বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন (BPSC)

পিএসসিতে জেলা ক্রীড়া অফিসার পদে নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৩।

পদের নাম: জেলা ক্রীড়া অফিসার (৯ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (100)

a বাবু
b অতি অল্প হইল
c শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
d তৈল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) তৈল ১. কেন সঠিক: তৈল মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর অত্যন্ত বিখ্যাত একটি মননশীল ও ব্যাঙ্গাত্মক প্রবন্ধ। এই প্রবন্ধে সমাজের মোসাহেবি ও তোষামোদ প্রথাকে রূপক অর্থে তেলের সঙ্গে তুলনা করে অত্যন্ত সুনিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: মহমোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের আবিষ্কারক এবং একজন প্রথিতযশা প্রাবন্ধিক। তার রচিত 'তৈল' প্রবন্ধটি বাংলা উপন্যাসের জনক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় সম্পাদিত বঙ্গদর্শন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর প্রবন্ধ গ্রন্থ 'বাল্মীকি ও কবিতা'। ব্যাখ্যা: এটি তার অন্যতম একটি বিখ্যাত সাহিত্য সমালোচনা মূলক প্রবন্ধ গ্রন্থ। উদাহরণ ২: হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর প্রাচীন পুথি আবিষ্কার 'হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় রচিত বৌদ্ধ গান ও দোহা'। ব্যাখ্যা: এটি চর্যাপদ আবিষ্কার ও প্রকাশের সঙ্গে জড়িত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ঐতিহাসিক সাহিত্যকর্ম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাবু — এটি প্যারিচাঁদ মিত্র বা অন্য কোনো লেখকের রচনা হতে পারে, হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর বিখ্যাত প্রবন্ধ নয়। B) অতি অল্প হইল — এটি মীর মশাররফ হোসেনের একটি প্রহসন, হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর প্রবন্ধ নয়। C) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — এটি কোনো প্রবন্ধের নাম নয়, বরং এটি বাংলা সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিকের নাম। D) তৈল — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি হরপ্রসাদ শাস্ত্রীরই লেখা একটি অনবদ্য প্রবন্ধ। ৫. মনে রাখার টিপস: হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর বিখ্যাত প্রবন্ধ মনে রাখার সহজ কৌশল হলো তিনি তোষামোদপ্রিয় সমাজকে বোঝাতে 'তৈল' বা তেল মাখার বিষয়টি রূপক হিসেবে ব্যবহার করেছেন। তার এই একটি মাত্র প্রবন্ধ বিসিএসসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সবচেয়ে বেশিবার এসেছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: তৈল প্রবন্ধটি কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল তা প্রায়ই পরীক্ষায় আসে এবং এর উত্তর হলো বঙ্গদর্শন। একই ধরনের অন্যান্য লেখকের বিখ্যাত প্রবন্ধের নাম ও তাদের মূল ভাবনা ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a চিত্রনামা
b সাম্যবাদী
c রুদ্রমঙ্গল
d ধুমকেতু
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রুদ্রমঙ্গল ১. কেন সঠিক: - রুদ্রমঙ্গল হলো জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ, যা বাংলা সাহিত্য ও রাজনীতি বিষয়ক রচনার এক অনন্য সংকলন। - ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের সময় নজরুলের বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সমাজসচেতন প্রবন্ধ নিয়ে এই গ্রন্থটি সংকলিত ও প্রকাশিত হয়েছিল। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত হলেও তিনি ছিলেন একাধারে ঔপন্যাসিক, নাট্যকার, প্রাবন্ধিক এবং সাংবাদিক। - তার অন্যান্য উল্লেখযোগ্য প্রবন্ধগ্রন্থের মধ্যে যুগবাণী, দুর্দিনের যাত্রী, রাজবন্দীর জবানবন্দী এবং ধুমকেতু পত্রিকার নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যুগবাণী ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত প্রবন্ধগ্রন্থ, যা সমাজের নানা কুসংস্কার ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী চেতনায় সমৃদ্ধ। উদাহরণ ২: দুর্দিনের যাত্রী ব্যাখ্যা: এটিও কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি প্রখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ, যেখানে সমকালীন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংকট ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চিত্রনামা - এটি কাজী নজরুল ইসলামের কোনো প্রবন্ধগ্রন্থ বা সাহিত্যকর্ম নয়, বরং এটি একটি বিভ্রান্তিকর অপশন। B) সাম্যবাদী - এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ এবং এর নামে একটি কবিতাও রয়েছে, কোনো প্রবন্ধগ্রন্থ নয়। D) ধুমকেতু - এটি কাজী নজরুল ইসলামের সম্পাদনায় প্রকাশিত একটি বিখ্যাত অর্ধসাপ্তাহিক পত্রিকা, কোনো প্রবন্ধগ্রন্থ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: নজরুলের প্রবন্ধগ্রন্থগুলো মনে রাখার কৌশল হলো মঙ্গলের সাথে যুক্ত নাম যেমন রুদ্রমঙ্গল অথবা বাণী যুক্ত নাম যেমন যুগবাণী মনে রাখা। ধুমকেতু পত্রিকা আর প্রবন্ধগ্রন্থ এক করে ফেলবেন না, ধুমকেতু হলো পত্রিকা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই নজরুলের প্রবন্ধগ্রন্থ, কাব্যগ্রন্থ এবং সম্পাদিত পত্রিকার নাম গুলিয়ে ফেলার জন্য এমন অপশন দেওয়া হয়। তাই কবির প্রবন্ধগ্রন্থ, কাব্যগ্রন্থ এবং পত্রিকার তালিকা আলাদা করে ছক আকারে মুখস্থ রাখা উচিত।
a মুমুষু
b মুমূর্ষু
c মুমূর্খু
d মূমুষু
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মুমূর্ষু ১. কেন সঠিক: - মুমূর্ষু শব্দটির অর্থ হলো যে মরতে বসেছে বা যার মরণের ইচ্ছা আছে। - বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী এই শব্দটিতে প্রথম উ-কার এবং দ্বিতীয় উ-কার দীর্ঘ্য ঊ-কার হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা বানান শুদ্ধকরণের ক্ষেত্রে ই-কার ও উ-কার ব্যবহারের নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। - এই শব্দটিতে হ্রস্ব উ এবং দীর্ঘ ঊ উভয়ের সঠিক বিন্যাস রয়েছে যা বানানের প্রমিত নিয়ম অনুসরণ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শুশ্রূষা ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও বানানের ক্ষেত্রে হ্রস্ব উ এবং দীর্ঘ ঊ এর সঠিক ব্যবহার দেখা যায় যা প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। উদাহরণ ২: পিপীলিকা ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল ব্যবহৃত শুদ্ধ বানান যেখানে প্রথম ও দ্বিতীয় ই-কার ব্যবহারের নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুমুষু — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে দীর্ঘ ঊ-কার সঠিকভাবে ব্যবহার করা হয়নি। B) মুমূর্ষু — এটি সঠিক বানান এবং প্রমিত বাংলা বানানরীতি মেনে গঠিত হয়েছে। C) মুমূর্খু — এই অপশনটি ভুল কারণ এর শেষে অতিরিক্ত খ যুক্ত রয়েছে যা সঠিক শব্দ নয়। D) মূমুষু — এই অপশনটি ভুল কারণ শব্দের শুরুতে দীর্ঘ ঊ এবং পরে হ্রস্ব উ ব্যবহার করা হয়েছে যা নিয়মবহির্ভূত। ৫ মনে রাখার টিপস: - মুমূর্ষু বানানটি মনে রাখার জন্য মনে রাখতে হবে প্রথম অক্ষর হ্রস্ব উ, দ্বিতীয় অক্ষর দীর্ঘ ঊ এবং র-ফলা ও মূর্ধন্য ষ ব্যবহৃত হয়। - বারবার লেখার মাধ্যমে এই জটিল বানানগুলো আয়ত্ত করা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের বহু ভুল বানান বারবার আসে। - প্রমিত বানান শেখার জন্য বাংলা একাডেমি প্রণীত বানানরীতি অনুসরণ করতে হবে।
a গ্রহণ
b রামায়ণ
c পুণ্য
d অর্পণ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পুণ্য ১. কেন সঠিক: ণত্ব বিধানের নিয়ম অনুযায়ী ট বর্গীয় ধ্বনির আগে যুক্তবর্ণে মূর্ধন্য-ণ যুক্ত হয়। পুণ্য শব্দটিতে প-ফ-ব-ভ-ম বর্গীয় ধ্বনি না হয়ে ট বর্গীয় ধ্বনির বিধান প্রযোজ্য হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণের ধ্বনি প্রকরণ ও বানানরীতিতে ণত্ব বিধান একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তৎসম শব্দে মূর্ধন্য-ণ ব্যবহারের নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম বা সূত্র রয়েছে। ট বর্গীয় ধ্বনির আগে মূর্ধন্য-ণ যুক্ত হওয়ার ব্যাকরণিক নিয়মটি এখানে প্রধান ভূমিকা পালন করেছে। প ণ যুক্ত শব্দে এই নিয়মটি সরাসরি অনুসরণ করা হয়ে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাণ্ড ব্যাখ্যা: এটি ট বর্গীয় ধ্বনির আগের যুক্তবর্ণ যেখানে মূর্ধন্য-ণ ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: লুণ্ঠন ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও ট বর্গীয় ধ্বনির পূর্বে মূর্ধন্য-ণ এর সঠিক প্রয়োগ ঘটেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গ্রহণ — এই শব্দটিতে ঋ-কার থাকার কারণে মূর্ধন্য-ণ হয়েছে, যা ট বর্গীয় নিয়মের অধীনে পড়ে না। B) রামায়ণ — এই শব্দটিতে র-এর পরে স্বরবর্ণ ও অন্তস্থ ম থাকার ফলে নিয়ম অনুযায়ী মূর্ধন্য-ণ হয়েছে। D) অর্পণ — এই শব্দটিতে রেফ বা র-কার থাকার কারণে মূর্ধন্য-ণ যুক্ত হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: ট ঠ ড ঢ এর সাথে যুক্ত হলে সবসময় মূর্ধন্য-ণ ব্যবহার করবে। ঋ কার র ষ এর পরে মূর্ধন্য-ণ হয় এই সাধারণ নিয়মটি মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ণত্ব ও ষত্ব বিধান থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। তাই ট বর্গের আগে মূর্ধন্য-ণ বসে এই মৌলিক নিয়মটি ভালোভাবে আয়ত্ত করবে।
a ব্যাক্যালংকার
b সংশয়বাচক
c স্মৃতিসূচক
d ক্রিয়াবিশেষণ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ব্যাক্যালংকার ১. কেন সঠিক: - এই বাক্যে যে শব্দটি কোনো পদ বা বাক্যের অর্থ পরিবর্তন না করে কেবল বাক্যের ভাব বা সৌন্দর্য বৃদ্ধি করেছে। - ব্যাকরণে একে বাক্যালংকার বা পদের সৌন্দর্য বর্ধক অব্যয় বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে অব্যয় শব্দ বাক্যের অর্থের কোনো পরিবর্তন না ঘটিয়ে কেবল বাক্যের আলংকারিক সৌন্দর্য বা ভাব প্রকাশ করে তাকে বাক্যালংকার অব্যয় বলে। - কথ্য বা সাহিত্যিক ভাষায় ভাবের গভীরতা আনতে এ ধরনের অব্যয়ের বহুল ব্যবহার দেখা যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তিনি তো গেলেন। ব্যাখ্যা: এখানে তো শব্দটি বাক্যালংকার হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে বাক্যের জোর প্রকাশ করেছে। উদাহরণ ২: আজব কাণ্ড যা হোক! ব্যাখ্যা: এখানে যা হোক শব্দটি বাক্যের ভাব ও সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য ব্যাক্যালংকার হিসেবে বসেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্যাক্যালংকার — এটি সঠিক কারণ এটি বাক্যের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করেছে। B) সংশয়বাচক — সংশয়বাচক অব্যয় মনের সন্দেহ বা অনিশ্চয়তা প্রকাশ করে যেমন সম্ভবত, কিন্তু এখানে কোনো সংশয় নেই। C) স্মৃতিসূচক — স্মৃতিসূচক বলতে কোনো ব্যাকরণিক নির্দিষ্ট অব্যয়ের শ্রেণি বোঝায় না। D) ক্রিয়াবিশেষণ — ক্রিয়াবিশেষণ পদ ক্রিয়ার সময়, স্থান বা ভাব প্রকাশ করে, কিন্তু এখানে যে শব্দটি তা নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাক্যের মাঝে যে বা তো শব্দগুলো যদি অতিরিক্ত অর্থ বা ভাব প্রকাশ করে এবং বাদ দিলেও অর্থের পরিবর্তন হয় না, তবে তা বাক্যালংকার অব্যয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্যালংকার অব্যয় শনাক্ত করতে বাক্যে শব্দের কার্যকারিতা লক্ষ করতে হবে।
a মিথ্যুক
b জেদি
c স্পষ্টভাষী
d ধূর্ত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) স্পষ্টভাষী ১. কেন সঠিক: - ঠোটকাটা বাগধারাটির শাব্দিক অর্থ ঠোঁট কাটা হলেও প্রচলিত অর্থে এটি এমন একজন ব্যক্তিকে বোঝায় যিনি কোনো রাখঢাক না রেখে মুখের ওপর সত্য কথা বলে দেন। - সমাজে বা বাস্তব জীবনে খোলামেলা ও সাহসিকতার সঙ্গে সত্য প্রকাশ করার বৈশিষ্ট্য বোঝাতেই এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে বাগধারা হলো এমন কিছু বিশেষ শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভাবার্থ প্রকাশ করে। - এটি মূলত ভাষার প্রকাশভঙ্গি সমৃদ্ধ করে এবং মুখের ভাষাকে আরও প্রাণবন্ত ও অর্থবহ করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দলটির নেতার সামনে কেউ কথা বলতে সাহস পায় না, কেবল ওই ঠোটকাটা ছেলেটিই সব অন্যায়ের প্রতিবাদ করল। ব্যাখ্যা: এখানে স্পষ্টভাষী বা সাহসি চরিত্রের প্রকাশ বোঝাতে ঠোটকাটা বাগধারাটি সফলভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: মিতু বরাবরই একটু ঠোটকাটা স্বভাবের, তাই সে কারও ভুল দেখলে মুখের ওপর সেটা বলে দিতে দ্বিধা করে না। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে রাখঢাক না রেখে সরাসরি সত্য বলার মনোভাব বোঝাতে ঠোটকাটা শব্দটির প্রয়োগ করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মিথ্যুক — মিথ্যুক বলতে অসত্য কথা বলে যে তাকে বোঝায়, কিন্তু ঠোটকাটা বাগধারাটি মিথ্যা বলার পরিবর্তে সত্য কথা সাহসের সঙ্গে প্রকাশ করাকে নির্দেশ করে। B) জেদি — জেদি অর্থ একগুঁয়ে বা নিজের দাবিতে অনড় থাকা ব্যক্তি, যা ঠোটকাটা বাগধারার স্পষ্টভাষী অর্থের সঙ্গে কোনোভাবেই মিল না থাকায় এটি ভুল। C) স্পষ্টভাষী — এটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এই বাগধারার প্রচলিত ভাবার্থের সঙ্গে সম্পূর্ণভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ। D) ধূর্ত — ধূর্ত বলতে চালাক বা শঠ প্রকৃতির মানুষকে বোঝায়, অথচ ঠোটকাটা অর্থ সরলভাবে মুখের ওপর সত্য কথা বলে দেওয়া সৎ সাহসকে নির্দেশ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - ঠোঁটকাটা মানুষের ঠোঁটের ওপর কোনো রাখঢাক থাকে না, তাই তারা খুব সহজেই মুখের ওপর সত্য বা স্পষ্ট কথা বলে দিতে পারে। - এই মিলের কথা মনে রাখলেই ঠোটকাটা মানে যে স্পষ্টভাষী তা খুব সহজে মনে রাখা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মানবস্বভাব বা চরিত্র বোঝায় এমন বাগধারাগুলো প্রায়ই পরীক্ষাতে আসে। - এ ধরনের বাগধারার ক্ষেত্রে শাব্দিক অর্থের চেয়ে প্রচলিত ভাবার্থকে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে।
a কর্মধারয়
b দ্বন্দ্ব
c অব্যয়ীভাব
d দ্বিগু
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অব্যয়ীভাব ১. কেন সঠিক: - উপমন্ত্রী শব্দটিতে উপ উপসর্গটি সামীপ্য বা ক্ষুদ্র অর্থে অব্যয়ীভাব সমাস গঠন করেছে। - এখানে মন্ত্রী শব্দের পূর্বে উপ উপসর্গ যুক্ত হয়ে মন্ত্রীর সদৃশ বা ছোট মন্ত্রী অর্থে অব্যয়ীভাব সমাস হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে সমাসে পূর্বপদে অব্যয় যোগ হয় এবং অব্যয়ের অর্থই প্রধানরূপে প্রতিভাত হয়, তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে। - উপমন্ত্রী শব্দের ব্যাসবাক্য হলো মন্ত্রীর সদৃশ বা মন্ত্রীর সমীপে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: উপশহর ব্যাখ্যা: শহরের সদৃশ অর্থে উপ উপসর্গ যোগে অব্যয়ীভাব সমাস হয়েছে। উদাহরণ ২: উপকূল ব্যাখ্যা: কূলের সমীপে অর্থে উপ উপসর্গ যোগে অব্যয়ীভাব সমাস হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্মধারয় — কর্মধারয় সমাসে বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে পরপদের অর্থ প্রধান হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। B) দ্বন্দ্ব — দ্বন্দ্ব সমাসে উভয় পদের অর্থের সমতা থাকে, যা এই শব্দের ক্ষেত্রে সঠিক নয়। D) দ্বিগু — দ্বিগু সমাসে সমাহার বা সমষ্টি বোঝায় এবং পূর্বপদ সংখ্যাবাচক হয়, যা উপমন্ত্রী শব্দে নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - উপ উপসর্গ যদি সামীপ্য, ক্ষুদ্র বা সদৃশ অর্থ প্রকাশ করে, তবে তা সাধারণত অব্যয়ীভাব সমাস হয়। - উপসর্গযুক্ত বিশেষ পদ দেখলে অব্যয়ীভাব সমাসের কথা মাথায় রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - উপ উপসর্গযুক্ত শব্দ যেমন উপবন, উপকূল প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। - ব্যাসবাক্য নির্ণয়ের সময় অব্যয়ের অর্থ বুঝতে হবে।
a 1952
b 1953
c 1961
d 1969
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯৫৩ ১. কেন সঠিক: মুনীর চৌধুরীর বিখ্যাত একঙ্ক নাটক 'কবর' ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত এবং ১৯৫৩ সালে প্রথম মঞ্চস্থ ও প্রকাশিত হয়। বাঙালি জাতির আত্মত্যাগ ও ভাষা আন্দোলনের রক্তাক্ত স্মৃতি এই নাটকের মূল প্রাণশক্তি এবং ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটের কারণে এটি বাংলা সাহিত্যে অমর হয়ে আছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মুনীর চৌধুরী ১৯২৫ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং তিনি একাধারে একজন নাট্যকার, প্রাবন্ধিক ও ভাষা আন্দোলনের সক্রিয় কর্মী ছিলেন। ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি থাকা অবস্থায় তিনি ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে 'কবর' নাটকটি রচনা করেন যা বাঙালি নাট্যসাহিত্যের ইতিহাসে একটি যুগান্তকারী মাইলফলক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জহির রায়হানের 'আরেক ফাল্গুন' উপন্যাস। ব্যাখ্যা: এটিও ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত একটি বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম যা ১৯৫২ সালের পরবর্তী রাজনৈতিক ও সামাজিক আন্দোলনকে তুলে ধরে। উদাহরণ ২: শওকত ওসমানের 'স্মৃতির মিনার' ছোটগল্প। ব্যাখ্যা: ভাষা আন্দোলন ও একুশে ফেব্রুয়ারির চেতনাকে কেন্দ্র করে রচিত আরেকটি প্রথিতযশা সাহিত্যকর্ম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৫২ — এটি ভাষা আন্দোলনের সন হলেও 'কবর' নাটকটি এই সনে রচিত বা প্রকাশিত হয়নি, বরং এই বছরের পটভূমিতে পরের বছর রচিত হয়। B) ১৯৫৩ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই নাটকটি রচিত ও প্রথম মঞ্চস্থ হয়েছিল। C) ১৯৬১ — এটি মুনীর চৌধুরীর অন্য কোনো প্রধান মৌলিক বা অনূদিত নাটকের প্রকাশকাল নয় এবং এটি ভুল সাল। D) ১৯৬৯ — এই সনে গণঅভ্যুত্থান সংঘটিত হয়েছিল, যা ভাষা আন্দোলনের অনেক পরের ঐতিহাসিক ঘটনা। ৫ মনে রাখার টিপস: ৫২ সালে ভাষা আন্দোলন ঘটেছিল আর ঠিক তার পরের বছর অর্থাৎ ৫৩ সালে মুনীর চৌধুরী কারাগারে বসে 'কবর' নাটক রচনা করেন। ৫২ এর ঠিক এক বছর পর ৫৩ সাল এভাবে মনে রাখলে পরীক্ষার হলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ভাষা আন্দোলনভিত্তিক প্রথম নাটক কোনটি এই প্রশ্নটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে এবং এর উত্তর হলো মুনীর চৌধুরীর 'কবর'। একই সঙ্গে নাট্যকার কোন কারাগারে বন্দি অবস্থায় এটি লিখেছিলেন (ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার) তা মনে রাখাও পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
a বেল
b তেঁতুল
c বরই
d পেয়ারা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বরই ১. কেন সঠিক: - 'বদরী' শব্দটি সংস্কৃত বা তৎসম শব্দ যার প্রচলিত ও সঠিক অর্থ বরই বা কুল ফল। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের উৎস এবং সমার্থক শব্দ হিসেবে এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই আসে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দ যা ভিন্ন বানান বা রূপের হলেও একই বা প্রায় একই অর্থ প্রকাশ করে। - 'বদরী' শব্দের অন্যান্য সমার্থক শব্দের মধ্যে কুল ও বরই বহুল ব্যবহৃত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কূল ও কুল ব্যাখ্যা: কূল অর্থ নদীর তীর এবং কুল অর্থ বংশ বা বরই ফল। উদাহরণ ২: অমল ও অমলা ব্যাখ্যা: অমল অর্থ পবিত্র এবং অমলা অর্থ পরিষ্কার বা নির্মল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বেল — বেল একটি ভিন্ন ফল এবং এর সংস্কৃত নাম শ্রীফল। B) তেঁতুল — তেঁতুল একটি ভিন্ন টক জাতীয় ফল এবং এর সংস্কৃত নাম তিন্তিড়ী। C) বরই — এটি বদরী শব্দের সঠিক সমার্থক শব্দ। D) পেয়ারা — পেয়ারা একটি ভিন্ন ফল এবং এটি মূলত পর্তুগীজ ভাষা থেকে আগত শব্দ। ৫. মনে রাখার টিপস: - বদরী গাছ ও বরই ফল একে অপরের পরিপূরক হিসেবে মনে রাখা যায়। - সংস্কৃত বদরী থেকে প্রাকৃত হয়ে বাংলায় বরই শব্দটির উৎপত্তি হয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ফল বা উদ্ভিদের সংস্কৃত নাম এবং বাংলা রূপ প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। - সমার্থক শব্দ মুখস্থ করার পাশাপাশি শব্দের উৎস বা প্রচলিত রূপ খেয়াল রাখতে হবে।
a চোখের বালি
b সোনার তরী
c চিত্রা
d বলাকা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চোখের বালি ১. কেন সঠিক: - চোখের বালি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোনো কাব্যগ্রন্থ নয়, এটি তাঁর একটি বিখ্যাত ও মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কাব্যগ্রন্থ এবং উপন্যাসের মধ্যে পার্থক্য নির্ণয় করতে এই প্রশ্নটি আসে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের এক বিশাল প্রতিভা যিনি কবিতা, ছোটগল্প, উপন্যাস ও নাটকসহ সব শাখায় অবদান রেখেছেন। - চোখের বালি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম সার্থক বাংলা মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস যা ১৯০৩ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নৌকাডুবি ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আরও একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় উপন্যাস, কোনো কাব্যগ্রন্থ নয়। উদাহরণ ২: শেষের কবিতা ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত কাব্যধর্মী উপন্যাস, যা কাব্যগ্রন্থের মতো শোনালেও আসলে উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চোখের বালি — এটি উপন্যাস হওয়ায় সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে কারণ প্রশ্ন চেয়েছে কোনটি কাব্যগ্রন্থ নয়। B) সোনার তরী — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি অত্যন্ত বিখ্যাত ও পরিচিত কাব্যগ্রন্থ যা ১৮৯৪ সালে প্রকাশিত হয়। C) চিত্রা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ গীতধর্মী কাব্যগ্রন্থ যা ১৮৯৬ সালে প্রকাশিত হয়। D) বলাকা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গতিশীল ভাবনার প্রকাশসংবলিত একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা ১৯১৬ সালে প্রকাশিত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - রবীন্দ্রনাথের বিখ্যাত উপন্যাসগুলো যেমন চোখের বালি, গোরা, নৌকাডুবি, শেষের কবিতা আলাদা করে ছন্দে মনে রাখতে পারো। - সোনার তরী, চিত্রা ও বলাকা হলো প্রকৃতি ও জীবনদর্শনের কবিতা সংকলন বা কাব্যগ্রন্থ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - চোখের বালি উপন্যাসের প্রধান চরিত্রগুলো হলো বিনোদিনী, মহেন্দ্র, বিহারী ও আশা। - রবীন্দ্রনাথের প্রথম প্রকাশিত সার্থক উপন্যাস হিসেবে চোখের বালি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a সমীভবন
b বিষমীভবন
c ধ্বনিলোপ
d বর্ণবিপর্যয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বর্ণবিপর্যয় ১. কেন সঠিক: - শব্দের মধ্যে থাকা দুটি বর্ণ বা ধ্বনি নিজেদের মধ্যে স্থান পরিবর্তন করলে তাকে বর্ণবিপর্যয় বলা হয়। - এখানে 'রিকসা' শব্দের ক ও স বর্ণ দুটি পরস্পর স্থান বদল করে 'রিস্কা' রূপ ধারণ করেছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - পাশাপাশি বা দূরবর্তী দুটি বর্ণের পারস্পরিক স্থান পরিবর্তন করার প্রক্রিয়াকে বাংলা ব্যাকরণে বর্ণবিপর্যয় বা বিপর্যাস বলা হয়। - দ্রুত উচ্চারণের সময় অনেক সময় জিহ্বার অসচেতনতার কারণে এই ধরনের ধ্বনি পরিবর্তন ঘটে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পিশাচ > পিছাচ ব্যাখ্যা: এখানে শ ও চ বর্ণ দুটি নিজেদের অবস্থান পরিবর্তন করে নতুন রূপ লাভ করেছে। উদাহরণ ২: বাক্স > বাস্কা ব্যাখ্যা: এখানে ক ও স বর্ণ দুটি পরস্পর স্থান বদল করে পরিবর্তিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সমীভবন — সমীভবন হলো দুটি ভিন্ন ধ্বনির প্রভাবে একটি ধ্বনির অন্যটির মতো বা কাছাকাছি হওয়ার প্রক্রিয়া, যা এখানে ঘটেনি। B) বিষমীভবন — বিষমীভবন হলো দুটি সমবর্ণের একটির পরিবর্তনের প্রক্রিয়া, যা এই শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। C) ধ্বনিলোপ — ধ্বনিলোপ শব্দের অর্থ কোনো ধ্বনি বা বর্ণ উচ্চারণ থেকে বাদ পড়ে যাওয়া, এখানে কোনো ধ্বনি লোপ পায়নি। D) বর্ণবিপর্যয় — এটি সঠিক কারণ এখানে বর্ণ দুটি নিজেদের অবস্থান পরিবর্তন করেছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - স্থান পরিবর্তন বা ওলটপালট বোঝাতে বর্ণবিপর্যয় বা বিপর্যাস শব্দটি মনে রাখবে। - রিকসা শব্দে ক ও স এর জায়গা বদল হয়েছে, তাই এটি বর্ণবিপর্যয়ের চমৎকার উদাহরণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পিশাচ থেকে পিছাচ অথবা বাক্স থেকে বাস্কা উদাহরণগুলো বারবার আসে। - বর্ণ পরিবর্তন আর স্থান পরিবর্তনের পার্থক্য ভালোভাবে বুঝলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
a সমাস
b সন্ধি
c কারক
d উপসর্গ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সন্ধি ১. কেন সঠিক: - পরস্পর সন্নিহিত দুটি ধ্বনির মিলন, পরিবর্তন বা লোপকে ব্যাকরণের পরিভাষায় সন্ধি বলা হয়। - এটি মূলত উচ্চারণের দ্রুততা ও সহজতার জন্য ভাষার একটি স্বাভাবিক প্রবণতা। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সন্ধির মূল উদ্দেশ্য হলো উচ্চারণের সুবিধা ও মাধুর্য রক্ষা করা। - সন্ধি প্রধানত দুই প্রকার, যেমন স্বরসন্ধি ও ব্যঞ্জনসন্ধি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিদ্যা + আলয় = বিদ্যালয় ব্যাখ্যা: এখানে আ এবং আ মিলে একটি আকার গঠিত হয়েছে, যা স্বরসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী সম্পন্ন হয়েছে। উদাহরণ ২: উৎ + চারণ = উচ্চারণ ব্যাখ্যা: এখানে ত-এর পরে চ থাকায় ত পরিবর্তিত হয়ে চ হয়েছে, যা ব্যঞ্জনসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সমাস — সমাসের কাজ অর্থের দিক থেকে সম্পর্কযুক্ত একাধিক পদকে এক পদে পরিণত করা, ধ্বনির মিলন নয়। B) সন্ধি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। C) কারক — কারক বাক্যের সাথে বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের সম্পর্কের নাম, ধ্বনি পরিবর্তনের সাথে এর সম্পর্ক নেই। D) উপসর্গ — উপসর্গ হলো অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ তৈরি করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - সন্ধি শব্দের অর্থ মিলন, তাই ধ্বনির মিলন দেখলেই সন্ধি উত্তর করবে। - সমাস হলো পদের মিলন এবং সন্ধি হলো ধ্বনির মিলন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধ্বনির মিলন সম্পর্কিত প্রশ্ন আসলে তা সর্বদা সন্ধি হিসেবে চিহ্নিত করতে হবে। - পদের মিলন এবং ধ্বনির মিলনের এই পার্থক্যটি মনে রাখলে সমাস ও সন্ধির প্রশ্ন গুলিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
a মাইকেল মধুসূদন দত্ত
b কাজী নজরুল ইসলাম
c ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
d রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ১. কেন সঠিক: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে প্রাচীন যুগ ও মধ্যযুগের অবসান ঘটিয়ে এবং আধুনিক যুগের সূচনা লগ্নে যে কবি দুই যুগের সেতুবন্ধন তৈরি করেছিলেন তাকে যুগসন্ধিক্ষণের কবি বলা হয়। ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত মধ্যযুগের কাব্যের অবয়ব ধরে রেখেও আধুনিক যুগের বিষয়বস্তু অর্থাৎ সমসাময়িক সমাজচিত্র, স্বদেশপ্রেম ও জীবননিষ্ঠা ফুটিয়ে তুলেছিলেন বলে তাকে এই উপাধিতে ভূষিত করা হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ১৮১২ সালে পশ্চিমবঙ্গের ২৪ পরগনার কাঞ্চনপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৮৫৯ সালে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি ১৮৩১ সালে সংবাদ প্রভাকর পত্রিকা সম্পাদনা শুরু করেন এবং এর মাধ্যমে তিনি বাংলা গদ্যের প্রসার ও বহু প্রতিভাবান লেখকের জন্ম দেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সংবাদ প্রভাকর পত্রিকা ব্যাখ্যা: ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের সম্পাদনায় প্রকাশিত এই পত্রিকার মাধ্যমে বাংলা সাংবাদিকতা ও সাহিত্য চর্চায় এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছিল। উদাহরণ ২: কবিওয়ালা ও শায়ের গান সংগ্রহ ব্যাখ্যা: তিনি প্রাচীন ও মধ্যযুগের অবলুপ্ত কবিওয়ালাদের জীবন ও সাহিত্যকর্ম সংগ্রহ করে বাংলা সাহিত্যের এক অমূল্য ঐতিহ্য রক্ষা করেছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — তিনি বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দ ও সনেটের প্রবর্তক এবং আধুনিক যুগের প্রথম মহাকবি হিসেবে পরিচিত, যুগসন্ধিক্ষণের কবি নন। B) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি ও আধুনিক যুগের অন্যতম প্রধান কবি, যিনি বিশ শতকের সাহিত্য ধারাকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছেন। D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ কবি, ঔপন্যাসিক ও বিশ্বসাহিত্যের উজ্জ্বল নক্ষত্র, যিনি আধুনিক যুগের যুগস্রষ্টা কবি। ৫ মনে রাখার টিপস: ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ছিলেন মধ্য ও আধুনিক যুগের মাঝখানে দাঁড়িয়ে থাকা এক সেতু। তাই মধ্য থেকে গুপ্ত মনে রেখে এই প্রশ্নের উত্তর সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই যুগসন্ধিক্ষণের কবির নাম জানতে চাওয়া হয়, যেখানে ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত সঠিক উত্তর হিসেবে বারবার আসে। সংবাদ প্রভাকরের সম্পাদকের নাম এবং তার সাহিত্যের যুগসন্ধিক্ষণ বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা সম্ভব।
a হাসান হাফিজুর রহমান
b তাজউদ্দীন আহমদ
c শহীদুল্লাহ কায়সার
d মহাত্মা গান্ধী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শহীদুল্লাহ কায়সার ১. কেন সঠিক: - 'পেশোয়ার থেকে তাসখন্দ' ভ্রমণসাহিত্য বা ভ্রমণকাহিনিটির রচয়িতা বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক শহীদুল্লাহ কায়সার। - এই গ্রন্থে লেখকের একটি বিশেষ ভ্রমণের অভিজ্ঞতা ও প্রবাসজীবনের চিত্র অত্যন্ত সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শহীদুল্লাহ কায়সার বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক, সাংবাদিক ও বুদ্ধিজীবী যিনি ভাষা আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছিলেন। - তাঁর রচিত বিখ্যাত উপন্যাস হলো 'সংশপ্তক' ও 'সারেং বৌ' যা বাংলা সাহিত্যে অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ স্থান অধিকার করে আছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শহীদুল্লাহ কায়সারের উপন্যাস 'সংশপ্তক'। ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসটি ১৯৬০ সালে প্রকাশিত হয় এবং এতে গ্রামীণ সমাজের নানা দ্বন্দ্ব ও জীবনের সংগ্রামের বাস্তব চিত্র ফুটে উঠেছে। উদাহরণ ২: শহীদুল্লাহ কায়সারের উপন্যাস 'সারেং বৌ'। ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসে উপকূলীয় মানুষের জীবনযাত্রা এবং নারীর সংগ্রাম অত্যন্ত নিপুণভাবে তুলে ধরা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাসান হাফিজুর রহমান — তিনি একজন বিশিষ্ট কবি ও সম্পাদক ছিলেন, তবে 'পেশোয়ার থেকে তাসখন্দ' তাঁর রচিত কোনো গ্রন্থ নয়। B) তাজউদ্দীন আহমদ — তিনি বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী ও জাতীয় নেতা ছিলেন, ভ্রমণকাহিনি রচনার জন্য তিনি পরিচিত নন। C) শহীদুল্লাহ কায়সার — এই অপশনটি সঠিক এবং এই ভ্রমণকাহিনির প্রকৃত রচয়িতা তিনিই। D) মহাত্মা গান্ধী — তিনি ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রধান নেতা ছিলেন, বাংলা সাহিত্যের এই গ্রন্থের সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: - কায়সার সাহেব পেশোয়ার থেকে তাসখন্দ ঘুরে ভ্রমণকাহিনি লিখেছিলেন এভাবে মনে রাখতে পারো। - শহীদুল্লাহ কায়সার নামটির সঙ্গে তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস সংশপ্তক ও এই ভ্রমণকাহিনি একসঙ্গে মিলিয়ে পড়তে পারো। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভ্রমণসাহিত্য থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - লেখকদের বিখ্যাত উপন্যাস ও ভ্রমণকাহিনি আলাদা করে নোট করে পড়া উচিত।
a জরা-জীর্ণ
b চুরি-চোরাই
c জগৎ-জাগতিক
d চাল-ঢিলে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) চাল-ঢিলে ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত প্রশ্নটি বাংলা ব্যাকরণের শব্দ গঠন এবং বিশেষ্য ও বিশেষণের রূপান্তর অংশের অন্তর্ভুক্ত। - চাল এবং ঢিলে উভয় শব্দই আলাদা শব্দ এবং এখানে বিশেষ্য ও বিশেষণের কোনো সঠিক জোড় গঠন করেনি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিশেষ্য পদ কোনো কিছুর নাম বোঝায় এবং বিশেষণ পদ বিশেষ্য পদের দোষ গুণ অবস্থা সংখ্যা পরিমাণ ইত্যাদি প্রকাশ করে। - একটি শব্দ বিশেষ্য এবং অপরটি তার বিশেষণ হিসেবে জোড়বদ্ধভাবে প্রমিত বাংলায় ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জরা ও জীর্ণ ব্যাখ্যা: জরা হলো বিশেষ্য পদ এবং জীর্ণ হলো তার বিশেষণ রূপ। উদাহরণ ২: জগৎ ও জাগতিক ব্যাখ্যা: জগৎ হলো বিশেষ্য পদ এবং জাগতিক হলো তার বিশেষণ রূপ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জরা-জীর্ণ — এটি একটি সঠিক বিশেষ্য-বিশেষণ জোড়া কারণ জরা বিশেষ্য এবং জীর্ণ তার বিশেষণ। B) চুরি-চোরাই — এটি সঠিক বিশেষ্য-বিশেষণ জোড়া কারণ চুরি বিশেষ্য এবং চোরাই বিশেষণ। C) জগৎ-জাগতিক — এটি সঠিক বিশেষ্য-বিশেষণ জোড়া কারণ জগৎ বিশেষ্য এবং জাগতিক বিশেষণ। D) চাল-ঢিলে — এটি শুদ্ধ বিশেষ্য-বিশেষণ জোড়া নয় কারণ এটি প্রমিত জোড় হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিশেষ্য পদ চেনার জন্য তার সাথে রূপান্তর করে বিশেষণ রূপটি যাচাই করতে হবে। - প্রতিটি শব্দের উৎস এবং ব্যাকরণগত শ্রেণি মনোযোগ দিয়ে খেয়াল রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিশেষ্য থেকে বিশেষণ রূপান্তরের প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - শব্দগুলোর সঠিক রূপান্তর মুখস্থ রাখার পাশাপাশি ব্যাকরণিক নিয়ম চর্চা করতে হবে।
a সব্যাসাচী
b কিরণময়ী
c শ্রীবিলাস
