সঠিক উত্তর: B) সাধারণ দ্বন্দ্ব
১. কেন সঠিক:
- দ্বন্দ্ব সমাসে পূর্বপদ ও পরপদ উভয়ের অর্থের সমান প্রাধান্য থাকে এবং ব্যাসবাক্যে একটি সংযোজক অব্যয় যেমন ও, এবং, আর ব্যবহৃত হয়।
- ছেলে-মেয়ে শব্দটির ব্যাসবাক্য করলে দাঁড়ায় ছেলে ও মেয়ে, যেখানে উভয় পদের অর্থই প্রধানভাবে প্রতীত হয় এবং এটি সাধারণ দ্বন্দ্ব সমাসের নিয়মাধীন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে সমাসে উভয় পদের অর্থই প্রধান থাকে এবং মাঝখানে সংযোজক অব্যয় লুকায়িত থাকে তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে।
- ব্যাসবাক্যে এবং, ও, আর অব্যয় পদ ব্যবহৃত হলে এবং পূর্বপদ ও পরপদ ভিন্নার্থক হলে তাকে সাধারণ দ্বন্দ্ব সমাস বলা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মাতা-পিতা
ব্যাখ্যা: মাতা ও পিতা। এটি সাধারণ দ্বন্দ্ব সমাসের একটি বহুল ব্যবহৃত উদাহরণ যেখানে দুটি স্বাধীন পদের মিলন ঘটেছে।
উদাহরণ ২: হাত-পা
ব্যাখ্যা: হাত ও পা। অঙ্গবাচক এই দুটি ভিন্ন শব্দের মিলনেও সাধারণ দ্বন্দ্ব সমাস গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অলুক দ্বন্দ্ব — যে দ্বন্দ্ব সমাসের কোনো পদের বিভক্তি লোপ পায় না, তাকে অলুক দ্বন্দ্ব বলে যেমন ঘেরে-বাড়ি। কিন্তু ছেলে-মেয়ে শব্দে কোনো বিভক্তি যুক্ত ছিল না।
B) সাধারণ দ্বন্দ্ব — এটি সঠিক অপশন কারণ এখানে সাধারণ নিয়মে ও অব্যয় ব্যবহার করে ব্যাসবাক্য করা হয় এবং কোনো বিভক্তি বা পদের লোভ ঘটে না।
C) একশেষ দ্বন্দ্ব — যে দ্বন্দ্ব সমাসে একাধিক পদের মিলন ঘটে কিন্তু শেষে কেবল একটি পদ অবশিষ্ট থাকে তাকে একশেষ দ্বন্দ্ব বলে যেমন তুমি ও আমি সমান আমরা।
D) সমার্থক দ্বন্দ্ব — সমার্থক বা প্রায় সমার্থক শব্দ মিলে যে দ্বন্দ্ব সমাস হয় তাকে সমার্থক দ্বন্দ্ব বলে যেমন হাট-বাজার। কিন্তু ছেলে ও মেয়ে সমার্থক নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- যে দ্বন্দ্ব সমাসে বিভক্তি লোপ পায় না তা অলুক এবং যেখানে দুটি ভিন্নার্থক পদের মাঝখানে ও বা এবং বসে তাকে সাধারণ দ্বন্দ্ব বলে মনে রাখবে।
- সাধারণ দ্বন্দ্ব সমাস চেনার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো এর ব্যাসবাক্যে ও বা এবং বসানো যায় এবং উভয় পদই আলাদা অর্থ প্রকাশ করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধারণ দ্বন্দ্ব সমাসের উদাহরণ প্রায়ই আসে, তাই পদের অর্থ এবং সংযোজক অব্যয়ের ব্যবহার ভালো করে খেয়াল করতে হবে।
- সমাস নির্ণয়ের সময় প্রথমে দেখতে হবে পদ দুটির অর্থ প্রধান কি না এবং তাদের মাঝে ও বা এবং যোগ করা যায় কি না।
সঠিক উত্তর: B) উপন্যাসের নাম
১. কেন সঠিক:
- শেষের কবিতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি বিখ্যাত ও জনপ্রিয় উপন্যাস।
- এই উপন্যাসের নামের মধ্যে কবিতা শব্দটি থাকলেও এটি কোনো কাব্যগ্রন্থ বা কবিতা নয়, বরং একটি গদ্য সাহিত্যকর্ম।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রতিভা যিনি কবিতা, গান, ছোটগল্প ও উপন্যাসসহ সব শাখায় অবদান রেখেছেন।
- শেষের কবিতা উপন্যাসটি ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয় এবং এর প্রধান দুটি চরিত্র অমিত ও লাবণ্য অত্যন্ত জনপ্রিয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চোখের আলো
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যার নামের সাথে আলোর সম্পর্ক থাকলেও এটি গদ্য সাহিত্যকর্ম।
উদাহরণ ২: যোগাযোগ
ব্যাখ্যা: এটিও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা পারিবারিক দ্বন্দ্ব ও মনস্তাত্ত্বিক সংকটের ওপর রচিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কবিতা সংকলনের নাম — শেষের কবিতা নামে কোনো কবিতা সংকলন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নেই।
B) উপন্যাসের নাম — এটি সঠিক অপশন কারণ শেষের কবিতা একটি উপন্যাস।
C) গল্পসংকলনের নাম — এটি কোনো ছোটগল্পের সংকলন নয়, একটি পূর্ণাঙ্গ উপন্যাস।
D) কবিতার নাম — নামের শেষে কবিতা থাকলেও এটি কোনো পৃথক কবিতা নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- শেষের কবিতায় কবিতা শব্দটি থাকলেও মনে রাখবে এটি রবীন্দ্রনাথের একটি আধুনিক রোমান্টিক উপন্যাস।
- অমিত ও লাবণ্য জুটির কথা মনে রাখলে সহজেই একে উপন্যাস হিসেবে চিহ্নিত করা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিভ্রান্ত করার জন্য উপন্যাসের নামে কবিতা বা গল্প শব্দ রাখা হয়।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত উপন্যাসগুলোর নাম যেমন যোগাযোগ, শেষের কবিতা, নৌকাডুবি ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) তৎসম
১. কেন সঠিক:
ণ-ত্ব বিধি কেবল তৎসম অর্থাৎ সংস্কৃত শব্দে প্রযোজ্য। বাংলা, দেশি ও বিদেশি শব্দে স্বভাবতই মূর্ধন্য ণ হয় না, সেখানে দন্ত্য ন হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
তৎসম শব্দের বানানে মূর্ধন্য ণ ব্যবহারের নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম ও শর্ত রয়েছে। রি, র, ষ এর পরে মূর্ধন্য ণ ব্যবহৃত হয় এবং ট বর্গের ধ্বনির পূর্বেও মূর্ধন্য ণ হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: প্রণয়
ব্যাখ্যা: এটি একটি তৎসম শব্দ যেখানে রি কারের পরে মূর্ধন্য ণ ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: কারণ
ব্যাখ্যা: এটি তৎসম শব্দ যেখানে র এর পরে মূর্ধন্য ণ যুক্ত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দেশি — দেশি শব্দে মূর্ধন্য ণ ব্যবহারের কোনো নিয়ম নেই এবং ণ-ত্ব বিধি এখানে প্রযোজ্য হয় না।
B) তদ্ভব — তদ্ভব শব্দ মূলত প্রাকৃতের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে আসে, তাই এতে ণ-ত্ব বিধির নিয়ম খাটে না।
C) তৎসম — এই অপশনটি সঠিক কারণ ণ-ত্ব বিধির সমস্ত নিয়ম কেবল সংস্কৃত বা তৎসম শব্দের ক্ষেত্রেই কার্যকর।
D) বিদেশি — বিদেশি শব্দ যেমন আরবি, ফারসি বা ইংরেজি শব্দে দেশি বা বিদেশি উচ্চারণের নিয়ম থাকে, তাই সেখানে ণ-ত্ব বিধি প্রযোজ্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
সংস্কৃত বা তৎসম শব্দ ছাড়া অন্য কোনো উৎসজাত শব্দে মূর্ধন্য ণ লেখা যায় না। শুধু তৎসম শব্দেই ণ-ত্ব বিধির প্রয়োগ ঘটে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা ভাষায় তৎসম শব্দ চেনার জন্য বানানের নিয়ম ও উৎস জানা জরুরি। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই শব্দ চিহ্নিতকরণে এই নিয়মটি আসে।
সঠিক উত্তর: B) ভাষা আন্দোলন
১. কেন সঠিক:
- এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর ভাষা আন্দোলন কারণ জহির রায়হানের 'আরেক ফাল্গুন' উপন্যাসের মূল পটভূমি হলো বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন এবং একুশে ফেব্রুয়ারির চেতনা।
- উপন্যাসে ভাষা আন্দোলনের শহিদদের স্মৃতি রক্ষা এবং তৎকালীন রাজনৈতিক বন্দী মুক্তির সংগ্রামের চিত্র অত্যন্ত শিল্পসম্মতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এই উপন্যাসের রচয়িতা বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও চলচ্চিত্রকার জহির রায়হান।
- ১৯৬৯ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাসটি বাংলা ভাষাভিত্তিক মুক্তিসংগ্রাম ও রাজনৈতিক উপন্যাসের ধারায় একটি অনন্য সৃষ্টি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জহির রায়হানের আরেক ফাল্গুন উপন্যাসের কেন্দ্রীয় বিষয় অমর একুশের চেতনা।
ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসে বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের আত্মত্যাগকে একাত্তরের মুক্তির সংগ্রামের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: শওকত ওসমানের ক্রীতদাসের হাসি উপন্যাসের প্রেক্ষাপট ভিন্ন।
ব্যাখ্যা: সেটি আইয়ুব খানের স্বৈরাচারী শাসনের প্রতীকী প্রতিবাদ হিসেবে রচিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মুক্তিযুদ্ধ — মুক্তিযুদ্ধ এই উপন্যাসের প্রত্যক্ষ প্রেক্ষাপট নয় কারণ এটি ১৯৬৯ সালে প্রকাশিত হয় এবং বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে রচিত।
B) ভাষা আন্দোলন — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি ভুল নয়, বরং এটিই মূল উত্তর।
C) গণ- অভ্যুত্থান — ঊনসত্তরের গণঅভুত্থান এই উপন্যাসের কালসীমার সঙ্গে মিললেও উপন্যাসের মূল আলোচ্য বিষয় ভাষা আন্দোলন।
D) গণ- আন্দোলন — গণ-আন্দোলন সাধারণ রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট বোঝালেও এই উপন্যাসটি নির্দিষ্টভাবে ভাষা আন্দোলনভিত্তিক।
৫. মনে রাখার টিপস:
- জহির রায়হানের নাম দেখলেই মনে রাখবে তিনি ভাষা আন্দোলনভিত্তিক কালজয়ী উপন্যাস আরেক ফাল্গুন উপহার দিয়েছেন।
- ফাল্গুন মাসেই একুশে ফেব্রুয়ারি আসে, তাই ফাল্গুন শব্দ দিয়ে ভাষা আন্দোলন মনে রাখা সহজ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই জহির রায়হানের উপন্যাস ও তার প্রেক্ষাপট থেকে প্রশ্ন আসে।
- ভাষা আন্দোলনভিত্তিক অন্যান্য উপন্যাসের মধ্যে শওকত ওসমানের আর্তনাদ এবং সেলিনা হোসেনের নিরন্তর ঘন্টাধ্বনি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
সঠিক উত্তর: A) চণ্ডীদাস
১. কেন সঠিক:
- এই বিখ্যাত পঙক্তিটি মধ্যযুগের পদাবলী সাহিত্য এবং শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
- চণ্ডীদাস মানবতাবাদকে ধর্মের চেয়েও বড় স্থান দিয়েছেন, যা এই বাণীর মূল ভাব।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- চর্যাপদের পর মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে বৈষ্ণব পদাবলীর অন্যতম প্রধান কবি হলেন চণ্ডীদাস।
- সহজ-সরল ভাষায় মানবপ্রেম ও মানবতার জয়গান গাওয়ার জন্য তিনি বাংলা সাহিত্যে অমর হয়ে আছেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চণ্ডীদাসের পদাবলী
ব্যাখ্যা: এই পদাবলীতে রাধা-কৃষ্ণের প্রেমের আড়ালে মূলত মানবাত্মার মুক্তির কথা বলা হয়েছে।
উদাহরণ ২: বিদ্যাপতির পদাবলী
ব্যাখ্যা: বিদ্যাপতি মৈথিলি ভাষার কবি হলেও বাংলা সাহিত্যে তাঁর বিশেষ অবদান রয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চণ্ডীদাস — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি মানবতাবাদী দর্শনের এই অমর বাণী প্রচার করেছিলেন।
B) রামকৃষ্ণপরমহংস — ইনি ১৯ শতকের একজন আধ্যাত্মিক সাধক ছিলেন, তাই প্রাচীন এই পঙক্তির রচয়িতা নন।
C) বিদ্যাপতি — ইনি মৈথিলি ভাষার কবি ছিলেন এবং তাঁর রচনার মূল সুর ভিন্ন ছিল।
D) বিবেকানন্দ — ইনি আধুনিক যুগের ধর্ম সংস্কারক ও সন্ন্যাসী ছিলেন, তাই মধ্যযুগের এই বাণীর সঙ্গে সম্পর্কিত নন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মানবতাবাদী বাণী দেখলে মধ্যযুগের কবি চণ্ডীদাসকে মনে রাখবে।
- মানুষ সত্য কথাটি দিয়ে চণ্ডীদাসের পদ মনে রাখা সহজ হয়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের প্রথম নিদর্শন শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য এবং এর রচয়িতা বড়ু চণ্ডীদাস।
- মানবতাবাদের জয়গান গায়ক হিসেবে চণ্ডীদাস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একজন কবি।
সঠিক উত্তর: A) বিদ্রোহী
১. কেন সঠিক:
এই চরণটি কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত বিদ্রোহী কবিতার অংশ যা বাংলা কবিতায় এক অনন্য বিদ্রোহী সত্তার প্রকাশ ঘটায়। এখানে কবি একহাতে শান্তি ও আনন্দের প্রতীক বাঁশরী এবং অন্যহাতে ধ্বংস ও সংগ্রামের প্রতীক রণতূর্য ধারণ করার মাধ্যমে সাম্য ও দ্রোহের অপূর্ব সমন্বয় ফুটিয়ে তুলেছেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
কাজী নজরুল ইসলাম বাংলাদেশের জাতীয় কবি যিনি বাংলা সাহিত্যে বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত এবং তার লেখনীতে পরাধীনতা ও শোষণের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ ফুটে উঠেছে। ১৯২১ সালের ডিসেম্বর মাসে প্রকাশিত বিদ্রোহী কবিতাটি তার অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত যা বাংলা সাহিত্যজগতে এক বিশাল আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মম ললাটে জয়টীকা ঝোলে মহামানবের টিকি
ব্যাখ্যা: এটিও বিদ্রোহী কবিতার একটি বিখ্যাত চরণ যেখানে কবি নিজের বিজয়ের গৌরব ও মহিমার কথা প্রকাশ করেছেন।
উদাহরণ ২: আমি চিরদুর্দান্ত রক্তচোষা মোসলমান
ব্যাখ্যা: এই চরণে কবির আত্মপরিচয় এবং তার বিদ্রোহী মনোভাবের তীব্র প্রকাশ ঘটেছে যা একই কবিতার অংশ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিদ্রোহী — এটি সঠিক উত্তর কারণ আলোচ্য চরণটি এই কবিতারই অন্তর্ভুক্ত।
B) প্রলয়োল্লাস — এটি অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের প্রথম কবিতা যা ধ্বংসের মধ্য দিয়ে নতুন সৃষ্টির আশাবাদ নিয়ে রচিত।
C) চৈতী হাওয়া — এটি নজরুলের কোনো বিখ্যাত বিদ্রোহী কবিতার নাম নয় বরং এটি অন্য ধারার একটি সৃষ্টি।
D) ধূমকেতু — এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রকাশিত একটি বিখ্যাত অর্ধসাপ্তাহিক পত্রিকা যার সঙ্গে এই কবিতার সরাসরি কোনো মিল নেই।
৫ মনে রাখার টিপস:
নজরুলের বিদ্রোহী কবিতার বিখ্যাত চরণ মনে রাখতে মনে রাখবে যে একহাতে বাঁশি আর অন্যহাতে তূর্য ধারণ করার কথা শুধু বিদ্রোহী কবিতাতেই বলা হয়েছে। অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের সবচেয়ে আলোচিত কবিতা হলো এই বিদ্রোহী।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিদ্রোহী কবিতাটি কাজী নজরুল ইসলামের অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত এবং এটি প্রকাশিত হয় ১৯২১ সালে। এই ধরনের সাহিত্যিক উদ্ধৃতিমূলক প্রশ্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে তাই কবিতার নাম ও কবির নাম ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) লুইপা, ভুসুকুপা, শবরপা
১. কেন সঠিক:
চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন ও সাহিত্য নিদর্শন।
এই সংকলনে মোট ২৪ জন বা হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর মতে ২৩ জন পদকর্তা বা কবি পদ রচনা করেছেন এবং প্রদত্ত অপশনে থাকা লুইপা, ভুসুকুপা ও শবরপা চর্যাপদের বিখ্যাত কবি।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
চর্যাপদ মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের সাধনসঙ্গীত বা ধর্মীয় গান।
এটি মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে আবিষ্কার করেন এবং ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে প্রকাশ করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: লুইপাকে চর্যাপদের প্রথম কবি হিসেবে গণ্য করা হয় এবং তার রচিত পদের সংখ্যা দুটি।
ব্যাখ্যা: ডক্টর সুকুমার সেন ও অন্যান্য গবেষকদের মতে লুইপা চর্যাপদের সূচনা করেছিলেন এবং তার পদগুলো বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন।
উদাহরণ ২: ভুসুকুপা চর্যাপদের সর্বাধিক পদ রচয়িতা কবি যার পদের সংখ্যা আটটি।
ব্যাখ্যা: ভুসুকুপা বাঙালি কবি ছিলেন এবং চর্যাপদে তার রচিত আটটি গান পাওয়া যায় যা তৎকালীন সমাজচিত্র তুলে ধরে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চণ্ডীদাস, বিদ্যাপতি, জ্ঞানদাস — এই কবিরা চর্যাপদের নন বরং তারা মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলীর বিখ্যাত কবি ও পদকর্তা।
B) লুইপা, ভুসুকুপা, শবরপা — এই অপশনটি সঠিক কারণ এরা সবাই চর্যাপদের স্বীকৃত পদকর্তা ও কবি।
C) কৃতিবাস, কাশীরাম, আলাওল — এই তিনজন যথাক্রমে রামায়ণ অনুবাদক, মহাভারত অনুবাদক এবং মধ্যযুগের আরাকান রাজসভার শ্রেষ্ঠ কবি।
D) বিজয়গুপ্ত, মালাধর বসু, দ্বিজমাধব — এরা চর্যাপদের কবি নন বরং বিজয়গুপ্ত ও দ্বিজমাধব মঙ্গলকাব্যের এবং মালাধর বসু শ্রীকৃষ্ণবিজয় কাব্যের রচয়িতা।
৫ মনে রাখার টিপস:
চর্যাপদের কবিদের নাম মনে রাখার সহজ কৌশল হলো নামের শেষে পা যুক্ত থাকা।
যেমন লুইপা, ভুসুকুপা, শবরপা, কুক্কুরীপা ইত্যাদি সবার নামের শেষেই পা শব্দ যুক্ত থাকে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
চর্যাপদের মোট পদের সংখ্যা সাড়ে ছেচল্লিশটি এবং এর আবিষ্কারক মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই চর্যাপদের প্রথম কবি এবং মোট পদসংখ্যা সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: B) বুদ্ধিজীবী
১. কেন সঠিক:
- বুদ্ধিজীবী বানানটিতে প্রথম অংশ বুদ্ধি এবং দ্বিতীয় অংশ জীবী।
- জীবী শব্দটি গঠিত হয়েছে জীব ধাতু এবং ইন প্রত্যয় যোগে, যার দীর্ঘ ঈ-কার যুক্ত হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী সংস্কৃত অতৎসম বা তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে জীবী প্রত্যয়যুক্ত শব্দে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করতে হয়।
- এই নিয়মেজীবী শব্দের শেষ বর্ণে দীর্ঘ ঈ-কার এবং তার আগের বর্ণেও দীর্ঘ ঈ-কার বসে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আইনজীবী
ব্যাখ্যা: আইন এবংজীবী মিলে আইনজীবী শব্দটি গঠিত হয় এবং একই নিয়মে দীর্ঘ ঈ-কার গ্রহণ করে।
উদাহরণ ২: প্রতিযোগী
ব্যাখ্যা: প্রতিযোগী শব্দটিতেও জীবী প্রত্যয়ের প্রভাবে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহৃত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বুদ্ধিজিরি — এখানে শেষের অংশে জি এবং রি ব্যবহার করা হয়েছে যা সম্পূর্ণ অশুদ্ধ ও অর্থহীন।
B) বুদ্ধিজীবী — এটি সঠিক বানান এবং বাংলা একাডেমি কর্তৃক অনুমোদিত প্রমিত রূপ।
C) বুদ্ধিজীবি — এখানে শেষ বর্ণে হ্রস্ব ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা প্রমিত বানানরীতির নিয়ম অনুযায়ী ভুল।
D) বুদ্ধীজীবী — এখানে প্রথম অংশের বুদ্ধিতে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বুদ্ধিজীবী শব্দটি লেখার সময় মনে রাখবে এর ভেতরে এবং শেষে দুই জায়গাতেই দীর্ঘ ঈ-কার বসে।
- জীবী লেখার সময় জ-এ দীর্ঘ ঈ-কার এবং ব-এ দীর্ঘ ঈ-কার দিতে হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই বানানটি প্রায়ই আসে এবং পরীক্ষার্থীরা শেষের ই-কার ও দীর্ঘ ঈ-কার নিয়ে বিভ্রান্ত হয়।
-জীবী প্রত্যয়যুক্ত সব শব্দ যেমন আইনজীবী, চক্রজীবী ইত্যাদির ক্ষেত্রেও একই বানানরীতি অনুসরণ করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) নিরত
১. কেন সঠিক:
- 'বিরত' শব্দের অর্থ নিবৃত থাকা, বিরত থাকা বা কোনো কাজ থেকে দূরে থাকা।
- এর বিপরীতে কোনো কাজে লিপ্ত থাকা বা সর্বদা যুক্ত থাকাকে 'নিরত' বলা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বিপরীতার্থক শব্দ মূলত ব্যাকরণের শব্দার্থ তত্ত্বের অন্তর্ভুক্ত।
- উপসর্গ বা শব্দের গঠনগত বিপরীত অর্থের মাধ্যমে এই শব্দগুলো গঠিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সচল
ব্যাখ্যা: সচল শব্দের বিপরীত শব্দ অচল, যা গতির বিপরীত অবস্থাকে নির্দেশ করে।
উদাহরণ ২: সক্রিয়
ব্যাখ্যা: সক্রিয় শব্দের বিপরীত শব্দ নিষ্ক্রিয়, যা কাজের প্রতি উদাসীনতা বোঝায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আরত — এটি কোনো প্রমিত বাংলা শব্দ নয়।
B) না-রত — এটি বিপরীত শব্দ গঠনের প্রমিত নিয়ম নয়।
D) নিবৃত — এটি 'বিরত' শব্দের সমার্থক শব্দ, বিপরীত শব্দ নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বিরতি মানে বিরতি নেওয়া, আর নিরন্তর মানে কাজ চালিয়ে যাওয়া।
- বি দিয়ে শুরু শব্দের বিপরীত সাধারণত নি দিয়ে মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিপরীতার্থক শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- মূল শব্দের অর্থ ভালোভাবে বুঝতে পারলে বিপরীত শব্দ নির্ণয় সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: A) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
১. কেন সঠিক:
- বাংলা গদ্যে বিরাম চিহ্ন বা যতিচিহ্নের সফল প্রবর্তন করেন পন্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।
- ইংরেজি ব্যাকরণের অনুকরণে তিনি বাংলা লেখায় যতিচিহ্নের ব্যবহার নিশ্চিত করেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা গদ্যের জনক ও ঊনবিংশ শতকের প্রাবন্ধিক।
- ১৮৪৭ সালে প্রকাশিত বেতালপঞ্চবিংশতি গ্রন্থে তিনি প্রথম যতিচিহ্নের সার্থক ব্যবহার করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বেতালপঞ্চবিংশতি
ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর প্রথম বিরাম চিহ্নের যথাযথ প্রয়োগ দেখান।
উদাহরণ ২: ভ্রান্তিবিলাস
ব্যাখ্যা: এটি বিদ্যাসাগরের আরেকটি বিখ্যাত গ্রন্থ যেখানে যতিচিহ্নের নিয়ম কঠোরভাবে পালিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি বাংলা গদ্যে প্রথম বিরাম চিহ্ন প্রবর্তন করেন।
B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বাংলা সাহিত্যে নোবেলজয়ী কবি ও ঔপন্যাসিক, তবে বিরাম চিহ্নের প্রবর্তক নন।
C) উইলিয়াম কেরি — তিনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পন্ডিত ও গদ্য লেখক হলেও বিরাম চিহ্ন প্রবর্তন করেননি।
D) প্রমথ চৌধুরী — তিনি বাংলা চলিত রীতির প্রবর্ক ও সবুজপত্র পত্রিকার সম্পাদক, বিরাম চিহ্ন প্রবর্তক নন।
৫ মনে রাখার টিপস:
বিরাম চিহ্নের প্রবর্তক ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, এই তথ্যটি মনে রাখতে বিদ্যাসাগর নামটির সাথে যতিচিহ্ন শব্দটি মিলিয়ে পড়তে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা গদ্যে যতিচিহ্নের ব্যবহার শুরু হয় ঊনবিংশ শতাব্দীতে এবং এর মূল কৃতিত্ব ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের।
সঠিক উত্তর: C) সৈয়দ শামসুল হক
১. কেন সঠিক:
- 'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' হলো কবি ও নাট্যকার সৈয়দ শামসুল হক রচিত একটি বিখ্যাত কাব্যনাট্য।
- এটি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধকালীন একটি গ্রামের পটভূমিতে রচিত, যেখানে গ্রামীণ মানুষের যুদ্ধের ভয়, শঙ্কা ও প্রতিরোধের সুর ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সৈয়দ শামসুল হক বাংলা সাহিত্যের এক বহুমুখী প্রতিভাবান লেখক যিনি কবিতা, উপন্যাস, নাটক ও ছোটগল্পে মুন্সিিয়ানা দেখিয়েছেন।
- এটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ পদ্যে রচিত বা কাব্যনাট্য হিসেবে বিবেচিত হয় এবং এর বিষয়বস্তু মুক্তিযুদ্ধ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নূরলদীনের সারাজীবন
ব্যাখ্যা: এটিও সৈয়দ শামসুল হক রচিত একটি ঐতিহাসিক ও বিখ্যাত কাব্যনাট্য।
উদাহরণ ২: ঈর্ষা
ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ শামসুল হকের আরেকটি জনপ্রিয় কাব্যনাট্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সৈয়দ ওয়ালী উল্লাহ — ইনি বিখ্যাত ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার হলেও 'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' তার লেখা নয়, তার বিখ্যাত উপন্যাস লালসালু।
B) সেলিম আল দিন — ইনি বাংলা নাট্যসাহিত্যের অন্যতম দিকপাল হলেও এই কাব্যনাট্যের রচয়িতা নন, তার বিখ্যাত নাটক কীর্তনখোলা।
D) মামুনুর রশীদ — ইনি একজন বিশিষ্ট নাট্যকার ও অভিনেতা হলেও এই কাব্যনাট্যের সঙ্গে যুক্ত নন, তার বিখ্যাত নাটক ময়ূর সিংহাসন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- পায়ের আওয়াজ শুনলে সৈয়দ শামসুল হকের কথা মনে রাখবে কারণ তিনি মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে শক্তিশালী কাব্যনাট্য লিখেছেন।
- কাব্যনাট্য রচনায় সৈয়দ শামসুল হকের নাম সবার আগে আসে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক ও কাব্যনাট্য থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- কাব্যনাট্য এবং নাটকের পার্থক্য ভালোভাবে মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) পর্তুগিজ
১. কেন সঠিক:
- পেয়ারা শব্দটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে এবং এটি একটি বিদেশাগত বা আগন্তুক শব্দ।
- বাংলাদেশে পর্তুগিজ বণিক ও মিশনারিদের দীর্ঘ যাতায়াতের কারণে তাদের ভাষা থেকে বেশ কিছু ফল, খাবার এবং দৈনন্দিন ব্যবহারের বস্তুবাচক শব্দ বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- উৎস অনুসারে বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে মূলত পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয়, যেমন তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি শব্দ।
- পর্তুগিজ ভাষা থেকে আগত শব্দগুলো মূলত সামুদ্রিক বাণিজ্য, ধর্মপ্রচার এবং প্রশাসনিক যোগাযোগের মাধ্যমে বাংলা শব্দভাণ্ডারকে সমৃদ্ধ করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আনারস
ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল ব্যবহৃত পর্তুগিজ শব্দ যা পেয়ারার মতো একই উৎস থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে।
উদাহরণ ২: চাবি
ব্যাখ্যা: দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত এই ধাতব বস্তুটির নামও পর্তুগিজ ভাষা থেকে সরাসরি বাংলা ভাষায় গৃহিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হিন্দি — হিন্দি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় অনেক শব্দ এলেও পেয়ারা হিন্দি শব্দ নয়।
B) উর্দু — উর্দু ভাষা মূলত ভারত উপমহাদেশেই সৃষ্টি হয়েছে এবং এটি পেয়ারার উৎস ভাষা নয়।
C) পর্তুগিজ — এই অপশনটি সঠিক কারণ পেয়ারা শব্দটি পর্তুগিজ ভাষা থেকেই বাংলায় এসেছে।
D) গ্রিক — গ্রিক ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় সরাসরি শব্দ প্রবেশের ইতিহাস অত্যন্ত সীমিত এবং পেয়ারা গ্রিক শব্দ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- পর্তুগিজ শব্দ মনে রাখার সহজ কৌশল হলো খাবার ও ফল সংক্রান্ত কিছু শব্দ যেমন আনারস, পেয়ারা, পাউরুটি একসঙ্গে মনে রাখা।
- বিদেশি শব্দ চেনার জন্য শব্দের উচ্চারণ ও ব্যবহারের ধরণ খেয়াল করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই পর্তুগিজ শব্দ যেমন আলপিন, জানালা, কামরা, বালতি ইত্যাদি থেকে প্রশ্ন আসে।
- বিদেশাগত শব্দের উৎস নির্ণয়ের জন্য বিভিন্ন জাতির সঙ্গে বাঙালির যোগাযোগের ইতিহাস মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: A) অব্যয়
১. কেন সঠিক:
যে পদের রূপ বা পরিবর্তন হয় না, অর্থাৎ লিঙ্গ, বচন, পুরুষ, কাল ও বিভক্তিরভেদে যার কোনো ব্যয় বা রূপান্তর ঘটে না, তাকে অব্যয় পদ বলে। এটি বাক্যে সবসময় অপরিবর্তিত থাকে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে পদ প্রধানত পাঁচ প্রকার, যার মধ্যে চার প্রকার পদ পরিবর্তনশীল এবং এক প্রকার পদ অপরিবর্তনশীল। বিশেষ্য, বিশেষণ, সর্বনাম ও ক্রিয়াপদের রূপ পরিবর্তিত হলেও অব্যয় পদ সর্বদা একই থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: এবং
ব্যাখ্যা: রহিম করিম এবং ভালো ছাত্র, এখানে এবং পদটি অপরিবর্তিত থাকে।
উদাহরণ ২: কিন্তু
ব্যাখ্যা: সে চেষ্টা করল কিন্তু সফল হলো না, এখানে কিন্তু পদটি কোনো পরিবর্তন ছাড়াই যুক্ত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অব্যয় — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই পদের কোনো রূপান্তর ঘটে না।
B) বিশেষ্য — এটি পরিবর্তনশীল পদ কারণ এর বচন ও কারকভেদে রূপের পরিবর্তন হয়।
C) সর্বনাম — এটি পরিবর্তনশীল পদ কারণ বিশেষ্যের পরিবর্তে ব্যবহৃত হয়ে এর রূপ পরিবর্তিত হতে পারে।
D) ক্রিয়া — এটি পরিবর্তনশীল পদ কারণ কাল, পুরুষ ও বচনভেদে ক্রিয়াপদের রূপ বদলায়।
৫. মনে রাখার টিপস:
অব্যয় মানে যার ব্যয় বা পরিবর্তন হয় না, তাই এটি অপরিবর্তনীয় পদ। পদের শ্রেণিবিভাগে শুধু অব্যয় পদই অপরিবর্তিত থাকে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পদের শ্রেণিবিভাগ থেকে প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে। মনে রাখবে, বাক্যের সংযোগ বা ভাব প্রকাশের জন্য যে শব্দ অপরিবর্তিত থেকে কাজ করে, সেটাই অব্যয়।
সঠিক উত্তর: C) অপাদান কারকে ৭মী
