সঠিক উত্তর: B) ভেড়া
১. কেন সঠিক:
গড্ডলিকা প্রবাহ একটি জনপ্রিয় বাগধারা যার আক্ষরিক অর্থ হলো ভেড়ার পালের স্রোত। এখানে গড্ডল শব্দের নির্দিষ্ট অর্থ হলো ভেড়া বা মেশ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি বাংলা ভাষার একটি বিশিষ্ট বাগধারা ও শব্দের উৎস সংক্রান্ত প্রশ্ন। গড্ডলিকা শব্দের অর্থ ভেড়ার পাল এবং প্রবাহ অর্থ স্রোত বা গতি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অন্ধের মতো গড্ডলিকা প্রবাহে ভেসে না গিয়ে নিজের বুদ্ধি খাটাও।
ব্যাখ্যা: সমাজে প্রচলিত অন্ধ অনুকরণ বা বিচারহীনভাবে সবাইকে অনুসরণ করার অবস্থাকে বোঝাতে এই বাক্যটি ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: দেশের সবাই ওই ব্যবসায় নামছে বলেই তোমাকে নামতে হবে এমন কোনো কথা নেই, গড্ডলিকা প্রবাহে গা ভাসিও না।
ব্যাখ্যা: অন্যের দেখাদেখি কোনো যুক্তি ছাড়াই একই কাজ করার প্রবণতা থেকে বিরত থাকার শিক্ষা দিতে এটি ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) স্রোত — স্রোত শব্দের অর্থ প্রবাহ হলেও গড্ডল শব্দের আক্ষরিক অর্থ স্রোত নয়, তাই এটি সরাসরি সঠিক নয়।
C) উট — উট একটি মরুভূমির প্রাণী এবং এর সঙ্গে গড্ডলিকা শব্দের কোনো ঐতিহাসিক বা ভাষাগত সম্পর্ক নেই।
D) গাধা — গাধা বোকার প্রতীক হিসেবে পরিচিত হলেও গড্ডল শব্দের অর্থ গাধা বোঝায় না।
৫. মনে রাখার টিপস:
গড্ডল শব্দের অর্থ ভেড়া। ভেড়ার পালের স্বভাব হলো একটি ভেড়া খাদ্যের সন্ধানে যেদিকে যায়, বাকি সব ভেড়া কোনো বিচার না করেই ঠিক সেদিকেই ছোটে। এই অন্ধ অনুকরণ থেকেই গড্ডলিকা প্রবাহ বাগধারাটির সৃষ্টি হয়েছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারার উৎস ও শব্দের আক্ষরিক অর্থ প্রায়ই আসে। যেমন কূপমণ্ডুক শব্দের অর্থ কুয়ার ব্যাঙ, যা দিয়ে সংকীর্ণ মনের মানুষ বোঝানো হয়।
সঠিক উত্তর: D) সম্+যম
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরের মূল কারণ হলো এটি ব্যঞ্জনসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম অনুযায়ী সাধিত হয়েছে।
- ম-কার কিংবা ম-এর পর অন্তস্থ বর্ণ (য, র, ল, ব) বা উষ্ম বর্ণ (শ, ষ, স, হ) থাকলে ম-এর স্থানে অনুস্বার (ং) হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী পদমধ্যস্থিত ম-এর পরে অন্তস্থ ধ্বনি থাকলে ম স্থানে অনুস্বার হয় অথবা সম্ যোগ যম মিলে সংযম হয়।
- বিসর্গ বা পদের অন্তস্থিত ম-কার যখন য-কারের সংস্পর্শে আসে, তখন হসন্তযুক্ত ম-কার এবং য মিলে এই বিশেষ সন্ধি গঠিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সম্+যোগ = সংযোগ
ব্যাখ্যা: ম-এর পরে অন্তস্থ জ থাকার কারণে ম-এর স্থানে অনুস্বার হয়ে সংযোগ গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: সম্+রক্ষণ = সংরক্ষণ
ব্যাখ্যা: ম-এর পরে র থাকার কারণে ম স্থানে অনুস্বার যুক্ত হয়ে সংরক্ষণ শব্দটি তৈরি হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সং+যম — এখানে হসন্ত বা প্রমিত ব্যাকরণিক চিহ্ন ব্যবহার করা হয়নি যা সন্ধির নিয়ম অসম্পূর্ণ রাখে।
B) সং+যম — অপশনটি পুনরাবৃত্তিমূলক এবং ব্যাকরণগতভাবে হসন্তের সঠিক প্রয়োগ এখানে নেই।
C) সম+যম — এখানে ম-এর নিচে হসন্ত না থাকায় এটি ব্যঞ্জনসন্ধির প্রমিত নিয়মের সঙ্গে পুরোপুরি মেলে না।
D) সম্+যম — এটি সঠিক কারণ হসন্তযুক্ত সম্-এর সঙ্গে যম যুক্ত হয়ে প্রমিত নিয়ম মেনে সংযম গঠন করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ম-এর পরে য, র, ল, ব বা শ, ষ, স, হ থাকলে ম বদলে অনুস্বার হয় এবং হসন্ত দিতে হয়।
- সম্ এর সঙ্গে যখনই অন্তস্থ বর্ণ যুক্ত হবে, ম-এর নিচে হসন্তযুক্ত রূপটি মনে রাখতে হবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস বা ব্যাংক পরীক্ষায় ব্যঞ্জনসন্ধির এই নিয়মটি প্রায়ই বারবার আসে।
- হসন্তযুক্ত উপসর্গ যেমন সম্ ব্যবহারের মাধ্যমে এই ধরনের সন্ধি সহজে চেনা যায়।
সঠিক উত্তর: A) মুমূর্ষু
১. কেন সঠিক:
মুমূর্ষু শব্দের সঠিক বানান হলো ম-এ হ্রস্ব উ, ম-এ দীর্ঘ উ, র-এ রেফ ও মূর্ধন্য ষ-এ হ্রস্ব উ। এটি বাংলা বানানরীতির একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম যা প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী সমাসবদ্ধ বা তদ্ভব শব্দের ক্ষেত্রে হ্রস্ব ই এবং হ্রস্ব উ ব্যবহার করার নিয়ম রয়েছে। মুমূর্ষু শব্দের অর্থ যা মরতে বসেছে বা মরণাপন্ন, এবং এর গঠন প্রক্রিয়াটি ব্যাকরণের নিয়মানুযায়ী নির্ধারিত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মুমূর্ষু রোগী
ব্যাখ্যা: এই শব্দ গুচ্ছটিতে মুমূর্ষু বানানটি সঠিক এবং এটি মরণাপন্ন বোঝাতে ব্যবহার করা হয়।
উদাহরণ ২: শুশ্রূষা
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও বানરরীতির বিশেষ নিয়ম অনুসরণ করা হয়েছে যা শুদ্ধ বানানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মুমূর্ষু — এই অপশনটি সঠিক কারণ এতে বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি সঠিকভাবে অনুসৃত হয়েছে।
B) মুমুর্ষু — এই অপশনটি ভুল কারণ এর প্রথম উ-কার ও দ্বিতীয় উ-কারের বিন্যাস সঠিক নয়।
C) মুমুষু — এই অপশনটি ভুল কারণ এতে রেফ এবং সঠিক উ-কার ও ষ-এর ব্যবহার ভুল রয়েছে।
D) মুমূর্ষু — এই অপশনটি প্রদত্ত সঠিক উত্তরের অনুরূপ এবং এটিও গঠনগতভাবে সঠিক বানান।
৫. মনে রাখার টিপস:
মুমূর্ষু বানানটি মনে রাখার সহজ কৌশল হলো প্রথম ম-এ হ্রস্ব উ, দ্বিতীয় ম-এ দীর্ঘ উ এবং ষ-এ হ্রস্ব উ ব্যবহার করা। অর্থাৎ হ্রস্ব উ, দীর্ঘ উ, হ্রস্ব উ এই ক্রমটি মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি বারবার আসে কারণ পরীক্ষার্থীরা প্রায়ই হ্রস্ব উ এবং দীর্ঘ উ এর ব্যবহারে ভুল করে। বানররীতির এই ব্যতিক্রমী শব্দগুলোর তালিকা আলাদা করে মুখস্থ রাখা পরীক্ষার জন্য খুবই উপকারী।
সঠিক উত্তর: C) তৎসম
১. কেন সঠিক:
- ‘গণপ্রজাতন্ত্রী’ শব্দটি সংস্কৃত ভাষা থেকে কোনো পরিবর্তন ছাড়াই সরাসরি বাংলা ভাষায় এসেছে।
- উৎসগতভাবে সংস্কৃত শব্দ অবিকৃতভাবে বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হলে তাকে তৎসম শব্দ বলে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- যে শব্দগুলো সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে এবং যাদের রূপ অপরিবর্তিত রয়েছে, সেগুলোকে তৎসম শব্দ বলে।
- তৎসম শব্দের অর্থ তার সমান বা সংস্কৃতের সমান।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চন্দ্র
ব্যাখ্যা: এটি সংস্কৃত ভাষা থেকে অপরিবর্তিতভাবে বাংলায় এসেছে এবং এটি একটি তৎসম শব্দ।
উদাহরণ ২: সূর্য
ব্যাখ্যা: এই শব্দটি সংস্কৃত ভাষা থেকে সরাসরি এসেছে বলে এটি তৎসম শব্দের অন্তর্ভুক্ত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দেশি — এই অপশনটি ভুল কারণ শব্দটি আদি অস্ট্রিক বা দেশীয় কোনো আঞ্চলিক ভাষা থেকে আসেনি, বরং সংস্কৃত থেকে এসেছে।
B) বিদেশি — এই অপশনটি ভুল কারণ শব্দটি আরবি, ফার্সি বা ইংরেজি ভাষা থেকে বাংলায় প্রবেশ করেনি।
D) তদ্ভব — এই অপশনটি ভুল কারণ শব্দটির রূপ পরিবর্তিত হয়ে প্রাকৃতের মাধ্যমে আসেনি, বরং অবিকৃত রয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- প্রাতিষ্ঠানিক, প্রশাসনিক ও সংবিধানসংক্রান্ত অধিকাংশ জটিল ও সাধু ভাবগম্ভীর শব্দই সাধারণত তৎসম শব্দ হয়ে থাকে।
- শব্দের বানান ও উচ্চারণ যদি সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়মে চলে, তবে তা তৎসম শব্দ হিসেবে চিহ্নিত করতে হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সরকারি চাকরির পরীক্ষায় সংবিধানের নাম বা প্রাতিষ্ঠানিক পদের শব্দ উৎস প্রায়ই আসে।
- উৎসভিত্তিক শব্দ নির্ণয়ের সময় শব্দের রূপ পরিবর্তনের ইতিহাস লক্ষ্য করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) ফুল
১. কেন সঠিক:
যে শব্দকে ভাঙলে বা বিশ্লেষণ করলে আর কোনো অর্থপূর্ণ অংশ পাওয়া যায় না এবং যা অন্য কোনো শব্দের সাহায্য ছাড়াই নিজে স্বাধীনভাবে অর্থ প্রকাশ করে, তাকে মৌলিক শব্দ বলে। 'ফুল' শব্দটিকে বিশ্লেষণ করা যায় না এবং এটি একটি স্বাধীন শব্দ, তাই এটি মৌলিক শব্দ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
উৎসের দিক থেকে বাংলা ভাষার শব্দকে প্রধানত পাঁচ ভাগে ভাগ করা হয়। এর মধ্যে গঠন বা অর্থ প্রকাশের দিক থেকে শব্দকে মৌলিক ও সাধিত এই দুই ভাগে ভাগ করা হয়। মৌলিক শব্দের ক্ষেত্রে প্রকৃতি ও প্রত্যয় বা সন্ধি-সমাসের সাহায্য ছাড়াই শব্দটি সরাসরি ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নাক
ব্যাখ্যা: নাক শব্দটিকে ভাঙলে কোনো অর্থপূর্ণ অংশ পাওয়া যায় না, তাই এটি একটি মৌলিক শব্দ।
উদাহরণ ২: হাত
ব্যাখ্যা: হাত শব্দটিও স্বাধীনভাবে অর্থ প্রকাশ করে এবং একে বিশ্লেষণ করা যায় না, তাই এটি মৌলিক শব্দ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঢাকা — এটি একটি সাধিত বা প্রচলিত স্থানবাচক বিশেষ্য পদ, যা প্রাকৃতিকভাবে বা ঐতিহাসিকভাবে গঠিত হয়েছে কিন্তু ব্যাকরণগত উৎস বিচারে এটি একটি নির্দিষ্ট নাম।
C) ডিঙা — এটি একটি দেশি শব্দ, যা কোনো বিশেষ উৎস থেকে সরাসরি বাংলা ভাষায় এসেছে।
D) তেল — এটি একটি মৌলিক শব্দ মনে হলেও, প্রাকৃত ভাষার মাধ্যমে আসা শব্দ হিসেবে এর গঠনপ্রকৃতি ভিন্ন এবং এটি এই প্রশ্নের নির্ধারিত অপশন অনুযায়ী সঠিক উত্তরের সঙ্গে মেলে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
যেসব ছোট ছোট শব্দকে আর ভাঙা যায় না এবং যা সরাসরি কোনো বস্তু বা গুণের নাম বোঝায়, সেগুলোকে সাধারণত মৌলিক শব্দ হিসেবে ধরে নেবে। হাত, নাক, ফুল, বই ইত্যাদি খুবই পরিচিত মৌলিক শব্দ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মৌলিক ও সাধিত শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। সাধিত শব্দ চেনার জন্য মনে রাখবে যেগুলোতে উপসর্গ, প্রত্যয় বা সমাস যুক্ত থাকে, যেমন: চলন্ত, সমাজবদ্ধ শব্দ ইত্যাদি।
সঠিক উত্তর: C) বাঁধ
১. কেন সঠিক:
- ‘জাঙ্গাল’ শব্দটির অর্থ সাধারণত উঁচু জমি, আইল বা বাঁধ বোঝায়। জলপ্রবাহ আটকাতে বা পথ চলার সুবিধার জন্য মাটির তৈরি উঁচু পথ বা বাঁধকে জাঙ্গাল বলা হয়।
- সমার্থক শব্দ বা শব্দের উৎস নির্ধারণের ক্ষেত্রে এই শব্দটি গ্রামীণ জনপদ ও জলাভূমি এলাকার পরিভাষায় বিশেষভাবে ব্যবহৃত হয়।
২. শব্দের উৎস ও অর্থ:
- এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত দেশি শব্দ যা আঞ্চলিক ও প্রমিত উভয় রূপেই ব্যবহৃত হয়।
- নদী বা খালের দুই তীরে কিংবা জমির আইলে মাটি উঁচু করে যে বাঁধ তৈরি করা হয়, তাকে জাঙ্গাল বলা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বর্ষার পানিতে তলিয়ে যাওয়া জমির মাঝখান দিয়ে মেঠো জাঙ্গাল ধরে আমরা হেঁটে চললাম।
ব্যাখ্যা: এখানে জাঙ্গাল বলতে পানির ওপর দিয়ে চলাচলের উঁচু মাটির পথ বা আইলকে বোঝানো হয়েছে।
উদাহরণ ২: হাওড় অঞ্চলের মানুষের যাতায়াতের জন্য এই জাঙ্গালটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ব্যাখ্যা: জলমগ্ন এলাকায় যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে উঁচু বাঁধ বা জাঙ্গালের কার্যকারিতা প্রকাশ পেয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) স্তম্ভ — স্তম্ভ অর্থ খুঁটি বা পিলার, যা জাঙ্গাল বা বাঁধের সমার্থক শব্দ নয়।
B) আবর্জনা — আবর্জনা অর্থ ময়লা বা নোংরা বস্তু, যা এই শব্দের সঙ্গে কোনোভাবেই মেলে না।
C) বাঁধ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।
D) জঙ্গল — জঙ্গল অর্থ বন বা ঘন গাছপালার স্থান, যা ধ্বনিগত মিল থাকলেও অর্থের দিক থেকে সম্পূর্ণ আলাদা।
৫ মনে রাখার টিপস:
- জাঙ্গাল শব্দের সঙ্গে বাঁধ বা আইলের সম্পর্ক মনে রাখতে জলমগ্ন অঞ্চলের উঁচু মাটির পথের কথা স্মরণ করতে পারো।
- ধ্বনিগত মিল থাকলেও জঙ্গল এবং জাঙ্গাল শব্দের অর্থ সম্পূর্ণ ভিন্ন, তাই পরীক্ষার হলে বানান ও অর্থ সতর্কতার সাথে খেয়াল করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আঞ্চলিক ও শব্দের অর্থভিত্তিক প্রশ্ন আসে, যেখানে বানানিক মিল থাকা ভিন্নার্থক শব্দ দিয়ে বিভ্রান্ত করা হয়।
- শব্দের মূল অর্থ অনুধাবন করতে বাক্যপ্রয়োগের অভ্যাস করলে সঠিক উত্তর নির্বাচন সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: B) বিমূর্ত
১. কেন সঠিক:
'মূর্ত' শব্দের অর্থ যার রূপ বা অবয়ব আছে, অর্থাৎ দৃশ্যমান বা ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য। এর বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে 'বিমূর্ত' শব্দটি ব্যবহৃত হয়, যার অর্থ যার কোনো রূপ বা অবয়ব নেই, অর্থাৎ অদৃশ্য বা কেবল অনুভবের বিষয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে বিপরীতার্থক শব্দ গঠনে উপসর্গ একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এখানে 'মূর্ত' শব্দের পূর্বে 'বি' উপসর্গ যুক্ত করে বিপরীতার্থক শব্দ 'বিমূর্ত' গঠন করা হয়েছে। এটি শব্দমূলের অর্থের পরিবর্তন ঘটিয়ে সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ প্রকাশ করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দৃশ্যমান জগতটি মূর্ত এবং মানুষের চিন্তা বা চেতনা হলো বিমূর্ত।
ব্যাখ্যা: দৃশ্যমান বস্তুকে মূর্ত এবং অদৃশ্য ধারণাকে বিমূর্ত হিসেবে বোঝাতে এই শব্দ দুটি ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: মূর্ত ধারণা সহজেই বোঝা যায়, কিন্তু বিমূর্ত ধারণা বুঝতে গভীর কল্পনার প্রয়োজন হয়।
ব্যাখ্যা: বাস্তব ও কাল্পনিক ধারণার পার্থক্য বোঝাতে শব্দ দুটির সঠিক প্রয়োগ দেখানো হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আমূর্ত — এই শব্দটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক বিপরীত শব্দ হিসেবে প্রমিত বাংলায় প্রচলিত নয়।
B) বিমূর্ত — এটি মূর্ত শব্দের সঠিক ও প্রমিত বিপরীতার্থক শব্দ।
C) প্রমূর্ত — এই শব্দটি মূর্ত শব্দের বিপরীতার্থক হিসেবে গ্রহণযোগ্য বা প্রচলিত নয়।
D) স্বতঃস্ফূর্ত — এর অর্থ যা নিজে থেকেই স্ফূর্ত বা উদ্দীপ্ত হয়, তাই এটি মূর্ত শব্দের বিপরীত শব্দ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
মূর্ত মানে রূপযুক্ত এবং বিমূর্ত মানে রূপহীন। ম মূর্ত এবং ব বিমূর্ত এভাবে মনে রাখতে পারেন যে রূপের উপস্থিতি ও অনুপস্থিতি এই শব্দদ্বয়কে বিপরীত করেছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিপরীত শব্দ নির্বাচনে উপসর্গের প্রভাব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। উপসর্গ যুক্ত করে বা না করে কীভাবে বিপরীত শব্দ গঠিত হয়, তা খেয়াল রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) বিদুষী
১. কেন সঠিক:
- 'বিদ্বান' শব্দের অর্থ হলো জ্ঞানী বা পন্ডিত ব্যক্তি এবং এর সঠিক স্ত্রীবাচক রূপ হলো 'বিদুষী'।
- সংস্কৃত ব্যাকরণ ও প্রমিত বাংলা নিয়ম অনুযায়ী পুরুষবাচক শব্দের শেষে বিশেষ প্রত্যয় যোগ করে স্ত্রীবাচক শব্দ গঠন করা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণের লিঙ্গ পরিবর্তন নিয়মে কিছু তৎসম শব্দে পুরুষবাচক শব্দের শেষে 'ওয়ান' বা 'মান' থাকলে স্ত্রীবাচক করার সময় 'বতী' বা 'মতী' হয়, তবে কিছু ব্যতিক্রম শব্দে সম্পূর্ণ ভিন্ন রূপ হয়।
- 'বিদ্বান' একটি ব্যতিক্রমধর্মী তৎসম শব্দ যা স্ত্রীবাচক করার সময় 'বিদুষী' রূপে পরিবর্তিত হয় এবং এখানে বানান ও প্রত্যয়ের বিশেষ পরিবর্তন ঘটে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মহান
ব্যাখ্যা: 'মহান' শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ হলো 'মহীয়সী', যা ব্যাকরণের বিশেষ নিয়মে সাধিত হয়।
উদাহরণ ২: গরীয়ান
ব্যাখ্যা: 'গরীয়ান' শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ হলো 'গরীয়সী', যা 'বিদ্বান' শব্দের মতো একই নিয়মের অন্তর্ভুক্ত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিদুষী — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি প্রমিত ও ব্যাকরণসম্মত স্ত্রীবাচক রূপ।
B) বিদূষী — এই অপশনে দীর্ঘ ঊ-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা বানানরীতি অনুযায়ী ভুল।
C) বিদ্বানী — এটি একটি অপ্রমিত ও ব্যাকরণগতভাবে ভুল শব্দ গঠন।
D) বিদুষিণী — এখানে অতিরিক্ত 'ণী' প্রত্যয় যুক্ত করা হয়েছে যা এই শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বিদ্বান শব্দের শেষে স্ত্রীবাচক করার সময় বিদুষী হবে এবং বানানে সবসময় হ্রস্ব উ-কার ব্যবহার করতে হবে।
- ব্যতিক্রমধর্মী তৎসম স্ত্রীবাচক শব্দগুলো আলাদাভাবে তালিকা করে চর্চা করলে পরীক্ষাসমূহ সহজে উত্তর করা সম্ভব।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের ব্যতিক্রম লিঙ্গ পরিবর্তন থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- বিদ্বান থেকে বিদুষী, গরীয়ান থেকে গরীয়সী এবং মহান থেকে মহীয়সী এই তিনটি শব্দ পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: C) কর্মধারয়
১. কেন সঠিক:
- ‘গণ্যমান্য’ শব্দটি কর্মধারয় সমাসের অন্তর্ভুক্ত কারণ এখানে বিশেষ্য ও বিশেষণ পদের মিলনে একটি নতুন পদ গঠিত হয়েছে এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়েছে।
- সমাসবাক্য বিশ্লেষণ করলে দাঁড়ায়, যিনি গণ্য তিনিই মান্য, অর্থাৎ একই সঙ্গে যিনি সম্মানিত এবং মর্যাদাবান তাকে বোঝাতে এই মধ্যপদলুপী বা সাধারণ কর্মধারয় সমাস ব্যবহার করা হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- যে সমাসে পরপদের অর্থ প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয় এবং পূর্বপদে বিশেষণ ও পরপদে বিশেষ্য অথবা উভয় পদে বিশেষ্য বা বিশেষণ পদ মিলে সমাস হয়, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে।
- ‘গণ্যমান্য’ শব্দটিতে গণ্য এবং মান্য দুটি সমার্থক বা কাছাকাছি অর্থের বিশেষণ পদ একত্রে বসে একটি বিশেষ ভাব প্রকাশ করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জজ সাহেব
ব্যাখ্যা: যিনি জজ তিনিই সাহেব, এটি কর্মধারয় সমাসের একটি সাধারণ উদাহরণ যেখানে দুটি পদই বিশেষ্য ও সমান পদমর্যাদার।
উদাহরণ ২: কাঁচামরিচ
ব্যাখ্যা: কাঁচা যে মরিচ, এটি কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ যেখানে পূর্বপদ বিশেষণ এবং পরপদ বিশেষ্য পদ হিসেবে যুক্ত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দ্বন্দ্ব — দ্বন্দ্ব সমাসে উভয় পদের অর্থ প্রধান থাকে এবং সংযোজক অব্যয় দ্বারা পদগুলো যুক্ত হয়, কিন্তু ‘গণ্যমান্য’ শব্দে কোনো সংযোজক অব্যয় নেই।
B) নিত্য — নিত্য সমাসে কোনো ব্যাসবাক্য হয় না এবং সমাসবদ্ধ পদের মাধ্যমেই অর্থ প্রকাশ পায়, কিন্তু ‘গণ্যমান্য’ শব্দের ব্যাসবাক্য করা যায়।
D) অব্যয়ীভাব — অব্যয়ীভাব সমাসে পূর্বপদে অব্যয় বসে এবং অব্যয়ের অর্থ প্রধান হয়, কিন্তু ‘গণ্যমান্য’ শব্দটিতে কোনো অব্যয় পদ পূর্বে বসে নেই।
৫ মনে রাখার টিপস:
- একই ব্যক্তি বা বস্তুর দুটি গুণ বা বৈশিষ্ট্য একসঙ্গে বোঝালে সাধারণত কর্মধারয় সমাস হয়।
- গণ্য ও মান্য দুটি গুণবাচক শব্দ পাশাপাশি বসে কর্মধারয় সমাস গঠন করেছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- কর্মধারয় সমাস চেনার সহজ উপায় হলো ব্যাসবাক্যে যিনি-তিনি, যা-তা বা যে ধরনের শব্দ ব্যবহার করা যায় কি না তা দেখা।
- একই নিয়মে বিজ্ঞব্যক্তি বা চালাকচতুর শব্দগুলোর সমাস নির্ণয় করা যায়।
সঠিক উত্তর: A) অপাদানে ৭মী
১. কেন সঠিক:
- ঝিনুক থেকে মুক্তা পাওয়া যায়, যা উৎস, চ্যুতি বা উৎপন্ন অর্থে অপাদান কারক নির্দেশ করে।
- ঝিনুকে শব্দের সঙ্গে এ বিভক্তি যুক্ত হয়েছে, যা সপ্তমী বিভক্তির রূপ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, গৃহিত, উৎপন্ন, রক্ষিত বা ভিত হয়, তাকে অপাদান কারক বলে।
- শব্দ বা পদের সঙ্গে এ বা তে বিভক্তি যুক্ত হলে তা সপ্তমী বিভক্তি হিসেবে গণ্য হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গাছ থেকে পাতা পড়ে।
ব্যাখ্যা: এটি অপাদান কারকে পঞ্চমী বিভক্তি, কারণ এখানে পাতা গাছ থেকে চ্যুতি বোঝাচ্ছে।
উদাহরণ ২: জমি থেকে ফসল পায়।
ব্যাখ্যা: এটি অপাদান কারকে সপ্তমী বিভক্তি, কারণ জমি থেকে ফসল উৎপন্ন বা প্রাপ্তি বোঝাচ্ছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অপাদানে ৭মী — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে ঝিনুক থেকে মুক্তা উৎপন্ন হওয়ার উৎস বোঝাচ্ছে এবং এ বিভক্তি সপ্তমী নির্দেশ করে।
B) অধিকরণে ৭মী — অধিকরণ কারক স্থান বা সময় বোঝায়, কিন্তু এখানে স্থান বা সময় বোঝাচ্ছে না বরং উৎস বোঝাচ্ছে।
C) কর্তায় ৭মী — কর্তা নিজে কাজ সম্পন্ন করলে কর্তা কারক হয়, কিন্তু ঝিনুক এখানে কোনো কাজ করছে না।
D) কর্মে ৭মী — যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে তাকে কর্ম কারক বলে, কিন্তু এখানে মুক্তা উৎপাদন বা প্রাপ্তি মূল বিষয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- উৎস, জাত, উৎপন্ন বা চ্যুতি বুঝালে সবসময় অপাদান কারক হয়।
- এ বা তে বিভক্তি দেখলে সপ্তমী বিভক্তি ধরে নিতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- কারক নির্ণয়ের সময় বাক্যের ক্রিয়ার সঙ্গে কোথা থেকে বা কিসের থেকে প্রশ্ন করলে অপাদান কারক পাওয়া যায়।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উৎপন্ন বা প্রসূত অর্থে প্রায়ই অপাদান কারকের প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: C) ওষধি
১. কেন সঠিক:
যে উদ্ভিদ একবার ফল দিয়ে বা পাকলে মারা যায়, তাকে এককথায় ওষধি বলে। এটি বাংলা ব্যাকরণের এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন অংশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশ বলতে বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করাকে বোঝায়। ওষধি শব্দটি এমন একটি বিশেষ উদ্ভিদকুলকে নির্দেশ করে যার জীবনচক্র ফল ধরার পরেই শেষ হয়ে যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ধানের গাছ হলো ওষধি জাতের উদ্ভিদ।
ব্যাখ্যা: ধান পেকে যাওয়ার পর গাছের জীবন শেষ হয়ে যায় এবং গাছ মারা যায়।
উদাহরণ ২: পাট একটি ওষধি উদ্ভিদ।
ব্যাখ্যা: পাট পেকে বীজ হওয়ার পর গাছটি মারা যায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঔষধী — এটি বানানগতভাবে ভুল রূপ কারণ বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এই অর্থে হ্রস্ব ই-কার ব্যবহার হয়।
B) ওষধী — এটিও একটি ভুল বানান এবং এর মধ্যষ ব্যবহারের কারণে ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়।
D) কোনটিই নয় — এই অপশনটি ভুল কারণ সি অপশনে সঠিক উত্তরটি স্পষ্টভাবে বিদ্যমান রয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
ফল পাকলে মরে যায় যা, তার বানানে হবে হ্রস্ব ই-কার অর্থাৎ ওষধি। ছোট উদ্ভিদের নাম বা জীবনকাল কম এমন গাছ বোঝাতে এই বানানটি মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ওষধি ও ঔষধী বানან সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। বানানের ক্ষেত্রে মনে রাখবে উদ্ভিদ অর্থে ওষধি এবং ওষুধ বা চিকিৎসাসংক্রান্ত অর্থে ঔষধি বা ওষুধ ব্যবহৃত হয়।
সঠিক উত্তর: C) মঙ্গল কাব্যের
১. কেন সঠিক:
- ‘নগর পুড়িলে দেবালয় কি এড়ায়?’ এটি একটি বিখ্যাত বাংলা প্রবাদ ও প্রবচনমূলক পঙ্ক্তি, যা মধ্যযুগের মঙ্গল কাব্য ধারার বিভিন্ন কাব্যে ব্যবহৃত হয়েছে।
- এর মূল অর্থ হলো বড় কোনো বিপদ বা মহামারি দেখা দিলে ভালো বা গুরুত্বপূর্ণ মানুষও তার আঘাত থেকে রক্ষা পায় না।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মঙ্গল কাব্য হলো মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি বিশেষ ধারা, যা দেবদেবীর মাহাত্ম্য প্রচারের উদ্দেশ্যে রচিত হয়েছিল।
- মনসামঙ্গল, চণ্ডীমঙ্গল ও ধর্মমঙ্গল কাব্য ধারায় এই জাতীয় প্রবাদ ও সামাজিক চিত্রের বহু ব্যবহার দেখা যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চণ্ডীমঙ্গল কাব্য
ব্যাখ্যা: এটি মুকুন্দরাম চক্রবর্তী রচিত মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মঙ্গল কাব্য, যেখানে সমাজের নানা চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
উদাহরণ ২: মনসামঙ্গল কাব্য
ব্যাখ্যা: এটি নাগদেবী মনসার পূজা প্রচারের উদ্দেশ্যে রচিত মঙ্গল কাব্য, যার বিভিন্ন পঙ্ক্তিতে লৌকিক প্রবাদের প্রভাব রয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পদ্মাবতী কাব্যের — এটি সৈয়দ আলাওল রচিত মধ্যযুগের রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার কাব্য, মঙ্গল কাব্য ধারার অন্তর্ভুক্ত নয়।
B) শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের — এটি বড়ু চণ্ডীদাস রচিত রাধা-কৃষ্ণের প্রেমভিত্তিক শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য, যা মঙ্গল কাব্যের বহু পরে আবিষ্কৃত হয়েছে।
C) মঙ্গল কাব্যের — এই অপশনটি সঠিক কারণ উদ্ধৃতিটি মঙ্গল কাব্য ধারার লৌকিক প্রবাদ ও রচনার সঙ্গে সম্পৃক্ত।
