাকলে তা সমুদ্র বা মেঘ বোঝায়। যেমন পয়োদ হলো মেঘ এবং পয়োধি হলো সমুদ্র।
a অনুজ্ঞাবাচক
b নেতিবাচক
c অস্তিবাচক
d প্রশ্নবাচক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অস্তিবাচক ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যটিতে কোনো কিছু স্বীকার করা হয়েছে বা হ্যাঁ বোধক অর্থ প্রকাশ পেয়েছে, তাই এটি অস্তিবাচক বাক্য। - বাক্যের মূল বক্তব্য হলো নালিশটি অযৌক্তিক, যা সত্য হিসেবে উপস্থাপিত হয়েছে এবং এর মধ্যে কোনো না বোধক বা প্রশ্নবোধক চিহ্ন নেই। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে বাক্যে কোনো কিছু হাহাবোধক বা অস্তিবাচকভাবে স্বীকার করা হয়, তাকে অস্তিবাচক বাক্য বলে। - বাক্য রূপান্তরের নিয়মে অর্থের পরিবর্তন না করে বাক্যকে অস্তিবাচক থেকে নেতিবাচক বা নেতিবাচক থেকে অস্তিবাচক করা যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঢাকা একটি সুন্দর শহর। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে কোনো না বোধক শব্দ নেই এবং এটি একটি ইতিবাচক বা অস্তিবাচক তথ্য প্রকাশ করছে। উদাহরণ ২: সততাই সর্বোৎকৃষ্ট পন্থা। ব্যাখ্যা: এটি একটি সত্য ও হাহাবোধক বা অস্তিবাচক বাক্য যার মধ্যে কোনো অস্বীকৃতি নেই। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অনুজ্ঞাবাচক — এই বাক্যে কোনো আদেশ, অনুরোধ বা উপদেশ বোঝানো হয়নি, তাই এটি অনুজ্ঞাবাচক বাক্য নয়। B) নেতিবাচক — এই বাক্যে না, নি বা নাই এর মতো কোনো না বোধক অব্যয় নেই, তাই এটি নেতিবাচক বাক্য নয়। C) অস্তিবাচক — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাক্যটিতে হ্যাঁ বোধক অর্থ প্রকাশ পেয়েছে। D) প্রশ্নবাচক — এই বাক্যের শেষে কোনো প্রশ্নবোধক চিহ্ন নেই এবং এটি কোনো কিছু জানতে চাইছে না, তাই এটি প্রশ্নবাচক বাক্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - যে বাক্যে না, নি, নাই বা কোনো প্রশ্নবোধক শব্দ থাকে না এবং সহজভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করে, তা সাধারণত অস্তিবাচক বাক্য হয়। - বাক্য চেনার সময় প্রথমে খেয়াল করবে বাক্যে কোনো অস্বীকৃতিসূচক শব্দ আছে কি না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য রূপান্তর বা বাক্যের শ্রেণিবিভাগ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বাক্য চেনার সময় তার অর্থ এবং পদের গঠন ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে।
a ৫টি
b ৪টি
c ৩টি
d ২টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩টি ১. কেন সঠিক: বাংলা বর্ণমালায় পরাশ্রয়ী বর্ণ হলো ৩টি। এই বর্ণগুলো স্বাধীনভাবে একা একা উচ্চারিত হতে পারে না, সর্বদা অন্য কোনো বর্ণের সাহায্য নিয়ে শব্দের মধ্যে বা শেষে বসে উচ্চারিত হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণের সংখ্যা ৫০টি, যার মধ্যে স্বরবর্ণ ১১টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি। ব্যঞ্জনবর্ণের মধ্যে অনুস্বার, বিসর্গ এবং চন্দ্রবিন্দু এই তিনটি বর্ণকে পরাশ্রয়ী বর্ণ বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অংশ শব্দে অনুস্বার বর্ণটি অন্য বর্ণের ওপর আশ্রিত হয়ে উচ্চারিত হয়। ব্যাখ্যা: এখানে অনুস্বার পরাধীনভাবে দন্ত্য ন এর মতো ধ্বনি তৈরি করে শব্দের অর্থ প্রকাশ করে। উদাহরণ ২: দুঃখ শব্দে বিসর্গ বর্ণটি ব্যবহৃত হয়েছে। ব্যাখ্যা: বিসর্গ একা উচ্চারিত না হয়ে পূর্ববর্তী স্বরের সাথে যুক্ত হয়ে হ এর মতো উচ্চারণ তৈরি করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৫টি অপশনটি ভুল কারণ বাংলা বর্ণমালায় পরাশ্রয়ী বর্ণ ৫টি নয়, বরং ৩টি রয়েছে। B) ৪টি অপশনটি ভুল কারণ পরাশ্রয়ী বর্ণের সংখ্যা ৪টি হিসেবে গণনা করা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। C) ৩টি অপশনটি সঠিক কারণ বাংলা ব্যাকরণে পরাশ্রয়ী বর্ণ নির্দিষ্টভাবেই ৩টি নির্ধারিত আছে। D) ২টি অপশনটি ভুল কারণ পরাশ্রয়ী বর্ণ মাত্র দুটি নয়, চন্দ্রবিন্দুসহ মোট সংখ্যাটি তিনটি। ৫ মনে রাখার টিপস: পরাশ্রয়ী বর্ণ মনে রাখার সহজ উপায় হলো তিন ছক্কা বা অনুস্বার, বিসর্গ ও চন্দ্রবিন্দু—এই তিনটি নাম একসাথে মনে রাখা। এগুলো একা চলতে পারে না বলে এদের নাম পরাশ্রয়ী। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বর্ণমালা থেকে প্রশ্ন আসে। মনে রাখতে হবে পরাশ্রয়ী বর্ণগুলো স্বরবর্ণ বা ব্যঞ্জনবর্ণের মতো স্বাধীনভাবে পূর্ণ রূপ নিয়ে শব্দের প্রথমে বসতে পারে না।
a প্রাদি
b নিত্য
c অব্যয়ীভাব
d তৎপুরুষ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অব্যয়ীভাব ১. কেন সঠিক: - উৎ (উৎকৃষ্ট বা উপরে) উপসর্গের সঙ্গে বেল শব্দের মিলে অব্যয়ীভাব সমাস সাধিত হয়েছে। - এখানে উৎ উপসর্গটি উদ্ রূপে পরিবর্তিত হয়ে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করেছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - যে সমাসে পূর্বপদে অব্যয় যোগ হয়ে অর্থের প্রাধান্য পায় তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে। - উপসর্গগুলো অব্যয় হিসেবে কাজ করায় উপসর্গযোগে গঠিত অনেক শব্দ অব্যয়ীভাব সমাস হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: উপশহর ব্যাখ্যা: শহরের সমীপে অর্থে উপ উপসর্গ যোগে অব্যয়ীভাব সমাস হয়েছে। উদাহরণ ২: প্রতিদিন ব্যাখ্যা: দিন দিন বা প্রতি দিন অর্থে অব্যয়ীভাব সমাসের উদাহরণ এটি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রাদি — প্রাদি সমাসের ক্ষেত্রে প্র, পরা, অপ ইত্যাদি উপসর্গ ধাতু কিংবা বিশেষ্যের পূর্বে বসে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে। B) নিত্য — নিত্য সমাসে কোনো ব্যাসবাক্য হয় না এবং পদগুলো চিরকাল একই সমাসবদ্ধ থাকে। C) অব্যয়ীভাব — অব্যয় পদের পূর্বে বসে অব্যয়ীভাব সমাস গঠিত হয় যা এখানে সঠিক। D) তৎপুরুষ — তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদের বিভক্তির লোপ পেয়ে পরপদের অর্থের প্রাধান্য থাকে। ৫ মনে রাখার টিপস: - উপসর্গ দিয়ে গঠিত বেশিরভাগ শব্দই সাধারণত অব্যয়ীভাব সমাস হয়ে থাকে। - শব্দের শুরুতে উৎ, উপ, প্রতি থাকলে অব্যয়ীভাব সমাস হিসেবে চিহ্নিত করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গযুক্ত শব্দ থেকে প্রায়ই অব্যয়ীভাব সমাসের প্রশ্ন আসে। - প্রাদি সমাস ও অব্যয়ীভাব সমাসের পার্থক্য ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
a দ্বন্দ্ব
b তৎপুরুষ
c বহুব্রীহি
d কর্মধারয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) তৎপুরুষ ১. কেন সঠিক: গগনচুম্বী শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো গগনকে চুম্বন করে যে। এখানে পূর্বপদ গগন এবং পরপদ চুম্বী। ব্যাসবাক্যের মাঝখানে কে বিভক্তি যুক্ত হয়েছে এবং পরপদের অর্থ প্রধানভাবে প্রতীয়মান হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যে সমাসে পূর্বপদের দ্বিতীয় থেকে সপ্তম বিভক্তি পর্যন্ত কোনো বিভক্তির লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়, তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে। গগনচুম্বী শব্দটিতে দ্বিতীয় বিভক্তি কে লোপ পেয়েছে, তাই এটি দ্বিতীয় তৎপুরুষ সমাস। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দুঃখকে প্রাপ্ত = দুঃখপ্রাপ্ত। ব্যাখ্যা: এখানে কে বিভক্তি লোপ পেয়ে দ্বিতীয় তৎপুরুষ সমাস হয়েছে। উদাহরণ ২: বিপদকে আপাপন্ন = বিপদাপন্ন। ব্যাখ্যা: এখানেও কে বিভক্তি লোপ পেয়ে দ্বিতীয় তৎপুরুষ সমাস গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্বন্দ্ব — দ্বন্দ্ব সমাসে উভয় পদের অর্থ প্রধান থাকে এবং সংযোগ অব্যয় লোপ পায়, কিন্তু গগনচুম্বী শব্দে তা ঘটে না। B) তৎপুরুষ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে বিভক্তি লোপ পেয়ে তৎপুরুষ সমাস গঠিত হয়েছে। C) বহুব্রীহি — বহুব্রীহি সমাসে সমস্যমান পদের কোনোটির অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো নতুন পদ বোঝায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) কর্মধারয় — কর্মধারয় সমাসে বিশেষ্য ও বিশেষণে মিলে অথবা দুটি বিশেষণে মিলে একটি পদ গঠিত হয় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়, কিন্তু এখানে বিভক্তি লোপ পাওয়ার বিষয়টি মুখ্য। ৫ মনে রাখার টিপস: ব্যাসবাক্যে যদি কে, হইতে, দ্বারা, কبه ইত্যাদি বিভক্তি লোপ পায়, তবে চোখ বন্ধ করে তৎপুরুষ সমাস দাগাবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভক্তি লোপ পাওয়া শব্দগুলো প্রায়ই তৎপুরুষ সমাস হিসেবে আসে। তাই ব্যাসবাক্য করার সময় বিভক্তির ব্যবহার খেয়াল রাখতে হবে।
a নীলপদ্ম
b রাজপথ
c নীলকণ্ঠ
d সিংহাসন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নীলকণ্ঠ ১. কেন সঠিক: - নীলকণ্ঠ শব্দটিতে ব্যাসবাক্য করলে দাঁড়ায়, নীল কণ্ঠ যার এবং এর মাধ্যমে এমন একজন বিশেষ সত্তাকে বোঝায় যিনি শিব বা মহাদেব। - সমস্যমান পদ দুটির কোনোটির অর্থ না বুঝিয়ে যখন সম্পূর্ণ নতুন বা অন্য কোনো তৃতীয় কোনো পদ বা অর্থ প্রকাশ পায়, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে সমাসে পূর্বপদ বা পরপদ কোনোটির অর্থ প্রধান না হয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন বা নতুন কোনো অর্থ প্রকাশ পায়, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলা হয়। - বহুব্রীহি সমাসের ক্ষেত্রে সাধারণত ব্যাসবাক্যের শেষে যার, যাতে, যাত ইত্যাদি পদ ব্যবহৃত হয় এবং এটি মূলত বিশেষণ পদ হিসেবে কাজ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চশমাখোর ব্যাখ্যা: চশমা খোরে যে, অর্থাৎ এটিও একটি বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ যেখানে অন্য অর্থ প্রকাশ পায়। উদাহরণ ২: আয়তলোচনা ব্যাখ্যা: আয়ত লোচন যার, এটি নারীবাচক বহুব্রীহি সমাসের একটি সুন্দর উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নীলপদ্ম — এটি কর্মধারয় সমাস কারণ এখানে নীল যে পদ্ম বোঝানো হয়েছে এবং পদ্ম পদের অর্থ প্রধান রয়েছে। B) রাজপথ — এটি ষষ্টি তৎপুরুষ সমাস যার ব্যাসবাক্য হলো পথের রাজা এবং এখানে পথ পদের অর্থই প্রধান। D) সিংহাসন — এটি মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস কারণ এর ব্যাসবাক্য হলো সিংহ চিহ্নিত আসন এবং মধ্যের পদটি লোপ পেয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - বহুব্রীহি সমাস চেনার সহজ উপায় হলো ব্যাসবাক্যের শেষে যার বা যাতে থাকা এবং সমস্ত পদে একটি নতুন অর্থ বা অন্য কাউকে নির্দেশ করা। - কর্মধারয় সমাসে বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে পদের নিজস্ব অর্থ বজায় থাকে, কিন্তু বহুব্রীহি সমাসে সম্পূর্ণ নতুন অর্থ তৈরি হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বহুব্রীহি সমাস থেকে BCS এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিশেষ অর্থবোধক শব্দ যেমন নীলকণ্ঠ, বীণাপাণি বা প্রজাপতি থেকে প্রশ্ন আসে। - ব্যাসবাক্য করার সময় যার শব্দটি যুক্ত হচ্ছে কি না তা খেয়াল করলেই বহুব্রীহি সমাস সহজে চিহ্নিত করা সম্ভব।
a যথাসাধ্য
b রাজপুত্র
c নীলকমল
d মা-বাবা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) যথাসাধ্য ১. কেন সঠিক: - যথাসাধ্য শব্দটি অব্যয়ীভাব সমাসের উদাহরণ কারণ এখানে পূর্বপদের অর্থ প্রধান হয়েছে এবং সমস্তপদটি অব্যয়ের অর্থ প্রকাশ করেছে। - এই সমাসে সাধ্য বা নিয়ম অনুযায়ী যথাসাধ্য শব্দটি গঠিত হয়েছে এবং এটি সাধারণত ক্রিয়া-বিশেষণের কাজ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে সমাসে পূর্বপদে অব্যয় যুক্ত হয়ে এবং তার অর্থই প্রধান হয়, তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে। - অব্যয়ীভাব সমাসে সাধারণত উপসর্গ বা অব্যয় পদের সাথে বিশেষ্য পদের সংযোগ ঘটে এবং সমস্তপদটি অব্যয়ে পরিণত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আজীবন ব্যাখ্যা: জীবন পর্যন্ত বুঝাতে আ উপসর্গ যোগে অব্যয়ীভাব সমাস সাধিত হয়েছে। উদাহরণ ২: উপকূল ব্যাখ্যা: কুলের সমীপে বুঝাতে উপ উপসর্গ যোগে অব্যয়ীভাব সমাস গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যথাসাধ্য — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) রাজপুত্র — এটি তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ যার ব্যাসবাক্য রাজার পুত্র। C) নীলকমল — এটি কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ যার ব্যাসবাক্য নীল যে কমল। D) মা-বাবা — এটি দ্বন্দ্ব সমাসের উদাহরণ যার ব্যাসবাক্য মা ও বাবা। ৫. মনে রাখার টিপস: - অব্যয়ীভাব সমাস চেনার সহজ উপায় হলো শব্দের শুরুতে অনু, প্রতি, উপ, আ, যথা ইত্যাদি উপসর্গ বা অব্যয় থাকা। - ব্যাসবাক্যে পর্যন্ত, সমীপে, যোগ্য, অনুযায়ী, সাদৃশ্য ইত্যাদি শব্দ ব্যবহৃত হলে তা সাধারণত অব্যয়ীভাব সমাস হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অব্যয়ীভাব সমাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই উপসর্গযুক্ত শব্দগুলো ভালো করে অনুশীলন করতে হবে। - সমাস নির্ণয়ের সময় সবসময় পদের অর্থ এবং ব্যাসবাক্যের গঠন ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে।
a সমুচ্চয়ী
b অনন্বয়ী
c পদান্বয়ী
d অনুকার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পদান্বয়ী ১. কেন সঠিক: যে অব্যয় শব্দগুলো বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের পরে বসে কারক বা বিভক্তির মতো কাজ করে, সেগুলোকে পদান্বয়ী অব্যয় বলে। নিমিত্ত শব্দটি কোনো পদের পরে বসে উদ্দেশ্য বা কারণ প্রকাশ করে বিধায় এটি পদান্বয়ী অব্যয় হিসেবে গণ্য হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে অব্যয় পদ প্রধানত চার ভাগে বিভক্ত যথা সমুচ্চয়ী, অনন্বয়ী, পদান্বয়ী এবং অনুকার অব্যয়। পদান্বয়ী অব্যয়গুলো সাধারণত বিভক্তির ন্যায় কাজ করে এবং বাক্যের অর্থ স্পষ্ট করতে বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের সাথে যুক্ত হয়ে অবস্থান করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দেশের তরে জীবন দাও। ব্যাখ্যা: এখানে তরে শব্দটি পদান্বয়ী অব্যয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে উদ্দেশ্যের অর্থ প্রকাশ করেছে। উদাহরণ ২: জ্ঞানের জন্য সাধনা প্রয়োজন। ব্যাখ্যা: এখানে জন্য শব্দটি পদান্বয়ী অব্যয় হিসেবে বসে কারকের সম্পর্ক স্থাপন করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সমুচ্চয়ী — এই অব্যয় পদগুলো একাধিক শব্দ বা বাক্যকে যুক্ত বা সংযোজিত করে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। B) অনন্বয়ী — এই অব্যয়গুলো বাক্যের অন্য পদের সাথে সম্পর্কহীন থেকে মনের ভাব প্রকাশ করে, যা এখানে ভুল। C) পদান্বয়ী — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই অব্যয় পদের মাধ্যমে পদের সাথে অন্য পদের সম্বন্ধ বোঝায়। D) অনুকার — এই অব্যয়গুলো কোনো কিছুর স্বাভাবিক ধ্বনির অনুকরণে গঠিত হয়, যা এখানে অপ্রাসঙ্গিক। ৫. মনে রাখার টিপস: পদান্বয়ী অব্যয় চেনার সহজ উপায় হলো মনে রাখা যে এগুলো সাধারণত পদের পরে বসে বিভক্তির কাজ সম্পন্ন করে। জন্য, তরে, কর্তৃক, হইতে, থেকে ইত্যাদি শব্দ দেখলে পদান্বয়ী অব্যয় হিসেবে চিহ্নিত করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অব্যয় পদের প্রকারভেদ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে তাই শব্দ দেখে পদ নির্ণয় করা শেখা জরুরি। বাক্যের মধ্যে অব্যয়টি কী কাজ করছে তা লক্ষ করলে খুব সহজেই সঠিক উত্তরটি বের করা সম্ভব হয়।