১. কেন সঠিক:
যিনি বা যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, বিরত, উৎপন্ন, ভীত বা রক্ষিত হয়, তাকে অপাদান কারক বলে।
এখানে বিপদ থেকে রক্ষা পাওয়ার কথা বলা হয়েছে, যা ভীতি বা সুরক্ষার উৎস বোঝায়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বিশেষ্য পদের সাথে 'এ' বা 'তে' বিভক্তি যুক্ত হলে তা ৭মী বিভক্তি হিসেবে গণ্য হয়।
বিপদ শব্দের সাথে 'এ' বিভক্তি যুক্ত হয়ে 'বিপদে' পদটি গঠিত হয়েছে এবং এটি অপাদান কারকের ৭মী বিভক্তির উদাহরণ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গাছ থেকে পাতা পড়ে।
ব্যাখ্যা: এখানে পাতা গাছ থেকে বিচ্যুত হয়েছে, তাই এটি অপাদান কারকে পঞ্চমী বিভক্তি।
উদাহরণ ২: পাপ থেকে বিরত থাকো।
ব্যাখ্যা: এখানে পাপ থেকে দূরে থাকার কথা বোঝানো হয়েছে, যা অপাদান কারকের উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অধিকরণ কারকে ৭মী — অধিকরণ কারক স্থান বা সময় নির্দেশ করে, যা এখানে নেই।
B) করণ কারকে ৭মী — করণ কারক দ্বারা বা মাধ্যম বোঝায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) অপাদান কারকে ৭মী — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে রক্ষা পাওয়ার উৎস বোঝানো হয়েছে।
D) কর্মকারকে ৭মী — কর্মকারক যাকে আশ্রয় করে ক্রিয়া সম্পন্ন করে তা বোঝায়, যা এখানে সঠিক নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
রক্ষা করো, ভয় পাও, দূরে থাকো বা উৎপন্ন হও বোঝালে সবসময় অপাদান কারক হবে।
শব্দের শেষে 'এ' বা 'তে' থাকলে এবং তা থেকে বা থেকে চ্যুতি বোঝালে ৭মী বিভক্তি হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিপদ থেকে রক্ষা পাওয়া বা বাঁচানো বোঝালে অপাদান কারক হয়।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কারক নির্ণয়ের সময় ক্রিয়ার সাথে কি বা কোথা থেকে প্রশ্ন করে কারক নির্ধারণ করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) অবরোধবাসিনী
১. কেন সঠিক:
- অবরোধবাসিনী হলো বাঙালি নারীবাদী লেখিকা বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন রচিত একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাসধর্মী প্রবন্ধ গ্রন্থ।
- এই গ্রন্থে মুসলিম নারীদের তৎকালীন পর্দা প্রথার নামে অন্তপুরে বন্দি দশা এবং সমাজের নানা কুসংস্কার ও নিষ্ঠুরতার চিত্র ব্যঙ্গাত্মকভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বেগম রোকেয়া ১৮৮০ সালে রংপুরের পায়রাবন্দ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এবং তিনি বাংলা সাহিত্যে নারী জাগরণের অগ্রদূত হিসেবে পরিচিত।
- তাঁর উল্লেখযোগ্য অন্যান্য সাহিত্যকর্মের মধ্যে সুলতানার স্বপ্ন, পদ্মরাগ ও মতিচূর বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সুলতানা স্বপ্ন
ব্যাখ্যা: এটি বেগম রোকেয়ার লেখা একটি বিখ্যাত নারীবাদী কল্পবিজ্ঞানমূলক রচনা, যেখানে নারীশাসিত একটি আদর্শ সমাজের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
উদাহরণ ২: মতিচূর
ব্যাখ্যা: এটি বেগম রোকেয়ার একটি বিখ্যাত প্রবন্ধ সংকলন, যার প্রথম খণ্ড প্রকাশিত হয় ১৯০৪ সালে এবং দ্বিতীয় খণ্ড ১৯২২ সালে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভাষা ও সাহিত্য — এটি কোনো নির্দিষ্ট লেখকের বিখ্যাত গ্রন্থ নয় বরং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার সিলেবাসের একটি সাধারণ বিষয়।
B) লালসালু — এটি প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস, যা ১৯৪৮ সালে প্রকাশিত হয়।
C) নীলদর্পণ — এটি দীনবন্ধু মিত্র রচিত একটি ঐতিহাসিক নাটক, যা ১৮৬০ সালে প্রকাশিত হয়ে নীলকরদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের সৃষ্টি করে।
D) অবরোধবাসিনী — এটি বেগম রোকেয়ার রচিত সঠিক সাহিত্যকর্ম, যা অপশনের চাহিদার সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়।
৫ মনে রাখার টিপস:
বেগম রোকেয়া মানেই নারী জাগরণ এবং পর্দাপ্রথার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ, তাই অবরোধ ভাঙার সঙ্গে অবরোধবাসিনী গ্রন্থটিকে মনে রাখা সহজ।
তাঁর প্রবন্ধগ্রন্থ মতিচূর ও উপন্যাসমূলক রচনা পদ্মরাগ এবং অবরোধবাসিনী পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বেগম রোকেয়া রচিত সুলতানার স্বপ্ন (Sultanas Dream) মূলত ইংরেজি ভাষায় রচিত একটি কল্পবিজ্ঞান গ্রন্থ।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই লেখক ও তাঁর সাহিত্যকর্ম মিলকরণ অথবা ছদ্মনাম সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: A) সংবাদ প্রভাকর
১. কেন সঠিক:
- প্রশ্নে বলা হয়েছে বাংলা ভাষায় প্রকাশিত প্রথম দৈনিক পত্রিকার নাম, যার সঠিক উত্তর ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত সম্পাদিত সংবাদ প্রভাকর।
- তবে এখানে একটি ঐতিহাসিক তথ্যগত সংশোধন প্রয়োজন রয়েছে, কারণ বাংলা ভাষার প্রথম দৈনিক পত্রিকা আসলে সমাচার দর্পণ নয় এবং সংবাদ প্রভাকরও প্রথম প্রকাশিত দৈনিক ছিল না।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ভাষায় প্রকাশিত প্রথম পত্রিকা হলো মাসিক দিগদর্শন এবং প্রথম সাপ্তাহিক পত্রিকা হলো সমাচার দর্পণ।
- ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের সম্পাদনায় ১৮৩১ সালের ২৮ জানুয়ারি সংবাদ প্রভাকর প্রথম প্রকাশিত হয় এবং ১৮৩৯ সালের ১৪ জুন এটি দৈনিক রূপ লাভ করে বাংলা ভাষার প্রথম দৈনিক পত্রিকা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সমাচার দর্পণ
ব্যাখ্যা: এটি ১৮১৮ সালে প্রকাশিত বাংলা ভাষার প্রথম সাপ্তাহিক সংবাদপত্র।
উদাহরণ ২: দিকদর্শন
ব্যাখ্যা: এটি ১৮১৮ সালে প্রকাশিত বাংলা ভাষার প্রথম মাসিক সাময়িকপত্র।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সংবাদ প্রভাকর — এটি ১৮৩৯ সালে দৈনিক হিসেবে প্রকাশিত হয় এবং এটিই বাংলা ভাষার প্রথম সফল দৈনিক পত্রিকা।
B) সমাচার দর্পণ — এটি ১৮১৮ সালে প্রকাশিত প্রথম সাপ্তাহিক পত্রিকা, দৈনিক পত্রিকা নয়।
C) দিকদর্শন — এটি ১৮১৮ সালে প্রকাশিত প্রথম মাসিক পত্রিকা, দৈনিক বা সাপ্তাহিক নয়।
D) বঙ্গদর্শন — এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় সম্পাদিত ১৮৭২ সালে প্রকাশিত একটি মাসিক সাহিত্য পত্রিকা।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সংবাদ প্রভাকর দৈনিক ছিল তাই এর নামের সাথে দৈনিক শব্দটি মনে রাখতে হবে।
- প্রথম সাপ্তাহিক হলো সমাচার দর্পণ এবং প্রথম দৈনিক হলো সংবাদ প্রভাকর।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- পত্রিকার নাম এবং তার প্রকাশের ধরণ বা সাল প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
- প্রথম মাসিক, প্রথম সাপ্তাহিক এবং প্রথম দৈনিক পত্রিকার নাম ও সম্পাদকের নাম আলাদা করে মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: A) যৌগিক বাক্য
১. কেন সঠিক:
- যে বাক্যে দুই বা ততোধিক সরল বা মিশ্র বাক্য অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়ে একটি সম্পূর্ণ বাক্য গঠন করে, তাকে যৌগিক বাক্য বলে।
- প্রদত্ত বাক্যে 'তার বয়স বেড়েছে' এবং 'বুদ্ধি বাড়েনি' এই দুটি স্বাধীন খণ্ডবাক্য 'কিন্তু' অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- যৌগিক বাক্যে খণ্ডবাক্যগুলো একে অপরের ওপর নির্ভরশীল নয়, বরং স্বাধীনভাবে অর্থ প্রকাশ করতে পারে।
- এবং, কিন্তু, অথচ, কিংবা, অথবা, অতএব ইত্যাদি সংযোগকারী অব্যয় সাধারণত যৌগিক বাক্যে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সে অনেক পড়াশোনা করেছে কিন্তু পরীক্ষায় পাস করতে পারেনি।
ব্যাখ্যা: এখানে দুটি স্বাধীন বাক্য 'সে অনেক পড়াশোনা করেছে' এবং 'পরীক্ষায় পাস করতে পারেনি' অংশ দুটি 'কিন্তু' অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়েছে।
উদাহরণ ২: সকাল হলো এবং পাখিগুলো গান গাইতে শুরু করল।
ব্যাখ্যা: এখানে দুটি খণ্ডবাক্য 'সকাল হলো' এবং 'পাখিগুলো গান গাইতে শুরু করল' পরস্পর স্বাধীন এবং 'এবং' অব্যয় দ্বারা যুক্ত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) যৌগিক বাক্য — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাক্যটিতে দুটি স্বাধীন খণ্ডবাক্য সংযোজক অব্যয় দ্বারা যুক্ত আছে।
B) সরল বাক্য — সরল বাক্যে একটিমাত্র কর্তা এবং একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে, কিন্তু এখানে দুটি খণ্ডবাক্য আছে।
C) মিশ্র বাক্য — মিশ্র বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্যের ওপর এক বা একাধিক নির্ভরশীল বা আশ্রিত খণ্ডবাক্য থাকে।
D) সাধারণ বাক্য — এটি সরল বাক্যের অপর নাম এবং প্রদত্ত বাক্যটির গঠন এর সঙ্গে মেলে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বাক্যের মধ্যে এবং, কিন্তু, অথচ, কিংবা দেখলে চোখ বন্ধ করে যৌগিক বাক্য চিহ্নিত করবে।
- দুটি স্বাধীন বাক্য যখন মাঝখানে অব্যয় দিয়ে জোড়া থাকে, তখন তা যৌগিক বাক্য হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য রূপান্তর বা বাক্য চিহ্নিতকরণ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- খণ্ডবাক্যের পারস্পরিক নির্ভরতা এবং সংযোগকারী অব্যয় চেনার মাধ্যমে সহজেই বাক্য নির্ণয় করা যায়।
সঠিক উত্তর: A) বিপরীত
১. কেন সঠিক:
'অপমান' শব্দটিতে 'অপ' উপসর্গটি মূল শব্দ 'মান'-এর সঙ্গে যুক্ত হয়ে বিপরীত অর্থ প্রকাশ করেছে। এখানে 'মান' শব্দের অর্থ সম্মান বা সমাদর, আর 'অপ' উপসর্গ যুক্ত হয়ে তার বিপরীত অর্থ অর্থাৎ অসম্মান বা অবমাননা বুঝিয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে উপসর্গ হলো কিছু অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে এবং অর্থের সংকোচন, সম্প্রসারণ বা পরিবর্তন ঘটায়। 'অপ' একটি তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ যা বিভিন্ন অর্থে যেমন বিপরীত, মন্দ, অভাব ইত্যাদি অর্থে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অপকর্ষ
ব্যাখ্যা: এখানে 'অপ' উপসর্গটি নিকৃষ্ট বা অবনতি অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে, যা উৎকর্ষ শব্দের বিপরীত।
উদাহরণ ২: অপব্যয়
ব্যাখ্যা: এখানে 'অপ' উপসর্গটি অতিরিক্ত বা কু অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে, যা সঠিক ব্যয়ের বিপরীত রূপ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিপরীত — এই অপশনটি সঠিক কারণ 'অপ' উপসর্গ এখানে 'মান' শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করেছে।
B) নিকৃষ্ট — এই অপশনটি ভুল কারণ 'অপ' এখানে নিকৃষ্ট অর্থে বসেনি, যদিও কিছু ক্ষেত্রে 'অপ' নিকৃষ্ট অর্থ প্রকাশ করতে পারে।
C) বিকৃত — এই অপশনটি ভুল কারণ 'অপমান' শব্দে বিকৃতি বোঝানো হয়নি, বরং সম্মানের উল্টো দিক বা বিপরীত বোঝানো হয়েছে।
D) অভাব — এই অপশনটি ভুল কারণ 'অপ' উপসর্গ এখানে কোনো কিছুর অনুপস্থিতি বা অভাব প্রকাশ করছে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
মান শব্দের আগে অপ বসলে তার বিপরীত অর্থ অপমান হয়, যা থেকে মনে রাখতে হবে এখানে অপ বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। সমার্থক বা বিপরীতার্থক উপসর্গযুক্ত শব্দগুলো জোড়ায় জোড়ায় পড়লে পরীক্ষার হলে খুব সহজে উত্তর করা সম্ভব।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
উপসর্গ সাধারণত শব্দের অর্থের পরিবর্তন বা নতুন শব্দ তৈরিতে ব্যবহৃত হয় এবং বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গ চেনার প্রশ্ন প্রায়ই আসে। তাই তৎসম উপসর্গের কুড়িটি উপসর্গ এবং সেগুলোর অর্থ ভালোভাবে মুখস্থ রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) মীর মশাররফ হোসেন
১. কেন সঠিক:
- মীর মশাররফ হোসেন ব্যঙ্গাত্মক ও সমাজসংস্কারমূলক লেখালেখির জন্য গাজি মিঞা ছদ্মনামটি ব্যবহার করতেন।
- তাঁর বিখ্যাত আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ গাজী মিঞার বস্তানী লেখার ক্ষেত্রে তিনি এই ছদ্মনামটি গ্রহণ করেছিলেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মীর মশাররফ হোসেন বাংলা সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক।
- তাঁর বিষাদ সিন্ধু মহাকাব্যিক উপন্যাস বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি হিসেবে বিবেচিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিষাদ সিন্ধু
ব্যাখ্যা: এটি মীর মশাররফ হোসেনের সবচেয়ে বিখ্যাত ঐতিহাসিক উপন্যাস যা কারবালার বিষাদময় ঘটনার ওপর রচিত।
উদাহরণ ২: জমিদার দর্পণ
ব্যাখ্যা: এটি নীলকর সাহেবদের অত্যাচারের বিরুদ্ধে রচিত তাঁর একটি জনপ্রিয় ও প্রতিবাদী নাটক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কায়কোবাদ — এটি কবি কাজেম আল কোরেশীর সাহিত্যিক নাম, যিনি মহাশ্মশান মহাকাব্যের জন্য পরিচিত।
B) ইসমাইল হোসেন সিরাজি — তিনি একজন মুসলিম সাহিত্যিক ও রাজনীতিবিদ যিনি অনলদূত কাব্যগ্রন্থের জন্য পরিচিত।
D) নজিবুর রহমান — তিনি আনোয়ারা উপন্যাসের রচয়িতা হিসেবে বিখ্যাত একজন জনপ্রিয় ঔপন্যাসিক।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মীর মশাররফ হোসেনের বস্তানী বা আত্মজীবনীর সঙ্গে গাজি মিঞা নামটি যুক্ত করে সহজে মনে রাখা যায়।
- ছদ্মনামের ক্ষেত্রে লেখকের আসল নামের সঙ্গে সাহিত্যকর্মের সংযোগ মনে রাখা পরীক্ষার জন্য খুব দরকারী।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকদের ছদ্মনাম প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
- বাংলা উপন্যাসের ইতিহাস ও লেখকদের ছদ্মনাম আলাদা করে একটি তালিকা তৈরি করে পড়লে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে কমন পাওয়া যায়।
সঠিক উত্তর: D) ব্রাহ্মী লিপি
১. কেন সঠিক:
- বাংলা লিপির উৎস হলো প্রাচীন ব্রাহ্মী লিপি। ভারতীয় প্রায় সব লিপিই এই ব্রাহ্মী লিপি থেকেই উদ্ভূত হয়েছে।
- দীর্ঘ ঐতিহাসিক বিবর্তনের মাধ্যমে ব্রাহ্মী লিপি থেকে প্রথমে কুটিল লিপি এবং পরবর্তীতে বাংলা লিপির জন্ম হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ভাষা, উপভাষা ও বাংলা ভাষার ইতিহাস।
- প্রাচীন ভারতীয় লিপিগুলোর মধ্যে ব্রাহ্মী লিপি হলো সবচেয়ে প্রাচীন এবং প্রধান লিপি। এই লিপি বাম দিক থেকে ডান দিকে লেখা হতো।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দেবনাগরী লিপি
ব্যাখ্যা: দেবনাগরী লিপিও ব্রাহ্মী লিপি থেকে উদ্ভূত হয়েছে যা হিন্দি ও নেপালি ভাষায় ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: ওড়িয়া লিপি
ব্যাখ্যা: ওড়িয়া লিপি ব্রাহ্মী লিপির উত্তর ভারতীয় শাখা থেকে বিকশিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সংস্কৃত লিপি — সংস্কৃত কোনো নির্দিষ্ট লিপি নয়, এটি একটি ভাষা যা দেবনাগরী বা অন্যান্য লিপিতে লেখা হয়।
B) আরবি লিপি — আরবি লিপি সেমিটিক লিপি পরিবারভুক্ত এবং ডান দিক থেকে লেখা হয়, যার সঙ্গে বাংলা লিপির সম্পর্ক নেই।
C) চীনা লিপি — চীনা লিপি চিত্রভিত্তিক এবং এটি সিনো-তিব্বতীয় লিপি পরিবারের অন্তর্ভুক্ত যা বাংলা লিপির উৎস নয়।
D) ব্রাহ্মী লিপি — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলা লিপি সরাসরি ব্রাহ্মী লিপির বিবর্তিত রূপ।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বাংলা ভাষার জন্ম ও বিকাশ মনে রাখতে ব্রাহ্মী লিপি নামটি সবার আগে মনে রাখতে হবে। সকল ভারতীয় লিপির আদি উৎস হলো ব্রাহ্মী।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাষার ইতিহাস থেকে প্রায়ই লিপির উৎস সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। বাংলা লিপির পাশাপাশি অসমিয়া ও ওড়িয়া লিপির উৎসও ব্রাহ্মী লিপি।
সঠিক উত্তর: B) বর্ণ বিপর্যয়
১. কেন সঠিক:
- শব্দের মধ্যে থাকা দুটি বর্ণ বা ধ্বনি নিজেদের স্থান পরিবর্তন বা অদলবদল করলে তাকে বর্ণ বিপর্যয় বলে।
- প্রদত্ত প্রশ্নে 'লাফ' শব্দটির ল এবং ফ বর্ণ দুটি স্থান পরিবর্তন করে 'ফাল' রূপ লাভ করেছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- পাশাপাশি বা দূরবর্তী দুটি বর্ণ নিজেদের অবস্থান পরস্পর পরিবর্তন করলে ধ্বনি পরিবর্তনের এই প্রক্রিয়াকে ভাষাবিজ্ঞানে বর্ণ বিপর্যয় বা অক্ষর বিপর্যয় বলা হয়।
- মুখের সহজ উচ্চারণের সুবিধার্থে মানুষ অনেক সময় শব্দের ভেতরের বর্ণগুলোকে উল্টে বা বদলে ফেলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাক্স > বাস্কা
ব্যাখ্যা: এখানে ক এবং স বর্ণ দুটি নিজেদের অবস্থান পরিবর্তন করে নতুন রূপ নিয়েছে।
উদাহরণ ২: পিশাচ > পিছাচ
ব্যাখ্যা: এখানে শ এবং চ বর্ণ দুটি স্থান পরিবর্তন করে বর্ণ বিপর্যয়ের সৃষ্টি করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অপিনিহিতি — যুক্তধ্বনির আগের ই-কার বা উ-কার আগে উচ্চারিত হলে তাকে অপিনিহিতি বলে, যা এখানে ঘটেনি।
B) বর্ণ বিপর্যয় — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে বর্ণ নিজেদের স্থান পরিবর্তন করেছে।
C) সমীভবন — শব্দের দুটি ভিন্ন ধ্বনি একে অপরের প্রভাবে সমান বা কাছাকাছি হওয়াকে সমীভবন বলে।
D) বিপ্রকর্ষ — যুক্তবর্ণের উচ্চারণ সহজ করার জন্য মাঝে অতিরিক্ত স্বরধ্বনি আসার প্রক্রিয়াকে বিপ্রকর্ষ বলে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বর্ণ বিপর্যয় মানেই বর্ণগুলোর মধ্যে স্থান পরিবর্তন বা ওলটপালট হওয়া।
- লাফ শব্দ উল্টে ফাল হওয়ার ঘটনাটি বর্ণ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে বিপর্যয় নির্দেশ করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধ্বনি পরিবর্তনের এই উদাহরণটি অত্যন্ত জনপ্রিয়।
- শব্দের ভেতরের বর্ণগুলোর পারস্পরিক অবস্থান বদল দেখলে চোখ বুজে বর্ণ বিপর্যয় দাগাতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
১. কেন সঠিক:
- 'রেইনকোট' ছোটগল্পটির রচয়িতা প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক আখতারুজ্জামান ইলিয়াস।
- এটি বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধকালীন পটভূমিতে রচিত একটি অত্যন্ত শক্তিশালী ও মনস্তাত্ত্বিক ছোটগল্প।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- আখতারুজ্জামান ইলিয়াস বাংলা কথাসাহিত্যের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র যিনি তাঁর বাস্তবধর্মী রচনা এবং অনন্য গদ্যশৈলীর জন্য পরিচিত।
- ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ঢাকা কলেজের এক সাধারণ শিক্ষকের মানসিক পরিবর্তন এবং পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে অবচেতন প্রতিবাদের প্রতীক হিসেবে রেইনকোট গল্পটি রচিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অপুষ্ট বয়েসি লতাটি
ব্যাখ্যা: এটি আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের একটি বিখ্যাত ছোটগল্প।
উদাহরণ ২: চিলেকোঠার সেপাই
ব্যাখ্যা: এটি আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের একটি অনবদ্য উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হুমায়ূন আহমেদ — তিনি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের জনপ্রিয় ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার হলেও 'রেইনকোট' তাঁর লেখা গল্প নয়।
B) আলাউদ্দিন আল আজাদ — তিনি বিখ্যাত 'উত্তরাধিকার' উপন্যাসের রচয়িতা, 'রেইনকোট' গল্পের লেখক নন।
C) হাসান আজিজুল হক — তিনি বাংলা ছোটগল্পের এক জাদুকর হলেও 'রেইনকোট' তাঁর সৃষ্টি নয়।
D) আখতারুজ্জামান ইলিয়াস — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি তাঁরই বিখ্যাত ছোটগল্প।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ছোটগল্পগুলোর মধ্যে আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের 'রেইনকোট' অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি নাম।
- লেখকের নামের প্রথম অক্ষরের সাথে গল্পের মূল ভাব মিলিয়ে এই গল্পটি সহজেই মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ছোটগল্প এবং এর রচয়িতা প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়।
- আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের জন্ম ১৯৪৩ সালে এবং তাঁর সাহিত্যকর্মে ঢাকা শহরের নিম্নমধ্যবিত্ত মানুষের জীবন নিখুঁতভাবে ফুটে উঠেছে।
সঠিক উত্তর: C) আদিত্য
১. কেন সঠিক:
'সূর্য' শব্দের সমার্থক বা প্রতিশব্দ হলো আদিত্য। অিতি মাতার পুত্রদের একত্রে আদিত্য বলা হয় এবং এদের মধ্যে সূর্য অন্যতম প্রধান দেবতা।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ভাষায় সমার্থক শব্দ হলো এমন সব শব্দ যাদের অর্থ প্রায় সমান বা একই। সমার্থক শব্দ চেনার মাধ্যমে প্রার্থীর শব্দভান্ডার ও ভাষার প্রয়োগ দক্ষতা যাচাই করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দিবাকর
ব্যাখ্যা: দিবাকর শব্দের অর্থ দিন করেন যিনি বা সূর্য।
উদাহরণ ২: তপন
ব্যাখ্যা: তপন শব্দের অর্থ যা উত্তাপ দেয় বা সূর্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সুধাংশু — এটি চন্দ্র বা চাঁদের প্রতিশব্দ, যার অর্থ সুধা বা অমৃত রংশন করেন যিনি।
B) শশাঙ্ক — এটিও চন্দ্র বা চাঁদের প্রতিশব্দ, কারণ চাঁদের গায়ে শশক বা খরগোশের আকৃতির দাগ আছে।
C) আদিত্য — এটি সঠিক উত্তর এবং সূর্যের সমার্থক শব্দ।
D) বিধু — এটি চন্দ্র বা চাঁদের আরেকটি সমার্থক শব্দ।
৫ মনে রাখার টিপস:
সূর্যের সমার্থক শব্দগুলো মনে রাখার সহজ উপায় হলো রবি, দিনমণি, ভাস্কর, ভানু, দিবাকর ও আদিত্য নামগুলো একসঙ্গে চর্চা করা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সূর্য ও চন্দ্রের সমার্থক শব্দগুলো প্রায়ই একসঙ্গে অপশনে দিয়ে বিভ্রান্ত করা হয়। তাই রবি ও আদিত্য দেখলে সূর্য এবং সুধাংশু ও বিধু দেখলে চাঁদ হিসেবে চিহ্নিত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) সাফল্য লাভের উপায়
১. কেন সঠিক:
- 'স্বর্গের সিঁড়ি' একটি সুপরিচিত বাংলা বাগধারা, যার অর্থ কোনো কাজে চূড়ান্ত বা বড় ধরনের সাফল্য লাভের উপায়।
- সিঁড়ি যেমন মানুষকে ওপরে উঠতে সাহায্য করে, তেমনি এই বাগধারাটি জীবনের কোনো বড় লক্ষ্য বা সাফল্য অর্জনের মাধ্যমকে বোঝায়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দগুচ্ছ, যা তাদের সাধারণ বা আভিধানিক অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভাবার্থ প্রকাশ করে।
- বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে বাগধারা ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং ভাবকে সংক্ষেপে ও আকর্ষণীয়ভাবে প্রকাশ করতে সাহায্য করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিসিএস ক্যাডার হওয়া যেন তার জীবনে সাফল্যের সিঁড়ি।
ব্যাখ্যা: এখানে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জনের মাধ্যম হিসেবে বাগধারাটির প্রয়োগ দেখানো হয়েছে।
উদাহরণ ২: কঠোর পরিশ্রমই জীবনের সাফল্যের সিঁড়ি।
ব্যাখ্যা: জীবনে বড় হতে হলে পরিশ্রম যে একমাত্র মাধ্যম, তা বোঝাতে এটি ব্যবহার করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) স্বর্গ লাভের উপায় — এটি বাগধারাটির আভিধানিক বা অগভীর অর্থ, কিন্তু প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এর রূপক বা আসল ভাবার্থ ধরতে হয়।
B) স্বর্গে যাওয়ার পথ — এটিও আভিধানিক অর্থ প্রকাশ করে, যা রূপক অর্থে ব্যবহৃত বাগধারার মূল উদ্দেশ্যের সঙ্গে মেলে না।
C) সাফল্য লাভের উপায় — এটি সঠিক ভাবার্থ হওয়ায় প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মানদণ্ডে এটিই সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে।
D) অলীক কল্পনা — এটি অন্য একটি বাগধারা যেমন আকাশকুসুম বা কুম্ভীরাশ্রু এর অর্থ হতে পারে, কিন্তু স্বর্গের সিঁড়ির অর্থ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সিঁড়ি দিয়ে মানুষ যেমন ওপরে ওঠে, তেমনি জীবনে ওপরে ওঠা বা সাফল্য পাওয়ার মাধ্যমকেই স্বর্গের সিঁড়ি বলা হয়।
- আভিধানিক অর্থ বাদ দিয়ে এর রূপক বা অন্তর্নিহিত অর্থ মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারার ক্ষেত্রে আভিধানিক অর্থের চেয়ে অন্তর্নিহিত বা ভাবার্থ বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
- এই ধরনের প্রশ্ন সমাধানের জন্য বাগধারার উৎস ও প্রমিত অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) Publicize
কেন সঠিক:
- 'Public' একটি নাউন বা এডজেক্টিভ, যার ভার্ব ফর্ম হলো 'Publicize' এবং এর অর্থ প্রচার করা বা জনসমক্ষে প্রকাশ করা।
- নির্দিষ্ট শব্দের শেষে 'ize' সাফিক্স যোগ করে সাধারণত ভার্ব গঠন করা হয়, যা এই শব্দের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Publicize — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটি 'Public' শব্দের সঠিক ভার্ব রূপ।
B) Publish — এটি একটি ভার্ব হলেও এর অর্থ প্রকাশ করা (যেমন বই বা পত্রিকা), যা 'Publicize' শব্দের সরাসরি ভার্ব রূপ নয়।
C) Proclaim — এটি একটি ভিন্ন ভার্ব যার অর্থ ঘোষণা করা এবং এটি 'Public' শব্দের রূপান্তর নয়।
D) Publicly — এটি একটি অ্যাডভার্ব (Adverb), যার অর্থ জনসমক্ষে, তাই এটি ভার্ব হতে পারে না।
মনে রাখার টিপস:
কোনো শব্দের শেষে 'ize' দেখলে সাধারণত সেটিকে ভার্ব হিসেবে চেনা যায়, যেমন Public থেকে Publicize।
সঠিক উত্তর: B) London and Paris
কেন সঠিক:
- বিখ্যাত ইংরেজ ঔপন্যাসিক চার্লস ডিকেন্সের ঐতিহাসিক উপন্যাস 'এ টেল অব টু সিটিজ' ফরাসি বিপ্লবের প্রেক্ষাপটে রচিত।
- উপন্যাসে মূলত বিপ্লবপূর্ব ও বিপ্লবকালীন সময়ের লন্ডন এবং প্যারিস শহরের সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) London and Washington — ওয়াশিংটন ডিসি আমেরিকার রাজধানী হলেও এই উপন্যাসের মূল ঘটনার সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
B) London and Paris — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং উপন্যাসের কেন্দ্রীয় শহর দুটি নির্দেশ করে।
C) Dhaka and London — ঢাকা বাংলাদেশের রাজধানী এবং এই উপন্যাসের পটভূমির সঙ্গে সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক।
D) London and Rome — রোম ইতালির রাজধানী, যা চার্লস ডিকেন্সের এই উপন্যাসের কাহিনীর সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
চার্লস ডিকেন্সের উপন্যাসের নাম 'টু সিটিজ' হলে শহর দুটি হলো ইউরোপের বিখ্যাত দুটি রাজধানী লন্ডন ও প্যারিস।
সঠিক উত্তর: B) in
কেন সঠিক:
- Call in একটি উপযুক্ত ফ্রেজাল ভার্ব বা গ্রুপ ভার্ব, যার অর্থ কাউকে কোনো কাজে বা চিকিৎসার জন্য ডেকে পাঠানো।
- চিকিৎসকের ক্ষেত্রে সাধারণত Call in a doctor ব্যবহৃত হয়, যার অর্থ ডাক্তার ডাকা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) on — Call on অর্থ সাক্ষাৎ করা বা দেখা করা, যা কোনো ডাক্তার ডাকার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
B) in — এটি সঠিক উত্তর, কারণ Call in অর্থ ডেকে পাঠানো।
C) at — Call at অর্থ কোথাও সাময়িক থামা বা পরিদর্শন করা, যা এখানে অর্থসংগত নয়।
D) of — Call of অর্থ কোনো কিছু বাতিল করা, যা এই বাক্যের অর্থের সঙ্গে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
ডাক্তার বা বিশেষজ্ঞকে ডেকে পাঠাতে সবসময় Call-এর পরে in প্রিপজিশন বসে।
সঠিক উত্তর: C) Hallucinate
কেন সঠিক:
- Hallucination বিশেষ্য পদের ভার্ব রূপ হলো Hallucinate যার অর্থ মনভ্রম হওয়া বা অলীক কিছু দেখা।
- শব্দের শেষে ate প্রত্যয় যুক্ত করে সাধারণত Verb গঠন করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Hallucinating — এটি প্রদত্ত শব্দের প্রেজেন্ট পার্টিসিপল বা জেরান্ড রূপ, মূল ভার্ব নয়।
B) Hallucinogen — এটি এমন একটি বস্তু বা মাদককে বোঝায় যা হ্যালুসিনেশন তৈরি করে, এটি নাউন।
D) Hallucine — এটি কোনো সঠিক ইংরেজি শব্দ নয়।
মনে রাখার টিপস:
শব্দের শেষে ate থাকলে সাধারণত তা ভার্ব হয়, যেমন Hallucination শব্দের ভার্ব হলো Hallucinate।
সঠিক উত্তর: B) He wished that he might have some milk.
