বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন (BPSC)

পিএসসিতে সিনিয়র স্টাফ নার্স পদে নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৪।

পদের নাম: সিনিয়র স্টাফ নার্স (১০ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (87)

a সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
b বিনয়কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায়
c বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়
d বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় ১. কেন সঠিক: - বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় বাংলা সাহিত্যে 'বনফুল' ছদ্মনামে লেখালেখি করতেন। - তাঁর এই ছদ্মনামটি বাংলা ছোটগল্প ও উপন্যাসে এক বিশেষ পরিচিতি লাভ করেছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় ছিলেন একজন বিশিষ্ট বাঙালি কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার ও চিকিৎসক। - তিনি মূলত ব্যঙ্গাত্মক, মনস্তাত্ত্বিক ও ছোট আকৃতির গল্প রচনার জন্য খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বনফুলের লেখা বিখ্যাত ছোটগল্প 'মূর্তির নির্দেশ'। ব্যাখ্যা: এটি তাঁর সাহিত্যকর্মে মানবমনের গভীর ভাবনার একটি সুন্দর উদাহরণ। উদাহরণ ২: বনফুলের বিখ্যাত উপন্যাস 'স্থাবর'। ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসটিতে তাঁর লেখক প্রতিভার অনন্য নিদর্শন পাওয়া যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় — এটি সঠিক নয় কারণ সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় 'নীললোহিত' বা 'সনাতন পাঠক' ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন। B) বিনয়কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় — এটি সঠিক নয় কারণ বিনয়কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় 'যাযাবর' ছদ্মনামে বিখ্যাত উপন্যাস লিখেছেন। D) বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় — এটি সঠিক নয় কারণ বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় কোনো বিশেষ ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন না। ৫ মনে রাখার টিপস: - বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম বনফুল মনে রাখতে বন ও বলাই শব্দ দুটির মিল মনে রাখতে পারো। - ছদ্মনাম সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে, তাই নিয়মিত চর্চা করা জরুরি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ছদ্মনাম থেকে নিয়মিত প্রশ্ন থাকে। - সাহিত্যিকদের প্রকৃত নাম ও ছদ্মনাম জোড়ায় জোড়ায় মুখস্থ রাখা পরীক্ষার জন্য খুব কার্যকর।
a কাজী নজরুল ইসলাম
b মীর মশাররফ হোসেন
c জসীমউদ্দীন
d দীনবন্ধু মিত্র
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মীর মশাররফ হোসেন ১. কেন সঠিক: বাংলা সাহিত্যের প্রখ্যাত কথাশিল্পী মীর মশাররফ হোসেন তাঁর সাহিত্যকর্ম ও জীবনধারার জন্য 'উদাসীন পথিক' উপাধিতে ভূষিত হন। তাঁর ব্যক্তিজীবন এবং তৎকালীন সমাজের নানা অসঙ্গতির বিরুদ্ধে তাঁর অবস্থান তাঁকে এই বিশেষ পরিচয়ে পরিচিত করেছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মীর মশাররফ হোসেন বাংলা গদ্যসাহিত্যের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। তিনি একাধারে ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক ছিলেন এবং বিষাদ সিন্ধু তাঁর সবচেয়ে বিখ্যাত মহাকাব্যিক উপন্যাস। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিষাদ সিন্ধু ব্যাখ্যা: মীর মশাররফ হোসেনের এটি সবচেয়ে জনপ্রিয় ও ঐতিহাসিক উপন্যাস যা কারবালার ট্র্যাজেডির ওপর রচিত। উদাহরণ ২: জমিদার দর্পণ ব্যাখ্যা: এটি নীলকর সাহেবদের অত্যাচারের বিরুদ্ধে লেখা তাঁর একটি বিখ্যাত নাটক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি হিসেবে সমাদৃত, উদাসীন পথিক নন। B) মীর মশাররফ হোসেন — এটি সঠিক উত্তর, তাই কোনো ভুল নেই। C) জসীমউদ্দীন — তিনি পল্লীকবি নামে পরিচিত এবং তাঁর কবিতায় বাংলার গ্রামীণ রূপ ফুটে উঠেছে। D) দীনবন্ধু মিত্র — তিনি একজন প্রখ্যাত নাট্যকার এবং নীলদর্পণ নাটকের রচয়িতা। ৫ মনে রাখার টিপস: মীর মশাররফ হোসেনের ছদ্মনাম বা বিশেষ উপাধি মনে রাখতে উদাসীন পথিক শব্দটি তাঁর নামের সঙ্গে মিলিয়ে পড়বে। বিষাদ সিন্ধু রচয়িতাকে প্রায়ই বিভিন্ন পরীক্ষায় এই বিশেষ নামে চিহ্নিত করা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকদের ছদ্মনাম ও উপাধি থেকে প্রশ্ন আসে। মীর মশাররফ হোসেনের জন্মস্থান রাজবাড়ী জেলার পদমদী এবং তাঁর বিষাদ সিন্ধু গ্রন্থটি বারবার পরীক্ষার্থীদের পড়তে হয়।
a হাসান হাফিজুর রহমান
b আঃ গফফার চৌধুরী
c মাহবুবুল আলম চৌধুরী
d আলতাফ মাহমুদ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) হাসান হাফিজুর রহমান ১. কেন সঠিক: 'একুশে ফেব্রুয়ারি' প্রথম প্রকাশিত সংকলনের প্রথম সম্পাদক ছিলেন বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও সাংবাদিক হাসান হাফিজুর রহমান। ১৯৫৩ সালে প্রকাশিত এই সংকলনটি ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে প্রকাশিত প্রথম প্রামাণ্য দলিল হিসেবে ঐতিহাসিক গুরুত্ব বহন করে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১৯৫৩ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ভাষা আন্দোলনের প্রথম বার্ষিকীতে এই সংকলনটি প্রকাশ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। এতে ভাষা আন্দোলনভিত্তিক কবিতা, প্রবন্ধ, গান ও স্মৃতিকথা স্থান পেয়েছিল যা তৎকালীন পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে বাঙালি জাতির প্রতিবাদের এক অনন্য ঐতিহাসিক দলিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অমর একুশে (সংকলন) ব্যাখ্যা: এটি ভাষা আন্দোলন নিয়ে প্রকাশিত আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সংকলন যা পরবর্তী সময়ে প্রকাশিত হয়েছিল। উদাহরণ ২: একুশের গান ব্যাখ্যা: আবদুল গফফার চৌধুরীর লেখা বিখ্যাত গানটি এই চেতনারই একটি অংশ যা ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসকে স্মরণ করিয়ে দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাসান হাফিজুর রহমান — তিনি ‘একুশে ফেব্রুয়ারি’ সংকলনের প্রথম সম্পাদক ছিলেন বিধায় এটি সঠিক উত্তর। B) আঃ গফফার চৌধুরী — তিনি বিখ্যাত 'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি' গানের গীতিকার, সংকলনের সম্পাদক নন। C) মাহবুবুল আলম চৌধুরী — তিনি ভাষা আন্দোলন নিয়ে রচিত প্রথম কবিতা 'কাঁদতে আসিনিক ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি' এর রচয়িতা। D) আলতাফ মাহমুদ — তিনি আবদুল গফফার চৌধুরীর লেখা একুশের গানের প্রথম সুরকার ছিলেন, সংকলনের সম্পাদক নন। ৫ মনে রাখার টিপস: ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংকলন প্রকাশের কাজটি কঠিন ছিল, যা হাসান হাফিজুর রহমান সফলভাবে সম্পন্ন করেছিলেন। এভাবে মনে রাখতে পারো যে প্রথম সংকলন মানেই হাসান হাফিজুর রহমানের নাম। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা সাহিত্য ও ভাষা আন্দোলনভিত্তিক সংকলন থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। ‘একুশে ফেব্রুয়ারি’ সংকলনের প্রকাশসাল এবং সম্পাদকের নাম উভয়ই সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
a ১৯০৭ সালে
b ১৯১০ সালে
c ১৯১৬ সালে
d ১৯২০ সালে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৯০৭ সালে ১. কেন সঠিক: চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন এবং বৌদ্ধ সহজিয়াদের সাধনা সংগীত। মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: চর্যাপদ মূলত বাংলা ভাষার আদি নিদর্শন যা চর্যাচর্যবিনিশ্চয় নামেও পরিচিত। ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর সম্পাদনায় হাজার বছরের পুরাণ বাংলা ভাষায় রচিত বৌদ্ধ গান ও দোহা নামে এটি প্রথম প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চর্যাপদের প্রথম পদটির রচয়িতা লুইপা এবং পদের শুরু কা তরু বর পঞ্চ বি ডাল দিয়ে। এই পদের মাধ্যমে মানবদেহের ইন্দ্রিয়গুলোকে গাছের ডালের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে। ব্যাখ্যা: এটি চর্যাপদের সাহিত্যিক রূপ ও রূপক অর্থের একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ যা পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। উদাহরণ ২: চর্যাপদের আবিষ্কারক মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপাল থেকে মোট চারটি পুথি আবিষ্কার করেছিলেন। ব্যাখ্যা: এই পুথিগুলোর মধ্যে চর্যাচর্যবিনিশ্চয় ছিল অন্যতম এবং এটি বাংলা ভাষার প্রাচীনত্ব প্রমাণ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯০৭ সালে — এই সালে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবার থেকে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেছিলেন তাই এটি সঠিক উত্তর। B) ১৯১০ সালে — এই সালে চর্যাপদ আবিষ্কারের সঙ্গে কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা বা সাল যুক্ত নয়। C) ১৯১৬ সালে — এই সালে চর্যাপদ গ্রন্থাকারে প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল কিন্তু আবিষ্কৃত হয়নি। D) ১৯২০ সালে — এই সালটি চর্যাপদের আবিষ্কার বা প্রকাশের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: ১৯০৭ সালে আবিষ্কার আর ১৯১৬ সালে প্রকাশ এই দুটি সাল মনে রাখার জন্য সংখ্যা দুটি পাশাপাশি মনে রাখতে পারো। আবিষ্কার আগে হয় তাই ১৯০৭ এবং প্রকাশ পরে হয় তাই ১৯১৬ সাল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় চর্যাপদ থেকে আবিষ্কারক, আবিষ্কারের স্থান, সাল এবং প্রকাশের সাল বারবার আসে। পুথির আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এবং প্রথম প্রকাশক বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ এই দুটি তথ্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
a তুর্কি
b ফারসি
c ফরাসি
d ইংরেজি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ফরাসি ১. কেন সঠিক: - রেস্তোরাঁ শব্দটি ফরাসি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। - বিদেশি ভাষা থেকে আগত শব্দগুলোর মধ্যে ফরাসি শব্দ দৈনন্দিন জীবনে বহুল ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাংলা ভাষায় বিভিন্ন বিদেশি ভাষার শব্দ প্রচলিত রয়েছে যেমন আরবি, ফারসি, তুর্কি ও ফরাসি। - ফরাসি শব্দগুলো মূলত সংস্কৃতি, খাদ্য ও জীবনযাত্রার সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কার্তুজ ব্যাখ্যা: এটি একটি ফরাসি শব্দ যা অস্ত্র ও গোলাবারুদ বোঝাতে বাংলায় ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: কুপন ব্যাখ্যা: কেনাকাটা বা লেনদেনের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত এই শব্দটি ফরাসি ভাষা থেকে এসেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তুর্কি — তুর্কি ভাষার শব্দ হলো দারোগা, চাকু ও লাশ। রেস্তোরাঁ তুর্কি শব্দ নয়। B) ফারসি — ফারসি ভাষার শব্দ হলো চশমা, কাগজ ও কারখানা। রেস্তোরাঁ ফারসি শব্দ নয়। C) ফরাসি — এটি সঠিক উত্তর। D) ইংরেজি — ইংরেজি ভাষার শব্দ হলো হসপিটাল, স্টেশন ও চেয়ার। রেস্তোরাঁ ইংরেজি শব্দ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ফরাসি খাবার বা সংস্কৃতির সাথে রেস্তোরাঁ শব্দটি যুক্ত মনে রাখবে। - ফরাসি শব্দ মনে রাখার সহজ কৌশল হলো রেস্তোরাঁয় বসে কার্তুজ নিয়ে আলোচনা করা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - খাদ্য ও জীবনযাত্রার অনেক আধুনিক শব্দ ফরাসি ভাষা থেকে বাংলায় প্রবেশ করেছে।
a ছয় দফা
b এগারো দফা
c ৭ই মার্চের ভাষণ
d ২১ দফা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ছয় দফা ১. কেন সঠিক: বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ হলো ছয় দফা। ঐতিহাসিক ছয় দফাকে বাঙালি জাতির স্বাধিকার আন্দোলনের প্রাণকেন্দ্র বা ম্যাগনা কার্টা বলা হয়। ২. সাহিত্য ও ইতিহাস ব্যাখ্যা: জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬৬ সালের ৫ থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধী দলগুলোর এক সম্মেলনে এই ঐতিহাসিক ছয় দফা দাবি পেশ করেন। এই দাবির মাধ্যমে পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসন ও বাঙালির রাজনৈতিক অধিকারের রূপরেখা তুলে ধরা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঐতিহাসিক ছয় দফা দিবস পালিত হয় প্রতিবছর ৭ জুন। ব্যাখ্যা: ১৯৬৬ সালের ৭ জুন ছয় দফার পক্ষে দেশব্যাপী সাধারণ হরতালে পুলিশের গুলিতে মনু মিয়াঁসহ অনেকেই শহীদ হন। উদাহরণ ২: আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করা হয়েছিল ছয় দফা আন্দোলনকে দমন করার উদ্দেশ্যে। ব্যাখ্যা: পাকিস্তান সরকার বাঙালির এই স্বাধিকার আন্দোলন দমাতে এই মিথ্যা মামলাটি সাজিয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ছয় দফা — এটি সঠিক কারণ এটি বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ হিসেবে সর্বজনস্বীকৃত। B) এগারো দফা — এটি ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের সময় ছাত্রসমাজ কর্তৃক পেশ করা হয়েছিল, মুক্তির সনদ নয়। C) ৭ই মার্চের ভাষণ — এটি স্বাধীনতার ঘোষণা ও দিকনির্দেশনা হলেও সংবিধানে মুক্তির সনদ বলা হয়নি। D) ২১ দফা — এটি ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী ইশতেহার ছিল, যা মুক্তির সনদ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: ছয় দফা হলো বাঙালির মুক্তির মূল চাবিকাঠি বা সনদ। এভাবে মনে রাখতে পারো যে ছয়টি দফাই বাঙালির মুক্তির পথ দেখিয়েছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬৬ সালের ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে ঐতিহাসিক ছয় দফা পেশ করেন। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এর সন ও স্থান প্রায়ই আসে।
a নাট্যাকাব্য
b উপন্যাস
c কাব্যনাট্য
d কাব্য
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কাব্যনাট্য ১. কেন সঠিক: - ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ একটি কাব্যনাট্য কারণ এতে কবিতার ছন্দের সঙ্গে নাটকের সংলাপ ও নাট্যরস সুন্দরভাবে মিশ্রিত রয়েছে। - এটি মূলত ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং গ্রামীণ সমাজের মনস্তাত্ত্বিক পটভূমিতে রচিত একটি বিশিষ্ট সাহিত্যকর্ম। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এই কাব্যনাট্যের রচয়িতা হলেন বাংলাদেশের প্রখ্যাত কবি ও নাট্যকার সৈয়দ শামসুল হক। - ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপট, অবরুদ্ধ গ্রামবাংলার মানুষের আতঙ্ক এবং একাত্তরের ক্রান্তিকালের বাস্তব চিত্র এতে চমৎকারভাবে ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মুনীর চৌধুরীর ‘রক্তাক্ত প্রান্তর’ ব্যাখ্যা: এটিও একটি বিখ্যাত কাব্যনাট্য যা পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে রচিত হয়েছে। উদাহরণ ২: সৈয়দ শামসুল হকের ‘নূরলদীনের সারাজীবন’ ব্যাখ্যা: এটি লেখকের আরেকটি বিখ্যাত কাব্যনাট্য যা কৃষক বিদ্রোহের পটভূমিতে রচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নাট্যাকাব্য — এটি কাব্যনাট্যের ভিন্ন রূপ এবং এই গ্রন্থটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে কাব্যনাট্য হিসেবেই গণ্য করা হয়। B) উপন্যাস — উপন্যাস হলো গদ্যে লিখিত বৃহৎ আকারের কাল্পনিক বা বাস্তবধর্মী গল্প, যা এটি নয়। D) কাব্য — কাব্য কেবল পদ্য বা কবিতার সমষ্টি, কিন্তু এতে নাটকের সংলাপ ও চরিত্রবিন্যাস রয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - সৈয়দ শামসুল হকের লেখা বিখ্যাত কাব্যনাট্য মনে রাখার কৌশল হলো পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় এবং নূরলদীনের সারাজীবন উভয়ই কাব্যনাট্য। - কাব্যনাট্য চেনার উপায় হলো এটি পদ্যের ছন্দে লেখা হলেও এতে নাটকের মতো চরিত্র ও সংলাপ থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ কার রচনা এবং এর সাহিত্যরূপ কী, তা প্রায়ই আসে। - সৈয়দ শামসুল হক রচিত নাটক ও কাব্যনাট্যগুলোর নাম আলাদা করে মনে রাখা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
a ইন্দ্রজিৎ
b সংশপ্তক
c জিতেেন্দ্রয়
d অরিজিৎ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জিতেেন্দ্রয় ১. কেন সঠিক: - ‘ইন্দ্রিয়কে জয় করেছে যে’ বাক্যের সংক্ষিপ্ত রূপ হলো জিতেেন্দ্রয় বা জিতেন্দ্রিয়। - এখানে ইন্দ্রিয় শব্দের সঙ্গে জয় করা অর্থে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে এককথায় প্রকাশের রূপটি গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশ হলো বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার ব্যাকরণগত প্রক্রিয়া। - এটি ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং ভাবকে সংহত করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অহংকার নাই যার = নিরহংকার ব্যাখ্যা: বড় বাক্যকে সংক্ষেপে প্রকাশ করার জন্য এটি ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: যা নিবারণ করা যায় না = অনিবার্য ব্যাখ্যা: এই ধরনের বাক্য সংকোচন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইন্দ্রজিৎ — ইন্দ্রকে জয় করেছে যে, তাকে এককথায় ইন্দ্রজিৎ বলা হয়। B) সংশপ্তক — যে লড়াইয়ে জীবনপণ বা মৃত্যুর পণ করেছে, তাকে সংশপ্তক বলে। C) জিতেেন্দ্রয় — এটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ ইন্দ্রিয়কে জয় করেছে যে। D) অরিজিৎ — শত্রুকে জয় করেছে যে, তাকে এককথায় অরিজিৎ বলা হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ইন্দ্রজয়ী বা ইন্দ্রিয়জয়ী বোঝাতে জিতেন্দ্রিয় শব্দটি ব্যবহার করা হয়। - শত্রুকে জয় করলে অরিজিৎ এবং ইন্দ্রকে জয় করলে ইন্দ্রজিৎ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে বানান এবং শব্দের অর্থ খুব সাবধানে লক্ষ্য করতে হবে। - একই রকম দেখতে শব্দগুলোর অর্থ আলাদা হতে পারে।
a তটিনী
b অর্ণব
c অবনী
d স্রোতস্বিনী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অর্ণব ১. কেন সঠিক: - অর্ণব শব্দটির অর্থ সমুদ্র বা মহাসাগর যা মূল প্রশ্নের সমার্থক শব্দের চাহিদা পুরোপুরি পূরণ করে। - সমুদ্র শব্দের অন্যান্য সমার্থক শব্দের মধ্যে অর্ণব একটি অতি পরিচিত ও প্রমিত তৎসম শব্দ। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো এমন কিছু শব্দ যেগুলোর বানান ও রূপ আলাদা হলেও অর্থ একই বা কাছাকাছি হয়। - এই প্রশ্নটি শব্দের উৎস ও সমার্থক শব্দ ক্যাটাগরির অন্তর্ভুক্ত এবং এটি তৎসম শব্দের ভাণ্ডার থেকে এসেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পারাবার ব্যাখ্যা: পারাবার শব্দটি সমুদ্র বা মহাসাগরের আরেকটি অত্যন্ত জনপ্রিয় সমার্থক শব্দ হিসেবে কাব্যে ও গদ্যে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: রত্নাকর ব্যাখ্যা: রত্নাকর হলো সমুদ্রের সমার্থক শব্দ কারণ এর তলদেশে প্রচুর মণি-মুক্তা ও রত্ন লুকানো থাকে বলে একে রত্নাকর বলা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তটিনী — তটিনী শব্দের অর্থ নদী, যা সমুদ্রের সমার্থক শব্দ নয়। B) অর্ণব — এটি সমুদ্রের সঠিক সমার্থক শব্দ এবং নির্ধারিত উত্তর। C) অবনী — অবনী শব্দের অর্থ পৃথিবী বা বসুন্ধরা, যা সমুদ্র বোঝায় না। D) স্রোতস্বিনী — স্রোতস্বিনী শব্দের অর্থ নদী বা প্রবাহিণী, যা সমুদ্রের সমার্থক নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - সমুদ্রের সমার্থক শব্দ মনে রাখতে পারো এই ছন্দটি দিয়ে: সাগর, অর্ণব, পারাবার ও রত্নাকর সবাই সমুদ্রের নানা রূপ। - নদী বোঝাতে তটিনী ও স্রোতস্বিনী ব্যবহার হয়, আর পৃথিবী বোঝাতে অবনী ব্যবহার হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নদী এবং সমুদ্রের সমার্থক শব্দগুলো প্রায়ই পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করতে একসঙ্গে অপশনে দেওয়া হয়। - তাই নদীবাচক শব্দ যেমন তটিনী, স্রোতস্বিনী এবং সমুদ্রবাচক শব্দ যেমন অর্ণব, পারাবার আলাদা করে মনে রাখা জরুরি।
a সুখবর
b অতিবৃষ্টি
c অভিষেক
d আমজনতা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আমজনতা ১. কেন সঠিক: - আমজনতা শব্দটি ফারসি বিদেশি উপসর্গ যোগে গঠিত হয়েছে যেখানে আম অর্থ সাধারণ বা সর্বসাধারণ বোঝায়। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি উপসর্গ চেনার জন্য শব্দের উৎস বা উপসর্গটির অর্থ জানা অত্যন্ত জরুরি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উপসর্গ হলো সেই সব অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে এবং অর্থের পরিবর্তন বা সম্প্রসারণ ঘটায়। - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত বিদেশি উপসর্গগুলোর মধ্যে আরবি, ফারসি, ইংরেজি এবং হিন্দি উপসর্গ উল্লেখযোগ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: খাসমহল ব্যাখ্যা: এখানে খাস একটি ফারসি উপসর্গ যা বিশেষ বা নিজস্ব অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: বরখাস্ত ব্যাখ্যা: এখানে বর একটি ফারসি উপসর্গ যা বাইরে বা পূর্ণ অর্থ প্রকাশে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুখবর - এটি দেশি বা খাঁটি বাংলা উপসর্গ সু যোগে গঠিত শব্দ যেখানে সু উপসর্গটি ভালো বা সুন্দর অর্থ প্রকাশ করে। B) অতিবৃষ্টি - এটি সংস্কৃত উপসর্গ অতি যোগে গঠিত শব্দ যা মাত্রাতিরিক্ত বা অধিক অর্থ প্রকাশ করে। C) অভিষেক - এটি সংস্কৃত উপসর্গ অভি যোগে গঠিত শব্দ যা সমীপ বা লক্ষ্য অর্থে ব্যবহৃত হয়। D) আমজনতা - এটি সঠিক উত্তর কারণ আম একটি বিদেশি ফারসি উপসর্গ। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিদেশি উপসর্গ মনে রাখার সহজ কৌশল হলো লা, খাস, দর, কম, বর, বে, বদ, আম, কার ইত্যাদি শব্দগুলো চিনে রাখা। - পরীক্ষার হলে শব্দের মূল উৎস খেয়াল করলে বিদেশি উপসর্গ সহজে আলাদা করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলা ব্যাকরণে উপসর্গ প্রধানত তিন প্রকার যেমন বাংলা, সংস্কৃত এবং বিদেশি উপসর্গ। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিদেশি উপসর্গ চিহ্নিত করার প্রশ্ন আসে, তাই ফারসি ও আরবি উপসর্গগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a অবরোধবাসিনী
b আলোয়ারা
c জোহরা
d রজনী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অবরোধবাসিনী ১. কেন সঠিক: - রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন রচিত অবরোধবাসিনী একটি বিখ্যাত গ্রন্থ। - এটি মূলত বিভিন্ন সত্য ঘটনার ভিত্তিতে রচিত নারীদের অবরোধ প্রথার নির্মমতা ও কুসংস্কারের বিরুদ্ধে এক ব্যঙ্গাত্মক ও প্রতিবাদী উপন্যাসিকা বা সামাজিক গ্রন্থ। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন বাঙালি মুসলিম নারী জাগরণের অগ্রদূত এবং একাধারে প্রাবন্ধিক, ঔপন্যাসিক ও সমাজসংস্কারক। - তাঁর অন্যান্য উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্মের মধ্যে সুলতানার স্বপ্ন একটি বিখ্যাত নারীবাদী কল্পবিজ্ঞান এবং পদ্মরাগ একটি সামাজিক উপন্যাস। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুলতানা স্বপ্ন ব্যাখ্যা: এটি রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের ইংরেজিতে রচিত একটি বিখ্যাত নারীবাদী কল্পবিজ্ঞানমূলক গ্রন্থ, যেখানে পুরুষশাসিত সমাজের উলটো চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। উদাহরণ ২: পদ্মরাগ ব্যাখ্যা: এটি রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন রচিত একটি নারীশিক্ষা ও সমাজসংস্কারমূলক উপন্যাস, যা নারীদের আত্মনির্ভরশীল হওয়ার বার্তা দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অবরোধবাসিনী — এটি রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের গ্রন্থ হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। B) আলোয়ারা — এটি ইসমাইল হোসেন সিরাজী রচিত একটি জনপ্রিয় সামাজিক উপন্যাস। C) জোহরা — এটি ইসমাইল হোসেন সিরাজী রচিত আরেকটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক ও সামাজিক উপন্যাস। D) রজনী — এটি বাংলা উপন্যাসের জনক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস। ৫ মনে রাখার টিপস: - বেগম রোকেয়ার গ্রন্থ মনে রাখার কৌশল হলো অবরোধবাসিনীর মাধ্যমে তিনি অবরুদ্ধ নারীদের বন্দিদশার করুণ চিত্র তুলে ধরেছেন। - তাঁর নামের সাথে অবরুদ্ধ নারীদের বন্দিদশার বিষয়টি মিলিয়ে নিলে গ্রন্থটি সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বেগম রোকেয়ার জন্মমৃত্যু, সম্পাদকীয় কাজ এবং সাহিত্যকর্মের নাম প্রায়ই আসে। - অবরোধবাসিনী গ্রন্থের ধরন বা এটি কার রচনা, এই ধরনের প্রশ্ন বারবার বিভিন্ন নিয়োগ পরীক্ষায় আসে।
a পরিচয়
b আমার পরিচয়
c আমি বাঙালি
d বাংলা বাঙালি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আমার পরিচয় ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত চরণটি কবি ও প্রাবন্ধিক সৈয়দ শামসুল হকের বিখ্যাত ‘আমার পরিচয়’ কবিতার অংশ। - এই কবিতার মূল সুর হলো বাঙালি জাতির হাজার বছরের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংগ্রাম এবং সংস্কৃতির গৌরবময় প্রকাশ। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ‘আমার পরিচয়’ কবিতাটির রচয়িতা আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি সৈয়দ শামসুল হক। - এই কবিতায় বাঙালি জাতির প্রাচীন ঐতিহ্য, নদীমাতৃক প্রকৃতি, আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ এবং অসাম্প্রদায়িক চেতনার এক অনন্য চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সবার উপরে মানুষ সত্য, তাহার উপরে নাই। ব্যাখ্যা: এটি চণ্ডীদাসের পদাবলির বিখ্যাত পঙক্তি, যা বাঙালি সংস্কৃতির মানবতাবাদী চেতনার পরিচয় বহন করে। উদাহরণ ২: বঙ্গে বরিষণ হয় হ্রদ জলে ধায়। ব্যাখ্যা: এটি প্রাচীন বাংলা সাহিত্যের নিদর্শন চর্যাপদের একটি পঙক্তি, যা বাঙালির আদি ইতিহাস ও প্রকৃতির পরিচয় দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পরিচয় — এটি মূল কবিতার সঠিক নাম নয়, সঠিক নাম ‘আমার পরিচয়’। C) আমি বাঙালি — এটি কবিতার কোনো পঙক্তি বা সঠিক নাম নয়, এটি একটি সাধারণ অভিব্যক্তি মাত্র। D) বাংলা বাঙালি — এটি কবি সৈয়দ শামসুল হকের ‘আমার পরিচয়’ কবিতার নাম বা চরণের সঙ্গে মিলে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাঙালি জাতির ইতিহাস ও গর্বের কথা বললেই সৈয়দ শামসুল হকের ‘আমার পরিচয়’ কবিতার কথা মনে রাখতে হবে। - কবিতার নামকরণের সঙ্গে ‘আমার’ শব্দটি যুক্ত আছে, যা আত্মপরিচয় বহন করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ‘আমার পরিচয়’ কবিতা থেকে প্রায়ই চরণ তুলে প্রশ্ন করা হয়। - কবিতাটির রচয়িতা সৈয়দ শামসুল হক এবং এর মূল ভাব বাঙালি জাতীয়তাবাদ ও ইতিহাসচেতনা।
a proper
b common
c collective
d material
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) collective ১. কেন সঠিক: - 'Army' শব্দটি দ্বারা কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা বস্তুকে না বুঝিয়ে একই জাতীয় একাধিক ব্যক্তি বা প্রাণীর সমষ্টিকে বোঝায়। - ইংরেজিতে যেসব নাউন বা বিশেষ্য কোনো ব্যক্তি, প্রাণী বা বস্তুর সমষ্টিকে বোঝায়, সেগুলোকে Collective Noun বা সমষ্টিবাচক বিশেষ্য বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ইংরেজি ব্যাকরণে Noun প্রধানত পাঁচ প্রকার, যার মধ্যে Collective Noun হলো এমন একটি পদ যা পৃথক প্রাণীর সমষ্টিকে একত্রে একক সত্তা হিসেবে প্রকাশ করে। - এই ধরনের নাউন সাধারণত দেখতে একবচন হলেও সামগ্রিকভাবে একটি দল বা সমষ্টিকে নির্দেশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: Class ব্যাখ্যা: 'Class' বা শ্রেণি হলো অনেকগুলো শিক্ষার্থীর একটি সমষ্টি, তাই এটি Collective Noun। উদাহরণ ২: Jury ব্যাখ্যা: 'Jury' বা বিচারকমণ্ডলী হলো একাধিক বিচারকের একটি দল, যা Collective Noun এর উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) proper — Proper Noun নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি, স্থান বা গ্রন্থের নাম বোঝায়, যা 'army' শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) common — Common Noun একজাতীয় সাধারণ নাম বোঝায়, কিন্তু 'army' সাধারণ কোনো একক ব্যক্তি বা বস্তুকে বোঝায় না। C) collective — এটি সঠিক কারণ 'army' একটি সুনির্দিষ্ট সমষ্টিকে নির্দেশ করে। D) material — Material Noun কোনো উপাদান বা বস্তুর নাম বোঝায় যা গণনা করা যায় না, যেমন water বা iron, যা 'army' নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - কোনো শব্দ যদি দল, বাহিনী বা সমিতির অর্থ প্রকাশ করে এবং অনেক সদস্য মিলে একটি মাত্র একক হিসেবে কাজ করে, তবে চোখ বন্ধ করে তাকে Collective Noun বলবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় Team, Family, Crowd এবং Committee শব্দগুলো কোন ধরনের Noun তা প্রায়ই আসে, যা Collective Noun এর অন্তর্ভুক্ত।
a বহুস্ত্রীহি
b কর্মধারয়
c দ্বন্দ
d অব্যয়ীভাব
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কর্মধারয় ১. কেন সঠিক: - জজ্ঞাসাহেব শব্দটি কর্মধারয় সমাসের অন্তর্ভুক্ত কারণ এখানে সাহেব পদের বিশেষ্য রূপের সঙ্গে জজ্ঞা পদের বিশেষণের সম্পর্ক স্থাপন করা হয়েছে। - কর্মধারয় সমাসে সাধারণত পরপদের অর্থ প্রধানভাবে প্রতীয়মান হয় এবং পূর্বপদ ও পরপদের মধ্যে বিশেষ্য ও বিশেষণ বা দুটি বিশেষণের সম্পর্ক থাকে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - যে সমাসে পরপদের অর্থ প্রধান হয় এবং পূর্বপদটি বিশেষণ বা বিশেষণভাবাপন্ন এবং পরপদটি বিশেষ্য হয়, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে। - জজ্ঞাসাহেব শব্দের ব্যাসববাক্য হলো জজ্ঞা যে সাহেব। এখানে জজ্ঞা হলো বিশেষণ এবং সাহেব হলো বিশেষ্য পদ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জজ্ঞাসাহেব ব্যাখ্যা: জজ্ঞা যে সাহেব, অর্থাৎ বিশেষণের সঙ্গে বিশেষ্যের মিলনে গঠিত কর্মধারয় সমাস। উদাহরণ ২: জজসাহেব ব্যাখ্যা: জজ যে সাহেব, যা একইভাবে কর্মধারয় সমাসের অপর একটি প্রমিত উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বহুস্ত্রীহি — বহুত্রীহি সমাসের সংজ্ঞার সঙ্গে এই পদের গঠন মেলে না কারণ এটি কোনো নতুন অর্থ প্রকাশ করছে না। B) কর্মধারয় — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এই সমাসের নিয়মের সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ। C) দ্বন্দ — দ্বন্দ সমাসে উভয় পদের অর্থের প্রাধান্য থাকে, যা এখানে অনুপস্থিত। D) অব্যয়ীভাব — অব্যয়ীভাব সমাসে পূর্বপদে অব্যয় যোগ হয়ে অব্যয়ের অর্থ প্রধান হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - কোনো পদের সঙ্গে সাহেব যুক্ত হয়ে যদি বিশেষ ও সাধারণের সম্পর্ক বোঝায়, তবে তা সাধারণত কর্মধারয় সমাস হয়। - ব্যাসববাক্যে যে বা যিনি থাকলে এবং পরপদ বিশেষ্য হলে কর্মধারয় সমাস নির্ধারণ করা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - উপমান, উপমিত ও রূপক কর্মধারয় সমাসের পাশাপাশি সাধারণ কর্মধারয় সমাসের গঠন ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে। - পরীক্ষার হলে ব্যাসববাক্য নির্ণয় করে সমাসের নাম স্থির করলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
a ক্ষণজীবী
b দীর্ঘজীবী
c ক্ষণজন্ম্না
d বিরলপ্রজ্ঞ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দীর্ঘজীবী ১. কেন সঠিক: - ‘কাকভূষণ্মী’ একটি পরিচিত বাগধারা যার অর্থ দীর্ঘজীবী বা অত্যন্ত দীর্ঘায়ু ব্যক্তি। - পৌরাণিক বিশ্বাস অনুযায়ী কাকভূষণ্মী ছিলেন অমর বা চিরজীবী এক ঋষি যিনি কাকের রূপ ধারণ করেছিলেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভাবার্থ প্রকাশ করে। - এই বাগধারার মূল উৎস হিন্দু পুরাণ, যেখানে কাকভূষণ্মীকে দীর্ঘায়ুর প্রতীক হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দাদার বয়স এখন নব্বই পার হয়েছে, তিনি যেন সাক্ষাৎ কাকভূষণ্মী। ব্যাখ্যা: এখানে অত্যন্ত দীর্ঘায়ু বোঝাতে কাকভূষণ্মী বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: আমাদের পরিবারে নানা হলেন একজন কাকভূষণ্মী, যিনি যুগের পর যুগ ধরে বংশের ইতিহাস রক্ষা করে চলেছেন। ব্যাখ্যা: দীর্ঘকাল বেঁচে থাকা বোঝাতে এখানে এই বাগধারার সার্থক প্রয়োগ ঘটেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক্ষণজীবী — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ যা অল্পকাল বাঁচে, যা দীর্ঘজীবীর সম্পূর্ণ বিপরীত। B) দীর্ঘজীবী — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই বাগধারার প্রচলিত এবং অভিধানসম্মত অর্থ হলো দীর্ঘায়ু সম্পন্ন ব্যক্তি। C) ক্ষণজন্মা — এই অপশনটি ভুল কারণ ক্ষণজন্মা অর্থ যিনি বিশেষ ক্ষণে বা লগ্নে জন্মগ্রহণ করেছেন এবং প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছেন। D) বিরলপ্রজ্ঞ — এই অপশনটি ভুল কারণ বিরলপ্রজ্ঞ অর্থ যার প্রজ্ঞা বা বুদ্ধিমত্তা অত্যন্ত দুর্লভ, দীর্ঘায়ুর সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - কাক অনেক বছর বাঁচে বলে লোকমুখে বিশ্বাস করা হয়, তাই কাক শব্দযুক্ত কাকভূষণ্মী মানে দীর্ঘজীবী। - পৌরাণিক অমর চরিত্র কাকভূষণ্মীর নাম থেকেই এই দীর্ঘায়ুর ধারণাটি এসেছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দীর্ঘজীবী অর্থ প্রকাশকারী অন্যান্য বাগধারা যেমন অলাবুনি বা ভূষণ্ডীর কাক সম্পর্কেও ধারণা রাখা প্রয়োজন। - বাক্যে প্রয়োগ এবং অর্থের গভীরতা বুঝে বাগধারা দাগাতে হবে।
a বাঁধনহারা
b মৃত্যুক্ষুধা
c কুহেলিকা
d ব্যথার দান