a দেশজ
b যোগরূঢ়
c রূঢ়
d যৌগিক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রূঢ় ১. কেন সঠিক: অর্থগত দিক থেকে শব্দকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়, যথা যৌগিক, রূঢ় বা রূঢ়ি এবং যোগরূঢ় শব্দ। যে সকল শব্দ প্রত্যয় বা উপসর্গ যোগে গঠিত হয়েও মূল শব্দের অর্থের অনুগামী না হয়ে অন্য কোনো বিশিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে, সেগুলোকে রূঢ় বা রূঢ়ি শব্দ বলে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: অধিকার শব্দটি অধি উপসর্গ পূর্বক √কৃ ধাতু এবং অ প্রত্যয় যোগে গঠিত হয়েছে। এর বুৎপত্তিগত বা ব্যাকরণিক অর্থ হলো যা অর্জন করা হয়েছে বা যা অধিকৃত হয়েছে, কিন্তু প্রচলিত অর্থে এটি কোনো বিশেষ অধিকার, ক্ষমতা বা মালিকানাকে বোঝায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রবীণ ব্যাখ্যা: প্রবীণ শব্দের বুৎপত্তিগত অর্থ প্রবুদ্ধ বা প্রকৃষ্টরূপে বীণা বাজাতে পারে যে, কিন্তু রূঢ় অর্থে এটি কেবল বয়স্ক বা অভিজ্ঞ ব্যক্তিকে বোঝায়। উদাহরণ ২: গবেষণা ব্যাখ্যা: গবেষণা শব্দের বুৎপত্তিগত অর্থ গরুর অন্বেষণ বা খোঁজা, কিন্তু রূঢ় অর্থে এটি কোনো বিষয়ে বিস্তারিত ও গভীর পঠন-পাঠন বা অনুসন্ধানকে বোঝায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দেশজ — দেশজ শব্দ হলো সেই সমস্ত শব্দ যা আদিবাসীদের ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে, কিন্তু অধিকার একটি তৎসম ও সাধিত শব্দ। B) যোগরূঢ় — যোগরূঢ় শব্দ সমাসের সাহায্যে গঠিত হয়ে কোনো বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে, কিন্তু অধিকার সমাসবদ্ধ শব্দ নয়। D) যৌগিক — যৌগিক শব্দের অর্থ প্রকৃতি ও প্রত্যয়ের অর্থের অনুগামী হয়, কিন্তু অধিকার শব্দের অর্থ প্রকৃতি ও প্রত্যয়ের অর্থের সরাসরি অনুগামী নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: রূঢ় বা রূঢ়ি শব্দগুলো সহজে মনে রাখতে মূল শব্দ ও তার প্রচলিত অর্থের পার্থক্য মনে রাখবে। যেসব শব্দ তাদের শাব্দিক অর্থ ছেড়ে সম্পূর্ণ নতুন বা বিশেষ কোনো অর্থ প্রকাশ করে, সেগুলোই রূঢ় শব্দ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সন্দেশ, হস্তী, বাতিঘর, গবেষণা এবং অধিকার শব্দগুলো কোন প্রকৃতির শব্দ তা জানতে চাওয়া হয়। শব্দের গঠন এবং প্রচলিত অর্থের ভিন্নতা ভালোভাবে খেয়াল করলে এই ধরনের প্রশ্ন খুব সহজে সঠিক উত্তর করা সম্ভব।
a আরবি
b ফারসি
c তুর্কি
d ইংরেজি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আরবি ১. কেন সঠিক: - ‘হিসাব’ শব্দটি আরবি ভাষা থেকে আগত একটি অতি পরিচিত শব্দ। - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত দৈনন্দিন অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক কাজের জন্য এই আরবি শব্দটি বহু শতাব্দী ধরে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত শব্দগুলোকে উৎসের দিক থেকে পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয়, যার মধ্যে বিদেশি শব্দ অন্যতম। - আরবি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় বিভিন্ন ধর্মীয়, প্রশাসনিক, সাংস্কৃতিক ও ব্যবসায়িক শব্দ প্রবেশ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আদালত ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল প্রচলিত আরবি শব্দ যা বাংলা বিচার ব্যবস্থায় নিয়মিত ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: কলম ব্যাখ্যা: এটিও একটি আরবি শব্দ যা লেখার কাজে ব্যবহৃত বস্তু বোঝাতে বাংলায় ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আরবি — এটি সঠিক উত্তর কারণ হিসাব শব্দটি আরবি ভাষা থেকে এসেছে। B) ফারসি — ফারসি ভাষা থেকে বাংলায় নানা শব্দ এলেও 'হিসাব' শব্দটি ফারসি নয়। C) তুর্কি — তুর্কি শব্দ সাধারণত অস্ত্র বা সেনাসংশ্লিষ্ট হয়, হিসাব তুর্কি শব্দ নয়। D) ইংরেজি — ইংরেজি ভাষা থেকে বাংলায় অনেক শব্দ এলেও হিসাব একটি সেমিটিক বা আরবি মূলের শব্দ। ৫. মনে রাখার টিপস: - হিসাব, কিতাব, আদালত, কলম এই শব্দগুলো একই গোত্রের অর্থাৎ আরবি শব্দ। - ধর্মীয় ও দাপ্তরিক অনেক পরিভাষা মনে রাখতে পারলে আরবি ও ফারসি শব্দের পার্থক্য সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বিশেষ করে আরবি ও ফারসি শব্দের পার্থক্যের তালিকা ভালোভাবে আয়ত্ত করা আবশ্যক।
a প্র+ঊঢ়
b প্র+উঢ়
c প্রৌ+ঢ়
d প্রঃ+ঊঢ়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্র+উঢ় ১. কেন সঠিক: প্রৌঢ় শব্দটি প্র উপসর্গ এবং উঢ় শব্দের যোগে গঠিত হয়েছে এবং এটি প্রাদি সমাস বা নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির নিয়মে সাধিত। এখানে প্র উপসাগরের সঙ্গে উঢ় শব্দের সন্ধির ফলে প্রৌঢ় শব্দটি তৈরি হয়েছে যার অর্থ বয়স্ক বা পরিপক্ব। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী অ বা আ এর পরে উ বা ঊ থাকলে উভয়ে মিলে ও কার হয় এবং তা আগের বর্ণের সঙ্গে যুক্ত হয়। তবে প্রৌঢ় শব্দটির ক্ষেত্রে এই সাধারণ নিয়মটি কিছুটা ভিন্নভাবে কাজ করে এবং এটি নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি হিসেবে গণ্য হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কুল + অটা = কুলাটা ব্যাখ্যা: এটিও সন্ধির একটি ব্যতিক্রমী নিয়ম বা নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির উদাহরণ। উদাহরণ ২: মার্ত + অণ্ড = মার্তণ্ড ব্যাখ্যা: এটিও সাধারণ নিয়মের বাইরে সাধিত নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির একটি বিখ্যাত উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্র+ঊঢ় — ঊঢ় শব্দটিতে দীর্ঘ ঊ ব্যবহৃত হয়েছে কিন্তু মূল শব্দে হ্রস্ব উ থাকে তাই এটি ভুল। B) প্র+উঢ় — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি প্রৌঢ় শব্দের প্রমিত ও ব্যাকরণগতভাবে অনুমোদিত সন্ধিবিচ্ছেদ। C) প্রৌ+ঢ় — প্রৌ কোনো অর্থপূর্ণ উপসর্গ বা শব্দ নয় তাই এই সন্ধিবিচ্ছেদ সম্পূর্ণ ভুল। D) প্রঃ+ঊঢ় — এখানে বিসর্গ ব্যবহার করা হয়েছে যা এই শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: প্রৌঢ় শব্দের সন্ধি মনে রাখার জন্য প্র এর সঙ্গে উঢ় যুক্ত হয় এই অংশটুকু বারবার অনুশীলন করতে হবে। পরীক্ষায় উ এবং ঊ এর বিভ্রান্তি দূর করতে মনে রাখতে হবে এখানে হ্রস্ব উ ব্যবহৃত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধিগুলো চাকরির পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ এগুলো সাধারণ নিয়ম মেনে চলে না। এই ধরনের প্রশ্নগুলোর ক্ষেত্রে সঠিক শব্দমূল এবং উপসাগরের ব্যবহার ভালোভাবে মুখস্থ রাখা জরুরি।
a আ+চর্য
b আশ+চর্য
c আঃ+চর্য
d আস্+চর্য
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আ+চর্য ১. কেন সঠিক: 'আশ্চর্য' শব্দের প্রকৃতি ও প্রত্যয়গত বিশ্লেষণে দেখা যায় এটি উপসর্গ যোগে গঠিত একটি শব্দ। এখানে 'আ' একটি উপসর্গ যা 'চর্য' শব্দের পূর্বে যুক্ত হয়ে শব্দটির অর্থ পরিবর্তন ও পরিবর্ধন করেছে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের শব্দ সন্ধি বা প্রত্যয় হিসেবে বিভ্রান্তি তৈরি করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে উপসর্গ হলো এমন কিছু অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা ধাতু বা শব্দের পূর্বে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে। 'আ' একটি প্রমিত বাংলা উপসর্গ যা সম্যক, আতিশয্য বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়। 'চর্য' শব্দের সঙ্গে 'আ' উপসর্গ যুক্ত হয়ে বিস্ময়কর বা অবাক করা অর্থে 'আশ্চর্য' শব্দটি তৈরি হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আ+মরণ = আমরণ ব্যাখ্যা: এখানে 'আ' উপসর্গটি পর্যন্ত অর্থে 'মরণ' শব্দের পূর্বে যুক্ত হয়েছে। উদাহরণ ২: আ+কণ্ঠ = আকণ্ঠ ব্যাখ্যা: এখানে 'আ' উপসর্গটি ব্যপ্তি অর্থে 'কণ্ঠ' শব্দের পূর্বে যুক্ত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আ+চর্য — এটি সঠিক কারণ 'আ' উপসর্গের সঙ্গে 'চর্য' মিলে সঠিক শব্দটি গঠিত হয়েছে। B) আশ+চর্য — 'আশ' বলে কোনো বাংলা উপসর্গ বা ব্যাকরণসম্মত শব্দাংশ নেই। C) আঃ+চর্য — বিসর্গসন্ধির কোনো নিয়ম এখানে প্রযোজ্য নয় এবং এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল। D) আস্+চর্য — 'আস্' কোনো প্রমিত উপসর্গ বা শব্দমূল নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: উপসর্গ চেনার জন্য শব্দের শুরুতে থাকা অব্যয় অংশ আলাদা করার অভ্যাস করতে হবে। 'আশ্চর্য' শব্দটিতে 'আ' হলো উপসর্গ এবং 'চর্য' হলো মূল অংশ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গ যোগে গঠিত শব্দগুলো সন্ধি মনে করে ভুল করা হয়। তাই শব্দ গঠনের উৎস ভালোভাবে লক্ষ্য করতে হবে।
a নিষ্কুন
b দুর্গ
c নভোচর
d দিশারী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দুর্গ ১. কেন সঠিক: - দুর্গ শব্দটির বানান সঠিক কারণ এতে দীর্ঘ ঊ কার এবং গ ব্যবহার করা হয়েছে যার অর্থ কেল্লা বা প্রাকার। - বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী তৎসম বা সংস্কৃত শব্দে ই ঈ উ ঊ এবং ঋ ধ্বনির সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা বানান শুদ্ধিকরণের ক্ষেত্রে প্রমিত বানানরীতি এবং বাংলা একাডেমির নিয়ম অনুসরণ করা অত্যন্ত জরুরি। - তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে মূল সংস্কৃত রূপ বা ব্যাকরণগত নিয়ম অনুযায়ী বানান নির্ধারণ করতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সূর্য ব্যাখ্যা: সূর্য শব্দটিতে দীর্ঘ ঊ কার ব্যবহার করা হয় যা প্রমিত বানানরীতির সঠিক নিয়ম। উদাহরণ ২: ভূত ব্যাখ্যা: ভূত শব্দটিতে দীর্ঘ ঊ কার বসে কারণ এটি তৎসম শব্দ এবং এর বানানরীতি এমনই নির্ধারিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিষ্কুন — এই বানানটি ভুল কারণ এর সঠিক রূপ নিপুণ বা নিষ্কুণের পরিবর্তে অন্য বানান হয়, এখানে মূর্ধন্য ণ এর ব্যবহার অশুদ্ধ। B) দুর্গ — এই অপশনটি সঠিক এবং এর বানান ও অর্থ সম্পূর্ণ নির্ভুল। C) নভোচর — নভোচর বানানটি প্রমিত হলেও প্রশ্নে শুদ্ধ বানান হিসেবে দুর্গ নির্ধারণ করা হয়েছে এবং নভোচর শব্দের গঠন ভিন্ন। D) দিশারী — দিশারী বানানটিতে ই কার বা দীর্ঘী কারের ক্ষেত্রে প্রমিত নিয়ম অনুযায়ী দিশারি বা দিশারী রূপ নিয়ে বিতর্ক থাকতে পারে, তবে দুর্গ অধিকতর নিশ্চিত ও প্রমিত বানান। ৫ মনে রাখার টিপস: - দুর্গ লেখার সময় সবসময় দীর্ঘ ঊ কার এবং গ ব্যবহার করতে হবে। - তৎসম শব্দের বানান মুখস্থ রাখার সময় মূল সংস্কৃত রূপের দিকে খেয়াল রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই তৎসম শব্দের শুদ্ধ বানান থেকে প্রশ্ন আসে। - উ কার এবং ঊ কারের সঠিক ব্যবহার জানা থাকলে এ ধরনের বানান খুব সহজে নির্ণয় করা যায়।
a উদাসিন্য
b উদাসীন্য
c উদাসীন্যা
d ওদাসীন্য
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) উদাসীন্য ১. কেন সঠিক: উদাসীন শব্দের সঙ্গে ভাব অর্থে ষ্ণ বা য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে উদাসীন্য শব্দটি গঠিত হয়েছে। বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী শব্দের আদি স্বরের পরিবর্তন ঘটে এখানে উদাসীন শব্দের উ দীর্ঘ হয়ে ঊ হয়েছে এবং শেষে য প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: শব্দের শেষে ভাব বা কর্ম বোঝাতে য প্রত্যয় যুক্ত হলে শব্দের আদি স্বরের বৃদ্ধি বা পরিবর্তন ঘটে যাকে গুণ ও বৃদ্ধি বলা হয়। উদাসীন শব্দের উদাসিন অংশের সঙ্গে য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে প্রমিত বানানে উদাসীন্য রূপ লাভ করে। বাংলা একাডেমি আধুনিক বানানরীতি অনুযায়ী এই বানানটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: উদাসীন যোগ য সমান উদাসীন্য ব্যাখ্যা: উদাসীন শব্দের সঙ্গে ভাব অর্থে য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে এই নতুন বিশেষ্য পদটি তৈরি হয়েছে। উদাহরণ ২: প্রবীণ যোগ য সমান প্রবীণ্য ব্যাখ্যা: প্রবীণ শব্দের সঙ্গে ভাব অর্থে য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে প্রবীণ্য শব্দটি গঠিত হয়েছে যার অর্থ প্রবীণ ব্যক্তির ভাব বা গুণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উদাসিন্য — এই বানানে দীর্ঘ ঈ কার ব্যবহার না করে স্বরবর্ণ ই ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) উদাসীন্যা — শব্দের শেষে অতিরিক্ত আকার যুক্ত করে স্ত্রীলিঙ্গ করা হয়েছে কিন্তু এটি ভাববাচক বিশেষ্য হিসেবে প্রযোজ্য নয়। D) ওদাসীন্য — শব্দের শুরুতে হ্রস্ব উ এর পরিবর্তে ও কার ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক মূল শব্দের সঙ্গে মেলে না। ৫ মনে রাখার টিপস: উদাসীন শব্দটিতে দীর্ঘ ঈ কার থাকে এবং এর সঙ্গে য প্রত্যয় যুক্ত করার সময় প্রথম অক্ষর উ দীর্ঘ হয়ে ঊ হয়। মূল শব্দের গঠন মনে রাখলে এই ধরনের বানান ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রত্যয়জনিত বানান পরিবর্তনের প্রশ্ন প্রায়ই আসে। তাই মূল শব্দ চেনার পাশাপাশি য প্রত্যয় যুক্ত হলে আদি স্বরের কী পরিবর্তন হয় তা ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।

মোট প্রশ্ন (25)

a An apostate
b An ascetic
c An atheist
d A sensualist
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) An ascetic কেন সঠিক: - 'Ascetic' শব্দের অর্থ হলো এমন ব্যক্তি যিনি ধর্মীয় বা আধ্যাত্মিক কারণে কঠোর সংযমী জীবনযাপন করেন এবং বিলাসিতা বর্জন করেন। - বাক্যে 'austere life' বা কঠোর ও সাদাসিধে জীবনযাপনের কথা বলা হয়েছে, যা একজন তপস্বীর বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) An apostate — এর অর্থ ধর্মত্যাগী, যিনি নিজের ধর্ম বা বিশ্বাস পরিত্যাগ করেছেন কিন্তু কঠোর জীবনযাপনের সঙ্গে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই। B) An ascetic — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যার অর্থ তপস্বী বা কঠোর সংযমী জীবনযাপনকারী ব্যক্তি। C) An atheist — এর অর্থ নাস্তিক, যিনি সৃষ্টিকর্তা বা ঈশ্বরে বিশ্বাস করেন না, তবে এটি সাদাসিধে জীবনযাপনের নির্দেশ করে না। D) A sensualist — এর অর্থ ভোগবাদী বা কামাসক্ত ব্যক্তি, যা 'austere' বা কঠোর জীবনের সম্পূর্ণ বিপরীত। মনে রাখার টিপস: 'Ascetic' এবং 'Austere' দুটি শব্দই কঠোরতা এবং সাধাসিধে জীবন বোঝাতে একসঙ্গে মনে রাখা যায়।
a Mark Twain
b Ernest Hemingway
c Nathaniel Hawthorne
d Herman Melville
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Herman Melville কেন সঠিক: - হারম্যান মেলভিল আমেরিকার একজন বিখ্যাত ঔপন্যাসিক এবং মোবি ডিক তাঁর সর্বকালের শ্রেষ্ঠ ও সবচেয়ে বিখ্যাত উপন্যাস। - এই উপন্যাসটি তিমি শিকারের পটভূমিতে রচিত এবং এটি মার্কিন সাহিত্যের একটি প্রধান ক্লাসিক হিসেবে বিবেচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Mark Twain — তিনি যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত লেখক যিনি দ্য অ্যাডভেঞ্চারস অব টম সয়ার উপন্যাসের জন্য পরিচিত, মোবি ডিক তাঁর লেখা নয়। B) Ernest Hemingway — তিনি বিংশ শতাব্দীর প্রখ্যাত মার্কিন ঔপন্যাসিক ও নোবেলজয়ী লেখক যিনি দ্য ওল্ড ম্যান অ্যান্ড দ্য সি লিখেছেন, মোবি ডিকের রচয়িতা নন। C) Nathaniel Hawthorne — তিনি বিখ্যাত মার্কিন ঔপন্যাসিক ও ছোটগল্পকার যিনি দ্য স্কারলেট লেটার লিখেছেন, মোবি ডিক তাঁর রচনা নয়। D) Herman Melville — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং তিনি এই বিখ্যাত উপন্যাসটির একমাত্র রচয়িতা। মনে রাখার টিপস: মোবি ডিক মানে বিশাল তিমি মাছের গল্প, আর এই বিশাল সমুদ্রের গল্পটি লিখেছিলেন হারম্যান মেলভিল।
