সঠিক উত্তর: B) শামসুর রাহমান
১. কেন সঠিক:
- 'বন্দী শিবির থেকে' কাব্যগ্রন্থটি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি শামসুর রাহমানের একটি অমর সৃষ্টি।
- ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত এই কাব্যগ্রন্থে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বরতা এবং বাঙালির মুক্তির আকুতি শৈল্পিকূপে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- শামসুর রাহমান বিংশ শতাব্দীর তিরিশের দশকের পরবর্তী সময়ের অন্যতম প্রধান বাঙালি কবি ও সাংবাদিক।
- ১৯২৯ সালের ২৩ অক্টোবর পুরোনো ঢাকায় জন্মগ্রহণকারী এই কবি নাগরিক জীবন, সমকালীন রাজনীতি ও দ্রোহকে তাঁর কবিতার মূল সুর করেছিলেন।
- 'বন্দী শিবির থেকে' কাব্যগ্রন্থটি ১৯৭১ সালে অবরুদ্ধ ঢাকায় বসে রচিত হয় এবং এটি বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের এক অনন্য দলিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে
ব্যাখ্যা: এটি কবি শামসুর রাহমানের অপর একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, যা তাঁর নাগরিক সংবেদনশীলতার পরিচয় বহন করে।
উদাহরণ ২: রৌদ্র করোটিতে
ব্যাখ্যা: এটিও শামসুর রাহমানের রচিত একটি প্রখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, যা আধুনিক বাংলা কবিতার ইতিহাসে বিশেষ স্থান অধিকার করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হাসান হাফিজুর রহমান — তিনি একজন প্রখ্যাত কবি ও সাহিত্যিক হলেও 'বন্দী শিবির থেকে' কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা নন, তবে তিনি ঐতিহাসিক 'একুশে ফেব্রুয়ারি' সংকলনের সম্পাদক।
B) শামসুর রাহমান — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য।
C) আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী — তিনি বিখ্যাত 'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি' গানের রচয়িতা হলেও আলোচ্য কাব্যগ্রন্থটির কবি নন।
D) আব্দুল গণি হাজারী — তিনি বিশিষ্ট কবি ও সাংবাদিক হলেও এই কাব্যগ্রন্থটি তাঁর রচনা নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- শামসুর রাহমান ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় অবরুদ্ধ ঢাকায় বন্দিদশায় থেকে 'বন্দী শিবির থেকে' কাব্যগ্রন্থটি লিখেছিলেন।
- কবির নাম ও কাব্যের নামের প্রথম অংশের মিল মনে রেখে সহজেই এটি আয়ত্ত করা সম্ভব।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত সাহিত্যকর্ম প্রায়ই আসে।
- একই লেখকের অন্যান্য বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যেমন 'অরক্ষিত উলটোয়ীর' ও 'ವಿಧ্বস্ত নীলিমা' সম্পর্কেও ধারণা রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: A) আরবি
১. কেন সঠিক:
- মর্সিয়া শব্দটি আরবি ভাষার ম্রাসিয়া বা রিসি ধাতু থেকে এসেছে যার অর্থ শোক বা বিলাপ করা।
- বাংলা সাহিত্যে বিশেষ করে করবালার বিষাদময় ঘটনা অবলম্বনে রচিত শোকগাথা বা মার্সিয়া কাব্য বোঝাতে এই আরবি শব্দটি প্রমিত রূপে ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের মুসলিম সাহিত্য ধারার একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এবং পরবর্তীতে আধুনিক যুগেও এটি শোকামূলক কবিতার রূপ নিয়েছে।
- ইসলাম ধর্মের ঐতিহাসিক কারবালা প্রান্তরের শোকাবহ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এই বিশেষ সাহিত্যধারার বিকাশ ঘটেছিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ইসমাইল হোসেন সিরাজীর রচিত বা মীর মশাররফ হোসেনের বিষাদসিন্ধু উপন্যাস।
ব্যাখ্যা: এই সাহিত্যকর্মে কারবালার শোকাবহ ঘটনার বিবরণ রয়েছে যা মর্সিয়া সাহিত্যের ভাবধারার সঙ্গে সম্পৃক্ত।
উদাহরণ ২: ফররুখ আহমদের হাতে লেখা বিভিন্ন ইসলামিক ঐতিহ্যভিত্তিক কবিতা।
ব্যাখ্যা: এই কবিতায় আরবি ও ফারসি শব্দের সার্থক প্রয়োগের মাধ্যমে মর্সিয়ার ভাব ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আরবি — এই অপশনটি সঠিক কারণ মর্সিয়া শব্দটি আরবি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে।
B) ফারসি — এই অপশনটি ভুল কারণ মর্সিয়া ফারসি শব্দ নয়, যদিও ফারসি সাহিত্যের প্রভাবে এটি বাংলায় বহুল ব্যবহৃত হয়েছে।
C) তুর্কি — এই অপশনটি ভুল কারণ তুর্কি ভাষা থেকে বাংলায় দারোগা চাকর লাশ ইত্যাদি শব্দ এসেছে মর্সিয়া নয়।
D) হিন্দি — এই অপশনটি ভুল কারণ মর্সিয়া হিন্দি ভাষার কোনো শব্দ নয়, এটি সরাসরি মধ্যপ্রাচ্যের আরবি ভাষা থেকে আগত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ইসলাম ধর্মের শোকগাথা বা বিলাপ সম্পর্কিত অধিকাংশ শব্দ সাধারণত আরবি ভাষা থেকে এসেছে।
- মর্সিয়া শব্দের উৎস মনে রাখতে কারবালা এবং শোক শব্দ দুটি মাথায় রাখতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ বিশেষ করে আরবি, ফারসি ও তুর্কি শব্দের উৎস প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
- ধর্মীয় বা শোক সম্পর্কিত শব্দগুলো সাধারণত আরবি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় গৃহিত হয়েছে, এই সাধারণ নিয়মটি মনে রাখলে সহজে উত্তর করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: B) সর্বনাম
১. কেন সঠিক:
'কী' শব্দটি এখানে বিশেষ্য পদের পরিবর্তে ব্যবহৃত হয়ে কোনো কিছুর নাম বা অনির্দিষ্ট বিষয়কে নির্দেশ করছে।
কোনো বাক্যে বিশেষ্যের পরিবর্তে যে শব্দ ব্যবহার করে প্রশ্ন করা হয়, তাকে প্রশ্নবাচক সর্বনাম বলে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
যে শব্দ কোনো বিশেষ্য পদের পরিবর্তে বসে এবং বাক্যে প্রশ্ন করার কাজ সম্পন্ন করে তাকে প্রশ্নবাচক সর্বনাম বা সর্বনাম পদ বলা হয়।
এই বাক্যে 'কী' শব্দটি কাজের নাম বা কর্মের স্থলাভিষিক্ত হয়ে প্রশ্ন তৈরি করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তুমি বাজারে কী কিনলে?
ব্যাখ্যা: এখানে 'কী' শব্দটি বস্তুর নাম বুঝাতে সর্বনাম পদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: তোমার ব্যাগে কী আছে?
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে 'কী' বিশেষ্য পদের বিকল্প হিসেবে প্রশ্ন তৈরি করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিশেষণ — বিশেষণ পদ কোনো বিশেষ্য বা সর্বনামের দোষ, গুণ বা সংখ্যা প্রকাশ করে কিন্তু এখানে তা করছে না।
B) সর্বনাম — এটি সঠিক কারণ 'কী' এখানে বিশেষ্যের পরিবর্তে বসে প্রশ্ন করেছে।
C) অব্যয় — অব্যয় পদের কোনো পরিবর্তন হয় না এবং এটি পদের সংযোগ বা ভাব প্রকাশ করে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) ক্রিয়া — ক্রিয়া পদ দ্বারা কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝায় কিন্তু 'কী' কোনো কাজের নাম নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
বাক্যে বিশেষ্যের পরিবর্তে বসে যদি প্রশ্ন করা হয়, তবে সেই প্রশ্নবাচক শব্দ সর্বনাম পদ হবে।
কী, কে, কার ইত্যাদি শব্দ বিশেষ্যের স্থಲবর্তী হলে সর্বনাম হিসেবে গণ্য হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রশ্নবাচক সর্বনাম চেনার জন্য দেখতে হবে শব্দটি কোনো নামকে নির্দেশ করছে কি না।
একই নিয়ম প্রয়োগ করে কে, কারা, কোনটি ইত্যাদি শব্দর পদ নির্ণয় করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
১. কেন সঠিক:
- প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি ভুল। বাংলা সাহিত্যে অপরাজেয় কথাসাহিত্যিক হিসেবে খ্যাত হলেন শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই প্রশ্নে সাধারণত শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কেই সঠিক উত্তর হিসেবে ধরা হয়।
- 'অপরাজেয় কথাসাহিত্যিক' বলতে এমন একজন লেখককে বোঝায় যাঁর সাহিত্যকর্মের জনপ্রিয়তা, আবেদন ও প্রভাব অপরাজেয় বা অবিনশ্বর। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের উপন্যাস ও ছোটগল্প সাধারণ মানুষের মন জয় করেছিল।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় ও প্রভাবশালী কথাসাহিত্যিক। তাঁর বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে দেবদাস, পরিণীতা, শ্রীকান্ত ও চরিত্রহীন উল্লেখযোগ্য।
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় তাঁর উপন্যাসে গ্রামীণ বাংলার সমাজচিত্র, মানুষের দুঃখ-কষ্ট ও প্রেম-ভালোবাসা নিপুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত উপন্যাস দেবদাস।
ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শোকাবহ ও জনপ্রিয় প্রেমের ট্র্যাজেডি হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিত।
উদাহরণ ২: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের অপর একটি উপন্যাস পল্লীসমাজ।
ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসে গ্রামীণ সমাজব্যবস্থার রূঢ় বাস্তবতা ও কুসংস্কারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের চিত্র ফুটে উঠেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — ইনি মূলত কালজয়ী কথাসাহিত্যিক হিসেবে পরিচিত হলেও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রথাগত উত্তর অনুযায়ী ইনিই সঠিক, যদিও প্রশ্নে অন্য নাম আসায় কিছুটা বিভ্রান্তি তৈরি হয়।
B) বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় — ইনি প্রকৃতিপ্রেমী কথাসাহিত্যিক হিসেবে পরিচিত এবং তাঁর বিখ্যাত সৃষ্টি পথের পাঁচালী।
C) তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় — ইনি মূলত আঞ্চলিক উপন্যাসের জন্য খ্যাত এবং তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস কবি ও হাঁসুলী বাঁک উপকথার কথা।
D) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় — ইনি মনস্তাত্ত্বিক ও মার্ক্সবাদী ধারার কথাসাহিত্যিক এবং তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস পুতুল নাচের ইতিকথা।
৫. মনে রাখার টিপস:
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে সমাজের কথা বলা কথাসাহিত্যিক হিসেবে মনে রাখতে পারো।
- তাঁর সাহিত্যকর্ম সাধারণ মানুষের মন জয় করায় তাঁকে অপরাজেয় কথাসাহিত্যিক বলা হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম ছিল অনিলা দেবী।
- এই ধরনের সাহিত্যিক উপাধি বা ছদ্মনামগুলো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: D) মাহমুদুল হক
১. কেন সঠিক:
- 'জীবন আমার বোন' উপন্যাসটির রচয়িতা কথাসাহিত্যিক মাহমুদুল হক।
- এই উপন্যাসে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে একটি মধ্যবিত্ত পরিবারের মনস্তাত্ত্বিক সংকট ও রাজনৈতিক আবহ সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মাহমুদুল হক বাংলা কথাসাহিত্যের এক বিশিষ্ট নাম যিনি দেশভাগ ও মুক্তিযুদ্ধকে কেন্দ্র করে গভীর মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস রচনা করেছেন।
- তাঁর উপন্যাসে প্রাত্যহিক জীবনের ক্ষুদ্রতার ভেতর দিয়ে বৃহত্তর রাজনৈতিক ও সামাজিক সংকট মূর্ত হয়ে ওঠে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কালো প্রদীপের নিচে
ব্যাখ্যা: এটি মাহমুদুল হকের অপর একটি বিখ্যাত উপন্যাস।
উদাহরণ ২: খেলাঘর
ব্যাখ্যা: এটিও মাহমুদুল হক রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি প্রখ্যাত উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সেলিনা হোসেন — ইনি একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক হলেও 'জীবন আমার বোন' উপন্যাসের রচয়িতা নন, তাঁর বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে 'যাপিত জীবন'।
B) হুমায়ুন আহমেদ — ইনি জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক ও নাট্যকার হলেও আলোচ্য উপন্যাসের লেখক নন, তাঁর উল্লেখযোগ্য উপন্যাস 'আগুনের পরশমণি'।
C) রশীদ হায়দার — ইনি বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক ও প্রাবন্ধিক হলেও এই উপন্যাসের সঙ্গে তাঁর কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই, তাঁর বিখ্যাত কাজ 'খাঁচায়'।
D) মাহমুদুল হক — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি স্বয়ং 'জীবন আমার বোন' উপন্যাসের লেখক।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মাহমুদুল হকের বোন মানে জীবন, এভাবে মনে রাখতে পারো যে 'জীবন আমার বোন' উপন্যাসের লেখক মাহমুদুল হক।
- তাঁর উপন্যাসে জীবন ও মুক্তিযুদ্ধের গভীর বাস্তবতার ছোঁয়া থাকে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- লেখকদের বিখ্যাত উপন্যাসগুলোর নাম আলাদা করে ছক তৈরি করে পড়লে পরীক্ষাগারে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
সঠিক উত্তর: B) ভাষা
১. কেন সঠিক:
মানুষ মনের ভাব প্রকাশের জন্য যে মাধ্যম ব্যবহার করে তাকে ভাষা বলে। ধ্বনি, শব্দ ও বাক্যের সাহায্যে মনের ভাব সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ করা যায় বলে ভাষা হলো সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য বাহন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
মুখের উচ্চারিত অর্থপূর্ণ ধ্বনির সাহায্যে মনের ভাব প্রকাশের মাধ্যম হলো ভাষা। এটি মানুষের সমাজবদ্ধ জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাংলা ভাষা
ব্যাখ্যা: বাঙালির মনের ভাব প্রকাশের প্রধান মাধ্যম হলো বাংলা ভাষা।
উদাহরণ ২: ইংরেজি ভাষা
ব্যাখ্যা: এটি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে মানুষের মনের ভাব বিনিময়ের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চিত্র — চিত্র মনের ভাব প্রকাশের মাধ্যম হতে পারে, তবে এটি প্রধান বা সার্বজনীন বাহন নয়।
B) ভাষা — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি মনের ভাব প্রকাশের প্রধান বাহন।
C) আচরণ — আচরণ দিয়ে কিছু আবেগ প্রকাশ করা যায়, কিন্তু সুনির্দিষ্ট ও জটিল মনের ভাব প্রকাশ করা সম্ভব নয়।
D) ইঙ্গিত — ইঙ্গিত বা ইশারা দিয়ে সীমিত আকারে ভাব প্রকাশ করা যায়, তবে এটি ভাষার বিকল্প হতে পারে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
ভাব প্রকাশের মূল চাবিকাঠি হলো ভাষা। মানুষের মুখ থেকে যা উচ্চারিত হয়ে অর্থ প্রকাশ করে সেটাই ভাষা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ভাষা মানুষের যোগাযোগের সবচেয়ে কার্যকর হাতিয়ার। বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাষার সংজ্ঞা ও বৈশিষ্ট্য থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: C) গোরা
১. কেন সঠিক:
- প্রশ্নটিতে প্রদত্ত সঠিক উত্তর ডি অর্থাৎ শ্রীকান্ত সঠিক নয়। প্রশ্নটিতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রাজনৈতিক উপন্যাসের নাম চাওয়া হয়েছে এবং সঠিক উত্তর হবে গোরা।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সর্বশ্রেষ্ঠ ও দীর্ঘতম সামাজিক-রাজনৈতিক উপন্যাস হলো গোরা যা প্রকাশিত হয় বাংলা ১৩১৬ সালে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একাধারে ঔপন্যাসিক, কবি, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক যিনি বাংলা সাহিত্যকে বিশ্বদরবারে পরিচিত করেছেন।
- গোরা উপন্যাসে তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের জাতীয়তাবাদ, ধর্মীয় সংকীর্ণতা, জাতপাত এবং দেশপ্রেমের স্বরূপ গভীরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের যোগাযোগ উপন্যাস।
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আরও একটি বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক ও সামাজিক উপন্যাস।
উদাহরণ ২: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ঘরের বাইরে উপন্যাস।
ব্যাখ্যা: এটি স্বদেশী আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত একটি রাজনৈতিক ও মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পথের দাবী — এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত রাজনৈতিক উপন্যাস, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নয়।
B) পল্লী সমাজ — এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত সমাজভিত্তিক উপন্যাস।
C) গোরা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রাজনৈতিক ও সামাজিক উপন্যাসের সঠিক উত্তর।
D) শ্রীকান্ত — এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি জনপ্রিয় আত্মজীবনীমূলক উপন্যাস।
৫ মনে রাখার টিপস:
- রবীন্দ্রনাথের রাজনৈতিক উপন্যাস মনে রাখার সহজ কৌশল হলো গোরা ও ঘরের বাইরে।
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক উপন্যাসের নাম হলো পথের দাবী।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম সার্থক উপন্যাস চোখের কূল এবং বিখ্যাত রাজনৈতিক উপন্যাস গোরা।
- এই ধরনের প্রশ্নে লেখকের নাম এবং উপন্যাসের ধরন ভালোভাবে মিলিয়ে দেখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
১. কেন সঠিক:
ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তকে বাংলা সাহিত্যের যুগসন্ধিক্ষণের কবি বলা হয় কারণ তিনি প্রাচীন যুগের অবসান এবং আধুনিক যুগের সূচনার মধ্যবর্তী সময়ে সেতু বন্ধন তৈরি করেছিলেন।
তাঁর কবিতায় প্রাচীন ধারার পয়ার ও ত্রিপদী ছন্দের ব্যবহার যেমন ছিল, তেমনি আধুনিক যুগের মতো সমসাময়িক সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনের বাস্তব প্রতিফলনও ঘটেছিল।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ছিলেন ঊনবিংশ শতকের একজন বিশিষ্ট কবি ও সাংবাদিক যিনি সংবাদ প্রভাকর পত্রিকা সম্পাদনা করতেন।
তিনি প্রাচীন বাংলা সাহিত্যের শেষ প্রতিনিধি এবং আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রথম যুগের ঠিক আগের পর্বের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একজন সাহিত্য সাধক।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত সম্পাদিত সংবাদ প্রভাকর পত্রিকাটি ১৮৩১ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।
ব্যাখ্যা: এই পত্রিকাটি সে সময়ের সমাজ সংস্কার ও সাহিত্যচর্চায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যুগসন্ধিক্ষণের আবহ তৈরি করেছিল।
উদাহরণ ২: তাঁর রচিত দুটি বিখ্যাত গ্রন্থ হলো কবিতাকুসুমাংশ এবং প্রভাকর পদ্যসংগ্রহ।
ব্যাখ্যা: এসব রচনায় প্রাচীন ধারার সাথে আধুনিক চিন্তাচেতনার অপূর্ব সমন্বয় দেখা যায় যা যুগসন্ধিক্ষণের প্রধান বৈশিষ্ট্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত — ইনি সঠিক উত্তর কারণ তিনি প্রাচীন ও আধুনিক যুগের সংযোগস্থলে অবস্থান করে যুগসন্ধিক্ষণের কবির মর্যাদা লাভ করেছেন।
B) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — ইনি বাংলা গদ্যের জনক হিসেবে পরিচিত, কোনো কবি নন। তাই তিনি যুগসন্ধিক্ষণের কবি হতে পারেন না।
C) মধুসূদন দত্ত — ইনি বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবক্তা এবং আধুনিক যুগের প্রথম মহাকবি। তিনি যুগসন্ধিক্ষণের পরের পূর্ণাঙ্গ আধুনিক যুগের কবি।
D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — ইনি বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ কবি ও আধুনিক যুগের শীর্ষস্থানীয় প্রতিনিধি। তিনি অনেক পরের যুগের কবি।
৫ মনে রাখার টিপস:
প্রাচীন ও আধুনিক যুগের সন্ধিক্ষণ বা মিলনস্থলের কথা মনে রাখতে গুপ্ত শব্দটিকে গুপ্তধন হিসেবে ভাবুন যা দুই যুগের মধ্যবর্তী সময়ে আবিষ্কৃত হয়েছিল।
যুগসন্ধিক্ষণ মানেই ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত এই সূত্রটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য মনে রাখা সবচেয়ে সহজ উপায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় যুগসন্ধিক্ষণের কবি সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তকে আধুনিক বাংলা কবিতার পথপ্রদর্শক বা গুরু হিসেবেও অনেক সাহিত্য সমালোচক গণ্য করে থাকেন।
সঠিক উত্তর: A) আরবি
১. কেন সঠিক:
- নেজারত শব্দটি আরবি ভাষা থেকে আগত একটি প্রশাসনিক পরিভাষাগত শব্দ।
- এটি মূলত আরবি نظارة (নাযারাত) বা نظارة (নাযরত) শব্দ থেকে বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
শব্দের উৎস ও শব্দের অর্থ।
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত শব্দগুলোকে উৎসের দিক থেকে প্রধানত তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি এবং বিদেশি এই পাঁচ ভাগে ভাগ করা হয়।
আরবি ভাষা থেকে আগত শব্দগুলো প্রধানত ধর্ম, প্রশাসন, আইন এবং সংস্কৃতি সম্পর্কিত হয়ে থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আদালত
ব্যাখ্যা: আদালত শব্দটি আরবি ভাষা থেকে এসেছে এবং এটি বিচারালয় অর্থে বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: তারিখ
ব্যাখ্যা: তারিখ শব্দটি আরবি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় গৃহীত একটি বহুল ব্যবহৃত প্রশাসনিক ও দৈনন্দিন শব্দ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আরবি — এটি সঠিক উত্তর কারণ নেজারত শব্দটি আরবি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে।
B) ফারসি — ফারসি ভাষা থেকে অনেক শব্দ বাংলায় এলেও নেজারত ফারসি শব্দ নয়।
C) চীনা — চীনা ভাষা থেকে চা, চিনি ইত্যাদি শব্দ এলেও নেজারত চীনা শব্দ নয়।
D) ইংরেজি — ইংরেজি ভাষা থেকে নানা শব্দ এলেও নেজারত ইংরেজি শব্দ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
আইন আদালত প্রশাসন সংক্রান্ত অনেক শব্দ আরবি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে।
নেজারত শব্দটি এই প্রশাসনিক ও বিচারালয় সংক্রান্ত শব্দভান্ডারের অন্তর্ভুক্ত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দের উৎস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
আরবি, ফারসি এবং পর্তুগিজ শব্দের তালিকা ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্নের উত্তর দেওয়া সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: A) চন্দ্রকুমার দে
১. কেন সঠিক:
- ময়মনসিংহ গীতিকা লোকসাহিত্যের একটি অমূল্য সম্পদ যা সংগ্রাহক চন্দ্রকুমার দে অক্লান্ত পরিশ্রম করে সংগ্রহ করেছিলেন।
- ড. দীনেশ চন্দ্র সেন এই সংগৃহীত গীতগুলো সম্পাদনা ও প্রকাশ করেন, তবে মূল সংগ্রহের কাজটি চন্দ্রকুমার দে করেছিলেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- চন্দ্রকুমার দে ছিলেন একজন নিবেদিতপ্রাণ লোকসাহিত্য সংগ্রাহক যিনি ময়মনসিংহের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে গ্রামীণ গান ও গাথা সংগ্রহ করেন।
- দীনেশ চন্দ্র সেনের উদ্যোগে এবং কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় ১৯২৩ সালে ময়মনসিংহ গীতিকা প্রথম গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মহুয়া পালা
ব্যাখ্যা: ময়মনসিংহ গীতিকার সবচেয়ে জনপ্রিয় পালাগুলোর একটি হলো মহুয়া যা চন্দ্রকুমার দে সংগ্রহ করেছিলেন।
উদাহরণ ২: মলুয়া পালা
ব্যাখ্যা: এটিও ময়মনসিংহ গীতিকার অন্তর্ভুক্ত একটি বিখ্যাত পালা যা লোকসাহিত্যের অন্যতম নিদর্শন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চন্দ্রকুমার দে — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি স্বয়ং মাঠে গিয়ে লোকসাহিত্য সংগ্রহ করেছিলেন।
B) আশরাফ সিদ্দিকী — তিনি একজন বিশিষ্ট folklorist বা লোকসাহিত্য বিশারদ হলেও ময়মনসিংহ গীতিকা সংগ্রহ করেননি।
C) দীনেশ চন্দ্র সেন — তিনি ময়মনসিংহ গীতিকা সংকলন ও সম্পাদনা করেছিলেন, মূল সংগ্রহক চন্দ্রকুমার দে নন।
D) অমর্ত্য সেন — তিনি একজন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ এবং তাঁর সঙ্গে ময়মনসিংহ গীতিকা সংগ্রহের কোনো সম্পর্ক নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সংগ্রহ করেছেন চন্দ্রকুমার দে এবং সম্পাদনা করেছেন দীনেশ চন্দ্র সেন, এই পার্থক্য মনে রাখা জরুরি।
- সং = সংগ্রহ = চন্দ্রকুমার (উভয়ের শুরুতে চ আছে)।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ময়মনসিংহ গীতিকা প্রকাশিত হয় ১৯২৩ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে।
- এই গ্রন্থটি বিশ্বের বহু ভাষায় অনূদিত হয়েছে এবং বাংলা লোকসাহিত্যের গৌরব বৃদ্ধি করেছে।
সঠিক উত্তর: B) নিঃ + রোগ
১. কেন সঠিক:
বিসর্গ সন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম অনুযায়ী বিসর্গের পর 'র' থাকলে বিসর্গ লোপ পায় এবং পূর্ববর্তী স্বরবর্ণ দীর্ঘ হয়।
এই নিয়মে 'নিঃ' এর বিসর্গ লুপ্ত হয়ে এবং 'ই' কার দীর্ঘ হয়ে 'ঈ' কারে পরিণত হয়ে 'নীরোগ' শব্দ গঠিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুসারে বিসর্গের পর 'র' ধ্বনি থাকলে বিসর্গ উঠে যায় এবং তার আগের হ্রস্বস্বর দীর্ঘস্বরে রূপান্তরিত হয়।
এখানে 'নি' উপসর্গের সঙ্গে 'রোগ' যুক্ত হওয়ার সময় বিসর্গের প্রভাবে এই বিশেষ রূপান্তর সাধিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নিঃ + রস = নীরস
ব্যাখ্যা: বিসর্গের পর 'র' থাকায় বিসর্গ লোপ পেয়েছে এবং 'নি' দীর্ঘ হয়ে 'নী' হয়েছে।
উদাহরণ ২: নিঃ + রন্ধ্র = নীরন্ধ্র
ব্যাখ্যা: একই নিয়ম মেনে বিসর্গ লুপ্ত হয়ে এবং হ্রস্ব স্বর দীর্ঘ হয়ে শব্দটি নীরন্ধ্র হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নি + রোগ — এটি সঠিক নিয়ম নয় কারণ এখানে বিসর্গ চিহ্ন অনুপস্থিত রয়েছে।
C) নী + রোগ — এখানে প্রথম অংশে দীর্ঘ 'নী' ব্যবহার করা হয়েছে যা মূল শব্দের গঠনে ভুল।
D) নীঃ + রোগ — এখানে প্রথম অংশে দীর্ঘ 'নী' এর সঙ্গে বিসর্গ ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
৫. মনে রাখার টিপস:
বিসর্গের পর 'র' থাকলে প্রথম শব্দটি হ্রস্ব স্বরান্ত হলে তা দীর্ঘ স্বরান্ত হবে এবং বিসর্গ উঠে যাবে।
নীরোগ, নীরস বা নীরন্ধ্র শব্দগুলোর ক্ষেত্রে এই শর্টকাট নিয়মটি মনে রাখা অত্যন্ত সহজ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিসর্গ সন্ধি থেকে প্রায়ই এই ধরনের শব্দ পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করার জন্য দেওয়া হয়।
বানান শুদ্ধির ক্ষেত্রেও 'নীরোগ' একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শব্দ যা প্রায়ই পরীক্ষাতে আসে।
সঠিক উত্তর: B) বিপদ মুক্ত হওয়া
১. কেন সঠিক:
- 'হালে পানি পাওয়া' একটি জনপ্রিয় বাংলা বাগধারা যার অন্তর্নিহিত অর্থ হলো কোনো কঠিন অবস্থা বা সংকট থেকে উদ্ধার পাওয়া কিংবা সুবিধা করা।
- প্রাত্যহিক বা জলপথে নৌকা চালানোর সময় পাওয়ায় অনুকূল অবস্থা বোঝায়, যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিপদ থেকে মুক্তির অর্থে ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে বিশেষ বা লক্ষণার্থ প্রকাশ করে থাকে।
- বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে বাগধারা ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং ভাবকে সংক্ষেপে ও সুন্দরভাবে প্রকাশ করতে সাহায্য করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দীর্ঘ দিন বেকার থাকার পর অবশেষে একটি ভালো চাকরি পেয়ে সে যেন হালে পানি পেল।
ব্যাখ্যা: এখানে দীর্ঘদিন ধরে চলা অর্থনৈতিক সংকট বা বিপদের অবস্থা কেটে যাওয়া বোঝানো হয়েছে।
উদাহরণ ২: ব্যবসার এই মন্দা কাটিয়ে উঠতে পারলে আমরা আবার হালে পানি পাব।
ব্যাখ্যা: এখানে ব্যবসার বর্তমান বিপদজনক অবস্থা থেকে রক্ষা পাওয়ার সম্ভাবনা প্রকাশ করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিপদে পড়া — এটি 'হালে পানি পাওয়া' বাগধারার উল্টো অর্থ প্রকাশ করে, কারণ এর সঠিক অর্থ বিপদ মুক্ত হওয়া।
B) বিপদ মুক্ত হওয়া — এটি সঠিক উত্তর।
C) বিপদাপন্ন — এই শব্দটি কেবল বিপদের মুখে থাকাকে বোঝায়, কিন্তু বাগধারাটির অর্থ সংকট থেকে উদ্ধার পাওয়া।
D) বিপদে ধৈর্য ধরা — এটি ধৈর্য ধারণের মতো মানসিক অবস্থাকে নির্দেশ করে, যা বাগধারার নির্দিষ্ট অর্থের সঙ্গে মেলে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- নৌকায় পানি পেলে যেমন নৌকা ডোবার ভয় কমে যায় এবং সহজে চালানো যায়, তেমনি হালে পানি পেলে মানুষ বিপদ থেকে মুক্তি পায়।
- এভাবে নৌকার উদাহরণের সঙ্গে মিলিয়ে বাগধারাটি সহজেই মনে রাখা সম্ভব।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জল বা পানি সম্পর্কিত বাগধারাগুলো প্রায়ই আসে।
- মূল শব্দের আক্ষরিক অর্থের চেয়ে এর ভাবার্থ বা প্রাগৈতিহাসিক রূপটি ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) গ্রিক
১. কেন সঠিক:
- আকাদামি শব্দটি গ্রিক ভাষার শব্দ থেকে বাংলায় এসেছে।
- গ্রিক দার্শনিক প্লেটোর প্রতিষ্ঠিত শিক্ষায়তনের নাম ছিল একাডেমি বা আকাদেমিয়া।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বিদেশি শব্দ হলো সেসব শব্দ যা বিভিন্ন ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে।
- গ্রিক ভাষা থেকে বাংলায় আগত শব্দগুলোর মধ্যে আকাদামি অন্যতম একটি প্রমিত শব্দ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ইউক্যালিপটাস
ব্যাখ্যা: এটিও একটি গ্রিক ভাষার শব্দ যা বাংলা ভাষায় বহুল ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: সুরঙ্গ
ব্যাখ্যা: এটিও গ্রিক উৎস থেকে বাংলা ভাষায় প্রবিষ্ট একটি গুরুত্বপূর্ণ শব্দ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফারসি — ফারসি ভাষা থেকে হাজারো শব্দ বাংলায় আসলেও আকাদামি ফারসি শব্দ নয়।
B) ফরাসি — ফরাসি ভাষা থেকে কার্তুজ কুপন শব্দ আসলেও আকাদামি ফরাসি শব্দ নয়।
C) ইংরেজি — আকাদামি দেখতে ইংরেজি অ্যাকাডেমি মনে হলেও এটি মূলত গ্রিক ভাষার শব্দ।
D) গ্রিক — এই অপশনটি সঠিক কারণ আকাদামি সরাসরি গ্রিক ভাষা থেকে গৃহীত হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- প্রাচীন গ্রিক দার্শনিক প্লেটোর শিক্ষায়তনের নাম ছিল আকাদেমিয়া।
- এই ঐতিহাসিক উৎসের সঙ্গে মিল রেখে আকাদামি শব্দটিকে গ্রিক শব্দ হিসেবে মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ চেনার জন্য শব্দের উৎসভিত্তিক তালিকা পড়তে হয়।
- গ্রিক ভাষার শব্দের সংখ্যা কম থাকায় এগুলো আলাদা করে মুখস্থ রাখা বুদ্ধিমানের কাজ।
সঠিক উত্তর: C) জীবনানন্দ দাশ
১. কেন সঠিক:
- 'বনলতা সেন' বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও ধ্রুপদী আধুনিক কবিতা, যা আধুনিকতার অন্যতম প্রবক্তা কবি জীবনানন্দ দাশের অমর সৃষ্টি।
- এই কবিতার মাধ্যমে কবি হাজার বছরের পথ হাঁটা ক্লান্ত মানুষের ক্লান্তি ও শান্তির প্রতীক হিসেবে 'বনলতা সেন'-কে উপস্থাপন করেছেন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- জীবনানন্দ দাশ ১৯১৮ সালে ব্রাহ্মসমাজ অন্তর্ভুক্ত হন এবং বাংলা আধুনিক কবিতার রূপ বদলে দেন।
- 'বনলতা সেন' কবিতাটি প্রথমে ১৯৩৫ সালের ডিসেম্বরে 'কবিতা' পত্রিকায় প্রকাশিত হয় এবং ১৯৪২ সালে প্রকাশিত সমনামীয় কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রূপসী বাংলা
ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের একটি বিখ্যাত প্রকৃতিভিত্তিক কাব্যগ্রন্থ যা কবির মৃত্যুর পর প্রকাশিত হয়।
উদাহরণ ২: মহাপৃথিবী
ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের আরেকটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও প্রখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি, যিনি সাম্য ও দ্রোহের কবিতা রচনার জন্য পরিচিত, 'বনলতা সেন' তার লেখা নয়।
B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বিশ্বকবি এবং নোবেলজয়ী সাহিত্যিক, যিনি গীতাঞ্জলি ও নানা গীতিনাট্য রচনার জন্য বিখ্যাত, 'বনলতা সেন' তার কবিতা নয়।
D) জসীমউদ্দীন — তিনি পল্লীকবি নামে পরিচিত এবং নকশী কাঁথার মাঠ তার বিখ্যাত কাব্য, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- রূপসী বাংলার কবি জীবনানন্দ দাশের শ্রেষ্ঠ কীর্তি হলো 'বনলতা সেন' কবিতাটি।
- কবি ও কবিতার নাম মনে রাখতে 'জীবন ও লতা' এভাবে মনে রাখতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় 'বনলতা সেন' কোন কবির রচনা বা এর প্রকাশকাল প্রায়ই আসে।
- আধুনিক যুগের কবিতা ও কবির নাম মনে রাখার জন্য কাব্যগ্রন্থের তালিকা আলাদা করে পড়া উচিত।
সঠিক উত্তর: A) বুদ্ধিজীবী
১. কেন সঠিক:
- বুদ্ধিজীবী বানানটিতে বুদ্ধি শব্দের সঙ্গে জীবী প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে যা দীর্ঘ ঈকারান্ত।
- জীবী শব্দটির মূল ধাতু জিব বা জীব যার সঙ্গে দীর্ঘ ঈ যুক্ত হয়ে এই প্রত্যয় গঠিত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী জীবী বা গ্রাহী জাতীয় শব্দে সর্বদা দীর্ঘ ঈকার ব্যবহৃত হয়।
- সমাসবদ্ধ বা প্রত্যয়যুক্ত শব্দের ক্ষেত্রে এই নিয়ম অপরিবর্তিত থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দূরদর্শী
ব্যাখ্যা: দূরদর্শিতা অর্থে এই শব্দটিতেও দীর্ঘ ঈকার ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: আইনজীবী
ব্যাখ্যা: আইন ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত বোঝাতে জীবী বা সংশ্লিষ্ট শব্দে দীর্ঘ ঈকার বসে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বুদ্ধিজীবী - সঠিক উত্তর কারণ এতে জীবী অংশে দীর্ঘ ঈকার ব্যবহার করা হয়েছে।
B) বুদ্ধিজিবী - ভুল কারণ এতে জীবী অংশের জী বর্ণে হ্রস্ব ইকার ব্যবহার করা হয়েছে।
C) বুদ্ধিজিবি - ভুল কারণ এতে জীবী অংশের জি ও বি উভয় বর্ণেই হ্রস্ব ইকার ব্যবহার করা হয়েছে।
D) বুদ্ধীজীবী - ভুল কারণ বুদ্ধি শব্দের বুদ্ধী অংশে দীর্ঘ ঈকার ব্যবহার করা হয়েছে যা অশুদ্ধ।
৫. মনে রাখার টিপস:
- জীবী বানানে সবসময় দীর্ঘ ঈকার হয়, যেমনজীবী মানে জীবন ধারণকারী।
- বুদ্ধিজীবী লেখার সময় শেষে জীবী শব্দটি মনে রাখলেই বানান ভুল হবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই বানানটি প্রায়ই আসে।
- জীবী বা গ্রাহী যুক্ত অন্যান্য বানান যেমন দূরদর্শী ও আইনজীবী ভালোভাবে অনুশীলন করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) শুক্তি
১. কেন সঠিক:
- 'ঝিনুক' শব্দের সমার্থক বা মূল অর্থ হলো 'শুক্তি', যার খোলসের ভেতরে মুক্তা জন্ম নেয়।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের সঠিক অর্থ ও সমার্থক শব্দ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
২. শব্দার্থ ব্যাখ্যা:
- বাংলা ভাষা ও শব্দভান্ডারে দেশি ও তৎসম শব্দের পাশাপাশি বিভিন্ন জলচর প্রাণী ও বস্তুর নির্দিষ্ট নাম রয়েছে।
- 'ঝিনুক' একটি সামুদ্রিক বা জলজ নরম দেহত্ওয়াল বিশিষ্ট প্রাণী এবং এর বাইরের শক্ত খোলসকে শুক্তি বলা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নদীতীরে শামুক ও ঝিনুক পড়ে আছে।
ব্যাখ্যা: জলজ প্রাণী হিসেবে ঝিনুকের উপস্থিতি বোঝাতে এই শব্দ ব্যবহার করা হয়।
উদাহরণ ২: শুক্তির বুক চিরে মুক্তা সংগ্রহ করা হয়।
ব্যাখ্যা: ঝিনুকের অপর নাম শুক্তি হওয়ায় মুক্তা পাওয়ার উৎস হিসেবে এটি ব্যবহৃত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উপল — এই শব্দের অর্থ পাথর বা প্রস্তর, যা ঝিনুক শব্দের অর্থের সঙ্গে মেলে না।
B) সলিল — এই শব্দের অর্থ পানি বা জল, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
C) শেল — এই শব্দের অর্থ অস্ত্র বা বর্শা বিশেষ, যা ঝিনুকের সমার্থক নয়।
D) শুক্তি — এই অপশনটি সঠিক কারণ শুক্তি মানেই ঝিনুক।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ঝিনুক দেখলে শুক্তি কথাটি মাথায় রাখবে কারণ মুক্তা পাওয়া যায় এই শুক্তি বা ঝিনুকের পেট থেকেই।
- সমার্থক শব্দ পড়ার সময় মূল শব্দের সঙ্গে তার বস্তুগত পরিচয় মনে রাখলে ভুল হয় না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ বা সমার্থক শব্দ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
- প্রমিত বাংলা শব্দভান্ডার সমৃদ্ধ করতে এ ধরনের জলজ প্রাণী ও উপাদানের নাম ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) অপরাহ্ণ
১. কেন সঠিক:
- বাংলা বানানরীতি ও ণ-ত্ব বিধান অনুযায়ী হ বর্ণের পূর্বে ঋ, র, ষ কিংবা ট-বর্গীয় ধ্বনি থাকলে মূর্ধন্য ণ যুক্ত হয়।
- অপরাহ্ণ শব্দটিতে হ এর পূর্বে ন এর পরিবর্তে মূর্ধন্য ণ যুক্ত হয়ে প্রমিত বানান গঠিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- প্রমিত বাংলা বানান নিয়মে হ এর সাথে ন যুক্ত হলে তা সর্বদা মূর্ধন্য ণ হয়।
- তৎসম শব্দের ট-বর্গীয় ধ্বনির পূর্বে মূর্ধন্য ণ বসে এবং হ-এর সাথে ন যুক্ত হলে এই বিধান প্রযোজ্য হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পূর্বাহ্ণ
ব্যাখ্যা: পূর্বাহ্ণ শব্দটিতেও হ এর পূর্বে মূর্ধন্য ণ ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: মধ্যাহ্ণ
ব্যাখ্যা: মধ্যাহ্ণ শব্দটিতে হ-এর সাথে মূর্ধন্য ণ যুক্ত হয়ে সঠিক বানান গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অপরাহ্ণ — প্রদত্ত উত্তর অনুযায়ী এটিও সঠিক মনে হতে পারে কিন্তু অপশনের পুনর্বিন্যাসের কারণে C অপশনটি মূল উত্তর হিসেবে নির্ধারিত।
B) অপরাহ্ন — এখানে হ এর সাথে দন্ত ন যুক্ত হয়েছে যা সঠিক নিয়মের ব্যত্যয়।
C) অপরাহ্ণ — এটি হ এর সাথে মূর্ধন্য ণ যুক্ত সঠিক প্রমিত বানান রূপ।
D) অপরান্ন — এখানে হ এর বদলে ন-এর সাথে দন্ত ন যুক্ত হয়েছে যা সম্পূর্ণ ভুল।
৫. মনে রাখার টিপস:
- হ-এর সাথে যখন ন যুক্ত হবে তখন সবসময় মূর্ধন্য ণ লিখবে।
- পূর্বাহ্ণ, মধ্যাহ্ণ ও অপরাহ্ণ শব্দগুলোতে হ-এর নিচে মূর্ধন্য ণ থাকে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অপরাহ্ন বনাম অপরাহ্ণ বানানটি খুবFrequently আসে।
- হ-এর সাথে ন যুক্ত হওয়ার ব্যতিক্রমী নিয়মগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) ওউ
১. কেন সঠিক:
'ঔ' একটি যৌগিক স্বরবর্ণ বা দ্বিপ্রস্বর। বাংলা বর্ণমালায় 'ঐ' এবং 'ঔ' হলো দুটি যৌগিক স্বরবর্ণ।
উচ্চারণের সময় 'ঔ' বর্ণটি ভেঙে 'ও' এবং 'উ'-এর মতো ধ্বনি উৎপন্ন করে। তাই এর সঠিক উচ্চারণ হলো ওউ।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
যে স্বরবর্ণ দুটি ভিন্ন স্বরধ্বনির মিলিত রূপ নিয়ে গঠিত হয় তাকে যৌগিক স্বরবর্ণ বলে। বাংলা ব্যাকরণে যৌগিক স্বরবর্ণ বা দ্বিপ্রস্বর হলো দুটি অর্থাৎ ঐ এবং ঔ।
'ও' এবং 'উ' একত্রে দ্রুত উচ্চারিত হয়ে 'ঔ' ধ্বনি তৈরি করে। মুখে উচ্চারণের সময় ওষ্ঠের আকৃতি পরিবর্তিত হয়ে এই মিশ্র ধ্বনি সৃষ্টি হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ঔষধি
ব্যাখ্যা: ঔষধি শব্দটি উচ্চারণের শুরুতে ওউ ধ্বনি প্রকাশ করে, যা ঔ বর্ণের প্রকৃত উচ্চারণের নিয়ম অনুসরণ করে।
উদাহরণ ২: মৌসুমী
ব্যাখ্যা: মৌসুমী শব্দটিতে ঔ কার যুক্ত হয়ে ওউ এর মতো যৌথ স্বরধ্বনি তৈরি করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ওই — এটি 'ঐ' বর্ণের উচ্চারণ নির্দেশ করে, যা ঔ বর্ণের সঠিক উচ্চারণ নয়।
B) অই — এটি ভুল উচ্চারণ, কারণ ঔ বর্ণে অ-এর সঙ্গে ই-এর কোনো মিশ্রণ থাকে না।
C) আউ — এটি ভুল উচ্চারণ, কারণ ঔ তৈরিতে আ ধ্বনির কোনো ব্যবহার নেই।
D) ওউ — এটি সঠিক উচ্চারণ, কারণ ঔ বর্ণটি ও এবং উ ধ্বনির মিলিত রূপ।
৫. মনে রাখার টিপস:
ঐ বর্ণটির উচ্চারণ হলো অই এবং ঔ বর্ণটির উচ্চারণ হলো ওউ। এটি মনে রাখার জন্য ঐ-এর সঙ্গে ই এবং ঔ-এর সঙ্গে উ মিলিয়ে পড়বে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা বর্ণমালায় যৌগিক স্বরজ্ঞাপক বর্ণ বা অক্ষর দুটি হলো ঐ এবং ঔ। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই দুটি বর্ণের সঠিক উচ্চারণ জানতে চাওয়া হয়।
সঠিক উত্তর: D) অ্যা, আ, অ
১. কেন সঠিক:
বিবৃত স্বরধ্বনি বলতে সেই ধ্বনিগুলোকে বোঝায়, উচ্চারণের সময় মুখবিবর সম্পূর্ণ বা সবচেয়ে বেশি উন্মুক্ত থাকে। বাংলা ভাষার সাতটি প্রধান স্বরধ্বনির মধ্যে অ্যা, আ এবং অ হলো বিবৃত স্বরধ্বনি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ভাষায় উচ্চারণের সময় জিব ও মুখের আকৃতির ওপর ভিত্তি করে স্বরধ্বনিগুলোকে বিভিন্ন ভাগে ভাগ করা হয়। মুখবিবরের উন্মুক্ততার ওপর ভিত্তি করে স্বরধ্বনি চার প্রকার, যথা: বিবৃত, অর্ধ-বিবৃত, অর্ধ-সংবৃত ও সংবৃত। বিবৃত স্বরধ্বনিতে মুখ সবচেয়ে বেশি খোলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আম
ব্যাখ্যা: আ একটি বিবৃত স্বরধ্বনি, যা উচ্চারণের সময় মুখবিবর সম্পূর্ণ প্রসারিত হয়।
উদাহরণ ২: নদী
ব্যাখ্যা: ই এবং উ হলো সংবৃত স্বরধ্বনি, যেখানে মুখবিবর সবচেয়ে কম উন্মুক্ত থাকে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অ, ই, উ — এখানে ই ও উ সংবৃত স্বরধ্বনি হওয়ায় এই অপটি সঠিক নয়।
B) আ, উ, উ — এখানে উ সংবৃত স্বরধ্বনি হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক নয়।
C) অ, এ, আ — এখানে এ হলো অর্ধ-সংবৃত বা অর্ধ-বিবৃত স্বরধ্বনি।
D) অ্যা, আ, অ — এই তিনটি ধ্বনিই বিবৃত স্বরধ্বনির অন্তর্ভুক্ত।
৫. মনে রাখার টিপস:
বিবৃত স্বরধ্বনি মনে রাখার সহজ উপায় হলো 'আ অ অ্যা' এই তিনটি বর্ণ মুখস্থ রাখা। মুখ বেশি খুলে উচ্চারিত হয় এমন ধ্বনিগুলোই বিবৃত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা ব্যাকরণে ধ্বনি ও বর্ণ প্রকরণ থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। মুখবিবরের খোলার অবস্থান অনুযায়ী স্বরধ্বনির শ্রেণিবিভাগ ভালোভাবে আয়ত্ত করা জরুরি।
সঠিক উত্তর: B) a man of no substance
কেন সঠিক:
- 'A man of straw' একটি প্রবাদপ্রতীম ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা।
- এর শাব্দিক অর্থ খড় দিয়ে তৈরি মানুষ বা পুতুল হলেও রূপক অর্থে এর দ্বারা এমন একজন দুর্বল ব্যক্তিকে বোঝানো হয় যার কোনো নৈতিক শক্তি, ব্যক্তিত্ব বা অর্থনৈতিক ভিত্তি নেই।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) doll — এটি সরাসরি পুতুল অর্থে ব্যবহৃত হয়, যা এই বাগধারার রূপক অর্থ প্রকাশ করে না।
B) a man of no substance — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ এমন একজন ব্যক্তি যার কোনো গুরুত্ব বা আর্থিক ভিত্তি নেই।
C) a man of substance — এটি ভুল কারণ এর অর্থ অত্যন্ত ধনী বা প্রভাবশালী ব্যক্তি, যা মূল প্রবাদের সম্পূর্ণ বিপরীত।
D) a man lack of money — এটি ভুল কারণ অপশনটিতে ব্যাকরণগত ত্রুটি রয়েছে এবং এটি সরাসরি শুধু আর্থিক অভাব বোঝায়, ব্যক্তিত্বহীনতা বোঝায় না।
মনে রাখার টিপস:
খড় দিয়ে তৈরি পুতুল যেমন সামান্য বাতাসে উড়ে যায় এবং তার কোনো শক্ত ভিত্তি থাকে না, তেমনি 'A man of straw' বলতে মূল্যহীন বা গুরুত্বহীন মানুষ বোঝায়।
সঠিক উত্তর: A) Good luck
কেন সঠিক:
- 'Break a leg' একটি জনপ্রিয় ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা, যার আক্ষরিক অর্থ পা ভেঙে ফেলা হলেও রূপক অর্থে এটি সৌভাগ্য কামনা করতে ব্যবহৃত হয়।
- সাধারণত কোনো নাটক, নাচ বা মঞ্চ পরিবেশনার আগে শিল্পীদের শুভকামনা জানাতে এই অভিব্যক্তিটি বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Good luck — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই বাগধারাটি মঞ্চে পারফর্ম করার আগে শিল্পীদের শুভকামনা জানাতে ব্যবহৃত হয়।
B) Bad luck — এটি ভুল কারণ ইডিয়মটির অর্থ দুর্ভাগ্য বা অমঙ্গল নয়, বরং এর উল্টো অর্থাৎ সৌভাগ্য বোঝায়।
C) To be failed — এটি ভুল কারণ এই বাক্যাংশটি পরীক্ষায় বা কাজে ব্যর্থ হওয়া বোঝাতে ব্যবহৃত হয় না।
D) To hurt — এটি ভুল কারণ শারীরিক আঘাত পাওয়া বোঝাতে এই ইডিয়মটি ব্যবহার করা হয় না, যদিও এর মধ্যে 'leg' শব্দটি রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
মঞ্চশিল্পীদের শুভকামনা জানাতে উল্টো কথা বলা হয়, তাই 'Break a leg' বললেই বুঝবেন এর অর্থ ভালো কিছু বা শুভকামনা।
সঠিক উত্তর: C) Adverb
কেন সঠিক:
- 'very' শব্দটি এখানে 'busy' এডজেক্টিভটিকে বিশেষভাবে মডিফিকেশন বা এর মাত্রা প্রকাশ করছে।
- যে শব্দ কোনো Adjective, Adverb বা Verb-কে বিশেষায়িত করে, তাকে Adverb বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Adjective — এটি কোনো নাউন বা প্রোনাউনের দোষ, গুণ বা সংখ্যা প্রকাশ করে না, বরং ব্যস্ততা বুঝাতে সাহায্য করেছে।
B) Noun — এটি কোনো কিছুর নাম বোঝাচ্ছে না, তাই এটি নাউন হতে পারে না।
C) Adverb — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এখানে পুরোপুরি সঠিক কারণ এটি Adjective-এর মাত্রা বৃদ্ধি করেছে।
D) Interjection — এটি মনের আকস্মিক আবেগ প্রকাশ করছে না, তাই এটি ইন্টারজেকশন নয়।
মনে রাখার টিপস:
কোনো Adjective-এর ঠিক পূর্বে বসে যদি তার তীব্রতা বা মাত্রা বোঝায়, তবে সেই শব্দ সব সময় Adverb হয়।
সঠিক উত্তর: C) John Milton
কেন সঠিক:
- 'Paradise Lost' ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মহাকাব্য যা জন মিল্টন সপ্তদশ শতাব্দীতে রচনা করেন।
- এটি মূলত শয়তানের প্রলোভনে আদি মানব আদম ও ইভ কর্তৃক নিষিদ্ধ ফল ভক্ষণ এবং স্বর্গ থেকে তাদের পতনের গল্প নিয়ে রচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) John Keats — জন কিটস্ হলেন রোমান্টিক যুগের কবি, যিনি 'Ode to a Nightingale' ও 'Hyperion' এর মতো বিখ্যাত গীতিকবিতা লিখেছেন।
B) William Shakespeare — উইলিয়াম শেক্সপিয়র এলিজাবেথীয় যুগের বিশ্বখ্যাত নাট্যকার ও কবি, যিনি হ্যামলেট ও ম্যাকবেথের মতো নাটক লিখেছেন।
C) John Milton — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এটি এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) John Donne — জন ডন হলেন সপ্তদশ শতাব্দীর মেটাফিজিক্যাল ধারার প্রধান কবি, যিনি প্রেমের ও ধর্মীয় কবিতা লেখার জন্য বিখ্যাত।
মনে রাখার টিপস:
মিল্টন (Milton) এবং মহাকাব্য (Epic) উভয় শব্দে মিল আছে, তাই মিল্টনের বিখ্যাত মহাকাব্য হলো প্যারাডাইস লস্ট।
সঠিক উত্তর: A) cast
কেন সঠিক:
- 'Cast off' একটি উপযুক্ত শব্দগুচ্ছ বা ফ্রেজাল ভার্ব, যার অর্থ হলো কোনো কিছু ত্যাগ করা বা খসিয়ে ফেলা।
- গাছের ক্ষেত্রে পাতা ঝরে পড়া বা খসে যাওয়া বোঝাতে 'cast off' সঠিক ও প্রমিত অভিব্যক্তি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) cast — এই অপশনটি সঠিক, কারণ 'cast off' ফ্রেজাল ভার্বটি গাছের পাতা ঝরে পড়ার ক্ষেত্রে যথাযথ অর্থ প্রকাশ করে।
B) thrown — 'Throw' অর্থ ছোঁড়া বা নিক্ষেপ করা, যা গাছের পাতা প্রাকৃতিকভাবে ঝরে পড়ার ক্ষেত্রে অর্থসংগত নয়।
C) fallen — 'Fallen' নিজে একটি ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল, কিন্তু বাক্যের শূন্যস্থানের আগে 'have' থাকায় এখানে একটি মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল রূপ প্রয়োজন এবং 'fallen off' ব্যাকরণগতভাবে এখানে মানানসই নয়।
D) put — 'Put off' অর্থ স্থগিত করা, যা গাছের পাতা ঝরার এই প্রসঙ্গের সঙ্গে কোনোভাবেই মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
গাছের পাতা ঝরে পড়া বা ফেলে দেওয়া অর্থে সঠিক ফ্রেজাল ভার্ব হিসেবে সবসময় 'cast off' ব্যবহার করা হয়।
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ
সঠিক উত্তর: C) Pseudonym
কেন সঠিক:
- শব্দটির সঠিক বানান হলো Pseudonym যার অর্থ ছদ্মনাম।
- বানানের শুরুতে Psilent বর্ণ হিসেবে থাকে এবং এর উচ্চারণ সিউডোনিম হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Seudonim — বানানটিতে শুরুতে P নেই এবং শেষের অংশ nim ভুল।
B) Pseudonim — শুরুর অংশ সঠিক হলেও শেষের im ভুল এবং সঠিক বানান ym।
C) Pseudonym — এটি সঠিক বানান।
D) Seudonym — বানানটির শুরুতে প্রয়োজনীয় P বর্ণ বাদ পড়েছে।
মনে রাখার টিপস:
ছদ্মনাম বোঝাতে Pseudonym শব্দের শুরুতে Ps এবং শেষে onym মনে রাখলে বানান ভুল হবে না।
সঠিক উত্তর: A) bloom
কেন সঠিক:
- বাক্যে everyday শব্দটি থাকার কারণে এটি Present Indefinite Tense নির্দেশ করে।
- subject 'Many flowers' একটি plural noun phrase হওয়ায় এর সাথে verb-এর plural রূপ অর্থাৎ 'bloom' বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) bloom — এটি সঠিক উত্তর কারণ subject plural হওয়ার কারণে verb-এর base form ব্যবহৃত হয়েছে।
B) has bloomed — এটি Present Perfect Tense, যা দৈনন্দিন বা নিয়মিত ঘটনার ক্ষেত্রে বসে না।
C) have bloomed — এটি Present Perfect Tense এবং subject plural হলেও everyday থাকার কারণে এটি এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) blooms — এটি Present Indefinite Tense হলেও verb-এর সাথে s বা es যুক্ত আছে, যা singular subject-এর জন্য প্রযোজ্য কিন্তু এখানে subject হলো plural।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে everyday, always বা generally থাকলে Present Indefinite Tense হয় এবং subject plural হলে verb-এর সাথে s বা es যুক্ত হয় না।
সঠিক উত্তর: D) The most important benefit that we get from trees is oxygen
কেন সঠিক:
- বাক্যে সবচেয়ে বেশি বোঝাতে superlative degree এবং তার পূর্বে definite article the ব্যবহার করতে হয়।
- গাছের উপকারগুলোর মধ্যে অক্সিজেন হলো সর্বপ্রধান, তাই সঠিক অনুবাদে the most important benefit ব্যবহার করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The important benefit that we get from trees is oxygen — এখানে the important ব্যবহার করা হয়েছে, যা সুপারলেটিভ ডিগ্রি নির্দেশ করে না এবং সবচেয়ে বেশি বোঝাতে ব্যর্থ হয়।
B) The benefit that we get from trees is oxygen — এখানে কোনো superlative adjective ব্যবহার করা হয়নি, অথচ মূল বাক্যে সবচেয়ে বড় উপকার বোঝানো হয়েছে।
C) The important benefits that we get from trees is oxygen — এখানে benefits বহুবচন ব্যবহার করা হয়েছে কিন্তু verb singular, আবার সুপারলেটিভ ডিগ্রিও অনুপস্থিত।
D) The most important benefit that we get from trees is oxygen — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি সুপারলেটিভ ডিগ্রির নিয়ম নিখুঁতভাবে মেনে চলেছে।
মনে রাখার টিপস:
বাংলা বাক্যে সবচেয়ে বড় বা সর্বশ্রেষ্ঠ শব্দ থাকলে ইংরেজিতে তার জন্য the most এবং adjective-এর superlative form ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) Common
কেন সঠিক:
- 'man' শব্দটি কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা নামের পরিবর্তে সমগ্র মানবজাতিকে বোঝায়।
- একই জাতীয় সবার ক্ষেত্রে সাধারণ নাম হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ায় এটি Common Noun.
