বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন (BPSC)

পিএসসির অধীন প্রাণরসায়নবিদ পদে নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৩।

পদের নাম: প্রাণরসায়নবিদ (১০ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (60)

a প্রত্যয়
b বিভক্তি
c উপসর্গ
d অনুসর্গ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) উপসর্গ ১. কেন সঠিক: উপসর্গ হলো এমন কিছু অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা কোনো শব্দের পূর্বে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে এবং অর্থের পরিবর্তন, সংকোচন বা সম্প্রসারণ ঘটায়। বাংলা ব্যাকরণে উপসর্গ শব্দ বা ধাতুর পূর্বে বসে নতুন ভাব প্রকাশে সহায়তা করে এবং শব্দের অর্থ সম্পূর্ণ বদলে দিতে পারে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যেসব অব্যয় শব্দ বা শব্দাংশ ধাতু বা শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে এবং অর্থের সংকোচন, সম্প্রসারণ বা পরিবর্তন সাধন করে, সেগুলোকে উপসর্গ বলে। উপসর্গ নিজে স্বাধীনভাবে কোনো অর্থ প্রকাশ করতে পারে না, তবে অন্য শব্দের সাথে যুক্ত হয়ে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্র + হার = প্রহার ব্যাখ্যা: এখানে 'হার' শব্দের পূর্বে 'প্র' উপসর্গ যুক্ত হয়ে আঘাত করা অর্থে একটি নতুন শব্দ গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: পরি + পূর্ণ = পরিপূর্ণ ব্যাখ্যা: এখানে 'পূর্ণ' শব্দের পূর্বে 'পরি' উপসর্গ যুক্ত হয়ে সম্পূর্ণ বা ভালোভাবে পূর্ণ হওয়া অর্থে নতুন শব্দ তৈরি হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রত্যয় — প্রত্যয় শব্দের পরে বা শেষে যুক্ত হয়, শব্দের আগে বসে না। তাই এটি সঠিক নয়। B) বিভক্তি — বিভক্তি শব্দের শেষে বা কারক বোঝাতে পদের সাথে যুক্ত হয়, আগে বসে না। তাই এটি সঠিক নয়। C) উপসর্গ — এটি শব্দের আগে বসে নতুন শব্দ গঠন করে, যা প্রশ্নের চাহিদার সাথে সম্পূর্ণ মিলে যায়। D) অনুসর্গ — অনুসর্গ বা কর্মপ্রবচনীয় শব্দ বা পদের পরে বসে এবং কারক বোঝাতে সাহায্য করে। ৫. মনে রাখার টিপস: উপসর্গ মানে উপ মানে সামনে বা আগে, স্বর্গ মানে সৃষ্টি। অর্থাৎ যা সামনে বসে নতুন শব্দ সৃষ্টি করে তাই উপসর্গ। শব্দের আগে বসে উপসর্গ এবং পরে বসে প্রত্যয় ও বিভক্তি, এই সহজ পার্থক্যটি মনে রাখলে ভুল হবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ভাষায় মোট উপসর্গের সংখ্যা একুশটি এবং তৎসম উপসর্গের সংখ্যা কুড়িটি। এই ধরনের প্রশ্নগুলোতে উপসর্গ এবং প্রত্যয়ের অবস্থানের পার্থক্য থেকে প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে।
a ঈশ্বর গুপ্ত
b ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
c বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
d প্যারীচাঁদ মিত্র
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১. কেন সঠিক: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে বাংলা গদ্যের জনক বলা হয় কারণ তিনিই প্রথম বাংলা গদ্যে যতিচিহ্নের সঠিক ব্যবহার করে এর শৃঙ্খলা ও রূপ প্রতিষ্ঠা করেন। তার হাত ধরেই বাংলা গদ্য শৈল্পিক ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১৯ শতকের গোড়ার দিকে বাংলা গদ্যের উৎকর্ষ সাধনে অনন্য ভূমিকা পালন করেন। তার রচিত বেতাল পঞ্চবিংশতি ও বর্ণপরিচয় বাংলা গদ্যের বিকাশকে চিরকালের জন্য বদলে দিয়েছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বেতাল পঞ্চবিংশতি ব্যাখ্যা: এটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের অন্যতম শ্রেষ্ঠ গদ্য রচনা যা বাংলা গদ্যরীতির পথপ্রদর্শক। উদাহরণ ২: শকুন্তলা ব্যাখ্যা: বিদ্যাসাগর রচিত এই গ্রন্থটি বাংলা গদ্যের সাবলীল ও মার্জিত রূপ ফুটিয়ে তোলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঈশ্বর গুপ্ত — তিনি ঊনবিংশ শতকের একজন বিশিষ্ট কবি ও সংবাদ প্রভাকর পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন, গদ্যের জনক নন। B) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — এটি সঠিক উত্তর। C) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি বাংলা উপন্যাসের জনক হিসেবে পরিচিত, গদ্যের জনক নন। D) প্যারীচাঁদ মিত্র — তিনি বাংলা উপন্যাসের পথপ্রদর্শক ও আলালের ঘরের দুলাল উপন্যাসের রচয়িতা, গদ্যের জনক নন। ৫ মনে রাখার টিপস: গদ্যের জনক বললে বিদ্যাসাগর আর উপন্যাসের জনক বললে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে মনে রাখবে। এই দুই নাম গুলিয়ে ফেলা যাবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা গদ্যের প্রথম সার্থক রূপকার বা জনক হলেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। একই ধরনের প্রশ্নে উপন্যাসের জনক আসলে উত্তর হবে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।
a জহির রায়হান
b হুমায়ুন আহমেদ
c শহীদুল্লা কায়সার
d সেলিনা হোসেন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শহীদুল্লা কায়সার ১. কেন সঠিক: - 'সংশপ্তক' একটি বিখ্যাত বাংলা উপন্যাস যার রচয়িতা শহীদুল্লা কায়সার। - সংশপ্তক শব্দের অর্থ এমন যোদ্ধা যে জীবনপণ করে যুদ্ধ করে এবং কখনো রণক্ষেত্র ত্যাগ করে পালায় না। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শহীদুল্লা কায়সার ছিলেন একজন প্রখ্যাত বাঙালি কথাসাহিত্যিক, সাংবাদিক ও বুদ্ধিজীবী যিনি ১৯৬৯ সালে এই উপন্যাসটি রচনা করেন। - এটি মূলত পাকিস্তানের পটভূমিতে রচিত একটি ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক উপন্যাস যা বাঙালি জাতির আত্মত্যাগের প্রতীক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আরেক ফাল্গুন ব্যাখ্যা: এটি জহির রায়হানের একটি বিখ্যাত উপন্যাস যা বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত। উদাহরণ ২: ক্রীতদাসের হাসি ব্যাখ্যা: এটি শহীদুল্লা কায়সারের আরেকটি অত্যন্ত জনপ্রিয় উপন্যাস যার জন্য তিনি বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জহির রায়হান — ইনি 'সংশপ্তক' উপন্যাসের লেখক নন, তবে ইনি 'হাজার বছর ধরে' ও 'বরফ গলা নদী' উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত। B) হুমায়ুন আহমেদ — ইনি আধুনিক বাংলা উপন্যাসের জনপ্রিয় লেখক হলেও 'সংশপ্তক' উপন্যাসের রচয়িতা নন, ইনি 'শঙ্খনীল কারাগার' ও 'নন্দিত নরকে' লিখেছেন। C) শহীদুল্লা কায়সার — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং এটি এই বিখ্যাত উপন্যাসের জন্যই মূলত পরিচিত। D) সেলিনা হোসেন — ইনি সমসাময়িক কথাসাহিত্যিক হলেও 'সংশপ্তক' উপন্যাসের লেখক নন, ইনি 'যাপিত জীবন' ও 'হাঁসুলী বাঁকের উপকথা'র মতো উপন্যাসের রচয়িতা নন বরং 'যাপিত জীবন' ও 'গায়ত্রী সন্ধ্যা'র লেখক। ৫. মনে রাখার টিপস: - সংশপ্তক মানে যে পিছপা হয় না আর শহীদুল্লা কায়সার জীবন দিয়ে অমর হয়ে আছেন, এভাবে দুটি নাম মনে রাখতে পারো। - ঐতিহাসিক উপন্যাসগুলোর মধ্যে সংশপ্তক নামটি পেলেই শহীদুল্লা কায়সারকে মনে করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সংশপ্তক উপন্যাসটির পটভূমি মূলত গ্রামীণ সমাজ ও বাঙালি জাতির মুক্তির সংগ্রাম। - এই ধরনের সাহিত্যিক প্রশ্নের জন্য লেখকের অন্যান্য বিখ্যাত উপন্যাসের নাম এবং প্রকাশকাল ভালোভাবে পড়ে যাওয়া উচিত।
a সরল
b জটিল
c যৌগিক
d প্রশ্নবোধক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জটিল ১. কেন সঠিক: - যে বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্যের ওপর এক বা একাধিক আশ্রিত বা অধীন খণ্ডবাক্য নির্ভরশীল থাকে, তাকে জটিল বা মিশ্র বাক্য বলে। - এখানে 'যতই পরিশ্রম করবে' হলো আশ্রিত খণ্ডবাক্য এবং 'ততই ফল পাবে' হলো প্রধান খণ্ডবাক্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - জটিল বাক্যে সাপেক্ষ সর্বনাম বা জোড় শব্দ যেমন যে-সে, যিনি-তিনি, যা-তা, যতো-ততো, যদি-তবে ব্যবহৃত হয়। - এই বাক্যে 'যতই-ততই' জোড় শব্দ বা সাপেক্ষ সর্বনাম ব্যবহৃত হয়ে দুটি খণ্ডবাক্যকে পরস্পরের ওপর নির্ভরশীল করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যদি বৃষ্টি হয়, তবে আমরা কোথাও যাবো না। ব্যাখ্যা: এখানে 'যদি বৃষ্টি তবে আমরা কোথাও যাবো না' অংশটি প্রধান খণ্ডবাক্যের ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় এটি একটি জটিল বাক্য। উদাহরণ ২: যিনি সৎ পথে চলেন, তিনি কখনো বিপদে পড়েন না। ব্যাখ্যা: এখানে 'যিনি' এবং 'তিনি' সাপেক্ষ সর্বনামের ব্যবহার বাক্যটিকে জটিল বাক্যে পরিণত করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সরল — যে বাক্যে একটি মাত্র কর্তা এবং একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে তাকে সরল বাক্য বলে, কিন্তু এই বাক্যে দুটি সমাপিকা ক্রিয়া ও খণ্ডবাক্য আছে। B) জটিল — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে গণ্য হয়েছে। C) যৌগিক — দুই বা ততোধিক সরল বা মিশ্র বাক্য পরস্পর সমান বা স্বাধীনভাবে মিলিত হয়ে যে বাক্য গঠন করে তাকে যৌগিক বাক্য বলে, কিন্তু এখানে বাক্য দুটি স্বাধীন নয়। D) প্রশ্নবোধক — যে বাক্যের মাধ্যমে কোনো কিছু জানতে চাওয়া হয় তাকে প্রশ্নবোধক বাক্য বলে, কিন্তু প্রদত্ত বাক্যটিতে কোনো প্রশ্ন করা হয়নি। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাক্যে যদি-তবে, যতো-ততো, যিনি-তিনি, যে-সে এই জোড় শব্দ বা সাপেক্ষ সর্বনাম থাকে, তবে চোখ বন্ধ করে সেটি জটিল বাক্য দাগাবে। - স্বাধীন বাক্য থাকলে যৌগিক এবং একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকলে তা সরল বাক্য হিসেবে চিহ্নিত করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য রূপান্তরের জন্য এই নিয়মটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - সাপেক্ষ সর্বনামের উপস্থিতি দেখে খুব সহজেই জটিল বাক্য শনাক্ত করা যায়।
a দিবা রাত্রির কাব্য
b পদ্মা নদীর মাঝি
c পুতুল নাচের ইতিকথা
d তিতাস একটি নদীর নাম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) তিতাস একটি নদীর নাম ১. কেন সঠিক: - তিতাস একটি নদীর নাম উপন্যাসটি বাংলা ভাষার খ্যাতিমান ঔপন্যাসিক অদ্বৈত মল্লবর্মণের রচনা, তাই এটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাস নয়। - প্রশ্নে মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাস নয় কোনটি তা জানতে চাওয়া হয়েছে, যার কারণে এই অপশনটি সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - অদ্বৈত মল্লবর্মণ বাংলা সাহিত্যের একজন বিশিষ্ট কথাশিল্পী ও সাংবাদিক যিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস নদীর তীরবর্তী মালো সম্প্রদায়ের জীবন নিয়ে এই উপন্যাসটি লিখেছেন। - মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলা সাহিত্যের আধুনিক psicolodical উপন্যাসের প্রবক্তা যিনি মূলত গ্রামীণ ও নগর জীবনের মনস্তাত্ত্বিক বাস্তবতা ফুটিয়ে তুলেছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দিবারাত্রির কাব্য মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস। ব্যাখ্যা: এটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস যা তার সাহিত্যিক প্রতিভার পরিচয় বহন করে। উদাহরণ ২: পুতুল নাচের ইতিকথা মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও জনপ্রিয় উপন্যাস। ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসে গ্রামীণ মানুষের যান্ত্রিক জীবন ও ভাগ্যেন্বেষণের বাস্তব চিত্র নিখুঁতভাবে ফুটে উঠেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দিবা রাত্রির কাব্য — এটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস, তাই এটি উত্তর হবে না। B) পদ্মা নদীর মাঝি — এটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের রচিত বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ প্রখ্যাত উপন্যাস। C) পুতুল নাচের ইতিকথা — এটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বহুল পঠিত ও প্রশংসিত একটি মাস্টারপিস উপন্যাস। D) তিতাস একটি নদীর নাম — এটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাস নয় বরং অদ্বৈত মল্লবর্মণের অমর সৃষ্টি। ৫. মনে রাখার টিপস: পদ্মা, দিবা রাত্রির ও পুতুল নাচের মতো বিখ্যাত উপন্যাসগুলো মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হলেও তিতাস নদী অদ্বৈত মল্লবর্মণের কীর্তি। লেখক এবং তাদের বিখ্যাত উপন্যাসের নামগুলো আলাদা করে তালিকা তৈরি করে পড়লে পরীক্ষার হলে খুব সহজেই ভুল এড়ানো সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা সাহিত্যে নদীভিত্তিক উপন্যাসের মধ্যে অদ্বৈত মল্লবর্মণের তিতাস একটি নদীর নাম এবং মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদ্মা নদীর মাঝি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই লেখক ও তাদের বিখ্যাত উপন্যাসের নাম মিলকরণ বা বাছাই করতে দেওয়া হয়।
a ধূমকেতু
b শিখা
c ভারতী
d সওগাত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শিখা ১. কেন সঠিক: 'বুদ্ধির মুক্তি' আন্দোলনের মুখপত্র বা সূতিকাগার ছিল 'শিখা' পত্রিকা। এই আন্দোলনের মূল স্লোগান ছিল বুদ্ধির মুক্তি বা যেখানে জ্ঞান স্বাধীন, সেখানেই মুক্তি। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১৯২৬ সালে গঠিত মুসলিম সাহিত্য সমাজ এই আন্দোলন পরিচালনা করে। এই আন্দোলনের প্রধান প্রবক্তা ও বুদ্ধিজীবী ছিলেন আবুল হুসেন ও কাজী আব্দুল ওদুদ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মুসলিম সাহিত্য সমাজ ব্যাখ্যা: এই সংগঠনের মুখপত্র হিসেবে শিখা পত্রিকা ১৯২৬ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: কাজী আব্দুল ওদুদ ব্যাখ্যা: তিনি বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের একজন অন্যতম প্রধান প্রবক্তা ও সাহিত্যিক ছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধূমকেতু — এটি কাজী নজরুল ইসলামের বিদ্রোহী চেতনার সাপ্তাহিক পত্রিকা এবং এটি ভিন্ন সাহিত্য ধারার। B) শিখা — এটি সঠিক উত্তর এবং বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের প্রধান মুখপত্র ছিল। C) ভারতী — এটি জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবার থেকে প্রকাশিত প্রখ্যাত সাহিত্য পত্রিকা এবং এর সময়কাল আলাদা। D) সওগাত — এটি মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন সম্পাদিত সাহিত্য পত্রিকা হলেও এটি সরাসরি বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের সূচনার সঙ্গে যুক্ত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: শিখা জ্বালিয়ে বুদ্ধির অন্ধকার দূর করা হয়েছিল, এভাবে মনে রাখতে পারো যে শিখা পত্রিকা বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত। মুসলিম সাহিত্য সমাজের মুখপত্র ছিল শিখা, যার মাধ্যমে মুক্তবুদ্ধি চর্চা শুরু হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: শিখা পত্রিকা প্রকাশিত হয় ১৯২৬ সালে এবং এর স্লোগান ছিল জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আচ্ছন্ন, মুক্তি সেখানে অসম্ভব। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মুসলিম সাহিত্য সমাজ ও শিখা পত্রিকার প্রতিষ্ঠাকাল সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
a কাব্য
b উপন্যাস
c ছোটগল্প
d নাটক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) উপন্যাস ১. কেন সঠিক: - শেষের কবিতা একটি বিখ্যাত বাংলা উপন্যাস যা বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত। - নামের শেষে কবিতা শব্দ থাকলেও এটি কোনো পদ্য বা কাব্যগ্রন্থ নয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রধান বাঙালি ঔপন্যাসিক, কবি ও দার্শনিক। - এটি প্রকাশিত হয় ১৯২৯ সালে এবং এতে প্রথাগত রোমান্টিকতার বিরুদ্ধে আধুনিক জীবনের মনস্তত্ত্ব প্রকাশ পেয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোখের পলক ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অপর একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস। উদাহরণ ২: যোগাযোগ ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মনস্তাত্ত্বিক সম্পর্কের ওপর রচিত উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাব্য — শেষের কবিতা নামের মধ্যে কবিতা থাকলেও এটি পদ্য বা কাব্যগ্রন্থ নয়। C) ছোটগল্প — এটি কোনো ছোট আকারের কল্পিত গদ্যকাহিনি বা ছোটগল্প নয়। D) নাটক — এটি মঞ্চে অভিনীত কোনো নাটক বা রূপক নাট্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - নামের পেছনে কবিতা থাকলেও শেষের কবিতা মূলত একটি উপন্যাস। - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শেষের কবিতা মানেই একটি আধুনিক উপন্যাস। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের বিভ্রান্তিকর নামের উপন্যাস থেকে প্রশ্ন আসে। - নামের সঙ্গে জেনারের মিল না থাকা সাহিত্যকর্মগুলো ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a তেভাগা আন্দোলন
b ভাষা আন্দোলন
c দেশ বিভাগ
d মুক্তিযুদ্ধ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভাষা আন্দোলন ১. কেন সঠিক: - কবর নাটকটির মূল পটভূমি হলো ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন। ভাষা আন্দোলনের শহীদদের আত্মত্যাগ এবং তৎকালীন শাসকগোষ্ঠীর নির্যাতনের বাস্তবচিত্র এই নাটকে প্রতীকীভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। - নাটকটিতে কাল্পনিক ও বাস্তব ঘটনার মিশ্রণে ভাষা শহীদদের স্মৃতি এবং তাদের আদর্শের চিরন্তন রূপ প্রকাশ করা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কবর নাটকের রচয়িতা মুনীর চৌধুরী। তিনি ভাষা আন্দোলনের সময় ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী থাকা অবস্থায় ১৯৫৩ সালে এই নাটকটি রচনা করেন। - এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম পূর্ণাঙ্গ ভাষা আন্দোলনভিত্তিক নাটক, যা ভাষা আন্দোলনের চেতনাকে নাট্যরূপে মূর্ত করে তুলেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জহির রায়হানের আরেক ফাল্গুন ব্যাখ্যা: এটি ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা আন্দোলনের চেতনাকে ধারণ করে। উদাহরণ ২: আলাউদ্দিন আল আজাদের বরফ গলা নদী ব্যাখ্যা: এটিও ভাষা আন্দোলন ও মধ্যবিত্ত জীবনের সামাজিক সংকটের ওপর রচিত একটি প্রখ্যাত সাহিত্যকর্ম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তেভাগা আন্দোলন — এই নাটকের পটভূমি তেভাগা আন্দোলন নয়, কারণ তেভাগা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত সাহিত্যকর্মের মধ্যে সুফিয়া কামালের লেখা বা অন্যান্য গ্রামীণ কৃষক বিদ্রোহের রচনা প্রধান। B) ভাষা আন্দোলন — এটি সঠিক উত্তর। C) দেশ বিভাগ — দেশ বিভাগের পটভূমিতে রচিত বিখ্যাত উপন্যাস হলো সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর লালসালু বা শওকত ওসমানের জননী, কবর এই পটভূমির নাটক নয়। D) মুক্তিযুদ্ধ — মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত বিখ্যাত নাটক হলো মুনীর চৌধুরীর কিশলয় বা অন্য কোনো নাটক, কবর মুক্তিযুদ্ধ শুরুর অনেক আগেই রচিত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - কারাগারে বসে লেখা প্রথম নাটক হলো কবর এবং এর রচয়িতা মুনীর চৌধুরী ভাষা আন্দোলনের অন্যতম শহীদ বুদ্ধিজীবী। - মুনীর চৌধুরী জেলে বসে নাটকটি লিখেছিলেন, তাই জেলে বা কারাগারে রচিত ভাষা আন্দোলনের নাটক বললে কবর নাটকের কথা মাথায় রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - কবর নাটকটি ১৯৫৩ সালে সিকান্দার আবু জাফর সম্পাদিত উত্তরাধিকার পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়। - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাষা আন্দোলনভিত্তিক প্রথম নাটক কোনটি, এই প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
a বিখ্যাত
b অদ্ভুত
c জনশ্রুতি
d কিংকর্তব্যবিমূঢ়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জনশ্রুতি ১. কেন সঠিক: - কিংবদন্তি শব্দটির অর্থ জনশ্রুতি বা মুখে মুখে প্রচলিত ঐতিহাসিক কাহিনি। - লোকমুখে প্রচলিত যে কাহিনির সত্যতা পুরোপুরি যাচাই করা যায় না কিন্তু সমাজে বিশ্বাস করা হয়, তাকে কিংবদন্তি বলে। ২. শব্দের উৎস ও অর্থ: - এটি এককথায় প্রকাশ বা শব্দার্থ সংক্রান্ত একটি প্রশ্ন যা প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। - ঐতিহাসিক কোনো ঘটনা বা ব্যক্তির নামের সঙ্গে যখন কাল্পনিক বা অলৌকিক কিছু মিশে জনসমাজে প্রচার লাভ করে, তখন তাকে কিংবদন্তি বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চাণক্যের শ্লোক ব্যাখ্যা: চাণক্যের শ্লোক মুখে মুখে প্রচলিত হয়ে সমাজে কিংবদন্তির রূপ ধারণ করেছে। উদাহরণ ২: গাজী কালুর কাহিনী ব্যাখ্যা: গাজী কালুর জীবনের বিভিন্ন বীরত্বপূর্ণ ঘটনা জনশ্রুতি বা কিংবদন্তি হিসেবে আমাদের লোকসাহিত্যে টিকে আছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিখ্যাত — এই শব্দের অর্থ খ্যাতিমান বা যা সবার পরিচিত, যা কিংবদন্তি শব্দের সঠিক অর্থ নির্দেশ করে না। B) অদ্ভুত — অদ্ভুত শব্দের অর্থ যা অসাধারণ বা আশ্চর্যজনক, এটি জনশ্রুতি বোঝায় না। C) জনশ্রুতি — এই অপশনটি সঠিক কারণ কিংবদন্তি বলতে লোকমুখে প্রচলিত কথাই বোঝায়। D) কিংকর্তব্যবিমূঢ় — এই শব্দের অর্থ কী করা উচিত তা বুঝতে না পেরে দিশেহারা হওয়া, যার সঙ্গে প্রশ্নটির কোনো মিল নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: - কিংবদন্তি শব্দটির ভেতরে থাকা জনশ্রুতি কথাটি মনে রাখলে এই প্রশ্নের উত্তর সহজেই দেওয়া সম্ভব। - মুখে মুখে যা রটে তা জনশ্রুতি বা কিংবদন্তি হিসেবে গণ্য করা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ ও এককথায় প্রকাশ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - প্রমিত বাংলা বানানে কিংবদন্তি শব্দটি সঠিকভাবে লেখা এবং এর সঠিক অর্থ জানা পরীক্ষার জন্য জরুরি।
a বাঁধনহারা
b ছাড়পত্র
c কাঁদো নদী কাঁদো