D) চর্যাপদের — এটি বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন ও বৌদ্ধ সহজিয়া সাহিত্যের নিদর্শন, মঙ্গল কাব্য ধারার অনেক পরের সৃষ্টি।
৫. মনে রাখার টিপস:
- দেবালয় বা দেবতার মন্দিরের কথা থাকলে এবং তা বড় বিপদের সঙ্গে তুলনা করা হলে চোখ বন্ধ করে মঙ্গল কাব্য বা লৌকিক প্রবাদ হিসেবে চিহ্নিত করবে।
- মধ্যযুগের দেবদেবী কেন্দ্রিক কাব্যে সমাজের বাস্তব চিত্র তুলে ধরতে এমন প্রবাদ ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হতো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মধ্যযুগের কাব্যের বিখ্যাত পঙ্ক্তি ও তার উৎস প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়।
- প্রবাদমূলক পঙ্ক্তিগুলো কোন সাহিত্য ধারার অন্তর্ভুক্ত, তা ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) সঞ্চিতা
১. কেন সঠিক:
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম তার বিখ্যাত কবিতা সংকলন 'সঞ্চিতা' গ্রন্থটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে উৎসর্গ করেছিলেন।
উৎসর্গপত্রে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতি নজরুল তার গভীর শ্রদ্ধা ও প্রীতি নিবেদন করেছিলেন, যা বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এক অনন্য মাইলফলক।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এই প্রশ্নটি লেখক ও সাহিত্যকর্মের বিভাগভুক্ত। 'সঞ্চিতা' হলো কাজী নজরুল ইসলামের শ্রেষ্ঠ কবিতাগুলোর একটি সংকলন যা ১৯২৫ সালে প্রকাশিত হয়।
এই গ্রন্থে নজরুলের বিদ্রোহী ও দ্রোহের কবিতার পাশাপাশি সাম্যবাদী ও প্রেমের গভীর ভাব প্রকাশ পেয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'সঞ্চয়িতা' কাব্যগ্রন্থটি নজরুলের নামে নয়, এটি রবীন্দ্রনাথের নিজের কবিতার সংকলন।
ব্যাখ্যা: সঞ্চিতা এবং সঞ্চয়িতা দুটি ভিন্ন গ্রন্থ এবং দুজনের নামের মিল থাকায় পরীক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায়ই বিভ্রান্তি তৈরি হয়।
উদাহরণ ২: কাজী নজরুল ইসলামের 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থটি বিপ্লবী দ্বিজেন সেনগুপ্তকে উৎসর্গ করা হয়েছিল।
ব্যাখ্যা: উৎসর্গকরণের ক্ষেত্রে কোন গ্রন্থ কাকে উৎসর্গ করা হয়েছে তা মনে রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সঞ্চিতা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই কবিতা সংকলনটিই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে উৎসর্গ করা হয়েছিল।
B) সিন্ধু হিন্দোল — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যার উৎসর্গ ভিন্ন প্রেক্ষাপটের।
C) যুগবাণী — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত প্রবন্ধ গ্রন্থ যা সমসাময়িক রাজনৈতিক ও সামাজিক সংকট নিয়ে রচিত।
D) অগ্নিবীণা — এটি নজরুলের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ যা বারীন্দ্রকুমার ঘোষকে উৎসর্গ করা হয়েছিল।
৫. মনে রাখার টিপস:
নজরুলের 'সঞ্চিতা' উৎসর্গ রবীন্দ্রনাথকে আর রবীন্দ্রনাথের 'সঞ্চয়িতা' হলো তার নিজের কবিতা সংকলন।
নামের সামান্য পার্থক্য মনে রাখলেই পরীক্ষার হলে সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সহজ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় গ্রন্থ এবং তার উৎসর্গ বা প্রকাশের সাল প্রায়ই আসে।
নজরুলের প্রথম কাব্যগ্রন্থ অগ্নিবীণা এবং তার উৎসর্গ সম্পর্কেও ভালোভাবে জেনে রাখা উচিত।
সঠিক উত্তর: C) বোবাকাহিনী
১. কেন সঠিক:
পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের একমাত্র ও শেষ উপন্যাস হলো বোবাকাহিনী।
এই উপন্যাসে গ্রামীণ জনপদের সহজ-সরল মানুষের জীবনযাত্রা এবং একটি বোবা প্রাণীর প্রতি মানুষের মমত্ববোধ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
পল্লীকবি জসীমউদ্দীন বিংশ শতাব্দীর প্রথমাঞ্চলের একজন প্রখ্যাত বাঙালি কবি ও সাহিত্যিক।
তার রচিত বোবাকাহিনী উপন্যাসটি প্রকাশিত হয় ১৯৬৮ সালে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রাখালী
ব্যাখ্যা: এটি জসীমউদ্দীনের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ যা ১৯২৭ সালে প্রকাশিত হয়।
উদাহরণ ২: নকশী কাথার মাঠ
ব্যাখ্যা: এটি জসীমউদ্দীনের একটি বিখ্যাত ও জনপ্রিয় কাহিনীকাব্য যা ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পল্লীবধূ — এটি জসীমউদ্দীনের কোনো উপন্যাস নয়, এটি তার একটি বিখ্যাত কবিতা যা সোজন বাদিয়ার ঘাটে বা অন্যান্য সংকলনে আলোচিত হয়।
B) রাখালী — এটি জসীমউদ্দীনের লেখা কোনো উপন্যাস নয়, এটি তার প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ।
C) বোবাকাহিনী — এটি সঠিক উত্তর এবং জসীমউদ্দীনের একমাত্র উপন্যাস।
D) পদ্মাপাড় — এটি জসীমউদ্দীনের কোনো মৌলিক উপন্যাস নয়, এটি তার অন্য কোনো সাহিত্যকর্ম বা অপন্যাসিক নাম নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
জসীমউদ্দীনের একমাত্র উপন্যাস মনে রাখার জন্য ব অক্ষরটি মনে রাখতে পারেন কারণ বোবাকাহিনী উপন্যাসের শুরু ব দিয়ে।
কাব্যগ্রন্থ ও উপন্যাসের পার্থক্য মনে রাখলে পরীক্ষার হলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
জসীমউদ্দীন মূলত পল্লীকবি হিসেবে পরিচিত হলেও তিনি সফলভাবে কাব্য, নাটক ও উপন্যাস রচনা করেছেন।
একই ধরনের প্রশ্নে লেখকের একমাত্র বা ব্যতিক্রমধর্মী রচনাগুলো পরীক্ষক বেশি দিয়ে থাকেন।
সঠিক উত্তর: B) মদনমোহন তর্কালঙ্কার
১. কেন সঠিক:
- প্রশ্নোক্ত চরণদ্বয় বাংলা শিশুসাহিত্যের অন্যতম আদি ও জনপ্রিয় পাঠ্য ‘শিশুপাঠ’ গ্রন্থের অংশ।
- লেখক মদনমোহন তর্কালঙ্কার শিক্ষার্থীদের নৈতিক শিক্ষা ও সততা অর্জনের জন্য এই পঙ্ক্তিগুলো রচনা করেছেন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মদনমোহন তর্কালঙ্কার ছিলেন উনিশ শতকের গোড়ার দিকের একজন প্রখ্যাত বাঙালি শিক্ষাবিদ, কবি ও সাহিত্যিক।
- তিনি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের বন্ধু এবং সংস্কৃত কলেজের অধ্যাপক হিসেবে বাংলা শিক্ষা বিস্তারে অসামান্য অবদান রেখেছিলেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পাখি সব পাখি রবে রাতি পোহাইল।
ব্যাখ্যা: এটি মদনমোহন তর্কালঙ্কারের লেখা ‘প্রভাতবর্ণন’ কবিতার একটি বিখ্যাত চরণ যা শিশুপাঠ বইয়ে অন্তর্ভুক্ত ছিল।
উদাহরণ ২: আলসে অলস নয়, কাজে মন দাও।
ব্যাখ্যা: মদনমোহন তর্কালঙ্কারের কবিতায় শিক্ষার্থীদের অলসতা ত্যাগ করে ভালো পথে চলার উপদেশ দেওয়া হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার — ইনি বিখ্যাত নীতিমূলক শতক কাব্য ‘সদ্ভাবশতক’-এর রচয়িতা হলেও আলোচ্য পঙ্ক্তিগুলো তাঁর লেখা নয়।
B) মদনমোহন তর্কালঙ্কার — এই অপশনটি সঠিক এবং তাঁর রচিত শিশুপাঠ গ্রন্থ থেকে এই চরণদ্বয় নেওয়া হয়েছে।
C) কুসুমকুমারী দাশ — ইনি প্রখ্যাত কবি জীবনানন্দ দাশের মাতা এবং ‘আদর্শ ছেলে’ কবিতার রচয়িতা হলেও এই চরণের লেখক নন।
D) কামিনী রায় — ইনি বাংলা সাহিত্যের প্রথম স্বশিক্ষিত নারী কবি এবং ‘অশোকসঙ্গীত’ তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্য হলেও এই পঙ্ক্তি তাঁর নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- শিশুদের নৈতিক শিক্ষার বিখ্যাত লাইন ‘সকালে উঠিয়া আমি মনে মনে বলি’ দেখলে চোখ বুজে মদনমোহন তর্কালঙ্কারের নাম মনে রাখবে।
- মদনমোহন তর্কালঙ্কার মানেই শিশুদের জন্য লেখা নীতিশিক্ষা মূলক প্রাথমিক পাঠ্যবই শিশুপাঠ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের নৈতিক শিক্ষার পঙ্ক্তি কার লেখা, তা প্রায়ই আসে।
- মদনমোহন তর্কালঙ্কারের ‘শিশুপাঠ’ বইটি ১৮৪৯ সালে প্রকাশিত হয়েছিল যা বাংলা শিশুসাহিত্যের ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: A) মোসাহেব
১. কেন সঠিক:
- ‘ঢাকের কাঠি’ একটি জনপ্রিয় বাংলা বাগধারা যার আক্ষরিক অর্থ পূজামণ্ডপে বাজানোর ঢাকের কাঠি হলেও ভাবার্থ বা প্রবচনের দিক থেকে এর অর্থ মোসাহেব বা তোষামোদকারী।
- যে ব্যক্তি নিজের স্বার্থে বা লাভের আশায় সবসময় অন্য প্রভাবশালী ব্যক্তির অন্ধানুকরণ বা চাটুকারিতা করে তাকেই এই বাগধারা দ্বারা বোঝানো হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দগুচ্ছ বা পদসমষ্টি যা আক্ষরিক অর্থের বাইরে একটি বিশেষ ও সুনির্দিষ্ট ভাব প্রকাশ করে।
- বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে উপমা, রূপক বা লোকজ প্রথার ওপর ভিত্তি করে শত শত বাগধারা গড়ে উঠেছে যা ভাষার সৌন্দর্য ও প্রকাশভঙ্গি বৃদ্ধি করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ক্ষমতা পাওয়ার পর থেকেই সে মন্ত্রীর ঢাকের কাঠি হয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে মোসাহেব বা তোষামোদকারী অর্থে ঢাকের কাঠি বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: নিজের কোনো মতামত নেই, সাহেবের সব কথাতেই তিনি ঢাকের কাঠির মতো সায় দেন।
ব্যাখ্যা: অন্ধানুকরণকারী বা তোষামোদকারী বোঝাতে এখানে বাগধারাটির সঠিক প্রয়োগ দেখানো হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মোসাহেব — এটি সঠিক উত্তর কারণ ঢাকের কাঠি বাগধারাটির প্রমিত ও প্রচলিত অর্থ তোষামোদকারী বা চাটুকার।
B) কপট ব্যক্তি — এই অপশনটি ভুল কারণ কপট ব্যক্তির জন্য ‘গোমুখ্য স্বর’ বা ‘বিড়াল তপস্বী’ বাগধারা ব্যবহার করা হয়।
C) হতভাগ্য — এই অপশনটি ভুল কারণ হতভাগ্য বোঝাতে ‘অভাগার স্বর্গ’ বা ‘শাঁখের করাত’ জাতীয় বাগধারা ব্যবহৃত হয়।
D) নিষ্ঠুর ব্যক্তি — এই অপশনটি ভুল কারণ নিষ্ঠুর বা হৃদয়হীন বোঝাতে ‘পাথরে পাঁচকিল’ বা ‘ডুমুরের ফুল’ নয় বরং অন্য বাগধারা প্রযোজ্য।
৫. মনে রাখার টিপস:
- পূজায় ঢাক যেমন অনবরত বাজাতে হয়, তেমনি মোসাহেব ব্যক্তিরাও সবসময় কর্তার পিছে পিছে থেকে তোষামোদ করতে থাকে। এভাবে ঢাকের কাঠি আর মোসাহেব বিষয়টি মনে রাখতে পারেন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শরীরের অঙ্গ বা বাদ্যযন্ত্র সংশ্লিষ্ট বাগধারাগুলো প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
- আক্ষরিক অর্থের চেয়ে বাগধারার প্রচলিত ভাবার্থ কী তা মনে রাখলেই সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: D) তুর্কি
১. কেন সঠিক:
'উজবুক' একটি তুর্কি শব্দ যার প্রচলিত অর্থ নির্বোধ, বোকা বা হদ্দ। বাংলা ভাষায় তুর্কি শব্দগুলোর মধ্যে এটি বেশ পরিচিত এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি শব্দের উৎস বা শব্দের শ্রেণিবিভাগ সংক্রান্ত ব্যাকরণগত প্রশ্ন। বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত বিদেশি শব্দগুলোর মধ্যে তুর্কি শব্দগুলো প্রশাসনিক ও সামরিক জীবনের সঙ্গে সম্পর্কিত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দারোগা
ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল প্রচলিত তুর্কি শব্দ যা বাংলা ভাষায় প্রশাসনিক অর্থে ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: চাকর
ব্যাখ্যা: এটিও একটি তুর্কি শব্দ যা কাজের লোক বোঝাতে বাংলা ভাষায় গৃহীত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আরবি — আরবি ভাষা থেকে বাংলায় ধর্ম, প্রশাসন ও সংস্কৃতির বহু শব্দ এলেও 'উজবুক' আরবি শব্দ নয়।
B) ফারসি — ফারসি ভাষা থেকে অনেক কাব্যিক ও দাপ্তরিক শব্দ এলেও 'উজবুক' ফারসি শব্দ নয়।
C) পর্তুগিজ — পর্তুগিজ ভাষা থেকে সামুদ্রিক, খাদ্য ও দৈনন্দিন ব্যবহারের শব্দ এলেও এটি পর্তুগিজ শব্দ নয়।
D) তুর্কি — এটি সঠিক অপশন এবং তুর্কি ভাষা থেকেই শব্দটি বাংলা ভাষায় এসেছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
তুর্কি শব্দ মনে রাখার কৌশল হিসেবে মনে রাখতে পারো তুর্কি বাবুর্চি দারোগাকে কোপ দিল। এই বাক্যের সঙ্গে 'উজবুক' শব্দটি যুক্ত করে মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ (তুর্কি, পর্তুগিজ, আরবি, ফারসি) থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। শব্দের উৎস নির্ণয়ের সময় তুর্কি শব্দের তালিকা আলাদা করে মুখস্থ রাখা বুদ্ধিমানের কাজ।
সঠিক উত্তর: A) ঢোল
১. কেন সঠিক:
- ঢোল একটি দেশি শব্দ কারণ এটি প্রাচীন কাল থেকে বাংলা অঞ্চলের আদি ও অকৃত্রিম জনগোষ্ঠীর ভাষা থেকে সরাসরি বিকশিত হয়ে বাংলায় এসেছে।
- যেসব শব্দের মূল উৎস বা উৎস ভাষা খুঁজে পাওয়া যায় না এবং যা এ দেশের প্রাচীন আদিবাসীদের ভাষা থেকে এসেছে, সেগুলোকে দেশি শব্দ বলা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- উৎস বা উৎপত্তি অনুসারে বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে প্রধানত পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয়। এগুলো হলো তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি শব্দ।
- দেশি শব্দ মূলত বাংলাদেশের আদি অধিবাসী যেমন কোল, মুণ্ডা, সাঁওতাল ইত্যাদি জনগোষ্ঠীর ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কুলা
ব্যাখ্যা: কুলা একটি দেশি শব্দ যা আদি জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রার সাথে যুক্ত থেকে বাংলা ভাষায় স্থান পেয়েছে।
উদাহরণ ২: ঢেঁকি
ব্যাখ্যা: ঢেঁকি গৃহস্থালি কাজের একটি প্রাচীন দেশি শব্দ যার সুনির্দিষ্ট কোনো সংস্কৃত উৎস পাওয়া যায় না।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঢোল — এটি দেশি শব্দ এবং এটি প্রশ্নের নির্দিষ্ট চাহিদার সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়।
B) আনারস — এটি একটি পর্তুগিজ শব্দ যা বিদেশি শব্দের অন্তর্ভুক্ত এবং এটি সঠিক উত্তর নয়।
C) কষ্ট — এটি একটি তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ যা সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে।
D) নামাজ — এটি একটি ফারসি শব্দ যা বিদেশি শব্দের আওতাভুক্ত এবং এটি সঠিক উত্তর নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- দেশি শব্দ মনে রাখার একটি সহজ উপায় হলো কুলা, ঢেঁকি, ঢোল, চুলা, গঞ্জ, টোপর—এগুলো দৈনন্দিন জীবনের আদি ব্যবহার্য জিনিসপত্র।
- আদি মানুষের ব্যবহার্য হাতিয়ার ও গৃহস্থালি সামগ্রীর নামগুলো সাধারণত দেশি শব্দ হয়ে থাকে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দেশি শব্দের তালিকা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- কুলা, ঢেঁকি, গঞ্জ, চোঙা, পেট, কুঁড়েঘর—এই শব্দগুলো দেশি শব্দ হিসেবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: B) তদ্ভব
১. কেন সঠিক:
তদ্ভব শব্দ হলো সেই শব্দ যা সংস্কৃত ভাষা থেকে প্রাকৃত বা অপভ্রংশের পরিবর্তনের মাধ্যমে বিবর্তিত হয়ে বাংলা ভাষায় এসেছে।
ভাত শব্দটি প্রাকৃত শব্দ ভাতক থেকে প্রাকৃতের হাত ধরে সরাসরি বাংলা ভাষায় তদ্ভব শব্দ হিসেবে স্থান লাভ করেছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
উৎসের ভিত্তিতে বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে মূলত পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয় যথা তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি।
সংস্কৃত ভাষা থেকে যে শব্দগুলো প্রাকৃত ভাষার মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে অর্থ ও রূপ পরিবর্তন করে বাংলা ভাষায় এসেছে সেগুলোকে তদ্ভব শব্দ বলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চাদর শব্দ থেকে চন্দ্র
ব্যাখ্যা: চন্দ্র শব্দটি তৎসম হলেও এর পরিবর্তিত প্রাকৃত রূপ থেকে তদ্ভব হিসেবে চাঁদ এসেছে, এখানে ভাত শব্দটিও একইভাবে বিবর্তিত।
উদাহরণ ২: মৎস শব্দ থেকে মাছ
ব্যাখ্যা: মৎস শব্দটি সংস্কৃত হলেও প্রাকৃতের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে মাছ তদ্ভব শব্দে রূপ নিয়েছে যেমন ভাত এসেছে ভক্ত থেকে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তৎসম — তৎসম শব্দ হলো সরাসরি সংস্কৃত থেকে আগত শব্দ কিন্তু ভাত সরাসরি সংস্কৃত থেকে অপরিবর্তিতভাবে আসেনি।
B) তদ্ভব — এই অপশনটি সঠিক কারণ ভাত শব্দটি সংস্কৃত ভক্ত থেকে প্রাকৃত হয়ে তদ্ভব হিসেবে এসেছে।
C) খাঁটি বাংলা — খাঁটি বাংলা বলতে সাধারণত দেশি শব্দকে বোঝানো হয় কিন্তু ভাত দেশি শব্দ নয়।
D) বিদেশি — বিদেশি শব্দ হলো অন্য কোনো ভাষা থেকে আগত শব্দ কিন্তু ভাত বাংলার নিজস্ব তদ্ভব রূপ।
৫. মনে রাখার টিপস:
খাবার বা খাদ্য সম্পর্কিত অনেক নিত্যদিনের শব্দ যেমন ভাত, মাছ, কাপড়ের নানা রূপ তদ্ভব শব্দ হয়ে থাকে।
উৎসের পরিবর্তনের ধারাবাহিকতা মনে রাখলে তৎসম ও তদ্ভব শব্দ সহজে আলাদা করা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের উৎস নির্ণয় থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে তাই ভাত, কান, হাত ইত্যাদি শব্দ তদ্ভব তা মনে রাখা জরুরি।
ভক্ত থেকে ভাত এবং হস্ত থেকে হাত শব্দ দুটির বিবর্তন প্রক্রিয়া প্রায় একই ধরনের।
সঠিক উত্তর: C) ফররুখ আহমদ
১. কেন সঠিক:
- ‘সাত সাগরের মাঝি’ কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা হলেন মুসলিম রেনেসাঁর কবি ফররুখ আহমদ।
- এই কাব্যগ্রন্থটি বাংলা আধুনিক কাবধারায় ইসলামী স্বাতন্ত্র্যচেতা ও ঐতিহ্যভিত্তিক ধারার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ক্লাসিক নিদর্শন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ফররুখ আহমদ বিংশ শতাব্দীর বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি এবং আধুনিক মুসলিম সমাজের পুনর্জাগরণের প্রতীক।
- ১৯৪৪ সালে প্রকাশিত ‘সাত সাগরের মাঝি’ কাব্যগ্রন্থে সমুদ্রযাত্রার প্রতীকে মানবাত্মার সংগ্রাম এবং ইসলামের ঐতিহাসিক ঐতিহ্য শৈল্পিক রূপ লাভ করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সিরাজাম মুনীরা
ব্যাখ্যা: এটি কবি ফররুখ আহমদের আরেকটি বিখ্যাত ও অনবদ্য কাব্যগ্রন্থ যা ইসলামের মহান আদর্শ ও মূল্যবোধের ওপর রচিত।
উদাহরণ ২: পাখির বাসা
ব্যাখ্যা: এটি ফররুখ আহমদের রচিত একটি জনপ্রিয় শিশুতোষ কাব্যগ্রন্থ যা বাংলা শিশুসাহিত্যে বিশেষ স্থান অধিকার করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কায়কোবাদ — ইনি ঊনবিংশ ও বিংশ শতাব্দীর প্রথম ভাগের মহাকবি ছিলেন যিনি ‘মহাশ্মশান’ মহাকাব্যের জন্য বিখ্যাত।
B) গোলাম মোস্তফা — ইনি একজন বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিক ছিলেন যিনি ‘বিশ্বনবী’ সিরাত গ্রন্থ এবং ‘বুলবুল’ কাব্যগ্রন্থ রচনা করেছেন।
C) ফররুখ আহমদ — এই অপশনটি সঠিক এবং এর পক্ষে উপরে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।
D) বন্দে আলী মিঞা — ইনি গ্রামীণ প্রকৃতির রূপকার ও কবি ছিলেন যিনি ‘ময়নামতির চর’ দীর্ঘ কবিতার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সমুদ্র বা সাগরের সাথে সম্পর্কিত বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ বললে কবি ফররুখ আহমদের ‘সাত সাগরের মাঝি’ নামটি মনে রাখবে।
- কবি ফররুখ আহমদ মানেই ঐতিহ্যচেতনামূলক ও মুসলিম রেনেসাঁর শক্তিশালী কাব্যশিল্প।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ফররুখ আহমদের কাব্যগ্রন্থ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- ‘সাত সাগরের মাঝি’ ও ‘সিরাজাম মুনীরা’ কাব্য দুটির নাম ভালোভাবে মুখস্থ রাখা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) at
কেন সঠিক:
- নির্দিষ্ট গতি বা হারের ক্ষেত্রে সঠিক Preposition হিসেবে at ব্যবহৃত হয়।
- এখানে ট্রেনের গতি বোঝাতে at forty miles an hour সঠিক নিয়ম অনুসরণ করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) on — এটি সাধারণত কোনো তলের ওপর স্পর্শ করে বোঝাতে বা দিবসের পূর্বে বসে, যা গতির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
B) to — এটি সাধারণত দিক, সীমা বা গন্তব্যের দিকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, গতির ক্ষেত্রে বসে না।
C) at — এটি এই বাক্যে সঠিক এবং নির্দিষ্ট গতি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে।
D) for — এটি সাধারণত উদ্দেশ্য, কারণ বা স্থায়িত্বকাল বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, গতির ক্ষেত্রে এটি সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
নির্দিষ্ট গতি, হার কিংবা দাম বোঝানোর ক্ষেত্রে Preposition হিসেবে ہمیشہ at ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) because of
কেন সঠিক:
- শূন্যস্থানের পরের অংশ "her good work" একটি নাউন ফ্রেজ বা বাক্যাংশ, কোনো সাবজেক্ট ও ফাইনাইট ভার্বযুক্ত ক্লজ নয়।
- কারণ নির্দেশক প্রিপজিশনাল ফ্রেজ "because of" এর পর সাধারণত নাউন বা নাউন ফ্রেজ বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) because — এটি কনজাংশন, তাই এর পরে সাবজেক্ট ও ভার্বযুক্ত পূর্ণ ক্লজ বসতে হবে কিন্তু এখানে তা নেই।
B) since — এটি কনজাংশন বা প্রিপজিশন হিসেবে সময় বা কারণ বোঝাতে বসে, যার পরে সাধারণত পূর্ণ ক্লজ বা নির্দিষ্ট সময় থাকে।
C) because of — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য।
D) as — এটি কনজাংশন হিসেবে কারণ বোঝাতে বসে এবং এর পরেও সাবজেক্ট ও ফাইনাইট ভার্বযুক্ত ক্লজ প্রয়োজন হয়।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে কারণ বোঝাতে সাবজেক্ট ও ভার্ব না থাকলে because of ব্যবহার করতে হয় এবং সাবজেক্ট ও ভার্ব থাকলে because ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) eldest
কেন সঠিক:
- একই পরিবারের বা রক্তের সম্পর্কের ভাই-বোনদের মধ্যে জ্যেষ্ঠ বা সবার বড় বোঝাতে superlative degree হিসেবে eldest ব্যবহৃত হয়।
- এখানে শূন্যস্থানের পর of the brother উল্লেখ থাকায় পরিবারভুক্ত সদস্যদের বোঝানো হয়েছে, তাই eldest সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) elder — এটি তুলনামূলক ছোট ভাই বা বোনের ক্ষেত্রে comparative degree হিসেবে এবং সাধারণত দুইজনের মধ্যে তুলনা করতে ব্যবহৃত হয়।
B) old — এটি Positive degree এবং এখানে পদের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ কোনো তুলনামূলক বা superlative রূপ নয়।
C) oldest — এটি বস্তুর ক্ষেত্রে বা একই পরিবারের রক্ত সম্পর্কের বাইরের সবার চেয়ে বয়স্ক বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
রক্তের সম্পর্কের ভাই-বোনের ক্ষেত্রে eldest এবং বাইরের লোক বা বস্তুর ক্ষেত্রে oldest ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) have you been learning
কেন সঠিক:
- বাক্যে How long ব্যবহার করা হয়েছে এবং কাজটি অতীতে শুরু হয়ে বর্তমানেও চলছে বোঝাতে Present Continuous Tense ব্যবহৃত হয়।
- নির্দিষ্ট সময় ধরে কোনো কাজ চলছে বোঝাতে Present Perfect Continuous Tense এর গঠন Subject অনুযায়ী have/has + been + verb এর সাথে ing যুক্ত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) do you learn — এটি Present Indefinite Tense, যা বর্তমানের স্থায়ী অভ্যাস বা চিরন্তন সত্য বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, নির্দিষ্ট সময় ধরে চলমান কাজের জন্য নয়।
B) have you been learning — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি Present Perfect Continuous Tense যা অতীত থেকে শুরু হয়ে বর্তমান পর্যন্ত চলমান কাজ নির্দেশ করে।
C) are you learning — এটি Present Continuous Tense, যা কেবল এই মুহূর্তে ঘটছে এমন কাজ বোঝায় কিন্তু সময় উল্লেখ থাকলে এটি ব্যবহার করা যায় না।
D) you learn — এটি ব্যাকরণগতভাবে অসম্পূর্ণ কারণ প্রশ্নবোধক বাক্য তৈরির জন্য কোনো সাহায্যকারী ভার্ব বা Auxiliary Verb ব্যবহার করা হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
প্রশ্নে How long এবং সময়ের উল্লেখ থাকলে চোখ বন্ধ করে Present Perfect Continuous Tense অর্থাৎ have/has + been + verb এর সাথে ing যুক্ত অপশনটি বেছে নেবে।
সঠিক উত্তর: A) Submit
কেন সঠিক:
- 'Submit' শব্দটির অর্থ জমা দেওয়া এবং এটি বাক্যে কাজের নাম বা কাজ প্রকাশ করে, যা ভার্ব বা ক্রিয়া হিসেবে কাজ করে।
- ইংরেজি ব্যাকরণে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে এই শব্দটির ব্যবহার করা হয়, যা ভার্বের মূল বৈশিষ্ট্য।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Submit — এটি একটি সঠিক ভার্ব এবং কোনো কাজ করা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
B) Carefully — এটি একটি অ্যাডভার্ব বা ক্রিয়াবিশেষণ, কারণ এর শেষে ly যুক্ত হয়ে কোনো কাজ কীভাবে সম্পন্ন হয় তা প্রকাশ করে।
C) Publication — এটি একটি নাউন বা বিশেষ্য, যার শেষে tion যুক্ত রয়েছে এবং এটি কোনো কাজের ফলাফল বা প্রকাশনা বোঝায়।
D) Postponement — এটি একটি নাউন বা বিশেষ্য, যার শেষে ment যুক্ত রয়েছে এবং এটি মূলত স্থগিত করার ভাব বা অবস্থাকে নির্দেশ করে।
মনে রাখার টিপস:
যে শব্দ দ্বারা কোনো কাজ করা বোঝায় এবং যার সাথে tense পরিবর্তন করা যায়, তাকে ভার্ব বলে।
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ
সঠিক উত্তর: B) I am called by him by my nickname.
