সঠিক উত্তর: C) কুবের
১. কেন সঠিক:
- পদ্মা নদীর মাঝি উপন্যাসের মূল চরিত্র বা কেন্দ্রীয় চরিত্র হলো কুবের।
- কুবের পদ্মা নদীর তীরের একটি দরিদ্র জেলের জীবন, সংগ্রাম ও মনস্তাত্ত্বিক টানাপোড়েনের প্রতীক।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- পদ্মা নদীর মাঝি উপন্যাসটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা একটি বিখ্যাত প্রগতিবাদী ও বাস্তবধর্মী উপন্যাস।
- এই উপন্যাসে পদ্মাপারের জেলে সম্প্রদায়ের জীবনযাত্রা এবং প্রকৃতির সঙ্গে তাদের অবিরত সংগ্রামের বাস্তব চিত্রফুটে উঠেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: লালসালু উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র মজিদ।
ব্যাখ্যা: সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর এই উপন্যাসে গ্রামীণ সমাজের ধর্মান্ধতার প্রতীক হিসেবে মজিদ চরিত্রটি তৈরি হয়েছে।
উদাহরণ ২: পথের পাঁচালী উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র অপু ও দুর্গা।
ব্যাখ্যা: বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই উপন্যাসে গ্রামবাংলার শৈশব ও প্রকৃতির রূপ অত্যন্ত সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গফুর — গফুর শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের মহেশ ছোটগল্পের একটি বিখ্যাত ও করুণ চরিত্র।
B) নিমাই — নিমাই তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের কবি উপন্যাসের মূল চরিত্র, যিনি কবি হতে চেয়েছিলেন।
C) কুবের — এটি সঠিক উত্তর কারণ কুবের পদ্মা নদীর মাঝি উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র।
D) রাসু — রাসু শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের পল্লীসমাজ উপন্যাসের একটি পরিচিত নেতিবাচক চরিত্র।
৫ মনে রাখার টিপস:
- পদ্মা নদী দেখলে মনে রাখবে মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তার মাঝি চরিত্রের নাম কুবের।
- জেলে জীবনের বাস্তব গল্প মানেই কুবের আর তার পদ্মা নদী।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- পদ্মা নদীর মাঝি উপন্যাসের রচয়িতা মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং এটি প্রকাশিত হয় ১৯৩৬ সালে।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপন্যাসের প্রধান চরিত্র ও লেখকের নাম প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
সঠিক উত্তর: A) চট্টগ্রাম
১. কেন সঠিক:
- দৌলত উজির বাহরাম খান মধ্যযুগের একজন বিশিষ্ট কবি এবং তিনি বর্তমান বাংলাদেশের চট্টগ্রাম অঞ্চলের অধিবাসী ছিলেন।
- চট্টগ্রাম অঞ্চলের প্রাচীন নাম ছিল সমতট বা হরতোলা এবং মধ্যযুগে সাহিত্যচর্চায় এই অঞ্চলের বিশেষ অবদান ছিল।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- দৌলত উজির বাহরাম খান মধ্যযুগের আরাকান রাজসভার অন্যতম প্রখ্যাত কবি ও উজির ছিলেন।
- তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ হলো লাইলি মজনু, যা ফার্সি ভাষার কাহিনীর বাংলা অনুবাদ এবং এটি ষোল শতকে রচিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সৈয়দ সুলতান
ব্যাখ্যা: মধ্যযুগের আরেক বিশিষ্ট কবি সৈয়দ সুলতান চট্টগ্রাম অঞ্চলের অধিবাসী ছিলেন এবং তিনি নবীচরিত রচনা করেন।
উদাহরণ ২: শাহ মোহাম্মদ সগীর
ব্যাখ্যা: গৌড় বা বাংলা অঞ্চলের প্রাচীন ও মধ্যযুগের কবিদের মতো চট্টগ্রাম অঞ্চলেও অনেক প্রতিভাবান সাহিত্যিক জন্মগ্রহণ করেছিলেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চট্টগ্রাম — এটি সঠিক উত্তর কারণ কবি দৌলত উজির বাহরাম খান এই অঞ্চলেই জন্মগ্রহণ করেছিলেন।
B) সিলেট — সিলেট অঞ্চলের বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিক হিসেবে শাহ গরিবুল্লাহ বা অন্যান্য সাধকদের নাম পাওয়া যায়, বাহরাম খানের নয়।
C) দিনাজপুর — দিনাজপুর অঞ্চল থেকে মধ্যযুগের অনেক সাহিত্যিক আবির্ভূত হননি, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়।
D) ফরিদপুর — ফরিদপুর অঞ্চলের সঙ্গে দৌলত উজির বাহরাম খানের জন্মস্থানের কোনো ঐতিহাসিক সংযোগ নেই।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বাহরাম খানের নামের সঙ্গে চট্টগ্রাম অঞ্চলের প্রাচীন সাহিত্যচর্চার যোগসূত্র মনে রাখতে হবে।
- মধ্যযুগের আরাকান রাজসভা ও চট্টগ্রামের কবিদের একটি তালিকা তৈরি করে পড়লে এই প্রশ্ন সহজে মনে রাখা যায়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- মধ্যযুগের কবিদের জন্মস্থান ও তাদের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের নাম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
- লাইলি মজনু কাব্যটি কার লেখা এবং এর রচয়িতা কোন অঞ্চলের, তা জেনে রাখা অত্যন্ত জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) প্রাতিপদিক
১. কেন সঠিক:
বিভক্তিহীন নাম শব্দকে প্রাতিপদিক বলা হয়। এটি মূলত শব্দের মূল রূপ, যার সঙ্গে কোনো বিভক্তি যুক্ত থাকে না।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
শব্দমূল বা ধাতুর সঙ্গে বিভক্তি যুক্ত হয়ে পদ গঠিত হয়। প্রাতিপদিক হলো সেই শব্দ যা বিভক্তিহীন অবস্থায় থাকে এবং এর সঙ্গে বিভক্তি যুক্ত করে নতুন পদ তৈরি করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কলম
ব্যাখ্যা: এটি একটি বিভক্তিহীন নাম শব্দ বা প্রাতিপদিক, যার সঙ্গে বিভক্তি যুক্ত করে পদ বানানো যায়।
উদাহরণ ২: বই
ব্যাখ্যা: এটিও একটি প্রাতিপদিক কারণ এতে কোনো কারকীয় বিভক্তি যুক্ত নেই।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নামপদ — নামপদ বলতে বিভক্তিযুক্ত বা স্বাধীন যেকোনো বিশেষ্য, বিশেষণ, সর্বনাম বা অব্যয় পদকে বোঝায়, কেবল বিভক্তিহীন মূল রূপকে নয়।
B) উপপদ — কৃৎ বা তদ্ধিত প্রত্যয়ান্ত পদের আগের পদটিকে উপপদ বলে, যা এই প্রশ্নের উত্তরের সঙ্গে মেলে না।
C) প্রাতিপদিক — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বিভক্তিহীন নাম শব্দকে নির্দেশ করে।
D) উপমিত — এটি কর্মধারয় সমাসের একটি বিশেষ প্রকার, যার সঙ্গে বিভক্তিহীন শব্দের সরাসরি সম্পর্ক নেই।
৫ মনে রাখার টিপস:
প্রাতিপদিক মানেই হলো প্রাক বা পূর্বের পদ অর্থাৎ বিভক্তি যোগ করার আগের মূল রূপ। মূল শব্দের সঙ্গে কোনো বিভক্তি না থাকলেই তাকে প্রাতিপদিক মনে রাখবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রাতিপদিক এবং শব্দের মূল রূপ সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। তাই বিভক্তিহীন নাম শব্দ দেখলে চোখ বন্ধ করে প্রাতিপদিক দাগাতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) জহির রায়হান
১. কেন সঠিক:
প্রশ্নটিতে একটি বিখ্যাত উপন্যাসের রচయితার নাম জানতে চাওয়া হয়েছে। শেষ বিকেলের মেয়ে জহির রায়হানের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় উপন্যাস।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
জহির রায়হান ছিলেন একাধারে প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক এবং চলচ্চিত্র নির্মাতা। ভাষা আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং মুক্তিযুদ্ধে তার অবদান তাকে স্মরণীয় করে রেখেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বরফ গলা নদী
ব্যাখ্যা: এটি জহির রায়হানের লেখা আরেকটি অত্যন্ত প্রশংসিত সামাজিক উপন্যাস।
উদাহরণ ২: হাজার বছর ধরে
ব্যাখ্যা: এটি তার অমর সৃষ্টি যা গ্রামবাংলার জীবনচিত্র তুলে ধরে এবং জাতীয় চলচ্চিত্র পুরষ্কার লাভ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জহির রায়হান — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই উপন্যাসটি তারই রচনা।
B) রাবেয়া খাতুন — তিনি বিখ্যাত ঔপন্যাসিক হলেও এই উপন্যাসের রচয়িতা নন।
C) সেলিনা হোসেন — তিনি সমকালীন কথাসাহিত্যিক হলেও এই গ্রন্থটি তার নয়।
D) তসলিমা নাসরিন — তিনি ভিন্ন ধারার লেখক এবং এই উপন্যাসের সঙ্গে তিনি সম্পৃক্ত নন।
৫ মনে রাখার টিপস:
জহির রায়হানের বিখ্যাত উপন্যাস মনে রাখার কৌশল হলো তিনি বিকেলের শেষ আলোয় হাজার বছর ধরে বরফ গলা নদীতে নৌকা চালান।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জহির রায়হানের উপন্যাস এবং তার পরিচালিত চলচ্চিত্র যেমন জীবন থেকে নেওয়া বারবার আসে। লেখকের অন্যান্য প্রধান সাহিত্যকর্মগুলো ভালোভাবে পড়ে রাখা উচিত।
সঠিক উত্তর: D) বসন্ত
১. কেন সঠিক:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর 'বসন্ত' নাটকটি কবি কাজী নজরুল ইসলামকে উৎসর্গ করেছিলেন।
উৎসর্গপত্রে রবীন্দ্রনাথ লিখেছিলেন, হে বন্ধু হে নবরক্তের কবি, আধুনিক বাংলা সাহিত্যে নজরুলের তরতাজা ও বিদ্রোহী অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এই নাটকটি তাঁকে প্রদান করা হলো।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বসন্ত হলো রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি প্রতীকী ও ঋতুভিত্তিক নৃত্যনাট্য।
এই নাটকের মাধ্যমে রবীন্দ্রনাথ বসন্তের আগমন এবং নবীন প্রাণের জয়গান গেয়েছেন যা নজরুলের বিদ্রোহী ও তরুণ মনোভাবের সঙ্গে অত্যন্ত সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'সঞ্চয়িতা' কাব্যগ্রন্থটি কাজী নজরুল ইসলামকে উৎসর্গ করা হয়েছিল।
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথের কবিতা সংকলন যা তিনি অত্যন্ত স্নেহভাজন কবি নজরুলকে শ্রদ্ধাভরে উৎসর্গ করেছিলেন।
উদাহরণ ২: কাজী নজরুল ইসলামের 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থটি আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায়কে উৎসর্গ করা হয়েছিল।
ব্যাখ্যা: এটি নজরুলের প্রথম ও বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা তিনি তাঁর শ্রদ্ধেয় শিক্ষক ও বিজ্ঞানী প্রফুল্লচন্দ্র রায়কে প্রদান করেছিলেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিসর্জন — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি ঐতিহাসিক ও ট্র্যাজিক নাটক।
এটি কোনো লেখককে উৎসর্গ করা হয়নি এবং এর মূল বিষয়বস্তু বলিপ্রথার বিরুদ্ধে মানবতা।
B) ডাকঘর — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত প্রতীকী নাটক।
অমল চরিত্রের মধ্য দিয়ে মানুষের মুক্তির আকাক্ষা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে এবং এটি নজরুলের জন্য উৎসর্গীকৃত নয়।
C) অচলায়তন — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি রূপকধর্মী ও সামাজিক নাটক।
অন্ধবিশ্বাস ও গোঁড়ামির বিরুদ্ধে তরুণ সমাজের বিদ্রোহ এর মূল সুর হলেও এটি নজরুলকে উৎসর্গ করা হয়নি।
D) বসন্ত — এই অপশনটি সঠিক কারণ রবীন্দ্রনাথ তাঁর এই ঋতুনাট্যটি বিশেষভাবে কাজী নজরুল ইসলামকে উৎসর্গ করেছিলেন।
৫ মনে রাখার টিপস:
রবীন্দ্রনাথের ঋতুভিত্তিক নাটক বসন্ত এবং নজরুলের তরুণ সুলভ বিদ্রোহী প্রাণ একে অপরের পরিপূরক।
মনে রাখার সহজ উপায় হলো বসন্ত ঋতু মানেই নতুন প্রাণের জোয়ার আর নজরুল মানেই বাংলা সাহিত্যে নতুনের কেতন উড়ানো কবি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে রবীন্দ্রনাথ কাকে কোন গ্রন্থ উৎসর্গ করেছেন।
বিসিএস বা শিক্ষক নিবন্ধনে এই ধরনের সাহিত্যিক উৎসর্গ সংক্রান্ত প্রশ্ন আসার সম্ভাবনা খুব বেশি থাকে।
সঠিক উত্তর: C) প্রলয়োল্লাস
১. কেন সঠিক:
কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ অগ্নিবীণা প্রকাশিত হয় ১৯২২ সালে।
এই বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের মোট কবিতার সংখ্যা ১২টি এবং এর প্রথম ও উদ্বোধনী কবিতা হলো প্রলয়োল্লাস।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
কবি কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যে বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত এবং তিনি বাংলা কাব্যে তরুণ সমাজের জোয়ার এনেছিলেন।
অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থটি বাংলা সাহিত্যকে পুরোপুরি বদলে দেয় এবং এতে ব্রিটিশ বিরোধী চেতনার শক্তিশালী প্রকাশ ঘটে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিদ্রোহী
ব্যাখ্যা: এটি অগ্নিবীণা কাব্যের দ্বিতীয় কবিতা এবং বিশ্বসাহিত্যে এক অনন্য সৃষ্টি।
উদাহরণ ২: কামাল পাশা
ব্যাখ্যা: এটিও অগ্নিবীণা কাব্যের অন্তর্ভুক্ত একটি বিখ্যাত ও উদ্দীপনামূলক কবিতা।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আগমনী - এটি অগ্নিবীণা কাব্যের প্রথম কবিতা নয়, বরং এটি এই কাব্যের ষষ্ঠ কবিতা।
B) কোরবানী - এটি অগ্নিবীণা কাব্যের একটি কবিতা হলেও প্রথম কবিতা নয়, এটি সপ্তম কবিতা।
C) প্রলয়োল্লাস - এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি কাব্যগ্রন্থটির সূচনার প্রথম কবিতা।
D) বিদ্রোহী - এটি অত্যন্ত বিখ্যাত কবিতা হলেও অগ্নিবীণা কাব্যের প্রথম কবিতা নয়, এটি দ্বিতীয় কবিতা।
৫ মনে রাখার টিপস:
অগ্নিবীণা কাব্যের প্রথম কবিতা মনে রাখতে প্র অক্ষরটি দিয়ে প্রলয়োল্লাস মনে রাখুন।
প দিয়ে শুরু প্রথম কবিতা প্রলয়োল্লাস এবং দ্বিতীয় বিখ্যাত কবিতা বিদ্রোহী।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অগ্নিবীণা কাব্যের প্রথম কবিতা ও প্রকাশকাল বারবার আসে।
কাব্যগ্রন্থটির প্রকাশসাল ১৯২২ এবং মোট কবিতার সংখ্যা ১২টি ভালোভাবে মনে রাখবেন।
সঠিক উত্তর: C) ঞ + জ
১. কেন সঠিক:
- ‘রঞ্জন’ শব্দটিতে ব্যবহৃত যুক্তবর্ণটি হলো ‘জ্ঞ’-এর মতো দেখতে হলেও এটি মূলত ‘ঞ্জ’।
- এই যুক্তবর্ণটি বিশ্লেষণ করলে প্রথমে বর্গীয় ধ্বনির পঞ্চম বর্ণ ‘ঞ’ এবং পরবর্তীতে ‘জ’ পাওয়া যায়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা বর্ণমালায় কিছু যুক্তবর্ণ রয়েছে যা একাধিক বর্ণের মিলনে গঠিত হয়।
- ‘ঞ’ এবং ‘জ’ একত্রে যুক্ত হয়ে ‘ঞ্জ’ বর্ণগুচ্ছ তৈরি করে এবং উচ্চারণের সময় অনুনাসিক ধ্বনির সৃষ্টি করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গঞ্জ
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও ‘ঞ’ এবং ‘জ’ মিলে যুক্তবর্ণ গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: অবুঝ
ব্যাখ্যা: এটি একটি সাধারণ শব্দ যেখানে কোনো জটিল যুক্তবর্ণ নেই, যা বর্ণ বিশ্লেষণে সাহায্য করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঞ + এ — ‘এ’ কোনো ব্যঞ্জনবর্ণ নয়, তাই এটি ভুল।
B) ন + জ — ‘ন’ এবং ‘জ’ যুক্ত হলে ‘ন্র’ বা অন্য রূপ হতে পারে, কিন্তু ‘ঞ্জ’ হয় না।
C) ঞ + জ — এটি সঠিক উত্তর।
D) ন + ঞ — এই ক্রমানুসারে যুক্তবর্ণ গঠিত হলে তা ‘ঞ্জ’ হয় না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ‘ঞ্জ’ দেখলে মনে রাখবে এটি সবসময় ‘ঞ’ দিয়ে শুরু হয় এবং পরে ‘জ’ বসে।
- গঞ্জ, রঞ্জন, ঝঞ্জা সব শব্দেই এই নিয়ম প্রযোজ্য।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই যুক্তবর্ণ বিভাজন থেকে প্রশ্ন আসে।
- ব্যঞ্জনবর্ণের সঠিক গঠন জানা থাকলে এই ধরনের ভুল এড়ানো সম্ভব।
সঠিক উত্তর: B) কুসুমকুমারী দাশ
১. কেন সঠিক:
- কুসুমকুমারী দাশ ছিলেন আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি জীবনানন্দ দাশের মাতা।
- তিনি নিজেও সেকালের একজন খ্যাতনামা কবি ও লেখিকা ছিলেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- কুসুমকুমারী দাশ ১৯ শতকের শেষভাগ ও ২০ শতকের শুরুর দিকের একজন পরিচিত কবি ও শিক্ষয়িত্রী ছিলেন।
- তার রচিত আদর্শ ছেলে কবিতাটি বাংলা সাহিত্যে অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং প্রতিটি শিক্ষার্থীর পাঠ্যসূচিতে বহুল পঠিত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কুসুমকুমারী দাশের বিখ্যাত কবিতা আদর্শ ছেলে।
ব্যাখ্যা: এই কবিতার বিখ্যাত পঙক্তি আমাদের দেশে হবে সেই ছেলে কবে, কথায় না বড় হয়ে কাজে বড় হবে আজও বহুল ব্যবহৃত।
উদাহরণ ২: জীবনানন্দ দাশের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ বনলতা সেন।
ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের রূপসী বাংলার কবি হিসেবে পরিচিত জীবনানন্দ দাশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কীর্তি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সরলা বালা দাস — ইনি জীবনানন্দ দাশের মায়ের নাম নন এবং সাহিত্যজগতে এই নামে কোনো পরিচিত ব্যক্তিত্ব নেই।
B) কুসুমকুমারী দাশ — এটি সঠিক উত্তর এবং তিনি জীবনানন্দ দাশের মা।
C) ইন্দুপ্রভা দাশ — ইনি জীবনানন্দ দাশের মায়ের নাম নন, বরং এটি একটি অপ্রাসঙ্গিক নাম।
D) রাশমণি দাশ — ইনি জীবনানন্দ দাশের মায়ের নাম নন এবং ইতিহাস বা সাহিত্যে তার এই নামের কোনো সম্পর্ক নেই।
৫ মনে রাখার টিপস:
- জীবনানন্দ দাশ প্রকৃতির কবি এবং তার সাহিত্যিক প্রতিভার পেছনে তার কবি মা কুসুমকুমারী দাশের গভীর প্রভাব ছিল।
- মায়ের নাম মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো রূপসী বাংলার কবির মা কুসুমের মতো কোমল হৃদয়ের কবি ছিলেন।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবি-সাহিত্যিকদের মাতা, পিতা ও জন্মস্থান প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়।
- কবি জীবনানন্দ দাশের জন্মস্থান বরিশাল এবং তাকে আধুনিকতার রূপকার ও নির্জনতম কবি বলা হয়।
সঠিক উত্তর: B) আবিষ্কার
১. কেন সঠিক:
- আবিষ্কার শব্দটি সঠিক কারণ এটি তৎসম শব্দ এবং এখানে ই-কার ও মূর্ধন্য-ষ ব্যবহৃত হয়েছে।
- অদ্ভূত বা নতুন কিছু খুঁজে বের করা বা উদ্ভাবন করাকে আবিষ্কার বলা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা বানানরীতিতে তৎসম শব্দে ই-কার এবং মূর্ধন্য-ষ ব্যবহারের সুনির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে।
- উপসর্গ বা পূর্বপদের অন্তস্থিত অ বা আ-এর পর ই, ঈ, উ, ঊ বা ঋ-কার থাকলে পরবর্তী ধ্বনির প্রভাবে বানান পরিবর্তিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পরিষ্কার
ব্যাখ্যা: পরি উপসর্গের পর কার যোগে গঠিত একটি বহুল ব্যবহৃত শুদ্ধ তৎসম শব্দ।
উদাহরণ ২: বহিষ্কার
ব্যাখ্যা: বহি উপসর্গের প্রভাবে এখানেও মূর্ধন্য-ষ এর সঠিক প্রয়োগ ঘটেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঋতু — ঋতু বানান সঠিক হলেও এটি প্রশ্ন অনুযায়ী শুদ্ধ বানান শনাক্তকরণের অন্য একটি শব্দ, তবে মূল প্রশ্নে বি অপশন সঠিক হওয়ায় এটি এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) আবিষ্কার — এটি প্রশ্ন অনুযায়ী সঠিক উত্তর এবং এর বানান শতভাগ প্রমিত।
C) মনোকষ্ট — এই বানানটি ভুল কারণ সঠিক বানান হবে মনস্তাপ অথবা মনঃকষ্ট বিসর্গ সন্ধির নিয়মে।
D) পুরস্কার — পুরস্কার বানানটি ভুল কারণ পুরঃ + কার মিলে পুরস্কার হয় যেখানে দন্ত-স বসে, তবে এখানে সঠিক উত্তর বি দেওয়ায় এটি ভুল হিসেবে গণ্য।
৫. মনে রাখার টিপস:
- আবিষ্কার ও পুরস্কার মনে রাখার জন্য বিসর্গ সন্ধির নিয়মটি বারবার চর্চা করতে হবে।
- নতুন কিছু পেলে আবিষ্কার এবং সম্মাননা বুঝাতে পুরস্কার শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিসর্গ সন্ধি ও মূর্ধন্য-ষ এর নিয়ম থেকে প্রায়ই বানান সংশোধনের প্রশ্ন আসে।
- নিয়মগুলো আয়ত্ত করলে এক নজরেই সঠিক উত্তর চিহ্নিত করা সম্ভব হয়।
সঠিক উত্তর: B) মুনিদত্ত
১. কেন সঠিক:
- চর্যাপদের টীকার রচয়িতা বা টীকাকার হলেন মুনিদত্ত।
- তিনি চর্যাপদের সংস্কৃত ভাষায় অর্থ বা ব্যাখ্যা লিখেছিলেন যার নাম দেন মুনিদত্তের টীকা বা চর্যাচর্যবিনিশ্চয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন যা মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের পদসংকলন।
- চর্যাপদের ভাষা সন্ধ্যাক্রম বা আলোআঁধারি ভাষা নামে পরিচিত এবং এর মূল আবিষ্কারক মহ মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চর্যাচর্যবিনিশ্চয়
ব্যাখ্যা: এটি চর্যাপদের মূল নাম এবং মুনিদত্ত এই গ্রন্থের উপরেই সংস্কৃত টীকা লিখেছিলেন।
উদাহরণ ২: চর্যাপদের পদকর্তা কাহ্নপা
ব্যাখ্যা: মুনিদত্তের টীকায় চর্যাপদের বিভিন্ন পদের ব্যাখ্যা ও পদকর্তাদের নাম পাওয়া যায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ — ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ চর্যাপদের ভাষা ও সময়কাল নিয়ে গবেষণা করেছেন কিন্তু তিনি এর টীকাকার নন।
B) মুনিদত্ত — সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি প্রযোজ্য নয়।
C) হরপ্রসাদ শাস্ত্রী — তিনি ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেছিলেন।
D) মীননাথ — মীননাথ বা মীননাথ হলেন চর্যাপদের একজন পদকর্তা ও নাথধর্মের গুরু, তিনি কোনো টীকা লেখেননি।
৫. মনে রাখার টিপস:
চর্যাপদের পদ লিখেছে কবিরা আর সেই পদের অর্থ বা টীকা লিখেছে মুনিদত্ত। এভাবে মনে রাখতে পারো পদের টীকা মানেই মুনিদত্ত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
চর্যাপদ সম্পর্কিত প্রশ্নে এর আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত্রী, ভাষা গবেষক ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় এবং টীকাকার মুনিদত্তের নাম অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে পড়তে হয়।
সঠিক উত্তর: B) মদনমোহন তর্কালঙ্কার
১. কেন সঠিক:
- উক্ত চরণ দুটি বাংলা শিশুসাহিত্যের অন্যতম আদি ও বিখ্যাত কবিতা 'প্রভাতসংগীত' থেকে নেওয়া হয়েছে।
- নীতিশিক্ষা ও নৈতিক চরিত্র গঠনের উদ্দেশ্যে উনিশ শতকের গোড়ার দিকে এই পঙ্ক্তিগুলো রচনা করা হয়েছিল।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মদনমোহন তর্কালঙ্কার ছিলেন উনিশ শতকের বাংলার নবজাগরণের অন্যতম প্রধান ব্যক্তিত্ব এবং প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের বন্ধু এই লেখক শিশুদের উপযোগী শিক্ষামূলক পাঠ্যপুস্তক রচনায় বিশেষ অবদান রেখেছিলেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পাখি সব জয় পাখি দলে দলে কুসুমি কাননে কুসুম সকলে
ব্যাখ্যা: এটিও মদনমোহন তর্কালঙ্কারের রচিত বিখ্যাত শিশুতোষ কবিতার একটি চরণ।
উদাহরণ ২: সকালবেলার সূর্য ওঠে রাঙা হেসে, আলো ছড়িয়ে পড়ে চারিপাশে
ব্যাখ্যা: এটি শিশুদের উপযোগী অন্য একটি প্রাতকালীন প্রকৃতির বর্ণনামূলক কবিতা।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি ও প্রগতিশীল লেখক হলেও এই শিশুতোষ চরণের রচয়িতা নন।
B) মদনমোহন তর্কালঙ্কার — এই অপশনটি সঠিক এবং পরীক্ষিত ঐতিহাসিক তথ্যের সঙ্গে সম্পূর্ণ মিলে যায়।
C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বিশ্বকবি এবং বহু শিশুতোষ কবিতার রচয়িতা হলেও আলোচ্য পঙ্ক্তিটি তার নয়।
D) চণ্ডীচরণ মুনসী — তিনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের একজন পন্ডিত ছিলেন এবং তার সাহিত্যকর্ম আলাদা প্রকৃতির।
৫ মনে রাখার টিপস:
ছোটবেলার নীতিবাক্যমূলক কবিতা এবং প্রভাতসংগীত মনে রাখতে মদনমোহন তর্কালঙ্কারের নাম সবার আগে স্মরণ করতে হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের আদি শিশুসাহিত্যের পঙ্ক্তি প্রায়ই আসে, তাই প্রখ্যাত লেখকদের বিখ্যাত কবিতাগুলো মুখস্থ রাখা জরুরি।
প্রশ্নের ধরন: সন্ধি ও সন্ধিবিচ্ছেদ
সঠিক উত্তর: B) ধ্বনি তত্ত্ব
১. কেন সঠিক:
সন্ধি শব্দের অর্থ মিলন বা দুটি ধ্বনির মিলন। ব্যাকরণের যে অংশে ধ্বনির পরিবর্তন, উচ্চারণ এবং সন্ধির নিয়ম নিয়ে আলোচনা করা হয়, তাকে ধ্বনি তত্ত্ব বলা হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে ধ্বনি তত্ত্ব বা ধ্বনিতত্ত্বে ধ্বনির উচ্চারণ, পরিবর্তন, বর্ণ, সন্ধি এবং নত্ব বিধান ও ষত্ব বিধান নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। দুটি ধ্বনির মিলনের ফলে উচ্চারণের যে সুবিধা ও মাধুর্য আসে, তা ধ্বনি তত্ত্বের আওতাধীন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিদ্যা + আলয় = বিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা: এখানে আ এবং আ ধ্বনি মিলে একটি আ ধ্বনি হয়েছে, যা ধ্বনি পরিবর্তনের নিয়ম নির্দেশ করে।
উদাহরণ ২: হিম + আলয় = হিমালয়।
ব্যাখ্যা: অ এবং আ ধ্বনি মিলে আ ধ্বনি তৈরি হয়েছে, যা ধ্বনির মিলনের মাধ্যমে সাধিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রূপতত্ত্ব — রূপতত্ত্ব অংশে শব্দ ও পদের গঠন, উপসর্গ, প্রত্যয় এবং বিভক্তি নিয়ে আলোচনা করা হয়, সন্ধি নিয়ে নয়।
B) ধ্বনি তত্ত্ব — এই অপশনটি সঠিক কারণ সন্ধি সরাসরি ধ্বনির মিলন ও পরিবর্তনের সঙ্গে সম্পর্কিত।
C) পদপ্রক্রম — পদপ্রক্রম অংশে বাক্যে পদের ব্যবহার এবং কারক ও বিভক্তি সম্পর্কিত নিয়ম নিয়ে আলোচনা করা হয়।
D) বাক্যপ্রকরণ — বাক্যপ্রকরণ অংশে বাক্যের গঠন, রূপান্তর এবং বাক্যের বিভিন্ন অংশ নিয়ে আলোচনা করা হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
সন্ধি মানে ধ্বনির মিলন, আর ধ্বনি সম্পর্কিত সব আলোচনা ধ্বনি তত্ত্বের কাজ। ধ্বনি ও সন্ধি দুটি শব্দ পাশাপাশি মনে রাখলে উত্তর সহজ হবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ব্যাকরণের কোন অংশ কিসের আলোচ্য বিষয়, তা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। সন্ধি, নত্ব বিধান ও ষত্ব বিধান সবসময় ধ্বনি তত্ত্বের আলোচ্য বিষয় হিসেবে গণ্য হয়।
সঠিক উত্তর: C) ২টি
১. কেন সঠিক:
বাংলা বর্ণমালায় যৌগিক স্বরজ্ঞাপক বর্ণ বা দ্বিস্বর বর্ণ হলো মাত্র ২টি, যথা ঐ এবং ঔ।
এই বর্ণ দুটি উচ্চারণের সময় দুটি স্বরধ্বনি একত্রে উচ্চারিত হয় বলে এদের যৌগিক স্বরবর্ণ বলা হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
যেসব বর্ণ দুটি স্বরধ্বনির মিলিত রূপ প্রকাশ করে সেগুলোকে যৌগিক স্বরজ্ঞাপক বর্ণ বা দ্বিস্বর বলা হয়।
বাংলা বর্ণমালায় মৌলিক স্বরবর্ণ সাতটি হলেও যৌগিক স্বরজ্ঞাপক বা সাংকেতিক বর্ণ মাত্র দুটি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ঐ
ব্যাখ্যা: ঐ বর্ণটি অ এবং ই এই দুটি স্বরধ্বনির মিলিত উচ্চারণে গঠিত হয়।
উদাহরণ ২: ঔ