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ব্যথার দান ১. কেন সঠিক: জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত গল্পগ্রন্থ হলো ব্যথার দান। এটি কোনো উপন্যাস নয়, বরং একটি ছোটগল্প সংকলন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম মূলত কবিতা ও গান লিখে বেশি পরিচিত হলেও তিনি সফলভাবে উপন্যাস, ছোটগল্প এবং নাটকও রচনা করেছেন। তার বিখ্যাত উপন্যাসগুলোর মধ্যে বাঁধনহারা, মৃত্যুক্ষুধা ও কুহেলিকা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাজী নজরুল ইসলামের লেখা আরেকটি বিখ্যাত ছোটগল্প সংকলন হলো রিক্তের বেদন। ব্যাখ্যা: ব্যথার দান এর মতো রিক্তের বেদন ও নজরুল ইসলামের একটি জনপ্রিয় ছোটগল্প গ্রন্থ। উদাহরণ ২: কাজী নজরুল ইসলামের লেখা আরেকটি ছোটগল্প গ্রন্থ হলো শিউলীমালা। ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থটিতেও লেখকের বেশ কিছু মননশীল ও রোমান্টিক ছোটগল্প সংকলিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাঁধনহারা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম রচিত এবং প্রকাশিত উপন্যাস। B) মৃত্যুক্ষুধা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি অত্যন্ত বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস। C) কুহেলিকা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের রচিত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের একটি উপন্যাস। D) ব্যথার দান — এটি কোনো উপন্যাস নয়, বরং লেখকের একটি বিখ্যাত ছোটগল্প সংকলন। ৫ মনে রাখার টিপস: নজরুলের তিনটি বিখ্যাত উপন্যাস মনে রাখার সহজ কৌশল হলো বাঁধনহারা ও মৃত্যুক্ষুধা কুহেলিকায় আচ্ছন্ন। এখানে বাঁধনহারা, মৃত্যুক্ষুধা এবং কুহেলিকা হলো তাঁর তিনটি উপন্যাস। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই নজরুলের উপন্যাস ও ছোটগল্পের মধ্যে পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়। তাই লেখকের উপন্যাস এবং গল্পগ্রন্থের নামগুলো আলাদা করে মুখস্থ রাখা অত্যন্ত জরুরি।
a শওকত আলী
b শেখ আজিজুর রহমান
c ওসমান গনি
d আজিজুল হক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শেখ আজিজুর রহমান ১. কেন সঠিক: - প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক শওকত ওসমানের প্রকৃত বা জন্মগত নাম ছিল শেখ আজিজুর রহমান। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকদের প্রকৃত নাম ও ছদ্মনাম থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শওকত ওসমান ছিলেন বাংলা সাহিত্যের একজন বিশিষ্ট ঔপন্যাসিক ও ছোটগল্পকার। - তার বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে ক্রীতদাসের হাসি, জাহান্নাম হইতে বিদায় এবং জলাঙ্গি অন্যতম। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রকৃত নাম প্রবোধ কুমার বন্দ্যোপাধ্যায়। ব্যাখ্যা: বিখ্যাত এই কথাশিল্পীর পৈতৃক নাম প্রবোধ কুমার হলেও তিনি সাহিত্যজগতে মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় নামে পরিচিত হন। উদাহরণ ২: বনফুলের প্রকৃত নাম বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়। ব্যাখ্যা: আধুনিক বাংলা সাহিত্যের জনপ্রিয় ছোটগল্পকার বনফুল মূলত তার ছদ্মনামে লিখতেন এবং তার আসল নাম বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শওকত আলী — শওকত আলী একজন বিখ্যাত বাঙালি ঔপন্যাসিক হলেও শওকত ওসমানের প্রকৃত নাম এটি নয়। B) শেখ আজিজুর রহমান — এটিই শওকত ওসমানের প্রকৃত বা জন্মগত নাম। C) ওসমান গনি — এই নামটি শওকত ওসমানের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) আজিজুল হক — এই নামে বাংলা সাহিত্যে অন্য ব্যক্তি থাকতে পারেন, তবে এটি শওকত ওসমানের প্রকৃত নাম নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - শওকত ওসমানের নামের প্রথম অক্ষর শ এবং তার প্রকৃত নামের প্রথম নাম শেখ, যা দিয়ে সহজে মিলিয়ে মনে রাখা যায়। - সাহিত্যিকদের প্রকৃত নাম মনে রাখতে তাদের নামের তালিকা তৈরি করে নিয়মিত চর্চা করতে হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - লেখক ও কবিদের ছদ্মনাম এবং প্রকৃত নাম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি টপিক। - এই প্রশ্নটি ভালোভাবে আয়ত্ত করলে বিসিএস বা অন্যান্য নিয়োগ পরীক্ষায় একই ধরনের অন্যান্য সাহিত্যিকদের নাম সহজে মনে রাখা সম্ভব হবে।
a বায়কুষ্ঠ
b মিতব্যয়ী
c সাবধানী
d কৃপণ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বায়কুষ্ঠ ১. কেন সঠিক: - যে ব্যয় করতে কুন্ঠাবোধ করে তাকে এককথায় বায়কুষ্ঠ বলা হয়। - এই শব্দটিতে ব্যয় করার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত কার্পণ্য বা দ্বিধাবোধ প্রকাশ পায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন ব্যাকরণ অংশের অন্তর্ভুক্ত। - বড় বাক্য বা ভাবকে সংক্ষেপে একটি মাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যম হলো বাক্য সংকোচন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যা সহজে লভ্য ব্যাখ্যা: একে এককথায় সুলভ বলা হয়। উদাহরণ ২: যা পূর্বে কখনো দেখা যায়নি ব্যাখ্যা: একে এককথায় অদৃষ্টপূর্ব বলা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বায়কুষ্ঠ — এটি সঠিক উত্তর। B) মিতব্যয়ী — যে পরিমিত বা বুঝে ব্যয় করে তাকে মিতব্যয়ী বলে, কুন্ঠাবোধকারী নয়। C) সাবধানী — যে খুব সতর্ক বা সাবধানতা অবলম্বন করে চলে তাকে সাবধানী বলে। D) কৃপণ — যে ব্যক্তি ধন থাকতেও খরচ করতে চায় না বা কৃপণতা করে, তাকে কৃপণ বলে, তবে কুন্ঠাবোধের ক্ষেত্রে বায়কুষ্ঠ শব্দটি বেশি উপযোগী। ৫. মনে রাখার টিপস: - ব্যয় করার কুন্ঠা থেকে বায়কুষ্ঠ শব্দটি এসেছে এভাবে মনে রাখা যায়। - বাক্য সংকোচনের ক্ষেত্রে মূল শব্দের অর্থের মিল খেয়াল রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - অপরিচিত শব্দগুলোর অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করলে সহজেই উত্তর করা সম্ভব।
a ঞ + গ
b গ + ঞ
c জ + ঞ
d ঞ + জ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জ + ঞ ১. কেন সঠিক: যুক্তব্যঞ্জনটি গঠিত হয়েছে জ এবং ঞ ধ্বনিযোগে। প্রমিত বাংলা বানরীতি ও বর্ণমালা অনুযায়ী এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যুক্তবর্ণ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা বর্ণমালায় কিছু যুক্তবর্ণ তাদের উচ্চারণ রূপের চেয়ে ভিন্ন উপাদান নিয়ে গঠিত হয়। ‘জ্ঞ’ বর্ণটির ক্ষেত্রে অনেকে ভুলবশত গ এবং ঞ মনে করেন, যা মূলত জ এবং ঞ এর মিলিত রূপ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জ্ঞান ব্যাখ্যা: শব্দটিতে ‘জ্ঞ’ যুক্তবর্ণটি ব্যবহৃত হয়েছে যা জ এবং ঞ এর যোগফল। উদাহরণ ২: বিজ্ঞ ব্যাখ্যা: এই শব্দটির যুক্তব্যঞ্জনেও একই ব্যাকরণগত নিয়ম প্রযোজ্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঞ + গ — এই ক্রমটি ভুল কারণ এতে বর্ণের অবস্থান উল্টো রয়েছে। B) গ + ও — এটি সাধারণ ভুল ধারণা থেকে উৎপন্ন একটি অপশন যা ব্যাকরণগতভাবে অসত্য। D) ঞ + জ — এটি ‘জ্ঞ’ এর উপাদান নয় বরং জ এবং ঞ এর ক্রম এখানে বিপরীত। ৫. মনে রাখার টিপস: জ্ঞান অর্জনের জন্য জীবন বা জ দিয়ে শুরু করতে হয়, তাই মনে রাখবেন ‘জ্ঞ’ মানে জ যোগ ঞ। এটি বিসিএস পরীক্ষার জন্য একটি কমন প্রশ্ন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: যুক্তবর্ণের গঠন থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। ‘জ্ঞ’ শব্দের শুরুতে থাকলে সাধারণত গ-ফলা বা গ-এর মতো শোনা গেলেও এর মূল উপাদান জ এবং ঞ।
a a
b the
c an
d zero article
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) an কেন সঠিক: - heir শব্দের শুরুতে h থাকা সত্ত্বেও এর উচ্চারণ বাংলায় এ বা ভাওয়েল সাউন্ডের মতো হয়। - ভাওয়েল সাউন্ড দিয়ে শুরু হওয়া singular countable noun এর পূর্বে a এর পরিবর্তে an বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a — h এর উচ্চারণ হ এর মতো না হয়ে ভাওয়েল সাউন্ড হওয়ায় এখানে a বসবে না। B) the — heir শব্দটি নির্দিষ্ট নয় বরং যেকোনো উত্তরাধিকারী বোঝাতে অনির্দিষ্ট আর্টিকেল বসে। C) an — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং নিয়মাফিক সঠিক। D) zero article — singular countable noun কখনো আর্টিকেল ছাড়া একা বসে না। মনে রাখার টিপস: শব্দের শুরুতে h থাকলেও উচ্চারণের সময় হ silent বা উহ্য থাকলে তার আগে a না বসিয়ে an বসাতে হয়।
a companion
b partner
c friend
d foe
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) foe কেন সঠিক: - 'Ally' শব্দটির অর্থ হলো মিত্র, সহযোগী বা বন্ধুভাবাপন্ন পক্ষ। - 'Foe' শব্দটির অর্থ হলো শত্রু বা বিপক্ষ, যা 'Ally' শব্দের সরাসরি বিপরীতার্থক শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) companion — এর অর্থ সঙ্গী বা সাথী, যা ally শব্দের সমার্থক বা কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে। B) partner — এর অর্থ অংশীদার বা সহযোগী, যা ally শব্দের প্রতিশব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। C) friend — এর অর্থ বন্ধু, যা ally শব্দের সমার্থক এবং বিপরীতার্থক নয়। D) foe — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ শত্রু, যা ally শব্দের বিপরীত। মনে রাখার টিপস: ALLY (বন্ধু) এবং FOE (শত্রু) হলো একটি জনপ্রিয় বিপরীত শব্দের জোড়া যা প্রায়ই পরীক্ষায় আসে।
a Humans
b Humen
c Humanes
d Humane
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Humans কেন সঠিক: - ইংরেজি ভাষা এবং ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সাধারণ nouns-এর সঙ্গে s যোগ করে plural করতে হয়। - human শব্দটির শেষে s যোগ করে এর plural form হিসেবে humans গঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Humans — এটি সঠিক উত্তর। B) Humen — এটি ভুল কারণ human শব্দের plural করতে man-এর মতো en যোগ হয় না। C) Humanes — এটি ভুল কারণ ইংরেজিতে es যোগ করে human শব্দের plural করার নিয়ম নেই। D) Humane — এটি ভুল কারণ humane একটি adjective যার অর্থ দয়ালু, আর human হলো noun। মনে রাখার টিপস: human শব্দের শেষে सिर्फ s যোগ করলেই এর plural form humans তৈরি হয়।
a causative
b transitive
c intransitive
d modal
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) intransitive কেন সঠিক: - এই বাক্যে 'come' ভার্বটির পরে কোনো অবজেক্ট বা কর্ম নেই এবং এটি নিজে নিজেই অর্থ প্রকাশ করতে পারছে। - যে ভার্বের কোনো অবজেক্ট থাকে না এবং অর্থ প্রকাশের জন্য অন্যের ওপর নির্ভর করে না, তাকে ইন্ট্রানজিটিভ ভার্ব বলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) causative — কজেটিভ ভার্ব হলো সেই ভার্ব যা সাবজেক্ট নিজে কাজ না করে অন্যকে দিয়ে করায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। B) transitive — ট্রানজিটিভ ভার্ব হতে হলে বাক্যে একটি অবজেক্ট বা কর্ম থাকতে হয়, কিন্তু 'come' এর পরে কোনো অবজেক্ট নেই। C) intransitive — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই ভার্বটির কোনো অবজেক্ট নেই এবং এটি স্বয়ংসম্পূর্ণভাবে অর্থ প্রকাশ করেছে। D) modal — মোডাল ভার্ব হলো সাহায্যকারী ভার্ব যেমন can, could, may যা মূল ভার্বের আগে বসে, কিন্তু 'come' এখানে মূল ভার্ব। মনে রাখার টিপস: ভার্বকে কি বা কাকে দ্বারা প্রশ্ন করে যদি কোনো উত্তর না পাওয়া যায়, তবে সেটি ইন্ট্রানজিটিভ ভার্ব।
a By whom was this done?
b By whom has this done?
c By whom this has been done?
d By whom this had been done?
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) By whom was this done? কেন সঠিক: - interrogative pronoun who যুক্ত active voice-কে passive করার সময় শুরুতে By whom বসে। - past indefinite tense-এর active বাক্যের মূল verb did-এর passive রূপ হিসেবে was এবং done বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) By whom was this done? — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এখানে tense ও voice-এর নিয়ম সঠিকভাবে মানা হয়েছে। B) By whom has this done? — এটি ভুল, কারণ এখানে past indefinite tense-এর জন্য present perfect-এর auxiliary verb has ব্যবহার করা হয়েছে এবং done-এর আগে been নেই। C) By whom this has been done? — এটি ভুল, কারণ subject-এর আগে auxiliary verb না থাকায় interrogative sentence-এর গঠন সঠিক হয়নি। D) By whom this had been done? — এটি ভুল, কারণ এখানে past perfect tense ব্যবহার করা হয়েছে এবং বাক্যের গঠন interrogative নিয়মে নেই। মনে রাখার টিপস: Who যুক্ত active voice-কে passive করার সময় শুরুতে By whom বসবে এবং tense অনুযায়ী auxiliary verb-এর পর object-টি subject হবে।
a We watched as the sun went down.
b Tears ran down her face.
c The system was down all morning.
d Down with the tyrant!
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) The system was down all morning. কেন সঠিক: - এখানে 'down' শব্দটি 'the system' নাউনের অবস্থা বা গুণ বোঝাচ্ছে এবং 'was' লিংকিং ভার্বের কমপ্লিমেন্ট হিসেবে বসেছে। - কোনো শব্দ নাউনের অবস্থা প্রকাশ করলে এবং লিংকিং ভার্বের পরে বসলে তা অ্যাডজেক্টিভ হিসেবে গণ্য হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) We watched as the sun went down. — এখানে 'down' ভার্বের পরে বসে গতির দিক নির্দেশ করায় এটি অ্যাডভার্ব। B) Tears ran down her face. — এখানে 'down' নাউনের পূর্বে বসে দিক বোঝাচ্ছে এবং প্রিপজিশন হিসেবে কাজ করেছে। C) The system was down all morning. — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর যেখানে 'down' অ্যাডজেক্টিভ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। D) Down with the tyrant! — এখানে 'down' কোনো কিছুর পতন বা তীব্র বিরূপতা প্রকাশ করায় এটি ইন্টারজেকশন বা প্রিডிக্টিভ অব্যয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: লিংক ভার্বের পরে বসে যখন কোনো শব্দ সাবজেক্টের অবস্থা প্রকাশ করে, তখন সাধারণত তা অ্যাডজেক্টিভ হয়।
a infinitive
b gerund
c participle
d verbal noun
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) participle কেন সঠিক: - 'blooming' শব্দটি এখানে noun (flower) এর পূর্বে বসে adjective-এর কাজ করছে এবং একই সাথে verb-এর অর্থ প্রকাশ করছে। - Verb যখন একই সাথে adjective এবং verb-এর কাজ করে, তখন তাকে participle বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) infinitive — এটি verb-এর বেস ফর্মের পূর্বে to যুক্ত হয়ে গঠিত হয়, যা এখানে নেই। B) gerund — এটি verb-এর সাথে ing যুক্ত হয়ে noun-এর কাজ করে, কিন্তু 'blooming' এখানে noun-কে Modify করছে। C) participle — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি verb এবং adjective উভয় কাজই সফলভাবে সম্পন্ন করছে। D) verbal noun — এটি gerund-এর পূর্বে the এবং পরে of যুক্ত হয়ে গঠিত হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: Verb-এর সাথে ing যুক্ত হয়ে যদি adjective-এর কাজ করে, তবে চোখ বন্ধ করে তাকে Participle বলবে।
a verb
b adverb
c adjective
d preposition
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) adverb কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যে 'too' শব্দটি অ্যাডজেক্টিভ 'soon'-কে মডিফাই করেছে। - ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী যা কোনো adjective বা adverb-কে মডিফাই করে, তাকে adverb বলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) verb — ভার্ব হলো কোনো কাজ করা বোঝায়, কিন্তু 'too' কোনো কাজের নাম বা অবস্থা নির্দেশ করছে না। B) adverb — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি অপর একটি অ্যাডভার্ব বা অ্যাডজেক্টিভের মাত্রা প্রকাশ করছে। C) adjective — অ্যাডজেক্টিভ কোনো noun বা pronoun-এর দোষ, গুণ বা সংখ্যা প্রকাশ করে, যা এখানে নেই। D) preposition — প্রিপজিশন নাউন বা প্রোনাউনের পূর্বে বসে সম্পর্ক স্থাপন করে, যা 'too'-র কাজ নয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যে কোনো adjective বা adverb-এর ঠিক আগে বসে তার মাত্রা বাড়িয়ে দিলে সাধারণত সেটি adverb হয়।
a One of my friends are getting married today.
b One of my friend is getting married today.
c One of my friends are getting married today.
d One of my friends is getting married today.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) One of my friends is getting married today. কেন সঠিক: - "One of" এর পর noun বা pronoun টি সবসময় plural হয়, কিন্তু এদের ভেতরের গঠন বা অর্থের কারণে মূল verb টি singular (একবচন) হয়। - এখানে "One" হলো বাক্যের মূল Subject, তাই এর সাথে singular verb হিসেবে "is" ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) One of my friends are getting married today. — এখানে "friends" এর সাথে plural verb "are" ব্যবহার করা হয়েছে, যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল কারণ মূল subject হলো singular "One"। B) One of my friend is getting married today. — এখানে "One of" এর পরের noun "friend" কে singular রাখা হয়েছে, অথচ নিয়ম অনুযায়ী এটি plural হওয়ার কথা ছিল। C) One of my friends are getting married today. — এটি অপশন এ এর পুনরাবৃত্তি এবং এখানেও plural verb "are" ব্যবহারের নিয়মগত ভুল রয়েছে। D) One of my friends is getting married today. — এটি সঠিক অপশন এবং এর গঠন নিয়ম অনুযায়ী সম্পূর্ণ নির্ভুল। মনে রাখার টিপস: বাক্যের শুরুতে "One of" থাকলে চোখ বন্ধ করে পরের noun টিকে plural এবং verb টিকে singular করে দেবে।
a participle
b gerund
c verb
d infinitive
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) gerund কেন সঠিক: - 'sleeping' শব্দটি এখানে verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে noun এর কাজ করেছে এবং enjoy transitive verb এর object হিসেবে বসেছে। - Verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে যখন একই সাথে verb ও noun এর কাজ করে, তখন তাকে gerund বলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) participle — এটি noun এর কাজ না করে adjective এর কাজ করে, তাই এখানে প্রযোজ্য নয়। B) gerund — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি noun এর কাজ করেছে। C) verb — এটি বাক্যের মূল verb নয় বরং gerund হিসেবে noun এর কাজ করছে। D) infinitive — এটি to এর সাথে verb এর base form নয়, তাই এটি সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: Verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে যদি বাক্যে noun এর কাজ করে এবং what বা কাকে দিয়ে প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যায়, তবে তা gerund হবে।
a She asked me if I was happy in my new job.
b She asked me if I had been happy in my new job.
c She asked me if I have been happy in my new job.
d She asked me whether I am happy in my new job.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) She asked me if I was happy in the new job. কেন সঠিক: - রিপোর্টিং ভার্ব said to অতীত কালের হওয়ায় ইনডাইরেক্ট ন্যারেশনে টেন্স পরিবর্তন হয়ে প্রেজেন্ট টেন্স থেকে পাস্ট টেন্সে রূপান্তরিত হয়। - ইন্টারোগেটিভ সেন্টেন্সটি অক্সিলিয়ারি ভার্ব দিয়ে শুরু হওয়ায় कंजাংশন হিসেবে if বসে এবং রিপোর্টেড স্পিচটি অ্যাসারভেটিভ বাক্যে রূপান্তরিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) She asked me if I was happy in my new job. — এই অপশনটি সঠিক এবং ন্যারেশনের সকল নিয়ম সঠিকভাবে মেনে চলা হয়েছে। B) She asked me if I had been happy in my new job. — এখানে অতিরিক্ত পাস্ট পারফেক্ট টেন্স ব্যবহার করা হয়েছে যা মূল বাক্যের পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্সের নিয়মের সাথে মেলে না। C) She asked me if I have been happy in my new job. — এখানে প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্স ব্যবহার করা হয়েছে, যা রিপোর্টিং ভার্ব পাস্ট টেন্স থাকায় ব্যাকরণগতভাবে ভুল। D) She asked me whether I am happy in my new job. — এখানে রিপোর্টেড স্পিচে প্রেজেন্ট টেন্স অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে, যা ন্যারেশনের নিয়মের বরখেলাপ। মনে রাখার টিপস: প্রশ্নবোধক বাক্য ন্যারেশন করার সময় রিপোর্টিং ভার্ব asked হয়, कंजাংশন if বসে এবং টেন্স এক ধাপ পেছনের দিকে (পাস্ট টেন্স) যায়।
a at
b for
c on
d over
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) on কেন সঠিক: - 'Call on' একটি উপযুক্ত ফ্রেজাল ভার্ব, যার অর্থ আনুষ্ঠানিকভাবে কাউকে কোনো কাজ করার জন্য আহ্বান জানানো বা দায়িত্ব দেওয়া। - সচিবকে সভার কার্যবিবরণী পড়ার জন্য বলা হয়েছিল, তাই এখানে সঠিক প্রিপোজিশন হবে 'on'। বাকি অপশন কেন ভুল: A) at — 'Call at' অর্থ কোনো স্থানে সাময়িকভাবে থামানো বা সাক্ষাৎ করা, যা এখানে অর্থহীন। B) for — 'Call for' অর্থ কোনো কিছুর দাবি করা বা তলব করা, যা বাক্যটির কাঠামোর সঙ্গে মিলে না। C) on — এই অপশনটি সঠিক এবং তা উপরে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। D) over — 'Call over' অর্থ নাম ধরে ডাকা বা তালিকা মিলিয়ে দেখা, যা এই বাক্যের প্রেক্ষাপটে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: কোনো দায়িত্ব পালনের জন্য কাউকে আনুষ্ঠানিকভাবে আহ্বান বা নির্দেশ দিতে 'Call on' ফ্রেজাল ভার্বটি ব্যবহৃত হয়।
a adverb
b verb
c interjection
d conjunction
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) conjunction কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যে 'while' শব্দটি দুটি ক্লজ বা খণ্ডবাক্যকে (Don't go out এবং it rains) যুক্ত করেছে। - দুটি বাক্য বা ক্লজকে সংযোগকারী শব্দ হওয়ায় এটি এখানে কনজাংশন বা সংযোজক অব্যয় হিসেবে কাজ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) adverb — এটি ক্রিয়ার সময় বোঝালেও এই বাক্যে এটি কোনো স্বাধীন ক্রিয়া বিশেষণ হিসেবে এককভাবে কাজ করছে না, বরং দুটি অংশকে যুক্ত করেছে। B) verb — এটি কোনো কাজ, অবস্থা বা অস্তিত্ব নির্দেশক শব্দ বা ক্রিয়া নয়। C) interjection — এটি মনের আকস্মিক আবেগ প্রকাশকারী কোনো শব্দ যেমন বাহ বাহ বা ওহ নয়। D) conjunction — এটি সঠিক কারণ এটি দুটি খণ্ডবাক্যকে সংযুক্ত করার কাজ করেছে। মনে রাখার টিপস: 'While' এর পরে যদি সাবজেক্ট ও ভার্ব থাকে এবং এটি দুটি ক্লজকে যুক্ত করে, তবে এটি সবসময় conjunction হয়।
a a brother and a sister
b b) a sister
c a brother or sister
d a brother
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) a brother or sister কেন সঠিক: - 'Sibling' শব্দটির আক্ষরিক ও গ্রহণযোগ্য অর্থ হলো সহোদর ভাই অথবা বোন। - বাবা-মা এক হলে ভাই বা বোন যে কেউ এই পদের অন্তর্ভুক্ত হতে পারে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a brother and a sister — এটি ভুল কারণ sibling বলতে একসঙ্গে ভাই ও বোন উভয়কে বোঝায় না, বরং যে কোনো একজনকে বোঝায়। B) b) a sister — এটি অসম্পূর্ণ কারণ sibling শুধুমাত্র বোনকে বোঝায় না, ভাইও হতে পারে। C) a brother or sister — এটি সঠিক কারণ sibling বলতে একজন ভাই অথবা একজন বোনকে বোঝায়। D) a brother — এটিও অসম্পূর্ণ কারণ sibling শুধুমাত্র ভাইকে বোঝায় না, বোনও হতে পারে। মনে রাখার টিপস: Sibling মানে একই বাবা-মায়ের সন্তান, সে ভাই হোক কিংবা বোন।
a an unexpected gain
b fluency of speech
c thought provoking oration
d a christmas gift
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) fluency of speech কেন সঠিক: - 'The gift of the gab' একটি জনপ্রিয় ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা, যার আক্ষরিক অর্থ কথা বলার বিশেষ দক্ষতা। - এই ইডিয়মটি মূলত সাবলীলভাবে, চমৎকারভাবে ও প্ররোচনামূলকভাবে কথা বলার দক্ষতাকে নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) an unexpected gain — এটি কোনো অপ্রত্যাশিত লাভ বা প্রাপ্তি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা কথা বলার দক্ষতার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) fluency of speech — এটি এই ইডিয়মের সঠিক অর্থ নির্দেশ করে, যা সাবলীল কথাবলার পারদর্শিতা বোঝায়। C) thought provoking oration — এটি চিন্তাজাগানিয় বক্তব্য বোঝায়, কিন্তু ইডিয়মটি নির্দিষ্ট কোনো বক্তব্য নয় বরং যেকোনো বিষয়ে সাবলীল বলার দক্ষতাকে বোঝায়। D) a christmas gift — এটি একটি সাধারণ উপহার বা ক্রিসমাসের উপহার বোঝায়, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: 'Gab' শব্দের অর্থ বকবক করা বা কথা বলা। তাই যার কথা বলার বিশেষ 'gift' বা গুণ আছে, সে হলো সাবলীল বক্তা।
a Spectrum
b Dice
c Stimulus
d Basis
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Dice কেন সঠিক: - 'Dice' শব্দটির একবচন (Singular) ও বহুবচন (Plural) রূপ একই থাকে। - এর একবচন ও বহুবচন উভয় ক্ষেত্রেই 'Dice' ব্যবহৃত হয়, যদিও এর মূল একক 'Die' হতে পারে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Spectrum — এর বহুবচন রূপ হলো Spectra বা Spectrums, তাই এটি অভিন্ন নয়। B) Dice — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর একবচন ও বহুবচন রূপ একই। C) Stimulus — এর বহুবচন রূপ হলো Stimuli, তাই এটি অভিন্ন নয়। D) Basis — এর বহুবচন রূপ হলো Bases, তাই এটি অভিন্ন নয়। মনে রাখার টিপস: লুডু খেলার ছক্কা বা Dice একবচন ও বহুবচন উভয় ক্ষেত্রেই একই থাকে।
a I lodged a complaint.
b I made a complain.
c I lodged a complained.
d I filed a complain.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) I lodged a complaint. কেন সঠিক: - Complaint হলো Noun এবং এর পূর্বে সঠিক Verb হিসেবে lodge ব্যবহার করা হয়েছে। - অভিযোগ দায়ের করা অর্থে lodge a complaint একটি প্রমিত ইংরেজি collocation বা উপযুক্ত শব্দগুচ্ছ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I lodged a complaint — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়। B) I made a complain — Complain শব্দটি Verb, কিন্তু এখানে Noun বসা দরকার ছিল; সঠিক রূপ হলো complaint। C) I lodged a complained — Lodged হলো Verb-এর Past form, এর পরে আবার complained (Verb-এর Past form) বসতে পারে না। D) I filed a complain — Complain হলো Verb, সঠিক Noun হিসেবে complaint ব্যবহার করা উচিত ছিল। মনে রাখার টিপস: অভিযোগ করার ক্ষেত্রে Noun রূপ হিসেবে complaint ব্যবহার করতে হয় এবং এর সঙ্গে সাধারণত lodge verb ব্যবহৃত হয়।
a 18 - 30 kg/m²
b 19 - 25 Kg/m²
c 20 - 27 Kg/m²
d 18.5 - 24.9 Kg/m²
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৮.৫ − ২৪.৯ Kg/m² প্রদত্ত তথ্য: মানুষের শরীরের ওজন ও উচ্চতার অনুপাত থেকে BMI নির্ণয় করা হয় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে স্বাভাবিক BMI এর নির্দিষ্ট পরিমাপ আছে ধরি, মানুষের ওজন = W কেজি মানুষের উচ্চতা = H মিটার অতএব, BMI এর সূত্র হলো W কে H এর বর্গ দ্বারা ভাগ করা অর্থাৎ BMI = W ÷ (H × H) সুতরাং, প্রাপ্ত ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে স্বাভাবিক মান নির্ধারিত হয় উত্তর: ১৮.৫ − ২৪.৯ Kg/m²
a গল্প
b দিনলিপি
c প্রবন্ধ
d উপন্যাস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দিনলিপি কেন সঠিক: - এটি শহীদ জননী জাহানারা ইমামের ১৯৭১ সালের দিনলিপির আকারে লেখা একটি প্রামাণ্য দলিল ও আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ। - এই গ্রন্থে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তাঁর শহীদ পুত্র রুমীর অবদান এবং প্রতিদিনের যুদ্ধদিনের বাস্তব চিত্র ফুটে উঠেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গল্প — এটি কোনো কাল্পনিক বা ছোটগল্পের সংকলন নয়, বরং বাস্তব ঘটনার দিনপঞ্জি। B) দিনলিপি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এতে তারিখ অনুযায়ী মুক্তিযুদ্ধের প্রতিদিনের ঘটনার বিবরণ লিপিবদ্ধ আছে। সি) প্রবন্ধ — এটি কোনো তাত্ত্বিক বা বিচারমূলক প্রবন্ধ নয়, দিনলিপি বা স্মৃতিকথাধর্মী রচনা। ডি) উপন্যাস — এটি কোনো কাল্পনিক কাহিনীর উপন্যাস নয়, বরং ঐতিহাসিক সত্য ঘটনার ওপর ভিত্তি করে রচিত দিনলিপি। মনে রাখার টিপস: জাহানারা ইমামের নামের সাথে একাত্তরের দিনগুলি এবং দিনলিপি শব্দটি যুক্ত করে মনে রাখবে।
a ভারত
b পাকিস্তান
c ইসরাইল
d যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ইসরাইল কেন সঠিক: - ১৯১৭ সালের ২ নভেম্বর ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী আর্থার বেলফোর এই ঘোষণা দেন, যা ফিলিস্তিনের মাটিতে ইহুদিদের জন্য একটি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পথ প্রশস্ত করে। - এই ঘোষণাই মূলত মধ্যপ্রাচ্যে ইসরাইল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রথম আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক ও আইনি ভিত্তি তৈরি করেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারত — ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসন থেকে ১৯৪৭ সালে ভারত বিভক্ত হয়ে স্বাধীনতা লাভ করে, যার সাথে বেলফোর ঘোষণার কোনো সম্পর্ক নেই। B) পাকিস্তান — ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ ভারতের বিভক্তির মাধ্যমে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠিত হয়, যা বেলফোর ঘোষণার আওতাভুক্ত নয়। C) ইসরাইল — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ বেলফোর ঘোষণা ইহুদি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সাথেই সরাসরি যুক্ত। D) যুক্তরাষ্ট্র — এটি ১৭৭৬ সালে স্বাধীনতা লাভ করে এবং বেলফোর ঘোষণার মাধ্যমে এই রাষ্ট্রের জন্ম হয়নি। মনে রাখার টিপস: বেলফোর ঘোষণা মানেই মধ্যপ্রাচ্যে ইহুদিদের জন্য ইসরাইল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রথম পদক্ষেপ।
a মেঘনা
b পদ্মা
c যমুনা
d হালদা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) হালদা কেন সঠিক: - হালদা নদী খাগড়াছড়ির بادنا hills থেকে উৎপন্ন হয়ে বাংলাদেশের মধ্যেই কর্ণফুলী নদীতে পতিত হয়েছে। - এটি বাংলাদেশের একমাত্র নদী যার উৎপত্তি এবং সমাপ্তি সম্পূর্ণভাবে দেশের সীমানার ভেতরেই সীমাবদ্ধ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মেঘনা — এটি ভারতের আসাম থেকে উৎপন্ন হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে, তাই এর উৎপত্তি দেশের বাইরে। B) পদ্মা — এটি ভারতের গঙ্গানদী থেকে উৎপন্ন হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে, তাই এর উৎপত্তি দেশের ভেতরে নয়। সি) যমুনা — এটি তিব্বতের মানসসরোবর থেকে উৎপন্ন ব্রহ্মপুত্র নদের শাখা হিসেবে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। ডি) হালদা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর উৎপত্তি ও সমাপ্তি উভয়ই বাংলাদেশের ভূখণ্ডের ভেতরেই ঘটেছে। মনে রাখার টিপস: হালদার জন্ম ও মৃত্যু (সমাপ্তি) উভয়ই শুধু বাংলাদেশের ভেতরেই ঘটে।
a প্রবাসী বাংলাদেশি
b বেসরকারি কর্মচারী
c স্বকর্ম ও অপ্রাতিষ্ঠানিক কর্মী
d স্বল্প আয়ের ব্যক্তি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) স্বকর্ম ও অপ্রাতিষ্ঠানিক কর্মী কেন সঠিক: - সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থাপনার আওতায় দেশের অনানুষ্ঠানিক খাতের শ্রমিকদের সামাজিক সুরক্ষার আওতায় আনতে 'সুরক্ষা স্কিম' চালু করা হয়েছে। - রিকশাচালক, কৃষক, দিনমজুর বা ছোট দোকানদারদের মতো স্বনিযুক্ত ও অপ্রাতিষ্ঠানিক পেশার মানুষেরা এই স্কিমের অন্তর্ভুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রবাসী বাংলাদেশি — এদের জন্য প্রবাসীদের সামাজিক সুরক্ষার লক্ষ্যে 'প্রবাস' স্কিম নির্ধারিত রয়েছে। B) বেসরকারি কর্মচারী — এদের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক চাকরির সুরক্ষায় 'প্রগতি' স্কিম নির্ধারিত রয়েছে। C) স্বকর্ম ও অপ্রাতিষ্ঠানিক কর্মী — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর বিধায় প্রযোজ্য। D) স্বল্প আয়ের ব্যক্তি — এদের জন্য নির্ধারিত রয়েছে সরকারের বিশেষ 'সমতা' স্কিম। মনে রাখার টিপস: অপ্রাতিষ্ঠানিক ও স্বকর্ম নিয়োজিত কর্মীরা সমাজে নিজেদের সুরক্ষায় 'সুরক্ষা' স্কিম বেছে নেন।
a গারো
b হাজং
c ত্রিপুরা
d চাকমা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) গারো কেন সঠিক: - গারো সমাজ ব্যবস্থা মূলত মাতৃতান্ত্রিক, যেখানে সম্পত্তির উত্তরাধিকারিণী হন নারীরা। - এই সমাজে বংশপরিচয় মা কিংবা নারীর নামানুসারে নির্ধারিত হয় এবং মাতাই পরিবারের প্রধান হিসেবে ভূমিকা পালন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গারো — এই অপশনটি সঠিক কারণ গারো সমাজ মাতৃতান্ত্রিক প্রকৃতির। B) হাজং — হাজং ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সমাজ ব্যবস্থা পিতৃতান্ত্রিক, তাই এটি সঠিক নয়। C) ত্রিপুরা — ত্রিপুরা উপজাতির পরিবারগুলো পিতৃতান্ত্রিক এবং পিতা পরিবারের প্রধান হন। D) চাকমা — চাকমা সমাজ ব্যবস্থা পিতৃতান্ত্রিক এবং পুরুষরাই সম্পত্তির উত্তরাধিকার লাভ করেন। মনে রাখার টিপস: গারো উপজাতির মাতৃতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থা মনে রাখতে গ দিয়ে গারো এবং ম দিয়ে মাতৃতান্ত্রিক এই মিলটি মনে রাখতে পারেন।
a ইউরো
b ডলার
c পাউন্ড
d ইয়েন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ইউরো কেন সঠিক: - ইউরোপীয় ইউনিয়নের একক মুদ্রা হলো ইউরো যা ১৯৯৯ সালে চালু হয় এবং ২০০২ সালে দৈনন্দিন লেনদেনে ব্যবহৃত হয়। - বর্তমানে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের মধ্যে ২০টি দেশ মুদ্রা হিসেবে ইউরো ব্যবহার করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইউরো — এটি প্রশ্ন অনুযায়ী সঠিক উত্তর কারণ এটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের নির্ধারিত একক মুদ্রা। B) ডলার — এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ কয়েকটি দেশের প্রচলিত মুদ্রা, যা ইউরোপীয় ইউনিয়নের মুদ্রা নয়। C) পাউন্ড — এটি যুক্তরাজ্য বা ব্রিটিশ মুদ্রার নাম, যা ইউরোপীয় ইউনিয়নের ইউরোজোনভুক্ত দেশগুলোতে ব্যবহৃত হয় না। D) ইয়েন — এটি জাপানের সরকারি ও প্রচলিত মুদ্রার নাম, যা ইউরোপ মহাদেশের কোনো মুদ্রার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ইউরো উভয় শব্দই ইউ দিয়ে শুরু হয়, তাই ইউরোপের মুদ্রা মনে রাখতে ইউরো নামটির প্রথম অংশ স্মরণ করা সহজ।
a ন্যানোটেকনোলজি
b জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং
c বায়ো ইনফরমেটিক্স
