বাংলাদেশ  সিভিল সার্ভিস (BCS)

৩৩ তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা ২০১২

পদের নাম: বিভিন্ন পদ (৯ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (95)

a সরল
b মিশ্র বা জটিল
c যৌগিক
d সংযুক্ত
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মিশ্র বা জটিল ১. কেন সঠিক: - যে বাক্যে একটি প্রধান বা মাদার ক্লজ এবং এক বা একাধিক আশ্রিত বা সাবর্ডিনেট ক্লজ থাকে, তাকে মিশ্র বা জটিল বাক্য বলে। - এখানে তুমি আসবে বলে এটি একটি আশ্রিত খণ্ডবাক্য এবং সখিনা বিবির কপাল ভাঙল এটি প্রধান খণ্ডবাক্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মিশ্র বা জটিল বাক্যে সাধারণত যিনি-তা, যে-সে, যদি-তবে, যেহেতু-সেহেতু, যারা-তারা ইত্যাদি সাপেক্ষ সর্বনাম বা যোজক ব্যবহৃত হয়। - এই বাক্যে বলে যোজকটি দুটি খণ্ডবাক্যকে পরস্পরের ওপর নির্ভরশীল করে তুলেছে, যা জটিল বাক্যের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যদি তুমি আসো, তবে আমি যাব। ব্যাখ্যা: এখানে একটি শর্তযুক্ত আশ্রিত খণ্ডবাক্যের ওপর প্রধান খণ্ডবাক্য নির্ভরশীল হওয়ায় এটি মিশ্র বা জটিল বাক্য। উদাহরণ ২: যিনি সততা বজায় চলেন, তিনি সবাইর শ্রদ্ধা পান। ব্যাখ্যা: এখানে যিনি এবং তিনি সাপেক্ষ সর্বনামের ব্যবহার বাক্যটিকে মিশ্র বা জটিল বাক্যে রূপান্তর করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সরল — সরল বাক্যে একটিমাত্র কর্তা এবং একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে, যা এই বাক্যে নেই। B) মিশ্র বা জটিল — এটি সঠিক উত্তর। C) যৌগিক — যৌগিক বাক্যে দুই বা ততোধিক স্বাধীন বাক্য এবং, কিন্তু, কিংবা ইত্যাদি অব্যয় দ্বারা যুক্ত থাকে। D) সংযুক্ত — এটি বাংলা ব্যাকরণের বাক্য প্রকরণের কোনো মৌলিক শ্রেণিবিভাগ নয়, বরং এটি বিভ্রান্ত করার জন্য দেওয়া হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাক্যের অংশগুলো যদি একে অপরের ওপর নির্ভরশীল হয় এবং সাপেক্ষ যোজক বা শব্দ দ্বারা যুক্ত থাকে, তবে তা মিশ্র বা জটিল বাক্য হবে। - কারণ সূচক বা শর্তমূলক বাক্যগুলো সাধারণত জটিল বাক্যের অন্তর্ভুক্ত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জটিল বাক্য থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই খণ্ডবাক্যের পারস্পরিক নির্ভরতা চেনার দক্ষতা অর্জন করতে হবে। - খণ্ডবাক্যগুলোর মধ্যে কোনটি প্রধান এবং কোনটি আশ্রিত তা নির্ণয় করতে পারলে উত্তর ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
a ডঃ মুহম্মদ শহিদুল্লাহ
b ড. সুনীতি কুমার চট্টোপাধ্যায়
c হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
d স্যার জর্জ হ্যারিশন
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ড. সুনীতি কুমার চট্টোপাধ্যায় কেন সঠিক: - এই গ্রন্থটি বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ নিয়ে রচিত সবচেয়ে প্রামাণ্য ও ঐতিহাসিক গবেষণা গ্রন্থ। - ড. সুনীতি কুমার চট্টোপাধ্যায় ১৯২৬ সালে এই ইংরেজি গবেষণা গ্রন্থটি প্রকাশ করেন যা বাংলা ভাষাতত্ত্বের ক্ষেত্রে এক যুগান্তকারী সৃষ্টি। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ভাষাভাষীর উৎপত্তি নির্দেশ করতে প্রাচ্য ও প্রতীচ্যের ভাষাবিজ্ঞানীরা এই গ্রন্থটিকে সর্বকালের সেরা দলিল হিসেবে গণ্য করেন। - বাংলা ভাষার প্রাচীন রূপ এবং প্রাকৃত থেকে এর বিবর্তন স্পষ্টভাবে এই গ্রন্থে বৈজ্ঞানিক উপায়ে তুলে ধরা হয়েছে। - উদাহরণস্বরূপ, মাগধী প্রাকৃত ও অপভ্রংশ থেকে বাংলা ভাষার জন্মতত্ত্ব এই গ্রন্থে প্রথম সুবিন্যস্তভাবে প্রমাণিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) ডঃ মুহম্মদ শহিদুল্লাহ — ইনি দ্য অরিজিন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অফ বেঙ্গলি ল্যাঙ্গুয়েজ গ্রন্থটি রচনা করেননি বরং বাংলা ভাষার উৎপত্তির ইতিহাস নিয়ে আলাদা গবেষণা ও গ্রন্থ রচনা করেছেন। - B) ড. সুনীতি কুমার চট্টোপাধ্যায় — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এখানে ভুল ব্যাখ্যার কিছু নেই। - C) হরপ্রসাদ শাস্ত্রী — ইনি চর্যাপদ আবিষ্কার ও প্রাচীন বাংলা সাহিত্য নিয়ে কাজ করেছেন কিন্তু এই ভাষাতাত্ত্বিক গ্রন্থটি লেখেননি। - D) স্যার জর্জ হ্যারিশন — ইনি বাংলা ভাষা নিয়ে এই ধরনের কোনো মৌলিক গ্রন্থ রচনা করেননি। মনে রাখার টিপস: - সুনীতি কুমার চট্টোপাধ্যায়ের নামের আদ্যক্ষর স দিয়ে শুরু এবং তার বিখ্যাত গ্রন্থের নাম ও ইংরেজি নামের সাথে স শব্দের মিল রয়েছে।
a W B Yeats
b T S Elliot
c Kits
d Ejra Pound
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) W B Yeats ১. কেন সঠিক: গীতাঞ্জলি কাব্যের ইংরেজি অনুবাদের নাম সংগীতাঞ্জলি বা সং অফারিংস। এই ইংরেজি অনুবাদটির ভূমিকা লিখেছিলেন এবং এর সম্পাদনা করেছিলেন বিখ্যাত আইরিশ কবি উইলিয়াম বাটলার ইয়েটস। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১২ সালে ইংল্যান্ড যাওয়ার প্রাক্কালে জাহাজে গীতাঞ্জলি কাব্যের কবিতাগুলোর ইংরেজি অনুবাদ শুরু করেন। এই ইংরেজি অনুবাদের জন্য রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নোবেল প্রাপ্তি ব্যাখ্যা: ১৯১৩ সালে গীতাঞ্জলির ইংরেজি অনুবাদের জন্য রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রথম এশীয় হিসেবে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেন। উদাহরণ ২: ইয়েটসের ভূমিকা ব্যাখ্যা: ডব্লিউ বি ইয়েটস গীতাঞ্জলি কাব্যের ইংরেজি সংস্করণের একটি প্রশংসামূলক ভূমিকা লিখে এর আন্তর্জাতিক পরিচিতি নিশ্চিত করেছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) W B Yeats — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি গীতাঞ্জলির ইংরেজি অনুবাদ সম্পাদনা করেছিলেন। B) T S Elliot — টি এস এলিয়ট বিংশ শতাব্দীর একজন প্রখ্যাত আধুনিক কবি ও সমালোচক যিনি এর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। C) Kits — জন কিটস্ রোমান্টিক যুগের ইংরেজ কবি যিনি রবীন্দ্রনাথের অনেক আগেই মৃত্যুবরণ করেছিলেন। D) Ejra Pound — এজরা পাউন্ড আধুনিকতাবাদী কবি হলেও তিনি এই গ্রন্থ সম্পাদনা করেননি। ৫ মনে রাখার টিপস: গীতাঞ্জলির ইংরেজি অনুবাদ সম্পাদনা করেছেন ইয়েটস এবং এর সূত্র ধরে রবীন্দ্রনাথ পেয়েছেন নোবেল। এই তথ্যটি মনে রাখতে ইয়েটস ও নোবেল শব্দ দুটি একসঙ্গে মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় গীতাঞ্জলির ইংরেজি অনুবাদ এবং নোবেল প্রাপ্তি সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। এই ধরনের প্রশ্নে অনুবাদকের নাম এবং সম্পাদকের নাম আলাদাভাবে মনে রাখা জরুরি।
a পিপিলিকা
b পিপীলিকা
c পীপিলিকা
d পিপিলীকা
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পিপীলিকা ১. কেন সঠিক: - পিপীলিকা শব্দের অর্থ পিঁপড়ে বা পিপীলিকা। বানানের নিয়ম অনুযায়ী এর প্রথম ও দ্বিতীয় ই-কার এবং দীর্ঘ ঈ-কার সঠিকভাবে বসেছে। - বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এই শব্দের সঠিক বানান হলো প-ই কার, প-ঈ কার, ল-ই কার, ক-আ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী তৎসম শব্দে ই-কার ও ঈ-কারের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হয়। - পিপীলিকা একটি তৎসম শব্দ এবং এর প্রথম বর্ণে হ্রস্ব ই-কার এবং দ্বিতীয় বর্ণে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বুদ্ধিজীবী ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও ই-কার ও ঈ-কারের নির্দিষ্ট নিয়ম অনুসরণ করা হয়েছে, যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। উদাহরণ ২: মরীচিকা ব্যাখ্যা: এটিও একটি তৎসম শব্দ যেখানে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহারের নির্দিষ্ট ব্যাকরণগত নিয়ম রয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পিপিলিকা — এই অপশনে দীর্ঘ ঈ-কারের জায়গায় হ্রস্ব ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা বানানটিকে ভুল করে তোলে। B) পিপীলিকা — এটি প্রশ্নানুসারে সম্পূর্ণ সঠিক এবং প্রমিত বানানরীতি সমর্থিত রূপ। C) পীপিলিকা — এই অপশনে প্রথম বর্ণে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। D) পিপিলীকা — এই অপশনে শেষের দিকে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক বানানের নিয়মের পরিপন্থী। ৫. মনে রাখার টিপস: - পিপীলিকা বানানে মনে রাখবে প্রথমে ছোট ই, মাঝে বড় ঈ এবং শেষে ছোট ই বসে অর্থাৎ ই-ঈ-ই ক্রম অনুসরণ করে। - বারবার লিখে অভ্যাস করলে এই ধরণের বানানের বিভ্রান্তি সহজে দূর করা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সচরাচর ভুল হয় এমন বানানগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম। - বানানের ক্ষেত্রে তৎসম শব্দের বানানগুলো মূল সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম মেনে মুখস্থ রাখতে হবে।
a কুন্দনন্দিনী
b শ্যামাশুন্দরি
c বিমলা
d রোহিণী
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কুন্দনন্দিনী ১. কেন সঠিক: - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস বিষবৃক্ষ-এর অন্যতম প্রধান ও কেন্দ্রীয় নারী চরিত্র হলো কুন্দনন্দিনী। - এ উপন্যাসে কুন্দনন্দিনীর প্রবেশ এবং তার প্রতি নগেন্দ্রনারায়ণের আকর্ষণই মূলত কাহিনীর মূল দ্বন্দ্ব ও ট্র্যাজেডি তৈরি করেছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের জনক হিসেবে পরিচিত এবং বিষবৃক্ষ তার প্রথম সার্থক সামাজিক উপন্যাস যা ১৮৭৩ সালে প্রকাশিত হয়। - এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্রগুলো হলো নগেন্দ্র নারায়ণ, সূর্যমুখী, কুন্দনন্দিনী ও দেবেন্দ্র। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দুর্গা ও অপু ব্যাখ্যা: বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের পথের পাঁচালী উপন্যাসের অমর দুটি চরিত্র। উদাহরণ ২: হরিমতি ও দেবেন্দ্রনাথ ব্যাখ্যা: বঙ্কিমচন্দ্রের বিষবৃক্ষ উপন্যাসের অন্যান্য পার্শ্বচরিত্র। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কুন্দনন্দিনী — এটি সঠিক উত্তর কারণ সে বিষবৃক্ষ উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র। B) শ্যামাসুন্দরি — এটি বঙ্কিমচন্দ্রের বিষবৃক্ষ উপনেসের চরিত্র নয়। C) বিমলা — বিমলা বঙ্কিমচন্দ্রের দুর্গেশনন্দিনী উপন্যাসের একটি চরিত্র। D) রোহিণী — রোহিণী বঙ্কিমচন্দ্রের কৃষ্ণকান্তের উইল উপন্যাসের প্রধান নারী চরিত্র। ৫ মনে রাখার টিপস: - বঙ্কিমচন্দ্রের বিষবৃক্ষ উপন্যাসের প্রধান চরিত্র মনে রাখার সূত্র হলো বিষের কুঁড়ি, তাই কুন্দনন্দিনী। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিষবৃক্ষ উপন্যাসটি ১৮৭৩ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি বৈধব্যে বিবাহ ও বহুবিবাহ সমস্যার ওপর রচিত।
a কপট ব্যাক্তি
b ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক
c হতভাগ্য
d মোসাহেব
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মোসাহেব ১. কেন সঠিক: - ঢাকের কাঠি বাগধারাটির অর্থ তোষামোদকারী বা মোসাহেব। - ঢাক যেমন নিজের গুণ প্রকাশ করতে পারে না এবং অন্যের বাড়ি বাজানোর কাজে ব্যবহৃত হয়, তেমনি তোষামোদকারীরা অন্যের তাবেদারি করে বেঁচে থাকে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত বাগধারা, যা বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে। - বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দসমষ্টি যা তাদের আক্ষরিক অর্থ ছাপিয়ে বিশেষ কোনো ভাব প্রকাশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মন্ত্রীর পেছনের ঢাকের কাঠিগুলো এখন বিপদে পড়েছে। ব্যাখ্যা: এখানে তোষামোদকারী বা চাটুকার অর্থে ঢাকের কাঠি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: নিজের মেধার জোরে চলো, কারও ঢাকের কাঠি হয়ে থেকো না। ব্যাখ্যা: অন্যের ওপর অতিরিক্ত নির্ভর করে তোষামোদ করা থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কপট ব্যাক্তি — এটি বিড়ালতপসী বা শকুনি মামা বাগধারার অর্থ প্রকাশ করে, যা ঢাকের কাঠি নয়। B) ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক — এটি রক্তের সম্পর্ক বা ঘনিষ্ট বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা মোসাহেব অর্থে প্রযোজ্য নয়। C) হতভাগ্য — এটি কপাল পোড়া বা উনুরেড়ে বাগধারার অর্থ, ঢাকের কাঠির সঙ্গে মেলে না। D) মোসাহেব — এটি ঢাকের কাঠি বাগধারার সঠিক এবং সরাসরি সমার্থক অর্থ প্রকাশ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - ঢাক যেমন অন্যর পিট্টিতে বাজে, মোসাহেব বা তোষামোদকারীও তেমনি অন্যের গুণ গেয়ে বেড়ায়। - এই মিল মনে রাখলে পরীক্ষা সহজেই উত্তর করা যাবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়শই স্বভাবজাত ও চাটুকারিতা বোঝাতে এই ধরনের বাগধারা আসে। - শব্দের আক্ষরিক অর্থ না ধরে এর রূপক অর্থ বুঝতে হবে।
a হরতাল
b পালাবদল
c উত্তীর্ণ পঞ্চাশে
d অনিষ্ট স্বদেশ
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) হরতাল ১. কেন সঠিক: হরতাল গ্রন্থটি বাংলা সাহিত্যের প্রগতিশীল ধারার কিশোর কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য কর্তৃক রচিত একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। এই কাব্যগ্রন্থে কবির তারুণ্যের দীপ্তি, শোষণহীন সমাজ গঠনের প্রত্যয় এবং বিপ্লবের বাণী স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: সুকান্ত ভট্টাচার্য ছিলেন বাংলা কাব্যের এক ব্যতিক্রমী প্রতিভা যিনি মাত্র একচল্লিশ বছরের জীবনে বাংলা কবিতায় নতুন সুর নিয়ে আসেন। তাঁর কাব্যে সাম্যবাদ, দ্রোহ, অধিকার আদায়ের সংগ্রাম এবং মানবমুক্তির জয়গান অত্যন্ত জোরালোভাবে প্রকাশিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ছাড়পত্র ব্যাখ্যা: এটি সুকান্ত ভট্টাচার্যের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও পরিচিত কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে অন্যতম যা তাঁর মৃত্যুর পর প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: পূর্বাভাস ব্যাখ্যা: এটিও সুকান্ত ভট্টাচার্যের একটি প্রখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যেখানে তাঁর বিপ্লবী চেতনার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হরতাল — এটি সুকান্ত ভট্টাচার্যের রচিত কাব্যগ্রন্থ হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। B) পালাবদল — এই সাহিত্যকর্মটি সুকান্ত ভট্টাচার্যের রচিত নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। C) উত্তীর্ণ পঞ্চাশে — এটি সুকান্ত ভট্টাচার্যের রচিত কোনো গ্রন্থ নয়, তাই এটি ভুল অপশন। D) অনিষ্ট স্বদেশ — এটি সুকান্ত ভট্টাচার্যের কোনো পরিচিত বা স্বীকৃত গ্রন্থ নয়, তাই এটি ভুল। ৫ মনে রাখার টিপস: সুকান্ত ভট্টাচার্যের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলো মনে রাখার সহজ কৌশল হলো তাঁরুণ্যের কবি হিসেবে তাঁর রচিত হরতাল এবং ছাড়পত্র বই দুটি এক সাথে মনে রাখা। তাঁকে বাংলা সাহিত্যের কিশোর কবি বলা হয় যিনি খুব অল্প বয়সে মৃত্যুবরণ করলেও অমর সৃষ্টি রেখে গেছেন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সুকান্ত ভট্টাচার্যের কাব্যগ্রন্থ যেমন ছাড়পত্র, পূর্বাভাস, ঘুম নেই এবং হরতাল বারবার আসে। কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের জন্ম ১৯২৬ সালে এবং মৃত্যু ১৯৪৭ সালে, তাঁর পৈতৃক নিবাস ফরিদপুর জেলায় হলেও তিনি কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন।
a ১৯২৩
b ১৯২৪
c ১৯২৫
d ১৯২৭
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৯২৩ ১. কেন সঠিক: কল্লোল পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯২৩ সালের বাংলা ১৩৩০ বঙ্গাব্দের বৈশাখ মাসে। বাংলা সাহিত্যের আধুনিকতার সূচনা এবং নতুন ধারার প্রকাশনায় এই পত্রিকার ঐতিহাসিক ভূমিকা রয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: কল্লোল পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন দীনেশরঞ্জন দাশ এবং পরে বুদ্ধদেব বসু ও অজিত দত্ত এর সঙ্গে যুক্ত হন। এটি ছিল বাংলা সাহিত্যের কল্লোল যুগের মুখপত্র, যা তিরিশের দশকের আধুনিক কবি ও লেখকদের কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শনিবারের চিঠি ১৯২৪ সালে প্রকাশিত হয়। ব্যাখ্যা: এটি কল্লোল যুগের সাহিত্য আন্দোলনের বিরুদ্ধে একটি প্রতিবাদী ও ব্যঙ্গাত্মক পত্রিকা ছিল। উদাহরণ ২: কালি ও কলম ১৯২৬ সালে প্রকাশিত হয়। ব্যাখ্যা: এটিও বাংলা সাহিত্যের একটি সুপরিচিত প্রাচীন সাহিত্যপত্র। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯২৩ — এই সালে কল্লোল পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয় এবং এটিই সঠিক উত্তর। B) ১৯২৪ — এই সালে বিখ্যাত ব্যঙ্গাত্মক পত্রিকা শনিবারের চিঠি প্রকাশিত হয়। C) ১৯২৫ — এই সালে কল্লোল পত্রিকা প্রকাশিত হয়নি, বরং এটি কল্লোল যুগের প্রারম্ভিক সময়। D) ১৯২৭ — এই সালে প্রগতি নামক আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্য পত্রিকা প্রকাশিত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: কল্লোল প্রকাশিত হয় তেরশ ত্রিশের বৈশাখে অর্থাৎ ১৯২৩ সালে। কবিতা ও সাহিত্যের নতুন হাওয়া পেতে তেরশ ত্রিশে কল্লোল হাতে নাও। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাহিত্যপত্রিকা ও প্রকাশের সাল প্রায়ই আসে। পত্রিকার সম্পাদক এবং প্রকাশের সাল আলাদা করে নোট করে রাখা ভালো।
a ;
b :
c ?
d -
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) : ১. কেন সঠিক: প্রশ্নটিতে যতিচিহ্ন বা ছেদচিহ্নের মধ্যে কোলন সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়েছে। বাংলা বাক্যে একটি পূর্ণাঙ্গ বাক্য লেখার পর তার পরিপূরক বা বিস্তারিত অন্য কোনো বাক্য বা অংশ জুড়তে কোলন ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যতিচিহ্ন বা ছেদচিহ্ন বাক্যের অর্থ পরিষ্কার করার জন্য ব্যবহৃত হয়। কোলন একটি যতিচিহ্ন যা সাধারণত উদাহরণ দিতে কিংবা কোনো কথার ব্যাখ্যা বোঝাতে বাক্যের মাঝে বসে এবং এর বিরতিকাল এক বলতে যে সময় লাগে তার সমান। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সভা আরম্ভ হলো: সভাপতি বক্তব্য রাখলেন। ব্যাখ্যা: এখানে প্রথম বাক্যের ফল বা বিস্তারিত প্রকাশ করতে কোলন ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: ফলমূল আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী: যেমন আম, কাঁঠাল, কলা ইত্যাদি। ব্যাখ্যা: এখানে কোনো বিষয়ের উদাহরণ বা তালিকা টানার আগে কোলন ব্যবহার করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ; — এটি সেমিকোলন চিহ্ন, যা কোলনের চেয়ে কম সময় থামতে ব্যবহৃত হয়। C) ? — এটি প্রশ্নবোধক চিহ্ন, যা কোনো কিছু জিজ্ঞাসা করতে বাক্যের শেষে বসে। D) - — এটি হাইফেন চিহ্ন, যা সমাসবদ্ধ পদগুলোকে যুক্ত করতে ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: উপরে নিচে দুটি ফোঁটা বা বিন্দু থাকলেই তা কোলন হিসেবে গণ্য করা হয়। বাক্যে উদাহরণ বা দৃষ্টান্ত দেওয়ার সময় কোলন চিহ্ন মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় যতিচিহ্নের নাম ও তার আকৃতি প্রায়ই আসে। কোন যতিচিহ্নে কতক্ষণ থামতে হয়, তা ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
a নিশিথিনী
b নীশিথিনী
c নিশীথিনী
d নিশিথিনি
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নিশীথিনী ১. কেন সঠিক: - নিশীথিনী শব্দটির অর্থ হলো রাত বা রাত্রি। - বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী নিশীথ শব্দের সঙ্গে ইন প্রত্যয় যোগ হয়ে নিশীথিনী গঠিত হয়েছে, যেখানে প্রথম ই কার এবং দ্বিতীয় দীর্ঘ ঈ কার ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা প্রমিত বানানে তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে ই কার এবং ঈ কার ব্যবহারের নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। - নিশীথ শব্দের মূল বানানে দীর্ঘ ঈ কার থাকে এবং এর সঙ্গে স্ত্রীবাচক প্রত্যয় যুক্ত হওয়ার পরও বানানের এই রূপ বজায় থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিভাবরী ব্যাখ্যা: এটিও রাত বা রাত্রির সমার্থক একটি তৎসম শব্দ যার বানানরীতির ক্ষেত্রে বিশেষ যত্ন নিতে হয়। উদাহরণ ২: যামিনী ব্যাখ্যা: এটি রাত্রির আরেকটি সমার্থক শব্দ যা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বানান শুদ্ধির জন্য আসে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিশিথিনী — প্রথম শব্দটি ভুল কারণ নিশীথ শব্দে দীর্ঘ ঈ কার ব্যবহার করতে হয়। B) নীশিথিনী — প্রথম বর্ণে দীর্ঘ ঈ কার ব্যবহারের কারণে এই বানানটি ভুল হয়েছে। D) নিশিথিনি — শেষের অংশে দীর্ঘ ঈ কারের পরিবর্তে হ্রস্ব ই কার ব্যবহারের কারণে এটি ভুল। ৫. মনে রাখার টিপস: - নিশীথ শব্দের বানান মনে রাখলে নিশীথিনী বানান সহজ হয়। - রাতে দীর্ঘ সময় ঘুমাতে হয় তাই রাতের শব্দগুলোতে সাধারণত দীর্ঘ ঈ কারের প্রাধান্য থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রমিত বানান এবং প্রত্যয়যুক্ত শব্দের বানান থেকে প্রশ্ন আসে। - তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে বানানের মূল রূপ এবং প্রত্যয়যুক্ত রূপ ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
a পাবক
b বইশ্যানর
c সর্বশুচি
d প্রজ্জলিত
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রজ্জলিত ১. কেন সঠিক: অগ্নি শব্দের সমার্থক শব্দ নয় প্রজ্জলিত কারণ এটি আগুন বোঝানোর কোনো বিশেষ নামবাচক বা মূল বিশেষ্য পদ নয় বরং এটি আগুনের একটি অবস্থার বর্ণনা। প্রজ্জলিত শব্দের অর্থ যা প্রলিপ্ত বা প্রজ্বলিত করা হয়েছে অর্থাৎ এটি একটি বিশেষণ পদ যা অগ্নির গুণ প্রকাশ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: সমার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যেগুলোর অর্থের মধ্যে মিল থাকে কিন্তু গঠন বা উৎসের দিক থেকে ভিন্ন হতে পারে। অগ্নি একটি বিশেষ্য পদ যার অনেকগুলো তৎসম সমার্থক শব্দ রয়েছে যা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বহ্নি ব্যাখ্যা: এটি অগ্নি শব্দের একটি অত্যন্ত প্রচলিত তৎসম সমার্থক শব্দ। উদাহরণ ২: হুতাশন ব্যাখ্যা: এটিও অগ্নি শব্দের আরেকটি সমার্থক শব্দ যার অর্থ যা হুত বা অর্ঘ্য গ্রহণ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পাবক — এটি অগ্নি শব্দের একটি সঠিক সমার্থক শব্দ যার অর্থ যা পবিত্র করে। B) বইশ্যানর — এটি অগ্নি শব্দের সঠিক সমার্থক শব্দ যার বানান বৈশ্বানর এবং এর অর্থ বিশ্ব নর বা মানুষের পরিচিত আগুন। C) সর্বশুচি — এটি অগ্নি শব্দের সঠিক সমার্থক শব্দ কারণ আগুন সবকিছুকে পুড়িয়ে পবিত্র করে। D) প্রজ্জলিত — এটি অগ্নি শব্দের সমার্থক শব্দ নয় কারণ এটি আগুন বা বিশেষ্য পদ নয় বরং এটি একটি অবস্থা বা বিশেষণ পদ। ৫. মনে রাখার টিপস: অগ্নি শব্দের সমার্থক শব্দগুলো মনে রাখার জন্য প্রধান প্রধান তৎসম শব্দ যেমন অনল, পাবক, বহ্নি, হুতাশন, বৈশ্বানর ও সর্বশুচি একসঙ্গে তালিকা করে পড়তে পারো। অবস্থা প্রকাশক শব্দ যেমন প্রজ্জলিত বা দীপ্তিময় কখনো সরাসরি বিশেষ্য সমার্থক শব্দ হয় না তা মাথায় রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিশেষ্য পদের সমার্থক শব্দের সঙ্গে বিশেষণ বা অবস্থাবাচক শব্দ মিলিয়ে বিভ্রান্তিকর অপশন দেওয়া হয়। সমার্থক শব্দ দাগানোর আগে শব্দটি বিশেষ্য না বিশেষণ তা ভালোভাবে যাচাই করে নেওয়া উচিত।
a তোমার গোপন কথা শোনা আমার পক্ষে সম্ভব নয়
b দরিদ্রতা আমাদের প্রধান সমস্যা
c সলজ্জিত হাসি হেসে মেয়েটি উত্তর দিল
d সর্ব বিষয়ে বাহুল্যতা বর্জন করা উচিত
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) তোমার গোপন কথা শোনা আমার পক্ষে সম্ভব নয় ১. কেন সঠিক: এই বাক্যটিতে কোনো বানানগত বা প্রয়োগগত ভুল নেই এবং এটি অর্থগত দিক থেকেও সম্পূর্ণ স্পষ্ট ও নির্ভুল। বাক্যের পদবিন্যাস, কারক ও বিভক্তির ব্যবহার ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী পুরোপুরি সঠিক। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাক্য ও বাক্যশুদ্ধি সম্পর্কিত ব্যাকরণের একটি প্রশ্ন। বাংলা বাক্যে শব্দচয়ণ, পদক্রম এবং কারকের সঠিক প্রয়োগ না থাকলে বাক্য অশুদ্ধ হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তার কথা শোনা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। ব্যাখ্যা: এই বাক্যেও সর্বনাম ও পদের বিন্যাস সঠিক থাকায় এটি একটি শুদ্ধ বাক্য। উদাহরণ ২: এই কাজটি করা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। ব্যাখ্যা: এখানেও বাক্যের গঠন ও অর্থ সম্পূর্ণ ব্যাকরণসম্মত ও প্রমিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তোমার গোপন কথা শোনা আমার পক্ষে সম্ভব নয় — এই অপশনটি সঠিক এবং বাক্যে কোনো ভুল নেই। B) দরিদ্রতা আমাদের প্রধান সমস্যা — এটি ভুল কারণ দরিদ্র শব্দের সঠিক ভাববাচক বিশেষ্য রূপ হলো দারিদ্র্য, তাই দারিদ্রতা একটি প্রত্যয়জনিত ভুল শব্দ। C) সলজ্জিত হাসি হেসে মেয়েটি উত্তর দিল — এটি ভুল কারণ সলজ্জিত শব্দের অর্থ লজ্জিতসহ, তাই এর সাথে আবার হাসি হেসে ব্যবহার করা বাহুল্য দোষ দুষ্ট। D) সর্ব বিষয়ে বাহুল্যতা বর্জন করা উচিত — এটি ভুল কারণ বহুলাঞ্চল বা বাহুল্য শব্দের সাথে তা প্রত্যয় যুক্ত করা ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ, শুদ্ধ রূপ হবে বাহুল্য। ৫ মনে রাখার টিপস: দরিদ্র থেকে দারিদ্র্য হয় এবং বাহুল্য থেকে বাহুল্যতা হয় না, তাই অপ্রয়োজনীয় প্রত্যয় বর্জন করতে হবে। বাক্যে একই অর্থের পুনরাবৃত্তি রোধ করলে বাক্যশুদ্ধি সংক্রান্ত ভুল সহজে এড়ানো সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাহুল্য দোষ এবং প্রত্যয়জনিত ভুল থেকে প্রায়ই বাক্যশুদ্ধির প্রশ্ন আসে। শব্দ গঠনের সময় মূল শব্দের সাথে সঠিক প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে কি না, তা মনোযোগ দিয়ে পরীক্ষা করতে হবে।
a অতিরিক্ত কর
b আবগারি শুল্ক
c অর্পিত দায়িত্ব
d অতিরিক্ত কর্তব্য
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আবগারি শুল্ক ১. কেন সঠিক: - Excise duty একটি ইংরেজি পারিভাষিক শব্দ যার প্রমিত বাংলা রূপ হলো আবগারি শুল্ক। - দেশীয় উৎপাদিত পণ্যের ওপর যে কর ধার্য করা হয় তাকেই পারিভাষিক অর্থে আবগারি শুল্ক বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - পারিভাষিক শব্দ হলো এমন কিছু শব্দ যা বিশেষ ক্ষেত্র বা বিজ্ঞানের ভাব প্রকাশে নির্দিষ্ট অর্থে ব্যবহৃত হয়। - প্রশাসনিক, আইনি ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে ইংরেজি শব্দের সঠিক বাংলা প্রতিশব্দ জানা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: Custom duty ব্যাখ্যা: Custom duty শব্দের সঠিক পারিভাষিক রূপ হলো শুল্ক বা কাস্টম শুল্ক। উদাহরণ ২: Income tax ব্যাখ্যা: Income tax শব্দের সঠিক পারিভাষিক রূপ হলো আয়কর। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অতিরিক্ত কর — এটি Excise duty শব্দের সরাসরি এবং প্রাতিষ্ঠানিক পারিভাষিক রূপ নয়। B) আবগারি শুল্ক — এটি Excise duty শব্দের সঠিক এবং স্বীকৃত পারিভাষিক রূপ। C) অর্পিত দায়িত্ব — এটি Assigned duty বা Delegated duty শব্দের পারিভাষিক রূপ। D) অতিরিক্ত কর্তব্য — এটি Extra duty শব্দের আক্ষরিক অনুবাদ হতে পারে কিন্তু নির্দিষ্ট পারিভাষিক রূপ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - Excise শব্দের সাথে কারখানার বা উৎপাদনের সম্পর্ক রয়েছে, যার সঠিক বাংলা হলো আবগারি। - উৎপাদিত পণ্যের ওপর ধার্য করা কর বা শুল্ক বোঝাতে সব সময় আবগারি শুল্ক শব্দটি মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক পারিভাষিক শব্দ প্রায়ই আসে। - এ ধরনের প্রশ্ন অনুশীলনের জন্য নিয়মিত সরকারি প্রমিত পারিভাষিক শব্দের তালিকা পড়তে হবে।
a সংসারী
b সঞ্চয়ী
c সংস্তিতি
d সন্ন্যাসী
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সন্ন্যাসী ১. কেন সঠিক: গৃহী শব্দের অর্থ যিনি পরিবার বা গৃহধর্মে অবস্থান করেন। এর বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করে সন্ন্যাসী শব্দটি, যার অর্থ সংসার ত্যাগ করেছেন যিনি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ব্যাকরণের শব্দভান্ডার বা বিপরীতার্থক শব্দের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বিপরীত শব্দ বলতে এমন শব্দগুলোকে বোঝায় যা একে অপরের সম্পূর্ণ বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জীবিত শব্দের বিপরীত শব্দ মৃত। ব্যাখ্যা: জীবিত শব্দের অর্থ প্রাণ আছে যার এবং মৃত শব্দের অর্থ প্রাণহীন, যা একে অপরের বিপরীত। উদাহরণ ২: জয় শব্দের বিপরীত শব্দ পরাজয়। ব্যাখ্যা: জয় অর্থ বিজয় লাভ করা এবং পরাজয় অর্থ হেরে যাওয়া, যা দুটি বিপরীত ভাব প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সংসারী — এটি গৃহী শব্দের সমার্থক শব্দ, বিপরীত শব্দ নয়। B) সঞ্চয়ী — এর অর্থ যিনি সঞ্চ বা জমা করেন, গৃহী শব্দের বিপরীত এটি হতে পারে না। C) সংস্তিতি — এর অর্থ প্রশংসা বা স্তুতি, যার সঙ্গে গৃহী শব্দের কোনো সম্পর্ক নেই। D) সন্ন্যাসী — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি গৃহী শব্দের সরাসরি বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: সংসার বা পরিবারে যারা থাকেন তারা গৃহী আর যারা সংসার ছেড়ে দূরে থাকেন তারা সন্ন্যাসী। এভাবে জোড়া মনে রাখলে ভুল হবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিপরীতার্থক শব্দ নির্বাচনে মূল শব্দের শাব্দিক অর্থ ভালোভাবে বুঝতে হবে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
a উর্দ্ধ
b দরিদ্রতা
c উপযোগিতা
d শ্রদ্ধাঞ্জলি
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) উর্দ্ধ ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে উর্দ্ধ বানানটি শুদ্ধ নয় কারণ বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী উর্ধ্ব বা ঊর্ধ্ব লিখতে যুক্তবর্ণে ধ-এর নিচে র-ফলা যুক্ত হয়। - বাংলা ব্যাকরণের বানান বিধিমালার নিয়ম অনুযায়ী দ-এর সঙ্গে ধ যুক্ত হলে তা দ্ধ হয়, কিন্তু উর্ধ্ব শব্দের মূল সংস্কৃত শব্দে ঊর্ধ্ব ব্যবহৃত হয় যেখানে ধ-এর সঙ্গে র-ফলা যুক্ত থাকে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা বানানরীতিতে তৎসম ও অর্ধ-তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে সংস্করণের সঠিক রূপ অনুসরণ করা বাধ্যতামূলক। - রেফ বা র-ফলা যুক্ত বর্ণের পরবর্তী বর্ণে দ্বিত্ব হয় না এবং র-ফলার সঠিক অবস্থানের ওপর শব্দের বানান শুদ্ধতা নির্ভর করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঊর্ধ্বাকাশ ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতে ধ-এর নিচে সঠিক নিয়মে র-ফলা যুক্ত হয়েছে যা প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম অনুসরণ করে। উদাহরণ ২: ঊর্ধ্বগতি ব্যাখ্যা: এটি একটি তৎসম শব্দ যেখানে সঠিক বানানরীতি মেনে ধ-এর নিচে র-ফলা ব্যবহার করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উর্দ্ধ — এটি ভুল বানান কারণ এখানে ধ-এর নিচে র-ফলা নেই এবং সঠিক রূপটি হলো ঊর্ধ্ব। B) দরিদ্রতা — এটি বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী একটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ বানান। C) উপযোগিতা — এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক এবং প্রমিত বানানরীতির অন্তর্ভুক্ত একটি শব্দ। D) শ্রদ্ধাঞ্জলি — এটি ই-কার যুক্ত হয়ে গঠিত একটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ ও প্রমিত বাংলা শব্দ। ৫. মনে রাখার টিপস: - ঊর্ধ্ব লেখার সময় মনে রাখবে যে এখানে ধ-এর নিচে র-ফলা হবে এবং দ্ধ লেখা যাবে না। - তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে মূল সংস্কৃত রূপটি মনে রাখলেই এই ধরনের বানান সহজে আয়ত্ত করা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই উর্ধ্ব সংক্রান্ত বানান ভুল দিয়ে প্রশ্ন করা হয়। - বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বানান নিয়ম ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের বানান সহজেই চিহ্নিত করা যায়।