কেন সঠিক:
- রিপোর্টিং ভার্বটি पास्ट টেন্সে থাকলে এবং ইনভার্টেড কমার ভেତরে Let দিয়ে ইচ্ছা বা প্রার্থনা প্রকাশ করলে, রিপোর্টিং ভার্ব পরিবর্তন করে wish বা pray বসে।
- Narration-এর নিয়ম অনুযায়ী that বসে এবং সাবজেক্টের পরে might বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) He asked to have some milk. — Let দ্বারা প্রস্তাব বা অনুরোধ বোঝালে ask ব্যবহার হয়, কিন্তু এখানে ইচ্ছা প্রকাশ করায় এটি প্রযোজ্য নয়।
B) He wished that he might have some milk. — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং নিয়মানুযায়ী সঠিক।
C) He wanted to have some milk. — এটি সাধারণ অর্থ প্রকাশ করে, যা Narration-এর নিয়মানুযায়ী সঠিক রূপান্তর নয়।
D) He Prayed to have some milk. — প্রার্থনা বা ঈশ্বরকে উদ্দেশ করে কিছু চাওয়া বোঝালে prayed বসে, কিন্তু এখানে সাধারণ ইচ্ছা প্রকাশ পেয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
Let দিয়ে ইচ্ছা প্রকাশ করলে Inverted comma তুলে that বসবে এবং সাবজেক্টের পরে might বসবে।
সঠিক উত্তর: C) To compensate
কেন সঠিক:
- 'Make good' একটি ইংরেজি প্রবাদপ্রতিম ফ্রেজ, যার অর্থ ক্ষতিপূরণ দেওয়া বা ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়া।
- প্রদত্ত উত্তরের 'To compensate' শব্দটির অর্থও ক্ষতিপূরণ করা, যা এই ফ্রেজটির সঠিক ভাবার্থ প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) To help others — অন্যদের সাহায্য করা বোঝায়, যা 'make good' ফ্রেজের ক্ষতিপূরণ অর্থের সাথে মেলে না।
B) To do good works — ভালো কাজ করা বোঝায়, কিন্তু এটি কোনো ক্ষয়ক্ষতি পূরণের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় না।
C) To compensate — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য এবং এর অর্থ ক্ষতিপূরণ দেওয়া।
D) To gain something — কিছু অর্জন করা বোঝায়, যা ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার ভাবার্থ থেকে সম্পূর্ণ আলাদা।
মনে রাখার টিপস:
ক্ষতি হলে তা 'good' বা ভালো করতে হলে তার 'compensate' বা ক্ষতিপূরণ দিতে হয়, এভাবে মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: D) Julius Caesar
কেন সঠিক:
- উক্তিটি উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের বিখ্যাত ঐতিহাসিক নাটক জুলিয়াস সিজারের একটি বিখ্যাত সংলাপ।
- নাটকের একটি দৃশ্যে ক্যালপার্নিয়া তার স্বামী সিজারকে মৃত্যুর ভয়ে বাইরে যেতে নিষেধ করলে সিজার এই অমর বাণীটি উচ্চারণ করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Macbeth — এটি শেক্সপিয়ারের একটি ট্র্যাজেডি নাটক হলেও এতে এই বিখ্যাত উক্তিটি নেই।
B) Hamlet — এটি শেক্সপিয়ারের সবচেয়ে বড় ট্র্যাজেডি এবং এর মূল থিম ভিন্ন।
C) Othello — এটি ঈর্ষা ও ষড়যন্ত্রের ওপর রচিত নাটক এবং এখানে এই সংলাপটি নেই।
D) Julius Caesar — এই নাটকের রোমান পটভূমিতে বীরত্ব ও মৃত্যুর অনিবার্যতা বোঝাতে উক্তিটি ব্যবহার করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
মৃত্যুর আগের হাজারো ভয়ের কথা মনে আসলেই ভাববেন এটি রোমান সম্রাট জুলিয়াস সিজারের নাটকের সংলাপ।
প্রশ্নের ধরন: ভাষা ও ব্যাকরণ (Preposition)
প্রদত্ত সঠিক উত্তর যাচাই: প্রদত্ত সঠিক উত্তর B (on) ভুল। সঠিক উত্তর হবে D (to)। কারণ কোনো ভৌগোলিক অবস্থান বা সীমানার বাইরে অবস্থিত কোনো স্থান বোঝাতে 'to' ব্যবহৃত হয়। হিমালয় পর্বতমালা ভারতের সীমানার বাইরে উত্তর দিকে অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: D) to
কেন সঠিক:
- দুটি স্থানের মধ্যে একটি যদি অন্যটির সীমানার বাইরে দূরে অবস্থিত হয়, তবে তাদের মধ্যবর্তী দিকের ক্ষেত্রে preposition হিসেবে 'to' বসে।
- ভারত ও হিমালয়ের অবস্থান ভিন্ন হওয়া এবং ভারত থেকে হিমালয় উত্তরে অবস্থিত বোঝাতে এখানে 'to' সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) in — কোনো স্থান যদি নির্দিষ্ট সীমানার ভেতরে অবস্থিত হয়, তবে 'in' বসে; কিন্তু হিমালয় ভারতের সীমানার ভেতরে নয়।
B) on — দুটি ভূখণ্ড বা স্থান যদি একে অপরের সীমানার সাথে স্পর্শ করে বা লেগে থাকে, তবে 'on' বসে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) into — সাধারণত গতিশীল অবস্থা বা কোনো কিছুর ভেতরে প্রবেশের ক্ষেত্রে 'into' ব্যবহৃত হয়, যা স্থান নির্দেশ করতে বসে না।
D) to — এটি সঠিক উত্তর, কারণ ভারতের সীমানার বাইরে উত্তর দিকে হিমালয় অবস্থিত বুঝাতে 'to' ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস: সীমানার ভেতরে হলে in, সীমানা ঘেঁষে থাকলে on এবং সীমানার বাইরে দূরত্ব বোঝালে দিকের আগে to বসে।
সঠিক উত্তর: B) Etiquette
কেন সঠিক:
- এই বানানটির উৎপত্তি ফরাসি ভাষা থেকে যার অর্থ শিষ্টাচার বা ভদ্রতা।
- বানানটিতে ডাবল টি এবং ডাবল কিউ যুক্ত রয়েছে যা এর অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Etiquate — শেষের অংশ সঠিক নয় কারণ এখানে কিউ ইউ ই এর পরিবর্তে ভুল বানান ব্যবহার করা হয়েছে।
B) Etiquette — এটি সঠিক বানান এবং প্রশ্নানুযায়ী নির্ধারিত উত্তর।
C) Etiket — এটি বানানটির একটি অপভ্রংশ রূপ এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য সম্পূর্ণ ভুল।
D) Eticate — শেষের অংশে সঠিক ফরাসি ব্যাকরণগত বানানরীতি অনুসরণ করা হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
বানানটি মনে রাখতে ইটি (Et) এর সাথে কিউ ইউ ই (que) এবং টি টি ই (tte) যুক্ত করে Etiquette মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) Marriage
কেন সঠিক:
- 'Nuptial' একটি ইংরেজি বিশেষণ শব্দ যার আক্ষরিক অর্থ বিবাহ বা বিয়ে সংক্রান্ত অনুষ্ঠান।
- এটি মূলত বিবাহ বা দাম্পত্য জীবন সম্পর্কিত বিষয় বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Night — এই শব্দটির অর্থ রাত, যা বিবাহ বা বিয়ের ধারণার সঙ্গে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়।
B) Marriage — এটি সঠিক উত্তর কারণ নুশাল শব্দটি সরাসরি বিয়ে বা বিবাহ উৎসবকে নির্দেশ করে।
C) Neptune — এটি সৌরজগতের একটি গ্রহ বা রোমান সমুদ্রের দেবতার নাম, যা শব্দের অর্থের বিপরীত।
D) Seen — এটি সি ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল রূপ যার অর্থ দেখা, যার সঙ্গে এই শব্দের মিল নেই।
মনে রাখার টিপস:
নুশাল শব্দটির শুরুতে থাকা এন ইউ পি অংশটি মনে রাখুন এবং একে বিয়ের পোশাক বা অনুষ্ঠানের সঙ্গে মিলিয়ে নিন।
সঠিক উত্তর: A) feminine
কেন সঠিক:
- 'Shrew' শব্দটির সাধারণ অর্থ কর্কশভাষী বা ঝগড়াটে নারী।
- ব্যাকরণগতভাবে এটি স্ত্রীবাচক বা feminine gender নির্দেশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) feminine — এটি সঠিক উত্তর কারণ শব্দটির মাধ্যমে নির্দিষ্টভাবে নারীবাচক সত্তা বোঝানো হয়।
B) common — এই অপশন ভুল কারণ এটি উভয় লিঙ্গকে একসঙ্গে বোঝায় না।
C) masculine — এই অপশন ভুল কারণ এটি পুরুষবাচক কোনো অর্থ প্রকাশ করে না।
D) neuter — এই অপশন ভুল কারণ এটি অচেতন বা জড় পদার্থ বোঝায় না।
মনে রাখার টিপস:
'Shrew' মানে ঝগড়াটে নারী, তাই এটি সবসময় feminine gender হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
সঠিক উত্তর: A) 1000 years
কেন সঠিক:
- Millennium শব্দটির আক্ষরিক অর্থ সহস্রাব্দ বা হাজার বছর।
- ইংরেজি ভাষায় এক হাজার বছরের সময়কালকে একটি Millennium বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 1000 years — এটি সঠিক কারণ সহস্রাব্দের সুনির্দিষ্ট মান হলো এক হাজার বছর।
B) 200 years — দুই শ বছরের সময়কালকে Bicentenary বলা হয়, তাই এটি ভুল।
C) 500 years — পাঁচ শ বছরের সময়কালকে Quincentenary বলা হয়, তাই এটি ভুল।
D) 50 years — পঞ্চাশ বছরের সময়কালকে Jubilee বা Half century বলা হয়, তাই এটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
Million শব্দের সাথে মিল রেখে মনে রাখতে পারো যে Millennium মানে হাজার বা এক হাজার বছর।
সঠিক উত্তর: C) was cooking
কেন সঠিক:
- বাক্যের মাঝখানে while থাকলে তার আগের অংশ Past Indefinite Tense এবং পরের অংশ Past Continuous Tense হয়।
- প্রদত্ত বাক্যে while-এর পরের অংশে কর্তার পর Past Continuous Tense হিসেবে was এবং মূল verb-এর সাথে ing যুক্ত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) would cook — Past Indefinite বা while-এর পরের নিয়মের সাথে এই গঠন সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
B) had cook — cook verb-এর সাথে ed যুক্ত না থাকায় এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল রূপ।
C) was cooking — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) cooking — সাহায্যকারী verb ছাড়া শুধু ing যুক্ত verb এখানে একা বসতে পারে না।
মনে রাখার টিপস:
While-এর পরে সবসময় Past Continuous Tense বসে, যার গঠন হলো (subject + was বা were + verb-এর সাথে ing)।
সঠিক উত্তর: B) is
কেন সঠিক:
- One and a half-এর পর noun-টি plural হলেও সমগ্র পরিমাণটি একটি একক একক বা সমষ্টি বুঝালে verb singular হয়।
- এখানে ১.৫ টি আম একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ নির্দেশ করছে, তাই singular verb হিসেবে is বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) are — Subject-টি দেখতে plural মনে হলেও এটি একটি অখণ্ড পরিমাণ বোঝায়, তাই plural verb are ভুল।
B) is — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক কারণ এটি নির্দিষ্ট পরিমাণ বোঝাতে singular verb গ্রহণ করেছে।
C) has — এখানে কোনো অধিকার বা perfect tense বোঝানো হচ্ছে না, তাই has ভুল।
D) were — এটি past tense এবং plural verb, যা এই পরিমাপবাচক subject-এর জন্য সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
Fraction বা ভগ্নাংশ এবং one and a half-এর পর পরিমাণ একক বোঝালে verb সবসময় singular হয়।
সঠিক উত্তর: B) over
কেন সঠিক:
- Triumph over অর্থ কোনো কিছু বা কারো ওপর বিজয় লাভ করা।
- Troubles বা সমস্যার বিরুদ্ধে জয় বোঝাতে over প্রিপজিশনটি সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) against — Against সাধারণত শারীরিক সংগ্রাম বা প্রতিবাদের ক্ষেত্রে বসে, বিমূর্ত ধারণার জয়ে নয়।
B) over — এই প্রেক্ষাপটে over সঠিক প্রিপজিশন হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
C) upon — Upon সাধারণত কোনো কিছুর ওপরে অবস্থান বা গতিশীল অর্থে বসে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) up — Up কোনো কিছু ওপরের দিকে নির্দেশ করে, এখানে সঠিক ফ্রেস গঠন করে না।
মনে রাখার টিপস:
বিপদ বা সমস্যার ওপর জয় বোঝাতে সবসময় Triumph এর পরে over প্রিপজিশন ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: A) in
কেন সঠিক:
- Deficient শব্দের পর সাধারণত নির্দিষ্ট Preposition হিসেবে ইন বসে।
- কোনো কিছুতে ঘাটতি বা অভাব বোঝাতে Deficient in ফ্রেজটি ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) in - এটি সঠিক কারণ Deficient শব্দের সঙ্গে ইন প্রিপজিশন বসে ঘাটতি বোঝায়।
B) on - এটি ভুল কারণ Deficient শব্দের পর অন প্রিপজিশন বসে না।
C) into - এটি ভুল কারণ গতিশীলতা বা রূপান্তর বোঝাতে ইন্টু বসে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) with - এটি ভুল কারণ সাধারণত কোনো বস্তু বা ব্যক্তির সাথে থাকা বোঝাতে উইথ বসে, যা Deficient এর সাথে হয় না।
মনে রাখার টিপস:
ঘাটতি বা অভাব বুঝাতে Deficient শব্দের পরে সবসময় ইন প্রিপজিশন ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: C) By whom can it be done?
কেন সঠিক:
- Interrogative sentence-এর Active Voice-এ Who থাকলে Passive Voice-এ প্রথমে By whom বসে।
- Tense ও Person অনুযায়ী সাহায্যকারী verb (can) বসে এবং মূল verb-এর Past Participle (done) হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) By whom it can be done? — এখানে সাহায্যকারী verb (can) সাবজেক্টের পরে বসেছে, যা ইন্টারোগেটিভ বাক্য গঠনের নিয়মের পরিপন্থী।
B) What can be done by you? — এটি ভিন্ন অর্থের বাক্য এবং মূল বাক্যের সঠিক প্যাসিভ রূপ নয়।
C) By whom can it be done? — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এর গঠন ব্যাকরণগতভাবে শতভাগ সঠিক।
D) Whom can be done? — এখানে শুরুতে বাই (By) preposition অনুপস্থিত এবং বাক্যটির অর্থ অসম্পূর্ণ।
মনে রাখার টিপস:
Active voice-এ Who থাকলে Passive করার সময় শুরুতে By whom এবং সাহায্যকারী verb সাবজেক্টের আগে বসবে।
সঠিক উত্তর: B) দুঃখ বিনা সুখ লাভ হয় কি মহীতে?
কেন সঠিক:
- বাক্যটিতে but শব্দটি একটি relative pronoun হিসেবে বসেছে যার অর্থ হলো who not বা that not।
- এই ধরনের ইংরেজি প্রবাদবাক্যের ভাবানুবাদ করার সময় আক্ষরিক অর্থ না ধরে বাংলায় প্রচলিত সমার্থক প্রবাদ বা কাব্যিক রূপ ব্যবহার করতে হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কাঁটা আছে গোলাপ নেই — এটি মূল ইংরেজি প্রবাদটির বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে এবং ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
B) দুঃখ বিনা সুখ লাভ হয় কি মহীতে? — এটি মূল প্রবাদের ভাবানুবাদ এবং প্রদত্ত সঠিক উত্তর।
C) সেখানে কোনো গোলাপ নেই কিছু কাঁটা আছে — এটি but শব্দের সঠিক অর্থ না বুঝে করা একটি আক্ষরিক ও অর্থহীন অনুবাদ।
D) গোলাপে কাঁটা নেই — এটি মূল বাক্যের ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে কারণ বাক্যটিতে গোলাপ ও কাঁটা উভয়ের কথাই বলা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি প্রবাদবাক্যে but এর অর্থ ছাড়া বা ব্যতীত হলে, বাংলায় তার ভাবানুবাদ করার সময় বিনা বা ছাড়া শব্দযুক্ত প্রবাদ নির্বাচন করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) Did he come yesterday?
কেন সঠিক:
- বাক্যটিতে অতীত নির্দেশক শব্দ yesterday থাকায় এটি Past Indefinite Tense হবে।
- Past Indefinite Tense-এর interrogative বাক্যে auxiliary verb হিসেবে did বসে এবং মূল verb-এর Present form বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Did he come yesterday? — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এতে did ব্যবহারের পর মূল verb-এর present form come সঠিক নিয়মে ব্যবহৃত হয়েছে।
B) Had he came yesterday? — এটি ভুল, কারণ past perfect tense-এ had-এর পরে verb-এর past participle form (come) হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু এখানে came দেওয়া আছে।
C) Did he came yesterday? — এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল, কারণ did ব্যবহারের পর মূল verb হিসেবে past form (came) ব্যবহার করা যায় না, present form (come) বসাতে হয়।
D) Has he come yesterday? — এটি ভুল, কারণ yesterday থাকার কারণে বাক্যটি Present Perfect Tense হতে পারে না, এটি অবশ্যই Past Tense হবে।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে yesterday থাকলে চোখ বন্ধ করে Past Indefinite Tense নির্বাচন করবে এবং Did-এর পরে সবসময় Verb-এর Present Form বসে তা মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: A) in
কেন সঠিক:
- মানব শরীরের কোনো অঙ্গের ভেতরে বা অংশে ব্যথা বোঝাতে নির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী ইন প্রিপজিশন ব্যবহার করা হয়।
- এখানে পায়ের ভেতরে বা অংশে ব্যথা বোঝানো হয়েছে, তাই সঠিক উত্তর ইন হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) in — এটি সঠিক উত্তর কারণ শরীরের অঙ্গের ক্ষেত্রে ইন বসে।
B) on — অন সাধারণত কোনো তলের ওপর বা স্পর্শ করে বোঝাতে বসে, যা অঙ্গের ভেতরের ব্যথার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
C) with — উইথ সাধারণত কোনো কিছুর সাথে বা দ্বারা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে স্থানের অর্থ প্রকাশ করে না।
D) into — ইনটু সাধারণত বাইরে থেকে ভেতরে গতিশীল প্রবেশ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা স্থির ব্যথার ক্ষেত্রে বসে না।
মনে রাখার টিপস:
শরীরের অঙ্গের ভেতরে ব্যথা বা সমস্যা বোঝাতে সবসময় প্রিপজিশন ইন ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: B) Heroic Freedom Fighter
কেন সঠিক:
- সরকারি পরিভাষা এবং প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবহারের ক্ষেত্রে বীর মুক্তিযোদ্ধার ইংরেজি প্রতিশব্দ হিসেবে Heroic Freedom Fighter সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য ও প্রমিত।
- বাংলা বীর শব্দের কাব্যিক ও বীরত্বপূর্ণ প্রকাশ ইংরেজি Heroic শব্দের মাধ্যমে সবচেয়ে সুন্দরভাবে ফুটে ওঠে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Brave Freedom Fighter — সাধারণ অর্থে সাহসী বোঝাতে Brave ব্যবহার করা হলেও প্রাতিষ্ঠানিক পরিভাষায় এটি আদর্শ প্রতিশব্দ নয়।
B) Heroic Freedom Fighter — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং সরকারিভাবে স্বীকৃত ইংরেজি প্রতিশব্দ।
C) Great Freedom Fighter — Great শব্দের অর্থ মহান, যা বীর শব্দের সরাসরি ভাবার্থ প্রকাশ করে না।
D) Courageous Freedom Fighter — Courageous শব্দের অর্থ সাহসী বা নির্ভীক, যা প্রাতিষ্ঠানিক ইংরেজি অনুবাদে ব্যবহৃত হয় না।
মনে রাখার টিপস:
মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্ব বোঝাতে সাধারণ সাহসী বা Brave না বলে কাব্যিক ও প্রাতিষ্ঠানিক শব্দ Heroic মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: B) an
কেন সঠিক:
- এমবিএস শব্দটির শুরুতে উচ্চারণ করার সময় এ স্বরধ্বনি আসে, যা ভাওয়েল বা স্বরবর্ণের মতো উচ্চারিত হয়।
- উচ্চারণের শুরুতে ভাওয়েল সাউন্ড থাকার কারণে নিয়মানুযায়ী এ এর পরিবর্তে অ্যান বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) a — উচ্চারণের শুরুতে ভাওয়েল সাউন্ড থাকার কারণে এখানে এ বসবে না।
B) an — এটি সঠিক কারণ এখানে অ্যান বসেছে।
C) the — নির্দিষ্ট কোনো এমবিএস বোঝানো হয়নি বলে দি বসবে না।
D) no article — সংক্ষিপ্ত রূপ হলেও উচ্চারণের নিয়মে আর্টিকেল বসাতে হয়, তাই এটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
সংক্ষিপ্ত রূপ বা অ্যাব্রোফিভিয়েশনের প্রথম অক্ষর উচ্চারণের সময় এ বা ভাওয়েল সাউন্ড আসলে তার পূর্বে অ্যান বসে।
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ
সঠিক উত্তর: D) You should shut the door.
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বাক্যটি প্যাসিভ ফর্মে রয়েছে এবং এর কোনো স্পষ্ট সাবজেক্ট ছিল না, তাই অর্থ ও কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে সাবজেক্ট হিসেবে You এবং উচিত অর্থে should ব্যবহার করা হয়েছে।
- Modal auxiliary (should) যুক্ত passive voice-কে active করার সময় অবজেক্টকে সাবজেক্ট করতে হয় এবং should এর পর মূল ভার্বের বেস ফর্ম বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Shut the door — এটি একটি Imperative sentence-এর active form, যার passive structure ভিন্ন রকম হয়।
B) Let us shut the door — এটি প্রস্তাব বোঝাতে ব্যবহৃত Imperative sentence, যা প্রদত্ত Passive বাক্যের ভাবার্থের সাথে মেলে না।
C) Let the door be shut — এটি নিজেই একটি Passive form, তাই এটি প্রদত্ত বাক্যের Active form হতে পারে না।
D) You should shut the door. — এটি সঠিক Active form কারণ এর passive রূপই হলো প্রদত্ত প্রশ্নটি।
মনে রাখার টিপস:
Modals (should, must, can) যুক্ত Passive-কে Active করার সময় Subject + Modal + Verb-এর present form + Object স্ট্রাকচার মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: প্রশ্নে প্রদত্ত উত্তর অসম্পূর্ণ বা নোট আকারে ছিল। সঠিক উত্তরটি হবে: A) alms (এছাড়াও D অপশনটি অর্থাৎ thanks-ও সঠিক হতে পারে, কারণ alms এবং thanks উভয়ই Plural noun হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তবে প্রমিত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রশ্ন অনুযায়ী alms একটি বহুল ব্যবহৃত Plural noun).
কেন সঠিক:
- Alms শব্দটির অর্থ ভিক্ষা বা দান, যা সর্বদা Plural noun হিসেবে গণ্য হয় এবং এর সঙ্গে Plural verb বসে।
- এই ধরনের কিছু নাউন দেখতে Singular এর মতো হলেও এরা মূলত Plural এবং এদের শেষে এস যুক্ত থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) alms — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি সর্বদা Plural noun হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
B) ashes — এটি সাধারণত Plural হলেও মূল Singular form ash এর বহুবচন হিসেবে ছাই বোঝাতে ব্যবহৃত হয় এবং এটি এই প্রশ্নের নির্দিষ্ট প্রচলিত ব্যাকরণগত ধারার সঙ্গে পুরোপুরি মিলে না।
C) formulas — এটি একটি Singular noun (formula) যার সঠিক Plural form হলো formulae অথবা formulas, তবে এটি ব্যাকরণগতভাবে প্রদত্ত প্রশ্নটির মূল উদ্দেশ্য বা একক Plural নির্দেশক হিসেবে অন্যান্য অপশনের মতো ব্যতিক্রমী নয়।
D) thanks — এটিও Plural noun এবং ধন্যবাদ জ্ঞাপনে ব্যবহৃত হয়, তবে alms প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় Singular-Plural শনাক্তকরণে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
যেসব নাউনের শেষে এস থাকে এবং সর্বদা Plural হয়, যেমন alms, thanks, assets, তাদের সহজে মনে রাখতে এদের বহুবচন রূপের সঙ্গে সর্বদা Plural verb বসে এটি মাথায় রাখবে।
সঠিক উত্তর: B) Children
কেন সঠিক:
- Pediatric শব্দটি চিকিৎসা বিজ্ঞানের সেই শাখাকে নির্দেশ করে যা শিশু রোগ ও তাদের চিকিৎসাসংক্রান্ত বিষয়ে কাজ করে।
- গ্রিক শব্দ paidos অর্থ শিশু এবং iatros অর্থ চিকিৎসক, এই দুটি শব্দের মিলনেই পেডিয়াট্রিক শব্দটি এসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Woman — নারীদের চিকিৎসাসংক্রান্ত চিকিৎসাবিজ্ঞানের শাখাকে বলা হয় গাইনোকোলজি, পেডিয়াট্রিক নয়।
B) Children — এটি সঠিক উত্তর কারণ পেডিয়াট্রিক শিশু চিকিৎসাবিজ্ঞানের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।
C) Adults — প্রাপ্তবয়স্কদের চিকিৎসাবিদ্যাকে ইন্টারনাল মেডিসিন বা সাধারণ চিকিৎসা বলা হয়।
D) Old people — প্রবীণ বা বয়স্কদের চিকিৎসাসংক্রান্ত শাখাকে জেরিয়াট্রিক্স বলা হয়।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি Paedo বা Pedia শব্দের অর্থ শিশু, তাই পেডিয়াট্রিক দেখলে শিশুদের চিকিৎসা মনে রাখতে হবে।
প্রশ্নের ধরন: সাহিত্য, লেখক ও সাহিত্যকর্ম
সঠিক উত্তর: D) W.B. Yeats
কেন সঠিক:
- ডব্লিউ বি ইয়েটস মূলত একজন বিখ্যাত আইরিশ কবি এবং নাট্যকার ছিলেন।
- তিনি কোনো উপন্যাস রচনা করেননি, তাই তিনি ঔপন্যাসিক নন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Charles Dickens — তিনি ভিক্টোরিয়ান যুগের একজন বিশ্বখ্যাত ঔপন্যাসিক, যার ডেভিড কপারফিল্ড ও আ টেল অব টু সিটিজ বিখ্যাত উপন্যাস।
B) Thomas Hardy — তিনি বিখ্যাত ঔপন্যাসিক ও কবি ছিলেন, যার টেস অব দ্য ডারবারভিলস একটি জনপ্রিয় উপন্যাস।
C) Virginia Woolf — তিনি বিংশ শতাব্দীর আধুনিকতাবাদী ধারার একজন প্রখ্যাত ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক ও প্রাবন্ধিক।
D) W.B. Yeats — তিনি মূলত কবি ও নাট্যকার হিসেবে পরিচিত এবং সাহিত্যে নোবেলজয়ী হলেও কোনো উপন্যাস লেখেননি।
মনে রাখার টিপস:
ইয়েটস নামের শেষে এস থাকলেও তিনি ঔপন্যাসিক নন, তিনি মূলত নোবেলজয়ী কবি।
সঠিক উত্তর: D) Encyclopedia (নোট: প্রদত্ত অপশনে A এবং D উভয়ই একই বানানে Encyclopedia রয়েছে, যা বানান শুদ্ধির ক্ষেত্রে সঠিক।)
কেন সঠিক:
- বানানটির সঠিক গঠন হলো En-cy-clo-pedia, যেখানে এর মূল অংশে প্রতিবর্ণীকরণের নিয়ম সঠিকভাবে অনুসৃত হয়েছে।
- এটি একটি বহুল ব্যবহৃত ইংরেজি শব্দ যার অর্থ বিশ্বকোষ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Encyclopedia — এটি সঠিক বানান এবং প্রশ্নানুসারে সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য।
B) Incylopedia — এখানে En-এর পরিবর্তে In এবং clo-এর পরিবর্তে cy ব্যবহৃত হওয়ায় বানানটি ভুল হয়েছে।
C) Enciclopedia — এখানে clo-এর স্থানে cli এবং pedia-এর স্থানে dia-র গঠনে স্পেলিং ভুল রয়েছে।
D) Encyclopedia — এটি সঠিক বানান এবং প্রদত্ত উত্তর হিসেবে নির্দিষ্ট করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
বানানটি মনে রাখতে En-cy-clo-pedia এভাবে ভেঙে উচ্চারণ করে মুখস্থ করতে পারো।
সঠিক উত্তর: A) ৮
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম সংখ্যা তিনটি হলো ৬, ৮ এবং ১০
পরবর্তী সংখ্যা দুটি হলো ৭ এবং ৯
ধরি,
অজানা সংখ্যাটি ক
অতএব,
৬, ৮ এবং ১০ এর যোগফল = ৬ + ৮ + ১০ = ২৪
এদের গাণিতিক গড় = ২৪ ÷ ৩ = ৮
সুতরাং,
৭, ৯ এবং ক এর গাণিতিক গড় হবে ৮
এদের মোট যোগফল = ৮ × ৩ = ২৪
উত্তর: ২৪ − (৭ + ৯) = ৮
সঠিক উত্তর: A) a + b
প্রدত্ত তথ্য:
প্রথম রাশি = a² − b²
দ্বিতীয় রাশি = a³ + b³
ধরি,
প্রথম রাশির উৎপাদক বিশ্লেষণ করি
দ্বিতীয় রাশির উৎপাদক বিশ্লেষণ করি
অতএব,
প্রথম রাশি = (a + b) × (a − b)
দ্বিতীয় রাশি = (a + b) × (a² − ab + b²)
সুতরাং,
উভয় রাশির মধ্যে সাধারণ উৎপাদক বা গ.সা.গু হলো (a + b)
উত্তর: a + b
সঠিক উত্তর: C) ৮.০ঊ−৭
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম সংখ্যাটি হলো ০.০০০০০১
দ্বিতীয় ভগ্নাংশটি হলো ২ ÷ ৫
ধরি,
০.০০০০০১ কে সাধারণ দশমিকে লেখা যায় ১ ÷ ১০০০০০০
২ ÷ ৫ কে দশমিকে প্রকাশ করলে পাওয়া যায় ০.৪
অতএব,
১ ÷ ১০০০০০০ এর সাথে ০.৪ গুণ করতে হবে
গুণফল দাঁড়ায় ০.০০০০০০৪
এটিকে বিজ্ঞানভিত্তিক আকারে রূপান্তর করতে হবে
সুতরাং,
দশমিক বিন্দুকে ডানে ছয় ঘর সরালে পাই ৮.০
বিজ্ঞানভিত্তিক নিয়মে ১০ এর পাওয়ার হবে ঋণাত্মক সাত
উত্তর: ৮.০ঊ−৭
সঠিক উত্তর: C) ৫০৫০
প্রদত্ত তথ্য:
ধারাবাহিক সংখ্যাগুলো হলো ১ থেকে ১০০ পর্যন্ত
এখানে প্রথম পদ হলো ১ এবং শেষ পদ হলো ১০০
ধরি,
মোট পদের সংখ্যা বা এন সমান ১০০
সমান্তর ধারার যোগফলের সূত্র ব্যবহার করতে হবে
অতএব,
যোগফলের সূত্রটি হলো পদসংখ্যা গুণ প্রথম পদ যোগ শেষ পদ ভাগ দুই
এখানে প্রথম পদ যোগ শেষ পদ সমান ১ যোগ ১০০ সমান ১০১
সুতরাং,
১০০ গুণ ১০১ ভাগ ২ সমান ১০১০০ ভাগ ২
উত্তর: ৫০৫০
সঠিক উত্তর: C) ০.৭
প্রদত্ত তথ্য:
A এর অংকটি করতে পারার সম্ভাবনা = ০.৪
B এর অংকটি করতে পারার সম্ভাবনা = ০.৫
ধরি,
A এর ক্ষেত্রে সম্ভাবনা P(A) = ০.৪
B এর ক্ষেত্রে সম্ভাবনা P(B) = ০.৫
অংকটি A অথবা B দ্বারা সমাধান হওয়া মানে তাদের ঘটার ইউনিয়ন।
অতএব,
স্বতন্ত্র বা স্বাধীন ঘটনার ক্ষেত্রে উভয়ই একসাথে না ঘটার সম্ভাবনা = ০.৪ × ০.৫ = ০.২
সূত্র অনুযায়ী সমাধান হবার সম্ভাবনা = P(A) + P(B) − [P(A) এবং P(B)]
সুতরাং,
সমাধান হবার সম্ভাবনা = ০.৪ + ০.৫ − ০.২
উত্তর: ০.৭
সঠিক উত্তর: A) ১৩, ৩১
প্রদত্ত তথ্য:
সংখ্যাটির অংক দুটির যোগফল ৪
স্থান বিনিময় করলে মান ১৮ কমে যায়
ধরি,
একক স্থানীয় অংক = ক
দশক স্থানীয় অংক = খ
অতএব,
সংখ্যাটি = ১০খ + ক
স্থান বিনিময় করলে সংখ্যাটি হয় = ১০ক + খ
শর্তমতে, (১০খ + ক) − (১০ক + খ) = ১৮
সুতরাং,
খ − ক = ২
আবার, খ + ক = ৪
উত্তর: সংখ্যা দুটি ১৩ এবং ৩১
সঠিক উত্তর: A) অসংখ্য
প্রদত্ত তথ্য:
দুইটি সরলরেখা একে অপরের সাথে মিলে গেছে
সমাপতিত রেখার ক্ষেত্রে প্রতিটি বিন্দু সাধারণ বিন্দু
ধরি,
প্রথম রেখার সমীকরণ = ax + by = c
দ্বিতীয় রেখার সমীকরণ = kax + kby = kc
অতএব,
দুটি সমীকরণ মূলত একই সমীকরণকে প্রকাশ করে
তাই চলকগুলোর অসংখ্য মান এই সমীকরণকে সিদ্ধ করে
সুতরাং,
রেখা দুটি সব বিন্দুতে একে অপরকে ছেদ করে
উত্তর: অসংখ্য
সঠিক উত্তর: C) ৮
প্রদত্ত তথ্য:
লগারিদম এর ভিত্তি হলো √৩ এবং সংখ্যাটি হলো ৮১
ধরি,
log_√৩ (৮১) = x
অতএব,
(√৩)^x = ৮১
সুতরাং,
(৩^(১/২))^x = ৩^৪
উত্তর: x = ৮
সঠিক উত্তর: C) ৬
প্রদত্ত তথ্য:
FLY শব্দটিতে মোট বর্ণের সংখ্যা ৩
শব্দটিতে কোনো বর্ণ পুনরাবৃত্তি নেই
ধরি,
মোট বর্ণের সংখ্যা = ৩
বিন্যাসের সূত্র অনুযায়ী মোট সাজানোর উপায় = ৩ এর ফ্যাক্টোরিয়াল
অতএব,
৩ এর ফ্যাক্টোরিয়াল = ৩ × ২ × ১
সুতরাং,
মোট সাজানোর উপায় = ৬
উত্তর: ৬
সঠিক উত্তর: B) ৫ ফুট
প্রদত্ত তথ্য:
বাঁশটির মোট দৈর্ঘ্য = ২৫ ফুট
ছোট অংশটি বড় অংশের ১/৮ অংশ
ধরি,
বড় অংশটি = ক ফুট
তাহলে ছোট অংশটি = ক ÷ ৮ ফুট
অতএব,
শর্তমতে, ক + (ক ÷ ৮) = ২৫
বা, (৮ক + ক) ÷ ৮ = ২৫
বা, ৯ক = ২৫ × ৮
সুতরাং,
৯ক = ২০০
ক = ২০০ ÷ ৯
উত্তর: ছোট অংশটির দৈর্ঘ্য ৫ ফুট