d ক্রায়োসার্জারি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বায়ো ইনফরমেটিক্স কেন সঠিক: - এটি জীববিজ্ঞান, কম্পিউটার বিজ্ঞান ও তথ্যায়ন প্রযুক্তি ব্যবহার করে জটিল জৈবিক তথ্য বিশ্লেষণ করে। - জিনোম সিকোয়েন্সিং এবং বিশাল পরিমাণ বায়োলজিক্যাল ডেটা প্রক্রিয়াজাত করে বিভিন্ন জটিল রোগের কারণ ও প্রতিকার আবিষ্কারে এটি কাজ করছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ন্যানোটেকনোলজি — এটি অত্যন্ত ক্ষুদ্র কণা নিয়ে কাজ করে, যা সাধারণত ওষুধ প্রয়োগ বা অণুপর্যায়ের প্রকৌশলে ব্যবহৃত হয় কিন্তু মূল তথ্য বিশ্লেষণ করে না। B) জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং — এটি ডিএনএ পরিবর্তন বা পরিবর্ধনের সাথে জড়িত, যা সরাসরি জটিল রোগের কারণ আবিষ্কারের তথ্য বিশ্লেষণ করে না। C) বায়ো ইনফরমেটিক্স — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং জটিল রোগের কারণ আবিষ্কারের জন্য ব্যবহৃত প্রধান প্রযুক্তিগত মাধ্যম। D) ক্রায়োসার্জারি — এটি অত্যন্ত কম তাপমাত্রায় শরীরের রোগাক্রান্ত বা অস্বাভাবিক কোষ ধ্বংস করার একটি চিকিৎসাপদ্ধতি। মনে রাখার টিপস: তথ্য বা ডেটা বিশ্লেষণ করে রোগের কারণ খোঁজার কাজ বায়ো ইনফরমেটিক্স বা জৈব তথ্যবিজ্ঞানের মাধ্যমেই করা হয়।
a 1952
b 1953
c 1954
d 1955
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) 1952 কেন সঠিক: - জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৫২ সালে চীন সফর করেন এবং সেই সফরের অভিজ্ঞতা এই গ্রন্থে লিপিবদ্ধ করেন। - এটি বাংলা একাডেমী থেকে প্রকাশিত বঙ্গবন্ধুর তৃতীয় আত্মজীবনীমূলক ও ভ্রমণ বিষয়ক গ্রন্থ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1952 — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই তিনি শান্তি সম্মেলনে যোগ দিতে চীন ভ্রমণ করেছিলেন। B) 1953 — এই সালে চীন ভ্রমণের কোনো ঐতিহাসিক রেকর্ড নেই, তাই এটি ভুল। C) 1954 — এই সালে তিনি যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন ও মন্ত্রীপরিষদের কর্মকাণ্ডে ব্যস্ত ছিলেন, চীন ভ্রমণ করেননি। D) 1955 — এই সালে তিনি এশিয়া ও প্যাসিফিক রিম শান্তি সম্মেলনে যোগ দিতে চীন ভ্রমণ করেছিলেন, যা নয়াচীন গ্রন্থটির মূল ভ্রমণের সাল নয়। মনে রাখার টিপস: ভাষা আন্দোলনের সাল ১৯৫২ মনে রাখলেই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তরটি সহজে মনে রাখা যাবে।
a লন্ডন
b ভেনিস
c জেনেভা
d প্যারিস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্যারিস কেন সঠিক: - আইফেল টাওয়ার ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে অবস্থিত। - এটি ১৮৮৯ সালে মার্স মাঠে নির্মিত একটি বিশ্বখ্যাত ল্যান্ডমার্ক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লন্ডন — এটি যুক্তরাজ্যের রাজধানী, যেখানে বিগ বেন ও টাওয়ার ব্রিজের মতো অন্যান্য বিখ্যাত স্থাপনা রয়েছে। B) ভেনিস — এটি ইতালির একটি ঐতিহাসিক শহর, যা তার খালের জন্য বিখ্যাত। C) জেনেভা — এটি সুইজারল্যান্ডের একটি শহর, যা আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর প্রধান কার্যালয়ের জন্য পরিচিত। D) প্যারিস — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই শহরেই আইফেল টাওয়ারটি অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিস মানেই ফ্যাশন এবং আইফেল টাওয়ারের শহর।
a <70%
b <80%
c <90%
d <100%
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) <70% কেন সঠিক: - এসডিজির (SDG) লক্ষ্যমাত্রা ৩.১ অনুযায়ী ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বব্যাপী মাতৃমৃত্যুর হার প্রতি এক লক্ষ জীবিত জন্মে ৭০ জনের নিচে নামিয়ে আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। - এখানে বিশ্বব্যাপী মাতৃমৃত্যুর অনুপাত প্রতি এক লক্ষ জীবিত জন্মে ৭০ জনের কম করার কথা বলা হয়েছে, যা শতাংশের হিসেবে ৭০% এর কম বোঝায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) <70% — এটি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (SDG) নির্ধারিত সঠিক মানদণ্ড। B) <80% — এটি এসডিজির মাতৃমৃত্যু হারের লক্ষ্যমাত্রার সঙ্গে সাংখ্যিক দিক থেকে মিলছে না। C) <90% — এই মানটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্ধারিত মূল এসডিজির লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক বেশি। D) <100% — মাতৃমৃত্যুর হার সম্পূর্ণ শূন্যে নামিয়ে আনার লক্ষ্য এসডিজিতে ধরা হয়নি, তাই এই মানটি সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: মাতৃমৃত্যু রোধের এসডিজির লক্ষ্য মনে রাখতে সংখ্যাটি মনে রাখুন সত্তর।
a বৈশাখ
b জ্যৈষ্ঠ
c আষাঢ়
d শ্রাবণ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জ্যৈষ্ঠ কেন সঠিক: - বাংলা সনের দ্বিতীয় মাস জ্যৈষ্ঠকে মধুমাস বলা হয় কারণ এই সময়ে দেশের বিভিন্ন সুস্বাদু ও রসালো ফল পাকে। - এই মাসে আম, কাঁঠাল, লিচু ও জামের মতো জনপ্রিয় ও মিষ্টি ফল প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বৈশাখ — এটি বাংলা সনের প্রথম মাস এবং কালবৈশাখী ঝড়ের জন্য পরিচিত, এটিকে মধুমাস বলা হয় না। B) জ্যৈষ্ঠ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং ফলের প্রাচুর্যের জন্য একে মধুমাস বলা হয়। C) আষাঢ় — এটি বর্ষাকাল ও প্রথম মাস হিসেবে পরিচিত, এই মাসে সাধারণত প্রবল বৃষ্টিপাত হয়। D) শ্রাবণ — এটি বর্ষাকালের দ্বিতীয় মাস এবং অবিরাম বৃষ্টির জন্য এই মাসটি বিশেষভাবে পরিচিত। মনে রাখার টিপস: জ্যৈষ্ঠ মানেই মিষ্টি ফলের সমাহার, তাই এই মাসটি মধুমাস নামে পরিচিত।
a জাপান
b চীন
c ভুটান
d কানাডা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ভুটান কেন সঠিক: - ভুটান তাদের সংবিধানে বনাঞ্চল সংরক্ষণের আইনগত বাধ্যবাধকতা রেখেছে এবং মোট ভূখণ্ডের ৭০ শতাংশের বেশি বনভূমি বজায় রেখেছে। - দেশটি প্রাকৃতিকভাবে যতটুকু কার্বন ডাই-অক্সাইড নিঃসরণ করে, তার চেয়ে অনেক বেশি কার্বন শোষণ করে কার্বন নেগেটিভ বা প্রভাবমুক্ত মর্যাদা অর্জন করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাপান — একটি শিল্পোন্নত ও জনবহুল দেশ হওয়ায় কার্বন নিঃসরণ অনেক বেশি, তাই এটি কার্বন প্রভাবমুক্ত দেশ নয়। B) চীন — বিশ্বের অন্যতম প্রধান শিল্প উৎপাদনকারী ও সর্বোচ্চ কার্বন নিঃসরণকারী দেশগুলোর একটি। দ) কানাডা — বিশাল বনাঞ্চল থাকা সত্ত্বেও উচ্চ শিল্পায়ন ও মাথাপিছু বেশি কার্বন নিঃসরণের কারণে এটি প্রথম কার্বন প্রভাবমুক্ত দেশ নয়। মনে রাখার টিপস: পাহাড় ঘেরা ছোট দেশ ভুটান সবুজ প্রকৃতির সুরক্ষায় বিশ্বে প্রথম কার্বন প্রভাবমুক্ত দেশের স্বীকৃতি পেয়েছে।
a বাঘা মসজিদ
b ষাট গম্বুজ মসজিদ
c ছোট
d কুসুমা মসজিদ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কুসুমা মসজিদ কেন সঠিক: - বাংলাদেশের প্রচলিত পাঁচ টাকার কাগজের নোটে নওগাঁ জেলার ঐতিহাসিক কুসুমা মসজিদের ছবি মুদ্রিত রয়েছে। - সুলতানি আমলের এই প্রাচীন স্থাপত্যটি বাংলাদেশের প্রত্নতাত্ত্বিক ঐতিহ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাঘা মসজিদ — রাজশাহী জেলার ঐতিহাসিক বাঘা মসজিদটি বাংলাদেশের পাঁচ টাকার নোটে ব্যবহৃত হয়নি। B) ষাট গম্বুজ মসজিদ — বাগেরহাটের ষাট গম্বুজ মসজিদটি বাংলাদেশের ষাট টাকা মূল্যমানের নোটে ব্যবহৃত হয়েছে। C) ছোট — এই অপশনটি অসম্পূর্ণ এবং এটি কোনো সঠিক মসজিদের নাম নির্দেশ করে না। D) কুসুমা মসজিদ — এটি পাঁচ টাকার নোটে থাকা নির্ধারিত সঠিক ঐতিহাসিক স্থাপনার নাম। মনে রাখার টিপস: পাঁচ টাকার নোটে থাকা কুসুমা মসজিদ মনে রাখতে কুসুমা শব্দটির সাথে পাঁচ টাকার মিল মনে রাখতে পারো।
a পূবালী ব্যাংক
b অগ্রণী ব্যাংক
c জনতা ব্যাংক
d রূপালী ব্যাংক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পূবালী ব্যাংক কেন সঠিক: - পূবালী ব্যাংক বাংলাদেশের একটি স্বনামধন্য বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক, যা রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বা রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক নয়। - দেশের অর্থনীতিতে এটি সম্পূর্ণভাবে বেসরকারি খাতের ব্যবস্থাপনা ও মালিকানাধীন ব্যাংক হিসেবে পরিচালিত হয়ে আসছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পূবালী ব্যাংক — এটি একটি বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক, তাই এটি রাষ্ট্রীয় বাণিজ্যিক ব্যাংকের অন্তর্ভুক্ত নয়। B) অগ্রণী ব্যাংক — এটি বাংলাদেশ সরকারের শতভাগ মালিকানাধীন একটি রাষ্ট্রীয় বাণিজ্যিক ব্যাংক। C) জনতা ব্যাংক — এটি দেশের অন্যতম প্রধান রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক। D) রূপালী ব্যাংক — এটিও সরকারের মালিকানাধীন একটি গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় বাণিজ্যিক ব্যাংক। মনে রাখার টিপস: রাষ্ট্রীয় ব্যাংক মনে রাখার সহজ উপায় হলো সোনাজনরূপ (সোনালী, অগ্রণী, জনতা, রূপালী)। এর বাইরে পূবালী, উত্তরা বা ব্র্যাক ব্যাংক হলো বেসরকারি ব্যাংক।
a সটিং
b সার্চিং
c ইনডেক্সিং
d কুয়েরি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ইনডেক্সিং *(বিশেষ দ্রষ্টব্য: ডাটাবেজ বা তথ্যভাণ্ডারে নির্দিষ্ট কোনো ডাটা দ্রুত ও সরাসরি খুঁজে বের করার জন্য মূলত 'কুয়েরি' (Query) ব্যবহার করা হয়। তবে প্রদত্ত অপশনের প্রেক্ষাপটে অনেক সময় সূচিপত্র বা ইনডেক্সিংয়ের মাধ্যমে ডেটার অবস্থান দ্রুত চিহ্নিত করাকে নির্দেশ করা হয়। প্রচলিত কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তির এমসিকিউ নিয়মে সঠিক উত্তর হিসেবে ইনডেক্সিং বা সার্চিং উভয়ই আসতে পারে। এখানে প্রদত্ত উত্তর সি অনুযায়ী ব্যাখ্যা দেওয়া হলো।)* কেন সঠিক: - ইনডেক্সিং হলো এমন একটি পদ্ধতি যার মাধ্যমে ডাটাবেজে সংরক্ষিত তথ্যের অবস্থান বা লোকেশন সহজে চিহ্নিত করা যায়। - এটি বড় ডেটাসেট থেকে নির্দিষ্ট কোনো তথ্য অনুসন্ধানের প্রক্রিয়াকে দ্রুততর ও সহজ করে তোলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সটিং — এটি দিয়ে মূলত ডেটাকে নির্দিষ্ট ক্রমানুসারে (যেমন বড় থেকে ছোট বা আক্ষরিক) সাজানো হয়, নির্দিষ্ট ডাটা খোঁজা হয় না। B) সার্চিং — এটি ডাটা খোঁজার সরাসরি প্রক্রিয়া হলেও, প্রদত্ত উত্তর হিসেবে ইনডেক্সিং নির্ধারিত থাকায় এটি সঠিক হিসেবে বিবেচিত হয়নি। D) কুয়েরি — এটি দিয়ে ডেটাবেজ থেকে নির্দিষ্ট শর্ত সাপেক্ষে তথ্য বা প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা হয়, যা ডেটা অনুসন্ধানের মূল কমান্ড। মনে রাখার টিপস: বইয়ের সূচিপত্রের মতো ডেটা সাজিয়ে দ্রুত তথ্য খোঁজার পদ্ধতিই হলো ইনডেক্সিং।
a ফ্রান্স
b রাশিয়া
c জাপান
d কোরিয়া
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রাশিয়া কেন সঠিক: - ইউক্রেন সংকটের কারণে ২০১৪ সালে ক্রিমিয়া annexation-এর পর রাশিয়াকে G-8 থেকে বহিষ্কার করা হয়। - বর্তমানে রাশিয়া বাদ পড়ার পর এই জোটটি পুনরায় G-7 নামে পরিচিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফ্রান্স — ফ্রান্স এই জোটের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য রাষ্ট্র। B) রাশিয়া — রাশিয়া পূর্বে সদস্য থাকলেও ২০১৪ সালে বাদ পড়ে, তাই বর্তমানে এটি G-8 এর সদস্য নয়। C) জাপান — জাপান এই প্রভাবশালী অর্থনৈতিক জোটের বর্তমান সদস্য। D) কোরিয়া — দক্ষিণ কোরিয়া এই গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত কোনো দেশ নয়। মনে রাখার টিপস: জি এইট জোটে রাশিয়া ছিল সাময়িক অতিথি, ক্রিমিয়া নিয়ে ঝামেলার পর এখন তারা অতীত।
a পদ্মা
b রূপসা
c কর্ণফুলী
d গোমতী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কর্ণফুলী কেন সঠিক: - বাংলাদেশের প্রথম টানেলটি চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর তলদেশে নির্মিত হয়েছে, যা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল নামে পরিচিত। - এটি দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম নদীর তলদেশের টানেল, যা নদীর দুই তীরকে যুক্ত করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পদ্মা — পদ্মা নদীর তলদেশে কোনো টানেল নেই, তবে এর ওপর পদ্মা বহুমুখী সেতু নির্মিত হয়েছে। B) রূপসা — রূপসা নদীর ওপর সেতু রয়েছে, কিন্তু এর তলদেশে কোনো টানেল নির্মিত হয়নি। C) কর্ণফুলী — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ দেশের প্রথম টানেলটি এই নদীর তলদেশেই তৈরি হয়েছে। D) গোমতী — গোমতী নদীর ওপর সেতু রয়েছে, এর তলদেশে কোনো টানেল নির্মাণ করা হয়নি। মনে রাখার টিপস: কর্ণফুলী নদীর নাম এবং প্রথম টানেল শব্দটি একসঙ্গে মনে রাখুন, কারণ নদীর তলদেশের প্রথম টানেলটি এখানেই হয়েছে।
a স্পেন ও মরক্কো
b ইতালি ও টিউনিসিয়া
c ফ্রান্স ও আলজেরিয়া
d গ্রীস ও তুরস্ক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) স্পেন ও মরক্কো কেন সঠিক: - জিব্রাল্টার প্রণালিটি ইউরোপের স্পেন এবং আফ্রিকার মরক্কোকে পরস্পর থেকে পৃথক করেছে। - এই প্রণালিটি আটলান্টিক মহাসাগরকে ভূমধ্যসাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্পেন ও মরক্কো — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ জিব্রাল্টার প্রণালি এই দুটি দেশকে আলাদা করেছে। B) ইতালি ও টিউনিসিয়া — এই দুটি দেশ ভূমধ্যসাগরে অবস্থিত হলেও জিব্রাল্টার প্রণালি এদের বিচ্ছিন্ন করেনি। C) ফ্রান্স ও আলজেরিয়া — ফ্রান্স ইউরোপে এবং আলজেরিয়া আফ্রিকায় অবস্থিত হলেও জিব্রাল্টার প্রণালি এদের মাঝে নেই। D) গ্রীস ও তুরস্ক — এই দুটি দেশ এজিয়ান সাগর ও তার আশপাশের অঞ্চলে অবস্থিত, জিব্রাল্টার প্রণালির সঙ্গে এদের কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: জিব্রাল্টার প্রণালি মনে রাখতে স্পেনের এস এবং মরক্কোর এম দিয়ে এসএম (SM) মনে রাখতে পারো।
a ইয়ন ফসে
b উইলিয়াম নরডহাউস
c আনি এরনারক্স
d লুইস গুক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ইয়ন ফসে কেন সঠিক: - নরওয়েজিয়ান লেখক ও নাট্যকার ইয়ন ফসে ২০২৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। - তার উদ্ভাবনী নাটক ও গদ্যের জন্য তাকে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়, যা মানুষের না বলা অনুভূতিকে প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইয়ন ফসে — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ তিনি ২০২৩ সালের সাহিত্যে নোবেল বিজয়ী। B) উইলিয়াম নরডহাউস — তিনি সাহিত্যে নয়, বরং জলবায়ু পরিবর্তন ও সামষ্টিক অর্থনৈতিক বিশ্লেষণে অবদান রাখার জন্য ২০১৮ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন। C) আনি এরনারক্স — তিনি ফরাসি ঔপন্যাসিক এবং ব্যক্তিগত স্মৃতিচারণমূলক লেখার জন্য ২০২২ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেছিলেন। D) লুইস গুক — তিনি মার্কিন কবি এবং কাব্যিক কণ্ঠস্বরের জন্য ২০২০ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেছিলেন। মনে রাখার টিপস: সাহিত্যে ২০২৩ সালের নোবেলজয়ী ইয়ন ফসের নাম মনে রাখতে মনে রাখুন, তিনি ফ (ফসে) দিয়ে শুরু নরওয়ের লেখক।
a এডিপোস টিস্যু
b এক্রাসোম
c কানেক্টিভ টিস্যু
d বোন মেরো
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) এডিপোস টিস্যু ১. কেন সঠিক: আমাদের শরীরে অতিরিক্ত খাদ্যশক্তি ফ্যাট বা চর্বি হিসেবে জমা হয়। এডিপোস টিস্যু নামক বিশেষ কলা বা টিস্যুতে এই ফ্যাট জমা থাকে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: এডিপোস টিস্যু হলো এক ধরনের সংযোজক কলা যা শরীরের শক্তি সঞ্চয় করে। কার্যপ্রণালি: অতিরিক্ত ক্যালোরি গ্রহণ করলে তা ট্রাইগ্লিসারাইড হিসেবে এই কোষে জমা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অতিরিক্ত মিষ্টি বা তৈলাক্ত খাবার খাওয়া। ব্যাখ্যা: অতিরিক্ত শক্তি খরচ না হলে তা এডিপোস টিস্যুতে জমা হয়ে ওজন বৃদ্ধি করে। উদাহরণ ২: শীতপ্রধান দেশের প্রাণীদের চামড়ার নিচে চর্বির পুরু স্তর। ব্যাখ্যা: এই চর্বি তাদের শরীর গরম রাখে এবং শক্তির উৎস হিসেবে কাজ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) এডিপোস টিস্যু — এটি সঠিক কারণ এটি চর্বি সঞ্চয়কারী কলা। B) এক্রাসোম — এটি শুক্রাণুর মাথার দিকে থাকা অংশ যা ডিম্বাণু ভেদ করতে সাহায্য করে। C) কানেক্টিভ টিস্যু — এটি সাধারণ সংযোজক কলা, যার একটি বিশেষ রূপ হলো এডিপোস টিস্যু। D) বোন মেরো — এটি অস্থিমজ্জা যেখানে রক্ত কণিকা উৎপন্ন হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: এডিপোস শব্দের সাথে ফ্যাট বা চর্বি জমা হওয়ার বিষয়টি মনে রাখবে। চর্বি জমানোর প্রধান ভাণ্ডার হলো এই টিস্যু। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় মানবদেহের টিস্যু অংশের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। ভবিষ্যতে আসতে পারে এডিপোস টিস্যুর প্রধান কাজ কী।
a Fibula
b Tibia
c Femur
d Humerus
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Femur ১. কেন সঠিক: মানবদেহের দীর্ঘতম, শক্তিশালী এবং সবচেয়ে ভারী হাড় হলো ফেমুর বা উরুর হাড়। এটি শরীরের সম্পূর্ণ ঊর্ধ্বাংশের ভর বহন করে এবং হাঁটাচলার সময় লিভার হিসেবে কাজ করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: মানবদেহের কঙ্কালতন্ত্র মোট ২০৬টি হাড় নিয়ে গঠিত, যার মধ্যে অ্যাপেন্ডিকুলার কঙ্কালের অংশ হলো ফেমুর। কার্যপ্রণালি: এটি শরীরের ওপরের অংশের ভার নিতম্বের জোড় থেকে হাঁটুর জোড় পর্যন্ত সমানভাবে সরবরাহ করে। বাস্তব প্রয়োগ: দৌড়ানো, লাফানো বা বসা মতো দৈনন্দিন শারীরবৃত্তীয় কার্যক্রমে এই হাড়ের ভূমিকা সবচেয়ে বেশি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: একজন দৌড়বিদ যখন দৌড়ান, তখন তার উরুর ফেমুর হাড় প্রবল সংকোচন ও প্রসারণ বল সহ্য করে। ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে যে ফেমুর হাড় অত্যন্ত শক্তিশালী এবং যান্ত্রিক চাপ সহ্য করতে সক্ষম। উদাহরণ ২: ভারী বস্তু তোলার সময় কোমর ও উরুর সংযোগস্থলে প্রচণ্ড চাপ পড়ে। ব্যাখ্যা: ফেমুর এই ভার শরীরের নিচের অংশে সঞ্চালিত করে ভারসাম্য রক্ষা করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Fibula — এটি মানবদেহের পায়ের নিচের অংশের বা টিবিয়ার পাশে অবস্থিত একটি সরু হাড়, যা শরীরের দীর্ঘতম নয়। B) Tibia — এটি পায়ের নিচের অংশের প্রধান হাড় বা শিন বোন, যা ফেমুরের চেয়ে ছোট। D) Humerus — এটি মানবদেহের বাহু বা হাতের উপরিভাগের হাড়, যা ফেমুরের তুলনায় আকারে ছোট ও হালকা। ৫ মনে রাখার টিপস: মানবদেহের সবচেয়ে বড় বা দীর্ঘতম হাড় মনে রাখতে এফ অক্ষরটি দিয়ে শুরু Femur শব্দটি মনে রাখতে পারো। এটি হাতের হিউমারাসের চেয়ে আকারে অনেক বড়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মানবদেহের ক্ষুদ্রতম হাড় কোনটি, এমন প্রশ্ন প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে যার উত্তর হলো স্টেপিস। এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় মানবদেহ ও শারীরবৃত্ত অধ্যায়ের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a DPT
b TT
c MRT
d BCG
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) BCG ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি হলো বিসিজি, যা মূলত যক্ষ্মা বা টিউবারকুলোসিস রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে দেহে প্রবেশ করানো হয়। - এই টিকাটি দুর্বল বা নিষ্ক্রিয় করা মাইকব্যাকটেরিয়াম বোভিস ব্যাকটেরিয়া থেকে তৈরি করা হয় যা দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা জাগিয়ে তোলে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: টিকা হলো এমন এক ধরনের জৈব পদার্থ যা নির্দিষ্ট কোনো রোগের বিরুদ্ধে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে সক্রিয় করে তোলে। - কার্যপ্রণালি: বিসিজি টিকা দেহে প্রবেশ করার পর শ্বেত রক্তকণিকা যক্ষ্মার জীবাণুকে চিনে রাখে এবং ভবিষ্যতে আক্রমণ করলে তা ধ্বংস করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সদ্যজাত শিশুকে জন্মদানের পরপরই বা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বিসিজি টিকা দেওয়া হয়। ব্যাখ্যা: এটি শিশুকে শৈশবের মারাত্মক যক্ষ্মা সংক্রমণ থেকে রক্ষা করতে প্রাথমিক সুরক্ষা বলয় তৈরি করে। উদাহরণ ২: কুষ্ঠ রোগ প্রতিরোধেও অনেক সময় এই টিকা ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: বিসিজি টিকা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সামগ্রिकভাবে বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) DPT — এটি ডিপথেরিয়া, পার্টুসিস বা হুপিং কাশি এবং টিটানাস রোগের বিরুদ্ধে ব্যবহৃত একটি সম্মিলিত টিকা। B) TT — এটি টিটানাস টক্সয়েড টিকা যা ধনুষ্টংকার বা টিটানাস রোগ প্রতিরোধের জন্য বিশেষভাবে প্রয়োগ করা হয়। C) MRT — এটি সাধারণত হাম, রুবেলা এবং টাইফয়েড বা অন্য কোনো রোগের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে কিন্তু যক্ষ্মার জন্য নয়। D) BCG — এটি সঠিক উত্তর যা বিশেষভাবে যক্ষ্মা রোগ প্রতিরোধের জন্য বিশ্বব্যাপী ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - যক্ষ্মা বা টিউবারকুলোসিস শব্দের প্রথম অংশ এবং বিসিজি টিকার নামের মিল মনে রেখে সহজে উত্তরটি মনে রাখা যায়। - বিসিজি মানে ব্যাসিলাস ক্যালমেট গেরিন, যা এর আবিষ্কারকদের নাম বহন করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিজি টিকা কোন রোগের বিরুদ্ধে কাজ করে এই প্রশ্নটি বিসিএস ও বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - টিকা আবিষ্কারের ইতিহাস এবং বিভিন্ন রোগের টিকার নাম সম্পর্কে সম্যক ধারণা থাকা চাকরির পরীক্ষার জন্য জরুরি।
a কিউলেক্স
b এডিস
c অ্যানোফিলিস
d সব ধরণের মশা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) এডিস ১. কেন সঠিক: - ডেঙ্গু জ্বরের ভাইরাস বহন করে ছড়ায় এডিস মশা, বিশেষ করে এডিস ইজিপ্টাই প্রজাতির স্ত্রী মশা। - এই মশা মানবদেহে কামড়ানোর মাধ্যমে ডেঙ্গু ভাইরাস রক্তে প্রবেশ করায় এবং রোগের সৃষ্টি করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: রোগবাহক বা ভেক্টর হলো এমন জীব যা কোনো রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণু এক দেহ থেকে অন্য দেহে স্থানান্তর করে। - কার্যপ্রণালি: ডেঙ্গু আক্রান্ত ব্যক্তিকে কামড়ানোর পর মশার দেহে ভাইরাস প্রবেশ করে এবং মশার লালার মাধ্যমে সুস্থ ব্যক্তিতে ছড়ায়। - বাস্তব প্রয়োগ: জমে থাকা পরিষ্কার পানিতে এই মশা ডিম পাড়ে, তাই বাড়িঘরের আশপাশে পানি জমতে না দিয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধ করা যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ফ্রিজের নিচে বা টবে জমে থাকা পরিষ্কার পানি। ব্যাখ্যা: এডিস মশা ময়লা পানিতে নয়, বরং জমে থাকা পরিষ্কার পানিতে বংশবিস্তার করে। উদাহরণ ২: দিনের বেলা এডিস মশার কামড়। ব্যাখ্যা: এই মশা সাধারণত দিনের বেলা বা সকাল ও সন্ধ্যার দিকে বেশি কামড়ায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কিউলেক্স — এটি ফাইলেরিয়াসিস বা গোদ রোগ এবং জাপানি এনসেফালাইটিস ছড়ায়, ডেঙ্গু ছড়ায় না। B) এডিস — এটি ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া এবং জিকা ভাইরাসের বাহক হিসেবে কাজ করে। C) অ্যানোফিলিস — এটি ম্যালেরিয়া রোগের জীবাণু প্লাজমোডিয়াম বহন করে ও ছড়ায়। D) সব ধরণের মশা — সব মশার রোগ ছড়ানোর ক্ষমতা নেই এবং নির্দিষ্ট প্রজাতির মশা নির্দিষ্ট রোগ ছড়ায়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ডেঙ্গু মনে রাখতে 'এডিস' শব্দের সঙ্গে পরিষ্কার পানির সংযোগ মনে রাখবে কারণ এরা পরিষ্কার পানিতে জন্মায়। - ম্যালেরিয়ার জন্য অ্যানোফিলিস এবং ডেঙ্গুর জন্য এডিস—এই জোড় কখনো কাটা যাবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে কোন মশা কোন রোগ ছড়ায়। - স্ত্রী মশারাই সাধারণত রক্ত খায় এবং রোগ ছড়ায় কারণ ডিম পরিপক্ব করার জন্য তাদের রক্তের আমিষ প্রয়োজন হয়।
a Hypothalamus
b Pituitary gland
c Thyroid gland
d Adrenal gland
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Pituitary gland ১. কেন সঠিক: পিটুইটারি গ্রন্থি মানবদেহের প্রধান এন্ডোক্রাইন বা অনাল গ্রন্থিগুলোর কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে। এ থেকে নিঃসৃত হরমোন অন্য গ্রন্থির ক্ষরণ পরিচালনা করে বলে একে গ্রন্থির রাজা বলা হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: মানবদেহের মস্তিষ্ক সংলগ্ন স্ফীত অংশে অবস্থিত মাস্টার গ্ল্যান্ড বা পিটুইটারি গ্রন্থি বিভিন্ন হরমোন উৎপাদনের মাধ্যমে শরীরের বিপাক, বৃদ্ধি ও প্রজনন নিয়ন্ত্রণ করে। কার্যপ্রণালি: এই গ্রন্থি থাইরয়েড ও অ্যাড্রিনালসহ অন্যান্য অনাল গ্রন্থিকে উদ্দীপ্ত করার জন্য ট্রপিক হরমোন নিঃসরণ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মানবদেহের দৈহিক বৃদ্ধি। ব্যাখ্যা: পিটুইটারি গ্রন্থি থেকে গ্রোথ হরমোন নিঃসৃত হয়ে মানবদেহের স্বাভাবিক হাড় ও পেশির বৃদ্ধি নিশ্চিত করে। উদাহরণ ২: পানির ভারসাম্য রক্ষা। ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থি থেকে অ্যান্টি-ডাইউরেটিক হরমোন বা ভেসোপ্রেসিন নিঃসৃত হয়ে বৃক্কে পানির পুনঃশোষণ নিয়ন্ত্রণ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Hypothalamus — এটি মস্তিষ্কের অংশ যা পিটুইটারি গ্রন্থিকে নিয়ন্ত্রণ করলেও সরাসরি গ্রন্থির রাজা নয়। B) Pituitary gland — এটি সঠিক উত্তর। C) Thyroid gland — এটি গলায় অবস্থিত একটি প্রধান অনাল গ্রন্থি যা বিপাক নিয়ন্ত্রণ করে কিন্তু অন্য গ্রন্থি নিয়ন্ত্রণ করে না। D) Adrenal gland — এটি বৃক্কের ওপরে অবস্থিত হরমোন উৎপাদনকারী গ্রন্থি যা মূলত আপৎকালীন পরিস্থিতি মোকাবিলা করে। ৫ মনে রাখার টিপস: পিটুইটারি গ্রন্থিকে মাস্টার গ্ল্যান্ড বা গ্রন্থির রাজা বলা হয় কারণ এটি অন্য সব গ্রন্থির বস বা প্রধান হিসেবে কাজ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পিটুইটারি গ্রন্থি থেকে গ্রোথ হরমোন কম নিঃসৃত হলে বামনত্ব এবং বেশি নিঃসৃত হলে অ্যক্রোমেগালি রোগ হয়। এ ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস ও শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় আসে।
a ২২ জোড়া
b ২৩ জোড়া
c ২৪ জোড়া
d ১৩ জোড়া
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৩ জোড়া ১. কেন সঠিক: মানবদেহের প্রতিটি কোষে নিউক্লিয়াসের ভেতরে বংশগতির ধারক ও বাহক হিসেবে ক্রোমোজোম অবস্থান করে। স্বাভাবিক ও সুস্থ একজন মানুষের শারীরিক কোষে ক্রোমোজোম থাকে মোট ছেচল্লিশটি, যা জোড়ায় বিবেচনা করলে দাঁড়ায় তেইশ জোড়া। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: ক্রোমোজোম হলো ডিএনএ এবং প্রোটিনের সমন্বয়ে গঠিত নিউক্লিয়াসের ভেতরের সুতোর মতো অংশ যা বৈশিষ্ট্য বহন করে। কার্যপ্রণালি: মানবদেহের তেইশ জোড়া ক্রোমোজোমের মধ্যে বাইশ জোড়া হলো অটোসোম যা শারীরিক বৈশিষ্ট্য নির্ধারণ করে। কারণ ও ফলাফল: বাকি এক জোড়া ক্রোমোজোম হলো সেক্স ক্রোমোজোম বা লিঙ্গ নির্ধারণকারী ক্রোমোজোম, যা নারী বা পুরুষ হওয়া নিশ্চিত করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাতা ও পিতার মাধ্যমে সন্তানের মাঝে চোখের রঙ বা চুলের ধরন হুবহু বা কাছাকাছি মিল পাওয়া যায়। ব্যাখ্যা: ক্রোমোজোমের ভেতরে থাকা জিন বা ডিএনএ এই বংশগত বৈশিষ্ট্যগুলো পিতামাতা থেকে পরবর্তী প্রজন্মে সফলভাবে স্থানান্তর করে। উদাহরণ ২: মানুষের ক্ষেত্রে পুত্রসন্তান বা কন্যাসন্তান জন্ম নেওয়ার প্রক্রিয়া। ব্যাখ্যা: পিতা থেকে প্রাপ্ত এক্স বা ওয়াই ক্রোমোজোম এবং মাতা থেকে প্রাপ্ত এক্স ক্রোমোজোমের মিলনের ওপর নির্ভর করে শিশুর লিঙ্গ নির্ধারিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২২ জোড়া — এটি মানুষের অটোজোম বা দেহ নির্ধারণকারী ক্রোমোজোমের সংখ্যা, যা সম্পূর্ণ ক্রোমোজোম জোড়ার সংখ্যা নয়। B) ২৩ জোড়া — এটি মানবদেহের স্বাভাবিক মোট ক্রোমোজোমের জোড়া নির্দেশ করে এবং এটি সঠিক উত্তর। C) ২৪ জোড়া — এটি বানর বা শিম্পাঞ্জির মতো অন্য কোনো প্রাণীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে, মানুষের ক্ষেত্রে এটি ভুল। D) ১৩ জোড়া — এটি মানবদেহের ক্রোমোজোম সংখ্যার সঙ্গে মেলে না এবং এটি কোনো সুনির্দিষ্ট মানব কোষের ক্রোমোজোম জোড়া নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: মানুষের মোট ক্রোমোজোম ছেচল্লিশটি মনে রাখলে তাকে দুই দিয়ে ভাগ করে সহজে তেইশ জোড়া মনে রাখা যায়। লিঙ্গ নির্ধারণকারী ক্রোমোজোম মাত্র এক জোড়া এবং বাকি বাইশ জোড়া সাধারণ শারীরিক বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মানবদেহের ডিপ্লয়েড বা দেহকোষে ক্রোমোজোম সংখ্যা ছেচল্লিশটি হলেও হ্যাপ্লয়েড বা জননকোষে এর অর্ধেক অর্থাৎ তেইশটি থাকে। পরীক্ষায় অনেক সময় জোড়ায় না দিয়ে সরাসরি মোট সংখ্যা কত, তা জানতে চাওয়া হতে পারে।
a Live attenuated
b Killed
c Subunit
d Toxoid
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Live attenuated ১. কেন সঠিক: ওরাল পোলিও ভ্যাকসিনে দুর্বল বা নিষ্ক্রিয় কিন্তু জীবিত পোলিও ভাইরাস ব্যবহার করা হয়। এই জীবন্ত কিন্তু দুর্বল ভাইরাস শরীরে প্রবেশ করে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করে কিন্তু রোগ সৃষ্টি করতে পারে না। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: টিকা হলো এমন একটি জৈব প্রস্তুতি যা নির্দিষ্ট কোনো রোগের বিরুদ্ধে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করে। কার্যপ্রণালি: দুর্বল ভাইরাসটি শরীরে বংশবৃদ্ধি করে শরীরের নিজস্ব প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে অ্যান্টিबॉडी তৈরিতে উদ্দীপিত করে। বাস্তব প্রয়োগ: পোলিওমাইলাইটিস বা পোলিও রোগ নির্মূলের জন্য মুখে ফোঁটার মাধ্যমে এই টিকা বিশ্বব্যাপী সফলভাবে ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হাম, কানসুরে এবং রুবেলা বা এমএমআর টিকা। ব্যাখ্যা: এই টিকাতেও রোগের জীবাণুকে দুর্বল করে মানুষের শরীরে প্রবেশ করানো It হয় যাতে প্রাকৃতিক সংক্রমণের মতো প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে ওঠে। উদাহরণ ২: যক্ষ্মার বিসিজি টিকা। ব্যাখ্যা: এটিও একটি জীবন্ত দুর্বল জীবাণুভিত্তিক টিকা যা যক্ষ্মা রোগের বিরুদ্ধে দীর্ঘস্থায়ী সুরক্ষা প্রদান করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Live attenuated — এটি সঠিক উত্তর কারণ ওরাল পোলিও ভ্যাকসিনে দুর্বল জীবন্ত ভাইরাস ব্যবহার করা হয়। B) Killed — এটি ভুল কারণ মৃত বা inactivated ভাইরাসের ক্ষেত্রে ইনজেকশনের মাধ্যমে পোলিও টিকা দেওয়া হয় যা সল্ক টিকা নামে পরিচিত। C) Subunit — এটি ভুল কারণ সাবইউনিট টিকায় সম্পূর্ণ জীবাণু ব্যবহার না করে কেবল তার নির্দিষ্ট অংশ বা প্রোটিন ব্যবহার করা হয়। D) Toxoid — এটি ভুল কারণ টক্সয়েড টিকা সাধারণত ব্যাকটেরিয়ার বিষাক্ত উপাদান বা টক্সিন থেকে তৈরি হয় যেমন ধনুষ্টঙ্কারের টিকা। ৫ মনে রাখার টিপস: ওরাল পোলিও টিকা মুখে খাওয়া হয় এবং মুখ দিয়ে জীবন্ত কিছু খাওয়া হয় বলে এটি Live attenuated বা জীবন্ত দুর্বল প্রকৃতির হয়। ইনজেকশনের মাধ্যমে দেওয়া পোলিও টিকা মৃত বা Killed প্রকৃতির হয়ে থাকে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পোলিও টিকার আবিষ্কারক জোনাস সল্ক মৃত ইনজেকশন টিকা এবং অ্যালবার্ট সাবিন ওরাল জীবন্ত টিকা আবিষ্কার করেন। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ওরাল পোলিও টিকা এবং ইনজেকশনের পোলিও টিকার পার্থক্যের ওপর প্রশ্ন আসে।
a Vit- A
b Vit- E
c Vit- B
d Vit- D
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Vit- B ১. কেন সঠিক: - ভিটামিন বি পানিতে দ্রবণীয় হওয়ায় আমাদের শরীর এটি জমিয়ে রাখতে পারে না এবং অতিরিক্ত অংশ মূত্রের মাধ্যমে বের হয়ে যায়। - এই ভিটামিনগুলো মানবদেহে কোষীয় শক্তি উৎপাদনে এবং বিপাক প্রক্রিয়ায় কোএনজাইম হিসেবে সরাসরি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: দ্রবণীয়তার ওপর ভিত্তি করে ভিটামিন প্রধানত দুই ভাগে বিভক্ত, যথা পানির দ্রবণীয় ভিটামিন এবং চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিন। - কার্যপ্রণালি: পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিনগুলো পরিপাকতন্ত্রে সরাসরি রক্তের জলীয় অংশে মিশে যায় এবং কোষে পৌঁছায়। - বাস্তব প্রয়োগ: প্রতিদিনের খাবারে পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন থাকা আবশ্যক কারণ শরীর এগুলো সঞ্চয় করে রাখতে পারে না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লেবু বা মালটা খাওয়ার পর অতিরিক্ত ভিটামিন সি প্রস্রাবের সাথে শরীর থেকে বের হয়ে যাওয়া। ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে যে ভিটামিন সি পানিতে দ্রবণীয় এবং শরীর তা জমিয়ে না রেখে বর্জন করে। উদাহরণ ২: চালের ওপরের আস্তরণ বা ঢেকিশাঁটা চালে ভিটামিন বি কমপ্লেক্স থাকা। ব্যাখ্যা: এই ভিটামিনগুলো পানিতে দ্রবণীয় হওয়ায় চাল ধোয়ার সময় পানির সাথে ধুয়ে চলে যেতে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Vit- A — এটি চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিন এবং যকৃতে জমা থাকে। B) Vit- E — এটি একটি চর্বিতে দ্রবণীয় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ভিটামিন। C) Vit- B — এটি সঠিক উত্তর এবং এটি পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন। D) Vit- D — এটি চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিন যা সূর্যালোকের উপস্থিতিতে ত্বকে তৈরি হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন মনে রাখার সহজ সূত্র হলো বিসি বা BC, অর্থাৎ ভিটামিন বি এবং ভিটামিন সি পানিতে দ্রবণীয়। - বাকি ভিটামিনগুলো অর্থাৎ এ, ডি, ই এবং কে চর্বিতে দ্রবণীয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ভিটামিনের দ্রবণীয়তা থেকে প্রশ্ন আসে। - চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিনগুলোর নাম মনে রাখলে পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন সহজেই আলাদা করা যায়।
a 3.5 - 5 mol/L
b 2 -2.5 mol/L
c 3.9 - 8 mol/L
d 7 - 8 mol/L