a ধন ধান্যে পুষ্পে ভরা
b ধন্য ধান্যে পুষ্পে ভরা
c ধন্যে ধান্যে পুষ্প ভরা
d ধন্যে ধান্যে পুষ্পে ভরা
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ধন ধান্যে পুষ্পে ভরা ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের বিখ্যাত দেশাত্মবোধক গানের প্রথম পংক্তি। - পংক্তিটির সঠিক রূপ হলো ধন ধান্যে পুষ্পে ভরা আমাদের এই বসুন্ধরা। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - গানটির রচয়িতা বাংলার প্রখ্যাত কবি ও নাট্যকার দ্বিজেন্দ্রলাল রায়। - এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় দেশাত্মবোধক গান যা স্বদেশের রূপ ও ঐশ্বর্য প্রকাশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমার দেশ সব দিক থেকে সুন্দর। ব্যাখ্যা: এটি সাধারণ বাক্যের উদাহরণ যা কোনো সাহিত্যিক উদ্ধৃতি নয়। উদাহরণ ২: মোদের গরব মোদের আশা আ মরি বাংলা ভাষা। ব্যাখ্যা: এটি অতুলপ্রসাদ সেন রচিত বিখ্যাত দেশাত্মবোধক গান। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধন ধান্যে পুষ্পে ভরা — এটি গানের মূল পংক্তির সঙ্গে মিলে যাওয়ায় সঠিক। B) ধন্য ধান্যে পুষ্পে ভরা — ধন্য শব্দটির কারণে গানটির মূল রূপ পরিবর্তিত হয়েছে। C) ধন্যে ধান্যে পুষ্প ভরা — বানান ও শব্দের প্রয়োগ ভুল থাকায় এটি গ্রহণযোগ্য নয়। D) ধন্যে ধান্যে পুষ্পে ভরা — অতিরিক্ত এক বা একাধিক ভুল রূপ থাকায় এটি ভুল। ৫ মনে রাখার টিপস: - দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের গানটি মনে রাখতে ধন ধান্যে শব্দ দুটি দিয়ে শুরু হয় তা মনে রাখবে। - ধন্য বা ধন্যে নয় বরং ধন এবং ধান্যে হলো সঠিক শব্দ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - জাতীয় বা দেশাত্মবোধক গানের ক্ষেত্রে মূল রচয়িতার লাইন হুবহু মুখস্থ রাখতে হবে। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত গানের প্রথম চরণ বা পংক্তি থেকে প্রশ্ন আসে।
a কৃষ্ণ চন্দ্র মজুমদার
b ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
c কামিনী রায়
d যতীন্দ্র মোহন বাগচী
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কৃষ্ণ চন্দ্র মজুমদার ১. কেন সঠিক: - 'কেন পান্থ হও ক্ষান্ত হেরি দীর্ঘ পথ?' এটি কবি কৃষ্ণ চন্দ্র মজুমদারের বিখ্যাত 'সদ্ভাব শতক' কাব্যের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও প্রবচনমূলক পঙক্তি। - এখানে 'পান্থ' শব্দের অর্থ পথিক এবং 'ক্ষান্ত' অর্থ ক্লান্ত বা নিরাশ হওয়া, যা জীবনের চলার পথে উদ্যম হারানোর বিরুদ্ধে এক দারুণ অনুপ্রেরণা জোগায়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কবি কৃষ্ণ চন্দ্র মজুমদার ১৮৩৪ সালে ফরিদপুর জেলার গোবিন্দপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এবং তিনি নীতিগর্ভ ও উপদেশমূলক কবিতার জন্য বাংলা সাহিত্যে বিশেষভাবে পরিচিত। - তাঁর রচিত 'সদ্ভাব শতক' ১৮৬১ সালে প্রকাশিত একটি বিখ্যাত নৈতিক শিক্ষামূলক কাব্যগ্রন্থ, যার প্রতিটি ছত্রে মানবকল্যাণ ও নৈতিকতার শিক্ষা রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অপমানেরী হতে পারো উচ্চ শিরে, উন্নত শির নাহি হেরি কারু তরে। ব্যাখ্যা: এটিও কৃষ্ণ চন্দ্র মজুমদারের নীতিশিক্ষা মূলক কবিতার একটি শক্তিশালী চরণ, যা আত্মসম্মানবোধ জাগ্রত করে। উদাহরণ ২: মজ্জাগত স্বভাব যার সহজে যায় না তার। ব্যাখ্যা: এটি কৃষ্ণ চন্দ্র মজুমদারের বিখ্যাত প্রবচনমূলক কবিতার লাইন, যা মানুষের স্বভাবের স্থায়ী রূপ ফুটিয়ে তোলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কৃষ্ণ চন্দ্র মজুমদার — এই অপশনটি সঠিক কারণ উল্লিখিত বিখ্যাত পঙক্তিটি তাঁরই 'সদ্ভাব শতক' কাব্যগ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে। B) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত — ইনি মূলত সংবাদ প্রভাকর পত্রিকার সম্পাদক ও ব্যঙ্গাত্মক কবিতার জন্য বিখ্যাত হলেও এই পঙক্তিটির রচয়িতা নন। C) কামিনী রায় — ইনি একজন প্রখ্যাত নারীবাদী কবি ও সাহিত্যিক হলেও আলোচ্য নৈতিক পঙক্তিটির সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পৃক্ততা নেই। D) যতীন্দ্র মোহন বাগচী — ইনি মূলত পল্লীপ্রকৃতির রূপকার ও কবি হিসেবে পরিচিত হলেও এই বিখ্যাত উপদেশমূলক পঙক্তিটি তাঁর লেখা নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - পান্থ বা পথিকের ক্লান্তি দূর করার জন্য উপদেশমূলক বা নীতিশিক্ষা মূলক কবিতা লেখার ক্ষেত্রে কৃষ্ণ চন্দ্র মজুমদারের 'সদ্ভাব শতক' গ্রন্থটি সবার আগে মনে রাখবে। - নীতিশিক্ষা ও উপদেশমূলক পঙক্তি দেখলে চোখ বন্ধ করে কৃষ্ণ চন্দ্র মজুমদার বা তাঁর গ্রন্থ 'সদ্ভাব শতক'কে বেছে নিতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নীতিমূলক উদ্ধৃতি কার লেখা, তা প্রায়ই আসে, তাই প্রবচনমূলক চরণগুলো নোট করে রাখা ভালো। - একই ধরনের নৈতিক পঙক্তি যেমন এ বিষয়ে আত্মবিশ্বাস বাড়ায়, তেমনি কবি পরিচিতি থেকেও প্রশ্ন আসার সম্ভাবনা থাকে।
a গোজলা পুট
b হরু ঠাকুর
c ভবানী ঘোষ
d নিতাই বৈরাগী
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) গোজলা পুট ১. কেন সঠিক: কবি গান হলো বাংলার এক প্রাচীন লোকসংগীত ধারা যার সূচনা হয় আঠারো শতকের শেষভাগে। গোজলা পুট বা গোজলা গাইনকে বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস ও লোকসংস্কৃতির তথ্যানুযায়ী কবি গানের প্রথম কবি বা আদি রচয়িতা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: কবি গান হলো দুই পক্ষের কবিগাওয়ালের মধ্যে প্রতিযোগিতামূলক ছন্দে রচিত ও গীত সংগীতের লড়াই। এই ধারার বিখ্যাত কবিগিয়ালদের মধ্যে রাম বসু, হরু ঠাকুর, ভোলা ময়রা এবং অ্যান্টনি ফিরিঙ্গি বিশেষভাবে পরিচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাম বসুর কবি গান। ব্যাখ্যা: রাম বসু কবি গান ধারার অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও জনপ্রিয় রচয়িতা ও গায়ক ছিলেন। উদাহরণ ২: ভোলা ময়রার কবি গান। ব্যাখ্যা: ভোলা ময়রা মিষ্টি বিক্রেতা হলেও তার চটুল ও তীক্ষ্ণ প্রতিঘাতের কবি গানের জন্য বিখ্যাত ছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গোজলা পুট — ইনি কবি গানের প্রথম কবি হিসেবে বাংলা সাহিত্যে স্বীকৃত এবং পরীক্ষাসম্পর্কিত সঠিক উত্তর। B) হরু ঠাকুর — ইনি কবি গানের একজন বিখ্যাত ও প্রথিতযশা কবি হলেও আদি কবি নন। C) ভবানী ঘোষ — ইনি কবি গানের কোনো প্রাথমিক বা প্রধান রূপকার হিসেবে পরিচিত নন। D) নিতাই বৈরাগী — ইনিও কবি গানের একজন ঐতিহ্যবাহী কবি কিন্তু প্রথম কবি নন। ৫ মনে রাখার টিপস: কবি গানের শুরুতেই মুখে মুখে ছন্দের লড়াই হতো তাই গোজলা পুট নামটি এভাবে মনে রাখতে পারেন যে তিনি প্রথম পুট বা সূচনা করেছিলেন। আদি কবি মনে রাখার জন্য গোজলা পুটের নাম প্রথম সারিতে রাখা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলার লোকসাহিত্য ও সংগীত ধারা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। লোকসংগীতের বিভিন্ন ধারার আদি পুরুষ বা প্রথম প্রবর্তকদের নাম আলাদাভাবে তালিকা করে পড়লে উত্তর করা সহজ হবে।
a আঠারো শতকের শেষার্ধে ও ঊনিশ শতকের প্রথমার্ধে
b ষোড়শ শতকের শেষার্ধে ও সপ্তদশ শতকের প্রথমার্ধে
c সপ্তদশ শতকের শেষার্ধে ও আঠারো শতকের প্রথমার্ধে
d ঊনিশ শতকের শেষার্ধে ও বিশ শতকের প্রথমার্ধে
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আঠারো শতকের শেষার্ধে ও ঊনিশ শতকের প্রথমার্ধে ১. কেন সঠিক: - অষ্টাদশ শতকের শেষার্ধ এবং উনিশ শতকের প্রথমার্ধে বাংলার লোকসাহিত্যে কবিগান ও শায়ের গানের ব্যাপক উদ্ভব ও বিকাশ ঘটে। - সে সময়ে গ্রামীণ সমাজে বিনোদন ও প্রতিদ্বান্দ্বিতামূলক আসর জমানোর জন্য কবিওয়ালা ও শায়েরগণ বিভিন্ন লোকায়ত গান রচনা ও পরিবেশন করতেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কবিগান ও শায়ের গান হলো বাংলা লোকসাহিত্যের অন্যতম প্রাচীন ও জনপ্রিয় ধারা, যা মূলত মৌখিক সংস্কৃতির ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছিল। - গোঁজলা গুই, রামবসু, অ্যান্টনি ফিরিঙ্গি, হরু ঠাকুর প্রমুখ বিখ্যাত কবিওয়ালা এই সময়ে বাংলা গান ও সমাজকে দারুণভাবে প্রভাবিত করেছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অ্যান্টনি ফিরিঙ্গির কবিগান ব্যাখ্যা: এটি আঠারো শতক ও উনিশ শতকের প্রথমার্ধের সন্ধিক্ষণে রচিত লোকগানের এক অনন্য নিদর্শন যা কবিওয়ালার ঐতিহ্য বহন করে। উদাহরণ ২: ভোলা ময়রার কবিগান ব্যাখ্যা: মিষ্টি বিক্রেতা হলেও তিনি সেকালের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবিওয়ালা হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেছিলেন এবং তার গান এই যুগের সাহিত্যধারার পরিচয় দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আঠারো শতকের শেষার্ধে ও ঊনিশ শতকের প্রথমার্ধে — এটি ঐতিহাসিক ও সাহিত্যিক তথ্যানুযায়ী কবিওয়ালা ও শায়েরের উদ্ভবের সঠিক সময়কাল নির্দেশ করে। B) ষোড়শ শতকের শেষার্ধে ও সপ্তদশ শতকের প্রথমার্ধে — এই সময়ে বাংলায় মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্য ও বৈষ্ণব পদাবলির চর্চা ছিল, কবিওয়ালার উদ্ভব হয়নি। C) সপ্তদশ শতকের শেষার্ধে ও আঠারো শতকের প্রথমার্ধে — এই যুগটি কবিগানের সূচনার আগের পর্যায়, যখন মূলত পদাবলি ও পুথি সাহিত্যের ধারা প্রচলিত ছিল। D) ঊনিশ শতকের শেষার্ধে ও বিশ শতকের প্রথমার্ধে — এই সময়টি কবিগানের স্বর্ণযুগ নয়, বরং আধুনিক বাংলা সাহিত্য ও রবীন্দ্রযুগের সূচনা পর্ব। ৫. মনে রাখার টিপস: - কবিওয়ালা ও শায়ের গানের ঐতিহ্য মনে রাখতে সালটি মনে রাখুন এভাবে, আঠারো শতকের শেষ ভাগ থেকে উনিশ শতকের শুরু পর্যন্ত এই ধারার স্বর্ণকাল ছিল। - লোকসাহিত্যের এই ধারাটি আধুনিক যুগের ঠিক প্রাক্কালে অর্থাৎ মধ্যযুগের অবসান লগ্নে বিস্তার লাভ করেছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলার লোকসাহিত্য থেকে প্রায়ই কবিওয়ালাদের নাম ও সময়কাল সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে। - লোকগানের বিভিন্ন ধারা এবং তাদের প্রধান প্রবক্তাদের নাম ও সময়কাল ভালোভাবে আয়ত্ত করা আবশ্যক।
a অক্ষরবৃত্ত
b মাত্রাবৃত্ত
c স্বরবৃত্ত
d অমিত্রাক্ষর
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মাত্রাবৃত্ত ১. কেন সঠিক: চর্যাপদ মূলত মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত, যা বাংলা ছন্দের প্রাচীনতম রূপ। এই ছন্দে ধ্বনি বা অক্ষরের উচ্চারণ কাল বা মাত্রা গণনা করে পংতির বিন্যাস করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন ও সাহিত্যিক নিদর্শন। হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে ১৯০৭ সালে এটি আবিষ্কার করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চর্যাপদের পদ - উঁচু উঁচু পাহাড় তহি বসই সবরী বাড়ি। ব্যাখ্যা: এই পঙক্তিটিতে মাত্রাবৃত্ত ছন্দের সুনির্দিষ্ট মাত্রা বিন্যাস ও সুর লক্ষ করা যায়। উদাহরণ ২: আধুনিক মাত্রাবৃত্ত ছন্দের উদাহরণ - এই সুন্দর ফুল এই সুন্দর ফল। ব্যাখ্যা: এটি আধুনিক বাংলা মাত্রাবৃত্ত ছন্দের একটি নিখুঁত গঠনশৈলী প্রদর্শন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অক্ষরবৃত্ত — অক্ষরবৃত্ত ছন্দ হলো বাংলা কবিতার এমন একটি রূপ যা চর্যাপদের যুগে প্রমিত রূপ লাভ করেনি। এটি মূলত মধ্যযুগ ও আধুনিক যুগের কাব্যে বহুল ব্যবহৃত হয়। B) মাত্রাবৃত্ত — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক এবং এর পক্ষে কোনো ভুল বা অপ্রাসঙ্গিক তথ্য নেই। C) স্বরবৃত্ত — স্বরবৃত্ত ছন্দ দ্রুত লয় বিশিষ্ট এবং ছড়ার ছন্দ নামে পরিচিত। চর্যাপদের গম্ভীর ভাব ও গঠনরীতি স্বরবৃত্ত ছন্দের বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে মেলে না। D) অমিত্রাক্ষর — অমিত্রাক্ষর ছন্দ মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে প্রবর্তন করেন। চর্যাপদ এর বহু শতাব্দী আগের নিদর্শন হওয়ায় এই ছন্দ সেখানে প্রযোজ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: প্রাচীন যুগের চর্যাপদ মানেই মাত্রার খেলা, তাই এর ছন্দ হলো মাত্রাবৃত্ত। এভাবে সহজে মনে রাখা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: চর্যাপদের ভাষা ও ছন্দ সংক্রান্ত প্রশ্ন বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ছন্দের ইতিহাস মনে রাখতে চর্যাপদকে মাত্রাবৃত্ত ছন্দের আদি নিদর্শন হিসেবে মনে রাখতে হবে।
a in
b over
c by
d on
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) over কেন সঠিক: টেলিফোন বা অন্য কোনো মাধ্যমের সাহায্যে যোগাযোগ করার ক্ষেত্রে সঠিক প্রিপজিশন হিসেবে over ব্যবহৃত হয়। এখানে নৌরিন নাসিরের সাথে ফোনেই আলোচনা করবে বোঝাতে over phone সঠিক হয়েছে। কোনো মাধ্যম বা ডিভাইসের সাহায্যে কথা বলা বোঝাতে over বসে। এটি যোগাযোগের মাধ্যম নির্দেশ করার একটি নির্দিষ্ট নিয়ম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) in — বাংলায় ভেতরে বা মধ্যে বোঝাতে ইন বসে, কিন্তু যোগাযোগের মাধ্যমের ক্ষেত্রে এটি বসে না। C) by — মাধ্যম বোঝাতে বাই বসে, তবে নির্দিষ্ট করে ফোনের ক্ষেত্রে অভার ব্যবহার করাই সঠিক নিয়ম। D) on — অন সাধারণত কোনো কিছুর ওপর বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে অর্থ অনুসারে পুরোপুরি বেমানান। মনে রাখার টিপস: টেলিফোন, মোবাইল বা ইন্টারনেটের মাধ্যমে কোনো আলোচনা বা যোগাযোগ করা বোঝালে সবসময় over প্রিপজিশন ব্যবহার করবে।
a attached to them
b committed to them
c addicted to them
d devoted to them
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) addicted to them কেন সঠিক: মাদক বা নেশাজাতীয় দ্রব্যের প্রতি নির্ভরশীলতা বোঝাতে 'addicted to' সঠিক ফ্রেজ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। কোনো খারাপ অভ্যাসে বা দ্রব্যের জালে এমনভাবে জড়িয়ে যাওয়া যে তা আর বাদ দেওয়া যায় না, তাকে আসক্তি বা addiction বলে। প্রশ্নটিতে ড্রাগ বা মাদক নেওয়া বন্ধ করতে না পারার কথা বলা হয়েছে, যা সরাসরি নেশাগ্রস্ততাকে নির্দেশ করে। এই বিশেষ অর্থ প্রকাশের জন্য 'addicted to' ছাড়া অন্য কোনো বিকল্প সঠিক হয় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) attached to them — এই ফ্রেজটি সাধারণত আবেগিক সংযুক্তি বা কোনো বস্তুর প্রতি সাধারণ অনুরাগের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, ক্ষতিকর নেশার ক্ষেত্রে নয়। B) committed to them — এই কথাটির অর্থ কোনো কাজের প্রতি প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হওয়া বা দায়িত্ব নেওয়া, যা নেতিবাচক নেশার সাথে মিলে না। C) addicted to them — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। D) devoted to them — এই শব্দগুচ্ছটি সাধারণত গভীর ভক্তি, সেবা বা কোনো ভালো কাজের প্রতি উৎসর্গীকৃত বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: মাদক বা ক্ষতিকর কোনো কিছুর প্রতি অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা বা নেশা বোঝাতে সব সময় 'addicted to' ফ্রেজটি ব্যবহার করবে।
a on
b from
c under
d into
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) into কেন সঠিক: - sink into oblivion একটি স্ট্যান্ডার্ড ইংরেজি ইডিওম যার অর্থ সময়ের সাথে সাথে মানুষের স্মৃতি থেকে চিরতরে হারিয়ে যাওয়া বা মুছে যাওয়া। - এখানে অবস্থা পরিবর্তনের অর্থ প্রকাশ করতে into প্রিপজিশন ব্যবহার করা হয়। - তাই সঠিক উত্তর হিসেবে into বসবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) on — এটি সাধারণত কোনো কিছুর উপরে স্পর্শ করে থাকার অবস্থান বোঝাতে ব্যবহৃত হয় যা এখানে প্রযোজ্য নয়। B) from — এটি উৎস বা দূরত্ব বোঝাতে ব্যবহৃত হয় কিন্তু ইডিওমের নিয়মে এখানে এটি বসে না। C) under — এটি নিচে অবস্থান করা বোঝায় যা এই বাক্যের ভাবের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। D) into — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: স্মৃতি থেকে হারিয়ে যাওয়া বোঝাতে sink এর সাথে সব সময় into প্রিপজিশন ব্যবহার হয়।
a fantasize
b attend
c remember
d request
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) remember কেন সঠিক: - "Call to mind" একটি ইংরেজি ইডিওম যার বাংলা অর্থ হলো কোনো কিছু স্মরণ করা বা মনে করার চেষ্টা করা। - অপশন সি এর 'remember' শব্দের অর্থও মনে রাখা বা স্মরণ করা, তাই এটি সঠিক উত্তর। - এই ইডিওমটি আমাদের অতীত স্মৃতির ভাণ্ডার থেকে কোনো তথ্য বা ঘটনা পুনরায় মস্তিষ্কে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়াকে নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) fantasize — এর অর্থ কল্পনা করা বা দিবাস্বप्ন দেখা, যা মূল ইডিওমের স্মরণের সাথে মেলে না। B) attend — এর অর্থ উপস্থিত থাকা বা মনোযোগ দেওয়া, যা স্মৃতিচারণের সাথে সম্পর্কহীন। C) remember — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন করে ভুল প্রমাণ করার কিছু নেই। D) request — এর অর্থ অনুরোধ করা, যা কাউকে কোনো কিছু মনে করিয়ে দেওয়ার অর্থের বাইরে সম্পূর্ণ আলাদা। মনে রাখার টিপস: মস্তিষ্কের 'mind' বা মনে কোনো কিছুকে আবার 'call' বা ডেকে আনা মানেই হলো তা 'remember' বা স্মরণ করা।
a disappear
b die
c erase
d fall
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) die কেন সঠিক: - Pass away একটি বহুল ব্যবহৃত ইংরেজি ফ্রেজাল ভার্ব যার অর্থ হলো মারা যাওয়া বা জীবনাবসান ঘটা। মানুষের মৃত্যুর মতো সংবেদনশীল ও আনুষ্ঠানিক ক্ষেত্রে এই বিশেষ বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) disappear — এর অর্থ হারিয়ে যাওয়া বা অদৃশ্য হওয়া, যা কোনো মানুষের মৃত্যুর সমার্থক নয়। B) die — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ সরাসরি মারা যাওয়া। C) erase — এর অর্থ মুছে ফেলা, যা সাধারণত লেখা বা তথ্য মুছে ফেলার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। D) fall — এর অর্থ নিচে পড়ে যাওয়া, যা কোনোভাবেই মৃত্যুর সমার্থক বা বিকল্প হতে পারে না। মনে রাখার টিপস: Pass away ফ্রেজাল ভার্বটি দেখলে সবসময় মানুষের শান্তিতে মারা যাওয়া বা প্রয়াণ ঘটার কথা মনে রাখবে।
a autocratic
b senior
c elderly
d potential
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) autocratic কেন সঠিক: Authoritarian শব্দের অর্থ হলো সৈরতান্ত্রিক বা একনায়কসুলভ। Autocratic শব্দের অর্থও একনায়কতান্ত্রিক বা নিজে সব ক্ষমতা কুক্ষিগত করে রাখা। উভয় শব্দই একই রকম অর্থ প্রকাশ করে। তাই এরা একে অপরের সমার্থক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) autocratic — এটি সঠিক উত্তর। B) senior — এর অর্থ জ্যেষ্ঠ বা বয়সে বড়, যা ক্ষমতার সাথে সম্পর্কিত নয়। C) elderly — এর অর্থ বয়োবৃদ্ধ বা প্রবীণ, যা authoritarian শব্দের সমার্থক নয়। D) potential — এর অর্থ সম্ভাবনাময়, যার সাথে একনায়কত্বের কোনো মিল নেই। মনে রাখার টিপস: Authoritarian এবং Autocratic শব্দ দুটি প্রায় একই রকম কঠোর শাসনব্যবস্থা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
a humble
b law-abiding
c liberal
d submissive
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) liberal কেন সঠিক: Permissive শব্দের অর্থ এমন একজন ব্যক্তি যিনি অন্যদের মত, আচরণ বা স্বাধীনতা সহজে মেনে নেন। Liberal বা উদারপন্থী শব্দটির অর্থও এমন মুক্ত মানসিকতা বোঝায়। তাই অর্থের দিক থেকে এই দুটি শব্দ সমার্থক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) humble — Humble শব্দের অর্থ বিনীত বা নম্র, যা permissive বা উদার মানসিকতার সমার্থক নয়। B) law-abiding — Law-abiding শব্দের অর্থ আইনমান্যকারী, যা নিয়ম কঠোরভাবে মেনে চলার সাথে যুক্ত এবং permissive এর বিপরীত। C) liberal — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) submissive — Submissive শব্দের অর্থ বাধ্য বা অনুগত, যা অন্যের ওপর নির্ভরতা বোঝায় কিন্তু permissive এর মূল অর্থ নয়। মনে রাখার টিপস: Permissive শব্দটিকে অনুমতি দেওয়ার সাথে মিলিয়ে মনে রাখতে পারো, যে অন্যদের কাজ করার অনুমতি দেয় সে উদার বা liberal হয়।
a their
b her
c his
d whose
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) his কেন সঠিক: - বাক্যের শুরুতে Each থাকায় সাবজেক্ট একক বা singular হিসেবে গণ্য হয়। - Singular subject-এর প্রোনাউন হিসেবে masculine gender-এ his ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) their — এটি plural প্রোনাউন, যা singular subject Each-এর সাথে বসে না। B) her — এটি feminine প্রোনাউন, কিন্তু সাধারণ নিয়মে এখানে masculine gender হিসেবে his বসে। C) his — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি singular এবং masculine উভয় নিয়ম মেনে চলে। D) whose — এটি relative pronoun বা possessive interrogative, যা শূন্যস্থানে possessive adjective-এর কাজ করতে পারে না। মনে রাখার টিপস: Each, Every বা Everyone থাকলে পরবর্তী প্রোনাউন সবসময় singular (যেমন: his বা her) হয়।
a person only
b number, person and gender
c number and person
d number only
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) number and person কেন সঠিক: - সাবজেক্ট ও ভার্বের মধ্যকার ব্যাকরণগত মিল বা এগ্রিমেন্ট মূলত দুটি বিষয়ের ওপর নির্ভর করে, যার একটি হলো বচন বা নাম্বার। - অন্য বিষয়টি হলো পুরুষ বা পারসন, যা নির্ধারণ করে সাবজেক্ট অনুযায়ী ভার্বের রূপ কেমন হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) person only — এটি ভুল কারণ জেন্ডার বা লিঙ্গ অনেক সময় ভার্বকে প্রভাবিত করে না এবং এতে নাম্বার বাদ পড়ে গেছে। B) number, person and gender — এটি ভুল কারণ ব্যাকরণে ইংরেজি ভার্বের রূপ পরিবর্তনে জেন্ডার বা লিঙ্গের কোনো সরাসরি ভূমিকা নেই। C) number and person — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, এটিই এগ্রিমেন্টের মূল ভিত্তি। D) number only — এটি ভুল কারণ শুধু নাম্বার দিয়ে সাবজেক্ট ভার্ব এগ্রিমেন্ট সম্পূর্ণ হয় না, এর সাথে পারসনও জরুরি। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি বাক্যে সাবজেক্ট অনুযায়ী ভার্ব বসাতে হলে সবসময় সাবজেক্টের নাম্বার ও পারসন হিসাব করতে হবে।
a recommendation
b was
c accepted by
d committee
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: A) recommendation কেন সঠিক: - One of the বাক्याংশের পর নাউন বা প্রোনাউন সবসময় প্লুরাল হয়। - তাই singular শব্দ recommendation এর পরিবর্তে recommendations হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) recommendation — এটি singular ফর্মে আছে যা নিয়মানুযায়ী plural হওয়া উচিত ছিল, তাই এটিই ভুল অংশ। B) was — Subject Singular (One) হওয়ায় Verb singular (was) সঠিক আছে। C) accepted by — বাক্যটি Passive Voice-এ থাকায় Verb-এর সঠিক রূপ ব্যবহৃত হয়েছে। D) committee — এটি Collective Noun এবং এখানে সঠিক ফর্মে ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: One of the এর পর নাউন সবসময় বহুবচন বা Plural হয় কিন্তু verb একবচন বা Singular হয়।
a The French people
b the French Language
c the French manners
d the French society
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) The French people কেন সঠিক: - ইংরেজি গ্রামারের নিয়ম অনুযায়ী নির্দিষ্ট কোনো জাতির নামের পূর্বে definite article 'The' বসালে তা পুরো জাতির সকল মানুষকে বোঝায়। - এখানে 'The French' বলতে ফ্রান্সের সমগ্র জনগণকে নির্দেশ করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The French people — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এই অপশনের সঙ্গেই মিলে যায় কারণ এটি ফরাসি জাতিকে নির্দেশ করে। B) the French Language — ভাষা বোঝাতে জাতির নামের পূর্বে 'The' বসলেও তা শুধু ভাষা নির্দেশ করে না, বরং এই প্রশ্নে এটি সঠিক নয়। C) the French manners — ফরাসিদের আচার-আচরণ বা শিষ্টাচার বোঝাতে এই অপশনটি ব্যবহার করা হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) the French society — ফরাসি সমাজ বোঝাতে এই অপশনটি ব্যবহৃত হয়, কিন্তু মূল প্রশ্নটি সরাসরি জনগোষ্ঠীকে নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: কোনো ভাষার নামের শেষে language না থাকলে বা জাতির নামের আগে the থাকলে সাধারণত সেই দেশের পুরো জাতিকে বোঝায়।
a plural number of official
b language used in offices
c plural number of offices
d vague expressions
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) language used in offices কেন সঠিক: - officialese শব্দটির মূল অর্থ হলো সরকারি দপ্তরে ব্যবহৃত বিশেষ ভাষা বা ভঙ্গি। এটি সাধারণত অফিসিয়াল কাজে ব্যবহৃত জটিল ও কঠিন ভাষাকে বোঝায়। - affix বা suffix যুক্ত হয়ে শব্দের অর্থ পরিবর্তন হয়। - office শব্দের সাথে ese যুক্ত হয়ে বিশেষ ভাষা বোঝায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) plural number of official - এটি official শব্দের বহুবচন নয়। official শব্দটির বহুবচন হলো officials। B) language used in offices - এটি সঠিক উত্তর এবং এটি সরকারি বা দাপ্তরিক ভাষাকে বোঝায়। C) plural number of offices - এটি office শব্দের বহুবচন নয়। office শব্দের বহুবচন হলো offices। D) vague expressions - এটি officialese শব্দের কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করলেও সরাসরি দাপ্তরিক ভাষাকে নির্দেশ করে না। মনে রাখার টিপস: শব্দটির শেষে ese দেখলে ভাষা বা স্টাইল বোঝায় যেমন Chinese তেমনি officialese মানে অফিসের ভাষা।
a achieve
b submit
c win
d conqur
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) submit কেন সঠিক: Succumb শব্দের অর্থ হলো আত্মসমর্পণ করা বা নতি স্বীকার করা। Submit শব্দের অর্থও একই রকম অর্থাৎ কারো কাছে মাথা নত করা বা বশ্যতা স্বীকার করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) achieve — এর অর্থ অর্জন করা বা সফল হওয়া, যা succumb শব্দের বিপরীত। B) submit — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না। C) win — এর অর্থ জয়লাভ করা, যা পরাজিত হওয়া বা নতি স্বীকার করার বিপরীত। D) conqur — এর সঠিক বানান conquer এবং এর অর্থ জয় করা, যা succumb এর সমার্থক নয়। মনে রাখার টিপস: Succumb শব্দটির ভেতর 'sub' অংশটি আছে, যার অর্থ নিচে। তাই কারো শক্তির নিচে বা চাপে পড়ে আত্মসমর্পণ করা বোঝাতে succumb ব্যবহার হয়।
a to receiving
b to receive
c in receiving
d for receiving
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) to receiving কেন সঠিক: বাক্যে look forward to একটি ফ্রেজাল ভার্ব হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। এর অর্থ আগ্রহের সাথে অপেক্ষা করা। এই নিয়মে 'to' একটি প্রিপোজিশন হিসেবে কাজ করে। প্রিপোজিশনের পর সবসময় মূল ভার্বের সাথে ing যুক্ত হয়। তাই এখানে receiving সঠিক রূপ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to receiving — এটি সঠিক অপশন এবং নিয়ম অনুযায়ী সব শর্ত পূরণ করে। B) to receive — 'to' এর পর ভার্বের বেইজ ফর্ম বসালে তা ইনফিনিটিভ হয়, যা এই নিয়মে ভুল। C) in receiving — 'look forward' এর সাথে 'in' প্রিপোজিশন ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। D) for receiving — এখানে 'for' প্রিপোজিশন ব্যবহার করা সম্পূর্ণ নিয়মবহির্ভূত ও ভুল। মনে রাখার টিপস: বাক্যে look forward to থাকলে সবসময় ভার্বের সাথে ing যোগ করতে হয়।
a pomposity
b digression
c exaggeration
d anti-climax
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) digression কেন সঠিক: ১. মূল বিষয়বস্তু বা মূল বক্তব্য থেকে সরে যাওয়া বা অন্য প্রসঙ্গে চলে যাওয়াকে সাহিত্য বা বক্তৃতার ভাষায় digression বলা হয়। ২. কোনো লেখা বা বক্তৃতার মূল থিম বা সুর বজায় না রেখে অপ্রাসঙ্গিক কথা বলা এর প্রধান লক্ষণ। ৩. এটি মূল বক্তব্যকে ব্যাহত করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) pomposity — এর অর্থ আড়ম্বরপূর্ণ ভাব বা অহংকার প্রদর্শন, যা মূল থিম থেকে সরে যাওয়া বোঝায় না। B) digression — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) exaggeration — এর অর্থ অতিশয়োক্তি বা বাড়িয়ে বলা, যা থিম ভাঙার সাথে সম্পর্কিত নয়। D) anti-climax — এর অর্থ ক্রমান্বয়ে কম গুরুত্বপূর্ণ বা হাস্যকর সমাপ্তি, যা থিম থেকে চ্যুতির সমার্থক নয়। মনে রাখার টিপস: ডাইগ্রেশন মানে দিক পরিবর্তন, তাই মূল থিম থেকে দূরে সরে গেলেই তাকে digression বলবে।
a count numbers
b consider
c think seriously
d assess
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) consider কেন সঠিক: take into account একটি ফ্রেজাল ইডিয়ম যার শাব্দিক অর্থ হলো কোনো কিছু গণনায় ধরা। এর মূল ভাবগত অর্থ হলো কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় কোনো বিষয় গভীরভাবে বিবেচনা করা। তাই এর সবচেয়েClosest বা সঠিক সমার্থক শব্দ হলো consider। এটি সাধারণত কোনো পরিস্থিতি বা তথ্য মনে রাখাকে বোঝায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) count numbers — এটি ফ্রেজটির আক্ষরিক অর্থ বোঝালেও সঠিক ভাবার্থ প্রকাশ করে না কারণ এটি সাধারণ গণনার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। B) consider — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) think seriously — এটি কিছুটা কাছাকাছি হলেও সরাসরি take into account এর সুনির্দিষ্ট প্রমিত সমার্থক শব্দ হিসেবে বিবেচিত হয় না। D) assess — এর অর্থ মূল্যায়ন করা যা ফ্রেজটির মূল ভাব বিবেচনা করার চেয়ে কিছুটা ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে হিসাব বা তথ্য মাথায় রাখাকেই take into account বা বিবেচনা করা বোঝায়।
a The authorities criticised him
b The authorities took him to book
c The authorities took him to task
d The authorities gave reins to him
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) The authorities took him to task কেন সঠিক: বাক্যে 'তিরস্কার করা' বা বকাঝকা করা অর্থে 'take to task' একটি প্রচলিত ইংরেজি ইডিওম বা বাগধারা। এখানে কর্তপক্ষ তাকে তিরস্কার করেছে বোঝাতে সঠিক ক্রিয়ারূপ ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The authorities criticised him — 'criticise' মানে সমালোচনা করা, যা এখানে সরাসরি সঠিক ইডিওম নয়। B) The authorities took him to book — ইংরেজিতে 'take to task' সঠিক হলেও 'take to book' বলে কোনো সঠিক ফ্রেজ নেই। C) সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি এখানে প্রযোজ্য নয়। D) The authorities gave reins to him — 'give reins' অর্থ লাগাম ছেড়ে দেওয়া বা স্বাধীনতা দেওয়া, যা অর্থ সম্পূর্ণ বদলে দেয়। মনে রাখার টিপস: কাউকে তিরস্কার করা বা শাস্তি দেওয়ার ইংরেজি ইডিওম হলো take to task.