a Norway
b Denmark
c Scotland
d England
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Denmark কেন সঠিক: - উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের বিখ্যাত ট্র্যাজেডি হ্যামলেট নাটকের মূল চরিত্র প্রিন্স হ্যামলেট ডেনমার্কের যুবরাজ ছিলেন। - নাটকের মূল পটভূমি হিসেবে ডেনমার্কের এলসিনোর রাজপ্রাসাদকে কেন্দ্র করে পুরো কাহিনীর সূচনা ও বিকাশ ঘটে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Norway — নরওয়ের যুবরাজ ছিলেন ফর্টিনব্রাস, যিনি নাটকের শেষে ডেনমার্কের সিংহাসন লাভ করেন। B) Denmark — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়। C) Scotland — স্কটল্যান্ডের পটভূমিতে শেক্সপিয়ারের অন্য একটি বিখ্যাত ট্র্যাজেডি ম্যাকবেথ রচিত হয়েছে। D) England — নাটকের শেষ অংশে হ্যামলেটকে কিছুদিনের জন্য ইংল্যান্ডে পাঠানো হলেও তিনি সেখানকার রাজপুত্র ছিলেন না। মনে রাখার টিপস: হ্যামলেট নাটকটি ডেনমার্কের রাজপ্রাসাদের ষড়যন্ত্র নিয়ে রচিত, তাই হ্যামলেট হলেন ডেনমার্কের রাজপুত্র।
a had acted
b have acted
c acted
d would have acted
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) had acted কেন সঠিক: - এটি থার্ড কন্ডিশনাল-এর নিয়ম, যেখানে প্রথম অংশে would have বসে এবং ইফ-যুক্ত অংশে পাস্ট পারফেক্ট টেন্স হয়। - তাই ইফ-এর পরে সাবজেক্টের পর হ্যাভ-এর পাস্ট পারফেক্ট রূপ হিসেবে had এবং মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) had acted — এটি সঠিক উত্তর কারণ থার্ড কন্ডিশনালের স্ট্রাকচার অনুযায়ী ইফ ক্লজে পাস্ট পারফেক্ট টেন্স বসে। B) have acted — এটি প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্স, যা থার্ড কন্ডিশনালের নিয়মের সাথে মেলে না। C) acted — এটি পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্স, যা সেকেন্ড কন্ডিশনালের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতো কিন্তু এখানে তা নয়। D) would have acted — প্রধান ক্লজে এই অংশটি একবার ব্যবহার করায় ইফ ক্লজে এটি পুনরায় ব্যবহার করা যায় না। মনে রাখার টিপস: থার্ড কন্ডিশনালে ইফ ক্লজে সবসময় had এবং মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল বসে এবং অপর অংশে would have বসে।
a less
b lower
c fewer
d few
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) fewer কেন সঠিক: - marbles একটি গণনযোগ্য বা কাউন্টেবল নাউন হওয়ায় এর পূর্বে less না বসে fewer বসে। - তুলনামূলক বাক্যে fewer কাউন্টেবল নাউনের সংখ্যা কমাতে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) less — এটি আনকাউন্টেবল বা অগণনযোগ্য নাউনের পরিমাণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা marbles এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) lower — এটি কোনো কিছুর উচ্চতা, স্তর বা দাম কমানোর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, সংখ্যার ক্ষেত্রে নয়। C) fewer — এটি এই বাক্যের সঠিক উত্তর কারণ marbles গণনযোগ্য। D) few — এটি তুলনামূলক বাক্যে সরাসরি ব্যবহৃত হয় না, বরং তুলনার জন্য fewer প্রয়োজন হয়। মনে রাখার টিপস: পরিমাণ বোঝাতে less এবং সংখ্যা বোঝাতে fewer ব্যবহার করবে।
a as for
b so as
c as if
d so that
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) so as কেন সঠিক: - উদ্দেশ্য বোঝাতে infinitive phrase হিসেবে so as to ব্যবহৃত হয়, যার পরে verb-এর base form বসে। - প্রশ্নে to-এর আগে so as বসলে বাক্যটির অর্থ সঠিক হয় এবং তা উদ্দেশ্য প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) as for — এটি সাধারণত কোনো নতুন প্রসঙ্গ বা ব্যক্তি সম্পর্কে বলতে ব্যবহৃত হয়, যার এখানে কোনো ব্যাকরণগত ভিত্তি নেই। B) so as — এটি সঠিক উত্তর এবং so as to গঠন তৈরি করে উদ্দেশ্য প্রকাশ করে। C) as if — এর অর্থ যেন এবং এটি কাল্পনিক বা অবাস্তব পরিস্থিতি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। D) so that — এর পরে subject এবং verb বসে, কিন্তু এখানে to থাকায় so that ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। মনে রাখার টিপস: উদ্দেশ্য বোঝাতে to-এর আগে so as ব্যবহার করবে, যেমন so as to do something।
a shines, I decided
b shine, I decided
c was shining, I decided
d shines, so I decided
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) was shining, I decided কেন সঠিক: - বাক্যের প্রথম অংশে অতীতকালের একটি চলমান কাজ বোঝাতে Past Continuous Tense (was shining) ব্যবহৃত হয়েছে। - অতীতের সেই চলমান কাজের মধ্যে আরেকটি ঘটনা ঘটেছিল বোঝাতে প্রধান clause-এ Past Indefinite Tense (I decided) বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) shines, I decided — Present Indefinite Tense-এর সাথে Past Indefinite Tense-এর ব্যবহার গঠনগতভাবে সংগতিপূর্ণ নয়। B) shine, I decided — Present Tense-এর মূল রূপের সাথে Past Tense ব্যবহার করায় ব্যাকরণগত নিয়ম ভুল হয়েছে। C) was shining, I decided — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে Past Continuous এবং Past Indefinite Tense-এর সঠিক সমন্বয় ঘটেছে। D) shines, so I decided — এখানে অতিরিক্ত 'so' যুক্ত করায় বাক্যটির অর্থ ও অর্থপূর্ণ গঠন নষ্ট হয়েছে। মনে রাখার টিপস: অতীতকালের একটি কাজ চলার সময় আরেকটি কাজ ঘটেছিল বোঝালে চলমান কাজটি Past Continuous এবং অন্যটি Past Indefinite Tense হয়।
a then
b when
c that
d after
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) when কেন সঠিক: - Scarcely...had এর পর বাক্যের দ্বিতীয় অংশে যুক্ত করার জন্য when বা before ব্যবহার করতে হয়। - এই নিয়মে than ব্যবহার করা grammatical rule অনুযায়ী ভুল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) then — এটি Scarcely এর সঙ্গে বসে না, এটি No sooner এর সঙ্গে ব্যবহৃত হয়। B) when — এটি সঠিক কারণ Scarcely এর সঙ্গে সবসময় when বা before বসে। C) that — এটি বাক্যের এই কাঠামোর সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয় এবং এখানে অর্থ প্রকাশ করে না। D) after — এটি সময়ের ব্যবধান বোঝায় কিন্তু Scarcely এর correlative conjunction হিসেবে বসে না। মনে রাখার টিপস: No sooner থাকলে than বসে এবং Scarcely বা Hardly থাকলে when বা before বসে।
a apply
b has applied
c applied
d will apply
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) apply কেন সঠিক: - বাক্যে recommend, suggest, demand, insist ইত্যাদি subjunctive verb থাকার পর that clause আসলে তার পরের verb-এর base form ব্যবহৃত হয়। - এখানে that clause এর সাবজেক্ট she হওয়া সত্ত্বেও rules অনুযায়ী verb-এর সাথে s বা es যুক্ত হবে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) apply — এটি verb-এর base form এবং subjunctive নিয়মের সাথে সম্পূর্ণ সঙ্গতিপূর্ণ। B) has applied — Present perfect tense ব্যবহারের কারণে এটি subjunctive কাঠামোর নিয়ম ভঙ্গ করে। C) applied — Past tense ব্যবহারের কারণে এটি বর্তমান প্রেক্ষাপট ও subjunctive নিয়মের সাথে মেলে না। D) will apply — Future tense ব্যবহারের কারণে এটি subjunctive clause-এর সঠিক ব্যাকরণিক নিয়ম অনুসরণ করে না। মনে রাখার টিপস: Subjunctive verb-এর পর that থাকলে verb সব সময় তার মূল রূপ বা base form-এ বসে।
a have been sent
b are sent
c was sent
d being sent
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) was sent কেন সঠিক: - বাক্যে along with যুক্ত থাকায় verb নির্ধারিত হয় মূল subject 'The report'-এর ওপর ভিত্তি করে, যা singular। - মূল subject singular হওয়ায় এবং বাক্যটি passive voice-এ থাকায় এখানে singular verb 'was' এবং past participle 'sent' ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) have sent — 'The report' singular হওয়ায় plural verb 'have' ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) are sent — 'The report' singular হওয়ায় এখানে plural verb 'are' বসবে না। C) was sent — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে এর ভুল হওয়ার কোনো কারণ নেই। D) being sent — সাহায্যকারী verb ছাড়া সরাসরি 'being sent' বসালে বাক্যটির সমাপিকা ক্রিয়া গঠিত হয় না। মনে রাখার টিপস: along with, together with ইত্যাদি দ্বারা একাধিক subject যুক্ত থাকলে প্রথম subject অনুসারেই verb নির্ধারিত হয়।
a are increasing
b were increased
c have been increased
d has increased
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) has increased কেন সঠিক: - বাক্যের Subject হলো The number of applicants, যার অর্থ আবেদনকারীদের সংখ্যা এবং এটি একটি Singular Noun Phrase. - Subject Singular হওয়ায় এর সাথে Singular Verb (has increased) বসবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) are increasing — Subject Singular হওয়ায় Plural Verb (are) ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) were increased — এটি Passive Voice গঠন করে, কিন্তু এখানে বাক্যটি Active অর্থে রয়েছে এবং Subject Singular. C) have been increased — এটি Present Perfect Passive গঠন করে, যা এই বাক্যের অর্থের সাথে সংগতিপূর্ণ নয়। D) has increased — এটি সঠিক উত্তর কারণ Subject Singular হওয়ায় Singular Verb বসেছে। মনে রাখার টিপস: The number of এর পর Plural Noun থাকলেও Verb সবসময় Singular হয়, আর A number of এর পর Plural Noun থাকলে Verb Plural হয়।
a embezzling
b swindling
c looitng
d pilfering
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) pilfering কেন সঠিক: - pilfering শব্দের অর্থ ছোটখাটো জিনিস বা সামান্য কিছু চুরির ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। - community hall থেকে একটি তেলের বোতল চুরি করার মতো ছোট অপরাধ বোঝাতে এই শব্দটি যথাযথ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) embezzling — এটি বিশ্বাসের খেয়ানত করে বড় ধরনের তহবিল বা অর্থ আত্মসাৎ করার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। B) swindling — এটি প্রতারণা করে কারো কাছ থেকে অর্থ বা সম্পত্তি কেড়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। C) looitng — বানান ভুল (সঠিক বানান looting) এবং এটি সাধারণত যুদ্ধ বা দাঙ্গার সময় দলবদ্ধভাবে লুটপাট করা বোঝায়। D) pilfering — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং ছোট জিনিস চুরির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। মনে রাখার টিপস: বড় তহবিলের জন্য embezzlement আর ছোটখাটো জিনিসের চুরির জন্য pilfering ব্যবহার করা হয়।
a horn
b trumpet
c dram
d band
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) trumpet কেন সঠিক: - blow one's own trumpet একটি সুপরিচিত ইংরেজি প্রবচন বা ইডিয়ম। - এর অর্থ নিজের সাফল্য বা গুণগান নিজে প্রচার করা বা আত্মপ্রচারের ঢাক পেটানো। বাকি অপশন কেন ভুল: A) horn — এটি এই ইডিয়মের সঠিক শব্দ নয় এবং এর মাধ্যমে প্রচলিত অর্থ প্রকাশ পায় না। B) trumpet — এটি সঠিক শব্দ যা নির্দিষ্ট ইডিয়ম গঠন করতে ব্যবহৃত হয়। C) dram — এটি তরল পরিমাপের একক বা ছোট পানীয় বোঝায়, যা এই বাক্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। D) band — এটি বাদ্যযন্ত্রের দল বোঝায়, যা এই শূন্যস্থানে বসে কোনো অর্থ তৈরি করে না। মনে রাখার টিপস: নিজের ঢাক নিজে পেটানো বোঝাতে ট্রাম্পেট বা তূর্য বাজানোর কথা বলা হয়, তাই মনে রাখবেন ব্লো ওয়ানস ওন ট্রাম্পেট।
a Ethereal
b Transient
c Perpetual
d Fragile
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Transient কেন সঠিক: - Ephemeral শব্দটির অর্থ স্বল্পস্থায়ী বা ক্ষণস্থায়ী। - Transient শব্দটির অর্থও ক্ষণস্থায়ী বা সাময়িক, যা মূল শব্দের সঠিক সমার্থক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Ethereal - এর অর্থ অত্যন্ত সূক্ষ্ম বা স্বর্গের মতো পবিত্র, যা ক্ষণস্থায়ী অর্থে প্রযোজ্য নয়। B) Transient - প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটি ক্ষণস্থায়ী বা সাময়িক অর্থ প্রকাশ করে। C) Perpetual - এর অর্থ চিরস্থায়ী বা অনন্ত, যা Ephemeral শব্দের বিপরীতার্থক। D) Fragile - এর অর্থ ভঙ্গুর বা সহজে ভেঙে যায় এমন, যা স্থায়িত্বের পরিবর্তে কাঠামোর দুর্বলতা বোঝায়। মনে রাখার টিপস: Ephemeral এবং Transient দুটি শব্দই স্বল্পস্থায়ী বা ক্ষণস্থায়ী বোঝাতে একসঙ্গে মনে রাখতে পারেন।
a upon
b against
c to
d over
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) upon কেন সঠিক: - Preposition হিসেবে prevail upon বা prevail on ব্যবহার করা হয় যার অর্থ কাউকে কোনো কিছু করতে রাজি করানো বা প্ররোচিত করা। - বাক্যের অর্থ হলো দীর্ঘ আলোচনার পর আমি তাকে প্রস্তাবটি গ্রহণে রাজি করাতে সক্ষম হয়েছিলাম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) upon — এটি সঠিক কারণ prevail upon বা prevail on idiom বা appropriate preposition হিসেবে কাউকে রাজি করাতে ব্যবহৃত হয়। B) against — এর অর্থ বিরুদ্ধে, যা কাউকে কোনো কাজ করতে রাজি করানোর এই বাক্যের অর্থের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। C) to — এখানে prevail-এর সঙ্গে সরাসরি infinitive বা to preposition বসে কাউকে রাজি করানোর অর্থ প্রকাশ করে না। D) over — এর অর্থ উপরে বা জয় করা, যা এই বাক্যের প্রেক্ষাপটে কাউকে রাজি করানোর অর্থে ব্যবহার করা যায় না। মনে রাখার টিপস: কাউকে কোনো কাজে রাজি করাতে গেলে সবসময় prevail-এর পরে upon বা on preposition ব্যবহার করতে হয়।
a off
b over
c out
d of
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) off কেন সঠিক: - কোনো পৃষ্ঠার ওপর থেকে কিছু সরিয়ে ফেলা বা বিছিন্ন করা বোঝাতে সঠিক প্রিপজিশন হিসেবে 'off' ব্যবহৃত হয়। - টেবিলের ওপর থেকে বইগুলো সরিয়ে ফেলার ক্ষেত্রে 'take off' একটি উপযুক্ত ফ্রেজাল ভার্ব। বাকি অপশন কেন ভুল: A) off — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি পৃষ্ঠার ওপর থেকে কোনো বস্তু দূরে সরিয়ে নেওয়া বোঝায়। B) over — এটি সাধারণত ওপরে বা কোনো কিছুর ওপর দিয়ে অতিক্রম করা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) out — এটি ভেতর থেকে বাইরে যাওয়া বোঝায়, যা টেবিল থেকে বই সরানোর ক্ষেত্রে অর্থগতভাবে বেঠিক। D) অব — এটি সাধারণত অধিকার, উৎস বা কোনো কিছুর অংশ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, এখানে প্রিপজিশন হিসেবে মানানসই নয়। মনে রাখার টিপস: কোনো স্থান বা পৃষ্ঠার ওপর থেকে কিছু তুলে বা সরিয়ে ফেলতে 'off' ব্যবহার করতে হয়।