সঠিক উত্তর: A) প্রবৃদ্ধ কোণ
প্রদত্ত তথ্য:
কোণের পরিমাপ = ২৬০°
ধরি,
যে কোণের পরিমাপ ১৮০° অপেক্ষা বড় কিন্তু ৩৬০° অপেক্ষা ছোট তাকে প্রবৃদ্ধ কোণ বলে
অতএব,
২৬০° কোণটি ১৮০° এর চেয়ে বড়
সুতরাং,
এটি ৩৬০° এর চেয়ে ছোট একটি কোণ
উত্তর: প্রবৃদ্ধ কোণ
সঠিক উত্তর: C) ৯
প্রদত্ত তথ্য:
দুটি সংখ্যার যোগফল = ৬
আমাদের নির্ণয় করতে হবে সংখ্যা দুটির গুণফলের বৃহত্তম মান কত
ধরি,
প্রথম সংখ্যাটি = x
দ্বিতীয় সংখ্যাটি = y
এবং x + y = ৬
অতএব,
গুণফল xy এর মান সর্বোচ্চ হবে যখন সংখ্যা দুটি সমান হবে
যেহেতু x + y = ৬, তাই x = ৩ এবং y = ৩
সুতরাং,
সংখ্যা দুটির গুণফল = ৩ × ৩ = ৯
উত্তর: ৯
সঠিক উত্তর: B) n বর্গ
প্রদত্ত তথ্য:
ধারাটি হলো ১ + ৩ + ৫ + ...... + (২n − ১)
এটি একটি সমান্তর ধারা
ধরি,
প্রথম পদ a = ১
সাধারণ অন্তর d = ৩ − ১ = ২
অতএব,
ধري পদসংখ্যা = n
শেষ পদ = a + (n − ১)d = (২n − ১)
সুতরাং,
পদের সমষ্টির সূত্র এস = (n ÷ ২) × ২a + (n − ১)d
মান বসিয়ে পাই এস = (n ÷ ২) × ২ + (n − ১)২
উত্তর: n বর্গ
সঠিক উত্তর: B) ১৫°
প্রদত্ত তথ্য:
সময় = ৬টা বেজে ৩০ মিনিট
ঘণ্টার কাঁটার অবস্থান = ৬ ঘণ্টার ঘরে
মিনিটের কাঁটার অবস্থান = ৩০ মিনিট অর্থাৎ ৬ এর ঘরে
ধরি,
মিনিটের কাঁটা প্রতি মিনিটে কোণ ঘোরে ৬°
ঘণ্টার কাঁটা প্রতি মিনিটে কোণ ঘোরে শূন্য দশমিক পাঁচ ডিগ্রি
৬টা ৩০ মিনিটে ঘণ্টার কাঁটা ৬ এবং ৭ এর ঠিক মাঝখানে থাকে
অতএব,
৬টা বাজলে ঘণ্টা ও মিনিটের কাঁটার মধ্যবর্তী কোণ থাকে শূন্য ডিগ্রি
৩০ মিনিটে মিনিটের কাঁটা ঘোরে ৩০ × ৬° = ১৮০°
৩০ মিনিটে ঘণ্টার কাঁটা অতিরিক্ত ঘোরে ৩০ × শূন্য দশমিক পাঁচ ডিগ্রি = ১৫°
সুতরাং,
৬টা ৩০ মিনিটে কাঁটা দুটির মধ্যবর্তী কোণ হয় ঠিক ১৫°
উত্তর: ১৫°
সঠিক উত্তর: D) y : x
প্রদত্ত তথ্য:
অনুপাতটি হলো x : y
ধরি,
প্রথম রাশি = x
দ্বিতীয় রাশি = y
অতএব,
ব্যস্তানুপাত নির্ণয় করতে হলে পূর্বরাশি ও উত্তররাশি স্থান পরিবর্তন করবে
অর্থাৎ প্রথম রাশি চলে যাবে পরে এবং দ্বিতীয় রাশি আসবে প্রথমে
সুতরাং,
x : y এর ব্যস্তানুপাত হবে y : x
উত্তর: y : x
সঠিক উত্তর: B) ১
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম শর্ত হলো a এর পাওয়ার p সমান b
দ্বিতীয় শর্ত হলো b এর পাওয়ার q সমান c
তৃতীয় শর্ত হলো c এর পাওয়ার r সমান a
ধরি,
প্রথম সমীকরণ থেকে পাই a এর পাওয়ার p সমান b
এখন b এর মান দ্বিতীয় সমীকরণ থেকে বসিয়ে পাই a এর পাওয়ার p এবং q এর গুণফল সমান c
অতএব,
এখন c এর মান তৃতীয় সমীকরণ থেকে বসিয়ে পাই a এর পাওয়ার p, q এবং r এর গুণফল সমান a
এখানে a এর পাওয়ার কিছু নেই মানে এক ধরতে হবে
সুতরাং,
উভয় পক্ষ থেকে a ভিত্তি বাদ দিলে পাওয়া যায় p গুণ q গুণ r সমান এক
উত্তর: ১
সঠিক উত্তর: B) ৪১
কেন সঠিক:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের ৪১ অনুচ্ছেদে ধর্মীয় স্বাধীনতার অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে।
- এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রতিটি নাগরিকের যেকোনো ধর্ম অবলম্বন, পালন বা প্রচারের অধিকার রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২৩ — এটি রাষ্ট্রের সংস্কৃতির সংরক্ষণ ও উন্নয়নের সঙ্গে সম্পর্কিত, ধর্মীয় স্বাধীনতার সঙ্গে নয়।
B) ৪১ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই অনুচ্ছেদেই নাগরিকদের ধর্মীয় স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে।
C) ১২ — এটি ধর্মনিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতার নীতির সঙ্গে সম্পর্কিত হলেও নির্দিষ্ট অনুচ্ছেদ হিসেবে ৪১ সঠিক।
D) ৪৩ — এটি গৃহ ও যোগাযোগের নিরাপত্তার অধিকার সম্পর্কিত অনুচ্ছেদ, ধর্মীয় স্বাধীনতার নয়।
মনে রাখার টিপস:
সংবিধানের চার (৪) ও এক (১) মিলে হয় একচল্লিশ (৪১), যা আমাদের ধর্মের স্বাধীনতা নিশ্চিত করে।
সঠিক উত্তর: D) ব্রাসেলস
কেন সঠিক:
- ব্রাসেলস হলো বেলজিয়ামের রাজধানী এবং এটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রশাসনিক কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে।
- ইউরোপীয় ইউনিয়নের বেশিরভাগ গুরুত্বপূর্ণ প্রাতিষ্ঠানিক কার্যালয় এই শহরে অবস্থিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্যারিস — এটি ফ্রান্সের রাজধানী এবং ইউনেস্কোর সদর দপ্তর, ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদর দপ্তর নয়।
B) লন্ডন — এটি যুক্তরাজ্যের রাজধানী, যা ব্রেক্সিটের পর ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্যও নয়।
C) রোম — এটি ইতালির রাজধানী এবং জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার সদর দপ্তর এখানে অবস্থিত।
D) ব্রাসেলস — এটি সঠিক উত্তর কারণ ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রধান কার্যালয় এখানেই অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
ইউরোপের প্রাণকেন্দ্র বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসেই ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদর দপ্তর অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: C) জনশুমারি ও গৃহ গণনা
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ২০২২ সালে অনুষ্ঠিত দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারির আনুষ্ঠানিক নাম পরিবর্তন করে জনশুমারি ও গৃহ গণনা নির্ধারণ করে।
- ঐতিহ্যগত পরিভাষা আধুনিকায়ন এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে 'আদমশুমারি' শব্দটির পরিবর্তে 'জনশুমারি' শব্দটি গ্রহণ করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জনসংখ্যাশুমারী ও গৃহ গণনা — এটি কাছাকাছি শব্দ হলেও সরকারিভাবে প্রবর্তিত সঠিক প্রশাসনিক নাম নয়।
B) লোকশুমারী ও গৃহ গণনা — এটি অতীতকালের ব্যবহৃত অনানুষ্ঠানিক পরিভাষা, যা বর্তমান প্রাতিষ্ঠানিক নামকরণের সঙ্গে মেলে না।
C) জনশুমারি ও গৃহ গণনা — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো কর্তৃক অনুমোদিত বর্তমান সরকারি নাম।
D) কোনটিই নয় — যেহেতু অপশন সি তে সঠিক উত্তর বিদ্যমান, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
আদমশুমারি শব্দটি পরিবর্তন করে আধুনিক ও প্রমিত বাংলা শব্দ হিসেবে জনশুমারি ও গৃহ গণনা নাম রাখা হয়েছে।
সঠিক উত্তর: D) A ও B উভয়ই
কেন সঠিক:
- ২০২১ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন ফিলিপাইনের মারিয়া রেসা এবং রাশিয়ার দিমিত্রি মুরাতভ।
- গণতন্ত্র ও দীর্ঘস্থায়ী শান্তির পূর্বশর্ত হিসেবে বাকস্বাধীনতা রক্ষায় তাদের অসামান্য অবদানের জন্য যৌথভাবে এই পুরস্কার প্রদান করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মারিয়া রেসা — তিনি একা নন, রাশিয়ার দিমিত্রি মুরাতভের সঙ্গে যৌথভাবে এই পুরস্কার পেয়েছিলেন।
B) দিমিত্রি মুরাতভ — তিনি একা নন, ফিলিপাইনের মারিয়া রেসার সঙ্গে যৌথভাবে এই পুরস্কার পেয়েছিলেন।
C) পিটার হ্যান্ডকে — তিনি ২০১৯ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেছিলেন, ২০২১ সালের শান্তিতে নোবেল বিজয়ী নন।
D) A ও B উভয়ই — মারিয়া রেসা ও দিমিত্রি মুরাতভ দুজনেই ২০২১ সালে যৌথভাবে শান্তিতে নোবেল পেয়েছেন।
মনে রাখার টিপস:
শান্তি পুরস্কারের ক্ষেত্রে মনে রাখুন, মারিয়া ও দিমিত্রি দুই দেশের দুই সাংবাদিক ২০২১ সালে যৌথভাবে নোবেল পান।
সঠিক উত্তর: B) সিয়েরালিওন
কেন সঠিক:
- পশ্চিম আফ্রিকার দেশ সিয়েরালিওন ২০০২ সালে বাংলা ভাষাকে তাদের দ্বিতীয় বা দাপ্তরিক ভাষার মর্যাদা প্রদান করে।
- জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনীতে বাংলাদেশির অবদানের প্রতি সম্মান জানাতে দেশটির তৎকালীন প্রেসিডেন্ট এই ঘোষণা দেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লাইবেরিয়া — এটি আফ্রিকার একটি দেশ হলেও বাংলা ভাষাকে দাপ্তরিক মর্যাদা দেয়নি।
B) সিয়েরালিওন — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ দেশটি বাংলা ভাষাকে দ্বিতীয় ভাষার স্বীকৃতি দিয়েছে।
C) পর্তুগাল — ইউরোপের এই দেশ বাংলা ভাষাকে দ্বিতীয় বা দাপ্তরিক ভাষার মর্যাদা দেয়নি।
D) কোনটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশন বি তে বিদ্যমান, তাই এটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
সিয়েরালিওন এবং শান্তি রক্ষা, এই দুটি শব্দ মনে রাখলেই দেশের নাম সহজে মনে পড়বে।
সঠিক উত্তর: C) ১৯৪৯
কেন সঠিক:
- জেনেভা কনভেনশন মূলত যুদ্ধাপরাধ এবং যুদ্ধাহত সৈনিক ও বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষার জন্য প্রণীত আন্তর্জাতিক মানবিক আইন।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহতার পর ১৯৪৯ সালে সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় এই কনভেনশনটি স্বাক্ষরিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৬৪ — এই সালে জেনেভা কনভেনশন স্বাক্ষরিত হয়নি, এটি ১৯৪৯ সালের ঐতিহাসিক চুক্তি।
B) ১৯৬৭ — এই সালটি জেনেভা কনভেনশন স্বাক্ষরের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
C) ১৯৪৯ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই জেনেভা কনভেনশনের বর্তমান চারটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
D) ১৯৫৪ — এই সালে জেনেভা কনভেনশন স্বাক্ষরিত হয়নি, এটি সাংস্কৃতিক সম্পদ সংরক্ষণের হেগ কনভেনশনের সাল।
মনে রাখার টিপস:
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হওয়ার চার বছর পর অর্থাৎ ১৯৪৯ সালে যুদ্ধকালীন মানবতা সুরক্ষায় জেনেভা কনভেনশন স্বাক্ষরিত হয়।
সঠিক উত্তর: C) সুইজারল্যান্ড
কেন সঠিক:
- সুইজারল্যান্ড একটি নিরপেক্ষ রাষ্ট্র এবং ঐতিহাসিককাল থেকেই তারা সামরিক জোটে যোগ দেয় না।
- ন্যাটো একটি সামরিক জোট হওয়ায় সুইজারল্যান্ড এর সদস্যপদ গ্রহণ করেনি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইতালি — এটি ন্যাটোর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য রাষ্ট্রগুলোর অন্যতম এবং বর্তমান সামরিক জোটের অংশ।
B) তুরস্ক — এটি ১৯৫২ সালে ন্যাটোর সদস্যপদ লাভ করে এবং জোটের একটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক অংশীদার।
C) সুইজারল্যান্ড — এটি তার চিরস্থায়ী নিরপেক্ষ নীতির কারণে ন্যাটোর সদস্য নয়।
D) ইংল্যান্ড — এটি ন্যাটোর অন্যতম প্রধান প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং সামরিক জোটের প্রভাবশালী অংশ।
মনে রাখার টিপস:
সুইজারল্যান্ডের নিরপেক্ষ নীতি মনে রাখলে সহজেই বোঝা যায় তারা কোনো সামরিক জোটে নেই।
সঠিক উত্তর: C) ১৫
কেন সঠিক:
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ ৫টি স্থায়ী ও ১০টি অস্থায়ী সদস্য নিয়ে গঠিত।
- এই দুই প্রকার সদস্য মিলে নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য সংখ্যা ১৫ জন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৫ — এটি নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য দেশের সংখ্যা, মোট সদস্য সংখ্যা নয়।
B) ১০ — এটি নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য দেশের সংখ্যা, যা মোট সদস্য সংখ্যা নয়।
C) ১৫ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য সংখ্যা।
D) ২০ — এটি নিরাপত্তা পরিষদের কোনো নির্দিষ্ট সদস্য সংখ্যা নয়।
মনে রাখার টিপস:
স্থায়ী ৫ আর অস্থায়ী ১০ যোগ করলে ১৫ হয়, যা নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য সংখ্যা।
সঠিক উত্তর: C) 2021
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা লাভ করে, যার ৫০ বছর পূর্ণ হয় ২০২১ সালে।
- ১৯৭১ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত সময়কাল বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী হিসেবে উদযাপিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 2020 — এই বছরটি স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর বছর নয়, কারণ তখন স্বাধীনতার ৪৯ বছর পূর্ণ হয়েছিল।
B) 2022 — এই সালটি স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর পরবর্তী বছর, যখন দেশ স্বাধীনতার একান্নতম বছরে পদার্পণ করে।
C) 2021 — এটি সঠিক উত্তর, কারণ ১৯৭১ সালের স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্ণ হয়েছে এই সালে।
D) 2023 — এই সালটি সুবর্ণজয়ন্তীর পরের বছর, যা স্বাধীনতার বাষ্পীপূর্তি বা অন্য বর্ষের সঙ্গে সম্পর্কিত।
মনে রাখার টিপস:
স্বাধীনতার সাল ১৯৭১ এর সঙ্গে ৫০ যোগ করলেই সুবর্ণজয়ন্তীর বছর ২০২১ পাওয়া যায়।
সঠিক উত্তর: A) ৪৬ তম
কেন সঠিক:
- জো বাইডেন আমেরিকার ২০২০ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জয়লাভ করে ২০২১ সালের ২০ জানুয়ারি দেশটির ৪৬তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন।
- ডেমোক্রেটিক পার্টির এই নেতা এর আগে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪৮তম উপরাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৪৬ তম — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেছিলেন।
B) ৪৪ তম — এটি ভুল কারণ ৪৪তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট ছিলেন বারাক ওহমা।
C) ৪৭ তম — এটি ভুল কারণ জো বাইডেনের পর ২০২৪ সালের নির্বাচনে জয়ী হয়ে ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী প্রেসিডেন্ট হন।
D) ৪৮ তম — এটি ভুল কারণ জো বাইডেন নিজেই তার রাজনৈতিক জীবনে যুক্তরাষ্ট্রের ৪৮তম উপরাষ্ট্রপতি ছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
জো বাইডেনের নামের শেষ অংশ এবং সংখ্যা মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন বাইডেন মানেই ছিয়াচল্লিশতম প্রেসিডেন্ট।
সঠিক উত্তর: B) ৩২টি
কেন সঠিক:
- কাতার বিশ্বকাপ ছিল ইতিহাসের শেষ টুর্নামেন্ট যেখানে ৩২টি দল অংশগ্রহণ করেছিল।
- পরবর্তী ২০২৬ বিশ্বকাপ থেকে দলের সংখ্যা বাড়িয়ে ৪৮টি করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৩০টি — এটি কোনো ফিফা বিশ্বকাপের দল সংখ্যা নয়, তাই এটি সঠিক নয়।
B) ৩২টি — এটি কাতার বিশ্বকাপ ২০২২ সালের অংশগ্রহণকারী দলের সঠিক সংখ্যা।
C) ৩৪টি — ফিফা বিশ্বকাপে কখনো ৩৪টি দল অংশগ্রহণ করেনি।
D) ২৮টি — এটি বিশ্বকাপের অংশগ্রহণকারী দেশের নির্ধারিত সংখ্যা নয়।
মনে রাখার টিপস:
২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপে ৩২টি দল অংশ নিয়েছিল, যেখানে সংখ্যাটি মনে রাখতে ৩২ সংখ্যাটি মাথায় রাখুন।
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: B) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
কেন সঠিক:
- ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ সংবলিত স্মৃতিচিহ্ন এবং মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের অংশ হিসেবে ভবনটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থিত।
- বাঙালির স্বাধীনতা সংগ্রামের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট সংরক্ষণের জন্য এই ভবনটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় নির্মাণ করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় — এটি অন্য একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় হলেও এখানে ৭ই মার্চ ভবন অবস্থিত নয়।
B) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় — এই অপশনটি সঠিক এবং এখানেই ৭ই মার্চ ভবনটি অবস্থিত।
C) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় — এটি পুরান ঢাকায় অবস্থিত একটি বিশ্ববিদ্যালয়, যেখানে এই ভবনটি নেই।
D) খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় — এটি দেশের দক্ষিণ অঞ্চলে অবস্থিত একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়, যেখানে ৭ই মার্চ ভবন নেই।
মনে রাখার টিপস:
ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহাসিক গুরুত্ব মনে রাখলেই এই উত্তর সহজে মনে রাখা যায়।
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: D) হামিদুর রহমান
কেন সঠিক:
- ভাস্কর ও চিত্রশিল্পী হামিদুর রহমান ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের স্মরণে নির্মিত প্রথম কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের মূল নকশা তৈরি করেন।
- ১৯৫৬ সালে তাঁর নকশানুযায়ী শহীদ মিনারের নির্মাণকাজ শুরু হয় এবং এটি ১৯৫৭ সালে উদ্বোধন করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নিতুন কুন্ডু — তিনি একজন খ্যাতনামা চিত্রশিল্পী ও ভাস্কর হলেও কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের স্থপতি নন, তিনি বিখ্যাত অনেক ভাস্কর্যের স্রষ্টা।
B) শামীম শিকদার — তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলা ভাস্কর্যের স্থপতি, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সঙ্গে যুক্ত নন।
C) আমিনুল ইসলাম — তিনি দেশের একজন প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী ও আধুনিক শিল্পকলার প্রবক্তা, শহীদ মিনারের নকশার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নন।
D) হামিদুর রহমান — তিনি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের মূল নকশা প্রণয়নকারী প্রধান স্থপতি ও শিল্পী।
মনে রাখার টিপস:
শহীদ মিনারের নকশা করেছেন হামিদুর রহমান, এভাবে মনে রাখুন যে ভাষা শহীদদের স্মরণে চমৎকার (হামিদুর) নকশা করা হয়েছিল।
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: C) ৬ জন
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল গঠিত বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকারের মন্ত্রিসভার মোট সদস্য সংখ্যা ছিল ছয়জন।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে রাষ্ট্রপতি ও সৈয়দ নজরুল ইসলামকে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি করে এই মন্ত্রীপরিষদ গঠিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১০ জন — এটি ভুল তথ্য কারণ মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রিসভায় এত বেশি সদস্য ছিলেন না।
B) ৮ জন — এটি ভুল সংখ্যা, যা ঐতিহাসিক সত্যের সাথে মিলে না।
C) ৬ জন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই মন্ত্রীপরিষদে প্রধানমন্ত্রীসহ মোট মন্ত্রীর সংখ্যা ছিল ছয়জন।
D) ৪ জন — এটি ভুল কারণ চারজন শুধু মন্ত্রী পদের সংখ্যা নয়, সমগ্র মন্ত্রিসভার আকার ছয় সদস্যের ছিল।
মনে রাখার টিপস:
মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রিসভার সদস্য সংখ্যা মনে রাখতে সংখ্যাটি মনে রাখুন ছয়।
সঠিক উত্তর: A) ক্রিস গেইল
কেন সঠিক:
- ক্রিস গেইল আন্তর্জাতিক টি২০ ক্রিকেটের ইতিহাসে প্রথম সেঞ্চুরিয়ন এবং তিনি ২০০৭ সালের টি২০ বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে এই কীর্তি গড়েন।
- তিনি ওই ম্যাচে ৫৭ বলে ১১৭ রান করেছিলেন, যা আন্তর্জাতিক টি২০ ফরম্যাটের প্রথম শতক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ক্রিস গেইল — তিনি আন্তর্জাতিক টি২০ ক্রিকেটের প্রথম সেঞ্চুরিয়ন এবং এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
B) বিরাট কোহলী — তিনি ভারতের তারকা ব্যাটসম্যান হলেও টি২০ ক্রিকেটে প্রথম সেঞ্চুরিয়ন নন, তিনি অনেক পরে এই ফরম্যাটে সেঞ্চুরি করেন।
C) এ বি ডি ভিলিয়ার্স — তিনি দক্ষিণ আফ্রিকার মারকুটে ব্যাটসম্যান হলেও আন্তর্জাতিক টি২০ ক্রিকেটে প্রথম সেঞ্চুরিয়নের রেকর্ড তার নয়।
D) মার্টিন গাপটিল — তিনি নিউজিল্যান্ডের ওপেনার হলেও টি২০ ক্রিকেটে প্রথম শতক অর্জনের কৃতিত্ব তার নয়।
মনে রাখার টিপস:
টি২০ ক্রিকেটের প্রথম সেঞ্চুরির কথা মনে রাখতে ইউনিভার্স বস ক্রিস গেইলের নাম মনে রাখুন যিনি ২০০৭ বিশ্বকাপে প্রথম শতক হাঁকিয়েছিলেন।
সঠিক উত্তর: A) চীন
কেন সঠিক:
- চীন সাম্প্রতিক সময়ে বিশ্বের সবচেয়ে গভীর ও বৃহত্তম পাতাল ট্রেনের স্টেশন চালু করেছে।
- এই স্টেশনটি প্রকৌশল বিদ্যার এক অনন্য নিদর্শন যা যাতায়াত ব্যবস্থাকে আরও উন্নত করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চীন — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এই দেশটিই রেকর্ড গড় পাতাল স্টেশনটি নির্মাণ করেছে।
B) জাপান — জাপান উন্নত পাতাল ট্রেন ব্যবস্থার জন্য পরিচিত হলেও এই নির্দিষ্ট রেকর্ডটির অধিকারী নয়।
C) যুক্তরাজ্য — যুক্তরাজ্যের লন্ডন আন্ডারগ্রাউন্ড প্রাচীন হলেও এই নতুন ও গভীরতম স্টেশনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) ইতালি — ইতালি এই আধুনিক মেগা প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত নয়।
মনে রাখার টিপস:
গভীর ও বৃহত্তম পাতাল স্টেশন মানেই প্রযুক্তিতে এগিয়ে থাকা চীন দেশটিকে মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: D) ভার্জিনিয়া
কেন সঠিক:
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সদর দপ্তর পেন্টাগন দেশটির ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যের আর্লিংটন কাউন্টিতে অবস্থিত।
- এর স্থাপত্যশৈলী পঞ্চভুজাকৃতির এবং এটি বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম অফিস ভবন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নিউইয়র্ক — এটি যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান শহর ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র, প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর এখানে নয়।
B) ফ্লোরিডা — এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের একটি অঙ্গরাজ্য, যেখানে পেন্টাগন অবস্থিত নয়।
সি) শিকাগো — এটি ইলিনয় অঙ্গরাজ্যের একটি বিখ্যাত শহর, প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর পেন্টাগনের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
D) ভার্জিনিয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ পেন্টাগন এই অঙ্গরাজ্যের আর্লিংটনে অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
পেন্টাগন ভার্জিনিয়ায় অবস্থিত এটি মনে রাখতে প এবং ভ অক্ষর দুটি একসঙ্গে মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: B) শাপলা
কেন সঠিক:
- শাপলা বাংলাদেশের জাতীয় ফুল এবং এটি জাতীয় সংসদ ভবনের প্রতীক বা লোগো হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- সংসদ ভবনের স্থাপত্য নকশায় এবং প্রাতিষ্ঠানিক প্রতীকে পানির মধ্যে শাপলা ফুলের অবয়ব ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দোয়েল — দোয়েল বাংলাদেশের জাতীয় পাখি, তবে এটি জাতীয় সংসদের প্রতীক নয়।
B) শাপলা — এটি বাংলাদেশের জাতীয় ফুল এবং জাতীয় সংসদের প্রতীক।
C) পদ্মফুল — পদ্মফুল ভারতের জাতীয় ফুল, যা বাংলাদেশের সংসদের প্রতীক নয়।
D) বাঘ — রয়েল বেঙ্গল টাইগার বাংলাদেশের জাতীয় পশু, যা সংসদের প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয় না।
মনে রাখার টিপস:
সংসদে ফুল ফোটে, তাই জাতীয় সংসদের প্রতীক হলো জাতীয় ফুল শাপলা।
সঠিক উত্তর: C) ৪ বছর পর পর
কেন সঠিক:
- কমনওয়েলথ গেমস আন্তর্জাতিক একটি বহু-ক্রীড়া প্রতিযোগিতা যা প্রতি চার বছর পর পর অনুষ্ঠিত হয়।
- অলিম্পিক গেমসের মতো এই প্রতিযোগিতাও নির্ধারিত চার বছর পরপর কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর অংশগ্রহণে আয়োজিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২ বছর পর পর — এই বিরতিতে কমনওয়েলথ গেমস অনুষ্ঠিত হয় না, এটি ভুল তথ্য।
B) ৩ বছর পর পর — এই ব্যবধানে অলিম্পিক বা কমনওয়েলথ কোনো প্রধান আন্তর্জাতিক গেমস অনুষ্ঠিত হয় না।
C) ৪ বছর পর পর — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
D) ৫ বছর পর পর — পাঁচ বছরের ব্যবধানে এই গেমস আয়োজনের কোনো নিয়ম আন্তর্জাতিক ক্রীড়া সংস্থায় নেই।
মনে রাখার টিপস:
অলিম্পিক ও কমনওয়েলথ দুটি বড় ক্রীড়া আসরই সাধারণত চার বছর পর পর অনুষ্ঠিত হয়।
সঠিক উত্তর: A) ডলফিন
১. কেন সঠিক:
- ডলফিন দেখতে মাছের মতো হলেও এটি মাছ নয়, বরং জলচর স্তন্যপায়ী প্রাণী।
- স্তন্যপায়ী প্রাণীর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এরা বাতাস থেকে অক্সিজেন নেওয়ার জন্য ফুসফুস ব্যবহার করে এবং সন্তান প্রসব করে মায়ের দুধ পান করায়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: যেসকল প্রাণী উষ্ণশোণিত, ফুসফুসের সাহায্যে শ্বাসকার্য চালায় এবং জন্মদানের পর মাতৃস্তন্যের দুগ্ধ পান করে তাদের স্তন্যপায়ী বলে।
- কার্যপ্রণালি: সামুদ্রিক স্তন্যপায়ী হওয়া সত্ত্বেও ডলফিনের ফুলকা থাকে না, তাই পানির উপরিভাগে এসে মাথার ওপরের ব্লোহোল বা ছিদ্র দিয়ে বাতাস গ্রহণ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নীল তিমি
ব্যাখ্যা: নীল তিমিও ডলফিনের মতো একটি বিশাল আকৃতির সামুদ্রিক স্তন্যপায়ী প্রাণী যা ফুসফুসের মাধ্যমে শ্বাস নেয়।
উদাহরণ ২: বাদুড়
ব্যাখ্যা: বাদুড় আকাশে ওড়ে কিন্তু এটি পাখি নয়, বরং স্তন্যপায়ী প্রাণী কারণ এটি সন্তান প্রসব করে এবং দুধ খাওয়ায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ডলফিন — এটি স্তন্যপায়ী প্রাণী হওয়ায় সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে।
B) হাঙ্গর — হাঙ্গর একটি তরুণাস্থিময় মাছ, যা ফুলকার সাহায্যে শ্বাস নেয় এবং ডিম পাড়ে।
C) ব্যাঙ — ব্যাঙ উভচর শ্রেণির প্রাণী, যা জীবনের শুরুতে পানিতে এবং পরবর্তীতে ডাঙ্গায় বাস করে।
D) ঈগল — ঈগল পাখি বা পক্ষী শ্রেণির প্রাণী, যা ডিম পাড়ে এবং ডানার সাহায্যে ওড়ে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- পানিতে থাকে কিন্তু মাছ নয় এমন প্রাণী হলো তিমি ও ডলফিন, এরা আসলে স্তন্যপায়ী।
- ডলফিনের ফুলকা নেই বরং ফুসফুস আছে, তাই এটি পানিতে ডুবে গেলে মারা যায় এবং বাতাস নিতে উপরে আসে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ডলফিন কোন শ্রেণির প্রাণী এমন প্রশ্ন বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
- তিমি, ডলফিন এবং বাদুড় কোন শ্রেণির প্রাণী, তা ভালোভাবে মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) 0.03
১. কেন সঠিক:
বায়ুমণ্ডলে কার্বন-ডাই-অক্সাইডের স্বাভাবিক পরিমাণ শতকরা শূন্য দশমিক শূন্য তিন ভাগ।
এটি উদ্ভিদের খাদ্য প্রস্তুত করার কাজে প্রধান ভূমিকা পালন করে এবং পৃথিবীর তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: বায়ুমণ্ডল হলো বিভিন্ন গ্যাসের মিশ্রণ যেখানে নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন প্রধান গ্যাস।
কার্বন-ডাই-অক্সাইড: এটি একটি ভারী গ্রিনহাউস গ্যাস যা সমগ্র বায়ুমণ্ডলের একটি ক্ষুদ্র অংশ দখল করে আছে।
বাস্তব প্রয়োগ: এই নির্দিষ্ট পরিমাণটি উদ্ভিদকুলের টিকে থাকা এবং গ্রিনহাউস প্রভাবের মাধ্যমে পৃথিবীর উষ্ণতা বজায় রাখার জন্য অত্যন্ত উপযুক্ত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়া
ব্যাখ্যা: উদ্ভিদ বায়ুমণ্ডল থেকে এই শূন্য দশমিক শূন্য তিন ভাগ কার্বন-ডাই-অক্সাইড গ্রহণ করে সূর্যের আলোর সাহায্যে খাদ্য তৈরি করে।
উদাহরণ ২: গ্রিনহাউস প্রভাব
ব্যাখ্যা: বায়ুমণ্ডলে এই গ্যাসের পরিমাণ নির্দিষ্ট থাকায় পৃথিবী অতিরিক্ত ঠান্ডা বা গরম হওয়া থেকে রক্ষা পায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 0.3 — এই মানটি বায়ুমণ্ডলের কার্বন-ডাই-অক্সাইডের পরিমাণের তুলনায় অনেক বেশি এবং এটি বৈজ্ঞানিক তথ্যের সাথে মিলে না।
B) 0.41 — বর্তমানে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে এই গ্যাস সামান্য বাড়লেও আদর্শ পাঠ্যবইয়ের প্রশ্ন অনুযায়ী এটি সঠিক নয়।
D) 0.8 — এই মানটি অত্যন্ত বেশি এবং এমন পরিমাণ বায়ুমণ্ডলে থাকলে গ্রহের তাপমাত্রা অসহনীয় হতো।
৫ মনে রাখার টিপস:
শূন্য দশমিক শূন্য তিন সংখ্যাটি মনে রাখলে বায়ুমণ্ডলের কার্বন-ডাই-অক্সাইডের সঠিক শতাংশ সহজে মনে রাখা যায়।
জীববিজ্ঞানের সালোকসংশ্লেষণ অধ্যায় পড়ার সময় এই গ্যাসটির শতকরা হার বারবার চর্চা করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বায়ুমণ্ডলে সবচেয়ে বেশি গ্যাস হলো নাইট্রোজেন যা প্রায় আটাত্তর শতাংশ।
এই ধরনের প্রশ্ন থেকে বায়ুমণ্ডলের অন্যান্য গ্যাস যেমন অক্সিজেন ও আর্গনের শতকরা হার থেকেও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: D) সাইট্রিক এসিড
১. কেন সঠিক:
লেবু জাতীয় ফলে প্রচুর পরিমাণে সাইট্রিক এসিড থাকে যা এসিটিক বা অন্যান্য এসিড থেকে আলাদা।
এই জৈব এসিডটি লেবুর টক স্বাদের জন্য সরাসরি দায়ী এবং এটি উদ্ভিদদেহে প্রাকৃতিকভাবে উৎপাদিত হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: সাইট্রিক এসিড একটি দুর্বল জৈব এসিড যার রাসায়নিক সংকেত হলো C6H8O7।
কার্যপ্রণালি: লেবুর কোষে অবস্থিত ভ vacuoles অংশে এই এসিড জমা হয় এবং এর পিএইচ মান কম হওয়ার কারণে এটি টক স্বাদযুক্ত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কাগজি লেবু বা পাতি লেবু।
ব্যাখ্যা: এই লেবুগুলোতে সাইট্রিক এসিড থাকে যা ভিটামিন সি এর সাথে মিশून আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