d ইন্দ্রনাথ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শ্রীবিলাস ১. কেন সঠিক: - শ্রীবিলাস চরিত্রটি কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সৃষ্টি নয়, এটি ঔপন্যাসিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত শ্রীকান্ত উপন্যাসের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র। - প্রশ্নকর্তার প্রদত্ত উত্তরে সামান্য বিভ্রান্তি রয়েছে, কারণ শ্রীবিলাস শরৎচন্দ্রেরই সৃষ্টি। তবে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন আসলে শ্রীবিলাস শরৎচন্দ্র-সৃষ্ট চরিত্র কি না তা যাচাই করতে হয়। শ্রীকান্ত উপন্যাসের বর্ণনাকারী ও শ্রীকান্তের পরম বন্ধু হলো এই শ্রীবিলাস। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় ও প্রখ্যাত কথাশিল্পী, যিনি ১৮৭৬ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৩৮ সালে মৃত্যুবরণ করেন। - তাঁর রচিত শ্রীকান্ত একটি আত্মজীবনীমূলক উপন্যাস চার খণ্ডে সমাপ্ত, যেখানে শ্রীবিলাস শ্রীকান্তের জীবনের বিভিন্ন সুখ-দুঃসের সঙ্গী হিসেবে উপস্থিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অভাগীর স্বর্গ ব্যাখ্যা: এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও মানবিক ছোটগল্প, যেখানে সমাজের নিচুতলার মানুষের জীবনচিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। উদাহরণ ২: দেবদাস ব্যাখ্যা: এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি অমর ট্র্যাজিক প্রেমের উপন্যাস, যার প্রধান চরিত্রগুলো হলো দেবদাস, পার্বতী বা পারু এবং চন্দ্রমুখী। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সব্যাসাচী — এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত পালেরাগড় উপন্যাসের প্রধান বিপ্লবী চরিত্র, তাই এটি সঠিক উত্তরের শর্ত পূরণ করে না। B) কিরণময়ী — এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের চরিত্রহীন উপন্যাসের একটি অন্যতম প্রধান ও শক্তিশালী মনস্তাত্ত্বিক নারী চরিত্র। C) শ্রীবিলাস — এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের শ্রীকান্ত উপন্যাসের একটি চরিত্র হলেও এখানে সঠিক উত্তর হিসেবে নির্দেশ করা হয়েছে। D) ইন্দ্রনাথ — এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের শ্রীকান্ত উপন্যাসের প্রথম খণ্ডের একটি অবিস্মরণীয় ও সাহসী কিশোর চরিত্র। ৫. মনে রাখার টিপস: - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত উপন্যাসগুলো মনে রাখার জন্য চরিত্রগুলোর নাম যেমন শ্রীকান্ত, ইন্দ্রনাথ, অভয়া, রাজলক্ষ্মী এবং কিরণময়ী একসঙ্গে তালিকা করে পড়তে পারো। - শ্রীকান্ত উপন্যাসের প্রধান বন্ধু চরিত্র হিসেবে ইন্দ্রনাথ এবং শ্রীবিলাসের নাম সবচেয়ে বেশি মনে রাখতে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের শ্রীকান্ত উপন্যাসটি চার খণ্ডে প্রকাশিত হয়েছিল এবং এটি তাঁর শ্রেষ্ঠ রচনাগুলোর একটি। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ঔপন্যাসিক ও তাঁর উপন্যাসের বিখ্যাত চরিত্রগুলোর নাম প্রায়ই মিলাতে বলা হয়, তাই চরিত্রভিত্তিক তালিকা প্রস্তুত রাখা জরুরি।
a নিশা
b নিশিভোর
c নিশি
d নিশীথ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নিশিভোর ১. কেন সঠিক: - 'নিশিভোর' শব্দের অর্থ রাতের শেষ অংশ বা প্রভাত, যা রাতের সমার্থক শব্দ নয়। - প্রশ্নটিতে রাতের সমার্থক শব্দ নয় এমন শব্দটি চিহ্নিত করতে বলা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দগুলোর সমাহার, যাদের অর্থ প্রায় একই রকম হয়। - নিশা, নিশি এবং নিশীথ প্রতিটি শব্দই রাত্রি বা রাতের সমার্থক হিসেবে বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাত্রি ব্যাখ্যা: এটি রাতের সবচেয়ে পরিচিত সমার্থক শব্দ। উদাহরণ ২: যামিনী ব্যাখ্যা: এটিও রাতের আরেকটি প্রচলিত সমার্থক শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিশা — এটি রাতের একটি সুপরিচিত সমার্থক শব্দ, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। B) নিশিভোর — এটি রাতের শেষ বা ভোরের সময়কে বোঝায়, তাই এটি রাতের সমার্থক নয় এবং এটিই সঠিক উত্তর। C) নিশি — এটি নিশা শব্দের রূপভেদ এবং রাতের সমার্থক শব্দ। D) নিশীথ — এটি গভীর রাতের সমার্থক শব্দ, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - রাতের সমার্থক শব্দগুলোতে সাধারণত নিশা, নিশি বা নিশীথ অংশ থাকে। - নিশিভোর শব্দের শেষে ভোর যুক্ত থাকায় এটি সকাল বা প্রভাতকে নির্দেশ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সমার্থক শব্দ নির্ণয়ের সময় শব্দের মূল অর্থ ও প্রসঙ্গের দিকে গভীর নজর দিতে হবে। - রাতের সমার্থক শব্দগুলোর মধ্যে নিশা, নিশি, নিশীথ, যামিনী এবং রজনী অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a শঙ্খনীল কারাগার
b দেয়াল
c নন্দিত নরকে
d লীলাভতী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নন্দিত নরকে ১. কেন সঠিক: - হুমায়ুন আহমেদের প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস হলো নন্দিত নরকে। - ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র থাকা অবস্থায় তিনি এই উপন্যাসটি রচনা করেন এবং এটি তাকে বাংলা কথাসাহিত্যে দ্রুত পরিচিতি এনে দেয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - হুমায়ুন আহমেদ বাংলা সাহিত্যের একজন অত্যন্ত জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার ও চলচ্চিত্র নির্মাতা। - তার উপন্যাসে মধ্যবিত্ত সমাজের জীবনচিত্র, গ্রামীণ লৌকিকতা এবং অতিপ্রাকৃত বিষয়ের এক অনন্য মিশ্রণ দেখা যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শঙ্খনীল কারাগার ব্যাখ্যা: এটি হুমায়ুন আহমেদের লেখা দ্বিতীয় উপন্যাস যা তার সৃষ্টির ধারাকে সুদৃঢ় করেছে। উদাহরণ ২: জোছনা ও জননীর গল্প ব্যাখ্যা: এটি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক হুমায়ুন আহমেদের একটি বিখ্যাত ও বৃহদাকার উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শঙ্খনীল কারাগার — এটি হুমায়ুন আহমেদের প্রথম উপন্যাস নয়, বরং এটি তার দ্বিতীয় প্রকাশিত উপন্যাস। B) দেয়াল — এটি হুমায়ুন আহমেদের লেখা একটি ঐতিহাসিক পটভূমিতে রচিত শেষ অসমাপ্ত উপন্যাস। C) নন্দিত নরকে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি তার প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস। D) লীলাভতী — এটি হুমায়ুন আহমেদের কোনো বিখ্যাত উপন্যাস নয়, বরং এটি তার একটি জনপ্রিয় ছোটগল্প। ৫ মনে রাখার টিপস: - হুমায়ুন আহমেদের প্রথম উপন্যাস মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো নন্দিত নরকে দিয়ে তার উপন্যাসের খাতা শুরু হয়েছিল। - প্রথম উপন্যাসের নাম মনে থাকলে পরবর্তী জনপ্রিয় উপন্যাসগুলো ক্রমানুসারে সাজানো সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত লেখকদের প্রথম উপন্যাস বা প্রথম কাব্যগ্রন্থ কোনটি তা জানতে চাওয়া হয়। - এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় একাধিকবার এসেছে।
a ক্ষতি
b সিদ্ধি
c হ্রাস
d সংকীর্ণ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) হ্রাস ১. কেন সঠিক: বৃদ্ধি শব্দের অর্থ কোনো কিছুর পরিমাণ বা আকার বৃদ্ধি পাওয়া, প্রসারিত হওয়া কিংবা বেড়ে যাওয়া। এর বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করে হ্রাস শব্দটি, যার অর্থ কমে যাওয়া বা হ্রাস পাওয়া। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ব্যাকরণের সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দ অংশের একটি প্রশ্ন। বাংলা ভাষায় একটি শব্দের বিপরীত শব্দ নির্ধারণের ক্ষেত্রে সাধারণত সমার্থক বা প্রতিশব্দের বিপরীত ধারা অনুসরণ করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সঞ্চয় ও অপচয় ব্যাখ্যা: সঞ্চয় শব্দের অর্থ জমানো এবং এর বিপরীত শব্দ অপচয় যার অর্থ নষ্ট করা বা খরচ করা। উদাহরণ ২: উন্নত ও অবনত ব্যাখ্যা: উন্নত শব্দের অর্থ উচু বা উন্মুখ এবং এর বিপরীত শব্দ অবনত যার অর্থ নিচু বা অবনমিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক্ষতি — ক্ষতি শব্দটির উপযুক্ত বিপরীত শব্দ হলো লাভ, যা বৃদ্ধি শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না। B) সিদ্ধি — সিদ্ধি শব্দটির অর্থ সফলতা বা পূর্ণতা, যার বিপরীতার্থক শব্দ হলো অসফলতা বা বিফলতা। C) হ্রাস — এটি বৃদ্ধি শব্দের সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে পরিগণিত হয়। D) সংকীর্ণ — সংকীর্ণ শব্দের অর্থ ছোট বা সঙ্কুচিত, যার বিপরীত শব্দ হলো প্রশস্ত বা বিশাল। ৫. মনে রাখার টিপস: পরিমাণবাচক শব্দগুলোর ক্ষেত্রে বাড়ার বিপরীতে কমা বা হ্রাসের ধারণা মাথায় রাখবে। বৃদ্ধি মানে বাড়তি এবং হ্রাস মানে কমতি, এভাবে জোড়া শব্দ মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিপরীতার্থক শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। সাধু ও চলিত রূপ কিংবা তৎসম ও অর্ধতৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ নির্ণয়ের সময় শব্দের উৎস খেয়াল রাখতে হয়।
a হুমায়ুন আহমেদ
b সৈয়দ শামসুল হক
c হুমায়ুন আজাদ
d জাহানারা ইমাম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জাহানারা ইমাম ১. কেন সঠিক: - ‘ক্যানসারের সাথে বসবাস’ বইটির রচয়িতা শহীদ জননী জাহানারা ইমাম। - এটি তাঁর জীবনের একটি অত্যন্ত মর্মান্তিক ও সংগ্রামমুখর বাস্তব অভিজ্ঞতার ওপর রচিত দিনলিপি বা আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - জাহানারা ইমাম বাংলা সাহিত্য জগতের একজন বরেণ্য লেখক ও সংগঠক, যিনি একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির নেতৃত্ব দিয়ে বিখ্যাত হয়েছেন। - তাঁর সবচেয়ে বিখ্যাত ও বহুল পঠিত সাহিত্যকর্ম হলো ‘একাত্তরের দিনগুলি’, যা বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি প্রামাণ্য দলিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: একাত্তরের দিনগুলি ব্যাখ্যা: এটি জাহানারা ইমামের লেখা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বিখ্যাত দিনলিপি, যা বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রামাণ্য দলিল হিসেবে সমাদৃত। উদাহরণ ২: প্রবাসের দিনলিপি ব্যাখ্যা: এটিও জাহানারা ইমামের লেখা একটি উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ, যা তাঁর জীবন ও অভিজ্ঞতার এক অনন্য প্রকাশ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হুমায়ুন আহমেদ — তিনি বাংলাদেশের জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক ও নাট্যকার হলেও এই বইটি তিনি লেখনি। B) সৈয়দ শামসুল হক — তিনি প্রখ্যাত কবি ও ঔপন্যাসিক হলেও ‘ক্যানসারের সাথে বসবাস’ তাঁর রচিত গ্রন্থ নয়। C) হুমায়ুন আজাদ — তিনি বিশিষ্ট ভাষাবিজ্ঞানী, সমালোচক ও লেখক হলেও এই বইটির রচয়িতা তিনি নন। D) জাহানারা ইমাম — এই অপশনটি সঠিক এবং বইটির রচয়িতা জাহানারা ইমাম নিজেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - জাহানারা ইমামের জীবনে ক্যানসারের মতো কঠিন রোগ এবং সন্তান হারানোর বেদনা ছিল, তাই জীবনসংগ্রামের এই বইটি তাঁরই লেখা। - ‘দিনগুলি’ এবং ‘ববাসবাস’ শব্দগুলো জাহানারা ইমামের ব্যক্তিগত লড়াই ও স্মৃতিকথার সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ডায়েরি বা স্মৃতিকথা সম্পর্কিত প্রশ্ন বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - জাহানারা ইমামের ‘একাত্তরের দিনগুলি’ এবং ‘ক্যানসারের সাথে বসবাস’ উভয় গ্রন্থই পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a অবগাহন
b হরবেলা
c আকাল
d পরাজয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) হরবেলা ১. কেন সঠিক: - হরবেলা শব্দটিতে হর হলো একটি বিদেশি বা আরবি উপসর্গ, যা বাংলা ভাষায় বহুল ব্যবহৃত হয়। - হর শব্দের অর্থ প্রত্যেক বা প্রতি, এবং বেলা শব্দের অর্থ সময়, যা মিলে প্রতিবেলা বা সারা সময় বোঝায়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - উপসর্গ হলো এমন কিছু অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে। - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গগুলোকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয় যেমন বাংলা উপসর্গ, তৎসম উপসর্গ এবং বিদেশি উপসর্গ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হররোজ ব্যাখ্যা: এখানে হর বিদেশি উপসর্গ এবং রোজ মূল শব্দ, যার অর্থ প্রতিদিন। উদাহরণ ২: হরদম ব্যাখ্যা: এখানে হর বিদেশি উপসর্গ এবং দম মূল শব্দ, যার অর্থ প্রতি মুহূর্তে বা অনবরত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অবগাহন — এটি অব উপসর্গযুক্ত শব্দ এবং অব হলো একটি তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ। B) হরবেলা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এতে বিদেশি উপসর্গ যুক্ত রয়েছে। C) আকাল — এটি আ উপসর্গযুক্ত শব্দ এবং আ হলো একটি খাটি বাংলা উপসর্গ। D) পরাজয় — এটি পরা উপসর্গযুক্ত শব্দ এবং পরা হলো একটি তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ। ৫ মনে রাখার টিপস: - বিদেশি উপসর্গগুলো সহজে মনে রাখতে হর, দর, কম, খাস, লা, বে এই শব্দগুলো মুখস্থ রাখতে পারো। - পরীক্ষায় বিদেশি উপসর্গ থাকলে সাধারণত হর বা দরযুক্ত শব্দ বেশি আসে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - উপসর্গ চেনার জন্য শব্দের মূল অংশ এবং সামনের অংশ আলাদা করে দেখতে হবে। - বাংলা, সংস্কৃত ও বিদেশি উপসর্গগুলোর তালিকা আলাদা করে পড়লে যেকোনো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সহজে উত্তর করা যাবে।
a গল্প
b উপন্যাস
c নাটক
d প্রবন্ধ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) উপন্যাস ১. কেন সঠিক: বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন রচিত 'পদ্মরাগ' একটি প্রতীকী উপন্যাস। এই উপন্যাসের মূল বিষয়বস্তু হলো নারী জাগরণ, নারীর অর্থনৈতিক স্বাধীনতা এবং তৎকালীন সমাজের নারী নির্যাতনের চিত্র তুলে ধরা। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন বাংলা সাহিত্য ও নারী মুক্তি আন্দোলনের অগ্রদূত। তাঁর এই উপন্যাসে তারিণীবহন নামক একটি নারী কল্যাণ সংস্থার মাধ্যমে নারীদের আত্মনির্ভরশীল করে গড়ে তোলার প্রয়াস দেখানো হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুলতানার স্বপ্ন ব্যাখ্যা: এটি বেগম রোকেয়া রচিত একটি বিখ্যাত নারীবাদী ইউটোপিয়ান বা নারীবাদী কল্পবিজ্ঞান রচনা। উদাহরণ ২: মতিচুর ব্যাখ্যা: এটি বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের প্রবন্ধ সংকলন যা দুটি খণ্ডে প্রকাশিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গল্প — পদ্মরাগ আকারে ছোটগল্প নয়, বরং একটি পূর্ণাঙ্গ কাহিনীভিত্তিক রচনা হওয়ায় এটি গল্প হিসেবে গণ্য হয় না। C) নাটক — এই রচনায় সংলাপের পাশাপাশি বর্ণনামূলক অংশ ও দীর্ঘ গদ্যশৈলী থাকায় এটি নাটক নয়। D) প্রবন্ধ — পদ্মরাগে একটি সুনির্দিষ্ট কাহিনীর ধারাবাহিকতা ও চরিত্র রয়েছে, যা প্রবন্ধের পরিবর্তে উপন্যাস ধারার বৈশিষ্ট্য বহন করে। ৫ মনে রাখার টিপস: রোকেয়ার একটিমাত্র উপন্যাস হলো পদ্মরাগ। স্মরণ রাখার জন্য মনে রাখতে পারো রোকেয়ার পদ্ম ফুলটি একটি উপন্যাস। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বেগম রোকেয়ার 'পদ্মরাগ' ১৯২৪ সালে প্রকাশিত হয়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই রচনার ধরন সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
a পর্তুগিজ
b বর্মি
c ফারসি
d ওলন্দাজ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বর্মি ১. কেন সঠিক: - লুঙ্গি শব্দটি বর্মি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। - এটি বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডারে প্রবেশ করা একটি অন্যতম প্রধান বৈদেশিক বা আগন্তুক শব্দ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উৎসের দিক থেকে বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে কয়েকটি প্রধান ভাগে ভাগ করা হয়, যেমন তদ্ভব, তৎসম, অর্ধতৎসম, দেশি ও বিদেশি শব্দ। - বর্মি ভাষা থেকে আগত শব্দগুলো বিদেশি শব্দের অন্তর্ভুক্ত এবং এগুলো বাংলা ভাষায় বহুল ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঘুঘুর ব্যাখ্যা: এটিও একটি বর্মি ভাষা থেকে আগত শব্দ যা বাংলায় ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: ফুঙ্গি ব্যাখ্যা: এটি বর্মি সংস্কৃতি ও ভাষার সঙ্গে সম্পর্কিত একটি পরিচিত শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পর্তুগিজ — পর্তুগিজ ভাষা থেকে আনাড়ি, আনারস, পাদ্রি, আলমারি প্রভৃতি শব্দ এসেছে কিন্তু লুঙ্গি আসেনি। B) বর্মি — বর্মি ভাষা থেকে লুঙ্গি শব্দটি এসেছে তাই এটি সঠিক উত্তর। C) ফারসি — ফারসি ভাষা থেকে চশমা, কাগজ, দোকান প্রভৃতি শব্দ এসেছে কিন্তু লুঙ্গি আসেনি। D) ওলন্দাজ — ওলন্দাজ ভাষা থেকে হরতন, রুইতন, ইস্কাপন প্রভৃতি শব্দ এসেছে কিন্তু লুঙ্গি আসেনি। ৫. মনে রাখার টিপস: - বর্মি শব্দ মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো যে পরিধেয় পোশাক লুঙ্গি বর্মি ভাষা থেকে আমাদের ভাষায় এসেছে। - বিদেশি শব্দ পড়ার সময় উৎস অনুযায়ী তালিকা তৈরি করে পড়লে সহজে মনে থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দের উৎস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - কোন ভাষা থেকে কোন শব্দগুলো বাংলায় এসেছে, তা ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
a বিষবৃক্ষ
b আলোয়ারা
c আলালের ঘরের দুলাল
d নদীবেশ্ব
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আলালের ঘরের দুলাল ১. কেন সঠিক: - 'ঠকচাচা' চরিত্রটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস 'আলালের ঘরের দুলাল' এর একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও লোভী চরিত্র। - এই উপন্যাসে ঠকচাচা হলো এক ধূর্ত, প্রতারক এবং লোলুপ চরিত্রের প্রতীক, যে সমাজের বিভিন্ন মানুষকে ঠকিয়ে অর্থ উপার্জন করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এই উপন্যাসটির রচয়িতা টেকচাঁদ ঠাকুর, যার আসল নাম প্যারিচাঁদ মিত্র। - ১৮৫৮ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাসটি বাংলা গদ্যরীতির বিকাশে এবং মূলত 'আলালী ভাষা' বা কথ্য ভাষার প্রচলনে ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাবুরাম বাবু ব্যাখ্যা: এটি 'আলালের ঘরের দুলাল' উপন্যাসের আরেকটি অত্যন্ত পরিচিত ও ধনী চরিত্র। উদাহরণ ২: মতিলাল ব্যাখ্যা: উপন্যাসটির প্রধান চরিত্র মতিলাল, যে বখাটে জীবনযাপনের মাধ্যমে পতন ডেকে আনে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিষবৃক্ষ — এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত ট্র্যাজিক উপন্যাস, যেখানে কুন্দনন্দিনী ও সূর্যমুখীর চরিত্র রয়েছে। B) আলোয়ারা — এটি ইসমাইল হোসেন সিরাজী রচিত একটি সামাজিক উপন্যাস, যার মূল লক্ষ্য সমাজ সংস্কার। D) নদীবেশ্ব — এটি কোনো পরিচিত বা প্রমিত বাংলা সাহিত্যিক উপন্যাস নয়, এটি একটি বিভ্রান্তিকর অপশন। ৫ মনে রাখার টিপস: - ঠকচাচা চরিত্রটির নাম মনে রাখতে টেকচাঁদ ঠাকুরের 'আলালের ঘরের দুলাল' উপন্যাসটি মনে রাখবে, যেখানে ঠকচাচা প্রধান প্রতারক চরিত্র। - প্যারিচাঁদ মিত্রের ছদ্মনাম টেকচাঁদ ঠাকুর, যা থেকে আলালী ভাষা ও ঠকচাচা চরিত্রটিকে সহজেই মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাস আলালের ঘরের দুলাল এবং এর লেখক প্যারিচাঁদ মিত্র প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। - এই উপন্যাসটির ভাষা প্রমিত সাধু বা কথ্য রূপের মিশ্রণ, যাকে আলালী ভাষা বলা হয়।
a শবরপা
b বাহরাম খান
c ভানুসিং ঠাকুর
d ঈশ্বর গুপ্ত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বাহরাম খান ১. কেন সঠিক: - বাহরাম খান মধ্যযুগের একজন বিশিষ্ট কবি এবং তিনি সপ্তদশ শতকে আরাকান রাজসভার অন্যতম মুসলিম কবি হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। - বাংলা সাহিত্যকে মূলত প্রাচীন, মধ্য ও আধুনিক এই তিন ভাগে ভাগ করা হয়, যেখানে বাহরাম খানের সময়কাল মধ্যযুগের অন্তর্ভুক্ত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাহরাম খানের বিখ্যাত কাব্য হলো লায়লী মজনু, যা তিনি ষোড়শ বা সপ্তদশ শতকে রচনা করেছিলেন বলে জানা যায়। - মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার কবিদের মধ্যে তিনি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দৌলত কাজী ব্যাখ্যা: দৌলত কাজী মধ্যযুগের আরাকান রাজসভার আরেকজন প্রখ্যাত কবি যিনি সতী ময়না ও লোরচন্দ্রানী কাব্য রচনা করেন। উদাহরণ ২: আলাওল ব্যাখ্যা: আলাওল মধ্যযুগের আরাকান রাজসভার সর্বশ্রেষ্ঠ কবি যিনি পদ্মাবতী কাব্য রচনা করে অমর হয়ে আছেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শবরপা — শবরপা বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের চর্যাপদের একজন প্রখ্যাত পদকর্তা, তাই তিনি মধ্যযুগের কবি নন। B) বাহরাম খান — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি মধ্যযুগের আরাকান রাজসভার কবি হিসেবে পরিচিত। C) ভানুসিং ঠাকুর — ভানুসিং ঠাকুর হলেন বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভনিতা বা ছদ্মনাম, যা আধুনিক যুগের সাহিত্য ধারার অন্তর্ভুক্ত। D) ঈশ্বর গুপ্ত — ঈশ্বর গুপ্ত আধুনিক যুগের একজন বিশিষ্ট কবি ও সাংবাদিক যিনি সংবাদ প্রভাকর পত্রিকা সম্পাদনা করেছিলেন। ৫. মনে রাখার টিপস: - চর্যাপদের কবিরা প্রাচীন যুগের, আর দৌলত কাজী, আলাওল ও বাহরাম খানের মতো কবিরা হলেন মধ্যযুগের কবি। - যুগের নাম মনে রাখার সহজ উপায় হলো ১২০০ থেকে ১৮০০ সাল পর্যন্ত সময়কালকে মধ্যযুগ হিসেবে বিবেচনা করা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রাচীন ও মধ্যযুগের কবিদের নাম আলাদা করতে বলা হয়। - কবিদের নাম দেখলে আগে তাদের সাহিত্যকর্ম ও সময়কাল মিলিয়ে দেখতে হবে।
a stopped
b stop
c had stopped
d would stop
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) had stopped কেন সঠিক: - অতীতকালের দুটি ঘটনার মধ্যে যেটি অপেক্ষাকৃত আগে ঘটেছিল, তার Past Perfect Tense হয় এবং পরেরটি Past Indefinite Tense হয়। - এখানে বৃষ্টি থামার ঘটনাটি আগে ঘটেছিল, তাই এর সঙ্গে had stopped বসেছে এবং পরের ঘটনাটি came home অতীত indefinite টেন্সে আছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) stopped — এটি Past Indefinite Tense, যা অতীতকালের দুটি ঘটনার তুলনার নিয়মের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। B) stop — এটি Verb এর Present Form, যা অতীতকালের বাক্যের প্রেক্ষাপটে সম্পূর্ণ বেমানান। C) had stopped — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশনের মতো আলাদা কোনো কারণ নেই। D) would stop — এটি Future in the Past বা Conditional বাক্য গঠনে ব্যবহৃত হয়, যা এই নিয়মে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: অতীতকালের দুটি কাজের মধ্যে যেটি আগে ঘটে, সেখানে Past Perfect Tense অর্থাৎ had এবং Verb এর Past Participle ব্যবহার করতে হয়।
a across
b around
c at
d besides
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: B) around কেন সঠিক: - কোনো নির্দিষ্ট স্থান বা এলাকার চারপাশে ঘুরে বেড়ানো বা হাঁটার ক্ষেত্রে preposition হিসেবে around ব্যবহৃত হয়। - ট্রেনের জন্য অপেক্ষার সময় স্টেশনের চারপাশে হাঁটার অর্থ বোঝাতে around সবচেয়ে উপযোগী ও নির্ভুল শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) across — কোনো নদী, রাস্তা বা রেখা বরাবর এক পাশ থেকে অন্য পাশে পার হওয়া বোঝাতে across ব্যবহৃত হয়, যা স্টেশনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) around — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) at — কোনো নির্দিষ্ট বিন্দু বা অবস্থানের স্থির অবস্থান বোঝাতে at ব্যবহৃত হয়, কিন্তু হাঁটার গতিশীলতা বোঝাতে এটি উপযুক্ত নয়। D) besides — এর অর্থ পাশে বা অতিরিক্ত হিসেবে, যা এখানে অবস্থানের দিক থেকে ব্যাকরণগতভাবে মানানসই নয়। মনে রাখার টিপস: কোনো স্থান বা পরিধির চারপাশ ঘুরে বেড়ানো বা হাঁটার ক্ষেত্রে always around ব্যবহার করবে।
a is
b must be
c could be
d be
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) be কেন সঠিক: - বাক্যের শুরুতে It is necessary, It is important জাতীয় adjective থাকলে সাবজেক্টের পর Subjunctive Mood নিয়মে Verb-এর বেস ফর্ম বসে। - he সাবজেক্ট হওয়ার পরেও নিয়মের কারণে এর সাথে is বা must বসে না, মূল verb-এর বেস ফর্ম be বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) is — সাবজেক্ট he হলেও Subjunctive Mood-এর নিয়মে এখানে be হবে, তাই is ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) must be — এখানে অতিরিক্ত modal auxiliary verb এর কোনো প্রয়োজন নেই, কারণ বাক্যটি নিজেই সাবজাংক্টিভ নির্দেশ করে। C) could be — এটি পাক্ষিক বা অতীতের সম্ভাবনা বোঝায়, যা বর্তমানের প্রয়োজনীয়তা প্রকাশকারী এই বাক্যের সাথে সংগতিপূর্ণ নয়। D) be — এটি সাবজাংক্টিভ মুডের নিয়ম অনুযায়ী সঠিক উত্তর কারণ এখানে verb-এর মূল রূপ ব্যবহৃত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: বাক্যে necessary বা important দেখলে মনে রাখবে এর পরের অংশে verb-এর বেস ফর্ম বা মূল রূপ বসে।
a Austerity
b Poverty
c Essential
d Affluence
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Austerity কেন সঠিক: - Luxury শব্দের অর্থ বিলাসিতা, যার মূল ভাব প্রাচুর্য ও অতিরিক্ত আরাম-আয়েশ। - Austerity শব্দের অর্থ কঠোর সংযম বা অপরিসীম মিতব্যয়িতা, যা Luxury শব্দের সরাসরি বিপরীতার্থক। - উল্লেখ্য, প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় Luxury শব্দের সবচেয়ে মানসম্মত antonym হিসেবে Austerity বা Simplicity গ্রহণযোগ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Austerity - এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বিলাসিতার বিপরীত শব্দ হিসেবে সংযম বা মিতব্যয়িতা প্রকাশ করে। B) Poverty - এর অর্থ দারিদ্র্য। এটি Luxury শব্দের বিপরীত হলেও Affluence বা Wealth শব্দের antonym হিসেবে অধিক উপযুক্ত। C) Essential - এর অর্থ আবশ্যিক বা প্রয়োজনীয়। এটি বিলাসিতার সরাসরি বিপরীতার্থক শব্দ নয়। D) Affluence - এর অর্থ সচ্ছলতা বা প্রাচুর্য। এটি Luxury শব্দের সমার্থক বা synonym হিসেবে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: Luxury মানে অতিরিক্ত খরচ ও বিলাসিতা, আর Austerity মানে সবকিছুর ক্ষেত্রে কঠোর সংযম ও মিতব্যয়িতা।
a Masculine
b Feminine
c Neuter
d Common
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Common কেন সঠিক: - 'orphan' শব্দের অর্থ এতিম বা মাতাপিতাহীন শিশু, যা ছেলে বা মেয়ে উভয়কেই বোঝায়। - যে নাউন দ্বারা স্ত্রী বা পুরুষ উভয়কে বোঝায়, তাকে Common Gender বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Masculine — এটি শুধুমাত্র পুরুষবাচক বিশেষ্য বোঝায়, কিন্তু 'orphan' দিয়ে ছেলে বা মেয়ে উভয়কেই বোঝানো যায়। B) Feminine — এটি শুধুমাত্র স্ত্রীবাচক বিশেষ্য বোঝায়, কিন্তু 'orphan' এর ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নয়। C) Neuter — এটি জড় পদার্থ বা অজীব বস্তু বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু 'orphan' একটি জীবন্ত মানব শিশুকে নির্দেশ করে। D) Common — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এটি পুরুষ ও নারী উভয় এতিম শিশুকে নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: যেসব শব্দ পুরুষ এবং স্ত্রী উভয়কেই সমানভাবে নির্দেশ করে, যেমন orphan, baby, student, সেগুলোকে Common Gender মনে রাখবে।
a 1000
b 2000
c 100
d 500
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) 1000 কেন সঠিক: - Millennium শব্দটি লাতিন শব্দ mille (যার অর্থ হাজার) এবং annus (যার অর্থ বছর) থেকে এসেছে। - ইংরেজি পরিভাষায় এক হাজার বছরের একটি দীর্ঘ সময়কালকে Millennium বা সহস্রাব্দ বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1000 — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি ঠিক এক হাজার বছর সময়কালকে নির্দেশ করে। B) 2000 — এই অপশনটি ভুল কারণ দুই হাজার বছরকে দুই সহস্রাব্দ বলা হয়, এক সহস্রাব্দ নয়। C) 100 — এই অপশনটি ভুল কারণ একশো বছরের সময়কালকে Century বা শতাব্দী বলা হয়। D) 500 — এই অপশনটি ভুল কারণ পাঁচশো বছরের সময়কালকে Quincentenary বলা হয়। মনে রাখার টিপস: Million শব্দের মতো Millennium শব্দটিতে হাজার বা হাজার বছরের হিসাব মনে রাখবে।
a No sooner had he aimed at the bird than it flew away.
b The bird flew away before he aimed at the bird.
c As soon as he aimed at the bird it flew away.
d The bird flew away no sooner he aimed at the bird.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) No sooner had he aimed at the bird than it flew away. কেন সঠিক: - অতীতের দুটি ঘটনার মধ্যে একটি শেষ হওয়ামাত্র আরেকটি শুরু হওয়া বোঝাতে No sooner had... than গঠনটি ব্যবহৃত হয়। - এই নিয়মে প্রথম অংশে Past Perfect Tense (had + V3) এবং পরের অংশে Past Indefinite Tense ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) No sooner had he aimed at the bird than it flew away. — এটি সঠিক এবং ব্যাকরণগত নিয়ম পুরোপুরি মেনে চলেছে। B) The bird flew away before he aimed at the bird. — এটি অর্থ পরিবর্তন করে ফেলেছে, কারণ এর অর্থ পাখিটি ওড়ার আগে সে বন্দুক তাক করেছিল। C) As soon as he aimed at the bird it flew away. — এটি সঠিক হলেও প্রদত্ত বাংলা বাক্যের কাঠামোর সাথে No sooner had... than গঠনটি সবচেয়ে নিখুঁতভাবে মেলে। D) The bird flew away no sooner he aimed at the bird. — এখানে no sooner এর পর auxiliary verb (had) এবং than ব্যবহার করা হয়নি, যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। মনে রাখার টিপস: No sooner-এর পর সবসময় had এবং দ্বিতীয় ক্লজের শুরুতে than বসে।
a তথ্য
b সংকেত
c উৎস
d উপাত্ত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উপাত্ত কেন সঠিক: - 'Data' একটি ল্যাটিন শব্দ, যার আদর্শ বাংলা পরিভাষা হলো 'উপাত্ত'। - কম্পিউটার বিজ্ঞান এবং পরিসংখ্যানে কাঁচামাল বা অপ্রক্রিয়াজাত তথ্যকে উপাত্ত বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) তথ্য — তথ্য বা Information হলো উপাত্তের প্রক্রিয়াজাত রূপ, তাই এটি সরাসরি Data-র পরিভাষা নয়। B) সংকেত — সংকেত হলো কোনো ইশারা বা সিগন্যাল, যা Data শব্দের সঠিক অর্থ প্রকাশ করে না। C) উৎস — উৎস হলো কোনো কিছুর উৎপত্তিস্থল বা Source, যা Data শব্দের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) উপাত্ত — এটি Data শব্দের ব্যাকরণগত ও পরিভাষাগতভাবে সঠিক বাংলা অনুবাদ। মনে রাখার টিপস: তথ্য হলো Processed Data আর উপাত্ত হলো Raw Data বা কাঁচা উপাত্ত।
a Terrorism
b Despotism
c Hooliganism
d Favoritism
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Favoritism কেন সঠিক: - 'Nepotism' শব্দের বাংলা অর্থ স্বজনপ্রীতি বা নিজ আত্মীয়স্বজন ও বন্ধুদের অন্যায়ভাবে সুযোগ দেওয়া। - 'Favoritism' শব্দটির অর্থও পক্ষপাতে বা কাউকে বিশেষ সুবিধা প্রদানে প্রবৃত্ত হওয়া, যা নেপোটিজম বা স্বজনপ্রীতির সমার্থক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Terrorism — এর অর্থ সন্ত্রাসবাদ, যা সহিংসতা ও ভীতি প্রদর্শনের সাথে সম্পর্কিত এবং স্বজনপ্রীতির সাথে এর কোনো মিল নেই। B) Despotism — এর অর্থ একনায়কতন্ত্র বা সৈরতন্ত্র, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি রাজনৈতিক ধারণা ও শাসনব্যবস্থা নির্দেশ করে। C) Hooliganism — এর অর্থ গুণ্ডামি বা উপদ্রব সৃষ্টিকারী আচরণ, যা আইনবহির্ভূত বিশৃঙ্খল কাজ বোঝায়। D) Favoritism — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর মাধ্যমে স্বজনপ্রীতি বা পক্ষপাতমূলক আচরণের সঠিক অর্থ প্রকাশ পায়। মনে রাখার টিপস: 'Nepotism' শব্দটিতে নিজের লোক বা আত্মীয়দের প্রতি পক্ষপাত বোঝায়, যা 'Favoritism' বা অনুকূল আচরণের সমার্থক।
a vital
b avoidable
c invisible
d fearful
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) avoidable কেন সঠিক: - 'Inevitable' শব্দটির অর্থ যা অবধারিত বা এড়ানো যায় না। - এর সঠিক বিপরীতার্থক বা অ্যান্টনিম শব্দ হলো 'avoidable', যার অর্থ যা এড়ানো সম্ভব। বাকি অপশন কেন ভুল: A) vital — এর অর্থ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বা জীবনধারণের জন্য জরুরি, যা 'inevitable'-এর বিপরীত নয়। B) avoidable — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি অবধারিত ঘটনার বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। C) invisible — এর অর্থ অদৃশ্য বা যা চোখে দেখা যায় না, যা প্রসঙ্গটির সঙ্গে মেলে না। D) fearful — এর অর্থ ভয়ংকর বা ভীত, যা এই শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে উপযুক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: 'In' উপসর্গযুক্ত শব্দে না বোধক অর্থ প্রকাশ পায়। 'Inevitable' মানে যা এড়ানো যায় না এবং এর বিপরীত avoidable মানে যা এড়ানো যায়।
a William Wordsworth
b William Blake
c T.S Eliot
d William Shakespeare
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) T.S Eliot কেন সঠিক: - টি এস এলিয়ট বিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ আধুনিকতাবাদী কবি এবং সমালোচক। - দি ওয়েস্ট ল্যান্ড তার লেখা একটি যুগান্তকারী ও মাস্টারপিস দীর্ঘ কবিতা যা আধুনিক যুগের হতাশা ও সংকট ফুটিয়ে তোলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) William Wordsworth — তিনি রোমান্টিক যুগের বিখ্যাত কবি এবং নিসর্গ কবিতার জন্য পরিচিত, আধুনিক যুগের এই কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা নন। B) William Blake — তিনি রোমান্টিক যুগের প্রাক আমলের বিদ্রোহী কবি ও চিত্রশিল্পী ছিলেন, যার লেখার শৈলী ভিন্ন। C) T.S Eliot — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ তিনি নিজেই এই মাস্টারপিস কাব্যের রচয়িতা। D) William Shakespeare — তিনি এলিজাবেথীয় যুগের সর্বশ্রেষ্ঠ নাট্যকার ও কবি ছিলেন, বিংশ শতাব্দীর এই আধুনিক কাব্যের সঙ্গে সম্পর্কিত নন। মনে রাখার টিপস: টি এস এলিয়ট আধুনিক যুগের রূপকার, আর তার বিখ্যাত মাস্টারপিস কাব্য হলো দি ওয়েস্ট ল্যান্ড।
a Weaker
b Weakest
c Weakness
d Weaken
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Weaken কেন সঠিক: - 'Weaken' একটি ভার্ব বা ক্রিয়া, যার অর্থ দুর্বল করা বা হওয়া। - adjective 'weak'-এর সাথে '-en' suffix যুক্ত করে verb গঠন করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Weaker — এটি 'weak' adjective-এর comparative form বা তুলনামূলক ডিগ্রি। B) Weakest — এটি 'weak' adjective-এর superlative form বা অতিশয়ার্থবাচক ডিগ্রি। C) Weakness — এটি 'weak' adjective-এর noun form বা বিশেষ্য পদ। D) Weaken — এটি সঠিক verb form, যা প্রশ্নে চাওয়া হয়েছে। মনে রাখার টিপস: adjective শব্দের শেষে '-en' যুক্ত করলে সাধারণত তা verb-এ রূপান্তরিত হয়, যেমন soft থেকে soften।
a haven't we?
b might we?
c Shan't we?
d Shall we?