a to
b for
c with
d by
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) with কেন সঠিক: - Compatible শব্দের সঙ্গে সাধারণত with preposition বসে যার অর্থ সঙ্গতিপূর্ণ বা সামঞ্জস্যপূর্ণ। - নতুন নীতিটি বিদ্যমান নিয়মের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় বোঝাতে compatible এর পর with ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to — Compatible শব্দের পর সাধারণত to বসে না, এটি grammatical নিয়ম অনুযায়ী ভুল। B) for — এই বাক্যের অর্থের সঙ্গে for preposition কোনোভাবেই সামঞ্জস্যপূর্ণ বা প্রযোজ্য নয়। C) with — এটি নিজেই সঠিক উত্তর এবং নিয়মের সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়। D) by — কোনো ব্যক্তি বা মাধ্যم বোঝাতে by বসে, যা এখানে অর্থহীন। মনে রাখার টিপস: Compatible শব্দের অর্থ মিল থাকা এবং এর সঙ্গে সব সময় with preposition ব্যবহার করতে হয়।
a Conscentious
b Conscientous
c Conscientious
d Conscientsious
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Conscientious কেন সঠিক: - বানানটি গঠনের নিয়ম অনুযায়ী গঠিত হয়েছে যেখানে sci-এর পরে entious প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে। - শব্দটির অর্থ বিবেকবান বা কতর্ব্যপরায়ণ, যা সঠিক ইংরেজি বানান শৈলী অনুসরণ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Conscentious — বানানটিতে entious-এর পরিবর্তে entious অংশে বানান ভুল রয়েছে এবং সঠিক প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়নি। B) Conscientous — বানানটিতে conscientious শব্দের শেষের আগের i বর্ণটি বাদ পড়েছে। D) Conscientsious — বানানটিতে অতিরিক্ত ts বর্ণ যুক্ত করা হয়েছে যা সঠিক শব্দ গঠনের নিয়ম বহির্ভূত। মনে রাখার টিপস: Conscience (বিবেক) শব্দের শেষে tious যুক্ত করে Conscientious বানানটি মনে রাখতে হবে।
a fallacious
b infallible
c incorrigible
d perfect
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) infallible কেন সঠিক: - 'Incapable of making errors' অর্থাৎ যার ভুল করার কোনো সম্ভাবনা নেই, তার ইংরেজি প্রতিশব্দ হলো infallible। - ল্যাটিন শব্দ ইন (in) অর্থ না এবং ফ্যালিবিলিস (fallibilis) অর্থ ভুল করার যোগ্য, এই দুটি মিলে শব্দটি গঠিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) fallacious — এর অর্থ হলো প্রতারণাপূর্ণ বা ভুল ধারণাসম্পন্ন, যা মানুষের যুক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য কিন্তু এর অর্থ ত্রুটিহীন নয়। B) infallible — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, যার অর্থ হলো অভ্রান্ত বা যা কখনোই ভুল করে না। C) incorrigible — এর অর্থ হলো যা সংশোধন করা যায় না বা স্বভাব যা সহজে শোধরানো যায় না। D) perfect — এর অর্থ হলো নিখুঁত বা পরিপূৰ্ণ, কিন্তু এটি সরাসরি ভুল না করার যোগ্যতাকে বোঝায় না। মনে রাখার টিপস: শব্দটির শুরুতে থাকা ইন (in) অর্থ না এবং শেষের ফল (fall) অংশটি ভুল বোঝায়, যার অর্থ দাঁড়াচ্ছে ভুল হয় না যার।
a Numismatist
b Collector
c Calligrapher
d Narcissist
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Numismatist কেন সঠিক: - Numismatist শব্দটি এসেছে লাতিন শব্দ Numisma থেকে যার অর্থ মুদ্রা, তাই মুদ্রা সংগ্রহ বা অধ্যয়নকারীকে এই নামে ডাকা হয়। - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এক কথায় প্রকাশ বা Substitution সংক্রান্ত প্রশ্নে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Numismatist — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি মুদ্রা অধ্যয়ন বা সংগ্রহের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। B) Collector — এর অর্থ সংগ্রাহক, যা সাধারণ অর্থে যেকোনো বস্তু সংগ্রহকারীকে বোঝায় কিন্তু নির্দিষ্ট করে শুধু মুদ্রা বোঝায় না। C) Calligrapher — এর অর্থ লিপি शिल्পী বা হস্তলিপি বিশারদ, যিনি সুন্দর হাতের লেখায় পারদর্শী। D) Narcissist — এর অর্থ আত্মপ্রেমী বা নিজ সম্পর্কে অতিরিক্ত মোহগ্রস্ত ব্যক্তি, যার সঙ্গে মুদ্রা সংগ্রহের কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: Numismatist শব্দের শুরুতে থাকা Numis অংশটিকে মুদ্রা (Coin) শব্দটির সঙ্গে মিলিয়ে মনে রাখতে পারো।
a Congenial
b Abhorrent
c Admirable
d Fastidious
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Abhorrent কেন সঠিক: - প্রশ্নে থাকা repugnant শব্দটির অর্থ হলো ঘৃণ্য বা অত্যন্ত অপছন্দনীয়। - প্রদত্ত সঠিক উত্তর abhorrent শব্দটির অর্থও ঘৃণ্য বা নীতিবহির্ভূত, যা মূল শব্দের সমার্থক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Congenial — এর অর্থ অনুকূল বা মনের মতো, যা repugnant শব্দের বিপরীত। B) Abhorrent — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ ঘৃণ্য। C) Admirable — এর অর্থ প্রশংসনীয়, যা repugnant শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত। D) Fastidious — এর অর্থ নিখুঁতবাদী বা অতিরিক্ত যত্নবান, যা এখানে প্রাসঙ্গিক নয়। মনে রাখার টিপস: Repugnant এবং Abhorrent উভয় শব্দই কোনো খারাপ বা ঘৃণ্য আচরণ বোঝাতে সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
a Assuage
b Ameliorate
c Incite
d Exacerbate
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Incite কেন সঠিক: - প্রশ্নে থাকা 'agitate' শব্দের অর্থ উত্তেজিত করা বা প্ররোচিত করা। - অপশনের 'Incite' শব্দের অর্থ উস্কে দেওয়া বা উত্তেজিত করা, যা মূল শব্দের সমার্থক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Assuage — এর অর্থ প্রশমিত করা বা কমানো, যা উত্তেজিত করার বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) Ameliorate — এর অর্থ অবস্থার উন্নতি করা, যা প্রদত্ত বাক্যের উত্তেজনার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। C) Incite — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ উত্তেজিত করা। D) Exacerbate — এর অর্থ পরিস্থিতি আরও অবনতি বা জটিল করা, যা সরাসরি প্ররোচিত করার সমার্থক নয়। মনে রাখার টিপস: Agitate এবং Incite উভয় শব্দই কাউকে উত্তেজিত করা বা উস্কে দেওয়ার ক্ষেত্রে সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
a Industrious
b Indolent
c Insidious
d Insolent
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Indolent কেন সঠিক: - Diligent শব্দের বাংলা অর্থ হলো পরিশ্রমী বা অধ্যবসায়ী। - Indolent শব্দের অর্থ হলো অলস বা কর্মবিমুখ, যা Diligent শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Industrious — এটি Diligent শব্দের সমার্থক শব্দ, যার অর্থ পরিশ্রমী। B) Indolent — এটি সঠিক উত্তর এবং Diligent শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ। C) Insidious — এর অর্থ কাপট্যপূর্ণ বা কুহকী, যা এই প্রশ্নের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) Insolent — এর অর্থ উদ্ধত বা ধৃষ্টতাপূর্ণ, যা অলস বা পরিশ্রমীর বিপরীত নয়। মনে রাখার টিপস: Diligent মানে দিল দিয়ে কাজ করা অর্থাৎ পরিশ্রমী, আর Indolent মানে ইন্ডিয়াতে অলস সময় কাটানো।
a Improve
b Neglect
c Assist
d Worsen
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Worsen কেন সঠিক: - Ameliorate শব্দের অর্থ অবস্থার উন্নতি করা বা ভালো করা। - Worsen শব্দের অর্থ অবস্থার অবনতি ঘটানো বা খারাপ করা, যা এর সঠিক বিপরীত শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Improve — এটি Ameliorate শব্দের সমার্থক শব্দ, বিপরীত শব্দ নয়। B) Neglect — এর অর্থ অবহেলা করা, যা পরিস্থিতির উন্নতির সরাসরি বিপরীত নয়। C) Assist — এর অর্থ সাহায্য করা, যা Ameliorate শব্দের অর্থের কাছাকাছি। D) Worsen — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ অবনতি ঘটানো। মনে রাখার টিপস: Ameliorate মানে উন্নতি করা এবং Worsen মানে অবনতি ঘটানো, তাই তারা বিপরীতার্থক।
a Unyielding
b Obedient
c Unabashed
d Remorseful
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Unyielding কেন সঠিক: - Obdurate শব্দের বাংলা অর্থ হলো একগুঁয়ে, অবাধ্য বা অনমনীয়। - Unyielding শব্দের অর্থ যা সহজে বাঁকে না অর্থাৎ অনমনীয় বা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ, যা Obdurate শব্দের সমার্থক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Unyielding - এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ অনমনীয় বা একগুঁয়ে। B) Obedient - এর অর্থ বাধ্য বা অনুগত, যা Obdurate শব্দের বিপরীতার্থক। C) Unabashed - এর অর্থ নির্লজ্জ বা অপরিবর্তিত, যা এই শব্দের সঙ্গে মেলে না। D) Remorseful - এর অর্থ অনুতপ্ত বা লজ্জিত, যার সঙ্গে অবাধ্যতার কোনো মিল নেই। মনে রাখার টিপস: Obdurate শব্দটিতে দৃত বা কঠিন ভাব আছে, তাই এর সমার্থক Unyielding (অনমনীয়) হবে।

মোট প্রশ্ন (20)

a 9
b 18
c 11
d 22
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১১ প্রদত্ত তথ্য: দড়ির মোট দৈর্ঘ্য = ৪০ ফুট একটি টুকরো অন্যটি অপেক্ষা ১৮ ফুট বড় ধরি, ছোট টুকরোটির দৈর্ঘ্য = ক ফুট বড় টুকরোটির দৈর্ঘ্য = ক + ১৮ ফুট অতএব, প্রশ্নমতে, ক + ক + ১৮ = ৪০ ২ক + ১৮ = ৪০ ২ক = ৪০ − ১৮ সুতরাং, ২ক = ২২ ক = ২২ ÷ ২ ক = ১১ উত্তর: ১১
a 35
b 36
c 38
d 37
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩৭ প্রدত্ত তথ্য: ধারার সংখ্যাগুলো হলো দুই, পাঁচ, দশ, সতেরো, ছাব্বিশ ধরি, সংখ্যাগুলোর মধ্যকার পার্থক্য আমরা বের করব অতএব, প্রথম ও দ্বিতীয় সংখ্যার পার্থক্য = ৫ − ২ = ৩ দ্বিতীয় ও তৃতীয় সংখ্যার পার্থক্য = ১০ − ৫ = ৫ তৃতীয় ও চতুর্থ সংখ্যার পার্থক্য = ১৭ − ১০ = ৭ চতুর্থ ও পঞ্চম সংখ্যার পার্থক্য = ২৬ − ১৭ = ৯ সুতরাং, পরবর্তী পার্থক্যটি হবে আগের নিয়মে ১১ উত্তর: ২৬ + ১১ = ৩৭
a 47/100
b 41/100
c 53/100
d 35/100
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪১/১০০ প্রদত্ত তথ্য: ১ থেকে ১০০ পর্যন্ত সংখ্যাগুলো থেকে একটি সংখ্যা নির্বাচন করা হলো ধরি, ৩ দ্বারা বিভাজ্য সংখ্যার সেট = A ৫ দ্বারা বিভাজ্য সংখ্যার সেট = B অতএব, ৩ দ্বারা বিভাজ্য মোট সংখ্যা = ১০০ ÷ ৩ এর পূর্ণসংখ্যা অংশ = ৩৩ টি ৫ দ্বারা বিভাজ্য মোট সংখ্যা = ১০০ ÷ ৫ = ২০ টি ৩ এবং ৫ উভয় দ্বারা বিভাজ্য সংখ্যা (১৫ এর গুণিতক) = ১০০ ÷ ১৫ এর পূর্ণসংখ্যা অংশ = ৬ টি সুতরাং, শুধু ৩ দ্বারা বিভাজ্য সংখ্যা = ৩৩ − ৬ = ২৭ টি শুধু ৫ দ্বারা বিভাজ্য সংখ্যা = ২০ − ৬ = ১৪ টি উত্তর: ২৭ + ১৪ = ৪১ টি, অর্থাৎ সম্ভাবনা ৪১/১০০
a 30
b 15
c 120
d 60
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩০ প্রদত্ত তথ্য: LEVEL শব্দটিতে মোট অক্ষর আছে ৫টি ধরি, মোট অক্ষরের সংখ্যা n = ৫ একই অক্ষর এল আছে ২টি একই অক্ষর ই আছে ২টি অতএব, বিন্যাসের সূত্র অনুযায়ী মোট বিন্যাস সংখ্যা হবে ৫ ফ্যাক্টোরিয়াল ভাগ ২ ফ্যাক্টোরিয়াল গুণ ২ ফ্যাক্টোরিয়াল সুতরাং, (৫ × ৪ × ৩ × ২ × ১) ভাগ (২ × ১ × ২ × ১) = ১২০ ভাগ ৪ = ৩০ উত্তর: ৩০
a 11
b 12
c 14
d 13
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৩ প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের দুটি বাহুর দৈর্ঘ্য ৭ সেন্টিমিটার এবং ১০ সেন্টিমিটার তৃতীয় বাহুর দৈর্ঘ্য একটি পূর্ণসংখ্যা হতে হবে ধরি, ত্রিভুজের তৃতীয় বাহুটি ক সেন্টিমিটার অতএব, ত্রিভুজের নিয়ম অনুযায়ী তৃতীয় বাহু অপর দুটি বাহুর যোগফলের চেয়ে ছোট হবে অর্থাৎ ক এর মান ১০ + ৭ বা ১৭ এর চেয়ে কম হবে অতএব, তৃতীয় বাহু অপর দুটি বাহুর বিয়োগফলের চেয়ে বড় হবে অর্থাৎ ক এর মান ১০ − ৭ বা ৩ এর চেয়ে বেশি হবে সুতরাং, ক এর সম্ভাব্য মানগুলো ৩ এর বেশি এবং ১৭ এর কম হবে অর্থাৎ ক এর মান হতে পারে ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯, ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪, ১৫, ১৬ উত্তর: মোট ১৩টি মান হতে পারে
a 7.5 cm
b 6.5 cm
c 7.2 cm
d 8cm
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৭.৫ cm প্রদত্ত তথ্য: সমকোণী ত্রিভুজের লম্ব = ৯ cm ভূমি = ১২ cm ধরি, অতিভুজ = c অতিভুজের উপর অঙ্কিত উচ্চতা = h অতএব, c এর মান = √(৯^২ + ১২^২) c এর মান = √(৮১ + ১৪৪) = √২২৫ = ১৫ cm সুতরাং, ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × ভূমি × উচ্চতা ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × ৯ × ১২ = ৫৪ বর্গ cm উত্তর: উচ্চতা h = (২ × ক্ষেত্রফল) ÷ অতিভুজ = (২ × ৫৪) ÷ ১৫ = ৭.৫ cm
a 5 cm
b 8cm
c 10 cm
d 12 cm
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১০ সেন্টিমিটার প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের জ্যা এর দৈর্ঘ্য = ২৪ সেন্টিমিটার কেন্দ্র থেকে প্রথম জ্যা এর দূরত্ব = ৫ সেন্টিমিটার কেন্দ্র থেকে দ্বিতীয় জ্যা এর দূরত্ব = ১২ সেন্টিমিটার ধরি, বৃত্তের ব্যাসার্ধ = r প্রথম জ্যা এর অর্ধেক দৈর্ঘ্য = ২৪ ÷ ২ = ১২ সেন্টিমিটার দ্বিতীয় জ্যা এর অর্ধেক দৈর্ঘ্য = x সেন্টিমিটার অতএব, প্রথম ক্ষেত্রে পাইথাগোরাসের উপপাদ্য অনুসারে, r বর্গ = ৫ বর্গ + ১২ বর্গ হিসাব করে পাই, r বর্গ = ২৫ + ১৪৪ = ১৬৯ সুতরাং, ব্যাসার্ধ r = ১৩ সেন্টিমিটার সুতরাং, দ্বিতীয় ক্ষেত্রে পাইথাগোরাসের উপপাদ্য অনুসারে, ১৩ বর্গ = ১২ বর্গ + x বর্গ হিসাব করে পাই, ১৬৯ = ১৪৪ + x বর্গ বা x বর্গ = ২৫, যার মান x = ৫ সেন্টিমিটার উত্তর: দ্বিতীয় জ্যা এর দৈর্ঘ্য = ৫ × ২ = ১০ সেন্টিমিটার
a 15/4
b 46127
c 46117
d 46146
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৫÷৪ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সরলরেখাটি হলো ৩x + ২qy − ২ = ০ দ্বিতীয় সরলরেখাটি হলো ২x + ৫y + ১ = ০ ধরি, প্রথম সরলরেখার x এর সহগ a১ = ৩ এবং y এর সহগ b১ = ২q দ্বিতীয় সরলরেখার x এর সহগ a২ = ২ এবং y এর সহগ b২ = ৫ অতএব, সরলরেখা দুটি সমান্তরাল হওয়ার শর্ত হলো a১ ÷ a২ = b১ ÷ b২ মানগুলো বসিয়ে পাই, ৩ ÷ ২ = ২q ÷ ৫ কোণাআণি গুণ করে পাই, ৪q = ৩ × ৫ সুতরাং, ৪q = ১৫ q = ১৫ ÷ ৪ উত্তর: ১৫÷৪
a x = 1
b x = 2
c x = 3
d x = 4
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) x = ২ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো log_2 (x + ২) − log_2 (x − ১) = ২ ধরি, লগারিদম এর বিয়োগের সূত্র ব্যবহার করে পাই log_2 ((x + ২) ÷ (x − ১)) = ২ অতএব, ভিত্তি ২ ডানপাশে গিয়ে সূচক হলো (x + ২) ÷ (x − ১) = ২ এর পাওয়ার ২ সুতরাং, (x + ২) ÷ (x − ১) = ৪ x + ২ = ৪(x − ১) উত্তর: x = ২
a 5
b 15
c 7.5
d 4
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৫ প্রদত্ত তথ্য: কোনো সংখ্যা থেকে ১৫ বিয়োগ করলে তার ৭ গুণের মান নির্ণয় করতে হবে এই ফলাফলটি সংখ্যাটির দ্বিগুণ অপেক্ষা ১০ বেশি ধরি, অজানা সংখ্যাটি = ক অতএব, প্রশ্নানুযায়ী সমীকরণটি হলো ৭ × ক − ১৫ = (২ × ক) + ১০ সুতরাং, ৭ × ক − ২ × ক = ১০ + ১৫ ৫ × ক = ২৫ উত্তর: ক = ৫