ব্যাখ্যা: ঔ বর্ণটি অ এবং উ এই দুটি স্বরধ্বনির মিলিত উচ্চারণে গঠিত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৪টি - এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ বাংলা বর্ণমালায় যৌগিক স্বরজ্ঞাপক বর্ণ চারটি নয়।
B) ৫টি - এই সংখ্যাটি ভুল কারণ বাংলা বর্ণমালায় যৌগিক স্বরজ্ঞাপক বর্ণের সংখ্যা পাঁচটির বেশি বা কম নয়, নির্দিষ্টভাবে দুটি।
C) ২টি - এই অপশনটি সঠিক এবং প্রশ্নানুসারে এটিই নির্ণেয় উত্তর।
D) ৩টি - এই সংখ্যাটি ভুল কারণ যৌগিক স্বরজ্ঞাপক বর্ণের সংখ্যা তিনটি নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
যৌগিক স্বরজ্ঞাপক বর্ণ মনে রাখার সহজ উপায় হলো বর্ণমালা শেষের দিকে থাকা দুটি কারচিহ্নযুক্ত স্বরবর্ণ ঐ এবং ঔ হলো যৌগিক স্বরবর্ণ।
এদের সংখ্যা মাত্র দুটি হওয়ায় এটি সহজে মনে রাখা সম্ভব।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মৌলিক স্বরধ্বনি এবং যৌগিক স্বরজ্ঞাপক বর্ণের সংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তিকর প্রশ্ন আসে।
মৌলিক স্বরবর্ণ সাতটি হলেও যৌগিক স্বরজ্ঞাপক বর্ণ সবসময় দুটি, যা মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: A) সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
১. কেন সঠিক:
'উত্পাখি' কবিতাটি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি সুধীন্দ্রনাথ দত্তের একটি অত্যন্ত বিখ্যাত সৃষ্টি।
বিশ শতকের ত্রিশের দশকের আধুনিক বাংলা কবিতার পঞ্চপাণ্ডবের অন্যতম এই কবির কবিতায় বুদ্ধিবৃত্তিক সুষমা ও শব্দের স্বকীয় ব্যবহার লক্ষ করা যায়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
সুধীন্দ্রনাথ দত্ত বাংলা কাব্যে ক্লাসিক বা ধ্রুপদী ধারার প্রবক্তা হিসেবে পরিচিত এবং তিনি বুদ্ধিবাদ ও নির্জনতার কবি।
তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে অর্কেস্ট্রা, ক্যাম্পেন, প্রতিধ্বনি ও উত্তরফাল্গুনী।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: উটপাখি কবিতাটি সুধীন্দ্রনাথ দত্তের প্রতিধ্বনি কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত।
ব্যাখ্যা: এই কবিতাটিতে কবির জীবনদর্শন ও শিল্পভাবনার গভীর পরিচয় ফুটে উঠেছে।
উদাহরণ ২: সুধীন্দ্রনাথ দত্তের সম্পাদিত পত্রিকার নাম পরিচয়।
ব্যাখ্যা: ত্রিশের দশকে প্রকাশিত এই পত্রিকাটি আধুনিক বাংলা সাহিত্য আন্দোলনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সুধীন্দ্রনাথ দত্ত — এই অপশনটি সঠিক এবং উল্লিখিত কবিতাটি তাঁরই রচিত।
B) বুদ্ধদেব বসু — তিনি ত্রিশের দশকের অন্যতম কবি হলেও 'উত্পাখি' কবিতাটি তাঁর রচিত নয়।
C) বিষ্ণু দে — তিনি বাংলা প্রগতিশীল ও মার্কসবাদী ধারার কবি হলেও এই কবিতার রচয়িতা নন।
D) অমীয় চক্রবর্তী — তিনি রবীন্দ্রোত্তর আধুনিক ধারার কবি হলেও এই কবিতাটি তাঁর নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
সুধীন্দ্রনাথ দত্তের নাম আসলেই মাথায় রাখতে হবে বুদ্ধিবৃত্তিক ও ধ্রুপদী ধারা এবং তাঁর বিখ্যাত সৃষ্টি উটপাখি কবিতা।
কবি সুধীন্দ্রনাথ দত্তের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ প্রতিধ্বনি মনে রাখলেই এই প্রশ্নের উত্তর সহজে মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা সাহিত্যের ত্রিশের দশকের আধুনিক কবিদের নাম ও তাঁদের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
এই ধরনের প্রশ্ন সাধারণত বিসিএস ও শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় সরাসরি লেখক বা কাব্যগ্রন্থ শনাক্তকরণের জন্য আসে।
সঠিক উত্তর: D) কবিরাজ
১. কেন সঠিক:
- কবিরাজ শব্দটির কোনো ব্যাকরণগত স্ত্রীলিঙ্গ রূপান্তর নেই কারণ এটি একটি বিশেষ পেশাবাচক বা উপাধিবাচক শব্দ।
- বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কিছু বিশেষ শব্দে লিঙ্গভেদ হয় না এবং এগুলো উভয় লিঙ্গ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণে যে শব্দগুলোর পুরুষবাচক বা স্ত্রীলিঙ্গবাচক ভিন্ন রূপ থাকে না, সেগুলোকে নিত্য পুরুষবাচক বা নিত্য স্ত্রীলিঙ্গবাচক অথবা লিঙ্গ পরিবর্তন হয় না এমন শব্দ বলা হয়।
- পেশা, পদবি বা জাতি বোঝাতে অনেক সময় লিঙ্গ পরিবর্তন ছাড়াই উভয় লিঙ্গ বোঝানো হয়, যেমন কবিরাজ, ঢাকি, ওঝা ইত্যাদি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ডাক্তার
ব্যাখ্যা: ডাক্তার একটি পেশাবাচক শব্দ এবং এর কোনো নির্দিষ্ট স্ত্রীলিঙ্গ রূপ নেই, পুরুষ ও নারী উভয়ের ক্ষেত্রেই ডাক্তার শব্দটি ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: চোর
ব্যাখ্যা: চোর শব্দটির কোনো লিঙ্গান্তর হয় না, নারী বা পুরুষ উভয় অপরাধীর ক্ষেত্রেই এই শব্দটি সমানভাবে প্রযোজ্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সাহেব — সাহেব শব্দের স্ত্রীলিঙ্গ রূপ বিবি বা মেম, তাই এর লিঙ্গান্তর হয়।
B) বেয়াই — বেয়াই শব্দের স্ত্রীলিঙ্গ রূপ বেয়াইন, তাই এর লিঙ্গান্তর হয়।
C) সঙ্গী — সঙ্গী শব্দের স্ত্রীলিঙ্গ রূপ সঙ্গিনী, তাই এর লিঙ্গান্তর হয়।
D) কবিরাজ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর কোনো স্ত্রীলিঙ্গ রূপান্তর ব্যাকরণে স্বীকৃত নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- পেশাবাচক বা উপাধিবাচক কিছু শব্দ যেমন কবিরাজ, ডাক্তার, পাইক এদের লিঙ্গ পরিবর্তন হয় না।
- পরীক্ষার হলে এই ধরনের শব্দ দেখলে মনে রাখবে এগুলো উভয় লিঙ্গ বা নিত্য পুরুষবাচক শব্দ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিত্য পুরুষবাচক বা লিঙ্গান্তর হয় না এমন শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- কৃতদার, কবিরাজ, ঢাকী, ওঝা এই শব্দগুলোর লিঙ্গ পরিবর্তন হয় না ভালো করে মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: D) সুন্দর
১. কেন সঠিক:
- ‘অভিরাম’ একটি সংস্কৃত শব্দ যার প্রমিত অর্থ হলো সুন্দর, মনোরম বা আকর্ষণীয়।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ বা সমার্থক শব্দ নির্ণয়ের জন্য শব্দের মূল অর্থ ও ব্যবহার জানা অত্যন্ত জরুরি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডার বা শব্দের অর্থ বিষয়ক একটি প্রশ্ন।
- প্রমিত বাংলা শব্দভাণ্ডারে কিছু শব্দ তাদের উৎসগত অর্থ থেকে সামান্য পরিবর্তিত হয়ে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অত্র অঞ্চলের প্রাকৃতিক দৃশ্য অত্যন্ত অভিরাম।
ব্যাখ্যা: এখানে ‘অভিরাম’ শব্দটি মনোরম বা সুন্দর অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: রাতে আকাশের দিকে তাকালে এক অভিরাম দৃশ্য চোখে পড়ে।
ব্যাখ্যা: বাক্যটিতে ‘অভিরাম’ শব্দের অর্থ সুন্দর বা দৃষ্টিনন্দন হিসেবে প্রকাশ পেয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিরামহীন — ‘বিরামহীন’ শব্দের অর্থ যা থেমে থাকে না বা নিরবচ্ছিন্ন, যা ‘অভিরাম’ শব্দের অর্থের সঙ্গে মিলে না।
B) বালিশ — ‘বালিশ’ হলো শোয়ার সময় মাথা রাখার উপাধান, যা একটি বস্তুবাচক শব্দ এবং এর সঙ্গে প্রশ্নকৃত শব্দের কোনো সম্পর্ক নেই।
C) চলন — ‘চলন’ শব্দের অর্থ চলা বা গতি, যা ‘অভিরাম’ বা সুন্দরের সমার্থক নয়।
D) সুন্দর — এটি সঠিক উত্তর কারণ ‘অভিরাম’ ও ‘সুন্দর’ সমার্থক শব্দ হিসেবে পরিগণিত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- অভিরাম শব্দটির শেষাংশে রাম আছে এবং রামায়ণে শ্রীরামচন্দ্রের রূপের সুন্দরের কথা বলা হয়েছে, এভাবে মনে রাখতে পারো অভিরাম অর্থ সুন্দর।
- শব্দার্থ মনে রাখার জন্য প্রতিদিন অন্তত পাঁচটি করে নতুন শব্দের অর্থ পড়ার অভ্যাস করতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই প্রমিত শব্দের অর্থ ভালো করে পড়তে হবে।
- সমার্থক শব্দ পড়ার সময় শব্দের সূক্ষ্ম অর্থ ও তার ব্যবহার সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা রাখা উচিত।
সঠিক উত্তর: A) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
১. কেন সঠিক:
মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর 'চণ্ডীমঙ্গল' কাব্যে সমসাময়িক সমাজের বাস্তবচিত্র, মানুষের জীবনসংগ্রাম এবং চরিত্রের গভীর মনস্তাত্ত্বিক বিকাশ ঘটেছে।
কাব্যের কালকেতু ও ফুল্লরা কিংবা ধনপতি ও খুল্লনার চরিত্রায়ন এবং তাদের কাহিনীতে রোমাঞ্চের পাশাপাশি বাস্তব জীবনের দ্বন্দ্ব ফুটার কারণে এতে উপন্যাসের আদি লক্ষণ বা বীজ দেখতে পাওয়া যায়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
মুকুন্দরাম চক্রবর্তী ষোড়শ শতকের মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি এবং তাকে কবিকঙ্কন উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
তার বিখ্যাত কাব্য 'চণ্ডীমঙ্গল' বা 'অভ্যামঙ্গল' কাব্যটি তৎকালীন সমাজের অর্থনৈতিক ও সামাজিক সংকটের এক জীবন্ত দলিল হিসেবে স্বীকৃত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের আখেটিক খণ্ড
ব্যাখ্যা: এই খণ্ডে ব্যাধ কালকেতু ও ফুল্লরার জীবন সংগ্রাম এবং গুজরাট নগর প্রতিষ্ঠার কাহিনী বর্ণিত হয়েছে যা বাস্তবধর্মী জীবনচিত্র ফুটিয়ে তোলে।
উদাহরণ ২: কবিকঙ্কন চণ্ডী বা চণ্ডীমঙ্গল কাব্য
ব্যাখ্যা: এই কাব্যের চরিত্রগুলোর মনস্তাত্ত্বিক টানাপোড়েন আধুনিক উপন্যাসের চরিত্র সৃষ্টির বহু পূর্বেই ঔপন্যাসিক ধারার ইঙ্গিত দেয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী — এটি সঠিক উত্তর কারণ তার কাব্যে বাস্তব সমাজের চিত্র ও উপন্যাসের লক্ষণ স্পষ্ট।
B) বিদ্যাপতি — তিনি মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলীর মৈথিলি ভাষার কবি এবং তার রচনা মূলত গীতিসাহিত্য।
C) জ্ঞানদাস — তিনি বাংলা ভাষার মধ্যযুগের অন্যতম প্রধান বৈষ্ণব পদকর্তা এবং তার পদগুলো গীতিধর্মী।
D) বড়ু চণ্ডীদাস — তিনি শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের রচয়িতা যা মূলত নাট্যধর্মী বা গীতিধর্মী সংলাপভিত্তিক পদকাব্য।
৫. মনে রাখার টিপস:
উপন্যাসের লক্ষণ বা বাস্তব সমাজের চিত্র খুঁজতে হলে মধ্যযুগে মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর চণ্ডীমঙ্গল কাব্যকে মনে রাখতে হবে।
কবিকঙ্কন উপাধিধারী এই কবির কাব্যের চরিত্রগুলো বাস্তব জীবন থেকে নেওয়া হয়েছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর উপাধি হলো কবিকঙ্কন এবং তার একমাত্র প্রাপ্ত কাব্য চণ্ডীমঙ্গল।
মধ্যযুগের কাব্যে বাস্তবতার ছোঁয়া পেতে চাইলে মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর নাম সবার আগে আসে।
সঠিক উত্তর: B) তুর্কি
১. কেন সঠিক:
'বাবা' শব্দটি তুর্কি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় আগত একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈদেশিক শব্দ। বাংলা ভাষা ব্যবহারের সুবিধার জন্য বিভিন্ন ভাষার শব্দ আত্মীকরণ করেছে এবং এটি তার একটি প্রকৃষ্ট উদাহরণ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত শব্দগুলোকে উৎসের দিক থেকে পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয় যেমন তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি শব্দ। বিদেশি শব্দের মধ্যে তুর্কি শব্দগুলোর একটি নির্দিষ্ট তালিকা রয়েছে যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দারোগা
ব্যাখ্যা: দারোগা একটি তুর্কি শব্দ যা বাংলা ভাষায় প্রশাসনিক কাজে বহুল ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: তোপ
ব্যাখ্যা: তোপ শব্দটি তুর্কি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে এবং এটি অস্ত্র সম্পর্কিত একটি শব্দ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সংস্কৃত — সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত শব্দগুলোকে তৎসম শব্দ বলা হয় কিন্তু বাবা সংস্কৃত শব্দ নয়।
B) তুর্কি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) ফরাসি — ফরাসি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় বিভিন্ন প্রশাসনিক ও সাংস্কৃতিক শব্দ এসেছে যেমন পুলিশ ও কার্তুজ কিন্তু বাবা ফরাসি শব্দ নয়।
D) হিন্দি — হিন্দি ভাষা থেকেও বাংলা ভাষায় অনেক শব্দ এসেছে যেমন পানি ও চাহিদা কিন্তু বাবা হিন্দি শব্দ নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
তুর্কি শব্দগুলো মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো যে উসমানীয় সাম্রাজ্যের তুর্কিরা বিভিন্ন পারিবারিক ও প্রশাসনিক উপাধি বা বস্তুবাচক শব্দ রেখে গেছে। বাবা, দারোগা, তোপ ও চাকর হলো প্রধান তুর্কি শব্দ।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। তুর্কি শব্দ যেমন বাবা, দারোগা, তোপ ও কাঁচি ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: A) সংখ্যার ধারণা
১. কেন সঠিক:
- বচন শব্দের আক্ষরিক অর্থ হলো সংখ্যা বা সংখ্যার ধারণা। বাংলা ব্যাকরণে বচন বলতে বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের সংখ্যাগত বা পরিমাণের ধারণা বোঝায়।
- ব্যাকরণগত দিক থেকে যা দিয়ে কোনো কিছুর এক বা একাধিক হওয়ার সংখ্যা নির্দিষ্ট করা হয়, তাকেই বচন বলে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণে বচন প্রধানত দুই প্রকার, একবচন ও বহুবচন। সংস্কৃত ব্যাকরণে দ্বিবচন থাকলেও প্রমিত বাংলা ব্যাকরণে এর ব্যবহার নেই।
- বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের যে রূপ দিয়ে তার একটি বা একাধিক হওয়া বোঝায়, তাকে বচন বলে এবং এটি কেবল বিশেষ্য ও সর্বনাম পদের সঙ্গেই যুক্ত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কলম
ব্যাখ্যা: এটি একটি মাত্র কলম বোঝাচ্ছে, তাই এটি একবচনের উদাহরণ।
উদাহরণ ২: কলমগুলো
ব্যাখ্যা: এটি একাধিক কলম বোঝাচ্ছে, তাই এটি বহুবচনের উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সংখ্যার ধারণা — এটি সঠিক এবং বচনের মূল সংজ্ঞার সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়।
B) গণনার ধারণা — গণনা হলো কোনো কিছু গুনে বের করার প্রক্রিয়া, যা বচনের সরাসরি অর্থ নয়।
C) ক্রমের ধারণা — ক্রম বলতে পর্যায় বা সিরিয়াল বোঝায়, যা বচনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) পরিমাপের ধারণা — পরিমাপ বলতে পরিমাণ বা ওজন বোঝায়, যা বচনের অর্থ নির্দেশ করে না।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বচন মানে সংখ্যা, এই কথাটি মনে রাখলেই উত্তর সহজ হয়ে যায়। সংখ্যাবাচক শব্দ এবং বচন একই ধারণার প্রকাশ ঘটায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই শব্দের অর্থ বা ব্যাকরণিক সংজ্ঞা থেকে প্রশ্ন আসে। বচন কেবল বিশেষ্য ও সর্বনাম পদের সংখ্যা প্রকাশ করে, ক্রিয়া পদের নয়।
সঠিক উত্তর: D) worst
কেন সঠিক:
- ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কিছু Adjective-এর Positive, Comparative ও Superlative রূপ সম্পূর্ণ পরিবর্তিত হয় এবং এদের সাথে est বা most যুক্ত হয় না।
- bad শব্দের Superlative রূপ হলো worst, যা ব্যতিক্রমী বা Irregular Adjective-এর অন্তর্ভুক্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) most bad — এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল কারণ bad শব্দের সুপারলেটিভ গঠনে most ব্যবহার করা হয় না।
B) worse — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ এটি bad শব্দের Comparative রূপ, যা দুটি বস্তুর মধ্যে তুলনার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
C) worser — এটি একটি অপ্রচলিত এবং ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ভুল রূপ।
D) worst — এটি সঠিক উত্তর এবং এটি bad শব্দের নির্ধারিত Superlative রূপ।
মনে রাখার টিপস:
bad-এর তুলনামূলক রূপগুলো মনে রাখুন এভাবে: bad, worse, worst।
সঠিক উত্তর: B) Although
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বাক্যটিতে দুটি বিপরীতধর্মী ক্লজ রয়েছে, যার প্রথমটি যুক্তিযুক্ত হওয়া সত্ত্বেও দ্বিতীয়টিতে ভিন্ন ফল প্রকাশ পেয়েছে।
- এই ধরনের বৈপরীত্য বা কনট্রাস্ট বোঝাতে সাবঅর্ডিনেটিং কনজাংশন হিসেবে Although ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) As — এটি কারণ বা একই সময়ের ঘটনা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এই বাক্যের বৈপরীত্য প্রকাশের জন্য উপযুক্ত নয়।
B) Although — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি দুটি বিপরীত ভাবের ক্লজকে যুক্ত করে।
C) Even — এটি সাধারণত কোনো বিশেষ বিষয় বা শব্দকে জোর দেওয়ার জন্য ব্যবহৃত হয়, একা কনজাংশন হিসেবে বসে না।
D) Despite — এটি প্রিপজিশন হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং এর পরে নাউন বা নাউন ফ্রেজ বসে, কিন্তু এখানে সম্পূর্ণ ক্লজ রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যের দুটি অংশের মধ্যে যদি বৈপরীত্য বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ পায় এবং এরপরে সাবজেক্ট ও ভার্বযুক্ত ক্লজ থাকে, তবে সাধারণত Although ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) R.L. Stevenson
কেন সঠিক:
- এটি রবার্ট লুই স্টিভেন্সনের লেখা একটি বিখ্যাত গথিক উপন্যাস যা ১৮৮৬ সালে প্রকাশিত হয়।
- এই উপন্যাসের মূল বিষয়বস্তু হলো মানুষের মনের দ্বৈত সত্তা বা ভালো ও মন্দের দ্বন্দ্ব।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) H.G. Wells — তিনি সায়েন্স ফিকশন লেখার জন্য বিখ্যাত, যেমন দ্য টাইম মেশিন, যা এই উপন্যাসের লেখক নন।
B) Arthur Conan Doyle — তিনি শার্লক হোমস চরিত্র সৃষ্টির জন্য বিখ্যাত রহস্য সাহিত্যিক, এই উপন্যাসের রচয়িতা নন।
C) George Orwell — তিনি রাজনৈতিক উপন্যাস ও উপকথার জন্য পরিচিত, যেমন নাইনটিন এইটি ফোর, যা এই গ্রন্থ নয়।
D) R.L. Stevenson — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক কারণ তিনি দ্য স্ট্রেঞ্জ কেস অব ডক্টর জেকিল অ্যান্ড মিষ্টার হাইড উপন্যাসের রচয়িতা।
মনে রাখার টিপস:
জেকিল ও হাইড চরিত্রের দ্বৈত রূপের সঙ্গে স্টিভেন্সন নামটি মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: A) Noun
কেন সঠিক:
- 'amount' শব্দের পূর্বে নির্দিষ্ট আর্টিকেল 'the' এবং পরে অবজেক্ট 'he could eat' যুক্ত হয়ে এটি একটি নাউন ফ্রেজ গঠন করেছে।
- সাধারণত 'the' আর্টিকেলের পরে একটি নাউন বসে, যা এখানে বাক্যটির অবজেক্ট হিসেবে কাজ করছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Noun — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
B) Adjective — এটি কোনো দোষ, গুণ, অবস্থা বা সংখ্যা প্রকাশ করছে না, তাই এটি অ্যাডজেক্টিভ নয়।
C) Verb — এটি কোনো কাজ করা বোঝায় না, তাই এটি ভার্ব বা ক্রিয়া হতে পারে না।
D) Adverb — এটি কোনো ভার্ব, অ্যাডজেক্টিভ বা অন্য কোনো অ্যাডভেৰ্বকে মডিফাই করছে না, তাই এটি অ্যাডভার্ব নয়।
মনে রাখার টিপস:
আর্টিকেল 'the' এবং প্রিপজিশন 'of' বা অন্য কোনো পদাশ্রিত নির্দেশের মাঝে যে শব্দটি থাকে, সেটি সাধারণত নাউন হয়।
সঠিক উত্তর: A) Buck
কেন সঠিক:
- Buck হলো একটি পরিভাষা যা পুরুষ হরিণের (male deer) ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
- এটি প্রাণীর লিঙ্গবাচক শব্দ বা gender specific term নির্দেশ করতে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Buck — এটি পুরুষ হরিণ বোঝাতে সঠিক উত্তর হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
B) Stag — এটি সাধারণত প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ হরিণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, তবে Buck হলো সবচেয়ে সাধারণ ও সার্বিক লিঙ্গবাচক শব্দ।
C) Ram — এটি পুরুষ ভেড়ার (male sheep) লিঙ্গবাচক শব্দ, তাই এটি হরিণের জন্য প্রযোজ্য নয়।
D) Rooster — এটি মোরগ বা পুরুষ মুরগির (male chicken) লিঙ্গবাচক শব্দ, তাই এটি হরিণের ক্ষেত্রে ভুল।
মনে রাখার টিপস:
হরিণ বা deer-এর পুরুষবাচক রূপ মনে রাখতে B দিয়ে শুরু Buck শব্দটি মনে রাখা সহজ।
সঠিক উত্তর: C) Kind
কেন সঠিক:
- Benign শব্দটির অর্থ সৌমনস্যপূর্ণ, অমায়িক বা সদয়।
- Kind শব্দের অর্থও দয়ালু বা সদয়, যা Benign শব্দের সরাসরি সমার্থক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Affable — এর অর্থ মিশুক বা অমায়িক, যা Benign শব্দের কাছাকাছি হলেও Kind এর মতো সরাসরি সমার্থক নয়।
B) Cruel — এর অর্থ নিষ্ঠুর বা নির্দয়, যা Benign শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীতার্থক বা অ্যান্টনিমি।
C) Kind — এটি প্রশ্নানুযায়ী সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত আছে।
D) Beneficial — এর অর্থ উপকারী বা কল্যাণকর, যা পরিস্থিতিভেদে ব্যবহৃত হলেও সরাসরি সমার্থক নয়।
মনে রাখার টিপস:
Benign শব্দটিতে Be এবং Nice কথাটি মনে রাখতে পারেন, যার অর্থ দয়ালু বা ভালো মানুষ।
সঠিক উত্তর: A) William Shakespeare
কেন সঠিক:
- 'As You Like It' নাটকটি বিশ্বখ্যাত নাট্যকার উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের লেখা একটি বিখ্যাত রোমান্টিক কমেডি।
- এই নাটকে বিখ্যাত উক্তি 'All the world's a stage' রয়েছে এবং এটি এর পাস্টোরাল সেটিং ও কমেডির জন্য পরিচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) William Shakespeare — এটি সঠিক উত্তর কারণ নাটকটি তার রচিত।
B) Christopher Marlowe — ক্রিস্টোফার মার্লো রেনেসাঁ যুগের নাট্যকার হলেও তিনি ট্রাজেডি লেখার জন্য বেশি পরিচিত, যেমন ডক্টর ফস্টাস।
C) George Bernard Shaw — জর্জ বার্নার্ড শ আধুনিক যুগের আইরিশ নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক, যিনি সামাজিক সমস্যা নিয়ে নাটক লিখেছেন।
D) T.S. Eliot — টি এস এলিয়ট বিংশ শতাব্দীর বিখ্যাত কবি ও সমালোচক, যিনি আধুনিকতাবাদী কবিতার জন্য পরিচিত।
মনে রাখার টিপস:
শেক্সপিয়ারের কমেডি নাটক মনে রাখতে 'As You Like It' এবং 'As You Like It means Shakespeare's romantic comedy' এই সূত্রটি মনে রাখতে পারেন।
ভাষা ও ব্যাকরণ
সঠিক উত্তর: C) lie
কেন সঠিক:
- Make একটি Causative Verb, যার পর Object এবং মূল Verb-এর Base Form বা Bare Infinitive বসে।
- এখানে suspect হলো Object এবং এর পরে শুয়ে থাকার কাজ বোঝাতে মূল Verb-এর Base Form 'lie' ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) lying — এটি Verb-এর Present Participle রূপ, যা Causative Verb-এর ক্ষেত্রে Base Form-এর নিয়মের সঙ্গে মেলে না।
B) lay — এটি Lie Verb-এর Past Form, যা Causative Verb-এর পর সরাসরি বসে না কারণ এখানে Bare Infinitive প্রয়োজন।
D) to lie — এটি Infinitives রূপ, যা Causative Verb-এর ক্ষেত্রে 'to' ছাড়া বসাতে হয় বিধায় এটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
Make, Let ইত্যাদি Causative Verb-এর পরে সর্বদা Verb-এর Base Form বা মূল রূপ বসে, মাঝে কোনো 'to' বা ing যুক্ত হয় না।
সঠিক উত্তর: A) rowdy disorder
কেন সঠিক:
- mayhem শব্দের অর্থ বিশৃঙ্খলা, হাঙ্গামা বা চরম গণ্ডগোল।
- বাক্যে রেফারির বিতর্কিত সিদ্ধান্তের কারণে দর্শকদের মধ্যে যে হাঙ্গামা তৈরি হয়েছিল, তা বোঝাতে rowdy disorder যথাযথ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) rowdy disorder — এটি সঠিক উত্তর কারণ mayhem শব্দের অর্থ গোলযোগ বা হাঙ্গামা।
B) extreme excitement — এর অর্থ চরম উত্তেজনা, যা সহিংস বিশৃঙ্খলা বা হাঙ্গামার সমার্থক নয়।
C) exuberant joy — এর অর্থ প্রচণ্ড আনন্দ, যা বাক্যের হতাশাজনক বা উত্তেজনাকর পরিস্থিতির বিপরীত।
D) a storm of protest — এর অর্থ প্রতিবাদের ঝড়, যা শুধু মৌখিক বা লিখিত প্রতিবাদ বোঝায় কিন্তু শারীরিক বিশৃঙ্খলা বোঝায় না।
মনে রাখার টিপস:
mayhem শব্দটিকে মায়াবী হাঙ্গামা বা গোলযোগ হিসেবে মনে রাখতে পারেন, যা শান্ত পরিস্থিতিকে মুহূর্তেই নষ্ট করে দেয়।
সঠিক উত্তর: A) Vague
কেন সঠিক:
- 'Vivid' শব্দটির অর্থ স্পষ্ট, উজ্জ্বল বা জীবন্ত, যার বিপরীতার্থক শব্দ হলো অস্পষ্ট বা অনির্দিষ্ট।
- 'Vague' শব্দের অর্থ অস্পষ্ট বা অনির্দিষ্ট, যা 'vivid' শব্দের ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Vague — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ অস্পষ্ট যা vivid শব্দের বিপরীত।
B) Bright — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ এর অর্থ উজ্জ্বল যা vivid শব্দের সমার্থক।
C) Lively — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ এর অর্থ প্রাণবন্ত যা vivid শব্দের সমার্থক।
D) Colourful — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ এর অর্থ রঙিন যা vivid শব্দের কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
Vivid মানে স্পষ্ট আর Vague মানে অস্পষ্ট, এই দুটি শব্দ ইংরেজি পরীক্ষায় প্রায়ই বিপরীতার্থক হিসেবে জোড়ায় আসে।
সঠিক উত্তর: C) দুর্নীতিগ্রস্ত সরকার
কেন সঠিক:
- Kleptocracy একটি গ্রীক শব্দ থেকে এসেছে, যার অর্থ চোরদের দ্বারা পরিচালিত শাসন ব্যবস্থা।
- এই ব্যবস্থায় সরকারি কর্তাব্যক্তিরা রাষ্ট্রীয় সম্পদ অবৈধভাবে আত্মসাৎ করার জন্য ক্ষমতা ব্যবহার করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ধনিক গোষ্ঠীর শাসন — এটি Plutocracy নামে পরিচিত, যেখানে ধনী ব্যক্তিরা দেশ পরিচালনা করে।
B) অদক্ষ লোকের শাসন — এটি Kakistocracy নামে পরিচিত, যেখানে সমাজের সবচেয়ে অযোগ্য ব্যক্তিরা ক্ষমতায় থাকে।
C) দুর্নীতিগ্রস্ত সরকার — এটি Kleptocracy-র সঠিক সংজ্ঞা, যেখানে শাসকরা রাষ্ট্রীয় তহবিল লুট করে।
D) রাজনীতিতে সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপ — এটি Military intervention বা Junta নামে পরিচিত।
মনে রাখার টিপস:
Klepto শব্দের অর্থ চোর, তাই Kleptocracy মানে চোরদের বা দুর্নীতিবাজদের সরকার।
সঠিক উত্তর: A) I can hardly wait for the weekend.