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Proper — কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি, স্থান বা বস্তুর নাম বোঝায় না, তাই এটি Proper Noun নয়।
B) Common — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং শর্ত পূরণ করে।
C) Collective — এটি কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর সমষ্টিগত দল বোঝায় না, তাই এটি Collective Noun নয়।
D) Material — এটি কোনো উপাদান বা পদার্থের নাম বোঝায় না, তাই এটি Material Noun নয়।
মনে রাখার টিপস:
যে নামবাচক শব্দ দ্বারা নির্দিষ্ট কাউকে না বুঝিয়ে একই শ্রেণীর সবাইকে সাধারণভাবে বোঝায়, তাকে Common Noun বলে।
সঠিক উত্তর: B) The accident happened at night.
কেন সঠিক:
- নির্দিষ্ট কোনো রাতের বেলায় কোনো ঘটনা ঘটার ক্ষেত্রে সময়ের পূর্বে preposition হিসেবে at ব্যবহৃত হয়।
- The accident happened at night বাক্যটিতে preposition এবং spelling সম্পূর্ণ সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Neither of the two women are to be trusted — Neither of এর পর plural noun এবং singular verb বসে, তাই are-এর পরিবর্তে is হবে।
B) The accident happened at night. — এটি সম্পূর্ণ সঠিক বাক্য, কারণ রাতের বেলা বোঝাতে at night ব্যবহৃত হয়।
C) What for is Jashore famous — প্রশ্নবোধক বাক্যে preposition সাধারণত শেষে বসে, তাই বাক্যটি What is Jashore famous for হওয়া উচিত ছিল।
D) He prevent us going — Prevent verb-এর পর object-এর সাথে from এবং gerund বসে, তাই He prevented us from going হবে।
মনে রাখার টিপস:
Night শব্দের পূর্বে সাধারণত at বসে এবং Neither of-এর পর verb সবসময় singular হয়।
সঠিক উত্তর: B) made up of
কেন সঠিক:
- কোনো বস্তু বা দল কী কী উপাদান দিয়ে গঠিত, তা বোঝাতে phrasal verb হিসেবে made up of ব্যবহৃত হয়।
- এখানে টিমটি এগারোজন খেলোয়াড় দ্বারা গঠিত, তাই সঠিক উত্তর B।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) made of — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি কোনো বস্তু অপর কোনো উপাদান দিয়ে তৈরি বোঝালে ব্যবহৃত হয়, যেমন টেবিলটি কাঠ দিয়ে তৈরি।
B) made up of — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, যা কোনো দল বা সমষ্টির উপাদান বোঝাতে বসে।
C) made up — এই অপশনটি ভুল কারণ এর পরে কোনো উপাদান বা অবজেক্ট যুক্ত করতে অবিকল of প্রিপজিশন প্রয়োজন হয়।
D) made — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি একা কোনো নির্দিষ্ট দল গঠনের উপাদান বা উপাদানগুলোর সমষ্টি বোঝাতে সম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করতে পারে না।
মনে রাখার টিপস:
কোনো দল বা সমষ্টি কী দিয়ে গঠিত, তা বোঝাতে সবসময় made up of ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) Rude
কেন সঠিক:
- 'Gentle' শব্দের অর্থ ভদ্র, মৃদু বা বিনয়ী।
- এর বিপরীতে রুক্ষ, অসভ্য বা অসদায়ের অর্থ প্রকাশ করতে 'Rude' শব্দটি ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Modest — এই শব্দটির অর্থ বিনয়ী, যা 'gentle' শব্দের সমার্থক বা কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে।
B) Clever — এই শব্দটির অর্থ চালাক বা চতুর, যা ভদ্র বা নম্র শব্দের বিপরীতার্থক নয়।
সি) Rude — এই অপশনটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়।
D) Narrow — এই শব্দটির অর্থ সংকীর্ণ বা ছোট, যা চরিত্রের ক্ষেত্রে gentle শব্দের বিপরীত হিসেবে বসে না।
মনে রাখার টিপস:
Gentle মানুষের বিপরীত স্বভাব হলো Rude হওয়া, তাই ভদ্র শব্দের বিপরীতে রুক্ষ বা অভদ্র বোঝাতে এটি ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: A) than
কেন সঠিক:
- ইংরেজি ব্যাকরণে would rather এর পর সাধারণত than ব্যবহৃত হয়।
- এটি দুটি পছন্দের মধ্যে একটিকে প্রাধান্য দেওয়ার ক্ষেত্রে তুলনা বোঝায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) than — এটি সঠিক কারণ would rather এর সাথে তুলনামূলক শব্দ হিসেবে than বসে।
B) to — এটি ভুল কারণ would rather এর সাথে infinitive এর নিয়ম প্রযোজ্য নয়।
C) and — এটি ভুল কারণ দুটি ভিন্ন ক্রিয়ার মাঝে তুলনা করতে and বসে না।
D) on — এটি ভুল কারণ এটি এখানে কোনো অর্থপূর্ণ প্রিপজিশন হিসেবে কাজ করে না।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে would rather দেখলে চোখ বন্ধ করে than নির্বাচন করবে।
সঠিক উত্তর: B) Playwright
কেন সঠিক:
- এখানে 'wright' শব্দটি এসেছে প্রাচীন ইংরেজি 'wyrhta' থেকে যার অর্থ কারিগর বা নির্মাতা।
- তাই নাটক তৈয়ারকারী বা নাট্যকার অর্থে 'Playwright' বানানটি সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Playwrite — 'Write' মানে লেখা হলেও নাট্যকার বোঝাতে এই বানানটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়।
B) Playwright — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং নাট্যকার অর্থে এই বানানটিই অভিধানে স্বীকৃত।
C) Playwrighte — বানানের শেষে অতিরিক্ত 'e' যুক্ত করার কারণে এটি একটি ভুল বানান।
D) Playwritee — শেষের দিকে অতিরিক্ত বর্ণ ব্যবহার করায় এটি সম্পূর্ণ ভুল শব্দ গঠন করেছে।
মনে রাখার টিপস:
নাট্যকার বোঝাতে লেখার 'Write' শব্দ ব্যবহার না করে কারিগর অর্থে শেষের অংশ 'Wright' ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) Homophonous
কেন সঠিক:
- Homophonous শব্দটি এমন শব্দকে নির্দেশ করে যার উচ্চারণ একই কিন্তু বানান ও অর্থ আলাদা।
- প্রশ্নটিতে বলা হয়েছে Sounding the same but spelt differently, যা এই সংজ্ঞার পুরোপুরি মিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Symphonious — এর অর্থ সুরময় বা সুমধুর, যা একই উচ্চারণের ভিন্ন বানান বোঝায় না।
B) Homophonous — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য।
C) Synonyms — এর অর্থ সমার্থক শব্দ, যার অর্থ এক কিন্তু বানান ও উচ্চারণ আলাদা হতে পারে।
D) Saminyous — এটি ইংরেজি ব্যাকরণে কোনো সঠিক বা মানসম্মত শব্দ নয়।
মনে রাখার টিপস:
Homophone শব্দের 'homo' অর্থ একই এবং 'phone' অর্থ শব্দ বা আওয়াজ, অর্থাৎ একই রকম উচ্চারণ।
সঠিক উত্তর: A) I wish I were a king
কেন সঠিক:
- I wish যুক্ত বাক্যে অসম্ভব বা কাল্পনিক ইচ্ছা প্রকাশ করতে পাস্ট সাবজাংক্টিক মোড ব্যবহার করা হয়।
- এ ধরনের ক্ষেত্রে সাবজেক্ট সিঙ্গুলার বা প্লুরাল যাই হোক না কেন, বি ভার্বের পরিবর্তে সবসময় were বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) I wish I were a king — এটি সঠিক কারণ সাবজেক্ট যাই হোক I wish এর পর বি ভার্ব হিসেবে were বসে।
B) I wish I was a king — এটি ভুল কারণ I এর পর সাধারণ নিয়মে was বসলেও কাল্পনিক ইচ্ছার ক্ষেত্রে was ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ।
C) I wish I will be a king — এটি ভুল কারণ I wish এর পরে ভবিষ্যৎকালের কোনো সাহায্যকারী ভার্ব যেমন will বসে না।
D) I wish I am a king — এটি ভুল কারণ বর্তমান কাল নির্দেশক am বসালে কাল্পনিক ইচ্ছার সঠিক প্রকাশ ঘটে না।
মনে রাখার টিপস:
I wish এর পরে অসম্ভব ইচ্ছা প্রকাশ করতে সবসময় was না হয়ে were হয়।
সঠিক উত্তর: D) Bread is usually made from wheat.
কেন সঠিক:
- কোনো উপাদান থেকে প্রক্রিয়াজাত করে নতুন কিছু তৈরি করা হলে এবং মূল উপাদানটি চেনা না গেলে preposition হিসেবে from বসে।
- গম থেকে রুটি তৈরি করা হয় এবং রুটিতে গমের মূল রূপ থাকে না বলে made from ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Bread is usually made of wheat — উপাদান পরিবর্তনের পর মূল বস্তু চেনা গেলে made of বসে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) Bread is usually made with wheat — যন্ত্র বা কোনো সহায়ক উপকরণের ক্ষেত্রে made with বসে, তাই এটি ভুল।
C) Bread is usually made by wheat — কোনো ব্যক্তি বা কর্তার দ্বারা কাজ সম্পাদিত হলে made by বসে, যা এখানে সঠিক নয়।
D) Bread is usually made from wheat — এটি সঠিক উত্তর কারণ রূপান্তরের ক্ষেত্রে মূল উপাদান অদৃশ্য থাকে।
মনে রাখার টিপস:
রূপ পরিবর্তনের পর মূল উপাদান দেখতে না পেলে made from এবং দেখতে পেলে made of ব্যবহার করবে।
প্রশ্নের ধরন: ভাষা ও ব্যাকরণ (আইডম ও ফ্রেজ)
সঠিক উত্তর: A) die in business
কেন সঠিক:
- 'Die in harness' একটি ইংরেজি প্রবাদধর্মী ফ্রেজ যার অর্থ কর্মময় জীবনে থাকা অবস্থায় বা দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় মৃত্যুবরণ করা।
- প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে 'die in business' কথাটি কর্মব্যস্ততা বা কর্মজীবনে মারা যাওয়ার ভাবকে সবচেয়ে কাছাকাছিভাবে প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) die in business — এটি এই ফ্রেজের প্রচলিত ভাবার্থকে প্রকাশ করে, তাই এটিই সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য হয়েছে।
B) die in peace — এর অর্থ শান্তিতে মৃত্যুবরণ করা, যা কর্মস্থলে মৃত্যুর ধারণার সাথে মিলে না।
C) die in honour — এর অর্থ সম্মানের সাথে মৃত্যুবরণ করা, যা এই ইডিয়ামের আক্ষরিক বা ভাবার্থ কোনটিকেই নির্দেশ করে না।
D) die in bed — এর অর্থ বিছানায় মৃত্যুবরণ করা, যা মূলত বার্ধক্য বা স্বাভাবিক মৃত্যুর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় এবং কর্মররত অবস্থাকে বোঝায় না।
মনে রাখার টিপস:
হarness শব্দের অর্থ ঘোড়ার সাজ বা কাজের সরঞ্জাম; তাই কাজের সাজ পরে থাকা অবস্থায় অর্থাৎ কর্মব্যস্ত বা দায়িত্বে থাকাকালীন মৃত্যুকে 'die in harness' বলে মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: B) Let the window be opened
কেন সঠিক:
- মূল বাক্যটি একটি Imperative Sentence হওয়ায় একে Passive করার সময় প্রথমে Let ব্যবহার করতে হয়।
- Object টিকে Subject করার পর be এবং মূল verb এর Past Participle রূপ বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The window should be opened — এটি Modal Auxiliary দিয়ে গঠিত বাক্যের Passive, কিন্তু মূল বাক্যটি Imperative হওয়ায় এই গঠনটি এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) Let the window be opened — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে কোনো ভুল নেই।
C) Let the window be opened by you — Imperative Sentence-এ সাধারণত Agent হিসেবে by you উহ্য রাখা হয়, তাই এটি অপ্রয়োজনীয়।
D) The window must be opened — এটি বাধ্যবাধকতা বোঝায়, কিন্তু মূল বাক্যে কোনো বাধ্যবাধকতার অর্থ ছিল না।
মনে রাখার টিপস:
Imperative Sentence-এ Verb দিয়ে শুরু হলে Passive করার সময় শুরুতে Let এবং পরে be যোগ করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) washed
কেন সঠিক:
- এটি Causative Verb-এর গঠন, যেখানে কর্তা নিজে কাজ না করে অন্যকে দিয়ে কাজ করান।
- Have-এর পর Object (car) থাকলে পরবর্তী মূল verb-এর Past Participle (V3) রূপ বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) wash — এটি Verb-এর Base form, যা Causative Verb-এর এই গঠনে অবজেক্টের পর সরাসরি বসতে পারে না।
B) washing — এটি Verb-এর সাথে ing যুক্ত রূপ, যা Passive অর্থ প্রকাশ করতে পারে না।
C) to wash — এটি Infinitive রূপ, যা Causative Verb-এর Past Participle নিয়মের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
D) washed — এটি সঠিক কারণ Causative Verb-এর নিয়মানুসারে এখানে Past Participle রূপ বসেছে।
মনে রাখার টিপস:
Causative Verb-এর বাক্যে have-এর পর বস্তুবাচক অবজেক্ট থাকলে মূল verb-এর সবসময় V3 বা Past Participle রূপ হয়।
সঠিক উত্তর: A) ৫
প্রদত্ত তথ্য:
সমীকরণটি হলো ২x² + ৩৫০ = ১২x + ৩৪০
ধরি,
সমীকরণের ডানপাশের সব রাশি বামপাশে নিয়ে আসি
২x² − ১২x + ৩৫০ − ৩৪০ = ০
অতএব,
২x² − ১২x + ১০ = ০
সমস্ত রাশিকে দুই দ্বারা ভাগ করে পাই
x² − ৬x + ৫ = ০
সুতরাং,
মিডল টার্ম বা উৎপাদকে বিশ্লেষণ করে পাই
(x − ৫)(x − ১) = ০
উত্তর: x = ৫
সঠিক উত্তর: D) ১০০ তম
প্রদত্ত তথ্য:
ধারাটি হলো ৫ + ৮ + ১১ + ১৪ + ....
ধারাটির শেষ পদ বা কততম পদ = ৩০২
ধরি,
ধারাটির প্রথম পদ, a = ৫
সাধারণ অন্তর, d = ৮ − ৫ = ৩
অতএব,
ধরি, ধারাটির n-তম পদ = ৩০২
আমরা জানি, n-তম পদ = a + (n − ১) × d
সুতরাং,
৫ + (n − ১) × ৩ = ৩০২
(n − ১) × ৩ = ৩০২ − ৫
উত্তর: n = ১০০ তম
সঠিক উত্তর: A) ০.১
প্রদত্ত তথ্য:
লগারিদমের সমীকরণ হলো Log১০x = − ১
ধরি,
লগারিদমের সংজ্ঞা অনুযায়ী ভিত্তি ১০ এর ওপর পাওয়ার বসবে
অতএব,
x = ১০ এর পাওয়ার − ১
সুতরাং,
x = ১ ÷ ১০
উত্তর: ০.১
সঠিক উত্তর: D) none
প্রদত্ত তথ্য:
রাশিটি হলো বন্ধনীর ভেতরে তিন গুণ রুট তিন যোগ চার এর ঘনমূল এবং তার সম্পূর্ণটার ওপর ঘাত ছয়
ধরি,
প্রথম পদটি হলো তিন গুণ রুট তিন
দ্বিতীয় পদটি হলো চার এর ঘনমূল
অতএব,
প্রথম পদকে লেখা যায় সাতাশ এর বর্গমূলের ঘনমূল
দ্বিতীয় পদটিকে লেখা যায় চার এর বর্গমূল
সুতরাং,
এই দুটি পদের যোগফলের ওপর ছয় ঘাত বসালে যে মান পাওয়া যাবে তা প্রদত্ত অপশনগুলোর সাথে মিলবে না
উত্তর: none
সঠিক উত্তর: B) ৩০৮
প্রদত্ত তথ্য:
সংখ্যা দুটির গসাগু = ১১
সংখ্যা দুটির লসাগু = ৭,৭০০
একটি সংখ্যা = ২৭৫
ধরি,
অপর সংখ্যাটি = ক
আমরা জানি, দুটি সংখ্যার গুণফল = গসাগু × লসাগু
অতএব,
২৭৫ × ক = ১১ × ৭,৭০০
২৭৫ × ক = ৮৪,৭০০
সুতরাং,
ক = ৮৪,৭০০ ÷ ২৭৫
উত্তর: ৩০৮
সঠিক উত্তর: A) ১৫
প্রদত্ত তথ্য:
মোট শটের সংখ্যা = ২১টি
মোট রান = ৯৬ রান
ধরি,
বাউন্ডারির সংখ্যা = ক
ওভার বাউন্ডারির সংখ্যা = ২১ − ক
অতএব,
বাউন্ডারি থেকে রান = ৪ × ক
ওভার বাউন্ডারি থেকে রান = ৬ × (২১ − ক)
সুতরাং,
৪ × ক + ৬ × (২১ − ক) = ৯৬
সমাধান করে পাই,
৪ক + ১২৬ − ৬ক = ৯৬
−২ক = ৯৬ − ১২৬
উত্তর: ক = ১৫
সঠিক উত্তর: C) ৩/৪
প্রদত্ত তথ্য:
একটি মুদ্রা অন্তত দুই বার নিক্ষেপ করা হলো
অন্তত এক বার হেড পড়ার সম্ভাবনা নির্ণয় করতে হবে
ধরি,
মুদ্রা দুই বার নিক্ষেপ করলে মোট সম্ভাব্য ফলাফল = ৪টি
ফলাফলগুলো হলো (হেড, হেড), (হেড, টেল), (টেল, হেড), (টেল, টেল)
অতএব,
কোনো বারই হেড না পড়ার অর্থাৎ কেবল (টেল, টেল) আসার অনুকূল ফলাফল = ১টি
কোনো বারই হেড না পড়ার সম্ভাবনা = ১ ÷ ৪
সুতরাং,
অন্তত এক বার হেড পড়ার সম্ভাবনা = ১ − (১ ÷ ৪)
উত্তর: ৩ ÷ ৪
সঠিক উত্তর: C) x² + (y − z)² = ৭
প্রদত্ত তথ্য:
বৃত্তের সাধারণ সমীকরণ হলো x এর বর্গ এবং y এর বর্গের সহগ সমান হতে হবে
বৃত্তের সমীকরণে x এবং y চলকদ্বয়ের গুণফল থাকে না
ধরি,
প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে বৃত্তের আদর্শ রূপ খতিয়ে দেখতে হবে
অতএব,
অপশন এ একটি দ্বিঘাত সমীকরণ এবং অপশন বি একটি প্যারাবোলা নির্দেশ করে
সুতরাং,
অপশন ডি একটি সরলরেখার সমীকরণ এবং অপশন সি বৃত্তের সমীকরণ নির্দেশ করে
উত্তর: C) x² + (y − z)² = ৭
সঠিক উত্তর: B) ৩৩ (১/৩)%
প্রদত্ত তথ্য:
৮ জন লোক একটি কাজ করতে পারে ১২ দিনে
ধরি,
প্রথমে লোক সংখ্যা ছিল ৮ জন
দুইজন লোক কমিয়ে দিলে বর্তমান লোক সংখ্যা = ৮ − ২ = ৬ জন
অতএব,
১ জন লোক ওই কাজ করতে সময় লাগবে = ১২ × ৮ = ৯৬ দিন
৬ জন লোক ওই কাজ করতে সময় লাগবে = ৯৬ ÷ ৬ = ১৬ দিন
সুতরাং,
দিন বেশি লাগবে = ১৬ − ১২ = ৪ দিন
উত্তর: শতকরা বেশি লাগবে = (৪ ÷ ১২) × ১০০% = ৩৩ (১/৩)%
সঠিক উত্তর: C) সমদ্বিবাহু ত্রিভুজ
প্রদত্ত তথ্য:
ত্রিভুজের যেকোনো দুটি মধ্যমা পরস্পরের সমান দেওয়া আছে
ধরি,
ত্রিভুজটির নাম ABC এবং এর দুটি সমান মধ্যমা BE এবং CF
অতএব,
অ্যাপোলোনিয়াসের উপপাদ্য প্রয়োগ করে পাই ত্রিভুজের বাহুগুলোর সম্পর্ক
সুতরাং,
হিসাব করলে দেখা যায় ত্রিভুজটির দুটি বাহু সমান হয়
উত্তর: সমদ্বিবাহু ত্রিভুজ
সঠিক উত্তর: A) ৩০°
প্রদত্ত তথ্য:
বৃত্তের কেন্দ্র O এবং A বিন্দুতে AB একটি স্পর্শক
স্পর্শবিন্দuগামী ব্যাসার্ধ এবং স্পর্শক পরস্পরের উপর লম্ব
কোণ AOB এর মান ৬০ ডিগ্রি
ধরি,
ত্রিভুজ ABO একটি সমকোণী ত্রিভুজ
যেহেতু স্পর্শক AB ব্যাসার্ধ OA এর উপর লম্ব, তাই কোণ OAB হবে ৯০ ডিগ্রি
ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি ১৮০ ডিগ্রি
অতএব,
কোণ OAB = ৯০ ডিগ্রি
কোণ AOB = ৬০ ডিগ্রি
কোণ ABO = ১৮০ ডিগ্রি − (৯০ ডিগ্রি + ৬০ ডিগ্রি)
সুতরাং,
কোণ ABO = ১৮০ ডিগ্রি − ১৫০ ডিগ্রি
উত্তর: ৩০ ডিগ্রি
সঠিক উত্তর: A) ৫/৭
প্রদত্ত তথ্য:
ভগ্নাংশের লব ও হর থেকে ১ বিয়োগ করলে ভগ্নাংশ দুই বাই তিন হয়
ভগ্নাংশের লব ও হর এর সাথে ১ যোগ করলে ভগ্নাংশ তিন বাই চার হয়
ধরি,
ভগ্নাংশটি সমান সমান ক বাই খ
প্রথম শর্তানুযায়ী, (ক − ১) ÷ (খ − ১) = ২ ÷ ৩
অতএব,
৩ক − ৩ = ২খ − ২
৩ক − ২খ = ১
এটিকে প্রথম সমীকরণ ধরা যাক
সুতরাং,
দ্বিতীয় শর্তানুযায়ী, (ক + ১) ÷ (খ + ১) = ৩ ÷ ৪
৪ক + ৪ = ৩খ + ৩
৪ক − ৩খ = −১
এটিকে দ্বিতীয় সমীকরণ ধরা যাক
উত্তর: সমাধান করে ক সমান সমান ৫ এবং খ সমান সমান ৭ পাওয়া যায়, তাই ভগ্নাংশটি ৫ বাই ৭
সঠিক উত্তর: D) ৪২৮
প্রদত্ত তথ্য:
ধারাটির সংখ্যাগুলো হলো ৬, ১৭, ৪৯, ১৪৪ এবং পরবর্তী সংখ্যাটি বের করতে হবে।
ধরি,
প্রথম পদের সাথে পার্থক্য এবং গুণ সম্পর্ক বিবেচনা করি।
অতএব,
প্রথম পদ থেকে দ্বিতীয় পদের হিসাব: ৬ × ৩ − ১ = ১৭
দ্বিতীয় পদ থেকে তৃতীয় পদের হিসাব: ১৭ × ৩ − ২ = ৪৯
সুতরাং,
তৃতীয় পদ থেকে চতুর্থ পদের হিসাব: ৪৯ × ৩ − ৩ = ১৪৪
উত্তর: চতুর্থ পদ থেকে পঞ্চম পদের হিসাব: ১৪৪ × ৩ − ৪ = ৪২৮
সঠিক উত্তর: C) নার্গিস মোহাম্মদী
কেন সঠিক:
- ২০২৩ সালে ইরানি মানবাধিকারকর্মী নার্গিস মোহাম্মদীকে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- ইরানে নারীদের নিপীড়নের বিরুদ্ধে লড়াই এবং সকলের মানবাধিকার ও স্বাধীনতার প্রচারের জন্য তাকে এই সম্মাননা দেওয়া হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) খামা আমিনি — খামা আমিনি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয় কারণ তিনি আফগান সাংবাদিক এবং ভিন্ন ব্যক্তি।
B) ইয়ন ফসে — ইয়ন ফসে ২০২৩ সালে শান্তিতে নয়, বরং সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
C) নার্গিস মোহাম্মদী — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো ভিন্নতা নেই।
D) শিরিন এবাদি — শিরিন এবাদি ২০০৩ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেছিলেন, ২০২৩ সালে নন।
মনে রাখার টিপস:
শান্তিতে নোবেল মানেই সাহসিকতা, মনে রাখুন ইরানি নারী নার্গিস মোহাম্মদী ২০২৩ সালে শান্তির প্রতীক হয়েছিলেন।
বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: A) ৯ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৩
কেন সঠিক:
- ইসরাইল ও প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশন (PLO) পারস্পরিক স্বীকৃতি দলিলে স্বাক্ষর করে ১৯৯৩ সালের ৯ সেপ্টেম্বর।
- এই ঐতিহাসিক চিঠিপত্র বিনিময়ের মাধ্যমে পিএলও ইসরাইলের অস্তিত্বের অধিকার স্বীকার করে এবং ইসরাইল পিএলওকে ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৯ সেপ্টেম্বর, ৯৩ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এই দিনেই ইসরাইল ও পিএলও পারস্পরিক স্বীকৃতির ঐতিহাসিক দলিলে স্বাক্ষর করেছিল।
B) ১১ সেপ্টেম্বর, ৯৪ — এই সালের সঙ্গে আলোচ্য ইসরাইল ও প্যালেস্টাইনের পারস্পরিক স্বীকৃতি চুক্তির কোনো ঐতিহাসিক সংশ্লিষ্টতা নেই।
C) ১২ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৫ — এই তারিখে অসলো চুক্তি বা অন্যান্য শান্তি প্রক্রিয়া সম্পর্কিত হলেও পারস্পরিক স্বীকৃতি চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখ এটি নয়।
D) ১৩ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬ — এই সালের কোনো নির্দিষ্ট ঐতিহাসিক ঘটনার সঙ্গে ইসরাইল ও প্যালেস্টাইনের পারস্পরিক স্বীকৃতির এই দলিল স্বাক্ষরের মিল নেই।
মনে রাখার টিপস:
ইসরাইল ও প্যালেস্টাইনের পারস্পরিক স্বীকৃতি চুক্তির সালটি মনে রাখতে সংখ্যাটি মনে রাখুন ১৯৯৩ এবং মাসটি সেপ্টেম্বর।
সঠিক উত্তর: D) নীলফামারী
কেন সঠিক:
- এটি দেশের প্রথম ও একমাত্র কৃষিভিত্তিক বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল বা ইপিজেড, যা উত্তরবঙ্গের উত্তরাঞ্চলীয় জেলা নীলফামারীর সৈয়দপুরে অবস্থিত।
- কৃষি পণ্যের প্রক্রিয়াজাতকরণ ও রপ্তানি বৃদ্ধির মাধ্যমে কৃষকদের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে এটি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঢাকা — এটি বাংলাদেশের রাজধানী ও প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র হলেও এখানে কোনো কৃষিভিত্তিক ইপিজেড নেই।
B) চট্টগ্রাম — এটি দেশের প্রধান সমুদ্র বন্দর ও ঐতিহ্যবাহী শিল্পাঞ্চল হলেও এখানে সাধারণ ও ভারী শিল্পের ইপিজেড রয়েছে, কৃষিভিত্তিক নয়।
C) বরিশাল — এটি দক্ষিণাঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ নদী বন্দর ও কৃষিপ্রধান অঞ্চল হলেও এখানে কোনো কৃষিভিত্তিক ইপিজেড স্থাপন করা হয়নি।
D) নীলফামারী — এই অপশনটি সঠিক কারণ দেশের একমাত্র কৃষিভিত্তিক ইপিজেডটি নীলফামারী জেলার সৈয়দপুরেই অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
কৃষি মানেই মাটি আর গাছপালা, আর উত্তরবঙ্গের নীলফামারীতেই দেশের একমাত্র কৃষিভিত্তিক ইপিজেড গড়ে উঠেছে।
সঠিক উত্তর: C) ৭ এপ্রিল ১৯৭৩
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন ৭ এপ্রিল ১৯৭৩ সালে শুরু হয়েছিল।
- ১৯৭২ সালের সংবিধানের বিধান অনুযায়ী প্রথম সাধারণ নির্বাচনের পর এই অধিবেশন আহ্বান করা হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৭ এপ্রিল ১৯৭২ — এই সময়ে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর সংবিধান প্রণয়নের কাজ চলছিল, সংসদ গঠিত হয়নি।
B) ১০ এপ্রিল ১৯৭২ — এটি গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন শুরুর তারিখ, জাতীয় সংসদের নয়।
C) ৭ এপ্রিল ১৯৭৩ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) ১০ এপ্রিল ১৯৭৩ — এই তারিখে প্রথম সংসদ অধিবেশন শুরু হয়নি, সঠিক তারিখ ৭ এপ্রিল।
মনে রাখার টিপস:
স্বাধীনতার পর প্রথম সংসদ নির্বাচন হয় ৭ মার্চ ১৯৭৩ এবং তার ঠিক এক মাস পর ৭ এপ্রিল ১৯৭৩ প্রথম অধিবেশন শুরু হয়।
সঠিক উত্তর: D) জেনেভা, সুইজারল্যান্ড
কেন সঠিক:
- আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা বা আইওএম এর প্রধান কার্যালয় সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে অবস্থিত।
- এটি অভিবাসীদের কল্যাণ ও সুশৃঙ্খল অভিবাসন নিশ্চিত করতে বিশ্বব্যাপী কাজ করে থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাসেল, সুইজারল্যান্ড — এটি সুইজারল্যান্ডের একটি শহর হলেও এখানে আইওএম এর সদর দপ্তর নেই, এটি ব্যাংক ফর ইন্টারন্যাশনাল সেটেলমেন্টস এর জন্য পরিচিত।
B) ব্রাসেলস, বেলজিয়াম — এটি বেলজিয়ামের রাজধানী এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ন্যাটো এর সদর দপ্তর, আইওএম এর নয়।
C) ব্রাসিলিয়া, ব্রাজিল — এটি ব্রাজিলের রাজধানী শহর, আন্তর্জাতিক কোনো প্রধান সংস্থার সদর দপ্তর এখানে অবস্থিত নয়।
D) জেনেভা, সুইজারল্যান্ড — এটি সঠিক উত্তর কারণ আইওএম এর মূল কার্যালয় এখানেই অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
আইওএম (IOM) এর সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত, যা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাসহ অনেক আন্তর্জাতিক সংস্থারও প্রধান কেন্দ্র।
সঠিক উত্তর: A) সাংহাই
কেন সঠিক:
- BRICS জোটের আর্থিক শাখা নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের সদর দপ্তর চীনের সাংহাই শহরে অবস্থিত।
- এই ব্যাংকটি সদস্য দেশগুলোতে অবকাঠামো ও টেকসই উন্নয়ন প্রকল্পে অর্থায়ন করে থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সাংহাই — সঠিক উত্তর কারণ এটি নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের অবস্থান।
B) কাঠমান্ডু — এটি সার্কের সদর দপ্তর, যা দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতার জন্য গঠিত।
C) জেনেভা — এটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার মতো বহু আন্তর্জাতিক সংস্থার সদর দপ্তর।
D) ঢাকা — এটি বিমসটেক সচিবালয়ের সদর দপ্তর, যা বঙ্গোপসাগরভিত্তিক আঞ্চলিক জোট।
মনে রাখার টিপস:
ব্রিকস ব্যাংকের টাকা রাখার বাক্সটি চীনের সাংহাই শহরে রাখা হয়েছে।
সঠিক উত্তর: B) ১৬১০
কেন সঠিক:
- সম্রাট জাহাঙ্গীরের রাজত্বকালে সুবাদার ইসলাম খান চিশতী ১৬১০ সালে বাংলার রাজধানী রাজমহল থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করেন।
- ঢাকায় আসার পর সুবাদার ইসলাম খান এর নাম পরিবর্তন করে তৎকালীন মুঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের নামানুসারে জাহাঙ্গীরনগর রাখেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৬০৮ — এই সালে ইসলাম খান সুবাদার হিসেবে বাংলা লাভ করেন এবং বাংলার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেন, তবে তখন রাজধানী স্থানান্তরিত হয়নি।
B) ১৬১০ — এটিই সঠিক উত্তর কারণ এই সালে আনুষ্ঠানিকভাবে ঢাকাকে বাংলার রাজধানী ঘোষণা করা হয়।
C) ১৬০৯ — এই সালে ইসলাম খান নদীপথে যাত্রা শেষে বাংলায় পৌঁছান এবং প্রশাসনিক কার্যক্রম গোছাতে শুরু করেন, যা রাজধানীর স্থানান্তরের বছর নয়।
D) ১৬১২ — এই সালে কামরূপ জয় এবং বারো ভুঁইয়াদের পুরোপুরি দমন সম্পন্ন হয়, যা রাজধানী স্থানান্তরের পরের ঘটনা।
মনে রাখার টিপস:
১৬০৮ সালে ইসলাম খান ঢাকায় আসেন এবং ঠিক দুই বছর পর ১৬১০ সালে ঢাকাকে বাংলার রাজধানী বানান।
সঠিক উত্তর: B) প্রত্নতাত্ত্বিক খনন কেন্দ্র
কেন সঠিক:
- নরসিংদীর উয়ারী ও বটেশ্বর গ্রামে প্রাচীন গড়ের ধ্বংসাবশেষ এবং বহুমুখী প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন আবিষ্কৃত হয়েছে।
- এখানে নিয়মিত প্রত্নতাত্ত্বিক খননকাজের মাধ্যমে প্রায় আড়াই হাজার বছরের প্রাচীন সমৃদ্ধ সভ্যতার সন্ধান মিলেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সাহিত্য চর্চা কেন্দ্র — উয়ারী বটেশ্বর কোনো প্রাচীন সাহিত্য রচনার স্থান বা সাহিত্য চর্চার কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত নয়।
B) প্রত্নতাত্ত্বিক খনন কেন্দ্র — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি দেশের অন্যতম প্রধান প্রাচীন প্রত্নতাত্ত্বিক খননস্থল।
C) বাণিজ্য সম্পদ প্রাপ্তি — এখানে বহুমুখী প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন পাওয়া গেলেও এটি কেবল সম্পদ প্রাপ্তির স্থান হিসেবে পরিচিত নয়।
D) বাণিজ্য কেন্দ্র — এটি প্রাচীনকালে একটি বন্দর বা বাণিজ্য নগরী হলেও বর্তমান পরিচয়ে এটি একটি প্রত্নতাত্ত্বিক খনন কেন্দ্র।
মনে রাখার টিপস:
উয়ারী বটেশ্বর বললেই নরসিংদীর প্রাচীন প্রত্নতাত্ত্বিক খননকাজ ও সভ্যতার কথা মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: B) চীন
কেন সঠিক:
- দ্রুত শিল্পায়ন, অতিরিক্ত কয়লার ব্যবহার এবং ব্যাপক উৎপাদন কার্যক্রমের কারণে চীন বর্তমানে বিশ্বের সর্বাধিক কার্বন নিঃসরণকারী দেশ।
- বৈশ্বিক মোট কার্বন ডাইঅক্সাইড নিঃসরণের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ একা চীন থেকেই নির্গত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) যুক্তরাষ্ট্র — যুক্তরাষ্ট্র ঐতিহাসিক ও বর্তমান মোট পরিমাণের দিক থেকে দ্বিতীয় বৃহত্তম কার্বন নিঃসরণকারী দেশ।
B) চীন — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বর্তমানে বিশ্বের শীর্ষ কার্বন নিঃসরণকারী দেশ।
C) ভারত — ভারত বর্তমানে তৃতীয় বৃহত্তম কার্বন নিঃসরণকারী দেশ হিসেবে তালিকার শীর্ষে রয়েছে।
D) জাপান — উন্নত দেশ হলেও কার্বন নিঃসরণের দিক থেকে জাপান চীন বা যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় অনেক পেছনে রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
বিশ্বে পণ্য উৎপাদনে শীর্ষে থাকার কারণে কার্বন নিঃসরণেও চীন সবার শীর্ষে অবস্থান করছে।
সঠিক উত্তর: B) ৪ নং
কেন সঠিক:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৪ অনুচ্ছেদে জাতীয় সংগীত, জাতীয় পতাকা ও জাতীয় প্রতীকের বিষয়ে উল্লেখ করা হয়েছে।
- এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের "আমার সোনার বাংলা" গানটির প্রথম দশ চরণ বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৩ নং — এই অনুচ্ছেদে প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা বলে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
B) ৪ নং — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানেই জাতীয় সংগীতের সাংবিধানিক স্বীকৃতি রয়েছে।
C) ৫ নং — এই অনুচ্ছেদে প্রজাতন্ত্রের রাজধানী ঢাকার বিষয়ে বিধান রাখা হয়েছে।
D) ৬ নং — এই অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু হলো বাংলাদেশের নাগরিকত্ব।
মনে রাখার টিপস:
সংবিধানের ৩ নম্বরে ভাষা, চারে সংগীত ও পতাকা, পাঁচে রাজধানী এবং ছয়ে নাগরিকত্বের কথা বলা হয়েছে।
সঠিক উত্তর: A) ৬ দফা
কেন সঠিক:
- ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঐতিহাসিক ছয় দফা পেশ করেন যা বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলনকে তীব্র করে তোলে।
- এই দাবির মাধ্যমে পূর্ব পাকিস্তানের পূর্ণ স্বায়ত্তশাসন ও অর্থনৈতিক মুক্তির পথ উন্মুক্ত হয় বলে একে 'বাংলার মুক্তিসনদ' বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৬ দফা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সনদের মাধ্যমে বাঙালি জাতির মুক্তির পথ সুগম হয়েছিল।
B) লাহোর প্রস্তাব — এটি ১৯৪০ সালের মুসলিম লীগের ঐতিহাসিক প্রস্তাব যা পাকিস্তান সৃষ্টির সঙ্গে সম্পর্কিত, বাংলার মুক্তি সনদ নয়।
C) লাহোর প্রস্তাব — এটি একই অপশনের পুনরাবৃত্তি এবং প্রশ্নের প্রেক্ষাপটে সঠিক নয়।
D) কোনটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশন এ তে বিদ্যমান, তাই এটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
মুক্তির জন্য দরকার দফা, তাই 'বাংলার মুক্তিসনদ' বললেই ১৯৬৬ সালের ছয় দফার কথা মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) নেপাল ও ভুটান
কেন সঠিক:
- BIMSTEC সংস্থার প্রতিষ্ঠার পর ২০০৪ সালে ব্যাংকক শীর্ষ সম্মেলনে নেপাল ও ভুটান একসঙ্গে পূর্ণ সদস্যপদ লাভ করে।
- এই দুটি দেশই সংস্থার সর্বশেষ বা নবতম যুক্ত হওয়া সদস্য রাষ্ট্র।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নেপাল ও পাকিস্তান — পাকিস্তান BIMSTEC এর সদস্য নয়, এটি সার্কের সদস্য।
B) নেপাল ও ভুটান — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এরা সংস্থার সর্বশেষ সদস্য।
C) নেপাল ও থাইল্যান্ড — থাইল্যান্ড প্রতিষ্ঠাতা সদস্য, তাই এটি সর্বশেষ সদস্য নয়।
D) নেপাল ও শ্রীলংকা — শ্রীলংকা প্রতিষ্ঠাতা সদস্য, তাই এটি এই প্রশ্নের সঠিক জোড়া নয়।
মনে রাখার টিপস:
বিমস্টেকের সর্বশেষ দুই সদস্য হলো হিমালয় অঞ্চলের দুই প্রতিবেশী দেশ নেপাল ও ভুটান।
সঠিক উত্তর: C) সুবর্ণজয়ন্তী
কেন সঠিক:
- কোনো ঘটনা বা প্রতিষ্ঠানের পঞ্চাশ বছর পূর্তি উদযাপনকে সুবর্ণজয়ন্তী বলা হয়।
- এটি মূলত লাতিন শব্দ গোল্ডেন জুবিলি এর বাংলা রূপ, যা একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক নির্দেশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হীরকজয়ন্তী — এটি কোনো ঘটনার ষাট বছর পূর্ণ হওয়াকে বোঝায়, পঞ্চাশ বছর নয়।
B) রজতজয়ন্তী — এটি কোনো ঘটনার পঁচিশ বছর বা প্রথমার্ধ পূর্ণ হওয়াকে বোঝায়।
C) সুবর্ণজয়ন্তী — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ এটি পঞ্চাশ বছর পূর্ণ হওয়াকে নির্দেশ করে।
D) শতাব্দী — এটি একশো বছর পূর্ণ হওয়াকে বোঝায়, যা পঞ্চাশ বছরের দ্বিগুণ।
মনে রাখার টিপস:
পঁচিশ বছর রজত, পঞ্চাশ বছর সুবর্ণ এবং ষাট বছর হীরকজয়ন্তী হিসেবে পালিত হয়।
সঠিক উত্তর: D) ১৭
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের সংবিধানে এখন পর্যন্ত মোট ১৭টি সংশোধনী আনা হয়েছে।
- সর্বশেষ ১৭তম সংশোধনী পাস হয় ২০১৮ সালে, যা সংরক্ষিত নারী আসন সংক্রান্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৪ — এই সংখ্যাটি বর্তমান মোট সংশোধনীর সংখ্যার চেয়ে কম, তাই এটি সঠিক নয়।
B) ১৫ — পঞ্চদশ সংশোধনী ২০১১ সালে পাস হলেও এটি শেষ সংশোধনী নয়।
C) ১৬ — ষোড়শ সংশোধনী ২০১৪ সালে পাস হয়েছিল, যা সর্বোচ্চ আদালতের বিচারকদের অপসারণ সংক্রান্ত।
D) ১৭ — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলাদেশের সংবিধানের সর্বশেষ সংশোধনী হলো সপ্তদশ সংশোধনী।
মনে রাখার টিপস:
সংবিধানের সর্বশেষ সংশোধনী মনে রাখতে মনে রাখুন সংবিধানে এখন পর্যন্ত মোট ১৭টি হাত বা কাটা-ছেঁড়া (সংশোধনী) পড়েছে।
সঠিক উত্তর: B) ব্রাজিল
কেন সঠিক:
- ২০২৫ সালে অনুষ্ঠেয় বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলন বা কফ-৩০ (COP-30) ব্রাজিলের পারা রাজ্যের বেলেন শহরে অনুষ্ঠিত হওয়ার নির্ধারিত তারিখ রয়েছে।
- এটি আমাজন অববাহিকায় অবস্থিত হওয়ায় জলবায়ু পরিবর্তন ও বন সংরক্ষণের প্রেক্ষাপটে সম্মেলনটির বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) স্পেইন — ২০২১ সালে অনুষ্ঠিত কফ-২৫ সম্মেলন মাদ্রিদে অনুষ্ঠিত হলেও এটি ২০২৫ সালের আয়োজক দেশ নয়।
B) ব্রাজিল — এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত এবং এটি ২০২৫ সালের কফ-৩০ সম্মেলনের আয়োজক দেশ।
C) ইতালি — ইতালি ২০২১ সালে অনুষ্ঠিত কফ-২৬ সম্মেলনের প্রাক-আয়োজন ও যুব জলবায়ু সম্মেলনের সঙ্গে যুক্ত ছিল, তবে এটি ২০২৫ সালের আয়োজক নয়।
D) মিশর — মিশর ২০২২ সালে শার্ম আল-শেখ শহরে অনুষ্ঠিত কফ-২৭ সম্মেলনের আয়োজক দেশ ছিল।
মনে রাখার টিপস:
ব্রাজিলের আমাজন বন জলবায়ুর জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ, তাই জলবায়ু সম্মেলন কপ-থার্টি ব্রাজিলে হচ্ছে।
সঠিক উত্তর: D) দ্য স্পিচ
কেন সঠিক:
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের উপর ভিত্তি করে নির্মিত প্রামাণ্যচিত্র বা চলচ্চিত্রের নাম দ্য স্পিচ।
- আন্তর্জাতিকভাবে এই ভাষণ ও তার পটভূমি তুলে ধরার জন্য এটি নির্মিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভয়েস অব লিবার্টি — এটি ৭ মার্চের ভাষণের উপর নির্মিত কোনো চলচ্চিত্রের নাম নয়।
B) ওরা ১১ জন — এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধভিত্তিক প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র, ৭ মার্চের ভাষণের চলচ্চিত্র নয়।
C) স্টপ জেনোসাইড — এটি ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ওপর জহির রায়হান নির্মিত একটি বিখ্যাত প্রামাণ্যচিত্র।
D) দ্য স্পিচ — এটি ৭ মার্চের ভাষণের উপর ভিত্তি করে নির্মিত চলচ্চিত্র হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ একটি ঐতিহাসিক বক্তৃতা বা স্পিচ, তাই এর উপর নির্মিত চলচ্চিত্রের নাম দ্য স্পিচ।
সঠিক উত্তর: A) দুর্ঘটনা জনিত কারণে আহতদের চিকিৎসার্থে মহাসড়কের পার্শ্বে নির্মিত চিকিৎসা কেন্দ্র
কেন সঠিক:
- ট্রমা সেন্টার হলো এমন একটি বিশেষায়িত চিকিৎসাকেন্দ্র যা সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত রোগীদের তাৎক্ষণিক ও জরুরি জীবনরক্ষাকারী চিকিৎসা সেবা প্রদানের জন্য মহাসড়কের পাশে স্থাপন করা হয়।
- এখানে অস্ত্রোপচার এবং জরুরি ট্রমা কেয়ারের প্রয়োজনীয় সব আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক নিয়োজিত থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দুর্ঘটনা জনিত কারণে আহতদের চিকিৎসার্থে মহাসড়কের পার্শ্বে নির্মিত চিকিৎসা কেন্দ্র — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ ট্রমা সেন্টারের মূল উদ্দেশ্য মহাসড়কের দুর্ঘটনার শিকার ব্যক্তিদের দ্রুত চিকিৎসা দেওয়া।
B) খেলাধুলার উন্নয়নকল্পে নির্মিত প্রশিক্ষণ কেন্দ্র — এটি খেলাধুলার সঙ্গে সম্পর্কিত হলেও ট্রমা সেন্টার কোনো খেলাধুলার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নয়।
C) শিশুদের জন্য নির্মিত আনন্দভুবন কেন্দ্র — এটি বিনোদন বা শিশু পার্ক সম্পর্কিত, যা জরুরি চিকিৎসা সেবার সঙ্গে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়।
D) বৃদ্ধনারীদের জন্য আশ্রয়কেন্দ্র — এটি প্রবীণ বা বয়স্ক পুনর্বাসন কেন্দ্র বা ওল্ড হোম নির্দেশ করে, যা চিকিৎসা কেন্দ্রের সংজ্ঞার আওতাভুক্ত নয়।
মনে রাখার টিপস:
ট্রমা শব্দের অর্থ আঘাত বা দুর্ঘটনা, তাই ট্রমা সেন্টার মানেই মহাসড়কের পাশে দুর্ঘটনা আহতদের জরুরি চিকিৎসালয়।
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও আন্তর্জাতিক অর্জন
সঠিক উত্তর: B) ৩৩ তম
কেন সঠিক:
- রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের মাধ্যমে বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্বের ৩৩ তম পারমাণবিক ক্লাবের সদস্য দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
- পারমাণবিক শক্তি উৎপাদনকারী দেশগুলোর আন্তর্জাতিক সংস্থায় বাংলাদেশের এই অন্তর্ভুক্তি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে দেশের একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৩১ তম — এটি বর্তমান প্রশ্নের সঠিক ক্রম নয়, কারণ পারমাণবিক ক্লাবের সদস্য সংখ্যা গণনায় বাংলাদেশ এই অবস্থানে ছিল না।
B) ৩৩ তম — এই অপশনটি সঠিক, কারণ রূপপুর বিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রকল্প চালুর পর বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে ৩৩ তম দেশ হিসেবে স্বীকৃতি পায়।
C) ৩৪ তম — এই সংখ্যাটি পারমাণবিক ক্লাবের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সঠিক ক্রম নির্দেশ করে না।
D) ৩৫ তম — এটি পারমাণবিক ক্লাবের সদস্য পদের তালিকার সাথে মিল নয় এবং ভুল ক্রম নির্দেশ করে।
মনে রাখার টিপস:
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র চালুর মাধ্যমে বাংলাদেশ ৩৩ তম দেশ হিসেবে ক্লাবে যুক্ত হয়; ৩৩ সংখ্যাটি মনে রাখলেই উত্তর নিশ্চিত করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: A) পরিবেশ আন্দোলন
কেন সঠিক:
- গ্রিনপিস হলো একটি আন্তর্জাতিক পরিবেশবাদী সংগঠন যা বিশ্বব্যাপী পরিবেশ রক্ষা ও সংরক্ষণের জন্য আন্দোলন পরিচালনা করে।
- ১৯৭১ সালে কানাডার ভ্যাঙ্কুভার শহরে পারমাণবিক পরীক্ষার বিরুদ্ধে প্রতিবাদের মাধ্যমে এই সংগঠনের সূচনা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পরিবেশ আন্দোলন — এটি সঠিক উত্তর কারণ গ্রিনপিস সরাসরি পরিবেশ সুরক্ষার সাথে যুক্ত একটি আন্তর্জাতিক আন্দোলন।
B) বনরক্ষাকারী স্লোগান — এটি কোনো স্লোগান নয়, এটি একটি বিশ্বব্যাপী সক্রিয় পরিবেশবাদী সংস্থা।
C) পরিবেশ রক্ষাকারী প্রযুক্তি — এটি কোনো প্রযুক্তি বা যন্ত্র নয়, এটি মানুষের অধিকার ও পরিবেশ রক্ষায় নিয়োজিত একটি সংস্থা।
D) সবুজ বিপ্লব — সবুজ বিপ্লব হলো কৃষি ক্ষেত্রে উচ্চ ফলনশীল বীজ ও প্রযুক্তির মাধ্যমে খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধির একটি প্রক্রিয়া।
মনে রাখার টিপস:
গ্রিনপিস মানে সবুজ শান্তি, যা মূলত পৃথিবী ও পরিবেশ রক্ষার একটি বিশ্বব্যাপী আন্দোলন।
সঠিক উত্তর: B) ইস্পাত
১. কেন সঠিক:
- ইস্পাত লোহা ও কার্বনের সংকর ধাতু হওয়ায় এতে চুম্বকত্ব সহজে স্থায়ী হয়।
- কাঁচা লোহা দিয়ে অস্থায়ী চুম্বক এবং ইস্পাত দিয়ে স্থায়ী চুম্বক তৈরি করা যায়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: চৌম্বক পদার্থ হলো সেইসব পদার্থ যা চুম্বকে পরিণত হতে পারে এবং চুম্বক দ্বারা আকৃষ্ট হয়।
- কার্যপ্রণালি: ইস্পাতে কার্বনের উপস্থিতি এর পরমাণুর ডোমেইনগুলোকে স্থায়ীভাবে একমুখী করতে সাহায্য করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: লাউডস্পিকারের স্থায়ী চুম্বক
ব্যাখ্যা: স্পিকারের শব্দ তৈরির জন্য ইস্পাত বা অ্যালনিকো দিয়ে তৈরি স্থায়ী চুম্বক ব্যবহার করা হয়।
উদাহরণ ২: কম্পাসের সুঁচ
ব্যাখ্যা: দিক নির্ণয় করার জন্য কম্পাসের সুঁচ ইস্পাত দিয়ে তৈরি করা হয় যাতে তা দীর্ঘস্থায়ী চৌম্বকত্ব বজায় রাখে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তামা — এটি একটি অচৌম্বক পদার্থ এবং এটি চুম্বক দ্বারা আকর্ষিত হয় না বা চুম্বকে পরিণত করা যায় না।
B) ইস্পাত — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি চৌম্বক পদার্থ এবং এতে স্থায়ী চুম্বকত্ব সৃষ্টি করা সম্ভব।
C) পিতল — এটি তামা ও দস্তার সংকর ধাতু হলেও এটি অচৌম্বক পদার্থ এবং চুম্বকে পরিণত হয় না।
D) সোনা — এটি একটি বহুমূল্য ও diamagnetic বা অচৌম্বক ধাতু যা চুম্বকের প্রতি কোনো আকর্ষণ দেখায় না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- কাঁচালোহা সাময়িক চুম্বক বানায় আর ইস্পাত স্থায়ী চুম্বক তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
- তামা, পিতল ও সোনা হলো অচৌম্বক পদার্থ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- চৌম্বক পদার্থ প্রধানত লোহা, নিকেল, কোবাল্ট ও ইস্পাত।
- এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: A) টাংস্টেন
১. কেন সঠিক:
- টাংস্টেন সমস্ত ধাতুর মধ্যে সর্বোচ্চ গলনাংক বিশিষ্ট মৌল যার মান প্রায় তিন হাজার চারশো ডিগ্রি সেলসিয়াস।
- এর পরমাণুর ভেতরের শক্তিশালী ধাতব বন্ধন এবং কঠিন স্ফটিক গঠন একে সহজে গলতে দেয় না।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: ধাতু ও অধাতু, যেখানে ধাতব স্ফটিকের পরমাণুগুলোর মধ্যকার আকর্ষণ বল গলনাংক নির্ধারণ করে।
- কার্যপ্রণালি: তীব্র তাপ প্রয়োগ করলেও এর পরমাণুগুলোর মধ্যকার দৃঢ় বন্ধন সহজে ভাঙতে চায় না।
- বাস্তব প্রয়োগ: উচ্চ তাপ সহ্য করার ক্ষমতা থাকার কারণে এটি বৈদ্যুতিক বাল্বের ফিলামেন্ট তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বৈদ্যুতিক বাল্বের ফিলামেন্ট
ব্যাখ্যা: বাল্ব জ্বলার সময় ফিলামেন্ট অত্যন্ত উত্তপ্ত হলেও গলে যায় না কারণ এর উপাদানটি টাংস্টেন।
উদাহরণ ২: ওয়েল্ডিং বা ঝালাইয়ের কাজ
ব্যাখ্যা: উচ্চ তাপমাত্রার আর্ক ওয়েল্ডিং ইলেকট্রোড তৈরিতে এই ধাতু ব্যবহার করা হয় যাতে তা কাজের সময় গলে না যায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) টাংস্টেন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর গলনাংক সকল ধাতুর মধ্যে সর্বাধিক।
B) প্ল্যাটিনাম — এর গলনাংক উচ্চ হলেও টাংস্টেনের তুলনায় বেশ কম, প্রায় এক হাজার সাতশো ষাট ডিগ্রি সেলসিয়াস।
C) জারকানিয়াম — এটি একটি অবস্থান্তর ধাতু যার গলনাংক টাংস্টেনের চেয়ে অনেক কম, প্রায় এক হাজার আটশো ডিগ্রি সেলসিয়াস।
D) টাইটানিয়াম — এটি হালকা ও শক্তিশালী ধাতু হলেও এর গলনাংক প্রায় এক হাজার ছয়শো সত্তর ডিগ্রি সেলসিয়াস।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বাল্বে জ্বলে আলো, টাংস্টেন ধাতুর গলনাংক সবচেয়ে ভালো।
- উচ্চ তাপমাত্রার কাজে এই ধাতুর ব্যবহার মনে রাখলে গলনাংক সংক্রান্ত প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধাতু ও অধাতুর গলনাংক সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
- টাংস্টেনের প্রতীক ডব্লিউ এবং এর পারমাণবিক সংখ্যা চুাত্তর, এটিও জেনে রাখা ভালো।
সঠিক উত্তর: A) তড়িৎ শক্তি
১. কেন সঠিক:
টেলিফোনে আমরা যখন কথা বলি, তখন আমাদের কণ্ঠস্বরের শব্দ তরঙ্গ প্রথমে মাইক্রোফোনের মাধ্যমে বৈদ্যুতিক সংকেতে রূপান্তরিত হয়। এই বৈদ্যুতিক সংকেত বা তড়িৎ শক্তি টেলিফোন লাইনের তারের মধ্য দিয়ে অপর প্রান্তে পৌঁছে এবং রিসিভারে গিয়ে আবার শব্দ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: শক্তি এক রূপ থেকে অন্য রূপে রূপান্তরিত হতে পারে এবং টেলিফোন যোগাযোগ ব্যবস্থায় শক্তি রূপান্তরের এই নীতি কাজ করে।
কার্যপ্রণালি: গ্রাহক যখন কথা বলেন, তখন শব্দ শক্তি টেলিফোনের ট্রান্সমিটারে তড়িৎ শক্তিতে পরিণত হয় এবং লাইনের ভেতর দিয়ে প্রবাহিত হয়।
বাস্তব প্রয়োগ: ল্যান্ডফোন বা তারযুক্ত টেলিফোন নেটওয়ার্কে এই তড়িৎ সংকেত ব্যবহারের মাধ্যমে দূরদূরান্তে দ্রুত যোগাযোগ রক্ষা করা সম্ভব হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মুখে কথা বলা এবং তা মাইক্রোফোনে রূপান্তর।
ব্যাখ্যা: মুখের শব্দ প্রথমে ট্রান্সমিটারে বৈদ্যুতিক তরঙ্গে বা তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
উদাহরণ ২: প্রেরক থেকে গ্রাহক যন্ত্রে বার্তা পৌঁছানো।
ব্যাখ্যা: তারের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত তড়িৎ শক্তি অপর প্রান্তের রিসিভারে পৌঁছে পুনরায় স্পষ্ট শব্দে রূপান্তরিত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তড়িৎ শক্তি — এটি সঠিক কারণ টেলিফোন লাইনের মধ্য দিয়ে তথ্য বা বার্তা বৈদ্যুতিক সংকেত বা তড়িৎ শক্তি হিসেবে প্রবাহিত হয়।
B) শব্দ শক্তি — এটি ভুল কারণ টেলিফোন লাইনের দীর্ঘ দূরত্বের ভেতর দিয়ে সরাসরি শব্দ শক্তি ভ্রমণ করতে পারে না, কেবল শব্দ তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়ে প্রবাহিত হয়।
C) আলোক শক্তি — এটি ভুল কারণ আলোক শক্তি সাধারণত অপটিক্যাল ফাইবার বা ফাইবারের মাধ্যমে ডেটা প্রেরণে ব্যবহৃত হয়, সাধারণ তামা বা মেটালিক টেলিফোন লাইনে নয়।
D) চৌম্বক শক্তি — এটি ভুল কারণ চৌম্বক শক্তি স্পিকার বা রিসিভারের ভেতরে সংকেত পরিবর্তনে সাহায্য করলেও টেলিফোন লাইনের মধ্য দিয়ে মূল বার্তা প্রবাহিত হয় তড়িৎ শক্তির মাধ্যমে।
৫. মনে রাখার টিপস:
টেলিফোন মানেই তার এবং তারের ভেতর দিয়ে প্রবাহিত হয় বিদ্যুৎ বা তড়িৎ শক্তি। মুখের কথা প্রথমে বিদ্যুৎ বা তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তরিত হয় এবং তার বেয়ে গন্তব্যে পৌঁছায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
টেলিফোনের ট্রান্সমিটার শব্দ শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে এবং রিসিভার তড়িৎ শক্তিকে শব্দ শক্তিতে রূপান্তর করে। এই ধরনের প্রশ্ন শক্তির রূপান্তর অধ্যায়ের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: C) স্নেহপদার্থ
১. কেন সঠিক:
- স্নেহপদার্থ বা চর্বি মানবদেহে প্রচুর পরিমাণ তাপ ও শক্তি উৎপন্ন করে।
- এটি শরীরে তাপ ধরে রাখতে এবং শক্তি সরবরাহ করতে প্রধান ভূমিকা পালন করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: স্নেহপদার্থ হলো কার্বন, হাইড্রোজেন এবং অক্সিজেনের সমন্বয়ে গঠিত একপ্রকার জৈব যৌগ।
- কার্যপ্রণালি: প্রতি গ্রাম স্নেহপদার্থ বা ফ্যাট জারিত হয়ে প্রায় ৯.৩ কিলো ক্যালোরি শক্তি উৎপন্ন করে।
- কারণ ও ফলাফল: এটি আমাদের দেহের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে এবং অঙ্গাণুগুলোকে আঘাত থেকে রক্ষা করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মাখন ও ঘি।
ব্যাখ্যা: এগুলো উচ্চমাত্রার স্নেহপদার্থ সমৃদ্ধ খাদ্য যা আমাদের শরীরে দ্রুত তাপ ও শক্তি জোগান দেয়।
উদাহরণ ২: বাদাম ও সয়াবিন তেল।
ব্যাখ্যা: এগুলো উদ্ভিজ্জ স্নেহপদার্থের উৎস যা শরীরের দীর্ঘমেয়াদী শক্তির চাহিদা পূরণ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভিটামিন — এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং বিপাক ক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে কিন্তু সরাসরি তাপ বা শক্তি উৎপন্ন করে না।
B) পানি — এটি শরীরের রাসায়নিক বিক্রিয়া ও তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে তবে এটি কোনো শক্তি বা তাপের উৎস নয়।
C) স্নেহপদার্থ — এটি নিজেই সঠিক উত্তর কারণ এটি শরীরে সর্বাধিক তাপ ও শক্তি উৎপাদন করে।
D) খনিজ লবণ — এটি দেহের হাড় ও দাঁত গঠনে এবং বিভিন্ন শারীরবৃত্তীয় কাজে অংশ নেয় কিন্তু শক্তি উৎপাদন করে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- শক্তি উৎপাদনে ফ্যাট বা স্নেহপদার্থ সবার চেয়ে এগিয়ে থাকে।
- ১ গ্রাম ফ্যাট থেকে সবচেয়ে বেশি প্রায় ৯.৩ কিলো ক্যালোরি শক্তি পাওয়া যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- খাদ্যের উপাদানগুলোর মধ্যে কার্বোহাইড্রেট ও প্রোটিন প্রতি গ্রামে ৪.১ কিলো ক্যালোরি শক্তি দেয়।
- এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় পুষ্টিবিজ্ঞান অংশ থেকে প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: D) সমুদ্রের ঢেউ
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরের মূল কারণ হলো সমুদ্রের ঢেউ একটি প্রাকৃতিক ও অফুরন্ত শক্তির উৎস যা কখনো ফুরিয়ে যায় না।
- সংশ্লিষ্ট বৈজ্ঞানিক ধারণা অনুযায়ী প্রকৃতিতে যেসব শক্তির উৎস বারবার ব্যবহারের ফলে নিঃশেষ হয় না, সেগুলোকে নবায়নযোগ্য শক্তি বলা হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: যে শক্তি উৎস অফুরন্ত এবং বারবার ব্যবহার করা যায় তাকে নবায়নযোগ্য শক্তি বলে।
- কার্যপ্রণালি: বায়ুপ্রবাহের প্রভাবে সমুদ্রের পানির পৃষ্ঠে যে গতির সৃষ্টি হয়, তাকে কাজে লাগিয়ে টারবাইন ঘুরিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়।
- বাস্তব প্রয়োগ: উপকূলবর্তী অঞ্চলে সামুদ্রিক ঢেউ বা জোয়ারভাটার শক্তি ব্যবহার করে টারবাইন চালনার মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জোয়ারভাটা
ব্যাখ্যা: চাঁদের আকর্ষণে সমুদ্রের পানি ফুলে ওঠে এবং নেমে যায়, এই গতিশক্তিকে কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়।
উদাহরণ ২: বায়ুপ্রবাহ
ব্যাখ্যা: বাতাসের গতিবেগ কাজে লাগিয়ে উইন্ডমিল বা বায়ুকলের মাধ্যমে নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ তৈরি করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তেল — এটি একটি জীবাশ্ম জ্বালানি এবং সীমিত সম্পদ যা একবার পুড়িয়ে ফেললে চিরতরে শেষ হয়ে যায়।
B) গ্যাস — প্রাকৃতিক গ্যাস একটি অনবায়নযোগ্য জ্বালানি যা মাটির নিচে সীমিত পরিমাণে সঞ্চিত থাকে।
C) কয়লা — কয়লা কোটি বছর ধরে তৈরি হওয়া একটি জীবাশ্ম জ্বালানি এবং এটি নবায়নযোগ্য নয়।
D) সমুদ্রের ঢেউ — এটি প্রাকৃতিক উপায়ে ক্রমাগত তৈরি হয় এবং কখনোই শেষ হয় না, তাই এটি নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস।
৫ মনে রাখার টিপস:
- তেল, গ্যাস ও কয়লা হলো জীবাশ্ম জ্বালানি যা সীমিত এবং অনবায়নযোগ্য।
- প্রকৃতি থেকে প্রাপ্ত সৌরশক্তি, বায়ুশক্তি ও ঢেউ শক্তি হলো নবায়নযোগ্য শক্তি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- জীবাশ্ম জ্বালানি পুড়িয়ে কার্বন ডাই-অক্সাইড উৎপন্ন হয় যা বিশ্ব উষ্ণায়নের জন্য দায়ী।
- নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার পরিবেশ দূষণ কমায় এবং টেকসই উন্নয়নে সাহায্য করে।
সঠিক উত্তর: B) এক্স রশ্মি
১. কেন সঠিক:
- এক্স রশ্মি উচ্চ ভেদন ক্ষমতাসম্পন্ন এক প্রকার তড়িৎ চৌম্বকীয় বিকিরণ যা সহজেই মানুষের মাংসপেশি ভেদ করতে পারে কিন্তু হাড় বা ধাতব বস্তুর ঘনত্ব বেশি হওয়ায় তা ভেদ করতে পারে না।
- এই বিশেষ ধর্মের কারণে গোয়েন্দা বিভাগে লাগেজ স্ক্যানিং এবং মানুষের শরীরের ভেতরে লুকিয়ে রাখা অবৈধ বা বিপজ্জনক বস্তু শনাক্ত করার জন্য এক্স রশ্মি ব্যবহার করা হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: এক্স রশ্মি হলো অতি স্বল্প তরঙ্গদৈর্ঘ্যের তড়িৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গ যার শক্তি দৃশ্যমান আলোর চেয়ে অনেক বেশি এবং এটি পদার্থের ভেতর দিয়ে সহজেই পার হয়ে যেতে পারে।
- কার্যপ্রণালি: বিমানবন্দরের নিরাপত্তা তল্লাশি বা গোয়েন্দা চেকিংয়ের সময় স্ক্যানারের মধ্য দিয়ে এক্স রশ্মি প্রবাহিত করা হয় এবং ঘনত্বের তারতম্যের ওপর ভিত্তি করে পর্দার ওপর চিত্র গঠিত হয়।
- বাস্তব প্রয়োগ: বিমানবন্দর ও কাস্টমস অফিসে যাত্রীদের লাগেজ বা পার্সেল পরীক্ষা করতে এবং কোনো অস্ত্র বা বিস্ফোরক লুকিয়ে রাখা হয়েছে কি না তা শনাক্ত করতে এক্স রশ্মি স্কাইউইপ ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিমানবন্দর বা রেলস্টেশনে যাত্রীদের ব্যাগ এক্স-রে মেশিনের ভেতরে প্রবেশ করানো।
ব্যাখ্যা: মেশিনের ভেতরের এক্স রশ্মি ব্যাগের কাপড়ের ভেতর দিয়ে চলে গেলেও ভেতরের ধাতব বস্তু বা অস্ত্র ভেদ করতে না পারায় কম্পিউটারের স্ক্রিনে তার স্পষ্ট ছায়া বা চিত্র ফুটে ওঠে।
উদাহরণ ২: গোপন আস্তানায় বা সন্দেহজনক পার্সেলের ক্ষেত্রে গোয়েন্দাদের তল্লাশি অভিযান।
ব্যাখ্যা: বিস্ফোরক বা নিষিদ্ধ দ্রব্য প্যাকেটের ভেতরে চারপাশ দিয়ে পেঁচিয়ে রাখা হলেও এক্স রশ্মির সাহায্যে তার ভেতরের আসল গঠন বা ধাতব উপাদানের উপস্থিতি ধরা পড়ে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বেকেরেল রশ্মি — এটি মূলত তেজস্ক্রিয় বিকিরণের ঐতিহাসিক নাম এবং হেনরি বেকেরেল ইউরেনিয়াম থেকে স্বতঃস্ফূর্ত বিকিরণ আবিষ্কার করেছিলেন যা গোয়েন্দা তল্লাশিতে ব্যবহৃত হয় না।
B) এক্স রশ্মি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর ভেদন ক্ষমতা বস্তু শনাক্তকরণের জন্য গোয়েন্দা বিভাগে নিরাপত্তার কাজে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
C) বিটা রশ্মি — এটি উচ্চগতির ইলেকট্রন কণার স্রোত যা খুব সহজে পাতলা অ্যালুমিনিয়াম ফয়েল দ্বারা আটকে যায় এবং গোয়েন্দা স্ক্যানিংয়ে ব্যবহৃত হয় না।
D) গামা রশ্মি — এটি অত্যন্ত উচ্চ শক্তির তেজস্ক্রিয় বিকিরণ যা জীবদেহের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর এবং সাধারণ গোয়েন্দা তল্লাশিতে নিরাপত্তা স্ক্যানার হিসেবে এটি ব্যবহার করা হয় না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বিমানবন্দরে ব্যাগ স্ক্যান করার সময় যে আলো বা মেশিন ব্যবহার করা হয় তা মূলত এক্স-রে মেশিন, তাই গোয়েন্দা বা নিরাপত্তা বলয়ে এক্স রশ্মি আসার সাথে সাথে ব্যাগ তল্লাশির বিষয়টি মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এক্স রশ্মি আবিষ্কার করেন জার্মান বিজ্ঞানী উইলহেলম কনরাড রন্টজেন ১৮৯৫ সালে।
- একই বৈজ্ঞানিক ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে চিকিৎসাবিজ্ঞানে হাড়ের ফাটল বা ফ্র্যাকচার নির্ণয়ে কোন রশ্মি ব্যবহার করা হয়, যার উত্তর হবে এক্স রশ্মি।
সঠিক উত্তর: D) মহাকর্ষ বল
১. কেন সঠিক:
মহাবিশ্বের যেকোনো দুটি বস্তুর মধ্যকার আকর্ষণ বলকে মহাকর্ষ বলা হয়, আর গাছ থেকে আম মাটিতে পড়ার ঘটনাটি পৃথিবী ও আমের পারস্পরিক আকর্ষণ তথা মহাকর্ষ বলের কারণে ঘটে।
স্যার আইজ্যাক নিউটন এই আকর্ষণ বলের সার্বজনীন রূপ আবিষ্কার করেন, যা বিশ্বপ্রকৃতির সকল ভরের বস্তুর ক্ষেত্রে সমানভাবে প্রযোজ্য।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: মহাকর্ষ হলো এমন একটি আকর্ষণ বল যা মহাবিশ্বের যেকোনো দুটি বস্তুর মধ্যে তাদের ভরের কারণে ক্রিয়া করে।
কার্যপ্রণালি: পৃথিবী তার বিশাল ভরের কারণে চারপাশের সবকিছুকে নিজের কেন্দ্রের দিকে আকর্ষণ করে, যাকে বিশেষ ক্ষেত্রে অভিকর্ষ বলা হয়।
বাস্তব প্রয়োগ: আমাদের দৈনন্দিন জীবনের হাঁটাচলা, কোনো বস্তু ওপর থেকে নিচে ফেলা এবং বায়ুমণ্ডলের অবস্থান সবই মহাকর্ষ বলের প্রত্যক্ষ ফলাফল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ছাদ থেকে হাত ফসকে একটি পাথর নিচে পড়ে যাওয়া।
ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে যে পৃথিবীর আকর্ষণ বলের টানে যেকোনো মুক্ত বস্তু সর্বদা নিচের দিকে ধাবিত হয়।
উদাহরণ ২: ফল পাকলে গাছ থেকে খসে মাটিতে পড়ে যাওয়া।
ব্যাখ্যা: বোঁটা দুর্বল হয়ে গেলে মহাকর্ষ বলের প্রভাবে ফল আর গাছে টিকে থাকতে না পেরে মাটিতে নেমে আসে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চৌম্বক বল — এটি লোহা বা চুম্বকজাতীয় বস্তুকে আকর্ষণ বা বিকর্ষণ করার বল, যা এখানে আমের পতনের কারণ নয়।
B) তড়িৎ চৌম্বক বল — এটি আধানযুক্ত কণাগুলোর মধ্যে ক্রিয়াশীল বল, যা মাধ্যাকর্ষণ জনित পতনের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
C) নিউক্লীয় বল — এটি পরমাণুর নিউক্লিয়াসের ভেতরের কণাগুলোকে একত্রে ধরে রাখে, যা বৃহৎ আকারের আম পড়ার ক্ষেত্রে কার্যকর নয়।
D) মহাকর্ষ বল — এটি সঠিক উত্তর কারণ পৃথিবী ও আমের মধ্যকার আকর্ষণের ফলে এটি ঘটে।
৫ মনে রাখার টিপস:
আম হোক বা আপেল, ওপর থেকে নিচে পড়লেই বুঝে নেবে এটি নিউটনের মহাকর্ষ বলের কারসাজি।
ভরের আকর্ষণ মানেই মহাকর্ষ, এই মৌলিক ধারণাটি মনে রাখলেই যেকোনো বস্তু পড়ার সঠিক কারণ নির্ণয় করা সহজ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
মহাকর্ষ বল ভরের ওপর নির্ভর করে এবং এটি মহাবিশ্বের অন্যতম একটি মৌলিক বল।
একই ধারণা থেকে পরীক্ষায় প্রশ্ন আসতে পারে যে মহাশূন্যে নভোচারীরা কেন ভাসেন বা কৃত্রিম উপগ্রহ কীভাবে পৃথিবীকে কেন্দ্র করে ঘোরে।
সঠিক উত্তর: A) হেপারিন
১. কেন সঠিক:
- হেপারিন হলো একধরনের প্রাকৃতিক অ্যান্টিকোয়াগুলেন্ট বা রক্ত জমাট বাঁধাবিরোধী পদার্থ।
- মানবদেহের রক্তনালীর ভেতরে স্বাভাবিক অবস্থায় এটি রক্তকে তরল রাখতে সাহায্য করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: হেপারিন যকৃৎ ও রক্তকণিকা দ্বারা উৎপাদিত হয় যা ফাইব্রিনোজেনকে ফাইব্রিনে রূপান্তর হতে বাধা দেয়।
- কার্যপ্রণালি: এটি রক্তে থাকা থ্রম্বিন এনজাইমের কার্যকারিতা নষ্ট করে রক্ত জমাট বাঁধার প্রক্রিয়া প্রতিহত করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সার্জারি বা অপারেশনের সময় কৃত্রিম রক্তনালী বা যন্ত্রে রক্ত সঞ্চালনের সময় হেপারিন ব্যবহার করা হয়।
ব্যাখ্যা: এটি নিশ্চিত করে যেন বাইরে থেকে রক্ত সরবরাহ করার সময় নালীর ভেতরে রক্ত জমাট বেঁধে ব্লক তৈরি না করে।
উদাহরণ ২: মানুষের রক্ত পরীক্ষার জন্য ব্লাড কালেকশন টিউবে হেপারিন মেশানো হয়।
ব্যাখ্যা: টিউবের ভেতরে রক্ত যেন জমাট না বাঁধে এবং পরীক্ষা নির্ভুলভাবে করা যায় সেজন্য এটি কাজ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হেপারিন — এটি রক্তনালীতে রক্ত জমাট বাঁধতে দেয় না বরং স্বাভাবিক তরল অবস্থা বজায় রাখে।
B) হিস্টামিন — এটি মানবদেহের রক্তনালী প্রসারিত করে এবং অ্যালার্জি বা প্রদাহের সময় বেশি সক্রিয় হয়।
C) হিমোগ্লোবিন — এটি রক্তের লোহিত রক্তকণিকায় থাকে এবং ফুসফুস থেকে সারা দেহে অক্সিজেন পরিবহন করে।
D) লিম্ফোসাইট — এটি একধরনের শ্বেত রক্তকণিকা যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করতে এবং জীবাণু ধ্বংস করতে কাজ করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- হেপারিন শব্দটি মনে রাখতে হ দিয়ে হিপো বা হার্ট এবং প দিয়ে প্রটেকশন মনে রাখতে পারো।
- এটি রক্তকে জমাট বাঁধা থেকে রক্ষা করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় যকৃৎ বা লিভারের উৎপাদিত পদার্থ সম্পর্কে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- রক্ত জমাট বাঁধার জন্য কোন ভিটামিন এবং খনিজ প্রয়োজন, তা থেকে ভিন্ন প্রশ্ন হতে পারে যেমন ভিটামিন কে এবং ক্যালসিয়াম আয়ন।
সঠিক উত্তর: C) প্যালিয়েন্টোলজি
১. কেন সঠিক:
- প্যালিয়েন্টোলজি বা জীবাশ্মবিজ্ঞান হলো জীববিজ্ঞানের একটি শাখা যেখানে প্রাচীন জীবের অবশেষ বা জীবাশ্ম নিয়ে আলোচনা করা হয়।
- প্রাগৈতিহাসিক যুগের উদ্ভিদ ও প্রাণীর দেহাবশেষ বা ছাপ ভূতাত্ত্বিক স্তরে সংরক্ষিত হয়ে জীবাশ্মে পরিণত হয়, যা বৈজ্ঞানিকভাবে বিশ্লেষণ করা হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: ভূপৃষ্ঠের শিলাস্তরে সংরক্ষিত প্রাচীন জীবের দেহাবশেষ, পদচিহ্ন বা ছাপকে জীবাশ্ম বলা হয়।
- কার্যপ্রণালি: লক্ষ লক্ষ বছর আগে মৃত জীব মাটি বা পলিমাটির নিচে চাপা পড়ে ধীরে ধীরে খনিজে রূপান্তরিত হয় এবং প্যালিয়েন্টোলজিস্টরা তা খনন করে উদ্ধার করেন।
- কারণ ও ফলাফল: জীবাশ্ম অধ্যয়নের মাধ্যমে পৃথিবীর প্রাচীন পরিবেশ, জলবায়ু এবং জীবকূলের ক্রমবিকাশ বা বিবর্তন সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট ধারণা পাওয়া যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ডাইনোসরের কঙ্কাল
ব্যাখ্যা: এটি প্যালিয়েন্টোলজির সবচেয়ে পরিচিত উদাহরণ যা কোটি বছর আগের প্রাণীর অস্তিত্ব প্রমাণ করে।
উদাহরণ ২: অ্যাম্বাইট বা প্রাচীন উদ্ভিদের ছাপ
ব্যাখ্যা: পাথরের গায়ে উদ্ভিদের পাতার ছাপ দেখে প্রাচীনযুগের উদ্ভিদজগৎ সম্পর্কে জানা যায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফিজিওলজি — এটি জীববিজ্ঞানের সেই শাখা যা জীবদেহের বিভিন্ন অঙ্গের কার্যপ্রণালি নিয়ে আলোচনা করে, জীবাশ্ম নিয়ে নয়।
B) মরফোলজি — এটি জীববিজ্ঞানের এমন একটি শাখা যা জীবদেহের বাহ্যিক গঠন এবং আকৃতি নিয়ে আলোচনা করে।
C) প্যালিয়েন্টোলজি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি জীবাশ্ম নিয়ে আলোচনা করে।
D) ফাইটোজেনি — এটি উদ্ভিদের বিবর্তন বা বংশগত ইতিহাস নিয়ে আলোচনা করে, জীবাশ্মের সরাসরি বিজ্ঞান নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- প্যালিয়েন্টোলজি শব্দটির শুরুতে প্যালিয়ো মানে প্রাচীন, তাই প্রাচীন জীব বা জীবাশ্ম সংক্রান্ত বিজ্ঞান মনে রাখা সহজ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জীবাশ্ম জ্বালানি বা জীবাশ্ম সম্পর্কিত বিভিন্ন শাখার নাম প্রায়ই আসে।
- জীবাশ্মের বয়স নির্ধারণে কার্বন চোদ্দ ডেটিং পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়, যা এই টপিকের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
সঠিক উত্তর: A) সোডিয়াম
১. কেন সঠিক:
পারমাণবিক চুল্লিতে উৎপন্ন প্রচণ্ড তাপ দ্রুত অপসারণ করার জন্য পরিবাহক বা কুল্যান্ট হিসেবে তরল সোডিয়াম ধাতু ব্যবহার করা হয়।
সোডিয়াম উচ্চ তাপ পরিবাহী এবং এর গলনাঙ্ক কম হওয়ায় এটি সহজেই তরল অবস্থায় থেকে তাপ বহন করতে পারে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: পারমাণবিক চুল্লিতে নিউট্রন বোমাবর্ষণের মাধ্যমে ইউরেনিয়াম পরমাণুর ফিশন ঘটানো হয় এবং প্রচুর তাপশক্তি উৎপন্ন হয়।
কার্যপ্রণালি: এই প্রচুর তাপ চুল্লির ভেতর থেকে বাইরে এনে টারবাইন ঘোরানোর কাজে ব্যবহার করার জন্য তরল সোডিয়াম পাইপের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ফাস্ট ব্রিডার চুল্লি
ব্যাখ্যা: ফাস্ট ব্রিডার নিউক্লিয়ার চুল্লিতে তাপ পরিবহনের মাধ্যম হিসেবে তরল সোডিয়াম ব্যবহার করা হয়।
উদাহরণ ২: গাড়ির রেডিয়েটর
ব্যাখ্যা: যেমন ইঞ্জিনের অতিরিক্ত তাপ অপসারণ করতে পানি ব্যবহার করা হয়, তেমনি চুল্লিতে সোডিয়াম কাজ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সোডিয়াম — এটি সঠিক কারণ সোডিয়াম চমৎকার তাপ পরিবাহী এবং চুল্লির কুল্যান্ট হিসেবে অত্যন্ত কার্যকর।
B) পটাশিয়াম — পটাশিয়ামও তাপ পরিবাহী, তবে একা পটাশিয়াম ব্যবহার না করে সাধারণত সোডিয়াম ও পটাশিয়ামের সংকর ধাতু ব্যবহার করা হয়।
C) ম্যাগনেসিয়াম — ম্যাগনেসিয়াম হালকা ধাতু হলেও এটি পারমাণবিক চুল্লিতে কুল্যান্ট বা পরিবাহক হিসেবে ব্যবহৃত হয় না।
D) কোনটিই নয় — যেহেতু অপশন এ সঠিক, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
পারমাণবিক চুল্লির তাপ সরাতে সোডিয়াম সোজা রাস্তা তৈরি করে।
সোডিয়াম নামটির সঙ্গে চুল্লির পরিবাহক কথাটি মনে রাখলে আর ভুল হবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
পারমাণবিক চুল্লিতে মডারেটর হিসেবে ভারী পানি বা গ্রাফাইট ব্যবহৃত হয় এবং পরিবাহক হিসেবে সোডিয়াম ব্যবহৃত হয়।
এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: B) ১/৬
১. কেন সঠিক:
- প্রতিধ্বনি শোনার জন্য শব্দকে উৎস থেকে প্রতিফলকে গিয়ে আবার উৎসে ফিরে আসতে হয়, অর্থাৎ শব্দকে মোট কুয়ার গভীরতার দ্বিগুণ পথ অতিক্রম করতে হয়।
- এখানে শব্দের গতিবেগ এবং মোট অতিক্রান্ত দূরত্ব জানা থাকায় সময় বের করার জন্য গতিবেগের সাধারণ সূত্র ব্যবহার করা হয়েছে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: কোনো উৎস থেকে উৎপন্ন শব্দ কোনো কঠিন মাধ্যমে বাধা পেয়ে আবার উৎসে ফিরে আসাকে প্রতিধ্বনি বলে। মানুষের কানে শব্দের রেশ স্থায়ী হয় ০.১ সেকেন্ড।
- সূত্র ও হিসাব: অতিক্রান্ত দূরত্ব স = ২ × গভীরতা। এখানে গভীরতা = ২৭.৫ মিটার, তাই স = ২ × ২৭.৫ = ৫৫ মিটার। শব্দের বেগ v = ৩৩০ মিটার প্রতি সেকেন্ড। সময় t = স ÷ v = ৫৫ ÷ ৩৩০ = ১ ÷ ৬ সেকেন্ড।
- বাস্তব প্রয়োগ: কুয়া, পাহাড় বা বড় দালানের সামনে দাঁড়িয়ে শব্দ করলে প্রতিধ্বনি শোনা যায়, যা সোনার প্রযুক্তি এবং আল্ট্রাসনোগ্রাফিতে কাজে লাগে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পাহাড়ের সামনে দাঁড়িয়ে চিৎকার করলে কিছুক্ষণ পর সেই শব্দ আবার ফিরে আসে।
ব্যাখ্যা: শব্দ পাহাড়ের গায়ে বাধা পেয়ে ফিরে আসায় প্রতিধ্বনির সৃষ্টি হয়।
উদাহরণ ২: বড় ও ফাঁকা ঘরে কথা বললে শব্দ ঘুরে আসে।
ব্যাখ্যা: দেয়ালের প্রতিফলনের কারণে শব্দ প্রতিধ্বনিত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১/৩ — এটি ভুল কারণ দূরত্বকে শুধু একবার ধরে হিসাব করা হয়েছে অথবা দ্বিগুণ করার পরও ভুল হিসাব করা হয়েছে।
B) ১/৬ — এটি সঠিক হিসাব অনুযায়ী প্রাপ্ত সময়, যা কুয়ার গভীরতা ও শব্দের বেগ থেকে নির্ণীত হয়েছে।
C) ২/৩ — এটি ভুল কারণ লব ও হরের ভুল হিসাবের ফলে এই মান এসেছে যা সঠিক দূরত্বের গাণিতিক নিয়মের সাথে মেলে না।
D) ১/২ — এটি ভুল কারণ প্রতিধ্বনির জন্য দ্বিগুণ দূরত্ব অতিক্রমের বিষয়টি বিবেচনা না করে সরাসরি ভাগ করলে এই মান আসে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- প্রতিধ্বনির অংক করার সময় সবসময় দূরত্বকে দুই দিয়ে গুণ করতে হবে কারণ শব্দ যায় এবং আসে।
- সময় বের করতে মোট দূরত্বকে শব্দের বেগ দিয়ে ভাগ করতে হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিধ্বনি শোনার জন্য উৎস ও প্রতিফলকের ন্যূনতম দূরত্ব ১৭ মিটার বা প্রায় ১৬.৬ মিটার হওয়া প্রয়োজন।
- এই সূত্র ব্যবহার করে কুয়ার গভীরতা বা পাহাড়ের দূরত্ব নির্ণয়ের গাণিতিক সমস্যা প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
সঠিক উত্তর: B) রেবিস
১. কেন সঠিক:
- স্ট্রিট ভাইরাস হলো জলাতঙ্ক বা রেবিস রোগের মূল বা প্রাকৃতিকভাবে সংক্রামিত বন্য ভাইরাস।
- এই ভাইরাসটি সাধারণত সংক্রামিত প্রাণী যেমন কুকুর, শিয়াল বা বাদুড়ের লালার মাধ্যমে মানুষের শরীরে প্রবেশ করে কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রকে আক্রমণ করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: রেবিস একটি মারাত্মক ভাইরাল রোগ যা লাইসাভাইরাস গোত্রের অন্তর্ভুক্ত এবং এটি মূলত উষ্ণ রক্তের প্রাণীদের স্নায়ুতন্ত্রকে ধ্বংস করে।
- কার্যপ্রণালি: সংক্রামিত প্রাণী কামড়ালে বা আঁচড়ালে লালার মাধ্যমে ভাইরাস পেশিতে প্রবেশ করে এবং স্নায়ুতন্ত্রের মাধ্যমে মস্তিষ্কে পৌঁছে তীব্র প্রদাহ সৃষ্টি করে।
- বাস্তব প্রয়োগ: পোষা প্রাণীকে সময়মতো রেবিস বা জলাতঙ্কের টিকা দিলে এই ভয়াবহ ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে মানুষ ও প্রাণী উভয়েই নিরাপদ থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: একটি বন্য কুকুর কোনো মানুষকে কামড়ানোর পর তার শরীরে রেবিস ভাইরাস প্রবেশ করতে পারে।
ব্যাখ্যা: কুকুরের লালায় থাকা স্ট্রিট ভাইরাস স্নায়ুপথ ধরে মস্তিষ্কে পৌঁছায় এবং সঠিক সময়ে চিকিৎসা না নিলে এটি প্রাণঘাতী হতে পারে।
উদাহরণ ২: বনে ঘুরতে গিয়ে বাদুড়ের কামড় খাওয়ার পর দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যাওয়া।
ব্যাখ্যা: বাদুড়ের শরীরেও স্ট্রিট ভাইরাস থাকতে পারে, তাই কামড় বা আঁচড় লাগলে অবিলম্বে টিকা নিতে হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) টিটেনাস — টিটেনাস কোনো ভাইরাসের কারণে হয় না, এটি ক্লোস্ট্রিডিয়াম টিটানি নামক ব্যাকটেরিয়ার দ্বারা সৃষ্ট একটি রোগ।
B) রেবিস — এই অপশনটি সঠিক কারণ রেবিস রোগের প্রাকৃতিক ভাইরাসকে স্ট্রিট ভাইরাস বলা হয়।
C) হাম — হাম রোগটি প্যারামিক্সোভাইরাস পরিবারের ভাইরাসের কারণে ঘটে, যা স্ট্রিট ভাইরাস নামে পরিচিত নয়।
D) যক্ষ্মা — যক্ষ্মা একটি ব্যাকটেরিয়াঘটিত রোগ যা মাইকোব্যাকটেরিয়াম টিউবারকিউলোসিস নামক জীবাণুর মাধ্যমে ছড়ায়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- স্ট্রিট মানে রাস্তা, আর রাস্তায় সাধারণত বেওয়ারিশ কুকুর ঘুরে বেড়ায়। তাই কুকুরের কামড়ে যে রেবিস হয়, তার প্রাকৃতিক রূপই হলো স্ট্রিট ভাইরাস।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- জলাতঙ্ক বা রেবিস ভাইরাসের অপর নাম হলো স্ট্রিট ভাইরাস, যা পরীক্ষাগারে পরিবর্তিত হয়ে ফিক্সড ভাইরাসে রূপ নেয়।
- এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস এবং প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় রোগ ও জীবাণু অধ্যায় থেকে আসে।
সঠিক উত্তর: B) অগ্ন্যাশয়
১. কেন সঠিক:
অগ্ন্যাশয় মানবদেহের একটি মিশ্র গ্রন্থি যা থেকে ইনসুলিন নামক হরমোন নিঃসৃত হয়।
ইনসুলিন রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে সরাসরি সাহায্য করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: অগ্ন্যাশয়ের আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহ্যান্স নামক কোষগুচ্ছের বিটা কোষ থেকে ইনসুলিন তৈরি ও নিঃসৃত হয়।
কার্যপ্রণালি: খাবার হজমের পর গ্লুকোজ রক্তে প্রবেশ করলে ইনসুলিন কোষে গ্লুকোজ প্রবেশে সহায়তা করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মিষ্টি খাবার খাওয়ার পর রক্তে গ্লুকোজ বাড়লে অগ্ন্যাশয় ইনসুলিন নিঃসরণ করে।
ব্যাখ্যা: এটি রক্তে শর্করার মাত্রা স্বাভাবিক রাখতে কাজ করে।
উদাহরণ ২: ডায়াবেটিস রোগীর দেহে পর্যাপ্ত ইনসুলিন তৈরি হয় না।
ব্যাখ্যা: ইনসুলিনের অভাবে রক্তে শর্করার পরিমাণ অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পিত্তথলি — পিত্তথলি যকৃতে উৎপন্ন পিত্তরস জমা রাখে এবং তা হজমে সাহায্য করে।
B) অগ্ন্যাশয় — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখান থেকেই ইনসুলিন হরমোন নিঃসৃত হয়।
C) লিভার — লিভার বা যকৃতে গ্লাইকোজেন হিসেবে শর্করা সঞ্চিত থাকে কিন্তু ইনসুলিন নিঃসৃত হয় না।
D) পিটুইটারী গ্রন্থি — পিটুইটারী গ্রন্থি থেকে গ্রোথ হরমোন এবং প্রোল্যাকটিনসহ বিভিন্ন হরমোন নিঃসৃত হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
অগ্ন্যাশয়ের শুরু অ দিয়ে এবং ইনসুলিনের শুরু ই দিয়ে, যা মিষ্টি বা ডায়াবেটিসের সাথে সম্পর্কিত।
ডায়াবেটিসের সাথে অগ্ন্যাশয়ের সংযোগ মনে রাখলে এই প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ইনসুলিনের অভাবে ডায়াবেটিস মেলিটাস রোগ হয় যা মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর।
এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় প্রায়ই বিভিন্নভাবে আসে।
সঠিক উত্তর: A) ৯৯.৯৭%
১. কেন সঠিক:
বায়ুমণ্ডল এবং পৃথিবীর ভূতকে যে মোট শক্তি কাজ করে, তার প্রায় সম্পূর্ণ অংশই আসে সূর্য থেকে।
পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ ভূগর্ভস্থ তাপ বা জোয়ারভাটার শক্তি খুবই সামান্য, তাই মহাশূন্যের সৌরশক্তিই পৃথিবীর প্রধান চালিকাশক্তি।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: সৌরশক্তি হলো সূর্য থেকে বিকিরিত আলো ও তাপশক্তি যা তড়িচ্চুম্বকীয় তরঙ্গের মাধ্যমে পৃথিবীতে পৌঁছায়।
কার্যপ্রণালি: সূর্য থেকে নির্গত শক্তি ফোটন কণার মাধ্যমে মহাশূন্য অতিক্রম করে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল ও পৃষ্ঠে এসে পতিত হয়।
বাস্তব প্রয়োগ: এই শক্তির ফলেই পৃথিবীতে বায়ুর চাপ সৃষ্টি হয়, মেঘের সঞ্চার ঘটে এবং আবহাওয়া ও জলবায়ু নিয়ন্ত্রিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সূর্যের তাপে সমুদ্রের পানি বাষ্পীভূত হয়ে মেঘ তৈরি হয় এবং পরবর্তীতে বৃষ্টি হিসেবে ঝরে পড়ে।
ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে যে জলচক্রের মূল চালিকাশক্তি হলো সূর্য থেকে আসা তাপশক্তি।
উদাহরণ ২: সৌর প্যানেলের মাধ্যমে সূর্যের আলোকে সরাসরি বিদ্যুতে রূপান্তরিত করা হয়।
ব্যাখ্যা: এটি আমাদের দৈনন্দিন জীবনে সৌরশক্তির প্রত্যক্ষ ব্যবহার ও কার্যকারিতা ফুটিয়ে তোলে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৯৯.৯৭% — এটি বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত সঠিক মান যা পৃথিবীর মোট শক্তি বাজেটের ভারসাম্য নির্দেশ করে।
B) ৯৮% — এই মানটি বৈজ্ঞানিক তথ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এবং শক্তি বাজেটের হিসাবের চেয়ে কম।
C) ৯৪% — এই মানটি সৌরশক্তির প্রকৃত পরিমাণের তুলনায় কম এবং অবৈজ্ঞানিক।
D) ৯০% — এই মানটি বায়ুমণ্ডলের মোট শক্তিতে সূর্যের অবদানকে অবমূল্যায়ন করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
সূর্য থেকে পৃথিবীর শক্তির পরিমাণ প্রায় শতভাগ, শুধু সামান্য কিছু অংশ ভূগর্ভস্থ তাপ থেকে আসে।
এই কারণে শতভাগের খুব কাছাকাছি থাকা মান ৯৯.৯৭% সঠিক উত্তর হিসেবে মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
পৃথিবীর সমস্ত শক্তির মূল উৎস হলো সূর্য।
একই ধারণা থেকে বায়ুমণ্ডলে প্রবিষ্ট সৌরশক্তির পরিমাণ বা অ্যালবেডো সম্পর্কিত প্রশ্ন বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: B) পর্যায়বৃত্ত গতি
১. কেন সঠিক:
ঘড়ির কাঁটার গতি একটি নির্দিষ্ট সময় পরপর একই পথ বারবার অতিক্রম করে বলে এটি পর্যায়বৃত্ত গতি।
একটি নির্দিষ্ট বিন্দুকে নির্দিষ্ট সময় পর পর একই দিক থেকে অতিক্রম করার এই বিশেষ ধরনের ঘূর্ণন গতিকে পর্যায়বৃত্ত গতি বলা হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: কোনো গতিশীল বস্তু যদি নির্দিষ্ট সময় পর পর একই দিক থেকে কোনো নির্দিষ্ট বিন্দুকে বারবার অতিক্রম করে, তবে সেই গতিকে পর্যায়বৃত্ত গতি বলে।
কার্যপ্রণালি: ঘড়ির সেকেন্ডের কাঁটা ঠিক ষাট সেকেন্ডে, মিনিটের কাঁটা ষাট মিনিটে এবং ঘণ্টার কাঁটা বারো ঘণ্টায় একবার নির্দিষ্ট বৃত্তাকার পথ ঘুরে আসে।
বাস্তব প্রয়োগ: দেয়াল ঘড়ি বা হাতঘড়ির কাঁটার সুষম ঘূর্ণন সময় পরিমাপের কাজে নিখুঁতভাবে ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সূর্যকে কেন্দ্র করে পৃথিবীর ঘূর্ণন একটি নির্দিষ্ট সময় পর পর ঘটে।
ব্যাখ্যা: পৃথিবী ঠিক তিনশ পঁয়ষট্টি দিনে একবার সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে বলে এটি পর্যায়বৃত্ত গতির একটি চমৎকার উদাহরণ।
উদাহরণ ২: সিলিং ফ্যানের সুইচ অন করার পর এর ব্লেডগুলোর ঘূর্ণন পর্যায়বৃত্ত গতির অন্তর্ভুক্ত।
ব্যাখ্যা: ফ্যানটি প্রতি সেকেন্ডে নির্দিষ্ট সংখ্যক বার ঘুরে একই বিন্দুতে ফিরে আসে যা পর্যায়বৃত্ত গতির বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রৈখিক গতি — রৈখিক গতি বলতে বোঝায় সরলরেখা বরাবর বস্তুর গতি। ঘড়ির কাঁটা সরলরেখায় না চলে বৃত্তাকার পথে ঘুরে।
B) পর্যায়বৃত্ত গতি — সঠিক উত্তর। এটি নির্দিষ্ট সময় পর পর নির্দিষ্ট পথ বারবার অতিক্রম করে।
C) স্পন্দন গতি — স্পন্দন গতি হলো পর্যায়বৃত্ত গতির একটি বিশেষ রূপ যেখানে বস্তু তার গতির অর্ধেক সময় একদিকে এবং বাকি অর্ধেক সময় বিপরীত দিকে চলে। ঘড়ির কাঁটা সবসময় একই দিকে ঘোরে।
D) উপবৃত্তাকার গতি — উপবৃত্তাকার গতি বলতে উপবৃত্তাকার পথ ধরে কোনো বস্তুর চলাচলকে বোঝায়। যেমন গ্রহগুলোর কক্ষপথ, কিন্তু ঘড়ির কাঁটা বৃত্তাকার পথে ঘোরে।
৫ মনে রাখার টিপস:
ঘড়ির কাঁটা নির্দিষ্ট সময় পরপর বৃত্তাকার পথে নির্দিষ্ট বিন্দু ছুঁয়ে যায় তাই এটি পর্যায়বৃত্ত গতি।
পর্যায়বৃত্ত মানে বৃত্তে বা নির্দিষ্ট পথে বারবার ফিরে আসা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কম্পিউটার বা ঘড়ির কাঁটার গতি সবসময় পর্যায়বৃত্ত গতির একটি আদর্শ উদাহরণ হিসেবে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
একই ধারণা থেকে সরল দোলকের গতি স্পন্দন গতি কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: D) সালোকসংশ্লেষণ
১. কেন সঠিক:
সালোকসংশ্লেষণ একটি রাসায়নিক পরিবর্তন কারণ এতে উদ্ভিদ আলো, পানি ও কার্বন ডাই-অক্সাইড ব্যবহার করে সম্পূর্ণ নতুন ধর্মবিশিষ্ট গ্লুকোজ ও অক্সিজেন তৈরি করে।
এই প্রক্রিয়ায় মূল পদার্থের রাসায়নিক গঠন পরিবর্তিত হয়ে স্থায়ীভাবে নতুন পদার্থ উৎপন্ন হয় যা সহজে আগের অবস্থায় ফিরে যায় না।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: যে পরিবর্তনে এক বা একাধিক বস্তু রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে সম্পূর্ণ নতুন বৈশিষ্ট্যের এক বা একাধিক নতুন পদার্থে পরিণত হয় তাকে রাসায়নিক পরিবর্তন বলে।
কার্যপ্রণালি: সবুজ উদ্ভিদ সূর্যের আলোর উপস্থিতিতে ক্লোরোফিলের সাহায্যে পরিবেশ থেকে গৃহীত কার্বন ডাই-অক্সাইড ও মূল দ্বারা শোষিত পানির রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটায়।
কারণ ও ফলাফল: এই বিক্রিয়ার ফলে খাদ্য বা গ্লুকোজ উৎপন্ন হয় এবং উপজাত হিসেবে অক্সিজেন নির্গত হয়, যা উদ্ভিদের জন্য স্থায়ী পরিবর্তন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: লোহায় মরচে ধরা।
ব্যাখ্যা: লোহা বায়ুর অক্সিজেন ও জলীয় বাষ্পের সাথে বিক্রিয়া করে নতুন পদার্থ ফেরিক অক্সাইড বা মরচে তৈরি করে, যা রাসায়নিক পরিবর্তন।
উদাহরণ ২: মোম জ্বালানো।
ব্যাখ্যা: মোম জ্বালালে তা পুড়ে কার্বন ডাই-অক্সাইড ও জলীয় বাষ্পে পরিণত হয় এবং নতুন পদার্থ সৃষ্টি করে, যা রাসায়নিক পরিবর্তনের উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গলন — এটি একটি ভৌত পরিবর্তন কারণ এতে পদার্থের শুধুমাত্র অবস্থার রূপান্তর ঘটে কিন্তু কোনো নতুন পদার্থ তৈরি হয় না।
B) বাষ্পীভবন — এটি ভৌত পরিবর্তন কারণ তরল পদার্থ বায়বীয় অবস্থায় রূপান্তরিত হলেও এর রাসায়নিক গঠনে কোনো পরিবর্তন হয় না।
C) প্রস্বেদন — এটি একটি শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া যেখানে উদ্ভিদ অতিরিক্ত পানি বাষ্প আকারে পাতা বা অন্য অঙ্গের মাধ্যমে বায়ুমণ্ডলে ত্যাগ করে।
D) সালোকসংশ্লেষণ — এটি সঠিক কারণ এতে রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে নতুন উপাদান তৈরি হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
নতুন কিছু তৈরি হলে রাসায়নিক আর শুধু রূপ বদলালে ভৌত পরিবর্তন হয়।
সালোকসংশ্লেষণে নতুন খাবার বা গ্লুকোজ তৈরি হয় তাই এটি রাসায়নিক পরিবর্তন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
খাদ্য তৈরি বা পরিপাক হলো রাসায়নিক পরিবর্তন।
জলপ্রপাত বা বরফ গলা হলো ভৌত পরিবর্তন।
সঠিক উত্তর: A) অক্সিজেন
১. কেন সঠিক:
- ভূ-ত্বকে বা পৃথিবীর পৃষ্ঠে ভরের দিক থেকে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে থাকা মৌলটি হলো অক্সিজেন।
- এটি মূলত বিভিন্ন অক্সাইড যৌগ যেমন সিলিকেট এবং কার্বনেট আকারে পাথরের সাথে যুক্ত থাকে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: পৃথিবীর ভূ-ত্বক বা ক্রাস্ট কঠিন শিলা ও খনিজ দ্বারা গঠিত, যেখানে অক্সিজেন স্বাধীন রূপের চেয়ে যৌগ হিসেবে বেশি থাকে।
- রাসায়নিক গঠন: ভূ-ত্বকের মোট ভরের প্রায় পঁচচল্লিশ শতাংশ থেকে ছেচল্লিশ শতাংশই অক্সিজেন দখল করে আছে।
- কারণ ও ফলাফল: অক্সিজেনের উচ্চ রাসায়নিক সক্রিয়তার কারণে এটি সহজেই সিলিকন, অ্যালুমিনিয়াম ও লোহার মতো মৌলের সাথে যুক্ত হয়ে যৌগ গঠন করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বালি বা সিলিকন ডাই-অক্সাইড
ব্যাখ্যা: বালির প্রধান উপাদান সিলিকন ও অক্সিজেন, যেখানে অক্সিজেনের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি থাকে।
উদাহরণ ২: আয়রন অক্সাইড বা মরিচা
ব্যাখ্যা: লোহা অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে ধাতব অক্সাইড বা মরিচা তৈরি করে, যা ভূ-পৃষ্ঠে বহুল প্রচলিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অক্সিজেন — সঠিক উত্তর কারণ এটি ভূ-পৃষ্ঠের উপাদানের প্রায় পঁচচল্লিশ শতাংশের বেশি।
B) নাইট্রোজেন — এটি পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে সবচেয়ে বেশি থাকে, ভূ-পৃষ্ঠে নয়।
C) হাইড্রোজেন — এটি মহাবিশ্বে এবং সূর্যের ভরে সবচেয়ে বেশি থাকে, ভূ-পৃষ্ঠে এর পরিমাণ কম।
D) কার্বন — এটি জীবজগতে প্রধান হলেও ভূ-পৃষ্ঠের সামগ্রিক ভরে খুব সামান্য অংশ গঠন করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মনে রাখার শর্টকাট হলো অক্সিজেনের সাথে সিলিকন মিলিয়ে ভাবা, কারণ ভূ-পৃষ্ঠে সিলিকন ডাই-অক্সাইড সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায়।
- বায়ুমণ্ডল ও ভূ-পৃষ্ঠের উপাদান গুলিয়ে ফেলবে না, বায়ুমণ্ডলে নাইট্রোজেন এবং ভূ-পৃষ্ঠে অক্সিজেন প্রথম স্থানে থাকে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
- অন্যভাবে প্রশ্ন আসতে পারে, ভূ-ত্বকে অক্সিজেনের পর দ্বিতীয় সর্বাধিক প্রাপ্ত মৌল কোনটি, যার উত্তর হবে সিলিকন।
সঠিক উত্তর: C) ক্যালসিয়াম
১. কেন সঠিক:
দুগ্ধদানকারী মায়ের শরীরে প্রতিদিন প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়ামের প্রয়োজন হয় কারণ মায়ের দুধের মাধ্যমে নবজাতকের দেহে ক্যালসিয়াম সরবরাহ হয়।
মায়ের নিজের হাড় ও দাঁতের ঘনত্ব ঠিক রাখতে এবং দুধ উৎপাদনে ক্যালসিয়াম অত্যন্ত জরুরি ভূমিকা পালন করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: ক্যালসিয়াম হলো মানবদেহের জন্য একটি অপরিহার্য ম্যাক্রোমিনারেল যা হাড় ও দাঁতের গঠন মজবুত করে এবং পেশির সংকোচন ও স্নায়ুর কার্যকারিতা নিয়ন্ত্রণ করে।
কার্যপ্রণালি: প্রসূতি মায়ের স্তন্যগ্রন্থি থেকে প্রতিদিন যে দুধ উৎপাদিত হয়, তাতে নির্দিষ্ট মাত্রায় ক্যালসিয়াম দ্রবীভূত থাকে যা নবজাতকের হাড়ের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দুগ্ধদানকারী মা যদি পর্যাপ্ত ক্যালসিয়ামযুক্ত খাবার না খান, তবে তার নিজের হাড় থেকে ক্যালসিয়াম ক্ষয় হয়ে দুধে চলে যায়।
ব্যাখ্যা: এর ফলে মায়ের শরীরে পরবর্তীতে অস্টিওপোরোসিস বা হাড়ের ভঙ্গুরতা রোগ হওয়ার ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যায়।
উদাহরণ ২: মায়ের দুধ পানের মাধ্যমে নবজাতক তার শরীরের প্রয়োজনীয় ক্যালসিয়াম পায়।
ব্যাখ্যা: এই ক্যালসিয়াম নবজাতকের কঙ্কালতন্ত্রের সঠিক বৃদ্ধি এবং হাড় শক্ত করতে সরাসরি সাহায্য করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জিংক — জিংক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ও কোষের বৃদ্ধিতে সাহায্য করলেও দুগ্ধদানকারী মায়ের ক্ষেত্রে ক্যালসিয়ামের চাহিদা সবচেয়ে বেশি ও প্রাথমিক।
B) আয়োডিন — আয়োডিন থাইরয়েড হরমোন উৎপাদনে ও শিশুর মানসিক বৃদ্ধিতে কাজ করে, তবে দুগ্ধদানকারী মায়ের প্রধান খনিজ ঘাটতি পূরণে ক্যালসিয়াম আগে আসে।
D) আয়রন — আয়রন হিমোগ্লোবিন তৈরিতে ও রক্তস্বল্পতা রোধে কাজ করে, যা গর্ভাবস্থায় বেশি প্রয়োজন হলেও স্তন্যপান করানোর সময়ে ক্যালসিয়ামের প্রয়োজনীয়তা সর্বাধিক।
৫ মনে রাখার টিপস:
মায়ের দুধের মাধ্যমে শিশু হাড় শক্ত করার উপাদান পায়, তাই দুগ্ধদানকারী মায়ের জন্য ক দিয়ে ক্যালসিয়াম মনে রাখা সবচেয়ে সহজ।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
মানবদেহে খনিজ লবণের কাজ এবং দুগ্ধদানকারী মায়ের পুষ্টি চাহিদা থেকে বিসিএস ও শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে গর্ভবতী বা দুগ্ধদানকারী মায়ের কোন পুষ্টি উপাদানের চাহিদা সবচেয়ে বেশি থাকে।
সঠিক উত্তর: D) RNA
১. কেন সঠিক:
- কোভিড-১৯ বা সার্স-কোভ-টু ভাইরাসটি একটি সিঙ্গেল-স্ট্র্যান্ডেড পজিটিভ-সেন্স আরএনএ ভাইরাস।
- এর বংশগত বস্তু বা জিনোম হিসেবে ডিএনএ থাকে না, বরং আরএনএ থাকে যা প্রোটিন তৈরিতে সরাসরি ভূমিকা রাখে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: ভাইরাস হলো অণুজীব যা নিজের কোষ থাকে না এবং অন্য জীবিত কোষের ভেতরে প্রবেশ করে বংশবৃদ্ধি করে।
- কার্যপ্রণালি: মানবদেহে প্রবেশের পর এই ভাইরাসের আরএনএ কোষের রাইবোসোমের সাহায্য নিয়ে নিজের সংখ্যা বৃদ্ধি করতে শুরু করে।
- কারণ ও ফলাফল: আরএনএ ভাইরাসের মিউটেশন বা রূপ পরিবর্তনের হার ডিএনএ ভাইরাসের চেয়ে অনেক বেশি হওয়ায় নতুন ধরন দ্রুত তৈরি হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ইনফ্লুয়েঞ্জা বা সাধারণ সর্দি-কাশির ভাইরাস।
ব্যাখ্যা: এটিও এক ধরনের আরএনএ ভাইরাস যা মানবদেহের শ্বাসতন্ত্রে আক্রমণ করে।
উদাহরণ ২: পোলিও ভাইরাস।
ব্যাখ্যা: এটিও আরএনএ ভাইরাসের একটি পরিচিত উদাহরণ যা স্নায়ুতন্ত্রকে আক্রমণ করে পক্ষাঘাত তৈরি করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) DNA — ডিএনএ হলো ডাবল স্ট্র্যান্ডেড জেনেটিক বস্তু, যা এই ভাইরাসে থাকে না তবে গুটিবসন্ত বা হার্পিস ভাইরাসে থাকে।
B) DNA + RNA — একই ভাইরাসে ডিএনএ এবং আরএনএ একসঙ্গে থাকে না, প্রকৃতিতে ভাইরাস যেকোনো একটি ধারণ করে।
C) MRNA — এমআরএনএ হলো মেসেঞ্জার আরএনএ, যা ভাইরাসের পুরো জিনোমকে নির্দেশ করে না বরং জিনোমের একটি নির্দিষ্ট রূপ।
D) RNA — এটি সঠিক উত্তর কারণ কোভিড-১৯ ভাইরাসের মূল জিনগত উপাদান হলো একক সূত্রক আরএনএ।
৫. মনে রাখার টিপস:
- করোনা মানেই আরএনএ, কারণ এটি কোভিডের মতো অতিমারি সৃষ্টিকারী ভাইরাসগুলোর প্রধান বৈশিষ্ট্য।
- মনে রাখবে ইনফ্লুয়েঞ্জা, এইচআইভি এবং কোভিড-১৯ হলো বিখ্যাত আরএনএ ভাইরাস।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোন ভাইরাসগুলোর মিউটেশন বেশি হয়।
- উত্তর হবে আরএনএ ভাইরাস, কারণ এগুলোর রেপ্লিকেশনে ভুল সংশোধনের ব্যবস্থা থাকে না।
সঠিক উত্তর: প্রদত্ত প্রশ্নে সঠিক উত্তর B দেওয়া থাকলেও বৈজ্ঞানিক বিচারে সঠিক উত্তর হবে −২৭৩.১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস যা প্রায় −২৭৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অর্থাৎ, সঠিক উত্তর হলো -২৭৩° (যদি অপশনে সি বা কেলভিন স্কেল থাকত তবে −২৭৩.১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা ০ কেলভিন হতো)। প্রদত্ত প্রশ্নটিতে কিছুটা ত্রুটি থাকায় সঠিক বৈজ্ঞানিক মান তুলে ধরা হলো।
১. কেন সঠিক:
- পরম শূন্য তাপমাত্রা হলো তাত্ত্বিকভাবে সর্বনিম্ন সম্ভব তাপমাত্রা, যেখানে পদার্থের অণুগুলোর গতিশক্তি শূন্য হয়ে যায়।
- চার্লসের সূত্র অনুসারে তাপমাত্রা কমালে গ্যাসের আয়তন কমতে কমতে যে তাপমাত্রায় তাত্ত্বিকভাবে আয়তন শূন্য হয়, তাকে পরম শূন্য তাপমাত্রা বলে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: যে তাপমাত্রায় গ্যাসের আয়তন ও গতিশক্তি তাত্ত্বিকভাবে শূন্য হয় এবং গ্যাসের অণুগুলোর কোনো গতি থাকে না তাকে পরম শূন্য তাপমাত্রা বলে।
- মান: এই তাপমাত্রা সেলসিয়াস স্কেলে −২৭৩.১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং কেলভিন স্কেলে ০ কেলভিন বা ০ কে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মহাকাশের গভীর অঞ্চল।
ব্যাখ্যা: মহাশূন্যের কিছু ফাঁকা স্থানে তাপমাত্রা পরম শূন্য তাপমাত্রার খুব কাছাকাছি পৌঁছে যায়, যেখানে অণুগুলোর গতি অত্যন্ত শ্লথ হয়।
উদাহরণ ২: সুপারকন্ডাক্টিভিটি বা অতিপরিবাহিতা।
ব্যাখ্যা: পরম শূন্য তাপমাত্রার কাছাকাছি গেলে কিছু ধাতু তাদের সমস্ত বৈদ্যুতিক রোধ হারিয়ে ফেলে এবং অতিপরিবাহী হিসেবে কাজ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 273° — এটি ভুল কারণ পরম শূন্য তাপমাত্রা ধনাত্মক নয়, এটি ঋণাত্মক মানের (−২৭৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস)।
B) -293° — প্রদত্ত প্রশ্নে এটি সঠিক বলা হলেও প্রকৃত পরম শূন্য তাপমাত্রা −২৯৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস নয়, এটি প্রায় −২৭৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
C) 0°C — এটি বরফ জমার তাপমাত্রা বা জলের হিমাংক, পরম শূন্য তাপমাত্রা নয়।
D) 1°K — এটি কেলভিন স্কেলে ১ কেলভিন তাপমাত্রা, যা পরম শূন্য তাপমাত্রা (০ কেলভিন) থেকে সামান্য বেশি।
৫ মনে রাখার টিপস:
- পরম শূন্য তাপমাত্রার মান মনে রাখতে সেলসিয়াস স্কেলে ২৭৩.১৫ সংখ্যাটি মনে রাখতে হবে এবং এর আগে একটি ঋণাত্মক চিহ্ন বসাতে হবে।
- কেলভিন স্কেলের ক্ষেত্রে এটি সবসময় শূন্য কেলভিন হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পরম শূন্য তাপমাত্রার মান সেলসিয়াস ও কেলভিন উভয় স্কেলেই প্রায়ই আসে।
- চার্লসের সূত্র এবং পরম শূন্য তাপমাত্রার মধ্যকার সম্পর্ক থেকে ম্যাথ বা সাধারণ জ্ঞানমূলক প্রশ্ন হতে পারে।
প্রশ্নের ধরন: আলো, শব্দ ও তরঙ্গ
সঠিক উত্তর: B) কঠিন মাধ্যমে
১. কেন সঠিক:
শব্দ এক প্রকার শক্তি যা কম্পনের ফলে সৃষ্টি হয় এবং মাধ্যম ছাড়া চলতে পারে না।
কঠিন মাধ্যমের অণুগুলো একে অপরের খুব কাছাকাছি থাকে, ফলে কম্পন দ্রুত ছড়ায়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: শব্দ সঞ্চালনের জন্য মাধ্যম প্রয়োজন এবং মাধ্যমের স্থিতিস্থাপকতা ও ঘনত্বের ওপর শব্দের বেগ নির্ভর করে।
কার্যপ্রণালি: কঠিন পদার্থের অণুগুলোর আন্তঃআণবিক দূরত্ব কম এবং আকর্ষণ বল বেশি থাকায় শব্দ তরঙ্গ এক কণা থেকে অন্য কণায় দ্রুত স্থানান্তরিত হয়।
বাস্তব প্রয়োগ: রেললাইনের পাতে কান পাতলে ট্রেন দূরে থাকা সত্ত্বেও তার শব্দ অনেক আগে শোনা যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: লোহা বা ইস্পাতে শব্দের বেগ বাতাসের চেয়ে প্রায় পনেরো গুণ বেশি।
ব্যাখ্যা: ইস্পাতের কণাগুলো খুব ঘনবদ্ধ থাকায় শব্দের কণাভিত্তিক শক্তি বিনিময়ে সময় কম লাগে।
উদাহরণ ২: জলের নিচে সাঁতার কাটার সময় ডলফিনের ডাক বা ইঞ্জিনের শব্দ খুব দ্রুত কানে পৌঁছায়।
ব্যাখ্যা: তরল মাধ্যম বায়বীয় মাধ্যমের চেয়ে ঘন হওয়ায় শব্দ দ্রুত চলাচল করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শূন্য মাধ্যম — শূন্য মাধ্যমে কোনো কণা বা অণু থাকে না, তাই শব্দ শূন্য মাধ্যম দিয়ে চলাচল করতে পারে না।
B) কঠিন মাধ্যম — এটি সঠিক উত্তর কারণ কঠিন পদার্থের কণাগুলোর ঘনত্ব ও স্থিতিস্থাপকতা সবচেয়ে বেশি।
C) তরল মাধ্যম — তরল মাধ্যমের কণাগুলোর দূরত্ব কঠিনের চেয়ে বেশি এবং বায়ুর চেয়ে কম, তাই গতি মাঝারি হয়।
D) বায়বীয় মাধ্যম — বায়বীয় মাধ্যমের অণুগুলো অনেক দূরে দূরে থাকে, তাই শব্দের গতি সবচেয়ে কম হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
কঠিন মানে শক্ত, শক্ত জিনিসে আঘাত করলে শব্দ দ্রুত ও জোরে ছড়ায়।
কঠিনে গতি বেশি, বায়ুতে গতি কম, শূন্যে শব্দ একদমই চলে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাতাসে শব্দের বেগ প্রতি সেকেন্ডে প্রায় তিনশো তেত্রিশ মিটার।
তাপমাত্রা বাড়লে বাতাসে শব্দের বেগ বাড়ে, কিন্তু মাধ্যম ভেদে এই নিয়ম ভিন্ন হতে পারে।
সঠিক উত্তর: D) বিগ ব্লু
১. কেন সঠিক:
আইবিএম বা ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস মেশিনস কর্পোরেশনকে বিশ্ব কম্পিউটার বাজারে বিগ ব্লু নামে ডাকা হয়। কোম্পানির লোগো এবং তাদের তৈরি বিশাল আকারের মেইনফ্রেম কম্পিউটারের রঙের কারণে এই নামটি বেশ জনপ্রিয় হয়েছে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: বিগ ব্লু হলো প্রযুক্তি জায়ান্ট আইবিএম কোম্পানির একটি বিখ্যাত বাণিজ্যিক ডাকনাম।
কার্যপদ্ধতি: এই কোম্পানি বিশ্বজুড়ে জটিল তথ্যপ্রযুক্তি সেবা, হার্ডওয়্যার এবং এন্টারপ্রাইজ সফটওয়্যার সরবরাহ করে।
বৈশিষ্ট্য: এর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো নির্ভরযোগ্যতা, নিরাপত্তা এবং বিশাল ডেটা প্রসেসিং ক্ষমতা সম্পন্ন সার্ভার নির্মাণ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আইবিএম কোম্পানির তৈরি ডিপ ব্লু সুপার কম্পিউটার।
ব্যাখ্যা: এটি এমন একটি শক্তিশালী কম্পিউটার যা দাবা খেলায় বিশ্বচ্যাম্পিয়ন গ্যারি কাসপারভকে পরাজিত করেছিল।
উদাহরণ ২: আইবিএম ওয়াটসন।
ব্যাখ্যা: এটি একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক সিস্টেম যা চিকিৎসাবিজ্ঞান এবং ডেটা বিশ্লেষণে ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ব্লু ইউডো — এটি কোনো সুপরিচিত কম্পিউটার নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের নাম বা ডাকনাম নয়।
B) ব্লু হান্টার — এই নামে প্রযুক্তি খাতে কোনো বিশেষ প্রতিষ্ঠান বা পণ্য পরিচিত নয়।
C) গ্রে ব্লু — এটি একটি রঙের নাম হলেও আইবিএম কোম্পানির দাপ্তরিক বা প্রচলিত ডাকনাম নয়।
D) বিগ ব্লু — এটি সঠিক উত্তর কারণ আইবিএম কোম্পানির ঐতিহাসিক ব্যবসায়িক সাফল্যের কারণে এই উপাধি দেওয়া হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
আইবিএম নামের সাথে মিল রেখে ব্লু শব্দটি মনে রাখতে পারেন। মেইনফ্রেম কম্পিউটারের বিশাল আকারের জন্য এর সাথে বিগ যুক্ত হয়ে বিগ ব্লু হয়েছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
আইবিএম ১৯১১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং আধুনিক কম্পিউটারের ইতিহাস গঠনে এই প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা অপরিসীম। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আইবিএম সম্পর্কিত ডাকনাম বা এর অবদান প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: D) MS Excel
১. কেন সঠিক:
- MS Excel হলো একটি জনপ্রিয় স্প্রেডশিট সফটওয়্যার যা মাইক্রোসফট কর্পোরেশন কর্তৃক তৈরি।
- এর মাধ্যমে সারি ও কলামের সমন্বয়ে গঠিত ওয়ার্কশিটে উপাত্ত সংরক্ষণ, হিসাব-নিকাশ ও গ্রাফ তৈরি করা যায়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: স্প্রেডশিট হলো কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার যা কাগজের হিসাবের খাতার ইলেকট্রনিক রূপ।
- কার্যপদ্ধতি: এটি বিভিন্ন ডেটা নিয়ে স্বয়ংক্রিয়ভাবে গাণিতিক সূত্র ও ফাংশন প্রয়োগ করে ফলাফল প্রকাশ করতে পারে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মাসিক বাজেট তৈরি
ব্যাখ্যা: আয়ের খাত ও ব্যয়ের বিভিন্ন বিবরণ লিখে বিভিন্ন সূত্র ব্যবহার করে মোট খরচ ও সঞ্চয় সহজে হিসাব করা যায়।
উদাহরণ ২: শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার ফলাফল প্রস্তুত
ব্যাখ্যা: বিভিন্ন বিষয়ের প্রাপ্ত নম্বর ইনপুট করে সামেশন ও এভারেজ ফাংশনের মাধ্যমে দ্রুত গ্রেড ও মেধাতালিকা তৈরি করা সম্ভব।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) MS Word — এটি একটি ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার যা মূলত চিঠি, প্রবন্ধ বা প্রতিবেদন লেখার কাজে ব্যবহৃত হয়।
B) MS Power Point — এটি একটি প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যার যা স্লাইডের মাধ্যমে কোনো তথ্য বা ধারণা উপস্থাপন করতে ব্যবহৃত হয়।
C) MS Outlook — এটি একটি ইমেইল ও পার্সোনাল ইনফরমেশন ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার যা বার্তা আদান-প্রদান ও যোগাযোগের কাজে ব্যবহৃত হয়।
D) MS Excel — এটি একটি স্প্রেডশিট সফটওয়্যার যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ওয়ার্ড মানে লেখালেখি, পাওয়ার পয়েন্ট মানে স্লাইড তৈরি এবং এক্সেল মানে হিসাব-নিকাশ বা স্প্রেডশিট।
- এক্সেলে ফাইলকে ওয়ার্কবুক বলা হয় যা একাধিক ওয়ার্কশিটের সমষ্টি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- স্প্রেডশিট সফটওয়্যারের জনক হলো ভিসিক্যালক (VisiCalc), যা অ্যাপল টু কম্পিউটারের জন্য তৈরি হয়েছিল।
- মাইক্রোসফট এক্সেলের ফাইলের ডিফল্ট এক্সটেনশন হলো ডট এক্সএলএসএক্স (xlsx)।
সঠিক উত্তর: C) তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
১. কেন সঠিক:
- প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি ভুল। বাংলা সাহিত্যে অপরাজেয় কথাসাহিত্যিক হিসেবে খ্যাত হলেন শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই প্রশ্নে সাধারণত শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কেই সঠিক উত্তর হিসেবে ধরা হয়।
- 'অপরাজেয় কথাসাহিত্যিক' বলতে এমন একজন লেখককে বোঝায় যাঁর সাহিত্যকর্মের জনপ্রিয়তা, আবেদন ও প্রভাব অপরাজেয় বা অবিনশ্বর। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের উপন্যাস ও ছোটগল্প সাধারণ মানুষের মন জয় করেছিল।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় ও প্রভাবশালী কথাসাহিত্যিক। তাঁর বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে দেবদাস, পরিণীতা, শ্রীকান্ত ও চরিত্রহীন উল্লেখযোগ্য।
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় তাঁর উপন্যাসে গ্রামীণ বাংলার সমাজচিত্র, মানুষের দুঃখ-কষ্ট ও প্রেম-ভালোবাসা নিপুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত উপন্যাস দেবদাস।
ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শোকাবহ ও জনপ্রিয় প্রেমের ট্র্যাজেডি হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিত।
উদাহরণ ২: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের অপর একটি উপন্যাস পল্লীসমাজ।
ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসে গ্রামীণ সমাজব্যবস্থার রূঢ় বাস্তবতা ও কুসংস্কারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের চিত্র ফুটে উঠেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — ইনি মূলত কালজয়ী কথাসাহিত্যিক হিসেবে পরিচিত হলেও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রথাগত উত্তর অনুযায়ী ইনিই সঠিক, যদিও প্রশ্নে অন্য নাম আসায় কিছুটা বিভ্রান্তি তৈরি হয়।
B) বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় — ইনি প্রকৃতিপ্রেমী কথাসাহিত্যিক হিসেবে পরিচিত এবং তাঁর বিখ্যাত সৃষ্টি পথের পাঁচালী।
C) তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় — ইনি মূলত আঞ্চলিক উপন্যাসের জন্য খ্যাত এবং তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস কবি ও হাঁসুলী বাঁک উপকথার কথা।
D) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় — ইনি মনস্তাত্ত্বিক ও মার্ক্সবাদী ধারার কথাসাহিত্যিক এবং তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস পুতুল নাচের ইতিকথা।
৫. মনে রাখার টিপস:
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে সমাজের কথা বলা কথাসাহিত্যিক হিসেবে মনে রাখতে পারো।
- তাঁর সাহিত্যকর্ম সাধারণ মানুষের মন জয় করায় তাঁকে অপরাজেয় কথাসাহিত্যিক বলা হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম ছিল অনিলা দেবী।
- এই ধরনের সাহিত্যিক উপাধি বা ছদ্মনামগুলো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: B) সর্বনাম
১. কেন সঠিক:
'কী' শব্দটি এখানে বিশেষ্য পদের পরিবর্তে ব্যবহৃত হয়ে কোনো কিছুর নাম বা অনির্দিষ্ট বিষয়কে নির্দেশ করছে।
কোনো বাক্যে বিশেষ্যের পরিবর্তে যে শব্দ ব্যবহার করে প্রশ্ন করা হয়, তাকে প্রশ্নবাচক সর্বনাম বলে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
যে শব্দ কোনো বিশেষ্য পদের পরিবর্তে বসে এবং বাক্যে প্রশ্ন করার কাজ সম্পন্ন করে তাকে প্রশ্নবাচক সর্বনাম বা সর্বনাম পদ বলা হয়।
এই বাক্যে 'কী' শব্দটি কাজের নাম বা কর্মের স্থলাভিষিক্ত হয়ে প্রশ্ন তৈরি করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তুমি বাজারে কী কিনলে?
