বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন (BPSC)

পিএসসিতে প্রভাষক (শারীরিক শিক্ষা কলেজ) পদে নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৩।

পদের নাম: প্রভাষক (শারীরিক শিক্ষা কলেজ) (৯ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (100)

a তদনুসারে
b তদনুসারে
c তদপনুসারে
d তদানুসারে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) তদনুসারে ১. কেন সঠিক: - তদনুসারে শব্দটির সঠিক গঠন হলো তৎ যোগ অনুসারে, যেখানে ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়মে প্রথম পদের শেষের ত ধ্বনি দ-এ রূপান্তরিত হয়েছে। - এই শব্দটির অর্থ হলো সেই অনুযায়ী বা তার বিধান অনুসারে, যা ব্যাকরণগত ও অর্থগতভাবে সম্পূর্ণ শুদ্ধ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণের সন্ধি নিয়মানুযায়ী, বর্গের প্রথম ধ্বনির পর স্বরধ্বনি থাকলে প্রথম ধ্বনিটি বর্গের তৃতীয় ধ্বনিতে রূপান্তরিত হয়। - তৎ শব্দের ত ধ্বনির পরে অনুসার শব্দের অ স্বরধ্বনি যুক্ত হওয়ায় ত পরিবর্তিত হয়ে দ তে পরিণত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ত+অনুসারে = তদনুসারে ব্যাখ্যা: তৎ শব্দের ত ধ্বনির সাথে অনুসারে শব্দ যুক্ত হয়ে তদনুসারে গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: জগৎ+ঈশ = জগদীশ ব্যাখ্যা: বর্গের প্রথম ধ্বনি ত এর সাথে ঈ স্বরধ্বনি যুক্ত হয়ে জগদীশ গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তদনুসারে — প্রদত্ত অপশনটি সঠিক উত্তরের অনুরূপ হলেও প্রশ্নে এটি দ্বিতীয় বিকল্প হিসেবে রয়েছে এবং ব্যাকরণগতভাবে সঠিক বানান বহন করে। B) তদনুসারে — এটি সঠিক বানান এবং প্রমিত বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী ব্যাকরণসিদ্ধ রূপ। C) তদপনুসারে — এই বানানে অতিরিক্ত প বর্ণ যুক্ত হয়েছে, যা সন্ধির নিয়ম ও অর্থ অনুযায়ী সম্পূর্ণ ভুল। D) তদানুসারে — এই বানানে অনুসার অংশের স্থলে আকার যুক্ত হয়েছে, যা ভুল এবং প্রমিত বানানরীতির পরিপন্থী। ৫. মনে রাখার টিপস: - সন্ধির সময় তৎ এবং অনুসারে মিলে তদনুসারে হয়, যেখানে ত বদলে দ এবং অ যুক্ত হয়ে দন হয়। - বানান মনে রাখতে তৎ যোগ অনুসারে সূত্রটি মাথায় রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ব্যঞ্জনসন্ধি এবং সন্ধিজনিত বানান শুদ্ধি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - এ ধরনের শব্দ ভেঙে দেখার অভ্যাস থাকলে যেকোনো কঠিন বানান সহজে সমাধান করা যায়।
a ৪ প্রকার
b ১ প্রকার
c ৩ প্রকার
d ২ প্রকার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২ প্রকার ১. কেন সঠিক: ব্যুৎপত্তি বা উৎস অনুসারে অনুসর্গ মূলত দুই ভাগে বিভক্ত। এগুলো হলো তদ্ভব বা খাঁটি বাংলা অনুসর্গ এবং তৎসম বা সংস্কৃত অনুসর্গ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যেসব শব্দ বিশেষ বা সর্বনাম পদের পরে বসে কারক বোঝাতে সাহায্য করে এবং বাক্যের অর্থ প্রকাশে সহায়তা করে তাদের অনুসর্গ বা কর্মপ্রবচনীয় বলে। বাংলা ব্যাকরণে উৎপত্তি বা গঠনগত দিক থেকে অনুসর্গ দুই প্রকারের হয়ে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হতে ব্যাখ্যা: এটি একটি তদ্ভব বা খাঁটি বাংলা অনুসর্গ যা উৎস বা মাধ্যমের অর্থে বাক্যে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: কর্তৃক ব্যাখ্যা: এটি একটি তৎসম বা সংস্কৃত অনুসর্গ যা সাধারণত কর্মবাচ্যে কারক বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪ প্রকার — অনুসর্গ সংখ্যায় চার প্রকার নয়, ব্যুৎপত্তিগত দিক থেকে অনুসর্গ প্রধানত দুই প্রকার। B) ১ প্রকার — অনুসর্গ এক প্রকার হতে পারে না কারণ বাংলা ভাষায় দেশি ও বিদেশি উভয় উৎসের অনুসর্গ রয়েছে। C) ৩ প্রকার — অনুসর্গ তিন প্রকার নয়, ব্যাকরণবিদগণ একে মূলত দুই ভাগে ভাগ করেছেন। D) ২ প্রকার — এই অপশনটি সঠিক কারণ ব্যুৎপত্তি অনুসারে অনুসর্গ তদ্ভব ও তৎসম এই দুই ভাগে বিভক্ত। ৫. মনে রাখার টিপস: অনুসর্গ কয় প্রকার তা মনে রাখার জন্য উৎসের কথা মনে রাখবে। উৎস বা ব্যুৎপত্তি দুই অক্ষরের শব্দ, তাই অনুসর্গও দুই প্রকার। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনুসর্গের প্রকারভেদ প্রায়ই আসে। অনুসর্গগুলো মূলত অব্যয় পদের অন্তর্ভুক্ত এবং এরা শব্দের পরে বসে বিভক্তির কাজ করে।
a মীর মশাররফ হোসেন
b রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী
c কাজী নজরুল ইসলাম
d বন্দ্যে আলী মিয়া
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কাজী নজরুল ইসলাম ১. কেন সঠিক: - ‘মৃত্যুক্ষুধা’ হলো জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস। - এই উপন্যাসের মাধ্যমে লেখক সমাজের দরিদ্র ও অবহেলিত মানুষের জীবনযাত্রা এবং তাদের বেঁচে থাকার সংগ্রাম ফুটিয়ে তুলেছেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত হলেও তিনি সফলভাবে বেশ কিছু উপন্যাস ও ছোটগল্প রচনা করেছেন। - ‘মৃত্যুক্ষুধা’ উপন্যাসে মূলত তৎকালীন গ্রামীণ ও শহরের প্রান্তিক মানুষের অভাব, অনটন এবং নৈতিক মূল্যবোধের দ্বন্দ্ব চমৎকারভাবে চিত্রিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ‘বাটুলের জন্ম’ ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের রচিত একটি বিখ্যাত ছোটগল্প। উদাহরণ ২: ‘কুহেলিকা’ ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের অপর একটি রাজনৈতিক উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মীর মশাররফ হোসেন — তিনি বিখ্যাত ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার হলেও ‘মৃত্যুক্ষুধা’ তাঁর লেখা নয়, তাঁর বিখ্যাত উপন্যাসের নাম ‘বিষাদ সিন্ধু’। B) রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী — তিনি মূলত একজন প্রাবন্ধিক ও বিজ্ঞানী হিসেবে পরিচিত, কোনো উপন্যাস রচনা করেননি। C) কাজী নজরুল ইসলাম — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি প্রশ্নের চাহিদার সঙ্গে সম্পূর্ণরূপে মিলে যায়। D) বন্দ্যে আলী মিয়া — তিনি মূলত একজন কবি ও ঔপন্যাসিক হলেও ‘মৃত্যুক্ষুধা’ তাঁর সাহিত্যকর্ম নয়, তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস ‘অরণ্য গোধূলি’। ৫. মনে রাখার টিপস: নজরুলের উপন্যাসে ক্ষুধা ও বিদ্রোহের থিম থাকে, তাই ‘মৃত্যুক্ষুধা’ এবং ‘কুহেলিকা’ নামগুলো দেখলেই কবি কাজী নজরুল ইসলামকে মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নজরুলের উপন্যাস (বাধন হারা, কুহেলিকা, মৃত্যুক্ষুধা) থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। নজরুলের এই তিনটি উপন্যাসই খুব ভালো করে মুখস্থ রাখবে।
a ETHLETICS
b ATHLETICS
c ATHELETICS
d ATHLATICSI
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ATHLETICS ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি হলো ATHLETICS কারণ এটি একটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইংরেজি শব্দ যার বাংলা অর্থ ক্রীড়া বা ব্যায়াম প্রতিযোগিতা। - বাংলা ভাষায় বিদেশি বা ইংরেজি শব্দের সঠিক বানান লেখার সময় তার মূল ইংরেজি বানানরীতি অনুসরণ করতে হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি শুদ্ধ বানান বা ইংরেজি থেকে আগত পরিভাষিক শব্দের বানান সংক্রান্ত একটি প্রশ্ন যেখানে প্রমিত ইংরেজি রূপের সঠিক প্রতিরূপ বা বানান নির্বাচন করতে হয়। - বাংলা ভাষায় বিদেশি শব্দের বানানে সাধারণত বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বানানরীতি বা মূল ভাষার বানান অনুসরণ করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: GRAMMAR ব্যাখ্যা: এই ইংরেজি শব্দের বানান প্রায়ই ভুল হয়, যার সঠিক বানান জি-আর-এ-এম-এম-এ-আর। উদাহরণ ২: LIBRARY ব্যাখ্যা: এই শব্দের সঠিক বানান এল-আই-বি-আর-এ-আর-ওয়าย, যা পাঠাগার অর্থে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ETHLETICS — এই অপশনটি ভুল কারণ শব্দের শুরুতে ই থাকে না, আ হয়। B) ATHLETICS — এই অপশনটি সঠিক এবং এতে সঠিক ইংরেজি বানানরীতি অনুসৃত হয়েছে। C) ATHELETICS — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে অতিরিক্ত ই বর্ণ যুক্ত করা হয়েছে। D) ATHLATICSI — এই অপশনটি ভুল কারণ শেষে আই বর্ণ অতিরিক্ত যুক্ত হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - এই ধরনের ইংরেজি শব্দের বানান মনে রাখার জন্য মূল শব্দটি মনে মনে উচ্চারণ করে বানানটি অক্ষরভিত্তিক ভেঙে দেখতে পারো। - অ্যাথলেটিক্স বানানটি মনে রাখতে এর শুরুর অংশ এ-টি-এইচ এবং শেষের অংশ এল-ই-টি-আই-সি-এস আলাদা করে চর্চা করতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি ও ইংরেজি শব্দ থেকে প্রায়ই বানান সংশোধনের প্রশ্ন আসে। - বহুল ব্যবহৃত বিদেশি শব্দগুলোর মূল ইংরেজি বানান সাবধানে চর্চা করলে এ ধরনের প্রশ্নে পূর্ণ নম্বর পাওয়া সহজ হয়।
a পদ্মা নদীর মাঝি
b আলোয়ারা
c পুতুল নাচের ইতিকথা
d লালসালু
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পুতুল নাচের ইতিকথা ১. কেন সঠিক: - শশী ও কুসুম বাংলা সাহিত্যের বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস পুতুল নাচের ইতিকথা উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র। - গ্রামীণ জনপদের সাধারণ মানুষের জীবন, মনস্তত্ত্ব এবং নিয়তিবাদ এই উপন্যাসে গভীরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উপন্যাসের রচয়িতা প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়। - পুতুল নাচের ইতিকথা উপন্যাসটি প্রকাশিত হয় ১৯৩৬ সালে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চতুরঙ্গ ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথম ঠাকুর রচিত একটি বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস। উদাহরণ ২: বিষবৃক্ষ ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক সামাজিক উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পদ্মা নদীর মাঝি — এটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অপর একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যার প্রধান চরিত্র কুবের ও মালা। B) আলোয়ারা — এটি সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী রচিত একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস। D) লালসালু — এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস, যার প্রধান চরিত্র মজিদ ও খালেক ব্যাপারী। ৫. মনে রাখার টিপস: - মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিখ্যাত উপন্যাস মনে রাখার কৌশল হলো পদ্মা নদীর পাড়ে বসে শশী ও কুসুম পুতুল নাচ দেখছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় চরিত্রভিত্তিক প্রশ্নে মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাসের চরিত্রগুলো প্রায়ই আসে। - লেখক ও উপন্যাসের নাম মনে রাখার জন্য চরিত্রগুলোর তালিকা আলাদা করে পড়তে হবে।
a 1914
b 1877
c 1927
d 1916
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯২৭ ১. কেন সঠিক: 'শিখা' পত্রিকার প্রকাশকাল ১৯২৭ সাল। মুসলিম সাহিত্য সমাজের মুখপত্র হিসেবে এই পত্রিকা বাংলা সাহিত্যে বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: শিখা পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সংগঠন ছিল মুসলিম সাহিত্য সমাজ। এর মূল স্লোগান ছিল জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত হয় ব্যাখ্যা: ১৯২৬ সালের ১৯ জানুয়ারি মুসলিম সাহিত্য সমাজ গঠিত হওয়ার পর এর মুখপত্র হিসেবে ঢাকা থেকে ১৯২৭ সালে শিখা পত্রিকা প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: আবুল হুসেন ও কাজী মোতাহের হোসেন ব্যাখ্যা: এই পত্রিকার সাথে বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের প্রবক্তা আবুল হুসেন, কাজী মোতাহের হোসেন এবং কাজী নজরুল ইসলামের গভীর সংযোগ ছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯১৪ — এই সালে শিখা পত্রিকা প্রকাশিত হয়নি, এটি অন্য কোনো সাহিত্যকর্মের সময়কাল। B) ১৮৭৭ — এই সালে শিখা পত্রিকা প্রকাশিত হয়নি, এটি অনেক আগের একটি সাল। D) ১৯১৬ — এই সালে শিখা পত্রিকা প্রকাশিত হয়নি, এটি ভুল একটি সাল। ৫. মনে রাখার টিপস: শিখা পত্রিকা প্রকাশিত হয় ১৯২৭ সালে। মনে রাখার কৌশল হলো বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের সালটি শিখার প্রকাশের সাল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মুসলিম সাহিত্য সমাজের মুখপত্র শিখা পত্রিকার সম্পাদনা করতেন আবুল হোসেন। এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
a বারিদ, জলদ, পয়োধর
b বিটপী, জলধর, বারিদ
c জলধর, পয়োধর, মরুত
d নীরদ, নিনাদ, ক্ষিতি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বারিদ, জলদ, পয়োধর ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত শব্দগুলো মেঘের সমার্থক শব্দ। বাংলা ব্যাকরণে মেঘ বোঝাতে এই পদগুলো ব্যবহার করা হয়। - বারিদ, জলদ এবং পয়োধর প্রতিটি শব্দের পেছনের অংশ মেঘের ধারণাকে নির্দেশ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা শব্দভান্ডারে পানির সঙ্গে 'দ' যুক্ত করলে মেঘের সমার্থক শব্দ গঠিত হয়। - পানির সমার্থক শব্দের সঙ্গে 'ধর' বা 'দ' যুক্ত হয়ে সাধারণত মেঘ বোঝায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অম্বুদ ব্যাখ্যা: অম্বু অর্থ জল এবং দ অর্থ প্রদানকারী, তাই এটি মেঘের সমার্থক। উদাহরণ ২: তোয়িদ ব্যাখ্যা: তোয় অর্থ পানি এবং দ অর্থ প্রদানকারী, তাই এটি মেঘের সমার্থক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বারিদ, জলদ, পয়োধর — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনটি শব্দই মেঘের সমার্থক। B) বিটপী, জলধর, বারিদ — এখানে বিটপী শব্দের অর্থ গাছ, যা মেঘের সমার্থক নয়। C) জলধর, পয়োধর, মরুত — এখানে মরুত শব্দের অর্থ বাতাস বা মরুভূমি, যা মেঘের সমার্থক নয়। D) নীরদ, নিনাদ, ক্ষিতি — এখানে নিনাদ শব্দের অর্থ শব্দ এবং ক্ষিতি শব্দের অর্থ পৃথিবী। ৫. মনে রাখার টিপস: - পানির সমার্থক শব্দের শেষে 'দ' বা 'ধর' থাকলে সাধারণত তা মেঘ বোঝায়। - জল বা বারি শব্দের সঙ্গে দ যোগ করলে মেঘ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মেঘের সমার্থক শব্দগুলো বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - শব্দের মূল অর্থ জানা থাকলে সহজে সমার্থক শব্দ নির্ণয় করা যায়।
a ২ প্রকার
b ৩ প্রকার
c ৫ প্রকার
d ৬ প্রকার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩ প্রকার ১. কেন সঠিক: অর্থের দিক থেকে বাংলা শব্দমূল বা শব্দভাণ্ডারকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়। এই শ্রেণিবিভাগটি শব্দের উৎসমূল এবং অর্থের বিবর্তনের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে অর্থের পার্থক্য ও উৎস বিচারে শব্দকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়। যথা: যৌগিক শব্দ, রুঢ় বা রুঢ়ি শব্দ এবং যোগরূঢ় শব্দ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গায়ক ব্যাখ্যা: এটি একটি যৌগিক শব্দ কারণ এর প্রকৃতি ও প্রত্যয়গত অর্থ এবং ব্যবহারের অর্থ একই রকম রয়েছে। উদাহরণ ২: প্রবীণ ব্যাখ্যা: এটি একটি রূঢ় শব্দ কারণ এর মূল অর্থ এবং বর্তমান প্রচলিত অর্থ সম্পূর্ণ আলাদা হয়ে গেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২ প্রকার — শব্দের গঠন বা অন্য কোনো বিশেষ শ্রেণিবিভাগ দুই প্রকার হতে পারে, কিন্তু অর্থের পার্থক্য বিচারে শব্দ দুই প্রকার নয়। B) ৩ প্রকার — এটি সঠিক কারণ অর্থের পার্থক্য বিচারে শব্দ তিন প্রকার (যৌগিক, রূঢ় ও যোগরূঢ়)। C) ৫ প্রকার — উৎসের দিক থেকে বাংলা শব্দ পাঁচ প্রকার (তৎসম, তদ্ভব, অর্ধতৎসম, দেশি ও বিদেশি), অর্থের বিচারে নয়। D) ৬ প্রকার — বাংলা ব্যাকরণে বা শব্দার্থ বিচারে কোনো ছয় প্রকারের শ্রেণিবিভাগ নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: অর্থের বিচার বললে সংখ্যাটি হবে তিন। এটি মনে রাখার জন্য তিনটি শব্দের প্রথম অক্ষর মিলিয়ে একটি ছোট্ট সূত্র মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই উৎস ও অর্থের পার্থক্য বিচরের মধ্যে প্যাঁচ লাগনো হয়। উৎস ৫ প্রকার এবং অর্থ ৩ প্রকার, এই পার্থক্য স্পষ্ট রাখতে হবে।
a কামিনী রায়
b শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
c বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়
d সুফিয়া কামাল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১. কেন সঠিক: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় তাঁর কিছু সাহিত্যকর্ম প্রকাশের জন্য ‘অনিলা দেবী’ ছদ্মনামটি ব্যবহার করেছিলেন। সেসময়ে সমাজে রক্ষণশীলতা ও সাহিত্যিক পরিচয়ের বাইরে লেখা প্রকাশের উদ্দেশ্যে লেখকরা ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক যিনি তাঁর বাস্তবধর্মী উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত। ‘অনিলা দেবী’ ছাড়াও তিনি ‘অনুপমা দেবী’ ছদ্মনামে বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় লেখালেখি করতেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম ‘অনিলা দেবী’। ব্যাখ্যা: এটি তাঁর বহুল পরিচিত একটি সাহিত্যিক ছদ্মনাম। উদাহরণ ২: বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম ‘বনফুল’। ব্যাখ্যা: বাংলা সাহিত্যে লেখকদের প্রকৃত নামের পরিবর্তে ছদ্মনাম ব্যবহারের এটি আরেকটি জনপ্রিয় উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কামিনী রায় — ইনি বাংলা সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত কবি ও নারীবাদী লেখিকা, কোনো ছদ্মনাম ব্যবহারের জন্য ইনি পরিচিত নন। B) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — এটি সঠিক উত্তর। C) বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় — ইনি ‘বনফুল’ ছদ্মনামে লেখালেখি করতেন, ‘অনিলা দেবী’ তাঁর ছদ্মনাম নয়। D) সুফিয়া কামাল — ইনি বাংলাদেশের প্রখ্যাত কবি ও নারী অধিকার নেত্রী, তাঁর কোনো সুপরিচিত ছদ্মনাম নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: শরৎচন্দ্রের ‘অনিলা দেবী’ নামটি মনে রাখতে ‘অ’ দিয়ে শুরু দুটি নাম (শরৎচন্দ্র-অনিলা) একসঙ্গে মনে রাখতে পারো। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ছদ্মনাম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। যেমন পরশুরাম হলো রাজশেখর বসুর ছদ্মনাম।
a সমৃদ্ধি
b গমন
c হাজিরা
d লতানো
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সমৃদ্ধি ১. কেন সঠিক: - সম্ উপসর্গ যোগে গঠিত সমৃদ্ধি একটি প্রমিত উপসর্গযুক্ত শব্দ। - সম্ উপসর্গের সঙ্গে ঋদ্ধি যুক্ত হয়ে এই শব্দটি তৈরি হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উপসর্গ হলো সেই সব অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে। - সংস্কৃতে উপসর্গের সংখ্যা কুড়িটি যার মধ্যে সম্ একটি অন্যতম প্রধান উপসর্গ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সংস্কার ব্যাখ্যা: সম্ উপসর্গ যুক্ত হয়ে কার শব্দের পূর্বে সংস্কার শব্দটি গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: সংহার ব্যাখ্যা: সম্ উপসর্গ যুক্ত হয়ে হার শব্দের পূর্বে সংহার শব্দটি গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সমৃদ্ধি — এটি উপসর্গযুক্ত সঠিক শব্দ। B) গমন — গম ধাতুর সঙ্গে অন প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত হয়েছে, এখানে কোনো উপসর্গ নেই। C) হাজিরা — এটি ফারসি শব্দ এবং প্রত্যয়যোগে গঠিত, কোনো উপসর্গযুক্ত শব্দ নয়। D) লতানো — লতা শব্দের সঙ্গে আন প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত হয়েছে, এখানে কোনো উপসর্গ নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - সম্ উপসর্গের সঙ্গে ম এর নিচে হসন্ত থাকে যা শব্দের শুরুতে যুক্ত হলে অনুস্বারে রূপান্তরিত হয়। - শব্দের শুরুতে সং বা সম্ দেখলেই তা উপসর্গযুক্ত হিসেবে বিবেচনা করতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম উপসর্গ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - উপসর্গ চেনার জন্য মূল শব্দ থেকে উপসর্গ আলাদা করে দেখার অভ্যাস করতে হবে।
a গফুর
b সুরেশ
c রাম
d মেজদিদি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) গফুর ১. কেন সঠিক: - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত 'মহেশ' ছোটগল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র হলো এক দরিদ্র মুসলমান কৃষক গফুর। - গল্পের প্রতিটি ঘটনা গফুর এবং তার একমাত্র সম্বল পালিত ষাঁড় মহেশকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - 'মহেশ' শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি অত্যন্ত মানবতাবাদী ও মনস্তাত্ত্বিক ছোটগল্প যা সমাজে নিগৃহীত মানুষের দুঃখকষ্ট তুলে ধরে। - এই গল্পে গ্রামীণ সমাজব্যবস্থার নির্মমতা এবং মানুষের সাথে পশুপাখির নিঃস্বার্থ ভালোবাসার এক করুণ চিত্রফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'বিলাসী' গল্প। ব্যাখ্যা: এটি লেখকের আরেকটি বিখ্যাত গ্রামীণ পটভূমিতে রচিত সমাজসচেতন ছোটগল্প। উদাহরণ ২: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'রামের সুমতি' গল্প। ব্যাখ্যা: এটি লেখকের শৈল্পিক সৃষ্টি যেখানে চরিত্র চিত্রণ অত্যন্ত নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গফুর — এটি সঠিক উত্তর কারণ পুরো গল্পের মূল চরিত্র এবং মহেশের মালিক গফুর নিজেই। B) সুরেশ — এটি শরৎচন্দ্রের 'বড়দিদি' উপন্যাসের প্রধান পুরুষ চরিত্র, মহেশ গল্পের নয়। C) রাম — এটি 'রামের সুমতি' গল্পের প্রধান চরিত্র, মহেশ গল্পের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) মেজদিদি — এটি শরৎচন্দ্রের আরেকটি বিখ্যাত ছোটগল্প যার নাম 'মেজদিদি', মহেশ গল্পের চরিত্র নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - মহেশ গরুর মালিকের নাম মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো মহেশ গরুর মালিক গফুর। - শরৎচন্দ্রের ছোটগল্পগুলোর চরিত্র মনে রাখতে মূল থিম বা পশুপাখির নাম খেয়াল রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় চরিত্রভিত্তিক প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - বিখ্যাত সাহিত্যকর্মের প্রধান চরিত্রগুলো আলাদা করে একটি তালিকা তৈরি করে পড়া উচিত।
a সান্ধ্যভাষা
b ব্রজবুলি
c নেপালি ভাষা
d সিংহলি ভাষা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ব্রজবুলি ১. কেন সঠিক: - বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা ভাষা ছাড়াও কৃত্রিম বা সাহিত্যিক ভাষা ব্রজবুলিতে বেশ কিছু গান ও পদ রচনা করেছেন। - ব্রজবুলি মূলত কোনো জনপদের কথ্য ভাষা নয়, এটি বৈষ্ণব পদাবলি রচনার জন্য কবিদের ব্যবহৃত একটি কৃত্রিম কাব্যভাষা। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ভানুসিংহের পদাবলী গ্রন্থে ব্রজবুলি ভাষায় পদ রচনা করেছিলেন যা প্রথম দিকে প্রাচীন কোনো কবির রচনা বলে ভুল হয়েছিল। - ব্রজবুলি মূলত মৈথিলি ও বাংলা ভাষার এক অপূর্ব মিশ্রণ যা বিদ্যাপতিসহ বহু মধ্যযুগীয় কবি ব্যবহার করেছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গহন কুসুম কুঞ্জ মাঝে ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভানুসিংহের পদাবলী গ্রন্থের একটি বিখ্যাত ব্রজবুলি গান। উদাহরণ ২: সজনি সজনি দুখ মোর কহ না জৈব ব্যাখ্যা: এটিও ভানুসিংহের পদাবলী থেকে সংগৃহীত ব্রজবুলি ভাষায় রচিত একটি পদ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সান্ধ্যভাষা — সান্ধ্যভাষা চর্যাপদের ভাষার সঙ্গে সম্পর্কিত এবং এটি বজ্রযান বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্যদের রচিত ভাষারূপ, রবীন্দ্রনাথ এতে গান লেখেননি। B) ব্রজবুলি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় মূল অংশে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। C) নেপালি ভাষা — নেপালি ভাষা পাহাড়ি ইন্দো-আরিয়ান গোষ্ঠীভুক্ত ভাষা এবং রবীন্দ্রনাথ এই ভাষায় কোনো গান রচনা করেননি। D) সিংহলি ভাষা — সিংহলি ভাষা শ্রীলঙ্কার প্রধান ভাষা এবং রবীন্দ্রনাথ এই ভাষায় কোনো গান বা সাহিত্য রচনা করেননি। ৫ মনে রাখার টিপস: - রবীন্দ্রনাথের ব্রজবুলি ভাষাভিত্তিক রচনার জন্য ভানুসিংহ ঠাকুর ছদ্মনাম এবং ভানুসিংহের পদাবলী গ্রন্থটি মনে রাখা প্রয়োজন। - ছদ্মনামের সঙ্গে ব্রজবুলি ভাষার সম্পর্ক মনে রাখলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ভানুসিংহ ছদ্মনামে মোট কয়টি পদ লিখেছিলেন এবং সেগুলো কোন ভাষায় রচিত তা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। - এই ধরনের সাহিত্যিক প্রশ্নের ক্ষেত্রে লেখকের ছদ্মনাম এবং গ্রন্থভিত্তিক তথ্য ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
b রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
c শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
d প্রমথ চৌধুরী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রমথ চৌধুরী ১. কেন সঠিক: - বাংলা চলিত গদ্যরীতির সার্থক প্রবর্তক প্রমথ চৌধুরী। তিনি বাংলা সাহিত্যে গদ্যকে মুখের ভাষার কাছাকাছি নিয়ে আসেন। - বিংশ শতাব্দীর শুরুতে তাঁর নেতৃত্বে চলিত গদ্যরীতি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - প্রমথ চৌধুরী বাংলা সাহিত্যে বীরবল ছদ্মনামে লিখতেন। তিনি ছিলেন বাংলা মননশীল প্রবন্ধের অন্যতম শ্রেষ্ঠ জাদুকর। - তিনি ১৯১৪ সালে প্রকাশিত সবুজ পত্র পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন যা চলিত রীতির প্রচারে ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তেলেনাপোতা আবিষ্কার ব্যাখ্যা: এটি একটি বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম যেখানে চলিত গদ্যরীতির সুন্দর প্রয়োগ দেখা যায়। উদাহরণ ২: বীরবলের হালখাতা ব্যাখ্যা: এটি প্রমথ চৌধুরীর একটি জনপ্রিয় প্রবন্ধ গ্রন্থ যা চলিত রীতিতে লেখা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — তিনি বাংলা গদ্যের জনক হলেও চলিত রীতির প্রবর্তক নন। তিনি সাধু গদ্যরীতির পন্ডিত ছিলেন। B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি চলিত রীতি জনপ্রিয় করলেও এর প্রথম প্রবর্তক বা সূত্রপাতকারী নন। C) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি কথ্য ভাষার ব্যবহার বাড়ালেও চলিত গতির প্রবর্তক হিসেবে পরিচিত নন। D) প্রমথ চৌধুরী — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - চলিত রীতির জনক প্রমথ চৌধুরী এবং তাঁর ছদ্মনাম বীরবল। সবুজ পত্র পত্রিকা মনে রাখলেই এই প্রশ্নের উত্তর সহজ হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষায় প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম এবং সম্পাদিত পত্রিকার নাম প্রায়ই আসে। সবুজ পত্র পত্রিকার প্রকাশসাল ১৯১৪ সাল ভালোভাবে মনে রাখবে।
a রজনীকান্ত সেন
b দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
c অতুল প্রসাদ সেন
d রঙ্গলাল সেন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অতুল প্রসাদ সেন ১. কেন সঠিক: - এই বিখ্যাত পংক্তিটি মূলত বাংলা ভাষা ও মাতৃভূমির প্রতি গভীর ভালোবাসা প্রকাশ করে রচিত একটি জনপ্রিয় দেশাত্মবোধক গান। - প্রখ্যাত গীতিকার, সুরকার ও কবি অতুল প্রসাদ সেন বাংলা ভাষা ও বাংলার মানুষের প্রতি অগাধ মমত্ববোধ থেকে এই গানটি রচনা করেছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - অতুল প্রসাদ সেন আধুনিক বাংলা গানের অন্যতম সেরা প্রব্রেতক এবং ভক্তি ও দেশাত্মবোধক গানের অনন্য স্রষ্টা। - তাঁর গানে দেশপ্রেমের পাশাপাশি মানবপ্রেম ও প্রকৃতির রূপ অত্যন্ত সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে এবং তিনি বাংলা গানে ঠুমরি ধারার প্রচলন করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: উঠ গো ভারত-লক্ষ্মী উঠ আদি বিশ্বজয়ী ব্যাখ্যা: এটি অতুল প্রসাদ সেনের আরেকটি বিখ্যাত দেশাত্মবোধক গান যা শিক্ষার্থীদের দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করে। উদাহরণ ২: মোদের গরব মোদের আশা আ-মরি বাংলা ভাষা ব্যাখ্যা: এই গানটি বাংলাদেশের বিভিন্ন জাতীয় দিবসে এবং অনুষ্ঠানে বাঙালি সংস্কৃতির প্রতীক হিসেবে গাওয়া হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রজনীকান্ত সেন — রজনীকান্ত সেন বিখ্যাত দেশাত্মবোধক গান 'মাগো তোমার জয়গান গাহে সকলের প্রাণ' ও 'সকল দেশের রানী সে যে আমার জন্মভূমি' এর রচয়িতা। B) দ্বিজেন্দ্রলাল রায় — দ্বিজেন্দ্রলাল রায় মূলত ঐতিহাসিক নাটক এবং 'ধনধান্য পুষ্পভরা আমাদের এই বসুন্ধরা' এর মতো জনপ্রিয় দেশাত্মবোধক গানের জন্য বিখ্যাত। D) রঙ্গলাল সেন — রঙ্গলাল সেন একজন বিখ্যাত কবি যিনি 'স্বাধীনতা হীনতায় কে বাঁচিতে চায় হে কে বাঁচিতে চায়' এই অমর পংক্তির রচয়িতা। ৫ মনে রাখার টিপস: ভাষা নিয়ে অতুলনীয় গান লিখেছিলেন অতুল প্রসাদ সেন, এভাবে নাম দুটি মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন। অতুল প্রসাদ সেনের নামের সাথে 'বাংলা ভাষা' বিষয়ক এই অমর সৃষ্টির সংযোগটি মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত গান ও কবিতার পংক্তি এবং তার রচয়িতার নাম জানতে চাওয়া হয়। দেশাত্মবোধক গানগুলোর ক্ষেত্রে অতুল প্রসাদ সেন, রজনীকান্ত সেন এবং দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের রচনাগুলো ভালোভাবে পড়তে হবে।
a কাশীরাম দাস
b মুকুন্দরাম
c বড়ু চণ্ডীদাস
d কৃত্তিবাস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কৃত্তিবাস ১. কেন সঠিক: - কৃত্তিবাস ওঝা বাংলা সাহিত্যে সর্বপ্রথমে রামায়ণ অনুবাদ করেন। তার অনুবাদের নাম কৃত্তিবাসী রামায়ণ বা শ্রীরামপঞ্চালী। - মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে অনুবাদ সাহিত্যের ক্ষেত্রে এটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ এবং জনপ্রিয় একটি সংযোজন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কৃত্তিবাস ওঝা পঞ্চদশ শতাব্দীর একজন বিশিষ্ট কবি ও অনুবাদক। তিনি বাংলার নদীয়া অঞ্চলের ফুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। - গৌড়াধিপতি সিংহীশ্বরের অনুরোধে বা অনুপ্রেরণায় তিনি মূল সংস্কৃত রামায়ণ বাংলায় পদ ছন্দে অনুবাদ করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাশীরাম দাসের মহাভারত ব্যাখ্যা: কৃত্তিবাসী রামায়ণের মতোই মধ্যযুগের আরেকটি বিখ্যাত অনুবাদ সাহিত্য হলো কাশীরামের মহাভারত। উদাহরণ ২: মালাধর বসুর শ্রীকৃষ্ণবিজয় ব্যাখ্যা: এটিও মধ্যযুগের একটি বিখ্যাত অনুবাদ কাব্য যা ভাগবত পুরাণ অবলম্বনে রচিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাশীরাম দাস — তিনি রামায়ণ নয় বরং মহাভারত অনুবাদ করার জন্য বিখ্যাত। B) মুকুন্দরাম — তিনি কবিকঙ্কণ মুকুন্দরাম নামে পরিচিত এবং তার রচিত বিখ্যাত কাব্য হলো চণ্ডীমঙ্গল। C) বড়ু চণ্ডীদাস — তিনি শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের রচয়িতা যা বাংলা সাহিত্যের প্রথম নিদর্শন হিসেবে বিবেচিত। D) কৃত্তিবাস — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি রামায়ণের রচয়িতা। ৫. মনে রাখার টিপস: - রামায়ণ রচয়িতাকে মনে রাখতে এভাবে ভাবতে পারো যে, রামচন্দ্র ছিলেন রাজা আর কৃত্তিবাস হলেন রাজা রামচন্দ্রের জীবনকাহিনির প্রথম বাংলায় রূপকার। - মধ্যযুগের রামায়ণের জন্য কৃত্তিবাস এবং মহাভারতের জন্য কাশীরাম দাস নামটি মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে অনুবাদ ধারার প্রবক্তা ও কবিদের নাম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - কৃত্তিবাসী রামায়ণ কোন ছন্দে রচিত এই প্রশ্নটি বিভিন্ন পরীক্ষায় খুব বেশি দেখা যায়।
a জ্ঞানী
b ধূর্ত
c ভবঘুরে
d অপদার্থ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ভবঘুরে ১. কেন সঠিক: - 'গোকুলের ষাঁড়' একটি বিখ্যাত বাংলা বাগধারা যার অর্থ দিকবিদিকশূন্য হয়ে ঘুরে বেড়ানো বা ভবঘুরে জীবনযাপন করা। - ষাঁড় যেমন নির্দিষ্ট কোনো স্থানে বাঁধা থাকে না এবং যেখানে-সেখানে ঘুরে বেড়ায়, তেমনি অলস ও উদ্দেশ্যহীনভাবে ঘুরে বেড়ানো ব্যক্তিকে এই বাগধারা দিয়ে বোঝানো হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি বিশেষ বাগধারা যা সাধারণ অর্থের বাইরে গিয়ে একটি রূপক বা বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে। - বাগধারাটি মানুষের স্বভাব, চরিত্র বা অবস্থার সঙ্গে পশুর আচরণের তুলনা করে একটি সুন্দর চিত্র ফুটিয়ে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ছেলেটি কোনো কাজকর্ম করে না, সারাদিন গোকুলের ষাঁড়ের মতো রাস্তায় ঘুরে বেড়ায়। ব্যাখ্যা: এখানে উদ্দেশ্যহীনভাবে ঘুরে বেড়ানো বোঝাতে গোকুলের ষাঁড় বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: পড়ালেখা বাদ দিয়ে গোকুলের ষাঁড়ের মতো সময় কাটালে জীবনে বড় হওয়া যাবে না। ব্যাখ্যা: অলস ও কর্মহীন জীবনযাপন করা অর্থে এই উদাহরণটি দেওয়া হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জ্ঞানী — গোকুলের ষাঁড় বাগধারার অর্থ জ্ঞান বা প্রজ্ঞা নয়, তাই এই অপশনটি ভুল। B) ধূর্ত — ধূর্ত বা চালাক বোঝাতে শিয়ালের পন্ডিত বা ইঁচড়ে পাকা বাগধারা ব্যবহার করা হয়, গোকুলের ষাঁড় নয়। C) ভবঘুরে — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বাগধারাটির মূল অর্থের সঙ্গে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ। D) অপদार्थ — অপদার্থ বা অকেজো বোঝাতে আষাঢ়ে গল্প বা অক্কা পাওয়া মানানসই নয়, তাই এই অপশনটি ভুল। ৫ মনে রাখার টিপস: - ষাঁড় যেমন গোয়ালে না থেকে যেখানে-সেখানে ঘুরে বেড়ায়, তেমনি যে মানুষ কোনো কাজ না করে ঘুরে বেড়ায় তাকে গোকুলের ষাঁড় বলা হয়। - এই কৌশলটি মনে রাখলে পরীক্ষাতে খুব সহজেই সঠিক উত্তরটি চিহ্নিত করা সম্ভব হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই পশুপাখি সংক্রান্ত বিভিন্ন বাগধারা ও তাদের প্রকৃত অর্থ জানতে চাওয়া হয়। - তাই প্রাত্যহিক জীবনের পরিচিত পশুর আচরণভিত্তিক বাগধারাগুলোর অর্থ ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
a ৩ ভাগে
b ৪ ভাগে
c ৮ ভাগে