কেন সঠিক:
- hardly একটি নেতিবাচক বা না-বোধক শব্দ, যার অর্থ প্রায় নয় বললেই চলে।
- ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী একটি বাক্যে দুটি না-বোধক শব্দ একসঙ্গে ব্যবহার করা যায় না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) I can hardly wait for the weekend. — এটি সঠিক বাক্য কারণ এখানে কোনো অতিরিক্ত না-বোধক শব্দ নেই।
B) I can't hardly wait for the weekend. — এটি ভুল কারণ can't এবং hardly দুটি না-বোধক শব্দ একসঙ্গে বসে ডাবল নেগেটিভ ভুল তৈরি করেছে।
C) I cannot hardly wait for the weekend. — এটি ভুল কারণ cannot এবং hardly একসঙ্গে বসে বাক্যে দ্বৈত নেতিবাচক ত্রুটি ঘটিয়েছে।
D) I can wait hard for the weekend. — এটি ভুল কারণ এখানে hard adverb হিসেবে সঠিক অর্থ প্রকাশ করছে না।
মনে রাখার টিপস:
hardly শব্দটি নিজেই না-বোধক অর্থ প্রকাশ করে, তাই এর আগে কখনো not বা cant ব্যবহার করা যাবে না।
সঠিক উত্তর: B) Crises
কেন সঠিক:
- গ্রিক বা ল্যাটিন ভাষা থেকে আগত যেসব শব্দের শেষে -sis থাকে, তাদের বহুবচন করার সময় শেষের -sis পরিবর্তিত হয়ে -ses হয়।
- crisis শব্দের শেষের -sis অংশটি পরিবর্তিত হয়ে -ses রূপ ধারণ করায় এর সঠিক বহুবচন crises হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Crisys — এটি একটি বানান ভুল শব্দ এবং ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়মের সাথে মেলে না।
B) Crises — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল হিসেবে গণ্য নয়।
C) Crisil — এটি কোনো ব্যাকরণগত বহুবচন রূপ নয়, এটি একটি ভারতীয় ঋণদাতা রেটিং সংস্থার নাম।
D) Crisies — এটি বানান ভুল এবং ইংরেজিতে এমন কোনো বহুবচন গঠনের নিয়ম নেই।
মনে রাখার টিপস:
শব্দের শেষে sis থাকলে বহুবচনের সময় sis তুলে দিয়ে ses বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) Determined
কেন সঠিক:
- ‘Bent on’ একটি গুরুত্বপূর্ণ ইংরেজি ফ্রেজ বা ইডিয়ম, যার অর্থ কোনো কিছুর প্রতি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ বা অটল থাকা।
- বাক্যে ‘He was bent on proving his innocence’ বলতে বোঝানো হয়েছে যে সে তার নিরূপরাধিতা প্রমাণ করার জন্য দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Determined — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই শব্দটির অর্থ দৃঢ়প্রতিজ্ঞ, যা ‘bent on’ ইডিয়মের সমার্থক।
B) Unwilling — এর অর্থ অনিচ্ছুক, যা ‘bent on’ এর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
C) Incapable — এর অর্থ অক্ষম বা অসামর্থ্য, যা এখানে প্রেক্ষাপটের সঙ্গে মেলে না।
D) Engaged — এর অর্থ ব্যস্ত বা নিয়োজিত, যা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ বোঝাতে সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
‘Bent on’ দেখলে মনে রাখবে বাঁকা (bent) হলেও সে তার লক্ষ্যের দিকে সোজা ও দৃঢ়প্রতিজ্ঞ (determined) থাকে।
সঠিক উত্তর: C) Please open the door.
কেন সঠিক:
- passive বাক্যে 'You are requested' থাকলে Active করার সময় তা বাদ দিয়ে প্রথমে Please বসাতে হয়।
- অনুরোধ বোঝাতে Please-এর পর মূল verb-এর প্রেজেন্ট ফর্ম (open) এবং বাকি অংশ (the door) বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The door is to be opened. — এটি passive form-এর অন্য একটি গঠন এবং এটি কোনো অনুরোধসূচক বাক্যের active রূপ নয়।
B) Let the door be opened. — এটি আদেশ বা প্রস্তাব বোঝায় এমন imperative sentence-এর passive form, অনুরোধের active রূপ নয়।
C) Please open the door. — এটি সঠিক কারণ বাক্যটি সরাসরি Active Voice-এ আছে এবং এর passive রূপই প্রদত্ত প্রশ্নে দেওয়া হয়েছে।
D) I requested you to open the door. — এর passive form হবে You were requested to open the door, যা প্রদত্ত বাক্যের সাথে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
Passive বাক্যে You are requested থাকলে Active করার সময় শুধু Please দিয়ে বাক্য শুরু করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) raises
কেন সঠিক:
- বাক্যের শূন্যস্থানে এমন একটি transitive verb প্রয়োজন যার অর্থ উৎপাদন করা বা লালনপালন করা।
- 'Raise' verb-টি transitive হওয়ায় এর পরে object হিসেবে 'chickens' বসতে পেরেছে এবং বাক্যটি Present Indefinite Tense-এ থাকায় subject singular হওয়ায় 'raises' হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) raises — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ মুরগি লালনপালন করা এবং এটি একটি transitive verb।
B) rouses — এর অর্থ জাগানো বা উত্তেজিত করা, যা মুরগি পালনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
C) rises — এটি একটি intransitive verb যার অর্থ নিজে ওঠা, তাই এর পরে object বসতে পারে না।
D) rose — এটি 'rise' verb-এর Past tense রূপ, যা বর্তমান কালের সাধারণ সত্য প্রকাশকারী এই বাক্যের জন্য অসংগত।
মনে রাখার টিপস:
নিজের থেকে উপরে উঠলে rise আর কাউকে বা কিছুকে উপরে তোলা বা লালনপালন করা হলে raise হয়।
সঠিক উত্তর: A) in, for
কেন সঠিক:
- Faith শব্দের সাথে সাধারণত উপযুক্ত প্রিপজিশন হিসেবে ইন ব্যবহৃত হয় যার অর্থ বিশ্বাস রাখা।
- Hope শব্দের সাথে ভবিষ্যৎ বা কোনো লক্ষ্যের ক্ষেত্রে ফর প্রিপজিশন ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) in, for — এটি সঠিক কারণ ফেইথ এর পর ইন এবং হোপ এর পর ফর বসে।
B) for, in — এটি ভুল কারণ ফেইথ এর সাথে ফর এবং হোপ এর সাথে ইন বসালে অর্থ বদলে যায় ও ব্যাকরণগত নিয়ম নামে না।
C) in, with — এটি ভুল কারণ হোপ এর সাথে উইথ প্রিপজিশন বসে না।
D) d, for — এটি মুদ্রণজনিত ত্রুটিপূর্ণ অপশন এবং ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
বিশ্বাস বা আস্থার ক্ষেত্রে ইন এবং ভবিষ্যৎ বা আশার ক্ষেত্রে ফর প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) Embarrass
কেন সঠিক:
- ইংরেজি বানানের নিয়ম অনুযায়ী এই শব্দটিতে দুটি 'r' এবং দুটি 's' ব্যবহৃত হয়।
- সঠিক বানান গঠন হলো e-m-b-a-r-r-a-s-s।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Embrarrass — এখানে একটি 's' কম আছে এবং ভুলভাবে 'r' এর বিন্যাস করা হয়েছে।
B) Embarrass — এটি সম্পূর্ণ নির্ভুল বানান এবং প্রদত্ত সঠিক উত্তর।
C) Emberass — এখানে প্রথম অংশে 'e' এবং একটি 'r' ও একটি 's' ব্যবহারের কারণে বানানটি ভুল হয়েছে।
D) Embaruss — এখানে ভুলভাবে 'u' অক্ষর ব্যবহার করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
বানানটি মনে রাখতে মাথায় রাখুন এই শব্দটিতে ডাবল আর (rr) এবং ডাবল এস (ss) থাকে।
সঠিক উত্তর: D) that is
কেন সঠিক:
- ল্যাটিন শব্দগুচ্ছ 'id est' এর আক্ষরিক ইংরেজি অনুবাদ হলো 'that is' যার অর্থ অর্থাৎ বা অন্য কথায়।
- কোনো নির্দিষ্ট বক্তব্য বা ধারণাকে আরও স্পষ্ট করার জন্য বাক্য বা শব্দের পরে এটি ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) such as — এটি উদাহরণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যার ল্যাটিন রূপ হলো 'exempli gratia' বা সংক্ষেপে 'e.g'।
B) for example — এটি কোনো বিষয়ের উদাহরণ টানতে ব্যবহার করা হয় এবং এর সংক্ষিপ্ত রূপ হলো 'e.g'।
C) namely — এর অর্থ namely বা বিশেষভাবে নির্দিষ্ট করা, যা 'i. e' এর সঠিক সমার্থক নয়।
D) that is — এটি 'i. e' এর সঠিক ইংরেজি অর্থ এবং প্রদত্ত উত্তর সঠিক।
মনে রাখার টিপস:
'i. e' এর প্রথম অক্ষর 'i' দিয়ে યાદ রাখতে পারেন এটি কোনো কিছুর 'information' বা বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিতে that is অর্থে ব্যবহৃত হয়।
সঠিক উত্তর: D) She asked me if I knew her father.
কেন সঠিক:
- রিপোর্টিং ভার্ব said to পরিবর্তন হয়ে asked হবে এবং ইন্টারোগেটিভ সেন্টেন্সে if বা whether বসবে।
- ডাইরেক্ট ন্যারেশনের প্রেজেন্ট ইনডেফিনিট টেন্স ইনডাইরেক্ট ন্যারেশনে পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্স হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) She asked me if I did know her father. — পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্সে auxiliary verb হিসেবে did ব্যবহার করে মূল ভার্বের প্রেজেন্ট ফর্ম রাখা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
B) She told me if I knew her father. — প্রশ্নবোধক বাক্যে reporting verb হিসেবে told ব্যবহার করা যায় না, সেখানে asked বসবে।
C) She asked me if her father is known to me. — এটি ভয়েস চেঞ্জের নিয়ম অনুযায়ী পরিবর্তিত হয়েছে এবং টেন্সও পরিবর্তন করা হয়নি।
D) She asked me if I knew her father. — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এতে ন্যারেশনের সব নিয়ম সঠিকভাবে মেনে পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্স করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
ইন্টারোগেটিভ সেন্টেন্সে said to-এর বদলে asked এবং if বসবে, আর প্রেজেন্ট টেন্স থাকলে তা পাস্ট টেন্সে রূপান্তরিত হবে।
সঠিক উত্তর: A) has doubts about things that other people believe
কেন সঠিক:
- Sceptic শব্দের অর্থ সংশয়বাদী বা সন্দেহপ্রবণ, যিনি প্রচলিত বিশ্বাসের সত্যতা সহজে মেনে নেন না।
- প্রদত্ত অপশনের সাথে শব্দের আক্ষরিক ও ভাবার্থ সম্পূর্ণ মিলে যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) has doubts about things that other people believe — এটি সঠিক কারণ এটি sceptic শব্দের সঠিক সংজ্ঞা।
B) is considered to be strange or unusual — এটি ভুল কারণ অদ্ভুত বা অস্বাভাবিক ব্যক্তিকে eccentric বলা হয়, sceptic নয়।
C) always expects bd things to happen — এটি ভুল কারণ সবসময় খারাপ কিছু ঘটার প্রত্যাশা করা pessimism বা আশাবাদহীনতা নির্দেশ করে।
D) believes that people are motivated purely by self-interest — এটি ভুল কারণ মানুষের সব কাজ স্বার্থপরতা দ্বারা চালিত—এই ধারণাকে cynicism বলা হয়।
মনে রাখার টিপস:
Sceptic শব্দটিকে সংশয়বাদী বা সন্দেহপ্রবণ হিসেবে মনে রাখবে, যিনি অন্যের বিশ্বাসকে সহজেই প্রশ্নবিদ্ধ করেন।
সঠিক উত্তর: D) ৪১৫৬ কি.মি.
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ ও ভারতের মোট আন্তর্জাতিক সীমানার প্রাতিষ্ঠানিক ও প্রচলিত দৈর্ঘ্য হলো ৪১৫৬ কিলোমিটার।
- ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সীমান্ত বিশ্বের অন্যতম দীর্ঘ স্থলসীমান্ত, যা পাঁচটি ভারতীয় রাজ্য স্পর্শ করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৪০৬৯.৭০ কি.মি — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি ভারত ও বাংলাদেশের প্রকৃত সীমানার সঠিক সরকারি পরিমাপ নয়।
B) ৪০১৪.৫ কি.মি — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্ত দূরত্বের সঠিক পরিসংখ্যান প্রকাশ করে না।
C) ৪০৬৮ কি.মি — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্তবর্তী এলাকার সঠিক মান নির্দেশ করে না।
D) ৪১৫৬ কি.মি. — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি বাংলাদেশ ও ভারতের মোট সীমানার স্বীকৃত দৈর্ঘ্য।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশ ও ভারতের সীমানা মনে রাখতে চার-এক-পাচ-ছয় (৪১৫৬) সংখ্যাটি মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: C) ইরাক
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের পর মধ্যপ্রাচ্যের প্রথম দেশ হিসেবে ইরাক ১৯৭২ সালের ৮ জুলাই আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
- একই দিন ইরাক সরকারের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইরান — ইরান মধ্যপ্রাচ্যের দেশ হলেও বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৯৭২ সালের ২৪ জুলাই।
B) কুয়েত — কুয়েত মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম দেশ হলেও বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৯৭২ সালের ১২ নভেম্বর।
D) সৌদি আরব — মুসলিম বিশ্বের অন্যতম প্রভাবশালী দেশ হওয়া সত্ত্বেও সৌদি আরব বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৯৭৫ সালের ১৬ আগস্ট।
মনে রাখার টিপস:
মধ্যপ্রাচ্যের প্রথম স্বীকৃতির ক্ষেত্রে ইরাকের নাম মনে রাখতে 'ই' দিয়ে শুরু প্রথম দেশ হিসেবে মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: A) নিউজ উইক
কেন সঠিক:
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত ম্যাগাজিন নিউজ উইক ১৯৭১ সালের ৫ এপ্রিল সংখ্যায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে রাজনীতিতে অনন্য ব্যক্তিত্ব হিসেবে মূল্যায়ন করে এই উপাধি দেয়।
- ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ এবং তৎকালীন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে তার দূরদর্শী নেতৃত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ এই প্রচ্ছদ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নিউজ উইক — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই পত্রিকাই বঙ্গবন্ধুকে 'Poet of politics' বা রাজনীতির কবি হিসেবে প্রচ্ছদ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল।
B) দি ইকোনোমিস্ট — এটি যুক্তরাজ্যভিত্তিক একটি প্রভাবশালী অর্থনৈতিক ও আন্তর্জাতিক বিষয়াদি সংক্রান্ত পত্রিকা, যা এই উপাধি দেয়নি।
C) গার্ডিয়ান — এটি একটি ব্রিটিশ দৈনিক সংবাদপত্র, যা এই ঐতিহাসিক উপাধি প্রদানের সঙ্গে যুক্ত নয়।
D) দি সান — এটি মূলত যুক্তরাজ্যের একটি জনপ্রিয় ট্যাবলয়েড সংবাদপত্র, যা এই উপাধি দেয়নি।
মনে রাখার টিপস:
সংবাদপত্র বা উইক নামের পত্রিকার সঙ্গে 'রাজনীতির কবি' উপাধির সম্পর্ক মনে রাখতে নিউজ উইক নামটি মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: D) ইন্দিরা গান্ধী ও জুলফিকার আলী ভুট্টো
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পর দুই দেশের মধ্যকার বিরোধ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে ১৯৭২ সালের ২ জুলাই এই ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী এবং পাকিস্তানের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জুলফিকার আলী ভুট্টো ভারতের সিমলা শহরে এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লাল বাহাদুর শাস্ত্রী ও আইয়ুব খান — এরা ১৯৬৫ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের পর ১৯৬৬ সালে তাসখন্দ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিলেন।
B) রাজীব গান্ধী ও বেনজির ভুট্টো — এরা ১৯৮৮ সালে সার্ক সম্মেলনের ফাঁکے আঞ্চলিক সহযোগিতা বিষয়ক একটি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিলেন।
C) অটল বিহারী বাজপেয়ী ও জেনারেল পারভেজ মোশাররফ — এরা ১৯৯৯ সালের লাহোর ঘোষণাপত্র এবং পরবর্তীতে ২০০১ সালের আগ্রা সম্মেলনে যুক্ত ছিলেন।
D) ইন্দিরা গান্ধী ও জুলফিকার আলী ভুট্টো — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
সিমলা চুক্তির সাথে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে, তাই মনে রাখবেন এটি যুদ্ধের পর ইন্দিরা গান্ধী ও জুলফিকার আলী ভুট্টোর মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়।
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: D) দ্যাগ হ্যামারশোল্ড
কেন সঠিক:
- সুইডেনের এই কূটনীতিক ও জাতিসংঘের দ্বিতীয় মহাসচিব ১৯৬১ সালে বিমান দুর্ঘটনায় মারা যাওয়ার পর শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান।
- ইতিহাসে তিনিই একমাত্র ব্যক্তি যিনি মরণোত্তর নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেছেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উ-থান্ট — তিনি ম্যিয়ানমারের নাগরিক ও জাতিসংঘের তৃতীয় মহাসচিব ছিলেন, কোনো মরণোত্তর নোবেল পাননি।
B) প্যারেজ ডি কুয়েলার — তিনি পেরুর কূটনীতিক ও জাতিসংঘের পঞ্চম মহাসচিব ছিলেন, মরণোত্তর নোবেল পাননি।
C) ট্রিগভেলি — তিনি নরওয়েজিয়ান রাজনীতিবিদ ও জাতিসংঘের প্রথম মহাসচিব ছিলেন, মরণোত্তর নোবেল পুরস্কার পাননি।
D) দ্যাগ হ্যামারশোল্ড — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
মৃত মহাসচিব দ্যাগ হ্যামারশোল্ড পেতেন নোবেল শান্তি পুরস্কার।
সঠিক উত্তর: A) জেদ্দা
কেন সঠিক:
- ওআইসি বা ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থার সদর দপ্তর সৌদি আরবের জেদ্দা শহরে অবস্থিত।
- এর স্থায়ী সচিবালয় জেদ্দায় অবস্থিত হলেও এর প্রধান নির্বাহী শাখা বা কার্যালয় পরিচালনার ক্ষেত্রে এই শহরটিই মূল কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জেদ্দা — এটি সঠিক উত্তর কারণ ওআইসির প্রধান প্রশাসনিক কার্যালয় এখানেই অবস্থিত।
B) তেহরান — এটি ইরানের রাজধানী, যা ওআইসির সদর দপ্তর নয়।
C) জাকার্তা — এটি ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী এবং আসিয়ান (ASEAN) এর সদর দপ্তর, ওআইসির নয়।
D) বাগদাদ — এটি ইরাকের রাজধানী, যা ওআইসির সদর দপ্তর হিসেবে ব্যবহৃত হয় না।
মনে রাখার টিপস:
ওআইসির (OIC) মতো মুসলিম বিশ্বের বড় সংস্থার সদর দপ্তর মুসলিম বিশ্বের অন্যতম প্রভাবশালী দেশ সৌদি আরবের জেদ্দায় অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: B) চতুর্থ
কেন সঠিক:
- ভারত ২০২৩ সালের ২৩শে আগস্ট চন্দ্রযান-৩ সফলভাবে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে অবতরণ করায় চতুর্থ দেশ হিসেবে এই গৌরব অর্জন করে।
- এর আগে যুক্তরাষ্ট্র, সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং চীন চাঁদে সফলভাবে সফট ল্যান্ডিং বা অবতরণ করতে সক্ষম হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সপ্তম — এই সংখ্যাটি এই প্রেক্ষাপটে সঠিক নয় কারণ ভারত সপ্তম নয় বরং চতুর্থ দেশ হিসেবে চাঁদে মহাকাশযান অবতরণ করেছে।
B) চতুর্থ — এটি সঠিক উত্তর কারণ ভারত বিশ্বের চতুর্থ দেশ হিসেবে চাঁদের বুকে সফলভাবে মহাকাশযান অবতরণ করিয়েছে।
C) পঞ্চম — ভারত পঞ্চম দেশ নয়, বরং রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের পর চতুর্থ দেশ হিসেবে এই মাইলফলক স্পর্শ করেছে।
D) নবম — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ ভারত চন্দ্রাভিযানে নবম স্থানে নেই, বরং সফল অবতরণকারী দেশের দিক থেকে চতুর্থ স্থানে রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
চাঁদে সফল অবতরণের দিক থেকে ভারতের অবস্থান চার নম্বরে, অর্থাৎ যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও চীনের ঠিক পরেই ভারত চতুর্থ।
সঠিক উত্তর: C) যুক্তরাজ্য
কেন সঠিক:
- রয়টার্স হলো যুক্তরাজ্যের প্রাচীন ও বিশ্বের অন্যতম প্রধান আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা।
- পল জুলিয়াস রয়টার ১৮৫১ সালে লন্ডনে এই সংবাদ সংস্থাটি প্রতিষ্ঠা করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফ্রান্স — এটি ফ্রান্সের সংবাদ সংস্থা নয়, ফ্রান্সের প্রধান সংবাদ এজেন্সির নাম এএফপি (AFP)।
B) যুক্তরাষ্ট্র — এটি যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদ সংস্থা নয়, যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান সংবাদ সংস্থা হলো এপি (AP)।
C) যুক্তরাজ্য — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এখানে এটি প্রযোজ্য নয়।
D) কানাডা — এটি কানাডার সংবাদ সংস্থা নয়, কানাডার প্রধান সংবাদ সংস্থা হলো দ্য কানাডিয়ান প্রেস (CP)।
মনে রাখার টিপস:
রয়টার্সের প্রতিষ্ঠাতা পল জুলিয়াস রয়টার লন্ডনের অধিবাসী ছিলেন, আর লন্ডন হলো যুক্তরাজ্যের রাজধানী।
সঠিক উত্তর: B) ১৮৭৩ সালে
কেন সঠিক:
- শের-ই বাংলা আবুল কাশেম ফজলুল হক ১৮৭৩ সালের ২৬ অক্টোবর বর্তমান ঝালকাঠি জেলার রাজাপুর উপজেলার সাতুরিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন অবিভক্ত বাংলার প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ, আইনজীবী এবং তৎকালীন বাংলার প্রধানমন্ত্রী।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৮৭০ সালে — এই সালে শের-ই বাংলা আবুল কাশেম ফজলুল হক জন্মগ্রহণ করেননি, এটি সঠিক জন্মসালের সাথে মেলে না।
B) ১৮৭৩ সালে — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি এই সালেই জন্মগ্রহণ করেছিলেন।
C) ১৮৭৬ সালে — এই সালে তাঁর জন্ম হয়নি, এটি একটি ভুল সাল।
D) ১৮৯৫ সালে — এই সালটি তাঁর জন্মসালের সাথে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
শের-ই বাংলা আবুল কাশেম ফজলুল হকের জন্মসাল মনে রাখতে ৭৩ সংখ্যাটি মনে রাখতে পারেন, অর্থাৎ ১৮৭৩ সাল।
সঠিক উত্তর: C) থিওডোর হার্জল
কেন সঠিক:
- থিওডোর হার্জল আধুনিক রাজনৈতিক জায়নবাদের প্রবক্তা এবং ইসরাইল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার স্বপ্নদ্রষ্টা হিসেবে পরিচিত।
- ১৮৯৬ সালে প্রকাশিত তার ডের জুডেনস্টাট বা ইহুদি রাষ্ট্র গ্রন্থে তিনি ইহুদিদের জন্য একটি পৃথক স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনের রূপরেখা দেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আর্থার বেলফোর — তিনি ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন এবং ১৯১৭ সালের বেলফোর ঘোষণার মাধ্যমে ফিলিস্তিনে ইহুদিদের জন্য জাতীয় আবাসভূমি প্রতিষ্ঠার সমর্থন দিয়েছিলেন।
B) মোনাটেম বেগিন — তিনি ইসরাইলের ষষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী ছিলেন এবং শান্তি চুক্তিতে অবদানের জন্য নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন, কিন্তু রাষ্ট্রের স্বপ্নদ্রষ্টা নন।
C) থিওডোর হার্জল — এটি সঠিক উত্তর।
D) ব্র্যার্ন এডমণ্ড — তিনি এই প্রশ্নের উত্তরের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্ব নন।
মনে রাখার টিপস:
ইহুদি রাষ্ট্রের স্বপ্ন দেখে হার্ট বা হৃদয় দিয়ে যিনি কাজ শুরু করেছিলেন, তার নাম থিওডোর হার্জল।
সঠিক উত্তর: A) ৩.৩২ কি. মি.