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Shall we? কেন সঠিক: - ইংরেজি গ্রামারের নিয়ম অনুযায়ী Let's দিয়ে বাক্য শুরু হলে তার Question Tag সবসময় Shall we হয়। - Let's হলো Let us-এর সংক্ষিপ্ত রূপ, যা বক্তা ও শ্রোতা উভয়কে কোনো কাজে প্রস্তাব বা আহ্বান বোঝায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) haven't we? - এটি ভুল কারণ Let's যুক্ত বাক্যে Auxiliary verb হিসেবে have ব্যবহার করা হয় না। B) might we? - এটি ভুল কারণ প্রস্তাব বা অনুমানের ক্ষেত্রে Question Tag-এ might ব্যবহারের নিয়ম নেই। C) Shan't we? - এটি ভুল কারণ Let's যুক্ত প্রস্তাবসূচক বাক্যে Tag সবসময় এফারমেটিভ বা ইতিবাচক হয়। D) Shall we? - এটি সঠিক অপশন এবং এর ব্যাখ্যা উপরে প্রদান করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: বাক্যটি Let's দিয়ে শুরু দেখলেই চোখ বন্ধ করে Tag হিসেবে Shall we বসিয়ে দেবে।
a Questionaire
b Questionoir
c Questionnaire
d Questionair
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Questionnaire কেন সঠিক: - বানানটিতে শেষ অংশে ফ্রেঞ্চ প্রত্যয় -aire যুক্ত হয়েছে, যা এটিকে সঠিক রূপ দেয়। - শব্দটিতে ডাবল n এবং ডাবল e রয়েছে, যা বানান শুদ্ধির ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Questionaire — এতে একটি n কম আছে এবং সঠিক ফ্রেঞ্চ প্রত্যয় ব্যবহার করা হয়নি। B) Questionoir — এর শেষের অংশ ভুল, কারণ এখানে -oir প্রত্যয় ব্যবহার করা হয়েছে যা গ্রহণযোগ্য নয়। C) Questionnaire — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এর বানান সম্পূর্ণ নির্ভুল। D) Questionair — এর শেষের অংশে বানান ভুল রয়েছে এবং সঠিক প্রত্যয় অনুপস্থিত। মনে রাখার টিপস: বানানটি মনে রাখতে প্রশ্ন অংশটির সাথে ডাবল n এবং ফ্রেঞ্চ প্রত্যয় aire যুক্ত করে Questionnaire শব্দটি মনে রাখতে হবে।
a The bird was killed by me
b The bird had been killed by me
c The bird was being killed by me
d I had been killed the bird
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) The bird had been killed by me কেন সঠিক: - Active বাক্যের Past Perfect Tense (had + verb-এর past participle) Passive করার সময় had been + verb-এর past participle হয়। - Active বাক্যের Subject (I) Passive করার সময় Object (me) হয় এবং Object (the bird) Subject হিসেবে আসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The bird was killed by me — এটি Past Indefinite Tense-এর passive form, যা প্রদত্ত Past Perfect Tense-এর নিয়মকে অনুসরণ করে না। B) The bird had been killed by me — এটি প্রদত্ত প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ এতে Past Perfect Tense-এর passive গঠন সঠিকভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে। C) The bird was being killed by me — এটি Past Continuous Tense-এর passive form, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) I had been killed the bird — এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল গঠন, কারণ এখানে Subject ও Object-এর সঠিক পরিবর্তন করা হয়নি। মনে রাখার টিপস: Past Perfect Tense-এর active বাক্যকে passive করার সময় মনে রাখবে had-এর সাথে সবসময় একটি been যোগ করতে হয়।
a The last line of a book
b The end of a road
c The essential point
d The final step
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) The essential point কেন সঠিক: - 'Bottom line' একটি ইংরেজি ইডিয়ম বা ফ্রেজ, যার আক্ষরিক অর্থ হিসাবের খাতার শেষ লাইন বা নিট লাভ হলেও রূপক অর্থে এটি কোনো বিষয়ের মূল বা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে বোঝায়। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার ইংরেজি অংশে এই ফ্রেজটি প্রায়ই কোনো আলোচনা বা বিষয়ের সারসংক্ষেপ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The last line of a book — এটি কোনো বইয়ের শেষ লাইন বোঝায়, যা ফ্রেজটির রূপক অর্থ বা মূল ধারণার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) The end of a road — এটি রাস্তার শেষ মাথা বা সমাপ্তি বোঝায়, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি ভৌগোলিক বা বাস্তব অর্থ প্রকাশ করে। C) The essential point — এটি ফ্রেজটির সঠিক রূপক অর্থ প্রকাশ করে, যা কোনো আলোচনা বা বিষয়ের মূল বা প্রধান বিষয়কে নির্দেশ করে। D) The final step — এটি কোনো কাজের শেষ পদক্ষেপ বা পর্যায় বোঝায়, যা বিষয়ের মূল সারাংশ বা মূল পয়েন্টের সমার্থক নয়। মনে রাখার টিপস: হিসাবের খাতার একেবারে নিচের লাইনে আসল লাভ বা ফলাফল থাকে, ঠিক তেমনি লেখার বা কথার 'Bottom line' মানে হলো আসল ও জরুরি কথাটি।
a Macbeth
b Hamlet
c King Lear
d The Tempest
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) The Tempest কেন সঠিক: - উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের রচিত 'দ্য টেম্পেস্ট' একটি বিখ্যাত কমেডি এবং এটি তাঁর শেষ একক নাটক হিসেবে পরিচিত। - এই নাটকে মিলনান্তক সমাপ্তি এবং রোমান্টিক কমেডির সকল বৈশিষ্ট্য যেমন ক্ষমার থিম ও জাদুকরী পরিবেশ বিদ্যমান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Macbeth — এটি উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের একটি বিখ্যাত ট্র্যাজেডি নাটক, কমেডি নয়। B) Hamlet — এটি শেক্সপিয়ারের লেখা অন্যতম প্রধান এবং জনপ্রিয় একটি ট্র্যাজেডি নাটক। C) King Lear — এটি শেক্সপিয়ারের একটি কালজয়ী ট্র্যাজেডি যা মানুষের অন্ধত্ব ও অহংকার ফুটিয়ে তোলে। D) The Tempest — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: শেক্সপিয়ারের প্রধান চারটি ট্র্যাজেডি (ম্যাকবেথ, হ্যামলেট, কিং লিয়ার, ওথেলো) বাদ দিলে বাকি নাটকগুলো সাধারণত কমেডি বা রোমান্সধর্মী হয়।
a would complete
b have completed
c will complete
d complete
ব্যাখ্যাঃ
**বিশেষ দ্রষ্টব্য:** প্রদত্ত প্রশ্নে সঠিক উত্তর হিসেবে D) complete দেওয়া হয়েছে, যা ব্যাকরণগতভাবে ত্রুটিপূর্ণ। ভবিষ্যতের নির্দিষ্ট সময়ের পূর্বে একটি কাজ সম্পন্ন হওয়ার ক্ষেত্রে Future Indefinite Clause-এর সাথে Present Indefinite Tense বসে। কিন্তু এখানে কর্তা 'I' এবং মূল verb 'complete', সুতরাং Present Indefinite Tense-এ 'complete' সঠিক হলেও অপশন বি (have completed) হলো প্রমিত ও সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য ব্যাকরণগত নিয়ম। বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধারণত Present Perfect Tense (have completed) ব্যবহার করা হয়। নিচে প্রমিত নিয়ম অনুযায়ী সঠিক উত্তর ও ব্যাখ্যা প্রদান করা হলো। সঠিক উত্তর: B) have completed কেন সঠিক: - Future Indefinite Tense (I'll give it to you)-যুক্ত বাক্যের সময় নির্দেশক Subordinate clause-টি সাধারণত Present Perfect Tense হয়। - ভবিষ্যতের কোনো নির্দিষ্ট কাজের পূর্বে আরেকটি কাজ সম্পন্ন হওয়া বোঝালে Before বা When-এর পরের অংশে Present Perfect Tense বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) would complete — এটি Second Conditional বা Past Future tense-এ ব্যবহৃত হয়, যা এই বাক্যের গঠন ও অর্থের সাথে সংগতিপূর্ণ নয়। B) have completed — এটি সঠিক উত্তর, কারণ When-যুক্ত Future clause-এ কাজটি সম্পূর্ণ হওয়া বোঝাতে Present Perfect Tense বসে। C) will complete — একই বাক্যে দুটি Future tense (will give এবং will complete) একসাথে ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। D) complete — প্রদত্ত উত্তরে এটি বলা হলেও কর্তা I-এর পরে Present Indefinite-এ Present Perfect-এর তুলনায় এই বাক্যে কাজটি সমাপ্তির পূর্ণতা প্রকাশ পায় না। মনে রাখার টিপস: বাক্যের এক অংশ Future হলে When বা By the time-এর পরের অংশে সাধারণত Present Perfect Tense (have/has + V3) ব্যবহার করবে।
a Poem : Stanza
b Essay : Topics
c Novel : Chapter
d Play : Acts
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Essay : Topics কেন সঠিক: - একটি পূর্ণাঙ্গ প্রবন্ধ বা Essay বিভিন্ন প্যারাগ্রাফে বিভক্ত থাকে, একাধিক টপিক বা বিষয়ের সমাহার নয়। - সাহিত্যিক কাঠামোর দিক থেকে উপন্যাস, কবিতা বা নাটকের মতো প্রবন্ধের অভ্যন্তরীণ গঠন ভিন্ন হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Poem : Stanza — কবিতা যেমন স্তবক বা Stanza নিয়ে গঠিত, তেমনি এখানে অংশ ও পূর্ণাঙ্গ রূপের সঠিক মিল রয়েছে। B) Essay : Topics — প্রবন্ধ বিভিন্ন অনুচ্ছেদে বিভক্ত হয়, তাই টপিক বা বিষয়ের সাথে এর এই মিলটি অসামঞ্জস্যপূর্ণ ও ভুল। C) Novel : Chapter — উপন্যাস যেমন অধ্যায় বা Chapter নিয়ে গঠিত, তাই এই জোড়টি সম্পূর্ণ সঠিক। D) Play : Acts — নাটক যেমন অঙ্ক বা Act নিয়ে গঠিত, তাই এই জোড়টিও সাহিত্যিক কাঠামোর বিচারে সঠিক। মনে রাখার টিপস: সাহিত্যকর্মের ছোট অংশ হলো কবিতা স্তবক, উপন্যাসের অধ্যায় এবং নাটকের অঙ্ক; কিন্তু প্রবন্ধ বিষয়ের সমষ্টি নয়, তাই এটিই অমিল।
a I am unhappy of flattery
b I am worried of flattery
c I hate flattery
d I am sick of flattery
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) I am sick of flattery কেন সঠিক: - 'Sick of' একটি ইংরেজী প্রবাদপ্রতিম গ্রুপ ভার্ব বা ইডিওম, যার অর্থ কোনো কিছুতে বিরক্ত বা অতিষ্ঠ হওয়া। - প্রশ্নে থাকা 'Ill of' বাক্যটিকে স্বাভাবিক ও প্রমিত ইংরেজীতে প্রকাশ করে না, তাই এর পরিবর্তে 'sick of' ব্যবহার করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I am unhappy of flattery — 'Unhappy' শব্দের পর সাধারণত 'with' বা 'about' বসে, 'of' বসে না এবং এটি সঠিক ইডিওম নয়। B) I am worried of flattery — 'Worried' শব্দের পর 'about' preposition বসে, যা এই বাক্যের অর্থ প্রকাশ করতে পারে না। C) I hate flattery — ব্যাকরণগতভাবে এটি ঠিক হলেও মূল বাক্যের 'ill of' এর সরাসরি এবং নিখুঁত সমর্থক বা ইডিওম্যাটিক রূপ এটি নয়। D) I am sick of flattery — এটি একটি সম্পূর্ণ সঠিক বাক্য এবং সঠিক ইডিওম্যাটিক ব্যবহারের উৎকৃষ্ট উদাহরণ। মনে রাখার টিপস: কোনো বিষয়ে চরম বিরক্ত বা অতিষ্ঠ বোঝাতে 'sick of' ব্যবহার করা হয়, 'ill of' ব্যবহার করা ভুল।
a Curriculums
b Curricule
c Curricula
d Curriculas
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Curricula কেন সঠিক: - ল্যাটিন ভাষার শব্দ যার শেষে um থাকে, তার বহুবচন করার সময় um উঠিয়ে a যুক্ত করা হয়। - curriculum শব্দটি ল্যাটিন মূলের হওয়ায় এর সঠিক বহুবচন curricula হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Curriculums — এটি আধুনিক ইংরেজিতে প্রচলিত হলেও মূল ল্যাটিন ব্যাকরণ অনুযায়ী এটি ভুল বহুবচন রূপ। B) Curricule — এটি ইংরেজি বা ল্যাটিন ব্যাকরণের কোনো নিয়ম অনুযায়ী গঠিত সঠিক বহুবচন নয়। C) Curricula — এটি সঠিক উত্তর কারণ ল্যাটিন নিয়ম মেনে curriculum শব্দের বহুবচন এটিই হয়। D) Curriculas — এটি সম্পূর্ণ একটি ভুল শব্দ গঠন এবং ব্যাকরণগতভাবে গ্রহণযোগ্য নয়। মনে রাখার টিপস: শব্দটির শেষে um থাকলে a বসিয়ে বহুবচন করতে হয়, যেমন curriculum থেকে curricula।
a Lavatory
b Quay
c Mint
d Aviary
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Mint কেন সঠিক: - 'Mint' শব্দটির অর্থ টাঙ্কশাল বা যেখানে সরকারিভাবে মুদ্রা বা টাকা তৈরি করা হয়। - নির্দিষ্ট স্থান বা ভবনের ক্ষেত্রে এক কথায় প্রকাশ বা One Word Substitution হিসেবে এটি ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Lavatory — এটি শৌচাগার বা বাথরুম বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যেখানে টাকা তৈরির কোনো সম্পর্ক নেই। B) Quay — এটি নদী বা সমুদ্রের তীরবর্তী ঘাট, যেখানে জাহাজ ভেড়ানো হয় এবং মালপত্র নামানো হয়। C) Mint — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। D) Aviary — এটি এমন একটি স্থান যেখানে প্রচুর পাখি রাখা বা লালন-পালন করা হয়। মনে রাখার টিপস: টাকা বা কয়েন (Coin) তৈরির কারখানাকে 'Mint' বলা হয়, যা আমরা পুদিনা পাতার ইংরেজি নামের সঙ্গে মিলিয়ে মনে রাখতে পারি।
a doubtfully
b uncertain
c rigid
d certain
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: ভাষা ও ব্যাকরণ (ইংরেজি ইডিয়ম ও ফ্রেজ) সঠিক উত্তর: B) uncertain কেন সঠিক: - 'Sine die' একটি ল্যাটিন ফ্রেজ, যার আক্ষরিক অর্থ হলো কোনো দিন ঠিক না করে বা অনির্দিষ্টকালের জন্য মুলতবি করা। - প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে 'uncertain' বা অনিশ্চিত শব্দটি এই ফ্রেজের ভাবার্থের সঙ্গে সবচেয়ে বেশি সামঞ্জস্যপূর্ণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) doubtfully — এর অর্থ সন্দেহজনকভাবে, যা কোনো সভার তারিখ বা সময় অনির্দিষ্টকাল স্থগিত রাখার সঠিক ভাব প্রকাশ করে না। B) uncertain — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এর অর্থ অনিশ্চিত, যা কোনো কাজের জন্য নির্দিষ্ট দিন বা সময় না থাকাকে নির্দেশ করে। C) rigid — এর অর্থ কঠোর বা অনমনীয়, যা এই ফ্রেজের অর্থের বিপরীত। D) certain — এর অর্থ নিশ্চিত, যা অনির্দিষ্টকালের ধারণার সম্পূর্ণ বিপরীত। মনে রাখার টিপস: 'Sine die' ফ্রেজে 'Die' শব্দটি দিন বা তারিখ নির্দেশ করে, তাই এর মানে হলো এমন কোনো দিন যা ঠিক করা হয়নি বা অনিশ্চিত।
a Metaphor
b Personification
c Simile
d Oxymoron
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Simile কেন সঠিক: - এই লাইনে 'like' বা 'as' শব্দ ব্যবহার করে মেঘের সঙ্গে কবির একাকিত্বের সরাসরি তুলনা করা হয়েছে। - দুটি ভিন্ন বস্তুর মধ্যে সাদৃশ্য বোঝাতে 'as' ব্যবহার করায় এটি একটি নিখুঁত সিমিলি বা উপমা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Metaphor — এটি মেটাফর বা রূপক নয়, কারণ এখানে সরাসরি তুলনা করতে 'as' ব্যবহার করা হয়েছে। B) Personification — এটি পারসোনিফিকেশন বা মানবীকরণ নয়, কারণ মেঘকে কোনো মানবগুণ দেওয়া হয়নি। C) Simile — এটি সঠিক উত্তর, তাই ভুল অপশন নয়। D) Oxymoron — এটি অক্সিমoron বা বিপরীতার্থক শব্দের জোড়া নয়। মনে রাখার টিপস: তুলনা করার সময় বাক্যে 'like' বা 'as' দেখলে চোখ বন্ধ করে 'Simile' দাগাবে।
a approached
b rise
c in
d indifferently
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: B) rise কেন সঠিক: - বাক্যটি অতীতের ঘটনা বর্ণনা করছে, তাই এর ভেতরের ক্রিয়াপদও পাস্ট টেন্সে হতে হবে। - rise একটি প্রেজেন্ট ফর্মের ভার্ব, যার পাস্ট ফর্ম হলো rose। বাকি অপশন কেন ভুল: A) approached — এটি সঠিক পাস্ট টেন্সের ভার্ব এবং বাক্যটির আগের অংশের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। B) rise — এটি প্রেজেন্ট টেন্সে আছে, কিন্তু বাক্যটির প্রেক্ষাপটে পাস্ট টেন্সের verb rose ব্যবহার করা উচিত ছিল। C) in — এটি সঠিক প্রিপজিশন হিসেবে অন্য দিকে তাকানোর অর্থ প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়েছে। D) indifferently — এটি একটি সঠিক অ্যাডভার্ব যা উদাসীনভাবে তাকানোর ভাব প্রকাশ করছে। মনে রাখার টিপস: অতীতকালের ঘটনার ক্ষেত্রে সবসময় ক্রিয়াপদের পাস্ট ফর্ম ব্যবহার করতে হয়, যেমন rise-এর পরিবর্তে rose হবে।
a when
b as
c after
d than
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) when কেন সঠিক: - ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী Hardly had এর সাথে সবসময় when ব্যবহৃত হয়। - এটি একটি পাস্ট পারফেক্ট ও পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্সের সম্মিলিত স্ট্রাকচার, যার অর্থ যেতে না যেতেই বা হতে না হতেই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) when — এটি সঠিক কারণ Hardly had এর সাথে conjunction হিসেবে when বসে। B) as — এটি সঠিক জোড় বা correlative conjunction নয়, তাই এখানে ব্যবহার করা যায় না। C) after — এটি সময়ের ব্যবধান বোঝায় কিন্তু Hardly এর সাথে এই গঠনে বসে না। D) than — এটি No sooner এর সাথে ব্যবহৃত হয়, তাই এখানে ব্যবহার করলে ব্যাকরণগত ভুল হয়। মনে রাখার টিপস: Hardly বা Scarcely এর সাথে সবসময় when এবং No sooner এর সাথে সবসময় than বসে।
a 45
b 47
c 49
d 51
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪৭ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো x² − ৭x + ১ = ০ ধরি, x দিয়ে সমীকরণটিকে ভাগ করে পাই x + (১ ÷ x) = ৭ অতএব, প্রদত্ত রাশিটি হলো (x⁴ + ১) ÷ x² এটিকে ভেঙে লেখা যায় x² + (১ ÷ x²) সুতরাং, মান বসিয়ে পাই, (x + ১ ÷ x)² − ২ অর্থাৎ ৭² − ২ = ৪৯ − ২ = ৪৭ উত্তর: ৪৭
a ৩০%
b ২৫%
c ২০%
d ১৫%
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২০% প্রদত্ত তথ্য: ক্রয়মূল্য ও বিক্রয়মূল্যের অনুপাত = ৫ : ৬ ধরি, ক্রয়মূল্য = ৫ টাকা বিক্রয়মূল্য = ৬ টাকা অতএব, লাভ = বিক্রয়মূল্য − ক্রয়মূল্য লাভ = ৬ − ৫ = ১ টাকা সুতরাং, লাভের হার = (লাভ ÷ ক্রয়মূল্য) × ১০০% লাভের হার = (১ ÷ ৫) × ১০০% উত্তর: ২০%
a x + y - 1
b x + y + 1
c x - y - 1
d 1 - x - y
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) x + y - 1 প্রদত্ত তথ্য: রাশিটি হলো x এর বর্গ বিয়োগ y এর বর্গ যোগ ২y বিয়োগ ১ ধরি, রাশিটিকে সাজিয়ে লেখা যায় x এর বর্গ বিয়োগ ব্র্যাকেটের মধ্যে y এর বর্গ বিয়োগ ২y যোগ ১ অতএব, ব্র্যাকেটের ভেగের অংশটি হলো y বিয়োগ ১ এর সম্পূর্ণ বর্গ সুতরাং, সম্পূর্ণ রাশিটি দাঁড়ায় x এর বর্গ বিয়োগ (y বিয়োগ ১) এর সম্পূর্ণ বর্গ উত্তর: a এর বর্গ বিয়োগ b এর বর্গ সূত্র প্রয়োগ করে উৎপাদক দুটি হলো (x + y - 1) এবং (x - y + 1)
a {x ∈ R : x ≥ 1/4}
b {x ∈ R : x ≤ 1/4}
c {x ∈ R : x < 1/4}
d {x ∈ R : x ≥ 4}
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) x ∈ R : x ≥ ১/৪ প্রدত্ত তথ্য: ফাংশনটি হলো f(x) = √(৪x − ১) বাস্তব সংখ্যার জন্য বর্গমূলের ভেতরের মান শূন্য বা ধনাত্মক হতে হয় ধরি, সংজ্ঞায়িত হওয়ার শর্ত হলো ৪x − ১ ≥ ০ এই অসমতাটি সমাধান করতে হবে অতএব, ৪x ≥ ১ x ≥ ১/৪ সুতরাং, নির্ণেয় ডোমেন হলো x এর সেই সকল মান যা এক চতুর্থাংশের সমান বা বড় উত্তর: x ∈ R : x ≥ ১/৪
a 3 : 4
b 9 : 4
c 9 : 16
d 9 : 32
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৯ : ১৬ প্রদত্ত তথ্য: দুটি বৃত্তের পরিধির অনুপাত = ৩ : ৪ ধরি, প্রথম বৃত্তের ব্যাসার্ধ = r১ এবং পরিধি = ২ π r১ দ্বিতীয় বৃত্তের ব্যাসার্ধ = r২ এবং পরিধি = ২ π r২ অতএব, প্রশ্নমতে, (২ π r১) ÷ (২ π r২) = ৩ ÷ ৪ অর্থাৎ, r১ ÷ r২ = ৩ ÷ ৪ সুতরাং, প্রথম বৃত্তের ক্ষেত্রফল = π (r১)^২ দ্বিতীয় বৃত্তের ক্ষেত্রফল = π (r২)^২ উত্তর: ক্ষেত্রফলের অনুপাত = (৩ × ৩) : (৪ × ৪) = ৯ : ১৬
a 4√3
b 3√3
c 2√3
d √3
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) √৩ প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজটি একটি সমবাহু ত্রিভুজ ত্রিভুজটির প্রতিটি বাহুর দৈর্ঘ্য দুই একক ধরি, সমবাহু ত্রিভুজের বাহুর দৈর্ঘ্য ক = ২ একক অতএব, সমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফলের সূত্রটি হলো ক্ষেত্রফল সমান (√৩ ÷ ৪) × (বাহু × বাহু) সুতরাং, ক্ষেত্রফল সমান (√৩ ÷ ৪) × (২ × ২) উত্তর: √৩ বর্গ একক
a 8000
b 2000
c 1600
d 800
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৮০০০ প্রদত্ত তথ্য: সম্পত্তির তিন-অষ্টমাংশের মূল্য = ১৬০০ টাকা ধরি, সম্পত্তির মোট অংশ = এক অংশ সম্পত্তির দুই-অষ্টমাংশের মূল্য = ক টাকা অতএব, তিন-অষ্টমাংশ অংশের মূল্য ১৬০০ টাকা হলে, সম্পূর্ণ সম্পত্তির মূল্য = ১৬০০ × ৮ ÷ ৩ টাকা সুতরাং, ঐ সম্পত্তির দুই-অষ্টমাংশের মূল্য = ১৬০০ × ৮ × ২ ÷ (৩ × ৮) টাকা ঐ সম্পত্তির দুই-অষ্টমাংশের মূল্যের চার গুণ = (১৬০০ × ৮ × ২ ÷ ২৪) × ৪ টাকা উত্তর: ৮০০০ টাকা
a ১,৫০০ টাকা
b ৪,০০০ টাকা
c ৪,৫০০ টাকা
d ৪,৮০০ টাকা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৪,৮০০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: আসল P = ১০,০০০ টাকা মুনাফার হার r = ১২% বা ১২ ÷ ১০০ সময় n = ৪ বছর ধরি, মোট সরল মুনাফা = I টাকা আমরা জানি, I = P × r × n অতএব, I = ১০,০০০ × (১২ ÷ ১০০) × ৪ সুতরাং, I = ১০,০০০ × ০.১২ × ৪ উত্তর: ৪,৮০০ টাকা
a x + 2y = 5
b 2x + y = 7
c x + 3y = 10
d 2x + y = 6
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২x + y = ৭ প্রدত্ত তথ্য: বিন্দুর স্থানাংক হলো x = ২ এবং y = ৩ ধরি, বিকল্প এ সমীকরণের বামপক্ষ = x + ২y অতএব, বামপক্ষ = ২ + (২ × ৩) = ২ + ৬ = ৮ (যা ৫ এর সমান নয়) ধরি, বিকল্প বি সমীকরণের বামপক্ষ = ২x + y অতএব, বামপক্ষ = (২ × ২) + ৩ = ৪ + ৩ = ৭ (যা ডানপক্ষের সমান) সুতরাং, (২, ৩) বিন্দুটি ২x + y = ৭ সমীকরণকে সিদ্ধ করে উত্তর: B) ২x + y = ৭
a 2 + √3
b 1 / (2 + √3)
c 1 / (2 - √3)
d 1/5
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১ / (২ + √৩) প্রদত্ত তথ্য: দেওয়া আছে, x + √৩ = ২ ধরি, x এর মান বের করতে হবে x = ২ − √৩ x এর বিপরীত মান হলো x এর পাওয়ার মাইনাস এক অতএব, x এর পাওয়ার মাইনাস এক সমান ১ ÷ x এখানে x এর জায়গায় মান বসাই ১ ÷ (২ − √৩) সুতরাং, লব ও হরকে (২ + √৩) দিয়ে গুণ করি হর হবে দুই এর বর্গ বিয়োগ √৩ এর বর্গ অর্থাৎ চার বিয়োগ তিন সমান এক উত্তর: ১ / (২ + √৩)
a 10
b 15
c 25
d 30
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩০ প্রদত্ত তথ্য: পুরুষের মোট সংখ্যা = ৫ জন মহিলার মোট সংখ্যা = ৪ জন ধরি, পুরুষ নির্বাচনের ক্ষেত্র = ৫ জন থেকে ১ জন মহিলা নির্বাচনের ক্ষেত্র = ৪ জন থেকে ২ জন অতএব, ১ জন পুরুষ নির্বাচনের উপায় = ৫ C ১ = ৫ ২ জন মহিলা নির্বাচনের উপায় = ৪ C ২ = (৪ × ৩) ÷ (২ × ১) = ৬ সুতরাং, মোট কমিটি গঠনের উপায় = ৫ × ৬ = ৩০ উত্তর: ৩০
a ১ ঃ ২
b ৩ ঃ ২
c ২ ঃ ৩
d ৪ ঃ ৯
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৪ ঃ ৯ প্রদত্ত তথ্য: দুটি গোলকের আয়তনের অনুপাত = ৮ ঃ ২৭ ধরি, প্রথম গোলকের ব্যাসার্ধ = আর ওয়ান দ্বিতীয় গোলকের ব্যাসার্ধ = আর টু অতএব, প্রথম গোলকের আয়তন ভাগের দ্বিতীয় গোলকের আয়তন = চার তৃতিয়াংশ পাই আর ওয়ান কিউব ভাগ চার তৃতিয়াংশ পাই আর টু কিউব শর্তমতে, আর ওয়ান কিউব ভাগ আর টু কিউব = আট ভাগ সাতাশ উভয় পক্ষের ঘনমূল করে পাই, আর ওয়ান ভাগ আর টু = দুই ভাগ তিন সুতরাং, প্রথম গোলকের ক্ষেত্রফল ভাগের দ্বিতীয় গোলকের ক্ষেত্রফল = চার পাই আর ওয়ান স্কয়ার ভাগ চার পাই আর টু স্কয়ার মান বসিয়ে পাই, আর ওয়ান স্কয়ার ভাগ আর টু স্কয়ার = দুই স্কয়ার ভাগ তিন স্কয়ার উত্তর: চার ঃ নয়
a 8
b 6
c 9
d 12
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১২ প্রদত্ত তথ্য: তিনটি ক্রমিক স্বাভাবিক সংখ্যার গুণফল হলো ছয় ধরি, প্রথম সংখ্যাটি হলো ক দ্বিতীয় সংখ্যাটি হলো ক + ১ তৃতীয় সংখ্যাটি হলো ক + ২ অতএব, সংখ্যা তিনটির গুণফল ক × (ক + ১) × (ক + ২) = ৬ এখানে ক এর মান ১ বসালে পাই ১ × ২ × ৩ = ৬ সুতরাং, সংখ্যা তিনটি হলো ১, ২ এবং ৩ সংখ্যাত্রয়ের সমষ্টি = ১ + ২ + ৩ = ৬ উত্তর: সমষ্টির দ্বিগুণ = ৬ × ২ = ১২
a 2√2
b √3 / 2
c 3√2
d √6
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩√২ প্রদত্ত তথ্য: লগারিদম সমীকরণ হলো log_x ৩২৪ = ৪ ধরি, লগারিদমের সংজ্ঞা অনুযায়ী সমীকরণটিকে সূচকের আকারে লেখা যায় অতএব, x এর পাওয়ার ৪ = ৩২৪ সুতরাং, x এর পাওয়ার ৪ = (৩√২) এর পাওয়ার ৪ উত্তর: ৩√২
a 20
b 30
c 45
d 55
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩০ প্রদত্ত তথ্য: দুটি সংখ্যার অনুপাত = ২ : ৫ সংখ্যা দুটির সমষ্টি = ৭০ ধরি, প্রথম সংখ্যাটি = ২ক দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৫ক অতএব, সংখ্যা দুটির যোগফল = ২ক + ৫ক = ৭ক শর্তমতে, ৭ক = ৭০ সুতরাং, ক = ৭০ ÷ ৭ = ১০ উত্তর: সংখ্যা দুটির অন্তরফল = (৫ক − ২ক) = ৩ক = ৩ × ১০ = ৩০
a 1/6
b 1/3
c 1/2
d 1
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১/২ প্রদত্ত তথ্য: একটি সাধারণ ছক্কায় মোট পৃষ্ঠের সংখ্যা ছয়টি ধরি, ছক্কার নমুনা ক্ষেত্র = ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬ ছক্কায় বিজোড় সংখ্যাগুলো হলো = ১, ৩, ৫ বিজোড় সংখ্যার মোট পরিমাণ = তিনটি অতএব, সম্ভাবনার সূত্র অনুযায়ী মোট ফলাফল = ৬ অনুকূল ফলাফল বা বিজোড় সংখ্যা আসার সম্ভাবনা = ৩ সম্ভাবনা নির্ণয়ের ভগ্নাংশ = ৩ ÷ ৬ সুতরাং, কাটাকাটি করে প্রাপ্ত মান = ১ ÷ ২ উত্তর: ১/২
a 20/41
b 20/39
c 40/41
d 400/39
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৪০০/৩৯ প্রদত্ত তথ্য: অনুক্রমটি হলো ১, ৪/৩, ৯/৫, ... এই অনুক্রমটির ২০ তম পদ নির্ণয় করতে হবে ধরি, অনুক্রমটির লবগুলোর ধারা হলো ১, ৪, ৯, ... অনুক্রমটির হরগুলোর ধারা হলো ১, ৩, ৫, ... অতএব, লবগুলোর সাধারণ পদ হলো এন এর বর্গ (এন স্কয়ার) হরগুলোর সাধারণ পদ হলো দুই গুণ এন বিয়োগ এক সুতরাং, ২০ তম পদের লব হবে কুড়ি গুণ কুড়ি সমান চারশত ২০ তম পদের হর হবে দুই গুণ কুড়ি বিয়োগ এক সমান ঊনচল্লিশ উত্তর: ৪০০/৩৯
a ৪ মিটার
b ১৬ মিটার
c ৪৮ মিটার
d ৬৪ মিটার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৬ মিটার প্রদত্ত তথ্য: ট্রাপিজিয়ামের সমান্তরাল বাহুদ্বয়ের দৈর্ঘ্য ৩২ মিটার ও ৬৪ মিটার ট্রাপিজিয়ামের ক্ষেত্রফল ৭৬৮ বর্গমিটার ধরি, প্রথম সমান্তরাল বাহু ক = ৩২ মিটার দ্বিতীয় সমান্তরাল বাহু খ = ৬৪ মিটার সমান্তরাল বাহুদ্বয়ের মধ্যবর্তী লম্ব দূরত্ব = গ মিটার অতএব, ট্রাপিজিয়ামের ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × (ক + খ) × গ মান বসিয়ে পাই, ৭৬৮ = (১ ÷ ২) × (৩২ + ৬৪) × গ ক্ষেত্রফলের সূত্র অনুযায়ী পাই, ৭৬৮ = (১ ÷ ২) × ৯৬ × গ সুতরাং, ৭৬৮ = ৪৮ × গ গ = ৭৬৮ ÷ ৪৮ উত্তর: ১৬ মিটার
a 40°
b 120°
c 140°
d 180°
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৪০° প্রদত্ত তথ্য: ABCD একটি সামান্তরিক কর্ণদ্বয় পরস্পর O বিন্দুতে ছেদ করে ∠AOD এর মান ৪০° ধরি, AC এবং BD কর্ণ দুটি O বিন্দুতে মিলিত হয় AC একটি সরলরেখা এবং BD তার ওপর অবস্থিত ∠AOD এবং ∠COD পরস্পর পরিপূরক কোণ অতএব, ∠AOD + ∠COD = ১৮০° ৪০° + ∠COD = ১৮০° ∠COD = ১৮০° − ৪০° সুতরাং, ∠COD এর মান হলো ১৪০° উত্তর: ১৪০°
a -4
b 4
c -1/4
d 1/4
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) −৪ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো দুই এর ঘাত এক্স সমান এক বাই ষোলো। ধরি, ষোলো হলো দুই এর চার ঘাত। অতএব, এক বাই ষোলো সমান লেখা যায় এক বাই দুই এর চার ঘাত। সুতরাং, সূচকের নিয়ম অনুযায়ী একে লেখা যায় দুই এর ঘাত মাইনাস চার। উত্তর: এক্স এর মান মাইনাস চার।
a ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯
b ১১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯
c ১১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৮
d ১৯ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯ কেন সঠিক: - আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা থেকে মুক্তি পাওয়ার পর ১৯৬৯ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) এক বিশাল গণসংবর্ধনায় শেখ মুজিবুর রহমানকে 'বঙ্গবন্ধু' উপাধিতে ভূষিত করা হয়। - তৎকালীন ডাকসু ভিপি তোফায়েল আহমেদ ছাত্রসংগ্রাম পরিষদের পক্ষ থেকে এই উপাধি ঘোষণা করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯ — এই তারিখে শেখ মুজিবুর রহমানকে আনুষ্ঠানিকভাবে 'বঙ্গবন্ধু' উপাধি দেওয়া হয়েছিল। B) ১১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯ — এই তারিখে অনেক রাজনৈতিক বন্দী মুক্তি পেলেও বঙ্গবন্ধু উপাধি দেওয়ার তারিখ এটি নয়। C) ১১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৮ — এটি ভুল সাল, কারণ ঊনসত্তরের গণঅভুথান ও আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার মুক্তি ১৯৬৯ সালের ঘটনা। D) ১৯ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯ — এই তারিখে উপাধি দেওয়া হয়নি, সেদিন বাঙালি জাতির এই অবিসংবাদিত নেতাকে নিয়ে এই ঐতিহাসিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি। মনে রাখার টিপস: উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের ঠিক পরপরই, অর্থাৎ ১৯৬৯ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে শেখ মুজিবুর রহমান 'বঙ্গবন্ধু' উপাধি লাভ করেন।
a ১১ মার্চ ২০২০, WHO
b ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯, UNICEF
c ১৪ মার্চ ২০২০
d ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২০, WHO
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১১ মার্চ ২০২০, WHO কেন সঠিক: - বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা ডব্লিউএইচও ২০২০ সালের ১১ মার্চ তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে কোভিড-১৯ প্রাদুর্ভাবকে বৈশ্বিক মহামারি হিসেবে ঘোষণা করে। - সারাবিশ্বে করোনাভাইরাস দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার কারণে এবং এর ভয়াবহতা বিবেচনা করে আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য প্রবিধানের আওਤਾভুক্ত এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১১ মার্চ ২০২০, WHO — এটি সঠিক উত্তর, কারণ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এই দিনেই কোভিড-১৯ কে বৈশ্বিক মহামারি ঘোষণা করেছিল। B) ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯, UNICEF — এই তারিখে কোভিড-১৯ কে মহামারি ঘোষণা করা হয়নি, এটি জাতিসংঘের শিশু তহবিল সম্পর্কিত। C) ১৪ মার্চ ২০২০ — এটি সঠিক তারিখ নয়, এর তিন দিন আগে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা মহামারি ঘোষণা করেছিল। D) ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২০, WHO — এই তারিখে ডব্লিউএইচও করোনাভাইরাসজনিত রোগের নাম কভিড-১৯ বা COVID-19 নির্ধারণ করেছিল, মহামারি ঘোষণা নয়। মনে রাখার টিপস: করোনাভাইরাস বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ার পর ২০২০ সালের ১১ মার্চ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা একে মহামারি ঘোষণা করে, তারিখটি মনে রাখতে মার্চ মাসের এগারো দিন মনে রাখুন।
a রেসকোর্স ময়দানে
b শেরে বাংলানগরে
c ভিক্টোরিয়া পার্ক
d ঢাকা স্টেডিয়ামে
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: A) রেসকোর্স ময়দানে কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) পাকিস্তানি বাহিনী আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ করে। - এই দলিলে বাংলাদেশের পক্ষে মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি জেনারেল মুহাম্মদ আতাউল গনি ওসমানী এবং পাকিস্তানের পক্ষে জেনারেল আমীর আব্দুল্লাহ খান নিয়াজি স্বাক্ষর করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রেসকোর্স ময়দানে - এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানেই ঐতিহাসিক আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হয়েছিল। B) শেরে বাংলানগরে - এটি ঢাকার একটি আধুনিক প্রশাসনিক ও আবাসিক এলাকা, যা মুক্তিযুদ্ধের আত্মসমপর্ণের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) ভিক্টোরিয়া পার্ক - এটি ঢাকার পুরান ঢাকায় অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক স্থান, কিন্তু আত্মসমর্পণের দলিল এখানে স্বাক্ষরিত হয়নি। D) ঢাকা স্টেডিয়ামে - এটি একটি খেলাধুলার ভেন্যু, যা ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বরের ঐতিহাসিক ঘটনার সঙ্গে যুক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: ১৬ই ডিসেম্বর মহান বিজয়ের দিনে পাক বাহিনী রেসকোর্স ময়দানে আত্মসমর্পণ করেছিল।
a তৃতীয়
b চতুর্থ
c পঞ্চম
d দ্বিতীয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চতুর্থ কেন সঠিক: - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণটি সংবিধানের চতুর্থ তফসিলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। - সংবিধানের ১৫০ অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী এই ভাষণটি চতুর্থ তফসিলে সংযোজন করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) তৃতীয় — এই তফসিলে প্রজাতন্ত্রের কতিপয় পদাধিকারীর শপথ ও ঘোষণাসংক্রান্ত বিধান রয়েছে। B) চতুর্থ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) পঞ্চম — এই তফসিলে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট থেকে ১৯৭৯ সালের ৯ এপ্রিল পর্যন্ত সময়ের অসাংবিধানিক সরকারগুলোকে বৈধতা দেওয়া সংক্রান্ত বিধান ছিল যা পরবর্তীতে বাতিল হয়। D) দ্বিতীয় — এই তফসিলে রাষ্ট্রপতির নির্বাচনসংক্রান্ত বিধানাবলি উল্লেখ করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: সংবিধানের শেষ বা গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক দলিলগুলো সাধারণত চতুর্থ তফসিলে স্থান পায়, যেমনটি ৭ই মার্চের ভাষণের ক্ষেত্রে ঘটেছে।
a ১৯৮৭ সালে
b ১৯৮৯ সালে
c ১৯৫০ সালে
d ১৯৫৩ সালে
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি (ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ঘটনা) সঠিক উত্তর: C) ১৯৫০ সালে কেন সঠিক: - চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে তেভাগা আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় সাঁওতাল কৃষকদের নিয়ে এই ঐতিহাসিক কৃষক বিদ্রোহ সংঘটিত হয়েছিল। - ইলা মিত্রের নেতৃত্বে এই অঞ্চলে কৃষকরা জমিদার ও শোষকদের বিরুদ্ধে অধিকার আদায়ে সোচ্চার হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৮৭ সালে — এই সালে বাংলাদেশে নাচোল কৃষক বিদ্রোহ সংঘটিত হয়নি, এটি অনেক পরের একটি সময়কাল। B) ১৯৮৯ সালে — এই সালে নাচোল কৃষক বিদ্রোহের কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটে N, এটি ভুল অপশন। C) ১৯৫০ সালে — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই সালেই চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে কৃষকদের সশস্ত্র আন্দোলন ও বিদ্রোহ হয়েছিল। D) ১৯৫৩ সালে — এই সালে নাচোল বিদ্রোহ হয়নি, তেভাগা ও নাচোল আন্দোলনের মূল সময়কাল ছিল ১৯৪৬ থেকে ১৯৫০ সালের মধ্যে। মনে রাখার টিপস: নাচোল বিদ্রোহের সঙ্গে ইলা মিত্রের নাম এবং ১৯৫০ সাল এভাবে মনে রাখতে পারো যে, ইলা মিত্রের আন্দোলন চূড়ান্ত রূপ নিয়েছিল ১৯৫০ সালে।
a ১৯৯৪ সালে
b ১৯৯৬ সালে
c ১৯৯৫ সালে
d ১৯৯৮ সালে