d পথের দাবী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বাঁধনহারা ১. কেন সঠিক: - বাঁধনহারা হলো জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস। - এটি বাংলা সাহিত্যের একটি পত্রোপন্যাস বা চিঠিপত্রের মাধ্যমে রচিত উপন্যাস। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি ও প্রাবন্ধিক হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিত। - বাঁধনহারা উপন্যাসটি প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পটভূমিতে এবং তরুণ নজরুলের মননশীলতার প্রকাশ হিসেবে রচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মৃত্যুক্ষুধা ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের লেখা একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস। উদাহরণ ২: কুহেলিকা ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের রচিত আরেকটি রাজনৈতিক ও মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাঁধনহারা — এটি সঠিক উত্তর। B) ছাড়পত্র — এটি আধুনিক কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের লেখা একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। C) কাঁদো নদী কাঁদো — এটি প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর লেখা একটি বিখ্যাত উপন্যাস। D) পথের দাবী — এটি কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা একটি বিখ্যাত রাজনৈতিক উপন্যাস। ৫. মনে রাখার টিপস: - নজরুলের প্রথম উপন্যাস মনে রাখতে মনে রাখবে তিনি বাঁধনহারা ছিলেন। - তার বিখ্যাত তিনটি উপন্যাস হলো বাঁধনহারা, মৃত্যুক্ষুধা ও কুহেলিকা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাঁধনহারা কাজী নজরুল ইসলামের একমাত্র পত্রোপন্যাস। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকদের প্রথম উপন্যাস বা কাব্যগ্রন্থ প্রায়ই আসে।
a রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
b হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
c মাইকেল মধুসূদন দত্ত
d নবীনচন্দ্র সেন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১. কেন সঠিক: - 'মেঘনাদবধ কাব্য' বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য। - এই মহাকাব্যের রচয়িতা হলেন আধুনিক বাংলা কবিতার জনক মাইকেল মধুসূদন দত্ত। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দ এবং সনেট প্রবর্তন করেন। - ১৮৬১ সালে প্রকাশিত 'মেঘনাদবধ কাব্য' রামায়ণের কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে রচিত হলেও রাবণ ও মেঘনাদের চরিত্রকে মহিমান্বিত করা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তিলোত্তমা সম্ভব কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ। উদাহরণ ২: বীরাঙ্গনা কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচিত একটি পত্রকাব্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বাংলা সাহিত্যের নোবেলজয়ী কবি, গীতাঞ্জলি সহ বহু কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা। তবে তিনি 'মেঘনাদবধ কাব্য' রচনা করেননি। B) হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় — তিনি একজন প্রখ্যাত দেশপ্রেমিক কবি, যাঁর বিখ্যাত মহাকাব্য হলো বৃত্রসংহার। তবে তিনি 'মেঘনাদবধ কাব্যের' রচয়িতা নন। C) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়। D) নবীনচন্দ্র সেন — তিনি পলাশীর যুদ্ধ মহাকাব্যের জন্য বিখ্যাত একজন কবি। তবে 'মেঘনাদবধ কাব্য' তাঁর রচনা নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - মেঘনাদবধ কাব্যের নামের সাথে মাইকেল মধুসূদন দত্তের নাম এভাবে মনে রাখবে যে মধুসূদন দত্ত বাংলা মহাকাব্যের প্রবক্তা। - মহাকাব্যের কথা মনে এলেই মাইকেল মধুসূদন দত্ত এবং তাঁর মেঘনাদবধ কাব্যের নাম প্রথম মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহাকাব্য কোনটি এবং এর রচয়িতা কে তা জানতে চাওয়া হয়। - মহাকাব্যের নাম 'মেঘনাদবধ কাব্য' এবং রচয়িতা মাইকেল মধুসূদন দত্ত এই তথ্যটি ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a তিনটি
b চারটি
c পাঁচটি
d ছয়টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চারটি ১. কেন সঠিক: - উৎস বা উৎপত্তি অনুসারে বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে মূলত চারটি ভাগে ভাগ করা হয়। এই শ্রেণিবিভাগটি বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডারের মূল উৎস নির্দেশ করে। - ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা যায় (তদ্ভব, তৎসম ও দেশী), তবে সাধারণ ব্যাকরণে ডক্টর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের চার ভাগের শ্রেণিবিভাগটি বহুল গ্রহণযোগ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উৎস বা উৎপত্তি অনুসারে বাংলা ভাষার শব্দগুলোকে চার ভাগে ভাগ করা হয়। এগুলো হলো তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব এবং দেশি ও বিদেশি শব্দ (বিদেশি শব্দসহ মোট পাঁচ ভাগে ডক্টর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ভাগ করেছেন, তবে মূল প্রধান উৎস হিসেবে চারটিকে বিবেচনা করা হয়: তৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি)। - প্রমিত ব্যাকরণ অনুযায়ী উৎস বা ইতিহাস অনুসারে বাংলা শব্দভাণ্ডারকে তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, তৎভব, দেশি এবং বিদেশি এই কয়টি ভাগে সাজানো হয়, তবে প্রধান ভাগ চারটি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চন্দ্র ব্যাখ্যা: এটি একটি তৎসম শব্দ, যা সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। উদাহরণ ২: কুলা ব্যাখ্যা: এটি একটি দেশি শব্দ, যা প্রাক-আর্য বা আদিবাসীদের ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তিনটি — তিনটি ভাগ প্রধানত ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর অনুসরণে বলা হয়, তবে সাধারণ ব্যাকরণগত প্রশ্নে প্রমিত নিয়মে চারটিকে সঠিক ধরা হয়। B) চারটি — এটি সঠিক অপশন কারণ উৎস বা উৎপত্তি অনুসারে বাংলা শব্দকে তৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি এই প্রধান চার ভাগে ভাগ করা হয়। C) পাঁচটি — পাঁচটি ভাগ সাধারণত করা হয় না, তবে বিদেশি শব্দকে আলাদা ধরলে তা উপবিভাগে আসে। D) ছয়টি — ছয়টি কোনো প্রমিত বা প্রধান শ্রেণিবিভাগ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - মনে রাখার সহজ সূত্র হলো ত-দে-বি (তৎসম ও তদ্ভব, দেশি, বিদেশি)। এভাবে প্রধান উৎসগুলো সহজে মনে রাখা যায়। - উৎস বা উৎপত্তি বললেই সংখ্যাটি হবে চার। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের উৎস সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - তৎসম শব্দের অর্থ তাহার সমান এবং তদ্ভব শব্দের অর্থ তাহা হইতে উৎপন্ন।
a রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
b মাইকেল মধুসূদন দত্ত
c সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
d আল মাহমুদ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১. কেন সঠিক: বাংলা কবিতায় অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক হলেন মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত। এই ছন্দের মূল বৈশিষ্ট্য হলো পঙক্তির অন্তে মিল বা পয়ারের মতো জ্যোতি বা যতি না থাকা এবং ভাবের অনায়াস প্রবহমানতা বজায় রাখা। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে আধুনিকতার রূপকার এবং পাশ্চাত্য সাহিত্যের প্রভাবে নবজাগরণ এনেছিলেন। তিনি বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দ এবং সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতার সফল প্রবর্তন করেছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তিলোৎসমাসম্ভব কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের প্রথম অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত কাব্যগ্রন্থ যা বাংলা সাহিত্যে নতুন যুগের সূচনা করে। উদাহরণ ২: মেঘনাদবধ কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মধুসূদন দত্তের সর্বশ্রেষ্ঠ কীর্তি এবং বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য যা অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বাংলা সাহিত্যে গদ্যছন্দ এবং নানা নতুন ছন্দের প্রবর্তক হলেও অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক নন। B) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রশ্নানুসারে নির্ভুল। C) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত — তিনি ছন্দের জাদুকর হিসেবে পরিচিত এবং বাংলা ছন্দের নানা বৈচিত্র্য এনেছেন কিন্তু অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক নন। D) আল মাহমুদ — তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি হলেও অমিত্রাক্ষর ছন্দের সঙ্গে তাঁর কোনো ঐতিহাসিক সংযোগ নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: মধু মানেই মধুসূদন যিনি অমিত্রাক্ষর ছন্দের মধু খাইয়ে বাংলা কবিতাকে সমৃদ্ধ করেছেন। অমিত্রাক্ষর ছন্দ বললেই মাইকেল মধুসূদন দত্তের নাম মনে রাখতে হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা সাহিত্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের জনক বা প্রবর্তক কে এই প্রশ্নটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। একই সঙ্গে তাঁর রচিত মেঘনাদবধ কাব্য এবং তিলোৎসমাসম্ভব কাব্য সম্পর্কেও প্রশ্ন থাকে।
a চন্দ্র
b হাত
c বেগম
d লুঙ্গি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চন্দ্র ১. কেন সঠিক: - তৎসম শব্দের আক্ষরিক অর্থ তাহার সমান অর্থাৎ সংস্কৃতির সমান। যে সমস্ত শব্দ সংস্কৃত ভাষা থেকে কোনো রকম পরিবর্তন না হয়ে সরাসরি বাংলা ভাষায় এসেছে, সেগুলোকে তৎসম শব্দ বলে। চন্দ্র শব্দটি সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে, তাই এটি একটি তৎসম শব্দ। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - উৎসের দিক থেকে বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে মূলত পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয়। যথা: তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি এবং বিদেশি শব্দ। চন্দ্র হলো এমন একটি শব্দ যার রূপ সংস্কৃত এবং বাংলা উভয় ভাষাতেই সম্পূর্ণ অপরিবর্তিত থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সূর্য ব্যাখ্যা: সূর্য শব্দটি সংস্কৃত থেকে সরাসরি বাংলায় এসেছে এবং এর রূপ অপরিবর্তিত রয়েছে, তাই এটি একটি তৎসম শব্দ। উদাহরণ ২: নদী ব্যাখ্যা: নদী শব্দটি সংস্কৃত ভাষা থেকে কোনো রূপ পরিবর্তন ছাড়া সরাসরি বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হয়, যা তৎসম শব্দের একটি চমৎকার উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চন্দ্র — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে এবং এর রূপ অপরিবর্তিত রয়েছে। B) হাত — এটি একটি তদ্ভব শব্দ, যার উৎস সংস্কৃত শব্দ হস্ত থেকে অর্ধতৎসম হত্ত হয়ে প্রাকৃতের মাধ্যমে বিবর্তিত হয়েছে। C) বেগম — এটি একটি তুর্কি শব্দ, যা বাংলা ভাষায় আগত বিদেশি শব্দ হিসেবে পরিচিত। D) লুঙ্গি — এটি একটি বর্মি বা মায়ানমার ভাষার শব্দ, যা বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত একটি বিদেশি শব্দ। ৫. মনে রাখার টিপস: - তৎসম শব্দ চেনার সহজ উপায় হলো সাধু ভাষার বা প্রাচীন সংস্কৃত ঘেঁষা শব্দগুলো তৎসম হয়। চন্দ্র, সূর্য, নক্ষত্র, ধরণী ইত্যাদি প্রকৃতির উপাদান বা কঠিন প্রকৃতির শব্দগুলো সাধারণত তৎসম শব্দ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের উৎস বা শ্রেণিবিভাগ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। তৎসম শব্দ চেনার জন্য শব্দের বানান ও রূপের দিকে নজর রাখতে হবে যা দেখতে সংস্কৃত ভাষার মতো মনে হয়।
a 1497
b 1801
c 1861
d 1899
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৮০১ ১. কেন সঠিক: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসকে প্রাচীন, মধ্য এবং আধুনিক এই তিন যুগে ভাগ করা হয়। ১৮০১ সালকে বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের সূচনার বছর হিসেবে ধরা হয় কারণ এই সালে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয় এবং গদ্য চর্চা শুরু হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১৮০১ সালে কলকাতার ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলা গদ্যের সঠিক বিকাশ শুরু হয়। উইলিয়াম কেরির নেতৃত্বে বাংলায় পঠনপাঠন ও গদ্য গ্রন্থ রচনার সূচনা ঘটে যা আধুনিক যুগের পথ প্রশস্ত করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: উইলিয়াম কেরির কতিতোপাখ্যান ব্যাখ্যা: এটি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের যুগে প্রকাশিত বাংলা গদ্যের অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন। উদাহরণ ২: রামরাম বসুর রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থটিও আধুনিক যুগের শুরুতে প্রকাশিত গদ্য সাহিত্যের একটি পথিকৃৎ রচনা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৪৯৭ — এই সালটি বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের সময়সীমার মধ্যে পড়ে এবং এটি শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের আবিষ্কার বা মধ্যযুগের সূচনার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) ১৮০১ — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি বাংলা গদ্য চর্চা ও আধুনিক যুগের সূচনার বছর হিসেবে স্বীকৃত। C) ১৮৬১ — এই সালে মাইকেল মধুসূদন দত্তের মেঘনাদবধ কাব্য প্রকাশিত হয়, যা আধুনিক যুগের সূচনা নয় বরং মধুসূদন যুগের একটি সাহিত্যকৃতি। D) ১৮৯৯ — এই সালটি আধুনিক যুগের অনেক পরে এবং এটি রবীন্দ্রযুগের কাছাকাছি সময়ের একটি বছর। ৫ মনে রাখার টিপস: ১৮০১ সালকে আধুনিক যুগের শুরুর সাল মনে রাখতে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠার সালটি মনে রাখতে হবে। গদ্যের হাত ধরেই বাংলা সাহিত্যে আধুনিকতার প্রবেশ ঘটেছিল। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বাংলা সাহিত্যের যুগের বিভাগ ও সূচনার সাল সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। তাই ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ ও আধুনিক যুগের শুরুর সম্পর্কটি ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a চিত্রা
b অগ্নিবীণা
c সোনার তরী
d সেঁজুতি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অগ্নিবীণা ১. কেন সঠিক: - অগ্নিবীণা কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ যা ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয়। - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্য নয় কোনটি জানতে চাওয়ায় অগ্নিবীণা সঠিক উত্তর কারণ এটি নজরুলের সৃষ্টি। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি ও জাতীয় কবি হিসেবে পরিচিত। - অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থে বিদ্রোহী, প্রলয়োল্লাস ও বিদায় হিয়ার বাংলাদেশ সহ বিখ্যাত কবিতা রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিষের বাঁশি ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত বিদ্রোহী কাব্যগ্রন্থ। উদাহরণ ২: ছায়ানট ব্যাখ্যা: এটিও কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চিত্রা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা ১৮৯৬ সালে প্রকাশিত হয়। B) অগ্নিবীণা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি রবীন্দ্রনাথের নয় বরং কাজী নজরুল ইসলামের কাব্য। C) সোনার তরী — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অত্যন্ত জনপ্রিয় ও পরিচিত একটি কাব্যগ্রন্থ। D) সেঁজুতি — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অন্ত্যপর্বের একটি উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ। ৫. মনে রাখার টিপস: - অগ্নিবীণা শব্দটি দেখলে সবসময় কাজী নজরুল ইসলামের কথা মনে রাখবে। - রবীন্দ্রনাথের কাব্য মনে রাখতে চিত্রা ও সোনার তরী প্রধান হিসেবে স্মরণ রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রবীন্দ্র ও নজরুলের প্রথম কাব্যগ্রন্থ প্রায়ই আসে। - কবির নাম ও তাদের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের তালিকা আলাদা করে মুখস্থ রাখা আবশ্যক।
a মাহবুব আলম চৌধুরী
b শামসুর রাহমান
c আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
d নির্মলেন্দু গুণ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ ১. কেন সঠিক: 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতাটির রচিয়তা হলেন বিশিষ্ট কবি ও কূটনীতিবিদ আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ। এই কবিতাটি আধুনিক বাংলা কবিতার ধারায় মাটি, মানুষ, ঐতিহ্য ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার এক অনন্য প্রকাশ। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: কবি আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ বাংলা আধুনিক কবিতার এক অগ্রণী নাম যিনি গ্রামীণ ঐতিহ্য ও লোকায়ত জীবনকে কবিতায় রূপ দিয়েছেন। এই কবিতাটিতে বাংলার আবহমান কাল ধরে চলে আসা সংগ্রাম, ঐতিহ্য এবং শোষণের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের প্রতিবাদের চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'কোন এককালে ফুল ছিল কুসুম কুমারী' ব্যাখ্যা: এটি কবি আবু জাফর ওবায়দুল্লাহর আরেকটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের অংশ, যা তার লোকায়ত সুরের পরিচায়ক। উদাহরণ ২: 'মাগো ওরা বলে' ব্যাখ্যা: এটিও কবি আবু জাফর ওবায়দুল্লাহর রচিত অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি কবিতা, যা ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে লেখা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাহবুব আলম চৌধুরী — ইনি বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে অমর একুশে স্মরণে 'কাঁদতে আসিেনি ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি' কবিতার রচয়িতা, 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতার নন। B) শামসুর রাহমান — ইনি আধুনিক বাংলা কবিতার প্রধান কবি হলেও আলোচ্য কবিতাটির রচয়িতা নন, তার বিখ্যাত কবিতার মধ্যে রয়েছে 'স্বাধীনতা তুমি' ও 'আসাদের শার্ট'। C) আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ — এই অপশনটি সঠিক এবং ইনিই 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতাটির স্বনামধন্য রচয়িতা। D) নির্মলেন্দু গুণ — ইনি ষাটের দশকের প্রখ্যাত কবি হলেও এই কবিতার রচয়িতা নন, তার বিখ্যাত কবিতার মধ্যে রয়েছে 'হুলিয়া' ও 'স্বাধীনতা এই শব্দটি কিভাবে আমাদের হলো'। ৫ মনে রাখার টিপস: কিংবদন্তি বা ঐতিহ্যবাহী লোককথার মতো প্রাচীন ও গভীর কথার কবিতা মনে রাখতে কিংবদন্তি লেখার সঙ্গে ওবায়দুল্লাহ নামটি যুক্ত করে নিন। মনে রাখুন যে আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ মানেই বাংলার শিকড় ও কিংবদন্তির কথা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত কবিতা এবং এর রচয়িতাদের নাম জানতে চাওয়া হয়। লেখক পরিচিতি পড়ার সময় কবিদের সেরা ও জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ বা কবিতার নাম আলাদা করে নোট করে রাখা উচিত।
a ভাষা আন্দোলন
b মুক্তিযুদ্ধ
c মন্বন্তর
d প্রেম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মুক্তিযুদ্ধ ১. কেন সঠিক: - এই প্রশ্নটি সাহিত্য ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট সংক্রান্ত। 'রাইফেল রোটি আওরাত' উপন্যাসটি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত হয়েছে। - উপন্যাসের শিরোনামের মাধ্যমে পাকিস্তানি সামরিক জান্তার অস্ত্র এবং বাঙালি নারীর ওপর চালানো নৃশংসতার নির্মম চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - 'রাইফেল রোটি আওরাত' উপন্যাসের রচয়িতা প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক আনোয়ার পাশা। এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস হিসেবে বিশেষভাবে পরিচিত। - ১৯৭১ সালের এপ্রিল থেকে জুন মাসের মধ্যে অবরুদ্ধ ঢাকার জীবনের ভয়াবহতা, বুদ্ধিজীবী হত্যা এবং সাধারণ মানুষের মুক্তিসংগ্রামে অংশগ্রহণের বাস্তব দলিল এই উপন্যাসটি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: شهید জননী জাহানারা ইমামের 'একাত্তরের দিনগুলি' ব্যাখ্যা: এটি মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ স্মৃতিকথা যা তৎকালীন জনজীবনের বাস্তব চিত্র তুলে ধরে। উদাহরণ ২: শওকত ওসমানের 'জাহান্নাম হইতে বিদায়' ব্যাখ্যা: এটিও মহান মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস যা পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বরতা প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভাষা আন্দোলন — ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত বিখ্যাত উপন্যাস হলো জহির রায়হানের 'আরেক ফাল্গুন'। তাই এই অপশনটি সঠিক নয়। C) মন্বন্তর — ১৯৪৩ সালের পঞ্চাশের মন্বন্তর বা দুর্ভিক্ষের প্রেক্ষাপটে রচিত বিখ্যাত উপন্যাস হলো সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর 'কাঁদো নদী কাঁদো' বা বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের 'অগ্নীশ্বর'। D) প্রেম — এই উপন্যাসটির মূল বিষয়বস্তু প্রেম বা রোমান্স নয়, বরং ১৯৭১ সালের অবরুদ্ধ ঢাকার মুক্তিযুদ্ধ এবং মানুষের টিকে থাকার লড়াই। ৫. মনে রাখার টিপস: - আনোয়ার পাশার লেখা 'রাইফেল রোটি আওরাত' উপন্যাসের নামের ভেতরেই অস্ত্র এবং যুদ্ধের ভয়াবহতা লুকিয়ে আছে যা মুক্তিযুদ্ধকে নির্দেশ করে। - মুক্তিযুদ্ধের প্রথম উপন্যাস মনে রাখতে আনোয়ার পাশার নাম এবং ১৯৭১ সালের প্রেক্ষাপট একসাথে মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই প্রথম মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসের নাম এবং লেখকের নাম জানতে চাওয়া হয়। - বিভিন্ন উপন্যাসের প্রেক্ষাপট ও রচয়িতা মনে রাখার জন্য ঐতিহাসিক সাল এবং ঘটনার সাথে মিলিয়ে পড়া সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি।
a অন্ধ অনুকরণ
b কাণ্ডজ্ঞানহীন
c প্রবাহিত