কেন সঠিক:
- বঙ্গবন্ধু টানেলের মূল অংশের দৈর্ঘ্য ৩.৩২ কিলোমিটার।
- এটি কর্ণফুলী নদীর তলদেশে নির্মিত দেশের প্রথম টানেল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৩.৩২ কি. মি. — এটি বঙ্গবন্ধু টানেলের মূল অংশের সঠিক দৈর্ঘ্য।
B) ১.৩৯ কি. মি. — এই মাপের কোনো নির্দিষ্ট অংশ এই প্রকল্পের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
C) ৭.৩৯ কি. মি. — এটি টানেলের সংযোগ সড়কসহ মোট দৈর্ঘ্য বা অন্য কোনো অবকাঠামোর মাপ।
D) ৪.৩৯ কি. মি. — এটি টানেলের প্রোটোকল বা অন্য কোনো দূরত্বের ভুল পরিমাপ।
মনে রাখার টিপস:
বঙ্গবন্ধু টানেলের মূল দৈর্ঘ্য ৩.৩২ কিমি মনে রাখতে ৩-এর পর ডাবল ৩ ও ২ অর্থাৎ ৩.৩২ মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: A) Letter Of Intent
কেন সঠিক:
- আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও কূটনীতিতে কোনো চুক্তি স্বাক্ষরের পূর্বে পারস্পরিক সমঝোতা বা আগ্রহ প্রকাশের ঘোষণাপত্রকে লেটার অব ইনটেন্ট বলা হয়।
- এটি মূলত আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষরের আগের একটি প্রাথমিক দলিল, যা পক্ষগুলোর সহযোগিতার ইচ্ছাকে নিশ্চিত করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Letter Of Intent — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ কূটনৈতিক বা বাণিজ্যিক চুক্তির প্রাথমিক প্রকাশ হিসেবে এটি ব্যবহৃত হয়।
B) Letter Of Identification — এটি কোনো পরিচিতি চিহ্নিতকরণ পত্র বা দলিলের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, যা আন্তর্জাতিক রাজনীতির এই পদের সঙ্গে মিলে না।
C) Letter Of Inspection — এটি সাধারণত কোনো পণ্য বা স্থান পরিদর্শনের ছাড়পত্র বা নির্দেশপত্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
D) Letter Of Impact — আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে এমন কোনো নির্দিষ্ট বা স্বীকৃত প্রাথমিক দলিল বা পদের প্রচলন নেই।
মনে রাখার টিপস:
ইনটেন্ট শব্দের অর্থ আগ্রহ বা ইচ্ছা, তাই আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে কাজের ইচ্ছাপত্র বোঝাতে Letter Of Intent ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: B) অস্ট্রেলিয়া
কেন সঠিক:
- অস্ট্রেলিয়া পুরুষদের ওয়ানডে ক্রিকেটে সবচেয়ে বেশি ছয়বার বিশ্বকাপ জিতেছে।
- দলটি ১৯৮৭, ১৯৯৯, ২০০৩, ২০০৭, ২০১৫ এবং ২০২৩ সালে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইংল্যান্ড — ইংল্যান্ড পুরুষদের ওয়ানডে ফরম্যাটে একবার বিশ্বকাপ জিতেছে।
B) অস্ট্রেলিয়া — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য।
C) ভারত — ভারত পুরুষদের ওয়ানডে ক্রিকেটে দুইবার বিশ্বকাপ জিতেছে।
D) পাকিস্তান — পাকিস্তান পুরুষদের ওয়ানডে ক্রিকেটে একবার বিশ্বকাপ জিতেছে।
মনে রাখার টিপস:
অস্ট্রেলিয়ার বিশ্বকাপ জয় মনে রাখতে ৬ সংখ্যাটি মনে রাখুন, কারণ তারা ৬ বার শিরোপা জিতেছে।
সঠিক উত্তর: D) জাহানারা ইমাম
কেন সঠিক:
- 'একাত্তরের দিনগুলি' বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের ওপর লেখা শহীদ জননী জাহানারা ইমামের বিখ্যাত একটি দিনলিপি বা প্রামাণিক স্মৃতিকথা।
- এই গ্রন্থে তিনি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের দিনগুলোতে তার পরিবারের সংগ্রামের ইতিহাস অত্যন্ত মর্মান্তিকভাবে তুলে ধরেছেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) খেয়শ রায় — এটি এই গ্রন্থের রচয়িতা নন এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রেক্ষাপটে এটি একটি কাল্পনিক বা অপ্রাসঙ্গিক নাম।
B) সুফিয়া কামাল — তিনি বাংলাদেশের প্রখ্যাত কবি ও সাহিত্যিক হলেও এই ঐতিহাসিক দিনলিপির রচয়িতা নন।
সি) শওকত ওসমান — তিনি একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক হলেও 'একাত্তরের দিনগুলি' গ্রন্থের রচয়িতা নন।
D) জাহানারা ইমাম — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ তিনি শহীদ জননী হিসেবে এই ঐতিহাসিক গ্রন্থটি রচনা করেছেন।
মনে রাখার টিপস:
'একাত্তরের দিনগুলি' মানেই শহীদ জননী জাহানারা ইমামের দিনলিপি, যিনি মুক্তিযুদ্ধে পুত্র হারিয়েও লড়াই চালিয়ে গেছেন।
সঠিক উত্তর: B) ২০১২
কেন সঠিক:
- এটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা প্রথম আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ।
- গ্রন্থটি ২০১২ সালের ১৮ জুন আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২০১০ — এই সালে বইটি প্রকাশিত হয়নি, এটি প্রকাশের আগের একটি বছর মাত্র।
B) ২০১২ — এটি সঠিক সাল এবং এই সালেই বইটি প্রকাশিত হয়েছিল।
C) ২০১৩ — এটি বইটির প্রকাশের পরের বছর, তাই সঠিক উত্তর নয়।
D) ২০১৪ — এই সালটিও প্রকাশের সঠিক সময় নয়, এটি প্রকাশের আরও পরের বছর।
মনে রাখার টিপস:
বঙ্গবন্ধুর জন্ম ১৯২০ সালে এবং তাঁর আত্মজীবনী প্রকাশিত হয় ২০১২ সালে।
সঠিক উত্তর: B) মুন্সীগঞ্জ ও শরীয়তপুর
কেন সঠিক:
- পদ্মা সেতু বাংলাদেশের মুন্সীগঞ্জ জেলার মাওয়া পয়েন্টকে অপর পারে শরীয়তপুর জেলার জাজিরা পয়েন্টের সঙ্গে যুক্ত করেছে।
- এই সেতুর মাধ্যমে রাজধানী ঢাকার সঙ্গে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের সরাসরি সড়ক যোগাযোগ স্থাপিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মুন্সীগঞ্জ ও মাদারীপুর — পদ্মা সেতু সরাসরি মাদারীপুর জেলাকে সংযুক্ত করে না, তবে জাজিরার মাধ্যমে মাদারীপুর যাতায়াত করা যায়।
B) মুন্সীগঞ্জ ও শরীয়তপুর — এটি সঠিক সংযোগকারী দুটি জেলা হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
C) মুন্সীগঞ্জ ও ফরিদপুর — পদ্মা সেতু ফরিদপুর জেলাকে সরাসরি সংযুক্ত করে না, এটি শরীয়তপুরের সঙ্গে যুক্ত।
D) গোপালগঞ্জ ও মুন্সীগঞ্জ — গোপালগঞ্জ অনেক দূরে অবস্থিত এবং এটি সেতুর সরাসরি সংযোগকারী জেলা নয়।
মনে রাখার টিপস:
পদ্মা সেতুর দুই প্রান্ত মনে রাখতে মুন্সীগঞ্জ ও শরীয়তপুর শব্দ দুটি মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: B) জেনেভা
কেন সঠিক:
- UNHCR হলো জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাই কমিশন, যার প্রধান কার্যালয় সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত।
- বিশ্বজুড়ে শরণার্থী ও আশ্রয়নপ্রার্থীদের সুরক্ষা এবং কল্যাণ নিশ্চিত করার মূল কেন্দ্র হিসেবে এটি জেনেভা থেকে পরিচালিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লন্ডন — এটি যুক্তরাজ্যের রাজধানী এবং এখানে অনেক আন্তর্জাতিক সংস্থার দপ্তর থাকলেও UNHCR-এর সদর দপ্তর এখানে নয়।
B) জেনেভা — এটি সুইজারল্যান্ডের শহর এবং UNHCR-এর মূল সদর দপ্তর এখানেই অবস্থিত।
C) মাদ্রিদ — এটি স্পেনের রাজধানী এবং পর্যটন ও সংস্কৃতির কেন্দ্র হলেও এই সংস্থার সদর দপ্তর এখানে নেই।
D) নিউইয়র্ক — এটি জাতিসংঘের মূল সদর দপ্তর হলেও UNHCR-এর প্রধান কার্যালয় জেনেভায় অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
শরণার্থীদের (Refugee) সেবা দিতে হলে নিরপেক্ষ থাকতে হয়, আর সুইজারল্যান্ডের জেনেভা হলো নিরপেক্ষতার শহর।
সঠিক উত্তর: C) ফিনল্যান্ড
কেন সঠিক:
- ফিনল্যান্ড ৪ঠা এপ্রিল ২০২৩ তারিখে ন্যাটোর ৩১তম সদস্য হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করে।
- দীর্ঘকাল সামরিকভাবে নিরপেক্ষ থাকার পর রাশিয়ার ইউক্রেন আক্রমণের প্রেক্ষাপটে তারা এই নিরাপত্তা জোটে যোগ দেয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কানাডা — কানাডা ন্যাটোর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং এটি ৪ঠা এপ্রিল ১৯৪৯ সালে জোটে যোগ দেয়।
B) সাইপ্রাস — সাইপ্রাস ন্যাটোর সদস্য রাষ্ট্র নয় এবং তাদের ভূরাজনৈতিক জটিলতার কারণে জোটে যোগদানের সম্ভাবনা নেই।
C) ফিনল্যান্ড — এটি সঠিক উত্তর।
D) অস্ট্রেলিয়া — অস্ট্রেলিয়া ন্যাটোর সদস্য নয় কারণ এটি প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশ এবং ন্যাটো মূলত উত্তর আটলান্টিক অঞ্চলের সামরিক জোট।
মনে রাখার টিপস:
ফিনল্যান্ড হলো ৩১ নম্বর সদস্য, আর সুইডেন হলো ৩২তম সদস্য দেশ।
সঠিক উত্তর: C) গাল্ফ শিল্ড- ১
কেন সঠিক:
- ২০১৮ সালে সৌদি আরবের সামরিক উদ্যোগে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অংশগ্রহণে এই যৌথ সামরিক মহড়া অনুষ্ঠিত হয়।
- বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এই মহড়ায় অংশগ্রহণ করে দুই দেশের মধ্যকার সামরিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করেছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ব্ল্যাক ক্যাট- ১ — এটি কোনো বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের যৌথ সামরিক মহড়ার নাম নয়, বরং এটি একটি বিশেষায়িত নিরাপত্তা বাহিনীর নাম।
B) ডেজার্ট রোড — এটি এই প্রশ্নের উত্তর হিসেবে সঠিক নয় কারণ এমন নামের কোনো নির্দিষ্ট যৌথ সামরিক মহড়ার ঐতিহাসিক রেকর্ড নেই।
C) গাল্ফ শিল্ড- ১ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং ২০১৮ সালে বাংলাদেশ ও সৌদি আরবসহ বিভিন্ন দেশের অংশ্রগ্রহণে পরিচালিত হয়।
D) পিস ফোর্স- ১ — এটি বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের যৌথ সামরিক মহড়ার নাম নয়, এটি শান্তিরক্ষী বাহিনীর কোনো বিশেষ অভিযানের নাম হতে পারে।
মনে রাখার টিপস:
সৌদি আরবের সাথে বাংলাদেশের সামরিক মহড়া মনে রাখতে উপসাগরীয় অঞ্চলের শিল্ড বা ঢাল হিসেবে গাল্ফ শিল্ড নামাদি মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: C) Uranium (U-235)
১. কেন সঠিক:
- ইউরেনিয়াম-২৩৫ আইসোটোপটি পারমাণবিক চুল্লিতে ফিশন বিক্রিয়ার মাধ্যমে প্রচুর পরিমাণে তাপশক্তি উৎপন্ন করে।
- এই উৎপাদিত তাপ ব্যবহার করে জল ফুটিয়ে উচ্চচাপের বাষ্প তৈরি করা হয় এবং তা দিয়ে টারবাইন ঘুরিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: পারমাণবিক ফিশন হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে একটি ভারী পরমাণুর নিউক্লিয়াস ভেঙে প্রায় সমমানের দুটি হালকা নিউক্লিয়াসে পরিণত হয় এবং বিপুল শক্তি মুক্ত হয়।
- কার্যপ্রণালি: ইউরেনিয়াম-২৩৫ নিউক্লিয়াসের ওপর একটি ধীরগতির নিউট্রন আঘাত হানলে তা ভেঙে দুটি নতুন মৌল এবং তিনটি নতুন নিউট্রন তৈরি করে এবং ভর ত্রুটির কারণে শক্তি উৎপন্ন হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র।
ব্যাখ্যা: বাংলাদেশের এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রে জ্বালানি হিসেবে ইউরেনিয়াম ব্যবহার করে পারমাণবিক ফিশন প্রক্রিয়ায় বিদ্যুৎ উৎপাদনের কাজ চলছে।
উদাহরণ ২: পারমাণবিক সাবমেরিন।
ব্যাখ্যা: সাবমেরিনে ইউরেনিয়াম ফিশন থেকে প্রাপ্ত শক্তি ব্যবহার করে দীর্ঘ সময় ধরে জ্বালানি পরিবর্তনের ঝামেলা ছাড়া moteurs চালিত করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Plutonium (Pu-239) — এটি প্রাকৃতিকভাবে সহজে পাওয়া যায় না এবং সাধারণত পারমাণবিক অস্ত্র বা বিশেষ দ্রুত চুল্লিতে ব্যবহৃত হয়, বাণিজ্যিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে প্রধান জ্বালানি নয়।
B) Thorium (Th-232) — থোরিয়াম একটি উর্বর পদার্থ এবং এটি সরাসরি ফিশন ঘটায় না, তবে একে রূপান্তর করে ইউরেনিয়াম-২৩৩ তে পরিণত করে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহারের গবেষণা চলছে।
C) Uranium (U-235) — এটি সঠিক কারণ এটি প্রাকৃতিক ইউরেনিয়ামের একমাত্র fissile বা বিভাজনযোগ্য আইসোটোপ যা নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্টে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
D) কোনটাই নয় — যেহেতু অপশন সি সঠিক, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- নিউক্লিয়ার পাওয়ারে শক্তি পেতে হলে চাই ইউরেনিয়াম, যার ভর সংখ্যা ২৩৫।
- পরমাণুর বিভাজন বা ফিশন মনে রাখতে ইউরেনিয়াম-২৩৫ এর নামটি সবার আগে মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- পারমাণবিক চুল্লিতে নিউক্লিয়ার চেইন বিক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করতে ক্যাডমিয়াম বা বোরন রোড ব্যবহার করা হয়।
- এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় শক্তি ও শক্তির রূপান্তর অধ্যায়ের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: A) Energy
১. কেন সঠিক:
কিলোওয়াট আওয়ার হলো শক্তির বাণিজ্যিক বা ব্যবহারিক একক। এটি মূলত বৈদ্যুতিক শক্তি ব্যবহারের পরিমাণ নির্দেশ করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: ক্ষমতা এবং সময়ের গুণফল হলো শক্তি। এক কিলোওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন কোনো বৈদ্যুতিক যন্ত্র এক ঘণ্টায় যে পরিমাণ কাজ সম্পন্ন করে বা শক্তি ব্যয় করে, তাকে এক কিলোওয়াট আওয়ার বা এক ইউনিট বলা হয়।
সূত্র: শক্তি = ক্ষমতা × সময়। এখানে কিলোওয়াট হলো ক্ষমতার একক এবং আওয়ার হলো সময়ের একক।
বাস্তব প্রয়োগ: আমাদের বাসাবাড়িতে বিদ্যুৎ বিল হিসাব করার জন্য কিলোওয়াট আওয়ার এককটি ব্যবহার করা হয়। বিদ্যুৎ মিটারে এই এককটি ইউনিট হিসেবে পরিমাপ করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: একটি এক হাজার ওয়াটের বৈদ্যুতিক হিটার এক ঘণ্টা চালালে এক কিলোওয়াট আওয়ার বা এক ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ হয়।
ব্যাখ্যা: হিটারটি নির্দিষ্ট সময়ে যে পরিমাণ বৈদ্যুতিক শক্তি তাপশক্তিতে রূপান্তর করে, তা এই এককের মাধ্যমে হিসাব করা হয়।
উদাহরণ ২: ১০০ ওয়াটের দশটি বাল্ব এক ঘণ্টা একসঙ্গে জ্বালালে মোট এক কিলোওয়াট আওয়ার শক্তি খরচ হয়।
ব্যাখ্যা: একাধিক ছোট যন্ত্রের সম্মিলিত শক্তি খরচও এই একক দিয়ে খুব সহজে হিসাব করা সম্ভব।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Energy — এটি সঠিক উত্তর কারণ কিলোওয়াট আওয়ার শক্তি পরিমাপের একক।
B) Electric Current — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ বৈদ্যুতিক প্রবাহের একক হলো অ্যাম্পিয়ার।
C) Electric Charge — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ বৈদ্যুতিক আধান বা চার্জের একক হলো কুলম্ব।
D) Power — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ বৈদ্যুতিক ক্ষমতার একক হলো ওয়াট বা কিলোওয়াট।
৫. মনে রাখার টিপস:
নামে ওয়াট থাকলেই ভাববেন না এটি শুধু ক্ষমতার একক। আওয়ার বা সময় যুক্ত থাকলেই তা শক্তির পরিমাপে পরিণত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
এক কিলোওয়াট আওয়ার বা এক ইউনিট বিদ্যুৎ মানে তিন লক্ষ ষাট হাজার জুল শক্তির সমান। বিদ্যুৎ বিলের হিসাব সংক্রান্ত যেকোনো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।
সঠিক উত্তর: C) Rectifier
১. কেন সঠিক:
- Alternating Current বা এসি বিদ্যুৎকে Direct Current বা ডিসি বিদ্যুতে রূপান্তরিত করতে রেকটিফায়ার ব্যবহৃত হয়।
- এটি মূলত ডায়োড ব্যবহার করে বিদ্যুতের প্রবাহকে একদিকে পরিচালিত করে এবং এসি তরঙ্গের দিক পরিবর্তন রোধ করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: রেকটিফায়ার হলো এমন একটি বৈদ্যুতিক যন্ত্র যা দিক পরিবর্তনকারী বিদ্যুৎ প্রবাহকে একমুখী বিদ্যুৎ প্রবাহে রূপান্তর করে।
- কার্যপ্রণালি: এতে অর্ধপরিবাহী ডায়োড ব্যবহার করা হয় যা কেবল একটি দিকে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হতে দেয় এবং বিপরীত দিকের প্রবাহকে বাধা দেয়।
- বাস্তব প্রয়োগ: মোবাইল ফোন চার্জার ল্যাপটপ অ্যাডাপ্টর এবং বিভিন্ন হোম অ্যাপ্লায়েন্সে এসি মেইনস ভোল্টেজকে ডিসিতে রূপান্তর করতে এটি ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মোবাইল ফোন চার্জার
ব্যাখ্যা: ঘরের বৈদ্যুতিক সকেটের এসি বিদ্যুৎ চার্জারের ভেতরে থাকা রেকটিফায়ারের মাধ্যমে ডিসিতে রূপান্তরিত হয়ে মোবাইলের ব্যাটারি চার্জ করে।
উদাহরণ ২: ল্যাপটপ অ্যাডাপ্টর
ব্যাখ্যা: ল্যাপটপের ব্যাটারি ডিসি বিদ্যুৎে কাজ করে তাই অ্যাডাপ্টরের ভেতরের সার্কিট এসিকে ডিসিতে রূপান্তর করে ল্যাপটপ সচল রাখে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Dynamo — এটি যান্ত্রিক শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করে এবং সাধারণত ডিসি বিদ্যুৎ উৎপন্ন করতে ব্যবহৃত হয়।
B) Transformer — এটি তড়িচ্চৌম্বকীয় প্রভাবে এসি ভোল্টেজের মান বাড়াতে বা কমাতে সাহায্য করে কিন্তু এসিকে ডিসিতে রূপান্তর করে না।
C) Rectifier — এটি এসিকে ডিসিতে রূপান্তরিত করে এবং এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
D) Motor — এটি বিদ্যুৎ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে যেমন বৈদ্যুতিক পাখা বা পাম্পে ব্যবহৃত হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ইংরেজি শব্দ Rectifier এর প্রথম অক্ষর R এবং Direct Current এর D মিলিয়ে মনে রাখতে পারো রেকটিফায়ার ডিসি দেয়।
- এসি বিদ্যুৎ দিক পরিবর্তন করে আর রেকটিফায়ার তাকে একমুখী করে তোলে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদ্যুৎ রূপান্তরকারী যন্ত্র থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- ডিসি থেকে এসি রূপান্তর করার যন্ত্রের নাম ইনভার্টার যা এই ধারণার বিপরীত।
সঠিক উত্তর: D) বেগুনি
১. কেন সঠিক:
দৃশ্যমান আলোর বর্ণালির মধ্যে বেগুনি রঙের আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম এবং কম্পাঙ্ক সবচেয়ে বেশি।
আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম হওয়ার কারণে এটি কণার দ্বারা বেশি বিক্ষিপ্ত হয় এবং এর শক্তি লাল আলোর চেয়ে বেশি।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: দৃশ্যমান আলো হলো তড়িৎচৌম্বকীয় বর্ণালির সেই অংশ যা মানবচক্ষুতে সংবেদনশীল এবং এর তরঙ্গদৈর্ঘ্য প্রায় চারশো থেকে সাতশো ন্যানোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।
কার্যপ্রণালি: প্রিজমের মধ্য দিয়ে সাদা আলো গেলে তরঙ্গদৈর্ঘ্য ভিন্নতার কারণে বিভিন্ন রঙে বেঁকে যায় যেখানে বেগুনি আলোর চ্যুতি সবচেয়ে বেশি হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আকাশে রামধনু সৃষ্টির সময় বৃষ্টির ফোঁটায় আলো প্রতিসরণ ও বিচ্ছুরণের ফলে বেগুনি রঙ নিচে অবস্থান করে।
ব্যাখ্যা: বেগুনি আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম হওয়ায় এর প্রতিসরণ কোণ সবচেয়ে বেশি হয় এবং এটি বর্ণালির সবার নিচে দেখা যায়।
উদাহরণ ২: সূর্যাস্তের সময় আকাশের কিছু অংশে বেগুনি ও নীল আভা দেখা যায়।
ব্যাখ্যা: বায়ুমণ্ডলের কণাগুলোর দ্বারা কম তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো বেশি ছড়িয়ে পড়ার কারণে এমনটি ঘটে থাকে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লাল — লাল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি এবং কম্পাঙ্ক সবচেয়ে কম হওয়ায় এটি এই প্রশ্নের উত্তর নয়।
B) কালো — কালো কোনো মৌলিক রঙ নয় বরং এটি আলোর অনুপস্থিতি বা সব আলো শোষিত হওয়ার ফলাফল।
C) সাদা — সাদা আলো হলো সাতটি রঙের একটি মিশ্রণ এবং এটি কোনো একক দৃশ্যমান আলোর ক্ষুদ্রতম দৈর্ঘ্য নয়।
D) বেগুনি — বেগুনি রঙের আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর।
৫. মনে রাখার টিপস:
দৃশ্যমান আলোর বর্ণালি মনে রাখার ইংরেজি সংক্ষিপ্ত রূপ হলো VIBGYOR যেখানে প্রথম অক্ষর V হলো Violet বা বেগুনি যার তরঙ্গদৈর্ঘ্য সর্বনিম্ন।
বিপরীতে বর্ণালির শেষ অক্ষর R হলো Red বা লাল যার তরঙ্গদৈর্ঘ্য সর্বোচ্চ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোন রঙের আলোর প্রতিসরণ সবচেয়ে বেশি বা তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম।
একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে দৃশ্যমান আলোর কোন রঙের তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি, যার উত্তর হবে লাল।
সঠিক উত্তর: B) আবিষ্কার
১. কেন সঠিক:
- আবিষ্কার শব্দটি সঠিক কারণ এটি তৎসম শব্দ এবং এখানে ই-কার ও মূর্ধন্য-ষ ব্যবহৃত হয়েছে।
- অদ্ভূত বা নতুন কিছু খুঁজে বের করা বা উদ্ভাবন করাকে আবিষ্কার বলা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা বানানরীতিতে তৎসম শব্দে ই-কার এবং মূর্ধন্য-ষ ব্যবহারের সুনির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে।
- উপসর্গ বা পূর্বপদের অন্তস্থিত অ বা আ-এর পর ই, ঈ, উ, ঊ বা ঋ-কার থাকলে পরবর্তী ধ্বনির প্রভাবে বানান পরিবর্তিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পরিষ্কার
ব্যাখ্যা: পরি উপসর্গের পর কার যোগে গঠিত একটি বহুল ব্যবহৃত শুদ্ধ তৎসম শব্দ।
উদাহরণ ২: বহিষ্কার
ব্যাখ্যা: বহি উপসর্গের প্রভাবে এখানেও মূর্ধন্য-ষ এর সঠিক প্রয়োগ ঘটেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঋতু — ঋতু বানান সঠিক হলেও এটি প্রশ্ন অনুযায়ী শুদ্ধ বানান শনাক্তকরণের অন্য একটি শব্দ, তবে মূল প্রশ্নে বি অপশন সঠিক হওয়ায় এটি এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) আবিষ্কার — এটি প্রশ্ন অনুযায়ী সঠিক উত্তর এবং এর বানান শতভাগ প্রমিত।
C) মনোকষ্ট — এই বানানটি ভুল কারণ সঠিক বানান হবে মনস্তাপ অথবা মনঃকষ্ট বিসর্গ সন্ধির নিয়মে।
D) পুরস্কার — পুরস্কার বানানটি ভুল কারণ পুরঃ + কার মিলে পুরস্কার হয় যেখানে দন্ত-স বসে, তবে এখানে সঠিক উত্তর বি দেওয়ায় এটি ভুল হিসেবে গণ্য।
৫. মনে রাখার টিপস:
- আবিষ্কার ও পুরস্কার মনে রাখার জন্য বিসর্গ সন্ধির নিয়মটি বারবার চর্চা করতে হবে।