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ICT ও ডিজিটাল প্রযুক্তি সঠিক উত্তর: B) ১৯৯৬ সালে কেন সঠিক: - বাংলাদেশে প্রথম ইন্টারনেট কানেক্টিভিটি বা ইন্টারনেট সেবা চালু হয় ১৯৯৬ সালের ৪ঠা জুন। - তৎকালীন সরকারের সহযোগিতায় ও বেসডেক (BASDTEC) নামক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে পাবলিক ইন্টারনেট চালু করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৯৪ সালে — এই সালে বাংলাদেশে প্রথম বেসরকারি পর্যায়ে এবং একাডেমিকে ই-মেইল নেটওয়ার্ক চালু হয়েছিল, তবে পাবলিক ইন্টারনেট নয়। B) ১৯৯৬ সালে — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই সালেই দেশে প্রথম ইন্টারনেট সেবা বাণিজ্যিকভাবে চালু হয়। সি) ১৯৯৫ সালে — এই সালে দেশে ইন্টারনেট সেবা চালুর কোনো প্রাতিষ্ঠানিক বা ঐতিহাসিক সরকারি স্বীকৃতি বা ঘটনা নেই। ডি) ১৯৯৮ সালে — এই সালের অনেক আগেই বাংলাদেশে ইন্টারনেট সেবা চালুর কার্যক্রম শুরু হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: ৯৬ সালের ৯৬ বা বনানীর টিঅ্যান্ডটি বোর্ড অফিস থেকে প্রথম ডায়াল-আপ ইন্টারনেট চালুর সাল হিসেবে ১৯৯৬ সংখ্যাটি মনে রাখুন।
a সৌদি আরব
b কেপভার্দে
c রাশিয়া
d পূর্ব তিমুর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পূর্ব তিমুর কেন সঠিক: - পূর্ব তিমুর হলো বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা বা ডব্লিউটিও এর সর্বশেষ এবং ১৬৪তম সদস্য দেশ। - এটি ২০২৪ সালের মার্চ মাসে আনুষ্ঠানিকভাবে ডব্লিউটিও এর সদস্যপদ লাভ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সৌদি আরব — সৌদি আরব ডব্লিউটিও এর সর্বশেষ সদস্য দেশ নয়, দেশটি ২০০৫ সালে এর সদস্যপদ লাভ করে। B) কেপভার্দে — কেপভার্দে ডব্লিউটিও এর সর্বশেষ সদস্য দেশ নয়, দেশটি ২০১৬ সালের দিকে এর সদস্যপদ লাভ করে। C) রাশিয়া — রাশিয়া ডব্লিউটিও এর সর্বশেষ সদস্য দেশ নয়, দেশটি ২০১২ সালে এর সদস্যপদ লাভ করে। D) পূর্ব তিমুর — এটি ডব্লিউটিও এর সর্বশেষ বা ১৬৪তম সদস্য দেশ হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। মনে রাখার টিপস: ডব্লিউটিও এর সর্বশেষ দেশ মনে রাখতে তিমুরের নাম মনে রাখুন, যা সর্বশেষ ১৬৪তম সদস্য হিসেবে যুক্ত হয়েছে।
a ১৯৯৬ সালে
b ১৯৯৭ সালে
c ১৯৯৮ সালে
d ২০০০ সালে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২০০০ সালে কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ২০০০ সালের ২৬ জুন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (ICC) পূর্ণ সদস্য বা টেস্ট মর্যাদা লাভ করে। - একই বছরের ১০ নভেম্বর ভারতের বিপক্ষে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ নিজেদের ইতিহাসের প্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৯৬ সালে — এই সালে বাংলাদেশ আইসিসির সহযোগী সদস্য হিসেবে আইসিসি ট্রফি জয় করে ওয়ানডে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছিল, টেস্ট মর্যাদা পায়নি। B) ১৯৯৭ সালে — এই সালে বাংলাদেশ আইসিসি ট্রফি জিতে প্রথমবার ১৯৯৯ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপের টিকিট লাভ করে। C) ১৯৯৮ সালে — এই সালে বাংলাদেশ প্রথম আইসিসি নকআউট প্রতিযোগিতার (মিনি বিশ্বকাপ) আয়োজক দেশ ছিল, টেস্ট স্ট্যাটাস পায়নি। D) ২০০০ সালে — এই সালে বাংলাদেশ টেস্ট ক্রিকেটের পূর্ণাঙ্গ মর্যাদা লাভ করে ক্রিকেটের এলিট ক্লাবে প্রবেশ করে। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ ওয়ানডে খেলার সুযোগ পায় ১৯৯৭ সালে আর টেস্ট খেলার গৌরব অর্জন করে ঠিক তিন বছর পর ২০০০ সালে।
a ১৯৭১ সালে
b ১৯৭৩ সালে
c ১৯৭৪ সালে
d ১৯৭৫ সালে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯৭৪ সালে কেন সঠিক: - স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম জনসংখ্যা গণনা বা আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালের ৫ থেকে ১১ ফেব্রুয়ারি। - বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সরকারের উদ্যোগে যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের সঠিক পরিকল্পনা প্রণয়নের জন্য এই শুমারি করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৭১ সালে — এই বছর বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধ সংঘটিত হয় এবং দেশ স্বাধীন হয়, কোনো আদমশুমারি হয়নি। B) ১৯৭৩ সালে — এই বছর স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, তবে কোনো আদমশুমারি হয়নি। C) ১৯৭৪ সালে — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি ভুল নয়। D) ১৯৭৫ সালে — এই বছর বাংলাদেশে রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ঘটে এবং বাকশাল গঠিত হয়, কিন্তু প্রথম আদমশুমারি এই সালের আগের বছর অনুষ্ঠিত হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: স্বাধীনতার পর পর ১৯৭৪ সালে প্রথম আদমশুমারি হয়, যেখানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রধান শুমারিকারীর ভূমিকা পালন করেছিলেন।
a ১৯৫১ সালে
b ১৯৫২ সালে
c ১৯৫৩ সালে
d ১৯৫৫ সালে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৯৫৫ সালে কেন সঠিক: - বাংলা ভাষা ও সাহিত্য চর্চার প্রসারের উদ্দেশ্যে ৩ ডিসেম্বর ১৯৫৫ সালে বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয়। - তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির উন্নয়নে এই প্রতিষ্ঠানটি ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৫১ সালে — এই সালে বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠার কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটেনি। B) ১৯৫২ সালে — এটি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের ঐতিহাসিক বছর, বাংলা একাডেমির প্রতিষ্ঠার বছর নয়। C) ১৯৫৩ সালে — এই সালে বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয়নি, এটি ভুল সাল। D) ১৯৫৫ সালে — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলা একাডেমি এই সালেই আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়। মনে রাখার টিপস: ভাষা আন্দোলনের (১৯৫২) তিন বছর পর, অর্থাৎ ১৯৫৫ সালে বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয়।
a গৌড়
b মুর্শিদাবাদ
c পাণ্ডুয়া
d সোনারগাঁও
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) গৌড় কেন সঠিক: - ১৩৩৮ সালে ইলিয়াস শাহ সোনারগাঁও দখল করে বাংলার প্রথম স্বাধীন সালতানাত প্রতিষ্ঠা করেন এবং গৌড়কে এর প্রথম রাজধানী হিসেবে ঘোষণা করেন। - মধ্যযুগে বাংলার মুসলিম সুলতানদের স্বাধীন শাসনের সূচনা পর্বে গৌড় কৌশলগত ও রাজনৈতিক কারণে রাজধানী হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গৌড় — এটি বাংলার প্রথম স্বাধীন সালতানাতের প্রথম রাজধানী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। B) মুর্শিদাবাদ — এটি পরবর্তীতে মোগল আমলের শেষ ভাগে এবং বাংলার স্বাধীন নবাবদের রাজধানী ছিল। C) পাণ্ডুয়া — এটি গৌড়ের পর সুলতানি আমলের কোনো কোনো সময়ে রাজধানী হিসেবে ব্যবহৃত হলেও প্রথম রাজধানী ছিল না। D) সোনারগাঁও — এটি শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহের পূর্বে স্বাধীন রাজ্য হিসেবে পরিচিত ছিল, কিন্তু সালতানাতের প্রথম রাজধানী ছিল গৌড়। মনে রাখার টিপস: স্বাধীন সালতানাতের প্রথম রাজা ইলিয়াস শাহ, আর রাজধানী ছিল গৌড়।
a পৃথিবীর কেন্দ্রে
b মেরু অঞ্চলে
c বিষুব অঞ্চলে
d পাহাড়ের উপরে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মেরু অঞ্চলে কেন সঠিক: - পৃথিবীর আকৃতি সম্পূর্ণ গোল নয়, বরং এটি মেরু অঞ্চলে কিছুটা চাপা এবং বিষুব অঞ্চলে স্ফীত। - কেন্দ্র থেকে মেরু অঞ্চলের দূরত্ব কম হওয়ায় সেখানে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান বেশি হয় এবং ওজনের সূত্র অনুযায়ী ভর ও অভিকর্ষজ ত্বরণের গুণফল হওয়ায় ওজনের পরিমাণও বেশি হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পৃথিবীর কেন্দ্রে — পৃথিবীর কেন্দ্রে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান শূন্য হওয়ায় সেখানে বস্তুর ওজনও শূন্য হয়। B) মেরু অঞ্চলে — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) বিষুব অঞ্চলে — বিষুব অঞ্চলে পৃথিবীর ব্যাসার্ধ বেশি থাকায় অভিকর্ষজ ত্বরণ কম হয়, ফলে বস্তুর ওজনও কম হয়। D) পাহাড়ের উপরে — পাহাড়ের উপরে কেন্দ্র থেকে দূরত্ব বেড়ে যাওয়ায় অভিকর্ষজ ত্বরণ কমে যায় এবং বস্তুর ওজনও হ্রাস পায়। মনে রাখার টিপস: মেরু অঞ্চল চাপা হওয়ায় সেখানে দূরত্ব কম এবং ওজন বেশি।
a ১৭ অক্টোবর, ১৯৭২
b ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭২
c ১৭ অক্টোবর, ১৯৭৪
d ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: D) ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ২৯তম সাধারণ অধিবেশনে আনুষ্ঠানিকভাবে ১৩৬তম সদস্যপদ লাভ করে। - ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ সদস্যপদের জন্য আবেদন করলেও পাকিস্তানের বন্ধুরাষ্ট্র গণচীনের ভেটো প্রয়োগের কারণে তা স্থগিত ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৭ অক্টোবর, ১৯৭২ — এই তারিখে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ পায়নি, এটি একটি ভুল তারিখ। B) ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭২ — এই তারিখে বাংলাদেশ সদস্যপদ পায়নি, তবে এই বছর বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্য হওয়ার জন্য প্রথম আবেদন করেছিল। C) ১৭ অক্টোবর, ১৯৭৪ — এই তারিখে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করেনি, সঠিক তারিখটি সেপ্টেম্বর মাসের ১৭ তারিখ। D) ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই দিন বাংলাদেশ জাতিসংঘের পূর্ণ সদস্যপদ লাভ করে। মনে রাখার টিপস: ১৯৭১ সালে দেশ স্বাধীন হওয়ার প্রায় তিন বছর পর ১৯৭৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্য হয়।
a নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়
b বেসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রণালয়
c বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়
d প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় কেন সঠিক: - স্পারসো বাংলাদেশের একটি সরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান যা জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত। - ১৯৭৯ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে এটি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কাঠামোর অধীনে পরিচালিত হয়ে আসছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয় — এটি জলপথ, সমুদ্রবন্দর এবং নৌযান চলাচল সংক্রান্ত বিষয়গুলো নিয়ন্ত্রণ করে, যা মহাকাশ গবেষণার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) বেসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রণালয় — এটি বিমান চলাচল ও বিমানবন্দর পরিচালনা করে, যা মহাকাশ বা উপগ্রহ গবেষণার দায়িত্বে নিয়োজিত নয়। C) বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় — বিজ্ঞান গবেষণার সঙ্গে জড়িত হলেও প্রশাসনিকভাবে স্পারসো এই মন্ত্রণালয়ের অধীনে নয়। D) প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় — এটি সঠিক উত্তর কারণ স্পারসো এই মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন একটি বিশেষায়িত সংস্থা। মনে রাখার টিপস: মহাকাশ গবেষণা দূর থেকে দেশের ওপর নজরদারি করে, তাই এর নিয়ন্ত্রণ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের হাতে থাকে।
a ২৬০ মাইল
b ২৪০ মাইল
c ২২০ মাইল
d ২০০ মাইল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২০০ মাইল কেন সঠিক: - জাতিসংঘ সমুদ্র আইন কনভেনশন অনুযায়ী উপকূল রেখা থেকে ২০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত অঞ্চলকেExclusive Economic Zone বা অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা বলা হয়। - এই সীমার মধ্যে সমুদ্রের তলদেশ এবং পানির উপরিভাগের সব সম্পদের ওপর বাংলাদেশের সার্বভৌম অধিকার রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৬০ মাইল — এই দূরত্বের কোনো আন্তর্জাতিক বা সমুদ্র আইনগত ভিত্তি নেই। B) ২৪০ মাইল — এই মাপটি বাংলাদেশের সমুদ্রসীমার কোনো নির্দিষ্ট জোনের সঙ্গে মেলে না। C) ২২২ মাইল — এটি সঠিক অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমার পরিমাপের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) ২০০ মাইল — এটি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমার সঠিক ও প্রমিত পরিমাপ। মনে রাখার টিপস: অর্থনৈতিক মানেই সম্পদ, আর সম্পদ মানেই ২০০ মাইল দূরে এর সম্পূর্ণ অধিকার।
a ১১টি
b ৮টি
c ১০টি
d ১২টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১১টি কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য সমগ্র বাংলাদেশকে ভৌগোলিক ও সামরিক সুবিধার্থে মোট ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল। - সেক্টরগুলোর সঠিক পরিচালনা ও কৌশলগত যুদ্ধের জন্য ১১টি সেক্টরকে আবার প্রায় ৬৪টি সাব-সেক্টরে বিভক্ত করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১১টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য বাংলাদেশকে মোট ১১টি প্রশাসনিক ও সামরিক সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল। B) ৮টি — এটি ভুল কারণ মুক্তিযুদ্ধের শুরুতে সেক্টর সংখ্যা ৮টি ভাবা হলেও পরবর্তীতে তা পুনর্বিন্যাস করে ১১টি করা হয়। C) ১০টি — এটি ভুল কারণ মুক্তিযুদ্ধে সেক্টরের সংখ্যা কখনোই ১০টি ছিল না। D) ১২টি — এটি ভুল কারণ সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল, ১২টি সেক্টরে নয় (তবে ১০ নম্বর সেক্টরটি ছিল নৌ সেক্টর)। মনে রাখার টিপস: মুক্তিযুদ্ধের মোট সেক্টর ১১টি, যা মনে রাখতে মনে রাখুন বাংলাদেশের ক্রিকেটে একাদশ বা খেলোয়াড় সংখ্যা ১১ জনের মতো।
a লিরা
b ডং
c পেসো
d ইডেন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পেসো কেন সঠিক: - ফিলিপাইনের রাষ্ট্রীয় মুদ্রা হলো পেসো। - দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এই দেশটির অর্থনৈতিক লেনদেন এই মুদ্রার মাধ্যমেই পরিচালিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লিরা — এটি তুরস্কের মুদ্রার নাম, তাই ফিলিপাইনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) ডং — এটি ভিয়েতনামের মুদ্রার নাম, তাই ফিলিপাইনের সঙ্গে মিল নেই। C) পেসো — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর যা ফিলিপাইনের মুদ্রাকে নির্দেশ করে। D) ইডেন — এটি কোনো দেশের মুদ্রা নয়, এটি একটি কাল্পনিক নাম বা উদ্যানের সঙ্গে সম্পর্কিত। মনে রাখার টিপস: ফিলিপাইনের মানুষ 'পেপসি' খেতে পছন্দ করে, এভাবে 'পেপসি' থেকে 'পেসো' মনে রাখতে পারেন।
a পটুয়াখালী জেলায়
b রাঙামাটি জেলায়
c বরিশাল জেলায়
d কক্সবাজার জেলায়
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভূগোল ও পরিবেশ / বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: D) কক্সবাজার জেলায় কেন সঠিক: - বাংলাদেশের রাখাইন উপজাতির মানুষের প্রধান বসতি কক্সবাজার জেলায় অবস্থিত। - এছাড়া পটুয়াখালী ও বরগুনা জেলায়ও রাখাইনরা বসবাস করে, তবে সর্বাধিক জনসংখ্যা কক্সবাজার জেলায় রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পটুয়াখালী জেলায় — পটুয়াখালী জেলায় কিছু রাখাইন উপজাতির বসবাস থাকলেও তা কক্সবাজারের তুলনায় অনেক কম। B) রাঙামাটি জেলায় — রাঙামাটি জেলায় চাকমা, মারমা ও তঞ্চঙ্গ্যা উপজাতির আধিক্য রয়েছে, রাখাইনদের প্রধান বসতি এখানে নয়। C) বরিশাল জেলায় — বরিশাল জেলায় রাখাইন উপজাতির উল্লেখযোগ্য কোনো জনবসতি নেই। D) কক্সবাজার জেলায় — এটি সঠিক উত্তর কারণ রাখাইনদের সর্বোচ্চ ঘনত্ব ও সংখ্যা এই জেলায় বিদ্যমান। মনে রাখার টিপস: রাখাইন উপজাতির প্রধান আবাসস্থল মনে রাখতে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের কথা স্মরণ করতে পারেন।
a ১৯৬৫ সালে
b ১৯৬৬ সালে
c ১৯৬৭ সালে
d ১৯৬৮ সালে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯৬৭ সালে কেন সঠিক: - এটি ঐতিহাসিক তৃতীয় আরব-ইসরাইল যুদ্ধ বা ছয় দিনের যুদ্ধ নামে পরিচিত, যা ১৯৬৭ সালের ৫ থেকে ১০ জুন পর্যন্ত সংঘটিত হয়েছিল। - এই যুদ্ধে ইসরাইল মাত্র ছয় দিনে মিসর, জর্ডান এবং সিরিয়ার যৌথ বাহিনীকে পরাজিত করে ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকা, পশ্চিম তীর এবং পূর্ব জেরুজালেম দখল করে নেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৬৫ সালে — এই সালে কোনো আরব-ইসরাইল যুদ্ধ হয়নি, তবে ১৯৬৫ সালে পাক-ভারত যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল। B) ১৯৬৬ সালে — এই সালে আরব ও ইসরাইলের মধ্যে কোনো পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধ সংঘটিত হয়নি, এটি মূলত আন্তঃসীমান্ত উত্তেজনার বছর ছিল। C) ১৯৬৭ সালে — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ এই সালেই বিখ্যাত ছয় দিনের আরব-ইসরাইল যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল। D) ১৯৬৮ সালে — এই সালে আরব-ইসরাইল যুদ্ধ হয়নি, তবে ১৯৬৭ সালের যুদ্ধের পর এই অঞ্চলে নানা রাজনৈতিক অস্থিরতা ও পাল্টাপাল্টি হামলা অব্যাহত ছিল। মনে রাখার টিপস: আরব-ইসরাইলের বিখ্যাত ছয় দিনের যুদ্ধ মনে রাখতে ১৯৬৭ সালটি মনে রাখুন, যেখানে ইসরাইল মাত্র ছয় দিনে জয়লাভ করেছিল।
a ফরাসি ইঞ্জিনিয়ার কনসোর্টিয়াম ১৯৮৯ সালে
b বাংলাদেশের প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৭৯ সালে
c খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৭৮ সালে
d চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৮৯ সালে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ফরাসি ইঞ্জিনিয়ার কনসোর্টিয়াম ১৯৮৯ সালে কেন সঠিক: - বাংলাদেশ জাতীয় বিল্ডিং কোডের অংশ হিসেবে ১৯৮৯ সালে ফরাসি ইঞ্জিনিয়ার কনসোর্টিয়াম দেশের প্রথম ভূমিকম্প বলয় মানচিত্র তৈরি করে। - এই মানচিত্রের মাধ্যমে বাংলাদেশকে বিভিন্ন ভূমিকম্প ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলে ভাগ করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফরাসি ইঞ্জিনিয়ার কনসোর্টিয়াম ১৯৮৯ সালে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই প্রতিষ্ঠানটিই প্রথম বাংলাদেশের ভূমিকম্প বলয় মানচিত্র প্রণয়ন করেছিল। B) বাংলাদেশের প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৭৯ সালে — এই তথ্যটি সঠিক নয় কারণ বুয়েট সরাসরি এই মানচিত্র তৈরি করেনি। C) খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৭৮ সালে — কুয়েট তখন এই ধরনের কোনো জাতীয় মানচিত্র তৈরি করেনি। D) চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৮৯ সালে — চুয়েট এই ঐতিহাসিক মানচিত্র তৈরির সঙ্গে যুক্ত ছিল না। মনে রাখার টিপস: ভূমিকম্প মানচিত্র তৈরির সঙ্গে ফরাসি ইঞ্জিনিয়ার কনসোর্টিয়াম এবং সালটি হিসেবে ১৯৮৯ সংখ্যাটি মনে রাখতে হবে।
a চীন
b সিরিয়া
c মরক্কো
d লেবানন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মরক্কো কেন সঠিক: - ইবনে বতুতা চতুর্দশ শতকের একজন বিখ্যাত মরক্কীয় পর্যটক, অভিযাত্রী ও বিচারক ছিলেন। - তিনি মরক্কোর তাঞ্জিয়ার শহরে জন্মগ্রহণ করেন এবং তাঁর বিখ্যাত ভ্রমণগ্রন্থ রেহলা এর জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চীন — এটি একটি এশীয় দেশ হলেও ইবনে বতুতার জন্মস্থান বা মূল দেশ নয়, তিনি চীন ভ্রমণ করেছিলেন মাত্র। B) সিরিয়া — এটি মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশ, যা ইবনে বতুতার জন্মস্থান বা নাগরিকত্ব নির্দেশ করে না। C) মরক্কো — এটিই সঠিক উত্তর কারণ তিনি মরক্কোর তাঞ্জিয়ারে জন্মগ্রহণ করেন। D) লেবানন — এটি মধ্যপ্রাচ্যের অন্য একটি দেশ, যা ইবনে বতুতার প্রকৃত জন্মভূমি বা নাগরিক দেশের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: ইবনে বতুতা শব্দটি মরক্কোর সঙ্গে যুক্ত করতে মনে রাখুন মরক্কোর তাঞ্জিয়ার শহরের বিশ্বখ্যাত পর্যটক ছিলেন তিনি।
a জার্মানি
b ইতালি
c সুইডেন
d যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ইতালি কেন সঠিক: - ফিয়াট হলো একটি বিখ্যাত ইতালীয় অটোমোবাইল প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান। - এটি ১৮৯৯ সালে ইতালির তুরিন শহরে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জার্মানি — এটি ফিয়াট কোম্পানির উৎপত্তিস্থল বা দেশ নয়, এটি বিএমডব্লিউ এবং মার্সিডিজ বেঞ্জের দেশ। B) ইতালি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) সুইডেন — এটি ফিয়াট কোম্পানির দেশ নয়, এটি ভলভো গাড়ির নির্মাতা দেশ। D) যুক্তরাষ্ট্র — এটি ফিয়াটের দেশ নয়, এটি ফোর্ড ও টেসলার মতো গাড়ি প্রস্তুতকারী দেশের নাম। মনে রাখার টিপস: ফিয়াট শব্দের শুরুতে এফ এবং ইতালি শব্দের শেষের মিল দিয়ে মনে রাখতে পারো ইতালির বিখ্যাত গাড়ি ফিয়াট।
a ১৯৭১ সালে
b ১৮৬২ সালে
c ১৯৮৭ সালে
d ১৯৫২ সালে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৮৬২ সালে কেন সঠিক: - ব্রিটিশ আমলে ১৮৬২ সালের ১৫ নভেম্বর দর্শনা থেকে কুষ্টিয়ার জাগতি পর্যন্ত ৫৩ কিলোমিটার রেলপথ চালুর মাধ্যমে বাংলাদেশে প্রথম ট্রেন চলাচল শুরু হয়। - এটি ছিল তৎকালীন ইস্টার্ন বেঙ্গল রেলওয়ের অধীনে উপমহাদেশের অন্যতম প্রাচীন রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৭১ সালে — এই সালে বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করে, যা রেল লাইন চালুর অনেক পরের ঘটনা। B) ১৮৬২ সালে — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) ১৯৮৭ সালে — এটি রেল লাইন স্থাপনের সময়কাল নয়, বরং এটি একটি ভুল সাল। D) ১৯৫২ সালে — এই সালে ভাষা আন্দোলন সংঘটিত হয়, যা রেল লাইন স্থাপনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: রেল চালু ১৮৬২, কুষ্টিয়ার জাগতি থেকে দর্শনা হলো সেই।
a তৃতীয়
b চতুর্থ
c পঞ্চম
d ষষ্ঠ
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও ঐতিহাসিক ঘটনা সঠিক উত্তর: D) ষষ্ঠ কেন সঠিক: - ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি বিএনপির অধীনে ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, যা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত প্রথম নির্বাচন। - রাজনৈতিক সংকটের মুখে তৎকালীন সরকার সংবিধান সংশোধন করে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন ব্যবস্থা চালুর পর এই সংসদ ভেঙে দেওয়া হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) তৃতীয় — তৃতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচন ১৯৮৬ সালে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সামরিক শাসনের অধীনে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। B) চতুর্থ — চতুর্থ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ১৯৮৮ সালে বিরোধী দলগুলোর বর্জনের মুখে একদলীয়ভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সি) পঞ্চম — পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচন ১৯৯১ সালে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে নির্দলীয় অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত হয়। ডি) ষষ্ঠ — ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিধান পাস হওয়ার আগে ১৫ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হলেও পরবর্তীকালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে প্রথম নির্বাচন হয় সপ্তম জাতীয় সংসদ। (প্রদত্ত প্রশ্নে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের রূপরেখা পাশের পূর্ববর্তী সংসদ বোঝানো হয়েছে) মনে রাখার টিপস: তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আইন পাসের পর গঠিত প্রথম নির্বাচন ছিল সপ্তম, তবে এই ব্যবস্থার অধীনে প্রথম ভোটগ্রহণ হয় ষষ্ঠ সংসদে।
a সাইট্রিক এসিড
b টারটারিক এসিড
c কার্বনিক এসিড
d ইথানয়িক এসিড
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ইথানয়িক এসিড ১. কেন সঠিক: - ভিনেগারে মূলত চার থেকে আট শতাংশ ইথানয়িক এসিড বা এসিটিক এসিড জলীয় দ্রবণ হিসেবে থাকে। - ফল বা শর্করা থেকে গাঁজন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ইথানয়িক এসিড তৈরি করা হয় যা খাবার সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - রাসায়নিক সংকেত: ইথানয়িক এসিডের রাসায়নিক সংকেত হলো সিএইচথ্রি সিওওএইচ। - কার্যপ্রণালি: ব্যাকটেরিয়া বা ইস্টের সাহায্যে শর্করার অবাত শ্বসন ঘটিয়ে ইথানল তৈরি করা হয় এবং পরে তাকে জারিত করে ইথানয়িক এসিড পাওয়া যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আচার সংরক্ষণ ব্যাখ্যা: আচার তৈরির সময় তেল ও ভিনেগার বা ইথানয়িক এসিড ব্যবহার করা হয় কারণ এটি ব্যাকটেরিয়ার বংশবৃদ্ধি রোধ করে। উদাহরণ ২: সালাদের ড্রেসিং ব্যাখ্যা: বিভিন্ন রান্নায় বা সালাদে স্বাদ বাড়াতে এবং খাদ্য সংরক্ষক হিসেবে ইথানয়িক এসিডের জলীয় দ্রবণ ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাইট্রিক এসিড — এটি লেবু ও কমলার মতো টক জাতীয় ফলে পাওয়া যায়, ভিনেগারে থাকে না। B) টারটারিক এসিড — এটি তেঁতুল ও কাঁচা আঙুরে প্রাকৃতিকভাবে বিদ্যমান একটি জৈব এসিড। C) কার্বনিক এসিড — এটি পানীয় বা সোডা ওয়াটারে কার্বন ডাই অক্সাইড দ্রবীভূত হয়ে তৈরি হয়। D) ইথানয়িক এসিড — এটি ভিনেগারের মূল কার্যকরী উপাদান এবং এটিই সঠিক উত্তর। ৫. মনে রাখার টিপস: - ভিনেগার শব্দটি এসিটিক এসিড বা ইথানয়িক এসিডের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। - ইথানয়িক এসিডের কার্বন সংখ্যা দুই, তাই একে ইথেন থেকে উদ্ভূত এসিড হিসেবে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় খাদ্য সংরক্ষক হিসেবে ইথানয়িক এসিডের শতকরা পরিমাণ প্রায় চার থেকে আট শতাংশ পর্যন্ত আসে। - এসিটিক এসিডের জলীয় দ্রবণকে ভিনেগার বলা হয়, এটি রসায়নের একটি অত্যন্ত কমন প্রশ্ন।
a নিউমোনিয়া
b চোখ ওঠা
c জন্ডিস
d এইডস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নিউমোনিয়া ১. কেন সঠিক: নিউমোনিয়া হলো ফুসফুসের একটি সংক্রমণ যা প্রধানত ব্যাকটেরিয়া অথবা ছত্রাকের কারণে ঘটে থাকে। এটি কোনো ভাইরাসজনিত রোগ নয়, তাই এই অপশনটি সঠিক। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: নিউমোনিয়া হলো ফুসফুসের অ্যালভিওলাই বা বায়ুথলিতে প্রদাহ হওয়া একটি অবস্থা যেখানে পুঁজ বা তরল জমে যায়। কার্যপ্রণালি: সাধারণত Streptococcus pneumoniae নামক ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণের ফলে ফুসফুস ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্যাকটেরিয়াঘটিত নিউমোনিয়া। ব্যাখ্যা: এটি ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণে ফুসফুসে সংক্রমণ ঘটায় এবং অ্যান্টিবায়োটিক দিয়ে চিকিৎসা করা হয়। উদাহরণ ২: অ্যাসপিরেশন নিউমোনিয়া। ব্যাখ্যা: খাদ্য বা তরল ভুলবশত ফুসফুসে প্রবেশ করলে এই ধরনের ফুসফুস সংক্রমণ হতে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিউমোনিয়া — এটি প্রধানত ব্যাকটেরিয়া জনিত রোগ, তাই এটি সঠিক উত্তর। B) চোখ ওঠা — এটি অ্যাডেনোভাইরাস নামক ভাইরাসের কারণে হয়ে থাকে, তাই এটি ভাইরাস জনিত রোগ। C) জন্ডিস — হেপাটাইটিস ভাইরাস যকৃতে আক্রমণ করলে জন্ডিস হয়, যা ভাইরাস জনিত রোগ। D) এইডস — এটি হিউম্যান ইমিউনোডেফিসিয়েন্সি ভাইরাস বা এইচআইভি নামক ভাইরাসের কারণে ঘটে। ৫ মনে রাখার টিপস: ভাইরাসজনিত রোগ মনে রাখার জন্য সাধারণ সর্দি, ইনফ্লুয়েঞ্জা, হাম এবং পোলিও এর মতো রোগগুলোর সাথে জন্ডিস ও এইডস মনে রাখতে হবে। ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ হিসেবে নিউমোনিয়া এবং যক্ষ্মার নাম আলাদা করে মনে রাখা সুবিধাজনক। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: নিউমোনিয়ার প্রধান জীবাণু হলো ব্যাকটেরিয়া, তবে মাইকোপ্লাজমা বা কিছু ক্ষেত্রে ভাইরাসও গৌণ কারণ হতে পারে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাসজনিত রোগের পার্থক্য জানতে এই ধরনের প্রশ্ন আসে।
a ফসফরাস
b নাইট্রোজেন
c পটাশিয়াম
d সালফার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নাইট্রোজেন ১. কেন সঠিক: ইউরিয়া একটি বহুল ব্যবহৃত জৈব সার যার রাসায়নিক সংকেত হলো সিও ব্র্যাকেটে এনএইচটু হোল টু। মাটিতে প্রয়োগ করার পর এটি ভেঙে নাইট্রোজেন সরবরাহ করে যা উদ্ভিদের বৃদ্ধি ও আমিষ তৈরিতে সরাসরি সাহায্য করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: উদ্ভিদ মাটি থেকে খনিজ লবণ হিসেবে নাইট্রোজেন গ্রহণ করে যা তাদের কোষ বিভাজন ও ক্লোরোফিল উৎপাদনে অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে। রাসায়নিক বিক্রিয়া: মাটিতে থাকা ইউরিয়া এনজাইমের প্রভাবে অ্যামোনিয়া ও কার্বন ডাই অক্সাইডে পরিণত হয় এবং পরবর্তীতে নাইট্রাইট ও নাইট্রেটে রূপান্তরিত হয়ে উদ্ভিদের শিকড়ে শোষিত হয়। বাস্তব প্রয়োগ: কৃষিকাজে ধানের ফলন বৃদ্ধি এবং শাকসবজির সবুজ রঙ সতেজ রাখতে ইউরিয়া সার ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ধানক্ষেতে ইউরিয়া সার প্রয়োগ করলে গাছের পাতা দ্রুত গাঢ় সবুজ হয়। ব্যাখ্যা: অতিরিক্ত নাইট্রোজেন ক্লোরোফিল গঠনে সহায়তা করে যার ফলে সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হয়। উদাহরণ ২: শাকসবজি চাষে ইউরিয়ার ব্যবহার। ব্যাখ্যা: উদ্ভিদের অঙ্গজ বৃদ্ধি অর্থাৎ ডালপালা ও পাতার প্রসারণ নিশ্চিত করতে নাইট্রোজেনের কোনো বিকল্প নেই। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফসফরাস — ফসফরাস উদ্ভিদের শিকড় গঠন ও ফুল-ফল উৎপাদনে সাহায্য করে যা ইউরিয়া থেকে সরাসরি সরবরাহ হয় না। B) নাইট্রোজেন — এই অপশনটি সঠিক কারণ ইউরিয়া প্রধানত উদ্ভিদের পুষ্টির জন্য নাইট্রোজেন উপাদান সরবরাহ করে থাকে। C) পটাশিয়াম — পটাশিয়াম উদ্ভিদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং এটি মিউরেট অব পটাশ সার থেকে আসে। D) সালফার — সালফার তেল জাতীয় ফসলে তেল উৎপাদনে সাহায্য করে এবং এটি মূলত জিপসাম বা এ্যামোনিয়াম সালফেট সারে থাকে। ৫ মনে রাখার টিপস: ইউরিয়া শব্দের শেষ অংশ এবং নাইট্রোজেনের প্রথম অক্ষর মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন যে ইউরিয়া মানেই নাইট্রোজেন। রাসায়নিক সারের কাজ মনে রাখার জন্য গাছের সবুজ পাতার সঙ্গে নাইট্রোজেনের সম্পর্ক মনে রাখা সবচেয়ে সহজ উপায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ইউরিয়া সারে নাইট্রোজেনের পরিমাণ শতকরা প্রায় ছেচল্লিশ ভাগ যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি তথ্য। এই প্রশ্নটি থেকে ভবিষ্যতে ফসফরাস বা পটাশিয়াম সম্পর্কিত সারের উৎস নিয়ে নতুন এমসিকিউ আসতে পারে।
a যকৃৎ
b মস্তক
c ফুসফুস
d থুতনি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ফুসফুস ১. কেন সঠিক: বাক্-প্রত্যঙ্গ বলতে মানবদেহের সেই অঙ্গগুলোকে বোঝায় যা শব্দ তৈরিতে এবং কথা বলতে সরাসরি সাহায্য করে। ফুসফুস থেকে নির্গত বাতাস বাকযন্ত্রের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: ফুসফুস হলো মানবদেহের প্রধান শ্বাস অঙ্গ যা বাতাস থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করে এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড ত্যাগ করে। কথা বলার সময় ফুসফুস থেকে বায়ু বাইরে বের হয়ে স্বরযন্ত্র বা ল্যারিংসের ভোকাল কর্ডে কম্পন সৃষ্টি করে ধ্বনি উৎপন্ন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বেলুন থেকে বাতাস ছাড়ার সময় যেভাবে শব্দ হয়। ব্যাখ্যা: ফুসফুস থেকে বাতাস বের হওয়ার প্রক্রিয়াটিও অনেকটা এই নিয়মে শব্দ তৈরি করে। উদাহরণ ২: বাঁশি বাজানোর সময় যেমন ফুসফুসের বাতাস ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: মানবদেহে কণ্ঠস্বর তৈরির সময় ফুসফুস ঠিক একই রকম বায়ুপ্রবাহ সরবরাহ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যকৃৎ — এটি মানবদেহের বৃহত্তম গ্রন্থি যা পরিপাকতন্ত্রের অংশ হিসেবে পিত্তরস তৈরি ও বিপাকক্রিয়ায় কাজ করে। B) মস্তক — এটি শরীরের প্রধান অংশ যা স্নায়ুতন্ত্র ও মস্তিষ্ককে ধারণ করে কিন্তু একা বাক্-প্রত্যঙ্গ নয়। D) থুতনি — এটি মুখের নিচের অংশ বা অস্থির একটি গঠন যা চর্বণ ও বাহ্যিক গঠনে সাহায্য করে। ৫. মনে রাখার টিপস: কথা বলতে গেলে ফুসফুস থেকে বাতাসের ধাক্কা লাগে, তাই ফুসফুস হলো বাক্-প্রত্যঙ্গের মূল শক্তি। ফুসফুস ছাড়া স্বরযন্ত্র একা কোনো শব্দ বা ধ্বনি তৈরি করতে পারে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মানবদেহের প্রধান শসন অঙ্গ কোনটি এবং স্বরযন্ত্র কোথায় অবস্থিত—এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। ফুসফুস যে কেবল শ্বাসকার্য চালায় না, বরং কথা বলতেও সাহায্য করে, তা মনে রাখতে হবে।
a ব্যাপন
b প্রস্বেদন
c অভিস্রবণ
d ইমবাইবিশন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অভিস্রবণ ১. কেন সঠিক: - শুকনো কিসমিস পানিতে রাখলে অভিস্রবণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পানি কিসমিসের ভেতরে প্রবেশ করে এবং কিসমিস ফুলে ওঠে। - অভিস্রবণের নিয়ম অনুযায়ী দ্রাবক কণা কম ঘনত্বের দ্রবণ থেকে বেশি ঘনত্বের দ্রবণের দিকে অর্ধভেদ্য পর্দা ভেদ করে চলাচল করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: অভিস্রবণ হলো এক প্রকার বিশেষ ধরণের ব্যাপন প্রক্রিয়া যেখানে দুটি ভিন্ন ঘনত্বের দ্রবণ একটি অর্ধভেদ্য পর্দা দ্বারা পৃথক থাকলে দ্রাবক কম ঘনত্বের দ্রবণ থেকে অধিক ঘনত্বের দ্রবণের দিকে প্রবাহিত হয়। - কার্যপ্রণালি: কিসমিসের ভেদের ভেতরের শর্করার গাঢ় দ্রবণ উচ্চ ঘনত্বের এবং বাইরের সাধারণ পানি কম ঘনত্বের দ্রবণ হিসেবে কাজ করে, ফলে পানি অর্ধভেদ্য চামচ ভেদ করে ভেতরে ঢুকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাঁচা আম লবণের পানিতে ভিজিয়ে রাখলে তা কুঁকড়ে যায়। ব্যাখ্যা: এটি অভিস্রবণের বিপরীত প্রক্রিয়া, যেখানে কোষের ভেতর থেকে পানি বাইরে বেরিয়ে আসে। উদাহরণ ২: উদ্ভিদের মূলরোম দ্বারা মাটি থেকে পানি শোষণ। ব্যাখ্যা: উদ্ভিদ মাটি থেকে কৈশিক পানি অভিস্রবণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তার কোষে টেনে নেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্যাপন — ব্যাপন হলো যেকোনো মাধ্যমে পদার্থের অণু-পমাণুর উচ্চ ঘনত্বের স্থান থেকে কম ঘনত্বের স্থানে ছড়িয়ে পড়ার প্রক্রিয়া, যা এখানে সরাসরি ঘটে না। B) প্রস্বেদন — প্রস্বেদন হলো উদ্ভিদের বায়বীয় অঙ্গ দিয়ে বাষ্পাকারে পানি বের হয়ে যাওয়ার শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া, যা শুকনো কিসমিসের ফুলে ওঠার সাথে সম্পর্কিত নয়। C) অভিস্রবণ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং শুকনো কিসমিস ফুলে ওঠার মূল বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়া। D) ইমবাইবিশন — ইমবাইবিশন হলো কলয়েড জাতীয় পদার্থের তরল পদার্থ শোষণ করার প্রক্রিয়া, যা মূলত কাঠের তক্তা বা শুকনো বীজ ভেজার ক্ষেত্রে ঘটে। ৫ মনে রাখার টিপস: - কিসমিস ফুলে ওঠা মানেই হলো বাইরে থেকে পানি ভেতরে প্রবেশ করা, যা সবসময় অভিস্রবণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই ঘটে থাকে। - অর্ধভেদ্য পর্দা এবং ঘনত্বের তারতম্য থাকলে চোখ বন্ধ করে অভিস্রবণ উত্তর নির্বাচন করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি উদ্ভিদ ও প্রাণিদেহের শারীরবৃত্তীয় কাজের অংশ হিসেবে প্রায়ই আসে। - অভিস্রবণ এবং ব্যাপনের মূল পার্থক্য হলো অভিস্রবণে একটি অর্ধভেদ্য পর্দার উপস্থিতি বাধ্যতামূলক।