a The test should be based on experience
b The test should be based on idea
c The test should be based on assumption
d The test should be based on calculation
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) The test should be based on experience কেন সঠিক: Empirically শব্দটির মূল অর্থ হলো বাস্তব অভিজ্ঞতা, পর্যবেক্ষণ এবং পরীক্ষালব্ধ প্রমাণের ওপর ভিত্তি করা। তাই এই জাতীয় দাবিগুলো যাচাই করতে হলে তাত্ত্বিক ধারণার বদলে বাস্তবভিত্তিক অভিজ্ঞতা বা পরীক্ষার সাহায্য নেওয়া উচিত। কারণ বৈজ্ঞানিক ও তাত্ত্বিক সত্যতা প্রমাণের জন্য বাস্তব অভিজ্ঞতা অত্যন্ত জরুরি। এই কারণে সঠিক উত্তর হিসেবে অভিজ্ঞতাভিত্তিক পরীক্ষাকে নির্দেশ করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The test should be based on experience — এটি সঠিক অপশন কারণ Empirically শব্দের অর্থ সরাসরি অভিজ্ঞতার সাথে সম্পর্কিত। B) The test should be based on idea — এটি ভুল কারণ আইডিয়া বা ধারণা সবসময় বাস্তব অভিজ্ঞতা বা প্রমাণের ওপর প্রতিষ্ঠিত নাও হতে পারে। C) The test should be based on assumption — এটি ভুল কারণ অনুমান হলো কাল্পনিক বা প্রমাণহীন বিষয়, যা empirically শব্দের বিপরীত। D) The test should be based on calculation — এটি ভুল কারণ গণনা শুধু সংখ্যাগত হিসাব বোঝায়, সব ধরনের বাস্তব অভিজ্ঞতা এর অন্তর্ভুক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: Empirical শব্দটিকে সরাসরি Experience বা বাস্তব অভিজ্ঞতার সাথে মিলিয়ে মনে রাখবে।
a stay together
b tolerate
c keep trust
d protect
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) tolerate কেন সঠিক: - 'Put up with' একটি ইংরেজিগুচ্ছ বা ইডিওম, যার আধানিক অর্থ হলো কোনো কিছু সহ্য করা বা মেনে নেওয়া। - বাক্যে এটি কোনো কষ্টকর পরিস্থিতি বা অপ্রীতিকর আচরণকে নীর베 সহ্য করার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। - এই ইডিওমটির ভাবার্থের সাথে 'tolerate' শব্দটির অর্থ পুরোপুরি মিলে যায়। - তাই সঠিক উত্তর হিসেবে বি অপশনটি নির্বাচিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) stay together — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ একসাথে থাকা, যা প্রদত্ত ইডিওমের অর্থের সাথে কোনো মিল রাখে না। B) tolerate — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। C) keep trust — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ বিশ্বাস রক্ষা করা, যা ইডিওমটির সহ্য করার অর্থের বিপরীত। D) protect — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ রক্ষা করা বা পাহারা দেওয়া, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: 'Put up with' দেখলে মাথায় রাখবে এর অর্থ হলো সহ্য করা বা টলারেট করা।
a driving a car
b when one drives a car
c the driving of a car
d when we drive a car
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) driving a car কেন সঠিক: বাক্যের নিয়ম অনুযায়ী preposittion বা similar to এর পর gerund বা noun phrase বসে। এখানে to এর পর সরাসরি driving a car সঠিক সমান্তরাল গঠন তৈরি করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) driving a car — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। B) when one drives a car — এখানে একটি অতিরিক্ত clause ব্যবহার করায় বাক্যের গঠন নষ্ট হয়েছে। C) the driving of a car — এই গঠনটি ইংরেজি নিয়মে অপ্রয়োজনীয় এবং অতিরিক্ত বড় শোনায়। D) when we drive a car — এটি একটি পুরো clause, যা preposition এর সাথে সরাসরি বসে না। মনে রাখার টিপস: similar to এর পরে সরাসরি noun অথবা verb এর সাথে ing যুক্ত করে gerund বসাতে হয়।
a ২৫
b ৩০
c ২৮
d ৩২
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩০ প্রদত্ত তথ্য: তিন সদস্যের বিতর্ক দলের সদস্য সংখ্যা = ৩ জন তাদের বয়সের গড় = ২৪ বছর ধরি, তিন সদস্যের মোট বয়স = ৩ × ২৪ = ৭২ বছর বাকি দুই সদস্যের সর্বনিম্ন বয়স = ২১ বছর এবং ২১ বছর অতএব, বাকি দুই সদস্যের সর্বনিম্ন মোট বয়স = ২১ + ২১ = ৪২ বছর কোনো একজনের সর্বোচ্চ বয়স বের করতে হলে বাকিদের বয়স সর্বনিম্ন ধরতে হবে সুতরাং সর্বোচ্চ বয়স = মোট বয়স − বাকি দুই সদস্যের সর্বনিম্ন বয়স উত্তর: ৭২ − ৪২ = ৩০ বছর
a ১০ সে:মি:
b ৮ সে:মি:
c ৪ সে:মি:
d ৬ সে:মি:
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১০ সে:মি: প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজটি একটি সমকোণী ত্রিভুজ লম্ব ভূমি অপেক্ষা দুই সেন্টিমিটার ছোট অতিভুজ ভূমি অপেক্ষা দুই সেন্টিমিটার বড় ধরি, ভূমির দৈর্ঘ্য = ক সে:মি: লম্বের দৈর্ঘ্য = ক − ২ সে:মি: অতিভুজের দৈর্ঘ্য = ক + ২ সে:মি: অতএব, পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুসারে লম্বের স্কয়ার + ভূমির স্কয়ার = অতিভুজের স্কয়ার (ক − ২) স্কয়ার + ক স্কয়ার = (ক + ২) স্কয়ার সুতরাং, হিসাব করে পাওয়া যায় ক এর মান = ৬ সে:মি: অতিভুজের দৈর্ঘ্য = ৬ + ২ সে:মি: = ১০ সে:মি: উত্তর: ১০ সে:মি:
a ২৬৪০ টি
b ১৩২০ টি
c ৩৬০০ টি
d ৫২৪০ টি
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২৬৪০ টি প্রদত্ত তথ্য: বাক্সের দৈর্ঘ্য = ৫৫ সে:মি:, প্রস্থ = ৪৮ সে:মি: এবং উচ্চতা = ৩০ সে:মি: সাবানের দৈর্ঘ্য = ৫ সে:মি:, প্রস্থ = ৪ সে:মি: এবং উচ্চতা = ১.৫ সে:মি: ধরি, বাক্সের আয়তন = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ × উচ্চতা সাবানের আয়তন = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ × উচ্চতা অতএব, বাক্সের আয়তন = ৫৫ × ৪৮ × ৩০ ঘন সে:মি: = ۷۹২০০ ঘন সে:মি: সাবানের আয়তন = ৫ × ৪ × ১.৫ ঘন সে:মি: = ৩০ ঘন সে:মি: সুতরাং, সাবানের সংখ্যা = বাক্সের আয়তন ÷ সাবানের আয়তন উত্তর: ۷۹২০০ ÷ ৩০ = ২৬৪০ টি
a {3, 18, 30}
b {3, 5, 15, 18, 20, 30}
c {5, 15, 20}
d কোনটিই নয়
0 118 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫, ১৫, ২০ প্রদত্ত তথ্য: সেট এ সমান প্রথম বন্ধনী শুরু পাঁচ, পনেরো, বিশ, ত্রিশ প্রথম বন্ধনী শেষ সেট বি সমান প্রথম বন্ধনী শুরু তিন, পাঁচ, পনেরো, আঠারো, বিশ প্রথম বন্ধনী শেষ ধরি, এ সেট এর উপাদানগুলো হলো পাঁচ, পনেরো, বিশ এবং ত্রিশ বি সেট এর উপাদানগুলো হলো তিন, পাঁচ, পনেরো, আঠারো এবং বিশ অতএব, ছেদ বা ইন্টারসেকশন মানে উভয় সেটের সাধারণ উপাদান নেওয়া এ সেটে আছে এমন এবং বি সেটে আছে এমন সংখ্যাগুলো তুলনা করি সাধারণ সংখ্যাগুলো হলো পাঁচ, পনেরো এবং বিশ সুতরাং, এ এবং বি এর ছেদ সেটটি হবে কমন উপাদানগুলোর একটি নতুন সেট উত্তর: সি ব্র্যাকেটে পাঁচ, পনেরো, বিশ
a ৩৪
b ৫৫
c ৪৮
d ৬৪
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫৫ প্রদত্ত তথ্য: ধারাটি হলো ১, ১, ২, ৩, ৫, ৮, ১৩, ২১, ... ধরি, এটি একটি বিখ্যাত ফিবোনাচ্চি ধারা এই ধারার নিয়ম হলো পূর্বের দুটি পদের যোগফল পরবর্তী পদ হয় অতএব, অষ্টম পদ = ২১ নবম পদ = ১৩ + ২১ = ৩৪ সুতরাং, দশম পদ = ২১ + ৩৪ = ৫৫ উত্তর: ৫৫
a ৫ দিন
b ২৫/৪৯
c ৪৯/২৫
d ৭ দিন
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৫ দিন প্রদত্ত তথ্য: ৫ জন শ্রমিক ৫ দিনে বুনতে পারে = ৫টি কাপড় ১ জন শ্রমিক ৫ দিনে বুনতে পারে = ৫ ÷ ৫ = ১টি কাপড় ধরি, ১ জন শ্রমিক ১ দিনে বুনতে পারে = ১ ÷ ৫ টি কাপড় ৭ জন শ্রমিক ১ দিনে বুনতে পারে = ৭ ÷ ৫ টি কাপড় অতএব, ৭ জন শ্রমিক ৭ দিনে বুনতে পারে = (৭ × ৭) ÷ ৫ টি কাপড় অর্থাৎ, ৭ জন শ্রমিক ৭ দিনে বুনতে পারে = ৪৯ ÷ ৫ টি কাপড় সুতরাং, ৭টি কাপড় বুনতে ৭ জন শ্রমিকের সময় লাগবে = ৫ দিন উত্তর: ৫ দিন
a (1,1)
b (1, 3)
c (-1,-1)
d (-3, 1)
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) (১,১) প্রদত্ত তথ্য: ক্রমজোড়ের সমতা অনুযায়ী প্রথম উপাদান প্রথম উপাদানের সমান হবে এবং দ্বিতীয় উপাদান দ্বিতীয় উপাদানের সমান হবে। ধরি, প্রথম সমীকরণ হলো x − y = ০ দ্বিতীয় সমীকরণ হলো x + ২y = ৩ অতএব, প্রথম সমীকরণ থেকে পাই x = y এই মান দ্বিতীয় সমীকরণে বসিয়ে পাই y + ২y = ৩ সুতরাং, যোগ করে পাই ৩y = ৩ অতএব y = ১ এবং x = ১ উত্তর: (১,১)
a ৬০ বর্গমিটার
b ৯৬ বর্গমিটার
c ৭২ বর্গমিটার
d ৬৪ বর্গমিটার
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৯৬ বর্গমিটার প্রদত্ত তথ্য: ঘরের পরিসীমা = ৪০ মিটার প্রস্থ দৈর্ঘ্যের দুই তৃতীয়াংশ ধরি, দৈর্ঘ্য = ক মিটার প্রস্থ = (২ × ক) ÷ ৩ মিটার অতএব, পরিসীমা = ২ × (দৈর্ঘ্য + প্রস্থ) ৪০ = ২ × (ক + (২ × ক) ÷ ৩) ক = ১২ মিটার সুতরাং, দৈর্ঘ্য = ১২ মিটার প্রস্থ = (২ × ১২) ÷ ৩ = ৮ মিটার উত্তর: ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ = ১২ × ৮ = ৯৬ বর্গমিটার
a ৭.৫ সে:মি:
b ৬.৫ সে:মি:
c ৬ সে:মি:
d ৭ সে:মি:
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬.৫ সে:মি: প্রদত্ত তথ্য: প্রথম ঘনকের বাহুর দৈর্ঘ্য = ৩ সে:মি: দ্বিতীয় ঘনকের বাহুর দৈর্ঘ্য = ৪ সে:মি: তৃতীয় ঘনকের বাহুর দৈর্ঘ্য = ৫ সে:মি: ধরি, প্রথম ঘনকের আয়তন = ৩ এর কিউব ঘন সে:মি: দ্বিতীয় ঘনকের আয়তন = ৪ এর কিউব ঘন সে:মি: তৃতীয় ঘনকের আয়তন = ৫ এর কিউব ঘন সে:মি: অতএব, প্রথম ঘনকের আয়তন = ২৭ ঘন সে:মি: দ্বিতীয় ঘনকের আয়তন = ৬৪ ঘন সে:মি: তৃতীয় ঘনকের আয়তন = ১২৫ ঘন সে:মি: সুতরাং, তিনটি ঘনকের মোট আয়তন = ২৭ + ৬৪ + ১২৫ = ২১৬ ঘন সে:মি: উত্তর: নতুন ঘনকের বাহুর দৈর্ঘ্য = ৬.৫ সে:মি:
a ১২
b ৪৮
c ৩৬
d ১৪৪
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৪৪ প্রদত্ত তথ্য: রাশিটি হলো বন্ধনীর ভেতরে তিন গুণ রুট তিন প্লাস তিন গুণ রুট চার এবং তার উপরে ঘাত ছয় ধরি, প্রথম অংশটি ক সমান তিন গুণ রুট তিন দ্বিতীয় অংশটি খ সমান তিন গুণ রুট চার অতএব, ক এর বর্গ সমান তিন গুণ তিন গুণ তিন সমান সাতাশ খ এর বর্গ সমান তিন গুণ তিন গুণ চার সমান ছত্রিশ ক এর বর্গ এবং খ এর বর্গের বিয়োগফল সমান সাতাশ বিয়োগ ছত্রিশ সমান মাইনাস এক সুতরাং, বন্ধনীটির ভেতরের রাশিটির বিপরীত রাশিটি নিয়ে হিসাব করলে পাই মাইনাস তিন গুণ রুট তিন প্লাস তিন গুণ রুট চার উত্তর: ১৪৪
a 8
b 3
c 5
d 4
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৪ প্রদত্ত তথ্য: (a ÷ b) এর পাওয়ার (x − ৩) (b ÷ a) এর পাওয়ার (x − ৫) ধরি, সমীকরণটি হলো (a ÷ b) এর পাওয়ার (x − ৩) সমান (b ÷ a) এর পাওয়ার (x − ৫) ডানপক্ষের ভিত্তি উল্টে দিলে পাওয়ারের চিহ্ন পরিবর্তিত হয় অতএব, (b ÷ a) সমান ১ ÷ (a ÷ b) তাই (b ÷ a) এর পাওয়ার (x − ৫) সমান (a ÷ b) এর পাওয়ার (−x + ৫) সুতরাং, (a ÷ b) এর পাওয়ার (x − ৩) সমান (a ÷ b) এর পাওয়ার (−x + ৫) উভয় পক্ষের ভিত্তি সমান হওয়ায় পাওয়ার দুটি সমান হবে উত্তর: x − ৩ সমান −x + ৫ বা ২x সমান ৮ সুতরাং x সমান ৪
a 16^x
b 4^4x
c 2^(2x+2)
d 2^8x
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২^(২x+২) প্রدত্ত তথ্য: রাশিটি হলো ৪^x + ৪^x + ৪^x + ৪^x ধরি, পদগুলোর যোগফল বের করতে হবে ৪^x হলো চারটি রাশির সমষ্টি অতএব, ৪ × (৪^x) এভাবে লেখা যায় ৪ কে লেখা যায় ২ এর ওপর ঘাত ২ ৪^x কে লেখা যায় (২^২)^x সুতরাং, ২^২ × ২^(২x) এভাবে সাজানো যায় সূচকের নিয়মে ভিত্তি এক হলে পাওয়ার যোগ হয় উত্তর: ২^(২x+২)
a √2
b 1/2*(√5-√3)
c (1/√5)+(1+√3)
d 2/(√5+√3)
0 104 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২/(√৫+√৩) প্রদত্ত তথ্য: মূল রাশিটি হলো (√৫−√৩) ধরি, লবের সাথে (√৫+√৩) গুণ করতে হবে অতএব, (√৫−√৩) × (√৫+√৩) ÷ (√৫+√৩) লেখা যায় সুতরাং, উপরে সূত্র প্রয়োগ করে ৫−৩ পাই উত্তর: ২/(√৫+√৩)
a 7/3
b 3
c 8/3
d 2
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো ৩৬ × ২ এর পাওয়ার (৩x − ৮) = ৩ এর স্কয়ার ধরি, ৩৬ হলো ৪ × ৯ অতএব, ৪ × ৯ × ২ এর পাওয়ার (৩x − ৮) = ৯ সুতরাং, উভয় পক্ষ থেকে ৯ বাদ দিলে পাই ৪ × ২ এর পাওয়ার (৩x − ৮) = ১ অতএব, ২ এর পাওয়ার (৩x − ৮) = ১ ÷ ৪ সুতরাং, ২ এর পাওয়ার (৩x − ৮) = ১ ÷ (২ এর স্কয়ার) অতএব, ২ এর পাওয়ার (৩x − ৮) = ২ এর পাওয়ার (−২) সুতরাং, ৩x − ৮ = −২ অতএব, ৩x = ৮ − ২ সুতরাং, ৩x = ৬ উত্তর: x = ২
a (x^2-y^2)/xy
b (2x^2-y^2)/xy
c (x^2-2y^2)/xy
d (y^2-x^2-)/xy
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) (y^2−x^2)/xy প্রদত্ত তথ্য: ভগ্নাংশ দুটি হলো x ÷ y এবং y ÷ x ধরি, নির্ণেয় সংখ্যাটি ক অতএব, (x ÷ y) + ক = y ÷ x সুতরাং, ক = (y ÷ x) − (x ÷ y) উত্তর: (y^2−x^2)/xy
a ডলার
b পাউন্ড
c টাকা
d রুপী
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রুপী কেন সঠিক: - শ্রীলংকার সরকারি মুদ্রার নাম শ্রীলংকান রুপী। - দেশটির অর্থনীতি ও লেনদেনে এই মুদ্রা ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডলার — যুক্তরাষ্ট্রসহ কয়েকটি দেশের মুদ্রা, শ্রীলংকার মুদ্রা নয়। B) পাউন্ড — যুক্তরাজ্য ও কিছু দেশের মুদ্রা, শ্রীলংকার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। C) টাকা — বাংলাদেশ ও পোল্যান্ডের মুদ্রার নাম, শ্রীলংকার মুদ্রা নয়। D) রুপী — শ্রীলংকার সরকারি মুদ্রা হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: ভারত ও শ্রীলংকা উভয় দেশের মুদ্রার নাম রুপী।
a ওরা এগার জন
b গেরিলা
c আবার তোরা মানুষ হ
d স্টপ জেনোসাইড
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গেরিলা কেন সঠিক: - গেরিলা চলচ্চিত্রটি বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধভিত্তিক একটি জনপ্রিয় ও প্রশংসিত চলচ্চিত্র। - এটি কলকাতার চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত এবং পুরস্কৃত হয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস তুলে ধরেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ওরা এগার জন — এটি বাংলাদেশের প্রথম মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র হলেও প্রশ্নে উল্লেখিত কলকাতার চলচ্চিত্র উৎসবের পুরস্কারের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) গেরিলা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ভুল ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়। C) আবার তোরা মানুষ হ — এটি যুদ্ধোত্তর বাংলাদেশের যুবসমাজ ও সামাজিক পরিস্থিতি নিয়ে নির্মিত চলচ্চিত্র, বর্তমান প্রশ্নের সঙ্গে মেলে না। D) স্টপ জেনোসাইড — এটি জহির রায়হান নির্মিত একটি বিখ্যাত প্রামাণ্যচিত্র, পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র বা এই উৎসবের পুরস্কারপ্রাপ্ত নির্দিষ্ট ছবি নয়। মনে রাখার টিপস: মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নির্মিত যে ছবিটি কলকাতার উৎসবে পুরস্কৃত হয়েছিল, তার নাম গেরিলা।
a ঢাকা
b ময়মনসিংহ
c চট্টগ্রাম
d নড়াইল
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ময়মনসিংহ কেন সঠিক: - শিল্পী জয়নুল আবেদীনের শিল্পকর্ম সংরক্ষণের জন্য ১৯৭৫ সালে ময়মনসিংহ শহরের ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে এই সংগ্রহশালা প্রতিষ্ঠিত হয়। - এখানে শিল্পীর বহু দুর্লভ চিত্রকর্ম এবং ব্যবহার্য ব্যক্তিগত সামগ্রী সংরক্ষিত আছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঢাকা — ঢাকাতে বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর ও চারুকলা ইনস্টিটিউট থাকলেও শিল্পীর নামে নির্দিষ্ট এই সংগ্রহশালাটি এখানে অবস্থিত নয়। B) ময়মনসিংহ — এটি সঠিক উত্তর কারণ জয়নুল আবেদীন সংগ্রহশালাটি ময়মনসিংহেই অবস্থিত। C) চট্টগ্রাম — চট্টগ্রামে জয়নুল আবেদীনের জন্মস্থান হলেও তাঁর নামে প্রতিষ্ঠিত মূল সংগ্রহশালাটি এই শহরে নেই। D) নড়াইল — নড়াইলে শিল্পীর কোনো সংগ্রহশালা নেই, এটি মূলত এস এম সুলতানের জন্মস্থান ও তাঁর সংগ্রহশালার জন্য পরিচিত। মনে রাখার টিপস: শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীনের জন্ম কিশোরগঞ্জে হলেও তাঁর স্মৃতিবিজড়িত সংগ্রহশালাটি ময়মনসিংহে ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে অবস্থিত।
a লন্ডন
b ব্রাজিল
c জার্মানি
d আর্জেন্টিনা
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ব্রাজিল কেন সঠিক: - ২০১৪ সালের ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবল দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ব্রাজিলে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। - এই টুর্নামেন্টে জার্মানি চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল এবং ফাইনালে আর্জেন্টিনা রানার্সআপ হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লন্ডন — লন্ডন হলো যুক্তরাজ্যের রাজধানী, যা ২০১৪ সালের বিশ্বকাপ ফুটবলের আয়োজক দেশ বা শহর ছিল না। B) ব্রাজিল — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ টুর্নামেন্টটি এখানেই সফলভাবে আয়োজিত হয়েছিল। C) জার্মানি — জার্মানি ২০১৪ সালের বিশ্বকাপ জিতেছিল ঠিকই, তবে এই টুর্নামেন্টের আয়োজক দেশ ছিল না। D) আর্জেন্টিনা — আর্জেন্টিনা ২০১৪ সালের বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলেছিল, কিন্তু তারা এই প্রতিযোগিতার আয়োজক দেশ ছিল না। মনে রাখার টিপস: ব্রাজিলের বিখ্যাত মারাকানা স্টেডিয়ামে ২০১৪ সালের বিশ্বকাপ ফাইনাল অনুষ্ঠিত হয়েছিল, তাই আয়োজক দেশ হিসেবে ব্রাজিল মনে রাখা সহজ।
a কাসপিয়ান
b বৈকাল
c মানস সরোবর
d ডেড সী
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বৈকাল কেন সঠিক: - এটি রাশিয়ার সাইবেরিয়ায় অবস্থিত বিশ্বের সবচেয়ে গভীরতম হ্রদ। - এর সর্বোচ্চ গভীরতা প্রায় ১,৬৪২ মিটার এবং এটি বিশ্বের বৃহত্তম স্বাদু পানির ভাণ্ডার। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাসপিয়ান — এটি বিশ্বের বৃহত্তম হ্রদ বা লবনাক্ত সাগর, তবে গভীরতম হ্রদ নয়। B) বৈকাল — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং বিশ্বের গভীরতম হ্রদ। C) মানস সরোবর — এটি তিব্বতে অবস্থিত একটি পবিত্র হ্রদ, যা গভীরতার দিক থেকে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় নয়। D) ডেড সী — এটি মৃত সাগর নামে পরিচিত এবং বিশ্বের সবচেয়ে নিচু ভূমি, তবে গভীরতম হ্রদ নয়। মনে রাখার টিপস: বাইরে বৈকাল, গভীরে বিশাল।
a ভারত মহাসাগর
b আটলান্টিক মহাসাগর
c প্রশান্ত মহাসাগর
d উত্তর মহাসাগর
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্রশান্ত মহাসাগর কেন সঠিক: - পৃথিবীর গভীরতম স্থান মারিয়ানা ট্রেঞ্চ বা মারিয়ানা খাত প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত। - মারিয়ানা ট্রেঞ্চের মধ্যে থাকা চ্যালেঞ্জার ডিপ পৃথিবীর গভীরতম বিন্দু, যার গভীরতা প্রায় ১১ হাজার মিটার। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারত মহাসাগর — এটি পৃথিবীর তৃতীয় বৃহত্তম মহাসাগর এবং এর গভীরতম স্থান জাভা ট্রাঞ্চ, যা মারিয়ানা ট্রেঞ্চের চেয়ে কম গভীর। B) আটলান্টিক মহাসাগর — এটি পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাসাগর এবং এর গভীরতম স্থান পুয়ের্তো রিকো ট্রাঞ্চ। C) প্রশান্ত মহাসাগর — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। D) উত্তর মহাসাগর — এটি বিশ্বের সবচেয়ে ছোট ও কম গভীর মহাসাগর এবং এর গভীরতম স্থান মুল্লয়েড ডিপ। মনে রাখার টিপস: প্রশান্ত মহাসাগর নামের সাথে মিল রেখে মনে রাখবে যে পৃথিবীর সবচেয়ে গভীর ও শান্ত জায়গাও এখানেই অবস্থিত।
a নিউইয়র্ক
b লন্ডন
c দাম্মাম
d জেদ্দা
0 105 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দাম্মাম কেন সঠিক: - সৌদি আরবের দাম্মামে অবস্থিত কিং ফাহদ ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট আয়তনের দিক থেকে পৃথিবীর বৃহত্তম বিমান বন্দর। - এই বিমান বন্দরের মোট আয়তন প্রায় আটষট্টি হাজার হেক্টর, যা এটিকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় বিমান বন্দরে পরিণত করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিউইয়র্ক — এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রধান শহর এবং জনবহুল মহানগরী, যেখানে বিশ্বের বৃহত্তম বিমান বন্দর অবস্থিত নয়। B) লন্ডন — এটি যুক্তরাজ্যের রাজধানী এবং এখানে বিশ্বের ব্যস্ততম কিছু বিমান বন্দর রয়েছে, কিন্তু এটি বিশ্বের বৃহত্তম বিমান বন্দর নয়। C) দাম্মাম — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং সৌদি আরবের কিং ফাহদ ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট এখানেই অবস্থিত। D) জেদ্দা — এটি সৌদি আরবের একটি গুরুত্বপূর্ণ বন্দর নগরী এবং এখানে কিং আব্দুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর আছে, যা বৃহত্তম নয়। মনে রাখার টিপস: বৃহত্তম বিমান বন্দরের জন্য মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরবের দাম্মাম শহরটি মনে রাখুন।
a ঢাকা উত্তর
b ঢাকা দক্ষিণ
c ঢাকা
d শেরে বাংলা নগর
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ঢাকা কেন সঠিক: - ঢাকা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাজধানী এবং দেশের বৃহত্তম ও প্রধান শহর। - প্রশাসনিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকভাবে সমগ্র দেশের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে ঢাকা রাজধানী হিসেবে স্বীকৃত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঢাকা উত্তর — এটি ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের এলাকা, সমগ্র দেশের রাজধানী নয়। B) ঢাকা দক্ষিণ — এটি ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের এলাকা, সমগ্র দেশের রাজধানী নয়। C) ঢাকা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো অতিরিক্ত কারণ প্রযোজ্য নয়। D) শেরে বাংলা নগর — এটি ঢাকার একটি এলাকা যেখানে জাতীয় সংসদ ভবন অবস্থিত, কিন্তু পুরো দেশের রাজধানী নয়। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের রাজধানী হিসেবে শুধু 'ঢাকা' নামটি মনে রাখতে হবে, এর কোনো অংশ বা নির্দিষ্ট এলাকাই পুরো দেশের রাজধানী নয়।
a মেঃ জেঃ জিয়াউর রহমান
b মেঃ জেঃ সফিউল্লা
c লেঃ জেঃ এইচঃ এমঃ এরশাদ
d জেনারেল আতাউল গণি ওসমানী
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জেনারেল আতাউল গণি ওসমানী কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় গঠিত বাংলাদেশ ফোর্সেস এর প্রথম প্রধান সেনাপতি ছিলেন জেনারেল আতাউল গণি ওসমানী। - ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল গঠিত প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের অধীনে তিনি এই গুরুদায়িত্ব পালন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মেঃ জেঃ জিয়াউর রহমান — তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার এবং জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন, প্রথম প্রধান সেনাপতি ছিলেন না। B) মেঃ জেঃ সফিউল্লা — তিনি পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান হয়েছিলেন, মুক্তিযুদ্ধের প্রথম প্রধান সেনাপতি ছিলেন না। C) লেঃ জেঃ এইচঃ এমঃ এরশাদ — তিনি বাংলাদেশের সাবেক সেনাপ্রধান ও রাষ্ট্রপতি ছিলেন, যা মুক্তিযুদ্ধের সময়ের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) জেনারেল আতাউল গণি ওসমানী — এটি সঠিক উত্তর, কারণ তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশ ফোর্সেস এর প্রধান সেনাপতি ছিলেন। মনে রাখার টিপস: মুক্তিযুদ্ধের সময় সমগ্র দেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয় এবং এই পুরো বাহিনীর প্রধান সেনাপতি ছিলেন জেনারেল আতাউল গণি ওসমানী।
a ৬
b ৭
c ৮
d ৯
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৮ কেন সঠিক: - সার্ক বা দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা গঠিত হওয়ার পর ২০০৭ সালে আফগানিস্তান এর অষ্টম সদস্য হিসেবে যোগ দেয়। - বর্তমানে এই সংস্থার মোট সদস্য দেশের সংখ্যা আটটি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৬ — সার্কের সদস্য সংখ্যা কখনো ছয়টি ছিল না, প্রতিষ্ঠার সময় থেকেই এর সদস্য সংখ্যা বেশি ছিল। B) ৭ — ১৯৮৫ সালে সার্ক প্রতিষ্ঠার সময় এর সদস্য দেশ ছিল সাতটি, যা আফগানিস্তান যোগদানের পর আটটিতে উন্নীত হয়। সি) ৮ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বর্তমানে সার্কের সদস্য সংখ্যা আটটি। D) ৯ — সার্কের সদস্য সংখ্যা কখনোই নয়টি ছিল না। মনে রাখার টিপস: সার্কের সদস্য মনে রাখার জন্য এমবিবিএস পিন (MBBS PIN) মনে রাখতে পারো, যেখানে আটটি দেশের নামের প্রথম অক্ষর রয়েছে।
a ১১
b ২১
c ৯
d ১৫
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১১ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারক সংখ্যা প্রধান বিচারপতিসহ মোট ১১ জন নির্ধারিত রয়েছে। - রাষ্ট্রপতির আদেশে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে এই নির্দিষ্ট সংখ্যক বিচারক নিয়োগ দেওয়া হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১১ — এটি সঠিক উত্তর কারণ বর্তমান আইন অনুযায়ী আপিল বিভাগের অনুমোদিত বিচারক সংখ্যা ১১ জন। B) ২১ — এটি ভুল কারণ এই সংখ্যাটি আপিল বিভাগের বিচারক পদের সঙ্গে মিলে না। C) ৯ — এটি ভুল কারণ আপিল বিভাগে বিচারকের সংখ্যা ৯ জনের বেশি। D) ১৫ — এটি ভুল কারণ এই সংখ্যাটি আপিল বিভাগের বর্তমান নির্ধারিত বিচারক পদের সংখ্যা নয়। মনে রাখার টিপস: আপিল বিভাগ ও আপিল শব্দের আদ্যক্ষর আ দিয়ে শুরু হয়, আর আপিল বিভাগের বিচারক সংখ্যা ১১ জন।
a ১৬ই ডিসেম্বর
b ৭ই মার্চ
c ২৬শে মার্চ
d ১৭ই এপ্রিল
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৬শে মার্চ কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের এই দিনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন এবং মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়। - ২৬শে মার্চ দিনটি রাষ্ট্রীয়ভাবে বাংলাদেশের জাতীয় দিবস হিসেবে পালিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৬ই ডিসেম্বর — এটি বাংলাদেশের বিজয় দিবস, জাতীয় দিবস নয়। B) ৭ই মার্চ — এটি ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ দিবস, জাতীয় দিবস নয়। D) ১৭ই এপ্রিল — এটি ঐতিহাসিক মুজিবনগর সরকার গঠনের দিন বা ঐতিহাসিক প্রবাসী বাংলাদেশ সরকার দিবস। মনে রাখার টিপস: স্বাধীনতা অর্জিত হয় ২৬ মার্চ, তাই ২৬শে মার্চ হলো বাংলাদেশের জাতীয় দিবস।
a বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম
b শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়াম
c বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়াম
d রাজশাহী স্টেডিয়াম
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়াম কেন সঠিক: - ২০১২ সালের এশিয়া কাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হয়েছিল এবং এর সবকটি ম্যাচ ঢাকার শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে খেলা হয়েছিল। - এই টুর্নামেন্টের ফাইনালে পাকিস্তান দলকে পরাজিত করে বাংলাদেশ রানার্সআপ হওয়ার গৌরব অর্জন করেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম — এটি ঢাকার একটি ঐতিহাসিক ভেন্যু হলেও ২০১২ সালের এশিয়া কাপের ম্যাচ এখানে অনুষ্ঠিত হয়নি। B) শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়াম — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই ভেন্যুতেই ২০১২ সালের এশিয়া কাপের ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হয়েছিল। C) বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়াম — এটি মূলত বিভিন্ন করপোরেট ও স্থানীয় টুর্নামেন্টের জন্য ব্যবহৃত হয়, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট এখানে হয় না। D) রাজশাহী স্টেডিয়াম — এটি বিভাগীয় পর্যায়ের একটি স্টেডিয়াম, যেখানে আন্তর্জাতিক এশিয়া কাপের কোনো ম্যাচ আয়োজন করা হয়নি। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনাল ম্যাচগুলো সাধারণত ঢাকার শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামেই অনুষ্ঠিত হয়।
a টি এস সি মোড়
b ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
c রেসকোর্স ময়দান
d রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন সঠিক: - সাবাস বাংলাদেশ ভাস্কর্যটি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থিত এবং এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের স্মারক। - বিখ্যাত ভাস্কর নিতুন কুণ্ডু এই ভাস্কর্যটির নকশা ও নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) টি এস সি মোড় — এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় অবস্থিত হলেও এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয়। B) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় — এটি দেশের প্রাচীনতম বিশ্ববিদ্যালয় হলেও এখানে এই ভাস্কর্যটি অবস্থিত নয়। C) রেসকোর্স ময়দান — বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ঐতিহাসিক স্থান হলেও এখানে এই ভাস্কর্যটি নেই। D) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ ভাস্কর্যটি এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণেই নির্মিত। মনে রাখার টিপস: সাবাস বাংলাদেশ ভাস্কর্যটি রাবি ক্যাম্পাসে অবস্থিত এবং এর নির্মাতা নিতুন কুণ্ডু।
a গাজীপুর
b মধুপুর
c রাজবাড়ী
d কুমিল্লার ময়নামতি পাহাড়ের পাশে
0 105 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কুমিল্লার ময়নামতি পাহাড়ের পাশে কেন সঠিক: - শালবন বিহার বাংলাদেশের একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার এবং ঐতিহাসিক স্থান, যা কুমিল্লার লালমাই ময়নামতি পাহাড়ের অবশিষ্টাংশে অবস্থিত। - অষ্টম শতাব্দীতে দেববংশের রাজা শ্রীভবদেব এই বিহারটি নির্মাণ করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গাজীপুর — এটি ঢাকা বিভাগের একটি জেলা, যেখানে শালবন বিহার অবস্থিত নয়। B) মধুপুর — এটি টাঙ্গাইল জেলায় অবস্থিত একটি গড়ের নাম, যেখানে শালবন বিহার নেই। C) রাজবাড়ী — এটি পদ্মা নদীর তীরবর্তী একটি জেলা, যা প্রাচীন বৌদ্ধ সভ্যতার এই নিদর্শনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) কুমিল্লার ময়নামতি পাহাড়ের পাশে — এটি শালবন বিহারের সঠিক ভৌগোলিক অবস্থান। মনে রাখার টিপস: কুমিল্লার ক দিয়ে শুরু ময়নামতি পাহাড় আর শালবন বিহার একই এলাকায় অবস্থিত।
a প্রবাসী শ্রমিক
b পাট
c রেডিমেড গার্মেন্টস
d চামড়া
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রেডিমেড গার্মেন্টস কেন সঠিক: - বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ের সিংহভাগ আসে তৈরি পোশাক বা রেডিমেড গার্মেন্টস খাত থেকে। - আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশি পোশাকের উচ্চ চাহিদা এবং নারী শ্রমিকের অবদানের কারণে এই খাত সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রবাসী শ্রমিক — এরা দেশের অর্থনীতিতে রেমিট্যান্সের মাধ্যমে বড় ভূমিকা রাখলেও একক খাত হিসেবে সর্বোচ্চ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে পোশাক খাতের পরেই অবস্থান করে। B) পাট — একসময় বাংলাদেশের প্রধান পাট রপ্তানিকারক দেশ হলেও বর্তমানে পাট ও পাটজাত পণ্যের আয় পোশাক খাতের তুলনায় অনেক কম। D) চামড়া — চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হলেও তা মোট রপ্তানি আয়ে পোশাক খাতের কাছাকাছিও নয়। মনে রাখার টিপস: পোশাক হলো বাংলাদেশের অর্থনীতির পোশাক পরিহিত মুকুট, যা রপ্তানি আয়ে সবার শীর্ষে অবস্থান করে।
a ভোলা
b নোয়াখালী
c চট্টগ্রাম
d কক্সবাজার
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কক্সবাজার কেন সঠিক: - সেন্টমার্টিন বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ, যা কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলার অন্তর্গত বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্বাংশে অবস্থিত। - ভৌগোলিক ও প্রশাসনিকভাবে এটি টেকনাফ উপজেলার মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন একটি দ্বীপ হলেও কক্সবাজার জেলার আওতাধীন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভোলা — ভোলা বাংলাদেশের একটি দ্বীপ জেলা এবং এটি বৃহত্তর বরিশালের অন্তর্ভুক্ত, সেন্টমার্টিনের সাথে এর কোনো ভৌগোলিক সংযোগ নেই। B) নোয়াখালী — নোয়াখালী উপকূলীয় জেলা হলেও সেন্টমার্টিন দ্বীপটি এই প্রশাসনিক সীমানার অনেক দূরে অবস্থিত। সি) চট্টগ্রাম — সেন্টমার্টিন ভৌগোলিকভাবে চট্টগ্রাম বিভাগের আওতাধীন হলেও এটি সরাসরি চট্টগ্রাম জেলার অংশ নয়, বরং কক্সবাজার জেলার অন্তর্গত। D) কক্সবাজার — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ দ্বীপটি প্রশাসনিকভাবে কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলার অধীন। মনে রাখার টিপস: টেকনাফের পর প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন, যা কক্সবাজার জেলার দক্ষিণ প্রান্তের শেষ ভূখণ্ড।
a যশর
b কুষ্টিয়া
c মেহেরপুর
d চুয়াডাঙ্গা
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মেহেরপুর কেন সঠিক: - মুজিবনগর বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকারের রাজধানী, যা তৎকালীন কুষ্টিয়া জেলার বর্তমান মেহেরপুর মহকুমার বৈদ্যনাথতলায় অবস্থিত ছিল। - ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল এখানে বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার শপথ গ্রহণ করেছিল এবং স্থানটির নাম মুজিবনগর রাখা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যশোর — এটি বৃহত্তর যশোর জেলার অন্তর্ভুক্ত ছিল কিন্তু মুজিবনগর এখানে অবস্থিত নয়। B) কুষ্টিয়া — ১৯৭১ সালে মুজিবনগর কুষ্টিয়া জেলার অংশ থাকলেও বর্তমান ভৌগোলিক অবস্থান মেহেরপুর জেলায়। C) মেহেরপুর — এটি সঠিক উত্তর কারণ মুজিবনগর বর্তমান মেহেরপুর জেলার ভবরপাড়া বা বৈদ্যনাথতলায় অবস্থিত। D) চুয়াডাঙ্গা — এটি একটি সীমান্তবর্তী জেলা হলেও মুজিবনগর এখানে অবস্থিত নয়। মনে রাখার টিপস: মুজিবনগর সরকারের শপথ গ্রহণের স্থান মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলা, যা একাত্তরে কুষ্টিয়ার অংশ ছিল।
a নিঝুম দ্বীপ
b সন্দ্বীপ
c দক্ষিণ তালপট্টি
d কুতুবদিয়া
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দক্ষিণ তালপট্টি কেন সঠিক: - পূর্বাশা দ্বীপ বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণে হাড়িয়াভাঙ্গা নদীর মোহনায় বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত একটি পলিদ্বীপ। - আন্তর্জাতিকভাবে ও ভৌগোলিক পরিচিতিতে এই দ্বীপটি দক্ষিণ তালপট্টি নামেই সর্বাধিক পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিঝুম দ্বীপ — এটি নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার একটি পৃথক পলিদ্বীপ, যা পূর্বাশা দ্বীপ নয়। B) সন্দ্বীপ — এটি চট্টগ্রামের একটি প্রাচীন ও বৃহৎ দ্বীপ, যা বঙ্গোপসাগরের সন্দ্বীপ চ্যানেলে অবস্থিত। C) দক্ষিণ তালপট্টি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) কুতুবদিয়া — এটি কক্সবাজার জেলার অন্তর্গত একটি ঐতিহাসিক দ্বীপ উপজেলা। মনে রাখার টিপস: পূর্ব আকাশে সূর্য ওঠে আর দক্ষিণ দিকে থাকে তালগাছ, তাই পূর্বাশা দ্বীপের অপর নাম দক্ষিণ তালপট্টি।
a ১৭
b ১৫
c ২০
d ১৯
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৫ কেন সঠিক: - বাংলাদেশের সংবিধানে এ পর্যন্ত মোট পনেরোটি সংশোধনী আনা হয়েছে। - সর্বশেষ পঞ্চদশ সংশোধনী পাস হয় ২০১১ সালে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৭ — ১৭টি সংশোধনী বাংলাদেশের সংবিধানে এখনো হয়নি। B) ১৫ — এটি সঠিক উত্তর। C) ২০ — এটি একটি অতিরিক্ত সংখ্যা যা সঠিক নয়। D) ১৯ — এটিও সঠিক নয় কারণ সংশোধনী সংখ্যাটি পনেরো। মনে রাখার টিপস: সংবিধানের সংশোধনী সংখ্যা মনে রাখতে সংখ্যাটি পনেরো মনে রাখুন।
a যুক্তরাজ্যে
b যুক্তরাষ্ট্র
c ফ্রান্স
d জার্মানি
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) যুক্তরাজ্যে কেন সঠিক: - গ্রিনিচ মানমন্দির যুক্তরাজ্যের লন্ডনের গ্রিনিচ নামক এলাকায় অবস্থিত। - আন্তর্জাতিক প্রমাণ সময় বা জিএমটি হিসাব করার জন্য এই মানমন্দিরকে মূল মধ্যরেখা হিসেবে ধরা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যুক্তরাজ্যে — এটি সঠিক উত্তর কারণ মানমন্দিরটি লন্ডনের গ্রিনিচে অবস্থিত। B) যুক্তরাষ্ট্র — এটি উত্তর আমেরিকার একটি দেশ এবং এই মানের কোনো ঐতিহাসিক মানমন্দির এখানে নেই। C) ফ্রান্স — এটি ইউরোপের একটি দেশ, যার রাজধানী প্যারিস এবং এর সাথে এই মানমন্দিরের সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই। D) জার্মানি — এটি ইউরোপের আরেকটি রাষ্ট্র এবং এর অবস্থান গ্রিনিচ মানরেখার পূর্বে হলেও মূল মানমন্দির এখানে নয়। মনে রাখার টিপস: গ্রিনিচ নামটি শুনলেই যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডন শহরের কথা মনে রাখবে।
a ১৯৫৬
b ১৯৬১
c ১৯৬৪
d ১৯৬৯