- নতুন কিছু পেলে আবিষ্কার এবং সম্মাননা বুঝাতে পুরস্কার শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিসর্গ সন্ধি ও মূর্ধন্য-ষ এর নিয়ম থেকে প্রায়ই বানান সংশোধনের প্রশ্ন আসে।
- নিয়মগুলো আয়ত্ত করলে এক নজরেই সঠিক উত্তর চিহ্নিত করা সম্ভব হয়।
সঠিক উত্তর: D) কবিরাজ
১. কেন সঠিক:
- কবিরাজ শব্দটির কোনো ব্যাকরণগত স্ত্রীলিঙ্গ রূপান্তর নেই কারণ এটি একটি বিশেষ পেশাবাচক বা উপাধিবাচক শব্দ।
- বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কিছু বিশেষ শব্দে লিঙ্গভেদ হয় না এবং এগুলো উভয় লিঙ্গ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণে যে শব্দগুলোর পুরুষবাচক বা স্ত্রীলিঙ্গবাচক ভিন্ন রূপ থাকে না, সেগুলোকে নিত্য পুরুষবাচক বা নিত্য স্ত্রীলিঙ্গবাচক অথবা লিঙ্গ পরিবর্তন হয় না এমন শব্দ বলা হয়।
- পেশা, পদবি বা জাতি বোঝাতে অনেক সময় লিঙ্গ পরিবর্তন ছাড়াই উভয় লিঙ্গ বোঝানো হয়, যেমন কবিরাজ, ঢাকি, ওঝা ইত্যাদি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ডাক্তার
ব্যাখ্যা: ডাক্তার একটি পেশাবাচক শব্দ এবং এর কোনো নির্দিষ্ট স্ত্রীলিঙ্গ রূপ নেই, পুরুষ ও নারী উভয়ের ক্ষেত্রেই ডাক্তার শব্দটি ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: চোর
ব্যাখ্যা: চোর শব্দটির কোনো লিঙ্গান্তর হয় না, নারী বা পুরুষ উভয় অপরাধীর ক্ষেত্রেই এই শব্দটি সমানভাবে প্রযোজ্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সাহেব — সাহেব শব্দের স্ত্রীলিঙ্গ রূপ বিবি বা মেম, তাই এর লিঙ্গান্তর হয়।
B) বেয়াই — বেয়াই শব্দের স্ত্রীলিঙ্গ রূপ বেয়াইন, তাই এর লিঙ্গান্তর হয়।
C) সঙ্গী — সঙ্গী শব্দের স্ত্রীলিঙ্গ রূপ সঙ্গিনী, তাই এর লিঙ্গান্তর হয়।
D) কবিরাজ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর কোনো স্ত্রীলিঙ্গ রূপান্তর ব্যাকরণে স্বীকৃত নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- পেশাবাচক বা উপাধিবাচক কিছু শব্দ যেমন কবিরাজ, ডাক্তার, পাইক এদের লিঙ্গ পরিবর্তন হয় না।
- পরীক্ষার হলে এই ধরনের শব্দ দেখলে মনে রাখবে এগুলো উভয় লিঙ্গ বা নিত্য পুরুষবাচক শব্দ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিত্য পুরুষবাচক বা লিঙ্গান্তর হয় না এমন শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- কৃতদার, কবিরাজ, ঢাকী, ওঝা এই শব্দগুলোর লিঙ্গ পরিবর্তন হয় না ভালো করে মনে রাখবে।
প্রশ্নের ধরন: সন্ধি ও সন্ধিবিচ্ছেদ
সঠিক উত্তর: B) ধ্বনি তত্ত্ব
১. কেন সঠিক:
সন্ধি শব্দের অর্থ মিলন বা দুটি ধ্বনির মিলন। ব্যাকরণের যে অংশে ধ্বনির পরিবর্তন, উচ্চারণ এবং সন্ধির নিয়ম নিয়ে আলোচনা করা হয়, তাকে ধ্বনি তত্ত্ব বলা হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে ধ্বনি তত্ত্ব বা ধ্বনিতত্ত্বে ধ্বনির উচ্চারণ, পরিবর্তন, বর্ণ, সন্ধি এবং নত্ব বিধান ও ষত্ব বিধান নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। দুটি ধ্বনির মিলনের ফলে উচ্চারণের যে সুবিধা ও মাধুর্য আসে, তা ধ্বনি তত্ত্বের আওতাধীন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিদ্যা + আলয় = বিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা: এখানে আ এবং আ ধ্বনি মিলে একটি আ ধ্বনি হয়েছে, যা ধ্বনি পরিবর্তনের নিয়ম নির্দেশ করে।
উদাহরণ ২: হিম + আলয় = হিমালয়।
ব্যাখ্যা: অ এবং আ ধ্বনি মিলে আ ধ্বনি তৈরি হয়েছে, যা ধ্বনির মিলনের মাধ্যমে সাধিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রূপতত্ত্ব — রূপতত্ত্ব অংশে শব্দ ও পদের গঠন, উপসর্গ, প্রত্যয় এবং বিভক্তি নিয়ে আলোচনা করা হয়, সন্ধি নিয়ে নয়।
B) ধ্বনি তত্ত্ব — এই অপশনটি সঠিক কারণ সন্ধি সরাসরি ধ্বনির মিলন ও পরিবর্তনের সঙ্গে সম্পর্কিত।
C) পদপ্রক্রম — পদপ্রক্রম অংশে বাক্যে পদের ব্যবহার এবং কারক ও বিভক্তি সম্পর্কিত নিয়ম নিয়ে আলোচনা করা হয়।
D) বাক্যপ্রকরণ — বাক্যপ্রকরণ অংশে বাক্যের গঠন, রূপান্তর এবং বাক্যের বিভিন্ন অংশ নিয়ে আলোচনা করা হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
সন্ধি মানে ধ্বনির মিলন, আর ধ্বনি সম্পর্কিত সব আলোচনা ধ্বনি তত্ত্বের কাজ। ধ্বনি ও সন্ধি দুটি শব্দ পাশাপাশি মনে রাখলে উত্তর সহজ হবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ব্যাকরণের কোন অংশ কিসের আলোচ্য বিষয়, তা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। সন্ধি, নত্ব বিধান ও ষত্ব বিধান সবসময় ধ্বনি তত্ত্বের আলোচ্য বিষয় হিসেবে গণ্য হয়।
সঠিক উত্তর: C) প্রাতিপদিক
১. কেন সঠিক:
বিভক্তিহীন নাম শব্দকে প্রাতিপদিক বলা হয়। এটি মূলত শব্দের মূল রূপ, যার সঙ্গে কোনো বিভক্তি যুক্ত থাকে না।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
শব্দমূল বা ধাতুর সঙ্গে বিভক্তি যুক্ত হয়ে পদ গঠিত হয়। প্রাতিপদিক হলো সেই শব্দ যা বিভক্তিহীন অবস্থায় থাকে এবং এর সঙ্গে বিভক্তি যুক্ত করে নতুন পদ তৈরি করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কলম
ব্যাখ্যা: এটি একটি বিভক্তিহীন নাম শব্দ বা প্রাতিপদিক, যার সঙ্গে বিভক্তি যুক্ত করে পদ বানানো যায়।
উদাহরণ ২: বই
ব্যাখ্যা: এটিও একটি প্রাতিপদিক কারণ এতে কোনো কারকীয় বিভক্তি যুক্ত নেই।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নামপদ — নামপদ বলতে বিভক্তিযুক্ত বা স্বাধীন যেকোনো বিশেষ্য, বিশেষণ, সর্বনাম বা অব্যয় পদকে বোঝায়, কেবল বিভক্তিহীন মূল রূপকে নয়।
B) উপপদ — কৃৎ বা তদ্ধিত প্রত্যয়ান্ত পদের আগের পদটিকে উপপদ বলে, যা এই প্রশ্নের উত্তরের সঙ্গে মেলে না।
C) প্রাতিপদিক — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বিভক্তিহীন নাম শব্দকে নির্দেশ করে।
D) উপমিত — এটি কর্মধারয় সমাসের একটি বিশেষ প্রকার, যার সঙ্গে বিভক্তিহীন শব্দের সরাসরি সম্পর্ক নেই।
৫ মনে রাখার টিপস:
প্রাতিপদিক মানেই হলো প্রাক বা পূর্বের পদ অর্থাৎ বিভক্তি যোগ করার আগের মূল রূপ। মূল শব্দের সঙ্গে কোনো বিভক্তি না থাকলেই তাকে প্রাতিপদিক মনে রাখবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রাতিপদিক এবং শব্দের মূল রূপ সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। তাই বিভক্তিহীন নাম শব্দ দেখলে চোখ বন্ধ করে প্রাতিপদিক দাগাতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) চট্টগ্রাম
১. কেন সঠিক:
- দৌলত উজির বাহরাম খান মধ্যযুগের একজন বিশিষ্ট কবি এবং তিনি বর্তমান বাংলাদেশের চট্টগ্রাম অঞ্চলের অধিবাসী ছিলেন।
- চট্টগ্রাম অঞ্চলের প্রাচীন নাম ছিল সমতট বা হরতোলা এবং মধ্যযুগে সাহিত্যচর্চায় এই অঞ্চলের বিশেষ অবদান ছিল।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- দৌলত উজির বাহরাম খান মধ্যযুগের আরাকান রাজসভার অন্যতম প্রখ্যাত কবি ও উজির ছিলেন।
- তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ হলো লাইলি মজনু, যা ফার্সি ভাষার কাহিনীর বাংলা অনুবাদ এবং এটি ষোল শতকে রচিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সৈয়দ সুলতান
ব্যাখ্যা: মধ্যযুগের আরেক বিশিষ্ট কবি সৈয়দ সুলতান চট্টগ্রাম অঞ্চলের অধিবাসী ছিলেন এবং তিনি নবীচরিত রচনা করেন।
উদাহরণ ২: শাহ মোহাম্মদ সগীর
ব্যাখ্যা: গৌড় বা বাংলা অঞ্চলের প্রাচীন ও মধ্যযুগের কবিদের মতো চট্টগ্রাম অঞ্চলেও অনেক প্রতিভাবান সাহিত্যিক জন্মগ্রহণ করেছিলেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চট্টগ্রাম — এটি সঠিক উত্তর কারণ কবি দৌলত উজির বাহরাম খান এই অঞ্চলেই জন্মগ্রহণ করেছিলেন।
B) সিলেট — সিলেট অঞ্চলের বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিক হিসেবে শাহ গরিবুল্লাহ বা অন্যান্য সাধকদের নাম পাওয়া যায়, বাহরাম খানের নয়।
C) দিনাজপুর — দিনাজপুর অঞ্চল থেকে মধ্যযুগের অনেক সাহিত্যিক আবির্ভূত হননি, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়।
D) ফরিদপুর — ফরিদপুর অঞ্চলের সঙ্গে দৌলত উজির বাহরাম খানের জন্মস্থানের কোনো ঐতিহাসিক সংযোগ নেই।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বাহরাম খানের নামের সঙ্গে চট্টগ্রাম অঞ্চলের প্রাচীন সাহিত্যচর্চার যোগসূত্র মনে রাখতে হবে।
- মধ্যযুগের আরাকান রাজসভা ও চট্টগ্রামের কবিদের একটি তালিকা তৈরি করে পড়লে এই প্রশ্ন সহজে মনে রাখা যায়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- মধ্যযুগের কবিদের জন্মস্থান ও তাদের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের নাম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
- লাইলি মজনু কাব্যটি কার লেখা এবং এর রচয়িতা কোন অঞ্চলের, তা জেনে রাখা অত্যন্ত জরুরি।
সঠিক উত্তর: A) জহির রায়হান
১. কেন সঠিক:
প্রশ্নটিতে একটি বিখ্যাত উপন্যাসের রচయితার নাম জানতে চাওয়া হয়েছে। শেষ বিকেলের মেয়ে জহির রায়হানের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় উপন্যাস।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
জহির রায়হান ছিলেন একাধারে প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক এবং চলচ্চিত্র নির্মাতা। ভাষা আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং মুক্তিযুদ্ধে তার অবদান তাকে স্মরণীয় করে রেখেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বরফ গলা নদী
ব্যাখ্যা: এটি জহির রায়হানের লেখা আরেকটি অত্যন্ত প্রশংসিত সামাজিক উপন্যাস।
উদাহরণ ২: হাজার বছর ধরে
ব্যাখ্যা: এটি তার অমর সৃষ্টি যা গ্রামবাংলার জীবনচিত্র তুলে ধরে এবং জাতীয় চলচ্চিত্র পুরষ্কার লাভ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জহির রায়হান — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই উপন্যাসটি তারই রচনা।
B) রাবেয়া খাতুন — তিনি বিখ্যাত ঔপন্যাসিক হলেও এই উপন্যাসের রচয়িতা নন।
C) সেলিনা হোসেন — তিনি সমকালীন কথাসাহিত্যিক হলেও এই গ্রন্থটি তার নয়।
D) তসলিমা নাসরিন — তিনি ভিন্ন ধারার লেখক এবং এই উপন্যাসের সঙ্গে তিনি সম্পৃক্ত নন।
৫ মনে রাখার টিপস:
জহির রায়হানের বিখ্যাত উপন্যাস মনে রাখার কৌশল হলো তিনি বিকেলের শেষ আলোয় হাজার বছর ধরে বরফ গলা নদীতে নৌকা চালান।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জহির রায়হানের উপন্যাস এবং তার পরিচালিত চলচ্চিত্র যেমন জীবন থেকে নেওয়া বারবার আসে। লেখকের অন্যান্য প্রধান সাহিত্যকর্মগুলো ভালোভাবে পড়ে রাখা উচিত।
সঠিক উত্তর: D) বসন্ত
১. কেন সঠিক:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর 'বসন্ত' নাটকটি কবি কাজী নজরুল ইসলামকে উৎসর্গ করেছিলেন।
উৎসর্গপত্রে রবীন্দ্রনাথ লিখেছিলেন, হে বন্ধু হে নবরক্তের কবি, আধুনিক বাংলা সাহিত্যে নজরুলের তরতাজা ও বিদ্রোহী অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এই নাটকটি তাঁকে প্রদান করা হলো।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বসন্ত হলো রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি প্রতীকী ও ঋতুভিত্তিক নৃত্যনাট্য।
এই নাটকের মাধ্যমে রবীন্দ্রনাথ বসন্তের আগমন এবং নবীন প্রাণের জয়গান গেয়েছেন যা নজরুলের বিদ্রোহী ও তরুণ মনোভাবের সঙ্গে অত্যন্ত সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'সঞ্চয়িতা' কাব্যগ্রন্থটি কাজী নজরুল ইসলামকে উৎসর্গ করা হয়েছিল।
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথের কবিতা সংকলন যা তিনি অত্যন্ত স্নেহভাজন কবি নজরুলকে শ্রদ্ধাভরে উৎসর্গ করেছিলেন।
উদাহরণ ২: কাজী নজরুল ইসলামের 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থটি আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায়কে উৎসর্গ করা হয়েছিল।
ব্যাখ্যা: এটি নজরুলের প্রথম ও বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা তিনি তাঁর শ্রদ্ধেয় শিক্ষক ও বিজ্ঞানী প্রফুল্লচন্দ্র রায়কে প্রদান করেছিলেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিসর্জন — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি ঐতিহাসিক ও ট্র্যাজিক নাটক।
এটি কোনো লেখককে উৎসর্গ করা হয়নি এবং এর মূল বিষয়বস্তু বলিপ্রথার বিরুদ্ধে মানবতা।
B) ডাকঘর — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত প্রতীকী নাটক।
অমল চরিত্রের মধ্য দিয়ে মানুষের মুক্তির আকাক্ষা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে এবং এটি নজরুলের জন্য উৎসর্গীকৃত নয়।
C) অচলায়তন — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি রূপকধর্মী ও সামাজিক নাটক।
অন্ধবিশ্বাস ও গোঁড়ামির বিরুদ্ধে তরুণ সমাজের বিদ্রোহ এর মূল সুর হলেও এটি নজরুলকে উৎসর্গ করা হয়নি।
D) বসন্ত — এই অপশনটি সঠিক কারণ রবীন্দ্রনাথ তাঁর এই ঋতুনাট্যটি বিশেষভাবে কাজী নজরুল ইসলামকে উৎসর্গ করেছিলেন।
৫ মনে রাখার টিপস:
রবীন্দ্রনাথের ঋতুভিত্তিক নাটক বসন্ত এবং নজরুলের তরুণ সুলভ বিদ্রোহী প্রাণ একে অপরের পরিপূরক।
মনে রাখার সহজ উপায় হলো বসন্ত ঋতু মানেই নতুন প্রাণের জোয়ার আর নজরুল মানেই বাংলা সাহিত্যে নতুনের কেতন উড়ানো কবি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে রবীন্দ্রনাথ কাকে কোন গ্রন্থ উৎসর্গ করেছেন।
বিসিএস বা শিক্ষক নিবন্ধনে এই ধরনের সাহিত্যিক উৎসর্গ সংক্রান্ত প্রশ্ন আসার সম্ভাবনা খুব বেশি থাকে।
সঠিক উত্তর: C) প্রলয়োল্লাস
১. কেন সঠিক:
কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ অগ্নিবীণা প্রকাশিত হয় ১৯২২ সালে।
এই বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের মোট কবিতার সংখ্যা ১২টি এবং এর প্রথম ও উদ্বোধনী কবিতা হলো প্রলয়োল্লাস।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
কবি কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যে বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত এবং তিনি বাংলা কাব্যে তরুণ সমাজের জোয়ার এনেছিলেন।
অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থটি বাংলা সাহিত্যকে পুরোপুরি বদলে দেয় এবং এতে ব্রিটিশ বিরোধী চেতনার শক্তিশালী প্রকাশ ঘটে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিদ্রোহী
ব্যাখ্যা: এটি অগ্নিবীণা কাব্যের দ্বিতীয় কবিতা এবং বিশ্বসাহিত্যে এক অনন্য সৃষ্টি।
উদাহরণ ২: কামাল পাশা
ব্যাখ্যা: এটিও অগ্নিবীণা কাব্যের অন্তর্ভুক্ত একটি বিখ্যাত ও উদ্দীপনামূলক কবিতা।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আগমনী - এটি অগ্নিবীণা কাব্যের প্রথম কবিতা নয়, বরং এটি এই কাব্যের ষষ্ঠ কবিতা।
B) কোরবানী - এটি অগ্নিবীণা কাব্যের একটি কবিতা হলেও প্রথম কবিতা নয়, এটি সপ্তম কবিতা।
C) প্রলয়োল্লাস - এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি কাব্যগ্রন্থটির সূচনার প্রথম কবিতা।
D) বিদ্রোহী - এটি অত্যন্ত বিখ্যাত কবিতা হলেও অগ্নিবীণা কাব্যের প্রথম কবিতা নয়, এটি দ্বিতীয় কবিতা।
৫ মনে রাখার টিপস:
অগ্নিবীণা কাব্যের প্রথম কবিতা মনে রাখতে প্র অক্ষরটি দিয়ে প্রলয়োল্লাস মনে রাখুন।
প দিয়ে শুরু প্রথম কবিতা প্রলয়োল্লাস এবং দ্বিতীয় বিখ্যাত কবিতা বিদ্রোহী।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অগ্নিবীণা কাব্যের প্রথম কবিতা ও প্রকাশকাল বারবার আসে।
কাব্যগ্রন্থটির প্রকাশসাল ১৯২২ এবং মোট কবিতার সংখ্যা ১২টি ভালোভাবে মনে রাখবেন।
সঠিক উত্তর: C) ঞ + জ
১. কেন সঠিক:
- ‘রঞ্জন’ শব্দটিতে ব্যবহৃত যুক্তবর্ণটি হলো ‘জ্ঞ’-এর মতো দেখতে হলেও এটি মূলত ‘ঞ্জ’।
- এই যুক্তবর্ণটি বিশ্লেষণ করলে প্রথমে বর্গীয় ধ্বনির পঞ্চম বর্ণ ‘ঞ’ এবং পরবর্তীতে ‘জ’ পাওয়া যায়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা বর্ণমালায় কিছু যুক্তবর্ণ রয়েছে যা একাধিক বর্ণের মিলনে গঠিত হয়।
- ‘ঞ’ এবং ‘জ’ একত্রে যুক্ত হয়ে ‘ঞ্জ’ বর্ণগুচ্ছ তৈরি করে এবং উচ্চারণের সময় অনুনাসিক ধ্বনির সৃষ্টি করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গঞ্জ
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও ‘ঞ’ এবং ‘জ’ মিলে যুক্তবর্ণ গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: অবুঝ
ব্যাখ্যা: এটি একটি সাধারণ শব্দ যেখানে কোনো জটিল যুক্তবর্ণ নেই, যা বর্ণ বিশ্লেষণে সাহায্য করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঞ + এ — ‘এ’ কোনো ব্যঞ্জনবর্ণ নয়, তাই এটি ভুল।
B) ন + জ — ‘ন’ এবং ‘জ’ যুক্ত হলে ‘ন্র’ বা অন্য রূপ হতে পারে, কিন্তু ‘ঞ্জ’ হয় না।
C) ঞ + জ — এটি সঠিক উত্তর।
D) ন + ঞ — এই ক্রমানুসারে যুক্তবর্ণ গঠিত হলে তা ‘ঞ্জ’ হয় না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ‘ঞ্জ’ দেখলে মনে রাখবে এটি সবসময় ‘ঞ’ দিয়ে শুরু হয় এবং পরে ‘জ’ বসে।
- গঞ্জ, রঞ্জন, ঝঞ্জা সব শব্দেই এই নিয়ম প্রযোজ্য।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই যুক্তবর্ণ বিভাজন থেকে প্রশ্ন আসে।
- ব্যঞ্জনবর্ণের সঠিক গঠন জানা থাকলে এই ধরনের ভুল এড়ানো সম্ভব।
সঠিক উত্তর: B) কুসুমকুমারী দাশ
১. কেন সঠিক:
- কুসুমকুমারী দাশ ছিলেন আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি জীবনানন্দ দাশের মাতা।
- তিনি নিজেও সেকালের একজন খ্যাতনামা কবি ও লেখিকা ছিলেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- কুসুমকুমারী দাশ ১৯ শতকের শেষভাগ ও ২০ শতকের শুরুর দিকের একজন পরিচিত কবি ও শিক্ষয়িত্রী ছিলেন।
- তার রচিত আদর্শ ছেলে কবিতাটি বাংলা সাহিত্যে অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং প্রতিটি শিক্ষার্থীর পাঠ্যসূচিতে বহুল পঠিত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কুসুমকুমারী দাশের বিখ্যাত কবিতা আদর্শ ছেলে।
ব্যাখ্যা: এই কবিতার বিখ্যাত পঙক্তি আমাদের দেশে হবে সেই ছেলে কবে, কথায় না বড় হয়ে কাজে বড় হবে আজও বহুল ব্যবহৃত।
উদাহরণ ২: জীবনানন্দ দাশের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ বনলতা সেন।
ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের রূপসী বাংলার কবি হিসেবে পরিচিত জীবনানন্দ দাশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কীর্তি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সরলা বালা দাস — ইনি জীবনানন্দ দাশের মায়ের নাম নন এবং সাহিত্যজগতে এই নামে কোনো পরিচিত ব্যক্তিত্ব নেই।
B) কুসুমকুমারী দাশ — এটি সঠিক উত্তর এবং তিনি জীবনানন্দ দাশের মা।
C) ইন্দুপ্রভা দাশ — ইনি জীবনানন্দ দাশের মায়ের নাম নন, বরং এটি একটি অপ্রাসঙ্গিক নাম।
D) রাশমণি দাশ — ইনি জীবনানন্দ দাশের মায়ের নাম নন এবং ইতিহাস বা সাহিত্যে তার এই নামের কোনো সম্পর্ক নেই।
৫ মনে রাখার টিপস:
- জীবনানন্দ দাশ প্রকৃতির কবি এবং তার সাহিত্যিক প্রতিভার পেছনে তার কবি মা কুসুমকুমারী দাশের গভীর প্রভাব ছিল।
- মায়ের নাম মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো রূপসী বাংলার কবির মা কুসুমের মতো কোমল হৃদয়ের কবি ছিলেন।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবি-সাহিত্যিকদের মাতা, পিতা ও জন্মস্থান প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়।
- কবি জীবনানন্দ দাশের জন্মস্থান বরিশাল এবং তাকে আধুনিকতার রূপকার ও নির্জনতম কবি বলা হয়।
সঠিক উত্তর: A) সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
১. কেন সঠিক:
'উত্পাখি' কবিতাটি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি সুধীন্দ্রনাথ দত্তের একটি অত্যন্ত বিখ্যাত সৃষ্টি।
বিশ শতকের ত্রিশের দশকের আধুনিক বাংলা কবিতার পঞ্চপাণ্ডবের অন্যতম এই কবির কবিতায় বুদ্ধিবৃত্তিক সুষমা ও শব্দের স্বকীয় ব্যবহার লক্ষ করা যায়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
সুধীন্দ্রনাথ দত্ত বাংলা কাব্যে ক্লাসিক বা ধ্রুপদী ধারার প্রবক্তা হিসেবে পরিচিত এবং তিনি বুদ্ধিবাদ ও নির্জনতার কবি।
তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে অর্কেস্ট্রা, ক্যাম্পেন, প্রতিধ্বনি ও উত্তরফাল্গুনী।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: উটপাখি কবিতাটি সুধীন্দ্রনাথ দত্তের প্রতিধ্বনি কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত।
ব্যাখ্যা: এই কবিতাটিতে কবির জীবনদর্শন ও শিল্পভাবনার গভীর পরিচয় ফুটে উঠেছে।
উদাহরণ ২: সুধীন্দ্রনাথ দত্তের সম্পাদিত পত্রিকার নাম পরিচয়।
ব্যাখ্যা: ত্রিশের দশকে প্রকাশিত এই পত্রিকাটি আধুনিক বাংলা সাহিত্য আন্দোলনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সুধীন্দ্রনাথ দত্ত — এই অপশনটি সঠিক এবং উল্লিখিত কবিতাটি তাঁরই রচিত।
B) বুদ্ধদেব বসু — তিনি ত্রিশের দশকের অন্যতম কবি হলেও 'উত্পাখি' কবিতাটি তাঁর রচিত নয়।
C) বিষ্ণু দে — তিনি বাংলা প্রগতিশীল ও মার্কসবাদী ধারার কবি হলেও এই কবিতার রচয়িতা নন।
D) অমীয় চক্রবর্তী — তিনি রবীন্দ্রোত্তর আধুনিক ধারার কবি হলেও এই কবিতাটি তাঁর নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
সুধীন্দ্রনাথ দত্তের নাম আসলেই মাথায় রাখতে হবে বুদ্ধিবৃত্তিক ও ধ্রুপদী ধারা এবং তাঁর বিখ্যাত সৃষ্টি উটপাখি কবিতা।
কবি সুধীন্দ্রনাথ দত্তের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ প্রতিধ্বনি মনে রাখলেই এই প্রশ্নের উত্তর সহজে মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা সাহিত্যের ত্রিশের দশকের আধুনিক কবিদের নাম ও তাঁদের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
এই ধরনের প্রশ্ন সাধারণত বিসিএস ও শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় সরাসরি লেখক বা কাব্যগ্রন্থ শনাক্তকরণের জন্য আসে।
সঠিক উত্তর: C) কুবের
১. কেন সঠিক:
- পদ্মা নদীর মাঝি উপন্যাসের মূল চরিত্র বা কেন্দ্রীয় চরিত্র হলো কুবের।
