সঠিক উত্তর: B) ৭টি
১. কেন সঠিক:
বাংলা ভাষায় উচ্চারিত মৌলিক স্বরধ্বনি বা প্রধান স্বরধ্বনি হলো মোট সাতটি।
মুখের ভেতর বায়ু চলাচলের সময় কোনো বাধা না পেয়ে স্বাধীনভাবে উচ্চারিত ধ্বনিই হলো স্বরধ্বনি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনি সাতটি এবং ডক্টর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতেও এই সংখ্যা সাতটি।
এই সাতটি মৌলিক স্বরধ্বনি হলো অ, আ, ই, উ, এ, ও এবং অ্যা।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আম
ব্যাখ্যা: এখানে 'আ' একটি মৌলিক স্বরধ্বনি যা উচ্চারণের সময় কোনো সাহায্য নেয় না।
উদাহরণ ২: ইট
ব্যাখ্যা: এখানে 'ই' একটি মৌলিক স্বরধ্বনি যা স্বাধীনভাবে উচ্চারিত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৫টি — বাংলা বর্ণমালায় মোট স্বরবর্ণের সংখ্যা ১১টি, তাই ৫টি সঠিক নয়।
B) ৭টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ও সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে মৌলিক স্বরধ্বনি সাতটি।
C) ৯টি — বাংলা ব্যাকরণে মৌলিক স্বরধ্বনির সংখ্যা ৯টি ধরা হয় না, এটি ভুল তথ্য।
D) ১৩টি — বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণের সাথে রি যুক্ত করে ১৩টি বর্ণ ধরা হলেও তা মৌলিক স্বরধ্বনি নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
মৌলিক স্বরধ্বনি মনে রাখার সহজ কৌশল হলো মুখে উচ্চারণ করে দেখা যে কোনো স্বরধ্বনিকে অন্য ধ্বনির সাহায্য ছাড়া একা উচ্চারণ করা যায় কি না।
বাংলা ব্যাকরণে বর্ণমালা ও ধ্বনির সংখ্যা আলাদাভাবে মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মৌলিক স্বরধ্বনির সংখ্যা প্রায়ই আসে।
স্বরবর্ণ ১১টি হলেও উচ্চারণের দিক থেকে মৌলিক স্বরধ্বনি ৭টি, এই পার্থক্যটি মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: D) মাইকেল মধুসূদন দত্ত
১. কেন সঠিক:
- বাংলা সাহিত্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক হলেন মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত।
- এই ছন্দের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো চরণের শেষে পদের মিল বা অন্ত্যমিল না থাকা এবং ভাবের স্বাধীন প্রবাহ বজায় রাখা।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা কাব্যে প্রথম অমিত্রাক্ষর ছন্দের সফল প্রয়োগ করেন।
- তাঁর রচিত মেঘনাদবধ কাব্য এই ছন্দের সর্বশ্রেষ্ঠ ও প্রথম সার্থক মহাকাব্য।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তিলোম্বরী সম্ভব কাব্য
ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের একটি বিখ্যাত কাব্য এবং এতেও অমিত্রাক্ষর ছন্দের ব্যবহার দেখা যায়।
উদাহরণ ২: বীরাঙ্গনা কাব্য
ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম পত্রকাব্য, যা অমিত্রাক্ষর ছন্দে লেখা।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বাংলা সাহিত্যে গদ্যছন্দ ও নানা নতুন ছন্দের প্রবর্তন করলেও অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক নন।
B) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত — তিনি ছন্দের জাদুকর হিসেবে পরিচিত হলেও অমিত্রাক্ষর ছন্দ প্রবর্তন করেননি।
C) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বিদ্রোহী কবি ও নানা ছন্দের সফল প্রণেতা হলেও অমিত্রাক্ষর ছন্দের আবিষ্কারক নন।
D) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি বাংলা সাহিত্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দ প্রথম সফলভাবে প্রবর্তন করেন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- অমিত্রাক্ষর ছন্দের সাথে মাইকেল মধুসূদন দত্ত এবং মেঘনাদবধ কাব্যের নাম একত্রে মনে রাখবে।
- মধুসূদন দত্ত মিলহীন ছন্দ বা অমিত্রাক্ষর ছন্দের জনক হিসেবে পরিচিত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা মহাকাব্য এবং অমিত্রাক্ষর ছন্দ নিয়ে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- মেঘনাদবধ কাব্য কোন ছন্দে রচিত, এই প্রশ্নটি পরীক্ষার্থীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: C) বিবৃত
১. কেন সঠিক:
- ‘আ’ ধ্বনি উচ্চারণের সময় মুখবিবর সম্পূর্ণ উন্মুক্ত থাকে এবং ঠোঁটের কোনো সংকোচন ঘটে না।
- ভাষাবিজ্ঞানের পরিভাষায় মুখবিবর বা ঠোঁটের এই সম্পূর্ণ খোলা থাকাকে বিবৃত বলা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- জিহ্বার অবস্থান এবং ঠোঁটের উন্মুক্তির ওপর ভিত্তি করে স্বরধ্বনিকে বিভিন্ন শ্রেণিতে ভাগ করা হয়।
- মুখবিবর সম্পূর্ণ খোলা থাকায় ‘আ’ একটি বিবৃত স্বরধ্বনি হিসেবে পরিচিত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আম
ব্যাখ্যা: শব্দটি উচ্চারণের শুরুতে মুখবিবর সম্পূর্ণ খুলে যায়, যা বিবৃত ধ্বনির বৈশিষ্ট্য।
উদাহরণ ২: আকাশ
ব্যাখ্যা: এই শব্দের প্রথম বর্ণ ‘আ’ উচ্চারণের সময়ও ঠোঁট ও মুখবিবর উন্মুক্ত থাকে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সংবৃত — সংবৃত স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময় মুখবিবর সবচেয়ে কম উন্মুক্ত বা সংকীর্ণ থাকে, যা ‘আ’ এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
B) অর্ধ-সংবৃত — অর্ধ-সংবৃত ধ্বনিতে মুখবিবর সংবৃত ও অর্ধ-বিবৃতির মাঝামাঝি অবস্থায় থাকে, যা ‘আ’ এর সঙ্গে মিলে না।
C) বিবৃত — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় অন্য অপশনগুলোর বিপরীতে এটিই সঠিক হিসেবে গণ্য।
D) অর্ধ-বিবৃত — অর্ধ-বিবৃত ধ্বনিতে মুখবিবর বিবৃত অপেক্ষা কম খোলা থাকে, তাই ‘আ’ এই শ্রেণিতে পড়ে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- আ উচ্চারণে মুখ আ-স্কে খোলে, তাই এটি বিবৃত।
- মুখবিবরের সম্পূর্ণ খোলা থাকাই হলো বিবৃত ধ্বনির মূল চাবিকাঠি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- স্বরধ্বনির উচ্চারণ স্থান ও মুখবিবরের উন্মুক্তি থেকে বিসিএস এবং প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
- বিবৃত স্বরধ্বনি মূলত কেবল ‘আ’ ধ্বনিকেই নির্দেশ করে।
সঠিক উত্তর: A) জয়নন্দী
১. কেন সঠিক:
- জয়নন্দী মধ্যযুগের কোনো কবি নন। তিনি প্রাচীন যুগের বা চর্যাপদের একজন পদকর্তা হিসেবে পরিচিত।
- মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্য শুরু হয় শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য আবিষ্কারের মাধ্যমে এবং এর সময়সীমা আনুমানিক ত্রয়োদশ শতাব্দী থেকে অষ্টাদশ শতাব্দী পর্যন্ত বিস্তৃত।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম নিদর্শন যা আনুমানিক দশম থেকে দ্বাদশ শতাব্দীর মধ্যে রচিত হয়েছে।
- জয়নন্দী চর্যাপদের একজন কবি বা পদকর্তা, তাই তাকে প্রাচীন যুগের কবি হিসেবে গণ্য করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: লুইপা
ব্যাখ্যা: লুইপা চর্যাপদের প্রথম পদকর্তা এবং তিনি প্রাচীন যুগের একজন বিখ্যাত কবি।
উদাহরণ ২: কান্নপা
ব্যাখ্যা: কান্নপা চর্যাপদের সবচেয়ে বেশি পদের রচয়িতা এবং তিনি প্রাচীন যুগের সাহিত্যিক ধারার সঙ্গে যুক্ত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জয়নন্দী — তিনি মধ্যযুগের কবি নন বরং চর্যাপদের প্রাচীন যুগের পদকর্তা।
B) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী — তিনি মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি এবং চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের রচয়িতা।
C) চণ্ডীদাস — তিনি মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলীর অন্যতম প্রধান ও আদি কবি।
D) কানা হরিদত্ত — তিনি মধ্যযুগের মনসামঙ্গল কাব্যের অন্যতম আদি রচয়িতা।
৫. মনে রাখার টিপস:
- চর্যাপদের কবিরা হলেন প্রাচীন যুগের এবং মঙ্গলকাব্য বা বৈষ্ণব পদাবলীর কবিরা হলেন মধ্যযুগের।
- জয়নন্দী নামটি চর্যাপদের সঙ্গে যুক্ত থাকায় তিনি মধ্যযুগের নন, প্রাচীন যুগের কবি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- চর্যাপদের কবি ও তাদের পদসংখ্যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- মধ্যযুগের সূচনা এবং বিভিন্ন মঙ্গলকাব্যের প্রথম কবিদের নাম ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) কাহ্নপা
১. কেন সঠিক:
- চর্যাপদে সবচেয়ে বেশি পদ রচনা করেছেন কবি কাহ্নপা।
- আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর মতে চর্যাপদে তাঁর পদের সংখ্যা তেরোটি হলেও বর্তমানে ডক্টর সুকুমার সেনের মতে তাঁর প্রাপ্ত পদের সংখ্যা বারোটি।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- কাহ্নপা ছিলেন চর্যাপদের অন্যতম প্রধান ও সর্বাধিক পদরচয়িতা কবি যিনি সহজিয়া বৌদ্ধ ধর্মের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
- বজ্রযান ও সহজযান দর্শনের তাত্ত্বিক কথা এবং গূঢ় সাধনা তাঁর কবিতায় রূপক ও সান্ধ্যভাষায় প্রকাশিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কাহ্নপার রচিত পদ নম্বর তেরো
ব্যাখ্যা: এই পদে সাধনার উচ্চ পর্যায় ও মানসিক স্থিতির সুন্দর বর্ণনা পাওয়া যায়।
উদাহরণ ২: কাহ্নপার রচিত পদ নম্বর আটত্রিশ
ব্যাখ্যা: এই পদটিতে সন্ধ্যা ভাষার প্রয়োগ ও তাত্ত্বিক দর্শনের বিশেষ প্রকাশ রয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লুইপা — লুইপা চর্যাপদের প্রথম কবি এবং তাঁর রচিত পদের সংখ্যা দুই, যা সর্বাধিক নয়।
B) কাহ্নপা — সঠিক উত্তর।
C) ভুসুকুপা — ভুসুকুপা চর্যাপদে দ্বিতীয় সর্বাধিক আটটি পদ রচনা করেছেন, তাই এটি সর্বোচ্চ পদের সংখ্যা নয়।
D) শবরীপা — শবরীপা চর্যাপদে মাত্র দুটি পদ রচনা করেছেন, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- চর্যাপদে সবচেয়ে বেশি পদের জন্য কা-তে কাহ্নপা এবং কা-তে বেশি বা সর্বাধিক কথাটি মনে রাখতে পারো।
- এভাবে কবি ও পদের সংখ্যা সহজে মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় চর্যাপদের পদসংখ্যা এবং কবিদের নাম প্রায়ই আসে।
- চর্যাপদের মোট পদের সংখ্যা সাড়ে ছেচল্লিশটি এবং আবিষ্কারক মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী।
সঠিক উত্তর: B) মরুভাস্কর
১. কেন সঠিক:
- মরুভাস্কর গ্রন্থটি মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবন ও কর্মের ওপর রচিত একটি প্রখ্যাত জীবনীগ্রন্থ।
- প্রাবন্ধিক ও সাহিত্যিক মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলী অত্যন্ত প্রাঞ্জল ও ভক্তিপূর্ণ ভাষায় এই গ্রন্থটিতে মহানবীর জীবনের বিভিন্ন দিক ফুটিয়ে তুলেছেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এই প্রশ্নটি লেখক ও সাহিত্যকর্মের অন্তর্ভুক্ত। এর রচয়িতা মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলী বাংলা সাহিত্যে সাংবাদিক ও প্রবন্ধকার হিসেবে বিশেষভাবে পরিচিত।
- মরুভাস্কর গ্রন্থটি মহানবীর জীবনের আদর্শ ও শিক্ষা প্রচারের উদ্দেশ্যে ১৯৪১ সালে প্রকাশিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিশ্বনবী
ব্যাখ্যা: এটি গোলাম মোস্তফা রচিত হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবনের ওপর আরেকটি বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম।
উদাহরণ ২: হযরত মোহাম্মদ (স.)
ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত ইসলামি চেতনাসমৃদ্ধ একটি জীবনীগ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মরুমায়া — এটি কাজী কাদের নেওয়াজ রচিত একটি কাব্যগ্রন্থ, যা মহানবীর জীবনীগ্রন্থ নয়।
C) মরুতীর্থ — এটি যতীন সেনগুপ্ত রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা এই প্রশ্নের উত্তরের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়।
D) মরুভূমি — এটি কোনো সুনির্দিষ্ট জীবনীগ্রন্থ নয়, বরং ভৌগোলিক পরিবেশ বোঝাতে ব্যবহৃত সাধারণ শব্দ।
৫. মনে রাখার টিপস:
মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলীর নামের সঙ্গে 'মরুভাস্কর' শব্দটি মিলিয়ে মনে রাখতে পারো যে তাঁর বিখ্যাত সিরাত গ্রন্থটির নাম মরুভাস্কর।
মহানবীকে সূর্যের সঙ্গে তুলনা করে এই নামকরণ করা হয়েছে তা মনে রাখলে সহজেই উত্তরটি পরীক্ষার হলে মনে আসবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জীবনীগ্রন্থের রচয়িতা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলীর অন্যান্য প্রবন্ধগ্রন্থ যেমন জীবন ও মন সম্পর্কেও ধারণা রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: B) শামসুর রাহমান
১. কেন সঠিক:
'স্বাধীনতা তুমি' কবিতাটির রচয়িতা আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি শামসুর রাহমান।
স্বাধীনতা শব্দটির বহুমুখী রূপ, বাঙালির আবেগ এবং দৈনন্দিন জীবনে স্বাধীনতার প্রভাব এই কবিতায় অত্যন্ত চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
কবি শামসুর রাহমান বিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয় অর্ধে আবির্ভূত হওয়া একজন প্রথিতযশা বাঙালি কবি ও সাংবাদিক।
তার কবিতায় নগর জীবনের যন্ত্রণা, দ্রোহ, প্রতিবাদ এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিশেষভাবে প্রকাশ পেয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শামসুর রাহমান রচিত বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'বন্দুক শিবির থেকে'।
ব্যাখ্যা: এটি তার অন্যতম সেরা একটি সাহিত্যকর্ম যা মুক্তিযুদ্ধকালীন প্রেক্ষাপটে রচিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: শামসুর রাহমান রচিত আরেকটি জনপ্রিয় কবিতা 'তোমাকে পাওয়ার জন্য, হে স্বাধীনতা'।
ব্যাখ্যা: এই কবিতায়ও স্বাধীনতা অর্জনের জন্য সাধারণ মানুষের ত্যাগের চিত্র ফুটে উঠেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আলাউদ্দিন আল আজাদ — তিনি বাংলা সাহিত্যের একজন খ্যাতিমান ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার হলেও এই কবিতার রচয়িতা নন।
B) শামসুর রাহমান — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি প্রশ্নের চাহিদার সঙ্গে সম্পূর্ণরূপে মিলে যায়।
C) সৈয়দ শামসুল হক — তিনি বহুমুখী প্রতিভাবান লেখক হলেও 'স্বাধীনতা তুমি' কবিতার লেখক হিসেবে তিনি পরিচিত নন।
D) আল মাহমুদ — তিনি প্রখ্যাত কবি হলেও এই নির্দিষ্ট কবিতাটি তার লেখা নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
স্বাধীনতার নানা রূপ নিয়ে যিনি অনন্য কবিতা লিখেছেন, তিনি হলেন আধুনিক যুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি শামসুর রাহমান।
তার নাম মনে রাখলেই এই ধরনের প্রশ্নের সঠিক উত্তর সহজে চিহ্নিত করা সম্ভব।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বিখ্যাত কবিতা ও তাদের লেখকদের নাম প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
কবি শামসুর রাহমানের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ ও কবিতাসমূহ ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজেই সমাধান করা যাবে।
সঠিক উত্তর: D) আনন্দময়ীর আগমনে
১. কেন সঠিক:
- কাজী নজরুল ইসলামের 'আনন্দময়ীর আগমনে' কবিতা রচনার জন্যই তাকে ব্রিটিশ সরকার রাজদ্রোহের অভিযোগে কারাদণ্ড প্রদান করে।
- এই কবিতাটি প্রকাশের পর ১৯২২ সালের সেপ্টেম্বর মাসে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং এক বছর সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যে বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত এবং তার লেখা 'ধূমকেতু' পত্রিকায় এই কবিতাটি প্রকাশিত হয়েছিল।
- ব্রিটিশ রাজত্বকালে পরাধীন ভারতের মুক্তিকামী মানুষের পক্ষে এবং ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার কারণে তার এই সাহিত্যকর্ম বাজেয়াপ্ত করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রাজবন্দীর জবানবন্দী
ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত গদ্য সাহিত্য যা তিনি আলিপুর সেন্ট্রাল জেলে বসে আদালত চত্বরে পাঠ করেছিলেন।
উদাহরণ ২: বিষের বাঁশী
ব্যাখ্যা: এটি নজরুলের একটি বিদ্রোহী ও প্রাগৈতিহাসিক বাজেয়াপ্ত করা কবিতার বই যা ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের সময় নিষিদ্ধ হয়েছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিদ্রোহী — এটি নজরুলের বিখ্যাত কবিতা হলেও সরাসরি এই কবিতা রচনার জন্য তাকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়নি।
B) অগ্রপথিক — এটি কাজী নজরুল ইসলামের কোনো প্রধান বা একক কারাদণ্ডে জড়িত কবিতা নয়।
C) মুক্তি — এটি নজরুল রচিত একটি কবিতা হলেও এর জন্য তাকে সরাসরি কারাদণ্ড ভোগ করতে হয়নি।
D) আনন্দময়ীর আগমনে — এই অপশনটি সঠিক কারণ এই কবিতা প্রকাশের জন্যই তাকে বিচারালয়ে দণ্ডিত করা হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- নজরুলকে জেলে পাঠানোর কারণ 'আনন্দময়ীর আগমনে' কবিতা, এভাবে মনে রাখতে পারেন যে আনন্দ করতে গিয়ে তিনি কারাবাস করেছিলেন।
- আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে তিনি যে জবানবন্দী দিয়েছিলেন তা আজও বাংলা সাহিত্যে অমর হয়ে আছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে কাজী নজরুল ইসলামকে কোন রচনার জন্য কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
- একই ধরনের অন্যান্য লেখকের বাজেয়াপ্ত গ্রন্থ এবং তাদের সাল ও মামলার ইতিহাস ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) হাঙর নদী গ্রেনেড
১. কেন সঠিক:
- হাঙর নদী গ্রেনেড উপন্যাসটি মহান মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস।
- এই উপন্যাসে এক জননী ও তার সন্তানের আত্মত্যাগের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের ভয়াবহতা ও বাঙালি নারীর বীরত্ব ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এই উপন্যাসের রচিয়তা হলেন খ্যাতিমান কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন।
- এটি মূলত ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে গ্রামীণ জনপদের মানুষের লড়াই ও ত্যাগের এক অনবদ্য দলিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রাবেয়া খাতুনের মেঘের পরে মেঘ
ব্যাখ্যা: এটিও মহান মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি অতি পরিচিত ও গুরুত্বপূর্ণ উপন্যাস।
উদাহরণ ২: শওকত ওসমানের জাহান্নাম হইতে বিদায়
ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসের ক্ষেত্রে একটি অগ্রণী ও ধ্রুপদী সাহিত্যকর্ম।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ক্রীতদাসের হাসি — এটি শওকত ওসমান রচিত আইয়ুব খানের স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে রূপকধর্মী উপন্যাস, মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নয়।
B) রাঙা প্রভাত — এটি ইব্রাহিম খেলিল বা অন্য কোনো লেখকের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস নয়, বরং এটি প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক আবু ইসহাকের একটি সামাজিক উপন্যাস।
D) উত্তম পুরুষ — এটি রশীদ করীমের একটি মনস্তাত্ত্বিক ও আত্মজৈবনিক উপন্যাস, যার সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধের কোনো প্রত্যক্ষ সম্পর্ক নেই।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মুক্তিযুদ্ধের উপন্যাস মনে রাখতে সেলিনা হোসেনের হাঙর নদী গ্রেনেড নামটি গ্রেনেড শব্দের সঙ্গে যুদ্ধের সংযোগ করে সহজে মনে রাখা যায়।
- লেখিকা সেলিনা হোসেনের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসের মধ্যে এটি সবচেয়ে বেশি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সেলিনা হোসেনের উপন্যাসগুলোর মধ্যে হাঙর নদী গ্রেনেড এবং যুদ্ধভিত্তিক অন্যান্য রচনা প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন হিসেবে আসে।
- সাহিত্যিক প্রশ্ন সমাধানের সময় লেখকের নাম এবং উপন্যাসের মূল পটভূমি বা বিষয়বস্তু ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) সজ্জান
১. কেন সঠিক:
- ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী ত্ বা দ্-এর পরে জ্ কিংবা ঝ্ থাকলে ত্ বা দ্ স্থানে জ্ হয়।
- সৎ শব্দের অন্তস্থিত ত্ এবং জনের জ্ মিলে উভয় মিলে জ্জ হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ত্-সন্ধির নিয়মে ত্ বা দ্-এর পর চ ছ জ ঝ ট ড ল থাকলে প্রথম ত্ বা দ্ স্থানে পরবর্তী বর্ণটি হয়।
- সৎ যোগ জন সমান সজ্জন হয়, এখানে প্রদত্ত উত্তরে সামান্য বানান ত্রুটি থাকলেও ব্যাকরণগত নিয়মে জ্জ হবে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: উৎ যোগ জল সমান উজ্জ্বল।
ব্যাখ্যা: ত্-এর পরে জ্ থাকার কারণে ত্ পরিবর্তিত হয়ে জ্ হয়েছে।
উদাহরণ ২: বিপদ্ যোগ জাল সমান বিপদজাল।
ব্যাখ্যা: দ্-এর পরে জ্ থাকার কারণে দ্ পরিবর্তিত হয়ে জ্ হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সজ্জান — প্রদত্ত উত্তরে সামান্য বানান ত্রুটি থাকলেও সন্ধির নিয়মের বিচারে এটিই নির্দেশিত সঠিক উত্তর।
B) সজন — এখানে ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুসারে জ্জ হওয়ার কথা থাকলেও তা বাদ দেওয়া হয়েছে।
C) সরাজন — এখানে মূল শব্দের সঙ্গে অতিরিক্ত রা বর্ণ যুক্ত করা হয়েছে যা সন্ধির নিয়মের সঙ্গে মেলে না।
ডি) সংজন — এখানে সন্ধির নিয়মের বাইরে অনুস্বার ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ত্ বা দ্-এর পরে জ্ দেখলে প্রথম বর্ণটিকে জ্জ এ রূপান্তর করার নিয়মটি মনে রাখবে।
- সন্ধি সাধনের সময় কাছাকাছি উচ্চারণের বর্ণগুলো প্রমিত রূপ লাভ করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ত্-সন্ধি থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে।
- প্রমিত বাংলা বানরীতি ও সন্ধির সূত্র ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এমন প্রশ্ন সহজেই সমাধান করা যায়।
সঠিক উত্তর: A) বাক্যালংকার
১. কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বাক্যে 'যে' শব্দটি কোনো পদকে জোড়া দেওয়া বা প্রশ্ন করার কাজে ব্যবহৃত হয়নি, বরং বাক্যটিকে সৌন্দর্যমণ্ডিত করতে ব্যবহৃত হয়েছে।
- ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী যে অব্যয় বাক্যের অর্থের বিশেষ কোনো পরিবর্তন না ঘটিয়ে কেবল বাক্যকে সুন্দর করতে বা পদের গুরুত্ব বাড়াতে সাহায্য করে, তাকে বাক্যালংকার বলে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাক্যালংকার অব্যয় এমন কিছু শব্দ যা বাক্যের মধ্যে বসে সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে কিন্তু নিজস্ব কোনো অর্থ প্রকাশ করে না।
- বাংলা ব্যাকরণে এই ধরনের অব্যয় প্রায়ই কথ্য বা সাহিত্যিক ভাষায় বাক্যের ভাব ও সুরকে ফুটিয়ে তুলতে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ‘সে তো কালই আসবে।’
ব্যাখ্যা: এখানে 'তো' শব্দটি বাক্যালংকার অব্যয় হিসেবে বাক্যের জোর প্রকাশ করেছে।
উদাহরণ ২: ‘নাক কি তার কেটেছে?’
ব্যাখ্যা: এখানে 'কি' প্রশ্নবোধক না হয়ে বাক্যালংকার হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাক্যালংকার — সঠিক উত্তর।
B) সংশয়বাচক — এটি ভুল কারণ সংশয় বা সন্দেহ বোঝাতে সংশয়বাচক অব্যয় ব্যবহৃত হয়, যা এই বাক্যে নেই।
C) সম্মতিসূচক — এটি ভুল কারণ কোনো বিষয়ে সম্মতি বা অনুমোদন প্রকাশ করতে এই অব্যয় ব্যবহৃত হয় না।
D) ক্রিয়াবিশেষণ স্থানীয় — এটি ভুল কারণ শব্দটি ক্রিয়ার ভাব, কাল বা স্থান নির্দেশ করছে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বাক্যের মাঝখানে থেকে যদি কোনো শব্দ বাদ দিলেও অর্থের তেমন কোনো পরিবর্তন হয় না অথচ বাক্য শুনতে সুন্দর শোনায়, তবে তা সাধারণত বাক্যালংকার অব্যয় হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় 'যে', 'তো', 'কি' ইত্যাদি পদের বাক্যালংকার হিসেবে ব্যবহার প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। বাক্যটির মূল ভাব বিবেচনা করে অব্যয়ের সঠিক প্রকারভেদ নির্ণয় করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) রক্তাক্ত প্রান্তর
১. কেন সঠিক:
রক্তাক্ত প্রান্তর নাটকের রচয়িতা মুনীর চৌধুরী। পানিপতের তৃতীয় যুদ্ধের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে রচিত এই নাটকটি বাংলা নাট্যসাহিত্যে একটি ক্লাসিক মর্যাদা লাভ করেছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
মুনীর চৌধুরী বাংলা নাট্যসাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নাট্যকার, প্রাবন্ধিক ও ভাষাবিজ্ঞানী। তিনি ভাষা আন্দোলনের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন এবং ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী থাকা অবস্থায় বিখ্যাত কবর নাটকটি রচনা করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মুনীর চৌধুরী রচিত একাংক নাটক কবর।
ব্যাখ্যা: এটি ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত বাংলা নাট্যসাহিত্যের একটি ঐতিহাসিক ও প্রতিবাদী সৃষ্টি।
উদাহরণ ২: মুনীর চৌধুরী অনূদিত নাটক মুখরা রমণী বশীকরণ।
ব্যাখ্যা: এটি উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের দ্য টেমিং অব দ্য শ্রিউ নাটকের একটি সার্থক বাংলা অনুবাদ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কীর্তনখোলা — এই নাটকটির রচয়িতা বিশিষ্ট নাট্যকার সেলিম আল দীন। মুনীর চৌধুরী এই নাটকের সঙ্গে যুক্ত নন।
B) এখানে নোঙর — এটি প্রখ্যাত নাট্যকার ও ঔপন্যাসিক আশেক রহমানের লেখা একটি উপন্যাস, মুনীর চৌধুরীর নাটক নয়।
D) এখন দুঃসময় — এই নাটকটির রচয়িতা ప్రముఖ নাট্যকার ও নির্দেশক বাদল সরকার। এটি মুনীর চৌধুরীর নাটক নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
মুনীর চৌধুরীর বিখ্যাত নাটকগুলো মনে রাখতে রক্তিম কবরে চিঠি পাঠাও এই বাক্যটি মনে রাখতে পারো। এখানে রক্তিম মানে রক্তাক্ত প্রান্তর এবং কবরে মানে কবর নাটক।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুনীর চৌধুরীর মৌলিক নাটক এবং অনূদিত নাটক থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। তাই নাটকের নামগুলো আলাদা করে মুখস্থ রাখা অত্যন্ত জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) বায়ু
১. কেন সঠিক:
মরুৎ একটি সংস্কৃত শব্দ যার সাধারণ অর্থ বায়ু, বাতাস বা হাওয়া। পৌরাণিক ও কাব্যিক অর্থে মরুৎ বলতে বায়ুদেবতা বা বায়ু দেবতাদের বোঝানো হয়ে থাকে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
শবদের উৎস ও শব্দের অর্থ বিষয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন এটি। বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত অনেক তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ রয়েছে যার নির্দিষ্ট পৌরাণিক বা সাধারণ অর্থ থাকে এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এ ধরনের শব্দার্থ প্রায়শই জিজ্ঞাসা করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মরুৎসুহূত
ব্যাখ্যা: মরুৎ শব্দের অর্থ বায়ু এবং সুহূত অর্থ বন্ধু, অর্থাৎ বায়ুর বন্ধু বা আগুন বোঝাতে এই শব্দ ব্যবহার করা হয়।
উদাহরণ ২: মরুৎপতি
ব্যাখ্যা: মরুতের বা বায়ুর অধিপতি বা দেবতা ইন্দ্রকে বোঝাতে এই সমাসবদ্ধ পদটি ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মরূ — এই অপশনটি বানানগত দিক থেকে ভুল এবং এর সঙ্গে বায়ু শব্দের কোনো সম্পর্ক নেই।
B) মেরু — এই অপশনটির অর্থ পৃথিবীর উত্তর বা দক্ষিণ গোলার্ধের প্রান্তবিন্দু, যা বায়ু শব্দের অর্থ প্রকাশ করে না।
C) বায়ু — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি মরুৎ শব্দের সরাসরি সমার্থক অর্থ প্রকাশ করে।
D) আগুন — এই অপশনটি ভুল কারণ আগুন বা বহ্নি বোঝাতে অনল বা বহ্নি শব্দ ব্যবহৃত হয়, মরুৎ নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
মরুৎ শব্দের শেষ অক্ষর ত এবং বায়ু শব্দের শুরুতে ব আছে, এভাবে মনে রাখতে পারেন যে মরুৎ মানে বায়ু। বাংলা কবিতায় বায়ু বা বাতাসের সমার্থক শব্দ হিসেবে মরুৎ শব্দটি বহুবার ব্যবহার করা হয়েছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের সঠিক অর্থ নির্নয়ের ক্ষেত্রে বহুবার মরুৎ শব্দটি এসেছে। এই ধরনের সমার্থক শব্দ মনে রাখতে প্রমিত বাংলা অভিধানের সাহায্য নেওয়া যেতে পারে।
সঠিক উত্তর: B) ওদ্দো
১. কেন সঠিক:
- বাংলা উচ্চারণ নিয়মানুযায়ী শব্দের আদিতে থাকা অ-এর সাথে যদি ্য-ফলা যুক্ত থাকে, তবে সেই অ-এর উচ্চারণ ও-কারের মতো হয়।
- 'অদ্য' শব্দটির শুরুতে স্বরবর্ণ অ এবং দ-এর সাথে য-ফলা যুক্ত থাকায় প্রমিত উচ্চারণ নীতি অনুযায়ী তা ওদ্দো রূপ নেয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- বাংলা উচ্চারণ রীতিতে যুক্তবর্ণে জ-ফলা বা য-ফলা থাকলে তার পূর্ববর্তী স্বরধ্বনি পরিবর্তিত হয়ে ও-কার রূপ ধারণ করে।
- শব্দের অন্তস্থিত বা মধ্যস্থিত ব্যঞ্জনের সাথে য-ফলা যুক্ত হলে সেই ব্যঞ্জনটি দ্বিত্ব বা দুইবার উচ্চারিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গদ্য
ব্যাখ্যা: গদ্য শব্দের শুরুতে গ-এর সাথে য-ফলা থাকায় এর উচ্চারণ গোদ্দো হয়।
উদাহরণ ২: পদ্য
ব্যাখ্যা: পদ্য শব্দের শুরুতে প-এর সাথে য-ফলা থাকায় এর উচ্চারণ পোদ্দো হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অদ্দো — এই অপশনে প্রথম অক্ষর ও-কার না হয়ে অ-কার রয়েছে, যা প্রমিত বাংলা উচ্চারণ নিয়মের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।
B) ওদ্দো — এটি সঠিক উচ্চারণ হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।
C) ওদোদ্য — এই অপশনে শেষাংশে জ-ফলা বা য-ফলার দ্বিত্ব উচ্চারণ এবং সঠিক স্বরধ্বনি রক্ষা করা হয়নি।
D) অদ্যাদ — এই অপশনে শব্দের গঠন ও উচ্চারণ রীতি সম্পূর্ণ ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- শব্দের শুরুতে অ-এর সাথে য-ফলা থাকলে উচ্চারণের সময় অ বদলে ও-কার হবে এবং পরের যুক্তবর্ণটি ডবল বা দ্বিত্ব হবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা উচ্চারণ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে, তাই য-ফলাযুক্ত শব্দের উচ্চারণ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) অনুমোদন
১. কেন সঠিক:
- Sanction শব্দটির বাংলা পারিভাষিক রূপ হলো অনুমোদন বা সম্মতি।
- প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক কাজে কোনো কাজের সরকারি বা উচ্চপর্যায়ের অনুমতি বোঝাতে এই শব্দ ব্যবহার করা হয়।
২. ব্যাকরণ বা শব্দার্থ ব্যাখ্যা:
- পারিভাষিক শব্দ হলো সেই সকল শব্দ যা বিশেষ ক্ষেত্র বা দাপ্তরিক কাজের জন্য নির্দিষ্ট অর্থে ব্যবহৃত হয়।
- ইংরেজি প্রশাসনিক শব্দের সঠিক ও প্রমিত বাংলা রূপদানের জন্য বাংলা একাডেমি পরিভাষা প্রণয়ন করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: The proposal received official sanction.
ব্যাখ্যা: প্রস্তাবটি সরকারি অনুমোদন লাভ করল।
উদাহরণ ২: The board gave its sanction to the budget.