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯৬১ কেন সঠিক: - সোভিয়েত ইউনিয়নের মহাকাশচারী ইউরি গ্যাগারিন প্রথম মানুষ হিসেবে মহাশূন্যে গমন করেন। - তিনি ১৯৬১ সালের ১২ই এপ্রিল ভস্টক ১ নামক মহাকাশযানে চড়ে সফলভাবে পৃথিবী প্রদক্ষিণ করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৫৬ — এই সালে মহাকাশ যাত্রার কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটেনি এবং এটি ইউরি গ্যাগারিনের মহাকাশ ভ্রমণের সাল নয়। B) ১৯৬১ — এটি সঠিক সাল, এই বছরেই ইউরি গ্যাগারিন মহাশূন্যে প্রথম সফল ভ্রমণ করেন। C) ১৯৬৪ — এই সালে ইউরি গ্যাগারিনের মহাকাশ ভ্রমণের ঘটনা ঘটেনি, এটি একটি ভুল সাল। D) ১৯৬৯ — এই সালে মার্কিন মহাকাশচারী নীল আর্মস্ট্রং চাঁদে পদার্পণ করেছিলেন, যা গ্যাগারিনের মহাকাশ যাত্রার পরের ঘটনা। মনে রাখার টিপস: ইউরি গ্যাগারিন ষাটের দশকের শুরুতে অর্থাৎ ১৯৬১ সালে মহাশূন্যে পাড়ি জমান।
a অক্সিজেন
b হাইড্রোজেন
c র‍্যাডন
d নাইট্রোজেন
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) হাইড্রোজেন ১. কেন সঠিক: - হাইড্রোজেন প্রকৃতির সবচেয়ে হালকা ও ক্ষুদ্রতম মৌল, যার পারমাণবিক সংখ্যা এক এবং ভর প্রায় শূন্য দশমিক শূন্য এক শূন্য শূন্য আট। - এর ঘনত্ব বাতাসের ঘনত্বের চেয়ে অনেক কম হওয়ায় এটি বাতাসে দ্রুত উপরের দিকে উঠে যায়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: যে গ্যাসের পারমাণবিক ভর এবং ঘনত্ব সবচেয়ে কম, তাকে সর্বাপেক্ষা হালকা গ্যাস বলা হয়। - রাসায়নিক বৈশিষ্ট্য: হাইড্রোজেন একটি বর্ণহীন, গন্ধহীন ও দাহ্য গ্যাস যা ডায়াটমিক বা দ্বিপরমাণুক অণু হিসেবে অবস্থান করে। - কারণ ও ফলাফল: কম ঘনত্বের কারণে এটি অভিকর্ষের বিপরীতে সহজে ঊর্ধ্বমুখী হয়, যা আবহাওয়া বেলুন ও এয়ারশিপে উত্তোলন বল তৈরি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আবহাওয়া বেলুন ব্যাখ্যা: আবহাওয়া গবেষণার সময় বেলুনে হাইড্রোজেন গ্যাস ভরা হয় যাতে এটি বায়ুমণ্ডলের উচ্চস্তরে উঠে তথ্য সংগ্রহ করতে পারে। উদাহরণ ২: বেলুনের উড়ে যাওয়া ব্যাখ্যা: জন্মদিনের বেলুনে হাইড্রোজেন বা হিলিয়াম গ্যাস ভরলে তা হালকা হওয়ার কারণে ছাদ পর্যন্ত উড়ে চলে যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অক্সিজেন — অক্সিজেনের পারমাণবিক সংখ্যা আট এবং এর ঘনত্ব হাইড্রোজেনের চেয়ে অনেক বেশি হওয়ায় এটি হালকা গ্যাস নয়। B) হাইড্রোজেন — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এটি পর্যায় সারণির সবচেয়ে হালকা গ্যাস। C) র‍্যাডন — র‍্যাডন একটি তেজস্ক্রিয় এবং অত্যন্ত ভারী নিষ্ক্রিয় গ্যাস, যা বায়ুমণ্ডলের ভারী গ্যাসগুলোর অন্তর্ভুক্ত। D) নাইট্রোজেন — নাইট্রোজেন বায়ুমণ্ডলের প্রধান উপাদান হলেও এর পারমাণবিক ভর ও ঘনত্ব হাইড্রোজেনের তুলনায় অনেক বেশি। ৫ মনে রাখার টিপস: পর্যায় সারণির প্রথম মৌলটিই সবচেয়ে হালকা, যার নাম হাইড্রোজেন এবং এর প্রতীক এইচ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: হাইড্রোজেন গ্যাস অত্যন্ত দাহ্য হওয়ায় আধুনিক এয়ারশিপে এর পরিবর্তে নিরাপদ নিষ্ক্রিয় গ্যাস হিলিয়াম ব্যবহার করা হয়।
a তামা
b লোহা
c রূপা
d রাবার
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রাবার ১. কেন সঠিক: - রাবার বিদ্যুৎ পরিবাহী নয় কারণ এর পারমাণবিক গঠনে মুক্ত ইলেকট্রন থাকে না যা বিদ্যুৎ বা চার্জ বহন করতে পারে। - পদার্থে বিদ্যুৎ পরিবহনের জন্য মুক্ত ইলেকট্রনের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক, যা রাবারের মতো অন্তরক পদার্থে অনুপস্থিত থাকে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: যে সকল পদার্থের মধ্য দিয়ে সহজে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হতে পারে না এবং যারা বিদ্যুৎ প্রবাহে চরম বাধা সৃষ্টি করে তাদের অন্তরক বা কুপরিবাহী বলা হয়। - কারণ ও ফলাফল: অন্তরক পদার্থের পরমাণুগুলোতে ইলেকট্রনগুলো নিউক্লিয়াসের সঙ্গে শক্তভাবে আবদ্ধ থাকে, ফলে বাহ্যিক বিভব পার্থক্য প্রয়োগ করলেও মুক্ত ইলেকট্রন চলাচল করতে পারে না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বৈদ্যুতিক তারের প্লাস্টিক বা রাবারের আবরণ ব্যাখ্যা: এই আবরণ ব্যবহারের ফলে তারে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হলেও বাইরের মানুষ শক খায় না কারণ রাবার বিদ্যুৎ আটকে রাখে। উদাহরণ ২: ইলেকট্রিশিয়ানদের গ্লাভস ও জুতো ব্যাখ্যা: কাজ করার সময় রাবারের তৈরি গ্লাভস ও জুতো পরলে শরীর থেকে ভূমিতে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হতে পারে না, ফলে দুর্ঘটনা এড়ানো যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তামা — এটি একটি উৎকৃষ্ট মানের ধাতু এবং অত্যন্ত ভালো বিদ্যুৎ পরিবাহী হওয়ায় তার তৈরিতে বহুল ব্যবহৃত হয়। B) লোহা — এটি একটি ধাতু এবং এর ভেতরে মুক্ত ইলেকট্রন থাকায় এটি বিদ্যুৎ ও তাপ পরিবাহক হিসেবে কাজ করে। C) রূপা — এটি সব ধাতুর মধ্যে সবচেয়ে ভালো বিদ্যুৎ পরিবাহী, যদিও এর উচ্চমূল্যের কারণে সাধারণ কাজে কম ব্যবহৃত হয়। D) রাবার — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বিদ্যুৎ পরিবাহী নয় বরং একটি অত্যন্ত কার্যকর অন্তরক বা কুপরিবাহী পদার্থ। ৫. মনে রাখার টিপস: - ধাতু মানেই বিদ্যুৎ পরিবাহী যেমন তামা, লোহা ও রূপা এবং অধাতু বা পলিমার জাতীয় বস্তু যেমন রাবার সাধারণত বিদ্যুৎ কুপরিবাহী হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিদ্যুৎ পরিবাহিতার ওপর ভিত্তি করে পদার্থ প্রধানত তিন প্রকার, যথা পরিবাহী, অর্ধপরিবাহী এবং অন্তরক বা কুপরিবাহী। - এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই বিভিন্ন উপাদানের নাম পরিবর্তন করে আসে।
a সূর্যরশ্মি
b পীট কয়লা
c পেট্রল
d প্রাকৃতিক গ্যাস
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সূর্যরশ্মি ১. কেন সঠিক: - সূর্যরশ্মি হলো নবায়নযোগ্য শক্তির সবচেয়ে বড় ও প্রধান উৎস যা কখনো ফুরিয়ে যাবে না। - প্রকৃতিতে এই শক্তির উৎস বারবার নিজে থেকেই পূরণ হয় বলে একে নবায়নযোগ্য শক্তি বলা হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: যে শক্তি উৎস একবার ব্যবহারের ফলে নিঃশেষ হয়ে যায় না এবং বারবার ব্যবহার করা যায়, তাকে নবায়নযোগ্য শক্তি বলে। - কার্যপ্রণালি: সূর্যের অভ্যন্তরে নিউক্লিয়ার ফিউশন বিক্রিয়ার মাধ্যমে অবিরাম বিপুল পরিমাণ শক্তি উৎপন্ন হয় যা আলো ও তাপ হিসেবে পৃথিবীতে আসে। - বাস্তব প্রয়োগ: সোলার প্যানেলের মাধ্যমে সূর্যরশ্মিকে সরাসরি বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর করে বাসা-বাড়ি ও শিল্পকারখানায় ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সৌর বিদ্যুৎ চালিত ক্যালকুলেটর বা স্ট্রিট লাইট। ব্যাখ্যা: এগুলো দিনের বেলা সূর্যরশ্মি থেকে সরাসরি শক্তি গ্রহণ করে এবং ব্যাটারিতে জমিয়ে রেখে কাজ করে। উদাহরণ ২: সূর্যের তাপে পানি গরম করা বা সোলার কুকার। ব্যাখ্যা: এই যন্ত্রগুলোতে সূর্যরশ্মির তাপশক্তি ব্যবহার করে রান্না বা পানির তাপমাত্রা বৃদ্ধি করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সূর্যরশ্মি — এটি একটি নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস কারণ এটি অফুরন্ত এবং বারবার ব্যবহার করা যায়। B) পীট কয়লা — এটি জীবাশ্ম জ্বালানি এবং অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস কারণ এর ভাণ্ডার সীমিত ও একবার পুড়িয়ে ফেললে শেষ হয়ে যায়। C) পেট্রল — এটি খনিজ তেল থেকে প্রাপ্ত অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস যা ব্যবহার করলে পুনরায় তৈরি হতে কোটি কোটি বছর লাগে। D) প্রাকৃতিক গ্যাস — এটি ভূগর্ভস্থ একটি অনবায়নযোগ্য জীবাশ্ম জ্বালানি যা সীমিত এবং ধীরে ধীরে নিঃশেষ হয়ে যাচ্ছে। ৫. মনে রাখার টিপস: নবায়নযোগ্য শক্তি মানে যা নতুন করে পাওয়া যায় যেমন সূর্য, বায়ু ও পানি। আর জীবাশ্ম জ্বালানি হলো কয়লা, তেল ও গ্যাস যা অনবায়নযোগ্য। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সূর্যরশ্মি ছাড়া বাতাস, জোয়ার-ভাটা এবং বায়োমাসও নবায়নযোগ্য শক্তির অন্তর্ভুক্ত। পরীক্ষায় প্রায়ই কোনটি নবায়নযোগ্য বা অনবায়নযোগ্য শক্তি তা সনাক্ত করতে বলা হয়।
a ১৯৫৯
b ১৯৬৫
c ১৯৬৯
d ১৯৮১
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯৬৯ ১. কেন সঠিক: ইন্টারনেটের আদি রূপ বা পূর্বসূরি এআরপানেট প্রথম চালু হয় ১৯৬৯ সালের ২৯ অক্টোবর। আমেরিকার প্রতিরক্ষা বিভাগের অর্থায়নে এবং গবেষকদের যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে এটি তৈরি করা হয়েছিল। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: ইন্টারনেটের মূল ধারণাটি হলো প্যাকেট সুইচিং প্রযুক্তির মাধ্যমে দূরদূরান্তের কম্পিউটারের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান করা। কার্যপ্রণালি: ১৯৬৯ সালে আমেরিকার চারটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটারগুলোর মধ্যে প্রথম নেটওয়ার্ক সংযোগ স্থাপন করে ডেটা সফলভাবে আদান-প্রদান করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বর্তমানে ইন্টারনেটের মাধ্যমে আমরা এক দেশ থেকে অন্য দেশে মুহূর্তেই ইমেইল বা বার্তা পাঠাতে পারি। ব্যাখ্যা: ১৯৬৯ সালের সেই ছোট্ট গবেষণামূলক নেটওয়ার্ক ব্যবস্থার আধুনিক ও বিশাল রূপই হলো বর্তমানের ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব বা ইন্টারনেট। উদাহরণ ২: ঘরে বসে অনলাইনে ক্লাসে যুক্ত হওয়া বা ভিডিও কল করা। ব্যাখ্যা: প্যাকেট সুইচিং প্রযুক্তির আধুনিক ব্যবহারের ফলেই আজ আমরা রিয়েল-টাইমে অডিও এবং ভিডিও ডেটা আদান-প্রদান করতে পারছি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৫৯ — এই সালে কম্পিউটার প্রযুক্তিতে ট্রানজিস্টরের ব্যবহার জনপ্রিয় হতে শুরু করে কিন্তু ইন্টারনেট চালু হয়নি। B) ১৯৬৫ — এই সালে প্রথম দুটি কম্পিউটারের মধ্যে দূরপাল্লার টেলিকফোন লাইনের মাধ্যমে সফল যোগাযোগ পরীক্ষা করা হয় যা ইন্টারনেটের আগের ধাপ। C) ১৯৬৯ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এআরপানেটের মাধ্যমে প্রথম ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক চালু হয়। D) ১৯৮১ — এই সালে আইবিএম পিসি বাজারে আসে এবং টিসিপি আইপি প্রোটোকল পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: ইন্টারনেট চালুর সালটি মনে রাখতে ১৯৬৯ সংখ্যাটির শেষ দুটি অঙ্ক অর্থাৎ ৬৯ মাথায় রাখতে পারো, যা উল্টালে একই থাকে না কিন্তু সহজে মনে রাখা যায়। এআরপানেট চালুর মাধ্যমেই আধুনিক ইন্টারনেটের জন্ম হয়েছিল। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার নেটওয়ার্কিংয়ের জনক কে এবং এআরপানেটের পূর্ণরূপ কী, তা এই প্রশ্নটির সঙ্গে প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। এআরপানেটের পূর্ণরূপ হলো অ্যাডভান্সড রিসার্চ প্রজেক্টস এজেন্সি নেটওয়ার্ক।
a কিলোগ্রাম
b পাউন্ড
c গ্রাম
d আউন্স
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কিলোগ্রাম ১. কেন সঠিক: - আন্তর্জাতিক পরিমাপপদ্ধতিতে ভরের একক হলো কিলোগ্রাম, যা এসআই বা আন্তর্জাতিক একক ব্যবস্থার মৌলিক একক হিসেবে স্বীকৃত। - কোনো বস্তুতে থাকা পদার্থের মোট পরিমাণকে ভর বলে এবং এর পরিমাপের জন্য কিলোগ্রাম নির্দিষ্ট করা হয়েছে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: মেট্রিক পদ্ধতিতে দৈর্ঘ্য, ভর ও সময় পরিমাপের জন্য যথাক্রমে মিটার, কিলোগ্রাম ও সেকেন্ড ব্যবহার করা হয়, যাকে এমকেএস পদ্ধতি বলা হয়। - কার্যপ্রণালি: এমকেএস পদ্ধতিতে এম অর্থ মিটার, কে অর্থ কিলোগ্রাম এবং এস অর্থ সেকেন্ড বুঝায়, যা যান্ত্রিক পরিমাপের ভিত্তি। - বাস্তব প্রয়োগ: বাজারে চাল, ডাল বা যেকোনো ভারী বস্তু ক্রয়ের সময় আমরা কিলোগ্রাম এককের ব্যবহার দেখি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ১০০০ গ্রাম ভরের একটি লোহাকে ১ কিলোগ্রাম বলা হয়। ব্যাখ্যা: এটি গ্রাম এবং কিলোগ্রামের সম্পর্কের মাধ্যমে ভরের পরিমাপ স্পষ্ট করে। উদাহরণ ২: মানুষের শরীরের ওজন বা ভর মাপার যন্ত্রে কিলোগ্রাম একক ব্যবহৃত হয়। ব্যাখ্যা: এটি আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ভরের একক ব্যবহারের বাস্তব প্রমাণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কিলোগ্রাম — এটি সঠিক উত্তর কারণ এমকেএস পদ্ধতিতে ভরের একক কিলোগ্রাম। B) পাউন্ড — এটি এফপিএস বা ব্রিটিশ পদ্ধতিতে ভরের একক, এমকেএস পদ্ধতিতে নয়। C) গ্রাম — এটি সিজিএস পদ্ধতিতে ভরের একক, যেখানে কিলোগ্রাম হলো এমকেএস পদ্ধতির একক। D) আউন্স — এটিও এফপিএস বা ব্রিটিশ পদ্ধতির একক, যা সাধারণত ছোট ভর পরিমাপে ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - এমকেএস পদ্ধতির নামের মধ্যেই এককগুলো লুকিয়ে আছে, যেমন এম মানে মিটার, কে মানে কিলোগ্রাম এবং এস মানে সেকেন্ড। - ভরের ক্ষেত্রে সবসময় বড় বা আদর্শ একক হিসেবে কিলোগ্রাম মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভিন্ন একক পদ্ধতি যেমন সিজিএস, এমকেএস এবং এসআই থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - সিজিএস পদ্ধতিতে ভরের একক গ্রাম এবং এমকেএস পদ্ধতিতে ভরের একক কিলোগ্রাম, এই পার্থক্যটি ভালোভাবে মনে রাখবে।
a তামা
b পিতল
c ইস্পাত
d স্বর্ণ
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ইস্পাত ১. কেন সঠিক: - ইস্পাত লোহা ও কার্বনের সংকর ধাতু হওয়ায় এতে চুম্বকত্ব সহজে স্থায়ীভাবে ধরে রাখার বিশেষ গুণ রয়েছে। - কাঁচা লোহা দিয়ে অস্থায়ী চুম্বক বা তড়িৎ চুম্বক তৈরি করা গেলেও ইস্পাত দিয়ে স্থায়ী চুম্বক তৈরি করা হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: চুম্বক পদার্থ হলো সেই সমস্ত পদার্থ যেগুলো চুম্বকের দিকে আকৃষ্ট হয় এবং যাদের সহজে চুম্বকে পরিণত করা যায়। - কার্যপ্রণালি: কোনো চৌম্বক পদার্থকে চুম্বকের কাছাকাছি আনলে বা এর মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহিত করলে এর অণুগুলো সুবিন্যস্ত হয়ে চুম্বকে পরিণত হয়। - বাস্তব প্রয়োগ: লাউডস্পিকার, মাইক্রোফোন এবং বৈদ্যুতিক মোটরে স্থায়ী চুম্বক তৈরিতে ইস্পাত ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কম্পাসের কাঁটা তৈরিতে ইস্পাত ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: কম্পাসের কাঁটা দীর্ঘস্থায়ী চুম্বক হিসেবে কাজ করে দিক নির্দেশ করতে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: দরজার ক্যাচ বা ছোট ল্যাচে ইস্পাতের চুম্বক ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: এটি দরজা বন্ধ রাখতে এবং সহজে খুলে যেতে বাধা দিতে স্থায়ী চুম্বক হিসেবে কাজ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তামা — এটি একটি অচৌম্বক পদার্থ হওয়ায় একে চুম্বকে পরিণত করা যায় না। B) পিতল — এটি তামা ও দস্তার সংকর ধাতু এবং অচৌম্বক পদার্থ হওয়ায় চুম্বক দ্বারা আকৃষ্ট হয় না। C) ইস্পাত — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি স্থায়ী চুম্বক প্রস্তুতিতে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। D) স্বর্ণ — এটি একটি অচৌম্বক ধাতু এবং এর মধ্যে চৌম্বকীয় গুণাবলী নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - কাঁচা লোহা দিয়ে অস্থায়ী চুম্বক আর ইস্পাত দিয়ে স্থায়ী চুম্বক তৈরি হয়। এভাবে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই কোন ধাতু দিয়ে স্থায়ী চুম্বক তৈরি হয় তা জানতে চাওয়া হয়। - কাঁচা লোহা ও ইস্পাতের চৌম্বকীয় পার্থক্য থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
a তাপ পরিমাপক যন্ত্র
b উষ্ণতা পরিমাপক যন্ত্র
c গ্যাসের চাপ পরিমাপক যন্ত্র
d উচ্চতা পরিমাপক যন্ত্র
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উচ্চতা পরিমাপক যন্ত্র ১. কেন সঠিক: Altimeter হলো এমন একটি বৈজ্ঞানিক যন্ত্র যা কোনো নির্দিষ্ট ভূগর্ভস্থ বা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে কোনো বস্তুর, বিশেষ করে বিমান বা পর্বতের উচ্চতা নিখুঁতভাবে পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়। উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে সাথে বায়ুমণ্ডলের চাপ কমতে থাকে এবং এই চাপের তারতম্যকে কাজে লাগিয়ে আল্টিমিটার উচ্চতা নির্ণয় করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: এটি মূলত একটি বিশেষ ধরনের অ্যানেরয়েড ব্যারোমিটার, যা উচ্চতার সাথে বায়ুমণ্ডলের চাপের পরিবর্তনের ওপর ভিত্তি করে কাজ করে। কার্যপ্রণালি: উচ্চতা বাড়লে বাতাসের ঘনত্ব ও চাপ কমে যায়, আর আল্টিমিটার এই চাপ হ্রাসের পরিমাণকে পরিমাপ করে মিটারে বা ফুটে উচ্চতার মান দেখায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিমান চালকরা উড্ডয়নের সময় উড়োজাহাজের ককপিটে আল্টিমিটার ব্যবহার করে মাটি থেকে তাদের বর্তমান উচ্চতা জানতে পারেন। ব্যাখ্যা: এটি পাইলটকে পাহাড়ি এলাকা বা অন্য বিমান থেকে নিরাপদ দূরত্বে থাকতে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: পর্বতারোহীরা পাহাড়ে ওঠার সময় তাদের সাথে হ্যান্ডহেল্ড আল্টিমিটার রাখেন। ব্যাখ্যা: এটি তাদের জানায় তারা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ঠিক কত উঁচুতে অবস্থান করছেন এবং চূড়ার কত কাছাকাছি পৌঁছেছেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তাপ পরিমাপক যন্ত্র — তাপ বা তাপমাত্রা পরিমাপ করার জন্য থার্মোমিটার ব্যবহার করা হয়, আল্টিমিটার নয়। B) উষ্ণতা পরিমাপক যন্ত্র — আবহাওয়া বিজ্ঞানে উষ্ণতা বা তাপমাত্রা মাপার জন্য থার্মোমিটার বা হাইগ্রোমিটার ব্যবহৃত হয়। C) গ্যাসের চাপ পরিমাপক যন্ত্র — গ্যাসের চাপ পরিমাপের জন্য ম্যানোমিটার ব্যবহার করা হয়, যদিও আল্টিমিটার বায়ুর চাপ নিয়ে কাজ করে। D) উচ্চতা পরিমাপক যন্ত্র — এটি সঠিক উত্তর কারণ আল্টিমিটার নির্দিষ্ট ভূ-পৃষ্ঠ বা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে উচ্চতা মাপতে ব্যবহৃত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: ইংরেজি শব্দ Altitude অর্থ উচ্চতা এবং Meter অর্থ পরিমাপক যন্ত্র। এই দুটি শব্দ একসাথে মিলিয়ে Altimeter মনে রাখা খুব সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। একই রকম অন্য একটি প্রশ্ন হতে পারে সমুদ্রের গভীরতা মাপার যন্ত্রের নাম কী, যার উত্তর হলো ফ্যাদোমিটার।
a লোহা
b ব্রোঞ্জ
c পানি
d ইস্পাত
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) লোহা ১. কেন সঠিক: যেসকল পদার্থ কেবল একটিমাত্র উপাদান দিয়ে গঠিত এবং যেগুলোকে রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় ভেঙে অন্য কোনো সরল পদার্থে আলাদা করা যায় না, সেগুলোকে মৌলিক পদার্থ বলে। লোহা এমন একটি বিশুদ্ধ পদার্থ যা শুধু লোহা পরমাণু দিয়ে গঠিত। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মৌল হলো পদার্থের সেই সরলতম রূপ যা অন্য কোনো উপাদানের সাহায্য ছাড়াই স্বাধীনভাবে অবস্থান করে। লোহার পারমাণবিক সংখ্যা ২৬ এবং এর রাসায়নিক প্রতীক হলো Fe। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সোনা একটি মৌলিক পদার্থ কারণ একে ভাঙলে শুধু সোনার কণা পাওয়া যায়। ব্যাখ্যা: এটি প্রকৃতিতে এককভাবে থাকে এবং অন্য কোনো ধাতুর মিশ্রণ নয়। উদাহরণ ২: অক্সিজেন একটি মৌলিক পদার্থ যা বায়ুমণ্ডলে গ্যাস হিসেবে থাকে। ব্যাখ্যা: দুটি অক্সিজেন পরমাণু মিলে অক্সিজেন অণু গঠিত হয়, যেখানে অন্য কোনো মৌল থাকে না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) লোহা — এটি একটি মৌলিক পদার্থ এবং এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। B) ব্রোঞ্জ — এটি একটি সংকর ধাতু যা তামা ও টিনের মিশ্রণে তৈরি হয়। C) পানি — এটি একটি যৌগিক পদার্থ যা হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন দিয়ে গঠিত। D) ইস্পাত — এটি লোহা ও কার্বনের সংকর ধাতু যা একাধিক উপাদান নিয়ে গঠিত। ৫. মনে রাখার টিপস: প্রকৃতিতে প্রাপ্ত একক উপাদান যেমন লোহা, সোনা, তামা হলো মৌলিক পদার্থ। একাধিক উপাদান মিলে তৈরি হলে তা যৌগ বা মিশ্রণ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মৌলিক ও যৌগিক পদার্থের পার্থক্য থেকে বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। তামা, সোনা, রূপা মৌলিক পদার্থ হলেও পিতল, ব্রোঞ্জ ও ইস্পাত হলো মিশ্র বা সংকর ধাতু।
a পারদ
b লিথিয়াম
c জারমেনিউম
d ইউরেনিয়াম
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পারদ ১. কেন সঠিক: - পারদ একটি ধাতু হওয়া সত্ত্বেও ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় তরল অবস্থায় থাকে। - এর কারণ ধাতুগুলোর মধ্যে পারদের পরমাণুগুলোর মধ্যকার আকর্ষণ বল বা ধাতব বন্ধন অপেক্ষাকৃত দুর্বল হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: সাধারণত প্রায় সব ধাতু কঠিন হয় কারণ তাদের পরমাণুগুলো শক্ত ধাতব বন্ধন দ্বারা পরস্পরের সঙ্গে আবদ্ধ থাকে। - রাসায়নিক বৈশিষ্ট্য: পারদের পারমাণবিক সংখ্যা আশি এবং এর ইলেকট্রন বিন্যাসের কারণে পারমাণবিক কণাগুলো সহজে একে অপরের সঙ্গে শক্তভাবে আটকে থাকে না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: থার্মোমিটার ব্যাখ্যা: জ্বর মাপার সাধারণ থার্মোমিটারে পারদ ব্যবহার করা হয় কারণ এটি তাপমাত্রার সামান্য পরিবর্তনে দ্রুত প্রসারিত হয়। উদাহরণ ২: রক্তচাপ মাপার যন্ত্র ব্যাখ্যা: স্ফিগমোনোমিটার বা রক্তচাপ মাপার যন্ত্রে পারদের স্তম্ভ ব্যবহার করে মানুষের রক্তচাপ নিখুঁতভাবে মাপা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পারদ — এটি সঠিক কারণ একমাত্র পারদই স্বাভাবিক তাপমাত্রায় তরল ধাতু হিসেবে প্রকৃতিতে পাওয়া যায়। B) লিথিয়াম — এটি একটি হালকা ধাতু যা স্বাভাবিক তাপমাত্রায় কঠিন অবস্থায় থাকে এবং এটি এত নরম যে চাকু দিয়ে কাটা যায়। C) জারমেনিউম — এটি একটি অর্ধপরিবাহী বা অপধাতু, যা স্বাভাবিক তাপমাত্রায় কঠিন অবস্থায় থাকে এবং ইলেকট্রনিক্সে ব্যবহৃত হয়। D) ইউরেনিয়াম — এটি একটি ভারী তেজস্ক্রিয় মৌল এবং ধাতু, যা স্বাভাবিক তাপমাত্রায় কঠিন অবস্থায় থাকে। ৫ মনে রাখার টিপস: - তরল ধাতুর নাম মনে রাখতে পারদ শব্দটি মনে রাখলেই চলবে, কারণ পরীক্ষার হলে এটিই সবচেয়ে বেশি আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - স্বাভাবিক তাপমাত্রায় একমাত্র তরল অধাতু হলো ব্রোমিন, যা প্রায়শই পারদের সঙ্গে মিলিয়ে পরীক্ষার্থী ভুল করে।
a তামা
b দস্তা
c ক্রোমিয়াম
d এলুমিনিয়াম
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ক্রোমিয়াম ১. কেন সঠিক: স্টেইনলেস স্টিল হলো লোহা, ক্রোমিয়াম এবং অন্যান্য ধাতুর একটি সংকর ধাতু। এতে ক্রোমিয়াম থাকার কারণে এর পৃষ্ঠে ক্রোমিয়াম অক্সাইডের একটি পাতলা ও অদৃশ্য আস্তরণ তৈরি হয়, যা লোহাকে মরিচা ধরা থেকে রক্ষা করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: সংকর ধাতু হলো দুই বা ততোধিক ধাতুর সমসত্ব মিশ্রণ, যা খাঁটি ধাতুর চেয়ে বেশি শক্তিশালী ও টেকসই হয়। কার্যপ্রণালি: ক্রোমিয়াম বাতাসের অক্সিজেনের সঙ্গে বিক্রিয়া করে ধাতুর উপরিভাগে একটি নিষ্ক্রিয় প্রতিরক্ষামূলক স্তর গঠন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রান্নার কাজে ব্যবহৃত স্টিলের চামচ বা থালা। ব্যাখ্যা: এগুলোতে ক্রোমিয়াম থাকায় খাবারের অম্লীয় বা ক্ষারীয় পদার্থের সংস্পর্শে এগুলোতে সহজে দাগ পড়ে না বা মরিচা ধরে না। উদাহরণ ২: অস্ত্রোপচারে ব্যবহৃত চিকিৎসকদের যন্ত্রপাতি। ব্যাখ্যা: ক্রোমিয়ামযুক্ত স্টেইনলেস স্টিল জীবাণুমুক্ত করার সময় উচ্চ তাপ ও রাসায়নিকের প্রভাবে নষ্ট হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তামা — এটি একটি মৌলিক ধাতু, যা দিয়ে বৈদ্যুতিক তার ও মুদ্রা তৈরি হয় কিন্তু এটি স্টেইনলেস স্টিলের মূল উপাদান নয়। B) দস্তা — এটি গ্যালভানাইজিং প্রক্রিয়ায় লোহাকে রক্ষা করতে ব্যবহৃত হয়, তবে এটি স্টেইনলেস স্টিলের প্রধান উপাদান নয়। C) ক্রোমিয়াম — এটি স্টেইনলেস স্টিলের অন্যতম প্রধান উপাদান যা মরিচাদশা রোধ করে এবং সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত। D) এলুমিনিয়াম — এটি হালকা ও মজবুত ধাতু যা বিমান তৈরিতে বহুল ব্যবহৃত হয়, তবে এটি স্টেইনলেস স্টিলের উপাদান নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: স্টেইনলেস স্টিলে মরিচা ধরে না কারণ এর সাথে ক্রোমিয়াম যুক্ত থাকে। এটি মনে রাখার জন্য এস এস সি (SSC) সূত্রটি মনে রাখতে পারো, যেখানে এস এস মানে স্টেইনলেস স্টিল এবং সি মানে ক্রোমিয়াম। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: স্টেইনলেস স্টিলে লোহার পাশাপাশি প্রধানত কার্বন এবং ক্রোমিয়াম মিশ্রিত থাকে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে যে স্টেইনলেস স্টিলে মরিচা রোধ করতে কোন ধাতু ব্যবহার করা হয়।
a যকৃত
b কিডনি
c পাকস্থলী
d হৃৎপিণ্ড
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) যকৃত ১. কেন সঠিক: জন্ডিস মানবদেহের যকৃত বা লিভারের একটি রোগ। যকৃতের কার্যক্ষমতা নষ্ট হলে বা পিত্তনালি অবরুদ্ধ হলে রক্তে বিলিরুবিনের মাত্রা অতিরিক্ত বৃদ্ধি পায় এবং ত্বক, চোখ ও মূত্র হলুদ বর্ণ ধারণ করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: বিলিরুবিন হলো রক্তে উপস্থিত লাল রক্তকণিকার ভাঙনের ফলে উৎপন্ন একটি হলুদ রঙের বর্জ্য পদার্থ। সুস্থ যকৃত এই বিলিরুবিন ফিল্টার করে পিত্তরসের মাধ্যমে শরীর থেকে বের করে দেয়। কার্যপ্রণালি: যকৃতের রোগ হেপাটাইটিস বা অন্য কোনো কারণে পিত্তরসের স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হলে বিলিরুবিন রক্তে মিশে যায়। এর ফলে সারা শরীরের টিস্যুতে বিলিরুবিন জমা হয়ে জন্ডিসের বাহ্যিক লক্ষণ প্রকাশ পায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভাইরাল হেপাটাইটিস বা জন্ডিসে আক্রান্ত রোগীর চোখের সাদা অংশ হলুদ হয়ে যায়। ব্যাখ্যা: এটি রক্তে বিলিরুবিনের মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে ঘটে। উদাহরণ ২: নবজাতকের জন্ডিস বা ফিওনিক জন্ডিস। ব্যাখ্যা: শিশু জন্মের পর তার অপরিপক্ব যকৃত অতিরিক্ত বিলিরুবিন অপসারণ করতে না পারার কারণে এটি হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যকৃত - এটি সঠিক উত্তর কারণ জন্ডিস সরাসরি যকৃতের বিপাকীয় ক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত। B) কিডনি - কিডনি রক্ত filtering করে মূত্র তৈরি করে, জন্ডিস কিডনির প্রধান রোগ নয়। C) পাকস্থলী - পাকস্থলী খাদ্য পরিপাক ও অম্ল উৎপাদনে কাজ করে, জন্ডিসের সঙ্গে এর সম্পর্ক নেই। D) হৃৎপিণ্ড - হৃৎপিণ্ড রক্তসংবহনতন্ত্রের প্রধান অঙ্গ যা রক্ত पंप করে, জন্ডিস হৃৎপিণ্ডের রোগ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: জন্ডিস মানেই রক্তের বর্জ্য পদার্থ ফিল্টার করার অঙ্গ যকৃতের সমস্যা। যকৃত বা লিভার নষ্ট হলে বিলিরুবিনের মাত্রা বেড়ে যায় এবং ত্বক হলুদ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: রক্তে বিলিরুবিনের মাত্রা বৃদ্ধি পেলে জন্ডিস হয় এবং এটি যকৃতের স্বাস্থ্য নির্দেশ করে। একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে হেপাটাইটিস কোন অঙ্গের রোগ।
a 2H2O2
b H2O
c D2O
d HD2O2
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) D2O ১. কেন সঠিক: ভারী পানির রাসায়নিক সংকেত হলো ডিটুও বা ডিউটেরিয়াম অক্সাইড। এটি সাধারণ পানির চেয়ে ভারী কারণ এতে সাধারণ হাইড্রোজেনের বদলে হাইড্রোজেনের আইসোটোপ ডিউটেরিয়াম থাকে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: ভারী পানি হলো ডিউটেরিয়াম ও অক্সিজেনের সমন্বয়ে গঠিত একটি যৌগ। কার্যপ্রণালি: সাধারণ পানির আইসোটোপিক রূপ হিসেবে এটি নিউক্লিয়ার বিক্রিয়ায় মডারেটর হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পারমাণবিক চুল্লিতে নিউট্রনের গতি মন্থর করতে ভারী পানি ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: এটি ফিশন বিক্রিয়া নিয়ন্ত্রণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। উদাহরণ ২: জৈব রসায়নে বিভিন্ন বিক্রিয়ার কৌশল নির্ধারণে ভারী পানি ব্যবহৃত হয়। ব্যাখ্যা: এটি লেবেলিং এজেন্ট হিসেবে কাজ করে বিক্রিয়ার গতিপথ নির্ণয় করতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) 2H2O2 — এটি হাইড্রোজেন পারক্সাইডের ভুল ও অসামঞ্জস্যপূর্ণ সংকেত যা সঠিক নয়। B) H2O — এটি সাধারণ পানির রাসায়নিক সংকেত, ভারী পানির নয়। D) HD2O2 — এটি কোনো বাস্তবসম্মত বা প্রচলিত রাসায়নিক যৌগের সংকেত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: ডিউটেরিয়ামের ডি এবং পানির ও মিলে ডিটুও হলো ভারী পানির সংকেত। সাধারণ পানি এইচটুও এবং ভারী পানি ডিটুও হিসেবে মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ভারী পানির আবিষ্কারক হ্যারল্ড উরে যিনি এর জন্য নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন। ভারী পানির আংকিক ভর সাধারণ পানির চেয়ে বেশি হয়।
a তামা
b দস্তা
c রূপা
d এলুমিনিয়াম
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দস্তা ১. কেন সঠিক: - লোহাকে মরিচা পড়া থেকে রক্ষা করার জন্য এর ওপর দস্তার প্রলেপ দেওয়া হয়। - এই প্রক্রিয়ার নাম গ্যালভানাইজিং, যা লোহার সঙ্গে বাতাসের অক্সিজেন ও আর্দ্রতার বিক্রিয়া রোধ করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: ধাতব ক্ষয় রোধ করার একটি কার্যকর পদ্ধতি হলো গ্যালভানাইজিং বা দস্তার প্রলেপ দেওয়া। - কার্যপ্রণালি: লোহার ওপর গলিত দস্তার প্রলেপ দিলে দস্তা একটি নিষ্ক্রিয় আস্তরণ তৈরি করে এবং লোহাকে রক্ষা করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বৈদ্যুতিক খুঁটি ও টিন ব্যাখ্যা: ঘরের চালের ঢেউখেলানো টিন ও রাস্তার বৈদ্যুতিক খুঁটি দ্রুত নষ্ট হওয়া থেকে বাঁচাতে গ্যালভানাইজিং করা হয়। উদাহরণ ২: গাড়ির বডি ও নাট-বল্টু ব্যাখ্যা: মোটরগাড়ির বিভিন্ন যন্ত্রাংশ এবং লোহা নির্মিত নাট-বল্টুতে দস্তার প্রলেপ দিয়ে দীর্ঘস্থায়ী করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তামা — তামা একটি আলাদা ধাতু যা বিদ্যুৎ পরিবাহক হিসেবে ব্যবহৃত হয়, এটি গ্যালভানাইজিংয়ে ব্যবহৃত হয় না। B) দস্তা — এটি সঠিক উত্তর কারণ লোহাকে মরিচামুক্ত করতে দস্তার প্রলেপ দেওয়া হয়। C) রূপা — রূপা একটি মূল্যবান ও চকচকে ধাতু, যা অলংকার তৈরিতে ব্যবহৃত হয় এবং এটি অত্যন্ত ব্যয়বহুল। D) এলুমিনিয়াম — এলুমিনিয়াম হালকা ধাতু এবং উড়োজাহাজ তৈরিতে ব্যবহৃত হয়, তবে এটি গ্যালভানাইজিংয়ের জন্য ব্যবহৃত হয় না। ৫ মনে রাখার টিপস: - লোহা এবং দস্তা শব্দ দুটি একসঙ্গে মনে রাখবে কারণ গ্যালভানাইজিং মানেই দস্তার প্রলেপ। - জিঙ্ক বা দস্তার রাসায়নিক প্রতীক জেডএন, যা লোহাকে ঢাল হিসেবে রক্ষা করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধাতু ক্ষয় ও প্রতিরোধ সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - গ্যালভানাইজিং প্রক্রিয়ায় কোন ধাতু ব্যবহার করা হয়, এই প্রশ্নটি বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় বারবার এসেছে।
a তামা ও টিন
b তামা ও দস্তা
c তামা ও সীসা
d তামা ও নিকেল
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) তামা ও দস্তা ১. কেন সঠিক: - পিতল একটি মিশ্র ধাতু বা সঙ্কর ধাতু, যা মূলত তামা ও দস্তা বা জিঙ্কের একটি সুনির্দিষ্ট অনুপাতে মিশ্রণের মাধ্যমে তৈরি করা হয়। - মৌলিক ধাতুর তুলনায় সংকর ধাতুর কাঠিন্য, শক্তি ও জারা রোধ করার ক্ষমতা বেশি থাকে, যা একে বিভিন্ন ব্যবহারের উপযোগী করে তোলে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: সঙ্কর ধাতু হলো দুই বা ততোধিক ধাতুর অথবা একটি ধাতু ও একটি অধাতুর সমসত্ত্ব মিশ্রণ, যা গলিত অবস্থায় মিশিয়ে পরে ঠান্ডা করে কঠিন করা হয়। - কার্যপ্রণালি: তামার সাথে দস্তা মেশানোর ফলে ধাতব কেলাসের সজ্জায় পরিবর্তন আসে, যা ধাতুর পরমাণুর স্লিপ বা স্থান পরিবর্তন বাধাগ্রস্ত করে এবং সংকর ধাতুকে শক্ত করে তোলে। - বাস্তব প্রয়োগ: পিতল অত্যন্ত উজ্জ্বল ও দেখতে সোনালী হওয়ার কারণে এটি দিয়ে থালাবাসন, বাদ্যযন্ত্র, কারুশিল্প এবং নাটবল্টু তৈরি করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পিতলের তৈরি বাদ্যযন্ত্র যেমন ট্রাম্পেট বা হর্ন। ব্যাখ্যা: পিতলের চমৎকার অ্যাকোস্টিক বা শব্দ ধারণ করার ক্ষমতা এবং সহজে বাঁকানো ও আকার দেওয়ার গুণের কারণে এটি দিয়ে বাদ্যযন্ত্র তৈরি করা হয়। উদাহরণ ২: জলের কল বা ট্যাপ এবং প্লাম্বিং ফিক্সচার। ব্যাখ্যা: পিতলে সহজে মরচে পড়ে না এবং এটি পানির সংস্পর্শে দীর্ঘদিন ভালো থাকে বলে গৃহস্থালির পাইপ ও ভালভ তৈরিতে এটি ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তামা ও টিন — তামা ও টিনের সংকর ধাতুকে ব্রোঞ্জ বা কাঁসা বলা হয়, পিতল বলা হয় না। B) তামা ও দস্তা — এটি সঠিক কারণ পিতল উৎপাদনে এই দুটি ধাতুই মূল উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত হয়। C) তামা ও সীসা — তামা ও সীসার সংকর ধাতু বেয়ারিং ধাতু তৈরিতে ব্যবহৃত হয়, যা পিতল নয়। D) তামা ও নিকেল — তামা ও নিকেলের মিশ্রণে কুপ্রোনিকেল তৈরি হয়, যা মুদ্রা তৈরিতে ব্যবহার করা হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - পিতল মনে রাখার সহজ শব্দ হলো পিতা, যেখানে পিতে পিতল, তিতে তামা এবং দা তে দস্তা বোঝায়। - সংকর ধাতু মানেই একাধিক ধাতুর গলিত মিশ্রণ, যেখানে মৌলিক ধাতুগুলোর নিজস্ব গুণের চেয়ে নতুন উন্নত গুণ প্রকাশ পায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ব্রোঞ্জ, পিতল এবং গানমেটালের উপাদান প্রায়ই আসে। - পিতলে তামার পরিমাণ সাধারণত শতকরা ৬০ থেকে ৭০ ভাগ এবং দস্তার পরিমাণ ৩০ থেকে ৪০ ভাগ থাকে।
a জিপসাম
b সালফার
c সোডিয়াম
d খনিজ লবণ
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জিপসাম কেন সঠিক: ১. জিপসাম সিমেন্ট তৈরির সময় এর জমার বাঁধার গতিকে নিয়ন্ত্রণ করতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। ২. কাঁচামাল হিসেবে চুন ও শিলা গুঁড়ো করার পর জিপসাম মেশানো হয় যাতে এটি খুব দ্রুত শক্ত হয়ে না যায়। বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: ১. সিমেন্টের প্রধান উপাদান ক্যালসিয়াম সিলিকেট এবং ক্যালসিয়াম অ্যালুমিনেট পানির সাথে দ্রুত বিক্রিয়া করে শক্ত কংক্রিট তৈরি করে। ২. জিপসাম এই দ্রুত বিক্রিয়ার হারকে কমিয়ে দেয় এবং সিমেন্টকে কাজের উপযোগী দীর্ঘস্থায়ী তারল্য প্রদান করে। ৩. বাজারে উপলব্ধ পোর্টল্যান্ড সিমেন্ট তৈরির প্রক্রিয়ায় সাধারণত শতকরা তিন থেকে পাঁচ ভাগ জিপসাম যোগ করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জিপসাম — এটি সিমেন্টের সঠিক উপাদান এবং এটি সঠিক উত্তর হিসেবে গৃহিত হয়েছে। B) সালফার — এটি সিমেন্ট তৈরির প্রধান কাঁচামাল নয় বরং এটি সাধারণত অ্যাসিড এবং সার উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়। C) সোডিয়াম — এটি একটি সক্রিয় ধাতু যা কাঁচ এবং সাবান তৈরিতে ব্যবহৃত হয় কিন্তু সিমেন্টে ব্যবহৃত হয় না। D) খনিজ লবণ — এটি সিমেন্টের মৌলিক উপাদান নয় বরং এটি সাধারণত খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ ও রাসায়নিক শিল্পে লাগে। মনে রাখার টিপস: ১. সিমেন্ট জমতে বাধা দেয় জিপসাম, তাই মনে রাখবে সিমেন্টের বন্ধু জিপসাম। ২. জল দেওয়ার পর সিমেন্ট যেন চটজলদি না জমে, সেই কাজটি করে এই জিপসাম।
a আইনস্টাইন
b জি. ল্যামেটার
c স্টিফেন হকিং
d গ্যালিলিও
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জি. ল্যামেটার ১. কেন সঠিক: মহাবিশ্বের সৃষ্টি এবং এর ক্রমবিকাশ ব্যাখ্যার জন্য বিগব্যাঙ বা মহাবিস্ফোরণ তত্ত্বটি আধুনিক জ্যোতির্বিজ্ঞানে সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য। বেলজিয়ান জ্যোতির্বিজ্ঞানী এবং যাজক জর্জ ল্যামেটার প্রথম ১৯২৭ সালে মহাবিশ্বের সম্প্রসারণশীল মডেলের ধারণা দেন যা পরবর্তীতে বিগব্যাঙ তত্ত্ব নামে পরিচিত হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: মহাবিশ্ব একসময় অত্যন্ত ঘন এবং উত্তপ্ত একটি বিন্দু বা আদি পরমাণুর মধ্যে ঘনীভূত ছিল। কার্যপ্রণালি: আনুমানিক প্রায় ১ কোটি ৪০ লক্ষ বছর পূর্বে এক মহাবিস্ফোরণের মাধ্যমে মহাবিশ্বের সৃষ্টি হয় এবং তখন থেকেই মহাবিশ্ব ক্রমাগত প্রসারিত হচ্ছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ফোলানো বেলুনের গায়ে কিছু বিন্দু এঁকে বেলুনটি ফোলালে বিন্দুগুলো যেমন পরস্পর থেকে দূরে সরে যায়। ব্যাখ্যা: এই ঘটনাটি দিয়ে মহাবিশ্বের প্রসারিত হওয়ার ধারণাটি খুব সহজে বোঝা যায়। উদাহরণ ২: একটি প্রেশার কুকারের ভেতরে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হলে যেমন তা বিস্ফোরিত হয়ে ভেতরের উপাদান বাইরে ছড়িয়ে পড়ে। ব্যাখ্যা: আদি মহাবিশ্বের অতি ঘনীভূত অবস্থার ভেতরের প্রচণ্ড চাপের ফলে বিস্ফোরণ ও প্রসারণের বিষয়টি এর সাথে তুলনীয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আইনস্টাইন — আলবার্ট আইনস্টাইন আপেক্ষিকতার তত্ত্বের জন্য বিখ্যাত হলেও তিনি বিগব্যাঙ তত্ত্বের প্রবর্তক নন। B) জি. ল্যামেটার — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি প্রথম মহাবিশ্বের সম্প্রসারণ ও আদি পরমাণু তত্ত্ব প্রস্তাব করেছিলেন। C) স্টিফেন হকিং — স্টিফেন হকিং ব্ল্যাক হোল এবং মহাবিশ্বের শুরু সংক্রান্ত গবেষণার জন্য বিখ্যাত হলেও বিগব্যাঙের প্রবর্তক নন। D) গ্যালিলিও — গ্যালিলিও গ্যালিলি টেলিস্কোপের সাহায্যে আকাশ পর্যবেক্ষণ করে আধুনিক জ্যোতির্বিজ্ঞানের ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন। ৫ মনে রাখার টিপস: বিগব্যাঙ বা মহাবিস্ফোরণের মাধ্যমে নতুন কিছু ল্যাম বা আলো জ্বালানোর মতো মহাবিশ্ব সৃষ্টি করেছিলেন ল্যামেটার। নামের শুরুর মিল মনে রেখে জর্জ ল্যামেটারকে বিগব্যাঙ তত্ত্বের সাথে সহজেই মনে রাখা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস পরীক্ষার জন্য বিগব্যাঙ তত্ত্বের প্রবর্তক হিসেবে জর্জ ল্যামেটারের নাম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সাধারণ জ্ঞান। একই অধ্যায় থেকে মহাবিশ্বের প্রসারণ আবিষ্কারক এডউইন হাবল সংক্রান্ত প্রশ্নও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