d আলসেমি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অন্ধ অনুকরণ ১. কেন সঠিক: - 'গড্ডলিকা প্রবাহ' একটি পরিচিত বাগধারা যার অর্থ হলো অন্ধ অনুকরণ বা বিচারবুদ্ধিহীন দলগত অনুসরণ। - গড্ডলিকা শব্দের অর্থ হলো ভেড়ার পাল এবং প্রবাহ অর্থ স্রোত, অর্থাৎ ভেড়ার পালের মতো অন্ধভাবে অন্যের পথ অনুসরণ করাই এর মূল ভাব। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে বাগধারা হলো এমন বিশেষ শব্দগুচ্ছ যা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ভাব প্রকাশ করে। - এই বাগধারাটি সমাজে প্রচলিত অন্ধভাবে অন্যের দেখাদেখি কোনো কাজ করা বা প্রথার পেছনে ছোটার প্রবণতাকে নির্দেশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সমাজের সবাই করছে বলেই সেও ওই পেশা বেছে নিল, একেই বলে গড্ডলিকা প্রবাহে ভেসে চলা। ব্যাখ্যা: এখানে কোনো নিজস্ব বিচারবুদ্ধি না খাটিয়ে অন্য দশজনের দেখাদেখি কাজ করার প্রবণতা বোঝানো হয়েছে। উদাহরণ ২: গড্ডলিকা প্রবাহে না মেতে নিজের বুদ্ধিমত্তা দিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত। ব্যাখ্যা: অন্ধ অনুকরণ থেকে বেরিয়ে এসে নিজস্ব বিবেচনায় চলার গুরুত্ব বোঝাতে এই উদাহরণটি প্রযোজ্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অন্ধ অনুকরণ — এটি সঠিক উত্তর কারণ গড্ডলিকা প্রবাহ বাগধারাটির মূল অর্থ অন্ধভাবে কোনো কিছু অনুসরণ করা। B) কাণ্ডজ্ঞানহীন — এটি একটি সাধারণ বিশেষণের অর্থ প্রকাশ করে, কিন্তু গড্ডলিকা প্রবাহ বিশেষ কোনো অন্ধ অনুকরণমূলক আচরণকে বোঝায়। C) প্রবাহিত — এটি গতিশীলতা বা প্রবহমানতা বোঝায়, যা বাগধারাটির নির্দিষ্ট রূপক অর্থের সঙ্গে সরাসরি মেলে না। D) আলসেমি — এটি কর্মবিমুখতা বা অলসতা প্রকাশ করে, যা গড্ডলিকা প্রবাহের অন্ধ অনুসরণের ধারণার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - গড্ডলিকা মানে ভেড়ার পাল আর প্রবাহ মানে স্রোত। ভেড়ার পাল যেমন একটি ভেড়া যেদিকে যায় বাকিরাও সেদিকেই যায়, তেমনি মানুষ যখন কোনো বিচার না করে দলীয়ভাবে অন্যকে অনুসরণ করে তাকে গড্ডলিকা প্রবাহ বলে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারার অন্তর্নিহিত রূপক অর্থ প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়। - এ ধরনের প্রশ্ন সমাধানের জন্য আক্ষরিক অর্থের পরিবর্তে ঐতিহ্যগত ও রূপক অর্থ ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
a শ্রীকৃষ্ণকীর্তন
b চর্যাপদ
c বৈষ্ণব পদাবলী
d মঙ্গলকাব্য
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চর্যাপদ ১. কেন সঠিক: চর্যাপদ হলো বাংলা ভাষার প্রাচীনতম কাব্যগ্রন্থ ও সাহিত্যের আদি নিদর্শন। ডক্টর হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: চর্যাপদ মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের সাধনসঙ্গীত বা আচার্যচর্য বিনিময়। এটি বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগ অর্থাৎ সেন ও পাল আমলের মিশ্র সংস্কৃতি ও ভাষার নির্দেশক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সু বরকত বাঙালি ভিল্লি কাইঅ রিউ ব্যাখ্যা: এটি চর্যাপদের একটি বিখ্যাত পংক্তি যা প্রাচীন বাংলা ভাষার রূপ নির্দেশ করে। উদাহরণ ২: চাঅর ছারই ভিলি পরিধান ব্যাখ্যা: এটি চর্যাপদের ভাষা ও জীবনযাত্রার চিত্র তুলে ধরে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শ্রীকৃষ্ণকীর্তন — এটি বড়ু চণ্ডীদাস রচিত মধ্যযুগের প্রথম কাব্য নিদর্শন। C) বৈষ্ণব পদাবলী — এটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম শাখা ও শ্রীচৈতন্যদেব পরবর্তী ধারার সৃষ্টি। D) মঙ্গলকাব্য — এটি মধ্যযুগে দেবদেবীর মাহাত্ম্য প্রচারের উদ্দেশ্যে রচিত একশ্রেণির কাব্য। ৫ মনে রাখার টিপস: প্রাচীন যুগের একমাত্র নিদর্শন চর্যাপদ এবং এটি আবিষ্কার করেন হরপ্রসাদ শাস্ত্রী। বাংলা সাহিত্যের প্রথম বই হিসেবে চর্যাপদের নাম সবসময় মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: চর্যাপদের ভাষা হলো সন্ধ্যভাষা বা আলো-আঁধারি ভাষা। চর্যাপদের মোট পদের সংখ্যা সাড়ে ছেচল্লিশটি এবং এর আবিষ্কারক ডক্টর হরপ্রসাদ শাস্ত্রী।
a on
b in
c to
d for
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) for কেন সঠিক: - aspiration শব্দের পরে সাধারণত for প্রিপজিশন বসে যার অর্থ কোনো কিছুর প্রতি তীব্র আকাঙ্ক্ষা বা উচ্চাশা। - এখানে ধনসম্পদের প্রতি তীব্র আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করতে aspiration শব্দের সঙ্গে for প্রিপজিশন ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) on — aspiration শব্দের পরে অন প্রিপজিশন বসে না কারণ এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক collocation নয়। B) in — এই বাক্যের অর্থের সঙ্গে in প্রিপজিশন সংগতিপূর্ণ নয় এবং এটি সঠিক collocation তৈরি করে না। C) to — aspiration শব্দের পরে টু প্রিপজিশন সাধারণত বসে না কারণ এটি এখানে লক্ষ্য বোঝাতে অক্ষম। D) for — এটি সঠিক উত্তর কারণ aspiration for riches অর্থ ধনসম্পদের প্রতি তীব্র আকাঙ্ক্ষা। মনে রাখার টিপস: কোনো কিছুর জন্য উচ্চাশা বোঝাতে aspiration এর পরে সবসময় for প্রিপজিশন ব্যবহার করবে।
a in
b at
c on
d of
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) on কেন সঠিক: - সঠিক পথ বা ট্র্যাকে বোঝাতে উপযুক্ত প্রিপজিশন হিসেবে 'on' ব্যবহৃত হয়। - 'on the right track' একটি প্রচলিত ইংরেজি ইডিওম যার অর্থ সঠিক পথে থাকা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) in — 'in' সাধারণত কোনো কিছুর ভেতরে অবস্থান বোঝাতে বসে, তাই ট্র্যাকের ক্ষেত্রে এটি ভুল। B) at — 'at' নির্দিষ্ট বিন্দু বা অবস্থান বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা সঠিক পথের প্রিপজিশনের সঙ্গে মানানসই নয়। C) on — এই অপশনটি নিজেই সঠিক উত্তর এবং এটি প্রমিত ইংরেজি নিয়ম অনুযায়ী পুরোপুরি ঠিক। D) of — 'of' সাধারণত অধিকার বা সম্পর্ক বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে অর্থহীন। মনে রাখার টিপস: সঠিক পথের ওপর থাকা বোঝাতে সবসময় 'on the right track' ফ্রেজটি ব্যবহার করবে।
a Take notice
b Note Before
c Nota Bene
d Note Better
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Nota Bene কেন সঠিক: - ল্যাটিন শব্দগুচ্ছ Nota Bene এর ইংরেজি অর্থ Note Well বা ভালোভাবে লক্ষ্য করা। - কোনো লেখার বিশেষ কোনো অংশ গুরুত্ব দিয়ে পড়ার জন্য সংক্ষেপে এই সংকেত ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Take notice — এটি সাধারণ একটি ইংরেজি বাক্যাংশ যার অর্থ লক্ষ্য করা, যা N.B. এর ল্যাটিন মূল রূপ নয়। B) Note Before — এটি একটি ভুল ইংরেজি বিন্যাস এবং এর কোনো ল্যাটিন ঐতিহাসিক ভিত্তি নেই। C) Nota Bene — এটি সঠিক ল্যাটিন শব্দ যার সংক্ষিপ্ত রূপ হলো N.B.। D) Note Better — এটি ব্যাকরণগতভাবে অসম্পূর্ণ এবং এর অর্থ ভালো নোট নয়, তাই এটি গ্রহণযোগ্য নয়। মনে রাখার টিপস: Nota Bene ল্যাটিন শব্দটির প্রথম অক্ষর দুটি নিয়ে N.B. গঠিত হয়েছে, যার অর্থ বিশেষ দ্রষ্টব্য।
a Telecasting
b Telecasted
c Telecast
d Telecasten
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Telecast কেন সঠিক: - 'telecast' একটি স্ট্রং বা ইরেগুলার ভার্ব, যার প্রেজেন্ট, পাস্ট এবং পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম একই থাকে। - তাই এই ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল রূপ হিসেবে 'telecast' শব্দটির কোনো পরিবর্তন হয় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Telecasting — এটি 'telecast' ভার্বের প্রেজেন্ট পার্টিসিপল বা আইএনজি যুক্ত রূপ, তাই এটি পাস্ট পার্টিসিপল নয়। B) Telecasted — ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী 'telecast' ভার্বের সাথে অতিরিক্ত 'ed' যুক্ত করে পাস্ট ফর্ম বা পাস্ট পার্টিসিপল করা যায় না। C) Telecast — এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ এর পাস্ট পার্টিসিপল রূপ মূল ভার্বের রূপেরই সমান হয়। D) Telecasten — ইংরেজি ব্যাকরণে 'telecast' শব্দের সাথে 'en' যুক্ত করে কোনো পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম গঠিত হয় না। মনে রাখার টিপস: 'cast', 'broadcast' এবং 'telecast' শব্দগুলোর তিনটি রূপই অপরিবর্তিত থাকে।
a Distorted
b Erroneous
c Hypothetical
d Ambiguous
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Hypothetical কেন সঠিক: - 'Hypothetical' শব্দের অর্থ কাল্পনিক বা অনুমানের ওপর ভিত্তি করে তৈরি কোনো ধারণা বা বিবৃতি। - কোনো নির্দিষ্ট সত্যতা বা প্রমাণ ছাড়াই যখন কোনো অনুমান বা কল্পনাকে সত্য ধরে বক্তব্য দেওয়া হয়, তাকে হাইপোথেটিক্যাল বা কাল্পনিক বিবৃতি বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Distorted — বিকৃত বা পরিবর্তিত তথ্য বোঝায়, যা কোনো অনুমানের ওপর প্রতিষ্ঠিত বিবৃতির সঠিক অর্থ প্রকাশ করে না। B) Erroneous — ভুল বা ত্রুটিপূর্ণ কোনো তথ্য বোঝায়, যা অনুমানভিত্তিক বিবৃতির মূল ধারণার সমার্থক নয়। C) Hypothetical — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি সরাসরি কোনো কল্পিত বা অনুমানের ওপর ভিত্তি করে তৈরি বক্তব্যকে নির্দেশ করে। D) Ambiguous — অস্পষ্ট বা দ্ব্যর্থবোধক অর্থ প্রকাশ করে, যার একাধিক অর্থ হতে পারে কিন্তু এটি সরাসরি অনুমানভিত্তিক নয়। মনে রাখার টিপস: 'Hypothesis' শব্দের অর্থ অনুমান বা প্রাক্কল্প, যা থেকেই 'Hypothetical' বা কাল্পনিক কথাটি এসেছে।
a Always
b Almost never
c Positively
d Regularly
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Almost never কেন সঠিক: - 'Hardly' একটি নেতিবাচক বা প্রায় না-সূচক ক্রিয়াবিশেষণ, যার অর্থ কদাচিৎ বা খুব কমই। - 'Almost never' কথাটির অর্থও প্রায় কখনোই না, যা 'Hardly' শব্দের অর্থের সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Always — এর অর্থ সবসময়, যা 'Hardly' শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) Almost never — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ খুব কম বা প্রায় কখনোই না। C) Positively — এর অর্থ নিশ্চিতভাবে বা ইতিবাচকভাবে, যা নেতিবাচক অর্থবোধক 'Hardly' শব্দের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। D) Regularly — এর অর্থ নিয়মিতভাবে, যা অনিয়মিত বা কদাচিৎ ঘটার প্রকাশ ঘটানো 'Hardly' শব্দের বিপরীত। মনে রাখার টিপস: 'Hardly' মানে কদাচিৎ বা কদাচিৎ ঘটে এমন কিছু, তাই এর সমার্থক হিসেবে 'Almost never' বা 'Rarely' মনে রাখতে হবে।
a News
b Mathematics
c Economics
d Crises
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Crises কেন সঠিক: - Crises শব্দটি Crisis শব্দের প্লুরাল রূপ, যার শেষ অক্ষর এস এবং এটি বহুবচন নির্দেশ করে। - গ্রিক বা লাতিন উৎসের যেসব শব্দের শেষে আইএস থাকে, তাদের প্লুরাল করার সময় আইএস এর পরিবর্তে ইএস বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) News — এটি দেখতে বহুবচনের মতো হলেও মূলত একটি সিঙ্গুলার নাউন, যার অর্থ খবর। B) Mathematics — এটি একটি বিষয়ের নাম এবং শেষে এস থাকলেও এটি সিঙ্গুলার নাউন হিসেবে ব্যবহৃত হয়। C) Economics — এটি একটি শাস্ত্র বা বিষয়ের নাম, যা দেখতে প্লুরাল মনে হলেও মূলত সিঙ্গুলার নাউন। D) Crises — এটি নিজেই সঠিক উত্তর এবং এটি Crisis শব্দের প্লুরাল ফর্ম। মনে রাখার টিপস: আইএস যুক্ত সিঙ্গুলার নাউনকে প্লুরাল করার সময় আইএস তুলে দিয়ে ইএস বসালে তা বহুবচন হয়ে যায়।
a vary
b various
c variable
d varied point
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) vary কেন সঠিক: - প্রদত্ত শব্দ 'variation' একটি নাউন যার অর্থ পরিবর্তন বা বৈচিত্র্য। - এর সঠিক ভার্ব বা ক্রিয়া রূপ হলো 'vary', যার অর্থ হলো পরিবর্তিত হওয়া বা ভিন্ন হওয়া। বাকি অপশন কেন ভুল: A) vary — এটি সঠিক কারণ এটি 'variation' শব্দের মূল ভার্ব রূপ। B) various — এটি একটি অ্যাডজেক্টিভ, যার অর্থ বিভিন্ন বা নানা রকম। C) variable — এটি অ্যাডজেক্টিভ বা নাউন হতে পারে, যার অর্থ পরিবর্তনশীল। D) varied point — এটি কোনো একক শব্দ নয়, বরং একটি ফ্রেজ যা এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: শব্দের শেষে ion বা tion থাকলে সাধারণত তা নাউন হয় এবং তার মূল রূপটি ভার্ব হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
a Deed
b Did
c Doing
d Done
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Deed কেন সঠিক: - ইংরেজি ভাষা ও ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী 'do' verb-টির noun বা বিশেষ্য রূপ হলো 'deed'। - 'Do' অর্থ করা এবং 'Deed' অর্থ কাজ বা কর্ম, যা একটি noun বা বিশেষ্য হিসেবে বাক্যে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Deed — এটি সঠিক উত্তর কারণ 'do' verb-এর noun হলো 'deed'। B) Did — এটি 'do' verb-এর past form বা past tense, কোনো noun নয়। C) Doing — এটি 'do' verb-এর present participle বা gerund রূপ, তবে প্রশ্নানুযায়ী সঠিক noun রূপ হলো deed। D) Done — এটি 'do' verb-এর past participle form বা V3 রূপ, যা noun হিসেবে ব্যবহৃত হয় না। মনে রাখার টিপস: Verb হিসেবে 'do'-এর past tense হলো 'did', past participle হলো 'done' এবং নির্দিষ্ট noun রূপ হলো 'deed'।
a Noun
b Pronoun
c Adjective
d Preposition
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Adjective কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যে central শব্দটি Noun (library)-এর পূর্বে বসে সেটির দোষ, গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করছে। - কোনো শব্দ Noun-এর পূর্বে বসে যদি সেটির দোষ, গুণ, অবস্থা বা সংখ্যা প্রকাশ করে, তবে তা Adjective হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Noun — Noun হলো কোনো কিছুর নাম, কিন্তু central শব্দটি কোনো নাম বোঝাচ্ছে না বরং library-কে বিশেষিত করছে। B) Pronoun — Pronoun হলো Noun-এর পরিবর্তে ব্যবহৃত শব্দ, যা এখানে Noun-এর গুণ প্রকাশ করছে, তার পরিবর্তে বসেনি। C) Adjective — এটি সঠিক উত্তর কারণ central শব্দটি library-এর বিশেষত্ব নির্দেশ করছে। D) Preposition — Preposition হলো এমন শব্দ যা Noun বা Pronoun-এর পূর্বে বসে অন্য শব্দের সাথে সম্পর্ক বোঝায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: Noun-এর ঠিক আগে বসে যখন কোনো শব্দ সেই Noun সম্পর্কে অতিরিক্ত তথ্য দেয়, তখন চোখ বন্ধ করে সেটিকে Adjective ধরে নেবে।
a hand shake
b very intimate
c enmity
d cold weather
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) very intimate কেন সঠিক: - hand and glove একটি ইংরেজি প্রবাদপ্রতিম ইডিয়ম, যার আক্ষরিক অর্থ হাত ও হাতমোজা এবং ভাবার্থ অত্যন্ত ঘনিষ্ট সম্পর্ক। - এই বাক্যাংশটি দুই বা ততোধিক ব্যক্তির মধ্যে গভীর সখ্যতা, বন্ধুত্ব বা গোপন আঁতাত বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) hand shake — এটি সাধারণ সৌজন্যমূলক বা চুক্তির সময় হাত মেলানো বোঝায়, যা গভীর সম্পর্কের ইডিয়মটির সঙ্গে মেলে না। B) very intimate — এটি এই ইডিয়মের সঠিক ভাবার্থ প্রকাশ করে এবং দুই ব্যক্তির গভীর সম্পর্কের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। C) enmity — এর অর্থ শত্রুতা, যা hand and glove ইডিয়মের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। D) cold weather — এটি আবহাওয়া সংক্রান্ত একটি শব্দগুচ্ছ, যার সঙ্গে এই প্রবাদের কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: হাতে হাতমোজা যেভাবে একদম লেগে থাকে, তেমনি বন্ধুরাও যখন খুব ঘনিষ্ঠ হয় তখন তাদেরকে hand and glove বলা হয়।
a may pass
b may have passed
c might pass
d will pass
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: C) might pass কেন সঠিক: - এটি Second Conditional-এর নিয়ম অনুযায়ী গঠিত, যেখানে If-clauses অংশে Past Indefinite Tense (studied) থাকলে পরবর্তী অংশে Subject-এর পর could, might বা would বসে এবং মূল Verb-এর Base form হয়। - প্রদত্ত বাক্যে অধ্যয়নের সম্ভাবনার ফল প্রকাশ করতে might pass সঠিক ও ব্যাকরণগতভাবে নির্ভুল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) may pass — এটি First Conditional-এর গঠন, যেখানে If-clauses অংশে Present Tense থাকার কথা ছিল কিন্তু এখানে Past Tense আছে। B) may have passed — এটি Third Conditional-এর গঠন বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা Past Participle-এর অনুপস্থিতির কারণে এখানে প্রযোজ্য নয়। C) might pass — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল হিসেবে গণ্য নয়। D) will pass — এটিও First Conditional-এর গঠন, যা Past Tense-এর সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: Second Conditional-এর ক্ষেত্রে মনে রাখবে, If-এর পর Past Tense থাকলে পরবর্তী অংশে would, could বা might বসবে।
a Incumbent
b Incambent
c Incumbant
d Incambent
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Incumbent কেন সঠিক: - শব্দটিতে সঠিক প্রত্যয় ও বানানরীতি অনুসরণ করা হয়েছে যেখানে 'cumb' এর পর 'e' এবং 'nt' ব্যবহৃত হয়। - এর অর্থ বর্তমান পদাধিকারী বা কোনো পদে আসীন ব্যক্তি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Incumbent — এটি সঠিক বানান এবং এর অর্থ বর্তমান পদাধিকারী। B) Incambent — বানান ভুল কারণ এখানে সঠিক স্বরবর্ণ ব্যবহার করা হয়নি। C) Incumbant — বানান ভুল কারণ শেষে 'ant' ব্যবহার করা হয়েছে যেখানে 'ent' হওয়ার কথা ছিল। D) Incambent — অপশনটি পুনরাবৃত্তিমূলক এবং বানানটি ভুল। মনে রাখার টিপস: বানানটি মনে রাখতে ইন (In) যোগ কাম্ব (cumb) যোগ এন্ট (ent) এভাবে ভেঙে পড়তে পারেন।
a W. B. Yeats
b John Keats
c P. B. Shelly
d Shakespeare
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) John Keats কেন সঠিক: - উক্তিটি জন কিটসের বিখ্যাত দীর্ঘ কবিতা এন্ড্রিমিয়ান এর প্রথম লাইন। - জন কিটস রোমান্টিক যুগের একজন অন্যতম প্রধান ব্রিটিশ কবি যিনি সৌন্দর্য ও প্রকৃতির কবি হিসেবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) W. B. Yeats — উইলিয়াম বাটলার ইয়েটস বিংশ শতাব্দীর একজন আইরিশ কবি ও নাট্যকার যিনি এই রোমান্টিক পংক্তির রচয়িতা নন। B) John Keats — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক এবং এর রচয়িতা জন কিটস। C) P. B. Shelly — পার্সি বেশি শেলি রোমান্টিক যুগের আরেকজন বিখ্যাত কবি হলেও এই লাইনটি তাঁর কোনো কবিতার অংশ নয়। D) Shakespeare — উইলিয়াম শেকসপিয়র এলিজাবেথীয় যুগের নাট্যকার ও কবি এবং এই পংক্তিটি তাঁর রচনার অন্তর্ভুক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: কিটসের নামের সাথে বিউটি বা সৌন্দর্যের সম্পর্ক মনে রাখলে এই লাইনটি সহজে মনে রাখা যায়।
a tasty nuts
b hard object
c difficult problem
d strong
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) difficult problem কেন সঠিক: - 'Hard nut to crack' একটি প্রচলিত ইংরেজি ইডিয়ম যার আক্ষরিক অর্থ ভাঙতে কঠিন বাদাম এবং রূপক অর্থ হলো একটি জটিল বা কঠিন সমস্যা। - এটি এমন কোনো ব্যক্তি বা পরিস্থিতিকে বোঝায় যার সমাধান করা অত্যন্ত কষ্টকর। বাকি অপশন কেন ভুল: A) tasty nuts — এটি ইডিয়মের রূপক অর্থ বাদ দিয়ে আক্ষরিক সুস্বাদু বাদাম বোঝাচ্ছে, যা পরীক্ষার প্রেক্ষাপটে সঠিক নয়। B) hard object — এটি দিয়ে কেবল একটি শক্ত বস্তু বোঝায়, যা মানুষের সমস্যা বা পরিস্থিতির ক্ষেত্রে রূপকভাবে ব্যবহার করা যায় না। C) difficult problem — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং ইডিয়মটির প্রকৃত অর্থ প্রকাশ করে। D) strong — এটি সাধারণত শারীরিক বা মানসিক শক্তিকে বোঝায়, যা কোনো জটিল সমস্যার সমার্থক নয়। মনে রাখার টিপস: একটি শক্ত বাদাম দাঁত দিয়ে ভাঙা যেমন খুব কঠিন, তেমনি 'Hard nut to crack' মানেও যেকোনো কঠিন সমস্যা সমাধান করা।
a Unwise
b Reckless
c Judicious
d Hasty
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: C) Judicious কেন সঠিক: - Imprudent শব্দের অর্থ অবিবেচক, অদূরদর্শী বা বেপরোয়া। - Judicious শব্দের অর্থ বিচক্ষণ, সুবিবেচক বা বুদ্ধিমান, যা imprudent শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Unwise — এটি imprudent শব্দের সমার্থক শব্দ, কারণ এর অর্থ নির্বোধ বা অবিবেচক। B) Reckless — এটিও imprudent শব্দের কাছাকাছি সমার্থক শব্দ, যার অর্থ বেপরোয়া বা হঠকারী। C) Judicious — এটি সঠিক বিপরীতার্থক বা অ্যান্টনিম শব্দ, যার অর্থ বিচক্ষণ। D) Hasty — এটি imprudent শব্দের সমার্থক শব্দ, যার অর্থ তাড়াহুড়ো করা বা অবিবেচকের মতো দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া। মনে রাখার টিপস: Imprudent শব্দের শুরুতে Im বাদ দিয়ে এর বিপরীত শব্দ হিসেবে Judicious (বিচক্ষণ) মনে রাখা যায়।
a colour
b feather
c nature
d wings
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) feather কেন সঠিক: - এটি একটি জনপ্রিয় ইংরেজি প্রবাদ যার অর্থ হলো একই স্বভাব বা চরিত্রের মানুষ একত্রে থাকতে পছন্দ করে। - শূন্যস্থানে feather শব্দটি বসালে প্রবাদটির পূর্ণাঙ্গ অর্থ প্রকাশ পায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) colour — প্রবাদটির অর্থপূর্ণ রূপ দিতে এই শব্দটি প্রযোজ্য নয়। C) nature — অর্থগত মিল থাকলেও প্রবাদের নির্দিষ্ট রূপ গঠনে এই শব্দটি ব্যবহার হয় না। D) wings — পাখির ডানা থাকলেও প্রবাদের প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী এটি এখানে সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: একই রকম স্বভাবের মানুষদের ক্ষেত্রে পাখির পালকের প্রবাদটি মনে রাখবে।
a Solvency
b Secrecy
c Decency
d Urgency
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Solvency কেন সঠিক: - 'Solvency' হলো 'solvent' শব্দের সঠিক নাউন রূপ, যার অর্থ সচ্ছলতা বা ঋণ পরিশোধের ক্ষমতা। - ইংরেজি ব্যাকরণে অনেক এডজেক্টিভ শব্দের শেষে 'ency' বা 'ancy' যুক্ত করে নাউন গঠন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Solvency — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি 'solvent' শব্দের নাউন রূপ। B) Secrecy — এটি 'secret' শব্দের নাউন রূপ, যার অর্থ গোপনীয়তা। C) Decency — এটি 'decent' শব্দের নাউন রূপ, যার অর্থ ভদ্রতা। D) Urgency — এটি 'urgent' শব্দের নাউন রূপ, যার অর্থ জরুরি অবস্থা। মনে রাখার টিপস: শব্দের শেষে 'ent' থাকলে সাধারণত তা পরিবর্তন করে 'ency' যুক্ত করলে সঠিক নাউন গঠিত হয়।
a Tell me what is life.
b Tell me how is life.
c Tell me what life is.
d Do you know what is life?