ব্যাখ্যা: এখানে 'কী' শব্দটি বস্তুর নাম বুঝাতে সর্বনাম পদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: তোমার ব্যাগে কী আছে?
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে 'কী' বিশেষ্য পদের বিকল্প হিসেবে প্রশ্ন তৈরি করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিশেষণ — বিশেষণ পদ কোনো বিশেষ্য বা সর্বনামের দোষ, গুণ বা সংখ্যা প্রকাশ করে কিন্তু এখানে তা করছে না।
B) সর্বনাম — এটি সঠিক কারণ 'কী' এখানে বিশেষ্যের পরিবর্তে বসে প্রশ্ন করেছে।
C) অব্যয় — অব্যয় পদের কোনো পরিবর্তন হয় না এবং এটি পদের সংযোগ বা ভাব প্রকাশ করে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) ক্রিয়া — ক্রিয়া পদ দ্বারা কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝায় কিন্তু 'কী' কোনো কাজের নাম নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
বাক্যে বিশেষ্যের পরিবর্তে বসে যদি প্রশ্ন করা হয়, তবে সেই প্রশ্নবাচক শব্দ সর্বনাম পদ হবে।
কী, কে, কার ইত্যাদি শব্দ বিশেষ্যের স্থಲবর্তী হলে সর্বনাম হিসেবে গণ্য হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রশ্নবাচক সর্বনাম চেনার জন্য দেখতে হবে শব্দটি কোনো নামকে নির্দেশ করছে কি না।
একই নিয়ম প্রয়োগ করে কে, কারা, কোনটি ইত্যাদি শব্দর পদ নির্ণয় করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) আরবি
১. কেন সঠিক:
- মর্সিয়া শব্দটি আরবি ভাষার ম্রাসিয়া বা রিসি ধাতু থেকে এসেছে যার অর্থ শোক বা বিলাপ করা।
- বাংলা সাহিত্যে বিশেষ করে করবালার বিষাদময় ঘটনা অবলম্বনে রচিত শোকগাথা বা মার্সিয়া কাব্য বোঝাতে এই আরবি শব্দটি প্রমিত রূপে ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের মুসলিম সাহিত্য ধারার একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এবং পরবর্তীতে আধুনিক যুগেও এটি শোকামূলক কবিতার রূপ নিয়েছে।
- ইসলাম ধর্মের ঐতিহাসিক কারবালা প্রান্তরের শোকাবহ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এই বিশেষ সাহিত্যধারার বিকাশ ঘটেছিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ইসমাইল হোসেন সিরাজীর রচিত বা মীর মশাররফ হোসেনের বিষাদসিন্ধু উপন্যাস।
ব্যাখ্যা: এই সাহিত্যকর্মে কারবালার শোকাবহ ঘটনার বিবরণ রয়েছে যা মর্সিয়া সাহিত্যের ভাবধারার সঙ্গে সম্পৃক্ত।
উদাহরণ ২: ফররুখ আহমদের হাতে লেখা বিভিন্ন ইসলামিক ঐতিহ্যভিত্তিক কবিতা।
ব্যাখ্যা: এই কবিতায় আরবি ও ফারসি শব্দের সার্থক প্রয়োগের মাধ্যমে মর্সিয়ার ভাব ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আরবি — এই অপশনটি সঠিক কারণ মর্সিয়া শব্দটি আরবি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে।
B) ফারসি — এই অপশনটি ভুল কারণ মর্সিয়া ফারসি শব্দ নয়, যদিও ফারসি সাহিত্যের প্রভাবে এটি বাংলায় বহুল ব্যবহৃত হয়েছে।
C) তুর্কি — এই অপশনটি ভুল কারণ তুর্কি ভাষা থেকে বাংলায় দারোগা চাকর লাশ ইত্যাদি শব্দ এসেছে মর্সিয়া নয়।
D) হিন্দি — এই অপশনটি ভুল কারণ মর্সিয়া হিন্দি ভাষার কোনো শব্দ নয়, এটি সরাসরি মধ্যপ্রাচ্যের আরবি ভাষা থেকে আগত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ইসলাম ধর্মের শোকগাথা বা বিলাপ সম্পর্কিত অধিকাংশ শব্দ সাধারণত আরবি ভাষা থেকে এসেছে।
- মর্সিয়া শব্দের উৎস মনে রাখতে কারবালা এবং শোক শব্দ দুটি মাথায় রাখতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ বিশেষ করে আরবি, ফারসি ও তুর্কি শব্দের উৎস প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
- ধর্মীয় বা শোক সম্পর্কিত শব্দগুলো সাধারণত আরবি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় গৃহিত হয়েছে, এই সাধারণ নিয়মটি মনে রাখলে সহজে উত্তর করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: B) শামসুর রাহমান
১. কেন সঠিক:
- 'বন্দী শিবির থেকে' কাব্যগ্রন্থটি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি শামসুর রাহমানের একটি অমর সৃষ্টি।
- ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত এই কাব্যগ্রন্থে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বরতা এবং বাঙালির মুক্তির আকুতি শৈল্পিকূপে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- শামসুর রাহমান বিংশ শতাব্দীর তিরিশের দশকের পরবর্তী সময়ের অন্যতম প্রধান বাঙালি কবি ও সাংবাদিক।
- ১৯২৯ সালের ২৩ অক্টোবর পুরোনো ঢাকায় জন্মগ্রহণকারী এই কবি নাগরিক জীবন, সমকালীন রাজনীতি ও দ্রোহকে তাঁর কবিতার মূল সুর করেছিলেন।
- 'বন্দী শিবির থেকে' কাব্যগ্রন্থটি ১৯৭১ সালে অবরুদ্ধ ঢাকায় বসে রচিত হয় এবং এটি বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের এক অনন্য দলিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে
ব্যাখ্যা: এটি কবি শামসুর রাহমানের অপর একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, যা তাঁর নাগরিক সংবেদনশীলতার পরিচয় বহন করে।
উদাহরণ ২: রৌদ্র করোটিতে
ব্যাখ্যা: এটিও শামসুর রাহমানের রচিত একটি প্রখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, যা আধুনিক বাংলা কবিতার ইতিহাসে বিশেষ স্থান অধিকার করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হাসান হাফিজুর রহমান — তিনি একজন প্রখ্যাত কবি ও সাহিত্যিক হলেও 'বন্দী শিবির থেকে' কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা নন, তবে তিনি ঐতিহাসিক 'একুশে ফেব্রুয়ারি' সংকলনের সম্পাদক।
B) শামসুর রাহমান — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য।
C) আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী — তিনি বিখ্যাত 'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি' গানের রচয়িতা হলেও আলোচ্য কাব্যগ্রন্থটির কবি নন।
D) আব্দুল গণি হাজারী — তিনি বিশিষ্ট কবি ও সাংবাদিক হলেও এই কাব্যগ্রন্থটি তাঁর রচনা নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- শামসুর রাহমান ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় অবরুদ্ধ ঢাকায় বন্দিদশায় থেকে 'বন্দী শিবির থেকে' কাব্যগ্রন্থটি লিখেছিলেন।
- কবির নাম ও কাব্যের নামের প্রথম অংশের মিল মনে রেখে সহজেই এটি আয়ত্ত করা সম্ভব।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত সাহিত্যকর্ম প্রায়ই আসে।
- একই লেখকের অন্যান্য বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যেমন 'অরক্ষিত উলটোয়ীর' ও 'ವಿಧ্বস্ত নীলিমা' সম্পর্কেও ধারণা রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: D) অ্যা, আ, অ
১. কেন সঠিক:
বিবৃত স্বরধ্বনি বলতে সেই ধ্বনিগুলোকে বোঝায়, উচ্চারণের সময় মুখবিবর সম্পূর্ণ বা সবচেয়ে বেশি উন্মুক্ত থাকে। বাংলা ভাষার সাতটি প্রধান স্বরধ্বনির মধ্যে অ্যা, আ এবং অ হলো বিবৃত স্বরধ্বনি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ভাষায় উচ্চারণের সময় জিব ও মুখের আকৃতির ওপর ভিত্তি করে স্বরধ্বনিগুলোকে বিভিন্ন ভাগে ভাগ করা হয়। মুখবিবরের উন্মুক্ততার ওপর ভিত্তি করে স্বরধ্বনি চার প্রকার, যথা: বিবৃত, অর্ধ-বিবৃত, অর্ধ-সংবৃত ও সংবৃত। বিবৃত স্বরধ্বনিতে মুখ সবচেয়ে বেশি খোলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আম
ব্যাখ্যা: আ একটি বিবৃত স্বরধ্বনি, যা উচ্চারণের সময় মুখবিবর সম্পূর্ণ প্রসারিত হয়।
উদাহরণ ২: নদী
ব্যাখ্যা: ই এবং উ হলো সংবৃত স্বরধ্বনি, যেখানে মুখবিবর সবচেয়ে কম উন্মুক্ত থাকে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অ, ই, উ — এখানে ই ও উ সংবৃত স্বরধ্বনি হওয়ায় এই অপটি সঠিক নয়।
B) আ, উ, উ — এখানে উ সংবৃত স্বরধ্বনি হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক নয়।
C) অ, এ, আ — এখানে এ হলো অর্ধ-সংবৃত বা অর্ধ-বিবৃত স্বরধ্বনি।
D) অ্যা, আ, অ — এই তিনটি ধ্বনিই বিবৃত স্বরধ্বনির অন্তর্ভুক্ত।
৫. মনে রাখার টিপস:
বিবৃত স্বরধ্বনি মনে রাখার সহজ উপায় হলো 'আ অ অ্যা' এই তিনটি বর্ণ মুখস্থ রাখা। মুখ বেশি খুলে উচ্চারিত হয় এমন ধ্বনিগুলোই বিবৃত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা ব্যাকরণে ধ্বনি ও বর্ণ প্রকরণ থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। মুখবিবরের খোলার অবস্থান অনুযায়ী স্বরধ্বনির শ্রেণিবিভাগ ভালোভাবে আয়ত্ত করা জরুরি।
সঠিক উত্তর: D) ওউ
১. কেন সঠিক:
'ঔ' একটি যৌগিক স্বরবর্ণ বা দ্বিপ্রস্বর। বাংলা বর্ণমালায় 'ঐ' এবং 'ঔ' হলো দুটি যৌগিক স্বরবর্ণ।
উচ্চারণের সময় 'ঔ' বর্ণটি ভেঙে 'ও' এবং 'উ'-এর মতো ধ্বনি উৎপন্ন করে। তাই এর সঠিক উচ্চারণ হলো ওউ।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
যে স্বরবর্ণ দুটি ভিন্ন স্বরধ্বনির মিলিত রূপ নিয়ে গঠিত হয় তাকে যৌগিক স্বরবর্ণ বলে। বাংলা ব্যাকরণে যৌগিক স্বরবর্ণ বা দ্বিপ্রস্বর হলো দুটি অর্থাৎ ঐ এবং ঔ।
'ও' এবং 'উ' একত্রে দ্রুত উচ্চারিত হয়ে 'ঔ' ধ্বনি তৈরি করে। মুখে উচ্চারণের সময় ওষ্ঠের আকৃতি পরিবর্তিত হয়ে এই মিশ্র ধ্বনি সৃষ্টি হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ঔষধি
ব্যাখ্যা: ঔষধি শব্দটি উচ্চারণের শুরুতে ওউ ধ্বনি প্রকাশ করে, যা ঔ বর্ণের প্রকৃত উচ্চারণের নিয়ম অনুসরণ করে।
উদাহরণ ২: মৌসুমী
ব্যাখ্যা: মৌসুমী শব্দটিতে ঔ কার যুক্ত হয়ে ওউ এর মতো যৌথ স্বরধ্বনি তৈরি করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ওই — এটি 'ঐ' বর্ণের উচ্চারণ নির্দেশ করে, যা ঔ বর্ণের সঠিক উচ্চারণ নয়।
B) অই — এটি ভুল উচ্চারণ, কারণ ঔ বর্ণে অ-এর সঙ্গে ই-এর কোনো মিশ্রণ থাকে না।
C) আউ — এটি ভুল উচ্চারণ, কারণ ঔ তৈরিতে আ ধ্বনির কোনো ব্যবহার নেই।
D) ওউ — এটি সঠিক উচ্চারণ, কারণ ঔ বর্ণটি ও এবং উ ধ্বনির মিলিত রূপ।
৫. মনে রাখার টিপস:
ঐ বর্ণটির উচ্চারণ হলো অই এবং ঔ বর্ণটির উচ্চারণ হলো ওউ। এটি মনে রাখার জন্য ঐ-এর সঙ্গে ই এবং ঔ-এর সঙ্গে উ মিলিয়ে পড়বে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা বর্ণমালায় যৌগিক স্বরজ্ঞাপক বর্ণ বা অক্ষর দুটি হলো ঐ এবং ঔ। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই দুটি বর্ণের সঠিক উচ্চারণ জানতে চাওয়া হয়।
সঠিক উত্তর: D) শুক্তি
১. কেন সঠিক:
- 'ঝিনুক' শব্দের সমার্থক বা মূল অর্থ হলো 'শুক্তি', যার খোলসের ভেতরে মুক্তা জন্ম নেয়।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের সঠিক অর্থ ও সমার্থক শব্দ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
২. শব্দার্থ ব্যাখ্যা:
- বাংলা ভাষা ও শব্দভান্ডারে দেশি ও তৎসম শব্দের পাশাপাশি বিভিন্ন জলচর প্রাণী ও বস্তুর নির্দিষ্ট নাম রয়েছে।
- 'ঝিনুক' একটি সামুদ্রিক বা জলজ নরম দেহত্ওয়াল বিশিষ্ট প্রাণী এবং এর বাইরের শক্ত খোলসকে শুক্তি বলা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নদীতীরে শামুক ও ঝিনুক পড়ে আছে।
ব্যাখ্যা: জলজ প্রাণী হিসেবে ঝিনুকের উপস্থিতি বোঝাতে এই শব্দ ব্যবহার করা হয়।
উদাহরণ ২: শুক্তির বুক চিরে মুক্তা সংগ্রহ করা হয়।
ব্যাখ্যা: ঝিনুকের অপর নাম শুক্তি হওয়ায় মুক্তা পাওয়ার উৎস হিসেবে এটি ব্যবহৃত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উপল — এই শব্দের অর্থ পাথর বা প্রস্তর, যা ঝিনুক শব্দের অর্থের সঙ্গে মেলে না।
B) সলিল — এই শব্দের অর্থ পানি বা জল, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
C) শেল — এই শব্দের অর্থ অস্ত্র বা বর্শা বিশেষ, যা ঝিনুকের সমার্থক নয়।
D) শুক্তি — এই অপশনটি সঠিক কারণ শুক্তি মানেই ঝিনুক।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ঝিনুক দেখলে শুক্তি কথাটি মাথায় রাখবে কারণ মুক্তা পাওয়া যায় এই শুক্তি বা ঝিনুকের পেট থেকেই।
- সমার্থক শব্দ পড়ার সময় মূল শব্দের সঙ্গে তার বস্তুগত পরিচয় মনে রাখলে ভুল হয় না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ বা সমার্থক শব্দ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
- প্রমিত বাংলা শব্দভান্ডার সমৃদ্ধ করতে এ ধরনের জলজ প্রাণী ও উপাদানের নাম ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) বুদ্ধিজীবী
১. কেন সঠিক:
- বুদ্ধিজীবী বানানটিতে বুদ্ধি শব্দের সঙ্গে জীবী প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে যা দীর্ঘ ঈকারান্ত।
- জীবী শব্দটির মূল ধাতু জিব বা জীব যার সঙ্গে দীর্ঘ ঈ যুক্ত হয়ে এই প্রত্যয় গঠিত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী জীবী বা গ্রাহী জাতীয় শব্দে সর্বদা দীর্ঘ ঈকার ব্যবহৃত হয়।
- সমাসবদ্ধ বা প্রত্যয়যুক্ত শব্দের ক্ষেত্রে এই নিয়ম অপরিবর্তিত থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দূরদর্শী
ব্যাখ্যা: দূরদর্শিতা অর্থে এই শব্দটিতেও দীর্ঘ ঈকার ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: আইনজীবী
ব্যাখ্যা: আইন ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত বোঝাতে জীবী বা সংশ্লিষ্ট শব্দে দীর্ঘ ঈকার বসে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বুদ্ধিজীবী - সঠিক উত্তর কারণ এতে জীবী অংশে দীর্ঘ ঈকার ব্যবহার করা হয়েছে।
B) বুদ্ধিজিবী - ভুল কারণ এতে জীবী অংশের জী বর্ণে হ্রস্ব ইকার ব্যবহার করা হয়েছে।
C) বুদ্ধিজিবি - ভুল কারণ এতে জীবী অংশের জি ও বি উভয় বর্ণেই হ্রস্ব ইকার ব্যবহার করা হয়েছে।
D) বুদ্ধীজীবী - ভুল কারণ বুদ্ধি শব্দের বুদ্ধী অংশে দীর্ঘ ঈকার ব্যবহার করা হয়েছে যা অশুদ্ধ।
৫. মনে রাখার টিপস:
- জীবী বানানে সবসময় দীর্ঘ ঈকার হয়, যেমনজীবী মানে জীবন ধারণকারী।
- বুদ্ধিজীবী লেখার সময় শেষে জীবী শব্দটি মনে রাখলেই বানান ভুল হবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই বানানটি প্রায়ই আসে।
- জীবী বা গ্রাহী যুক্ত অন্যান্য বানান যেমন দূরদর্শী ও আইনজীবী ভালোভাবে অনুশীলন করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) জীবনানন্দ দাশ
১. কেন সঠিক:
- 'বনলতা সেন' বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও ধ্রুপদী আধুনিক কবিতা, যা আধুনিকতার অন্যতম প্রবক্তা কবি জীবনানন্দ দাশের অমর সৃষ্টি।
- এই কবিতার মাধ্যমে কবি হাজার বছরের পথ হাঁটা ক্লান্ত মানুষের ক্লান্তি ও শান্তির প্রতীক হিসেবে 'বনলতা সেন'-কে উপস্থাপন করেছেন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- জীবনানন্দ দাশ ১৯১৮ সালে ব্রাহ্মসমাজ অন্তর্ভুক্ত হন এবং বাংলা আধুনিক কবিতার রূপ বদলে দেন।
- 'বনলতা সেন' কবিতাটি প্রথমে ১৯৩৫ সালের ডিসেম্বরে 'কবিতা' পত্রিকায় প্রকাশিত হয় এবং ১৯৪২ সালে প্রকাশিত সমনামীয় কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রূপসী বাংলা
ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের একটি বিখ্যাত প্রকৃতিভিত্তিক কাব্যগ্রন্থ যা কবির মৃত্যুর পর প্রকাশিত হয়।
উদাহরণ ২: মহাপৃথিবী
ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের আরেকটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও প্রখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি, যিনি সাম্য ও দ্রোহের কবিতা রচনার জন্য পরিচিত, 'বনলতা সেন' তার লেখা নয়।
B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বিশ্বকবি এবং নোবেলজয়ী সাহিত্যিক, যিনি গীতাঞ্জলি ও নানা গীতিনাট্য রচনার জন্য বিখ্যাত, 'বনলতা সেন' তার কবিতা নয়।
D) জসীমউদ্দীন — তিনি পল্লীকবি নামে পরিচিত এবং নকশী কাঁথার মাঠ তার বিখ্যাত কাব্য, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- রূপসী বাংলার কবি জীবনানন্দ দাশের শ্রেষ্ঠ কীর্তি হলো 'বনলতা সেন' কবিতাটি।
- কবি ও কবিতার নাম মনে রাখতে 'জীবন ও লতা' এভাবে মনে রাখতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় 'বনলতা সেন' কোন কবির রচনা বা এর প্রকাশকাল প্রায়ই আসে।
- আধুনিক যুগের কবিতা ও কবির নাম মনে রাখার জন্য কাব্যগ্রন্থের তালিকা আলাদা করে পড়া উচিত।
সঠিক উত্তর: D) গ্রিক
১. কেন সঠিক:
- আকাদামি শব্দটি গ্রিক ভাষার শব্দ থেকে বাংলায় এসেছে।
- গ্রিক দার্শনিক প্লেটোর প্রতিষ্ঠিত শিক্ষায়তনের নাম ছিল একাডেমি বা আকাদেমিয়া।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বিদেশি শব্দ হলো সেসব শব্দ যা বিভিন্ন ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে।
- গ্রিক ভাষা থেকে বাংলায় আগত শব্দগুলোর মধ্যে আকাদামি অন্যতম একটি প্রমিত শব্দ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ইউক্যালিপটাস
ব্যাখ্যা: এটিও একটি গ্রিক ভাষার শব্দ যা বাংলা ভাষায় বহুল ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: সুরঙ্গ
ব্যাখ্যা: এটিও গ্রিক উৎস থেকে বাংলা ভাষায় প্রবিষ্ট একটি গুরুত্বপূর্ণ শব্দ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফারসি — ফারসি ভাষা থেকে হাজারো শব্দ বাংলায় আসলেও আকাদামি ফারসি শব্দ নয়।
B) ফরাসি — ফরাসি ভাষা থেকে কার্তুজ কুপন শব্দ আসলেও আকাদামি ফরাসি শব্দ নয়।
C) ইংরেজি — আকাদামি দেখতে ইংরেজি অ্যাকাডেমি মনে হলেও এটি মূলত গ্রিক ভাষার শব্দ।
D) গ্রিক — এই অপশনটি সঠিক কারণ আকাদামি সরাসরি গ্রিক ভাষা থেকে গৃহীত হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- প্রাচীন গ্রিক দার্শনিক প্লেটোর শিক্ষায়তনের নাম ছিল আকাদেমিয়া।
- এই ঐতিহাসিক উৎসের সঙ্গে মিল রেখে আকাদামি শব্দটিকে গ্রিক শব্দ হিসেবে মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ চেনার জন্য শব্দের উৎসভিত্তিক তালিকা পড়তে হয়।
- গ্রিক ভাষার শব্দের সংখ্যা কম থাকায় এগুলো আলাদা করে মুখস্থ রাখা বুদ্ধিমানের কাজ।
সঠিক উত্তর: C) অপরাহ্ণ
১. কেন সঠিক:
- বাংলা বানানরীতি ও ণ-ত্ব বিধান অনুযায়ী হ বর্ণের পূর্বে ঋ, র, ষ কিংবা ট-বর্গীয় ধ্বনি থাকলে মূর্ধন্য ণ যুক্ত হয়।
- অপরাহ্ণ শব্দটিতে হ এর পূর্বে ন এর পরিবর্তে মূর্ধন্য ণ যুক্ত হয়ে প্রমিত বানান গঠিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- প্রমিত বাংলা বানান নিয়মে হ এর সাথে ন যুক্ত হলে তা সর্বদা মূর্ধন্য ণ হয়।
- তৎসম শব্দের ট-বর্গীয় ধ্বনির পূর্বে মূর্ধন্য ণ বসে এবং হ-এর সাথে ন যুক্ত হলে এই বিধান প্রযোজ্য হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পূর্বাহ্ণ
ব্যাখ্যা: পূর্বাহ্ণ শব্দটিতেও হ এর পূর্বে মূর্ধন্য ণ ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: মধ্যাহ্ণ
ব্যাখ্যা: মধ্যাহ্ণ শব্দটিতে হ-এর সাথে মূর্ধন্য ণ যুক্ত হয়ে সঠিক বানান গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অপরাহ্ণ — প্রদত্ত উত্তর অনুযায়ী এটিও সঠিক মনে হতে পারে কিন্তু অপশনের পুনর্বিন্যাসের কারণে C অপশনটি মূল উত্তর হিসেবে নির্ধারিত।
B) অপরাহ্ন — এখানে হ এর সাথে দন্ত ন যুক্ত হয়েছে যা সঠিক নিয়মের ব্যত্যয়।
C) অপরাহ্ণ — এটি হ এর সাথে মূর্ধন্য ণ যুক্ত সঠিক প্রমিত বানান রূপ।
D) অপরান্ন — এখানে হ এর বদলে ন-এর সাথে দন্ত ন যুক্ত হয়েছে যা সম্পূর্ণ ভুল।
৫. মনে রাখার টিপস:
- হ-এর সাথে যখন ন যুক্ত হবে তখন সবসময় মূর্ধন্য ণ লিখবে।
- পূর্বাহ্ণ, মধ্যাহ্ণ ও অপরাহ্ণ শব্দগুলোতে হ-এর নিচে মূর্ধন্য ণ থাকে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অপরাহ্ন বনাম অপরাহ্ণ বানানটি খুবFrequently আসে।
- হ-এর সাথে ন যুক্ত হওয়ার ব্যতিক্রমী নিয়মগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) বিপদ মুক্ত হওয়া
১. কেন সঠিক:
- 'হালে পানি পাওয়া' একটি জনপ্রিয় বাংলা বাগধারা যার অন্তর্নিহিত অর্থ হলো কোনো কঠিন অবস্থা বা সংকট থেকে উদ্ধার পাওয়া কিংবা সুবিধা করা।
- প্রাত্যহিক বা জলপথে নৌকা চালানোর সময় পাওয়ায় অনুকূল অবস্থা বোঝায়, যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিপদ থেকে মুক্তির অর্থে ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে বিশেষ বা লক্ষণার্থ প্রকাশ করে থাকে।
- বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে বাগধারা ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং ভাবকে সংক্ষেপে ও সুন্দরভাবে প্রকাশ করতে সাহায্য করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দীর্ঘ দিন বেকার থাকার পর অবশেষে একটি ভালো চাকরি পেয়ে সে যেন হালে পানি পেল।
ব্যাখ্যা: এখানে দীর্ঘদিন ধরে চলা অর্থনৈতিক সংকট বা বিপদের অবস্থা কেটে যাওয়া বোঝানো হয়েছে।
উদাহরণ ২: ব্যবসার এই মন্দা কাটিয়ে উঠতে পারলে আমরা আবার হালে পানি পাব।
ব্যাখ্যা: এখানে ব্যবসার বর্তমান বিপদজনক অবস্থা থেকে রক্ষা পাওয়ার সম্ভাবনা প্রকাশ করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিপদে পড়া — এটি 'হালে পানি পাওয়া' বাগধারার উল্টো অর্থ প্রকাশ করে, কারণ এর সঠিক অর্থ বিপদ মুক্ত হওয়া।
B) বিপদ মুক্ত হওয়া — এটি সঠিক উত্তর।
C) বিপদাপন্ন — এই শব্দটি কেবল বিপদের মুখে থাকাকে বোঝায়, কিন্তু বাগধারাটির অর্থ সংকট থেকে উদ্ধার পাওয়া।
D) বিপদে ধৈর্য ধরা — এটি ধৈর্য ধারণের মতো মানসিক অবস্থাকে নির্দেশ করে, যা বাগধারার নির্দিষ্ট অর্থের সঙ্গে মেলে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- নৌকায় পানি পেলে যেমন নৌকা ডোবার ভয় কমে যায় এবং সহজে চালানো যায়, তেমনি হালে পানি পেলে মানুষ বিপদ থেকে মুক্তি পায়।
- এভাবে নৌকার উদাহরণের সঙ্গে মিলিয়ে বাগধারাটি সহজেই মনে রাখা সম্ভব।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জল বা পানি সম্পর্কিত বাগধারাগুলো প্রায়ই আসে।
- মূল শব্দের আক্ষরিক অর্থের চেয়ে এর ভাবার্থ বা প্রাগৈতিহাসিক রূপটি ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) নিঃ + রোগ
১. কেন সঠিক:
বিসর্গ সন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম অনুযায়ী বিসর্গের পর 'র' থাকলে বিসর্গ লোপ পায় এবং পূর্ববর্তী স্বরবর্ণ দীর্ঘ হয়।
এই নিয়মে 'নিঃ' এর বিসর্গ লুপ্ত হয়ে এবং 'ই' কার দীর্ঘ হয়ে 'ঈ' কারে পরিণত হয়ে 'নীরোগ' শব্দ গঠিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুসারে বিসর্গের পর 'র' ধ্বনি থাকলে বিসর্গ উঠে যায় এবং তার আগের হ্রস্বস্বর দীর্ঘস্বরে রূপান্তরিত হয়।
এখানে 'নি' উপসর্গের সঙ্গে 'রোগ' যুক্ত হওয়ার সময় বিসর্গের প্রভাবে এই বিশেষ রূপান্তর সাধিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নিঃ + রস = নীরস
ব্যাখ্যা: বিসর্গের পর 'র' থাকায় বিসর্গ লোপ পেয়েছে এবং 'নি' দীর্ঘ হয়ে 'নী' হয়েছে।
উদাহরণ ২: নিঃ + রন্ধ্র = নীরন্ধ্র
ব্যাখ্যা: একই নিয়ম মেনে বিসর্গ লুপ্ত হয়ে এবং হ্রস্ব স্বর দীর্ঘ হয়ে শব্দটি নীরন্ধ্র হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নি + রোগ — এটি সঠিক নিয়ম নয় কারণ এখানে বিসর্গ চিহ্ন অনুপস্থিত রয়েছে।
C) নী + রোগ — এখানে প্রথম অংশে দীর্ঘ 'নী' ব্যবহার করা হয়েছে যা মূল শব্দের গঠনে ভুল।
D) নীঃ + রোগ — এখানে প্রথম অংশে দীর্ঘ 'নী' এর সঙ্গে বিসর্গ ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
৫. মনে রাখার টিপস:
বিসর্গের পর 'র' থাকলে প্রথম শব্দটি হ্রস্ব স্বরান্ত হলে তা দীর্ঘ স্বরান্ত হবে এবং বিসর্গ উঠে যাবে।
নীরোগ, নীরস বা নীরন্ধ্র শব্দগুলোর ক্ষেত্রে এই শর্টকাট নিয়মটি মনে রাখা অত্যন্ত সহজ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিসর্গ সন্ধি থেকে প্রায়ই এই ধরনের শব্দ পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করার জন্য দেওয়া হয়।
বানান শুদ্ধির ক্ষেত্রেও 'নীরোগ' একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শব্দ যা প্রায়ই পরীক্ষাতে আসে।
সঠিক উত্তর: A) আরবি
১. কেন সঠিক:
- নেজারত শব্দটি আরবি ভাষা থেকে আগত একটি প্রশাসনিক পরিভাষাগত শব্দ।
- এটি মূলত আরবি نظارة (নাযারাত) বা نظارة (নাযরত) শব্দ থেকে বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
শব্দের উৎস ও শব্দের অর্থ।
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত শব্দগুলোকে উৎসের দিক থেকে প্রধানত তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি এবং বিদেশি এই পাঁচ ভাগে ভাগ করা হয়।
আরবি ভাষা থেকে আগত শব্দগুলো প্রধানত ধর্ম, প্রশাসন, আইন এবং সংস্কৃতি সম্পর্কিত হয়ে থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আদালত
ব্যাখ্যা: আদালত শব্দটি আরবি ভাষা থেকে এসেছে এবং এটি বিচারালয় অর্থে বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: তারিখ
ব্যাখ্যা: তারিখ শব্দটি আরবি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় গৃহীত একটি বহুল ব্যবহৃত প্রশাসনিক ও দৈনন্দিন শব্দ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আরবি — এটি সঠিক উত্তর কারণ নেজারত শব্দটি আরবি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে।
B) ফারসি — ফারসি ভাষা থেকে অনেক শব্দ বাংলায় এলেও নেজারত ফারসি শব্দ নয়।
C) চীনা — চীনা ভাষা থেকে চা, চিনি ইত্যাদি শব্দ এলেও নেজারত চীনা শব্দ নয়।
D) ইংরেজি — ইংরেজি ভাষা থেকে নানা শব্দ এলেও নেজারত ইংরেজি শব্দ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
আইন আদালত প্রশাসন সংক্রান্ত অনেক শব্দ আরবি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে।
নেজারত শব্দটি এই প্রশাসনিক ও বিচারালয় সংক্রান্ত শব্দভান্ডারের অন্তর্ভুক্ত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দের উৎস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
আরবি, ফারসি এবং পর্তুগিজ শব্দের তালিকা ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্নের উত্তর দেওয়া সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: A) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
১. কেন সঠিক:
ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তকে বাংলা সাহিত্যের যুগসন্ধিক্ষণের কবি বলা হয় কারণ তিনি প্রাচীন যুগের অবসান এবং আধুনিক যুগের সূচনার মধ্যবর্তী সময়ে সেতু বন্ধন তৈরি করেছিলেন।
তাঁর কবিতায় প্রাচীন ধারার পয়ার ও ত্রিপদী ছন্দের ব্যবহার যেমন ছিল, তেমনি আধুনিক যুগের মতো সমসাময়িক সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনের বাস্তব প্রতিফলনও ঘটেছিল।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ছিলেন ঊনবিংশ শতকের একজন বিশিষ্ট কবি ও সাংবাদিক যিনি সংবাদ প্রভাকর পত্রিকা সম্পাদনা করতেন।
তিনি প্রাচীন বাংলা সাহিত্যের শেষ প্রতিনিধি এবং আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রথম যুগের ঠিক আগের পর্বের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একজন সাহিত্য সাধক।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত সম্পাদিত সংবাদ প্রভাকর পত্রিকাটি ১৮৩১ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।
ব্যাখ্যা: এই পত্রিকাটি সে সময়ের সমাজ সংস্কার ও সাহিত্যচর্চায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যুগসন্ধিক্ষণের আবহ তৈরি করেছিল।
উদাহরণ ২: তাঁর রচিত দুটি বিখ্যাত গ্রন্থ হলো কবিতাকুসুমাংশ এবং প্রভাকর পদ্যসংগ্রহ।
ব্যাখ্যা: এসব রচনায় প্রাচীন ধারার সাথে আধুনিক চিন্তাচেতনার অপূর্ব সমন্বয় দেখা যায় যা যুগসন্ধিক্ষণের প্রধান বৈশিষ্ট্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত — ইনি সঠিক উত্তর কারণ তিনি প্রাচীন ও আধুনিক যুগের সংযোগস্থলে অবস্থান করে যুগসন্ধিক্ষণের কবির মর্যাদা লাভ করেছেন।
B) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — ইনি বাংলা গদ্যের জনক হিসেবে পরিচিত, কোনো কবি নন। তাই তিনি যুগসন্ধিক্ষণের কবি হতে পারেন না।
C) মধুসূদন দত্ত — ইনি বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবক্তা এবং আধুনিক যুগের প্রথম মহাকবি। তিনি যুগসন্ধিক্ষণের পরের পূর্ণাঙ্গ আধুনিক যুগের কবি।
D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — ইনি বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ কবি ও আধুনিক যুগের শীর্ষস্থানীয় প্রতিনিধি। তিনি অনেক পরের যুগের কবি।
৫ মনে রাখার টিপস:
প্রাচীন ও আধুনিক যুগের সন্ধিক্ষণ বা মিলনস্থলের কথা মনে রাখতে গুপ্ত শব্দটিকে গুপ্তধন হিসেবে ভাবুন যা দুই যুগের মধ্যবর্তী সময়ে আবিষ্কৃত হয়েছিল।
যুগসন্ধিক্ষণ মানেই ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত এই সূত্রটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য মনে রাখা সবচেয়ে সহজ উপায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় যুগসন্ধিক্ষণের কবি সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তকে আধুনিক বাংলা কবিতার পথপ্রদর্শক বা গুরু হিসেবেও অনেক সাহিত্য সমালোচক গণ্য করে থাকেন।
সঠিক উত্তর: C) গোরা
১. কেন সঠিক:
- প্রশ্নটিতে প্রদত্ত সঠিক উত্তর ডি অর্থাৎ শ্রীকান্ত সঠিক নয়। প্রশ্নটিতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রাজনৈতিক উপন্যাসের নাম চাওয়া হয়েছে এবং সঠিক উত্তর হবে গোরা।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সর্বশ্রেষ্ঠ ও দীর্ঘতম সামাজিক-রাজনৈতিক উপন্যাস হলো গোরা যা প্রকাশিত হয় বাংলা ১৩১৬ সালে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একাধারে ঔপন্যাসিক, কবি, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক যিনি বাংলা সাহিত্যকে বিশ্বদরবারে পরিচিত করেছেন।
- গোরা উপন্যাসে তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের জাতীয়তাবাদ, ধর্মীয় সংকীর্ণতা, জাতপাত এবং দেশপ্রেমের স্বরূপ গভীরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের যোগাযোগ উপন্যাস।
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আরও একটি বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক ও সামাজিক উপন্যাস।
উদাহরণ ২: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ঘরের বাইরে উপন্যাস।
ব্যাখ্যা: এটি স্বদেশী আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত একটি রাজনৈতিক ও মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পথের দাবী — এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত রাজনৈতিক উপন্যাস, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নয়।
B) পল্লী সমাজ — এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত সমাজভিত্তিক উপন্যাস।
C) গোরা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রাজনৈতিক ও সামাজিক উপন্যাসের সঠিক উত্তর।
D) শ্রীকান্ত — এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি জনপ্রিয় আত্মজীবনীমূলক উপন্যাস।
৫ মনে রাখার টিপস:
- রবীন্দ্রনাথের রাজনৈতিক উপন্যাস মনে রাখার সহজ কৌশল হলো গোরা ও ঘরের বাইরে।
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক উপন্যাসের নাম হলো পথের দাবী।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম সার্থক উপন্যাস চোখের কূল এবং বিখ্যাত রাজনৈতিক উপন্যাস গোরা।
- এই ধরনের প্রশ্নে লেখকের নাম এবং উপন্যাসের ধরন ভালোভাবে মিলিয়ে দেখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) ভাষা
১. কেন সঠিক:
মানুষ মনের ভাব প্রকাশের জন্য যে মাধ্যম ব্যবহার করে তাকে ভাষা বলে। ধ্বনি, শব্দ ও বাক্যের সাহায্যে মনের ভাব সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ করা যায় বলে ভাষা হলো সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য বাহন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
মুখের উচ্চারিত অর্থপূর্ণ ধ্বনির সাহায্যে মনের ভাব প্রকাশের মাধ্যম হলো ভাষা। এটি মানুষের সমাজবদ্ধ জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাংলা ভাষা
ব্যাখ্যা: বাঙালির মনের ভাব প্রকাশের প্রধান মাধ্যম হলো বাংলা ভাষা।
উদাহরণ ২: ইংরেজি ভাষা
ব্যাখ্যা: এটি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে মানুষের মনের ভাব বিনিময়ের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চিত্র — চিত্র মনের ভাব প্রকাশের মাধ্যম হতে পারে, তবে এটি প্রধান বা সার্বজনীন বাহন নয়।
B) ভাষা — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি মনের ভাব প্রকাশের প্রধান বাহন।
C) আচরণ — আচরণ দিয়ে কিছু আবেগ প্রকাশ করা যায়, কিন্তু সুনির্দিষ্ট ও জটিল মনের ভাব প্রকাশ করা সম্ভব নয়।
D) ইঙ্গিত — ইঙ্গিত বা ইশারা দিয়ে সীমিত আকারে ভাব প্রকাশ করা যায়, তবে এটি ভাষার বিকল্প হতে পারে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
ভাব প্রকাশের মূল চাবিকাঠি হলো ভাষা। মানুষের মুখ থেকে যা উচ্চারিত হয়ে অর্থ প্রকাশ করে সেটাই ভাষা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ভাষা মানুষের যোগাযোগের সবচেয়ে কার্যকর হাতিয়ার। বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাষার সংজ্ঞা ও বৈশিষ্ট্য থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: D) মাহমুদুল হক
১. কেন সঠিক:
- 'জীবন আমার বোন' উপন্যাসটির রচয়িতা কথাসাহিত্যিক মাহমুদুল হক।
- এই উপন্যাসে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে একটি মধ্যবিত্ত পরিবারের মনস্তাত্ত্বিক সংকট ও রাজনৈতিক আবহ সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মাহমুদুল হক বাংলা কথাসাহিত্যের এক বিশিষ্ট নাম যিনি দেশভাগ ও মুক্তিযুদ্ধকে কেন্দ্র করে গভীর মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস রচনা করেছেন।
- তাঁর উপন্যাসে প্রাত্যহিক জীবনের ক্ষুদ্রতার ভেতর দিয়ে বৃহত্তর রাজনৈতিক ও সামাজিক সংকট মূর্ত হয়ে ওঠে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কালো প্রদীপের নিচে
ব্যাখ্যা: এটি মাহমুদুল হকের অপর একটি বিখ্যাত উপন্যাস।
উদাহরণ ২: খেলাঘর
ব্যাখ্যা: এটিও মাহমুদুল হক রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি প্রখ্যাত উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সেলিনা হোসেন — ইনি একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক হলেও 'জীবন আমার বোন' উপন্যাসের রচয়িতা নন, তাঁর বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে 'যাপিত জীবন'।
B) হুমায়ুন আহমেদ — ইনি জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক ও নাট্যকার হলেও আলোচ্য উপন্যাসের লেখক নন, তাঁর উল্লেখযোগ্য উপন্যাস 'আগুনের পরশমণি'।
C) রশীদ হায়দার — ইনি বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক ও প্রাবন্ধিক হলেও এই উপন্যাসের সঙ্গে তাঁর কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই, তাঁর বিখ্যাত কাজ 'খাঁচায়'।
D) মাহমুদুল হক — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি স্বয়ং 'জীবন আমার বোন' উপন্যাসের লেখক।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মাহমুদুল হকের বোন মানে জীবন, এভাবে মনে রাখতে পারো যে 'জীবন আমার বোন' উপন্যাসের লেখক মাহমুদুল হক।
- তাঁর উপন্যাসে জীবন ও মুক্তিযুদ্ধের গভীর বাস্তবতার ছোঁয়া থাকে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- লেখকদের বিখ্যাত উপন্যাসগুলোর নাম আলাদা করে ছক তৈরি করে পড়লে পরীক্ষাগারে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
সঠিক উত্তর: A) চন্দ্রকুমার দে
১. কেন সঠিক:
- ময়মনসিংহ গীতিকা লোকসাহিত্যের একটি অমূল্য সম্পদ যা সংগ্রাহক চন্দ্রকুমার দে অক্লান্ত পরিশ্রম করে সংগ্রহ করেছিলেন।
- ড. দীনেশ চন্দ্র সেন এই সংগৃহীত গীতগুলো সম্পাদনা ও প্রকাশ করেন, তবে মূল সংগ্রহের কাজটি চন্দ্রকুমার দে করেছিলেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- চন্দ্রকুমার দে ছিলেন একজন নিবেদিতপ্রাণ লোকসাহিত্য সংগ্রাহক যিনি ময়মনসিংহের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে গ্রামীণ গান ও গাথা সংগ্রহ করেন।
- দীনেশ চন্দ্র সেনের উদ্যোগে এবং কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় ১৯২৩ সালে ময়মনসিংহ গীতিকা প্রথম গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মহুয়া পালা
ব্যাখ্যা: ময়মনসিংহ গীতিকার সবচেয়ে জনপ্রিয় পালাগুলোর একটি হলো মহুয়া যা চন্দ্রকুমার দে সংগ্রহ করেছিলেন।
উদাহরণ ২: মলুয়া পালা
ব্যাখ্যা: এটিও ময়মনসিংহ গীতিকার অন্তর্ভুক্ত একটি বিখ্যাত পালা যা লোকসাহিত্যের অন্যতম নিদর্শন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চন্দ্রকুমার দে — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি স্বয়ং মাঠে গিয়ে লোকসাহিত্য সংগ্রহ করেছিলেন।
B) আশরাফ সিদ্দিকী — তিনি একজন বিশিষ্ট folklorist বা লোকসাহিত্য বিশারদ হলেও ময়মনসিংহ গীতিকা সংগ্রহ করেননি।
C) দীনেশ চন্দ্র সেন — তিনি ময়মনসিংহ গীতিকা সংকলন ও সম্পাদনা করেছিলেন, মূল সংগ্রহক চন্দ্রকুমার দে নন।
D) অমর্ত্য সেন — তিনি একজন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ এবং তাঁর সঙ্গে ময়মনসিংহ গীতিকা সংগ্রহের কোনো সম্পর্ক নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সংগ্রহ করেছেন চন্দ্রকুমার দে এবং সম্পাদনা করেছেন দীনেশ চন্দ্র সেন, এই পার্থক্য মনে রাখা জরুরি।
- সং = সংগ্রহ = চন্দ্রকুমার (উভয়ের শুরুতে চ আছে)।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ময়মনসিংহ গীতিকা প্রকাশিত হয় ১৯২৩ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে।
- এই গ্রন্থটি বিশ্বের বহু ভাষায় অনূদিত হয়েছে এবং বাংলা লোকসাহিত্যের গৌরব বৃদ্ধি করেছে।
সঠিক উত্তর: A) cast
কেন সঠিক:
- 'Cast off' একটি উপযুক্ত শব্দগুচ্ছ বা ফ্রেজাল ভার্ব, যার অর্থ হলো কোনো কিছু ত্যাগ করা বা খসিয়ে ফেলা।
- গাছের ক্ষেত্রে পাতা ঝরে পড়া বা খসে যাওয়া বোঝাতে 'cast off' সঠিক ও প্রমিত অভিব্যক্তি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) cast — এই অপশনটি সঠিক, কারণ 'cast off' ফ্রেজাল ভার্বটি গাছের পাতা ঝরে পড়ার ক্ষেত্রে যথাযথ অর্থ প্রকাশ করে।
B) thrown — 'Throw' অর্থ ছোঁড়া বা নিক্ষেপ করা, যা গাছের পাতা প্রাকৃতিকভাবে ঝরে পড়ার ক্ষেত্রে অর্থসংগত নয়।
C) fallen — 'Fallen' নিজে একটি ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল, কিন্তু বাক্যের শূন্যস্থানের আগে 'have' থাকায় এখানে একটি মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল রূপ প্রয়োজন এবং 'fallen off' ব্যাকরণগতভাবে এখানে মানানসই নয়।
D) put — 'Put off' অর্থ স্থগিত করা, যা গাছের পাতা ঝরার এই প্রসঙ্গের সঙ্গে কোনোভাবেই মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
গাছের পাতা ঝরে পড়া বা ফেলে দেওয়া অর্থে সঠিক ফ্রেজাল ভার্ব হিসেবে সবসময় 'cast off' ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: D) washed
কেন সঠিক:
- এটি Causative Verb-এর গঠন, যেখানে কর্তা নিজে কাজ না করে অন্যকে দিয়ে কাজ করান।
- Have-এর পর Object (car) থাকলে পরবর্তী মূল verb-এর Past Participle (V3) রূপ বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) wash — এটি Verb-এর Base form, যা Causative Verb-এর এই গঠনে অবজেক্টের পর সরাসরি বসতে পারে না।
B) washing — এটি Verb-এর সাথে ing যুক্ত রূপ, যা Passive অর্থ প্রকাশ করতে পারে না।
C) to wash — এটি Infinitive রূপ, যা Causative Verb-এর Past Participle নিয়মের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
D) washed — এটি সঠিক কারণ Causative Verb-এর নিয়মানুসারে এখানে Past Participle রূপ বসেছে।
মনে রাখার টিপস:
Causative Verb-এর বাক্যে have-এর পর বস্তুবাচক অবজেক্ট থাকলে মূল verb-এর সবসময় V3 বা Past Participle রূপ হয়।
সঠিক উত্তর: B) Let the window be opened
কেন সঠিক:
- মূল বাক্যটি একটি Imperative Sentence হওয়ায় একে Passive করার সময় প্রথমে Let ব্যবহার করতে হয়।
- Object টিকে Subject করার পর be এবং মূল verb এর Past Participle রূপ বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The window should be opened — এটি Modal Auxiliary দিয়ে গঠিত বাক্যের Passive, কিন্তু মূল বাক্যটি Imperative হওয়ায় এই গঠনটি এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) Let the window be opened — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে কোনো ভুল নেই।
C) Let the window be opened by you — Imperative Sentence-এ সাধারণত Agent হিসেবে by you উহ্য রাখা হয়, তাই এটি অপ্রয়োজনীয়।
D) The window must be opened — এটি বাধ্যবাধকতা বোঝায়, কিন্তু মূল বাক্যে কোনো বাধ্যবাধকতার অর্থ ছিল না।
মনে রাখার টিপস:
Imperative Sentence-এ Verb দিয়ে শুরু হলে Passive করার সময় শুরুতে Let এবং পরে be যোগ করতে হয়।
প্রশ্নের ধরন: ভাষা ও ব্যাকরণ (আইডম ও ফ্রেজ)
সঠিক উত্তর: A) die in business
কেন সঠিক:
- 'Die in harness' একটি ইংরেজি প্রবাদধর্মী ফ্রেজ যার অর্থ কর্মময় জীবনে থাকা অবস্থায় বা দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় মৃত্যুবরণ করা।
- প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে 'die in business' কথাটি কর্মব্যস্ততা বা কর্মজীবনে মারা যাওয়ার ভাবকে সবচেয়ে কাছাকাছিভাবে প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) die in business — এটি এই ফ্রেজের প্রচলিত ভাবার্থকে প্রকাশ করে, তাই এটিই সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য হয়েছে।
B) die in peace — এর অর্থ শান্তিতে মৃত্যুবরণ করা, যা কর্মস্থলে মৃত্যুর ধারণার সাথে মিলে না।
C) die in honour — এর অর্থ সম্মানের সাথে মৃত্যুবরণ করা, যা এই ইডিয়ামের আক্ষরিক বা ভাবার্থ কোনটিকেই নির্দেশ করে না।
D) die in bed — এর অর্থ বিছানায় মৃত্যুবরণ করা, যা মূলত বার্ধক্য বা স্বাভাবিক মৃত্যুর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় এবং কর্মররত অবস্থাকে বোঝায় না।
মনে রাখার টিপস:
হarness শব্দের অর্থ ঘোড়ার সাজ বা কাজের সরঞ্জাম; তাই কাজের সাজ পরে থাকা অবস্থায় অর্থাৎ কর্মব্যস্ত বা দায়িত্বে থাকাকালীন মৃত্যুকে 'die in harness' বলে মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: B) The accident happened at night.