d ৫ ভাগে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৫ ভাগে ১. কেন সঠিক: - ওয়ার্ম আপ বা শরীর গরম করার প্রক্রিয়াটি মূলত পাঁচটি প্রধান ধাপে বিভক্ত করা হয়। - এই ধাপগুলো শরীরকে যেকোনো ভারী শারীরিক পরিশ্রম বা খেলাধুলার জন্য প্রস্তুত করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শারীরিক শিক্ষা, স্বাস্থ্যবিজ্ঞান এবং খেলাধুলা সংক্রান্ত সাধারণ জ্ঞান থেকে এই প্রশ্নটি এসেছে। - শরীরচর্চার আগে পেশির নমনীয়তা বৃদ্ধি এবং আঘাতের ঝুঁকি কমানোর জন্য ওয়ার্ম আপ বা প্রাক-প্রস্তুতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হালকা দৌড় বা জগিং। ব্যাখ্যা: এটি ওয়ার্ম আপের প্রথম ধাপে হৃৎপিণ্ডের গতি ও রক্তসঞ্চালন বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: স্ট্রেচিং বা পেশি টান টান করার ব্যায়াম। ব্যাখ্যা: এটি পেশির শক্ত ভাব দূর করে এবং জয়েন্ট বা সংযোগস্থলের নমনীয়তা বাড়ায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩ ভাগে — ওয়ার্ম আপ প্রথাগতভাবে তিনটি ধাপে সীমাবদ্ধ নয়, তাই এই অপশনটি ভুল। B) ৪ ভাগে — শরীরচর্চা বিজ্ঞানের নিয়ম অনুযায়ী ওয়ার্ম আপের সঠিক বিভাগ চারটি নয়। C) ৮ ভাগে — আটটি ভাগে ওয়ার্ম আপ বিভক্ত করা অতিরিক্ত বা অপ্রয়োজনীয় বিভাজন। D) ৫ ভাগে — এই অপশনটি সঠিক কারণ ওয়ার্ম আপ সাধারণভাবে পাঁচটি সুনির্দিষ্ট ধাপে সম্পন্ন হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - হাত বা পায়ের আঙুলের সংখ্যা যেমন পাঁচ, তেমনি ওয়ার্ম আপের ধাপের সংখ্যাও পাঁচ। - এই মিল মনে রাখলে পরীক্ষার হলে সঠিক উত্তরটি সহজেই মনে পড়বে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - শারীরিক শিক্ষা ও খেলাধুলা বিষয়ক সাধারণ জ্ঞান প্রশ্নে এই ধরনের শরীরচর্চার নিয়ম প্রায়ই আসে। - খেলাধুলার আগে সঠিক নিয়মে ওয়ার্ম আপ করলে শারীরিক আঘাতের সম্ভাবনা অনেক কমে যায়।
a প্রবন্ধ
b নাটক
c উপন্যাস
d কবিতা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) উপন্যাস ১. কেন সঠিক: 'শেষের কবিতা' একটি অমর প্রেমের উপন্যাস যা বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচনা করেছেন। নামের মধ্যে কবিতা শব্দ থাকলেও এটি কোনো পদ্য বা কাব্যগ্রন্থ নয়, বরং একটি গদ্যধর্মী উপন্যাস। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা 'শেষের কবিতা' একটি মনস্তাত্ত্বিক ও যুগান্তকারী উপন্যাস। ১৯২৯ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাসের প্রধান দুটি চরিত্র হলো অমিত রায় ও লাবণ্য সেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'যোগাযোগ' ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আরও একটি বিখ্যাত উপন্যাস। উদাহরণ ২: 'চোখের বালি' ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রবন্ধ — এটি কোনো মননশীল বা বিচারমূলক প্রবন্ধ নয়। B) নাটক — এটি মঞ্চে অভিনয়ের জন্য রচিত কোনো নাটক বা নাটিকা নয়। C) উপন্যাস — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি একটি কথাসাহিত্য বা উপন্যাস। D) কবিতা — নামের শেষে কবিতা থাকলেও এটি কোনো পদ্য বা কবিতা নয়, এটি একটি গদ্য উপন্যাস। ৫ মনে রাখার টিপস: নামে কবিতা থাকলেই বিভ্রান্ত হবেন না, কারণ শেষের কবিতা আসলে একটি উপন্যাস। রবীন্দ্রনাথের এই বিখ্যাত উপন্যাসের মূল চরিত্র অমিত ও লাবণ্য। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শেষের কবিতা কোন জাতীয় রচনা, এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে। নামের সঙ্গে রূপের অমিল রয়েছে এমন বিখ্যাত সাহিত্যকর্মগুলো আলাদা করে মনে রাখতে হবে।
a আরবি
b ফারসি
c বাংলা
d সংস্কৃত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আরবি ১. কেন সঠিক: তারিখ শব্দটি আরবি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত বহু বিদেশি শব্দের মধ্যে আরবি শব্দ অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত শব্দগুলোকে উৎসের দিক থেকে পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয়। এর মধ্যে বিদেশ থেকে আগত শব্দগুলোকে বিদেশি শব্দ বলা হয় এবং তারিখ একটি অন্যতম প্রচলিত আরবি শব্দ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আইন ব্যাখ্যা: আইন একটি আরবি শব্দ যা বাংলা ভাষায় বহুল ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: কলম ব্যাখ্যা: কলম শব্দটি আরবি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আরবি — এটি সঠিক উত্তর কারণ তারিখ শব্দটি আরবি ভাষা থেকে আগত। B) ফারসি — ফারসি ভাষা থেকে বিভিন্ন শব্দ বাংলায় আসলেও তারিখ ফারসি শব্দ নয়। C) বাংলা — তারিখ কোনো দেশীয় বা খাঁটি বাংলা শব্দ নয়। D) সংস্কৃত — তারিখ শব্দটি তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: আইন, আদালত এবং তারিখ সংক্রান্ত প্রায় সব প্রশাসনিক শব্দই আরবি ভাষা থেকে এসেছে। এটি মনে রাখলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। আরবি ও ফারসি শব্দের পার্থক্য ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a চিন্.no
b চিন্nho
c চিন্ho
d চিনত্র
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চিন্nho ১. কেন সঠিক: - বাংলা যুক্তবর্ণের উচ্চারণ নিয়মানুযায়ী হ-ফলা বা হ-যুক্ত ব্যঞ্জনবর্ণের উচ্চারণ প্রক্রিয়া বিশ্লেষণ করে এই রূপটি নির্ধারিত হয়েছে। - বাংলা বানান ও উচ্চারণে হ-এর সঙ্গে ন যুক্ত হলে উচ্চারণের সময় ন-এর ওপর জোর পড়ে এবং হ-এর উচ্চারণটি পরিবর্তিত হয়ে নাসিক্যীভূত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ধ্বনি, বর্ণ ও উচ্চারণ অংশের আলোচ্য বিষয় এটি। বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বাংলা বানান ও উচ্চারণ রীতি অনুযায়ী হ-ফলা যুক্ত শব্দের উচ্চারণ নির্ধারণ করা হয়। - যুক্তবর্ণে হ-এর সঙ্গে ন (হ্ন) থাকলে সাধারণত উচ্চারণটি ন+হ বা এর কাছাকাছি নাসিক্য ও হ-ধ্বনির মিশ্রণে উচ্চারিত হয়, যা প্রমিত লিপ্যন্তরে দেখানো হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্রহ্ম ব্যাখ্যা: ব্রহ্ম শব্দের যুক্তবর্ণটির উচ্চারণ ব্রহ্মো এর মতো হয়, যেখানে হ-এর উচ্চারণ প্রমিত রীতিতে রক্ষিত হয়। উদাহরণ ২: আহ্‌লাদ ব্যাখ্যা: আহ্‌লাদ শব্দে হ-এর সঙ্গে ল যুক্ত হওয়ার কারণে এর উচ্চারণ প্রক্রিয়া পরিবর্তিত হয়ে আল্‌হাদ রূপ নেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চিন্.no — এই অপশনে বিন্দু ব্যবহার করা হয়েছে যা প্রমিত বাংলা উচ্চারণ রীতির পরিপন্থী এবং ভুল রূপ নির্দেশ করে। B) চিন্nho — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি প্রমিত উচ্চারণ নির্দেশিকা অনুসরণ করে তৈরি করা হয়েছে। C) চিন্ho — এই অপশনে সঠিক উচ্চারণগত নাসিক্য ভাবটি পুরোপুরি প্রকাশ পায়নি যা নিয়মের বাইরে। D) চিনত্র — এই অপশনে ত্র যুক্ত করা হয়েছে যা মূল শব্দের বানান ও উচ্চারণের সঙ্গে সম্পূর্ণ অসঙ্গতিপূর্ণ। ৫. মনে রাখার টিপস: - হ্ন যুক্ত বর্ণ দেখলে মনে রাখবে এর উচ্চারণ লেখার সময় ন ও হ-এর মিশ্রণে কিছুটা নাসিক্য ধ্বনি হিসেবে উচ্চারিত হয়। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য প্রমিত উচ্চারণ বইয়ের তালিকা মুখস্থ রাখার চেয়ে নিয়মগুলো বুঝে পড়া ভালো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এই ধরনের প্রশ্ন বিসিএস ও শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - যুক্তবর্ণের সঠিক উচ্চারণ নির্ণয় করতে শব্দের মূল গঠন এবং প্রমিত বাংলা উচ্চারণ অভিধানের নিয়ম অনুসরণ করতে হয়।
a পোকামাকড়ের ঘরবসতি
b সংশপ্তক
c জননী
d আগুনপাখি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সংশপ্তক ১. কেন সঠিক: - ‘ঘরমতি’ চরিত্রটি শহীদুল্লাহ কায়সারের বিখ্যাত ‘সংশপ্তক’ উপন্যাসের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও স্মরণীয় চরিত্র। - এই উপন্যাসে গ্রামীণ সমাজজীবনের নানা সংকট, নারীর বঞ্চনা এবং মানুষের টিকে থাকার লড়াই গভীরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ‘সংশপ্তক’ উপন্যাসের রচয়িতা হলেন বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক শহীদুল্লাহ কায়সার। - এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ সামাজিক ও রাজনৈতিক উপন্যাস, যা তৎকালীন পূর্ব বাংলার গ্রামীণ পটভূমিতে রচিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাবেয়া খাতুনের ‘পোকামাকড়ের ঘরবসতি’ উপন্যাস। ব্যাখ্যা: এটি একটি ভিন্ন সাহিত্যকর্ম, যার সঙ্গে ‘সংশপ্তক’ উপন্যাসের কোনো সম্পর্ক নেই। উদাহরণ ২: শহীদুল্লাহ কায়সারের ‘সারেং বৌ’ উপন্যাস। ব্যাখ্যা: এটি লেখকের আরেকটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা গ্রামীণ জীবন ও সমুদ্রের পটভূমিতে রচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পোকামাকড়ের ঘরবসতি — এটি রাবেয়া খাতুনের লেখা একটি উপন্যাস এবং এর সঙ্গে ‘ঘরমতি’ চরিত্রের কোনো সম্পর্ক নেই। B) সংশপ্তক — এটি সঠিক উত্তর এবং এই উপন্যাসেরই একটি জনপ্রিয় চরিত্র হলো ঘরমতি। C) জননী — এটি শওকত ওসমানের একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যেখানে অন্য চরিত্র ও ভিন্ন প্রেক্ষাপট রয়েছে। D) আগুনপাখি — এটি হাসান আজিজুল হকের একটি প্রশংসিত উপন্যাস, যার কাহিনী ও চরিত্র সম্পূর্ণ আলাদা। ৫. মনে রাখার টিপস: - শহীদুল্লাহ কায়সারের ‘সংশপ্তক’ উপন্যাসের চরিত্রগুলো মনে রাখতে নামের তালিকা তৈরি করতে পারো। - সংশপ্তক মানে যে যোদ্ধা কখনো রণক্ষেত্র ত্যাগ করে না, এই উপন্যাসের চরিত্রগুলোর সংগ্রামও তেমনি অবিরাম। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শহীদুল্লাহ কায়সারের ‘সংশপ্তক’ এবং ‘সারেং বৌ’ উপন্যাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বিখ্যাত উপন্যাসের চরিত্রগুলো চিহ্নিত করার জন্য মূল বইয়ের চরিত্র পরিচিতি অংশ ভালোভাবে পড়তে হবে।
a go
b goes
c going
d have gone
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) going কেন সঠিক: - look forward to একটি গুরুত্বপূর্ণ ফ্রেজাল ভার্ব, যার অর্থ কোনো কিছুর জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করা। - এই ফ্রেজটিতে থাকা to একটি প্রিপজিশন, তাই এর পরে যে ভার্ব আসে তার সাথে ing যুক্ত করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) go — এটি ভার্বের বেজ ফর্ম, যা প্রিপজিশনের পর সরাসরি বসতে পারে না। B) goes — এটি ভার্বের প্রেজেন্ট ফর্মের সাথে s যুক্ত রূপ, যা এখানে ব্যাকরণগতভাবে বেমানান। C) going — এটি সঠিক উত্তর কারণ প্রিপজিশন to-এর পর gerund বা ing যুক্ত ভার্ব বসেছে। D) have gone — এটি পারফেক্ট টেন্সের রূপ, যা এই বাক্যের কাঠামোর সাথে সংগতিপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যে look forward to বা with a view to দেখলে চোখ বন্ধ করে মূল ভার্বের সাথে ing বসিয়ে দেবে।
a Collecting the Bible
b History of books
c Collection of books
d A good handwriting
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: C) Collection of books কেন সঠিক: - Bibliography শব্দটি গ্রীক শব্দ Biblion অর্থাৎ বই এবং Graphia অর্থাৎ লেখা বা তালিকা থেকে এসেছে। - সাধারণ অর্থে bibliography হলো কোনো নির্দিষ্ট বিষয়, লেখক বা প্রকাশনার ওপর প্রকাশিত বইসমূহের একটি সংকলন বা তালিকা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Collecting the Bible — এটি ভুল কারণ শব্দটির অর্থ বাইবেল সংগ্রহ করা নয়, বরং এটি যেকোনো বইয়ের তালিকা বা সংকলনকে বোঝায়। B) History of books — এটি ভুল কারণ বইয়ের ইতিহাসকে বিব্লিওগ্রাফি বলে না, এটি নির্দিষ্ট গ্রন্থ বা উৎসের তালিকা নির্দেশ করে। C) Collection of books — এটি সঠিক কারণ বিব্লিওগ্রাফি বলতে মূলত বিভিন্ন বইয়ের সংগ্রহ বা গ্রন্থপঞ্জিকে বোঝানো হয়। D) A good handwriting — এটি ভুল কারণ সুন্দর হাতের লেখাকে বিব্লিওগ্রাফি বলে না, সুন্দর হাতের লেখার ইংরেজি হলো গুড হ্যান্ডরাইটিং বা ক্যালিগ্রাফি। মনে রাখার টিপস: Biblion অর্থ বই এবং Graphy অর্থ তালিকা বা লেখা, সুতরাং বইয়ের তালিকা বা সংগ্রহই হলো Bibliography।
a to
b with
c by
d at
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) to কেন সঠিক: - take to task একটি গুরুত্বপূর্ণ ইংরেজি গ্রুপ ভার্ব বা ইডিয়ম। - এর বাংলা অর্থ হলো কাউকে তিরস্কার করা, জবাবদিহিতা চাওয়া বা ভর্ৎসনা করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to — এটি সঠিক উত্তর কারণ take to task একটি স্থির বাগধারা। B) with — এটি ভুল কারণ take with task grammatically সঠিক নয়। C) by — এটি ভুল কারণ take by task কোনো প্রচলিত নিয়ম বা অর্থ প্রকাশ করে না। D) at — এটি ভুল কারণ take at task কোনো সঠিক ফ্রেজ বা গ্রুপ ভার্ব গঠন করে না। মনে রাখার টিপস: take শব্দের পর task থাকলে মাঝখানে সবসময় to বসে যার অর্থ তিরস্কার করা।
a Acme
b Bottom
c Nadir
d Lowest point
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Acme কেন সঠিক: - Apex শব্দটির অর্থ হলো শীর্ষবিন্দু, চূড়া বা সর্বোচ্চ অবস্থান। - Acme শব্দটির অর্থও একই অর্থাৎ কোনো কিছুর চূড়া বা সর্বোচ্চ উৎকর্ষ বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Acme — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি Apex শব্দের সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং উভয়ের অর্থ শীর্ষবিন্দু। B) Bottom — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ তলদেশ বা নিম্নভাগ, যা Apex বা শীর্ষবিন্দুর সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। C) Nadir — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ পতন বা সর্বনিম্ন বিন্দু, যা Apex শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ। D) Lowest point — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ সর্বনিম্ন স্থান, যা শীর্ষবিন্দু বা সর্বোচ্চ অবস্থানের বিপরীত। মনে রাখার টিপস: Apex এবং Acme উভয় শব্দই অক্ষর A দিয়ে শুরু হয় এবং দুটির অর্থই সর্বোচ্চ চূড়া।
a good
b better
c every
d very
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) very কেন সঠিক: - এখানে 'very' শব্দটি Intensifier হিসেবে noun-এর ঠিক আগে বসে নির্দিষ্টতা বা জোর বোঝাতে Adjective হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। - 'Before my very eyes' একটি প্রচলিত ইংরেজি Idiom, যার অর্থ ঠিক চোখের সামনে বা সরাসরি উপস্থিতিতে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) good — এটি একটি Adjective হলেও এই Idiom-এর নির্দিষ্ট কাঠামোর সঙ্গে মিলে অর্থ প্রকাশ করে না। B) better — এটি 'good'-এর Comparative রূপ, যা এখানে বাক্যের ভাবের সঙ্গে সম্পূর্ণ সংগতিহীন। C) every — এটি Determiner হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং এরপরে Singular noun বসে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) very — এটি এখানে সঠিক কারণ 'very' সঠিক Idiom গঠন করে চোখের সামনে ঘটনা ঘটার ওপর জোর দেয়। মনে রাখার টিপস: চোখের সামনে কোনো ঘটনা সরাসরি ঘটে বোঝাতে 'before my very eyes' ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়, যেখানে 'very' একটি নির্দিষ্ট Adjective হিসেবে কাজ করে।
a Alfred Tennyson
b Robert Browning
c John Keats
d P. B. Shelly
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) John Keats কেন সঠিক: - উক্তিটি বিখ্যাত ইংরেজ রোমান্টিক কবি জন কিটসের 'Ode on a Grecian Urn' নামক ওডের শেষ পঙক্তি থেকে নেওয়া হয়েছে। - এই অমর বাণীর মাধ্যমে কবি বোঝাতে চেয়েছেন যে, প্রকৃত সৌন্দর্য এবং সত্য অভিন্ন এবং এটিই জীবনের পরম সত্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Alfred Tennyson — তিনি ভিক্টোরিয়ান যুগের প্রধান কবি ছিলেন এবং এই উক্তিটি তার কোনো সাহিত্যকর্মের নয়। B) Robert Browning — তিনি ভিক্টোরিয়ান যুগের নাট্যধর্মী কবিতার জন্য বিখ্যাত, কিন্তু এই দার্শনিক পঙক্তিটি তার নয়। C) John Keats — এটি জন কিটসের কবিতার বিখ্যাত পঙক্তি এবং এই অপশনটিই সঠিক। D) P. B. Shelly — তিনি রোমান্টিক যুগের আরেকজন বিখ্যাত কবি হলেও এই বিখ্যাত উক্তিটি তার নয়। মনে রাখার টিপস: কিটসের গ্রিক কলসির ওপর লেখা কবিতার শেষ লাইনেই রয়েছে সৌন্দর্য আর সত্যের চিরন্তন এই বাণী।
a bear with
b put on
c put up
d put off
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) put on কেন সঠিক: - 'Wear' অর্থ পরিধান করা বা পরা, আর 'put on' ফ্রেজাল ভার্বটির অর্থও কোনো পোশাক পরিধান করা। - বাক্যের প্রেক্ষাপটে ছাত্রছাত্রীরা নীল ইউনিফর্ম পরে, তাই 'wear' এর পরিবর্তে 'put on' ব্যবহার করা যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) bear with — এর অর্থ ধৈর্য ধারণ করা বা সহ্য করা, যা পোশাক পরার সাথে সম্পর্কিত নয়। B) put on — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ পোশাক বা জুতো পরিধান করা। C) put up — এর অর্থ টাঙানো, নির্মাণ করা বা থাকা, যা পরিধান অর্থে বসে না। D) put off — এর অর্থ মূলত খুলে ফেলা, স্থগিত রাখা বা বাতিল করা। মনে রাখার টিপস: পোশাক পরা বা পরিধান করার ইংরেজি হলো 'put on', আর পোশাক খুলে ফেলার ইংরেজি হলো 'put off'।
a Drama
b Novel
c Poetry
d Tragedy
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Novel কেন সঠিক: - এটি বিশ্বখ্যাত রুশ সাহিত্যিক লেভ তলসয় রচিত একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস যা ১৮৬৯ সালে প্রকাশিত হয়। - উপন্যাসে নেপোলিয়নের রাশিয়া আক্রমণ এবং এর ফলে রুশ সমাজের ওপর প্রভাব চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Drama — এটি কোনো নাটক নয়, কারণ এটি মঞ্চে প্রদর্শনের জন্য রচিত হয়নি বরং এটি বিশদ বর্ণনামূলক গদ্য সাহিত্য। বি) Novel — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি Novel, যা এই প্রশ্নের জন্য সম্পূর্ণ সঠিক এবং উপযুক্ত। C) Poetry — এটি পদ্য বা কবিতা নয়, কারণ এতে ছন্দ বা পংক্তির বিন্যাস নেই বরং এটি বৃহৎ আকারের গদ্য সাহিত্য। D) Tragedy — এটি একক কোনো নাটকীয় ট্র্যাজেডি নয়, বরং এটি একটি বিশাল ঐতিহাসিক উপন্যাস যাতে বহু চরিত্রের জীবন ও যুদ্ধ প্রতিফলিত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: ওয়ার অ্যান্ড পিস বইটির নামের সাথে পিস শব্দ থাকলেও এটি মূলত যুদ্ধ ও শান্তি নিয়ে লেখা একটি বিখ্যাত উপন্যাস।
a verb
b adjective
c pronoun
d noun
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) noun কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যে 'talk' শব্দটির পূর্বে 'a' আর্টিকেল বসেছে এবং এটি বাক্যটির একটি কার্য সম্পাদন করছে, যাNoun-এর কাজ। - সাধারণত আর্টিকেল এবং প্রিপজিশনের মাঝখানে বসা শব্দ বা verb-এর সাথে a যুক্ত হয়ে তা Noun-এ রূপান্তর হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) verb — Verb হলো কাজের নাম বোঝায়, কিন্তু এখানে talk কথাটি কোনো কাজ করা বোঝাচ্ছে না বরং কথা বলা নামক একটি অবস্থাকে বুঝিয়েছে। B) adjective — Adjective মূলত কোনো noun বা pronoun-এর দোষ, গুণ বা সংখ্যা প্রকাশ করে, কিন্তু এখানে 'talk' কোনো কিছুর দোষ বা গুণ বোঝাচ্ছে না। C) pronoun — Pronoun হলো noun-এর পরিবর্তে ব্যবহৃত শব্দ, কিন্তু 'talk' কোনো শব্দের পরিবর্তে বসেনি বরং নিজেই একটি স্বতন্ত্র নামবাচক পদ হিসেবে বসেছে। D) noun — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে 'talk' একটি কাজের নাম বা noun হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: আর্টিকেল (a, an, the) এবং প্রিপজিশনের ঠিক পরে কোনো শব্দ বসলে তা সাধারণত Noun হয়।
a Screaming
b Smiling
c Giggle
d Chuckle
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Screaming কেন সঠিক: - Screaming অর্থ চিৎকার করা বা ভয়ে বা রাগে চেঁচানো, যা হাসির সঙ্গে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়। - Smiling, Giggle এবং Chuckle শব্দগুলো কোনো না কোনোভাবে হাসির বহিঃপ্রকাশকে নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Screaming — এটি তীব্র চিৎকার বা ভয়ের বহিঃপ্রকাশ, যা হাসির বিপরীত একটি শব্দ। B) Smiling — এর অর্থ মৃদু হাসা, যা মুখের হাসির সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। C) Giggle — এর অর্থ খিলখিল করে হাসা, যা হাসির একটি ধরন। D) Chuckle — এর অর্থ মৃদুস্বরে বা মনে মনে হাসা, যা হাসির সঙ্গে সম্পর্কিত। মনে রাখার টিপস: হাসি সম্পর্কিত শব্দগুলোর মধ্যে শুধু Screaming হলো ভীতি বা উত্তেজনার চিৎকার, যা হাসির সঙ্গে মেলে না।
a The girl burst into tears
b The girl burst with tears
c The girl burst out tears
d The girl busted out tears
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) The girl burst into tears কেন সঠিক: - 'Burst into tears' একটি সঠিক ইংরেজি ইডিয়ম বা ফ্রেজ, যার অর্থ হঠাৎ কান্নায় ভেঙে পড়া। - কান্নার ক্ষেত্রে 'burst' verb-এর পর preposition হিসেবে 'into' ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The girl burst into tears — এটি সঠিক উত্তর। B) The girl burst with tears — 'burst with' ব্যবহৃত হয় কোনো আবেগ যেমন আনন্দের ক্ষেত্রে, কিন্তু কান্নার ক্ষেত্রে এটি ভুল। C) The girl burst out tears — 'burst out' এর পর gerund (crying) বসে, সরাসরি noun বসে না বিধви এটি ভুল। D) The busted out tears — 'busted' শব্দটি এখানে ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয় এবং গঠনটি ত্রুটিপূর্ণ। মনে রাখার টিপস: হঠাৎ কান্নায় ভেঙে পড়ার ক্ষেত্রে সবসময় 'burst into tears' মুখস্থ রাখবে।
a One who never misses a trick
b One who believe that God is everywhere
c One who hates mankind
d A person of narrow views
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) One who hates mankind কেন সঠিক: - Misanthropist শব্দটি গ্রিক শব্দ Misos (ঘৃণা) এবং Anthropos (মানবজাতি) থেকে এসেছে। - এর অর্থ এমন একজন ব্যক্তি যিনি মানবজাতিকে ঘৃণা করেন বা মানুষের সংস্পর্শ এড়িয়ে চলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) One who never misses a trick — এই বাক্যাংশের অর্থ এমন চালাক ব্যক্তি যে কোনো সুযোগ হাতছাড়া করে না, যা Misanthropist শব্দের অর্থের সঙ্গে মেলে না। B) One who believe that God is everywhere — এটি Pantheist বা সর্বেশ্বরবাদী এর সংজ্ঞা, যা মানববিদ্বেষী বোঝায় না। C) One who hates mankind — এটি প্রদত্ত প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং Misanthropist শব্দের সঠিক সংজ্ঞা। D) A person of narrow views — এই বাক্যাংশের অর্থ সংকীর্ণ মনের বা গোঁড়া ব্যক্তি, যা মানববিদ্বেষী শব্দের সমার্থক নয়। মনে রাখার টিপস: Mis- অর্থ ঘৃণা করা এবং anthrop- অর্থ মানবজাতি, এই দুটি অংশ মনে রাখলেই Misanthropist শব্দের অর্থ সহজে মনে রাখা যায়।
a Miscellaneous
b Masclanceous
c Misscellaneous
d Miscellanous
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: A) Miscellaneous কেন সঠিক: - বানানটিতে Mis-cell-an-eous এই অংশগুলো সঠিকভাবে বিন্যস্ত রয়েছে। - এর সঠিক উচ্চারণ এবং ইংরেজি বানানরীতির নিয়ম অনুযায়ী এটি নিখুঁত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Miscellaneous — এটি সঠিক বানান এবং এর অর্থ বিবিধ বা সংমিশ্রণ। B) Masclanceous — এই বানানটি ভুল কারণ এতে ভুল অক্ষর ব্যবহার করা হয়েছে। C) Misscellaneous — এখানে 's' অক্ষরের ব্যবহার ভুল ও অতিরিক্ত রয়েছে। D) Miscellanous — এই বানানে 'e' অক্ষরটি অনুপস্থিত রয়েছে। মনে রাখার টিপস: বানানটি মনে রাখতে Mis + cell + an + eous এভাবে ভেঙে পড়তে পারো।
a were
b are
c had
d was
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) was কেন সঠিক: - Neither, Either, Each ইত্যাদির পর Noun বা Pronoun বহুবচন হলেও Verb সাধারণত একবচন হয়। - প্রদত্ত বাক্যে books বহুবচন হলেও Neither-এর কারণে verb হিসেবে একবচন রূপটি বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) were — এটি plural verb, যা Neither-এর একবচন নিয়মের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ। B) are — এটি present tense-এর plural verb, যা past tense বা singular subject-এর নিয়মে ভুল। C) had — এটি auxiliary verb, যা বাক্যের অর্থ এবং adjectival complement-এর সাথে মেলে না। D) was — এটি সঠিক singular verb, যা বাক্যটিকে grammatically সঠিক করে। মনে রাখার টিপস: Neither অবজেক্ট হিসেবে একবচন হয়, তাই এর সাথে সবসময় singular verb বসে।
a The boy went to school despites of having a fever.
b I haven't seen my mother since six weeks.
c Mathematics teacher is giving us too much
d Have you ever been to London?
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: D) Have you ever been to London? কেন সঠিক: - Present Perfect Tense-এর গঠন অনুযায়ী প্রশ্নবোধক বাক্যে Subject-এর আগে Have/Has এবং মূল Verb-এর Past Participle বসে। - অভিজ্ঞতার ক্ষেত্রে 'gone to'-এর পরিবর্তে 'been to' ব্যবহার করা হয়, যা এই বাক্যে সঠিকভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The boy went to school despites of having a fever. — despite-এর সাথে কখনোই 'of' বসে না, তাই এই অপশনটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) I haven't seen my mother since six weeks. — নির্দিষ্ট সময় বা ব্যাপ্তির ক্ষেত্রে since না বসে 'for six weeks' হবে। C) Mathematics teacher is giving us too much — বাক্যটির শেষে কোনো অবজেক্ট বা অতিরিক্ত তথ্য নেই এবং Mathematics শব্দের আগে নির্দিষ্ট আর্টিকেল 'The' বসা উচিত ছিল। D) Have you ever been to London? — এটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ সঠিক এবং সঠিক গঠনে রয়েছে। মনে রাখার টিপস: অভিজ্ঞতা বোঝাতে 'Have you ever been to' ব্যবহার করা হয় এবং despite-এর পরে কখনো 'of' বসে না।
a current
b flow
c circulation
d procession
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) flow কেন সঠিক: - 'Flow of traffic' একটি স্ট্যান্ডার্ড ইংরেজি প্রবাদতুল্য বা স্বাভাবিক কলকোহেশন (Collocation), যার অর্থ যানবাহনের অবাধ ও নিরবচ্ছিন্ন চলাচল। - এখানে ট্রাফিকের গতিশীলতা ও প্রবাহ বোঝাতে 'flow' শব্দটি সবচেয়ে উপযুক্ত ও প্রমিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) current — এটি মূলত জল বা বিদ্যুতের স্রোত বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা ট্রাফিকের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) flow — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য। সি) circulation — এটি সাধারণত রক্ত বা তথ্য আবর্তনের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, যানবাহনের জন্য নয়। ডি) procession — এর অর্থ শোভাযাত্রা বা মিছিল, যা সাধারণ ট্রাফিক চলাচলের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: যানবাহন বা ট্রাফিকের চলাচলের ক্ষেত্রে সবসময় 'flow of traffic' ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়।
a have had
b had had
c had
d have
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) had had কেন সঠিক: - বাক্যের প্রথম অংশটি অতীতকালের দুটি কাজের মধ্যে তুলনামূলকভাবে আগের কাজটি নির্দেশ করছে, তাই সেখানে Past Perfect Tense (had) বসেছে। - এখানে মূল verb হিসেবে 'eat' বা 'have' এর Past Participle রূপ 'had' ব্যবহৃত হয়েছে, যার ফলে গঠনটি 'had had' হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) have had — এটি Present Perfect Tense, যা অতীত নির্দেশক দ্বিতীয় অংশের (went) সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। B) had had — এটি সঠিক উত্তর, কারণ অতীতের দুটি ঘটনার মধ্যে যেটি আগে ঘটেছে তা Past Perfect Tense-এ প্রকাশ করা হয়েছে। C) had — শুধুমাত্র Past Indefinite Tense ব্যবহার করলে অতীতের দুটি কাজের ধারাবাহিকতা সঠিকভাবে বোঝায় না। D) have — এটি Present Indefinite Tense, যা অতীতের ঘটনার সঙ্গে সম্পূর্ণ অসঙ্গতিপূর্ণ। মনে রাখার টিপস: अतीतের দুটি কাজের মধ্যে যেটি আগে ঘটে, সেখানে Past Perfect Tense (had + V3) বসে এবং 'have' verb-এর Past Participle হলো 'had'।
a To create fire
b To pie fine
c To thorough authority
d To come to nothing
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) To come to nothing কেন সঠিক: - “To end in smoke” একটি ইংরেজি প্রবাদধর্মী ইডিয়ম, যার আক্ষরিক অর্থ ধোঁয়ায় শেষ হওয়া এবং ভাবার্থ ব্যর্থতায় পর্যবসিত হওয়া। - কোনো দীর্ঘ প্রচেষ্টা বা পরিকল্পনা যখন কোনো সফল ফলাফল ছাড়াই পুরোপুরি ব্যর্থ হয়, তখন এই ইডিয়মটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) To create fire — এর অর্থ আগুন জ্বালানো, যা ইডিয়মের রূপক অর্থের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) To pie fine — এটি কোনো প্রচলিত বা অর্থপূর্ণ ইংরেজি ইডিয়ম বা ফ্রেজ নয়। C) To thorough authority — এটি সম্পূর্ণ কর্তৃত্ব জাহির করা বোঝায়, যা এই ইডিয়মের ভাবের সঙ্গে মেলে না। D) To come to nothing — এর অর্থ শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হওয়া বা কিছু না থাকা, যা সঠিক উত্তরের সঙ্গে মিলে যায়। মনে রাখার টিপস: আগুনে শুধু ধোঁয়া ওড়ে কিন্তু কাজের কাজ বা ছাই ছাড়া কিছু থাকে না, অর্থাৎ সব পরিকল্পনা ধোঁয়ায় মিলিয়ে গিয়ে ব্যর্থ হয়।
a a big speech
b a verbose speech
c the maiden speech
d a loss of speech
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) the maiden speech কেন সঠিক: - 'Maiden' শব্দের অর্থ কুমারী হলেও রূপক অর্থে এটি কোনো ব্যক্তি কর্তৃক প্রদত্ত প্রথম বক্তব্যকে বোঝায়। - ইংরেজি বাগধারা বা idiom অনুযায়ী জীবনের বা কোনো মঞ্চের প্রথম বক্তব্যকে 'the maiden speech' বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a big speech — এটি সাধারণ একটি বড় বক্তব্য বোঝায়, যা জীবনের প্রথম বক্তব্যের বিশেষ পারিভাষিক রূপ নয়। B) a verbose speech — এর অর্থ অতিরিক্ত শব্দবহুল বক্তব্য, যা প্রথম বক্তব্যের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) the maiden speech — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এটি প্রথম বক্তব্য বোঝাতে ব্যবহৃত নির্দিষ্ট বাগধারা। D) a loss of speech — এর অর্থ বাকশক্তি হারিয়ে ফেলা, যা বক্তব্যের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো পরিভাষা নয়। মনে রাখার টিপস: 'Maiden' মানে প্রথম বা সূচনা, তাই কোনো বক্তার প্রথম ভাষণকেই 'the maiden speech' বলা হয়।
a would
b could be
c would have been
d must be
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) would have been কেন সঠিক: - এটি থার্ড কন্ডিশনাল (Third Conditional)-এর বাক্য, যার গঠন হলো অতীতকালের অসম্ভব ঘটনা বোঝাতে If + Past Perfect tense এবং প্রধান ক্লজে Subject + would have/could have/might have + verb-এর পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম বসে। - বাক্যের দ্বিতীয় অংশে 'had tried' (Past Perfect) থাকায় প্রথম অংশে 'would have been' এবং মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল 'arrested' বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) would — এটি ফার্স্ট বা সেকেন্ড কন্ডিশনালে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু এখানে Past Perfect থাকায় এটি grammatically সঠিক নয়। B) could be — এটি প্রেজেন্ট বা ফিউচার টেন্সের প্যাসিভ গঠনে ব্যবহৃত হয়, যা এই বাক্যের অতীতকালের শর্তের সাথে মেলে না। C) would have been — এটি থার্ড কন্ডিশনাল নিয়ম অনুযায়ী সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়, এটিই সঠিক। D) must be — এটি বর্তমানের কোনো জোরালো সম্ভাবনা বা বাধ্যবাধকতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা অতীতকালের কাল্পনিক ঘটনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যে 'had + V3' থাকলে পরবর্তী অংশে 'would have + V3' বসবে, এটি থার্ড কন্ডিশনাল চেনার সবচেয়ে সহজ উপায়।
a ৩ বার
b ৪ বার
c ২ বার
d ১ বার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২ বার প্রদত্ত তথ্য: আন্তর্জাতিক ভলিবল নিয়ম অনুযায়ী ম্যাচের প্রতিটি সেটে দলের কোচ বা অধিনায়ক খেলার গতি থামাতির জন্য বিরতির আবেদন করতে পারেন। ধরি, একটি দল খেলার প্রতি সেটে এই বিশেষ বিরতির সুবিধা গ্রহণ করার সুযোগ পায়। অতএব, খেলার প্রতি সেটে দলগুলোর জন্য সর্বোচ্চ অনুমোদিত বিরতির সংখ্যা নির্ধারণ করা থাকে। সুতরাং, আন্তর্জাতিক ভলিবল ফেডারেশনের নিয়ম অনুসারে প্রতি সেটে সর্বোচ্চ দুটি বিরতি নেওয়া যায়। উত্তর: ২ বার
a ব্রেস্ট, ব্যাক, বাটার, ফ্রী স্টাইল
b ফ্রী স্টাইল, ব্রেস্ট, ব্যাক, বাটার
c ফ্রী স্টাইল, ব্যাক, ব্রেস্ট, বাটার
d বাটার, ব্যাক, ব্রেস্ট, ফ্রী স্টাইল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বাটার, ব্যাক, ব্রেস্ট, ফ্রী স্টাইল কেন সঠিক: - ব্যক্তিগত মিডলে সাঁতারে সাঁতারুদের চারটি ভিন্ন স্ট্রোক নির্দিষ্ট ক্রমানুসারে সাঁতরাতে হয়। - সাঁতারের এই আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুযায়ী বাটারফ্লাই স্ট্রোক দিয়ে শুরু হয় এবং ফ্রী স্টাইল দিয়ে শেষ হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্রেস্ট, ব্যাক, বাটার, ফ্রী স্টাইল — এই ক্রমে সাঁতারের স্ট্রোকগুলোর সঠিক বিন্যাস নেই কারণ ব্যক্তিগত মিডলে সাঁতার ব্রেস্ট স্ট্রোক দিয়ে শুরু হয় না। B) ফ্রী স্টাইল, ব্রেস্ট, ব্যাক, বাটার — ফ্রী স্টাইল দিয়ে ব্যক্তিগত মিডলে সাঁতার শুরু হয় না বরং এটি শেষ স্ট্রোক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। C) ফ্রী স্টাইল, ব্যাক, ব্রেস্ট, বাটার — এই বিন্যাসে প্রথম ও শেষ স্ট্রোকের আন্তর্জাতিক নিয়ম উল্টোভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে যা ভুল। D) বাটার, ব্যাক, ব্রেস্ট, ফ্রী স্টাইল — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি ব্যক্তিগত মিডলে সাঁতারের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সঠিক ক্রম। মনে রাখার টিপস: বা-বা-ব্রে-ফ্রি এই সংকেতটি মনে রাখলে বাটারফ্লাই, ব্যাকস্ট্রোক, ব্রেস্টস্ট্রোক এবং ফ্রী স্টাইলের সঠিক ক্রম সহজেই মনে রাখা যায়।