ব্যাখ্যা: বোর্ড বাজেট অনুমোদন করল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অনুমান — অনুমান শব্দের ইংরেজি অর্থ Guess বা Assumption, যা Sanction শব্দের অর্থ প্রকাশ করে না।
B) অবকাশ — অবকাশ শব্দের ইংরেজি অর্থ Vacation বা Leisure, যা সম্পূর্ণ আলাদা একটি শব্দ।
C) অধ্যাদেশ — অধ্যাদেশ শব্দের ইংরেজি অর্থ Ordinance, যা আইন প্রণয়নের সঙ্গে সম্পর্কিত।
D) অনুমোদন — এটি Sanction শব্দের সঠিক পারিভাষিক রূপ এবং প্রশ্নের চাহিদার সঙ্গে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ।
৫ মনে রাখার টিপস:
- Sanction মানে কোনো কিছুতে সায় দেওয়া বা অনুমোদন করা।
- মনে রাখতে পারো অফিসের বস কোনো ফাইলে সই বা অনুমোদন (Sanction) দিচ্ছেন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দাপ্তরিক পরিভাষা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- Administrative Terminology বা প্রশাসনিক পরিভাষা ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।
সঠিক উত্তর: B) সাধারণ বর্তমান
১. কেন সঠিক:
সবার উপরে মানুষ সত্য, তাহার উপরে নাই - এই বাক্যের মূল ক্রিয়াপদ হলো 'নয়' বা অস্তিত্ব প্রকাশ করা, যা বর্তমানকালের চিরন্তন সত্য বা সাধারণ অবস্থাকে নির্দেশ করে।
বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কোনো কাজ বর্তমানকালে ঘটে বা সাধারণভাবে সত্য বোঝায়, তবে তা সাধারণ বর্তমান কালের অন্তর্ভুক্ত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
প্রদত্ত উদ্ধৃতিটি বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের বিশিষ্ট কবি চণ্ডীদাসের পদাবলী বা শ্রীকৃষ্ণকীর্তন বা সহজিয়া দর্শন সম্পর্কিত একটি অত্যন্ত বিখ্যাত ও সর্বজনগ্রাহ্য দার্শনিক বাণী।
এখানে চণ্ডীদাস মানবতাবাদকে সবকিছুর ঊর্ধ্বে স্থান দিয়েছেন এবং সর্বকালের জন্য একটি অপরিবর্তনীয় সত্যকে সাধারণ বর্তমান কালের মাধ্যমে প্রকাশ করেছেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সূর্য পূর্ব দিকে উদিত হয়।
ব্যাখ্যা: এটি একটি চিরন্তন সত্য যা সবসময় সাধারণ বর্তমান কালে প্রকাশ করা হয়।
উদাহরণ ২: পৃথিবী সূর্যের চারদিকে ঘোরে।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যটিও একটি চিরন্তন ও সাধারণ বর্তমান কালের সত্য ঘটনা।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সাধারণ অতীত - অতীতের কোনো ঘটনা সাধারণভাবে শেষ হয়ে গেছে বোঝালে সাধারণ অতীতকাল হয়, কিন্তু এখানে অতীতকালের কোনো ঘটনা বোঝানো হয়নি।
B) সাধারণ বর্তমান - এই অপশনটি সঠিক কারণ বাক্যটি চিরন্তন সত্য ও বর্তমান অবস্থার কথা প্রকাশ করে।
C) পুরাঘটিত বর্তমান - কাজটি সবেমাত্র শেষ হয়েছে কিন্তু তার ফল এখনও বিদ্যমান বোঝালে পুরাঘটিত বর্তমান হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) পুরাঘটিত অতীত - অতীতের অনেক আগেই একটি কাজ সম্পন্ন হয়েছিল এমন বোঝালে পুরাঘটিত অতীত হয়, যা এই বাক্যের ভাবের সঙ্গে মেলে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
চিরন্তন সত্য, প্রবাদ-প্রবচন এবং অভ্যাসগত সত্য সবসময় সাধারণ বর্তমান কাল হয়।
বাক্যের ক্রিয়াপদ যদি বর্তমানকালের সাধারণ অবস্থা বা চিরন্তন সত্য প্রকাশ করে, তবে চোখ বন্ধ করে সাধারণ বর্তমান কাল নির্বাচন করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
এই বিখ্যাত উদ্ধৃতিটি কার এবং কোন পদ থেকে এসেছে, তা বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
চিরন্তন সত্য বা শাশ্বত বাণীর ক্ষেত্রে কাল নির্ণয় করার সময় সবসময় সাধারণ বর্তমান কালকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) আলালের ঘরের দুলাল
১. কেন সঠিক:
- আলালের ঘরের দুলাল উপন্যাসটি ১৮৫৮ সালে প্রকাশিত হয় এবং একে বাংলা ভাষার প্রথম সার্থক উপন্যাস হিসেবে গণ্য করা হয়।
- প্যারীচাঁদ মিত্র টেকচাঁদ ঠাকুর ছদ্মনামে এই গ্রন্থটি রচনা করেন এবং এতে প্রথম সাধু ও চলিতরীতির মিশ্রণ ঘটে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- প্যারীচাঁদ মিত্র উনিশ শতকের নবজাগরণের অন্যতম ব্যক্তিত্ব ও ইয়ং বেঙ্গল গোষ্ঠীর সদস্য ছিলেন।
- এই উপন্যাসের মূল উদ্দেশ্য ছিল কুসংস্কার দূর করা এবং নৈতিক শিক্ষা প্রচার করা।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: টেকচাঁদ ঠাকুর রচিত আলালের ঘরের দুলাল।
ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থে তৎকালীন সমাজের অবক্ষয় ও বাবু সংস্কৃতির চিত্র ফুটে উঠেছে।
উদাহরণ ২: প্যারীচাঁদ মিত্রের অভेদার চরিত।
ব্যাখ্যা: এটি তার আরেকটি উল্লেখযোগ্য নৈতিক শিক্ষামূলক গ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হুতোম প্যাঁচার নকশা — এটি কালীপ্রসন্ন সিংহ রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম নকশা জাতীয় গ্রন্থ, উপন্যাস নয়।
C) দুর্গেশনন্দিনী — এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত বাংলা ভাষার প্রথম সার্থক রোমান্টিক উপন্যাস, যা ১৮৬৫ সালে প্রকাশিত হয়।
D) পথের দাবী — এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি বিখ্যাত রাজনৈতিক উপন্যাস, যা অনেক পরে প্রকাশিত হয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- প্রথম নকশা হুতোম প্যাঁচা আর প্রথম উপন্যাস আলাল।
- প তে প্যারীচাঁদ আর প তে প্রথম উপন্যাস।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাসের ক্ষেত্রে আলালের ঘরের দুলাল নামটি সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উত্তর।
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের দুর্গেশনন্দিনীকে অনেক সময় প্রথম সার্থক উপন্যাস বলা হয়, তবে কালানুক্রমিক বিচারে আলালের ঘরের দুলাল প্রথম।
সঠিক উত্তর: B) খনার বচন
১. কেন সঠিক:
- খনার বচন মূলত কৃষি, আবহাওয়া ও জ্যোতির্বিজ্ঞান বিষয়ক প্রবাদ-প্রবচন। প্রাচীন বাংলায় কৃষিকাজ পরিচালনার ক্ষেত্রে এগুলো দিকনির্দেশনা হিসেবে ব্যবহৃত হতো।
- খনা একজন বিদুষী নারী ও কিংবদন্তিতুল্য জ্যোতিষী ছিলেন, যাঁর বচনগুলো গ্রামীণ জনপদে কৃষি ও জীবনচর্চার অপরিহার্য অংশ।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা লোকসাহিত্যের একটি প্রাচীন ও সমৃদ্ধ শাখা হলো খনার বচন। এগুলো মূলত মৌখিক সাহিত্যের অংশ হিসেবে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে প্রচলিত রয়েছে।
- খনার বচনের মূল লক্ষ্য হলো কৃষকদের বীজ বপন, ফসল কাটা, আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং শস্য সংরক্ষণের সঠিক সময় সম্পর্কে ধারণা দেওয়া।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ধানের ঘরে মাছি, সেই বছর ফসল ভালো আসি।
ব্যাখ্যা: এটি খনার একটি বিখ্যাত কৃষিভিত্তিক বচন যা দিয়ে ফসলের ভালো ফলনের লক্ষণ বোঝানো হয়েছে।
উদাহরণ ২: খনা বলে শুনো বচন, চাষ কর তিন বছর পর পর জমিতে মই দিও না যখন।
ব্যাখ্যা: এটি কৃষিতে জমির উর্বরাশক্তি বজায় রাখার একটি উপদেশমূলক বচন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ব্রতকথা — এটি মূলত ধর্মীয়, লৌকিক বা সামাজিক আচার-অনুষ্ঠান ও মঙ্গলকামনার সঙ্গে জড়িত লোকসাহিত্য।
C) ময়মনসিংহ গীতিকা (মহুয়া) — এটি বাংলা লোকসাহিত্যের একটি বিখ্যাত পালাগান বা ট্র্যাজিক প্রেমের গাথা।
D) হারামণি — এটি ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ কর্তৃক সংগৃহীত ও সম্পাদিত লোকসংগীত বা বাউল গানের সংকলন।
৫ মনে রাখার টিপস:
কৃষি বা চাষবাস সম্পর্কিত কোনো প্রশ্ন পরীক্ষায় আসলে চোখ বন্ধ করে খনার বচন উত্তর নির্বাচন করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
খনার বচন কৃষিকাজের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত এবং এটি বাংলা লোকসাহিত্যের প্রাচীন ঐতিহ্য নির্দেশ করে। পরীক্ষার জন্য খনা ও তার বচনের পটভূমি মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: D) তেল
১. কেন সঠিক:
হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ হলো 'মলাচয়ন' বা 'বিল্বমঙ্গল'। এর মধ্যে 'তেল' একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ রম্য রচনা।
এই প্রবন্ধে লেখক সমাজের নানা অসংগতি ও তেল দেওয়ার সংস্কৃতির রূপ খুব সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ছিলেন একজন প্রখ্যাত বাঙালি ইতিহাসবিদ ও মহামহোপাধ্যায়। তিনি প্রাচীন বাংলা সাহিত্যের নিদর্শন চর্যাপদ আবিষ্কার করেন।
তাঁর উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্মের মধ্যে রয়েছে 'বাল্মীকি জয়ত্ব', 'মলাচয়ন' এবং উপন্যাস 'বেনিয়া বউ' ও 'তাসের ঘর'।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'কমলাকান্তের দপ্তর'
ব্যাখ্যা: এটিও হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর 'তেল' প্রবন্ধের মতো একটি বিখ্যাত রম্য ও ব্যঙ্গাত্মক প্রবন্ধগ্রন্থ।
উদাহরণ ২: প্রমথ চৌধুরীর 'বই পড়া'
ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের আরেকটি অত্যন্ত জনপ্রিয় মননশীল ও সামাজিক প্রবন্ধ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাবু — এই নামে হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর কোনো বিখ্যাত প্রবন্ধ সিলেবাসভুক্ত বা প্রধান সাহিত্যকর্মে পাওয়া যায় না।
B) অতি অল্প হইল — এটি মীর মশাররফ হোসেনের একটি বিখ্যাত গ্রন্থ বা প্রহসনমূলক রচনা নয়।
সি) শরৎ — এটি হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর প্রধান কোনো প্রবন্ধ বা বহুল পঠিত সাহিত্যকর্মের নাম নয়।
ডি) তেল — এটি হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর একটি বিখ্যাত ও বহুল পঠিত রম্য প্রবন্ধ।
৫ মনে রাখার টিপস:
হরপ্রসাদ শাস্ত্রী মানেই প্রাচীন নিদর্শন চর্যাপদ আবিষ্কারক এবং সমাজে তেলবাজি নিয়ে তাঁর বিখ্যাত 'তেল' প্রবন্ধ।
পরীক্ষায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর প্রবন্ধ আসলে 'তেল' নামটি সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
হরপ্রসাদ শাস্ত্রী রচিত 'তেল' প্রবন্ধটি প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকের নাম বা প্রবন্ধের নাম হিসেবে আসে।
চর্যাপদের আবিষ্কারক হিসেবে তাঁর অবদান বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে সর্বাধিক স্মরণীয়।
সঠিক উত্তর: A) বাংলা ও অসমিয়া
১. কেন সঠিক:
- বাংলা এবং অসমিয়া ভাষা দুটি একই মূল উৎস থেকে উদ্ভূত হওয়ায় এরা সহোদর ভাষাগোষ্ঠী হিসেবে পরিচিত।
- এই দুটি ভাষা ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে প্রাচ্য বা মাগধী প্রাকৃত থেকে অপভ্রংশের মাধ্যমে বিকশিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ভাষা, উপভাষা ও বাংলা ভাষার ইতিহাস সম্পর্কিত এই প্রশ্নে ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের ভাষাতাত্ত্বিক বংশলতিকা অনুসরণ করা হয়েছে।
- বাংলা ভাষার মূল উৎস প্রাচীন ভারতীয় আর্য ভাষা, যা প্রাকৃত ও অপভ্রংশ হয়ে আজকের রূপ লাভ করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাংলা ও ওড়িয়া
ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষার মতো ওড়িয়া ভাষাও প্রাচ্য বা মাগধী প্রাকৃত থেকে জন্ম নেওয়ায় এরাও সহোদর ভাষাগোষ্ঠী।
উদাহরণ ২: হিন্দি ও পাঞ্জাবি
ব্যাখ্যা: হিন্দি ও পাঞ্জাবি ভাষা দুটি মধ্যদেশী বা শৌরসেনী প্রাকৃত থেকে উদ্ভূত হওয়ায় এরা পরস্পর সহোদর।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাংলা ও অসমিয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দুটি ভাষার জন্ম একই উৎস থেকে হয়েছে।
B) বাংলা হিন্দি — বাংলা প্রাচ্য শাখা এবং হিন্দি মধ্যদেশী শাখা থেকে আসায় এরা সহোদর নয়।
C) বাংলা ও উর্দু — বাংলা আর্য বংশোদ্ভূত ভাষা এবং উর্দু মূলত তুর্কি-ফার্সি প্রভাবে সৃষ্ট ভিন্ন শাখার ভাষা।
D) বাংলা ও সংস্কৃত — সংস্কৃত হলো বাংলার আদি উৎস বা জননী, তাই এরা সহোদর নয় বরং জননী ও কন্যা সম্পর্কযুক্ত।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বাংলা ভাষার সহোদর মনে রাখার সহজ উপায় হলো পূর্ব ভারতের ভাষাগুলো যেমন অসমিয়া ও ওড়িয়া বাংলার ভাই বা সহোদর।
- সংস্কৃত হলো বাংলার মা বা উৎস, আর হিন্দি হলো দূর সম্পর্কের আত্মীয়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা ভাষার জন্ম এবং এর সহোদর ভাষাগুলো থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে।
- ভাষা বংশের এই প্রশ্নগুলো সমাধান করতে ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ ছকটি ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) I forbade him to go.
কেন সঠিক:
- Forbid verb-টির পরে Object থাকলে এরপর সাধারণত Infinitive (to + verb) ব্যবহৃত হয়।
- Forbid শব্দটির নিজস্ব অর্থে একটি না বা বোধক ভাব থাকে, তাই এর সাথে অতিরিক্ত কোনো না বোধক শব্দ বসে না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) I forbade him for going. — Forbid এর পর gerund (for going) বসে না, সঠিক নিয়ম হলো infinitive (to go) ব্যবহার করা।
B) I forbade him going. — Forbid verb-এর পরে সরাসরি gerund ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়।
D) I forbade him not to go. — Forbid নিজেই একটি নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ করে, তাই এর সাথে 'not' ব্যবহার করলে অর্থ দ্বৈত নেতিবাচক হয়ে ভুল হয়।
মনে রাখার টিপস:
Forbid-এর পর সর্বদা to + verb বসে এবং ডাবল নেগেটিভ এড়াতে forbid-এর সাথে কখনো not বসে না।
সঠিক উত্তর: A) obey
কেন সঠিক:
- বাক্যে have no choice but এর পর ইনফিনিটিভের টু (to) উজ্জ থাকে অথবা but এর পর বেজ ভার্ব বা ভার্বের মূল রূপ বসে।
- এই নিয়মের কারণে but এর ঠিক পরেই ভার্বের বেজ ফর্ম তথা obey ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) obey — এটি সঠিক উত্তর কারণ but এর পর এখানে ভার্বের বেজ ফর্ম বসেছে।
B) to obey — এটি ভুল কারণ have no choice but এর পরে অতিরিক্ত to বসানোর প্রয়োজন হয় না।
C) obeying — এটি ভুল কারণ but এর পরে জিরান্ড বা আইএনজি যুক্ত ভার্ব বসে না।
D) obeyed — এটি ভুল কারণ but এর পরে পাস্ট ফর্ম বা পাস্ট পার্টিসিপল বসে না।
মনে রাখার টিপস:
have no choice but এর পরে সর্বদা ভার্বের বেজ ফর্ম বা মূল রূপ বসে।
সঠিক উত্তর: C) gerund
কেন সঠিক:
- preposition 'of'-এর ঠিক পরেই verb-এর সাথে 'ing' যুক্ত হয়ে তা noun-এর কাজ করেছে।
- verb এবং noun উভয় বৈশিষ্ট্য একসঙ্গে ধারণ করায় এটি একটি gerund হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) participle — এটি noun-এর কাজ না করে adjective বা verb-এর অংশ হিসেবে কাজ করে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) verbal noun — এটি gerund-এর মতো হলেও এর আগে article এবং পরে 'of' থাকে, যা এই বাক্যে নেই।
C) gerund — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি verb ও noun উভয়ের কাজ করে preposition-এর অবজেক্ট হয়েছে।
D) infinitive — এটি 'to' সহ verb-এর বেস ফর্ম বোঝায়, যা এখানে নেই।
মনে রাখার টিপস:
Preposition-এর পরে কোনো verb-এর সাথে ing যুক্ত থাকলে তা সবসময় gerund হয়।
সঠিক উত্তর: D) He joined the gym to better his health
কেন সঠিক:
- এই বাক্যে better শব্দটি ইনফিনিটিভ to এর পরে বসেছে, যা কোনো কাজ করা বোঝাতে ভার্ব হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- এর অর্থ হলো স্বাস্থ্যের উন্নতি করা, যেখানে better মানে উন্নত করা বা ভালো করা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) She’s a lot better today. — এখানে better শব্দটি স্বাস্থ্য ভালো বোঝাতে অ্যাডজেক্টিভ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
B) People are better educated now. — এখানে better শব্দটি গুণগত মান বোঝাতে অ্যাডভার্ব হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
C) Respect your betters. — এখানে betters শব্দটি বয়স বা মর্যাদায় বড় ব্যক্তিদের বোঝাতে নাউন হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
D) He joined the gym to better his health — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে better একটি ভার্ব হিসেবে কাজ করেছে।
মনে রাখার টিপস:
কোনো শব্দের আগে to দেখলে এবং তার অর্থ উন্নতি করা হলে সেটি সাধারণত ভার্ব হয়।
সঠিক উত্তর: C) an
কেন সঠিক:
- কোনো শব্দের শুরুতে consonant letter থাকা সত্ত্বেও তার উচ্চারণ যদি vowel sound-এর মতো হয়, তবে তার পূর্বে an বসে।
- MP শব্দটি উচ্চারণের শুরুতে এ (E) ধ্বনি আসে যা vowel sound, তাই এর পূর্বে an বসবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) a — a সাধারণত consonant sound-এর পূর্বে বসে, কিন্তু MP উচ্চারণের শুরুতে vowel sound থাকায় এটি ভুল।
B) the — the নির্দিষ্ট করে বোঝাতে বসে, কিন্তু এখানে পেশা বা পদ নির্বাচনের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কোনো MP বোঝানো হয়নি।
C) an — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ MP শব্দের উচ্চারণ vowel sound দিয়ে শুরু হয়।
D) no article needed — পদ বা উপাধির ক্ষেত্রে আর্টিকেল বসানো বাধ্যতামূলক, তাই আর্টিকেল ছাড়া বাক্যটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
মনে রাখার টিপস:
সংক্ষিপ্ত রূপ বা abbreviation-এর প্রথম অক্ষর পড়ার সময় যদি শুরুতে স্বরবর্ণের উচ্চারণ আসে, তবে তার আগে an বসবে।
সঠিক উত্তর: B) seeing
কেন সঠিক:
- look forward to একটি ব্যতিক্রমী ফ্রেজ, যেখানে টু হলো প্রিপজিশন এবং এর পরে ভার্বের সাথে আইএনজি যুক্ত হয়।
- এই নিয়মে to এর পরে ইনফিনিটিভ বা বেস ফর্ম না বসে জিরান্ড বা আইএনজি যুক্ত ভার্ব বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) see — এটি ভার্বের বেস ফর্ম, যা প্রিপজিশন টু এর পরে সরাসরি বসতে পারে না।
B) seeing — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ look forward to এর পরে জিরান্ড বসে।
C) have seen — এটি পারফেক্ট টেন্সের রূপ, যা প্রিপজিশন টু এর পরে নিয়ম অনুযায়ী সঠিক নয়।
D) be able to see — এখানে অর্থ ঠিক থাকলেও ফ্রেজের ব্যাকরণগত নিয়ম অনুযায়ী এটি এখানে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে look forward to বা with a view to থাকলে চোখ বন্ধ করে পরের ভার্বের সাথে আইএনজি যোগ করবে।
সঠিক উত্তর: C) worn
কেন সঠিক:
- ইংরেজি ভাষা ও ব্যাকরণে 'wear' হলো একটি অনিয়মিত বা স্ট্রং ভার্ব (Strong Verb)।
- এই ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল রূপ হিসেবে অনিয়মিত পরিবর্তনের নিয়ম অনুযায়ী 'worn' ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) weared — এটি ভুল কারণ 'wear' ভার্বের পাস্ট বা পাস্ট পার্টিসিপল গঠনে ইডি (ed) যোগ করা যায় না।
B) weard — এটি বানানগতভাবে ভুল এবং ইংরেজি ব্যাকরণে এ ধরনের কোনো শব্দের অস্তিত্ব নেই।
C) worn — এটি সঠিক উত্তর এবং প্রদত্ত অপশনের সঙ্গে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ।
D) worne — এটি বানানগতভাবে ভুল কারণ এর শেষে অতিরিক্ত ই (e) যুক্ত করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
অনিয়মিত ভার্বের ক্ষেত্রে বিয়ার, পরিধান করা বা ছিঁড়ে যাওয়া বোঝাতে wear, wore, worn এভাবে রূপ পরিবর্তন মুখস্থ রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) compound
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বাক্যে 'Do' এবং 'die' দুটি ভিন্ন স্বাধীন ক্লজ বা Imperative Sentence कोऑर्डिनेटिंग কনজাংশনের মতো কাজ করছে।
- মাঝখানে 'or' অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়ে দুটি সমান মর্যাদার খণ্ডবাক্য মিলে একটি যৌগিক বাক্য গঠন করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) simple — এটি একটি সরল বাক্য নয় কারণ এখানে দুটি ভিন্ন ক্রিয়া ও খণ্ডভাব রয়েছে।
B) complex — এটি একটি জটিল বাক্য নয় কারণ এতে কোনো আশ্রিত বা অধীন খণ্ডবাক্য নেই।
C) compound — এটি সঠিক কারণ এতে দুটি স্বাধীন ক্লজ 'or' দ্বারা যুক্ত আছে।
D) negative — এটি নেতিবাচক বা না-বোধক বাক্য নয়, এটি একটি ক্রিয়ামূলক বা নির্দেশক বাক্য।
মনে রাখার টিপস:
Imperative বাক্যে মাঝখানে 'and' বা 'or' থাকলে তা সাধারণত Compound sentence হয়।
সঠিক উত্তর: D) has been living
কেন সঠিক:
- বাক্যে since এবং নির্দিষ্ট সময়ের উল্লেখ থাকায় এটি Present Perfect Continuous Tense হবে।
- অতীত থেকে শুরু হয়ে কাজটি বর্তমানেও চলছে বোঝাতে subject-এর পর have been বা has been এবং মূল verb-এর সাথে ing যুক্ত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) lives — এটি Present Indefinite Tense, যা অতীত থেকে চলমান কোনো কাজের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
B) lived — এটি Past Indefinite Tense, যা অতীতকালের নির্দিষ্ট সময়কে নির্দেশ করে কিন্তু বর্তমানের ধারাবাহিকতা বোঝায় না।
C) was lived — এটি Past Indefinite Tense-এর ভুল Passive রূপ, যা এই বাক্যের active অর্থের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
D) has been living — এটি সঠিক Present Perfect Continuous Tense, যা অতীতের শুরু হওয়া এবং বর্তমানে চলমান কাজ বোঝায়।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে since বা for-এর পরে সময়ের উল্লেখ থাকলে এবং কাজটি বর্তমানেও চললে Present Perfect Continuous Tense হবে।
সঠিক উত্তর: D) participle
কেন সঠিক:
- moving শব্দটি train নাউনের ঠিক পূর্বে বসে তার দোষ বা অবস্থা বোঝাচ্ছে এবং এটি একই সাথে ভার্ব ও এডজেক্টিভের কাজ করছে।
- ভার্বের যে রূপ একই সাথে ভার্ব ও এডজেক্টিভের কাজ করে তাকে পার্টিসিপল বলে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) gerund — এটি ভার্বের সাথে ing যুক্ত হয়ে নাউনের কাজ করে, কিন্তু এখানে moving শব্দটি এডজেক্টিভের কাজ করছে।
B) infinitive — এর গঠন হলো to এর সাথে ভার্বের বেজ ফর্ম, যা এখানে নেই।
C) verbal noun — এটি ভার্বের সাথে ing যুক্ত হয়ে নির্দিষ্ট নাউনের কাজ করে এবং এর পূর্বে the ও পরে of থাকে।
D) participle — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর কারণ এটি ভার্ব ও এডজেক্টিভ উভয়ের কাজ সম্পন্ন করছে।
মনে রাখার টিপস:
noun এর পূর্বে বসে যদি ing যুক্ত কোনো শব্দ এডজেক্টিভের কাজ করে, তবে তা সর্বদা participle হবে।
সঠিক উত্তর: B) more
কেন সঠিক:
- বাক্যে than থাকার কারণে এটি তুলনামূলক তুলনা বা Comparative Degree নির্দেশ করছে।
- expensive একটি দীর্ঘ বিশেষণ হওয়ায় এর পূর্বে more ব্যবহার করতে হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) much — এটি সাধারণত Positive Degree-এর পূর্বে তীব্রতা বাড়াতে ব্যবহৃত হয়, Comparative Degree-এর পূর্বে সরাসরি বসে না।
B) more — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি Long Adjective-এর পূর্বে বসে সঠিক Comparative Degree গঠন করে।
C) high — এটি একটি Positive Degree এবং অর্থের দিক থেকেও এখানে তুলনামূলক বাক্যে সরাসরি মানানসই নয়।
D) higher — এটি সঠিক Comparative Degree হলেও expensive শব্দের সাথে এটি যুক্ত হয় না, কারণ এটি নিজেই একটি বহুদলীয় বিশেষণ।
মনে রাখার টিপস:
দুই বা ততোধিক সিলেবলযুক্ত দীর্ঘ Adjective-এর পূর্বে more যুক্ত করে Comparative Degree গঠন করা হয়।
সঠিক উত্তর: C) adjective
কেন সঠিক:
- 'lively' শব্দটি এখানে 'debate' (Noun) এর ঠিক পূর্বে বসে নাউনের দোষ, গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করছে।
- ইংরেজি ব্যাকরণ অনুযায়ী Noun-এর পূর্বে বসে যা তার দশাবস্থা প্রকাশ করে, তাকে Adjective বলে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) adverb — এটি verb, adjective বা অন্য adverb-কেmodify করে, কিন্তু এখানে এটি কোনো verb-কে modify করছে না।
B) noun — এটি কোনো নাম বা বস্তুর নাম বোঝাচ্ছে না, বরং একটি গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করছে।
C) adjective — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় অপশনটি ভুল নয়।
D) conjunction — এটি দুটি শব্দ বা বাক্যকে যুক্ত করে না, তাই এটি conjunction হতে পারে না।
মনে রাখার টিপস:
Noun-এর শেষে 'ly' যুক্ত হলে সাধারণত তা Adjective হয়, যেমন friendly, lovely, lively।
সঠিক উত্তর: B) voluntary
কেন সঠিক:
- 'Mandatory' শব্দটির অর্থ বাধ্যতামূলক বা আবশ্যিক, যার বিপরীতার্থক বা অ্যান্টনিভ শব্দ হলো 'voluntary'।
- 'Voluntary' শব্দের অর্থ ঐচ্ছিক বা স্বেচ্ছায় কৃত, যা বাধ্যতামূলক বা আবশ্যকীয় কাজের সম্পূর্ণ বিপরীত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) compulsory — এটি 'mandatory' শব্দের সমার্থক শব্দ, যার অর্থ বাধ্যতামূলক এবং এটি সঠিক উত্তর নয়।
B) voluntary — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ ঐচ্ছিক, যা বাধ্যতামূলক বা আবশ্যিকের বিপরীত।
C) obligatory — এটিও 'mandatory' শব্দের সমার্থক শব্দ, যার অর্থ অবশ্য পালনীয় এবং এটি সঠিক উত্তর নয়।
D) complimentary — এর অর্থ প্রশংসাসূচক বা বিনামূল্যে প্রাপ্ত, যা এই প্রশ্নের প্রেক্ষাপটে প্রাসঙ্গিক বা বিপরীত শব্দ নয়।
মনে রাখার টিপস:
মেন্ডেটরি মানে বাধ্যতামূলক, আর ভলান্টিয়ার মানে স্বেচ্ছাসেবক যিনি স্বেচ্ছায় বা ঐচ্ছিক কাজ করেন।
সঠিক উত্তর: B) conjunction
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বাক্যে before শব্দটি দুটি ক্লজ বা খণ্ডবাক্যকে (Do it এবং you forget) যুক্ত করেছে।
- Conjunction-এর কাজ হলো দুটি শব্দ, বাক্যাংশ বা ক্লজকে সংযুক্ত করা, যা এখানে before সফলভাবে করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) adverb — Adverb সাধারণত ভার্ব, অ্যাডজেক্টিভ বা অন্য কোনো অ্যাডভার্বকে modify করে, যা এখানে করছে না।
B) conjunction — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে কোনো ভুল নেই।
C) preposition — Preposition সাধারণত কোনো নাউন বা প্রোনাউনের পূর্বে বসে বাক্যের অন্য পদের সাথে সম্পর্ক বোঝায়, কিন্তু এখানে এর পরে সম্পূর্ণ ক্লজ রয়েছে।
D) adjective — Adjective কোনো নাউন বা প্রোনাউনের দোষ, গুণ বা সংখ্যা প্রকাশ করে, যা এই বাক্যে before-এর কাজ নয়।
মনে রাখার টিপস:
Preposition-এর পরে সাধারণত নাউন বা প্রোনাউন বসে, কিন্তু Conjunction-এর পরে সাবজেক্ট ও ভার্বযুক্ত পূর্ণাঙ্গ ক্লজ বসে।
সঠিক উত্তর: A) on
কেন সঠিক:
- টেলিফোন, মোবাইল বা ইন্টারনেটে যোগাযোগের মাধ্যম বোঝাতে নির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী on preposition ব্যবহৃত হয়।
- কারো সাথে ফোনে কথা বলার অবস্থা বোঝাতে on the phone ফ্রেজটি প্রমিত ইংরেজি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) on — এটি সঠিক উত্তর কারণ টেলিফোনের ক্ষেত্রে এই preposition-টি নির্ধারিত।
B) with — এটি সাধারণত কোনো ব্যক্তি বা যন্ত্রের সাথে বোঝাতে বসে, তবে টেলিফোনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
C) in — এটি সাধারণত কোনো আবদ্ধ স্থান বা সীমানার ভেতরে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, ফোনের ক্ষেত্রে নয়।
D) before — এটি কোনো সময়ের পূর্বে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এই বাক্যের প্রেক্ষাপটে সম্পূর্ণ অর্থহীন।
মনে রাখার টিপস:
টেলিফোন বা লাইনে থাকা বোঝাতে नेहमी on the phone মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) of
কেন সঠিক:
- কোনো বস্তু বা উপাদান দিয়ে তৈরি করার পর যদি মূল উপাদানটির রূপ পরিবর্তিত হয় কিন্তু উপাদানটি অপরিবর্তিত থাকে, তবে 'made of' ব্যবহৃত হয়।
- আংটিটি সোনা দিয়েই তৈরি এবং সোনা তার মূল উপাদান হিসেবে দৃশ্যমান থাকে, তাই এখানে সঠিক preposition 'of' হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) by — এটি সাধারণত passive voice-এ কাজ সম্পন্নকারী ব্যক্তি বা কর্তাকে নির্দেশ করতে বসে, উপাদানের ক্ষেত্রে নয়।
B) with — এটি কোনো যন্ত্র বা হাতিয়ার দ্বারা কাজ করা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, উপাদানের পরিবর্তনে নয়।
C) of — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি দৃশ্যমান উপাদান বা মূল উপাদান অপরিবর্তিত থাকার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
D) from — এটি তখন বসে যখন উপাদান থেকে নতুন কিছু তৈরি করার পর মূল উপাদানটি আর চেনা যায় না বা রূপান্তরিত হয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন বস্তু হয়, যেমন কাগজ থেকে বই বা দুধ থেকে মাখন।
মনে রাখার টিপস:
উপাদান দেখে যদি মূল বস্তুকে চেনা যায় তবে 'made of' বসবে, আর যদি মূল উপাদানটি সম্পূর্ণ বদলে যায় তবে 'made from' বসবে।
সঠিক উত্তর: D) scarcely
কেন সঠিক:
- hardly একটি নেতিবাচক অর্থ প্রকাশক শব্দ যার অর্থ কদাচিৎ বা খুব কম।
- scarcely শব্দটির অর্থও প্রায় একই রকম এবং এটি hardly শব্দের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) heavily — এই শব্দটির অর্থ প্রচুর পরিমাণে বা ভারীভাবে, যা এখানে অর্থের দিক থেকে বিপরীত।
B) often — এই শব্দটির অর্থ প্রায়ই, যা hardly শব্দের ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
C) frequently — এই শব্দটির অর্থ ঘন ঘন বা বারবার, যা বাক্যের মূল অর্থের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
D) scarcely — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি hardly এর সমার্থক হিসেবে সঠিকভাবে বসে।
মনে রাখার টিপস:
hardly এবং scarcely উভয়ই নেতিবাচক ভাব প্রকাশ করে এবং এরা পরস্পর সমার্থক অ্যাডভার্ব।
সঠিক উত্তর: D) from
কেন সঠিক:
- অনুপস্থিত থাকা অর্থে absent শব্দের পরে সাধারণত from প্রিপজিশন বসে।
- কোনো স্থান বা অনুষ্ঠান থেকে দূরে থাকা বোঝাতে absent from ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) in — স্থান বা ক্ষেত্রের ভেতরে বোঝাতে বসে, কিন্তু absent শব্দের পরে এটি সঠিক নয়।
B) at — নির্দিষ্ট কোনো ছোট স্থান বা সীমানার ক্ষেত্রে বসে, যা এখানে প্রাসঙ্গিক নয়।
C) out — এটি কোনো উপযুক্ত প্রিপজিশন হিসেবে এখানে ব্যাকরণগতভাবে সঠিক অর্থ প্রকাশ করে না।
D) from — এই অপশনটি সঠিক, কারণ absent-এর পরে উৎস বা স্থান থেকে বিচ্ছিন্নতা বোঝাতে from বসে।
মনে রাখার টিপস:
Absent শব্দটির পরে সাধারণত from বসে, যেমন Absent from school বা Absent from meeting।
সঠিক উত্তর: C) genocide
কেন সঠিক:
- 'Genocide' শব্দটির অর্থ কোনো নির্দিষ্ট জাতি, গোষ্ঠী বা সম্প্রদায়ের মানুষকে পরিকল্পিত ও সামগ্রিকভাবে হত্যা করা।
- এটি মূলত গ্রিক শব্দ 'genos' (বংশ বা জাতি) এবং ল্যাটিন শব্দ 'caedere' (হত্যা করা) এর সমন্বয়ে গঠিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) massacre — এটি সাধারণ বা নির্বিচারে অনেক মানুষের একসঙ্গে হত্যা বোঝায়, কোনো নির্দিষ্ট পুরো জাতিকে নির্মূল করা বোঝায় না।
B) carnage — এর অর্থ যুদ্ধ বা সহিংসতার ফলে প্রচুর মানুষের রক্তপাত বা হত্যাকাণ্ড, যা নির্দিষ্ট কোনো জাতির পরিকল্পিত ধ্বংস বোঝায় না।
C) genocide — এটি নিজেই সঠিক উত্তর।
D) bloodshed — এর অর্থ সাধারণভাবে রক্তপাত বা হিংসাত্মক সংঘর্ষ, যা বিশেষ কোনো জাতিগত নিধনকে নির্দেশ করে না।
মনে রাখার টিপস:
'Genocide' শব্দটির শুরুতে থাকা 'Gene' অংশটি জাতি বা বংশ বোঝায় এবং 'cide' অর্থ হত্যা করা।
সঠিক উত্তর: D) Repetition
কেন সঠিক:
- বানানটি গঠনের ক্ষেত্রে Repet মূল শব্দের সঙ্গে ion সাফিক্স যুক্ত হয়ে সঠিক রূপ লাভ করেছে।
- উচ্চারণ ও ইংরেজি বানানরীতির সঠিক নিয়ম অনুসরণ করায় এই অপশনটি নির্ভুল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Repeatation — সঠিক বানান গঠনের নিয়ম অনুযায়ী মূল শব্দ Repeat-এর সাথে ation যুক্ত হয় না।
B) Repeatition — এখানে বানানটিতে ই-কার বা i বর্ণের ভুল ব্যবহার করা হয়েছে।
C) Repition — বানানটিতে প্রয়োজনীয় বর্ণ বাদ পড়ার কারণে এটি ভুল হয়েছে।
D) Repetition — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক ও প্রমিত বানান রূপ।
মনে রাখার টিপস:
বানানটি মনে রাখতে Re-pe-ti-tion এভাবে ভেঙে উচ্চারণ করুন এবং শেষের tion অংশটি মনে রাখুন।
বিষয়ের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: D) নেপাল
কেন সঠিক:
- নেপাল ২০২৫ সালের জন্য জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে।
- দক্ষিণ এশিয়া থেকে জাতিসংঘের এই গুরুত্বপূর্ণ পদে দেশটি প্রতিনিধিত্ব করছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাংলাদেশ — বাংলাদেশ এই নির্দিষ্ট মেয়াদে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়নি।
B) ইথিওপিয়া — ইথিওপিয়া এই নির্দিষ্ট নির্বাচনে নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য পদ লাভ করেনি।
C) শ্রীলংকা — শ্রীলংকা এই নির্দিষ্ট বছরের জন্য জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়নি।
D) নেপাল — এটি সঠিক উত্তর কারণ নেপাল এই পদে নির্বাচিত হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
জাতিসংঘে শান্তি রক্ষা ও কূটনীতিতে সফল দক্ষিণ এশিয়ার দেশ নেপাল ২০২৫ সালের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য।
সঠিক উত্তর: B) ১০.৯৪%
প্রদত্ত তথ্য:
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫ প্রকাশিত হলো
২০২৪-২৫ অর্থবছরের জিডিপি সংক্রান্ত হিসাব পাওয়া গেল
ধরি,
মোট জিডিপির পরিমাণ = ১০০ টাকা
কৃষি খাতের অবদান = ক টাকা
অতএব,
কৃষি খাতের অনুপাত নির্ধারণ করা হলো
সংশ্লিষ্ট খাতের জিডিপি মান যাচাই করা হলো
সুতরাং,
কৃষি খাতের অবদানের সঠিক শতকরা হার নির্ণয় করা হলো
উত্তর: ১০.৯৪%
সঠিক উত্তর: D) মেসোপটেমীয় সভ্যতা
কেন সঠিক:
- বর্তমান ইরাকের টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীর অববাহিকায় গড়ে ওঠা এই সভ্যতাটি খ্রিস্টপূর্ব প্রায় চার হাজার অব্দে বিকশিত হয়।
- লিখিত ইতিহাস এবং নগরকেন্দ্রিক সংস্কৃতির সূচনার দিক থেকে এটি বিশ্বের সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা হিসেবে স্বীকৃত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পারস্য সভ্যতা — বর্তমান ইরানে গড়ে ওঠা এই সভ্যতাটি মেসোপটেমীয় সভ্যতার অনেক পরে গঠিত হয়েছিল।
B) সিন্ধু সভ্যতা — ভারতীয় উপমহাদেশে গড়ে ওঠা এই সভ্যতাটি খ্রিস্টপূর্ব আড়াই হাজার অব্দের দিকে বিকশিত হয়।
C) মিশরীয় সভ্যতা — নীলনদের অববাহিকায় গড়ে ওঠা এই সভ্যতাটি মেসোপটেমীয় সভ্যতার সমসাময়িক হলেও সামান্য পরে শুরু হয়।
D) মেসোপটেমীয় সভ্যতা — এটি বিশ্বের প্রাচীনতম সভ্যতার সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
সবচেয়ে প্রাচীন মেসো বা মাঝখানের টাইগ্রিস-ইউফ্রেটিস নদী তীরবর্তী সভ্যতা।
সঠিক উত্তর: D) ইরান ও ওমান
কেন সঠিক:
- হরমুজ প্রণালিটি পারস্য উপসাগরকে ওমান উপসাগর ও আরব সাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে।
- ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী এর উত্তর ও উত্তর-পূর্বে ইরান এবং দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমে ওমান অবস্থিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইরাক ও কুয়েত — ইরাক ও কুয়েত পারস্য উপসাগরের উত্তর উপকূলে অবস্থিত প্রতিবেশী দেশ, যাদের মাঝে হরমুজ প্রণালি নেই।
B) ইরান ও সৌদি আরব — ইরান প্রণালির উত্তর দিকে থাকলেও সৌদি আরবের উপকূল মূলত পারস্য উপসাগরের মধ্য ও পশ্চিম অংশে বিস্তৃত।
C) ইরান ও কাতার — কাতার পারস্য উপসাগরের একটি উপদ্বীপ দেশ, যা হরমুজ প্রণালি থেকে অনেক দূরে অবস্থিত।
D) ইরান ও ওমান — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এই দুটি দেশই প্রণালির দুই পাশে মুখোমুখি অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
ইরান ও ওমান মনে রাখতে "ই-ও" বা হরমুজের দুই প্রহরী হিসেবে মনে রাখতে পারো।
সঠিক উত্তর: C) পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল
কেন সঠিক:
- জুমচাষ পাহাড়ি অঞ্চলের সনাতন ও প্রাচীন জুম বা স্থানান্তরিত চাষ পদ্ধতি।
- এই পদ্ধতিতে পাহাড়ের ঢাল পরিষ্কার করে বিভিন্ন ফসলের বীজ একসঙ্গে বোনা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মধুপুর অঞ্চল — এটি একটি সোপান অঞ্চল এবং এখানে সমতল বা পাহাড়ি টিলাভিত্তিক চাষ হয়, জুমচাষ হয় না।
B) বরেন্দ্র অঞ্চল — এটি উঁচু বরেন্দ্র ভূমি ও পলিমাটি সমৃদ্ধ কৃষি অঞ্চল, যেখানে ঐতিহ্যবাহী সমতল চাষাবাদ করা হয়।
C) পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল — এটি সঠিক উত্তর এবং এখানে উপজাতীয় সম্প্রদায় জুমচাষ করে থাকে।
D) উপকূলীয় অঞ্চল — এটি লোনাপানি প্রভাবিত সমতল উপকূলীয় এলাকা, যেখানে চিংড়ি চাষ ও লবণাক্ত সহনশীল ধান চাষ হয়।
মনে রাখার টিপস:
পাহাড় মানেই জুমচাষ, আর বাংলাদেশের পাহাড় বললেই পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) ৪.০১