a 9
b 36
c 40
d 81
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪০ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যাটির ২০% এর ৮০% হলো ৬.৪ ধরি, নির্দিষ্ট সংখ্যাটি = ক অতএব, ক এর ২০% = ক × ২০ ÷ ১০০ = ক ÷ ৫ ক এর ২০% এর ৮০% = (ক ÷ ৫) × ৮০ ÷ ১০০ = ৪ক ÷ ২৫ সুতরাং, ৪ক ÷ ২৫ = ৬.৪ উত্তর: ৪ক = ৬.৪ × ২৫ ক = ১৬০ ÷ ৪ = ৪০
a 8a/5
b 7a/12
c 5a/12
d 3a/12
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫a ÷ ১২ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম রাশি = a ÷ ৪ দ্বিতীয় রাশি = a ÷ ৬ ধরি, রাশি দুটির যোগফল নির্ণয় করতে হবে অতএব, হর ৪ এবং ৬ এর লসাগু = ১২ সুতরাং, (৩a + ২a) ÷ ১২ = ৫a ÷ ১২ উত্তর: ৫a ÷ ১২
a 24
b 40
c 20
d 30
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩০ প্রদত্ত তথ্য: A এবং B কাজটি শেষ করে ১২ দিনে B এবং C কাজটি শেষ করে ১৫ দিনে C এবং A কাজটি শেষ করে ২০ দিনে ধরি, মোট কাজের পরিমাণ = ৬০ অংশ (১২, ১৫ এবং ২০ এর লসাগু) অতএব, A, B এবং C একত্রে ১ দিনে করে = (৬০ ÷ ১২) + (৬০ ÷ ১৫) + (৬০ ÷ ২০) অংশ = ৫ + ৪ + ৩ অংশ = ১২ অংশ সুতরাং, A, B এবং C একত্রে ২ দিনে করে ১২ অংশ তারা একত্রে ১ দিনে করে = ১২ ÷ ২ = ৬ অংশ উত্তর: একা A কাজটি শেষ করতে সময় লাগবে = ৬০ ÷ (৬ − ৪) দিন = ৬০ ÷ ২ দিন = ৩০ দিন
a 36 km/h
b 45 km/h
c 54 km/h
d 60 km/h
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩৬ কিমি/ঘণ্টা প্রদত্ত তথ্য: ট্রেনের দৈর্ঘ্য = ১৮০ মিটার প্ল্যাটফর্মের দৈর্ঘ্য = ২৭০ মিটার সময় = ৪৫ সেকেন্ড ধরি, মোট অতিক্রান্ত দূরত্ব = ট্রেনের দৈর্ঘ্য + প্ল্যাটফর্মের দৈর্ঘ্য অতএব, মোট দূরত্ব = ১৮০ + ২৭০ = ৪৫০ মিটার সুতরাং, গতিবেগ = ৪৫০ ÷ ৪৫ = ১০ মিটার/সেকেন্ড উত্তর: ১০ × ১৮ ÷ ৫ = ৩৬ কিমি/ঘণ্টা
a 4
b 5
c 6
d 7
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫ প্রদত্ত তথ্য: ৭টি সংখ্যার গড় = ৫ প্রথম ৪টি সংখ্যার গড় = ৪ শেষ ৪টি সংখ্যার গড় = ৬ ধরি, ৭টি সংখ্যার মোট যোগফল = ৭ × ৫ = ৩৫ প্রথম ৪টি সংখ্যার মোট যোগফল = ৪ × ৪ = ১৬ শেষ ৪টি সংখ্যার মোট যোগফল = ৪ × ৬ = ২৪ অতএব, প্রথম ৪টি সংখ্যা এবং শেষ ৪টি সংখ্যার মোট যোগফল = ১৬ + ২৪ = ৪০ এখানে চতুর্থ সংখ্যাটি দুইবার গণনা করা হয়েছে সুতরাং, চতুর্থ সংখ্যাটি = ৪০ − ৩৫ = ৫ উত্তর: ৫
a 24 years
b 20 years
c 26 years
d 25 years
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২৪ years প্রদত্ত তথ্য: আসমার বর্তমান বয়স ১৬ বছর আসমার ভাইয়ের বর্তমান বয়স ১৬ ÷ ৪ = ৪ বছর ধরি, ভাইয়ের বয়স দ্বিগুণ হওয়ার সময় আসমার বয়স হবে এক্স বছর অতএব, আসমার বয়স বাড়বে = এক্স − ১৬ বছর ভাইয়ের বয়স বাড়বে = (এক্স − ১৬) বছর সুতরাং, ভাইয়ের নতুন বয়স হবে = ৪ + (এক্স − ১৬) বছর প্রশ্নমতে, এক্স = ২ × (৪ + এক্স − ১৬) এক্স = ২ × (এক্স − ১২) উত্তর: এক্স = ২৪ years
a 36 years
b 42 years
c 45 years
d 54 years
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৫৪ years প্রদত্ত তথ্য: পিতা ও পুত্রের বর্তমান বয়সের অনুপাত ৭ : ২ ৮ বছর পর তাদের বয়সের অনুপাত হবে ৫ : ২ ধরি, পিতার বর্তমান বয়স = ৭x বছর পুত্রের বর্তমান বয়স = ২x বছর অতএব, ৮ বছর পর পিতার বয়স হবে ৭x + ৮ বছর ৮ বছর পর পুত্রের বয়স হবে ২x + ৮ বছর সুতরাং, শর্তমতে, (৭x + ৮) ÷ (২x + ৮) = ৫ ÷ ২ উত্তর: ৫৪ years
a Tk. 1700
b Tk. 1785
c Tk. 1800
d Tk. 1850
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Tk. ১৭৮৫ প্রদত্ত তথ্য: দ্রব্যের চিহ্নিত মূল্য = ২০০০ টাকা ডিসকাউন্টের হার = ১৫% ভ্যাটের হার = ৫% ধরি, চিহ্নিত মূল্য থেকে ১৫% ডিসকাউন্ট দিতে হবে ডিসকাউন্ট বা ছাড়ের পরিমাণ বের করতে হবে অতএব, ডিসকাউন্টের পরিমাণ = ২০০০ এর ১৫% = ৩০০ টাকা ডিসকাউন্টের পর মূল্য = ২০০০ − ৩০০ = ১৭০০ টাকা সুতরাং, ১৭০০ টাকার উপর ৫% ভ্যাট = ১৭০০ এর ৫% = ৮৫ টাকা চূড়ান্ত বিল = ১৭০০ + ৮৫ = ১৭৮৫ টাকা উত্তর: Tk. ১৭৮৫
a Tk. 240
b Tk. 360
c Tk. 300
d Tk. 420
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Tk. ৩০০ প্রদত্ত তথ্য: পণ্যটি ১২% ক্ষতিতে বিক্রি করা হয় পণ্যটি আরও ৬০ টাকা বেশি মূল্যে বিক্রি করলে ৮% লাভ হতো ধরি, পণ্যের ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা অতএব, ১২% ক্ষতিতে বিক্রয়মূল্য = ১০০ − ১২ = ৮৮ টাকা ৮% লাভে বিক্রয়মূল্য = ১০০ + ৮ = ১০৮ টাকা সুতরাং, বিক্রয়মূল্যের পার্থক্য = ১০৮ − ৮৮ = ২০ টাকা উত্তর: বিক্রয়মূল্যের পার্থক্য ২০ টাকা হলে ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা, আর ৬০ টাকা হলে ক্রয়মূল্য হবে (১০০ × ৬০) ÷ ২০ = ৩০০ টাকা
a 12%
b 32%
c 40%
d 52%
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪০% প্রদত্ত তথ্য: পণ্যের ক্রয়মূল্যের চেয়ে তালিকা মূল্য ৪০% বেশি ধরা হলো বিক্রির সময় ২০% ছাড় দেওয়া হলো ১ কেজির বদলে ৮০০ গ্রাম ওজনের বাটখারা ব্যবহার করা হলো ধরি, ১০০০ গ্রাম পণ্যের ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা অতএব, তালিকা মূল্য = ১০০ টাকার ওপর ৪০% বেশি = ১৪০ টাকা ছাড়ের পর বিক্রয়মূল্য = ১৪০ টাকার ওপর ২০% ছাড় = ১১২ টাকা ৮০০ গ্রাম পণ্যের ক্রয়মূল্য = ৮০ টাকা সুতরাং, ৮০০ গ্রাম পণ্যের বিক্রয়মূল্য = ১১২ টাকা উত্তর: লাভ হলো (১১২ − ৮০) ÷ ৮০ × ১০০% = ৪০%

মোট প্রশ্ন (15)

a 2030
b 2035
c 2041
d 2050
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) 2041 কেন সঠিক: - বাংলাদেশ সরকারের রূপকল্প বা ভিশন অনুযায়ী ২০৪১ সালের মধ্যে দেশকে একটি উন্নত, জ্ঞানভিত্তিক এবং সম্পূর্ণ ডিজিটাল রাষ্ট্রে রূপান্তর করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। - এই লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্যই স্মার্ট সিটিজেন, স্মার্ট ইকোনমি, স্মার্ট সোসাইটি এবং স্মার্ট গভর্ন্যান্স নামক চারটি মূল স্তম্ভের ওপর ভিত্তি করে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 2030 — এই সালটি মূলত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য বা এসডিজি অর্জনের সময়সীমা হিসেবে নির্ধারিত, স্মার্ট বাংলাদেশ অর্জনের বছর নয়। B) 2035 — এই সালটি সরকারের কোনো দীর্ঘমেয়াদী ডিজিটাল রূপান্তরের মূল লক্ষ্য হিসেবে নির্ধারিত নয়। C) 2041 — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং স্মার্ট বাংলাদেশ ভিশন অর্জনের নির্ধারিত বছর। D) 2050 — এই সালটি জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা সংক্রান্ত দীর্ঘমেয়াদী ডেল্টা প্ল্যান ২১০০ এর সাথে সংশ্লিষ্ট, স্মার্ট বাংলাদেশ ভিশনের সাথে নয়। মনে রাখার টিপস: ডিজিটাল বাংলাদেশ ছিল ২০২১ সালের লক্ষ্য এবং তার পরবর্তী ধাপ স্মার্ট বাংলাদেশ অর্জনের লক্ষ্য নির্ধারিত হয়েছে ২০৪১ সাল।
a USA
b France
c Russia
d China
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) USA কেন সঠিক: - বাংলাদেশ স্যাটেলাইট-১ বা বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ ২০১৮ সালের ১১ই মে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়। - এটি উৎক্ষেপণ করেছিল মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা স্পেসএক্স, যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কেনেডি স্পেস সেন্টারের উৎক্ষেপণ প্যাড ব্যবহার করেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) USA — এটি সঠিক উত্তর কারণ স্যাটেলাইটটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল। B) France — ফ্রান্সের কোনো স্থান থেকে এই স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করা হয়নি, যদিও এটি নির্মাণ করেছিল ফ্রান্সের থালিস অ্যালেনিয়া স্পেস। C) Russia — রাশিয়া এই স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের সঙ্গে যুক্ত ছিল না, যদিও রাশিয়ার নিজস্ব মহাকাশ কর্মসূচি রয়েছে। D) China — চীন এই স্যাটেলাইটের উৎক্ষেপণকারী দেশ নয়, এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মাটি থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট মহাকাশে পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, আর এটি বানিয়েছে ফ্রান্স।
a Humayun Rasheed Choudhury
b Khalilur Rahman
c Debapriya Bhattacharya
d Irene Khan
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Humayun Rasheed Choudhury কেন সঠিক: - হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী ১৯৮৬ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের একচল্লিশতম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হন। - তিনি প্রথম ও একমাত্র বাংলাদেশি হিসেবে জাতিসংঘের এই সর্বোচ্চ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Humayun Rasheed Choudhury — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং তিনি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের প্রথম বাংলাদেশি সভাপতি ছিলেন। B) Khalilur Rahman — তিনি জাতিসংঘের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করলেও সাধারণ পরিষদের সভাপতি হননি। C) Debapriya Bhattacharya — তিনি একজন প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ ও গবেষক, তবে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতি হননি। D) Irene Khan — তিনি অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের সাবেক সেক্রেটারি জেনারেল এবং বর্তমানে জাতিসংঘের বিশেষ rapporteur হিসেবে কর্মরত আছেন। মনে রাখার টিপস: জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রথম নেতৃত্ব দিয়েছেন হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী, যা সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদ অর্জনের মাধ্যমে ইতিহাস সৃষ্টি করেছিল।
a Fazle Hasan Abed
b Muhammad Yunus
c Mahfuz Anam
d Tahrunnesa Abdullah
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার সঠিক উত্তর: D) Tahrunnesa Abdullah কেন সঠিক: - তাহরুননেসা আবদুল্লাহ গ্রামীণ উন্নয়ন ও নারী কল্যাণে অবদানের জন্য ১৯৭৮ সালে রামন ম্যাগসেসে পুরস্কার লাভ করেন। - তিনি বাংলাদেশের প্রথম ব্যক্তি হিসেবে এই মর্যাদাপূর্ণ এশীয় পুরস্কার অর্জন করার গৌরব অর্জন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Fazle Hasan Abed — তিনি ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা এবং ১৯৮০ সালে ম্যাগসেসে পুরস্কার পান, কিন্তু প্রথম নন। B) Muhammad Yunus — তিনি গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা এবং ১৯৮৪ সালে ম্যাগসেসে পুরস্কার লাভ করেন। C) Mahfuz Anam — তিনি প্রখ্যাত সাংবাদিক ও ডেইলি স্টার পত্রিকার সম্পাদক, যিনি এই পুরস্কার পাননি। D) Tahrunnesa Abdullah — তিনি প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ১৯৭৮ সালে এই পুরস্কার লাভ করেছিলেন। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের প্রথম ম্যাগসেসে জয়ী নারী হলেন তাহরুননেসা আবদুল্লাহ, যিনি ১৯৭৮ সালে কমিউনিটি লিডারশিপ বিভাগে এই সম্মাননা পান।
a Bndarban
b Rangamati
c Cox’s Bazar
d Khagrachari
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Rangamati কেন সঠিক: - রাঙামাটি জেলা ভারতের মিজোরাম রাজ্য এবং মায়ানমার রাষ্ট্র উভয়ের সাথেই আন্তর্জাতিক সীমান্ত ভাগ করেছে। - এটি বাংলাদেশের একমাত্র জেলা যা একই সাথে দুটি ভিন্ন দেশের সীমানা স্পর্শ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Bandarban — এটি কেবল মায়ানমারের সীমান্তসংলগ্ন হলেও ভারতের কোনো সীমানা স্পর্শ করে না। B) Rangamati — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। C) Cox's Bazar — এটি শুধু মায়ানমারের সীমান্তবর্তী জেলা এবং এর সাথে ভারতের কোনো সংযোগ নেই। D) Khagrachari — এটি কেবল ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের সীমান্তবর্তী কিন্তু মায়ানমার সীমান্ত থেকে দূরে অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: দুই দেশের সাথে সীমান্ত আছে এমন একমাত্র জেলা রাঙামাটি, এটি মনে রাখতে রাঙামাটির 'র' দিয়ে দুই দেশের সীমানা বোঝায়।
a EU
b NATO
c WTO
d OECD
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) EU কেন সঠিক: - ১৯৯২ সালের মাস্ত্রিখট চুক্তির মাধ্যমে ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা ইইউ গঠিত হয়। - এই চুক্তির ফলে ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক integración বা ঐক্য আরও সুদৃঢ় হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) EU — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই চুক্তিটি ইউরোপীয় ইউনিয়ন গঠনের জন্যই স্বাক্ষরিত হয়েছিল। B) NATO — এটি একটি সামরিক জোট যা ১৯৪৯ সালের উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়েছিল। C) WTO — বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা বা ডব্লিউটিও গঠিত হয় ১৯৯৫ সালে মারাকেশ চুক্তির মাধ্যমে। D) OECD — অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও উন্নয়ন সংস্থাটি ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। মনে রাখার টিপস: মাস্ত্রিখট চুক্তি মানেই ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা ইইউ গঠনের ঐতিহাসিক দলিল।
a UNESCO
b IMF
c WTO
d UNIDO
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) UNIDO কেন সঠিক: - UNIDO এর পূর্ণরূপ হলো ইউনাইটেড নেশনস ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন। - এই আন্তর্জাতিক সংস্থাটির প্রধান কার্যালয় অস্ট্রিয়ার ভিয়েনা শহরে অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) UNESCO — এটি জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা এবং এর সদর দপ্তর ফ্রান্সের প্যারিসে অবস্থিত। B) IMF — এটি আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল এবং এর সদর দপ্তর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত। C) WTO — এটি বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা এবং এর সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত। D) UNIDO — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর সদর দপ্তর অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায় অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: ভিয়েনা মানেই শিল্প উন্নয়ন বা UNIDO, আর জেনেভা মানে বাণিজ্য বা স্বাস্থ্য বিষয়ক সংস্থা।
a World Bank
b WTO
c IMF
d OECD