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Tell me what life is. কেন সঠিক: - Imperative sentence-এর পর Principal clause এবং Subordinate clause যুক্ত করতে Interrogative pronoun (what) বসালে তার পরের clause-টি Assertive structure-এ হয়। - তাই what-এর পর Subject (life) এবং তারপর Verb (is) বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Tell me what is life. — এখানে what-এর পর সরাসরি Verb (is) বসেছে, যা interrogative structure নির্দেশ করে এবং grammatically ভুল। B) Tell me how is life. — এটি Direct question-এর মতো structure তৈরি করেছে, কিন্তু Complex sentence-এ Subject-এর আগে Verb বসতে পারে না। C) Tell me what life is. — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটি সঠিক Noun clause-এর গঠন মেনে চলেছে। D) Do you know what is life? — বাক্যটি নিজেই একটি Interrogative sentence এবং এর ভেতরের clause-টিতে Subject-এর আগে Verb ব্যবহার করায় গঠনটি ভুল হয়েছে। মনে রাখার টিপস: Complex sentence-এর ভেতরে প্রশ্নবোধक শব্দ (what, where, who) থাকলে তার পরে எப்போதும் Subject বসে এবং সবার শেষে Verb বসে।
a in
b by
c on
d from
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) by কেন সঠিক: - abide by একটি গুরুত্বপূর্ণ ফ্রেজাল ভার্ব বা গ্রুপ ভার্ব, যার অর্থ কোনো নিয়ম, আইন বা সিদ্ধান্ত মেনে চলা। - শূন্যস্থানের পর the rules অবস্হান করায় এখানে উপযুক্ত প্রিপজিশন হিসেবে by ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) in — কোনো নির্দিষ্ট স্থান, শহর বা দেশের নামের পূর্বে ইন বসে, যা এখানে নিয়ম মেনে চলার অর্থ প্রকাশ করে না। B) by — এটি সঠিক উত্তর কারণ abide by মিলে মেনে চলা অর্থ প্রকাশ করে। C) on — কোনো তলের উপরে বা বার বা দিবসের নামের পূর্বে অন বসে, যা এই বাক্যের জন্য প্রযোজ্য নয়। D) from — কোনো কিছু হতে বা থেকে বোঝাতে ফ্রম বসে, যা এখানে অর্থসংগত নয়। মনে রাখার টিপস: নিয়ম বা আইন মেনে চলা বোঝালে abide এর সাথে সর্বদা by প্রিপজিশন বসে।
a ১৯৬৯ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি
b ১৯৬৯ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি
c ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ
d ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৯৬৯ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি কেন সঠিক: - ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান ও আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা থেকে মুক্তিলাভের পর ১৯৬৯ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি রেসকোর্স ময়দানে শেখ মুজিবুর রহমানকে আনুষ্ঠানিকভাবে 'বঙ্গবন্ধু' উপাধিতে ভূষিত করা হয়। - তৎকালীন ডাকসু ভিপি তোফায়েল আহমেদ লক্ষ লক্ষ জনতার উপস্থিতিতে এই উপাধি ঘোষণা করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৬৯ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দিনেই শেখ মুজিবুর রহমানকে বঙ্গবন্ধু উপাধি দেওয়া হয়। B) ১৯৬৯ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি — এটি শহীদ দিবস এবং মহান ভাষা আন্দোলনের ঐতিহাসিক দিন, এই দিনে উপাধি দেওয়া হয়নি। C) ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ — এই দিনে ঐতিহাসিক ভাষণের মাধ্যমে স্বাধীনতার ডাক দেওয়া হয়, যা উপাধি প্রদানের তারিখ নয়। D) ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি — এই দিনে বঙ্গবন্ধু পাকিস্তান কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে স্বাধীন বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন করেন। মনে রাখার টিপস: উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের ঐতিহাসিক বিজয়ের পর ২৩ ফেব্রুয়ারি তোফায়েল আহমেদ শেখ মুজিবকে 'বঙ্গবন্ধু' উপাধি দেন।
a ১০ টি
b ৮ টি
c ৪ টি
d ৬ টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪ টি কেন সঠিক: - বাংলাদেশ সংবিধানের দ্বিতীয় অনুচ্ছেদে রাষ্ট্র পরিচালনার চারটি মূলনীতির কথা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। - এই চারটি মূলনীতি হলো জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র এবং ধর্মনিরপেক্ষতা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০ টি — এটি সঠিক নয় কারণ বাংলাদেশের সংবিধানে মূলনীতির সংখ্যা দশটি নয়, বরং চারstdint টি। B) ৮ টি — এটি ভুল কারণ সংবিধানে মূলনীতির সংখ্যা আটটি নির্ধারণ করা হয়নি। C) ৪ টি — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং সংবিধানের দ্বিতীয় অনুচ্ছেদের বিধানের সঙ্গে সম্পূর্ণ সংগতিপূর্ণ। D) ৬ টি — এটি সঠিক নয় কারণ মূলনীতি কখনো ছয়টি ছিল না। মনে রাখার টিপস: সংবিধানের মূলনীতি মনে রাখার জন্য 'নাসাদগ' বা জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা কথাটি মনে রাখতে পারো।
a ২৬ মার্চ, ১৯৭১
b ৭ মার্চ, ১৯৭১
c ১০ এপ্রিল, ১৯৭১
d ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: C) ১০ এপ্রিল, ১৯৭১ কেন সঠিক: - এই দিনে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার বা মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়। - একই দিনে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করা হয় এবং মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলাকে মুজিবনগর নামকরণ করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৬ মার্চ, ১৯৭১ — এটি ২৬শে মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস। এই দিনে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয়, সরকার গঠিত হয়নি। B) ৭ মার্চ, ১৯৭১ — এটি ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ দেওয়ার দিন। এই ভাষণে বঙ্গবন্ধু অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দেন, কিন্তু সরকার গঠিত হয়নি। D) ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১ — এটি মুজিবনগর সরকারের শপথ গ্রহণের দিন। এই দিনে বৈদ্যনাথতলায় সরকারের মন্ত্রীপরিষদ শপথ নেয়, কিন্তু সরকার গঠিত হয় ১০ এপ্রিল। মনে রাখার টিপস: গঠন ১০ এপ্রিল এবং শপথ ১৭ এপ্রিল। এই সাত দিনের ব্যবধান মনে রাখলে ভুল হবে না।
a ভারত
b ভুটান
c নেপাল
d মালদ্বীপ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভুটান কেন সঠিক: - ভুটানই প্রথম দেশ যার সাথে বাংলাদেশ ২০২০ সালের ৬ ডিসেম্বর প্রথম অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি বা পিটিএ স্বাক্ষর করে। - এই চুক্তির আওতায় দুই দেশের মধ্যে নির্দিষ্ট কিছু পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা ও বাণিজ্য সহজীকরণ করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারত — ভারত বাংলাদেশের বৃহত্তম প্রতিবেশী ও প্রধান বাণিজ্য অংশীদার হলেও পিটিএ স্বাক্ষরকারী প্রথম দেশ নয়। B) ভুটান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) নেপাল — নেপাল বাংলাদেশের সাথে পরবর্তীতে পিটিএ স্বাক্ষর করেছে, প্রথম দেশ নয়। D) মালদ্বীপ — মালদ্বীপ দক্ষিণ এশিয়ার দেশ হলেও বাংলাদেশের সাথে এই চুক্তি স্বাক্ষরে প্রথম নয়। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ ও ভুটানের প্রথম বাণিজ্য প্রীতি, তাই পিটিএ চুক্তিতেও ভুটান প্রথম।
a টেমস
b বুড়িগঙ্গা
c শীতলক্ষ্যা
d ব্রহ্মপুত্র
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বুড়িগঙ্গা কেন সঠিক: - বাকল্যান্ড বাঁধ ঢাকার বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে নির্মিত একটি ঐতিহাসিক বাঁধ। - উনিশ শতকে শহরকে নদীভাঙন থেকে রক্ষা এবং সৌন্দর্য বর্ধনের জন্য এই বাঁধ তৈরি করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) টেমস — এটি ইংল্যান্ডের লন্ডনে অবস্থিত নদী, ঢাকার কোনো বাঁধের সঙ্গে এর সম্পর্ক নেই। B) বুড়িগঙ্গা — এটি সঠিক উত্তর এবং এই নদীর তীরেই বাকল্যান্ড বাঁধ অবস্থিত। সি) শীতলক্ষ্যা — এটি নারায়ণগঞ্জ জেলার একটি নদী, বাকল্যান্ড বাঁধ এখানে অবস্থিত নয়। ডি) ব্রহ্মপুত্র — এটি বাংলাদেশের একটি প্রধান নদ, বাকল্যান্ড বাঁধের সঙ্গে এর কোনো সংযোগ নেই। মনে রাখার টিপস: ঢাকা শহরের বিখ্যাত নদী বুড়িগঙ্গা আর এর তীরেই রয়েছে ঐতিহাসিক বাকল্যান্ড বাঁধ।
a ৭ম
b ১৫তম
c ১২তম
d ৯ ম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৫তম প্রদত্ত তথ্য: বাংলাদেশের সংবিধানের সংশোধনী সম্পর্কিত তথ্য জাতীয় সংসদে মহিলাদের সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বৃদ্ধি ধরি, সংবিধানের প্রাথমিক অবস্থা এবং সংরক্ষিত আসন সংখ্যা = ৩০ সংশোধিত আইন অনুযায়ী নতুন সংরক্ষিত আসন সংখ্যা = ৫০ অতএব, সংবিধানের চতুর্দশ সংশোধনী পর্যন্ত সংরক্ষিত আসন ছিল = ৩০ সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী পাস হয় = ২০১১ সালে সুতরাং, এই সংশোধনীর মাধ্যমে জাতীয় সংসদে মহিলা আসন বৃদ্ধি করে করা হয় = ৫০ উত্তর: ১৫তম
a ফরিদুল আলম
b মতিউল আলম
c মিজানুল আলম
d মাকসুদুল আলম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মাকসুদুল আলম কেন সঠিক: - ড. মাকসুদুল আলম ২০১০ সালে বাংলাদেশের জাতীয় ফল পাটের জিনোম সিকোয়েন্স বা জীবন রহস্য উন্মোচন করেন। - তাঁর নেতৃত্বে বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউটের একদল গবেষক এই ঐতিহাসিক সাফল্য অর্জন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফরিদুল আলম — এই প্রশ্নের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো খ্যাতনামা বিজ্ঞানী নন। B) মতিউল আলম — পাটের জন্ম রহস্য আবিষ্কারের সঙ্গে এই ব্যক্তির কোনো সম্পৃক্ততা নেই। C) মিজানুল আলম — এটি পাট গবেষণার সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো সঠিক অপশন নয়। D) মাকসুদুল আলম — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি সফলভাবে পাটের জিনোম সিকোয়েন্স আবিষ্কার করেছিলেন। মনে রাখার টিপস: পাটের জীবন রহস্য বা জিনোম আবিষ্কারের সঙ্গে ডক্টর মাকসুদুল আলমের নাম যুক্ত, যা বিজ্ঞানী হিসেবে তাঁর সবচেয়ে বড় অবদান।
a পদ্মা
b বাইগার
c মধুমতি
d পায়রা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বাইগার কেন সঠিক: - জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মস্থান ও পৈতৃক নিবাস গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়া উপজেলা বাইগার নদীর তীরে অবস্থিত। - ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী এই নদীর তীরেই টুঙ্গিপাড়া গড়ে উঠেছে এবং এটি স্থানীয় যোগাযোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পদ্মা — এটি বাংলাদেশের একটি প্রধান ও বৃহৎ নদী, যার সঙ্গে টুঙ্গিপাড়ার ভৌগোলিক অবস্থানের সরাসরি কোনো সংযোগ নেই। B) বাইগার — এটি সঠিক উত্তর, কারণ টুঙ্গিপাড়া এই নদীর তীরেই অবস্থিত। C) মধুমতি — এটি গোপালগঞ্জের একটি অন্যতম প্রধান নদী হলেও টুঙ্গিপাড়া শহরটি এই নদীর তীরে নয়, বরং বাইগার নদীর তীরে অবস্থিত। D) পায়রা — এটি মূলত পটুয়াখালী অঞ্চলের একটি নদী, যার সঙ্গে টুঙ্গিপাড়ার কোনো ভৌগোলিক সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: টুঙ্গিপাড়ায় বাই বাই করে ঘুরে বেড়ায় বাইগার নদী, এভাবে নদীর নাম মনে রাখতে পারো।
a কুমিল্লা
b বগুড়া
c রংপুর
d জামালপুর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কুমিল্লা কেন সঠিক: - বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি বা বার্ড ১৯৫৯ সালে কুমিল্লার কোটবাড়িতে প্রতিষ্ঠিত হয়। - প্রখ্যাত সমাজ সংস্কারক আখতার হামিদ খান এই প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কুমিল্লা — এটি সঠিক উত্তর কারণ বার্ড এখানেই অবস্থিত। B) বগুড়া — বগুড়ায় পল্লী উন্নয়ন সম্পর্কিত অন্য প্রতিষ্ঠান আরডিএ অবস্থিত, বার্ড নয়। C) রংপুর — রংপুরে বার্ডের কোনো শাখা বা মূল প্রতিষ্ঠান অবস্থিত নয়। D) জামালপুর — জামালপুরে বার্ড বা এর সমগোত্রীয় প্রধান প্রতিষ্ঠান নেই। মনে রাখার টিপস: পল্লী উন্নয়নের জনক আখতার হামিদ খানের হাতে গড়া বার্ড কুমিল্লায় অবস্থিত।
a দিনাজপুর
b ঢাকা
c নরসিংদী
d বগুড়া
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নরসিংদী কেন সঠিক: - উয়ারী-বটেশ্বর হলো বাংলাদেশের একটি প্রাচীন প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান, যা নরসিংদী জেলার বেলাবো উপজেলায় অবস্থিত। - এখানে প্রাচীন মৌর্য আমলের বা তারও আগের নগর সভ্যতার নিদর্শন পাওয়া গেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দিনাজপুর — এটি উত্তরবঙ্গের জেলা, যেখানে ঐতিহাসিক কান্তজী মন্দির ও মহাস্থানগড়ের কাছাকাছি কান্তনগর দুর্গ রয়েছে, কিন্তু উয়ারী-বটেশ্বর এখানে অবস্থিত নয়। B) ঢাকা — এটি দেশের রাজধানী জেলা, যেখানে লালবাগ ক堡 বা আহসান মঞ্জিল অবস্থিত, যা উয়ারী-বটেশ্বরের ভৌগোলিক অবস্থানের সঙ্গে মেলে না। C) নরসিংদী — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ এটি উয়ারী-বটেশ্বর প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানের প্রকৃত জেলা অবস্থান। D) বগুড়া — এটি উত্তরবঙ্গের জেলা, যেখানে বিখ্যাত প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন বা মহাস্থানগড় অবস্থিত, উয়ারী-বটেশ্বর নয়। মনে রাখার টিপস: উয়ারী ও বটেশ্বর নামের প্রথম অক্ষরগুলোর মতো নরসিংদী জেলার বেলাবোতে প্রাচীন সভ্যতার ঐতিহাসিক নিদর্শন ছড়ানো আছে।
a UNESCO
b UNICEF
c UNDP
d ILO
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) UNESCO কেন সঠিক: - ইউনেস্কো ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ২১ শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। - কানাডা প্রবাসী রফিকুল ইসলাম ও আবদুস সালামের প্রস্তাব এবং বাংলাদেশ সরকারের উদ্যোগে এই ঐতিহাসিক স্বীকৃতি অর্জিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) UNESCO — এটি জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা হওয়ায় মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতি প্রদান করে। B) UNICEF — এটি জাতিসংঘের শিশু তহবিল সম্পর্কিত সংস্থা, যা শিশু অধিকার ও কল্যাণ নিয়ে কাজ করে। C) UNDP — এটি জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচি পরিচালনা করে এবং দারিদ্র্য বিমোচন নিয়ে কাজ করে। D) ILO — এটি আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা, যা শ্রমিকদের অধিকার ও কাজের পরিবেশ নিয়ে কাজ করে। মনে রাখার টিপস: ভাষা ও সংস্কৃতির সঙ্গে ইউনেস্কো যুক্ত থাকে, তাই ২১ শে ফেব্রুয়ারির স্বীকৃতির জন্য UNESCO মনে রাখতে হবে।
a ১০ টি
b ১৫ টি
c ২০ টি
d ২৯ টি
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: B) ১৫ টি কেন সঠিক: - জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ মোট ১৫টি সদস্য রাষ্ট্র নিয়ে গঠিত। - এর মধ্যে ৫টি স্থায়ী এবং ১০টি অস্থায়ী সদস্য রাষ্ট্র রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০ টি — এটি নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী বা মোট সদস্য সংখ্যা নয়, এটি কেবল অস্থায়ী সদস্য রাষ্ট্রের সংখ্যা। B) ১৫ টি — এটি নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য সংখ্যা, যা ৫টি স্থায়ী এবং ১০টি অস্থায়ী সদস্য নিয়ে গঠিত। C) ২০ টি — এটি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য সংখ্যা নয় এবং ভুল তথ্য নির্দেশ করে। D) ২৯ টি — এটি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য সংখ্যার সঙ্গে মিল নেই এবং সম্পূর্ণ সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য ১৫ জন, যার ৫ জন স্থায়ী এবং বাকি ১০ জন অস্থায়ী সদস্য।
a রোম
b লন্ডন
c ব্রাসেলস
d জেনেভা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জেনেভা কেন সঠিক: - UNHCR হলো জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা, যার প্রধান কার্যালয় সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত। - বিশ্বজুড়ে শরণার্থীদের সুরক্ষা ও সহায়তার জন্য এই সদর দপ্তর থেকে সামগ্রিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রোম — এটি বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি এবং খাদ্য ও কৃষি সংস্থার সদর দপ্তর, শরণার্থীদের সংস্থার নয়। B) লন্ডন — এটি আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থার সদর দপ্তর, UNHCR এর নয়। C) ব্রাসেলস — এটি ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ন্যাটোর প্রধান কার্যালয়গুলোর একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। D) জেনেভা — এটি UNHCR এর মূল সদর দপ্তর এবং এখানেই সঠিক উত্তর অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: শরণার্থীদের নিয়ে কাজ করতে হলে সবার জেনেশুনে জেনেভায় যেতে হয়, এভাবে মনে রাখতে পারেন।
a ব্যাংকক
b িল্লী
c ঢাকা
d বেইজিং
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ঢাকা কেন সঠিক: - BIMSTEC বা বে অব বেঙ্গল ইনিশিয়েটিভ ফর মাল্টিসেক্টরাল টেকনিক্যাল অ্যান্ড ইকোনমিক কোঅপারেশন সংস্থার স্থায়ী সচিবালয় বা সদর দপ্তর বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত। - ১৯৯৭ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকাকে এই আন্তর্জাতিক আঞ্চলিক সংস্থার প্রশাসনিক সদর দপ্তর হিসেবে নির্ধারণ করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্যাংকক — থাইল্যান্ডের ব্যাংকক BIMSTEC প্রতিষ্ঠার ঘোষণাপত্র স্বাক্ষরের স্থান হলেও এটি এর সদর দপ্তর নয়। B) দিল্লী — ভারতের রাজধানী দিল্লী অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক কেন্দ্র হলেও এটি BIMSTEC এর সদর দপ্তর নয়। D) বেইজিং — চীন BIMSTEC এর সদস্য রাষ্ট্র নয়, তাই বেইজিংয়ে এই সংস্থার কোনো সদর দপ্তর নেই। মনে রাখার টিপস: বিমসটেক (BIMSTEC) নামের শেষ অক্ষর সি (C) দিয়ে ঢাকা (Dhaka) মনে রাখতে পারেন।
a ঢাকা
b লন্ডন
c নিউইয়র্ক
d জেনেভা
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: D) জেনেভা কেন সঠিক: - আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা বা আইএলও জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা, যার প্রধান কার্যালয় সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে অবস্থিত। - ১৯১৯ সালে Versailes চুক্তির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত এই সংস্থার প্রশাসনিক ও নীতিনির্ধারক কার্যক্রম জেনেভা থেকেই পরিচালিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঢাকা — এটি বাংলাদেশের রাজধানী, আন্তর্জাতিক কোনো সংস্থার প্রধান কার্যালয় নয়। B) লন্ডন — এটি যুক্তরাজ্যের রাজধানী এবং আন্তর্জাতিক মেরিটাইম অর্গানাইজেশনের সদর দপ্তর। C) নিউইয়র্ক — এটি জাতিসংঘ সদর দপ্তরের প্রধান কার্যালয়, আইএলও-র নয়। D) জেনেভা — এটি আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার সদর দপ্তর হিসেবে সঠিক। মনে রাখার টিপস: শ্রমিকদের অধিকার ও কাজের পরিবেশ রক্ষাকারী সংস্থা আইএলও-র সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভাতে অবস্থিত।
a লন্ডন
b হংকং
c টোকিও
d নিউইয়র্কে
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: D) নিউইয়র্কেই কেন সঠিক: - ওয়াল স্ট্রিট যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরের ম্যানহাটনে অবস্থিত বিশ্বের অন্যতম প্রধান আর্থিক কেন্দ্র। - এটি নিউইয়র্ক স্টক এক্সচেঞ্জের অবস্থানস্থল হওয়ায় বিশ্ব অর্থনীতিতে এর গুরুত্ব অপরিসীম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লন্ডন — এটি যুক্তরাজ্যের রাজধানী এবং এখানে 'লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জ' অবস্থিত, যা ওয়াল স্ট্রিট নয়। B) হংকং — এটি এশিয়ার একটি প্রধান আর্থিক কেন্দ্র হলেও এখানে বিখ্যাত ওয়াল স্ট্রিট অবস্থিত নয়। C) টোকিও — এটি জাপানের রাজধানী এবং এখানে 'টোকিও স্টক এক্সচেঞ্জ' অবস্থিত, যা ওয়াল স্ট্রিট নয়। D) নিউইয়র্কেই — এটি সঠিক উত্তর কারণ ওয়াল স্ট্রিট যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরেই অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: ওয়াল স্ট্রিট এবং নিউইয়র্ক স্টক এক্সচেঞ্জ উভয়ই যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরে অবস্থিত।
a মিশর
b টিউনিসিয়া
c ইরান
d সিরিয়া
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) টিউনিসিয়া কেন সঠিক: - ২০১০ সালের ১৭ ডিসেম্বর টিউনিসিয়ায় মোহাম্মদ বুয়াজিজি নামের এক পথ বিক্রেতার গায়ে আগুন দেয়ার মাধ্যমে এই গণঅভ্যুত্থানের সূত্রপাত হয়। - টিউনিসিয়ার এই ঘটনার প্রভাবেই পরবর্তীতে মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মিশর — মিসরে আরব বসন্তের প্রভাব পড়েছিল এবং হোসনি মোবারকের পতন ঘটেছিল, কিন্তু আন্দোলনের সূচনা এখানে হয়নি। B) টিউনিসিয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানেই আরব বসন্তের প্রথম সূচনা ঘটেছিল। C) ইরান — আরব বসন্তের আন্দোলনের সঙ্গে ইরান সরাসরি যুক্ত ছিল না এবং এখানে এই আন্দোলনের সূচনা হয়নি। D) সিরিয়া — সিরিয়াতে আরব বসন্তের প্রভাব পরবর্তীতে গৃহযুদ্ধের রূপ নিলেও এর সূচনা সেখানে হয়নি। মনে রাখার টিপস: আরব বসন্তের সূচনা মনে রাখতে টিউনিসিয়ার বুয়াজিজি ও তার আত্মাহুতির ঘটনাটি স্মরণ রাখতে হবে।
a সৌদি আরব
b লেবানন
c সিরিয়া
d ইরান
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ইরান কেন সঠিক: - ২০২০ সালের নভেম্বর মাসে ইরানের শীর্ষ পরমাণু বিজ্ঞানী মোহসেন ফাখরিজাদেহ তেহরানের কাছে এক গাড়িবোমা ও গুলিবর্ষণের হামলায় নিহত হন। - মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতি ও ইরানের পরমাণু কর্মসূচিকে বাধাগ্রস্ত করার উদ্দেশ্যে এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছিল বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে উঠে আসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সৌদি আরব — এই দেশটি মধ্যপ্রাচ্যের প্রভাবশালী রাষ্ট্র হলেও সাম্প্রতিককালে এ ধরনের কোনো হাই-প্রোফাইল পরমাণু বিজ্ঞানীর গাড়িবোমা হামলার শিকার হওয়ার ঘটনা ঘটেনি। B) লেবানন — এই রাষ্ট্রে হিজবুল্লাহর সঙ্গে সংঘাতের ঘটনা ঘটলেও ইরানের মতো আলোচিত কোনো পরমাণু বিজ্ঞানীর গাড়িবোমা হামলায় নিহত হওয়ার ঘটনা এখানে ঘটেনি। C) সিরিয়া — গৃহযুদ্ধপীড়িত এই দেশটিতে বিভিন্ন হামলা হলেও প্রদত্ত প্রশ্নের নির্দিষ্ট ঘটনার সঙ্গে এই দেশের পরমাণু বিজ্ঞানীর নিহতের কোনো যোগসূত্র নেই। D) ইরান — এই দেশটির শীর্ষ পরমাণু বিজ্ঞানী মোহসেন ফাখরিজাদেহ গাড়িবোমা হামলার শিকার হয়ে নিহত হয়েছিলেন বলে এটি সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: পরমাণু বিজ্ঞানী হত্যা মানেই মধ্যপ্রাচ্যের আলোচিত দেশ ইরানকে মনে রাখতে হবে।
a ইংরেজ
b পর্তুগিজ
c ফরাসি