কেন সঠিক:
- নির্দিষ্ট কোনো রাতের বেলায় কোনো ঘটনা ঘটার ক্ষেত্রে সময়ের পূর্বে preposition হিসেবে at ব্যবহৃত হয়।
- The accident happened at night বাক্যটিতে preposition এবং spelling সম্পূর্ণ সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Neither of the two women are to be trusted — Neither of এর পর plural noun এবং singular verb বসে, তাই are-এর পরিবর্তে is হবে।
B) The accident happened at night. — এটি সম্পূর্ণ সঠিক বাক্য, কারণ রাতের বেলা বোঝাতে at night ব্যবহৃত হয়।
C) What for is Jashore famous — প্রশ্নবোধক বাক্যে preposition সাধারণত শেষে বসে, তাই বাক্যটি What is Jashore famous for হওয়া উচিত ছিল।
D) He prevent us going — Prevent verb-এর পর object-এর সাথে from এবং gerund বসে, তাই He prevented us from going হবে।
মনে রাখার টিপস:
Night শব্দের পূর্বে সাধারণত at বসে এবং Neither of-এর পর verb সবসময় singular হয়।
সঠিক উত্তর: D) The most important benefit that we get from trees is oxygen
কেন সঠিক:
- বাক্যে সবচেয়ে বেশি বোঝাতে superlative degree এবং তার পূর্বে definite article the ব্যবহার করতে হয়।
- গাছের উপকারগুলোর মধ্যে অক্সিজেন হলো সর্বপ্রধান, তাই সঠিক অনুবাদে the most important benefit ব্যবহার করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The important benefit that we get from trees is oxygen — এখানে the important ব্যবহার করা হয়েছে, যা সুপারলেটিভ ডিগ্রি নির্দেশ করে না এবং সবচেয়ে বেশি বোঝাতে ব্যর্থ হয়।
B) The benefit that we get from trees is oxygen — এখানে কোনো superlative adjective ব্যবহার করা হয়নি, অথচ মূল বাক্যে সবচেয়ে বড় উপকার বোঝানো হয়েছে।
C) The important benefits that we get from trees is oxygen — এখানে benefits বহুবচন ব্যবহার করা হয়েছে কিন্তু verb singular, আবার সুপারলেটিভ ডিগ্রিও অনুপস্থিত।
D) The most important benefit that we get from trees is oxygen — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি সুপারলেটিভ ডিগ্রির নিয়ম নিখুঁতভাবে মেনে চলেছে।
মনে রাখার টিপস:
বাংলা বাক্যে সবচেয়ে বড় বা সর্বশ্রেষ্ঠ শব্দ থাকলে ইংরেজিতে তার জন্য the most এবং adjective-এর superlative form ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) bloom
কেন সঠিক:
- বাক্যে everyday শব্দটি থাকার কারণে এটি Present Indefinite Tense নির্দেশ করে।
- subject 'Many flowers' একটি plural noun phrase হওয়ায় এর সাথে verb-এর plural রূপ অর্থাৎ 'bloom' বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) bloom — এটি সঠিক উত্তর কারণ subject plural হওয়ার কারণে verb-এর base form ব্যবহৃত হয়েছে।
B) has bloomed — এটি Present Perfect Tense, যা দৈনন্দিন বা নিয়মিত ঘটনার ক্ষেত্রে বসে না।
C) have bloomed — এটি Present Perfect Tense এবং subject plural হলেও everyday থাকার কারণে এটি এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) blooms — এটি Present Indefinite Tense হলেও verb-এর সাথে s বা es যুক্ত আছে, যা singular subject-এর জন্য প্রযোজ্য কিন্তু এখানে subject হলো plural।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে everyday, always বা generally থাকলে Present Indefinite Tense হয় এবং subject plural হলে verb-এর সাথে s বা es যুক্ত হয় না।
সঠিক উত্তর: B) a man of no substance
কেন সঠিক:
- 'A man of straw' একটি প্রবাদপ্রতীম ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা।
- এর শাব্দিক অর্থ খড় দিয়ে তৈরি মানুষ বা পুতুল হলেও রূপক অর্থে এর দ্বারা এমন একজন দুর্বল ব্যক্তিকে বোঝানো হয় যার কোনো নৈতিক শক্তি, ব্যক্তিত্ব বা অর্থনৈতিক ভিত্তি নেই।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) doll — এটি সরাসরি পুতুল অর্থে ব্যবহৃত হয়, যা এই বাগধারার রূপক অর্থ প্রকাশ করে না।
B) a man of no substance — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ এমন একজন ব্যক্তি যার কোনো গুরুত্ব বা আর্থিক ভিত্তি নেই।
C) a man of substance — এটি ভুল কারণ এর অর্থ অত্যন্ত ধনী বা প্রভাবশালী ব্যক্তি, যা মূল প্রবাদের সম্পূর্ণ বিপরীত।
D) a man lack of money — এটি ভুল কারণ অপশনটিতে ব্যাকরণগত ত্রুটি রয়েছে এবং এটি সরাসরি শুধু আর্থিক অভাব বোঝায়, ব্যক্তিত্বহীনতা বোঝায় না।
মনে রাখার টিপস:
খড় দিয়ে তৈরি পুতুল যেমন সামান্য বাতাসে উড়ে যায় এবং তার কোনো শক্ত ভিত্তি থাকে না, তেমনি 'A man of straw' বলতে মূল্যহীন বা গুরুত্বহীন মানুষ বোঝায়।
সঠিক উত্তর: A) Good luck
কেন সঠিক:
- 'Break a leg' একটি জনপ্রিয় ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা, যার আক্ষরিক অর্থ পা ভেঙে ফেলা হলেও রূপক অর্থে এটি সৌভাগ্য কামনা করতে ব্যবহৃত হয়।
- সাধারণত কোনো নাটক, নাচ বা মঞ্চ পরিবেশনার আগে শিল্পীদের শুভকামনা জানাতে এই অভিব্যক্তিটি বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Good luck — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই বাগধারাটি মঞ্চে পারফর্ম করার আগে শিল্পীদের শুভকামনা জানাতে ব্যবহৃত হয়।
B) Bad luck — এটি ভুল কারণ ইডিয়মটির অর্থ দুর্ভাগ্য বা অমঙ্গল নয়, বরং এর উল্টো অর্থাৎ সৌভাগ্য বোঝায়।
C) To be failed — এটি ভুল কারণ এই বাক্যাংশটি পরীক্ষায় বা কাজে ব্যর্থ হওয়া বোঝাতে ব্যবহৃত হয় না।
D) To hurt — এটি ভুল কারণ শারীরিক আঘাত পাওয়া বোঝাতে এই ইডিয়মটি ব্যবহার করা হয় না, যদিও এর মধ্যে 'leg' শব্দটি রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
মঞ্চশিল্পীদের শুভকামনা জানাতে উল্টো কথা বলা হয়, তাই 'Break a leg' বললেই বুঝবেন এর অর্থ ভালো কিছু বা শুভকামনা।
সঠিক উত্তর: C) John Milton
কেন সঠিক:
- 'Paradise Lost' ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মহাকাব্য যা জন মিল্টন সপ্তদশ শতাব্দীতে রচনা করেন।
- এটি মূলত শয়তানের প্রলোভনে আদি মানব আদম ও ইভ কর্তৃক নিষিদ্ধ ফল ভক্ষণ এবং স্বর্গ থেকে তাদের পতনের গল্প নিয়ে রচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) John Keats — জন কিটস্ হলেন রোমান্টিক যুগের কবি, যিনি 'Ode to a Nightingale' ও 'Hyperion' এর মতো বিখ্যাত গীতিকবিতা লিখেছেন।
B) William Shakespeare — উইলিয়াম শেক্সপিয়র এলিজাবেথীয় যুগের বিশ্বখ্যাত নাট্যকার ও কবি, যিনি হ্যামলেট ও ম্যাকবেথের মতো নাটক লিখেছেন।
C) John Milton — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এটি এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) John Donne — জন ডন হলেন সপ্তদশ শতাব্দীর মেটাফিজিক্যাল ধারার প্রধান কবি, যিনি প্রেমের ও ধর্মীয় কবিতা লেখার জন্য বিখ্যাত।
মনে রাখার টিপস:
মিল্টন (Milton) এবং মহাকাব্য (Epic) উভয় শব্দে মিল আছে, তাই মিল্টনের বিখ্যাত মহাকাব্য হলো প্যারাডাইস লস্ট।
সঠিক উত্তর: B) made up of
কেন সঠিক:
- কোনো বস্তু বা দল কী কী উপাদান দিয়ে গঠিত, তা বোঝাতে phrasal verb হিসেবে made up of ব্যবহৃত হয়।
- এখানে টিমটি এগারোজন খেলোয়াড় দ্বারা গঠিত, তাই সঠিক উত্তর B।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) made of — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি কোনো বস্তু অপর কোনো উপাদান দিয়ে তৈরি বোঝালে ব্যবহৃত হয়, যেমন টেবিলটি কাঠ দিয়ে তৈরি।
B) made up of — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, যা কোনো দল বা সমষ্টির উপাদান বোঝাতে বসে।
C) made up — এই অপশনটি ভুল কারণ এর পরে কোনো উপাদান বা অবজেক্ট যুক্ত করতে অবিকল of প্রিপজিশন প্রয়োজন হয়।
D) made — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি একা কোনো নির্দিষ্ট দল গঠনের উপাদান বা উপাদানগুলোর সমষ্টি বোঝাতে সম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করতে পারে না।
মনে রাখার টিপস:
কোনো দল বা সমষ্টি কী দিয়ে গঠিত, তা বোঝাতে সবসময় made up of ব্যবহার করতে হয়।
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ
সঠিক উত্তর: C) Pseudonym
কেন সঠিক:
- শব্দটির সঠিক বানান হলো Pseudonym যার অর্থ ছদ্মনাম।
- বানানের শুরুতে Psilent বর্ণ হিসেবে থাকে এবং এর উচ্চারণ সিউডোনিম হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Seudonim — বানানটিতে শুরুতে P নেই এবং শেষের অংশ nim ভুল।
B) Pseudonim — শুরুর অংশ সঠিক হলেও শেষের im ভুল এবং সঠিক বানান ym।
C) Pseudonym — এটি সঠিক বানান।
D) Seudonym — বানানটির শুরুতে প্রয়োজনীয় P বর্ণ বাদ পড়েছে।
মনে রাখার টিপস:
ছদ্মনাম বোঝাতে Pseudonym শব্দের শুরুতে Ps এবং শেষে onym মনে রাখলে বানান ভুল হবে না।
সঠিক উত্তর: B) Common
কেন সঠিক:
- 'man' শব্দটি কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা নামের পরিবর্তে সমগ্র মানবজাতিকে বোঝায়।
- একই জাতীয় সবার ক্ষেত্রে সাধারণ নাম হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ায় এটি Common Noun.
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Proper — কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি, স্থান বা বস্তুর নাম বোঝায় না, তাই এটি Proper Noun নয়।
B) Common — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং শর্ত পূরণ করে।
C) Collective — এটি কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর সমষ্টিগত দল বোঝায় না, তাই এটি Collective Noun নয়।
D) Material — এটি কোনো উপাদান বা পদার্থের নাম বোঝায় না, তাই এটি Material Noun নয়।
মনে রাখার টিপস:
যে নামবাচক শব্দ দ্বারা নির্দিষ্ট কাউকে না বুঝিয়ে একই শ্রেণীর সবাইকে সাধারণভাবে বোঝায়, তাকে Common Noun বলে।
সঠিক উত্তর: C) Rude
কেন সঠিক:
- 'Gentle' শব্দের অর্থ ভদ্র, মৃদু বা বিনয়ী।
- এর বিপরীতে রুক্ষ, অসভ্য বা অসদায়ের অর্থ প্রকাশ করতে 'Rude' শব্দটি ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Modest — এই শব্দটির অর্থ বিনয়ী, যা 'gentle' শব্দের সমার্থক বা কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে।
B) Clever — এই শব্দটির অর্থ চালাক বা চতুর, যা ভদ্র বা নম্র শব্দের বিপরীতার্থক নয়।
সি) Rude — এই অপশনটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়।
D) Narrow — এই শব্দটির অর্থ সংকীর্ণ বা ছোট, যা চরিত্রের ক্ষেত্রে gentle শব্দের বিপরীত হিসেবে বসে না।
মনে রাখার টিপস:
Gentle মানুষের বিপরীত স্বভাব হলো Rude হওয়া, তাই ভদ্র শব্দের বিপরীতে রুক্ষ বা অভদ্র বোঝাতে এটি ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: A) I wish I were a king
কেন সঠিক:
- I wish যুক্ত বাক্যে অসম্ভব বা কাল্পনিক ইচ্ছা প্রকাশ করতে পাস্ট সাবজাংক্টিক মোড ব্যবহার করা হয়।
- এ ধরনের ক্ষেত্রে সাবজেক্ট সিঙ্গুলার বা প্লুরাল যাই হোক না কেন, বি ভার্বের পরিবর্তে সবসময় were বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) I wish I were a king — এটি সঠিক কারণ সাবজেক্ট যাই হোক I wish এর পর বি ভার্ব হিসেবে were বসে।
B) I wish I was a king — এটি ভুল কারণ I এর পর সাধারণ নিয়মে was বসলেও কাল্পনিক ইচ্ছার ক্ষেত্রে was ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ।
C) I wish I will be a king — এটি ভুল কারণ I wish এর পরে ভবিষ্যৎকালের কোনো সাহায্যকারী ভার্ব যেমন will বসে না।
D) I wish I am a king — এটি ভুল কারণ বর্তমান কাল নির্দেশক am বসালে কাল্পনিক ইচ্ছার সঠিক প্রকাশ ঘটে না।
মনে রাখার টিপস:
I wish এর পরে অসম্ভব ইচ্ছা প্রকাশ করতে সবসময় was না হয়ে were হয়।
সঠিক উত্তর: D) Bread is usually made from wheat.
কেন সঠিক:
- কোনো উপাদান থেকে প্রক্রিয়াজাত করে নতুন কিছু তৈরি করা হলে এবং মূল উপাদানটি চেনা না গেলে preposition হিসেবে from বসে।
- গম থেকে রুটি তৈরি করা হয় এবং রুটিতে গমের মূল রূপ থাকে না বলে made from ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Bread is usually made of wheat — উপাদান পরিবর্তনের পর মূল বস্তু চেনা গেলে made of বসে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) Bread is usually made with wheat — যন্ত্র বা কোনো সহায়ক উপকরণের ক্ষেত্রে made with বসে, তাই এটি ভুল।
C) Bread is usually made by wheat — কোনো ব্যক্তি বা কর্তার দ্বারা কাজ সম্পাদিত হলে made by বসে, যা এখানে সঠিক নয়।
D) Bread is usually made from wheat — এটি সঠিক উত্তর কারণ রূপান্তরের ক্ষেত্রে মূল উপাদান অদৃশ্য থাকে।
মনে রাখার টিপস:
রূপ পরিবর্তনের পর মূল উপাদান দেখতে না পেলে made from এবং দেখতে পেলে made of ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: A) than
কেন সঠিক:
- ইংরেজি ব্যাকরণে would rather এর পর সাধারণত than ব্যবহৃত হয়।
- এটি দুটি পছন্দের মধ্যে একটিকে প্রাধান্য দেওয়ার ক্ষেত্রে তুলনা বোঝায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) than — এটি সঠিক কারণ would rather এর সাথে তুলনামূলক শব্দ হিসেবে than বসে।
B) to — এটি ভুল কারণ would rather এর সাথে infinitive এর নিয়ম প্রযোজ্য নয়।
C) and — এটি ভুল কারণ দুটি ভিন্ন ক্রিয়ার মাঝে তুলনা করতে and বসে না।
D) on — এটি ভুল কারণ এটি এখানে কোনো অর্থপূর্ণ প্রিপজিশন হিসেবে কাজ করে না।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে would rather দেখলে চোখ বন্ধ করে than নির্বাচন করবে।
সঠিক উত্তর: B) Homophonous
কেন সঠিক:
- Homophonous শব্দটি এমন শব্দকে নির্দেশ করে যার উচ্চারণ একই কিন্তু বানান ও অর্থ আলাদা।
- প্রশ্নটিতে বলা হয়েছে Sounding the same but spelt differently, যা এই সংজ্ঞার পুরোপুরি মিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Symphonious — এর অর্থ সুরময় বা সুমধুর, যা একই উচ্চারণের ভিন্ন বানান বোঝায় না।
B) Homophonous — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য।
C) Synonyms — এর অর্থ সমার্থক শব্দ, যার অর্থ এক কিন্তু বানান ও উচ্চারণ আলাদা হতে পারে।
D) Saminyous — এটি ইংরেজি ব্যাকরণে কোনো সঠিক বা মানসম্মত শব্দ নয়।
মনে রাখার টিপস:
Homophone শব্দের 'homo' অর্থ একই এবং 'phone' অর্থ শব্দ বা আওয়াজ, অর্থাৎ একই রকম উচ্চারণ।
সঠিক উত্তর: B) Playwright
কেন সঠিক:
- এখানে 'wright' শব্দটি এসেছে প্রাচীন ইংরেজি 'wyrhta' থেকে যার অর্থ কারিগর বা নির্মাতা।
- তাই নাটক তৈয়ারকারী বা নাট্যকার অর্থে 'Playwright' বানানটি সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Playwrite — 'Write' মানে লেখা হলেও নাট্যকার বোঝাতে এই বানানটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়।
B) Playwright — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং নাট্যকার অর্থে এই বানানটিই অভিধানে স্বীকৃত।
C) Playwrighte — বানানের শেষে অতিরিক্ত 'e' যুক্ত করার কারণে এটি একটি ভুল বানান।
D) Playwritee — শেষের দিকে অতিরিক্ত বর্ণ ব্যবহার করায় এটি সম্পূর্ণ ভুল শব্দ গঠন করেছে।
মনে রাখার টিপস:
নাট্যকার বোঝাতে লেখার 'Write' শব্দ ব্যবহার না করে কারিগর অর্থে শেষের অংশ 'Wright' ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) Adverb
কেন সঠিক:
- 'very' শব্দটি এখানে 'busy' এডজেক্টিভটিকে বিশেষভাবে মডিফিকেশন বা এর মাত্রা প্রকাশ করছে।
- যে শব্দ কোনো Adjective, Adverb বা Verb-কে বিশেষায়িত করে, তাকে Adverb বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Adjective — এটি কোনো নাউন বা প্রোনাউনের দোষ, গুণ বা সংখ্যা প্রকাশ করে না, বরং ব্যস্ততা বুঝাতে সাহায্য করেছে।
B) Noun — এটি কোনো কিছুর নাম বোঝাচ্ছে না, তাই এটি নাউন হতে পারে না।
C) Adverb — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এখানে পুরোপুরি সঠিক কারণ এটি Adjective-এর মাত্রা বৃদ্ধি করেছে।
D) Interjection — এটি মনের আকস্মিক আবেগ প্রকাশ করছে না, তাই এটি ইন্টারজেকশন নয়।
মনে রাখার টিপস:
কোনো Adjective-এর ঠিক পূর্বে বসে যদি তার তীব্রতা বা মাত্রা বোঝায়, তবে সেই শব্দ সব সময় Adverb হয়।
সঠিক উত্তর: B) ৩০৮
প্রদত্ত তথ্য:
সংখ্যা দুটির গসাগু = ১১
সংখ্যা দুটির লসাগু = ৭,৭০০
একটি সংখ্যা = ২৭৫
ধরি,
অপর সংখ্যাটি = ক
আমরা জানি, দুটি সংখ্যার গুণফল = গসাগু × লসাগু
অতএব,
২৭৫ × ক = ১১ × ৭,৭০০
২৭৫ × ক = ৮৪,৭০০
সুতরাং,
ক = ৮৪,৭০০ ÷ ২৭৫
উত্তর: ৩০৮
সঠিক উত্তর: A) ৫
প্রদত্ত তথ্য:
সমীকরণটি হলো ২x² + ৩৫০ = ১২x + ৩৪০
ধরি,
সমীকরণের ডানপাশের সব রাশি বামপাশে নিয়ে আসি
২x² − ১২x + ৩৫০ − ৩৪০ = ০
অতএব,
২x² − ১২x + ১০ = ০
সমস্ত রাশিকে দুই দ্বারা ভাগ করে পাই
x² − ৬x + ৫ = ০
সুতরাং,
মিডল টার্ম বা উৎপাদকে বিশ্লেষণ করে পাই
(x − ৫)(x − ১) = ০
উত্তর: x = ৫
সঠিক উত্তর: C) সমদ্বিবাহু ত্রিভুজ
প্রদত্ত তথ্য:
ত্রিভুজের যেকোনো দুটি মধ্যমা পরস্পরের সমান দেওয়া আছে
ধরি,
ত্রিভুজটির নাম ABC এবং এর দুটি সমান মধ্যমা BE এবং CF
অতএব,
অ্যাপোলোনিয়াসের উপপাদ্য প্রয়োগ করে পাই ত্রিভুজের বাহুগুলোর সম্পর্ক
সুতরাং,
হিসাব করলে দেখা যায় ত্রিভুজটির দুটি বাহু সমান হয়
উত্তর: সমদ্বিবাহু ত্রিভুজ
সঠিক উত্তর: B) ৩৩ (১/৩)%
প্রদত্ত তথ্য:
৮ জন লোক একটি কাজ করতে পারে ১২ দিনে
ধরি,
প্রথমে লোক সংখ্যা ছিল ৮ জন
দুইজন লোক কমিয়ে দিলে বর্তমান লোক সংখ্যা = ৮ − ২ = ৬ জন
অতএব,
১ জন লোক ওই কাজ করতে সময় লাগবে = ১২ × ৮ = ৯৬ দিন
৬ জন লোক ওই কাজ করতে সময় লাগবে = ৯৬ ÷ ৬ = ১৬ দিন
সুতরাং,
দিন বেশি লাগবে = ১৬ − ১২ = ৪ দিন
উত্তর: শতকরা বেশি লাগবে = (৪ ÷ ১২) × ১০০% = ৩৩ (১/৩)%
সঠিক উত্তর: C) x² + (y − z)² = ৭
প্রদত্ত তথ্য:
বৃত্তের সাধারণ সমীকরণ হলো x এর বর্গ এবং y এর বর্গের সহগ সমান হতে হবে
বৃত্তের সমীকরণে x এবং y চলকদ্বয়ের গুণফল থাকে না
ধরি,
প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে বৃত্তের আদর্শ রূপ খতিয়ে দেখতে হবে
অতএব,
অপশন এ একটি দ্বিঘাত সমীকরণ এবং অপশন বি একটি প্যারাবোলা নির্দেশ করে
সুতরাং,
অপশন ডি একটি সরলরেখার সমীকরণ এবং অপশন সি বৃত্তের সমীকরণ নির্দেশ করে
উত্তর: C) x² + (y − z)² = ৭
সঠিক উত্তর: C) ৩/৪
প্রদত্ত তথ্য:
একটি মুদ্রা অন্তত দুই বার নিক্ষেপ করা হলো
অন্তত এক বার হেড পড়ার সম্ভাবনা নির্ণয় করতে হবে
ধরি,
মুদ্রা দুই বার নিক্ষেপ করলে মোট সম্ভাব্য ফলাফল = ৪টি
ফলাফলগুলো হলো (হেড, হেড), (হেড, টেল), (টেল, হেড), (টেল, টেল)
অতএব,
কোনো বারই হেড না পড়ার অর্থাৎ কেবল (টেল, টেল) আসার অনুকূল ফলাফল = ১টি
কোনো বারই হেড না পড়ার সম্ভাবনা = ১ ÷ ৪
সুতরাং,
অন্তত এক বার হেড পড়ার সম্ভাবনা = ১ − (১ ÷ ৪)
উত্তর: ৩ ÷ ৪
সঠিক উত্তর: D) ১০০ তম
প্রদত্ত তথ্য:
ধারাটি হলো ৫ + ৮ + ১১ + ১৪ + ....
ধারাটির শেষ পদ বা কততম পদ = ৩০২
ধরি,
ধারাটির প্রথম পদ, a = ৫
সাধারণ অন্তর, d = ৮ − ৫ = ৩
অতএব,
ধরি, ধারাটির n-তম পদ = ৩০২
আমরা জানি, n-তম পদ = a + (n − ১) × d
সুতরাং,
৫ + (n − ১) × ৩ = ৩০২
(n − ১) × ৩ = ৩০২ − ৫
উত্তর: n = ১০০ তম
সঠিক উত্তর: D) ৪২৮
প্রদত্ত তথ্য:
ধারাটির সংখ্যাগুলো হলো ৬, ১৭, ৪৯, ১৪৪ এবং পরবর্তী সংখ্যাটি বের করতে হবে।
ধরি,
প্রথম পদের সাথে পার্থক্য এবং গুণ সম্পর্ক বিবেচনা করি।
অতএব,
প্রথম পদ থেকে দ্বিতীয় পদের হিসাব: ৬ × ৩ − ১ = ১৭
দ্বিতীয় পদ থেকে তৃতীয় পদের হিসাব: ১৭ × ৩ − ২ = ৪৯
সুতরাং,
তৃতীয় পদ থেকে চতুর্থ পদের হিসাব: ৪৯ × ৩ − ৩ = ১৪৪
উত্তর: চতুর্থ পদ থেকে পঞ্চম পদের হিসাব: ১৪৪ × ৩ − ৪ = ৪২৮
সঠিক উত্তর: A) ৫/৭
প্রদত্ত তথ্য:
ভগ্নাংশের লব ও হর থেকে ১ বিয়োগ করলে ভগ্নাংশ দুই বাই তিন হয়
ভগ্নাংশের লব ও হর এর সাথে ১ যোগ করলে ভগ্নাংশ তিন বাই চার হয়
ধরি,
ভগ্নাংশটি সমান সমান ক বাই খ
প্রথম শর্তানুযায়ী, (ক − ১) ÷ (খ − ১) = ২ ÷ ৩
অতএব,
৩ক − ৩ = ২খ − ২
৩ক − ২খ = ১
এটিকে প্রথম সমীকরণ ধরা যাক
সুতরাং,
দ্বিতীয় শর্তানুযায়ী, (ক + ১) ÷ (খ + ১) = ৩ ÷ ৪
৪ক + ৪ = ৩খ + ৩
৪ক − ৩খ = −১
এটিকে দ্বিতীয় সমীকরণ ধরা যাক
উত্তর: সমাধান করে ক সমান সমান ৫ এবং খ সমান সমান ৭ পাওয়া যায়, তাই ভগ্নাংশটি ৫ বাই ৭
সঠিক উত্তর: A) ৩০°
প্রদত্ত তথ্য:
বৃত্তের কেন্দ্র O এবং A বিন্দুতে AB একটি স্পর্শক
স্পর্শবিন্দuগামী ব্যাসার্ধ এবং স্পর্শক পরস্পরের উপর লম্ব
কোণ AOB এর মান ৬০ ডিগ্রি
ধরি,
ত্রিভুজ ABO একটি সমকোণী ত্রিভুজ
যেহেতু স্পর্শক AB ব্যাসার্ধ OA এর উপর লম্ব, তাই কোণ OAB হবে ৯০ ডিগ্রি
ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি ১৮০ ডিগ্রি
অতএব,
কোণ OAB = ৯০ ডিগ্রি
কোণ AOB = ৬০ ডিগ্রি
কোণ ABO = ১৮০ ডিগ্রি − (৯০ ডিগ্রি + ৬০ ডিগ্রি)
সুতরাং,
কোণ ABO = ১৮০ ডিগ্রি − ১৫০ ডিগ্রি
উত্তর: ৩০ ডিগ্রি
সঠিক উত্তর: A) ০.১
প্রদত্ত তথ্য:
লগারিদমের সমীকরণ হলো Log১০x = − ১
ধরি,
লগারিদমের সংজ্ঞা অনুযায়ী ভিত্তি ১০ এর ওপর পাওয়ার বসবে
অতএব,
x = ১০ এর পাওয়ার − ১
সুতরাং,
x = ১ ÷ ১০
উত্তর: ০.১
সঠিক উত্তর: D) none
প্রদত্ত তথ্য:
রাশিটি হলো বন্ধনীর ভেতরে তিন গুণ রুট তিন যোগ চার এর ঘনমূল এবং তার সম্পূর্ণটার ওপর ঘাত ছয়
ধরি,
প্রথম পদটি হলো তিন গুণ রুট তিন
দ্বিতীয় পদটি হলো চার এর ঘনমূল
অতএব,
প্রথম পদকে লেখা যায় সাতাশ এর বর্গমূলের ঘনমূল
দ্বিতীয় পদটিকে লেখা যায় চার এর বর্গমূল
সুতরাং,
এই দুটি পদের যোগফলের ওপর ছয় ঘাত বসালে যে মান পাওয়া যাবে তা প্রদত্ত অপশনগুলোর সাথে মিলবে না
উত্তর: none
সঠিক উত্তর: A) ১৫
প্রদত্ত তথ্য:
মোট শটের সংখ্যা = ২১টি
মোট রান = ৯৬ রান
ধরি,
বাউন্ডারির সংখ্যা = ক
ওভার বাউন্ডারির সংখ্যা = ২১ − ক
অতএব,
বাউন্ডারি থেকে রান = ৪ × ক
ওভার বাউন্ডারি থেকে রান = ৬ × (২১ − ক)
সুতরাং,
৪ × ক + ৬ × (২১ − ক) = ৯৬
সমাধান করে পাই,
৪ক + ১২৬ − ৬ক = ৯৬
−২ক = ৯৬ − ১২৬
উত্তর: ক = ১৫
সঠিক উত্তর: B) প্রত্নতাত্ত্বিক খনন কেন্দ্র
কেন সঠিক:
- নরসিংদীর উয়ারী ও বটেশ্বর গ্রামে প্রাচীন গড়ের ধ্বংসাবশেষ এবং বহুমুখী প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন আবিষ্কৃত হয়েছে।
- এখানে নিয়মিত প্রত্নতাত্ত্বিক খননকাজের মাধ্যমে প্রায় আড়াই হাজার বছরের প্রাচীন সমৃদ্ধ সভ্যতার সন্ধান মিলেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সাহিত্য চর্চা কেন্দ্র — উয়ারী বটেশ্বর কোনো প্রাচীন সাহিত্য রচনার স্থান বা সাহিত্য চর্চার কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত নয়।
B) প্রত্নতাত্ত্বিক খনন কেন্দ্র — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি দেশের অন্যতম প্রধান প্রাচীন প্রত্নতাত্ত্বিক খননস্থল।
C) বাণিজ্য সম্পদ প্রাপ্তি — এখানে বহুমুখী প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন পাওয়া গেলেও এটি কেবল সম্পদ প্রাপ্তির স্থান হিসেবে পরিচিত নয়।
D) বাণিজ্য কেন্দ্র — এটি প্রাচীনকালে একটি বন্দর বা বাণিজ্য নগরী হলেও বর্তমান পরিচয়ে এটি একটি প্রত্নতাত্ত্বিক খনন কেন্দ্র।
মনে রাখার টিপস:
উয়ারী বটেশ্বর বললেই নরসিংদীর প্রাচীন প্রত্নতাত্ত্বিক খননকাজ ও সভ্যতার কথা মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: A) পরিবেশ আন্দোলন
কেন সঠিক:
- গ্রিনপিস হলো একটি আন্তর্জাতিক পরিবেশবাদী সংগঠন যা বিশ্বব্যাপী পরিবেশ রক্ষা ও সংরক্ষণের জন্য আন্দোলন পরিচালনা করে।
- ১৯৭১ সালে কানাডার ভ্যাঙ্কুভার শহরে পারমাণবিক পরীক্ষার বিরুদ্ধে প্রতিবাদের মাধ্যমে এই সংগঠনের সূচনা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পরিবেশ আন্দোলন — এটি সঠিক উত্তর কারণ গ্রিনপিস সরাসরি পরিবেশ সুরক্ষার সাথে যুক্ত একটি আন্তর্জাতিক আন্দোলন।
B) বনরক্ষাকারী স্লোগান — এটি কোনো স্লোগান নয়, এটি একটি বিশ্বব্যাপী সক্রিয় পরিবেশবাদী সংস্থা।
C) পরিবেশ রক্ষাকারী প্রযুক্তি — এটি কোনো প্রযুক্তি বা যন্ত্র নয়, এটি মানুষের অধিকার ও পরিবেশ রক্ষায় নিয়োজিত একটি সংস্থা।
D) সবুজ বিপ্লব — সবুজ বিপ্লব হলো কৃষি ক্ষেত্রে উচ্চ ফলনশীল বীজ ও প্রযুক্তির মাধ্যমে খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধির একটি প্রক্রিয়া।
মনে রাখার টিপস:
গ্রিনপিস মানে সবুজ শান্তি, যা মূলত পৃথিবী ও পরিবেশ রক্ষার একটি বিশ্বব্যাপী আন্দোলন।
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও আন্তর্জাতিক অর্জন
সঠিক উত্তর: B) ৩৩ তম
কেন সঠিক:
- রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের মাধ্যমে বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্বের ৩৩ তম পারমাণবিক ক্লাবের সদস্য দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
- পারমাণবিক শক্তি উৎপাদনকারী দেশগুলোর আন্তর্জাতিক সংস্থায় বাংলাদেশের এই অন্তর্ভুক্তি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে দেশের একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৩১ তম — এটি বর্তমান প্রশ্নের সঠিক ক্রম নয়, কারণ পারমাণবিক ক্লাবের সদস্য সংখ্যা গণনায় বাংলাদেশ এই অবস্থানে ছিল না।
B) ৩৩ তম — এই অপশনটি সঠিক, কারণ রূপপুর বিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রকল্প চালুর পর বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে ৩৩ তম দেশ হিসেবে স্বীকৃতি পায়।
C) ৩৪ তম — এই সংখ্যাটি পারমাণবিক ক্লাবের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সঠিক ক্রম নির্দেশ করে না।
D) ৩৫ তম — এটি পারমাণবিক ক্লাবের সদস্য পদের তালিকার সাথে মিল নয় এবং ভুল ক্রম নির্দেশ করে।
মনে রাখার টিপস:
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র চালুর মাধ্যমে বাংলাদেশ ৩৩ তম দেশ হিসেবে ক্লাবে যুক্ত হয়; ৩৩ সংখ্যাটি মনে রাখলেই উত্তর নিশ্চিত করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: A) দুর্ঘটনা জনিত কারণে আহতদের চিকিৎসার্থে মহাসড়কের পার্শ্বে নির্মিত চিকিৎসা কেন্দ্র
কেন সঠিক:
- ট্রমা সেন্টার হলো এমন একটি বিশেষায়িত চিকিৎসাকেন্দ্র যা সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত রোগীদের তাৎক্ষণিক ও জরুরি জীবনরক্ষাকারী চিকিৎসা সেবা প্রদানের জন্য মহাসড়কের পাশে স্থাপন করা হয়।
- এখানে অস্ত্রোপচার এবং জরুরি ট্রমা কেয়ারের প্রয়োজনীয় সব আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক নিয়োজিত থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দুর্ঘটনা জনিত কারণে আহতদের চিকিৎসার্থে মহাসড়কের পার্শ্বে নির্মিত চিকিৎসা কেন্দ্র — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ ট্রমা সেন্টারের মূল উদ্দেশ্য মহাসড়কের দুর্ঘটনার শিকার ব্যক্তিদের দ্রুত চিকিৎসা দেওয়া।
B) খেলাধুলার উন্নয়নকল্পে নির্মিত প্রশিক্ষণ কেন্দ্র — এটি খেলাধুলার সঙ্গে সম্পর্কিত হলেও ট্রমা সেন্টার কোনো খেলাধুলার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নয়।
C) শিশুদের জন্য নির্মিত আনন্দভুবন কেন্দ্র — এটি বিনোদন বা শিশু পার্ক সম্পর্কিত, যা জরুরি চিকিৎসা সেবার সঙ্গে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়।
D) বৃদ্ধনারীদের জন্য আশ্রয়কেন্দ্র — এটি প্রবীণ বা বয়স্ক পুনর্বাসন কেন্দ্র বা ওল্ড হোম নির্দেশ করে, যা চিকিৎসা কেন্দ্রের সংজ্ঞার আওতাভুক্ত নয়।
মনে রাখার টিপস:
ট্রমা শব্দের অর্থ আঘাত বা দুর্ঘটনা, তাই ট্রমা সেন্টার মানেই মহাসড়কের পাশে দুর্ঘটনা আহতদের জরুরি চিকিৎসালয়।
বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: A) ৯ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৩
কেন সঠিক:
- ইসরাইল ও প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশন (PLO) পারস্পরিক স্বীকৃতি দলিলে স্বাক্ষর করে ১৯৯৩ সালের ৯ সেপ্টেম্বর।
- এই ঐতিহাসিক চিঠিপত্র বিনিময়ের মাধ্যমে পিএলও ইসরাইলের অস্তিত্বের অধিকার স্বীকার করে এবং ইসরাইল পিএলওকে ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৯ সেপ্টেম্বর, ৯৩ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এই দিনেই ইসরাইল ও পিএলও পারস্পরিক স্বীকৃতির ঐতিহাসিক দলিলে স্বাক্ষর করেছিল।
B) ১১ সেপ্টেম্বর, ৯৪ — এই সালের সঙ্গে আলোচ্য ইসরাইল ও প্যালেস্টাইনের পারস্পরিক স্বীকৃতি চুক্তির কোনো ঐতিহাসিক সংশ্লিষ্টতা নেই।
C) ১২ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৫ — এই তারিখে অসলো চুক্তি বা অন্যান্য শান্তি প্রক্রিয়া সম্পর্কিত হলেও পারস্পরিক স্বীকৃতি চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখ এটি নয়।
D) ১৩ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬ — এই সালের কোনো নির্দিষ্ট ঐতিহাসিক ঘটনার সঙ্গে ইসরাইল ও প্যালেস্টাইনের পারস্পরিক স্বীকৃতির এই দলিল স্বাক্ষরের মিল নেই।
মনে রাখার টিপস:
ইসরাইল ও প্যালেস্টাইনের পারস্পরিক স্বীকৃতি চুক্তির সালটি মনে রাখতে সংখ্যাটি মনে রাখুন ১৯৯৩ এবং মাসটি সেপ্টেম্বর।
সঠিক উত্তর: B) ৪ নং
কেন সঠিক:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৪ অনুচ্ছেদে জাতীয় সংগীত, জাতীয় পতাকা ও জাতীয় প্রতীকের বিষয়ে উল্লেখ করা হয়েছে।
- এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের "আমার সোনার বাংলা" গানটির প্রথম দশ চরণ বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৩ নং — এই অনুচ্ছেদে প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা বলে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
B) ৪ নং — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানেই জাতীয় সংগীতের সাংবিধানিক স্বীকৃতি রয়েছে।
C) ৫ নং — এই অনুচ্ছেদে প্রজাতন্ত্রের রাজধানী ঢাকার বিষয়ে বিধান রাখা হয়েছে।
D) ৬ নং — এই অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু হলো বাংলাদেশের নাগরিকত্ব।
মনে রাখার টিপস:
সংবিধানের ৩ নম্বরে ভাষা, চারে সংগীত ও পতাকা, পাঁচে রাজধানী এবং ছয়ে নাগরিকত্বের কথা বলা হয়েছে।
সঠিক উত্তর: A) ৬ দফা
কেন সঠিক:
- ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঐতিহাসিক ছয় দফা পেশ করেন যা বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলনকে তীব্র করে তোলে।
- এই দাবির মাধ্যমে পূর্ব পাকিস্তানের পূর্ণ স্বায়ত্তশাসন ও অর্থনৈতিক মুক্তির পথ উন্মুক্ত হয় বলে একে 'বাংলার মুক্তিসনদ' বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৬ দফা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সনদের মাধ্যমে বাঙালি জাতির মুক্তির পথ সুগম হয়েছিল।
B) লাহোর প্রস্তাব — এটি ১৯৪০ সালের মুসলিম লীগের ঐতিহাসিক প্রস্তাব যা পাকিস্তান সৃষ্টির সঙ্গে সম্পর্কিত, বাংলার মুক্তি সনদ নয়।
C) লাহোর প্রস্তাব — এটি একই অপশনের পুনরাবৃত্তি এবং প্রশ্নের প্রেক্ষাপটে সঠিক নয়।
D) কোনটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশন এ তে বিদ্যমান, তাই এটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
মুক্তির জন্য দরকার দফা, তাই 'বাংলার মুক্তিসনদ' বললেই ১৯৬৬ সালের ছয় দফার কথা মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) নার্গিস মোহাম্মদী
কেন সঠিক:
- ২০২৩ সালে ইরানি মানবাধিকারকর্মী নার্গিস মোহাম্মদীকে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- ইরানে নারীদের নিপীড়নের বিরুদ্ধে লড়াই এবং সকলের মানবাধিকার ও স্বাধীনতার প্রচারের জন্য তাকে এই সম্মাননা দেওয়া হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) খামা আমিনি — খামা আমিনি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয় কারণ তিনি আফগান সাংবাদিক এবং ভিন্ন ব্যক্তি।
B) ইয়ন ফসে — ইয়ন ফসে ২০২৩ সালে শান্তিতে নয়, বরং সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
C) নার্গিস মোহাম্মদী — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো ভিন্নতা নেই।
D) শিরিন এবাদি — শিরিন এবাদি ২০০৩ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেছিলেন, ২০২৩ সালে নন।
মনে রাখার টিপস:
শান্তিতে নোবেল মানেই সাহসিকতা, মনে রাখুন ইরানি নারী নার্গিস মোহাম্মদী ২০২৩ সালে শান্তির প্রতীক হয়েছিলেন।
সঠিক উত্তর: D) দ্য স্পিচ
কেন সঠিক:
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের উপর ভিত্তি করে নির্মিত প্রামাণ্যচিত্র বা চলচ্চিত্রের নাম দ্য স্পিচ।
- আন্তর্জাতিকভাবে এই ভাষণ ও তার পটভূমি তুলে ধরার জন্য এটি নির্মিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভয়েস অব লিবার্টি — এটি ৭ মার্চের ভাষণের উপর নির্মিত কোনো চলচ্চিত্রের নাম নয়।
B) ওরা ১১ জন — এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধভিত্তিক প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র, ৭ মার্চের ভাষণের চলচ্চিত্র নয়।
C) স্টপ জেনোসাইড — এটি ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ওপর জহির রায়হান নির্মিত একটি বিখ্যাত প্রামাণ্যচিত্র।
D) দ্য স্পিচ — এটি ৭ মার্চের ভাষণের উপর ভিত্তি করে নির্মিত চলচ্চিত্র হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ একটি ঐতিহাসিক বক্তৃতা বা স্পিচ, তাই এর উপর নির্মিত চলচ্চিত্রের নাম দ্য স্পিচ।