কেন সঠিক:
- Active sentence-এ দুটি object (me এবং my nickname) থাকলে সাধারণত Indirect object-কে Subject করে Passive করতে হয়।
- প্রদত্ত বাক্যে 'me' হলো Indirect object এবং এটি Subject হয়ে 'I' হয়েছে, অন্যদিকে Direct object 'my nickname' অপরিবর্তিত অবস্থায় শেষের দিকে বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) My nickname is called by him. — সরাসরি Direct object-কে Subject করায় অর্থের সঠিক প্রকাশ ঘটে না এবং আসল উদ্দেশ্য ব্যাহত হয়।
B) I am called by him by my nickname. — এটি ব্যাকরণগত নিয়ম অনুযায়ী সঠিক এবং উভয় object-এর সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করেছে।
সি) I call his nickname. — এটি Active sentence-এর অর্থ সম্পূর্ণ বদলে ফেলে অন্য একটি নতুন বাক্য তৈরি করেছে।
D) I am called by my nickname. — এই অপশনে কর্তার (by him) উল্লেখ বাদ পড়েছে, যা বাক্যের অর্থ অসম্পূর্ণ করে দেয়।
মনে রাখার টিপস:
দুটি object থাকলে প্রথম object-টিকে (ব্যক্তিবাচক) Subject বানাবে এবং দ্বিতীয় object-টিকে (বস্তুবাচক) ভার্বের পরে অপরিবর্তিত রাখবে।
বিষয় ও ধরন: ভাষা ও ব্যাকরণ (Parts of Speech / Transformation of Words)
সঠিক উত্তর: C) seasonable
কেন সঠিক:
- 'Season' একটি নাউন, যার সঙ্গে 'able' প্রত্যয় যুক্ত করে একে এডজেক্টিভ বা বিশেষণে রূপান্তর করা হয়েছে।
- 'Seasonable' শব্দের অর্থ সময়োপযোগী বা অনুকূল, যা কোনো বিশেষ অবস্থা বা সময়কে বর্ণনা করতে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) seasonally — এটি একটি অ্যাডভার্ব বা ক্রিয়াবিশেষণ, যা কোনো বিশেষণ বা ক্রিয়ার সময়গত অবস্থা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
B) seasoning — এটি সাধারণত নাউন বা জিরান্ড হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যার অর্থ খাদ্যে স্বাদ আনার মসলা বা উপাদান।
C) seasonable — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যার অর্থ সময়োপযোগী এবং এটি একটি নির্ভুল এডজেক্টিভ।
D) seasoned — এটি 'season' শব্দের পাস্ট পার্টিসিপল রূপ যা কখনো কখনো এডজেক্টিভ হিসেবে কাজ করলেও এখানে মূল ও প্রমিত এডজেক্টিভ হিসেবে 'seasonable' অধিক গ্রহণযোগ্য।
মনে রাখার টিপস:
শব্দটির শেষে able যুক্ত থাকলে সাধারণত তা এডজেক্টিভ হয়, যেমন season থেকে seasonable।
সঠিক উত্তর: A) run
কেন সঠিক:
- বাক্যে 'have to' এর পরে verb-এর বেস ফর্ম বা মূল রূপ বসে।
- ফিনিশ লাইন পর্যন্ত দৌড়ে যাওয়ার অর্থ প্রকাশ করতে এখানে 'run' ভার্বটি সরাসরি উপযুক্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) run — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি নিয়ম অনুযায়ী সঠিক verb-এর বেস ফর্ম।
B) run away — এর অর্থ পালিয়ে যাওয়া, যা এই বাক্যের অর্থের সাথে সংগতিপূর্ণ নয়।
C) get away — এর অর্থ দূরে সরে যাওয়া বা পালিয়ে যাওয়া, যা গন্তব্যে দৌড়ে যাওয়ার অর্থে বসে না।
D) gate thorugh — এটি একটি ভুল বানান বা গঠনযুক্ত শব্দগুচ্ছ, যার কোনো অর্থ নেই।
মনে রাখার টিপস:
have to এর পরে সবসময় verb-এর base form বসে, তাই দৌড়ানোর ক্ষেত্রে run ব্যবহার করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) good looking
কেন সঠিক:
- Handsome শব্দটি সাধারণত পুরুষদের শারীরিক সৌন্দর্য বা আকর্ষণীয় রূপ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
- Good looking অর্থও সুন্দর বা দেখতে আকর্ষণীয়, যা Handsome শব্দের সমার্থক হিসেবে সবচেয়ে নিখুঁত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) polite — এর অর্থ ভদ্র বা মার্জিত, যা রূপ বা সৌন্দর্যের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
B) noble — এর অর্থ মহৎ বা উচ্চবংশীয়, যা মানুষের চরিত্র বা মর্যাদাকে নির্দেশ করে।
C) gentle — এর অর্থ মৃদুস্বভাবের বা শান্ত, যা বাহ্যিক সৌন্দর্যের সমার্থক নয়।
D) good looking — এর অর্থ সুন্দর বা দেখতে আকর্ষণীয়, যা Handsome শব্দের সঠিক সমার্থক।
মনে রাখার টিপস:
Handsome পুরুষদের বাহ্যিক সৌন্দর্য বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, তাই এর সমার্থক হিসেবে Good looking বা সুন্দর কথাটি মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: D) for
কেন সঠিক:
- নির্দিষ্ট সময়ের ব্যাপ্তি বা স্থায়িত্ব বোঝাতে Present Perfect Continuous Tense-এ সময়ের আগে for বসে।
- two months হলো একটি সময়ের ব্যাপ্তি, তাই এখানে সঠিক preposition হবে for।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) since — নির্দিষ্ট কোনো সময়ের পয়েন্ট বা শুরুর সময় বোঝালে since বসে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) about — এর অর্থ প্রায় বা সম্পর্কে, যা এই সময়ের ব্যাপ্তির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
C) in — সাধারণত মাস, বছর বা বড় সময়ের আগে বসে, সময়ের মোট ব্যাপ্তি বোঝাতে for বসে।
D) for — নির্দিষ্ট সময়ের ব্যাপ্তি বোঝানোর কারণে এটি এই বাক্যের জন্য সম্পূর্ণ সঠিক।
মনে রাখার টিপস:
সময়ের স্থায়িত্ব বা ব্যাপ্তি (যথা দুই মাস, পাঁচ দিন) বোঝালে for এবং নির্দিষ্ট শুরুর সময় (যথা সোমবার, জানুয়ারি) বোঝালে since বসে।
সঠিক উত্তর: B) floating
কেন সঠিক:
- watch একটি perception বা perception-জাতীয় verb যার পরে object-এর সাথে verb-এর present participle form ব্যবহার করতে হয়।
- এখানে নৌকাটি ভেসে যাওয়ার কাজটি চলমান বোঝাতে watch verb-এর object boat-এর পরে floating ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) to float — infinitive verb এখানে সরাসরি object-এর পরের অসমাপ্ত কাজ বা উদ্দেশ্য প্রকাশ করে না।
B) floating — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে কারণ উপরে প্রযোজ্য।
C) was floating — একই বাক্যে দুটি finite verb একসঙ্গে বসে সাবজেক্ট ছাড়া আরেকটি ক্লজ গঠন করতে পারে না।
D) had floated — past perfect tense-এর গঠন এখানে grammatically সঠিক অর্থ প্রকাশ করে না।
মনে রাখার টিপস:
see, hear, watch, feel ইত্যাদি verb-এর পরে object থাকলে পরের verb-এর সাথে ing যোগ করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) to keep calm
কেন সঠিক:
- এই ইডিয়মটির অর্থ হলো কঠিন বা বিপদের পরিস্থিতিতেও মাথা ঠান্ডা রাখা বা শান্ত থাকা।
- প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এই ধারণার সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) to save oneself — এর অর্থ নিজেকে রক্ষা করা, যা সরাসরি মাথা ঠান্ডা রাখার সমার্থক নয়।
B) to be self respectful — এর অর্থ আত্মসম্মানী হওয়া, যা এই ইডিয়ামের অর্থের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
C) to keep calm — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ শান্ত থাকা যা মূল ইডিয়ামের অর্থ প্রকাশ করে।
D) none of these — এটি ভুল কারণ অপশন সি সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
মাথা (Head) ঠান্ডা রাখা মানেই শান্ত থাকা (Keep calm)।
সঠিক উত্তর: B) Nota bene
কেন সঠিক:
- ল্যাটিন শব্দগুচ্ছ 'Nota bene'-এর সংক্ষিপ্ত রূপ হলো N.B., যার বাংলা অর্থ ভালো করে লক্ষ্য করো বা বিশেষ দ্রষ্টব্য।
- ইংরেজি লেখায় কোনো গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের প্রতি পাঠকের দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য এটি ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Note bene — এটি একটি ব্যাকরণগত ত্রুটিপূর্ণ রূপ কারণ ল্যাটিন ভাষায় Nota শব্দটি সঠিক।
B) Nota bene — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) No bar — এর অর্থ কোনো বাধা নেই, যা এই সংক্ষিপ্ত রূপের সঙ্গে সম্পর্কহীন।
D) No Bern — এটি একটি অর্থহীন শব্দসমষ্টি এবং এর কোনো প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি নেই।
মনে রাখার টিপস:
Nota অর্থ লক্ষ্য করা এবং bene অর্থ ভালো, তাই N.B. দেখলে বুঝবে কোনো বিশেষ বিষয়ের প্রতি ভালো করে নজর দিতে বলা হয়েছে।
সঠিক উত্তর: A) moves
কেন সঠিক:
- চিরন্তন সত্য বা Universal Truth প্রকাশ করতে বাক্যটির Reported Speech-এ Present Indefinite Tense ব্যবহৃত হয়।
- पृथ्वी সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে, এটি একটি চিরন্তন সত্য ঘটনা বিধায় এখানে মূল Verb-এর Present form বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) moves - এটি সঠিক উত্তর কারণ বাক্যটিতে চিরন্তন সত্য প্রকাশ পেয়েছে এবং Subject Third Person Singular Number হওয়ায় Verb-এর সঙ্গে s যুক্ত হয়েছে।
B) moved - এটি Past Indefinite Tense, যা চিরন্তন সত্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
C) has moved - এটি Present Perfect Tense, যা চিরন্তন সত্য বাক্যের নিয়মের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
D) will be moving - এটি Future Continuous Tense, যা বর্তমান বা চিরন্তন সত্য ঘটনার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যায় না।
মনে রাখার টিপস:
চিরন্তন সত্য বা অভ্যাসগত কর্ম বোঝালে Subject যাই হোক না কেন, Narration বা Tense-এর নিয়ম যাই বলুক না কেন, Reported Speech-এ সবসময় Present Indefinite Tense হয়।
সঠিক উত্তর: C) Radius
কেন সঠিক:
- 'Radius' শব্দটির শেষে 'us' রয়েছে এবং এটি একটি একবচন বা singular noun, যার বহুবচন হলো 'Radii'।
- এটি জ্যামিতিক পরিভাষা হিসেবে বৃত্তের ব্যাসার্ধ বোঝাতে এককভাবে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Agenda — এটি 'Agendum' শব্দের বহুবচন রূপ, তাই এটি singular নয়।
B) Oases — এটি 'Oasis' শব্দের বহুবচন রূপ, যার শেষে 'es' রয়েছে।
D) Formulae — এটি 'Formula' শব্দের একটি বহুবচন রূপ, যা plural ফর্মে আছে।
মনে রাখার টিপস:
যেসকল ইংরেজি শব্দের শেষে 'us' থাকে, সাধারণত সেগুলো singular হয় এবং এদের বহুবচনে 'i' যুক্ত হয়।
সঠিক উত্তর: B) adverb
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বাক্যে 'down' শব্দটি 'went' ভার্বটিকে মডিফাই করছে এবং সূর্য কোথায় গেল (কোথায় অস্ত গেল) সেই স্থান বা দিক নির্দেশ করছে।
- ভার্বকে মডিফাই করার কারণে এখানে 'down' একটি Adverb হিসেবে কাজ করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) preposition — Preposition হতে হলে এর পরে অবজেক্ট বা নাউন থাকতে হয়, যা এখানে নেই।
B) adverb — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) noun — 'down' শব্দটি এখানে কোনো নাম বা বস্তু বোঝাচ্ছে না, তাই এটি noun নয়।
D) conjunction — Conjunction দুটি শব্দ বা বাক্যকে সংযুক্ত করে, যা এখানে ঘটেনি।
মনে রাখার টিপস:
ভার্ব সম্পর্কে অতিরিক্ত তথ্য বা কোথায় কাজের প্রকাশ পেলে এবং তার পরে কোনো নাউন না থাকলে সেটি সাধারণত Adverb হয়।
সঠিক উত্তর: C) privilege
কেন সঠিক:
- Franchise শব্দের অর্থ ভোটাধিকার, বিশেষ অধিকার বা ছাড়পত্র।
- Privilege শব্দের অর্থ বিশেষ সুবিধা বা অধিকার, যা Franchise শব্দের সমার্থক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) utility — এর অর্থ উপযোগিতা বা প্রয়োজনীয়তা, যা বিশেষ অধিকার বোঝায় না।
B) frankness — এর অর্থ খোলামেলা ভাব বা স্পষ্টবাদিতা, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি অর্থ প্রকাশ করে।
C) privilege — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) superficial — এর অর্থ অগভীর বা ভাসাভাসা, যার সঙ্গে এই শব্দের কোনো মিল নেই।
মনে রাখার টিপস:
Franchise এবং Privilege উভয় শব্দ দিয়েই বিশেষ অধিকার বা সুবিধা বোঝায়।
সঠিক উত্তর: B) treat
কেন সঠিক:
- হাসপাতাল বা চিকিৎসালয়ের মূল কাজ হলো রোগীদের চিকিৎসা সেবা প্রদান করা।
- এই বাক্যে treat শব্দটির অর্থ চিকিৎসাসেবা দেওয়া, যা হাসপাতালের কাজের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) operate — এর অর্থ অস্ত্রোপচার করা, যা হাসপাতালের একটি নির্দিষ্ট কাজ হলেও সব রোগীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
B) treat — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি চিকিৎসাসেবা অর্থে সম্পূর্ণ উপযুক্ত।
C) admit — এর অর্থ হাসপাতালে ভর্তি করা, যা সব রোগীর ক্ষেত্রে ঘটে না এবং চিকিৎসার আগের একটি প্রক্রিয়া মাত্র।
D) nurse — এর অর্থ পরিচর্যা করা, যা মূলত নার্সদের কাজ কিন্তু সামগ্রिक অর্থে হাসপাতালের মূল দায়িত্ব চিকিৎসাসেবা দেওয়া।
মনে রাখার টিপস:
হাসপাতালের মূল কাজ হলো রোগীদের চিকিৎসা করা, তাই এই ধরনের শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হিসেবে treat ব্যবহার করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) dismay
কেন সঠিক:
- Appal শব্দের অর্থ আতঙ্কিত করা, ভয় পাওয়া বা গভীরভাবে মর্মাহত করা।
- Dismay শব্দের অর্থ হতাশ করা, আতঙ্কিত করা বা ভয় পাওয়ানো, যা appal শব্দের সমার্থক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) deceive — এর অর্থ প্রতারণা করা বা ঠকানো, যা appal শব্দের অর্থ প্রকাশ করে না।
B) confuse — এর অর্থ বিভ্রান্ত করা বা ঘালমেইল করা, যা আতঙ্কিত করার সমার্থক নয়।
C) dismay — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যার অর্থ আতঙ্কিত বা হতাশ করা।
D) solicit — এর অর্থ চাওয়া, প্রার্থনা করা বা আবেদন করা, যা এর অর্থের সঙ্গে মিলে না।
মনে রাখার টিপস:
Appal এবং Dismay উভয় শব্দই ভয়, আতঙ্ক বা হতাশা প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়।
সঠিক উত্তর: C) adjective
কেন সঠিক:
- 'Vital' শব্দটি কোনো noun-এর দোষ, গুণ, অবস্থা বা মাত্রা প্রকাশ করে তার আগে বসে adjective হিসেবে কাজ করে।
- এটি মূলত কোনো কিছুর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বা জীবনধারণের জন্য অপরিহার্য অবস্থাকে নির্দেশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) noun — এটি কোনো কিছুর নাম বোঝায় না, তাই এটি noun নয়।
B) adverb — এটি কোনো verb, adjective বা অন্য adverb-কেmodify করে না, তাই এটি adverb নয়।
C) adjective — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি noun-এর দোষ, গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করে।
D) verb — এটি কোনো কাজের নাম বা কাজ করা বোঝায় না, তাই এটি verb নয়।
মনে রাখার টিপস:
যে শব্দ কোনো noun-এর আগে বসে তার গুরুত্ব বা অপরিহার্য অবস্থা বোঝায় এবং যার শেষে সাধারণত ity যোগ করে noun করা যায়, তা সাধারণত adjective হয়।
সঠিক উত্তর: B) ৩৮
প্রদত্ত তথ্য:
ধারার সংখ্যাগুলো হলো ৩, ৬, ১১, ১৮, ২৭
ধরি,
প্রথম পদের সাথে যোগ হচ্ছে ৩
দ্বিতীয় পদের সাথে যোগ হচ্ছে ৫
অতএব,
তৃতীয় পদের সাথে যোগ হচ্ছে ৭
চতুর্থ পদের সাথে যোগ হচ্ছে ৯
সুতরাং,
পঞ্চম পদ ২৭ এর সাথে যোগ হবে ১১
উত্তর: ২৭ + ১১ = ৩৮
সঠিক উত্তর: D) 1.0E-6
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম সংখ্যা = ০.১
দ্বিতীয় সংখ্যা = ০.০১
তৃতীয় সংখ্যা = ০.০০১
ধরি,
রাশি তিনটি হলো ০.১ এবং ০.০১ এবং ০.০০১
অতএব,
সংখ্যাগুলোর গুণফল নির্ণয় করতে হবে
সুতরাং,
এদের গুণ করলে হয় ০.০০০১৫১
উত্তর: 1.0E-6
সঠিক উত্তর: A) ৫৫
প্রদত্ত তথ্য:
ধারার প্রথম সংখ্যা = ৮
ধারার দ্বিতীয় সংখ্যা = ১৩
ধারার তৃতীয় সংখ্যা = ২১
ধারার চতুর্থ সংখ্যা = ৩৪
ধরি,
এটি একটি ফিবোনাচ্চি ধারা যেখানে আগের দুটি সংখ্যার যোগফল পরের সংখ্যা হয়
অতএব,
প্রথম সংখ্যা ৮ এবং দ্বিতীয় সংখ্যা ১৩ যোগ করলে পাওয়া যায় ২১
দ্বিতীয় সংখ্যা ১৩ এবং তৃতীয় সংখ্যা ২১ যোগ করলে পাওয়া যায় ৩৪
সুতরাং,
তৃতীয় সংখ্যা ২১ এবং চতুর্থ সংখ্যা ৩৪ যোগ করতে হবে
উত্তর: ২১ + ৩৪ = ৫৫
সঠিক উত্তর: D) ৩০০
প্রদত্ত তথ্য:
সংখ্যা তিনটি হলো ১৫, ২০ এবং ২৫
ধরি,
সংখ্যাগুলোর মৌলিক উৎপাদকগুলো বের করতে হবে
অতএব,
১৫ এর উৎপাদক হলো ৩ × ৫
২০ এর উৎপাদক হলো ২ × ২ × ৫
২৫ এর উৎপাদক হলো ৫ × ৫
সুতরাং,
লসাঘু হলো সবচেয়ে বেশিবার থাকা উৎপাদকগুলোর গুণফল
উত্তর: ৩০০
সঠিক উত্তর: A) ১২ বর্গমিটার
প্রদত্ত তথ্য:
ত্রিভুজের ভূমির দৈর্ঘ্য = ৬ মিটার
ত্রিভুজের উচ্চতা = ৪ মিটার
ধরি,
ভূমি = ৬ মিটার
উচ্চতা = ৪ মিটার
অতএব,
ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের সূত্র হলো (১ ÷ ২) × ভূমি × উচ্চতা
সুতরাং,
ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × ৬ × ৪
ক্ষেত্রফল = ৩ × ৪
উত্তর: ১২ বর্গমিটার
সঠিক উত্তর: D) সূক্ষ্মকোণ
প্রদত্ত তথ্য:
ত্রিভুজটি একটি সমকোণী ত্রিভুজ
ত্রিভুজের একটি কোণ সমকোণ বা নব্বই ডিগ্রি
ধরি,
সমকোণ বাদে বাকি দুটি কোণের সমষ্টি = এক সমকোণ বা নব্বই ডিগ্রি
অতএব,
প্রতিটি কোণ নব্বই ডিগ্রির চেয়ে ছোট হবে
সুতরাং,
নব্বই ডিগ্রির ছোট কোণকে সূক্ষ্মকোণ বলা হয়
উত্তর: D) সূক্ষ্মকোণ
সঠিক উত্তর: C) ৩৪
প্রদত্ত তথ্য:
a + b এর মান = ৮
ab এর মান = ১৫
ধরি,
প্রথম মান = a + b
দ্বিতীয় মান = ab
অতএব,
আমরা জানি, a² + b² এর সূত্র হলো (a + b)² − ২ab
সুতরাং,
(৮)² − ২ × ১৫ = ৬৪ − ৩০ = ৩৪
উত্তর: ৩৪
সঠিক উত্তর: D) ৩abc
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম রাশি = ৯a³b²c²
দ্বিতীয় রাশি = ১২a³bc
তৃতীয় রাশি = ১৫ab³c³
ধরি,
প্রথম রাশির উৎপাদক = ৩ × ৩ × a × a × a × b × b × c × c
দ্বিতীয় রাশির উৎপাদক = ২ × ২ × ৩ × a × a × a × b × c
তৃতীয় রাশির উৎপাদক = ৩ × ৫ × a × b × b × b × c × c × c
অতএব,
সংখ্যাগুলোর সাধারণ মৌলিক গুণনীয়ক = ৩
a এর সর্বনিম্ন ঘাত বা শক্তি = a
b এর সর্বনিম্ন ঘাত বা শক্তি = b
সুতরাং,
c এর সর্বনিম্ন ঘাত বা শক্তি = c
উত্তর: ৩abc
সঠিক উত্তর: C) ২৫%
প্রদত্ত তথ্য:
মোট পরিমাণ = ৮০ মিটার
অংশ বিশেষ = ২০ মিটার
ধরি,
২০ মিটার, ৮০ মিটারের ক শতাংশ
অতএব,
ক ÷ ১০০ × ৮০ = ২০
ক × ৮০ ÷ ১০০ = ২০
সুতরাং,
ক = ২০ × ১০০ ÷ ৮০
উত্তর: ২৫%
সঠিক উত্তর: A) ১০%
প্রদত্ত তথ্য:
মূলধন বা আসল, P = ৩০০০ টাকা
সময়, n = ৫ বছর
মোট মুনাফা, I = ১৫০০ টাকা
ধরি,
বার্ষিক মুনাফার হার = r%
অতএব,
আমরা জানি, মুনাফা, I = (P × n × r) ÷ ১০০
সুতরাং,
১৫০০ = (৩০০০ × ৫ × r) ÷ ১০০
উত্তর: r = ১০%
সঠিক উত্তর: A) ১০০
প্রদত্ত তথ্য:
ওজন পরিমাপের একক কুইন্টাল এবং কিলোগ্রাম
ধরি,
১ কুইন্টাল ওজনের পরিমাণ নির্ধারণ করতে হবে
অতএব,
পরিমাপের আদর্শ একক হিসেবে একশ কিলোগ্রাম ধরা হয়
সুতরাং,
কুইন্টাল এবং কিলোগ্রামের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক অনুযায়ী হিসাব করা হলো
উত্তর: ১০০ কিলোগ্রাম
সঠিক উত্তর: D) ০
প্রদত্ত তথ্য:
দেওয়া আছে x + ১/x = √৩
ধরি,
প্রদত্ত রাশিটি হলো x³ + ১/x³
আমরা জানি বীজগণিতের মান নির্ণয়ের সূত্র
অনুসিদ্ধান্ত হলো (x + ১/x)³ − ৩ × (x + ১/x)
অতএব,
সূত্রে মান বসিয়ে পাই (√৩)³ − ৩ × (√৩)
এখানে (√৩)³ এর মান হলো ৩√৩
এবং ৩ এর সাথে √৩ গুণ করলে হয় ৩√৩
সুতরাং,
৩√৩ থেকে ৩√৩ বিয়োগ করলে ফলাফল হয় শূন্য
উত্তর: ০
সঠিক উত্তর: D) ৩৩
প্রদত্ত তথ্য:
১ কাঠা সমান ১.৬৫ শতাংশ
২০ কাঠায় কত শতাংশ হবে তা নির্ণয় করতে হবে
ধরি,
১ কাঠার পরিমাপ = ১.৬৫ শতাংশ
অতএব,
২০ কাঠার পরিমাপ বের করতে হবে
সুতরাং,
২০ কাঠা সমান ২০ × ১.৬৫ শতাংশ
উত্তর: ৩৩ শতাংশ
সঠিক উত্তর: C) ২০
প্রদত্ত তথ্য:
১০ জন লোক একটি কাজ করে ৬ দিনে
ধরি,
১ জন লোক ঐ কাজটি করবে = ১০ × ৬ দিনে
অতএব,
১ জন লোক ঐ কাজটি করতে পারে = ৬০ দিনে
সুতরাং,
৩ জনে ঐ কাজটি শেষ করতে পারবে = ৬০ ÷ ৩ দিনে = ২০ দিনে
উত্তর: ২০ দিন
সঠিক উত্তর: C) ১৫°
প্রদত্ত তথ্য:
ত্রিভুজটি একটি সমকোণী ত্রিভুজ
ত্রিভুজের দুটি কোণের সমষ্টি ১৬৫ ডিগ্রি
ধরি,
সমকোণী ত্রিভুজের একটি কোণ সমকোণ বা ৯০ ডিগ্রি
ত্রিভুজের তিনটি কোণের সমষ্টি ১৮০ ডিগ্রি
অতএব,
ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি = ১৮০ ডিগ্রি
দুটি কোণের সমষ্টি = ১৬৫ ডিগ্রি
সুতরাং,
অপর কোণটির মান = ১৮০ ডিগ্রি − ১৬৫ ডিগ্রি = ১৫ ডিগ্রি
উত্তর: ১৫°
সঠিক উত্তর: A) (x + 3)(2x - 5)
প্রদত্ত তথ্য:
বহুপদী রাশিটি হলো ২x^২ + x − ১৫
ধরি,
রাশিটিকে মিডল টার্ম ব্রেক করতে হবে
অতএব,
২ এর সাথে ১৫ গুণ করলে ৩০ হয়
৩০ কে ভেঙে ১ আনতে হবে
সুতরাং,
৬x এবং ৫x ব্যবহার করতে হবে
উত্তর: (x + 3)(2x - 5)
সঠিক উত্তর: B) ৩ ঘনমিটার
প্রদত্ত তথ্য:
বাক্সের দৈর্ঘ্য = ২ মিটার
বাক্সের প্রস্থ = ১.৫ মিটার
বাক্সের উচ্চতা = ১ মিটার
ধরি,
বাক্সটির আয়তন = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ × উচ্চতা
অতএব,
আয়তন = ২ × ১.৫ × ১ ঘনমিটার
সুতরাং,
আয়তন = ৩ ঘনমিটার
উত্তর: ৩ ঘনমিটার
সঠিক উত্তর: C) x − ১০
প্রদত্ত রাশি:
(x + ৫)(x − ৯) − ১৫
ধরি,
রাশিটির প্রথম অংশ গুণ করি
x দিয়ে (x − ৯) এবং ৫ দিয়ে (x − ৯) কে গুণ
অতএব,
গুণফল পাই x বর্গক্ষেত্র − ৯x + ৫x − ৪৫
সাথে আছে আরও একটি সংখ্যা − ১৫
সুতরাং,
হিসাব করে পাই x বর্গক্ষেত্র − ৪x − ৬০
মিডল টার্ম বা উৎপাদকে বিশ্লেষণ করে পাই (x − ১০)(x + ৬)
উত্তর: x − ১০
সঠিক উত্তর: C) ২১
প্রদত্ত তথ্য:
ভাজক = ৫
ভাগফল = ৪
ভাগশেষ = ১
ধরি,
ভাজ্য হলো সেই সংখ্যা যা নির্ণয় করতে হবে
অতএব,
ভাজ্য এবং ভাজকের সম্পর্ক হলো ভাজক গুণ ভাগফল যোগ ভাগশেষ
সুতরাং,
৫ গুণ ৪ যোগ ১
কুড়ি যোগ ১
উত্তর: ২১
সঠিক উত্তর: B) জাপান
কেন সঠিক:
- জাইকা জাপানের সরকারি অর্থায়নে পরিচালিত আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা, যা বিশ্বজুড়ে উন্নয়নশীল দেশগুলোতে সহায়তা প্রদান করে।
- বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের অবকাঠামো উন্নয়ন এবং সামাজিক উন্নয়নে এই সংস্থা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চীন — এটি জাপানের সংস্থা নয়, চীনের নিজস্ব বিভিন্ন উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা তহবিল রয়েছে।
B) জাপান — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ জাইকা জাপানি সরকারের বৈদেশিক সাহায্য সংস্থা।
C) দক্ষিণ কোরিয়া — এটি দক্ষিণ কোরিয়ার সংস্থা নয়, দক্ষিণ কোরিয়ার আন্তর্জাতিক সহায়তা সংস্থার নাম কোইকা।
D) জার্মানি — এটি জার্মানির সংস্থা নয়, জার্মানির প্রধান উন্নয়ন সংস্থার নাম জিআইজেড।
মনে রাখার টিপস:
জাইকা শব্দটির ইংরেজি রূপ JICA-র সাথে জাপান দেশের নামের আদ্যক্ষর মিলিয়ে এটি মনে রাখা সহজ।
সঠিক উত্তর: A) করতোয়া
কেন সঠিক:
- মহাস্থানগড় প্রাচীন বাংলার পুণ্ড্রবর্ধনুক্তির রাজধানী পুণ্ডনগর বা বর্তমান বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায় করতোয়া নদীর পশ্চিম তীরে অবস্থিত।
- ভৌগোলিক ও ঐতিহাসিক সূত্র অনুযায়ী প্রাচীনকাল থেকেই করতোয়া নদী এই ঐতিহাসিক প্রাচীন নগরীর সভ্যতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) করতোয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ মহাস্থানগড় এই নদীর তীরেই অবস্থিত।
B) গঙ্গা — এটি বাংলাদেশের একটি প্রধান নদী যা মহাস্থানগড়ের পাশ দিয়ে প্রবাহিত হয়নি।
C) ব্রহ্মপুত্র — এটি দেশের অন্য একটি প্রধান নদ যা মহাস্থানগড়ের ভৌগোলিক অবস্থানের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) মহানন্দা — এটি উত্তরবঙ্গের একটি নদী যা চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও এর আশপাশের অঞ্চলে প্রবাহিত, বগুড়ায় নয়।
মনে রাখার টিপস:
মহাস্থানগড়ের ক এবং করতোয়ার ক মিলিয়ে মনে রাখতে পারো করতোয়া নদী মহাস্থানগড়ের পাশে অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: A) রাজা রামমোহন রায়
কেন সঠিক:
- রাজা রামমোহন রায়ের সামাজিক আন্দোলনের ফলে ব্রিটিশ সরকার ১৮২৯ সালের ৪ ডিসেম্বর সতীদাহ প্রথা বাতিল করে আইন পাস করে।
- লর্ড উইলিয়াম বেন্টিং ১৭ নম্বর রেগুলেশন জারির মাধ্যমে এই অমানবিক প্রথা চিরতরে নিষিদ্ধ করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাজা রামমোহন রায় — সতীদাহ প্রথা বিলুপ্তির প্রধান উদ্যোক্তা ও সামাজিক সংস্কারক হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর।
B) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — তিনি সতীদাহ প্রথা বিলোপের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না, বরং তিনি বিধবা বিবাহ আইন প্রচলন ও নারীশিক্ষার প্রসারে কাজ করেছিলেন।
C) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি বাংলা উপন্যাসের জনক ও সাহিত্যিক ছিলেন, সামাজিক বা আইনগত এই সংস্কার আন্দোলনের সঙ্গে তিনি জড়িত ছিলেন না।
D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বিশ শতকের সাহিত্যিক, নোবেল বিজয়ী ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ছিলেন, যা সতীদাহ প্রথা বিলুপ্তির অনেক পরের সময়কার ঘটনা।
মনে রাখার টিপস:
সতীদাহ প্রথা উচ্ছেদের ক্ষেত্রে রামমোহন রায় ছিলেন প্রদীপের মতো আলোকবর্তিকা, আর লর্ড বেন্টিং ছিলেন আইন প্রণয়নকারী।
সঠিক উত্তর: D) যশোর
কেন সঠিক:
- বল নৃত্য বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী একটি লোকনৃত্য, যা প্রধানত যশোর অঞ্চলে প্রচলিত।
- স্থানীয় সংস্কৃতি ও লোকঐতিহ্যের অংশ হিসেবে বিভিন্ন উৎসবে এই নৃত্য পরিবেশিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রংপুর — রংপুর অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী নাচের মধ্যে ভাওয়াইয়া ও পালা গান প্রধান, বল নৃত্য নয়।
B) কুমিল্লা — কুমিল্লা অঞ্চলের লোকসংস্কৃতির সাথে বল নৃত্য সম্পর্কিত নয়।
সি) সিলেট — সিলেট অঞ্চলের প্রধান লোকনৃত্য হলো ম manipulative বা মনিপুরী ও চা শ্রমিকদের নৃত্য।
D) যশোর — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এই অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী নৃত্য।
মনে রাখার টিপস:
যশোরের লোকসংস্কৃতি মনে রাখতে যশ শব্দের সাথে বল নৃত্য যুক্ত করে মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: C) চাঁপাইনবাবগঞ্জ
কেন সঠিক:
- চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলাকে বাংলাদেশের আমের রাজধানী বলা হয় এবং এখানেই প্রধান আম গবেষণা কেন্দ্রটি অবস্থিত।