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) 3.5 - 5 mmol/L (দ্রষ্টব্য: প্রশ্নে mol/L লেখা থাকলেও চিকিৎসাবিজ্ঞান ও রক্ত পরীক্ষার ক্ষেত্রে এটি মূলত মিলিগ্রাম প্রতি লিটার বা মিলিমোল প্রতি লিটার হিসেবে পরিমাপ করা হয়, যেখানে প্রমিত মান প্রতি লিটারে ৩.৫ থেকে ৫.০ মিলিমোল)। ১. কেন সঠিক: মানুষের রক্তে পটাশিয়াম একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ খনিজ বা ইলেক্ট্রোলাইট, যা কোষের ভেতরে তরল ভারসাম্য ও স্নায়ুর কার্যকারিতা নিয়ন্ত্রণ করে। রক্তে পটাশিয়ামের স্বাভাবিক মাত্রা প্রতি লিটারে ৩.৫ থেকে ৫.০ মিলিমোল এর মধ্যে থাকা সুস্থ মানবদেহের জন্য বাধ্যতামূলক। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: পটাশিয়াম হলো শরীরের একটি প্রধান ধনাত্মক আধানযুক্ত ইলেকট্রোলাইট যা স্নায়ু সংকেত ও পেশির সংকোচন নিয়ন্ত্রণ করে। কার্যপ্রণালি: এটি সোডিয়াম পটাশিয়াম পাম্পের মাধ্যমে কোষের ভেতরে প্রবেশ করে এবং কোষের ঝিল্লি বিভব বজায় রাখতে সরাসরি সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হার্ট অ্যাটাক বা হৃদস্পন্দন বন্ধ হয়ে যাওয়া। ব্যাখ্যা: রক্তে পটাশিয়ামের মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে কমে বা বেড়ে গেলে হৃৎপিণ্ডের পেশির স্বাভাবিক সংকোচন ব্যাহত হয় এবং মারাত্মক arrhythmias হতে পারে। উদাহরণ ২: পেশিতে ক্র্যাম্প বা টান ধরা। ব্যাখ্যা: অতিরিক্ত ঘাম বা ডায়েরিয়ার ফলে শরীর থেকে পটাশিয়াম বেরিয়ে গেলে পেশির কোষগুলো সঠিকভাবে শিথিল হতে পারে না, ফলে পায়ে তীব্র টান ধরে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) 3.5 - 5 mol/L — এটি মানবদেহের রক্তের পটাশিয়ামের স্বাভাবিক মাত্রার নির্দেশক এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য এটি সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত। B) 2 - 2.5 mol/L — এই মাত্রাটি মানুষের রক্তের পটাশিয়ামের জন্য অত্যন্ত কম এবং এটি হাইপোক্যালেমিয়া নামক বিপজ্জনক অবস্থার নির্দেশ করে। C) 3.9 - 8 mol/L — এই পরিমাণের উচ্চসীমাটি মানবদেহের জন্য স্বাভাবিক সীমার চেয়ে অনেক বেশি এবং এটি হাইপারক্যালেমিয়ার লক্ষণ। D) 7 - 8 mol/L — এই মাত্রাটি মানুষের রক্তে পটাশিয়ামের ক্ষেত্রে মারাত্মক বিপজ্জনক এবং এটি হৃৎপিণ্ড অকার্যকর করে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট। ৫. মনে রাখার টিপস: রক্তে পটাশিয়ামের স্বাভাবিক মান মনে রাখতে সাড়ে তিন থেকে পাঁচ সংখ্যাটি মনে রাখুন। পটাশিয়ামের প্রতীক কে এবং এর স্বাভাবিক মাত্রা ৩.৫ থেকে ৫.০ এর সীমার মধ্যে থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: রক্তে পটাশিয়ামের মাত্রা কমে যাওয়াকে হাইপোক্যালেমিয়া এবং বেড়ে যাওয়াকে হাইপারক্যালেমিয়া বলা হয়। এই ধরনের প্রশ্নগুলোতে একক হিসেবে মিলিমোল প্রতি লিটার ব্যবহার করা হয়, যা বিসিএস পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
a Hepatitis C
b TB
c Covid-19
d Measles
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Hepatitis C ১. কেন সঠিক: - হেপাটাইটিস সি একটি রক্তবাহিত ভাইরাসজনিত রোগ যা সংক্রামিত রক্তের সরাসরি সংস্পর্শে ছড়ায়। - এই ভাইরাসটি লিভারে আক্রমণ করে এবং দীর্ঘমেয়াদী যকৃতের ক্ষতি বা সিরোসিস ঘটাতে পারে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: রোগ, জীবাণু ও রোগ প্রতিরোধ এবং মানবদেহ ও শারীরবৃত্ত। - কার্যপ্রণালি: সংক্রামিত ব্যক্তির রক্ত বা রক্তজাত পদার্থ সুস্থ ব্যক্তির শরীরে প্রবেশ করলে এই ভাইরাস ছড়ায়। - বাস্তব প্রয়োগ: নিরাপদ সিরিঞ্জ ব্যবহার এবং রক্ত হস্তান্তরের আগে স্ক্রিনিং করা এর সংক্রমণ রোধ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: একবার ব্যবহার্য সিরিঞ্জ একাধিকবার ব্যবহার করা। ব্যাখ্যা: এতে একজনের রক্তের জীবাণু অন্যজনের রক্তে প্রবেশ করে হেপাটাইটিস সি ছড়াতে পারে। উদাহরণ ২: অনিরাপদ উপায়ে রক্ত বা প্লাজমা গ্রহণ করা। ব্যাখ্যা: রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে জীবাণুমুক্ত না করলে গ্রহীতার শরীরে রোগটি সংক্রমিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Hepatitis C — এটি একটি রক্তবাহিত ভাইরাসজনিত রোগ যা রক্তের মাধ্যমে ছড়ায়। B) TB — যক্ষ্মা বা টিবি একটি বায়ুবাহিত ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ যা হাঁচি-কাশির মাধ্যমে ছড়ায়। C) Covid-19 — কোভিড-১৯ একটি বায়ুবাহিত ভাইরাসজনিত রোগ যা শ্বাসতন্ত্রের ড্রপলেটের মাধ্যমে ছড়ায়। D) Measles — হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক বায়ুবাহিত ভাইরাসজনিত রোগ যা বাতাসের মাধ্যমে ছড়ায়। ৫ মনে রাখার টিপস: হেপাটাইটিস সি নামের শেষে সি বর্ণটি আছে, যা রক্ত বা সার্কুলেশনের সাথে সম্পর্কিত ব্লাড শব্দটির প্রথম অক্ষরের মতো মনে রাখতে পারেন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: রক্তের মাধ্যমে ছড়ায় এমন আরেকটি পরিচিত রোগ হলো হেপাটাইটিস বি এবং এইচআইভি। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বায়ুবাহিত ও রক্তবাহিত রোগের পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়।
a Vit-B
b Vit-A
c Vit-K
d Vit-D
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Vit-K ১. কেন সঠিক: মানবদেহে রক্ত জমাট বাঁধার প্রক্রিয়ায় ভিটামিন কে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই ভিটামিনের অভাবে যকৃতে প্রোথ্রোম্বিন নামক প্রোটিন তৈরি ব্যাহত হয়, যা রক্ত তঞ্চনে বাধা দেয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: রক্ত তঞ্চন বা কোঅগুলেশন হলো এমন একটি জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে কাটাছেঁড়া স্থানে রক্ত জমাট বেঁধে রক্তক্ষরণ বন্ধ হয়। কার্যপ্রণালি: ভিটামিন কে শরীরে প্রবেশ করার পর যকৃতে বিভিন্ন রক্ত জমাট বাঁধার উপাদান যেমন প্রোথ্রোম্বিন সৃষ্টিতে সহায়তা করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শরীরে ছোটখাটো কেটে গেলে স্বাভাবিক মানুষের রক্ত কিছুক্ষণ পর নিজে থেকেই জমাট বাঁধে। ব্যাখ্যা: ভিটামিন কের উপস্থিতির কারণে রক্তের প্রোথ্রোম্বিন সক্রিয় হয়ে ফাইব্রিন জালিকা তৈরি করে রক্তক্ষরণ বন্ধ করে। উদাহরণ ২: অতিরিক্ত জন্ডিস বা অন্ত্রের দীর্ঘস্থায়ী রোগে আক্রান্ত রোগীর অস্ত্রোপচারের সময় রক্তপাত সহজে বন্ধ হতে চায় না। ব্যাখ্যা: এসব ক্ষেত্রে ভিটামিন কের শোষণ ব্যাহত হওয়ার কারণে রক্ত জমাট বাঁধার প্রক্রিয়া বিলম্বিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Vit-B — ভিটামিন বি একটি ভিটামিন গুচ্ছ যা স্নায়ুর কার্যকারিতা রক্ষা করে এবং শক্তির উৎপাদনে সাহায্য করে। এটি রক্ত জমাট বাঁধার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। B) Vit-A — ভিটামিন এ প্রধানত চোখের দৃষ্টিশক্তি রক্ষা এবং ত্বক সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। এর অভাবে রাতকানা রোগ হয়, যা রক্ত তঞ্চনে ভূমিকা রাখে না। C) Vit-K — এটি সঠিক উত্তর। কারণ ভিটামিন কে রক্তের প্রোথ্রোম্বিন উৎপাদনে সহায়তা করে রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে। D) Vit-D — ভিটামিন ডি হাড় ও দাঁতের গঠন মজবুত করতে এবং ক্যালসিয়াম শোষণে সহায়তা করে। এটি রক্ত জমাট বাঁধার প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: ভিটামিন কের কে অক্ষরটি কোঅগুলেশন বা রক্ত জমাট বাঁধার ইংরেজি শব্দটির সঙ্গে মিল রেখে সহজে মনে রাখা যায়। রক্ত জমাট বাঁধার প্রধান উপাদান প্রোথ্রোম্বিনের সঙ্গে ভিটামিন কে সরাসরি জড়িত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় ভিটামিনের অভাবজনিত রোগ ও উৎস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। ভিটামিন কে এর অভাবে রক্ত তঞ্চন ব্যাহত হয় এবং প্রোথ্রোম্বিনের মাত্রা কমে যায়।
a 120-130m mol/L
b 135-155m mol/L
c 160-174m mol/L
d 135-145m mol/L
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৩৫-১৪৫ মিলি মোল/লিটার ১. কেন সঠিক: - মানবদেহের রক্তরসে সোডিয়াম আয়নের স্বাভাবিক মাত্রা হলো প্রতি লিটারে ১৩৫ থেকে ১৪৫ মিলি মোল। - এই মাত্রাটি শরীরের তরল ভারসাম্য রক্ষা ও স্নায়ুতন্ত্রের সঠিক কার্যকারিতা বজায় রাখতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: সোডিয়াম হলো কোষবহির্ভূত তরলের প্রধান ধনাত্মক আধানযুক্ত আয়ন যা রক্তচাপ ও জলীয় ভারসাম্য নিয়ন্ত্রণ করে। - কার্যপ্রণালি: এটি রক্ত ও অন্যান্য শারীরিক তরলের অভিস্রবণ চাপ বজায় রেখে কোষের ভেতর ও বাইরে পানির সঠিক চলাচল নিশ্চিত করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অতিরিক্ত ঘামের পর অতিরিক্ত পানি পান করলে শরীরে সোডিয়ামের মাত্রা কমে যেতে পারে। ব্যাখ্যা: একে হাইপোনেট্রিমিয়া বলা হয়, যেখানে রক্তে সোডিয়ামের ঘনত্ব কমে যাওয়ার ফলে মাথা ঘোরানো ও দুর্বলতা দেখা দেয়। উদাহরণ ২: অতিরিক্ত নুন বা লবণ খাওয়ার ফলে রক্তে সোডিয়ামের পরিমাণ সাময়িকভাবে বৃদ্ধি পায়। ব্যাখ্যা: এর ফলে শরীর অতিরিক্ত পানি ধরে রাখে এবং রক্তচাপ সাময়িকভাব বৃদ্ধি পেতে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১২০-১৩০ মিলি মোল/লিটার - এটি স্বাভাবিক সীমার চেয়ে কম এবং এটি গুরুতর হাইপোনেট্রিমিয়া বা সোডিয়াম স্বল্পতার নির্দেশ করে। B) ১৩৫-১৫৫ মিলি মোল/লিটার - এর উচ্চসীমাটি চিকিৎসাবিজ্ঞানের স্বাভাবিক মানের চেয়ে কিছুটা বেশি এবং এটি হাইপারনেট্রিমিয়ার লক্ষণ হতে পারে। C) ১৬০-১৭৪ মিলি মোল/লিটার - এটি অত্যন্ত বিপজ্জনকভাবে উচ্চ মাত্রা যা মারাত্মক ডিহাইড্রেশন বা মস্তিষ্কের ক্ষতির কারণ হতে পারে। D) ১৩৫-১৪৫ মিলি মোল/লিটার - এটি রক্তে সোডিয়ামের সম্পূর্ণ নির্ভুল ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত স্বাভাবিক মান। ৫ মনে রাখার টিপস: - সোডিয়ামের স্বাভাবিক মাত্রা মনে রাখার সহজ উপায় হলো ১৩৫ সংখ্যাটি মনে রাখা এবং তার সাথে ১০ যোগ করে ১৪৫ পর্যন্ত সীমা নির্ধারণ করা। - মনে রাখতে হবে সোডিয়াম আমাদের শরীরের লবণাক্ততার ভারসাম্য এবং স্নায়ুর সংকেত আদান-প্রদান সরাসরি নিয়ন্ত্রণ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় রক্তের বিভিন্ন উপাদানের স্বাভাবিক মান থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - রক্তে সোডিয়াম কমে যাওয়ার অবস্থাকে হাইপোনেট্রিমিয়া এবং বেড়ে যাওয়ার অবস্থাকে হাইপারনেট্রিমিয়া বলা হয়।
a Atrial septal defect
b Myocardial Infection
c Pulmonary stenosis
d Ventricular septal defect
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Myocardial Infection কেন সঠিক: - মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশন বা হার্ট অ্যাটাক হলো হৃদপিণ্ডের রক্তনালীতে ব্লকেজের কারণে সৃষ্ট একটি প্রাপ্তবয়স্ক কার্ডিয়াক সমস্যা, যা জন্মগত কোনো ত্রুটি নয়। - জন্মগত হৃদরোগ (Congenital heart disease) সাধারণত জন্ম থেকেই হৃদপিণ্ডের গঠনগত ত্রুটির কারণে ঘটে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Atrial septal defect — এটি একটি জন্মগত হৃদরোগ যেখানে দুই অলিন্দের মাঝখানের দেয়ালে ছিদ্র থাকে। B) Myocardial Infection — এটি কোনো জন্মগত রোগ নয়, বরং সাধারণত বয়স্কদের করোনারি ধমনীর সমস্যার কারণে অর্জিত হয়। C) Pulmonary stenosis — এটি একটি জন্মগত হৃদরোগ যেখানে পালমোনারি ভাল্ব সংকুচিত হয়ে যায়। D) Ventricular septal defect — এটি জন্মগত হৃদরোগের অন্যতম সাধারণ রূপ যেখানে দুই নিলয়ের মাঝখানের দেয়ালে ছিদ্র থাকে। মনে রাখার টিপস: জন্মগত রোগগুলো হলো জন্ম থেকেই হৃদপিণ্ডের কাঠামোগত ত্রুটি, পক্ষান্তরে মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশন হলো পরবর্তীতে রক্তনালী বন্ধ হয়ে হওয়া রোগ।
a Obstructed labour
b Eclampsia
c Abortion
d PPH
ব্যাখ্যাঃ
১. বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন (স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা বিজ্ঞান) সঠিক উত্তর: B) Eclampsia কেন সঠিক: - একলাম্পসিয়া হলো গর্ভাবস্থায় উচ্চ রক্তচাপজনিত জটিলতা, যা খিঁচুনি সৃষ্টি করে এবং বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশে মাতৃমৃত্যুর অন্যতম প্রধান চিকিৎসা বিজ্ঞানসম্মত কারণ। - গর্ভাবস্থার শেষভাগে বা প্রসবের সময় খিঁচুনি ও অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার মতো মারাত্মক অবস্থার সৃষ্টি করে এটি মৃত্যুর ঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Obstructed labour — এটি প্রসবের সময় জটিলতা সৃষ্টি করলেও বর্তমান স্বাস্থ্যসেবায় এটি মাতৃমৃত্যুর প্রধান কারণ হিসেবে শীর্ষে নেই। B) Eclampsia — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত কোনো ভুল যুক্তির প্রয়োজন নেই, তবে এটি প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত। C) Abortion — অনিরাপদ বা ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভপাত মাতৃমৃত্যুর অন্যতম কারণ হলেও একলাম্পসিয়ার তুলনায় এর হার সামগ্রিকভাবে কম। D) PPH — প্রসবোত্তর অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ (PPH) অতীতে প্রধান কারণ থাকলেও বর্তমানে সঠিক ব্যবস্থাপনা ও সচেতনতার কারণে মৃত্যুর হার তুলনামূলক নিয়ন্ত্রণে এসেছে। মনে রাখার টিপস: গর্ভাবস্থায় খিঁচুনি বা উচ্চ রক্তচাপজনিত সমস্যাকে একলাম্পসিয়া বলে, যা মাতৃমৃত্যুর প্রধান ঝূঁকি।
a 6 weeks
b 10 weeks
c 12 weeks
d 4 weeks
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) 6 weeks কেন সঠিক: - প্রসবের পর নারীর শরীরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ও হরমোন আগের স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসতে যে সময় লাগে তাকে পুয়েরপেরিয়াম বা প্রসবোত্তরকাল বলে। - চিকিৎসাবিজ্ঞান অনুযায়ী প্রসবের পর এই সময়কাল সাধারণভাবে ছয় সপ্তাহ বা বিয়াল্লিশ দিন পর্যন্ত স্থায়ী হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 6 weeks — এটি চিকিৎসাবিজ্ঞানসম্মতভাবে স্বীকৃত প্রসবোত্তরকাল বা পুয়েরপেরিয়ামের সঠিক সময়সীমা। B) 10 weeks — এই সময়সীমা পুয়েরপেরিয়ামের স্বাভাবিক বা আদর্শ ব্যাপ্তির চেয়ে বেশি এবং চিকিৎসাবিজ্ঞানে এই মানের কোনো ভিত্তি নেই। C) 12 weeks — তিন মাসের এই দীর্ঘ সময়টি পুয়েরপেরিয়ামের চিকিৎসাগত সংজ্ঞার সঙ্গে মেলে না। D) 4 weeks — চার সপ্তাহ বা এক মাস সময়কাল পুয়েরপেরিয়ামের পূর্ণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার জন্য অপর্যাপ্ত। মনে রাখার টিপস: পুয়েরপেরিয়াম বা প্রসবোত্তরকাল মনে রাখতে সংখ্যাটি মনে রাখুন ছয় সপ্তাহ বা বিয়াল্লিশ দিন।
a Inj Tranexemic acid
b Inj Heparin
c Inj Caprolysin
d Inj Cefuroxime
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Inj Heparin কেন সঠিক: - হেপারিপ্রাকৃতিক অ্যান্টিমুহূর্ত বা অ্যান্টিকোয়াগুলেন্ট হিসেবে কাজ করে রক্তকে ধমনীর ভেতরে জমাট বাঁধতে বাধা দেয়। - এটি ফাইব্রিনোজেনকে ফাইব্রিনে রূপান্তর হতে দেয় না, ফলে রক্ত তরল থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Inj Tranexemic acid — এটি রক্তপাত বন্ধ করতে বা রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে, তরল রাখতে নয়। B) Inj Heparin — এটি রক্ত তরল রাখতে সাহায্য করে। C) Inj Caprolysin — এটি রক্তপাত রোধকারী অ্যান্টিফিব্রিনোলাইটিক এজেন্ট হিসেবে ব্যবহৃত হয়। D) Inj Cefuroxime — এটি একটি অ্যান্টিবায়োটিক, যা ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: হেপারিন হলো মানব শরীরের প্রাকৃতিক বা কৃত্রিম অ্যান্টিকোয়াগুলেন্ট, যা রক্ত জমাট বাঁধতে দেয় না।
a OCD
b IUCD
c Inj DMPA
d Implant
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: প্রদও সঠিক উত্তরটি ভুল। সঠিক উত্তর হবে ইমার্জেন্সি কন্ট্রাসেপ্টিভ পিল (ECP) হলো লেভোনরজেস্টেল জাতীয় হরমোন পিল, যা সাধারণত অপশনগুলোতে সরাসরি নেই। তবে প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে IUCD বা ইন্ট্রাউটেরিন কন্ট্রাসেপ্টিভ ডিভাইস জরুরি গর্ভনিরোধক হিসেবে ব্যবহার করা যায়, যা সহবাসের পাঁচ দিনের মধ্যে স্থাপন করতে হয়। সাধারণ জরুরি পিলের ক্ষেত্রে ইসিপি বা নির্দিষ্ট হরমোন পিল ব্যবহৃত হয়। কেন সঠিক: - ইমার্জেন্সি কন্ট্রাসেপ্টিভ পিল বা ইসিপি হলো এমন একটি ওষুধ যা অসুরক্ষিত মিলনের পর অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভধারণ রোধ করতে দ্রুত সেবন করা হয়। - কপার টি বা আইইউসিডি জরুরি গর্ভনিরোধক হিসেবে পাঁচ দিনের মধ্যে ব্যবহার করা যায়, যা ডিম্বাণু ও শুক্রাণুর মিলন বাধাগ্রস্ত করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) OCD — এটি অবসেসিভ কমপালসিভ ডিসঅর্ডার নামক একটি মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা, গর্ভনিরোধক পদ্ধতি নয়। B) IUCD — এটি ইন্ট্রাউটেরিন কন্ট্রাসেপ্টিভ ডিভাইস, যা জরায়ুতে স্থাপন করা হয় এবং এটি জরুরি গর্ভনিরোধক হিসেবেও কাজ করতে পারে। C) Inj DMPA — এটি তিন মাস মেয়াদী ইনজেকশনভিত্তিক গর্ভনিরোধক, যা জরুরি মুহূর্তে ব্যবহারের জন্য উপযুক্ত নয়। D) Implant — এটি চামড়ার নিচে স্থাপন করার দীর্ঘমেয়াদী গর্ভনিরোধক পদ্ধতি, যা তাৎক্ষণিক বা জরুরি গর্ভনিরোধক নয়। মনে রাখার টিপস: জরুরি গর্ভনিরোধক বা ইসিপি হলো তাৎক্ষণিক খাওয়ার পিল, আর আইইউসিডি হলো জরায়ুতে দীর্ঘমেয়াদী বা জরুরিভাবে স্থাপন করার পদ্ধতি।
a অস্থিত্তে
b রক্তে
c যকৃতে
d পাকস্থলীতে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) যকৃতে কেন সঠিক: - মানবদেহের প্লীহাতে লোহিত রক্তকণিকা ভাঙার ফলে হিমোগ্লোবিন থেকে বিলিরুবিন তৈরি হয় এবং তা যকৃতে এসে পৌঁছায়। - যকৃৎ এই বিলিরুবিন প্রক্রিয়াজাত করে পিত্তরসের সাথে মলের মাধ্যমে শরীর থেকে বের করে দিতে সাহায্য করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অস্থিত্তে — অস্থি মূলত রক্তকণিকা উৎপাদনে কাজ করে, বিলিরুবিন তৈরিতে এর সরাসরি কোনো ভূমিকা নেই। B) রক্তে — রক্তে বিলিরুবিন পরিবাহিত হয় এবং এর মাত্রা বাড়লে জন্ডিস হয়, কিন্তু এটি রক্তে তৈরি হয় না। C) যকৃতে — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি সঠিক। D) পাকস্থলীতে — পাকস্থলী প্রধানত খাদ্য পরিপাকের কাজ করে, বিলিরুবিন উৎপাদনের সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: বিলিরুবিন তৈরির মূল কারখানা প্লীহা হলেও, প্রধান প্রক্রিয়াজাতকরণ ও রূপান্তর ঘটে যকৃতে।
a Inj Nalepsin
b Inj Phenytoin
c Inj Amikacyn
d Caprolysin
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সঠিক উত্তর: A) Inj Nalepsin কেন সঠিক: - 'Nalepsin' হলো ফেনিটয়েন সোডিয়াম জেনেরিক নামের একটি ব্র্যান্ড, যা মূলত মৃগীরোগ বা খিঁচুনি দমনে বহুল ব্যবহৃত হয়। - এটি মস্তিষ্কের অতিরিক্ত বা অস্বাভাবিক বৈদ্যুতিক কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ করে খিঁচুনি প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Inj Nalepsin — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি অ্যান্টিকনভালসেন্ট বা খিঁচুনি বিরোধী ওষুধ হিসেবে কাজ করে। B) Inj Phenytoin — এটি মূল জেনেরিক ওষুধ হলেও প্রশ্নে ব্র্যান্ড নাম হিসেবে 'Inj Nalepsin' নির্দিষ্ট করা হয়েছে, তাই এটি সরাসরি কাঙ্ক্ষিত উত্তর নয়। C) Inj Amikacyn — এটি একটি অ্যান্টিবায়োটিক যা ব্যাকটেরিয়াজনিত infections দমনে ব্যবহৃত হয়, খিঁচুনিতে নয়। D) Caprolysin — এটি কোনো স্বীকৃত অ্যান্টিকনভালসেন্ট ওষুধ নয়, বরং এটি একটি অপ্রাসঙ্গিক নাম। মনে রাখার টিপস: খিঁচুনি বা মৃগীরোগ দমনের জন্য ব্যবহৃত ফেনিটয়েন গ্রুপের ওষুধের পরিচিত ব্র্যান্ড নাম হলো ন্যালেপসিন।
a Savlon
b Lysol
c Cidex
d Boiling
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Cidex কেন সঠিক: - ল্যাপারোস্কোপির মতো সংবেদনশীল ও প্লাস্টিক বা অপটিক্যাল যন্ত্রপাতি উচ্চ তাপমাত্রায় নষ্ট হয়ে যায়, তাই এগুলো জীবাণুমুক্ত করতে রাসায়নিক তরল পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। - সিডেক্স বা গ্লুটারালডিহাইড দ্রবণে ভিজিয়ে রেখে এসব যন্ত্রপাতির অণুজীব ও স্পোর ধ্বংস করা হয়, যা কোল্ড স্টেরিলাইজেশন নামে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Savlon — এটি সাধারণ কাটাছেঁড়া বা ত্বক পরিষ্কার করার কাজে ব্যবহৃত অ্যান্টিসেপটিক,surgical যন্ত্রপাতির উচ্চপর্যায়ের জীবাণুমুক্তকরণে এটি ব্যবহার করা হয় না। B) Lysol — এটি মূলত মেঝে, দেয়াল বা পরিবেশগত পৃষ্ঠতল পরিষ্কার এবং জীবাণুমুক্ত করার শক্তিশালী ডিসইনফেক্ট্যান্ট, যা সার্জিক্যাল যন্ত্রের জন্য উপযোগী নয়। C) Cidex — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এটি ল্যাপারোস্কোপ ও এন্ডোস্কোপের মতো সূক্ষ্ম যন্ত্রের জীবাণুমুক্ত করার জন্য বিশেষভাবে ব্যবহৃত রাসায়নিক তরল। D) Boiling — ফুটিয়ে জীবাণুমুক্ত করার পদ্ধতি সাধারণ মেটালের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হলেও প্লাস্টিক বা হিট-সেনসিটিভ ল্যাপারোস্কোপিক যন্ত্রের ক্ষেত্রে এটি অনুপযোগী। মনে রাখার টিপস: ল্যাপারোস্কোপ মানেই তাপ সংবেদনশীল ক্যামেরা, আর ক্যামেরা পরিষ্কার করতে লাগে সিডেক্স তরল।
a লিউকোপেনিয়ায় আক্রান্ত
b ব্রডস্পেকট্রাম এন্টিবায়োটিক গ্রহণ করে
c পোস্ট অপারেটিভ রোগী যার অর্থোপেডিক সার্জারি রয়েছে
d সদ্য নির্ণয় করা ডায়াবেটিস রোগী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) লিউকোপেনিয়ায় আক্রান্ত কেন সঠিক: - লিউকোপেনিয়া হলো রক্তে শ্বেত রক্তকণিকার পরিমাণ কমে যাওয়া, যা শরীরের প্রধান রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ধ্বংস করে দেয়। - শ্বেত রক্তকণিকা জীবাণুর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে, তাই এর ঘাটতি থাকলে যেকোনো ভাইরাসের বা ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণের ঝুঁকি সর্বোচ্চ থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লিউকোপেনিয়ায় আক্রান্ত — এটি সঠিক উত্তর কারণ শ্বেত রক্তকণিকার ঘাটতি সরাসরি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়। B) ব্রডস্পেকট্রাম এন্টিবায়োটিক গ্রহণ করে — এটি উপকারী ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে গৌণ সংক্রমণ ঘটাতে পারে, তবে সরাসরি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমায় না। C) পোস্ট অপারেটিভ রোগী যার অর্থোপেডিক সার্জারি রয়েছে — সার্জারি পরবর্তী সংক্রমণ হতে পারে, তবে এটি জীবাণু প্রবেশে ঝুঁকি তৈরি করলেও রক্তকণিকার অভাবের মতো সার্বিক নয়। D) সদ্য নির্ণয় করা ডায়াবেটিস রোগী — রক্তে শর্করার মাত্রা বেশি থাকায় সংক্রমণের ঝুঁকি থাকে, তবে তা লিউকোপেনিয়ার তুলনায় সরাসরি প্রতিরোধ ক্ষমতার মারাত্মক অভাব নয়। মনে রাখার টিপস: শ্বেত রক্তকণিকা হলো শরীরের পুলিশ বাহিনী, আর লিউকোপেনিয়া মানে পুলিশ কমে যাওয়া; তাই সংক্রমণের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি।
a বেড়ে যায়
b কমে যায়
c অপরিবর্তিত থাকে
d পাওয়া যায় না
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি ভুল। চিকিৎসাবিজ্ঞান অনুযায়ী হাইপোভলেমক শকে পালস রেট বা নাড়ির গতি কমে যায় না, বরং অতিরিক্ত রক্ত বা তরল হ্রাসের ফলে রক্তচাপ বজায় রাখতে হৃদস্পন্দন দ্রুত বা বেড়ে যায়। তাই সঠিক উত্তর হবে A) বেড়ে যায়। সঠিক উত্তর: A) বেড়ে যায় কেন সঠিক: - হাইপোভলেমক শক হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে শরীরে রক্ত বা তরল পদার্থের পরিমাণ মারাত্মকভাবে কমে যায়। - রক্ত বা তরল কমে যাওয়ায় রক্তচাপ কমে যায় এবং শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলোতে পর্যাপ্ত রক্ত সরবরাহ নিশ্চিত করতে হার্ট রেট বা পালস রেট অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বেড়ে যায় — এটি চিকিৎসাবিজ্ঞানসম্মত সঠিক উত্তর কারণ শরীরের তরল ঘাটতি পূরণের জন্য হার্ট দ্রুত স্পন্দিত হয়। B) কমে যায় — প্রদত্ত উত্তরটি ভুল কারণ রক্তাল্পতা বা তরল হ্রাসের প্রতিক্রিয়ায় হার্ট রেট কমে না বরং বাড়ে। C) অপরিবর্তিত থাকে — এটি ভুল কারণ হাইপোভলেমক শকের মতো জরুরি অবস্থায় শরীরের কার্ডিওভাসকুলার সিস্টেমে বড় ধরনের পরিবর্তন ঘটে। D) পাওয়া যায় না — এটি ভুল কারণ শকের তীব্র অবস্থাতেও পেরিফেরাল পালস পাওয়া যেতে পারে অথবা ক্যারোটিড পালস পাওয়া যায়। মনে রাখার টিপস: হাইপোভলেমক শকে শরীর রক্তের অভাব পূরণের চেষ্টা করে, তাই হার্ট তখন খুব দ্রুত পাম্প করে এবং পালস রেট বেড়ে যায়।
a সায়ানোসিস
b জ্বর
c রক্তক্ষরণ
d বমি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সায়ানোসিস কেন সঠিক: - ফুসফুসে পর্যাপ্ত অক্সিজেন সরবরাহ না পেলে রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা কমে যায় এবং ত্বক বা ঠোঁট নীলচে বর্ণ ধারণ করে। - চিকিৎসাবিজ্ঞানে শ্বাসকষ্ট বা অক্সিজেন স্বল্পতার এই প্রকাশকে সায়ানোসিস বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সায়ানোসিস — এটি শ্বাসকষ্ট বা অক্সিজেন ঘাটতির সরাসরি শারীরিক লক্ষণ। B) জ্বর — এটি সাধারণত সংক্রমণ বা প্রদাহের লক্ষণ, যা সরাসরি শ্বাসকষ্টের নিশ্চিত নির্দেশক নয়। C) রক্তক্ষরণ — এটি রক্তনালীর আঘাত বা রক্তপাতের ফল, যার সাথে শ্বাসকষ্টের সরাসরি সম্পর্ক নেই। D) বমি — এটি পরিপাকতন্ত্রের সমস্যা বা বিষক্রিয়ার লক্ষণ, যা শ্বাসকষ্টের প্রধান চিহ্ন নয়। মনে রাখার টিপস: শ্বাসকষ্ট মানেই শরীরে অক্সিজেনের অভাব এবং ত্বক নীলচে হওয়া বা সায়ানোসিস।
a ১২০০ mg
b ২০০০ mg
c ৮০০ mg
d ১০০০ mg
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (জীববিজ্ঞান ও পুষ্টিবিজ্ঞান) সঠিক উত্তর: D) ১০০০ mg কেন সঠিক: - বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং পুষ্টি বিজ্ঞানীদের মতে প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের দৈনিক গড়ে ১০০০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম প্রয়োজন হয়। - হাড় ও দাঁতের গঠন মজবুত রাখতে এবং স্নায়ু ও পেশির সঠিক কার্যকারিতায় এই পরিমাণ ক্যালসিয়াম অপরিহার্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১২০০ mg — এটি সাধারণত গর্ভবতী নারী, স্তন্যদায়ী মা এবং ষাটোর্ধ্ব নারীদের দৈনিক ক্যালসিয়ামের চাহিদা, সাধারণ মানুষের জন্য নয়। B) ২০০০ mg — এটি প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের জন্য ক্যালসিয়ামের সর্বোচ্চ সহনশীল মাত্রা বা দৈনিক সর্বোচ্চ সীমার নির্দেশক। C) ৮০০ mg — এটি শিশুদের ক্ষেত্রে বা কিছু নির্দিষ্ট দেশের প্রাচীন পুষ্টি নির্দেশিকায় প্রযোজ্য হলেও বর্তমান মানদণ্ডে কম। D) ১০০০ mg — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং প্রাপ্তবয়স্ক সুস্থ মানুষের দৈনিক ক্যালসিয়ামের আদর্শ চাহিদা। মনে রাখার টিপস: প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের হাড়ের সুস্বাস্থ্যের জন্য প্রতিদিন ঠিক এক হাজার মিলিগ্রাম বা ১ গ্রাম ক্যালসিয়াম গ্রহণ করা উচিত।
a ০ - ১ মাস
b ১ মাস- ৫ বছর
c ০ - ১ বছর
d ১ থেকে ৫ বছর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ০ - ১ মাস কেন সঠিক: - চিকিৎসাবিজ্ঞান ও শিশু স্বাস্থ্য অনুযায়ী জন্মের পর থেকে প্রথম আটাশ দিন বা এক মাস পর্যন্ত সময়কালকে নিওনেট বা নবজাতক বলা হয়। - এই সময়ে শিশুর শারীরিক অঙ্গপ্রত্যঙ্গগুলো বাইরের পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ০ - ১ মাস — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সময়কালকেই চিকিৎসাশাস্ত্রে নিওনেট বা নবজাতক বলা হয়। B) ১ মাস- ৫ বছর — এটি নিওনেট বা নবজাতক কাল নয়, বরং এই সময়কালকে ইনফ্যান্ট বা শিশু বলা হয়। C) ০ - ১ বছর — এই সময়কালটি নবজাতক ও শিশু উভয়কেই অন্তর্ভুক্ত করে, যা এককভাবে নিওনেট বোঝায় না। D) ১ থেকে ৫ বছর — এই সময়কালকে টডলার বা শৈশবকাল বলা হয়, যা নিওনেট বা নবজাতকের সংজ্ঞাভুক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: নিওনেট মানে একদম নতুন জন্ম নেওয়া শিশু, তাই এর সময়কাল সবচেয়ে কম অর্থাৎ জন্ম থেকে মাত্র এক মাস।
a Hematocrit বেড়ে যায়
b Hematocrit কমে যায়
c Neutrophil বেড়ে যায়
d Lymphocyte বেড়ে যায়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Hematocrit বেড়ে যায় কেন সঠিক: - ডেঙ্গু জ্বরে রক্তনালীর প্লাজমা লিক হয়ে যাওয়ার কারণে রক্তের প্লাজমা কমে যায় এবং রক্তের ঘনত্ব বেড়ে যায়। - রক্তের ঘনত্ব বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে রক্তে লোহিত কণিকার শতকরা পরিমাণ বা হেমাটোক্রিট (Hematocrit) এর মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি বৃদ্ধি পায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Hematocrit বেড়ে যায় — এটি রক্তের ঘনত্ব বৃদ্ধি পাওয়ার সঠিক লক্ষণ এবং ডেঙ্গুর ভয়াবহতা তথা প্লাজমা লিকেজ নির্দেশ করে। B) Hematocrit কমে যায় — হেমাটোক্রিট কমে যাওয়া রক্তস্বল্পতা বা রক্তপাতের লক্ষণ, যা ডেঙ্গুর প্লাজমা লিকেজের বিপরীত পরিস্থিতি। C) Neutrophil বেড়ে যায় — নিউট্রোফিল সাধারণত ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশনের সময় বৃদ্ধি পায়, ডেঙ্গুর ভয়াবহতার প্রধান সূচক এটি নয়। D) Lymphocyte বেড়ে যায় — লিম্ফোসাইট সাধারণত ভাইরাল ইনফেকশনে পরিবর্তিত হয়, তবে এটি সরাসরি ডেঙ্গুর ভয়াবহতা বা প্লাজমা লিকেজ নির্ধারণ করে না। মনে রাখার টিপস: ডেঙ্গুতে রক্ত পানি হয়ে লিক হয়, তাই রক্ত ঘন হয়ে হেমাটোক্রিট বেড়ে যায়।
a ১৮-৪৫ বছর
b ১৮-৬০ বছর
c ১৮-৫৭ বছর
d ১৮-৭০ বছর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৮-৫৭ বছর কেন সঠিক: - বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং নিরাপদ রক্তদান নির্দেশিকা অনুযায়ী সাধারণ সুস্থ মানুষের রক্তদানের আদর্শ বয়স সীমা আঠারো থেকে সাতান্ন বছর নির্ধারিত আছে। - এই বয়সের একজন সুস্থ মানুষের শারীরিক সক্ষমতা ও রক্তের হিমোগ্লোবিনের মাত্রা রক্তদানের জন্য উপযুক্ত থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৮-৪৫ বছর — এই বয়সসীমা রক্তদানের জন্য অত্যন্ত কম ধরা হয় এবং এটি সঠিক মানদণ্ড নয়। B) ১৮-৬০ বছর — সাধারণ নিরাপদ রক্তদানের আদর্শ সর্বোচ্চ বয়সসীমা সাধারণত ষাট বছর পর্যন্ত ধরা হয় না। D) ১৮-৭০ বছর — সত্তর বছর বয়স রক্তদানের জন্য অনেক বেশি এবং তা স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে। মনে রাখার টিপস: রক্তদানের বয়স মনে রাখতে আঠারো থেকে শুরু করে সাতান্ন বছর পর্যন্ত এই মানদণ্ডটি মনে রাখতে হবে।
a ভিওডেনাম
b জেজুনাম
c আপেন্ডিক্স
d ইলিয়াম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আপেন্ডিক্স কেন সঠিক: - মানবদেহের পরিপাকতন্ত্রের প্রধান অংশ ক্ষুদ্রান্ত্র এবং বৃহডান্ত্র, যার মধ্যে বৃহডান্ত্রের একটি প্রবর্ধিত অংশ হলো সিকাম এবং তার সাথেই আপেন্ডিক্স যুক্ত থাকে। - এটি মূলত বৃহডান্ত্রের সাথে সংযুক্ত একটি ক্ষুদ্র নলাকার অবশিষ্টাংশ যা মানবদেহে নিষ্ক্রিয় অঙ্গ হিসেবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভিওডেনাম — এটি ক্ষুদ্রান্ত্রের প্রথম অংশ, যা পাকস্থলীর ঠিক পরেই অবস্থান করে। B) জেজুনাম — এটি ক্ষুদ্রান্ত্রের মধ্যবর্তী অংশ, যা ভিওডেনাম ও ইলিয়ামের মাঝখানে থাকে। C) আপেন্ডিক্স — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে বৃহডান্ত্রের অংশ হিসেবে গণ্য। D) ইলিয়াম — এটি ক্ষুদ্রান্ত্রের সর্বশেষ ও দীর্ঘতম অংশ, যা বৃহডান্ত্রের সাথে যুক্ত হয়। মনে রাখার টিপস: ক্ষুদ্রান্ত্রের অংশ হলো ডিওডেনাম, জেজুনাম ও ইলিয়াম আর বৃহডান্ত্রের অংশ হলো সিকাম, কোলন, মলাশয় ও আপেন্ডিক্স।
a নিউরন
b নেফ্রন
c এন্টিওব্রাস্ট
d ফাইব্রোব্লাস্ট
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নেফ্রন কেন সঠিক: - নেফ্রন হলো মানবদেহের রেচনতন্ত্রের মূল অঙ্গ বৃক্ক বা কিডনির গঠনগত ও কার্যগত একক। - এটি রক্ত থেকে বর্জ্য পদার্থ ছেঁকে মূত্র তৈরি করতে সরাসরি ভূমিকা পালন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিউরন — এটি মানবদেহের স্নায়ুতন্ত্রের গঠনগত ও কার্যগত একক, বৃক্কের একক নয়। B) নেফ্রন — এটি সঠিক উত্তর, কারণ প্রতি কিডনিতে লক্ষাধিক নেফ্রন থাকে যা মূত্র উৎপাদনে কাজ করে। C) এন্টিওব্রাস্ট — এটি কোনো পরিচিত জৈবিক একক নয়, এটি একটি বিভ্রান্তিকর অপশন। D) ফাইব্রোব্লাস্ট — এটি যোজক কলার এক ধরনের কোষ যা কোলাজেন তৈরি করে, বৃক্কের একক নয়। মনে রাখার টিপস: কিডনি বা বৃক্কের নাম এবং এর একক নেফ্রন উভয় শব্দের শুরুতেই ন বর্ণটি আছে।
a Boiling
b Fumigation
c Autoclave
d Cidex Solution
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Autoclave কেন সঠিক: - অটোक्लेव উচ্চ তাপে জলীয় বাষ্প বা প্রেশার ব্যবহার করে জীবাণুনাশ করে, যা ব্যাকটেরিয়ার স্পোর ধ্বংস করতে সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি। - এই যন্ত্রে সাধারণত ১২১ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় ১৫ পিএসআই চাপে ১৫ মিনিট রেখে সব ধরনের স্পোরসহ জীবাণু পুরোপুরি ধ্বংস করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Boiling — সাধারণ ফুটন্ত পানি মাত্র ১০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা তৈরি করে, যা অনেক তাপসহিষ্ণু ব্যাকটেরিয়ার স্পোর ধ্বংস করতে পারে না। B) Fumigation — ফিউমিগেশন বা গ্যাসীয় পদ্ধতিতে বায়ুর জীবাণু দূর করা হয়, কিন্তু এটি গভীর ও শক্ত স্পোর পুরোপুরি ধ্বংসের জন্য যথেষ্ট নয়। C) Autoclave — এটি নিজেই সঠিক উত্তর, কারণ উচ্চ চাপ ও তাপের এই যন্ত্রটি স্পোর ধ্বংসের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ও নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি। D) Cidex Solution — এটি একটি রাসায়নিক তরল যা সাধারণত চিকিৎসাসরঞ্জাম জীবাণুমুক্ত করতে ব্যবহৃত হয়, তবে সব ধরনের স্পোর ধ্বংস করতে দীর্ঘ সময় ও বিশেষ শর্ত প্রয়োজন হয়। মনে রাখার টিপস: স্পোর মানেই চরম তাপ সহ্যকারী, তাই তাকে ধ্বংস করতে চাই চরম চাপ ও তাপযুক্ত অটোक्लेव।
a T.B
b Malaria
c Hepatitis
d Typhoid
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Hepatitis কেন সঠিক: - হেপাটাইটিস বি এবং সি ভাইরাস রক্ত সঞ্চালনের মাধ্যমে খুব সহজেই ছড়ায় এবং মানবদেহে দীর্ঘস্থায়ী যকৃতের রোগ সৃষ্টি করে। - রক্তদাতার শরীরে এই ভাইরাসের উপস্থিতি আছে কি না তা নিশ্চিত করতে রক্ত দেওয়ার আগে আবশ্যিকভাবে স্ক্রিনিং টেস্ট করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) T.B — এটি যক্ষ্মা রোগ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ যা মূলত ফুসফুসকে আক্রমণ করে এবং এটি সাধারণত রক্ত সঞ্চালনের মাধ্যমে ছড়ায় না। B) Malaria — এটি প্লাজমোডিয়াম পরজীবীঘটিত রোগ যা মশার কামড়ের মাধ্যমে ছড়ায়, তাই এটি রক্তের সাধারণ স্ক্রিনিং পরীক্ষার মূল লক্ষ্য নয়। C) Hepatitis — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ হেপাটাইটিস ভাইরাস রক্তের মাধ্যমে অত্যন্ত দ্রুত সংক্রমিত হয়। D) Typhoid — এটি সালমোনেলা ব্যাকটেরিয়াজনিত পেটের রোগ যা দূষিত পানি ও খাবারের মাধ্যমে ছড়ায়। মনে রাখার টিপস: রক্তদানের সময় প্রধানত হেপাটাইটিস এবং এইচআইভি এর মতো রক্তবাহিত মারাত্মক ভাইরাসের জন্যই স্ক্রিনিং টেস্ট করা হয়।