- কুবের পদ্মা নদীর তীরের একটি দরিদ্র জেলের জীবন, সংগ্রাম ও মনস্তাত্ত্বিক টানাপোড়েনের প্রতীক।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- পদ্মা নদীর মাঝি উপন্যাসটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা একটি বিখ্যাত প্রগতিবাদী ও বাস্তবধর্মী উপন্যাস।
- এই উপন্যাসে পদ্মাপারের জেলে সম্প্রদায়ের জীবনযাত্রা এবং প্রকৃতির সঙ্গে তাদের অবিরত সংগ্রামের বাস্তব চিত্রফুটে উঠেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: লালসালু উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র মজিদ।
ব্যাখ্যা: সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর এই উপন্যাসে গ্রামীণ সমাজের ধর্মান্ধতার প্রতীক হিসেবে মজিদ চরিত্রটি তৈরি হয়েছে।
উদাহরণ ২: পথের পাঁচালী উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র অপু ও দুর্গা।
ব্যাখ্যা: বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই উপন্যাসে গ্রামবাংলার শৈশব ও প্রকৃতির রূপ অত্যন্ত সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গফুর — গফুর শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের মহেশ ছোটগল্পের একটি বিখ্যাত ও করুণ চরিত্র।
B) নিমাই — নিমাই তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের কবি উপন্যাসের মূল চরিত্র, যিনি কবি হতে চেয়েছিলেন।
C) কুবের — এটি সঠিক উত্তর কারণ কুবের পদ্মা নদীর মাঝি উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র।
D) রাসু — রাসু শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের পল্লীসমাজ উপন্যাসের একটি পরিচিত নেতিবাচক চরিত্র।
৫ মনে রাখার টিপস:
- পদ্মা নদী দেখলে মনে রাখবে মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তার মাঝি চরিত্রের নাম কুবের।
- জেলে জীবনের বাস্তব গল্প মানেই কুবের আর তার পদ্মা নদী।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- পদ্মা নদীর মাঝি উপন্যাসের রচয়িতা মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং এটি প্রকাশিত হয় ১৯৩৬ সালে।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপন্যাসের প্রধান চরিত্র ও লেখকের নাম প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
সঠিক উত্তর: B) মুনিদত্ত
১. কেন সঠিক:
- চর্যাপদের টীকার রচয়িতা বা টীকাকার হলেন মুনিদত্ত।
- তিনি চর্যাপদের সংস্কৃত ভাষায় অর্থ বা ব্যাখ্যা লিখেছিলেন যার নাম দেন মুনিদত্তের টীকা বা চর্যাচর্যবিনিশ্চয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন যা মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের পদসংকলন।
- চর্যাপদের ভাষা সন্ধ্যাক্রম বা আলোআঁধারি ভাষা নামে পরিচিত এবং এর মূল আবিষ্কারক মহ মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চর্যাচর্যবিনিশ্চয়
ব্যাখ্যা: এটি চর্যাপদের মূল নাম এবং মুনিদত্ত এই গ্রন্থের উপরেই সংস্কৃত টীকা লিখেছিলেন।
উদাহরণ ২: চর্যাপদের পদকর্তা কাহ্নপা
ব্যাখ্যা: মুনিদত্তের টীকায় চর্যাপদের বিভিন্ন পদের ব্যাখ্যা ও পদকর্তাদের নাম পাওয়া যায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ — ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ চর্যাপদের ভাষা ও সময়কাল নিয়ে গবেষণা করেছেন কিন্তু তিনি এর টীকাকার নন।
B) মুনিদত্ত — সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি প্রযোজ্য নয়।
C) হরপ্রসাদ শাস্ত্রী — তিনি ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেছিলেন।
D) মীননাথ — মীননাথ বা মীননাথ হলেন চর্যাপদের একজন পদকর্তা ও নাথধর্মের গুরু, তিনি কোনো টীকা লেখেননি।
৫. মনে রাখার টিপস:
চর্যাপদের পদ লিখেছে কবিরা আর সেই পদের অর্থ বা টীকা লিখেছে মুনিদত্ত। এভাবে মনে রাখতে পারো পদের টীকা মানেই মুনিদত্ত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
চর্যাপদ সম্পর্কিত প্রশ্নে এর আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত্রী, ভাষা গবেষক ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় এবং টীকাকার মুনিদত্তের নাম অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে পড়তে হয়।
সঠিক উত্তর: B) মদনমোহন তর্কালঙ্কার
১. কেন সঠিক:
- উক্ত চরণ দুটি বাংলা শিশুসাহিত্যের অন্যতম আদি ও বিখ্যাত কবিতা 'প্রভাতসংগীত' থেকে নেওয়া হয়েছে।
- নীতিশিক্ষা ও নৈতিক চরিত্র গঠনের উদ্দেশ্যে উনিশ শতকের গোড়ার দিকে এই পঙ্ক্তিগুলো রচনা করা হয়েছিল।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মদনমোহন তর্কালঙ্কার ছিলেন উনিশ শতকের বাংলার নবজাগরণের অন্যতম প্রধান ব্যক্তিত্ব এবং প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের বন্ধু এই লেখক শিশুদের উপযোগী শিক্ষামূলক পাঠ্যপুস্তক রচনায় বিশেষ অবদান রেখেছিলেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পাখি সব জয় পাখি দলে দলে কুসুমি কাননে কুসুম সকলে
ব্যাখ্যা: এটিও মদনমোহন তর্কালঙ্কারের রচিত বিখ্যাত শিশুতোষ কবিতার একটি চরণ।
উদাহরণ ২: সকালবেলার সূর্য ওঠে রাঙা হেসে, আলো ছড়িয়ে পড়ে চারিপাশে
ব্যাখ্যা: এটি শিশুদের উপযোগী অন্য একটি প্রাতকালীন প্রকৃতির বর্ণনামূলক কবিতা।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি ও প্রগতিশীল লেখক হলেও এই শিশুতোষ চরণের রচয়িতা নন।
B) মদনমোহন তর্কালঙ্কার — এই অপশনটি সঠিক এবং পরীক্ষিত ঐতিহাসিক তথ্যের সঙ্গে সম্পূর্ণ মিলে যায়।
C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বিশ্বকবি এবং বহু শিশুতোষ কবিতার রচয়িতা হলেও আলোচ্য পঙ্ক্তিটি তার নয়।
D) চণ্ডীচরণ মুনসী — তিনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের একজন পন্ডিত ছিলেন এবং তার সাহিত্যকর্ম আলাদা প্রকৃতির।
৫ মনে রাখার টিপস:
ছোটবেলার নীতিবাক্যমূলক কবিতা এবং প্রভাতসংগীত মনে রাখতে মদনমোহন তর্কালঙ্কারের নাম সবার আগে স্মরণ করতে হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের আদি শিশুসাহিত্যের পঙ্ক্তি প্রায়ই আসে, তাই প্রখ্যাত লেখকদের বিখ্যাত কবিতাগুলো মুখস্থ রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) ২টি
১. কেন সঠিক:
বাংলা বর্ণমালায় যৌগিক স্বরজ্ঞাপক বর্ণ বা দ্বিস্বর বর্ণ হলো মাত্র ২টি, যথা ঐ এবং ঔ।
এই বর্ণ দুটি উচ্চারণের সময় দুটি স্বরধ্বনি একত্রে উচ্চারিত হয় বলে এদের যৌগিক স্বরবর্ণ বলা হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
যেসব বর্ণ দুটি স্বরধ্বনির মিলিত রূপ প্রকাশ করে সেগুলোকে যৌগিক স্বরজ্ঞাপক বর্ণ বা দ্বিস্বর বলা হয়।
বাংলা বর্ণমালায় মৌলিক স্বরবর্ণ সাতটি হলেও যৌগিক স্বরজ্ঞাপক বা সাংকেতিক বর্ণ মাত্র দুটি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ঐ
ব্যাখ্যা: ঐ বর্ণটি অ এবং ই এই দুটি স্বরধ্বনির মিলিত উচ্চারণে গঠিত হয়।
উদাহরণ ২: ঔ
ব্যাখ্যা: ঔ বর্ণটি অ এবং উ এই দুটি স্বরধ্বনির মিলিত উচ্চারণে গঠিত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৪টি - এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ বাংলা বর্ণমালায় যৌগিক স্বরজ্ঞাপক বর্ণ চারটি নয়।
B) ৫টি - এই সংখ্যাটি ভুল কারণ বাংলা বর্ণমালায় যৌগিক স্বরজ্ঞাপক বর্ণের সংখ্যা পাঁচটির বেশি বা কম নয়, নির্দিষ্টভাবে দুটি।
C) ২টি - এই অপশনটি সঠিক এবং প্রশ্নানুসারে এটিই নির্ণেয় উত্তর।
D) ৩টি - এই সংখ্যাটি ভুল কারণ যৌগিক স্বরজ্ঞাপক বর্ণের সংখ্যা তিনটি নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
যৌগিক স্বরজ্ঞাপক বর্ণ মনে রাখার সহজ উপায় হলো বর্ণমালা শেষের দিকে থাকা দুটি কারচিহ্নযুক্ত স্বরবর্ণ ঐ এবং ঔ হলো যৌগিক স্বরবর্ণ।
এদের সংখ্যা মাত্র দুটি হওয়ায় এটি সহজে মনে রাখা সম্ভব।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মৌলিক স্বরধ্বনি এবং যৌগিক স্বরজ্ঞাপক বর্ণের সংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তিকর প্রশ্ন আসে।
মৌলিক স্বরবর্ণ সাতটি হলেও যৌগিক স্বরজ্ঞাপক বর্ণ সবসময় দুটি, যা মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: B) তুর্কি
১. কেন সঠিক:
'বাবা' শব্দটি তুর্কি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় আগত একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈদেশিক শব্দ। বাংলা ভাষা ব্যবহারের সুবিধার জন্য বিভিন্ন ভাষার শব্দ আত্মীকরণ করেছে এবং এটি তার একটি প্রকৃষ্ট উদাহরণ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত শব্দগুলোকে উৎসের দিক থেকে পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয় যেমন তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি শব্দ। বিদেশি শব্দের মধ্যে তুর্কি শব্দগুলোর একটি নির্দিষ্ট তালিকা রয়েছে যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দারোগা
ব্যাখ্যা: দারোগা একটি তুর্কি শব্দ যা বাংলা ভাষায় প্রশাসনিক কাজে বহুল ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: তোপ
ব্যাখ্যা: তোপ শব্দটি তুর্কি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে এবং এটি অস্ত্র সম্পর্কিত একটি শব্দ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সংস্কৃত — সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত শব্দগুলোকে তৎসম শব্দ বলা হয় কিন্তু বাবা সংস্কৃত শব্দ নয়।
B) তুর্কি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) ফরাসি — ফরাসি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় বিভিন্ন প্রশাসনিক ও সাংস্কৃতিক শব্দ এসেছে যেমন পুলিশ ও কার্তুজ কিন্তু বাবা ফরাসি শব্দ নয়।
D) হিন্দি — হিন্দি ভাষা থেকেও বাংলা ভাষায় অনেক শব্দ এসেছে যেমন পানি ও চাহিদা কিন্তু বাবা হিন্দি শব্দ নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
তুর্কি শব্দগুলো মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো যে উসমানীয় সাম্রাজ্যের তুর্কিরা বিভিন্ন পারিবারিক ও প্রশাসনিক উপাধি বা বস্তুবাচক শব্দ রেখে গেছে। বাবা, দারোগা, তোপ ও চাকর হলো প্রধান তুর্কি শব্দ।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। তুর্কি শব্দ যেমন বাবা, দারোগা, তোপ ও কাঁচি ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: A) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
১. কেন সঠিক:
মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর 'চণ্ডীমঙ্গল' কাব্যে সমসাময়িক সমাজের বাস্তবচিত্র, মানুষের জীবনসংগ্রাম এবং চরিত্রের গভীর মনস্তাত্ত্বিক বিকাশ ঘটেছে।
কাব্যের কালকেতু ও ফুল্লরা কিংবা ধনপতি ও খুল্লনার চরিত্রায়ন এবং তাদের কাহিনীতে রোমাঞ্চের পাশাপাশি বাস্তব জীবনের দ্বন্দ্ব ফুটার কারণে এতে উপন্যাসের আদি লক্ষণ বা বীজ দেখতে পাওয়া যায়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
মুকুন্দরাম চক্রবর্তী ষোড়শ শতকের মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি এবং তাকে কবিকঙ্কন উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
তার বিখ্যাত কাব্য 'চণ্ডীমঙ্গল' বা 'অভ্যামঙ্গল' কাব্যটি তৎকালীন সমাজের অর্থনৈতিক ও সামাজিক সংকটের এক জীবন্ত দলিল হিসেবে স্বীকৃত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের আখেটিক খণ্ড
ব্যাখ্যা: এই খণ্ডে ব্যাধ কালকেতু ও ফুল্লরার জীবন সংগ্রাম এবং গুজরাট নগর প্রতিষ্ঠার কাহিনী বর্ণিত হয়েছে যা বাস্তবধর্মী জীবনচিত্র ফুটিয়ে তোলে।
উদাহরণ ২: কবিকঙ্কন চণ্ডী বা চণ্ডীমঙ্গল কাব্য
ব্যাখ্যা: এই কাব্যের চরিত্রগুলোর মনস্তাত্ত্বিক টানাপোড়েন আধুনিক উপন্যাসের চরিত্র সৃষ্টির বহু পূর্বেই ঔপন্যাসিক ধারার ইঙ্গিত দেয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী — এটি সঠিক উত্তর কারণ তার কাব্যে বাস্তব সমাজের চিত্র ও উপন্যাসের লক্ষণ স্পষ্ট।
B) বিদ্যাপতি — তিনি মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলীর মৈথিলি ভাষার কবি এবং তার রচনা মূলত গীতিসাহিত্য।
C) জ্ঞানদাস — তিনি বাংলা ভাষার মধ্যযুগের অন্যতম প্রধান বৈষ্ণব পদকর্তা এবং তার পদগুলো গীতিধর্মী।
D) বড়ু চণ্ডীদাস — তিনি শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের রচয়িতা যা মূলত নাট্যধর্মী বা গীতিধর্মী সংলাপভিত্তিক পদকাব্য।
৫. মনে রাখার টিপস:
উপন্যাসের লক্ষণ বা বাস্তব সমাজের চিত্র খুঁজতে হলে মধ্যযুগে মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর চণ্ডীমঙ্গল কাব্যকে মনে রাখতে হবে।
কবিকঙ্কন উপাধিধারী এই কবির কাব্যের চরিত্রগুলো বাস্তব জীবন থেকে নেওয়া হয়েছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর উপাধি হলো কবিকঙ্কন এবং তার একমাত্র প্রাপ্ত কাব্য চণ্ডীমঙ্গল।
মধ্যযুগের কাব্যে বাস্তবতার ছোঁয়া পেতে চাইলে মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর নাম সবার আগে আসে।
সঠিক উত্তর: D) সুন্দর
১. কেন সঠিক:
- ‘অভিরাম’ একটি সংস্কৃত শব্দ যার প্রমিত অর্থ হলো সুন্দর, মনোরম বা আকর্ষণীয়।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ বা সমার্থক শব্দ নির্ণয়ের জন্য শব্দের মূল অর্থ ও ব্যবহার জানা অত্যন্ত জরুরি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডার বা শব্দের অর্থ বিষয়ক একটি প্রশ্ন।
- প্রমিত বাংলা শব্দভাণ্ডারে কিছু শব্দ তাদের উৎসগত অর্থ থেকে সামান্য পরিবর্তিত হয়ে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অত্র অঞ্চলের প্রাকৃতিক দৃশ্য অত্যন্ত অভিরাম।
ব্যাখ্যা: এখানে ‘অভিরাম’ শব্দটি মনোরম বা সুন্দর অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: রাতে আকাশের দিকে তাকালে এক অভিরাম দৃশ্য চোখে পড়ে।
ব্যাখ্যা: বাক্যটিতে ‘অভিরাম’ শব্দের অর্থ সুন্দর বা দৃষ্টিনন্দন হিসেবে প্রকাশ পেয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিরামহীন — ‘বিরামহীন’ শব্দের অর্থ যা থেমে থাকে না বা নিরবচ্ছিন্ন, যা ‘অভিরাম’ শব্দের অর্থের সঙ্গে মিলে না।
B) বালিশ — ‘বালিশ’ হলো শোয়ার সময় মাথা রাখার উপাধান, যা একটি বস্তুবাচক শব্দ এবং এর সঙ্গে প্রশ্নকৃত শব্দের কোনো সম্পর্ক নেই।
C) চলন — ‘চলন’ শব্দের অর্থ চলা বা গতি, যা ‘অভিরাম’ বা সুন্দরের সমার্থক নয়।
D) সুন্দর — এটি সঠিক উত্তর কারণ ‘অভিরাম’ ও ‘সুন্দর’ সমার্থক শব্দ হিসেবে পরিগণিত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- অভিরাম শব্দটির শেষাংশে রাম আছে এবং রামায়ণে শ্রীরামচন্দ্রের রূপের সুন্দরের কথা বলা হয়েছে, এভাবে মনে রাখতে পারো অভিরাম অর্থ সুন্দর।
- শব্দার্থ মনে রাখার জন্য প্রতিদিন অন্তত পাঁচটি করে নতুন শব্দের অর্থ পড়ার অভ্যাস করতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই প্রমিত শব্দের অর্থ ভালো করে পড়তে হবে।
- সমার্থক শব্দ পড়ার সময় শব্দের সূক্ষ্ম অর্থ ও তার ব্যবহার সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা রাখা উচিত।
সঠিক উত্তর: A) সংখ্যার ধারণা
১. কেন সঠিক:
- বচন শব্দের আক্ষরিক অর্থ হলো সংখ্যা বা সংখ্যার ধারণা। বাংলা ব্যাকরণে বচন বলতে বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের সংখ্যাগত বা পরিমাণের ধারণা বোঝায়।
- ব্যাকরণগত দিক থেকে যা দিয়ে কোনো কিছুর এক বা একাধিক হওয়ার সংখ্যা নির্দিষ্ট করা হয়, তাকেই বচন বলে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণে বচন প্রধানত দুই প্রকার, একবচন ও বহুবচন। সংস্কৃত ব্যাকরণে দ্বিবচন থাকলেও প্রমিত বাংলা ব্যাকরণে এর ব্যবহার নেই।
- বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের যে রূপ দিয়ে তার একটি বা একাধিক হওয়া বোঝায়, তাকে বচন বলে এবং এটি কেবল বিশেষ্য ও সর্বনাম পদের সঙ্গেই যুক্ত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কলম
ব্যাখ্যা: এটি একটি মাত্র কলম বোঝাচ্ছে, তাই এটি একবচনের উদাহরণ।
উদাহরণ ২: কলমগুলো
ব্যাখ্যা: এটি একাধিক কলম বোঝাচ্ছে, তাই এটি বহুবচনের উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সংখ্যার ধারণা — এটি সঠিক এবং বচনের মূল সংজ্ঞার সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়।
B) গণনার ধারণা — গণনা হলো কোনো কিছু গুনে বের করার প্রক্রিয়া, যা বচনের সরাসরি অর্থ নয়।
C) ক্রমের ধারণা — ক্রম বলতে পর্যায় বা সিরিয়াল বোঝায়, যা বচনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) পরিমাপের ধারণা — পরিমাপ বলতে পরিমাণ বা ওজন বোঝায়, যা বচনের অর্থ নির্দেশ করে না।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বচন মানে সংখ্যা, এই কথাটি মনে রাখলেই উত্তর সহজ হয়ে যায়। সংখ্যাবাচক শব্দ এবং বচন একই ধারণার প্রকাশ ঘটায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই শব্দের অর্থ বা ব্যাকরণিক সংজ্ঞা থেকে প্রশ্ন আসে। বচন কেবল বিশেষ্য ও সর্বনাম পদের সংখ্যা প্রকাশ করে, ক্রিয়া পদের নয়।
সঠিক উত্তর: A) Buck
কেন সঠিক:
- Buck হলো একটি পরিভাষা যা পুরুষ হরিণের (male deer) ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
- এটি প্রাণীর লিঙ্গবাচক শব্দ বা gender specific term নির্দেশ করতে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Buck — এটি পুরুষ হরিণ বোঝাতে সঠিক উত্তর হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
B) Stag — এটি সাধারণত প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ হরিণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, তবে Buck হলো সবচেয়ে সাধারণ ও সার্বিক লিঙ্গবাচক শব্দ।
C) Ram — এটি পুরুষ ভেড়ার (male sheep) লিঙ্গবাচক শব্দ, তাই এটি হরিণের জন্য প্রযোজ্য নয়।
D) Rooster — এটি মোরগ বা পুরুষ মুরগির (male chicken) লিঙ্গবাচক শব্দ, তাই এটি হরিণের ক্ষেত্রে ভুল।
মনে রাখার টিপস:
হরিণ বা deer-এর পুরুষবাচক রূপ মনে রাখতে B দিয়ে শুরু Buck শব্দটি মনে রাখা সহজ।
সঠিক উত্তর: D) worst
কেন সঠিক:
- ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কিছু Adjective-এর Positive, Comparative ও Superlative রূপ সম্পূর্ণ পরিবর্তিত হয় এবং এদের সাথে est বা most যুক্ত হয় না।
- bad শব্দের Superlative রূপ হলো worst, যা ব্যতিক্রমী বা Irregular Adjective-এর অন্তর্ভুক্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) most bad — এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল কারণ bad শব্দের সুপারলেটিভ গঠনে most ব্যবহার করা হয় না।
B) worse — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ এটি bad শব্দের Comparative রূপ, যা দুটি বস্তুর মধ্যে তুলনার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
C) worser — এটি একটি অপ্রচলিত এবং ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ভুল রূপ।
D) worst — এটি সঠিক উত্তর এবং এটি bad শব্দের নির্ধারিত Superlative রূপ।
মনে রাখার টিপস:
bad-এর তুলনামূলক রূপগুলো মনে রাখুন এভাবে: bad, worse, worst।
সঠিক উত্তর: D) She asked me if I knew her father.
কেন সঠিক:
- রিপোর্টিং ভার্ব said to পরিবর্তন হয়ে asked হবে এবং ইন্টারোগেটিভ সেন্টেন্সে if বা whether বসবে।
- ডাইরেক্ট ন্যারেশনের প্রেজেন্ট ইনডেফিনিট টেন্স ইনডাইরেক্ট ন্যারেশনে পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্স হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) She asked me if I did know her father. — পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্সে auxiliary verb হিসেবে did ব্যবহার করে মূল ভার্বের প্রেজেন্ট ফর্ম রাখা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
B) She told me if I knew her father. — প্রশ্নবোধক বাক্যে reporting verb হিসেবে told ব্যবহার করা যায় না, সেখানে asked বসবে।
C) She asked me if her father is known to me. — এটি ভয়েস চেঞ্জের নিয়ম অনুযায়ী পরিবর্তিত হয়েছে এবং টেন্সও পরিবর্তন করা হয়নি।
D) She asked me if I knew her father. — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এতে ন্যারেশনের সব নিয়ম সঠিকভাবে মেনে পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্স করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
ইন্টারোগেটিভ সেন্টেন্সে said to-এর বদলে asked এবং if বসবে, আর প্রেজেন্ট টেন্স থাকলে তা পাস্ট টেন্সে রূপান্তরিত হবে।
সঠিক উত্তর: A) has doubts about things that other people believe
কেন সঠিক:
- Sceptic শব্দের অর্থ সংশয়বাদী বা সন্দেহপ্রবণ, যিনি প্রচলিত বিশ্বাসের সত্যতা সহজে মেনে নেন না।
- প্রদত্ত অপশনের সাথে শব্দের আক্ষরিক ও ভাবার্থ সম্পূর্ণ মিলে যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) has doubts about things that other people believe — এটি সঠিক কারণ এটি sceptic শব্দের সঠিক সংজ্ঞা।
B) is considered to be strange or unusual — এটি ভুল কারণ অদ্ভুত বা অস্বাভাবিক ব্যক্তিকে eccentric বলা হয়, sceptic নয়।
C) always expects bd things to happen — এটি ভুল কারণ সবসময় খারাপ কিছু ঘটার প্রত্যাশা করা pessimism বা আশাবাদহীনতা নির্দেশ করে।
D) believes that people are motivated purely by self-interest — এটি ভুল কারণ মানুষের সব কাজ স্বার্থপরতা দ্বারা চালিত—এই ধারণাকে cynicism বলা হয়।
মনে রাখার টিপস:
Sceptic শব্দটিকে সংশয়বাদী বা সন্দেহপ্রবণ হিসেবে মনে রাখবে, যিনি অন্যের বিশ্বাসকে সহজেই প্রশ্নবিদ্ধ করেন।
সঠিক উত্তর: C) Please open the door.