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) IMF কেন সঠিক: - আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা আইএমএফ বিশ্ব অর্থনীতি এবং বৈশ্বিক আর্থিক পরিস্থিতি নিয়ে নিয়মিতভাবে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুক বা ডব্লিউইও প্রকাশ করে। - এই প্রতিবেদনে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি, মুদ্রাস্ফীতি এবং ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক পূর্বাভাস সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তুলে ধরা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) World Bank — বিশ্বব্যাংক মূলত বিশ্ব উন্নয়ন প্রতিবেদন এবং গ্লোবাল ইকোনমিক প্রসপেক্টস প্রকাশ করে, ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুক নয়। B) WTO — বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা প্রধানত বৈশ্বিক বাণিজ্য নীতি এবং বিশ্ব বাণিজ্য পরিসংখ্যান প্রতিবেদন প্রকাশ করে থাকে। C) IMF — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এই সংস্থার পক্ষ থেকেই ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুক প্রকাশ করা হয়। D) OECD — ওইসিডি মূলত উন্নত দেশগুলোর অর্থনৈতিক সমীক্ষা এবং বিভিন্ন দেশের নীতিগত বিশ্লেষণমূলক প্রতিবেদন প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: আইএমএফ মানে মুদ্রার তহবিল আর টাকা পয়সার হিসাব বা আউটলুক জানাতে তারাই ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুক প্রকাশ করে।
a Turkey
b Brazil
c United Arab Emirates
d United Kingdom
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: B) Brazil কেন সঠিক: - জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন বা কপ৩১ (COP31) এর আয়োজক দেশ হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে ব্রাজিলের নাম নির্ধারিত হয়েছে। - আমাজন বনাঞ্চলের সুরক্ষার জন্য ব্রাজিলের বেলেন (Belem) শহরে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Turkey — তুরস্ক কপ৩১ আয়োজনের জন্য আবেদন করলেও শেষ পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার সাথে প্রতিদ্বন্দীতায় সরে দাঁড়ায় এবং এটি সঠিক উত্তর নয়। B) Brazil — এটি সঠিক উত্তর কারণ ব্রাজিল আনুষ্ঠানিকভাবে কপ৩১ (COP31) সম্মেলনের আয়োজক দেশ হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। C) United Arab Emirates — সংযুক্ত আরব আমিরাত ইতিপূর্বে দুবাইতে অনুষ্ঠিত কপ২৮ (COP28) এর আয়োজক ছিল, কপ৩১ এর নয়। D) United Kingdom — যুক্তরাজ্য এর আগে গ্লাসগোতে অনুষ্ঠিত কপ২৬ (COP26) এর সফল আয়োজন করেছিল, বর্তমান কপ৩১ এর আয়োজক নয়। মনে রাখার টিপস: জলবায়ুর ফুসফুস আমাজন ব্রাজিলে অবস্থিত, তাই জলবায়ু সম্মেলন কপ৩১ এর আয়োজকও ব্রাজিল।
a Argentina
b Indonesia
c Nigeria
d Bangladesh
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Indonesia কেন সঠিক: - ইন্দোনেশিয়া ২০২৪ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে ব্রিকস জোটের পূর্ণাঙ্গ সদস্যপদ লাভ করে। - দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বৃহত্তম অর্থনীতি হিসেবে ইন্দোনেশিয়া এই জোটে যোগ দিয়ে বৈশ্বিক প্রভাব বৃদ্ধি করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Argentina — আর্জেন্টিনা ব্রিকসের আমন্ত্রণ পেলেও ২০২৪ সালের শেষের দিকে নতুন সরকার গঠনের পর জোটে যোগদানে অস্বীকৃতি জানায়। B) Indonesia — প্রদত্ত উত্তরে ইন্দোনেশিয়াকে সঠিক বলা হয়েছে, যা ব্রিকসের নবম ও সর্বশেষ পূর্ণাঙ্গ সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে যুক্ত হয়েছে। সি) Nigeria — নাইজেরিয়া ব্রিকসের অংশীদার রাষ্ট্র হিসেবে যুক্ত হলেও এখনও পূর্ণাঙ্গ সদস্য পদ লাভ করেনি। D) Bangladesh — বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে ব্রিকসের সদস্য পদের জন্য আবেদন করলেও বর্তমানে পূর্ণাঙ্গ সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়নি। মনে রাখার টিপস: ব্রিকসের নতুন সদস্য মনে রাখতে আশিয়ান জোটের প্রধান দেশ ইন্দোনেশিয়ার নাম মাথায় রাখুন।
a USA
b Japan
c Sweden
d France
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) France কেন সঠিক: - আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২০৩০ সালের শীতকালীন অলিম্পিক গেমসের আয়োজক দেশ হিসেবে ফ্রান্সকে নির্বাচিত করা হয়েছে। - ফ্রান্সের আল্পস অঞ্চলে এই গেমস অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে, যা দেশটির শীতকালীন ক্রীড়ার অবকাঠামোকে কাজে লাগাবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) USA — যুক্তরাষ্ট্র ২০৩০ সালের জন্য নয়, বরং লস অ্যাঞ্জেলেস শহরে ২০২৮ সালের গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক গেমসের আয়োজক। B) Japan — জাপান অতীতে শীতকালীন অলিম্পিক আয়োজন করলেও ২০৩০ সালের স্বাগতিক দেশ হিসেবে নির্বাচিত হয়নি। C) Sweden — সুইডেন ২০৩০ সালের শীতকালীন অলিম্পিকের আয়োজক হওয়ার দৌড়ে থাকলেও শেষ পর্যন্ত ফ্রান্সের কাছে নির্বাচিত হতে পারেনি। D) France — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং দেশটি আনুষ্ঠানিকভাবে ২০৩০ সালের শীতকালীন অলিম্পিক আয়োজনের দায়িত্ব পেয়েছে। মনে রাখার টিপস: শীতকালীন অলিম্পিক এবং ফরাসি আল্পস পর্বতমালা এই দুটি শব্দ একসঙ্গে মনে রাখলে ২০৩০ সালের আয়োজক দেশ ফ্রান্সকে খুব সহজে মনে রাখা সম্ভব।
a Influenza
b Epstein-Barr Virus (EBV)
c Hepatitis C
d HIV
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি / সাম্প্রতিক তথ্য সঠিক উত্তর: A) Influenza কেন সঠিক: - ইউএস এফডিএ প্রযুক্তির ক্ষেত্রে এমআরএনএ প্রযুক্তির সফল প্রয়োগ ঘটিয়ে ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের বিরুদ্ধে প্রথম টিকা অনুমোদন করেছে। - এটি ঐতিহ্যবাহী টিকার তুলনায় দ্রুত প্রস্তুত করা যায় এবং শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কার্যকরভাবে তৈরি করতে পারে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Influenza — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই ভাইরাসের বিরুদ্ধেই প্রথম এমআরএনএ টিকা অনুমোদিত হয়েছে। B) Epstein-Barr Virus (EBV) — এই ভাইরাসের বিরুদ্ধে বর্তমানে কোনো এমআরএনএ টিকা এফডিএ কর্তৃক অনুমোদিত হয়নি। C) Hepatitis C — হেপাটাইটিস সি ভাইরাসের চিকিৎসায় অন্যান্য ওষুধ ও টিকা ব্যবহৃত হলেও এমআরএনএ টিকা প্রথম অনুমোদিত হয়নি। D) HIV — এইচআইভি ভাইরাসের বিরুদ্ধে কার্যকর এমআরএনএ টিকা এখনো গবেষণাধীন অবস্থায় রয়েছে এবং অনুমোদিত হয়নি। মনে রাখার টিপস: এমআরএনএ প্রযুক্তির প্রথম সফল টিকা অনুমোদনের ক্ষেত্রে ইনফ্লুয়েঞ্জা নামটি মনে রাখতে হবে।
a Liver
b Kidney
c Thyroid
d Pancreas
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Pancreas কেন সঠিক: - অগ্ন্যাশয়ের আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহ্যান্সের বিটা কোষ থেকে মানবদেহে প্রধানত ইনসুলিন হরমোন উৎপাদিত হয়। - ইনসুলিন রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Liver — এটি পিত্তরস উৎপাদন ও বিপাকীয় কাজের সাথে যুক্ত, সরাসরি ইনসুলিন উৎপাদন করে না। B) Kidney — এটি রক্ত ফিল্টার করে মূত্র তৈরি এবং তরল ভারসাম্য রক্ষা করে, ইনসুলিন তৈরি করে না। C) Thyroid — এটি থাইরক্সিন হরমোন উৎপাদন করে যা বিপাক ক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে, ইনসুলিন তৈরি করে না। D) Pancreas — এটি ইনসুলিন উৎপাদনের মূল অঙ্গ হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। মনে রাখার টিপস: প্যানক্রিয়াস বা অগ্ন্যাশয় হলো ইনসুলিনের কারখানা।
a A tied score
b Zero points
c Match point
d A server’s advantage
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Zero points কেন সঠিক: - টেনিস খেলায় স্কোর গণনার সময় শূন্য বা কোনো পয়েন্ট অর্জন না করাকে লাভ বলা হয়। - খেলা শুরুর সময় বা কোনো খেলোয়াড় পয়েন্ট না পেলে এই পরিভাষাটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A tied score — টেনিসে সমতা বোঝাতে ডিউজ বা অল বলা হয়, লাভ বলা হয় না। B) Zero points — এটি টেনিসের নিয়মানুযায়ী সঠিক এবং এটিই লাভ শব্দের শাব্দিক অর্থ। C) Match point — এটি এমন একটি পরিস্থিতি যেখানে কোনো খেলোয়াড় ম্যাচ জেতার একটি পয়েন্ট দূরে থাকে। D) A server’s advantage — সার্ভারের সুবিধাকে টেনিসে অ্যাডভান্টেজ বলা হয়, লাভ বলা হয় না। মনে রাখার টিপস: টেনিসে লাভ মানে শূন্য, কারণ শূন্য পেলে মানুষ ভালোবাসার মতো সব হারিয়ে শূন্যে পৌঁছে যায়।
a Shakib Al Hasan
b Tamim Iqbal
c Mushfiqur Rahim
d Mominul Haque
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Mushfiqur Rahim কেন সঠিক: - মুশফিকুর রহিম বাংলাদেশের প্রথম ব্যাটসম্যান যিনি টেস্ট ক্রিকেটে দ্বিশতক (ডাবল সেঞ্চুরি) অর্জন করেন। - তিনি ২০১৩ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে গল টেস্টে এই ঐতিহাসিক কীর্তি গড়েন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Shakib Al Hasan — তিনি টেস্টে বাংলাদেশের হয়ে প্রথম ডাবল সেঞ্চুরিয়ান নন, যদিও পরবর্তীতে তিনি ডাবল সেঞ্চুরি করেছেন। B) Tamim Iqbal — তিনি টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম তামিম সেঞ্চুরি বা বড় রানের ইনিংস খেললেও প্রথম ডাবল সেঞ্চুরির রেকর্ড তার নয়। C) Mushfiqur Rahim — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়। D) Mominul Haque — তিনি টেস্টে বাংলাদেশের অন্যতম সফল ব্যাটার হলেও প্রথম ডাবল সেঞ্চুরির কৃতিত্ব তার নয়। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ দলের প্রথম ডাবল সেঞ্চুরির সাথে মুশফিকুর রহিমের নাম মনে রাখতে গল টেস্টের কথাটি মনে রাখুন।

মোট প্রশ্ন (10)

a Control Unit
b Cache
c ALU
d Register
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ALU ১. কেন সঠিক: - কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট বা CPU-র ভেতরের সমস্ত গাণিতিক এবং যৌক্তিক অপারেশনগুলো সরাসরি ALU বা অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট সম্পন্ন করে। - ডেটা প্রসেসিংয়ের সময় যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ এবং সত্য বা মিথ্যার মতো তুলনাগুলো এই অংশে সম্পন্ন হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: ALU-র পূর্ণরূপ হলো Arithmetic Logic Unit বা গাণিতিক যৌক্তিক একক, যা CPU-র প্রধান প্রক্রিয়াকরণ অংশ। - কার্যপদ্ধতি: কন্ট্রোল ইউনিট থেকে নির্দেশনা পাওয়ার পর এটি মেমোরি থেকে ডেটা এনে গাণিতিক ও যৌক্তিক হিসাব সম্পন্ন করে। - বৈশিষ্ট্য: এটি মূলত দুটি অংশ নিয়ে গঠিত, যার একটি গাণিতিক অপারেশন এবং অন্যটি লজিক বা তুলনামূলক সিদ্ধান্ত নেয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ৫ এবং ১০ যোগ করা। ব্যাখ্যা: প্রসেসর যখন ৫ এবং ১০ যোগ করার নির্দেশ পায়, তখন ALU এই দুটি সংখ্যা যোগ করে ফলাফল ১৫ তৈরি করে। উদাহরণ ২: দুটি সংখ্যার মধ্যে কোনটি বড় তা নির্ধারণ করা। ব্যাখ্যা: ALU লজিক্যাল অপারেশনের মাধ্যমে নির্ধারণ করে কোন সংখ্যাটি বড় এবং সেই অনুযায়ী পরবর্তী কাজের পথ নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Control Unit — এটি পুরো কম্পিউটারের অপারেশন নিয়ন্ত্রণ করে কিন্তু কোনো গাণিতিক বা যৌক্তিক হিসাব নিজে সম্পন্ন করে না। B) Cache — এটি প্রসেসরের অত্যন্ত দ্রুতগতির একটি ছোট মেমোরি, যা ডেটা সাময়িক সংরক্ষণ করে কিন্তু হিসাব করে না। D) Register — এটি প্রসেসরের ভেতরে ডেটা সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত অত্যন্ত দ্রুতগতির মেমোরি ঘর, যা অপারেশন চালায় না। ৫. মনে রাখার টিপস: - ALU-র পূর্ণরূপ মনে রাখবে Arithmetic Logic Unit, যেখানে Arithmetic অর্থ গাণিতিক এবং Logic অর্থ যৌক্তিক কাজ। - কন্ট্রোল ইউনিট কাজ পরিচালনা করে আর ALU শুধু হিসাব নিকাশ ও তুলনার কাজটি করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - CPU-র মূল কাজের ক্ষেত্র হলো ALU। - BCS ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় CPU-র বিভিন্ন উপাদানের কাজ নিয়ে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
a Ubuntu
b Python
c iOS
d Windows
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Python ১. কেন সঠিক: পাইথন (Python) কোনো অপারেটিং সিস্টেম নয়, এটি একটি উচ্চ স্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা (High-level Programming Language)। অপারেটিং সিস্টেম হলো এমন এক ধরণের সিস্টেম সফটওয়্যার যা কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার এবং ব্যবহারকারীর মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: প্রোগ্রামিং ভাষা হলো এমন কিছু নিয়ম ও কাঠামোর সমষ্টি যা ব্যবহার করে কম্পিউটারকে বিভিন্ন নির্দেশ প্রদান করা হয়। কার্যপদ্ধতি: পাইথনের সিনট্যাক্স বা লেখার নিয়ম ইংরেজি ভাষার খুব কাছাকাছি হওয়ায় এটি মানুষের পক্ষে সহজে বোঝা ও ব্যবহার করা সম্ভব। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পাইথন ভাষা ব্যবহার করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence) এবং ডেটা সায়েন্সের বিভিন্ন সফটওয়্যার তৈরি করা হয়। ব্যাখ্যা: এটি জটিল কোডিং খুব সহজে করতে সাহায্য করে বিধায় সফটওয়্যার ডেভেলপারদের কাছে এটি অত্যন্ত জনপ্রিয়। উদাহরণ ২: উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে পাইথন কোড লিখে রান করানো যায়। ব্যাখ্যা: পাইথন নিজে সরাসরি কম্পিউটার পরিচালনা করে না, বরং অপারেটিং সিস্টেমের ভেতরে অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার হিসেবে রান করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Ubuntu — এটি লিনাক্স কার্নেল ভিত্তিক একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম, যা সার্ভার ও ব্যক্তিগত কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়। B) Python — এটি একটি জনপ্রিয় প্রোগ্রামিং ভাষা এবং সফটওয়্যার তৈরির মাধ্যম, যা কোনো অপারেটিং সিস্টেম নয়। C) iOS — এটি অ্যাপল কোম্পানির তৈরি একটি মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম যা আইফোন ও আইপ্যাডে ব্যবহৃত হয়। D) Windows — এটি মাইক্রোসফট কর্পোরেশনের তৈরি পৃথিবীর অন্যতম সর্বাধিক ব্যবহৃত জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম। ৫. মনে রাখার টিপস: উইন্ডোজ, লিনাক্স, উবুন্টু, আইওএস এগুলো হলো অপারেটিং সিস্টেম বা কম্পিউটার চালনার মাধ্যম। অন্যদিকে পাইথন, জাভা, সি হলো প্রোগ্রামিং ভাষা বা সফটওয়্যার তৈরির মাধ্যম। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার চালনা করার মূল সফটওয়্যার হলো অপারেটিং সিস্টেম, আর নতুন সফটওয়্যার তৈরি করার জন্য ব্যবহার করা হয় প্রোগ্রামিং ভাষা। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সিস্টেম সফটওয়্যার ও প্রোগ্রামিং ভাষার মধ্যে পার্থক্য থেকে প্রশ্ন আসে।
a A1
b $A1
c A$1
d $A$1