a পঞ্চমুখি
b পঞ্চব্রীহি
c পঞ্চশীলা
d পঞ্চপাণ্ডব
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পঞ্চব্রীহি কেন সঠিক: - বিজ্ঞানী ড. আবেদ চৌধুরী একই গাছে বিভিন্ন মৌসুমে পাঁচ প্রকারের ধান উৎপাদনের যে অভিনব পদ্ধতি আবিষ্কার করেছেন, তার নাম দিয়েছেন পঞ্চব্রীহি। - ব্রীহি শব্দের অর্থ ধান, আর পঞ্চ অর্থ পাঁচ, যা একসঙ্গে পাঁচ প্রকার ধানের সমাহারকে নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পঞ্চমুখি — এটি কোনো কৃষিপদ্ধতির নাম নয়, বরং সাধারণভাবে কোনো কিছুর পাঁচটি মুখ বা দিক বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। C) পঞ্চশীলা — এটি আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে পঞ্চশীল চুক্তি বা পাঁচটি নীতিকে বোঝায়, যার সঙ্গে ধান চাষের কোনো সম্পর্ক নেই। D) পঞ্চপাণ্ডব — এটি মহাভারতের পাঁচ ভাই পাণ্ডবকে নির্দেশ করে, যা এই কৃষি আবিষ্কারের সঙ্গে সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক। মনে রাখার টিপস: পাঁচটি ধান চাষের পদ্ধতি মনে রাখতে ব্রীহি শব্দটিকে মনে রাখুন, কারণ ব্রীহি অর্থ ধান এবং পঞ্চব্রীহি মানে পাঁচ ধরনের ধান।
a চীনের বেইজিং- এ
b প্যারিসে
c রোমে
d টোকিওতে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্যারিসে প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ও সাম্প্রতিক ক্রীড়া তথ্য কেন সঠিক: - ২০২৪ সালের গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক গেমস ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে অনুষ্ঠিত হয়েছে। - এটি ছিল ৩৩তম আধুনিক অলিম্পিক গেমস আসর। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চীনের বেইজিং- এ — বেইজিংয়ে ২০২২ সালের শীতকালীন অলিম্পিক গেমস অনুষ্ঠিত হয়েছিল, ২০২৪ সালের গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক নয়। B) প্যারিসে — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এখানেই ২০২৪ সালের অলিম্পিক গেমস সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। C) রোমে — রোম অতীতে ১৯৬০ সালে অলিম্পিক আয়োজন করলেও ২০২৪ সালের আয়োজক শহর ছিল না। D) টোকিওতে — টোকিওতে এর আগে ২০২০ সালের অলিম্পিক গেমস অনুষ্ঠিত হয়েছিল, যা করোনা মহামারীর কারণে ২০২১ সালে হয়। মনে রাখার টিপস: ফরাসি বিপ্লবের দেশ ফ্রান্সে এবং এর রাজধানী প্যারিসে ২০২৪ সালের অলিম্পিক গেমস অনুষ্ঠিত হয়েছে।
a ৫ প্রকার
b ২ প্রকার
c ৪ প্রকার
d ৮ প্রকার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২ প্রকার কেন সঠিক: - মানসিক বা শারীরিক ক্লান্তি এবং অবসাদ মূলত দুই প্রধান ভাগে বিভক্ত হয়ে থাকে। - কাজের ধরন ও উৎসের ওপর ভিত্তি করে অবসাদকে শারীরিক অবসাদ এবং মানসিক অবসাদ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৫ প্রকার — অবসাদের সাধারণ শ্রেণিবিভাগের সংখ্যা পাঁচ নয়, এটি ভুল তথ্য। B) ২ প্রকার — এটি সঠিক উত্তর কারণ অবসাদ প্রধানত শারীরিক ও মানসিক এই দুই ভাগে বিভক্ত। C) ৪ প্রকার — অবসাদকে চারটি ভিন্ন প্রকারে ভাগ করা হয় না, তাই এটি সঠিক নয়। D) ৮ প্রকার — এই সংখ্যাটি অবসাদের প্রামাণ্য শ্রেণিবিভাগের সঙ্গে মেলে না। মনে রাখার টিপস: শরীর ও মন মানুষের দুটি প্রধান অঙ্গ, তাই অবসাদও শারীরিক ও মানসিক এই দুই প্রকার হয়।
a আবাহনী
b মোহামেডান
c ওয়ান্ডারার্স
d ব্রাদার্স ইউনিয়ন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ওয়ান্ডারার্স কেন সঠিক: - জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৪০-এর দশকে ঢাকা ওয়ান্ডারার্স ক্লাবের হয়ে নিয়মিত ফুটবল খেলতেন। - তার ক্রীড়াবান্ধব জীবনের এক ঐতিহাসিক ও সত্য তথ্য এটি, যা তৎকালীন ঢাকা স্টেডিয়াম ও ময়দানের ইতিহাসের সঙ্গে জড়িত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আবাহনী — এটি ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত একটি বিখ্যাত ক্লাব, যার সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর কোনো খেলোয়াড়ি সম্পৃক্ততা ছিল না। B) মোহামেডান — এটি দেশের অন্যতম প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী ক্লাব হলেও তিনি এই ক্লাবের হয়ে ফুটবল খেলেননি। D) ব্রাদার্স ইউনিয়ন — এটি পরবর্তীতে প্রতিষ্ঠিত একটি ক্লাব, যার সঙ্গে তার খেলোয়াড়ি জীবনের কোনো সংযোগ নেই। মনে রাখার টিপস: বঙ্গবন্ধু মাঠে ফুটবল নিয়ে ওয়ান্ডার করতেন বা ঘুরতেন, এভাবে ওয়ান্ডারার্স ক্লাবটি মনে রাখতে পারেন।
a ফুটবল
b হকি
c দাবা
d ক্রিকেট
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) হকি কেন সঠিক: - ফাইভ এস বা ফাইভ-এ-সাইড হলো হকির একটি সংক্ষিপ্ত রূপ, যা মূলত ইনডোরে বা টার্ফ মাঠে ৫ জন খেলোয়াড় নিয়ে খেলা হয়। - আন্তর্জাতিক হকি ফেডারেশন এই বিশেষ ফরম্যাটের হকি প্রতিযোগিতা নিয়মিত পরিচালনা করে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফুটবল — ফুটবলের জনপ্রিয় সংক্ষিপ্ত রূপ হলো ফাইভ-এ-সাইড ফুটবল, তবে মূল আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় 'ফাইভ এস' বলতে সাধারণত হকিকেই বোঝানো হয়। B) হকি — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) দাবা — দাবা একটি বুদ্ধিবৃত্তিক বোর্ড খেলা, যার সাথে ফাইভ এস ফরম্যাটের কোনো সম্পর্ক নেই। D) ক্রিকেট — ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত রূপ হিসেবে টি-টোয়েন্টি বা টেপটেন প্রচলিত আছে, ফাইভ এস নয়। মনে রাখার টিপস: হকি খেলায় ফাইভ এস বলতে ৫ জনের দল নিয়ে খেলা ইনডোর হকিকে বোঝানো হয়।
a ২৪ মাইল
b ২৬ মাইল
c ২৭ মাইল
d ২৮ মাইল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৬ মাইল কেন সঠিক: - ম্যারাথন দৌড়ের আদর্শ ও দাপ্তরিক দূরত্ব হলো ২৬ মাইল এবং ৩৮৫ গজ বা ৪২ দশমিক ১৯৫ কিলোমিটার। - ১৯০৮ সালের লন্ডন অলিম্পিকে উইন্ডসর ক্যাসেল থেকে রয়্যাল বক্স পর্যন্ত এই দূরত্বের হিসাব প্রথম নির্ধারণ করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৪ মাইল — এটি ম্যারাথন দৌড়ের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বা নির্ধারিত প্রমিত দূরত্ব নয়। B) ২৬ মাইল — এটি ম্যারাথন দৌড়ের সঠিক ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত প্রমিত দূরত্ব। C) ২৭ মাইল — এই দূরত্বটি কোনো প্রতিযোগিতামূলক ম্যারাথন দৌড়ের নির্দিষ্ট পরিমাপ নয়। D) ২৮ মাইল — এটি ম্যারাথন দৌড়ের সরকারি বা অলিম্পিক নির্ধারিত দূরত্বের চেয়ে বেশি। মনে রাখার টিপস: ম্যারাথনের দূরত্ব মনে রাখতে ২৬ সংখ্যাটি মনে রাখুন, যা প্রায় ৪২ কিলোমিটারের সমান।
a 1930
b 1928
c 1921
d 1927
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯২৮ কেন সঠিক: - ১৯২৮ সালের আমস্টারডাম অলিম্পিক গেমসে প্রথমবারের মতো মূল স্টেডিয়ামে অলিম্পিক মশাল জ্বালানোর প্রথা চালু করা হয়। - প্রাচীন গ্রিসের ঐতিহ্য এবং আধুনিক অলিম্পিকের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করতে এই নিয়মটি প্রথম প্রবর্তন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৩০ — এই সালে কোনো অলিম্পিক গেমস অনুষ্ঠিত হয়নি কারণ ১৯২৮ সালের পর সরাসরি ১৯৩২ সালে অলিম্পিক হয়েছিল। B) ১৯২৮ — এই অপশনটি সঠিক এবং এই সালেই আমস্টারডাম অলিম্পিকে প্রথম মশাল জ্বালানোর রীতি চালু হয়। C) ১৯২১ — এই সালে অলিম্পিকে মশাল জ্বালানোর কোনো নিয়ম বা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়নি। D) ১৯২৭ — এই সালে অলিম্পিক সংক্রান্ত কোনো নতুন প্রথা বা মশাল জ্বালানোর নিয়ম চালু হয়নি। মনে রাখার টিপস: মশাল জ্বালানোর নিয়ম ১৯২৮ সালের আমস্টারডাম অলিম্পিক থেকে শুরু হয়, যা মনে রাখতে ১৯২৮ সালটি মাথায় রাখুন।
a নীল, হলুদ, কালো, সবুজ ও লাল
b সাদা, কালো, নীল, হলুদ ও সবুজ
c বেগুনী, লাল, কালো, নীল এবং সবুজ
d আসমানী, লাল, কালো, নীল ও সবুজ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নীল, হলুদ, কালো, সবুজ ও লাল কেন সঠিক: - অলিম্পিক পতাকায় পাঁচটি ভিন্ন রঙের বৃত্ত বা রিং পরস্পর সংলগ্নভাবে থাকে, যা পাঁচটি মহাদেশের ঐক্যের প্রতীক। - আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির নিয়ম অনুযায়ী ক্রমান্বয়ে এই নির্দিষ্ট পাঁচটি রংই ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নীল, হলুদ, কালো, সবুজ ও লাল — এটি অলিম্পিক রিংয়ের সঠিক ও নির্ধারিত ক্রম। B) সাদা, কালো, নীল, হলুদ ও সবুজ — অলিম্পিক রিংয়ে সাদা রঙ ব্যবহার করা হয় না, এটি পতাকার পেছনের মাঠের রঙ। C) বেগুনী, লাল, কালো, নীল এবং সবুজ — অলিম্পিক রিংয়ে বেগুনী রঙের কোনো স্থান নেই। D) আসমানী, লাল, কালো, নীল ও সবুজ — এখানে নীল রঙের পরিবর্তে ভুল করে আসমানী রঙ উল্লেখ করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: নাহক সবুজ রা (নীল, হলুদ, কালো, সবুজ, লাল) এই শব্দসংকেত বা প্রথম অক্ষর দিয়ে সহজে ক্রমটি মনে রাখা যায়।
a উসাইন বোল্ট
b কার্ল লুইস
c মাইকেল ফেলপস
d নাদিয়া কোমোনিচি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মাইকেল ফেলপস কেন সঠিক: - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাঁতারু মাইকেল ফেলপস অলিম্পিক ইতিহাসে সর্বমোট ২৩টি স্বর্ণপদকসহ সর্বাধিক ২৮টি পদক অর্জন করেছেন। - অলিম্পিক গেমসের দীর্ঘ ইতিহাসে তার এই অনন্য সাফল্যের রেকর্ড এখনো কেউ ভাঙতে পারেনি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) উসাইন বোল্ট — তিনি জ্যামাইকার কিংবদন্তি স্প্রিন্টার এবং দৌড় ইভেন্টে একাধিক স্বর্ণপদক জিতলেও অলিম্পিক পদকসংখ্যার দিক থেকে ফেলপসের পেছনে রয়েছেন। B) কার্ল লুইস — তিনি যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত অ্যাথলেট ও লং জাম্পার হিসেবে ৯টি স্বর্ণপদক জিতলেও ফেলপসের মোট পদকসংখ্যার তুলনায় কম। D) নাদিয়া কোমোনিচি — তিনি রোমানিয়ার বিশ্বখ্যাত জিমন্যাস্ট এবং অলিম্পিকে দারুণ নৈপুণ্য দেখালেও সর্বমোট পদকের দিক থেকে ফেলপসের সমকক্ষ নন। মনে রাখার টিপস: সাঁতারের রাজা মাইকেল ফেলপস পদক জয়ে সবার শীর্ষে থাকায় তাকে সর্বকালের সেরা অলিম্পিয়ান বলা হয়।
a প্রতাপ শঙ্কর হাজরা
b রকিবুল হাসান
c আলতাফ হোসেন
d সালাহ উদ্দিন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রকিবুল হাসান কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি ঢাকা স্টেডিয়ামে পাকিস্তান আন্তর্জাতিক একাদশের বিপক্ষে ম্যাচে তিনি ব্যাটে 'জয়বাংলা' স্টিকার লাগিয়ে প্রতিবাদ করেছিলেন। - এটি ছিল মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রাক্কালে বাঙালি ক্রীড়াবিদদের পক্ষ থেকে পাকিস্তানি শোষকদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের এক অনন্য ও ঐতিহাসিক ঘটনা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রতাপ শঙ্কর হাজরা — তিনি ওই সময়ের একজন পরিচিত ক্রিকেটার হলেও এই নির্দিষ্ট প্রতিবাদটির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। B) রকিবুল হাসান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে অন্য কোনো প্রযোজ্য কারণ নেই। C) আলতাফ হোসেন — তিনি সেসময়ের অন্য কোনো ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকতে পারেন, তবে এই ঐতিহাসিক প্রতিবাদের সঙ্গে তার নাম জড়িত নয়। D) সালাহ উদ্দিন — তিনি পরবর্তী প্রজন্মের একজন ক্রীড়াবিদ বা ভিন্ন ব্যক্তিত্ব হতে পারেন, ১৯৭১ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারির এই ঘটনার সঙ্গে তিনি সংশ্লিষ্ট নন। মনে রাখার টিপস: ২৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৭১ সালে ব্যাটে 'জয়বাংলা' স্টিকার লাগিয়ে ইতিহাস গড়েছিলেন ক্রিকেটার রকিবুল হাসান।
a ডিকে ম্যাথিউজ
b গ্রীথ
c বি ন্যাশ
d ক্রিপটন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ডিকে ম্যাথিউজ কেন সঠিক: - শারীরিক শিক্ষার সংজ্ঞা প্রদান করতে গিয়ে ডিকে ম্যাথিউজ উল্লেখ করেছেন যে শারীরিক কার্যকলাপের দ্বারাই কেবল কাঙ্ক্ষিত শিক্ষা অর্জন সম্ভব। - তাঁর মতে শারীরিক কার্যক্রম শিক্ষার্থীর শারীরিক বিকাশ ও অর্জিত শিক্ষার মধ্যে সরাসরি সেতুবন্ধন তৈরি করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডিকে ম্যাথিউজ — এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে শারীরিক শিক্ষার এই বিশেষ সংজ্ঞাটি প্রদান করেছেন। B) গ্রীথ — শারীরিক শিক্ষা সম্পর্কিত অন্য কোনো মতবাদ বা সংজ্ঞা প্রদান করলেও এই নির্দিষ্ট সংজ্ঞাটির প্রবক্তা নন। C) বি ন্যাশ — শারীরিক শিক্ষা ও বিনোদন নিয়ে কাজ করলেও শারীরিক কার্যকলাপের দ্বারা অর্জিত শিক্ষার সংজ্ঞাটি তাঁর নয়। D) ক্রিপটন — শারীরিক শিক্ষার ইতিহাস বা সংজ্ঞার সঙ্গে এই নামের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। মনে রাখার টিপস: ম্যাথিউজ নামের সঙ্গে শারীরিক কার্যকলাপ ও শিক্ষার সংযোগকারী এই বিখ্যাত সংজ্ঞাটি মনে রাখতে পারেন।
a হাতিয়া
b সন্দ্বীপ
c মনপুরা
d সেন্টমার্টিন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সেন্টমার্টিন কেন সঠিক: - এটি বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্বাংশে অবস্থিত একমাত্র প্রবাল দ্বীপ বা কোরাল দ্বীপ। - এর ভূপ্রকৃতি এবং সমুদ্রের তলদেশ প্রবাল বা কোরাল দিয়ে গঠিত হওয়ায় একে এই বিশেষ নামে ডাকা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাতিয়া — এটি নোয়াখালী জেলায় অবস্থিত মেঘনা নদীর মোহনার একটি বৃহৎ দ্বীপ, যা প্রবাল দ্বীপ নয়। B) সন্দ্বীপ — এটি চট্টগ্রাম জেলার উপকূলে বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত একটি প্রাচীন দ্বীপ, যার গঠন পলি দ্বারা গঠিত। C) মনপুরা — এটি ভোলা জেলায় অবস্থিত মেঘনা নদীর অববাহিকায় গড়ে ওঠা একটি দ্বীপ, যা প্রবাল দ্বীপ নয়। D) সেন্টমার্টিন — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ। মনে রাখার টিপস: নারিকেল পাওয়া যায় বলে সেন্টমার্টিনকে নারিকেল জিঞ্জিরাও বলা হয় এবং এটিই দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ।
a ফুটবল
b ব্যাডমিন্টন
c কাবাডি
d ক্রিকেট
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কাবাডি কেন সঠিক: - কাবাডি খেলাটি বাংলাদেশের গ্রামীণ সংস্কৃতির সাথে গভীরভাবে জড়িত এবং এটি বাংলাদেশের জাতীয় খেলা হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃত। - ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর কাবাডি খেলাকে দেশের জাতীয় খেলা হিসেবে ঘোষণা করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফুটবল — এটি বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় খেলা হলেও বাংলাদেশের জাতীয় খেলা নয়, তবে দেশে এর ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে। B) ব্যাডমিন্টন — এটি একটি জনপ্রিয় ইনডোর খেলা হলেও এটি বাংলাদেশের জাতীয় খেলা হিসেবে স্বীকৃতি পায়নি। C) কাবাডি — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়। D) ক্রিকেট — এটি বর্তমানে বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং বাণিজ্যিকভাবে সফল খেলা হলেও এটি জাতীয় খেলা নয়। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের জাতীয় খেলা মনে রাখার সহজ উপায় হলো দেশের মাটির ঐতিহ্যবাহী খেলা হাডুডু বা কাবাডিকে স্মরণ করা।
a কালো
b লাল
c সবুজ
d সাদা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সাদা কেন সঠিক: - অ্যাথলেটিক্সে লং জাম্প বা ট্রিপল জাম্প ইভেন্টে রান-আপ ট্র্যাকের শেষ প্রান্তে টেক অফ বোর্ড স্থাপন করা হয়। - রান-আপ ট্র্যাক এবং ল্যান্ডিং পিটের মধ্যে স্পষ্ট দৃশ্যমানতা ও ফাউল লাইন নির্দেশ করতে এই বোর্ডের রং সাদা নির্ধারণ করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কালো — এটি দৃশ্যমানতার জন্য উপযুক্ত নয় এবং অফিশিয়াল নিয়মের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। B) লাল — এই রং ট্র্যাকের বিভিন্ন মার্কিংয়ে ব্যবহৃত হলেও টেক অফ বোর্ডের জন্য নির্ধারিত নয়। সি) সবুজ — এই রং সাধারণত মাঠের ঘাস বা নির্দিষ্ট জোনের জন্য ব্যবহৃত হয়। D) সাদা — এটি সঠিক উত্তর কারণ আন্তর্জাতিক অ্যাথলেটিক্স বিধিমালা অনুযায়ী টেক অফ বোর্ডের রং সর্বদা সাদা হয়। মনে রাখার টিপস: লং জাম্পের শুরুতে দৌড়ানোর জন্য যেমন সাদা দাগ বা লাইন থাকে, তেমনি লাফ দেওয়ার বোর্ডটিও সাদা রঙের হয়।
a সৌরজগৎ
b ধূমকেতু
c মিল্কিওয়ে
d গ্যালাক্সি
ব্যাখ্যাঃ
**প্রশ্নের ধরন:** ভূগোল ও পরিবেশ / সাধারণ জ্ঞান ও বিবিধ তথ্য সঠিক উত্তর: C) মিল্কিওয়ে কেন সঠিক: - পৃথিবী সৌরজগতের একটি গ্রহ এবং সৌরজগৎ মিল্কিওয়ে বা আকাশগঙ্গা নামক বিশাল গ্যালাক্সির একটি অংশ। - মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সি সর্পিল আকৃতির এবং এতে কোটি কোটি নক্ষত্র রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সৌরজগৎ — এটি সূর্য ও তার গ্রহ-উপগ্রহ নিয়ে গঠিত একটি মণ্ডল, কোনো গ্যালাক্সি নয়। B) ধূমকেতু — এটি বরফ ও ধূলিকণা দিয়ে গঠিত সৌরজগতের একটি ক্ষুদ্র মহাজাগতিক বস্তু। C) মিল্কিওয়ে — এটি সঠিক উত্তর। D) গ্যালাক্সি — এটি মহাবিশ্বের গ্যালাক্সির একটি সাধারণ শ্রেণিবাচক নাম, পৃথিবীর নির্দিষ্ট ছায়াপথের নাম নয়। মনে রাখার টিপস: আমাদের পৃথিবী যে গ্যালাক্সিতে বা ছায়াপথে থাকে, তার দুধসাদা আলোর নদী সদৃশ রূপের কারণে এর নাম মিল্কিওয়ে বা আকাশগঙ্গা রাখা হয়েছে।
a ৯.৫৮ সে. মি.
b ৯.৫৬ সে. মি.
c ৯.৬৮ সে. মি.
d ৯.৫৮ সে. মি.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৯.৫৮ সে. মি. কেন সঠিক: - জামাইকার স্প্রিন্টার উসাইন বোল্ট ২০০৯ সালের বিশ্ব অ্যাথলেটিক্স চ্যাম্পিয়নশিপে ১০০ মিটার দৌড়ে ৯.৫৮ সেকেন্ডে বিশ্ব রেকর্ড গড়েন। - অপশনে সে. মি. লেখা থাকলেও মূলত এটি ৯.৫৮ সেকেন্ড সময়কে নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৯.৫৮ সে. মি. — মূল উত্তরের অনুরূপ হলেও অপশন পুনর্বৃত্তির কারণে এটি ধরতে হয়। B) ৯.৫৬ সে. মি. — এটি ১০০ মিটার দৌড়ের কোনো স্বীকৃত বিশ্ব রেকর্ড নয়। সি) ৯.৬৮ সে. মি. — এই সময়ে উসাইন বোল্ট বা অন্য কোনো অ্যাথলেট বিশ্ব রেকর্ড করেননি। D) ৯.৫৮ সে. মি. — এটি সঠিক বিশ্ব রেকর্ডের সময়কাল নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: উসাইন বোল্টের বিশ্ব রেকর্ডের সময় মনে রাখতে ৯.৫৮ সংখ্যাটি বারবার চর্চা করুন।
a ১৭ মার্চ
b ১৭ ফেব্রুয়ারি
c ২৬ মার্চ
d ২৮ অক্টোবর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৭ মার্চ কেন সঠিক: - এটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মবার্ষিকী এবং এই দিনটি বাংলাদেশে জাতীয় শিশু দিবস হিসেবে উদযাপিত হয়। - ১৯৯৬ সাল থেকে এই দিনটি রাষ্ট্রীয়ভাবে শিশু দিবস হিসেবে পালনের প্রথা চালু করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৭ মার্চ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দিনে জাতির পিতার জন্মবার্ষিকীতে শিশু দিবস পালন করা হয়। B) ১৭ ফেব্রুয়ারি — এই তারিখে বাংলাদেশের কোনো জাতীয় শিশু দিবস উদযাপিত হয় না। C) ২৬ মার্চ — এটি বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস, শিশু দিবস নয়। D) ২৮ অক্টোবর — এই তারিখে নির্দিষ্ট কোনো জাতীয় শিশু দিবস পালিত হয় না। মনে রাখার টিপস: জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিনের (১৭ মার্চ) তারিখটি মনে রাখলেই শিশু দিবসের তারিখটি মনে রাখা সহজ হয়।
a ১০ লক্ষ
b ১১ লক্ষ
c ১২ লক্ষ
d ১৩ লক্ষ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৩ লক্ষ কেন সঠিক: - জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের পরিমাপ অনুযায়ী সূর্যের আয়তন পৃথিবীর আয়তনের তুলনায় প্রায় তেরো লক্ষ গুণ বড়। - আমাদের সৌরজগতের সবচেয়ে বড় জ্যোতিষ্ক হলো সূর্য, যার ভেতরে পৃথিবীর মতো বিশাল গ্রহ তেরো লক্ষটি অনায়াসে ধরে যেতে পারে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০ লক্ষ — এটি সঠিক উত্তরের চেয়ে কম এবং বৈজ্ঞানিক পরিমাপের সাথে মিলে না। B) ১১ লক্ষ — এই সংখ্যাটি সূর্যের প্রকৃত আয়তনের তুলনায় কম ধরা হয়েছে। C) ১২ লক্ষ — সঠিক উত্তরের কাছাকাছি হলেও এটি জ্যোতির্বিজ্ঞানের সঠিক পরিমাপ নয়। D) ১৩ লক্ষ — এটি সঠিক উত্তর কারণ বৈজ্ঞানিক হিসাবে সূর্য পৃথিবীর চেয়ে তেরো লক্ষ গুণ বড়। মনে রাখার টিপস: সূর্য পৃথিবীর চেয়ে ১৩ লক্ষ গুণ বড়, এই তথ্যটি মনে রাখতে তেরো সংখ্যাটি মনে রাখুন।
a ১৯৬৪ টোকিও
b ১৯৬৫, দিল্লী
c ১৯৬৬ করাচি
d ১৯৬৮ বেইজিং
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৯৬৪ টোকিও কেন সঠিক: - এশিয়ায় অনুষ্ঠিত অলিম্পিক গেমসের ইতিহাসে ১৯৬৪ সালের টোকিও অলিম্পিক ছিল প্রথম আসর। - জাপানের রাজধানী টোকিওতে এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হওয়ার মাধ্যমে এশিয়া মহাদেশ প্রথম অলিম্পিক আয়োজনের গৌরব অর্জন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৬৪ টোকিও — এটি সঠিক উত্তর কারণ এশিয়ায় প্রথম অলিম্পিক এখানেই অনুষ্ঠিত হয়েছিল। B) ১৯৬৫, দিল্লী — এই সালে ভারতে বা এশিয়ায় কোনো অলিম্পিক গেমস অনুষ্ঠিত হয়নি। C) ১৯৬৬ করাচি — এই সালে পাকিস্তানে কোনো অলিম্পিক গেমস অনুষ্ঠিত হয়নি। D) ১৯৬৮ বেইজিং — এই সালে চীনে কোনো অলিম্পিক গেমস অনুষ্ঠিত হয়নি। মনে রাখার টিপস: এশিয়ায় প্রথম অলিম্পিক মনে রাখতে জাপানের রাজধানী টোকিও এবং ১৯৬৪ সাল মনে রাখুন।
a ২৬ জুন- ২০০০
b ২৬ ডিসেম্বর - ২০০০
c ২৬ জুন- ১৯৯৭
d ২৬ জুন ১৯৯৯ সাল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২৬ জুন- ২০০০ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড ২০০০ সালের ২৬ জুন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের পূর্ণ সদস্য পদ বা টেস্ট স্ট্যাটাস লাভ করে। - এই ঐতিহাসিক অর্জনের ফলে বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে টেস্ট খেলুড়ে দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৬ জুন- ২০০০ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দিনেই বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে টেস্ট স্ট্যাটাস অর্জন করেছিল। B) ২৬ ডিসেম্বর - ২০০০ — এই তারিখে বাংলাদেশ তাদের ইতিহাসের প্রথম টেস্ট ম্যাচ ভারতের বিপক্ষে খেলেছিল, টেস্ট স্ট্যাটাস পাওয়ার তারিখ নয়। C) ২৬ জুন- ১৯৯৭ — এই সালে বাংলাদেশ আইসিসি ট্রফি জয় করে ওয়ানডে স্ট্যাটাস বা খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছিল। D) ২৬ জুন ১৯৯৯ সাল — এই সালে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল প্রথম ওয়ানডে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করে এবং পাকিস্তানকে পরাজিত করে। মনে রাখার টিপস: ২০০০ সালের ২৬ জুন বাংলাদেশ টেস্ট পরিবারের সদস্য হয় এবং একই বছরের নভেম্বর মাসে ভারতের বিপক্ষে প্রথম টেস্টে নামে।
a রাজনীতি
b সুশীল সমাজ
c আমলাতন্ত্র
d সংবাদপত্র
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সংবাদপত্র কেন সঠিক: - সংবাদপত্র রাষ্ট্রের গণতন্ত্র রক্ষা, সরকারের জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ এবং জনমত গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। - গণতন্ত্রের মূল তিনটি স্তম্ভ আইনসভা, শাসনবিভাগ ও বিচারবিভাগের বাইরে সংবাদমাধ্যমকে সমাজের দর্পণ ও চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাজনীতি — এটি রাষ্ট্র পরিচালনার একটি প্রক্রিয়া বা মতাদর্শ, যা রাষ্ট্রের আনুষ্ঠানিক শাসন কাঠামোর অংশ হলেও চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে পরিচিত নয়। B) সুশীল সমাজ — এটি সরকারের বাইরে থাকা বিভিন্ন নাগরিক সংগঠন ও সমাজের সচেতন অংশের প্রতিনিধিত্ব করে, যা রাষ্ট্রের আনুষ্ঠানিক চতুর্থ স্তম্ভ নয়। সি) আমলাতন্ত্র — এটি মূলত রাষ্ট্রের শাসনবিভাগের স্থায়ী অংশ এবং প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা করে, যা রাষ্ট্রের দ্বিতীয় বা প্রশাসনিক স্তম্ভের অন্তর্ভুক্ত। D) সংবাদপত্র — এটি সঠিক উত্তর কারণ সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যমকে গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভ বলা হয়। মনে রাখার টিপস: রাষ্ট্রের ক্ষমতার মূল তিনটি অঙ্গের (আইন, শাসন, বিচার) ঠিক পরেই জনগণের কণ্ঠস্বর হিসেবে সংবাদপত্রকে চতুর্থ স্তম্ভ বলা হয়।
a ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯
b ৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯
c ৩ জানুয়ারি, ১৯৬৭
d ১৫ জানুয়ারি, ১৯৬৯
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: B) ৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯ কেন সঠিক: - বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬৯ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসন অর্জনের লক্ষ্যে ঐতিহাসিক ছয় দফা দাবি পেশ করেন। - ঐতিহাসিক আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা থেকে মুক্তি পাওয়ার পর ছাত্রসমাজের দেওয়া সংবর্ধনায় তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে এই দাবি পেশ করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯ — এই তারিখে ঐতিহাসিক আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করা হয় এবং বঙ্গবন্ধুসহ সকল বন্দಿ মুক্তি পান। B) ৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯ — এটি সঠিক উত্তর। C) ৩ জানুয়ারি, ১৯৬৭ — এই তারিখে তৎকালীন পাকিস্তান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে। D) ১৫ জানুয়ারি, ১৯৬৯ — এই তারিখে সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের পক্ষ থেকে ১১ দফা দাবি পেশ করা হয়। মনে রাখার টিপস: উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের উত্তাল দিনগুলোতে ফেব্রুয়ারির ৫ তারিখে বঙ্গবন্ধু বাঙালির মুক্তির সনদ ছয় দফা পেশ করেছিলেন।
a খাগড়াছড়ি
b রাঙামাটি
c বান্দরবান
d রাজশাহী
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়ের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ সঠিক উত্তর: B) রাঙামাটি কেন সঠিক: - সাজেক ভ্যালি ভৌগোলিকভাবে রাঙামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলায় অবস্থিত। - এটি মূলত রাঙামাটি জেলার অন্তর্গত হলেও যাতায়াতের সহজ পথ খাগড়াছড়ি জেলার দীঘিনালা হয়ে অতিক্রম করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) খাগড়াছড়ি — সাজেকের ভৌগোলিক অবস্থান রাঙামাটি জেলায় হলেও, যাতায়াতের সুব্যবস্থার কারণে অনেকে ভুলবশত একে খাগড়াছড়ির অংশ মনে করেন। B) রাঙামাটি — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। C) বান্দরবান — এটি পার্বত্য চট্টগ্রামের আরেকটি পর্যটন জেলা হলেও সাজেক ভ্যালির সঙ্গে এর কোনো ভৌগোলিক সংযোগ নেই। D) রাজশাহী — এটি উত্তরবঙ্গের একটি বিভাগ ও জেলা, যার সঙ্গে পাহাড়ঘেরা সাজেক পর্যটন কেন্দ্রের কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: সাজেকে যাওয়ার রাস্তা খাগড়াছড়ি দিয়ে হলেও, এটি মূলত রাঙামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলায় অবস্থিত।
a ৪ প্রকার
b ৮ প্রকার
c ৬ প্রকার
d ৭ প্রকার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪ প্রকার কেন সঠিক: - প্রতিযোগিতায় সাঁতারের চারটি মূল স্ট্রোক বা শৈলী আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। - এই চারটি স্ট্রোক হলো ফ্রিস্টাইল, ব্যাকস্ট্রোক, ব্রেস্টস্ট্রোক এবং বাটারফ্লাই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪ প্রকার — এটি সঠিক উত্তর কারণ প্রতিযোগিতামূলক সাঁতারে চারটি ভিন্ন শৈলী ব্যবহৃত হয়। B) ৮ প্রকার — এটি ভুল কারণ সাঁতারে আটটি স্বীকৃত প্রতিযোগিতামূলক শৈলী নেই, সংখ্যাটি অতিরিক্ত। C) ৬ প্রকার — এটি ভুল কারণ সাঁতারের স্ট্রোক সংখ্যা ছয়টি নয়, আন্তর্জাতিকভাবে চারটি প্রধান স্ট্রোক মান্য করা হয়। D) ৭ প্রকার — এটি ভুল কারণ সাঁতারের প্রতিযোগিতায় সাত ধরনের শৈলী বা স্ট্রোকের প্রচলন নেই। মনে রাখার টিপস: সাঁতারের চারটি প্রধান শৈলী মনে রাখতে এফবিবিবি অর্থাৎ ফ্রিস্টাইল, ব্যাকস্ট্রোক, ব্রেস্টস্ট্রোক এবং বাটারফ্লাই এই সূত্রটি মনে রাখতে পারো।
a শিশুর ওজন
b শিশুর শারীরিক সামর্থ্য
c শিশুর মানসিক দক্ষতা
d বাবা-মায়ের আগ্রহ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শিশুর শারীরিক সামর্থ্য কেন সঠিক: - শারীরিক শিক্ষার কর্মসূচি তৈরির সময় শিশুর বয়স ও শারীরিক সক্ষমতা প্রধান বিবেচ্য বিষয়, যাতে অতিরিক্ত চাপ এড়ানো যায়। - শিশুর শারীরিক সামর্থ্য অনুযায়ী কার্যক্রম নির্ধারণ করলে আঘাতের ঝুঁকি কমে এবং শারীরিক বিকাশ সঠিকভাবে ঘটে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শিশুর ওজন — ওজন একটি উপাদান হলেও এটি একা শারীরিক শিক্ষার সামগ্রিক সামর্থ্য বা সহনশীলতা প্রকাশ করে না। B) শিশুর শারীরিক সামর্থ্য — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে আলাদা কোনো ভুল কারণ প্রযোজ্য নয়। C) শিশুর মানসিক দক্ষতা — মানসিক দক্ষতা শিক্ষার অন্য ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হলেও সরাসরি শারীরিক শিক্ষার কর্মসূচি নির্ধারণের মূল ভিত্তি নয়। D) বাবা-মায়ের আগ্রহ — শিশুদের শারীরিক শিক্ষার ক্ষেত্রে বাবা-মায়ের আগ্রহের চেয়ে শিশুর নিজস্ব শারীরিক সক্ষমতা ও চাহিদাকে প্রাধান্য দিতে হয়। মনে রাখার টিপস: শারীরিক শিক্ষার মূল ভিত্তি হলো শিশুর শারীরিক সামর্থ্য, তাই কর্মসূচি সাজাতে হবে তার সক্ষমতা অনুযায়ী।
a জয়নুল আবেদীন
b হাশেম খান
c কামরুল হাসান
d হামিদুর রহমান
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কামরুল হাসান কেন সঠিক: - শিল্পী কামরুল হাসান ১৯৭১ সালে বর্তমান বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত রূপটি ডিজাইন করেন। - তাঁর নকশা অনুযায়ী সবুজ বৃত্তের মাঝে লাল সূর্য খচিত আয়তক্ষেত্রাকার পতাকাটি তৎকালীন সরকারের অনুমোদন পায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জয়নুল আবেদীন — তিনি বাংলাদেশের শিল্পকলার একজন প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী এবং চারুশিল্প ইনস্টিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা হলেও জাতীয় পতাকার ডিজাইনার নন। B) হাশেম খান — তিনি একজন বিশিষ্ট চিত্রশিল্পী হলেও জাতীয় পতাকার ডিজাইনিংয়ের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না, তিনি জাতীয় পতাকার বর্তমান মানের রূপকার নন। C) কামরুল হাসান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। D) হামিদুর রহমান — তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের মূল নকশাবিদ ও স্থপতি, জাতীয় পতাকার ডিজাইনার নন। মনে রাখার টিপস: পতাকা তৈരীতে দরকার শিল্পীর 'কামরুল', এভাবে মনে রাখতে পারেন পতাকার ডিজাইনার কামরুল হাসান।
a প্যারিস
b লন্ডন
c নিউইয়র্ক
d সিডনি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নিউইয়র্ক কেন সঠিক: - ইউ এস ওপেন টেনিস টুর্নামেন্ট প্রতি বছর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরে অনুষ্ঠিত হয়। - এই মর্যাদাপূর্ণ গ্র্যান্ড স্লাম টুর্নামেন্টের খেলাগুলো নিউইয়র্কের ফ্ল্যাশিং মিডোস এলাকায় অবস্থিত ফ্লাশিং মিডো-করোনা পার্কের ইউএসটিএ বিল জিন কিং ন্যাশনাল টেনিস সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্যারিস — এই শহরে ফ্রেঞ্চ ওপেন টেনিস টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়, ইউ এস ওপেন নয়। B) লন্ডন — এই শহরে উইম্বলডন টেনিস টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়, ইউ এস ওপেন নয়। C) নিউইয়র্ক — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন করে ভুল প্রমাণ করার কিছু নেই। D) সিডনি — এই শহরে অস্ট্রেলিয়ান ওপেন অনুষ্ঠিত হয় না, অস্ট্রেলিয়ান ওপেন মেলবোর্নে অনুষ্ঠিত হয়। মনে রাখার টিপস: ইউ এস ওপেন মানেই যুক্তরাষ্ট্র, আর যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান শহর নিউইয়র্কে এই টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়।
a সাদা ও কালো
b লাল ও সাদা
c নীল ও কালো
d কালো ও সবুজ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) লাল ও সাদা কেন সঠিক: - অ্যাথলেটিকস প্রতিযোগিতার হার্ডলস বা বাধা দৌ্রে ব্যবহারের জন্য আন্তর্জাতিক অ্যাথলেটিকস ফেডারেশনের নিয়ম অনুযায়ী এর টপ বা ওপরের বারটি লাল ও সাদা রঙে রাঙানো হয়। - এই রঙের বিন্যাসটি দৌড়বিদদের কাছে বাধাটিকে সহজে দৃশ্যমান করে তোলে যাতে তারা নিরাপদে অতিক্রম করতে পারেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাদা ও কালো — আন্তর্জাতিক অ্যাথলেটিকস নিয়মে হার্ডলসের জন্য এই রঙের কোনো নির্দিষ্ট মানদণ্ড নেই। B) লাল ও সাদা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। C) নীল ও কালো — এই রঙের কোনো কম্বিনেশন হার্ডলসের বার তৈরিতে ব্যবহার করা হয় না। D) কালো ও সবুজ — এই রঙের সংমিশ্রণ স্ট্যান্ডার্ড হার্ডলস বারের আন্তর্জাতিক নিয়মবহির্ভূত। মনে রাখার টিপস: জাতীয় পতাকার রং লাল-সবুজ হলেও হার্ডলসের রঙে সবুজ নেই, সেখানে লাল ও সাদা ব্যবহার করা হয়।
a ৪ ভাগে
b ৩ ভাগে
c ৫ ভাগে
d ২ ভাগে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩ ভাগে কেন সঠিক: - স্পোর্টস মেডিসিন বা ক্রীড়া চিকিৎসা বিজ্ঞানকে প্রধানত তিনটি ভাগে বিভক্ত করা হয়েছে। - এই ভাগগুলো হলো প্রতিষেধক, চিকিৎসা এবং পুনর্বাসন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪ ভাগে — ক্রীড়া চিকিৎসাবিজ্ঞানের প্রচলিত ও স্বীকৃত শ্রেণিবিন্যাস অনুযায়ী এটি সঠিক সংখ্যা নয়। B) ৩ ভাগে — এটি সঠিক উত্তর কারণ স্পোর্টস মেডিসিন প্রধানত তিনটি ভাগে বিভক্ত। C) ৫ ভাগে — এই ক্ষেত্রে বিভাগগুলোর সংখ্যা পাঁচটিতে বিন্যস্ত করা হয় না। D) ২ ভাগে — বিভাগগুলোর পরিধি এবং কাজের ধরন বিবেচনা করে একে দুই ভাগে সীমাবদ্ধ করা যায় না। মনে রাখার টিপস: স্পোর্টস মেডিসিনের ৩টি ভাগ মনে রাখতে প্রথম অক্ষর মনে রাখুন: প্র-চি-পু (প্রতিষেধক, চিকিৎসা, পুনর্বাসন)।
a দৈর্ঘ্য- ২০ মি. × প্রস্থ ৩০ মি.
b দৈর্ঘ্য- ৩০ মি. × প্রস্থ ২০ মি.
c দৈর্ঘ্য- ২৫ মি. × প্রস্থ ২০ মি.