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো কর্তৃক প্রকাশিত জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী দেশের পরিবারপ্রতি গড় সদস্য সংখ্যা ৪.০১ জন।
- এটি দেশের বর্তমান জনমিতিক বৈশিষ্ট্য এবং পরিবার কাঠামোর একটি প্রামাণ্য সরকারি পরিসংখ্যান।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৩.৭৮ — এটি জনশুমারির চূড়ান্ত প্রতিবেদনের কোনো সঠিক পরিসংখ্যান নয়।
B) ৩.৮৮ — এটি কোনো নির্দিষ্ট প্রাক্কলন হতে পারে, তবে জনশুমারি ২০২২ এর মূল ফলাফল নয়।
C) ৩.৯৮ — এটি আগের কোনো শুমারির কাছাকাছি হতে পারে, তবে ২০২২ সালের চূড়ান্ত পরিসংখ্যান এটি নয়।
D) ৪.০১ — এটি জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী পরিবারপ্রতি গড় সদস্য সংখ্যার সঠিক ও চূড়ান্ত মান।
মনে রাখার টিপস:
জনশুমারি ২০২২ অনুযায়ী পরিবারের সদস্য সংখ্যা মনে রাখতে সংখ্যাটি মনে রাখুন চার দশমিক শূন্য এক।
সঠিক উত্তর: C) মূল্য সংযোজন কর
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ সরকারের অভ্যন্তরীণ খাতের রাজস্ব আয়ের সবচেয়ে বড় উৎস হলো মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট।
- দেশের পন্য ও সেবার উৎপাদন, আমদানি এবং খুচরা বিক্রির ওপর এই কর আদায় করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আয়কর — এটি সরকারের রাজস্বের অন্যতম প্রধান উৎস হলেও বর্তমানে এটি মূল্য সংযোজন করের চেয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে।
B) আমদানি ও রপ্তানি শুল্ক — বহির্দেশীয় বাণিজ্য থেকে এই শুল্ক আদায় করা হলেও এটি সর্বমোট রাজস্ব আয়ের ক্ষেত্রে শীর্ষ উৎস নয়।
C) মূল্য সংযোজন কর — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
D) ভূমি রাজস্ব — গ্রামীণ ভূমি থেকে নামমাত্র এই কর আদায় করা হয় যা জাতীয় বাজেটের সামগ্রিক আয়ে তুলনামূলকভাবে অত্যন্ত কম।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশ সরকারের বেশি আয়, ভ্যাটের ওপর নির্ভর করায়।
সঠিক উত্তর: C) ভাসানচর
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ সরকার মিয়ানমার থেকে আগত জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের ঘনবসতি কমাতে নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার এই চরে পুনর্বাসন করেছে।
- ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের বসবাসের জন্য আধুনিক আবাসন ও প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মনপুরা — এটি ভোলার একটি উপজেলা ও চর হলেও এখানে রোহিঙ্গাদের পুনর্বাসন করা হয়নি।
B) দুবলার চর — এটি সুন্দরবনের দক্ষিণে অবস্থিত একটি চর যা মূলত শুঁটকি উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত, রোহিঙ্গাদের জন্য নয়।
C) ভাসানচর — এটি সঠিক উত্তর।
D) মহেশখালী — এটি কক্সবাজার জেলার একটি দ্বীপ উপজেলা যেখানে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের চাপ কমাতে নতুন কোনো বড় পুনর্বাসন প্রকল্প করা হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
রোহিঙ্গাদের ভাসিয়ে বা সরিয়ে নেওয়া হয়েছে ভাসানচরে, যা নোয়াখালীর হাতিয়ায় অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: B) ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
কেন সঠিক:
- ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর বিজয়ী জনপ্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠিত সরকার গঠন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
- সাংবিধানিক নিয়ম অনুযায়ী নবগঠিত সরকারের প্রধানমন্ত্রী ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণ করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ — এই তারিখে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রধানমন্ত্রী শপথ গ্রহণ করেননি, এটি নির্ধারিত শপথের তারিখ নয়।
B) ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।
C) ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ — এই তারিখে প্রধানমন্ত্রী শপথ গ্রহণ করেননি, কারণ শপথ অনুষ্ঠানটি এর একদিন আগেই সম্পন্ন হয়েছিল।
D) ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ — এই তারিখটি শপথ গ্রহণের জন্য নির্ধারিত ছিল না এবং এটি সঠিক তারিখের পরবর্তী সময়।
মনে রাখার টিপস:
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রধানমন্ত্রী শপথ নেন ফেব্রুয়ারির ১৭ তারিখে, যা মনে রাখতে ১৭ সংখ্যাটি প্রধান তারিখ হিসেবে মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: A) চিত্রকর
কেন সঠিক:
- ভিনসেন্ট ভ্যানগগ ছিলেন নেদারল্যান্ডসের একজন বিশ্বখ্যাত পোস্ট ইম্প্রেশনিস্ট চিত্রশিল্পী।
- তার আঁকা দ্য স্টারি নাইট এবং সানফ্লাওয়ার্স চিত্রকর্মগুলো বিশ্বজুড়ে অত্যন্ত জনপ্রিয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চিত্রকর — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি বিখ্যাত চিত্রশিল্পের জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত।
B) কবি — তিনি কোনো বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ বা কবিতা রচনার জন্য পরিচিত নন।
C) সাহিত্যিক — তার পেশা সাহিত্যচর্চা ছিল না, যদিও তার লেখা চিঠিপত্র পরে সাহিত্য হিসেবে সমাদৃত হয়েছে।
D) গায়ক — তিনি সঙ্গীত জগতের সাথে যুক্ত ছিলেন না এবং কোনো গান গাওয়ার জন্য পরিচিত নন।
মনে রাখার টিপস:
ভ্যানগগ নামের শেষে গগ আছে, যা দিয়ে মনে রাখা যায় তিনি ক্যানভাসে রঙের কারসাজি করা একজন বিখ্যাত চিত্রকর।
সঠিক উত্তর: C) প্রাকৃতিক গ্যাস
কেন সঠিক:
- প্রাকৃতিক গ্যাস বাংলাদেশের প্রধান বাণিজ্যিক জ্বালানি এবং বিদ্যুৎ উৎপাদনসহ শিল্প কারখানায় এর ব্যবহার সবচেয়ে বেশি।
- দেশের মোট বাণিজ্যিক জ্বালানি চাহিদার সিংহভাগ পূরণ হয় প্রাকৃতিক গ্যাসের মাধ্যমে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কয়লা — কয়লা বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ হলেও এটি প্রধান জীবাশ্ম জ্বালানি নয়।
B) চুনাপাথর — চুনাপাথর মূলত সিমেন্ট শিল্পের কাঁচামাল, এটি কোনো জ্বালানি নয়।
C) প্রাকৃতিক গ্যাস — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বাংলাদেশের প্রধান জীবাশ্ম জ্বালানি।
D) তেল — বাংলাদেশে খনিজ তেলের উৎপাদন খুবই কম এবং জ্বালানি চাহিদায় এর প্রধান উৎস আমদানি করা তেল।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশের শক্তি খাতের মূল ভিত্তি হলো গ্যাস, তাই প্রধান জীবাশ্ম জ্বালানি বললে প্রাকৃতিক গ্যাস দাগাতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) রাঙামাটি
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের রাঙামাটি জেলার সাথে মাত্র দুটি জেলার সীমান্ত রয়েছে, যা হলো খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান।
- ভৌগোলিক অবস্থানগত কারণে এই জেলার সাথে অন্য কোনো জেলার স্থল সীমান্ত নেই।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) খাগড়াছড়ি — এর সাথে একাধিক জেলার সীমান্ত রয়েছে এবং এটি নিজেই রাঙামাটির সাথে যুক্ত একটি জেলা।
B) রাঙামাটি — প্রদত্ত প্রশ্ন অনুযায়ী এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) বান্দরবান — এর সাথে একাধিক জেলার সীমান্ত রয়েছে এবং এটি রাঙামাটির সীমান্তবর্তী একটি জেলা।
D) কক্সবাজার — এর সাথে একাধিক জেলার সীমান্ত রয়েছে এবং এটি রাঙামাটির সীমান্তবর্তী জেলা নয়।
মনে রাখার টিপস:
রাঙামাটি হলো এমন একটি জেলা যার সাথে মাত্র দুটি জেলা তথা খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানের সীমান্ত রয়েছে।
সঠিক উত্তর: A) গারো
কেন সঠিক:
- ওয়ানগালা উৎসব হলো গারো আদিবাসীদের সবচেয়ে বড় এবং প্রধান ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসব।
- নতুন ফসল কাটার আনন্দের উৎসর্গ হিসেবে তারা এই উৎসব পালন করে থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গারো — এই অপশনটি সঠিক কারণ ওয়ানগালা গারো আদিবাসীদের প্রধান উৎসব।
B) চাকমা — চাকমা সম্প্রদায়ের প্রধান সামাজিক উৎসব হলো বিজু, ওয়ানগালা নয়।
C) মারমা — মারমাদের প্রধান উৎসব সাংগ্রাই, তাই এটি এই প্রশ্নের উত্তর নয়।
D) সাঁওতাল — সাঁওতালদের প্রধান উৎসব সোহরাই বা বাহা পরব, ওয়ানগালা নয়।
মনে রাখার টিপস:
গারোদের প্রধান উৎসব ওয়ানগালা মনে রাখতে গারো পাহাড় ও ওয়ানগালা শব্দ দুটি একসঙ্গে মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: D) নরসিংদী
কেন সঠিক:
- এটি বাংলাদেশের একটি প্রাচীন প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান, যা নরসিংদী জেলার বেলাবো উপজেলায় অবস্থিত।
- এখানে উয়ারী ও বটেশ্বর নামক দুটি গ্রামের প্রায় ছাব্বিশটি স্থানে প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শন পাওয়া গেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বগুড়া — এটি মহাস্থানগড় ও বৈরাগীর ভিটার জন্য বিখ্যাত, যা উয়ারী-বটেশ্বরের অবস্থান নয়।
B) ময়মনসিংহ — এটি শশীলজ ও গারো পাহাড়ের জন্য পরিচিত, কিন্তু উয়ারী-বটেশ্বর এখানে অবস্থিত নয়।
C) কুমিল্লা — এটি ময়নামতি ও শালবন বিহারের জন্য পরিচিত, যা উয়ারী-বটেশ্বরের স্থান নয়।
D) নরসিংদী — এটি সঠিক উত্তর কারণ উয়ারী-বটেশ্বর এই জেলার বেলাবো উপজেলায় অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
নরসিংদীর বেলাবোতে উয়ারী-বটেশ্বর নামের প্রাচীন প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: C) হালদা
কেন সঠিক:
- হালদা নদী বাংলাদেশের একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র, যেখানে রুই, কাতলা, মৃগেল ও কালবাউসের মতো প্রধান কার্প জাতীয় মাছ প্রাকৃতিকভাবে ডিম ছাড়ে।
- পাহাড়ি ঢল, জোয়ারভাটা এবং এই নদীর বিশেষ ভৌগোলিক ও জলবায়ুগত বৈশিষ্ট্যের কারণে এখানে প্রতি বছর মা মাছ ডিম ছাড়তে আসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কপোতাক্ষ — এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের স্মৃতিবিজড়িত একটি নদী, যা প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র হিসেবে পরিচিত নয়।
B) মেঘনা — এটি বাংলাদেশের একটি প্রধান ও বৃহৎ নদী এবং অববাহিকা, কিন্তু এটি বিশেষ প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র হিসেবে পরিচিত নয়।
C) হালদা — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো প্রেক্ষাপট প্রযোজ্য নয়।
D) চিত্রা — এটি দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের একটি সুন্দর নদী, যা সাহিত্য ও প্রকৃতির জন্য পরিচিত হলেও প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র নয়।
মনে রাখার টিপস:
হালদা নদীকে বলা হয় মাছের প্রজননের স্বর্গরাজ্য, কারণ এখানেই প্রাকৃতিকভাবে সবচেয়ে বেশি কার্প জাতীয় মাছ ডিম ছাড়ে।
সঠিক উত্তর: C) 10
কেন সঠিক:
- BRICS জোটে ২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসে নতুন করে পাঁচটি দেশ পূর্ণ সদস্য হিসেবে যোগদান করে।
- নতুন সদস্য যোগদানের ফলে জোটটির বর্তমান মোট সদস্য সংখ্যা দাঁড়িয়েছে দশটিতে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 5 — এটি জোটটির প্রতিষ্ঠাকালীন বা সম্প্রসারণের পূর্ববর্তী সদস্য সংখ্যা ছিল, বর্তমান সংখ্যা নয়।
B) 8 — এটি জোটের সঠিক সদস্য সংখ্যা নয়, কারণ মাঝখানে আটটি দেশ যুক্ত হয়নি।
C) 10 — এটি বর্তমান সঠিক সদস্য সংখ্যা, তাই এটি ভুল অপশন হিসেবে গণ্য হবে না।
D) 7 — এটিও জোটের বর্তমান বা অতীতের কোনো নির্দিষ্ট সদস্য সংখ্যার সাথে মিলে না।
মনে রাখার টিপস:
ব্রিকস নামের প্রথম অক্ষরগুলোর সাথে নতুন পাঁচ দেশ যোগ হয়ে মোট সদস্য সংখ্যা হয়েছে দশ।
সঠিক উত্তর: B) ১ অগ্রহায়ণ
কেন সঠিক:
- বাংলা সনের অষ্টম মাস অগ্রহায়ণের প্রথম দিনটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে কৃষিকাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত করে বাংলাদেশে 'কৃষি দিবস' পালন করা হয়।
- বাঙালির কৃষিভিত্তিক সংস্কৃতি ও কৃষকদের অবদানকে সম্মান জানাতে সরকারিভাবে এই দিনটি নির্ধারিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১ বৈশাখ — এটি বাংলা নববর্ষ এবং বাঙালির পহেলা বৈশাখ হিসেবে পালিত হয়, কৃষি দিবস নয়।
B) ১ অগ্রহায়ণ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এই দিনটিতেই বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে কৃষি দিবস উদযাপিত হয়।
C) ১ পৌষ — এটি পৌষ সংক্রান্তি বা শীতকালীন সংস্কৃতির সঙ্গে সম্পর্কিত, কৃষি দিবসের তারিখ নয়।
D) ১ চৈত্র — এটি বাংলা বছরের চৈত্র মাসের প্রথম দিন, কৃষি দিবস হিসেবে এটি নির্ধারিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
অগ্র অর্থ প্রথম এবং অগ্রহায়ণ হলো নতুন ফসল ঘরে তোলার মাস, তাই ১ অগ্রহায়ণ হলো কৃষি দিবস।
সঠিক উত্তর: B) জেনেভা
কেন সঠিক:
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা ডব্লিউএইচও জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা যার প্রধান কার্যালয় সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে অবস্থিত।
- স্বাস্থ্য বিষয়ক এই আন্তর্জাতিক সংস্থাটি ১৯৪৮ সালের ৭ই এপ্রিল প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকেই জেনেভা থেকে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নিউইয়র্ক — এটি জাতিসংঘের প্রধান সদর দপ্তর এবং ইউনিসেফসহ কিছু সংস্থার কার্যালয় হলেও ডব্লিউএইচওর সদর দপ্তর এখানে নয়।
বি) জেনেভা — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মূল সদর দপ্তর এখানেই অবস্থিত।
সি) প্যারিস — এটি ইউনেস্কোর সদর দপ্তর হিসেবে পরিচিত হলেও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সদর দপ্তর এখানে অবস্থিত নয়।
ডি) ব্রাসেলস — এটি মূলত ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রধান কার্যালয় এবং এর সঙ্গে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সদর দপ্তরের কোনো সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহর বিখ্যাত, তাই স্বাস্থ্য সংস্থার সদর দপ্তরও (WHO) জেনেভাতেই অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: D) চীন
কেন সঠিক:
- ২০১৩ সালে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এই বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ও অবকাঠামো উন্নয়ন কৌশল ঘোষণা করেন।
- এশিয়া, ইউরোপ ও আফ্রিকার মধ্যে যোগাযোগ এবং বাণিজ্য বৃদ্ধির জন্য প্রাচীন সিল্ক রোডের আদলে এটি গড়া হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জাপান — এটি জাপানের কোনো সরকারি উদ্যোগ নয়, তবে জাপান নিজস্ব অর্থায়নে এশিয়ায় বিভিন্ন অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প পরিচালনা করে।
B) জার্মানি — এটি জার্মানির কোনো উদ্যোগ নয়, এটি মূলত মধ্য ও পূর্ব ইউরোপের দেশগুলোর সঙ্গে চীনের অর্থনৈতিক সহযোগিতার ক্ষেত্র।
C) রাশিয়া — এটি রাশিয়ার প্রকল্প নয়, তবে রাশিয়া এই উদ্যোগে চীনের অন্যতম প্রধান কৌশলগত অংশীদার হিসেবে যুক্ত রয়েছে।
D) চীন — এটি চীনের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনীতি ও অর্থনীতিভিত্তিক মেগা প্রকল্প।
মনে রাখার টিপস:
সিল্ক রোড বা প্রাচীন বাণিজ্যের কথা মনে আসলেই চীনের বৈশ্বিক উদ্যোগ বিআরআই বা ওয়ান বেল্ট ওয়ান রোড মাথায় রাখবে।
সঠিক উত্তর: B) ২৫ ভাগ
কেন সঠিক:
- আন্তর্জাতিক পরিবেশ বিজ্ঞান ও বিশেষজ্ঞদের মতে, একটি দেশের মোট আয়তনের অন্তত পঁচিশ ভাগ বনভূমি থাকা আবশ্যক।
- এই পরিমাণ বনভূমি দেশের বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য রক্ষা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় অত্যন্ত জরুরি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২৪ ভাগ — এটি আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে মেলে না এবং পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষার জন্য কিছুটা কম।
B) ২৫ ভাগ — এটিই পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় প্রয়োজনীয় আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ও আদর্শ বনভূমির পরিমাণ।
C) ২৬ ভাগ — এটি আদর্শ মানের চেয়ে বেশি এবং পরিবেশ রক্ষার সাধারণ নির্ধারিত পরিমাপের সঙ্গে মিলে না।
D) ২৭ ভাগ — এটিও অতিরিক্ত এবং প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষার জন্য বৈজ্ঞানিকভাবে নির্ধারিত মান নয়।
মনে রাখার টিপস:
পরিবেশের চাবিকাঠি হলো এক চতুর্থাংশ বা পঁচিশ ভাগ বনভূমি।
সঠিক উত্তর: D) 1950
কেন সঠিক:
- পূর্ববঙ্গ জমিদারি অধিগ্রহণ ও প্রজাসত্ব আইন পাসের মাধ্যমে বাংলায় জমিদারি প্রথা বিলুপ্ত করা হয়।
- এই আইনের ফলে মধ্যস্বত্বভোগী জমিদারদের প্রথা বাতিল হয়ে সরাসরি সরকারের সঙ্গে প্রজাদের সম্পর্ক স্থাপিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 1947 — এই সালে ব্রিটিশ ভারত বিভক্তি ও পাকিস্তান সৃষ্টি হয়, কিন্তু জমিদারি প্রথা বিলুপ্ত হয়নি।
B) 1948 — এই সালে জমিদারি প্রথা বিলুপ্তির কোনো আইন পাস হয়নি বা এই প্রথা বাতিল করা হয়নি।
C) 1949 — এই সালে জমিদারি প্রথা বিলুপ্ত হয়নি, তবে জমিদারি অধিগ্রহণ বিলের প্রস্তুতি পর্ব চলছিল।
D) 1950 — এই সালেই ঐতিহাসিক আইন পাসের মাধ্যমে পাক ভারত উপমহাদেশে বাংলায় জমিদারি প্রথা আনুষ্ঠানিকভাবে বিলুপ্ত হয়।
মনে রাখার টিপস:
পঞ্চাশের দশকে মুক্তি পাইলাম, ১৯৫০ সালে জমিদারি প্রথা থেকে রেহাই পেলাম।
সঠিক উত্তর: C) যুক্তরাষ্ট্র
প্রদত্ত তথ্য:
২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রবাসী আয় বা রেমিটেন্স প্রবাহের উৎস বিশ্লেষণ করা হয়েছে
বিভিন্ন দেশের মধ্যে প্রবাসীদের পাঠানো অর্থের পরিমাণ তুলনা করা হয়েছে
ধরি,
শীর্ষ রেমিটেন্স প্রেরণকারী দেশের তালিকা তৈরি করা হয়েছে
মোট রেমিটেন্সের পরিমাণ শতভাগ ধরে হিসাব করা হয়েছে
অতএব,
মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর অবদান উল্লেখযোগ্য হলেও যুক্তরাষ্ট্র শীর্ষস্থান অর্জন করেছে
প্রবাসীদের দক্ষ জনশক্তি হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার হার বৃদ্ধি পেয়েছে
সুতরাং,
বর্তমান অর্থবছরে যুক্তরাষ্ট্র থেকেই বাংলাদেশের অর্থনীতিতে সবচেয়ে বেশি রেমিটেন্স এসেছে
উত্তর: C) যুক্তরাষ্ট্র
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও ইতিহাস
সঠিক উত্তর: B) ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২
কেন সঠিক:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয় এবং একই বছরের ১৬ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর করা হয়।
- বিজয়ের প্রথম বার্ষিকীতে এই সংবিধান কার্যকর করার মাধ্যমে সদ্য স্বাধীন দেশের আইনগত ও শাসনতান্ত্রিক ভিত্তি দৃঢ় করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২৬ মার্চ, ১৯৭১ — এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণার তারিখ এবং এই দিনে কোনো সংবিধান কার্যকর হয়নি।
B) ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ — এটি বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হওয়ার সঠিক তারিখ।
C) ৪ নভেম্বর, ১৯৭১ — এই দিনে ১৯৭১ সালের ৪ নভেম্বর কোনো বিশেষ সাংবিধানিক ঘটনা ঘটেনি, কারণ ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর সংবিধান গৃহীত হয়েছিল।
D) ২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭১ — এটি ঐতিহাসিক শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস, যা সংবিধান কার্যকর হওয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
বিজয় দিবসের উপহার হিসেবে ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ সালে দেশের সংবিধান কার্যকর করা হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: B) দোআঁশ মাটি
প্রশ্নের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ
কেন সঠিক:
- দোআঁশ মাটিতে বালি ও কাদার পরিমাণ এমনভাবে ভারসাম্যপূর্ণ থাকে যা গাছের শিকড় ছড়াতে এবং প্রয়োজনীয় আর্দ্রতা ধরে রাখতে সবচেয়ে উপযোগী।
- তুলা গাছের প্রধান শত্রু অতিরিক্ত পানি জমা, আর দোআঁশ মাটির পানি নিষ্কাশন ক্ষমতা চমৎকার হওয়ায় তুলা চাষের জন্য এটি আদর্শ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বেলে মাটি — এই মাটিতে পানি ও পুষ্টি উপাদান ধরে রাখার ক্ষমতা খুবই কম থাকে বলে তুলা চাষের জন্য উপযোগী নয়।
B) দোআঁশ মাটি — এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য।
C) এঁটেল মাটি — এই মাটি অতিরিক্ত পানি ধরে রাখে এবং শুকিয়ে শক্ত হয়ে যায়, যা তুলা গাছের শিকড়ের বৃদ্ধির জন্য ক্ষতিকর।
D) পলি মাটি — সাধারণত নদী অববাহিকায় পলি মাটি পাওয়া যায়, যা ধান বা পাট চাষের জন্য উপযুক্ত হলেও তুলা চাষের আদর্শ পরিবেশ এখানে থাকে না।
মনে রাখার টিপস:
তুলা চাষ ভালো হয় দোআঁশ মাটিতে, কারণ এই মাটি পানি ধরেও রাখে আবার জমতেও দেয় না।
সঠিক উত্তর: B) এপিকালচার
১. কেন সঠিক:
- এপিকালচার হলো বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে মৌমাছি লালন-পালন করে মধু ও মোম উৎপাদনের প্রক্রিয়া।
- এর মাধ্যমে মৌমাছির জীবনচক্র ও পরাগায়ন প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রিত উপায়ে পরিচালনা করা হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: কৃষি বিজ্ঞানের যে শাখায় বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে মৌমাছি চাষ করা হয় তাকে এপিকালচার বলা হয়।
- কার্যপ্রণালি: কৃত্রিম বাক্সে রানি মৌমাছি ও শ্রমিক মৌমাছি রেখে তাদের থেকে মধু সংগ্রহ করা হয়।
- বাস্তব প্রয়োগ: কৃষি জমিতে মৌমাছি পালনের মাধ্যমে ফসলের পরাগায়ন বৃদ্ধি পায় এবং ফলন ভালো হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সুন্দরবনের মৌয়ালরা প্রাকৃতিক উৎস থেকে মধু সংগ্রহ করেন।
ব্যাখ্যা: এটি বন্য মৌমাছি থেকে মধু সংগ্রহের প্রাচীন পদ্ধতি, যা এপিকালচারের অন্তর্ভুক্ত নয়।
উদাহরণ ২: আমের বাগানে মৌমাছির বাক্স স্থাপন করা।
ব্যাখ্যা: এটি নিয়ন্ত্রित এপিকালচার, যা পরাগায়ন বাড়িয়ে আমের ফলন বহুগুণ বৃদ্ধি করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সেরিকালচার — এটি রেশম চাষ বা রেশম পোকা পালনের সঙ্গে সম্পর্কিত।
B) এপিকালচার — এটি মৌমাছি পালন ও মধু উৎপাদনের সঙ্গে সম্পর্কিত এবং সঠিক উত্তর।
C) পিসিকালচার — এটি মাছ চাষ বা মৎস্য পালন সংক্রান্ত বিদ্যা।
D) সিলভিকালচার — এটি বন সৃজন এবং বনাঞ্চল সংরক্ষণ সংক্রান্ত বিজ্ঞান।
৫ মনে রাখার টিপস:
এপিকালচার শব্দটিতে এপি অংশটি মনে রাখলে মৌমাছির ইংরেজি অ্যাপিস নামটির সঙ্গে মেলানো সহজ হয়।
মৌমাছির বৈজ্ঞানিক নামের প্রথম অংশ অ্যাপিস থেকে এপিকালচার নামটি এসেছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
এই ধরনের প্রশ্নগুলো BCS এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় বারবার আসে।
বিভিন্ন চাষাবাদ সংক্রান্ত বিদ্যা যেমন হর্টিকালচার, ফ্লোরিকালচার থেকেও প্রশ্ন হতে পারে।
সঠিক উত্তর: B) ধান
১. কেন সঠিক:
- ধানের বীজে মাত্র একটি বীজপত্র থাকে, তাই এটি একবীজপত্রী উদ্ভিদ।
- একবীজপত্রী উদ্ভিদের বীজে খাদ্য সঞ্চয় করার জন্য একটিমাত্র বীজপত্র উপস্থিত থাকে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: সপুষ্পক উদ্ভিদের বীজকে বীজপত্রের সংখ্যার ভিত্তিতে একবীজপত্রী ও দ্বিবীজপত্রী এই দুই ভাগে ভাগ করা হয়।
- কার্যপ্রণালি: ধান বীজের অঙ্কুরোদগমের সময় একটিমাত্র বীজপত্র মাটির নিচে বা উপরে থেকে খাদ্য সরবরাহ করে।
- বাস্তব প্রয়োগ: আমাদের প্রধান খাদ্যশস্য যেমন ধান, গম ও ভুট্টা সবই একবীজপত্রী উদ্ভিদ শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গম
ব্যাখ্যা: গমের বীজেও একটিমাত্র বীজপত্র থাকে এবং এটি একবীজপত্রী উদ্ভিদের উৎকৃষ্ট উদাহরণ।
উদাহরণ ২: ভুট্টা
ব্যাখ্যা: ভুট্টার দানা পরীক্ষা করলে দেখা যায় এটি সহজে দুটি সমান ভাগে বিভক্ত হয় না, যা একবীজপত্রী বৈশিষ্ট্যের প্রমাণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ছোলা — ছোলা দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদ কারণ এর বীজে দুটি বীজপত্র থাকে যা সহজে আলাদা করা যায়।
B) ধান — এটি একবীজপত্রী উদ্ভিদের বীজ এবং এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
C) আম — আম গাছের বীজ দুটি বীজপত্র বিশিষ্ট, তাই এটি দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদের অন্তর্ভুক্ত।
D) কাঁঠাল — কাঁঠালের বিচিতেও দুটি বীজপত্র থাকে এবং এটি দ্বিবীজপত্রী শ্রেণীর উদ্ভিদ।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ঘাস জাতীয় উদ্ভিদ এবং শস্যদানা সাধারণত একবীজপত্রী হয়, যেমন ধান ও গম।
- ডাল জাতীয় উদ্ভিদ সাধারণত দ্বিবীজপত্রী হয়, যেমন ছোলা ও মটর।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই একবীজপত্রী ও দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদের উদাহরণ থেকে প্রশ্ন আসে।
- একবীজপত্রী উদ্ভিদের পাতা সাধারণত সমান্তরাল শিরাবিন্যাসযুক্ত হয়।
সঠিক উত্তর: B) কার্বন ডাই অক্সাইড
১. কেন সঠিক:
- কার্বন ডাই অক্সাইড হলো পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের এমন একটি গ্যাস যা সূর্য থেকে আসা শর্টওয়েভ রেডিয়েশন বা আলোকশক্তিকে পৃথিবীতে প্রবেশ করতে দেয় কিন্তু পৃথিবী থেকে নির্গত লংওয়েভ রেডিয়েশন বা তাপশক্তিকে আটকে রাখে।
- গ্রিনহাউস গ্যাসের মোট পরিমাণের প্রায় ষাট শতাংশ থেকে ষাট শতাংশের বেশি অংশজুড়ে থাকে এই কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাস, যা একে প্রধান গ্রিনহাউস গ্যাসে পরিণত করেছে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: বায়ুমণ্ডলে যেসব গ্যাস পৃথিবী পৃষ্ঠ থেকে বিকিরিত তাপ শোষণ করে বায়ুমণ্ডলকে উষ্ণ রাখে এবং জলবায়ু পরিবর্তনে ভূমিকা রাখে সেগুলোকে গ্রিনহাউস গ্যাস বলা হয়।
- কার্যপ্রণালি: জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানো, শিল্পকারখানা এবং যানবাহনের ধোঁয়া থেকে প্রচুর পরিমাণে কার্বন ডাই অক্সাইড উৎপন্ন হয়ে বায়ুমণ্ডলে জমা হয় এবং গ্রিনহাউস প্রভাব তৈরি করে।
- কারণ ও ফলাফল: বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই অক্সাইডের মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে, যাকে বৈশ্বিক উষ্ণায়ন বা গ্লোবাল ওয়ার্মিং বলা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শীতপ্রধান দেশের কৃষকরা কাচের ঘরে গাছপালা চাষ করেন যেখানে কাচ ভেদ করে সূর্যের আলো প্রবেশ করতে পারে কিন্তু ভেতরের তাপ বাইরে বের হতে পারে না।
ব্যাখ্যা: এই কাচের ঘরের মতোই বায়ুমণ্ডলের কার্বন ডাই অক্সাইড স্তর পৃথিবীকে উষ্ণ রাখে।
উদাহরণ ২: গ্রীষ্মকালে বন্ধ রাখা গাড়ির জানালার কাচ ভেদ করে সূর্যের আলো ভেতরে প্রবেশ করার পর সিট বা ড্যাশবোর্ড গরম হয়ে তাপ বিকিরণ করলেও কাচ তা আটকে রাখে এবং গাড়িটির ভেতর অত্যন্ত গরম হয়ে যায়।
ব্যাখ্যা: এই ঘটনাটি গ্রিনহাউস প্রভাব এবং কার্বন ডাই অক্সাইডের তাপ আটকেও রাখার ক্ষমতাকে সরাসরি ফুটিয়ে তোলে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হাইড্রোজেন — এটি একটি হালকা দহনশীল মৌলিক গ্যাস যা জলবায়ু পরিবর্তনে বা গ্রিনহাউস প্রভাবে কোনো প্রত্যক্ষ ভূমিকা পালন করে না।
B) কার্বন ডাই অক্সাইড — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি তাপ শোষণ করার ক্ষমতার কারণে প্রধান গ্রিনহাউস গ্যাস হিসেবে পরিচিত।
C) অক্সিজেন — এটি জীবজগতের শ্বাসকষ্ট দূর করতে এবং জীবকুলের বেঁচে থাকার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ গ্যাস হলেও তাপ শোষণকারী গ্রিনহাউস গ্যাস নয়।
D) নাইট্রোজেন — এটি বায়ুমণ্ডলের প্রায় আটাত্তর শতাংশ অংশ জুড়ে থাকা একটি নিষ্ক্রিয় প্রকৃতির গ্যাস যা তাপ আটকে রাখতে পারে না এবং গ্রিনহাউস গ্যাস নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- গাছের পাতার মতো কার্বন ডাই অক্সাইড প্রকৃতির জীবন ও উষ্ণতার ভারসাম্য রক্ষা করে, তাই উষ্ণতা সৃষ্টিকারী প্রধান গ্যাস হিসেবে কার্বন ডাই অক্সাইড বা সিও টু কে সবার আগে মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- গ্রিনহাউস গ্যাসগুলোর মধ্যে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি থাকলেও মানবসৃষ্ট কারণে বায়ুমণ্ডলে সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি পাওয়া প্রধান গ্যাস হলো কার্বন ডাই অক্সাইড।
- একই ধারণা থেকে পরীক্ষায় প্রশ্ন আসতে পারে যে নিচের কোনটি গ্রিনহাউস গ্যাস নয় বা ক্লোরোফ্লোরো কার্বনের প্রধান উৎস কী।
সঠিক উত্তর: C) ইথিলিন
১. কেন সঠিক:
- ইথিলিন একটি গ্যাসীয় উদ্ভিদ হরমোন যা ফল পাকাতে সরাসরি সাহায্য করে।
- উদ্ভিদে প্রাকৃতিকভাবে উৎপাদিত হয়ে এটি শ্বসন হার বৃদ্ধি করে ফলকে নরম ও পরিপক্ব করে তোলে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: উদ্ভিদ হরমোন বা ফাইটোহরমোন হলো এমন রাসায়নিক পদার্থ যা উদ্ভিদের বৃদ্ধি ও বিকাশ নিয়ন্ত্রণ করে।
- কার্যপ্রণালি: ইথিলিন গ্যাস ফল কোষের পেকটিন দ্রবীভূত করে কোষপ্রাচীর ভেঙে দেয় এবং স্টার্চকে শর্করায় রূপান্তরিত করে।
- বাস্তব প্রয়োগ: বাণিজ্যিক কৃষিতে কাঁচা আম বা কলা পাকানোর জন্য প্রাকৃতিকভাবে বা কৃত্রিম উপায়ে ইথিলিন গ্যাস ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গাছ থেকে পেড়ে আনা কাঁচা কলার গায়ে ইথিলিন মিশ্রিত স্প্রে করলে তা দ্রুত পেকে যায়।
ব্যাখ্যা: এটি কৃত্রিমভাবে ইথিলিন প্রয়োগের মাধ্যমে ফল পাকানোর ত্বরান্বিত প্রক্রিয়া বোঝায়।
উদাহরণ ২: পাকা আপেলের পাশে কাঁচা টমেটো রাখলে টমেটো দ্রুত লাল হয়ে যায়।
ব্যাখ্যা: পাকা আপেল থেকে নিঃসৃত ইথিলিন গ্যাস চারপাশের কাঁচা টমেটোকে পাকাতে উদ্দীপিত করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অক্সিন — এটি উদ্ভিদের কাণ্ড ও মূলের বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করে এবং কোষ বিভাজনে সাহায্য করে।
B) সাইটোকাইনিন — এটি কোষ বিভাজন ও পার্শ্বীয় কুঁড়ির বৃদ্ধিতে প্রধান ভূমিকা পালন করে।
C) ইথিলিন — এটি ফল পাকানোর সঙ্গে সবচেয়ে বেশি সম্পৃক্ত একমাত্র গ্যাসীয় উদ্ভিদ হরমোন।
D) জিব্বেরেলিন — এটি উদ্ভিদের কাণ্ডের দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি এবং বীজ অঙ্কুরোদগামে সাহায্য করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
ইথিলিন শব্দটিতে গ্যাসীয় অবস্থা ও ফল পাকানোর বিষয়টি জড়িয়ে আছে। মনে রাখবে গ্যাস মানেই ইথিলিন এবং ফল পাকানো মানেই গ্যাস।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ইথিলিন একমাত্র উদ্ভিদ হরমোন যা গ্যাসীয় অবস্থায় থাকে। একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে কোন হরমোনটি ফল পাকাতে সাহায্য করে।
সঠিক উত্তর: D) শেষ কীটনাশক প্রয়োগ থেকে ফসল সংগ্রহ পর্যন্ত ন্যূনতম দিনের সংখ্যা
কেন সঠিক:
- কীটনাশক স্প্রে করার পর এর বিষাক্ত অবশিষ্টাংশ নিরাপদ মাত্রায় নেমে আসতে যে নির্দিষ্ট সময়ের প্রয়োজন হয়, তাকে নিরাপত্তা ব্যবধান বা পিএইচআই বলা হয়।
- এই নির্দিষ্ট সময় পার হওয়ার পরেই কেবল ফসল কেটে মানুষের খাওয়ার বা বাজারে বিক্রির উপযোগী করা যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রোপণ থেকে প্রথম কীটনাশক প্রয়োগের মধ্যবর্তী সময় — এটি সঠিক নয় কারণ এটি চারাগাছে রোগ বা পোকার আক্রমণের সময়ের ওপর নির্ভর করে এবং একে নিরাপত্তা ব্যবধান বলে না।
B) কীটনাশক প্রস্তুতির জন্য প্রয়োজনীয় সময় — এটি সঠিক নয় কারণ এটি স্প্রে করার পূর্বে ওষুধ ও পানি মিশ্রিত করার প্রক্রিয়াকে বোঝায়।
C) কীটনাশক প্রয়োগ না করা — এটি সঠিক নয় কারণ এটি সামগ্রিক ব্যবস্থাপনাহীনতা বা জৈব বালাইনাশক ব্যবহারের নীতিকে নির্দেশ করে।
D) শেষ কীটনাশক প্রয়োগ থেকে ফসল সংগ্রহ পর্যন্ত ন্যূনতম দিনের সংখ্যা — এটি সঠিক এবং পরীক্ষিত বৈজ্ঞানিক সংজ্ঞা যা জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় অনুসরণ করা হয়।
মনে রাখার টিপস:
নিরাপত্তা ব্যবধান মানে হলো শেষ ওষুধ দেওয়ার পর ফসল তোলার আগের অপেক্ষার দিনগুলো।
সঠিক উত্তর: C) ভুট্টা
কেন সঠিক:
- ফল আর্মি ওয়ার্ম হলো ভুট্টা চাষের অন্যতম প্রধান ও ধ্বংসাত্মক ক্ষতিকারক পোকা যা সরাসরি ভুট্টার মোচা ও পাতা আক্রমণ করে।
- বাংলাদেশে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এই পোকার আক্রমণ ভুট্টার ফলন হুমকিতে ফেলে দিয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তুলা — তুলার মূল ক্ষতিকারক পোকা বলওয়ার্ম হলেও এটি ফল আর্মি ওয়ার্মের প্রধান আক্রমণস্থল নয়।
B) আখ — আখের জন্য স্টেম বোরার বা গুচ্ছ পোকা ক্ষতিকর হলেও ফল আর্মি ওয়ার্মের প্রাদুর্ভাব এখানে প্রধান নয়।
C) ভুট্টা — এটি এই পোকার প্রধান ও পছন্দের ফসল হওয়ায় এখানে প্রাদুর্ভাব সবচেয়ে বেশি দেখা যায়।
D) ধান — ধানে বিভিন্ন পাম বা লতা পোকার আক্রমণ দেখা গেলেও ফল আর্মি ওয়ার্মের মূল আক্রমণ ভুট্টাতেই সীমাবদ্ধ।
মনে রাখার টিপস:
ফল আর্মি ওয়ার্ম শুনলেই মাথায় রাখতে হবে ভুট্টার মোচা ও পাতার প্রধান শত্রু।
সঠিক উত্তর: C) ১৮টি
কেন সঠিক:
- কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অধীন বর্তমানে দেশে ১৮টি সরকারি কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট চালু রয়েছে।
- এই প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে মধ্যম সারির কৃষিবিদ তৈরি করতে ডিপ্লোমা ইন এগ্রিকালচার শিক্ষা প্রদান করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৬টি — এটি বর্তমানের সঠিক সংখ্যা নয়, অতীতে সংখ্যা কম ছিল।
B) ১৭টি — এটিও বর্তমানের হালনাগাদ সঠিক সংখ্যাকে নির্দেশ করে না।
C) ১৮টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ বর্তমানে কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের সংখ্যা ১৮টি।
D) ১৯টি — এই সংখ্যাটি সঠিক নয়, কারণ বর্তমানে দেশের সরকারি কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট ১৮টি।
মনে রাখার টিপস:
কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট সংখ্যা মনে রাখতে মনে রাখুন আষাঢ় মাসের ১৮ দিন বা ১৮ সংখ্যাটি কৃষি প্রশিক্ষণের সাথে যুক্ত।
সঠিক উত্তর: B) উপযুক্ত আর্দ্রতা
কেন সঠিক:
- জমির 'জো' অবস্থা বলতে মাটিতে বীজ অঙ্কুরোদগম ও চারা বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় আদর্শ আর্দ্রতা বা রস বোঝায়।
- এই অবস্থায় মাটি না অতিরিক্ত ভেজা থাকে, না খুব শুকনো থাকে, যা লাঙল দিয়ে চাষ করার জন্য সবচেয়ে উপযোগী।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জলাবদ্ধতা — জলাবদ্ধ মাটিতে অতিরিক্ত পানির কারণে বীজ পচে যায় এবং এটি 'জো' অবস্থার বিপরীত।
B) উপযুক্ত আর্দ্রতা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই মাত্রার আর্দ্রতা চাষাবাদ ও বীজ বপনের জন্য সবচেয়ে অনুকূল।
কম আর্দ্রতা — কম আর্দ্রতা বা খরা থাকলে মাটি শক্ত হয়ে যায় এবং চাষ করার উপযুক্ত পরিবেশ থাকে না।
D) কর্দমাক্ত অবস্থা — কর্দমাক্ত বা অতিরিক্ত কাদা অবস্থা মূলত ধান রোপণের জন্য উপযোগী হলেও সাধারণ 'জো' অবস্থা নয়।
মনে রাখার টিপস:
মাটিতে যখন না বেশি পানি, না বেশি শুকনা অবস্থা থাকে এবং চাষের জন্য ঠিকঠাক রস থাকে, তাকেই 'জো' অবস্থা বলে।
সঠিক উত্তর: D) ক্ষেতের তাপ দূর করা ও শ্বসন কমানো
কেন সঠিক:
- প্রাক-শীতlikকরণ বা প্রি-কুলিং উদ্ভিদের মাঠপর্যায়ের তাপ দ্রুত কমিয়ে পচনশীলতা রোধ করে।
- এটি সবজির শ্বসন হার কমিয়ে পুষ্টিগুণ অক্ষুণ্ণ রাখে এবং শেলফ লাইফ বৃদ্ধি করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) স্বাদ বৃদ্ধি করা — এটি সংরক্ষণের মাধ্যমে মান ধরে রাখে, তবে সরাসরি স্বাদ বৃদ্ধি করা এর মূল উদ্দেশ্য নয়।
বি) সবজি পরিষ্কার করা — প্রাক-শীতলীকরণের কাজ তাপমাত্রা কমানো, ময়লা বা ধুলাবালি দূর করা ওয়াশিং বা পরিষ্কারকরণের কাজ।
সি) ওজন বাড়ানো — এটি কোনো বাহ্যিক পদার্থ যুক্ত করে ওজন বাড়ায় না, বরং আর্দ্রতা ও সতেজতা রক্ষা করে।
ডি) ক্ষেতের তাপ দূর করা ও শ্বসন কমানো — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি ফসল তোলার পর তাপ ও শ্বসন প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে।
মনে রাখার টিপস:
সবজি তোলার পর তাপ কমিয়ে সতেজ রাখতে প্রি-কুলিং বা প্রাক-শীতলীকরণ করা হয়।
সঠিক উত্তর: B) সাদা
কেন সঠিক:
- বীজ উৎপাদনে গুণগত মান বজায় রাখার জন্য বিভিন্ন স্তরের বীজে নির্দিষ্ট রঙের ট্যাগ ব্যবহার করা হয়।
- ভিত্তি বীজ বা ফাউন্ডেশন সিড চেনার জন্য সাদা রঙের ট্যাগ বা লেবেল ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নীল — নীল রঙের ট্যাগ সাধারণত প্রত্যায়িত বা সার্টিফাইড বীজের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
B) সাদা — এটি সঠিক উত্তর কারণ ভিত্তি বীজের জন্য সাদা রঙের ট্যাগ নির্ধারিত থাকে।
C) লাল — লাল রঙের ট্যাগ সত্যতা যাচাই বা পরীক্ষামূলক বীজ অথবা বর্জনীয় বীজের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