মোট প্রশ্ন (25)

a নিশা
b নিশিভোর
c নিশি
d নিশীথ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নিশিভোর ১. কেন সঠিক: - 'নিশিভোর' শব্দের অর্থ রাতের শেষ অংশ বা প্রভাত, যা রাতের সমার্থক শব্দ নয়। - প্রশ্নটিতে রাতের সমার্থক শব্দ নয় এমন শব্দটি চিহ্নিত করতে বলা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দগুলোর সমাহার, যাদের অর্থ প্রায় একই রকম হয়। - নিশা, নিশি এবং নিশীথ প্রতিটি শব্দই রাত্রি বা রাতের সমার্থক হিসেবে বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাত্রি ব্যাখ্যা: এটি রাতের সবচেয়ে পরিচিত সমার্থক শব্দ। উদাহরণ ২: যামিনী ব্যাখ্যা: এটিও রাতের আরেকটি প্রচলিত সমার্থক শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিশা — এটি রাতের একটি সুপরিচিত সমার্থক শব্দ, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। B) নিশিভোর — এটি রাতের শেষ বা ভোরের সময়কে বোঝায়, তাই এটি রাতের সমার্থক নয় এবং এটিই সঠিক উত্তর। C) নিশি — এটি নিশা শব্দের রূপভেদ এবং রাতের সমার্থক শব্দ। D) নিশীথ — এটি গভীর রাতের সমার্থক শব্দ, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - রাতের সমার্থক শব্দগুলোতে সাধারণত নিশা, নিশি বা নিশীথ অংশ থাকে। - নিশিভোর শব্দের শেষে ভোর যুক্ত থাকায় এটি সকাল বা প্রভাতকে নির্দেশ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সমার্থক শব্দ নির্ণয়ের সময় শব্দের মূল অর্থ ও প্রসঙ্গের দিকে গভীর নজর দিতে হবে। - রাতের সমার্থক শব্দগুলোর মধ্যে নিশা, নিশি, নিশীথ, যামিনী এবং রজনী অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a বিষবৃক্ষ
b আলোয়ারা
c আলালের ঘরের দুলাল
d নদীবেশ্ব
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আলালের ঘরের দুলাল ১. কেন সঠিক: - 'ঠকচাচা' চরিত্রটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস 'আলালের ঘরের দুলাল' এর একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও লোভী চরিত্র। - এই উপন্যাসে ঠকচাচা হলো এক ধূর্ত, প্রতারক এবং লোলুপ চরিত্রের প্রতীক, যে সমাজের বিভিন্ন মানুষকে ঠকিয়ে অর্থ উপার্জন করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এই উপন্যাসটির রচয়িতা টেকচাঁদ ঠাকুর, যার আসল নাম প্যারিচাঁদ মিত্র। - ১৮৫৮ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাসটি বাংলা গদ্যরীতির বিকাশে এবং মূলত 'আলালী ভাষা' বা কথ্য ভাষার প্রচলনে ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাবুরাম বাবু ব্যাখ্যা: এটি 'আলালের ঘরের দুলাল' উপন্যাসের আরেকটি অত্যন্ত পরিচিত ও ধনী চরিত্র। উদাহরণ ২: মতিলাল ব্যাখ্যা: উপন্যাসটির প্রধান চরিত্র মতিলাল, যে বখাটে জীবনযাপনের মাধ্যমে পতন ডেকে আনে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিষবৃক্ষ — এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত ট্র্যাজিক উপন্যাস, যেখানে কুন্দনন্দিনী ও সূর্যমুখীর চরিত্র রয়েছে। B) আলোয়ারা — এটি ইসমাইল হোসেন সিরাজী রচিত একটি সামাজিক উপন্যাস, যার মূল লক্ষ্য সমাজ সংস্কার। D) নদীবেশ্ব — এটি কোনো পরিচিত বা প্রমিত বাংলা সাহিত্যিক উপন্যাস নয়, এটি একটি বিভ্রান্তিকর অপশন। ৫ মনে রাখার টিপস: - ঠকচাচা চরিত্রটির নাম মনে রাখতে টেকচাঁদ ঠাকুরের 'আলালের ঘরের দুলাল' উপন্যাসটি মনে রাখবে, যেখানে ঠকচাচা প্রধান প্রতারক চরিত্র। - প্যারিচাঁদ মিত্রের ছদ্মনাম টেকচাঁদ ঠাকুর, যা থেকে আলালী ভাষা ও ঠকচাচা চরিত্রটিকে সহজেই মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাস আলালের ঘরের দুলাল এবং এর লেখক প্যারিচাঁদ মিত্র প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। - এই উপন্যাসটির ভাষা প্রমিত সাধু বা কথ্য রূপের মিশ্রণ, যাকে আলালী ভাষা বলা হয়।
a অবগাহন
b হরবেলা
c আকাল
d পরাজয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) হরবেলা ১. কেন সঠিক: - হরবেলা শব্দটিতে হর হলো একটি বিদেশি বা আরবি উপসর্গ, যা বাংলা ভাষায় বহুল ব্যবহৃত হয়। - হর শব্দের অর্থ প্রত্যেক বা প্রতি, এবং বেলা শব্দের অর্থ সময়, যা মিলে প্রতিবেলা বা সারা সময় বোঝায়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - উপসর্গ হলো এমন কিছু অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে। - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গগুলোকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয় যেমন বাংলা উপসর্গ, তৎসম উপসর্গ এবং বিদেশি উপসর্গ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হররোজ ব্যাখ্যা: এখানে হর বিদেশি উপসর্গ এবং রোজ মূল শব্দ, যার অর্থ প্রতিদিন। উদাহরণ ২: হরদম ব্যাখ্যা: এখানে হর বিদেশি উপসর্গ এবং দম মূল শব্দ, যার অর্থ প্রতি মুহূর্তে বা অনবরত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অবগাহন — এটি অব উপসর্গযুক্ত শব্দ এবং অব হলো একটি তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ। B) হরবেলা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এতে বিদেশি উপসর্গ যুক্ত রয়েছে। C) আকাল — এটি আ উপসর্গযুক্ত শব্দ এবং আ হলো একটি খাটি বাংলা উপসর্গ। D) পরাজয় — এটি পরা উপসর্গযুক্ত শব্দ এবং পরা হলো একটি তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ। ৫ মনে রাখার টিপস: - বিদেশি উপসর্গগুলো সহজে মনে রাখতে হর, দর, কম, খাস, লা, বে এই শব্দগুলো মুখস্থ রাখতে পারো। - পরীক্ষায় বিদেশি উপসর্গ থাকলে সাধারণত হর বা দরযুক্ত শব্দ বেশি আসে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - উপসর্গ চেনার জন্য শব্দের মূল অংশ এবং সামনের অংশ আলাদা করে দেখতে হবে। - বাংলা, সংস্কৃত ও বিদেশি উপসর্গগুলোর তালিকা আলাদা করে পড়লে যেকোনো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সহজে উত্তর করা যাবে।
a পর্তুগিজ
b বর্মি
c ফারসি
d ওলন্দাজ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বর্মি ১. কেন সঠিক: - লুঙ্গি শব্দটি বর্মি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। - এটি বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডারে প্রবেশ করা একটি অন্যতম প্রধান বৈদেশিক বা আগন্তুক শব্দ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উৎসের দিক থেকে বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে কয়েকটি প্রধান ভাগে ভাগ করা হয়, যেমন তদ্ভব, তৎসম, অর্ধতৎসম, দেশি ও বিদেশি শব্দ। - বর্মি ভাষা থেকে আগত শব্দগুলো বিদেশি শব্দের অন্তর্ভুক্ত এবং এগুলো বাংলা ভাষায় বহুল ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঘুঘুর ব্যাখ্যা: এটিও একটি বর্মি ভাষা থেকে আগত শব্দ যা বাংলায় ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: ফুঙ্গি ব্যাখ্যা: এটি বর্মি সংস্কৃতি ও ভাষার সঙ্গে সম্পর্কিত একটি পরিচিত শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পর্তুগিজ — পর্তুগিজ ভাষা থেকে আনাড়ি, আনারস, পাদ্রি, আলমারি প্রভৃতি শব্দ এসেছে কিন্তু লুঙ্গি আসেনি। B) বর্মি — বর্মি ভাষা থেকে লুঙ্গি শব্দটি এসেছে তাই এটি সঠিক উত্তর। C) ফারসি — ফারসি ভাষা থেকে চশমা, কাগজ, দোকান প্রভৃতি শব্দ এসেছে কিন্তু লুঙ্গি আসেনি। D) ওলন্দাজ — ওলন্দাজ ভাষা থেকে হরতন, রুইতন, ইস্কাপন প্রভৃতি শব্দ এসেছে কিন্তু লুঙ্গি আসেনি। ৫. মনে রাখার টিপস: - বর্মি শব্দ মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো যে পরিধেয় পোশাক লুঙ্গি বর্মি ভাষা থেকে আমাদের ভাষায় এসেছে। - বিদেশি শব্দ পড়ার সময় উৎস অনুযায়ী তালিকা তৈরি করে পড়লে সহজে মনে থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দের উৎস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - কোন ভাষা থেকে কোন শব্দগুলো বাংলায় এসেছে, তা ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
a শবরপা
b বাহরাম খান
c ভানুসিং ঠাকুর
d ঈশ্বর গুপ্ত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বাহরাম খান ১. কেন সঠিক: - বাহরাম খান মধ্যযুগের একজন বিশিষ্ট কবি এবং তিনি সপ্তদশ শতকে আরাকান রাজসভার অন্যতম মুসলিম কবি হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। - বাংলা সাহিত্যকে মূলত প্রাচীন, মধ্য ও আধুনিক এই তিন ভাগে ভাগ করা হয়, যেখানে বাহরাম খানের সময়কাল মধ্যযুগের অন্তর্ভুক্ত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাহরাম খানের বিখ্যাত কাব্য হলো লায়লী মজনু, যা তিনি ষোড়শ বা সপ্তদশ শতকে রচনা করেছিলেন বলে জানা যায়। - মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার কবিদের মধ্যে তিনি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দৌলত কাজী ব্যাখ্যা: দৌলত কাজী মধ্যযুগের আরাকান রাজসভার আরেকজন প্রখ্যাত কবি যিনি সতী ময়না ও লোরচন্দ্রানী কাব্য রচনা করেন। উদাহরণ ২: আলাওল ব্যাখ্যা: আলাওল মধ্যযুগের আরাকান রাজসভার সর্বশ্রেষ্ঠ কবি যিনি পদ্মাবতী কাব্য রচনা করে অমর হয়ে আছেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শবরপা — শবরপা বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের চর্যাপদের একজন প্রখ্যাত পদকর্তা, তাই তিনি মধ্যযুগের কবি নন। B) বাহরাম খান — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি মধ্যযুগের আরাকান রাজসভার কবি হিসেবে পরিচিত। C) ভানুসিং ঠাকুর — ভানুসিং ঠাকুর হলেন বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভনিতা বা ছদ্মনাম, যা আধুনিক যুগের সাহিত্য ধারার অন্তর্ভুক্ত। D) ঈশ্বর গুপ্ত — ঈশ্বর গুপ্ত আধুনিক যুগের একজন বিশিষ্ট কবি ও সাংবাদিক যিনি সংবাদ প্রভাকর পত্রিকা সম্পাদনা করেছিলেন। ৫. মনে রাখার টিপস: - চর্যাপদের কবিরা প্রাচীন যুগের, আর দৌলত কাজী, আলাওল ও বাহরাম খানের মতো কবিরা হলেন মধ্যযুগের কবি। - যুগের নাম মনে রাখার সহজ উপায় হলো ১২০০ থেকে ১৮০০ সাল পর্যন্ত সময়কালকে মধ্যযুগ হিসেবে বিবেচনা করা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রাচীন ও মধ্যযুগের কবিদের নাম আলাদা করতে বলা হয়। - কবিদের নাম দেখলে আগে তাদের সাহিত্যকর্ম ও সময়কাল মিলিয়ে দেখতে হবে।
a শঙ্খনীল কারাগার
b দেয়াল
c নন্দিত নরকে
d লীলাভতী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নন্দিত নরকে ১. কেন সঠিক: - হুমায়ুন আহমেদের প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস হলো নন্দিত নরকে। - ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র থাকা অবস্থায় তিনি এই উপন্যাসটি রচনা করেন এবং এটি তাকে বাংলা কথাসাহিত্যে দ্রুত পরিচিতি এনে দেয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - হুমায়ুন আহমেদ বাংলা সাহিত্যের একজন অত্যন্ত জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার ও চলচ্চিত্র নির্মাতা। - তার উপন্যাসে মধ্যবিত্ত সমাজের জীবনচিত্র, গ্রামীণ লৌকিকতা এবং অতিপ্রাকৃত বিষয়ের এক অনন্য মিশ্রণ দেখা যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শঙ্খনীল কারাগার ব্যাখ্যা: এটি হুমায়ুন আহমেদের লেখা দ্বিতীয় উপন্যাস যা তার সৃষ্টির ধারাকে সুদৃঢ় করেছে। উদাহরণ ২: জোছনা ও জননীর গল্প ব্যাখ্যা: এটি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক হুমায়ুন আহমেদের একটি বিখ্যাত ও বৃহদাকার উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শঙ্খনীল কারাগার — এটি হুমায়ুন আহমেদের প্রথম উপন্যাস নয়, বরং এটি তার দ্বিতীয় প্রকাশিত উপন্যাস। B) দেয়াল — এটি হুমায়ুন আহমেদের লেখা একটি ঐতিহাসিক পটভূমিতে রচিত শেষ অসমাপ্ত উপন্যাস। C) নন্দিত নরকে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি তার প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস। D) লীলাভতী — এটি হুমায়ুন আহমেদের কোনো বিখ্যাত উপন্যাস নয়, বরং এটি তার একটি জনপ্রিয় ছোটগল্প। ৫ মনে রাখার টিপস: - হুমায়ুন আহমেদের প্রথম উপন্যাস মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো নন্দিত নরকে দিয়ে তার উপন্যাসের খাতা শুরু হয়েছিল। - প্রথম উপন্যাসের নাম মনে থাকলে পরবর্তী জনপ্রিয় উপন্যাসগুলো ক্রমানুসারে সাজানো সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত লেখকদের প্রথম উপন্যাস বা প্রথম কাব্যগ্রন্থ কোনটি তা জানতে চাওয়া হয়। - এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় একাধিকবার এসেছে।
a ব্যাক্যালংকার
b সংশয়বাচক
c স্মৃতিসূচক
d ক্রিয়াবিশেষণ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ব্যাক্যালংকার ১. কেন সঠিক: - এই বাক্যে যে শব্দটি কোনো পদ বা বাক্যের অর্থ পরিবর্তন না করে কেবল বাক্যের ভাব বা সৌন্দর্য বৃদ্ধি করেছে। - ব্যাকরণে একে বাক্যালংকার বা পদের সৌন্দর্য বর্ধক অব্যয় বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে অব্যয় শব্দ বাক্যের অর্থের কোনো পরিবর্তন না ঘটিয়ে কেবল বাক্যের আলংকারিক সৌন্দর্য বা ভাব প্রকাশ করে তাকে বাক্যালংকার অব্যয় বলে। - কথ্য বা সাহিত্যিক ভাষায় ভাবের গভীরতা আনতে এ ধরনের অব্যয়ের বহুল ব্যবহার দেখা যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তিনি তো গেলেন। ব্যাখ্যা: এখানে তো শব্দটি বাক্যালংকার হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে বাক্যের জোর প্রকাশ করেছে। উদাহরণ ২: আজব কাণ্ড যা হোক! ব্যাখ্যা: এখানে যা হোক শব্দটি বাক্যের ভাব ও সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য ব্যাক্যালংকার হিসেবে বসেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্যাক্যালংকার — এটি সঠিক কারণ এটি বাক্যের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করেছে। B) সংশয়বাচক — সংশয়বাচক অব্যয় মনের সন্দেহ বা অনিশ্চয়তা প্রকাশ করে যেমন সম্ভবত, কিন্তু এখানে কোনো সংশয় নেই। C) স্মৃতিসূচক — স্মৃতিসূচক বলতে কোনো ব্যাকরণিক নির্দিষ্ট অব্যয়ের শ্রেণি বোঝায় না। D) ক্রিয়াবিশেষণ — ক্রিয়াবিশেষণ পদ ক্রিয়ার সময়, স্থান বা ভাব প্রকাশ করে, কিন্তু এখানে যে শব্দটি তা নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাক্যের মাঝে যে বা তো শব্দগুলো যদি অতিরিক্ত অর্থ বা ভাব প্রকাশ করে এবং বাদ দিলেও অর্থের পরিবর্তন হয় না, তবে তা বাক্যালংকার অব্যয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্যালংকার অব্যয় শনাক্ত করতে বাক্যে শব্দের কার্যকারিতা লক্ষ করতে হবে।
a কর্মধারয়
b দ্বন্দ্ব
c অব্যয়ীভাব
d দ্বিগু
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অব্যয়ীভাব ১. কেন সঠিক: - উপমন্ত্রী শব্দটিতে উপ উপসর্গটি সামীপ্য বা ক্ষুদ্র অর্থে অব্যয়ীভাব সমাস গঠন করেছে। - এখানে মন্ত্রী শব্দের পূর্বে উপ উপসর্গ যুক্ত হয়ে মন্ত্রীর সদৃশ বা ছোট মন্ত্রী অর্থে অব্যয়ীভাব সমাস হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে সমাসে পূর্বপদে অব্যয় যোগ হয় এবং অব্যয়ের অর্থই প্রধানরূপে প্রতিভাত হয়, তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে। - উপমন্ত্রী শব্দের ব্যাসবাক্য হলো মন্ত্রীর সদৃশ বা মন্ত্রীর সমীপে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: উপশহর ব্যাখ্যা: শহরের সদৃশ অর্থে উপ উপসর্গ যোগে অব্যয়ীভাব সমাস হয়েছে। উদাহরণ ২: উপকূল ব্যাখ্যা: কূলের সমীপে অর্থে উপ উপসর্গ যোগে অব্যয়ীভাব সমাস হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্মধারয় — কর্মধারয় সমাসে বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে পরপদের অর্থ প্রধান হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। B) দ্বন্দ্ব — দ্বন্দ্ব সমাসে উভয় পদের অর্থের সমতা থাকে, যা এই শব্দের ক্ষেত্রে সঠিক নয়। D) দ্বিগু — দ্বিগু সমাসে সমাহার বা সমষ্টি বোঝায় এবং পূর্বপদ সংখ্যাবাচক হয়, যা উপমন্ত্রী শব্দে নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - উপ উপসর্গ যদি সামীপ্য, ক্ষুদ্র বা সদৃশ অর্থ প্রকাশ করে, তবে তা সাধারণত অব্যয়ীভাব সমাস হয়। - উপসর্গযুক্ত বিশেষ পদ দেখলে অব্যয়ীভাব সমাসের কথা মাথায় রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - উপ উপসর্গযুক্ত শব্দ যেমন উপবন, উপকূল প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। - ব্যাসবাক্য নির্ণয়ের সময় অব্যয়ের অর্থ বুঝতে হবে।
a বেল
b তেঁতুল
c বরই
d পেয়ারা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বরই ১. কেন সঠিক: - 'বদরী' শব্দটি সংস্কৃত বা তৎসম শব্দ যার প্রচলিত ও সঠিক অর্থ বরই বা কুল ফল। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের উৎস এবং সমার্থক শব্দ হিসেবে এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই আসে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দ যা ভিন্ন বানান বা রূপের হলেও একই বা প্রায় একই অর্থ প্রকাশ করে। - 'বদরী' শব্দের অন্যান্য সমার্থক শব্দের মধ্যে কুল ও বরই বহুল ব্যবহৃত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কূল ও কুল ব্যাখ্যা: কূল অর্থ নদীর তীর এবং কুল অর্থ বংশ বা বরই ফল। উদাহরণ ২: অমল ও অমলা ব্যাখ্যা: অমল অর্থ পবিত্র এবং অমলা অর্থ পরিষ্কার বা নির্মল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বেল — বেল একটি ভিন্ন ফল এবং এর সংস্কৃত নাম শ্রীফল। B) তেঁতুল — তেঁতুল একটি ভিন্ন টক জাতীয় ফল এবং এর সংস্কৃত নাম তিন্তিড়ী। C) বরই — এটি বদরী শব্দের সঠিক সমার্থক শব্দ। D) পেয়ারা — পেয়ারা একটি ভিন্ন ফল এবং এটি মূলত পর্তুগীজ ভাষা থেকে আগত শব্দ। ৫. মনে রাখার টিপস: - বদরী গাছ ও বরই ফল একে অপরের পরিপূরক হিসেবে মনে রাখা যায়। - সংস্কৃত বদরী থেকে প্রাকৃত হয়ে বাংলায় বরই শব্দটির উৎপত্তি হয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ফল বা উদ্ভিদের সংস্কৃত নাম এবং বাংলা রূপ প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। - সমার্থক শব্দ মুখস্থ করার পাশাপাশি শব্দের উৎস বা প্রচলিত রূপ খেয়াল রাখতে হবে।
a সমীভবন
b বিষমীভবন
c ধ্বনিলোপ
d বর্ণবিপর্যয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বর্ণবিপর্যয় ১. কেন সঠিক: - শব্দের মধ্যে থাকা দুটি বর্ণ বা ধ্বনি নিজেদের মধ্যে স্থান পরিবর্তন করলে তাকে বর্ণবিপর্যয় বলা হয়। - এখানে 'রিকসা' শব্দের ক ও স বর্ণ দুটি পরস্পর স্থান বদল করে 'রিস্কা' রূপ ধারণ করেছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - পাশাপাশি বা দূরবর্তী দুটি বর্ণের পারস্পরিক স্থান পরিবর্তন করার প্রক্রিয়াকে বাংলা ব্যাকরণে বর্ণবিপর্যয় বা বিপর্যাস বলা হয়। - দ্রুত উচ্চারণের সময় অনেক সময় জিহ্বার অসচেতনতার কারণে এই ধরনের ধ্বনি পরিবর্তন ঘটে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পিশাচ > পিছাচ ব্যাখ্যা: এখানে শ ও চ বর্ণ দুটি নিজেদের অবস্থান পরিবর্তন করে নতুন রূপ লাভ করেছে। উদাহরণ ২: বাক্স > বাস্কা ব্যাখ্যা: এখানে ক ও স বর্ণ দুটি পরস্পর স্থান বদল করে পরিবর্তিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সমীভবন — সমীভবন হলো দুটি ভিন্ন ধ্বনির প্রভাবে একটি ধ্বনির অন্যটির মতো বা কাছাকাছি হওয়ার প্রক্রিয়া, যা এখানে ঘটেনি। B) বিষমীভবন — বিষমীভবন হলো দুটি সমবর্ণের একটির পরিবর্তনের প্রক্রিয়া, যা এই শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। C) ধ্বনিলোপ — ধ্বনিলোপ শব্দের অর্থ কোনো ধ্বনি বা বর্ণ উচ্চারণ থেকে বাদ পড়ে যাওয়া, এখানে কোনো ধ্বনি লোপ পায়নি। D) বর্ণবিপর্যয় — এটি সঠিক কারণ এখানে বর্ণ দুটি নিজেদের অবস্থান পরিবর্তন করেছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - স্থান পরিবর্তন বা ওলটপালট বোঝাতে বর্ণবিপর্যয় বা বিপর্যাস শব্দটি মনে রাখবে। - রিকসা শব্দে ক ও স এর জায়গা বদল হয়েছে, তাই এটি বর্ণবিপর্যয়ের চমৎকার উদাহরণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পিশাচ থেকে পিছাচ অথবা বাক্স থেকে বাস্কা উদাহরণগুলো বারবার আসে। - বর্ণ পরিবর্তন আর স্থান পরিবর্তনের পার্থক্য ভালোভাবে বুঝলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
a সমাস
b সন্ধি
c কারক
d উপসর্গ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সন্ধি ১. কেন সঠিক: - পরস্পর সন্নিহিত দুটি ধ্বনির মিলন, পরিবর্তন বা লোপকে ব্যাকরণের পরিভাষায় সন্ধি বলা হয়। - এটি মূলত উচ্চারণের দ্রুততা ও সহজতার জন্য ভাষার একটি স্বাভাবিক প্রবণতা। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সন্ধির মূল উদ্দেশ্য হলো উচ্চারণের সুবিধা ও মাধুর্য রক্ষা করা। - সন্ধি প্রধানত দুই প্রকার, যেমন স্বরসন্ধি ও ব্যঞ্জনসন্ধি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিদ্যা + আলয় = বিদ্যালয় ব্যাখ্যা: এখানে আ এবং আ মিলে একটি আকার গঠিত হয়েছে, যা স্বরসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী সম্পন্ন হয়েছে। উদাহরণ ২: উৎ + চারণ = উচ্চারণ ব্যাখ্যা: এখানে ত-এর পরে চ থাকায় ত পরিবর্তিত হয়ে চ হয়েছে, যা ব্যঞ্জনসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সমাস — সমাসের কাজ অর্থের দিক থেকে সম্পর্কযুক্ত একাধিক পদকে এক পদে পরিণত করা, ধ্বনির মিলন নয়। B) সন্ধি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। C) কারক — কারক বাক্যের সাথে বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের সম্পর্কের নাম, ধ্বনি পরিবর্তনের সাথে এর সম্পর্ক নেই। D) উপসর্গ — উপসর্গ হলো অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ তৈরি করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - সন্ধি শব্দের অর্থ মিলন, তাই ধ্বনির মিলন দেখলেই সন্ধি উত্তর করবে। - সমাস হলো পদের মিলন এবং সন্ধি হলো ধ্বনির মিলন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধ্বনির মিলন সম্পর্কিত প্রশ্ন আসলে তা সর্বদা সন্ধি হিসেবে চিহ্নিত করতে হবে। - পদের মিলন এবং ধ্বনির মিলনের এই পার্থক্যটি মনে রাখলে সমাস ও সন্ধির প্রশ্ন গুলিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
a মাইকেল মধুসূদন দত্ত
b কাজী নজরুল ইসলাম
c ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
d রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ১. কেন সঠিক: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে প্রাচীন যুগ ও মধ্যযুগের অবসান ঘটিয়ে এবং আধুনিক যুগের সূচনা লগ্নে যে কবি দুই যুগের সেতুবন্ধন তৈরি করেছিলেন তাকে যুগসন্ধিক্ষণের কবি বলা হয়। ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত মধ্যযুগের কাব্যের অবয়ব ধরে রেখেও আধুনিক যুগের বিষয়বস্তু অর্থাৎ সমসাময়িক সমাজচিত্র, স্বদেশপ্রেম ও জীবননিষ্ঠা ফুটিয়ে তুলেছিলেন বলে তাকে এই উপাধিতে ভূষিত করা হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ১৮১২ সালে পশ্চিমবঙ্গের ২৪ পরগনার কাঞ্চনপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৮৫৯ সালে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি ১৮৩১ সালে সংবাদ প্রভাকর পত্রিকা সম্পাদনা শুরু করেন এবং এর মাধ্যমে তিনি বাংলা গদ্যের প্রসার ও বহু প্রতিভাবান লেখকের জন্ম দেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সংবাদ প্রভাকর পত্রিকা ব্যাখ্যা: ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের সম্পাদনায় প্রকাশিত এই পত্রিকার মাধ্যমে বাংলা সাংবাদিকতা ও সাহিত্য চর্চায় এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছিল। উদাহরণ ২: কবিওয়ালা ও শায়ের গান সংগ্রহ ব্যাখ্যা: তিনি প্রাচীন ও মধ্যযুগের অবলুপ্ত কবিওয়ালাদের জীবন ও সাহিত্যকর্ম সংগ্রহ করে বাংলা সাহিত্যের এক অমূল্য ঐতিহ্য রক্ষা করেছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — তিনি বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দ ও সনেটের প্রবর্তক এবং আধুনিক যুগের প্রথম মহাকবি হিসেবে পরিচিত, যুগসন্ধিক্ষণের কবি নন। B) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি ও আধুনিক যুগের অন্যতম প্রধান কবি, যিনি বিশ শতকের সাহিত্য ধারাকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছেন। D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ কবি, ঔপন্যাসিক ও বিশ্বসাহিত্যের উজ্জ্বল নক্ষত্র, যিনি আধুনিক যুগের যুগস্রষ্টা কবি। ৫ মনে রাখার টিপস: ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ছিলেন মধ্য ও আধুনিক যুগের মাঝখানে দাঁড়িয়ে থাকা এক সেতু। তাই মধ্য থেকে গুপ্ত মনে রেখে এই প্রশ্নের উত্তর সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই যুগসন্ধিক্ষণের কবির নাম জানতে চাওয়া হয়, যেখানে ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত সঠিক উত্তর হিসেবে বারবার আসে। সংবাদ প্রভাকরের সম্পাদকের নাম এবং তার সাহিত্যের যুগসন্ধিক্ষণ বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা সম্ভব।
a হাসান হাফিজুর রহমান
b তাজউদ্দীন আহমদ
c শহীদুল্লাহ কায়সার
d মহাত্মা গান্ধী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শহীদুল্লাহ কায়সার ১. কেন সঠিক: - 'পেশোয়ার থেকে তাসখন্দ' ভ্রমণসাহিত্য বা ভ্রমণকাহিনিটির রচয়িতা বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক শহীদুল্লাহ কায়সার। - এই গ্রন্থে লেখকের একটি বিশেষ ভ্রমণের অভিজ্ঞতা ও প্রবাসজীবনের চিত্র অত্যন্ত সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শহীদুল্লাহ কায়সার বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক, সাংবাদিক ও বুদ্ধিজীবী যিনি ভাষা আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছিলেন। - তাঁর রচিত বিখ্যাত উপন্যাস হলো 'সংশপ্তক' ও 'সারেং বৌ' যা বাংলা সাহিত্যে অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ স্থান অধিকার করে আছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শহীদুল্লাহ কায়সারের উপন্যাস 'সংশপ্তক'। ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসটি ১৯৬০ সালে প্রকাশিত হয় এবং এতে গ্রামীণ সমাজের নানা দ্বন্দ্ব ও জীবনের সংগ্রামের বাস্তব চিত্র ফুটে উঠেছে। উদাহরণ ২: শহীদুল্লাহ কায়সারের উপন্যাস 'সারেং বৌ'। ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসে উপকূলীয় মানুষের জীবনযাত্রা এবং নারীর সংগ্রাম অত্যন্ত নিপুণভাবে তুলে ধরা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাসান হাফিজুর রহমান — তিনি একজন বিশিষ্ট কবি ও সম্পাদক ছিলেন, তবে 'পেশোয়ার থেকে তাসখন্দ' তাঁর রচিত কোনো গ্রন্থ নয়। B) তাজউদ্দীন আহমদ — তিনি বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী ও জাতীয় নেতা ছিলেন, ভ্রমণকাহিনি রচনার জন্য তিনি পরিচিত নন। C) শহীদুল্লাহ কায়সার — এই অপশনটি সঠিক এবং এই ভ্রমণকাহিনির প্রকৃত রচয়িতা তিনিই। D) মহাত্মা গান্ধী — তিনি ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রধান নেতা ছিলেন, বাংলা সাহিত্যের এই গ্রন্থের সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: - কায়সার সাহেব পেশোয়ার থেকে তাসখন্দ ঘুরে ভ্রমণকাহিনি লিখেছিলেন এভাবে মনে রাখতে পারো। - শহীদুল্লাহ কায়সার নামটির সঙ্গে তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস সংশপ্তক ও এই ভ্রমণকাহিনি একসঙ্গে মিলিয়ে পড়তে পারো। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভ্রমণসাহিত্য থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - লেখকদের বিখ্যাত উপন্যাস ও ভ্রমণকাহিনি আলাদা করে নোট করে পড়া উচিত।
a চোখের বালি
b সোনার তরী
c চিত্রা
d বলাকা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চোখের বালি ১. কেন সঠিক: - চোখের বালি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোনো কাব্যগ্রন্থ নয়, এটি তাঁর একটি বিখ্যাত ও মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কাব্যগ্রন্থ এবং উপন্যাসের মধ্যে পার্থক্য নির্ণয় করতে এই প্রশ্নটি আসে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের এক বিশাল প্রতিভা যিনি কবিতা, ছোটগল্প, উপন্যাস ও নাটকসহ সব শাখায় অবদান রেখেছেন। - চোখের বালি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম সার্থক বাংলা মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস যা ১৯০৩ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নৌকাডুবি ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আরও একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় উপন্যাস, কোনো কাব্যগ্রন্থ নয়। উদাহরণ ২: শেষের কবিতা ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত কাব্যধর্মী উপন্যাস, যা কাব্যগ্রন্থের মতো শোনালেও আসলে উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চোখের বালি — এটি উপন্যাস হওয়ায় সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে কারণ প্রশ্ন চেয়েছে কোনটি কাব্যগ্রন্থ নয়। B) সোনার তরী — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি অত্যন্ত বিখ্যাত ও পরিচিত কাব্যগ্রন্থ যা ১৮৯৪ সালে প্রকাশিত হয়। C) চিত্রা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ গীতধর্মী কাব্যগ্রন্থ যা ১৮৯৬ সালে প্রকাশিত হয়। D) বলাকা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গতিশীল ভাবনার প্রকাশসংবলিত একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা ১৯১৬ সালে প্রকাশিত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - রবীন্দ্রনাথের বিখ্যাত উপন্যাসগুলো যেমন চোখের বালি, গোরা, নৌকাডুবি, শেষের কবিতা আলাদা করে ছন্দে মনে রাখতে পারো। - সোনার তরী, চিত্রা ও বলাকা হলো প্রকৃতি ও জীবনদর্শনের কবিতা সংকলন বা কাব্যগ্রন্থ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - চোখের বালি উপন্যাসের প্রধান চরিত্রগুলো হলো বিনোদিনী, মহেন্দ্র, বিহারী ও আশা। - রবীন্দ্রনাথের প্রথম প্রকাশিত সার্থক উপন্যাস হিসেবে চোখের বালি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a সব্যাসাচী
b কিরণময়ী
c শ্রীবিলাস
d ইন্দ্রনাথ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শ্রীবিলাস ১. কেন সঠিক: - শ্রীবিলাস চরিত্রটি কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সৃষ্টি নয়, এটি ঔপন্যাসিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত শ্রীকান্ত উপন্যাসের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র। - প্রশ্নকর্তার প্রদত্ত উত্তরে সামান্য বিভ্রান্তি রয়েছে, কারণ শ্রীবিলাস শরৎচন্দ্রেরই সৃষ্টি। তবে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন আসলে শ্রীবিলাস শরৎচন্দ্র-সৃষ্ট চরিত্র কি না তা যাচাই করতে হয়। শ্রীকান্ত উপন্যাসের বর্ণনাকারী ও শ্রীকান্তের পরম বন্ধু হলো এই শ্রীবিলাস। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় ও প্রখ্যাত কথাশিল্পী, যিনি ১৮৭৬ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৩৮ সালে মৃত্যুবরণ করেন। - তাঁর রচিত শ্রীকান্ত একটি আত্মজীবনীমূলক উপন্যাস চার খণ্ডে সমাপ্ত, যেখানে শ্রীবিলাস শ্রীকান্তের জীবনের বিভিন্ন সুখ-দুঃসের সঙ্গী হিসেবে উপস্থিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অভাগীর স্বর্গ ব্যাখ্যা: এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও মানবিক ছোটগল্প, যেখানে সমাজের নিচুতলার মানুষের জীবনচিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। উদাহরণ ২: দেবদাস ব্যাখ্যা: এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি অমর ট্র্যাজিক প্রেমের উপন্যাস, যার প্রধান চরিত্রগুলো হলো দেবদাস, পার্বতী বা পারু এবং চন্দ্রমুখী। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সব্যাসাচী — এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত পালেরাগড় উপন্যাসের প্রধান বিপ্লবী চরিত্র, তাই এটি সঠিক উত্তরের শর্ত পূরণ করে না। B) কিরণময়ী — এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের চরিত্রহীন উপন্যাসের একটি অন্যতম প্রধান ও শক্তিশালী মনস্তাত্ত্বিক নারী চরিত্র। C) শ্রীবিলাস — এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের শ্রীকান্ত উপন্যাসের একটি চরিত্র হলেও এখানে সঠিক উত্তর হিসেবে নির্দেশ করা হয়েছে। D) ইন্দ্রনাথ — এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের শ্রীকান্ত উপন্যাসের প্রথম খণ্ডের একটি অবিস্মরণীয় ও সাহসী কিশোর চরিত্র। ৫. মনে রাখার টিপস: - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত উপন্যাসগুলো মনে রাখার জন্য চরিত্রগুলোর নাম যেমন শ্রীকান্ত, ইন্দ্রনাথ, অভয়া, রাজলক্ষ্মী এবং কিরণময়ী একসঙ্গে তালিকা করে পড়তে পারো। - শ্রীকান্ত উপন্যাসের প্রধান বন্ধু চরিত্র হিসেবে ইন্দ্রনাথ এবং শ্রীবিলাসের নাম সবচেয়ে বেশি মনে রাখতে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের শ্রীকান্ত উপন্যাসটি চার খণ্ডে প্রকাশিত হয়েছিল এবং এটি তাঁর শ্রেষ্ঠ রচনাগুলোর একটি। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ঔপন্যাসিক ও তাঁর উপন্যাসের বিখ্যাত চরিত্রগুলোর নাম প্রায়ই মিলাতে বলা হয়, তাই চরিত্রভিত্তিক তালিকা প্রস্তুত রাখা জরুরি।
a জরা-জীর্ণ
b চুরি-চোরাই
c জগৎ-জাগতিক