- এই গবেষণা কেন্দ্রটি আম উৎপাদনের উন্নত প্রযুক্তি, রোগবালাই দমন এবং নতুন জাত উদ্ভাবনে কাজ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রংপুর — এটি উত্তরবঙ্গের একটি জেলা যেখানে আলু ও তামাক বেশি উৎপাদিত হয়, তাই এটি আম গবেষণা কেন্দ্রের জন্য সঠিক নয়।
B) রাজশাহী — এটি আম উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত হলেও প্রধান আম গবেষণা কেন্দ্রটি রাজশাহীতে নয়, চাঁপাইনবাবগঞ্জে অবস্থিত।
C) চাঁপাইনবাবগঞ্জ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানেই জাতীয় আম গবেষণা কেন্দ্রটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
D) নাটোর — এটি কাঁচাগোল্লা ও কৃষিপণ্যের জন্য পরিচিত হলেও এখানে প্রধান আম গবেষণা কেন্দ্র অবস্থিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
সবচেয়ে বেশি আম যেখানে অর্থাৎ চাঁপাইনবাবগঞ্জে আম গবেষণা কেন্দ্র অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: B) মারমা
কেন সঠিক:
- সাংগ্রাই উৎসবটি পার্বত্য অঞ্চলের মারমা জনগোষ্ঠীর প্রধান সামাজিক ও ধর্মীয় উৎসব।
- এটি মূলত তাদের বর্ষবরণ বা বৈসাবি উৎসবের একটি অংশ যা অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণভাবে উদযাপিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ত্রিপুরা — ত্রিপুরীদের প্রধান উৎসব হলো বৈসু, যা মারমাদের সাংগ্রাই থেকে আলাদা।
B) মারমা — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং মারমাদের সাংগ্রাই উৎসবের মূল উৎসব জলকেলি বা পানি ছিটানো।
C) চাকমা — চাকমাদের প্রধান সামাজিক উৎসব হলো বিজু, সাংগ্রাই তাদের প্রধান উৎসব নয়।
D) সাঁওতাল — সাঁওতালদের প্রধান উৎসব সোহরাই বা বাহা, সাংগ্রাই তাদের সংস্কৃতির অংশ নয়।
মনে রাখার টিপস:
মারমা জনগোষ্ঠীর সাংগ্রাই উৎসবের বিখ্যাত আকর্ষণ হলো পানি খেলা বা জলকেলি।
সঠিক উত্তর: D) রাষ্ট্রপতি
কেন সঠিক:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংসদ ভেঙে যাওয়া বা অধিবেশন না থাকা অবস্থায় রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারি করতে পারেন।
- রাষ্ট্রপতির জারিকৃত অধ্যাদেশের আইনগত বল সংসদের প্রণীত আইনের মতোই কার্যকর থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রধানমন্ত্রী — সরকারপ্রধান হিসেবে নির্বাহী ক্ষমতা প্রয়োগ করলেও সংবিধান অনুযায়ী সরাসরি অধ্যাদেশ জারি করার এখতিয়ার তাঁর নেই।
B) স্পিকার — তিনি জাতীয় সংসদের কার্য পরিচালনা করেন, আইন প্রণয়ন বা অধ্যাদেশ জারির ক্ষমতা তাঁর পদের আওতাভুক্ত নয়।
C) প্রধান বিচারপতি — তিনি দেশের প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব পালন করেন এবং বিচার বিভাগের নেতৃত্ব দেন, আইন বা অধ্যাদেশ জারির সাথে তিনি যুক্ত নন।
D) রাষ্ট্রপতি — তিনি সাংবিধানিক ক্ষমতাবলে সংসদের অনুপস্থিতিতে এই বিশেষ আইন বা অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন।
মনে রাখার টিপস:
আইন প্রণয়ন সংসদের কাজ হলেও, সংসদ না থাকলে জরুরি প্রয়োজনে অধ্যাদেশ জারি করেন কেবল রাষ্ট্রপতি।
সঠিক উত্তর: A) পুণ্ড্র
কেন সঠিক:
- ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক সূত্র অনুযায়ী পুণ্ড্রবর্ধন বা পুণ্ড্র বাংলার প্রাচীনতম জনপদ হিসেবে স্বীকৃত।
- মৌর্য আমল থেকেই পুণ্ড্র জনপদের রাজধানী পুণ্ড্রবর্ধন (বর্তমান মহাস্থানগড়) একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক কেন্দ্র ছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পুণ্ড্র — এটি বাংলার সর্বপ্রাচীন জনপদ এবং এর রাজধানী ছিল মহাস্থানগড়।
B) তাম্রলিপ্ত — এটি প্রাচীন বাংলার একটি গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রবন্দর ও জনপদ হলেও সর্বপ্রাচীন নয়।
C) গৌড় — এটি প্রাচীন বাংলার একটি বিখ্যাত জনপদ ও স্বাধীন রাজ্য হলেও পুণ্ড্রের পরে এর বিকাশ ঘটেছিল।
D) হরিকেল — এটি প্রাচীন বাংলার একটি জনপদ যা মূলত বর্তমান সিলেট ও চট্টগ্রাম অঞ্চল নিয়ে গঠিত ছিল।
মনে রাখার টিপস:
প্রাচীন বাংলায় প্রথমে মানুষ 'পুণ্য' বা 'পুণ্ড্র' কাজ করেছে, তাই পুণ্ড্র হলো সবচেয়ে প্রাচীন জনপদ।
সঠিক উত্তর: A) প্রাকৃতিক গ্যাস
কেন সঠিক:
- ইউরিয়া সার উৎপাদনে প্রধান কাঁচামাল হিসেবে প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহৃত হয়, যা থেকে হাইড্রোজেন গ্যাস সংগ্রহ করা হয়।
- সংগৃহীত হাইড্রোজেনের সাথে বায়ুমণ্ডলের নাইট্রোজেন গ্যাস যুক্ত করে অ্যামোনিয়া এবং পরবর্তীতে ইউরিয়া সার তৈরি করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রাকৃতিক গ্যাস — এটি ইউরিয়া সার উৎপাদনের প্রধান ও সঠিক কাঁচামাল।
B) চুনাপাথর — এটি মূলত সিমেন্ট ও কাচ শিল্পে কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়, ইউরিয়া সারে নয়।
C) মিথেন গ্যাস — প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান মিথেন হলেও সরাসরি মিথেনকে শিল্প কারখানায় ইউরিয়া তৈরির মূল কাঁচামাল হিসেবে চিহ্নিত করা হয় না।
D) ইলমেনাইট — এটি টাইটানিয়াম উৎপাদনের একটি খনিজ আকরিফ, যা ইউরিয়া সারের সাথে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
ইউরিয়া সার উৎপাদনের মূল উপাদান হলো গ্যাস, তাই মনে রাখবেন ইউরিয়ার কাঁচামাল হলো প্রাকৃতিক গ্যাস।
সঠিক উত্তর: A) বুড়িগঙ্গা
কেন সঠিক:
- ঐতিহাসিক ও ভৌগোলিক তথ্য অনুযায়ী ঢাকার পাশ দিয়ে প্রবাহিত বুড়িগঙ্গা নদীর প্রাচীন নাম ছিল দোলাই।
- মোঘল আমল এবং তারও আগে এই নদীটি দোলাই নদী বা দোলাই খাল নামে পরিচিত ছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বুড়িগঙ্গা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই নদীর প্রাচীন নামই ছিল দোলাই।
B) যমুনা — এটি বাংলাদেশের একটি প্রধান নদ যার প্রাচীন কোনো নাম দোলাই ছিল না।
C) পদ্মা — এটি দেশের একটি প্রধান নদী যার উৎপত্তি হিমালয় থেকে এবং এর প্রাচীন নাম দোলাই নয়।
D) সুরমা — এটি উত্তর-পূর্বাঞ্চলের একটি নদী যা সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়।
মনে রাখার টিপস:
বুড়িগঙ্গা নদীকে মনে রাখতে পারেন ঢাকার আদি নদী হিসেবে, যার পুরানো নাম ছিল দোলাই।
সঠিক উত্তর: B) Very Large Scale Integration
১. কেন সঠিক:
- কম্পিউটারের মৌলিক ধারণা ও প্রজন্ম অনুযায়ী VLSI হলো চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটারের অন্যতম প্রধান প্রযুক্তি।
- এর পূর্ণরূপ হলো Very Large Scale Integration, যার মাধ্যমে একটি সিলিকন চিপে হাজার হাজার ট্রানজিস্টর যুক্ত করা হয়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: VLSI হলো এমন একটি প্রযুক্তি যার মাধ্যমে একটি একক মাইক্রোপ্রসেসর বা ইন্টিগ্রেটেড সার্কিটের মধ্যে অসংখ্য ট্রানজিস্টর বা ইলেকট্রনিক উপাদান একসাথে যুক্ত করা হয়।
- কার্যপদ্ধতি: এটি সেমিকন্ডাক্টর বা অর্ধপরিবাহী প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করে কাজ করে, যা ডেটা প্রসেসিংয়ের গতি বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।
- ব্যবহার: আধুনিক কম্পিউটার, স্মার্টফোন, মাইক্রোপ্রসেসর এবং বিভিন্ন ডিজিটাল ডিভাইসের সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট তৈরিতে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ইন্টেলের কোর আই সেভেন প্রসেসর।
ব্যাখ্যা: এই আধুনিক প্রসেসরগুলোতে কোটি কোটি ট্রানজিস্টর ভিএলএসআই প্রযুক্তির মাধ্যমে একটিমাত্র ছোট চিপে স্থাপন করা হয়।
উদাহরণ ২: স্মার্টফোনের প্রসেসর বা চিপসেট।
ব্যাখ্যা: মোবাইল ফোনের ছোট আকারের ভেতরে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন প্রসেসিং নিশ্চিত করতে এই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Very Large System Intergration — এই অপশনে System এবং Intergration শব্দ দুটি ভুল রয়েছে, কারণ সঠিক পরিভাষায় Scale এবং Integration ব্যবহৃত হয়।
B) Very Large Scale Integration — এটি সম্পূর্ণ সঠিক উত্তর এবং মাইক্রোপ্রসেসরের ক্ষেত্রে এটি সর্বজনস্বীকৃত প্রযুক্তিগত টার্ম।
C) Very Long System Integration — এখানে Long শব্দটির ব্যবহার সম্পূর্ণ ভুল এবং এটি কোনো কম্পিউটার বিজ্ঞান বা প্রযুক্তির টার্ম নয়।
D) কোনটিই নয় — যেহেতু সঠিক অপশন বি তে বিদ্যমান, তাই এটি ভুল।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ভিএলএসআই এর পূর্ণরূপ মনে রাখার সহজ উপায় হলো ভি ফর ভেরি, এল ফর লার্জ, এস ফর স্কেল এবং আই ফর ইন্টিগ্রেশন।
- কম্পিউটারের চতুর্থ প্রজন্মের সাথে এই প্রযুক্তির নাম গভীরভাবে জড়িত, যা প্রসেসরের আকার ছোট ও কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে দিয়েছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রসেসরের প্রজন্ম এবং ব্যবহৃত প্রযুক্তি সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে।
- চতুর্থ প্রজন্মে VLSI এবং পঞ্চম প্রজন্মে ULSI বা Ultra Large Scale Integration প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়।
সঠিক উত্তর: B) ক্যালিফোর্নিয়া
১. কেন সঠিক:
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের মূল প্রতিষ্ঠান মেটা প্ল্যাটফর্মস ইনকরপোরেটেড-এর প্রধান কার্যালয় বা সদর দপ্তর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের মেনলো পার্ক শহরে অবস্থিত।
প্রযুক্তির বিশ্বে বড় বড় তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের সদর দপ্তর সাধারণত ক্যালিফোর্নিয়ার সিলিকন ভ্যালি অঞ্চলে গড়ে উঠেছে এবং ফেসবুকও তার ব্যতিক্রম নয়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: সদর দপ্তর বা হেডকোয়ার্টার হলো এমন একটি কেন্দ্রীয় স্থান যেখান থেকে কোনো বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক কার্যক্রম, ব্যবস্থাপনা ও নীতিনির্ধারণ পরিচালিত হয়।
কার্যপদ্ধতি: ফেসবুকের এই কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে বিশ্বের কোটি কোটি ব্যবহারকারীর ডেটা সংরক্ষণ, সফটওয়্যার আপডেট, সার্ভার ব্যবস্থাপনা এবং ব্যবসায়িক কৌশল নিয়ন্ত্রিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মাইক্রোসফট কর্পোরেশনের প্রধান কার্যালয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্যের রেডমন্ড শহরে অবস্থিত।
ব্যাখ্যা: এটি যেমন মাইক্রোসফটের বিশ্বব্যাপী উইন্ডোজ ও অন্যান্য সফটওয়্যার কার্যক্রম পরিচালনা করে, তেমনি ফেসবুকের ক্যালিফোর্নিয়া কার্যালয় এর গ্লোবাল প্ল্যাটফর্ম পরিচালনা করে।
উদাহরণ ২: গুগলের প্রধান কার্যালয় বা গুগলপ্লেক্স ক্যালিফোর্নিয়ার মাউন্টেন ভিউতে অবস্থিত।
ব্যাখ্যা: সিলিকন ভ্যালিতে অবস্থিত হওয়ায় গুগল ও ফেসবুক উভয় প্রতিষ্ঠানই একই প্রযুক্তিগত ও ভৌগোলিক সুবিধা ভোগ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সিয়াটল — এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্যের একটি শহর যেখান থেকে অ্যামাজনের মতো বৃহৎ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান পরিচালিত হয় কিন্তু ফেসবুকের সদর দপ্তর এখানে নয়।
B) ক্যালিফোর্নিয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ ফেসবুকের প্রধান কার্যালয় এই অঙ্গরাজ্যের মেনলো পার্কে অবস্থিত।
C) ওয়াশিংটন — এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী বা অঙ্গরাজ্য হতে পারে যেখানে মাইক্রোসফটের মতো অন্যান্য কোম্পানির সদর দপ্তর আছে, ফেসবুকের নয়।
D) নিউইয়র্ক — এটি যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রধান আর্থিক ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র হলেও ফেসবুকের মূল বা বৈশ্বিক সদর দপ্তর এখানে অবস্থিত নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
ফেসবুক বা মেটার মতো শীর্ষস্থানীয় মার্কিন প্রযুক্তি জায়ান্টগুলোর বেশিরভাগ সদর দপ্তর ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের সিলিকন ভ্যালিতে অবস্থিত।
ফেসবুক নামটিতে এফ অক্ষর দিয়ে শুরু হয় এবং ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের মেনলো পার্ক হলো এর সুনির্দিষ্ট ঠিকানা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান যেমন ফেসবুক, গুগল, মাইক্রোসফট বা অ্যাপলের প্রতিষ্ঠাতা, প্রতিষ্ঠাকাল এবং সদর দপ্তরের নাম জানতে চাওয়া হয়।
ফেসবুক প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০৪ সালে এবং এর বর্তমান প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হলেন মার্ক জাকারবার্গ।
সঠিক উত্তর: C) প্রিন্টার
১. কেন সঠিক:
প্রিন্টার কোনো ইনপুট ডিভাইস নয়, এটি একটি আউটপুট ডিভাইস।
কম্পিউটার থেকে প্রক্রিয়াকৃত ডেটা বা ফলাফল কাগজের ওপর মুদ্রণ করে ব্যবহারকারীকে দেখতে সাহায্য করে বলে এটি আউটপুট হিসেবে কাজ করে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: যে সকল হার্ডওয়্যার ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার থেকে ফলাফল বা আউটপুট বাইরে প্রকাশ করা হয়, সেগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে।
কার্যপদ্ধতি: প্রিন্টার কম্পিউটারের প্রসেসর থেকে ডিজিটাল সিগন্যাল গ্রহণ করে এবং কালির সাহায্যে তা কাগজে ফুটিয়ে তোলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অফিসিয়াল কাজের রিপোর্ট প্রিন্ট করা।
ব্যাখ্যা: কম্পিউটারের এমএস ওয়ার্ডে টাইপ করা কোনো ডকুমেন্ট প্রিন্টারের মাধ্যমে কাগজে রূপান্তর করা হয়।
উদাহরণ ২: ছবি বা ব্যানার প্রিন্ট করা।
ব্যাখ্যা: গ্রাফিক্স ডিজাইন করা ছবি প্রিন্টারের সাহায্যে ফোটোগ্রাফিক পেপারে স্থায়ী রূপ দেওয়া হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মাউস — এটি একটি বহুল ব্যবহৃত ইনপুট ডিভাইস যার মাধ্যমে কম্পিউটারে ডেটা বা নির্দেশ পাঠানো হয়।
B) কী-বোর্ড — এটি প্রধান ইনপুট ডিভাইস যা দিয়ে টেক্সট ও কমান্ড ইনপুট দেওয়া হয়।
C) প্রিন্টার — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি একটি আউটপুট ডিভাইস, ইনপুট ডিভাইস নয়।
D) স্ক্যানার — এটি একটি ইনপুট ডিভাইস যা কাগজের হার্ডকপিকে ডিজিটাল ছবিতে রূপান্তর করে কম্পিউটারে পাঠায়।
৫ মনে রাখার টিপস:
ইনপুট ডিভাইস মানে যা দিয়ে কম্পিউটারে তথ্য প্রবেশ করায়, যেমন মাউস, কিবোর্ড।
আউটপুট ডিভাইস মানে যা দিয়ে ফলাফল বাইরে প্রকাশ পায়, যেমন প্রিন্টার, মনিটর।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইস চেনার জন্য এই প্রশ্নটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
স্ক্যানার ইনপুট ডিভাইস হলেও প্রিন্টার সবসময় আউটপুট ডিভাইস হিসেবে কাজ করে।
সঠিক উত্তর: C) চীন
১. কেন সঠিক:
- ইন্টারনেট ব্যবহারে শীর্ষ দেশ হলো চীন কারণ মোট ইন্টারনেট ব্যবহারকারী বা জনসংখ্যার দিক থেকে বিশ্বের সবচেয়ে এগিয়ে থাকা দেশ এটি।
- প্রযুক্তিগত অবকাঠামোর দ্রুত বিকাশ এবং বিশাল জনসংখ্যার কারণে এখানে ইন্টারনেটের সক্রিয় ব্যবহারকারীর সংখ্যা বিশ্বে সর্বাধিক।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: ইন্টারনেট হলো বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে থাকা অসংখ্য কম্পিউটার নেটওয়ার্কের একটি বিশাল সমাহার, যা প্রটোকল ব্যবহার করে একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে।
- কার্যপদ্ধতি: আইএসপি বা ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারের মাধ্যমে ডেটা প্যাকেট আদান-প্রদানের মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে নেটওয়ার্ক সচল থাকে।
- ব্যবহার: তথ্য আদান-প্রদান, অনলাইন সেবা গ্রহণ, শিক্ষা, ব্যবসা এবং সামাজিক যোগাযোগের জন্য এটি বিশ্বজুড়ে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চীনের নিজস্ব সামাজিক মাধ্যম ও ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম যেমন উইচ্যাট এবং আলিবাবা।
ব্যাখ্যা: বিপুল সংখ্যক মানুষ এই প্ল্যাটফর্মগুলো ব্যবহার করার কারণে চীনে ইন্টারনেট ব্যবহারের হার ও পরিধি বিশাল।
উদাহরণ ২: ফাইব্র অপটিক নেটওয়ার্কের মাধ্যমে দেশের প্রতিটি প্রান্তে দ্রুতগতির ইন্টারনেট সংযোগ পৌঁছে দেওয়া।
ব্যাখ্যা: এই উন্নত অবকাঠামোর ফলে কোটি কোটি মানুষ একই সঙ্গে নিরবচ্ছিন্নভাবে ইন্টারনেট সেবা ভোগ করতে পারে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাংলাদেশ — বাংলাদেশ ইন্টারনেট ব্যবহারকারী দেশের তালিকায় অনেক পিছিয়ে রয়েছে এবং এটি শীর্ষ দেশ নয়।
B) ভারত — ভারত ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে, তাই এটি শীর্ষ দেশ হিসেবে পরিগণিত হয় না।
C) চীন — এই অপশনটি সঠিক কারণ বর্তমান পরিসংখ্যান অনুযায়ী চীন ইন্টারনেট ব্যবহারে বিশ্বে শীর্ষস্থানে অবস্থান করছে।
D) যুক্তরাষ্ট্র — যুক্তরাষ্ট্র প্রযুক্তিতে অনেক এগিয়ে থাকলেও মোট ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যার দিক থেকে চীনের পরেই এর অবস্থান।
৫ মনে রাখার টিপস:
- জনসংখ্যার দিক থেকে বড় দেশ চীন ইন্টারনেটের ব্যবহারেও সবার শীর্ষে রয়েছে।
- চীন শব্দটির সঙ্গে শীর্ষ কথাটি মিলিয়ে এই তথ্যটি সহজে মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ইন্টারনেট বা প্রযুক্তিতে শীর্ষ দেশ বা প্রতিষ্ঠানের নাম জানতে চাওয়া হয়।
- বর্তমান হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী জনসংখ্যার ভিত্তিতে চীন ইন্টারনেট ব্যবহারে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে।
সঠিক উত্তর: B) হল্যান্ড
১. কেন সঠিক:
- হল্যান্ড বা নেদারল্যান্ডস উত্তরপশ্চিম ইউরোপের একটি দেশ যা স্ক্যান্ডিনেভিয়ার অন্তর্ভুক্ত নয়।
- ভৌগোলিক ও সাংস্কৃতিক দিক থেকে স্ক্যান্ডিনেভিয়ান অঞ্চলের দেশগুলো ভিন্ন বৈশিষ্ট্য বহন করে।
২. ভৌগোলিক তথ্য:
- অবস্থান: স্ক্যান্ডিনেভিয়া ইউরোপ মহাদেশের উত্তরাঞ্চলে বাল্টিক ও উত্তর সাগরের কাছাকাছি অবস্থিত।
- বৈশিষ্ট্য: এই অঞ্চলের দেশগুলো উচ্চ অক্ষাংশে অবস্থিত হওয়ায় শীতপ্রধান জলবায়ু এবং বরফাবৃত ভূপ্রকৃতির জন্য পরিচিত।
৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা:
উদাহরণ ১: ফিনল্যান্ড
ব্যাখ্যা: ফিনল্যান্ড স্ক্যান্ডিনেভিয়ান উপদ্বীপের অংশ না হলেও রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিকভাবে স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ হিসেবে গণ্য হয়।
উদাহরণ ২: আইসল্যান্ড
ব্যাখ্যা: আইসল্যান্ড উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত একটি দ্বীপ রাষ্ট্র যা নর্ডিক দেশ হলেও স্ক্যান্ডিনেভিয়ার মূল ভূখণ্ডে নেই।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সুইডেন — এটি স্ক্যান্ডিনেভিয়ান উপদ্বীপের অন্তর্ভুক্ত প্রধান দেশ এবং এর উত্তর অংশ সুইডেনের অংশ।
B) হল্যান্ড — এটি উত্তরপশ্চিম ইউরোপের দেশ এবং স্ক্যান্ডিনেভিয়ান অঞ্চলের বাইরে অবস্থিত।
C) নরওয়ে — এটি স্ক্যান্ডিনেভিয়ান উপদ্বীপে অবস্থিত একটি দীর্ঘ উপকূলীয় দেশ।
D) ডেনমার্ক — এটি স্ক্যান্ডিনেভিয়ার ঐতিহ্যবাহী দেশগুলোর একটি এবং জুটল্যান্ড উপদ্বীপে অবস্থিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশগুলো মনে রাখার সহজ শব্দ হলো সুনোডা অর্থ সুইডেন, নরওয়ে ও ডেনমার্ক।
- এই ছোট সূত্রের বাইরে থাকা দেশগুলো এই অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত হবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ এবং নর্ডিক দেশের পার্থক্য প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়।
- স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ বলতে মূলত সুইডেন, নরওয়ে ও ডেনমার্ককে বোঝায়।
সঠিক উত্তর: D) তুরস্ক
১. কেন সঠিক:
- তুরস্ক এমন একটি দেশ যা দুটি মহাদেশে বিস্তৃত, যার মূল ভূখণ্ড এশিয়ায় এবং একটি ক্ষুদ্র অংশ ইউরোপে অবস্থিত।
- বসফরাস প্রণালী এবং দারদানেলিস প্রণালী তুরস্কের এশীয় অংশকে ইউরোপীয় অংশ থেকে পৃথক করেছে।
২. ভৌগোলিক তথ্য:
- অবস্থান: তুরস্কের প্রায় ৯৭ শতাংশ অংশ এশিয়ার আনাতোলিয়া অঞ্চলে এবং ৩ শতাংশ অংশ ইউরোপের থ্রেস অঞ্চলে অবস্থিত।
- বৈশিষ্ট্য: এই ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে তুরস্ক কৃষ্ণ সাগর এবং ভূমধ্যসাগরের সংযোগকারী জলপথগুলোর ওপর কৌশলগত নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখে।
৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা:
উদাহরণ ১: রাশিয়া
ব্যাখ্যা: রাশিয়াও দুটি মহাদেশে অবস্থিত একটি দেশ, যার বিশাল অংশ এশিয়ায় এবং পশ্চিমাংশ ইউরোপে বিস্তৃত।
উদাহরণ ২: মিশর
ব্যাখ্যা: মিশর মূলত আফ্রিকায় অবস্থিত হলেও এর সিনাই উপদ্বীপটি এশিয়া মহাদেশের অন্তর্ভুক্ত, যা এটিকে আন্তঃমহাদেশীয় দেশ করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গ্রিস — গ্রিস সম্পূর্ণভাবে ইউরোপ মহাদেশের বলকান অঞ্চলে অবস্থিত একটি দেশ এবং এটি কোনো আন্তঃমহাদেশীয় দেশ নয়।
B) মিশর — মিশর মূলত আফ্রিকা মহাদেশে অবস্থিত এবং এর কেবল একটি ক্ষুদ্র অংশ এশিয়ায় পড়ে, তবে প্রমিত ভূগোলে তুরস্ককে প্রধান আন্তঃমহাদেশীয় দেশ হিসেবে ধরা হয়।
C) চীন — চীন সম্পূর্ণভাবে এশিয়া মহাদেশের পূর্ব অংশে অবস্থিত এবং এটি বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ একক মহাদেশীয় দেশ।
D) তুরস্ক — তুরস্কের ভূখণ্ড আংশিক এশিয়া এবং আংশিক ইউরোপ মহাদেশে অবস্থিত হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ইউরেশিয়ার সেতু দেশ হিসেবে তুরস্ককে মনে রাখতে পারেন, যার রাজধানী আঙ্কারা হলেও এর বৃহত্তম শহর ইস্তাম্বুল ইউরোপ ও এশিয়া উভয় মহাদেশে ছড়িয়ে আছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আন্তঃমহাদেশীয় দেশ সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে, যেমন রাশিয়া, তুরস্ক ও কাজাখস্তান।
- এই প্রশ্নটি থেকে প্রণালী এবং ভৌগোলিক অবস্থান সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায় যা মানচিত্রভিত্তিক প্রশ্নে কাজে লাগে।
সঠিক উত্তর: B) লালপুর
১. কেন সঠিক:
বাংলাদেশের সবচেয়ে কম বৃষ্টিপাত হওয়া স্থান হলো নাটোর জেলার লালপুর উপজেলা।
পদ্মা নদীর অববাহিকায় অবস্থিত হওয়ায় এবং ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে এখানে জলবায়ুর প্রভাবে তুলনামূলকভাবে কম বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়।
২. ভৌগোলিক তথ্য:
অবস্থান: নাটোর জেলা, রাজশাহী বিভাগ, বাংলাদেশ।
বৈশিষ্ট্য: এটি উত্তরবঙ্গের একটি শুষ্ক অঞ্চল যেখানে বাৎসরিক গড় বৃষ্টিপাত বাংলাদেশের অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় সবচেয়ে কম।
কারণ ও প্রভাব: মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে দেশের পূর্বাঞ্চলে বেশি বৃষ্টি হলেও পশ্চিমাঞ্চল বৃষ্টিচ্ছায় অঞ্চলের কাছাকাছি থাকায় এখানে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কম হয়।
৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা:
উদাহরণ ১: শ্রীমঙ্গল
ব্যাখ্যা: মৌলভীবাজার জেলায় অবস্থিত শ্রীমঙ্গল বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাতবহুল ও চা উৎপাদী অঞ্চল হিসেবে পরিচিত।
উদাহরণ ২: লালপুর উপজেলা
ব্যাখ্যা: এটি বরেন্দ্র অঞ্চলের কাছাকাছি অবস্থিত হওয়ায় শুষ্ক মৌসুমে এখানে তীব্র গরম ও খরা ভাব দেখা যায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লালখান — এটি কোনো নির্দিষ্ট আবহাওয়া স্টেশন বা বৃষ্টিপাতের রেকর্ডের জন্য পরিচিত সর্বনিম্ন বৃষ্টিপাতের স্থান নয়।
B) লালপুর — এটি সঠিক উত্তর।
C) শ্রীমঙ্গল — এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাতবহুল অঞ্চল হিসেবে পরিচিত, কম বৃষ্টিপাতের স্থান নয়।
D) মাধবকুণ্ড — এটি মৌলভীবাজার জেলায় অবস্থিত দেশের অন্যতম বৃহৎ জলপ্রপাতের স্থান, কম বৃষ্টিপাতের অঞ্চল নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
সবচেয়ে কম বৃষ্টি লালপুরে, আর সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি সিলেটে কিংবা শ্রীমঙ্গলে।
এই বৈপরীত্য মনে রাখলে পরীক্ষাতে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কম বৃষ্টিপাত সম্পর্কিত প্রশ্ন বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
একই ধারণা থেকে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাতের স্থান বা সবচেয়ে উষ্ণ অঞ্চলের নাম সম্পর্কিত প্রশ্নও আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: B) তিব্বত
১. কেন সঠিক:
তিব্বতকে অতীতে বহিশ্ববির কাছে এর দুর্গম ভৌগোলিক অবস্থান ও কঠোর প্রবেশ নিষেধাজ্ঞার কারণে নিষিদ্ধ দেশ বলা হতো।
উচ্চ পাহাড়ি মালভূমি এবং প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে এই অঞ্চলটিতে দীর্ঘদিন সাধারণ মানুষের যাতায়াত প্রায় অসম্ভব ছিল।
২. ভৌগোলিক তথ্য:
অবস্থান: এশিয়া মহাদেশের মধ্যভাগে হিমালয় পর্বতমালার উত্তরে অবস্থিত একটি মালভূমি অঞ্চল।
বৈশিষ্ট্য: এটি বিশ্বের সর্বোচ্চ মালভূমি, যা পৃথিবীর ছাদ নামে পরিচিত।
৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা:
উদাহরণ ১: লাসা।
ব্যাখ্যা: তিব্বতের রাজধানী লাসা অতীতে নিষিদ্ধ নগরী হিসেবে পরিচিত ছিল যেখানে বিদেশিদের প্রবেশ কঠোরভাবে নিষিদ্ধ ছিল।
উদাহরণ ২: পটালা প্যালেস।
ব্যাখ্যা: তিব্বতের এই ঐতিহাসিক প্রাসাদটি দুর্গম পাহাড়ের উপরে অবস্থিত যা এর ভৌগোলিক বিচ্ছিন্নতার প্রতীক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইসরাইল — এটি মধ্যপ্রাচ্যের একটি রাষ্ট্র, ভূমধ্যসাগরের তীরে অবস্থিত এবং এটি নিষিদ্ধ দেশ নামে পরিচিত নয়।
B) তিব্বত — এটি সঠিক উত্তর কারণ ঐতিহাসিক ও ভৌগোলিক কারণে একে নিষিদ্ধ দেশ বলা হয়।
C) কিউবা — এটি ক্যারিবীয় সাগরের একটি দ্বীপ রাষ্ট্র, যাকে চাবির দেশ বা Antilles এর চাবি বলা হয়।
D) আফগানিস্তান — এটি দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়ার একটি স্থলবেষ্টিত দেশ, যাকে সাম্রাজ্যের কবরস্থান বলা হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
তিব্বত মানেই পৃথিবীর ছাদ এবং দুর্গমতার জন্য নিষিদ্ধ দেশ।
উঁচু পাহাড় ঘেরা এই অঞ্চলের রাজধানী লাসার অপর নাম নিষিদ্ধ নগরী।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
তিব্বতকে পৃথিবীর ছাদ বলা হয় এবং এর রাজধানী লাসাকে নিষিদ্ধ নগরী বলা হয়।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিশ্বখ্যাত বিভিন্ন স্থানের ভৌগোলিক উপনাম থেকে প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: D) চীন