মোট প্রশ্ন (19)

a ছয় দফা
b এগারো দফা
c ৭ই মার্চের ভাষণ
d ২১ দফা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ছয় দফা ১. কেন সঠিক: বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ হলো ছয় দফা। ঐতিহাসিক ছয় দফাকে বাঙালি জাতির স্বাধিকার আন্দোলনের প্রাণকেন্দ্র বা ম্যাগনা কার্টা বলা হয়। ২. সাহিত্য ও ইতিহাস ব্যাখ্যা: জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬৬ সালের ৫ থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধী দলগুলোর এক সম্মেলনে এই ঐতিহাসিক ছয় দফা দাবি পেশ করেন। এই দাবির মাধ্যমে পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসন ও বাঙালির রাজনৈতিক অধিকারের রূপরেখা তুলে ধরা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঐতিহাসিক ছয় দফা দিবস পালিত হয় প্রতিবছর ৭ জুন। ব্যাখ্যা: ১৯৬৬ সালের ৭ জুন ছয় দফার পক্ষে দেশব্যাপী সাধারণ হরতালে পুলিশের গুলিতে মনু মিয়াঁসহ অনেকেই শহীদ হন। উদাহরণ ২: আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করা হয়েছিল ছয় দফা আন্দোলনকে দমন করার উদ্দেশ্যে। ব্যাখ্যা: পাকিস্তান সরকার বাঙালির এই স্বাধিকার আন্দোলন দমাতে এই মিথ্যা মামলাটি সাজিয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ছয় দফা — এটি সঠিক কারণ এটি বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ হিসেবে সর্বজনস্বীকৃত। B) এগারো দফা — এটি ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের সময় ছাত্রসমাজ কর্তৃক পেশ করা হয়েছিল, মুক্তির সনদ নয়। C) ৭ই মার্চের ভাষণ — এটি স্বাধীনতার ঘোষণা ও দিকনির্দেশনা হলেও সংবিধানে মুক্তির সনদ বলা হয়নি। D) ২১ দফা — এটি ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী ইশতেহার ছিল, যা মুক্তির সনদ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: ছয় দফা হলো বাঙালির মুক্তির মূল চাবিকাঠি বা সনদ। এভাবে মনে রাখতে পারো যে ছয়টি দফাই বাঙালির মুক্তির পথ দেখিয়েছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬৬ সালের ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে ঐতিহাসিক ছয় দফা পেশ করেন। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এর সন ও স্থান প্রায়ই আসে।
a বায়কুষ্ঠ
b মিতব্যয়ী
c সাবধানী
d কৃপণ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বায়কুষ্ঠ ১. কেন সঠিক: - যে ব্যয় করতে কুন্ঠাবোধ করে তাকে এককথায় বায়কুষ্ঠ বলা হয়। - এই শব্দটিতে ব্যয় করার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত কার্পণ্য বা দ্বিধাবোধ প্রকাশ পায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন ব্যাকরণ অংশের অন্তর্ভুক্ত। - বড় বাক্য বা ভাবকে সংক্ষেপে একটি মাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যম হলো বাক্য সংকোচন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যা সহজে লভ্য ব্যাখ্যা: একে এককথায় সুলভ বলা হয়। উদাহরণ ২: যা পূর্বে কখনো দেখা যায়নি ব্যাখ্যা: একে এককথায় অদৃষ্টপূর্ব বলা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বায়কুষ্ঠ — এটি সঠিক উত্তর। B) মিতব্যয়ী — যে পরিমিত বা বুঝে ব্যয় করে তাকে মিতব্যয়ী বলে, কুন্ঠাবোধকারী নয়। C) সাবধানী — যে খুব সতর্ক বা সাবধানতা অবলম্বন করে চলে তাকে সাবধানী বলে। D) কৃপণ — যে ব্যক্তি ধন থাকতেও খরচ করতে চায় না বা কৃপণতা করে, তাকে কৃপণ বলে, তবে কুন্ঠাবোধের ক্ষেত্রে বায়কুষ্ঠ শব্দটি বেশি উপযোগী। ৫. মনে রাখার টিপস: - ব্যয় করার কুন্ঠা থেকে বায়কুষ্ঠ শব্দটি এসেছে এভাবে মনে রাখা যায়। - বাক্য সংকোচনের ক্ষেত্রে মূল শব্দের অর্থের মিল খেয়াল রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - অপরিচিত শব্দগুলোর অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করলে সহজেই উত্তর করা সম্ভব।
a ক্ষণজীবী
b দীর্ঘজীবী
c ক্ষণজন্ম্না
d বিরলপ্রজ্ঞ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দীর্ঘজীবী ১. কেন সঠিক: - ‘কাকভূষণ্মী’ একটি পরিচিত বাগধারা যার অর্থ দীর্ঘজীবী বা অত্যন্ত দীর্ঘায়ু ব্যক্তি। - পৌরাণিক বিশ্বাস অনুযায়ী কাকভূষণ্মী ছিলেন অমর বা চিরজীবী এক ঋষি যিনি কাকের রূপ ধারণ করেছিলেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভাবার্থ প্রকাশ করে। - এই বাগধারার মূল উৎস হিন্দু পুরাণ, যেখানে কাকভূষণ্মীকে দীর্ঘায়ুর প্রতীক হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দাদার বয়স এখন নব্বই পার হয়েছে, তিনি যেন সাক্ষাৎ কাকভূষণ্মী। ব্যাখ্যা: এখানে অত্যন্ত দীর্ঘায়ু বোঝাতে কাকভূষণ্মী বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: আমাদের পরিবারে নানা হলেন একজন কাকভূষণ্মী, যিনি যুগের পর যুগ ধরে বংশের ইতিহাস রক্ষা করে চলেছেন। ব্যাখ্যা: দীর্ঘকাল বেঁচে থাকা বোঝাতে এখানে এই বাগধারার সার্থক প্রয়োগ ঘটেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক্ষণজীবী — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ যা অল্পকাল বাঁচে, যা দীর্ঘজীবীর সম্পূর্ণ বিপরীত। B) দীর্ঘজীবী — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই বাগধারার প্রচলিত এবং অভিধানসম্মত অর্থ হলো দীর্ঘায়ু সম্পন্ন ব্যক্তি। C) ক্ষণজন্মা — এই অপশনটি ভুল কারণ ক্ষণজন্মা অর্থ যিনি বিশেষ ক্ষণে বা লগ্নে জন্মগ্রহণ করেছেন এবং প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছেন। D) বিরলপ্রজ্ঞ — এই অপশনটি ভুল কারণ বিরলপ্রজ্ঞ অর্থ যার প্রজ্ঞা বা বুদ্ধিমত্তা অত্যন্ত দুর্লভ, দীর্ঘায়ুর সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - কাক অনেক বছর বাঁচে বলে লোকমুখে বিশ্বাস করা হয়, তাই কাক শব্দযুক্ত কাকভূষণ্মী মানে দীর্ঘজীবী। - পৌরাণিক অমর চরিত্র কাকভূষণ্মীর নাম থেকেই এই দীর্ঘায়ুর ধারণাটি এসেছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দীর্ঘজীবী অর্থ প্রকাশকারী অন্যান্য বাগধারা যেমন অলাবুনি বা ভূষণ্ডীর কাক সম্পর্কেও ধারণা রাখা প্রয়োজন। - বাক্যে প্রয়োগ এবং অর্থের গভীরতা বুঝে বাগধারা দাগাতে হবে।
a বহুস্ত্রীহি
b কর্মধারয়
c দ্বন্দ
d অব্যয়ীভাব
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কর্মধারয় ১. কেন সঠিক: - জজ্ঞাসাহেব শব্দটি কর্মধারয় সমাসের অন্তর্ভুক্ত কারণ এখানে সাহেব পদের বিশেষ্য রূপের সঙ্গে জজ্ঞা পদের বিশেষণের সম্পর্ক স্থাপন করা হয়েছে। - কর্মধারয় সমাসে সাধারণত পরপদের অর্থ প্রধানভাবে প্রতীয়মান হয় এবং পূর্বপদ ও পরপদের মধ্যে বিশেষ্য ও বিশেষণ বা দুটি বিশেষণের সম্পর্ক থাকে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - যে সমাসে পরপদের অর্থ প্রধান হয় এবং পূর্বপদটি বিশেষণ বা বিশেষণভাবাপন্ন এবং পরপদটি বিশেষ্য হয়, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে। - জজ্ঞাসাহেব শব্দের ব্যাসববাক্য হলো জজ্ঞা যে সাহেব। এখানে জজ্ঞা হলো বিশেষণ এবং সাহেব হলো বিশেষ্য পদ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জজ্ঞাসাহেব ব্যাখ্যা: জজ্ঞা যে সাহেব, অর্থাৎ বিশেষণের সঙ্গে বিশেষ্যের মিলনে গঠিত কর্মধারয় সমাস। উদাহরণ ২: জজসাহেব ব্যাখ্যা: জজ যে সাহেব, যা একইভাবে কর্মধারয় সমাসের অপর একটি প্রমিত উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বহুস্ত্রীহি — বহুত্রীহি সমাসের সংজ্ঞার সঙ্গে এই পদের গঠন মেলে না কারণ এটি কোনো নতুন অর্থ প্রকাশ করছে না। B) কর্মধারয় — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এই সমাসের নিয়মের সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ। C) দ্বন্দ — দ্বন্দ সমাসে উভয় পদের অর্থের প্রাধান্য থাকে, যা এখানে অনুপস্থিত। D) অব্যয়ীভাব — অব্যয়ীভাব সমাসে পূর্বপদে অব্যয় যোগ হয়ে অব্যয়ের অর্থ প্রধান হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - কোনো পদের সঙ্গে সাহেব যুক্ত হয়ে যদি বিশেষ ও সাধারণের সম্পর্ক বোঝায়, তবে তা সাধারণত কর্মধারয় সমাস হয়। - ব্যাসববাক্যে যে বা যিনি থাকলে এবং পরপদ বিশেষ্য হলে কর্মধারয় সমাস নির্ধারণ করা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - উপমান, উপমিত ও রূপক কর্মধারয় সমাসের পাশাপাশি সাধারণ কর্মধারয় সমাসের গঠন ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে। - পরীক্ষার হলে ব্যাসববাক্য নির্ণয় করে সমাসের নাম স্থির করলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
a proper
b common
c collective
d material
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) collective ১. কেন সঠিক: - 'Army' শব্দটি দ্বারা কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা বস্তুকে না বুঝিয়ে একই জাতীয় একাধিক ব্যক্তি বা প্রাণীর সমষ্টিকে বোঝায়। - ইংরেজিতে যেসব নাউন বা বিশেষ্য কোনো ব্যক্তি, প্রাণী বা বস্তুর সমষ্টিকে বোঝায়, সেগুলোকে Collective Noun বা সমষ্টিবাচক বিশেষ্য বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ইংরেজি ব্যাকরণে Noun প্রধানত পাঁচ প্রকার, যার মধ্যে Collective Noun হলো এমন একটি পদ যা পৃথক প্রাণীর সমষ্টিকে একত্রে একক সত্তা হিসেবে প্রকাশ করে। - এই ধরনের নাউন সাধারণত দেখতে একবচন হলেও সামগ্রিকভাবে একটি দল বা সমষ্টিকে নির্দেশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: Class ব্যাখ্যা: 'Class' বা শ্রেণি হলো অনেকগুলো শিক্ষার্থীর একটি সমষ্টি, তাই এটি Collective Noun। উদাহরণ ২: Jury ব্যাখ্যা: 'Jury' বা বিচারকমণ্ডলী হলো একাধিক বিচারকের একটি দল, যা Collective Noun এর উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) proper — Proper Noun নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি, স্থান বা গ্রন্থের নাম বোঝায়, যা 'army' শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) common — Common Noun একজাতীয় সাধারণ নাম বোঝায়, কিন্তু 'army' সাধারণ কোনো একক ব্যক্তি বা বস্তুকে বোঝায় না। C) collective — এটি সঠিক কারণ 'army' একটি সুনির্দিষ্ট সমষ্টিকে নির্দেশ করে। D) material — Material Noun কোনো উপাদান বা বস্তুর নাম বোঝায় যা গণনা করা যায় না, যেমন water বা iron, যা 'army' নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - কোনো শব্দ যদি দল, বাহিনী বা সমিতির অর্থ প্রকাশ করে এবং অনেক সদস্য মিলে একটি মাত্র একক হিসেবে কাজ করে, তবে চোখ বন্ধ করে তাকে Collective Noun বলবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় Team, Family, Crowd এবং Committee শব্দগুলো কোন ধরনের Noun তা প্রায়ই আসে, যা Collective Noun এর অন্তর্ভুক্ত।
a অবরোধবাসিনী
b আলোয়ারা
c জোহরা
d রজনী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অবরোধবাসিনী ১. কেন সঠিক: - রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন রচিত অবরোধবাসিনী একটি বিখ্যাত গ্রন্থ। - এটি মূলত বিভিন্ন সত্য ঘটনার ভিত্তিতে রচিত নারীদের অবরোধ প্রথার নির্মমতা ও কুসংস্কারের বিরুদ্ধে এক ব্যঙ্গাত্মক ও প্রতিবাদী উপন্যাসিকা বা সামাজিক গ্রন্থ। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন বাঙালি মুসলিম নারী জাগরণের অগ্রদূত এবং একাধারে প্রাবন্ধিক, ঔপন্যাসিক ও সমাজসংস্কারক। - তাঁর অন্যান্য উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্মের মধ্যে সুলতানার স্বপ্ন একটি বিখ্যাত নারীবাদী কল্পবিজ্ঞান এবং পদ্মরাগ একটি সামাজিক উপন্যাস। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুলতানা স্বপ্ন ব্যাখ্যা: এটি রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের ইংরেজিতে রচিত একটি বিখ্যাত নারীবাদী কল্পবিজ্ঞানমূলক গ্রন্থ, যেখানে পুরুষশাসিত সমাজের উলটো চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। উদাহরণ ২: পদ্মরাগ ব্যাখ্যা: এটি রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন রচিত একটি নারীশিক্ষা ও সমাজসংস্কারমূলক উপন্যাস, যা নারীদের আত্মনির্ভরশীল হওয়ার বার্তা দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অবরোধবাসিনী — এটি রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের গ্রন্থ হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। B) আলোয়ারা — এটি ইসমাইল হোসেন সিরাজী রচিত একটি জনপ্রিয় সামাজিক উপন্যাস। C) জোহরা — এটি ইসমাইল হোসেন সিরাজী রচিত আরেকটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক ও সামাজিক উপন্যাস। D) রজনী — এটি বাংলা উপন্যাসের জনক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস। ৫ মনে রাখার টিপস: - বেগম রোকেয়ার গ্রন্থ মনে রাখার কৌশল হলো অবরোধবাসিনীর মাধ্যমে তিনি অবরুদ্ধ নারীদের বন্দিদশার করুণ চিত্র তুলে ধরেছেন। - তাঁর নামের সাথে অবরুদ্ধ নারীদের বন্দিদশার বিষয়টি মিলিয়ে নিলে গ্রন্থটি সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বেগম রোকেয়ার জন্মমৃত্যু, সম্পাদকীয় কাজ এবং সাহিত্যকর্মের নাম প্রায়ই আসে। - অবরোধবাসিনী গ্রন্থের ধরন বা এটি কার রচনা, এই ধরনের প্রশ্ন বারবার বিভিন্ন নিয়োগ পরীক্ষায় আসে।
a সুখবর
b অতিবৃষ্টি
c অভিষেক
d আমজনতা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আমজনতা ১. কেন সঠিক: - আমজনতা শব্দটি ফারসি বিদেশি উপসর্গ যোগে গঠিত হয়েছে যেখানে আম অর্থ সাধারণ বা সর্বসাধারণ বোঝায়। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি উপসর্গ চেনার জন্য শব্দের উৎস বা উপসর্গটির অর্থ জানা অত্যন্ত জরুরি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উপসর্গ হলো সেই সব অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে এবং অর্থের পরিবর্তন বা সম্প্রসারণ ঘটায়। - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত বিদেশি উপসর্গগুলোর মধ্যে আরবি, ফারসি, ইংরেজি এবং হিন্দি উপসর্গ উল্লেখযোগ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: খাসমহল ব্যাখ্যা: এখানে খাস একটি ফারসি উপসর্গ যা বিশেষ বা নিজস্ব অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: বরখাস্ত ব্যাখ্যা: এখানে বর একটি ফারসি উপসর্গ যা বাইরে বা পূর্ণ অর্থ প্রকাশে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুখবর - এটি দেশি বা খাঁটি বাংলা উপসর্গ সু যোগে গঠিত শব্দ যেখানে সু উপসর্গটি ভালো বা সুন্দর অর্থ প্রকাশ করে। B) অতিবৃষ্টি - এটি সংস্কৃত উপসর্গ অতি যোগে গঠিত শব্দ যা মাত্রাতিরিক্ত বা অধিক অর্থ প্রকাশ করে। C) অভিষেক - এটি সংস্কৃত উপসর্গ অভি যোগে গঠিত শব্দ যা সমীপ বা লক্ষ্য অর্থে ব্যবহৃত হয়। D) আমজনতা - এটি সঠিক উত্তর কারণ আম একটি বিদেশি ফারসি উপসর্গ। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিদেশি উপসর্গ মনে রাখার সহজ কৌশল হলো লা, খাস, দর, কম, বর, বে, বদ, আম, কার ইত্যাদি শব্দগুলো চিনে রাখা। - পরীক্ষার হলে শব্দের মূল উৎস খেয়াল করলে বিদেশি উপসর্গ সহজে আলাদা করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলা ব্যাকরণে উপসর্গ প্রধানত তিন প্রকার যেমন বাংলা, সংস্কৃত এবং বিদেশি উপসর্গ। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিদেশি উপসর্গ চিহ্নিত করার প্রশ্ন আসে, তাই ফারসি ও আরবি উপসর্গগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a তটিনী
b অর্ণব
c অবনী
d স্রোতস্বিনী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অর্ণব ১. কেন সঠিক: - অর্ণব শব্দটির অর্থ সমুদ্র বা মহাসাগর যা মূল প্রশ্নের সমার্থক শব্দের চাহিদা পুরোপুরি পূরণ করে। - সমুদ্র শব্দের অন্যান্য সমার্থক শব্দের মধ্যে অর্ণব একটি অতি পরিচিত ও প্রমিত তৎসম শব্দ। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো এমন কিছু শব্দ যেগুলোর বানান ও রূপ আলাদা হলেও অর্থ একই বা কাছাকাছি হয়। - এই প্রশ্নটি শব্দের উৎস ও সমার্থক শব্দ ক্যাটাগরির অন্তর্ভুক্ত এবং এটি তৎসম শব্দের ভাণ্ডার থেকে এসেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পারাবার ব্যাখ্যা: পারাবার শব্দটি সমুদ্র বা মহাসাগরের আরেকটি অত্যন্ত জনপ্রিয় সমার্থক শব্দ হিসেবে কাব্যে ও গদ্যে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: রত্নাকর ব্যাখ্যা: রত্নাকর হলো সমুদ্রের সমার্থক শব্দ কারণ এর তলদেশে প্রচুর মণি-মুক্তা ও রত্ন লুকানো থাকে বলে একে রত্নাকর বলা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তটিনী — তটিনী শব্দের অর্থ নদী, যা সমুদ্রের সমার্থক শব্দ নয়। B) অর্ণব — এটি সমুদ্রের সঠিক সমার্থক শব্দ এবং নির্ধারিত উত্তর। C) অবনী — অবনী শব্দের অর্থ পৃথিবী বা বসুন্ধরা, যা সমুদ্র বোঝায় না। D) স্রোতস্বিনী — স্রোতস্বিনী শব্দের অর্থ নদী বা প্রবাহিণী, যা সমুদ্রের সমার্থক নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - সমুদ্রের সমার্থক শব্দ মনে রাখতে পারো এই ছন্দটি দিয়ে: সাগর, অর্ণব, পারাবার ও রত্নাকর সবাই সমুদ্রের নানা রূপ। - নদী বোঝাতে তটিনী ও স্রোতস্বিনী ব্যবহার হয়, আর পৃথিবী বোঝাতে অবনী ব্যবহার হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নদী এবং সমুদ্রের সমার্থক শব্দগুলো প্রায়ই পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করতে একসঙ্গে অপশনে দেওয়া হয়। - তাই নদীবাচক শব্দ যেমন তটিনী, স্রোতস্বিনী এবং সমুদ্রবাচক শব্দ যেমন অর্ণব, পারাবার আলাদা করে মনে রাখা জরুরি।
a ইন্দ্রজিৎ
b সংশপ্তক
c জিতেেন্দ্রয়
d অরিজিৎ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জিতেেন্দ্রয় ১. কেন সঠিক: - ‘ইন্দ্রিয়কে জয় করেছে যে’ বাক্যের সংক্ষিপ্ত রূপ হলো জিতেেন্দ্রয় বা জিতেন্দ্রিয়। - এখানে ইন্দ্রিয় শব্দের সঙ্গে জয় করা অর্থে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে এককথায় প্রকাশের রূপটি গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশ হলো বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার ব্যাকরণগত প্রক্রিয়া। - এটি ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং ভাবকে সংহত করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অহংকার নাই যার = নিরহংকার ব্যাখ্যা: বড় বাক্যকে সংক্ষেপে প্রকাশ করার জন্য এটি ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: যা নিবারণ করা যায় না = অনিবার্য ব্যাখ্যা: এই ধরনের বাক্য সংকোচন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইন্দ্রজিৎ — ইন্দ্রকে জয় করেছে যে, তাকে এককথায় ইন্দ্রজিৎ বলা হয়। B) সংশপ্তক — যে লড়াইয়ে জীবনপণ বা মৃত্যুর পণ করেছে, তাকে সংশপ্তক বলে। C) জিতেেন্দ্রয় — এটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ ইন্দ্রিয়কে জয় করেছে যে। D) অরিজিৎ — শত্রুকে জয় করেছে যে, তাকে এককথায় অরিজিৎ বলা হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ইন্দ্রজয়ী বা ইন্দ্রিয়জয়ী বোঝাতে জিতেন্দ্রিয় শব্দটি ব্যবহার করা হয়। - শত্রুকে জয় করলে অরিজিৎ এবং ইন্দ্রকে জয় করলে ইন্দ্রজিৎ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে বানান এবং শব্দের অর্থ খুব সাবধানে লক্ষ্য করতে হবে। - একই রকম দেখতে শব্দগুলোর অর্থ আলাদা হতে পারে।
a নাট্যাকাব্য
b উপন্যাস
c কাব্যনাট্য
d কাব্য
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কাব্যনাট্য ১. কেন সঠিক: - ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ একটি কাব্যনাট্য কারণ এতে কবিতার ছন্দের সঙ্গে নাটকের সংলাপ ও নাট্যরস সুন্দরভাবে মিশ্রিত রয়েছে। - এটি মূলত ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং গ্রামীণ সমাজের মনস্তাত্ত্বিক পটভূমিতে রচিত একটি বিশিষ্ট সাহিত্যকর্ম। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এই কাব্যনাট্যের রচয়িতা হলেন বাংলাদেশের প্রখ্যাত কবি ও নাট্যকার সৈয়দ শামসুল হক। - ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপট, অবরুদ্ধ গ্রামবাংলার মানুষের আতঙ্ক এবং একাত্তরের ক্রান্তিকালের বাস্তব চিত্র এতে চমৎকারভাবে ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মুনীর চৌধুরীর ‘রক্তাক্ত প্রান্তর’ ব্যাখ্যা: এটিও একটি বিখ্যাত কাব্যনাট্য যা পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে রচিত হয়েছে। উদাহরণ ২: সৈয়দ শামসুল হকের ‘নূরলদীনের সারাজীবন’ ব্যাখ্যা: এটি লেখকের আরেকটি বিখ্যাত কাব্যনাট্য যা কৃষক বিদ্রোহের পটভূমিতে রচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নাট্যাকাব্য — এটি কাব্যনাট্যের ভিন্ন রূপ এবং এই গ্রন্থটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে কাব্যনাট্য হিসেবেই গণ্য করা হয়। B) উপন্যাস — উপন্যাস হলো গদ্যে লিখিত বৃহৎ আকারের কাল্পনিক বা বাস্তবধর্মী গল্প, যা এটি নয়। D) কাব্য — কাব্য কেবল পদ্য বা কবিতার সমষ্টি, কিন্তু এতে নাটকের সংলাপ ও চরিত্রবিন্যাস রয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - সৈয়দ শামসুল হকের লেখা বিখ্যাত কাব্যনাট্য মনে রাখার কৌশল হলো পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় এবং নূরলদীনের সারাজীবন উভয়ই কাব্যনাট্য। - কাব্যনাট্য চেনার উপায় হলো এটি পদ্যের ছন্দে লেখা হলেও এতে নাটকের মতো চরিত্র ও সংলাপ থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ কার রচনা এবং এর সাহিত্যরূপ কী, তা প্রায়ই আসে। - সৈয়দ শামসুল হক রচিত নাটক ও কাব্যনাট্যগুলোর নাম আলাদা করে মনে রাখা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
a সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
b বিনয়কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায়
c বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়
d বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় ১. কেন সঠিক: - বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় বাংলা সাহিত্যে 'বনফুল' ছদ্মনামে লেখালেখি করতেন। - তাঁর এই ছদ্মনামটি বাংলা ছোটগল্প ও উপন্যাসে এক বিশেষ পরিচিতি লাভ করেছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় ছিলেন একজন বিশিষ্ট বাঙালি কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার ও চিকিৎসক। - তিনি মূলত ব্যঙ্গাত্মক, মনস্তাত্ত্বিক ও ছোট আকৃতির গল্প রচনার জন্য খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বনফুলের লেখা বিখ্যাত ছোটগল্প 'মূর্তির নির্দেশ'। ব্যাখ্যা: এটি তাঁর সাহিত্যকর্মে মানবমনের গভীর ভাবনার একটি সুন্দর উদাহরণ। উদাহরণ ২: বনফুলের বিখ্যাত উপন্যাস 'স্থাবর'। ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসটিতে তাঁর লেখক প্রতিভার অনন্য নিদর্শন পাওয়া যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় — এটি সঠিক নয় কারণ সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় 'নীললোহিত' বা 'সনাতন পাঠক' ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন। B) বিনয়কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় — এটি সঠিক নয় কারণ বিনয়কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় 'যাযাবর' ছদ্মনামে বিখ্যাত উপন্যাস লিখেছেন। D) বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় — এটি সঠিক নয় কারণ বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় কোনো বিশেষ ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন না। ৫ মনে রাখার টিপস: - বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম বনফুল মনে রাখতে বন ও বলাই শব্দ দুটির মিল মনে রাখতে পারো। - ছদ্মনাম সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে, তাই নিয়মিত চর্চা করা জরুরি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ছদ্মনাম থেকে নিয়মিত প্রশ্ন থাকে। - সাহিত্যিকদের প্রকৃত নাম ও ছদ্মনাম জোড়ায় জোড়ায় মুখস্থ রাখা পরীক্ষার জন্য খুব কার্যকর।
a তুর্কি
b ফারসি
c ফরাসি
d ইংরেজি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ফরাসি ১. কেন সঠিক: - রেস্তোরাঁ শব্দটি ফরাসি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। - বিদেশি ভাষা থেকে আগত শব্দগুলোর মধ্যে ফরাসি শব্দ দৈনন্দিন জীবনে বহুল ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাংলা ভাষায় বিভিন্ন বিদেশি ভাষার শব্দ প্রচলিত রয়েছে যেমন আরবি, ফারসি, তুর্কি ও ফরাসি। - ফরাসি শব্দগুলো মূলত সংস্কৃতি, খাদ্য ও জীবনযাত্রার সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কার্তুজ ব্যাখ্যা: এটি একটি ফরাসি শব্দ যা অস্ত্র ও গোলাবারুদ বোঝাতে বাংলায় ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: কুপন ব্যাখ্যা: কেনাকাটা বা লেনদেনের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত এই শব্দটি ফরাসি ভাষা থেকে এসেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তুর্কি — তুর্কি ভাষার শব্দ হলো দারোগা, চাকু ও লাশ। রেস্তোরাঁ তুর্কি শব্দ নয়। B) ফারসি — ফারসি ভাষার শব্দ হলো চশমা, কাগজ ও কারখানা। রেস্তোরাঁ ফারসি শব্দ নয়। C) ফরাসি — এটি সঠিক উত্তর। D) ইংরেজি — ইংরেজি ভাষার শব্দ হলো হসপিটাল, স্টেশন ও চেয়ার। রেস্তোরাঁ ইংরেজি শব্দ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ফরাসি খাবার বা সংস্কৃতির সাথে রেস্তোরাঁ শব্দটি যুক্ত মনে রাখবে। - ফরাসি শব্দ মনে রাখার সহজ কৌশল হলো রেস্তোরাঁয় বসে কার্তুজ নিয়ে আলোচনা করা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - খাদ্য ও জীবনযাত্রার অনেক আধুনিক শব্দ ফরাসি ভাষা থেকে বাংলায় প্রবেশ করেছে।
a হাসান হাফিজুর রহমান
b আঃ গফফার চৌধুরী
c মাহবুবুল আলম চৌধুরী
d আলতাফ মাহমুদ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) হাসান হাফিজুর রহমান ১. কেন সঠিক: 'একুশে ফেব্রুয়ারি' প্রথম প্রকাশিত সংকলনের প্রথম সম্পাদক ছিলেন বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও সাংবাদিক হাসান হাফিজুর রহমান। ১৯৫৩ সালে প্রকাশিত এই সংকলনটি ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে প্রকাশিত প্রথম প্রামাণ্য দলিল হিসেবে ঐতিহাসিক গুরুত্ব বহন করে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১৯৫৩ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ভাষা আন্দোলনের প্রথম বার্ষিকীতে এই সংকলনটি প্রকাশ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। এতে ভাষা আন্দোলনভিত্তিক কবিতা, প্রবন্ধ, গান ও স্মৃতিকথা স্থান পেয়েছিল যা তৎকালীন পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে বাঙালি জাতির প্রতিবাদের এক অনন্য ঐতিহাসিক দলিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অমর একুশে (সংকলন) ব্যাখ্যা: এটি ভাষা আন্দোলন নিয়ে প্রকাশিত আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সংকলন যা পরবর্তী সময়ে প্রকাশিত হয়েছিল। উদাহরণ ২: একুশের গান ব্যাখ্যা: আবদুল গফফার চৌধুরীর লেখা বিখ্যাত গানটি এই চেতনারই একটি অংশ যা ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসকে স্মরণ করিয়ে দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাসান হাফিজুর রহমান — তিনি ‘একুশে ফেব্রুয়ারি’ সংকলনের প্রথম সম্পাদক ছিলেন বিধায় এটি সঠিক উত্তর। B) আঃ গফফার চৌধুরী — তিনি বিখ্যাত 'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি' গানের গীতিকার, সংকলনের সম্পাদক নন। C) মাহবুবুল আলম চৌধুরী — তিনি ভাষা আন্দোলন নিয়ে রচিত প্রথম কবিতা 'কাঁদতে আসিনিক ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি' এর রচয়িতা। D) আলতাফ মাহমুদ — তিনি আবদুল গফফার চৌধুরীর লেখা একুশের গানের প্রথম সুরকার ছিলেন, সংকলনের সম্পাদক নন। ৫ মনে রাখার টিপস: ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংকলন প্রকাশের কাজটি কঠিন ছিল, যা হাসান হাফিজুর রহমান সফলভাবে সম্পন্ন করেছিলেন। এভাবে মনে রাখতে পারো যে প্রথম সংকলন মানেই হাসান হাফিজুর রহমানের নাম। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা সাহিত্য ও ভাষা আন্দোলনভিত্তিক সংকলন থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। ‘একুশে ফেব্রুয়ারি’ সংকলনের প্রকাশসাল এবং সম্পাদকের নাম উভয়ই সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
a কাজী নজরুল ইসলাম
b মীর মশাররফ হোসেন
c জসীমউদ্দীন
d দীনবন্ধু মিত্র
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মীর মশাররফ হোসেন ১. কেন সঠিক: বাংলা সাহিত্যের প্রখ্যাত কথাশিল্পী মীর মশাররফ হোসেন তাঁর সাহিত্যকর্ম ও জীবনধারার জন্য 'উদাসীন পথিক' উপাধিতে ভূষিত হন। তাঁর ব্যক্তিজীবন এবং তৎকালীন সমাজের নানা অসঙ্গতির বিরুদ্ধে তাঁর অবস্থান তাঁকে এই বিশেষ পরিচয়ে পরিচিত করেছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মীর মশাররফ হোসেন বাংলা গদ্যসাহিত্যের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। তিনি একাধারে ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক ছিলেন এবং বিষাদ সিন্ধু তাঁর সবচেয়ে বিখ্যাত মহাকাব্যিক উপন্যাস। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিষাদ সিন্ধু ব্যাখ্যা: মীর মশাররফ হোসেনের এটি সবচেয়ে জনপ্রিয় ও ঐতিহাসিক উপন্যাস যা কারবালার ট্র্যাজেডির ওপর রচিত। উদাহরণ ২: জমিদার দর্পণ ব্যাখ্যা: এটি নীলকর সাহেবদের অত্যাচারের বিরুদ্ধে লেখা তাঁর একটি বিখ্যাত নাটক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি হিসেবে সমাদৃত, উদাসীন পথিক নন। B) মীর মশাররফ হোসেন — এটি সঠিক উত্তর, তাই কোনো ভুল নেই। C) জসীমউদ্দীন — তিনি পল্লীকবি নামে পরিচিত এবং তাঁর কবিতায় বাংলার গ্রামীণ রূপ ফুটে উঠেছে। D) দীনবন্ধু মিত্র — তিনি একজন প্রখ্যাত নাট্যকার এবং নীলদর্পণ নাটকের রচয়িতা। ৫ মনে রাখার টিপস: মীর মশাররফ হোসেনের ছদ্মনাম বা বিশেষ উপাধি মনে রাখতে উদাসীন পথিক শব্দটি তাঁর নামের সঙ্গে মিলিয়ে পড়বে। বিষাদ সিন্ধু রচয়িতাকে প্রায়ই বিভিন্ন পরীক্ষায় এই বিশেষ নামে চিহ্নিত করা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকদের ছদ্মনাম ও উপাধি থেকে প্রশ্ন আসে। মীর মশাররফ হোসেনের জন্মস্থান রাজবাড়ী জেলার পদমদী এবং তাঁর বিষাদ সিন্ধু গ্রন্থটি বারবার পরীক্ষার্থীদের পড়তে হয়।
a ১৯০৭ সালে
b ১৯১০ সালে
c ১৯১৬ সালে
d ১৯২০ সালে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৯০৭ সালে ১. কেন সঠিক: চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন এবং বৌদ্ধ সহজিয়াদের সাধনা সংগীত। মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: চর্যাপদ মূলত বাংলা ভাষার আদি নিদর্শন যা চর্যাচর্যবিনিশ্চয় নামেও পরিচিত। ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর সম্পাদনায় হাজার বছরের পুরাণ বাংলা ভাষায় রচিত বৌদ্ধ গান ও দোহা নামে এটি প্রথম প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চর্যাপদের প্রথম পদটির রচয়িতা লুইপা এবং পদের শুরু কা তরু বর পঞ্চ বি ডাল দিয়ে। এই পদের মাধ্যমে মানবদেহের ইন্দ্রিয়গুলোকে গাছের ডালের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে। ব্যাখ্যা: এটি চর্যাপদের সাহিত্যিক রূপ ও রূপক অর্থের একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ যা পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। উদাহরণ ২: চর্যাপদের আবিষ্কারক মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপাল থেকে মোট চারটি পুথি আবিষ্কার করেছিলেন। ব্যাখ্যা: এই পুথিগুলোর মধ্যে চর্যাচর্যবিনিশ্চয় ছিল অন্যতম এবং এটি বাংলা ভাষার প্রাচীনত্ব প্রমাণ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯০৭ সালে — এই সালে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবার থেকে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেছিলেন তাই এটি সঠিক উত্তর। B) ১৯১০ সালে — এই সালে চর্যাপদ আবিষ্কারের সঙ্গে কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা বা সাল যুক্ত নয়। C) ১৯১৬ সালে — এই সালে চর্যাপদ গ্রন্থাকারে প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল কিন্তু আবিষ্কৃত হয়নি। D) ১৯২০ সালে — এই সালটি চর্যাপদের আবিষ্কার বা প্রকাশের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: ১৯০৭ সালে আবিষ্কার আর ১৯১৬ সালে প্রকাশ এই দুটি সাল মনে রাখার জন্য সংখ্যা দুটি পাশাপাশি মনে রাখতে পারো। আবিষ্কার আগে হয় তাই ১৯০৭ এবং প্রকাশ পরে হয় তাই ১৯১৬ সাল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় চর্যাপদ থেকে আবিষ্কারক, আবিষ্কারের স্থান, সাল এবং প্রকাশের সাল বারবার আসে। পুথির আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এবং প্রথম প্রকাশক বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ এই দুটি তথ্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
a পরিচয়
b আমার পরিচয়
c আমি বাঙালি
d বাংলা বাঙালি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আমার পরিচয় ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত চরণটি কবি ও প্রাবন্ধিক সৈয়দ শামসুল হকের বিখ্যাত ‘আমার পরিচয়’ কবিতার অংশ। - এই কবিতার মূল সুর হলো বাঙালি জাতির হাজার বছরের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংগ্রাম এবং সংস্কৃতির গৌরবময় প্রকাশ। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ‘আমার পরিচয়’ কবিতাটির রচয়িতা আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি সৈয়দ শামসুল হক। - এই কবিতায় বাঙালি জাতির প্রাচীন ঐতিহ্য, নদীমাতৃক প্রকৃতি, আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ এবং অসাম্প্রদায়িক চেতনার এক অনন্য চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সবার উপরে মানুষ সত্য, তাহার উপরে নাই। ব্যাখ্যা: এটি চণ্ডীদাসের পদাবলির বিখ্যাত পঙক্তি, যা বাঙালি সংস্কৃতির মানবতাবাদী চেতনার পরিচয় বহন করে। উদাহরণ ২: বঙ্গে বরিষণ হয় হ্রদ জলে ধায়। ব্যাখ্যা: এটি প্রাচীন বাংলা সাহিত্যের নিদর্শন চর্যাপদের একটি পঙক্তি, যা বাঙালির আদি ইতিহাস ও প্রকৃতির পরিচয় দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পরিচয় — এটি মূল কবিতার সঠিক নাম নয়, সঠিক নাম ‘আমার পরিচয়’। C) আমি বাঙালি — এটি কবিতার কোনো পঙক্তি বা সঠিক নাম নয়, এটি একটি সাধারণ অভিব্যক্তি মাত্র। D) বাংলা বাঙালি — এটি কবি সৈয়দ শামসুল হকের ‘আমার পরিচয়’ কবিতার নাম বা চরণের সঙ্গে মিলে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাঙালি জাতির ইতিহাস ও গর্বের কথা বললেই সৈয়দ শামসুল হকের ‘আমার পরিচয়’ কবিতার কথা মনে রাখতে হবে। - কবিতার নামকরণের সঙ্গে ‘আমার’ শব্দটি যুক্ত আছে, যা আত্মপরিচয় বহন করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ‘আমার পরিচয়’ কবিতা থেকে প্রায়ই চরণ তুলে প্রশ্ন করা হয়। - কবিতাটির রচয়িতা সৈয়দ শামসুল হক এবং এর মূল ভাব বাঙালি জাতীয়তাবাদ ও ইতিহাসচেতনা।
a বাঁধনহারা
b মৃত্যুক্ষুধা
c কুহেলিকা
d ব্যথার দান
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ব্যথার দান ১. কেন সঠিক: জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত গল্পগ্রন্থ হলো ব্যথার দান। এটি কোনো উপন্যাস নয়, বরং একটি ছোটগল্প সংকলন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম মূলত কবিতা ও গান লিখে বেশি পরিচিত হলেও তিনি সফলভাবে উপন্যাস, ছোটগল্প এবং নাটকও রচনা করেছেন। তার বিখ্যাত উপন্যাসগুলোর মধ্যে বাঁধনহারা, মৃত্যুক্ষুধা ও কুহেলিকা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাজী নজরুল ইসলামের লেখা আরেকটি বিখ্যাত ছোটগল্প সংকলন হলো রিক্তের বেদন। ব্যাখ্যা: ব্যথার দান এর মতো রিক্তের বেদন ও নজরুল ইসলামের একটি জনপ্রিয় ছোটগল্প গ্রন্থ। উদাহরণ ২: কাজী নজরুল ইসলামের লেখা আরেকটি ছোটগল্প গ্রন্থ হলো শিউলীমালা। ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থটিতেও লেখকের বেশ কিছু মননশীল ও রোমান্টিক ছোটগল্প সংকলিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাঁধনহারা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম রচিত এবং প্রকাশিত উপন্যাস। B) মৃত্যুক্ষুধা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি অত্যন্ত বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস। C) কুহেলিকা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের রচিত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের একটি উপন্যাস। D) ব্যথার দান — এটি কোনো উপন্যাস নয়, বরং লেখকের একটি বিখ্যাত ছোটগল্প সংকলন। ৫ মনে রাখার টিপস: নজরুলের তিনটি বিখ্যাত উপন্যাস মনে রাখার সহজ কৌশল হলো বাঁধনহারা ও মৃত্যুক্ষুধা কুহেলিকায় আচ্ছন্ন। এখানে বাঁধনহারা, মৃত্যুক্ষুধা এবং কুহেলিকা হলো তাঁর তিনটি উপন্যাস। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই নজরুলের উপন্যাস ও ছোটগল্পের মধ্যে পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়। তাই লেখকের উপন্যাস এবং গল্পগ্রন্থের নামগুলো আলাদা করে মুখস্থ রাখা অত্যন্ত জরুরি।
a শওকত আলী
b শেখ আজিজুর রহমান
c ওসমান গনি
d আজিজুল হক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শেখ আজিজুর রহমান ১. কেন সঠিক: - প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক শওকত ওসমানের প্রকৃত বা জন্মগত নাম ছিল শেখ আজিজুর রহমান। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকদের প্রকৃত নাম ও ছদ্মনাম থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শওকত ওসমান ছিলেন বাংলা সাহিত্যের একজন বিশিষ্ট ঔপন্যাসিক ও ছোটগল্পকার। - তার বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে ক্রীতদাসের হাসি, জাহান্নাম হইতে বিদায় এবং জলাঙ্গি অন্যতম। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রকৃত নাম প্রবোধ কুমার বন্দ্যোপাধ্যায়। ব্যাখ্যা: বিখ্যাত এই কথাশিল্পীর পৈতৃক নাম প্রবোধ কুমার হলেও তিনি সাহিত্যজগতে মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় নামে পরিচিত হন। উদাহরণ ২: বনফুলের প্রকৃত নাম বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়। ব্যাখ্যা: আধুনিক বাংলা সাহিত্যের জনপ্রিয় ছোটগল্পকার বনফুল মূলত তার ছদ্মনামে লিখতেন এবং তার আসল নাম বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শওকত আলী — শওকত আলী একজন বিখ্যাত বাঙালি ঔপন্যাসিক হলেও শওকত ওসমানের প্রকৃত নাম এটি নয়। B) শেখ আজিজুর রহমান — এটিই শওকত ওসমানের প্রকৃত বা জন্মগত নাম। C) ওসমান গনি — এই নামটি শওকত ওসমানের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) আজিজুল হক — এই নামে বাংলা সাহিত্যে অন্য ব্যক্তি থাকতে পারেন, তবে এটি শওকত ওসমানের প্রকৃত নাম নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - শওকত ওসমানের নামের প্রথম অক্ষর শ এবং তার প্রকৃত নামের প্রথম নাম শেখ, যা দিয়ে সহজে মিলিয়ে মনে রাখা যায়। - সাহিত্যিকদের প্রকৃত নাম মনে রাখতে তাদের নামের তালিকা তৈরি করে নিয়মিত চর্চা করতে হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - লেখক ও কবিদের ছদ্মনাম এবং প্রকৃত নাম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি টপিক। - এই প্রশ্নটি ভালোভাবে আয়ত্ত করলে বিসিএস বা অন্যান্য নিয়োগ পরীক্ষায় একই ধরনের অন্যান্য সাহিত্যিকদের নাম সহজে মনে রাখা সম্ভব হবে।
a ঞ + গ
b গ + ঞ
c জ + ঞ
d ঞ + জ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জ + ঞ ১. কেন সঠিক: যুক্তব্যঞ্জনটি গঠিত হয়েছে জ এবং ঞ ধ্বনিযোগে। প্রমিত বাংলা বানরীতি ও বর্ণমালা অনুযায়ী এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যুক্তবর্ণ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা বর্ণমালায় কিছু যুক্তবর্ণ তাদের উচ্চারণ রূপের চেয়ে ভিন্ন উপাদান নিয়ে গঠিত হয়। ‘জ্ঞ’ বর্ণটির ক্ষেত্রে অনেকে ভুলবশত গ এবং ঞ মনে করেন, যা মূলত জ এবং ঞ এর মিলিত রূপ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জ্ঞান ব্যাখ্যা: শব্দটিতে ‘জ্ঞ’ যুক্তবর্ণটি ব্যবহৃত হয়েছে যা জ এবং ঞ এর যোগফল। উদাহরণ ২: বিজ্ঞ ব্যাখ্যা: এই শব্দটির যুক্তব্যঞ্জনেও একই ব্যাকরণগত নিয়ম প্রযোজ্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঞ + গ — এই ক্রমটি ভুল কারণ এতে বর্ণের অবস্থান উল্টো রয়েছে। B) গ + ও — এটি সাধারণ ভুল ধারণা থেকে উৎপন্ন একটি অপশন যা ব্যাকরণগতভাবে অসত্য। D) ঞ + জ — এটি ‘জ্ঞ’ এর উপাদান নয় বরং জ এবং ঞ এর ক্রম এখানে বিপরীত। ৫. মনে রাখার টিপস: জ্ঞান অর্জনের জন্য জীবন বা জ দিয়ে শুরু করতে হয়, তাই মনে রাখবেন ‘জ্ঞ’ মানে জ যোগ ঞ। এটি বিসিএস পরীক্ষার জন্য একটি কমন প্রশ্ন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: যুক্তবর্ণের গঠন থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। ‘জ্ঞ’ শব্দের শুরুতে থাকলে সাধারণত গ-ফলা বা গ-এর মতো শোনা গেলেও এর মূল উপাদান জ এবং ঞ।