সঠিক উত্তর: B) ব্রাজিল
কেন সঠিক:
- ২০২৫ সালে অনুষ্ঠেয় বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলন বা কফ-৩০ (COP-30) ব্রাজিলের পারা রাজ্যের বেলেন শহরে অনুষ্ঠিত হওয়ার নির্ধারিত তারিখ রয়েছে।
- এটি আমাজন অববাহিকায় অবস্থিত হওয়ায় জলবায়ু পরিবর্তন ও বন সংরক্ষণের প্রেক্ষাপটে সম্মেলনটির বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) স্পেইন — ২০২১ সালে অনুষ্ঠিত কফ-২৫ সম্মেলন মাদ্রিদে অনুষ্ঠিত হলেও এটি ২০২৫ সালের আয়োজক দেশ নয়।
B) ব্রাজিল — এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত এবং এটি ২০২৫ সালের কফ-৩০ সম্মেলনের আয়োজক দেশ।
C) ইতালি — ইতালি ২০২১ সালে অনুষ্ঠিত কফ-২৬ সম্মেলনের প্রাক-আয়োজন ও যুব জলবায়ু সম্মেলনের সঙ্গে যুক্ত ছিল, তবে এটি ২০২৫ সালের আয়োজক নয়।
D) মিশর — মিশর ২০২২ সালে শার্ম আল-শেখ শহরে অনুষ্ঠিত কফ-২৭ সম্মেলনের আয়োজক দেশ ছিল।
মনে রাখার টিপস:
ব্রাজিলের আমাজন বন জলবায়ুর জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ, তাই জলবায়ু সম্মেলন কপ-থার্টি ব্রাজিলে হচ্ছে।
সঠিক উত্তর: D) নীলফামারী
কেন সঠিক:
- এটি দেশের প্রথম ও একমাত্র কৃষিভিত্তিক বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল বা ইপিজেড, যা উত্তরবঙ্গের উত্তরাঞ্চলীয় জেলা নীলফামারীর সৈয়দপুরে অবস্থিত।
- কৃষি পণ্যের প্রক্রিয়াজাতকরণ ও রপ্তানি বৃদ্ধির মাধ্যমে কৃষকদের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে এটি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঢাকা — এটি বাংলাদেশের রাজধানী ও প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র হলেও এখানে কোনো কৃষিভিত্তিক ইপিজেড নেই।
B) চট্টগ্রাম — এটি দেশের প্রধান সমুদ্র বন্দর ও ঐতিহ্যবাহী শিল্পাঞ্চল হলেও এখানে সাধারণ ও ভারী শিল্পের ইপিজেড রয়েছে, কৃষিভিত্তিক নয়।
C) বরিশাল — এটি দক্ষিণাঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ নদী বন্দর ও কৃষিপ্রধান অঞ্চল হলেও এখানে কোনো কৃষিভিত্তিক ইপিজেড স্থাপন করা হয়নি।
D) নীলফামারী — এই অপশনটি সঠিক কারণ দেশের একমাত্র কৃষিভিত্তিক ইপিজেডটি নীলফামারী জেলার সৈয়দপুরেই অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
কৃষি মানেই মাটি আর গাছপালা, আর উত্তরবঙ্গের নীলফামারীতেই দেশের একমাত্র কৃষিভিত্তিক ইপিজেড গড়ে উঠেছে।
সঠিক উত্তর: A) সাংহাই
কেন সঠিক:
- BRICS জোটের আর্থিক শাখা নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের সদর দপ্তর চীনের সাংহাই শহরে অবস্থিত।
- এই ব্যাংকটি সদস্য দেশগুলোতে অবকাঠামো ও টেকসই উন্নয়ন প্রকল্পে অর্থায়ন করে থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সাংহাই — সঠিক উত্তর কারণ এটি নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের অবস্থান।
B) কাঠমান্ডু — এটি সার্কের সদর দপ্তর, যা দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতার জন্য গঠিত।
C) জেনেভা — এটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার মতো বহু আন্তর্জাতিক সংস্থার সদর দপ্তর।
D) ঢাকা — এটি বিমসটেক সচিবালয়ের সদর দপ্তর, যা বঙ্গোপসাগরভিত্তিক আঞ্চলিক জোট।
মনে রাখার টিপস:
ব্রিকস ব্যাংকের টাকা রাখার বাক্সটি চীনের সাংহাই শহরে রাখা হয়েছে।
সঠিক উত্তর: D) জেনেভা, সুইজারল্যান্ড
কেন সঠিক:
- আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা বা আইওএম এর প্রধান কার্যালয় সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে অবস্থিত।
- এটি অভিবাসীদের কল্যাণ ও সুশৃঙ্খল অভিবাসন নিশ্চিত করতে বিশ্বব্যাপী কাজ করে থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাসেল, সুইজারল্যান্ড — এটি সুইজারল্যান্ডের একটি শহর হলেও এখানে আইওএম এর সদর দপ্তর নেই, এটি ব্যাংক ফর ইন্টারন্যাশনাল সেটেলমেন্টস এর জন্য পরিচিত।
B) ব্রাসেলস, বেলজিয়াম — এটি বেলজিয়ামের রাজধানী এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ন্যাটো এর সদর দপ্তর, আইওএম এর নয়।
C) ব্রাসিলিয়া, ব্রাজিল — এটি ব্রাজিলের রাজধানী শহর, আন্তর্জাতিক কোনো প্রধান সংস্থার সদর দপ্তর এখানে অবস্থিত নয়।
D) জেনেভা, সুইজারল্যান্ড — এটি সঠিক উত্তর কারণ আইওএম এর মূল কার্যালয় এখানেই অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
আইওএম (IOM) এর সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত, যা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাসহ অনেক আন্তর্জাতিক সংস্থারও প্রধান কেন্দ্র।
সঠিক উত্তর: C) ৭ এপ্রিল ১৯৭৩
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন ৭ এপ্রিল ১৯৭৩ সালে শুরু হয়েছিল।
- ১৯৭২ সালের সংবিধানের বিধান অনুযায়ী প্রথম সাধারণ নির্বাচনের পর এই অধিবেশন আহ্বান করা হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৭ এপ্রিল ১৯৭২ — এই সময়ে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর সংবিধান প্রণয়নের কাজ চলছিল, সংসদ গঠিত হয়নি।
B) ১০ এপ্রিল ১৯৭২ — এটি গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন শুরুর তারিখ, জাতীয় সংসদের নয়।
C) ৭ এপ্রিল ১৯৭৩ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) ১০ এপ্রিল ১৯৭৩ — এই তারিখে প্রথম সংসদ অধিবেশন শুরু হয়নি, সঠিক তারিখ ৭ এপ্রিল।
মনে রাখার টিপস:
স্বাধীনতার পর প্রথম সংসদ নির্বাচন হয় ৭ মার্চ ১৯৭৩ এবং তার ঠিক এক মাস পর ৭ এপ্রিল ১৯৭৩ প্রথম অধিবেশন শুরু হয়।
সঠিক উত্তর: B) নেপাল ও ভুটান
কেন সঠিক:
- BIMSTEC সংস্থার প্রতিষ্ঠার পর ২০০৪ সালে ব্যাংকক শীর্ষ সম্মেলনে নেপাল ও ভুটান একসঙ্গে পূর্ণ সদস্যপদ লাভ করে।
- এই দুটি দেশই সংস্থার সর্বশেষ বা নবতম যুক্ত হওয়া সদস্য রাষ্ট্র।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নেপাল ও পাকিস্তান — পাকিস্তান BIMSTEC এর সদস্য নয়, এটি সার্কের সদস্য।
B) নেপাল ও ভুটান — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এরা সংস্থার সর্বশেষ সদস্য।
C) নেপাল ও থাইল্যান্ড — থাইল্যান্ড প্রতিষ্ঠাতা সদস্য, তাই এটি সর্বশেষ সদস্য নয়।
D) নেপাল ও শ্রীলংকা — শ্রীলংকা প্রতিষ্ঠাতা সদস্য, তাই এটি এই প্রশ্নের সঠিক জোড়া নয়।
মনে রাখার টিপস:
বিমস্টেকের সর্বশেষ দুই সদস্য হলো হিমালয় অঞ্চলের দুই প্রতিবেশী দেশ নেপাল ও ভুটান।
সঠিক উত্তর: C) সুবর্ণজয়ন্তী
কেন সঠিক:
- কোনো ঘটনা বা প্রতিষ্ঠানের পঞ্চাশ বছর পূর্তি উদযাপনকে সুবর্ণজয়ন্তী বলা হয়।
- এটি মূলত লাতিন শব্দ গোল্ডেন জুবিলি এর বাংলা রূপ, যা একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক নির্দেশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হীরকজয়ন্তী — এটি কোনো ঘটনার ষাট বছর পূর্ণ হওয়াকে বোঝায়, পঞ্চাশ বছর নয়।
B) রজতজয়ন্তী — এটি কোনো ঘটনার পঁচিশ বছর বা প্রথমার্ধ পূর্ণ হওয়াকে বোঝায়।
C) সুবর্ণজয়ন্তী — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ এটি পঞ্চাশ বছর পূর্ণ হওয়াকে নির্দেশ করে।
D) শতাব্দী — এটি একশো বছর পূর্ণ হওয়াকে বোঝায়, যা পঞ্চাশ বছরের দ্বিগুণ।
মনে রাখার টিপস:
পঁচিশ বছর রজত, পঞ্চাশ বছর সুবর্ণ এবং ষাট বছর হীরকজয়ন্তী হিসেবে পালিত হয়।
সঠিক উত্তর: D) ১৭
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের সংবিধানে এখন পর্যন্ত মোট ১৭টি সংশোধনী আনা হয়েছে।
- সর্বশেষ ১৭তম সংশোধনী পাস হয় ২০১৮ সালে, যা সংরক্ষিত নারী আসন সংক্রান্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৪ — এই সংখ্যাটি বর্তমান মোট সংশোধনীর সংখ্যার চেয়ে কম, তাই এটি সঠিক নয়।
B) ১৫ — পঞ্চদশ সংশোধনী ২০১১ সালে পাস হলেও এটি শেষ সংশোধনী নয়।
C) ১৬ — ষোড়শ সংশোধনী ২০১৪ সালে পাস হয়েছিল, যা সর্বোচ্চ আদালতের বিচারকদের অপসারণ সংক্রান্ত।
D) ১৭ — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলাদেশের সংবিধানের সর্বশেষ সংশোধনী হলো সপ্তদশ সংশোধনী।
মনে রাখার টিপস:
সংবিধানের সর্বশেষ সংশোধনী মনে রাখতে মনে রাখুন সংবিধানে এখন পর্যন্ত মোট ১৭টি হাত বা কাটা-ছেঁড়া (সংশোধনী) পড়েছে।
সঠিক উত্তর: B) চীন
কেন সঠিক:
- দ্রুত শিল্পায়ন, অতিরিক্ত কয়লার ব্যবহার এবং ব্যাপক উৎপাদন কার্যক্রমের কারণে চীন বর্তমানে বিশ্বের সর্বাধিক কার্বন নিঃসরণকারী দেশ।
- বৈশ্বিক মোট কার্বন ডাইঅক্সাইড নিঃসরণের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ একা চীন থেকেই নির্গত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) যুক্তরাষ্ট্র — যুক্তরাষ্ট্র ঐতিহাসিক ও বর্তমান মোট পরিমাণের দিক থেকে দ্বিতীয় বৃহত্তম কার্বন নিঃসরণকারী দেশ।
B) চীন — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বর্তমানে বিশ্বের শীর্ষ কার্বন নিঃসরণকারী দেশ।
C) ভারত — ভারত বর্তমানে তৃতীয় বৃহত্তম কার্বন নিঃসরণকারী দেশ হিসেবে তালিকার শীর্ষে রয়েছে।
D) জাপান — উন্নত দেশ হলেও কার্বন নিঃসরণের দিক থেকে জাপান চীন বা যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় অনেক পেছনে রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
বিশ্বে পণ্য উৎপাদনে শীর্ষে থাকার কারণে কার্বন নিঃসরণেও চীন সবার শীর্ষে অবস্থান করছে।
সঠিক উত্তর: B) ১৬১০
কেন সঠিক:
- সম্রাট জাহাঙ্গীরের রাজত্বকালে সুবাদার ইসলাম খান চিশতী ১৬১০ সালে বাংলার রাজধানী রাজমহল থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করেন।
- ঢাকায় আসার পর সুবাদার ইসলাম খান এর নাম পরিবর্তন করে তৎকালীন মুঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের নামানুসারে জাহাঙ্গীরনগর রাখেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৬০৮ — এই সালে ইসলাম খান সুবাদার হিসেবে বাংলা লাভ করেন এবং বাংলার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেন, তবে তখন রাজধানী স্থানান্তরিত হয়নি।
B) ১৬১০ — এটিই সঠিক উত্তর কারণ এই সালে আনুষ্ঠানিকভাবে ঢাকাকে বাংলার রাজধানী ঘোষণা করা হয়।
C) ১৬০৯ — এই সালে ইসলাম খান নদীপথে যাত্রা শেষে বাংলায় পৌঁছান এবং প্রশাসনিক কার্যক্রম গোছাতে শুরু করেন, যা রাজধানীর স্থানান্তরের বছর নয়।
D) ১৬১২ — এই সালে কামরূপ জয় এবং বারো ভুঁইয়াদের পুরোপুরি দমন সম্পন্ন হয়, যা রাজধানী স্থানান্তরের পরের ঘটনা।
মনে রাখার টিপস:
১৬০৮ সালে ইসলাম খান ঢাকায় আসেন এবং ঠিক দুই বছর পর ১৬১০ সালে ঢাকাকে বাংলার রাজধানী বানান।
সঠিক উত্তর: B) ১/৬
১. কেন সঠিক:
- প্রতিধ্বনি শোনার জন্য শব্দকে উৎস থেকে প্রতিফলকে গিয়ে আবার উৎসে ফিরে আসতে হয়, অর্থাৎ শব্দকে মোট কুয়ার গভীরতার দ্বিগুণ পথ অতিক্রম করতে হয়।
- এখানে শব্দের গতিবেগ এবং মোট অতিক্রান্ত দূরত্ব জানা থাকায় সময় বের করার জন্য গতিবেগের সাধারণ সূত্র ব্যবহার করা হয়েছে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: কোনো উৎস থেকে উৎপন্ন শব্দ কোনো কঠিন মাধ্যমে বাধা পেয়ে আবার উৎসে ফিরে আসাকে প্রতিধ্বনি বলে। মানুষের কানে শব্দের রেশ স্থায়ী হয় ০.১ সেকেন্ড।
- সূত্র ও হিসাব: অতিক্রান্ত দূরত্ব স = ২ × গভীরতা। এখানে গভীরতা = ২৭.৫ মিটার, তাই স = ২ × ২৭.৫ = ৫৫ মিটার। শব্দের বেগ v = ৩৩০ মিটার প্রতি সেকেন্ড। সময় t = স ÷ v = ৫৫ ÷ ৩৩০ = ১ ÷ ৬ সেকেন্ড।
- বাস্তব প্রয়োগ: কুয়া, পাহাড় বা বড় দালানের সামনে দাঁড়িয়ে শব্দ করলে প্রতিধ্বনি শোনা যায়, যা সোনার প্রযুক্তি এবং আল্ট্রাসনোগ্রাফিতে কাজে লাগে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পাহাড়ের সামনে দাঁড়িয়ে চিৎকার করলে কিছুক্ষণ পর সেই শব্দ আবার ফিরে আসে।
ব্যাখ্যা: শব্দ পাহাড়ের গায়ে বাধা পেয়ে ফিরে আসায় প্রতিধ্বনির সৃষ্টি হয়।
উদাহরণ ২: বড় ও ফাঁকা ঘরে কথা বললে শব্দ ঘুরে আসে।
ব্যাখ্যা: দেয়ালের প্রতিফলনের কারণে শব্দ প্রতিধ্বনিত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১/৩ — এটি ভুল কারণ দূরত্বকে শুধু একবার ধরে হিসাব করা হয়েছে অথবা দ্বিগুণ করার পরও ভুল হিসাব করা হয়েছে।
B) ১/৬ — এটি সঠিক হিসাব অনুযায়ী প্রাপ্ত সময়, যা কুয়ার গভীরতা ও শব্দের বেগ থেকে নির্ণীত হয়েছে।
C) ২/৩ — এটি ভুল কারণ লব ও হরের ভুল হিসাবের ফলে এই মান এসেছে যা সঠিক দূরত্বের গাণিতিক নিয়মের সাথে মেলে না।
D) ১/২ — এটি ভুল কারণ প্রতিধ্বনির জন্য দ্বিগুণ দূরত্ব অতিক্রমের বিষয়টি বিবেচনা না করে সরাসরি ভাগ করলে এই মান আসে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- প্রতিধ্বনির অংক করার সময় সবসময় দূরত্বকে দুই দিয়ে গুণ করতে হবে কারণ শব্দ যায় এবং আসে।
- সময় বের করতে মোট দূরত্বকে শব্দের বেগ দিয়ে ভাগ করতে হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিধ্বনি শোনার জন্য উৎস ও প্রতিফলকের ন্যূনতম দূরত্ব ১৭ মিটার বা প্রায় ১৬.৬ মিটার হওয়া প্রয়োজন।
- এই সূত্র ব্যবহার করে কুয়ার গভীরতা বা পাহাড়ের দূরত্ব নির্ণয়ের গাণিতিক সমস্যা প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
সঠিক উত্তর: A) তড়িৎ শক্তি
১. কেন সঠিক:
টেলিফোনে আমরা যখন কথা বলি, তখন আমাদের কণ্ঠস্বরের শব্দ তরঙ্গ প্রথমে মাইক্রোফোনের মাধ্যমে বৈদ্যুতিক সংকেতে রূপান্তরিত হয়। এই বৈদ্যুতিক সংকেত বা তড়িৎ শক্তি টেলিফোন লাইনের তারের মধ্য দিয়ে অপর প্রান্তে পৌঁছে এবং রিসিভারে গিয়ে আবার শব্দ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: শক্তি এক রূপ থেকে অন্য রূপে রূপান্তরিত হতে পারে এবং টেলিফোন যোগাযোগ ব্যবস্থায় শক্তি রূপান্তরের এই নীতি কাজ করে।
কার্যপ্রণালি: গ্রাহক যখন কথা বলেন, তখন শব্দ শক্তি টেলিফোনের ট্রান্সমিটারে তড়িৎ শক্তিতে পরিণত হয় এবং লাইনের ভেতর দিয়ে প্রবাহিত হয়।
বাস্তব প্রয়োগ: ল্যান্ডফোন বা তারযুক্ত টেলিফোন নেটওয়ার্কে এই তড়িৎ সংকেত ব্যবহারের মাধ্যমে দূরদূরান্তে দ্রুত যোগাযোগ রক্ষা করা সম্ভব হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মুখে কথা বলা এবং তা মাইক্রোফোনে রূপান্তর।
ব্যাখ্যা: মুখের শব্দ প্রথমে ট্রান্সমিটারে বৈদ্যুতিক তরঙ্গে বা তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
উদাহরণ ২: প্রেরক থেকে গ্রাহক যন্ত্রে বার্তা পৌঁছানো।
ব্যাখ্যা: তারের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত তড়িৎ শক্তি অপর প্রান্তের রিসিভারে পৌঁছে পুনরায় স্পষ্ট শব্দে রূপান্তরিত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তড়িৎ শক্তি — এটি সঠিক কারণ টেলিফোন লাইনের মধ্য দিয়ে তথ্য বা বার্তা বৈদ্যুতিক সংকেত বা তড়িৎ শক্তি হিসেবে প্রবাহিত হয়।
B) শব্দ শক্তি — এটি ভুল কারণ টেলিফোন লাইনের দীর্ঘ দূরত্বের ভেতর দিয়ে সরাসরি শব্দ শক্তি ভ্রমণ করতে পারে না, কেবল শব্দ তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়ে প্রবাহিত হয়।
C) আলোক শক্তি — এটি ভুল কারণ আলোক শক্তি সাধারণত অপটিক্যাল ফাইবার বা ফাইবারের মাধ্যমে ডেটা প্রেরণে ব্যবহৃত হয়, সাধারণ তামা বা মেটালিক টেলিফোন লাইনে নয়।
D) চৌম্বক শক্তি — এটি ভুল কারণ চৌম্বক শক্তি স্পিকার বা রিসিভারের ভেতরে সংকেত পরিবর্তনে সাহায্য করলেও টেলিফোন লাইনের মধ্য দিয়ে মূল বার্তা প্রবাহিত হয় তড়িৎ শক্তির মাধ্যমে।
৫. মনে রাখার টিপস:
টেলিফোন মানেই তার এবং তারের ভেতর দিয়ে প্রবাহিত হয় বিদ্যুৎ বা তড়িৎ শক্তি। মুখের কথা প্রথমে বিদ্যুৎ বা তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তরিত হয় এবং তার বেয়ে গন্তব্যে পৌঁছায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
টেলিফোনের ট্রান্সমিটার শব্দ শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে এবং রিসিভার তড়িৎ শক্তিকে শব্দ শক্তিতে রূপান্তর করে। এই ধরনের প্রশ্ন শক্তির রূপান্তর অধ্যায়ের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: A) টাংস্টেন
১. কেন সঠিক:
- টাংস্টেন সমস্ত ধাতুর মধ্যে সর্বোচ্চ গলনাংক বিশিষ্ট মৌল যার মান প্রায় তিন হাজার চারশো ডিগ্রি সেলসিয়াস।
- এর পরমাণুর ভেতরের শক্তিশালী ধাতব বন্ধন এবং কঠিন স্ফটিক গঠন একে সহজে গলতে দেয় না।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: ধাতু ও অধাতু, যেখানে ধাতব স্ফটিকের পরমাণুগুলোর মধ্যকার আকর্ষণ বল গলনাংক নির্ধারণ করে।
- কার্যপ্রণালি: তীব্র তাপ প্রয়োগ করলেও এর পরমাণুগুলোর মধ্যকার দৃঢ় বন্ধন সহজে ভাঙতে চায় না।
- বাস্তব প্রয়োগ: উচ্চ তাপ সহ্য করার ক্ষমতা থাকার কারণে এটি বৈদ্যুতিক বাল্বের ফিলামেন্ট তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বৈদ্যুতিক বাল্বের ফিলামেন্ট
ব্যাখ্যা: বাল্ব জ্বলার সময় ফিলামেন্ট অত্যন্ত উত্তপ্ত হলেও গলে যায় না কারণ এর উপাদানটি টাংস্টেন।
উদাহরণ ২: ওয়েল্ডিং বা ঝালাইয়ের কাজ
ব্যাখ্যা: উচ্চ তাপমাত্রার আর্ক ওয়েল্ডিং ইলেকট্রোড তৈরিতে এই ধাতু ব্যবহার করা হয় যাতে তা কাজের সময় গলে না যায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) টাংস্টেন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর গলনাংক সকল ধাতুর মধ্যে সর্বাধিক।
B) প্ল্যাটিনাম — এর গলনাংক উচ্চ হলেও টাংস্টেনের তুলনায় বেশ কম, প্রায় এক হাজার সাতশো ষাট ডিগ্রি সেলসিয়াস।
C) জারকানিয়াম — এটি একটি অবস্থান্তর ধাতু যার গলনাংক টাংস্টেনের চেয়ে অনেক কম, প্রায় এক হাজার আটশো ডিগ্রি সেলসিয়াস।
D) টাইটানিয়াম — এটি হালকা ও শক্তিশালী ধাতু হলেও এর গলনাংক প্রায় এক হাজার ছয়শো সত্তর ডিগ্রি সেলসিয়াস।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বাল্বে জ্বলে আলো, টাংস্টেন ধাতুর গলনাংক সবচেয়ে ভালো।
- উচ্চ তাপমাত্রার কাজে এই ধাতুর ব্যবহার মনে রাখলে গলনাংক সংক্রান্ত প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধাতু ও অধাতুর গলনাংক সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
- টাংস্টেনের প্রতীক ডব্লিউ এবং এর পারমাণবিক সংখ্যা চুাত্তর, এটিও জেনে রাখা ভালো।
সঠিক উত্তর: B) ইস্পাত
১. কেন সঠিক:
- ইস্পাত লোহা ও কার্বনের সংকর ধাতু হওয়ায় এতে চুম্বকত্ব সহজে স্থায়ী হয়।
- কাঁচা লোহা দিয়ে অস্থায়ী চুম্বক এবং ইস্পাত দিয়ে স্থায়ী চুম্বক তৈরি করা যায়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: চৌম্বক পদার্থ হলো সেইসব পদার্থ যা চুম্বকে পরিণত হতে পারে এবং চুম্বক দ্বারা আকৃষ্ট হয়।
- কার্যপ্রণালি: ইস্পাতে কার্বনের উপস্থিতি এর পরমাণুর ডোমেইনগুলোকে স্থায়ীভাবে একমুখী করতে সাহায্য করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: লাউডস্পিকারের স্থায়ী চুম্বক
ব্যাখ্যা: স্পিকারের শব্দ তৈরির জন্য ইস্পাত বা অ্যালনিকো দিয়ে তৈরি স্থায়ী চুম্বক ব্যবহার করা হয়।
উদাহরণ ২: কম্পাসের সুঁচ
ব্যাখ্যা: দিক নির্ণয় করার জন্য কম্পাসের সুঁচ ইস্পাত দিয়ে তৈরি করা হয় যাতে তা দীর্ঘস্থায়ী চৌম্বকত্ব বজায় রাখে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তামা — এটি একটি অচৌম্বক পদার্থ এবং এটি চুম্বক দ্বারা আকর্ষিত হয় না বা চুম্বকে পরিণত করা যায় না।
B) ইস্পাত — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি চৌম্বক পদার্থ এবং এতে স্থায়ী চুম্বকত্ব সৃষ্টি করা সম্ভব।
C) পিতল — এটি তামা ও দস্তার সংকর ধাতু হলেও এটি অচৌম্বক পদার্থ এবং চুম্বকে পরিণত হয় না।
D) সোনা — এটি একটি বহুমূল্য ও diamagnetic বা অচৌম্বক ধাতু যা চুম্বকের প্রতি কোনো আকর্ষণ দেখায় না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- কাঁচালোহা সাময়িক চুম্বক বানায় আর ইস্পাত স্থায়ী চুম্বক তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
- তামা, পিতল ও সোনা হলো অচৌম্বক পদার্থ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- চৌম্বক পদার্থ প্রধানত লোহা, নিকেল, কোবাল্ট ও ইস্পাত।
- এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: B) এক্স রশ্মি
১. কেন সঠিক:
- এক্স রশ্মি উচ্চ ভেদন ক্ষমতাসম্পন্ন এক প্রকার তড়িৎ চৌম্বকীয় বিকিরণ যা সহজেই মানুষের মাংসপেশি ভেদ করতে পারে কিন্তু হাড় বা ধাতব বস্তুর ঘনত্ব বেশি হওয়ায় তা ভেদ করতে পারে না।
- এই বিশেষ ধর্মের কারণে গোয়েন্দা বিভাগে লাগেজ স্ক্যানিং এবং মানুষের শরীরের ভেতরে লুকিয়ে রাখা অবৈধ বা বিপজ্জনক বস্তু শনাক্ত করার জন্য এক্স রশ্মি ব্যবহার করা হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: এক্স রশ্মি হলো অতি স্বল্প তরঙ্গদৈর্ঘ্যের তড়িৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গ যার শক্তি দৃশ্যমান আলোর চেয়ে অনেক বেশি এবং এটি পদার্থের ভেতর দিয়ে সহজেই পার হয়ে যেতে পারে।
- কার্যপ্রণালি: বিমানবন্দরের নিরাপত্তা তল্লাশি বা গোয়েন্দা চেকিংয়ের সময় স্ক্যানারের মধ্য দিয়ে এক্স রশ্মি প্রবাহিত করা হয় এবং ঘনত্বের তারতম্যের ওপর ভিত্তি করে পর্দার ওপর চিত্র গঠিত হয়।
- বাস্তব প্রয়োগ: বিমানবন্দর ও কাস্টমস অফিসে যাত্রীদের লাগেজ বা পার্সেল পরীক্ষা করতে এবং কোনো অস্ত্র বা বিস্ফোরক লুকিয়ে রাখা হয়েছে কি না তা শনাক্ত করতে এক্স রশ্মি স্কাইউইপ ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিমানবন্দর বা রেলস্টেশনে যাত্রীদের ব্যাগ এক্স-রে মেশিনের ভেতরে প্রবেশ করানো।
ব্যাখ্যা: মেশিনের ভেতরের এক্স রশ্মি ব্যাগের কাপড়ের ভেতর দিয়ে চলে গেলেও ভেতরের ধাতব বস্তু বা অস্ত্র ভেদ করতে না পারায় কম্পিউটারের স্ক্রিনে তার স্পষ্ট ছায়া বা চিত্র ফুটে ওঠে।
উদাহরণ ২: গোপন আস্তানায় বা সন্দেহজনক পার্সেলের ক্ষেত্রে গোয়েন্দাদের তল্লাশি অভিযান।
ব্যাখ্যা: বিস্ফোরক বা নিষিদ্ধ দ্রব্য প্যাকেটের ভেতরে চারপাশ দিয়ে পেঁচিয়ে রাখা হলেও এক্স রশ্মির সাহায্যে তার ভেতরের আসল গঠন বা ধাতব উপাদানের উপস্থিতি ধরা পড়ে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বেকেরেল রশ্মি — এটি মূলত তেজস্ক্রিয় বিকিরণের ঐতিহাসিক নাম এবং হেনরি বেকেরেল ইউরেনিয়াম থেকে স্বতঃস্ফূর্ত বিকিরণ আবিষ্কার করেছিলেন যা গোয়েন্দা তল্লাশিতে ব্যবহৃত হয় না।
B) এক্স রশ্মি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর ভেদন ক্ষমতা বস্তু শনাক্তকরণের জন্য গোয়েন্দা বিভাগে নিরাপত্তার কাজে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
C) বিটা রশ্মি — এটি উচ্চগতির ইলেকট্রন কণার স্রোত যা খুব সহজে পাতলা অ্যালুমিনিয়াম ফয়েল দ্বারা আটকে যায় এবং গোয়েন্দা স্ক্যানিংয়ে ব্যবহৃত হয় না।
D) গামা রশ্মি — এটি অত্যন্ত উচ্চ শক্তির তেজস্ক্রিয় বিকিরণ যা জীবদেহের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর এবং সাধারণ গোয়েন্দা তল্লাশিতে নিরাপত্তা স্ক্যানার হিসেবে এটি ব্যবহার করা হয় না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বিমানবন্দরে ব্যাগ স্ক্যান করার সময় যে আলো বা মেশিন ব্যবহার করা হয় তা মূলত এক্স-রে মেশিন, তাই গোয়েন্দা বা নিরাপত্তা বলয়ে এক্স রশ্মি আসার সাথে সাথে ব্যাগ তল্লাশির বিষয়টি মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এক্স রশ্মি আবিষ্কার করেন জার্মান বিজ্ঞানী উইলহেলম কনরাড রন্টজেন ১৮৯৫ সালে।
- একই বৈজ্ঞানিক ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে চিকিৎসাবিজ্ঞানে হাড়ের ফাটল বা ফ্র্যাকচার নির্ণয়ে কোন রশ্মি ব্যবহার করা হয়, যার উত্তর হবে এক্স রশ্মি।
সঠিক উত্তর: A) সোডিয়াম
১. কেন সঠিক:
পারমাণবিক চুল্লিতে উৎপন্ন প্রচণ্ড তাপ দ্রুত অপসারণ করার জন্য পরিবাহক বা কুল্যান্ট হিসেবে তরল সোডিয়াম ধাতু ব্যবহার করা হয়।
সোডিয়াম উচ্চ তাপ পরিবাহী এবং এর গলনাঙ্ক কম হওয়ায় এটি সহজেই তরল অবস্থায় থেকে তাপ বহন করতে পারে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: পারমাণবিক চুল্লিতে নিউট্রন বোমাবর্ষণের মাধ্যমে ইউরেনিয়াম পরমাণুর ফিশন ঘটানো হয় এবং প্রচুর তাপশক্তি উৎপন্ন হয়।
কার্যপ্রণালি: এই প্রচুর তাপ চুল্লির ভেতর থেকে বাইরে এনে টারবাইন ঘোরানোর কাজে ব্যবহার করার জন্য তরল সোডিয়াম পাইপের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ফাস্ট ব্রিডার চুল্লি
ব্যাখ্যা: ফাস্ট ব্রিডার নিউক্লিয়ার চুল্লিতে তাপ পরিবহনের মাধ্যম হিসেবে তরল সোডিয়াম ব্যবহার করা হয়।
উদাহরণ ২: গাড়ির রেডিয়েটর
ব্যাখ্যা: যেমন ইঞ্জিনের অতিরিক্ত তাপ অপসারণ করতে পানি ব্যবহার করা হয়, তেমনি চুল্লিতে সোডিয়াম কাজ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সোডিয়াম — এটি সঠিক কারণ সোডিয়াম চমৎকার তাপ পরিবাহী এবং চুল্লির কুল্যান্ট হিসেবে অত্যন্ত কার্যকর।
B) পটাশিয়াম — পটাশিয়ামও তাপ পরিবাহী, তবে একা পটাশিয়াম ব্যবহার না করে সাধারণত সোডিয়াম ও পটাশিয়ামের সংকর ধাতু ব্যবহার করা হয়।
C) ম্যাগনেসিয়াম — ম্যাগনেসিয়াম হালকা ধাতু হলেও এটি পারমাণবিক চুল্লিতে কুল্যান্ট বা পরিবাহক হিসেবে ব্যবহৃত হয় না।
D) কোনটিই নয় — যেহেতু অপশন এ সঠিক, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
পারমাণবিক চুল্লির তাপ সরাতে সোডিয়াম সোজা রাস্তা তৈরি করে।
সোডিয়াম নামটির সঙ্গে চুল্লির পরিবাহক কথাটি মনে রাখলে আর ভুল হবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
পারমাণবিক চুল্লিতে মডারেটর হিসেবে ভারী পানি বা গ্রাফাইট ব্যবহৃত হয় এবং পরিবাহক হিসেবে সোডিয়াম ব্যবহৃত হয়।
এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: D) সালোকসংশ্লেষণ
১. কেন সঠিক:
সালোকসংশ্লেষণ একটি রাসায়নিক পরিবর্তন কারণ এতে উদ্ভিদ আলো, পানি ও কার্বন ডাই-অক্সাইড ব্যবহার করে সম্পূর্ণ নতুন ধর্মবিশিষ্ট গ্লুকোজ ও অক্সিজেন তৈরি করে।
এই প্রক্রিয়ায় মূল পদার্থের রাসায়নিক গঠন পরিবর্তিত হয়ে স্থায়ীভাবে নতুন পদার্থ উৎপন্ন হয় যা সহজে আগের অবস্থায় ফিরে যায় না।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: যে পরিবর্তনে এক বা একাধিক বস্তু রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে সম্পূর্ণ নতুন বৈশিষ্ট্যের এক বা একাধিক নতুন পদার্থে পরিণত হয় তাকে রাসায়নিক পরিবর্তন বলে।
কার্যপ্রণালি: সবুজ উদ্ভিদ সূর্যের আলোর উপস্থিতিতে ক্লোরোফিলের সাহায্যে পরিবেশ থেকে গৃহীত কার্বন ডাই-অক্সাইড ও মূল দ্বারা শোষিত পানির রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটায়।
কারণ ও ফলাফল: এই বিক্রিয়ার ফলে খাদ্য বা গ্লুকোজ উৎপন্ন হয় এবং উপজাত হিসেবে অক্সিজেন নির্গত হয়, যা উদ্ভিদের জন্য স্থায়ী পরিবর্তন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: লোহায় মরচে ধরা।
ব্যাখ্যা: লোহা বায়ুর অক্সিজেন ও জলীয় বাষ্পের সাথে বিক্রিয়া করে নতুন পদার্থ ফেরিক অক্সাইড বা মরচে তৈরি করে, যা রাসায়নিক পরিবর্তন।
উদাহরণ ২: মোম জ্বালানো।
ব্যাখ্যা: মোম জ্বালালে তা পুড়ে কার্বন ডাই-অক্সাইড ও জলীয় বাষ্পে পরিণত হয় এবং নতুন পদার্থ সৃষ্টি করে, যা রাসায়নিক পরিবর্তনের উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গলন — এটি একটি ভৌত পরিবর্তন কারণ এতে পদার্থের শুধুমাত্র অবস্থার রূপান্তর ঘটে কিন্তু কোনো নতুন পদার্থ তৈরি হয় না।
B) বাষ্পীভবন — এটি ভৌত পরিবর্তন কারণ তরল পদার্থ বায়বীয় অবস্থায় রূপান্তরিত হলেও এর রাসায়নিক গঠনে কোনো পরিবর্তন হয় না।
C) প্রস্বেদন — এটি একটি শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া যেখানে উদ্ভিদ অতিরিক্ত পানি বাষ্প আকারে পাতা বা অন্য অঙ্গের মাধ্যমে বায়ুমণ্ডলে ত্যাগ করে।
D) সালোকসংশ্লেষণ — এটি সঠিক কারণ এতে রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে নতুন উপাদান তৈরি হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
নতুন কিছু তৈরি হলে রাসায়নিক আর শুধু রূপ বদলালে ভৌত পরিবর্তন হয়।
সালোকসংশ্লেষণে নতুন খাবার বা গ্লুকোজ তৈরি হয় তাই এটি রাসায়নিক পরিবর্তন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
খাদ্য তৈরি বা পরিপাক হলো রাসায়নিক পরিবর্তন।
জলপ্রপাত বা বরফ গলা হলো ভৌত পরিবর্তন।
সঠিক উত্তর: D) RNA
১. কেন সঠিক:
- কোভিড-১৯ বা সার্স-কোভ-টু ভাইরাসটি একটি সিঙ্গেল-স্ট্র্যান্ডেড পজিটিভ-সেন্স আরএনএ ভাইরাস।
- এর বংশগত বস্তু বা জিনোম হিসেবে ডিএনএ থাকে না, বরং আরএনএ থাকে যা প্রোটিন তৈরিতে সরাসরি ভূমিকা রাখে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: ভাইরাস হলো অণুজীব যা নিজের কোষ থাকে না এবং অন্য জীবিত কোষের ভেতরে প্রবেশ করে বংশবৃদ্ধি করে।
- কার্যপ্রণালি: মানবদেহে প্রবেশের পর এই ভাইরাসের আরএনএ কোষের রাইবোসোমের সাহায্য নিয়ে নিজের সংখ্যা বৃদ্ধি করতে শুরু করে।
- কারণ ও ফলাফল: আরএনএ ভাইরাসের মিউটেশন বা রূপ পরিবর্তনের হার ডিএনএ ভাইরাসের চেয়ে অনেক বেশি হওয়ায় নতুন ধরন দ্রুত তৈরি হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ইনফ্লুয়েঞ্জা বা সাধারণ সর্দি-কাশির ভাইরাস।
ব্যাখ্যা: এটিও এক ধরনের আরএনএ ভাইরাস যা মানবদেহের শ্বাসতন্ত্রে আক্রমণ করে।
উদাহরণ ২: পোলিও ভাইরাস।
ব্যাখ্যা: এটিও আরএনএ ভাইরাসের একটি পরিচিত উদাহরণ যা স্নায়ুতন্ত্রকে আক্রমণ করে পক্ষাঘাত তৈরি করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) DNA — ডিএনএ হলো ডাবল স্ট্র্যান্ডেড জেনেটিক বস্তু, যা এই ভাইরাসে থাকে না তবে গুটিবসন্ত বা হার্পিস ভাইরাসে থাকে।
B) DNA + RNA — একই ভাইরাসে ডিএনএ এবং আরএনএ একসঙ্গে থাকে না, প্রকৃতিতে ভাইরাস যেকোনো একটি ধারণ করে।
C) MRNA — এমআরএনএ হলো মেসেঞ্জার আরএনএ, যা ভাইরাসের পুরো জিনোমকে নির্দেশ করে না বরং জিনোমের একটি নির্দিষ্ট রূপ।
D) RNA — এটি সঠিক উত্তর কারণ কোভিড-১৯ ভাইরাসের মূল জিনগত উপাদান হলো একক সূত্রক আরএনএ।
৫. মনে রাখার টিপস:
- করোনা মানেই আরএনএ, কারণ এটি কোভিডের মতো অতিমারি সৃষ্টিকারী ভাইরাসগুলোর প্রধান বৈশিষ্ট্য।
- মনে রাখবে ইনফ্লুয়েঞ্জা, এইচআইভি এবং কোভিড-১৯ হলো বিখ্যাত আরএনএ ভাইরাস।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোন ভাইরাসগুলোর মিউটেশন বেশি হয়।
- উত্তর হবে আরএনএ ভাইরাস, কারণ এগুলোর রেপ্লিকেশনে ভুল সংশোধনের ব্যবস্থা থাকে না।
সঠিক উত্তর: C) স্নেহপদার্থ
১. কেন সঠিক:
- স্নেহপদার্থ বা চর্বি মানবদেহে প্রচুর পরিমাণ তাপ ও শক্তি উৎপন্ন করে।
- এটি শরীরে তাপ ধরে রাখতে এবং শক্তি সরবরাহ করতে প্রধান ভূমিকা পালন করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: স্নেহপদার্থ হলো কার্বন, হাইড্রোজেন এবং অক্সিজেনের সমন্বয়ে গঠিত একপ্রকার জৈব যৌগ।
- কার্যপ্রণালি: প্রতি গ্রাম স্নেহপদার্থ বা ফ্যাট জারিত হয়ে প্রায় ৯.৩ কিলো ক্যালোরি শক্তি উৎপন্ন করে।
- কারণ ও ফলাফল: এটি আমাদের দেহের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে এবং অঙ্গাণুগুলোকে আঘাত থেকে রক্ষা করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মাখন ও ঘি।
ব্যাখ্যা: এগুলো উচ্চমাত্রার স্নেহপদার্থ সমৃদ্ধ খাদ্য যা আমাদের শরীরে দ্রুত তাপ ও শক্তি জোগান দেয়।
উদাহরণ ২: বাদাম ও সয়াবিন তেল।
ব্যাখ্যা: এগুলো উদ্ভিজ্জ স্নেহপদার্থের উৎস যা শরীরের দীর্ঘমেয়াদী শক্তির চাহিদা পূরণ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভিটামিন — এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং বিপাক ক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে কিন্তু সরাসরি তাপ বা শক্তি উৎপন্ন করে না।
B) পানি — এটি শরীরের রাসায়নিক বিক্রিয়া ও তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে তবে এটি কোনো শক্তি বা তাপের উৎস নয়।
C) স্নেহপদার্থ — এটি নিজেই সঠিক উত্তর কারণ এটি শরীরে সর্বাধিক তাপ ও শক্তি উৎপাদন করে।
D) খনিজ লবণ — এটি দেহের হাড় ও দাঁত গঠনে এবং বিভিন্ন শারীরবৃত্তীয় কাজে অংশ নেয় কিন্তু শক্তি উৎপাদন করে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- শক্তি উৎপাদনে ফ্যাট বা স্নেহপদার্থ সবার চেয়ে এগিয়ে থাকে।
- ১ গ্রাম ফ্যাট থেকে সবচেয়ে বেশি প্রায় ৯.৩ কিলো ক্যালোরি শক্তি পাওয়া যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- খাদ্যের উপাদানগুলোর মধ্যে কার্বোহাইড্রেট ও প্রোটিন প্রতি গ্রামে ৪.১ কিলো ক্যালোরি শক্তি দেয়।
- এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় পুষ্টিবিজ্ঞান অংশ থেকে প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: C) ক্যালসিয়াম
১. কেন সঠিক:
দুগ্ধদানকারী মায়ের শরীরে প্রতিদিন প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়ামের প্রয়োজন হয় কারণ মায়ের দুধের মাধ্যমে নবজাতকের দেহে ক্যালসিয়াম সরবরাহ হয়।
মায়ের নিজের হাড় ও দাঁতের ঘনত্ব ঠিক রাখতে এবং দুধ উৎপাদনে ক্যালসিয়াম অত্যন্ত জরুরি ভূমিকা পালন করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: ক্যালসিয়াম হলো মানবদেহের জন্য একটি অপরিহার্য ম্যাক্রোমিনারেল যা হাড় ও দাঁতের গঠন মজবুত করে এবং পেশির সংকোচন ও স্নায়ুর কার্যকারিতা নিয়ন্ত্রণ করে।
কার্যপ্রণালি: প্রসূতি মায়ের স্তন্যগ্রন্থি থেকে প্রতিদিন যে দুধ উৎপাদিত হয়, তাতে নির্দিষ্ট মাত্রায় ক্যালসিয়াম দ্রবীভূত থাকে যা নবজাতকের হাড়ের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দুগ্ধদানকারী মা যদি পর্যাপ্ত ক্যালসিয়ামযুক্ত খাবার না খান, তবে তার নিজের হাড় থেকে ক্যালসিয়াম ক্ষয় হয়ে দুধে চলে যায়।