১. কেন সঠিক:
গোবি মরুভূমি এশিয়া মহাদেশের একটি বিশাল শুষ্ক অঞ্চল যা মূলত চীন ও মঙ্গোলিয়ার কিছু অংশ জুড়ে বিস্তৃত। এটি একটি বৃষ্টিচ্ছায় অঞ্চল কারণ হিমালয় পর্বতমালা ভারত মহাসাগর থেকে আসা আর্দ্র বাতাসকে বাধা দেয়।
২. ভৌগোলিক তথ্য:
অবস্থান: এটি চীন দেশের উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল এবং মঙ্গোলিয়ার দক্ষিণ অংশ জুড়ে অবস্থিত।
বৈশিষ্ট্য: এটি একটি ঠান্ডা মরুভূমি যেখানে শীতকালে তাপমাত্রা অনেক কমে যায় এবং বরফ পড়তে পারে।
সংশ্লিষ্ট তথ্য: এটি এশিয়ার বৃহত্তম এবং বিশ্বের অন্যতম প্রধান মরুভূমি।
৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা:
উদাহরণ ১: তকলিমকান মরুভূমি
ব্যাখ্যা: এটিও চীনের একটি বিখ্যাত মরুভূমি যা গোবি মরুভূমির কাছাকাছি অবস্থিত।
উদাহরণ ২: আটাকামা মরুভূমি
ব্যাখ্যা: এটি দক্ষিণ আমেরিকার একটি মরুভূমি যা অন্য একটি ভৌগোলিক অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উত্তর আফ্রিকা — এই অঞ্চলে বিশ্বের বৃহত্তম উষ্ণ মরুভূমি সাহারা অবস্থিত, গোবি মরুভূমি এখানে নয়।
B) দক্ষিণ আফ্রিকা — এই অঞ্চলে কালাহারি মরুভূমি অবস্থিত, যা গোবি মরুভূমির ভৌগোলিক সীমার বাইরে।
C) দক্ষিণ আমেরিকা — এই মহাদেশে আটাকামা মরুভূমি অবস্থিত, গোবি মরুভূমি এখানে পাওয়া যায় না।
D) চীন — এটি সঠিক উত্তর কারণ গোবি মরুভূমির একটি বড় অংশ চীনের ভূখণ্ডে অবস্থিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
গোবি মরুভূমি দেখতে ঠান্ডা এবং এটি চীন ও মঙ্গোলিয়ায় অবস্থিত, তাই মনে রাখবেন চীন মানেই গোবি মরুভূমির বৃহৎ অংশ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
এই প্রশ্নটি বিশ্ব ভূগোল এবং মরুভূমি বিষয়ক অধ্যায়ের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে গোবি মরুভূমি কোন দুটি দেশের মধ্যে অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: C) ০°
১. কেন সঠিক:
মূল মধ্যরেখা পৃথিবীর উত্তর মেরু থেকে দক্ষিণ মেরু পর্যন্ত কল্পিত একটি রেখা যা দ্রাঘিমাংশ নির্ধারণ করে।
এই রেখার মান ০° ধরা হয় এবং এখান থেকেই পূর্ব ও পশ্চিম দিকে দ্রাঘিমাংশ গণনা করা হয়।
২. ভৌগোলিক তথ্য:
অবস্থান: এটি যুক্তরাজ্যের লন্ডনের গ্রিনউইচ শহরের রয়্যাল অবজারভেটরির ওপর দিয়ে অতিক্রম করেছে।
বৈশিষ্ট্য: এটি পৃথিবীকে পূর্ব ও পশ্চিম গোলার্ধে বিভক্ত করে এবং আন্তর্জাতিক সময় নির্ধারণে মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করে।
৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা:
উদাহরণ ১: গ্রিনউইচ মান সময়
ব্যাখ্যা: মূল মধ্যরেখার ওপর ভিত্তি করেই সারা পৃথিবীর সময় বা জিএমটি নির্ধারিত হয়।
উদাহরণ ২: আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা
ব্যাখ্যা: মূল মধ্যরেখার ঠিক বিপরীত দিকে ১৮০ ডিগ্রি দ্রাঘিমা রেখা অবস্থিত যা তারিখ পরিবর্তনের রেখা হিসেবে পরিচিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৯০° — এটি কোনো মৌলিক মধ্যরেখার মান নয়, তবে এটি উত্তর বা দক্ষিণ অক্ষাংশের মান হতে পারে।
B) ১৮০° — এটি আন্তর্জাতিক তারিখ রেখার মান যা মূল মধ্যরেখার ঠিক বিপরীত দিকে অবস্থিত।
C) ০° — এটি মূল মধ্যরেখার সঠিক মান এবং এখান থেকেই দ্রাঘিমা গণনা শুরু হয়।
D) ৩০° — এটি কোনো মৌলিক দ্রাঘিমারেখা নয়, এটি মূল মধ্যরেখা থেকে ৩০ ডিগ্রি পূর্ব বা পশ্চিম দ্রাঘিমা নির্দেশ করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
মূল মানেই শুরু বা শূন্য, তাই মূল মধ্যরেখার মান ০° মনে রাখা সহজ।
গ্রিনউইচ থেকেই শুরু হয় সময় গণনা, তাই এর মান শুরু বা শূন্য ডিগ্রি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
মূল মধ্যরেখা কোন শহরের ওপর দিয়ে গেছে তা প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য পরীক্ষায় আসে।
একই ধারণা থেকে আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা বা দ্রাঘিমা সংক্রান্ত প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: B) ভেড়া
১. কেন সঠিক:
গড্ডলিকা প্রবাহ একটি জনপ্রিয় বাগধারা যার আক্ষরিক অর্থ হলো ভেড়ার পালের স্রোত। এখানে গড্ডল শব্দের নির্দিষ্ট অর্থ হলো ভেড়া বা মেশ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি বাংলা ভাষার একটি বিশিষ্ট বাগধারা ও শব্দের উৎস সংক্রান্ত প্রশ্ন। গড্ডলিকা শব্দের অর্থ ভেড়ার পাল এবং প্রবাহ অর্থ স্রোত বা গতি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অন্ধের মতো গড্ডলিকা প্রবাহে ভেসে না গিয়ে নিজের বুদ্ধি খাটাও।
ব্যাখ্যা: সমাজে প্রচলিত অন্ধ অনুকরণ বা বিচারহীনভাবে সবাইকে অনুসরণ করার অবস্থাকে বোঝাতে এই বাক্যটি ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: দেশের সবাই ওই ব্যবসায় নামছে বলেই তোমাকে নামতে হবে এমন কোনো কথা নেই, গড্ডলিকা প্রবাহে গা ভাসিও না।
ব্যাখ্যা: অন্যের দেখাদেখি কোনো যুক্তি ছাড়াই একই কাজ করার প্রবণতা থেকে বিরত থাকার শিক্ষা দিতে এটি ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) স্রোত — স্রোত শব্দের অর্থ প্রবাহ হলেও গড্ডল শব্দের আক্ষরিক অর্থ স্রোত নয়, তাই এটি সরাসরি সঠিক নয়।
C) উট — উট একটি মরুভূমির প্রাণী এবং এর সঙ্গে গড্ডলিকা শব্দের কোনো ঐতিহাসিক বা ভাষাগত সম্পর্ক নেই।
D) গাধা — গাধা বোকার প্রতীক হিসেবে পরিচিত হলেও গড্ডল শব্দের অর্থ গাধা বোঝায় না।
৫. মনে রাখার টিপস:
গড্ডল শব্দের অর্থ ভেড়া। ভেড়ার পালের স্বভাব হলো একটি ভেড়া খাদ্যের সন্ধানে যেদিকে যায়, বাকি সব ভেড়া কোনো বিচার না করেই ঠিক সেদিকেই ছোটে। এই অন্ধ অনুকরণ থেকেই গড্ডলিকা প্রবাহ বাগধারাটির সৃষ্টি হয়েছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারার উৎস ও শব্দের আক্ষরিক অর্থ প্রায়ই আসে। যেমন কূপমণ্ডুক শব্দের অর্থ কুয়ার ব্যাঙ, যা দিয়ে সংকীর্ণ মনের মানুষ বোঝানো হয়।
সঠিক উত্তর: C) ফররুখ আহমদ
১. কেন সঠিক:
- ‘সাত সাগরের মাঝি’ কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা হলেন মুসলিম রেনেসাঁর কবি ফররুখ আহমদ।
- এই কাব্যগ্রন্থটি বাংলা আধুনিক কাবধারায় ইসলামী স্বাতন্ত্র্যচেতা ও ঐতিহ্যভিত্তিক ধারার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ক্লাসিক নিদর্শন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ফররুখ আহমদ বিংশ শতাব্দীর বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি এবং আধুনিক মুসলিম সমাজের পুনর্জাগরণের প্রতীক।
- ১৯৪৪ সালে প্রকাশিত ‘সাত সাগরের মাঝি’ কাব্যগ্রন্থে সমুদ্রযাত্রার প্রতীকে মানবাত্মার সংগ্রাম এবং ইসলামের ঐতিহাসিক ঐতিহ্য শৈল্পিক রূপ লাভ করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সিরাজাম মুনীরা
ব্যাখ্যা: এটি কবি ফররুখ আহমদের আরেকটি বিখ্যাত ও অনবদ্য কাব্যগ্রন্থ যা ইসলামের মহান আদর্শ ও মূল্যবোধের ওপর রচিত।
উদাহরণ ২: পাখির বাসা
ব্যাখ্যা: এটি ফররুখ আহমদের রচিত একটি জনপ্রিয় শিশুতোষ কাব্যগ্রন্থ যা বাংলা শিশুসাহিত্যে বিশেষ স্থান অধিকার করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কায়কোবাদ — ইনি ঊনবিংশ ও বিংশ শতাব্দীর প্রথম ভাগের মহাকবি ছিলেন যিনি ‘মহাশ্মশান’ মহাকাব্যের জন্য বিখ্যাত।
B) গোলাম মোস্তফা — ইনি একজন বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিক ছিলেন যিনি ‘বিশ্বনবী’ সিরাত গ্রন্থ এবং ‘বুলবুল’ কাব্যগ্রন্থ রচনা করেছেন।
C) ফররুখ আহমদ — এই অপশনটি সঠিক এবং এর পক্ষে উপরে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।
D) বন্দে আলী মিঞা — ইনি গ্রামীণ প্রকৃতির রূপকার ও কবি ছিলেন যিনি ‘ময়নামতির চর’ দীর্ঘ কবিতার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সমুদ্র বা সাগরের সাথে সম্পর্কিত বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ বললে কবি ফররুখ আহমদের ‘সাত সাগরের মাঝি’ নামটি মনে রাখবে।
- কবি ফররুখ আহমদ মানেই ঐতিহ্যচেতনামূলক ও মুসলিম রেনেসাঁর শক্তিশালী কাব্যশিল্প।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ফররুখ আহমদের কাব্যগ্রন্থ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- ‘সাত সাগরের মাঝি’ ও ‘সিরাজাম মুনীরা’ কাব্য দুটির নাম ভালোভাবে মুখস্থ রাখা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
সঠিক উত্তর: B) তদ্ভব
১. কেন সঠিক:
তদ্ভব শব্দ হলো সেই শব্দ যা সংস্কৃত ভাষা থেকে প্রাকৃত বা অপভ্রংশের পরিবর্তনের মাধ্যমে বিবর্তিত হয়ে বাংলা ভাষায় এসেছে।
ভাত শব্দটি প্রাকৃত শব্দ ভাতক থেকে প্রাকৃতের হাত ধরে সরাসরি বাংলা ভাষায় তদ্ভব শব্দ হিসেবে স্থান লাভ করেছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
উৎসের ভিত্তিতে বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে মূলত পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয় যথা তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি।
সংস্কৃত ভাষা থেকে যে শব্দগুলো প্রাকৃত ভাষার মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে অর্থ ও রূপ পরিবর্তন করে বাংলা ভাষায় এসেছে সেগুলোকে তদ্ভব শব্দ বলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চাদর শব্দ থেকে চন্দ্র
ব্যাখ্যা: চন্দ্র শব্দটি তৎসম হলেও এর পরিবর্তিত প্রাকৃত রূপ থেকে তদ্ভব হিসেবে চাঁদ এসেছে, এখানে ভাত শব্দটিও একইভাবে বিবর্তিত।
উদাহরণ ২: মৎস শব্দ থেকে মাছ
ব্যাখ্যা: মৎস শব্দটি সংস্কৃত হলেও প্রাকৃতের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে মাছ তদ্ভব শব্দে রূপ নিয়েছে যেমন ভাত এসেছে ভক্ত থেকে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তৎসম — তৎসম শব্দ হলো সরাসরি সংস্কৃত থেকে আগত শব্দ কিন্তু ভাত সরাসরি সংস্কৃত থেকে অপরিবর্তিতভাবে আসেনি।
B) তদ্ভব — এই অপশনটি সঠিক কারণ ভাত শব্দটি সংস্কৃত ভক্ত থেকে প্রাকৃত হয়ে তদ্ভব হিসেবে এসেছে।
C) খাঁটি বাংলা — খাঁটি বাংলা বলতে সাধারণত দেশি শব্দকে বোঝানো হয় কিন্তু ভাত দেশি শব্দ নয়।
D) বিদেশি — বিদেশি শব্দ হলো অন্য কোনো ভাষা থেকে আগত শব্দ কিন্তু ভাত বাংলার নিজস্ব তদ্ভব রূপ।
৫. মনে রাখার টিপস:
খাবার বা খাদ্য সম্পর্কিত অনেক নিত্যদিনের শব্দ যেমন ভাত, মাছ, কাপড়ের নানা রূপ তদ্ভব শব্দ হয়ে থাকে।
উৎসের পরিবর্তনের ধারাবাহিকতা মনে রাখলে তৎসম ও তদ্ভব শব্দ সহজে আলাদা করা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের উৎস নির্ণয় থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে তাই ভাত, কান, হাত ইত্যাদি শব্দ তদ্ভব তা মনে রাখা জরুরি।
ভক্ত থেকে ভাত এবং হস্ত থেকে হাত শব্দ দুটির বিবর্তন প্রক্রিয়া প্রায় একই ধরনের।
সঠিক উত্তর: A) ঢোল
১. কেন সঠিক:
- ঢোল একটি দেশি শব্দ কারণ এটি প্রাচীন কাল থেকে বাংলা অঞ্চলের আদি ও অকৃত্রিম জনগোষ্ঠীর ভাষা থেকে সরাসরি বিকশিত হয়ে বাংলায় এসেছে।
- যেসব শব্দের মূল উৎস বা উৎস ভাষা খুঁজে পাওয়া যায় না এবং যা এ দেশের প্রাচীন আদিবাসীদের ভাষা থেকে এসেছে, সেগুলোকে দেশি শব্দ বলা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- উৎস বা উৎপত্তি অনুসারে বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে প্রধানত পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয়। এগুলো হলো তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি শব্দ।
- দেশি শব্দ মূলত বাংলাদেশের আদি অধিবাসী যেমন কোল, মুণ্ডা, সাঁওতাল ইত্যাদি জনগোষ্ঠীর ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কুলা
ব্যাখ্যা: কুলা একটি দেশি শব্দ যা আদি জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রার সাথে যুক্ত থেকে বাংলা ভাষায় স্থান পেয়েছে।
উদাহরণ ২: ঢেঁকি
ব্যাখ্যা: ঢেঁকি গৃহস্থালি কাজের একটি প্রাচীন দেশি শব্দ যার সুনির্দিষ্ট কোনো সংস্কৃত উৎস পাওয়া যায় না।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঢোল — এটি দেশি শব্দ এবং এটি প্রশ্নের নির্দিষ্ট চাহিদার সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়।
B) আনারস — এটি একটি পর্তুগিজ শব্দ যা বিদেশি শব্দের অন্তর্ভুক্ত এবং এটি সঠিক উত্তর নয়।
C) কষ্ট — এটি একটি তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ যা সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে।
D) নামাজ — এটি একটি ফারসি শব্দ যা বিদেশি শব্দের আওতাভুক্ত এবং এটি সঠিক উত্তর নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- দেশি শব্দ মনে রাখার একটি সহজ উপায় হলো কুলা, ঢেঁকি, ঢোল, চুলা, গঞ্জ, টোপর—এগুলো দৈনন্দিন জীবনের আদি ব্যবহার্য জিনিসপত্র।
- আদি মানুষের ব্যবহার্য হাতিয়ার ও গৃহস্থালি সামগ্রীর নামগুলো সাধারণত দেশি শব্দ হয়ে থাকে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দেশি শব্দের তালিকা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- কুলা, ঢেঁকি, গঞ্জ, চোঙা, পেট, কুঁড়েঘর—এই শব্দগুলো দেশি শব্দ হিসেবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: D) তুর্কি
১. কেন সঠিক:
'উজবুক' একটি তুর্কি শব্দ যার প্রচলিত অর্থ নির্বোধ, বোকা বা হদ্দ। বাংলা ভাষায় তুর্কি শব্দগুলোর মধ্যে এটি বেশ পরিচিত এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি শব্দের উৎস বা শব্দের শ্রেণিবিভাগ সংক্রান্ত ব্যাকরণগত প্রশ্ন। বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত বিদেশি শব্দগুলোর মধ্যে তুর্কি শব্দগুলো প্রশাসনিক ও সামরিক জীবনের সঙ্গে সম্পর্কিত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দারোগা
ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল প্রচলিত তুর্কি শব্দ যা বাংলা ভাষায় প্রশাসনিক অর্থে ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: চাকর
ব্যাখ্যা: এটিও একটি তুর্কি শব্দ যা কাজের লোক বোঝাতে বাংলা ভাষায় গৃহীত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আরবি — আরবি ভাষা থেকে বাংলায় ধর্ম, প্রশাসন ও সংস্কৃতির বহু শব্দ এলেও 'উজবুক' আরবি শব্দ নয়।
B) ফারসি — ফারসি ভাষা থেকে অনেক কাব্যিক ও দাপ্তরিক শব্দ এলেও 'উজবুক' ফারসি শব্দ নয়।
C) পর্তুগিজ — পর্তুগিজ ভাষা থেকে সামুদ্রিক, খাদ্য ও দৈনন্দিন ব্যবহারের শব্দ এলেও এটি পর্তুগিজ শব্দ নয়।
D) তুর্কি — এটি সঠিক অপশন এবং তুর্কি ভাষা থেকেই শব্দটি বাংলা ভাষায় এসেছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
তুর্কি শব্দ মনে রাখার কৌশল হিসেবে মনে রাখতে পারো তুর্কি বাবুর্চি দারোগাকে কোপ দিল। এই বাক্যের সঙ্গে 'উজবুক' শব্দটি যুক্ত করে মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ (তুর্কি, পর্তুগিজ, আরবি, ফারসি) থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। শব্দের উৎস নির্ণয়ের সময় তুর্কি শব্দের তালিকা আলাদা করে মুখস্থ রাখা বুদ্ধিমানের কাজ।
সঠিক উত্তর: A) মোসাহেব
১. কেন সঠিক:
- ‘ঢাকের কাঠি’ একটি জনপ্রিয় বাংলা বাগধারা যার আক্ষরিক অর্থ পূজামণ্ডপে বাজানোর ঢাকের কাঠি হলেও ভাবার্থ বা প্রবচনের দিক থেকে এর অর্থ মোসাহেব বা তোষামোদকারী।
- যে ব্যক্তি নিজের স্বার্থে বা লাভের আশায় সবসময় অন্য প্রভাবশালী ব্যক্তির অন্ধানুকরণ বা চাটুকারিতা করে তাকেই এই বাগধারা দ্বারা বোঝানো হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দগুচ্ছ বা পদসমষ্টি যা আক্ষরিক অর্থের বাইরে একটি বিশেষ ও সুনির্দিষ্ট ভাব প্রকাশ করে।
- বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে উপমা, রূপক বা লোকজ প্রথার ওপর ভিত্তি করে শত শত বাগধারা গড়ে উঠেছে যা ভাষার সৌন্দর্য ও প্রকাশভঙ্গি বৃদ্ধি করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ক্ষমতা পাওয়ার পর থেকেই সে মন্ত্রীর ঢাকের কাঠি হয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে মোসাহেব বা তোষামোদকারী অর্থে ঢাকের কাঠি বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: নিজের কোনো মতামত নেই, সাহেবের সব কথাতেই তিনি ঢাকের কাঠির মতো সায় দেন।
ব্যাখ্যা: অন্ধানুকরণকারী বা তোষামোদকারী বোঝাতে এখানে বাগধারাটির সঠিক প্রয়োগ দেখানো হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মোসাহেব — এটি সঠিক উত্তর কারণ ঢাকের কাঠি বাগধারাটির প্রমিত ও প্রচলিত অর্থ তোষামোদকারী বা চাটুকার।
B) কপট ব্যক্তি — এই অপশনটি ভুল কারণ কপট ব্যক্তির জন্য ‘গোমুখ্য স্বর’ বা ‘বিড়াল তপস্বী’ বাগধারা ব্যবহার করা হয়।
C) হতভাগ্য — এই অপশনটি ভুল কারণ হতভাগ্য বোঝাতে ‘অভাগার স্বর্গ’ বা ‘শাঁখের করাত’ জাতীয় বাগধারা ব্যবহৃত হয়।
D) নিষ্ঠুর ব্যক্তি — এই অপশনটি ভুল কারণ নিষ্ঠুর বা হৃদয়হীন বোঝাতে ‘পাথরে পাঁচকিল’ বা ‘ডুমুরের ফুল’ নয় বরং অন্য বাগধারা প্রযোজ্য।
৫. মনে রাখার টিপস:
- পূজায় ঢাক যেমন অনবরত বাজাতে হয়, তেমনি মোসাহেব ব্যক্তিরাও সবসময় কর্তার পিছে পিছে থেকে তোষামোদ করতে থাকে। এভাবে ঢাকের কাঠি আর মোসাহেব বিষয়টি মনে রাখতে পারেন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শরীরের অঙ্গ বা বাদ্যযন্ত্র সংশ্লিষ্ট বাগধারাগুলো প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
- আক্ষরিক অর্থের চেয়ে বাগধারার প্রচলিত ভাবার্থ কী তা মনে রাখলেই সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: B) মদনমোহন তর্কালঙ্কার
১. কেন সঠিক:
- প্রশ্নোক্ত চরণদ্বয় বাংলা শিশুসাহিত্যের অন্যতম আদি ও জনপ্রিয় পাঠ্য ‘শিশুপাঠ’ গ্রন্থের অংশ।
- লেখক মদনমোহন তর্কালঙ্কার শিক্ষার্থীদের নৈতিক শিক্ষা ও সততা অর্জনের জন্য এই পঙ্ক্তিগুলো রচনা করেছেন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মদনমোহন তর্কালঙ্কার ছিলেন উনিশ শতকের গোড়ার দিকের একজন প্রখ্যাত বাঙালি শিক্ষাবিদ, কবি ও সাহিত্যিক।
- তিনি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের বন্ধু এবং সংস্কৃত কলেজের অধ্যাপক হিসেবে বাংলা শিক্ষা বিস্তারে অসামান্য অবদান রেখেছিলেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পাখি সব পাখি রবে রাতি পোহাইল।
ব্যাখ্যা: এটি মদনমোহন তর্কালঙ্কারের লেখা ‘প্রভাতবর্ণন’ কবিতার একটি বিখ্যাত চরণ যা শিশুপাঠ বইয়ে অন্তর্ভুক্ত ছিল।
উদাহরণ ২: আলসে অলস নয়, কাজে মন দাও।
ব্যাখ্যা: মদনমোহন তর্কালঙ্কারের কবিতায় শিক্ষার্থীদের অলসতা ত্যাগ করে ভালো পথে চলার উপদেশ দেওয়া হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার — ইনি বিখ্যাত নীতিমূলক শতক কাব্য ‘সদ্ভাবশতক’-এর রচয়িতা হলেও আলোচ্য পঙ্ক্তিগুলো তাঁর লেখা নয়।
B) মদনমোহন তর্কালঙ্কার — এই অপশনটি সঠিক এবং তাঁর রচিত শিশুপাঠ গ্রন্থ থেকে এই চরণদ্বয় নেওয়া হয়েছে।
C) কুসুমকুমারী দাশ — ইনি প্রখ্যাত কবি জীবনানন্দ দাশের মাতা এবং ‘আদর্শ ছেলে’ কবিতার রচয়িতা হলেও এই চরণের লেখক নন।
D) কামিনী রায় — ইনি বাংলা সাহিত্যের প্রথম স্বশিক্ষিত নারী কবি এবং ‘অশোকসঙ্গীত’ তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্য হলেও এই পঙ্ক্তি তাঁর নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- শিশুদের নৈতিক শিক্ষার বিখ্যাত লাইন ‘সকালে উঠিয়া আমি মনে মনে বলি’ দেখলে চোখ বুজে মদনমোহন তর্কালঙ্কারের নাম মনে রাখবে।
- মদনমোহন তর্কালঙ্কার মানেই শিশুদের জন্য লেখা নীতিশিক্ষা মূলক প্রাথমিক পাঠ্যবই শিশুপাঠ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের নৈতিক শিক্ষার পঙ্ক্তি কার লেখা, তা প্রায়ই আসে।
- মদনমোহন তর্কালঙ্কারের ‘শিশুপাঠ’ বইটি ১৮৪৯ সালে প্রকাশিত হয়েছিল যা বাংলা শিশুসাহিত্যের ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: C) বোবাকাহিনী
১. কেন সঠিক:
পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের একমাত্র ও শেষ উপন্যাস হলো বোবাকাহিনী।
এই উপন্যাসে গ্রামীণ জনপদের সহজ-সরল মানুষের জীবনযাত্রা এবং একটি বোবা প্রাণীর প্রতি মানুষের মমত্ববোধ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
পল্লীকবি জসীমউদ্দীন বিংশ শতাব্দীর প্রথমাঞ্চলের একজন প্রখ্যাত বাঙালি কবি ও সাহিত্যিক।
তার রচিত বোবাকাহিনী উপন্যাসটি প্রকাশিত হয় ১৯৬৮ সালে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রাখালী
ব্যাখ্যা: এটি জসীমউদ্দীনের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ যা ১৯২৭ সালে প্রকাশিত হয়।
উদাহরণ ২: নকশী কাথার মাঠ
ব্যাখ্যা: এটি জসীমউদ্দীনের একটি বিখ্যাত ও জনপ্রিয় কাহিনীকাব্য যা ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পল্লীবধূ — এটি জসীমউদ্দীনের কোনো উপন্যাস নয়, এটি তার একটি বিখ্যাত কবিতা যা সোজন বাদিয়ার ঘাটে বা অন্যান্য সংকলনে আলোচিত হয়।
B) রাখালী — এটি জসীমউদ্দীনের লেখা কোনো উপন্যাস নয়, এটি তার প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ।
C) বোবাকাহিনী — এটি সঠিক উত্তর এবং জসীমউদ্দীনের একমাত্র উপন্যাস।
D) পদ্মাপাড় — এটি জসীমউদ্দীনের কোনো মৌলিক উপন্যাস নয়, এটি তার অন্য কোনো সাহিত্যকর্ম বা অপন্যাসিক নাম নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
জসীমউদ্দীনের একমাত্র উপন্যাস মনে রাখার জন্য ব অক্ষরটি মনে রাখতে পারেন কারণ বোবাকাহিনী উপন্যাসের শুরু ব দিয়ে।
কাব্যগ্রন্থ ও উপন্যাসের পার্থক্য মনে রাখলে পরীক্ষার হলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
জসীমউদ্দীন মূলত পল্লীকবি হিসেবে পরিচিত হলেও তিনি সফলভাবে কাব্য, নাটক ও উপন্যাস রচনা করেছেন।
একই ধরনের প্রশ্নে লেখকের একমাত্র বা ব্যতিক্রমধর্মী রচনাগুলো পরীক্ষক বেশি দিয়ে থাকেন।
সঠিক উত্তর: A) সঞ্চিতা
১. কেন সঠিক:
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম তার বিখ্যাত কবিতা সংকলন 'সঞ্চিতা' গ্রন্থটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে উৎসর্গ করেছিলেন।
উৎসর্গপত্রে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতি নজরুল তার গভীর শ্রদ্ধা ও প্রীতি নিবেদন করেছিলেন, যা বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এক অনন্য মাইলফলক।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এই প্রশ্নটি লেখক ও সাহিত্যকর্মের বিভাগভুক্ত। 'সঞ্চিতা' হলো কাজী নজরুল ইসলামের শ্রেষ্ঠ কবিতাগুলোর একটি সংকলন যা ১৯২৫ সালে প্রকাশিত হয়।
এই গ্রন্থে নজরুলের বিদ্রোহী ও দ্রোহের কবিতার পাশাপাশি সাম্যবাদী ও প্রেমের গভীর ভাব প্রকাশ পেয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'সঞ্চয়িতা' কাব্যগ্রন্থটি নজরুলের নামে নয়, এটি রবীন্দ্রনাথের নিজের কবিতার সংকলন।
ব্যাখ্যা: সঞ্চিতা এবং সঞ্চয়িতা দুটি ভিন্ন গ্রন্থ এবং দুজনের নামের মিল থাকায় পরীক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায়ই বিভ্রান্তি তৈরি হয়।
উদাহরণ ২: কাজী নজরুল ইসলামের 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থটি বিপ্লবী দ্বিজেন সেনগুপ্তকে উৎসর্গ করা হয়েছিল।
ব্যাখ্যা: উৎসর্গকরণের ক্ষেত্রে কোন গ্রন্থ কাকে উৎসর্গ করা হয়েছে তা মনে রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সঞ্চিতা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই কবিতা সংকলনটিই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে উৎসর্গ করা হয়েছিল।
B) সিন্ধু হিন্দোল — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যার উৎসর্গ ভিন্ন প্রেক্ষাপটের।
C) যুগবাণী — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত প্রবন্ধ গ্রন্থ যা সমসাময়িক রাজনৈতিক ও সামাজিক সংকট নিয়ে রচিত।
D) অগ্নিবীণা — এটি নজরুলের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ যা বারীন্দ্রকুমার ঘোষকে উৎসর্গ করা হয়েছিল।
৫. মনে রাখার টিপস:
নজরুলের 'সঞ্চিতা' উৎসর্গ রবীন্দ্রনাথকে আর রবীন্দ্রনাথের 'সঞ্চয়িতা' হলো তার নিজের কবিতা সংকলন।
নামের সামান্য পার্থক্য মনে রাখলেই পরীক্ষার হলে সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সহজ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় গ্রন্থ এবং তার উৎসর্গ বা প্রকাশের সাল প্রায়ই আসে।
নজরুলের প্রথম কাব্যগ্রন্থ অগ্নিবীণা এবং তার উৎসর্গ সম্পর্কেও ভালোভাবে জেনে রাখা উচিত।
সঠিক উত্তর: C) মঙ্গল কাব্যের
১. কেন সঠিক:
- ‘নগর পুড়িলে দেবালয় কি এড়ায়?’ এটি একটি বিখ্যাত বাংলা প্রবাদ ও প্রবচনমূলক পঙ্ক্তি, যা মধ্যযুগের মঙ্গল কাব্য ধারার বিভিন্ন কাব্যে ব্যবহৃত হয়েছে।
- এর মূল অর্থ হলো বড় কোনো বিপদ বা মহামারি দেখা দিলে ভালো বা গুরুত্বপূর্ণ মানুষও তার আঘাত থেকে রক্ষা পায় না।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মঙ্গল কাব্য হলো মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি বিশেষ ধারা, যা দেবদেবীর মাহাত্ম্য প্রচারের উদ্দেশ্যে রচিত হয়েছিল।
- মনসামঙ্গল, চণ্ডীমঙ্গল ও ধর্মমঙ্গল কাব্য ধারায় এই জাতীয় প্রবাদ ও সামাজিক চিত্রের বহু ব্যবহার দেখা যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চণ্ডীমঙ্গল কাব্য
ব্যাখ্যা: এটি মুকুন্দরাম চক্রবর্তী রচিত মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মঙ্গল কাব্য, যেখানে সমাজের নানা চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
উদাহরণ ২: মনসামঙ্গল কাব্য
ব্যাখ্যা: এটি নাগদেবী মনসার পূজা প্রচারের উদ্দেশ্যে রচিত মঙ্গল কাব্য, যার বিভিন্ন পঙ্ক্তিতে লৌকিক প্রবাদের প্রভাব রয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পদ্মাবতী কাব্যের — এটি সৈয়দ আলাওল রচিত মধ্যযুগের রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার কাব্য, মঙ্গল কাব্য ধারার অন্তর্ভুক্ত নয়।
B) শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের — এটি বড়ু চণ্ডীদাস রচিত রাধা-কৃষ্ণের প্রেমভিত্তিক শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য, যা মঙ্গল কাব্যের বহু পরে আবিষ্কৃত হয়েছে।
C) মঙ্গল কাব্যের — এই অপশনটি সঠিক কারণ উদ্ধৃতিটি মঙ্গল কাব্য ধারার লৌকিক প্রবাদ ও রচনার সঙ্গে সম্পৃক্ত।
D) চর্যাপদের — এটি বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন ও বৌদ্ধ সহজিয়া সাহিত্যের নিদর্শন, মঙ্গল কাব্য ধারার অনেক পরের সৃষ্টি।
৫. মনে রাখার টিপস:
- দেবালয় বা দেবতার মন্দিরের কথা থাকলে এবং তা বড় বিপদের সঙ্গে তুলনা করা হলে চোখ বন্ধ করে মঙ্গল কাব্য বা লৌকিক প্রবাদ হিসেবে চিহ্নিত করবে।
- মধ্যযুগের দেবদেবী কেন্দ্রিক কাব্যে সমাজের বাস্তব চিত্র তুলে ধরতে এমন প্রবাদ ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হতো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মধ্যযুগের কাব্যের বিখ্যাত পঙ্ক্তি ও তার উৎস প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়।
- প্রবাদমূলক পঙ্ক্তিগুলো কোন সাহিত্য ধারার অন্তর্ভুক্ত, তা ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) সম্+যম
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরের মূল কারণ হলো এটি ব্যঞ্জনসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম অনুযায়ী সাধিত হয়েছে।
- ম-কার কিংবা ম-এর পর অন্তস্থ বর্ণ (য, র, ল, ব) বা উষ্ম বর্ণ (শ, ষ, স, হ) থাকলে ম-এর স্থানে অনুস্বার (ং) হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী পদমধ্যস্থিত ম-এর পরে অন্তস্থ ধ্বনি থাকলে ম স্থানে অনুস্বার হয় অথবা সম্ যোগ যম মিলে সংযম হয়।
- বিসর্গ বা পদের অন্তস্থিত ম-কার যখন য-কারের সংস্পর্শে আসে, তখন হসন্তযুক্ত ম-কার এবং য মিলে এই বিশেষ সন্ধি গঠিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সম্+যোগ = সংযোগ
ব্যাখ্যা: ম-এর পরে অন্তস্থ জ থাকার কারণে ম-এর স্থানে অনুস্বার হয়ে সংযোগ গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: সম্+রক্ষণ = সংরক্ষণ
ব্যাখ্যা: ম-এর পরে র থাকার কারণে ম স্থানে অনুস্বার যুক্ত হয়ে সংরক্ষণ শব্দটি তৈরি হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সং+যম — এখানে হসন্ত বা প্রমিত ব্যাকরণিক চিহ্ন ব্যবহার করা হয়নি যা সন্ধির নিয়ম অসম্পূর্ণ রাখে।
B) সং+যম — অপশনটি পুনরাবৃত্তিমূলক এবং ব্যাকরণগতভাবে হসন্তের সঠিক প্রয়োগ এখানে নেই।
C) সম+যম — এখানে ম-এর নিচে হসন্ত না থাকায় এটি ব্যঞ্জনসন্ধির প্রমিত নিয়মের সঙ্গে পুরোপুরি মেলে না।
D) সম্+যম — এটি সঠিক কারণ হসন্তযুক্ত সম্-এর সঙ্গে যম যুক্ত হয়ে প্রমিত নিয়ম মেনে সংযম গঠন করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ম-এর পরে য, র, ল, ব বা শ, ষ, স, হ থাকলে ম বদলে অনুস্বার হয় এবং হসন্ত দিতে হয়।
- সম্ এর সঙ্গে যখনই অন্তস্থ বর্ণ যুক্ত হবে, ম-এর নিচে হসন্তযুক্ত রূপটি মনে রাখতে হবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস বা ব্যাংক পরীক্ষায় ব্যঞ্জনসন্ধির এই নিয়মটি প্রায়ই বারবার আসে।
- হসন্তযুক্ত উপসর্গ যেমন সম্ ব্যবহারের মাধ্যমে এই ধরনের সন্ধি সহজে চেনা যায়।
সঠিক উত্তর: C) ওষধি
১. কেন সঠিক:
যে উদ্ভিদ একবার ফল দিয়ে বা পাকলে মারা যায়, তাকে এককথায় ওষধি বলে। এটি বাংলা ব্যাকরণের এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন অংশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশ বলতে বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করাকে বোঝায়। ওষধি শব্দটি এমন একটি বিশেষ উদ্ভিদকুলকে নির্দেশ করে যার জীবনচক্র ফল ধরার পরেই শেষ হয়ে যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ধানের গাছ হলো ওষধি জাতের উদ্ভিদ।
ব্যাখ্যা: ধান পেকে যাওয়ার পর গাছের জীবন শেষ হয়ে যায় এবং গাছ মারা যায়।
উদাহরণ ২: পাট একটি ওষধি উদ্ভিদ।
ব্যাখ্যা: পাট পেকে বীজ হওয়ার পর গাছটি মারা যায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঔষধী — এটি বানানগতভাবে ভুল রূপ কারণ বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এই অর্থে হ্রস্ব ই-কার ব্যবহার হয়।
B) ওষধী — এটিও একটি ভুল বানান এবং এর মধ্যষ ব্যবহারের কারণে ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়।
D) কোনটিই নয় — এই অপশনটি ভুল কারণ সি অপশনে সঠিক উত্তরটি স্পষ্টভাবে বিদ্যমান রয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
ফল পাকলে মরে যায় যা, তার বানানে হবে হ্রস্ব ই-কার অর্থাৎ ওষধি। ছোট উদ্ভিদের নাম বা জীবনকাল কম এমন গাছ বোঝাতে এই বানানটি মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ওষধি ও ঔষধী বানან সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। বানানের ক্ষেত্রে মনে রাখবে উদ্ভিদ অর্থে ওষধি এবং ওষুধ বা চিকিৎসাসংক্রান্ত অর্থে ঔষধি বা ওষুধ ব্যবহৃত হয়।
সঠিক উত্তর: A) অপাদানে ৭মী
১. কেন সঠিক:
- ঝিনুক থেকে মুক্তা পাওয়া যায়, যা উৎস, চ্যুতি বা উৎপন্ন অর্থে অপাদান কারক নির্দেশ করে।
- ঝিনুকে শব্দের সঙ্গে এ বিভক্তি যুক্ত হয়েছে, যা সপ্তমী বিভক্তির রূপ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, গৃহিত, উৎপন্ন, রক্ষিত বা ভিত হয়, তাকে অপাদান কারক বলে।
- শব্দ বা পদের সঙ্গে এ বা তে বিভক্তি যুক্ত হলে তা সপ্তমী বিভক্তি হিসেবে গণ্য হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গাছ থেকে পাতা পড়ে।
ব্যাখ্যা: এটি অপাদান কারকে পঞ্চমী বিভক্তি, কারণ এখানে পাতা গাছ থেকে চ্যুতি বোঝাচ্ছে।
উদাহরণ ২: জমি থেকে ফসল পায়।
ব্যাখ্যা: এটি অপাদান কারকে সপ্তমী বিভক্তি, কারণ জমি থেকে ফসল উৎপন্ন বা প্রাপ্তি বোঝাচ্ছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অপাদানে ৭মী — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে ঝিনুক থেকে মুক্তা উৎপন্ন হওয়ার উৎস বোঝাচ্ছে এবং এ বিভক্তি সপ্তমী নির্দেশ করে।
B) অধিকরণে ৭মী — অধিকরণ কারক স্থান বা সময় বোঝায়, কিন্তু এখানে স্থান বা সময় বোঝাচ্ছে না বরং উৎস বোঝাচ্ছে।
C) কর্তায় ৭মী — কর্তা নিজে কাজ সম্পন্ন করলে কর্তা কারক হয়, কিন্তু ঝিনুক এখানে কোনো কাজ করছে না।
D) কর্মে ৭মী — যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে তাকে কর্ম কারক বলে, কিন্তু এখানে মুক্তা উৎপাদন বা প্রাপ্তি মূল বিষয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- উৎস, জাত, উৎপন্ন বা চ্যুতি বুঝালে সবসময় অপাদান কারক হয়।
- এ বা তে বিভক্তি দেখলে সপ্তমী বিভক্তি ধরে নিতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- কারক নির্ণয়ের সময় বাক্যের ক্রিয়ার সঙ্গে কোথা থেকে বা কিসের থেকে প্রশ্ন করলে অপাদান কারক পাওয়া যায়।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উৎপন্ন বা প্রসূত অর্থে প্রায়ই অপাদান কারকের প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: C) কর্মধারয়
১. কেন সঠিক:
- ‘গণ্যমান্য’ শব্দটি কর্মধারয় সমাসের অন্তর্ভুক্ত কারণ এখানে বিশেষ্য ও বিশেষণ পদের মিলনে একটি নতুন পদ গঠিত হয়েছে এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়েছে।
- সমাসবাক্য বিশ্লেষণ করলে দাঁড়ায়, যিনি গণ্য তিনিই মান্য, অর্থাৎ একই সঙ্গে যিনি সম্মানিত এবং মর্যাদাবান তাকে বোঝাতে এই মধ্যপদলুপী বা সাধারণ কর্মধারয় সমাস ব্যবহার করা হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- যে সমাসে পরপদের অর্থ প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয় এবং পূর্বপদে বিশেষণ ও পরপদে বিশেষ্য অথবা উভয় পদে বিশেষ্য বা বিশেষণ পদ মিলে সমাস হয়, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে।
- ‘গণ্যমান্য’ শব্দটিতে গণ্য এবং মান্য দুটি সমার্থক বা কাছাকাছি অর্থের বিশেষণ পদ একত্রে বসে একটি বিশেষ ভাব প্রকাশ করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জজ সাহেব
ব্যাখ্যা: যিনি জজ তিনিই সাহেব, এটি কর্মধারয় সমাসের একটি সাধারণ উদাহরণ যেখানে দুটি পদই বিশেষ্য ও সমান পদমর্যাদার।
উদাহরণ ২: কাঁচামরিচ
ব্যাখ্যা: কাঁচা যে মরিচ, এটি কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ যেখানে পূর্বপদ বিশেষণ এবং পরপদ বিশেষ্য পদ হিসেবে যুক্ত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দ্বন্দ্ব — দ্বন্দ্ব সমাসে উভয় পদের অর্থ প্রধান থাকে এবং সংযোজক অব্যয় দ্বারা পদগুলো যুক্ত হয়, কিন্তু ‘গণ্যমান্য’ শব্দে কোনো সংযোজক অব্যয় নেই।
B) নিত্য — নিত্য সমাসে কোনো ব্যাসবাক্য হয় না এবং সমাসবদ্ধ পদের মাধ্যমেই অর্থ প্রকাশ পায়, কিন্তু ‘গণ্যমান্য’ শব্দের ব্যাসবাক্য করা যায়।
D) অব্যয়ীভাব — অব্যয়ীভাব সমাসে পূর্বপদে অব্যয় বসে এবং অব্যয়ের অর্থ প্রধান হয়, কিন্তু ‘গণ্যমান্য’ শব্দটিতে কোনো অব্যয় পদ পূর্বে বসে নেই।
৫ মনে রাখার টিপস:
- একই ব্যক্তি বা বস্তুর দুটি গুণ বা বৈশিষ্ট্য একসঙ্গে বোঝালে সাধারণত কর্মধারয় সমাস হয়।
- গণ্য ও মান্য দুটি গুণবাচক শব্দ পাশাপাশি বসে কর্মধারয় সমাস গঠন করেছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- কর্মধারয় সমাস চেনার সহজ উপায় হলো ব্যাসবাক্যে যিনি-তিনি, যা-তা বা যে ধরনের শব্দ ব্যবহার করা যায় কি না তা দেখা।
- একই নিয়মে বিজ্ঞব্যক্তি বা চালাকচতুর শব্দগুলোর সমাস নির্ণয় করা যায়।
সঠিক উত্তর: A) বিদুষী
১. কেন সঠিক:
- 'বিদ্বান' শব্দের অর্থ হলো জ্ঞানী বা পন্ডিত ব্যক্তি এবং এর সঠিক স্ত্রীবাচক রূপ হলো 'বিদুষী'।
- সংস্কৃত ব্যাকরণ ও প্রমিত বাংলা নিয়ম অনুযায়ী পুরুষবাচক শব্দের শেষে বিশেষ প্রত্যয় যোগ করে স্ত্রীবাচক শব্দ গঠন করা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণের লিঙ্গ পরিবর্তন নিয়মে কিছু তৎসম শব্দে পুরুষবাচক শব্দের শেষে 'ওয়ান' বা 'মান' থাকলে স্ত্রীবাচক করার সময় 'বতী' বা 'মতী' হয়, তবে কিছু ব্যতিক্রম শব্দে সম্পূর্ণ ভিন্ন রূপ হয়।
- 'বিদ্বান' একটি ব্যতিক্রমধর্মী তৎসম শব্দ যা স্ত্রীবাচক করার সময় 'বিদুষী' রূপে পরিবর্তিত হয় এবং এখানে বানান ও প্রত্যয়ের বিশেষ পরিবর্তন ঘটে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মহান
ব্যাখ্যা: 'মহান' শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ হলো 'মহীয়সী', যা ব্যাকরণের বিশেষ নিয়মে সাধিত হয়।
উদাহরণ ২: গরীয়ান
ব্যাখ্যা: 'গরীয়ান' শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ হলো 'গরীয়সী', যা 'বিদ্বান' শব্দের মতো একই নিয়মের অন্তর্ভুক্ত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিদুষী — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি প্রমিত ও ব্যাকরণসম্মত স্ত্রীবাচক রূপ।
B) বিদূষী — এই অপশনে দীর্ঘ ঊ-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা বানানরীতি অনুযায়ী ভুল।
C) বিদ্বানী — এটি একটি অপ্রমিত ও ব্যাকরণগতভাবে ভুল শব্দ গঠন।
D) বিদুষিণী — এখানে অতিরিক্ত 'ণী' প্রত্যয় যুক্ত করা হয়েছে যা এই শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বিদ্বান শব্দের শেষে স্ত্রীবাচক করার সময় বিদুষী হবে এবং বানানে সবসময় হ্রস্ব উ-কার ব্যবহার করতে হবে।
- ব্যতিক্রমধর্মী তৎসম স্ত্রীবাচক শব্দগুলো আলাদাভাবে তালিকা করে চর্চা করলে পরীক্ষাসমূহ সহজে উত্তর করা সম্ভব।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের ব্যতিক্রম লিঙ্গ পরিবর্তন থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- বিদ্বান থেকে বিদুষী, গরীয়ান থেকে গরীয়সী এবং মহান থেকে মহীয়সী এই তিনটি শব্দ পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: B) বিমূর্ত
১. কেন সঠিক:
'মূর্ত' শব্দের অর্থ যার রূপ বা অবয়ব আছে, অর্থাৎ দৃশ্যমান বা ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য। এর বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে 'বিমূর্ত' শব্দটি ব্যবহৃত হয়, যার অর্থ যার কোনো রূপ বা অবয়ব নেই, অর্থাৎ অদৃশ্য বা কেবল অনুভবের বিষয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে বিপরীতার্থক শব্দ গঠনে উপসর্গ একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এখানে 'মূর্ত' শব্দের পূর্বে 'বি' উপসর্গ যুক্ত করে বিপরীতার্থক শব্দ 'বিমূর্ত' গঠন করা হয়েছে। এটি শব্দমূলের অর্থের পরিবর্তন ঘটিয়ে সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ প্রকাশ করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দৃশ্যমান জগতটি মূর্ত এবং মানুষের চিন্তা বা চেতনা হলো বিমূর্ত।
ব্যাখ্যা: দৃশ্যমান বস্তুকে মূর্ত এবং অদৃশ্য ধারণাকে বিমূর্ত হিসেবে বোঝাতে এই শব্দ দুটি ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: মূর্ত ধারণা সহজেই বোঝা যায়, কিন্তু বিমূর্ত ধারণা বুঝতে গভীর কল্পনার প্রয়োজন হয়।
ব্যাখ্যা: বাস্তব ও কাল্পনিক ধারণার পার্থক্য বোঝাতে শব্দ দুটির সঠিক প্রয়োগ দেখানো হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আমূর্ত — এই শব্দটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক বিপরীত শব্দ হিসেবে প্রমিত বাংলায় প্রচলিত নয়।
B) বিমূর্ত — এটি মূর্ত শব্দের সঠিক ও প্রমিত বিপরীতার্থক শব্দ।
C) প্রমূর্ত — এই শব্দটি মূর্ত শব্দের বিপরীতার্থক হিসেবে গ্রহণযোগ্য বা প্রচলিত নয়।
D) স্বতঃস্ফূর্ত — এর অর্থ যা নিজে থেকেই স্ফূর্ত বা উদ্দীপ্ত হয়, তাই এটি মূর্ত শব্দের বিপরীত শব্দ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
মূর্ত মানে রূপযুক্ত এবং বিমূর্ত মানে রূপহীন। ম মূর্ত এবং ব বিমূর্ত এভাবে মনে রাখতে পারেন যে রূপের উপস্থিতি ও অনুপস্থিতি এই শব্দদ্বয়কে বিপরীত করেছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিপরীত শব্দ নির্বাচনে উপসর্গের প্রভাব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। উপসর্গ যুক্ত করে বা না করে কীভাবে বিপরীত শব্দ গঠিত হয়, তা খেয়াল রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) বাঁধ
১. কেন সঠিক:
- ‘জাঙ্গাল’ শব্দটির অর্থ সাধারণত উঁচু জমি, আইল বা বাঁধ বোঝায়। জলপ্রবাহ আটকাতে বা পথ চলার সুবিধার জন্য মাটির তৈরি উঁচু পথ বা বাঁধকে জাঙ্গাল বলা হয়।
- সমার্থক শব্দ বা শব্দের উৎস নির্ধারণের ক্ষেত্রে এই শব্দটি গ্রামীণ জনপদ ও জলাভূমি এলাকার পরিভাষায় বিশেষভাবে ব্যবহৃত হয়।
২. শব্দের উৎস ও অর্থ:
- এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত দেশি শব্দ যা আঞ্চলিক ও প্রমিত উভয় রূপেই ব্যবহৃত হয়।
- নদী বা খালের দুই তীরে কিংবা জমির আইলে মাটি উঁচু করে যে বাঁধ তৈরি করা হয়, তাকে জাঙ্গাল বলা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বর্ষার পানিতে তলিয়ে যাওয়া জমির মাঝখান দিয়ে মেঠো জাঙ্গাল ধরে আমরা হেঁটে চললাম।
ব্যাখ্যা: এখানে জাঙ্গাল বলতে পানির ওপর দিয়ে চলাচলের উঁচু মাটির পথ বা আইলকে বোঝানো হয়েছে।
উদাহরণ ২: হাওড় অঞ্চলের মানুষের যাতায়াতের জন্য এই জাঙ্গালটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ব্যাখ্যা: জলমগ্ন এলাকায় যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে উঁচু বাঁধ বা জাঙ্গালের কার্যকারিতা প্রকাশ পেয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) স্তম্ভ — স্তম্ভ অর্থ খুঁটি বা পিলার, যা জাঙ্গাল বা বাঁধের সমার্থক শব্দ নয়।
B) আবর্জনা — আবর্জনা অর্থ ময়লা বা নোংরা বস্তু, যা এই শব্দের সঙ্গে কোনোভাবেই মেলে না।
C) বাঁধ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।
D) জঙ্গল — জঙ্গল অর্থ বন বা ঘন গাছপালার স্থান, যা ধ্বনিগত মিল থাকলেও অর্থের দিক থেকে সম্পূর্ণ আলাদা।
৫ মনে রাখার টিপস:
- জাঙ্গাল শব্দের সঙ্গে বাঁধ বা আইলের সম্পর্ক মনে রাখতে জলমগ্ন অঞ্চলের উঁচু মাটির পথের কথা স্মরণ করতে পারো।
- ধ্বনিগত মিল থাকলেও জঙ্গল এবং জাঙ্গাল শব্দের অর্থ সম্পূর্ণ ভিন্ন, তাই পরীক্ষার হলে বানান ও অর্থ সতর্কতার সাথে খেয়াল করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আঞ্চলিক ও শব্দের অর্থভিত্তিক প্রশ্ন আসে, যেখানে বানানিক মিল থাকা ভিন্নার্থক শব্দ দিয়ে বিভ্রান্ত করা হয়।
- শব্দের মূল অর্থ অনুধাবন করতে বাক্যপ্রয়োগের অভ্যাস করলে সঠিক উত্তর নির্বাচন সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: B) ফুল
১. কেন সঠিক:
যে শব্দকে ভাঙলে বা বিশ্লেষণ করলে আর কোনো অর্থপূর্ণ অংশ পাওয়া যায় না এবং যা অন্য কোনো শব্দের সাহায্য ছাড়াই নিজে স্বাধীনভাবে অর্থ প্রকাশ করে, তাকে মৌলিক শব্দ বলে। 'ফুল' শব্দটিকে বিশ্লেষণ করা যায় না এবং এটি একটি স্বাধীন শব্দ, তাই এটি মৌলিক শব্দ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
উৎসের দিক থেকে বাংলা ভাষার শব্দকে প্রধানত পাঁচ ভাগে ভাগ করা হয়। এর মধ্যে গঠন বা অর্থ প্রকাশের দিক থেকে শব্দকে মৌলিক ও সাধিত এই দুই ভাগে ভাগ করা হয়। মৌলিক শব্দের ক্ষেত্রে প্রকৃতি ও প্রত্যয় বা সন্ধি-সমাসের সাহায্য ছাড়াই শব্দটি সরাসরি ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নাক
ব্যাখ্যা: নাক শব্দটিকে ভাঙলে কোনো অর্থপূর্ণ অংশ পাওয়া যায় না, তাই এটি একটি মৌলিক শব্দ।
উদাহরণ ২: হাত
ব্যাখ্যা: হাত শব্দটিও স্বাধীনভাবে অর্থ প্রকাশ করে এবং একে বিশ্লেষণ করা যায় না, তাই এটি মৌলিক শব্দ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঢাকা — এটি একটি সাধিত বা প্রচলিত স্থানবাচক বিশেষ্য পদ, যা প্রাকৃতিকভাবে বা ঐতিহাসিকভাবে গঠিত হয়েছে কিন্তু ব্যাকরণগত উৎস বিচারে এটি একটি নির্দিষ্ট নাম।
C) ডিঙা — এটি একটি দেশি শব্দ, যা কোনো বিশেষ উৎস থেকে সরাসরি বাংলা ভাষায় এসেছে।
D) তেল — এটি একটি মৌলিক শব্দ মনে হলেও, প্রাকৃত ভাষার মাধ্যমে আসা শব্দ হিসেবে এর গঠনপ্রকৃতি ভিন্ন এবং এটি এই প্রশ্নের নির্ধারিত অপশন অনুযায়ী সঠিক উত্তরের সঙ্গে মেলে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
যেসব ছোট ছোট শব্দকে আর ভাঙা যায় না এবং যা সরাসরি কোনো বস্তু বা গুণের নাম বোঝায়, সেগুলোকে সাধারণত মৌলিক শব্দ হিসেবে ধরে নেবে। হাত, নাক, ফুল, বই ইত্যাদি খুবই পরিচিত মৌলিক শব্দ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মৌলিক ও সাধিত শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। সাধিত শব্দ চেনার জন্য মনে রাখবে যেগুলোতে উপসর্গ, প্রত্যয় বা সমাস যুক্ত থাকে, যেমন: চলন্ত, সমাজবদ্ধ শব্দ ইত্যাদি।
সঠিক উত্তর: C) তৎসম
১. কেন সঠিক:
- ‘গণপ্রজাতন্ত্রী’ শব্দটি সংস্কৃত ভাষা থেকে কোনো পরিবর্তন ছাড়াই সরাসরি বাংলা ভাষায় এসেছে।
- উৎসগতভাবে সংস্কৃত শব্দ অবিকৃতভাবে বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হলে তাকে তৎসম শব্দ বলে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- যে শব্দগুলো সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে এবং যাদের রূপ অপরিবর্তিত রয়েছে, সেগুলোকে তৎসম শব্দ বলে।
- তৎসম শব্দের অর্থ তার সমান বা সংস্কৃতের সমান।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চন্দ্র
ব্যাখ্যা: এটি সংস্কৃত ভাষা থেকে অপরিবর্তিতভাবে বাংলায় এসেছে এবং এটি একটি তৎসম শব্দ।
উদাহরণ ২: সূর্য
ব্যাখ্যা: এই শব্দটি সংস্কৃত ভাষা থেকে সরাসরি এসেছে বলে এটি তৎসম শব্দের অন্তর্ভুক্ত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দেশি — এই অপশনটি ভুল কারণ শব্দটি আদি অস্ট্রিক বা দেশীয় কোনো আঞ্চলিক ভাষা থেকে আসেনি, বরং সংস্কৃত থেকে এসেছে।
B) বিদেশি — এই অপশনটি ভুল কারণ শব্দটি আরবি, ফার্সি বা ইংরেজি ভাষা থেকে বাংলায় প্রবেশ করেনি।
D) তদ্ভব — এই অপশনটি ভুল কারণ শব্দটির রূপ পরিবর্তিত হয়ে প্রাকৃতের মাধ্যমে আসেনি, বরং অবিকৃত রয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- প্রাতিষ্ঠানিক, প্রশাসনিক ও সংবিধানসংক্রান্ত অধিকাংশ জটিল ও সাধু ভাবগম্ভীর শব্দই সাধারণত তৎসম শব্দ হয়ে থাকে।
- শব্দের বানান ও উচ্চারণ যদি সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়মে চলে, তবে তা তৎসম শব্দ হিসেবে চিহ্নিত করতে হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সরকারি চাকরির পরীক্ষায় সংবিধানের নাম বা প্রাতিষ্ঠানিক পদের শব্দ উৎস প্রায়ই আসে।
- উৎসভিত্তিক শব্দ নির্ণয়ের সময় শব্দের রূপ পরিবর্তনের ইতিহাস লক্ষ্য করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) মুমূর্ষু
১. কেন সঠিক:
মুমূর্ষু শব্দের সঠিক বানান হলো ম-এ হ্রস্ব উ, ম-এ দীর্ঘ উ, র-এ রেফ ও মূর্ধন্য ষ-এ হ্রস্ব উ। এটি বাংলা বানানরীতির একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম যা প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী সমাসবদ্ধ বা তদ্ভব শব্দের ক্ষেত্রে হ্রস্ব ই এবং হ্রস্ব উ ব্যবহার করার নিয়ম রয়েছে। মুমূর্ষু শব্দের অর্থ যা মরতে বসেছে বা মরণাপন্ন, এবং এর গঠন প্রক্রিয়াটি ব্যাকরণের নিয়মানুযায়ী নির্ধারিত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মুমূর্ষু রোগী
ব্যাখ্যা: এই শব্দ গুচ্ছটিতে মুমূর্ষু বানানটি সঠিক এবং এটি মরণাপন্ন বোঝাতে ব্যবহার করা হয়।
উদাহরণ ২: শুশ্রূষা
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও বানરরীতির বিশেষ নিয়ম অনুসরণ করা হয়েছে যা শুদ্ধ বানানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মুমূর্ষু — এই অপশনটি সঠিক কারণ এতে বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি সঠিকভাবে অনুসৃত হয়েছে।
B) মুমুর্ষু — এই অপশনটি ভুল কারণ এর প্রথম উ-কার ও দ্বিতীয় উ-কারের বিন্যাস সঠিক নয়।
C) মুমুষু — এই অপশনটি ভুল কারণ এতে রেফ এবং সঠিক উ-কার ও ষ-এর ব্যবহার ভুল রয়েছে।
D) মুমূর্ষু — এই অপশনটি প্রদত্ত সঠিক উত্তরের অনুরূপ এবং এটিও গঠনগতভাবে সঠিক বানান।
৫. মনে রাখার টিপস:
মুমূর্ষু বানানটি মনে রাখার সহজ কৌশল হলো প্রথম ম-এ হ্রস্ব উ, দ্বিতীয় ম-এ দীর্ঘ উ এবং ষ-এ হ্রস্ব উ ব্যবহার করা। অর্থাৎ হ্রস্ব উ, দীর্ঘ উ, হ্রস্ব উ এই ক্রমটি মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি বারবার আসে কারণ পরীক্ষার্থীরা প্রায়ই হ্রস্ব উ এবং দীর্ঘ উ এর ব্যবহারে ভুল করে। বানররীতির এই ব্যতিক্রমী শব্দগুলোর তালিকা আলাদা করে মুখস্থ রাখা পরীক্ষার জন্য খুবই উপকারী।
সঠিক উত্তর: C) to keep calm
কেন সঠিক:
- এই ইডিয়মটির অর্থ হলো কঠিন বা বিপদের পরিস্থিতিতেও মাথা ঠান্ডা রাখা বা শান্ত থাকা।
- প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এই ধারণার সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) to save oneself — এর অর্থ নিজেকে রক্ষা করা, যা সরাসরি মাথা ঠান্ডা রাখার সমার্থক নয়।
B) to be self respectful — এর অর্থ আত্মসম্মানী হওয়া, যা এই ইডিয়ামের অর্থের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
C) to keep calm — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ শান্ত থাকা যা মূল ইডিয়ামের অর্থ প্রকাশ করে।
D) none of these — এটি ভুল কারণ অপশন সি সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
মাথা (Head) ঠান্ডা রাখা মানেই শান্ত থাকা (Keep calm)।
সঠিক উত্তর: D) eldest
কেন সঠিক:
- একই পরিবারের বা রক্তের সম্পর্কের ভাই-বোনদের মধ্যে জ্যেষ্ঠ বা সবার বড় বোঝাতে superlative degree হিসেবে eldest ব্যবহৃত হয়।
- এখানে শূন্যস্থানের পর of the brother উল্লেখ থাকায় পরিবারভুক্ত সদস্যদের বোঝানো হয়েছে, তাই eldest সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) elder — এটি তুলনামূলক ছোট ভাই বা বোনের ক্ষেত্রে comparative degree হিসেবে এবং সাধারণত দুইজনের মধ্যে তুলনা করতে ব্যবহৃত হয়।
B) old — এটি Positive degree এবং এখানে পদের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ কোনো তুলনামূলক বা superlative রূপ নয়।
C) oldest — এটি বস্তুর ক্ষেত্রে বা একই পরিবারের রক্ত সম্পর্কের বাইরের সবার চেয়ে বয়স্ক বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
রক্তের সম্পর্কের ভাই-বোনের ক্ষেত্রে eldest এবং বাইরের লোক বা বস্তুর ক্ষেত্রে oldest ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) have you been learning
কেন সঠিক:
- বাক্যে How long ব্যবহার করা হয়েছে এবং কাজটি অতীতে শুরু হয়ে বর্তমানেও চলছে বোঝাতে Present Continuous Tense ব্যবহৃত হয়।
- নির্দিষ্ট সময় ধরে কোনো কাজ চলছে বোঝাতে Present Perfect Continuous Tense এর গঠন Subject অনুযায়ী have/has + been + verb এর সাথে ing যুক্ত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) do you learn — এটি Present Indefinite Tense, যা বর্তমানের স্থায়ী অভ্যাস বা চিরন্তন সত্য বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, নির্দিষ্ট সময় ধরে চলমান কাজের জন্য নয়।
B) have you been learning — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি Present Perfect Continuous Tense যা অতীত থেকে শুরু হয়ে বর্তমান পর্যন্ত চলমান কাজ নির্দেশ করে।
C) are you learning — এটি Present Continuous Tense, যা কেবল এই মুহূর্তে ঘটছে এমন কাজ বোঝায় কিন্তু সময় উল্লেখ থাকলে এটি ব্যবহার করা যায় না।
D) you learn — এটি ব্যাকরণগতভাবে অসম্পূর্ণ কারণ প্রশ্নবোধক বাক্য তৈরির জন্য কোনো সাহায্যকারী ভার্ব বা Auxiliary Verb ব্যবহার করা হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
প্রশ্নে How long এবং সময়ের উল্লেখ থাকলে চোখ বন্ধ করে Present Perfect Continuous Tense অর্থাৎ have/has + been + verb এর সাথে ing যুক্ত অপশনটি বেছে নেবে।
সঠিক উত্তর: A) Submit
কেন সঠিক:
- 'Submit' শব্দটির অর্থ জমা দেওয়া এবং এটি বাক্যে কাজের নাম বা কাজ প্রকাশ করে, যা ভার্ব বা ক্রিয়া হিসেবে কাজ করে।
- ইংরেজি ব্যাকরণে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে এই শব্দটির ব্যবহার করা হয়, যা ভার্বের মূল বৈশিষ্ট্য।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Submit — এটি একটি সঠিক ভার্ব এবং কোনো কাজ করা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
B) Carefully — এটি একটি অ্যাডভার্ব বা ক্রিয়াবিশেষণ, কারণ এর শেষে ly যুক্ত হয়ে কোনো কাজ কীভাবে সম্পন্ন হয় তা প্রকাশ করে।
C) Publication — এটি একটি নাউন বা বিশেষ্য, যার শেষে tion যুক্ত রয়েছে এবং এটি কোনো কাজের ফলাফল বা প্রকাশনা বোঝায়।
D) Postponement — এটি একটি নাউন বা বিশেষ্য, যার শেষে ment যুক্ত রয়েছে এবং এটি মূলত স্থগিত করার ভাব বা অবস্থাকে নির্দেশ করে।
মনে রাখার টিপস:
যে শব্দ দ্বারা কোনো কাজ করা বোঝায় এবং যার সাথে tense পরিবর্তন করা যায়, তাকে ভার্ব বলে।
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ
সঠিক উত্তর: B) I am called by him by my nickname.