d দৈর্ঘ্য- ১৮ মি. × প্রস্থ ২৫ মি.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দৈর্ঘ্য- ৩০ মি. × প্রস্থ ২০ মি. কেন সঠিক: - আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুযায়ী পুরুষদের ওয়াটার পোলো খেলার মাঠের আদর্শ দৈর্ঘ্য ৩০ মিটার এবং প্রস্থ ২০ মিটার হয়ে থাকে। - এই নির্দিষ্ট মাপে খেলোয়াড়রা সাঁতার কাটা এবং বল পাস করার জন্য পর্যাপ্ত ও নিরাপদ জায়গা পায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দৈর্ঘ্য- ২০ মি. × প্রস্থ ৩০ মি. — এটি ভুল কারণ দৈর্ঘ্য কম এবং প্রস্থ বেশি ধরা হয়েছে, যা ওয়াটার পোলোর আন্তর্জাতিক নিয়মের বিপরীত। B) দৈর্ঘ্য- ৩০ মি. × প্রস্থ ২০ মি. — এটি সঠিক মাপ হওয়ায় এই অপশনটিই নির্দিষ্ট করা হয়েছে। C) দৈর্ঘ্য- ২৫ মি. × প্রস্থ ২০ মি. — ২৫ মিটার দৈর্ঘ্য সাঁতারের অন্যান্য ইভেন্টে ব্যবহৃত হলেও ওয়াটার পোলোর জন্য এটি সঠিক নয়। D) দৈর্ঘ্য- ১৮ মি. × প্রস্থ ২৫ মি. — এই মাপের কোনো আন্তর্জাতিক মান ওয়াটার পোলো খেলার জন্য নির্ধারিত নেই। মনে রাখার টিপস: ওয়াটার পোলো খেলার মাপ মনে রাখতে ৩ ও ২ সংখ্যাটি মনে রাখুন, যেখানে দৈর্ঘ্য ৩০ মিটার এবং প্রস্থ ২০ মিটার হয়।
a ঢাকা
b সিলেট
c দিনাজপুর
d রাঙামাটি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সিলেট কেন সঠিক: - বাংলাদেশের সিলেট জেলার ছাতক অঞ্চলে প্রচুর পরিমাণে চুনাপাথর পাওয়া যায়। - এটি বাংলাদেশের প্রধান চুনাপাথর খনি অঞ্চল হিসেবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঢাকা — এটি বাংলাদেশের রাজধানী ও সমভূমি অঞ্চল, এখানে খনিজ চুনাপাথরের কোনো খনি নেই। B) সিলেট — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এখানে চুনাপাথরের খনি রয়েছে। C) দিনাজপুর — এই জেলায় মধ্যপাড়া কঠিন শিলা ও বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি থাকলেও চুনাপাথর পাওয়া যায় না। D) রাঙামাটি — এটি পাহাড়ি অঞ্চল, এখানে চুনাপাথর নয় বরং অন্য খনিজ ও প্রাকৃতিক সম্পদ পাওয়া যায়। মনে রাখার টিপস: সিলেট মানেই চুনাপাথর বা ছাতকের খনি।
a শারীরিক বৃদ্ধি
b শারীরিক সুস্থতা
c নিয়মিত ব্যায়াম
d লেখাপড়া
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শারীরিক সুস্থতা কেন সঠিক: - শারীরিক সুস্থতা বলতে মানবদেহের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ও শারীরবৃত্তীয় সিস্টেমগুলোর স্বাভাবিক ও সুশৃঙ্খল কার্যক্ষমতাকে বোঝায়। - সুস্থ দেহের অভ্যন্তরীণ বিপাকক্রিয়া, রক্তসঞ্চালন ও রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা সঠিকভাবে কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শারীরিক বৃদ্ধি — এটি কেবল দেহের আকার বা ওজন বৃদ্ধি নির্দেশ করে, যা অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়ার সঠিক কার্যকারিতা নিশ্চিত করে না। B) শারীরিক সুস্থতা — এটি সঠিক উত্তর। C) নিয়মিত ব্যায়াম — এটি শারীরিক সুস্থতা অর্জনের একটি মাধ্যম মাত্র, কিন্তু সরাসরি অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়ার সার্বিক কার্যকারিতা নয়। D) লেখাপড়া — এটি মানুষের মানসিক বিকাশ ও জ্ঞান অর্জনের সাথে সম্পর্কিত, যা শারীরিক অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়ার সাথে সরাসরি যুক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: দেহের ভেতরকার সব কাজ ঠিক রাখতে সবার আগে প্রয়োজন শারীরিক সুস্থতা।
a গেরিলা
b আবার তোরা মানুষ হ
c ওরা ১১ জন
d ছোটপুত্র কমলা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ছোটপুত্র কমলা কেন সঠিক: - ছোটপুত্র কমলা কোনো মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র নয়। - এটি বাংলা চলচ্চিত্র শিল্পের পরিচিত কোনো মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্য বা ফিচার ফিল্মের তালিকায় নেই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গেরিলা — এটি নাসিরউদ্দিন ইউসুফ বাচ্চু পরিচালিত ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি অত্যন্ত প্রশংসিত চলচ্চিত্র। B) আবার তোরা মানুষ হ — এটি খান আতাউর রহমান পরিচালিত ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি বিখ্যাত চলচ্চিত্র। C) ওরা ১১ জন — এটি চাষী নজরুল ইসলাম পরিচালিত বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধভিত্তিক প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র। D) ছোটপুত্র কমলা — এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কোনো চলচ্চিত্র নয়, তাই এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্রগুলো মনে রাখতে প্রথম সারির ছবি যেমন ওরা ১১ জন, গেরিলা ও আবার تورا মানুষ হ নামের তালিকাটি মনে রাখুন।
a প্যারিস চুক্তি
b মন্ট্রিল প্রটোকল
c কিয়োটো প্রটোকল
d কুপ-১৫
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কিয়োটো প্রটোকল কেন সঠিক: - ১৯৯৭ সালে গৃহীত কিয়োটো প্রটোকলে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাসের পাশাপাশি কার্বন ট্রেড বা কার্বন ব্যবসার ধারণাটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রবর্তন করা হয়। - এই চুক্তির মাধ্যমে উন্নত দেশগুলো কোটা অনুযায়ী কার্বন নির্গমন কমাতে এবং না পারলে অন্য দেশ থেকে কার্বন ক্রেডিট কিনে তা ভারসাম্য করতে পারে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্যারিস চুক্তি — এটি ২০১৫ সালে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি দুই ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে রাখার লক্ষ্য নির্ধারণ করে, কার্বন ট্রেডের মূল প্রবর্তক নয়। B) মন্ট্রিল প্রটোকল — এটি ১৯৮৭ সালে ওজোন স্তর ক্ষয়কারী উপাদানসমূহের ওপর স্বাক্ষরিত একটি চুক্তি, যা কার্বন ট্রেডের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) কুপ-১৫ — এটি কোপ-১৫ নামে পরিচিত এবং ২০০৯ সালে কোপেনহেগেনে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের জলবায়ু সম্মেলন, যা কার্বন ট্রেডের ধারণা দেয়নি। মনে রাখার টিপস: কার্বন ট্রেড বা ব্যবসা বলতে কার্বন নির্গমনের কোটা কেনাবেচাকে বোঝায়, যা প্রথম চালু হয়েছিল ১৯৯৭ সালের কিয়োটো প্রটোকলে।
a ১৬ ডিসেম্বর
b ২৬ মার্চ
c ২১ মার্চ
d ১৭ মার্চ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৬ মার্চ কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। - এই দিন থেকেই বাঙালি জাতি আনুষ্ঠানিকভাবে সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধে অবতীর্ণ হয় এবং দিনটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস হিসেবে পালিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৬ ডিসেম্বর — এটি বাংলাদেশের বিজয় দিবস, যেদিন পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী আত্মসর্পণ করেছিল। C) ২১ মার্চ — এটি কোনো জাতীয় স্বাধীনতা দিবস নয়, তবে বাংলা ঐতিহাসিক ঘটনাবলির সঙ্গে সম্পর্কিত একটি সাধারণ দিন। D) ১৭ মার্চ — এটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস। মনে রাখার টিপস: স্বাধীনতা শুরু হয় ২৬ মার্চে এবং বিজয় অর্জিত হয় ১৬ ডিসেম্বরে।
a ব্রজেন দাস
b আঃ মালেক
c মোশাররফ হোসেন
d রওশন আলী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ব্রজেন দাস কেন সঠিক: - ব্রজেন দাস ১৯৫৮ সালে দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম ব্যক্তি এবং প্রথম বাঙালি সাঁতারু হিসেবে ইংলিশ চ্যানেল অতিক্রম করেন। - তিনি ১৯৫৮ থেকে ১৯৬১ সালের মধ্যে মোট ছয়বার ইংলিশ চ্যানেল অতিক্রম করে বিশ্ব রেকর্ড গড়েন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্রজেন দাস — এটি সঠিক উত্তর, কারণ তিনি প্রথম বাঙালি হিসেবে ইংলিশ চ্যানেল সাঁতরে পার হন। B) আঃ মালেক — তিনি বাংলাদেশের একজন পরিচিত সাঁতারু হলেও প্রথম ইংলিশ চ্যানেল অতিক্রমকারী নন। C) মোশাররফ হোসেন — তিনি এই ঐতিহাসিক অর্জনের সঙ্গে যুক্ত নন এবং প্রথম ইংলিশ চ্যানেল অতিক্রমকারী হিসেবে রেকর্ড করেননি। D) রওশন আলী — তিনি এই প্রশ্নের উত্তরের সঙ্গে সম্পর্কিত নন এবং প্রথম সাঁতারু হিসেবে এই কৃতিত্ব অর্জন করেননি। মনে রাখার টিপস: ইংলিশ চ্যানেলের ঢেউয়ে প্রথম ভাসল ব্রজেন দাসের নাম, মনে রেখ তাকে প্রথম বাঙালি সাঁতারুর অভিধানে।
a ১৪টি
b ১৫টি
c ১৬টি
d ১৭টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৭টি কেন সঠিক: - এসডিজি বা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার পূর্ণরূপ হলো Sustainable Development Goals, যার মূল লক্ষ্য ১৭টি। - ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে এই ১৭টি লক্ষ্যমাত্রা ও ১৬৯টি নির্দিষ্টি সূচক আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৪টি — এটি কোনো প্রতিষ্ঠিত বৈশ্বিক বা জাতীয় সূচকের মূল লক্ষ্যমাত্রার সংখ্যা নয়। B) ১৫টি — এমডিজি বা সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার মূল লক্ষ্য ছিল ৮টি, ১৫টি নয়। সি) ১৬টি — এসডিজির লক্ষ্যমাত্রা ১৬টি নয়, বরং এটি ১৭টি মূল স্তম্ভ নিয়ে গঠিত। ডি) ১৭টি — এটি এসডিজির নির্ধারিত সঠিক ও মূল লক্ষ্যমাত্রার সংখ্যা। মনে রাখার টিপস: এসডিজি শব্দের ইংরেজি বর্ণ ১৭টি বা এসডিজি চালুর সাল ২০১৫ এর সাথে মিলিয়ে ১৭ সংখ্যাটি মনে রাখা যায়।
a ১৯৮৪ সালে
b ১৯৮০ সালে
c ১৯৮৬ সালে
d ১৯৮৮ সালে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৯৮৪ সালে কেন সঠিক: - বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর লস অ্যাঞ্জেলেস অলিম্পিকে প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে অংশগ্রহণ করে। - এই অলিম্পিকের মাধ্যমে বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক ক্রীড়ার সবচেয়ে বড় আসরে পতাকা ওড়ায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৮৪ সালে — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাংলাদেশ প্রথম এই সালে অলিম্পিকে অংশ নেয়। B) ১৯৮০ সালে — এই সালে মস্কো অলিম্পিক অনুষ্ঠিত হয়েছিল, যেখানে বাংলাদেশ অংশ নেয়নি। C) ১৯৮৬ সালে — অলিম্পিক গেমস এই বছর অনুষ্ঠিত হয়নি কারণ এটি চার বছর পরপর হয়। D) ১৯৮৮ সালে — এই সালে সিউল অলিম্পিক অনুষ্ঠিত হয়েছিল, যা বাংলাদেশের প্রথম অলিম্পিক নয়। মনে রাখার টিপস: স্বাধীনতার তেরো বছর পর ১৯৮৪ সালের লস অ্যাঞ্জেলেস অলিম্পিকের মাধ্যমে বাংলাদেশের অলিম্পিক যাত্রা শুরু হয়।
a অন্তক্রীড়া
b আন্তক্রীড়া
c লীগক্রীড়া
d প্রীতিম্যাচ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আন্তক্রীড়া কেন সঠিক: - 'আন্ত' উপসর্গটি পরস্পরের মধ্যে বা একাধিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যকার বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। - একটি বিদ্যালয় থেকে অন্য বিদ্যালয়ের মধ্যকার ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আন্তক্রীড়া হিসেবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অন্তক্রীড়া — 'অন্ত' অর্থ ভেতরে, যা একটি প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব সীমানার ভেতরের খেলাধুলাকে বোঝায়। B) আন্তক্রীড়া — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এটি দুটি বা ততোধিক ভিন্ন বিদ্যালয়ের মধ্যকার প্রতিযোগিতাকে নির্দেশ করে। C) লীগক্রীড়া — এটি প্রতিযোগিতার একটি নির্দিষ্ট পদ্ধতি বা ফরম্যাট, বিদ্যালয়গুলোর পারস্পরিক প্রতিযোগিতার সার্বিক নাম নয়। D) প্রীতিম্যাচ — এটি প্রতিযোগিতামূলক মনোভাবের চেয়ে সৌহার্দ্য ও বন্ধুত্বের উদ্দেশ্যে খেলা হয়। মনে রাখার টিপস: নিজের ঘরের ভেতর হলে 'অন্ত' এবং অন্যের ঘরে বা অন্য স্কুলের সাথে হলে 'আন্ত' মনে রাখবে।
a চীন
b জাপান
c রাশিয়া
d ভারত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চীন কেন সঠিক: - বেল্ট এন্ড রোড ইনিশিয়েটিভ হলো চীনের বিশাল অর্থনৈতিক ও পরিকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প। - ২০১৩ সালে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এ উদ্যোগের ঘোষণা দেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চীন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই মেগা প্রকল্পের প্রবক্তা ও অর্থায়নকারী দেশ চীন। B) জাপান — জাপান এই প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত নয়, বরং তারা এর বিকল্প হিসেবে বিভিন্ন অর্থনৈতিক অঞ্চলে কাজ করছে। C) রাশিয়া — রাশিয়া এই উদ্যোগে রাজনৈতিক সমর্থন দিলেও এটি তাদের নিজস্ব কোনো প্রকল্প নয়। D) ভারত — ভারত এই উদ্যোগে অংশগ্রহণ করে না কারণ এই প্রকল্পের অংশ সিপিসি করিডোর তাদের সার্বভৌমত্বকে লঙ্ঘন করে। মনে রাখার টিপস: বেল্ট এন্ড রোড শুনলেই সিল্ক রোডের প্রাচীন দেশটির কথা মাথায় রাখবে, যা হলো চীন।
a ওয়াসিম আকরাম
b মুত্তিয়া মুরালীধরন
c অনিল কুম্লে
d ব্রেটলি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মুত্তিয়া মুরালীধরন কেন সঠিক: - মুত্তিয়া মুরালীধরন একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৩৫০ ম্যাচে ৫৩৪ উইকেট শিকার করে সর্বকালের সর্বোচ্চ উইকেট শিকারির রেকর্ড ধরে রেখেছেন। - তিনি তার স্পিন ভ্যারিয়েশন এবং মিস্ট্রি বলের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এই অনন্য মাইলফলক স্পর্শ করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ওয়াসিম আকরাম — তিনি একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৫০২ উইকেট শিকার করে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি, তাই তিনি প্রথম নন। B) মুত্তিয়া মুরালীধরন — এটি সঠিক উত্তর এবং তিনি এই তালিকার শীর্ষে আছেন। C) অনিল কুম্লে — তিনি একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৩৩৭ উইকেট শিকার করেছেন, যা এই রেকর্ডের জন্য যথেষ্ট নয়। D) ব্রেটলি — তিনি একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৩৮০ উইকেট শিকার করেছেন, যা সর্বোচ্চ উইকেটের রেকর্ড থেকে অনেক কম। মনে রাখার টিপস: শ্রীলঙ্কার স্পিন জাদুকর মুরালীধরন বল হাতে যেমন অনন্য ছিলেন, তেমনি ওয়ানডে ক্রিকেটে সর্বোচ্চ উইকেটের চূড়ায়ও তিনি একা অবস্থান করছেন।
a ২০ মিটার
b ১৫ মিটার
c ১০ মিটার
d ৫ মিটার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২০ মিটার কেন সঠিক: - আন্তর্জাতিক অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশনের নিয়ম অনুযায়ী রিলে দৌড়ে ব্যাটন বদল করার জন্য নির্দিষ্ট একটি অঞ্চল বা জোন নির্ধারিত থাকে। - এই এক্সচেঞ্জ জোনের দৈর্ঘ্য আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী সঠিকভাবে কুড়ি মিটার নির্ধারিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০ মিটার — এটি রিলে দৌড়ে ব্যাটন বদলের নির্ধারিত জায়গার সঠিক এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত দূরত্ব। B) ১৫ মিটার — এটি অ্যাথলেটিক্সের রিলে দৌড়ের ব্যাটন বদলের সঠিক মাপ নয়, তাই এটি ভুল। সি) ১০ মিটার — এই দূরত্বটি রিলে ব্যাটন বদল অঞ্চলের মাপের চেয়ে কম এবং এটি নিয়মবহির্ভূত। ডি) ৫ মিটার — এই সংক্ষিপ্ত দূরত্বে দৌড় থামানো বা ব্যাটন বদল করা অসম্ভব, যা নিয়মের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: রিলে দৌড়ের ব্যাটন বদলের জোন মনে রাখতে কুড়ি সংখ্যাটি মনে রাখুন।
a কেনিয়া
b গাম্বিয়া
c ব্যাকন
d গায়ানা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গাম্বিয়া কেন সঠিক: - আফ্রিকার মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ট দেশ গাম্বিয়া ২০১৯ সালের নভেম্বর মাসে আন্তর্জাতিক আদালতে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর গণহত্যা চালানোর মামলা করে। - ওআইসি সংগঠনের পক্ষে ইসলামিক দেশগুলোর আইনি সহায়তায় গাম্বিয়া এই ঐতিহাসিক মামলাটি পরিচালনা করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কেনিয়া — এটি পূর্ব আফ্রিকার একটি দেশ, যা রোহিঙ্গা গণহত্যা মামলার সঙ্গে কোনোভাবে যুক্ত নয়। C) ব্যাকন — এটি কোনো প্রাসঙ্গিক দেশ নয়, বরং একটি বিভ্রান্তিকর অপশন হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। D) গায়ানা — এটি দক্ষিণ আমেরিকার একটি দেশ, যা আন্তর্জাতিক আদালতে এই মামলার বাদী বা পক্ষ ছিল না। মনে রাখার টিপস: রোহিঙ্গাদের জন্য আইনি লড়াইয়ে এগিয়ে এসেছিল আফ্রিকার ছোট দেশ 'গাম্বিয়া', যার নামের প্রথম অক্ষর 'গ' দিয়ে গণহত্যা শব্দটি মনে রাখা যায়।
a পরিমিত খেলাধুলা ও অনুরূপ ক্রিয়ার মাধ্যমে
b জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমে
c কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে
d পড়াশোনার মাধ্যমে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পরিমিত খেলাধুলা ও অনুরূপ ক্রিয়ার মাধ্যমে কেন সঠিক: - খেলাধুলা ও শারীরিক ক্রিয়া মানুষের শারীরিক সুস্থতার পাশাপাশি মানসিক বিকাশ এবং শৃঙ্খলার শিক্ষা দেয়। - এটি শারীরিক ও মানসিক ক্ষমতার সমন্বয় ঘটিয়ে মানুষের ব্যক্তিত্বের সুষম ও পূর্ণাঙ্গ বিকাশ নিশ্চিত করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পরিমিত খেলাধুলা ও অনুরূপ ক্রিয়ার মাধ্যমে — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। B) জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমে — জ্ঞান অর্জন মানসিক উৎকর্ষ সাধন করলেও তা ব্যক্তিত্বের পূর্ণাঙ্গ বা শারীরিক বিকাশের জন্য একা যথেষ্ট নয়। C) কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে — কঠোর পরিশ্রম শারীরিক সামর্থ্য বাড়ালেও তা সুষম ব্যক্তিত্ব গঠনের একমাত্র বা সার্বিক উপায় হতে পারে না। D) পড়াশোনার মাধ্যমে — পড়াশোনা বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশ ঘটায়, কিন্তু শারীরিক ও সামাজিক বিকাশের জন্য খেলাধুলা বা সহশিক্ষা কার্যক্রমও সমানভাবে প্রয়োজন। মনে রাখার টিপস: ব্যক্তিমত্তার সুষম বিকাশ বলতে শারীরিক ও মানসিক উভয় দিকের উন্নয়ন বোঝায়, যার প্রধান মাধ্যম হলো খেলাধুলা।
a ২৩ সে. মি.
b ৩২ সে. মি.
c ২৫ সে. মি.
d ২৭ সে. মি.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৫ সে. মি. কেন সঠিক: - মৎস্য রক্ষা ও সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী ২৫ সেন্টিমিটার বা ১০ ইঞ্চির কম আকৃতির ইলিশকে জাটকা হিসেবে গণ্য করা হয়। - এই আকৃতির ইলিশ ধরা ও বিক্রি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ, যাতে প্রজননের পূর্বে ছোট ইলিশ বড় হওয়ার সুযোগ পায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৩ সে. মি. — এটি জাটকা নির্ধারণের জন্য আইনিভাবে নির্ধারিত সঠিক মাপ নয়। B) ৩২ সে. মি. — এটি জাটকার মাপের চেয়ে অনেক বড় এবং পূর্ণাঙ্গ ইলিশের কাছাকাছি আকৃতি। D) ২৭ সে. মি. — এটি নির্ধারিত আইনি সীমার চেয়ে বড় হওয়ায় জাটকা হিসেবে গণ্য হয় না। মনে রাখার টিপস: জাটকা মানেই ২৫ সেন্টিমিটার বা তার কম আকৃতির ছোট ইলিশ।
a ৬টি
b ৮টি
c ১০টি
d ১২টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১০টি কেন সঠিক: - ২০২৩ সালের আইসিসি পুরুষ ক্রিকেট বিশ্বকাপে মোট ১০টি জাতীয় দল অংশগ্রহণ করেছিল। - রাউন্ড রবিন লিগ পদ্ধতিতে এই ১০টি দলের সবাই একে অপরের মুখোমুখি হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৬টি — এটি সঠিক নয় কারণ ২০২৩ বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী দলের সংখ্যা এর চেয়ে বেশি ছিল। B) ৮টি — অতীতে কিছু বিশ্বকাপে ৮টি দল অংশ নিলেও ২০২৩ সালের ফরম্যাটে দলের সংখ্যা ১০টি ছিল। C) ১০টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সংখ্যাটি টুর্নামেন্টের অফিসিয়াল নিয়ম ও দলের সঙ্গে মিলে যায়। D) ১২টি — আইসিসির ওয়ানডে বিশ্বকাপের সাম্প্রতিক সংস্করণে ১২টি দল অংশ নেয়নি। মনে রাখার টিপস: বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী দলের সংখ্যা মনে রাখতে মনে রাখুন ১০ আঙুলে ১০টি দল।
a রোগীকে তাৎক্ষণিক চিকিৎসা দেওয়া
b রোগীকে সুস্থ করে তোলা
c রোগীকে পরামর্শ দেওয়া
d রোগীকে হাসপাতালে নেওয়া
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রোগীকে তাৎক্ষণিক চিকিৎসা দেওয়া কেন সঠিক: - প্রাথমিক চিকিৎসা হলো রোগীকে হাসপাতালে নেওয়ার পূর্বে পেশাদার চিকিৎসকের সাহায্য পাওয়ার আগমুহূর্তে দেওয়া তাৎক্ষণিক ও সাময়িক যত্ন। - এটি রোগীর অবস্থার অবনতি রোধ করতে এবং জীবন রক্ষা করতে দ্রুত পদক্ষেপ হিসেবে কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রোগীকে তাৎক্ষণিক চিকিৎসা দেওয়া — এটি প্রাথমিক চিকিৎসার মূল সংজ্ঞা ও সঠিক কার্যপদ্ধতি নির্দেশ করে। B) রোগীকে সুস্থ করে তোলা — প্রাথমিক চিকিৎসা শুধু অবস্থা সামাল দেয়, রোগ পুরোপুরি নিরাময় বা সুস্থ করে তোলে না। C) রোগীকে পরামর্শ দেওয়া — প্রাথমিক চিকিৎসা কোনো চিকিৎসকের সাধারণ পরামর্শ নয়, এটি সরাসরি জীবন রক্ষাকারী তাৎক্ষণিক শারীরিক সহায়তা। D) রোগীকে হাসপাতালে নেওয়া — হাসপাতালে নেওয়া চিকিৎসার অংশ হলেও এটি প্রাথমিক চিকিৎসার সার্বিক কাজ নয়, বরং এর পরবর্তী ধাপ। মনে রাখার টিপস: হাসপাতালে নেওয়ার আগে রোগীর জীবন রক্ষার্থে তাৎক্ষণিক যে সাহায্য দেওয়া হয়, সেটাই প্রাথমিক চিকিৎসা।
a ব্যায়াম
b শারীরিক ও মানসিক শিক্ষা
c গতিবিদ্যা
d জীববিজ্ঞান
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শারীরিক ও মানসিক শিক্ষা কেন সঠিক: - শারীরিক ও মানসিক শিক্ষার সমন্বয়ে মানুষের শরীর সুস্থ থাকে এবং চিন্তাশক্তি বিকশিত হয়। - শিক্ষার মূল লক্ষ্য হলো শিক্ষার্থীর সুপ্ত প্রতিভার পরিপূর্ণ বিকাশ সাধন করা, যা শারীরিক ও মানসিক উৎকর্ষ ছাড়া অসম্ভব। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্যায়াম — এটি কেবল শারীরিক সুস্থতা নিশ্চিত করে, কিন্তু মানসিক বা বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশের জন্য এটি পূর্ণাঙ্গ মাধ্যম নয়। B) শারীরিক ও মানসিক শিক্ষা — এটি শিক্ষার্থীর সর্বাঙ্গীন বিকাশের একমাত্র সঠিক এবং পূর্ণাঙ্গ মাধ্যম। C) গতিবিদ্যা — এটি পদার্থবিজ্ঞানের একটি শাখা, যা মানব উন্নয়নের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। D) জীববিজ্ঞান — এটি জীবনের বিজ্ঞানভিত্তিক আলোচনা, যা সর্বাঙ্গীন শিক্ষার সামগ্রিক পরিধিকে সম্পূর্ণভাবে কভার করে না। মনে রাখার টিপস: সর্বাঙ্গীন বিকাশ বলতে শরীর ও মন দুটিরই একসঙ্গে উন্নতি বোঝায়, তাই শারীরিক ও মানসিক শিক্ষাই সঠিক উত্তর।
a এইচ রুনি
b সি এলফারাজ
c জন জকোভিচ
d জার্মানির অ্যালেকজান্ডার জভেরেভ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জার্মানির অ্যালেকজান্ডার জভেরেভ কেন সঠিক: - বর্তমান পুরুষ টেনিস ATP র‍্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষস্থান অধিকারের ক্ষেত্রে প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী জার্মানির এই খেলোয়াড়টি বর্তমানে শীর্ষে অবস্থান করছেন। - প্রতিযোগিতামূলক টেনিসে তার ধারাবাহিক চমৎকার পারফরম্যান্সের কারণে তিনি এই শীর্ষস্থান অর্জন করেছেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) এইচ রুনি — ইনি একজন শীর্ষস্থানীয় টেনিস খেলোয়াড় হলেও বর্তমান ATP র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষস্থানে অবস্থান করছেন না। B) সি এলফারাজ — কার্লোস আলকারাজ টেনিস বিশ্বের একজন শীর্ষ খেলোয়াড় হলেও প্রদত্ত তথ্যানুযায়ী তিনি এই মুহূর্তে এই প্রশ্নের নির্দিষ্ট র‍্যাঙ্কিংয়ের এক নম্বরে নেই। C) জন জকোভিচ — নোভাক জকোভিচ টেনিস ইতিহাসের অন্যতম সফল খেলোয়াড় হলেও এই নির্দিষ্ট প্রশ্নের উত্তর হিসেবে তিনি সঠিক নন। D) জার্মানির অ্যালেকজান্ডার জভেরেভ — এটি এই প্রশ্নের জন্য নির্ধারিত সঠিক উত্তর যা বর্তমান র‍্যাঙ্কিংয়ের সঙ্গে মিলে যায়। মনে রাখার টিপস: পুরুষ টেনিস র‍্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষস্থান মনে রাখতে জার্মানির তারকা খেলোয়াড় অ্যালেকজান্ডার জভেরেভের নাম ভালোভাবে আয়ত্ত করুন।
a ৪১টি
b ৪২টি
c ৪৩টি
d ৪৪টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪২টি কেন সঠিক: - ক্রিকেটের আইন প্রণয়ন ও নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে থাকা মেলবোর্ন ক্রিকেট ক্লাব বা এমসিসি এর নিয়ম অনুযায়ী ক্রিকেট খেলার মোট আইন বা ল'স অব ক্রিকেট সংখ্যায় ৪২টি। - এই আইনগুলো খেলার মাঠ, পিচ, বল, ব্যাট এবং খেলোয়াড়দের আচরণসহ খেলার সার্বিক নিয়মকানুন নির্ধারণ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪১টি — এটি ক্রিকেটের মোট আইনের সঠিক সংখ্যা নয়। B) ৪২টি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) ৪৩টি — ক্রিকেট খেলার আইনের প্রথাগত সংখ্যার সাথে এই সংখ্যাটি মেলে না। D) ৪৪টি — এটি ক্রিকেটের মোট আইনের নির্ধারিত সংখ্যার চেয়ে বেশি। মনে রাখার টিপস: ক্রিকেট খেলায় দুই দলের প্রতি ইনিংসে ১১ জন করে মোট ২২ জন খেলোয়াড় মাঠে নামে, আর এই খেলোয়াড় সংখ্যার দ্বিগুণ অর্থাৎ বাইশ গুণ দুই সমান বেয়াল্লিশ বা ৪২টি হলো ক্রিকেটের মোট আইন।
a এপিকালচার
b সেরিকালচার
c পিসিকালচার
d হর্টিকালচার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) এপিকালচার কেন সঠিক: - এপিকালচার হলো বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে মৌমাছি পালন ও মধু উৎপাদনের প্রক্রিয়া। - এটি মূলত বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে মৌচাক তৈরি এবং মৌমাছির পরিচর্যা সংক্রান্ত বিদ্যা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) এপিকালচার — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি মৌমাছি চাষের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। B) সেরিকালচার — এটি রেশম গুটি পোকা চাষ বা রেশম উৎপাদনের সঙ্গে সম্পর্কিত। C) পিসিকালচার — এটি মাছ চাষ ও মৎস্য উৎপাদন সম্পর্কিত বিজ্ঞান। D) হর্টিকালচার — এটি উদ্যান পালন বা ফলমূল ও শাকসবজি চাষ সংক্রান্ত বিদ্যা। মনে রাখার টিপস: মৌমাছি অ্যাপস এর মতো দল বেঁধে উড়ে, তাই মৌমাছি চাষ হলো এপিকালচার।
a রফিকুল হাসান
b জাকারিয়া পিন্টু
c প্রতাপ শংকর হাজরা
d অমর নাথ সিং
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জাকারিয়া পিন্টু কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে বিশ্বজনমত গঠন এবং যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের সহায়তার জন্য স্বাধীনবাংলা ফুটবল টিম গঠিত হয়। - প্রখ্যাত ফুটবলার জাকারিয়া পিন্টু এই ঐতিহাসিক দলের সফল অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রফিকুল হাসান — তিনি স্বাধীনবাংলা ফুটবল দলের সদস্য ছিলেন, তবে দলের অধিনায়ক ছিলেন না। B) জাকারিয়া পিন্টু — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এখানে নতুন কোনো কারণ প্রযোজ্য নয়। C) প্রতাপ শংকর হাজরা — তিনি এই দলের একজন গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় ছিলেন, কিন্তু অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেননি। D) অমর নাথ সিং — তিনি স্বাধীনবাংলা ফুটবল দলের খেলোয়াড় হিসেবে খেলেছিলেন, অধিনায়ক ছিলেন না। মনে রাখার টিপস: স্বাধীনতার পতাকা মাঠে উড়িয়েছিলেন যিনি, সেই পিন্টুই ছিলেন স্বাধীনবাংলা ফুটবল দলের অধিনায়ক।
a বাংলাদেশ বিজ্ঞান জাদুঘর
b বিসিএসআইআর
c স্পারসো
d বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট- ১
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) স্পারসো কেন সঠিক: - স্পারসো (SPARRSO) হলো বাংলাদেশের জাতীয় মহাকাশ গবেষণা ও দূরঅনুধাবন প্রতিষ্ঠান। - এটি মহাকাশ গবেষণা, উপগ্রহ চিত্র বিশ্লেষণ এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ পর্যবেক্ষণের কাজে নিয়োজিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাংলাদেশ বিজ্ঞান জাদুঘর — এটি বিজ্ঞানভিত্তিক প্রদর্শনী এবং শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞানমনস্ক করার জন্য প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠান, মহাকাশ গবেষণা করে না। B) বিসিএসআইআর — এটি বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ, যা মূলত শিল্প ও ফলিত বিজ্ঞান নিয়ে গবেষণা করে। C) স্পারসো — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশনের কারণ প্রযোজ্য নয়। D) বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট- ১ — এটি বাংলাদেশের প্রথম কৃত্রিম উপযোগ বা স্যাটেলাইট, কোনো গবেষণা প্রতিষ্ঠান নয়। মনে রাখার টিপস: মহাকাশ বা স্পেস শব্দটির সঙ্গে মিল রেখে মনে রাখবে মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠানের নাম স্পারসো।
a ডুরান্ড রেখা
b র‍্যাডক্লিফ রেখা
c ইন্দো- চীন লাইন
d ম্যাকমোহন রেখা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ম্যাকমোহন রেখা কেন সঠিক: - ১৯১৪ সালে সিমলা চুক্তির মাধ্যমে ভারত ও চীনের মধ্যে এই সীমান্তরেখা নির্ধারিত হয়। - ব্রিটিশ ভারতের বৈদেশিক সচিব স্যার হেনরি ম্যাকমোহনের নামানুসারে এই সীমানার নামকরণ করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডুরান্ড রেখা — এটি পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যকার সীমান্তবর্তী রেখা। B) র‍্যাডক্লিফ রেখা — এটি ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার সীমান্তবর্তী রেখা। C) ইন্দো- চীন লাইন — এটি কোনো আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সীমান্তরেখার নাম নয়। D) ম্যাকমোহন রেখা — এটি ভারত ও চীনের মধ্যকার সীমান্তরেখা নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: চীন শব্দটিতে চ আছে এবং ম্যাকমোহন রেখার ম্যাক অংশে ম আছে, যা দিয়ে চীন ও ম্যাকমোহন মনে রাখা সহজ।
a ৮ জন
b ১০ জন
c ১২ জন
d ১৪ জন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১২ জন কেন সঠিক: - কাবাডি খেলায় প্রতিটি দল রেজিস্টার্ড খেলোয়াড় হিসেবে মোট ১২ জন খেলোয়াড় নিয়ে গঠিত হয়। - এই ১২ জনের মধ্যে মাঠে একসঙ্গে ৭ জন খেলোয়াড় অংশ নেয় এবং বাকি ৫ জন খেলোয়াড় অতিরিক্ত হিসেবে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৮ জন — কাবাডি খেলার নিয়মে দলে ৮ জন খেলোয়াড় রাখার কোনো বিধান নেই। B) ১০ জন — এটি কাবাডি দলের নির্ধারিত কোনো খেলোয়াড় সংখ্যা নয়। C) ১২ জন — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল হিসেবে গণ্য নয়। D) ১৪ জন — কাবাডি দলের খেলোয়াড় সংখ্যা ১৪ জন হয় না। মনে রাখার টিপস: মাঠে খেলি ৭ জন, দলের মোট সদস্য ১২ জন।
a ৬ জন
b ৭ জন
c ৮ জন
d ৯ জন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৭ জন কেন সঠিক: - ওয়াটার পোলো একটি দলগত জলক্রীড়া, যেখানে প্রতিটি দল থেকে মাঠে একসঙ্গে ৭ জন খেলোয়াড় অংশ নেন। - এই ৭ জন খেলোয়াড়ের মধ্যে ১ জন গোলরক্ষক এবং বাকি ৬ জন আউটফিল্ড খেলোয়াড় হিসেবে খেলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৬ জন — এটি ভুল কারণ ওয়াটার পোলো দলের পূর্ণাঙ্গ সদস্য সংখ্যা ৬ জন নয়, বরং মাঠে ৭ জন খেলোয়াড় খেলেন। B) ৭ জন — এটি সঠিক উত্তর, কারণ নিয়মানুযায়ী প্রতিটি ওয়াটার পোলো দলে মাঠে ৭ জন খেলোয়াড় থাকেন। C) ৮ জন — এটি ভুল কারণ ওয়াটার পোলো খেলায় মাঠে একসঙ্গে ৮ জন খেলোয়াড় খেলার নিয়ম নেই। D) ৯ জন — এটি ভুল কারণ ৯ জন খেলোয়াড় সাধারণত বেসবল খেলায় খেলে থাকেন, ওয়াটার পোলোতে নয়। মনে রাখার টিপস: ওয়াটার পোলো শব্দটিতে ৭টি বর্ণ আছে এবং দলে খেলোয়াড়ও ৭ জন।
a ৩টি
b ২টি
c ৪টি
d ১টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩টি ১. কেন সঠিক: - বিজ্ঞানী স্যার আইজ্যাক নিউটন ১৬৮৭ সালে তার বিখ্যাত প্রিন্সিপিয়া ম্যাথমেটিকা গ্রন্থে গতির তিনটি সূত্র প্রকাশ করেন। - এই তিনটি সূত্র বল এবং গতির সম্পর্ক অত্যন্ত নিখুঁতভাবে ব্যাখ্যা করে, যা ক্লাসিক্যাল মেকানিক্সের ভিত্তি। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: বল প্রয়োগ করলে বস্তু কীভাবে গতিশীল হয় বা স্থির থাকে, তা নিউটনের গতিসূত্রগুলো দিয়ে ব্যাখ্যা করা যায়। - সূত্র বা তত্ত্ব: প্রথম সূত্র জাড্য ও বলের সংজ্ঞা দেয়, দ্বিতীয় সূত্র বল পরিমাপের সমীকরণ প্রদান করে এবং তৃতীয় সূত্র ক্রিয়া ও প্রতিক্রিয়ার সমান ও বিপরীতমুখী সম্পর্কের কথা বলে। - বাস্তব প্রয়োগ: রকেটের উৎক্ষেপণ থেকে শুরু করে সাধারণ হাঁটাচলা পর্যন্ত সবকিছুই এই তিনটি সূত্রের ওপর নির্ভরশীল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাস হুট করে চলতে শুরু করলে যাত্রীরা পেছনের দিকে হেলে পড়ে। ব্যাখ্যা: এটি নিউটনের প্রথম সূত্রের জাড্য ধর্মের কারণে ঘটে, যেখানে স্থির বস্তু স্থির থাকতে চায়। উদাহরণ ২: সাঁতার কাটার সময় হাত দিয়ে পেছনের দিকে পানি ঠেললে সাঁতারু সামনে এগিয়ে যায়। ব্যাখ্যা: এটি নিউটনের তৃতীয় সূত্রের চমৎকার উদাহরণ, যেখানে প্রতিটি ক্রিয়ার একটি সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ নিউটনের গতিবিষয়ক সর্বমোট তিনটি মৌলিক সূত্র রয়েছে। B) ২টি — এটি ভুল কারণ নিউটনের গতিসূত্রের সংখ্যা দুটি নয়, বরং তিনটি। তবে গতিসংক্রান্ত সমীকরণ অনেকগুলো থাকতে পারে। C) ৪টি — এটি ভুল কারণ নিউটনের গতির মূল সূত্র কখনোই চারটি ছিল না। তবে কেপলারের গ্রহের গতির সূত্র চারটি নয়, তিনটি। D) ১টি — এটি ভুল কারণ একটিমাত্র সূত্র দিয়ে বল ও গতির সম্পূর্ণ সমীকরণ ব্যাখ্যা করা সম্ভব নয়। তবে মহাকর্ষের সূত্র বা অন্য কোনো নির্দিষ্ট একক সূত্র হতে পারে। ৫ মনে রাখার টিপস: - নিউটনের সূত্রের সংখ্যা মনে রাখার সহজ উপায় হলো তিন অক্ষর বিশিষ্ট শব্দ গতি এবং সূত্র সংখ্যাও তিন। - প্রথম সূত্র জাড্য, দ্বিতীয় সূত্র ভরবেগ এবং তৃতীয় সূত্র প্রতিক্রিয়ার হিসাব দেয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে রকেটের গতি নিউটনের কোন সূত্রের ওপর ভিত্তি করে চলে, যার উত্তর হলো তৃতীয় সূত্র। - দ্বিতীয় সূত্র থেকে বলের মান নির্ণয় করা যায় এবং প্রথম সূত্রটি মূলত দ্বিতীয় সূত্রের একটি বিশেষ রূপ।

মোট প্রশ্ন (21)

a সান্ধ্যভাষা
b ব্রজবুলি
c নেপালি ভাষা
d সিংহলি ভাষা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ব্রজবুলি ১. কেন সঠিক: - বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা ভাষা ছাড়াও কৃত্রিম বা সাহিত্যিক ভাষা ব্রজবুলিতে বেশ কিছু গান ও পদ রচনা করেছেন। - ব্রজবুলি মূলত কোনো জনপদের কথ্য ভাষা নয়, এটি বৈষ্ণব পদাবলি রচনার জন্য কবিদের ব্যবহৃত একটি কৃত্রিম কাব্যভাষা। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ভানুসিংহের পদাবলী গ্রন্থে ব্রজবুলি ভাষায় পদ রচনা করেছিলেন যা প্রথম দিকে প্রাচীন কোনো কবির রচনা বলে ভুল হয়েছিল। - ব্রজবুলি মূলত মৈথিলি ও বাংলা ভাষার এক অপূর্ব মিশ্রণ যা বিদ্যাপতিসহ বহু মধ্যযুগীয় কবি ব্যবহার করেছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গহন কুসুম কুঞ্জ মাঝে ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভানুসিংহের পদাবলী গ্রন্থের একটি বিখ্যাত ব্রজবুলি গান। উদাহরণ ২: সজনি সজনি দুখ মোর কহ না জৈব ব্যাখ্যা: এটিও ভানুসিংহের পদাবলী থেকে সংগৃহীত ব্রজবুলি ভাষায় রচিত একটি পদ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সান্ধ্যভাষা — সান্ধ্যভাষা চর্যাপদের ভাষার সঙ্গে সম্পর্কিত এবং এটি বজ্রযান বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্যদের রচিত ভাষারূপ, রবীন্দ্রনাথ এতে গান লেখেননি। B) ব্রজবুলি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় মূল অংশে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। C) নেপালি ভাষা — নেপালি ভাষা পাহাড়ি ইন্দো-আরিয়ান গোষ্ঠীভুক্ত ভাষা এবং রবীন্দ্রনাথ এই ভাষায় কোনো গান রচনা করেননি। D) সিংহলি ভাষা — সিংহলি ভাষা শ্রীলঙ্কার প্রধান ভাষা এবং রবীন্দ্রনাথ এই ভাষায় কোনো গান বা সাহিত্য রচনা করেননি। ৫ মনে রাখার টিপস: - রবীন্দ্রনাথের ব্রজবুলি ভাষাভিত্তিক রচনার জন্য ভানুসিংহ ঠাকুর ছদ্মনাম এবং ভানুসিংহের পদাবলী গ্রন্থটি মনে রাখা প্রয়োজন। - ছদ্মনামের সঙ্গে ব্রজবুলি ভাষার সম্পর্ক মনে রাখলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ভানুসিংহ ছদ্মনামে মোট কয়টি পদ লিখেছিলেন এবং সেগুলো কোন ভাষায় রচিত তা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। - এই ধরনের সাহিত্যিক প্রশ্নের ক্ষেত্রে লেখকের ছদ্মনাম এবং গ্রন্থভিত্তিক তথ্য ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a ৪ প্রকার