উদাহরণ ২: কমলা লেবু বা মাল্টা।
ব্যাখ্যা: এগুলো লেবুর প্রজাতির ফল হওয়ায় এদের মধ্যেও সাইট্রিক এসিড প্রধান জৈব এসিড হিসেবে উপস্থিত থাকে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) টারটারিক এসিড — এটি প্রধানত তেঁতুল এবং কাঁচা আঙ্গুরে পাওয়া যায়, লেবুতে নয়।
B) এসিটিক এসিড — এটি ভিনেগারের মূল উপাদান যা ইথানল থেকে গাঁজন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তৈরি হয়।
C) ম্যালিক এসিড — এটি প্রধানত কাঁচা আপেল এবং নাশপাতিতে বেশি পরিমাণে পাওয়া যায়।
D) সাইট্রিক এসিড — এটি লেবু, কমলা এবং অন্যান্য সাইট্রাস জাতীয় ফলের প্রধান এসিড।
৫ মনে রাখার টিপস:
লেবু বা সাইট্রাস জাতীয় ফল থেকে সাইট্রিক এসিড মনে রাখা খুব সহজ।
লেবুর ইংরেজি নাম Lemon এবং সাইট্রাস ফলের শুরু C অক্ষর দিয়ে, তাই সাইট্রিক এসিড নামটি মনে রাখা সহজ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভিন্ন ফলে উপস্থিত এসিডের নাম প্রায়ই আসে।
একই রকম অন্য প্রশ্নে তেঁতুলে টারটারিক এসিড এবং ভিনেગারে এসিটিক এসিড থাকে—এই তথ্যগুলোও মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: A) বোরন
১. কেন সঠিক:
- গাছে ফল ধরতে ও পাকতে দেরি হয় মূলত বোরন নামক উদ্ভিদের অপরিহার্য পুষ্টি উপাদানের অভাবে।
- বোরন উদ্ভিদের পরাগায়ন, ফুল ফোটা এবং ফল ধরার প্রক্রিয়া স্বাভাবিক রাখতে সরাসরি সাহায্য করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: উদ্ভিদের বৃদ্ধির জন্য বোরন একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা অতিপ্রয়োজনীয় লঘum পুষ্টি উপাদান।
- কার্যপ্রণালি: এটি উদ্ভিদের শর্করার স্থানান্তর, কোষ বিভাজন এবং পরাগরেণু উৎপাদনে প্রধান ভূমিকা পালন করে।
- কারণ ও ফলাফল: বোরনের অভাবে পরাগায়ন ব্যাহত হয়, ফুল ঝরে পড়ে এবং ফল ধরতে ও পাকতে অস্বাভাবিক দেরি হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সরিষা বা সূর্যমুখী খেঁতে বোরনের ঘাটতি দেখা দিলে ফুল আসে না এবং ফল বা বীজ গঠন বিঘ্নিত হয়।
ব্যাখ্যা: এর ফলে কৃষকরা আশানুরূপ ফলন পান না এবং ফসল পাকতে নির্ধারিত সময়ের চেয়ে বেশি সময় নেয়।
উদাহরণ ২: ফলবাগানে আম বা পেয়ারা গাছে বোরন প্রয়োগ করলে সময়মতো ফুল ও ফল আসে।
ব্যাখ্যা: এটি সঠিক সময়ে পুষ্টি সরবরাহ নিশ্চিত করে গাছের বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করে এবং ফল দ্রুত পাকার উপযোগী হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বোরন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অভাবে উদ্ভিদের প্রজনন প্রক্রিয়া ব্যাহত হয় এবং ফল ধরতে ও পাকতে দেরি হয়।
B) ফসফরাস — এই অপশন ভুল কারণ ফসফরাস উদ্ভিদের শিকড় বৃদ্ধিতে এবং শক্তি হস্তান্তরে সহায়তা করে।
C) ম্যাগনেসিয়াম — এই অপশন ভুল কারণ ম্যাগনেসিয়াম ক্লোরোফিলের মূল উপাদান এবং এটি সালোকসংশ্লেষণে মুখ্য ভূমিকা পালন করে।
D) সালফার — প্রশ্নে প্রদত্ত এই উত্তরটি বৈজ্ঞানিকভাবে সঠিক নয়, কারণ সালফার প্রধানত প্রোটিন ও অ্যামিনো এসিড তৈরিতে কাজ করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ফুল ও ফল ধরা সংক্রান্ত সমস্যা মানেই বোরনের অভাব হিসেবে মনে রাখতে হবে।
- উদ্ভিদ পুষ্টির মাইক্রোনিউট্রিয়েন্টগুলোর মধ্যে বোরন প্রজনন দশায় সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- উদ্ভিদের মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা লঘু পুষ্টি উপাদানের অভাবজনিত লক্ষণ থেকে প্রায়ই বিসিএস ও শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে।
- একই ধারণা থেকে অন্য প্রশ্ন আসতে পারে যে কোন উপাদানের অভাবে ফুলের পরাগরেণু অঙ্কুরোদগম ব্যাহত হয়।
সঠিক উত্তর: C) জোসেফ প্রিস্টলি
১. কেন সঠিক:
- ব্রিটিশ রসায়নবিদ জোসেফ প্রিস্টলি ১৭৭৪ সালে মার্কারিক অক্সাইডকে উত্তপ্ত করে অক্সিজেন গ্যাস আবিষ্কার করেন।
- তিনি এই গ্যাসের নাম দিয়েছিলেন ডিফ্লোজিস্টকেটেড এয়ার এবং এর দহন সহায়ক গুণাবলি আবিষ্কার করেন।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: অক্সিজেন হলো একটি বর্ণহীন, গন্ধহীন এবং স্বাদহীন মৌলিক গ্যাস যার রাসায়নিক প্রতীক ও এবং পারমাণবিক সংখ্যা ৮।
- কার্যপ্রণালি: প্রিস্টলি সূর্যের আলো ও উত্তরের সাহায্যে মার্কারিক অক্সাইডকে বিয়োজিত করে অক্সিজেন গ্যাস পৃথক করতে সক্ষম হন।
- বাস্তব প্রয়োগ: বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেনের উপস্থিতির কারণেই পৃথিবীতে জীবের শ্বাসকার্য এবং যেকোনো বস্তু পোড়ানো সম্ভব হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মানুষের শ্বাসক্রিয়া
ব্যাখ্যা: মানুষ ফুসফুসের মাধ্যমে বাতাস থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করে যা রক্তে মিশে শরীরের কোষে শক্তি উৎপাদনে সাহায্য করে।
উদাহরণ ২: মোমবাতি জ্বালানো
ব্যাখ্যা: খোলা বাতাসে মোমবাতি জ্বললেও কাচের গ্লাস চাপা দিলে অক্সিজেনের অভাবে তা নিভে যায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জর্জেস — জর্জেস ক্যভিয়ে বা অন্য কোনো বিজ্ঞানী অক্সিজেন আবিষ্কারের সঙ্গে যুক্ত নন।
B) ভ্যানহেলমেন্ট — তিনি উদ্ভিদতত্ত্ব ও গ্যাসের ধারণার ওপর কাজ করলেও অক্সিজেন আবিষ্কার করেননি।
C) জোসেফ প্রিস্টলি — ইনি অক্সিজেন গ্যাস প্রথম পরীক্ষাগারে সফলভাবে প্রস্তুত ও আবিষ্কার করেন।
D) ক্যাভেন্ডিস — হেনরি ক্যাভেন্ডিস হাইড্রোজেন গ্যাস আবিষ্কার করেছিলেন কিন্তু অক্সিজেন নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- প্রিস্টলি প্রদীপ জ্বেলে অক্সিজেন আবিষ্কার করলেন এই ছলে।
- অক্সিজেনের আদ্যক্ষর ও দিয়ে প্রিস্টলির পি মনে রাখতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- অক্সিজেন নামকরণ করেন ফরাসি রসায়নবিদ অ্যান্টোইন ল্যাভয়সিয়ে।
- একই প্রশ্ন থেকে ল্যাভয়সিয়ের নাম বা আবিষ্কারের সাল ১৭৭৪ সাল সংক্রান্ত প্রশ্নও পরীক্ষায় আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: B) DP = TP / TA
১. কেন সঠিক:
জনসংখ্যার ঘনত্ব বলতে বোঝায় প্রতি একক এলাকায় কতজন মানুষ বসবাস করে। মোট জনসংখ্যাকে মোট ভূখণ্ডের ক্ষেত্রফল দিয়ে ভাগ করলে এই ঘনত্ব নির্ণয় করা যায়।
২. ভৌগোলিক তথ্য:
জনসংখ্যা ও জনবসতি: কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চলে মানুষের বসতি স্থাপনের তীব্রতা ও বিস্তৃতি নির্দেশ করে।
ক্ষেত্রফল ও ঘনত্ব: সাধারণত প্রতি বর্গকিলোমিটারে বসবাসরত মানুষের সংখ্যা হিসেবে জনঘনত্ব প্রকাশ করা হয়।
৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা:
উদাহরণ ১: বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা: বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যাকে দেশের মোট আয়তন দিয়ে ভাগ করে জনসংখ্যার ঘনত্ব বের করা হয়, যা বিশ্বে অন্যতম সর্বোচ্চ।
উদাহরণ ২: কানাডা
ব্যাখ্যা: কানাডার আয়তন বিশাল হলেও জনসংখ্যা তুলনামূলক কম হওয়ায় এর জনসংখ্যার ঘনত্ব অনেক কম।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) DP = TR / TP — এটি জনসংখ্যার ঘনত্বের সঠিক সূত্র নয় কারণ এখানে মোট রাজস্ব বা অন্য কোনো চলক ব্যবহার করা হয়েছে।
B) DP = TP / TA — এটি সঠিক কারণ মোট জনসংখ্যাকে মোট এলাকা দিয়ে ভাগ করা হয়েছে।
C) DP = TP / TR — এটি সঠিক নয় কারণ এখানে এলাকার পরিবর্তে অন্য কোনো পরিমাপ ব্যবহার করা হয়েছে।
D) DP = TD / TA — এটি জনসংখ্যার ঘনত্বের সূত্র নয় কারণ মোট দূরত্বের সঙ্গে এলাকার কোনো সরাসরি সম্পর্ক নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
ঘনত্ব বের করার সহজ নিয়ম হলো উপরে থাকবে মানুষ বা মোট জনসংখ্যা আর নিচে থাকবে এলাকা বা ক্ষেত্রফল। সংক্ষেপে টিপি ভাগ টিএ মনে রাখতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
জনসংখ্যার ঘনত্ব পরিমাপের একক হলো প্রতি বর্গকিলোমিটার। বিসিএস পরীক্ষায় এই সূত্র বা এর প্রয়োগ থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: D) ভারত ও নেপাল
১. কেন সঠিক:
- কালাপানি অঞ্চলটি ভারত ও নেপালের মধ্যে একটি বিতর্কিত ভূখণ্ড।
- নেপাল দাবি করে যে ১৯১৬ সালের সুগৌলী চুক্তি অনুযায়ী এই অঞ্চলের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত মহাকালী নদীই তাদের পশ্চিম সীমান্ত নির্ধারণ করে।
২. ভৌগোলিক তথ্য:
- অবস্থান: উত্তরাখণ্ড রাজ্যের কুমাওন অঞ্চলের পিথোরাগড় জেলায় অবস্থিত।
- বৈশিষ্ট্য: এটি হিমালয় পর্বতমালার কোলে অবস্থিত একটি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ উচ্চ পাহাড়ি এলাকা।
৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা:
উদাহরণ ১: লিপুলেখ পাস
ব্যাখ্যা: কালাপানি অঞ্চলের কাছাকাছি অবস্থিত এই গিরিপথটি ভারত, নেপাল ও তিব্বতের ত্রিসীমান্তে অবস্থিত হওয়ায় এর ভূরাজনৈতিক গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি।
উদাহরণ ২: সুগৌলী চুক্তি
ব্যাখ্যা: ১৮১৬ সালে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ও নেপালের মধ্যে স্বাক্ষরিত এই চুক্তি বর্তমান ভারত ও নেপালের সীমানা নির্ধারণের মূল ভিত্তি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পাকিস্তান ও চীন — এই দুই দেশের মধ্যে কালাপানি অঞ্চলটি অবস্থিত নয় এবং এটি তাদের সীমান্ত বিরোধের অন্তর্ভুক্ত নয়।
B) ভুটান ও ভারত — এই দুটি দেশের মধ্যে কালাপানি নিয়ে কোনো বিতর্ক নেই এবং ভৌগোলিকভাবে এটি অন্য অঞ্চলে অবস্থিত।
C) বাংলাদেশ ও ভারত — এই দুই দেশের মধ্যে স্থল সীমান্ত ও সমুদ্রসীমা সংক্রান্ত বিভিন্ন চুক্তি থাকলেও কালাপানি এর মধ্যে পড়ে না।
D) ভারত ও নেপাল — এই অপশনটি সঠিক কারণ এই দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যেই কালাপানি অঞ্চলের সার্বভৌমত্ব নিয়ে ভূরাজনৈতিক বিরোধ রয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- কালাপানি বিতর্ক মনে রাখতে নেপালের মানচিত্রের পশ্চিম সীমানা এবং ভারতের উত্তরাখণ্ডের পিথোরাগড় জেলার অবস্থান একসঙ্গে মনে রাখতে হবে।
- সুগৌলী চুক্তি এবং মহাকালী নদী এই বিরোধের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনৈতিক দ্বন্দ্ব এবং সীমান্ত সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে।
- মহাকালী নদী কোন দুই দেশের সীমান্ত নির্ধারণ করে, এই ধরনের প্রশ্নও এই তথ্য থেকে কমন পড়তে পারে।
সঠিক উত্তর: C) ওয়েলিংটন
১. কেন সঠিক:
- ওয়েলিংটন নিউজিল্যান্ডের রাজধানী এবং এটি দেশের দ্বিতীয় সর্বাধিক জনবহুল শহราঞ্চল।
- এটি উত্তর দ্বীপের দক্ষিণ প্রান্তে কুক প্রণালির তীরে অত্যন্ত কৌশলগত ও মনোরম ভৌগোলিক অবস্থানে অবস্থিত।
২. ভৌগোলিক তথ্য:
- অবস্থান: ওশেনিয়া মহাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত নিউজিল্যান্ড দেশের উত্তর দ্বীপের দক্ষিণ প্রান্তে এই রাজধানী অবস্থিত।
- বৈশিষ্ট্য: এটি বিশ্বের অন্যতম দক্ষিণাঞ্চলীয় সার্বভৌম রাজধানী এবং প্রবল বাতাসের জন্য একে উইন্ডি ওয়েলিংটন বলা হয়।
৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা:
উদাহরণ ১: ক্যানবেরা
ব্যাখ্যা: অস্ট্রেলিয়ার রাজধানী ক্যানবেরা যেমন দেশের সবচেয়ে বড় শহর সিডনি বা মেলবোর্ন নয়, তেমনি নিউজিল্যান্ডের রাজধানী অকল্যান্ড না হয়ে ওয়েলিংটন হয়েছে।
উদাহরণ ২: ওয়াশিংটন ডিসি
ব্যাখ্যা: যুক্তরাষ্ট্র বা অস্ট্রেলিয়ার মতো নিউজিল্যান্ডেও বাণিজ্যিক রাজধানী এক শহর হলেও প্রশাসনিক রাজধানী আলাদা শহর হিসেবে গড়ে উঠেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অকল্যান্ড — এটি নিউজিল্যান্ডের বৃহত্তম শহর এবং প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র হলেও দেশের রাজধানী নয়।
B) আমস্টারডাম — এটি নেদারল্যান্ডসের রাজধানী, ওশেনিয়া অঞ্চলের দেশ নয়।
D) ম্যানিলা — এটি ফিলিপাইনের রাজধানী, যা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় অবস্থিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
অনেকে ভুল করে অকল্যান্ডকে নিউজিল্যান্ডের রাজধানী মনে করেন, কারণ এটি সবচেয়ে বড় শহর। মনে রাখবেন, যেমন অস্ট্রেলিয়ার রাজধানী সিডনি নয় ক্যানবেরা, তেমনি নিউজিল্যান্ডের রাজধানী অকল্যান্ড নয় ওয়েলিংটন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দেশ ও রাজধানীর ক্ষেত্রে বৃহত্তম শহর এবং রাজধানীর পার্থক্য নিয়ে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। নিউজিল্যান্ডের মুদ্রার নাম কি এবং এর প্রধান দুটি দ্বীপের নাম কী, তা জেনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: D) কর্ণফুলী
১. কেন সঠিক:
বাংলাদেশের একমাত্র কৃত্রিম হ্রদ কাপ্তাই হ্রদ তৈরির জন্য কর্ণফুলী নদীতে বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছিল।
১৯৫৯ সালে রাঙ্গামাটি জেলার কাপ্তাই নামক স্থানে এই বাঁধ নির্মাণের ফলে সৃষ্টি হয় সুবিশাল এই জলরাশি।
২. ভৌগোলিক তথ্য:
অবস্থান: রাঙ্গামাটি জেলায় অবস্থিত কর্ণফুলী নদীর ওপর এই কৃত্রিম হ্রদটি বিস্তৃত।
বৈশিষ্ট্য: এটি দেশের বৃহত্তম কৃত্রিম জলাধার এবং এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো জলবিদ্যুৎ উৎপাদন করা।
সংশ্লিষ্ট তথ্য: কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের মাধ্যমে এখান থেকে দেশের একটি বড় অংশে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়।
৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা:
উদাহরণ ১: তিব্বত থেকে উৎপন্ন হয়ে কর্ণফুলী নদী পার্বত্য চট্টগ্রাম হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
ব্যাখ্যা: এই নদীর গতিপথের মাঝেই কাপ্তাই নামক স্থানে বাঁধ দিয়ে কৃত্রিম হ্রদটি সৃষ্টি করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: কৃত্রিম হ্রদ হলো এমন জলাধার যা মানবসৃষ্ট বাঁধ বা খালের মাধ্যমে প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট নয় বরং তৈরি করা হয়।
ব্যাখ্যা: কাপ্তাই হ্রদ মানুষের তৈরি বাঁধের কারণে গঠিত হয়েছে বলে এটি কৃত্রিম হ্রদের উৎকৃষ্ট উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সাঙ্গু — এটি একটি প্রাকৃতিক নদী যা বান্দরবান ও চট্টগ্রাম অঞ্চলের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
B) তিস্তা — এটি একটি প্রধান নদী যা ভারত থেকে বাংলাদেশে প্রবেশ করে ব্রহ্মপুত্রের সঙ্গে মিলিত হয়েছে।
C) পদ্মা — এটি গঙ্গার প্রধান শাখা নদী যা বাংলাদেশের অন্যতম দীর্ঘ ও প্রধান নদী হিসেবে পরিচিত।
D) কর্ণফুলী — এই নদীর ওপর বাঁধ দিয়েই কাপ্তাই কৃত্রিম হ্রদ তৈরি করা হয়েছে এবং এটি সঠিক উত্তর।
৫. মনে রাখার টিপস:
কর্ণফুলী নদীর ক অক্ষর দিয়ে কাপ্তাই হ্রদ মনে রাখা সহজ হয়।
কৃত্রিম হ্রদ মানেই কাপ্তাই এবং নদী হলো কর্ণফুলী।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কাপ্তাই হ্রদ কোন জেলায় অবস্থিত এবং এটি কোন নদীর ওপর নির্মিত এই দুটি প্রশ্ন পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
একই ধারণা থেকে নদীর নাম, বাঁধের নাম এবং জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র সম্পর্কিত প্রশ্ন থাকতে পারে।
সঠিক উত্তর: C) কানাডা
১. কেন সঠিক:
- কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে ভৌগোলিক আয়তনের দিক থেকে কানাডা সবচেয়ে বড় দেশ।
- উত্তর আমেরিকা মহাদেশের উত্তরভাগে অবস্থিত এই দেশটির মোট আয়তন প্রায় এক কোটি বর্গকিলোমিটারের বেশি।
২. ভৌগোলিক তথ্য:
- অবস্থান: উত্তর আমেরিকা মহাদেশের উত্তরাঞ্চলে অবস্থিত এবং এর উত্তরে আর্টিক মহাসাগর রয়েছে।
- বৈশিষ্ট্য: এটি বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ এবং কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে আয়তনে প্রথম স্থানে রয়েছে।
৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা:
উদাহরণ ১: রাশিয়া
ব্যাখ্যা: রাশিয়া বিশ্বের বৃহত্তম দেশ হলেও এটি কমনওয়েলথভুক্ত দেশ নয়, তাই কানাডা কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে শীর্ষস্থানে রয়েছে।
উদাহরণ ২: অস্ট্রেলিয়া
ব্যাখ্যা: অস্ট্রেলিয়া একটি মহাদেশীয় দেশ এবং কমনওয়েলথভুক্ত হলেও আয়তনে কানাডার চেয়ে ছোট।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অস্ট্রেলিয়া — এটি কমনওয়েলথভুক্ত একটি দেশ এবং ওশেনিয়া অঞ্চলের বৃহত্তম দেশ হলেও আয়তনে কানাডার চেয়ে অনেক ছোট।
B) ভারত — এটি দক্ষিণ এশিয়ার একটি বিশাল দেশ এবং কমনওয়েলথভুক্ত হলেও আয়তনের দিক থেকে কানাডার পরে অবস্থান করে।
C) কানাডা — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে সর্ববৃহৎ।
D) দক্ষিণ আফ্রিকা — এটি আফ্রিকান মহাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ কমনওয়েলথ দেশ কিন্তু আয়তনে কানাডার তুলনায় অনেক ক্ষুদ্র।
৫. মনে রাখার টিপস:
কমনওয়েলথভুক্ত বড় দেশগুলোর ক্ষেত্রে উত্তর আমেরিকার ঠাণ্ডা দেশ কানাডাকে সবার আগে মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিশ্বের বৃহত্তম দেশগুলোর আয়তন এবং কমনওয়েলথভুক্ত শীর্ষ দেশগুলো থেকে প্রায়ই বিসিএস ও ব্যাংক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: B) Eye
১. কেন সঠিক:
সিডর শব্দটি শ্রীলঙ্কার প্রস্তাবিত এবং এর অর্থ চোখ। ২০০৭ সালের ১৫ নভেম্বর বাংলাদেশে আঘাত হানা প্রলয়ঙ্কারী ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড়টির নামকরণ করা হয়েছিল এই শব্দানুসারে।
২. ভৌগোলিক তথ্য:
অবস্থান: বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চল এবং এর উপকূলবর্তী দেশ বিশেষ করে বাংলাদেশ ও ভারত।
বৈশিষ্ট্য: ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রের শান্ত ও মেঘমুক্ত অংশকে চোখ বা আই বলা হয়।
কারণ ও প্রভাব: ঘূর্ণিঝড়ের তীব্রতা ও বাতাসের ঘূর্ণন গতির কারণে এর কেন্দ্রস্থলে নিম্নচাপের সৃষ্টি হয় যা চোখের মতো দেখায়।
৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা:
উদাহরণ ১: ২০০৭ সালের ঘূর্ণিঝড় সিডর
ব্যাখ্যা: এই ঘূর্ণিঝড়টি সুন্দরবনের উপকлеূলে আঘাত হেনেছিল এবং এর নাম দিয়েছিল শ্রীলঙ্কা।
উদাহরণ ২: আইলা বা আম্পান
ব্যাখ্যা: এগুলিও বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হওয়া বিভিন্ন দেশের নামকৃত শক্তিশালী ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Cyclone — সাইক্লোন বা ঘূর্ণিঝড় হলো একটি আবহাওয়াজনিত প্রাকৃতিক দুর্যোগ যা এই শব্দের সরাসরি অর্থ নয়।
B) Eye — এটি সঠিক উত্তর কারণ সিডর শব্দের আক্ষরিক অর্থ চোখ।
C) Ear — এটি শরীরের একটি অঙ্গের নাম যার সাথে এই ঘূর্ণিঝড়ের কোনো সম্পর্ক নেই।
D) Wind — উইন্ড বা বাতাস হলো ঘূর্ণিঝড়ের একটি উপাদান কিন্তু সিডর শব্দের অর্থ বাতাস নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
সিডর মানে চোখ মনে রাখতে সি দিয়ে সাইক্লোন এবং চোখ বা আই এর কথা মাথায় রাখতে হবে। শ্রীলঙ্কা এই নামটি দিয়েছিল।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ঘূর্ণিঝড় সিডর কত সালে আঘাত হেনেছিল এবং সিডর শব্দের অর্থ কী তা বিসিএসসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণের উৎস সম্পর্কেও প্রশ্ন থাকতে পারে।
সঠিক উত্তর: A) বিপরীত
১. কেন সঠিক:
'অপমান' শব্দটিতে 'অপ' উপসর্গটি মূল শব্দ 'মান'-এর সঙ্গে যুক্ত হয়ে বিপরীত অর্থ প্রকাশ করেছে। এখানে 'মান' শব্দের অর্থ সম্মান বা সমাদর, আর 'অপ' উপসর্গ যুক্ত হয়ে তার বিপরীত অর্থ অর্থাৎ অসম্মান বা অবমাননা বুঝিয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে উপসর্গ হলো কিছু অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে এবং অর্থের সংকোচন, সম্প্রসারণ বা পরিবর্তন ঘটায়। 'অপ' একটি তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ যা বিভিন্ন অর্থে যেমন বিপরীত, মন্দ, অভাব ইত্যাদি অর্থে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অপকর্ষ
ব্যাখ্যা: এখানে 'অপ' উপসর্গটি নিকৃষ্ট বা অবনতি অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে, যা উৎকর্ষ শব্দের বিপরীত।
উদাহরণ ২: অপব্যয়
ব্যাখ্যা: এখানে 'অপ' উপসর্গটি অতিরিক্ত বা কু অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে, যা সঠিক ব্যয়ের বিপরীত রূপ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিপরীত — এই অপশনটি সঠিক কারণ 'অপ' উপসর্গ এখানে 'মান' শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করেছে।
B) নিকৃষ্ট — এই অপশনটি ভুল কারণ 'অপ' এখানে নিকৃষ্ট অর্থে বসেনি, যদিও কিছু ক্ষেত্রে 'অপ' নিকৃষ্ট অর্থ প্রকাশ করতে পারে।
C) বিকৃত — এই অপশনটি ভুল কারণ 'অপমান' শব্দে বিকৃতি বোঝানো হয়নি, বরং সম্মানের উল্টো দিক বা বিপরীত বোঝানো হয়েছে।
D) অভাব — এই অপশনটি ভুল কারণ 'অপ' উপসর্গ এখানে কোনো কিছুর অনুপস্থিতি বা অভাব প্রকাশ করছে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
মান শব্দের আগে অপ বসলে তার বিপরীত অর্থ অপমান হয়, যা থেকে মনে রাখতে হবে এখানে অপ বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। সমার্থক বা বিপরীতার্থক উপসর্গযুক্ত শব্দগুলো জোড়ায় জোড়ায় পড়লে পরীক্ষার হলে খুব সহজে উত্তর করা সম্ভব।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
উপসর্গ সাধারণত শব্দের অর্থের পরিবর্তন বা নতুন শব্দ তৈরিতে ব্যবহৃত হয় এবং বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গ চেনার প্রশ্ন প্রায়ই আসে। তাই তৎসম উপসর্গের কুড়িটি উপসর্গ এবং সেগুলোর অর্থ ভালোভাবে মুখস্থ রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: B) উপন্যাসের নাম
১. কেন সঠিক:
- শেষের কবিতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি বিখ্যাত ও জনপ্রিয় উপন্যাস।
- এই উপন্যাসের নামের মধ্যে কবিতা শব্দটি থাকলেও এটি কোনো কাব্যগ্রন্থ বা কবিতা নয়, বরং একটি গদ্য সাহিত্যকর্ম।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রতিভা যিনি কবিতা, গান, ছোটগল্প ও উপন্যাসসহ সব শাখায় অবদান রেখেছেন।
- শেষের কবিতা উপন্যাসটি ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয় এবং এর প্রধান দুটি চরিত্র অমিত ও লাবণ্য অত্যন্ত জনপ্রিয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চোখের আলো
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যার নামের সাথে আলোর সম্পর্ক থাকলেও এটি গদ্য সাহিত্যকর্ম।
উদাহরণ ২: যোগাযোগ
ব্যাখ্যা: এটিও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা পারিবারিক দ্বন্দ্ব ও মনস্তাত্ত্বিক সংকটের ওপর রচিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কবিতা সংকলনের নাম — শেষের কবিতা নামে কোনো কবিতা সংকলন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নেই।
B) উপন্যাসের নাম — এটি সঠিক অপশন কারণ শেষের কবিতা একটি উপন্যাস।
C) গল্পসংকলনের নাম — এটি কোনো ছোটগল্পের সংকলন নয়, একটি পূর্ণাঙ্গ উপন্যাস।
D) কবিতার নাম — নামের শেষে কবিতা থাকলেও এটি কোনো পৃথক কবিতা নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- শেষের কবিতায় কবিতা শব্দটি থাকলেও মনে রাখবে এটি রবীন্দ্রনাথের একটি আধুনিক রোমান্টিক উপন্যাস।
- অমিত ও লাবণ্য জুটির কথা মনে রাখলে সহজেই একে উপন্যাস হিসেবে চিহ্নিত করা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিভ্রান্ত করার জন্য উপন্যাসের নামে কবিতা বা গল্প শব্দ রাখা হয়।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত উপন্যাসগুলোর নাম যেমন যোগাযোগ, শেষের কবিতা, নৌকাডুবি ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) সাধারণ দ্বন্দ্ব
১. কেন সঠিক:
- দ্বন্দ্ব সমাসে পূর্বপদ ও পরপদ উভয়ের অর্থের সমান প্রাধান্য থাকে এবং ব্যাসবাক্যে একটি সংযোজক অব্যয় যেমন ও, এবং, আর ব্যবহৃত হয়।
- ছেলে-মেয়ে শব্দটির ব্যাসবাক্য করলে দাঁড়ায় ছেলে ও মেয়ে, যেখানে উভয় পদের অর্থই প্রধানভাবে প্রতীত হয় এবং এটি সাধারণ দ্বন্দ্ব সমাসের নিয়মাধীন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে সমাসে উভয় পদের অর্থই প্রধান থাকে এবং মাঝখানে সংযোজক অব্যয় লুকায়িত থাকে তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে।
- ব্যাসবাক্যে এবং, ও, আর অব্যয় পদ ব্যবহৃত হলে এবং পূর্বপদ ও পরপদ ভিন্নার্থক হলে তাকে সাধারণ দ্বন্দ্ব সমাস বলা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মাতা-পিতা
ব্যাখ্যা: মাতা ও পিতা। এটি সাধারণ দ্বন্দ্ব সমাসের একটি বহুল ব্যবহৃত উদাহরণ যেখানে দুটি স্বাধীন পদের মিলন ঘটেছে।
উদাহরণ ২: হাত-পা
ব্যাখ্যা: হাত ও পা। অঙ্গবাচক এই দুটি ভিন্ন শব্দের মিলনেও সাধারণ দ্বন্দ্ব সমাস গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অলুক দ্বন্দ্ব — যে দ্বন্দ্ব সমাসের কোনো পদের বিভক্তি লোপ পায় না, তাকে অলুক দ্বন্দ্ব বলে যেমন ঘেরে-বাড়ি। কিন্তু ছেলে-মেয়ে শব্দে কোনো বিভক্তি যুক্ত ছিল না।
B) সাধারণ দ্বন্দ্ব — এটি সঠিক অপশন কারণ এখানে সাধারণ নিয়মে ও অব্যয় ব্যবহার করে ব্যাসবাক্য করা হয় এবং কোনো বিভক্তি বা পদের লোভ ঘটে না।
C) একশেষ দ্বন্দ্ব — যে দ্বন্দ্ব সমাসে একাধিক পদের মিলন ঘটে কিন্তু শেষে কেবল একটি পদ অবশিষ্ট থাকে তাকে একশেষ দ্বন্দ্ব বলে যেমন তুমি ও আমি সমান আমরা।
D) সমার্থক দ্বন্দ্ব — সমার্থক বা প্রায় সমার্থক শব্দ মিলে যে দ্বন্দ্ব সমাস হয় তাকে সমার্থক দ্বন্দ্ব বলে যেমন হাট-বাজার। কিন্তু ছেলে ও মেয়ে সমার্থক নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- যে দ্বন্দ্ব সমাসে বিভক্তি লোপ পায় না তা অলুক এবং যেখানে দুটি ভিন্নার্থক পদের মাঝখানে ও বা এবং বসে তাকে সাধারণ দ্বন্দ্ব বলে মনে রাখবে।
- সাধারণ দ্বন্দ্ব সমাস চেনার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো এর ব্যাসবাক্যে ও বা এবং বসানো যায় এবং উভয় পদই আলাদা অর্থ প্রকাশ করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধারণ দ্বন্দ্ব সমাসের উদাহরণ প্রায়ই আসে, তাই পদের অর্থ এবং সংযোজক অব্যয়ের ব্যবহার ভালো করে খেয়াল করতে হবে।
- সমাস নির্ণয়ের সময় প্রথমে দেখতে হবে পদ দুটির অর্থ প্রধান কি না এবং তাদের মাঝে ও বা এবং যোগ করা যায় কি না।
সঠিক উত্তর: A) যৌগিক বাক্য
১. কেন সঠিক:
- যে বাক্যে দুই বা ততোধিক সরল বা মিশ্র বাক্য অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়ে একটি সম্পূর্ণ বাক্য গঠন করে, তাকে যৌগিক বাক্য বলে।
- প্রদত্ত বাক্যে 'তার বয়স বেড়েছে' এবং 'বুদ্ধি বাড়েনি' এই দুটি স্বাধীন খণ্ডবাক্য 'কিন্তু' অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- যৌগিক বাক্যে খণ্ডবাক্যগুলো একে অপরের ওপর নির্ভরশীল নয়, বরং স্বাধীনভাবে অর্থ প্রকাশ করতে পারে।
- এবং, কিন্তু, অথচ, কিংবা, অথবা, অতএব ইত্যাদি সংযোগকারী অব্যয় সাধারণত যৌগিক বাক্যে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সে অনেক পড়াশোনা করেছে কিন্তু পরীক্ষায় পাস করতে পারেনি।
ব্যাখ্যা: এখানে দুটি স্বাধীন বাক্য 'সে অনেক পড়াশোনা করেছে' এবং 'পরীক্ষায় পাস করতে পারেনি' অংশ দুটি 'কিন্তু' অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়েছে।
উদাহরণ ২: সকাল হলো এবং পাখিগুলো গান গাইতে শুরু করল।
ব্যাখ্যা: এখানে দুটি খণ্ডবাক্য 'সকাল হলো' এবং 'পাখিগুলো গান গাইতে শুরু করল' পরস্পর স্বাধীন এবং 'এবং' অব্যয় দ্বারা যুক্ত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) যৌগিক বাক্য — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাক্যটিতে দুটি স্বাধীন খণ্ডবাক্য সংযোজক অব্যয় দ্বারা যুক্ত আছে।
B) সরল বাক্য — সরল বাক্যে একটিমাত্র কর্তা এবং একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে, কিন্তু এখানে দুটি খণ্ডবাক্য আছে।
C) মিশ্র বাক্য — মিশ্র বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্যের ওপর এক বা একাধিক নির্ভরশীল বা আশ্রিত খণ্ডবাক্য থাকে।
D) সাধারণ বাক্য — এটি সরল বাক্যের অপর নাম এবং প্রদত্ত বাক্যটির গঠন এর সঙ্গে মেলে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বাক্যের মধ্যে এবং, কিন্তু, অথচ, কিংবা দেখলে চোখ বন্ধ করে যৌগিক বাক্য চিহ্নিত করবে।
- দুটি স্বাধীন বাক্য যখন মাঝখানে অব্যয় দিয়ে জোড়া থাকে, তখন তা যৌগিক বাক্য হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য রূপান্তর বা বাক্য চিহ্নিতকরণ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- খণ্ডবাক্যের পারস্পরিক নির্ভরতা এবং সংযোগকারী অব্যয় চেনার মাধ্যমে সহজেই বাক্য নির্ণয় করা যায়।
সঠিক উত্তর: C) নিরত
১. কেন সঠিক:
- 'বিরত' শব্দের অর্থ নিবৃত থাকা, বিরত থাকা বা কোনো কাজ থেকে দূরে থাকা।
- এর বিপরীতে কোনো কাজে লিপ্ত থাকা বা সর্বদা যুক্ত থাকাকে 'নিরত' বলা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বিপরীতার্থক শব্দ মূলত ব্যাকরণের শব্দার্থ তত্ত্বের অন্তর্ভুক্ত।