a হেস
b আইনস্টাইন
c টলেমী
d হাবল
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) হেস ১. কেন সঠিক: - মহাজাগতিক রশ্মি বা কসমিক রে আবিষ্কারের কৃতিত্ব অস্ট্রিয়ান পদার্থবিজ্ঞানী ভিক্টর হেসের। - তিনি ১৯১২ সালে বেলুনে চড়ে উঁচুতে গিয়ে বায়ুমণ্ডলে উচ্চ ভেদনক্ষমতাসম্পন্ন এই তেজস্ক্রিয় রশ্মির উপস্থিতি প্রমাণ করেন। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: মহাজাগতিক রশ্মি হলো মহাশূন্য থেকে আলোর গতির কাছাকাছি বেগে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে ছুটে আসা উচ্চ শক্তির চার্জযুক্ত কণা। - কার্যপ্রণালি: এই কণাগুলো বায়ুমণ্ডলের পরমাণুর সাথে সংঘর্ষ ঘটিয়ে নিউক্লীয় বিক্রিয়ার মাধ্যমে সেকেন্ডারি কণা বা শাওয়ার সৃষ্টি করে। - বাস্তব প্রয়োগ: বায়ুমণ্ডলের আয়নস্ফিয়ার গঠনে এবং আবহাওয়া পরিবর্তনে মহাজাগতিক রশ্মি পরোক্ষ ভূমিকা রাখে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অরোরা বা মেরুজ্যোতি ব্যাখ্যা: মহাজাগতিক কণা ও সৌর বায়ু পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের গ্যাসের সাথে বিক্রিয়া করে মেরু অঞ্চলে রঙিন আলো তৈরি করে। উদাহরণ ২: কার্বন ডেটিং ব্যাখ্যা: মহাজাগতিক রশ্মির প্রভাবেই বায়ুমণ্ডলে তেজস্ক্রিয় কার্বন চৌদ্দ উৎপন্ন হয়, যা প্রাচীন জীবাশ্মের বয়স নির্ধারণে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হেস — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি ১৯১২ সালে বেলুন পরীক্ষার মাধ্যমে মহাজাগতিক রশ্মি আবিষ্কার করেন এবং এজন্য নোবেল পুরস্কার পান। B) আইনস্টাইন — তিনি আপেক্ষিকতার তত্ত্ব এবং আলোক তড়িৎ ক্রিয়ার জন্য বিখ্যাত, মহাজাগতিক রশ্মি আবিষ্কারক নন। C) টলেমী — তিনি প্রাচীন গ্রিক জ্যোতির্বিবিদ যিনি ভূকেন্দ্রিক বিশ্ব মডেলের প্রবক্তা ছিলেন। D) হাবল — এডউইন হাবল মহাবিশ্বের সম্প্রসারণ এবং গ্যালাক্সির গতিবিধি আবিষ্কার করেছিলেন। ৫ মনে রাখার টিপস: - মহাকাশ বা উঁচুতে বেলুনে ভেসে হেস রশ্মি খুঁজে পেয়েছেন এভাবে মনে রাখতে পারেন। - হেস নামের সাথে উচ্চতা বা উড়ে যাওয়ার ধারণাও মেলানো সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ভিক্টর হেস এই আবিষ্কারের জন্য ১৯৩৬ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতায় প্রায়ই বিখ্যাত আবিষ্কারক ও তাদের আবিষ্কারের নাম জানতে চাওয়া হয়।
a ইনসুলিন
b পেপসিন
c পেনিসিলিন
d ইথিলিন
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পেনিসিলিন ১. কেন সঠিক: পেনিসিলিন হলো বিশ্বের প্রথম আবিষ্কৃত এবং সফল অ্যান্টিবায়োটিক বা জীবাণুনাশক ওষুধ। এটি ব্যাকটেরিয়া বা জীবাণুর কোষপ্রাচীর গঠনে বাধা সৃষ্টি করে ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে এবং মানবদেহে ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণ প্রতিরোধ করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: অ্যান্টিবায়োটিক হলো এমন এক ধরনের রাসায়নিক পদার্থ যা অণুজীব থেকে উৎপন্ন হয়ে অন্য অণুজীব বিশেষ করে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে বা তাদের বৃদ্ধি রোধ করে। কার্যপ্রণালি: পেনিসিলিয়াম নোটাটাম ছত্রাক থেকে এই ওষুধ প্রস্তুত করা হয় যা ব্যাকটেরিয়ার কোষের প্রাচীর ধ্বংস করে তাদের বংশবৃদ্ধি চিরতরে বন্ধ করে দেয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নিউমোনিয়া বা গলা ব্যথার চিকিৎসায় চিকিৎসকরা পেনিসিলিন জাতীয় ওষুধ ব্যবহার করেন। ব্যাখ্যা: এটি মানবদেহে প্রবেশ করে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে রোগীর রোগ নিরাময়ে সরাসরি সহায়তা করে। উদাহরণ ২: আলেকজান্ডার ফ্লেমিং ১৯২৮ সালে দুর্ঘটনবশত পেনিসিলিন আবিষ্কার করেন। ব্যাখ্যা: ছত্রাকের থালায় ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি না হওয়ার ঘটনা পর্যবেক্ষণ করে তিনি এই যুগান্তকারী অ্যান্টিবায়োটিক আবিষ্কার করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইনসুলিন — এটি কোনো অ্যান্টিবায়োটিক নয় বরং মানবদেহের অগ্ন্যাশয় থেকে নিঃসৃত এক ধরনের হরমোন যা রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। B) পেপসিন — এটি কোনো অ্যান্টিবায়োটিক নয় বরং পাকস্থলীতে উৎপাদিত এক ধরনের পরিপাককারী এনজাইম যা আমিষ জাতীয় খাদ্য পরিপাকে সাহায্য করে। C) পেনিসিলিন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি এক ধরনের অ্যান্টিবায়োটিক যা ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ সারাতে কার্যকরভাবে ব্যবহার করা হয়। D) ইথিলিন — এটি কোনো অ্যান্টিবায়োটিক নয় বরং এটি একটি উদ্ভিদ হরমোন যা ফল পাকাতে সাহায্য করে। ৫ মনে রাখার টিপস: অ্যান্টিবায়োটিকের নাম মনে রাখতে ফ্লেমিং এবং পেনিসিলিন শব্দটি একসঙ্গে মনে রাখা যায়। হরমোন ও এনজাইমের সঙ্গে অ্যান্টিবায়োটিকের পার্থক্য মনে রাখতে এদের কাজের ধরন যেমন রোগ নিরাময় বনাম পরিপাক মনে রাখা উচিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পেনিসিলিনের আবিষ্কারক আলেকজান্ডার ফ্লেমিং এবং এটি একটি ছত্রাক থেকে প্রস্তুত করা হয়। এই প্রশ্নটি থেকে ভবিষ্যতে অ্যান্টিবায়োটিক ও হরমোনের পার্থক্যের ওপর আরও বিভিন্ন ধরনের প্রতিযোগিতামূলক প্রশ্ন আসতে পারে।

মোট প্রশ্ন (20)

a পাবক
b বইশ্যানর
c সর্বশুচি
d প্রজ্জলিত
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রজ্জলিত ১. কেন সঠিক: অগ্নি শব্দের সমার্থক শব্দ নয় প্রজ্জলিত কারণ এটি আগুন বোঝানোর কোনো বিশেষ নামবাচক বা মূল বিশেষ্য পদ নয় বরং এটি আগুনের একটি অবস্থার বর্ণনা। প্রজ্জলিত শব্দের অর্থ যা প্রলিপ্ত বা প্রজ্বলিত করা হয়েছে অর্থাৎ এটি একটি বিশেষণ পদ যা অগ্নির গুণ প্রকাশ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: সমার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যেগুলোর অর্থের মধ্যে মিল থাকে কিন্তু গঠন বা উৎসের দিক থেকে ভিন্ন হতে পারে। অগ্নি একটি বিশেষ্য পদ যার অনেকগুলো তৎসম সমার্থক শব্দ রয়েছে যা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বহ্নি ব্যাখ্যা: এটি অগ্নি শব্দের একটি অত্যন্ত প্রচলিত তৎসম সমার্থক শব্দ। উদাহরণ ২: হুতাশন ব্যাখ্যা: এটিও অগ্নি শব্দের আরেকটি সমার্থক শব্দ যার অর্থ যা হুত বা অর্ঘ্য গ্রহণ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পাবক — এটি অগ্নি শব্দের একটি সঠিক সমার্থক শব্দ যার অর্থ যা পবিত্র করে। B) বইশ্যানর — এটি অগ্নি শব্দের সঠিক সমার্থক শব্দ যার বানান বৈশ্বানর এবং এর অর্থ বিশ্ব নর বা মানুষের পরিচিত আগুন। C) সর্বশুচি — এটি অগ্নি শব্দের সঠিক সমার্থক শব্দ কারণ আগুন সবকিছুকে পুড়িয়ে পবিত্র করে। D) প্রজ্জলিত — এটি অগ্নি শব্দের সমার্থক শব্দ নয় কারণ এটি আগুন বা বিশেষ্য পদ নয় বরং এটি একটি অবস্থা বা বিশেষণ পদ। ৫. মনে রাখার টিপস: অগ্নি শব্দের সমার্থক শব্দগুলো মনে রাখার জন্য প্রধান প্রধান তৎসম শব্দ যেমন অনল, পাবক, বহ্নি, হুতাশন, বৈশ্বানর ও সর্বশুচি একসঙ্গে তালিকা করে পড়তে পারো। অবস্থা প্রকাশক শব্দ যেমন প্রজ্জলিত বা দীপ্তিময় কখনো সরাসরি বিশেষ্য সমার্থক শব্দ হয় না তা মাথায় রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিশেষ্য পদের সমার্থক শব্দের সঙ্গে বিশেষণ বা অবস্থাবাচক শব্দ মিলিয়ে বিভ্রান্তিকর অপশন দেওয়া হয়। সমার্থক শব্দ দাগানোর আগে শব্দটি বিশেষ্য না বিশেষণ তা ভালোভাবে যাচাই করে নেওয়া উচিত।
a ডঃ মুহম্মদ শহিদুল্লাহ
b ড. সুনীতি কুমার চট্টোপাধ্যায়
c হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
d স্যার জর্জ হ্যারিশন
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ড. সুনীতি কুমার চট্টোপাধ্যায় কেন সঠিক: - এই গ্রন্থটি বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ নিয়ে রচিত সবচেয়ে প্রামাণ্য ও ঐতিহাসিক গবেষণা গ্রন্থ। - ড. সুনীতি কুমার চট্টোপাধ্যায় ১৯২৬ সালে এই ইংরেজি গবেষণা গ্রন্থটি প্রকাশ করেন যা বাংলা ভাষাতত্ত্বের ক্ষেত্রে এক যুগান্তকারী সৃষ্টি। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ভাষাভাষীর উৎপত্তি নির্দেশ করতে প্রাচ্য ও প্রতীচ্যের ভাষাবিজ্ঞানীরা এই গ্রন্থটিকে সর্বকালের সেরা দলিল হিসেবে গণ্য করেন। - বাংলা ভাষার প্রাচীন রূপ এবং প্রাকৃত থেকে এর বিবর্তন স্পষ্টভাবে এই গ্রন্থে বৈজ্ঞানিক উপায়ে তুলে ধরা হয়েছে। - উদাহরণস্বরূপ, মাগধী প্রাকৃত ও অপভ্রংশ থেকে বাংলা ভাষার জন্মতত্ত্ব এই গ্রন্থে প্রথম সুবিন্যস্তভাবে প্রমাণিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) ডঃ মুহম্মদ শহিদুল্লাহ — ইনি দ্য অরিজিন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অফ বেঙ্গলি ল্যাঙ্গুয়েজ গ্রন্থটি রচনা করেননি বরং বাংলা ভাষার উৎপত্তির ইতিহাস নিয়ে আলাদা গবেষণা ও গ্রন্থ রচনা করেছেন। - B) ড. সুনীতি কুমার চট্টোপাধ্যায় — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এখানে ভুল ব্যাখ্যার কিছু নেই। - C) হরপ্রসাদ শাস্ত্রী — ইনি চর্যাপদ আবিষ্কার ও প্রাচীন বাংলা সাহিত্য নিয়ে কাজ করেছেন কিন্তু এই ভাষাতাত্ত্বিক গ্রন্থটি লেখেননি। - D) স্যার জর্জ হ্যারিশন — ইনি বাংলা ভাষা নিয়ে এই ধরনের কোনো মৌলিক গ্রন্থ রচনা করেননি। মনে রাখার টিপস: - সুনীতি কুমার চট্টোপাধ্যায়ের নামের আদ্যক্ষর স দিয়ে শুরু এবং তার বিখ্যাত গ্রন্থের নাম ও ইংরেজি নামের সাথে স শব্দের মিল রয়েছে।
a W B Yeats
b T S Elliot
c Kits
d Ejra Pound
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) W B Yeats ১. কেন সঠিক: গীতাঞ্জলি কাব্যের ইংরেজি অনুবাদের নাম সংগীতাঞ্জলি বা সং অফারিংস। এই ইংরেজি অনুবাদটির ভূমিকা লিখেছিলেন এবং এর সম্পাদনা করেছিলেন বিখ্যাত আইরিশ কবি উইলিয়াম বাটলার ইয়েটস। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১২ সালে ইংল্যান্ড যাওয়ার প্রাক্কালে জাহাজে গীতাঞ্জলি কাব্যের কবিতাগুলোর ইংরেজি অনুবাদ শুরু করেন। এই ইংরেজি অনুবাদের জন্য রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নোবেল প্রাপ্তি ব্যাখ্যা: ১৯১৩ সালে গীতাঞ্জলির ইংরেজি অনুবাদের জন্য রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রথম এশীয় হিসেবে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেন। উদাহরণ ২: ইয়েটসের ভূমিকা ব্যাখ্যা: ডব্লিউ বি ইয়েটস গীতাঞ্জলি কাব্যের ইংরেজি সংস্করণের একটি প্রশংসামূলক ভূমিকা লিখে এর আন্তর্জাতিক পরিচিতি নিশ্চিত করেছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) W B Yeats — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি গীতাঞ্জলির ইংরেজি অনুবাদ সম্পাদনা করেছিলেন। B) T S Elliot — টি এস এলিয়ট বিংশ শতাব্দীর একজন প্রখ্যাত আধুনিক কবি ও সমালোচক যিনি এর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। C) Kits — জন কিটস্ রোমান্টিক যুগের ইংরেজ কবি যিনি রবীন্দ্রনাথের অনেক আগেই মৃত্যুবরণ করেছিলেন। D) Ejra Pound — এজরা পাউন্ড আধুনিকতাবাদী কবি হলেও তিনি এই গ্রন্থ সম্পাদনা করেননি। ৫ মনে রাখার টিপস: গীতাঞ্জলির ইংরেজি অনুবাদ সম্পাদনা করেছেন ইয়েটস এবং এর সূত্র ধরে রবীন্দ্রনাথ পেয়েছেন নোবেল। এই তথ্যটি মনে রাখতে ইয়েটস ও নোবেল শব্দ দুটি একসঙ্গে মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় গীতাঞ্জলির ইংরেজি অনুবাদ এবং নোবেল প্রাপ্তি সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। এই ধরনের প্রশ্নে অনুবাদকের নাম এবং সম্পাদকের নাম আলাদাভাবে মনে রাখা জরুরি।
a পিপিলিকা
b পিপীলিকা
c পীপিলিকা
d পিপিলীকা
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পিপীলিকা ১. কেন সঠিক: - পিপীলিকা শব্দের অর্থ পিঁপড়ে বা পিপীলিকা। বানানের নিয়ম অনুযায়ী এর প্রথম ও দ্বিতীয় ই-কার এবং দীর্ঘ ঈ-কার সঠিকভাবে বসেছে। - বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এই শব্দের সঠিক বানান হলো প-ই কার, প-ঈ কার, ল-ই কার, ক-আ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী তৎসম শব্দে ই-কার ও ঈ-কারের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হয়। - পিপীলিকা একটি তৎসম শব্দ এবং এর প্রথম বর্ণে হ্রস্ব ই-কার এবং দ্বিতীয় বর্ণে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বুদ্ধিজীবী ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও ই-কার ও ঈ-কারের নির্দিষ্ট নিয়ম অনুসরণ করা হয়েছে, যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। উদাহরণ ২: মরীচিকা ব্যাখ্যা: এটিও একটি তৎসম শব্দ যেখানে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহারের নির্দিষ্ট ব্যাকরণগত নিয়ম রয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পিপিলিকা — এই অপশনে দীর্ঘ ঈ-কারের জায়গায় হ্রস্ব ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা বানানটিকে ভুল করে তোলে। B) পিপীলিকা — এটি প্রশ্নানুসারে সম্পূর্ণ সঠিক এবং প্রমিত বানানরীতি সমর্থিত রূপ। C) পীপিলিকা — এই অপশনে প্রথম বর্ণে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। D) পিপিলীকা — এই অপশনে শেষের দিকে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক বানানের নিয়মের পরিপন্থী। ৫. মনে রাখার টিপস: - পিপীলিকা বানানে মনে রাখবে প্রথমে ছোট ই, মাঝে বড় ঈ এবং শেষে ছোট ই বসে অর্থাৎ ই-ঈ-ই ক্রম অনুসরণ করে। - বারবার লিখে অভ্যাস করলে এই ধরণের বানানের বিভ্রান্তি সহজে দূর করা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সচরাচর ভুল হয় এমন বানানগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম। - বানানের ক্ষেত্রে তৎসম শব্দের বানানগুলো মূল সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম মেনে মুখস্থ রাখতে হবে।
a কুন্দনন্দিনী
b শ্যামাশুন্দরি
c বিমলা
d রোহিণী
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কুন্দনন্দিনী ১. কেন সঠিক: - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস বিষবৃক্ষ-এর অন্যতম প্রধান ও কেন্দ্রীয় নারী চরিত্র হলো কুন্দনন্দিনী। - এ উপন্যাসে কুন্দনন্দিনীর প্রবেশ এবং তার প্রতি নগেন্দ্রনারায়ণের আকর্ষণই মূলত কাহিনীর মূল দ্বন্দ্ব ও ট্র্যাজেডি তৈরি করেছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের জনক হিসেবে পরিচিত এবং বিষবৃক্ষ তার প্রথম সার্থক সামাজিক উপন্যাস যা ১৮৭৩ সালে প্রকাশিত হয়। - এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্রগুলো হলো নগেন্দ্র নারায়ণ, সূর্যমুখী, কুন্দনন্দিনী ও দেবেন্দ্র। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দুর্গা ও অপু ব্যাখ্যা: বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের পথের পাঁচালী উপন্যাসের অমর দুটি চরিত্র। উদাহরণ ২: হরিমতি ও দেবেন্দ্রনাথ ব্যাখ্যা: বঙ্কিমচন্দ্রের বিষবৃক্ষ উপন্যাসের অন্যান্য পার্শ্বচরিত্র। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কুন্দনন্দিনী — এটি সঠিক উত্তর কারণ সে বিষবৃক্ষ উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র। B) শ্যামাসুন্দরি — এটি বঙ্কিমচন্দ্রের বিষবৃক্ষ উপনেসের চরিত্র নয়। C) বিমলা — বিমলা বঙ্কিমচন্দ্রের দুর্গেশনন্দিনী উপন্যাসের একটি চরিত্র। D) রোহিণী — রোহিণী বঙ্কিমচন্দ্রের কৃষ্ণকান্তের উইল উপন্যাসের প্রধান নারী চরিত্র। ৫ মনে রাখার টিপস: - বঙ্কিমচন্দ্রের বিষবৃক্ষ উপন্যাসের প্রধান চরিত্র মনে রাখার সূত্র হলো বিষের কুঁড়ি, তাই কুন্দনন্দিনী। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিষবৃক্ষ উপন্যাসটি ১৮৭৩ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি বৈধব্যে বিবাহ ও বহুবিবাহ সমস্যার ওপর রচিত।
a কপট ব্যাক্তি
b ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক
c হতভাগ্য
d মোসাহেব
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মোসাহেব ১. কেন সঠিক: - ঢাকের কাঠি বাগধারাটির অর্থ তোষামোদকারী বা মোসাহেব। - ঢাক যেমন নিজের গুণ প্রকাশ করতে পারে না এবং অন্যের বাড়ি বাজানোর কাজে ব্যবহৃত হয়, তেমনি তোষামোদকারীরা অন্যের তাবেদারি করে বেঁচে থাকে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত বাগধারা, যা বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে। - বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দসমষ্টি যা তাদের আক্ষরিক অর্থ ছাপিয়ে বিশেষ কোনো ভাব প্রকাশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মন্ত্রীর পেছনের ঢাকের কাঠিগুলো এখন বিপদে পড়েছে। ব্যাখ্যা: এখানে তোষামোদকারী বা চাটুকার অর্থে ঢাকের কাঠি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: নিজের মেধার জোরে চলো, কারও ঢাকের কাঠি হয়ে থেকো না। ব্যাখ্যা: অন্যের ওপর অতিরিক্ত নির্ভর করে তোষামোদ করা থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কপট ব্যাক্তি — এটি বিড়ালতপসী বা শকুনি মামা বাগধারার অর্থ প্রকাশ করে, যা ঢাকের কাঠি নয়। B) ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক — এটি রক্তের সম্পর্ক বা ঘনিষ্ট বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা মোসাহেব অর্থে প্রযোজ্য নয়। C) হতভাগ্য — এটি কপাল পোড়া বা উনুরেড়ে বাগধারার অর্থ, ঢাকের কাঠির সঙ্গে মেলে না। D) মোসাহেব — এটি ঢাকের কাঠি বাগধারার সঠিক এবং সরাসরি সমার্থক অর্থ প্রকাশ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - ঢাক যেমন অন্যর পিট্টিতে বাজে, মোসাহেব বা তোষামোদকারীও তেমনি অন্যের গুণ গেয়ে বেড়ায়। - এই মিল মনে রাখলে পরীক্ষা সহজেই উত্তর করা যাবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়শই স্বভাবজাত ও চাটুকারিতা বোঝাতে এই ধরনের বাগধারা আসে। - শব্দের আক্ষরিক অর্থ না ধরে এর রূপক অর্থ বুঝতে হবে।
a হরতাল
b পালাবদল
c উত্তীর্ণ পঞ্চাশে
d অনিষ্ট স্বদেশ
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) হরতাল ১. কেন সঠিক: হরতাল গ্রন্থটি বাংলা সাহিত্যের প্রগতিশীল ধারার কিশোর কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য কর্তৃক রচিত একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। এই কাব্যগ্রন্থে কবির তারুণ্যের দীপ্তি, শোষণহীন সমাজ গঠনের প্রত্যয় এবং বিপ্লবের বাণী স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: সুকান্ত ভট্টাচার্য ছিলেন বাংলা কাব্যের এক ব্যতিক্রমী প্রতিভা যিনি মাত্র একচল্লিশ বছরের জীবনে বাংলা কবিতায় নতুন সুর নিয়ে আসেন। তাঁর কাব্যে সাম্যবাদ, দ্রোহ, অধিকার আদায়ের সংগ্রাম এবং মানবমুক্তির জয়গান অত্যন্ত জোরালোভাবে প্রকাশিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ছাড়পত্র ব্যাখ্যা: এটি সুকান্ত ভট্টাচার্যের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও পরিচিত কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে অন্যতম যা তাঁর মৃত্যুর পর প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: পূর্বাভাস ব্যাখ্যা: এটিও সুকান্ত ভট্টাচার্যের একটি প্রখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যেখানে তাঁর বিপ্লবী চেতনার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হরতাল — এটি সুকান্ত ভট্টাচার্যের রচিত কাব্যগ্রন্থ হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। B) পালাবদল — এই সাহিত্যকর্মটি সুকান্ত ভট্টাচার্যের রচিত নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। C) উত্তীর্ণ পঞ্চাশে — এটি সুকান্ত ভট্টাচার্যের রচিত কোনো গ্রন্থ নয়, তাই এটি ভুল অপশন। D) অনিষ্ট স্বদেশ — এটি সুকান্ত ভট্টাচার্যের কোনো পরিচিত বা স্বীকৃত গ্রন্থ নয়, তাই এটি ভুল। ৫ মনে রাখার টিপস: সুকান্ত ভট্টাচার্যের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলো মনে রাখার সহজ কৌশল হলো তাঁরুণ্যের কবি হিসেবে তাঁর রচিত হরতাল এবং ছাড়পত্র বই দুটি এক সাথে মনে রাখা। তাঁকে বাংলা সাহিত্যের কিশোর কবি বলা হয় যিনি খুব অল্প বয়সে মৃত্যুবরণ করলেও অমর সৃষ্টি রেখে গেছেন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সুকান্ত ভট্টাচার্যের কাব্যগ্রন্থ যেমন ছাড়পত্র, পূর্বাভাস, ঘুম নেই এবং হরতাল বারবার আসে। কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের জন্ম ১৯২৬ সালে এবং মৃত্যু ১৯৪৭ সালে, তাঁর পৈতৃক নিবাস ফরিদপুর জেলায় হলেও তিনি কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন।
a ১৯২৩
b ১৯২৪
c ১৯২৫
d ১৯২৭
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৯২৩ ১. কেন সঠিক: কল্লোল পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯২৩ সালের বাংলা ১৩৩০ বঙ্গাব্দের বৈশাখ মাসে। বাংলা সাহিত্যের আধুনিকতার সূচনা এবং নতুন ধারার প্রকাশনায় এই পত্রিকার ঐতিহাসিক ভূমিকা রয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: কল্লোল পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন দীনেশরঞ্জন দাশ এবং পরে বুদ্ধদেব বসু ও অজিত দত্ত এর সঙ্গে যুক্ত হন। এটি ছিল বাংলা সাহিত্যের কল্লোল যুগের মুখপত্র, যা তিরিশের দশকের আধুনিক কবি ও লেখকদের কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শনিবারের চিঠি ১৯২৪ সালে প্রকাশিত হয়। ব্যাখ্যা: এটি কল্লোল যুগের সাহিত্য আন্দোলনের বিরুদ্ধে একটি প্রতিবাদী ও ব্যঙ্গাত্মক পত্রিকা ছিল। উদাহরণ ২: কালি ও কলম ১৯২৬ সালে প্রকাশিত হয়। ব্যাখ্যা: এটিও বাংলা সাহিত্যের একটি সুপরিচিত প্রাচীন সাহিত্যপত্র। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯২৩ — এই সালে কল্লোল পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয় এবং এটিই সঠিক উত্তর। B) ১৯২৪ — এই সালে বিখ্যাত ব্যঙ্গাত্মক পত্রিকা শনিবারের চিঠি প্রকাশিত হয়। C) ১৯২৫ — এই সালে কল্লোল পত্রিকা প্রকাশিত হয়নি, বরং এটি কল্লোল যুগের প্রারম্ভিক সময়। D) ১৯২৭ — এই সালে প্রগতি নামক আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্য পত্রিকা প্রকাশিত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: কল্লোল প্রকাশিত হয় তেরশ ত্রিশের বৈশাখে অর্থাৎ ১৯২৩ সালে। কবিতা ও সাহিত্যের নতুন হাওয়া পেতে তেরশ ত্রিশে কল্লোল হাতে নাও। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাহিত্যপত্রিকা ও প্রকাশের সাল প্রায়ই আসে। পত্রিকার সম্পাদক এবং প্রকাশের সাল আলাদা করে নোট করে রাখা ভালো।
a ;
b :
c ?
d -
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) : ১. কেন সঠিক: প্রশ্নটিতে যতিচিহ্ন বা ছেদচিহ্নের মধ্যে কোলন সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়েছে। বাংলা বাক্যে একটি পূর্ণাঙ্গ বাক্য লেখার পর তার পরিপূরক বা বিস্তারিত অন্য কোনো বাক্য বা অংশ জুড়তে কোলন ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যতিচিহ্ন বা ছেদচিহ্ন বাক্যের অর্থ পরিষ্কার করার জন্য ব্যবহৃত হয়। কোলন একটি যতিচিহ্ন যা সাধারণত উদাহরণ দিতে কিংবা কোনো কথার ব্যাখ্যা বোঝাতে বাক্যের মাঝে বসে এবং এর বিরতিকাল এক বলতে যে সময় লাগে তার সমান। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সভা আরম্ভ হলো: সভাপতি বক্তব্য রাখলেন। ব্যাখ্যা: এখানে প্রথম বাক্যের ফল বা বিস্তারিত প্রকাশ করতে কোলন ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: ফলমূল আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী: যেমন আম, কাঁঠাল, কলা ইত্যাদি। ব্যাখ্যা: এখানে কোনো বিষয়ের উদাহরণ বা তালিকা টানার আগে কোলন ব্যবহার করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ; — এটি সেমিকোলন চিহ্ন, যা কোলনের চেয়ে কম সময় থামতে ব্যবহৃত হয়। C) ? — এটি প্রশ্নবোধক চিহ্ন, যা কোনো কিছু জিজ্ঞাসা করতে বাক্যের শেষে বসে। D) - — এটি হাইফেন চিহ্ন, যা সমাসবদ্ধ পদগুলোকে যুক্ত করতে ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: উপরে নিচে দুটি ফোঁটা বা বিন্দু থাকলেই তা কোলন হিসেবে গণ্য করা হয়। বাক্যে উদাহরণ বা দৃষ্টান্ত দেওয়ার সময় কোলন চিহ্ন মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় যতিচিহ্নের নাম ও তার আকৃতি প্রায়ই আসে। কোন যতিচিহ্নে কতক্ষণ থামতে হয়, তা ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
a নিশিথিনী
b নীশিথিনী
c নিশীথিনী
d নিশিথিনি
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নিশীথিনী ১. কেন সঠিক: - নিশীথিনী শব্দটির অর্থ হলো রাত বা রাত্রি। - বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী নিশীথ শব্দের সঙ্গে ইন প্রত্যয় যোগ হয়ে নিশীথিনী গঠিত হয়েছে, যেখানে প্রথম ই কার এবং দ্বিতীয় দীর্ঘ ঈ কার ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা প্রমিত বানানে তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে ই কার এবং ঈ কার ব্যবহারের নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। - নিশীথ শব্দের মূল বানানে দীর্ঘ ঈ কার থাকে এবং এর সঙ্গে স্ত্রীবাচক প্রত্যয় যুক্ত হওয়ার পরও বানানের এই রূপ বজায় থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিভাবরী ব্যাখ্যা: এটিও রাত বা রাত্রির সমার্থক একটি তৎসম শব্দ যার বানানরীতির ক্ষেত্রে বিশেষ যত্ন নিতে হয়। উদাহরণ ২: যামিনী ব্যাখ্যা: এটি রাত্রির আরেকটি সমার্থক শব্দ যা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বানান শুদ্ধির জন্য আসে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিশিথিনী — প্রথম শব্দটি ভুল কারণ নিশীথ শব্দে দীর্ঘ ঈ কার ব্যবহার করতে হয়। B) নীশিথিনী — প্রথম বর্ণে দীর্ঘ ঈ কার ব্যবহারের কারণে এই বানানটি ভুল হয়েছে। D) নিশিথিনি — শেষের অংশে দীর্ঘ ঈ কারের পরিবর্তে হ্রস্ব ই কার ব্যবহারের কারণে এটি ভুল। ৫. মনে রাখার টিপস: - নিশীথ শব্দের বানান মনে রাখলে নিশীথিনী বানান সহজ হয়। - রাতে দীর্ঘ সময় ঘুমাতে হয় তাই রাতের শব্দগুলোতে সাধারণত দীর্ঘ ঈ কারের প্রাধান্য থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রমিত বানান এবং প্রত্যয়যুক্ত শব্দের বানান থেকে প্রশ্ন আসে। - তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে বানানের মূল রূপ এবং প্রত্যয়যুক্ত রূপ ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
a অক্ষরবৃত্ত
b মাত্রাবৃত্ত
c স্বরবৃত্ত
d অমিত্রাক্ষর
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মাত্রাবৃত্ত ১. কেন সঠিক: চর্যাপদ মূলত মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত, যা বাংলা ছন্দের প্রাচীনতম রূপ। এই ছন্দে ধ্বনি বা অক্ষরের উচ্চারণ কাল বা মাত্রা গণনা করে পংতির বিন্যাস করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন ও সাহিত্যিক নিদর্শন। হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে ১৯০৭ সালে এটি আবিষ্কার করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চর্যাপদের পদ - উঁচু উঁচু পাহাড় তহি বসই সবরী বাড়ি। ব্যাখ্যা: এই পঙক্তিটিতে মাত্রাবৃত্ত ছন্দের সুনির্দিষ্ট মাত্রা বিন্যাস ও সুর লক্ষ করা যায়। উদাহরণ ২: আধুনিক মাত্রাবৃত্ত ছন্দের উদাহরণ - এই সুন্দর ফুল এই সুন্দর ফল। ব্যাখ্যা: এটি আধুনিক বাংলা মাত্রাবৃত্ত ছন্দের একটি নিখুঁত গঠনশৈলী প্রদর্শন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অক্ষরবৃত্ত — অক্ষরবৃত্ত ছন্দ হলো বাংলা কবিতার এমন একটি রূপ যা চর্যাপদের যুগে প্রমিত রূপ লাভ করেনি। এটি মূলত মধ্যযুগ ও আধুনিক যুগের কাব্যে বহুল ব্যবহৃত হয়। B) মাত্রাবৃত্ত — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক এবং এর পক্ষে কোনো ভুল বা অপ্রাসঙ্গিক তথ্য নেই। C) স্বরবৃত্ত — স্বরবৃত্ত ছন্দ দ্রুত লয় বিশিষ্ট এবং ছড়ার ছন্দ নামে পরিচিত। চর্যাপদের গম্ভীর ভাব ও গঠনরীতি স্বরবৃত্ত ছন্দের বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে মেলে না। D) অমিত্রাক্ষর — অমিত্রাক্ষর ছন্দ মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে প্রবর্তন করেন। চর্যাপদ এর বহু শতাব্দী আগের নিদর্শন হওয়ায় এই ছন্দ সেখানে প্রযোজ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: প্রাচীন যুগের চর্যাপদ মানেই মাত্রার খেলা, তাই এর ছন্দ হলো মাত্রাবৃত্ত। এভাবে সহজে মনে রাখা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: চর্যাপদের ভাষা ও ছন্দ সংক্রান্ত প্রশ্ন বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ছন্দের ইতিহাস মনে রাখতে চর্যাপদকে মাত্রাবৃত্ত ছন্দের আদি নিদর্শন হিসেবে মনে রাখতে হবে।
a সরল
b মিশ্র বা জটিল
c যৌগিক
d সংযুক্ত
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মিশ্র বা জটিল ১. কেন সঠিক: - যে বাক্যে একটি প্রধান বা মাদার ক্লজ এবং এক বা একাধিক আশ্রিত বা সাবর্ডিনেট ক্লজ থাকে, তাকে মিশ্র বা জটিল বাক্য বলে। - এখানে তুমি আসবে বলে এটি একটি আশ্রিত খণ্ডবাক্য এবং সখিনা বিবির কপাল ভাঙল এটি প্রধান খণ্ডবাক্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মিশ্র বা জটিল বাক্যে সাধারণত যিনি-তা, যে-সে, যদি-তবে, যেহেতু-সেহেতু, যারা-তারা ইত্যাদি সাপেক্ষ সর্বনাম বা যোজক ব্যবহৃত হয়। - এই বাক্যে বলে যোজকটি দুটি খণ্ডবাক্যকে পরস্পরের ওপর নির্ভরশীল করে তুলেছে, যা জটিল বাক্যের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যদি তুমি আসো, তবে আমি যাব। ব্যাখ্যা: এখানে একটি শর্তযুক্ত আশ্রিত খণ্ডবাক্যের ওপর প্রধান খণ্ডবাক্য নির্ভরশীল হওয়ায় এটি মিশ্র বা জটিল বাক্য। উদাহরণ ২: যিনি সততা বজায় চলেন, তিনি সবাইর শ্রদ্ধা পান। ব্যাখ্যা: এখানে যিনি এবং তিনি সাপেক্ষ সর্বনামের ব্যবহার বাক্যটিকে মিশ্র বা জটিল বাক্যে রূপান্তর করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সরল — সরল বাক্যে একটিমাত্র কর্তা এবং একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে, যা এই বাক্যে নেই। B) মিশ্র বা জটিল — এটি সঠিক উত্তর। C) যৌগিক — যৌগিক বাক্যে দুই বা ততোধিক স্বাধীন বাক্য এবং, কিন্তু, কিংবা ইত্যাদি অব্যয় দ্বারা যুক্ত থাকে। D) সংযুক্ত — এটি বাংলা ব্যাকরণের বাক্য প্রকরণের কোনো মৌলিক শ্রেণিবিভাগ নয়, বরং এটি বিভ্রান্ত করার জন্য দেওয়া হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাক্যের অংশগুলো যদি একে অপরের ওপর নির্ভরশীল হয় এবং সাপেক্ষ যোজক বা শব্দ দ্বারা যুক্ত থাকে, তবে তা মিশ্র বা জটিল বাক্য হবে। - কারণ সূচক বা শর্তমূলক বাক্যগুলো সাধারণত জটিল বাক্যের অন্তর্ভুক্ত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জটিল বাক্য থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই খণ্ডবাক্যের পারস্পরিক নির্ভরতা চেনার দক্ষতা অর্জন করতে হবে। - খণ্ডবাক্যগুলোর মধ্যে কোনটি প্রধান এবং কোনটি আশ্রিত তা নির্ণয় করতে পারলে উত্তর ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
a তোমার গোপন কথা শোনা আমার পক্ষে সম্ভব নয়
b দরিদ্রতা আমাদের প্রধান সমস্যা
c সলজ্জিত হাসি হেসে মেয়েটি উত্তর দিল
d সর্ব বিষয়ে বাহুল্যতা বর্জন করা উচিত
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) তোমার গোপন কথা শোনা আমার পক্ষে সম্ভব নয় ১. কেন সঠিক: এই বাক্যটিতে কোনো বানানগত বা প্রয়োগগত ভুল নেই এবং এটি অর্থগত দিক থেকেও সম্পূর্ণ স্পষ্ট ও নির্ভুল। বাক্যের পদবিন্যাস, কারক ও বিভক্তির ব্যবহার ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী পুরোপুরি সঠিক। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাক্য ও বাক্যশুদ্ধি সম্পর্কিত ব্যাকরণের একটি প্রশ্ন। বাংলা বাক্যে শব্দচয়ণ, পদক্রম এবং কারকের সঠিক প্রয়োগ না থাকলে বাক্য অশুদ্ধ হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তার কথা শোনা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। ব্যাখ্যা: এই বাক্যেও সর্বনাম ও পদের বিন্যাস সঠিক থাকায় এটি একটি শুদ্ধ বাক্য। উদাহরণ ২: এই কাজটি করা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। ব্যাখ্যা: এখানেও বাক্যের গঠন ও অর্থ সম্পূর্ণ ব্যাকরণসম্মত ও প্রমিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তোমার গোপন কথা শোনা আমার পক্ষে সম্ভব নয় — এই অপশনটি সঠিক এবং বাক্যে কোনো ভুল নেই। B) দরিদ্রতা আমাদের প্রধান সমস্যা — এটি ভুল কারণ দরিদ্র শব্দের সঠিক ভাববাচক বিশেষ্য রূপ হলো দারিদ্র্য, তাই দারিদ্রতা একটি প্রত্যয়জনিত ভুল শব্দ। C) সলজ্জিত হাসি হেসে মেয়েটি উত্তর দিল — এটি ভুল কারণ সলজ্জিত শব্দের অর্থ লজ্জিতসহ, তাই এর সাথে আবার হাসি হেসে ব্যবহার করা বাহুল্য দোষ দুষ্ট। D) সর্ব বিষয়ে বাহুল্যতা বর্জন করা উচিত — এটি ভুল কারণ বহুলাঞ্চল বা বাহুল্য শব্দের সাথে তা প্রত্যয় যুক্ত করা ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ, শুদ্ধ রূপ হবে বাহুল্য। ৫ মনে রাখার টিপস: দরিদ্র থেকে দারিদ্র্য হয় এবং বাহুল্য থেকে বাহুল্যতা হয় না, তাই অপ্রয়োজনীয় প্রত্যয় বর্জন করতে হবে। বাক্যে একই অর্থের পুনরাবৃত্তি রোধ করলে বাক্যশুদ্ধি সংক্রান্ত ভুল সহজে এড়ানো সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাহুল্য দোষ এবং প্রত্যয়জনিত ভুল থেকে প্রায়ই বাক্যশুদ্ধির প্রশ্ন আসে। শব্দ গঠনের সময় মূল শব্দের সাথে সঠিক প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে কি না, তা মনোযোগ দিয়ে পরীক্ষা করতে হবে।
a অতিরিক্ত কর
b আবগারি শুল্ক
c অর্পিত দায়িত্ব
d অতিরিক্ত কর্তব্য
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আবগারি শুল্ক ১. কেন সঠিক: - Excise duty একটি ইংরেজি পারিভাষিক শব্দ যার প্রমিত বাংলা রূপ হলো আবগারি শুল্ক। - দেশীয় উৎপাদিত পণ্যের ওপর যে কর ধার্য করা হয় তাকেই পারিভাষিক অর্থে আবগারি শুল্ক বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - পারিভাষিক শব্দ হলো এমন কিছু শব্দ যা বিশেষ ক্ষেত্র বা বিজ্ঞানের ভাব প্রকাশে নির্দিষ্ট অর্থে ব্যবহৃত হয়। - প্রশাসনিক, আইনি ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে ইংরেজি শব্দের সঠিক বাংলা প্রতিশব্দ জানা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: Custom duty ব্যাখ্যা: Custom duty শব্দের সঠিক পারিভাষিক রূপ হলো শুল্ক বা কাস্টম শুল্ক। উদাহরণ ২: Income tax ব্যাখ্যা: Income tax শব্দের সঠিক পারিভাষিক রূপ হলো আয়কর। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অতিরিক্ত কর — এটি Excise duty শব্দের সরাসরি এবং প্রাতিষ্ঠানিক পারিভাষিক রূপ নয়। B) আবগারি শুল্ক — এটি Excise duty শব্দের সঠিক এবং স্বীকৃত পারিভাষিক রূপ। C) অর্পিত দায়িত্ব — এটি Assigned duty বা Delegated duty শব্দের পারিভাষিক রূপ। D) অতিরিক্ত কর্তব্য — এটি Extra duty শব্দের আক্ষরিক অনুবাদ হতে পারে কিন্তু নির্দিষ্ট পারিভাষিক রূপ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - Excise শব্দের সাথে কারখানার বা উৎপাদনের সম্পর্ক রয়েছে, যার সঠিক বাংলা হলো আবগারি। - উৎপাদিত পণ্যের ওপর ধার্য করা কর বা শুল্ক বোঝাতে সব সময় আবগারি শুল্ক শব্দটি মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক পারিভাষিক শব্দ প্রায়ই আসে। - এ ধরনের প্রশ্ন অনুশীলনের জন্য নিয়মিত সরকারি প্রমিত পারিভাষিক শব্দের তালিকা পড়তে হবে।
a সংসারী
b সঞ্চয়ী
c সংস্তিতি
d সন্ন্যাসী
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সন্ন্যাসী ১. কেন সঠিক: গৃহী শব্দের অর্থ যিনি পরিবার বা গৃহধর্মে অবস্থান করেন। এর বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করে সন্ন্যাসী শব্দটি, যার অর্থ সংসার ত্যাগ করেছেন যিনি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ব্যাকরণের শব্দভান্ডার বা বিপরীতার্থক শব্দের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বিপরীত শব্দ বলতে এমন শব্দগুলোকে বোঝায় যা একে অপরের সম্পূর্ণ বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জীবিত শব্দের বিপরীত শব্দ মৃত। ব্যাখ্যা: জীবিত শব্দের অর্থ প্রাণ আছে যার এবং মৃত শব্দের অর্থ প্রাণহীন, যা একে অপরের বিপরীত। উদাহরণ ২: জয় শব্দের বিপরীত শব্দ পরাজয়। ব্যাখ্যা: জয় অর্থ বিজয় লাভ করা এবং পরাজয় অর্থ হেরে যাওয়া, যা দুটি বিপরীত ভাব প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সংসারী — এটি গৃহী শব্দের সমার্থক শব্দ, বিপরীত শব্দ নয়। B) সঞ্চয়ী — এর অর্থ যিনি সঞ্চ বা জমা করেন, গৃহী শব্দের বিপরীত এটি হতে পারে না। C) সংস্তিতি — এর অর্থ প্রশংসা বা স্তুতি, যার সঙ্গে গৃহী শব্দের কোনো সম্পর্ক নেই। D) সন্ন্যাসী — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি গৃহী শব্দের সরাসরি বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: সংসার বা পরিবারে যারা থাকেন তারা গৃহী আর যারা সংসার ছেড়ে দূরে থাকেন তারা সন্ন্যাসী। এভাবে জোড়া মনে রাখলে ভুল হবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিপরীতার্থক শব্দ নির্বাচনে মূল শব্দের শাব্দিক অর্থ ভালোভাবে বুঝতে হবে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