b ১ প্রকার
c ৩ প্রকার
d ২ প্রকার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২ প্রকার ১. কেন সঠিক: ব্যুৎপত্তি বা উৎস অনুসারে অনুসর্গ মূলত দুই ভাগে বিভক্ত। এগুলো হলো তদ্ভব বা খাঁটি বাংলা অনুসর্গ এবং তৎসম বা সংস্কৃত অনুসর্গ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যেসব শব্দ বিশেষ বা সর্বনাম পদের পরে বসে কারক বোঝাতে সাহায্য করে এবং বাক্যের অর্থ প্রকাশে সহায়তা করে তাদের অনুসর্গ বা কর্মপ্রবচনীয় বলে। বাংলা ব্যাকরণে উৎপত্তি বা গঠনগত দিক থেকে অনুসর্গ দুই প্রকারের হয়ে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হতে ব্যাখ্যা: এটি একটি তদ্ভব বা খাঁটি বাংলা অনুসর্গ যা উৎস বা মাধ্যমের অর্থে বাক্যে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: কর্তৃক ব্যাখ্যা: এটি একটি তৎসম বা সংস্কৃত অনুসর্গ যা সাধারণত কর্মবাচ্যে কারক বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪ প্রকার — অনুসর্গ সংখ্যায় চার প্রকার নয়, ব্যুৎপত্তিগত দিক থেকে অনুসর্গ প্রধানত দুই প্রকার। B) ১ প্রকার — অনুসর্গ এক প্রকার হতে পারে না কারণ বাংলা ভাষায় দেশি ও বিদেশি উভয় উৎসের অনুসর্গ রয়েছে। C) ৩ প্রকার — অনুসর্গ তিন প্রকার নয়, ব্যাকরণবিদগণ একে মূলত দুই ভাগে ভাগ করেছেন। D) ২ প্রকার — এই অপশনটি সঠিক কারণ ব্যুৎপত্তি অনুসারে অনুসর্গ তদ্ভব ও তৎসম এই দুই ভাগে বিভক্ত। ৫. মনে রাখার টিপস: অনুসর্গ কয় প্রকার তা মনে রাখার জন্য উৎসের কথা মনে রাখবে। উৎস বা ব্যুৎপত্তি দুই অক্ষরের শব্দ, তাই অনুসর্গও দুই প্রকার। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনুসর্গের প্রকারভেদ প্রায়ই আসে। অনুসর্গগুলো মূলত অব্যয় পদের অন্তর্ভুক্ত এবং এরা শব্দের পরে বসে বিভক্তির কাজ করে।
a মীর মশাররফ হোসেন
b রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী
c কাজী নজরুল ইসলাম
d বন্দ্যে আলী মিয়া
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কাজী নজরুল ইসলাম ১. কেন সঠিক: - ‘মৃত্যুক্ষুধা’ হলো জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস। - এই উপন্যাসের মাধ্যমে লেখক সমাজের দরিদ্র ও অবহেলিত মানুষের জীবনযাত্রা এবং তাদের বেঁচে থাকার সংগ্রাম ফুটিয়ে তুলেছেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত হলেও তিনি সফলভাবে বেশ কিছু উপন্যাস ও ছোটগল্প রচনা করেছেন। - ‘মৃত্যুক্ষুধা’ উপন্যাসে মূলত তৎকালীন গ্রামীণ ও শহরের প্রান্তিক মানুষের অভাব, অনটন এবং নৈতিক মূল্যবোধের দ্বন্দ্ব চমৎকারভাবে চিত্রিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ‘বাটুলের জন্ম’ ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের রচিত একটি বিখ্যাত ছোটগল্প। উদাহরণ ২: ‘কুহেলিকা’ ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের অপর একটি রাজনৈতিক উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মীর মশাররফ হোসেন — তিনি বিখ্যাত ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার হলেও ‘মৃত্যুক্ষুধা’ তাঁর লেখা নয়, তাঁর বিখ্যাত উপন্যাসের নাম ‘বিষাদ সিন্ধু’। B) রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী — তিনি মূলত একজন প্রাবন্ধিক ও বিজ্ঞানী হিসেবে পরিচিত, কোনো উপন্যাস রচনা করেননি। C) কাজী নজরুল ইসলাম — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি প্রশ্নের চাহিদার সঙ্গে সম্পূর্ণরূপে মিলে যায়। D) বন্দ্যে আলী মিয়া — তিনি মূলত একজন কবি ও ঔপন্যাসিক হলেও ‘মৃত্যুক্ষুধা’ তাঁর সাহিত্যকর্ম নয়, তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস ‘অরণ্য গোধূলি’। ৫. মনে রাখার টিপস: নজরুলের উপন্যাসে ক্ষুধা ও বিদ্রোহের থিম থাকে, তাই ‘মৃত্যুক্ষুধা’ এবং ‘কুহেলিকা’ নামগুলো দেখলেই কবি কাজী নজরুল ইসলামকে মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নজরুলের উপন্যাস (বাধন হারা, কুহেলিকা, মৃত্যুক্ষুধা) থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। নজরুলের এই তিনটি উপন্যাসই খুব ভালো করে মুখস্থ রাখবে।
a ETHLETICS
b ATHLETICS
c ATHELETICS
d ATHLATICSI
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ATHLETICS ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি হলো ATHLETICS কারণ এটি একটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইংরেজি শব্দ যার বাংলা অর্থ ক্রীড়া বা ব্যায়াম প্রতিযোগিতা। - বাংলা ভাষায় বিদেশি বা ইংরেজি শব্দের সঠিক বানান লেখার সময় তার মূল ইংরেজি বানানরীতি অনুসরণ করতে হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি শুদ্ধ বানান বা ইংরেজি থেকে আগত পরিভাষিক শব্দের বানান সংক্রান্ত একটি প্রশ্ন যেখানে প্রমিত ইংরেজি রূপের সঠিক প্রতিরূপ বা বানান নির্বাচন করতে হয়। - বাংলা ভাষায় বিদেশি শব্দের বানানে সাধারণত বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বানানরীতি বা মূল ভাষার বানান অনুসরণ করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: GRAMMAR ব্যাখ্যা: এই ইংরেজি শব্দের বানান প্রায়ই ভুল হয়, যার সঠিক বানান জি-আর-এ-এম-এম-এ-আর। উদাহরণ ২: LIBRARY ব্যাখ্যা: এই শব্দের সঠিক বানান এল-আই-বি-আর-এ-আর-ওয়าย, যা পাঠাগার অর্থে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ETHLETICS — এই অপশনটি ভুল কারণ শব্দের শুরুতে ই থাকে না, আ হয়। B) ATHLETICS — এই অপশনটি সঠিক এবং এতে সঠিক ইংরেজি বানানরীতি অনুসৃত হয়েছে। C) ATHELETICS — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে অতিরিক্ত ই বর্ণ যুক্ত করা হয়েছে। D) ATHLATICSI — এই অপশনটি ভুল কারণ শেষে আই বর্ণ অতিরিক্ত যুক্ত হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - এই ধরনের ইংরেজি শব্দের বানান মনে রাখার জন্য মূল শব্দটি মনে মনে উচ্চারণ করে বানানটি অক্ষরভিত্তিক ভেঙে দেখতে পারো। - অ্যাথলেটিক্স বানানটি মনে রাখতে এর শুরুর অংশ এ-টি-এইচ এবং শেষের অংশ এল-ই-টি-আই-সি-এস আলাদা করে চর্চা করতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি ও ইংরেজি শব্দ থেকে প্রায়ই বানান সংশোধনের প্রশ্ন আসে। - বহুল ব্যবহৃত বিদেশি শব্দগুলোর মূল ইংরেজি বানান সাবধানে চর্চা করলে এ ধরনের প্রশ্নে পূর্ণ নম্বর পাওয়া সহজ হয়।
a পদ্মা নদীর মাঝি
b আলোয়ারা
c পুতুল নাচের ইতিকথা
d লালসালু
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পুতুল নাচের ইতিকথা ১. কেন সঠিক: - শশী ও কুসুম বাংলা সাহিত্যের বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস পুতুল নাচের ইতিকথা উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র। - গ্রামীণ জনপদের সাধারণ মানুষের জীবন, মনস্তত্ত্ব এবং নিয়তিবাদ এই উপন্যাসে গভীরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উপন্যাসের রচয়িতা প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়। - পুতুল নাচের ইতিকথা উপন্যাসটি প্রকাশিত হয় ১৯৩৬ সালে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চতুরঙ্গ ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথম ঠাকুর রচিত একটি বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস। উদাহরণ ২: বিষবৃক্ষ ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক সামাজিক উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পদ্মা নদীর মাঝি — এটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অপর একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যার প্রধান চরিত্র কুবের ও মালা। B) আলোয়ারা — এটি সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী রচিত একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস। D) লালসালু — এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস, যার প্রধান চরিত্র মজিদ ও খালেক ব্যাপারী। ৫. মনে রাখার টিপস: - মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিখ্যাত উপন্যাস মনে রাখার কৌশল হলো পদ্মা নদীর পাড়ে বসে শশী ও কুসুম পুতুল নাচ দেখছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় চরিত্রভিত্তিক প্রশ্নে মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাসের চরিত্রগুলো প্রায়ই আসে। - লেখক ও উপন্যাসের নাম মনে রাখার জন্য চরিত্রগুলোর তালিকা আলাদা করে পড়তে হবে।
a 1914
b 1877
c 1927
d 1916
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯২৭ ১. কেন সঠিক: 'শিখা' পত্রিকার প্রকাশকাল ১৯২৭ সাল। মুসলিম সাহিত্য সমাজের মুখপত্র হিসেবে এই পত্রিকা বাংলা সাহিত্যে বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: শিখা পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সংগঠন ছিল মুসলিম সাহিত্য সমাজ। এর মূল স্লোগান ছিল জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত হয় ব্যাখ্যা: ১৯২৬ সালের ১৯ জানুয়ারি মুসলিম সাহিত্য সমাজ গঠিত হওয়ার পর এর মুখপত্র হিসেবে ঢাকা থেকে ১৯২৭ সালে শিখা পত্রিকা প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: আবুল হুসেন ও কাজী মোতাহের হোসেন ব্যাখ্যা: এই পত্রিকার সাথে বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের প্রবক্তা আবুল হুসেন, কাজী মোতাহের হোসেন এবং কাজী নজরুল ইসলামের গভীর সংযোগ ছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯১৪ — এই সালে শিখা পত্রিকা প্রকাশিত হয়নি, এটি অন্য কোনো সাহিত্যকর্মের সময়কাল। B) ১৮৭৭ — এই সালে শিখা পত্রিকা প্রকাশিত হয়নি, এটি অনেক আগের একটি সাল। D) ১৯১৬ — এই সালে শিখা পত্রিকা প্রকাশিত হয়নি, এটি ভুল একটি সাল। ৫. মনে রাখার টিপস: শিখা পত্রিকা প্রকাশিত হয় ১৯২৭ সালে। মনে রাখার কৌশল হলো বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের সালটি শিখার প্রকাশের সাল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মুসলিম সাহিত্য সমাজের মুখপত্র শিখা পত্রিকার সম্পাদনা করতেন আবুল হোসেন। এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
a বারিদ, জলদ, পয়োধর
b বিটপী, জলধর, বারিদ
c জলধর, পয়োধর, মরুত
d নীরদ, নিনাদ, ক্ষিতি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বারিদ, জলদ, পয়োধর ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত শব্দগুলো মেঘের সমার্থক শব্দ। বাংলা ব্যাকরণে মেঘ বোঝাতে এই পদগুলো ব্যবহার করা হয়। - বারিদ, জলদ এবং পয়োধর প্রতিটি শব্দের পেছনের অংশ মেঘের ধারণাকে নির্দেশ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা শব্দভান্ডারে পানির সঙ্গে 'দ' যুক্ত করলে মেঘের সমার্থক শব্দ গঠিত হয়। - পানির সমার্থক শব্দের সঙ্গে 'ধর' বা 'দ' যুক্ত হয়ে সাধারণত মেঘ বোঝায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অম্বুদ ব্যাখ্যা: অম্বু অর্থ জল এবং দ অর্থ প্রদানকারী, তাই এটি মেঘের সমার্থক। উদাহরণ ২: তোয়িদ ব্যাখ্যা: তোয় অর্থ পানি এবং দ অর্থ প্রদানকারী, তাই এটি মেঘের সমার্থক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বারিদ, জলদ, পয়োধর — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনটি শব্দই মেঘের সমার্থক। B) বিটপী, জলধর, বারিদ — এখানে বিটপী শব্দের অর্থ গাছ, যা মেঘের সমার্থক নয়। C) জলধর, পয়োধর, মরুত — এখানে মরুত শব্দের অর্থ বাতাস বা মরুভূমি, যা মেঘের সমার্থক নয়। D) নীরদ, নিনাদ, ক্ষিতি — এখানে নিনাদ শব্দের অর্থ শব্দ এবং ক্ষিতি শব্দের অর্থ পৃথিবী। ৫. মনে রাখার টিপস: - পানির সমার্থক শব্দের শেষে 'দ' বা 'ধর' থাকলে সাধারণত তা মেঘ বোঝায়। - জল বা বারি শব্দের সঙ্গে দ যোগ করলে মেঘ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মেঘের সমার্থক শব্দগুলো বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - শব্দের মূল অর্থ জানা থাকলে সহজে সমার্থক শব্দ নির্ণয় করা যায়।
a ২ প্রকার
b ৩ প্রকার
c ৫ প্রকার
d ৬ প্রকার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩ প্রকার ১. কেন সঠিক: অর্থের দিক থেকে বাংলা শব্দমূল বা শব্দভাণ্ডারকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়। এই শ্রেণিবিভাগটি শব্দের উৎসমূল এবং অর্থের বিবর্তনের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে অর্থের পার্থক্য ও উৎস বিচারে শব্দকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়। যথা: যৌগিক শব্দ, রুঢ় বা রুঢ়ি শব্দ এবং যোগরূঢ় শব্দ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গায়ক ব্যাখ্যা: এটি একটি যৌগিক শব্দ কারণ এর প্রকৃতি ও প্রত্যয়গত অর্থ এবং ব্যবহারের অর্থ একই রকম রয়েছে। উদাহরণ ২: প্রবীণ ব্যাখ্যা: এটি একটি রূঢ় শব্দ কারণ এর মূল অর্থ এবং বর্তমান প্রচলিত অর্থ সম্পূর্ণ আলাদা হয়ে গেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২ প্রকার — শব্দের গঠন বা অন্য কোনো বিশেষ শ্রেণিবিভাগ দুই প্রকার হতে পারে, কিন্তু অর্থের পার্থক্য বিচারে শব্দ দুই প্রকার নয়। B) ৩ প্রকার — এটি সঠিক কারণ অর্থের পার্থক্য বিচারে শব্দ তিন প্রকার (যৌগিক, রূঢ় ও যোগরূঢ়)। C) ৫ প্রকার — উৎসের দিক থেকে বাংলা শব্দ পাঁচ প্রকার (তৎসম, তদ্ভব, অর্ধতৎসম, দেশি ও বিদেশি), অর্থের বিচারে নয়। D) ৬ প্রকার — বাংলা ব্যাকরণে বা শব্দার্থ বিচারে কোনো ছয় প্রকারের শ্রেণিবিভাগ নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: অর্থের বিচার বললে সংখ্যাটি হবে তিন। এটি মনে রাখার জন্য তিনটি শব্দের প্রথম অক্ষর মিলিয়ে একটি ছোট্ট সূত্র মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই উৎস ও অর্থের পার্থক্য বিচরের মধ্যে প্যাঁচ লাগনো হয়। উৎস ৫ প্রকার এবং অর্থ ৩ প্রকার, এই পার্থক্য স্পষ্ট রাখতে হবে।
a তদনুসারে
b তদনুসারে
c তদপনুসারে
d তদানুসারে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) তদনুসারে ১. কেন সঠিক: - তদনুসারে শব্দটির সঠিক গঠন হলো তৎ যোগ অনুসারে, যেখানে ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়মে প্রথম পদের শেষের ত ধ্বনি দ-এ রূপান্তরিত হয়েছে। - এই শব্দটির অর্থ হলো সেই অনুযায়ী বা তার বিধান অনুসারে, যা ব্যাকরণগত ও অর্থগতভাবে সম্পূর্ণ শুদ্ধ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণের সন্ধি নিয়মানুযায়ী, বর্গের প্রথম ধ্বনির পর স্বরধ্বনি থাকলে প্রথম ধ্বনিটি বর্গের তৃতীয় ধ্বনিতে রূপান্তরিত হয়। - তৎ শব্দের ত ধ্বনির পরে অনুসার শব্দের অ স্বরধ্বনি যুক্ত হওয়ায় ত পরিবর্তিত হয়ে দ তে পরিণত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ত+অনুসারে = তদনুসারে ব্যাখ্যা: তৎ শব্দের ত ধ্বনির সাথে অনুসারে শব্দ যুক্ত হয়ে তদনুসারে গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: জগৎ+ঈশ = জগদীশ ব্যাখ্যা: বর্গের প্রথম ধ্বনি ত এর সাথে ঈ স্বরধ্বনি যুক্ত হয়ে জগদীশ গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তদনুসারে — প্রদত্ত অপশনটি সঠিক উত্তরের অনুরূপ হলেও প্রশ্নে এটি দ্বিতীয় বিকল্প হিসেবে রয়েছে এবং ব্যাকরণগতভাবে সঠিক বানান বহন করে। B) তদনুসারে — এটি সঠিক বানান এবং প্রমিত বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী ব্যাকরণসিদ্ধ রূপ। C) তদপনুসারে — এই বানানে অতিরিক্ত প বর্ণ যুক্ত হয়েছে, যা সন্ধির নিয়ম ও অর্থ অনুযায়ী সম্পূর্ণ ভুল। D) তদানুসারে — এই বানানে অনুসার অংশের স্থলে আকার যুক্ত হয়েছে, যা ভুল এবং প্রমিত বানানরীতির পরিপন্থী। ৫. মনে রাখার টিপস: - সন্ধির সময় তৎ এবং অনুসারে মিলে তদনুসারে হয়, যেখানে ত বদলে দ এবং অ যুক্ত হয়ে দন হয়। - বানান মনে রাখতে তৎ যোগ অনুসারে সূত্রটি মাথায় রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ব্যঞ্জনসন্ধি এবং সন্ধিজনিত বানান শুদ্ধি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - এ ধরনের শব্দ ভেঙে দেখার অভ্যাস থাকলে যেকোনো কঠিন বানান সহজে সমাধান করা যায়।
a সমৃদ্ধি
b গমন
c হাজিরা
d লতানো
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সমৃদ্ধি ১. কেন সঠিক: - সম্ উপসর্গ যোগে গঠিত সমৃদ্ধি একটি প্রমিত উপসর্গযুক্ত শব্দ। - সম্ উপসর্গের সঙ্গে ঋদ্ধি যুক্ত হয়ে এই শব্দটি তৈরি হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উপসর্গ হলো সেই সব অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে। - সংস্কৃতে উপসর্গের সংখ্যা কুড়িটি যার মধ্যে সম্ একটি অন্যতম প্রধান উপসর্গ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সংস্কার ব্যাখ্যা: সম্ উপসর্গ যুক্ত হয়ে কার শব্দের পূর্বে সংস্কার শব্দটি গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: সংহার ব্যাখ্যা: সম্ উপসর্গ যুক্ত হয়ে হার শব্দের পূর্বে সংহার শব্দটি গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সমৃদ্ধি — এটি উপসর্গযুক্ত সঠিক শব্দ। B) গমন — গম ধাতুর সঙ্গে অন প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত হয়েছে, এখানে কোনো উপসর্গ নেই। C) হাজিরা — এটি ফারসি শব্দ এবং প্রত্যয়যোগে গঠিত, কোনো উপসর্গযুক্ত শব্দ নয়। D) লতানো — লতা শব্দের সঙ্গে আন প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত হয়েছে, এখানে কোনো উপসর্গ নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - সম্ উপসর্গের সঙ্গে ম এর নিচে হসন্ত থাকে যা শব্দের শুরুতে যুক্ত হলে অনুস্বারে রূপান্তরিত হয়। - শব্দের শুরুতে সং বা সম্ দেখলেই তা উপসর্গযুক্ত হিসেবে বিবেচনা করতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম উপসর্গ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - উপসর্গ চেনার জন্য মূল শব্দ থেকে উপসর্গ আলাদা করে দেখার অভ্যাস করতে হবে।
a গফুর
b সুরেশ
c রাম
d মেজদিদি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) গফুর ১. কেন সঠিক: - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত 'মহেশ' ছোটগল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র হলো এক দরিদ্র মুসলমান কৃষক গফুর। - গল্পের প্রতিটি ঘটনা গফুর এবং তার একমাত্র সম্বল পালিত ষাঁড় মহেশকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - 'মহেশ' শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি অত্যন্ত মানবতাবাদী ও মনস্তাত্ত্বিক ছোটগল্প যা সমাজে নিগৃহীত মানুষের দুঃখকষ্ট তুলে ধরে। - এই গল্পে গ্রামীণ সমাজব্যবস্থার নির্মমতা এবং মানুষের সাথে পশুপাখির নিঃস্বার্থ ভালোবাসার এক করুণ চিত্রফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'বিলাসী' গল্প। ব্যাখ্যা: এটি লেখকের আরেকটি বিখ্যাত গ্রামীণ পটভূমিতে রচিত সমাজসচেতন ছোটগল্প। উদাহরণ ২: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'রামের সুমতি' গল্প। ব্যাখ্যা: এটি লেখকের শৈল্পিক সৃষ্টি যেখানে চরিত্র চিত্রণ অত্যন্ত নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গফুর — এটি সঠিক উত্তর কারণ পুরো গল্পের মূল চরিত্র এবং মহেশের মালিক গফুর নিজেই। B) সুরেশ — এটি শরৎচন্দ্রের 'বড়দিদি' উপন্যাসের প্রধান পুরুষ চরিত্র, মহেশ গল্পের নয়। C) রাম — এটি 'রামের সুমতি' গল্পের প্রধান চরিত্র, মহেশ গল্পের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) মেজদিদি — এটি শরৎচন্দ্রের আরেকটি বিখ্যাত ছোটগল্প যার নাম 'মেজদিদি', মহেশ গল্পের চরিত্র নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - মহেশ গরুর মালিকের নাম মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো মহেশ গরুর মালিক গফুর। - শরৎচন্দ্রের ছোটগল্পগুলোর চরিত্র মনে রাখতে মূল থিম বা পশুপাখির নাম খেয়াল রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় চরিত্রভিত্তিক প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - বিখ্যাত সাহিত্যকর্মের প্রধান চরিত্রগুলো আলাদা করে একটি তালিকা তৈরি করে পড়া উচিত।
a কামিনী রায়
b শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
c বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়
d সুফিয়া কামাল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১. কেন সঠিক: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় তাঁর কিছু সাহিত্যকর্ম প্রকাশের জন্য ‘অনিলা দেবী’ ছদ্মনামটি ব্যবহার করেছিলেন। সেসময়ে সমাজে রক্ষণশীলতা ও সাহিত্যিক পরিচয়ের বাইরে লেখা প্রকাশের উদ্দেশ্যে লেখকরা ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক যিনি তাঁর বাস্তবধর্মী উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত। ‘অনিলা দেবী’ ছাড়াও তিনি ‘অনুপমা দেবী’ ছদ্মনামে বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় লেখালেখি করতেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম ‘অনিলা দেবী’। ব্যাখ্যা: এটি তাঁর বহুল পরিচিত একটি সাহিত্যিক ছদ্মনাম। উদাহরণ ২: বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম ‘বনফুল’। ব্যাখ্যা: বাংলা সাহিত্যে লেখকদের প্রকৃত নামের পরিবর্তে ছদ্মনাম ব্যবহারের এটি আরেকটি জনপ্রিয় উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কামিনী রায় — ইনি বাংলা সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত কবি ও নারীবাদী লেখিকা, কোনো ছদ্মনাম ব্যবহারের জন্য ইনি পরিচিত নন। B) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — এটি সঠিক উত্তর। C) বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় — ইনি ‘বনফুল’ ছদ্মনামে লেখালেখি করতেন, ‘অনিলা দেবী’ তাঁর ছদ্মনাম নয়। D) সুফিয়া কামাল — ইনি বাংলাদেশের প্রখ্যাত কবি ও নারী অধিকার নেত্রী, তাঁর কোনো সুপরিচিত ছদ্মনাম নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: শরৎচন্দ্রের ‘অনিলা দেবী’ নামটি মনে রাখতে ‘অ’ দিয়ে শুরু দুটি নাম (শরৎচন্দ্র-অনিলা) একসঙ্গে মনে রাখতে পারো। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ছদ্মনাম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। যেমন পরশুরাম হলো রাজশেখর বসুর ছদ্মনাম।
a ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
b রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
c শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
d প্রমথ চৌধুরী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রমথ চৌধুরী ১. কেন সঠিক: - বাংলা চলিত গদ্যরীতির সার্থক প্রবর্তক প্রমথ চৌধুরী। তিনি বাংলা সাহিত্যে গদ্যকে মুখের ভাষার কাছাকাছি নিয়ে আসেন। - বিংশ শতাব্দীর শুরুতে তাঁর নেতৃত্বে চলিত গদ্যরীতি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - প্রমথ চৌধুরী বাংলা সাহিত্যে বীরবল ছদ্মনামে লিখতেন। তিনি ছিলেন বাংলা মননশীল প্রবন্ধের অন্যতম শ্রেষ্ঠ জাদুকর। - তিনি ১৯১৪ সালে প্রকাশিত সবুজ পত্র পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন যা চলিত রীতির প্রচারে ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তেলেনাপোতা আবিষ্কার ব্যাখ্যা: এটি একটি বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম যেখানে চলিত গদ্যরীতির সুন্দর প্রয়োগ দেখা যায়। উদাহরণ ২: বীরবলের হালখাতা ব্যাখ্যা: এটি প্রমথ চৌধুরীর একটি জনপ্রিয় প্রবন্ধ গ্রন্থ যা চলিত রীতিতে লেখা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — তিনি বাংলা গদ্যের জনক হলেও চলিত রীতির প্রবর্তক নন। তিনি সাধু গদ্যরীতির পন্ডিত ছিলেন। B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি চলিত রীতি জনপ্রিয় করলেও এর প্রথম প্রবর্তক বা সূত্রপাতকারী নন। C) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি কথ্য ভাষার ব্যবহার বাড়ালেও চলিত গতির প্রবর্তক হিসেবে পরিচিত নন। D) প্রমথ চৌধুরী — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - চলিত রীতির জনক প্রমথ চৌধুরী এবং তাঁর ছদ্মনাম বীরবল। সবুজ পত্র পত্রিকা মনে রাখলেই এই প্রশ্নের উত্তর সহজ হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষায় প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম এবং সম্পাদিত পত্রিকার নাম প্রায়ই আসে। সবুজ পত্র পত্রিকার প্রকাশসাল ১৯১৪ সাল ভালোভাবে মনে রাখবে।
a রজনীকান্ত সেন
b দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
c অতুল প্রসাদ সেন
d রঙ্গলাল সেন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অতুল প্রসাদ সেন ১. কেন সঠিক: - এই বিখ্যাত পংক্তিটি মূলত বাংলা ভাষা ও মাতৃভূমির প্রতি গভীর ভালোবাসা প্রকাশ করে রচিত একটি জনপ্রিয় দেশাত্মবোধক গান। - প্রখ্যাত গীতিকার, সুরকার ও কবি অতুল প্রসাদ সেন বাংলা ভাষা ও বাংলার মানুষের প্রতি অগাধ মমত্ববোধ থেকে এই গানটি রচনা করেছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - অতুল প্রসাদ সেন আধুনিক বাংলা গানের অন্যতম সেরা প্রব্রেতক এবং ভক্তি ও দেশাত্মবোধক গানের অনন্য স্রষ্টা। - তাঁর গানে দেশপ্রেমের পাশাপাশি মানবপ্রেম ও প্রকৃতির রূপ অত্যন্ত সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে এবং তিনি বাংলা গানে ঠুমরি ধারার প্রচলন করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: উঠ গো ভারত-লক্ষ্মী উঠ আদি বিশ্বজয়ী ব্যাখ্যা: এটি অতুল প্রসাদ সেনের আরেকটি বিখ্যাত দেশাত্মবোধক গান যা শিক্ষার্থীদের দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করে। উদাহরণ ২: মোদের গরব মোদের আশা আ-মরি বাংলা ভাষা ব্যাখ্যা: এই গানটি বাংলাদেশের বিভিন্ন জাতীয় দিবসে এবং অনুষ্ঠানে বাঙালি সংস্কৃতির প্রতীক হিসেবে গাওয়া হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রজনীকান্ত সেন — রজনীকান্ত সেন বিখ্যাত দেশাত্মবোধক গান 'মাগো তোমার জয়গান গাহে সকলের প্রাণ' ও 'সকল দেশের রানী সে যে আমার জন্মভূমি' এর রচয়িতা। B) দ্বিজেন্দ্রলাল রায় — দ্বিজেন্দ্রলাল রায় মূলত ঐতিহাসিক নাটক এবং 'ধনধান্য পুষ্পভরা আমাদের এই বসুন্ধরা' এর মতো জনপ্রিয় দেশাত্মবোধক গানের জন্য বিখ্যাত। D) রঙ্গলাল সেন — রঙ্গলাল সেন একজন বিখ্যাত কবি যিনি 'স্বাধীনতা হীনতায় কে বাঁচিতে চায় হে কে বাঁচিতে চায়' এই অমর পংক্তির রচয়িতা। ৫ মনে রাখার টিপস: ভাষা নিয়ে অতুলনীয় গান লিখেছিলেন অতুল প্রসাদ সেন, এভাবে নাম দুটি মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন। অতুল প্রসাদ সেনের নামের সাথে 'বাংলা ভাষা' বিষয়ক এই অমর সৃষ্টির সংযোগটি মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত গান ও কবিতার পংক্তি এবং তার রচয়িতার নাম জানতে চাওয়া হয়। দেশাত্মবোধক গানগুলোর ক্ষেত্রে অতুল প্রসাদ সেন, রজনীকান্ত সেন এবং দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের রচনাগুলো ভালোভাবে পড়তে হবে।
a কাশীরাম দাস
b মুকুন্দরাম
c বড়ু চণ্ডীদাস
d কৃত্তিবাস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কৃত্তিবাস ১. কেন সঠিক: - কৃত্তিবাস ওঝা বাংলা সাহিত্যে সর্বপ্রথমে রামায়ণ অনুবাদ করেন। তার অনুবাদের নাম কৃত্তিবাসী রামায়ণ বা শ্রীরামপঞ্চালী। - মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে অনুবাদ সাহিত্যের ক্ষেত্রে এটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ এবং জনপ্রিয় একটি সংযোজন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কৃত্তিবাস ওঝা পঞ্চদশ শতাব্দীর একজন বিশিষ্ট কবি ও অনুবাদক। তিনি বাংলার নদীয়া অঞ্চলের ফুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। - গৌড়াধিপতি সিংহীশ্বরের অনুরোধে বা অনুপ্রেরণায় তিনি মূল সংস্কৃত রামায়ণ বাংলায় পদ ছন্দে অনুবাদ করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাশীরাম দাসের মহাভারত ব্যাখ্যা: কৃত্তিবাসী রামায়ণের মতোই মধ্যযুগের আরেকটি বিখ্যাত অনুবাদ সাহিত্য হলো কাশীরামের মহাভারত। উদাহরণ ২: মালাধর বসুর শ্রীকৃষ্ণবিজয় ব্যাখ্যা: এটিও মধ্যযুগের একটি বিখ্যাত অনুবাদ কাব্য যা ভাগবত পুরাণ অবলম্বনে রচিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাশীরাম দাস — তিনি রামায়ণ নয় বরং মহাভারত অনুবাদ করার জন্য বিখ্যাত। B) মুকুন্দরাম — তিনি কবিকঙ্কণ মুকুন্দরাম নামে পরিচিত এবং তার রচিত বিখ্যাত কাব্য হলো চণ্ডীমঙ্গল। C) বড়ু চণ্ডীদাস — তিনি শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের রচয়িতা যা বাংলা সাহিত্যের প্রথম নিদর্শন হিসেবে বিবেচিত। D) কৃত্তিবাস — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি রামায়ণের রচয়িতা। ৫. মনে রাখার টিপস: - রামায়ণ রচয়িতাকে মনে রাখতে এভাবে ভাবতে পারো যে, রামচন্দ্র ছিলেন রাজা আর কৃত্তিবাস হলেন রাজা রামচন্দ্রের জীবনকাহিনির প্রথম বাংলায় রূপকার। - মধ্যযুগের রামায়ণের জন্য কৃত্তিবাস এবং মহাভারতের জন্য কাশীরাম দাস নামটি মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে অনুবাদ ধারার প্রবক্তা ও কবিদের নাম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - কৃত্তিবাসী রামায়ণ কোন ছন্দে রচিত এই প্রশ্নটি বিভিন্ন পরীক্ষায় খুব বেশি দেখা যায়।
a জ্ঞানী
b ধূর্ত
c ভবঘুরে
d অপদার্থ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ভবঘুরে ১. কেন সঠিক: - 'গোকুলের ষাঁড়' একটি বিখ্যাত বাংলা বাগধারা যার অর্থ দিকবিদিকশূন্য হয়ে ঘুরে বেড়ানো বা ভবঘুরে জীবনযাপন করা। - ষাঁড় যেমন নির্দিষ্ট কোনো স্থানে বাঁধা থাকে না এবং যেখানে-সেখানে ঘুরে বেড়ায়, তেমনি অলস ও উদ্দেশ্যহীনভাবে ঘুরে বেড়ানো ব্যক্তিকে এই বাগধারা দিয়ে বোঝানো হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি বিশেষ বাগধারা যা সাধারণ অর্থের বাইরে গিয়ে একটি রূপক বা বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে। - বাগধারাটি মানুষের স্বভাব, চরিত্র বা অবস্থার সঙ্গে পশুর আচরণের তুলনা করে একটি সুন্দর চিত্র ফুটিয়ে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ছেলেটি কোনো কাজকর্ম করে না, সারাদিন গোকুলের ষাঁড়ের মতো রাস্তায় ঘুরে বেড়ায়। ব্যাখ্যা: এখানে উদ্দেশ্যহীনভাবে ঘুরে বেড়ানো বোঝাতে গোকুলের ষাঁড় বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: পড়ালেখা বাদ দিয়ে গোকুলের ষাঁড়ের মতো সময় কাটালে জীবনে বড় হওয়া যাবে না। ব্যাখ্যা: অলস ও কর্মহীন জীবনযাপন করা অর্থে এই উদাহরণটি দেওয়া হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জ্ঞানী — গোকুলের ষাঁড় বাগধারার অর্থ জ্ঞান বা প্রজ্ঞা নয়, তাই এই অপশনটি ভুল। B) ধূর্ত — ধূর্ত বা চালাক বোঝাতে শিয়ালের পন্ডিত বা ইঁচড়ে পাকা বাগধারা ব্যবহার করা হয়, গোকুলের ষাঁড় নয়। C) ভবঘুরে — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বাগধারাটির মূল অর্থের সঙ্গে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ। D) অপদार्थ — অপদার্থ বা অকেজো বোঝাতে আষাঢ়ে গল্প বা অক্কা পাওয়া মানানসই নয়, তাই এই অপশনটি ভুল। ৫ মনে রাখার টিপস: - ষাঁড় যেমন গোয়ালে না থেকে যেখানে-সেখানে ঘুরে বেড়ায়, তেমনি যে মানুষ কোনো কাজ না করে ঘুরে বেড়ায় তাকে গোকুলের ষাঁড় বলা হয়। - এই কৌশলটি মনে রাখলে পরীক্ষাতে খুব সহজেই সঠিক উত্তরটি চিহ্নিত করা সম্ভব হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই পশুপাখি সংক্রান্ত বিভিন্ন বাগধারা ও তাদের প্রকৃত অর্থ জানতে চাওয়া হয়। - তাই প্রাত্যহিক জীবনের পরিচিত পশুর আচরণভিত্তিক বাগধারাগুলোর অর্থ ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
a চিন্.no
b চিন্nho
c চিন্ho
d চিনত্র
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চিন্nho ১. কেন সঠিক: - বাংলা যুক্তবর্ণের উচ্চারণ নিয়মানুযায়ী হ-ফলা বা হ-যুক্ত ব্যঞ্জনবর্ণের উচ্চারণ প্রক্রিয়া বিশ্লেষণ করে এই রূপটি নির্ধারিত হয়েছে। - বাংলা বানান ও উচ্চারণে হ-এর সঙ্গে ন যুক্ত হলে উচ্চারণের সময় ন-এর ওপর জোর পড়ে এবং হ-এর উচ্চারণটি পরিবর্তিত হয়ে নাসিক্যীভূত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ধ্বনি, বর্ণ ও উচ্চারণ অংশের আলোচ্য বিষয় এটি। বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বাংলা বানান ও উচ্চারণ রীতি অনুযায়ী হ-ফলা যুক্ত শব্দের উচ্চারণ নির্ধারণ করা হয়। - যুক্তবর্ণে হ-এর সঙ্গে ন (হ্ন) থাকলে সাধারণত উচ্চারণটি ন+হ বা এর কাছাকাছি নাসিক্য ও হ-ধ্বনির মিশ্রণে উচ্চারিত হয়, যা প্রমিত লিপ্যন্তরে দেখানো হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্রহ্ম ব্যাখ্যা: ব্রহ্ম শব্দের যুক্তবর্ণটির উচ্চারণ ব্রহ্মো এর মতো হয়, যেখানে হ-এর উচ্চারণ প্রমিত রীতিতে রক্ষিত হয়। উদাহরণ ২: আহ্‌লাদ ব্যাখ্যা: আহ্‌লাদ শব্দে হ-এর সঙ্গে ল যুক্ত হওয়ার কারণে এর উচ্চারণ প্রক্রিয়া পরিবর্তিত হয়ে আল্‌হাদ রূপ নেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চিন্.no — এই অপশনে বিন্দু ব্যবহার করা হয়েছে যা প্রমিত বাংলা উচ্চারণ রীতির পরিপন্থী এবং ভুল রূপ নির্দেশ করে। B) চিন্nho — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি প্রমিত উচ্চারণ নির্দেশিকা অনুসরণ করে তৈরি করা হয়েছে। C) চিন্ho — এই অপশনে সঠিক উচ্চারণগত নাসিক্য ভাবটি পুরোপুরি প্রকাশ পায়নি যা নিয়মের বাইরে। D) চিনত্র — এই অপশনে ত্র যুক্ত করা হয়েছে যা মূল শব্দের বানান ও উচ্চারণের সঙ্গে সম্পূর্ণ অসঙ্গতিপূর্ণ। ৫. মনে রাখার টিপস: - হ্ন যুক্ত বর্ণ দেখলে মনে রাখবে এর উচ্চারণ লেখার সময় ন ও হ-এর মিশ্রণে কিছুটা নাসিক্য ধ্বনি হিসেবে উচ্চারিত হয়। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য প্রমিত উচ্চারণ বইয়ের তালিকা মুখস্থ রাখার চেয়ে নিয়মগুলো বুঝে পড়া ভালো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এই ধরনের প্রশ্ন বিসিএস ও শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - যুক্তবর্ণের সঠিক উচ্চারণ নির্ণয় করতে শব্দের মূল গঠন এবং প্রমিত বাংলা উচ্চারণ অভিধানের নিয়ম অনুসরণ করতে হয়।
a পোকামাকড়ের ঘরবসতি
b সংশপ্তক
c জননী
d আগুনপাখি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সংশপ্তক ১. কেন সঠিক: - ‘ঘরমতি’ চরিত্রটি শহীদুল্লাহ কায়সারের বিখ্যাত ‘সংশপ্তক’ উপন্যাসের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও স্মরণীয় চরিত্র। - এই উপন্যাসে গ্রামীণ সমাজজীবনের নানা সংকট, নারীর বঞ্চনা এবং মানুষের টিকে থাকার লড়াই গভীরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ‘সংশপ্তক’ উপন্যাসের রচয়িতা হলেন বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক শহীদুল্লাহ কায়সার। - এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ সামাজিক ও রাজনৈতিক উপন্যাস, যা তৎকালীন পূর্ব বাংলার গ্রামীণ পটভূমিতে রচিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাবেয়া খাতুনের ‘পোকামাকড়ের ঘরবসতি’ উপন্যাস। ব্যাখ্যা: এটি একটি ভিন্ন সাহিত্যকর্ম, যার সঙ্গে ‘সংশপ্তক’ উপন্যাসের কোনো সম্পর্ক নেই। উদাহরণ ২: শহীদুল্লাহ কায়সারের ‘সারেং বৌ’ উপন্যাস। ব্যাখ্যা: এটি লেখকের আরেকটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা গ্রামীণ জীবন ও সমুদ্রের পটভূমিতে রচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পোকামাকড়ের ঘরবসতি — এটি রাবেয়া খাতুনের লেখা একটি উপন্যাস এবং এর সঙ্গে ‘ঘরমতি’ চরিত্রের কোনো সম্পর্ক নেই। B) সংশপ্তক — এটি সঠিক উত্তর এবং এই উপন্যাসেরই একটি জনপ্রিয় চরিত্র হলো ঘরমতি। C) জননী — এটি শওকত ওসমানের একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যেখানে অন্য চরিত্র ও ভিন্ন প্রেক্ষাপট রয়েছে। D) আগুনপাখি — এটি হাসান আজিজুল হকের একটি প্রশংসিত উপন্যাস, যার কাহিনী ও চরিত্র সম্পূর্ণ আলাদা। ৫. মনে রাখার টিপস: - শহীদুল্লাহ কায়সারের ‘সংশপ্তক’ উপন্যাসের চরিত্রগুলো মনে রাখতে নামের তালিকা তৈরি করতে পারো। - সংশপ্তক মানে যে যোদ্ধা কখনো রণক্ষেত্র ত্যাগ করে না, এই উপন্যাসের চরিত্রগুলোর সংগ্রামও তেমনি অবিরাম। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শহীদুল্লাহ কায়সারের ‘সংশপ্তক’ এবং ‘সারেং বৌ’ উপন্যাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বিখ্যাত উপন্যাসের চরিত্রগুলো চিহ্নিত করার জন্য মূল বইয়ের চরিত্র পরিচিতি অংশ ভালোভাবে পড়তে হবে।
a আরবি
b ফারসি
c বাংলা