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) A1 ১. কেন সঠিক: - মাইক্রোসফট এক্সেলে সেল রেফারেন্স নির্দিষ্ট করার জন্য ডলার চিহ্ন ব্যবহার করা হয়। - পরম বা অ্যাবসোলিউট সেল রেফারেন্সে কলাম ও সারি উভয়ের আগে ডলার চিহ্ন থাকে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: যে সেল রেফারেন্সে কলাম ও সারির অবস্থান লক বা স্থায়ী করা হয় তাকে অ্যাবসোলিউট সেল রেফারেন্স বলে। - কার্যপদ্ধতি: এই ফর্মুলা অন্য সেলে কপি করলে রো ও কলামের ঠিকানা অপরিবর্তিত থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বেতন নির্ধারণের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কোনো কর্মকর্তার বোনাসের শতকরা হার সেল থেকে ফিক্সড করা। ব্যাখ্যা: ওই নির্দিষ্ট সেলের মান পরিবর্তন না করে ফর্মুলা নিচে ড্র্যাগ করতে এই রেফারেন্স ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: একটি নির্দিষ্ট সেলে থাকা মুদ্রা বিনিময় হার সব হিসাবের ক্ষেত্রে অপরিবর্তিত রাখা। ব্যাখ্যা: বারবার মান পরিবর্তন না করে একটি নির্দিষ্ট সেলকে অ্যাবসোলিউট করে সব জায়গায় ব্যবহার করা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) A1 — এটি হলো রিলেটিভ সেল রেফারেন্স, যেখানে ফর্মুলা কপি করলে রো ও কলামের ঠিকানা বদলে যায়। B) A1 — এটি হলো মিক্সড সেল রেফারেন্স, যেখানে কেবল কলাম লক করা থাকে কিন্তু সারি পরিবর্তনশীল। C) A1 — এটি হলো মিক্সড সেল রেফারেন্স, যেখানে কেবল সারি লক করা থাকে কিন্তু কলাম পরিবর্তনশীল। D) A1 — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এতে কলাম ও সারি উভয়ই ডলার চিহ্ন দিয়ে লক করা আছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - ডলার চিহ্ন মানেই হলো ফিক্সড বা লক করা। - যার আগে ডলার থাকবে সে পরিবর্তন হবে না। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এক্সেলে এফ ফোর കീ চেপে রিলেটিভ থেকে অ্যাবসোলিউট সেল রেফারেন্সে পরিবর্তন করা যায়। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মিক্সড ও অ্যাবসোলিউট সেল রেফারেন্সের পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়।
a DELETE
b TRUNCATE
c DROP
d REMOVE
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) DROP ১. কেন সঠিক: - SQL বা Structured Query Language-এ DROP কমান্ড ডেটাবেজ থেকে সম্পূর্ণ টেবিল বা ডেটাবেজ মুছে ফেলতে ব্যবহৃত হয়। - এটি টেবিলের কাঠামোর পাশাপাশি এর ভেতরের সব ডেটা এবং সংশ্লিষ্ট ইনডেক্স চিরতরে মুছে ফেলে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: DROP হলো একটি DDL বা Data Definition Language কমান্ড যা ডেটাবেজ অবজেক্ট চিরতরে মুছে ফেলে। - কার্যপদ্ধতি: এই কমান্ড রান করার পর সিস্টেম মেমরি থেকে টেবিল বা ডেটাবেজের সমস্ত রেফারেন্স এবং স্ট্রাকচার সম্পূর্ণ ডিলিট করে দেয়। - ব্যবহার: যখন কোনো টেবিল আর প্রয়োজন হয় না এবং সার্ভারের জায়গা খালি করতে হয়, তখন এটি ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: DROP TABLE Employees; ব্যাখ্যা: এই কোডটি রান করলে Employees নামের টেবিলটি তার সব ডেটা ও কাঠামোসহ ডেটাবেজ থেকে সম্পূর্ণরূপে মুছে যাবে। উদাহরণ ২: DROP DATABASE CompanyDB; ব্যাখ্যা: এই কোডটি একটি সম্পূর্ণ ডেটাবেজ মুছে ফেলার জন্য ব্যবহার করা হয়, যার মধ্যে থাকা সব টেবিল ডিলিট হয়ে যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) DELETE — এটি একটি DML কমান্ড যা টেবিলের ভেতরের ডেটা মুছে ফেলে, কিন্তু টেবিলের কাঠামো বা স্ট্রাকচার অক্ষুণ্ণ রাখে। B) TRUNCATE — এটি টেবিলের সব ডেটা দ্রুত মুছে ফেলে, কিন্তু টেবিলের মূল কাঠামো বা স্ট্রাকচার অপরিবর্তিত থাকে। D) REMOVE — এটি স্ট্যান্ডার্ড SQL-এর কোনো ডেটাবেজ কমান্ড নয়, তাই এটি টেবিল বা কাঠামো মুছে ফেলতে পারে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - DROP মানে পুরোপুরি ধ্বংস করা বা মুছে ফেলা। - DELETE বা TRUNCATE শুধু ভেতরের ডেটা পরিষ্কার করে, কিন্তু DROP ঘরসহ (কাঠামো) সব কিছু মুছে দেয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই DDL এবং DML কমান্ডের পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়। - DROP এবং TRUNCATE-এর মধ্যে মূল পার্থক্য হলো DROP টেবিলের স্ট্রাকচার মুছে দেয় আর TRUNCATE শুধু ডেটা মুছে ফেলে।
a SaaS
b PaaS
c IaaS
d NaaS
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) SaaS ১. কেন সঠিক: Gmail একটি Software as a Service (সফটওয়্যার অ্যাজ এ সার্ভিস) মডেলের ক্লাউড সেবা। এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা কোনো সফটওয়্যার বা হার্ডওয়্যার ইনস্টল না করেই সরাসরি ইন্টারনেটের মাধ্যমে সেবা গ্রহণ করতে পারেন। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: SaaS হলো এমন একটি ক্লাউড কম্পিউটিং সেবা যার মাধ্যমে ইন্টারনেট ব্রাউজারের সাহায্যে যেকোনো অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করা যায়। কার্যপদ্ধতি: এই সেবাগুলো ক্লাউড প্রোভাইডারদের রিমোট সার্ভারে হোস্ট করা থাকে এবং ব্যবহারকারীরা সাবস্ক্রিপশন বা বিনামূল্যে ব্রাউজারের মাধ্যমে তা ব্যবহার করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: Google Docs ব্যাখ্যা: ব্যবহারকারী নিজের কম্পিউটারে কোনো অফিস সফটওয়্যার ইনস্টল না করেই অনলাইনে ডকুমেন্ট তৈরি ও সম্পাদনা করতে পারেন। উদাহরণ ২: Microsoft Office 365 ব্যাখ্যা: ইন্টারনেটের মাধ্যমে মাইক্রোসফটের বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন সরাসরি ব্যবহার করা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) SaaS — এটি সঠিক উত্তর কারণ Gmail একটি ক্লাউডভিত্তিক অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার সেবা। B) PaaS — এটি Platform as a Service, যা ডেভেলপারদের জন্য কোডিং ও সফটওয়্যার তৈরির প্ল্যাটফর্ম সরবরাহ করে, সাধারণ ইমেইলের জন্য নয়। C) IaaS — এটি Infrastructure as a Service, যা ভার্চুয়াল সার্ভার ও স্টোরেজ দেয়, সরাসরি কোনো এন্ড-ইউজার অ্যাপ্লিকেশন নয়। D) NaaS — এটি Network as a Service, যা ক্লাউডভিত্তিক নেটওয়ার্ক কানেক্টিভিটি এবং রাউটিং সেবা প্রদান করে। ৫ মনে রাখার টিপস: SaaS মানে সরাসরি ব্যবহার করার সফটওয়্যার, যা আমরা ব্রাউজারে চালাই যেমন Gmail। PaaS হলো প্ল্যাটফর্ম বা ভিত্তি, যা কেবল প্রোগ্রামাররা ব্যবহার করেন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ক্লাউড কম্পিউটিং সেবার তিনটি প্রধান মডেল রয়েছে যথা IaaS, PaaS এবং SaaS। Gmail, Yahoo Mail এবং Google Drive হলো জনপ্রিয় SaaS সেবার উদাহরণ।
a LAN
b MAN
c PAN
d WAN
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) PAN ১. কেন সঠিক: - Bluetooth হলো পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা PAN এর একটি চমৎকার উদাহরণ যা খুব কাছাকাছি দূরত্বের ডিভাইসের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে। - এটি মূলত একজন ব্যক্তির চারপাশে প্রায় ১০ মিটার বা ৩০ ফুটের মধ্যে থাকা ব্যক্তিগত ডিভাইসগুলোর মধ্যে তারহীন যোগাযোগ রক্ষা করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: PAN এর পূর্ণরূপ হলো Personal Area Network বা ব্যক্তিগত ক্ষেত্র নেটওয়ার্ক যা একজন ব্যক্তির কাছাকাছি ডিভাইসের মধ্যে ডেটা শেয়ার করতে ব্যবহৃত হয়। - কার্যপদ্ধতি: এটি রেডিও তরঙ্গের মাধ্যমে স্বল্প দূরত্বে দুটি ডিভাইসের মধ্যে নিরাপদ ও সরাসরি ডেটা আদান-প্রদান নিশ্চিত করে। - বৈশিষ্ট্য: এর কভারেজ এরিয়া খুবই সীমিত, এটি কম বিদ্যুৎ খরচ করে এবং এর জন্য কোনো তারের প্রয়োজন হয় না। - ব্যবহার: মোবাইল থেকে কম্পিউটারে ফাইল পাঠানো, ব্লুটুথ হেডফোন ব্যবহার করা এবং স্মার্টওয়াচ কানেক্ট করার কাজে এটি ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্মার্টফোনের সাথে ব্লুটুথ হেডফোনের সংযোগ। ব্যাখ্যা: এটি ব্যবহারকারীর কানের কাছাকাছি থেকে তার ছাড়াই সরাসরি অডিও সিগন্যাল আদান-প্রদান করে। উদাহরণ ২: ল্যাপটপ থেকে ব্লুটুথ মাউস বা কিবোর্ড ব্যবহার। ব্যাখ্যা: এটি কাজের টেবিলের মধ্যে তারের ঝামেলা ছাড়াই ডিভাইসগুলোকে পরস্পরের সাথে যুক্ত রাখে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) LAN — এটি Local Area Network যার পরিধি একটি রুম, ভবন বা অফিস পর্যন্ত বিস্তৃত থাকে, যা ব্লুটুথের চেয়ে অনেক বড়। B) MAN — এটি Metropolitan Area Network যা একটি সম্পূর্ণ শহরজুড়ে বিস্তৃত কম্পিউটার নেটওয়ার্ক হিসেবে কাজ করে। D) WAN — এটি Wide Area Network যা পৃথিবীজুড়ে বিস্তৃত ইন্টারনেট বা বিশাল দূরত্বের নেটওয়ার্ক নির্দেশ করে। ৫ মনে রাখার টিপস: - PAN মানে ব্যক্তিগত বা পার্সোনাল নেটওয়ার্ক, তাই নিজের শরীরের বা খুব কাছের ডিভাইসের সংযোগ হলো PAN। - ব্লুটুথ প্রযুক্তির জনক এরিকসন কোম্পানি এবং এর নাম রাখা হয়েছে দশম শতাব্দীর ভাইকিং রাজা হারাল্ড ব্লুটুথের নামানুসারে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ভৌগোলিক বিস্তৃতির ওপর ভিত্তি করে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক সাধারণত PAN, LAN, MAN এবং WAN এই চার ভাগে বিভক্ত। - ব্লুটুথ প্রযুক্তি আইইইই ৮১০.১৫ স্ট্যান্ডার্ডের অধীনে কাজ করে এবং এটি স্বল্প দূরত্বের যোগাযোগের জন্য সর্বাধিক জনপ্রিয়।
a 32
b 48
c 64
d 128
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) 32 ১. কেন সঠিক: - IP Address বা Internet Protocol Address এর পূর্ণরূপ হলো ইন্টারনেট প্রোটোকল ঠিকানা। - IPv4 বা Internet Protocol version 4 ঠিকানায় মোট ৩২ টি বিট বা বাইনারি অঙ্ক থাকে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: IPv4 হলো ইন্টারনেটে যুক্ত প্রতিটি ডিভাইসের জন্য একটি অদ্বিতীয় বা ইউনিক ঠিকানা, যা ৩২ বিট দীর্ঘ এবং ডট দিয়ে আলাদা করা চারটি অংশে বিভক্ত। - কার্যপদ্ধতি: এই ৩২ বিট ঠিকানাকে ৪২ কোটি ৯৪ লাখ ৯৬ হাজার ৭২৯ টি অনন্য ঠিকানায় ভাগ করা যায়, যা বিশ্বজুড়ে কম্পিউটারগুলোকে নেটওয়ার্কে শনাক্ত করতে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ১৯২.১৬৮.১.১ ব্যাখ্যা: এটি একটি আদর্শ IPv4 ঠিকানার উদাহরণ, যেখানে চারটি অংশ বা অক্টেট দশমিক চিহ্ন দ্বারা পৃথক করা থাকে। উদাহরণ ২: হোম রাউটার ব্যাখ্যা: বাসার ওয়াইফাই রাউটার যখন মোবাইল বা ল্যাপটপকে সংযুক্ত করে, তখন প্রতিটি ডিভাইসকে আলাদাভাবে চেনার জন্য এরকম একটি IPv4 ঠিকানা বরাদ্দ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) 32 — এটি IPv4 ঠিকানার সঠিক বিট সংখ্যা এবং এটি ৪ বাইট দীর্ঘ। B) 48 — এটি সাধারণত MAC Address বা ফিজিক্যাল ঠিকানার দৈর্ঘ্য, যা নেটওয়ার্ক কার্ড তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। C) 64 — এটি কিছু বিশেষ নেটওয়ার্ক প্রোটোকল বা সিস্টেমের জন্য ব্যবহৃত হয়, যা স্ট্যান্ডার্ড IPv4 ঠিকানা নয়। D) 128 — এটি IPv6 বা Internet Protocol version 6 ঠিকানার দৈর্ঘ্য, যা ৩২ বিটের IPv4 এর সীমাবদ্ধতা দূর করতে তৈরি হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - IPv4 এ ৪ আছে এবং এটি ৩২ বিট (৪ গুণ ৮ সমান ৩২)। - IPv6 এ ৬ আছে এবং এটি ১২৮ বিট দীর্ঘ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই IPv4 ও IPv6 এর বিট সংখ্যা এবং MAC Address এর বিট সংখ্যা সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। - IPv4 ঠিকানার প্রতিটি অংশকে অক্টেট বলা হয় কারণ প্রতিটিতে ৮ বিট বা ১ বাইট করে থাকে।
a Hub
b Repeater
c Bridge
d Router
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Router ১. কেন সঠিক: - OSI মডেলের ৩ নম্বর লেয়ার বা নেটওয়ার্ক লেয়ারে কাজ করে রাউটার, যা ভিন্ন নেটওয়ার্কের মধ্যে ডেটা প্যাকেট আদান-প্রদান নিয়ন্ত্রণ করে। - আইপি অ্যাড্রেস বিশ্লেষণ করে ডেটাকে সঠিক গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়ার জন্য এটি সবচেয়ে উপযোগী নেটওয়ার্ক ডিভাইস। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: OSI মডেলের ৩ নম্বর লেয়ার বা নেটওয়ার্ক লেয়ার হলো এমন একটি স্তর যা ভিন্ন ভিন্ন নেটওয়ার্কের মধ্যে ডেটা রুট বা পথ নির্ধারণ করে। - কার্যপদ্ধতি: এটি সোর্স বা উৎস থেকে ডেটা প্যাকেট গ্রহণ করে এবং গন্তব্য নেটওয়ার্কের আইপি অ্যাড্রেস দেখে সবচেয়ে ভালো পথ বেছে নিয়ে তা ফরোয়ার্ড করে। - ব্যবহার: ল্যান বা লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক থেকে ওয়ান বা ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক বা ইন্টারনেটে ডেটা পাঠানোর জন্য রাউটার ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আপনার বাসা থেকে ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিদেশের কোনো ওয়েবসাইটে প্রবেশ করা। ব্যাখ্যা: আপনার ঘরের ওয়াইফাই রাউটার আপনার ডিভাইসের অনুরোধটি বিভিন্ন নেটওয়ার্ক পারাপার করে সঠিক গন্তব্য সার্ভারে পৌঁছে দেয়। উদাহরণ ২: দুটি ভিন্ন শহরের দুটি অফিসের কম্পিউটার নেটওয়ার্ক যুক্ত করা। ব্যাখ্যা: রাউটার এই দুটি দূরবর্তী নেটওয়ার্কের মধ্যে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করে এবং নিরাপদ যোগাযোগ স্থাপন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Hub — এটি OSI মডেলের ১ নম্বর বা ফিজিক্যাল লেয়ারে কাজ করে, যা সব পোর্টের মধ্যে ব্রডকাস্ট করে এবং কোনো আইপি অ্যাড্রেস বোঝে না। B) Repeater — এটি ফিজিক্যাল লেয়ারে কাজ করে এবং দুর্বল সিগন্যালকে বিবর্ধিত করে দীর্ঘ পথ অতিক্রম করার উপযোগী করে তোলে। C) Bridge — এটি OSI মডেলের ২ নম্বর বা ডেটা লিংক লেয়ারে কাজ করে এবং ম্যাক অ্যাড্রেস ব্যবহার করে দুটি ল্যানকে যুক্ত করে। D) Router — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ৩ নম্বর নেটওয়ার্ক লেয়ারে কাজ করে এবং আইপি রাউটিং সম্পন্ন করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - OSI মডেলের লেয়ার মনে রাখার কৌশল হলো ফিজিক্যাল লেয়ার ১, ডেটা লিংক ২, নেটওয়ার্ক ৩। - ৩ নম্বর লেয়ার বা নেটওয়ার্ক লেয়ারের রাজা হলো রাউটার, কারণ এটি আইপি অ্যাড্রেস নিয়ে কাজ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই প্রশ্ন আসে কোন ডিভাইস কোন লেয়ারে কাজ করে। - হাব ও রিপিটার ১ নম্বর লেয়ারে, সুইচ ও ব্রিজ ২ নম্বর লেয়ারে এবং রাউটার ৩ নম্বর লেয়ারে কাজ করে।
a DHCP
b DNS
c ARP
d NAT
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) DNS ১. কেন সঠিক: - DNS-এর পূর্ণরূপ হলো Domain Name System, যা মানুষের বোধগম্য ডোমেইন নামকে কম্পিউটারের বোধগম্য সংখ্যাভিত্তিক আইপি ঠিকানায় রূপান্তর করে। - ইন্টারনেটে প্রতিটি ডিভাইসের নির্দিষ্ট আইপি ঠিকানা থাকে, যা মনে রাখা কঠিন হওয়ায় এই প্রোটোকলটি নাম অনুবাদ করে সংযোগ স্থাপন সহজ করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: DNS হলো এমন একটি ডিস্ট্রিবিউটেড ডেটাবেজ সিস্টেম, যা ইন্টারনেটে নাম ও আইপি ঠিকানার মধ্যে পারস্পরিক মিল বা অনুবাদ করে। - কার্যপদ্ধতি: ব্যবহারকারী ব্রাউজারে নাম লিখলে ডিএনএস সার্ভার তা খুঁজে বের করে সংশ্লিষ্ট আইপি ঠিকানায় রূপান্তর করে সার্ভারের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করে। - ব্যবহার: ইন্টারনেটে কোনো ওয়েবসাইট ভিজিট করা বা ই-মেইল পাঠানোর সময় ঠিকানা খুঁজে বের করতে এই প্রোটোকল ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: google.com ঠিকানা টাইপ করা ব্যাখ্যা: ব্যবহারকারী নাম লিখলেও ডিএনএস প্রোটোকল এর পেছনের সুনির্দিষ্ট আইপি ঠিকানা যেমন ১৭২.২১৭.১৬০.১৪২ খুঁজে বের করে ওয়েবসাইটটি ব্রাউজারে প্রদর্শন করে। উদাহরণ ২: টেলিফোন ডিরেক্টরি বা কন্টাক্ট লিস্ট ব্যাখ্যা: মানুষের নাম দিয়ে ফোন নম্বর খোঁজার মতো ডিএনএস সিস্টেম ডোমেইন নাম দিয়ে আইপি ঠিকানা খুঁজে বের করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) DHCP — এটি Dynamic Host Configuration Protocol, যা নেটওয়ার্কের ডিভাইসগুলোকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে আইপি ঠিকানা প্রদান করে কিন্তু নাম অনুবাদ করে না। B) DNS — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ডোমেইন নামকে সংখ্যাভিত্তিক আইপি ঠিকানায় রূপান্তর করে। C) ARP — এটি Address Resolution Protocol, যা আইপি ঠিকানাকে ফিজিক্যাল ম্যাক ঠিকানায় রূপান্তর করে কিন্তু ডোমেইন নাম অনুবাদ করে না। D) NAT — এটি Network Address Translation, যা প্রাইভেট আইপি ঠিকানাকে পাবলিক আইপি ঠিকানায় রূপান্তর করে ইন্টারনেট যোগাযোগের সুযোগ দেয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - DNS শব্দের শুরুতে D আছে যার অর্থ Domain, আর এটি Domain Name কে IP Address এ রূপান্তর করে। - নাম থেকে নম্বরে যাওয়ার এই অনুবাদ প্রক্রিয়াকে ডিরেক্টরির সঙ্গে তুলনা করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - DNS সাধারণত ইউডিপি প্রোটোকলের ৫৩ নম্বর পোর্ট ব্যবহার করে কাজ করে। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রোটোকলের পূর্ণরূপ এবং তাদের সুনির্দিষ্ট কাজ প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়।