- উপসর্গ বা শব্দের গঠনগত বিপরীত অর্থের মাধ্যমে এই শব্দগুলো গঠিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সচল
ব্যাখ্যা: সচল শব্দের বিপরীত শব্দ অচল, যা গতির বিপরীত অবস্থাকে নির্দেশ করে।
উদাহরণ ২: সক্রিয়
ব্যাখ্যা: সক্রিয় শব্দের বিপরীত শব্দ নিষ্ক্রিয়, যা কাজের প্রতি উদাসীনতা বোঝায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আরত — এটি কোনো প্রমিত বাংলা শব্দ নয়।
B) না-রত — এটি বিপরীত শব্দ গঠনের প্রমিত নিয়ম নয়।
D) নিবৃত — এটি 'বিরত' শব্দের সমার্থক শব্দ, বিপরীত শব্দ নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বিরতি মানে বিরতি নেওয়া, আর নিরন্তর মানে কাজ চালিয়ে যাওয়া।
- বি দিয়ে শুরু শব্দের বিপরীত সাধারণত নি দিয়ে মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিপরীতার্থক শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- মূল শব্দের অর্থ ভালোভাবে বুঝতে পারলে বিপরীত শব্দ নির্ণয় সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: B) বুদ্ধিজীবী
১. কেন সঠিক:
- বুদ্ধিজীবী বানানটিতে প্রথম অংশ বুদ্ধি এবং দ্বিতীয় অংশ জীবী।
- জীবী শব্দটি গঠিত হয়েছে জীব ধাতু এবং ইন প্রত্যয় যোগে, যার দীর্ঘ ঈ-কার যুক্ত হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী সংস্কৃত অতৎসম বা তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে জীবী প্রত্যয়যুক্ত শব্দে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করতে হয়।
- এই নিয়মেজীবী শব্দের শেষ বর্ণে দীর্ঘ ঈ-কার এবং তার আগের বর্ণেও দীর্ঘ ঈ-কার বসে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আইনজীবী
ব্যাখ্যা: আইন এবংজীবী মিলে আইনজীবী শব্দটি গঠিত হয় এবং একই নিয়মে দীর্ঘ ঈ-কার গ্রহণ করে।
উদাহরণ ২: প্রতিযোগী
ব্যাখ্যা: প্রতিযোগী শব্দটিতেও জীবী প্রত্যয়ের প্রভাবে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহৃত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বুদ্ধিজিরি — এখানে শেষের অংশে জি এবং রি ব্যবহার করা হয়েছে যা সম্পূর্ণ অশুদ্ধ ও অর্থহীন।
B) বুদ্ধিজীবী — এটি সঠিক বানান এবং বাংলা একাডেমি কর্তৃক অনুমোদিত প্রমিত রূপ।
C) বুদ্ধিজীবি — এখানে শেষ বর্ণে হ্রস্ব ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা প্রমিত বানানরীতির নিয়ম অনুযায়ী ভুল।
D) বুদ্ধীজীবী — এখানে প্রথম অংশের বুদ্ধিতে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বুদ্ধিজীবী শব্দটি লেখার সময় মনে রাখবে এর ভেতরে এবং শেষে দুই জায়গাতেই দীর্ঘ ঈ-কার বসে।
- জীবী লেখার সময় জ-এ দীর্ঘ ঈ-কার এবং ব-এ দীর্ঘ ঈ-কার দিতে হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই বানানটি প্রায়ই আসে এবং পরীক্ষার্থীরা শেষের ই-কার ও দীর্ঘ ঈ-কার নিয়ে বিভ্রান্ত হয়।
-জীবী প্রত্যয়যুক্ত সব শব্দ যেমন আইনজীবী, চক্রজীবী ইত্যাদির ক্ষেত্রেও একই বানানরীতি অনুসরণ করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) চণ্ডীদাস
১. কেন সঠিক:
- এই বিখ্যাত পঙক্তিটি মধ্যযুগের পদাবলী সাহিত্য এবং শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
- চণ্ডীদাস মানবতাবাদকে ধর্মের চেয়েও বড় স্থান দিয়েছেন, যা এই বাণীর মূল ভাব।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- চর্যাপদের পর মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে বৈষ্ণব পদাবলীর অন্যতম প্রধান কবি হলেন চণ্ডীদাস।
- সহজ-সরল ভাষায় মানবপ্রেম ও মানবতার জয়গান গাওয়ার জন্য তিনি বাংলা সাহিত্যে অমর হয়ে আছেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চণ্ডীদাসের পদাবলী
ব্যাখ্যা: এই পদাবলীতে রাধা-কৃষ্ণের প্রেমের আড়ালে মূলত মানবাত্মার মুক্তির কথা বলা হয়েছে।
উদাহরণ ২: বিদ্যাপতির পদাবলী
ব্যাখ্যা: বিদ্যাপতি মৈথিলি ভাষার কবি হলেও বাংলা সাহিত্যে তাঁর বিশেষ অবদান রয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চণ্ডীদাস — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি মানবতাবাদী দর্শনের এই অমর বাণী প্রচার করেছিলেন।
B) রামকৃষ্ণপরমহংস — ইনি ১৯ শতকের একজন আধ্যাত্মিক সাধক ছিলেন, তাই প্রাচীন এই পঙক্তির রচয়িতা নন।
C) বিদ্যাপতি — ইনি মৈথিলি ভাষার কবি ছিলেন এবং তাঁর রচনার মূল সুর ভিন্ন ছিল।
D) বিবেকানন্দ — ইনি আধুনিক যুগের ধর্ম সংস্কারক ও সন্ন্যাসী ছিলেন, তাই মধ্যযুগের এই বাণীর সঙ্গে সম্পর্কিত নন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মানবতাবাদী বাণী দেখলে মধ্যযুগের কবি চণ্ডীদাসকে মনে রাখবে।
- মানুষ সত্য কথাটি দিয়ে চণ্ডীদাসের পদ মনে রাখা সহজ হয়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের প্রথম নিদর্শন শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য এবং এর রচয়িতা বড়ু চণ্ডীদাস।
- মানবতাবাদের জয়গান গায়ক হিসেবে চণ্ডীদাস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একজন কবি।
সঠিক উত্তর: A) বিদ্রোহী
১. কেন সঠিক:
এই চরণটি কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত বিদ্রোহী কবিতার অংশ যা বাংলা কবিতায় এক অনন্য বিদ্রোহী সত্তার প্রকাশ ঘটায়। এখানে কবি একহাতে শান্তি ও আনন্দের প্রতীক বাঁশরী এবং অন্যহাতে ধ্বংস ও সংগ্রামের প্রতীক রণতূর্য ধারণ করার মাধ্যমে সাম্য ও দ্রোহের অপূর্ব সমন্বয় ফুটিয়ে তুলেছেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
কাজী নজরুল ইসলাম বাংলাদেশের জাতীয় কবি যিনি বাংলা সাহিত্যে বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত এবং তার লেখনীতে পরাধীনতা ও শোষণের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ ফুটে উঠেছে। ১৯২১ সালের ডিসেম্বর মাসে প্রকাশিত বিদ্রোহী কবিতাটি তার অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত যা বাংলা সাহিত্যজগতে এক বিশাল আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মম ললাটে জয়টীকা ঝোলে মহামানবের টিকি
ব্যাখ্যা: এটিও বিদ্রোহী কবিতার একটি বিখ্যাত চরণ যেখানে কবি নিজের বিজয়ের গৌরব ও মহিমার কথা প্রকাশ করেছেন।
উদাহরণ ২: আমি চিরদুর্দান্ত রক্তচোষা মোসলমান
ব্যাখ্যা: এই চরণে কবির আত্মপরিচয় এবং তার বিদ্রোহী মনোভাবের তীব্র প্রকাশ ঘটেছে যা একই কবিতার অংশ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিদ্রোহী — এটি সঠিক উত্তর কারণ আলোচ্য চরণটি এই কবিতারই অন্তর্ভুক্ত।
B) প্রলয়োল্লাস — এটি অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের প্রথম কবিতা যা ধ্বংসের মধ্য দিয়ে নতুন সৃষ্টির আশাবাদ নিয়ে রচিত।
C) চৈতী হাওয়া — এটি নজরুলের কোনো বিখ্যাত বিদ্রোহী কবিতার নাম নয় বরং এটি অন্য ধারার একটি সৃষ্টি।
D) ধূমকেতু — এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রকাশিত একটি বিখ্যাত অর্ধসাপ্তাহিক পত্রিকা যার সঙ্গে এই কবিতার সরাসরি কোনো মিল নেই।
৫ মনে রাখার টিপস:
নজরুলের বিদ্রোহী কবিতার বিখ্যাত চরণ মনে রাখতে মনে রাখবে যে একহাতে বাঁশি আর অন্যহাতে তূর্য ধারণ করার কথা শুধু বিদ্রোহী কবিতাতেই বলা হয়েছে। অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের সবচেয়ে আলোচিত কবিতা হলো এই বিদ্রোহী।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিদ্রোহী কবিতাটি কাজী নজরুল ইসলামের অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত এবং এটি প্রকাশিত হয় ১৯২১ সালে। এই ধরনের সাহিত্যিক উদ্ধৃতিমূলক প্রশ্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে তাই কবিতার নাম ও কবির নাম ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) বর্ণ বিপর্যয়
১. কেন সঠিক:
- শব্দের মধ্যে থাকা দুটি বর্ণ বা ধ্বনি নিজেদের স্থান পরিবর্তন বা অদলবদল করলে তাকে বর্ণ বিপর্যয় বলে।
- প্রদত্ত প্রশ্নে 'লাফ' শব্দটির ল এবং ফ বর্ণ দুটি স্থান পরিবর্তন করে 'ফাল' রূপ লাভ করেছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- পাশাপাশি বা দূরবর্তী দুটি বর্ণ নিজেদের অবস্থান পরস্পর পরিবর্তন করলে ধ্বনি পরিবর্তনের এই প্রক্রিয়াকে ভাষাবিজ্ঞানে বর্ণ বিপর্যয় বা অক্ষর বিপর্যয় বলা হয়।
- মুখের সহজ উচ্চারণের সুবিধার্থে মানুষ অনেক সময় শব্দের ভেতরের বর্ণগুলোকে উল্টে বা বদলে ফেলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাক্স > বাস্কা
ব্যাখ্যা: এখানে ক এবং স বর্ণ দুটি নিজেদের অবস্থান পরিবর্তন করে নতুন রূপ নিয়েছে।
উদাহরণ ২: পিশাচ > পিছাচ
ব্যাখ্যা: এখানে শ এবং চ বর্ণ দুটি স্থান পরিবর্তন করে বর্ণ বিপর্যয়ের সৃষ্টি করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অপিনিহিতি — যুক্তধ্বনির আগের ই-কার বা উ-কার আগে উচ্চারিত হলে তাকে অপিনিহিতি বলে, যা এখানে ঘটেনি।
B) বর্ণ বিপর্যয় — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে বর্ণ নিজেদের স্থান পরিবর্তন করেছে।
C) সমীভবন — শব্দের দুটি ভিন্ন ধ্বনি একে অপরের প্রভাবে সমান বা কাছাকাছি হওয়াকে সমীভবন বলে।
D) বিপ্রকর্ষ — যুক্তবর্ণের উচ্চারণ সহজ করার জন্য মাঝে অতিরিক্ত স্বরধ্বনি আসার প্রক্রিয়াকে বিপ্রকর্ষ বলে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বর্ণ বিপর্যয় মানেই বর্ণগুলোর মধ্যে স্থান পরিবর্তন বা ওলটপালট হওয়া।
- লাফ শব্দ উল্টে ফাল হওয়ার ঘটনাটি বর্ণ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে বিপর্যয় নির্দেশ করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধ্বনি পরিবর্তনের এই উদাহরণটি অত্যন্ত জনপ্রিয়।
- শব্দের ভেতরের বর্ণগুলোর পারস্পরিক অবস্থান বদল দেখলে চোখ বুজে বর্ণ বিপর্যয় দাগাতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) আদিত্য
১. কেন সঠিক:
'সূর্য' শব্দের সমার্থক বা প্রতিশব্দ হলো আদিত্য। অিতি মাতার পুত্রদের একত্রে আদিত্য বলা হয় এবং এদের মধ্যে সূর্য অন্যতম প্রধান দেবতা।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ভাষায় সমার্থক শব্দ হলো এমন সব শব্দ যাদের অর্থ প্রায় সমান বা একই। সমার্থক শব্দ চেনার মাধ্যমে প্রার্থীর শব্দভান্ডার ও ভাষার প্রয়োগ দক্ষতা যাচাই করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দিবাকর
ব্যাখ্যা: দিবাকর শব্দের অর্থ দিন করেন যিনি বা সূর্য।
উদাহরণ ২: তপন
ব্যাখ্যা: তপন শব্দের অর্থ যা উত্তাপ দেয় বা সূর্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সুধাংশু — এটি চন্দ্র বা চাঁদের প্রতিশব্দ, যার অর্থ সুধা বা অমৃত রংশন করেন যিনি।
B) শশাঙ্ক — এটিও চন্দ্র বা চাঁদের প্রতিশব্দ, কারণ চাঁদের গায়ে শশক বা খরগোশের আকৃতির দাগ আছে।
C) আদিত্য — এটি সঠিক উত্তর এবং সূর্যের সমার্থক শব্দ।
D) বিধু — এটি চন্দ্র বা চাঁদের আরেকটি সমার্থক শব্দ।
৫ মনে রাখার টিপস:
সূর্যের সমার্থক শব্দগুলো মনে রাখার সহজ উপায় হলো রবি, দিনমণি, ভাস্কর, ভানু, দিবাকর ও আদিত্য নামগুলো একসঙ্গে চর্চা করা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সূর্য ও চন্দ্রের সমার্থক শব্দগুলো প্রায়ই একসঙ্গে অপশনে দিয়ে বিভ্রান্ত করা হয়। তাই রবি ও আদিত্য দেখলে সূর্য এবং সুধাংশু ও বিধু দেখলে চাঁদ হিসেবে চিহ্নিত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) সাফল্য লাভের উপায়
১. কেন সঠিক:
- 'স্বর্গের সিঁড়ি' একটি সুপরিচিত বাংলা বাগধারা, যার অর্থ কোনো কাজে চূড়ান্ত বা বড় ধরনের সাফল্য লাভের উপায়।
- সিঁড়ি যেমন মানুষকে ওপরে উঠতে সাহায্য করে, তেমনি এই বাগধারাটি জীবনের কোনো বড় লক্ষ্য বা সাফল্য অর্জনের মাধ্যমকে বোঝায়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দগুচ্ছ, যা তাদের সাধারণ বা আভিধানিক অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভাবার্থ প্রকাশ করে।
- বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে বাগধারা ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং ভাবকে সংক্ষেপে ও আকর্ষণীয়ভাবে প্রকাশ করতে সাহায্য করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিসিএস ক্যাডার হওয়া যেন তার জীবনে সাফল্যের সিঁড়ি।
ব্যাখ্যা: এখানে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জনের মাধ্যম হিসেবে বাগধারাটির প্রয়োগ দেখানো হয়েছে।
উদাহরণ ২: কঠোর পরিশ্রমই জীবনের সাফল্যের সিঁড়ি।
ব্যাখ্যা: জীবনে বড় হতে হলে পরিশ্রম যে একমাত্র মাধ্যম, তা বোঝাতে এটি ব্যবহার করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) স্বর্গ লাভের উপায় — এটি বাগধারাটির আভিধানিক বা অগভীর অর্থ, কিন্তু প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এর রূপক বা আসল ভাবার্থ ধরতে হয়।
B) স্বর্গে যাওয়ার পথ — এটিও আভিধানিক অর্থ প্রকাশ করে, যা রূপক অর্থে ব্যবহৃত বাগধারার মূল উদ্দেশ্যের সঙ্গে মেলে না।
C) সাফল্য লাভের উপায় — এটি সঠিক ভাবার্থ হওয়ায় প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মানদণ্ডে এটিই সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে।
D) অলীক কল্পনা — এটি অন্য একটি বাগধারা যেমন আকাশকুসুম বা কুম্ভীরাশ্রু এর অর্থ হতে পারে, কিন্তু স্বর্গের সিঁড়ির অর্থ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সিঁড়ি দিয়ে মানুষ যেমন ওপরে ওঠে, তেমনি জীবনে ওপরে ওঠা বা সাফল্য পাওয়ার মাধ্যমকেই স্বর্গের সিঁড়ি বলা হয়।
- আভিধানিক অর্থ বাদ দিয়ে এর রূপক বা অন্তর্নিহিত অর্থ মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারার ক্ষেত্রে আভিধানিক অর্থের চেয়ে অন্তর্নিহিত বা ভাবার্থ বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
- এই ধরনের প্রশ্ন সমাধানের জন্য বাগধারার উৎস ও প্রমিত অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) মীর মশাররফ হোসেন
১. কেন সঠিক:
- মীর মশাররফ হোসেন ব্যঙ্গাত্মক ও সমাজসংস্কারমূলক লেখালেখির জন্য গাজি মিঞা ছদ্মনামটি ব্যবহার করতেন।
- তাঁর বিখ্যাত আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ গাজী মিঞার বস্তানী লেখার ক্ষেত্রে তিনি এই ছদ্মনামটি গ্রহণ করেছিলেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মীর মশাররফ হোসেন বাংলা সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক।
- তাঁর বিষাদ সিন্ধু মহাকাব্যিক উপন্যাস বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি হিসেবে বিবেচিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিষাদ সিন্ধু
ব্যাখ্যা: এটি মীর মশাররফ হোসেনের সবচেয়ে বিখ্যাত ঐতিহাসিক উপন্যাস যা কারবালার বিষাদময় ঘটনার ওপর রচিত।
উদাহরণ ২: জমিদার দর্পণ
ব্যাখ্যা: এটি নীলকর সাহেবদের অত্যাচারের বিরুদ্ধে রচিত তাঁর একটি জনপ্রিয় ও প্রতিবাদী নাটক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কায়কোবাদ — এটি কবি কাজেম আল কোরেশীর সাহিত্যিক নাম, যিনি মহাশ্মশান মহাকাব্যের জন্য পরিচিত।
B) ইসমাইল হোসেন সিরাজি — তিনি একজন মুসলিম সাহিত্যিক ও রাজনীতিবিদ যিনি অনলদূত কাব্যগ্রন্থের জন্য পরিচিত।
D) নজিবুর রহমান — তিনি আনোয়ারা উপন্যাসের রচয়িতা হিসেবে বিখ্যাত একজন জনপ্রিয় ঔপন্যাসিক।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মীর মশাররফ হোসেনের বস্তানী বা আত্মজীবনীর সঙ্গে গাজি মিঞা নামটি যুক্ত করে সহজে মনে রাখা যায়।
- ছদ্মনামের ক্ষেত্রে লেখকের আসল নামের সঙ্গে সাহিত্যকর্মের সংযোগ মনে রাখা পরীক্ষার জন্য খুব দরকারী।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকদের ছদ্মনাম প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
- বাংলা উপন্যাসের ইতিহাস ও লেখকদের ছদ্মনাম আলাদা করে একটি তালিকা তৈরি করে পড়লে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে কমন পাওয়া যায়।
সঠিক উত্তর: D) আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
১. কেন সঠিক:
- 'রেইনকোট' ছোটগল্পটির রচয়িতা প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক আখতারুজ্জামান ইলিয়াস।
- এটি বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধকালীন পটভূমিতে রচিত একটি অত্যন্ত শক্তিশালী ও মনস্তাত্ত্বিক ছোটগল্প।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- আখতারুজ্জামান ইলিয়াস বাংলা কথাসাহিত্যের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র যিনি তাঁর বাস্তবধর্মী রচনা এবং অনন্য গদ্যশৈলীর জন্য পরিচিত।
- ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ঢাকা কলেজের এক সাধারণ শিক্ষকের মানসিক পরিবর্তন এবং পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে অবচেতন প্রতিবাদের প্রতীক হিসেবে রেইনকোট গল্পটি রচিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অপুষ্ট বয়েসি লতাটি
ব্যাখ্যা: এটি আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের একটি বিখ্যাত ছোটগল্প।
উদাহরণ ২: চিলেকোঠার সেপাই
ব্যাখ্যা: এটি আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের একটি অনবদ্য উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হুমায়ূন আহমেদ — তিনি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের জনপ্রিয় ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার হলেও 'রেইনকোট' তাঁর লেখা গল্প নয়।
B) আলাউদ্দিন আল আজাদ — তিনি বিখ্যাত 'উত্তরাধিকার' উপন্যাসের রচয়িতা, 'রেইনকোট' গল্পের লেখক নন।
C) হাসান আজিজুল হক — তিনি বাংলা ছোটগল্পের এক জাদুকর হলেও 'রেইনকোট' তাঁর সৃষ্টি নয়।
D) আখতারুজ্জামান ইলিয়াস — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি তাঁরই বিখ্যাত ছোটগল্প।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ছোটগল্পগুলোর মধ্যে আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের 'রেইনকোট' অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি নাম।
- লেখকের নামের প্রথম অক্ষরের সাথে গল্পের মূল ভাব মিলিয়ে এই গল্পটি সহজেই মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ছোটগল্প এবং এর রচয়িতা প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়।
- আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের জন্ম ১৯৪৩ সালে এবং তাঁর সাহিত্যকর্মে ঢাকা শহরের নিম্নমধ্যবিত্ত মানুষের জীবন নিখুঁতভাবে ফুটে উঠেছে।
সঠিক উত্তর: D) ব্রাহ্মী লিপি
১. কেন সঠিক:
- বাংলা লিপির উৎস হলো প্রাচীন ব্রাহ্মী লিপি। ভারতীয় প্রায় সব লিপিই এই ব্রাহ্মী লিপি থেকেই উদ্ভূত হয়েছে।
- দীর্ঘ ঐতিহাসিক বিবর্তনের মাধ্যমে ব্রাহ্মী লিপি থেকে প্রথমে কুটিল লিপি এবং পরবর্তীতে বাংলা লিপির জন্ম হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ভাষা, উপভাষা ও বাংলা ভাষার ইতিহাস।
- প্রাচীন ভারতীয় লিপিগুলোর মধ্যে ব্রাহ্মী লিপি হলো সবচেয়ে প্রাচীন এবং প্রধান লিপি। এই লিপি বাম দিক থেকে ডান দিকে লেখা হতো।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দেবনাগরী লিপি
ব্যাখ্যা: দেবনাগরী লিপিও ব্রাহ্মী লিপি থেকে উদ্ভূত হয়েছে যা হিন্দি ও নেপালি ভাষায় ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: ওড়িয়া লিপি
ব্যাখ্যা: ওড়িয়া লিপি ব্রাহ্মী লিপির উত্তর ভারতীয় শাখা থেকে বিকশিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সংস্কৃত লিপি — সংস্কৃত কোনো নির্দিষ্ট লিপি নয়, এটি একটি ভাষা যা দেবনাগরী বা অন্যান্য লিপিতে লেখা হয়।
B) আরবি লিপি — আরবি লিপি সেমিটিক লিপি পরিবারভুক্ত এবং ডান দিক থেকে লেখা হয়, যার সঙ্গে বাংলা লিপির সম্পর্ক নেই।
C) চীনা লিপি — চীনা লিপি চিত্রভিত্তিক এবং এটি সিনো-তিব্বতীয় লিপি পরিবারের অন্তর্ভুক্ত যা বাংলা লিপির উৎস নয়।
D) ব্রাহ্মী লিপি — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলা লিপি সরাসরি ব্রাহ্মী লিপির বিবর্তিত রূপ।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বাংলা ভাষার জন্ম ও বিকাশ মনে রাখতে ব্রাহ্মী লিপি নামটি সবার আগে মনে রাখতে হবে। সকল ভারতীয় লিপির আদি উৎস হলো ব্রাহ্মী।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাষার ইতিহাস থেকে প্রায়ই লিপির উৎস সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। বাংলা লিপির পাশাপাশি অসমিয়া ও ওড়িয়া লিপির উৎসও ব্রাহ্মী লিপি।
সঠিক উত্তর: C) তৎসম
১. কেন সঠিক:
ণ-ত্ব বিধি কেবল তৎসম অর্থাৎ সংস্কৃত শব্দে প্রযোজ্য। বাংলা, দেশি ও বিদেশি শব্দে স্বভাবতই মূর্ধন্য ণ হয় না, সেখানে দন্ত্য ন হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
তৎসম শব্দের বানানে মূর্ধন্য ণ ব্যবহারের নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম ও শর্ত রয়েছে। রি, র, ষ এর পরে মূর্ধন্য ণ ব্যবহৃত হয় এবং ট বর্গের ধ্বনির পূর্বেও মূর্ধন্য ণ হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: প্রণয়
ব্যাখ্যা: এটি একটি তৎসম শব্দ যেখানে রি কারের পরে মূর্ধন্য ণ ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: কারণ
ব্যাখ্যা: এটি তৎসম শব্দ যেখানে র এর পরে মূর্ধন্য ণ যুক্ত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দেশি — দেশি শব্দে মূর্ধন্য ণ ব্যবহারের কোনো নিয়ম নেই এবং ণ-ত্ব বিধি এখানে প্রযোজ্য হয় না।
B) তদ্ভব — তদ্ভব শব্দ মূলত প্রাকৃতের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে আসে, তাই এতে ণ-ত্ব বিধির নিয়ম খাটে না।
C) তৎসম — এই অপশনটি সঠিক কারণ ণ-ত্ব বিধির সমস্ত নিয়ম কেবল সংস্কৃত বা তৎসম শব্দের ক্ষেত্রেই কার্যকর।
D) বিদেশি — বিদেশি শব্দ যেমন আরবি, ফারসি বা ইংরেজি শব্দে দেশি বা বিদেশি উচ্চারণের নিয়ম থাকে, তাই সেখানে ণ-ত্ব বিধি প্রযোজ্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
সংস্কৃত বা তৎসম শব্দ ছাড়া অন্য কোনো উৎসজাত শব্দে মূর্ধন্য ণ লেখা যায় না। শুধু তৎসম শব্দেই ণ-ত্ব বিধির প্রয়োগ ঘটে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা ভাষায় তৎসম শব্দ চেনার জন্য বানানের নিয়ম ও উৎস জানা জরুরি। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই শব্দ চিহ্নিতকরণে এই নিয়মটি আসে।
সঠিক উত্তর: C) অপাদান কারকে ৭মী
১. কেন সঠিক:
যিনি বা যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, বিরত, উৎপন্ন, ভীত বা রক্ষিত হয়, তাকে অপাদান কারক বলে।
এখানে বিপদ থেকে রক্ষা পাওয়ার কথা বলা হয়েছে, যা ভীতি বা সুরক্ষার উৎস বোঝায়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বিশেষ্য পদের সাথে 'এ' বা 'তে' বিভক্তি যুক্ত হলে তা ৭মী বিভক্তি হিসেবে গণ্য হয়।
বিপদ শব্দের সাথে 'এ' বিভক্তি যুক্ত হয়ে 'বিপদে' পদটি গঠিত হয়েছে এবং এটি অপাদান কারকের ৭মী বিভক্তির উদাহরণ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গাছ থেকে পাতা পড়ে।
ব্যাখ্যা: এখানে পাতা গাছ থেকে বিচ্যুত হয়েছে, তাই এটি অপাদান কারকে পঞ্চমী বিভক্তি।
উদাহরণ ২: পাপ থেকে বিরত থাকো।
ব্যাখ্যা: এখানে পাপ থেকে দূরে থাকার কথা বোঝানো হয়েছে, যা অপাদান কারকের উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অধিকরণ কারকে ৭মী — অধিকরণ কারক স্থান বা সময় নির্দেশ করে, যা এখানে নেই।
B) করণ কারকে ৭মী — করণ কারক দ্বারা বা মাধ্যম বোঝায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) অপাদান কারকে ৭মী — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে রক্ষা পাওয়ার উৎস বোঝানো হয়েছে।
D) কর্মকারকে ৭মী — কর্মকারক যাকে আশ্রয় করে ক্রিয়া সম্পন্ন করে তা বোঝায়, যা এখানে সঠিক নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
রক্ষা করো, ভয় পাও, দূরে থাকো বা উৎপন্ন হও বোঝালে সবসময় অপাদান কারক হবে।
শব্দের শেষে 'এ' বা 'তে' থাকলে এবং তা থেকে বা থেকে চ্যুতি বোঝালে ৭মী বিভক্তি হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিপদ থেকে রক্ষা পাওয়া বা বাঁচানো বোঝালে অপাদান কারক হয়।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কারক নির্ণয়ের সময় ক্রিয়ার সাথে কি বা কোথা থেকে প্রশ্ন করে কারক নির্ধারণ করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) লুইপা, ভুসুকুপা, শবরপা
১. কেন সঠিক:
চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন ও সাহিত্য নিদর্শন।
এই সংকলনে মোট ২৪ জন বা হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর মতে ২৩ জন পদকর্তা বা কবি পদ রচনা করেছেন এবং প্রদত্ত অপশনে থাকা লুইপা, ভুসুকুপা ও শবরপা চর্যাপদের বিখ্যাত কবি।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
চর্যাপদ মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের সাধনসঙ্গীত বা ধর্মীয় গান।
এটি মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে আবিষ্কার করেন এবং ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে প্রকাশ করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: লুইপাকে চর্যাপদের প্রথম কবি হিসেবে গণ্য করা হয় এবং তার রচিত পদের সংখ্যা দুটি।
ব্যাখ্যা: ডক্টর সুকুমার সেন ও অন্যান্য গবেষকদের মতে লুইপা চর্যাপদের সূচনা করেছিলেন এবং তার পদগুলো বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন।
উদাহরণ ২: ভুসুকুপা চর্যাপদের সর্বাধিক পদ রচয়িতা কবি যার পদের সংখ্যা আটটি।
ব্যাখ্যা: ভুসুকুপা বাঙালি কবি ছিলেন এবং চর্যাপদে তার রচিত আটটি গান পাওয়া যায় যা তৎকালীন সমাজচিত্র তুলে ধরে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চণ্ডীদাস, বিদ্যাপতি, জ্ঞানদাস — এই কবিরা চর্যাপদের নন বরং তারা মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলীর বিখ্যাত কবি ও পদকর্তা।
B) লুইপা, ভুসুকুপা, শবরপা — এই অপশনটি সঠিক কারণ এরা সবাই চর্যাপদের স্বীকৃত পদকর্তা ও কবি।
C) কৃতিবাস, কাশীরাম, আলাওল — এই তিনজন যথাক্রমে রামায়ণ অনুবাদক, মহাভারত অনুবাদক এবং মধ্যযুগের আরাকান রাজসভার শ্রেষ্ঠ কবি।
D) বিজয়গুপ্ত, মালাধর বসু, দ্বিজমাধব — এরা চর্যাপদের কবি নন বরং বিজয়গুপ্ত ও দ্বিজমাধব মঙ্গলকাব্যের এবং মালাধর বসু শ্রীকৃষ্ণবিজয় কাব্যের রচয়িতা।
৫ মনে রাখার টিপস:
চর্যাপদের কবিদের নাম মনে রাখার সহজ কৌশল হলো নামের শেষে পা যুক্ত থাকা।
যেমন লুইপা, ভুসুকুপা, শবরপা, কুক্কুরীপা ইত্যাদি সবার নামের শেষেই পা শব্দ যুক্ত থাকে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
চর্যাপদের মোট পদের সংখ্যা সাড়ে ছেচল্লিশটি এবং এর আবিষ্কারক মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই চর্যাপদের প্রথম কবি এবং মোট পদসংখ্যা সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: A) সংবাদ প্রভাকর
১. কেন সঠিক:
- প্রশ্নে বলা হয়েছে বাংলা ভাষায় প্রকাশিত প্রথম দৈনিক পত্রিকার নাম, যার সঠিক উত্তর ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত সম্পাদিত সংবাদ প্রভাকর।
- তবে এখানে একটি ঐতিহাসিক তথ্যগত সংশোধন প্রয়োজন রয়েছে, কারণ বাংলা ভাষার প্রথম দৈনিক পত্রিকা আসলে সমাচার দর্পণ নয় এবং সংবাদ প্রভাকরও প্রথম প্রকাশিত দৈনিক ছিল না।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ভাষায় প্রকাশিত প্রথম পত্রিকা হলো মাসিক দিগদর্শন এবং প্রথম সাপ্তাহিক পত্রিকা হলো সমাচার দর্পণ।
- ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের সম্পাদনায় ১৮৩১ সালের ২৮ জানুয়ারি সংবাদ প্রভাকর প্রথম প্রকাশিত হয় এবং ১৮৩৯ সালের ১৪ জুন এটি দৈনিক রূপ লাভ করে বাংলা ভাষার প্রথম দৈনিক পত্রিকা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সমাচার দর্পণ
ব্যাখ্যা: এটি ১৮১৮ সালে প্রকাশিত বাংলা ভাষার প্রথম সাপ্তাহিক সংবাদপত্র।
উদাহরণ ২: দিকদর্শন
ব্যাখ্যা: এটি ১৮১৮ সালে প্রকাশিত বাংলা ভাষার প্রথম মাসিক সাময়িকপত্র।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সংবাদ প্রভাকর — এটি ১৮৩৯ সালে দৈনিক হিসেবে প্রকাশিত হয় এবং এটিই বাংলা ভাষার প্রথম সফল দৈনিক পত্রিকা।
B) সমাচার দর্পণ — এটি ১৮১৮ সালে প্রকাশিত প্রথম সাপ্তাহিক পত্রিকা, দৈনিক পত্রিকা নয়।
C) দিকদর্শন — এটি ১৮১৮ সালে প্রকাশিত প্রথম মাসিক পত্রিকা, দৈনিক বা সাপ্তাহিক নয়।
D) বঙ্গদর্শন — এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় সম্পাদিত ১৮৭২ সালে প্রকাশিত একটি মাসিক সাহিত্য পত্রিকা।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সংবাদ প্রভাকর দৈনিক ছিল তাই এর নামের সাথে দৈনিক শব্দটি মনে রাখতে হবে।
- প্রথম সাপ্তাহিক হলো সমাচার দর্পণ এবং প্রথম দৈনিক হলো সংবাদ প্রভাকর।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- পত্রিকার নাম এবং তার প্রকাশের ধরণ বা সাল প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
- প্রথম মাসিক, প্রথম সাপ্তাহিক এবং প্রথম দৈনিক পত্রিকার নাম ও সম্পাদকের নাম আলাদা করে মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: A) অব্যয়