মোট প্রশ্ন (17)

a We watched as the sun went down.
b Tears ran down her face.
c The system was down all morning.
d Down with the tyrant!
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) The system was down all morning. কেন সঠিক: - এখানে 'down' শব্দটি 'the system' নাউনের অবস্থা বা গুণ বোঝাচ্ছে এবং 'was' লিংকিং ভার্বের কমপ্লিমেন্ট হিসেবে বসেছে। - কোনো শব্দ নাউনের অবস্থা প্রকাশ করলে এবং লিংকিং ভার্বের পরে বসলে তা অ্যাডজেক্টিভ হিসেবে গণ্য হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) We watched as the sun went down. — এখানে 'down' ভার্বের পরে বসে গতির দিক নির্দেশ করায় এটি অ্যাডভার্ব। B) Tears ran down her face. — এখানে 'down' নাউনের পূর্বে বসে দিক বোঝাচ্ছে এবং প্রিপজিশন হিসেবে কাজ করেছে। C) The system was down all morning. — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর যেখানে 'down' অ্যাডজেক্টিভ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। D) Down with the tyrant! — এখানে 'down' কোনো কিছুর পতন বা তীব্র বিরূপতা প্রকাশ করায় এটি ইন্টারজেকশন বা প্রিডிக্টিভ অব্যয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: লিংক ভার্বের পরে বসে যখন কোনো শব্দ সাবজেক্টের অবস্থা প্রকাশ করে, তখন সাধারণত তা অ্যাডজেক্টিভ হয়।
a participle
b gerund
c verb
d infinitive
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) gerund কেন সঠিক: - 'sleeping' শব্দটি এখানে verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে noun এর কাজ করেছে এবং enjoy transitive verb এর object হিসেবে বসেছে। - Verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে যখন একই সাথে verb ও noun এর কাজ করে, তখন তাকে gerund বলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) participle — এটি noun এর কাজ না করে adjective এর কাজ করে, তাই এখানে প্রযোজ্য নয়। B) gerund — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি noun এর কাজ করেছে। C) verb — এটি বাক্যের মূল verb নয় বরং gerund হিসেবে noun এর কাজ করছে। D) infinitive — এটি to এর সাথে verb এর base form নয়, তাই এটি সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: Verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে যদি বাক্যে noun এর কাজ করে এবং what বা কাকে দিয়ে প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যায়, তবে তা gerund হবে।
a She asked me if I was happy in my new job.
b She asked me if I had been happy in my new job.
c She asked me if I have been happy in my new job.
d She asked me whether I am happy in my new job.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) She asked me if I was happy in the new job. কেন সঠিক: - রিপোর্টিং ভার্ব said to অতীত কালের হওয়ায় ইনডাইরেক্ট ন্যারেশনে টেন্স পরিবর্তন হয়ে প্রেজেন্ট টেন্স থেকে পাস্ট টেন্সে রূপান্তরিত হয়। - ইন্টারোগেটিভ সেন্টেন্সটি অক্সিলিয়ারি ভার্ব দিয়ে শুরু হওয়ায় कंजাংশন হিসেবে if বসে এবং রিপোর্টেড স্পিচটি অ্যাসারভেটিভ বাক্যে রূপান্তরিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) She asked me if I was happy in my new job. — এই অপশনটি সঠিক এবং ন্যারেশনের সকল নিয়ম সঠিকভাবে মেনে চলা হয়েছে। B) She asked me if I had been happy in my new job. — এখানে অতিরিক্ত পাস্ট পারফেক্ট টেন্স ব্যবহার করা হয়েছে যা মূল বাক্যের পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্সের নিয়মের সাথে মেলে না। C) She asked me if I have been happy in my new job. — এখানে প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্স ব্যবহার করা হয়েছে, যা রিপোর্টিং ভার্ব পাস্ট টেন্স থাকায় ব্যাকরণগতভাবে ভুল। D) She asked me whether I am happy in my new job. — এখানে রিপোর্টেড স্পিচে প্রেজেন্ট টেন্স অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে, যা ন্যারেশনের নিয়মের বরখেলাপ। মনে রাখার টিপস: প্রশ্নবোধক বাক্য ন্যারেশন করার সময় রিপোর্টিং ভার্ব asked হয়, कंजাংশন if বসে এবং টেন্স এক ধাপ পেছনের দিকে (পাস্ট টেন্স) যায়।
a companion
b partner
c friend
d foe
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) foe কেন সঠিক: - 'Ally' শব্দটির অর্থ হলো মিত্র, সহযোগী বা বন্ধুভাবাপন্ন পক্ষ। - 'Foe' শব্দটির অর্থ হলো শত্রু বা বিপক্ষ, যা 'Ally' শব্দের সরাসরি বিপরীতার্থক শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) companion — এর অর্থ সঙ্গী বা সাথী, যা ally শব্দের সমার্থক বা কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে। B) partner — এর অর্থ অংশীদার বা সহযোগী, যা ally শব্দের প্রতিশব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। C) friend — এর অর্থ বন্ধু, যা ally শব্দের সমার্থক এবং বিপরীতার্থক নয়। D) foe — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ শত্রু, যা ally শব্দের বিপরীত। মনে রাখার টিপস: ALLY (বন্ধু) এবং FOE (শত্রু) হলো একটি জনপ্রিয় বিপরীত শব্দের জোড়া যা প্রায়ই পরীক্ষায় আসে।
a adverb
b verb
c interjection
d conjunction
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) conjunction কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যে 'while' শব্দটি দুটি ক্লজ বা খণ্ডবাক্যকে (Don't go out এবং it rains) যুক্ত করেছে। - দুটি বাক্য বা ক্লজকে সংযোগকারী শব্দ হওয়ায় এটি এখানে কনজাংশন বা সংযোজক অব্যয় হিসেবে কাজ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) adverb — এটি ক্রিয়ার সময় বোঝালেও এই বাক্যে এটি কোনো স্বাধীন ক্রিয়া বিশেষণ হিসেবে এককভাবে কাজ করছে না, বরং দুটি অংশকে যুক্ত করেছে। B) verb — এটি কোনো কাজ, অবস্থা বা অস্তিত্ব নির্দেশক শব্দ বা ক্রিয়া নয়। C) interjection — এটি মনের আকস্মিক আবেগ প্রকাশকারী কোনো শব্দ যেমন বাহ বাহ বা ওহ নয়। D) conjunction — এটি সঠিক কারণ এটি দুটি খণ্ডবাক্যকে সংযুক্ত করার কাজ করেছে। মনে রাখার টিপস: 'While' এর পরে যদি সাবজেক্ট ও ভার্ব থাকে এবং এটি দুটি ক্লজকে যুক্ত করে, তবে এটি সবসময় conjunction হয়।
a at
b for
c on
d over
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) on কেন সঠিক: - 'Call on' একটি উপযুক্ত ফ্রেজাল ভার্ব, যার অর্থ আনুষ্ঠানিকভাবে কাউকে কোনো কাজ করার জন্য আহ্বান জানানো বা দায়িত্ব দেওয়া। - সচিবকে সভার কার্যবিবরণী পড়ার জন্য বলা হয়েছিল, তাই এখানে সঠিক প্রিপোজিশন হবে 'on'। বাকি অপশন কেন ভুল: A) at — 'Call at' অর্থ কোনো স্থানে সাময়িকভাবে থামানো বা সাক্ষাৎ করা, যা এখানে অর্থহীন। B) for — 'Call for' অর্থ কোনো কিছুর দাবি করা বা তলব করা, যা বাক্যটির কাঠামোর সঙ্গে মিলে না। C) on — এই অপশনটি সঠিক এবং তা উপরে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। D) over — 'Call over' অর্থ নাম ধরে ডাকা বা তালিকা মিলিয়ে দেখা, যা এই বাক্যের প্রেক্ষাপটে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: কোনো দায়িত্ব পালনের জন্য কাউকে আনুষ্ঠানিকভাবে আহ্বান বা নির্দেশ দিতে 'Call on' ফ্রেজাল ভার্বটি ব্যবহৃত হয়।
a One of my friends are getting married today.
b One of my friend is getting married today.
c One of my friends are getting married today.
d One of my friends is getting married today.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) One of my friends is getting married today. কেন সঠিক: - "One of" এর পর noun বা pronoun টি সবসময় plural হয়, কিন্তু এদের ভেতরের গঠন বা অর্থের কারণে মূল verb টি singular (একবচন) হয়। - এখানে "One" হলো বাক্যের মূল Subject, তাই এর সাথে singular verb হিসেবে "is" ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) One of my friends are getting married today. — এখানে "friends" এর সাথে plural verb "are" ব্যবহার করা হয়েছে, যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল কারণ মূল subject হলো singular "One"। B) One of my friend is getting married today. — এখানে "One of" এর পরের noun "friend" কে singular রাখা হয়েছে, অথচ নিয়ম অনুযায়ী এটি plural হওয়ার কথা ছিল। C) One of my friends are getting married today. — এটি অপশন এ এর পুনরাবৃত্তি এবং এখানেও plural verb "are" ব্যবহারের নিয়মগত ভুল রয়েছে। D) One of my friends is getting married today. — এটি সঠিক অপশন এবং এর গঠন নিয়ম অনুযায়ী সম্পূর্ণ নির্ভুল। মনে রাখার টিপস: বাক্যের শুরুতে "One of" থাকলে চোখ বন্ধ করে পরের noun টিকে plural এবং verb টিকে singular করে দেবে।
a causative
b transitive
c intransitive
d modal
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) intransitive কেন সঠিক: - এই বাক্যে 'come' ভার্বটির পরে কোনো অবজেক্ট বা কর্ম নেই এবং এটি নিজে নিজেই অর্থ প্রকাশ করতে পারছে। - যে ভার্বের কোনো অবজেক্ট থাকে না এবং অর্থ প্রকাশের জন্য অন্যের ওপর নির্ভর করে না, তাকে ইন্ট্রানজিটিভ ভার্ব বলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) causative — কজেটিভ ভার্ব হলো সেই ভার্ব যা সাবজেক্ট নিজে কাজ না করে অন্যকে দিয়ে করায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। B) transitive — ট্রানজিটিভ ভার্ব হতে হলে বাক্যে একটি অবজেক্ট বা কর্ম থাকতে হয়, কিন্তু 'come' এর পরে কোনো অবজেক্ট নেই। C) intransitive — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই ভার্বটির কোনো অবজেক্ট নেই এবং এটি স্বয়ংসম্পূর্ণভাবে অর্থ প্রকাশ করেছে। D) modal — মোডাল ভার্ব হলো সাহায্যকারী ভার্ব যেমন can, could, may যা মূল ভার্বের আগে বসে, কিন্তু 'come' এখানে মূল ভার্ব। মনে রাখার টিপস: ভার্বকে কি বা কাকে দ্বারা প্রশ্ন করে যদি কোনো উত্তর না পাওয়া যায়, তবে সেটি ইন্ট্রানজিটিভ ভার্ব।
a infinitive
b gerund
c participle
d verbal noun
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) participle কেন সঠিক: - 'blooming' শব্দটি এখানে noun (flower) এর পূর্বে বসে adjective-এর কাজ করছে এবং একই সাথে verb-এর অর্থ প্রকাশ করছে। - Verb যখন একই সাথে adjective এবং verb-এর কাজ করে, তখন তাকে participle বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) infinitive — এটি verb-এর বেস ফর্মের পূর্বে to যুক্ত হয়ে গঠিত হয়, যা এখানে নেই। B) gerund — এটি verb-এর সাথে ing যুক্ত হয়ে noun-এর কাজ করে, কিন্তু 'blooming' এখানে noun-কে Modify করছে। C) participle — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি verb এবং adjective উভয় কাজই সফলভাবে সম্পন্ন করছে। D) verbal noun — এটি gerund-এর পূর্বে the এবং পরে of যুক্ত হয়ে গঠিত হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: Verb-এর সাথে ing যুক্ত হয়ে যদি adjective-এর কাজ করে, তবে চোখ বন্ধ করে তাকে Participle বলবে।
a verb
b adverb
c adjective
d preposition
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) adverb কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যে 'too' শব্দটি অ্যাডজেক্টিভ 'soon'-কে মডিফাই করেছে। - ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী যা কোনো adjective বা adverb-কে মডিফাই করে, তাকে adverb বলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) verb — ভার্ব হলো কোনো কাজ করা বোঝায়, কিন্তু 'too' কোনো কাজের নাম বা অবস্থা নির্দেশ করছে না। B) adverb — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি অপর একটি অ্যাডভার্ব বা অ্যাডজেক্টিভের মাত্রা প্রকাশ করছে। C) adjective — অ্যাডজেক্টিভ কোনো noun বা pronoun-এর দোষ, গুণ বা সংখ্যা প্রকাশ করে, যা এখানে নেই। D) preposition — প্রিপজিশন নাউন বা প্রোনাউনের পূর্বে বসে সম্পর্ক স্থাপন করে, যা 'too'-র কাজ নয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যে কোনো adjective বা adverb-এর ঠিক আগে বসে তার মাত্রা বাড়িয়ে দিলে সাধারণত সেটি adverb হয়।
a By whom was this done?
b By whom has this done?
c By whom this has been done?
d By whom this had been done?
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) By whom was this done? কেন সঠিক: - interrogative pronoun who যুক্ত active voice-কে passive করার সময় শুরুতে By whom বসে। - past indefinite tense-এর active বাক্যের মূল verb did-এর passive রূপ হিসেবে was এবং done বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) By whom was this done? — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এখানে tense ও voice-এর নিয়ম সঠিকভাবে মানা হয়েছে। B) By whom has this done? — এটি ভুল, কারণ এখানে past indefinite tense-এর জন্য present perfect-এর auxiliary verb has ব্যবহার করা হয়েছে এবং done-এর আগে been নেই। C) By whom this has been done? — এটি ভুল, কারণ subject-এর আগে auxiliary verb না থাকায় interrogative sentence-এর গঠন সঠিক হয়নি। D) By whom this had been done? — এটি ভুল, কারণ এখানে past perfect tense ব্যবহার করা হয়েছে এবং বাক্যের গঠন interrogative নিয়মে নেই। মনে রাখার টিপস: Who যুক্ত active voice-কে passive করার সময় শুরুতে By whom বসবে এবং tense অনুযায়ী auxiliary verb-এর পর object-টি subject হবে।
a Humans
b Humen
c Humanes
d Humane
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Humans কেন সঠিক: - ইংরেজি ভাষা এবং ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সাধারণ nouns-এর সঙ্গে s যোগ করে plural করতে হয়। - human শব্দটির শেষে s যোগ করে এর plural form হিসেবে humans গঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Humans — এটি সঠিক উত্তর। B) Humen — এটি ভুল কারণ human শব্দের plural করতে man-এর মতো en যোগ হয় না। C) Humanes — এটি ভুল কারণ ইংরেজিতে es যোগ করে human শব্দের plural করার নিয়ম নেই। D) Humane — এটি ভুল কারণ humane একটি adjective যার অর্থ দয়ালু, আর human হলো noun। মনে রাখার টিপস: human শব্দের শেষে सिर्फ s যোগ করলেই এর plural form humans তৈরি হয়।
a a
b the
c an
d zero article
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) an কেন সঠিক: - heir শব্দের শুরুতে h থাকা সত্ত্বেও এর উচ্চারণ বাংলায় এ বা ভাওয়েল সাউন্ডের মতো হয়। - ভাওয়েল সাউন্ড দিয়ে শুরু হওয়া singular countable noun এর পূর্বে a এর পরিবর্তে an বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a — h এর উচ্চারণ হ এর মতো না হয়ে ভাওয়েল সাউন্ড হওয়ায় এখানে a বসবে না। B) the — heir শব্দটি নির্দিষ্ট নয় বরং যেকোনো উত্তরাধিকারী বোঝাতে অনির্দিষ্ট আর্টিকেল বসে। C) an — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং নিয়মাফিক সঠিক। D) zero article — singular countable noun কখনো আর্টিকেল ছাড়া একা বসে না। মনে রাখার টিপস: শব্দের শুরুতে h থাকলেও উচ্চারণের সময় হ silent বা উহ্য থাকলে তার আগে a না বসিয়ে an বসাতে হয়।
a a brother and a sister
b b) a sister
c a brother or sister
d a brother
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) a brother or sister কেন সঠিক: - 'Sibling' শব্দটির আক্ষরিক ও গ্রহণযোগ্য অর্থ হলো সহোদর ভাই অথবা বোন। - বাবা-মা এক হলে ভাই বা বোন যে কেউ এই পদের অন্তর্ভুক্ত হতে পারে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a brother and a sister — এটি ভুল কারণ sibling বলতে একসঙ্গে ভাই ও বোন উভয়কে বোঝায় না, বরং যে কোনো একজনকে বোঝায়। B) b) a sister — এটি অসম্পূর্ণ কারণ sibling শুধুমাত্র বোনকে বোঝায় না, ভাইও হতে পারে। C) a brother or sister — এটি সঠিক কারণ sibling বলতে একজন ভাই অথবা একজন বোনকে বোঝায়। D) a brother — এটিও অসম্পূর্ণ কারণ sibling শুধুমাত্র ভাইকে বোঝায় না, বোনও হতে পারে। মনে রাখার টিপস: Sibling মানে একই বাবা-মায়ের সন্তান, সে ভাই হোক কিংবা বোন।
a an unexpected gain
b fluency of speech
c thought provoking oration
d a christmas gift
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) fluency of speech কেন সঠিক: - 'The gift of the gab' একটি জনপ্রিয় ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা, যার আক্ষরিক অর্থ কথা বলার বিশেষ দক্ষতা। - এই ইডিয়মটি মূলত সাবলীলভাবে, চমৎকারভাবে ও প্ররোচনামূলকভাবে কথা বলার দক্ষতাকে নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) an unexpected gain — এটি কোনো অপ্রত্যাশিত লাভ বা প্রাপ্তি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা কথা বলার দক্ষতার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) fluency of speech — এটি এই ইডিয়মের সঠিক অর্থ নির্দেশ করে, যা সাবলীল কথাবলার পারদর্শিতা বোঝায়। C) thought provoking oration — এটি চিন্তাজাগানিয় বক্তব্য বোঝায়, কিন্তু ইডিয়মটি নির্দিষ্ট কোনো বক্তব্য নয় বরং যেকোনো বিষয়ে সাবলীল বলার দক্ষতাকে বোঝায়। D) a christmas gift — এটি একটি সাধারণ উপহার বা ক্রিসমাসের উপহার বোঝায়, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: 'Gab' শব্দের অর্থ বকবক করা বা কথা বলা। তাই যার কথা বলার বিশেষ 'gift' বা গুণ আছে, সে হলো সাবলীল বক্তা।
a Spectrum
b Dice
c Stimulus
d Basis
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Dice কেন সঠিক: - 'Dice' শব্দটির একবচন (Singular) ও বহুবচন (Plural) রূপ একই থাকে। - এর একবচন ও বহুবচন উভয় ক্ষেত্রেই 'Dice' ব্যবহৃত হয়, যদিও এর মূল একক 'Die' হতে পারে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Spectrum — এর বহুবচন রূপ হলো Spectra বা Spectrums, তাই এটি অভিন্ন নয়। B) Dice — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর একবচন ও বহুবচন রূপ একই। C) Stimulus — এর বহুবচন রূপ হলো Stimuli, তাই এটি অভিন্ন নয়। D) Basis — এর বহুবচন রূপ হলো Bases, তাই এটি অভিন্ন নয়। মনে রাখার টিপস: লুডু খেলার ছক্কা বা Dice একবচন ও বহুবচন উভয় ক্ষেত্রেই একই থাকে।
a I lodged a complaint.
b I made a complain.
c I lodged a complained.
d I filed a complain.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) I lodged a complaint. কেন সঠিক: - Complaint হলো Noun এবং এর পূর্বে সঠিক Verb হিসেবে lodge ব্যবহার করা হয়েছে। - অভিযোগ দায়ের করা অর্থে lodge a complaint একটি প্রমিত ইংরেজি collocation বা উপযুক্ত শব্দগুচ্ছ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I lodged a complaint — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়। B) I made a complain — Complain শব্দটি Verb, কিন্তু এখানে Noun বসা দরকার ছিল; সঠিক রূপ হলো complaint। C) I lodged a complained — Lodged হলো Verb-এর Past form, এর পরে আবার complained (Verb-এর Past form) বসতে পারে না। D) I filed a complain — Complain হলো Verb, সঠিক Noun হিসেবে complaint ব্যবহার করা উচিত ছিল। মনে রাখার টিপস: অভিযোগ করার ক্ষেত্রে Noun রূপ হিসেবে complaint ব্যবহার করতে হয় এবং এর সঙ্গে সাধারণত lodge verb ব্যবহৃত হয়।

মোট প্রশ্ন (1)

a 18 - 30 kg/m²
b 19 - 25 Kg/m²
c 20 - 27 Kg/m²
d 18.5 - 24.9 Kg/m²
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৮.৫ − ২৪.৯ Kg/m² প্রদত্ত তথ্য: মানুষের শরীরের ওজন ও উচ্চতার অনুপাত থেকে BMI নির্ণয় করা হয় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে স্বাভাবিক BMI এর নির্দিষ্ট পরিমাপ আছে ধরি, মানুষের ওজন = W কেজি মানুষের উচ্চতা = H মিটার অতএব, BMI এর সূত্র হলো W কে H এর বর্গ দ্বারা ভাগ করা অর্থাৎ BMI = W ÷ (H × H) সুতরাং, প্রাপ্ত ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে স্বাভাবিক মান নির্ধারিত হয় উত্তর: ১৮.৫ − ২৪.৯ Kg/m²

মোট প্রশ্ন (19)

a স্পেন ও মরক্কো
b ইতালি ও টিউনিসিয়া
c ফ্রান্স ও আলজেরিয়া
d গ্রীস ও তুরস্ক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) স্পেন ও মরক্কো কেন সঠিক: - জিব্রাল্টার প্রণালিটি ইউরোপের স্পেন এবং আফ্রিকার মরক্কোকে পরস্পর থেকে পৃথক করেছে। - এই প্রণালিটি আটলান্টিক মহাসাগরকে ভূমধ্যসাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্পেন ও মরক্কো — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ জিব্রাল্টার প্রণালি এই দুটি দেশকে আলাদা করেছে। B) ইতালি ও টিউনিসিয়া — এই দুটি দেশ ভূমধ্যসাগরে অবস্থিত হলেও জিব্রাল্টার প্রণালি এদের বিচ্ছিন্ন করেনি। C) ফ্রান্স ও আলজেরিয়া — ফ্রান্স ইউরোপে এবং আলজেরিয়া আফ্রিকায় অবস্থিত হলেও জিব্রাল্টার প্রণালি এদের মাঝে নেই। D) গ্রীস ও তুরস্ক — এই দুটি দেশ এজিয়ান সাগর ও তার আশপাশের অঞ্চলে অবস্থিত, জিব্রাল্টার প্রণালির সঙ্গে এদের কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: জিব্রাল্টার প্রণালি মনে রাখতে স্পেনের এস এবং মরক্কোর এম দিয়ে এসএম (SM) মনে রাখতে পারো।
a লন্ডন
b ভেনিস
c জেনেভা
d প্যারিস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্যারিস কেন সঠিক: - আইফেল টাওয়ার ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে অবস্থিত। - এটি ১৮৮৯ সালে মার্স মাঠে নির্মিত একটি বিশ্বখ্যাত ল্যান্ডমার্ক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লন্ডন — এটি যুক্তরাজ্যের রাজধানী, যেখানে বিগ বেন ও টাওয়ার ব্রিজের মতো অন্যান্য বিখ্যাত স্থাপনা রয়েছে। B) ভেনিস — এটি ইতালির একটি ঐতিহাসিক শহর, যা তার খালের জন্য বিখ্যাত। C) জেনেভা — এটি সুইজারল্যান্ডের একটি শহর, যা আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর প্রধান কার্যালয়ের জন্য পরিচিত। D) প্যারিস — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই শহরেই আইফেল টাওয়ারটি অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিস মানেই ফ্যাশন এবং আইফেল টাওয়ারের শহর।
a গল্প
b দিনলিপি
c প্রবন্ধ
d উপন্যাস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দিনলিপি কেন সঠিক: - এটি শহীদ জননী জাহানারা ইমামের ১৯৭১ সালের দিনলিপির আকারে লেখা একটি প্রামাণ্য দলিল ও আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ। - এই গ্রন্থে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তাঁর শহীদ পুত্র রুমীর অবদান এবং প্রতিদিনের যুদ্ধদিনের বাস্তব চিত্র ফুটে উঠেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গল্প — এটি কোনো কাল্পনিক বা ছোটগল্পের সংকলন নয়, বরং বাস্তব ঘটনার দিনপঞ্জি। B) দিনলিপি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এতে তারিখ অনুযায়ী মুক্তিযুদ্ধের প্রতিদিনের ঘটনার বিবরণ লিপিবদ্ধ আছে। সি) প্রবন্ধ — এটি কোনো তাত্ত্বিক বা বিচারমূলক প্রবন্ধ নয়, দিনলিপি বা স্মৃতিকথাধর্মী রচনা। ডি) উপন্যাস — এটি কোনো কাল্পনিক কাহিনীর উপন্যাস নয়, বরং ঐতিহাসিক সত্য ঘটনার ওপর ভিত্তি করে রচিত দিনলিপি। মনে রাখার টিপস: জাহানারা ইমামের নামের সাথে একাত্তরের দিনগুলি এবং দিনলিপি শব্দটি যুক্ত করে মনে রাখবে।
a ভারত
b পাকিস্তান
c ইসরাইল
d যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ইসরাইল কেন সঠিক: - ১৯১৭ সালের ২ নভেম্বর ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী আর্থার বেলফোর এই ঘোষণা দেন, যা ফিলিস্তিনের মাটিতে ইহুদিদের জন্য একটি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পথ প্রশস্ত করে। - এই ঘোষণাই মূলত মধ্যপ্রাচ্যে ইসরাইল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রথম আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক ও আইনি ভিত্তি তৈরি করেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারত — ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসন থেকে ১৯৪৭ সালে ভারত বিভক্ত হয়ে স্বাধীনতা লাভ করে, যার সাথে বেলফোর ঘোষণার কোনো সম্পর্ক নেই। B) পাকিস্তান — ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ ভারতের বিভক্তির মাধ্যমে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠিত হয়, যা বেলফোর ঘোষণার আওতাভুক্ত নয়। C) ইসরাইল — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ বেলফোর ঘোষণা ইহুদি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সাথেই সরাসরি যুক্ত। D) যুক্তরাষ্ট্র — এটি ১৭৭৬ সালে স্বাধীনতা লাভ করে এবং বেলফোর ঘোষণার মাধ্যমে এই রাষ্ট্রের জন্ম হয়নি। মনে রাখার টিপস: বেলফোর ঘোষণা মানেই মধ্যপ্রাচ্যে ইহুদিদের জন্য ইসরাইল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রথম পদক্ষেপ।
a গারো
b হাজং
c ত্রিপুরা
d চাকমা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) গারো কেন সঠিক: - গারো সমাজ ব্যবস্থা মূলত মাতৃতান্ত্রিক, যেখানে সম্পত্তির উত্তরাধিকারিণী হন নারীরা। - এই সমাজে বংশপরিচয় মা কিংবা নারীর নামানুসারে নির্ধারিত হয় এবং মাতাই পরিবারের প্রধান হিসেবে ভূমিকা পালন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গারো — এই অপশনটি সঠিক কারণ গারো সমাজ মাতৃতান্ত্রিক প্রকৃতির। B) হাজং — হাজং ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সমাজ ব্যবস্থা পিতৃতান্ত্রিক, তাই এটি সঠিক নয়। C) ত্রিপুরা — ত্রিপুরা উপজাতির পরিবারগুলো পিতৃতান্ত্রিক এবং পিতা পরিবারের প্রধান হন। D) চাকমা — চাকমা সমাজ ব্যবস্থা পিতৃতান্ত্রিক এবং পুরুষরাই সম্পত্তির উত্তরাধিকার লাভ করেন। মনে রাখার টিপস: গারো উপজাতির মাতৃতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থা মনে রাখতে গ দিয়ে গারো এবং ম দিয়ে মাতৃতান্ত্রিক এই মিলটি মনে রাখতে পারেন।
a ইউরো
b ডলার
c পাউন্ড
d ইয়েন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ইউরো কেন সঠিক: - ইউরোপীয় ইউনিয়নের একক মুদ্রা হলো ইউরো যা ১৯৯৯ সালে চালু হয় এবং ২০০২ সালে দৈনন্দিন লেনদেনে ব্যবহৃত হয়। - বর্তমানে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের মধ্যে ২০টি দেশ মুদ্রা হিসেবে ইউরো ব্যবহার করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইউরো — এটি প্রশ্ন অনুযায়ী সঠিক উত্তর কারণ এটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের নির্ধারিত একক মুদ্রা। B) ডলার — এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ কয়েকটি দেশের প্রচলিত মুদ্রা, যা ইউরোপীয় ইউনিয়নের মুদ্রা নয়। C) পাউন্ড — এটি যুক্তরাজ্য বা ব্রিটিশ মুদ্রার নাম, যা ইউরোপীয় ইউনিয়নের ইউরোজোনভুক্ত দেশগুলোতে ব্যবহৃত হয় না। D) ইয়েন — এটি জাপানের সরকারি ও প্রচলিত মুদ্রার নাম, যা ইউরোপ মহাদেশের কোনো মুদ্রার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ইউরো উভয় শব্দই ইউ দিয়ে শুরু হয়, তাই ইউরোপের মুদ্রা মনে রাখতে ইউরো নামটির প্রথম অংশ স্মরণ করা সহজ।
a <70%
b <80%
c <90%
d <100%
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) <70% কেন সঠিক: - এসডিজির (SDG) লক্ষ্যমাত্রা ৩.১ অনুযায়ী ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বব্যাপী মাতৃমৃত্যুর হার প্রতি এক লক্ষ জীবিত জন্মে ৭০ জনের নিচে নামিয়ে আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। - এখানে বিশ্বব্যাপী মাতৃমৃত্যুর অনুপাত প্রতি এক লক্ষ জীবিত জন্মে ৭০ জনের কম করার কথা বলা হয়েছে, যা শতাংশের হিসেবে ৭০% এর কম বোঝায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) <70% — এটি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (SDG) নির্ধারিত সঠিক মানদণ্ড। B) <80% — এটি এসডিজির মাতৃমৃত্যু হারের লক্ষ্যমাত্রার সঙ্গে সাংখ্যিক দিক থেকে মিলছে না। C) <90% — এই মানটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্ধারিত মূল এসডিজির লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক বেশি। D) <100% — মাতৃমৃত্যুর হার সম্পূর্ণ শূন্যে নামিয়ে আনার লক্ষ্য এসডিজিতে ধরা হয়নি, তাই এই মানটি সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: মাতৃমৃত্যু রোধের এসডিজির লক্ষ্য মনে রাখতে সংখ্যাটি মনে রাখুন সত্তর।
a জাপান
b চীন
c ভুটান
d কানাডা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ভুটান কেন সঠিক: - ভুটান তাদের সংবিধানে বনাঞ্চল সংরক্ষণের আইনগত বাধ্যবাধকতা রেখেছে এবং মোট ভূখণ্ডের ৭০ শতাংশের বেশি বনভূমি বজায় রেখেছে। - দেশটি প্রাকৃতিকভাবে যতটুকু কার্বন ডাই-অক্সাইড নিঃসরণ করে, তার চেয়ে অনেক বেশি কার্বন শোষণ করে কার্বন নেগেটিভ বা প্রভাবমুক্ত মর্যাদা অর্জন করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাপান — একটি শিল্পোন্নত ও জনবহুল দেশ হওয়ায় কার্বন নিঃসরণ অনেক বেশি, তাই এটি কার্বন প্রভাবমুক্ত দেশ নয়। B) চীন — বিশ্বের অন্যতম প্রধান শিল্প উৎপাদনকারী ও সর্বোচ্চ কার্বন নিঃসরণকারী দেশগুলোর একটি। দ) কানাডা — বিশাল বনাঞ্চল থাকা সত্ত্বেও উচ্চ শিল্পায়ন ও মাথাপিছু বেশি কার্বন নিঃসরণের কারণে এটি প্রথম কার্বন প্রভাবমুক্ত দেশ নয়। মনে রাখার টিপস: পাহাড় ঘেরা ছোট দেশ ভুটান সবুজ প্রকৃতির সুরক্ষায় বিশ্বে প্রথম কার্বন প্রভাবমুক্ত দেশের স্বীকৃতি পেয়েছে।
a সটিং
b সার্চিং
c ইনডেক্সিং
d কুয়েরি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ইনডেক্সিং *(বিশেষ দ্রষ্টব্য: ডাটাবেজ বা তথ্যভাণ্ডারে নির্দিষ্ট কোনো ডাটা দ্রুত ও সরাসরি খুঁজে বের করার জন্য মূলত 'কুয়েরি' (Query) ব্যবহার করা হয়। তবে প্রদত্ত অপশনের প্রেক্ষাপটে অনেক সময় সূচিপত্র বা ইনডেক্সিংয়ের মাধ্যমে ডেটার অবস্থান দ্রুত চিহ্নিত করাকে নির্দেশ করা হয়। প্রচলিত কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তির এমসিকিউ নিয়মে সঠিক উত্তর হিসেবে ইনডেক্সিং বা সার্চিং উভয়ই আসতে পারে। এখানে প্রদত্ত উত্তর সি অনুযায়ী ব্যাখ্যা দেওয়া হলো।)* কেন সঠিক: - ইনডেক্সিং হলো এমন একটি পদ্ধতি যার মাধ্যমে ডাটাবেজে সংরক্ষিত তথ্যের অবস্থান বা লোকেশন সহজে চিহ্নিত করা যায়। - এটি বড় ডেটাসেট থেকে নির্দিষ্ট কোনো তথ্য অনুসন্ধানের প্রক্রিয়াকে দ্রুততর ও সহজ করে তোলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সটিং — এটি দিয়ে মূলত ডেটাকে নির্দিষ্ট ক্রমানুসারে (যেমন বড় থেকে ছোট বা আক্ষরিক) সাজানো হয়, নির্দিষ্ট ডাটা খোঁজা হয় না। B) সার্চিং — এটি ডাটা খোঁজার সরাসরি প্রক্রিয়া হলেও, প্রদত্ত উত্তর হিসেবে ইনডেক্সিং নির্ধারিত থাকায় এটি সঠিক হিসেবে বিবেচিত হয়নি। D) কুয়েরি — এটি দিয়ে ডেটাবেজ থেকে নির্দিষ্ট শর্ত সাপেক্ষে তথ্য বা প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা হয়, যা ডেটা অনুসন্ধানের মূল কমান্ড। মনে রাখার টিপস: বইয়ের সূচিপত্রের মতো ডেটা সাজিয়ে দ্রুত তথ্য খোঁজার পদ্ধতিই হলো ইনডেক্সিং।
a ইয়ন ফসে
b উইলিয়াম নরডহাউস
c আনি এরনারক্স
d লুইস গুক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ইয়ন ফসে কেন সঠিক: - নরওয়েজিয়ান লেখক ও নাট্যকার ইয়ন ফসে ২০২৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। - তার উদ্ভাবনী নাটক ও গদ্যের জন্য তাকে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়, যা মানুষের না বলা অনুভূতিকে প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইয়ন ফসে — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ তিনি ২০২৩ সালের সাহিত্যে নোবেল বিজয়ী। B) উইলিয়াম নরডহাউস — তিনি সাহিত্যে নয়, বরং জলবায়ু পরিবর্তন ও সামষ্টিক অর্থনৈতিক বিশ্লেষণে অবদান রাখার জন্য ২০১৮ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন। C) আনি এরনারক্স — তিনি ফরাসি ঔপন্যাসিক এবং ব্যক্তিগত স্মৃতিচারণমূলক লেখার জন্য ২০২২ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেছিলেন। D) লুইস গুক — তিনি মার্কিন কবি এবং কাব্যিক কণ্ঠস্বরের জন্য ২০২০ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেছিলেন। মনে রাখার টিপস: সাহিত্যে ২০২৩ সালের নোবেলজয়ী ইয়ন ফসের নাম মনে রাখতে মনে রাখুন, তিনি ফ (ফসে) দিয়ে শুরু নরওয়ের লেখক।
a মেঘনা
b পদ্মা
c যমুনা
d হালদা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) হালদা কেন সঠিক: - হালদা নদী খাগড়াছড়ির بادنا hills থেকে উৎপন্ন হয়ে বাংলাদেশের মধ্যেই কর্ণফুলী নদীতে পতিত হয়েছে। - এটি বাংলাদেশের একমাত্র নদী যার উৎপত্তি এবং সমাপ্তি সম্পূর্ণভাবে দেশের সীমানার ভেতরেই সীমাবদ্ধ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মেঘনা — এটি ভারতের আসাম থেকে উৎপন্ন হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে, তাই এর উৎপত্তি দেশের বাইরে। B) পদ্মা — এটি ভারতের গঙ্গানদী থেকে উৎপন্ন হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে, তাই এর উৎপত্তি দেশের ভেতরে নয়। সি) যমুনা — এটি তিব্বতের মানসসরোবর থেকে উৎপন্ন ব্রহ্মপুত্র নদের শাখা হিসেবে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। ডি) হালদা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর উৎপত্তি ও সমাপ্তি উভয়ই বাংলাদেশের ভূখণ্ডের ভেতরেই ঘটেছে। মনে রাখার টিপস: হালদার জন্ম ও মৃত্যু (সমাপ্তি) উভয়ই শুধু বাংলাদেশের ভেতরেই ঘটে।
a ফ্রান্স
b রাশিয়া
c জাপান
d কোরিয়া
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রাশিয়া কেন সঠিক: - ইউক্রেন সংকটের কারণে ২০১৪ সালে ক্রিমিয়া annexation-এর পর রাশিয়াকে G-8 থেকে বহিষ্কার করা হয়। - বর্তমানে রাশিয়া বাদ পড়ার পর এই জোটটি পুনরায় G-7 নামে পরিচিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফ্রান্স — ফ্রান্স এই জোটের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য রাষ্ট্র। B) রাশিয়া — রাশিয়া পূর্বে সদস্য থাকলেও ২০১৪ সালে বাদ পড়ে, তাই বর্তমানে এটি G-8 এর সদস্য নয়। C) জাপান — জাপান এই প্রভাবশালী অর্থনৈতিক জোটের বর্তমান সদস্য। D) কোরিয়া — দক্ষিণ কোরিয়া এই গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত কোনো দেশ নয়। মনে রাখার টিপস: জি এইট জোটে রাশিয়া ছিল সাময়িক অতিথি, ক্রিমিয়া নিয়ে ঝামেলার পর এখন তারা অতীত।
a পদ্মা
b রূপসা
c কর্ণফুলী
d গোমতী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কর্ণফুলী কেন সঠিক: - বাংলাদেশের প্রথম টানেলটি চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর তলদেশে নির্মিত হয়েছে, যা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল নামে পরিচিত। - এটি দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম নদীর তলদেশের টানেল, যা নদীর দুই তীরকে যুক্ত করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পদ্মা — পদ্মা নদীর তলদেশে কোনো টানেল নেই, তবে এর ওপর পদ্মা বহুমুখী সেতু নির্মিত হয়েছে। B) রূপসা — রূপসা নদীর ওপর সেতু রয়েছে, কিন্তু এর তলদেশে কোনো টানেল নির্মিত হয়নি। C) কর্ণফুলী — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ দেশের প্রথম টানেলটি এই নদীর তলদেশেই তৈরি হয়েছে। D) গোমতী — গোমতী নদীর ওপর সেতু রয়েছে, এর তলদেশে কোনো টানেল নির্মাণ করা হয়নি। মনে রাখার টিপস: কর্ণফুলী নদীর নাম এবং প্রথম টানেল শব্দটি একসঙ্গে মনে রাখুন, কারণ নদীর তলদেশের প্রথম টানেলটি এখানেই হয়েছে।
a বাঘা মসজিদ
b ষাট গম্বুজ মসজিদ
c ছোট
d কুসুমা মসজিদ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কুসুমা মসজিদ কেন সঠিক: - বাংলাদেশের প্রচলিত পাঁচ টাকার কাগজের নোটে নওগাঁ জেলার ঐতিহাসিক কুসুমা মসজিদের ছবি মুদ্রিত রয়েছে। - সুলতানি আমলের এই প্রাচীন স্থাপত্যটি বাংলাদেশের প্রত্নতাত্ত্বিক ঐতিহ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাঘা মসজিদ — রাজশাহী জেলার ঐতিহাসিক বাঘা মসজিদটি বাংলাদেশের পাঁচ টাকার নোটে ব্যবহৃত হয়নি। B) ষাট গম্বুজ মসজিদ — বাগেরহাটের ষাট গম্বুজ মসজিদটি বাংলাদেশের ষাট টাকা মূল্যমানের নোটে ব্যবহৃত হয়েছে। C) ছোট — এই অপশনটি অসম্পূর্ণ এবং এটি কোনো সঠিক মসজিদের নাম নির্দেশ করে না। D) কুসুমা মসজিদ — এটি পাঁচ টাকার নোটে থাকা নির্ধারিত সঠিক ঐতিহাসিক স্থাপনার নাম। মনে রাখার টিপস: পাঁচ টাকার নোটে থাকা কুসুমা মসজিদ মনে রাখতে কুসুমা শব্দটির সাথে পাঁচ টাকার মিল মনে রাখতে পারো।
a বৈশাখ
b জ্যৈষ্ঠ
c আষাঢ়
d শ্রাবণ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জ্যৈষ্ঠ কেন সঠিক: - বাংলা সনের দ্বিতীয় মাস জ্যৈষ্ঠকে মধুমাস বলা হয় কারণ এই সময়ে দেশের বিভিন্ন সুস্বাদু ও রসালো ফল পাকে। - এই মাসে আম, কাঁঠাল, লিচু ও জামের মতো জনপ্রিয় ও মিষ্টি ফল প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বৈশাখ — এটি বাংলা সনের প্রথম মাস এবং কালবৈশাখী ঝড়ের জন্য পরিচিত, এটিকে মধুমাস বলা হয় না। B) জ্যৈষ্ঠ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং ফলের প্রাচুর্যের জন্য একে মধুমাস বলা হয়। C) আষাঢ় — এটি বর্ষাকাল ও প্রথম মাস হিসেবে পরিচিত, এই মাসে সাধারণত প্রবল বৃষ্টিপাত হয়। D) শ্রাবণ — এটি বর্ষাকালের দ্বিতীয় মাস এবং অবিরাম বৃষ্টির জন্য এই মাসটি বিশেষভাবে পরিচিত। মনে রাখার টিপস: জ্যৈষ্ঠ মানেই মিষ্টি ফলের সমাহার, তাই এই মাসটি মধুমাস নামে পরিচিত।
a পূবালী ব্যাংক
b অগ্রণী ব্যাংক
c জনতা ব্যাংক
d রূপালী ব্যাংক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পূবালী ব্যাংক কেন সঠিক: - পূবালী ব্যাংক বাংলাদেশের একটি স্বনামধন্য বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক, যা রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বা রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক নয়। - দেশের অর্থনীতিতে এটি সম্পূর্ণভাবে বেসরকারি খাতের ব্যবস্থাপনা ও মালিকানাধীন ব্যাংক হিসেবে পরিচালিত হয়ে আসছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পূবালী ব্যাংক — এটি একটি বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক, তাই এটি রাষ্ট্রীয় বাণিজ্যিক ব্যাংকের অন্তর্ভুক্ত নয়। B) অগ্রণী ব্যাংক — এটি বাংলাদেশ সরকারের শতভাগ মালিকানাধীন একটি রাষ্ট্রীয় বাণিজ্যিক ব্যাংক। C) জনতা ব্যাংক — এটি দেশের অন্যতম প্রধান রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক। D) রূপালী ব্যাংক — এটিও সরকারের মালিকানাধীন একটি গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় বাণিজ্যিক ব্যাংক। মনে রাখার টিপস: রাষ্ট্রীয় ব্যাংক মনে রাখার সহজ উপায় হলো সোনাজনরূপ (সোনালী, অগ্রণী, জনতা, রূপালী)। এর বাইরে পূবালী, উত্তরা বা ব্র্যাক ব্যাংক হলো বেসরকারি ব্যাংক।
a 1952
b 1953
c 1954
d 1955
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) 1952 কেন সঠিক: - জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৫২ সালে চীন সফর করেন এবং সেই সফরের অভিজ্ঞতা এই গ্রন্থে লিপিবদ্ধ করেন। - এটি বাংলা একাডেমী থেকে প্রকাশিত বঙ্গবন্ধুর তৃতীয় আত্মজীবনীমূলক ও ভ্রমণ বিষয়ক গ্রন্থ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1952 — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই তিনি শান্তি সম্মেলনে যোগ দিতে চীন ভ্রমণ করেছিলেন। B) 1953 — এই সালে চীন ভ্রমণের কোনো ঐতিহাসিক রেকর্ড নেই, তাই এটি ভুল। C) 1954 — এই সালে তিনি যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন ও মন্ত্রীপরিষদের কর্মকাণ্ডে ব্যস্ত ছিলেন, চীন ভ্রমণ করেননি। D) 1955 — এই সালে তিনি এশিয়া ও প্যাসিফিক রিম শান্তি সম্মেলনে যোগ দিতে চীন ভ্রমণ করেছিলেন, যা নয়াচীন গ্রন্থটির মূল ভ্রমণের সাল নয়। মনে রাখার টিপস: ভাষা আন্দোলনের সাল ১৯৫২ মনে রাখলেই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তরটি সহজে মনে রাখা যাবে।
a ন্যানোটেকনোলজি
b জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং
c বায়ো ইনফরমেটিক্স
d ক্রায়োসার্জারি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বায়ো ইনফরমেটিক্স কেন সঠিক: - এটি জীববিজ্ঞান, কম্পিউটার বিজ্ঞান ও তথ্যায়ন প্রযুক্তি ব্যবহার করে জটিল জৈবিক তথ্য বিশ্লেষণ করে। - জিনোম সিকোয়েন্সিং এবং বিশাল পরিমাণ বায়োলজিক্যাল ডেটা প্রক্রিয়াজাত করে বিভিন্ন জটিল রোগের কারণ ও প্রতিকার আবিষ্কারে এটি কাজ করছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ন্যানোটেকনোলজি — এটি অত্যন্ত ক্ষুদ্র কণা নিয়ে কাজ করে, যা সাধারণত ওষুধ প্রয়োগ বা অণুপর্যায়ের প্রকৌশলে ব্যবহৃত হয় কিন্তু মূল তথ্য বিশ্লেষণ করে না। B) জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং — এটি ডিএনএ পরিবর্তন বা পরিবর্ধনের সাথে জড়িত, যা সরাসরি জটিল রোগের কারণ আবিষ্কারের তথ্য বিশ্লেষণ করে না। C) বায়ো ইনফরমেটিক্স — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং জটিল রোগের কারণ আবিষ্কারের জন্য ব্যবহৃত প্রধান প্রযুক্তিগত মাধ্যম। D) ক্রায়োসার্জারি — এটি অত্যন্ত কম তাপমাত্রায় শরীরের রোগাক্রান্ত বা অস্বাভাবিক কোষ ধ্বংস করার একটি চিকিৎসাপদ্ধতি। মনে রাখার টিপস: তথ্য বা ডেটা বিশ্লেষণ করে রোগের কারণ খোঁজার কাজ বায়ো ইনফরমেটিক্স বা জৈব তথ্যবিজ্ঞানের মাধ্যমেই করা হয়।
a প্রবাসী বাংলাদেশি
b বেসরকারি কর্মচারী
c স্বকর্ম ও অপ্রাতিষ্ঠানিক কর্মী
d স্বল্প আয়ের ব্যক্তি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) স্বকর্ম ও অপ্রাতিষ্ঠানিক কর্মী কেন সঠিক: - সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থাপনার আওতায় দেশের অনানুষ্ঠানিক খাতের শ্রমিকদের সামাজিক সুরক্ষার আওতায় আনতে 'সুরক্ষা স্কিম' চালু করা হয়েছে। - রিকশাচালক, কৃষক, দিনমজুর বা ছোট দোকানদারদের মতো স্বনিযুক্ত ও অপ্রাতিষ্ঠানিক পেশার মানুষেরা এই স্কিমের অন্তর্ভুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রবাসী বাংলাদেশি — এদের জন্য প্রবাসীদের সামাজিক সুরক্ষার লক্ষ্যে 'প্রবাস' স্কিম নির্ধারিত রয়েছে। B) বেসরকারি কর্মচারী — এদের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক চাকরির সুরক্ষায় 'প্রগতি' স্কিম নির্ধারিত রয়েছে। C) স্বকর্ম ও অপ্রাতিষ্ঠানিক কর্মী — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর বিধায় প্রযোজ্য। D) স্বল্প আয়ের ব্যক্তি — এদের জন্য নির্ধারিত রয়েছে সরকারের বিশেষ 'সমতা' স্কিম। মনে রাখার টিপস: অপ্রাতিষ্ঠানিক ও স্বকর্ম নিয়োজিত কর্মীরা সমাজে নিজেদের সুরক্ষায় 'সুরক্ষা' স্কিম বেছে নেন।