d ওলন্দাজ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পর্তুগিজ কেন সঠিক: - ভাস্কো দা গামার নেতৃত্বে ১৪৯৮ সালে পর্তুগিজরা সমুদ্রপথ আবিষ্কার করার পর তারা বাণিজ্যের উদ্দেশ্যে সবার আগে বাংলায় আগমন করে। - ১৫৩৮ সালে পর্তুগিজরা চট্টগ্রামের পর্তুগিজ বন্দোবস্ত স্থাপন করে বাংলার মাটিতে প্রথম স্থায়ী ব্যবসায়িক ও রাজনৈতিক আধিপত্য বিস্তার করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইংরেজ — ইংরেজরা পর্তুগিজদের অনেক পরে ১৬০০ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি গঠন করে এবং বাংলায় বাণিজ্যের জন্য আসে। B) পর্তুগিজ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ ইউরোপীয়দের মধ্যে তারাই সবার প্রথমে বাংলায় ব্যবসার উদ্দেশ্যে প্রবেশ করেছিল। C) ফরাসি — ফরাসিরা সপ্তদশ শতাব্দীর শেষভাগে বাংলায় আসে এবং চন্দননগরে তাদের প্রধান বাণিজ্য কেন্দ্র স্থাপন করে। D) ওলন্দাজ — ওলন্দাজ বা ডাচরা সপ্তদশ শতাব্দীর শুরুতে বাণিজ্য করতে আসে, যা পর্তুগিজদের আগমনের বেশ পরে ঘটেছিল। মনে রাখার টিপস: ইউরোপীয়দের মধ্যে বাণিজ্যের জন্য বাংলায় আসার ক্রম মনে রাখার সহজ শব্দ হলো প-ও-ই-ফ (পর্তুগিজ, ওলন্দাজ, ইংরেজ, ফরাসি)।
a সুইডেন
b ইতালি
c ডেনমার্ক
d নরওয়ে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ইতালি কেন সঠিক: - ইতালি দক্ষিণ ইউরোপের ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলের একটি দেশ, যা স্ক্যান্ডিনেভিয়ান অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত নয়। - ভৌগোলিক অবস্থান ও ঐতিহাসিক সংস্কৃতির দিক থেকে ইতালি দক্ষিণ ইউরোপের অংশ হিসেবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুইডেন — এটি উত্তর ইউরোপের স্ক্যান্ডিনেভিয়ান উপদ্বীপে অবস্থিত একটি প্রধান দেশ। B) ইতালি — এটি দক্ষিণ ইউরোপের একটি দেশ এবং স্ক্যান্ডিনেভিয়ান অঞ্চলের বাইরে অবস্থিত। C) ডেনমার্ক — এটি স্ক্যান্ডিনেভিয়ান অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত একটি উত্তর ইউরোপীয় দেশ। D) নরওয়ে — এটি স্ক্যান্ডিনেভিয়ান উপদ্বীপে অবস্থিত একটি উত্তর ইউরোপীয় দেশ। মনে রাখার টিপস: স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশগুলো উত্তর ইউরোপে অবস্থিত, আর ইতালি অবস্থিত দক্ষিণ ইউরোপে।

মোট প্রশ্ন (20)

a প্রত্যয়
b বিভক্তি
c উপসর্গ
d অনুসর্গ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) উপসর্গ ১. কেন সঠিক: উপসর্গ হলো এমন কিছু অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা কোনো শব্দের পূর্বে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে এবং অর্থের পরিবর্তন, সংকোচন বা সম্প্রসারণ ঘটায়। বাংলা ব্যাকরণে উপসর্গ শব্দ বা ধাতুর পূর্বে বসে নতুন ভাব প্রকাশে সহায়তা করে এবং শব্দের অর্থ সম্পূর্ণ বদলে দিতে পারে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যেসব অব্যয় শব্দ বা শব্দাংশ ধাতু বা শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে এবং অর্থের সংকোচন, সম্প্রসারণ বা পরিবর্তন সাধন করে, সেগুলোকে উপসর্গ বলে। উপসর্গ নিজে স্বাধীনভাবে কোনো অর্থ প্রকাশ করতে পারে না, তবে অন্য শব্দের সাথে যুক্ত হয়ে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্র + হার = প্রহার ব্যাখ্যা: এখানে 'হার' শব্দের পূর্বে 'প্র' উপসর্গ যুক্ত হয়ে আঘাত করা অর্থে একটি নতুন শব্দ গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: পরি + পূর্ণ = পরিপূর্ণ ব্যাখ্যা: এখানে 'পূর্ণ' শব্দের পূর্বে 'পরি' উপসর্গ যুক্ত হয়ে সম্পূর্ণ বা ভালোভাবে পূর্ণ হওয়া অর্থে নতুন শব্দ তৈরি হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রত্যয় — প্রত্যয় শব্দের পরে বা শেষে যুক্ত হয়, শব্দের আগে বসে না। তাই এটি সঠিক নয়। B) বিভক্তি — বিভক্তি শব্দের শেষে বা কারক বোঝাতে পদের সাথে যুক্ত হয়, আগে বসে না। তাই এটি সঠিক নয়। C) উপসর্গ — এটি শব্দের আগে বসে নতুন শব্দ গঠন করে, যা প্রশ্নের চাহিদার সাথে সম্পূর্ণ মিলে যায়। D) অনুসর্গ — অনুসর্গ বা কর্মপ্রবচনীয় শব্দ বা পদের পরে বসে এবং কারক বোঝাতে সাহায্য করে। ৫. মনে রাখার টিপস: উপসর্গ মানে উপ মানে সামনে বা আগে, স্বর্গ মানে সৃষ্টি। অর্থাৎ যা সামনে বসে নতুন শব্দ সৃষ্টি করে তাই উপসর্গ। শব্দের আগে বসে উপসর্গ এবং পরে বসে প্রত্যয় ও বিভক্তি, এই সহজ পার্থক্যটি মনে রাখলে ভুল হবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ভাষায় মোট উপসর্গের সংখ্যা একুশটি এবং তৎসম উপসর্গের সংখ্যা কুড়িটি। এই ধরনের প্রশ্নগুলোতে উপসর্গ এবং প্রত্যয়ের অবস্থানের পার্থক্য থেকে প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে।
a শ্রীকৃষ্ণকীর্তন
b চর্যাপদ
c বৈষ্ণব পদাবলী
d মঙ্গলকাব্য
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চর্যাপদ ১. কেন সঠিক: চর্যাপদ হলো বাংলা ভাষার প্রাচীনতম কাব্যগ্রন্থ ও সাহিত্যের আদি নিদর্শন। ডক্টর হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: চর্যাপদ মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের সাধনসঙ্গীত বা আচার্যচর্য বিনিময়। এটি বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগ অর্থাৎ সেন ও পাল আমলের মিশ্র সংস্কৃতি ও ভাষার নির্দেশক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সু বরকত বাঙালি ভিল্লি কাইঅ রিউ ব্যাখ্যা: এটি চর্যাপদের একটি বিখ্যাত পংক্তি যা প্রাচীন বাংলা ভাষার রূপ নির্দেশ করে। উদাহরণ ২: চাঅর ছারই ভিলি পরিধান ব্যাখ্যা: এটি চর্যাপদের ভাষা ও জীবনযাত্রার চিত্র তুলে ধরে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শ্রীকৃষ্ণকীর্তন — এটি বড়ু চণ্ডীদাস রচিত মধ্যযুগের প্রথম কাব্য নিদর্শন। C) বৈষ্ণব পদাবলী — এটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম শাখা ও শ্রীচৈতন্যদেব পরবর্তী ধারার সৃষ্টি। D) মঙ্গলকাব্য — এটি মধ্যযুগে দেবদেবীর মাহাত্ম্য প্রচারের উদ্দেশ্যে রচিত একশ্রেণির কাব্য। ৫ মনে রাখার টিপস: প্রাচীন যুগের একমাত্র নিদর্শন চর্যাপদ এবং এটি আবিষ্কার করেন হরপ্রসাদ শাস্ত্রী। বাংলা সাহিত্যের প্রথম বই হিসেবে চর্যাপদের নাম সবসময় মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: চর্যাপদের ভাষা হলো সন্ধ্যভাষা বা আলো-আঁধারি ভাষা। চর্যাপদের মোট পদের সংখ্যা সাড়ে ছেচল্লিশটি এবং এর আবিষ্কারক ডক্টর হরপ্রসাদ শাস্ত্রী।
a অন্ধ অনুকরণ
b কাণ্ডজ্ঞানহীন
c প্রবাহিত
d আলসেমি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অন্ধ অনুকরণ ১. কেন সঠিক: - 'গড্ডলিকা প্রবাহ' একটি পরিচিত বাগধারা যার অর্থ হলো অন্ধ অনুকরণ বা বিচারবুদ্ধিহীন দলগত অনুসরণ। - গড্ডলিকা শব্দের অর্থ হলো ভেড়ার পাল এবং প্রবাহ অর্থ স্রোত, অর্থাৎ ভেড়ার পালের মতো অন্ধভাবে অন্যের পথ অনুসরণ করাই এর মূল ভাব। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে বাগধারা হলো এমন বিশেষ শব্দগুচ্ছ যা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ভাব প্রকাশ করে। - এই বাগধারাটি সমাজে প্রচলিত অন্ধভাবে অন্যের দেখাদেখি কোনো কাজ করা বা প্রথার পেছনে ছোটার প্রবণতাকে নির্দেশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সমাজের সবাই করছে বলেই সেও ওই পেশা বেছে নিল, একেই বলে গড্ডলিকা প্রবাহে ভেসে চলা। ব্যাখ্যা: এখানে কোনো নিজস্ব বিচারবুদ্ধি না খাটিয়ে অন্য দশজনের দেখাদেখি কাজ করার প্রবণতা বোঝানো হয়েছে। উদাহরণ ২: গড্ডলিকা প্রবাহে না মেতে নিজের বুদ্ধিমত্তা দিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত। ব্যাখ্যা: অন্ধ অনুকরণ থেকে বেরিয়ে এসে নিজস্ব বিবেচনায় চলার গুরুত্ব বোঝাতে এই উদাহরণটি প্রযোজ্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অন্ধ অনুকরণ — এটি সঠিক উত্তর কারণ গড্ডলিকা প্রবাহ বাগধারাটির মূল অর্থ অন্ধভাবে কোনো কিছু অনুসরণ করা। B) কাণ্ডজ্ঞানহীন — এটি একটি সাধারণ বিশেষণের অর্থ প্রকাশ করে, কিন্তু গড্ডলিকা প্রবাহ বিশেষ কোনো অন্ধ অনুকরণমূলক আচরণকে বোঝায়। C) প্রবাহিত — এটি গতিশীলতা বা প্রবহমানতা বোঝায়, যা বাগধারাটির নির্দিষ্ট রূপক অর্থের সঙ্গে সরাসরি মেলে না। D) আলসেমি — এটি কর্মবিমুখতা বা অলসতা প্রকাশ করে, যা গড্ডলিকা প্রবাহের অন্ধ অনুসরণের ধারণার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - গড্ডলিকা মানে ভেড়ার পাল আর প্রবাহ মানে স্রোত। ভেড়ার পাল যেমন একটি ভেড়া যেদিকে যায় বাকিরাও সেদিকেই যায়, তেমনি মানুষ যখন কোনো বিচার না করে দলীয়ভাবে অন্যকে অনুসরণ করে তাকে গড্ডলিকা প্রবাহ বলে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারার অন্তর্নিহিত রূপক অর্থ প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়। - এ ধরনের প্রশ্ন সমাধানের জন্য আক্ষরিক অর্থের পরিবর্তে ঐতিহ্যগত ও রূপক অর্থ ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
a ভাষা আন্দোলন
b মুক্তিযুদ্ধ
c মন্বন্তর
d প্রেম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মুক্তিযুদ্ধ ১. কেন সঠিক: - এই প্রশ্নটি সাহিত্য ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট সংক্রান্ত। 'রাইফেল রোটি আওরাত' উপন্যাসটি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত হয়েছে। - উপন্যাসের শিরোনামের মাধ্যমে পাকিস্তানি সামরিক জান্তার অস্ত্র এবং বাঙালি নারীর ওপর চালানো নৃশংসতার নির্মম চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - 'রাইফেল রোটি আওরাত' উপন্যাসের রচয়িতা প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক আনোয়ার পাশা। এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস হিসেবে বিশেষভাবে পরিচিত। - ১৯৭১ সালের এপ্রিল থেকে জুন মাসের মধ্যে অবরুদ্ধ ঢাকার জীবনের ভয়াবহতা, বুদ্ধিজীবী হত্যা এবং সাধারণ মানুষের মুক্তিসংগ্রামে অংশগ্রহণের বাস্তব দলিল এই উপন্যাসটি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: شهید জননী জাহানারা ইমামের 'একাত্তরের দিনগুলি' ব্যাখ্যা: এটি মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ স্মৃতিকথা যা তৎকালীন জনজীবনের বাস্তব চিত্র তুলে ধরে। উদাহরণ ২: শওকত ওসমানের 'জাহান্নাম হইতে বিদায়' ব্যাখ্যা: এটিও মহান মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস যা পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বরতা প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভাষা আন্দোলন — ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত বিখ্যাত উপন্যাস হলো জহির রায়হানের 'আরেক ফাল্গুন'। তাই এই অপশনটি সঠিক নয়। C) মন্বন্তর — ১৯৪৩ সালের পঞ্চাশের মন্বন্তর বা দুর্ভিক্ষের প্রেক্ষাপটে রচিত বিখ্যাত উপন্যাস হলো সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর 'কাঁদো নদী কাঁদো' বা বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের 'অগ্নীশ্বর'। D) প্রেম — এই উপন্যাসটির মূল বিষয়বস্তু প্রেম বা রোমান্স নয়, বরং ১৯৭১ সালের অবরুদ্ধ ঢাকার মুক্তিযুদ্ধ এবং মানুষের টিকে থাকার লড়াই। ৫. মনে রাখার টিপস: - আনোয়ার পাশার লেখা 'রাইফেল রোটি আওরাত' উপন্যাসের নামের ভেতরেই অস্ত্র এবং যুদ্ধের ভয়াবহতা লুকিয়ে আছে যা মুক্তিযুদ্ধকে নির্দেশ করে। - মুক্তিযুদ্ধের প্রথম উপন্যাস মনে রাখতে আনোয়ার পাশার নাম এবং ১৯৭১ সালের প্রেক্ষাপট একসাথে মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই প্রথম মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসের নাম এবং লেখকের নাম জানতে চাওয়া হয়। - বিভিন্ন উপন্যাসের প্রেক্ষাপট ও রচয়িতা মনে রাখার জন্য ঐতিহাসিক সাল এবং ঘটনার সাথে মিলিয়ে পড়া সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি।
a মাহবুব আলম চৌধুরী
b শামসুর রাহমান
c আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
d নির্মলেন্দু গুণ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ ১. কেন সঠিক: 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতাটির রচিয়তা হলেন বিশিষ্ট কবি ও কূটনীতিবিদ আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ। এই কবিতাটি আধুনিক বাংলা কবিতার ধারায় মাটি, মানুষ, ঐতিহ্য ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার এক অনন্য প্রকাশ। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: কবি আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ বাংলা আধুনিক কবিতার এক অগ্রণী নাম যিনি গ্রামীণ ঐতিহ্য ও লোকায়ত জীবনকে কবিতায় রূপ দিয়েছেন। এই কবিতাটিতে বাংলার আবহমান কাল ধরে চলে আসা সংগ্রাম, ঐতিহ্য এবং শোষণের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের প্রতিবাদের চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'কোন এককালে ফুল ছিল কুসুম কুমারী' ব্যাখ্যা: এটি কবি আবু জাফর ওবায়দুল্লাহর আরেকটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের অংশ, যা তার লোকায়ত সুরের পরিচায়ক। উদাহরণ ২: 'মাগো ওরা বলে' ব্যাখ্যা: এটিও কবি আবু জাফর ওবায়দুল্লাহর রচিত অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি কবিতা, যা ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে লেখা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাহবুব আলম চৌধুরী — ইনি বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে অমর একুশে স্মরণে 'কাঁদতে আসিেনি ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি' কবিতার রচয়িতা, 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতার নন। B) শামসুর রাহমান — ইনি আধুনিক বাংলা কবিতার প্রধান কবি হলেও আলোচ্য কবিতাটির রচয়িতা নন, তার বিখ্যাত কবিতার মধ্যে রয়েছে 'স্বাধীনতা তুমি' ও 'আসাদের শার্ট'। C) আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ — এই অপশনটি সঠিক এবং ইনিই 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতাটির স্বনামধন্য রচয়িতা। D) নির্মলেন্দু গুণ — ইনি ষাটের দশকের প্রখ্যাত কবি হলেও এই কবিতার রচয়িতা নন, তার বিখ্যাত কবিতার মধ্যে রয়েছে 'হুলিয়া' ও 'স্বাধীনতা এই শব্দটি কিভাবে আমাদের হলো'। ৫ মনে রাখার টিপস: কিংবদন্তি বা ঐতিহ্যবাহী লোককথার মতো প্রাচীন ও গভীর কথার কবিতা মনে রাখতে কিংবদন্তি লেখার সঙ্গে ওবায়দুল্লাহ নামটি যুক্ত করে নিন। মনে রাখুন যে আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ মানেই বাংলার শিকড় ও কিংবদন্তির কথা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত কবিতা এবং এর রচয়িতাদের নাম জানতে চাওয়া হয়। লেখক পরিচিতি পড়ার সময় কবিদের সেরা ও জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ বা কবিতার নাম আলাদা করে নোট করে রাখা উচিত।
a চিত্রা
b অগ্নিবীণা
c সোনার তরী
d সেঁজুতি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অগ্নিবীণা ১. কেন সঠিক: - অগ্নিবীণা কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ যা ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয়। - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্য নয় কোনটি জানতে চাওয়ায় অগ্নিবীণা সঠিক উত্তর কারণ এটি নজরুলের সৃষ্টি। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি ও জাতীয় কবি হিসেবে পরিচিত। - অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থে বিদ্রোহী, প্রলয়োল্লাস ও বিদায় হিয়ার বাংলাদেশ সহ বিখ্যাত কবিতা রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিষের বাঁশি ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত বিদ্রোহী কাব্যগ্রন্থ। উদাহরণ ২: ছায়ানট ব্যাখ্যা: এটিও কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চিত্রা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা ১৮৯৬ সালে প্রকাশিত হয়। B) অগ্নিবীণা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি রবীন্দ্রনাথের নয় বরং কাজী নজরুল ইসলামের কাব্য। C) সোনার তরী — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অত্যন্ত জনপ্রিয় ও পরিচিত একটি কাব্যগ্রন্থ। D) সেঁজুতি — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অন্ত্যপর্বের একটি উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ। ৫. মনে রাখার টিপস: - অগ্নিবীণা শব্দটি দেখলে সবসময় কাজী নজরুল ইসলামের কথা মনে রাখবে। - রবীন্দ্রনাথের কাব্য মনে রাখতে চিত্রা ও সোনার তরী প্রধান হিসেবে স্মরণ রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রবীন্দ্র ও নজরুলের প্রথম কাব্যগ্রন্থ প্রায়ই আসে। - কবির নাম ও তাদের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের তালিকা আলাদা করে মুখস্থ রাখা আবশ্যক।
a 1497
b 1801
c 1861
d 1899
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৮০১ ১. কেন সঠিক: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসকে প্রাচীন, মধ্য এবং আধুনিক এই তিন যুগে ভাগ করা হয়। ১৮০১ সালকে বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের সূচনার বছর হিসেবে ধরা হয় কারণ এই সালে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয় এবং গদ্য চর্চা শুরু হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১৮০১ সালে কলকাতার ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলা গদ্যের সঠিক বিকাশ শুরু হয়। উইলিয়াম কেরির নেতৃত্বে বাংলায় পঠনপাঠন ও গদ্য গ্রন্থ রচনার সূচনা ঘটে যা আধুনিক যুগের পথ প্রশস্ত করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: উইলিয়াম কেরির কতিতোপাখ্যান ব্যাখ্যা: এটি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের যুগে প্রকাশিত বাংলা গদ্যের অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন। উদাহরণ ২: রামরাম বসুর রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থটিও আধুনিক যুগের শুরুতে প্রকাশিত গদ্য সাহিত্যের একটি পথিকৃৎ রচনা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৪৯৭ — এই সালটি বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের সময়সীমার মধ্যে পড়ে এবং এটি শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের আবিষ্কার বা মধ্যযুগের সূচনার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) ১৮০১ — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি বাংলা গদ্য চর্চা ও আধুনিক যুগের সূচনার বছর হিসেবে স্বীকৃত। C) ১৮৬১ — এই সালে মাইকেল মধুসূদন দত্তের মেঘনাদবধ কাব্য প্রকাশিত হয়, যা আধুনিক যুগের সূচনা নয় বরং মধুসূদন যুগের একটি সাহিত্যকৃতি। D) ১৮৯৯ — এই সালটি আধুনিক যুগের অনেক পরে এবং এটি রবীন্দ্রযুগের কাছাকাছি সময়ের একটি বছর। ৫ মনে রাখার টিপস: ১৮০১ সালকে আধুনিক যুগের শুরুর সাল মনে রাখতে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠার সালটি মনে রাখতে হবে। গদ্যের হাত ধরেই বাংলা সাহিত্যে আধুনিকতার প্রবেশ ঘটেছিল। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বাংলা সাহিত্যের যুগের বিভাগ ও সূচনার সাল সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। তাই ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ ও আধুনিক যুগের শুরুর সম্পর্কটি ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a চন্দ্র
b হাত
c বেগম
d লুঙ্গি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চন্দ্র ১. কেন সঠিক: - তৎসম শব্দের আক্ষরিক অর্থ তাহার সমান অর্থাৎ সংস্কৃতির সমান। যে সমস্ত শব্দ সংস্কৃত ভাষা থেকে কোনো রকম পরিবর্তন না হয়ে সরাসরি বাংলা ভাষায় এসেছে, সেগুলোকে তৎসম শব্দ বলে। চন্দ্র শব্দটি সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে, তাই এটি একটি তৎসম শব্দ। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - উৎসের দিক থেকে বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে মূলত পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয়। যথা: তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি এবং বিদেশি শব্দ। চন্দ্র হলো এমন একটি শব্দ যার রূপ সংস্কৃত এবং বাংলা উভয় ভাষাতেই সম্পূর্ণ অপরিবর্তিত থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সূর্য ব্যাখ্যা: সূর্য শব্দটি সংস্কৃত থেকে সরাসরি বাংলায় এসেছে এবং এর রূপ অপরিবর্তিত রয়েছে, তাই এটি একটি তৎসম শব্দ। উদাহরণ ২: নদী ব্যাখ্যা: নদী শব্দটি সংস্কৃত ভাষা থেকে কোনো রূপ পরিবর্তন ছাড়া সরাসরি বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হয়, যা তৎসম শব্দের একটি চমৎকার উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চন্দ্র — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে এবং এর রূপ অপরিবর্তিত রয়েছে। B) হাত — এটি একটি তদ্ভব শব্দ, যার উৎস সংস্কৃত শব্দ হস্ত থেকে অর্ধতৎসম হত্ত হয়ে প্রাকৃতের মাধ্যমে বিবর্তিত হয়েছে। C) বেগম — এটি একটি তুর্কি শব্দ, যা বাংলা ভাষায় আগত বিদেশি শব্দ হিসেবে পরিচিত। D) লুঙ্গি — এটি একটি বর্মি বা মায়ানমার ভাষার শব্দ, যা বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত একটি বিদেশি শব্দ। ৫. মনে রাখার টিপস: - তৎসম শব্দ চেনার সহজ উপায় হলো সাধু ভাষার বা প্রাচীন সংস্কৃত ঘেঁষা শব্দগুলো তৎসম হয়। চন্দ্র, সূর্য, নক্ষত্র, ধরণী ইত্যাদি প্রকৃতির উপাদান বা কঠিন প্রকৃতির শব্দগুলো সাধারণত তৎসম শব্দ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের উৎস বা শ্রেণিবিভাগ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। তৎসম শব্দ চেনার জন্য শব্দের বানান ও রূপের দিকে নজর রাখতে হবে যা দেখতে সংস্কৃত ভাষার মতো মনে হয়।
a রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
b মাইকেল মধুসূদন দত্ত
c সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
d আল মাহমুদ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১. কেন সঠিক: বাংলা কবিতায় অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক হলেন মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত। এই ছন্দের মূল বৈশিষ্ট্য হলো পঙক্তির অন্তে মিল বা পয়ারের মতো জ্যোতি বা যতি না থাকা এবং ভাবের অনায়াস প্রবহমানতা বজায় রাখা। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে আধুনিকতার রূপকার এবং পাশ্চাত্য সাহিত্যের প্রভাবে নবজাগরণ এনেছিলেন। তিনি বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দ এবং সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতার সফল প্রবর্তন করেছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তিলোৎসমাসম্ভব কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের প্রথম অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত কাব্যগ্রন্থ যা বাংলা সাহিত্যে নতুন যুগের সূচনা করে। উদাহরণ ২: মেঘনাদবধ কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মধুসূদন দত্তের সর্বশ্রেষ্ঠ কীর্তি এবং বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য যা অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বাংলা সাহিত্যে গদ্যছন্দ এবং নানা নতুন ছন্দের প্রবর্তক হলেও অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক নন। B) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রশ্নানুসারে নির্ভুল। C) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত — তিনি ছন্দের জাদুকর হিসেবে পরিচিত এবং বাংলা ছন্দের নানা বৈচিত্র্য এনেছেন কিন্তু অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক নন। D) আল মাহমুদ — তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি হলেও অমিত্রাক্ষর ছন্দের সঙ্গে তাঁর কোনো ঐতিহাসিক সংযোগ নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: মধু মানেই মধুসূদন যিনি অমিত্রাক্ষর ছন্দের মধু খাইয়ে বাংলা কবিতাকে সমৃদ্ধ করেছেন। অমিত্রাক্ষর ছন্দ বললেই মাইকেল মধুসূদন দত্তের নাম মনে রাখতে হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা সাহিত্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের জনক বা প্রবর্তক কে এই প্রশ্নটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। একই সঙ্গে তাঁর রচিত মেঘনাদবধ কাব্য এবং তিলোৎসমাসম্ভব কাব্য সম্পর্কেও প্রশ্ন থাকে।