কেন সঠিক:
- passive বাক্যে 'You are requested' থাকলে Active করার সময় তা বাদ দিয়ে প্রথমে Please বসাতে হয়।
- অনুরোধ বোঝাতে Please-এর পর মূল verb-এর প্রেজেন্ট ফর্ম (open) এবং বাকি অংশ (the door) বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The door is to be opened. — এটি passive form-এর অন্য একটি গঠন এবং এটি কোনো অনুরোধসূচক বাক্যের active রূপ নয়।
B) Let the door be opened. — এটি আদেশ বা প্রস্তাব বোঝায় এমন imperative sentence-এর passive form, অনুরোধের active রূপ নয়।
C) Please open the door. — এটি সঠিক কারণ বাক্যটি সরাসরি Active Voice-এ আছে এবং এর passive রূপই প্রদত্ত প্রশ্নে দেওয়া হয়েছে।
D) I requested you to open the door. — এর passive form হবে You were requested to open the door, যা প্রদত্ত বাক্যের সাথে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
Passive বাক্যে You are requested থাকলে Active করার সময় শুধু Please দিয়ে বাক্য শুরু করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) William Shakespeare
কেন সঠিক:
- 'As You Like It' নাটকটি বিশ্বখ্যাত নাট্যকার উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের লেখা একটি বিখ্যাত রোমান্টিক কমেডি।
- এই নাটকে বিখ্যাত উক্তি 'All the world's a stage' রয়েছে এবং এটি এর পাস্টোরাল সেটিং ও কমেডির জন্য পরিচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) William Shakespeare — এটি সঠিক উত্তর কারণ নাটকটি তার রচিত।
B) Christopher Marlowe — ক্রিস্টোফার মার্লো রেনেসাঁ যুগের নাট্যকার হলেও তিনি ট্রাজেডি লেখার জন্য বেশি পরিচিত, যেমন ডক্টর ফস্টাস।
C) George Bernard Shaw — জর্জ বার্নার্ড শ আধুনিক যুগের আইরিশ নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক, যিনি সামাজিক সমস্যা নিয়ে নাটক লিখেছেন।
D) T.S. Eliot — টি এস এলিয়ট বিংশ শতাব্দীর বিখ্যাত কবি ও সমালোচক, যিনি আধুনিকতাবাদী কবিতার জন্য পরিচিত।
মনে রাখার টিপস:
শেক্সপিয়ারের কমেডি নাটক মনে রাখতে 'As You Like It' এবং 'As You Like It means Shakespeare's romantic comedy' এই সূত্রটি মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: B) Although
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বাক্যটিতে দুটি বিপরীতধর্মী ক্লজ রয়েছে, যার প্রথমটি যুক্তিযুক্ত হওয়া সত্ত্বেও দ্বিতীয়টিতে ভিন্ন ফল প্রকাশ পেয়েছে।
- এই ধরনের বৈপরীত্য বা কনট্রাস্ট বোঝাতে সাবঅর্ডিনেটিং কনজাংশন হিসেবে Although ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) As — এটি কারণ বা একই সময়ের ঘটনা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এই বাক্যের বৈপরীত্য প্রকাশের জন্য উপযুক্ত নয়।
B) Although — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি দুটি বিপরীত ভাবের ক্লজকে যুক্ত করে।
C) Even — এটি সাধারণত কোনো বিশেষ বিষয় বা শব্দকে জোর দেওয়ার জন্য ব্যবহৃত হয়, একা কনজাংশন হিসেবে বসে না।
D) Despite — এটি প্রিপজিশন হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং এর পরে নাউন বা নাউন ফ্রেজ বসে, কিন্তু এখানে সম্পূর্ণ ক্লজ রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যের দুটি অংশের মধ্যে যদি বৈপরীত্য বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ পায় এবং এরপরে সাবজেক্ট ও ভার্বযুক্ত ক্লজ থাকে, তবে সাধারণত Although ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) Vague
কেন সঠিক:
- 'Vivid' শব্দটির অর্থ স্পষ্ট, উজ্জ্বল বা জীবন্ত, যার বিপরীতার্থক শব্দ হলো অস্পষ্ট বা অনির্দিষ্ট।
- 'Vague' শব্দের অর্থ অস্পষ্ট বা অনির্দিষ্ট, যা 'vivid' শব্দের ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Vague — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ অস্পষ্ট যা vivid শব্দের বিপরীত।
B) Bright — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ এর অর্থ উজ্জ্বল যা vivid শব্দের সমার্থক।
C) Lively — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ এর অর্থ প্রাণবন্ত যা vivid শব্দের সমার্থক।
D) Colourful — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ এর অর্থ রঙিন যা vivid শব্দের কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
Vivid মানে স্পষ্ট আর Vague মানে অস্পষ্ট, এই দুটি শব্দ ইংরেজি পরীক্ষায় প্রায়ই বিপরীতার্থক হিসেবে জোড়ায় আসে।
সঠিক উত্তর: A) rowdy disorder
কেন সঠিক:
- mayhem শব্দের অর্থ বিশৃঙ্খলা, হাঙ্গামা বা চরম গণ্ডগোল।
- বাক্যে রেফারির বিতর্কিত সিদ্ধান্তের কারণে দর্শকদের মধ্যে যে হাঙ্গামা তৈরি হয়েছিল, তা বোঝাতে rowdy disorder যথাযথ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) rowdy disorder — এটি সঠিক উত্তর কারণ mayhem শব্দের অর্থ গোলযোগ বা হাঙ্গামা।
B) extreme excitement — এর অর্থ চরম উত্তেজনা, যা সহিংস বিশৃঙ্খলা বা হাঙ্গামার সমার্থক নয়।
C) exuberant joy — এর অর্থ প্রচণ্ড আনন্দ, যা বাক্যের হতাশাজনক বা উত্তেজনাকর পরিস্থিতির বিপরীত।
D) a storm of protest — এর অর্থ প্রতিবাদের ঝড়, যা শুধু মৌখিক বা লিখিত প্রতিবাদ বোঝায় কিন্তু শারীরিক বিশৃঙ্খলা বোঝায় না।
মনে রাখার টিপস:
mayhem শব্দটিকে মায়াবী হাঙ্গামা বা গোলযোগ হিসেবে মনে রাখতে পারেন, যা শান্ত পরিস্থিতিকে মুহূর্তেই নষ্ট করে দেয়।
ভাষা ও ব্যাকরণ
সঠিক উত্তর: C) lie
কেন সঠিক:
- Make একটি Causative Verb, যার পর Object এবং মূল Verb-এর Base Form বা Bare Infinitive বসে।
- এখানে suspect হলো Object এবং এর পরে শুয়ে থাকার কাজ বোঝাতে মূল Verb-এর Base Form 'lie' ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) lying — এটি Verb-এর Present Participle রূপ, যা Causative Verb-এর ক্ষেত্রে Base Form-এর নিয়মের সঙ্গে মেলে না।
B) lay — এটি Lie Verb-এর Past Form, যা Causative Verb-এর পর সরাসরি বসে না কারণ এখানে Bare Infinitive প্রয়োজন।
D) to lie — এটি Infinitives রূপ, যা Causative Verb-এর ক্ষেত্রে 'to' ছাড়া বসাতে হয় বিধায় এটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
Make, Let ইত্যাদি Causative Verb-এর পরে সর্বদা Verb-এর Base Form বা মূল রূপ বসে, মাঝে কোনো 'to' বা ing যুক্ত হয় না।
সঠিক উত্তর: C) Kind
কেন সঠিক:
- Benign শব্দটির অর্থ সৌমনস্যপূর্ণ, অমায়িক বা সদয়।
- Kind শব্দের অর্থও দয়ালু বা সদয়, যা Benign শব্দের সরাসরি সমার্থক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Affable — এর অর্থ মিশুক বা অমায়িক, যা Benign শব্দের কাছাকাছি হলেও Kind এর মতো সরাসরি সমার্থক নয়।
B) Cruel — এর অর্থ নিষ্ঠুর বা নির্দয়, যা Benign শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীতার্থক বা অ্যান্টনিমি।
C) Kind — এটি প্রশ্নানুযায়ী সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত আছে।
D) Beneficial — এর অর্থ উপকারী বা কল্যাণকর, যা পরিস্থিতিভেদে ব্যবহৃত হলেও সরাসরি সমার্থক নয়।
মনে রাখার টিপস:
Benign শব্দটিতে Be এবং Nice কথাটি মনে রাখতে পারেন, যার অর্থ দয়ালু বা ভালো মানুষ।
সঠিক উত্তর: C) দুর্নীতিগ্রস্ত সরকার
কেন সঠিক:
- Kleptocracy একটি গ্রীক শব্দ থেকে এসেছে, যার অর্থ চোরদের দ্বারা পরিচালিত শাসন ব্যবস্থা।
- এই ব্যবস্থায় সরকারি কর্তাব্যক্তিরা রাষ্ট্রীয় সম্পদ অবৈধভাবে আত্মসাৎ করার জন্য ক্ষমতা ব্যবহার করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ধনিক গোষ্ঠীর শাসন — এটি Plutocracy নামে পরিচিত, যেখানে ধনী ব্যক্তিরা দেশ পরিচালনা করে।
B) অদক্ষ লোকের শাসন — এটি Kakistocracy নামে পরিচিত, যেখানে সমাজের সবচেয়ে অযোগ্য ব্যক্তিরা ক্ষমতায় থাকে।
C) দুর্নীতিগ্রস্ত সরকার — এটি Kleptocracy-র সঠিক সংজ্ঞা, যেখানে শাসকরা রাষ্ট্রীয় তহবিল লুট করে।
D) রাজনীতিতে সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপ — এটি Military intervention বা Junta নামে পরিচিত।
মনে রাখার টিপস:
Klepto শব্দের অর্থ চোর, তাই Kleptocracy মানে চোরদের বা দুর্নীতিবাজদের সরকার।
সঠিক উত্তর: A) Noun
কেন সঠিক:
- 'amount' শব্দের পূর্বে নির্দিষ্ট আর্টিকেল 'the' এবং পরে অবজেক্ট 'he could eat' যুক্ত হয়ে এটি একটি নাউন ফ্রেজ গঠন করেছে।
- সাধারণত 'the' আর্টিকেলের পরে একটি নাউন বসে, যা এখানে বাক্যটির অবজেক্ট হিসেবে কাজ করছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Noun — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
B) Adjective — এটি কোনো দোষ, গুণ, অবস্থা বা সংখ্যা প্রকাশ করছে না, তাই এটি অ্যাডজেক্টিভ নয়।
C) Verb — এটি কোনো কাজ করা বোঝায় না, তাই এটি ভার্ব বা ক্রিয়া হতে পারে না।
D) Adverb — এটি কোনো ভার্ব, অ্যাডজেক্টিভ বা অন্য কোনো অ্যাডভেৰ্বকে মডিফাই করছে না, তাই এটি অ্যাডভার্ব নয়।
মনে রাখার টিপস:
আর্টিকেল 'the' এবং প্রিপজিশন 'of' বা অন্য কোনো পদাশ্রিত নির্দেশের মাঝে যে শব্দটি থাকে, সেটি সাধারণত নাউন হয়।
সঠিক উত্তর: D) R.L. Stevenson
কেন সঠিক:
- এটি রবার্ট লুই স্টিভেন্সনের লেখা একটি বিখ্যাত গথিক উপন্যাস যা ১৮৮৬ সালে প্রকাশিত হয়।
- এই উপন্যাসের মূল বিষয়বস্তু হলো মানুষের মনের দ্বৈত সত্তা বা ভালো ও মন্দের দ্বন্দ্ব।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) H.G. Wells — তিনি সায়েন্স ফিকশন লেখার জন্য বিখ্যাত, যেমন দ্য টাইম মেশিন, যা এই উপন্যাসের লেখক নন।
B) Arthur Conan Doyle — তিনি শার্লক হোমস চরিত্র সৃষ্টির জন্য বিখ্যাত রহস্য সাহিত্যিক, এই উপন্যাসের রচয়িতা নন।
C) George Orwell — তিনি রাজনৈতিক উপন্যাস ও উপকথার জন্য পরিচিত, যেমন নাইনটিন এইটি ফোর, যা এই গ্রন্থ নয়।
D) R.L. Stevenson — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক কারণ তিনি দ্য স্ট্রেঞ্জ কেস অব ডক্টর জেকিল অ্যান্ড মিষ্টার হাইড উপন্যাসের রচয়িতা।
মনে রাখার টিপস:
জেকিল ও হাইড চরিত্রের দ্বৈত রূপের সঙ্গে স্টিভেন্সন নামটি মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: B) Crises
কেন সঠিক:
- গ্রিক বা ল্যাটিন ভাষা থেকে আগত যেসব শব্দের শেষে -sis থাকে, তাদের বহুবচন করার সময় শেষের -sis পরিবর্তিত হয়ে -ses হয়।
- crisis শব্দের শেষের -sis অংশটি পরিবর্তিত হয়ে -ses রূপ ধারণ করায় এর সঠিক বহুবচন crises হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Crisys — এটি একটি বানান ভুল শব্দ এবং ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়মের সাথে মেলে না।
B) Crises — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল হিসেবে গণ্য নয়।
C) Crisil — এটি কোনো ব্যাকরণগত বহুবচন রূপ নয়, এটি একটি ভারতীয় ঋণদাতা রেটিং সংস্থার নাম।
D) Crisies — এটি বানান ভুল এবং ইংরেজিতে এমন কোনো বহুবচন গঠনের নিয়ম নেই।
মনে রাখার টিপস:
শব্দের শেষে sis থাকলে বহুবচনের সময় sis তুলে দিয়ে ses বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) Determined
কেন সঠিক:
- ‘Bent on’ একটি গুরুত্বপূর্ণ ইংরেজি ফ্রেজ বা ইডিয়ম, যার অর্থ কোনো কিছুর প্রতি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ বা অটল থাকা।
- বাক্যে ‘He was bent on proving his innocence’ বলতে বোঝানো হয়েছে যে সে তার নিরূপরাধিতা প্রমাণ করার জন্য দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Determined — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই শব্দটির অর্থ দৃঢ়প্রতিজ্ঞ, যা ‘bent on’ ইডিয়মের সমার্থক।
B) Unwilling — এর অর্থ অনিচ্ছুক, যা ‘bent on’ এর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
C) Incapable — এর অর্থ অক্ষম বা অসামর্থ্য, যা এখানে প্রেক্ষাপটের সঙ্গে মেলে না।
D) Engaged — এর অর্থ ব্যস্ত বা নিয়োজিত, যা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ বোঝাতে সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
‘Bent on’ দেখলে মনে রাখবে বাঁকা (bent) হলেও সে তার লক্ষ্যের দিকে সোজা ও দৃঢ়প্রতিজ্ঞ (determined) থাকে।
সঠিক উত্তর: A) raises
কেন সঠিক:
- বাক্যের শূন্যস্থানে এমন একটি transitive verb প্রয়োজন যার অর্থ উৎপাদন করা বা লালনপালন করা।
- 'Raise' verb-টি transitive হওয়ায় এর পরে object হিসেবে 'chickens' বসতে পেরেছে এবং বাক্যটি Present Indefinite Tense-এ থাকায় subject singular হওয়ায় 'raises' হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) raises — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ মুরগি লালনপালন করা এবং এটি একটি transitive verb।
B) rouses — এর অর্থ জাগানো বা উত্তেজিত করা, যা মুরগি পালনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
C) rises — এটি একটি intransitive verb যার অর্থ নিজে ওঠা, তাই এর পরে object বসতে পারে না।
D) rose — এটি 'rise' verb-এর Past tense রূপ, যা বর্তমান কালের সাধারণ সত্য প্রকাশকারী এই বাক্যের জন্য অসংগত।
মনে রাখার টিপস:
নিজের থেকে উপরে উঠলে rise আর কাউকে বা কিছুকে উপরে তোলা বা লালনপালন করা হলে raise হয়।
সঠিক উত্তর: B) Embarrass
কেন সঠিক:
- ইংরেজি বানানের নিয়ম অনুযায়ী এই শব্দটিতে দুটি 'r' এবং দুটি 's' ব্যবহৃত হয়।
- সঠিক বানান গঠন হলো e-m-b-a-r-r-a-s-s।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Embrarrass — এখানে একটি 's' কম আছে এবং ভুলভাবে 'r' এর বিন্যাস করা হয়েছে।
B) Embarrass — এটি সম্পূর্ণ নির্ভুল বানান এবং প্রদত্ত সঠিক উত্তর।
C) Emberass — এখানে প্রথম অংশে 'e' এবং একটি 'r' ও একটি 's' ব্যবহারের কারণে বানানটি ভুল হয়েছে।
D) Embaruss — এখানে ভুলভাবে 'u' অক্ষর ব্যবহার করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
বানানটি মনে রাখতে মাথায় রাখুন এই শব্দটিতে ডাবল আর (rr) এবং ডাবল এস (ss) থাকে।
সঠিক উত্তর: D) that is
কেন সঠিক:
- ল্যাটিন শব্দগুচ্ছ 'id est' এর আক্ষরিক ইংরেজি অনুবাদ হলো 'that is' যার অর্থ অর্থাৎ বা অন্য কথায়।
- কোনো নির্দিষ্ট বক্তব্য বা ধারণাকে আরও স্পষ্ট করার জন্য বাক্য বা শব্দের পরে এটি ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) such as — এটি উদাহরণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যার ল্যাটিন রূপ হলো 'exempli gratia' বা সংক্ষেপে 'e.g'।
B) for example — এটি কোনো বিষয়ের উদাহরণ টানতে ব্যবহার করা হয় এবং এর সংক্ষিপ্ত রূপ হলো 'e.g'।
C) namely — এর অর্থ namely বা বিশেষভাবে নির্দিষ্ট করা, যা 'i. e' এর সঠিক সমার্থক নয়।
D) that is — এটি 'i. e' এর সঠিক ইংরেজি অর্থ এবং প্রদত্ত উত্তর সঠিক।
মনে রাখার টিপস:
'i. e' এর প্রথম অক্ষর 'i' দিয়ে યાદ রাখতে পারেন এটি কোনো কিছুর 'information' বা বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিতে that is অর্থে ব্যবহৃত হয়।
সঠিক উত্তর: A) in, for
কেন সঠিক:
- Faith শব্দের সাথে সাধারণত উপযুক্ত প্রিপজিশন হিসেবে ইন ব্যবহৃত হয় যার অর্থ বিশ্বাস রাখা।
- Hope শব্দের সাথে ভবিষ্যৎ বা কোনো লক্ষ্যের ক্ষেত্রে ফর প্রিপজিশন ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) in, for — এটি সঠিক কারণ ফেইথ এর পর ইন এবং হোপ এর পর ফর বসে।
B) for, in — এটি ভুল কারণ ফেইথ এর সাথে ফর এবং হোপ এর সাথে ইন বসালে অর্থ বদলে যায় ও ব্যাকরণগত নিয়ম নামে না।
C) in, with — এটি ভুল কারণ হোপ এর সাথে উইথ প্রিপজিশন বসে না।
D) d, for — এটি মুদ্রণজনিত ত্রুটিপূর্ণ অপশন এবং ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
বিশ্বাস বা আস্থার ক্ষেত্রে ইন এবং ভবিষ্যৎ বা আশার ক্ষেত্রে ফর প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) I can hardly wait for the weekend.
কেন সঠিক:
- hardly একটি নেতিবাচক বা না-বোধক শব্দ, যার অর্থ প্রায় নয় বললেই চলে।
- ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী একটি বাক্যে দুটি না-বোধক শব্দ একসঙ্গে ব্যবহার করা যায় না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) I can hardly wait for the weekend. — এটি সঠিক বাক্য কারণ এখানে কোনো অতিরিক্ত না-বোধক শব্দ নেই।
B) I can't hardly wait for the weekend. — এটি ভুল কারণ can't এবং hardly দুটি না-বোধক শব্দ একসঙ্গে বসে ডাবল নেগেটিভ ভুল তৈরি করেছে।
C) I cannot hardly wait for the weekend. — এটি ভুল কারণ cannot এবং hardly একসঙ্গে বসে বাক্যে দ্বৈত নেতিবাচক ত্রুটি ঘটিয়েছে।
D) I can wait hard for the weekend. — এটি ভুল কারণ এখানে hard adverb হিসেবে সঠিক অর্থ প্রকাশ করছে না।
মনে রাখার টিপস:
hardly শব্দটি নিজেই না-বোধক অর্থ প্রকাশ করে, তাই এর আগে কখনো not বা cant ব্যবহার করা যাবে না।
সঠিক উত্তর: B) ১৮৭৩ সালে
কেন সঠিক:
- শের-ই বাংলা আবুল কাশেম ফজলুল হক ১৮৭৩ সালের ২৬ অক্টোবর বর্তমান ঝালকাঠি জেলার রাজাপুর উপজেলার সাতুরিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন অবিভক্ত বাংলার প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ, আইনজীবী এবং তৎকালীন বাংলার প্রধানমন্ত্রী।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৮৭০ সালে — এই সালে শের-ই বাংলা আবুল কাশেম ফজলুল হক জন্মগ্রহণ করেননি, এটি সঠিক জন্মসালের সাথে মেলে না।
B) ১৮৭৩ সালে — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি এই সালেই জন্মগ্রহণ করেছিলেন।
C) ১৮৭৬ সালে — এই সালে তাঁর জন্ম হয়নি, এটি একটি ভুল সাল।
D) ১৮৯৫ সালে — এই সালটি তাঁর জন্মসালের সাথে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
শের-ই বাংলা আবুল কাশেম ফজলুল হকের জন্মসাল মনে রাখতে ৭৩ সংখ্যাটি মনে রাখতে পারেন, অর্থাৎ ১৮৭৩ সাল।
সঠিক উত্তর: A) নিউজ উইক
কেন সঠিক:
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত ম্যাগাজিন নিউজ উইক ১৯৭১ সালের ৫ এপ্রিল সংখ্যায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে রাজনীতিতে অনন্য ব্যক্তিত্ব হিসেবে মূল্যায়ন করে এই উপাধি দেয়।
- ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ এবং তৎকালীন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে তার দূরদর্শী নেতৃত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ এই প্রচ্ছদ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নিউজ উইক — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই পত্রিকাই বঙ্গবন্ধুকে 'Poet of politics' বা রাজনীতির কবি হিসেবে প্রচ্ছদ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল।
B) দি ইকোনোমিস্ট — এটি যুক্তরাজ্যভিত্তিক একটি প্রভাবশালী অর্থনৈতিক ও আন্তর্জাতিক বিষয়াদি সংক্রান্ত পত্রিকা, যা এই উপাধি দেয়নি।
C) গার্ডিয়ান — এটি একটি ব্রিটিশ দৈনিক সংবাদপত্র, যা এই ঐতিহাসিক উপাধি প্রদানের সঙ্গে যুক্ত নয়।
D) দি সান — এটি মূলত যুক্তরাজ্যের একটি জনপ্রিয় ট্যাবলয়েড সংবাদপত্র, যা এই উপাধি দেয়নি।
মনে রাখার টিপস:
সংবাদপত্র বা উইক নামের পত্রিকার সঙ্গে 'রাজনীতির কবি' উপাধির সম্পর্ক মনে রাখতে নিউজ উইক নামটি মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: D) ইন্দিরা গান্ধী ও জুলফিকার আলী ভুট্টো
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পর দুই দেশের মধ্যকার বিরোধ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে ১৯৭২ সালের ২ জুলাই এই ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী এবং পাকিস্তানের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জুলফিকার আলী ভুট্টো ভারতের সিমলা শহরে এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লাল বাহাদুর শাস্ত্রী ও আইয়ুব খান — এরা ১৯৬৫ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের পর ১৯৬৬ সালে তাসখন্দ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিলেন।
B) রাজীব গান্ধী ও বেনজির ভুট্টো — এরা ১৯৮৮ সালে সার্ক সম্মেলনের ফাঁکے আঞ্চলিক সহযোগিতা বিষয়ক একটি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিলেন।
C) অটল বিহারী বাজপেয়ী ও জেনারেল পারভেজ মোশাররফ — এরা ১৯৯৯ সালের লাহোর ঘোষণাপত্র এবং পরবর্তীতে ২০০১ সালের আগ্রা সম্মেলনে যুক্ত ছিলেন।
D) ইন্দিরা গান্ধী ও জুলফিকার আলী ভুট্টো — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
সিমলা চুক্তির সাথে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে, তাই মনে রাখবেন এটি যুদ্ধের পর ইন্দিরা গান্ধী ও জুলফিকার আলী ভুট্টোর মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়।
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: D) দ্যাগ হ্যামারশোল্ড
কেন সঠিক:
- সুইডেনের এই কূটনীতিক ও জাতিসংঘের দ্বিতীয় মহাসচিব ১৯৬১ সালে বিমান দুর্ঘটনায় মারা যাওয়ার পর শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান।
- ইতিহাসে তিনিই একমাত্র ব্যক্তি যিনি মরণোত্তর নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেছেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উ-থান্ট — তিনি ম্যিয়ানমারের নাগরিক ও জাতিসংঘের তৃতীয় মহাসচিব ছিলেন, কোনো মরণোত্তর নোবেল পাননি।
B) প্যারেজ ডি কুয়েলার — তিনি পেরুর কূটনীতিক ও জাতিসংঘের পঞ্চম মহাসচিব ছিলেন, মরণোত্তর নোবেল পাননি।
C) ট্রিগভেলি — তিনি নরওয়েজিয়ান রাজনীতিবিদ ও জাতিসংঘের প্রথম মহাসচিব ছিলেন, মরণোত্তর নোবেল পুরস্কার পাননি।
D) দ্যাগ হ্যামারশোল্ড — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
মৃত মহাসচিব দ্যাগ হ্যামারশোল্ড পেতেন নোবেল শান্তি পুরস্কার।
সঠিক উত্তর: A) জেদ্দা
কেন সঠিক:
- ওআইসি বা ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থার সদর দপ্তর সৌদি আরবের জেদ্দা শহরে অবস্থিত।
- এর স্থায়ী সচিবালয় জেদ্দায় অবস্থিত হলেও এর প্রধান নির্বাহী শাখা বা কার্যালয় পরিচালনার ক্ষেত্রে এই শহরটিই মূল কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জেদ্দা — এটি সঠিক উত্তর কারণ ওআইসির প্রধান প্রশাসনিক কার্যালয় এখানেই অবস্থিত।
B) তেহরান — এটি ইরানের রাজধানী, যা ওআইসির সদর দপ্তর নয়।
C) জাকার্তা — এটি ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী এবং আসিয়ান (ASEAN) এর সদর দপ্তর, ওআইসির নয়।
D) বাগদাদ — এটি ইরাকের রাজধানী, যা ওআইসির সদর দপ্তর হিসেবে ব্যবহৃত হয় না।
মনে রাখার টিপস:
ওআইসির (OIC) মতো মুসলিম বিশ্বের বড় সংস্থার সদর দপ্তর মুসলিম বিশ্বের অন্যতম প্রভাবশালী দেশ সৌদি আরবের জেদ্দায় অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: C) ইরাক
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের পর মধ্যপ্রাচ্যের প্রথম দেশ হিসেবে ইরাক ১৯৭২ সালের ৮ জুলাই আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
- একই দিন ইরাক সরকারের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইরান — ইরান মধ্যপ্রাচ্যের দেশ হলেও বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৯৭২ সালের ২৪ জুলাই।
B) কুয়েত — কুয়েত মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম দেশ হলেও বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৯৭২ সালের ১২ নভেম্বর।
D) সৌদি আরব — মুসলিম বিশ্বের অন্যতম প্রভাবশালী দেশ হওয়া সত্ত্বেও সৌদি আরব বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৯৭৫ সালের ১৬ আগস্ট।
মনে রাখার টিপস:
মধ্যপ্রাচ্যের প্রথম স্বীকৃতির ক্ষেত্রে ইরাকের নাম মনে রাখতে 'ই' দিয়ে শুরু প্রথম দেশ হিসেবে মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: D) ৪১৫৬ কি.মি.