মোট প্রশ্ন (12)

a Vit- A
b Vit- E
c Vit- B
d Vit- D
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Vit- B ১. কেন সঠিক: - ভিটামিন বি পানিতে দ্রবণীয় হওয়ায় আমাদের শরীর এটি জমিয়ে রাখতে পারে না এবং অতিরিক্ত অংশ মূত্রের মাধ্যমে বের হয়ে যায়। - এই ভিটামিনগুলো মানবদেহে কোষীয় শক্তি উৎপাদনে এবং বিপাক প্রক্রিয়ায় কোএনজাইম হিসেবে সরাসরি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: দ্রবণীয়তার ওপর ভিত্তি করে ভিটামিন প্রধানত দুই ভাগে বিভক্ত, যথা পানির দ্রবণীয় ভিটামিন এবং চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিন। - কার্যপ্রণালি: পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিনগুলো পরিপাকতন্ত্রে সরাসরি রক্তের জলীয় অংশে মিশে যায় এবং কোষে পৌঁছায়। - বাস্তব প্রয়োগ: প্রতিদিনের খাবারে পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন থাকা আবশ্যক কারণ শরীর এগুলো সঞ্চয় করে রাখতে পারে না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লেবু বা মালটা খাওয়ার পর অতিরিক্ত ভিটামিন সি প্রস্রাবের সাথে শরীর থেকে বের হয়ে যাওয়া। ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে যে ভিটামিন সি পানিতে দ্রবণীয় এবং শরীর তা জমিয়ে না রেখে বর্জন করে। উদাহরণ ২: চালের ওপরের আস্তরণ বা ঢেকিশাঁটা চালে ভিটামিন বি কমপ্লেক্স থাকা। ব্যাখ্যা: এই ভিটামিনগুলো পানিতে দ্রবণীয় হওয়ায় চাল ধোয়ার সময় পানির সাথে ধুয়ে চলে যেতে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Vit- A — এটি চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিন এবং যকৃতে জমা থাকে। B) Vit- E — এটি একটি চর্বিতে দ্রবণীয় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ভিটামিন। C) Vit- B — এটি সঠিক উত্তর এবং এটি পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন। D) Vit- D — এটি চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিন যা সূর্যালোকের উপস্থিতিতে ত্বকে তৈরি হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন মনে রাখার সহজ সূত্র হলো বিসি বা BC, অর্থাৎ ভিটামিন বি এবং ভিটামিন সি পানিতে দ্রবণীয়। - বাকি ভিটামিনগুলো অর্থাৎ এ, ডি, ই এবং কে চর্বিতে দ্রবণীয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ভিটামিনের দ্রবণীয়তা থেকে প্রশ্ন আসে। - চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিনগুলোর নাম মনে রাখলে পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন সহজেই আলাদা করা যায়।
a Hypothalamus
b Pituitary gland
c Thyroid gland
d Adrenal gland
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Pituitary gland ১. কেন সঠিক: পিটুইটারি গ্রন্থি মানবদেহের প্রধান এন্ডোক্রাইন বা অনাল গ্রন্থিগুলোর কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে। এ থেকে নিঃসৃত হরমোন অন্য গ্রন্থির ক্ষরণ পরিচালনা করে বলে একে গ্রন্থির রাজা বলা হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: মানবদেহের মস্তিষ্ক সংলগ্ন স্ফীত অংশে অবস্থিত মাস্টার গ্ল্যান্ড বা পিটুইটারি গ্রন্থি বিভিন্ন হরমোন উৎপাদনের মাধ্যমে শরীরের বিপাক, বৃদ্ধি ও প্রজনন নিয়ন্ত্রণ করে। কার্যপ্রণালি: এই গ্রন্থি থাইরয়েড ও অ্যাড্রিনালসহ অন্যান্য অনাল গ্রন্থিকে উদ্দীপ্ত করার জন্য ট্রপিক হরমোন নিঃসরণ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মানবদেহের দৈহিক বৃদ্ধি। ব্যাখ্যা: পিটুইটারি গ্রন্থি থেকে গ্রোথ হরমোন নিঃসৃত হয়ে মানবদেহের স্বাভাবিক হাড় ও পেশির বৃদ্ধি নিশ্চিত করে। উদাহরণ ২: পানির ভারসাম্য রক্ষা। ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থি থেকে অ্যান্টি-ডাইউরেটিক হরমোন বা ভেসোপ্রেসিন নিঃসৃত হয়ে বৃক্কে পানির পুনঃশোষণ নিয়ন্ত্রণ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Hypothalamus — এটি মস্তিষ্কের অংশ যা পিটুইটারি গ্রন্থিকে নিয়ন্ত্রণ করলেও সরাসরি গ্রন্থির রাজা নয়। B) Pituitary gland — এটি সঠিক উত্তর। C) Thyroid gland — এটি গলায় অবস্থিত একটি প্রধান অনাল গ্রন্থি যা বিপাক নিয়ন্ত্রণ করে কিন্তু অন্য গ্রন্থি নিয়ন্ত্রণ করে না। D) Adrenal gland — এটি বৃক্কের ওপরে অবস্থিত হরমোন উৎপাদনকারী গ্রন্থি যা মূলত আপৎকালীন পরিস্থিতি মোকাবিলা করে। ৫ মনে রাখার টিপস: পিটুইটারি গ্রন্থিকে মাস্টার গ্ল্যান্ড বা গ্রন্থির রাজা বলা হয় কারণ এটি অন্য সব গ্রন্থির বস বা প্রধান হিসেবে কাজ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পিটুইটারি গ্রন্থি থেকে গ্রোথ হরমোন কম নিঃসৃত হলে বামনত্ব এবং বেশি নিঃসৃত হলে অ্যক্রোমেগালি রোগ হয়। এ ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস ও শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় আসে।
a 3.5 - 5 mol/L
b 2 -2.5 mol/L
c 3.9 - 8 mol/L
d 7 - 8 mol/L
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) 3.5 - 5 mmol/L (দ্রষ্টব্য: প্রশ্নে mol/L লেখা থাকলেও চিকিৎসাবিজ্ঞান ও রক্ত পরীক্ষার ক্ষেত্রে এটি মূলত মিলিগ্রাম প্রতি লিটার বা মিলিমোল প্রতি লিটার হিসেবে পরিমাপ করা হয়, যেখানে প্রমিত মান প্রতি লিটারে ৩.৫ থেকে ৫.০ মিলিমোল)। ১. কেন সঠিক: মানুষের রক্তে পটাশিয়াম একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ খনিজ বা ইলেক্ট্রোলাইট, যা কোষের ভেতরে তরল ভারসাম্য ও স্নায়ুর কার্যকারিতা নিয়ন্ত্রণ করে। রক্তে পটাশিয়ামের স্বাভাবিক মাত্রা প্রতি লিটারে ৩.৫ থেকে ৫.০ মিলিমোল এর মধ্যে থাকা সুস্থ মানবদেহের জন্য বাধ্যতামূলক। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: পটাশিয়াম হলো শরীরের একটি প্রধান ধনাত্মক আধানযুক্ত ইলেকট্রোলাইট যা স্নায়ু সংকেত ও পেশির সংকোচন নিয়ন্ত্রণ করে। কার্যপ্রণালি: এটি সোডিয়াম পটাশিয়াম পাম্পের মাধ্যমে কোষের ভেতরে প্রবেশ করে এবং কোষের ঝিল্লি বিভব বজায় রাখতে সরাসরি সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হার্ট অ্যাটাক বা হৃদস্পন্দন বন্ধ হয়ে যাওয়া। ব্যাখ্যা: রক্তে পটাশিয়ামের মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে কমে বা বেড়ে গেলে হৃৎপিণ্ডের পেশির স্বাভাবিক সংকোচন ব্যাহত হয় এবং মারাত্মক arrhythmias হতে পারে। উদাহরণ ২: পেশিতে ক্র্যাম্প বা টান ধরা। ব্যাখ্যা: অতিরিক্ত ঘাম বা ডায়েরিয়ার ফলে শরীর থেকে পটাশিয়াম বেরিয়ে গেলে পেশির কোষগুলো সঠিকভাবে শিথিল হতে পারে না, ফলে পায়ে তীব্র টান ধরে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) 3.5 - 5 mol/L — এটি মানবদেহের রক্তের পটাশিয়ামের স্বাভাবিক মাত্রার নির্দেশক এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য এটি সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত। B) 2 - 2.5 mol/L — এই মাত্রাটি মানুষের রক্তের পটাশিয়ামের জন্য অত্যন্ত কম এবং এটি হাইপোক্যালেমিয়া নামক বিপজ্জনক অবস্থার নির্দেশ করে। C) 3.9 - 8 mol/L — এই পরিমাণের উচ্চসীমাটি মানবদেহের জন্য স্বাভাবিক সীমার চেয়ে অনেক বেশি এবং এটি হাইপারক্যালেমিয়ার লক্ষণ। D) 7 - 8 mol/L — এই মাত্রাটি মানুষের রক্তে পটাশিয়ামের ক্ষেত্রে মারাত্মক বিপজ্জনক এবং এটি হৃৎপিণ্ড অকার্যকর করে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট। ৫. মনে রাখার টিপস: রক্তে পটাশিয়ামের স্বাভাবিক মান মনে রাখতে সাড়ে তিন থেকে পাঁচ সংখ্যাটি মনে রাখুন। পটাশিয়ামের প্রতীক কে এবং এর স্বাভাবিক মাত্রা ৩.৫ থেকে ৫.০ এর সীমার মধ্যে থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: রক্তে পটাশিয়ামের মাত্রা কমে যাওয়াকে হাইপোক্যালেমিয়া এবং বেড়ে যাওয়াকে হাইপারক্যালেমিয়া বলা হয়। এই ধরনের প্রশ্নগুলোতে একক হিসেবে মিলিমোল প্রতি লিটার ব্যবহার করা হয়, যা বিসিএস পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
a কিউলেক্স
b এডিস
c অ্যানোফিলিস
d সব ধরণের মশা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) এডিস ১. কেন সঠিক: - ডেঙ্গু জ্বরের ভাইরাস বহন করে ছড়ায় এডিস মশা, বিশেষ করে এডিস ইজিপ্টাই প্রজাতির স্ত্রী মশা। - এই মশা মানবদেহে কামড়ানোর মাধ্যমে ডেঙ্গু ভাইরাস রক্তে প্রবেশ করায় এবং রোগের সৃষ্টি করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: রোগবাহক বা ভেক্টর হলো এমন জীব যা কোনো রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণু এক দেহ থেকে অন্য দেহে স্থানান্তর করে। - কার্যপ্রণালি: ডেঙ্গু আক্রান্ত ব্যক্তিকে কামড়ানোর পর মশার দেহে ভাইরাস প্রবেশ করে এবং মশার লালার মাধ্যমে সুস্থ ব্যক্তিতে ছড়ায়। - বাস্তব প্রয়োগ: জমে থাকা পরিষ্কার পানিতে এই মশা ডিম পাড়ে, তাই বাড়িঘরের আশপাশে পানি জমতে না দিয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধ করা যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ফ্রিজের নিচে বা টবে জমে থাকা পরিষ্কার পানি। ব্যাখ্যা: এডিস মশা ময়লা পানিতে নয়, বরং জমে থাকা পরিষ্কার পানিতে বংশবিস্তার করে। উদাহরণ ২: দিনের বেলা এডিস মশার কামড়। ব্যাখ্যা: এই মশা সাধারণত দিনের বেলা বা সকাল ও সন্ধ্যার দিকে বেশি কামড়ায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কিউলেক্স — এটি ফাইলেরিয়াসিস বা গোদ রোগ এবং জাপানি এনসেফালাইটিস ছড়ায়, ডেঙ্গু ছড়ায় না। B) এডিস — এটি ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া এবং জিকা ভাইরাসের বাহক হিসেবে কাজ করে। C) অ্যানোফিলিস — এটি ম্যালেরিয়া রোগের জীবাণু প্লাজমোডিয়াম বহন করে ও ছড়ায়। D) সব ধরণের মশা — সব মশার রোগ ছড়ানোর ক্ষমতা নেই এবং নির্দিষ্ট প্রজাতির মশা নির্দিষ্ট রোগ ছড়ায়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ডেঙ্গু মনে রাখতে 'এডিস' শব্দের সঙ্গে পরিষ্কার পানির সংযোগ মনে রাখবে কারণ এরা পরিষ্কার পানিতে জন্মায়। - ম্যালেরিয়ার জন্য অ্যানোফিলিস এবং ডেঙ্গুর জন্য এডিস—এই জোড় কখনো কাটা যাবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে কোন মশা কোন রোগ ছড়ায়। - স্ত্রী মশারাই সাধারণত রক্ত খায় এবং রোগ ছড়ায় কারণ ডিম পরিপক্ব করার জন্য তাদের রক্তের আমিষ প্রয়োজন হয়।
a ২২ জোড়া
b ২৩ জোড়া
c ২৪ জোড়া
d ১৩ জোড়া
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৩ জোড়া ১. কেন সঠিক: মানবদেহের প্রতিটি কোষে নিউক্লিয়াসের ভেতরে বংশগতির ধারক ও বাহক হিসেবে ক্রোমোজোম অবস্থান করে। স্বাভাবিক ও সুস্থ একজন মানুষের শারীরিক কোষে ক্রোমোজোম থাকে মোট ছেচল্লিশটি, যা জোড়ায় বিবেচনা করলে দাঁড়ায় তেইশ জোড়া। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: ক্রোমোজোম হলো ডিএনএ এবং প্রোটিনের সমন্বয়ে গঠিত নিউক্লিয়াসের ভেতরের সুতোর মতো অংশ যা বৈশিষ্ট্য বহন করে। কার্যপ্রণালি: মানবদেহের তেইশ জোড়া ক্রোমোজোমের মধ্যে বাইশ জোড়া হলো অটোসোম যা শারীরিক বৈশিষ্ট্য নির্ধারণ করে। কারণ ও ফলাফল: বাকি এক জোড়া ক্রোমোজোম হলো সেক্স ক্রোমোজোম বা লিঙ্গ নির্ধারণকারী ক্রোমোজোম, যা নারী বা পুরুষ হওয়া নিশ্চিত করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাতা ও পিতার মাধ্যমে সন্তানের মাঝে চোখের রঙ বা চুলের ধরন হুবহু বা কাছাকাছি মিল পাওয়া যায়। ব্যাখ্যা: ক্রোমোজোমের ভেতরে থাকা জিন বা ডিএনএ এই বংশগত বৈশিষ্ট্যগুলো পিতামাতা থেকে পরবর্তী প্রজন্মে সফলভাবে স্থানান্তর করে। উদাহরণ ২: মানুষের ক্ষেত্রে পুত্রসন্তান বা কন্যাসন্তান জন্ম নেওয়ার প্রক্রিয়া। ব্যাখ্যা: পিতা থেকে প্রাপ্ত এক্স বা ওয়াই ক্রোমোজোম এবং মাতা থেকে প্রাপ্ত এক্স ক্রোমোজোমের মিলনের ওপর নির্ভর করে শিশুর লিঙ্গ নির্ধারিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২২ জোড়া — এটি মানুষের অটোজোম বা দেহ নির্ধারণকারী ক্রোমোজোমের সংখ্যা, যা সম্পূর্ণ ক্রোমোজোম জোড়ার সংখ্যা নয়। B) ২৩ জোড়া — এটি মানবদেহের স্বাভাবিক মোট ক্রোমোজোমের জোড়া নির্দেশ করে এবং এটি সঠিক উত্তর। C) ২৪ জোড়া — এটি বানর বা শিম্পাঞ্জির মতো অন্য কোনো প্রাণীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে, মানুষের ক্ষেত্রে এটি ভুল। D) ১৩ জোড়া — এটি মানবদেহের ক্রোমোজোম সংখ্যার সঙ্গে মেলে না এবং এটি কোনো সুনির্দিষ্ট মানব কোষের ক্রোমোজোম জোড়া নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: মানুষের মোট ক্রোমোজোম ছেচল্লিশটি মনে রাখলে তাকে দুই দিয়ে ভাগ করে সহজে তেইশ জোড়া মনে রাখা যায়। লিঙ্গ নির্ধারণকারী ক্রোমোজোম মাত্র এক জোড়া এবং বাকি বাইশ জোড়া সাধারণ শারীরিক বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মানবদেহের ডিপ্লয়েড বা দেহকোষে ক্রোমোজোম সংখ্যা ছেচল্লিশটি হলেও হ্যাপ্লয়েড বা জননকোষে এর অর্ধেক অর্থাৎ তেইশটি থাকে। পরীক্ষায় অনেক সময় জোড়ায় না দিয়ে সরাসরি মোট সংখ্যা কত, তা জানতে চাওয়া হতে পারে।
a Live attenuated
b Killed
c Subunit
d Toxoid
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Live attenuated ১. কেন সঠিক: ওরাল পোলিও ভ্যাকসিনে দুর্বল বা নিষ্ক্রিয় কিন্তু জীবিত পোলিও ভাইরাস ব্যবহার করা হয়। এই জীবন্ত কিন্তু দুর্বল ভাইরাস শরীরে প্রবেশ করে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করে কিন্তু রোগ সৃষ্টি করতে পারে না। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: টিকা হলো এমন একটি জৈব প্রস্তুতি যা নির্দিষ্ট কোনো রোগের বিরুদ্ধে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করে। কার্যপ্রণালি: দুর্বল ভাইরাসটি শরীরে বংশবৃদ্ধি করে শরীরের নিজস্ব প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে অ্যান্টিबॉडी তৈরিতে উদ্দীপিত করে। বাস্তব প্রয়োগ: পোলিওমাইলাইটিস বা পোলিও রোগ নির্মূলের জন্য মুখে ফোঁটার মাধ্যমে এই টিকা বিশ্বব্যাপী সফলভাবে ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হাম, কানসুরে এবং রুবেলা বা এমএমআর টিকা। ব্যাখ্যা: এই টিকাতেও রোগের জীবাণুকে দুর্বল করে মানুষের শরীরে প্রবেশ করানো It হয় যাতে প্রাকৃতিক সংক্রমণের মতো প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে ওঠে। উদাহরণ ২: যক্ষ্মার বিসিজি টিকা। ব্যাখ্যা: এটিও একটি জীবন্ত দুর্বল জীবাণুভিত্তিক টিকা যা যক্ষ্মা রোগের বিরুদ্ধে দীর্ঘস্থায়ী সুরক্ষা প্রদান করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Live attenuated — এটি সঠিক উত্তর কারণ ওরাল পোলিও ভ্যাকসিনে দুর্বল জীবন্ত ভাইরাস ব্যবহার করা হয়। B) Killed — এটি ভুল কারণ মৃত বা inactivated ভাইরাসের ক্ষেত্রে ইনজেকশনের মাধ্যমে পোলিও টিকা দেওয়া হয় যা সল্ক টিকা নামে পরিচিত। C) Subunit — এটি ভুল কারণ সাবইউনিট টিকায় সম্পূর্ণ জীবাণু ব্যবহার না করে কেবল তার নির্দিষ্ট অংশ বা প্রোটিন ব্যবহার করা হয়। D) Toxoid — এটি ভুল কারণ টক্সয়েড টিকা সাধারণত ব্যাকটেরিয়ার বিষাক্ত উপাদান বা টক্সিন থেকে তৈরি হয় যেমন ধনুষ্টঙ্কারের টিকা। ৫ মনে রাখার টিপস: ওরাল পোলিও টিকা মুখে খাওয়া হয় এবং মুখ দিয়ে জীবন্ত কিছু খাওয়া হয় বলে এটি Live attenuated বা জীবন্ত দুর্বল প্রকৃতির হয়। ইনজেকশনের মাধ্যমে দেওয়া পোলিও টিকা মৃত বা Killed প্রকৃতির হয়ে থাকে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পোলিও টিকার আবিষ্কারক জোনাস সল্ক মৃত ইনজেকশন টিকা এবং অ্যালবার্ট সাবিন ওরাল জীবন্ত টিকা আবিষ্কার করেন। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ওরাল পোলিও টিকা এবং ইনজেকশনের পোলিও টিকার পার্থক্যের ওপর প্রশ্ন আসে।
a Vit-B
b Vit-A
c Vit-K
d Vit-D
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Vit-K ১. কেন সঠিক: মানবদেহে রক্ত জমাট বাঁধার প্রক্রিয়ায় ভিটামিন কে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই ভিটামিনের অভাবে যকৃতে প্রোথ্রোম্বিন নামক প্রোটিন তৈরি ব্যাহত হয়, যা রক্ত তঞ্চনে বাধা দেয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: রক্ত তঞ্চন বা কোঅগুলেশন হলো এমন একটি জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে কাটাছেঁড়া স্থানে রক্ত জমাট বেঁধে রক্তক্ষরণ বন্ধ হয়। কার্যপ্রণালি: ভিটামিন কে শরীরে প্রবেশ করার পর যকৃতে বিভিন্ন রক্ত জমাট বাঁধার উপাদান যেমন প্রোথ্রোম্বিন সৃষ্টিতে সহায়তা করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শরীরে ছোটখাটো কেটে গেলে স্বাভাবিক মানুষের রক্ত কিছুক্ষণ পর নিজে থেকেই জমাট বাঁধে। ব্যাখ্যা: ভিটামিন কের উপস্থিতির কারণে রক্তের প্রোথ্রোম্বিন সক্রিয় হয়ে ফাইব্রিন জালিকা তৈরি করে রক্তক্ষরণ বন্ধ করে। উদাহরণ ২: অতিরিক্ত জন্ডিস বা অন্ত্রের দীর্ঘস্থায়ী রোগে আক্রান্ত রোগীর অস্ত্রোপচারের সময় রক্তপাত সহজে বন্ধ হতে চায় না। ব্যাখ্যা: এসব ক্ষেত্রে ভিটামিন কের শোষণ ব্যাহত হওয়ার কারণে রক্ত জমাট বাঁধার প্রক্রিয়া বিলম্বিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Vit-B — ভিটামিন বি একটি ভিটামিন গুচ্ছ যা স্নায়ুর কার্যকারিতা রক্ষা করে এবং শক্তির উৎপাদনে সাহায্য করে। এটি রক্ত জমাট বাঁধার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। B) Vit-A — ভিটামিন এ প্রধানত চোখের দৃষ্টিশক্তি রক্ষা এবং ত্বক সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। এর অভাবে রাতকানা রোগ হয়, যা রক্ত তঞ্চনে ভূমিকা রাখে না। C) Vit-K — এটি সঠিক উত্তর। কারণ ভিটামিন কে রক্তের প্রোথ্রোম্বিন উৎপাদনে সহায়তা করে রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে। D) Vit-D — ভিটামিন ডি হাড় ও দাঁতের গঠন মজবুত করতে এবং ক্যালসিয়াম শোষণে সহায়তা করে। এটি রক্ত জমাট বাঁধার প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: ভিটামিন কের কে অক্ষরটি কোঅগুলেশন বা রক্ত জমাট বাঁধার ইংরেজি শব্দটির সঙ্গে মিল রেখে সহজে মনে রাখা যায়। রক্ত জমাট বাঁধার প্রধান উপাদান প্রোথ্রোম্বিনের সঙ্গে ভিটামিন কে সরাসরি জড়িত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় ভিটামিনের অভাবজনিত রোগ ও উৎস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। ভিটামিন কে এর অভাবে রক্ত তঞ্চন ব্যাহত হয় এবং প্রোথ্রোম্বিনের মাত্রা কমে যায়।
a Hepatitis C
b TB
c Covid-19
d Measles
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Hepatitis C ১. কেন সঠিক: - হেপাটাইটিস সি একটি রক্তবাহিত ভাইরাসজনিত রোগ যা সংক্রামিত রক্তের সরাসরি সংস্পর্শে ছড়ায়। - এই ভাইরাসটি লিভারে আক্রমণ করে এবং দীর্ঘমেয়াদী যকৃতের ক্ষতি বা সিরোসিস ঘটাতে পারে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: রোগ, জীবাণু ও রোগ প্রতিরোধ এবং মানবদেহ ও শারীরবৃত্ত। - কার্যপ্রণালি: সংক্রামিত ব্যক্তির রক্ত বা রক্তজাত পদার্থ সুস্থ ব্যক্তির শরীরে প্রবেশ করলে এই ভাইরাস ছড়ায়। - বাস্তব প্রয়োগ: নিরাপদ সিরিঞ্জ ব্যবহার এবং রক্ত হস্তান্তরের আগে স্ক্রিনিং করা এর সংক্রমণ রোধ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: একবার ব্যবহার্য সিরিঞ্জ একাধিকবার ব্যবহার করা। ব্যাখ্যা: এতে একজনের রক্তের জীবাণু অন্যজনের রক্তে প্রবেশ করে হেপাটাইটিস সি ছড়াতে পারে। উদাহরণ ২: অনিরাপদ উপায়ে রক্ত বা প্লাজমা গ্রহণ করা। ব্যাখ্যা: রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে জীবাণুমুক্ত না করলে গ্রহীতার শরীরে রোগটি সংক্রমিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Hepatitis C — এটি একটি রক্তবাহিত ভাইরাসজনিত রোগ যা রক্তের মাধ্যমে ছড়ায়। B) TB — যক্ষ্মা বা টিবি একটি বায়ুবাহিত ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ যা হাঁচি-কাশির মাধ্যমে ছড়ায়। C) Covid-19 — কোভিড-১৯ একটি বায়ুবাহিত ভাইরাসজনিত রোগ যা শ্বাসতন্ত্রের ড্রপলেটের মাধ্যমে ছড়ায়। D) Measles — হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক বায়ুবাহিত ভাইরাসজনিত রোগ যা বাতাসের মাধ্যমে ছড়ায়। ৫ মনে রাখার টিপস: হেপাটাইটিস সি নামের শেষে সি বর্ণটি আছে, যা রক্ত বা সার্কুলেশনের সাথে সম্পর্কিত ব্লাড শব্দটির প্রথম অক্ষরের মতো মনে রাখতে পারেন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: রক্তের মাধ্যমে ছড়ায় এমন আরেকটি পরিচিত রোগ হলো হেপাটাইটিস বি এবং এইচআইভি। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বায়ুবাহিত ও রক্তবাহিত রোগের পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়।
a DPT
b TT
c MRT
d BCG
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) BCG ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি হলো বিসিজি, যা মূলত যক্ষ্মা বা টিউবারকুলোসিস রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে দেহে প্রবেশ করানো হয়। - এই টিকাটি দুর্বল বা নিষ্ক্রিয় করা মাইকব্যাকটেরিয়াম বোভিস ব্যাকটেরিয়া থেকে তৈরি করা হয় যা দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা জাগিয়ে তোলে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: টিকা হলো এমন এক ধরনের জৈব পদার্থ যা নির্দিষ্ট কোনো রোগের বিরুদ্ধে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে সক্রিয় করে তোলে। - কার্যপ্রণালি: বিসিজি টিকা দেহে প্রবেশ করার পর শ্বেত রক্তকণিকা যক্ষ্মার জীবাণুকে চিনে রাখে এবং ভবিষ্যতে আক্রমণ করলে তা ধ্বংস করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সদ্যজাত শিশুকে জন্মদানের পরপরই বা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বিসিজি টিকা দেওয়া হয়। ব্যাখ্যা: এটি শিশুকে শৈশবের মারাত্মক যক্ষ্মা সংক্রমণ থেকে রক্ষা করতে প্রাথমিক সুরক্ষা বলয় তৈরি করে। উদাহরণ ২: কুষ্ঠ রোগ প্রতিরোধেও অনেক সময় এই টিকা ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: বিসিজি টিকা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সামগ্রिकভাবে বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) DPT — এটি ডিপথেরিয়া, পার্টুসিস বা হুপিং কাশি এবং টিটানাস রোগের বিরুদ্ধে ব্যবহৃত একটি সম্মিলিত টিকা। B) TT — এটি টিটানাস টক্সয়েড টিকা যা ধনুষ্টংকার বা টিটানাস রোগ প্রতিরোধের জন্য বিশেষভাবে প্রয়োগ করা হয়। C) MRT — এটি সাধারণত হাম, রুবেলা এবং টাইফয়েড বা অন্য কোনো রোগের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে কিন্তু যক্ষ্মার জন্য নয়। D) BCG — এটি সঠিক উত্তর যা বিশেষভাবে যক্ষ্মা রোগ প্রতিরোধের জন্য বিশ্বব্যাপী ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - যক্ষ্মা বা টিউবারকুলোসিস শব্দের প্রথম অংশ এবং বিসিজি টিকার নামের মিল মনে রেখে সহজে উত্তরটি মনে রাখা যায়। - বিসিজি মানে ব্যাসিলাস ক্যালমেট গেরিন, যা এর আবিষ্কারকদের নাম বহন করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিজি টিকা কোন রোগের বিরুদ্ধে কাজ করে এই প্রশ্নটি বিসিএস ও বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - টিকা আবিষ্কারের ইতিহাস এবং বিভিন্ন রোগের টিকার নাম সম্পর্কে সম্যক ধারণা থাকা চাকরির পরীক্ষার জন্য জরুরি।
a এডিপোস টিস্যু
b এক্রাসোম
c কানেক্টিভ টিস্যু
d বোন মেরো
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) এডিপোস টিস্যু ১. কেন সঠিক: আমাদের শরীরে অতিরিক্ত খাদ্যশক্তি ফ্যাট বা চর্বি হিসেবে জমা হয়। এডিপোস টিস্যু নামক বিশেষ কলা বা টিস্যুতে এই ফ্যাট জমা থাকে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: এডিপোস টিস্যু হলো এক ধরনের সংযোজক কলা যা শরীরের শক্তি সঞ্চয় করে। কার্যপ্রণালি: অতিরিক্ত ক্যালোরি গ্রহণ করলে তা ট্রাইগ্লিসারাইড হিসেবে এই কোষে জমা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অতিরিক্ত মিষ্টি বা তৈলাক্ত খাবার খাওয়া। ব্যাখ্যা: অতিরিক্ত শক্তি খরচ না হলে তা এডিপোস টিস্যুতে জমা হয়ে ওজন বৃদ্ধি করে। উদাহরণ ২: শীতপ্রধান দেশের প্রাণীদের চামড়ার নিচে চর্বির পুরু স্তর। ব্যাখ্যা: এই চর্বি তাদের শরীর গরম রাখে এবং শক্তির উৎস হিসেবে কাজ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) এডিপোস টিস্যু — এটি সঠিক কারণ এটি চর্বি সঞ্চয়কারী কলা। B) এক্রাসোম — এটি শুক্রাণুর মাথার দিকে থাকা অংশ যা ডিম্বাণু ভেদ করতে সাহায্য করে। C) কানেক্টিভ টিস্যু — এটি সাধারণ সংযোজক কলা, যার একটি বিশেষ রূপ হলো এডিপোস টিস্যু। D) বোন মেরো — এটি অস্থিমজ্জা যেখানে রক্ত কণিকা উৎপন্ন হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: এডিপোস শব্দের সাথে ফ্যাট বা চর্বি জমা হওয়ার বিষয়টি মনে রাখবে। চর্বি জমানোর প্রধান ভাণ্ডার হলো এই টিস্যু। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় মানবদেহের টিস্যু অংশের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। ভবিষ্যতে আসতে পারে এডিপোস টিস্যুর প্রধান কাজ কী।
a Fibula
b Tibia
c Femur
d Humerus
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Femur ১. কেন সঠিক: মানবদেহের দীর্ঘতম, শক্তিশালী এবং সবচেয়ে ভারী হাড় হলো ফেমুর বা উরুর হাড়। এটি শরীরের সম্পূর্ণ ঊর্ধ্বাংশের ভর বহন করে এবং হাঁটাচলার সময় লিভার হিসেবে কাজ করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: মানবদেহের কঙ্কালতন্ত্র মোট ২০৬টি হাড় নিয়ে গঠিত, যার মধ্যে অ্যাপেন্ডিকুলার কঙ্কালের অংশ হলো ফেমুর। কার্যপ্রণালি: এটি শরীরের ওপরের অংশের ভার নিতম্বের জোড় থেকে হাঁটুর জোড় পর্যন্ত সমানভাবে সরবরাহ করে। বাস্তব প্রয়োগ: দৌড়ানো, লাফানো বা বসা মতো দৈনন্দিন শারীরবৃত্তীয় কার্যক্রমে এই হাড়ের ভূমিকা সবচেয়ে বেশি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: একজন দৌড়বিদ যখন দৌড়ান, তখন তার উরুর ফেমুর হাড় প্রবল সংকোচন ও প্রসারণ বল সহ্য করে। ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে যে ফেমুর হাড় অত্যন্ত শক্তিশালী এবং যান্ত্রিক চাপ সহ্য করতে সক্ষম। উদাহরণ ২: ভারী বস্তু তোলার সময় কোমর ও উরুর সংযোগস্থলে প্রচণ্ড চাপ পড়ে। ব্যাখ্যা: ফেমুর এই ভার শরীরের নিচের অংশে সঞ্চালিত করে ভারসাম্য রক্ষা করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Fibula — এটি মানবদেহের পায়ের নিচের অংশের বা টিবিয়ার পাশে অবস্থিত একটি সরু হাড়, যা শরীরের দীর্ঘতম নয়। B) Tibia — এটি পায়ের নিচের অংশের প্রধান হাড় বা শিন বোন, যা ফেমুরের চেয়ে ছোট। D) Humerus — এটি মানবদেহের বাহু বা হাতের উপরিভাগের হাড়, যা ফেমুরের তুলনায় আকারে ছোট ও হালকা। ৫ মনে রাখার টিপস: মানবদেহের সবচেয়ে বড় বা দীর্ঘতম হাড় মনে রাখতে এফ অক্ষরটি দিয়ে শুরু Femur শব্দটি মনে রাখতে পারো। এটি হাতের হিউমারাসের চেয়ে আকারে অনেক বড়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মানবদেহের ক্ষুদ্রতম হাড় কোনটি, এমন প্রশ্ন প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে যার উত্তর হলো স্টেপিস। এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় মানবদেহ ও শারীরবৃত্ত অধ্যায়ের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a 120-130m mol/L
b 135-155m mol/L
c 160-174m mol/L
d 135-145m mol/L
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৩৫-১৪৫ মিলি মোল/লিটার ১. কেন সঠিক: - মানবদেহের রক্তরসে সোডিয়াম আয়নের স্বাভাবিক মাত্রা হলো প্রতি লিটারে ১৩৫ থেকে ১৪৫ মিলি মোল। - এই মাত্রাটি শরীরের তরল ভারসাম্য রক্ষা ও স্নায়ুতন্ত্রের সঠিক কার্যকারিতা বজায় রাখতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: সোডিয়াম হলো কোষবহির্ভূত তরলের প্রধান ধনাত্মক আধানযুক্ত আয়ন যা রক্তচাপ ও জলীয় ভারসাম্য নিয়ন্ত্রণ করে। - কার্যপ্রণালি: এটি রক্ত ও অন্যান্য শারীরিক তরলের অভিস্রবণ চাপ বজায় রেখে কোষের ভেতর ও বাইরে পানির সঠিক চলাচল নিশ্চিত করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অতিরিক্ত ঘামের পর অতিরিক্ত পানি পান করলে শরীরে সোডিয়ামের মাত্রা কমে যেতে পারে। ব্যাখ্যা: একে হাইপোনেট্রিমিয়া বলা হয়, যেখানে রক্তে সোডিয়ামের ঘনত্ব কমে যাওয়ার ফলে মাথা ঘোরানো ও দুর্বলতা দেখা দেয়। উদাহরণ ২: অতিরিক্ত নুন বা লবণ খাওয়ার ফলে রক্তে সোডিয়ামের পরিমাণ সাময়িকভাবে বৃদ্ধি পায়। ব্যাখ্যা: এর ফলে শরীর অতিরিক্ত পানি ধরে রাখে এবং রক্তচাপ সাময়িকভাব বৃদ্ধি পেতে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১২০-১৩০ মিলি মোল/লিটার - এটি স্বাভাবিক সীমার চেয়ে কম এবং এটি গুরুতর হাইপোনেট্রিমিয়া বা সোডিয়াম স্বল্পতার নির্দেশ করে। B) ১৩৫-১৫৫ মিলি মোল/লিটার - এর উচ্চসীমাটি চিকিৎসাবিজ্ঞানের স্বাভাবিক মানের চেয়ে কিছুটা বেশি এবং এটি হাইপারনেট্রিমিয়ার লক্ষণ হতে পারে। C) ১৬০-১৭৪ মিলি মোল/লিটার - এটি অত্যন্ত বিপজ্জনকভাবে উচ্চ মাত্রা যা মারাত্মক ডিহাইড্রেশন বা মস্তিষ্কের ক্ষতির কারণ হতে পারে। D) ১৩৫-১৪৫ মিলি মোল/লিটার - এটি রক্তে সোডিয়ামের সম্পূর্ণ নির্ভুল ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত স্বাভাবিক মান। ৫ মনে রাখার টিপস: - সোডিয়ামের স্বাভাবিক মাত্রা মনে রাখার সহজ উপায় হলো ১৩৫ সংখ্যাটি মনে রাখা এবং তার সাথে ১০ যোগ করে ১৪৫ পর্যন্ত সীমা নির্ধারণ করা। - মনে রাখতে হবে সোডিয়াম আমাদের শরীরের লবণাক্ততার ভারসাম্য এবং স্নায়ুর সংকেত আদান-প্রদান সরাসরি নিয়ন্ত্রণ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় রক্তের বিভিন্ন উপাদানের স্বাভাবিক মান থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - রক্তে সোডিয়াম কমে যাওয়ার অবস্থাকে হাইপোনেট্রিমিয়া এবং বেড়ে যাওয়ার অবস্থাকে হাইপারনেট্রিমিয়া বলা হয়।