a তিনটি
b চারটি
c পাঁচটি
d ছয়টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চারটি ১. কেন সঠিক: - উৎস বা উৎপত্তি অনুসারে বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে মূলত চারটি ভাগে ভাগ করা হয়। এই শ্রেণিবিভাগটি বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডারের মূল উৎস নির্দেশ করে। - ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা যায় (তদ্ভব, তৎসম ও দেশী), তবে সাধারণ ব্যাকরণে ডক্টর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের চার ভাগের শ্রেণিবিভাগটি বহুল গ্রহণযোগ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উৎস বা উৎপত্তি অনুসারে বাংলা ভাষার শব্দগুলোকে চার ভাগে ভাগ করা হয়। এগুলো হলো তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব এবং দেশি ও বিদেশি শব্দ (বিদেশি শব্দসহ মোট পাঁচ ভাগে ডক্টর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ভাগ করেছেন, তবে মূল প্রধান উৎস হিসেবে চারটিকে বিবেচনা করা হয়: তৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি)। - প্রমিত ব্যাকরণ অনুযায়ী উৎস বা ইতিহাস অনুসারে বাংলা শব্দভাণ্ডারকে তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, তৎভব, দেশি এবং বিদেশি এই কয়টি ভাগে সাজানো হয়, তবে প্রধান ভাগ চারটি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চন্দ্র ব্যাখ্যা: এটি একটি তৎসম শব্দ, যা সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। উদাহরণ ২: কুলা ব্যাখ্যা: এটি একটি দেশি শব্দ, যা প্রাক-আর্য বা আদিবাসীদের ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তিনটি — তিনটি ভাগ প্রধানত ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর অনুসরণে বলা হয়, তবে সাধারণ ব্যাকরণগত প্রশ্নে প্রমিত নিয়মে চারটিকে সঠিক ধরা হয়। B) চারটি — এটি সঠিক অপশন কারণ উৎস বা উৎপত্তি অনুসারে বাংলা শব্দকে তৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি এই প্রধান চার ভাগে ভাগ করা হয়। C) পাঁচটি — পাঁচটি ভাগ সাধারণত করা হয় না, তবে বিদেশি শব্দকে আলাদা ধরলে তা উপবিভাগে আসে। D) ছয়টি — ছয়টি কোনো প্রমিত বা প্রধান শ্রেণিবিভাগ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - মনে রাখার সহজ সূত্র হলো ত-দে-বি (তৎসম ও তদ্ভব, দেশি, বিদেশি)। এভাবে প্রধান উৎসগুলো সহজে মনে রাখা যায়। - উৎস বা উৎপত্তি বললেই সংখ্যাটি হবে চার। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের উৎস সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - তৎসম শব্দের অর্থ তাহার সমান এবং তদ্ভব শব্দের অর্থ তাহা হইতে উৎপন্ন।
a রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
b হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
c মাইকেল মধুসূদন দত্ত
d নবীনচন্দ্র সেন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১. কেন সঠিক: - 'মেঘনাদবধ কাব্য' বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য। - এই মহাকাব্যের রচয়িতা হলেন আধুনিক বাংলা কবিতার জনক মাইকেল মধুসূদন দত্ত। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দ এবং সনেট প্রবর্তন করেন। - ১৮৬১ সালে প্রকাশিত 'মেঘনাদবধ কাব্য' রামায়ণের কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে রচিত হলেও রাবণ ও মেঘনাদের চরিত্রকে মহিমান্বিত করা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তিলোত্তমা সম্ভব কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ। উদাহরণ ২: বীরাঙ্গনা কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচিত একটি পত্রকাব্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বাংলা সাহিত্যের নোবেলজয়ী কবি, গীতাঞ্জলি সহ বহু কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা। তবে তিনি 'মেঘনাদবধ কাব্য' রচনা করেননি। B) হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় — তিনি একজন প্রখ্যাত দেশপ্রেমিক কবি, যাঁর বিখ্যাত মহাকাব্য হলো বৃত্রসংহার। তবে তিনি 'মেঘনাদবধ কাব্যের' রচয়িতা নন। C) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়। D) নবীনচন্দ্র সেন — তিনি পলাশীর যুদ্ধ মহাকাব্যের জন্য বিখ্যাত একজন কবি। তবে 'মেঘনাদবধ কাব্য' তাঁর রচনা নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - মেঘনাদবধ কাব্যের নামের সাথে মাইকেল মধুসূদন দত্তের নাম এভাবে মনে রাখবে যে মধুসূদন দত্ত বাংলা মহাকাব্যের প্রবক্তা। - মহাকাব্যের কথা মনে এলেই মাইকেল মধুসূদন দত্ত এবং তাঁর মেঘনাদবধ কাব্যের নাম প্রথম মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহাকাব্য কোনটি এবং এর রচয়িতা কে তা জানতে চাওয়া হয়। - মহাকাব্যের নাম 'মেঘনাদবধ কাব্য' এবং রচয়িতা মাইকেল মধুসূদন দত্ত এই তথ্যটি ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a বাঁধনহারা
b ছাড়পত্র
c কাঁদো নদী কাঁদো
d পথের দাবী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বাঁধনহারা ১. কেন সঠিক: - বাঁধনহারা হলো জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস। - এটি বাংলা সাহিত্যের একটি পত্রোপন্যাস বা চিঠিপত্রের মাধ্যমে রচিত উপন্যাস। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি ও প্রাবন্ধিক হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিত। - বাঁধনহারা উপন্যাসটি প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পটভূমিতে এবং তরুণ নজরুলের মননশীলতার প্রকাশ হিসেবে রচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মৃত্যুক্ষুধা ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের লেখা একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস। উদাহরণ ২: কুহেলিকা ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের রচিত আরেকটি রাজনৈতিক ও মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাঁধনহারা — এটি সঠিক উত্তর। B) ছাড়পত্র — এটি আধুনিক কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের লেখা একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। C) কাঁদো নদী কাঁদো — এটি প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর লেখা একটি বিখ্যাত উপন্যাস। D) পথের দাবী — এটি কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা একটি বিখ্যাত রাজনৈতিক উপন্যাস। ৫. মনে রাখার টিপস: - নজরুলের প্রথম উপন্যাস মনে রাখতে মনে রাখবে তিনি বাঁধনহারা ছিলেন। - তার বিখ্যাত তিনটি উপন্যাস হলো বাঁধনহারা, মৃত্যুক্ষুধা ও কুহেলিকা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাঁধনহারা কাজী নজরুল ইসলামের একমাত্র পত্রোপন্যাস। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকদের প্রথম উপন্যাস বা কাব্যগ্রন্থ প্রায়ই আসে।
a বিখ্যাত
b অদ্ভুত
c জনশ্রুতি
d কিংকর্তব্যবিমূঢ়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জনশ্রুতি ১. কেন সঠিক: - কিংবদন্তি শব্দটির অর্থ জনশ্রুতি বা মুখে মুখে প্রচলিত ঐতিহাসিক কাহিনি। - লোকমুখে প্রচলিত যে কাহিনির সত্যতা পুরোপুরি যাচাই করা যায় না কিন্তু সমাজে বিশ্বাস করা হয়, তাকে কিংবদন্তি বলে। ২. শব্দের উৎস ও অর্থ: - এটি এককথায় প্রকাশ বা শব্দার্থ সংক্রান্ত একটি প্রশ্ন যা প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। - ঐতিহাসিক কোনো ঘটনা বা ব্যক্তির নামের সঙ্গে যখন কাল্পনিক বা অলৌকিক কিছু মিশে জনসমাজে প্রচার লাভ করে, তখন তাকে কিংবদন্তি বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চাণক্যের শ্লোক ব্যাখ্যা: চাণক্যের শ্লোক মুখে মুখে প্রচলিত হয়ে সমাজে কিংবদন্তির রূপ ধারণ করেছে। উদাহরণ ২: গাজী কালুর কাহিনী ব্যাখ্যা: গাজী কালুর জীবনের বিভিন্ন বীরত্বপূর্ণ ঘটনা জনশ্রুতি বা কিংবদন্তি হিসেবে আমাদের লোকসাহিত্যে টিকে আছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিখ্যাত — এই শব্দের অর্থ খ্যাতিমান বা যা সবার পরিচিত, যা কিংবদন্তি শব্দের সঠিক অর্থ নির্দেশ করে না। B) অদ্ভুত — অদ্ভুত শব্দের অর্থ যা অসাধারণ বা আশ্চর্যজনক, এটি জনশ্রুতি বোঝায় না। C) জনশ্রুতি — এই অপশনটি সঠিক কারণ কিংবদন্তি বলতে লোকমুখে প্রচলিত কথাই বোঝায়। D) কিংকর্তব্যবিমূঢ় — এই শব্দের অর্থ কী করা উচিত তা বুঝতে না পেরে দিশেহারা হওয়া, যার সঙ্গে প্রশ্নটির কোনো মিল নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: - কিংবদন্তি শব্দটির ভেতরে থাকা জনশ্রুতি কথাটি মনে রাখলে এই প্রশ্নের উত্তর সহজেই দেওয়া সম্ভব। - মুখে মুখে যা রটে তা জনশ্রুতি বা কিংবদন্তি হিসেবে গণ্য করা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ ও এককথায় প্রকাশ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - প্রমিত বাংলা বানানে কিংবদন্তি শব্দটি সঠিকভাবে লেখা এবং এর সঠিক অর্থ জানা পরীক্ষার জন্য জরুরি।
a তেভাগা আন্দোলন
b ভাষা আন্দোলন
c দেশ বিভাগ
d মুক্তিযুদ্ধ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভাষা আন্দোলন ১. কেন সঠিক: - কবর নাটকটির মূল পটভূমি হলো ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন। ভাষা আন্দোলনের শহীদদের আত্মত্যাগ এবং তৎকালীন শাসকগোষ্ঠীর নির্যাতনের বাস্তবচিত্র এই নাটকে প্রতীকীভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। - নাটকটিতে কাল্পনিক ও বাস্তব ঘটনার মিশ্রণে ভাষা শহীদদের স্মৃতি এবং তাদের আদর্শের চিরন্তন রূপ প্রকাশ করা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কবর নাটকের রচয়িতা মুনীর চৌধুরী। তিনি ভাষা আন্দোলনের সময় ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী থাকা অবস্থায় ১৯৫৩ সালে এই নাটকটি রচনা করেন। - এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম পূর্ণাঙ্গ ভাষা আন্দোলনভিত্তিক নাটক, যা ভাষা আন্দোলনের চেতনাকে নাট্যরূপে মূর্ত করে তুলেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জহির রায়হানের আরেক ফাল্গুন ব্যাখ্যা: এটি ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা আন্দোলনের চেতনাকে ধারণ করে। উদাহরণ ২: আলাউদ্দিন আল আজাদের বরফ গলা নদী ব্যাখ্যা: এটিও ভাষা আন্দোলন ও মধ্যবিত্ত জীবনের সামাজিক সংকটের ওপর রচিত একটি প্রখ্যাত সাহিত্যকর্ম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তেভাগা আন্দোলন — এই নাটকের পটভূমি তেভাগা আন্দোলন নয়, কারণ তেভাগা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত সাহিত্যকর্মের মধ্যে সুফিয়া কামালের লেখা বা অন্যান্য গ্রামীণ কৃষক বিদ্রোহের রচনা প্রধান। B) ভাষা আন্দোলন — এটি সঠিক উত্তর। C) দেশ বিভাগ — দেশ বিভাগের পটভূমিতে রচিত বিখ্যাত উপন্যাস হলো সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর লালসালু বা শওকত ওসমানের জননী, কবর এই পটভূমির নাটক নয়। D) মুক্তিযুদ্ধ — মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত বিখ্যাত নাটক হলো মুনীর চৌধুরীর কিশলয় বা অন্য কোনো নাটক, কবর মুক্তিযুদ্ধ শুরুর অনেক আগেই রচিত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - কারাগারে বসে লেখা প্রথম নাটক হলো কবর এবং এর রচয়িতা মুনীর চৌধুরী ভাষা আন্দোলনের অন্যতম শহীদ বুদ্ধিজীবী। - মুনীর চৌধুরী জেলে বসে নাটকটি লিখেছিলেন, তাই জেলে বা কারাগারে রচিত ভাষা আন্দোলনের নাটক বললে কবর নাটকের কথা মাথায় রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - কবর নাটকটি ১৯৫৩ সালে সিকান্দার আবু জাফর সম্পাদিত উত্তরাধিকার পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়। - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাষা আন্দোলনভিত্তিক প্রথম নাটক কোনটি, এই প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
a কাব্য
b উপন্যাস
c ছোটগল্প
d নাটক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) উপন্যাস ১. কেন সঠিক: - শেষের কবিতা একটি বিখ্যাত বাংলা উপন্যাস যা বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত। - নামের শেষে কবিতা শব্দ থাকলেও এটি কোনো পদ্য বা কাব্যগ্রন্থ নয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রধান বাঙালি ঔপন্যাসিক, কবি ও দার্শনিক। - এটি প্রকাশিত হয় ১৯২৯ সালে এবং এতে প্রথাগত রোমান্টিকতার বিরুদ্ধে আধুনিক জীবনের মনস্তত্ত্ব প্রকাশ পেয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোখের পলক ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অপর একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস। উদাহরণ ২: যোগাযোগ ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মনস্তাত্ত্বিক সম্পর্কের ওপর রচিত উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাব্য — শেষের কবিতা নামের মধ্যে কবিতা থাকলেও এটি পদ্য বা কাব্যগ্রন্থ নয়। C) ছোটগল্প — এটি কোনো ছোট আকারের কল্পিত গদ্যকাহিনি বা ছোটগল্প নয়। D) নাটক — এটি মঞ্চে অভিনীত কোনো নাটক বা রূপক নাট্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - নামের পেছনে কবিতা থাকলেও শেষের কবিতা মূলত একটি উপন্যাস। - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শেষের কবিতা মানেই একটি আধুনিক উপন্যাস। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের বিভ্রান্তিকর নামের উপন্যাস থেকে প্রশ্ন আসে। - নামের সঙ্গে জেনারের মিল না থাকা সাহিত্যকর্মগুলো ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a ধূমকেতু
b শিখা
c ভারতী
d সওগাত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শিখা ১. কেন সঠিক: 'বুদ্ধির মুক্তি' আন্দোলনের মুখপত্র বা সূতিকাগার ছিল 'শিখা' পত্রিকা। এই আন্দোলনের মূল স্লোগান ছিল বুদ্ধির মুক্তি বা যেখানে জ্ঞান স্বাধীন, সেখানেই মুক্তি। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১৯২৬ সালে গঠিত মুসলিম সাহিত্য সমাজ এই আন্দোলন পরিচালনা করে। এই আন্দোলনের প্রধান প্রবক্তা ও বুদ্ধিজীবী ছিলেন আবুল হুসেন ও কাজী আব্দুল ওদুদ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মুসলিম সাহিত্য সমাজ ব্যাখ্যা: এই সংগঠনের মুখপত্র হিসেবে শিখা পত্রিকা ১৯২৬ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: কাজী আব্দুল ওদুদ ব্যাখ্যা: তিনি বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের একজন অন্যতম প্রধান প্রবক্তা ও সাহিত্যিক ছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধূমকেতু — এটি কাজী নজরুল ইসলামের বিদ্রোহী চেতনার সাপ্তাহিক পত্রিকা এবং এটি ভিন্ন সাহিত্য ধারার। B) শিখা — এটি সঠিক উত্তর এবং বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের প্রধান মুখপত্র ছিল। C) ভারতী — এটি জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবার থেকে প্রকাশিত প্রখ্যাত সাহিত্য পত্রিকা এবং এর সময়কাল আলাদা। D) সওগাত — এটি মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন সম্পাদিত সাহিত্য পত্রিকা হলেও এটি সরাসরি বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের সূচনার সঙ্গে যুক্ত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: শিখা জ্বালিয়ে বুদ্ধির অন্ধকার দূর করা হয়েছিল, এভাবে মনে রাখতে পারো যে শিখা পত্রিকা বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত। মুসলিম সাহিত্য সমাজের মুখপত্র ছিল শিখা, যার মাধ্যমে মুক্তবুদ্ধি চর্চা শুরু হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: শিখা পত্রিকা প্রকাশিত হয় ১৯২৬ সালে এবং এর স্লোগান ছিল জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আচ্ছন্ন, মুক্তি সেখানে অসম্ভব। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মুসলিম সাহিত্য সমাজ ও শিখা পত্রিকার প্রতিষ্ঠাকাল সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
a দিবা রাত্রির কাব্য
b পদ্মা নদীর মাঝি
c পুতুল নাচের ইতিকথা
d তিতাস একটি নদীর নাম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) তিতাস একটি নদীর নাম ১. কেন সঠিক: - তিতাস একটি নদীর নাম উপন্যাসটি বাংলা ভাষার খ্যাতিমান ঔপন্যাসিক অদ্বৈত মল্লবর্মণের রচনা, তাই এটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাস নয়। - প্রশ্নে মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাস নয় কোনটি তা জানতে চাওয়া হয়েছে, যার কারণে এই অপশনটি সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - অদ্বৈত মল্লবর্মণ বাংলা সাহিত্যের একজন বিশিষ্ট কথাশিল্পী ও সাংবাদিক যিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস নদীর তীরবর্তী মালো সম্প্রদায়ের জীবন নিয়ে এই উপন্যাসটি লিখেছেন। - মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলা সাহিত্যের আধুনিক psicolodical উপন্যাসের প্রবক্তা যিনি মূলত গ্রামীণ ও নগর জীবনের মনস্তাত্ত্বিক বাস্তবতা ফুটিয়ে তুলেছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দিবারাত্রির কাব্য মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস। ব্যাখ্যা: এটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস যা তার সাহিত্যিক প্রতিভার পরিচয় বহন করে। উদাহরণ ২: পুতুল নাচের ইতিকথা মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও জনপ্রিয় উপন্যাস। ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসে গ্রামীণ মানুষের যান্ত্রিক জীবন ও ভাগ্যেন্বেষণের বাস্তব চিত্র নিখুঁতভাবে ফুটে উঠেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দিবা রাত্রির কাব্য — এটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস, তাই এটি উত্তর হবে না। B) পদ্মা নদীর মাঝি — এটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের রচিত বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ প্রখ্যাত উপন্যাস। C) পুতুল নাচের ইতিকথা — এটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বহুল পঠিত ও প্রশংসিত একটি মাস্টারপিস উপন্যাস। D) তিতাস একটি নদীর নাম — এটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাস নয় বরং অদ্বৈত মল্লবর্মণের অমর সৃষ্টি। ৫. মনে রাখার টিপস: পদ্মা, দিবা রাত্রির ও পুতুল নাচের মতো বিখ্যাত উপন্যাসগুলো মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হলেও তিতাস নদী অদ্বৈত মল্লবর্মণের কীর্তি। লেখক এবং তাদের বিখ্যাত উপন্যাসের নামগুলো আলাদা করে তালিকা তৈরি করে পড়লে পরীক্ষার হলে খুব সহজেই ভুল এড়ানো সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা সাহিত্যে নদীভিত্তিক উপন্যাসের মধ্যে অদ্বৈত মল্লবর্মণের তিতাস একটি নদীর নাম এবং মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদ্মা নদীর মাঝি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই লেখক ও তাদের বিখ্যাত উপন্যাসের নাম মিলকরণ বা বাছাই করতে দেওয়া হয়।
a সরল
b জটিল
c যৌগিক
d প্রশ্নবোধক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জটিল ১. কেন সঠিক: - যে বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্যের ওপর এক বা একাধিক আশ্রিত বা অধীন খণ্ডবাক্য নির্ভরশীল থাকে, তাকে জটিল বা মিশ্র বাক্য বলে। - এখানে 'যতই পরিশ্রম করবে' হলো আশ্রিত খণ্ডবাক্য এবং 'ততই ফল পাবে' হলো প্রধান খণ্ডবাক্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - জটিল বাক্যে সাপেক্ষ সর্বনাম বা জোড় শব্দ যেমন যে-সে, যিনি-তিনি, যা-তা, যতো-ততো, যদি-তবে ব্যবহৃত হয়। - এই বাক্যে 'যতই-ততই' জোড় শব্দ বা সাপেক্ষ সর্বনাম ব্যবহৃত হয়ে দুটি খণ্ডবাক্যকে পরস্পরের ওপর নির্ভরশীল করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যদি বৃষ্টি হয়, তবে আমরা কোথাও যাবো না। ব্যাখ্যা: এখানে 'যদি বৃষ্টি তবে আমরা কোথাও যাবো না' অংশটি প্রধান খণ্ডবাক্যের ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় এটি একটি জটিল বাক্য। উদাহরণ ২: যিনি সৎ পথে চলেন, তিনি কখনো বিপদে পড়েন না। ব্যাখ্যা: এখানে 'যিনি' এবং 'তিনি' সাপেক্ষ সর্বনামের ব্যবহার বাক্যটিকে জটিল বাক্যে পরিণত করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সরল — যে বাক্যে একটি মাত্র কর্তা এবং একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে তাকে সরল বাক্য বলে, কিন্তু এই বাক্যে দুটি সমাপিকা ক্রিয়া ও খণ্ডবাক্য আছে। B) জটিল — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে গণ্য হয়েছে। C) যৌগিক — দুই বা ততোধিক সরল বা মিশ্র বাক্য পরস্পর সমান বা স্বাধীনভাবে মিলিত হয়ে যে বাক্য গঠন করে তাকে যৌগিক বাক্য বলে, কিন্তু এখানে বাক্য দুটি স্বাধীন নয়। D) প্রশ্নবোধক — যে বাক্যের মাধ্যমে কোনো কিছু জানতে চাওয়া হয় তাকে প্রশ্নবোধক বাক্য বলে, কিন্তু প্রদত্ত বাক্যটিতে কোনো প্রশ্ন করা হয়নি। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাক্যে যদি-তবে, যতো-ততো, যিনি-তিনি, যে-সে এই জোড় শব্দ বা সাপেক্ষ সর্বনাম থাকে, তবে চোখ বন্ধ করে সেটি জটিল বাক্য দাগাবে। - স্বাধীন বাক্য থাকলে যৌগিক এবং একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকলে তা সরল বাক্য হিসেবে চিহ্নিত করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য রূপান্তরের জন্য এই নিয়মটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - সাপেক্ষ সর্বনামের উপস্থিতি দেখে খুব সহজেই জটিল বাক্য শনাক্ত করা যায়।
a জহির রায়হান
b হুমায়ুন আহমেদ
c শহীদুল্লা কায়সার