D) হলুদ — হলুদ রঙের ট্যাগ মূলত প্রজনন বীজ বা ব্রিডার সিডের বস্তায় ব্যবহার করা হয়।
মনে রাখার টিপস:
প্রজনন বীজ হলুদ এবং ভিত্তি বীজ সাদা রঙের ট্যাগের মাধ্যমে আলাদা করা যায়।
সঠিক উত্তর: C) কাটাছেঁড়া স্থান শুকানো
কেন সঠিক:
- সংগ্রহের সময় আলুর গায়ে যে কাটাছেঁড়া বা ক্ষত হয়, কিউরিং প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তা দ্রুত শুকানো হয়।
- ক্ষতস্থান শুকানোর ফলে সংরক্ষণকালে সেখানে ছত্রাক বা ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ ঘটে না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চিনির পরিমাণ বাড়ানো — কিউরিং প্রক্রিয়ার কাজ আলুর মিষ্টি করা নয়, বরং এর প্রধান লক্ষ্য হলো ক্ষতস্থান সারিয়ে তোলা।
B) ওজন কমানো — ওজন কমানো কিউরিং প্রক্রিয়ার উদ্দেশ্য নয়, এটি বরং সংরক্ষণের সময় স্বাভাবিক বা ক্ষতিকর হতে পারে।
C) কাটাছেঁড়া স্থান শুকানো — এটি সঠিক কারণ, যা আলু পচন থেকে রক্ষা করতে সহায়তা করে।
D) রং উন্নত করা — আলুর রং পরিবর্তনের সঙ্গে কিউরিং প্রক্রিয়ার কোনো সরাসরি সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
আলু কেটে গেলে যেমন আমরা শুকাই, সংরক্ষণের আগে আলুর কাটা স্থান শুকানোই হলো কিউরিং।
সঠিক উত্তর: B) ভিটামিন এ (বিটা ক্যারোটিন)
কেন সঠিক:
- গোল্ডেন রাইসে জিন প্রকৌশলের মাধ্যমে বিটা ক্যারোটিন বা প্রো-ভিটামিন এ উৎপন্ন করার জিন সংযোজন করা হয়েছে।
- এটি মানবদেহে প্রবেশ করে ভিটামিন এতে রূপান্তরিত হয় এবং ভিটামিন এ এর অভাব পূরণে সাহায্য করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভিটামিন সি — গোল্ডেন রাইস ভিটামিন সি সমৃদ্ধ নয়, এটি প্রধানত বিটা ক্যারোটিনের উৎসের জন্য তৈরি করা হয়েছে।
B) ভিটামিন এ (বিটা ক্যারোটিন) — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রশ্নটির সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ।
C) ভিটামিন ডি — গোল্ডেন রাইসে ভিটামিন ডি উৎপাদনের কোনো উপাদান থাকে না, এটি সূর্যালোক ও নির্দিষ্ট খাবার থেকে পাওয়া যায়।
D) আয়রন — আয়রন সমৃদ্ধ চাল আলাদা প্রকৃতির হয় এবং গোল্ডেন রাইস মূলত আয়রনের জন্য তৈরি নয়।
মনে রাখার টিপস:
গোল্ডেন রাইসের সোনালী রঙ মনে করিয়ে দেয় এর ভেতরে থাকা ভিটামিন এ বা বিটা ক্যারোটিনের কথা।
সঠিক উত্তর: C) লেডি বার্ড বিটল
কেন সঠিক:
- লেডি বার্ড বিটল ফসলের ক্ষতিকর পোকা যেমন জাব পোকা ও সাদা মাছি খেয়ে বেঁচে থাকে, তাই একে কৃষির বন্ধু বা উপকারী পোকা বলা হয়।
- এটি জৈবিক বালাই দমনে অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জাব পোকা — এটি ফসলের রস চুষে খায় এবং মারাত্মক ক্ষতি করে, তাই এটি উপকারী পোকা নয়।
B) সাদা মাছি — এটি গাছের পাতা থেকে রস সংগ্রহ করে এবং নানা ধরণের ভাইরাসের বাহক হিসেবে কাজ করে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে।
C) লেডি বার্ড বিটল — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যা ক্ষতিকর পোকা দমন করে ফসল রক্ষা করতে সাহায্য করে।
D) লাল মাকড় — এটি গাছের পাতার ক্লোরোফিল নষ্ট করে এবং পাতা শুকিয়ে ফেলে, যা ফসলের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর।
মনে রাখার টিপস:
লেডি বার্ড হলো পোকা শিকারী পোকা, যা ক্ষতিকর জাব পোকা খেয়ে কৃষকের উপকার করে।
সঠিক উত্তর: D) ট্রাইকোডার্মা
কেন সঠিক:
- ট্রাইকোডার্মা এক ধরণের উপকারী ছত্রাক যা জৈব বর্জ্য বা কম্পোস্ট দ্রুত পচাতে সাহায্য করে।
- এটি মাটিতে ক্ষতিকর রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণু ধ্বংস করে এবং গাছের পুষ্টি উপাদান বৃদ্ধি করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) এসপার জিলাস — এটি প্রধানত খাদ্যদ্রব্য নষ্ট করে এবং টক্সিন উৎপন্ন করে, তাই কম্পোস্টে এটি ব্যবহার করা হয় না।
B) পেনিসিলিয়াম — এটি অ্যান্টিবায়োটিক তৈরিতে ব্যবহৃত হয়, তবে এটি আদর্শ কম্পোস্টকারী ছত্রাক নয়।
সি) ফিউজারিয়াম — এটি উদ্ভিদের মারাত্মক রোগ সৃষ্টিকারী ক্ষতিকর ছত্রাক, যা কম্পোস্টের জন্য উপকারী নয়।
D) ট্রাইকোডার্মা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য।
মনে রাখার টিপস:
কম্পোস্ট তৈরিতে ট্রাইকোডার্মা ব্যবহার করা হয় কারণ এটি বর্জ্য পচাতে জাদুকরী ভূমিকা রাখে।
সঠিক উত্তর: B) দলগত শিক্ষাদান পদ্ধতি
কেন সঠিক:
- মাঠ দিবস কৃষকদের নিয়ে মাঠে আয়োজিত হয়, যা দলগত আলোচনার মাধ্যমে নতুন কৃষি প্রযুক্তি ও জ্ঞান ছড়িয়ে দিতে সহায়তা করে।
- এটি দলীয় অংশগ্রহণের ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত একটি কার্যকর শিক্ষণ পদ্ধতি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) একক শিক্ষাদান পদ্ধতি — এটি একক কোনো শিক্ষার্থী বা ব্যক্তির জন্য প্রযোজ্য নয়, কারণ এখানে একসঙ্গে অনেক মানুষ অংশ নেয়।
B) দলগত শিক্ষাদান পদ্ধতি — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ এতে একটি নির্দিষ্ট দল বা গোষ্ঠীকে একত্রে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
C) গণ শিক্ষাদান পদ্ধতি — এটি গণমাধ্যম বা বিশাল জনগোষ্ঠীর জন্য প্রযোজ্য, যা মাঠ দিবসের নির্দিষ্ট দলীয় পরিধি থেকে আলাদা।
D) উপরের কোনটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশন বি তে বিদ্যমান, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
মাঠে দলবদ্ধ হয়ে কৃষকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় বলেই মাঠ দিবস একটি দলগত শিক্ষাদান পদ্ধতি।
সঠিক উত্তর: D) ব্রি ধান ৬২
কেন সঠিক:
- এটি বাংলাদেশের প্রথম উদ্ভাবিত জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত, যা ২০১৩ সালে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট কর্তৃক অনুমোদিত হয়।
- এই ধানের চালে জিংকের পরিমাণ বেশি থাকায় তা শিশুদের পুষ্টির ঘাটতি ও ডায়রিয়া প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ব্রি ধান ২৮ — এটি একটি জনপ্রিয় বোরো ধান হলেও এটি জিংক সমৃদ্ধ প্রথম জাত নয়।
B) ব্রি ধান ৫০ — এটি সুগন্ধি বা বাসমতি ধরণের ধান, যা জিংক সমৃদ্ধ প্রথম জাত হিসেবে পরিচিত নয়।
C) বিনা ধান ৭ — এটি বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত খরা সহনশীল আমন ধান, জিংক সমৃদ্ধ নয়।
D) ব্রি ধান ৬২ — এটি বাংলাদেশের প্রথম উদ্ভাবিত জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
জিংক সমৃদ্ধ প্রথম ধান ৬২, মনে রেখো সংখ্যাটি বাষ্পের মতো হালকা নয় বরং পুষ্টিতে ভারী।
সঠিক উত্তর: B) সর্বনিম্ন ঝুঁকিপূর্ণ পদ্ধতিতে বালাই ব্যবস্থাপনা করা
কেন সঠিক:
- GAP বা গুড এগ্রিকালচারাল প্র্যাকটিসেস-এর মূল লক্ষ্য হলো নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন করা, যেখানে রাসায়নিকের ব্যবহার সীমিত রাখা হয়।
- বালাই দমনে পরিবেশ, মানবস্বাস্থ্য ও খাদ্যের গুণগত মান অক্ষুণ্ণ রাখতে সর্বনিম্ন ঝুঁকিপূর্ণ বা সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সকল রাসায়নিক কীটনাশক নিষিদ্ধ করা — GAP-এ রাসায়নিক কীটনাশক পুরোপুরি নিষিদ্ধ করা হয় না, বরং নির্ধারিত মাত্রায় নিরাপদ ব্যবহার নিশ্চিত করা হয়।
B) সর্বনিম্ন ঝুঁকিপূর্ণ পদ্ধতিতে বালাই ব্যবস্থাপনা করা — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং GAP-এর মূলনীতির সঙ্গে সম্পূর্ণরূপে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
C) বালাই নিয়ন্ত্রণে সর্বোচ্চ মাত্রায় কীটনাশক প্রয়োগ করা — এটি জনস্বাস্থ্য এবং পরিবেশের জন্য চরম ক্ষতিকর এবং GAP নীতিমালার সম্পূর্ণ পরিপন্থী।
D) শুধুমাত্র জৈবিক নিয়ন্ত্রণের উপর নির্ভর করা — GAP-এ জৈবিক নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি প্রয়োজন সাপেক্ষে অন্যান্য নিরাপদ পদ্ধতিও ব্যবহার করা হয়, শুধু একটির ওপর নির্ভর করা হয় না।
মনে রাখার টিপস:
GAP মানেই নিরাপদ খাদ্য, তাই এর বালাই ব্যবস্থাপনায় ক্ষতিকর রাসায়নিক এড়িয়ে সবসময় সর্বনিম্ন ঝুঁকিকে প্রাধান্য দেওয়া হয়।
সঠিক উত্তর: B) হলুদ রং এর ট্যাগ
কেন সঠিক:
- বীজ আইন অনুযায়ী প্রত্যয়িত বা মান ঘোষিত বীজের বস্তায় হলুদ রঙের ট্যাগ ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক।
- এই হলুদ ট্যাগ বীজের উচ্চ অঙ্কুরোদগম ক্ষমতা এবং মান নিয়ন্ত্রン সংস্থার অনুমোদন নিশ্চিত করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সবুজ রং এর ট্যাগ — এটি ভিত্তি বীজ বা প্রজনন বীজের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়, মান ঘোষিত বীজে নয়।
B) হলুদ রং এর ট্যাগ — এটি মান ঘোষিত বা প্রত্যয়িত বীজের ক্ষেত্রে নির্ধারিত হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর।
C) সাদা রং এর ট্যাগ — এটি সাধারণত প্রজনন বীজ বা ব্রিডার সিডের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
D) নীল রং এর ট্যাগ — এটি বীজ শিল্পের মানদণ্ডে সাধারণ প্যাক করা বীজে ব্যবহৃত হয় না।
মনে রাখার টিপস:
মান ঘোষিত বা সার্টিফাইড বীজের মান ধরে রাখতে 'হলুদ' রঙের ট্যাগ ব্যবহার করা হয়, যা পরীক্ষার জন্য সহজে মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: B) ২০
কেন সঠিক:
- জিপসাম সারে উদ্ভিদের প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান সালফার এবং ক্যালসিয়াম নির্দিষ্ট অনুপাতে থাকে।
- মানসম্মত জিপসাম সারে সালফারের সঠিক মাত্রা প্রায় শতকরা কুড়ি ভাগ থাকা উচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৮ — এটি জিপসাম সারের সালফারের আদর্শ ও নির্ধারিত মান মাত্রার চেয়ে কম।
B) ২০ — এটি মানসম্মত জিপসাম সারে সালফারের সঠিক ও প্রমিত মাত্রা।
C) ১৯ — এটি জিপসাম সারের সালফারের প্রমিত বা গবেষণালব্ধ সঠিক মান নয়।
D) ১৭ — প্রদত্ত উত্তর ভুল ছিল, কারণ জিপসাম সারে সালফারের মাত্রা সতেরো ভাগ থাকে না।
মনে রাখার টিপস:
জিপসাম সারে সালফারের পরিমাণ হলো কুড়ি ভাগ।
সঠিক উত্তর: C) সংরক্ষণের আগে বীজ শোধন
কেন সঠিক:
- বীজ সংরক্ষণকালে পোকামাকড় ও ছত্রাকের আক্রমণ রোধ করতে সংরক্ষণের পূর্বে শোধন করা অত্যন্ত জরুরি।
- শোধন করলে বীজে থাকা ক্ষতিকর জীবাণু ধ্বংস হয় এবং দীর্ঘ সময় বীজ অঙ্কুরোদগমক্ষম ও সুস্থ থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) স্বচ্ছ পলিব্যাগ ব্যবহার — স্বচ্ছ পলিব্যাগ আলো প্রবেশ করতে দেয় যা বীজের গুণগত মান নষ্ট করে এবং সংরক্ষণের জন্য উপযুক্ত নয়।
B) উচ্চ আর্দ্রতায় বীজ সংরক্ষণ — উচ্চ আর্দ্রতা বীজে ছত্রাক ও ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ বাড়িয়ে দেয়, ফলে বীজ পচে যায়।
D) উষ্ণ ও আর্দ্র অবস্থায় সংরক্ষণ — উষ্ণ ও আর্দ্র পরিবেশ বীজের জীবনশক্তি নষ্ট করে এবং দ্রুত অঙ্কুরোদগম ক্ষমতা হ্রাস করে।
মনে রাখার টিপস:
বীজ ভালো রাখতে হলে সংরক্ষণের আগে অবশ্যই শোধন করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) ডগা ও ফল ছিদ্রকারী পোকা
কেন সঠিক:
- বিটি বেগুন হলো একটি জিন প্রকৌশল বা জিএম ফসল, যার মধ্যে বেসিলিথ থুরিংজিনেসিস নামক ব্যাকটেরিয়ার জিন প্রবেশ করানো হয়েছে।
- এই জিন উদ্ভিদের মধ্যে এক ধরনের প্রাকৃতিক বিষ তৈরি করে, যা বিশেষভাবে বেগুনের প্রধান ক্ষতিকর পোকা ডগা ও ফল ছিদ্রকারী পোকা ধ্বংস করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জাব পোকা — এটি এক ধরনের ছোট চোষক পোকা যা গাছের রস খায়, তবে বিটি বেগুনের জিন এই পোকা দমনে বিশেষভাবে কার্যকর নয়।
B) এপিল্যাকনা বিটল — এটি পাতার ক্লোরোফিল খেয়ে জালের মতো করে ফেলে, যা বিটি বেগুনের মাধ্যমে সরাসরি নিয়ন্ত্রিত হয় না।
C) ডগা ও ফল ছিদ্রকারী পোকা — এটি সঠিক উত্তর এবং এই পোকা প্রতিরোধের জন্যই মূলত বিটি বেগুন উদ্ভাবন করা হয়েছে।
D) কাঁঠালে পোকা — এটি ফসলের আরেকটি সাধারণ ক্ষতিকর পোকা হলেও, বিটি বেগুনের জিনগত সুরক্ষা এই পোকার বিরুদ্ধে কাজ করে না।
মনে রাখার টিপস:
বিটি বেগুনের মূল লক্ষ্য হলো বেগুন গাছের সবচেয়ে বড় শত্রু ডগা ও ফল ছিদ্রকারী পোকা দমন করা।
সঠিক উত্তর: D) BINA
কেন সঠিক:
- BINA হলো বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট, যা পরমাণু শক্তির সাহায্যে তেজস্ক্রিয় রশ্মি ব্যবহার করে ধানের নতুন জাত উদ্ভাবন করে থাকে।
- একে মিউটেশন ব্রিডিং বলা হয়, যার মাধ্যমে ফসলের গুণগত মান বৃদ্ধি এবং উন্নত জাত উদ্ভাবন করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) BRRI — এটি বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট, যা প্রচলিত সংকরায়ণ পদ্ধতির মাধ্যমে ধানের জাত উদ্ভাবন করে থাকে।
B) BARI — এটি বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট, যা মূলত ডাল, তেল ও সবজি জাতীয় ফসলের গবেষণা ও জাত উদ্ভাবন করে।
C) BADC — এটি বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন, যার প্রধান কাজ মানসম্মত বীজ উৎপাদন ও কৃষকদের মধ্যে তা বিতরণ করা।
D) BINA — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই প্রতিষ্ঠানটি পরমাণু শক্তি প্রয়োগ করে মিউটেশন ব্রিডিংয়ের মাধ্যমে ধানের নতুন জাত উদ্ভাবন করে।
মনে রাখার টিপস:
পরমাণু শক্তি বা নিউক্লিয়ার শব্দ থাকলে বুঝতে হবে এটি পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট বা BINA সম্পর্কিত প্রশ্ন।
সঠিক উত্তর: A) শ্যামা
কেন সঠিক:
- শ্যামা ঘাস আমন ধানের ক্ষেতে জন্ম নেওয়া সবচেয়ে ক্ষতিকর ও আক্রমণাত্মক আগাছা যা ধানের সাথে পুষ্টি ও আলোর জন্য প্রতিযোগিতা করে।
- এই আগাছার বৃদ্ধির হার ধানের চেয়ে বেশি হওয়ায় এটি ফলন মারাত্মকভাবে কমিয়ে দেয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শ্যামা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) টোপা পানা — এটি মূলত জলজ আগাছা বা ভাসমান উদ্ভিদ, যা আমন জমির জন্য শ্যামা ঘাসের মতো প্রধান ক্ষতিকর ঘাস নয়।
C) হলদে মুথা — এটি একটি আগাছা হলেও এটি সাধারণত আমন ধানের জমিতে শ্যামা ঘাসের মতো প্রধান ক্ষতিকর ঘাস হিসেবে বিবেচিত হয় না।
D) নুনিয়া — এটি শাকজাতীয় উদ্ভিদ বা সাধারণ আগাছা, যা আমন ধানের জমিতে শ্যামা ঘাসের মতো বড় ধরনের ক্ষতি করে না।
মনে রাখার টিপস:
আমন ধানে শ্যামা ঘাসের ভয়, ফলন কমাতে এর জুড়ি নেই।
সঠিক উত্তর: B) অ্যালুমিনিয়াম ফসফাইড
কেন সঠিক:
- এটি একটি শক্তিশালী ধূমকারক বা ফিউমিগ্যান্ট কীটনাশক, যা গুদামে সংরক্ষিত শস্যের পোকা ও উইপোকা দমনে ব্যবহৃত হয়।
- বাতাসের আর্দ্রতার সংস্পর্শে এসে এটি বিষাক্ত ফসফিন গ্যাস তৈরি করে পোকা ও তাদের ডিম ধ্বংস করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বোর্দো মিশ্রণ — এটি তামা সালফেট ও চুন দিয়ে তৈরি একটি ছত্রাকনাশক, যা মূলত গাছের পাতা ও ফলের রোগ দমনে ব্যবহৃত হয়।
B) অ্যালুমিনিয়াম ফসফাইড — এটি গুদামে সংরক্ষণশীল পোকা দমনে ব্যবহৃত সঠিক রাসায়নিক।
C) ফরমালিন — এটি মূলত পচনশীল বস্তু ও মৃতদেহ সংরক্ষণে ব্যবহৃত রাসায়নিক তরল, খাদ্য বা শস্যের পোকা দমনে নয়।
D) DAP সার — এটি ডায়ামোনিয়াম ফসফেট নামক একটি রাসায়নিক সার, যা উদ্ভিদের পুষ্টি ও বৃদ্ধিতে ব্যবহৃত হয়, কীটনাশক নয়।
মনে রাখার টিপস:
গুদামের পোকা দমনে ফসফাইড ব্যবহার করা হয়, যা ফসফিন গ্যাস তৈরি করে পোকা মারে।
সঠিক উত্তর: C) ব্রি ধান ২৮
কেন সঠিক:
- ব্রি ধান ২৮ বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান ও জনপ্রিয় বোরো মৌসুমের ধান জাত।
- এর জীবনকাল কম এবং ফলনশীলতা বেশি হওয়ায় এটি কৃষকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ব্রি ধান ৩৪ — এটি মূলত একটি সুগন্ধি পোলাওয়ের চালের জাত, যা সাধারণত আমন মৌসুমে চাষ করা হয়।
B) ব্রি ধান ৯০ — এটি খরা ও লবণাক্ততা সহনশীল একটি আধুনিক আমন মৌসুমের ধানের জাত।
িসি) ব্রি ধান ২৮ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে ভিন্ন কোনো প্রযোজ্য কারণ নেই।
D) ব্রি ধান ৪৩ — এটি একটি আউশ মৌসুমের খরা সহনশীল ধানের জাত, বোরো জাত নয়।
মনে রাখার টিপস:
সংখ্যা জোড়ার মধ্যে আঠারো এবং আঠাশ সাধারণত বোরো মৌসুমের জনপ্রিয় ধানের জাত হিসেবে পরিচিত।
সঠিক উত্তর: C) উচ্চ ফলনশীল
কেন সঠিক:
- 'উফশী' হলো 'উচ্চ ফলনশীল' শব্দটির সংক্ষিপ্ত রূপ বা পরিভাষা।
- কৃষি ক্ষেত্রে অধিক উৎপাদনশীল বীজ বা জাত বোঝাতে এই পরিভাষাটি ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উন্নত ফসল — এটি ফসলের সাধারণ মান বোঝায়, তবে 'উফশী' বিশেষভাবে ফলনের পরিমাণের সাথে সম্পর্কিত।
B) উর্বর সার — এটি জমির উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধির উপাদান, ফসলের জাত বা পরিভাষা নয়।
C) উচ্চ ফলনশীল — এটি সঠিক উত্তর।
D) কোনটিই নয় — যেহেতু C নম্বর অপশনটি সঠিক, তাই এটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
উফশী শব্দের উ অংশটি উচ্চ এবং ফ অংশটি ফলনশীল নির্দেশ করে।
সঠিক উত্তর: A) পুরানো পাতায় হলুদ ভাব
কেন সঠিক:
- নাইট্রোজেন একটি গতিশীল বা সচল খনিজ পুষ্টি উপাদান হওয়ায় উদ্ভিদে এর ঘাটতি দেখা দিলে এটি নতুন পাতা থেকে পুরনো পাতায় স্থানান্তরিত হয়।
- ফলস্বরূপ, ক্লোরোফিল উৎপাদনে ব্যাঘাত ঘটে এবং উদ্ভিদের নিচের বা পুরনো পাতাগুলো ক্রমান্বয়ে হলুদ বর্ণ ধারণ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পুরানো পাতায় হলুদ ভাব — এটি সঠিক উত্তর কারণ নাইট্রোজেনের অভাবে ক্লোরোফিল নষ্ট হয়ে পুরনো পাতা হলুদ হয়ে যায়।
B) নতুন পাতায় বেগুনি রং — এটি ফসফরাসের অভাবে ঘটে, নাইট্রোজেনের অভাবে নয়।
ModelComponent C) পাতার কিনারা পুড়ে যায় — এটি সাধারণত পটাসিয়ামের ঘাটতির কারণে ঘটে থাকে।
D) পাতার অগ্রভাগে সাদা হয় — এটি অন্য কোনো মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা পরিবেশগত সমস্যার কারণে হতে পারে।
মনে রাখার টিপস:
নাইট্রোজেন ঘাটতিতে পাতা হলুদ হয়, যা মনে রাখতে নাইট্রোজেন শব্দের শুরুর অক্ষর ন দিয়ে নিচে বা পুরনো পাতা মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: D) সবকটি
কেন সঠিক:
- ফসলের জমিতে অম্লত্ব বা এসিডিটি বাড়লে মাটির pH মান কমে যায়, যা ফসলের পুষ্টি উপাদান গ্রহণ ব্যাহত করে।
- ডলোচুন, কলিচুন এবং ক্যালসিয়াম কার্বনেট—সবকটি উপাদানই রাসায়নিকভাবে ক্ষারীয় প্রকৃতির হওয়ায় মাটির অতিরিক্ত অম্লত্বneutralize করে স্বাভাবিক pH ফিরিয়ে আনে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ডলোচুন — এটি ম্যাগনেসিয়াম ও ক্যালসিয়ামের কার্বনেট মিশ্রণ যা মাটি neutralize করে, কিন্তু একা সঠিক উত্তর নয় কারণ অন্য অপশনগুলোও সঠিক।
B) কলিচুন — এটি ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড যা মাটির অম্লত্ব দ্রুত দূর করে, তবে এটি একমাত্র সঠিক উত্তর নয়।
C) ক্যালসিয়াম কার্বনেট — এটি চুনাপাথর যা মাটির অম্লতা কমাতে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু অন্য অপশনগুলোও এর সমার্থক বা কার্যকরী।
D) সবকটি — এই অপশনে উল্লেখিত ডলোচুন, কলিচুন এবং ক্যালসিয়াম কার্বনেট প্রতিটি উপাদানই মাটির অম্লত্ব দূর করতে সমানভাবে কার্যকর।
মনে রাখার টিপস:
মাটির অম্লতা দূর করতে চুনজাতীয় সকল উপাদান যেমন ডলোচুন, কলিচুন ও ক্যালসিয়াম কার্বনেট ব্যবহার করা যায়।
সঠিক উত্তর: B) গম
কেন সঠিক:
- বর্ণালী ও শুভ্র হলো বাংলাদেশে চাষকৃত গম ফসলের অত্যন্ত জনপ্রিয় দুটি উন্নত জাত।
- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট এই উচ্চফলনশীল গম জাতগুলো উদ্ভাবন করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভুট্টা — ভুট্টা ফসলের উন্নত জাতের মধ্যে খোমাকা, বারি ভুট্টা এগারো ও পিয়োনিয়ার উল্লেখযোগ্য, কিন্তু বর্ণালী ও শুভ্র নয়।
B) গম — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এটি গম ফসলের উন্নত জাতের নাম।
C) ধান — ধানের উন্নত জাতের মধ্যে ব্রিধান আটাশ, ব্রিধান উনত্রিশ ও স্বর্ণা উল্লেখযোগ্য, কিন্তু বর্ণালী ও শুভ্র নয়।
D) আলু — আলুর উন্নত জাতের মধ্যে কার্ডিনাল, হীরা ও ডায়মন্ড উল্লেখযোগ্য, কিন্তু বর্ণালী ও শুভ্র নয়।
মনে রাখার টিপস:
শুভ্র সকালে বর্ণালী রোদে গম ক্ষেত দেখতে সুন্দর লাগে, এভাবে মনে রাখতে পারেন বর্ণালী ও শুভ্র গমের জাত।
সঠিক উত্তর: D) ধানের হিসপা
কেন সঠিক:
- ধানের হিসপা পোকা ধান গাছের পাতা কুড়ে খেয়ে এর সবুজ অংশ নষ্ট করে ফেলে।
- ব্যাপক আক্রমণের কারণে গাছের সালোকসংশ্লেষ প্রক্রিয়া ব্যাহত হয় এবং ফলন মারাত্মকভাবে কমে যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হলুদ কাণ্ড ছিদ্রকারী পোকা — এটি ধানের একটি ক্ষতিকারক পোকা হলেও বর্তমান প্রেক্ষাপটে প্রধান ক্ষতিকারক পোকা হিসপা হিসেবে বিবেচিত।
B) পাতা মোড়ানো পোকা — এটি পাতার কিনারে মুড়িয়ে ক্ষতি করলেও এটি প্রধান ক্ষতিকারক পোকা নয়।
C) পামকিপোকা — এটি ধানের পাতার ক্ষতি করে তবে হিসপার মতো এটি প্রধান বা সর্বগ্রাসী ক্ষতিকারক পোকা নয়।
D) ধানের হিসপা — এটি ধান গাছের পাতা কুড়ে খেয়ে মারাত্মক ক্ষতি করে এবং বর্তমানে এটি প্রধান ক্ষতিকারক পোকা।
মনে রাখার টিপস:
ধানের পাতার সবুজ অংশ খেয়ে শেষ করে দেয় হিসপা, তাই এটিই প্রধান ক্ষতিকারক পোকা।
সঠিক উত্তর: B) National Agricultural Research System
কেন সঠিক:
- এটি বাংলাদেশের কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোকে সমন্বয় ও পরিচালনা করার জাতীয় প্রাতিষ্ঠানিক রূপ।
- দেশের কৃষি খাতের উন্নয়ন এবং নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবনে এই গবেষণা ব্যবস্থার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Northern Agricultural Research System — উত্তর অঞ্চলের জন্য সীমাবদ্ধ কোনো বিশেষ বা আলাদা জাতীয় ব্যবস্থা বোঝায় না।
B) National Agricultural Research System — এটি সঠিক উত্তর।
C) National Agriculture and Research System — এখানে 'and' শব্দটির অতিরিক্ত ব্যবহারের কারণে পূর্ণরূপটি ভুল হয়েছে।
D) North American Research System — এটি উত্তর আমেরিকার কোনো গবেষণা ব্যবস্থাকে নির্দেশ করে যা বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
সংক্ষিপ্ত রূপ NARS মনে রাখতে মূল শব্দগুলো মনে রাখুন: National (জাতীয়) Agricultural (কৃষি) Research (গবেষণা) System (ব্যবস্থা)।
সঠিক উত্তর: B) ৩০টি
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের কৃষি উন্নয়নের জন্য মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট সমগ্র দেশকে মোট ৩০টি কৃষি পরিবেশ অঞ্চলে ভাগ করেছে।
- এই অঞ্চলগুলো নির্ধারণ করা হয়েছে ভূমিরূপ, মৃত্তিকার বৈশিষ্ট্য এবং জলবায়ুর পার্থক্যের ওপর ভিত্তি করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২৯টি — এই সংখ্যাটি সঠিক কৃষি পরিবেশ অঞ্চলের সঙ্গে মিলছে না।
B) ৩০টি — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বাংলাদেশের ভূগোলের জন্য একটি প্রমিত পরিসংখ্যান।
C) ৩১টি — এই সংখ্যাটি বাংলাদেশ বা অন্য কোনো মানসম্মত অঞ্চলের সঠিক কৃষি পরিবেশ অঞ্চলের সংখ্যা নয়।
D) ৩২টি — এই সংখ্যাটি কৃষি পরিবেশ অঞ্চলের সঠিক পরিসংখ্যানের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
কৃষি মানেই মাটি আর পরিবেশ, আর বাংলাদেশে এই পরিবেশ অঞ্চল আছে মোট ৩০টি।
সঠিক উত্তর: B) ৫-১৫°C
কেন সঠিক:
- গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ফল ও সবজি যেমন কলা, আম, আনারস অতিরিক্ত ঠান্ডায় নষ্ট হয়ে যায় এবং এগুলো সংরক্ষণের জন্য ৫ থেকে ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা সবচেয়ে উপযোগী।
- এই তাপমাত্রায় রাখলে ফল ও সবজির স্বাভাবিক পাক ধরার প্রক্রিয়া বজায় থাকে এবং কোল্ড ইনজুরি বা ঠান্ডাজনিত পচন রোধ করা সম্ভব হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ০-৪°সি — এটি নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলের ফল ও সবজির নিরাপদ সংরক্ষণের তাপমাত্রা, যা গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ফলের জন্য অতিরিক্ত ঠান্ডা এবং এতে ফল নষ্ট হয়ে যায়।
B) ৫-১৫°সি — এটিই গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ফল ও সবজির জন্য সঠিক নিরাপদ সংরক্ষণের তাপমাত্রা।
C) ২০-২৫°সি — এটি কক্ষ তাপমাত্রা, যা গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ফল ও সবজি দ্রুত পাকাতে বা নষ্ট করতে সাহায্য করে, দীর্ঘস্থায়ী সংরক্ষণের জন্য নিরাপদ নয়।
D) ২৬-৩০°সি — এটি স্বাভাবিক আবহাওয়ার উষ্ণ তাপমাত্রা, যা ফল ও সবজি দ্রুত পচিয়ে ফেলে এবং সংরক্ষণের জন্য উপযোগী নয়।
মনে রাখার টিপস:
গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ফল ঠান্ডায় কাবু হয়, তাই জিরো ডিগ্রিতে না রেখে পাঁচ থেকে পনেরো ডিগ্রির মাঝারি ঠান্ডায় নিরাপদ রাখতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) ১২-১৪%
কেন সঠিক:
- শস্য দানার আর্দ্রতা ১২ থেকে ১৪ শতাংশের মধ্যে নামিয়ে আনলে ছত্রাক, ব্যাকটেরিয়া ও পোকার আক্রমণ রোধ করা যায়।
- এই নির্দিষ্ট মাত্রায় শস্যের নিজস্ব জৈবিক শ্বাসপ্রশ্বাস প্রক্রিয়া ধীর থাকে, ফলে দীর্ঘ সময় গুণগত মান অক্ষুণ্ণ থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২০-২২% — এই পরিমাণ আর্দ্রতা অনেক বেশি, যার কারণে খুব দ্রুত শস্যদানায় ছত্রাক জন্মাবে এবং পচন ধরবে।
B) ১৬-১৮% — এটিও নিরাপদ সংরক্ষণের তুলনায় বেশি, এই মাত্রায় আর্দ্রতা থাকলে শস্য দ্রুত নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।
C) ১২-১৪% — এটি শস্য দীর্ঘমেয়াদী নিরাপদ সংরক্ষণের জন্য বিজ্ঞানসম্মতভাবে পরীক্ষিত ও নির্ধারিত আদর্শ আর্দ্রতার মাত্রা।
D) ৮-১০% — এই মাত্রা অতিরিক্ত কম, যা শস্য দানাকে অতিরিক্ত শুষ্ক ও ভঙ্গুর করে ফেলে এবং অঙ্কুরোদগম ক্ষমতা নষ্ট করে।
মনে রাখার টিপস:
শস্যের নিরাপদ জীবন, আর্দ্রতা থাকুক বারো থেকে চৌদ্দর ভেতর।
সঠিক উত্তর: C) মাটির আর্দ্রতা সংরক্ষণ
কেন সঠিক:
- মালচিং হলো খড়, পলিথিন বা জৈব পদার্থ দিয়ে মাটির উপরিপৃষ্ঠ ঢেকে দেওয়া, যা সূর্যের তাপে মাটির আর্দ্রতা উবে যাওয়া রোধ করে।
- এটি মাটির তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে এবং আগাছা জন্মাতে বাধা দেয়, যা উদ্ভিদের শিকড়ের বৃদ্ধিতে সহায়ক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মাটির pH কমানো — মালচিং করার মূল উদ্দেশ্য মাটি অম্লীয় করা নয়, বরং মাটির উপরিপৃষ্ঠ ঢেকে রেখে আর্দ্রতা রক্ষা করা।
B) মাটির pH বাড়ানো — মালচিং মাটির ক্ষারত্ব বাড়াতে সরাসরি কোনো ভূমিকা পালন করে না, তাই এটি ভুল উত্তর।
C) মাটির আর্দ্রতা সংরক্ষণ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যা সূর্যের তাপ ও বাতাস থেকে মাটির ভেজাভাব বা আর্দ্রতা বজায় রাখে।
D) মাটির আর্দ্রতা কমানো — মালচিং আর্দ্রতা কমায় না, বরং উল্টো মাটি শুষ্ক হওয়া থেকে রক্ষা করে আর্দ্রতা ধরে রাখে।
মনে রাখার টিপস:
মালচিং মানেই ঢেকে রাখা; আর ঢেকে রাখলে মাটির আর্দ্রতা বা ভেজাভাব ভেতরেই সংরক্ষিত থাকে।
সঠিক উত্তর: A) ধইঞ্চা
কেন সঠিক:
- ধইঞ্চা একটি ডাল জাতীয় উদ্ভিদ যার শিকড়ে রাইজোবিয়াম ব্যাকটেরিয়া থাকে এবং এটি মাটিতে প্রচুর নাইট্রোজেন সংবদ্ধ করে।
- গাছটি দ্রুত বাড়ে এবং ফুল আসার আগে মাটিতে মিশিয়ে দিলে পচে চমৎকার জৈব সার বা সবুজ সার তৈরি করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ধইঞ্চা — এটি সবুজ সার উৎপাদনের জন্য বিশেষভাবে উপযোগী এবং বাংলাদেশে এর ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে।
B) শনপাট — এটি মূলত আঁশ বা তন্তু উৎপাদনের জন্য চাষ করা হয়, সবুজ সার হিসেবে এর ব্যবহার ধইঞ্চার মতো প্রধান নয়।
C) উপরের দুইটিই — যেহেতু শনপাট সবুজ সার হিসেবে প্রধান উপযোগী ফসল নয়, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়।
D) কোনটিই নয় — অপশন এ তে সঠিক উত্তর ধইঞ্চা বিদ্যমান থাকায় এটি গ্রহণযোগ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
সবুজ সারের রাজা হলো ধইঞ্চা, যা মাটিতে নাইট্রোজেন বাড়ায়।
সঠিক উত্তর: A) বাংলা ও অসমিয়া
১. কেন সঠিক:
- বাংলা এবং অসমিয়া ভাষা দুটি একই মূল উৎস থেকে উদ্ভূত হওয়ায় এরা সহোদর ভাষাগোষ্ঠী হিসেবে পরিচিত।
- এই দুটি ভাষা ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে প্রাচ্য বা মাগধী প্রাকৃত থেকে অপভ্রংশের মাধ্যমে বিকশিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ভাষা, উপভাষা ও বাংলা ভাষার ইতিহাস সম্পর্কিত এই প্রশ্নে ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের ভাষাতাত্ত্বিক বংশলতিকা অনুসরণ করা হয়েছে।
- বাংলা ভাষার মূল উৎস প্রাচীন ভারতীয় আর্য ভাষা, যা প্রাকৃত ও অপভ্রংশ হয়ে আজকের রূপ লাভ করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাংলা ও ওড়িয়া
ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষার মতো ওড়িয়া ভাষাও প্রাচ্য বা মাগধী প্রাকৃত থেকে জন্ম নেওয়ায় এরাও সহোদর ভাষাগোষ্ঠী।
উদাহরণ ২: হিন্দি ও পাঞ্জাবি
ব্যাখ্যা: হিন্দি ও পাঞ্জাবি ভাষা দুটি মধ্যদেশী বা শৌরসেনী প্রাকৃত থেকে উদ্ভূত হওয়ায় এরা পরস্পর সহোদর।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাংলা ও অসমিয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দুটি ভাষার জন্ম একই উৎস থেকে হয়েছে।
B) বাংলা হিন্দি — বাংলা প্রাচ্য শাখা এবং হিন্দি মধ্যদেশী শাখা থেকে আসায় এরা সহোদর নয়।
C) বাংলা ও উর্দু — বাংলা আর্য বংশোদ্ভূত ভাষা এবং উর্দু মূলত তুর্কি-ফার্সি প্রভাবে সৃষ্ট ভিন্ন শাখার ভাষা।
D) বাংলা ও সংস্কৃত — সংস্কৃত হলো বাংলার আদি উৎস বা জননী, তাই এরা সহোদর নয় বরং জননী ও কন্যা সম্পর্কযুক্ত।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বাংলা ভাষার সহোদর মনে রাখার সহজ উপায় হলো পূর্ব ভারতের ভাষাগুলো যেমন অসমিয়া ও ওড়িয়া বাংলার ভাই বা সহোদর।
- সংস্কৃত হলো বাংলার মা বা উৎস, আর হিন্দি হলো দূর সম্পর্কের আত্মীয়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা ভাষার জন্ম এবং এর সহোদর ভাষাগুলো থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে।
- ভাষা বংশের এই প্রশ্নগুলো সমাধান করতে ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ ছকটি ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) বিবৃত
১. কেন সঠিক:
- ‘আ’ ধ্বনি উচ্চারণের সময় মুখবিবর সম্পূর্ণ উন্মুক্ত থাকে এবং ঠোঁটের কোনো সংকোচন ঘটে না।
- ভাষাবিজ্ঞানের পরিভাষায় মুখবিবর বা ঠোঁটের এই সম্পূর্ণ খোলা থাকাকে বিবৃত বলা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- জিহ্বার অবস্থান এবং ঠোঁটের উন্মুক্তির ওপর ভিত্তি করে স্বরধ্বনিকে বিভিন্ন শ্রেণিতে ভাগ করা হয়।
- মুখবিবর সম্পূর্ণ খোলা থাকায় ‘আ’ একটি বিবৃত স্বরধ্বনি হিসেবে পরিচিত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আম
ব্যাখ্যা: শব্দটি উচ্চারণের শুরুতে মুখবিবর সম্পূর্ণ খুলে যায়, যা বিবৃত ধ্বনির বৈশিষ্ট্য।
উদাহরণ ২: আকাশ
ব্যাখ্যা: এই শব্দের প্রথম বর্ণ ‘আ’ উচ্চারণের সময়ও ঠোঁট ও মুখবিবর উন্মুক্ত থাকে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সংবৃত — সংবৃত স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময় মুখবিবর সবচেয়ে কম উন্মুক্ত বা সংকীর্ণ থাকে, যা ‘আ’ এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
B) অর্ধ-সংবৃত — অর্ধ-সংবৃত ধ্বনিতে মুখবিবর সংবৃত ও অর্ধ-বিবৃতির মাঝামাঝি অবস্থায় থাকে, যা ‘আ’ এর সঙ্গে মিলে না।
C) বিবৃত — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় অন্য অপশনগুলোর বিপরীতে এটিই সঠিক হিসেবে গণ্য।
D) অর্ধ-বিবৃত — অর্ধ-বিবৃত ধ্বনিতে মুখবিবর বিবৃত অপেক্ষা কম খোলা থাকে, তাই ‘আ’ এই শ্রেণিতে পড়ে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- আ উচ্চারণে মুখ আ-স্কে খোলে, তাই এটি বিবৃত।
- মুখবিবরের সম্পূর্ণ খোলা থাকাই হলো বিবৃত ধ্বনির মূল চাবিকাঠি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- স্বরধ্বনির উচ্চারণ স্থান ও মুখবিবরের উন্মুক্তি থেকে বিসিএস এবং প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
- বিবৃত স্বরধ্বনি মূলত কেবল ‘আ’ ধ্বনিকেই নির্দেশ করে।
সঠিক উত্তর: A) জয়নন্দী
১. কেন সঠিক:
- জয়নন্দী মধ্যযুগের কোনো কবি নন। তিনি প্রাচীন যুগের বা চর্যাপদের একজন পদকর্তা হিসেবে পরিচিত।
- মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্য শুরু হয় শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য আবিষ্কারের মাধ্যমে এবং এর সময়সীমা আনুমানিক ত্রয়োদশ শতাব্দী থেকে অষ্টাদশ শতাব্দী পর্যন্ত বিস্তৃত।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম নিদর্শন যা আনুমানিক দশম থেকে দ্বাদশ শতাব্দীর মধ্যে রচিত হয়েছে।
- জয়নন্দী চর্যাপদের একজন কবি বা পদকর্তা, তাই তাকে প্রাচীন যুগের কবি হিসেবে গণ্য করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: লুইপা
ব্যাখ্যা: লুইপা চর্যাপদের প্রথম পদকর্তা এবং তিনি প্রাচীন যুগের একজন বিখ্যাত কবি।
উদাহরণ ২: কান্নপা
ব্যাখ্যা: কান্নপা চর্যাপদের সবচেয়ে বেশি পদের রচয়িতা এবং তিনি প্রাচীন যুগের সাহিত্যিক ধারার সঙ্গে যুক্ত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জয়নন্দী — তিনি মধ্যযুগের কবি নন বরং চর্যাপদের প্রাচীন যুগের পদকর্তা।
B) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী — তিনি মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি এবং চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের রচয়িতা।
C) চণ্ডীদাস — তিনি মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলীর অন্যতম প্রধান ও আদি কবি।
D) কানা হরিদত্ত — তিনি মধ্যযুগের মনসামঙ্গল কাব্যের অন্যতম আদি রচয়িতা।
৫. মনে রাখার টিপস:
- চর্যাপদের কবিরা হলেন প্রাচীন যুগের এবং মঙ্গলকাব্য বা বৈষ্ণব পদাবলীর কবিরা হলেন মধ্যযুগের।
- জয়নন্দী নামটি চর্যাপদের সঙ্গে যুক্ত থাকায় তিনি মধ্যযুগের নন, প্রাচীন যুগের কবি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- চর্যাপদের কবি ও তাদের পদসংখ্যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- মধ্যযুগের সূচনা এবং বিভিন্ন মঙ্গলকাব্যের প্রথম কবিদের নাম ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) কাহ্নপা
১. কেন সঠিক:
- চর্যাপদে সবচেয়ে বেশি পদ রচনা করেছেন কবি কাহ্নপা।
- আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর মতে চর্যাপদে তাঁর পদের সংখ্যা তেরোটি হলেও বর্তমানে ডক্টর সুকুমার সেনের মতে তাঁর প্রাপ্ত পদের সংখ্যা বারোটি।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- কাহ্নপা ছিলেন চর্যাপদের অন্যতম প্রধান ও সর্বাধিক পদরচয়িতা কবি যিনি সহজিয়া বৌদ্ধ ধর্মের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
- বজ্রযান ও সহজযান দর্শনের তাত্ত্বিক কথা এবং গূঢ় সাধনা তাঁর কবিতায় রূপক ও সান্ধ্যভাষায় প্রকাশিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কাহ্নপার রচিত পদ নম্বর তেরো
ব্যাখ্যা: এই পদে সাধনার উচ্চ পর্যায় ও মানসিক স্থিতির সুন্দর বর্ণনা পাওয়া যায়।
উদাহরণ ২: কাহ্নপার রচিত পদ নম্বর আটত্রিশ
ব্যাখ্যা: এই পদটিতে সন্ধ্যা ভাষার প্রয়োগ ও তাত্ত্বিক দর্শনের বিশেষ প্রকাশ রয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লুইপা — লুইপা চর্যাপদের প্রথম কবি এবং তাঁর রচিত পদের সংখ্যা দুই, যা সর্বাধিক নয়।
B) কাহ্নপা — সঠিক উত্তর।
C) ভুসুকুপা — ভুসুকুপা চর্যাপদে দ্বিতীয় সর্বাধিক আটটি পদ রচনা করেছেন, তাই এটি সর্বোচ্চ পদের সংখ্যা নয়।
D) শবরীপা — শবরীপা চর্যাপদে মাত্র দুটি পদ রচনা করেছেন, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- চর্যাপদে সবচেয়ে বেশি পদের জন্য কা-তে কাহ্নপা এবং কা-তে বেশি বা সর্বাধিক কথাটি মনে রাখতে পারো।
- এভাবে কবি ও পদের সংখ্যা সহজে মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় চর্যাপদের পদসংখ্যা এবং কবিদের নাম প্রায়ই আসে।
- চর্যাপদের মোট পদের সংখ্যা সাড়ে ছেচল্লিশটি এবং আবিষ্কারক মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী।
সঠিক উত্তর: B) মরুভাস্কর
১. কেন সঠিক:
- মরুভাস্কর গ্রন্থটি মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবন ও কর্মের ওপর রচিত একটি প্রখ্যাত জীবনীগ্রন্থ।
- প্রাবন্ধিক ও সাহিত্যিক মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলী অত্যন্ত প্রাঞ্জল ও ভক্তিপূর্ণ ভাষায় এই গ্রন্থটিতে মহানবীর জীবনের বিভিন্ন দিক ফুটিয়ে তুলেছেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এই প্রশ্নটি লেখক ও সাহিত্যকর্মের অন্তর্ভুক্ত। এর রচয়িতা মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলী বাংলা সাহিত্যে সাংবাদিক ও প্রবন্ধকার হিসেবে বিশেষভাবে পরিচিত।
- মরুভাস্কর গ্রন্থটি মহানবীর জীবনের আদর্শ ও শিক্ষা প্রচারের উদ্দেশ্যে ১৯৪১ সালে প্রকাশিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিশ্বনবী
ব্যাখ্যা: এটি গোলাম মোস্তফা রচিত হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবনের ওপর আরেকটি বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম।
উদাহরণ ২: হযরত মোহাম্মদ (স.)
ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত ইসলামি চেতনাসমৃদ্ধ একটি জীবনীগ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মরুমায়া — এটি কাজী কাদের নেওয়াজ রচিত একটি কাব্যগ্রন্থ, যা মহানবীর জীবনীগ্রন্থ নয়।
C) মরুতীর্থ — এটি যতীন সেনগুপ্ত রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা এই প্রশ্নের উত্তরের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়।
D) মরুভূমি — এটি কোনো সুনির্দিষ্ট জীবনীগ্রন্থ নয়, বরং ভৌগোলিক পরিবেশ বোঝাতে ব্যবহৃত সাধারণ শব্দ।
৫. মনে রাখার টিপস:
মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলীর নামের সঙ্গে 'মরুভাস্কর' শব্দটি মিলিয়ে মনে রাখতে পারো যে তাঁর বিখ্যাত সিরাত গ্রন্থটির নাম মরুভাস্কর।
মহানবীকে সূর্যের সঙ্গে তুলনা করে এই নামকরণ করা হয়েছে তা মনে রাখলে সহজেই উত্তরটি পরীক্ষার হলে মনে আসবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জীবনীগ্রন্থের রচয়িতা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলীর অন্যান্য প্রবন্ধগ্রন্থ যেমন জীবন ও মন সম্পর্কেও ধারণা রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: B) শামসুর রাহমান
১. কেন সঠিক:
'স্বাধীনতা তুমি' কবিতাটির রচয়িতা আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি শামসুর রাহমান।
স্বাধীনতা শব্দটির বহুমুখী রূপ, বাঙালির আবেগ এবং দৈনন্দিন জীবনে স্বাধীনতার প্রভাব এই কবিতায় অত্যন্ত চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
কবি শামসুর রাহমান বিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয় অর্ধে আবির্ভূত হওয়া একজন প্রথিতযশা বাঙালি কবি ও সাংবাদিক।
তার কবিতায় নগর জীবনের যন্ত্রণা, দ্রোহ, প্রতিবাদ এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিশেষভাবে প্রকাশ পেয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শামসুর রাহমান রচিত বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'বন্দুক শিবির থেকে'।
ব্যাখ্যা: এটি তার অন্যতম সেরা একটি সাহিত্যকর্ম যা মুক্তিযুদ্ধকালীন প্রেক্ষাপটে রচিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: শামসুর রাহমান রচিত আরেকটি জনপ্রিয় কবিতা 'তোমাকে পাওয়ার জন্য, হে স্বাধীনতা'।
ব্যাখ্যা: এই কবিতায়ও স্বাধীনতা অর্জনের জন্য সাধারণ মানুষের ত্যাগের চিত্র ফুটে উঠেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আলাউদ্দিন আল আজাদ — তিনি বাংলা সাহিত্যের একজন খ্যাতিমান ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার হলেও এই কবিতার রচয়িতা নন।
B) শামসুর রাহমান — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি প্রশ্নের চাহিদার সঙ্গে সম্পূর্ণরূপে মিলে যায়।
C) সৈয়দ শামসুল হক — তিনি বহুমুখী প্রতিভাবান লেখক হলেও 'স্বাধীনতা তুমি' কবিতার লেখক হিসেবে তিনি পরিচিত নন।
D) আল মাহমুদ — তিনি প্রখ্যাত কবি হলেও এই নির্দিষ্ট কবিতাটি তার লেখা নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
স্বাধীনতার নানা রূপ নিয়ে যিনি অনন্য কবিতা লিখেছেন, তিনি হলেন আধুনিক যুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি শামসুর রাহমান।
তার নাম মনে রাখলেই এই ধরনের প্রশ্নের সঠিক উত্তর সহজে চিহ্নিত করা সম্ভব।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বিখ্যাত কবিতা ও তাদের লেখকদের নাম প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
কবি শামসুর রাহমানের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ ও কবিতাসমূহ ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজেই সমাধান করা যাবে।
সঠিক উত্তর: D) আনন্দময়ীর আগমনে
১. কেন সঠিক:
- কাজী নজরুল ইসলামের 'আনন্দময়ীর আগমনে' কবিতা রচনার জন্যই তাকে ব্রিটিশ সরকার রাজদ্রোহের অভিযোগে কারাদণ্ড প্রদান করে।
- এই কবিতাটি প্রকাশের পর ১৯২২ সালের সেপ্টেম্বর মাসে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং এক বছর সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যে বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত এবং তার লেখা 'ধূমকেতু' পত্রিকায় এই কবিতাটি প্রকাশিত হয়েছিল।
- ব্রিটিশ রাজত্বকালে পরাধীন ভারতের মুক্তিকামী মানুষের পক্ষে এবং ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার কারণে তার এই সাহিত্যকর্ম বাজেয়াপ্ত করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রাজবন্দীর জবানবন্দী
ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত গদ্য সাহিত্য যা তিনি আলিপুর সেন্ট্রাল জেলে বসে আদালত চত্বরে পাঠ করেছিলেন।
উদাহরণ ২: বিষের বাঁশী
ব্যাখ্যা: এটি নজরুলের একটি বিদ্রোহী ও প্রাগৈতিহাসিক বাজেয়াপ্ত করা কবিতার বই যা ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের সময় নিষিদ্ধ হয়েছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিদ্রোহী — এটি নজরুলের বিখ্যাত কবিতা হলেও সরাসরি এই কবিতা রচনার জন্য তাকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়নি।
B) অগ্রপথিক — এটি কাজী নজরুল ইসলামের কোনো প্রধান বা একক কারাদণ্ডে জড়িত কবিতা নয়।
C) মুক্তি — এটি নজরুল রচিত একটি কবিতা হলেও এর জন্য তাকে সরাসরি কারাদণ্ড ভোগ করতে হয়নি।
D) আনন্দময়ীর আগমনে — এই অপশনটি সঠিক কারণ এই কবিতা প্রকাশের জন্যই তাকে বিচারালয়ে দণ্ডিত করা হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- নজরুলকে জেলে পাঠানোর কারণ 'আনন্দময়ীর আগমনে' কবিতা, এভাবে মনে রাখতে পারেন যে আনন্দ করতে গিয়ে তিনি কারাবাস করেছিলেন।
- আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে তিনি যে জবানবন্দী দিয়েছিলেন তা আজও বাংলা সাহিত্যে অমর হয়ে আছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে কাজী নজরুল ইসলামকে কোন রচনার জন্য কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
- একই ধরনের অন্যান্য লেখকের বাজেয়াপ্ত গ্রন্থ এবং তাদের সাল ও মামলার ইতিহাস ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) হাঙর নদী গ্রেনেড
১. কেন সঠিক:
- হাঙর নদী গ্রেনেড উপন্যাসটি মহান মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস।
- এই উপন্যাসে এক জননী ও তার সন্তানের আত্মত্যাগের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের ভয়াবহতা ও বাঙালি নারীর বীরত্ব ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এই উপন্যাসের রচিয়তা হলেন খ্যাতিমান কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন।
- এটি মূলত ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে গ্রামীণ জনপদের মানুষের লড়াই ও ত্যাগের এক অনবদ্য দলিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রাবেয়া খাতুনের মেঘের পরে মেঘ
ব্যাখ্যা: এটিও মহান মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি অতি পরিচিত ও গুরুত্বপূর্ণ উপন্যাস।
উদাহরণ ২: শওকত ওসমানের জাহান্নাম হইতে বিদায়
ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসের ক্ষেত্রে একটি অগ্রণী ও ধ্রুপদী সাহিত্যকর্ম।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ক্রীতদাসের হাসি — এটি শওকত ওসমান রচিত আইয়ুব খানের স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে রূপকধর্মী উপন্যাস, মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নয়।
B) রাঙা প্রভাত — এটি ইব্রাহিম খেলিল বা অন্য কোনো লেখকের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস নয়, বরং এটি প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক আবু ইসহাকের একটি সামাজিক উপন্যাস।
D) উত্তম পুরুষ — এটি রশীদ করীমের একটি মনস্তাত্ত্বিক ও আত্মজৈবনিক উপন্যাস, যার সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধের কোনো প্রত্যক্ষ সম্পর্ক নেই।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মুক্তিযুদ্ধের উপন্যাস মনে রাখতে সেলিনা হোসেনের হাঙর নদী গ্রেনেড নামটি গ্রেনেড শব্দের সঙ্গে যুদ্ধের সংযোগ করে সহজে মনে রাখা যায়।
- লেখিকা সেলিনা হোসেনের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসের মধ্যে এটি সবচেয়ে বেশি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সেলিনা হোসেনের উপন্যাসগুলোর মধ্যে হাঙর নদী গ্রেনেড এবং যুদ্ধভিত্তিক অন্যান্য রচনা প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন হিসেবে আসে।
- সাহিত্যিক প্রশ্ন সমাধানের সময় লেখকের নাম এবং উপন্যাসের মূল পটভূমি বা বিষয়বস্তু ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) সজ্জান
১. কেন সঠিক:
- ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী ত্ বা দ্-এর পরে জ্ কিংবা ঝ্ থাকলে ত্ বা দ্ স্থানে জ্ হয়।
- সৎ শব্দের অন্তস্থিত ত্ এবং জনের জ্ মিলে উভয় মিলে জ্জ হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ত্-সন্ধির নিয়মে ত্ বা দ্-এর পর চ ছ জ ঝ ট ড ল থাকলে প্রথম ত্ বা দ্ স্থানে পরবর্তী বর্ণটি হয়।
- সৎ যোগ জন সমান সজ্জন হয়, এখানে প্রদত্ত উত্তরে সামান্য বানান ত্রুটি থাকলেও ব্যাকরণগত নিয়মে জ্জ হবে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: উৎ যোগ জল সমান উজ্জ্বল।
ব্যাখ্যা: ত্-এর পরে জ্ থাকার কারণে ত্ পরিবর্তিত হয়ে জ্ হয়েছে।
উদাহরণ ২: বিপদ্ যোগ জাল সমান বিপদজাল।
ব্যাখ্যা: দ্-এর পরে জ্ থাকার কারণে দ্ পরিবর্তিত হয়ে জ্ হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সজ্জান — প্রদত্ত উত্তরে সামান্য বানান ত্রুটি থাকলেও সন্ধির নিয়মের বিচারে এটিই নির্দেশিত সঠিক উত্তর।
B) সজন — এখানে ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুসারে জ্জ হওয়ার কথা থাকলেও তা বাদ দেওয়া হয়েছে।
C) সরাজন — এখানে মূল শব্দের সঙ্গে অতিরিক্ত রা বর্ণ যুক্ত করা হয়েছে যা সন্ধির নিয়মের সঙ্গে মেলে না।
ডি) সংজন — এখানে সন্ধির নিয়মের বাইরে অনুস্বার ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ত্ বা দ্-এর পরে জ্ দেখলে প্রথম বর্ণটিকে জ্জ এ রূপান্তর করার নিয়মটি মনে রাখবে।
- সন্ধি সাধনের সময় কাছাকাছি উচ্চারণের বর্ণগুলো প্রমিত রূপ লাভ করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ত্-সন্ধি থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে।
- প্রমিত বাংলা বানরীতি ও সন্ধির সূত্র ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এমন প্রশ্ন সহজেই সমাধান করা যায়।
সঠিক উত্তর: A) বাক্যালংকার
১. কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বাক্যে 'যে' শব্দটি কোনো পদকে জোড়া দেওয়া বা প্রশ্ন করার কাজে ব্যবহৃত হয়নি, বরং বাক্যটিকে সৌন্দর্যমণ্ডিত করতে ব্যবহৃত হয়েছে।
- ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী যে অব্যয় বাক্যের অর্থের বিশেষ কোনো পরিবর্তন না ঘটিয়ে কেবল বাক্যকে সুন্দর করতে বা পদের গুরুত্ব বাড়াতে সাহায্য করে, তাকে বাক্যালংকার বলে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাক্যালংকার অব্যয় এমন কিছু শব্দ যা বাক্যের মধ্যে বসে সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে কিন্তু নিজস্ব কোনো অর্থ প্রকাশ করে না।
- বাংলা ব্যাকরণে এই ধরনের অব্যয় প্রায়ই কথ্য বা সাহিত্যিক ভাষায় বাক্যের ভাব ও সুরকে ফুটিয়ে তুলতে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ‘সে তো কালই আসবে।’
ব্যাখ্যা: এখানে 'তো' শব্দটি বাক্যালংকার অব্যয় হিসেবে বাক্যের জোর প্রকাশ করেছে।
উদাহরণ ২: ‘নাক কি তার কেটেছে?’
ব্যাখ্যা: এখানে 'কি' প্রশ্নবোধক না হয়ে বাক্যালংকার হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাক্যালংকার — সঠিক উত্তর।
B) সংশয়বাচক — এটি ভুল কারণ সংশয় বা সন্দেহ বোঝাতে সংশয়বাচক অব্যয় ব্যবহৃত হয়, যা এই বাক্যে নেই।
C) সম্মতিসূচক — এটি ভুল কারণ কোনো বিষয়ে সম্মতি বা অনুমোদন প্রকাশ করতে এই অব্যয় ব্যবহৃত হয় না।
D) ক্রিয়াবিশেষণ স্থানীয় — এটি ভুল কারণ শব্দটি ক্রিয়ার ভাব, কাল বা স্থান নির্দেশ করছে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বাক্যের মাঝখানে থেকে যদি কোনো শব্দ বাদ দিলেও অর্থের তেমন কোনো পরিবর্তন হয় না অথচ বাক্য শুনতে সুন্দর শোনায়, তবে তা সাধারণত বাক্যালংকার অব্যয় হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় 'যে', 'তো', 'কি' ইত্যাদি পদের বাক্যালংকার হিসেবে ব্যবহার প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। বাক্যটির মূল ভাব বিবেচনা করে অব্যয়ের সঠিক প্রকারভেদ নির্ণয় করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) মাইকেল মধুসূদন দত্ত
১. কেন সঠিক:
- বাংলা সাহিত্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক হলেন মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত।
- এই ছন্দের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো চরণের শেষে পদের মিল বা অন্ত্যমিল না থাকা এবং ভাবের স্বাধীন প্রবাহ বজায় রাখা।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা কাব্যে প্রথম অমিত্রাক্ষর ছন্দের সফল প্রয়োগ করেন।
- তাঁর রচিত মেঘনাদবধ কাব্য এই ছন্দের সর্বশ্রেষ্ঠ ও প্রথম সার্থক মহাকাব্য।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তিলোম্বরী সম্ভব কাব্য
ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের একটি বিখ্যাত কাব্য এবং এতেও অমিত্রাক্ষর ছন্দের ব্যবহার দেখা যায়।
উদাহরণ ২: বীরাঙ্গনা কাব্য
ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম পত্রকাব্য, যা অমিত্রাক্ষর ছন্দে লেখা।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বাংলা সাহিত্যে গদ্যছন্দ ও নানা নতুন ছন্দের প্রবর্তন করলেও অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক নন।
B) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত — তিনি ছন্দের জাদুকর হিসেবে পরিচিত হলেও অমিত্রাক্ষর ছন্দ প্রবর্তন করেননি।
C) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বিদ্রোহী কবি ও নানা ছন্দের সফল প্রণেতা হলেও অমিত্রাক্ষর ছন্দের আবিষ্কারক নন।
D) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি বাংলা সাহিত্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দ প্রথম সফলভাবে প্রবর্তন করেন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- অমিত্রাক্ষর ছন্দের সাথে মাইকেল মধুসূদন দত্ত এবং মেঘনাদবধ কাব্যের নাম একত্রে মনে রাখবে।
- মধুসূদন দত্ত মিলহীন ছন্দ বা অমিত্রাক্ষর ছন্দের জনক হিসেবে পরিচিত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা মহাকাব্য এবং অমিত্রাক্ষর ছন্দ নিয়ে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- মেঘনাদবধ কাব্য কোন ছন্দে রচিত, এই প্রশ্নটি পরীক্ষার্থীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: C) রক্তাক্ত প্রান্তর
১. কেন সঠিক:
রক্তাক্ত প্রান্তর নাটকের রচয়িতা মুনীর চৌধুরী। পানিপতের তৃতীয় যুদ্ধের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে রচিত এই নাটকটি বাংলা নাট্যসাহিত্যে একটি ক্লাসিক মর্যাদা লাভ করেছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
মুনীর চৌধুরী বাংলা নাট্যসাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নাট্যকার, প্রাবন্ধিক ও ভাষাবিজ্ঞানী। তিনি ভাষা আন্দোলনের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন এবং ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী থাকা অবস্থায় বিখ্যাত কবর নাটকটি রচনা করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মুনীর চৌধুরী রচিত একাংক নাটক কবর।
ব্যাখ্যা: এটি ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত বাংলা নাট্যসাহিত্যের একটি ঐতিহাসিক ও প্রতিবাদী সৃষ্টি।
উদাহরণ ২: মুনীর চৌধুরী অনূদিত নাটক মুখরা রমণী বশীকরণ।
ব্যাখ্যা: এটি উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের দ্য টেমিং অব দ্য শ্রিউ নাটকের একটি সার্থক বাংলা অনুবাদ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কীর্তনখোলা — এই নাটকটির রচয়িতা বিশিষ্ট নাট্যকার সেলিম আল দীন। মুনীর চৌধুরী এই নাটকের সঙ্গে যুক্ত নন।
B) এখানে নোঙর — এটি প্রখ্যাত নাট্যকার ও ঔপন্যাসিক আশেক রহমানের লেখা একটি উপন্যাস, মুনীর চৌধুরীর নাটক নয়।
D) এখন দুঃসময় — এই নাটকটির রচয়িতা ప్రముఖ নাট্যকার ও নির্দেশক বাদল সরকার। এটি মুনীর চৌধুরীর নাটক নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
মুনীর চৌধুরীর বিখ্যাত নাটকগুলো মনে রাখতে রক্তিম কবরে চিঠি পাঠাও এই বাক্যটি মনে রাখতে পারো। এখানে রক্তিম মানে রক্তাক্ত প্রান্তর এবং কবরে মানে কবর নাটক।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুনীর চৌধুরীর মৌলিক নাটক এবং অনূদিত নাটক থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। তাই নাটকের নামগুলো আলাদা করে মুখস্থ রাখা অত্যন্ত জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) বায়ু
১. কেন সঠিক:
মরুৎ একটি সংস্কৃত শব্দ যার সাধারণ অর্থ বায়ু, বাতাস বা হাওয়া। পৌরাণিক ও কাব্যিক অর্থে মরুৎ বলতে বায়ুদেবতা বা বায়ু দেবতাদের বোঝানো হয়ে থাকে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
শবদের উৎস ও শব্দের অর্থ বিষয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন এটি। বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত অনেক তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ রয়েছে যার নির্দিষ্ট পৌরাণিক বা সাধারণ অর্থ থাকে এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এ ধরনের শব্দার্থ প্রায়শই জিজ্ঞাসা করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মরুৎসুহূত
ব্যাখ্যা: মরুৎ শব্দের অর্থ বায়ু এবং সুহূত অর্থ বন্ধু, অর্থাৎ বায়ুর বন্ধু বা আগুন বোঝাতে এই শব্দ ব্যবহার করা হয়।
উদাহরণ ২: মরুৎপতি
ব্যাখ্যা: মরুতের বা বায়ুর অধিপতি বা দেবতা ইন্দ্রকে বোঝাতে এই সমাসবদ্ধ পদটি ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মরূ — এই অপশনটি বানানগত দিক থেকে ভুল এবং এর সঙ্গে বায়ু শব্দের কোনো সম্পর্ক নেই।
B) মেরু — এই অপশনটির অর্থ পৃথিবীর উত্তর বা দক্ষিণ গোলার্ধের প্রান্তবিন্দু, যা বায়ু শব্দের অর্থ প্রকাশ করে না।
C) বায়ু — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি মরুৎ শব্দের সরাসরি সমার্থক অর্থ প্রকাশ করে।
D) আগুন — এই অপশনটি ভুল কারণ আগুন বা বহ্নি বোঝাতে অনল বা বহ্নি শব্দ ব্যবহৃত হয়, মরুৎ নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
মরুৎ শব্দের শেষ অক্ষর ত এবং বায়ু শব্দের শুরুতে ব আছে, এভাবে মনে রাখতে পারেন যে মরুৎ মানে বায়ু। বাংলা কবিতায় বায়ু বা বাতাসের সমার্থক শব্দ হিসেবে মরুৎ শব্দটি বহুবার ব্যবহার করা হয়েছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের সঠিক অর্থ নির্নয়ের ক্ষেত্রে বহুবার মরুৎ শব্দটি এসেছে। এই ধরনের সমার্থক শব্দ মনে রাখতে প্রমিত বাংলা অভিধানের সাহায্য নেওয়া যেতে পারে।
সঠিক উত্তর: B) ওদ্দো
১. কেন সঠিক:
- বাংলা উচ্চারণ নিয়মানুযায়ী শব্দের আদিতে থাকা অ-এর সাথে যদি ্য-ফলা যুক্ত থাকে, তবে সেই অ-এর উচ্চারণ ও-কারের মতো হয়।
- 'অদ্য' শব্দটির শুরুতে স্বরবর্ণ অ এবং দ-এর সাথে য-ফলা যুক্ত থাকায় প্রমিত উচ্চারণ নীতি অনুযায়ী তা ওদ্দো রূপ নেয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- বাংলা উচ্চারণ রীতিতে যুক্তবর্ণে জ-ফলা বা য-ফলা থাকলে তার পূর্ববর্তী স্বরধ্বনি পরিবর্তিত হয়ে ও-কার রূপ ধারণ করে।
- শব্দের অন্তস্থিত বা মধ্যস্থিত ব্যঞ্জনের সাথে য-ফলা যুক্ত হলে সেই ব্যঞ্জনটি দ্বিত্ব বা দুইবার উচ্চারিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গদ্য
ব্যাখ্যা: গদ্য শব্দের শুরুতে গ-এর সাথে য-ফলা থাকায় এর উচ্চারণ গোদ্দো হয়।
উদাহরণ ২: পদ্য
ব্যাখ্যা: পদ্য শব্দের শুরুতে প-এর সাথে য-ফলা থাকায় এর উচ্চারণ পোদ্দো হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অদ্দো — এই অপশনে প্রথম অক্ষর ও-কার না হয়ে অ-কার রয়েছে, যা প্রমিত বাংলা উচ্চারণ নিয়মের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।
B) ওদ্দো — এটি সঠিক উচ্চারণ হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।
C) ওদোদ্য — এই অপশনে শেষাংশে জ-ফলা বা য-ফলার দ্বিত্ব উচ্চারণ এবং সঠিক স্বরধ্বনি রক্ষা করা হয়নি।
D) অদ্যাদ — এই অপশনে শব্দের গঠন ও উচ্চারণ রীতি সম্পূর্ণ ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- শব্দের শুরুতে অ-এর সাথে য-ফলা থাকলে উচ্চারণের সময় অ বদলে ও-কার হবে এবং পরের যুক্তবর্ণটি ডবল বা দ্বিত্ব হবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা উচ্চারণ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে, তাই য-ফলাযুক্ত শব্দের উচ্চারণ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) অনুমোদন
১. কেন সঠিক:
- Sanction শব্দটির বাংলা পারিভাষিক রূপ হলো অনুমোদন বা সম্মতি।
- প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক কাজে কোনো কাজের সরকারি বা উচ্চপর্যায়ের অনুমতি বোঝাতে এই শব্দ ব্যবহার করা হয়।
২. ব্যাকরণ বা শব্দার্থ ব্যাখ্যা:
- পারিভাষিক শব্দ হলো সেই সকল শব্দ যা বিশেষ ক্ষেত্র বা দাপ্তরিক কাজের জন্য নির্দিষ্ট অর্থে ব্যবহৃত হয়।
- ইংরেজি প্রশাসনিক শব্দের সঠিক ও প্রমিত বাংলা রূপদানের জন্য বাংলা একাডেমি পরিভাষা প্রণয়ন করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: The proposal received official sanction.
ব্যাখ্যা: প্রস্তাবটি সরকারি অনুমোদন লাভ করল।
উদাহরণ ২: The board gave its sanction to the budget.