১. কেন সঠিক:
যে পদের রূপ বা পরিবর্তন হয় না, অর্থাৎ লিঙ্গ, বচন, পুরুষ, কাল ও বিভক্তিরভেদে যার কোনো ব্যয় বা রূপান্তর ঘটে না, তাকে অব্যয় পদ বলে। এটি বাক্যে সবসময় অপরিবর্তিত থাকে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে পদ প্রধানত পাঁচ প্রকার, যার মধ্যে চার প্রকার পদ পরিবর্তনশীল এবং এক প্রকার পদ অপরিবর্তনশীল। বিশেষ্য, বিশেষণ, সর্বনাম ও ক্রিয়াপদের রূপ পরিবর্তিত হলেও অব্যয় পদ সর্বদা একই থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: এবং
ব্যাখ্যা: রহিম করিম এবং ভালো ছাত্র, এখানে এবং পদটি অপরিবর্তিত থাকে।
উদাহরণ ২: কিন্তু
ব্যাখ্যা: সে চেষ্টা করল কিন্তু সফল হলো না, এখানে কিন্তু পদটি কোনো পরিবর্তন ছাড়াই যুক্ত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অব্যয় — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই পদের কোনো রূপান্তর ঘটে না।
B) বিশেষ্য — এটি পরিবর্তনশীল পদ কারণ এর বচন ও কারকভেদে রূপের পরিবর্তন হয়।
C) সর্বনাম — এটি পরিবর্তনশীল পদ কারণ বিশেষ্যের পরিবর্তে ব্যবহৃত হয়ে এর রূপ পরিবর্তিত হতে পারে।
D) ক্রিয়া — এটি পরিবর্তনশীল পদ কারণ কাল, পুরুষ ও বচনভেদে ক্রিয়াপদের রূপ বদলায়।
৫. মনে রাখার টিপস:
অব্যয় মানে যার ব্যয় বা পরিবর্তন হয় না, তাই এটি অপরিবর্তনীয় পদ। পদের শ্রেণিবিভাগে শুধু অব্যয় পদই অপরিবর্তিত থাকে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পদের শ্রেণিবিভাগ থেকে প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে। মনে রাখবে, বাক্যের সংযোগ বা ভাব প্রকাশের জন্য যে শব্দ অপরিবর্তিত থেকে কাজ করে, সেটাই অব্যয়।
সঠিক উত্তর: A) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
১. কেন সঠিক:
- বাংলা গদ্যে বিরাম চিহ্ন বা যতিচিহ্নের সফল প্রবর্তন করেন পন্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।
- ইংরেজি ব্যাকরণের অনুকরণে তিনি বাংলা লেখায় যতিচিহ্নের ব্যবহার নিশ্চিত করেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা গদ্যের জনক ও ঊনবিংশ শতকের প্রাবন্ধিক।
- ১৮৪৭ সালে প্রকাশিত বেতালপঞ্চবিংশতি গ্রন্থে তিনি প্রথম যতিচিহ্নের সার্থক ব্যবহার করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বেতালপঞ্চবিংশতি
ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর প্রথম বিরাম চিহ্নের যথাযথ প্রয়োগ দেখান।
উদাহরণ ২: ভ্রান্তিবিলাস
ব্যাখ্যা: এটি বিদ্যাসাগরের আরেকটি বিখ্যাত গ্রন্থ যেখানে যতিচিহ্নের নিয়ম কঠোরভাবে পালিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি বাংলা গদ্যে প্রথম বিরাম চিহ্ন প্রবর্তন করেন।
B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বাংলা সাহিত্যে নোবেলজয়ী কবি ও ঔপন্যাসিক, তবে বিরাম চিহ্নের প্রবর্তক নন।
C) উইলিয়াম কেরি — তিনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পন্ডিত ও গদ্য লেখক হলেও বিরাম চিহ্ন প্রবর্তন করেননি।
D) প্রমথ চৌধুরী — তিনি বাংলা চলিত রীতির প্রবর্ক ও সবুজপত্র পত্রিকার সম্পাদক, বিরাম চিহ্ন প্রবর্তক নন।
৫ মনে রাখার টিপস:
বিরাম চিহ্নের প্রবর্তক ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, এই তথ্যটি মনে রাখতে বিদ্যাসাগর নামটির সাথে যতিচিহ্ন শব্দটি মিলিয়ে পড়তে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা গদ্যে যতিচিহ্নের ব্যবহার শুরু হয় ঊনবিংশ শতাব্দীতে এবং এর মূল কৃতিত্ব ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের।
সঠিক উত্তর: B) ভাষা আন্দোলন
১. কেন সঠিক:
- এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর ভাষা আন্দোলন কারণ জহির রায়হানের 'আরেক ফাল্গুন' উপন্যাসের মূল পটভূমি হলো বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন এবং একুশে ফেব্রুয়ারির চেতনা।
- উপন্যাসে ভাষা আন্দোলনের শহিদদের স্মৃতি রক্ষা এবং তৎকালীন রাজনৈতিক বন্দী মুক্তির সংগ্রামের চিত্র অত্যন্ত শিল্পসম্মতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এই উপন্যাসের রচয়িতা বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও চলচ্চিত্রকার জহির রায়হান।
- ১৯৬৯ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাসটি বাংলা ভাষাভিত্তিক মুক্তিসংগ্রাম ও রাজনৈতিক উপন্যাসের ধারায় একটি অনন্য সৃষ্টি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জহির রায়হানের আরেক ফাল্গুন উপন্যাসের কেন্দ্রীয় বিষয় অমর একুশের চেতনা।
ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসে বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের আত্মত্যাগকে একাত্তরের মুক্তির সংগ্রামের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: শওকত ওসমানের ক্রীতদাসের হাসি উপন্যাসের প্রেক্ষাপট ভিন্ন।
ব্যাখ্যা: সেটি আইয়ুব খানের স্বৈরাচারী শাসনের প্রতীকী প্রতিবাদ হিসেবে রচিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মুক্তিযুদ্ধ — মুক্তিযুদ্ধ এই উপন্যাসের প্রত্যক্ষ প্রেক্ষাপট নয় কারণ এটি ১৯৬৯ সালে প্রকাশিত হয় এবং বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে রচিত।
B) ভাষা আন্দোলন — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি ভুল নয়, বরং এটিই মূল উত্তর।
C) গণ- অভ্যুত্থান — ঊনসত্তরের গণঅভুত্থান এই উপন্যাসের কালসীমার সঙ্গে মিললেও উপন্যাসের মূল আলোচ্য বিষয় ভাষা আন্দোলন।
D) গণ- আন্দোলন — গণ-আন্দোলন সাধারণ রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট বোঝালেও এই উপন্যাসটি নির্দিষ্টভাবে ভাষা আন্দোলনভিত্তিক।
৫. মনে রাখার টিপস:
- জহির রায়হানের নাম দেখলেই মনে রাখবে তিনি ভাষা আন্দোলনভিত্তিক কালজয়ী উপন্যাস আরেক ফাল্গুন উপহার দিয়েছেন।
- ফাল্গুন মাসেই একুশে ফেব্রুয়ারি আসে, তাই ফাল্গুন শব্দ দিয়ে ভাষা আন্দোলন মনে রাখা সহজ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই জহির রায়হানের উপন্যাস ও তার প্রেক্ষাপট থেকে প্রশ্ন আসে।
- ভাষা আন্দোলনভিত্তিক অন্যান্য উপন্যাসের মধ্যে শওকত ওসমানের আর্তনাদ এবং সেলিনা হোসেনের নিরন্তর ঘন্টাধ্বনি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
সঠিক উত্তর: C) সৈয়দ শামসুল হক
১. কেন সঠিক:
- 'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' হলো কবি ও নাট্যকার সৈয়দ শামসুল হক রচিত একটি বিখ্যাত কাব্যনাট্য।
- এটি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধকালীন একটি গ্রামের পটভূমিতে রচিত, যেখানে গ্রামীণ মানুষের যুদ্ধের ভয়, শঙ্কা ও প্রতিরোধের সুর ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সৈয়দ শামসুল হক বাংলা সাহিত্যের এক বহুমুখী প্রতিভাবান লেখক যিনি কবিতা, উপন্যাস, নাটক ও ছোটগল্পে মুন্সিিয়ানা দেখিয়েছেন।
- এটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ পদ্যে রচিত বা কাব্যনাট্য হিসেবে বিবেচিত হয় এবং এর বিষয়বস্তু মুক্তিযুদ্ধ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নূরলদীনের সারাজীবন
ব্যাখ্যা: এটিও সৈয়দ শামসুল হক রচিত একটি ঐতিহাসিক ও বিখ্যাত কাব্যনাট্য।
উদাহরণ ২: ঈর্ষা
ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ শামসুল হকের আরেকটি জনপ্রিয় কাব্যনাট্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সৈয়দ ওয়ালী উল্লাহ — ইনি বিখ্যাত ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার হলেও 'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' তার লেখা নয়, তার বিখ্যাত উপন্যাস লালসালু।
B) সেলিম আল দিন — ইনি বাংলা নাট্যসাহিত্যের অন্যতম দিকপাল হলেও এই কাব্যনাট্যের রচয়িতা নন, তার বিখ্যাত নাটক কীর্তনখোলা।
D) মামুনুর রশীদ — ইনি একজন বিশিষ্ট নাট্যকার ও অভিনেতা হলেও এই কাব্যনাট্যের সঙ্গে যুক্ত নন, তার বিখ্যাত নাটক ময়ূর সিংহাসন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- পায়ের আওয়াজ শুনলে সৈয়দ শামসুল হকের কথা মনে রাখবে কারণ তিনি মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে শক্তিশালী কাব্যনাট্য লিখেছেন।
- কাব্যনাট্য রচনায় সৈয়দ শামসুল হকের নাম সবার আগে আসে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক ও কাব্যনাট্য থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- কাব্যনাট্য এবং নাটকের পার্থক্য ভালোভাবে মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) পর্তুগিজ
১. কেন সঠিক:
- পেয়ারা শব্দটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে এবং এটি একটি বিদেশাগত বা আগন্তুক শব্দ।
- বাংলাদেশে পর্তুগিজ বণিক ও মিশনারিদের দীর্ঘ যাতায়াতের কারণে তাদের ভাষা থেকে বেশ কিছু ফল, খাবার এবং দৈনন্দিন ব্যবহারের বস্তুবাচক শব্দ বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- উৎস অনুসারে বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে মূলত পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয়, যেমন তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি শব্দ।
- পর্তুগিজ ভাষা থেকে আগত শব্দগুলো মূলত সামুদ্রিক বাণিজ্য, ধর্মপ্রচার এবং প্রশাসনিক যোগাযোগের মাধ্যমে বাংলা শব্দভাণ্ডারকে সমৃদ্ধ করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আনারস
ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল ব্যবহৃত পর্তুগিজ শব্দ যা পেয়ারার মতো একই উৎস থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে।
উদাহরণ ২: চাবি
ব্যাখ্যা: দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত এই ধাতব বস্তুটির নামও পর্তুগিজ ভাষা থেকে সরাসরি বাংলা ভাষায় গৃহিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হিন্দি — হিন্দি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় অনেক শব্দ এলেও পেয়ারা হিন্দি শব্দ নয়।
B) উর্দু — উর্দু ভাষা মূলত ভারত উপমহাদেশেই সৃষ্টি হয়েছে এবং এটি পেয়ারার উৎস ভাষা নয়।
C) পর্তুগিজ — এই অপশনটি সঠিক কারণ পেয়ারা শব্দটি পর্তুগিজ ভাষা থেকেই বাংলায় এসেছে।
D) গ্রিক — গ্রিক ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় সরাসরি শব্দ প্রবেশের ইতিহাস অত্যন্ত সীমিত এবং পেয়ারা গ্রিক শব্দ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- পর্তুগিজ শব্দ মনে রাখার সহজ কৌশল হলো খাবার ও ফল সংক্রান্ত কিছু শব্দ যেমন আনারস, পেয়ারা, পাউরুটি একসঙ্গে মনে রাখা।
- বিদেশি শব্দ চেনার জন্য শব্দের উচ্চারণ ও ব্যবহারের ধরণ খেয়াল করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই পর্তুগিজ শব্দ যেমন আলপিন, জানালা, কামরা, বালতি ইত্যাদি থেকে প্রশ্ন আসে।
- বিদেশাগত শব্দের উৎস নির্ণয়ের জন্য বিভিন্ন জাতির সঙ্গে বাঙালির যোগাযোগের ইতিহাস মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: D) অবরোধবাসিনী
১. কেন সঠিক:
- অবরোধবাসিনী হলো বাঙালি নারীবাদী লেখিকা বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন রচিত একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাসধর্মী প্রবন্ধ গ্রন্থ।
- এই গ্রন্থে মুসলিম নারীদের তৎকালীন পর্দা প্রথার নামে অন্তপুরে বন্দি দশা এবং সমাজের নানা কুসংস্কার ও নিষ্ঠুরতার চিত্র ব্যঙ্গাত্মকভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বেগম রোকেয়া ১৮৮০ সালে রংপুরের পায়রাবন্দ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এবং তিনি বাংলা সাহিত্যে নারী জাগরণের অগ্রদূত হিসেবে পরিচিত।
- তাঁর উল্লেখযোগ্য অন্যান্য সাহিত্যকর্মের মধ্যে সুলতানার স্বপ্ন, পদ্মরাগ ও মতিচূর বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সুলতানা স্বপ্ন
ব্যাখ্যা: এটি বেগম রোকেয়ার লেখা একটি বিখ্যাত নারীবাদী কল্পবিজ্ঞানমূলক রচনা, যেখানে নারীশাসিত একটি আদর্শ সমাজের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
উদাহরণ ২: মতিচূর
ব্যাখ্যা: এটি বেগম রোকেয়ার একটি বিখ্যাত প্রবন্ধ সংকলন, যার প্রথম খণ্ড প্রকাশিত হয় ১৯০৪ সালে এবং দ্বিতীয় খণ্ড ১৯২২ সালে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভাষা ও সাহিত্য — এটি কোনো নির্দিষ্ট লেখকের বিখ্যাত গ্রন্থ নয় বরং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার সিলেবাসের একটি সাধারণ বিষয়।
B) লালসালু — এটি প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস, যা ১৯৪৮ সালে প্রকাশিত হয়।
C) নীলদর্পণ — এটি দীনবন্ধু মিত্র রচিত একটি ঐতিহাসিক নাটক, যা ১৮৬০ সালে প্রকাশিত হয়ে নীলকরদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের সৃষ্টি করে।
D) অবরোধবাসিনী — এটি বেগম রোকেয়ার রচিত সঠিক সাহিত্যকর্ম, যা অপশনের চাহিদার সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়।
৫ মনে রাখার টিপস:
বেগম রোকেয়া মানেই নারী জাগরণ এবং পর্দাপ্রথার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ, তাই অবরোধ ভাঙার সঙ্গে অবরোধবাসিনী গ্রন্থটিকে মনে রাখা সহজ।
তাঁর প্রবন্ধগ্রন্থ মতিচূর ও উপন্যাসমূলক রচনা পদ্মরাগ এবং অবরোধবাসিনী পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বেগম রোকেয়া রচিত সুলতানার স্বপ্ন (Sultanas Dream) মূলত ইংরেজি ভাষায় রচিত একটি কল্পবিজ্ঞান গ্রন্থ।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই লেখক ও তাঁর সাহিত্যকর্ম মিলকরণ অথবা ছদ্মনাম সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: C) was cooking
কেন সঠিক:
- বাক্যের মাঝখানে while থাকলে তার আগের অংশ Past Indefinite Tense এবং পরের অংশ Past Continuous Tense হয়।
- প্রদত্ত বাক্যে while-এর পরের অংশে কর্তার পর Past Continuous Tense হিসেবে was এবং মূল verb-এর সাথে ing যুক্ত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) would cook — Past Indefinite বা while-এর পরের নিয়মের সাথে এই গঠন সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
B) had cook — cook verb-এর সাথে ed যুক্ত না থাকায় এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল রূপ।
C) was cooking — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) cooking — সাহায্যকারী verb ছাড়া শুধু ing যুক্ত verb এখানে একা বসতে পারে না।
মনে রাখার টিপস:
While-এর পরে সবসময় Past Continuous Tense বসে, যার গঠন হলো (subject + was বা were + verb-এর সাথে ing)।
সঠিক উত্তর: D) Encyclopedia (নোট: প্রদত্ত অপশনে A এবং D উভয়ই একই বানানে Encyclopedia রয়েছে, যা বানান শুদ্ধির ক্ষেত্রে সঠিক।)
কেন সঠিক:
- বানানটির সঠিক গঠন হলো En-cy-clo-pedia, যেখানে এর মূল অংশে প্রতিবর্ণীকরণের নিয়ম সঠিকভাবে অনুসৃত হয়েছে।
- এটি একটি বহুল ব্যবহৃত ইংরেজি শব্দ যার অর্থ বিশ্বকোষ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Encyclopedia — এটি সঠিক বানান এবং প্রশ্নানুসারে সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য।
B) Incylopedia — এখানে En-এর পরিবর্তে In এবং clo-এর পরিবর্তে cy ব্যবহৃত হওয়ায় বানানটি ভুল হয়েছে।
C) Enciclopedia — এখানে clo-এর স্থানে cli এবং pedia-এর স্থানে dia-র গঠনে স্পেলিং ভুল রয়েছে।
D) Encyclopedia — এটি সঠিক বানান এবং প্রদত্ত উত্তর হিসেবে নির্দিষ্ট করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
বানানটি মনে রাখতে En-cy-clo-pedia এভাবে ভেঙে উচ্চারণ করে মুখস্থ করতে পারো।
প্রশ্নের ধরন: সাহিত্য, লেখক ও সাহিত্যকর্ম
সঠিক উত্তর: D) W.B. Yeats
কেন সঠিক:
- ডব্লিউ বি ইয়েটস মূলত একজন বিখ্যাত আইরিশ কবি এবং নাট্যকার ছিলেন।
- তিনি কোনো উপন্যাস রচনা করেননি, তাই তিনি ঔপন্যাসিক নন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Charles Dickens — তিনি ভিক্টোরিয়ান যুগের একজন বিশ্বখ্যাত ঔপন্যাসিক, যার ডেভিড কপারফিল্ড ও আ টেল অব টু সিটিজ বিখ্যাত উপন্যাস।
B) Thomas Hardy — তিনি বিখ্যাত ঔপন্যাসিক ও কবি ছিলেন, যার টেস অব দ্য ডারবারভিলস একটি জনপ্রিয় উপন্যাস।
C) Virginia Woolf — তিনি বিংশ শতাব্দীর আধুনিকতাবাদী ধারার একজন প্রখ্যাত ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক ও প্রাবন্ধিক।
D) W.B. Yeats — তিনি মূলত কবি ও নাট্যকার হিসেবে পরিচিত এবং সাহিত্যে নোবেলজয়ী হলেও কোনো উপন্যাস লেখেননি।
মনে রাখার টিপস:
ইয়েটস নামের শেষে এস থাকলেও তিনি ঔপন্যাসিক নন, তিনি মূলত নোবেলজয়ী কবি।
সঠিক উত্তর: প্রশ্নে প্রদত্ত উত্তর অসম্পূর্ণ বা নোট আকারে ছিল। সঠিক উত্তরটি হবে: A) alms (এছাড়াও D অপশনটি অর্থাৎ thanks-ও সঠিক হতে পারে, কারণ alms এবং thanks উভয়ই Plural noun হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তবে প্রমিত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রশ্ন অনুযায়ী alms একটি বহুল ব্যবহৃত Plural noun).
কেন সঠিক:
- Alms শব্দটির অর্থ ভিক্ষা বা দান, যা সর্বদা Plural noun হিসেবে গণ্য হয় এবং এর সঙ্গে Plural verb বসে।
- এই ধরনের কিছু নাউন দেখতে Singular এর মতো হলেও এরা মূলত Plural এবং এদের শেষে এস যুক্ত থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) alms — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি সর্বদা Plural noun হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
B) ashes — এটি সাধারণত Plural হলেও মূল Singular form ash এর বহুবচন হিসেবে ছাই বোঝাতে ব্যবহৃত হয় এবং এটি এই প্রশ্নের নির্দিষ্ট প্রচলিত ব্যাকরণগত ধারার সঙ্গে পুরোপুরি মিলে না।
C) formulas — এটি একটি Singular noun (formula) যার সঠিক Plural form হলো formulae অথবা formulas, তবে এটি ব্যাকরণগতভাবে প্রদত্ত প্রশ্নটির মূল উদ্দেশ্য বা একক Plural নির্দেশক হিসেবে অন্যান্য অপশনের মতো ব্যতিক্রমী নয়।
D) thanks — এটিও Plural noun এবং ধন্যবাদ জ্ঞাপনে ব্যবহৃত হয়, তবে alms প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় Singular-Plural শনাক্তকরণে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
যেসব নাউনের শেষে এস থাকে এবং সর্বদা Plural হয়, যেমন alms, thanks, assets, তাদের সহজে মনে রাখতে এদের বহুবচন রূপের সঙ্গে সর্বদা Plural verb বসে এটি মাথায় রাখবে।
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ
সঠিক উত্তর: D) You should shut the door.
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বাক্যটি প্যাসিভ ফর্মে রয়েছে এবং এর কোনো স্পষ্ট সাবজেক্ট ছিল না, তাই অর্থ ও কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে সাবজেক্ট হিসেবে You এবং উচিত অর্থে should ব্যবহার করা হয়েছে।
- Modal auxiliary (should) যুক্ত passive voice-কে active করার সময় অবজেক্টকে সাবজেক্ট করতে হয় এবং should এর পর মূল ভার্বের বেস ফর্ম বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Shut the door — এটি একটি Imperative sentence-এর active form, যার passive structure ভিন্ন রকম হয়।
B) Let us shut the door — এটি প্রস্তাব বোঝাতে ব্যবহৃত Imperative sentence, যা প্রদত্ত Passive বাক্যের ভাবার্থের সাথে মেলে না।
C) Let the door be shut — এটি নিজেই একটি Passive form, তাই এটি প্রদত্ত বাক্যের Active form হতে পারে না।
D) You should shut the door. — এটি সঠিক Active form কারণ এর passive রূপই হলো প্রদত্ত প্রশ্নটি।
মনে রাখার টিপস:
Modals (should, must, can) যুক্ত Passive-কে Active করার সময় Subject + Modal + Verb-এর present form + Object স্ট্রাকচার মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) Did he come yesterday?
কেন সঠিক:
- বাক্যটিতে অতীত নির্দেশক শব্দ yesterday থাকায় এটি Past Indefinite Tense হবে।
- Past Indefinite Tense-এর interrogative বাক্যে auxiliary verb হিসেবে did বসে এবং মূল verb-এর Present form বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Did he come yesterday? — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এতে did ব্যবহারের পর মূল verb-এর present form come সঠিক নিয়মে ব্যবহৃত হয়েছে।
B) Had he came yesterday? — এটি ভুল, কারণ past perfect tense-এ had-এর পরে verb-এর past participle form (come) হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু এখানে came দেওয়া আছে।
C) Did he came yesterday? — এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল, কারণ did ব্যবহারের পর মূল verb হিসেবে past form (came) ব্যবহার করা যায় না, present form (come) বসাতে হয়।
D) Has he come yesterday? — এটি ভুল, কারণ yesterday থাকার কারণে বাক্যটি Present Perfect Tense হতে পারে না, এটি অবশ্যই Past Tense হবে।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে yesterday থাকলে চোখ বন্ধ করে Past Indefinite Tense নির্বাচন করবে এবং Did-এর পরে সবসময় Verb-এর Present Form বসে তা মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: B) over
কেন সঠিক:
- Triumph over অর্থ কোনো কিছু বা কারো ওপর বিজয় লাভ করা।
- Troubles বা সমস্যার বিরুদ্ধে জয় বোঝাতে over প্রিপজিশনটি সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) against — Against সাধারণত শারীরিক সংগ্রাম বা প্রতিবাদের ক্ষেত্রে বসে, বিমূর্ত ধারণার জয়ে নয়।
B) over — এই প্রেক্ষাপটে over সঠিক প্রিপজিশন হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
C) upon — Upon সাধারণত কোনো কিছুর ওপরে অবস্থান বা গতিশীল অর্থে বসে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) up — Up কোনো কিছু ওপরের দিকে নির্দেশ করে, এখানে সঠিক ফ্রেস গঠন করে না।
মনে রাখার টিপস:
বিপদ বা সমস্যার ওপর জয় বোঝাতে সবসময় Triumph এর পরে over প্রিপজিশন ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: B) an
কেন সঠিক:
- এমবিএস শব্দটির শুরুতে উচ্চারণ করার সময় এ স্বরধ্বনি আসে, যা ভাওয়েল বা স্বরবর্ণের মতো উচ্চারিত হয়।
- উচ্চারণের শুরুতে ভাওয়েল সাউন্ড থাকার কারণে নিয়মানুযায়ী এ এর পরিবর্তে অ্যান বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) a — উচ্চারণের শুরুতে ভাওয়েল সাউন্ড থাকার কারণে এখানে এ বসবে না।
B) an — এটি সঠিক কারণ এখানে অ্যান বসেছে।
C) the — নির্দিষ্ট কোনো এমবিএস বোঝানো হয়নি বলে দি বসবে না।
D) no article — সংক্ষিপ্ত রূপ হলেও উচ্চারণের নিয়মে আর্টিকেল বসাতে হয়, তাই এটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
সংক্ষিপ্ত রূপ বা অ্যাব্রোফিভিয়েশনের প্রথম অক্ষর উচ্চারণের সময় এ বা ভাওয়েল সাউন্ড আসলে তার পূর্বে অ্যান বসে।
সঠিক উত্তর: B) London and Paris
কেন সঠিক:
- বিখ্যাত ইংরেজ ঔপন্যাসিক চার্লস ডিকেন্সের ঐতিহাসিক উপন্যাস 'এ টেল অব টু সিটিজ' ফরাসি বিপ্লবের প্রেক্ষাপটে রচিত।
- উপন্যাসে মূলত বিপ্লবপূর্ব ও বিপ্লবকালীন সময়ের লন্ডন এবং প্যারিস শহরের সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) London and Washington — ওয়াশিংটন ডিসি আমেরিকার রাজধানী হলেও এই উপন্যাসের মূল ঘটনার সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
B) London and Paris — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং উপন্যাসের কেন্দ্রীয় শহর দুটি নির্দেশ করে।
C) Dhaka and London — ঢাকা বাংলাদেশের রাজধানী এবং এই উপন্যাসের পটভূমির সঙ্গে সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক।
D) London and Rome — রোম ইতালির রাজধানী, যা চার্লস ডিকেন্সের এই উপন্যাসের কাহিনীর সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
চার্লস ডিকেন্সের উপন্যাসের নাম 'টু সিটিজ' হলে শহর দুটি হলো ইউরোপের বিখ্যাত দুটি রাজধানী লন্ডন ও প্যারিস।
সঠিক উত্তর: B) in
কেন সঠিক:
- Call in একটি উপযুক্ত ফ্রেজাল ভার্ব বা গ্রুপ ভার্ব, যার অর্থ কাউকে কোনো কাজে বা চিকিৎসার জন্য ডেকে পাঠানো।
- চিকিৎসকের ক্ষেত্রে সাধারণত Call in a doctor ব্যবহৃত হয়, যার অর্থ ডাক্তার ডাকা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) on — Call on অর্থ সাক্ষাৎ করা বা দেখা করা, যা কোনো ডাক্তার ডাকার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
B) in — এটি সঠিক উত্তর, কারণ Call in অর্থ ডেকে পাঠানো।
C) at — Call at অর্থ কোথাও সাময়িক থামা বা পরিদর্শন করা, যা এখানে অর্থসংগত নয়।
D) of — Call of অর্থ কোনো কিছু বাতিল করা, যা এই বাক্যের অর্থের সঙ্গে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
ডাক্তার বা বিশেষজ্ঞকে ডেকে পাঠাতে সবসময় Call-এর পরে in প্রিপজিশন বসে।
সঠিক উত্তর: C) Hallucinate
কেন সঠিক:
- Hallucination বিশেষ্য পদের ভার্ব রূপ হলো Hallucinate যার অর্থ মনভ্রম হওয়া বা অলীক কিছু দেখা।
- শব্দের শেষে ate প্রত্যয় যুক্ত করে সাধারণত Verb গঠন করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Hallucinating — এটি প্রদত্ত শব্দের প্রেজেন্ট পার্টিসিপল বা জেরান্ড রূপ, মূল ভার্ব নয়।
B) Hallucinogen — এটি এমন একটি বস্তু বা মাদককে বোঝায় যা হ্যালুসিনেশন তৈরি করে, এটি নাউন।
D) Hallucine — এটি কোনো সঠিক ইংরেজি শব্দ নয়।
মনে রাখার টিপস:
শব্দের শেষে ate থাকলে সাধারণত তা ভার্ব হয়, যেমন Hallucination শব্দের ভার্ব হলো Hallucinate।
সঠিক উত্তর: D) Julius Caesar
কেন সঠিক:
- উক্তিটি উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের বিখ্যাত ঐতিহাসিক নাটক জুলিয়াস সিজারের একটি বিখ্যাত সংলাপ।
- নাটকের একটি দৃশ্যে ক্যালপার্নিয়া তার স্বামী সিজারকে মৃত্যুর ভয়ে বাইরে যেতে নিষেধ করলে সিজার এই অমর বাণীটি উচ্চারণ করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Macbeth — এটি শেক্সপিয়ারের একটি ট্র্যাজেডি নাটক হলেও এতে এই বিখ্যাত উক্তিটি নেই।
B) Hamlet — এটি শেক্সপিয়ারের সবচেয়ে বড় ট্র্যাজেডি এবং এর মূল থিম ভিন্ন।
C) Othello — এটি ঈর্ষা ও ষড়যন্ত্রের ওপর রচিত নাটক এবং এখানে এই সংলাপটি নেই।
D) Julius Caesar — এই নাটকের রোমান পটভূমিতে বীরত্ব ও মৃত্যুর অনিবার্যতা বোঝাতে উক্তিটি ব্যবহার করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
মৃত্যুর আগের হাজারো ভয়ের কথা মনে আসলেই ভাববেন এটি রোমান সম্রাট জুলিয়াস সিজারের নাটকের সংলাপ।
প্রশ্নের ধরন: ভাষা ও ব্যাকরণ (Preposition)
প্রদত্ত সঠিক উত্তর যাচাই: প্রদত্ত সঠিক উত্তর B (on) ভুল। সঠিক উত্তর হবে D (to)। কারণ কোনো ভৌগোলিক অবস্থান বা সীমানার বাইরে অবস্থিত কোনো স্থান বোঝাতে 'to' ব্যবহৃত হয়। হিমালয় পর্বতমালা ভারতের সীমানার বাইরে উত্তর দিকে অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: D) to
কেন সঠিক:
- দুটি স্থানের মধ্যে একটি যদি অন্যটির সীমানার বাইরে দূরে অবস্থিত হয়, তবে তাদের মধ্যবর্তী দিকের ক্ষেত্রে preposition হিসেবে 'to' বসে।
- ভারত ও হিমালয়ের অবস্থান ভিন্ন হওয়া এবং ভারত থেকে হিমালয় উত্তরে অবস্থিত বোঝাতে এখানে 'to' সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) in — কোনো স্থান যদি নির্দিষ্ট সীমানার ভেতরে অবস্থিত হয়, তবে 'in' বসে; কিন্তু হিমালয় ভারতের সীমানার ভেতরে নয়।
B) on — দুটি ভূখণ্ড বা স্থান যদি একে অপরের সীমানার সাথে স্পর্শ করে বা লেগে থাকে, তবে 'on' বসে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) into — সাধারণত গতিশীল অবস্থা বা কোনো কিছুর ভেতরে প্রবেশের ক্ষেত্রে 'into' ব্যবহৃত হয়, যা স্থান নির্দেশ করতে বসে না।
D) to — এটি সঠিক উত্তর, কারণ ভারতের সীমানার বাইরে উত্তর দিকে হিমালয় অবস্থিত বুঝাতে 'to' ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস: সীমানার ভেতরে হলে in, সীমানা ঘেঁষে থাকলে on এবং সীমানার বাইরে দূরত্ব বোঝালে দিকের আগে to বসে।
সঠিক উত্তর: A) feminine
কেন সঠিক:
- 'Shrew' শব্দটির সাধারণ অর্থ কর্কশভাষী বা ঝগড়াটে নারী।
- ব্যাকরণগতভাবে এটি স্ত্রীবাচক বা feminine gender নির্দেশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) feminine — এটি সঠিক উত্তর কারণ শব্দটির মাধ্যমে নির্দিষ্টভাবে নারীবাচক সত্তা বোঝানো হয়।
B) common — এই অপশন ভুল কারণ এটি উভয় লিঙ্গকে একসঙ্গে বোঝায় না।
C) masculine — এই অপশন ভুল কারণ এটি পুরুষবাচক কোনো অর্থ প্রকাশ করে না।
D) neuter — এই অপশন ভুল কারণ এটি অচেতন বা জড় পদার্থ বোঝায় না।
মনে রাখার টিপস:
'Shrew' মানে ঝগড়াটে নারী, তাই এটি সবসময় feminine gender হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
সঠিক উত্তর: B) দুঃখ বিনা সুখ লাভ হয় কি মহীতে?