a উর্দ্ধ
b দরিদ্রতা
c উপযোগিতা
d শ্রদ্ধাঞ্জলি
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) উর্দ্ধ ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে উর্দ্ধ বানানটি শুদ্ধ নয় কারণ বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী উর্ধ্ব বা ঊর্ধ্ব লিখতে যুক্তবর্ণে ধ-এর নিচে র-ফলা যুক্ত হয়। - বাংলা ব্যাকরণের বানান বিধিমালার নিয়ম অনুযায়ী দ-এর সঙ্গে ধ যুক্ত হলে তা দ্ধ হয়, কিন্তু উর্ধ্ব শব্দের মূল সংস্কৃত শব্দে ঊর্ধ্ব ব্যবহৃত হয় যেখানে ধ-এর সঙ্গে র-ফলা যুক্ত থাকে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা বানানরীতিতে তৎসম ও অর্ধ-তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে সংস্করণের সঠিক রূপ অনুসরণ করা বাধ্যতামূলক। - রেফ বা র-ফলা যুক্ত বর্ণের পরবর্তী বর্ণে দ্বিত্ব হয় না এবং র-ফলার সঠিক অবস্থানের ওপর শব্দের বানান শুদ্ধতা নির্ভর করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঊর্ধ্বাকাশ ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতে ধ-এর নিচে সঠিক নিয়মে র-ফলা যুক্ত হয়েছে যা প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম অনুসরণ করে। উদাহরণ ২: ঊর্ধ্বগতি ব্যাখ্যা: এটি একটি তৎসম শব্দ যেখানে সঠিক বানানরীতি মেনে ধ-এর নিচে র-ফলা ব্যবহার করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উর্দ্ধ — এটি ভুল বানান কারণ এখানে ধ-এর নিচে র-ফলা নেই এবং সঠিক রূপটি হলো ঊর্ধ্ব। B) দরিদ্রতা — এটি বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী একটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ বানান। C) উপযোগিতা — এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক এবং প্রমিত বানানরীতির অন্তর্ভুক্ত একটি শব্দ। D) শ্রদ্ধাঞ্জলি — এটি ই-কার যুক্ত হয়ে গঠিত একটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ ও প্রমিত বাংলা শব্দ। ৫. মনে রাখার টিপস: - ঊর্ধ্ব লেখার সময় মনে রাখবে যে এখানে ধ-এর নিচে র-ফলা হবে এবং দ্ধ লেখা যাবে না। - তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে মূল সংস্কৃত রূপটি মনে রাখলেই এই ধরনের বানান সহজে আয়ত্ত করা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই উর্ধ্ব সংক্রান্ত বানান ভুল দিয়ে প্রশ্ন করা হয়। - বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বানান নিয়ম ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের বানান সহজেই চিহ্নিত করা যায়।
a ধন ধান্যে পুষ্পে ভরা
b ধন্য ধান্যে পুষ্পে ভরা
c ধন্যে ধান্যে পুষ্প ভরা
d ধন্যে ধান্যে পুষ্পে ভরা
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ধন ধান্যে পুষ্পে ভরা ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের বিখ্যাত দেশাত্মবোধক গানের প্রথম পংক্তি। - পংক্তিটির সঠিক রূপ হলো ধন ধান্যে পুষ্পে ভরা আমাদের এই বসুন্ধরা। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - গানটির রচয়িতা বাংলার প্রখ্যাত কবি ও নাট্যকার দ্বিজেন্দ্রলাল রায়। - এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় দেশাত্মবোধক গান যা স্বদেশের রূপ ও ঐশ্বর্য প্রকাশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমার দেশ সব দিক থেকে সুন্দর। ব্যাখ্যা: এটি সাধারণ বাক্যের উদাহরণ যা কোনো সাহিত্যিক উদ্ধৃতি নয়। উদাহরণ ২: মোদের গরব মোদের আশা আ মরি বাংলা ভাষা। ব্যাখ্যা: এটি অতুলপ্রসাদ সেন রচিত বিখ্যাত দেশাত্মবোধক গান। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধন ধান্যে পুষ্পে ভরা — এটি গানের মূল পংক্তির সঙ্গে মিলে যাওয়ায় সঠিক। B) ধন্য ধান্যে পুষ্পে ভরা — ধন্য শব্দটির কারণে গানটির মূল রূপ পরিবর্তিত হয়েছে। C) ধন্যে ধান্যে পুষ্প ভরা — বানান ও শব্দের প্রয়োগ ভুল থাকায় এটি গ্রহণযোগ্য নয়। D) ধন্যে ধান্যে পুষ্পে ভরা — অতিরিক্ত এক বা একাধিক ভুল রূপ থাকায় এটি ভুল। ৫ মনে রাখার টিপস: - দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের গানটি মনে রাখতে ধন ধান্যে শব্দ দুটি দিয়ে শুরু হয় তা মনে রাখবে। - ধন্য বা ধন্যে নয় বরং ধন এবং ধান্যে হলো সঠিক শব্দ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - জাতীয় বা দেশাত্মবোধক গানের ক্ষেত্রে মূল রচয়িতার লাইন হুবহু মুখস্থ রাখতে হবে। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত গানের প্রথম চরণ বা পংক্তি থেকে প্রশ্ন আসে।
a কৃষ্ণ চন্দ্র মজুমদার
b ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
c কামিনী রায়
d যতীন্দ্র মোহন বাগচী
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কৃষ্ণ চন্দ্র মজুমদার ১. কেন সঠিক: - 'কেন পান্থ হও ক্ষান্ত হেরি দীর্ঘ পথ?' এটি কবি কৃষ্ণ চন্দ্র মজুমদারের বিখ্যাত 'সদ্ভাব শতক' কাব্যের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও প্রবচনমূলক পঙক্তি। - এখানে 'পান্থ' শব্দের অর্থ পথিক এবং 'ক্ষান্ত' অর্থ ক্লান্ত বা নিরাশ হওয়া, যা জীবনের চলার পথে উদ্যম হারানোর বিরুদ্ধে এক দারুণ অনুপ্রেরণা জোগায়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কবি কৃষ্ণ চন্দ্র মজুমদার ১৮৩৪ সালে ফরিদপুর জেলার গোবিন্দপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এবং তিনি নীতিগর্ভ ও উপদেশমূলক কবিতার জন্য বাংলা সাহিত্যে বিশেষভাবে পরিচিত। - তাঁর রচিত 'সদ্ভাব শতক' ১৮৬১ সালে প্রকাশিত একটি বিখ্যাত নৈতিক শিক্ষামূলক কাব্যগ্রন্থ, যার প্রতিটি ছত্রে মানবকল্যাণ ও নৈতিকতার শিক্ষা রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অপমানেরী হতে পারো উচ্চ শিরে, উন্নত শির নাহি হেরি কারু তরে। ব্যাখ্যা: এটিও কৃষ্ণ চন্দ্র মজুমদারের নীতিশিক্ষা মূলক কবিতার একটি শক্তিশালী চরণ, যা আত্মসম্মানবোধ জাগ্রত করে। উদাহরণ ২: মজ্জাগত স্বভাব যার সহজে যায় না তার। ব্যাখ্যা: এটি কৃষ্ণ চন্দ্র মজুমদারের বিখ্যাত প্রবচনমূলক কবিতার লাইন, যা মানুষের স্বভাবের স্থায়ী রূপ ফুটিয়ে তোলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কৃষ্ণ চন্দ্র মজুমদার — এই অপশনটি সঠিক কারণ উল্লিখিত বিখ্যাত পঙক্তিটি তাঁরই 'সদ্ভাব শতক' কাব্যগ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে। B) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত — ইনি মূলত সংবাদ প্রভাকর পত্রিকার সম্পাদক ও ব্যঙ্গাত্মক কবিতার জন্য বিখ্যাত হলেও এই পঙক্তিটির রচয়িতা নন। C) কামিনী রায় — ইনি একজন প্রখ্যাত নারীবাদী কবি ও সাহিত্যিক হলেও আলোচ্য নৈতিক পঙক্তিটির সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পৃক্ততা নেই। D) যতীন্দ্র মোহন বাগচী — ইনি মূলত পল্লীপ্রকৃতির রূপকার ও কবি হিসেবে পরিচিত হলেও এই বিখ্যাত উপদেশমূলক পঙক্তিটি তাঁর লেখা নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - পান্থ বা পথিকের ক্লান্তি দূর করার জন্য উপদেশমূলক বা নীতিশিক্ষা মূলক কবিতা লেখার ক্ষেত্রে কৃষ্ণ চন্দ্র মজুমদারের 'সদ্ভাব শতক' গ্রন্থটি সবার আগে মনে রাখবে। - নীতিশিক্ষা ও উপদেশমূলক পঙক্তি দেখলে চোখ বন্ধ করে কৃষ্ণ চন্দ্র মজুমদার বা তাঁর গ্রন্থ 'সদ্ভাব শতক'কে বেছে নিতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নীতিমূলক উদ্ধৃতি কার লেখা, তা প্রায়ই আসে, তাই প্রবচনমূলক চরণগুলো নোট করে রাখা ভালো। - একই ধরনের নৈতিক পঙক্তি যেমন এ বিষয়ে আত্মবিশ্বাস বাড়ায়, তেমনি কবি পরিচিতি থেকেও প্রশ্ন আসার সম্ভাবনা থাকে।
a গোজলা পুট
b হরু ঠাকুর
c ভবানী ঘোষ
d নিতাই বৈরাগী
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) গোজলা পুট ১. কেন সঠিক: কবি গান হলো বাংলার এক প্রাচীন লোকসংগীত ধারা যার সূচনা হয় আঠারো শতকের শেষভাগে। গোজলা পুট বা গোজলা গাইনকে বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস ও লোকসংস্কৃতির তথ্যানুযায়ী কবি গানের প্রথম কবি বা আদি রচয়িতা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: কবি গান হলো দুই পক্ষের কবিগাওয়ালের মধ্যে প্রতিযোগিতামূলক ছন্দে রচিত ও গীত সংগীতের লড়াই। এই ধারার বিখ্যাত কবিগিয়ালদের মধ্যে রাম বসু, হরু ঠাকুর, ভোলা ময়রা এবং অ্যান্টনি ফিরিঙ্গি বিশেষভাবে পরিচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাম বসুর কবি গান। ব্যাখ্যা: রাম বসু কবি গান ধারার অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও জনপ্রিয় রচয়িতা ও গায়ক ছিলেন। উদাহরণ ২: ভোলা ময়রার কবি গান। ব্যাখ্যা: ভোলা ময়রা মিষ্টি বিক্রেতা হলেও তার চটুল ও তীক্ষ্ণ প্রতিঘাতের কবি গানের জন্য বিখ্যাত ছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গোজলা পুট — ইনি কবি গানের প্রথম কবি হিসেবে বাংলা সাহিত্যে স্বীকৃত এবং পরীক্ষাসম্পর্কিত সঠিক উত্তর। B) হরু ঠাকুর — ইনি কবি গানের একজন বিখ্যাত ও প্রথিতযশা কবি হলেও আদি কবি নন। C) ভবানী ঘোষ — ইনি কবি গানের কোনো প্রাথমিক বা প্রধান রূপকার হিসেবে পরিচিত নন। D) নিতাই বৈরাগী — ইনিও কবি গানের একজন ঐতিহ্যবাহী কবি কিন্তু প্রথম কবি নন। ৫ মনে রাখার টিপস: কবি গানের শুরুতেই মুখে মুখে ছন্দের লড়াই হতো তাই গোজলা পুট নামটি এভাবে মনে রাখতে পারেন যে তিনি প্রথম পুট বা সূচনা করেছিলেন। আদি কবি মনে রাখার জন্য গোজলা পুটের নাম প্রথম সারিতে রাখা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলার লোকসাহিত্য ও সংগীত ধারা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। লোকসংগীতের বিভিন্ন ধারার আদি পুরুষ বা প্রথম প্রবর্তকদের নাম আলাদাভাবে তালিকা করে পড়লে উত্তর করা সহজ হবে।
a আঠারো শতকের শেষার্ধে ও ঊনিশ শতকের প্রথমার্ধে
b ষোড়শ শতকের শেষার্ধে ও সপ্তদশ শতকের প্রথমার্ধে
c সপ্তদশ শতকের শেষার্ধে ও আঠারো শতকের প্রথমার্ধে
d ঊনিশ শতকের শেষার্ধে ও বিশ শতকের প্রথমার্ধে
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আঠারো শতকের শেষার্ধে ও ঊনিশ শতকের প্রথমার্ধে ১. কেন সঠিক: - অষ্টাদশ শতকের শেষার্ধ এবং উনিশ শতকের প্রথমার্ধে বাংলার লোকসাহিত্যে কবিগান ও শায়ের গানের ব্যাপক উদ্ভব ও বিকাশ ঘটে। - সে সময়ে গ্রামীণ সমাজে বিনোদন ও প্রতিদ্বান্দ্বিতামূলক আসর জমানোর জন্য কবিওয়ালা ও শায়েরগণ বিভিন্ন লোকায়ত গান রচনা ও পরিবেশন করতেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কবিগান ও শায়ের গান হলো বাংলা লোকসাহিত্যের অন্যতম প্রাচীন ও জনপ্রিয় ধারা, যা মূলত মৌখিক সংস্কৃতির ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছিল। - গোঁজলা গুই, রামবসু, অ্যান্টনি ফিরিঙ্গি, হরু ঠাকুর প্রমুখ বিখ্যাত কবিওয়ালা এই সময়ে বাংলা গান ও সমাজকে দারুণভাবে প্রভাবিত করেছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অ্যান্টনি ফিরিঙ্গির কবিগান ব্যাখ্যা: এটি আঠারো শতক ও উনিশ শতকের প্রথমার্ধের সন্ধিক্ষণে রচিত লোকগানের এক অনন্য নিদর্শন যা কবিওয়ালার ঐতিহ্য বহন করে। উদাহরণ ২: ভোলা ময়রার কবিগান ব্যাখ্যা: মিষ্টি বিক্রেতা হলেও তিনি সেকালের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবিওয়ালা হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেছিলেন এবং তার গান এই যুগের সাহিত্যধারার পরিচয় দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আঠারো শতকের শেষার্ধে ও ঊনিশ শতকের প্রথমার্ধে — এটি ঐতিহাসিক ও সাহিত্যিক তথ্যানুযায়ী কবিওয়ালা ও শায়েরের উদ্ভবের সঠিক সময়কাল নির্দেশ করে। B) ষোড়শ শতকের শেষার্ধে ও সপ্তদশ শতকের প্রথমার্ধে — এই সময়ে বাংলায় মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্য ও বৈষ্ণব পদাবলির চর্চা ছিল, কবিওয়ালার উদ্ভব হয়নি। C) সপ্তদশ শতকের শেষার্ধে ও আঠারো শতকের প্রথমার্ধে — এই যুগটি কবিগানের সূচনার আগের পর্যায়, যখন মূলত পদাবলি ও পুথি সাহিত্যের ধারা প্রচলিত ছিল। D) ঊনিশ শতকের শেষার্ধে ও বিশ শতকের প্রথমার্ধে — এই সময়টি কবিগানের স্বর্ণযুগ নয়, বরং আধুনিক বাংলা সাহিত্য ও রবীন্দ্রযুগের সূচনা পর্ব। ৫. মনে রাখার টিপস: - কবিওয়ালা ও শায়ের গানের ঐতিহ্য মনে রাখতে সালটি মনে রাখুন এভাবে, আঠারো শতকের শেষ ভাগ থেকে উনিশ শতকের শুরু পর্যন্ত এই ধারার স্বর্ণকাল ছিল। - লোকসাহিত্যের এই ধারাটি আধুনিক যুগের ঠিক প্রাক্কালে অর্থাৎ মধ্যযুগের অবসান লগ্নে বিস্তার লাভ করেছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলার লোকসাহিত্য থেকে প্রায়ই কবিওয়ালাদের নাম ও সময়কাল সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে। - লোকগানের বিভিন্ন ধারা এবং তাদের প্রধান প্রবক্তাদের নাম ও সময়কাল ভালোভাবে আয়ত্ত করা আবশ্যক।

মোট প্রশ্ন (20)

a attached to them
b committed to them
c addicted to them
d devoted to them
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) addicted to them কেন সঠিক: মাদক বা নেশাজাতীয় দ্রব্যের প্রতি নির্ভরশীলতা বোঝাতে 'addicted to' সঠিক ফ্রেজ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। কোনো খারাপ অভ্যাসে বা দ্রব্যের জালে এমনভাবে জড়িয়ে যাওয়া যে তা আর বাদ দেওয়া যায় না, তাকে আসক্তি বা addiction বলে। প্রশ্নটিতে ড্রাগ বা মাদক নেওয়া বন্ধ করতে না পারার কথা বলা হয়েছে, যা সরাসরি নেশাগ্রস্ততাকে নির্দেশ করে। এই বিশেষ অর্থ প্রকাশের জন্য 'addicted to' ছাড়া অন্য কোনো বিকল্প সঠিক হয় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) attached to them — এই ফ্রেজটি সাধারণত আবেগিক সংযুক্তি বা কোনো বস্তুর প্রতি সাধারণ অনুরাগের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, ক্ষতিকর নেশার ক্ষেত্রে নয়। B) committed to them — এই কথাটির অর্থ কোনো কাজের প্রতি প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হওয়া বা দায়িত্ব নেওয়া, যা নেতিবাচক নেশার সাথে মিলে না। C) addicted to them — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। D) devoted to them — এই শব্দগুচ্ছটি সাধারণত গভীর ভক্তি, সেবা বা কোনো ভালো কাজের প্রতি উৎসর্গীকৃত বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: মাদক বা ক্ষতিকর কোনো কিছুর প্রতি অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা বা নেশা বোঝাতে সব সময় 'addicted to' ফ্রেজটি ব্যবহার করবে।
a driving a car
b when one drives a car
c the driving of a car
d when we drive a car
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) driving a car কেন সঠিক: বাক্যের নিয়ম অনুযায়ী preposittion বা similar to এর পর gerund বা noun phrase বসে। এখানে to এর পর সরাসরি driving a car সঠিক সমান্তরাল গঠন তৈরি করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) driving a car — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। B) when one drives a car — এখানে একটি অতিরিক্ত clause ব্যবহার করায় বাক্যের গঠন নষ্ট হয়েছে। C) the driving of a car — এই গঠনটি ইংরেজি নিয়মে অপ্রয়োজনীয় এবং অতিরিক্ত বড় শোনায়। D) when we drive a car — এটি একটি পুরো clause, যা preposition এর সাথে সরাসরি বসে না। মনে রাখার টিপস: similar to এর পরে সরাসরি noun অথবা verb এর সাথে ing যুক্ত করে gerund বসাতে হয়।
a stay together
b tolerate
c keep trust
d protect
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) tolerate কেন সঠিক: - 'Put up with' একটি ইংরেজিগুচ্ছ বা ইডিওম, যার আধানিক অর্থ হলো কোনো কিছু সহ্য করা বা মেনে নেওয়া। - বাক্যে এটি কোনো কষ্টকর পরিস্থিতি বা অপ্রীতিকর আচরণকে নীর베 সহ্য করার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। - এই ইডিওমটির ভাবার্থের সাথে 'tolerate' শব্দটির অর্থ পুরোপুরি মিলে যায়। - তাই সঠিক উত্তর হিসেবে বি অপশনটি নির্বাচিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) stay together — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ একসাথে থাকা, যা প্রদত্ত ইডিওমের অর্থের সাথে কোনো মিল রাখে না। B) tolerate — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। C) keep trust — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ বিশ্বাস রক্ষা করা, যা ইডিওমটির সহ্য করার অর্থের বিপরীত। D) protect — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ রক্ষা করা বা পাহারা দেওয়া, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: 'Put up with' দেখলে মাথায় রাখবে এর অর্থ হলো সহ্য করা বা টলারেট করা।
a The test should be based on experience
b The test should be based on idea
c The test should be based on assumption
d The test should be based on calculation
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) The test should be based on experience কেন সঠিক: Empirically শব্দটির মূল অর্থ হলো বাস্তব অভিজ্ঞতা, পর্যবেক্ষণ এবং পরীক্ষালব্ধ প্রমাণের ওপর ভিত্তি করা। তাই এই জাতীয় দাবিগুলো যাচাই করতে হলে তাত্ত্বিক ধারণার বদলে বাস্তবভিত্তিক অভিজ্ঞতা বা পরীক্ষার সাহায্য নেওয়া উচিত। কারণ বৈজ্ঞানিক ও তাত্ত্বিক সত্যতা প্রমাণের জন্য বাস্তব অভিজ্ঞতা অত্যন্ত জরুরি। এই কারণে সঠিক উত্তর হিসেবে অভিজ্ঞতাভিত্তিক পরীক্ষাকে নির্দেশ করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The test should be based on experience — এটি সঠিক অপশন কারণ Empirically শব্দের অর্থ সরাসরি অভিজ্ঞতার সাথে সম্পর্কিত। B) The test should be based on idea — এটি ভুল কারণ আইডিয়া বা ধারণা সবসময় বাস্তব অভিজ্ঞতা বা প্রমাণের ওপর প্রতিষ্ঠিত নাও হতে পারে। C) The test should be based on assumption — এটি ভুল কারণ অনুমান হলো কাল্পনিক বা প্রমাণহীন বিষয়, যা empirically শব্দের বিপরীত। D) The test should be based on calculation — এটি ভুল কারণ গণনা শুধু সংখ্যাগত হিসাব বোঝায়, সব ধরনের বাস্তব অভিজ্ঞতা এর অন্তর্ভুক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: Empirical শব্দটিকে সরাসরি Experience বা বাস্তব অভিজ্ঞতার সাথে মিলিয়ে মনে রাখবে।
a The authorities criticised him
b The authorities took him to book
c The authorities took him to task
d The authorities gave reins to him
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) The authorities took him to task কেন সঠিক: বাক্যে 'তিরস্কার করা' বা বকাঝকা করা অর্থে 'take to task' একটি প্রচলিত ইংরেজি ইডিওম বা বাগধারা। এখানে কর্তপক্ষ তাকে তিরস্কার করেছে বোঝাতে সঠিক ক্রিয়ারূপ ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The authorities criticised him — 'criticise' মানে সমালোচনা করা, যা এখানে সরাসরি সঠিক ইডিওম নয়। B) The authorities took him to book — ইংরেজিতে 'take to task' সঠিক হলেও 'take to book' বলে কোনো সঠিক ফ্রেজ নেই। C) সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি এখানে প্রযোজ্য নয়। D) The authorities gave reins to him — 'give reins' অর্থ লাগাম ছেড়ে দেওয়া বা স্বাধীনতা দেওয়া, যা অর্থ সম্পূর্ণ বদলে দেয়। মনে রাখার টিপস: কাউকে তিরস্কার করা বা শাস্তি দেওয়ার ইংরেজি ইডিওম হলো take to task.
a count numbers
b consider
c think seriously
d assess
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) consider কেন সঠিক: take into account একটি ফ্রেজাল ইডিয়ম যার শাব্দিক অর্থ হলো কোনো কিছু গণনায় ধরা। এর মূল ভাবগত অর্থ হলো কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় কোনো বিষয় গভীরভাবে বিবেচনা করা। তাই এর সবচেয়েClosest বা সঠিক সমার্থক শব্দ হলো consider। এটি সাধারণত কোনো পরিস্থিতি বা তথ্য মনে রাখাকে বোঝায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) count numbers — এটি ফ্রেজটির আক্ষরিক অর্থ বোঝালেও সঠিক ভাবার্থ প্রকাশ করে না কারণ এটি সাধারণ গণনার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। B) consider — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) think seriously — এটি কিছুটা কাছাকাছি হলেও সরাসরি take into account এর সুনির্দিষ্ট প্রমিত সমার্থক শব্দ হিসেবে বিবেচিত হয় না। D) assess — এর অর্থ মূল্যায়ন করা যা ফ্রেজটির মূল ভাব বিবেচনা করার চেয়ে কিছুটা ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে হিসাব বা তথ্য মাথায় রাখাকেই take into account বা বিবেচনা করা বোঝায়।
a pomposity
b digression
c exaggeration
d anti-climax
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) digression কেন সঠিক: ১. মূল বিষয়বস্তু বা মূল বক্তব্য থেকে সরে যাওয়া বা অন্য প্রসঙ্গে চলে যাওয়াকে সাহিত্য বা বক্তৃতার ভাষায় digression বলা হয়। ২. কোনো লেখা বা বক্তৃতার মূল থিম বা সুর বজায় না রেখে অপ্রাসঙ্গিক কথা বলা এর প্রধান লক্ষণ। ৩. এটি মূল বক্তব্যকে ব্যাহত করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) pomposity — এর অর্থ আড়ম্বরপূর্ণ ভাব বা অহংকার প্রদর্শন, যা মূল থিম থেকে সরে যাওয়া বোঝায় না। B) digression — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) exaggeration — এর অর্থ অতিশয়োক্তি বা বাড়িয়ে বলা, যা থিম ভাঙার সাথে সম্পর্কিত নয়। D) anti-climax — এর অর্থ ক্রমান্বয়ে কম গুরুত্বপূর্ণ বা হাস্যকর সমাপ্তি, যা থিম থেকে চ্যুতির সমার্থক নয়। মনে রাখার টিপস: ডাইগ্রেশন মানে দিক পরিবর্তন, তাই মূল থিম থেকে দূরে সরে গেলেই তাকে digression বলবে।
a to receiving
b to receive
c in receiving
d for receiving
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) to receiving কেন সঠিক: বাক্যে look forward to একটি ফ্রেজাল ভার্ব হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। এর অর্থ আগ্রহের সাথে অপেক্ষা করা। এই নিয়মে 'to' একটি প্রিপোজিশন হিসেবে কাজ করে। প্রিপোজিশনের পর সবসময় মূল ভার্বের সাথে ing যুক্ত হয়। তাই এখানে receiving সঠিক রূপ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to receiving — এটি সঠিক অপশন এবং নিয়ম অনুযায়ী সব শর্ত পূরণ করে। B) to receive — 'to' এর পর ভার্বের বেইজ ফর্ম বসালে তা ইনফিনিটিভ হয়, যা এই নিয়মে ভুল। C) in receiving — 'look forward' এর সাথে 'in' প্রিপোজিশন ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। D) for receiving — এখানে 'for' প্রিপোজিশন ব্যবহার করা সম্পূর্ণ নিয়মবহির্ভূত ও ভুল। মনে রাখার টিপস: বাক্যে look forward to থাকলে সবসময় ভার্বের সাথে ing যোগ করতে হয়।
a achieve
b submit
c win
d conqur
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) submit কেন সঠিক: Succumb শব্দের অর্থ হলো আত্মসমর্পণ করা বা নতি স্বীকার করা। Submit শব্দের অর্থও একই রকম অর্থাৎ কারো কাছে মাথা নত করা বা বশ্যতা স্বীকার করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) achieve — এর অর্থ অর্জন করা বা সফল হওয়া, যা succumb শব্দের বিপরীত। B) submit — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না। C) win — এর অর্থ জয়লাভ করা, যা পরাজিত হওয়া বা নতি স্বীকার করার বিপরীত। D) conqur — এর সঠিক বানান conquer এবং এর অর্থ জয় করা, যা succumb এর সমার্থক নয়। মনে রাখার টিপস: Succumb শব্দটির ভেতর 'sub' অংশটি আছে, যার অর্থ নিচে। তাই কারো শক্তির নিচে বা চাপে পড়ে আত্মসমর্পণ করা বোঝাতে succumb ব্যবহার হয়।
a plural number of official
b language used in offices
c plural number of offices
d vague expressions
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) language used in offices কেন সঠিক: - officialese শব্দটির মূল অর্থ হলো সরকারি দপ্তরে ব্যবহৃত বিশেষ ভাষা বা ভঙ্গি। এটি সাধারণত অফিসিয়াল কাজে ব্যবহৃত জটিল ও কঠিন ভাষাকে বোঝায়। - affix বা suffix যুক্ত হয়ে শব্দের অর্থ পরিবর্তন হয়। - office শব্দের সাথে ese যুক্ত হয়ে বিশেষ ভাষা বোঝায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) plural number of official - এটি official শব্দের বহুবচন নয়। official শব্দটির বহুবচন হলো officials। B) language used in offices - এটি সঠিক উত্তর এবং এটি সরকারি বা দাপ্তরিক ভাষাকে বোঝায়। C) plural number of offices - এটি office শব্দের বহুবচন নয়। office শব্দের বহুবচন হলো offices। D) vague expressions - এটি officialese শব্দের কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করলেও সরাসরি দাপ্তরিক ভাষাকে নির্দেশ করে না। মনে রাখার টিপস: শব্দটির শেষে ese দেখলে ভাষা বা স্টাইল বোঝায় যেমন Chinese তেমনি officialese মানে অফিসের ভাষা।
a in
b over
c by
d on
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) over কেন সঠিক: টেলিফোন বা অন্য কোনো মাধ্যমের সাহায্যে যোগাযোগ করার ক্ষেত্রে সঠিক প্রিপজিশন হিসেবে over ব্যবহৃত হয়। এখানে নৌরিন নাসিরের সাথে ফোনেই আলোচনা করবে বোঝাতে over phone সঠিক হয়েছে। কোনো মাধ্যম বা ডিভাইসের সাহায্যে কথা বলা বোঝাতে over বসে। এটি যোগাযোগের মাধ্যম নির্দেশ করার একটি নির্দিষ্ট নিয়ম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) in — বাংলায় ভেতরে বা মধ্যে বোঝাতে ইন বসে, কিন্তু যোগাযোগের মাধ্যমের ক্ষেত্রে এটি বসে না। C) by — মাধ্যম বোঝাতে বাই বসে, তবে নির্দিষ্ট করে ফোনের ক্ষেত্রে অভার ব্যবহার করাই সঠিক নিয়ম। D) on — অন সাধারণত কোনো কিছুর ওপর বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে অর্থ অনুসারে পুরোপুরি বেমানান। মনে রাখার টিপস: টেলিফোন, মোবাইল বা ইন্টারনেটের মাধ্যমে কোনো আলোচনা বা যোগাযোগ করা বোঝালে সবসময় over প্রিপজিশন ব্যবহার করবে।
a The French people
b the French Language
c the French manners
d the French society
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) The French people কেন সঠিক: - ইংরেজি গ্রামারের নিয়ম অনুযায়ী নির্দিষ্ট কোনো জাতির নামের পূর্বে definite article 'The' বসালে তা পুরো জাতির সকল মানুষকে বোঝায়। - এখানে 'The French' বলতে ফ্রান্সের সমগ্র জনগণকে নির্দেশ করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The French people — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এই অপশনের সঙ্গেই মিলে যায় কারণ এটি ফরাসি জাতিকে নির্দেশ করে। B) the French Language — ভাষা বোঝাতে জাতির নামের পূর্বে 'The' বসলেও তা শুধু ভাষা নির্দেশ করে না, বরং এই প্রশ্নে এটি সঠিক নয়। C) the French manners — ফরাসিদের আচার-আচরণ বা শিষ্টাচার বোঝাতে এই অপশনটি ব্যবহার করা হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) the French society — ফরাসি সমাজ বোঝাতে এই অপশনটি ব্যবহৃত হয়, কিন্তু মূল প্রশ্নটি সরাসরি জনগোষ্ঠীকে নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: কোনো ভাষার নামের শেষে language না থাকলে বা জাতির নামের আগে the থাকলে সাধারণত সেই দেশের পুরো জাতিকে বোঝায়।
a recommendation
b was
c accepted by
d committee
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: A) recommendation কেন সঠিক: - One of the বাক्याংশের পর নাউন বা প্রোনাউন সবসময় প্লুরাল হয়। - তাই singular শব্দ recommendation এর পরিবর্তে recommendations হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) recommendation — এটি singular ফর্মে আছে যা নিয়মানুযায়ী plural হওয়া উচিত ছিল, তাই এটিই ভুল অংশ। B) was — Subject Singular (One) হওয়ায় Verb singular (was) সঠিক আছে। C) accepted by — বাক্যটি Passive Voice-এ থাকায় Verb-এর সঠিক রূপ ব্যবহৃত হয়েছে। D) committee — এটি Collective Noun এবং এখানে সঠিক ফর্মে ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: One of the এর পর নাউন সবসময় বহুবচন বা Plural হয় কিন্তু verb একবচন বা Singular হয়।
a person only
b number, person and gender
c number and person
d number only
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) number and person কেন সঠিক: - সাবজেক্ট ও ভার্বের মধ্যকার ব্যাকরণগত মিল বা এগ্রিমেন্ট মূলত দুটি বিষয়ের ওপর নির্ভর করে, যার একটি হলো বচন বা নাম্বার। - অন্য বিষয়টি হলো পুরুষ বা পারসন, যা নির্ধারণ করে সাবজেক্ট অনুযায়ী ভার্বের রূপ কেমন হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) person only — এটি ভুল কারণ জেন্ডার বা লিঙ্গ অনেক সময় ভার্বকে প্রভাবিত করে না এবং এতে নাম্বার বাদ পড়ে গেছে। B) number, person and gender — এটি ভুল কারণ ব্যাকরণে ইংরেজি ভার্বের রূপ পরিবর্তনে জেন্ডার বা লিঙ্গের কোনো সরাসরি ভূমিকা নেই। C) number and person — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, এটিই এগ্রিমেন্টের মূল ভিত্তি। D) number only — এটি ভুল কারণ শুধু নাম্বার দিয়ে সাবজেক্ট ভার্ব এগ্রিমেন্ট সম্পূর্ণ হয় না, এর সাথে পারসনও জরুরি। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি বাক্যে সাবজেক্ট অনুযায়ী ভার্ব বসাতে হলে সবসময় সাবজেক্টের নাম্বার ও পারসন হিসাব করতে হবে।
a their
b her
c his
d whose
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) his কেন সঠিক: - বাক্যের শুরুতে Each থাকায় সাবজেক্ট একক বা singular হিসেবে গণ্য হয়। - Singular subject-এর প্রোনাউন হিসেবে masculine gender-এ his ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) their — এটি plural প্রোনাউন, যা singular subject Each-এর সাথে বসে না। B) her — এটি feminine প্রোনাউন, কিন্তু সাধারণ নিয়মে এখানে masculine gender হিসেবে his বসে। C) his — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি singular এবং masculine উভয় নিয়ম মেনে চলে। D) whose — এটি relative pronoun বা possessive interrogative, যা শূন্যস্থানে possessive adjective-এর কাজ করতে পারে না। মনে রাখার টিপস: Each, Every বা Everyone থাকলে পরবর্তী প্রোনাউন সবসময় singular (যেমন: his বা her) হয়।
a humble
b law-abiding
c liberal
d submissive
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) liberal কেন সঠিক: Permissive শব্দের অর্থ এমন একজন ব্যক্তি যিনি অন্যদের মত, আচরণ বা স্বাধীনতা সহজে মেনে নেন। Liberal বা উদারপন্থী শব্দটির অর্থও এমন মুক্ত মানসিকতা বোঝায়। তাই অর্থের দিক থেকে এই দুটি শব্দ সমার্থক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) humble — Humble শব্দের অর্থ বিনীত বা নম্র, যা permissive বা উদার মানসিকতার সমার্থক নয়। B) law-abiding — Law-abiding শব্দের অর্থ আইনমান্যকারী, যা নিয়ম কঠোরভাবে মেনে চলার সাথে যুক্ত এবং permissive এর বিপরীত। C) liberal — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) submissive — Submissive শব্দের অর্থ বাধ্য বা অনুগত, যা অন্যের ওপর নির্ভরতা বোঝায় কিন্তু permissive এর মূল অর্থ নয়। মনে রাখার টিপস: Permissive শব্দটিকে অনুমতি দেওয়ার সাথে মিলিয়ে মনে রাখতে পারো, যে অন্যদের কাজ করার অনুমতি দেয় সে উদার বা liberal হয়।
a autocratic
b senior
c elderly
d potential
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) autocratic কেন সঠিক: Authoritarian শব্দের অর্থ হলো সৈরতান্ত্রিক বা একনায়কসুলভ। Autocratic শব্দের অর্থও একনায়কতান্ত্রিক বা নিজে সব ক্ষমতা কুক্ষিগত করে রাখা। উভয় শব্দই একই রকম অর্থ প্রকাশ করে। তাই এরা একে অপরের সমার্থক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) autocratic — এটি সঠিক উত্তর। B) senior — এর অর্থ জ্যেষ্ঠ বা বয়সে বড়, যা ক্ষমতার সাথে সম্পর্কিত নয়। C) elderly — এর অর্থ বয়োবৃদ্ধ বা প্রবীণ, যা authoritarian শব্দের সমার্থক নয়। D) potential — এর অর্থ সম্ভাবনাময়, যার সাথে একনায়কত্বের কোনো মিল নেই। মনে রাখার টিপস: Authoritarian এবং Autocratic শব্দ দুটি প্রায় একই রকম কঠোর শাসনব্যবস্থা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
a disappear
b die
c erase
d fall
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) die কেন সঠিক: - Pass away একটি বহুল ব্যবহৃত ইংরেজি ফ্রেজাল ভার্ব যার অর্থ হলো মারা যাওয়া বা জীবনাবসান ঘটা। মানুষের মৃত্যুর মতো সংবেদনশীল ও আনুষ্ঠানিক ক্ষেত্রে এই বিশেষ বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) disappear — এর অর্থ হারিয়ে যাওয়া বা অদৃশ্য হওয়া, যা কোনো মানুষের মৃত্যুর সমার্থক নয়। B) die — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ সরাসরি মারা যাওয়া। C) erase — এর অর্থ মুছে ফেলা, যা সাধারণত লেখা বা তথ্য মুছে ফেলার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। D) fall — এর অর্থ নিচে পড়ে যাওয়া, যা কোনোভাবেই মৃত্যুর সমার্থক বা বিকল্প হতে পারে না। মনে রাখার টিপস: Pass away ফ্রেজাল ভার্বটি দেখলে সবসময় মানুষের শান্তিতে মারা যাওয়া বা প্রয়াণ ঘটার কথা মনে রাখবে।
a fantasize
b attend
c remember
d request
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) remember কেন সঠিক: - "Call to mind" একটি ইংরেজি ইডিওম যার বাংলা অর্থ হলো কোনো কিছু স্মরণ করা বা মনে করার চেষ্টা করা। - অপশন সি এর 'remember' শব্দের অর্থও মনে রাখা বা স্মরণ করা, তাই এটি সঠিক উত্তর। - এই ইডিওমটি আমাদের অতীত স্মৃতির ভাণ্ডার থেকে কোনো তথ্য বা ঘটনা পুনরায় মস্তিষ্কে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়াকে নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) fantasize — এর অর্থ কল্পনা করা বা দিবাস্বप्ন দেখা, যা মূল ইডিওমের স্মরণের সাথে মেলে না। B) attend — এর অর্থ উপস্থিত থাকা বা মনোযোগ দেওয়া, যা স্মৃতিচারণের সাথে সম্পর্কহীন। C) remember — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন করে ভুল প্রমাণ করার কিছু নেই। D) request — এর অর্থ অনুরোধ করা, যা কাউকে কোনো কিছু মনে করিয়ে দেওয়ার অর্থের বাইরে সম্পূর্ণ আলাদা। মনে রাখার টিপস: মস্তিষ্কের 'mind' বা মনে কোনো কিছুকে আবার 'call' বা ডেকে আনা মানেই হলো তা 'remember' বা স্মরণ করা।
a on
b from
c under
d into
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) into কেন সঠিক: - sink into oblivion একটি স্ট্যান্ডার্ড ইংরেজি ইডিওম যার অর্থ সময়ের সাথে সাথে মানুষের স্মৃতি থেকে চিরতরে হারিয়ে যাওয়া বা মুছে যাওয়া। - এখানে অবস্থা পরিবর্তনের অর্থ প্রকাশ করতে into প্রিপজিশন ব্যবহার করা হয়। - তাই সঠিক উত্তর হিসেবে into বসবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) on — এটি সাধারণত কোনো কিছুর উপরে স্পর্শ করে থাকার অবস্থান বোঝাতে ব্যবহৃত হয় যা এখানে প্রযোজ্য নয়। B) from — এটি উৎস বা দূরত্ব বোঝাতে ব্যবহৃত হয় কিন্তু ইডিওমের নিয়মে এখানে এটি বসে না। C) under — এটি নিচে অবস্থান করা বোঝায় যা এই বাক্যের ভাবের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। D) into — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: স্মৃতি থেকে হারিয়ে যাওয়া বোঝাতে sink এর সাথে সব সময় into প্রিপজিশন ব্যবহার হয়।

মোট প্রশ্ন (15)

a ২৫
b ৩০
c ২৮
d ৩২
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩০ প্রদত্ত তথ্য: তিন সদস্যের বিতর্ক দলের সদস্য সংখ্যা = ৩ জন তাদের বয়সের গড় = ২৪ বছর ধরি, তিন সদস্যের মোট বয়স = ৩ × ২৪ = ৭২ বছর বাকি দুই সদস্যের সর্বনিম্ন বয়স = ২১ বছর এবং ২১ বছর অতএব, বাকি দুই সদস্যের সর্বনিম্ন মোট বয়স = ২১ + ২১ = ৪২ বছর কোনো একজনের সর্বোচ্চ বয়স বের করতে হলে বাকিদের বয়স সর্বনিম্ন ধরতে হবে সুতরাং সর্বোচ্চ বয়স = মোট বয়স − বাকি দুই সদস্যের সর্বনিম্ন বয়স উত্তর: ৭২ − ৪২ = ৩০ বছর
a ১০ সে:মি:
b ৮ সে:মি:
c ৪ সে:মি:
d ৬ সে:মি:
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১০ সে:মি: প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজটি একটি সমকোণী ত্রিভুজ লম্ব ভূমি অপেক্ষা দুই সেন্টিমিটার ছোট অতিভুজ ভূমি অপেক্ষা দুই সেন্টিমিটার বড় ধরি, ভূমির দৈর্ঘ্য = ক সে:মি: লম্বের দৈর্ঘ্য = ক − ২ সে:মি: অতিভুজের দৈর্ঘ্য = ক + ২ সে:মি: অতএব, পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুসারে লম্বের স্কয়ার + ভূমির স্কয়ার = অতিভুজের স্কয়ার (ক − ২) স্কয়ার + ক স্কয়ার = (ক + ২) স্কয়ার সুতরাং, হিসাব করে পাওয়া যায় ক এর মান = ৬ সে:মি: অতিভুজের দৈর্ঘ্য = ৬ + ২ সে:মি: = ১০ সে:মি: উত্তর: ১০ সে:মি:
a ২৬৪০ টি
b ১৩২০ টি
c ৩৬০০ টি
d ৫২৪০ টি
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২৬৪০ টি প্রদত্ত তথ্য: বাক্সের দৈর্ঘ্য = ৫৫ সে:মি:, প্রস্থ = ৪৮ সে:মি: এবং উচ্চতা = ৩০ সে:মি: সাবানের দৈর্ঘ্য = ৫ সে:মি:, প্রস্থ = ৪ সে:মি: এবং উচ্চতা = ১.৫ সে:মি: ধরি, বাক্সের আয়তন = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ × উচ্চতা সাবানের আয়তন = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ × উচ্চতা অতএব, বাক্সের আয়তন = ৫৫ × ৪৮ × ৩০ ঘন সে:মি: = ۷۹২০০ ঘন সে:মি: সাবানের আয়তন = ৫ × ৪ × ১.৫ ঘন সে:মি: = ৩০ ঘন সে:মি: সুতরাং, সাবানের সংখ্যা = বাক্সের আয়তন ÷ সাবানের আয়তন উত্তর: ۷۹২০০ ÷ ৩০ = ২৬৪০ টি