ব্যাখ্যা: বোর্ড বাজেট অনুমোদন করল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অনুমান — অনুমান শব্দের ইংরেজি অর্থ Guess বা Assumption, যা Sanction শব্দের অর্থ প্রকাশ করে না।
B) অবকাশ — অবকাশ শব্দের ইংরেজি অর্থ Vacation বা Leisure, যা সম্পূর্ণ আলাদা একটি শব্দ।
C) অধ্যাদেশ — অধ্যাদেশ শব্দের ইংরেজি অর্থ Ordinance, যা আইন প্রণয়নের সঙ্গে সম্পর্কিত।
D) অনুমোদন — এটি Sanction শব্দের সঠিক পারিভাষিক রূপ এবং প্রশ্নের চাহিদার সঙ্গে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ।
৫ মনে রাখার টিপস:
- Sanction মানে কোনো কিছুতে সায় দেওয়া বা অনুমোদন করা।
- মনে রাখতে পারো অফিসের বস কোনো ফাইলে সই বা অনুমোদন (Sanction) দিচ্ছেন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দাপ্তরিক পরিভাষা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- Administrative Terminology বা প্রশাসনিক পরিভাষা ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।
সঠিক উত্তর: B) সাধারণ বর্তমান
১. কেন সঠিক:
সবার উপরে মানুষ সত্য, তাহার উপরে নাই - এই বাক্যের মূল ক্রিয়াপদ হলো 'নয়' বা অস্তিত্ব প্রকাশ করা, যা বর্তমানকালের চিরন্তন সত্য বা সাধারণ অবস্থাকে নির্দেশ করে।
বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কোনো কাজ বর্তমানকালে ঘটে বা সাধারণভাবে সত্য বোঝায়, তবে তা সাধারণ বর্তমান কালের অন্তর্ভুক্ত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
প্রদত্ত উদ্ধৃতিটি বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের বিশিষ্ট কবি চণ্ডীদাসের পদাবলী বা শ্রীকৃষ্ণকীর্তন বা সহজিয়া দর্শন সম্পর্কিত একটি অত্যন্ত বিখ্যাত ও সর্বজনগ্রাহ্য দার্শনিক বাণী।
এখানে চণ্ডীদাস মানবতাবাদকে সবকিছুর ঊর্ধ্বে স্থান দিয়েছেন এবং সর্বকালের জন্য একটি অপরিবর্তনীয় সত্যকে সাধারণ বর্তমান কালের মাধ্যমে প্রকাশ করেছেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সূর্য পূর্ব দিকে উদিত হয়।
ব্যাখ্যা: এটি একটি চিরন্তন সত্য যা সবসময় সাধারণ বর্তমান কালে প্রকাশ করা হয়।
উদাহরণ ২: পৃথিবী সূর্যের চারদিকে ঘোরে।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যটিও একটি চিরন্তন ও সাধারণ বর্তমান কালের সত্য ঘটনা।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সাধারণ অতীত - অতীতের কোনো ঘটনা সাধারণভাবে শেষ হয়ে গেছে বোঝালে সাধারণ অতীতকাল হয়, কিন্তু এখানে অতীতকালের কোনো ঘটনা বোঝানো হয়নি।
B) সাধারণ বর্তমান - এই অপশনটি সঠিক কারণ বাক্যটি চিরন্তন সত্য ও বর্তমান অবস্থার কথা প্রকাশ করে।
C) পুরাঘটিত বর্তমান - কাজটি সবেমাত্র শেষ হয়েছে কিন্তু তার ফল এখনও বিদ্যমান বোঝালে পুরাঘটিত বর্তমান হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) পুরাঘটিত অতীত - অতীতের অনেক আগেই একটি কাজ সম্পন্ন হয়েছিল এমন বোঝালে পুরাঘটিত অতীত হয়, যা এই বাক্যের ভাবের সঙ্গে মেলে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
চিরন্তন সত্য, প্রবাদ-প্রবচন এবং অভ্যাসগত সত্য সবসময় সাধারণ বর্তমান কাল হয়।
বাক্যের ক্রিয়াপদ যদি বর্তমানকালের সাধারণ অবস্থা বা চিরন্তন সত্য প্রকাশ করে, তবে চোখ বন্ধ করে সাধারণ বর্তমান কাল নির্বাচন করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
এই বিখ্যাত উদ্ধৃতিটি কার এবং কোন পদ থেকে এসেছে, তা বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
চিরন্তন সত্য বা শাশ্বত বাণীর ক্ষেত্রে কাল নির্ণয় করার সময় সবসময় সাধারণ বর্তমান কালকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) আলালের ঘরের দুলাল
১. কেন সঠিক:
- আলালের ঘরের দুলাল উপন্যাসটি ১৮৫৮ সালে প্রকাশিত হয় এবং একে বাংলা ভাষার প্রথম সার্থক উপন্যাস হিসেবে গণ্য করা হয়।
- প্যারীচাঁদ মিত্র টেকচাঁদ ঠাকুর ছদ্মনামে এই গ্রন্থটি রচনা করেন এবং এতে প্রথম সাধু ও চলিতরীতির মিশ্রণ ঘটে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- প্যারীচাঁদ মিত্র উনিশ শতকের নবজাগরণের অন্যতম ব্যক্তিত্ব ও ইয়ং বেঙ্গল গোষ্ঠীর সদস্য ছিলেন।
- এই উপন্যাসের মূল উদ্দেশ্য ছিল কুসংস্কার দূর করা এবং নৈতিক শিক্ষা প্রচার করা।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: টেকচাঁদ ঠাকুর রচিত আলালের ঘরের দুলাল।
ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থে তৎকালীন সমাজের অবক্ষয় ও বাবু সংস্কৃতির চিত্র ফুটে উঠেছে।
উদাহরণ ২: প্যারীচাঁদ মিত্রের অভेদার চরিত।
ব্যাখ্যা: এটি তার আরেকটি উল্লেখযোগ্য নৈতিক শিক্ষামূলক গ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হুতোম প্যাঁচার নকশা — এটি কালীপ্রসন্ন সিংহ রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম নকশা জাতীয় গ্রন্থ, উপন্যাস নয়।
C) দুর্গেশনন্দিনী — এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত বাংলা ভাষার প্রথম সার্থক রোমান্টিক উপন্যাস, যা ১৮৬৫ সালে প্রকাশিত হয়।
D) পথের দাবী — এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি বিখ্যাত রাজনৈতিক উপন্যাস, যা অনেক পরে প্রকাশিত হয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- প্রথম নকশা হুতোম প্যাঁচা আর প্রথম উপন্যাস আলাল।
- প তে প্যারীচাঁদ আর প তে প্রথম উপন্যাস।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাসের ক্ষেত্রে আলালের ঘরের দুলাল নামটি সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উত্তর।
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের দুর্গেশনন্দিনীকে অনেক সময় প্রথম সার্থক উপন্যাস বলা হয়, তবে কালানুক্রমিক বিচারে আলালের ঘরের দুলাল প্রথম।
সঠিক উত্তর: B) খনার বচন
১. কেন সঠিক:
- খনার বচন মূলত কৃষি, আবহাওয়া ও জ্যোতির্বিজ্ঞান বিষয়ক প্রবাদ-প্রবচন। প্রাচীন বাংলায় কৃষিকাজ পরিচালনার ক্ষেত্রে এগুলো দিকনির্দেশনা হিসেবে ব্যবহৃত হতো।
- খনা একজন বিদুষী নারী ও কিংবদন্তিতুল্য জ্যোতিষী ছিলেন, যাঁর বচনগুলো গ্রামীণ জনপদে কৃষি ও জীবনচর্চার অপরিহার্য অংশ।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা লোকসাহিত্যের একটি প্রাচীন ও সমৃদ্ধ শাখা হলো খনার বচন। এগুলো মূলত মৌখিক সাহিত্যের অংশ হিসেবে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে প্রচলিত রয়েছে।
- খনার বচনের মূল লক্ষ্য হলো কৃষকদের বীজ বপন, ফসল কাটা, আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং শস্য সংরক্ষণের সঠিক সময় সম্পর্কে ধারণা দেওয়া।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ধানের ঘরে মাছি, সেই বছর ফসল ভালো আসি।
ব্যাখ্যা: এটি খনার একটি বিখ্যাত কৃষিভিত্তিক বচন যা দিয়ে ফসলের ভালো ফলনের লক্ষণ বোঝানো হয়েছে।
উদাহরণ ২: খনা বলে শুনো বচন, চাষ কর তিন বছর পর পর জমিতে মই দিও না যখন।
ব্যাখ্যা: এটি কৃষিতে জমির উর্বরাশক্তি বজায় রাখার একটি উপদেশমূলক বচন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ব্রতকথা — এটি মূলত ধর্মীয়, লৌকিক বা সামাজিক আচার-অনুষ্ঠান ও মঙ্গলকামনার সঙ্গে জড়িত লোকসাহিত্য।
C) ময়মনসিংহ গীতিকা (মহুয়া) — এটি বাংলা লোকসাহিত্যের একটি বিখ্যাত পালাগান বা ট্র্যাজিক প্রেমের গাথা।
D) হারামণি — এটি ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ কর্তৃক সংগৃহীত ও সম্পাদিত লোকসংগীত বা বাউল গানের সংকলন।
৫ মনে রাখার টিপস:
কৃষি বা চাষবাস সম্পর্কিত কোনো প্রশ্ন পরীক্ষায় আসলে চোখ বন্ধ করে খনার বচন উত্তর নির্বাচন করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
খনার বচন কৃষিকাজের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত এবং এটি বাংলা লোকসাহিত্যের প্রাচীন ঐতিহ্য নির্দেশ করে। পরীক্ষার জন্য খনা ও তার বচনের পটভূমি মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: D) তেল
১. কেন সঠিক:
হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ হলো 'মলাচয়ন' বা 'বিল্বমঙ্গল'। এর মধ্যে 'তেল' একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ রম্য রচনা।
এই প্রবন্ধে লেখক সমাজের নানা অসংগতি ও তেল দেওয়ার সংস্কৃতির রূপ খুব সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ছিলেন একজন প্রখ্যাত বাঙালি ইতিহাসবিদ ও মহামহোপাধ্যায়। তিনি প্রাচীন বাংলা সাহিত্যের নিদর্শন চর্যাপদ আবিষ্কার করেন।
তাঁর উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্মের মধ্যে রয়েছে 'বাল্মীকি জয়ত্ব', 'মলাচয়ন' এবং উপন্যাস 'বেনিয়া বউ' ও 'তাসের ঘর'।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'কমলাকান্তের দপ্তর'
ব্যাখ্যা: এটিও হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর 'তেল' প্রবন্ধের মতো একটি বিখ্যাত রম্য ও ব্যঙ্গাত্মক প্রবন্ধগ্রন্থ।
উদাহরণ ২: প্রমথ চৌধুরীর 'বই পড়া'
ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের আরেকটি অত্যন্ত জনপ্রিয় মননশীল ও সামাজিক প্রবন্ধ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাবু — এই নামে হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর কোনো বিখ্যাত প্রবন্ধ সিলেবাসভুক্ত বা প্রধান সাহিত্যকর্মে পাওয়া যায় না।
B) অতি অল্প হইল — এটি মীর মশাররফ হোসেনের একটি বিখ্যাত গ্রন্থ বা প্রহসনমূলক রচনা নয়।
সি) শরৎ — এটি হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর প্রধান কোনো প্রবন্ধ বা বহুল পঠিত সাহিত্যকর্মের নাম নয়।
ডি) তেল — এটি হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর একটি বিখ্যাত ও বহুল পঠিত রম্য প্রবন্ধ।
৫ মনে রাখার টিপস:
হরপ্রসাদ শাস্ত্রী মানেই প্রাচীন নিদর্শন চর্যাপদ আবিষ্কারক এবং সমাজে তেলবাজি নিয়ে তাঁর বিখ্যাত 'তেল' প্রবন্ধ।
পরীক্ষায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর প্রবন্ধ আসলে 'তেল' নামটি সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
হরপ্রসাদ শাস্ত্রী রচিত 'তেল' প্রবন্ধটি প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকের নাম বা প্রবন্ধের নাম হিসেবে আসে।
চর্যাপদের আবিষ্কারক হিসেবে তাঁর অবদান বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে সর্বাধিক স্মরণীয়।
সঠিক উত্তর: B) ৭টি
১. কেন সঠিক:
বাংলা ভাষায় উচ্চারিত মৌলিক স্বরধ্বনি বা প্রধান স্বরধ্বনি হলো মোট সাতটি।
মুখের ভেতর বায়ু চলাচলের সময় কোনো বাধা না পেয়ে স্বাধীনভাবে উচ্চারিত ধ্বনিই হলো স্বরধ্বনি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনি সাতটি এবং ডক্টর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতেও এই সংখ্যা সাতটি।
এই সাতটি মৌলিক স্বরধ্বনি হলো অ, আ, ই, উ, এ, ও এবং অ্যা।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আম
ব্যাখ্যা: এখানে 'আ' একটি মৌলিক স্বরধ্বনি যা উচ্চারণের সময় কোনো সাহায্য নেয় না।
উদাহরণ ২: ইট
ব্যাখ্যা: এখানে 'ই' একটি মৌলিক স্বরধ্বনি যা স্বাধীনভাবে উচ্চারিত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৫টি — বাংলা বর্ণমালায় মোট স্বরবর্ণের সংখ্যা ১১টি, তাই ৫টি সঠিক নয়।
B) ৭টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ও সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে মৌলিক স্বরধ্বনি সাতটি।
C) ৯টি — বাংলা ব্যাকরণে মৌলিক স্বরধ্বনির সংখ্যা ৯টি ধরা হয় না, এটি ভুল তথ্য।
D) ১৩টি — বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণের সাথে রি যুক্ত করে ১৩টি বর্ণ ধরা হলেও তা মৌলিক স্বরধ্বনি নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
মৌলিক স্বরধ্বনি মনে রাখার সহজ কৌশল হলো মুখে উচ্চারণ করে দেখা যে কোনো স্বরধ্বনিকে অন্য ধ্বনির সাহায্য ছাড়া একা উচ্চারণ করা যায় কি না।
বাংলা ব্যাকরণে বর্ণমালা ও ধ্বনির সংখ্যা আলাদাভাবে মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মৌলিক স্বরধ্বনির সংখ্যা প্রায়ই আসে।
স্বরবর্ণ ১১টি হলেও উচ্চারণের দিক থেকে মৌলিক স্বরধ্বনি ৭টি, এই পার্থক্যটি মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: B) conjunction
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বাক্যে before শব্দটি দুটি ক্লজ বা খণ্ডবাক্যকে (Do it এবং you forget) যুক্ত করেছে।
- Conjunction-এর কাজ হলো দুটি শব্দ, বাক্যাংশ বা ক্লজকে সংযুক্ত করা, যা এখানে before সফলভাবে করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) adverb — Adverb সাধারণত ভার্ব, অ্যাডজেক্টিভ বা অন্য কোনো অ্যাডভার্বকে modify করে, যা এখানে করছে না।
B) conjunction — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে কোনো ভুল নেই।
C) preposition — Preposition সাধারণত কোনো নাউন বা প্রোনাউনের পূর্বে বসে বাক্যের অন্য পদের সাথে সম্পর্ক বোঝায়, কিন্তু এখানে এর পরে সম্পূর্ণ ক্লজ রয়েছে।
D) adjective — Adjective কোনো নাউন বা প্রোনাউনের দোষ, গুণ বা সংখ্যা প্রকাশ করে, যা এই বাক্যে before-এর কাজ নয়।
মনে রাখার টিপস:
Preposition-এর পরে সাধারণত নাউন বা প্রোনাউন বসে, কিন্তু Conjunction-এর পরে সাবজেক্ট ও ভার্বযুক্ত পূর্ণাঙ্গ ক্লজ বসে।
সঠিক উত্তর: D) has been living
কেন সঠিক:
- বাক্যে since এবং নির্দিষ্ট সময়ের উল্লেখ থাকায় এটি Present Perfect Continuous Tense হবে।
- অতীত থেকে শুরু হয়ে কাজটি বর্তমানেও চলছে বোঝাতে subject-এর পর have been বা has been এবং মূল verb-এর সাথে ing যুক্ত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) lives — এটি Present Indefinite Tense, যা অতীত থেকে চলমান কোনো কাজের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
B) lived — এটি Past Indefinite Tense, যা অতীতকালের নির্দিষ্ট সময়কে নির্দেশ করে কিন্তু বর্তমানের ধারাবাহিকতা বোঝায় না।
C) was lived — এটি Past Indefinite Tense-এর ভুল Passive রূপ, যা এই বাক্যের active অর্থের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
D) has been living — এটি সঠিক Present Perfect Continuous Tense, যা অতীতের শুরু হওয়া এবং বর্তমানে চলমান কাজ বোঝায়।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে since বা for-এর পরে সময়ের উল্লেখ থাকলে এবং কাজটি বর্তমানেও চললে Present Perfect Continuous Tense হবে।
সঠিক উত্তর: C) compound
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বাক্যে 'Do' এবং 'die' দুটি ভিন্ন স্বাধীন ক্লজ বা Imperative Sentence कोऑर्डिनेटिंग কনজাংশনের মতো কাজ করছে।
- মাঝখানে 'or' অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়ে দুটি সমান মর্যাদার খণ্ডবাক্য মিলে একটি যৌগিক বাক্য গঠন করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) simple — এটি একটি সরল বাক্য নয় কারণ এখানে দুটি ভিন্ন ক্রিয়া ও খণ্ডভাব রয়েছে।
B) complex — এটি একটি জটিল বাক্য নয় কারণ এতে কোনো আশ্রিত বা অধীন খণ্ডবাক্য নেই।
C) compound — এটি সঠিক কারণ এতে দুটি স্বাধীন ক্লজ 'or' দ্বারা যুক্ত আছে।
D) negative — এটি নেতিবাচক বা না-বোধক বাক্য নয়, এটি একটি ক্রিয়ামূলক বা নির্দেশক বাক্য।
মনে রাখার টিপস:
Imperative বাক্যে মাঝখানে 'and' বা 'or' থাকলে তা সাধারণত Compound sentence হয়।
সঠিক উত্তর: C) worn
কেন সঠিক:
- ইংরেজি ভাষা ও ব্যাকরণে 'wear' হলো একটি অনিয়মিত বা স্ট্রং ভার্ব (Strong Verb)।
- এই ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল রূপ হিসেবে অনিয়মিত পরিবর্তনের নিয়ম অনুযায়ী 'worn' ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) weared — এটি ভুল কারণ 'wear' ভার্বের পাস্ট বা পাস্ট পার্টিসিপল গঠনে ইডি (ed) যোগ করা যায় না।
B) weard — এটি বানানগতভাবে ভুল এবং ইংরেজি ব্যাকরণে এ ধরনের কোনো শব্দের অস্তিত্ব নেই।
C) worn — এটি সঠিক উত্তর এবং প্রদত্ত অপশনের সঙ্গে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ।
D) worne — এটি বানানগতভাবে ভুল কারণ এর শেষে অতিরিক্ত ই (e) যুক্ত করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
অনিয়মিত ভার্বের ক্ষেত্রে বিয়ার, পরিধান করা বা ছিঁড়ে যাওয়া বোঝাতে wear, wore, worn এভাবে রূপ পরিবর্তন মুখস্থ রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) seeing
কেন সঠিক:
- look forward to একটি ব্যতিক্রমী ফ্রেজ, যেখানে টু হলো প্রিপজিশন এবং এর পরে ভার্বের সাথে আইএনজি যুক্ত হয়।
- এই নিয়মে to এর পরে ইনফিনিটিভ বা বেস ফর্ম না বসে জিরান্ড বা আইএনজি যুক্ত ভার্ব বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) see — এটি ভার্বের বেস ফর্ম, যা প্রিপজিশন টু এর পরে সরাসরি বসতে পারে না।
B) seeing — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ look forward to এর পরে জিরান্ড বসে।
C) have seen — এটি পারফেক্ট টেন্সের রূপ, যা প্রিপজিশন টু এর পরে নিয়ম অনুযায়ী সঠিক নয়।
D) be able to see — এখানে অর্থ ঠিক থাকলেও ফ্রেজের ব্যাকরণগত নিয়ম অনুযায়ী এটি এখানে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে look forward to বা with a view to থাকলে চোখ বন্ধ করে পরের ভার্বের সাথে আইএনজি যোগ করবে।
সঠিক উত্তর: C) an
কেন সঠিক:
- কোনো শব্দের শুরুতে consonant letter থাকা সত্ত্বেও তার উচ্চারণ যদি vowel sound-এর মতো হয়, তবে তার পূর্বে an বসে।
- MP শব্দটি উচ্চারণের শুরুতে এ (E) ধ্বনি আসে যা vowel sound, তাই এর পূর্বে an বসবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) a — a সাধারণত consonant sound-এর পূর্বে বসে, কিন্তু MP উচ্চারণের শুরুতে vowel sound থাকায় এটি ভুল।
B) the — the নির্দিষ্ট করে বোঝাতে বসে, কিন্তু এখানে পেশা বা পদ নির্বাচনের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কোনো MP বোঝানো হয়নি।
C) an — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ MP শব্দের উচ্চারণ vowel sound দিয়ে শুরু হয়।
D) no article needed — পদ বা উপাধির ক্ষেত্রে আর্টিকেল বসানো বাধ্যতামূলক, তাই আর্টিকেল ছাড়া বাক্যটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
মনে রাখার টিপস:
সংক্ষিপ্ত রূপ বা abbreviation-এর প্রথম অক্ষর পড়ার সময় যদি শুরুতে স্বরবর্ণের উচ্চারণ আসে, তবে তার আগে an বসবে।
সঠিক উত্তর: D) He joined the gym to better his health
কেন সঠিক:
- এই বাক্যে better শব্দটি ইনফিনিটিভ to এর পরে বসেছে, যা কোনো কাজ করা বোঝাতে ভার্ব হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- এর অর্থ হলো স্বাস্থ্যের উন্নতি করা, যেখানে better মানে উন্নত করা বা ভালো করা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) She’s a lot better today. — এখানে better শব্দটি স্বাস্থ্য ভালো বোঝাতে অ্যাডজেক্টিভ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
B) People are better educated now. — এখানে better শব্দটি গুণগত মান বোঝাতে অ্যাডভার্ব হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
C) Respect your betters. — এখানে betters শব্দটি বয়স বা মর্যাদায় বড় ব্যক্তিদের বোঝাতে নাউন হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
D) He joined the gym to better his health — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে better একটি ভার্ব হিসেবে কাজ করেছে।
মনে রাখার টিপস:
কোনো শব্দের আগে to দেখলে এবং তার অর্থ উন্নতি করা হলে সেটি সাধারণত ভার্ব হয়।
সঠিক উত্তর: C) gerund
কেন সঠিক:
- preposition 'of'-এর ঠিক পরেই verb-এর সাথে 'ing' যুক্ত হয়ে তা noun-এর কাজ করেছে।
- verb এবং noun উভয় বৈশিষ্ট্য একসঙ্গে ধারণ করায় এটি একটি gerund হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) participle — এটি noun-এর কাজ না করে adjective বা verb-এর অংশ হিসেবে কাজ করে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) verbal noun — এটি gerund-এর মতো হলেও এর আগে article এবং পরে 'of' থাকে, যা এই বাক্যে নেই।
C) gerund — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি verb ও noun উভয়ের কাজ করে preposition-এর অবজেক্ট হয়েছে।
D) infinitive — এটি 'to' সহ verb-এর বেস ফর্ম বোঝায়, যা এখানে নেই।
মনে রাখার টিপস:
Preposition-এর পরে কোনো verb-এর সাথে ing যুক্ত থাকলে তা সবসময় gerund হয়।
সঠিক উত্তর: A) obey
কেন সঠিক:
- বাক্যে have no choice but এর পর ইনফিনিটিভের টু (to) উজ্জ থাকে অথবা but এর পর বেজ ভার্ব বা ভার্বের মূল রূপ বসে।
- এই নিয়মের কারণে but এর ঠিক পরেই ভার্বের বেজ ফর্ম তথা obey ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) obey — এটি সঠিক উত্তর কারণ but এর পর এখানে ভার্বের বেজ ফর্ম বসেছে।
B) to obey — এটি ভুল কারণ have no choice but এর পরে অতিরিক্ত to বসানোর প্রয়োজন হয় না।
C) obeying — এটি ভুল কারণ but এর পরে জিরান্ড বা আইএনজি যুক্ত ভার্ব বসে না।
D) obeyed — এটি ভুল কারণ but এর পরে পাস্ট ফর্ম বা পাস্ট পার্টিসিপল বসে না।
মনে রাখার টিপস:
have no choice but এর পরে সর্বদা ভার্বের বেজ ফর্ম বা মূল রূপ বসে।
সঠিক উত্তর: C) I forbade him to go.
কেন সঠিক:
- Forbid verb-টির পরে Object থাকলে এরপর সাধারণত Infinitive (to + verb) ব্যবহৃত হয়।
- Forbid শব্দটির নিজস্ব অর্থে একটি না বা বোধক ভাব থাকে, তাই এর সাথে অতিরিক্ত কোনো না বোধক শব্দ বসে না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) I forbade him for going. — Forbid এর পর gerund (for going) বসে না, সঠিক নিয়ম হলো infinitive (to go) ব্যবহার করা।
B) I forbade him going. — Forbid verb-এর পরে সরাসরি gerund ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়।
D) I forbade him not to go. — Forbid নিজেই একটি নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ করে, তাই এর সাথে 'not' ব্যবহার করলে অর্থ দ্বৈত নেতিবাচক হয়ে ভুল হয়।
মনে রাখার টিপস:
Forbid-এর পর সর্বদা to + verb বসে এবং ডাবল নেগেটিভ এড়াতে forbid-এর সাথে কখনো not বসে না।
সঠিক উত্তর: D) Repetition
কেন সঠিক:
- বানানটি গঠনের ক্ষেত্রে Repet মূল শব্দের সঙ্গে ion সাফিক্স যুক্ত হয়ে সঠিক রূপ লাভ করেছে।
- উচ্চারণ ও ইংরেজি বানানরীতির সঠিক নিয়ম অনুসরণ করায় এই অপশনটি নির্ভুল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Repeatation — সঠিক বানান গঠনের নিয়ম অনুযায়ী মূল শব্দ Repeat-এর সাথে ation যুক্ত হয় না।
B) Repeatition — এখানে বানানটিতে ই-কার বা i বর্ণের ভুল ব্যবহার করা হয়েছে।
C) Repition — বানানটিতে প্রয়োজনীয় বর্ণ বাদ পড়ার কারণে এটি ভুল হয়েছে।
D) Repetition — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক ও প্রমিত বানান রূপ।
মনে রাখার টিপস:
বানানটি মনে রাখতে Re-pe-ti-tion এভাবে ভেঙে উচ্চারণ করুন এবং শেষের tion অংশটি মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: B) more
কেন সঠিক:
- বাক্যে than থাকার কারণে এটি তুলনামূলক তুলনা বা Comparative Degree নির্দেশ করছে।
- expensive একটি দীর্ঘ বিশেষণ হওয়ায় এর পূর্বে more ব্যবহার করতে হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) much — এটি সাধারণত Positive Degree-এর পূর্বে তীব্রতা বাড়াতে ব্যবহৃত হয়, Comparative Degree-এর পূর্বে সরাসরি বসে না।
B) more — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি Long Adjective-এর পূর্বে বসে সঠিক Comparative Degree গঠন করে।
C) high — এটি একটি Positive Degree এবং অর্থের দিক থেকেও এখানে তুলনামূলক বাক্যে সরাসরি মানানসই নয়।
D) higher — এটি সঠিক Comparative Degree হলেও expensive শব্দের সাথে এটি যুক্ত হয় না, কারণ এটি নিজেই একটি বহুদলীয় বিশেষণ।
মনে রাখার টিপস:
দুই বা ততোধিক সিলেবলযুক্ত দীর্ঘ Adjective-এর পূর্বে more যুক্ত করে Comparative Degree গঠন করা হয়।
সঠিক উত্তর: C) adjective
কেন সঠিক:
- 'lively' শব্দটি এখানে 'debate' (Noun) এর ঠিক পূর্বে বসে নাউনের দোষ, গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করছে।
- ইংরেজি ব্যাকরণ অনুযায়ী Noun-এর পূর্বে বসে যা তার দশাবস্থা প্রকাশ করে, তাকে Adjective বলে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) adverb — এটি verb, adjective বা অন্য adverb-কেmodify করে, কিন্তু এখানে এটি কোনো verb-কে modify করছে না।
B) noun — এটি কোনো নাম বা বস্তুর নাম বোঝাচ্ছে না, বরং একটি গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করছে।
C) adjective — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় অপশনটি ভুল নয়।
D) conjunction — এটি দুটি শব্দ বা বাক্যকে যুক্ত করে না, তাই এটি conjunction হতে পারে না।
মনে রাখার টিপস:
Noun-এর শেষে 'ly' যুক্ত হলে সাধারণত তা Adjective হয়, যেমন friendly, lovely, lively।
সঠিক উত্তর: B) voluntary
কেন সঠিক:
- 'Mandatory' শব্দটির অর্থ বাধ্যতামূলক বা আবশ্যিক, যার বিপরীতার্থক বা অ্যান্টনিভ শব্দ হলো 'voluntary'।
- 'Voluntary' শব্দের অর্থ ঐচ্ছিক বা স্বেচ্ছায় কৃত, যা বাধ্যতামূলক বা আবশ্যকীয় কাজের সম্পূর্ণ বিপরীত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) compulsory — এটি 'mandatory' শব্দের সমার্থক শব্দ, যার অর্থ বাধ্যতামূলক এবং এটি সঠিক উত্তর নয়।
B) voluntary — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ ঐচ্ছিক, যা বাধ্যতামূলক বা আবশ্যিকের বিপরীত।
C) obligatory — এটিও 'mandatory' শব্দের সমার্থক শব্দ, যার অর্থ অবশ্য পালনীয় এবং এটি সঠিক উত্তর নয়।
D) complimentary — এর অর্থ প্রশংসাসূচক বা বিনামূল্যে প্রাপ্ত, যা এই প্রশ্নের প্রেক্ষাপটে প্রাসঙ্গিক বা বিপরীত শব্দ নয়।
মনে রাখার টিপস:
মেন্ডেটরি মানে বাধ্যতামূলক, আর ভলান্টিয়ার মানে স্বেচ্ছাসেবক যিনি স্বেচ্ছায় বা ঐচ্ছিক কাজ করেন।
সঠিক উত্তর: D) participle
কেন সঠিক:
- moving শব্দটি train নাউনের ঠিক পূর্বে বসে তার দোষ বা অবস্থা বোঝাচ্ছে এবং এটি একই সাথে ভার্ব ও এডজেক্টিভের কাজ করছে।
- ভার্বের যে রূপ একই সাথে ভার্ব ও এডজেক্টিভের কাজ করে তাকে পার্টিসিপল বলে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) gerund — এটি ভার্বের সাথে ing যুক্ত হয়ে নাউনের কাজ করে, কিন্তু এখানে moving শব্দটি এডজেক্টিভের কাজ করছে।
B) infinitive — এর গঠন হলো to এর সাথে ভার্বের বেজ ফর্ম, যা এখানে নেই।
C) verbal noun — এটি ভার্বের সাথে ing যুক্ত হয়ে নির্দিষ্ট নাউনের কাজ করে এবং এর পূর্বে the ও পরে of থাকে।
D) participle — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর কারণ এটি ভার্ব ও এডজেক্টিভ উভয়ের কাজ সম্পন্ন করছে।
মনে রাখার টিপস:
noun এর পূর্বে বসে যদি ing যুক্ত কোনো শব্দ এডজেক্টিভের কাজ করে, তবে তা সর্বদা participle হবে।
সঠিক উত্তর: A) on
কেন সঠিক:
- টেলিফোন, মোবাইল বা ইন্টারনেটে যোগাযোগের মাধ্যম বোঝাতে নির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী on preposition ব্যবহৃত হয়।
- কারো সাথে ফোনে কথা বলার অবস্থা বোঝাতে on the phone ফ্রেজটি প্রমিত ইংরেজি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) on — এটি সঠিক উত্তর কারণ টেলিফোনের ক্ষেত্রে এই preposition-টি নির্ধারিত।
B) with — এটি সাধারণত কোনো ব্যক্তি বা যন্ত্রের সাথে বোঝাতে বসে, তবে টেলিফোনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
C) in — এটি সাধারণত কোনো আবদ্ধ স্থান বা সীমানার ভেতরে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, ফোনের ক্ষেত্রে নয়।
D) before — এটি কোনো সময়ের পূর্বে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এই বাক্যের প্রেক্ষাপটে সম্পূর্ণ অর্থহীন।
মনে রাখার টিপস:
টেলিফোন বা লাইনে থাকা বোঝাতে नेहमी on the phone মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) of
কেন সঠিক:
- কোনো বস্তু বা উপাদান দিয়ে তৈরি করার পর যদি মূল উপাদানটির রূপ পরিবর্তিত হয় কিন্তু উপাদানটি অপরিবর্তিত থাকে, তবে 'made of' ব্যবহৃত হয়।
- আংটিটি সোনা দিয়েই তৈরি এবং সোনা তার মূল উপাদান হিসেবে দৃশ্যমান থাকে, তাই এখানে সঠিক preposition 'of' হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) by — এটি সাধারণত passive voice-এ কাজ সম্পন্নকারী ব্যক্তি বা কর্তাকে নির্দেশ করতে বসে, উপাদানের ক্ষেত্রে নয়।
B) with — এটি কোনো যন্ত্র বা হাতিয়ার দ্বারা কাজ করা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, উপাদানের পরিবর্তনে নয়।
C) of — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি দৃশ্যমান উপাদান বা মূল উপাদান অপরিবর্তিত থাকার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
D) from — এটি তখন বসে যখন উপাদান থেকে নতুন কিছু তৈরি করার পর মূল উপাদানটি আর চেনা যায় না বা রূপান্তরিত হয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন বস্তু হয়, যেমন কাগজ থেকে বই বা দুধ থেকে মাখন।
মনে রাখার টিপস:
উপাদান দেখে যদি মূল বস্তুকে চেনা যায় তবে 'made of' বসবে, আর যদি মূল উপাদানটি সম্পূর্ণ বদলে যায় তবে 'made from' বসবে।
সঠিক উত্তর: D) scarcely
কেন সঠিক:
- hardly একটি নেতিবাচক অর্থ প্রকাশক শব্দ যার অর্থ কদাচিৎ বা খুব কম।
- scarcely শব্দটির অর্থও প্রায় একই রকম এবং এটি hardly শব্দের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) heavily — এই শব্দটির অর্থ প্রচুর পরিমাণে বা ভারীভাবে, যা এখানে অর্থের দিক থেকে বিপরীত।
B) often — এই শব্দটির অর্থ প্রায়ই, যা hardly শব্দের ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
C) frequently — এই শব্দটির অর্থ ঘন ঘন বা বারবার, যা বাক্যের মূল অর্থের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
D) scarcely — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি hardly এর সমার্থক হিসেবে সঠিকভাবে বসে।
মনে রাখার টিপস:
hardly এবং scarcely উভয়ই নেতিবাচক ভাব প্রকাশ করে এবং এরা পরস্পর সমার্থক অ্যাডভার্ব।
সঠিক উত্তর: D) from
কেন সঠিক:
- অনুপস্থিত থাকা অর্থে absent শব্দের পরে সাধারণত from প্রিপজিশন বসে।
- কোনো স্থান বা অনুষ্ঠান থেকে দূরে থাকা বোঝাতে absent from ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) in — স্থান বা ক্ষেত্রের ভেতরে বোঝাতে বসে, কিন্তু absent শব্দের পরে এটি সঠিক নয়।
B) at — নির্দিষ্ট কোনো ছোট স্থান বা সীমানার ক্ষেত্রে বসে, যা এখানে প্রাসঙ্গিক নয়।
C) out — এটি কোনো উপযুক্ত প্রিপজিশন হিসেবে এখানে ব্যাকরণগতভাবে সঠিক অর্থ প্রকাশ করে না।
D) from — এই অপশনটি সঠিক, কারণ absent-এর পরে উৎস বা স্থান থেকে বিচ্ছিন্নতা বোঝাতে from বসে।
মনে রাখার টিপস:
Absent শব্দটির পরে সাধারণত from বসে, যেমন Absent from school বা Absent from meeting।
সঠিক উত্তর: C) genocide
কেন সঠিক:
- 'Genocide' শব্দটির অর্থ কোনো নির্দিষ্ট জাতি, গোষ্ঠী বা সম্প্রদায়ের মানুষকে পরিকল্পিত ও সামগ্রিকভাবে হত্যা করা।
- এটি মূলত গ্রিক শব্দ 'genos' (বংশ বা জাতি) এবং ল্যাটিন শব্দ 'caedere' (হত্যা করা) এর সমন্বয়ে গঠিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) massacre — এটি সাধারণ বা নির্বিচারে অনেক মানুষের একসঙ্গে হত্যা বোঝায়, কোনো নির্দিষ্ট পুরো জাতিকে নির্মূল করা বোঝায় না।
B) carnage — এর অর্থ যুদ্ধ বা সহিংসতার ফলে প্রচুর মানুষের রক্তপাত বা হত্যাকাণ্ড, যা নির্দিষ্ট কোনো জাতির পরিকল্পিত ধ্বংস বোঝায় না।
C) genocide — এটি নিজেই সঠিক উত্তর।
D) bloodshed — এর অর্থ সাধারণভাবে রক্তপাত বা হিংসাত্মক সংঘর্ষ, যা বিশেষ কোনো জাতিগত নিধনকে নির্দেশ করে না।
মনে রাখার টিপস:
'Genocide' শব্দটির শুরুতে থাকা 'Gene' অংশটি জাতি বা বংশ বোঝায় এবং 'cide' অর্থ হত্যা করা।
সঠিক উত্তর: D) 1950
কেন সঠিক:
- পূর্ববঙ্গ জমিদারি অধিগ্রহণ ও প্রজাসত্ব আইন পাসের মাধ্যমে বাংলায় জমিদারি প্রথা বিলুপ্ত করা হয়।
- এই আইনের ফলে মধ্যস্বত্বভোগী জমিদারদের প্রথা বাতিল হয়ে সরাসরি সরকারের সঙ্গে প্রজাদের সম্পর্ক স্থাপিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 1947 — এই সালে ব্রিটিশ ভারত বিভক্তি ও পাকিস্তান সৃষ্টি হয়, কিন্তু জমিদারি প্রথা বিলুপ্ত হয়নি।
B) 1948 — এই সালে জমিদারি প্রথা বিলুপ্তির কোনো আইন পাস হয়নি বা এই প্রথা বাতিল করা হয়নি।
C) 1949 — এই সালে জমিদারি প্রথা বিলুপ্ত হয়নি, তবে জমিদারি অধিগ্রহণ বিলের প্রস্তুতি পর্ব চলছিল।
D) 1950 — এই সালেই ঐতিহাসিক আইন পাসের মাধ্যমে পাক ভারত উপমহাদেশে বাংলায় জমিদারি প্রথা আনুষ্ঠানিকভাবে বিলুপ্ত হয়।
মনে রাখার টিপস:
পঞ্চাশের দশকে মুক্তি পাইলাম, ১৯৫০ সালে জমিদারি প্রথা থেকে রেহাই পেলাম।
সঠিক উত্তর: C) প্রাকৃতিক গ্যাস
কেন সঠিক:
- প্রাকৃতিক গ্যাস বাংলাদেশের প্রধান বাণিজ্যিক জ্বালানি এবং বিদ্যুৎ উৎপাদনসহ শিল্প কারখানায় এর ব্যবহার সবচেয়ে বেশি।
- দেশের মোট বাণিজ্যিক জ্বালানি চাহিদার সিংহভাগ পূরণ হয় প্রাকৃতিক গ্যাসের মাধ্যমে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কয়লা — কয়লা বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ হলেও এটি প্রধান জীবাশ্ম জ্বালানি নয়।
B) চুনাপাথর — চুনাপাথর মূলত সিমেন্ট শিল্পের কাঁচামাল, এটি কোনো জ্বালানি নয়।
C) প্রাকৃতিক গ্যাস — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বাংলাদেশের প্রধান জীবাশ্ম জ্বালানি।
D) তেল — বাংলাদেশে খনিজ তেলের উৎপাদন খুবই কম এবং জ্বালানি চাহিদায় এর প্রধান উৎস আমদানি করা তেল।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশের শক্তি খাতের মূল ভিত্তি হলো গ্যাস, তাই প্রধান জীবাশ্ম জ্বালানি বললে প্রাকৃতিক গ্যাস দাগাতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) চিত্রকর