d সেলিনা হোসেন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শহীদুল্লা কায়সার ১. কেন সঠিক: - 'সংশপ্তক' একটি বিখ্যাত বাংলা উপন্যাস যার রচয়িতা শহীদুল্লা কায়সার। - সংশপ্তক শব্দের অর্থ এমন যোদ্ধা যে জীবনপণ করে যুদ্ধ করে এবং কখনো রণক্ষেত্র ত্যাগ করে পালায় না। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শহীদুল্লা কায়সার ছিলেন একজন প্রখ্যাত বাঙালি কথাসাহিত্যিক, সাংবাদিক ও বুদ্ধিজীবী যিনি ১৯৬৯ সালে এই উপন্যাসটি রচনা করেন। - এটি মূলত পাকিস্তানের পটভূমিতে রচিত একটি ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক উপন্যাস যা বাঙালি জাতির আত্মত্যাগের প্রতীক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আরেক ফাল্গুন ব্যাখ্যা: এটি জহির রায়হানের একটি বিখ্যাত উপন্যাস যা বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত। উদাহরণ ২: ক্রীতদাসের হাসি ব্যাখ্যা: এটি শহীদুল্লা কায়সারের আরেকটি অত্যন্ত জনপ্রিয় উপন্যাস যার জন্য তিনি বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জহির রায়হান — ইনি 'সংশপ্তক' উপন্যাসের লেখক নন, তবে ইনি 'হাজার বছর ধরে' ও 'বরফ গলা নদী' উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত। B) হুমায়ুন আহমেদ — ইনি আধুনিক বাংলা উপন্যাসের জনপ্রিয় লেখক হলেও 'সংশপ্তক' উপন্যাসের রচয়িতা নন, ইনি 'শঙ্খনীল কারাগার' ও 'নন্দিত নরকে' লিখেছেন। C) শহীদুল্লা কায়সার — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং এটি এই বিখ্যাত উপন্যাসের জন্যই মূলত পরিচিত। D) সেলিনা হোসেন — ইনি সমসাময়িক কথাসাহিত্যিক হলেও 'সংশপ্তক' উপন্যাসের লেখক নন, ইনি 'যাপিত জীবন' ও 'হাঁসুলী বাঁকের উপকথা'র মতো উপন্যাসের রচয়িতা নন বরং 'যাপিত জীবন' ও 'গায়ত্রী সন্ধ্যা'র লেখক। ৫. মনে রাখার টিপস: - সংশপ্তক মানে যে পিছপা হয় না আর শহীদুল্লা কায়সার জীবন দিয়ে অমর হয়ে আছেন, এভাবে দুটি নাম মনে রাখতে পারো। - ঐতিহাসিক উপন্যাসগুলোর মধ্যে সংশপ্তক নামটি পেলেই শহীদুল্লা কায়সারকে মনে করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সংশপ্তক উপন্যাসটির পটভূমি মূলত গ্রামীণ সমাজ ও বাঙালি জাতির মুক্তির সংগ্রাম। - এই ধরনের সাহিত্যিক প্রশ্নের জন্য লেখকের অন্যান্য বিখ্যাত উপন্যাসের নাম এবং প্রকাশকাল ভালোভাবে পড়ে যাওয়া উচিত।
a ঈশ্বর গুপ্ত
b ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
c বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
d প্যারীচাঁদ মিত্র
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১. কেন সঠিক: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে বাংলা গদ্যের জনক বলা হয় কারণ তিনিই প্রথম বাংলা গদ্যে যতিচিহ্নের সঠিক ব্যবহার করে এর শৃঙ্খলা ও রূপ প্রতিষ্ঠা করেন। তার হাত ধরেই বাংলা গদ্য শৈল্পিক ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১৯ শতকের গোড়ার দিকে বাংলা গদ্যের উৎকর্ষ সাধনে অনন্য ভূমিকা পালন করেন। তার রচিত বেতাল পঞ্চবিংশতি ও বর্ণপরিচয় বাংলা গদ্যের বিকাশকে চিরকালের জন্য বদলে দিয়েছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বেতাল পঞ্চবিংশতি ব্যাখ্যা: এটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের অন্যতম শ্রেষ্ঠ গদ্য রচনা যা বাংলা গদ্যরীতির পথপ্রদর্শক। উদাহরণ ২: শকুন্তলা ব্যাখ্যা: বিদ্যাসাগর রচিত এই গ্রন্থটি বাংলা গদ্যের সাবলীল ও মার্জিত রূপ ফুটিয়ে তোলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঈশ্বর গুপ্ত — তিনি ঊনবিংশ শতকের একজন বিশিষ্ট কবি ও সংবাদ প্রভাকর পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন, গদ্যের জনক নন। B) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — এটি সঠিক উত্তর। C) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি বাংলা উপন্যাসের জনক হিসেবে পরিচিত, গদ্যের জনক নন। D) প্যারীচাঁদ মিত্র — তিনি বাংলা উপন্যাসের পথপ্রদর্শক ও আলালের ঘরের দুলাল উপন্যাসের রচয়িতা, গদ্যের জনক নন। ৫ মনে রাখার টিপস: গদ্যের জনক বললে বিদ্যাসাগর আর উপন্যাসের জনক বললে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে মনে রাখবে। এই দুই নাম গুলিয়ে ফেলা যাবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা গদ্যের প্রথম সার্থক রূপকার বা জনক হলেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। একই ধরনের প্রশ্নে উপন্যাসের জনক আসলে উত্তর হবে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।

মোট প্রশ্ন (20)

a Noun
b Pronoun
c Adjective
d Preposition
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Adjective কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যে central শব্দটি Noun (library)-এর পূর্বে বসে সেটির দোষ, গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করছে। - কোনো শব্দ Noun-এর পূর্বে বসে যদি সেটির দোষ, গুণ, অবস্থা বা সংখ্যা প্রকাশ করে, তবে তা Adjective হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Noun — Noun হলো কোনো কিছুর নাম, কিন্তু central শব্দটি কোনো নাম বোঝাচ্ছে না বরং library-কে বিশেষিত করছে। B) Pronoun — Pronoun হলো Noun-এর পরিবর্তে ব্যবহৃত শব্দ, যা এখানে Noun-এর গুণ প্রকাশ করছে, তার পরিবর্তে বসেনি। C) Adjective — এটি সঠিক উত্তর কারণ central শব্দটি library-এর বিশেষত্ব নির্দেশ করছে। D) Preposition — Preposition হলো এমন শব্দ যা Noun বা Pronoun-এর পূর্বে বসে অন্য শব্দের সাথে সম্পর্ক বোঝায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: Noun-এর ঠিক আগে বসে যখন কোনো শব্দ সেই Noun সম্পর্কে অতিরিক্ত তথ্য দেয়, তখন চোখ বন্ধ করে সেটিকে Adjective ধরে নেবে।
a hand shake
b very intimate
c enmity
d cold weather
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) very intimate কেন সঠিক: - hand and glove একটি ইংরেজি প্রবাদপ্রতিম ইডিয়ম, যার আক্ষরিক অর্থ হাত ও হাতমোজা এবং ভাবার্থ অত্যন্ত ঘনিষ্ট সম্পর্ক। - এই বাক্যাংশটি দুই বা ততোধিক ব্যক্তির মধ্যে গভীর সখ্যতা, বন্ধুত্ব বা গোপন আঁতাত বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) hand shake — এটি সাধারণ সৌজন্যমূলক বা চুক্তির সময় হাত মেলানো বোঝায়, যা গভীর সম্পর্কের ইডিয়মটির সঙ্গে মেলে না। B) very intimate — এটি এই ইডিয়মের সঠিক ভাবার্থ প্রকাশ করে এবং দুই ব্যক্তির গভীর সম্পর্কের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। C) enmity — এর অর্থ শত্রুতা, যা hand and glove ইডিয়মের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। D) cold weather — এটি আবহাওয়া সংক্রান্ত একটি শব্দগুচ্ছ, যার সঙ্গে এই প্রবাদের কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: হাতে হাতমোজা যেভাবে একদম লেগে থাকে, তেমনি বন্ধুরাও যখন খুব ঘনিষ্ঠ হয় তখন তাদেরকে hand and glove বলা হয়।
a in
b at
c on
d of
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) on কেন সঠিক: - সঠিক পথ বা ট্র্যাকে বোঝাতে উপযুক্ত প্রিপজিশন হিসেবে 'on' ব্যবহৃত হয়। - 'on the right track' একটি প্রচলিত ইংরেজি ইডিওম যার অর্থ সঠিক পথে থাকা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) in — 'in' সাধারণত কোনো কিছুর ভেতরে অবস্থান বোঝাতে বসে, তাই ট্র্যাকের ক্ষেত্রে এটি ভুল। B) at — 'at' নির্দিষ্ট বিন্দু বা অবস্থান বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা সঠিক পথের প্রিপজিশনের সঙ্গে মানানসই নয়। C) on — এই অপশনটি নিজেই সঠিক উত্তর এবং এটি প্রমিত ইংরেজি নিয়ম অনুযায়ী পুরোপুরি ঠিক। D) of — 'of' সাধারণত অধিকার বা সম্পর্ক বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে অর্থহীন। মনে রাখার টিপস: সঠিক পথের ওপর থাকা বোঝাতে সবসময় 'on the right track' ফ্রেজটি ব্যবহার করবে।
a Take notice
b Note Before
c Nota Bene
d Note Better
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Nota Bene কেন সঠিক: - ল্যাটিন শব্দগুচ্ছ Nota Bene এর ইংরেজি অর্থ Note Well বা ভালোভাবে লক্ষ্য করা। - কোনো লেখার বিশেষ কোনো অংশ গুরুত্ব দিয়ে পড়ার জন্য সংক্ষেপে এই সংকেত ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Take notice — এটি সাধারণ একটি ইংরেজি বাক্যাংশ যার অর্থ লক্ষ্য করা, যা N.B. এর ল্যাটিন মূল রূপ নয়। B) Note Before — এটি একটি ভুল ইংরেজি বিন্যাস এবং এর কোনো ল্যাটিন ঐতিহাসিক ভিত্তি নেই। C) Nota Bene — এটি সঠিক ল্যাটিন শব্দ যার সংক্ষিপ্ত রূপ হলো N.B.। D) Note Better — এটি ব্যাকরণগতভাবে অসম্পূর্ণ এবং এর অর্থ ভালো নোট নয়, তাই এটি গ্রহণযোগ্য নয়। মনে রাখার টিপস: Nota Bene ল্যাটিন শব্দটির প্রথম অক্ষর দুটি নিয়ে N.B. গঠিত হয়েছে, যার অর্থ বিশেষ দ্রষ্টব্য।
a Telecasting
b Telecasted
c Telecast
d Telecasten
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Telecast কেন সঠিক: - 'telecast' একটি স্ট্রং বা ইরেগুলার ভার্ব, যার প্রেজেন্ট, পাস্ট এবং পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম একই থাকে। - তাই এই ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল রূপ হিসেবে 'telecast' শব্দটির কোনো পরিবর্তন হয় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Telecasting — এটি 'telecast' ভার্বের প্রেজেন্ট পার্টিসিপল বা আইএনজি যুক্ত রূপ, তাই এটি পাস্ট পার্টিসিপল নয়। B) Telecasted — ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী 'telecast' ভার্বের সাথে অতিরিক্ত 'ed' যুক্ত করে পাস্ট ফর্ম বা পাস্ট পার্টিসিপল করা যায় না। C) Telecast — এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ এর পাস্ট পার্টিসিপল রূপ মূল ভার্বের রূপেরই সমান হয়। D) Telecasten — ইংরেজি ব্যাকরণে 'telecast' শব্দের সাথে 'en' যুক্ত করে কোনো পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম গঠিত হয় না। মনে রাখার টিপস: 'cast', 'broadcast' এবং 'telecast' শব্দগুলোর তিনটি রূপই অপরিবর্তিত থাকে।
a Distorted
b Erroneous
c Hypothetical
d Ambiguous
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Hypothetical কেন সঠিক: - 'Hypothetical' শব্দের অর্থ কাল্পনিক বা অনুমানের ওপর ভিত্তি করে তৈরি কোনো ধারণা বা বিবৃতি। - কোনো নির্দিষ্ট সত্যতা বা প্রমাণ ছাড়াই যখন কোনো অনুমান বা কল্পনাকে সত্য ধরে বক্তব্য দেওয়া হয়, তাকে হাইপোথেটিক্যাল বা কাল্পনিক বিবৃতি বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Distorted — বিকৃত বা পরিবর্তিত তথ্য বোঝায়, যা কোনো অনুমানের ওপর প্রতিষ্ঠিত বিবৃতির সঠিক অর্থ প্রকাশ করে না। B) Erroneous — ভুল বা ত্রুটিপূর্ণ কোনো তথ্য বোঝায়, যা অনুমানভিত্তিক বিবৃতির মূল ধারণার সমার্থক নয়। C) Hypothetical — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি সরাসরি কোনো কল্পিত বা অনুমানের ওপর ভিত্তি করে তৈরি বক্তব্যকে নির্দেশ করে। D) Ambiguous — অস্পষ্ট বা দ্ব্যর্থবোধক অর্থ প্রকাশ করে, যার একাধিক অর্থ হতে পারে কিন্তু এটি সরাসরি অনুমানভিত্তিক নয়। মনে রাখার টিপস: 'Hypothesis' শব্দের অর্থ অনুমান বা প্রাক্কল্প, যা থেকেই 'Hypothetical' বা কাল্পনিক কথাটি এসেছে।
a Always
b Almost never
c Positively
d Regularly
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Almost never কেন সঠিক: - 'Hardly' একটি নেতিবাচক বা প্রায় না-সূচক ক্রিয়াবিশেষণ, যার অর্থ কদাচিৎ বা খুব কমই। - 'Almost never' কথাটির অর্থও প্রায় কখনোই না, যা 'Hardly' শব্দের অর্থের সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Always — এর অর্থ সবসময়, যা 'Hardly' শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) Almost never — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ খুব কম বা প্রায় কখনোই না। C) Positively — এর অর্থ নিশ্চিতভাবে বা ইতিবাচকভাবে, যা নেতিবাচক অর্থবোধক 'Hardly' শব্দের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। D) Regularly — এর অর্থ নিয়মিতভাবে, যা অনিয়মিত বা কদাচিৎ ঘটার প্রকাশ ঘটানো 'Hardly' শব্দের বিপরীত। মনে রাখার টিপস: 'Hardly' মানে কদাচিৎ বা কদাচিৎ ঘটে এমন কিছু, তাই এর সমার্থক হিসেবে 'Almost never' বা 'Rarely' মনে রাখতে হবে।
a News
b Mathematics
c Economics
d Crises
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Crises কেন সঠিক: - Crises শব্দটি Crisis শব্দের প্লুরাল রূপ, যার শেষ অক্ষর এস এবং এটি বহুবচন নির্দেশ করে। - গ্রিক বা লাতিন উৎসের যেসব শব্দের শেষে আইএস থাকে, তাদের প্লুরাল করার সময় আইএস এর পরিবর্তে ইএস বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) News — এটি দেখতে বহুবচনের মতো হলেও মূলত একটি সিঙ্গুলার নাউন, যার অর্থ খবর। B) Mathematics — এটি একটি বিষয়ের নাম এবং শেষে এস থাকলেও এটি সিঙ্গুলার নাউন হিসেবে ব্যবহৃত হয়। C) Economics — এটি একটি শাস্ত্র বা বিষয়ের নাম, যা দেখতে প্লুরাল মনে হলেও মূলত সিঙ্গুলার নাউন। D) Crises — এটি নিজেই সঠিক উত্তর এবং এটি Crisis শব্দের প্লুরাল ফর্ম। মনে রাখার টিপস: আইএস যুক্ত সিঙ্গুলার নাউনকে প্লুরাল করার সময় আইএস তুলে দিয়ে ইএস বসালে তা বহুবচন হয়ে যায়।
a vary
b various
c variable
d varied point
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) vary কেন সঠিক: - প্রদত্ত শব্দ 'variation' একটি নাউন যার অর্থ পরিবর্তন বা বৈচিত্র্য। - এর সঠিক ভার্ব বা ক্রিয়া রূপ হলো 'vary', যার অর্থ হলো পরিবর্তিত হওয়া বা ভিন্ন হওয়া। বাকি অপশন কেন ভুল: A) vary — এটি সঠিক কারণ এটি 'variation' শব্দের মূল ভার্ব রূপ। B) various — এটি একটি অ্যাডজেক্টিভ, যার অর্থ বিভিন্ন বা নানা রকম। C) variable — এটি অ্যাডজেক্টিভ বা নাউন হতে পারে, যার অর্থ পরিবর্তনশীল। D) varied point — এটি কোনো একক শব্দ নয়, বরং একটি ফ্রেজ যা এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: শব্দের শেষে ion বা tion থাকলে সাধারণত তা নাউন হয় এবং তার মূল রূপটি ভার্ব হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
a Deed
b Did
c Doing
d Done
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Deed কেন সঠিক: - ইংরেজি ভাষা ও ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী 'do' verb-টির noun বা বিশেষ্য রূপ হলো 'deed'। - 'Do' অর্থ করা এবং 'Deed' অর্থ কাজ বা কর্ম, যা একটি noun বা বিশেষ্য হিসেবে বাক্যে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Deed — এটি সঠিক উত্তর কারণ 'do' verb-এর noun হলো 'deed'। B) Did — এটি 'do' verb-এর past form বা past tense, কোনো noun নয়। C) Doing — এটি 'do' verb-এর present participle বা gerund রূপ, তবে প্রশ্নানুযায়ী সঠিক noun রূপ হলো deed। D) Done — এটি 'do' verb-এর past participle form বা V3 রূপ, যা noun হিসেবে ব্যবহৃত হয় না। মনে রাখার টিপস: Verb হিসেবে 'do'-এর past tense হলো 'did', past participle হলো 'done' এবং নির্দিষ্ট noun রূপ হলো 'deed'।
a in
b by
c on
d from
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) by কেন সঠিক: - abide by একটি গুরুত্বপূর্ণ ফ্রেজাল ভার্ব বা গ্রুপ ভার্ব, যার অর্থ কোনো নিয়ম, আইন বা সিদ্ধান্ত মেনে চলা। - শূন্যস্থানের পর the rules অবস্হান করায় এখানে উপযুক্ত প্রিপজিশন হিসেবে by ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) in — কোনো নির্দিষ্ট স্থান, শহর বা দেশের নামের পূর্বে ইন বসে, যা এখানে নিয়ম মেনে চলার অর্থ প্রকাশ করে না। B) by — এটি সঠিক উত্তর কারণ abide by মিলে মেনে চলা অর্থ প্রকাশ করে। C) on — কোনো তলের উপরে বা বার বা দিবসের নামের পূর্বে অন বসে, যা এই বাক্যের জন্য প্রযোজ্য নয়। D) from — কোনো কিছু হতে বা থেকে বোঝাতে ফ্রম বসে, যা এখানে অর্থসংগত নয়। মনে রাখার টিপস: নিয়ম বা আইন মেনে চলা বোঝালে abide এর সাথে সর্বদা by প্রিপজিশন বসে।
a on
b in
c to
d for
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) for কেন সঠিক: - aspiration শব্দের পরে সাধারণত for প্রিপজিশন বসে যার অর্থ কোনো কিছুর প্রতি তীব্র আকাঙ্ক্ষা বা উচ্চাশা। - এখানে ধনসম্পদের প্রতি তীব্র আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করতে aspiration শব্দের সঙ্গে for প্রিপজিশন ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) on — aspiration শব্দের পরে অন প্রিপজিশন বসে না কারণ এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক collocation নয়। B) in — এই বাক্যের অর্থের সঙ্গে in প্রিপজিশন সংগতিপূর্ণ নয় এবং এটি সঠিক collocation তৈরি করে না। C) to — aspiration শব্দের পরে টু প্রিপজিশন সাধারণত বসে না কারণ এটি এখানে লক্ষ্য বোঝাতে অক্ষম। D) for — এটি সঠিক উত্তর কারণ aspiration for riches অর্থ ধনসম্পদের প্রতি তীব্র আকাঙ্ক্ষা। মনে রাখার টিপস: কোনো কিছুর জন্য উচ্চাশা বোঝাতে aspiration এর পরে সবসময় for প্রিপজিশন ব্যবহার করবে।
a may pass
b may have passed
c might pass
d will pass
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: C) might pass কেন সঠিক: - এটি Second Conditional-এর নিয়ম অনুযায়ী গঠিত, যেখানে If-clauses অংশে Past Indefinite Tense (studied) থাকলে পরবর্তী অংশে Subject-এর পর could, might বা would বসে এবং মূল Verb-এর Base form হয়। - প্রদত্ত বাক্যে অধ্যয়নের সম্ভাবনার ফল প্রকাশ করতে might pass সঠিক ও ব্যাকরণগতভাবে নির্ভুল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) may pass — এটি First Conditional-এর গঠন, যেখানে If-clauses অংশে Present Tense থাকার কথা ছিল কিন্তু এখানে Past Tense আছে। B) may have passed — এটি Third Conditional-এর গঠন বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা Past Participle-এর অনুপস্থিতির কারণে এখানে প্রযোজ্য নয়। C) might pass — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল হিসেবে গণ্য নয়। D) will pass — এটিও First Conditional-এর গঠন, যা Past Tense-এর সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: Second Conditional-এর ক্ষেত্রে মনে রাখবে, If-এর পর Past Tense থাকলে পরবর্তী অংশে would, could বা might বসবে।
a Incumbent
b Incambent
c Incumbant
d Incambent
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Incumbent কেন সঠিক: - শব্দটিতে সঠিক প্রত্যয় ও বানানরীতি অনুসরণ করা হয়েছে যেখানে 'cumb' এর পর 'e' এবং 'nt' ব্যবহৃত হয়। - এর অর্থ বর্তমান পদাধিকারী বা কোনো পদে আসীন ব্যক্তি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Incumbent — এটি সঠিক বানান এবং এর অর্থ বর্তমান পদাধিকারী। B) Incambent — বানান ভুল কারণ এখানে সঠিক স্বরবর্ণ ব্যবহার করা হয়নি। C) Incumbant — বানান ভুল কারণ শেষে 'ant' ব্যবহার করা হয়েছে যেখানে 'ent' হওয়ার কথা ছিল। D) Incambent — অপশনটি পুনরাবৃত্তিমূলক এবং বানানটি ভুল। মনে রাখার টিপস: বানানটি মনে রাখতে ইন (In) যোগ কাম্ব (cumb) যোগ এন্ট (ent) এভাবে ভেঙে পড়তে পারেন।
a W. B. Yeats
b John Keats
c P. B. Shelly
d Shakespeare
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) John Keats কেন সঠিক: - উক্তিটি জন কিটসের বিখ্যাত দীর্ঘ কবিতা এন্ড্রিমিয়ান এর প্রথম লাইন। - জন কিটস রোমান্টিক যুগের একজন অন্যতম প্রধান ব্রিটিশ কবি যিনি সৌন্দর্য ও প্রকৃতির কবি হিসেবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) W. B. Yeats — উইলিয়াম বাটলার ইয়েটস বিংশ শতাব্দীর একজন আইরিশ কবি ও নাট্যকার যিনি এই রোমান্টিক পংক্তির রচয়িতা নন। B) John Keats — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক এবং এর রচয়িতা জন কিটস। C) P. B. Shelly — পার্সি বেশি শেলি রোমান্টিক যুগের আরেকজন বিখ্যাত কবি হলেও এই লাইনটি তাঁর কোনো কবিতার অংশ নয়। D) Shakespeare — উইলিয়াম শেকসপিয়র এলিজাবেথীয় যুগের নাট্যকার ও কবি এবং এই পংক্তিটি তাঁর রচনার অন্তর্ভুক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: কিটসের নামের সাথে বিউটি বা সৌন্দর্যের সম্পর্ক মনে রাখলে এই লাইনটি সহজে মনে রাখা যায়।
a tasty nuts
b hard object
c difficult problem
d strong
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) difficult problem কেন সঠিক: - 'Hard nut to crack' একটি প্রচলিত ইংরেজি ইডিয়ম যার আক্ষরিক অর্থ ভাঙতে কঠিন বাদাম এবং রূপক অর্থ হলো একটি জটিল বা কঠিন সমস্যা। - এটি এমন কোনো ব্যক্তি বা পরিস্থিতিকে বোঝায় যার সমাধান করা অত্যন্ত কষ্টকর। বাকি অপশন কেন ভুল: A) tasty nuts — এটি ইডিয়মের রূপক অর্থ বাদ দিয়ে আক্ষরিক সুস্বাদু বাদাম বোঝাচ্ছে, যা পরীক্ষার প্রেক্ষাপটে সঠিক নয়। B) hard object — এটি দিয়ে কেবল একটি শক্ত বস্তু বোঝায়, যা মানুষের সমস্যা বা পরিস্থিতির ক্ষেত্রে রূপকভাবে ব্যবহার করা যায় না। C) difficult problem — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং ইডিয়মটির প্রকৃত অর্থ প্রকাশ করে। D) strong — এটি সাধারণত শারীরিক বা মানসিক শক্তিকে বোঝায়, যা কোনো জটিল সমস্যার সমার্থক নয়। মনে রাখার টিপস: একটি শক্ত বাদাম দাঁত দিয়ে ভাঙা যেমন খুব কঠিন, তেমনি 'Hard nut to crack' মানেও যেকোনো কঠিন সমস্যা সমাধান করা।
a Unwise
b Reckless
c Judicious
d Hasty
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: C) Judicious কেন সঠিক: - Imprudent শব্দের অর্থ অবিবেচক, অদূরদর্শী বা বেপরোয়া। - Judicious শব্দের অর্থ বিচক্ষণ, সুবিবেচক বা বুদ্ধিমান, যা imprudent শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Unwise — এটি imprudent শব্দের সমার্থক শব্দ, কারণ এর অর্থ নির্বোধ বা অবিবেচক। B) Reckless — এটিও imprudent শব্দের কাছাকাছি সমার্থক শব্দ, যার অর্থ বেপরোয়া বা হঠকারী। C) Judicious — এটি সঠিক বিপরীতার্থক বা অ্যান্টনিম শব্দ, যার অর্থ বিচক্ষণ। D) Hasty — এটি imprudent শব্দের সমার্থক শব্দ, যার অর্থ তাড়াহুড়ো করা বা অবিবেচকের মতো দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া। মনে রাখার টিপস: Imprudent শব্দের শুরুতে Im বাদ দিয়ে এর বিপরীত শব্দ হিসেবে Judicious (বিচক্ষণ) মনে রাখা যায়।
a colour
b feather
c nature
d wings
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) feather কেন সঠিক: - এটি একটি জনপ্রিয় ইংরেজি প্রবাদ যার অর্থ হলো একই স্বভাব বা চরিত্রের মানুষ একত্রে থাকতে পছন্দ করে। - শূন্যস্থানে feather শব্দটি বসালে প্রবাদটির পূর্ণাঙ্গ অর্থ প্রকাশ পায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) colour — প্রবাদটির অর্থপূর্ণ রূপ দিতে এই শব্দটি প্রযোজ্য নয়। C) nature — অর্থগত মিল থাকলেও প্রবাদের নির্দিষ্ট রূপ গঠনে এই শব্দটি ব্যবহার হয় না। D) wings — পাখির ডানা থাকলেও প্রবাদের প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী এটি এখানে সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: একই রকম স্বভাবের মানুষদের ক্ষেত্রে পাখির পালকের প্রবাদটি মনে রাখবে।
a Solvency
b Secrecy
c Decency
d Urgency
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Solvency কেন সঠিক: - 'Solvency' হলো 'solvent' শব্দের সঠিক নাউন রূপ, যার অর্থ সচ্ছলতা বা ঋণ পরিশোধের ক্ষমতা। - ইংরেজি ব্যাকরণে অনেক এডজেক্টিভ শব্দের শেষে 'ency' বা 'ancy' যুক্ত করে নাউন গঠন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Solvency — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি 'solvent' শব্দের নাউন রূপ। B) Secrecy — এটি 'secret' শব্দের নাউন রূপ, যার অর্থ গোপনীয়তা। C) Decency — এটি 'decent' শব্দের নাউন রূপ, যার অর্থ ভদ্রতা। D) Urgency — এটি 'urgent' শব্দের নাউন রূপ, যার অর্থ জরুরি অবস্থা। মনে রাখার টিপস: শব্দের শেষে 'ent' থাকলে সাধারণত তা পরিবর্তন করে 'ency' যুক্ত করলে সঠিক নাউন গঠিত হয়।
a Tell me what is life.
b Tell me how is life.
c Tell me what life is.
d Do you know what is life?