মোট প্রশ্ন (19)

a 6 weeks
b 10 weeks
c 12 weeks
d 4 weeks
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) 6 weeks কেন সঠিক: - প্রসবের পর নারীর শরীরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ও হরমোন আগের স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসতে যে সময় লাগে তাকে পুয়েরপেরিয়াম বা প্রসবোত্তরকাল বলে। - চিকিৎসাবিজ্ঞান অনুযায়ী প্রসবের পর এই সময়কাল সাধারণভাবে ছয় সপ্তাহ বা বিয়াল্লিশ দিন পর্যন্ত স্থায়ী হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 6 weeks — এটি চিকিৎসাবিজ্ঞানসম্মতভাবে স্বীকৃত প্রসবোত্তরকাল বা পুয়েরপেরিয়ামের সঠিক সময়সীমা। B) 10 weeks — এই সময়সীমা পুয়েরপেরিয়ামের স্বাভাবিক বা আদর্শ ব্যাপ্তির চেয়ে বেশি এবং চিকিৎসাবিজ্ঞানে এই মানের কোনো ভিত্তি নেই। C) 12 weeks — তিন মাসের এই দীর্ঘ সময়টি পুয়েরপেরিয়ামের চিকিৎসাগত সংজ্ঞার সঙ্গে মেলে না। D) 4 weeks — চার সপ্তাহ বা এক মাস সময়কাল পুয়েরপেরিয়ামের পূর্ণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার জন্য অপর্যাপ্ত। মনে রাখার টিপস: পুয়েরপেরিয়াম বা প্রসবোত্তরকাল মনে রাখতে সংখ্যাটি মনে রাখুন ছয় সপ্তাহ বা বিয়াল্লিশ দিন।
a Atrial septal defect
b Myocardial Infection
c Pulmonary stenosis
d Ventricular septal defect
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Myocardial Infection কেন সঠিক: - মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশন বা হার্ট অ্যাটাক হলো হৃদপিণ্ডের রক্তনালীতে ব্লকেজের কারণে সৃষ্ট একটি প্রাপ্তবয়স্ক কার্ডিয়াক সমস্যা, যা জন্মগত কোনো ত্রুটি নয়। - জন্মগত হৃদরোগ (Congenital heart disease) সাধারণত জন্ম থেকেই হৃদপিণ্ডের গঠনগত ত্রুটির কারণে ঘটে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Atrial septal defect — এটি একটি জন্মগত হৃদরোগ যেখানে দুই অলিন্দের মাঝখানের দেয়ালে ছিদ্র থাকে। B) Myocardial Infection — এটি কোনো জন্মগত রোগ নয়, বরং সাধারণত বয়স্কদের করোনারি ধমনীর সমস্যার কারণে অর্জিত হয়। C) Pulmonary stenosis — এটি একটি জন্মগত হৃদরোগ যেখানে পালমোনারি ভাল্ব সংকুচিত হয়ে যায়। D) Ventricular septal defect — এটি জন্মগত হৃদরোগের অন্যতম সাধারণ রূপ যেখানে দুই নিলয়ের মাঝখানের দেয়ালে ছিদ্র থাকে। মনে রাখার টিপস: জন্মগত রোগগুলো হলো জন্ম থেকেই হৃদপিণ্ডের কাঠামোগত ত্রুটি, পক্ষান্তরে মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশন হলো পরবর্তীতে রক্তনালী বন্ধ হয়ে হওয়া রোগ।
a Obstructed labour
b Eclampsia
c Abortion
d PPH
ব্যাখ্যাঃ
১. বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন (স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা বিজ্ঞান) সঠিক উত্তর: B) Eclampsia কেন সঠিক: - একলাম্পসিয়া হলো গর্ভাবস্থায় উচ্চ রক্তচাপজনিত জটিলতা, যা খিঁচুনি সৃষ্টি করে এবং বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশে মাতৃমৃত্যুর অন্যতম প্রধান চিকিৎসা বিজ্ঞানসম্মত কারণ। - গর্ভাবস্থার শেষভাগে বা প্রসবের সময় খিঁচুনি ও অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার মতো মারাত্মক অবস্থার সৃষ্টি করে এটি মৃত্যুর ঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Obstructed labour — এটি প্রসবের সময় জটিলতা সৃষ্টি করলেও বর্তমান স্বাস্থ্যসেবায় এটি মাতৃমৃত্যুর প্রধান কারণ হিসেবে শীর্ষে নেই। B) Eclampsia — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত কোনো ভুল যুক্তির প্রয়োজন নেই, তবে এটি প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত। C) Abortion — অনিরাপদ বা ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভপাত মাতৃমৃত্যুর অন্যতম কারণ হলেও একলাম্পসিয়ার তুলনায় এর হার সামগ্রিকভাবে কম। D) PPH — প্রসবোত্তর অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ (PPH) অতীতে প্রধান কারণ থাকলেও বর্তমানে সঠিক ব্যবস্থাপনা ও সচেতনতার কারণে মৃত্যুর হার তুলনামূলক নিয়ন্ত্রণে এসেছে। মনে রাখার টিপস: গর্ভাবস্থায় খিঁচুনি বা উচ্চ রক্তচাপজনিত সমস্যাকে একলাম্পসিয়া বলে, যা মাতৃমৃত্যুর প্রধান ঝূঁকি।
a অস্থিত্তে
b রক্তে
c যকৃতে
d পাকস্থলীতে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) যকৃতে কেন সঠিক: - মানবদেহের প্লীহাতে লোহিত রক্তকণিকা ভাঙার ফলে হিমোগ্লোবিন থেকে বিলিরুবিন তৈরি হয় এবং তা যকৃতে এসে পৌঁছায়। - যকৃৎ এই বিলিরুবিন প্রক্রিয়াজাত করে পিত্তরসের সাথে মলের মাধ্যমে শরীর থেকে বের করে দিতে সাহায্য করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অস্থিত্তে — অস্থি মূলত রক্তকণিকা উৎপাদনে কাজ করে, বিলিরুবিন তৈরিতে এর সরাসরি কোনো ভূমিকা নেই। B) রক্তে — রক্তে বিলিরুবিন পরিবাহিত হয় এবং এর মাত্রা বাড়লে জন্ডিস হয়, কিন্তু এটি রক্তে তৈরি হয় না। C) যকৃতে — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি সঠিক। D) পাকস্থলীতে — পাকস্থলী প্রধানত খাদ্য পরিপাকের কাজ করে, বিলিরুবিন উৎপাদনের সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: বিলিরুবিন তৈরির মূল কারখানা প্লীহা হলেও, প্রধান প্রক্রিয়াজাতকরণ ও রূপান্তর ঘটে যকৃতে।
a Inj Tranexemic acid
b Inj Heparin
c Inj Caprolysin
d Inj Cefuroxime
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Inj Heparin কেন সঠিক: - হেপারিপ্রাকৃতিক অ্যান্টিমুহূর্ত বা অ্যান্টিকোয়াগুলেন্ট হিসেবে কাজ করে রক্তকে ধমনীর ভেতরে জমাট বাঁধতে বাধা দেয়। - এটি ফাইব্রিনোজেনকে ফাইব্রিনে রূপান্তর হতে দেয় না, ফলে রক্ত তরল থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Inj Tranexemic acid — এটি রক্তপাত বন্ধ করতে বা রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে, তরল রাখতে নয়। B) Inj Heparin — এটি রক্ত তরল রাখতে সাহায্য করে। C) Inj Caprolysin — এটি রক্তপাত রোধকারী অ্যান্টিফিব্রিনোলাইটিক এজেন্ট হিসেবে ব্যবহৃত হয়। D) Inj Cefuroxime — এটি একটি অ্যান্টিবায়োটিক, যা ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: হেপারিন হলো মানব শরীরের প্রাকৃতিক বা কৃত্রিম অ্যান্টিকোয়াগুলেন্ট, যা রক্ত জমাট বাঁধতে দেয় না।
a লিউকোপেনিয়ায় আক্রান্ত
b ব্রডস্পেকট্রাম এন্টিবায়োটিক গ্রহণ করে
c পোস্ট অপারেটিভ রোগী যার অর্থোপেডিক সার্জারি রয়েছে
d সদ্য নির্ণয় করা ডায়াবেটিস রোগী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) লিউকোপেনিয়ায় আক্রান্ত কেন সঠিক: - লিউকোপেনিয়া হলো রক্তে শ্বেত রক্তকণিকার পরিমাণ কমে যাওয়া, যা শরীরের প্রধান রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ধ্বংস করে দেয়। - শ্বেত রক্তকণিকা জীবাণুর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে, তাই এর ঘাটতি থাকলে যেকোনো ভাইরাসের বা ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণের ঝুঁকি সর্বোচ্চ থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লিউকোপেনিয়ায় আক্রান্ত — এটি সঠিক উত্তর কারণ শ্বেত রক্তকণিকার ঘাটতি সরাসরি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়। B) ব্রডস্পেকট্রাম এন্টিবায়োটিক গ্রহণ করে — এটি উপকারী ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে গৌণ সংক্রমণ ঘটাতে পারে, তবে সরাসরি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমায় না। C) পোস্ট অপারেটিভ রোগী যার অর্থোপেডিক সার্জারি রয়েছে — সার্জারি পরবর্তী সংক্রমণ হতে পারে, তবে এটি জীবাণু প্রবেশে ঝুঁকি তৈরি করলেও রক্তকণিকার অভাবের মতো সার্বিক নয়। D) সদ্য নির্ণয় করা ডায়াবেটিস রোগী — রক্তে শর্করার মাত্রা বেশি থাকায় সংক্রমণের ঝুঁকি থাকে, তবে তা লিউকোপেনিয়ার তুলনায় সরাসরি প্রতিরোধ ক্ষমতার মারাত্মক অভাব নয়। মনে রাখার টিপস: শ্বেত রক্তকণিকা হলো শরীরের পুলিশ বাহিনী, আর লিউকোপেনিয়া মানে পুলিশ কমে যাওয়া; তাই সংক্রমণের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি।
a বেড়ে যায়
b কমে যায়
c অপরিবর্তিত থাকে
d পাওয়া যায় না
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি ভুল। চিকিৎসাবিজ্ঞান অনুযায়ী হাইপোভলেমক শকে পালস রেট বা নাড়ির গতি কমে যায় না, বরং অতিরিক্ত রক্ত বা তরল হ্রাসের ফলে রক্তচাপ বজায় রাখতে হৃদস্পন্দন দ্রুত বা বেড়ে যায়। তাই সঠিক উত্তর হবে A) বেড়ে যায়। সঠিক উত্তর: A) বেড়ে যায় কেন সঠিক: - হাইপোভলেমক শক হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে শরীরে রক্ত বা তরল পদার্থের পরিমাণ মারাত্মকভাবে কমে যায়। - রক্ত বা তরল কমে যাওয়ায় রক্তচাপ কমে যায় এবং শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলোতে পর্যাপ্ত রক্ত সরবরাহ নিশ্চিত করতে হার্ট রেট বা পালস রেট অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বেড়ে যায় — এটি চিকিৎসাবিজ্ঞানসম্মত সঠিক উত্তর কারণ শরীরের তরল ঘাটতি পূরণের জন্য হার্ট দ্রুত স্পন্দিত হয়। B) কমে যায় — প্রদত্ত উত্তরটি ভুল কারণ রক্তাল্পতা বা তরল হ্রাসের প্রতিক্রিয়ায় হার্ট রেট কমে না বরং বাড়ে। C) অপরিবর্তিত থাকে — এটি ভুল কারণ হাইপোভলেমক শকের মতো জরুরি অবস্থায় শরীরের কার্ডিওভাসকুলার সিস্টেমে বড় ধরনের পরিবর্তন ঘটে। D) পাওয়া যায় না — এটি ভুল কারণ শকের তীব্র অবস্থাতেও পেরিফেরাল পালস পাওয়া যেতে পারে অথবা ক্যারোটিড পালস পাওয়া যায়। মনে রাখার টিপস: হাইপোভলেমক শকে শরীর রক্তের অভাব পূরণের চেষ্টা করে, তাই হার্ট তখন খুব দ্রুত পাম্প করে এবং পালস রেট বেড়ে যায়।
a Hematocrit বেড়ে যায়
b Hematocrit কমে যায়
c Neutrophil বেড়ে যায়
d Lymphocyte বেড়ে যায়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Hematocrit বেড়ে যায় কেন সঠিক: - ডেঙ্গু জ্বরে রক্তনালীর প্লাজমা লিক হয়ে যাওয়ার কারণে রক্তের প্লাজমা কমে যায় এবং রক্তের ঘনত্ব বেড়ে যায়। - রক্তের ঘনত্ব বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে রক্তে লোহিত কণিকার শতকরা পরিমাণ বা হেমাটোক্রিট (Hematocrit) এর মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি বৃদ্ধি পায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Hematocrit বেড়ে যায় — এটি রক্তের ঘনত্ব বৃদ্ধি পাওয়ার সঠিক লক্ষণ এবং ডেঙ্গুর ভয়াবহতা তথা প্লাজমা লিকেজ নির্দেশ করে। B) Hematocrit কমে যায় — হেমাটোক্রিট কমে যাওয়া রক্তস্বল্পতা বা রক্তপাতের লক্ষণ, যা ডেঙ্গুর প্লাজমা লিকেজের বিপরীত পরিস্থিতি। C) Neutrophil বেড়ে যায় — নিউট্রোফিল সাধারণত ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশনের সময় বৃদ্ধি পায়, ডেঙ্গুর ভয়াবহতার প্রধান সূচক এটি নয়। D) Lymphocyte বেড়ে যায় — লিম্ফোসাইট সাধারণত ভাইরাল ইনফেকশনে পরিবর্তিত হয়, তবে এটি সরাসরি ডেঙ্গুর ভয়াবহতা বা প্লাজমা লিকেজ নির্ধারণ করে না। মনে রাখার টিপস: ডেঙ্গুতে রক্ত পানি হয়ে লিক হয়, তাই রক্ত ঘন হয়ে হেমাটোক্রিট বেড়ে যায়।
a Boiling
b Fumigation
c Autoclave
d Cidex Solution
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Autoclave কেন সঠিক: - অটোक्लेव উচ্চ তাপে জলীয় বাষ্প বা প্রেশার ব্যবহার করে জীবাণুনাশ করে, যা ব্যাকটেরিয়ার স্পোর ধ্বংস করতে সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি। - এই যন্ত্রে সাধারণত ১২১ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় ১৫ পিএসআই চাপে ১৫ মিনিট রেখে সব ধরনের স্পোরসহ জীবাণু পুরোপুরি ধ্বংস করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Boiling — সাধারণ ফুটন্ত পানি মাত্র ১০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা তৈরি করে, যা অনেক তাপসহিষ্ণু ব্যাকটেরিয়ার স্পোর ধ্বংস করতে পারে না। B) Fumigation — ফিউমিগেশন বা গ্যাসীয় পদ্ধতিতে বায়ুর জীবাণু দূর করা হয়, কিন্তু এটি গভীর ও শক্ত স্পোর পুরোপুরি ধ্বংসের জন্য যথেষ্ট নয়। C) Autoclave — এটি নিজেই সঠিক উত্তর, কারণ উচ্চ চাপ ও তাপের এই যন্ত্রটি স্পোর ধ্বংসের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ও নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি। D) Cidex Solution — এটি একটি রাসায়নিক তরল যা সাধারণত চিকিৎসাসরঞ্জাম জীবাণুমুক্ত করতে ব্যবহৃত হয়, তবে সব ধরনের স্পোর ধ্বংস করতে দীর্ঘ সময় ও বিশেষ শর্ত প্রয়োজন হয়। মনে রাখার টিপস: স্পোর মানেই চরম তাপ সহ্যকারী, তাই তাকে ধ্বংস করতে চাই চরম চাপ ও তাপযুক্ত অটোक्लेव।
a ১২০০ mg
b ২০০০ mg
c ৮০০ mg
d ১০০০ mg
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (জীববিজ্ঞান ও পুষ্টিবিজ্ঞান) সঠিক উত্তর: D) ১০০০ mg কেন সঠিক: - বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং পুষ্টি বিজ্ঞানীদের মতে প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের দৈনিক গড়ে ১০০০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম প্রয়োজন হয়। - হাড় ও দাঁতের গঠন মজবুত রাখতে এবং স্নায়ু ও পেশির সঠিক কার্যকারিতায় এই পরিমাণ ক্যালসিয়াম অপরিহার্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১২০০ mg — এটি সাধারণত গর্ভবতী নারী, স্তন্যদায়ী মা এবং ষাটোর্ধ্ব নারীদের দৈনিক ক্যালসিয়ামের চাহিদা, সাধারণ মানুষের জন্য নয়। B) ২০০০ mg — এটি প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের জন্য ক্যালসিয়ামের সর্বোচ্চ সহনশীল মাত্রা বা দৈনিক সর্বোচ্চ সীমার নির্দেশক। C) ৮০০ mg — এটি শিশুদের ক্ষেত্রে বা কিছু নির্দিষ্ট দেশের প্রাচীন পুষ্টি নির্দেশিকায় প্রযোজ্য হলেও বর্তমান মানদণ্ডে কম। D) ১০০০ mg — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং প্রাপ্তবয়স্ক সুস্থ মানুষের দৈনিক ক্যালসিয়ামের আদর্শ চাহিদা। মনে রাখার টিপস: প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের হাড়ের সুস্বাস্থ্যের জন্য প্রতিদিন ঠিক এক হাজার মিলিগ্রাম বা ১ গ্রাম ক্যালসিয়াম গ্রহণ করা উচিত।
a Inj Nalepsin
b Inj Phenytoin
c Inj Amikacyn
d Caprolysin
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সঠিক উত্তর: A) Inj Nalepsin কেন সঠিক: - 'Nalepsin' হলো ফেনিটয়েন সোডিয়াম জেনেরিক নামের একটি ব্র্যান্ড, যা মূলত মৃগীরোগ বা খিঁচুনি দমনে বহুল ব্যবহৃত হয়। - এটি মস্তিষ্কের অতিরিক্ত বা অস্বাভাবিক বৈদ্যুতিক কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ করে খিঁচুনি প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Inj Nalepsin — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি অ্যান্টিকনভালসেন্ট বা খিঁচুনি বিরোধী ওষুধ হিসেবে কাজ করে। B) Inj Phenytoin — এটি মূল জেনেরিক ওষুধ হলেও প্রশ্নে ব্র্যান্ড নাম হিসেবে 'Inj Nalepsin' নির্দিষ্ট করা হয়েছে, তাই এটি সরাসরি কাঙ্ক্ষিত উত্তর নয়। C) Inj Amikacyn — এটি একটি অ্যান্টিবায়োটিক যা ব্যাকটেরিয়াজনিত infections দমনে ব্যবহৃত হয়, খিঁচুনিতে নয়। D) Caprolysin — এটি কোনো স্বীকৃত অ্যান্টিকনভালসেন্ট ওষুধ নয়, বরং এটি একটি অপ্রাসঙ্গিক নাম। মনে রাখার টিপস: খিঁচুনি বা মৃগীরোগ দমনের জন্য ব্যবহৃত ফেনিটয়েন গ্রুপের ওষুধের পরিচিত ব্র্যান্ড নাম হলো ন্যালেপসিন।
a ভিওডেনাম
b জেজুনাম
c আপেন্ডিক্স
d ইলিয়াম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আপেন্ডিক্স কেন সঠিক: - মানবদেহের পরিপাকতন্ত্রের প্রধান অংশ ক্ষুদ্রান্ত্র এবং বৃহডান্ত্র, যার মধ্যে বৃহডান্ত্রের একটি প্রবর্ধিত অংশ হলো সিকাম এবং তার সাথেই আপেন্ডিক্স যুক্ত থাকে। - এটি মূলত বৃহডান্ত্রের সাথে সংযুক্ত একটি ক্ষুদ্র নলাকার অবশিষ্টাংশ যা মানবদেহে নিষ্ক্রিয় অঙ্গ হিসেবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভিওডেনাম — এটি ক্ষুদ্রান্ত্রের প্রথম অংশ, যা পাকস্থলীর ঠিক পরেই অবস্থান করে। B) জেজুনাম — এটি ক্ষুদ্রান্ত্রের মধ্যবর্তী অংশ, যা ভিওডেনাম ও ইলিয়ামের মাঝখানে থাকে। C) আপেন্ডিক্স — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে বৃহডান্ত্রের অংশ হিসেবে গণ্য। D) ইলিয়াম — এটি ক্ষুদ্রান্ত্রের সর্বশেষ ও দীর্ঘতম অংশ, যা বৃহডান্ত্রের সাথে যুক্ত হয়। মনে রাখার টিপস: ক্ষুদ্রান্ত্রের অংশ হলো ডিওডেনাম, জেজুনাম ও ইলিয়াম আর বৃহডান্ত্রের অংশ হলো সিকাম, কোলন, মলাশয় ও আপেন্ডিক্স।
a OCD
b IUCD
c Inj DMPA
d Implant
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: প্রদও সঠিক উত্তরটি ভুল। সঠিক উত্তর হবে ইমার্জেন্সি কন্ট্রাসেপ্টিভ পিল (ECP) হলো লেভোনরজেস্টেল জাতীয় হরমোন পিল, যা সাধারণত অপশনগুলোতে সরাসরি নেই। তবে প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে IUCD বা ইন্ট্রাউটেরিন কন্ট্রাসেপ্টিভ ডিভাইস জরুরি গর্ভনিরোধক হিসেবে ব্যবহার করা যায়, যা সহবাসের পাঁচ দিনের মধ্যে স্থাপন করতে হয়। সাধারণ জরুরি পিলের ক্ষেত্রে ইসিপি বা নির্দিষ্ট হরমোন পিল ব্যবহৃত হয়। কেন সঠিক: - ইমার্জেন্সি কন্ট্রাসেপ্টিভ পিল বা ইসিপি হলো এমন একটি ওষুধ যা অসুরক্ষিত মিলনের পর অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভধারণ রোধ করতে দ্রুত সেবন করা হয়। - কপার টি বা আইইউসিডি জরুরি গর্ভনিরোধক হিসেবে পাঁচ দিনের মধ্যে ব্যবহার করা যায়, যা ডিম্বাণু ও শুক্রাণুর মিলন বাধাগ্রস্ত করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) OCD — এটি অবসেসিভ কমপালসিভ ডিসঅর্ডার নামক একটি মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা, গর্ভনিরোধক পদ্ধতি নয়। B) IUCD — এটি ইন্ট্রাউটেরিন কন্ট্রাসেপ্টিভ ডিভাইস, যা জরায়ুতে স্থাপন করা হয় এবং এটি জরুরি গর্ভনিরোধক হিসেবেও কাজ করতে পারে। C) Inj DMPA — এটি তিন মাস মেয়াদী ইনজেকশনভিত্তিক গর্ভনিরোধক, যা জরুরি মুহূর্তে ব্যবহারের জন্য উপযুক্ত নয়। D) Implant — এটি চামড়ার নিচে স্থাপন করার দীর্ঘমেয়াদী গর্ভনিরোধক পদ্ধতি, যা তাৎক্ষণিক বা জরুরি গর্ভনিরোধক নয়। মনে রাখার টিপস: জরুরি গর্ভনিরোধক বা ইসিপি হলো তাৎক্ষণিক খাওয়ার পিল, আর আইইউসিডি হলো জরায়ুতে দীর্ঘমেয়াদী বা জরুরিভাবে স্থাপন করার পদ্ধতি।
a সায়ানোসিস
b জ্বর
c রক্তক্ষরণ
d বমি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সায়ানোসিস কেন সঠিক: - ফুসফুসে পর্যাপ্ত অক্সিজেন সরবরাহ না পেলে রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা কমে যায় এবং ত্বক বা ঠোঁট নীলচে বর্ণ ধারণ করে। - চিকিৎসাবিজ্ঞানে শ্বাসকষ্ট বা অক্সিজেন স্বল্পতার এই প্রকাশকে সায়ানোসিস বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সায়ানোসিস — এটি শ্বাসকষ্ট বা অক্সিজেন ঘাটতির সরাসরি শারীরিক লক্ষণ। B) জ্বর — এটি সাধারণত সংক্রমণ বা প্রদাহের লক্ষণ, যা সরাসরি শ্বাসকষ্টের নিশ্চিত নির্দেশক নয়। C) রক্তক্ষরণ — এটি রক্তনালীর আঘাত বা রক্তপাতের ফল, যার সাথে শ্বাসকষ্টের সরাসরি সম্পর্ক নেই। D) বমি — এটি পরিপাকতন্ত্রের সমস্যা বা বিষক্রিয়ার লক্ষণ, যা শ্বাসকষ্টের প্রধান চিহ্ন নয়। মনে রাখার টিপস: শ্বাসকষ্ট মানেই শরীরে অক্সিজেনের অভাব এবং ত্বক নীলচে হওয়া বা সায়ানোসিস।
a ০ - ১ মাস
b ১ মাস- ৫ বছর
c ০ - ১ বছর
d ১ থেকে ৫ বছর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ০ - ১ মাস কেন সঠিক: - চিকিৎসাবিজ্ঞান ও শিশু স্বাস্থ্য অনুযায়ী জন্মের পর থেকে প্রথম আটাশ দিন বা এক মাস পর্যন্ত সময়কালকে নিওনেট বা নবজাতক বলা হয়। - এই সময়ে শিশুর শারীরিক অঙ্গপ্রত্যঙ্গগুলো বাইরের পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ০ - ১ মাস — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সময়কালকেই চিকিৎসাশাস্ত্রে নিওনেট বা নবজাতক বলা হয়। B) ১ মাস- ৫ বছর — এটি নিওনেট বা নবজাতক কাল নয়, বরং এই সময়কালকে ইনফ্যান্ট বা শিশু বলা হয়। C) ০ - ১ বছর — এই সময়কালটি নবজাতক ও শিশু উভয়কেই অন্তর্ভুক্ত করে, যা এককভাবে নিওনেট বোঝায় না। D) ১ থেকে ৫ বছর — এই সময়কালকে টডলার বা শৈশবকাল বলা হয়, যা নিওনেট বা নবজাতকের সংজ্ঞাভুক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: নিওনেট মানে একদম নতুন জন্ম নেওয়া শিশু, তাই এর সময়কাল সবচেয়ে কম অর্থাৎ জন্ম থেকে মাত্র এক মাস।
a নিউরন
b নেফ্রন
c এন্টিওব্রাস্ট
d ফাইব্রোব্লাস্ট
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নেফ্রন কেন সঠিক: - নেফ্রন হলো মানবদেহের রেচনতন্ত্রের মূল অঙ্গ বৃক্ক বা কিডনির গঠনগত ও কার্যগত একক। - এটি রক্ত থেকে বর্জ্য পদার্থ ছেঁকে মূত্র তৈরি করতে সরাসরি ভূমিকা পালন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিউরন — এটি মানবদেহের স্নায়ুতন্ত্রের গঠনগত ও কার্যগত একক, বৃক্কের একক নয়। B) নেফ্রন — এটি সঠিক উত্তর, কারণ প্রতি কিডনিতে লক্ষাধিক নেফ্রন থাকে যা মূত্র উৎপাদনে কাজ করে। C) এন্টিওব্রাস্ট — এটি কোনো পরিচিত জৈবিক একক নয়, এটি একটি বিভ্রান্তিকর অপশন। D) ফাইব্রোব্লাস্ট — এটি যোজক কলার এক ধরনের কোষ যা কোলাজেন তৈরি করে, বৃক্কের একক নয়। মনে রাখার টিপস: কিডনি বা বৃক্কের নাম এবং এর একক নেফ্রন উভয় শব্দের শুরুতেই ন বর্ণটি আছে।
a Savlon
b Lysol
c Cidex
d Boiling
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Cidex কেন সঠিক: - ল্যাপারোস্কোপির মতো সংবেদনশীল ও প্লাস্টিক বা অপটিক্যাল যন্ত্রপাতি উচ্চ তাপমাত্রায় নষ্ট হয়ে যায়, তাই এগুলো জীবাণুমুক্ত করতে রাসায়নিক তরল পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। - সিডেক্স বা গ্লুটারালডিহাইড দ্রবণে ভিজিয়ে রেখে এসব যন্ত্রপাতির অণুজীব ও স্পোর ধ্বংস করা হয়, যা কোল্ড স্টেরিলাইজেশন নামে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Savlon — এটি সাধারণ কাটাছেঁড়া বা ত্বক পরিষ্কার করার কাজে ব্যবহৃত অ্যান্টিসেপটিক,surgical যন্ত্রপাতির উচ্চপর্যায়ের জীবাণুমুক্তকরণে এটি ব্যবহার করা হয় না। B) Lysol — এটি মূলত মেঝে, দেয়াল বা পরিবেশগত পৃষ্ঠতল পরিষ্কার এবং জীবাণুমুক্ত করার শক্তিশালী ডিসইনফেক্ট্যান্ট, যা সার্জিক্যাল যন্ত্রের জন্য উপযোগী নয়। C) Cidex — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এটি ল্যাপারোস্কোপ ও এন্ডোস্কোপের মতো সূক্ষ্ম যন্ত্রের জীবাণুমুক্ত করার জন্য বিশেষভাবে ব্যবহৃত রাসায়নিক তরল। D) Boiling — ফুটিয়ে জীবাণুমুক্ত করার পদ্ধতি সাধারণ মেটালের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হলেও প্লাস্টিক বা হিট-সেনসিটিভ ল্যাপারোস্কোপিক যন্ত্রের ক্ষেত্রে এটি অনুপযোগী। মনে রাখার টিপস: ল্যাপারোস্কোপ মানেই তাপ সংবেদনশীল ক্যামেরা, আর ক্যামেরা পরিষ্কার করতে লাগে সিডেক্স তরল।
a T.B
b Malaria
c Hepatitis
d Typhoid
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Hepatitis কেন সঠিক: - হেপাটাইটিস বি এবং সি ভাইরাস রক্ত সঞ্চালনের মাধ্যমে খুব সহজেই ছড়ায় এবং মানবদেহে দীর্ঘস্থায়ী যকৃতের রোগ সৃষ্টি করে। - রক্তদাতার শরীরে এই ভাইরাসের উপস্থিতি আছে কি না তা নিশ্চিত করতে রক্ত দেওয়ার আগে আবশ্যিকভাবে স্ক্রিনিং টেস্ট করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) T.B — এটি যক্ষ্মা রোগ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ যা মূলত ফুসফুসকে আক্রমণ করে এবং এটি সাধারণত রক্ত সঞ্চালনের মাধ্যমে ছড়ায় না। B) Malaria — এটি প্লাজমোডিয়াম পরজীবীঘটিত রোগ যা মশার কামড়ের মাধ্যমে ছড়ায়, তাই এটি রক্তের সাধারণ স্ক্রিনিং পরীক্ষার মূল লক্ষ্য নয়। C) Hepatitis — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ হেপাটাইটিস ভাইরাস রক্তের মাধ্যমে অত্যন্ত দ্রুত সংক্রমিত হয়। D) Typhoid — এটি সালমোনেলা ব্যাকটেরিয়াজনিত পেটের রোগ যা দূষিত পানি ও খাবারের মাধ্যমে ছড়ায়। মনে রাখার টিপস: রক্তদানের সময় প্রধানত হেপাটাইটিস এবং এইচআইভি এর মতো রক্তবাহিত মারাত্মক ভাইরাসের জন্যই স্ক্রিনিং টেস্ট করা হয়।
a ১৮-৪৫ বছর
b ১৮-৬০ বছর
c ১৮-৫৭ বছর
d ১৮-৭০ বছর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৮-৫৭ বছর কেন সঠিক: - বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং নিরাপদ রক্তদান নির্দেশিকা অনুযায়ী সাধারণ সুস্থ মানুষের রক্তদানের আদর্শ বয়স সীমা আঠারো থেকে সাতান্ন বছর নির্ধারিত আছে। - এই বয়সের একজন সুস্থ মানুষের শারীরিক সক্ষমতা ও রক্তের হিমোগ্লোবিনের মাত্রা রক্তদানের জন্য উপযুক্ত থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৮-৪৫ বছর — এই বয়সসীমা রক্তদানের জন্য অত্যন্ত কম ধরা হয় এবং এটি সঠিক মানদণ্ড নয়। B) ১৮-৬০ বছর — সাধারণ নিরাপদ রক্তদানের আদর্শ সর্বোচ্চ বয়সসীমা সাধারণত ষাট বছর পর্যন্ত ধরা হয় না। D) ১৮-৭০ বছর — সত্তর বছর বয়স রক্তদানের জন্য অনেক বেশি এবং তা স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে। মনে রাখার টিপস: রক্তদানের বয়স মনে রাখতে আঠারো থেকে শুরু করে সাতান্ন বছর পর্যন্ত এই মানদণ্ডটি মনে রাখতে হবে।