d সংস্কৃত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আরবি ১. কেন সঠিক: তারিখ শব্দটি আরবি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত বহু বিদেশি শব্দের মধ্যে আরবি শব্দ অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত শব্দগুলোকে উৎসের দিক থেকে পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয়। এর মধ্যে বিদেশ থেকে আগত শব্দগুলোকে বিদেশি শব্দ বলা হয় এবং তারিখ একটি অন্যতম প্রচলিত আরবি শব্দ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আইন ব্যাখ্যা: আইন একটি আরবি শব্দ যা বাংলা ভাষায় বহুল ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: কলম ব্যাখ্যা: কলম শব্দটি আরবি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আরবি — এটি সঠিক উত্তর কারণ তারিখ শব্দটি আরবি ভাষা থেকে আগত। B) ফারসি — ফারসি ভাষা থেকে বিভিন্ন শব্দ বাংলায় আসলেও তারিখ ফারসি শব্দ নয়। C) বাংলা — তারিখ কোনো দেশীয় বা খাঁটি বাংলা শব্দ নয়। D) সংস্কৃত — তারিখ শব্দটি তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: আইন, আদালত এবং তারিখ সংক্রান্ত প্রায় সব প্রশাসনিক শব্দই আরবি ভাষা থেকে এসেছে। এটি মনে রাখলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। আরবি ও ফারসি শব্দের পার্থক্য ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a প্রবন্ধ
b নাটক
c উপন্যাস
d কবিতা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) উপন্যাস ১. কেন সঠিক: 'শেষের কবিতা' একটি অমর প্রেমের উপন্যাস যা বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচনা করেছেন। নামের মধ্যে কবিতা শব্দ থাকলেও এটি কোনো পদ্য বা কাব্যগ্রন্থ নয়, বরং একটি গদ্যধর্মী উপন্যাস। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা 'শেষের কবিতা' একটি মনস্তাত্ত্বিক ও যুগান্তকারী উপন্যাস। ১৯২৯ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাসের প্রধান দুটি চরিত্র হলো অমিত রায় ও লাবণ্য সেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'যোগাযোগ' ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আরও একটি বিখ্যাত উপন্যাস। উদাহরণ ২: 'চোখের বালি' ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রবন্ধ — এটি কোনো মননশীল বা বিচারমূলক প্রবন্ধ নয়। B) নাটক — এটি মঞ্চে অভিনয়ের জন্য রচিত কোনো নাটক বা নাটিকা নয়। C) উপন্যাস — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি একটি কথাসাহিত্য বা উপন্যাস। D) কবিতা — নামের শেষে কবিতা থাকলেও এটি কোনো পদ্য বা কবিতা নয়, এটি একটি গদ্য উপন্যাস। ৫ মনে রাখার টিপস: নামে কবিতা থাকলেই বিভ্রান্ত হবেন না, কারণ শেষের কবিতা আসলে একটি উপন্যাস। রবীন্দ্রনাথের এই বিখ্যাত উপন্যাসের মূল চরিত্র অমিত ও লাবণ্য। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শেষের কবিতা কোন জাতীয় রচনা, এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে। নামের সঙ্গে রূপের অমিল রয়েছে এমন বিখ্যাত সাহিত্যকর্মগুলো আলাদা করে মনে রাখতে হবে।
a ৩ ভাগে
b ৪ ভাগে
c ৮ ভাগে
d ৫ ভাগে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৫ ভাগে ১. কেন সঠিক: - ওয়ার্ম আপ বা শরীর গরম করার প্রক্রিয়াটি মূলত পাঁচটি প্রধান ধাপে বিভক্ত করা হয়। - এই ধাপগুলো শরীরকে যেকোনো ভারী শারীরিক পরিশ্রম বা খেলাধুলার জন্য প্রস্তুত করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শারীরিক শিক্ষা, স্বাস্থ্যবিজ্ঞান এবং খেলাধুলা সংক্রান্ত সাধারণ জ্ঞান থেকে এই প্রশ্নটি এসেছে। - শরীরচর্চার আগে পেশির নমনীয়তা বৃদ্ধি এবং আঘাতের ঝুঁকি কমানোর জন্য ওয়ার্ম আপ বা প্রাক-প্রস্তুতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হালকা দৌড় বা জগিং। ব্যাখ্যা: এটি ওয়ার্ম আপের প্রথম ধাপে হৃৎপিণ্ডের গতি ও রক্তসঞ্চালন বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: স্ট্রেচিং বা পেশি টান টান করার ব্যায়াম। ব্যাখ্যা: এটি পেশির শক্ত ভাব দূর করে এবং জয়েন্ট বা সংযোগস্থলের নমনীয়তা বাড়ায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩ ভাগে — ওয়ার্ম আপ প্রথাগতভাবে তিনটি ধাপে সীমাবদ্ধ নয়, তাই এই অপশনটি ভুল। B) ৪ ভাগে — শরীরচর্চা বিজ্ঞানের নিয়ম অনুযায়ী ওয়ার্ম আপের সঠিক বিভাগ চারটি নয়। C) ৮ ভাগে — আটটি ভাগে ওয়ার্ম আপ বিভক্ত করা অতিরিক্ত বা অপ্রয়োজনীয় বিভাজন। D) ৫ ভাগে — এই অপশনটি সঠিক কারণ ওয়ার্ম আপ সাধারণভাবে পাঁচটি সুনির্দিষ্ট ধাপে সম্পন্ন হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - হাত বা পায়ের আঙুলের সংখ্যা যেমন পাঁচ, তেমনি ওয়ার্ম আপের ধাপের সংখ্যাও পাঁচ। - এই মিল মনে রাখলে পরীক্ষার হলে সঠিক উত্তরটি সহজেই মনে পড়বে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - শারীরিক শিক্ষা ও খেলাধুলা বিষয়ক সাধারণ জ্ঞান প্রশ্নে এই ধরনের শরীরচর্চার নিয়ম প্রায়ই আসে। - খেলাধুলার আগে সঠিক নিয়মে ওয়ার্ম আপ করলে শারীরিক আঘাতের সম্ভাবনা অনেক কমে যায়।

মোট প্রশ্ন (20)

a Alfred Tennyson
b Robert Browning
c John Keats
d P. B. Shelly
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) John Keats কেন সঠিক: - উক্তিটি বিখ্যাত ইংরেজ রোমান্টিক কবি জন কিটসের 'Ode on a Grecian Urn' নামক ওডের শেষ পঙক্তি থেকে নেওয়া হয়েছে। - এই অমর বাণীর মাধ্যমে কবি বোঝাতে চেয়েছেন যে, প্রকৃত সৌন্দর্য এবং সত্য অভিন্ন এবং এটিই জীবনের পরম সত্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Alfred Tennyson — তিনি ভিক্টোরিয়ান যুগের প্রধান কবি ছিলেন এবং এই উক্তিটি তার কোনো সাহিত্যকর্মের নয়। B) Robert Browning — তিনি ভিক্টোরিয়ান যুগের নাট্যধর্মী কবিতার জন্য বিখ্যাত, কিন্তু এই দার্শনিক পঙক্তিটি তার নয়। C) John Keats — এটি জন কিটসের কবিতার বিখ্যাত পঙক্তি এবং এই অপশনটিই সঠিক। D) P. B. Shelly — তিনি রোমান্টিক যুগের আরেকজন বিখ্যাত কবি হলেও এই বিখ্যাত উক্তিটি তার নয়। মনে রাখার টিপস: কিটসের গ্রিক কলসির ওপর লেখা কবিতার শেষ লাইনেই রয়েছে সৌন্দর্য আর সত্যের চিরন্তন এই বাণী।
a Miscellaneous
b Masclanceous
c Misscellaneous
d Miscellanous
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: A) Miscellaneous কেন সঠিক: - বানানটিতে Mis-cell-an-eous এই অংশগুলো সঠিকভাবে বিন্যস্ত রয়েছে। - এর সঠিক উচ্চারণ এবং ইংরেজি বানানরীতির নিয়ম অনুযায়ী এটি নিখুঁত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Miscellaneous — এটি সঠিক বানান এবং এর অর্থ বিবিধ বা সংমিশ্রণ। B) Masclanceous — এই বানানটি ভুল কারণ এতে ভুল অক্ষর ব্যবহার করা হয়েছে। C) Misscellaneous — এখানে 's' অক্ষরের ব্যবহার ভুল ও অতিরিক্ত রয়েছে। D) Miscellanous — এই বানানে 'e' অক্ষরটি অনুপস্থিত রয়েছে। মনে রাখার টিপস: বানানটি মনে রাখতে Mis + cell + an + eous এভাবে ভেঙে পড়তে পারো।
a current
b flow
c circulation
d procession
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) flow কেন সঠিক: - 'Flow of traffic' একটি স্ট্যান্ডার্ড ইংরেজি প্রবাদতুল্য বা স্বাভাবিক কলকোহেশন (Collocation), যার অর্থ যানবাহনের অবাধ ও নিরবচ্ছিন্ন চলাচল। - এখানে ট্রাফিকের গতিশীলতা ও প্রবাহ বোঝাতে 'flow' শব্দটি সবচেয়ে উপযুক্ত ও প্রমিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) current — এটি মূলত জল বা বিদ্যুতের স্রোত বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা ট্রাফিকের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) flow — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য। সি) circulation — এটি সাধারণত রক্ত বা তথ্য আবর্তনের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, যানবাহনের জন্য নয়। ডি) procession — এর অর্থ শোভাযাত্রা বা মিছিল, যা সাধারণ ট্রাফিক চলাচলের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: যানবাহন বা ট্রাফিকের চলাচলের ক্ষেত্রে সবসময় 'flow of traffic' ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়।
a to
b with
c by
d at
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) to কেন সঠিক: - take to task একটি গুরুত্বপূর্ণ ইংরেজি গ্রুপ ভার্ব বা ইডিয়ম। - এর বাংলা অর্থ হলো কাউকে তিরস্কার করা, জবাবদিহিতা চাওয়া বা ভর্ৎসনা করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to — এটি সঠিক উত্তর কারণ take to task একটি স্থির বাগধারা। B) with — এটি ভুল কারণ take with task grammatically সঠিক নয়। C) by — এটি ভুল কারণ take by task কোনো প্রচলিত নিয়ম বা অর্থ প্রকাশ করে না। D) at — এটি ভুল কারণ take at task কোনো সঠিক ফ্রেজ বা গ্রুপ ভার্ব গঠন করে না। মনে রাখার টিপস: take শব্দের পর task থাকলে মাঝখানে সবসময় to বসে যার অর্থ তিরস্কার করা।
a The boy went to school despites of having a fever.
b I haven't seen my mother since six weeks.
c Mathematics teacher is giving us too much
d Have you ever been to London?
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: D) Have you ever been to London? কেন সঠিক: - Present Perfect Tense-এর গঠন অনুযায়ী প্রশ্নবোধক বাক্যে Subject-এর আগে Have/Has এবং মূল Verb-এর Past Participle বসে। - অভিজ্ঞতার ক্ষেত্রে 'gone to'-এর পরিবর্তে 'been to' ব্যবহার করা হয়, যা এই বাক্যে সঠিকভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The boy went to school despites of having a fever. — despite-এর সাথে কখনোই 'of' বসে না, তাই এই অপশনটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) I haven't seen my mother since six weeks. — নির্দিষ্ট সময় বা ব্যাপ্তির ক্ষেত্রে since না বসে 'for six weeks' হবে। C) Mathematics teacher is giving us too much — বাক্যটির শেষে কোনো অবজেক্ট বা অতিরিক্ত তথ্য নেই এবং Mathematics শব্দের আগে নির্দিষ্ট আর্টিকেল 'The' বসা উচিত ছিল। D) Have you ever been to London? — এটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ সঠিক এবং সঠিক গঠনে রয়েছে। মনে রাখার টিপস: অভিজ্ঞতা বোঝাতে 'Have you ever been to' ব্যবহার করা হয় এবং despite-এর পরে কখনো 'of' বসে না।
a a big speech
b a verbose speech
c the maiden speech
d a loss of speech
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) the maiden speech কেন সঠিক: - 'Maiden' শব্দের অর্থ কুমারী হলেও রূপক অর্থে এটি কোনো ব্যক্তি কর্তৃক প্রদত্ত প্রথম বক্তব্যকে বোঝায়। - ইংরেজি বাগধারা বা idiom অনুযায়ী জীবনের বা কোনো মঞ্চের প্রথম বক্তব্যকে 'the maiden speech' বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a big speech — এটি সাধারণ একটি বড় বক্তব্য বোঝায়, যা জীবনের প্রথম বক্তব্যের বিশেষ পারিভাষিক রূপ নয়। B) a verbose speech — এর অর্থ অতিরিক্ত শব্দবহুল বক্তব্য, যা প্রথম বক্তব্যের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) the maiden speech — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এটি প্রথম বক্তব্য বোঝাতে ব্যবহৃত নির্দিষ্ট বাগধারা। D) a loss of speech — এর অর্থ বাকশক্তি হারিয়ে ফেলা, যা বক্তব্যের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো পরিভাষা নয়। মনে রাখার টিপস: 'Maiden' মানে প্রথম বা সূচনা, তাই কোনো বক্তার প্রথম ভাষণকেই 'the maiden speech' বলা হয়।
a would
b could be
c would have been
d must be
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) would have been কেন সঠিক: - এটি থার্ড কন্ডিশনাল (Third Conditional)-এর বাক্য, যার গঠন হলো অতীতকালের অসম্ভব ঘটনা বোঝাতে If + Past Perfect tense এবং প্রধান ক্লজে Subject + would have/could have/might have + verb-এর পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম বসে। - বাক্যের দ্বিতীয় অংশে 'had tried' (Past Perfect) থাকায় প্রথম অংশে 'would have been' এবং মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল 'arrested' বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) would — এটি ফার্স্ট বা সেকেন্ড কন্ডিশনালে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু এখানে Past Perfect থাকায় এটি grammatically সঠিক নয়। B) could be — এটি প্রেজেন্ট বা ফিউচার টেন্সের প্যাসিভ গঠনে ব্যবহৃত হয়, যা এই বাক্যের অতীতকালের শর্তের সাথে মেলে না। C) would have been — এটি থার্ড কন্ডিশনাল নিয়ম অনুযায়ী সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়, এটিই সঠিক। D) must be — এটি বর্তমানের কোনো জোরালো সম্ভাবনা বা বাধ্যবাধকতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা অতীতকালের কাল্পনিক ঘটনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যে 'had + V3' থাকলে পরবর্তী অংশে 'would have + V3' বসবে, এটি থার্ড কন্ডিশনাল চেনার সবচেয়ে সহজ উপায়।
a Screaming
b Smiling
c Giggle
d Chuckle
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Screaming কেন সঠিক: - Screaming অর্থ চিৎকার করা বা ভয়ে বা রাগে চেঁচানো, যা হাসির সঙ্গে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়। - Smiling, Giggle এবং Chuckle শব্দগুলো কোনো না কোনোভাবে হাসির বহিঃপ্রকাশকে নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Screaming — এটি তীব্র চিৎকার বা ভয়ের বহিঃপ্রকাশ, যা হাসির বিপরীত একটি শব্দ। B) Smiling — এর অর্থ মৃদু হাসা, যা মুখের হাসির সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। C) Giggle — এর অর্থ খিলখিল করে হাসা, যা হাসির একটি ধরন। D) Chuckle — এর অর্থ মৃদুস্বরে বা মনে মনে হাসা, যা হাসির সঙ্গে সম্পর্কিত। মনে রাখার টিপস: হাসি সম্পর্কিত শব্দগুলোর মধ্যে শুধু Screaming হলো ভীতি বা উত্তেজনার চিৎকার, যা হাসির সঙ্গে মেলে না।
a One who never misses a trick
b One who believe that God is everywhere
c One who hates mankind
d A person of narrow views
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) One who hates mankind কেন সঠিক: - Misanthropist শব্দটি গ্রিক শব্দ Misos (ঘৃণা) এবং Anthropos (মানবজাতি) থেকে এসেছে। - এর অর্থ এমন একজন ব্যক্তি যিনি মানবজাতিকে ঘৃণা করেন বা মানুষের সংস্পর্শ এড়িয়ে চলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) One who never misses a trick — এই বাক্যাংশের অর্থ এমন চালাক ব্যক্তি যে কোনো সুযোগ হাতছাড়া করে না, যা Misanthropist শব্দের অর্থের সঙ্গে মেলে না। B) One who believe that God is everywhere — এটি Pantheist বা সর্বেশ্বরবাদী এর সংজ্ঞা, যা মানববিদ্বেষী বোঝায় না। C) One who hates mankind — এটি প্রদত্ত প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং Misanthropist শব্দের সঠিক সংজ্ঞা। D) A person of narrow views — এই বাক্যাংশের অর্থ সংকীর্ণ মনের বা গোঁড়া ব্যক্তি, যা মানববিদ্বেষী শব্দের সমার্থক নয়। মনে রাখার টিপস: Mis- অর্থ ঘৃণা করা এবং anthrop- অর্থ মানবজাতি, এই দুটি অংশ মনে রাখলেই Misanthropist শব্দের অর্থ সহজে মনে রাখা যায়।
a bear with
b put on
c put up
d put off
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) put on কেন সঠিক: - 'Wear' অর্থ পরিধান করা বা পরা, আর 'put on' ফ্রেজাল ভার্বটির অর্থও কোনো পোশাক পরিধান করা। - বাক্যের প্রেক্ষাপটে ছাত্রছাত্রীরা নীল ইউনিফর্ম পরে, তাই 'wear' এর পরিবর্তে 'put on' ব্যবহার করা যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) bear with — এর অর্থ ধৈর্য ধারণ করা বা সহ্য করা, যা পোশাক পরার সাথে সম্পর্কিত নয়। B) put on — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ পোশাক বা জুতো পরিধান করা। C) put up — এর অর্থ টাঙানো, নির্মাণ করা বা থাকা, যা পরিধান অর্থে বসে না। D) put off — এর অর্থ মূলত খুলে ফেলা, স্থগিত রাখা বা বাতিল করা। মনে রাখার টিপস: পোশাক পরা বা পরিধান করার ইংরেজি হলো 'put on', আর পোশাক খুলে ফেলার ইংরেজি হলো 'put off'।
a To create fire
b To pie fine
c To thorough authority
d To come to nothing
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) To come to nothing কেন সঠিক: - “To end in smoke” একটি ইংরেজি প্রবাদধর্মী ইডিয়ম, যার আক্ষরিক অর্থ ধোঁয়ায় শেষ হওয়া এবং ভাবার্থ ব্যর্থতায় পর্যবসিত হওয়া। - কোনো দীর্ঘ প্রচেষ্টা বা পরিকল্পনা যখন কোনো সফল ফলাফল ছাড়াই পুরোপুরি ব্যর্থ হয়, তখন এই ইডিয়মটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) To create fire — এর অর্থ আগুন জ্বালানো, যা ইডিয়মের রূপক অর্থের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) To pie fine — এটি কোনো প্রচলিত বা অর্থপূর্ণ ইংরেজি ইডিয়ম বা ফ্রেজ নয়। C) To thorough authority — এটি সম্পূর্ণ কর্তৃত্ব জাহির করা বোঝায়, যা এই ইডিয়মের ভাবের সঙ্গে মেলে না। D) To come to nothing — এর অর্থ শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হওয়া বা কিছু না থাকা, যা সঠিক উত্তরের সঙ্গে মিলে যায়। মনে রাখার টিপস: আগুনে শুধু ধোঁয়া ওড়ে কিন্তু কাজের কাজ বা ছাই ছাড়া কিছু থাকে না, অর্থাৎ সব পরিকল্পনা ধোঁয়ায় মিলিয়ে গিয়ে ব্যর্থ হয়।
a good
b better
c every
d very
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) very কেন সঠিক: - এখানে 'very' শব্দটি Intensifier হিসেবে noun-এর ঠিক আগে বসে নির্দিষ্টতা বা জোর বোঝাতে Adjective হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। - 'Before my very eyes' একটি প্রচলিত ইংরেজি Idiom, যার অর্থ ঠিক চোখের সামনে বা সরাসরি উপস্থিতিতে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) good — এটি একটি Adjective হলেও এই Idiom-এর নির্দিষ্ট কাঠামোর সঙ্গে মিলে অর্থ প্রকাশ করে না। B) better — এটি 'good'-এর Comparative রূপ, যা এখানে বাক্যের ভাবের সঙ্গে সম্পূর্ণ সংগতিহীন। C) every — এটি Determiner হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং এরপরে Singular noun বসে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) very — এটি এখানে সঠিক কারণ 'very' সঠিক Idiom গঠন করে চোখের সামনে ঘটনা ঘটার ওপর জোর দেয়। মনে রাখার টিপস: চোখের সামনে কোনো ঘটনা সরাসরি ঘটে বোঝাতে 'before my very eyes' ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়, যেখানে 'very' একটি নির্দিষ্ট Adjective হিসেবে কাজ করে।
a Acme
b Bottom
c Nadir
d Lowest point
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Acme কেন সঠিক: - Apex শব্দটির অর্থ হলো শীর্ষবিন্দু, চূড়া বা সর্বোচ্চ অবস্থান। - Acme শব্দটির অর্থও একই অর্থাৎ কোনো কিছুর চূড়া বা সর্বোচ্চ উৎকর্ষ বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Acme — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি Apex শব্দের সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং উভয়ের অর্থ শীর্ষবিন্দু। B) Bottom — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ তলদেশ বা নিম্নভাগ, যা Apex বা শীর্ষবিন্দুর সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। C) Nadir — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ পতন বা সর্বনিম্ন বিন্দু, যা Apex শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ। D) Lowest point — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ সর্বনিম্ন স্থান, যা শীর্ষবিন্দু বা সর্বোচ্চ অবস্থানের বিপরীত। মনে রাখার টিপস: Apex এবং Acme উভয় শব্দই অক্ষর A দিয়ে শুরু হয় এবং দুটির অর্থই সর্বোচ্চ চূড়া।
a Drama
b Novel
c Poetry
d Tragedy
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Novel কেন সঠিক: - এটি বিশ্বখ্যাত রুশ সাহিত্যিক লেভ তলসয় রচিত একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস যা ১৮৬৯ সালে প্রকাশিত হয়। - উপন্যাসে নেপোলিয়নের রাশিয়া আক্রমণ এবং এর ফলে রুশ সমাজের ওপর প্রভাব চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Drama — এটি কোনো নাটক নয়, কারণ এটি মঞ্চে প্রদর্শনের জন্য রচিত হয়নি বরং এটি বিশদ বর্ণনামূলক গদ্য সাহিত্য। বি) Novel — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি Novel, যা এই প্রশ্নের জন্য সম্পূর্ণ সঠিক এবং উপযুক্ত। C) Poetry — এটি পদ্য বা কবিতা নয়, কারণ এতে ছন্দ বা পংক্তির বিন্যাস নেই বরং এটি বৃহৎ আকারের গদ্য সাহিত্য। D) Tragedy — এটি একক কোনো নাটকীয় ট্র্যাজেডি নয়, বরং এটি একটি বিশাল ঐতিহাসিক উপন্যাস যাতে বহু চরিত্রের জীবন ও যুদ্ধ প্রতিফলিত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: ওয়ার অ্যান্ড পিস বইটির নামের সাথে পিস শব্দ থাকলেও এটি মূলত যুদ্ধ ও শান্তি নিয়ে লেখা একটি বিখ্যাত উপন্যাস।
a go
b goes
c going
d have gone
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) going কেন সঠিক: - look forward to একটি গুরুত্বপূর্ণ ফ্রেজাল ভার্ব, যার অর্থ কোনো কিছুর জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করা। - এই ফ্রেজটিতে থাকা to একটি প্রিপজিশন, তাই এর পরে যে ভার্ব আসে তার সাথে ing যুক্ত করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) go — এটি ভার্বের বেজ ফর্ম, যা প্রিপজিশনের পর সরাসরি বসতে পারে না। B) goes — এটি ভার্বের প্রেজেন্ট ফর্মের সাথে s যুক্ত রূপ, যা এখানে ব্যাকরণগতভাবে বেমানান। C) going — এটি সঠিক উত্তর কারণ প্রিপজিশন to-এর পর gerund বা ing যুক্ত ভার্ব বসেছে। D) have gone — এটি পারফেক্ট টেন্সের রূপ, যা এই বাক্যের কাঠামোর সাথে সংগতিপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যে look forward to বা with a view to দেখলে চোখ বন্ধ করে মূল ভার্বের সাথে ing বসিয়ে দেবে।
a were
b are
c had
d was
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) was কেন সঠিক: - Neither, Either, Each ইত্যাদির পর Noun বা Pronoun বহুবচন হলেও Verb সাধারণত একবচন হয়। - প্রদত্ত বাক্যে books বহুবচন হলেও Neither-এর কারণে verb হিসেবে একবচন রূপটি বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) were — এটি plural verb, যা Neither-এর একবচন নিয়মের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ। B) are — এটি present tense-এর plural verb, যা past tense বা singular subject-এর নিয়মে ভুল। C) had — এটি auxiliary verb, যা বাক্যের অর্থ এবং adjectival complement-এর সাথে মেলে না। D) was — এটি সঠিক singular verb, যা বাক্যটিকে grammatically সঠিক করে। মনে রাখার টিপস: Neither অবজেক্ট হিসেবে একবচন হয়, তাই এর সাথে সবসময় singular verb বসে।
a verb
b adjective
c pronoun
d noun
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) noun কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যে 'talk' শব্দটির পূর্বে 'a' আর্টিকেল বসেছে এবং এটি বাক্যটির একটি কার্য সম্পাদন করছে, যাNoun-এর কাজ। - সাধারণত আর্টিকেল এবং প্রিপজিশনের মাঝখানে বসা শব্দ বা verb-এর সাথে a যুক্ত হয়ে তা Noun-এ রূপান্তর হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) verb — Verb হলো কাজের নাম বোঝায়, কিন্তু এখানে talk কথাটি কোনো কাজ করা বোঝাচ্ছে না বরং কথা বলা নামক একটি অবস্থাকে বুঝিয়েছে। B) adjective — Adjective মূলত কোনো noun বা pronoun-এর দোষ, গুণ বা সংখ্যা প্রকাশ করে, কিন্তু এখানে 'talk' কোনো কিছুর দোষ বা গুণ বোঝাচ্ছে না। C) pronoun — Pronoun হলো noun-এর পরিবর্তে ব্যবহৃত শব্দ, কিন্তু 'talk' কোনো শব্দের পরিবর্তে বসেনি বরং নিজেই একটি স্বতন্ত্র নামবাচক পদ হিসেবে বসেছে। D) noun — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে 'talk' একটি কাজের নাম বা noun হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: আর্টিকেল (a, an, the) এবং প্রিপজিশনের ঠিক পরে কোনো শব্দ বসলে তা সাধারণত Noun হয়।
a have had
b had had
c had
d have
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) had had কেন সঠিক: - বাক্যের প্রথম অংশটি অতীতকালের দুটি কাজের মধ্যে তুলনামূলকভাবে আগের কাজটি নির্দেশ করছে, তাই সেখানে Past Perfect Tense (had) বসেছে। - এখানে মূল verb হিসেবে 'eat' বা 'have' এর Past Participle রূপ 'had' ব্যবহৃত হয়েছে, যার ফলে গঠনটি 'had had' হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) have had — এটি Present Perfect Tense, যা অতীত নির্দেশক দ্বিতীয় অংশের (went) সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। B) had had — এটি সঠিক উত্তর, কারণ অতীতের দুটি ঘটনার মধ্যে যেটি আগে ঘটেছে তা Past Perfect Tense-এ প্রকাশ করা হয়েছে। C) had — শুধুমাত্র Past Indefinite Tense ব্যবহার করলে অতীতের দুটি কাজের ধারাবাহিকতা সঠিকভাবে বোঝায় না। D) have — এটি Present Indefinite Tense, যা অতীতের ঘটনার সঙ্গে সম্পূর্ণ অসঙ্গতিপূর্ণ। মনে রাখার টিপস: अतीतের দুটি কাজের মধ্যে যেটি আগে ঘটে, সেখানে Past Perfect Tense (had + V3) বসে এবং 'have' verb-এর Past Participle হলো 'had'।
a Collecting the Bible
b History of books
c Collection of books
d A good handwriting
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: C) Collection of books কেন সঠিক: - Bibliography শব্দটি গ্রীক শব্দ Biblion অর্থাৎ বই এবং Graphia অর্থাৎ লেখা বা তালিকা থেকে এসেছে। - সাধারণ অর্থে bibliography হলো কোনো নির্দিষ্ট বিষয়, লেখক বা প্রকাশনার ওপর প্রকাশিত বইসমূহের একটি সংকলন বা তালিকা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Collecting the Bible — এটি ভুল কারণ শব্দটির অর্থ বাইবেল সংগ্রহ করা নয়, বরং এটি যেকোনো বইয়ের তালিকা বা সংকলনকে বোঝায়। B) History of books — এটি ভুল কারণ বইয়ের ইতিহাসকে বিব্লিওগ্রাফি বলে না, এটি নির্দিষ্ট গ্রন্থ বা উৎসের তালিকা নির্দেশ করে। C) Collection of books — এটি সঠিক কারণ বিব্লিওগ্রাফি বলতে মূলত বিভিন্ন বইয়ের সংগ্রহ বা গ্রন্থপঞ্জিকে বোঝানো হয়। D) A good handwriting — এটি ভুল কারণ সুন্দর হাতের লেখাকে বিব্লিওগ্রাফি বলে না, সুন্দর হাতের লেখার ইংরেজি হলো গুড হ্যান্ডরাইটিং বা ক্যালিগ্রাফি। মনে রাখার টিপস: Biblion অর্থ বই এবং Graphy অর্থ তালিকা বা লেখা, সুতরাং বইয়ের তালিকা বা সংগ্রহই হলো Bibliography।
a The girl burst into tears
b The girl burst with tears
c The girl burst out tears
d The girl busted out tears
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) The girl burst into tears কেন সঠিক: - 'Burst into tears' একটি সঠিক ইংরেজি ইডিয়ম বা ফ্রেজ, যার অর্থ হঠাৎ কান্নায় ভেঙে পড়া। - কান্নার ক্ষেত্রে 'burst' verb-এর পর preposition হিসেবে 'into' ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The girl burst into tears — এটি সঠিক উত্তর। B) The girl burst with tears — 'burst with' ব্যবহৃত হয় কোনো আবেগ যেমন আনন্দের ক্ষেত্রে, কিন্তু কান্নার ক্ষেত্রে এটি ভুল। C) The girl burst out tears — 'burst out' এর পর gerund (crying) বসে, সরাসরি noun বসে না বিধви এটি ভুল। D) The busted out tears — 'busted' শব্দটি এখানে ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয় এবং গঠনটি ত্রুটিপূর্ণ। মনে রাখার টিপস: হঠাৎ কান্নায় ভেঙে পড়ার ক্ষেত্রে সবসময় 'burst into tears' মুখস্থ রাখবে।

মোট প্রশ্ন (1)

a ৩ বার
b ৪ বার
c ২ বার
d ১ বার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২ বার প্রদত্ত তথ্য: আন্তর্জাতিক ভলিবল নিয়ম অনুযায়ী ম্যাচের প্রতিটি সেটে দলের কোচ বা অধিনায়ক খেলার গতি থামাতির জন্য বিরতির আবেদন করতে পারেন। ধরি, একটি দল খেলার প্রতি সেটে এই বিশেষ বিরতির সুবিধা গ্রহণ করার সুযোগ পায়। অতএব, খেলার প্রতি সেটে দলগুলোর জন্য সর্বোচ্চ অনুমোদিত বিরতির সংখ্যা নির্ধারণ করা থাকে। সুতরাং, আন্তর্জাতিক ভলিবল ফেডারেশনের নিয়ম অনুসারে প্রতি সেটে সর্বোচ্চ দুটি বিরতি নেওয়া যায়। উত্তর: ২ বার

মোট প্রশ্ন (57)

a ১৭ মার্চ
b ১৭ ফেব্রুয়ারি
c ২৬ মার্চ
d ২৮ অক্টোবর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৭ মার্চ কেন সঠিক: - এটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মবার্ষিকী এবং এই দিনটি বাংলাদেশে জাতীয় শিশু দিবস হিসেবে উদযাপিত হয়। - ১৯৯৬ সাল থেকে এই দিনটি রাষ্ট্রীয়ভাবে শিশু দিবস হিসেবে পালনের প্রথা চালু করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৭ মার্চ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দিনে জাতির পিতার জন্মবার্ষিকীতে শিশু দিবস পালন করা হয়। B) ১৭ ফেব্রুয়ারি — এই তারিখে বাংলাদেশের কোনো জাতীয় শিশু দিবস উদযাপিত হয় না। C) ২৬ মার্চ — এটি বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস, শিশু দিবস নয়। D) ২৮ অক্টোবর — এই তারিখে নির্দিষ্ট কোনো জাতীয় শিশু দিবস পালিত হয় না। মনে রাখার টিপস: জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিনের (১৭ মার্চ) তারিখটি মনে রাখলেই শিশু দিবসের তারিখটি মনে রাখা সহজ হয়।
a এপিকালচার
b সেরিকালচার
c পিসিকালচার
d হর্টিকালচার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) এপিকালচার কেন সঠিক: - এপিকালচার হলো বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে মৌমাছি পালন ও মধু উৎপাদনের প্রক্রিয়া। - এটি মূলত বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে মৌচাক তৈরি এবং মৌমাছির পরিচর্যা সংক্রান্ত বিদ্যা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) এপিকালচার — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি মৌমাছি চাষের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। B) সেরিকালচার — এটি রেশম গুটি পোকা চাষ বা রেশম উৎপাদনের সঙ্গে সম্পর্কিত। C) পিসিকালচার — এটি মাছ চাষ ও মৎস্য উৎপাদন সম্পর্কিত বিজ্ঞান। D) হর্টিকালচার — এটি উদ্যান পালন বা ফলমূল ও শাকসবজি চাষ সংক্রান্ত বিদ্যা। মনে রাখার টিপস: মৌমাছি অ্যাপস এর মতো দল বেঁধে উড়ে, তাই মৌমাছি চাষ হলো এপিকালচার।
a রফিকুল হাসান
b জাকারিয়া পিন্টু
c প্রতাপ শংকর হাজরা
d অমর নাথ সিং
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জাকারিয়া পিন্টু কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে বিশ্বজনমত গঠন এবং যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের সহায়তার জন্য স্বাধীনবাংলা ফুটবল টিম গঠিত হয়। - প্রখ্যাত ফুটবলার জাকারিয়া পিন্টু এই ঐতিহাসিক দলের সফল অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রফিকুল হাসান — তিনি স্বাধীনবাংলা ফুটবল দলের সদস্য ছিলেন, তবে দলের অধিনায়ক ছিলেন না। B) জাকারিয়া পিন্টু — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এখানে নতুন কোনো কারণ প্রযোজ্য নয়। C) প্রতাপ শংকর হাজরা — তিনি এই দলের একজন গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় ছিলেন, কিন্তু অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেননি। D) অমর নাথ সিং — তিনি স্বাধীনবাংলা ফুটবল দলের খেলোয়াড় হিসেবে খেলেছিলেন, অধিনায়ক ছিলেন না। মনে রাখার টিপস: স্বাধীনতার পতাকা মাঠে উড়িয়েছিলেন যিনি, সেই পিন্টুই ছিলেন স্বাধীনবাংলা ফুটবল দলের অধিনায়ক।
a বাংলাদেশ বিজ্ঞান জাদুঘর
b বিসিএসআইআর
c স্পারসো
d বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট- ১
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) স্পারসো কেন সঠিক: - স্পারসো (SPARRSO) হলো বাংলাদেশের জাতীয় মহাকাশ গবেষণা ও দূরঅনুধাবন প্রতিষ্ঠান। - এটি মহাকাশ গবেষণা, উপগ্রহ চিত্র বিশ্লেষণ এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ পর্যবেক্ষণের কাজে নিয়োজিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাংলাদেশ বিজ্ঞান জাদুঘর — এটি বিজ্ঞানভিত্তিক প্রদর্শনী এবং শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞানমনস্ক করার জন্য প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠান, মহাকাশ গবেষণা করে না। B) বিসিএসআইআর — এটি বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ, যা মূলত শিল্প ও ফলিত বিজ্ঞান নিয়ে গবেষণা করে। C) স্পারসো — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশনের কারণ প্রযোজ্য নয়। D) বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট- ১ — এটি বাংলাদেশের প্রথম কৃত্রিম উপযোগ বা স্যাটেলাইট, কোনো গবেষণা প্রতিষ্ঠান নয়। মনে রাখার টিপস: মহাকাশ বা স্পেস শব্দটির সঙ্গে মিল রেখে মনে রাখবে মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠানের নাম স্পারসো।
a অন্তক্রীড়া
b আন্তক্রীড়া
c লীগক্রীড়া
d প্রীতিম্যাচ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আন্তক্রীড়া কেন সঠিক: - 'আন্ত' উপসর্গটি পরস্পরের মধ্যে বা একাধিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যকার বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। - একটি বিদ্যালয় থেকে অন্য বিদ্যালয়ের মধ্যকার ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আন্তক্রীড়া হিসেবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অন্তক্রীড়া — 'অন্ত' অর্থ ভেতরে, যা একটি প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব সীমানার ভেতরের খেলাধুলাকে বোঝায়। B) আন্তক্রীড়া — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এটি দুটি বা ততোধিক ভিন্ন বিদ্যালয়ের মধ্যকার প্রতিযোগিতাকে নির্দেশ করে। C) লীগক্রীড়া — এটি প্রতিযোগিতার একটি নির্দিষ্ট পদ্ধতি বা ফরম্যাট, বিদ্যালয়গুলোর পারস্পরিক প্রতিযোগিতার সার্বিক নাম নয়। D) প্রীতিম্যাচ — এটি প্রতিযোগিতামূলক মনোভাবের চেয়ে সৌহার্দ্য ও বন্ধুত্বের উদ্দেশ্যে খেলা হয়। মনে রাখার টিপস: নিজের ঘরের ভেতর হলে 'অন্ত' এবং অন্যের ঘরে বা অন্য স্কুলের সাথে হলে 'আন্ত' মনে রাখবে।
a ৫ প্রকার
b ২ প্রকার
c ৪ প্রকার
d ৮ প্রকার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২ প্রকার কেন সঠিক: - মানসিক বা শারীরিক ক্লান্তি এবং অবসাদ মূলত দুই প্রধান ভাগে বিভক্ত হয়ে থাকে। - কাজের ধরন ও উৎসের ওপর ভিত্তি করে অবসাদকে শারীরিক অবসাদ এবং মানসিক অবসাদ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৫ প্রকার — অবসাদের সাধারণ শ্রেণিবিভাগের সংখ্যা পাঁচ নয়, এটি ভুল তথ্য। B) ২ প্রকার — এটি সঠিক উত্তর কারণ অবসাদ প্রধানত শারীরিক ও মানসিক এই দুই ভাগে বিভক্ত। C) ৪ প্রকার — অবসাদকে চারটি ভিন্ন প্রকারে ভাগ করা হয় না, তাই এটি সঠিক নয়। D) ৮ প্রকার — এই সংখ্যাটি অবসাদের প্রামাণ্য শ্রেণিবিভাগের সঙ্গে মেলে না। মনে রাখার টিপস: শরীর ও মন মানুষের দুটি প্রধান অঙ্গ, তাই অবসাদও শারীরিক ও মানসিক এই দুই প্রকার হয়।
a চীনের বেইজিং- এ
b প্যারিসে
c রোমে
d টোকিওতে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্যারিসে প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ও সাম্প্রতিক ক্রীড়া তথ্য কেন সঠিক: - ২০২৪ সালের গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক গেমস ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে অনুষ্ঠিত হয়েছে। - এটি ছিল ৩৩তম আধুনিক অলিম্পিক গেমস আসর। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চীনের বেইজিং- এ — বেইজিংয়ে ২০২২ সালের শীতকালীন অলিম্পিক গেমস অনুষ্ঠিত হয়েছিল, ২০২৪ সালের গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক নয়। B) প্যারিসে — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এখানেই ২০২৪ সালের অলিম্পিক গেমস সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। C) রোমে — রোম অতীতে ১৯৬০ সালে অলিম্পিক আয়োজন করলেও ২০২৪ সালের আয়োজক শহর ছিল না। D) টোকিওতে — টোকিওতে এর আগে ২০২০ সালের অলিম্পিক গেমস অনুষ্ঠিত হয়েছিল, যা করোনা মহামারীর কারণে ২০২১ সালে হয়। মনে রাখার টিপস: ফরাসি বিপ্লবের দেশ ফ্রান্সে এবং এর রাজধানী প্যারিসে ২০২৪ সালের অলিম্পিক গেমস অনুষ্ঠিত হয়েছে।