d চাল-ঢিলে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) চাল-ঢিলে ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত প্রশ্নটি বাংলা ব্যাকরণের শব্দ গঠন এবং বিশেষ্য ও বিশেষণের রূপান্তর অংশের অন্তর্ভুক্ত। - চাল এবং ঢিলে উভয় শব্দই আলাদা শব্দ এবং এখানে বিশেষ্য ও বিশেষণের কোনো সঠিক জোড় গঠন করেনি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিশেষ্য পদ কোনো কিছুর নাম বোঝায় এবং বিশেষণ পদ বিশেষ্য পদের দোষ গুণ অবস্থা সংখ্যা পরিমাণ ইত্যাদি প্রকাশ করে। - একটি শব্দ বিশেষ্য এবং অপরটি তার বিশেষণ হিসেবে জোড়বদ্ধভাবে প্রমিত বাংলায় ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জরা ও জীর্ণ ব্যাখ্যা: জরা হলো বিশেষ্য পদ এবং জীর্ণ হলো তার বিশেষণ রূপ। উদাহরণ ২: জগৎ ও জাগতিক ব্যাখ্যা: জগৎ হলো বিশেষ্য পদ এবং জাগতিক হলো তার বিশেষণ রূপ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জরা-জীর্ণ — এটি একটি সঠিক বিশেষ্য-বিশেষণ জোড়া কারণ জরা বিশেষ্য এবং জীর্ণ তার বিশেষণ। B) চুরি-চোরাই — এটি সঠিক বিশেষ্য-বিশেষণ জোড়া কারণ চুরি বিশেষ্য এবং চোরাই বিশেষণ। C) জগৎ-জাগতিক — এটি সঠিক বিশেষ্য-বিশেষণ জোড়া কারণ জগৎ বিশেষ্য এবং জাগতিক বিশেষণ। D) চাল-ঢিলে — এটি শুদ্ধ বিশেষ্য-বিশেষণ জোড়া নয় কারণ এটি প্রমিত জোড় হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিশেষ্য পদ চেনার জন্য তার সাথে রূপান্তর করে বিশেষণ রূপটি যাচাই করতে হবে। - প্রতিটি শব্দের উৎস এবং ব্যাকরণগত শ্রেণি মনোযোগ দিয়ে খেয়াল রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিশেষ্য থেকে বিশেষণ রূপান্তরের প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - শব্দগুলোর সঠিক রূপান্তর মুখস্থ রাখার পাশাপাশি ব্যাকরণিক নিয়ম চর্চা করতে হবে।
a বাবু
b অতি অল্প হইল
c শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
d তৈল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) তৈল ১. কেন সঠিক: তৈল মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর অত্যন্ত বিখ্যাত একটি মননশীল ও ব্যাঙ্গাত্মক প্রবন্ধ। এই প্রবন্ধে সমাজের মোসাহেবি ও তোষামোদ প্রথাকে রূপক অর্থে তেলের সঙ্গে তুলনা করে অত্যন্ত সুনিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: মহমোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের আবিষ্কারক এবং একজন প্রথিতযশা প্রাবন্ধিক। তার রচিত 'তৈল' প্রবন্ধটি বাংলা উপন্যাসের জনক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় সম্পাদিত বঙ্গদর্শন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর প্রবন্ধ গ্রন্থ 'বাল্মীকি ও কবিতা'। ব্যাখ্যা: এটি তার অন্যতম একটি বিখ্যাত সাহিত্য সমালোচনা মূলক প্রবন্ধ গ্রন্থ। উদাহরণ ২: হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর প্রাচীন পুথি আবিষ্কার 'হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় রচিত বৌদ্ধ গান ও দোহা'। ব্যাখ্যা: এটি চর্যাপদ আবিষ্কার ও প্রকাশের সঙ্গে জড়িত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ঐতিহাসিক সাহিত্যকর্ম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাবু — এটি প্যারিচাঁদ মিত্র বা অন্য কোনো লেখকের রচনা হতে পারে, হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর বিখ্যাত প্রবন্ধ নয়। B) অতি অল্প হইল — এটি মীর মশাররফ হোসেনের একটি প্রহসন, হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর প্রবন্ধ নয়। C) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — এটি কোনো প্রবন্ধের নাম নয়, বরং এটি বাংলা সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিকের নাম। D) তৈল — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি হরপ্রসাদ শাস্ত্রীরই লেখা একটি অনবদ্য প্রবন্ধ। ৫. মনে রাখার টিপস: হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর বিখ্যাত প্রবন্ধ মনে রাখার সহজ কৌশল হলো তিনি তোষামোদপ্রিয় সমাজকে বোঝাতে 'তৈল' বা তেল মাখার বিষয়টি রূপক হিসেবে ব্যবহার করেছেন। তার এই একটি মাত্র প্রবন্ধ বিসিএসসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সবচেয়ে বেশিবার এসেছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: তৈল প্রবন্ধটি কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল তা প্রায়ই পরীক্ষায় আসে এবং এর উত্তর হলো বঙ্গদর্শন। একই ধরনের অন্যান্য লেখকের বিখ্যাত প্রবন্ধের নাম ও তাদের মূল ভাবনা ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a 1952
b 1953
c 1961
d 1969
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯৫৩ ১. কেন সঠিক: মুনীর চৌধুরীর বিখ্যাত একঙ্ক নাটক 'কবর' ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত এবং ১৯৫৩ সালে প্রথম মঞ্চস্থ ও প্রকাশিত হয়। বাঙালি জাতির আত্মত্যাগ ও ভাষা আন্দোলনের রক্তাক্ত স্মৃতি এই নাটকের মূল প্রাণশক্তি এবং ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটের কারণে এটি বাংলা সাহিত্যে অমর হয়ে আছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মুনীর চৌধুরী ১৯২৫ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং তিনি একাধারে একজন নাট্যকার, প্রাবন্ধিক ও ভাষা আন্দোলনের সক্রিয় কর্মী ছিলেন। ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি থাকা অবস্থায় তিনি ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে 'কবর' নাটকটি রচনা করেন যা বাঙালি নাট্যসাহিত্যের ইতিহাসে একটি যুগান্তকারী মাইলফলক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জহির রায়হানের 'আরেক ফাল্গুন' উপন্যাস। ব্যাখ্যা: এটিও ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত একটি বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম যা ১৯৫২ সালের পরবর্তী রাজনৈতিক ও সামাজিক আন্দোলনকে তুলে ধরে। উদাহরণ ২: শওকত ওসমানের 'স্মৃতির মিনার' ছোটগল্প। ব্যাখ্যা: ভাষা আন্দোলন ও একুশে ফেব্রুয়ারির চেতনাকে কেন্দ্র করে রচিত আরেকটি প্রথিতযশা সাহিত্যকর্ম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৫২ — এটি ভাষা আন্দোলনের সন হলেও 'কবর' নাটকটি এই সনে রচিত বা প্রকাশিত হয়নি, বরং এই বছরের পটভূমিতে পরের বছর রচিত হয়। B) ১৯৫৩ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই নাটকটি রচিত ও প্রথম মঞ্চস্থ হয়েছিল। C) ১৯৬১ — এটি মুনীর চৌধুরীর অন্য কোনো প্রধান মৌলিক বা অনূদিত নাটকের প্রকাশকাল নয় এবং এটি ভুল সাল। D) ১৯৬৯ — এই সনে গণঅভ্যুত্থান সংঘটিত হয়েছিল, যা ভাষা আন্দোলনের অনেক পরের ঐতিহাসিক ঘটনা। ৫ মনে রাখার টিপস: ৫২ সালে ভাষা আন্দোলন ঘটেছিল আর ঠিক তার পরের বছর অর্থাৎ ৫৩ সালে মুনীর চৌধুরী কারাগারে বসে 'কবর' নাটক রচনা করেন। ৫২ এর ঠিক এক বছর পর ৫৩ সাল এভাবে মনে রাখলে পরীক্ষার হলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ভাষা আন্দোলনভিত্তিক প্রথম নাটক কোনটি এই প্রশ্নটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে এবং এর উত্তর হলো মুনীর চৌধুরীর 'কবর'। একই সঙ্গে নাট্যকার কোন কারাগারে বন্দি অবস্থায় এটি লিখেছিলেন (ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার) তা মনে রাখাও পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
a মিথ্যুক
b জেদি
c স্পষ্টভাষী
d ধূর্ত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) স্পষ্টভাষী ১. কেন সঠিক: - ঠোটকাটা বাগধারাটির শাব্দিক অর্থ ঠোঁট কাটা হলেও প্রচলিত অর্থে এটি এমন একজন ব্যক্তিকে বোঝায় যিনি কোনো রাখঢাক না রেখে মুখের ওপর সত্য কথা বলে দেন। - সমাজে বা বাস্তব জীবনে খোলামেলা ও সাহসিকতার সঙ্গে সত্য প্রকাশ করার বৈশিষ্ট্য বোঝাতেই এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে বাগধারা হলো এমন কিছু বিশেষ শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভাবার্থ প্রকাশ করে। - এটি মূলত ভাষার প্রকাশভঙ্গি সমৃদ্ধ করে এবং মুখের ভাষাকে আরও প্রাণবন্ত ও অর্থবহ করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দলটির নেতার সামনে কেউ কথা বলতে সাহস পায় না, কেবল ওই ঠোটকাটা ছেলেটিই সব অন্যায়ের প্রতিবাদ করল। ব্যাখ্যা: এখানে স্পষ্টভাষী বা সাহসি চরিত্রের প্রকাশ বোঝাতে ঠোটকাটা বাগধারাটি সফলভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: মিতু বরাবরই একটু ঠোটকাটা স্বভাবের, তাই সে কারও ভুল দেখলে মুখের ওপর সেটা বলে দিতে দ্বিধা করে না। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে রাখঢাক না রেখে সরাসরি সত্য বলার মনোভাব বোঝাতে ঠোটকাটা শব্দটির প্রয়োগ করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মিথ্যুক — মিথ্যুক বলতে অসত্য কথা বলে যে তাকে বোঝায়, কিন্তু ঠোটকাটা বাগধারাটি মিথ্যা বলার পরিবর্তে সত্য কথা সাহসের সঙ্গে প্রকাশ করাকে নির্দেশ করে। B) জেদি — জেদি অর্থ একগুঁয়ে বা নিজের দাবিতে অনড় থাকা ব্যক্তি, যা ঠোটকাটা বাগধারার স্পষ্টভাষী অর্থের সঙ্গে কোনোভাবেই মিল না থাকায় এটি ভুল। C) স্পষ্টভাষী — এটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এই বাগধারার প্রচলিত ভাবার্থের সঙ্গে সম্পূর্ণভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ। D) ধূর্ত — ধূর্ত বলতে চালাক বা শঠ প্রকৃতির মানুষকে বোঝায়, অথচ ঠোটকাটা অর্থ সরলভাবে মুখের ওপর সত্য কথা বলে দেওয়া সৎ সাহসকে নির্দেশ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - ঠোঁটকাটা মানুষের ঠোঁটের ওপর কোনো রাখঢাক থাকে না, তাই তারা খুব সহজেই মুখের ওপর সত্য বা স্পষ্ট কথা বলে দিতে পারে। - এই মিলের কথা মনে রাখলেই ঠোটকাটা মানে যে স্পষ্টভাষী তা খুব সহজে মনে রাখা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মানবস্বভাব বা চরিত্র বোঝায় এমন বাগধারাগুলো প্রায়ই পরীক্ষাতে আসে। - এ ধরনের বাগধারার ক্ষেত্রে শাব্দিক অর্থের চেয়ে প্রচলিত ভাবার্থকে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে।
a গ্রহণ
b রামায়ণ
c পুণ্য
d অর্পণ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পুণ্য ১. কেন সঠিক: ণত্ব বিধানের নিয়ম অনুযায়ী ট বর্গীয় ধ্বনির আগে যুক্তবর্ণে মূর্ধন্য-ণ যুক্ত হয়। পুণ্য শব্দটিতে প-ফ-ব-ভ-ম বর্গীয় ধ্বনি না হয়ে ট বর্গীয় ধ্বনির বিধান প্রযোজ্য হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণের ধ্বনি প্রকরণ ও বানানরীতিতে ণত্ব বিধান একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তৎসম শব্দে মূর্ধন্য-ণ ব্যবহারের নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম বা সূত্র রয়েছে। ট বর্গীয় ধ্বনির আগে মূর্ধন্য-ণ যুক্ত হওয়ার ব্যাকরণিক নিয়মটি এখানে প্রধান ভূমিকা পালন করেছে। প ণ যুক্ত শব্দে এই নিয়মটি সরাসরি অনুসরণ করা হয়ে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাণ্ড ব্যাখ্যা: এটি ট বর্গীয় ধ্বনির আগের যুক্তবর্ণ যেখানে মূর্ধন্য-ণ ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: লুণ্ঠন ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও ট বর্গীয় ধ্বনির পূর্বে মূর্ধন্য-ণ এর সঠিক প্রয়োগ ঘটেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গ্রহণ — এই শব্দটিতে ঋ-কার থাকার কারণে মূর্ধন্য-ণ হয়েছে, যা ট বর্গীয় নিয়মের অধীনে পড়ে না। B) রামায়ণ — এই শব্দটিতে র-এর পরে স্বরবর্ণ ও অন্তস্থ ম থাকার ফলে নিয়ম অনুযায়ী মূর্ধন্য-ণ হয়েছে। D) অর্পণ — এই শব্দটিতে রেফ বা র-কার থাকার কারণে মূর্ধন্য-ণ যুক্ত হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: ট ঠ ড ঢ এর সাথে যুক্ত হলে সবসময় মূর্ধন্য-ণ ব্যবহার করবে। ঋ কার র ষ এর পরে মূর্ধন্য-ণ হয় এই সাধারণ নিয়মটি মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ণত্ব ও ষত্ব বিধান থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। তাই ট বর্গের আগে মূর্ধন্য-ণ বসে এই মৌলিক নিয়মটি ভালোভাবে আয়ত্ত করবে।
a মুমুষু
b মুমূর্ষু
c মুমূর্খু
d মূমুষু
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মুমূর্ষু ১. কেন সঠিক: - মুমূর্ষু শব্দটির অর্থ হলো যে মরতে বসেছে বা যার মরণের ইচ্ছা আছে। - বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী এই শব্দটিতে প্রথম উ-কার এবং দ্বিতীয় উ-কার দীর্ঘ্য ঊ-কার হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা বানান শুদ্ধকরণের ক্ষেত্রে ই-কার ও উ-কার ব্যবহারের নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। - এই শব্দটিতে হ্রস্ব উ এবং দীর্ঘ ঊ উভয়ের সঠিক বিন্যাস রয়েছে যা বানানের প্রমিত নিয়ম অনুসরণ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শুশ্রূষা ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও বানানের ক্ষেত্রে হ্রস্ব উ এবং দীর্ঘ ঊ এর সঠিক ব্যবহার দেখা যায় যা প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। উদাহরণ ২: পিপীলিকা ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল ব্যবহৃত শুদ্ধ বানান যেখানে প্রথম ও দ্বিতীয় ই-কার ব্যবহারের নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুমুষু — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে দীর্ঘ ঊ-কার সঠিকভাবে ব্যবহার করা হয়নি। B) মুমূর্ষু — এটি সঠিক বানান এবং প্রমিত বাংলা বানানরীতি মেনে গঠিত হয়েছে। C) মুমূর্খু — এই অপশনটি ভুল কারণ এর শেষে অতিরিক্ত খ যুক্ত রয়েছে যা সঠিক শব্দ নয়। D) মূমুষু — এই অপশনটি ভুল কারণ শব্দের শুরুতে দীর্ঘ ঊ এবং পরে হ্রস্ব উ ব্যবহার করা হয়েছে যা নিয়মবহির্ভূত। ৫ মনে রাখার টিপস: - মুমূর্ষু বানানটি মনে রাখার জন্য মনে রাখতে হবে প্রথম অক্ষর হ্রস্ব উ, দ্বিতীয় অক্ষর দীর্ঘ ঊ এবং র-ফলা ও মূর্ধন্য ষ ব্যবহৃত হয়। - বারবার লেখার মাধ্যমে এই জটিল বানানগুলো আয়ত্ত করা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের বহু ভুল বানান বারবার আসে। - প্রমিত বানান শেখার জন্য বাংলা একাডেমি প্রণীত বানানরীতি অনুসরণ করতে হবে।
a চিত্রনামা
b সাম্যবাদী
c রুদ্রমঙ্গল
d ধুমকেতু
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রুদ্রমঙ্গল ১. কেন সঠিক: - রুদ্রমঙ্গল হলো জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ, যা বাংলা সাহিত্য ও রাজনীতি বিষয়ক রচনার এক অনন্য সংকলন। - ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের সময় নজরুলের বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সমাজসচেতন প্রবন্ধ নিয়ে এই গ্রন্থটি সংকলিত ও প্রকাশিত হয়েছিল। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত হলেও তিনি ছিলেন একাধারে ঔপন্যাসিক, নাট্যকার, প্রাবন্ধিক এবং সাংবাদিক। - তার অন্যান্য উল্লেখযোগ্য প্রবন্ধগ্রন্থের মধ্যে যুগবাণী, দুর্দিনের যাত্রী, রাজবন্দীর জবানবন্দী এবং ধুমকেতু পত্রিকার নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যুগবাণী ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত প্রবন্ধগ্রন্থ, যা সমাজের নানা কুসংস্কার ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী চেতনায় সমৃদ্ধ। উদাহরণ ২: দুর্দিনের যাত্রী ব্যাখ্যা: এটিও কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি প্রখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ, যেখানে সমকালীন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংকট ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চিত্রনামা - এটি কাজী নজরুল ইসলামের কোনো প্রবন্ধগ্রন্থ বা সাহিত্যকর্ম নয়, বরং এটি একটি বিভ্রান্তিকর অপশন। B) সাম্যবাদী - এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ এবং এর নামে একটি কবিতাও রয়েছে, কোনো প্রবন্ধগ্রন্থ নয়। D) ধুমকেতু - এটি কাজী নজরুল ইসলামের সম্পাদনায় প্রকাশিত একটি বিখ্যাত অর্ধসাপ্তাহিক পত্রিকা, কোনো প্রবন্ধগ্রন্থ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: নজরুলের প্রবন্ধগ্রন্থগুলো মনে রাখার কৌশল হলো মঙ্গলের সাথে যুক্ত নাম যেমন রুদ্রমঙ্গল অথবা বাণী যুক্ত নাম যেমন যুগবাণী মনে রাখা। ধুমকেতু পত্রিকা আর প্রবন্ধগ্রন্থ এক করে ফেলবেন না, ধুমকেতু হলো পত্রিকা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই নজরুলের প্রবন্ধগ্রন্থ, কাব্যগ্রন্থ এবং সম্পাদিত পত্রিকার নাম গুলিয়ে ফেলার জন্য এমন অপশন দেওয়া হয়। তাই কবির প্রবন্ধগ্রন্থ, কাব্যগ্রন্থ এবং পত্রিকার তালিকা আলাদা করে ছক আকারে মুখস্থ রাখা উচিত।
a হুমায়ুন আহমেদ
b সৈয়দ শামসুল হক
c হুমায়ুন আজাদ
d জাহানারা ইমাম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জাহানারা ইমাম ১. কেন সঠিক: - ‘ক্যানসারের সাথে বসবাস’ বইটির রচয়িতা শহীদ জননী জাহানারা ইমাম। - এটি তাঁর জীবনের একটি অত্যন্ত মর্মান্তিক ও সংগ্রামমুখর বাস্তব অভিজ্ঞতার ওপর রচিত দিনলিপি বা আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - জাহানারা ইমাম বাংলা সাহিত্য জগতের একজন বরেণ্য লেখক ও সংগঠক, যিনি একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির নেতৃত্ব দিয়ে বিখ্যাত হয়েছেন। - তাঁর সবচেয়ে বিখ্যাত ও বহুল পঠিত সাহিত্যকর্ম হলো ‘একাত্তরের দিনগুলি’, যা বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি প্রামাণ্য দলিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: একাত্তরের দিনগুলি ব্যাখ্যা: এটি জাহানারা ইমামের লেখা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বিখ্যাত দিনলিপি, যা বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রামাণ্য দলিল হিসেবে সমাদৃত। উদাহরণ ২: প্রবাসের দিনলিপি ব্যাখ্যা: এটিও জাহানারা ইমামের লেখা একটি উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ, যা তাঁর জীবন ও অভিজ্ঞতার এক অনন্য প্রকাশ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হুমায়ুন আহমেদ — তিনি বাংলাদেশের জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক ও নাট্যকার হলেও এই বইটি তিনি লেখনি। B) সৈয়দ শামসুল হক — তিনি প্রখ্যাত কবি ও ঔপন্যাসিক হলেও ‘ক্যানসারের সাথে বসবাস’ তাঁর রচিত গ্রন্থ নয়। C) হুমায়ুন আজাদ — তিনি বিশিষ্ট ভাষাবিজ্ঞানী, সমালোচক ও লেখক হলেও এই বইটির রচয়িতা তিনি নন। D) জাহানারা ইমাম — এই অপশনটি সঠিক এবং বইটির রচয়িতা জাহানারা ইমাম নিজেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - জাহানারা ইমামের জীবনে ক্যানসারের মতো কঠিন রোগ এবং সন্তান হারানোর বেদনা ছিল, তাই জীবনসংগ্রামের এই বইটি তাঁরই লেখা। - ‘দিনগুলি’ এবং ‘ববাসবাস’ শব্দগুলো জাহানারা ইমামের ব্যক্তিগত লড়াই ও স্মৃতিকথার সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ডায়েরি বা স্মৃতিকথা সম্পর্কিত প্রশ্ন বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - জাহানারা ইমামের ‘একাত্তরের দিনগুলি’ এবং ‘ক্যানসারের সাথে বসবাস’ উভয় গ্রন্থই পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a ক্ষতি
b সিদ্ধি
c হ্রাস
d সংকীর্ণ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) হ্রাস ১. কেন সঠিক: বৃদ্ধি শব্দের অর্থ কোনো কিছুর পরিমাণ বা আকার বৃদ্ধি পাওয়া, প্রসারিত হওয়া কিংবা বেড়ে যাওয়া। এর বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করে হ্রাস শব্দটি, যার অর্থ কমে যাওয়া বা হ্রাস পাওয়া। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ব্যাকরণের সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দ অংশের একটি প্রশ্ন। বাংলা ভাষায় একটি শব্দের বিপরীত শব্দ নির্ধারণের ক্ষেত্রে সাধারণত সমার্থক বা প্রতিশব্দের বিপরীত ধারা অনুসরণ করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সঞ্চয় ও অপচয় ব্যাখ্যা: সঞ্চয় শব্দের অর্থ জমানো এবং এর বিপরীত শব্দ অপচয় যার অর্থ নষ্ট করা বা খরচ করা। উদাহরণ ২: উন্নত ও অবনত ব্যাখ্যা: উন্নত শব্দের অর্থ উচু বা উন্মুখ এবং এর বিপরীত শব্দ অবনত যার অর্থ নিচু বা অবনমিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক্ষতি — ক্ষতি শব্দটির উপযুক্ত বিপরীত শব্দ হলো লাভ, যা বৃদ্ধি শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না। B) সিদ্ধি — সিদ্ধি শব্দটির অর্থ সফলতা বা পূর্ণতা, যার বিপরীতার্থক শব্দ হলো অসফলতা বা বিফলতা। C) হ্রাস — এটি বৃদ্ধি শব্দের সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে পরিগণিত হয়। D) সংকীর্ণ — সংকীর্ণ শব্দের অর্থ ছোট বা সঙ্কুচিত, যার বিপরীত শব্দ হলো প্রশস্ত বা বিশাল। ৫. মনে রাখার টিপস: পরিমাণবাচক শব্দগুলোর ক্ষেত্রে বাড়ার বিপরীতে কমা বা হ্রাসের ধারণা মাথায় রাখবে। বৃদ্ধি মানে বাড়তি এবং হ্রাস মানে কমতি, এভাবে জোড়া শব্দ মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিপরীতার্থক শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। সাধু ও চলিত রূপ কিংবা তৎসম ও অর্ধতৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ নির্ণয়ের সময় শব্দের উৎস খেয়াল রাখতে হয়।
a গল্প
b উপন্যাস
c নাটক
d প্রবন্ধ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) উপন্যাস ১. কেন সঠিক: বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন রচিত 'পদ্মরাগ' একটি প্রতীকী উপন্যাস। এই উপন্যাসের মূল বিষয়বস্তু হলো নারী জাগরণ, নারীর অর্থনৈতিক স্বাধীনতা এবং তৎকালীন সমাজের নারী নির্যাতনের চিত্র তুলে ধরা। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন বাংলা সাহিত্য ও নারী মুক্তি আন্দোলনের অগ্রদূত। তাঁর এই উপন্যাসে তারিণীবহন নামক একটি নারী কল্যাণ সংস্থার মাধ্যমে নারীদের আত্মনির্ভরশীল করে গড়ে তোলার প্রয়াস দেখানো হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুলতানার স্বপ্ন ব্যাখ্যা: এটি বেগম রোকেয়া রচিত একটি বিখ্যাত নারীবাদী ইউটোপিয়ান বা নারীবাদী কল্পবিজ্ঞান রচনা। উদাহরণ ২: মতিচুর ব্যাখ্যা: এটি বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের প্রবন্ধ সংকলন যা দুটি খণ্ডে প্রকাশিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গল্প — পদ্মরাগ আকারে ছোটগল্প নয়, বরং একটি পূর্ণাঙ্গ কাহিনীভিত্তিক রচনা হওয়ায় এটি গল্প হিসেবে গণ্য হয় না। C) নাটক — এই রচনায় সংলাপের পাশাপাশি বর্ণনামূলক অংশ ও দীর্ঘ গদ্যশৈলী থাকায় এটি নাটক নয়। D) প্রবন্ধ — পদ্মরাগে একটি সুনির্দিষ্ট কাহিনীর ধারাবাহিকতা ও চরিত্র রয়েছে, যা প্রবন্ধের পরিবর্তে উপন্যাস ধারার বৈশিষ্ট্য বহন করে। ৫ মনে রাখার টিপস: রোকেয়ার একটিমাত্র উপন্যাস হলো পদ্মরাগ। স্মরণ রাখার জন্য মনে রাখতে পারো রোকেয়ার পদ্ম ফুলটি একটি উপন্যাস। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বেগম রোকেয়ার 'পদ্মরাগ' ১৯২৪ সালে প্রকাশিত হয়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই রচনার ধরন সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।

মোট প্রশ্ন (26)

a across
b around
c at
d besides
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: B) around কেন সঠিক: - কোনো নির্দিষ্ট স্থান বা এলাকার চারপাশে ঘুরে বেড়ানো বা হাঁটার ক্ষেত্রে preposition হিসেবে around ব্যবহৃত হয়। - ট্রেনের জন্য অপেক্ষার সময় স্টেশনের চারপাশে হাঁটার অর্থ বোঝাতে around সবচেয়ে উপযোগী ও নির্ভুল শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) across — কোনো নদী, রাস্তা বা রেখা বরাবর এক পাশ থেকে অন্য পাশে পার হওয়া বোঝাতে across ব্যবহৃত হয়, যা স্টেশনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) around — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) at — কোনো নির্দিষ্ট বিন্দু বা অবস্থানের স্থির অবস্থান বোঝাতে at ব্যবহৃত হয়, কিন্তু হাঁটার গতিশীলতা বোঝাতে এটি উপযুক্ত নয়। D) besides — এর অর্থ পাশে বা অতিরিক্ত হিসেবে, যা এখানে অবস্থানের দিক থেকে ব্যাকরণগতভাবে মানানসই নয়। মনে রাখার টিপস: কোনো স্থান বা পরিধির চারপাশ ঘুরে বেড়ানো বা হাঁটার ক্ষেত্রে always around ব্যবহার করবে।
a 1000
b 2000
c 100
d 500
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) 1000 কেন সঠিক: - Millennium শব্দটি লাতিন শব্দ mille (যার অর্থ হাজার) এবং annus (যার অর্থ বছর) থেকে এসেছে। - ইংরেজি পরিভাষায় এক হাজার বছরের একটি দীর্ঘ সময়কালকে Millennium বা সহস্রাব্দ বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1000 — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি ঠিক এক হাজার বছর সময়কালকে নির্দেশ করে। B) 2000 — এই অপশনটি ভুল কারণ দুই হাজার বছরকে দুই সহস্রাব্দ বলা হয়, এক সহস্রাব্দ নয়। C) 100 — এই অপশনটি ভুল কারণ একশো বছরের সময়কালকে Century বা শতাব্দী বলা হয়। D) 500 — এই অপশনটি ভুল কারণ পাঁচশো বছরের সময়কালকে Quincentenary বলা হয়। মনে রাখার টিপস: Million শব্দের মতো Millennium শব্দটিতে হাজার বা হাজার বছরের হিসাব মনে রাখবে।
a Curriculums
b Curricule
c Curricula
d Curriculas
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Curricula কেন সঠিক: - ল্যাটিন ভাষার শব্দ যার শেষে um থাকে, তার বহুবচন করার সময় um উঠিয়ে a যুক্ত করা হয়। - curriculum শব্দটি ল্যাটিন মূলের হওয়ায় এর সঠিক বহুবচন curricula হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Curriculums — এটি আধুনিক ইংরেজিতে প্রচলিত হলেও মূল ল্যাটিন ব্যাকরণ অনুযায়ী এটি ভুল বহুবচন রূপ। B) Curricule — এটি ইংরেজি বা ল্যাটিন ব্যাকরণের কোনো নিয়ম অনুযায়ী গঠিত সঠিক বহুবচন নয়। C) Curricula — এটি সঠিক উত্তর কারণ ল্যাটিন নিয়ম মেনে curriculum শব্দের বহুবচন এটিই হয়। D) Curriculas — এটি সম্পূর্ণ একটি ভুল শব্দ গঠন এবং ব্যাকরণগতভাবে গ্রহণযোগ্য নয়। মনে রাখার টিপস: শব্দটির শেষে um থাকলে a বসিয়ে বহুবচন করতে হয়, যেমন curriculum থেকে curricula।
a Macbeth
b Hamlet
c King Lear
d The Tempest
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) The Tempest কেন সঠিক: - উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের রচিত 'দ্য টেম্পেস্ট' একটি বিখ্যাত কমেডি এবং এটি তাঁর শেষ একক নাটক হিসেবে পরিচিত। - এই নাটকে মিলনান্তক সমাপ্তি এবং রোমান্টিক কমেডির সকল বৈশিষ্ট্য যেমন ক্ষমার থিম ও জাদুকরী পরিবেশ বিদ্যমান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Macbeth — এটি উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের একটি বিখ্যাত ট্র্যাজেডি নাটক, কমেডি নয়। B) Hamlet — এটি শেক্সপিয়ারের লেখা অন্যতম প্রধান এবং জনপ্রিয় একটি ট্র্যাজেডি নাটক। C) King Lear — এটি শেক্সপিয়ারের একটি কালজয়ী ট্র্যাজেডি যা মানুষের অন্ধত্ব ও অহংকার ফুটিয়ে তোলে। D) The Tempest — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: শেক্সপিয়ারের প্রধান চারটি ট্র্যাজেডি (ম্যাকবেথ, হ্যামলেট, কিং লিয়ার, ওথেলো) বাদ দিলে বাকি নাটকগুলো সাধারণত কমেডি বা রোমান্সধর্মী হয়।
a would complete
b have completed
c will complete
d complete
ব্যাখ্যাঃ
**বিশেষ দ্রষ্টব্য:** প্রদত্ত প্রশ্নে সঠিক উত্তর হিসেবে D) complete দেওয়া হয়েছে, যা ব্যাকরণগতভাবে ত্রুটিপূর্ণ। ভবিষ্যতের নির্দিষ্ট সময়ের পূর্বে একটি কাজ সম্পন্ন হওয়ার ক্ষেত্রে Future Indefinite Clause-এর সাথে Present Indefinite Tense বসে। কিন্তু এখানে কর্তা 'I' এবং মূল verb 'complete', সুতরাং Present Indefinite Tense-এ 'complete' সঠিক হলেও অপশন বি (have completed) হলো প্রমিত ও সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য ব্যাকরণগত নিয়ম। বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধারণত Present Perfect Tense (have completed) ব্যবহার করা হয়। নিচে প্রমিত নিয়ম অনুযায়ী সঠিক উত্তর ও ব্যাখ্যা প্রদান করা হলো। সঠিক উত্তর: B) have completed কেন সঠিক: - Future Indefinite Tense (I'll give it to you)-যুক্ত বাক্যের সময় নির্দেশক Subordinate clause-টি সাধারণত Present Perfect Tense হয়। - ভবিষ্যতের কোনো নির্দিষ্ট কাজের পূর্বে আরেকটি কাজ সম্পন্ন হওয়া বোঝালে Before বা When-এর পরের অংশে Present Perfect Tense বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) would complete — এটি Second Conditional বা Past Future tense-এ ব্যবহৃত হয়, যা এই বাক্যের গঠন ও অর্থের সাথে সংগতিপূর্ণ নয়। B) have completed — এটি সঠিক উত্তর, কারণ When-যুক্ত Future clause-এ কাজটি সম্পূর্ণ হওয়া বোঝাতে Present Perfect Tense বসে। C) will complete — একই বাক্যে দুটি Future tense (will give এবং will complete) একসাথে ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। D) complete — প্রদত্ত উত্তরে এটি বলা হলেও কর্তা I-এর পরে Present Indefinite-এ Present Perfect-এর তুলনায় এই বাক্যে কাজটি সমাপ্তির পূর্ণতা প্রকাশ পায় না। মনে রাখার টিপস: বাক্যের এক অংশ Future হলে When বা By the time-এর পরের অংশে সাধারণত Present Perfect Tense (have/has + V3) ব্যবহার করবে।
a doubtfully
b uncertain
c rigid
d certain
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: ভাষা ও ব্যাকরণ (ইংরেজি ইডিয়ম ও ফ্রেজ) সঠিক উত্তর: B) uncertain কেন সঠিক: - 'Sine die' একটি ল্যাটিন ফ্রেজ, যার আক্ষরিক অর্থ হলো কোনো দিন ঠিক না করে বা অনির্দিষ্টকালের জন্য মুলতবি করা। - প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে 'uncertain' বা অনিশ্চিত শব্দটি এই ফ্রেজের ভাবার্থের সঙ্গে সবচেয়ে বেশি সামঞ্জস্যপূর্ণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) doubtfully — এর অর্থ সন্দেহজনকভাবে, যা কোনো সভার তারিখ বা সময় অনির্দিষ্টকাল স্থগিত রাখার সঠিক ভাব প্রকাশ করে না। B) uncertain — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এর অর্থ অনিশ্চিত, যা কোনো কাজের জন্য নির্দিষ্ট দিন বা সময় না থাকাকে নির্দেশ করে। C) rigid — এর অর্থ কঠোর বা অনমনীয়, যা এই ফ্রেজের অর্থের বিপরীত। D) certain — এর অর্থ নিশ্চিত, যা অনির্দিষ্টকালের ধারণার সম্পূর্ণ বিপরীত। মনে রাখার টিপস: 'Sine die' ফ্রেজে 'Die' শব্দটি দিন বা তারিখ নির্দেশ করে, তাই এর মানে হলো এমন কোনো দিন যা ঠিক করা হয়নি বা অনিশ্চিত।
a approached
b rise
c in
d indifferently
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: B) rise কেন সঠিক: - বাক্যটি অতীতের ঘটনা বর্ণনা করছে, তাই এর ভেতরের ক্রিয়াপদও পাস্ট টেন্সে হতে হবে। - rise একটি প্রেজেন্ট ফর্মের ভার্ব, যার পাস্ট ফর্ম হলো rose। বাকি অপশন কেন ভুল: A) approached — এটি সঠিক পাস্ট টেন্সের ভার্ব এবং বাক্যটির আগের অংশের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। B) rise — এটি প্রেজেন্ট টেন্সে আছে, কিন্তু বাক্যটির প্রেক্ষাপটে পাস্ট টেন্সের verb rose ব্যবহার করা উচিত ছিল। C) in — এটি সঠিক প্রিপজিশন হিসেবে অন্য দিকে তাকানোর অর্থ প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়েছে। D) indifferently — এটি একটি সঠিক অ্যাডভার্ব যা উদাসীনভাবে তাকানোর ভাব প্রকাশ করছে। মনে রাখার টিপস: অতীতকালের ঘটনার ক্ষেত্রে সবসময় ক্রিয়াপদের পাস্ট ফর্ম ব্যবহার করতে হয়, যেমন rise-এর পরিবর্তে rose হবে।
a when
b as
c after
d than
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) when কেন সঠিক: - ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী Hardly had এর সাথে সবসময় when ব্যবহৃত হয়। - এটি একটি পাস্ট পারফেক্ট ও পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্সের সম্মিলিত স্ট্রাকচার, যার অর্থ যেতে না যেতেই বা হতে না হতেই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) when — এটি সঠিক কারণ Hardly had এর সাথে conjunction হিসেবে when বসে। B) as — এটি সঠিক জোড় বা correlative conjunction নয়, তাই এখানে ব্যবহার করা যায় না। C) after — এটি সময়ের ব্যবধান বোঝায় কিন্তু Hardly এর সাথে এই গঠনে বসে না। D) than — এটি No sooner এর সাথে ব্যবহৃত হয়, তাই এখানে ব্যবহার করলে ব্যাকরণগত ভুল হয়। মনে রাখার টিপস: Hardly বা Scarcely এর সাথে সবসময় when এবং No sooner এর সাথে সবসময় than বসে।
a I am unhappy of flattery
b I am worried of flattery
c I hate flattery
d I am sick of flattery
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) I am sick of flattery কেন সঠিক: - 'Sick of' একটি ইংরেজী প্রবাদপ্রতিম গ্রুপ ভার্ব বা ইডিওম, যার অর্থ কোনো কিছুতে বিরক্ত বা অতিষ্ঠ হওয়া। - প্রশ্নে থাকা 'Ill of' বাক্যটিকে স্বাভাবিক ও প্রমিত ইংরেজীতে প্রকাশ করে না, তাই এর পরিবর্তে 'sick of' ব্যবহার করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I am unhappy of flattery — 'Unhappy' শব্দের পর সাধারণত 'with' বা 'about' বসে, 'of' বসে না এবং এটি সঠিক ইডিওম নয়। B) I am worried of flattery — 'Worried' শব্দের পর 'about' preposition বসে, যা এই বাক্যের অর্থ প্রকাশ করতে পারে না। C) I hate flattery — ব্যাকরণগতভাবে এটি ঠিক হলেও মূল বাক্যের 'ill of' এর সরাসরি এবং নিখুঁত সমর্থক বা ইডিওম্যাটিক রূপ এটি নয়। D) I am sick of flattery — এটি একটি সম্পূর্ণ সঠিক বাক্য এবং সঠিক ইডিওম্যাটিক ব্যবহারের উৎকৃষ্ট উদাহরণ। মনে রাখার টিপস: কোনো বিষয়ে চরম বিরক্ত বা অতিষ্ঠ বোঝাতে 'sick of' ব্যবহার করা হয়, 'ill of' ব্যবহার করা ভুল।
a vital
b avoidable
c invisible
d fearful
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) avoidable কেন সঠিক: - 'Inevitable' শব্দটির অর্থ যা অবধারিত বা এড়ানো যায় না। - এর সঠিক বিপরীতার্থক বা অ্যান্টনিম শব্দ হলো 'avoidable', যার অর্থ যা এড়ানো সম্ভব। বাকি অপশন কেন ভুল: A) vital — এর অর্থ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বা জীবনধারণের জন্য জরুরি, যা 'inevitable'-এর বিপরীত নয়। B) avoidable — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি অবধারিত ঘটনার বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। C) invisible — এর অর্থ অদৃশ্য বা যা চোখে দেখা যায় না, যা প্রসঙ্গটির সঙ্গে মেলে না। D) fearful — এর অর্থ ভয়ংকর বা ভীত, যা এই শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে উপযুক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: 'In' উপসর্গযুক্ত শব্দে না বোধক অর্থ প্রকাশ পায়। 'Inevitable' মানে যা এড়ানো যায় না এবং এর বিপরীত avoidable মানে যা এড়ানো যায়।
a তথ্য
b সংকেত
c উৎস
d উপাত্ত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উপাত্ত কেন সঠিক: - 'Data' একটি ল্যাটিন শব্দ, যার আদর্শ বাংলা পরিভাষা হলো 'উপাত্ত'। - কম্পিউটার বিজ্ঞান এবং পরিসংখ্যানে কাঁচামাল বা অপ্রক্রিয়াজাত তথ্যকে উপাত্ত বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) তথ্য — তথ্য বা Information হলো উপাত্তের প্রক্রিয়াজাত রূপ, তাই এটি সরাসরি Data-র পরিভাষা নয়। B) সংকেত — সংকেত হলো কোনো ইশারা বা সিগন্যাল, যা Data শব্দের সঠিক অর্থ প্রকাশ করে না। C) উৎস — উৎস হলো কোনো কিছুর উৎপত্তিস্থল বা Source, যা Data শব্দের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) উপাত্ত — এটি Data শব্দের ব্যাকরণগত ও পরিভাষাগতভাবে সঠিক বাংলা অনুবাদ। মনে রাখার টিপস: তথ্য হলো Processed Data আর উপাত্ত হলো Raw Data বা কাঁচা উপাত্ত।
a haven't we?
b might we?
c Shan't we?
d Shall we?