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ ও ভারতের মোট আন্তর্জাতিক সীমানার প্রাতিষ্ঠানিক ও প্রচলিত দৈর্ঘ্য হলো ৪১৫৬ কিলোমিটার।
- ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সীমান্ত বিশ্বের অন্যতম দীর্ঘ স্থলসীমান্ত, যা পাঁচটি ভারতীয় রাজ্য স্পর্শ করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৪০৬৯.৭০ কি.মি — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি ভারত ও বাংলাদেশের প্রকৃত সীমানার সঠিক সরকারি পরিমাপ নয়।
B) ৪০১৪.৫ কি.মি — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্ত দূরত্বের সঠিক পরিসংখ্যান প্রকাশ করে না।
C) ৪০৬৮ কি.মি — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্তবর্তী এলাকার সঠিক মান নির্দেশ করে না।
D) ৪১৫৬ কি.মি. — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি বাংলাদেশ ও ভারতের মোট সীমানার স্বীকৃত দৈর্ঘ্য।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশ ও ভারতের সীমানা মনে রাখতে চার-এক-পাচ-ছয় (৪১৫৬) সংখ্যাটি মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: B) অস্ট্রেলিয়া
কেন সঠিক:
- অস্ট্রেলিয়া পুরুষদের ওয়ানডে ক্রিকেটে সবচেয়ে বেশি ছয়বার বিশ্বকাপ জিতেছে।
- দলটি ১৯৮৭, ১৯৯৯, ২০০৩, ২০০৭, ২০১৫ এবং ২০২৩ সালে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইংল্যান্ড — ইংল্যান্ড পুরুষদের ওয়ানডে ফরম্যাটে একবার বিশ্বকাপ জিতেছে।
B) অস্ট্রেলিয়া — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য।
C) ভারত — ভারত পুরুষদের ওয়ানডে ক্রিকেটে দুইবার বিশ্বকাপ জিতেছে।
D) পাকিস্তান — পাকিস্তান পুরুষদের ওয়ানডে ক্রিকেটে একবার বিশ্বকাপ জিতেছে।
মনে রাখার টিপস:
অস্ট্রেলিয়ার বিশ্বকাপ জয় মনে রাখতে ৬ সংখ্যাটি মনে রাখুন, কারণ তারা ৬ বার শিরোপা জিতেছে।
সঠিক উত্তর: B) চতুর্থ
কেন সঠিক:
- ভারত ২০২৩ সালের ২৩শে আগস্ট চন্দ্রযান-৩ সফলভাবে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে অবতরণ করায় চতুর্থ দেশ হিসেবে এই গৌরব অর্জন করে।
- এর আগে যুক্তরাষ্ট্র, সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং চীন চাঁদে সফলভাবে সফট ল্যান্ডিং বা অবতরণ করতে সক্ষম হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সপ্তম — এই সংখ্যাটি এই প্রেক্ষাপটে সঠিক নয় কারণ ভারত সপ্তম নয় বরং চতুর্থ দেশ হিসেবে চাঁদে মহাকাশযান অবতরণ করেছে।
B) চতুর্থ — এটি সঠিক উত্তর কারণ ভারত বিশ্বের চতুর্থ দেশ হিসেবে চাঁদের বুকে সফলভাবে মহাকাশযান অবতরণ করিয়েছে।
C) পঞ্চম — ভারত পঞ্চম দেশ নয়, বরং রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের পর চতুর্থ দেশ হিসেবে এই মাইলফলক স্পর্শ করেছে।
D) নবম — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ ভারত চন্দ্রাভিযানে নবম স্থানে নেই, বরং সফল অবতরণকারী দেশের দিক থেকে চতুর্থ স্থানে রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
চাঁদে সফল অবতরণের দিক থেকে ভারতের অবস্থান চার নম্বরে, অর্থাৎ যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও চীনের ঠিক পরেই ভারত চতুর্থ।
সঠিক উত্তর: C) যুক্তরাজ্য
কেন সঠিক:
- রয়টার্স হলো যুক্তরাজ্যের প্রাচীন ও বিশ্বের অন্যতম প্রধান আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা।
- পল জুলিয়াস রয়টার ১৮৫১ সালে লন্ডনে এই সংবাদ সংস্থাটি প্রতিষ্ঠা করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফ্রান্স — এটি ফ্রান্সের সংবাদ সংস্থা নয়, ফ্রান্সের প্রধান সংবাদ এজেন্সির নাম এএফপি (AFP)।
B) যুক্তরাষ্ট্র — এটি যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদ সংস্থা নয়, যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান সংবাদ সংস্থা হলো এপি (AP)।
C) যুক্তরাজ্য — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এখানে এটি প্রযোজ্য নয়।
D) কানাডা — এটি কানাডার সংবাদ সংস্থা নয়, কানাডার প্রধান সংবাদ সংস্থা হলো দ্য কানাডিয়ান প্রেস (CP)।
মনে রাখার টিপস:
রয়টার্সের প্রতিষ্ঠাতা পল জুলিয়াস রয়টার লন্ডনের অধিবাসী ছিলেন, আর লন্ডন হলো যুক্তরাজ্যের রাজধানী।
সঠিক উত্তর: D) জাহানারা ইমাম
কেন সঠিক:
- 'একাত্তরের দিনগুলি' বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের ওপর লেখা শহীদ জননী জাহানারা ইমামের বিখ্যাত একটি দিনলিপি বা প্রামাণিক স্মৃতিকথা।
- এই গ্রন্থে তিনি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের দিনগুলোতে তার পরিবারের সংগ্রামের ইতিহাস অত্যন্ত মর্মান্তিকভাবে তুলে ধরেছেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) খেয়শ রায় — এটি এই গ্রন্থের রচয়িতা নন এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রেক্ষাপটে এটি একটি কাল্পনিক বা অপ্রাসঙ্গিক নাম।
B) সুফিয়া কামাল — তিনি বাংলাদেশের প্রখ্যাত কবি ও সাহিত্যিক হলেও এই ঐতিহাসিক দিনলিপির রচয়িতা নন।
সি) শওকত ওসমান — তিনি একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক হলেও 'একাত্তরের দিনগুলি' গ্রন্থের রচয়িতা নন।
D) জাহানারা ইমাম — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ তিনি শহীদ জননী হিসেবে এই ঐতিহাসিক গ্রন্থটি রচনা করেছেন।
মনে রাখার টিপস:
'একাত্তরের দিনগুলি' মানেই শহীদ জননী জাহানারা ইমামের দিনলিপি, যিনি মুক্তিযুদ্ধে পুত্র হারিয়েও লড়াই চালিয়ে গেছেন।
সঠিক উত্তর: C) থিওডোর হার্জল
কেন সঠিক:
- থিওডোর হার্জল আধুনিক রাজনৈতিক জায়নবাদের প্রবক্তা এবং ইসরাইল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার স্বপ্নদ্রষ্টা হিসেবে পরিচিত।
- ১৮৯৬ সালে প্রকাশিত তার ডের জুডেনস্টাট বা ইহুদি রাষ্ট্র গ্রন্থে তিনি ইহুদিদের জন্য একটি পৃথক স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনের রূপরেখা দেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আর্থার বেলফোর — তিনি ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন এবং ১৯১৭ সালের বেলফোর ঘোষণার মাধ্যমে ফিলিস্তিনে ইহুদিদের জন্য জাতীয় আবাসভূমি প্রতিষ্ঠার সমর্থন দিয়েছিলেন।
B) মোনাটেম বেগিন — তিনি ইসরাইলের ষষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী ছিলেন এবং শান্তি চুক্তিতে অবদানের জন্য নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন, কিন্তু রাষ্ট্রের স্বপ্নদ্রষ্টা নন।
C) থিওডোর হার্জল — এটি সঠিক উত্তর।
D) ব্র্যার্ন এডমণ্ড — তিনি এই প্রশ্নের উত্তরের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্ব নন।
মনে রাখার টিপস:
ইহুদি রাষ্ট্রের স্বপ্ন দেখে হার্ট বা হৃদয় দিয়ে যিনি কাজ শুরু করেছিলেন, তার নাম থিওডোর হার্জল।
সঠিক উত্তর: A) ৩.৩২ কি. মি.
কেন সঠিক:
- বঙ্গবন্ধু টানেলের মূল অংশের দৈর্ঘ্য ৩.৩২ কিলোমিটার।
- এটি কর্ণফুলী নদীর তলদেশে নির্মিত দেশের প্রথম টানেল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৩.৩২ কি. মি. — এটি বঙ্গবন্ধু টানেলের মূল অংশের সঠিক দৈর্ঘ্য।
B) ১.৩৯ কি. মি. — এই মাপের কোনো নির্দিষ্ট অংশ এই প্রকল্পের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
C) ৭.৩৯ কি. মি. — এটি টানেলের সংযোগ সড়কসহ মোট দৈর্ঘ্য বা অন্য কোনো অবকাঠামোর মাপ।
D) ৪.৩৯ কি. মি. — এটি টানেলের প্রোটোকল বা অন্য কোনো দূরত্বের ভুল পরিমাপ।
মনে রাখার টিপস:
বঙ্গবন্ধু টানেলের মূল দৈর্ঘ্য ৩.৩২ কিমি মনে রাখতে ৩-এর পর ডাবল ৩ ও ২ অর্থাৎ ৩.৩২ মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: A) Letter Of Intent
কেন সঠিক:
- আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও কূটনীতিতে কোনো চুক্তি স্বাক্ষরের পূর্বে পারস্পরিক সমঝোতা বা আগ্রহ প্রকাশের ঘোষণাপত্রকে লেটার অব ইনটেন্ট বলা হয়।
- এটি মূলত আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষরের আগের একটি প্রাথমিক দলিল, যা পক্ষগুলোর সহযোগিতার ইচ্ছাকে নিশ্চিত করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Letter Of Intent — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ কূটনৈতিক বা বাণিজ্যিক চুক্তির প্রাথমিক প্রকাশ হিসেবে এটি ব্যবহৃত হয়।
B) Letter Of Identification — এটি কোনো পরিচিতি চিহ্নিতকরণ পত্র বা দলিলের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, যা আন্তর্জাতিক রাজনীতির এই পদের সঙ্গে মিলে না।
C) Letter Of Inspection — এটি সাধারণত কোনো পণ্য বা স্থান পরিদর্শনের ছাড়পত্র বা নির্দেশপত্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
D) Letter Of Impact — আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে এমন কোনো নির্দিষ্ট বা স্বীকৃত প্রাথমিক দলিল বা পদের প্রচলন নেই।
মনে রাখার টিপস:
ইনটেন্ট শব্দের অর্থ আগ্রহ বা ইচ্ছা, তাই আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে কাজের ইচ্ছাপত্র বোঝাতে Letter Of Intent ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: B) ২০১২
কেন সঠিক:
- এটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা প্রথম আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ।
- গ্রন্থটি ২০১২ সালের ১৮ জুন আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২০১০ — এই সালে বইটি প্রকাশিত হয়নি, এটি প্রকাশের আগের একটি বছর মাত্র।
B) ২০১২ — এটি সঠিক সাল এবং এই সালেই বইটি প্রকাশিত হয়েছিল।
C) ২০১৩ — এটি বইটির প্রকাশের পরের বছর, তাই সঠিক উত্তর নয়।
D) ২০১৪ — এই সালটিও প্রকাশের সঠিক সময় নয়, এটি প্রকাশের আরও পরের বছর।
মনে রাখার টিপস:
বঙ্গবন্ধুর জন্ম ১৯২০ সালে এবং তাঁর আত্মজীবনী প্রকাশিত হয় ২০১২ সালে।
সঠিক উত্তর: B) জেনেভা
কেন সঠিক:
- UNHCR হলো জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাই কমিশন, যার প্রধান কার্যালয় সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত।
- বিশ্বজুড়ে শরণার্থী ও আশ্রয়নপ্রার্থীদের সুরক্ষা এবং কল্যাণ নিশ্চিত করার মূল কেন্দ্র হিসেবে এটি জেনেভা থেকে পরিচালিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লন্ডন — এটি যুক্তরাজ্যের রাজধানী এবং এখানে অনেক আন্তর্জাতিক সংস্থার দপ্তর থাকলেও UNHCR-এর সদর দপ্তর এখানে নয়।
B) জেনেভা — এটি সুইজারল্যান্ডের শহর এবং UNHCR-এর মূল সদর দপ্তর এখানেই অবস্থিত।
C) মাদ্রিদ — এটি স্পেনের রাজধানী এবং পর্যটন ও সংস্কৃতির কেন্দ্র হলেও এই সংস্থার সদর দপ্তর এখানে নেই।
D) নিউইয়র্ক — এটি জাতিসংঘের মূল সদর দপ্তর হলেও UNHCR-এর প্রধান কার্যালয় জেনেভায় অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
শরণার্থীদের (Refugee) সেবা দিতে হলে নিরপেক্ষ থাকতে হয়, আর সুইজারল্যান্ডের জেনেভা হলো নিরপেক্ষতার শহর।
সঠিক উত্তর: C) ফিনল্যান্ড
কেন সঠিক:
- ফিনল্যান্ড ৪ঠা এপ্রিল ২০২৩ তারিখে ন্যাটোর ৩১তম সদস্য হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করে।
- দীর্ঘকাল সামরিকভাবে নিরপেক্ষ থাকার পর রাশিয়ার ইউক্রেন আক্রমণের প্রেক্ষাপটে তারা এই নিরাপত্তা জোটে যোগ দেয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কানাডা — কানাডা ন্যাটোর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং এটি ৪ঠা এপ্রিল ১৯৪৯ সালে জোটে যোগ দেয়।
B) সাইপ্রাস — সাইপ্রাস ন্যাটোর সদস্য রাষ্ট্র নয় এবং তাদের ভূরাজনৈতিক জটিলতার কারণে জোটে যোগদানের সম্ভাবনা নেই।
C) ফিনল্যান্ড — এটি সঠিক উত্তর।
D) অস্ট্রেলিয়া — অস্ট্রেলিয়া ন্যাটোর সদস্য নয় কারণ এটি প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশ এবং ন্যাটো মূলত উত্তর আটলান্টিক অঞ্চলের সামরিক জোট।
মনে রাখার টিপস:
ফিনল্যান্ড হলো ৩১ নম্বর সদস্য, আর সুইডেন হলো ৩২তম সদস্য দেশ।
সঠিক উত্তর: C) গাল্ফ শিল্ড- ১
কেন সঠিক:
- ২০১৮ সালে সৌদি আরবের সামরিক উদ্যোগে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অংশগ্রহণে এই যৌথ সামরিক মহড়া অনুষ্ঠিত হয়।
- বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এই মহড়ায় অংশগ্রহণ করে দুই দেশের মধ্যকার সামরিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করেছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ব্ল্যাক ক্যাট- ১ — এটি কোনো বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের যৌথ সামরিক মহড়ার নাম নয়, বরং এটি একটি বিশেষায়িত নিরাপত্তা বাহিনীর নাম।
B) ডেজার্ট রোড — এটি এই প্রশ্নের উত্তর হিসেবে সঠিক নয় কারণ এমন নামের কোনো নির্দিষ্ট যৌথ সামরিক মহড়ার ঐতিহাসিক রেকর্ড নেই।
C) গাল্ফ শিল্ড- ১ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং ২০১৮ সালে বাংলাদেশ ও সৌদি আরবসহ বিভিন্ন দেশের অংশ্রগ্রহণে পরিচালিত হয়।
D) পিস ফোর্স- ১ — এটি বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের যৌথ সামরিক মহড়ার নাম নয়, এটি শান্তিরক্ষী বাহিনীর কোনো বিশেষ অভিযানের নাম হতে পারে।
মনে রাখার টিপস:
সৌদি আরবের সাথে বাংলাদেশের সামরিক মহড়া মনে রাখতে উপসাগরীয় অঞ্চলের শিল্ড বা ঢাল হিসেবে গাল্ফ শিল্ড নামাদি মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: B) মুন্সীগঞ্জ ও শরীয়তপুর
কেন সঠিক:
- পদ্মা সেতু বাংলাদেশের মুন্সীগঞ্জ জেলার মাওয়া পয়েন্টকে অপর পারে শরীয়তপুর জেলার জাজিরা পয়েন্টের সঙ্গে যুক্ত করেছে।
- এই সেতুর মাধ্যমে রাজধানী ঢাকার সঙ্গে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের সরাসরি সড়ক যোগাযোগ স্থাপিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মুন্সীগঞ্জ ও মাদারীপুর — পদ্মা সেতু সরাসরি মাদারীপুর জেলাকে সংযুক্ত করে না, তবে জাজিরার মাধ্যমে মাদারীপুর যাতায়াত করা যায়।
B) মুন্সীগঞ্জ ও শরীয়তপুর — এটি সঠিক সংযোগকারী দুটি জেলা হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
C) মুন্সীগঞ্জ ও ফরিদপুর — পদ্মা সেতু ফরিদপুর জেলাকে সরাসরি সংযুক্ত করে না, এটি শরীয়তপুরের সঙ্গে যুক্ত।
D) গোপালগঞ্জ ও মুন্সীগঞ্জ — গোপালগঞ্জ অনেক দূরে অবস্থিত এবং এটি সেতুর সরাসরি সংযোগকারী জেলা নয়।
মনে রাখার টিপস:
পদ্মা সেতুর দুই প্রান্ত মনে রাখতে মুন্সীগঞ্জ ও শরীয়তপুর শব্দ দুটি মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: C) Uranium (U-235)
১. কেন সঠিক:
- ইউরেনিয়াম-২৩৫ আইসোটোপটি পারমাণবিক চুল্লিতে ফিশন বিক্রিয়ার মাধ্যমে প্রচুর পরিমাণে তাপশক্তি উৎপন্ন করে।
- এই উৎপাদিত তাপ ব্যবহার করে জল ফুটিয়ে উচ্চচাপের বাষ্প তৈরি করা হয় এবং তা দিয়ে টারবাইন ঘুরিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: পারমাণবিক ফিশন হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে একটি ভারী পরমাণুর নিউক্লিয়াস ভেঙে প্রায় সমমানের দুটি হালকা নিউক্লিয়াসে পরিণত হয় এবং বিপুল শক্তি মুক্ত হয়।
- কার্যপ্রণালি: ইউরেনিয়াম-২৩৫ নিউক্লিয়াসের ওপর একটি ধীরগতির নিউট্রন আঘাত হানলে তা ভেঙে দুটি নতুন মৌল এবং তিনটি নতুন নিউট্রন তৈরি করে এবং ভর ত্রুটির কারণে শক্তি উৎপন্ন হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র।
ব্যাখ্যা: বাংলাদেশের এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রে জ্বালানি হিসেবে ইউরেনিয়াম ব্যবহার করে পারমাণবিক ফিশন প্রক্রিয়ায় বিদ্যুৎ উৎপাদনের কাজ চলছে।
উদাহরণ ২: পারমাণবিক সাবমেরিন।
ব্যাখ্যা: সাবমেরিনে ইউরেনিয়াম ফিশন থেকে প্রাপ্ত শক্তি ব্যবহার করে দীর্ঘ সময় ধরে জ্বালানি পরিবর্তনের ঝামেলা ছাড়া moteurs চালিত করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Plutonium (Pu-239) — এটি প্রাকৃতিকভাবে সহজে পাওয়া যায় না এবং সাধারণত পারমাণবিক অস্ত্র বা বিশেষ দ্রুত চুল্লিতে ব্যবহৃত হয়, বাণিজ্যিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে প্রধান জ্বালানি নয়।
B) Thorium (Th-232) — থোরিয়াম একটি উর্বর পদার্থ এবং এটি সরাসরি ফিশন ঘটায় না, তবে একে রূপান্তর করে ইউরেনিয়াম-২৩৩ তে পরিণত করে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহারের গবেষণা চলছে।
C) Uranium (U-235) — এটি সঠিক কারণ এটি প্রাকৃতিক ইউরেনিয়ামের একমাত্র fissile বা বিভাজনযোগ্য আইসোটোপ যা নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্টে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
D) কোনটাই নয় — যেহেতু অপশন সি সঠিক, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- নিউক্লিয়ার পাওয়ারে শক্তি পেতে হলে চাই ইউরেনিয়াম, যার ভর সংখ্যা ২৩৫।
- পরমাণুর বিভাজন বা ফিশন মনে রাখতে ইউরেনিয়াম-২৩৫ এর নামটি সবার আগে মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- পারমাণবিক চুল্লিতে নিউক্লিয়ার চেইন বিক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করতে ক্যাডমিয়াম বা বোরন রোড ব্যবহার করা হয়।
- এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় শক্তি ও শক্তির রূপান্তর অধ্যায়ের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: A) Energy
১. কেন সঠিক:
কিলোওয়াট আওয়ার হলো শক্তির বাণিজ্যিক বা ব্যবহারিক একক। এটি মূলত বৈদ্যুতিক শক্তি ব্যবহারের পরিমাণ নির্দেশ করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: ক্ষমতা এবং সময়ের গুণফল হলো শক্তি। এক কিলোওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন কোনো বৈদ্যুতিক যন্ত্র এক ঘণ্টায় যে পরিমাণ কাজ সম্পন্ন করে বা শক্তি ব্যয় করে, তাকে এক কিলোওয়াট আওয়ার বা এক ইউনিট বলা হয়।
সূত্র: শক্তি = ক্ষমতা × সময়। এখানে কিলোওয়াট হলো ক্ষমতার একক এবং আওয়ার হলো সময়ের একক।
বাস্তব প্রয়োগ: আমাদের বাসাবাড়িতে বিদ্যুৎ বিল হিসাব করার জন্য কিলোওয়াট আওয়ার এককটি ব্যবহার করা হয়। বিদ্যুৎ মিটারে এই এককটি ইউনিট হিসেবে পরিমাপ করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: একটি এক হাজার ওয়াটের বৈদ্যুতিক হিটার এক ঘণ্টা চালালে এক কিলোওয়াট আওয়ার বা এক ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ হয়।
ব্যাখ্যা: হিটারটি নির্দিষ্ট সময়ে যে পরিমাণ বৈদ্যুতিক শক্তি তাপশক্তিতে রূপান্তর করে, তা এই এককের মাধ্যমে হিসাব করা হয়।
উদাহরণ ২: ১০০ ওয়াটের দশটি বাল্ব এক ঘণ্টা একসঙ্গে জ্বালালে মোট এক কিলোওয়াট আওয়ার শক্তি খরচ হয়।
ব্যাখ্যা: একাধিক ছোট যন্ত্রের সম্মিলিত শক্তি খরচও এই একক দিয়ে খুব সহজে হিসাব করা সম্ভব।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Energy — এটি সঠিক উত্তর কারণ কিলোওয়াট আওয়ার শক্তি পরিমাপের একক।
B) Electric Current — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ বৈদ্যুতিক প্রবাহের একক হলো অ্যাম্পিয়ার।
C) Electric Charge — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ বৈদ্যুতিক আধান বা চার্জের একক হলো কুলম্ব।
D) Power — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ বৈদ্যুতিক ক্ষমতার একক হলো ওয়াট বা কিলোওয়াট।
৫. মনে রাখার টিপস:
নামে ওয়াট থাকলেই ভাববেন না এটি শুধু ক্ষমতার একক। আওয়ার বা সময় যুক্ত থাকলেই তা শক্তির পরিমাপে পরিণত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
এক কিলোওয়াট আওয়ার বা এক ইউনিট বিদ্যুৎ মানে তিন লক্ষ ষাট হাজার জুল শক্তির সমান। বিদ্যুৎ বিলের হিসাব সংক্রান্ত যেকোনো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।
সঠিক উত্তর: D) বেগুনি
১. কেন সঠিক:
দৃশ্যমান আলোর বর্ণালির মধ্যে বেগুনি রঙের আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম এবং কম্পাঙ্ক সবচেয়ে বেশি।
আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম হওয়ার কারণে এটি কণার দ্বারা বেশি বিক্ষিপ্ত হয় এবং এর শক্তি লাল আলোর চেয়ে বেশি।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: দৃশ্যমান আলো হলো তড়িৎচৌম্বকীয় বর্ণালির সেই অংশ যা মানবচক্ষুতে সংবেদনশীল এবং এর তরঙ্গদৈর্ঘ্য প্রায় চারশো থেকে সাতশো ন্যানোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।
কার্যপ্রণালি: প্রিজমের মধ্য দিয়ে সাদা আলো গেলে তরঙ্গদৈর্ঘ্য ভিন্নতার কারণে বিভিন্ন রঙে বেঁকে যায় যেখানে বেগুনি আলোর চ্যুতি সবচেয়ে বেশি হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আকাশে রামধনু সৃষ্টির সময় বৃষ্টির ফোঁটায় আলো প্রতিসরণ ও বিচ্ছুরণের ফলে বেগুনি রঙ নিচে অবস্থান করে।
ব্যাখ্যা: বেগুনি আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম হওয়ায় এর প্রতিসরণ কোণ সবচেয়ে বেশি হয় এবং এটি বর্ণালির সবার নিচে দেখা যায়।
উদাহরণ ২: সূর্যাস্তের সময় আকাশের কিছু অংশে বেগুনি ও নীল আভা দেখা যায়।
ব্যাখ্যা: বায়ুমণ্ডলের কণাগুলোর দ্বারা কম তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো বেশি ছড়িয়ে পড়ার কারণে এমনটি ঘটে থাকে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লাল — লাল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি এবং কম্পাঙ্ক সবচেয়ে কম হওয়ায় এটি এই প্রশ্নের উত্তর নয়।
B) কালো — কালো কোনো মৌলিক রঙ নয় বরং এটি আলোর অনুপস্থিতি বা সব আলো শোষিত হওয়ার ফলাফল।
C) সাদা — সাদা আলো হলো সাতটি রঙের একটি মিশ্রণ এবং এটি কোনো একক দৃশ্যমান আলোর ক্ষুদ্রতম দৈর্ঘ্য নয়।
D) বেগুনি — বেগুনি রঙের আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর।
৫. মনে রাখার টিপস:
দৃশ্যমান আলোর বর্ণালি মনে রাখার ইংরেজি সংক্ষিপ্ত রূপ হলো VIBGYOR যেখানে প্রথম অক্ষর V হলো Violet বা বেগুনি যার তরঙ্গদৈর্ঘ্য সর্বনিম্ন।
বিপরীতে বর্ণালির শেষ অক্ষর R হলো Red বা লাল যার তরঙ্গদৈর্ঘ্য সর্বোচ্চ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোন রঙের আলোর প্রতিসরণ সবচেয়ে বেশি বা তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম।
একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে দৃশ্যমান আলোর কোন রঙের তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি, যার উত্তর হবে লাল।
সঠিক উত্তর: C) Rectifier
১. কেন সঠিক:
- Alternating Current বা এসি বিদ্যুৎকে Direct Current বা ডিসি বিদ্যুতে রূপান্তরিত করতে রেকটিফায়ার ব্যবহৃত হয়।
- এটি মূলত ডায়োড ব্যবহার করে বিদ্যুতের প্রবাহকে একদিকে পরিচালিত করে এবং এসি তরঙ্গের দিক পরিবর্তন রোধ করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: রেকটিফায়ার হলো এমন একটি বৈদ্যুতিক যন্ত্র যা দিক পরিবর্তনকারী বিদ্যুৎ প্রবাহকে একমুখী বিদ্যুৎ প্রবাহে রূপান্তর করে।
- কার্যপ্রণালি: এতে অর্ধপরিবাহী ডায়োড ব্যবহার করা হয় যা কেবল একটি দিকে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হতে দেয় এবং বিপরীত দিকের প্রবাহকে বাধা দেয়।
- বাস্তব প্রয়োগ: মোবাইল ফোন চার্জার ল্যাপটপ অ্যাডাপ্টর এবং বিভিন্ন হোম অ্যাপ্লায়েন্সে এসি মেইনস ভোল্টেজকে ডিসিতে রূপান্তর করতে এটি ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মোবাইল ফোন চার্জার
ব্যাখ্যা: ঘরের বৈদ্যুতিক সকেটের এসি বিদ্যুৎ চার্জারের ভেতরে থাকা রেকটিফায়ারের মাধ্যমে ডিসিতে রূপান্তরিত হয়ে মোবাইলের ব্যাটারি চার্জ করে।
উদাহরণ ২: ল্যাপটপ অ্যাডাপ্টর
ব্যাখ্যা: ল্যাপটপের ব্যাটারি ডিসি বিদ্যুৎে কাজ করে তাই অ্যাডাপ্টরের ভেতরের সার্কিট এসিকে ডিসিতে রূপান্তর করে ল্যাপটপ সচল রাখে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Dynamo — এটি যান্ত্রিক শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করে এবং সাধারণত ডিসি বিদ্যুৎ উৎপন্ন করতে ব্যবহৃত হয়।
B) Transformer — এটি তড়িচ্চৌম্বকীয় প্রভাবে এসি ভোল্টেজের মান বাড়াতে বা কমাতে সাহায্য করে কিন্তু এসিকে ডিসিতে রূপান্তর করে না।
C) Rectifier — এটি এসিকে ডিসিতে রূপান্তরিত করে এবং এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
D) Motor — এটি বিদ্যুৎ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে যেমন বৈদ্যুতিক পাখা বা পাম্পে ব্যবহৃত হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ইংরেজি শব্দ Rectifier এর প্রথম অক্ষর R এবং Direct Current এর D মিলিয়ে মনে রাখতে পারো রেকটিফায়ার ডিসি দেয়।
- এসি বিদ্যুৎ দিক পরিবর্তন করে আর রেকটিফায়ার তাকে একমুখী করে তোলে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদ্যুৎ রূপান্তরকারী যন্ত্র থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- ডিসি থেকে এসি রূপান্তর করার যন্ত্রের নাম ইনভার্টার যা এই ধারণার বিপরীত।
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)