a ব্রেস্ট, ব্যাক, বাটার, ফ্রী স্টাইল
b ফ্রী স্টাইল, ব্রেস্ট, ব্যাক, বাটার
c ফ্রী স্টাইল, ব্যাক, ব্রেস্ট, বাটার
d বাটার, ব্যাক, ব্রেস্ট, ফ্রী স্টাইল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বাটার, ব্যাক, ব্রেস্ট, ফ্রী স্টাইল কেন সঠিক: - ব্যক্তিগত মিডলে সাঁতারে সাঁতারুদের চারটি ভিন্ন স্ট্রোক নির্দিষ্ট ক্রমানুসারে সাঁতরাতে হয়। - সাঁতারের এই আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুযায়ী বাটারফ্লাই স্ট্রোক দিয়ে শুরু হয় এবং ফ্রী স্টাইল দিয়ে শেষ হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্রেস্ট, ব্যাক, বাটার, ফ্রী স্টাইল — এই ক্রমে সাঁতারের স্ট্রোকগুলোর সঠিক বিন্যাস নেই কারণ ব্যক্তিগত মিডলে সাঁতার ব্রেস্ট স্ট্রোক দিয়ে শুরু হয় না। B) ফ্রী স্টাইল, ব্রেস্ট, ব্যাক, বাটার — ফ্রী স্টাইল দিয়ে ব্যক্তিগত মিডলে সাঁতার শুরু হয় না বরং এটি শেষ স্ট্রোক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। C) ফ্রী স্টাইল, ব্যাক, ব্রেস্ট, বাটার — এই বিন্যাসে প্রথম ও শেষ স্ট্রোকের আন্তর্জাতিক নিয়ম উল্টোভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে যা ভুল। D) বাটার, ব্যাক, ব্রেস্ট, ফ্রী স্টাইল — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি ব্যক্তিগত মিডলে সাঁতারের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সঠিক ক্রম। মনে রাখার টিপস: বা-বা-ব্রে-ফ্রি এই সংকেতটি মনে রাখলে বাটারফ্লাই, ব্যাকস্ট্রোক, ব্রেস্টস্ট্রোক এবং ফ্রী স্টাইলের সঠিক ক্রম সহজেই মনে রাখা যায়।
a পঞ্চমুখি
b পঞ্চব্রীহি
c পঞ্চশীলা
d পঞ্চপাণ্ডব
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পঞ্চব্রীহি কেন সঠিক: - বিজ্ঞানী ড. আবেদ চৌধুরী একই গাছে বিভিন্ন মৌসুমে পাঁচ প্রকারের ধান উৎপাদনের যে অভিনব পদ্ধতি আবিষ্কার করেছেন, তার নাম দিয়েছেন পঞ্চব্রীহি। - ব্রীহি শব্দের অর্থ ধান, আর পঞ্চ অর্থ পাঁচ, যা একসঙ্গে পাঁচ প্রকার ধানের সমাহারকে নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পঞ্চমুখি — এটি কোনো কৃষিপদ্ধতির নাম নয়, বরং সাধারণভাবে কোনো কিছুর পাঁচটি মুখ বা দিক বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। C) পঞ্চশীলা — এটি আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে পঞ্চশীল চুক্তি বা পাঁচটি নীতিকে বোঝায়, যার সঙ্গে ধান চাষের কোনো সম্পর্ক নেই। D) পঞ্চপাণ্ডব — এটি মহাভারতের পাঁচ ভাই পাণ্ডবকে নির্দেশ করে, যা এই কৃষি আবিষ্কারের সঙ্গে সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক। মনে রাখার টিপস: পাঁচটি ধান চাষের পদ্ধতি মনে রাখতে ব্রীহি শব্দটিকে মনে রাখুন, কারণ ব্রীহি অর্থ ধান এবং পঞ্চব্রীহি মানে পাঁচ ধরনের ধান।
a কালো
b লাল
c সবুজ
d সাদা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সাদা কেন সঠিক: - অ্যাথলেটিক্সে লং জাম্প বা ট্রিপল জাম্প ইভেন্টে রান-আপ ট্র্যাকের শেষ প্রান্তে টেক অফ বোর্ড স্থাপন করা হয়। - রান-আপ ট্র্যাক এবং ল্যান্ডিং পিটের মধ্যে স্পষ্ট দৃশ্যমানতা ও ফাউল লাইন নির্দেশ করতে এই বোর্ডের রং সাদা নির্ধারণ করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কালো — এটি দৃশ্যমানতার জন্য উপযুক্ত নয় এবং অফিশিয়াল নিয়মের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। B) লাল — এই রং ট্র্যাকের বিভিন্ন মার্কিংয়ে ব্যবহৃত হলেও টেক অফ বোর্ডের জন্য নির্ধারিত নয়। সি) সবুজ — এই রং সাধারণত মাঠের ঘাস বা নির্দিষ্ট জোনের জন্য ব্যবহৃত হয়। D) সাদা — এটি সঠিক উত্তর কারণ আন্তর্জাতিক অ্যাথলেটিক্স বিধিমালা অনুযায়ী টেক অফ বোর্ডের রং সর্বদা সাদা হয়। মনে রাখার টিপস: লং জাম্পের শুরুতে দৌড়ানোর জন্য যেমন সাদা দাগ বা লাইন থাকে, তেমনি লাফ দেওয়ার বোর্ডটিও সাদা রঙের হয়।
a ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯
b ৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯
c ৩ জানুয়ারি, ১৯৬৭
d ১৫ জানুয়ারি, ১৯৬৯
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: B) ৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯ কেন সঠিক: - বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬৯ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসন অর্জনের লক্ষ্যে ঐতিহাসিক ছয় দফা দাবি পেশ করেন। - ঐতিহাসিক আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা থেকে মুক্তি পাওয়ার পর ছাত্রসমাজের দেওয়া সংবর্ধনায় তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে এই দাবি পেশ করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯ — এই তারিখে ঐতিহাসিক আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করা হয় এবং বঙ্গবন্ধুসহ সকল বন্দಿ মুক্তি পান। B) ৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯ — এটি সঠিক উত্তর। C) ৩ জানুয়ারি, ১৯৬৭ — এই তারিখে তৎকালীন পাকিস্তান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে। D) ১৫ জানুয়ারি, ১৯৬৯ — এই তারিখে সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের পক্ষ থেকে ১১ দফা দাবি পেশ করা হয়। মনে রাখার টিপস: উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের উত্তাল দিনগুলোতে ফেব্রুয়ারির ৫ তারিখে বঙ্গবন্ধু বাঙালির মুক্তির সনদ ছয় দফা পেশ করেছিলেন।
a রাজনীতি
b সুশীল সমাজ
c আমলাতন্ত্র
d সংবাদপত্র
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সংবাদপত্র কেন সঠিক: - সংবাদপত্র রাষ্ট্রের গণতন্ত্র রক্ষা, সরকারের জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ এবং জনমত গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। - গণতন্ত্রের মূল তিনটি স্তম্ভ আইনসভা, শাসনবিভাগ ও বিচারবিভাগের বাইরে সংবাদমাধ্যমকে সমাজের দর্পণ ও চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাজনীতি — এটি রাষ্ট্র পরিচালনার একটি প্রক্রিয়া বা মতাদর্শ, যা রাষ্ট্রের আনুষ্ঠানিক শাসন কাঠামোর অংশ হলেও চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে পরিচিত নয়। B) সুশীল সমাজ — এটি সরকারের বাইরে থাকা বিভিন্ন নাগরিক সংগঠন ও সমাজের সচেতন অংশের প্রতিনিধিত্ব করে, যা রাষ্ট্রের আনুষ্ঠানিক চতুর্থ স্তম্ভ নয়। সি) আমলাতন্ত্র — এটি মূলত রাষ্ট্রের শাসনবিভাগের স্থায়ী অংশ এবং প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা করে, যা রাষ্ট্রের দ্বিতীয় বা প্রশাসনিক স্তম্ভের অন্তর্ভুক্ত। D) সংবাদপত্র — এটি সঠিক উত্তর কারণ সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যমকে গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভ বলা হয়। মনে রাখার টিপস: রাষ্ট্রের ক্ষমতার মূল তিনটি অঙ্গের (আইন, শাসন, বিচার) ঠিক পরেই জনগণের কণ্ঠস্বর হিসেবে সংবাদপত্রকে চতুর্থ স্তম্ভ বলা হয়।
a ২৬ জুন- ২০০০
b ২৬ ডিসেম্বর - ২০০০
c ২৬ জুন- ১৯৯৭
d ২৬ জুন ১৯৯৯ সাল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২৬ জুন- ২০০০ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড ২০০০ সালের ২৬ জুন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের পূর্ণ সদস্য পদ বা টেস্ট স্ট্যাটাস লাভ করে। - এই ঐতিহাসিক অর্জনের ফলে বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে টেস্ট খেলুড়ে দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৬ জুন- ২০০০ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দিনেই বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে টেস্ট স্ট্যাটাস অর্জন করেছিল। B) ২৬ ডিসেম্বর - ২০০০ — এই তারিখে বাংলাদেশ তাদের ইতিহাসের প্রথম টেস্ট ম্যাচ ভারতের বিপক্ষে খেলেছিল, টেস্ট স্ট্যাটাস পাওয়ার তারিখ নয়। C) ২৬ জুন- ১৯৯৭ — এই সালে বাংলাদেশ আইসিসি ট্রফি জয় করে ওয়ানডে স্ট্যাটাস বা খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছিল। D) ২৬ জুন ১৯৯৯ সাল — এই সালে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল প্রথম ওয়ানডে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করে এবং পাকিস্তানকে পরাজিত করে। মনে রাখার টিপস: ২০০০ সালের ২৬ জুন বাংলাদেশ টেস্ট পরিবারের সদস্য হয় এবং একই বছরের নভেম্বর মাসে ভারতের বিপক্ষে প্রথম টেস্টে নামে।
a ১৯৬৪ টোকিও
b ১৯৬৫, দিল্লী
c ১৯৬৬ করাচি
d ১৯৬৮ বেইজিং
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৯৬৪ টোকিও কেন সঠিক: - এশিয়ায় অনুষ্ঠিত অলিম্পিক গেমসের ইতিহাসে ১৯৬৪ সালের টোকিও অলিম্পিক ছিল প্রথম আসর। - জাপানের রাজধানী টোকিওতে এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হওয়ার মাধ্যমে এশিয়া মহাদেশ প্রথম অলিম্পিক আয়োজনের গৌরব অর্জন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৬৪ টোকিও — এটি সঠিক উত্তর কারণ এশিয়ায় প্রথম অলিম্পিক এখানেই অনুষ্ঠিত হয়েছিল। B) ১৯৬৫, দিল্লী — এই সালে ভারতে বা এশিয়ায় কোনো অলিম্পিক গেমস অনুষ্ঠিত হয়নি। C) ১৯৬৬ করাচি — এই সালে পাকিস্তানে কোনো অলিম্পিক গেমস অনুষ্ঠিত হয়নি। D) ১৯৬৮ বেইজিং — এই সালে চীনে কোনো অলিম্পিক গেমস অনুষ্ঠিত হয়নি। মনে রাখার টিপস: এশিয়ায় প্রথম অলিম্পিক মনে রাখতে জাপানের রাজধানী টোকিও এবং ১৯৬৪ সাল মনে রাখুন।
a আবাহনী
b মোহামেডান
c ওয়ান্ডারার্স
d ব্রাদার্স ইউনিয়ন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ওয়ান্ডারার্স কেন সঠিক: - জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৪০-এর দশকে ঢাকা ওয়ান্ডারার্স ক্লাবের হয়ে নিয়মিত ফুটবল খেলতেন। - তার ক্রীড়াবান্ধব জীবনের এক ঐতিহাসিক ও সত্য তথ্য এটি, যা তৎকালীন ঢাকা স্টেডিয়াম ও ময়দানের ইতিহাসের সঙ্গে জড়িত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আবাহনী — এটি ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত একটি বিখ্যাত ক্লাব, যার সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর কোনো খেলোয়াড়ি সম্পৃক্ততা ছিল না। B) মোহামেডান — এটি দেশের অন্যতম প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী ক্লাব হলেও তিনি এই ক্লাবের হয়ে ফুটবল খেলেননি। D) ব্রাদার্স ইউনিয়ন — এটি পরবর্তীতে প্রতিষ্ঠিত একটি ক্লাব, যার সঙ্গে তার খেলোয়াড়ি জীবনের কোনো সংযোগ নেই। মনে রাখার টিপস: বঙ্গবন্ধু মাঠে ফুটবল নিয়ে ওয়ান্ডার করতেন বা ঘুরতেন, এভাবে ওয়ান্ডারার্স ক্লাবটি মনে রাখতে পারেন।
a ৪১টি
b ৪২টি
c ৪৩টি
d ৪৪টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪২টি কেন সঠিক: - ক্রিকেটের আইন প্রণয়ন ও নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে থাকা মেলবোর্ন ক্রিকেট ক্লাব বা এমসিসি এর নিয়ম অনুযায়ী ক্রিকেট খেলার মোট আইন বা ল'স অব ক্রিকেট সংখ্যায় ৪২টি। - এই আইনগুলো খেলার মাঠ, পিচ, বল, ব্যাট এবং খেলোয়াড়দের আচরণসহ খেলার সার্বিক নিয়মকানুন নির্ধারণ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪১টি — এটি ক্রিকেটের মোট আইনের সঠিক সংখ্যা নয়। B) ৪২টি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) ৪৩টি — ক্রিকেট খেলার আইনের প্রথাগত সংখ্যার সাথে এই সংখ্যাটি মেলে না। D) ৪৪টি — এটি ক্রিকেটের মোট আইনের নির্ধারিত সংখ্যার চেয়ে বেশি। মনে রাখার টিপস: ক্রিকেট খেলায় দুই দলের প্রতি ইনিংসে ১১ জন করে মোট ২২ জন খেলোয়াড় মাঠে নামে, আর এই খেলোয়াড় সংখ্যার দ্বিগুণ অর্থাৎ বাইশ গুণ দুই সমান বেয়াল্লিশ বা ৪২টি হলো ক্রিকেটের মোট আইন।
a ৯.৫৮ সে. মি.
b ৯.৫৬ সে. মি.
c ৯.৬৮ সে. মি.
d ৯.৫৮ সে. মি.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৯.৫৮ সে. মি. কেন সঠিক: - জামাইকার স্প্রিন্টার উসাইন বোল্ট ২০০৯ সালের বিশ্ব অ্যাথলেটিক্স চ্যাম্পিয়নশিপে ১০০ মিটার দৌড়ে ৯.৫৮ সেকেন্ডে বিশ্ব রেকর্ড গড়েন। - অপশনে সে. মি. লেখা থাকলেও মূলত এটি ৯.৫৮ সেকেন্ড সময়কে নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৯.৫৮ সে. মি. — মূল উত্তরের অনুরূপ হলেও অপশন পুনর্বৃত্তির কারণে এটি ধরতে হয়। B) ৯.৫৬ সে. মি. — এটি ১০০ মিটার দৌড়ের কোনো স্বীকৃত বিশ্ব রেকর্ড নয়। সি) ৯.৬৮ সে. মি. — এই সময়ে উসাইন বোল্ট বা অন্য কোনো অ্যাথলেট বিশ্ব রেকর্ড করেননি। D) ৯.৫৮ সে. মি. — এটি সঠিক বিশ্ব রেকর্ডের সময়কাল নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: উসাইন বোল্টের বিশ্ব রেকর্ডের সময় মনে রাখতে ৯.৫৮ সংখ্যাটি বারবার চর্চা করুন।
a সৌরজগৎ
b ধূমকেতু
c মিল্কিওয়ে
d গ্যালাক্সি
ব্যাখ্যাঃ
**প্রশ্নের ধরন:** ভূগোল ও পরিবেশ / সাধারণ জ্ঞান ও বিবিধ তথ্য সঠিক উত্তর: C) মিল্কিওয়ে কেন সঠিক: - পৃথিবী সৌরজগতের একটি গ্রহ এবং সৌরজগৎ মিল্কিওয়ে বা আকাশগঙ্গা নামক বিশাল গ্যালাক্সির একটি অংশ। - মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সি সর্পিল আকৃতির এবং এতে কোটি কোটি নক্ষত্র রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সৌরজগৎ — এটি সূর্য ও তার গ্রহ-উপগ্রহ নিয়ে গঠিত একটি মণ্ডল, কোনো গ্যালাক্সি নয়। B) ধূমকেতু — এটি বরফ ও ধূলিকণা দিয়ে গঠিত সৌরজগতের একটি ক্ষুদ্র মহাজাগতিক বস্তু। C) মিল্কিওয়ে — এটি সঠিক উত্তর। D) গ্যালাক্সি — এটি মহাবিশ্বের গ্যালাক্সির একটি সাধারণ শ্রেণিবাচক নাম, পৃথিবীর নির্দিষ্ট ছায়াপথের নাম নয়। মনে রাখার টিপস: আমাদের পৃথিবী যে গ্যালাক্সিতে বা ছায়াপথে থাকে, তার দুধসাদা আলোর নদী সদৃশ রূপের কারণে এর নাম মিল্কিওয়ে বা আকাশগঙ্গা রাখা হয়েছে।
a ফুটবল
b হকি
c দাবা
d ক্রিকেট
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) হকি কেন সঠিক: - ফাইভ এস বা ফাইভ-এ-সাইড হলো হকির একটি সংক্ষিপ্ত রূপ, যা মূলত ইনডোরে বা টার্ফ মাঠে ৫ জন খেলোয়াড় নিয়ে খেলা হয়। - আন্তর্জাতিক হকি ফেডারেশন এই বিশেষ ফরম্যাটের হকি প্রতিযোগিতা নিয়মিত পরিচালনা করে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফুটবল — ফুটবলের জনপ্রিয় সংক্ষিপ্ত রূপ হলো ফাইভ-এ-সাইড ফুটবল, তবে মূল আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় 'ফাইভ এস' বলতে সাধারণত হকিকেই বোঝানো হয়। B) হকি — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) দাবা — দাবা একটি বুদ্ধিবৃত্তিক বোর্ড খেলা, যার সাথে ফাইভ এস ফরম্যাটের কোনো সম্পর্ক নেই। D) ক্রিকেট — ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত রূপ হিসেবে টি-টোয়েন্টি বা টেপটেন প্রচলিত আছে, ফাইভ এস নয়। মনে রাখার টিপস: হকি খেলায় ফাইভ এস বলতে ৫ জনের দল নিয়ে খেলা ইনডোর হকিকে বোঝানো হয়।
a ফুটবল
b ব্যাডমিন্টন
c কাবাডি
d ক্রিকেট
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কাবাডি কেন সঠিক: - কাবাডি খেলাটি বাংলাদেশের গ্রামীণ সংস্কৃতির সাথে গভীরভাবে জড়িত এবং এটি বাংলাদেশের জাতীয় খেলা হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃত। - ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর কাবাডি খেলাকে দেশের জাতীয় খেলা হিসেবে ঘোষণা করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফুটবল — এটি বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় খেলা হলেও বাংলাদেশের জাতীয় খেলা নয়, তবে দেশে এর ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে। B) ব্যাডমিন্টন — এটি একটি জনপ্রিয় ইনডোর খেলা হলেও এটি বাংলাদেশের জাতীয় খেলা হিসেবে স্বীকৃতি পায়নি। C) কাবাডি — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়। D) ক্রিকেট — এটি বর্তমানে বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং বাণিজ্যিকভাবে সফল খেলা হলেও এটি জাতীয় খেলা নয়। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের জাতীয় খেলা মনে রাখার সহজ উপায় হলো দেশের মাটির ঐতিহ্যবাহী খেলা হাডুডু বা কাবাডিকে স্মরণ করা।
a হাতিয়া
b সন্দ্বীপ
c মনপুরা
d সেন্টমার্টিন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সেন্টমার্টিন কেন সঠিক: - এটি বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্বাংশে অবস্থিত একমাত্র প্রবাল দ্বীপ বা কোরাল দ্বীপ। - এর ভূপ্রকৃতি এবং সমুদ্রের তলদেশ প্রবাল বা কোরাল দিয়ে গঠিত হওয়ায় একে এই বিশেষ নামে ডাকা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাতিয়া — এটি নোয়াখালী জেলায় অবস্থিত মেঘনা নদীর মোহনার একটি বৃহৎ দ্বীপ, যা প্রবাল দ্বীপ নয়। B) সন্দ্বীপ — এটি চট্টগ্রাম জেলার উপকূলে বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত একটি প্রাচীন দ্বীপ, যার গঠন পলি দ্বারা গঠিত। C) মনপুরা — এটি ভোলা জেলায় অবস্থিত মেঘনা নদীর অববাহিকায় গড়ে ওঠা একটি দ্বীপ, যা প্রবাল দ্বীপ নয়। D) সেন্টমার্টিন — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ। মনে রাখার টিপস: নারিকেল পাওয়া যায় বলে সেন্টমার্টিনকে নারিকেল জিঞ্জিরাও বলা হয় এবং এটিই দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ।
a ডিকে ম্যাথিউজ
b গ্রীথ
c বি ন্যাশ
d ক্রিপটন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ডিকে ম্যাথিউজ কেন সঠিক: - শারীরিক শিক্ষার সংজ্ঞা প্রদান করতে গিয়ে ডিকে ম্যাথিউজ উল্লেখ করেছেন যে শারীরিক কার্যকলাপের দ্বারাই কেবল কাঙ্ক্ষিত শিক্ষা অর্জন সম্ভব। - তাঁর মতে শারীরিক কার্যক্রম শিক্ষার্থীর শারীরিক বিকাশ ও অর্জিত শিক্ষার মধ্যে সরাসরি সেতুবন্ধন তৈরি করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডিকে ম্যাথিউজ — এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে শারীরিক শিক্ষার এই বিশেষ সংজ্ঞাটি প্রদান করেছেন। B) গ্রীথ — শারীরিক শিক্ষা সম্পর্কিত অন্য কোনো মতবাদ বা সংজ্ঞা প্রদান করলেও এই নির্দিষ্ট সংজ্ঞাটির প্রবক্তা নন। C) বি ন্যাশ — শারীরিক শিক্ষা ও বিনোদন নিয়ে কাজ করলেও শারীরিক কার্যকলাপের দ্বারা অর্জিত শিক্ষার সংজ্ঞাটি তাঁর নয়। D) ক্রিপটন — শারীরিক শিক্ষার ইতিহাস বা সংজ্ঞার সঙ্গে এই নামের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। মনে রাখার টিপস: ম্যাথিউজ নামের সঙ্গে শারীরিক কার্যকলাপ ও শিক্ষার সংযোগকারী এই বিখ্যাত সংজ্ঞাটি মনে রাখতে পারেন।
a প্রতাপ শঙ্কর হাজরা
b রকিবুল হাসান
c আলতাফ হোসেন
d সালাহ উদ্দিন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রকিবুল হাসান কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি ঢাকা স্টেডিয়ামে পাকিস্তান আন্তর্জাতিক একাদশের বিপক্ষে ম্যাচে তিনি ব্যাটে 'জয়বাংলা' স্টিকার লাগিয়ে প্রতিবাদ করেছিলেন। - এটি ছিল মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রাক্কালে বাঙালি ক্রীড়াবিদদের পক্ষ থেকে পাকিস্তানি শোষকদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের এক অনন্য ও ঐতিহাসিক ঘটনা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রতাপ শঙ্কর হাজরা — তিনি ওই সময়ের একজন পরিচিত ক্রিকেটার হলেও এই নির্দিষ্ট প্রতিবাদটির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। B) রকিবুল হাসান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে অন্য কোনো প্রযোজ্য কারণ নেই। C) আলতাফ হোসেন — তিনি সেসময়ের অন্য কোনো ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকতে পারেন, তবে এই ঐতিহাসিক প্রতিবাদের সঙ্গে তার নাম জড়িত নয়। D) সালাহ উদ্দিন — তিনি পরবর্তী প্রজন্মের একজন ক্রীড়াবিদ বা ভিন্ন ব্যক্তিত্ব হতে পারেন, ১৯৭১ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারির এই ঘটনার সঙ্গে তিনি সংশ্লিষ্ট নন। মনে রাখার টিপস: ২৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৭১ সালে ব্যাটে 'জয়বাংলা' স্টিকার লাগিয়ে ইতিহাস গড়েছিলেন ক্রিকেটার রকিবুল হাসান।
a উসাইন বোল্ট
b কার্ল লুইস
c মাইকেল ফেলপস
d নাদিয়া কোমোনিচি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মাইকেল ফেলপস কেন সঠিক: - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাঁতারু মাইকেল ফেলপস অলিম্পিক ইতিহাসে সর্বমোট ২৩টি স্বর্ণপদকসহ সর্বাধিক ২৮টি পদক অর্জন করেছেন। - অলিম্পিক গেমসের দীর্ঘ ইতিহাসে তার এই অনন্য সাফল্যের রেকর্ড এখনো কেউ ভাঙতে পারেনি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) উসাইন বোল্ট — তিনি জ্যামাইকার কিংবদন্তি স্প্রিন্টার এবং দৌড় ইভেন্টে একাধিক স্বর্ণপদক জিতলেও অলিম্পিক পদকসংখ্যার দিক থেকে ফেলপসের পেছনে রয়েছেন। B) কার্ল লুইস — তিনি যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত অ্যাথলেট ও লং জাম্পার হিসেবে ৯টি স্বর্ণপদক জিতলেও ফেলপসের মোট পদকসংখ্যার তুলনায় কম। D) নাদিয়া কোমোনিচি — তিনি রোমানিয়ার বিশ্বখ্যাত জিমন্যাস্ট এবং অলিম্পিকে দারুণ নৈপুণ্য দেখালেও সর্বমোট পদকের দিক থেকে ফেলপসের সমকক্ষ নন। মনে রাখার টিপস: সাঁতারের রাজা মাইকেল ফেলপস পদক জয়ে সবার শীর্ষে থাকায় তাকে সর্বকালের সেরা অলিম্পিয়ান বলা হয়।
a নীল, হলুদ, কালো, সবুজ ও লাল
b সাদা, কালো, নীল, হলুদ ও সবুজ
c বেগুনী, লাল, কালো, নীল এবং সবুজ
d আসমানী, লাল, কালো, নীল ও সবুজ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নীল, হলুদ, কালো, সবুজ ও লাল কেন সঠিক: - অলিম্পিক পতাকায় পাঁচটি ভিন্ন রঙের বৃত্ত বা রিং পরস্পর সংলগ্নভাবে থাকে, যা পাঁচটি মহাদেশের ঐক্যের প্রতীক। - আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির নিয়ম অনুযায়ী ক্রমান্বয়ে এই নির্দিষ্ট পাঁচটি রংই ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নীল, হলুদ, কালো, সবুজ ও লাল — এটি অলিম্পিক রিংয়ের সঠিক ও নির্ধারিত ক্রম। B) সাদা, কালো, নীল, হলুদ ও সবুজ — অলিম্পিক রিংয়ে সাদা রঙ ব্যবহার করা হয় না, এটি পতাকার পেছনের মাঠের রঙ। C) বেগুনী, লাল, কালো, নীল এবং সবুজ — অলিম্পিক রিংয়ে বেগুনী রঙের কোনো স্থান নেই। D) আসমানী, লাল, কালো, নীল ও সবুজ — এখানে নীল রঙের পরিবর্তে ভুল করে আসমানী রঙ উল্লেখ করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: নাহক সবুজ রা (নীল, হলুদ, কালো, সবুজ, লাল) এই শব্দসংকেত বা প্রথম অক্ষর দিয়ে সহজে ক্রমটি মনে রাখা যায়।
a 1930
b 1928
c 1921
d 1927
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯২৮ কেন সঠিক: - ১৯২৮ সালের আমস্টারডাম অলিম্পিক গেমসে প্রথমবারের মতো মূল স্টেডিয়ামে অলিম্পিক মশাল জ্বালানোর প্রথা চালু করা হয়। - প্রাচীন গ্রিসের ঐতিহ্য এবং আধুনিক অলিম্পিকের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করতে এই নিয়মটি প্রথম প্রবর্তন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৩০ — এই সালে কোনো অলিম্পিক গেমস অনুষ্ঠিত হয়নি কারণ ১৯২৮ সালের পর সরাসরি ১৯৩২ সালে অলিম্পিক হয়েছিল। B) ১৯২৮ — এই অপশনটি সঠিক এবং এই সালেই আমস্টারডাম অলিম্পিকে প্রথম মশাল জ্বালানোর রীতি চালু হয়। C) ১৯২১ — এই সালে অলিম্পিকে মশাল জ্বালানোর কোনো নিয়ম বা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়নি। D) ১৯২৭ — এই সালে অলিম্পিক সংক্রান্ত কোনো নতুন প্রথা বা মশাল জ্বালানোর নিয়ম চালু হয়নি। মনে রাখার টিপস: মশাল জ্বালানোর নিয়ম ১৯২৮ সালের আমস্টারডাম অলিম্পিক থেকে শুরু হয়, যা মনে রাখতে ১৯২৮ সালটি মাথায় রাখুন।
a ডুরান্ড রেখা
b র‍্যাডক্লিফ রেখা
c ইন্দো- চীন লাইন
d ম্যাকমোহন রেখা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ম্যাকমোহন রেখা কেন সঠিক: - ১৯১৪ সালে সিমলা চুক্তির মাধ্যমে ভারত ও চীনের মধ্যে এই সীমান্তরেখা নির্ধারিত হয়। - ব্রিটিশ ভারতের বৈদেশিক সচিব স্যার হেনরি ম্যাকমোহনের নামানুসারে এই সীমানার নামকরণ করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডুরান্ড রেখা — এটি পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যকার সীমান্তবর্তী রেখা। B) র‍্যাডক্লিফ রেখা — এটি ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার সীমান্তবর্তী রেখা। C) ইন্দো- চীন লাইন — এটি কোনো আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সীমান্তরেখার নাম নয়। D) ম্যাকমোহন রেখা — এটি ভারত ও চীনের মধ্যকার সীমান্তরেখা নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: চীন শব্দটিতে চ আছে এবং ম্যাকমোহন রেখার ম্যাক অংশে ম আছে, যা দিয়ে চীন ও ম্যাকমোহন মনে রাখা সহজ।
a ৮ জন
b ১০ জন
c ১২ জন
d ১৪ জন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১২ জন কেন সঠিক: - কাবাডি খেলায় প্রতিটি দল রেজিস্টার্ড খেলোয়াড় হিসেবে মোট ১২ জন খেলোয়াড় নিয়ে গঠিত হয়। - এই ১২ জনের মধ্যে মাঠে একসঙ্গে ৭ জন খেলোয়াড় অংশ নেয় এবং বাকি ৫ জন খেলোয়াড় অতিরিক্ত হিসেবে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৮ জন — কাবাডি খেলার নিয়মে দলে ৮ জন খেলোয়াড় রাখার কোনো বিধান নেই। B) ১০ জন — এটি কাবাডি দলের নির্ধারিত কোনো খেলোয়াড় সংখ্যা নয়। C) ১২ জন — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল হিসেবে গণ্য নয়। D) ১৪ জন — কাবাডি দলের খেলোয়াড় সংখ্যা ১৪ জন হয় না। মনে রাখার টিপস: মাঠে খেলি ৭ জন, দলের মোট সদস্য ১২ জন।
a ৬ জন
b ৭ জন
c ৮ জন
d ৯ জন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৭ জন কেন সঠিক: - ওয়াটার পোলো একটি দলগত জলক্রীড়া, যেখানে প্রতিটি দল থেকে মাঠে একসঙ্গে ৭ জন খেলোয়াড় অংশ নেন। - এই ৭ জন খেলোয়াড়ের মধ্যে ১ জন গোলরক্ষক এবং বাকি ৬ জন আউটফিল্ড খেলোয়াড় হিসেবে খেলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৬ জন — এটি ভুল কারণ ওয়াটার পোলো দলের পূর্ণাঙ্গ সদস্য সংখ্যা ৬ জন নয়, বরং মাঠে ৭ জন খেলোয়াড় খেলেন। B) ৭ জন — এটি সঠিক উত্তর, কারণ নিয়মানুযায়ী প্রতিটি ওয়াটার পোলো দলে মাঠে ৭ জন খেলোয়াড় থাকেন। C) ৮ জন — এটি ভুল কারণ ওয়াটার পোলো খেলায় মাঠে একসঙ্গে ৮ জন খেলোয়াড় খেলার নিয়ম নেই। D) ৯ জন — এটি ভুল কারণ ৯ জন খেলোয়াড় সাধারণত বেসবল খেলায় খেলে থাকেন, ওয়াটার পোলোতে নয়। মনে রাখার টিপস: ওয়াটার পোলো শব্দটিতে ৭টি বর্ণ আছে এবং দলে খেলোয়াড়ও ৭ জন।
a ১৬ ডিসেম্বর
b ২৬ মার্চ
c ২১ মার্চ
d ১৭ মার্চ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৬ মার্চ কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। - এই দিন থেকেই বাঙালি জাতি আনুষ্ঠানিকভাবে সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধে অবতীর্ণ হয় এবং দিনটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস হিসেবে পালিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৬ ডিসেম্বর — এটি বাংলাদেশের বিজয় দিবস, যেদিন পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী আত্মসর্পণ করেছিল। C) ২১ মার্চ — এটি কোনো জাতীয় স্বাধীনতা দিবস নয়, তবে বাংলা ঐতিহাসিক ঘটনাবলির সঙ্গে সম্পর্কিত একটি সাধারণ দিন। D) ১৭ মার্চ — এটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস। মনে রাখার টিপস: স্বাধীনতা শুরু হয় ২৬ মার্চে এবং বিজয় অর্জিত হয় ১৬ ডিসেম্বরে।
a ৬টি
b ৮টি
c ১০টি
d ১২টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১০টি কেন সঠিক: - ২০২৩ সালের আইসিসি পুরুষ ক্রিকেট বিশ্বকাপে মোট ১০টি জাতীয় দল অংশগ্রহণ করেছিল। - রাউন্ড রবিন লিগ পদ্ধতিতে এই ১০টি দলের সবাই একে অপরের মুখোমুখি হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৬টি — এটি সঠিক নয় কারণ ২০২৩ বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী দলের সংখ্যা এর চেয়ে বেশি ছিল। B) ৮টি — অতীতে কিছু বিশ্বকাপে ৮টি দল অংশ নিলেও ২০২৩ সালের ফরম্যাটে দলের সংখ্যা ১০টি ছিল। C) ১০টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সংখ্যাটি টুর্নামেন্টের অফিসিয়াল নিয়ম ও দলের সঙ্গে মিলে যায়। D) ১২টি — আইসিসির ওয়ানডে বিশ্বকাপের সাম্প্রতিক সংস্করণে ১২টি দল অংশ নেয়নি। মনে রাখার টিপস: বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী দলের সংখ্যা মনে রাখতে মনে রাখুন ১০ আঙুলে ১০টি দল।
a কেনিয়া
b গাম্বিয়া
c ব্যাকন
d গায়ানা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গাম্বিয়া কেন সঠিক: - আফ্রিকার মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ট দেশ গাম্বিয়া ২০১৯ সালের নভেম্বর মাসে আন্তর্জাতিক আদালতে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর গণহত্যা চালানোর মামলা করে। - ওআইসি সংগঠনের পক্ষে ইসলামিক দেশগুলোর আইনি সহায়তায় গাম্বিয়া এই ঐতিহাসিক মামলাটি পরিচালনা করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কেনিয়া — এটি পূর্ব আফ্রিকার একটি দেশ, যা রোহিঙ্গা গণহত্যা মামলার সঙ্গে কোনোভাবে যুক্ত নয়। C) ব্যাকন — এটি কোনো প্রাসঙ্গিক দেশ নয়, বরং একটি বিভ্রান্তিকর অপশন হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। D) গায়ানা — এটি দক্ষিণ আমেরিকার একটি দেশ, যা আন্তর্জাতিক আদালতে এই মামলার বাদী বা পক্ষ ছিল না। মনে রাখার টিপস: রোহিঙ্গাদের জন্য আইনি লড়াইয়ে এগিয়ে এসেছিল আফ্রিকার ছোট দেশ 'গাম্বিয়া', যার নামের প্রথম অক্ষর 'গ' দিয়ে গণহত্যা শব্দটি মনে রাখা যায়।
a জয়নুল আবেদীন
b হাশেম খান
c কামরুল হাসান
d হামিদুর রহমান
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কামরুল হাসান কেন সঠিক: - শিল্পী কামরুল হাসান ১৯৭১ সালে বর্তমান বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত রূপটি ডিজাইন করেন। - তাঁর নকশা অনুযায়ী সবুজ বৃত্তের মাঝে লাল সূর্য খচিত আয়তক্ষেত্রাকার পতাকাটি তৎকালীন সরকারের অনুমোদন পায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জয়নুল আবেদীন — তিনি বাংলাদেশের শিল্পকলার একজন প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী এবং চারুশিল্প ইনস্টিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা হলেও জাতীয় পতাকার ডিজাইনার নন। B) হাশেম খান — তিনি একজন বিশিষ্ট চিত্রশিল্পী হলেও জাতীয় পতাকার ডিজাইনিংয়ের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না, তিনি জাতীয় পতাকার বর্তমান মানের রূপকার নন। C) কামরুল হাসান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। D) হামিদুর রহমান — তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের মূল নকশাবিদ ও স্থপতি, জাতীয় পতাকার ডিজাইনার নন। মনে রাখার টিপস: পতাকা তৈരীতে দরকার শিল্পীর 'কামরুল', এভাবে মনে রাখতে পারেন পতাকার ডিজাইনার কামরুল হাসান।
a ৪ প্রকার
b ৮ প্রকার
c ৬ প্রকার
d ৭ প্রকার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪ প্রকার কেন সঠিক: - প্রতিযোগিতায় সাঁতারের চারটি মূল স্ট্রোক বা শৈলী আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। - এই চারটি স্ট্রোক হলো ফ্রিস্টাইল, ব্যাকস্ট্রোক, ব্রেস্টস্ট্রোক এবং বাটারফ্লাই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪ প্রকার — এটি সঠিক উত্তর কারণ প্রতিযোগিতামূলক সাঁতারে চারটি ভিন্ন শৈলী ব্যবহৃত হয়। B) ৮ প্রকার — এটি ভুল কারণ সাঁতারে আটটি স্বীকৃত প্রতিযোগিতামূলক শৈলী নেই, সংখ্যাটি অতিরিক্ত। C) ৬ প্রকার — এটি ভুল কারণ সাঁতারের স্ট্রোক সংখ্যা ছয়টি নয়, আন্তর্জাতিকভাবে চারটি প্রধান স্ট্রোক মান্য করা হয়। D) ৭ প্রকার — এটি ভুল কারণ সাঁতারের প্রতিযোগিতায় সাত ধরনের শৈলী বা স্ট্রোকের প্রচলন নেই। মনে রাখার টিপস: সাঁতারের চারটি প্রধান শৈলী মনে রাখতে এফবিবিবি অর্থাৎ ফ্রিস্টাইল, ব্যাকস্ট্রোক, ব্রেস্টস্ট্রোক এবং বাটারফ্লাই এই সূত্রটি মনে রাখতে পারো।
a শিশুর ওজন
b শিশুর শারীরিক সামর্থ্য
c শিশুর মানসিক দক্ষতা
d বাবা-মায়ের আগ্রহ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শিশুর শারীরিক সামর্থ্য কেন সঠিক: - শারীরিক শিক্ষার কর্মসূচি তৈরির সময় শিশুর বয়স ও শারীরিক সক্ষমতা প্রধান বিবেচ্য বিষয়, যাতে অতিরিক্ত চাপ এড়ানো যায়। - শিশুর শারীরিক সামর্থ্য অনুযায়ী কার্যক্রম নির্ধারণ করলে আঘাতের ঝুঁকি কমে এবং শারীরিক বিকাশ সঠিকভাবে ঘটে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শিশুর ওজন — ওজন একটি উপাদান হলেও এটি একা শারীরিক শিক্ষার সামগ্রিক সামর্থ্য বা সহনশীলতা প্রকাশ করে না। B) শিশুর শারীরিক সামর্থ্য — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে আলাদা কোনো ভুল কারণ প্রযোজ্য নয়। C) শিশুর মানসিক দক্ষতা — মানসিক দক্ষতা শিক্ষার অন্য ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হলেও সরাসরি শারীরিক শিক্ষার কর্মসূচি নির্ধারণের মূল ভিত্তি নয়। D) বাবা-মায়ের আগ্রহ — শিশুদের শারীরিক শিক্ষার ক্ষেত্রে বাবা-মায়ের আগ্রহের চেয়ে শিশুর নিজস্ব শারীরিক সক্ষমতা ও চাহিদাকে প্রাধান্য দিতে হয়। মনে রাখার টিপস: শারীরিক শিক্ষার মূল ভিত্তি হলো শিশুর শারীরিক সামর্থ্য, তাই কর্মসূচি সাজাতে হবে তার সক্ষমতা অনুযায়ী।
a প্যারিস
b লন্ডন
c নিউইয়র্ক
d সিডনি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নিউইয়র্ক কেন সঠিক: - ইউ এস ওপেন টেনিস টুর্নামেন্ট প্রতি বছর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরে অনুষ্ঠিত হয়। - এই মর্যাদাপূর্ণ গ্র্যান্ড স্লাম টুর্নামেন্টের খেলাগুলো নিউইয়র্কের ফ্ল্যাশিং মিডোস এলাকায় অবস্থিত ফ্লাশিং মিডো-করোনা পার্কের ইউএসটিএ বিল জিন কিং ন্যাশনাল টেনিস সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্যারিস — এই শহরে ফ্রেঞ্চ ওপেন টেনিস টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়, ইউ এস ওপেন নয়। B) লন্ডন — এই শহরে উইম্বলডন টেনিস টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়, ইউ এস ওপেন নয়। C) নিউইয়র্ক — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন করে ভুল প্রমাণ করার কিছু নেই। D) সিডনি — এই শহরে অস্ট্রেলিয়ান ওপেন অনুষ্ঠিত হয় না, অস্ট্রেলিয়ান ওপেন মেলবোর্নে অনুষ্ঠিত হয়। মনে রাখার টিপস: ইউ এস ওপেন মানেই যুক্তরাষ্ট্র, আর যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান শহর নিউইয়র্কে এই টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়।
a সাদা ও কালো
b লাল ও সাদা
c নীল ও কালো
d কালো ও সবুজ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) লাল ও সাদা কেন সঠিক: - অ্যাথলেটিকস প্রতিযোগিতার হার্ডলস বা বাধা দৌ্রে ব্যবহারের জন্য আন্তর্জাতিক অ্যাথলেটিকস ফেডারেশনের নিয়ম অনুযায়ী এর টপ বা ওপরের বারটি লাল ও সাদা রঙে রাঙানো হয়। - এই রঙের বিন্যাসটি দৌড়বিদদের কাছে বাধাটিকে সহজে দৃশ্যমান করে তোলে যাতে তারা নিরাপদে অতিক্রম করতে পারেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাদা ও কালো — আন্তর্জাতিক অ্যাথলেটিকস নিয়মে হার্ডলসের জন্য এই রঙের কোনো নির্দিষ্ট মানদণ্ড নেই। B) লাল ও সাদা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। C) নীল ও কালো — এই রঙের কোনো কম্বিনেশন হার্ডলসের বার তৈরিতে ব্যবহার করা হয় না। D) কালো ও সবুজ — এই রঙের সংমিশ্রণ স্ট্যান্ডার্ড হার্ডলস বারের আন্তর্জাতিক নিয়মবহির্ভূত। মনে রাখার টিপস: জাতীয় পতাকার রং লাল-সবুজ হলেও হার্ডলসের রঙে সবুজ নেই, সেখানে লাল ও সাদা ব্যবহার করা হয়।
a ৪ ভাগে
b ৩ ভাগে
c ৫ ভাগে
d ২ ভাগে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩ ভাগে কেন সঠিক: - স্পোর্টস মেডিসিন বা ক্রীড়া চিকিৎসা বিজ্ঞানকে প্রধানত তিনটি ভাগে বিভক্ত করা হয়েছে। - এই ভাগগুলো হলো প্রতিষেধক, চিকিৎসা এবং পুনর্বাসন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪ ভাগে — ক্রীড়া চিকিৎসাবিজ্ঞানের প্রচলিত ও স্বীকৃত শ্রেণিবিন্যাস অনুযায়ী এটি সঠিক সংখ্যা নয়। B) ৩ ভাগে — এটি সঠিক উত্তর কারণ স্পোর্টস মেডিসিন প্রধানত তিনটি ভাগে বিভক্ত। C) ৫ ভাগে — এই ক্ষেত্রে বিভাগগুলোর সংখ্যা পাঁচটিতে বিন্যস্ত করা হয় না। D) ২ ভাগে — বিভাগগুলোর পরিধি এবং কাজের ধরন বিবেচনা করে একে দুই ভাগে সীমাবদ্ধ করা যায় না। মনে রাখার টিপস: স্পোর্টস মেডিসিনের ৩টি ভাগ মনে রাখতে প্রথম অক্ষর মনে রাখুন: প্র-চি-পু (প্রতিষেধক, চিকিৎসা, পুনর্বাসন)।
a দৈর্ঘ্য- ২০ মি. × প্রস্থ ৩০ মি.