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Tell me what life is. কেন সঠিক: - Imperative sentence-এর পর Principal clause এবং Subordinate clause যুক্ত করতে Interrogative pronoun (what) বসালে তার পরের clause-টি Assertive structure-এ হয়। - তাই what-এর পর Subject (life) এবং তারপর Verb (is) বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Tell me what is life. — এখানে what-এর পর সরাসরি Verb (is) বসেছে, যা interrogative structure নির্দেশ করে এবং grammatically ভুল। B) Tell me how is life. — এটি Direct question-এর মতো structure তৈরি করেছে, কিন্তু Complex sentence-এ Subject-এর আগে Verb বসতে পারে না। C) Tell me what life is. — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটি সঠিক Noun clause-এর গঠন মেনে চলেছে। D) Do you know what is life? — বাক্যটি নিজেই একটি Interrogative sentence এবং এর ভেতরের clause-টিতে Subject-এর আগে Verb ব্যবহার করায় গঠনটি ভুল হয়েছে। মনে রাখার টিপস: Complex sentence-এর ভেতরে প্রশ্নবোধक শব্দ (what, where, who) থাকলে তার পরে எப்போதும் Subject বসে এবং সবার শেষে Verb বসে।

মোট প্রশ্ন (20)

a ১০ টি
b ১৫ টি
c ২০ টি
d ২৯ টি
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: B) ১৫ টি কেন সঠিক: - জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ মোট ১৫টি সদস্য রাষ্ট্র নিয়ে গঠিত। - এর মধ্যে ৫টি স্থায়ী এবং ১০টি অস্থায়ী সদস্য রাষ্ট্র রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০ টি — এটি নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী বা মোট সদস্য সংখ্যা নয়, এটি কেবল অস্থায়ী সদস্য রাষ্ট্রের সংখ্যা। B) ১৫ টি — এটি নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য সংখ্যা, যা ৫টি স্থায়ী এবং ১০টি অস্থায়ী সদস্য নিয়ে গঠিত। C) ২০ টি — এটি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য সংখ্যা নয় এবং ভুল তথ্য নির্দেশ করে। D) ২৯ টি — এটি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য সংখ্যার সঙ্গে মিল নেই এবং সম্পূর্ণ সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য ১৫ জন, যার ৫ জন স্থায়ী এবং বাকি ১০ জন অস্থায়ী সদস্য।
a UNESCO
b UNICEF
c UNDP
d ILO
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) UNESCO কেন সঠিক: - ইউনেস্কো ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ২১ শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। - কানাডা প্রবাসী রফিকুল ইসলাম ও আবদুস সালামের প্রস্তাব এবং বাংলাদেশ সরকারের উদ্যোগে এই ঐতিহাসিক স্বীকৃতি অর্জিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) UNESCO — এটি জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা হওয়ায় মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতি প্রদান করে। B) UNICEF — এটি জাতিসংঘের শিশু তহবিল সম্পর্কিত সংস্থা, যা শিশু অধিকার ও কল্যাণ নিয়ে কাজ করে। C) UNDP — এটি জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচি পরিচালনা করে এবং দারিদ্র্য বিমোচন নিয়ে কাজ করে। D) ILO — এটি আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা, যা শ্রমিকদের অধিকার ও কাজের পরিবেশ নিয়ে কাজ করে। মনে রাখার টিপস: ভাষা ও সংস্কৃতির সঙ্গে ইউনেস্কো যুক্ত থাকে, তাই ২১ শে ফেব্রুয়ারির স্বীকৃতির জন্য UNESCO মনে রাখতে হবে।
a সুইডেন
b ইতালি
c ডেনমার্ক
d নরওয়ে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ইতালি কেন সঠিক: - ইতালি দক্ষিণ ইউরোপের ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলের একটি দেশ, যা স্ক্যান্ডিনেভিয়ান অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত নয়। - ভৌগোলিক অবস্থান ও ঐতিহাসিক সংস্কৃতির দিক থেকে ইতালি দক্ষিণ ইউরোপের অংশ হিসেবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুইডেন — এটি উত্তর ইউরোপের স্ক্যান্ডিনেভিয়ান উপদ্বীপে অবস্থিত একটি প্রধান দেশ। B) ইতালি — এটি দক্ষিণ ইউরোপের একটি দেশ এবং স্ক্যান্ডিনেভিয়ান অঞ্চলের বাইরে অবস্থিত। C) ডেনমার্ক — এটি স্ক্যান্ডিনেভিয়ান অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত একটি উত্তর ইউরোপীয় দেশ। D) নরওয়ে — এটি স্ক্যান্ডিনেভিয়ান উপদ্বীপে অবস্থিত একটি উত্তর ইউরোপীয় দেশ। মনে রাখার টিপস: স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশগুলো উত্তর ইউরোপে অবস্থিত, আর ইতালি অবস্থিত দক্ষিণ ইউরোপে।
a ইংরেজ
b পর্তুগিজ
c ফরাসি
d ওলন্দাজ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পর্তুগিজ কেন সঠিক: - ভাস্কো দা গামার নেতৃত্বে ১৪৯৮ সালে পর্তুগিজরা সমুদ্রপথ আবিষ্কার করার পর তারা বাণিজ্যের উদ্দেশ্যে সবার আগে বাংলায় আগমন করে। - ১৫৩৮ সালে পর্তুগিজরা চট্টগ্রামের পর্তুগিজ বন্দোবস্ত স্থাপন করে বাংলার মাটিতে প্রথম স্থায়ী ব্যবসায়িক ও রাজনৈতিক আধিপত্য বিস্তার করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইংরেজ — ইংরেজরা পর্তুগিজদের অনেক পরে ১৬০০ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি গঠন করে এবং বাংলায় বাণিজ্যের জন্য আসে। B) পর্তুগিজ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ ইউরোপীয়দের মধ্যে তারাই সবার প্রথমে বাংলায় ব্যবসার উদ্দেশ্যে প্রবেশ করেছিল। C) ফরাসি — ফরাসিরা সপ্তদশ শতাব্দীর শেষভাগে বাংলায় আসে এবং চন্দননগরে তাদের প্রধান বাণিজ্য কেন্দ্র স্থাপন করে। D) ওলন্দাজ — ওলন্দাজ বা ডাচরা সপ্তদশ শতাব্দীর শুরুতে বাণিজ্য করতে আসে, যা পর্তুগিজদের আগমনের বেশ পরে ঘটেছিল। মনে রাখার টিপস: ইউরোপীয়দের মধ্যে বাণিজ্যের জন্য বাংলায় আসার ক্রম মনে রাখার সহজ শব্দ হলো প-ও-ই-ফ (পর্তুগিজ, ওলন্দাজ, ইংরেজ, ফরাসি)।
a সৌদি আরব
b লেবানন
c সিরিয়া
d ইরান
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ইরান কেন সঠিক: - ২০২০ সালের নভেম্বর মাসে ইরানের শীর্ষ পরমাণু বিজ্ঞানী মোহসেন ফাখরিজাদেহ তেহরানের কাছে এক গাড়িবোমা ও গুলিবর্ষণের হামলায় নিহত হন। - মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতি ও ইরানের পরমাণু কর্মসূচিকে বাধাগ্রস্ত করার উদ্দেশ্যে এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছিল বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে উঠে আসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সৌদি আরব — এই দেশটি মধ্যপ্রাচ্যের প্রভাবশালী রাষ্ট্র হলেও সাম্প্রতিককালে এ ধরনের কোনো হাই-প্রোফাইল পরমাণু বিজ্ঞানীর গাড়িবোমা হামলার শিকার হওয়ার ঘটনা ঘটেনি। B) লেবানন — এই রাষ্ট্রে হিজবুল্লাহর সঙ্গে সংঘাতের ঘটনা ঘটলেও ইরানের মতো আলোচিত কোনো পরমাণু বিজ্ঞানীর গাড়িবোমা হামলায় নিহত হওয়ার ঘটনা এখানে ঘটেনি। C) সিরিয়া — গৃহযুদ্ধপীড়িত এই দেশটিতে বিভিন্ন হামলা হলেও প্রদত্ত প্রশ্নের নির্দিষ্ট ঘটনার সঙ্গে এই দেশের পরমাণু বিজ্ঞানীর নিহতের কোনো যোগসূত্র নেই। D) ইরান — এই দেশটির শীর্ষ পরমাণু বিজ্ঞানী মোহসেন ফাখরিজাদেহ গাড়িবোমা হামলার শিকার হয়ে নিহত হয়েছিলেন বলে এটি সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: পরমাণু বিজ্ঞানী হত্যা মানেই মধ্যপ্রাচ্যের আলোচিত দেশ ইরানকে মনে রাখতে হবে।
a মিশর
b টিউনিসিয়া
c ইরান
d সিরিয়া
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) টিউনিসিয়া কেন সঠিক: - ২০১০ সালের ১৭ ডিসেম্বর টিউনিসিয়ায় মোহাম্মদ বুয়াজিজি নামের এক পথ বিক্রেতার গায়ে আগুন দেয়ার মাধ্যমে এই গণঅভ্যুত্থানের সূত্রপাত হয়। - টিউনিসিয়ার এই ঘটনার প্রভাবেই পরবর্তীতে মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মিশর — মিসরে আরব বসন্তের প্রভাব পড়েছিল এবং হোসনি মোবারকের পতন ঘটেছিল, কিন্তু আন্দোলনের সূচনা এখানে হয়নি। B) টিউনিসিয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানেই আরব বসন্তের প্রথম সূচনা ঘটেছিল। C) ইরান — আরব বসন্তের আন্দোলনের সঙ্গে ইরান সরাসরি যুক্ত ছিল না এবং এখানে এই আন্দোলনের সূচনা হয়নি। D) সিরিয়া — সিরিয়াতে আরব বসন্তের প্রভাব পরবর্তীতে গৃহযুদ্ধের রূপ নিলেও এর সূচনা সেখানে হয়নি। মনে রাখার টিপস: আরব বসন্তের সূচনা মনে রাখতে টিউনিসিয়ার বুয়াজিজি ও তার আত্মাহুতির ঘটনাটি স্মরণ রাখতে হবে।
a লন্ডন
b হংকং
c টোকিও
d নিউইয়র্কে
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: D) নিউইয়র্কেই কেন সঠিক: - ওয়াল স্ট্রিট যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরের ম্যানহাটনে অবস্থিত বিশ্বের অন্যতম প্রধান আর্থিক কেন্দ্র। - এটি নিউইয়র্ক স্টক এক্সচেঞ্জের অবস্থানস্থল হওয়ায় বিশ্ব অর্থনীতিতে এর গুরুত্ব অপরিসীম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লন্ডন — এটি যুক্তরাজ্যের রাজধানী এবং এখানে 'লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জ' অবস্থিত, যা ওয়াল স্ট্রিট নয়। B) হংকং — এটি এশিয়ার একটি প্রধান আর্থিক কেন্দ্র হলেও এখানে বিখ্যাত ওয়াল স্ট্রিট অবস্থিত নয়। C) টোকিও — এটি জাপানের রাজধানী এবং এখানে 'টোকিও স্টক এক্সচেঞ্জ' অবস্থিত, যা ওয়াল স্ট্রিট নয়। D) নিউইয়র্কেই — এটি সঠিক উত্তর কারণ ওয়াল স্ট্রিট যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরেই অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: ওয়াল স্ট্রিট এবং নিউইয়র্ক স্টক এক্সচেঞ্জ উভয়ই যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরে অবস্থিত।
a ঢাকা
b লন্ডন
c নিউইয়র্ক
d জেনেভা
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: D) জেনেভা কেন সঠিক: - আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা বা আইএলও জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা, যার প্রধান কার্যালয় সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে অবস্থিত। - ১৯১৯ সালে Versailes চুক্তির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত এই সংস্থার প্রশাসনিক ও নীতিনির্ধারক কার্যক্রম জেনেভা থেকেই পরিচালিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঢাকা — এটি বাংলাদেশের রাজধানী, আন্তর্জাতিক কোনো সংস্থার প্রধান কার্যালয় নয়। B) লন্ডন — এটি যুক্তরাজ্যের রাজধানী এবং আন্তর্জাতিক মেরিটাইম অর্গানাইজেশনের সদর দপ্তর। C) নিউইয়র্ক — এটি জাতিসংঘ সদর দপ্তরের প্রধান কার্যালয়, আইএলও-র নয়। D) জেনেভা — এটি আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার সদর দপ্তর হিসেবে সঠিক। মনে রাখার টিপস: শ্রমিকদের অধিকার ও কাজের পরিবেশ রক্ষাকারী সংস্থা আইএলও-র সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভাতে অবস্থিত।
a ব্যাংকক
b িল্লী
c ঢাকা
d বেইজিং
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ঢাকা কেন সঠিক: - BIMSTEC বা বে অব বেঙ্গল ইনিশিয়েটিভ ফর মাল্টিসেক্টরাল টেকনিক্যাল অ্যান্ড ইকোনমিক কোঅপারেশন সংস্থার স্থায়ী সচিবালয় বা সদর দপ্তর বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত। - ১৯৯৭ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকাকে এই আন্তর্জাতিক আঞ্চলিক সংস্থার প্রশাসনিক সদর দপ্তর হিসেবে নির্ধারণ করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্যাংকক — থাইল্যান্ডের ব্যাংকক BIMSTEC প্রতিষ্ঠার ঘোষণাপত্র স্বাক্ষরের স্থান হলেও এটি এর সদর দপ্তর নয়। B) দিল্লী — ভারতের রাজধানী দিল্লী অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক কেন্দ্র হলেও এটি BIMSTEC এর সদর দপ্তর নয়। D) বেইজিং — চীন BIMSTEC এর সদস্য রাষ্ট্র নয়, তাই বেইজিংয়ে এই সংস্থার কোনো সদর দপ্তর নেই। মনে রাখার টিপস: বিমসটেক (BIMSTEC) নামের শেষ অক্ষর সি (C) দিয়ে ঢাকা (Dhaka) মনে রাখতে পারেন।
a রোম
b লন্ডন
c ব্রাসেলস
d জেনেভা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জেনেভা কেন সঠিক: - UNHCR হলো জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা, যার প্রধান কার্যালয় সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত। - বিশ্বজুড়ে শরণার্থীদের সুরক্ষা ও সহায়তার জন্য এই সদর দপ্তর থেকে সামগ্রিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রোম — এটি বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি এবং খাদ্য ও কৃষি সংস্থার সদর দপ্তর, শরণার্থীদের সংস্থার নয়। B) লন্ডন — এটি আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থার সদর দপ্তর, UNHCR এর নয়। C) ব্রাসেলস — এটি ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ন্যাটোর প্রধান কার্যালয়গুলোর একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। D) জেনেভা — এটি UNHCR এর মূল সদর দপ্তর এবং এখানেই সঠিক উত্তর অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: শরণার্থীদের নিয়ে কাজ করতে হলে সবার জেনেশুনে জেনেভায় যেতে হয়, এভাবে মনে রাখতে পারেন।
a ১০ টি
b ৮ টি
c ৪ টি
d ৬ টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪ টি কেন সঠিক: - বাংলাদেশ সংবিধানের দ্বিতীয় অনুচ্ছেদে রাষ্ট্র পরিচালনার চারটি মূলনীতির কথা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। - এই চারটি মূলনীতি হলো জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র এবং ধর্মনিরপেক্ষতা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০ টি — এটি সঠিক নয় কারণ বাংলাদেশের সংবিধানে মূলনীতির সংখ্যা দশটি নয়, বরং চারstdint টি। B) ৮ টি — এটি ভুল কারণ সংবিধানে মূলনীতির সংখ্যা আটটি নির্ধারণ করা হয়নি। C) ৪ টি — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং সংবিধানের দ্বিতীয় অনুচ্ছেদের বিধানের সঙ্গে সম্পূর্ণ সংগতিপূর্ণ। D) ৬ টি — এটি সঠিক নয় কারণ মূলনীতি কখনো ছয়টি ছিল না। মনে রাখার টিপস: সংবিধানের মূলনীতি মনে রাখার জন্য 'নাসাদগ' বা জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা কথাটি মনে রাখতে পারো।
a ১৯৬৯ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি
b ১৯৬৯ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি
c ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ
d ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৯৬৯ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি কেন সঠিক: - ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান ও আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা থেকে মুক্তিলাভের পর ১৯৬৯ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি রেসকোর্স ময়দানে শেখ মুজিবুর রহমানকে আনুষ্ঠানিকভাবে 'বঙ্গবন্ধু' উপাধিতে ভূষিত করা হয়। - তৎকালীন ডাকসু ভিপি তোফায়েল আহমেদ লক্ষ লক্ষ জনতার উপস্থিতিতে এই উপাধি ঘোষণা করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৬৯ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দিনেই শেখ মুজিবুর রহমানকে বঙ্গবন্ধু উপাধি দেওয়া হয়। B) ১৯৬৯ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি — এটি শহীদ দিবস এবং মহান ভাষা আন্দোলনের ঐতিহাসিক দিন, এই দিনে উপাধি দেওয়া হয়নি। C) ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ — এই দিনে ঐতিহাসিক ভাষণের মাধ্যমে স্বাধীনতার ডাক দেওয়া হয়, যা উপাধি প্রদানের তারিখ নয়। D) ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি — এই দিনে বঙ্গবন্ধু পাকিস্তান কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে স্বাধীন বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন করেন। মনে রাখার টিপস: উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের ঐতিহাসিক বিজয়ের পর ২৩ ফেব্রুয়ারি তোফায়েল আহমেদ শেখ মুজিবকে 'বঙ্গবন্ধু' উপাধি দেন।
a দিনাজপুর
b ঢাকা
c নরসিংদী
d বগুড়া
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নরসিংদী কেন সঠিক: - উয়ারী-বটেশ্বর হলো বাংলাদেশের একটি প্রাচীন প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান, যা নরসিংদী জেলার বেলাবো উপজেলায় অবস্থিত। - এখানে প্রাচীন মৌর্য আমলের বা তারও আগের নগর সভ্যতার নিদর্শন পাওয়া গেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দিনাজপুর — এটি উত্তরবঙ্গের জেলা, যেখানে ঐতিহাসিক কান্তজী মন্দির ও মহাস্থানগড়ের কাছাকাছি কান্তনগর দুর্গ রয়েছে, কিন্তু উয়ারী-বটেশ্বর এখানে অবস্থিত নয়। B) ঢাকা — এটি দেশের রাজধানী জেলা, যেখানে লালবাগ ক堡 বা আহসান মঞ্জিল অবস্থিত, যা উয়ারী-বটেশ্বরের ভৌগোলিক অবস্থানের সঙ্গে মেলে না। C) নরসিংদী — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ এটি উয়ারী-বটেশ্বর প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানের প্রকৃত জেলা অবস্থান। D) বগুড়া — এটি উত্তরবঙ্গের জেলা, যেখানে বিখ্যাত প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন বা মহাস্থানগড় অবস্থিত, উয়ারী-বটেশ্বর নয়। মনে রাখার টিপস: উয়ারী ও বটেশ্বর নামের প্রথম অক্ষরগুলোর মতো নরসিংদী জেলার বেলাবোতে প্রাচীন সভ্যতার ঐতিহাসিক নিদর্শন ছড়ানো আছে।
a কুমিল্লা
b বগুড়া
c রংপুর
d জামালপুর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কুমিল্লা কেন সঠিক: - বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি বা বার্ড ১৯৫৯ সালে কুমিল্লার কোটবাড়িতে প্রতিষ্ঠিত হয়। - প্রখ্যাত সমাজ সংস্কারক আখতার হামিদ খান এই প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কুমিল্লা — এটি সঠিক উত্তর কারণ বার্ড এখানেই অবস্থিত। B) বগুড়া — বগুড়ায় পল্লী উন্নয়ন সম্পর্কিত অন্য প্রতিষ্ঠান আরডিএ অবস্থিত, বার্ড নয়। C) রংপুর — রংপুরে বার্ডের কোনো শাখা বা মূল প্রতিষ্ঠান অবস্থিত নয়। D) জামালপুর — জামালপুরে বার্ড বা এর সমগোত্রীয় প্রধান প্রতিষ্ঠান নেই। মনে রাখার টিপস: পল্লী উন্নয়নের জনক আখতার হামিদ খানের হাতে গড়া বার্ড কুমিল্লায় অবস্থিত।
a পদ্মা
b বাইগার
c মধুমতি
d পায়রা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বাইগার কেন সঠিক: - জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মস্থান ও পৈতৃক নিবাস গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়া উপজেলা বাইগার নদীর তীরে অবস্থিত। - ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী এই নদীর তীরেই টুঙ্গিপাড়া গড়ে উঠেছে এবং এটি স্থানীয় যোগাযোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পদ্মা — এটি বাংলাদেশের একটি প্রধান ও বৃহৎ নদী, যার সঙ্গে টুঙ্গিপাড়ার ভৌগোলিক অবস্থানের সরাসরি কোনো সংযোগ নেই। B) বাইগার — এটি সঠিক উত্তর, কারণ টুঙ্গিপাড়া এই নদীর তীরেই অবস্থিত। C) মধুমতি — এটি গোপালগঞ্জের একটি অন্যতম প্রধান নদী হলেও টুঙ্গিপাড়া শহরটি এই নদীর তীরে নয়, বরং বাইগার নদীর তীরে অবস্থিত। D) পায়রা — এটি মূলত পটুয়াখালী অঞ্চলের একটি নদী, যার সঙ্গে টুঙ্গিপাড়ার কোনো ভৌগোলিক সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: টুঙ্গিপাড়ায় বাই বাই করে ঘুরে বেড়ায় বাইগার নদী, এভাবে নদীর নাম মনে রাখতে পারো।
a ফরিদুল আলম
b মতিউল আলম
c মিজানুল আলম
d মাকসুদুল আলম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মাকসুদুল আলম কেন সঠিক: - ড. মাকসুদুল আলম ২০১০ সালে বাংলাদেশের জাতীয় ফল পাটের জিনোম সিকোয়েন্স বা জীবন রহস্য উন্মোচন করেন। - তাঁর নেতৃত্বে বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউটের একদল গবেষক এই ঐতিহাসিক সাফল্য অর্জন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফরিদুল আলম — এই প্রশ্নের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো খ্যাতনামা বিজ্ঞানী নন। B) মতিউল আলম — পাটের জন্ম রহস্য আবিষ্কারের সঙ্গে এই ব্যক্তির কোনো সম্পৃক্ততা নেই। C) মিজানুল আলম — এটি পাট গবেষণার সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো সঠিক অপশন নয়। D) মাকসুদুল আলম — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি সফলভাবে পাটের জিনোম সিকোয়েন্স আবিষ্কার করেছিলেন। মনে রাখার টিপস: পাটের জীবন রহস্য বা জিনোম আবিষ্কারের সঙ্গে ডক্টর মাকসুদুল আলমের নাম যুক্ত, যা বিজ্ঞানী হিসেবে তাঁর সবচেয়ে বড় অবদান।
a ৭ম
b ১৫তম
c ১২তম
d ৯ ম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৫তম প্রদত্ত তথ্য: বাংলাদেশের সংবিধানের সংশোধনী সম্পর্কিত তথ্য জাতীয় সংসদে মহিলাদের সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বৃদ্ধি ধরি, সংবিধানের প্রাথমিক অবস্থা এবং সংরক্ষিত আসন সংখ্যা = ৩০ সংশোধিত আইন অনুযায়ী নতুন সংরক্ষিত আসন সংখ্যা = ৫০ অতএব, সংবিধানের চতুর্দশ সংশোধনী পর্যন্ত সংরক্ষিত আসন ছিল = ৩০ সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী পাস হয় = ২০১১ সালে সুতরাং, এই সংশোধনীর মাধ্যমে জাতীয় সংসদে মহিলা আসন বৃদ্ধি করে করা হয় = ৫০ উত্তর: ১৫তম
a টেমস
b বুড়িগঙ্গা
c শীতলক্ষ্যা
d ব্রহ্মপুত্র
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বুড়িগঙ্গা কেন সঠিক: - বাকল্যান্ড বাঁধ ঢাকার বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে নির্মিত একটি ঐতিহাসিক বাঁধ। - উনিশ শতকে শহরকে নদীভাঙন থেকে রক্ষা এবং সৌন্দর্য বর্ধনের জন্য এই বাঁধ তৈরি করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) টেমস — এটি ইংল্যান্ডের লন্ডনে অবস্থিত নদী, ঢাকার কোনো বাঁধের সঙ্গে এর সম্পর্ক নেই। B) বুড়িগঙ্গা — এটি সঠিক উত্তর এবং এই নদীর তীরেই বাকল্যান্ড বাঁধ অবস্থিত। সি) শীতলক্ষ্যা — এটি নারায়ণগঞ্জ জেলার একটি নদী, বাকল্যান্ড বাঁধ এখানে অবস্থিত নয়। ডি) ব্রহ্মপুত্র — এটি বাংলাদেশের একটি প্রধান নদ, বাকল্যান্ড বাঁধের সঙ্গে এর কোনো সংযোগ নেই। মনে রাখার টিপস: ঢাকা শহরের বিখ্যাত নদী বুড়িগঙ্গা আর এর তীরেই রয়েছে ঐতিহাসিক বাকল্যান্ড বাঁধ।
a ভারত
b ভুটান
c নেপাল
d মালদ্বীপ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভুটান কেন সঠিক: - ভুটানই প্রথম দেশ যার সাথে বাংলাদেশ ২০২০ সালের ৬ ডিসেম্বর প্রথম অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি বা পিটিএ স্বাক্ষর করে। - এই চুক্তির আওতায় দুই দেশের মধ্যে নির্দিষ্ট কিছু পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা ও বাণিজ্য সহজীকরণ করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারত — ভারত বাংলাদেশের বৃহত্তম প্রতিবেশী ও প্রধান বাণিজ্য অংশীদার হলেও পিটিএ স্বাক্ষরকারী প্রথম দেশ নয়। B) ভুটান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) নেপাল — নেপাল বাংলাদেশের সাথে পরবর্তীতে পিটিএ স্বাক্ষর করেছে, প্রথম দেশ নয়। D) মালদ্বীপ — মালদ্বীপ দক্ষিণ এশিয়ার দেশ হলেও বাংলাদেশের সাথে এই চুক্তি স্বাক্ষরে প্রথম নয়। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ ও ভুটানের প্রথম বাণিজ্য প্রীতি, তাই পিটিএ চুক্তিতেও ভুটান প্রথম।
a ২৬ মার্চ, ১৯৭১
b ৭ মার্চ, ১৯৭১
c ১০ এপ্রিল, ১৯৭১
d ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: C) ১০ এপ্রিল, ১৯৭১ কেন সঠিক: - এই দিনে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার বা মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়। - একই দিনে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করা হয় এবং মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলাকে মুজিবনগর নামকরণ করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৬ মার্চ, ১৯৭১ — এটি ২৬শে মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস। এই দিনে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয়, সরকার গঠিত হয়নি। B) ৭ মার্চ, ১৯৭১ — এটি ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ দেওয়ার দিন। এই ভাষণে বঙ্গবন্ধু অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দেন, কিন্তু সরকার গঠিত হয়নি। D) ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১ — এটি মুজিবনগর সরকারের শপথ গ্রহণের দিন। এই দিনে বৈদ্যনাথতলায় সরকারের মন্ত্রীপরিষদ শপথ নেয়, কিন্তু সরকার গঠিত হয় ১০ এপ্রিল। মনে রাখার টিপস: গঠন ১০ এপ্রিল এবং শপথ ১৭ এপ্রিল। এই সাত দিনের ব্যবধান মনে রাখলে ভুল হবে না।