a POP3
b IMAP
c FTP
d SMTP
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) SMTP ১. কেন সঠিক: SMTP-এর পূর্ণরূপ হলো Simple Mail Transfer Protocol. এটি ইন্টারনেট বা নেটওয়ার্কে এক সার্ভার থেকে অন্য সার্ভারে ইলেকট্রনিক মেইল বা ই-মেইল পাঠানোর মূল প্রোটোকল হিসেবে কাজ করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: SMTP হলো একটি ইন্টারনেট স্ট্যান্ডার্ড প্রোটোকল যা ক্লায়েন্ট থেকে সার্ভারে বা সার্ভার থেকে সার্ভারে ই-মেইল প্রেরণের জন্য ব্যবহৃত হয়। কার্যপদ্ধতি: ব্যবহারকারী যখন কোনো ই-মেইল লিখে সেন্ড বাটনে ক্লিক করেন, তখন মেইল ক্লায়েন্ট SMTP ব্যবহার করে বার্তাটি মেইল সার্ভারে স্থানান্তর করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জিমেইল থেকে ইয়াহু ঠিকানায় মেইল পাঠানো। ব্যাখ্যা: জিমেইলের আউটগোয়িং সার্ভার SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করে ইন্টারনেট পেরিয়ে ইয়াহুর সার্ভারে বার্তাটি পৌঁছে দেয়। উদাহরণ ২: অফিসিয়াল ডোমেইনে ক্লায়েন্ট সফটওয়্যার থেকে বার্তা পাঠানো। ব্যাখ্যা: মাইক্রোসফট আউটলুক বা থান্ডারবার্ড এর মতো ই-মেইল ক্লায়েন্ট সার্ভারে মেইল সাবমিট করার জন্য SMTP ব্যবহার করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) POP3 — এটি সার্ভার থেকে লোকাল কম্পিউটারে ই-মেইল ডাউনলোড করার জন্য ব্যবহৃত হয়, মেইল পাঠানোর জন্য নয়। B) IMAP — এটি সার্ভারেই ই-মেইল সংরক্ষণ ও সিঙ্ক করার প্রোটোকল, মেইল পাঠানোর কাজে এটি সরাসরি ব্যবহৃত হয় না। C) FTP — এটি ফাইল ট্রান্সফার প্রোটোকল, যা ইন্টারনেটে কম্পিউটারগুলোর মধ্যে ফাইল আদান-প্রদানের কাজে ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: SMTP মানে সেন্ডিং বা পাঠানোর প্রোটোকল। মনে রাখতে পারেন S তে Send এবং P তে Post. ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ই-মেইল পাঠানোর প্রোটোকল হিসেবে SMTP এবং মেইল গ্রহণ বা পড়ার প্রোটোকল হিসেবে POP3 ও IMAP প্রায়শই প্রশ্ন হিসেবে আসে।

মোট প্রশ্ন (5)

a Nile
b Amazon
c Congo
d Yangtze
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Amazon ১. কেন সঠিক: - অ্যামাজন নদীর পানি প্রবাহের পরিমাণ বা ডিসচার্জ ভলিউম পৃথিবীর অন্য যেকোনো নদীর তুলনায় সবচেয়ে বেশি। - এই নদীটি বিশ্বের মোট নদীগুলোর সম্মিলিত স্বাদু পানির প্রবাহের প্রায় বিশ শতাংশ এককভাবে বহন করে থাকে। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের ব্রাজিল, পেরু এবং কলম্বিয়া অঞ্চলের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে আটলান্টিক মহাসাগরে পতিত হয়েছে। - বৈশিষ্ট্য: এটি পানিপ্রবাহের দিক থেকে বিশ্বের বৃহত্তম এবং দৈর্ঘ্যের দিক থেকে দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী হিসেবে পরিচিত। - সংশ্লিষ্ট তথ্য: অ্যামাজন নদীর অববাহিকা পৃথিবীর সবচেয়ে বড় রেইনফরেস্ট বা বৃষ্টিবহুল বনাঞ্চল তৈরি করেছে। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: কঙ্গো নদী ব্যাখ্যা: এটি আফ্রিকার দীর্ঘতম নদীগুলোর একটি এবং অববাহিকার আকারে দ্বিতীয় বৃহত্তম হলেও অ্যামাজনের মতো এতো বিশাল পরিমাণ পানি বহন করে না। উদাহরণ ২: মিসিসিপি নদী ব্যাখ্যা: এটি উত্তর আমেরিকার প্রধান নদী হলেও বৈশ্বিক পানি প্রবাহের তুলনামূলক বিচারে অ্যামাজন নদীর চেয়ে অনেক ছোট। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Nile — নীল নদ বিশ্বের দীর্ঘতম নদী হলেও এর পানি প্রবাহের পরিমাণ অ্যামাজনের তুলনায় অনেক কম। B) Amazon — এটি সঠিক উত্তর কারণ বিশ্বের সর্বোচ্চ পরিমাণ পানি এই নদীর মাধ্যমে প্রবাহিত হয়। C) Congo — কঙ্গো নদী অববাহিকা অত্যন্ত বিশাল এবং গভীর হলেও এর মোট পানিপ্রবাহ অ্যামাজনের সমান নয়। D) Yangtze — ইয়াংসি নদী এশিয়া এবং চীনের দীর্ঘতম নদী, যা প্রবাহের মানে অ্যামাজনের পরেই অবস্থান করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিশ্বজুড়ে পানির পরিমাণ বা ডিসচার্জের কথা আসলে সবার আগে 'এ' দিয়ে অ্যামাজন নদীকে মনে রাখবে। - দীর্ঘতম নদীর ক্ষেত্রে নীল নদ আর বৃহত্তম বা পানির পরিমাণে প্রথম নদীর ক্ষেত্রে অ্যামাজন নদীকে মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই নদী সম্পর্কিত দুটি প্রশ্ন আসে, যার একটি দীর্ঘতম নদী এবং অন্যটি বৃহত্তম নদী। - এই প্রশ্নটি থেকে পরীক্ষার্থীরা দৈর্ঘ্য এবং পানিপ্রবাহের পরিমাণের মধ্যকার মূল পার্থক্য বুঝতে পারবে।
a Lebanon to Mozambique
b Turkey to Iran
c the Himalayas to Myanmar
d Siberia to Mongolia
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Lebanon to Mozambique ১. কেন সঠিক: গ্রেট রিফ্ট ভ্যালি বা মহাবিদারী উপত্যকা পৃথিবীর অন্যতম দীর্ঘ ভূত্বকীয় বিচ্যুতি অঞ্চল। এটি মধ্যপ্রাচ্যের লেবানন থেকে শুরু হয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার মোজাম্বিক পর্যন্ত প্রায় ৬০০০ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত। ২. ভৌগোলিক তথ্য: অবস্থান: এটি এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য এবং আফ্রিকা মহাদেশ জুড়ে উত্তর থেকে দক্ষিণে প্রসারিত। বৈশিষ্ট্য: টেকটনিক প্লেটের সম্প্রসারণ বা ডাইভারজেন্ট বাউন্ডারির কারণে এই বিশাল চ্যুতি বা উপত্যকা গঠিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: পূর্ব আফ্রিকান রিফ্ট ভ্যালি। ব্যাখ্যা: এটি গ্রেট রিফ্ট ভ্যালির সবচেয়ে সক্রিয় ও প্রধান অংশ যা পূর্ব আফ্রিকাকে দুই ভাগে ভাগ করছে। উদাহরণ ২: মৃত সাগর বা ডেড সি উপত্যকা। ব্যাখ্যা: এটি লেবানন থেকে শুরু হওয়া এই রিফ্ট ভ্যালির উত্তর অংশের একটি গভীর ও নিচু খাত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Lebanon to Mozambique — এটি গ্রেট রিফ্ট ভ্যালির সঠিক ও ভৌগোলিক দিক থেকে প্রমাণিত বিস্তার। B) Turkey to Iran — এটি আল্পাইন ভাঁজ পর্বতমালা এবং আনাতোলীয় মালভূমির অন্তর্গত এলাকা যা রিফ্ট ভ্যালির অংশ নয়। C) the Himalayas to Myanmar — এটি হিমালয় পর্বতমালা ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার পাহাড়ি অঞ্চলের ভূপ্রকৃতি নির্দেশ করে। D) Siberia to Mongolia — এটি সাইবেরিয়া ও মঙ্গোলিয়া অঞ্চলের উচ্চভূমি ও মালভূমির অংশ যা মধ্য এশিয়ায় অবস্থিত। ৫ মনে রাখার টিপস: লেবাননের ল দিয়ে শুরু হয়ে মোজাম্বিকের ম পর্যন্ত গ্রেট রিফ্ট ভ্যালি বিস্তৃত। এটি মনে রাখতে লেবানন থেকে মোজাম্বিক ক্রমটি মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই রিফ্ট ভ্যালির উত্তর ও দক্ষিণ প্রান্তের দেশ বা স্থান সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়। বিশ্বের দীর্ঘতম এই চ্যুতি অঞ্চল সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকলে টেকটনিক প্লেট সম্পর্কিত অন্যান্য প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।
a Russia
b United States
c France
d United Kingdom
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) France ১. কেন সঠিক: - ফ্রান্সের মূল ভূখণ্ড ইউরোপে অবস্থিত হলেও বিশ্বের বিভিন্ন মহাসাগরে এর বেশ কিছু সামুদ্রিক অঞ্চল বা ওভারসিজ টেরিটরি রয়েছে। - এই দূরবর্তী অঞ্চলগুলোর ভৌগোলিক বিস্তৃতির কারণে ফ্রান্সের টাইম জোনের সংখ্যা বিশ্বে সর্বাধিক। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: প্রশান্ত মহাসাগর, আটলান্টিক মহাসাগর এবং ভারত মহাসাগরে ফ্রান্সের বিভিন্ন দ্বীপ ও অঞ্চল ছড়িয়ে রয়েছে। - সংশ্লিষ্ট তথ্য: বর্তমান বিশ্বে ফ্রান্সের অধীনস্থ অঞ্চলগুলোতে মোট ১২টি টাইম জোন ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ব্যাখ্যা: প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত ফ্রান্সের এই অঞ্চলটি মূল ভূখণ্ড থেকে বহু দূরে হওয়ায় ভিন্ন টাইম জোনের অন্তর্ভুক্ত। উদাহরণ ২: রিইউনিয়ন ব্যাখ্যা: ভারত মহাসাগরে অবস্থিত ফ্রান্সের এই দ্বীপটিও তাদের একটি আলাদা টাইম জোন নির্ধারণ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Russia — রাশিয়ায় মোট ১১টি টাইম জোন রয়েছে এবং এটি এক দেশে সর্বাধিক টাইম জোনের দিক থেকে দ্বিতীয় স্থানে আছে। B) United States — মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ড ও ওভারসিজ অঞ্চল মিলিয়ে মোট ১১টি টাইম জোন রয়েছে। D) United Kingdom — যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন অঞ্চল ও ওভারসিজ টেরিটরি মিলিয়ে মোট ৯টি টাইম জোন ব্যবহৃত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ফ্রান্সের মূল ভূখণ্ড ছোট হলেও সূর্য কখনো তাদের সাম্রাজ্যে অস্ত যায় না কারণ এর বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে থাকা দ্বীপগুলোর জন্য ১২টি টাইম জোন রয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই দেশভিত্তিক টাইম জোনের সর্বোচ্চ সংখ্যা নিয়ে প্রশ্ন আসে যেখানে রাশিয়া ও ফ্রান্সের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়। - মূল ভূখণ্ডের হিসেবে রাশিয়া এগিয়ে থাকলেও ওভারসিজ টেরিটরি সহ হিসাব করলে ফ্রান্স প্রথম স্থান অধিকার করে।
a Eswatini
b Botswana
c Lesotho
d Namibia
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Lesotho ১. কেন সঠিক: - লেসোথো একটি সম্পূর্ণ স্থলবেষ্টিত দেশ যা চতুর্দিকে কেবল দক্ষিণ আফ্রিকা দ্বারা সম্পূর্ণভাবে পরিবেষ্টিত। - বিশ্বে এমন স্বাধীন দেশের সংখ্যা অত্যন্ত কম যেগুলো অন্য একটিমাত্র দেশের ভূখণ্ড দ্বারা সম্পূর্ণ ঘিরে থাকে। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: দক্ষিণ আফ্রিকা মহাদেশের দক্ষিণাংশে অবস্থিত ড্রাকেন্সবার্গ পর্বতমালার কোলে লেসোথোর ভৌগোলিক অবস্থান। - বৈশিষ্ট্য: এটি বিশ্বের অন্যতম উচ্চতম সার্বভৌম রাষ্ট্র যার সম্পূর্ণ ভূভাগ ১০০০ মিটারের বেশি উচ্চতায় অবস্থিত। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: ভ্যাটিকান সিটি ব্যাখ্যা: এটি ইতালির রোম শহর দ্বারা সম্পূর্ণ বেষ্টিত একটি স্বাধীন রাষ্ট্র, যা একটি দেশের ভেতরে অন্য দেশের উদাহরণ। উদাহরণ ২: সান মারিনো ব্যাখ্যা: এটিও ইতালির ভেতরে অবস্থিত একটি ক্ষুদ্র স্বাধীন রাষ্ট্র যা সম্পূর্ণভাবে ইতালীয় ভূখণ্ড দ্বারা পরিবেষ্টিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Eswatini — এটি দক্ষিণ আফ্রিকা এবং মোজাম্বিকের মাঝে অবস্থিত এবং এর সীমান্ত একাধিক দেশের সঙ্গে যুক্ত। B) Botswana — এটি দক্ষিণ আফ্রিকার উত্তরে অবস্থিত একটি স্থলবেষ্টিত দেশ এবং এর সীমান্ত নামিবিয়া ও জিম্বাবুয়ের সঙ্গেও রয়েছে। C) Lesotho — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি শুধুমাত্র দক্ষিণ আফ্রিকা দ্বারা সম্পূর্ণরূপে বেষ্টিত। D) Namibia — এটি আটলান্টিক মহাসাগরের উপকле অবস্থিত এবং এর সীমান্ত দক্ষিণ আফ্রিকা ছাড়াও বতসোয়ানা ও অ্যাঙ্গোলার সঙ্গে রয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিশ্ব মানচিত্রে দক্ষিণ আফ্রিকার পেটের ভেতর ছোট্ট একটি দেশ হলো লেসোথো। - এভাবে মনে রাখতে পারো যে লেসোথো মানে লাফালাফি করে দক্ষিণ আফ্রিকার ভেতরে ঢুকে থাকা দেশ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এনক্লেভ বা পরিবেষ্টিত রাষ্ট্র কী তা জানতে এই প্রশ্নটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। - এই ধরনের প্রশ্ন বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
a Strait of Malacca
b Bering Strait
c Bosporus Strait
d Strait of Gibraltar
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Bering Strait ১. কেন সঠিক: বেরিং প্রণালি এশিয়া মহাদেশকে উত্তর আমেরিকা মহাদেশ থেকে পৃথক করেছে। এটি এশিয়ার সর্বপূর্ব বিন্দু সাইবেরিয়ার পূর্ব কেপ এবং উত্তর আমেরিকার সর্বপশ্চিম বিন্দু আলাস্কার সুয়েল অন্তরীপের মাঝখানে অবস্থিত। ২. ভৌগোলিক তথ্য: অবস্থান: এটি এশিয়ার রাশিয়া এবং উত্তর আমেরিকার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কার মাঝে অবস্থিত। সংযুক্তি: এই প্রণালিটি প্রশান্ত মহাসাগরের একটি অংশ বেরিং সাগরকে উত্তর মহাসাগরের চুকচি সাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে। আন্তর্জাতিক রেখা: আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা এই প্রণালির ঠিক মাঝখান দিয়ে উত্তর থেকে দক্ষিণে অতিক্রম করেছে। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: বেরিং প্রণালির মাঝখানে অবস্থিত ডায়োমিড দ্বীপপুঞ্জ। ব্যাখ্যা: এর মাধ্যমে রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের ভৌগোলিক দূরত্ব মাত্র কয়েক কিলোমিটার হলেও সময়ের ব্যবধান প্রায় একদিন। উদাহরণ ২: প্রাচীন বরফ যুগ। ব্যাখ্যা: বরফ যুগে সমুদ্রপৃষ্ঠের নিচে নেমে যাওয়ার ফলে এই অঞ্চল দিয়ে এশিয়া ও আমেরিকার মধ্যে স্থলপথের সৃষ্টি হয়েছিল, যা দিয়ে মানুষ প্রথম আমেরিকায় প্রবেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Strait of Malacca — এটি এশিয়ার মালয় উপদ্বীপ ও ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপের মাঝে অবস্থিত এবং ভারত মহাসাগরকে প্রশান্ত মহাসাগরের সঙ্গে যুক্ত করে। B) Bering Strait — এটি এশিয়াকে উত্তর আমেরিকা থেকে পৃথক করেছে এবং সঠিক উত্তর হিসেবে এখানে বিবেচিত। C) Bosporus Strait — এটি তুরস্কের ইস্তাম্বুল শহরে অবস্থিত এবং কৃষ্ণ সাগরকে মারমারা সাগরের সঙ্গে যুক্ত করে ইউরোপ ও এশিয়াকে পৃথক করেছে। D) Strait of Gibraltar — এটি ইউরোপের স্পেন ও আফ্রিকার মরক্কোর মাঝে অবস্থিত এবং আটলান্টিক মহাসাগরকে ভূমধ্যসাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে। ৫. মনে রাখার টিপস: এশিয়ার পূর্ব প্রান্ত এবং আমেরিকার পশ্চিম প্রান্তের মাঝে বরফের দেশ আলাস্কা ও রাশিয়ার সংযোগস্থল মনে রাখতে বেরিং নামটি ব্যবহার করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রণালিটি একই সঙ্গে দুটি মহাদেশ এবং দুটি মহাসাগরকে সংযুক্ত বা পৃথক করে, যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে কোন প্রণালি প্রশান্ত ও উত্তর মহাসাগরকে যুক্ত করে।