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Shall we? কেন সঠিক: - ইংরেজি গ্রামারের নিয়ম অনুযায়ী Let's দিয়ে বাক্য শুরু হলে তার Question Tag সবসময় Shall we হয়। - Let's হলো Let us-এর সংক্ষিপ্ত রূপ, যা বক্তা ও শ্রোতা উভয়কে কোনো কাজে প্রস্তাব বা আহ্বান বোঝায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) haven't we? - এটি ভুল কারণ Let's যুক্ত বাক্যে Auxiliary verb হিসেবে have ব্যবহার করা হয় না। B) might we? - এটি ভুল কারণ প্রস্তাব বা অনুমানের ক্ষেত্রে Question Tag-এ might ব্যবহারের নিয়ম নেই। C) Shan't we? - এটি ভুল কারণ Let's যুক্ত প্রস্তাবসূচক বাক্যে Tag সবসময় এফারমেটিভ বা ইতিবাচক হয়। D) Shall we? - এটি সঠিক অপশন এবং এর ব্যাখ্যা উপরে প্রদান করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: বাক্যটি Let's দিয়ে শুরু দেখলেই চোখ বন্ধ করে Tag হিসেবে Shall we বসিয়ে দেবে।
a William Wordsworth
b William Blake
c T.S Eliot
d William Shakespeare
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) T.S Eliot কেন সঠিক: - টি এস এলিয়ট বিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ আধুনিকতাবাদী কবি এবং সমালোচক। - দি ওয়েস্ট ল্যান্ড তার লেখা একটি যুগান্তকারী ও মাস্টারপিস দীর্ঘ কবিতা যা আধুনিক যুগের হতাশা ও সংকট ফুটিয়ে তোলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) William Wordsworth — তিনি রোমান্টিক যুগের বিখ্যাত কবি এবং নিসর্গ কবিতার জন্য পরিচিত, আধুনিক যুগের এই কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা নন। B) William Blake — তিনি রোমান্টিক যুগের প্রাক আমলের বিদ্রোহী কবি ও চিত্রশিল্পী ছিলেন, যার লেখার শৈলী ভিন্ন। C) T.S Eliot — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ তিনি নিজেই এই মাস্টারপিস কাব্যের রচয়িতা। D) William Shakespeare — তিনি এলিজাবেথীয় যুগের সর্বশ্রেষ্ঠ নাট্যকার ও কবি ছিলেন, বিংশ শতাব্দীর এই আধুনিক কাব্যের সঙ্গে সম্পর্কিত নন। মনে রাখার টিপস: টি এস এলিয়ট আধুনিক যুগের রূপকার, আর তার বিখ্যাত মাস্টারপিস কাব্য হলো দি ওয়েস্ট ল্যান্ড।
a stopped
b stop
c had stopped
d would stop
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) had stopped কেন সঠিক: - অতীতকালের দুটি ঘটনার মধ্যে যেটি অপেক্ষাকৃত আগে ঘটেছিল, তার Past Perfect Tense হয় এবং পরেরটি Past Indefinite Tense হয়। - এখানে বৃষ্টি থামার ঘটনাটি আগে ঘটেছিল, তাই এর সঙ্গে had stopped বসেছে এবং পরের ঘটনাটি came home অতীত indefinite টেন্সে আছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) stopped — এটি Past Indefinite Tense, যা অতীতকালের দুটি ঘটনার তুলনার নিয়মের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। B) stop — এটি Verb এর Present Form, যা অতীতকালের বাক্যের প্রেক্ষাপটে সম্পূর্ণ বেমানান। C) had stopped — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশনের মতো আলাদা কোনো কারণ নেই। D) would stop — এটি Future in the Past বা Conditional বাক্য গঠনে ব্যবহৃত হয়, যা এই নিয়মে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: অতীতকালের দুটি কাজের মধ্যে যেটি আগে ঘটে, সেখানে Past Perfect Tense অর্থাৎ had এবং Verb এর Past Participle ব্যবহার করতে হয়।
a is
b must be
c could be
d be
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) be কেন সঠিক: - বাক্যের শুরুতে It is necessary, It is important জাতীয় adjective থাকলে সাবজেক্টের পর Subjunctive Mood নিয়মে Verb-এর বেস ফর্ম বসে। - he সাবজেক্ট হওয়ার পরেও নিয়মের কারণে এর সাথে is বা must বসে না, মূল verb-এর বেস ফর্ম be বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) is — সাবজেক্ট he হলেও Subjunctive Mood-এর নিয়মে এখানে be হবে, তাই is ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) must be — এখানে অতিরিক্ত modal auxiliary verb এর কোনো প্রয়োজন নেই, কারণ বাক্যটি নিজেই সাবজাংক্টিভ নির্দেশ করে। C) could be — এটি পাক্ষিক বা অতীতের সম্ভাবনা বোঝায়, যা বর্তমানের প্রয়োজনীয়তা প্রকাশকারী এই বাক্যের সাথে সংগতিপূর্ণ নয়। D) be — এটি সাবজাংক্টিভ মুডের নিয়ম অনুযায়ী সঠিক উত্তর কারণ এখানে verb-এর মূল রূপ ব্যবহৃত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: বাক্যে necessary বা important দেখলে মনে রাখবে এর পরের অংশে verb-এর বেস ফর্ম বা মূল রূপ বসে।
a Masculine
b Feminine
c Neuter
d Common
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Common কেন সঠিক: - 'orphan' শব্দের অর্থ এতিম বা মাতাপিতাহীন শিশু, যা ছেলে বা মেয়ে উভয়কেই বোঝায়। - যে নাউন দ্বারা স্ত্রী বা পুরুষ উভয়কে বোঝায়, তাকে Common Gender বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Masculine — এটি শুধুমাত্র পুরুষবাচক বিশেষ্য বোঝায়, কিন্তু 'orphan' দিয়ে ছেলে বা মেয়ে উভয়কেই বোঝানো যায়। B) Feminine — এটি শুধুমাত্র স্ত্রীবাচক বিশেষ্য বোঝায়, কিন্তু 'orphan' এর ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নয়। C) Neuter — এটি জড় পদার্থ বা অজীব বস্তু বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু 'orphan' একটি জীবন্ত মানব শিশুকে নির্দেশ করে। D) Common — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এটি পুরুষ ও নারী উভয় এতিম শিশুকে নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: যেসব শব্দ পুরুষ এবং স্ত্রী উভয়কেই সমানভাবে নির্দেশ করে, যেমন orphan, baby, student, সেগুলোকে Common Gender মনে রাখবে।
a No sooner had he aimed at the bird than it flew away.
b The bird flew away before he aimed at the bird.
c As soon as he aimed at the bird it flew away.
d The bird flew away no sooner he aimed at the bird.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) No sooner had he aimed at the bird than it flew away. কেন সঠিক: - অতীতের দুটি ঘটনার মধ্যে একটি শেষ হওয়ামাত্র আরেকটি শুরু হওয়া বোঝাতে No sooner had... than গঠনটি ব্যবহৃত হয়। - এই নিয়মে প্রথম অংশে Past Perfect Tense (had + V3) এবং পরের অংশে Past Indefinite Tense ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) No sooner had he aimed at the bird than it flew away. — এটি সঠিক এবং ব্যাকরণগত নিয়ম পুরোপুরি মেনে চলেছে। B) The bird flew away before he aimed at the bird. — এটি অর্থ পরিবর্তন করে ফেলেছে, কারণ এর অর্থ পাখিটি ওড়ার আগে সে বন্দুক তাক করেছিল। C) As soon as he aimed at the bird it flew away. — এটি সঠিক হলেও প্রদত্ত বাংলা বাক্যের কাঠামোর সাথে No sooner had... than গঠনটি সবচেয়ে নিখুঁতভাবে মেলে। D) The bird flew away no sooner he aimed at the bird. — এখানে no sooner এর পর auxiliary verb (had) এবং than ব্যবহার করা হয়নি, যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। মনে রাখার টিপস: No sooner-এর পর সবসময় had এবং দ্বিতীয় ক্লজের শুরুতে than বসে।
a Terrorism
b Despotism
c Hooliganism
d Favoritism
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Favoritism কেন সঠিক: - 'Nepotism' শব্দের বাংলা অর্থ স্বজনপ্রীতি বা নিজ আত্মীয়স্বজন ও বন্ধুদের অন্যায়ভাবে সুযোগ দেওয়া। - 'Favoritism' শব্দটির অর্থও পক্ষপাতে বা কাউকে বিশেষ সুবিধা প্রদানে প্রবৃত্ত হওয়া, যা নেপোটিজম বা স্বজনপ্রীতির সমার্থক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Terrorism — এর অর্থ সন্ত্রাসবাদ, যা সহিংসতা ও ভীতি প্রদর্শনের সাথে সম্পর্কিত এবং স্বজনপ্রীতির সাথে এর কোনো মিল নেই। B) Despotism — এর অর্থ একনায়কতন্ত্র বা সৈরতন্ত্র, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি রাজনৈতিক ধারণা ও শাসনব্যবস্থা নির্দেশ করে। C) Hooliganism — এর অর্থ গুণ্ডামি বা উপদ্রব সৃষ্টিকারী আচরণ, যা আইনবহির্ভূত বিশৃঙ্খল কাজ বোঝায়। D) Favoritism — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর মাধ্যমে স্বজনপ্রীতি বা পক্ষপাতমূলক আচরণের সঠিক অর্থ প্রকাশ পায়। মনে রাখার টিপস: 'Nepotism' শব্দটিতে নিজের লোক বা আত্মীয়দের প্রতি পক্ষপাত বোঝায়, যা 'Favoritism' বা অনুকূল আচরণের সমার্থক।
a Weaker
b Weakest
c Weakness
d Weaken
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Weaken কেন সঠিক: - 'Weaken' একটি ভার্ব বা ক্রিয়া, যার অর্থ দুর্বল করা বা হওয়া। - adjective 'weak'-এর সাথে '-en' suffix যুক্ত করে verb গঠন করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Weaker — এটি 'weak' adjective-এর comparative form বা তুলনামূলক ডিগ্রি। B) Weakest — এটি 'weak' adjective-এর superlative form বা অতিশয়ার্থবাচক ডিগ্রি। C) Weakness — এটি 'weak' adjective-এর noun form বা বিশেষ্য পদ। D) Weaken — এটি সঠিক verb form, যা প্রশ্নে চাওয়া হয়েছে। মনে রাখার টিপস: adjective শব্দের শেষে '-en' যুক্ত করলে সাধারণত তা verb-এ রূপান্তরিত হয়, যেমন soft থেকে soften।
a Metaphor
b Personification
c Simile
d Oxymoron
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Simile কেন সঠিক: - এই লাইনে 'like' বা 'as' শব্দ ব্যবহার করে মেঘের সঙ্গে কবির একাকিত্বের সরাসরি তুলনা করা হয়েছে। - দুটি ভিন্ন বস্তুর মধ্যে সাদৃশ্য বোঝাতে 'as' ব্যবহার করায় এটি একটি নিখুঁত সিমিলি বা উপমা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Metaphor — এটি মেটাফর বা রূপক নয়, কারণ এখানে সরাসরি তুলনা করতে 'as' ব্যবহার করা হয়েছে। B) Personification — এটি পারসোনিফিকেশন বা মানবীকরণ নয়, কারণ মেঘকে কোনো মানবগুণ দেওয়া হয়নি। C) Simile — এটি সঠিক উত্তর, তাই ভুল অপশন নয়। D) Oxymoron — এটি অক্সিমoron বা বিপরীতার্থক শব্দের জোড়া নয়। মনে রাখার টিপস: তুলনা করার সময় বাক্যে 'like' বা 'as' দেখলে চোখ বন্ধ করে 'Simile' দাগাবে।
a The last line of a book
b The end of a road
c The essential point
d The final step
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) The essential point কেন সঠিক: - 'Bottom line' একটি ইংরেজি ইডিয়ম বা ফ্রেজ, যার আক্ষরিক অর্থ হিসাবের খাতার শেষ লাইন বা নিট লাভ হলেও রূপক অর্থে এটি কোনো বিষয়ের মূল বা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে বোঝায়। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার ইংরেজি অংশে এই ফ্রেজটি প্রায়ই কোনো আলোচনা বা বিষয়ের সারসংক্ষেপ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The last line of a book — এটি কোনো বইয়ের শেষ লাইন বোঝায়, যা ফ্রেজটির রূপক অর্থ বা মূল ধারণার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) The end of a road — এটি রাস্তার শেষ মাথা বা সমাপ্তি বোঝায়, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি ভৌগোলিক বা বাস্তব অর্থ প্রকাশ করে। C) The essential point — এটি ফ্রেজটির সঠিক রূপক অর্থ প্রকাশ করে, যা কোনো আলোচনা বা বিষয়ের মূল বা প্রধান বিষয়কে নির্দেশ করে। D) The final step — এটি কোনো কাজের শেষ পদক্ষেপ বা পর্যায় বোঝায়, যা বিষয়ের মূল সারাংশ বা মূল পয়েন্টের সমার্থক নয়। মনে রাখার টিপস: হিসাবের খাতার একেবারে নিচের লাইনে আসল লাভ বা ফলাফল থাকে, ঠিক তেমনি লেখার বা কথার 'Bottom line' মানে হলো আসল ও জরুরি কথাটি।
a The bird was killed by me
b The bird had been killed by me
c The bird was being killed by me
d I had been killed the bird
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) The bird had been killed by me কেন সঠিক: - Active বাক্যের Past Perfect Tense (had + verb-এর past participle) Passive করার সময় had been + verb-এর past participle হয়। - Active বাক্যের Subject (I) Passive করার সময় Object (me) হয় এবং Object (the bird) Subject হিসেবে আসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The bird was killed by me — এটি Past Indefinite Tense-এর passive form, যা প্রদত্ত Past Perfect Tense-এর নিয়মকে অনুসরণ করে না। B) The bird had been killed by me — এটি প্রদত্ত প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ এতে Past Perfect Tense-এর passive গঠন সঠিকভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে। C) The bird was being killed by me — এটি Past Continuous Tense-এর passive form, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) I had been killed the bird — এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল গঠন, কারণ এখানে Subject ও Object-এর সঠিক পরিবর্তন করা হয়নি। মনে রাখার টিপস: Past Perfect Tense-এর active বাক্যকে passive করার সময় মনে রাখবে had-এর সাথে সবসময় একটি been যোগ করতে হয়।
a Poem : Stanza
b Essay : Topics
c Novel : Chapter
d Play : Acts
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Essay : Topics কেন সঠিক: - একটি পূর্ণাঙ্গ প্রবন্ধ বা Essay বিভিন্ন প্যারাগ্রাফে বিভক্ত থাকে, একাধিক টপিক বা বিষয়ের সমাহার নয়। - সাহিত্যিক কাঠামোর দিক থেকে উপন্যাস, কবিতা বা নাটকের মতো প্রবন্ধের অভ্যন্তরীণ গঠন ভিন্ন হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Poem : Stanza — কবিতা যেমন স্তবক বা Stanza নিয়ে গঠিত, তেমনি এখানে অংশ ও পূর্ণাঙ্গ রূপের সঠিক মিল রয়েছে। B) Essay : Topics — প্রবন্ধ বিভিন্ন অনুচ্ছেদে বিভক্ত হয়, তাই টপিক বা বিষয়ের সাথে এর এই মিলটি অসামঞ্জস্যপূর্ণ ও ভুল। C) Novel : Chapter — উপন্যাস যেমন অধ্যায় বা Chapter নিয়ে গঠিত, তাই এই জোড়টি সম্পূর্ণ সঠিক। D) Play : Acts — নাটক যেমন অঙ্ক বা Act নিয়ে গঠিত, তাই এই জোড়টিও সাহিত্যিক কাঠামোর বিচারে সঠিক। মনে রাখার টিপস: সাহিত্যকর্মের ছোট অংশ হলো কবিতা স্তবক, উপন্যাসের অধ্যায় এবং নাটকের অঙ্ক; কিন্তু প্রবন্ধ বিষয়ের সমষ্টি নয়, তাই এটিই অমিল।
a Questionaire
b Questionoir
c Questionnaire
d Questionair
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Questionnaire কেন সঠিক: - বানানটিতে শেষ অংশে ফ্রেঞ্চ প্রত্যয় -aire যুক্ত হয়েছে, যা এটিকে সঠিক রূপ দেয়। - শব্দটিতে ডাবল n এবং ডাবল e রয়েছে, যা বানান শুদ্ধির ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Questionaire — এতে একটি n কম আছে এবং সঠিক ফ্রেঞ্চ প্রত্যয় ব্যবহার করা হয়নি। B) Questionoir — এর শেষের অংশ ভুল, কারণ এখানে -oir প্রত্যয় ব্যবহার করা হয়েছে যা গ্রহণযোগ্য নয়। C) Questionnaire — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এর বানান সম্পূর্ণ নির্ভুল। D) Questionair — এর শেষের অংশে বানান ভুল রয়েছে এবং সঠিক প্রত্যয় অনুপস্থিত। মনে রাখার টিপস: বানানটি মনে রাখতে প্রশ্ন অংশটির সাথে ডাবল n এবং ফ্রেঞ্চ প্রত্যয় aire যুক্ত করে Questionnaire শব্দটি মনে রাখতে হবে।
a Lavatory
b Quay
c Mint
d Aviary
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Mint কেন সঠিক: - 'Mint' শব্দটির অর্থ টাঙ্কশাল বা যেখানে সরকারিভাবে মুদ্রা বা টাকা তৈরি করা হয়। - নির্দিষ্ট স্থান বা ভবনের ক্ষেত্রে এক কথায় প্রকাশ বা One Word Substitution হিসেবে এটি ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Lavatory — এটি শৌচাগার বা বাথরুম বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যেখানে টাকা তৈরির কোনো সম্পর্ক নেই। B) Quay — এটি নদী বা সমুদ্রের তীরবর্তী ঘাট, যেখানে জাহাজ ভেড়ানো হয় এবং মালপত্র নামানো হয়। C) Mint — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। D) Aviary — এটি এমন একটি স্থান যেখানে প্রচুর পাখি রাখা বা লালন-পালন করা হয়। মনে রাখার টিপস: টাকা বা কয়েন (Coin) তৈরির কারখানাকে 'Mint' বলা হয়, যা আমরা পুদিনা পাতার ইংরেজি নামের সঙ্গে মিলিয়ে মনে রাখতে পারি।
a Austerity
b Poverty
c Essential
d Affluence
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Austerity কেন সঠিক: - Luxury শব্দের অর্থ বিলাসিতা, যার মূল ভাব প্রাচুর্য ও অতিরিক্ত আরাম-আয়েশ। - Austerity শব্দের অর্থ কঠোর সংযম বা অপরিসীম মিতব্যয়িতা, যা Luxury শব্দের সরাসরি বিপরীতার্থক। - উল্লেখ্য, প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় Luxury শব্দের সবচেয়ে মানসম্মত antonym হিসেবে Austerity বা Simplicity গ্রহণযোগ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Austerity - এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বিলাসিতার বিপরীত শব্দ হিসেবে সংযম বা মিতব্যয়িতা প্রকাশ করে। B) Poverty - এর অর্থ দারিদ্র্য। এটি Luxury শব্দের বিপরীত হলেও Affluence বা Wealth শব্দের antonym হিসেবে অধিক উপযুক্ত। C) Essential - এর অর্থ আবশ্যিক বা প্রয়োজনীয়। এটি বিলাসিতার সরাসরি বিপরীতার্থক শব্দ নয়। D) Affluence - এর অর্থ সচ্ছলতা বা প্রাচুর্য। এটি Luxury শব্দের সমার্থক বা synonym হিসেবে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: Luxury মানে অতিরিক্ত খরচ ও বিলাসিতা, আর Austerity মানে সবকিছুর ক্ষেত্রে কঠোর সংযম ও মিতব্যয়িতা।

মোট প্রশ্ন (20)

a 20/41
b 20/39
c 40/41
d 400/39
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৪০০/৩৯ প্রদত্ত তথ্য: অনুক্রমটি হলো ১, ৪/৩, ৯/৫, ... এই অনুক্রমটির ২০ তম পদ নির্ণয় করতে হবে ধরি, অনুক্রমটির লবগুলোর ধারা হলো ১, ৪, ৯, ... অনুক্রমটির হরগুলোর ধারা হলো ১, ৩, ৫, ... অতএব, লবগুলোর সাধারণ পদ হলো এন এর বর্গ (এন স্কয়ার) হরগুলোর সাধারণ পদ হলো দুই গুণ এন বিয়োগ এক সুতরাং, ২০ তম পদের লব হবে কুড়ি গুণ কুড়ি সমান চারশত ২০ তম পদের হর হবে দুই গুণ কুড়ি বিয়োগ এক সমান ঊনচল্লিশ উত্তর: ৪০০/৩৯
a x + y - 1
b x + y + 1
c x - y - 1
d 1 - x - y
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) x + y - 1 প্রদত্ত তথ্য: রাশিটি হলো x এর বর্গ বিয়োগ y এর বর্গ যোগ ২y বিয়োগ ১ ধরি, রাশিটিকে সাজিয়ে লেখা যায় x এর বর্গ বিয়োগ ব্র্যাকেটের মধ্যে y এর বর্গ বিয়োগ ২y যোগ ১ অতএব, ব্র্যাকেটের ভেగের অংশটি হলো y বিয়োগ ১ এর সম্পূর্ণ বর্গ সুতরাং, সম্পূর্ণ রাশিটি দাঁড়ায় x এর বর্গ বিয়োগ (y বিয়োগ ১) এর সম্পূর্ণ বর্গ উত্তর: a এর বর্গ বিয়োগ b এর বর্গ সূত্র প্রয়োগ করে উৎপাদক দুটি হলো (x + y - 1) এবং (x - y + 1)
a ৩০%
b ২৫%
c ২০%
d ১৫%
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২০% প্রদত্ত তথ্য: ক্রয়মূল্য ও বিক্রয়মূল্যের অনুপাত = ৫ : ৬ ধরি, ক্রয়মূল্য = ৫ টাকা বিক্রয়মূল্য = ৬ টাকা অতএব, লাভ = বিক্রয়মূল্য − ক্রয়মূল্য লাভ = ৬ − ৫ = ১ টাকা সুতরাং, লাভের হার = (লাভ ÷ ক্রয়মূল্য) × ১০০% লাভের হার = (১ ÷ ৫) × ১০০% উত্তর: ২০%
a {x ∈ R : x ≥ 1/4}
b {x ∈ R : x ≤ 1/4}
c {x ∈ R : x < 1/4}
d {x ∈ R : x ≥ 4}
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) x ∈ R : x ≥ ১/৪ প্রدত্ত তথ্য: ফাংশনটি হলো f(x) = √(৪x − ১) বাস্তব সংখ্যার জন্য বর্গমূলের ভেতরের মান শূন্য বা ধনাত্মক হতে হয় ধরি, সংজ্ঞায়িত হওয়ার শর্ত হলো ৪x − ১ ≥ ০ এই অসমতাটি সমাধান করতে হবে অতএব, ৪x ≥ ১ x ≥ ১/৪ সুতরাং, নির্ণেয় ডোমেন হলো x এর সেই সকল মান যা এক চতুর্থাংশের সমান বা বড় উত্তর: x ∈ R : x ≥ ১/৪
a 45
b 47
c 49
d 51
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪৭ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো x² − ৭x + ১ = ০ ধরি, x দিয়ে সমীকরণটিকে ভাগ করে পাই x + (১ ÷ x) = ৭ অতএব, প্রদত্ত রাশিটি হলো (x⁴ + ১) ÷ x² এটিকে ভেঙে লেখা যায় x² + (১ ÷ x²) সুতরাং, মান বসিয়ে পাই, (x + ১ ÷ x)² − ২ অর্থাৎ ৭² − ২ = ৪৯ − ২ = ৪৭ উত্তর: ৪৭
a 1/6
b 1/3
c 1/2
d 1
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১/২ প্রদত্ত তথ্য: একটি সাধারণ ছক্কায় মোট পৃষ্ঠের সংখ্যা ছয়টি ধরি, ছক্কার নমুনা ক্ষেত্র = ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬ ছক্কায় বিজোড় সংখ্যাগুলো হলো = ১, ৩, ৫ বিজোড় সংখ্যার মোট পরিমাণ = তিনটি অতএব, সম্ভাবনার সূত্র অনুযায়ী মোট ফলাফল = ৬ অনুকূল ফলাফল বা বিজোড় সংখ্যা আসার সম্ভাবনা = ৩ সম্ভাবনা নির্ণয়ের ভগ্নাংশ = ৩ ÷ ৬ সুতরাং, কাটাকাটি করে প্রাপ্ত মান = ১ ÷ ২ উত্তর: ১/২
a 3 : 4
b 9 : 4
c 9 : 16
d 9 : 32
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৯ : ১৬ প্রদত্ত তথ্য: দুটি বৃত্তের পরিধির অনুপাত = ৩ : ৪ ধরি, প্রথম বৃত্তের ব্যাসার্ধ = r১ এবং পরিধি = ২ π r১ দ্বিতীয় বৃত্তের ব্যাসার্ধ = r২ এবং পরিধি = ২ π r২ অতএব, প্রশ্নমতে, (২ π r১) ÷ (২ π r২) = ৩ ÷ ৪ অর্থাৎ, r১ ÷ r২ = ৩ ÷ ৪ সুতরাং, প্রথম বৃত্তের ক্ষেত্রফল = π (r১)^২ দ্বিতীয় বৃত্তের ক্ষেত্রফল = π (r২)^২ উত্তর: ক্ষেত্রফলের অনুপাত = (৩ × ৩) : (৪ × ৪) = ৯ : ১৬
a -4
b 4
c -1/4
d 1/4
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) −৪ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো দুই এর ঘাত এক্স সমান এক বাই ষোলো। ধরি, ষোলো হলো দুই এর চার ঘাত। অতএব, এক বাই ষোলো সমান লেখা যায় এক বাই দুই এর চার ঘাত। সুতরাং, সূচকের নিয়ম অনুযায়ী একে লেখা যায় দুই এর ঘাত মাইনাস চার। উত্তর: এক্স এর মান মাইনাস চার।
a 40°
b 120°
c 140°
d 180°
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৪০° প্রদত্ত তথ্য: ABCD একটি সামান্তরিক কর্ণদ্বয় পরস্পর O বিন্দুতে ছেদ করে ∠AOD এর মান ৪০° ধরি, AC এবং BD কর্ণ দুটি O বিন্দুতে মিলিত হয় AC একটি সরলরেখা এবং BD তার ওপর অবস্থিত ∠AOD এবং ∠COD পরস্পর পরিপূরক কোণ অতএব, ∠AOD + ∠COD = ১৮০° ৪০° + ∠COD = ১৮০° ∠COD = ১৮০° − ৪০° সুতরাং, ∠COD এর মান হলো ১৪০° উত্তর: ১৪০°
a ৪ মিটার
b ১৬ মিটার
c ৪৮ মিটার
d ৬৪ মিটার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৬ মিটার প্রদত্ত তথ্য: ট্রাপিজিয়ামের সমান্তরাল বাহুদ্বয়ের দৈর্ঘ্য ৩২ মিটার ও ৬৪ মিটার ট্রাপিজিয়ামের ক্ষেত্রফল ৭৬৮ বর্গমিটার ধরি, প্রথম সমান্তরাল বাহু ক = ৩২ মিটার দ্বিতীয় সমান্তরাল বাহু খ = ৬৪ মিটার সমান্তরাল বাহুদ্বয়ের মধ্যবর্তী লম্ব দূরত্ব = গ মিটার অতএব, ট্রাপিজিয়ামের ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × (ক + খ) × গ মান বসিয়ে পাই, ৭৬৮ = (১ ÷ ২) × (৩২ + ৬৪) × গ ক্ষেত্রফলের সূত্র অনুযায়ী পাই, ৭৬৮ = (১ ÷ ২) × ৯৬ × গ সুতরাং, ৭৬৮ = ৪৮ × গ গ = ৭৬৮ ÷ ৪৮ উত্তর: ১৬ মিটার
a 4√3
b 3√3
c 2√3
d √3
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) √৩ প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজটি একটি সমবাহু ত্রিভুজ ত্রিভুজটির প্রতিটি বাহুর দৈর্ঘ্য দুই একক ধরি, সমবাহু ত্রিভুজের বাহুর দৈর্ঘ্য ক = ২ একক অতএব, সমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফলের সূত্রটি হলো ক্ষেত্রফল সমান (√৩ ÷ ৪) × (বাহু × বাহু) সুতরাং, ক্ষেত্রফল সমান (√৩ ÷ ৪) × (২ × ২) উত্তর: √৩ বর্গ একক
a 20
b 30
c 45
d 55
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩০ প্রদত্ত তথ্য: দুটি সংখ্যার অনুপাত = ২ : ৫ সংখ্যা দুটির সমষ্টি = ৭০ ধরি, প্রথম সংখ্যাটি = ২ক দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৫ক অতএব, সংখ্যা দুটির যোগফল = ২ক + ৫ক = ৭ক শর্তমতে, ৭ক = ৭০ সুতরাং, ক = ৭০ ÷ ৭ = ১০ উত্তর: সংখ্যা দুটির অন্তরফল = (৫ক − ২ক) = ৩ক = ৩ × ১০ = ৩০
a 2√2
b √3 / 2
c 3√2
d √6
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩√২ প্রদত্ত তথ্য: লগারিদম সমীকরণ হলো log_x ৩২৪ = ৪ ধরি, লগারিদমের সংজ্ঞা অনুযায়ী সমীকরণটিকে সূচকের আকারে লেখা যায় অতএব, x এর পাওয়ার ৪ = ৩২৪ সুতরাং, x এর পাওয়ার ৪ = (৩√২) এর পাওয়ার ৪ উত্তর: ৩√২
a 8
b 6
c 9
d 12
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১২ প্রদত্ত তথ্য: তিনটি ক্রমিক স্বাভাবিক সংখ্যার গুণফল হলো ছয় ধরি, প্রথম সংখ্যাটি হলো ক দ্বিতীয় সংখ্যাটি হলো ক + ১ তৃতীয় সংখ্যাটি হলো ক + ২ অতএব, সংখ্যা তিনটির গুণফল ক × (ক + ১) × (ক + ২) = ৬ এখানে ক এর মান ১ বসালে পাই ১ × ২ × ৩ = ৬ সুতরাং, সংখ্যা তিনটি হলো ১, ২ এবং ৩ সংখ্যাত্রয়ের সমষ্টি = ১ + ২ + ৩ = ৬ উত্তর: সমষ্টির দ্বিগুণ = ৬ × ২ = ১২
a ১ ঃ ২
b ৩ ঃ ২
c ২ ঃ ৩
d ৪ ঃ ৯
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৪ ঃ ৯ প্রদত্ত তথ্য: দুটি গোলকের আয়তনের অনুপাত = ৮ ঃ ২৭ ধরি, প্রথম গোলকের ব্যাসার্ধ = আর ওয়ান দ্বিতীয় গোলকের ব্যাসার্ধ = আর টু অতএব, প্রথম গোলকের আয়তন ভাগের দ্বিতীয় গোলকের আয়তন = চার তৃতিয়াংশ পাই আর ওয়ান কিউব ভাগ চার তৃতিয়াংশ পাই আর টু কিউব শর্তমতে, আর ওয়ান কিউব ভাগ আর টু কিউব = আট ভাগ সাতাশ উভয় পক্ষের ঘনমূল করে পাই, আর ওয়ান ভাগ আর টু = দুই ভাগ তিন সুতরাং, প্রথম গোলকের ক্ষেত্রফল ভাগের দ্বিতীয় গোলকের ক্ষেত্রফল = চার পাই আর ওয়ান স্কয়ার ভাগ চার পাই আর টু স্কয়ার মান বসিয়ে পাই, আর ওয়ান স্কয়ার ভাগ আর টু স্কয়ার = দুই স্কয়ার ভাগ তিন স্কয়ার উত্তর: চার ঃ নয়
a 10
b 15
c 25
d 30
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩০ প্রদত্ত তথ্য: পুরুষের মোট সংখ্যা = ৫ জন মহিলার মোট সংখ্যা = ৪ জন ধরি, পুরুষ নির্বাচনের ক্ষেত্র = ৫ জন থেকে ১ জন মহিলা নির্বাচনের ক্ষেত্র = ৪ জন থেকে ২ জন অতএব, ১ জন পুরুষ নির্বাচনের উপায় = ৫ C ১ = ৫ ২ জন মহিলা নির্বাচনের উপায় = ৪ C ২ = (৪ × ৩) ÷ (২ × ১) = ৬ সুতরাং, মোট কমিটি গঠনের উপায় = ৫ × ৬ = ৩০ উত্তর: ৩০
a 2 + √3
b 1 / (2 + √3)
c 1 / (2 - √3)
d 1/5
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১ / (২ + √৩) প্রদত্ত তথ্য: দেওয়া আছে, x + √৩ = ২ ধরি, x এর মান বের করতে হবে x = ২ − √৩ x এর বিপরীত মান হলো x এর পাওয়ার মাইনাস এক অতএব, x এর পাওয়ার মাইনাস এক সমান ১ ÷ x এখানে x এর জায়গায় মান বসাই ১ ÷ (২ − √৩) সুতরাং, লব ও হরকে (২ + √৩) দিয়ে গুণ করি হর হবে দুই এর বর্গ বিয়োগ √৩ এর বর্গ অর্থাৎ চার বিয়োগ তিন সমান এক উত্তর: ১ / (২ + √৩)
a x + 2y = 5
b 2x + y = 7
c x + 3y = 10
d 2x + y = 6
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২x + y = ৭ প্রدত্ত তথ্য: বিন্দুর স্থানাংক হলো x = ২ এবং y = ৩ ধরি, বিকল্প এ সমীকরণের বামপক্ষ = x + ২y অতএব, বামপক্ষ = ২ + (২ × ৩) = ২ + ৬ = ৮ (যা ৫ এর সমান নয়) ধরি, বিকল্প বি সমীকরণের বামপক্ষ = ২x + y অতএব, বামপক্ষ = (২ × ২) + ৩ = ৪ + ৩ = ৭ (যা ডানপক্ষের সমান) সুতরাং, (২, ৩) বিন্দুটি ২x + y = ৭ সমীকরণকে সিদ্ধ করে উত্তর: B) ২x + y = ৭
a ১,৫০০ টাকা
b ৪,০০০ টাকা
c ৪,৫০০ টাকা
d ৪,৮০০ টাকা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৪,৮০০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: আসল P = ১০,০০০ টাকা মুনাফার হার r = ১২% বা ১২ ÷ ১০০ সময় n = ৪ বছর ধরি, মোট সরল মুনাফা = I টাকা আমরা জানি, I = P × r × n অতএব, I = ১০,০০০ × (১২ ÷ ১০০) × ৪ সুতরাং, I = ১০,০০০ × ০.১২ × ৪ উত্তর: ৪,৮০০ টাকা
a 8000
b 2000
c 1600
d 800
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৮০০০ প্রদত্ত তথ্য: সম্পত্তির তিন-অষ্টমাংশের মূল্য = ১৬০০ টাকা ধরি, সম্পত্তির মোট অংশ = এক অংশ সম্পত্তির দুই-অষ্টমাংশের মূল্য = ক টাকা অতএব, তিন-অষ্টমাংশ অংশের মূল্য ১৬০০ টাকা হলে, সম্পূর্ণ সম্পত্তির মূল্য = ১৬০০ × ৮ ÷ ৩ টাকা সুতরাং, ঐ সম্পত্তির দুই-অষ্টমাংশের মূল্য = ১৬০০ × ৮ × ২ ÷ (৩ × ৮) টাকা ঐ সম্পত্তির দুই-অষ্টমাংশের মূল্যের চার গুণ = (১৬০০ × ৮ × ২ ÷ ২৪) × ৪ টাকা উত্তর: ৮০০০ টাকা

মোট প্রশ্ন (24)

a ১৯৭১ সালে
b ১৮৬২ সালে
c ১৯৮৭ সালে
d ১৯৫২ সালে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৮৬২ সালে কেন সঠিক: - ব্রিটিশ আমলে ১৮৬২ সালের ১৫ নভেম্বর দর্শনা থেকে কুষ্টিয়ার জাগতি পর্যন্ত ৫৩ কিলোমিটার রেলপথ চালুর মাধ্যমে বাংলাদেশে প্রথম ট্রেন চলাচল শুরু হয়। - এটি ছিল তৎকালীন ইস্টার্ন বেঙ্গল রেলওয়ের অধীনে উপমহাদেশের অন্যতম প্রাচীন রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৭১ সালে — এই সালে বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করে, যা রেল লাইন চালুর অনেক পরের ঘটনা। B) ১৮৬২ সালে — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) ১৯৮৭ সালে — এটি রেল লাইন স্থাপনের সময়কাল নয়, বরং এটি একটি ভুল সাল। D) ১৯৫২ সালে — এই সালে ভাষা আন্দোলন সংঘটিত হয়, যা রেল লাইন স্থাপনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: রেল চালু ১৮৬২, কুষ্টিয়ার জাগতি থেকে দর্শনা হলো সেই।
a তৃতীয়
b চতুর্থ
c পঞ্চম
d ষষ্ঠ
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও ঐতিহাসিক ঘটনা সঠিক উত্তর: D) ষষ্ঠ কেন সঠিক: - ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি বিএনপির অধীনে ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, যা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত প্রথম নির্বাচন। - রাজনৈতিক সংকটের মুখে তৎকালীন সরকার সংবিধান সংশোধন করে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন ব্যবস্থা চালুর পর এই সংসদ ভেঙে দেওয়া হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) তৃতীয় — তৃতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচন ১৯৮৬ সালে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সামরিক শাসনের অধীনে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। B) চতুর্থ — চতুর্থ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ১৯৮৮ সালে বিরোধী দলগুলোর বর্জনের মুখে একদলীয়ভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সি) পঞ্চম — পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচন ১৯৯১ সালে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে নির্দলীয় অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত হয়। ডি) ষষ্ঠ — ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিধান পাস হওয়ার আগে ১৫ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হলেও পরবর্তীকালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে প্রথম নির্বাচন হয় সপ্তম জাতীয় সংসদ। (প্রদত্ত প্রশ্নে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের রূপরেখা পাশের পূর্ববর্তী সংসদ বোঝানো হয়েছে) মনে রাখার টিপস: তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আইন পাসের পর গঠিত প্রথম নির্বাচন ছিল সপ্তম, তবে এই ব্যবস্থার অধীনে প্রথম ভোটগ্রহণ হয় ষষ্ঠ সংসদে।
a ১৭ অক্টোবর, ১৯৭২
b ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭২
c ১৭ অক্টোবর, ১৯৭৪
d ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: D) ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ২৯তম সাধারণ অধিবেশনে আনুষ্ঠানিকভাবে ১৩৬তম সদস্যপদ লাভ করে। - ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ সদস্যপদের জন্য আবেদন করলেও পাকিস্তানের বন্ধুরাষ্ট্র গণচীনের ভেটো প্রয়োগের কারণে তা স্থগিত ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৭ অক্টোবর, ১৯৭২ — এই তারিখে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ পায়নি, এটি একটি ভুল তারিখ। B) ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭২ — এই তারিখে বাংলাদেশ সদস্যপদ পায়নি, তবে এই বছর বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্য হওয়ার জন্য প্রথম আবেদন করেছিল। C) ১৭ অক্টোবর, ১৯৭৪ — এই তারিখে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করেনি, সঠিক তারিখটি সেপ্টেম্বর মাসের ১৭ তারিখ। D) ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই দিন বাংলাদেশ জাতিসংঘের পূর্ণ সদস্যপদ লাভ করে। মনে রাখার টিপস: ১৯৭১ সালে দেশ স্বাধীন হওয়ার প্রায় তিন বছর পর ১৯৭৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্য হয়।
a পৃথিবীর কেন্দ্রে
b মেরু অঞ্চলে
c বিষুব অঞ্চলে
d পাহাড়ের উপরে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মেরু অঞ্চলে কেন সঠিক: - পৃথিবীর আকৃতি সম্পূর্ণ গোল নয়, বরং এটি মেরু অঞ্চলে কিছুটা চাপা এবং বিষুব অঞ্চলে স্ফীত। - কেন্দ্র থেকে মেরু অঞ্চলের দূরত্ব কম হওয়ায় সেখানে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান বেশি হয় এবং ওজনের সূত্র অনুযায়ী ভর ও অভিকর্ষজ ত্বরণের গুণফল হওয়ায় ওজনের পরিমাণও বেশি হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পৃথিবীর কেন্দ্রে — পৃথিবীর কেন্দ্রে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান শূন্য হওয়ায় সেখানে বস্তুর ওজনও শূন্য হয়। B) মেরু অঞ্চলে — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) বিষুব অঞ্চলে — বিষুব অঞ্চলে পৃথিবীর ব্যাসার্ধ বেশি থাকায় অভিকর্ষজ ত্বরণ কম হয়, ফলে বস্তুর ওজনও কম হয়। D) পাহাড়ের উপরে — পাহাড়ের উপরে কেন্দ্র থেকে দূরত্ব বেড়ে যাওয়ায় অভিকর্ষজ ত্বরণ কমে যায় এবং বস্তুর ওজনও হ্রাস পায়। মনে রাখার টিপস: মেরু অঞ্চল চাপা হওয়ায় সেখানে দূরত্ব কম এবং ওজন বেশি।
a তৃতীয়
b চতুর্থ
c পঞ্চম
d দ্বিতীয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চতুর্থ কেন সঠিক: - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণটি সংবিধানের চতুর্থ তফসিলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। - সংবিধানের ১৫০ অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী এই ভাষণটি চতুর্থ তফসিলে সংযোজন করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) তৃতীয় — এই তফসিলে প্রজাতন্ত্রের কতিপয় পদাধিকারীর শপথ ও ঘোষণাসংক্রান্ত বিধান রয়েছে। B) চতুর্থ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) পঞ্চম — এই তফসিলে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট থেকে ১৯৭৯ সালের ৯ এপ্রিল পর্যন্ত সময়ের অসাংবিধানিক সরকারগুলোকে বৈধতা দেওয়া সংক্রান্ত বিধান ছিল যা পরবর্তীতে বাতিল হয়। D) দ্বিতীয় — এই তফসিলে রাষ্ট্রপতির নির্বাচনসংক্রান্ত বিধানাবলি উল্লেখ করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: সংবিধানের শেষ বা গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক দলিলগুলো সাধারণত চতুর্থ তফসিলে স্থান পায়, যেমনটি ৭ই মার্চের ভাষণের ক্ষেত্রে ঘটেছে।
a নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়
b বেসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রণালয়
c বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়
d প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় কেন সঠিক: - স্পারসো বাংলাদেশের একটি সরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান যা জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত। - ১৯৭৯ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে এটি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কাঠামোর অধীনে পরিচালিত হয়ে আসছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয় — এটি জলপথ, সমুদ্রবন্দর এবং নৌযান চলাচল সংক্রান্ত বিষয়গুলো নিয়ন্ত্রণ করে, যা মহাকাশ গবেষণার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) বেসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রণালয় — এটি বিমান চলাচল ও বিমানবন্দর পরিচালনা করে, যা মহাকাশ বা উপগ্রহ গবেষণার দায়িত্বে নিয়োজিত নয়। C) বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় — বিজ্ঞান গবেষণার সঙ্গে জড়িত হলেও প্রশাসনিকভাবে স্পারসো এই মন্ত্রণালয়ের অধীনে নয়। D) প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় — এটি সঠিক উত্তর কারণ স্পারসো এই মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন একটি বিশেষায়িত সংস্থা। মনে রাখার টিপস: মহাকাশ গবেষণা দূর থেকে দেশের ওপর নজরদারি করে, তাই এর নিয়ন্ত্রণ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের হাতে থাকে।