কেন সঠিক:
- Active sentence-এ দুটি object (me এবং my nickname) থাকলে সাধারণত Indirect object-কে Subject করে Passive করতে হয়।
- প্রদত্ত বাক্যে 'me' হলো Indirect object এবং এটি Subject হয়ে 'I' হয়েছে, অন্যদিকে Direct object 'my nickname' অপরিবর্তিত অবস্থায় শেষের দিকে বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) My nickname is called by him. — সরাসরি Direct object-কে Subject করায় অর্থের সঠিক প্রকাশ ঘটে না এবং আসল উদ্দেশ্য ব্যাহত হয়।
B) I am called by him by my nickname. — এটি ব্যাকরণগত নিয়ম অনুযায়ী সঠিক এবং উভয় object-এর সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করেছে।
সি) I call his nickname. — এটি Active sentence-এর অর্থ সম্পূর্ণ বদলে ফেলে অন্য একটি নতুন বাক্য তৈরি করেছে।
D) I am called by my nickname. — এই অপশনে কর্তার (by him) উল্লেখ বাদ পড়েছে, যা বাক্যের অর্থ অসম্পূর্ণ করে দেয়।
মনে রাখার টিপস:
দুটি object থাকলে প্রথম object-টিকে (ব্যক্তিবাচক) Subject বানাবে এবং দ্বিতীয় object-টিকে (বস্তুবাচক) ভার্বের পরে অপরিবর্তিত রাখবে।
বিষয় ও ধরন: ভাষা ও ব্যাকরণ (Parts of Speech / Transformation of Words)
সঠিক উত্তর: C) seasonable
কেন সঠিক:
- 'Season' একটি নাউন, যার সঙ্গে 'able' প্রত্যয় যুক্ত করে একে এডজেক্টিভ বা বিশেষণে রূপান্তর করা হয়েছে।
- 'Seasonable' শব্দের অর্থ সময়োপযোগী বা অনুকূল, যা কোনো বিশেষ অবস্থা বা সময়কে বর্ণনা করতে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) seasonally — এটি একটি অ্যাডভার্ব বা ক্রিয়াবিশেষণ, যা কোনো বিশেষণ বা ক্রিয়ার সময়গত অবস্থা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
B) seasoning — এটি সাধারণত নাউন বা জিরান্ড হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যার অর্থ খাদ্যে স্বাদ আনার মসলা বা উপাদান।
C) seasonable — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যার অর্থ সময়োপযোগী এবং এটি একটি নির্ভুল এডজেক্টিভ।
D) seasoned — এটি 'season' শব্দের পাস্ট পার্টিসিপল রূপ যা কখনো কখনো এডজেক্টিভ হিসেবে কাজ করলেও এখানে মূল ও প্রমিত এডজেক্টিভ হিসেবে 'seasonable' অধিক গ্রহণযোগ্য।
মনে রাখার টিপস:
শব্দটির শেষে able যুক্ত থাকলে সাধারণত তা এডজেক্টিভ হয়, যেমন season থেকে seasonable।
সঠিক উত্তর: A) run
কেন সঠিক:
- বাক্যে 'have to' এর পরে verb-এর বেস ফর্ম বা মূল রূপ বসে।
- ফিনিশ লাইন পর্যন্ত দৌড়ে যাওয়ার অর্থ প্রকাশ করতে এখানে 'run' ভার্বটি সরাসরি উপযুক্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) run — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি নিয়ম অনুযায়ী সঠিক verb-এর বেস ফর্ম।
B) run away — এর অর্থ পালিয়ে যাওয়া, যা এই বাক্যের অর্থের সাথে সংগতিপূর্ণ নয়।
C) get away — এর অর্থ দূরে সরে যাওয়া বা পালিয়ে যাওয়া, যা গন্তব্যে দৌড়ে যাওয়ার অর্থে বসে না।
D) gate thorugh — এটি একটি ভুল বানান বা গঠনযুক্ত শব্দগুচ্ছ, যার কোনো অর্থ নেই।
মনে রাখার টিপস:
have to এর পরে সবসময় verb-এর base form বসে, তাই দৌড়ানোর ক্ষেত্রে run ব্যবহার করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) good looking
কেন সঠিক:
- Handsome শব্দটি সাধারণত পুরুষদের শারীরিক সৌন্দর্য বা আকর্ষণীয় রূপ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
- Good looking অর্থও সুন্দর বা দেখতে আকর্ষণীয়, যা Handsome শব্দের সমার্থক হিসেবে সবচেয়ে নিখুঁত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) polite — এর অর্থ ভদ্র বা মার্জিত, যা রূপ বা সৌন্দর্যের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
B) noble — এর অর্থ মহৎ বা উচ্চবংশীয়, যা মানুষের চরিত্র বা মর্যাদাকে নির্দেশ করে।
C) gentle — এর অর্থ মৃদুস্বভাবের বা শান্ত, যা বাহ্যিক সৌন্দর্যের সমার্থক নয়।
D) good looking — এর অর্থ সুন্দর বা দেখতে আকর্ষণীয়, যা Handsome শব্দের সঠিক সমার্থক।
মনে রাখার টিপস:
Handsome পুরুষদের বাহ্যিক সৌন্দর্য বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, তাই এর সমার্থক হিসেবে Good looking বা সুন্দর কথাটি মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: D) for
কেন সঠিক:
- নির্দিষ্ট সময়ের ব্যাপ্তি বা স্থায়িত্ব বোঝাতে Present Perfect Continuous Tense-এ সময়ের আগে for বসে।
- two months হলো একটি সময়ের ব্যাপ্তি, তাই এখানে সঠিক preposition হবে for।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) since — নির্দিষ্ট কোনো সময়ের পয়েন্ট বা শুরুর সময় বোঝালে since বসে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) about — এর অর্থ প্রায় বা সম্পর্কে, যা এই সময়ের ব্যাপ্তির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
C) in — সাধারণত মাস, বছর বা বড় সময়ের আগে বসে, সময়ের মোট ব্যাপ্তি বোঝাতে for বসে।
D) for — নির্দিষ্ট সময়ের ব্যাপ্তি বোঝানোর কারণে এটি এই বাক্যের জন্য সম্পূর্ণ সঠিক।
মনে রাখার টিপস:
সময়ের স্থায়িত্ব বা ব্যাপ্তি (যথা দুই মাস, পাঁচ দিন) বোঝালে for এবং নির্দিষ্ট শুরুর সময় (যথা সোমবার, জানুয়ারি) বোঝালে since বসে।
সঠিক উত্তর: B) floating
কেন সঠিক:
- watch একটি perception বা perception-জাতীয় verb যার পরে object-এর সাথে verb-এর present participle form ব্যবহার করতে হয়।
- এখানে নৌকাটি ভেসে যাওয়ার কাজটি চলমান বোঝাতে watch verb-এর object boat-এর পরে floating ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) to float — infinitive verb এখানে সরাসরি object-এর পরের অসমাপ্ত কাজ বা উদ্দেশ্য প্রকাশ করে না।
B) floating — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে কারণ উপরে প্রযোজ্য।
C) was floating — একই বাক্যে দুটি finite verb একসঙ্গে বসে সাবজেক্ট ছাড়া আরেকটি ক্লজ গঠন করতে পারে না।
D) had floated — past perfect tense-এর গঠন এখানে grammatically সঠিক অর্থ প্রকাশ করে না।
মনে রাখার টিপস:
see, hear, watch, feel ইত্যাদি verb-এর পরে object থাকলে পরের verb-এর সাথে ing যোগ করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) because of
কেন সঠিক:
- শূন্যস্থানের পরের অংশ "her good work" একটি নাউন ফ্রেজ বা বাক্যাংশ, কোনো সাবজেক্ট ও ফাইনাইট ভার্বযুক্ত ক্লজ নয়।
- কারণ নির্দেশক প্রিপজিশনাল ফ্রেজ "because of" এর পর সাধারণত নাউন বা নাউন ফ্রেজ বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) because — এটি কনজাংশন, তাই এর পরে সাবজেক্ট ও ভার্বযুক্ত পূর্ণ ক্লজ বসতে হবে কিন্তু এখানে তা নেই।
B) since — এটি কনজাংশন বা প্রিপজিশন হিসেবে সময় বা কারণ বোঝাতে বসে, যার পরে সাধারণত পূর্ণ ক্লজ বা নির্দিষ্ট সময় থাকে।
C) because of — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য।
D) as — এটি কনজাংশন হিসেবে কারণ বোঝাতে বসে এবং এর পরেও সাবজেক্ট ও ফাইনাইট ভার্বযুক্ত ক্লজ প্রয়োজন হয়।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে কারণ বোঝাতে সাবজেক্ট ও ভার্ব না থাকলে because of ব্যবহার করতে হয় এবং সাবজেক্ট ও ভার্ব থাকলে because ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) Nota bene
কেন সঠিক:
- ল্যাটিন শব্দগুচ্ছ 'Nota bene'-এর সংক্ষিপ্ত রূপ হলো N.B., যার বাংলা অর্থ ভালো করে লক্ষ্য করো বা বিশেষ দ্রষ্টব্য।
- ইংরেজি লেখায় কোনো গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের প্রতি পাঠকের দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য এটি ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Note bene — এটি একটি ব্যাকরণগত ত্রুটিপূর্ণ রূপ কারণ ল্যাটিন ভাষায় Nota শব্দটি সঠিক।
B) Nota bene — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) No bar — এর অর্থ কোনো বাধা নেই, যা এই সংক্ষিপ্ত রূপের সঙ্গে সম্পর্কহীন।
D) No Bern — এটি একটি অর্থহীন শব্দসমষ্টি এবং এর কোনো প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি নেই।
মনে রাখার টিপস:
Nota অর্থ লক্ষ্য করা এবং bene অর্থ ভালো, তাই N.B. দেখলে বুঝবে কোনো বিশেষ বিষয়ের প্রতি ভালো করে নজর দিতে বলা হয়েছে।
সঠিক উত্তর: A) moves
কেন সঠিক:
- চিরন্তন সত্য বা Universal Truth প্রকাশ করতে বাক্যটির Reported Speech-এ Present Indefinite Tense ব্যবহৃত হয়।
- पृथ्वी সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে, এটি একটি চিরন্তন সত্য ঘটনা বিধায় এখানে মূল Verb-এর Present form বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) moves - এটি সঠিক উত্তর কারণ বাক্যটিতে চিরন্তন সত্য প্রকাশ পেয়েছে এবং Subject Third Person Singular Number হওয়ায় Verb-এর সঙ্গে s যুক্ত হয়েছে।
B) moved - এটি Past Indefinite Tense, যা চিরন্তন সত্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
C) has moved - এটি Present Perfect Tense, যা চিরন্তন সত্য বাক্যের নিয়মের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
D) will be moving - এটি Future Continuous Tense, যা বর্তমান বা চিরন্তন সত্য ঘটনার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যায় না।
মনে রাখার টিপস:
চিরন্তন সত্য বা অভ্যাসগত কর্ম বোঝালে Subject যাই হোক না কেন, Narration বা Tense-এর নিয়ম যাই বলুক না কেন, Reported Speech-এ সবসময় Present Indefinite Tense হয়।
সঠিক উত্তর: C) Radius
কেন সঠিক:
- 'Radius' শব্দটির শেষে 'us' রয়েছে এবং এটি একটি একবচন বা singular noun, যার বহুবচন হলো 'Radii'।
- এটি জ্যামিতিক পরিভাষা হিসেবে বৃত্তের ব্যাসার্ধ বোঝাতে এককভাবে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Agenda — এটি 'Agendum' শব্দের বহুবচন রূপ, তাই এটি singular নয়।
B) Oases — এটি 'Oasis' শব্দের বহুবচন রূপ, যার শেষে 'es' রয়েছে।
D) Formulae — এটি 'Formula' শব্দের একটি বহুবচন রূপ, যা plural ফর্মে আছে।
মনে রাখার টিপস:
যেসকল ইংরেজি শব্দের শেষে 'us' থাকে, সাধারণত সেগুলো singular হয় এবং এদের বহুবচনে 'i' যুক্ত হয়।
সঠিক উত্তর: B) adverb
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বাক্যে 'down' শব্দটি 'went' ভার্বটিকে মডিফাই করছে এবং সূর্য কোথায় গেল (কোথায় অস্ত গেল) সেই স্থান বা দিক নির্দেশ করছে।
- ভার্বকে মডিফাই করার কারণে এখানে 'down' একটি Adverb হিসেবে কাজ করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) preposition — Preposition হতে হলে এর পরে অবজেক্ট বা নাউন থাকতে হয়, যা এখানে নেই।
B) adverb — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) noun — 'down' শব্দটি এখানে কোনো নাম বা বস্তু বোঝাচ্ছে না, তাই এটি noun নয়।
D) conjunction — Conjunction দুটি শব্দ বা বাক্যকে সংযুক্ত করে, যা এখানে ঘটেনি।
মনে রাখার টিপস:
ভার্ব সম্পর্কে অতিরিক্ত তথ্য বা কোথায় কাজের প্রকাশ পেলে এবং তার পরে কোনো নাউন না থাকলে সেটি সাধারণত Adverb হয়।
সঠিক উত্তর: C) privilege
কেন সঠিক:
- Franchise শব্দের অর্থ ভোটাধিকার, বিশেষ অধিকার বা ছাড়পত্র।
- Privilege শব্দের অর্থ বিশেষ সুবিধা বা অধিকার, যা Franchise শব্দের সমার্থক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) utility — এর অর্থ উপযোগিতা বা প্রয়োজনীয়তা, যা বিশেষ অধিকার বোঝায় না।
B) frankness — এর অর্থ খোলামেলা ভাব বা স্পষ্টবাদিতা, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি অর্থ প্রকাশ করে।
C) privilege — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) superficial — এর অর্থ অগভীর বা ভাসাভাসা, যার সঙ্গে এই শব্দের কোনো মিল নেই।
মনে রাখার টিপস:
Franchise এবং Privilege উভয় শব্দ দিয়েই বিশেষ অধিকার বা সুবিধা বোঝায়।
সঠিক উত্তর: B) treat
কেন সঠিক:
- হাসপাতাল বা চিকিৎসালয়ের মূল কাজ হলো রোগীদের চিকিৎসা সেবা প্রদান করা।
- এই বাক্যে treat শব্দটির অর্থ চিকিৎসাসেবা দেওয়া, যা হাসপাতালের কাজের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) operate — এর অর্থ অস্ত্রোপচার করা, যা হাসপাতালের একটি নির্দিষ্ট কাজ হলেও সব রোগীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
B) treat — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি চিকিৎসাসেবা অর্থে সম্পূর্ণ উপযুক্ত।
C) admit — এর অর্থ হাসপাতালে ভর্তি করা, যা সব রোগীর ক্ষেত্রে ঘটে না এবং চিকিৎসার আগের একটি প্রক্রিয়া মাত্র।
D) nurse — এর অর্থ পরিচর্যা করা, যা মূলত নার্সদের কাজ কিন্তু সামগ্রिक অর্থে হাসপাতালের মূল দায়িত্ব চিকিৎসাসেবা দেওয়া।
মনে রাখার টিপস:
হাসপাতালের মূল কাজ হলো রোগীদের চিকিৎসা করা, তাই এই ধরনের শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হিসেবে treat ব্যবহার করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) dismay
কেন সঠিক:
- Appal শব্দের অর্থ আতঙ্কিত করা, ভয় পাওয়া বা গভীরভাবে মর্মাহত করা।
- Dismay শব্দের অর্থ হতাশ করা, আতঙ্কিত করা বা ভয় পাওয়ানো, যা appal শব্দের সমার্থক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) deceive — এর অর্থ প্রতারণা করা বা ঠকানো, যা appal শব্দের অর্থ প্রকাশ করে না।
B) confuse — এর অর্থ বিভ্রান্ত করা বা ঘালমেইল করা, যা আতঙ্কিত করার সমার্থক নয়।
C) dismay — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যার অর্থ আতঙ্কিত বা হতাশ করা।
D) solicit — এর অর্থ চাওয়া, প্রার্থনা করা বা আবেদন করা, যা এর অর্থের সঙ্গে মিলে না।
মনে রাখার টিপস:
Appal এবং Dismay উভয় শব্দই ভয়, আতঙ্ক বা হতাশা প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়।
সঠিক উত্তর: C) adjective
কেন সঠিক:
- 'Vital' শব্দটি কোনো noun-এর দোষ, গুণ, অবস্থা বা মাত্রা প্রকাশ করে তার আগে বসে adjective হিসেবে কাজ করে।
- এটি মূলত কোনো কিছুর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বা জীবনধারণের জন্য অপরিহার্য অবস্থাকে নির্দেশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) noun — এটি কোনো কিছুর নাম বোঝায় না, তাই এটি noun নয়।
B) adverb — এটি কোনো verb, adjective বা অন্য adverb-কেmodify করে না, তাই এটি adverb নয়।
C) adjective — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি noun-এর দোষ, গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করে।
D) verb — এটি কোনো কাজের নাম বা কাজ করা বোঝায় না, তাই এটি verb নয়।
মনে রাখার টিপস:
যে শব্দ কোনো noun-এর আগে বসে তার গুরুত্ব বা অপরিহার্য অবস্থা বোঝায় এবং যার শেষে সাধারণত ity যোগ করে noun করা যায়, তা সাধারণত adjective হয়।
সঠিক উত্তর: C) at
কেন সঠিক:
- নির্দিষ্ট গতি বা হারের ক্ষেত্রে সঠিক Preposition হিসেবে at ব্যবহৃত হয়।
- এখানে ট্রেনের গতি বোঝাতে at forty miles an hour সঠিক নিয়ম অনুসরণ করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) on — এটি সাধারণত কোনো তলের ওপর স্পর্শ করে বোঝাতে বা দিবসের পূর্বে বসে, যা গতির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
B) to — এটি সাধারণত দিক, সীমা বা গন্তব্যের দিকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, গতির ক্ষেত্রে বসে না।
C) at — এটি এই বাক্যে সঠিক এবং নির্দিষ্ট গতি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে।
D) for — এটি সাধারণত উদ্দেশ্য, কারণ বা স্থায়িত্বকাল বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, গতির ক্ষেত্রে এটি সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
নির্দিষ্ট গতি, হার কিংবা দাম বোঝানোর ক্ষেত্রে Preposition হিসেবে ہمیشہ at ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) ০
প্রদত্ত তথ্য:
দেওয়া আছে x + ১/x = √৩
ধরি,
প্রদত্ত রাশিটি হলো x³ + ১/x³
আমরা জানি বীজগণিতের মান নির্ণয়ের সূত্র
অনুসিদ্ধান্ত হলো (x + ১/x)³ − ৩ × (x + ১/x)
অতএব,
সূত্রে মান বসিয়ে পাই (√৩)³ − ৩ × (√৩)
এখানে (√৩)³ এর মান হলো ৩√৩
এবং ৩ এর সাথে √৩ গুণ করলে হয় ৩√৩
সুতরাং,
৩√৩ থেকে ৩√৩ বিয়োগ করলে ফলাফল হয় শূন্য
উত্তর: ০
সঠিক উত্তর: A) ১০০
প্রদত্ত তথ্য:
ওজন পরিমাপের একক কুইন্টাল এবং কিলোগ্রাম
ধরি,
১ কুইন্টাল ওজনের পরিমাণ নির্ধারণ করতে হবে
অতএব,
পরিমাপের আদর্শ একক হিসেবে একশ কিলোগ্রাম ধরা হয়
সুতরাং,
কুইন্টাল এবং কিলোগ্রামের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক অনুযায়ী হিসাব করা হলো
উত্তর: ১০০ কিলোগ্রাম
সঠিক উত্তর: A) ১০%
প্রদত্ত তথ্য:
মূলধন বা আসল, P = ৩০০০ টাকা
সময়, n = ৫ বছর
মোট মুনাফা, I = ১৫০০ টাকা
ধরি,
বার্ষিক মুনাফার হার = r%
অতএব,
আমরা জানি, মুনাফা, I = (P × n × r) ÷ ১০০
সুতরাং,
১৫০০ = (৩০০০ × ৫ × r) ÷ ১০০
উত্তর: r = ১০%
সঠিক উত্তর: C) ২৫%
প্রদত্ত তথ্য:
মোট পরিমাণ = ৮০ মিটার
অংশ বিশেষ = ২০ মিটার
ধরি,
২০ মিটার, ৮০ মিটারের ক শতাংশ
অতএব,
ক ÷ ১০০ × ৮০ = ২০
ক × ৮০ ÷ ১০০ = ২০
সুতরাং,
ক = ২০ × ১০০ ÷ ৮০
উত্তর: ২৫%
সঠিক উত্তর: D) ৩abc
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম রাশি = ৯a³b²c²
দ্বিতীয় রাশি = ১২a³bc
তৃতীয় রাশি = ১৫ab³c³
ধরি,
প্রথম রাশির উৎপাদক = ৩ × ৩ × a × a × a × b × b × c × c
দ্বিতীয় রাশির উৎপাদক = ২ × ২ × ৩ × a × a × a × b × c
তৃতীয় রাশির উৎপাদক = ৩ × ৫ × a × b × b × b × c × c × c
অতএব,
সংখ্যাগুলোর সাধারণ মৌলিক গুণনীয়ক = ৩
a এর সর্বনিম্ন ঘাত বা শক্তি = a
b এর সর্বনিম্ন ঘাত বা শক্তি = b
সুতরাং,
c এর সর্বনিম্ন ঘাত বা শক্তি = c
উত্তর: ৩abc
সঠিক উত্তর: C) ৩৪
প্রদত্ত তথ্য:
a + b এর মান = ৮
ab এর মান = ১৫
ধরি,
প্রথম মান = a + b
দ্বিতীয় মান = ab
অতএব,
আমরা জানি, a² + b² এর সূত্র হলো (a + b)² − ২ab
সুতরাং,
(৮)² − ২ × ১৫ = ৬৪ − ৩০ = ৩৪
উত্তর: ৩৪
সঠিক উত্তর: D) সূক্ষ্মকোণ
প্রদত্ত তথ্য:
ত্রিভুজটি একটি সমকোণী ত্রিভুজ
ত্রিভুজের একটি কোণ সমকোণ বা নব্বই ডিগ্রি
ধরি,
সমকোণ বাদে বাকি দুটি কোণের সমষ্টি = এক সমকোণ বা নব্বই ডিগ্রি
অতএব,
প্রতিটি কোণ নব্বই ডিগ্রির চেয়ে ছোট হবে
সুতরাং,
নব্বই ডিগ্রির ছোট কোণকে সূক্ষ্মকোণ বলা হয়
উত্তর: D) সূক্ষ্মকোণ
সঠিক উত্তর: A) ১২ বর্গমিটার
প্রদত্ত তথ্য:
ত্রিভুজের ভূমির দৈর্ঘ্য = ৬ মিটার
ত্রিভুজের উচ্চতা = ৪ মিটার
ধরি,
ভূমি = ৬ মিটার
উচ্চতা = ৪ মিটার
অতএব,
ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের সূত্র হলো (১ ÷ ২) × ভূমি × উচ্চতা
সুতরাং,
ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × ৬ × ৪
ক্ষেত্রফল = ৩ × ৪
উত্তর: ১২ বর্গমিটার
সঠিক উত্তর: D) ৩০০
প্রদত্ত তথ্য:
সংখ্যা তিনটি হলো ১৫, ২০ এবং ২৫
ধরি,
সংখ্যাগুলোর মৌলিক উৎপাদকগুলো বের করতে হবে
অতএব,
১৫ এর উৎপাদক হলো ৩ × ৫
২০ এর উৎপাদক হলো ২ × ২ × ৫
২৫ এর উৎপাদক হলো ৫ × ৫
সুতরাং,
লসাঘু হলো সবচেয়ে বেশিবার থাকা উৎপাদকগুলোর গুণফল
উত্তর: ৩০০
সঠিক উত্তর: A) ৫৫
প্রদত্ত তথ্য:
ধারার প্রথম সংখ্যা = ৮
ধারার দ্বিতীয় সংখ্যা = ১৩
ধারার তৃতীয় সংখ্যা = ২১
ধারার চতুর্থ সংখ্যা = ৩৪
ধরি,
এটি একটি ফিবোনাচ্চি ধারা যেখানে আগের দুটি সংখ্যার যোগফল পরের সংখ্যা হয়
অতএব,
প্রথম সংখ্যা ৮ এবং দ্বিতীয় সংখ্যা ১৩ যোগ করলে পাওয়া যায় ২১
দ্বিতীয় সংখ্যা ১৩ এবং তৃতীয় সংখ্যা ২১ যোগ করলে পাওয়া যায় ৩৪
সুতরাং,
তৃতীয় সংখ্যা ২১ এবং চতুর্থ সংখ্যা ৩৪ যোগ করতে হবে
উত্তর: ২১ + ৩৪ = ৫৫
সঠিক উত্তর: B) ৩৮
প্রদত্ত তথ্য:
ধারার সংখ্যাগুলো হলো ৩, ৬, ১১, ১৮, ২৭
ধরি,
প্রথম পদের সাথে যোগ হচ্ছে ৩
দ্বিতীয় পদের সাথে যোগ হচ্ছে ৫
অতএব,
তৃতীয় পদের সাথে যোগ হচ্ছে ৭
চতুর্থ পদের সাথে যোগ হচ্ছে ৯
সুতরাং,
পঞ্চম পদ ২৭ এর সাথে যোগ হবে ১১
উত্তর: ২৭ + ১১ = ৩৮
সঠিক উত্তর: D) ৩৩
প্রদত্ত তথ্য:
১ কাঠা সমান ১.৬৫ শতাংশ
২০ কাঠায় কত শতাংশ হবে তা নির্ণয় করতে হবে
ধরি,
১ কাঠার পরিমাপ = ১.৬৫ শতাংশ
অতএব,
২০ কাঠার পরিমাপ বের করতে হবে
সুতরাং,
২০ কাঠা সমান ২০ × ১.৬৫ শতাংশ
উত্তর: ৩৩ শতাংশ
সঠিক উত্তর: C) ২০
প্রদত্ত তথ্য:
১০ জন লোক একটি কাজ করে ৬ দিনে
ধরি,
১ জন লোক ঐ কাজটি করবে = ১০ × ৬ দিনে
অতএব,
১ জন লোক ঐ কাজটি করতে পারে = ৬০ দিনে
সুতরাং,
৩ জনে ঐ কাজটি শেষ করতে পারবে = ৬০ ÷ ৩ দিনে = ২০ দিনে
উত্তর: ২০ দিন
সঠিক উত্তর: C) ১৫°
প্রদত্ত তথ্য:
ত্রিভুজটি একটি সমকোণী ত্রিভুজ
ত্রিভুজের দুটি কোণের সমষ্টি ১৬৫ ডিগ্রি
ধরি,
সমকোণী ত্রিভুজের একটি কোণ সমকোণ বা ৯০ ডিগ্রি
ত্রিভুজের তিনটি কোণের সমষ্টি ১৮০ ডিগ্রি
অতএব,
ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি = ১৮০ ডিগ্রি
দুটি কোণের সমষ্টি = ১৬৫ ডিগ্রি
সুতরাং,
অপর কোণটির মান = ১৮০ ডিগ্রি − ১৬৫ ডিগ্রি = ১৫ ডিগ্রি
উত্তর: ১৫°
সঠিক উত্তর: A) (x + 3)(2x - 5)
প্রদত্ত তথ্য:
বহুপদী রাশিটি হলো ২x^২ + x − ১৫
ধরি,
রাশিটিকে মিডল টার্ম ব্রেক করতে হবে
অতএব,
২ এর সাথে ১৫ গুণ করলে ৩০ হয়
৩০ কে ভেঙে ১ আনতে হবে
সুতরাং,
৬x এবং ৫x ব্যবহার করতে হবে
উত্তর: (x + 3)(2x - 5)
সঠিক উত্তর: B) ৩ ঘনমিটার
প্রদত্ত তথ্য:
বাক্সের দৈর্ঘ্য = ২ মিটার
বাক্সের প্রস্থ = ১.৫ মিটার
বাক্সের উচ্চতা = ১ মিটার
ধরি,
বাক্সটির আয়তন = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ × উচ্চতা
অতএব,
আয়তন = ২ × ১.৫ × ১ ঘনমিটার
সুতরাং,
আয়তন = ৩ ঘনমিটার
উত্তর: ৩ ঘনমিটার
সঠিক উত্তর: C) x − ১০
প্রদত্ত রাশি:
(x + ৫)(x − ৯) − ১৫
ধরি,
রাশিটির প্রথম অংশ গুণ করি
x দিয়ে (x − ৯) এবং ৫ দিয়ে (x − ৯) কে গুণ
অতএব,
গুণফল পাই x বর্গক্ষেত্র − ৯x + ৫x − ৪৫
সাথে আছে আরও একটি সংখ্যা − ১৫
সুতরাং,
হিসাব করে পাই x বর্গক্ষেত্র − ৪x − ৬০
মিডল টার্ম বা উৎপাদকে বিশ্লেষণ করে পাই (x − ১০)(x + ৬)
উত্তর: x − ১০
সঠিক উত্তর: C) ২১
প্রদত্ত তথ্য:
ভাজক = ৫
ভাগফল = ৪
ভাগশেষ = ১
ধরি,
ভাজ্য হলো সেই সংখ্যা যা নির্ণয় করতে হবে
অতএব,
ভাজ্য এবং ভাজকের সম্পর্ক হলো ভাজক গুণ ভাগফল যোগ ভাগশেষ
সুতরাং,
৫ গুণ ৪ যোগ ১
কুড়ি যোগ ১
উত্তর: ২১
সঠিক উত্তর: D) 1.0E-6
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম সংখ্যা = ০.১
দ্বিতীয় সংখ্যা = ০.০১
তৃতীয় সংখ্যা = ০.০০১
ধরি,
রাশি তিনটি হলো ০.১ এবং ০.০১ এবং ০.০০১
অতএব,
সংখ্যাগুলোর গুণফল নির্ণয় করতে হবে
সুতরাং,
এদের গুণ করলে হয় ০.০০০১৫১
উত্তর: 1.0E-6
সঠিক উত্তর: A) বুড়িগঙ্গা
কেন সঠিক:
- ঐতিহাসিক ও ভৌগোলিক তথ্য অনুযায়ী ঢাকার পাশ দিয়ে প্রবাহিত বুড়িগঙ্গা নদীর প্রাচীন নাম ছিল দোলাই।
- মোঘল আমল এবং তারও আগে এই নদীটি দোলাই নদী বা দোলাই খাল নামে পরিচিত ছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বুড়িগঙ্গা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই নদীর প্রাচীন নামই ছিল দোলাই।
B) যমুনা — এটি বাংলাদেশের একটি প্রধান নদ যার প্রাচীন কোনো নাম দোলাই ছিল না।
C) পদ্মা — এটি দেশের একটি প্রধান নদী যার উৎপত্তি হিমালয় থেকে এবং এর প্রাচীন নাম দোলাই নয়।
D) সুরমা — এটি উত্তর-পূর্বাঞ্চলের একটি নদী যা সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়।
মনে রাখার টিপস:
বুড়িগঙ্গা নদীকে মনে রাখতে পারেন ঢাকার আদি নদী হিসেবে, যার পুরানো নাম ছিল দোলাই।
সঠিক উত্তর: A) প্রাকৃতিক গ্যাস
কেন সঠিক:
- ইউরিয়া সার উৎপাদনে প্রধান কাঁচামাল হিসেবে প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহৃত হয়, যা থেকে হাইড্রোজেন গ্যাস সংগ্রহ করা হয়।
- সংগৃহীত হাইড্রোজেনের সাথে বায়ুমণ্ডলের নাইট্রোজেন গ্যাস যুক্ত করে অ্যামোনিয়া এবং পরবর্তীতে ইউরিয়া সার তৈরি করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রাকৃতিক গ্যাস — এটি ইউরিয়া সার উৎপাদনের প্রধান ও সঠিক কাঁচামাল।
B) চুনাপাথর — এটি মূলত সিমেন্ট ও কাচ শিল্পে কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়, ইউরিয়া সারে নয়।
C) মিথেন গ্যাস — প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান মিথেন হলেও সরাসরি মিথেনকে শিল্প কারখানায় ইউরিয়া তৈরির মূল কাঁচামাল হিসেবে চিহ্নিত করা হয় না।
D) ইলমেনাইট — এটি টাইটানিয়াম উৎপাদনের একটি খনিজ আকরিফ, যা ইউরিয়া সারের সাথে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
ইউরিয়া সার উৎপাদনের মূল উপাদান হলো গ্যাস, তাই মনে রাখবেন ইউরিয়ার কাঁচামাল হলো প্রাকৃতিক গ্যাস।
সঠিক উত্তর: A) পুণ্ড্র
কেন সঠিক:
- ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক সূত্র অনুযায়ী পুণ্ড্রবর্ধন বা পুণ্ড্র বাংলার প্রাচীনতম জনপদ হিসেবে স্বীকৃত।
- মৌর্য আমল থেকেই পুণ্ড্র জনপদের রাজধানী পুণ্ড্রবর্ধন (বর্তমান মহাস্থানগড়) একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক কেন্দ্র ছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পুণ্ড্র — এটি বাংলার সর্বপ্রাচীন জনপদ এবং এর রাজধানী ছিল মহাস্থানগড়।
B) তাম্রলিপ্ত — এটি প্রাচীন বাংলার একটি গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রবন্দর ও জনপদ হলেও সর্বপ্রাচীন নয়।
C) গৌড় — এটি প্রাচীন বাংলার একটি বিখ্যাত জনপদ ও স্বাধীন রাজ্য হলেও পুণ্ড্রের পরে এর বিকাশ ঘটেছিল।
D) হরিকেল — এটি প্রাচীন বাংলার একটি জনপদ যা মূলত বর্তমান সিলেট ও চট্টগ্রাম অঞ্চল নিয়ে গঠিত ছিল।
মনে রাখার টিপস:
প্রাচীন বাংলায় প্রথমে মানুষ 'পুণ্য' বা 'পুণ্ড্র' কাজ করেছে, তাই পুণ্ড্র হলো সবচেয়ে প্রাচীন জনপদ।
সঠিক উত্তর: D) রাষ্ট্রপতি
কেন সঠিক:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংসদ ভেঙে যাওয়া বা অধিবেশন না থাকা অবস্থায় রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারি করতে পারেন।
- রাষ্ট্রপতির জারিকৃত অধ্যাদেশের আইনগত বল সংসদের প্রণীত আইনের মতোই কার্যকর থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রধানমন্ত্রী — সরকারপ্রধান হিসেবে নির্বাহী ক্ষমতা প্রয়োগ করলেও সংবিধান অনুযায়ী সরাসরি অধ্যাদেশ জারি করার এখতিয়ার তাঁর নেই।
B) স্পিকার — তিনি জাতীয় সংসদের কার্য পরিচালনা করেন, আইন প্রণয়ন বা অধ্যাদেশ জারির ক্ষমতা তাঁর পদের আওতাভুক্ত নয়।
C) প্রধান বিচারপতি — তিনি দেশের প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব পালন করেন এবং বিচার বিভাগের নেতৃত্ব দেন, আইন বা অধ্যাদেশ জারির সাথে তিনি যুক্ত নন।
D) রাষ্ট্রপতি — তিনি সাংবিধানিক ক্ষমতাবলে সংসদের অনুপস্থিতিতে এই বিশেষ আইন বা অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন।
মনে রাখার টিপস:
আইন প্রণয়ন সংসদের কাজ হলেও, সংসদ না থাকলে জরুরি প্রয়োজনে অধ্যাদেশ জারি করেন কেবল রাষ্ট্রপতি।
সঠিক উত্তর: B) মারমা
কেন সঠিক:
- সাংগ্রাই উৎসবটি পার্বত্য অঞ্চলের মারমা জনগোষ্ঠীর প্রধান সামাজিক ও ধর্মীয় উৎসব।
- এটি মূলত তাদের বর্ষবরণ বা বৈসাবি উৎসবের একটি অংশ যা অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণভাবে উদযাপিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ত্রিপুরা — ত্রিপুরীদের প্রধান উৎসব হলো বৈসু, যা মারমাদের সাংগ্রাই থেকে আলাদা।
B) মারমা — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং মারমাদের সাংগ্রাই উৎসবের মূল উৎসব জলকেলি বা পানি ছিটানো।
C) চাকমা — চাকমাদের প্রধান সামাজিক উৎসব হলো বিজু, সাংগ্রাই তাদের প্রধান উৎসব নয়।
D) সাঁওতাল — সাঁওতালদের প্রধান উৎসব সোহরাই বা বাহা, সাংগ্রাই তাদের সংস্কৃতির অংশ নয়।
মনে রাখার টিপস:
মারমা জনগোষ্ঠীর সাংগ্রাই উৎসবের বিখ্যাত আকর্ষণ হলো পানি খেলা বা জলকেলি।
সঠিক উত্তর: C) চাঁপাইনবাবগঞ্জ
কেন সঠিক:
- চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলাকে বাংলাদেশের আমের রাজধানী বলা হয় এবং এখানেই প্রধান আম গবেষণা কেন্দ্রটি অবস্থিত।
- এই গবেষণা কেন্দ্রটি আম উৎপাদনের উন্নত প্রযুক্তি, রোগবালাই দমন এবং নতুন জাত উদ্ভাবনে কাজ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রংপুর — এটি উত্তরবঙ্গের একটি জেলা যেখানে আলু ও তামাক বেশি উৎপাদিত হয়, তাই এটি আম গবেষণা কেন্দ্রের জন্য সঠিক নয়।
B) রাজশাহী — এটি আম উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত হলেও প্রধান আম গবেষণা কেন্দ্রটি রাজশাহীতে নয়, চাঁপাইনবাবগঞ্জে অবস্থিত।
C) চাঁপাইনবাবগঞ্জ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানেই জাতীয় আম গবেষণা কেন্দ্রটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
D) নাটোর — এটি কাঁচাগোল্লা ও কৃষিপণ্যের জন্য পরিচিত হলেও এখানে প্রধান আম গবেষণা কেন্দ্র অবস্থিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