কেন সঠিক:
- ভিনসেন্ট ভ্যানগগ ছিলেন নেদারল্যান্ডসের একজন বিশ্বখ্যাত পোস্ট ইম্প্রেশনিস্ট চিত্রশিল্পী।
- তার আঁকা দ্য স্টারি নাইট এবং সানফ্লাওয়ার্স চিত্রকর্মগুলো বিশ্বজুড়ে অত্যন্ত জনপ্রিয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চিত্রকর — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি বিখ্যাত চিত্রশিল্পের জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত।
B) কবি — তিনি কোনো বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ বা কবিতা রচনার জন্য পরিচিত নন।
C) সাহিত্যিক — তার পেশা সাহিত্যচর্চা ছিল না, যদিও তার লেখা চিঠিপত্র পরে সাহিত্য হিসেবে সমাদৃত হয়েছে।
D) গায়ক — তিনি সঙ্গীত জগতের সাথে যুক্ত ছিলেন না এবং কোনো গান গাওয়ার জন্য পরিচিত নন।
মনে রাখার টিপস:
ভ্যানগগ নামের শেষে গগ আছে, যা দিয়ে মনে রাখা যায় তিনি ক্যানভাসে রঙের কারসাজি করা একজন বিখ্যাত চিত্রকর।
সঠিক উত্তর: B) ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
কেন সঠিক:
- ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর বিজয়ী জনপ্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠিত সরকার গঠন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
- সাংবিধানিক নিয়ম অনুযায়ী নবগঠিত সরকারের প্রধানমন্ত্রী ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণ করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ — এই তারিখে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রধানমন্ত্রী শপথ গ্রহণ করেননি, এটি নির্ধারিত শপথের তারিখ নয়।
B) ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।
C) ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ — এই তারিখে প্রধানমন্ত্রী শপথ গ্রহণ করেননি, কারণ শপথ অনুষ্ঠানটি এর একদিন আগেই সম্পন্ন হয়েছিল।
D) ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ — এই তারিখটি শপথ গ্রহণের জন্য নির্ধারিত ছিল না এবং এটি সঠিক তারিখের পরবর্তী সময়।
মনে রাখার টিপস:
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রধানমন্ত্রী শপথ নেন ফেব্রুয়ারির ১৭ তারিখে, যা মনে রাখতে ১৭ সংখ্যাটি প্রধান তারিখ হিসেবে মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: C) ভাসানচর
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ সরকার মিয়ানমার থেকে আগত জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের ঘনবসতি কমাতে নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার এই চরে পুনর্বাসন করেছে।
- ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের বসবাসের জন্য আধুনিক আবাসন ও প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মনপুরা — এটি ভোলার একটি উপজেলা ও চর হলেও এখানে রোহিঙ্গাদের পুনর্বাসন করা হয়নি।
B) দুবলার চর — এটি সুন্দরবনের দক্ষিণে অবস্থিত একটি চর যা মূলত শুঁটকি উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত, রোহিঙ্গাদের জন্য নয়।
C) ভাসানচর — এটি সঠিক উত্তর।
D) মহেশখালী — এটি কক্সবাজার জেলার একটি দ্বীপ উপজেলা যেখানে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের চাপ কমাতে নতুন কোনো বড় পুনর্বাসন প্রকল্প করা হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
রোহিঙ্গাদের ভাসিয়ে বা সরিয়ে নেওয়া হয়েছে ভাসানচরে, যা নোয়াখালীর হাতিয়ায় অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: C) মূল্য সংযোজন কর
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ সরকারের অভ্যন্তরীণ খাতের রাজস্ব আয়ের সবচেয়ে বড় উৎস হলো মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট।
- দেশের পন্য ও সেবার উৎপাদন, আমদানি এবং খুচরা বিক্রির ওপর এই কর আদায় করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আয়কর — এটি সরকারের রাজস্বের অন্যতম প্রধান উৎস হলেও বর্তমানে এটি মূল্য সংযোজন করের চেয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে।
B) আমদানি ও রপ্তানি শুল্ক — বহির্দেশীয় বাণিজ্য থেকে এই শুল্ক আদায় করা হলেও এটি সর্বমোট রাজস্ব আয়ের ক্ষেত্রে শীর্ষ উৎস নয়।
C) মূল্য সংযোজন কর — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
D) ভূমি রাজস্ব — গ্রামীণ ভূমি থেকে নামমাত্র এই কর আদায় করা হয় যা জাতীয় বাজেটের সামগ্রিক আয়ে তুলনামূলকভাবে অত্যন্ত কম।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশ সরকারের বেশি আয়, ভ্যাটের ওপর নির্ভর করায়।
সঠিক উত্তর: D) ৪.০১
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো কর্তৃক প্রকাশিত জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী দেশের পরিবারপ্রতি গড় সদস্য সংখ্যা ৪.০১ জন।
- এটি দেশের বর্তমান জনমিতিক বৈশিষ্ট্য এবং পরিবার কাঠামোর একটি প্রামাণ্য সরকারি পরিসংখ্যান।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৩.৭৮ — এটি জনশুমারির চূড়ান্ত প্রতিবেদনের কোনো সঠিক পরিসংখ্যান নয়।
B) ৩.৮৮ — এটি কোনো নির্দিষ্ট প্রাক্কলন হতে পারে, তবে জনশুমারি ২০২২ এর মূল ফলাফল নয়।
C) ৩.৯৮ — এটি আগের কোনো শুমারির কাছাকাছি হতে পারে, তবে ২০২২ সালের চূড়ান্ত পরিসংখ্যান এটি নয়।
D) ৪.০১ — এটি জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী পরিবারপ্রতি গড় সদস্য সংখ্যার সঠিক ও চূড়ান্ত মান।
মনে রাখার টিপস:
জনশুমারি ২০২২ অনুযায়ী পরিবারের সদস্য সংখ্যা মনে রাখতে সংখ্যাটি মনে রাখুন চার দশমিক শূন্য এক।
সঠিক উত্তর: C) পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল
কেন সঠিক:
- জুমচাষ পাহাড়ি অঞ্চলের সনাতন ও প্রাচীন জুম বা স্থানান্তরিত চাষ পদ্ধতি।
- এই পদ্ধতিতে পাহাড়ের ঢাল পরিষ্কার করে বিভিন্ন ফসলের বীজ একসঙ্গে বোনা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মধুপুর অঞ্চল — এটি একটি সোপান অঞ্চল এবং এখানে সমতল বা পাহাড়ি টিলাভিত্তিক চাষ হয়, জুমচাষ হয় না।
B) বরেন্দ্র অঞ্চল — এটি উঁচু বরেন্দ্র ভূমি ও পলিমাটি সমৃদ্ধ কৃষি অঞ্চল, যেখানে ঐতিহ্যবাহী সমতল চাষাবাদ করা হয়।
C) পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল — এটি সঠিক উত্তর এবং এখানে উপজাতীয় সম্প্রদায় জুমচাষ করে থাকে।
D) উপকূলীয় অঞ্চল — এটি লোনাপানি প্রভাবিত সমতল উপকূলীয় এলাকা, যেখানে চিংড়ি চাষ ও লবণাক্ত সহনশীল ধান চাষ হয়।
মনে রাখার টিপস:
পাহাড় মানেই জুমচাষ, আর বাংলাদেশের পাহাড় বললেই পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) ইরান ও ওমান
কেন সঠিক:
- হরমুজ প্রণালিটি পারস্য উপসাগরকে ওমান উপসাগর ও আরব সাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে।
- ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী এর উত্তর ও উত্তর-পূর্বে ইরান এবং দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমে ওমান অবস্থিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইরাক ও কুয়েত — ইরাক ও কুয়েত পারস্য উপসাগরের উত্তর উপকূলে অবস্থিত প্রতিবেশী দেশ, যাদের মাঝে হরমুজ প্রণালি নেই।
B) ইরান ও সৌদি আরব — ইরান প্রণালির উত্তর দিকে থাকলেও সৌদি আরবের উপকূল মূলত পারস্য উপসাগরের মধ্য ও পশ্চিম অংশে বিস্তৃত।
C) ইরান ও কাতার — কাতার পারস্য উপসাগরের একটি উপদ্বীপ দেশ, যা হরমুজ প্রণালি থেকে অনেক দূরে অবস্থিত।
D) ইরান ও ওমান — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এই দুটি দেশই প্রণালির দুই পাশে মুখোমুখি অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
ইরান ও ওমান মনে রাখতে "ই-ও" বা হরমুজের দুই প্রহরী হিসেবে মনে রাখতে পারো।
সঠিক উত্তর: D) মেসোপটেমীয় সভ্যতা
কেন সঠিক:
- বর্তমান ইরাকের টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীর অববাহিকায় গড়ে ওঠা এই সভ্যতাটি খ্রিস্টপূর্ব প্রায় চার হাজার অব্দে বিকশিত হয়।
- লিখিত ইতিহাস এবং নগরকেন্দ্রিক সংস্কৃতির সূচনার দিক থেকে এটি বিশ্বের সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা হিসেবে স্বীকৃত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পারস্য সভ্যতা — বর্তমান ইরানে গড়ে ওঠা এই সভ্যতাটি মেসোপটেমীয় সভ্যতার অনেক পরে গঠিত হয়েছিল।
B) সিন্ধু সভ্যতা — ভারতীয় উপমহাদেশে গড়ে ওঠা এই সভ্যতাটি খ্রিস্টপূর্ব আড়াই হাজার অব্দের দিকে বিকশিত হয়।
C) মিশরীয় সভ্যতা — নীলনদের অববাহিকায় গড়ে ওঠা এই সভ্যতাটি মেসোপটেমীয় সভ্যতার সমসাময়িক হলেও সামান্য পরে শুরু হয়।
D) মেসোপটেমীয় সভ্যতা — এটি বিশ্বের প্রাচীনতম সভ্যতার সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
সবচেয়ে প্রাচীন মেসো বা মাঝখানের টাইগ্রিস-ইউফ্রেটিস নদী তীরবর্তী সভ্যতা।
সঠিক উত্তর: B) ১০.৯৪%
প্রদত্ত তথ্য:
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫ প্রকাশিত হলো
২০২৪-২৫ অর্থবছরের জিডিপি সংক্রান্ত হিসাব পাওয়া গেল
ধরি,
মোট জিডিপির পরিমাণ = ১০০ টাকা
কৃষি খাতের অবদান = ক টাকা
অতএব,
কৃষি খাতের অনুপাত নির্ধারণ করা হলো
সংশ্লিষ্ট খাতের জিডিপি মান যাচাই করা হলো
সুতরাং,
কৃষি খাতের অবদানের সঠিক শতকরা হার নির্ণয় করা হলো
উত্তর: ১০.৯৪%
বিষয়ের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: D) নেপাল
কেন সঠিক:
- নেপাল ২০২৫ সালের জন্য জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে।
- দক্ষিণ এশিয়া থেকে জাতিসংঘের এই গুরুত্বপূর্ণ পদে দেশটি প্রতিনিধিত্ব করছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাংলাদেশ — বাংলাদেশ এই নির্দিষ্ট মেয়াদে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়নি।
B) ইথিওপিয়া — ইথিওপিয়া এই নির্দিষ্ট নির্বাচনে নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য পদ লাভ করেনি।
C) শ্রীলংকা — শ্রীলংকা এই নির্দিষ্ট বছরের জন্য জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়নি।
D) নেপাল — এটি সঠিক উত্তর কারণ নেপাল এই পদে নির্বাচিত হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
জাতিসংঘে শান্তি রক্ষা ও কূটনীতিতে সফল দক্ষিণ এশিয়ার দেশ নেপাল ২০২৫ সালের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য।
সঠিক উত্তর: B) ১ অগ্রহায়ণ
কেন সঠিক:
- বাংলা সনের অষ্টম মাস অগ্রহায়ণের প্রথম দিনটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে কৃষিকাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত করে বাংলাদেশে 'কৃষি দিবস' পালন করা হয়।
- বাঙালির কৃষিভিত্তিক সংস্কৃতি ও কৃষকদের অবদানকে সম্মান জানাতে সরকারিভাবে এই দিনটি নির্ধারিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১ বৈশাখ — এটি বাংলা নববর্ষ এবং বাঙালির পহেলা বৈশাখ হিসেবে পালিত হয়, কৃষি দিবস নয়।
B) ১ অগ্রহায়ণ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এই দিনটিতেই বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে কৃষি দিবস উদযাপিত হয়।
C) ১ পৌষ — এটি পৌষ সংক্রান্তি বা শীতকালীন সংস্কৃতির সঙ্গে সম্পর্কিত, কৃষি দিবসের তারিখ নয়।
D) ১ চৈত্র — এটি বাংলা বছরের চৈত্র মাসের প্রথম দিন, কৃষি দিবস হিসেবে এটি নির্ধারিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
অগ্র অর্থ প্রথম এবং অগ্রহায়ণ হলো নতুন ফসল ঘরে তোলার মাস, তাই ১ অগ্রহায়ণ হলো কৃষি দিবস।
সঠিক উত্তর: A) গারো
কেন সঠিক:
- ওয়ানগালা উৎসব হলো গারো আদিবাসীদের সবচেয়ে বড় এবং প্রধান ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসব।
- নতুন ফসল কাটার আনন্দের উৎসর্গ হিসেবে তারা এই উৎসব পালন করে থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গারো — এই অপশনটি সঠিক কারণ ওয়ানগালা গারো আদিবাসীদের প্রধান উৎসব।
B) চাকমা — চাকমা সম্প্রদায়ের প্রধান সামাজিক উৎসব হলো বিজু, ওয়ানগালা নয়।
C) মারমা — মারমাদের প্রধান উৎসব সাংগ্রাই, তাই এটি এই প্রশ্নের উত্তর নয়।
D) সাঁওতাল — সাঁওতালদের প্রধান উৎসব সোহরাই বা বাহা পরব, ওয়ানগালা নয়।
মনে রাখার টিপস:
গারোদের প্রধান উৎসব ওয়ানগালা মনে রাখতে গারো পাহাড় ও ওয়ানগালা শব্দ দুটি একসঙ্গে মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: D) নরসিংদী
কেন সঠিক:
- এটি বাংলাদেশের একটি প্রাচীন প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান, যা নরসিংদী জেলার বেলাবো উপজেলায় অবস্থিত।
- এখানে উয়ারী ও বটেশ্বর নামক দুটি গ্রামের প্রায় ছাব্বিশটি স্থানে প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শন পাওয়া গেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বগুড়া — এটি মহাস্থানগড় ও বৈরাগীর ভিটার জন্য বিখ্যাত, যা উয়ারী-বটেশ্বরের অবস্থান নয়।
B) ময়মনসিংহ — এটি শশীলজ ও গারো পাহাড়ের জন্য পরিচিত, কিন্তু উয়ারী-বটেশ্বর এখানে অবস্থিত নয়।
C) কুমিল্লা — এটি ময়নামতি ও শালবন বিহারের জন্য পরিচিত, যা উয়ারী-বটেশ্বরের স্থান নয়।
D) নরসিংদী — এটি সঠিক উত্তর কারণ উয়ারী-বটেশ্বর এই জেলার বেলাবো উপজেলায় অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
নরসিংদীর বেলাবোতে উয়ারী-বটেশ্বর নামের প্রাচীন প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: C) হালদা
কেন সঠিক:
- হালদা নদী বাংলাদেশের একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র, যেখানে রুই, কাতলা, মৃগেল ও কালবাউসের মতো প্রধান কার্প জাতীয় মাছ প্রাকৃতিকভাবে ডিম ছাড়ে।
- পাহাড়ি ঢল, জোয়ারভাটা এবং এই নদীর বিশেষ ভৌগোলিক ও জলবায়ুগত বৈশিষ্ট্যের কারণে এখানে প্রতি বছর মা মাছ ডিম ছাড়তে আসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কপোতাক্ষ — এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের স্মৃতিবিজড়িত একটি নদী, যা প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র হিসেবে পরিচিত নয়।
B) মেঘনা — এটি বাংলাদেশের একটি প্রধান ও বৃহৎ নদী এবং অববাহিকা, কিন্তু এটি বিশেষ প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র হিসেবে পরিচিত নয়।
C) হালদা — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো প্রেক্ষাপট প্রযোজ্য নয়।
D) চিত্রা — এটি দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের একটি সুন্দর নদী, যা সাহিত্য ও প্রকৃতির জন্য পরিচিত হলেও প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র নয়।
মনে রাখার টিপস:
হালদা নদীকে বলা হয় মাছের প্রজননের স্বর্গরাজ্য, কারণ এখানেই প্রাকৃতিকভাবে সবচেয়ে বেশি কার্প জাতীয় মাছ ডিম ছাড়ে।
সঠিক উত্তর: C) 10
কেন সঠিক:
- BRICS জোটে ২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসে নতুন করে পাঁচটি দেশ পূর্ণ সদস্য হিসেবে যোগদান করে।
- নতুন সদস্য যোগদানের ফলে জোটটির বর্তমান মোট সদস্য সংখ্যা দাঁড়িয়েছে দশটিতে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 5 — এটি জোটটির প্রতিষ্ঠাকালীন বা সম্প্রসারণের পূর্ববর্তী সদস্য সংখ্যা ছিল, বর্তমান সংখ্যা নয়।
B) 8 — এটি জোটের সঠিক সদস্য সংখ্যা নয়, কারণ মাঝখানে আটটি দেশ যুক্ত হয়নি।
C) 10 — এটি বর্তমান সঠিক সদস্য সংখ্যা, তাই এটি ভুল অপশন হিসেবে গণ্য হবে না।
D) 7 — এটিও জোটের বর্তমান বা অতীতের কোনো নির্দিষ্ট সদস্য সংখ্যার সাথে মিলে না।
মনে রাখার টিপস:
ব্রিকস নামের প্রথম অক্ষরগুলোর সাথে নতুন পাঁচ দেশ যোগ হয়ে মোট সদস্য সংখ্যা হয়েছে দশ।
সঠিক উত্তর: B) রাঙামাটি
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের রাঙামাটি জেলার সাথে মাত্র দুটি জেলার সীমান্ত রয়েছে, যা হলো খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান।
- ভৌগোলিক অবস্থানগত কারণে এই জেলার সাথে অন্য কোনো জেলার স্থল সীমান্ত নেই।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) খাগড়াছড়ি — এর সাথে একাধিক জেলার সীমান্ত রয়েছে এবং এটি নিজেই রাঙামাটির সাথে যুক্ত একটি জেলা।
B) রাঙামাটি — প্রদত্ত প্রশ্ন অনুযায়ী এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) বান্দরবান — এর সাথে একাধিক জেলার সীমান্ত রয়েছে এবং এটি রাঙামাটির সীমান্তবর্তী একটি জেলা।
D) কক্সবাজার — এর সাথে একাধিক জেলার সীমান্ত রয়েছে এবং এটি রাঙামাটির সীমান্তবর্তী জেলা নয়।
মনে রাখার টিপস:
রাঙামাটি হলো এমন একটি জেলা যার সাথে মাত্র দুটি জেলা তথা খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানের সীমান্ত রয়েছে।
সঠিক উত্তর: B) জেনেভা
কেন সঠিক:
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা ডব্লিউএইচও জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা যার প্রধান কার্যালয় সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে অবস্থিত।
- স্বাস্থ্য বিষয়ক এই আন্তর্জাতিক সংস্থাটি ১৯৪৮ সালের ৭ই এপ্রিল প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকেই জেনেভা থেকে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নিউইয়র্ক — এটি জাতিসংঘের প্রধান সদর দপ্তর এবং ইউনিসেফসহ কিছু সংস্থার কার্যালয় হলেও ডব্লিউএইচওর সদর দপ্তর এখানে নয়।
বি) জেনেভা — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মূল সদর দপ্তর এখানেই অবস্থিত।
সি) প্যারিস — এটি ইউনেস্কোর সদর দপ্তর হিসেবে পরিচিত হলেও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সদর দপ্তর এখানে অবস্থিত নয়।
ডি) ব্রাসেলস — এটি মূলত ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রধান কার্যালয় এবং এর সঙ্গে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সদর দপ্তরের কোনো সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহর বিখ্যাত, তাই স্বাস্থ্য সংস্থার সদর দপ্তরও (WHO) জেনেভাতেই অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: D) চীন
কেন সঠিক:
- ২০১৩ সালে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এই বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ও অবকাঠামো উন্নয়ন কৌশল ঘোষণা করেন।
- এশিয়া, ইউরোপ ও আফ্রিকার মধ্যে যোগাযোগ এবং বাণিজ্য বৃদ্ধির জন্য প্রাচীন সিল্ক রোডের আদলে এটি গড়া হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জাপান — এটি জাপানের কোনো সরকারি উদ্যোগ নয়, তবে জাপান নিজস্ব অর্থায়নে এশিয়ায় বিভিন্ন অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প পরিচালনা করে।
B) জার্মানি — এটি জার্মানির কোনো উদ্যোগ নয়, এটি মূলত মধ্য ও পূর্ব ইউরোপের দেশগুলোর সঙ্গে চীনের অর্থনৈতিক সহযোগিতার ক্ষেত্র।
C) রাশিয়া — এটি রাশিয়ার প্রকল্প নয়, তবে রাশিয়া এই উদ্যোগে চীনের অন্যতম প্রধান কৌশলগত অংশীদার হিসেবে যুক্ত রয়েছে।
D) চীন — এটি চীনের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনীতি ও অর্থনীতিভিত্তিক মেগা প্রকল্প।
মনে রাখার টিপস:
সিল্ক রোড বা প্রাচীন বাণিজ্যের কথা মনে আসলেই চীনের বৈশ্বিক উদ্যোগ বিআরআই বা ওয়ান বেল্ট ওয়ান রোড মাথায় রাখবে।
সঠিক উত্তর: B) ২৫ ভাগ
কেন সঠিক:
- আন্তর্জাতিক পরিবেশ বিজ্ঞান ও বিশেষজ্ঞদের মতে, একটি দেশের মোট আয়তনের অন্তত পঁচিশ ভাগ বনভূমি থাকা আবশ্যক।
- এই পরিমাণ বনভূমি দেশের বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য রক্ষা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় অত্যন্ত জরুরি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২৪ ভাগ — এটি আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে মেলে না এবং পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষার জন্য কিছুটা কম।
B) ২৫ ভাগ — এটিই পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় প্রয়োজনীয় আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ও আদর্শ বনভূমির পরিমাণ।
C) ২৬ ভাগ — এটি আদর্শ মানের চেয়ে বেশি এবং পরিবেশ রক্ষার সাধারণ নির্ধারিত পরিমাপের সঙ্গে মিলে না।
D) ২৭ ভাগ — এটিও অতিরিক্ত এবং প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষার জন্য বৈজ্ঞানিকভাবে নির্ধারিত মান নয়।
মনে রাখার টিপস:
পরিবেশের চাবিকাঠি হলো এক চতুর্থাংশ বা পঁচিশ ভাগ বনভূমি।
সঠিক উত্তর: C) যুক্তরাষ্ট্র
প্রদত্ত তথ্য:
২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রবাসী আয় বা রেমিটেন্স প্রবাহের উৎস বিশ্লেষণ করা হয়েছে
বিভিন্ন দেশের মধ্যে প্রবাসীদের পাঠানো অর্থের পরিমাণ তুলনা করা হয়েছে
ধরি,
শীর্ষ রেমিটেন্স প্রেরণকারী দেশের তালিকা তৈরি করা হয়েছে
মোট রেমিটেন্সের পরিমাণ শতভাগ ধরে হিসাব করা হয়েছে
অতএব,
মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর অবদান উল্লেখযোগ্য হলেও যুক্তরাষ্ট্র শীর্ষস্থান অর্জন করেছে
প্রবাসীদের দক্ষ জনশক্তি হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার হার বৃদ্ধি পেয়েছে
সুতরাং,
বর্তমান অর্থবছরে যুক্তরাষ্ট্র থেকেই বাংলাদেশের অর্থনীতিতে সবচেয়ে বেশি রেমিটেন্স এসেছে
উত্তর: C) যুক্তরাষ্ট্র
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও ইতিহাস
সঠিক উত্তর: B) ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২
কেন সঠিক:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয় এবং একই বছরের ১৬ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর করা হয়।
- বিজয়ের প্রথম বার্ষিকীতে এই সংবিধান কার্যকর করার মাধ্যমে সদ্য স্বাধীন দেশের আইনগত ও শাসনতান্ত্রিক ভিত্তি দৃঢ় করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২৬ মার্চ, ১৯৭১ — এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণার তারিখ এবং এই দিনে কোনো সংবিধান কার্যকর হয়নি।
B) ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ — এটি বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হওয়ার সঠিক তারিখ।
C) ৪ নভেম্বর, ১৯৭১ — এই দিনে ১৯৭১ সালের ৪ নভেম্বর কোনো বিশেষ সাংবিধানিক ঘটনা ঘটেনি, কারণ ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর সংবিধান গৃহীত হয়েছিল।
D) ২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭১ — এটি ঐতিহাসিক শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস, যা সংবিধান কার্যকর হওয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
বিজয় দিবসের উপহার হিসেবে ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ সালে দেশের সংবিধান কার্যকর করা হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: B) দোআঁশ মাটি
প্রশ্নের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ
কেন সঠিক:
- দোআঁশ মাটিতে বালি ও কাদার পরিমাণ এমনভাবে ভারসাম্যপূর্ণ থাকে যা গাছের শিকড় ছড়াতে এবং প্রয়োজনীয় আর্দ্রতা ধরে রাখতে সবচেয়ে উপযোগী।
- তুলা গাছের প্রধান শত্রু অতিরিক্ত পানি জমা, আর দোআঁশ মাটির পানি নিষ্কাশন ক্ষমতা চমৎকার হওয়ায় তুলা চাষের জন্য এটি আদর্শ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বেলে মাটি — এই মাটিতে পানি ও পুষ্টি উপাদান ধরে রাখার ক্ষমতা খুবই কম থাকে বলে তুলা চাষের জন্য উপযোগী নয়।
B) দোআঁশ মাটি — এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য।
C) এঁটেল মাটি — এই মাটি অতিরিক্ত পানি ধরে রাখে এবং শুকিয়ে শক্ত হয়ে যায়, যা তুলা গাছের শিকড়ের বৃদ্ধির জন্য ক্ষতিকর।
D) পলি মাটি — সাধারণত নদী অববাহিকায় পলি মাটি পাওয়া যায়, যা ধান বা পাট চাষের জন্য উপযুক্ত হলেও তুলা চাষের আদর্শ পরিবেশ এখানে থাকে না।
মনে রাখার টিপস:
তুলা চাষ ভালো হয় দোআঁশ মাটিতে, কারণ এই মাটি পানি ধরেও রাখে আবার জমতেও দেয় না।
সঠিক উত্তর: C) ইথিলিন
১. কেন সঠিক:
- ইথিলিন একটি গ্যাসীয় উদ্ভিদ হরমোন যা ফল পাকাতে সরাসরি সাহায্য করে।
- উদ্ভিদে প্রাকৃতিকভাবে উৎপাদিত হয়ে এটি শ্বসন হার বৃদ্ধি করে ফলকে নরম ও পরিপক্ব করে তোলে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: উদ্ভিদ হরমোন বা ফাইটোহরমোন হলো এমন রাসায়নিক পদার্থ যা উদ্ভিদের বৃদ্ধি ও বিকাশ নিয়ন্ত্রণ করে।
- কার্যপ্রণালি: ইথিলিন গ্যাস ফল কোষের পেকটিন দ্রবীভূত করে কোষপ্রাচীর ভেঙে দেয় এবং স্টার্চকে শর্করায় রূপান্তরিত করে।
- বাস্তব প্রয়োগ: বাণিজ্যিক কৃষিতে কাঁচা আম বা কলা পাকানোর জন্য প্রাকৃতিকভাবে বা কৃত্রিম উপায়ে ইথিলিন গ্যাস ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গাছ থেকে পেড়ে আনা কাঁচা কলার গায়ে ইথিলিন মিশ্রিত স্প্রে করলে তা দ্রুত পেকে যায়।
ব্যাখ্যা: এটি কৃত্রিমভাবে ইথিলিন প্রয়োগের মাধ্যমে ফল পাকানোর ত্বরান্বিত প্রক্রিয়া বোঝায়।
উদাহরণ ২: পাকা আপেলের পাশে কাঁচা টমেটো রাখলে টমেটো দ্রুত লাল হয়ে যায়।
ব্যাখ্যা: পাকা আপেল থেকে নিঃসৃত ইথিলিন গ্যাস চারপাশের কাঁচা টমেটোকে পাকাতে উদ্দীপিত করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অক্সিন — এটি উদ্ভিদের কাণ্ড ও মূলের বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করে এবং কোষ বিভাজনে সাহায্য করে।
B) সাইটোকাইনিন — এটি কোষ বিভাজন ও পার্শ্বীয় কুঁড়ির বৃদ্ধিতে প্রধান ভূমিকা পালন করে।
C) ইথিলিন — এটি ফল পাকানোর সঙ্গে সবচেয়ে বেশি সম্পৃক্ত একমাত্র গ্যাসীয় উদ্ভিদ হরমোন।
D) জিব্বেরেলিন — এটি উদ্ভিদের কাণ্ডের দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি এবং বীজ অঙ্কুরোদগামে সাহায্য করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
ইথিলিন শব্দটিতে গ্যাসীয় অবস্থা ও ফল পাকানোর বিষয়টি জড়িয়ে আছে। মনে রাখবে গ্যাস মানেই ইথিলিন এবং ফল পাকানো মানেই গ্যাস।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ইথিলিন একমাত্র উদ্ভিদ হরমোন যা গ্যাসীয় অবস্থায় থাকে। একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে কোন হরমোনটি ফল পাকাতে সাহায্য করে।
সঠিক উত্তর: B) কার্বন ডাই অক্সাইড
১. কেন সঠিক:
- কার্বন ডাই অক্সাইড হলো পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের এমন একটি গ্যাস যা সূর্য থেকে আসা শর্টওয়েভ রেডিয়েশন বা আলোকশক্তিকে পৃথিবীতে প্রবেশ করতে দেয় কিন্তু পৃথিবী থেকে নির্গত লংওয়েভ রেডিয়েশন বা তাপশক্তিকে আটকে রাখে।
- গ্রিনহাউস গ্যাসের মোট পরিমাণের প্রায় ষাট শতাংশ থেকে ষাট শতাংশের বেশি অংশজুড়ে থাকে এই কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাস, যা একে প্রধান গ্রিনহাউস গ্যাসে পরিণত করেছে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: বায়ুমণ্ডলে যেসব গ্যাস পৃথিবী পৃষ্ঠ থেকে বিকিরিত তাপ শোষণ করে বায়ুমণ্ডলকে উষ্ণ রাখে এবং জলবায়ু পরিবর্তনে ভূমিকা রাখে সেগুলোকে গ্রিনহাউস গ্যাস বলা হয়।
- কার্যপ্রণালি: জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানো, শিল্পকারখানা এবং যানবাহনের ধোঁয়া থেকে প্রচুর পরিমাণে কার্বন ডাই অক্সাইড উৎপন্ন হয়ে বায়ুমণ্ডলে জমা হয় এবং গ্রিনহাউস প্রভাব তৈরি করে।
- কারণ ও ফলাফল: বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই অক্সাইডের মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে, যাকে বৈশ্বিক উষ্ণায়ন বা গ্লোবাল ওয়ার্মিং বলা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শীতপ্রধান দেশের কৃষকরা কাচের ঘরে গাছপালা চাষ করেন যেখানে কাচ ভেদ করে সূর্যের আলো প্রবেশ করতে পারে কিন্তু ভেতরের তাপ বাইরে বের হতে পারে না।
ব্যাখ্যা: এই কাচের ঘরের মতোই বায়ুমণ্ডলের কার্বন ডাই অক্সাইড স্তর পৃথিবীকে উষ্ণ রাখে।
উদাহরণ ২: গ্রীষ্মকালে বন্ধ রাখা গাড়ির জানালার কাচ ভেদ করে সূর্যের আলো ভেতরে প্রবেশ করার পর সিট বা ড্যাশবোর্ড গরম হয়ে তাপ বিকিরণ করলেও কাচ তা আটকে রাখে এবং গাড়িটির ভেতর অত্যন্ত গরম হয়ে যায়।
ব্যাখ্যা: এই ঘটনাটি গ্রিনহাউস প্রভাব এবং কার্বন ডাই অক্সাইডের তাপ আটকেও রাখার ক্ষমতাকে সরাসরি ফুটিয়ে তোলে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হাইড্রোজেন — এটি একটি হালকা দহনশীল মৌলিক গ্যাস যা জলবায়ু পরিবর্তনে বা গ্রিনহাউস প্রভাবে কোনো প্রত্যক্ষ ভূমিকা পালন করে না।
B) কার্বন ডাই অক্সাইড — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি তাপ শোষণ করার ক্ষমতার কারণে প্রধান গ্রিনহাউস গ্যাস হিসেবে পরিচিত।
C) অক্সিজেন — এটি জীবজগতের শ্বাসকষ্ট দূর করতে এবং জীবকুলের বেঁচে থাকার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ গ্যাস হলেও তাপ শোষণকারী গ্রিনহাউস গ্যাস নয়।
D) নাইট্রোজেন — এটি বায়ুমণ্ডলের প্রায় আটাত্তর শতাংশ অংশ জুড়ে থাকা একটি নিষ্ক্রিয় প্রকৃতির গ্যাস যা তাপ আটকে রাখতে পারে না এবং গ্রিনহাউস গ্যাস নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- গাছের পাতার মতো কার্বন ডাই অক্সাইড প্রকৃতির জীবন ও উষ্ণতার ভারসাম্য রক্ষা করে, তাই উষ্ণতা সৃষ্টিকারী প্রধান গ্যাস হিসেবে কার্বন ডাই অক্সাইড বা সিও টু কে সবার আগে মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- গ্রিনহাউস গ্যাসগুলোর মধ্যে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি থাকলেও মানবসৃষ্ট কারণে বায়ুমণ্ডলে সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি পাওয়া প্রধান গ্যাস হলো কার্বন ডাই অক্সাইড।
- একই ধারণা থেকে পরীক্ষায় প্রশ্ন আসতে পারে যে নিচের কোনটি গ্রিনহাউস গ্যাস নয় বা ক্লোরোফ্লোরো কার্বনের প্রধান উৎস কী।
সঠিক উত্তর: B) ধান
১. কেন সঠিক:
- ধানের বীজে মাত্র একটি বীজপত্র থাকে, তাই এটি একবীজপত্রী উদ্ভিদ।
- একবীজপত্রী উদ্ভিদের বীজে খাদ্য সঞ্চয় করার জন্য একটিমাত্র বীজপত্র উপস্থিত থাকে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: সপুষ্পক উদ্ভিদের বীজকে বীজপত্রের সংখ্যার ভিত্তিতে একবীজপত্রী ও দ্বিবীজপত্রী এই দুই ভাগে ভাগ করা হয়।
- কার্যপ্রণালি: ধান বীজের অঙ্কুরোদগমের সময় একটিমাত্র বীজপত্র মাটির নিচে বা উপরে থেকে খাদ্য সরবরাহ করে।
- বাস্তব প্রয়োগ: আমাদের প্রধান খাদ্যশস্য যেমন ধান, গম ও ভুট্টা সবই একবীজপত্রী উদ্ভিদ শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গম
ব্যাখ্যা: গমের বীজেও একটিমাত্র বীজপত্র থাকে এবং এটি একবীজপত্রী উদ্ভিদের উৎকৃষ্ট উদাহরণ।
উদাহরণ ২: ভুট্টা
ব্যাখ্যা: ভুট্টার দানা পরীক্ষা করলে দেখা যায় এটি সহজে দুটি সমান ভাগে বিভক্ত হয় না, যা একবীজপত্রী বৈশিষ্ট্যের প্রমাণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ছোলা — ছোলা দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদ কারণ এর বীজে দুটি বীজপত্র থাকে যা সহজে আলাদা করা যায়।
B) ধান — এটি একবীজপত্রী উদ্ভিদের বীজ এবং এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
C) আম — আম গাছের বীজ দুটি বীজপত্র বিশিষ্ট, তাই এটি দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদের অন্তর্ভুক্ত।
D) কাঁঠাল — কাঁঠালের বিচিতেও দুটি বীজপত্র থাকে এবং এটি দ্বিবীজপত্রী শ্রেণীর উদ্ভিদ।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ঘাস জাতীয় উদ্ভিদ এবং শস্যদানা সাধারণত একবীজপত্রী হয়, যেমন ধান ও গম।
- ডাল জাতীয় উদ্ভিদ সাধারণত দ্বিবীজপত্রী হয়, যেমন ছোলা ও মটর।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই একবীজপত্রী ও দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদের উদাহরণ থেকে প্রশ্ন আসে।
- একবীজপত্রী উদ্ভিদের পাতা সাধারণত সমান্তরাল শিরাবিন্যাসযুক্ত হয়।
সঠিক উত্তর: B) এপিকালচার
১. কেন সঠিক:
- এপিকালচার হলো বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে মৌমাছি লালন-পালন করে মধু ও মোম উৎপাদনের প্রক্রিয়া।
- এর মাধ্যমে মৌমাছির জীবনচক্র ও পরাগায়ন প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রিত উপায়ে পরিচালনা করা হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: কৃষি বিজ্ঞানের যে শাখায় বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে মৌমাছি চাষ করা হয় তাকে এপিকালচার বলা হয়।
- কার্যপ্রণালি: কৃত্রিম বাক্সে রানি মৌমাছি ও শ্রমিক মৌমাছি রেখে তাদের থেকে মধু সংগ্রহ করা হয়।
- বাস্তব প্রয়োগ: কৃষি জমিতে মৌমাছি পালনের মাধ্যমে ফসলের পরাগায়ন বৃদ্ধি পায় এবং ফলন ভালো হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সুন্দরবনের মৌয়ালরা প্রাকৃতিক উৎস থেকে মধু সংগ্রহ করেন।
ব্যাখ্যা: এটি বন্য মৌমাছি থেকে মধু সংগ্রহের প্রাচীন পদ্ধতি, যা এপিকালচারের অন্তর্ভুক্ত নয়।
উদাহরণ ২: আমের বাগানে মৌমাছির বাক্স স্থাপন করা।
ব্যাখ্যা: এটি নিয়ন্ত্রित এপিকালচার, যা পরাগায়ন বাড়িয়ে আমের ফলন বহুগুণ বৃদ্ধি করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সেরিকালচার — এটি রেশম চাষ বা রেশম পোকা পালনের সঙ্গে সম্পর্কিত।
B) এপিকালচার — এটি মৌমাছি পালন ও মধু উৎপাদনের সঙ্গে সম্পর্কিত এবং সঠিক উত্তর।
C) পিসিকালচার — এটি মাছ চাষ বা মৎস্য পালন সংক্রান্ত বিদ্যা।
D) সিলভিকালচার — এটি বন সৃজন এবং বনাঞ্চল সংরক্ষণ সংক্রান্ত বিজ্ঞান।
৫ মনে রাখার টিপস:
এপিকালচার শব্দটিতে এপি অংশটি মনে রাখলে মৌমাছির ইংরেজি অ্যাপিস নামটির সঙ্গে মেলানো সহজ হয়।
মৌমাছির বৈজ্ঞানিক নামের প্রথম অংশ অ্যাপিস থেকে এপিকালচার নামটি এসেছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
এই ধরনের প্রশ্নগুলো BCS এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় বারবার আসে।
বিভিন্ন চাষাবাদ সংক্রান্ত বিদ্যা যেমন হর্টিকালচার, ফ্লোরিকালচার থেকেও প্রশ্ন হতে পারে।
সঠিক উত্তর: B) দলগত শিক্ষাদান পদ্ধতি
কেন সঠিক:
- মাঠ দিবস কৃষকদের নিয়ে মাঠে আয়োজিত হয়, যা দলগত আলোচনার মাধ্যমে নতুন কৃষি প্রযুক্তি ও জ্ঞান ছড়িয়ে দিতে সহায়তা করে।