a ১১ মার্চ ২০২০, WHO
b ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯, UNICEF
c ১৪ মার্চ ২০২০
d ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২০, WHO
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১১ মার্চ ২০২০, WHO কেন সঠিক: - বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা ডব্লিউএইচও ২০২০ সালের ১১ মার্চ তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে কোভিড-১৯ প্রাদুর্ভাবকে বৈশ্বিক মহামারি হিসেবে ঘোষণা করে। - সারাবিশ্বে করোনাভাইরাস দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার কারণে এবং এর ভয়াবহতা বিবেচনা করে আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য প্রবিধানের আওਤਾভুক্ত এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১১ মার্চ ২০২০, WHO — এটি সঠিক উত্তর, কারণ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এই দিনেই কোভিড-১৯ কে বৈশ্বিক মহামারি ঘোষণা করেছিল। B) ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯, UNICEF — এই তারিখে কোভিড-১৯ কে মহামারি ঘোষণা করা হয়নি, এটি জাতিসংঘের শিশু তহবিল সম্পর্কিত। C) ১৪ মার্চ ২০২০ — এটি সঠিক তারিখ নয়, এর তিন দিন আগে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা মহামারি ঘোষণা করেছিল। D) ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২০, WHO — এই তারিখে ডব্লিউএইচও করোনাভাইরাসজনিত রোগের নাম কভিড-১৯ বা COVID-19 নির্ধারণ করেছিল, মহামারি ঘোষণা নয়। মনে রাখার টিপস: করোনাভাইরাস বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ার পর ২০২০ সালের ১১ মার্চ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা একে মহামারি ঘোষণা করে, তারিখটি মনে রাখতে মার্চ মাসের এগারো দিন মনে রাখুন।
a পটুয়াখালী জেলায়
b রাঙামাটি জেলায়
c বরিশাল জেলায়
d কক্সবাজার জেলায়
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভূগোল ও পরিবেশ / বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: D) কক্সবাজার জেলায় কেন সঠিক: - বাংলাদেশের রাখাইন উপজাতির মানুষের প্রধান বসতি কক্সবাজার জেলায় অবস্থিত। - এছাড়া পটুয়াখালী ও বরগুনা জেলায়ও রাখাইনরা বসবাস করে, তবে সর্বাধিক জনসংখ্যা কক্সবাজার জেলায় রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পটুয়াখালী জেলায় — পটুয়াখালী জেলায় কিছু রাখাইন উপজাতির বসবাস থাকলেও তা কক্সবাজারের তুলনায় অনেক কম। B) রাঙামাটি জেলায় — রাঙামাটি জেলায় চাকমা, মারমা ও তঞ্চঙ্গ্যা উপজাতির আধিক্য রয়েছে, রাখাইনদের প্রধান বসতি এখানে নয়। C) বরিশাল জেলায় — বরিশাল জেলায় রাখাইন উপজাতির উল্লেখযোগ্য কোনো জনবসতি নেই। D) কক্সবাজার জেলায় — এটি সঠিক উত্তর কারণ রাখাইনদের সর্বোচ্চ ঘনত্ব ও সংখ্যা এই জেলায় বিদ্যমান। মনে রাখার টিপস: রাখাইন উপজাতির প্রধান আবাসস্থল মনে রাখতে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের কথা স্মরণ করতে পারেন।
a ১৯৬৫ সালে
b ১৯৬৬ সালে
c ১৯৬৭ সালে
d ১৯৬৮ সালে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯৬৭ সালে কেন সঠিক: - এটি ঐতিহাসিক তৃতীয় আরব-ইসরাইল যুদ্ধ বা ছয় দিনের যুদ্ধ নামে পরিচিত, যা ১৯৬৭ সালের ৫ থেকে ১০ জুন পর্যন্ত সংঘটিত হয়েছিল। - এই যুদ্ধে ইসরাইল মাত্র ছয় দিনে মিসর, জর্ডান এবং সিরিয়ার যৌথ বাহিনীকে পরাজিত করে ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকা, পশ্চিম তীর এবং পূর্ব জেরুজালেম দখল করে নেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৬৫ সালে — এই সালে কোনো আরব-ইসরাইল যুদ্ধ হয়নি, তবে ১৯৬৫ সালে পাক-ভারত যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল। B) ১৯৬৬ সালে — এই সালে আরব ও ইসরাইলের মধ্যে কোনো পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধ সংঘটিত হয়নি, এটি মূলত আন্তঃসীমান্ত উত্তেজনার বছর ছিল। C) ১৯৬৭ সালে — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ এই সালেই বিখ্যাত ছয় দিনের আরব-ইসরাইল যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল। D) ১৯৬৮ সালে — এই সালে আরব-ইসরাইল যুদ্ধ হয়নি, তবে ১৯৬৭ সালের যুদ্ধের পর এই অঞ্চলে নানা রাজনৈতিক অস্থিরতা ও পাল্টাপাল্টি হামলা অব্যাহত ছিল। মনে রাখার টিপস: আরব-ইসরাইলের বিখ্যাত ছয় দিনের যুদ্ধ মনে রাখতে ১৯৬৭ সালটি মনে রাখুন, যেখানে ইসরাইল মাত্র ছয় দিনে জয়লাভ করেছিল।
a ফরাসি ইঞ্জিনিয়ার কনসোর্টিয়াম ১৯৮৯ সালে
b বাংলাদেশের প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৭৯ সালে
c খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৭৮ সালে
d চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৮৯ সালে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ফরাসি ইঞ্জিনিয়ার কনসোর্টিয়াম ১৯৮৯ সালে কেন সঠিক: - বাংলাদেশ জাতীয় বিল্ডিং কোডের অংশ হিসেবে ১৯৮৯ সালে ফরাসি ইঞ্জিনিয়ার কনসোর্টিয়াম দেশের প্রথম ভূমিকম্প বলয় মানচিত্র তৈরি করে। - এই মানচিত্রের মাধ্যমে বাংলাদেশকে বিভিন্ন ভূমিকম্প ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলে ভাগ করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফরাসি ইঞ্জিনিয়ার কনসোর্টিয়াম ১৯৮৯ সালে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই প্রতিষ্ঠানটিই প্রথম বাংলাদেশের ভূমিকম্প বলয় মানচিত্র প্রণয়ন করেছিল। B) বাংলাদেশের প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৭৯ সালে — এই তথ্যটি সঠিক নয় কারণ বুয়েট সরাসরি এই মানচিত্র তৈরি করেনি। C) খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৭৮ সালে — কুয়েট তখন এই ধরনের কোনো জাতীয় মানচিত্র তৈরি করেনি। D) চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৮৯ সালে — চুয়েট এই ঐতিহাসিক মানচিত্র তৈরির সঙ্গে যুক্ত ছিল না। মনে রাখার টিপস: ভূমিকম্প মানচিত্র তৈরির সঙ্গে ফরাসি ইঞ্জিনিয়ার কনসোর্টিয়াম এবং সালটি হিসেবে ১৯৮৯ সংখ্যাটি মনে রাখতে হবে।
a চীন
b সিরিয়া
c মরক্কো
d লেবানন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মরক্কো কেন সঠিক: - ইবনে বতুতা চতুর্দশ শতকের একজন বিখ্যাত মরক্কীয় পর্যটক, অভিযাত্রী ও বিচারক ছিলেন। - তিনি মরক্কোর তাঞ্জিয়ার শহরে জন্মগ্রহণ করেন এবং তাঁর বিখ্যাত ভ্রমণগ্রন্থ রেহলা এর জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চীন — এটি একটি এশীয় দেশ হলেও ইবনে বতুতার জন্মস্থান বা মূল দেশ নয়, তিনি চীন ভ্রমণ করেছিলেন মাত্র। B) সিরিয়া — এটি মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশ, যা ইবনে বতুতার জন্মস্থান বা নাগরিকত্ব নির্দেশ করে না। C) মরক্কো — এটিই সঠিক উত্তর কারণ তিনি মরক্কোর তাঞ্জিয়ারে জন্মগ্রহণ করেন। D) লেবানন — এটি মধ্যপ্রাচ্যের অন্য একটি দেশ, যা ইবনে বতুতার প্রকৃত জন্মভূমি বা নাগরিক দেশের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: ইবনে বতুতা শব্দটি মরক্কোর সঙ্গে যুক্ত করতে মনে রাখুন মরক্কোর তাঞ্জিয়ার শহরের বিশ্বখ্যাত পর্যটক ছিলেন তিনি।
a জার্মানি
b ইতালি
c সুইডেন
d যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ইতালি কেন সঠিক: - ফিয়াট হলো একটি বিখ্যাত ইতালীয় অটোমোবাইল প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান। - এটি ১৮৯৯ সালে ইতালির তুরিন শহরে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জার্মানি — এটি ফিয়াট কোম্পানির উৎপত্তিস্থল বা দেশ নয়, এটি বিএমডব্লিউ এবং মার্সিডিজ বেঞ্জের দেশ। B) ইতালি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) সুইডেন — এটি ফিয়াট কোম্পানির দেশ নয়, এটি ভলভো গাড়ির নির্মাতা দেশ। D) যুক্তরাষ্ট্র — এটি ফিয়াটের দেশ নয়, এটি ফোর্ড ও টেসলার মতো গাড়ি প্রস্তুতকারী দেশের নাম। মনে রাখার টিপস: ফিয়াট শব্দের শুরুতে এফ এবং ইতালি শব্দের শেষের মিল দিয়ে মনে রাখতে পারো ইতালির বিখ্যাত গাড়ি ফিয়াট।
a গৌড়
b মুর্শিদাবাদ
c পাণ্ডুয়া
d সোনারগাঁও
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) গৌড় কেন সঠিক: - ১৩৩৮ সালে ইলিয়াস শাহ সোনারগাঁও দখল করে বাংলার প্রথম স্বাধীন সালতানাত প্রতিষ্ঠা করেন এবং গৌড়কে এর প্রথম রাজধানী হিসেবে ঘোষণা করেন। - মধ্যযুগে বাংলার মুসলিম সুলতানদের স্বাধীন শাসনের সূচনা পর্বে গৌড় কৌশলগত ও রাজনৈতিক কারণে রাজধানী হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গৌড় — এটি বাংলার প্রথম স্বাধীন সালতানাতের প্রথম রাজধানী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। B) মুর্শিদাবাদ — এটি পরবর্তীতে মোগল আমলের শেষ ভাগে এবং বাংলার স্বাধীন নবাবদের রাজধানী ছিল। C) পাণ্ডুয়া — এটি গৌড়ের পর সুলতানি আমলের কোনো কোনো সময়ে রাজধানী হিসেবে ব্যবহৃত হলেও প্রথম রাজধানী ছিল না। D) সোনারগাঁও — এটি শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহের পূর্বে স্বাধীন রাজ্য হিসেবে পরিচিত ছিল, কিন্তু সালতানাতের প্রথম রাজধানী ছিল গৌড়। মনে রাখার টিপস: স্বাধীন সালতানাতের প্রথম রাজা ইলিয়াস শাহ, আর রাজধানী ছিল গৌড়।
a সৌদি আরব
b কেপভার্দে
c রাশিয়া
d পূর্ব তিমুর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পূর্ব তিমুর কেন সঠিক: - পূর্ব তিমুর হলো বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা বা ডব্লিউটিও এর সর্বশেষ এবং ১৬৪তম সদস্য দেশ। - এটি ২০২৪ সালের মার্চ মাসে আনুষ্ঠানিকভাবে ডব্লিউটিও এর সদস্যপদ লাভ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সৌদি আরব — সৌদি আরব ডব্লিউটিও এর সর্বশেষ সদস্য দেশ নয়, দেশটি ২০০৫ সালে এর সদস্যপদ লাভ করে। B) কেপভার্দে — কেপভার্দে ডব্লিউটিও এর সর্বশেষ সদস্য দেশ নয়, দেশটি ২০১৬ সালের দিকে এর সদস্যপদ লাভ করে। C) রাশিয়া — রাশিয়া ডব্লিউটিও এর সর্বশেষ সদস্য দেশ নয়, দেশটি ২০১২ সালে এর সদস্যপদ লাভ করে। D) পূর্ব তিমুর — এটি ডব্লিউটিও এর সর্বশেষ বা ১৬৪তম সদস্য দেশ হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। মনে রাখার টিপস: ডব্লিউটিও এর সর্বশেষ দেশ মনে রাখতে তিমুরের নাম মনে রাখুন, যা সর্বশেষ ১৬৪তম সদস্য হিসেবে যুক্ত হয়েছে।
a ১৯৫১ সালে
b ১৯৫২ সালে
c ১৯৫৩ সালে
d ১৯৫৫ সালে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৯৫৫ সালে কেন সঠিক: - বাংলা ভাষা ও সাহিত্য চর্চার প্রসারের উদ্দেশ্যে ৩ ডিসেম্বর ১৯৫৫ সালে বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয়। - তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির উন্নয়নে এই প্রতিষ্ঠানটি ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৫১ সালে — এই সালে বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠার কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটেনি। B) ১৯৫২ সালে — এটি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের ঐতিহাসিক বছর, বাংলা একাডেমির প্রতিষ্ঠার বছর নয়। C) ১৯৫৩ সালে — এই সালে বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয়নি, এটি ভুল সাল। D) ১৯৫৫ সালে — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলা একাডেমি এই সালেই আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়। মনে রাখার টিপস: ভাষা আন্দোলনের (১৯৫২) তিন বছর পর, অর্থাৎ ১৯৫৫ সালে বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয়।
a ১৯৭১ সালে
b ১৯৭৩ সালে
c ১৯৭৪ সালে
d ১৯৭৫ সালে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯৭৪ সালে কেন সঠিক: - স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম জনসংখ্যা গণনা বা আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালের ৫ থেকে ১১ ফেব্রুয়ারি। - বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সরকারের উদ্যোগে যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের সঠিক পরিকল্পনা প্রণয়নের জন্য এই শুমারি করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৭১ সালে — এই বছর বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধ সংঘটিত হয় এবং দেশ স্বাধীন হয়, কোনো আদমশুমারি হয়নি। B) ১৯৭৩ সালে — এই বছর স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, তবে কোনো আদমশুমারি হয়নি। C) ১৯৭৪ সালে — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি ভুল নয়। D) ১৯৭৫ সালে — এই বছর বাংলাদেশে রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ঘটে এবং বাকশাল গঠিত হয়, কিন্তু প্রথম আদমশুমারি এই সালের আগের বছর অনুষ্ঠিত হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: স্বাধীনতার পর পর ১৯৭৪ সালে প্রথম আদমশুমারি হয়, যেখানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রধান শুমারিকারীর ভূমিকা পালন করেছিলেন।
a ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯
b ১১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯
c ১১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৮
d ১৯ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯ কেন সঠিক: - আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা থেকে মুক্তি পাওয়ার পর ১৯৬৯ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) এক বিশাল গণসংবর্ধনায় শেখ মুজিবুর রহমানকে 'বঙ্গবন্ধু' উপাধিতে ভূষিত করা হয়। - তৎকালীন ডাকসু ভিপি তোফায়েল আহমেদ ছাত্রসংগ্রাম পরিষদের পক্ষ থেকে এই উপাধি ঘোষণা করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯ — এই তারিখে শেখ মুজিবুর রহমানকে আনুষ্ঠানিকভাবে 'বঙ্গবন্ধু' উপাধি দেওয়া হয়েছিল। B) ১১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯ — এই তারিখে অনেক রাজনৈতিক বন্দী মুক্তি পেলেও বঙ্গবন্ধু উপাধি দেওয়ার তারিখ এটি নয়। C) ১১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৮ — এটি ভুল সাল, কারণ ঊনসত্তরের গণঅভুথান ও আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার মুক্তি ১৯৬৯ সালের ঘটনা। D) ১৯ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯ — এই তারিখে উপাধি দেওয়া হয়নি, সেদিন বাঙালি জাতির এই অবিসংবাদিত নেতাকে নিয়ে এই ঐতিহাসিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি। মনে রাখার টিপস: উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের ঠিক পরপরই, অর্থাৎ ১৯৬৯ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে শেখ মুজিবুর রহমান 'বঙ্গবন্ধু' উপাধি লাভ করেন।
a ২৬০ মাইল
b ২৪০ মাইল
c ২২০ মাইল
d ২০০ মাইল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২০০ মাইল কেন সঠিক: - জাতিসংঘ সমুদ্র আইন কনভেনশন অনুযায়ী উপকূল রেখা থেকে ২০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত অঞ্চলকেExclusive Economic Zone বা অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা বলা হয়। - এই সীমার মধ্যে সমুদ্রের তলদেশ এবং পানির উপরিভাগের সব সম্পদের ওপর বাংলাদেশের সার্বভৌম অধিকার রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৬০ মাইল — এই দূরত্বের কোনো আন্তর্জাতিক বা সমুদ্র আইনগত ভিত্তি নেই। B) ২৪০ মাইল — এই মাপটি বাংলাদেশের সমুদ্রসীমার কোনো নির্দিষ্ট জোনের সঙ্গে মেলে না। C) ২২২ মাইল — এটি সঠিক অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমার পরিমাপের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) ২০০ মাইল — এটি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমার সঠিক ও প্রমিত পরিমাপ। মনে রাখার টিপস: অর্থনৈতিক মানেই সম্পদ, আর সম্পদ মানেই ২০০ মাইল দূরে এর সম্পূর্ণ অধিকার।
a লিরা
b ডং
c পেসো
d ইডেন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পেসো কেন সঠিক: - ফিলিপাইনের রাষ্ট্রীয় মুদ্রা হলো পেসো। - দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এই দেশটির অর্থনৈতিক লেনদেন এই মুদ্রার মাধ্যমেই পরিচালিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লিরা — এটি তুরস্কের মুদ্রার নাম, তাই ফিলিপাইনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) ডং — এটি ভিয়েতনামের মুদ্রার নাম, তাই ফিলিপাইনের সঙ্গে মিল নেই। C) পেসো — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর যা ফিলিপাইনের মুদ্রাকে নির্দেশ করে। D) ইডেন — এটি কোনো দেশের মুদ্রা নয়, এটি একটি কাল্পনিক নাম বা উদ্যানের সঙ্গে সম্পর্কিত। মনে রাখার টিপস: ফিলিপাইনের মানুষ 'পেপসি' খেতে পছন্দ করে, এভাবে 'পেপসি' থেকে 'পেসো' মনে রাখতে পারেন।
a ১১টি
b ৮টি
c ১০টি
d ১২টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১১টি কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য সমগ্র বাংলাদেশকে ভৌগোলিক ও সামরিক সুবিধার্থে মোট ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল। - সেক্টরগুলোর সঠিক পরিচালনা ও কৌশলগত যুদ্ধের জন্য ১১টি সেক্টরকে আবার প্রায় ৬৪টি সাব-সেক্টরে বিভক্ত করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১১টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য বাংলাদেশকে মোট ১১টি প্রশাসনিক ও সামরিক সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল। B) ৮টি — এটি ভুল কারণ মুক্তিযুদ্ধের শুরুতে সেক্টর সংখ্যা ৮টি ভাবা হলেও পরবর্তীতে তা পুনর্বিন্যাস করে ১১টি করা হয়। C) ১০টি — এটি ভুল কারণ মুক্তিযুদ্ধে সেক্টরের সংখ্যা কখনোই ১০টি ছিল না। D) ১২টি — এটি ভুল কারণ সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল, ১২টি সেক্টরে নয় (তবে ১০ নম্বর সেক্টরটি ছিল নৌ সেক্টর)। মনে রাখার টিপস: মুক্তিযুদ্ধের মোট সেক্টর ১১টি, যা মনে রাখতে মনে রাখুন বাংলাদেশের ক্রিকেটে একাদশ বা খেলোয়াড় সংখ্যা ১১ জনের মতো।
a রেসকোর্স ময়দানে
b শেরে বাংলানগরে
c ভিক্টোরিয়া পার্ক
d ঢাকা স্টেডিয়ামে
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: A) রেসকোর্স ময়দানে কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) পাকিস্তানি বাহিনী আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ করে। - এই দলিলে বাংলাদেশের পক্ষে মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি জেনারেল মুহাম্মদ আতাউল গনি ওসমানী এবং পাকিস্তানের পক্ষে জেনারেল আমীর আব্দুল্লাহ খান নিয়াজি স্বাক্ষর করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রেসকোর্স ময়দানে - এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানেই ঐতিহাসিক আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হয়েছিল। B) শেরে বাংলানগরে - এটি ঢাকার একটি আধুনিক প্রশাসনিক ও আবাসিক এলাকা, যা মুক্তিযুদ্ধের আত্মসমপর্ণের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) ভিক্টোরিয়া পার্ক - এটি ঢাকার পুরান ঢাকায় অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক স্থান, কিন্তু আত্মসমর্পণের দলিল এখানে স্বাক্ষরিত হয়নি। D) ঢাকা স্টেডিয়ামে - এটি একটি খেলাধুলার ভেন্যু, যা ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বরের ঐতিহাসিক ঘটনার সঙ্গে যুক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: ১৬ই ডিসেম্বর মহান বিজয়ের দিনে পাক বাহিনী রেসকোর্স ময়দানে আত্মসমর্পণ করেছিল।
a ১৯৮৭ সালে
b ১৯৮৯ সালে
c ১৯৫০ সালে
d ১৯৫৩ সালে
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি (ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ঘটনা) সঠিক উত্তর: C) ১৯৫০ সালে কেন সঠিক: - চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে তেভাগা আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় সাঁওতাল কৃষকদের নিয়ে এই ঐতিহাসিক কৃষক বিদ্রোহ সংঘটিত হয়েছিল। - ইলা মিত্রের নেতৃত্বে এই অঞ্চলে কৃষকরা জমিদার ও শোষকদের বিরুদ্ধে অধিকার আদায়ে সোচ্চার হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৮৭ সালে — এই সালে বাংলাদেশে নাচোল কৃষক বিদ্রোহ সংঘটিত হয়নি, এটি অনেক পরের একটি সময়কাল। B) ১৯৮৯ সালে — এই সালে নাচোল কৃষক বিদ্রোহের কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটে N, এটি ভুল অপশন। C) ১৯৫০ সালে — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই সালেই চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে কৃষকদের সশস্ত্র আন্দোলন ও বিদ্রোহ হয়েছিল। D) ১৯৫৩ সালে — এই সালে নাচোল বিদ্রোহ হয়নি, তেভাগা ও নাচোল আন্দোলনের মূল সময়কাল ছিল ১৯৪৬ থেকে ১৯৫০ সালের মধ্যে। মনে রাখার টিপস: নাচোল বিদ্রোহের সঙ্গে ইলা মিত্রের নাম এবং ১৯৫০ সাল এভাবে মনে রাখতে পারো যে, ইলা মিত্রের আন্দোলন চূড়ান্ত রূপ নিয়েছিল ১৯৫০ সালে।
a ১৯৯৪ সালে
b ১৯৯৬ সালে
c ১৯৯৫ সালে
d ১৯৯৮ সালে
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ICT ও ডিজিটাল প্রযুক্তি সঠিক উত্তর: B) ১৯৯৬ সালে কেন সঠিক: - বাংলাদেশে প্রথম ইন্টারনেট কানেক্টিভিটি বা ইন্টারনেট সেবা চালু হয় ১৯৯৬ সালের ৪ঠা জুন। - তৎকালীন সরকারের সহযোগিতায় ও বেসডেক (BASDTEC) নামক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে পাবলিক ইন্টারনেট চালু করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৯৪ সালে — এই সালে বাংলাদেশে প্রথম বেসরকারি পর্যায়ে এবং একাডেমিকে ই-মেইল নেটওয়ার্ক চালু হয়েছিল, তবে পাবলিক ইন্টারনেট নয়। B) ১৯৯৬ সালে — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই সালেই দেশে প্রথম ইন্টারনেট সেবা বাণিজ্যিকভাবে চালু হয়। সি) ১৯৯৫ সালে — এই সালে দেশে ইন্টারনেট সেবা চালুর কোনো প্রাতিষ্ঠানিক বা ঐতিহাসিক সরকারি স্বীকৃতি বা ঘটনা নেই। ডি) ১৯৯৮ সালে — এই সালের অনেক আগেই বাংলাদেশে ইন্টারনেট সেবা চালুর কার্যক্রম শুরু হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: ৯৬ সালের ৯৬ বা বনানীর টিঅ্যান্ডটি বোর্ড অফিস থেকে প্রথম ডায়াল-আপ ইন্টারনেট চালুর সাল হিসেবে ১৯৯৬ সংখ্যাটি মনে রাখুন।
a ১৯৯৬ সালে
b ১৯৯৭ সালে
c ১৯৯৮ সালে
d ২০০০ সালে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২০০০ সালে কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ২০০০ সালের ২৬ জুন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (ICC) পূর্ণ সদস্য বা টেস্ট মর্যাদা লাভ করে। - একই বছরের ১০ নভেম্বর ভারতের বিপক্ষে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ নিজেদের ইতিহাসের প্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৯৬ সালে — এই সালে বাংলাদেশ আইসিসির সহযোগী সদস্য হিসেবে আইসিসি ট্রফি জয় করে ওয়ানডে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছিল, টেস্ট মর্যাদা পায়নি। B) ১৯৯৭ সালে — এই সালে বাংলাদেশ আইসিসি ট্রফি জিতে প্রথমবার ১৯৯৯ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপের টিকিট লাভ করে। C) ১৯৯৮ সালে — এই সালে বাংলাদেশ প্রথম আইসিসি নকআউট প্রতিযোগিতার (মিনি বিশ্বকাপ) আয়োজক দেশ ছিল, টেস্ট স্ট্যাটাস পায়নি। D) ২০০০ সালে — এই সালে বাংলাদেশ টেস্ট ক্রিকেটের পূর্ণাঙ্গ মর্যাদা লাভ করে ক্রিকেটের এলিট ক্লাবে প্রবেশ করে। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ ওয়ানডে খেলার সুযোগ পায় ১৯৯৭ সালে আর টেস্ট খেলার গৌরব অর্জন করে ঠিক তিন বছর পর ২০০০ সালে।

মোট প্রশ্ন (5)

a নিউমোনিয়া
b চোখ ওঠা
c জন্ডিস
d এইডস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নিউমোনিয়া ১. কেন সঠিক: নিউমোনিয়া হলো ফুসফুসের একটি সংক্রমণ যা প্রধানত ব্যাকটেরিয়া অথবা ছত্রাকের কারণে ঘটে থাকে। এটি কোনো ভাইরাসজনিত রোগ নয়, তাই এই অপশনটি সঠিক। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: নিউমোনিয়া হলো ফুসফুসের অ্যালভিওলাই বা বায়ুথলিতে প্রদাহ হওয়া একটি অবস্থা যেখানে পুঁজ বা তরল জমে যায়। কার্যপ্রণালি: সাধারণত Streptococcus pneumoniae নামক ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণের ফলে ফুসফুস ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্যাকটেরিয়াঘটিত নিউমোনিয়া। ব্যাখ্যা: এটি ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণে ফুসফুসে সংক্রমণ ঘটায় এবং অ্যান্টিবায়োটিক দিয়ে চিকিৎসা করা হয়। উদাহরণ ২: অ্যাসপিরেশন নিউমোনিয়া। ব্যাখ্যা: খাদ্য বা তরল ভুলবশত ফুসফুসে প্রবেশ করলে এই ধরনের ফুসফুস সংক্রমণ হতে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিউমোনিয়া — এটি প্রধানত ব্যাকটেরিয়া জনিত রোগ, তাই এটি সঠিক উত্তর। B) চোখ ওঠা — এটি অ্যাডেনোভাইরাস নামক ভাইরাসের কারণে হয়ে থাকে, তাই এটি ভাইরাস জনিত রোগ। C) জন্ডিস — হেপাটাইটিস ভাইরাস যকৃতে আক্রমণ করলে জন্ডিস হয়, যা ভাইরাস জনিত রোগ। D) এইডস — এটি হিউম্যান ইমিউনোডেফিসিয়েন্সি ভাইরাস বা এইচআইভি নামক ভাইরাসের কারণে ঘটে। ৫ মনে রাখার টিপস: ভাইরাসজনিত রোগ মনে রাখার জন্য সাধারণ সর্দি, ইনফ্লুয়েঞ্জা, হাম এবং পোলিও এর মতো রোগগুলোর সাথে জন্ডিস ও এইডস মনে রাখতে হবে। ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ হিসেবে নিউমোনিয়া এবং যক্ষ্মার নাম আলাদা করে মনে রাখা সুবিধাজনক। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: নিউমোনিয়ার প্রধান জীবাণু হলো ব্যাকটেরিয়া, তবে মাইকোপ্লাজমা বা কিছু ক্ষেত্রে ভাইরাসও গৌণ কারণ হতে পারে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাসজনিত রোগের পার্থক্য জানতে এই ধরনের প্রশ্ন আসে।
a যকৃৎ
b মস্তক
c ফুসফুস
d থুতনি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ফুসফুস ১. কেন সঠিক: বাক্-প্রত্যঙ্গ বলতে মানবদেহের সেই অঙ্গগুলোকে বোঝায় যা শব্দ তৈরিতে এবং কথা বলতে সরাসরি সাহায্য করে। ফুসফুস থেকে নির্গত বাতাস বাকযন্ত্রের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: ফুসফুস হলো মানবদেহের প্রধান শ্বাস অঙ্গ যা বাতাস থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করে এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড ত্যাগ করে। কথা বলার সময় ফুসফুস থেকে বায়ু বাইরে বের হয়ে স্বরযন্ত্র বা ল্যারিংসের ভোকাল কর্ডে কম্পন সৃষ্টি করে ধ্বনি উৎপন্ন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বেলুন থেকে বাতাস ছাড়ার সময় যেভাবে শব্দ হয়। ব্যাখ্যা: ফুসফুস থেকে বাতাস বের হওয়ার প্রক্রিয়াটিও অনেকটা এই নিয়মে শব্দ তৈরি করে। উদাহরণ ২: বাঁশি বাজানোর সময় যেমন ফুসফুসের বাতাস ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: মানবদেহে কণ্ঠস্বর তৈরির সময় ফুসফুস ঠিক একই রকম বায়ুপ্রবাহ সরবরাহ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যকৃৎ — এটি মানবদেহের বৃহত্তম গ্রন্থি যা পরিপাকতন্ত্রের অংশ হিসেবে পিত্তরস তৈরি ও বিপাকক্রিয়ায় কাজ করে। B) মস্তক — এটি শরীরের প্রধান অংশ যা স্নায়ুতন্ত্র ও মস্তিষ্ককে ধারণ করে কিন্তু একা বাক্-প্রত্যঙ্গ নয়। D) থুতনি — এটি মুখের নিচের অংশ বা অস্থির একটি গঠন যা চর্বণ ও বাহ্যিক গঠনে সাহায্য করে। ৫. মনে রাখার টিপস: কথা বলতে গেলে ফুসফুস থেকে বাতাসের ধাক্কা লাগে, তাই ফুসফুস হলো বাক্-প্রত্যঙ্গের মূল শক্তি। ফুসফুস ছাড়া স্বরযন্ত্র একা কোনো শব্দ বা ধ্বনি তৈরি করতে পারে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মানবদেহের প্রধান শসন অঙ্গ কোনটি এবং স্বরযন্ত্র কোথায় অবস্থিত—এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। ফুসফুস যে কেবল শ্বাসকার্য চালায় না, বরং কথা বলতেও সাহায্য করে, তা মনে রাখতে হবে।
a ফসফরাস
b নাইট্রোজেন
c পটাশিয়াম
d সালফার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নাইট্রোজেন ১. কেন সঠিক: ইউরিয়া একটি বহুল ব্যবহৃত জৈব সার যার রাসায়নিক সংকেত হলো সিও ব্র্যাকেটে এনএইচটু হোল টু। মাটিতে প্রয়োগ করার পর এটি ভেঙে নাইট্রোজেন সরবরাহ করে যা উদ্ভিদের বৃদ্ধি ও আমিষ তৈরিতে সরাসরি সাহায্য করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: উদ্ভিদ মাটি থেকে খনিজ লবণ হিসেবে নাইট্রোজেন গ্রহণ করে যা তাদের কোষ বিভাজন ও ক্লোরোফিল উৎপাদনে অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে। রাসায়নিক বিক্রিয়া: মাটিতে থাকা ইউরিয়া এনজাইমের প্রভাবে অ্যামোনিয়া ও কার্বন ডাই অক্সাইডে পরিণত হয় এবং পরবর্তীতে নাইট্রাইট ও নাইট্রেটে রূপান্তরিত হয়ে উদ্ভিদের শিকড়ে শোষিত হয়। বাস্তব প্রয়োগ: কৃষিকাজে ধানের ফলন বৃদ্ধি এবং শাকসবজির সবুজ রঙ সতেজ রাখতে ইউরিয়া সার ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ধানক্ষেতে ইউরিয়া সার প্রয়োগ করলে গাছের পাতা দ্রুত গাঢ় সবুজ হয়। ব্যাখ্যা: অতিরিক্ত নাইট্রোজেন ক্লোরোফিল গঠনে সহায়তা করে যার ফলে সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হয়। উদাহরণ ২: শাকসবজি চাষে ইউরিয়ার ব্যবহার। ব্যাখ্যা: উদ্ভিদের অঙ্গজ বৃদ্ধি অর্থাৎ ডালপালা ও পাতার প্রসারণ নিশ্চিত করতে নাইট্রোজেনের কোনো বিকল্প নেই। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফসফরাস — ফসফরাস উদ্ভিদের শিকড় গঠন ও ফুল-ফল উৎপাদনে সাহায্য করে যা ইউরিয়া থেকে সরাসরি সরবরাহ হয় না। B) নাইট্রোজেন — এই অপশনটি সঠিক কারণ ইউরিয়া প্রধানত উদ্ভিদের পুষ্টির জন্য নাইট্রোজেন উপাদান সরবরাহ করে থাকে। C) পটাশিয়াম — পটাশিয়াম উদ্ভিদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং এটি মিউরেট অব পটাশ সার থেকে আসে। D) সালফার — সালফার তেল জাতীয় ফসলে তেল উৎপাদনে সাহায্য করে এবং এটি মূলত জিপসাম বা এ্যামোনিয়াম সালফেট সারে থাকে। ৫ মনে রাখার টিপস: ইউরিয়া শব্দের শেষ অংশ এবং নাইট্রোজেনের প্রথম অক্ষর মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন যে ইউরিয়া মানেই নাইট্রোজেন। রাসায়নিক সারের কাজ মনে রাখার জন্য গাছের সবুজ পাতার সঙ্গে নাইট্রোজেনের সম্পর্ক মনে রাখা সবচেয়ে সহজ উপায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ইউরিয়া সারে নাইট্রোজেনের পরিমাণ শতকরা প্রায় ছেচল্লিশ ভাগ যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি তথ্য। এই প্রশ্নটি থেকে ভবিষ্যতে ফসফরাস বা পটাশিয়াম সম্পর্কিত সারের উৎস নিয়ে নতুন এমসিকিউ আসতে পারে।
a ব্যাপন
b প্রস্বেদন
c অভিস্রবণ
d ইমবাইবিশন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অভিস্রবণ ১. কেন সঠিক: - শুকনো কিসমিস পানিতে রাখলে অভিস্রবণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পানি কিসমিসের ভেতরে প্রবেশ করে এবং কিসমিস ফুলে ওঠে। - অভিস্রবণের নিয়ম অনুযায়ী দ্রাবক কণা কম ঘনত্বের দ্রবণ থেকে বেশি ঘনত্বের দ্রবণের দিকে অর্ধভেদ্য পর্দা ভেদ করে চলাচল করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: অভিস্রবণ হলো এক প্রকার বিশেষ ধরণের ব্যাপন প্রক্রিয়া যেখানে দুটি ভিন্ন ঘনত্বের দ্রবণ একটি অর্ধভেদ্য পর্দা দ্বারা পৃথক থাকলে দ্রাবক কম ঘনত্বের দ্রবণ থেকে অধিক ঘনত্বের দ্রবণের দিকে প্রবাহিত হয়। - কার্যপ্রণালি: কিসমিসের ভেদের ভেতরের শর্করার গাঢ় দ্রবণ উচ্চ ঘনত্বের এবং বাইরের সাধারণ পানি কম ঘনত্বের দ্রবণ হিসেবে কাজ করে, ফলে পানি অর্ধভেদ্য চামচ ভেদ করে ভেতরে ঢুকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাঁচা আম লবণের পানিতে ভিজিয়ে রাখলে তা কুঁকড়ে যায়। ব্যাখ্যা: এটি অভিস্রবণের বিপরীত প্রক্রিয়া, যেখানে কোষের ভেতর থেকে পানি বাইরে বেরিয়ে আসে। উদাহরণ ২: উদ্ভিদের মূলরোম দ্বারা মাটি থেকে পানি শোষণ। ব্যাখ্যা: উদ্ভিদ মাটি থেকে কৈশিক পানি অভিস্রবণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তার কোষে টেনে নেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্যাপন — ব্যাপন হলো যেকোনো মাধ্যমে পদার্থের অণু-পমাণুর উচ্চ ঘনত্বের স্থান থেকে কম ঘনত্বের স্থানে ছড়িয়ে পড়ার প্রক্রিয়া, যা এখানে সরাসরি ঘটে না। B) প্রস্বেদন — প্রস্বেদন হলো উদ্ভিদের বায়বীয় অঙ্গ দিয়ে বাষ্পাকারে পানি বের হয়ে যাওয়ার শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া, যা শুকনো কিসমিসের ফুলে ওঠার সাথে সম্পর্কিত নয়। C) অভিস্রবণ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং শুকনো কিসমিস ফুলে ওঠার মূল বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়া। D) ইমবাইবিশন — ইমবাইবিশন হলো কলয়েড জাতীয় পদার্থের তরল পদার্থ শোষণ করার প্রক্রিয়া, যা মূলত কাঠের তক্তা বা শুকনো বীজ ভেজার ক্ষেত্রে ঘটে। ৫ মনে রাখার টিপস: - কিসমিস ফুলে ওঠা মানেই হলো বাইরে থেকে পানি ভেতরে প্রবেশ করা, যা সবসময় অভিস্রবণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই ঘটে থাকে। - অর্ধভেদ্য পর্দা এবং ঘনত্বের তারতম্য থাকলে চোখ বন্ধ করে অভিস্রবণ উত্তর নির্বাচন করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি উদ্ভিদ ও প্রাণিদেহের শারীরবৃত্তীয় কাজের অংশ হিসেবে প্রায়ই আসে। - অভিস্রবণ এবং ব্যাপনের মূল পার্থক্য হলো অভিস্রবণে একটি অর্ধভেদ্য পর্দার উপস্থিতি বাধ্যতামূলক।
a সাইট্রিক এসিড
b টারটারিক এসিড
c কার্বনিক এসিড
d ইথানয়িক এসিড
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ইথানয়িক এসিড ১. কেন সঠিক: - ভিনেগারে মূলত চার থেকে আট শতাংশ ইথানয়িক এসিড বা এসিটিক এসিড জলীয় দ্রবণ হিসেবে থাকে। - ফল বা শর্করা থেকে গাঁজন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ইথানয়িক এসিড তৈরি করা হয় যা খাবার সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - রাসায়নিক সংকেত: ইথানয়িক এসিডের রাসায়নিক সংকেত হলো সিএইচথ্রি সিওওএইচ। - কার্যপ্রণালি: ব্যাকটেরিয়া বা ইস্টের সাহায্যে শর্করার অবাত শ্বসন ঘটিয়ে ইথানল তৈরি করা হয় এবং পরে তাকে জারিত করে ইথানয়িক এসিড পাওয়া যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আচার সংরক্ষণ ব্যাখ্যা: আচার তৈরির সময় তেল ও ভিনেগার বা ইথানয়িক এসিড ব্যবহার করা হয় কারণ এটি ব্যাকটেরিয়ার বংশবৃদ্ধি রোধ করে। উদাহরণ ২: সালাদের ড্রেসিং ব্যাখ্যা: বিভিন্ন রান্নায় বা সালাদে স্বাদ বাড়াতে এবং খাদ্য সংরক্ষক হিসেবে ইথানয়িক এসিডের জলীয় দ্রবণ ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাইট্রিক এসিড — এটি লেবু ও কমলার মতো টক জাতীয় ফলে পাওয়া যায়, ভিনেগারে থাকে না। B) টারটারিক এসিড — এটি তেঁতুল ও কাঁচা আঙুরে প্রাকৃতিকভাবে বিদ্যমান একটি জৈব এসিড। C) কার্বনিক এসিড — এটি পানীয় বা সোডা ওয়াটারে কার্বন ডাই অক্সাইড দ্রবীভূত হয়ে তৈরি হয়। D) ইথানয়িক এসিড — এটি ভিনেগারের মূল কার্যকরী উপাদান এবং এটিই সঠিক উত্তর। ৫. মনে রাখার টিপস: - ভিনেগার শব্দটি এসিটিক এসিড বা ইথানয়িক এসিডের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। - ইথানয়িক এসিডের কার্বন সংখ্যা দুই, তাই একে ইথেন থেকে উদ্ভূত এসিড হিসেবে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় খাদ্য সংরক্ষক হিসেবে ইথানয়িক এসিডের শতকরা পরিমাণ প্রায় চার থেকে আট শতাংশ পর্যন্ত আসে। - এসিটিক এসিডের জলীয় দ্রবণকে ভিনেগার বলা হয়, এটি রসায়নের একটি অত্যন্ত কমন প্রশ্ন।