a {3, 18, 30}
b {3, 5, 15, 18, 20, 30}
c {5, 15, 20}
d কোনটিই নয়
0 118 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫, ১৫, ২০ প্রদত্ত তথ্য: সেট এ সমান প্রথম বন্ধনী শুরু পাঁচ, পনেরো, বিশ, ত্রিশ প্রথম বন্ধনী শেষ সেট বি সমান প্রথম বন্ধনী শুরু তিন, পাঁচ, পনেরো, আঠারো, বিশ প্রথম বন্ধনী শেষ ধরি, এ সেট এর উপাদানগুলো হলো পাঁচ, পনেরো, বিশ এবং ত্রিশ বি সেট এর উপাদানগুলো হলো তিন, পাঁচ, পনেরো, আঠারো এবং বিশ অতএব, ছেদ বা ইন্টারসেকশন মানে উভয় সেটের সাধারণ উপাদান নেওয়া এ সেটে আছে এমন এবং বি সেটে আছে এমন সংখ্যাগুলো তুলনা করি সাধারণ সংখ্যাগুলো হলো পাঁচ, পনেরো এবং বিশ সুতরাং, এ এবং বি এর ছেদ সেটটি হবে কমন উপাদানগুলোর একটি নতুন সেট উত্তর: সি ব্র্যাকেটে পাঁচ, পনেরো, বিশ
a ৩৪
b ৫৫
c ৪৮
d ৬৪
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫৫ প্রদত্ত তথ্য: ধারাটি হলো ১, ১, ২, ৩, ৫, ৮, ১৩, ২১, ... ধরি, এটি একটি বিখ্যাত ফিবোনাচ্চি ধারা এই ধারার নিয়ম হলো পূর্বের দুটি পদের যোগফল পরবর্তী পদ হয় অতএব, অষ্টম পদ = ২১ নবম পদ = ১৩ + ২১ = ৩৪ সুতরাং, দশম পদ = ২১ + ৩৪ = ৫৫ উত্তর: ৫৫
a ৫ দিন
b ২৫/৪৯
c ৪৯/২৫
d ৭ দিন
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৫ দিন প্রদত্ত তথ্য: ৫ জন শ্রমিক ৫ দিনে বুনতে পারে = ৫টি কাপড় ১ জন শ্রমিক ৫ দিনে বুনতে পারে = ৫ ÷ ৫ = ১টি কাপড় ধরি, ১ জন শ্রমিক ১ দিনে বুনতে পারে = ১ ÷ ৫ টি কাপড় ৭ জন শ্রমিক ১ দিনে বুনতে পারে = ৭ ÷ ৫ টি কাপড় অতএব, ৭ জন শ্রমিক ৭ দিনে বুনতে পারে = (৭ × ৭) ÷ ৫ টি কাপড় অর্থাৎ, ৭ জন শ্রমিক ৭ দিনে বুনতে পারে = ৪৯ ÷ ৫ টি কাপড় সুতরাং, ৭টি কাপড় বুনতে ৭ জন শ্রমিকের সময় লাগবে = ৫ দিন উত্তর: ৫ দিন
a (1,1)
b (1, 3)
c (-1,-1)
d (-3, 1)
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) (১,১) প্রদত্ত তথ্য: ক্রমজোড়ের সমতা অনুযায়ী প্রথম উপাদান প্রথম উপাদানের সমান হবে এবং দ্বিতীয় উপাদান দ্বিতীয় উপাদানের সমান হবে। ধরি, প্রথম সমীকরণ হলো x − y = ০ দ্বিতীয় সমীকরণ হলো x + ২y = ৩ অতএব, প্রথম সমীকরণ থেকে পাই x = y এই মান দ্বিতীয় সমীকরণে বসিয়ে পাই y + ২y = ৩ সুতরাং, যোগ করে পাই ৩y = ৩ অতএব y = ১ এবং x = ১ উত্তর: (১,১)
a ৬০ বর্গমিটার
b ৯৬ বর্গমিটার
c ৭২ বর্গমিটার
d ৬৪ বর্গমিটার
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৯৬ বর্গমিটার প্রদত্ত তথ্য: ঘরের পরিসীমা = ৪০ মিটার প্রস্থ দৈর্ঘ্যের দুই তৃতীয়াংশ ধরি, দৈর্ঘ্য = ক মিটার প্রস্থ = (২ × ক) ÷ ৩ মিটার অতএব, পরিসীমা = ২ × (দৈর্ঘ্য + প্রস্থ) ৪০ = ২ × (ক + (২ × ক) ÷ ৩) ক = ১২ মিটার সুতরাং, দৈর্ঘ্য = ১২ মিটার প্রস্থ = (২ × ১২) ÷ ৩ = ৮ মিটার উত্তর: ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ = ১২ × ৮ = ৯৬ বর্গমিটার
a ৭.৫ সে:মি:
b ৬.৫ সে:মি:
c ৬ সে:মি:
d ৭ সে:মি:
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬.৫ সে:মি: প্রদত্ত তথ্য: প্রথম ঘনকের বাহুর দৈর্ঘ্য = ৩ সে:মি: দ্বিতীয় ঘনকের বাহুর দৈর্ঘ্য = ৪ সে:মি: তৃতীয় ঘনকের বাহুর দৈর্ঘ্য = ৫ সে:মি: ধরি, প্রথম ঘনকের আয়তন = ৩ এর কিউব ঘন সে:মি: দ্বিতীয় ঘনকের আয়তন = ৪ এর কিউব ঘন সে:মি: তৃতীয় ঘনকের আয়তন = ৫ এর কিউব ঘন সে:মি: অতএব, প্রথম ঘনকের আয়তন = ২৭ ঘন সে:মি: দ্বিতীয় ঘনকের আয়তন = ৬৪ ঘন সে:মি: তৃতীয় ঘনকের আয়তন = ১২৫ ঘন সে:মি: সুতরাং, তিনটি ঘনকের মোট আয়তন = ২৭ + ৬৪ + ১২৫ = ২১৬ ঘন সে:মি: উত্তর: নতুন ঘনকের বাহুর দৈর্ঘ্য = ৬.৫ সে:মি:
a ১২
b ৪৮
c ৩৬
d ১৪৪
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৪৪ প্রদত্ত তথ্য: রাশিটি হলো বন্ধনীর ভেতরে তিন গুণ রুট তিন প্লাস তিন গুণ রুট চার এবং তার উপরে ঘাত ছয় ধরি, প্রথম অংশটি ক সমান তিন গুণ রুট তিন দ্বিতীয় অংশটি খ সমান তিন গুণ রুট চার অতএব, ক এর বর্গ সমান তিন গুণ তিন গুণ তিন সমান সাতাশ খ এর বর্গ সমান তিন গুণ তিন গুণ চার সমান ছত্রিশ ক এর বর্গ এবং খ এর বর্গের বিয়োগফল সমান সাতাশ বিয়োগ ছত্রিশ সমান মাইনাস এক সুতরাং, বন্ধনীটির ভেতরের রাশিটির বিপরীত রাশিটি নিয়ে হিসাব করলে পাই মাইনাস তিন গুণ রুট তিন প্লাস তিন গুণ রুট চার উত্তর: ১৪৪
a 8
b 3
c 5
d 4
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৪ প্রদত্ত তথ্য: (a ÷ b) এর পাওয়ার (x − ৩) (b ÷ a) এর পাওয়ার (x − ৫) ধরি, সমীকরণটি হলো (a ÷ b) এর পাওয়ার (x − ৩) সমান (b ÷ a) এর পাওয়ার (x − ৫) ডানপক্ষের ভিত্তি উল্টে দিলে পাওয়ারের চিহ্ন পরিবর্তিত হয় অতএব, (b ÷ a) সমান ১ ÷ (a ÷ b) তাই (b ÷ a) এর পাওয়ার (x − ৫) সমান (a ÷ b) এর পাওয়ার (−x + ৫) সুতরাং, (a ÷ b) এর পাওয়ার (x − ৩) সমান (a ÷ b) এর পাওয়ার (−x + ৫) উভয় পক্ষের ভিত্তি সমান হওয়ায় পাওয়ার দুটি সমান হবে উত্তর: x − ৩ সমান −x + ৫ বা ২x সমান ৮ সুতরাং x সমান ৪
a 16^x
b 4^4x
c 2^(2x+2)
d 2^8x
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২^(২x+২) প্রدত্ত তথ্য: রাশিটি হলো ৪^x + ৪^x + ৪^x + ৪^x ধরি, পদগুলোর যোগফল বের করতে হবে ৪^x হলো চারটি রাশির সমষ্টি অতএব, ৪ × (৪^x) এভাবে লেখা যায় ৪ কে লেখা যায় ২ এর ওপর ঘাত ২ ৪^x কে লেখা যায় (২^২)^x সুতরাং, ২^২ × ২^(২x) এভাবে সাজানো যায় সূচকের নিয়মে ভিত্তি এক হলে পাওয়ার যোগ হয় উত্তর: ২^(২x+২)
a √2
b 1/2*(√5-√3)
c (1/√5)+(1+√3)
d 2/(√5+√3)
0 104 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২/(√৫+√৩) প্রদত্ত তথ্য: মূল রাশিটি হলো (√৫−√৩) ধরি, লবের সাথে (√৫+√৩) গুণ করতে হবে অতএব, (√৫−√৩) × (√৫+√৩) ÷ (√৫+√৩) লেখা যায় সুতরাং, উপরে সূত্র প্রয়োগ করে ৫−৩ পাই উত্তর: ২/(√৫+√৩)
a 7/3
b 3
c 8/3
d 2
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো ৩৬ × ২ এর পাওয়ার (৩x − ৮) = ৩ এর স্কয়ার ধরি, ৩৬ হলো ৪ × ৯ অতএব, ৪ × ৯ × ২ এর পাওয়ার (৩x − ৮) = ৯ সুতরাং, উভয় পক্ষ থেকে ৯ বাদ দিলে পাই ৪ × ২ এর পাওয়ার (৩x − ৮) = ১ অতএব, ২ এর পাওয়ার (৩x − ৮) = ১ ÷ ৪ সুতরাং, ২ এর পাওয়ার (৩x − ৮) = ১ ÷ (২ এর স্কয়ার) অতএব, ২ এর পাওয়ার (৩x − ৮) = ২ এর পাওয়ার (−২) সুতরাং, ৩x − ৮ = −২ অতএব, ৩x = ৮ − ২ সুতরাং, ৩x = ৬ উত্তর: x = ২
a (x^2-y^2)/xy
b (2x^2-y^2)/xy
c (x^2-2y^2)/xy
d (y^2-x^2-)/xy
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) (y^2−x^2)/xy প্রদত্ত তথ্য: ভগ্নাংশ দুটি হলো x ÷ y এবং y ÷ x ধরি, নির্ণেয় সংখ্যাটি ক অতএব, (x ÷ y) + ক = y ÷ x সুতরাং, ক = (y ÷ x) − (x ÷ y) উত্তর: (y^2−x^2)/xy

মোট প্রশ্ন (22)

a মেঃ জেঃ জিয়াউর রহমান
b মেঃ জেঃ সফিউল্লা
c লেঃ জেঃ এইচঃ এমঃ এরশাদ
d জেনারেল আতাউল গণি ওসমানী
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জেনারেল আতাউল গণি ওসমানী কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় গঠিত বাংলাদেশ ফোর্সেস এর প্রথম প্রধান সেনাপতি ছিলেন জেনারেল আতাউল গণি ওসমানী। - ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল গঠিত প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের অধীনে তিনি এই গুরুদায়িত্ব পালন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মেঃ জেঃ জিয়াউর রহমান — তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার এবং জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন, প্রথম প্রধান সেনাপতি ছিলেন না। B) মেঃ জেঃ সফিউল্লা — তিনি পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান হয়েছিলেন, মুক্তিযুদ্ধের প্রথম প্রধান সেনাপতি ছিলেন না। C) লেঃ জেঃ এইচঃ এমঃ এরশাদ — তিনি বাংলাদেশের সাবেক সেনাপ্রধান ও রাষ্ট্রপতি ছিলেন, যা মুক্তিযুদ্ধের সময়ের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) জেনারেল আতাউল গণি ওসমানী — এটি সঠিক উত্তর, কারণ তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশ ফোর্সেস এর প্রধান সেনাপতি ছিলেন। মনে রাখার টিপস: মুক্তিযুদ্ধের সময় সমগ্র দেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয় এবং এই পুরো বাহিনীর প্রধান সেনাপতি ছিলেন জেনারেল আতাউল গণি ওসমানী।
a যুক্তরাজ্যে
b যুক্তরাষ্ট্র
c ফ্রান্স
d জার্মানি
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) যুক্তরাজ্যে কেন সঠিক: - গ্রিনিচ মানমন্দির যুক্তরাজ্যের লন্ডনের গ্রিনিচ নামক এলাকায় অবস্থিত। - আন্তর্জাতিক প্রমাণ সময় বা জিএমটি হিসাব করার জন্য এই মানমন্দিরকে মূল মধ্যরেখা হিসেবে ধরা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যুক্তরাজ্যে — এটি সঠিক উত্তর কারণ মানমন্দিরটি লন্ডনের গ্রিনিচে অবস্থিত। B) যুক্তরাষ্ট্র — এটি উত্তর আমেরিকার একটি দেশ এবং এই মানের কোনো ঐতিহাসিক মানমন্দির এখানে নেই। C) ফ্রান্স — এটি ইউরোপের একটি দেশ, যার রাজধানী প্যারিস এবং এর সাথে এই মানমন্দিরের সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই। D) জার্মানি — এটি ইউরোপের আরেকটি রাষ্ট্র এবং এর অবস্থান গ্রিনিচ মানরেখার পূর্বে হলেও মূল মানমন্দির এখানে নয়। মনে রাখার টিপস: গ্রিনিচ নামটি শুনলেই যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডন শহরের কথা মনে রাখবে।
a ১৯৫৬
b ১৯৬১
c ১৯৬৪
d ১৯৬৯
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯৬১ কেন সঠিক: - সোভিয়েত ইউনিয়নের মহাকাশচারী ইউরি গ্যাগারিন প্রথম মানুষ হিসেবে মহাশূন্যে গমন করেন। - তিনি ১৯৬১ সালের ১২ই এপ্রিল ভস্টক ১ নামক মহাকাশযানে চড়ে সফলভাবে পৃথিবী প্রদক্ষিণ করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৫৬ — এই সালে মহাকাশ যাত্রার কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটেনি এবং এটি ইউরি গ্যাগারিনের মহাকাশ ভ্রমণের সাল নয়। B) ১৯৬১ — এটি সঠিক সাল, এই বছরেই ইউরি গ্যাগারিন মহাশূন্যে প্রথম সফল ভ্রমণ করেন। C) ১৯৬৪ — এই সালে ইউরি গ্যাগারিনের মহাকাশ ভ্রমণের ঘটনা ঘটেনি, এটি একটি ভুল সাল। D) ১৯৬৯ — এই সালে মার্কিন মহাকাশচারী নীল আর্মস্ট্রং চাঁদে পদার্পণ করেছিলেন, যা গ্যাগারিনের মহাকাশ যাত্রার পরের ঘটনা। মনে রাখার টিপস: ইউরি গ্যাগারিন ষাটের দশকের শুরুতে অর্থাৎ ১৯৬১ সালে মহাশূন্যে পাড়ি জমান।
a ১১
b ২১
c ৯
d ১৫
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১১ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারক সংখ্যা প্রধান বিচারপতিসহ মোট ১১ জন নির্ধারিত রয়েছে। - রাষ্ট্রপতির আদেশে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে এই নির্দিষ্ট সংখ্যক বিচারক নিয়োগ দেওয়া হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১১ — এটি সঠিক উত্তর কারণ বর্তমান আইন অনুযায়ী আপিল বিভাগের অনুমোদিত বিচারক সংখ্যা ১১ জন। B) ২১ — এটি ভুল কারণ এই সংখ্যাটি আপিল বিভাগের বিচারক পদের সঙ্গে মিলে না। C) ৯ — এটি ভুল কারণ আপিল বিভাগে বিচারকের সংখ্যা ৯ জনের বেশি। D) ১৫ — এটি ভুল কারণ এই সংখ্যাটি আপিল বিভাগের বর্তমান নির্ধারিত বিচারক পদের সংখ্যা নয়। মনে রাখার টিপস: আপিল বিভাগ ও আপিল শব্দের আদ্যক্ষর আ দিয়ে শুরু হয়, আর আপিল বিভাগের বিচারক সংখ্যা ১১ জন।
a ওরা এগার জন
b গেরিলা
c আবার তোরা মানুষ হ
d স্টপ জেনোসাইড
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গেরিলা কেন সঠিক: - গেরিলা চলচ্চিত্রটি বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধভিত্তিক একটি জনপ্রিয় ও প্রশংসিত চলচ্চিত্র। - এটি কলকাতার চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত এবং পুরস্কৃত হয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস তুলে ধরেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ওরা এগার জন — এটি বাংলাদেশের প্রথম মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র হলেও প্রশ্নে উল্লেখিত কলকাতার চলচ্চিত্র উৎসবের পুরস্কারের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) গেরিলা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ভুল ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়। C) আবার তোরা মানুষ হ — এটি যুদ্ধোত্তর বাংলাদেশের যুবসমাজ ও সামাজিক পরিস্থিতি নিয়ে নির্মিত চলচ্চিত্র, বর্তমান প্রশ্নের সঙ্গে মেলে না। D) স্টপ জেনোসাইড — এটি জহির রায়হান নির্মিত একটি বিখ্যাত প্রামাণ্যচিত্র, পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র বা এই উৎসবের পুরস্কারপ্রাপ্ত নির্দিষ্ট ছবি নয়। মনে রাখার টিপস: মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নির্মিত যে ছবিটি কলকাতার উৎসবে পুরস্কৃত হয়েছিল, তার নাম গেরিলা।
a ঢাকা
b ময়মনসিংহ
c চট্টগ্রাম
d নড়াইল
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ময়মনসিংহ কেন সঠিক: - শিল্পী জয়নুল আবেদীনের শিল্পকর্ম সংরক্ষণের জন্য ১৯৭৫ সালে ময়মনসিংহ শহরের ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে এই সংগ্রহশালা প্রতিষ্ঠিত হয়। - এখানে শিল্পীর বহু দুর্লভ চিত্রকর্ম এবং ব্যবহার্য ব্যক্তিগত সামগ্রী সংরক্ষিত আছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঢাকা — ঢাকাতে বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর ও চারুকলা ইনস্টিটিউট থাকলেও শিল্পীর নামে নির্দিষ্ট এই সংগ্রহশালাটি এখানে অবস্থিত নয়। B) ময়মনসিংহ — এটি সঠিক উত্তর কারণ জয়নুল আবেদীন সংগ্রহশালাটি ময়মনসিংহেই অবস্থিত। C) চট্টগ্রাম — চট্টগ্রামে জয়নুল আবেদীনের জন্মস্থান হলেও তাঁর নামে প্রতিষ্ঠিত মূল সংগ্রহশালাটি এই শহরে নেই। D) নড়াইল — নড়াইলে শিল্পীর কোনো সংগ্রহশালা নেই, এটি মূলত এস এম সুলতানের জন্মস্থান ও তাঁর সংগ্রহশালার জন্য পরিচিত। মনে রাখার টিপস: শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীনের জন্ম কিশোরগঞ্জে হলেও তাঁর স্মৃতিবিজড়িত সংগ্রহশালাটি ময়মনসিংহে ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে অবস্থিত।
a লন্ডন
b ব্রাজিল
c জার্মানি
d আর্জেন্টিনা
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ব্রাজিল কেন সঠিক: - ২০১৪ সালের ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবল দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ব্রাজিলে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। - এই টুর্নামেন্টে জার্মানি চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল এবং ফাইনালে আর্জেন্টিনা রানার্সআপ হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লন্ডন — লন্ডন হলো যুক্তরাজ্যের রাজধানী, যা ২০১৪ সালের বিশ্বকাপ ফুটবলের আয়োজক দেশ বা শহর ছিল না। B) ব্রাজিল — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ টুর্নামেন্টটি এখানেই সফলভাবে আয়োজিত হয়েছিল। C) জার্মানি — জার্মানি ২০১৪ সালের বিশ্বকাপ জিতেছিল ঠিকই, তবে এই টুর্নামেন্টের আয়োজক দেশ ছিল না। D) আর্জেন্টিনা — আর্জেন্টিনা ২০১৪ সালের বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলেছিল, কিন্তু তারা এই প্রতিযোগিতার আয়োজক দেশ ছিল না। মনে রাখার টিপস: ব্রাজিলের বিখ্যাত মারাকানা স্টেডিয়ামে ২০১৪ সালের বিশ্বকাপ ফাইনাল অনুষ্ঠিত হয়েছিল, তাই আয়োজক দেশ হিসেবে ব্রাজিল মনে রাখা সহজ।
a কাসপিয়ান
b বৈকাল
c মানস সরোবর
d ডেড সী
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বৈকাল কেন সঠিক: - এটি রাশিয়ার সাইবেরিয়ায় অবস্থিত বিশ্বের সবচেয়ে গভীরতম হ্রদ। - এর সর্বোচ্চ গভীরতা প্রায় ১,৬৪২ মিটার এবং এটি বিশ্বের বৃহত্তম স্বাদু পানির ভাণ্ডার। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাসপিয়ান — এটি বিশ্বের বৃহত্তম হ্রদ বা লবনাক্ত সাগর, তবে গভীরতম হ্রদ নয়। B) বৈকাল — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং বিশ্বের গভীরতম হ্রদ। C) মানস সরোবর — এটি তিব্বতে অবস্থিত একটি পবিত্র হ্রদ, যা গভীরতার দিক থেকে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় নয়। D) ডেড সী — এটি মৃত সাগর নামে পরিচিত এবং বিশ্বের সবচেয়ে নিচু ভূমি, তবে গভীরতম হ্রদ নয়। মনে রাখার টিপস: বাইরে বৈকাল, গভীরে বিশাল।
a ভারত মহাসাগর
b আটলান্টিক মহাসাগর
c প্রশান্ত মহাসাগর
d উত্তর মহাসাগর
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্রশান্ত মহাসাগর কেন সঠিক: - পৃথিবীর গভীরতম স্থান মারিয়ানা ট্রেঞ্চ বা মারিয়ানা খাত প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত। - মারিয়ানা ট্রেঞ্চের মধ্যে থাকা চ্যালেঞ্জার ডিপ পৃথিবীর গভীরতম বিন্দু, যার গভীরতা প্রায় ১১ হাজার মিটার। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারত মহাসাগর — এটি পৃথিবীর তৃতীয় বৃহত্তম মহাসাগর এবং এর গভীরতম স্থান জাভা ট্রাঞ্চ, যা মারিয়ানা ট্রেঞ্চের চেয়ে কম গভীর। B) আটলান্টিক মহাসাগর — এটি পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাসাগর এবং এর গভীরতম স্থান পুয়ের্তো রিকো ট্রাঞ্চ। C) প্রশান্ত মহাসাগর — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। D) উত্তর মহাসাগর — এটি বিশ্বের সবচেয়ে ছোট ও কম গভীর মহাসাগর এবং এর গভীরতম স্থান মুল্লয়েড ডিপ। মনে রাখার টিপস: প্রশান্ত মহাসাগর নামের সাথে মিল রেখে মনে রাখবে যে পৃথিবীর সবচেয়ে গভীর ও শান্ত জায়গাও এখানেই অবস্থিত।
a নিউইয়র্ক
b লন্ডন
c দাম্মাম
d জেদ্দা
0 105 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দাম্মাম কেন সঠিক: - সৌদি আরবের দাম্মামে অবস্থিত কিং ফাহদ ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট আয়তনের দিক থেকে পৃথিবীর বৃহত্তম বিমান বন্দর। - এই বিমান বন্দরের মোট আয়তন প্রায় আটষট্টি হাজার হেক্টর, যা এটিকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় বিমান বন্দরে পরিণত করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিউইয়র্ক — এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রধান শহর এবং জনবহুল মহানগরী, যেখানে বিশ্বের বৃহত্তম বিমান বন্দর অবস্থিত নয়। B) লন্ডন — এটি যুক্তরাজ্যের রাজধানী এবং এখানে বিশ্বের ব্যস্ততম কিছু বিমান বন্দর রয়েছে, কিন্তু এটি বিশ্বের বৃহত্তম বিমান বন্দর নয়। C) দাম্মাম — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং সৌদি আরবের কিং ফাহদ ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট এখানেই অবস্থিত। D) জেদ্দা — এটি সৌদি আরবের একটি গুরুত্বপূর্ণ বন্দর নগরী এবং এখানে কিং আব্দুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর আছে, যা বৃহত্তম নয়। মনে রাখার টিপস: বৃহত্তম বিমান বন্দরের জন্য মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরবের দাম্মাম শহরটি মনে রাখুন।
a ঢাকা উত্তর
b ঢাকা দক্ষিণ
c ঢাকা
d শেরে বাংলা নগর
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ঢাকা কেন সঠিক: - ঢাকা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাজধানী এবং দেশের বৃহত্তম ও প্রধান শহর। - প্রশাসনিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকভাবে সমগ্র দেশের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে ঢাকা রাজধানী হিসেবে স্বীকৃত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঢাকা উত্তর — এটি ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের এলাকা, সমগ্র দেশের রাজধানী নয়। B) ঢাকা দক্ষিণ — এটি ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের এলাকা, সমগ্র দেশের রাজধানী নয়। C) ঢাকা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো অতিরিক্ত কারণ প্রযোজ্য নয়। D) শেরে বাংলা নগর — এটি ঢাকার একটি এলাকা যেখানে জাতীয় সংসদ ভবন অবস্থিত, কিন্তু পুরো দেশের রাজধানী নয়। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের রাজধানী হিসেবে শুধু 'ঢাকা' নামটি মনে রাখতে হবে, এর কোনো অংশ বা নির্দিষ্ট এলাকাই পুরো দেশের রাজধানী নয়।
a ১৭
b ১৫
c ২০
d ১৯
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৫ কেন সঠিক: - বাংলাদেশের সংবিধানে এ পর্যন্ত মোট পনেরোটি সংশোধনী আনা হয়েছে। - সর্বশেষ পঞ্চদশ সংশোধনী পাস হয় ২০১১ সালে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৭ — ১৭টি সংশোধনী বাংলাদেশের সংবিধানে এখনো হয়নি। B) ১৫ — এটি সঠিক উত্তর। C) ২০ — এটি একটি অতিরিক্ত সংখ্যা যা সঠিক নয়। D) ১৯ — এটিও সঠিক নয় কারণ সংশোধনী সংখ্যাটি পনেরো। মনে রাখার টিপস: সংবিধানের সংশোধনী সংখ্যা মনে রাখতে সংখ্যাটি পনেরো মনে রাখুন।
a ৬
b ৭
c ৮
d ৯
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৮ কেন সঠিক: - সার্ক বা দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা গঠিত হওয়ার পর ২০০৭ সালে আফগানিস্তান এর অষ্টম সদস্য হিসেবে যোগ দেয়। - বর্তমানে এই সংস্থার মোট সদস্য দেশের সংখ্যা আটটি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৬ — সার্কের সদস্য সংখ্যা কখনো ছয়টি ছিল না, প্রতিষ্ঠার সময় থেকেই এর সদস্য সংখ্যা বেশি ছিল। B) ৭ — ১৯৮৫ সালে সার্ক প্রতিষ্ঠার সময় এর সদস্য দেশ ছিল সাতটি, যা আফগানিস্তান যোগদানের পর আটটিতে উন্নীত হয়। সি) ৮ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বর্তমানে সার্কের সদস্য সংখ্যা আটটি। D) ৯ — সার্কের সদস্য সংখ্যা কখনোই নয়টি ছিল না। মনে রাখার টিপস: সার্কের সদস্য মনে রাখার জন্য এমবিবিএস পিন (MBBS PIN) মনে রাখতে পারো, যেখানে আটটি দেশের নামের প্রথম অক্ষর রয়েছে।
a ডলার
b পাউন্ড
c টাকা
d রুপী
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রুপী কেন সঠিক: - শ্রীলংকার সরকারি মুদ্রার নাম শ্রীলংকান রুপী। - দেশটির অর্থনীতি ও লেনদেনে এই মুদ্রা ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডলার — যুক্তরাষ্ট্রসহ কয়েকটি দেশের মুদ্রা, শ্রীলংকার মুদ্রা নয়। B) পাউন্ড — যুক্তরাজ্য ও কিছু দেশের মুদ্রা, শ্রীলংকার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। C) টাকা — বাংলাদেশ ও পোল্যান্ডের মুদ্রার নাম, শ্রীলংকার মুদ্রা নয়। D) রুপী — শ্রীলংকার সরকারি মুদ্রা হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: ভারত ও শ্রীলংকা উভয় দেশের মুদ্রার নাম রুপী।
a ১৬ই ডিসেম্বর
b ৭ই মার্চ
c ২৬শে মার্চ
d ১৭ই এপ্রিল
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৬শে মার্চ কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের এই দিনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন এবং মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়। - ২৬শে মার্চ দিনটি রাষ্ট্রীয়ভাবে বাংলাদেশের জাতীয় দিবস হিসেবে পালিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৬ই ডিসেম্বর — এটি বাংলাদেশের বিজয় দিবস, জাতীয় দিবস নয়। B) ৭ই মার্চ — এটি ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ দিবস, জাতীয় দিবস নয়। D) ১৭ই এপ্রিল — এটি ঐতিহাসিক মুজিবনগর সরকার গঠনের দিন বা ঐতিহাসিক প্রবাসী বাংলাদেশ সরকার দিবস। মনে রাখার টিপস: স্বাধীনতা অর্জিত হয় ২৬ মার্চ, তাই ২৬শে মার্চ হলো বাংলাদেশের জাতীয় দিবস।
a বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম
b শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়াম
c বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়াম
d রাজশাহী স্টেডিয়াম
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়াম কেন সঠিক: - ২০১২ সালের এশিয়া কাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হয়েছিল এবং এর সবকটি ম্যাচ ঢাকার শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে খেলা হয়েছিল। - এই টুর্নামেন্টের ফাইনালে পাকিস্তান দলকে পরাজিত করে বাংলাদেশ রানার্সআপ হওয়ার গৌরব অর্জন করেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম — এটি ঢাকার একটি ঐতিহাসিক ভেন্যু হলেও ২০১২ সালের এশিয়া কাপের ম্যাচ এখানে অনুষ্ঠিত হয়নি। B) শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়াম — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই ভেন্যুতেই ২০১২ সালের এশিয়া কাপের ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হয়েছিল। C) বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়াম — এটি মূলত বিভিন্ন করপোরেট ও স্থানীয় টুর্নামেন্টের জন্য ব্যবহৃত হয়, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট এখানে হয় না। D) রাজশাহী স্টেডিয়াম — এটি বিভাগীয় পর্যায়ের একটি স্টেডিয়াম, যেখানে আন্তর্জাতিক এশিয়া কাপের কোনো ম্যাচ আয়োজন করা হয়নি। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনাল ম্যাচগুলো সাধারণত ঢাকার শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামেই অনুষ্ঠিত হয়।
a টি এস সি মোড়
b ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
c রেসকোর্স ময়দান
d রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন সঠিক: - সাবাস বাংলাদেশ ভাস্কর্যটি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থিত এবং এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের স্মারক। - বিখ্যাত ভাস্কর নিতুন কুণ্ডু এই ভাস্কর্যটির নকশা ও নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) টি এস সি মোড় — এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় অবস্থিত হলেও এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয়। B) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় — এটি দেশের প্রাচীনতম বিশ্ববিদ্যালয় হলেও এখানে এই ভাস্কর্যটি অবস্থিত নয়। C) রেসকোর্স ময়দান — বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ঐতিহাসিক স্থান হলেও এখানে এই ভাস্কর্যটি নেই। D) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ ভাস্কর্যটি এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণেই নির্মিত। মনে রাখার টিপস: সাবাস বাংলাদেশ ভাস্কর্যটি রাবি ক্যাম্পাসে অবস্থিত এবং এর নির্মাতা নিতুন কুণ্ডু।
a গাজীপুর
b মধুপুর
c রাজবাড়ী
d কুমিল্লার ময়নামতি পাহাড়ের পাশে
0 105 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কুমিল্লার ময়নামতি পাহাড়ের পাশে কেন সঠিক: - শালবন বিহার বাংলাদেশের একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার এবং ঐতিহাসিক স্থান, যা কুমিল্লার লালমাই ময়নামতি পাহাড়ের অবশিষ্টাংশে অবস্থিত। - অষ্টম শতাব্দীতে দেববংশের রাজা শ্রীভবদেব এই বিহারটি নির্মাণ করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গাজীপুর — এটি ঢাকা বিভাগের একটি জেলা, যেখানে শালবন বিহার অবস্থিত নয়। B) মধুপুর — এটি টাঙ্গাইল জেলায় অবস্থিত একটি গড়ের নাম, যেখানে শালবন বিহার নেই। C) রাজবাড়ী — এটি পদ্মা নদীর তীরবর্তী একটি জেলা, যা প্রাচীন বৌদ্ধ সভ্যতার এই নিদর্শনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) কুমিল্লার ময়নামতি পাহাড়ের পাশে — এটি শালবন বিহারের সঠিক ভৌগোলিক অবস্থান। মনে রাখার টিপস: কুমিল্লার ক দিয়ে শুরু ময়নামতি পাহাড় আর শালবন বিহার একই এলাকায় অবস্থিত।
a প্রবাসী শ্রমিক
b পাট
c রেডিমেড গার্মেন্টস
d চামড়া
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রেডিমেড গার্মেন্টস কেন সঠিক: - বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ের সিংহভাগ আসে তৈরি পোশাক বা রেডিমেড গার্মেন্টস খাত থেকে। - আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশি পোশাকের উচ্চ চাহিদা এবং নারী শ্রমিকের অবদানের কারণে এই খাত সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রবাসী শ্রমিক — এরা দেশের অর্থনীতিতে রেমিট্যান্সের মাধ্যমে বড় ভূমিকা রাখলেও একক খাত হিসেবে সর্বোচ্চ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে পোশাক খাতের পরেই অবস্থান করে। B) পাট — একসময় বাংলাদেশের প্রধান পাট রপ্তানিকারক দেশ হলেও বর্তমানে পাট ও পাটজাত পণ্যের আয় পোশাক খাতের তুলনায় অনেক কম। D) চামড়া — চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হলেও তা মোট রপ্তানি আয়ে পোশাক খাতের কাছাকাছিও নয়। মনে রাখার টিপস: পোশাক হলো বাংলাদেশের অর্থনীতির পোশাক পরিহিত মুকুট, যা রপ্তানি আয়ে সবার শীর্ষে অবস্থান করে।
a ভোলা
b নোয়াখালী
c চট্টগ্রাম
d কক্সবাজার
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কক্সবাজার কেন সঠিক: - সেন্টমার্টিন বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ, যা কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলার অন্তর্গত বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্বাংশে অবস্থিত। - ভৌগোলিক ও প্রশাসনিকভাবে এটি টেকনাফ উপজেলার মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন একটি দ্বীপ হলেও কক্সবাজার জেলার আওতাধীন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভোলা — ভোলা বাংলাদেশের একটি দ্বীপ জেলা এবং এটি বৃহত্তর বরিশালের অন্তর্ভুক্ত, সেন্টমার্টিনের সাথে এর কোনো ভৌগোলিক সংযোগ নেই। B) নোয়াখালী — নোয়াখালী উপকূলীয় জেলা হলেও সেন্টমার্টিন দ্বীপটি এই প্রশাসনিক সীমানার অনেক দূরে অবস্থিত। সি) চট্টগ্রাম — সেন্টমার্টিন ভৌগোলিকভাবে চট্টগ্রাম বিভাগের আওতাধীন হলেও এটি সরাসরি চট্টগ্রাম জেলার অংশ নয়, বরং কক্সবাজার জেলার অন্তর্গত। D) কক্সবাজার — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ দ্বীপটি প্রশাসনিকভাবে কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলার অধীন। মনে রাখার টিপস: টেকনাফের পর প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন, যা কক্সবাজার জেলার দক্ষিণ প্রান্তের শেষ ভূখণ্ড।
a যশর
b কুষ্টিয়া
c মেহেরপুর
d চুয়াডাঙ্গা
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মেহেরপুর কেন সঠিক: - মুজিবনগর বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকারের রাজধানী, যা তৎকালীন কুষ্টিয়া জেলার বর্তমান মেহেরপুর মহকুমার বৈদ্যনাথতলায় অবস্থিত ছিল। - ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল এখানে বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার শপথ গ্রহণ করেছিল এবং স্থানটির নাম মুজিবনগর রাখা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যশোর — এটি বৃহত্তর যশোর জেলার অন্তর্ভুক্ত ছিল কিন্তু মুজিবনগর এখানে অবস্থিত নয়। B) কুষ্টিয়া — ১৯৭১ সালে মুজিবনগর কুষ্টিয়া জেলার অংশ থাকলেও বর্তমান ভৌগোলিক অবস্থান মেহেরপুর জেলায়। C) মেহেরপুর — এটি সঠিক উত্তর কারণ মুজিবনগর বর্তমান মেহেরপুর জেলার ভবরপাড়া বা বৈদ্যনাথতলায় অবস্থিত। D) চুয়াডাঙ্গা — এটি একটি সীমান্তবর্তী জেলা হলেও মুজিবনগর এখানে অবস্থিত নয়। মনে রাখার টিপস: মুজিবনগর সরকারের শপথ গ্রহণের স্থান মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলা, যা একাত্তরে কুষ্টিয়ার অংশ ছিল।
a নিঝুম দ্বীপ
b সন্দ্বীপ
c দক্ষিণ তালপট্টি
d কুতুবদিয়া
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দক্ষিণ তালপট্টি কেন সঠিক: - পূর্বাশা দ্বীপ বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণে হাড়িয়াভাঙ্গা নদীর মোহনায় বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত একটি পলিদ্বীপ। - আন্তর্জাতিকভাবে ও ভৌগোলিক পরিচিতিতে এই দ্বীপটি দক্ষিণ তালপট্টি নামেই সর্বাধিক পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিঝুম দ্বীপ — এটি নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার একটি পৃথক পলিদ্বীপ, যা পূর্বাশা দ্বীপ নয়। B) সন্দ্বীপ — এটি চট্টগ্রামের একটি প্রাচীন ও বৃহৎ দ্বীপ, যা বঙ্গোপসাগরের সন্দ্বীপ চ্যানেলে অবস্থিত। C) দক্ষিণ তালপট্টি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) কুতুবদিয়া — এটি কক্সবাজার জেলার অন্তর্গত একটি ঐতিহাসিক দ্বীপ উপজেলা। মনে রাখার টিপস: পূর্ব আকাশে সূর্য ওঠে আর দক্ষিণ দিকে থাকে তালগাছ, তাই পূর্বাশা দ্বীপের অপর নাম দক্ষিণ তালপট্টি।

মোট প্রশ্ন (18)

a পারদ
b লিথিয়াম
c জারমেনিউম
d ইউরেনিয়াম
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পারদ ১. কেন সঠিক: - পারদ একটি ধাতু হওয়া সত্ত্বেও ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় তরল অবস্থায় থাকে। - এর কারণ ধাতুগুলোর মধ্যে পারদের পরমাণুগুলোর মধ্যকার আকর্ষণ বল বা ধাতব বন্ধন অপেক্ষাকৃত দুর্বল হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: সাধারণত প্রায় সব ধাতু কঠিন হয় কারণ তাদের পরমাণুগুলো শক্ত ধাতব বন্ধন দ্বারা পরস্পরের সঙ্গে আবদ্ধ থাকে। - রাসায়নিক বৈশিষ্ট্য: পারদের পারমাণবিক সংখ্যা আশি এবং এর ইলেকট্রন বিন্যাসের কারণে পারমাণবিক কণাগুলো সহজে একে অপরের সঙ্গে শক্তভাবে আটকে থাকে না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: থার্মোমিটার ব্যাখ্যা: জ্বর মাপার সাধারণ থার্মোমিটারে পারদ ব্যবহার করা হয় কারণ এটি তাপমাত্রার সামান্য পরিবর্তনে দ্রুত প্রসারিত হয়। উদাহরণ ২: রক্তচাপ মাপার যন্ত্র ব্যাখ্যা: স্ফিগমোনোমিটার বা রক্তচাপ মাপার যন্ত্রে পারদের স্তম্ভ ব্যবহার করে মানুষের রক্তচাপ নিখুঁতভাবে মাপা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পারদ — এটি সঠিক কারণ একমাত্র পারদই স্বাভাবিক তাপমাত্রায় তরল ধাতু হিসেবে প্রকৃতিতে পাওয়া যায়। B) লিথিয়াম — এটি একটি হালকা ধাতু যা স্বাভাবিক তাপমাত্রায় কঠিন অবস্থায় থাকে এবং এটি এত নরম যে চাকু দিয়ে কাটা যায়। C) জারমেনিউম — এটি একটি অর্ধপরিবাহী বা অপধাতু, যা স্বাভাবিক তাপমাত্রায় কঠিন অবস্থায় থাকে এবং ইলেকট্রনিক্সে ব্যবহৃত হয়। D) ইউরেনিয়াম — এটি একটি ভারী তেজস্ক্রিয় মৌল এবং ধাতু, যা স্বাভাবিক তাপমাত্রায় কঠিন অবস্থায় থাকে। ৫ মনে রাখার টিপস: - তরল ধাতুর নাম মনে রাখতে পারদ শব্দটি মনে রাখলেই চলবে, কারণ পরীক্ষার হলে এটিই সবচেয়ে বেশি আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - স্বাভাবিক তাপমাত্রায় একমাত্র তরল অধাতু হলো ব্রোমিন, যা প্রায়শই পারদের সঙ্গে মিলিয়ে পরীক্ষার্থী ভুল করে।
a হেস
b আইনস্টাইন
c টলেমী
d হাবল
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) হেস ১. কেন সঠিক: - মহাজাগতিক রশ্মি বা কসমিক রে আবিষ্কারের কৃতিত্ব অস্ট্রিয়ান পদার্থবিজ্ঞানী ভিক্টর হেসের। - তিনি ১৯১২ সালে বেলুনে চড়ে উঁচুতে গিয়ে বায়ুমণ্ডলে উচ্চ ভেদনক্ষমতাসম্পন্ন এই তেজস্ক্রিয় রশ্মির উপস্থিতি প্রমাণ করেন। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: মহাজাগতিক রশ্মি হলো মহাশূন্য থেকে আলোর গতির কাছাকাছি বেগে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে ছুটে আসা উচ্চ শক্তির চার্জযুক্ত কণা। - কার্যপ্রণালি: এই কণাগুলো বায়ুমণ্ডলের পরমাণুর সাথে সংঘর্ষ ঘটিয়ে নিউক্লীয় বিক্রিয়ার মাধ্যমে সেকেন্ডারি কণা বা শাওয়ার সৃষ্টি করে। - বাস্তব প্রয়োগ: বায়ুমণ্ডলের আয়নস্ফিয়ার গঠনে এবং আবহাওয়া পরিবর্তনে মহাজাগতিক রশ্মি পরোক্ষ ভূমিকা রাখে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অরোরা বা মেরুজ্যোতি ব্যাখ্যা: মহাজাগতিক কণা ও সৌর বায়ু পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের গ্যাসের সাথে বিক্রিয়া করে মেরু অঞ্চলে রঙিন আলো তৈরি করে। উদাহরণ ২: কার্বন ডেটিং ব্যাখ্যা: মহাজাগতিক রশ্মির প্রভাবেই বায়ুমণ্ডলে তেজস্ক্রিয় কার্বন চৌদ্দ উৎপন্ন হয়, যা প্রাচীন জীবাশ্মের বয়স নির্ধারণে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হেস — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি ১৯১২ সালে বেলুন পরীক্ষার মাধ্যমে মহাজাগতিক রশ্মি আবিষ্কার করেন এবং এজন্য নোবেল পুরস্কার পান। B) আইনস্টাইন — তিনি আপেক্ষিকতার তত্ত্ব এবং আলোক তড়িৎ ক্রিয়ার জন্য বিখ্যাত, মহাজাগতিক রশ্মি আবিষ্কারক নন। C) টলেমী — তিনি প্রাচীন গ্রিক জ্যোতির্বিবিদ যিনি ভূকেন্দ্রিক বিশ্ব মডেলের প্রবক্তা ছিলেন। D) হাবল — এডউইন হাবল মহাবিশ্বের সম্প্রসারণ এবং গ্যালাক্সির গতিবিধি আবিষ্কার করেছিলেন। ৫ মনে রাখার টিপস: - মহাকাশ বা উঁচুতে বেলুনে ভেসে হেস রশ্মি খুঁজে পেয়েছেন এভাবে মনে রাখতে পারেন। - হেস নামের সাথে উচ্চতা বা উড়ে যাওয়ার ধারণাও মেলানো সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ভিক্টর হেস এই আবিষ্কারের জন্য ১৯৩৬ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতায় প্রায়ই বিখ্যাত আবিষ্কারক ও তাদের আবিষ্কারের নাম জানতে চাওয়া হয়।
a আইনস্টাইন
b জি. ল্যামেটার
c স্টিফেন হকিং
d গ্যালিলিও