b দৈর্ঘ্য- ৩০ মি. × প্রস্থ ২০ মি.
c দৈর্ঘ্য- ২৫ মি. × প্রস্থ ২০ মি.
d দৈর্ঘ্য- ১৮ মি. × প্রস্থ ২৫ মি.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দৈর্ঘ্য- ৩০ মি. × প্রস্থ ২০ মি. কেন সঠিক: - আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুযায়ী পুরুষদের ওয়াটার পোলো খেলার মাঠের আদর্শ দৈর্ঘ্য ৩০ মিটার এবং প্রস্থ ২০ মিটার হয়ে থাকে। - এই নির্দিষ্ট মাপে খেলোয়াড়রা সাঁতার কাটা এবং বল পাস করার জন্য পর্যাপ্ত ও নিরাপদ জায়গা পায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দৈর্ঘ্য- ২০ মি. × প্রস্থ ৩০ মি. — এটি ভুল কারণ দৈর্ঘ্য কম এবং প্রস্থ বেশি ধরা হয়েছে, যা ওয়াটার পোলোর আন্তর্জাতিক নিয়মের বিপরীত। B) দৈর্ঘ্য- ৩০ মি. × প্রস্থ ২০ মি. — এটি সঠিক মাপ হওয়ায় এই অপশনটিই নির্দিষ্ট করা হয়েছে। C) দৈর্ঘ্য- ২৫ মি. × প্রস্থ ২০ মি. — ২৫ মিটার দৈর্ঘ্য সাঁতারের অন্যান্য ইভেন্টে ব্যবহৃত হলেও ওয়াটার পোলোর জন্য এটি সঠিক নয়। D) দৈর্ঘ্য- ১৮ মি. × প্রস্থ ২৫ মি. — এই মাপের কোনো আন্তর্জাতিক মান ওয়াটার পোলো খেলার জন্য নির্ধারিত নেই। মনে রাখার টিপস: ওয়াটার পোলো খেলার মাপ মনে রাখতে ৩ ও ২ সংখ্যাটি মনে রাখুন, যেখানে দৈর্ঘ্য ৩০ মিটার এবং প্রস্থ ২০ মিটার হয়।
a ঢাকা
b সিলেট
c দিনাজপুর
d রাঙামাটি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সিলেট কেন সঠিক: - বাংলাদেশের সিলেট জেলার ছাতক অঞ্চলে প্রচুর পরিমাণে চুনাপাথর পাওয়া যায়। - এটি বাংলাদেশের প্রধান চুনাপাথর খনি অঞ্চল হিসেবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঢাকা — এটি বাংলাদেশের রাজধানী ও সমভূমি অঞ্চল, এখানে খনিজ চুনাপাথরের কোনো খনি নেই। B) সিলেট — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এখানে চুনাপাথরের খনি রয়েছে। C) দিনাজপুর — এই জেলায় মধ্যপাড়া কঠিন শিলা ও বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি থাকলেও চুনাপাথর পাওয়া যায় না। D) রাঙামাটি — এটি পাহাড়ি অঞ্চল, এখানে চুনাপাথর নয় বরং অন্য খনিজ ও প্রাকৃতিক সম্পদ পাওয়া যায়। মনে রাখার টিপস: সিলেট মানেই চুনাপাথর বা ছাতকের খনি।
a শারীরিক বৃদ্ধি
b শারীরিক সুস্থতা
c নিয়মিত ব্যায়াম
d লেখাপড়া
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শারীরিক সুস্থতা কেন সঠিক: - শারীরিক সুস্থতা বলতে মানবদেহের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ও শারীরবৃত্তীয় সিস্টেমগুলোর স্বাভাবিক ও সুশৃঙ্খল কার্যক্ষমতাকে বোঝায়। - সুস্থ দেহের অভ্যন্তরীণ বিপাকক্রিয়া, রক্তসঞ্চালন ও রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা সঠিকভাবে কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শারীরিক বৃদ্ধি — এটি কেবল দেহের আকার বা ওজন বৃদ্ধি নির্দেশ করে, যা অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়ার সঠিক কার্যকারিতা নিশ্চিত করে না। B) শারীরিক সুস্থতা — এটি সঠিক উত্তর। C) নিয়মিত ব্যায়াম — এটি শারীরিক সুস্থতা অর্জনের একটি মাধ্যম মাত্র, কিন্তু সরাসরি অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়ার সার্বিক কার্যকারিতা নয়। D) লেখাপড়া — এটি মানুষের মানসিক বিকাশ ও জ্ঞান অর্জনের সাথে সম্পর্কিত, যা শারীরিক অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়ার সাথে সরাসরি যুক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: দেহের ভেতরকার সব কাজ ঠিক রাখতে সবার আগে প্রয়োজন শারীরিক সুস্থতা।
a গেরিলা
b আবার তোরা মানুষ হ
c ওরা ১১ জন
d ছোটপুত্র কমলা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ছোটপুত্র কমলা কেন সঠিক: - ছোটপুত্র কমলা কোনো মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র নয়। - এটি বাংলা চলচ্চিত্র শিল্পের পরিচিত কোনো মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্য বা ফিচার ফিল্মের তালিকায় নেই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গেরিলা — এটি নাসিরউদ্দিন ইউসুফ বাচ্চু পরিচালিত ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি অত্যন্ত প্রশংসিত চলচ্চিত্র। B) আবার তোরা মানুষ হ — এটি খান আতাউর রহমান পরিচালিত ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি বিখ্যাত চলচ্চিত্র। C) ওরা ১১ জন — এটি চাষী নজরুল ইসলাম পরিচালিত বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধভিত্তিক প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র। D) ছোটপুত্র কমলা — এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কোনো চলচ্চিত্র নয়, তাই এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্রগুলো মনে রাখতে প্রথম সারির ছবি যেমন ওরা ১১ জন, গেরিলা ও আবার تورا মানুষ হ নামের তালিকাটি মনে রাখুন।
a প্যারিস চুক্তি
b মন্ট্রিল প্রটোকল
c কিয়োটো প্রটোকল
d কুপ-১৫
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কিয়োটো প্রটোকল কেন সঠিক: - ১৯৯৭ সালে গৃহীত কিয়োটো প্রটোকলে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাসের পাশাপাশি কার্বন ট্রেড বা কার্বন ব্যবসার ধারণাটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রবর্তন করা হয়। - এই চুক্তির মাধ্যমে উন্নত দেশগুলো কোটা অনুযায়ী কার্বন নির্গমন কমাতে এবং না পারলে অন্য দেশ থেকে কার্বন ক্রেডিট কিনে তা ভারসাম্য করতে পারে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্যারিস চুক্তি — এটি ২০১৫ সালে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি দুই ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে রাখার লক্ষ্য নির্ধারণ করে, কার্বন ট্রেডের মূল প্রবর্তক নয়। B) মন্ট্রিল প্রটোকল — এটি ১৯৮৭ সালে ওজোন স্তর ক্ষয়কারী উপাদানসমূহের ওপর স্বাক্ষরিত একটি চুক্তি, যা কার্বন ট্রেডের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) কুপ-১৫ — এটি কোপ-১৫ নামে পরিচিত এবং ২০০৯ সালে কোপেনহেগেনে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের জলবায়ু সম্মেলন, যা কার্বন ট্রেডের ধারণা দেয়নি। মনে রাখার টিপস: কার্বন ট্রেড বা ব্যবসা বলতে কার্বন নির্গমনের কোটা কেনাবেচাকে বোঝায়, যা প্রথম চালু হয়েছিল ১৯৯৭ সালের কিয়োটো প্রটোকলে।
a ২৪ মাইল
b ২৬ মাইল
c ২৭ মাইল
d ২৮ মাইল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৬ মাইল কেন সঠিক: - ম্যারাথন দৌড়ের আদর্শ ও দাপ্তরিক দূরত্ব হলো ২৬ মাইল এবং ৩৮৫ গজ বা ৪২ দশমিক ১৯৫ কিলোমিটার। - ১৯০৮ সালের লন্ডন অলিম্পিকে উইন্ডসর ক্যাসেল থেকে রয়্যাল বক্স পর্যন্ত এই দূরত্বের হিসাব প্রথম নির্ধারণ করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৪ মাইল — এটি ম্যারাথন দৌড়ের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বা নির্ধারিত প্রমিত দূরত্ব নয়। B) ২৬ মাইল — এটি ম্যারাথন দৌড়ের সঠিক ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত প্রমিত দূরত্ব। C) ২৭ মাইল — এই দূরত্বটি কোনো প্রতিযোগিতামূলক ম্যারাথন দৌড়ের নির্দিষ্ট পরিমাপ নয়। D) ২৮ মাইল — এটি ম্যারাথন দৌড়ের সরকারি বা অলিম্পিক নির্ধারিত দূরত্বের চেয়ে বেশি। মনে রাখার টিপস: ম্যারাথনের দূরত্ব মনে রাখতে ২৬ সংখ্যাটি মনে রাখুন, যা প্রায় ৪২ কিলোমিটারের সমান।
a ব্রজেন দাস
b আঃ মালেক
c মোশাররফ হোসেন
d রওশন আলী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ব্রজেন দাস কেন সঠিক: - ব্রজেন দাস ১৯৫৮ সালে দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম ব্যক্তি এবং প্রথম বাঙালি সাঁতারু হিসেবে ইংলিশ চ্যানেল অতিক্রম করেন। - তিনি ১৯৫৮ থেকে ১৯৬১ সালের মধ্যে মোট ছয়বার ইংলিশ চ্যানেল অতিক্রম করে বিশ্ব রেকর্ড গড়েন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্রজেন দাস — এটি সঠিক উত্তর, কারণ তিনি প্রথম বাঙালি হিসেবে ইংলিশ চ্যানেল সাঁতরে পার হন। B) আঃ মালেক — তিনি বাংলাদেশের একজন পরিচিত সাঁতারু হলেও প্রথম ইংলিশ চ্যানেল অতিক্রমকারী নন। C) মোশাররফ হোসেন — তিনি এই ঐতিহাসিক অর্জনের সঙ্গে যুক্ত নন এবং প্রথম ইংলিশ চ্যানেল অতিক্রমকারী হিসেবে রেকর্ড করেননি। D) রওশন আলী — তিনি এই প্রশ্নের উত্তরের সঙ্গে সম্পর্কিত নন এবং প্রথম সাঁতারু হিসেবে এই কৃতিত্ব অর্জন করেননি। মনে রাখার টিপস: ইংলিশ চ্যানেলের ঢেউয়ে প্রথম ভাসল ব্রজেন দাসের নাম, মনে রেখ তাকে প্রথম বাঙালি সাঁতারুর অভিধানে।
a ১৪টি
b ১৫টি
c ১৬টি
d ১৭টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৭টি কেন সঠিক: - এসডিজি বা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার পূর্ণরূপ হলো Sustainable Development Goals, যার মূল লক্ষ্য ১৭টি। - ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে এই ১৭টি লক্ষ্যমাত্রা ও ১৬৯টি নির্দিষ্টি সূচক আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৪টি — এটি কোনো প্রতিষ্ঠিত বৈশ্বিক বা জাতীয় সূচকের মূল লক্ষ্যমাত্রার সংখ্যা নয়। B) ১৫টি — এমডিজি বা সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার মূল লক্ষ্য ছিল ৮টি, ১৫টি নয়। সি) ১৬টি — এসডিজির লক্ষ্যমাত্রা ১৬টি নয়, বরং এটি ১৭টি মূল স্তম্ভ নিয়ে গঠিত। ডি) ১৭টি — এটি এসডিজির নির্ধারিত সঠিক ও মূল লক্ষ্যমাত্রার সংখ্যা। মনে রাখার টিপস: এসডিজি শব্দের ইংরেজি বর্ণ ১৭টি বা এসডিজি চালুর সাল ২০১৫ এর সাথে মিলিয়ে ১৭ সংখ্যাটি মনে রাখা যায়।
a ১৯৮৪ সালে
b ১৯৮০ সালে
c ১৯৮৬ সালে
d ১৯৮৮ সালে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৯৮৪ সালে কেন সঠিক: - বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর লস অ্যাঞ্জেলেস অলিম্পিকে প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে অংশগ্রহণ করে। - এই অলিম্পিকের মাধ্যমে বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক ক্রীড়ার সবচেয়ে বড় আসরে পতাকা ওড়ায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৮৪ সালে — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাংলাদেশ প্রথম এই সালে অলিম্পিকে অংশ নেয়। B) ১৯৮০ সালে — এই সালে মস্কো অলিম্পিক অনুষ্ঠিত হয়েছিল, যেখানে বাংলাদেশ অংশ নেয়নি। C) ১৯৮৬ সালে — অলিম্পিক গেমস এই বছর অনুষ্ঠিত হয়নি কারণ এটি চার বছর পরপর হয়। D) ১৯৮৮ সালে — এই সালে সিউল অলিম্পিক অনুষ্ঠিত হয়েছিল, যা বাংলাদেশের প্রথম অলিম্পিক নয়। মনে রাখার টিপস: স্বাধীনতার তেরো বছর পর ১৯৮৪ সালের লস অ্যাঞ্জেলেস অলিম্পিকের মাধ্যমে বাংলাদেশের অলিম্পিক যাত্রা শুরু হয়।
a খাগড়াছড়ি
b রাঙামাটি
c বান্দরবান
d রাজশাহী
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়ের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ সঠিক উত্তর: B) রাঙামাটি কেন সঠিক: - সাজেক ভ্যালি ভৌগোলিকভাবে রাঙামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলায় অবস্থিত। - এটি মূলত রাঙামাটি জেলার অন্তর্গত হলেও যাতায়াতের সহজ পথ খাগড়াছড়ি জেলার দীঘিনালা হয়ে অতিক্রম করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) খাগড়াছড়ি — সাজেকের ভৌগোলিক অবস্থান রাঙামাটি জেলায় হলেও, যাতায়াতের সুব্যবস্থার কারণে অনেকে ভুলবশত একে খাগড়াছড়ির অংশ মনে করেন। B) রাঙামাটি — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। C) বান্দরবান — এটি পার্বত্য চট্টগ্রামের আরেকটি পর্যটন জেলা হলেও সাজেক ভ্যালির সঙ্গে এর কোনো ভৌগোলিক সংযোগ নেই। D) রাজশাহী — এটি উত্তরবঙ্গের একটি বিভাগ ও জেলা, যার সঙ্গে পাহাড়ঘেরা সাজেক পর্যটন কেন্দ্রের কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: সাজেকে যাওয়ার রাস্তা খাগড়াছড়ি দিয়ে হলেও, এটি মূলত রাঙামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলায় অবস্থিত।
a চীন
b জাপান
c রাশিয়া
d ভারত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চীন কেন সঠিক: - বেল্ট এন্ড রোড ইনিশিয়েটিভ হলো চীনের বিশাল অর্থনৈতিক ও পরিকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প। - ২০১৩ সালে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এ উদ্যোগের ঘোষণা দেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চীন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই মেগা প্রকল্পের প্রবক্তা ও অর্থায়নকারী দেশ চীন। B) জাপান — জাপান এই প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত নয়, বরং তারা এর বিকল্প হিসেবে বিভিন্ন অর্থনৈতিক অঞ্চলে কাজ করছে। C) রাশিয়া — রাশিয়া এই উদ্যোগে রাজনৈতিক সমর্থন দিলেও এটি তাদের নিজস্ব কোনো প্রকল্প নয়। D) ভারত — ভারত এই উদ্যোগে অংশগ্রহণ করে না কারণ এই প্রকল্পের অংশ সিপিসি করিডোর তাদের সার্বভৌমত্বকে লঙ্ঘন করে। মনে রাখার টিপস: বেল্ট এন্ড রোড শুনলেই সিল্ক রোডের প্রাচীন দেশটির কথা মাথায় রাখবে, যা হলো চীন।
a ওয়াসিম আকরাম
b মুত্তিয়া মুরালীধরন
c অনিল কুম্লে
d ব্রেটলি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মুত্তিয়া মুরালীধরন কেন সঠিক: - মুত্তিয়া মুরালীধরন একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৩৫০ ম্যাচে ৫৩৪ উইকেট শিকার করে সর্বকালের সর্বোচ্চ উইকেট শিকারির রেকর্ড ধরে রেখেছেন। - তিনি তার স্পিন ভ্যারিয়েশন এবং মিস্ট্রি বলের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এই অনন্য মাইলফলক স্পর্শ করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ওয়াসিম আকরাম — তিনি একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৫০২ উইকেট শিকার করে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি, তাই তিনি প্রথম নন। B) মুত্তিয়া মুরালীধরন — এটি সঠিক উত্তর এবং তিনি এই তালিকার শীর্ষে আছেন। C) অনিল কুম্লে — তিনি একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৩৩৭ উইকেট শিকার করেছেন, যা এই রেকর্ডের জন্য যথেষ্ট নয়। D) ব্রেটলি — তিনি একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৩৮০ উইকেট শিকার করেছেন, যা সর্বোচ্চ উইকেটের রেকর্ড থেকে অনেক কম। মনে রাখার টিপস: শ্রীলঙ্কার স্পিন জাদুকর মুরালীধরন বল হাতে যেমন অনন্য ছিলেন, তেমনি ওয়ানডে ক্রিকেটে সর্বোচ্চ উইকেটের চূড়ায়ও তিনি একা অবস্থান করছেন।
a ২০ মিটার
b ১৫ মিটার
c ১০ মিটার
d ৫ মিটার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২০ মিটার কেন সঠিক: - আন্তর্জাতিক অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশনের নিয়ম অনুযায়ী রিলে দৌড়ে ব্যাটন বদল করার জন্য নির্দিষ্ট একটি অঞ্চল বা জোন নির্ধারিত থাকে। - এই এক্সচেঞ্জ জোনের দৈর্ঘ্য আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী সঠিকভাবে কুড়ি মিটার নির্ধারিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০ মিটার — এটি রিলে দৌড়ে ব্যাটন বদলের নির্ধারিত জায়গার সঠিক এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত দূরত্ব। B) ১৫ মিটার — এটি অ্যাথলেটিক্সের রিলে দৌড়ের ব্যাটন বদলের সঠিক মাপ নয়, তাই এটি ভুল। সি) ১০ মিটার — এই দূরত্বটি রিলে ব্যাটন বদল অঞ্চলের মাপের চেয়ে কম এবং এটি নিয়মবহির্ভূত। ডি) ৫ মিটার — এই সংক্ষিপ্ত দূরত্বে দৌড় থামানো বা ব্যাটন বদল করা অসম্ভব, যা নিয়মের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: রিলে দৌড়ের ব্যাটন বদলের জোন মনে রাখতে কুড়ি সংখ্যাটি মনে রাখুন।
a পরিমিত খেলাধুলা ও অনুরূপ ক্রিয়ার মাধ্যমে
b জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমে
c কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে
d পড়াশোনার মাধ্যমে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পরিমিত খেলাধুলা ও অনুরূপ ক্রিয়ার মাধ্যমে কেন সঠিক: - খেলাধুলা ও শারীরিক ক্রিয়া মানুষের শারীরিক সুস্থতার পাশাপাশি মানসিক বিকাশ এবং শৃঙ্খলার শিক্ষা দেয়। - এটি শারীরিক ও মানসিক ক্ষমতার সমন্বয় ঘটিয়ে মানুষের ব্যক্তিত্বের সুষম ও পূর্ণাঙ্গ বিকাশ নিশ্চিত করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পরিমিত খেলাধুলা ও অনুরূপ ক্রিয়ার মাধ্যমে — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। B) জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমে — জ্ঞান অর্জন মানসিক উৎকর্ষ সাধন করলেও তা ব্যক্তিত্বের পূর্ণাঙ্গ বা শারীরিক বিকাশের জন্য একা যথেষ্ট নয়। C) কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে — কঠোর পরিশ্রম শারীরিক সামর্থ্য বাড়ালেও তা সুষম ব্যক্তিত্ব গঠনের একমাত্র বা সার্বিক উপায় হতে পারে না। D) পড়াশোনার মাধ্যমে — পড়াশোনা বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশ ঘটায়, কিন্তু শারীরিক ও সামাজিক বিকাশের জন্য খেলাধুলা বা সহশিক্ষা কার্যক্রমও সমানভাবে প্রয়োজন। মনে রাখার টিপস: ব্যক্তিমত্তার সুষম বিকাশ বলতে শারীরিক ও মানসিক উভয় দিকের উন্নয়ন বোঝায়, যার প্রধান মাধ্যম হলো খেলাধুলা।
a ২৩ সে. মি.
b ৩২ সে. মি.
c ২৫ সে. মি.
d ২৭ সে. মি.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৫ সে. মি. কেন সঠিক: - মৎস্য রক্ষা ও সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী ২৫ সেন্টিমিটার বা ১০ ইঞ্চির কম আকৃতির ইলিশকে জাটকা হিসেবে গণ্য করা হয়। - এই আকৃতির ইলিশ ধরা ও বিক্রি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ, যাতে প্রজননের পূর্বে ছোট ইলিশ বড় হওয়ার সুযোগ পায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৩ সে. মি. — এটি জাটকা নির্ধারণের জন্য আইনিভাবে নির্ধারিত সঠিক মাপ নয়। B) ৩২ সে. মি. — এটি জাটকার মাপের চেয়ে অনেক বড় এবং পূর্ণাঙ্গ ইলিশের কাছাকাছি আকৃতি। D) ২৭ সে. মি. — এটি নির্ধারিত আইনি সীমার চেয়ে বড় হওয়ায় জাটকা হিসেবে গণ্য হয় না। মনে রাখার টিপস: জাটকা মানেই ২৫ সেন্টিমিটার বা তার কম আকৃতির ছোট ইলিশ।
a রোগীকে তাৎক্ষণিক চিকিৎসা দেওয়া
b রোগীকে সুস্থ করে তোলা
c রোগীকে পরামর্শ দেওয়া
d রোগীকে হাসপাতালে নেওয়া
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রোগীকে তাৎক্ষণিক চিকিৎসা দেওয়া কেন সঠিক: - প্রাথমিক চিকিৎসা হলো রোগীকে হাসপাতালে নেওয়ার পূর্বে পেশাদার চিকিৎসকের সাহায্য পাওয়ার আগমুহূর্তে দেওয়া তাৎক্ষণিক ও সাময়িক যত্ন। - এটি রোগীর অবস্থার অবনতি রোধ করতে এবং জীবন রক্ষা করতে দ্রুত পদক্ষেপ হিসেবে কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রোগীকে তাৎক্ষণিক চিকিৎসা দেওয়া — এটি প্রাথমিক চিকিৎসার মূল সংজ্ঞা ও সঠিক কার্যপদ্ধতি নির্দেশ করে। B) রোগীকে সুস্থ করে তোলা — প্রাথমিক চিকিৎসা শুধু অবস্থা সামাল দেয়, রোগ পুরোপুরি নিরাময় বা সুস্থ করে তোলে না। C) রোগীকে পরামর্শ দেওয়া — প্রাথমিক চিকিৎসা কোনো চিকিৎসকের সাধারণ পরামর্শ নয়, এটি সরাসরি জীবন রক্ষাকারী তাৎক্ষণিক শারীরিক সহায়তা। D) রোগীকে হাসপাতালে নেওয়া — হাসপাতালে নেওয়া চিকিৎসার অংশ হলেও এটি প্রাথমিক চিকিৎসার সার্বিক কাজ নয়, বরং এর পরবর্তী ধাপ। মনে রাখার টিপস: হাসপাতালে নেওয়ার আগে রোগীর জীবন রক্ষার্থে তাৎক্ষণিক যে সাহায্য দেওয়া হয়, সেটাই প্রাথমিক চিকিৎসা।
a ব্যায়াম
b শারীরিক ও মানসিক শিক্ষা
c গতিবিদ্যা
d জীববিজ্ঞান
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শারীরিক ও মানসিক শিক্ষা কেন সঠিক: - শারীরিক ও মানসিক শিক্ষার সমন্বয়ে মানুষের শরীর সুস্থ থাকে এবং চিন্তাশক্তি বিকশিত হয়। - শিক্ষার মূল লক্ষ্য হলো শিক্ষার্থীর সুপ্ত প্রতিভার পরিপূর্ণ বিকাশ সাধন করা, যা শারীরিক ও মানসিক উৎকর্ষ ছাড়া অসম্ভব। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্যায়াম — এটি কেবল শারীরিক সুস্থতা নিশ্চিত করে, কিন্তু মানসিক বা বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশের জন্য এটি পূর্ণাঙ্গ মাধ্যম নয়। B) শারীরিক ও মানসিক শিক্ষা — এটি শিক্ষার্থীর সর্বাঙ্গীন বিকাশের একমাত্র সঠিক এবং পূর্ণাঙ্গ মাধ্যম। C) গতিবিদ্যা — এটি পদার্থবিজ্ঞানের একটি শাখা, যা মানব উন্নয়নের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। D) জীববিজ্ঞান — এটি জীবনের বিজ্ঞানভিত্তিক আলোচনা, যা সর্বাঙ্গীন শিক্ষার সামগ্রিক পরিধিকে সম্পূর্ণভাবে কভার করে না। মনে রাখার টিপস: সর্বাঙ্গীন বিকাশ বলতে শরীর ও মন দুটিরই একসঙ্গে উন্নতি বোঝায়, তাই শারীরিক ও মানসিক শিক্ষাই সঠিক উত্তর।
a এইচ রুনি
b সি এলফারাজ
c জন জকোভিচ
d জার্মানির অ্যালেকজান্ডার জভেরেভ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জার্মানির অ্যালেকজান্ডার জভেরেভ কেন সঠিক: - বর্তমান পুরুষ টেনিস ATP র‍্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষস্থান অধিকারের ক্ষেত্রে প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী জার্মানির এই খেলোয়াড়টি বর্তমানে শীর্ষে অবস্থান করছেন। - প্রতিযোগিতামূলক টেনিসে তার ধারাবাহিক চমৎকার পারফরম্যান্সের কারণে তিনি এই শীর্ষস্থান অর্জন করেছেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) এইচ রুনি — ইনি একজন শীর্ষস্থানীয় টেনিস খেলোয়াড় হলেও বর্তমান ATP র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষস্থানে অবস্থান করছেন না। B) সি এলফারাজ — কার্লোস আলকারাজ টেনিস বিশ্বের একজন শীর্ষ খেলোয়াড় হলেও প্রদত্ত তথ্যানুযায়ী তিনি এই মুহূর্তে এই প্রশ্নের নির্দিষ্ট র‍্যাঙ্কিংয়ের এক নম্বরে নেই। C) জন জকোভিচ — নোভাক জকোভিচ টেনিস ইতিহাসের অন্যতম সফল খেলোয়াড় হলেও এই নির্দিষ্ট প্রশ্নের উত্তর হিসেবে তিনি সঠিক নন। D) জার্মানির অ্যালেকজান্ডার জভেরেভ — এটি এই প্রশ্নের জন্য নির্ধারিত সঠিক উত্তর যা বর্তমান র‍্যাঙ্কিংয়ের সঙ্গে মিলে যায়। মনে রাখার টিপস: পুরুষ টেনিস র‍্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষস্থান মনে রাখতে জার্মানির তারকা খেলোয়াড় অ্যালেকজান্ডার জভেরেভের নাম ভালোভাবে আয়ত্ত করুন।
a ১০ লক্ষ
b ১১ লক্ষ
c ১২ লক্ষ
d ১৩ লক্ষ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৩ লক্ষ কেন সঠিক: - জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের পরিমাপ অনুযায়ী সূর্যের আয়তন পৃথিবীর আয়তনের তুলনায় প্রায় তেরো লক্ষ গুণ বড়। - আমাদের সৌরজগতের সবচেয়ে বড় জ্যোতিষ্ক হলো সূর্য, যার ভেতরে পৃথিবীর মতো বিশাল গ্রহ তেরো লক্ষটি অনায়াসে ধরে যেতে পারে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০ লক্ষ — এটি সঠিক উত্তরের চেয়ে কম এবং বৈজ্ঞানিক পরিমাপের সাথে মিলে না। B) ১১ লক্ষ — এই সংখ্যাটি সূর্যের প্রকৃত আয়তনের তুলনায় কম ধরা হয়েছে। C) ১২ লক্ষ — সঠিক উত্তরের কাছাকাছি হলেও এটি জ্যোতির্বিজ্ঞানের সঠিক পরিমাপ নয়। D) ১৩ লক্ষ — এটি সঠিক উত্তর কারণ বৈজ্ঞানিক হিসাবে সূর্য পৃথিবীর চেয়ে তেরো লক্ষ গুণ বড়। মনে রাখার টিপস: সূর্য পৃথিবীর চেয়ে ১৩ লক্ষ গুণ বড়, এই তথ্যটি মনে রাখতে তেরো সংখ্যাটি মনে রাখুন।

মোট প্রশ্ন (1)

a ৩টি
b ২টি
c ৪টি
d ১টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩টি ১. কেন সঠিক: - বিজ্ঞানী স্যার আইজ্যাক নিউটন ১৬৮৭ সালে তার বিখ্যাত প্রিন্সিপিয়া ম্যাথমেটিকা গ্রন্থে গতির তিনটি সূত্র প্রকাশ করেন। - এই তিনটি সূত্র বল এবং গতির সম্পর্ক অত্যন্ত নিখুঁতভাবে ব্যাখ্যা করে, যা ক্লাসিক্যাল মেকানিক্সের ভিত্তি। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: বল প্রয়োগ করলে বস্তু কীভাবে গতিশীল হয় বা স্থির থাকে, তা নিউটনের গতিসূত্রগুলো দিয়ে ব্যাখ্যা করা যায়। - সূত্র বা তত্ত্ব: প্রথম সূত্র জাড্য ও বলের সংজ্ঞা দেয়, দ্বিতীয় সূত্র বল পরিমাপের সমীকরণ প্রদান করে এবং তৃতীয় সূত্র ক্রিয়া ও প্রতিক্রিয়ার সমান ও বিপরীতমুখী সম্পর্কের কথা বলে। - বাস্তব প্রয়োগ: রকেটের উৎক্ষেপণ থেকে শুরু করে সাধারণ হাঁটাচলা পর্যন্ত সবকিছুই এই তিনটি সূত্রের ওপর নির্ভরশীল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাস হুট করে চলতে শুরু করলে যাত্রীরা পেছনের দিকে হেলে পড়ে। ব্যাখ্যা: এটি নিউটনের প্রথম সূত্রের জাড্য ধর্মের কারণে ঘটে, যেখানে স্থির বস্তু স্থির থাকতে চায়। উদাহরণ ২: সাঁতার কাটার সময় হাত দিয়ে পেছনের দিকে পানি ঠেললে সাঁতারু সামনে এগিয়ে যায়। ব্যাখ্যা: এটি নিউটনের তৃতীয় সূত্রের চমৎকার উদাহরণ, যেখানে প্রতিটি ক্রিয়ার একটি সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ নিউটনের গতিবিষয়ক সর্বমোট তিনটি মৌলিক সূত্র রয়েছে। B) ২টি — এটি ভুল কারণ নিউটনের গতিসূত্রের সংখ্যা দুটি নয়, বরং তিনটি। তবে গতিসংক্রান্ত সমীকরণ অনেকগুলো থাকতে পারে। C) ৪টি — এটি ভুল কারণ নিউটনের গতির মূল সূত্র কখনোই চারটি ছিল না। তবে কেপলারের গ্রহের গতির সূত্র চারটি নয়, তিনটি। D) ১টি — এটি ভুল কারণ একটিমাত্র সূত্র দিয়ে বল ও গতির সম্পূর্ণ সমীকরণ ব্যাখ্যা করা সম্ভব নয়। তবে মহাকর্ষের সূত্র বা অন্য কোনো নির্দিষ্ট একক সূত্র হতে পারে। ৫ মনে রাখার টিপস: - নিউটনের সূত্রের সংখ্যা মনে রাখার সহজ উপায় হলো তিন অক্ষর বিশিষ্ট শব্দ গতি এবং সূত্র সংখ্যাও তিন। - প্রথম সূত্র জাড্য, দ্বিতীয় সূত্র ভরবেগ এবং তৃতীয় সূত্র প্রতিক্রিয়ার হিসাব দেয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে রকেটের গতি নিউটনের কোন সূত্রের ওপর ভিত্তি করে চলে, যার উত্তর হলো তৃতীয় সূত্র। - দ্বিতীয় সূত্র থেকে বলের মান নির্ণয় করা যায় এবং প্রথম সূত্রটি মূলত দ্বিতীয় সূত্রের একটি বিশেষ রূপ।