সবচেয়ে বেশি আম যেখানে অর্থাৎ চাঁপাইনবাবগঞ্জে আম গবেষণা কেন্দ্র অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: D) যশোর
কেন সঠিক:
- বল নৃত্য বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী একটি লোকনৃত্য, যা প্রধানত যশোর অঞ্চলে প্রচলিত।
- স্থানীয় সংস্কৃতি ও লোকঐতিহ্যের অংশ হিসেবে বিভিন্ন উৎসবে এই নৃত্য পরিবেশিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রংপুর — রংপুর অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী নাচের মধ্যে ভাওয়াইয়া ও পালা গান প্রধান, বল নৃত্য নয়।
B) কুমিল্লা — কুমিল্লা অঞ্চলের লোকসংস্কৃতির সাথে বল নৃত্য সম্পর্কিত নয়।
সি) সিলেট — সিলেট অঞ্চলের প্রধান লোকনৃত্য হলো ম manipulative বা মনিপুরী ও চা শ্রমিকদের নৃত্য।
D) যশোর — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এই অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী নৃত্য।
মনে রাখার টিপস:
যশোরের লোকসংস্কৃতি মনে রাখতে যশ শব্দের সাথে বল নৃত্য যুক্ত করে মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: A) করতোয়া
কেন সঠিক:
- মহাস্থানগড় প্রাচীন বাংলার পুণ্ড্রবর্ধনুক্তির রাজধানী পুণ্ডনগর বা বর্তমান বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায় করতোয়া নদীর পশ্চিম তীরে অবস্থিত।
- ভৌগোলিক ও ঐতিহাসিক সূত্র অনুযায়ী প্রাচীনকাল থেকেই করতোয়া নদী এই ঐতিহাসিক প্রাচীন নগরীর সভ্যতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) করতোয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ মহাস্থানগড় এই নদীর তীরেই অবস্থিত।
B) গঙ্গা — এটি বাংলাদেশের একটি প্রধান নদী যা মহাস্থানগড়ের পাশ দিয়ে প্রবাহিত হয়নি।
C) ব্রহ্মপুত্র — এটি দেশের অন্য একটি প্রধান নদ যা মহাস্থানগড়ের ভৌগোলিক অবস্থানের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) মহানন্দা — এটি উত্তরবঙ্গের একটি নদী যা চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও এর আশপাশের অঞ্চলে প্রবাহিত, বগুড়ায় নয়।
মনে রাখার টিপস:
মহাস্থানগড়ের ক এবং করতোয়ার ক মিলিয়ে মনে রাখতে পারো করতোয়া নদী মহাস্থানগড়ের পাশে অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: B) জাপান
কেন সঠিক:
- জাইকা জাপানের সরকারি অর্থায়নে পরিচালিত আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা, যা বিশ্বজুড়ে উন্নয়নশীল দেশগুলোতে সহায়তা প্রদান করে।
- বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের অবকাঠামো উন্নয়ন এবং সামাজিক উন্নয়নে এই সংস্থা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চীন — এটি জাপানের সংস্থা নয়, চীনের নিজস্ব বিভিন্ন উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা তহবিল রয়েছে।
B) জাপান — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ জাইকা জাপানি সরকারের বৈদেশিক সাহায্য সংস্থা।
C) দক্ষিণ কোরিয়া — এটি দক্ষিণ কোরিয়ার সংস্থা নয়, দক্ষিণ কোরিয়ার আন্তর্জাতিক সহায়তা সংস্থার নাম কোইকা।
D) জার্মানি — এটি জার্মানির সংস্থা নয়, জার্মানির প্রধান উন্নয়ন সংস্থার নাম জিআইজেড।
মনে রাখার টিপস:
জাইকা শব্দটির ইংরেজি রূপ JICA-র সাথে জাপান দেশের নামের আদ্যক্ষর মিলিয়ে এটি মনে রাখা সহজ।
সঠিক উত্তর: A) রাজা রামমোহন রায়
কেন সঠিক:
- রাজা রামমোহন রায়ের সামাজিক আন্দোলনের ফলে ব্রিটিশ সরকার ১৮২৯ সালের ৪ ডিসেম্বর সতীদাহ প্রথা বাতিল করে আইন পাস করে।
- লর্ড উইলিয়াম বেন্টিং ১৭ নম্বর রেগুলেশন জারির মাধ্যমে এই অমানবিক প্রথা চিরতরে নিষিদ্ধ করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাজা রামমোহন রায় — সতীদাহ প্রথা বিলুপ্তির প্রধান উদ্যোক্তা ও সামাজিক সংস্কারক হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর।
B) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — তিনি সতীদাহ প্রথা বিলোপের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না, বরং তিনি বিধবা বিবাহ আইন প্রচলন ও নারীশিক্ষার প্রসারে কাজ করেছিলেন।
C) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি বাংলা উপন্যাসের জনক ও সাহিত্যিক ছিলেন, সামাজিক বা আইনগত এই সংস্কার আন্দোলনের সঙ্গে তিনি জড়িত ছিলেন না।
D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বিশ শতকের সাহিত্যিক, নোবেল বিজয়ী ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ছিলেন, যা সতীদাহ প্রথা বিলুপ্তির অনেক পরের সময়কার ঘটনা।
মনে রাখার টিপস:
সতীদাহ প্রথা উচ্ছেদের ক্ষেত্রে রামমোহন রায় ছিলেন প্রদীপের মতো আলোকবর্তিকা, আর লর্ড বেন্টিং ছিলেন আইন প্রণয়নকারী।
সঠিক উত্তর: B) Very Large Scale Integration
১. কেন সঠিক:
- কম্পিউটারের মৌলিক ধারণা ও প্রজন্ম অনুযায়ী VLSI হলো চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটারের অন্যতম প্রধান প্রযুক্তি।
- এর পূর্ণরূপ হলো Very Large Scale Integration, যার মাধ্যমে একটি সিলিকন চিপে হাজার হাজার ট্রানজিস্টর যুক্ত করা হয়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: VLSI হলো এমন একটি প্রযুক্তি যার মাধ্যমে একটি একক মাইক্রোপ্রসেসর বা ইন্টিগ্রেটেড সার্কিটের মধ্যে অসংখ্য ট্রানজিস্টর বা ইলেকট্রনিক উপাদান একসাথে যুক্ত করা হয়।
- কার্যপদ্ধতি: এটি সেমিকন্ডাক্টর বা অর্ধপরিবাহী প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করে কাজ করে, যা ডেটা প্রসেসিংয়ের গতি বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।
- ব্যবহার: আধুনিক কম্পিউটার, স্মার্টফোন, মাইক্রোপ্রসেসর এবং বিভিন্ন ডিজিটাল ডিভাইসের সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট তৈরিতে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ইন্টেলের কোর আই সেভেন প্রসেসর।
ব্যাখ্যা: এই আধুনিক প্রসেসরগুলোতে কোটি কোটি ট্রানজিস্টর ভিএলএসআই প্রযুক্তির মাধ্যমে একটিমাত্র ছোট চিপে স্থাপন করা হয়।
উদাহরণ ২: স্মার্টফোনের প্রসেসর বা চিপসেট।
ব্যাখ্যা: মোবাইল ফোনের ছোট আকারের ভেতরে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন প্রসেসিং নিশ্চিত করতে এই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Very Large System Intergration — এই অপশনে System এবং Intergration শব্দ দুটি ভুল রয়েছে, কারণ সঠিক পরিভাষায় Scale এবং Integration ব্যবহৃত হয়।
B) Very Large Scale Integration — এটি সম্পূর্ণ সঠিক উত্তর এবং মাইক্রোপ্রসেসরের ক্ষেত্রে এটি সর্বজনস্বীকৃত প্রযুক্তিগত টার্ম।
C) Very Long System Integration — এখানে Long শব্দটির ব্যবহার সম্পূর্ণ ভুল এবং এটি কোনো কম্পিউটার বিজ্ঞান বা প্রযুক্তির টার্ম নয়।
D) কোনটিই নয় — যেহেতু সঠিক অপশন বি তে বিদ্যমান, তাই এটি ভুল।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ভিএলএসআই এর পূর্ণরূপ মনে রাখার সহজ উপায় হলো ভি ফর ভেরি, এল ফর লার্জ, এস ফর স্কেল এবং আই ফর ইন্টিগ্রেশন।
- কম্পিউটারের চতুর্থ প্রজন্মের সাথে এই প্রযুক্তির নাম গভীরভাবে জড়িত, যা প্রসেসরের আকার ছোট ও কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে দিয়েছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রসেসরের প্রজন্ম এবং ব্যবহৃত প্রযুক্তি সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে।
- চতুর্থ প্রজন্মে VLSI এবং পঞ্চম প্রজন্মে ULSI বা Ultra Large Scale Integration প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়।
সঠিক উত্তর: C) প্রিন্টার
১. কেন সঠিক:
প্রিন্টার কোনো ইনপুট ডিভাইস নয়, এটি একটি আউটপুট ডিভাইস।
কম্পিউটার থেকে প্রক্রিয়াকৃত ডেটা বা ফলাফল কাগজের ওপর মুদ্রণ করে ব্যবহারকারীকে দেখতে সাহায্য করে বলে এটি আউটপুট হিসেবে কাজ করে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: যে সকল হার্ডওয়্যার ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার থেকে ফলাফল বা আউটপুট বাইরে প্রকাশ করা হয়, সেগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে।
কার্যপদ্ধতি: প্রিন্টার কম্পিউটারের প্রসেসর থেকে ডিজিটাল সিগন্যাল গ্রহণ করে এবং কালির সাহায্যে তা কাগজে ফুটিয়ে তোলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অফিসিয়াল কাজের রিপোর্ট প্রিন্ট করা।
ব্যাখ্যা: কম্পিউটারের এমএস ওয়ার্ডে টাইপ করা কোনো ডকুমেন্ট প্রিন্টারের মাধ্যমে কাগজে রূপান্তর করা হয়।
উদাহরণ ২: ছবি বা ব্যানার প্রিন্ট করা।
ব্যাখ্যা: গ্রাফিক্স ডিজাইন করা ছবি প্রিন্টারের সাহায্যে ফোটোগ্রাফিক পেপারে স্থায়ী রূপ দেওয়া হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মাউস — এটি একটি বহুল ব্যবহৃত ইনপুট ডিভাইস যার মাধ্যমে কম্পিউটারে ডেটা বা নির্দেশ পাঠানো হয়।
B) কী-বোর্ড — এটি প্রধান ইনপুট ডিভাইস যা দিয়ে টেক্সট ও কমান্ড ইনপুট দেওয়া হয়।
C) প্রিন্টার — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি একটি আউটপুট ডিভাইস, ইনপুট ডিভাইস নয়।
D) স্ক্যানার — এটি একটি ইনপুট ডিভাইস যা কাগজের হার্ডকপিকে ডিজিটাল ছবিতে রূপান্তর করে কম্পিউটারে পাঠায়।
৫ মনে রাখার টিপস:
ইনপুট ডিভাইস মানে যা দিয়ে কম্পিউটারে তথ্য প্রবেশ করায়, যেমন মাউস, কিবোর্ড।
আউটপুট ডিভাইস মানে যা দিয়ে ফলাফল বাইরে প্রকাশ পায়, যেমন প্রিন্টার, মনিটর।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইস চেনার জন্য এই প্রশ্নটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
স্ক্যানার ইনপুট ডিভাইস হলেও প্রিন্টার সবসময় আউটপুট ডিভাইস হিসেবে কাজ করে।
সঠিক উত্তর: B) ক্যালিফোর্নিয়া
১. কেন সঠিক:
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের মূল প্রতিষ্ঠান মেটা প্ল্যাটফর্মস ইনকরপোরেটেড-এর প্রধান কার্যালয় বা সদর দপ্তর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের মেনলো পার্ক শহরে অবস্থিত।
প্রযুক্তির বিশ্বে বড় বড় তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের সদর দপ্তর সাধারণত ক্যালিফোর্নিয়ার সিলিকন ভ্যালি অঞ্চলে গড়ে উঠেছে এবং ফেসবুকও তার ব্যতিক্রম নয়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: সদর দপ্তর বা হেডকোয়ার্টার হলো এমন একটি কেন্দ্রীয় স্থান যেখান থেকে কোনো বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক কার্যক্রম, ব্যবস্থাপনা ও নীতিনির্ধারণ পরিচালিত হয়।
কার্যপদ্ধতি: ফেসবুকের এই কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে বিশ্বের কোটি কোটি ব্যবহারকারীর ডেটা সংরক্ষণ, সফটওয়্যার আপডেট, সার্ভার ব্যবস্থাপনা এবং ব্যবসায়িক কৌশল নিয়ন্ত্রিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মাইক্রোসফট কর্পোরেশনের প্রধান কার্যালয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্যের রেডমন্ড শহরে অবস্থিত।
ব্যাখ্যা: এটি যেমন মাইক্রোসফটের বিশ্বব্যাপী উইন্ডোজ ও অন্যান্য সফটওয়্যার কার্যক্রম পরিচালনা করে, তেমনি ফেসবুকের ক্যালিফোর্নিয়া কার্যালয় এর গ্লোবাল প্ল্যাটফর্ম পরিচালনা করে।
উদাহরণ ২: গুগলের প্রধান কার্যালয় বা গুগলপ্লেক্স ক্যালিফোর্নিয়ার মাউন্টেন ভিউতে অবস্থিত।
ব্যাখ্যা: সিলিকন ভ্যালিতে অবস্থিত হওয়ায় গুগল ও ফেসবুক উভয় প্রতিষ্ঠানই একই প্রযুক্তিগত ও ভৌগোলিক সুবিধা ভোগ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সিয়াটল — এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্যের একটি শহর যেখান থেকে অ্যামাজনের মতো বৃহৎ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান পরিচালিত হয় কিন্তু ফেসবুকের সদর দপ্তর এখানে নয়।
B) ক্যালিফোর্নিয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ ফেসবুকের প্রধান কার্যালয় এই অঙ্গরাজ্যের মেনলো পার্কে অবস্থিত।
C) ওয়াশিংটন — এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী বা অঙ্গরাজ্য হতে পারে যেখানে মাইক্রোসফটের মতো অন্যান্য কোম্পানির সদর দপ্তর আছে, ফেসবুকের নয়।
D) নিউইয়র্ক — এটি যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রধান আর্থিক ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র হলেও ফেসবুকের মূল বা বৈশ্বিক সদর দপ্তর এখানে অবস্থিত নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
ফেসবুক বা মেটার মতো শীর্ষস্থানীয় মার্কিন প্রযুক্তি জায়ান্টগুলোর বেশিরভাগ সদর দপ্তর ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের সিলিকন ভ্যালিতে অবস্থিত।
ফেসবুক নামটিতে এফ অক্ষর দিয়ে শুরু হয় এবং ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের মেনলো পার্ক হলো এর সুনির্দিষ্ট ঠিকানা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান যেমন ফেসবুক, গুগল, মাইক্রোসফট বা অ্যাপলের প্রতিষ্ঠাতা, প্রতিষ্ঠাকাল এবং সদর দপ্তরের নাম জানতে চাওয়া হয়।
ফেসবুক প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০৪ সালে এবং এর বর্তমান প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হলেন মার্ক জাকারবার্গ।
সঠিক উত্তর: C) চীন
১. কেন সঠিক:
- ইন্টারনেট ব্যবহারে শীর্ষ দেশ হলো চীন কারণ মোট ইন্টারনেট ব্যবহারকারী বা জনসংখ্যার দিক থেকে বিশ্বের সবচেয়ে এগিয়ে থাকা দেশ এটি।
- প্রযুক্তিগত অবকাঠামোর দ্রুত বিকাশ এবং বিশাল জনসংখ্যার কারণে এখানে ইন্টারনেটের সক্রিয় ব্যবহারকারীর সংখ্যা বিশ্বে সর্বাধিক।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: ইন্টারনেট হলো বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে থাকা অসংখ্য কম্পিউটার নেটওয়ার্কের একটি বিশাল সমাহার, যা প্রটোকল ব্যবহার করে একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে।
- কার্যপদ্ধতি: আইএসপি বা ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারের মাধ্যমে ডেটা প্যাকেট আদান-প্রদানের মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে নেটওয়ার্ক সচল থাকে।
- ব্যবহার: তথ্য আদান-প্রদান, অনলাইন সেবা গ্রহণ, শিক্ষা, ব্যবসা এবং সামাজিক যোগাযোগের জন্য এটি বিশ্বজুড়ে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চীনের নিজস্ব সামাজিক মাধ্যম ও ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম যেমন উইচ্যাট এবং আলিবাবা।
ব্যাখ্যা: বিপুল সংখ্যক মানুষ এই প্ল্যাটফর্মগুলো ব্যবহার করার কারণে চীনে ইন্টারনেট ব্যবহারের হার ও পরিধি বিশাল।
উদাহরণ ২: ফাইব্র অপটিক নেটওয়ার্কের মাধ্যমে দেশের প্রতিটি প্রান্তে দ্রুতগতির ইন্টারনেট সংযোগ পৌঁছে দেওয়া।
ব্যাখ্যা: এই উন্নত অবকাঠামোর ফলে কোটি কোটি মানুষ একই সঙ্গে নিরবচ্ছিন্নভাবে ইন্টারনেট সেবা ভোগ করতে পারে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাংলাদেশ — বাংলাদেশ ইন্টারনেট ব্যবহারকারী দেশের তালিকায় অনেক পিছিয়ে রয়েছে এবং এটি শীর্ষ দেশ নয়।
B) ভারত — ভারত ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে, তাই এটি শীর্ষ দেশ হিসেবে পরিগণিত হয় না।
C) চীন — এই অপশনটি সঠিক কারণ বর্তমান পরিসংখ্যান অনুযায়ী চীন ইন্টারনেট ব্যবহারে বিশ্বে শীর্ষস্থানে অবস্থান করছে।
D) যুক্তরাষ্ট্র — যুক্তরাষ্ট্র প্রযুক্তিতে অনেক এগিয়ে থাকলেও মোট ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যার দিক থেকে চীনের পরেই এর অবস্থান।
৫ মনে রাখার টিপস:
- জনসংখ্যার দিক থেকে বড় দেশ চীন ইন্টারনেটের ব্যবহারেও সবার শীর্ষে রয়েছে।
- চীন শব্দটির সঙ্গে শীর্ষ কথাটি মিলিয়ে এই তথ্যটি সহজে মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ইন্টারনেট বা প্রযুক্তিতে শীর্ষ দেশ বা প্রতিষ্ঠানের নাম জানতে চাওয়া হয়।
- বর্তমান হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী জনসংখ্যার ভিত্তিতে চীন ইন্টারনেট ব্যবহারে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে।
সঠিক উত্তর: C) ০°
১. কেন সঠিক:
মূল মধ্যরেখা পৃথিবীর উত্তর মেরু থেকে দক্ষিণ মেরু পর্যন্ত কল্পিত একটি রেখা যা দ্রাঘিমাংশ নির্ধারণ করে।
এই রেখার মান ০° ধরা হয় এবং এখান থেকেই পূর্ব ও পশ্চিম দিকে দ্রাঘিমাংশ গণনা করা হয়।
২. ভৌগোলিক তথ্য:
অবস্থান: এটি যুক্তরাজ্যের লন্ডনের গ্রিনউইচ শহরের রয়্যাল অবজারভেটরির ওপর দিয়ে অতিক্রম করেছে।
বৈশিষ্ট্য: এটি পৃথিবীকে পূর্ব ও পশ্চিম গোলার্ধে বিভক্ত করে এবং আন্তর্জাতিক সময় নির্ধারণে মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করে।
৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা:
উদাহরণ ১: গ্রিনউইচ মান সময়
ব্যাখ্যা: মূল মধ্যরেখার ওপর ভিত্তি করেই সারা পৃথিবীর সময় বা জিএমটি নির্ধারিত হয়।
উদাহরণ ২: আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা
ব্যাখ্যা: মূল মধ্যরেখার ঠিক বিপরীত দিকে ১৮০ ডিগ্রি দ্রাঘিমা রেখা অবস্থিত যা তারিখ পরিবর্তনের রেখা হিসেবে পরিচিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৯০° — এটি কোনো মৌলিক মধ্যরেখার মান নয়, তবে এটি উত্তর বা দক্ষিণ অক্ষাংশের মান হতে পারে।
B) ১৮০° — এটি আন্তর্জাতিক তারিখ রেখার মান যা মূল মধ্যরেখার ঠিক বিপরীত দিকে অবস্থিত।
C) ০° — এটি মূল মধ্যরেখার সঠিক মান এবং এখান থেকেই দ্রাঘিমা গণনা শুরু হয়।
D) ৩০° — এটি কোনো মৌলিক দ্রাঘিমারেখা নয়, এটি মূল মধ্যরেখা থেকে ৩০ ডিগ্রি পূর্ব বা পশ্চিম দ্রাঘিমা নির্দেশ করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
মূল মানেই শুরু বা শূন্য, তাই মূল মধ্যরেখার মান ০° মনে রাখা সহজ।
গ্রিনউইচ থেকেই শুরু হয় সময় গণনা, তাই এর মান শুরু বা শূন্য ডিগ্রি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
মূল মধ্যরেখা কোন শহরের ওপর দিয়ে গেছে তা প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য পরীক্ষায় আসে।
একই ধারণা থেকে আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা বা দ্রাঘিমা সংক্রান্ত প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: D) চীন
১. কেন সঠিক:
গোবি মরুভূমি এশিয়া মহাদেশের একটি বিশাল শুষ্ক অঞ্চল যা মূলত চীন ও মঙ্গোলিয়ার কিছু অংশ জুড়ে বিস্তৃত। এটি একটি বৃষ্টিচ্ছায় অঞ্চল কারণ হিমালয় পর্বতমালা ভারত মহাসাগর থেকে আসা আর্দ্র বাতাসকে বাধা দেয়।
২. ভৌগোলিক তথ্য:
অবস্থান: এটি চীন দেশের উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল এবং মঙ্গোলিয়ার দক্ষিণ অংশ জুড়ে অবস্থিত।
বৈশিষ্ট্য: এটি একটি ঠান্ডা মরুভূমি যেখানে শীতকালে তাপমাত্রা অনেক কমে যায় এবং বরফ পড়তে পারে।
সংশ্লিষ্ট তথ্য: এটি এশিয়ার বৃহত্তম এবং বিশ্বের অন্যতম প্রধান মরুভূমি।
৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা:
উদাহরণ ১: তকলিমকান মরুভূমি
ব্যাখ্যা: এটিও চীনের একটি বিখ্যাত মরুভূমি যা গোবি মরুভূমির কাছাকাছি অবস্থিত।
উদাহরণ ২: আটাকামা মরুভূমি
ব্যাখ্যা: এটি দক্ষিণ আমেরিকার একটি মরুভূমি যা অন্য একটি ভৌগোলিক অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উত্তর আফ্রিকা — এই অঞ্চলে বিশ্বের বৃহত্তম উষ্ণ মরুভূমি সাহারা অবস্থিত, গোবি মরুভূমি এখানে নয়।
B) দক্ষিণ আফ্রিকা — এই অঞ্চলে কালাহারি মরুভূমি অবস্থিত, যা গোবি মরুভূমির ভৌগোলিক সীমার বাইরে।
C) দক্ষিণ আমেরিকা — এই মহাদেশে আটাকামা মরুভূমি অবস্থিত, গোবি মরুভূমি এখানে পাওয়া যায় না।
D) চীন — এটি সঠিক উত্তর কারণ গোবি মরুভূমির একটি বড় অংশ চীনের ভূখণ্ডে অবস্থিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
গোবি মরুভূমি দেখতে ঠান্ডা এবং এটি চীন ও মঙ্গোলিয়ায় অবস্থিত, তাই মনে রাখবেন চীন মানেই গোবি মরুভূমির বৃহৎ অংশ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
এই প্রশ্নটি বিশ্ব ভূগোল এবং মরুভূমি বিষয়ক অধ্যায়ের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে গোবি মরুভূমি কোন দুটি দেশের মধ্যে অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: B) তিব্বত
১. কেন সঠিক:
তিব্বতকে অতীতে বহিশ্ববির কাছে এর দুর্গম ভৌগোলিক অবস্থান ও কঠোর প্রবেশ নিষেধাজ্ঞার কারণে নিষিদ্ধ দেশ বলা হতো।
উচ্চ পাহাড়ি মালভূমি এবং প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে এই অঞ্চলটিতে দীর্ঘদিন সাধারণ মানুষের যাতায়াত প্রায় অসম্ভব ছিল।
২. ভৌগোলিক তথ্য:
অবস্থান: এশিয়া মহাদেশের মধ্যভাগে হিমালয় পর্বতমালার উত্তরে অবস্থিত একটি মালভূমি অঞ্চল।
বৈশিষ্ট্য: এটি বিশ্বের সর্বোচ্চ মালভূমি, যা পৃথিবীর ছাদ নামে পরিচিত।
৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা:
উদাহরণ ১: লাসা।
ব্যাখ্যা: তিব্বতের রাজধানী লাসা অতীতে নিষিদ্ধ নগরী হিসেবে পরিচিত ছিল যেখানে বিদেশিদের প্রবেশ কঠোরভাবে নিষিদ্ধ ছিল।
উদাহরণ ২: পটালা প্যালেস।
ব্যাখ্যা: তিব্বতের এই ঐতিহাসিক প্রাসাদটি দুর্গম পাহাড়ের উপরে অবস্থিত যা এর ভৌগোলিক বিচ্ছিন্নতার প্রতীক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইসরাইল — এটি মধ্যপ্রাচ্যের একটি রাষ্ট্র, ভূমধ্যসাগরের তীরে অবস্থিত এবং এটি নিষিদ্ধ দেশ নামে পরিচিত নয়।
B) তিব্বত — এটি সঠিক উত্তর কারণ ঐতিহাসিক ও ভৌগোলিক কারণে একে নিষিদ্ধ দেশ বলা হয়।
C) কিউবা — এটি ক্যারিবীয় সাগরের একটি দ্বীপ রাষ্ট্র, যাকে চাবির দেশ বা Antilles এর চাবি বলা হয়।
D) আফগানিস্তান — এটি দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়ার একটি স্থলবেষ্টিত দেশ, যাকে সাম্রাজ্যের কবরস্থান বলা হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
তিব্বত মানেই পৃথিবীর ছাদ এবং দুর্গমতার জন্য নিষিদ্ধ দেশ।
উঁচু পাহাড় ঘেরা এই অঞ্চলের রাজধানী লাসার অপর নাম নিষিদ্ধ নগরী।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
তিব্বতকে পৃথিবীর ছাদ বলা হয় এবং এর রাজধানী লাসাকে নিষিদ্ধ নগরী বলা হয়।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিশ্বখ্যাত বিভিন্ন স্থানের ভৌগোলিক উপনাম থেকে প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: B) লালপুর
১. কেন সঠিক:
বাংলাদেশের সবচেয়ে কম বৃষ্টিপাত হওয়া স্থান হলো নাটোর জেলার লালপুর উপজেলা।
পদ্মা নদীর অববাহিকায় অবস্থিত হওয়ায় এবং ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে এখানে জলবায়ুর প্রভাবে তুলনামূলকভাবে কম বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়।
২. ভৌগোলিক তথ্য:
অবস্থান: নাটোর জেলা, রাজশাহী বিভাগ, বাংলাদেশ।
বৈশিষ্ট্য: এটি উত্তরবঙ্গের একটি শুষ্ক অঞ্চল যেখানে বাৎসরিক গড় বৃষ্টিপাত বাংলাদেশের অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় সবচেয়ে কম।
কারণ ও প্রভাব: মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে দেশের পূর্বাঞ্চলে বেশি বৃষ্টি হলেও পশ্চিমাঞ্চল বৃষ্টিচ্ছায় অঞ্চলের কাছাকাছি থাকায় এখানে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কম হয়।
৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা:
উদাহরণ ১: শ্রীমঙ্গল
ব্যাখ্যা: মৌলভীবাজার জেলায় অবস্থিত শ্রীমঙ্গল বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাতবহুল ও চা উৎপাদী অঞ্চল হিসেবে পরিচিত।
উদাহরণ ২: লালপুর উপজেলা
ব্যাখ্যা: এটি বরেন্দ্র অঞ্চলের কাছাকাছি অবস্থিত হওয়ায় শুষ্ক মৌসুমে এখানে তীব্র গরম ও খরা ভাব দেখা যায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লালখান — এটি কোনো নির্দিষ্ট আবহাওয়া স্টেশন বা বৃষ্টিপাতের রেকর্ডের জন্য পরিচিত সর্বনিম্ন বৃষ্টিপাতের স্থান নয়।
B) লালপুর — এটি সঠিক উত্তর।
C) শ্রীমঙ্গল — এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাতবহুল অঞ্চল হিসেবে পরিচিত, কম বৃষ্টিপাতের স্থান নয়।
D) মাধবকুণ্ড — এটি মৌলভীবাজার জেলায় অবস্থিত দেশের অন্যতম বৃহৎ জলপ্রপাতের স্থান, কম বৃষ্টিপাতের অঞ্চল নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
সবচেয়ে কম বৃষ্টি লালপুরে, আর সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি সিলেটে কিংবা শ্রীমঙ্গলে।
এই বৈপরীত্য মনে রাখলে পরীক্ষাতে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কম বৃষ্টিপাত সম্পর্কিত প্রশ্ন বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
একই ধারণা থেকে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাতের স্থান বা সবচেয়ে উষ্ণ অঞ্চলের নাম সম্পর্কিত প্রশ্নও আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: D) তুরস্ক
১. কেন সঠিক:
- তুরস্ক এমন একটি দেশ যা দুটি মহাদেশে বিস্তৃত, যার মূল ভূখণ্ড এশিয়ায় এবং একটি ক্ষুদ্র অংশ ইউরোপে অবস্থিত।
- বসফরাস প্রণালী এবং দারদানেলিস প্রণালী তুরস্কের এশীয় অংশকে ইউরোপীয় অংশ থেকে পৃথক করেছে।
২. ভৌগোলিক তথ্য:
- অবস্থান: তুরস্কের প্রায় ৯৭ শতাংশ অংশ এশিয়ার আনাতোলিয়া অঞ্চলে এবং ৩ শতাংশ অংশ ইউরোপের থ্রেস অঞ্চলে অবস্থিত।
- বৈশিষ্ট্য: এই ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে তুরস্ক কৃষ্ণ সাগর এবং ভূমধ্যসাগরের সংযোগকারী জলপথগুলোর ওপর কৌশলগত নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখে।
৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা:
উদাহরণ ১: রাশিয়া
ব্যাখ্যা: রাশিয়াও দুটি মহাদেশে অবস্থিত একটি দেশ, যার বিশাল অংশ এশিয়ায় এবং পশ্চিমাংশ ইউরোপে বিস্তৃত।
উদাহরণ ২: মিশর
ব্যাখ্যা: মিশর মূলত আফ্রিকায় অবস্থিত হলেও এর সিনাই উপদ্বীপটি এশিয়া মহাদেশের অন্তর্ভুক্ত, যা এটিকে আন্তঃমহাদেশীয় দেশ করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গ্রিস — গ্রিস সম্পূর্ণভাবে ইউরোপ মহাদেশের বলকান অঞ্চলে অবস্থিত একটি দেশ এবং এটি কোনো আন্তঃমহাদেশীয় দেশ নয়।
B) মিশর — মিশর মূলত আফ্রিকা মহাদেশে অবস্থিত এবং এর কেবল একটি ক্ষুদ্র অংশ এশিয়ায় পড়ে, তবে প্রমিত ভূগোলে তুরস্ককে প্রধান আন্তঃমহাদেশীয় দেশ হিসেবে ধরা হয়।
C) চীন — চীন সম্পূর্ণভাবে এশিয়া মহাদেশের পূর্ব অংশে অবস্থিত এবং এটি বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ একক মহাদেশীয় দেশ।
D) তুরস্ক — তুরস্কের ভূখণ্ড আংশিক এশিয়া এবং আংশিক ইউরোপ মহাদেশে অবস্থিত হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ইউরেশিয়ার সেতু দেশ হিসেবে তুরস্ককে মনে রাখতে পারেন, যার রাজধানী আঙ্কারা হলেও এর বৃহত্তম শহর ইস্তাম্বুল ইউরোপ ও এশিয়া উভয় মহাদেশে ছড়িয়ে আছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আন্তঃমহাদেশীয় দেশ সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে, যেমন রাশিয়া, তুরস্ক ও কাজাখস্তান।
- এই প্রশ্নটি থেকে প্রণালী এবং ভৌগোলিক অবস্থান সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায় যা মানচিত্রভিত্তিক প্রশ্নে কাজে লাগে।
সঠিক উত্তর: B) হল্যান্ড
১. কেন সঠিক:
- হল্যান্ড বা নেদারল্যান্ডস উত্তরপশ্চিম ইউরোপের একটি দেশ যা স্ক্যান্ডিনেভিয়ার অন্তর্ভুক্ত নয়।
- ভৌগোলিক ও সাংস্কৃতিক দিক থেকে স্ক্যান্ডিনেভিয়ান অঞ্চলের দেশগুলো ভিন্ন বৈশিষ্ট্য বহন করে।
২. ভৌগোলিক তথ্য:
- অবস্থান: স্ক্যান্ডিনেভিয়া ইউরোপ মহাদেশের উত্তরাঞ্চলে বাল্টিক ও উত্তর সাগরের কাছাকাছি অবস্থিত।
- বৈশিষ্ট্য: এই অঞ্চলের দেশগুলো উচ্চ অক্ষাংশে অবস্থিত হওয়ায় শীতপ্রধান জলবায়ু এবং বরফাবৃত ভূপ্রকৃতির জন্য পরিচিত।
৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা:
উদাহরণ ১: ফিনল্যান্ড
ব্যাখ্যা: ফিনল্যান্ড স্ক্যান্ডিনেভিয়ান উপদ্বীপের অংশ না হলেও রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিকভাবে স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ হিসেবে গণ্য হয়।
উদাহরণ ২: আইসল্যান্ড
ব্যাখ্যা: আইসল্যান্ড উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত একটি দ্বীপ রাষ্ট্র যা নর্ডিক দেশ হলেও স্ক্যান্ডিনেভিয়ার মূল ভূখণ্ডে নেই।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সুইডেন — এটি স্ক্যান্ডিনেভিয়ান উপদ্বীপের অন্তর্ভুক্ত প্রধান দেশ এবং এর উত্তর অংশ সুইডেনের অংশ।
B) হল্যান্ড — এটি উত্তরপশ্চিম ইউরোপের দেশ এবং স্ক্যান্ডিনেভিয়ান অঞ্চলের বাইরে অবস্থিত।
C) নরওয়ে — এটি স্ক্যান্ডিনেভিয়ান উপদ্বীপে অবস্থিত একটি দীর্ঘ উপকূলীয় দেশ।
D) ডেনমার্ক — এটি স্ক্যান্ডিনেভিয়ার ঐতিহ্যবাহী দেশগুলোর একটি এবং জুটল্যান্ড উপদ্বীপে অবস্থিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশগুলো মনে রাখার সহজ শব্দ হলো সুনোডা অর্থ সুইডেন, নরওয়ে ও ডেনমার্ক।
- এই ছোট সূত্রের বাইরে থাকা দেশগুলো এই অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত হবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ এবং নর্ডিক দেশের পার্থক্য প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়।
- স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ বলতে মূলত সুইডেন, নরওয়ে ও ডেনমার্ককে বোঝায়।
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)