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জি. ল্যামেটার ১. কেন সঠিক: মহাবিশ্বের সৃষ্টি এবং এর ক্রমবিকাশ ব্যাখ্যার জন্য বিগব্যাঙ বা মহাবিস্ফোরণ তত্ত্বটি আধুনিক জ্যোতির্বিজ্ঞানে সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য। বেলজিয়ান জ্যোতির্বিজ্ঞানী এবং যাজক জর্জ ল্যামেটার প্রথম ১৯২৭ সালে মহাবিশ্বের সম্প্রসারণশীল মডেলের ধারণা দেন যা পরবর্তীতে বিগব্যাঙ তত্ত্ব নামে পরিচিত হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: মহাবিশ্ব একসময় অত্যন্ত ঘন এবং উত্তপ্ত একটি বিন্দু বা আদি পরমাণুর মধ্যে ঘনীভূত ছিল। কার্যপ্রণালি: আনুমানিক প্রায় ১ কোটি ৪০ লক্ষ বছর পূর্বে এক মহাবিস্ফোরণের মাধ্যমে মহাবিশ্বের সৃষ্টি হয় এবং তখন থেকেই মহাবিশ্ব ক্রমাগত প্রসারিত হচ্ছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ফোলানো বেলুনের গায়ে কিছু বিন্দু এঁকে বেলুনটি ফোলালে বিন্দুগুলো যেমন পরস্পর থেকে দূরে সরে যায়। ব্যাখ্যা: এই ঘটনাটি দিয়ে মহাবিশ্বের প্রসারিত হওয়ার ধারণাটি খুব সহজে বোঝা যায়। উদাহরণ ২: একটি প্রেশার কুকারের ভেতরে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হলে যেমন তা বিস্ফোরিত হয়ে ভেতরের উপাদান বাইরে ছড়িয়ে পড়ে। ব্যাখ্যা: আদি মহাবিশ্বের অতি ঘনীভূত অবস্থার ভেতরের প্রচণ্ড চাপের ফলে বিস্ফোরণ ও প্রসারণের বিষয়টি এর সাথে তুলনীয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আইনস্টাইন — আলবার্ট আইনস্টাইন আপেক্ষিকতার তত্ত্বের জন্য বিখ্যাত হলেও তিনি বিগব্যাঙ তত্ত্বের প্রবর্তক নন। B) জি. ল্যামেটার — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি প্রথম মহাবিশ্বের সম্প্রসারণ ও আদি পরমাণু তত্ত্ব প্রস্তাব করেছিলেন। C) স্টিফেন হকিং — স্টিফেন হকিং ব্ল্যাক হোল এবং মহাবিশ্বের শুরু সংক্রান্ত গবেষণার জন্য বিখ্যাত হলেও বিগব্যাঙের প্রবর্তক নন। D) গ্যালিলিও — গ্যালিলিও গ্যালিলি টেলিস্কোপের সাহায্যে আকাশ পর্যবেক্ষণ করে আধুনিক জ্যোতির্বিজ্ঞানের ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন। ৫ মনে রাখার টিপস: বিগব্যাঙ বা মহাবিস্ফোরণের মাধ্যমে নতুন কিছু ল্যাম বা আলো জ্বালানোর মতো মহাবিশ্ব সৃষ্টি করেছিলেন ল্যামেটার। নামের শুরুর মিল মনে রেখে জর্জ ল্যামেটারকে বিগব্যাঙ তত্ত্বের সাথে সহজেই মনে রাখা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস পরীক্ষার জন্য বিগব্যাঙ তত্ত্বের প্রবর্তক হিসেবে জর্জ ল্যামেটারের নাম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সাধারণ জ্ঞান। একই অধ্যায় থেকে মহাবিশ্বের প্রসারণ আবিষ্কারক এডউইন হাবল সংক্রান্ত প্রশ্নও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
a জিপসাম
b সালফার
c সোডিয়াম
d খনিজ লবণ
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জিপসাম কেন সঠিক: ১. জিপসাম সিমেন্ট তৈরির সময় এর জমার বাঁধার গতিকে নিয়ন্ত্রণ করতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। ২. কাঁচামাল হিসেবে চুন ও শিলা গুঁড়ো করার পর জিপসাম মেশানো হয় যাতে এটি খুব দ্রুত শক্ত হয়ে না যায়। বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: ১. সিমেন্টের প্রধান উপাদান ক্যালসিয়াম সিলিকেট এবং ক্যালসিয়াম অ্যালুমিনেট পানির সাথে দ্রুত বিক্রিয়া করে শক্ত কংক্রিট তৈরি করে। ২. জিপসাম এই দ্রুত বিক্রিয়ার হারকে কমিয়ে দেয় এবং সিমেন্টকে কাজের উপযোগী দীর্ঘস্থায়ী তারল্য প্রদান করে। ৩. বাজারে উপলব্ধ পোর্টল্যান্ড সিমেন্ট তৈরির প্রক্রিয়ায় সাধারণত শতকরা তিন থেকে পাঁচ ভাগ জিপসাম যোগ করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জিপসাম — এটি সিমেন্টের সঠিক উপাদান এবং এটি সঠিক উত্তর হিসেবে গৃহিত হয়েছে। B) সালফার — এটি সিমেন্ট তৈরির প্রধান কাঁচামাল নয় বরং এটি সাধারণত অ্যাসিড এবং সার উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়। C) সোডিয়াম — এটি একটি সক্রিয় ধাতু যা কাঁচ এবং সাবান তৈরিতে ব্যবহৃত হয় কিন্তু সিমেন্টে ব্যবহৃত হয় না। D) খনিজ লবণ — এটি সিমেন্টের মৌলিক উপাদান নয় বরং এটি সাধারণত খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ ও রাসায়নিক শিল্পে লাগে। মনে রাখার টিপস: ১. সিমেন্ট জমতে বাধা দেয় জিপসাম, তাই মনে রাখবে সিমেন্টের বন্ধু জিপসাম। ২. জল দেওয়ার পর সিমেন্ট যেন চটজলদি না জমে, সেই কাজটি করে এই জিপসাম।
a তামা ও টিন
b তামা ও দস্তা
c তামা ও সীসা
d তামা ও নিকেল
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) তামা ও দস্তা ১. কেন সঠিক: - পিতল একটি মিশ্র ধাতু বা সঙ্কর ধাতু, যা মূলত তামা ও দস্তা বা জিঙ্কের একটি সুনির্দিষ্ট অনুপাতে মিশ্রণের মাধ্যমে তৈরি করা হয়। - মৌলিক ধাতুর তুলনায় সংকর ধাতুর কাঠিন্য, শক্তি ও জারা রোধ করার ক্ষমতা বেশি থাকে, যা একে বিভিন্ন ব্যবহারের উপযোগী করে তোলে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: সঙ্কর ধাতু হলো দুই বা ততোধিক ধাতুর অথবা একটি ধাতু ও একটি অধাতুর সমসত্ত্ব মিশ্রণ, যা গলিত অবস্থায় মিশিয়ে পরে ঠান্ডা করে কঠিন করা হয়। - কার্যপ্রণালি: তামার সাথে দস্তা মেশানোর ফলে ধাতব কেলাসের সজ্জায় পরিবর্তন আসে, যা ধাতুর পরমাণুর স্লিপ বা স্থান পরিবর্তন বাধাগ্রস্ত করে এবং সংকর ধাতুকে শক্ত করে তোলে। - বাস্তব প্রয়োগ: পিতল অত্যন্ত উজ্জ্বল ও দেখতে সোনালী হওয়ার কারণে এটি দিয়ে থালাবাসন, বাদ্যযন্ত্র, কারুশিল্প এবং নাটবল্টু তৈরি করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পিতলের তৈরি বাদ্যযন্ত্র যেমন ট্রাম্পেট বা হর্ন। ব্যাখ্যা: পিতলের চমৎকার অ্যাকোস্টিক বা শব্দ ধারণ করার ক্ষমতা এবং সহজে বাঁকানো ও আকার দেওয়ার গুণের কারণে এটি দিয়ে বাদ্যযন্ত্র তৈরি করা হয়। উদাহরণ ২: জলের কল বা ট্যাপ এবং প্লাম্বিং ফিক্সচার। ব্যাখ্যা: পিতলে সহজে মরচে পড়ে না এবং এটি পানির সংস্পর্শে দীর্ঘদিন ভালো থাকে বলে গৃহস্থালির পাইপ ও ভালভ তৈরিতে এটি ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তামা ও টিন — তামা ও টিনের সংকর ধাতুকে ব্রোঞ্জ বা কাঁসা বলা হয়, পিতল বলা হয় না। B) তামা ও দস্তা — এটি সঠিক কারণ পিতল উৎপাদনে এই দুটি ধাতুই মূল উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত হয়। C) তামা ও সীসা — তামা ও সীসার সংকর ধাতু বেয়ারিং ধাতু তৈরিতে ব্যবহৃত হয়, যা পিতল নয়। D) তামা ও নিকেল — তামা ও নিকেলের মিশ্রণে কুপ্রোনিকেল তৈরি হয়, যা মুদ্রা তৈরিতে ব্যবহার করা হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - পিতল মনে রাখার সহজ শব্দ হলো পিতা, যেখানে পিতে পিতল, তিতে তামা এবং দা তে দস্তা বোঝায়। - সংকর ধাতু মানেই একাধিক ধাতুর গলিত মিশ্রণ, যেখানে মৌলিক ধাতুগুলোর নিজস্ব গুণের চেয়ে নতুন উন্নত গুণ প্রকাশ পায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ব্রোঞ্জ, পিতল এবং গানমেটালের উপাদান প্রায়ই আসে। - পিতলে তামার পরিমাণ সাধারণত শতকরা ৬০ থেকে ৭০ ভাগ এবং দস্তার পরিমাণ ৩০ থেকে ৪০ ভাগ থাকে।
a তামা
b দস্তা
c রূপা
d এলুমিনিয়াম
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দস্তা ১. কেন সঠিক: - লোহাকে মরিচা পড়া থেকে রক্ষা করার জন্য এর ওপর দস্তার প্রলেপ দেওয়া হয়। - এই প্রক্রিয়ার নাম গ্যালভানাইজিং, যা লোহার সঙ্গে বাতাসের অক্সিজেন ও আর্দ্রতার বিক্রিয়া রোধ করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: ধাতব ক্ষয় রোধ করার একটি কার্যকর পদ্ধতি হলো গ্যালভানাইজিং বা দস্তার প্রলেপ দেওয়া। - কার্যপ্রণালি: লোহার ওপর গলিত দস্তার প্রলেপ দিলে দস্তা একটি নিষ্ক্রিয় আস্তরণ তৈরি করে এবং লোহাকে রক্ষা করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বৈদ্যুতিক খুঁটি ও টিন ব্যাখ্যা: ঘরের চালের ঢেউখেলানো টিন ও রাস্তার বৈদ্যুতিক খুঁটি দ্রুত নষ্ট হওয়া থেকে বাঁচাতে গ্যালভানাইজিং করা হয়। উদাহরণ ২: গাড়ির বডি ও নাট-বল্টু ব্যাখ্যা: মোটরগাড়ির বিভিন্ন যন্ত্রাংশ এবং লোহা নির্মিত নাট-বল্টুতে দস্তার প্রলেপ দিয়ে দীর্ঘস্থায়ী করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তামা — তামা একটি আলাদা ধাতু যা বিদ্যুৎ পরিবাহক হিসেবে ব্যবহৃত হয়, এটি গ্যালভানাইজিংয়ে ব্যবহৃত হয় না। B) দস্তা — এটি সঠিক উত্তর কারণ লোহাকে মরিচামুক্ত করতে দস্তার প্রলেপ দেওয়া হয়। C) রূপা — রূপা একটি মূল্যবান ও চকচকে ধাতু, যা অলংকার তৈরিতে ব্যবহৃত হয় এবং এটি অত্যন্ত ব্যয়বহুল। D) এলুমিনিয়াম — এলুমিনিয়াম হালকা ধাতু এবং উড়োজাহাজ তৈরিতে ব্যবহৃত হয়, তবে এটি গ্যালভানাইজিংয়ের জন্য ব্যবহৃত হয় না। ৫ মনে রাখার টিপস: - লোহা এবং দস্তা শব্দ দুটি একসঙ্গে মনে রাখবে কারণ গ্যালভানাইজিং মানেই দস্তার প্রলেপ। - জিঙ্ক বা দস্তার রাসায়নিক প্রতীক জেডএন, যা লোহাকে ঢাল হিসেবে রক্ষা করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধাতু ক্ষয় ও প্রতিরোধ সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - গ্যালভানাইজিং প্রক্রিয়ায় কোন ধাতু ব্যবহার করা হয়, এই প্রশ্নটি বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় বারবার এসেছে।
a 2H2O2
b H2O
c D2O
d HD2O2
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) D2O ১. কেন সঠিক: ভারী পানির রাসায়নিক সংকেত হলো ডিটুও বা ডিউটেরিয়াম অক্সাইড। এটি সাধারণ পানির চেয়ে ভারী কারণ এতে সাধারণ হাইড্রোজেনের বদলে হাইড্রোজেনের আইসোটোপ ডিউটেরিয়াম থাকে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: ভারী পানি হলো ডিউটেরিয়াম ও অক্সিজেনের সমন্বয়ে গঠিত একটি যৌগ। কার্যপ্রণালি: সাধারণ পানির আইসোটোপিক রূপ হিসেবে এটি নিউক্লিয়ার বিক্রিয়ায় মডারেটর হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পারমাণবিক চুল্লিতে নিউট্রনের গতি মন্থর করতে ভারী পানি ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: এটি ফিশন বিক্রিয়া নিয়ন্ত্রণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। উদাহরণ ২: জৈব রসায়নে বিভিন্ন বিক্রিয়ার কৌশল নির্ধারণে ভারী পানি ব্যবহৃত হয়। ব্যাখ্যা: এটি লেবেলিং এজেন্ট হিসেবে কাজ করে বিক্রিয়ার গতিপথ নির্ণয় করতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) 2H2O2 — এটি হাইড্রোজেন পারক্সাইডের ভুল ও অসামঞ্জস্যপূর্ণ সংকেত যা সঠিক নয়। B) H2O — এটি সাধারণ পানির রাসায়নিক সংকেত, ভারী পানির নয়। D) HD2O2 — এটি কোনো বাস্তবসম্মত বা প্রচলিত রাসায়নিক যৌগের সংকেত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: ডিউটেরিয়ামের ডি এবং পানির ও মিলে ডিটুও হলো ভারী পানির সংকেত। সাধারণ পানি এইচটুও এবং ভারী পানি ডিটুও হিসেবে মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ভারী পানির আবিষ্কারক হ্যারল্ড উরে যিনি এর জন্য নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন। ভারী পানির আংকিক ভর সাধারণ পানির চেয়ে বেশি হয়।
a অক্সিজেন
b হাইড্রোজেন
c র‍্যাডন
d নাইট্রোজেন
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) হাইড্রোজেন ১. কেন সঠিক: - হাইড্রোজেন প্রকৃতির সবচেয়ে হালকা ও ক্ষুদ্রতম মৌল, যার পারমাণবিক সংখ্যা এক এবং ভর প্রায় শূন্য দশমিক শূন্য এক শূন্য শূন্য আট। - এর ঘনত্ব বাতাসের ঘনত্বের চেয়ে অনেক কম হওয়ায় এটি বাতাসে দ্রুত উপরের দিকে উঠে যায়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: যে গ্যাসের পারমাণবিক ভর এবং ঘনত্ব সবচেয়ে কম, তাকে সর্বাপেক্ষা হালকা গ্যাস বলা হয়। - রাসায়নিক বৈশিষ্ট্য: হাইড্রোজেন একটি বর্ণহীন, গন্ধহীন ও দাহ্য গ্যাস যা ডায়াটমিক বা দ্বিপরমাণুক অণু হিসেবে অবস্থান করে। - কারণ ও ফলাফল: কম ঘনত্বের কারণে এটি অভিকর্ষের বিপরীতে সহজে ঊর্ধ্বমুখী হয়, যা আবহাওয়া বেলুন ও এয়ারশিপে উত্তোলন বল তৈরি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আবহাওয়া বেলুন ব্যাখ্যা: আবহাওয়া গবেষণার সময় বেলুনে হাইড্রোজেন গ্যাস ভরা হয় যাতে এটি বায়ুমণ্ডলের উচ্চস্তরে উঠে তথ্য সংগ্রহ করতে পারে। উদাহরণ ২: বেলুনের উড়ে যাওয়া ব্যাখ্যা: জন্মদিনের বেলুনে হাইড্রোজেন বা হিলিয়াম গ্যাস ভরলে তা হালকা হওয়ার কারণে ছাদ পর্যন্ত উড়ে চলে যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অক্সিজেন — অক্সিজেনের পারমাণবিক সংখ্যা আট এবং এর ঘনত্ব হাইড্রোজেনের চেয়ে অনেক বেশি হওয়ায় এটি হালকা গ্যাস নয়। B) হাইড্রোজেন — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এটি পর্যায় সারণির সবচেয়ে হালকা গ্যাস। C) র‍্যাডন — র‍্যাডন একটি তেজস্ক্রিয় এবং অত্যন্ত ভারী নিষ্ক্রিয় গ্যাস, যা বায়ুমণ্ডলের ভারী গ্যাসগুলোর অন্তর্ভুক্ত। D) নাইট্রোজেন — নাইট্রোজেন বায়ুমণ্ডলের প্রধান উপাদান হলেও এর পারমাণবিক ভর ও ঘনত্ব হাইড্রোজেনের তুলনায় অনেক বেশি। ৫ মনে রাখার টিপস: পর্যায় সারণির প্রথম মৌলটিই সবচেয়ে হালকা, যার নাম হাইড্রোজেন এবং এর প্রতীক এইচ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: হাইড্রোজেন গ্যাস অত্যন্ত দাহ্য হওয়ায় আধুনিক এয়ারশিপে এর পরিবর্তে নিরাপদ নিষ্ক্রিয় গ্যাস হিলিয়াম ব্যবহার করা হয়।
a তামা
b দস্তা
c ক্রোমিয়াম
d এলুমিনিয়াম
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ক্রোমিয়াম ১. কেন সঠিক: স্টেইনলেস স্টিল হলো লোহা, ক্রোমিয়াম এবং অন্যান্য ধাতুর একটি সংকর ধাতু। এতে ক্রোমিয়াম থাকার কারণে এর পৃষ্ঠে ক্রোমিয়াম অক্সাইডের একটি পাতলা ও অদৃশ্য আস্তরণ তৈরি হয়, যা লোহাকে মরিচা ধরা থেকে রক্ষা করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: সংকর ধাতু হলো দুই বা ততোধিক ধাতুর সমসত্ব মিশ্রণ, যা খাঁটি ধাতুর চেয়ে বেশি শক্তিশালী ও টেকসই হয়। কার্যপ্রণালি: ক্রোমিয়াম বাতাসের অক্সিজেনের সঙ্গে বিক্রিয়া করে ধাতুর উপরিভাগে একটি নিষ্ক্রিয় প্রতিরক্ষামূলক স্তর গঠন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রান্নার কাজে ব্যবহৃত স্টিলের চামচ বা থালা। ব্যাখ্যা: এগুলোতে ক্রোমিয়াম থাকায় খাবারের অম্লীয় বা ক্ষারীয় পদার্থের সংস্পর্শে এগুলোতে সহজে দাগ পড়ে না বা মরিচা ধরে না। উদাহরণ ২: অস্ত্রোপচারে ব্যবহৃত চিকিৎসকদের যন্ত্রপাতি। ব্যাখ্যা: ক্রোমিয়ামযুক্ত স্টেইনলেস স্টিল জীবাণুমুক্ত করার সময় উচ্চ তাপ ও রাসায়নিকের প্রভাবে নষ্ট হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তামা — এটি একটি মৌলিক ধাতু, যা দিয়ে বৈদ্যুতিক তার ও মুদ্রা তৈরি হয় কিন্তু এটি স্টেইনলেস স্টিলের মূল উপাদান নয়। B) দস্তা — এটি গ্যালভানাইজিং প্রক্রিয়ায় লোহাকে রক্ষা করতে ব্যবহৃত হয়, তবে এটি স্টেইনলেস স্টিলের প্রধান উপাদান নয়। C) ক্রোমিয়াম — এটি স্টেইনলেস স্টিলের অন্যতম প্রধান উপাদান যা মরিচাদশা রোধ করে এবং সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত। D) এলুমিনিয়াম — এটি হালকা ও মজবুত ধাতু যা বিমান তৈরিতে বহুল ব্যবহৃত হয়, তবে এটি স্টেইনলেস স্টিলের উপাদান নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: স্টেইনলেস স্টিলে মরিচা ধরে না কারণ এর সাথে ক্রোমিয়াম যুক্ত থাকে। এটি মনে রাখার জন্য এস এস সি (SSC) সূত্রটি মনে রাখতে পারো, যেখানে এস এস মানে স্টেইনলেস স্টিল এবং সি মানে ক্রোমিয়াম। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: স্টেইনলেস স্টিলে লোহার পাশাপাশি প্রধানত কার্বন এবং ক্রোমিয়াম মিশ্রিত থাকে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে যে স্টেইনলেস স্টিলে মরিচা রোধ করতে কোন ধাতু ব্যবহার করা হয়।
a ইনসুলিন
b পেপসিন
c পেনিসিলিন
d ইথিলিন
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পেনিসিলিন ১. কেন সঠিক: পেনিসিলিন হলো বিশ্বের প্রথম আবিষ্কৃত এবং সফল অ্যান্টিবায়োটিক বা জীবাণুনাশক ওষুধ। এটি ব্যাকটেরিয়া বা জীবাণুর কোষপ্রাচীর গঠনে বাধা সৃষ্টি করে ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে এবং মানবদেহে ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণ প্রতিরোধ করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: অ্যান্টিবায়োটিক হলো এমন এক ধরনের রাসায়নিক পদার্থ যা অণুজীব থেকে উৎপন্ন হয়ে অন্য অণুজীব বিশেষ করে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে বা তাদের বৃদ্ধি রোধ করে। কার্যপ্রণালি: পেনিসিলিয়াম নোটাটাম ছত্রাক থেকে এই ওষুধ প্রস্তুত করা হয় যা ব্যাকটেরিয়ার কোষের প্রাচীর ধ্বংস করে তাদের বংশবৃদ্ধি চিরতরে বন্ধ করে দেয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নিউমোনিয়া বা গলা ব্যথার চিকিৎসায় চিকিৎসকরা পেনিসিলিন জাতীয় ওষুধ ব্যবহার করেন। ব্যাখ্যা: এটি মানবদেহে প্রবেশ করে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে রোগীর রোগ নিরাময়ে সরাসরি সহায়তা করে। উদাহরণ ২: আলেকজান্ডার ফ্লেমিং ১৯২৮ সালে দুর্ঘটনবশত পেনিসিলিন আবিষ্কার করেন। ব্যাখ্যা: ছত্রাকের থালায় ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি না হওয়ার ঘটনা পর্যবেক্ষণ করে তিনি এই যুগান্তকারী অ্যান্টিবায়োটিক আবিষ্কার করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইনসুলিন — এটি কোনো অ্যান্টিবায়োটিক নয় বরং মানবদেহের অগ্ন্যাশয় থেকে নিঃসৃত এক ধরনের হরমোন যা রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। B) পেপসিন — এটি কোনো অ্যান্টিবায়োটিক নয় বরং পাকস্থলীতে উৎপাদিত এক ধরনের পরিপাককারী এনজাইম যা আমিষ জাতীয় খাদ্য পরিপাকে সাহায্য করে। C) পেনিসিলিন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি এক ধরনের অ্যান্টিবায়োটিক যা ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ সারাতে কার্যকরভাবে ব্যবহার করা হয়। D) ইথিলিন — এটি কোনো অ্যান্টিবায়োটিক নয় বরং এটি একটি উদ্ভিদ হরমোন যা ফল পাকাতে সাহায্য করে। ৫ মনে রাখার টিপস: অ্যান্টিবায়োটিকের নাম মনে রাখতে ফ্লেমিং এবং পেনিসিলিন শব্দটি একসঙ্গে মনে রাখা যায়। হরমোন ও এনজাইমের সঙ্গে অ্যান্টিবায়োটিকের পার্থক্য মনে রাখতে এদের কাজের ধরন যেমন রোগ নিরাময় বনাম পরিপাক মনে রাখা উচিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পেনিসিলিনের আবিষ্কারক আলেকজান্ডার ফ্লেমিং এবং এটি একটি ছত্রাক থেকে প্রস্তুত করা হয়। এই প্রশ্নটি থেকে ভবিষ্যতে অ্যান্টিবায়োটিক ও হরমোনের পার্থক্যের ওপর আরও বিভিন্ন ধরনের প্রতিযোগিতামূলক প্রশ্ন আসতে পারে।
a লোহা
b ব্রোঞ্জ
c পানি
d ইস্পাত
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) লোহা ১. কেন সঠিক: যেসকল পদার্থ কেবল একটিমাত্র উপাদান দিয়ে গঠিত এবং যেগুলোকে রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় ভেঙে অন্য কোনো সরল পদার্থে আলাদা করা যায় না, সেগুলোকে মৌলিক পদার্থ বলে। লোহা এমন একটি বিশুদ্ধ পদার্থ যা শুধু লোহা পরমাণু দিয়ে গঠিত। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মৌল হলো পদার্থের সেই সরলতম রূপ যা অন্য কোনো উপাদানের সাহায্য ছাড়াই স্বাধীনভাবে অবস্থান করে। লোহার পারমাণবিক সংখ্যা ২৬ এবং এর রাসায়নিক প্রতীক হলো Fe। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সোনা একটি মৌলিক পদার্থ কারণ একে ভাঙলে শুধু সোনার কণা পাওয়া যায়। ব্যাখ্যা: এটি প্রকৃতিতে এককভাবে থাকে এবং অন্য কোনো ধাতুর মিশ্রণ নয়। উদাহরণ ২: অক্সিজেন একটি মৌলিক পদার্থ যা বায়ুমণ্ডলে গ্যাস হিসেবে থাকে। ব্যাখ্যা: দুটি অক্সিজেন পরমাণু মিলে অক্সিজেন অণু গঠিত হয়, যেখানে অন্য কোনো মৌল থাকে না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) লোহা — এটি একটি মৌলিক পদার্থ এবং এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। B) ব্রোঞ্জ — এটি একটি সংকর ধাতু যা তামা ও টিনের মিশ্রণে তৈরি হয়। C) পানি — এটি একটি যৌগিক পদার্থ যা হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন দিয়ে গঠিত। D) ইস্পাত — এটি লোহা ও কার্বনের সংকর ধাতু যা একাধিক উপাদান নিয়ে গঠিত। ৫. মনে রাখার টিপস: প্রকৃতিতে প্রাপ্ত একক উপাদান যেমন লোহা, সোনা, তামা হলো মৌলিক পদার্থ। একাধিক উপাদান মিলে তৈরি হলে তা যৌগ বা মিশ্রণ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মৌলিক ও যৌগিক পদার্থের পার্থক্য থেকে বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। তামা, সোনা, রূপা মৌলিক পদার্থ হলেও পিতল, ব্রোঞ্জ ও ইস্পাত হলো মিশ্র বা সংকর ধাতু।
a তাপ পরিমাপক যন্ত্র
b উষ্ণতা পরিমাপক যন্ত্র
c গ্যাসের চাপ পরিমাপক যন্ত্র
d উচ্চতা পরিমাপক যন্ত্র
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উচ্চতা পরিমাপক যন্ত্র ১. কেন সঠিক: Altimeter হলো এমন একটি বৈজ্ঞানিক যন্ত্র যা কোনো নির্দিষ্ট ভূগর্ভস্থ বা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে কোনো বস্তুর, বিশেষ করে বিমান বা পর্বতের উচ্চতা নিখুঁতভাবে পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়। উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে সাথে বায়ুমণ্ডলের চাপ কমতে থাকে এবং এই চাপের তারতম্যকে কাজে লাগিয়ে আল্টিমিটার উচ্চতা নির্ণয় করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: এটি মূলত একটি বিশেষ ধরনের অ্যানেরয়েড ব্যারোমিটার, যা উচ্চতার সাথে বায়ুমণ্ডলের চাপের পরিবর্তনের ওপর ভিত্তি করে কাজ করে। কার্যপ্রণালি: উচ্চতা বাড়লে বাতাসের ঘনত্ব ও চাপ কমে যায়, আর আল্টিমিটার এই চাপ হ্রাসের পরিমাণকে পরিমাপ করে মিটারে বা ফুটে উচ্চতার মান দেখায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিমান চালকরা উড্ডয়নের সময় উড়োজাহাজের ককপিটে আল্টিমিটার ব্যবহার করে মাটি থেকে তাদের বর্তমান উচ্চতা জানতে পারেন। ব্যাখ্যা: এটি পাইলটকে পাহাড়ি এলাকা বা অন্য বিমান থেকে নিরাপদ দূরত্বে থাকতে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: পর্বতারোহীরা পাহাড়ে ওঠার সময় তাদের সাথে হ্যান্ডহেল্ড আল্টিমিটার রাখেন। ব্যাখ্যা: এটি তাদের জানায় তারা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ঠিক কত উঁচুতে অবস্থান করছেন এবং চূড়ার কত কাছাকাছি পৌঁছেছেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তাপ পরিমাপক যন্ত্র — তাপ বা তাপমাত্রা পরিমাপ করার জন্য থার্মোমিটার ব্যবহার করা হয়, আল্টিমিটার নয়। B) উষ্ণতা পরিমাপক যন্ত্র — আবহাওয়া বিজ্ঞানে উষ্ণতা বা তাপমাত্রা মাপার জন্য থার্মোমিটার বা হাইগ্রোমিটার ব্যবহৃত হয়। C) গ্যাসের চাপ পরিমাপক যন্ত্র — গ্যাসের চাপ পরিমাপের জন্য ম্যানোমিটার ব্যবহার করা হয়, যদিও আল্টিমিটার বায়ুর চাপ নিয়ে কাজ করে। D) উচ্চতা পরিমাপক যন্ত্র — এটি সঠিক উত্তর কারণ আল্টিমিটার নির্দিষ্ট ভূ-পৃষ্ঠ বা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে উচ্চতা মাপতে ব্যবহৃত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: ইংরেজি শব্দ Altitude অর্থ উচ্চতা এবং Meter অর্থ পরিমাপক যন্ত্র। এই দুটি শব্দ একসাথে মিলিয়ে Altimeter মনে রাখা খুব সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। একই রকম অন্য একটি প্রশ্ন হতে পারে সমুদ্রের গভীরতা মাপার যন্ত্রের নাম কী, যার উত্তর হলো ফ্যাদোমিটার।
a তামা
b পিতল
c ইস্পাত
d স্বর্ণ
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ইস্পাত ১. কেন সঠিক: - ইস্পাত লোহা ও কার্বনের সংকর ধাতু হওয়ায় এতে চুম্বকত্ব সহজে স্থায়ীভাবে ধরে রাখার বিশেষ গুণ রয়েছে। - কাঁচা লোহা দিয়ে অস্থায়ী চুম্বক বা তড়িৎ চুম্বক তৈরি করা গেলেও ইস্পাত দিয়ে স্থায়ী চুম্বক তৈরি করা হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: চুম্বক পদার্থ হলো সেই সমস্ত পদার্থ যেগুলো চুম্বকের দিকে আকৃষ্ট হয় এবং যাদের সহজে চুম্বকে পরিণত করা যায়। - কার্যপ্রণালি: কোনো চৌম্বক পদার্থকে চুম্বকের কাছাকাছি আনলে বা এর মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহিত করলে এর অণুগুলো সুবিন্যস্ত হয়ে চুম্বকে পরিণত হয়। - বাস্তব প্রয়োগ: লাউডস্পিকার, মাইক্রোফোন এবং বৈদ্যুতিক মোটরে স্থায়ী চুম্বক তৈরিতে ইস্পাত ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কম্পাসের কাঁটা তৈরিতে ইস্পাত ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: কম্পাসের কাঁটা দীর্ঘস্থায়ী চুম্বক হিসেবে কাজ করে দিক নির্দেশ করতে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: দরজার ক্যাচ বা ছোট ল্যাচে ইস্পাতের চুম্বক ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: এটি দরজা বন্ধ রাখতে এবং সহজে খুলে যেতে বাধা দিতে স্থায়ী চুম্বক হিসেবে কাজ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তামা — এটি একটি অচৌম্বক পদার্থ হওয়ায় একে চুম্বকে পরিণত করা যায় না। B) পিতল — এটি তামা ও দস্তার সংকর ধাতু এবং অচৌম্বক পদার্থ হওয়ায় চুম্বক দ্বারা আকৃষ্ট হয় না। C) ইস্পাত — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি স্থায়ী চুম্বক প্রস্তুতিতে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। D) স্বর্ণ — এটি একটি অচৌম্বক ধাতু এবং এর মধ্যে চৌম্বকীয় গুণাবলী নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - কাঁচা লোহা দিয়ে অস্থায়ী চুম্বক আর ইস্পাত দিয়ে স্থায়ী চুম্বক তৈরি হয়। এভাবে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই কোন ধাতু দিয়ে স্থায়ী চুম্বক তৈরি হয় তা জানতে চাওয়া হয়। - কাঁচা লোহা ও ইস্পাতের চৌম্বকীয় পার্থক্য থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
a কিলোগ্রাম
b পাউন্ড
c গ্রাম
d আউন্স
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কিলোগ্রাম ১. কেন সঠিক: - আন্তর্জাতিক পরিমাপপদ্ধতিতে ভরের একক হলো কিলোগ্রাম, যা এসআই বা আন্তর্জাতিক একক ব্যবস্থার মৌলিক একক হিসেবে স্বীকৃত। - কোনো বস্তুতে থাকা পদার্থের মোট পরিমাণকে ভর বলে এবং এর পরিমাপের জন্য কিলোগ্রাম নির্দিষ্ট করা হয়েছে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: মেট্রিক পদ্ধতিতে দৈর্ঘ্য, ভর ও সময় পরিমাপের জন্য যথাক্রমে মিটার, কিলোগ্রাম ও সেকেন্ড ব্যবহার করা হয়, যাকে এমকেএস পদ্ধতি বলা হয়। - কার্যপ্রণালি: এমকেএস পদ্ধতিতে এম অর্থ মিটার, কে অর্থ কিলোগ্রাম এবং এস অর্থ সেকেন্ড বুঝায়, যা যান্ত্রিক পরিমাপের ভিত্তি। - বাস্তব প্রয়োগ: বাজারে চাল, ডাল বা যেকোনো ভারী বস্তু ক্রয়ের সময় আমরা কিলোগ্রাম এককের ব্যবহার দেখি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ১০০০ গ্রাম ভরের একটি লোহাকে ১ কিলোগ্রাম বলা হয়। ব্যাখ্যা: এটি গ্রাম এবং কিলোগ্রামের সম্পর্কের মাধ্যমে ভরের পরিমাপ স্পষ্ট করে। উদাহরণ ২: মানুষের শরীরের ওজন বা ভর মাপার যন্ত্রে কিলোগ্রাম একক ব্যবহৃত হয়। ব্যাখ্যা: এটি আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ভরের একক ব্যবহারের বাস্তব প্রমাণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কিলোগ্রাম — এটি সঠিক উত্তর কারণ এমকেএস পদ্ধতিতে ভরের একক কিলোগ্রাম। B) পাউন্ড — এটি এফপিএস বা ব্রিটিশ পদ্ধতিতে ভরের একক, এমকেএস পদ্ধতিতে নয়। C) গ্রাম — এটি সিজিএস পদ্ধতিতে ভরের একক, যেখানে কিলোগ্রাম হলো এমকেএস পদ্ধতির একক। D) আউন্স — এটিও এফপিএস বা ব্রিটিশ পদ্ধতির একক, যা সাধারণত ছোট ভর পরিমাপে ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - এমকেএস পদ্ধতির নামের মধ্যেই এককগুলো লুকিয়ে আছে, যেমন এম মানে মিটার, কে মানে কিলোগ্রাম এবং এস মানে সেকেন্ড। - ভরের ক্ষেত্রে সবসময় বড় বা আদর্শ একক হিসেবে কিলোগ্রাম মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভিন্ন একক পদ্ধতি যেমন সিজিএস, এমকেএস এবং এসআই থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - সিজিএস পদ্ধতিতে ভরের একক গ্রাম এবং এমকেএস পদ্ধতিতে ভরের একক কিলোগ্রাম, এই পার্থক্যটি ভালোভাবে মনে রাখবে।
a ১৯৫৯
b ১৯৬৫
c ১৯৬৯
d ১৯৮১
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯৬৯ ১. কেন সঠিক: ইন্টারনেটের আদি রূপ বা পূর্বসূরি এআরপানেট প্রথম চালু হয় ১৯৬৯ সালের ২৯ অক্টোবর। আমেরিকার প্রতিরক্ষা বিভাগের অর্থায়নে এবং গবেষকদের যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে এটি তৈরি করা হয়েছিল। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: ইন্টারনেটের মূল ধারণাটি হলো প্যাকেট সুইচিং প্রযুক্তির মাধ্যমে দূরদূরান্তের কম্পিউটারের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান করা। কার্যপ্রণালি: ১৯৬৯ সালে আমেরিকার চারটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটারগুলোর মধ্যে প্রথম নেটওয়ার্ক সংযোগ স্থাপন করে ডেটা সফলভাবে আদান-প্রদান করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বর্তমানে ইন্টারনেটের মাধ্যমে আমরা এক দেশ থেকে অন্য দেশে মুহূর্তেই ইমেইল বা বার্তা পাঠাতে পারি। ব্যাখ্যা: ১৯৬৯ সালের সেই ছোট্ট গবেষণামূলক নেটওয়ার্ক ব্যবস্থার আধুনিক ও বিশাল রূপই হলো বর্তমানের ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব বা ইন্টারনেট। উদাহরণ ২: ঘরে বসে অনলাইনে ক্লাসে যুক্ত হওয়া বা ভিডিও কল করা। ব্যাখ্যা: প্যাকেট সুইচিং প্রযুক্তির আধুনিক ব্যবহারের ফলেই আজ আমরা রিয়েল-টাইমে অডিও এবং ভিডিও ডেটা আদান-প্রদান করতে পারছি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৫৯ — এই সালে কম্পিউটার প্রযুক্তিতে ট্রানজিস্টরের ব্যবহার জনপ্রিয় হতে শুরু করে কিন্তু ইন্টারনেট চালু হয়নি। B) ১৯৬৫ — এই সালে প্রথম দুটি কম্পিউটারের মধ্যে দূরপাল্লার টেলিকফোন লাইনের মাধ্যমে সফল যোগাযোগ পরীক্ষা করা হয় যা ইন্টারনেটের আগের ধাপ। C) ১৯৬৯ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এআরপানেটের মাধ্যমে প্রথম ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক চালু হয়। D) ১৯৮১ — এই সালে আইবিএম পিসি বাজারে আসে এবং টিসিপি আইপি প্রোটোকল পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: ইন্টারনেট চালুর সালটি মনে রাখতে ১৯৬৯ সংখ্যাটির শেষ দুটি অঙ্ক অর্থাৎ ৬৯ মাথায় রাখতে পারো, যা উল্টালে একই থাকে না কিন্তু সহজে মনে রাখা যায়। এআরপানেট চালুর মাধ্যমেই আধুনিক ইন্টারনেটের জন্ম হয়েছিল। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার নেটওয়ার্কিংয়ের জনক কে এবং এআরপানেটের পূর্ণরূপ কী, তা এই প্রশ্নটির সঙ্গে প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। এআরপানেটের পূর্ণরূপ হলো অ্যাডভান্সড রিসার্চ প্রজেক্টস এজেন্সি নেটওয়ার্ক।
a সূর্যরশ্মি
b পীট কয়লা
c পেট্রল
d প্রাকৃতিক গ্যাস
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সূর্যরশ্মি ১. কেন সঠিক: - সূর্যরশ্মি হলো নবায়নযোগ্য শক্তির সবচেয়ে বড় ও প্রধান উৎস যা কখনো ফুরিয়ে যাবে না। - প্রকৃতিতে এই শক্তির উৎস বারবার নিজে থেকেই পূরণ হয় বলে একে নবায়নযোগ্য শক্তি বলা হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: যে শক্তি উৎস একবার ব্যবহারের ফলে নিঃশেষ হয়ে যায় না এবং বারবার ব্যবহার করা যায়, তাকে নবায়নযোগ্য শক্তি বলে। - কার্যপ্রণালি: সূর্যের অভ্যন্তরে নিউক্লিয়ার ফিউশন বিক্রিয়ার মাধ্যমে অবিরাম বিপুল পরিমাণ শক্তি উৎপন্ন হয় যা আলো ও তাপ হিসেবে পৃথিবীতে আসে। - বাস্তব প্রয়োগ: সোলার প্যানেলের মাধ্যমে সূর্যরশ্মিকে সরাসরি বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর করে বাসা-বাড়ি ও শিল্পকারখানায় ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সৌর বিদ্যুৎ চালিত ক্যালকুলেটর বা স্ট্রিট লাইট। ব্যাখ্যা: এগুলো দিনের বেলা সূর্যরশ্মি থেকে সরাসরি শক্তি গ্রহণ করে এবং ব্যাটারিতে জমিয়ে রেখে কাজ করে। উদাহরণ ২: সূর্যের তাপে পানি গরম করা বা সোলার কুকার। ব্যাখ্যা: এই যন্ত্রগুলোতে সূর্যরশ্মির তাপশক্তি ব্যবহার করে রান্না বা পানির তাপমাত্রা বৃদ্ধি করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সূর্যরশ্মি — এটি একটি নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস কারণ এটি অফুরন্ত এবং বারবার ব্যবহার করা যায়। B) পীট কয়লা — এটি জীবাশ্ম জ্বালানি এবং অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস কারণ এর ভাণ্ডার সীমিত ও একবার পুড়িয়ে ফেললে শেষ হয়ে যায়। C) পেট্রল — এটি খনিজ তেল থেকে প্রাপ্ত অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস যা ব্যবহার করলে পুনরায় তৈরি হতে কোটি কোটি বছর লাগে। D) প্রাকৃতিক গ্যাস — এটি ভূগর্ভস্থ একটি অনবায়নযোগ্য জীবাশ্ম জ্বালানি যা সীমিত এবং ধীরে ধীরে নিঃশেষ হয়ে যাচ্ছে। ৫. মনে রাখার টিপস: নবায়নযোগ্য শক্তি মানে যা নতুন করে পাওয়া যায় যেমন সূর্য, বায়ু ও পানি। আর জীবাশ্ম জ্বালানি হলো কয়লা, তেল ও গ্যাস যা অনবায়নযোগ্য। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সূর্যরশ্মি ছাড়া বাতাস, জোয়ার-ভাটা এবং বায়োমাসও নবায়নযোগ্য শক্তির অন্তর্ভুক্ত। পরীক্ষায় প্রায়ই কোনটি নবায়নযোগ্য বা অনবায়নযোগ্য শক্তি তা সনাক্ত করতে বলা হয়।
a তামা
b লোহা
c রূপা
d রাবার
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রাবার ১. কেন সঠিক: - রাবার বিদ্যুৎ পরিবাহী নয় কারণ এর পারমাণবিক গঠনে মুক্ত ইলেকট্রন থাকে না যা বিদ্যুৎ বা চার্জ বহন করতে পারে। - পদার্থে বিদ্যুৎ পরিবহনের জন্য মুক্ত ইলেকট্রনের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক, যা রাবারের মতো অন্তরক পদার্থে অনুপস্থিত থাকে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: যে সকল পদার্থের মধ্য দিয়ে সহজে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হতে পারে না এবং যারা বিদ্যুৎ প্রবাহে চরম বাধা সৃষ্টি করে তাদের অন্তরক বা কুপরিবাহী বলা হয়। - কারণ ও ফলাফল: অন্তরক পদার্থের পরমাণুগুলোতে ইলেকট্রনগুলো নিউক্লিয়াসের সঙ্গে শক্তভাবে আবদ্ধ থাকে, ফলে বাহ্যিক বিভব পার্থক্য প্রয়োগ করলেও মুক্ত ইলেকট্রন চলাচল করতে পারে না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বৈদ্যুতিক তারের প্লাস্টিক বা রাবারের আবরণ ব্যাখ্যা: এই আবরণ ব্যবহারের ফলে তারে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হলেও বাইরের মানুষ শক খায় না কারণ রাবার বিদ্যুৎ আটকে রাখে। উদাহরণ ২: ইলেকট্রিশিয়ানদের গ্লাভস ও জুতো ব্যাখ্যা: কাজ করার সময় রাবারের তৈরি গ্লাভস ও জুতো পরলে শরীর থেকে ভূমিতে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হতে পারে না, ফলে দুর্ঘটনা এড়ানো যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তামা — এটি একটি উৎকৃষ্ট মানের ধাতু এবং অত্যন্ত ভালো বিদ্যুৎ পরিবাহী হওয়ায় তার তৈরিতে বহুল ব্যবহৃত হয়। B) লোহা — এটি একটি ধাতু এবং এর ভেতরে মুক্ত ইলেকট্রন থাকায় এটি বিদ্যুৎ ও তাপ পরিবাহক হিসেবে কাজ করে। C) রূপা — এটি সব ধাতুর মধ্যে সবচেয়ে ভালো বিদ্যুৎ পরিবাহী, যদিও এর উচ্চমূল্যের কারণে সাধারণ কাজে কম ব্যবহৃত হয়। D) রাবার — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বিদ্যুৎ পরিবাহী নয় বরং একটি অত্যন্ত কার্যকর অন্তরক বা কুপরিবাহী পদার্থ। ৫. মনে রাখার টিপস: - ধাতু মানেই বিদ্যুৎ পরিবাহী যেমন তামা, লোহা ও রূপা এবং অধাতু বা পলিমার জাতীয় বস্তু যেমন রাবার সাধারণত বিদ্যুৎ কুপরিবাহী হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিদ্যুৎ পরিবাহিতার ওপর ভিত্তি করে পদার্থ প্রধানত তিন প্রকার, যথা পরিবাহী, অর্ধপরিবাহী এবং অন্তরক বা কুপরিবাহী। - এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই বিভিন্ন উপাদানের নাম পরিবর্তন করে আসে।
a যকৃত
b কিডনি
c পাকস্থলী
d হৃৎপিণ্ড
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) যকৃত ১. কেন সঠিক: জন্ডিস মানবদেহের যকৃত বা লিভারের একটি রোগ। যকৃতের কার্যক্ষমতা নষ্ট হলে বা পিত্তনালি অবরুদ্ধ হলে রক্তে বিলিরুবিনের মাত্রা অতিরিক্ত বৃদ্ধি পায় এবং ত্বক, চোখ ও মূত্র হলুদ বর্ণ ধারণ করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: বিলিরুবিন হলো রক্তে উপস্থিত লাল রক্তকণিকার ভাঙনের ফলে উৎপন্ন একটি হলুদ রঙের বর্জ্য পদার্থ। সুস্থ যকৃত এই বিলিরুবিন ফিল্টার করে পিত্তরসের মাধ্যমে শরীর থেকে বের করে দেয়। কার্যপ্রণালি: যকৃতের রোগ হেপাটাইটিস বা অন্য কোনো কারণে পিত্তরসের স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হলে বিলিরুবিন রক্তে মিশে যায়। এর ফলে সারা শরীরের টিস্যুতে বিলিরুবিন জমা হয়ে জন্ডিসের বাহ্যিক লক্ষণ প্রকাশ পায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভাইরাল হেপাটাইটিস বা জন্ডিসে আক্রান্ত রোগীর চোখের সাদা অংশ হলুদ হয়ে যায়। ব্যাখ্যা: এটি রক্তে বিলিরুবিনের মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে ঘটে। উদাহরণ ২: নবজাতকের জন্ডিস বা ফিওনিক জন্ডিস। ব্যাখ্যা: শিশু জন্মের পর তার অপরিপক্ব যকৃত অতিরিক্ত বিলিরুবিন অপসারণ করতে না পারার কারণে এটি হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যকৃত - এটি সঠিক উত্তর কারণ জন্ডিস সরাসরি যকৃতের বিপাকীয় ক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত। B) কিডনি - কিডনি রক্ত filtering করে মূত্র তৈরি করে, জন্ডিস কিডনির প্রধান রোগ নয়। C) পাকস্থলী - পাকস্থলী খাদ্য পরিপাক ও অম্ল উৎপাদনে কাজ করে, জন্ডিসের সঙ্গে এর সম্পর্ক নেই। D) হৃৎপিণ্ড - হৃৎপিণ্ড রক্তসংবহনতন্ত্রের প্রধান অঙ্গ যা রক্ত पंप করে, জন্ডিস হৃৎপিণ্ডের রোগ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: জন্ডিস মানেই রক্তের বর্জ্য পদার্থ ফিল্টার করার অঙ্গ যকৃতের সমস্যা। যকৃত বা লিভার নষ্ট হলে বিলিরুবিনের মাত্রা বেড়ে যায় এবং ত্বক হলুদ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: রক্তে বিলিরুবিনের মাত্রা বৃদ্ধি পেলে জন্ডিস হয় এবং এটি যকৃতের স্বাস্থ্য নির্দেশ করে। একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে হেপাটাইটিস কোন অঙ্গের রোগ।