ব্যাখ্যা: এর ফলে মায়ের শরীরে পরবর্তীতে অস্টিওপোরোসিস বা হাড়ের ভঙ্গুরতা রোগ হওয়ার ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যায়।
উদাহরণ ২: মায়ের দুধ পানের মাধ্যমে নবজাতক তার শরীরের প্রয়োজনীয় ক্যালসিয়াম পায়।
ব্যাখ্যা: এই ক্যালসিয়াম নবজাতকের কঙ্কালতন্ত্রের সঠিক বৃদ্ধি এবং হাড় শক্ত করতে সরাসরি সাহায্য করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জিংক — জিংক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ও কোষের বৃদ্ধিতে সাহায্য করলেও দুগ্ধদানকারী মায়ের ক্ষেত্রে ক্যালসিয়ামের চাহিদা সবচেয়ে বেশি ও প্রাথমিক।
B) আয়োডিন — আয়োডিন থাইরয়েড হরমোন উৎপাদনে ও শিশুর মানসিক বৃদ্ধিতে কাজ করে, তবে দুগ্ধদানকারী মায়ের প্রধান খনিজ ঘাটতি পূরণে ক্যালসিয়াম আগে আসে।
D) আয়রন — আয়রন হিমোগ্লোবিন তৈরিতে ও রক্তস্বল্পতা রোধে কাজ করে, যা গর্ভাবস্থায় বেশি প্রয়োজন হলেও স্তন্যপান করানোর সময়ে ক্যালসিয়ামের প্রয়োজনীয়তা সর্বাধিক।
৫ মনে রাখার টিপস:
মায়ের দুধের মাধ্যমে শিশু হাড় শক্ত করার উপাদান পায়, তাই দুগ্ধদানকারী মায়ের জন্য ক দিয়ে ক্যালসিয়াম মনে রাখা সবচেয়ে সহজ।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
মানবদেহে খনিজ লবণের কাজ এবং দুগ্ধদানকারী মায়ের পুষ্টি চাহিদা থেকে বিসিএস ও শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে গর্ভবতী বা দুগ্ধদানকারী মায়ের কোন পুষ্টি উপাদানের চাহিদা সবচেয়ে বেশি থাকে।
সঠিক উত্তর: A) ৯৯.৯৭%
১. কেন সঠিক:
বায়ুমণ্ডল এবং পৃথিবীর ভূতকে যে মোট শক্তি কাজ করে, তার প্রায় সম্পূর্ণ অংশই আসে সূর্য থেকে।
পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ ভূগর্ভস্থ তাপ বা জোয়ারভাটার শক্তি খুবই সামান্য, তাই মহাশূন্যের সৌরশক্তিই পৃথিবীর প্রধান চালিকাশক্তি।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: সৌরশক্তি হলো সূর্য থেকে বিকিরিত আলো ও তাপশক্তি যা তড়িচ্চুম্বকীয় তরঙ্গের মাধ্যমে পৃথিবীতে পৌঁছায়।
কার্যপ্রণালি: সূর্য থেকে নির্গত শক্তি ফোটন কণার মাধ্যমে মহাশূন্য অতিক্রম করে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল ও পৃষ্ঠে এসে পতিত হয়।
বাস্তব প্রয়োগ: এই শক্তির ফলেই পৃথিবীতে বায়ুর চাপ সৃষ্টি হয়, মেঘের সঞ্চার ঘটে এবং আবহাওয়া ও জলবায়ু নিয়ন্ত্রিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সূর্যের তাপে সমুদ্রের পানি বাষ্পীভূত হয়ে মেঘ তৈরি হয় এবং পরবর্তীতে বৃষ্টি হিসেবে ঝরে পড়ে।
ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে যে জলচক্রের মূল চালিকাশক্তি হলো সূর্য থেকে আসা তাপশক্তি।
উদাহরণ ২: সৌর প্যানেলের মাধ্যমে সূর্যের আলোকে সরাসরি বিদ্যুতে রূপান্তরিত করা হয়।
ব্যাখ্যা: এটি আমাদের দৈনন্দিন জীবনে সৌরশক্তির প্রত্যক্ষ ব্যবহার ও কার্যকারিতা ফুটিয়ে তোলে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৯৯.৯৭% — এটি বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত সঠিক মান যা পৃথিবীর মোট শক্তি বাজেটের ভারসাম্য নির্দেশ করে।
B) ৯৮% — এই মানটি বৈজ্ঞানিক তথ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এবং শক্তি বাজেটের হিসাবের চেয়ে কম।
C) ৯৪% — এই মানটি সৌরশক্তির প্রকৃত পরিমাণের তুলনায় কম এবং অবৈজ্ঞানিক।
D) ৯০% — এই মানটি বায়ুমণ্ডলের মোট শক্তিতে সূর্যের অবদানকে অবমূল্যায়ন করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
সূর্য থেকে পৃথিবীর শক্তির পরিমাণ প্রায় শতভাগ, শুধু সামান্য কিছু অংশ ভূগর্ভস্থ তাপ থেকে আসে।
এই কারণে শতভাগের খুব কাছাকাছি থাকা মান ৯৯.৯৭% সঠিক উত্তর হিসেবে মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
পৃথিবীর সমস্ত শক্তির মূল উৎস হলো সূর্য।
একই ধারণা থেকে বায়ুমণ্ডলে প্রবিষ্ট সৌরশক্তির পরিমাণ বা অ্যালবেডো সম্পর্কিত প্রশ্ন বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: D) মহাকর্ষ বল
১. কেন সঠিক:
মহাবিশ্বের যেকোনো দুটি বস্তুর মধ্যকার আকর্ষণ বলকে মহাকর্ষ বলা হয়, আর গাছ থেকে আম মাটিতে পড়ার ঘটনাটি পৃথিবী ও আমের পারস্পরিক আকর্ষণ তথা মহাকর্ষ বলের কারণে ঘটে।
স্যার আইজ্যাক নিউটন এই আকর্ষণ বলের সার্বজনীন রূপ আবিষ্কার করেন, যা বিশ্বপ্রকৃতির সকল ভরের বস্তুর ক্ষেত্রে সমানভাবে প্রযোজ্য।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: মহাকর্ষ হলো এমন একটি আকর্ষণ বল যা মহাবিশ্বের যেকোনো দুটি বস্তুর মধ্যে তাদের ভরের কারণে ক্রিয়া করে।
কার্যপ্রণালি: পৃথিবী তার বিশাল ভরের কারণে চারপাশের সবকিছুকে নিজের কেন্দ্রের দিকে আকর্ষণ করে, যাকে বিশেষ ক্ষেত্রে অভিকর্ষ বলা হয়।
বাস্তব প্রয়োগ: আমাদের দৈনন্দিন জীবনের হাঁটাচলা, কোনো বস্তু ওপর থেকে নিচে ফেলা এবং বায়ুমণ্ডলের অবস্থান সবই মহাকর্ষ বলের প্রত্যক্ষ ফলাফল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ছাদ থেকে হাত ফসকে একটি পাথর নিচে পড়ে যাওয়া।
ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে যে পৃথিবীর আকর্ষণ বলের টানে যেকোনো মুক্ত বস্তু সর্বদা নিচের দিকে ধাবিত হয়।
উদাহরণ ২: ফল পাকলে গাছ থেকে খসে মাটিতে পড়ে যাওয়া।
ব্যাখ্যা: বোঁটা দুর্বল হয়ে গেলে মহাকর্ষ বলের প্রভাবে ফল আর গাছে টিকে থাকতে না পেরে মাটিতে নেমে আসে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চৌম্বক বল — এটি লোহা বা চুম্বকজাতীয় বস্তুকে আকর্ষণ বা বিকর্ষণ করার বল, যা এখানে আমের পতনের কারণ নয়।
B) তড়িৎ চৌম্বক বল — এটি আধানযুক্ত কণাগুলোর মধ্যে ক্রিয়াশীল বল, যা মাধ্যাকর্ষণ জনित পতনের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
C) নিউক্লীয় বল — এটি পরমাণুর নিউক্লিয়াসের ভেতরের কণাগুলোকে একত্রে ধরে রাখে, যা বৃহৎ আকারের আম পড়ার ক্ষেত্রে কার্যকর নয়।
D) মহাকর্ষ বল — এটি সঠিক উত্তর কারণ পৃথিবী ও আমের মধ্যকার আকর্ষণের ফলে এটি ঘটে।
৫ মনে রাখার টিপস:
আম হোক বা আপেল, ওপর থেকে নিচে পড়লেই বুঝে নেবে এটি নিউটনের মহাকর্ষ বলের কারসাজি।
ভরের আকর্ষণ মানেই মহাকর্ষ, এই মৌলিক ধারণাটি মনে রাখলেই যেকোনো বস্তু পড়ার সঠিক কারণ নির্ণয় করা সহজ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
মহাকর্ষ বল ভরের ওপর নির্ভর করে এবং এটি মহাবিশ্বের অন্যতম একটি মৌলিক বল।
একই ধারণা থেকে পরীক্ষায় প্রশ্ন আসতে পারে যে মহাশূন্যে নভোচারীরা কেন ভাসেন বা কৃত্রিম উপগ্রহ কীভাবে পৃথিবীকে কেন্দ্র করে ঘোরে।
সঠিক উত্তর: C) প্যালিয়েন্টোলজি
১. কেন সঠিক:
- প্যালিয়েন্টোলজি বা জীবাশ্মবিজ্ঞান হলো জীববিজ্ঞানের একটি শাখা যেখানে প্রাচীন জীবের অবশেষ বা জীবাশ্ম নিয়ে আলোচনা করা হয়।
- প্রাগৈতিহাসিক যুগের উদ্ভিদ ও প্রাণীর দেহাবশেষ বা ছাপ ভূতাত্ত্বিক স্তরে সংরক্ষিত হয়ে জীবাশ্মে পরিণত হয়, যা বৈজ্ঞানিকভাবে বিশ্লেষণ করা হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: ভূপৃষ্ঠের শিলাস্তরে সংরক্ষিত প্রাচীন জীবের দেহাবশেষ, পদচিহ্ন বা ছাপকে জীবাশ্ম বলা হয়।
- কার্যপ্রণালি: লক্ষ লক্ষ বছর আগে মৃত জীব মাটি বা পলিমাটির নিচে চাপা পড়ে ধীরে ধীরে খনিজে রূপান্তরিত হয় এবং প্যালিয়েন্টোলজিস্টরা তা খনন করে উদ্ধার করেন।
- কারণ ও ফলাফল: জীবাশ্ম অধ্যয়নের মাধ্যমে পৃথিবীর প্রাচীন পরিবেশ, জলবায়ু এবং জীবকূলের ক্রমবিকাশ বা বিবর্তন সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট ধারণা পাওয়া যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ডাইনোসরের কঙ্কাল
ব্যাখ্যা: এটি প্যালিয়েন্টোলজির সবচেয়ে পরিচিত উদাহরণ যা কোটি বছর আগের প্রাণীর অস্তিত্ব প্রমাণ করে।
উদাহরণ ২: অ্যাম্বাইট বা প্রাচীন উদ্ভিদের ছাপ
ব্যাখ্যা: পাথরের গায়ে উদ্ভিদের পাতার ছাপ দেখে প্রাচীনযুগের উদ্ভিদজগৎ সম্পর্কে জানা যায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফিজিওলজি — এটি জীববিজ্ঞানের সেই শাখা যা জীবদেহের বিভিন্ন অঙ্গের কার্যপ্রণালি নিয়ে আলোচনা করে, জীবাশ্ম নিয়ে নয়।
B) মরফোলজি — এটি জীববিজ্ঞানের এমন একটি শাখা যা জীবদেহের বাহ্যিক গঠন এবং আকৃতি নিয়ে আলোচনা করে।
C) প্যালিয়েন্টোলজি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি জীবাশ্ম নিয়ে আলোচনা করে।
D) ফাইটোজেনি — এটি উদ্ভিদের বিবর্তন বা বংশগত ইতিহাস নিয়ে আলোচনা করে, জীবাশ্মের সরাসরি বিজ্ঞান নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- প্যালিয়েন্টোলজি শব্দটির শুরুতে প্যালিয়ো মানে প্রাচীন, তাই প্রাচীন জীব বা জীবাশ্ম সংক্রান্ত বিজ্ঞান মনে রাখা সহজ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জীবাশ্ম জ্বালানি বা জীবাশ্ম সম্পর্কিত বিভিন্ন শাখার নাম প্রায়ই আসে।
- জীবাশ্মের বয়স নির্ধারণে কার্বন চোদ্দ ডেটিং পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়, যা এই টপিকের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
সঠিক উত্তর: B) অগ্ন্যাশয়
১. কেন সঠিক:
অগ্ন্যাশয় মানবদেহের একটি মিশ্র গ্রন্থি যা থেকে ইনসুলিন নামক হরমোন নিঃসৃত হয়।
ইনসুলিন রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে সরাসরি সাহায্য করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: অগ্ন্যাশয়ের আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহ্যান্স নামক কোষগুচ্ছের বিটা কোষ থেকে ইনসুলিন তৈরি ও নিঃসৃত হয়।
কার্যপ্রণালি: খাবার হজমের পর গ্লুকোজ রক্তে প্রবেশ করলে ইনসুলিন কোষে গ্লুকোজ প্রবেশে সহায়তা করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মিষ্টি খাবার খাওয়ার পর রক্তে গ্লুকোজ বাড়লে অগ্ন্যাশয় ইনসুলিন নিঃসরণ করে।
ব্যাখ্যা: এটি রক্তে শর্করার মাত্রা স্বাভাবিক রাখতে কাজ করে।
উদাহরণ ২: ডায়াবেটিস রোগীর দেহে পর্যাপ্ত ইনসুলিন তৈরি হয় না।
ব্যাখ্যা: ইনসুলিনের অভাবে রক্তে শর্করার পরিমাণ অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পিত্তথলি — পিত্তথলি যকৃতে উৎপন্ন পিত্তরস জমা রাখে এবং তা হজমে সাহায্য করে।
B) অগ্ন্যাশয় — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখান থেকেই ইনসুলিন হরমোন নিঃসৃত হয়।
C) লিভার — লিভার বা যকৃতে গ্লাইকোজেন হিসেবে শর্করা সঞ্চিত থাকে কিন্তু ইনসুলিন নিঃসৃত হয় না।
D) পিটুইটারী গ্রন্থি — পিটুইটারী গ্রন্থি থেকে গ্রোথ হরমোন এবং প্রোল্যাকটিনসহ বিভিন্ন হরমোন নিঃসৃত হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
অগ্ন্যাশয়ের শুরু অ দিয়ে এবং ইনসুলিনের শুরু ই দিয়ে, যা মিষ্টি বা ডায়াবেটিসের সাথে সম্পর্কিত।
ডায়াবেটিসের সাথে অগ্ন্যাশয়ের সংযোগ মনে রাখলে এই প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ইনসুলিনের অভাবে ডায়াবেটিস মেলিটাস রোগ হয় যা মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর।
এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় প্রায়ই বিভিন্নভাবে আসে।
সঠিক উত্তর: প্রদত্ত প্রশ্নে সঠিক উত্তর B দেওয়া থাকলেও বৈজ্ঞানিক বিচারে সঠিক উত্তর হবে −২৭৩.১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস যা প্রায় −২৭৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অর্থাৎ, সঠিক উত্তর হলো -২৭৩° (যদি অপশনে সি বা কেলভিন স্কেল থাকত তবে −২৭৩.১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা ০ কেলভিন হতো)। প্রদত্ত প্রশ্নটিতে কিছুটা ত্রুটি থাকায় সঠিক বৈজ্ঞানিক মান তুলে ধরা হলো।
১. কেন সঠিক:
- পরম শূন্য তাপমাত্রা হলো তাত্ত্বিকভাবে সর্বনিম্ন সম্ভব তাপমাত্রা, যেখানে পদার্থের অণুগুলোর গতিশক্তি শূন্য হয়ে যায়।
- চার্লসের সূত্র অনুসারে তাপমাত্রা কমালে গ্যাসের আয়তন কমতে কমতে যে তাপমাত্রায় তাত্ত্বিকভাবে আয়তন শূন্য হয়, তাকে পরম শূন্য তাপমাত্রা বলে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: যে তাপমাত্রায় গ্যাসের আয়তন ও গতিশক্তি তাত্ত্বিকভাবে শূন্য হয় এবং গ্যাসের অণুগুলোর কোনো গতি থাকে না তাকে পরম শূন্য তাপমাত্রা বলে।
- মান: এই তাপমাত্রা সেলসিয়াস স্কেলে −২৭৩.১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং কেলভিন স্কেলে ০ কেলভিন বা ০ কে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মহাকাশের গভীর অঞ্চল।
ব্যাখ্যা: মহাশূন্যের কিছু ফাঁকা স্থানে তাপমাত্রা পরম শূন্য তাপমাত্রার খুব কাছাকাছি পৌঁছে যায়, যেখানে অণুগুলোর গতি অত্যন্ত শ্লথ হয়।
উদাহরণ ২: সুপারকন্ডাক্টিভিটি বা অতিপরিবাহিতা।
ব্যাখ্যা: পরম শূন্য তাপমাত্রার কাছাকাছি গেলে কিছু ধাতু তাদের সমস্ত বৈদ্যুতিক রোধ হারিয়ে ফেলে এবং অতিপরিবাহী হিসেবে কাজ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 273° — এটি ভুল কারণ পরম শূন্য তাপমাত্রা ধনাত্মক নয়, এটি ঋণাত্মক মানের (−২৭৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস)।
B) -293° — প্রদত্ত প্রশ্নে এটি সঠিক বলা হলেও প্রকৃত পরম শূন্য তাপমাত্রা −২৯৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস নয়, এটি প্রায় −২৭৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
C) 0°C — এটি বরফ জমার তাপমাত্রা বা জলের হিমাংক, পরম শূন্য তাপমাত্রা নয়।
D) 1°K — এটি কেলভিন স্কেলে ১ কেলভিন তাপমাত্রা, যা পরম শূন্য তাপমাত্রা (০ কেলভিন) থেকে সামান্য বেশি।
৫ মনে রাখার টিপস:
- পরম শূন্য তাপমাত্রার মান মনে রাখতে সেলসিয়াস স্কেলে ২৭৩.১৫ সংখ্যাটি মনে রাখতে হবে এবং এর আগে একটি ঋণাত্মক চিহ্ন বসাতে হবে।
- কেলভিন স্কেলের ক্ষেত্রে এটি সবসময় শূন্য কেলভিন হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পরম শূন্য তাপমাত্রার মান সেলসিয়াস ও কেলভিন উভয় স্কেলেই প্রায়ই আসে।
- চার্লসের সূত্র এবং পরম শূন্য তাপমাত্রার মধ্যকার সম্পর্ক থেকে ম্যাথ বা সাধারণ জ্ঞানমূলক প্রশ্ন হতে পারে।
সঠিক উত্তর: D) সমুদ্রের ঢেউ
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরের মূল কারণ হলো সমুদ্রের ঢেউ একটি প্রাকৃতিক ও অফুরন্ত শক্তির উৎস যা কখনো ফুরিয়ে যায় না।
- সংশ্লিষ্ট বৈজ্ঞানিক ধারণা অনুযায়ী প্রকৃতিতে যেসব শক্তির উৎস বারবার ব্যবহারের ফলে নিঃশেষ হয় না, সেগুলোকে নবায়নযোগ্য শক্তি বলা হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: যে শক্তি উৎস অফুরন্ত এবং বারবার ব্যবহার করা যায় তাকে নবায়নযোগ্য শক্তি বলে।
- কার্যপ্রণালি: বায়ুপ্রবাহের প্রভাবে সমুদ্রের পানির পৃষ্ঠে যে গতির সৃষ্টি হয়, তাকে কাজে লাগিয়ে টারবাইন ঘুরিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়।
- বাস্তব প্রয়োগ: উপকূলবর্তী অঞ্চলে সামুদ্রিক ঢেউ বা জোয়ারভাটার শক্তি ব্যবহার করে টারবাইন চালনার মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জোয়ারভাটা
ব্যাখ্যা: চাঁদের আকর্ষণে সমুদ্রের পানি ফুলে ওঠে এবং নেমে যায়, এই গতিশক্তিকে কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়।
উদাহরণ ২: বায়ুপ্রবাহ
ব্যাখ্যা: বাতাসের গতিবেগ কাজে লাগিয়ে উইন্ডমিল বা বায়ুকলের মাধ্যমে নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ তৈরি করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তেল — এটি একটি জীবাশ্ম জ্বালানি এবং সীমিত সম্পদ যা একবার পুড়িয়ে ফেললে চিরতরে শেষ হয়ে যায়।
B) গ্যাস — প্রাকৃতিক গ্যাস একটি অনবায়নযোগ্য জ্বালানি যা মাটির নিচে সীমিত পরিমাণে সঞ্চিত থাকে।
C) কয়লা — কয়লা কোটি বছর ধরে তৈরি হওয়া একটি জীবাশ্ম জ্বালানি এবং এটি নবায়নযোগ্য নয়।
D) সমুদ্রের ঢেউ — এটি প্রাকৃতিক উপায়ে ক্রমাগত তৈরি হয় এবং কখনোই শেষ হয় না, তাই এটি নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস।
৫ মনে রাখার টিপস:
- তেল, গ্যাস ও কয়লা হলো জীবাশ্ম জ্বালানি যা সীমিত এবং অনবায়নযোগ্য।
- প্রকৃতি থেকে প্রাপ্ত সৌরশক্তি, বায়ুশক্তি ও ঢেউ শক্তি হলো নবায়নযোগ্য শক্তি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- জীবাশ্ম জ্বালানি পুড়িয়ে কার্বন ডাই-অক্সাইড উৎপন্ন হয় যা বিশ্ব উষ্ণায়নের জন্য দায়ী।
- নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার পরিবেশ দূষণ কমায় এবং টেকসই উন্নয়নে সাহায্য করে।
সঠিক উত্তর: B) রেবিস
১. কেন সঠিক:
- স্ট্রিট ভাইরাস হলো জলাতঙ্ক বা রেবিস রোগের মূল বা প্রাকৃতিকভাবে সংক্রামিত বন্য ভাইরাস।
- এই ভাইরাসটি সাধারণত সংক্রামিত প্রাণী যেমন কুকুর, শিয়াল বা বাদুড়ের লালার মাধ্যমে মানুষের শরীরে প্রবেশ করে কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রকে আক্রমণ করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: রেবিস একটি মারাত্মক ভাইরাল রোগ যা লাইসাভাইরাস গোত্রের অন্তর্ভুক্ত এবং এটি মূলত উষ্ণ রক্তের প্রাণীদের স্নায়ুতন্ত্রকে ধ্বংস করে।
- কার্যপ্রণালি: সংক্রামিত প্রাণী কামড়ালে বা আঁচড়ালে লালার মাধ্যমে ভাইরাস পেশিতে প্রবেশ করে এবং স্নায়ুতন্ত্রের মাধ্যমে মস্তিষ্কে পৌঁছে তীব্র প্রদাহ সৃষ্টি করে।
- বাস্তব প্রয়োগ: পোষা প্রাণীকে সময়মতো রেবিস বা জলাতঙ্কের টিকা দিলে এই ভয়াবহ ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে মানুষ ও প্রাণী উভয়েই নিরাপদ থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: একটি বন্য কুকুর কোনো মানুষকে কামড়ানোর পর তার শরীরে রেবিস ভাইরাস প্রবেশ করতে পারে।
ব্যাখ্যা: কুকুরের লালায় থাকা স্ট্রিট ভাইরাস স্নায়ুপথ ধরে মস্তিষ্কে পৌঁছায় এবং সঠিক সময়ে চিকিৎসা না নিলে এটি প্রাণঘাতী হতে পারে।
উদাহরণ ২: বনে ঘুরতে গিয়ে বাদুড়ের কামড় খাওয়ার পর দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যাওয়া।
ব্যাখ্যা: বাদুড়ের শরীরেও স্ট্রিট ভাইরাস থাকতে পারে, তাই কামড় বা আঁচড় লাগলে অবিলম্বে টিকা নিতে হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) টিটেনাস — টিটেনাস কোনো ভাইরাসের কারণে হয় না, এটি ক্লোস্ট্রিডিয়াম টিটানি নামক ব্যাকটেরিয়ার দ্বারা সৃষ্ট একটি রোগ।
B) রেবিস — এই অপশনটি সঠিক কারণ রেবিস রোগের প্রাকৃতিক ভাইরাসকে স্ট্রিট ভাইরাস বলা হয়।
C) হাম — হাম রোগটি প্যারামিক্সোভাইরাস পরিবারের ভাইরাসের কারণে ঘটে, যা স্ট্রিট ভাইরাস নামে পরিচিত নয়।
D) যক্ষ্মা — যক্ষ্মা একটি ব্যাকটেরিয়াঘটিত রোগ যা মাইকোব্যাকটেরিয়াম টিউবারকিউলোসিস নামক জীবাণুর মাধ্যমে ছড়ায়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- স্ট্রিট মানে রাস্তা, আর রাস্তায় সাধারণত বেওয়ারিশ কুকুর ঘুরে বেড়ায়। তাই কুকুরের কামড়ে যে রেবিস হয়, তার প্রাকৃতিক রূপই হলো স্ট্রিট ভাইরাস।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- জলাতঙ্ক বা রেবিস ভাইরাসের অপর নাম হলো স্ট্রিট ভাইরাস, যা পরীক্ষাগারে পরিবর্তিত হয়ে ফিক্সড ভাইরাসে রূপ নেয়।
- এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস এবং প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় রোগ ও জীবাণু অধ্যায় থেকে আসে।
সঠিক উত্তর: A) হেপারিন
১. কেন সঠিক:
- হেপারিন হলো একধরনের প্রাকৃতিক অ্যান্টিকোয়াগুলেন্ট বা রক্ত জমাট বাঁধাবিরোধী পদার্থ।
- মানবদেহের রক্তনালীর ভেতরে স্বাভাবিক অবস্থায় এটি রক্তকে তরল রাখতে সাহায্য করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: হেপারিন যকৃৎ ও রক্তকণিকা দ্বারা উৎপাদিত হয় যা ফাইব্রিনোজেনকে ফাইব্রিনে রূপান্তর হতে বাধা দেয়।
- কার্যপ্রণালি: এটি রক্তে থাকা থ্রম্বিন এনজাইমের কার্যকারিতা নষ্ট করে রক্ত জমাট বাঁধার প্রক্রিয়া প্রতিহত করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সার্জারি বা অপারেশনের সময় কৃত্রিম রক্তনালী বা যন্ত্রে রক্ত সঞ্চালনের সময় হেপারিন ব্যবহার করা হয়।
ব্যাখ্যা: এটি নিশ্চিত করে যেন বাইরে থেকে রক্ত সরবরাহ করার সময় নালীর ভেতরে রক্ত জমাট বেঁধে ব্লক তৈরি না করে।
উদাহরণ ২: মানুষের রক্ত পরীক্ষার জন্য ব্লাড কালেকশন টিউবে হেপারিন মেশানো হয়।
ব্যাখ্যা: টিউবের ভেতরে রক্ত যেন জমাট না বাঁধে এবং পরীক্ষা নির্ভুলভাবে করা যায় সেজন্য এটি কাজ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হেপারিন — এটি রক্তনালীতে রক্ত জমাট বাঁধতে দেয় না বরং স্বাভাবিক তরল অবস্থা বজায় রাখে।
B) হিস্টামিন — এটি মানবদেহের রক্তনালী প্রসারিত করে এবং অ্যালার্জি বা প্রদাহের সময় বেশি সক্রিয় হয়।
C) হিমোগ্লোবিন — এটি রক্তের লোহিত রক্তকণিকায় থাকে এবং ফুসফুস থেকে সারা দেহে অক্সিজেন পরিবহন করে।
D) লিম্ফোসাইট — এটি একধরনের শ্বেত রক্তকণিকা যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করতে এবং জীবাণু ধ্বংস করতে কাজ করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- হেপারিন শব্দটি মনে রাখতে হ দিয়ে হিপো বা হার্ট এবং প দিয়ে প্রটেকশন মনে রাখতে পারো।
- এটি রক্তকে জমাট বাঁধা থেকে রক্ষা করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় যকৃৎ বা লিভারের উৎপাদিত পদার্থ সম্পর্কে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- রক্ত জমাট বাঁধার জন্য কোন ভিটামিন এবং খনিজ প্রয়োজন, তা থেকে ভিন্ন প্রশ্ন হতে পারে যেমন ভিটামিন কে এবং ক্যালসিয়াম আয়ন।
সঠিক উত্তর: A) অক্সিজেন
১. কেন সঠিক:
- ভূ-ত্বকে বা পৃথিবীর পৃষ্ঠে ভরের দিক থেকে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে থাকা মৌলটি হলো অক্সিজেন।
- এটি মূলত বিভিন্ন অক্সাইড যৌগ যেমন সিলিকেট এবং কার্বনেট আকারে পাথরের সাথে যুক্ত থাকে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: পৃথিবীর ভূ-ত্বক বা ক্রাস্ট কঠিন শিলা ও খনিজ দ্বারা গঠিত, যেখানে অক্সিজেন স্বাধীন রূপের চেয়ে যৌগ হিসেবে বেশি থাকে।
- রাসায়নিক গঠন: ভূ-ত্বকের মোট ভরের প্রায় পঁচচল্লিশ শতাংশ থেকে ছেচল্লিশ শতাংশই অক্সিজেন দখল করে আছে।
- কারণ ও ফলাফল: অক্সিজেনের উচ্চ রাসায়নিক সক্রিয়তার কারণে এটি সহজেই সিলিকন, অ্যালুমিনিয়াম ও লোহার মতো মৌলের সাথে যুক্ত হয়ে যৌগ গঠন করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বালি বা সিলিকন ডাই-অক্সাইড
ব্যাখ্যা: বালির প্রধান উপাদান সিলিকন ও অক্সিজেন, যেখানে অক্সিজেনের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি থাকে।
উদাহরণ ২: আয়রন অক্সাইড বা মরিচা
ব্যাখ্যা: লোহা অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে ধাতব অক্সাইড বা মরিচা তৈরি করে, যা ভূ-পৃষ্ঠে বহুল প্রচলিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অক্সিজেন — সঠিক উত্তর কারণ এটি ভূ-পৃষ্ঠের উপাদানের প্রায় পঁচচল্লিশ শতাংশের বেশি।
B) নাইট্রোজেন — এটি পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে সবচেয়ে বেশি থাকে, ভূ-পৃষ্ঠে নয়।
C) হাইড্রোজেন — এটি মহাবিশ্বে এবং সূর্যের ভরে সবচেয়ে বেশি থাকে, ভূ-পৃষ্ঠে এর পরিমাণ কম।
D) কার্বন — এটি জীবজগতে প্রধান হলেও ভূ-পৃষ্ঠের সামগ্রিক ভরে খুব সামান্য অংশ গঠন করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মনে রাখার শর্টকাট হলো অক্সিজেনের সাথে সিলিকন মিলিয়ে ভাবা, কারণ ভূ-পৃষ্ঠে সিলিকন ডাই-অক্সাইড সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায়।
- বায়ুমণ্ডল ও ভূ-পৃষ্ঠের উপাদান গুলিয়ে ফেলবে না, বায়ুমণ্ডলে নাইট্রোজেন এবং ভূ-পৃষ্ঠে অক্সিজেন প্রথম স্থানে থাকে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
- অন্যভাবে প্রশ্ন আসতে পারে, ভূ-ত্বকে অক্সিজেনের পর দ্বিতীয় সর্বাধিক প্রাপ্ত মৌল কোনটি, যার উত্তর হবে সিলিকন।
প্রশ্নের ধরন: আলো, শব্দ ও তরঙ্গ
সঠিক উত্তর: B) কঠিন মাধ্যমে
১. কেন সঠিক:
শব্দ এক প্রকার শক্তি যা কম্পনের ফলে সৃষ্টি হয় এবং মাধ্যম ছাড়া চলতে পারে না।
কঠিন মাধ্যমের অণুগুলো একে অপরের খুব কাছাকাছি থাকে, ফলে কম্পন দ্রুত ছড়ায়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: শব্দ সঞ্চালনের জন্য মাধ্যম প্রয়োজন এবং মাধ্যমের স্থিতিস্থাপকতা ও ঘনত্বের ওপর শব্দের বেগ নির্ভর করে।
কার্যপ্রণালি: কঠিন পদার্থের অণুগুলোর আন্তঃআণবিক দূরত্ব কম এবং আকর্ষণ বল বেশি থাকায় শব্দ তরঙ্গ এক কণা থেকে অন্য কণায় দ্রুত স্থানান্তরিত হয়।
বাস্তব প্রয়োগ: রেললাইনের পাতে কান পাতলে ট্রেন দূরে থাকা সত্ত্বেও তার শব্দ অনেক আগে শোনা যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: লোহা বা ইস্পাতে শব্দের বেগ বাতাসের চেয়ে প্রায় পনেরো গুণ বেশি।
ব্যাখ্যা: ইস্পাতের কণাগুলো খুব ঘনবদ্ধ থাকায় শব্দের কণাভিত্তিক শক্তি বিনিময়ে সময় কম লাগে।
উদাহরণ ২: জলের নিচে সাঁতার কাটার সময় ডলফিনের ডাক বা ইঞ্জিনের শব্দ খুব দ্রুত কানে পৌঁছায়।
ব্যাখ্যা: তরল মাধ্যম বায়বীয় মাধ্যমের চেয়ে ঘন হওয়ায় শব্দ দ্রুত চলাচল করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শূন্য মাধ্যম — শূন্য মাধ্যমে কোনো কণা বা অণু থাকে না, তাই শব্দ শূন্য মাধ্যম দিয়ে চলাচল করতে পারে না।
B) কঠিন মাধ্যম — এটি সঠিক উত্তর কারণ কঠিন পদার্থের কণাগুলোর ঘনত্ব ও স্থিতিস্থাপকতা সবচেয়ে বেশি।
C) তরল মাধ্যম — তরল মাধ্যমের কণাগুলোর দূরত্ব কঠিনের চেয়ে বেশি এবং বায়ুর চেয়ে কম, তাই গতি মাঝারি হয়।
D) বায়বীয় মাধ্যম — বায়বীয় মাধ্যমের অণুগুলো অনেক দূরে দূরে থাকে, তাই শব্দের গতি সবচেয়ে কম হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
কঠিন মানে শক্ত, শক্ত জিনিসে আঘাত করলে শব্দ দ্রুত ও জোরে ছড়ায়।
কঠিনে গতি বেশি, বায়ুতে গতি কম, শূন্যে শব্দ একদমই চলে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাতাসে শব্দের বেগ প্রতি সেকেন্ডে প্রায় তিনশো তেত্রিশ মিটার।
তাপমাত্রা বাড়লে বাতাসে শব্দের বেগ বাড়ে, কিন্তু মাধ্যম ভেদে এই নিয়ম ভিন্ন হতে পারে।
সঠিক উত্তর: B) পর্যায়বৃত্ত গতি
১. কেন সঠিক:
ঘড়ির কাঁটার গতি একটি নির্দিষ্ট সময় পরপর একই পথ বারবার অতিক্রম করে বলে এটি পর্যায়বৃত্ত গতি।
একটি নির্দিষ্ট বিন্দুকে নির্দিষ্ট সময় পর পর একই দিক থেকে অতিক্রম করার এই বিশেষ ধরনের ঘূর্ণন গতিকে পর্যায়বৃত্ত গতি বলা হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: কোনো গতিশীল বস্তু যদি নির্দিষ্ট সময় পর পর একই দিক থেকে কোনো নির্দিষ্ট বিন্দুকে বারবার অতিক্রম করে, তবে সেই গতিকে পর্যায়বৃত্ত গতি বলে।
কার্যপ্রণালি: ঘড়ির সেকেন্ডের কাঁটা ঠিক ষাট সেকেন্ডে, মিনিটের কাঁটা ষাট মিনিটে এবং ঘণ্টার কাঁটা বারো ঘণ্টায় একবার নির্দিষ্ট বৃত্তাকার পথ ঘুরে আসে।
বাস্তব প্রয়োগ: দেয়াল ঘড়ি বা হাতঘড়ির কাঁটার সুষম ঘূর্ণন সময় পরিমাপের কাজে নিখুঁতভাবে ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সূর্যকে কেন্দ্র করে পৃথিবীর ঘূর্ণন একটি নির্দিষ্ট সময় পর পর ঘটে।
ব্যাখ্যা: পৃথিবী ঠিক তিনশ পঁয়ষট্টি দিনে একবার সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে বলে এটি পর্যায়বৃত্ত গতির একটি চমৎকার উদাহরণ।
উদাহরণ ২: সিলিং ফ্যানের সুইচ অন করার পর এর ব্লেডগুলোর ঘূর্ণন পর্যায়বৃত্ত গতির অন্তর্ভুক্ত।
ব্যাখ্যা: ফ্যানটি প্রতি সেকেন্ডে নির্দিষ্ট সংখ্যক বার ঘুরে একই বিন্দুতে ফিরে আসে যা পর্যায়বৃত্ত গতির বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রৈখিক গতি — রৈখিক গতি বলতে বোঝায় সরলরেখা বরাবর বস্তুর গতি। ঘড়ির কাঁটা সরলরেখায় না চলে বৃত্তাকার পথে ঘুরে।
B) পর্যায়বৃত্ত গতি — সঠিক উত্তর। এটি নির্দিষ্ট সময় পর পর নির্দিষ্ট পথ বারবার অতিক্রম করে।
C) স্পন্দন গতি — স্পন্দন গতি হলো পর্যায়বৃত্ত গতির একটি বিশেষ রূপ যেখানে বস্তু তার গতির অর্ধেক সময় একদিকে এবং বাকি অর্ধেক সময় বিপরীত দিকে চলে। ঘড়ির কাঁটা সবসময় একই দিকে ঘোরে।
D) উপবৃত্তাকার গতি — উপবৃত্তাকার গতি বলতে উপবৃত্তাকার পথ ধরে কোনো বস্তুর চলাচলকে বোঝায়। যেমন গ্রহগুলোর কক্ষপথ, কিন্তু ঘড়ির কাঁটা বৃত্তাকার পথে ঘোরে।
৫ মনে রাখার টিপস:
ঘড়ির কাঁটা নির্দিষ্ট সময় পরপর বৃত্তাকার পথে নির্দিষ্ট বিন্দু ছুঁয়ে যায় তাই এটি পর্যায়বৃত্ত গতি।
পর্যায়বৃত্ত মানে বৃত্তে বা নির্দিষ্ট পথে বারবার ফিরে আসা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কম্পিউটার বা ঘড়ির কাঁটার গতি সবসময় পর্যায়বৃত্ত গতির একটি আদর্শ উদাহরণ হিসেবে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
একই ধারণা থেকে সরল দোলকের গতি স্পন্দন গতি কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: D) MS Excel
১. কেন সঠিক:
- MS Excel হলো একটি জনপ্রিয় স্প্রেডশিট সফটওয়্যার যা মাইক্রোসফট কর্পোরেশন কর্তৃক তৈরি।
- এর মাধ্যমে সারি ও কলামের সমন্বয়ে গঠিত ওয়ার্কশিটে উপাত্ত সংরক্ষণ, হিসাব-নিকাশ ও গ্রাফ তৈরি করা যায়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: স্প্রেডশিট হলো কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার যা কাগজের হিসাবের খাতার ইলেকট্রনিক রূপ।
- কার্যপদ্ধতি: এটি বিভিন্ন ডেটা নিয়ে স্বয়ংক্রিয়ভাবে গাণিতিক সূত্র ও ফাংশন প্রয়োগ করে ফলাফল প্রকাশ করতে পারে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মাসিক বাজেট তৈরি
ব্যাখ্যা: আয়ের খাত ও ব্যয়ের বিভিন্ন বিবরণ লিখে বিভিন্ন সূত্র ব্যবহার করে মোট খরচ ও সঞ্চয় সহজে হিসাব করা যায়।
উদাহরণ ২: শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার ফলাফল প্রস্তুত
ব্যাখ্যা: বিভিন্ন বিষয়ের প্রাপ্ত নম্বর ইনপুট করে সামেশন ও এভারেজ ফাংশনের মাধ্যমে দ্রুত গ্রেড ও মেধাতালিকা তৈরি করা সম্ভব।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) MS Word — এটি একটি ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার যা মূলত চিঠি, প্রবন্ধ বা প্রতিবেদন লেখার কাজে ব্যবহৃত হয়।
B) MS Power Point — এটি একটি প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যার যা স্লাইডের মাধ্যমে কোনো তথ্য বা ধারণা উপস্থাপন করতে ব্যবহৃত হয়।
C) MS Outlook — এটি একটি ইমেইল ও পার্সোনাল ইনফরমেশন ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার যা বার্তা আদান-প্রদান ও যোগাযোগের কাজে ব্যবহৃত হয়।
D) MS Excel — এটি একটি স্প্রেডশিট সফটওয়্যার যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ওয়ার্ড মানে লেখালেখি, পাওয়ার পয়েন্ট মানে স্লাইড তৈরি এবং এক্সেল মানে হিসাব-নিকাশ বা স্প্রেডশিট।
- এক্সেলে ফাইলকে ওয়ার্কবুক বলা হয় যা একাধিক ওয়ার্কশিটের সমষ্টি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- স্প্রেডশিট সফটওয়্যারের জনক হলো ভিসিক্যালক (VisiCalc), যা অ্যাপল টু কম্পিউটারের জন্য তৈরি হয়েছিল।
- মাইক্রোসফট এক্সেলের ফাইলের ডিফল্ট এক্সটেনশন হলো ডট এক্সএলএসএক্স (xlsx)।
সঠিক উত্তর: D) বিগ ব্লু
১. কেন সঠিক:
আইবিএম বা ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস মেশিনস কর্পোরেশনকে বিশ্ব কম্পিউটার বাজারে বিগ ব্লু নামে ডাকা হয়। কোম্পানির লোগো এবং তাদের তৈরি বিশাল আকারের মেইনফ্রেম কম্পিউটারের রঙের কারণে এই নামটি বেশ জনপ্রিয় হয়েছে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: বিগ ব্লু হলো প্রযুক্তি জায়ান্ট আইবিএম কোম্পানির একটি বিখ্যাত বাণিজ্যিক ডাকনাম।
কার্যপদ্ধতি: এই কোম্পানি বিশ্বজুড়ে জটিল তথ্যপ্রযুক্তি সেবা, হার্ডওয়্যার এবং এন্টারপ্রাইজ সফটওয়্যার সরবরাহ করে।
বৈশিষ্ট্য: এর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো নির্ভরযোগ্যতা, নিরাপত্তা এবং বিশাল ডেটা প্রসেসিং ক্ষমতা সম্পন্ন সার্ভার নির্মাণ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আইবিএম কোম্পানির তৈরি ডিপ ব্লু সুপার কম্পিউটার।
ব্যাখ্যা: এটি এমন একটি শক্তিশালী কম্পিউটার যা দাবা খেলায় বিশ্বচ্যাম্পিয়ন গ্যারি কাসপারভকে পরাজিত করেছিল।
উদাহরণ ২: আইবিএম ওয়াটসন।
ব্যাখ্যা: এটি একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক সিস্টেম যা চিকিৎসাবিজ্ঞান এবং ডেটা বিশ্লেষণে ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ব্লু ইউডো — এটি কোনো সুপরিচিত কম্পিউটার নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের নাম বা ডাকনাম নয়।
B) ব্লু হান্টার — এই নামে প্রযুক্তি খাতে কোনো বিশেষ প্রতিষ্ঠান বা পণ্য পরিচিত নয়।
C) গ্রে ব্লু — এটি একটি রঙের নাম হলেও আইবিএম কোম্পানির দাপ্তরিক বা প্রচলিত ডাকনাম নয়।
D) বিগ ব্লু — এটি সঠিক উত্তর কারণ আইবিএম কোম্পানির ঐতিহাসিক ব্যবসায়িক সাফল্যের কারণে এই উপাধি দেওয়া হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
আইবিএম নামের সাথে মিল রেখে ব্লু শব্দটি মনে রাখতে পারেন। মেইনফ্রেম কম্পিউটারের বিশাল আকারের জন্য এর সাথে বিগ যুক্ত হয়ে বিগ ব্লু হয়েছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
আইবিএম ১৯১১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং আধুনিক কম্পিউটারের ইতিহাস গঠনে এই প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা অপরিসীম। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আইবিএম সম্পর্কিত ডাকনাম বা এর অবদান প্রায়ই আসে।
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)