- এটি দলীয় অংশগ্রহণের ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত একটি কার্যকর শিক্ষণ পদ্ধতি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) একক শিক্ষাদান পদ্ধতি — এটি একক কোনো শিক্ষার্থী বা ব্যক্তির জন্য প্রযোজ্য নয়, কারণ এখানে একসঙ্গে অনেক মানুষ অংশ নেয়।
B) দলগত শিক্ষাদান পদ্ধতি — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ এতে একটি নির্দিষ্ট দল বা গোষ্ঠীকে একত্রে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
C) গণ শিক্ষাদান পদ্ধতি — এটি গণমাধ্যম বা বিশাল জনগোষ্ঠীর জন্য প্রযোজ্য, যা মাঠ দিবসের নির্দিষ্ট দলীয় পরিধি থেকে আলাদা।
D) উপরের কোনটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশন বি তে বিদ্যমান, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
মাঠে দলবদ্ধ হয়ে কৃষকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় বলেই মাঠ দিবস একটি দলগত শিক্ষাদান পদ্ধতি।
সঠিক উত্তর: A) ধইঞ্চা
কেন সঠিক:
- ধইঞ্চা একটি ডাল জাতীয় উদ্ভিদ যার শিকড়ে রাইজোবিয়াম ব্যাকটেরিয়া থাকে এবং এটি মাটিতে প্রচুর নাইট্রোজেন সংবদ্ধ করে।
- গাছটি দ্রুত বাড়ে এবং ফুল আসার আগে মাটিতে মিশিয়ে দিলে পচে চমৎকার জৈব সার বা সবুজ সার তৈরি করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ধইঞ্চা — এটি সবুজ সার উৎপাদনের জন্য বিশেষভাবে উপযোগী এবং বাংলাদেশে এর ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে।
B) শনপাট — এটি মূলত আঁশ বা তন্তু উৎপাদনের জন্য চাষ করা হয়, সবুজ সার হিসেবে এর ব্যবহার ধইঞ্চার মতো প্রধান নয়।
C) উপরের দুইটিই — যেহেতু শনপাট সবুজ সার হিসেবে প্রধান উপযোগী ফসল নয়, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়।
D) কোনটিই নয় — অপশন এ তে সঠিক উত্তর ধইঞ্চা বিদ্যমান থাকায় এটি গ্রহণযোগ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
সবুজ সারের রাজা হলো ধইঞ্চা, যা মাটিতে নাইট্রোজেন বাড়ায়।
সঠিক উত্তর: C) মাটির আর্দ্রতা সংরক্ষণ
কেন সঠিক:
- মালচিং হলো খড়, পলিথিন বা জৈব পদার্থ দিয়ে মাটির উপরিপৃষ্ঠ ঢেকে দেওয়া, যা সূর্যের তাপে মাটির আর্দ্রতা উবে যাওয়া রোধ করে।
- এটি মাটির তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে এবং আগাছা জন্মাতে বাধা দেয়, যা উদ্ভিদের শিকড়ের বৃদ্ধিতে সহায়ক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মাটির pH কমানো — মালচিং করার মূল উদ্দেশ্য মাটি অম্লীয় করা নয়, বরং মাটির উপরিপৃষ্ঠ ঢেকে রেখে আর্দ্রতা রক্ষা করা।
B) মাটির pH বাড়ানো — মালচিং মাটির ক্ষারত্ব বাড়াতে সরাসরি কোনো ভূমিকা পালন করে না, তাই এটি ভুল উত্তর।
C) মাটির আর্দ্রতা সংরক্ষণ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যা সূর্যের তাপ ও বাতাস থেকে মাটির ভেজাভাব বা আর্দ্রতা বজায় রাখে।
D) মাটির আর্দ্রতা কমানো — মালচিং আর্দ্রতা কমায় না, বরং উল্টো মাটি শুষ্ক হওয়া থেকে রক্ষা করে আর্দ্রতা ধরে রাখে।
মনে রাখার টিপস:
মালচিং মানেই ঢেকে রাখা; আর ঢেকে রাখলে মাটির আর্দ্রতা বা ভেজাভাব ভেতরেই সংরক্ষিত থাকে।
সঠিক উত্তর: C) ১২-১৪%
কেন সঠিক:
- শস্য দানার আর্দ্রতা ১২ থেকে ১৪ শতাংশের মধ্যে নামিয়ে আনলে ছত্রাক, ব্যাকটেরিয়া ও পোকার আক্রমণ রোধ করা যায়।
- এই নির্দিষ্ট মাত্রায় শস্যের নিজস্ব জৈবিক শ্বাসপ্রশ্বাস প্রক্রিয়া ধীর থাকে, ফলে দীর্ঘ সময় গুণগত মান অক্ষুণ্ণ থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২০-২২% — এই পরিমাণ আর্দ্রতা অনেক বেশি, যার কারণে খুব দ্রুত শস্যদানায় ছত্রাক জন্মাবে এবং পচন ধরবে।
B) ১৬-১৮% — এটিও নিরাপদ সংরক্ষণের তুলনায় বেশি, এই মাত্রায় আর্দ্রতা থাকলে শস্য দ্রুত নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।
C) ১২-১৪% — এটি শস্য দীর্ঘমেয়াদী নিরাপদ সংরক্ষণের জন্য বিজ্ঞানসম্মতভাবে পরীক্ষিত ও নির্ধারিত আদর্শ আর্দ্রতার মাত্রা।
D) ৮-১০% — এই মাত্রা অতিরিক্ত কম, যা শস্য দানাকে অতিরিক্ত শুষ্ক ও ভঙ্গুর করে ফেলে এবং অঙ্কুরোদগম ক্ষমতা নষ্ট করে।
মনে রাখার টিপস:
শস্যের নিরাপদ জীবন, আর্দ্রতা থাকুক বারো থেকে চৌদ্দর ভেতর।
সঠিক উত্তর: B) ৫-১৫°C
কেন সঠিক:
- গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ফল ও সবজি যেমন কলা, আম, আনারস অতিরিক্ত ঠান্ডায় নষ্ট হয়ে যায় এবং এগুলো সংরক্ষণের জন্য ৫ থেকে ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা সবচেয়ে উপযোগী।
- এই তাপমাত্রায় রাখলে ফল ও সবজির স্বাভাবিক পাক ধরার প্রক্রিয়া বজায় থাকে এবং কোল্ড ইনজুরি বা ঠান্ডাজনিত পচন রোধ করা সম্ভব হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ০-৪°সি — এটি নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলের ফল ও সবজির নিরাপদ সংরক্ষণের তাপমাত্রা, যা গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ফলের জন্য অতিরিক্ত ঠান্ডা এবং এতে ফল নষ্ট হয়ে যায়।
B) ৫-১৫°সি — এটিই গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ফল ও সবজির জন্য সঠিক নিরাপদ সংরক্ষণের তাপমাত্রা।
C) ২০-২৫°সি — এটি কক্ষ তাপমাত্রা, যা গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ফল ও সবজি দ্রুত পাকাতে বা নষ্ট করতে সাহায্য করে, দীর্ঘস্থায়ী সংরক্ষণের জন্য নিরাপদ নয়।
D) ২৬-৩০°সি — এটি স্বাভাবিক আবহাওয়ার উষ্ণ তাপমাত্রা, যা ফল ও সবজি দ্রুত পচিয়ে ফেলে এবং সংরক্ষণের জন্য উপযোগী নয়।
মনে রাখার টিপস:
গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ফল ঠান্ডায় কাবু হয়, তাই জিরো ডিগ্রিতে না রেখে পাঁচ থেকে পনেরো ডিগ্রির মাঝারি ঠান্ডায় নিরাপদ রাখতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) ৩০টি
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের কৃষি উন্নয়নের জন্য মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট সমগ্র দেশকে মোট ৩০টি কৃষি পরিবেশ অঞ্চলে ভাগ করেছে।
- এই অঞ্চলগুলো নির্ধারণ করা হয়েছে ভূমিরূপ, মৃত্তিকার বৈশিষ্ট্য এবং জলবায়ুর পার্থক্যের ওপর ভিত্তি করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২৯টি — এই সংখ্যাটি সঠিক কৃষি পরিবেশ অঞ্চলের সঙ্গে মিলছে না।
B) ৩০টি — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বাংলাদেশের ভূগোলের জন্য একটি প্রমিত পরিসংখ্যান।
C) ৩১টি — এই সংখ্যাটি বাংলাদেশ বা অন্য কোনো মানসম্মত অঞ্চলের সঠিক কৃষি পরিবেশ অঞ্চলের সংখ্যা নয়।
D) ৩২টি — এই সংখ্যাটি কৃষি পরিবেশ অঞ্চলের সঠিক পরিসংখ্যানের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
কৃষি মানেই মাটি আর পরিবেশ, আর বাংলাদেশে এই পরিবেশ অঞ্চল আছে মোট ৩০টি।
সঠিক উত্তর: B) National Agricultural Research System
কেন সঠিক:
- এটি বাংলাদেশের কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোকে সমন্বয় ও পরিচালনা করার জাতীয় প্রাতিষ্ঠানিক রূপ।
- দেশের কৃষি খাতের উন্নয়ন এবং নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবনে এই গবেষণা ব্যবস্থার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Northern Agricultural Research System — উত্তর অঞ্চলের জন্য সীমাবদ্ধ কোনো বিশেষ বা আলাদা জাতীয় ব্যবস্থা বোঝায় না।
B) National Agricultural Research System — এটি সঠিক উত্তর।
C) National Agriculture and Research System — এখানে 'and' শব্দটির অতিরিক্ত ব্যবহারের কারণে পূর্ণরূপটি ভুল হয়েছে।
D) North American Research System — এটি উত্তর আমেরিকার কোনো গবেষণা ব্যবস্থাকে নির্দেশ করে যা বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
সংক্ষিপ্ত রূপ NARS মনে রাখতে মূল শব্দগুলো মনে রাখুন: National (জাতীয়) Agricultural (কৃষি) Research (গবেষণা) System (ব্যবস্থা)।
সঠিক উত্তর: C) ভুট্টা
কেন সঠিক:
- ফল আর্মি ওয়ার্ম হলো ভুট্টা চাষের অন্যতম প্রধান ও ধ্বংসাত্মক ক্ষতিকারক পোকা যা সরাসরি ভুট্টার মোচা ও পাতা আক্রমণ করে।
- বাংলাদেশে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এই পোকার আক্রমণ ভুট্টার ফলন হুমকিতে ফেলে দিয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তুলা — তুলার মূল ক্ষতিকারক পোকা বলওয়ার্ম হলেও এটি ফল আর্মি ওয়ার্মের প্রধান আক্রমণস্থল নয়।
B) আখ — আখের জন্য স্টেম বোরার বা গুচ্ছ পোকা ক্ষতিকর হলেও ফল আর্মি ওয়ার্মের প্রাদুর্ভাব এখানে প্রধান নয়।
C) ভুট্টা — এটি এই পোকার প্রধান ও পছন্দের ফসল হওয়ায় এখানে প্রাদুর্ভাব সবচেয়ে বেশি দেখা যায়।
D) ধান — ধানে বিভিন্ন পাম বা লতা পোকার আক্রমণ দেখা গেলেও ফল আর্মি ওয়ার্মের মূল আক্রমণ ভুট্টাতেই সীমাবদ্ধ।
মনে রাখার টিপস:
ফল আর্মি ওয়ার্ম শুনলেই মাথায় রাখতে হবে ভুট্টার মোচা ও পাতার প্রধান শত্রু।
সঠিক উত্তর: C) ১৮টি
কেন সঠিক:
- কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অধীন বর্তমানে দেশে ১৮টি সরকারি কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট চালু রয়েছে।
- এই প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে মধ্যম সারির কৃষিবিদ তৈরি করতে ডিপ্লোমা ইন এগ্রিকালচার শিক্ষা প্রদান করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৬টি — এটি বর্তমানের সঠিক সংখ্যা নয়, অতীতে সংখ্যা কম ছিল।
B) ১৭টি — এটিও বর্তমানের হালনাগাদ সঠিক সংখ্যাকে নির্দেশ করে না।
C) ১৮টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ বর্তমানে কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের সংখ্যা ১৮টি।
D) ১৯টি — এই সংখ্যাটি সঠিক নয়, কারণ বর্তমানে দেশের সরকারি কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট ১৮টি।
মনে রাখার টিপস:
কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট সংখ্যা মনে রাখতে মনে রাখুন আষাঢ় মাসের ১৮ দিন বা ১৮ সংখ্যাটি কৃষি প্রশিক্ষণের সাথে যুক্ত।
সঠিক উত্তর: B) উপযুক্ত আর্দ্রতা
কেন সঠিক:
- জমির 'জো' অবস্থা বলতে মাটিতে বীজ অঙ্কুরোদগম ও চারা বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় আদর্শ আর্দ্রতা বা রস বোঝায়।
- এই অবস্থায় মাটি না অতিরিক্ত ভেজা থাকে, না খুব শুকনো থাকে, যা লাঙল দিয়ে চাষ করার জন্য সবচেয়ে উপযোগী।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জলাবদ্ধতা — জলাবদ্ধ মাটিতে অতিরিক্ত পানির কারণে বীজ পচে যায় এবং এটি 'জো' অবস্থার বিপরীত।
B) উপযুক্ত আর্দ্রতা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই মাত্রার আর্দ্রতা চাষাবাদ ও বীজ বপনের জন্য সবচেয়ে অনুকূল।
কম আর্দ্রতা — কম আর্দ্রতা বা খরা থাকলে মাটি শক্ত হয়ে যায় এবং চাষ করার উপযুক্ত পরিবেশ থাকে না।
D) কর্দমাক্ত অবস্থা — কর্দমাক্ত বা অতিরিক্ত কাদা অবস্থা মূলত ধান রোপণের জন্য উপযোগী হলেও সাধারণ 'জো' অবস্থা নয়।
মনে রাখার টিপস:
মাটিতে যখন না বেশি পানি, না বেশি শুকনা অবস্থা থাকে এবং চাষের জন্য ঠিকঠাক রস থাকে, তাকেই 'জো' অবস্থা বলে।
সঠিক উত্তর: D) ক্ষেতের তাপ দূর করা ও শ্বসন কমানো
কেন সঠিক:
- প্রাক-শীতlikকরণ বা প্রি-কুলিং উদ্ভিদের মাঠপর্যায়ের তাপ দ্রুত কমিয়ে পচনশীলতা রোধ করে।
- এটি সবজির শ্বসন হার কমিয়ে পুষ্টিগুণ অক্ষুণ্ণ রাখে এবং শেলফ লাইফ বৃদ্ধি করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) স্বাদ বৃদ্ধি করা — এটি সংরক্ষণের মাধ্যমে মান ধরে রাখে, তবে সরাসরি স্বাদ বৃদ্ধি করা এর মূল উদ্দেশ্য নয়।
বি) সবজি পরিষ্কার করা — প্রাক-শীতলীকরণের কাজ তাপমাত্রা কমানো, ময়লা বা ধুলাবালি দূর করা ওয়াশিং বা পরিষ্কারকরণের কাজ।
সি) ওজন বাড়ানো — এটি কোনো বাহ্যিক পদার্থ যুক্ত করে ওজন বাড়ায় না, বরং আর্দ্রতা ও সতেজতা রক্ষা করে।
ডি) ক্ষেতের তাপ দূর করা ও শ্বসন কমানো — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি ফসল তোলার পর তাপ ও শ্বসন প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে।
মনে রাখার টিপস:
সবজি তোলার পর তাপ কমিয়ে সতেজ রাখতে প্রি-কুলিং বা প্রাক-শীতলীকরণ করা হয়।
সঠিক উত্তর: B) সাদা
কেন সঠিক:
- বীজ উৎপাদনে গুণগত মান বজায় রাখার জন্য বিভিন্ন স্তরের বীজে নির্দিষ্ট রঙের ট্যাগ ব্যবহার করা হয়।
- ভিত্তি বীজ বা ফাউন্ডেশন সিড চেনার জন্য সাদা রঙের ট্যাগ বা লেবেল ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নীল — নীল রঙের ট্যাগ সাধারণত প্রত্যায়িত বা সার্টিফাইড বীজের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
B) সাদা — এটি সঠিক উত্তর কারণ ভিত্তি বীজের জন্য সাদা রঙের ট্যাগ নির্ধারিত থাকে।
C) লাল — লাল রঙের ট্যাগ সত্যতা যাচাই বা পরীক্ষামূলক বীজ অথবা বর্জনীয় বীজের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
D) হলুদ — হলুদ রঙের ট্যাগ মূলত প্রজনন বীজ বা ব্রিডার সিডের বস্তায় ব্যবহার করা হয়।
মনে রাখার টিপস:
প্রজনন বীজ হলুদ এবং ভিত্তি বীজ সাদা রঙের ট্যাগের মাধ্যমে আলাদা করা যায়।
সঠিক উত্তর: C) কাটাছেঁড়া স্থান শুকানো
কেন সঠিক:
- সংগ্রহের সময় আলুর গায়ে যে কাটাছেঁড়া বা ক্ষত হয়, কিউরিং প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তা দ্রুত শুকানো হয়।
- ক্ষতস্থান শুকানোর ফলে সংরক্ষণকালে সেখানে ছত্রাক বা ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ ঘটে না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চিনির পরিমাণ বাড়ানো — কিউরিং প্রক্রিয়ার কাজ আলুর মিষ্টি করা নয়, বরং এর প্রধান লক্ষ্য হলো ক্ষতস্থান সারিয়ে তোলা।
B) ওজন কমানো — ওজন কমানো কিউরিং প্রক্রিয়ার উদ্দেশ্য নয়, এটি বরং সংরক্ষণের সময় স্বাভাবিক বা ক্ষতিকর হতে পারে।
C) কাটাছেঁড়া স্থান শুকানো — এটি সঠিক কারণ, যা আলু পচন থেকে রক্ষা করতে সহায়তা করে।
D) রং উন্নত করা — আলুর রং পরিবর্তনের সঙ্গে কিউরিং প্রক্রিয়ার কোনো সরাসরি সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
আলু কেটে গেলে যেমন আমরা শুকাই, সংরক্ষণের আগে আলুর কাটা স্থান শুকানোই হলো কিউরিং।
সঠিক উত্তর: B) ভিটামিন এ (বিটা ক্যারোটিন)
কেন সঠিক:
- গোল্ডেন রাইসে জিন প্রকৌশলের মাধ্যমে বিটা ক্যারোটিন বা প্রো-ভিটামিন এ উৎপন্ন করার জিন সংযোজন করা হয়েছে।
- এটি মানবদেহে প্রবেশ করে ভিটামিন এতে রূপান্তরিত হয় এবং ভিটামিন এ এর অভাব পূরণে সাহায্য করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভিটামিন সি — গোল্ডেন রাইস ভিটামিন সি সমৃদ্ধ নয়, এটি প্রধানত বিটা ক্যারোটিনের উৎসের জন্য তৈরি করা হয়েছে।
B) ভিটামিন এ (বিটা ক্যারোটিন) — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রশ্নটির সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ।
C) ভিটামিন ডি — গোল্ডেন রাইসে ভিটামিন ডি উৎপাদনের কোনো উপাদান থাকে না, এটি সূর্যালোক ও নির্দিষ্ট খাবার থেকে পাওয়া যায়।
D) আয়রন — আয়রন সমৃদ্ধ চাল আলাদা প্রকৃতির হয় এবং গোল্ডেন রাইস মূলত আয়রনের জন্য তৈরি নয়।
মনে রাখার টিপস:
গোল্ডেন রাইসের সোনালী রঙ মনে করিয়ে দেয় এর ভেতরে থাকা ভিটামিন এ বা বিটা ক্যারোটিনের কথা।
সঠিক উত্তর: C) লেডি বার্ড বিটল
কেন সঠিক:
- লেডি বার্ড বিটল ফসলের ক্ষতিকর পোকা যেমন জাব পোকা ও সাদা মাছি খেয়ে বেঁচে থাকে, তাই একে কৃষির বন্ধু বা উপকারী পোকা বলা হয়।
- এটি জৈবিক বালাই দমনে অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জাব পোকা — এটি ফসলের রস চুষে খায় এবং মারাত্মক ক্ষতি করে, তাই এটি উপকারী পোকা নয়।
B) সাদা মাছি — এটি গাছের পাতা থেকে রস সংগ্রহ করে এবং নানা ধরণের ভাইরাসের বাহক হিসেবে কাজ করে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে।
C) লেডি বার্ড বিটল — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যা ক্ষতিকর পোকা দমন করে ফসল রক্ষা করতে সাহায্য করে।
D) লাল মাকড় — এটি গাছের পাতার ক্লোরোফিল নষ্ট করে এবং পাতা শুকিয়ে ফেলে, যা ফসলের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর।
মনে রাখার টিপস:
লেডি বার্ড হলো পোকা শিকারী পোকা, যা ক্ষতিকর জাব পোকা খেয়ে কৃষকের উপকার করে।
সঠিক উত্তর: D) ট্রাইকোডার্মা
কেন সঠিক:
- ট্রাইকোডার্মা এক ধরণের উপকারী ছত্রাক যা জৈব বর্জ্য বা কম্পোস্ট দ্রুত পচাতে সাহায্য করে।
- এটি মাটিতে ক্ষতিকর রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণু ধ্বংস করে এবং গাছের পুষ্টি উপাদান বৃদ্ধি করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) এসপার জিলাস — এটি প্রধানত খাদ্যদ্রব্য নষ্ট করে এবং টক্সিন উৎপন্ন করে, তাই কম্পোস্টে এটি ব্যবহার করা হয় না।
B) পেনিসিলিয়াম — এটি অ্যান্টিবায়োটিক তৈরিতে ব্যবহৃত হয়, তবে এটি আদর্শ কম্পোস্টকারী ছত্রাক নয়।
সি) ফিউজারিয়াম — এটি উদ্ভিদের মারাত্মক রোগ সৃষ্টিকারী ক্ষতিকর ছত্রাক, যা কম্পোস্টের জন্য উপকারী নয়।
D) ট্রাইকোডার্মা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য।
মনে রাখার টিপস:
কম্পোস্ট তৈরিতে ট্রাইকোডার্মা ব্যবহার করা হয় কারণ এটি বর্জ্য পচাতে জাদুকরী ভূমিকা রাখে।
সঠিক উত্তর: D) ব্রি ধান ৬২
কেন সঠিক:
- এটি বাংলাদেশের প্রথম উদ্ভাবিত জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত, যা ২০১৩ সালে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট কর্তৃক অনুমোদিত হয়।
- এই ধানের চালে জিংকের পরিমাণ বেশি থাকায় তা শিশুদের পুষ্টির ঘাটতি ও ডায়রিয়া প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ব্রি ধান ২৮ — এটি একটি জনপ্রিয় বোরো ধান হলেও এটি জিংক সমৃদ্ধ প্রথম জাত নয়।
B) ব্রি ধান ৫০ — এটি সুগন্ধি বা বাসমতি ধরণের ধান, যা জিংক সমৃদ্ধ প্রথম জাত হিসেবে পরিচিত নয়।
C) বিনা ধান ৭ — এটি বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত খরা সহনশীল আমন ধান, জিংক সমৃদ্ধ নয়।
D) ব্রি ধান ৬২ — এটি বাংলাদেশের প্রথম উদ্ভাবিত জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
জিংক সমৃদ্ধ প্রথম ধান ৬২, মনে রেখো সংখ্যাটি বাষ্পের মতো হালকা নয় বরং পুষ্টিতে ভারী।
সঠিক উত্তর: B) সর্বনিম্ন ঝুঁকিপূর্ণ পদ্ধতিতে বালাই ব্যবস্থাপনা করা
কেন সঠিক:
- GAP বা গুড এগ্রিকালচারাল প্র্যাকটিসেস-এর মূল লক্ষ্য হলো নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন করা, যেখানে রাসায়নিকের ব্যবহার সীমিত রাখা হয়।
- বালাই দমনে পরিবেশ, মানবস্বাস্থ্য ও খাদ্যের গুণগত মান অক্ষুণ্ণ রাখতে সর্বনিম্ন ঝুঁকিপূর্ণ বা সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সকল রাসায়নিক কীটনাশক নিষিদ্ধ করা — GAP-এ রাসায়নিক কীটনাশক পুরোপুরি নিষিদ্ধ করা হয় না, বরং নির্ধারিত মাত্রায় নিরাপদ ব্যবহার নিশ্চিত করা হয়।
B) সর্বনিম্ন ঝুঁকিপূর্ণ পদ্ধতিতে বালাই ব্যবস্থাপনা করা — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং GAP-এর মূলনীতির সঙ্গে সম্পূর্ণরূপে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
C) বালাই নিয়ন্ত্রণে সর্বোচ্চ মাত্রায় কীটনাশক প্রয়োগ করা — এটি জনস্বাস্থ্য এবং পরিবেশের জন্য চরম ক্ষতিকর এবং GAP নীতিমালার সম্পূর্ণ পরিপন্থী।
D) শুধুমাত্র জৈবিক নিয়ন্ত্রণের উপর নির্ভর করা — GAP-এ জৈবিক নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি প্রয়োজন সাপেক্ষে অন্যান্য নিরাপদ পদ্ধতিও ব্যবহার করা হয়, শুধু একটির ওপর নির্ভর করা হয় না।
মনে রাখার টিপস:
GAP মানেই নিরাপদ খাদ্য, তাই এর বালাই ব্যবস্থাপনায় ক্ষতিকর রাসায়নিক এড়িয়ে সবসময় সর্বনিম্ন ঝুঁকিকে প্রাধান্য দেওয়া হয়।
সঠিক উত্তর: B) হলুদ রং এর ট্যাগ
কেন সঠিক:
- বীজ আইন অনুযায়ী প্রত্যয়িত বা মান ঘোষিত বীজের বস্তায় হলুদ রঙের ট্যাগ ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক।
- এই হলুদ ট্যাগ বীজের উচ্চ অঙ্কুরোদগম ক্ষমতা এবং মান নিয়ন্ত্রン সংস্থার অনুমোদন নিশ্চিত করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সবুজ রং এর ট্যাগ — এটি ভিত্তি বীজ বা প্রজনন বীজের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়, মান ঘোষিত বীজে নয়।
B) হলুদ রং এর ট্যাগ — এটি মান ঘোষিত বা প্রত্যয়িত বীজের ক্ষেত্রে নির্ধারিত হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর।
C) সাদা রং এর ট্যাগ — এটি সাধারণত প্রজনন বীজ বা ব্রিডার সিডের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
D) নীল রং এর ট্যাগ — এটি বীজ শিল্পের মানদণ্ডে সাধারণ প্যাক করা বীজে ব্যবহৃত হয় না।
মনে রাখার টিপস:
মান ঘোষিত বা সার্টিফাইড বীজের মান ধরে রাখতে 'হলুদ' রঙের ট্যাগ ব্যবহার করা হয়, যা পরীক্ষার জন্য সহজে মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: D) শেষ কীটনাশক প্রয়োগ থেকে ফসল সংগ্রহ পর্যন্ত ন্যূনতম দিনের সংখ্যা
কেন সঠিক:
- কীটনাশক স্প্রে করার পর এর বিষাক্ত অবশিষ্টাংশ নিরাপদ মাত্রায় নেমে আসতে যে নির্দিষ্ট সময়ের প্রয়োজন হয়, তাকে নিরাপত্তা ব্যবধান বা পিএইচআই বলা হয়।
- এই নির্দিষ্ট সময় পার হওয়ার পরেই কেবল ফসল কেটে মানুষের খাওয়ার বা বাজারে বিক্রির উপযোগী করা যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রোপণ থেকে প্রথম কীটনাশক প্রয়োগের মধ্যবর্তী সময় — এটি সঠিক নয় কারণ এটি চারাগাছে রোগ বা পোকার আক্রমণের সময়ের ওপর নির্ভর করে এবং একে নিরাপত্তা ব্যবধান বলে না।
B) কীটনাশক প্রস্তুতির জন্য প্রয়োজনীয় সময় — এটি সঠিক নয় কারণ এটি স্প্রে করার পূর্বে ওষুধ ও পানি মিশ্রিত করার প্রক্রিয়াকে বোঝায়।
C) কীটনাশক প্রয়োগ না করা — এটি সঠিক নয় কারণ এটি সামগ্রিক ব্যবস্থাপনাহীনতা বা জৈব বালাইনাশক ব্যবহারের নীতিকে নির্দেশ করে।
D) শেষ কীটনাশক প্রয়োগ থেকে ফসল সংগ্রহ পর্যন্ত ন্যূনতম দিনের সংখ্যা — এটি সঠিক এবং পরীক্ষিত বৈজ্ঞানিক সংজ্ঞা যা জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় অনুসরণ করা হয়।
মনে রাখার টিপস:
নিরাপত্তা ব্যবধান মানে হলো শেষ ওষুধ দেওয়ার পর ফসল তোলার আগের অপেক্ষার দিনগুলো।
সঠিক উত্তর: C) সংরক্ষণের আগে বীজ শোধন
কেন সঠিক:
- বীজ সংরক্ষণকালে পোকামাকড় ও ছত্রাকের আক্রমণ রোধ করতে সংরক্ষণের পূর্বে শোধন করা অত্যন্ত জরুরি।
- শোধন করলে বীজে থাকা ক্ষতিকর জীবাণু ধ্বংস হয় এবং দীর্ঘ সময় বীজ অঙ্কুরোদগমক্ষম ও সুস্থ থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) স্বচ্ছ পলিব্যাগ ব্যবহার — স্বচ্ছ পলিব্যাগ আলো প্রবেশ করতে দেয় যা বীজের গুণগত মান নষ্ট করে এবং সংরক্ষণের জন্য উপযুক্ত নয়।
B) উচ্চ আর্দ্রতায় বীজ সংরক্ষণ — উচ্চ আর্দ্রতা বীজে ছত্রাক ও ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ বাড়িয়ে দেয়, ফলে বীজ পচে যায়।
D) উষ্ণ ও আর্দ্র অবস্থায় সংরক্ষণ — উষ্ণ ও আর্দ্র পরিবেশ বীজের জীবনশক্তি নষ্ট করে এবং দ্রুত অঙ্কুরোদগম ক্ষমতা হ্রাস করে।
মনে রাখার টিপস:
বীজ ভালো রাখতে হলে সংরক্ষণের আগে অবশ্যই শোধন করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) ডগা ও ফল ছিদ্রকারী পোকা
কেন সঠিক:
- বিটি বেগুন হলো একটি জিন প্রকৌশল বা জিএম ফসল, যার মধ্যে বেসিলিথ থুরিংজিনেসিস নামক ব্যাকটেরিয়ার জিন প্রবেশ করানো হয়েছে।
- এই জিন উদ্ভিদের মধ্যে এক ধরনের প্রাকৃতিক বিষ তৈরি করে, যা বিশেষভাবে বেগুনের প্রধান ক্ষতিকর পোকা ডগা ও ফল ছিদ্রকারী পোকা ধ্বংস করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জাব পোকা — এটি এক ধরনের ছোট চোষক পোকা যা গাছের রস খায়, তবে বিটি বেগুনের জিন এই পোকা দমনে বিশেষভাবে কার্যকর নয়।
B) এপিল্যাকনা বিটল — এটি পাতার ক্লোরোফিল খেয়ে জালের মতো করে ফেলে, যা বিটি বেগুনের মাধ্যমে সরাসরি নিয়ন্ত্রিত হয় না।
C) ডগা ও ফল ছিদ্রকারী পোকা — এটি সঠিক উত্তর এবং এই পোকা প্রতিরোধের জন্যই মূলত বিটি বেগুন উদ্ভাবন করা হয়েছে।
D) কাঁঠালে পোকা — এটি ফসলের আরেকটি সাধারণ ক্ষতিকর পোকা হলেও, বিটি বেগুনের জিনগত সুরক্ষা এই পোকার বিরুদ্ধে কাজ করে না।
মনে রাখার টিপস:
বিটি বেগুনের মূল লক্ষ্য হলো বেগুন গাছের সবচেয়ে বড় শত্রু ডগা ও ফল ছিদ্রকারী পোকা দমন করা।
সঠিক উত্তর: D) BINA
কেন সঠিক:
- BINA হলো বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট, যা পরমাণু শক্তির সাহায্যে তেজস্ক্রিয় রশ্মি ব্যবহার করে ধানের নতুন জাত উদ্ভাবন করে থাকে।
- একে মিউটেশন ব্রিডিং বলা হয়, যার মাধ্যমে ফসলের গুণগত মান বৃদ্ধি এবং উন্নত জাত উদ্ভাবন করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) BRRI — এটি বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট, যা প্রচলিত সংকরায়ণ পদ্ধতির মাধ্যমে ধানের জাত উদ্ভাবন করে থাকে।
B) BARI — এটি বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট, যা মূলত ডাল, তেল ও সবজি জাতীয় ফসলের গবেষণা ও জাত উদ্ভাবন করে।
C) BADC — এটি বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন, যার প্রধান কাজ মানসম্মত বীজ উৎপাদন ও কৃষকদের মধ্যে তা বিতরণ করা।
D) BINA — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই প্রতিষ্ঠানটি পরমাণু শক্তি প্রয়োগ করে মিউটেশন ব্রিডিংয়ের মাধ্যমে ধানের নতুন জাত উদ্ভাবন করে।
মনে রাখার টিপস:
পরমাণু শক্তি বা নিউক্লিয়ার শব্দ থাকলে বুঝতে হবে এটি পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট বা BINA সম্পর্কিত প্রশ্ন।
সঠিক উত্তর: A) শ্যামা
কেন সঠিক:
- শ্যামা ঘাস আমন ধানের ক্ষেতে জন্ম নেওয়া সবচেয়ে ক্ষতিকর ও আক্রমণাত্মক আগাছা যা ধানের সাথে পুষ্টি ও আলোর জন্য প্রতিযোগিতা করে।
- এই আগাছার বৃদ্ধির হার ধানের চেয়ে বেশি হওয়ায় এটি ফলন মারাত্মকভাবে কমিয়ে দেয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শ্যামা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) টোপা পানা — এটি মূলত জলজ আগাছা বা ভাসমান উদ্ভিদ, যা আমন জমির জন্য শ্যামা ঘাসের মতো প্রধান ক্ষতিকর ঘাস নয়।
C) হলদে মুথা — এটি একটি আগাছা হলেও এটি সাধারণত আমন ধানের জমিতে শ্যামা ঘাসের মতো প্রধান ক্ষতিকর ঘাস হিসেবে বিবেচিত হয় না।
D) নুনিয়া — এটি শাকজাতীয় উদ্ভিদ বা সাধারণ আগাছা, যা আমন ধানের জমিতে শ্যামা ঘাসের মতো বড় ধরনের ক্ষতি করে না।
মনে রাখার টিপস:
আমন ধানে শ্যামা ঘাসের ভয়, ফলন কমাতে এর জুড়ি নেই।
সঠিক উত্তর: B) অ্যালুমিনিয়াম ফসফাইড
কেন সঠিক:
- এটি একটি শক্তিশালী ধূমকারক বা ফিউমিগ্যান্ট কীটনাশক, যা গুদামে সংরক্ষিত শস্যের পোকা ও উইপোকা দমনে ব্যবহৃত হয়।
- বাতাসের আর্দ্রতার সংস্পর্শে এসে এটি বিষাক্ত ফসফিন গ্যাস তৈরি করে পোকা ও তাদের ডিম ধ্বংস করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বোর্দো মিশ্রণ — এটি তামা সালফেট ও চুন দিয়ে তৈরি একটি ছত্রাকনাশক, যা মূলত গাছের পাতা ও ফলের রোগ দমনে ব্যবহৃত হয়।
B) অ্যালুমিনিয়াম ফসফাইড — এটি গুদামে সংরক্ষণশীল পোকা দমনে ব্যবহৃত সঠিক রাসায়নিক।
C) ফরমালিন — এটি মূলত পচনশীল বস্তু ও মৃতদেহ সংরক্ষণে ব্যবহৃত রাসায়নিক তরল, খাদ্য বা শস্যের পোকা দমনে নয়।
D) DAP সার — এটি ডায়ামোনিয়াম ফসফেট নামক একটি রাসায়নিক সার, যা উদ্ভিদের পুষ্টি ও বৃদ্ধিতে ব্যবহৃত হয়, কীটনাশক নয়।
মনে রাখার টিপস:
গুদামের পোকা দমনে ফসফাইড ব্যবহার করা হয়, যা ফসফিন গ্যাস তৈরি করে পোকা মারে।
সঠিক উত্তর: C) ব্রি ধান ২৮
কেন সঠিক:
- ব্রি ধান ২৮ বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান ও জনপ্রিয় বোরো মৌসুমের ধান জাত।
- এর জীবনকাল কম এবং ফলনশীলতা বেশি হওয়ায় এটি কৃষকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ব্রি ধান ৩৪ — এটি মূলত একটি সুগন্ধি পোলাওয়ের চালের জাত, যা সাধারণত আমন মৌসুমে চাষ করা হয়।
B) ব্রি ধান ৯০ — এটি খরা ও লবণাক্ততা সহনশীল একটি আধুনিক আমন মৌসুমের ধানের জাত।
িসি) ব্রি ধান ২৮ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে ভিন্ন কোনো প্রযোজ্য কারণ নেই।
D) ব্রি ধান ৪৩ — এটি একটি আউশ মৌসুমের খরা সহনশীল ধানের জাত, বোরো জাত নয়।
মনে রাখার টিপস:
সংখ্যা জোড়ার মধ্যে আঠারো এবং আঠাশ সাধারণত বোরো মৌসুমের জনপ্রিয় ধানের জাত হিসেবে পরিচিত।
সঠিক উত্তর: A) পুরানো পাতায় হলুদ ভাব
কেন সঠিক:
- নাইট্রোজেন একটি গতিশীল বা সচল খনিজ পুষ্টি উপাদান হওয়ায় উদ্ভিদে এর ঘাটতি দেখা দিলে এটি নতুন পাতা থেকে পুরনো পাতায় স্থানান্তরিত হয়।
- ফলস্বরূপ, ক্লোরোফিল উৎপাদনে ব্যাঘাত ঘটে এবং উদ্ভিদের নিচের বা পুরনো পাতাগুলো ক্রমান্বয়ে হলুদ বর্ণ ধারণ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পুরানো পাতায় হলুদ ভাব — এটি সঠিক উত্তর কারণ নাইট্রোজেনের অভাবে ক্লোরোফিল নষ্ট হয়ে পুরনো পাতা হলুদ হয়ে যায়।
B) নতুন পাতায় বেগুনি রং — এটি ফসফরাসের অভাবে ঘটে, নাইট্রোজেনের অভাবে নয়।
ModelComponent C) পাতার কিনারা পুড়ে যায় — এটি সাধারণত পটাসিয়ামের ঘাটতির কারণে ঘটে থাকে।
D) পাতার অগ্রভাগে সাদা হয় — এটি অন্য কোনো মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা পরিবেশগত সমস্যার কারণে হতে পারে।
মনে রাখার টিপস:
নাইট্রোজেন ঘাটতিতে পাতা হলুদ হয়, যা মনে রাখতে নাইট্রোজেন শব্দের শুরুর অক্ষর ন দিয়ে নিচে বা পুরনো পাতা মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: D) সবকটি
কেন সঠিক:
- ফসলের জমিতে অম্লত্ব বা এসিডিটি বাড়লে মাটির pH মান কমে যায়, যা ফসলের পুষ্টি উপাদান গ্রহণ ব্যাহত করে।
- ডলোচুন, কলিচুন এবং ক্যালসিয়াম কার্বনেট—সবকটি উপাদানই রাসায়নিকভাবে ক্ষারীয় প্রকৃতির হওয়ায় মাটির অতিরিক্ত অম্লত্বneutralize করে স্বাভাবিক pH ফিরিয়ে আনে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ডলোচুন — এটি ম্যাগনেসিয়াম ও ক্যালসিয়ামের কার্বনেট মিশ্রণ যা মাটি neutralize করে, কিন্তু একা সঠিক উত্তর নয় কারণ অন্য অপশনগুলোও সঠিক।
B) কলিচুন — এটি ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড যা মাটির অম্লত্ব দ্রুত দূর করে, তবে এটি একমাত্র সঠিক উত্তর নয়।
C) ক্যালসিয়াম কার্বনেট — এটি চুনাপাথর যা মাটির অম্লতা কমাতে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু অন্য অপশনগুলোও এর সমার্থক বা কার্যকরী।
D) সবকটি — এই অপশনে উল্লেখিত ডলোচুন, কলিচুন এবং ক্যালসিয়াম কার্বনেট প্রতিটি উপাদানই মাটির অম্লত্ব দূর করতে সমানভাবে কার্যকর।
মনে রাখার টিপস:
মাটির অম্লতা দূর করতে চুনজাতীয় সকল উপাদান যেমন ডলোচুন, কলিচুন ও ক্যালসিয়াম কার্বনেট ব্যবহার করা যায়।
সঠিক উত্তর: D) ধানের হিসপা
কেন সঠিক:
- ধানের হিসপা পোকা ধান গাছের পাতা কুড়ে খেয়ে এর সবুজ অংশ নষ্ট করে ফেলে।
- ব্যাপক আক্রমণের কারণে গাছের সালোকসংশ্লেষ প্রক্রিয়া ব্যাহত হয় এবং ফলন মারাত্মকভাবে কমে যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হলুদ কাণ্ড ছিদ্রকারী পোকা — এটি ধানের একটি ক্ষতিকারক পোকা হলেও বর্তমান প্রেক্ষাপটে প্রধান ক্ষতিকারক পোকা হিসপা হিসেবে বিবেচিত।
B) পাতা মোড়ানো পোকা — এটি পাতার কিনারে মুড়িয়ে ক্ষতি করলেও এটি প্রধান ক্ষতিকারক পোকা নয়।
C) পামকিপোকা — এটি ধানের পাতার ক্ষতি করে তবে হিসপার মতো এটি প্রধান বা সর্বগ্রাসী ক্ষতিকারক পোকা নয়।
D) ধানের হিসপা — এটি ধান গাছের পাতা কুড়ে খেয়ে মারাত্মক ক্ষতি করে এবং বর্তমানে এটি প্রধান ক্ষতিকারক পোকা।
মনে রাখার টিপস:
ধানের পাতার সবুজ অংশ খেয়ে শেষ করে দেয় হিসপা, তাই এটিই প্রধান ক্ষতিকারক পোকা।
সঠিক উত্তর: B) ২০
কেন সঠিক:
- জিপসাম সারে উদ্ভিদের প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান সালফার এবং ক্যালসিয়াম নির্দিষ্ট অনুপাতে থাকে।
- মানসম্মত জিপসাম সারে সালফারের সঠিক মাত্রা প্রায় শতকরা কুড়ি ভাগ থাকা উচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৮ — এটি জিপসাম সারের সালফারের আদর্শ ও নির্ধারিত মান মাত্রার চেয়ে কম।
B) ২০ — এটি মানসম্মত জিপসাম সারে সালফারের সঠিক ও প্রমিত মাত্রা।
C) ১৯ — এটি জিপসাম সারের সালফারের প্রমিত বা গবেষণালব্ধ সঠিক মান নয়।
D) ১৭ — প্রদত্ত উত্তর ভুল ছিল, কারণ জিপসাম সারে সালফারের মাত্রা সতেরো ভাগ থাকে না।
মনে রাখার টিপস:
জিপসাম সারে সালফারের পরিমাণ হলো কুড়ি ভাগ।
সঠিক উত্তর: B) গম
কেন সঠিক:
- বর্ণালী ও শুভ্র হলো বাংলাদেশে চাষকৃত গম ফসলের অত্যন্ত জনপ্রিয় দুটি উন্নত জাত।
- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট এই উচ্চফলনশীল গম জাতগুলো উদ্ভাবন করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভুট্টা — ভুট্টা ফসলের উন্নত জাতের মধ্যে খোমাকা, বারি ভুট্টা এগারো ও পিয়োনিয়ার উল্লেখযোগ্য, কিন্তু বর্ণালী ও শুভ্র নয়।
B) গম — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এটি গম ফসলের উন্নত জাতের নাম।
C) ধান — ধানের উন্নত জাতের মধ্যে ব্রিধান আটাশ, ব্রিধান উনত্রিশ ও স্বর্ণা উল্লেখযোগ্য, কিন্তু বর্ণালী ও শুভ্র নয়।
D) আলু — আলুর উন্নত জাতের মধ্যে কার্ডিনাল, হীরা ও ডায়মন্ড উল্লেখযোগ্য, কিন্তু বর্ণালী ও শুভ্র নয়।
মনে রাখার টিপস:
শুভ্র সকালে বর্ণালী রোদে গম ক্ষেত দেখতে সুন্দর লাগে, এভাবে মনে রাখতে পারেন বর্ণালী ও শুভ্র গমের জাত।
সঠিক উত্তর: C) উচ্চ ফলনশীল
কেন সঠিক:
- 'উফশী' হলো 'উচ্চ ফলনশীল' শব্দটির সংক্ষিপ্ত রূপ বা পরিভাষা।
- কৃষি ক্ষেত্রে অধিক উৎপাদনশীল বীজ বা জাত বোঝাতে এই পরিভাষাটি ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উন্নত ফসল — এটি ফসলের সাধারণ মান বোঝায়, তবে 'উফশী' বিশেষভাবে ফলনের পরিমাণের সাথে সম্পর্কিত।
B) উর্বর সার — এটি জমির উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধির উপাদান, ফসলের জাত বা পরিভাষা নয়।
C) উচ্চ ফলনশীল — এটি সঠিক উত্তর।
D) কোনটিই নয় — যেহেতু C নম্বর অপশনটি সঠিক, তাই এটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
উফশী শব্দের উ অংশটি উচ্চ এবং ফ অংশটি ফলনশীল নির্দেশ করে।
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)