কেন সঠিক:
- বাক্যটিতে but শব্দটি একটি relative pronoun হিসেবে বসেছে যার অর্থ হলো who not বা that not।
- এই ধরনের ইংরেজি প্রবাদবাক্যের ভাবানুবাদ করার সময় আক্ষরিক অর্থ না ধরে বাংলায় প্রচলিত সমার্থক প্রবাদ বা কাব্যিক রূপ ব্যবহার করতে হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কাঁটা আছে গোলাপ নেই — এটি মূল ইংরেজি প্রবাদটির বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে এবং ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
B) দুঃখ বিনা সুখ লাভ হয় কি মহীতে? — এটি মূল প্রবাদের ভাবানুবাদ এবং প্রদত্ত সঠিক উত্তর।
C) সেখানে কোনো গোলাপ নেই কিছু কাঁটা আছে — এটি but শব্দের সঠিক অর্থ না বুঝে করা একটি আক্ষরিক ও অর্থহীন অনুবাদ।
D) গোলাপে কাঁটা নেই — এটি মূল বাক্যের ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে কারণ বাক্যটিতে গোলাপ ও কাঁটা উভয়ের কথাই বলা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি প্রবাদবাক্যে but এর অর্থ ছাড়া বা ব্যতীত হলে, বাংলায় তার ভাবানুবাদ করার সময় বিনা বা ছাড়া শব্দযুক্ত প্রবাদ নির্বাচন করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) To compensate
কেন সঠিক:
- 'Make good' একটি ইংরেজি প্রবাদপ্রতিম ফ্রেজ, যার অর্থ ক্ষতিপূরণ দেওয়া বা ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়া।
- প্রদত্ত উত্তরের 'To compensate' শব্দটির অর্থও ক্ষতিপূরণ করা, যা এই ফ্রেজটির সঠিক ভাবার্থ প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) To help others — অন্যদের সাহায্য করা বোঝায়, যা 'make good' ফ্রেজের ক্ষতিপূরণ অর্থের সাথে মেলে না।
B) To do good works — ভালো কাজ করা বোঝায়, কিন্তু এটি কোনো ক্ষয়ক্ষতি পূরণের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় না।
C) To compensate — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য এবং এর অর্থ ক্ষতিপূরণ দেওয়া।
D) To gain something — কিছু অর্জন করা বোঝায়, যা ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার ভাবার্থ থেকে সম্পূর্ণ আলাদা।
মনে রাখার টিপস:
ক্ষতি হলে তা 'good' বা ভালো করতে হলে তার 'compensate' বা ক্ষতিপূরণ দিতে হয়, এভাবে মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: A) 1000 years
কেন সঠিক:
- Millennium শব্দটির আক্ষরিক অর্থ সহস্রাব্দ বা হাজার বছর।
- ইংরেজি ভাষায় এক হাজার বছরের সময়কালকে একটি Millennium বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 1000 years — এটি সঠিক কারণ সহস্রাব্দের সুনির্দিষ্ট মান হলো এক হাজার বছর।
B) 200 years — দুই শ বছরের সময়কালকে Bicentenary বলা হয়, তাই এটি ভুল।
C) 500 years — পাঁচ শ বছরের সময়কালকে Quincentenary বলা হয়, তাই এটি ভুল।
D) 50 years — পঞ্চাশ বছরের সময়কালকে Jubilee বা Half century বলা হয়, তাই এটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
Million শব্দের সাথে মিল রেখে মনে রাখতে পারো যে Millennium মানে হাজার বা এক হাজার বছর।
সঠিক উত্তর: B) Marriage
কেন সঠিক:
- 'Nuptial' একটি ইংরেজি বিশেষণ শব্দ যার আক্ষরিক অর্থ বিবাহ বা বিয়ে সংক্রান্ত অনুষ্ঠান।
- এটি মূলত বিবাহ বা দাম্পত্য জীবন সম্পর্কিত বিষয় বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Night — এই শব্দটির অর্থ রাত, যা বিবাহ বা বিয়ের ধারণার সঙ্গে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়।
B) Marriage — এটি সঠিক উত্তর কারণ নুশাল শব্দটি সরাসরি বিয়ে বা বিবাহ উৎসবকে নির্দেশ করে।
C) Neptune — এটি সৌরজগতের একটি গ্রহ বা রোমান সমুদ্রের দেবতার নাম, যা শব্দের অর্থের বিপরীত।
D) Seen — এটি সি ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল রূপ যার অর্থ দেখা, যার সঙ্গে এই শব্দের মিল নেই।
মনে রাখার টিপস:
নুশাল শব্দটির শুরুতে থাকা এন ইউ পি অংশটি মনে রাখুন এবং একে বিয়ের পোশাক বা অনুষ্ঠানের সঙ্গে মিলিয়ে নিন।
সঠিক উত্তর: B) Etiquette
কেন সঠিক:
- এই বানানটির উৎপত্তি ফরাসি ভাষা থেকে যার অর্থ শিষ্টাচার বা ভদ্রতা।
- বানানটিতে ডাবল টি এবং ডাবল কিউ যুক্ত রয়েছে যা এর অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Etiquate — শেষের অংশ সঠিক নয় কারণ এখানে কিউ ইউ ই এর পরিবর্তে ভুল বানান ব্যবহার করা হয়েছে।
B) Etiquette — এটি সঠিক বানান এবং প্রশ্নানুযায়ী নির্ধারিত উত্তর।
C) Etiket — এটি বানানটির একটি অপভ্রংশ রূপ এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য সম্পূর্ণ ভুল।
D) Eticate — শেষের অংশে সঠিক ফরাসি ব্যাকরণগত বানানরীতি অনুসরণ করা হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
বানানটি মনে রাখতে ইটি (Et) এর সাথে কিউ ইউ ই (que) এবং টি টি ই (tte) যুক্ত করে Etiquette মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) Publicize
কেন সঠিক:
- 'Public' একটি নাউন বা এডজেক্টিভ, যার ভার্ব ফর্ম হলো 'Publicize' এবং এর অর্থ প্রচার করা বা জনসমক্ষে প্রকাশ করা।
- নির্দিষ্ট শব্দের শেষে 'ize' সাফিক্স যোগ করে সাধারণত ভার্ব গঠন করা হয়, যা এই শব্দের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Publicize — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটি 'Public' শব্দের সঠিক ভার্ব রূপ।
B) Publish — এটি একটি ভার্ব হলেও এর অর্থ প্রকাশ করা (যেমন বই বা পত্রিকা), যা 'Publicize' শব্দের সরাসরি ভার্ব রূপ নয়।
C) Proclaim — এটি একটি ভিন্ন ভার্ব যার অর্থ ঘোষণা করা এবং এটি 'Public' শব্দের রূপান্তর নয়।
D) Publicly — এটি একটি অ্যাডভার্ব (Adverb), যার অর্থ জনসমক্ষে, তাই এটি ভার্ব হতে পারে না।
মনে রাখার টিপস:
কোনো শব্দের শেষে 'ize' দেখলে সাধারণত সেটিকে ভার্ব হিসেবে চেনা যায়, যেমন Public থেকে Publicize।
সঠিক উত্তর: B) He wished that he might have some milk.
কেন সঠিক:
- রিপোর্টিং ভার্বটি पास्ट টেন্সে থাকলে এবং ইনভার্টেড কমার ভেତরে Let দিয়ে ইচ্ছা বা প্রার্থনা প্রকাশ করলে, রিপোর্টিং ভার্ব পরিবর্তন করে wish বা pray বসে।
- Narration-এর নিয়ম অনুযায়ী that বসে এবং সাবজেক্টের পরে might বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) He asked to have some milk. — Let দ্বারা প্রস্তাব বা অনুরোধ বোঝালে ask ব্যবহার হয়, কিন্তু এখানে ইচ্ছা প্রকাশ করায় এটি প্রযোজ্য নয়।
B) He wished that he might have some milk. — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং নিয়মানুযায়ী সঠিক।
C) He wanted to have some milk. — এটি সাধারণ অর্থ প্রকাশ করে, যা Narration-এর নিয়মানুযায়ী সঠিক রূপান্তর নয়।
D) He Prayed to have some milk. — প্রার্থনা বা ঈশ্বরকে উদ্দেশ করে কিছু চাওয়া বোঝালে prayed বসে, কিন্তু এখানে সাধারণ ইচ্ছা প্রকাশ পেয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
Let দিয়ে ইচ্ছা প্রকাশ করলে Inverted comma তুলে that বসবে এবং সাবজেক্টের পরে might বসবে।
সঠিক উত্তর: A) in
কেন সঠিক:
- Deficient শব্দের পর সাধারণত নির্দিষ্ট Preposition হিসেবে ইন বসে।
- কোনো কিছুতে ঘাটতি বা অভাব বোঝাতে Deficient in ফ্রেজটি ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) in - এটি সঠিক কারণ Deficient শব্দের সঙ্গে ইন প্রিপজিশন বসে ঘাটতি বোঝায়।
B) on - এটি ভুল কারণ Deficient শব্দের পর অন প্রিপজিশন বসে না।
C) into - এটি ভুল কারণ গতিশীলতা বা রূপান্তর বোঝাতে ইন্টু বসে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) with - এটি ভুল কারণ সাধারণত কোনো বস্তু বা ব্যক্তির সাথে থাকা বোঝাতে উইথ বসে, যা Deficient এর সাথে হয় না।
মনে রাখার টিপস:
ঘাটতি বা অভাব বুঝাতে Deficient শব্দের পরে সবসময় ইন প্রিপজিশন ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: C) By whom can it be done?
কেন সঠিক:
- Interrogative sentence-এর Active Voice-এ Who থাকলে Passive Voice-এ প্রথমে By whom বসে।
- Tense ও Person অনুযায়ী সাহায্যকারী verb (can) বসে এবং মূল verb-এর Past Participle (done) হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) By whom it can be done? — এখানে সাহায্যকারী verb (can) সাবজেক্টের পরে বসেছে, যা ইন্টারোগেটিভ বাক্য গঠনের নিয়মের পরিপন্থী।
B) What can be done by you? — এটি ভিন্ন অর্থের বাক্য এবং মূল বাক্যের সঠিক প্যাসিভ রূপ নয়।
C) By whom can it be done? — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এর গঠন ব্যাকরণগতভাবে শতভাগ সঠিক।
D) Whom can be done? — এখানে শুরুতে বাই (By) preposition অনুপস্থিত এবং বাক্যটির অর্থ অসম্পূর্ণ।
মনে রাখার টিপস:
Active voice-এ Who থাকলে Passive করার সময় শুরুতে By whom এবং সাহায্যকারী verb সাবজেক্টের আগে বসবে।
সঠিক উত্তর: A) in
কেন সঠিক:
- মানব শরীরের কোনো অঙ্গের ভেতরে বা অংশে ব্যথা বোঝাতে নির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী ইন প্রিপজিশন ব্যবহার করা হয়।
- এখানে পায়ের ভেতরে বা অংশে ব্যথা বোঝানো হয়েছে, তাই সঠিক উত্তর ইন হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) in — এটি সঠিক উত্তর কারণ শরীরের অঙ্গের ক্ষেত্রে ইন বসে।
B) on — অন সাধারণত কোনো তলের ওপর বা স্পর্শ করে বোঝাতে বসে, যা অঙ্গের ভেতরের ব্যথার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
C) with — উইথ সাধারণত কোনো কিছুর সাথে বা দ্বারা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে স্থানের অর্থ প্রকাশ করে না।
D) into — ইনটু সাধারণত বাইরে থেকে ভেতরে গতিশীল প্রবেশ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা স্থির ব্যথার ক্ষেত্রে বসে না।
মনে রাখার টিপস:
শরীরের অঙ্গের ভেতরে ব্যথা বা সমস্যা বোঝাতে সবসময় প্রিপজিশন ইন ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: B) Heroic Freedom Fighter
কেন সঠিক:
- সরকারি পরিভাষা এবং প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবহারের ক্ষেত্রে বীর মুক্তিযোদ্ধার ইংরেজি প্রতিশব্দ হিসেবে Heroic Freedom Fighter সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য ও প্রমিত।
- বাংলা বীর শব্দের কাব্যিক ও বীরত্বপূর্ণ প্রকাশ ইংরেজি Heroic শব্দের মাধ্যমে সবচেয়ে সুন্দরভাবে ফুটে ওঠে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Brave Freedom Fighter — সাধারণ অর্থে সাহসী বোঝাতে Brave ব্যবহার করা হলেও প্রাতিষ্ঠানিক পরিভাষায় এটি আদর্শ প্রতিশব্দ নয়।
B) Heroic Freedom Fighter — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং সরকারিভাবে স্বীকৃত ইংরেজি প্রতিশব্দ।
C) Great Freedom Fighter — Great শব্দের অর্থ মহান, যা বীর শব্দের সরাসরি ভাবার্থ প্রকাশ করে না।
D) Courageous Freedom Fighter — Courageous শব্দের অর্থ সাহসী বা নির্ভীক, যা প্রাতিষ্ঠানিক ইংরেজি অনুবাদে ব্যবহৃত হয় না।
মনে রাখার টিপস:
মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্ব বোঝাতে সাধারণ সাহসী বা Brave না বলে কাব্যিক ও প্রাতিষ্ঠানিক শব্দ Heroic মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: B) Children
কেন সঠিক:
- Pediatric শব্দটি চিকিৎসা বিজ্ঞানের সেই শাখাকে নির্দেশ করে যা শিশু রোগ ও তাদের চিকিৎসাসংক্রান্ত বিষয়ে কাজ করে।
- গ্রিক শব্দ paidos অর্থ শিশু এবং iatros অর্থ চিকিৎসক, এই দুটি শব্দের মিলনেই পেডিয়াট্রিক শব্দটি এসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Woman — নারীদের চিকিৎসাসংক্রান্ত চিকিৎসাবিজ্ঞানের শাখাকে বলা হয় গাইনোকোলজি, পেডিয়াট্রিক নয়।
B) Children — এটি সঠিক উত্তর কারণ পেডিয়াট্রিক শিশু চিকিৎসাবিজ্ঞানের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।
C) Adults — প্রাপ্তবয়স্কদের চিকিৎসাবিদ্যাকে ইন্টারনাল মেডিসিন বা সাধারণ চিকিৎসা বলা হয়।
D) Old people — প্রবীণ বা বয়স্কদের চিকিৎসাসংক্রান্ত শাখাকে জেরিয়াট্রিক্স বলা হয়।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি Paedo বা Pedia শব্দের অর্থ শিশু, তাই পেডিয়াট্রিক দেখলে শিশুদের চিকিৎসা মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) is
কেন সঠিক:
- One and a half-এর পর noun-টি plural হলেও সমগ্র পরিমাণটি একটি একক একক বা সমষ্টি বুঝালে verb singular হয়।
- এখানে ১.৫ টি আম একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ নির্দেশ করছে, তাই singular verb হিসেবে is বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) are — Subject-টি দেখতে plural মনে হলেও এটি একটি অখণ্ড পরিমাণ বোঝায়, তাই plural verb are ভুল।
B) is — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক কারণ এটি নির্দিষ্ট পরিমাণ বোঝাতে singular verb গ্রহণ করেছে।
C) has — এখানে কোনো অধিকার বা perfect tense বোঝানো হচ্ছে না, তাই has ভুল।
D) were — এটি past tense এবং plural verb, যা এই পরিমাপবাচক subject-এর জন্য সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
Fraction বা ভগ্নাংশ এবং one and a half-এর পর পরিমাণ একক বোঝালে verb সবসময় singular হয়।
সঠিক উত্তর: B) ১৫°
প্রদত্ত তথ্য:
সময় = ৬টা বেজে ৩০ মিনিট
ঘণ্টার কাঁটার অবস্থান = ৬ ঘণ্টার ঘরে
মিনিটের কাঁটার অবস্থান = ৩০ মিনিট অর্থাৎ ৬ এর ঘরে
ধরি,
মিনিটের কাঁটা প্রতি মিনিটে কোণ ঘোরে ৬°
ঘণ্টার কাঁটা প্রতি মিনিটে কোণ ঘোরে শূন্য দশমিক পাঁচ ডিগ্রি
৬টা ৩০ মিনিটে ঘণ্টার কাঁটা ৬ এবং ৭ এর ঠিক মাঝখানে থাকে
অতএব,
৬টা বাজলে ঘণ্টা ও মিনিটের কাঁটার মধ্যবর্তী কোণ থাকে শূন্য ডিগ্রি
৩০ মিনিটে মিনিটের কাঁটা ঘোরে ৩০ × ৬° = ১৮০°
৩০ মিনিটে ঘণ্টার কাঁটা অতিরিক্ত ঘোরে ৩০ × শূন্য দশমিক পাঁচ ডিগ্রি = ১৫°
সুতরাং,
৬টা ৩০ মিনিটে কাঁটা দুটির মধ্যবর্তী কোণ হয় ঠিক ১৫°
উত্তর: ১৫°
সঠিক উত্তর: A) ৮
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম সংখ্যা তিনটি হলো ৬, ৮ এবং ১০
পরবর্তী সংখ্যা দুটি হলো ৭ এবং ৯
ধরি,
অজানা সংখ্যাটি ক
অতএব,
৬, ৮ এবং ১০ এর যোগফল = ৬ + ৮ + ১০ = ২৪
এদের গাণিতিক গড় = ২৪ ÷ ৩ = ৮
সুতরাং,
৭, ৯ এবং ক এর গাণিতিক গড় হবে ৮
এদের মোট যোগফল = ৮ × ৩ = ২৪
উত্তর: ২৪ − (৭ + ৯) = ৮
সঠিক উত্তর: C) ৮.০ঊ−৭
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম সংখ্যাটি হলো ০.০০০০০১
দ্বিতীয় ভগ্নাংশটি হলো ২ ÷ ৫
ধরি,
০.০০০০০১ কে সাধারণ দশমিকে লেখা যায় ১ ÷ ১০০০০০০
২ ÷ ৫ কে দশমিকে প্রকাশ করলে পাওয়া যায় ০.৪
অতএব,
১ ÷ ১০০০০০০ এর সাথে ০.৪ গুণ করতে হবে
গুণফল দাঁড়ায় ০.০০০০০০৪
এটিকে বিজ্ঞানভিত্তিক আকারে রূপান্তর করতে হবে
সুতরাং,
দশমিক বিন্দুকে ডানে ছয় ঘর সরালে পাই ৮.০
বিজ্ঞানভিত্তিক নিয়মে ১০ এর পাওয়ার হবে ঋণাত্মক সাত
উত্তর: ৮.০ঊ−৭
সঠিক উত্তর: C) ৫০৫০
প্রদত্ত তথ্য:
ধারাবাহিক সংখ্যাগুলো হলো ১ থেকে ১০০ পর্যন্ত
এখানে প্রথম পদ হলো ১ এবং শেষ পদ হলো ১০০
ধরি,
মোট পদের সংখ্যা বা এন সমান ১০০
সমান্তর ধারার যোগফলের সূত্র ব্যবহার করতে হবে
অতএব,
যোগফলের সূত্রটি হলো পদসংখ্যা গুণ প্রথম পদ যোগ শেষ পদ ভাগ দুই
এখানে প্রথম পদ যোগ শেষ পদ সমান ১ যোগ ১০০ সমান ১০১
সুতরাং,
১০০ গুণ ১০১ ভাগ ২ সমান ১০১০০ ভাগ ২
উত্তর: ৫০৫০
সঠিক উত্তর: C) ০.৭
প্রদত্ত তথ্য:
A এর অংকটি করতে পারার সম্ভাবনা = ০.৪
B এর অংকটি করতে পারার সম্ভাবনা = ০.৫
ধরি,
A এর ক্ষেত্রে সম্ভাবনা P(A) = ০.৪
B এর ক্ষেত্রে সম্ভাবনা P(B) = ০.৫
অংকটি A অথবা B দ্বারা সমাধান হওয়া মানে তাদের ঘটার ইউনিয়ন।
অতএব,
স্বতন্ত্র বা স্বাধীন ঘটনার ক্ষেত্রে উভয়ই একসাথে না ঘটার সম্ভাবনা = ০.৪ × ০.৫ = ০.২
সূত্র অনুযায়ী সমাধান হবার সম্ভাবনা = P(A) + P(B) − [P(A) এবং P(B)]
সুতরাং,
সমাধান হবার সম্ভাবনা = ০.৪ + ০.৫ − ০.২
উত্তর: ০.৭
সঠিক উত্তর: A) ১৩, ৩১
প্রদত্ত তথ্য:
সংখ্যাটির অংক দুটির যোগফল ৪
স্থান বিনিময় করলে মান ১৮ কমে যায়
ধরি,
একক স্থানীয় অংক = ক
দশক স্থানীয় অংক = খ
অতএব,
সংখ্যাটি = ১০খ + ক
স্থান বিনিময় করলে সংখ্যাটি হয় = ১০ক + খ
শর্তমতে, (১০খ + ক) − (১০ক + খ) = ১৮
সুতরাং,
খ − ক = ২
আবার, খ + ক = ৪
উত্তর: সংখ্যা দুটি ১৩ এবং ৩১
সঠিক উত্তর: A) অসংখ্য
প্রদত্ত তথ্য:
দুইটি সরলরেখা একে অপরের সাথে মিলে গেছে
সমাপতিত রেখার ক্ষেত্রে প্রতিটি বিন্দু সাধারণ বিন্দু
ধরি,
প্রথম রেখার সমীকরণ = ax + by = c
দ্বিতীয় রেখার সমীকরণ = kax + kby = kc
অতএব,
দুটি সমীকরণ মূলত একই সমীকরণকে প্রকাশ করে
তাই চলকগুলোর অসংখ্য মান এই সমীকরণকে সিদ্ধ করে
সুতরাং,
রেখা দুটি সব বিন্দুতে একে অপরকে ছেদ করে
উত্তর: অসংখ্য
সঠিক উত্তর: A) a + b
প্রدত্ত তথ্য:
প্রথম রাশি = a² − b²
দ্বিতীয় রাশি = a³ + b³
ধরি,
প্রথম রাশির উৎপাদক বিশ্লেষণ করি
দ্বিতীয় রাশির উৎপাদক বিশ্লেষণ করি
অতএব,
প্রথম রাশি = (a + b) × (a − b)
দ্বিতীয় রাশি = (a + b) × (a² − ab + b²)
সুতরাং,
উভয় রাশির মধ্যে সাধারণ উৎপাদক বা গ.সা.গু হলো (a + b)
উত্তর: a + b
সঠিক উত্তর: C) ৮
প্রদত্ত তথ্য:
লগারিদম এর ভিত্তি হলো √৩ এবং সংখ্যাটি হলো ৮১
ধরি,
log_√৩ (৮১) = x
অতএব,
(√৩)^x = ৮১
সুতরাং,
(৩^(১/২))^x = ৩^৪
উত্তর: x = ৮
সঠিক উত্তর: B) n বর্গ
প্রদত্ত তথ্য:
ধারাটি হলো ১ + ৩ + ৫ + ...... + (২n − ১)
এটি একটি সমান্তর ধারা
ধরি,
প্রথম পদ a = ১
সাধারণ অন্তর d = ৩ − ১ = ২
অতএব,
ধري পদসংখ্যা = n
শেষ পদ = a + (n − ১)d = (২n − ১)
সুতরাং,
পদের সমষ্টির সূত্র এস = (n ÷ ২) × ২a + (n − ১)d
মান বসিয়ে পাই এস = (n ÷ ২) × ২ + (n − ১)২
উত্তর: n বর্গ
সঠিক উত্তর: C) ৯
প্রদত্ত তথ্য:
দুটি সংখ্যার যোগফল = ৬
আমাদের নির্ণয় করতে হবে সংখ্যা দুটির গুণফলের বৃহত্তম মান কত
ধরি,
প্রথম সংখ্যাটি = x
দ্বিতীয় সংখ্যাটি = y
এবং x + y = ৬
অতএব,
গুণফল xy এর মান সর্বোচ্চ হবে যখন সংখ্যা দুটি সমান হবে
যেহেতু x + y = ৬, তাই x = ৩ এবং y = ৩
সুতরাং,
সংখ্যা দুটির গুণফল = ৩ × ৩ = ৯
উত্তর: ৯
সঠিক উত্তর: A) প্রবৃদ্ধ কোণ
প্রদত্ত তথ্য:
কোণের পরিমাপ = ২৬০°
ধরি,
যে কোণের পরিমাপ ১৮০° অপেক্ষা বড় কিন্তু ৩৬০° অপেক্ষা ছোট তাকে প্রবৃদ্ধ কোণ বলে
অতএব,
২৬০° কোণটি ১৮০° এর চেয়ে বড়
সুতরাং,
এটি ৩৬০° এর চেয়ে ছোট একটি কোণ
উত্তর: প্রবৃদ্ধ কোণ
সঠিক উত্তর: B) ৫ ফুট
প্রদত্ত তথ্য:
বাঁশটির মোট দৈর্ঘ্য = ২৫ ফুট
ছোট অংশটি বড় অংশের ১/৮ অংশ
ধরি,
বড় অংশটি = ক ফুট
তাহলে ছোট অংশটি = ক ÷ ৮ ফুট
অতএব,
শর্তমতে, ক + (ক ÷ ৮) = ২৫
বা, (৮ক + ক) ÷ ৮ = ২৫
বা, ৯ক = ২৫ × ৮
সুতরাং,
৯ক = ২০০
ক = ২০০ ÷ ৯
উত্তর: ছোট অংশটির দৈর্ঘ্য ৫ ফুট
সঠিক উত্তর: C) ৬
প্রদত্ত তথ্য:
FLY শব্দটিতে মোট বর্ণের সংখ্যা ৩
শব্দটিতে কোনো বর্ণ পুনরাবৃত্তি নেই
ধরি,
মোট বর্ণের সংখ্যা = ৩
বিন্যাসের সূত্র অনুযায়ী মোট সাজানোর উপায় = ৩ এর ফ্যাক্টোরিয়াল
অতএব,
৩ এর ফ্যাক্টোরিয়াল = ৩ × ২ × ১
সুতরাং,
মোট সাজানোর উপায় = ৬
উত্তর: ৬
সঠিক উত্তর: D) y : x
প্রদত্ত তথ্য:
অনুপাতটি হলো x : y
ধরি,
প্রথম রাশি = x
দ্বিতীয় রাশি = y
অতএব,
ব্যস্তানুপাত নির্ণয় করতে হলে পূর্বরাশি ও উত্তররাশি স্থান পরিবর্তন করবে
অর্থাৎ প্রথম রাশি চলে যাবে পরে এবং দ্বিতীয় রাশি আসবে প্রথমে
সুতরাং,
x : y এর ব্যস্তানুপাত হবে y : x
উত্তর: y : x
সঠিক উত্তর: B) ১
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম শর্ত হলো a এর পাওয়ার p সমান b
দ্বিতীয় শর্ত হলো b এর পাওয়ার q সমান c
তৃতীয় শর্ত হলো c এর পাওয়ার r সমান a
ধরি,
প্রথম সমীকরণ থেকে পাই a এর পাওয়ার p সমান b
এখন b এর মান দ্বিতীয় সমীকরণ থেকে বসিয়ে পাই a এর পাওয়ার p এবং q এর গুণফল সমান c
অতএব,
এখন c এর মান তৃতীয় সমীকরণ থেকে বসিয়ে পাই a এর পাওয়ার p, q এবং r এর গুণফল সমান a
এখানে a এর পাওয়ার কিছু নেই মানে এক ধরতে হবে
সুতরাং,
উভয় পক্ষ থেকে a ভিত্তি বাদ দিলে পাওয়া যায় p গুণ q গুণ r সমান এক
উত্তর: ১
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: B) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
কেন সঠিক:
- ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ সংবলিত স্মৃতিচিহ্ন এবং মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের অংশ হিসেবে ভবনটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থিত।
- বাঙালির স্বাধীনতা সংগ্রামের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট সংরক্ষণের জন্য এই ভবনটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় নির্মাণ করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় — এটি অন্য একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় হলেও এখানে ৭ই মার্চ ভবন অবস্থিত নয়।
B) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় — এই অপশনটি সঠিক এবং এখানেই ৭ই মার্চ ভবনটি অবস্থিত।
C) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় — এটি পুরান ঢাকায় অবস্থিত একটি বিশ্ববিদ্যালয়, যেখানে এই ভবনটি নেই।
D) খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় — এটি দেশের দক্ষিণ অঞ্চলে অবস্থিত একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়, যেখানে ৭ই মার্চ ভবন নেই।
মনে রাখার টিপস:
ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহাসিক গুরুত্ব মনে রাখলেই এই উত্তর সহজে মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: C) ৪ বছর পর পর
কেন সঠিক:
- কমনওয়েলথ গেমস আন্তর্জাতিক একটি বহু-ক্রীড়া প্রতিযোগিতা যা প্রতি চার বছর পর পর অনুষ্ঠিত হয়।
- অলিম্পিক গেমসের মতো এই প্রতিযোগিতাও নির্ধারিত চার বছর পরপর কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর অংশগ্রহণে আয়োজিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২ বছর পর পর — এই বিরতিতে কমনওয়েলথ গেমস অনুষ্ঠিত হয় না, এটি ভুল তথ্য।
B) ৩ বছর পর পর — এই ব্যবধানে অলিম্পিক বা কমনওয়েলথ কোনো প্রধান আন্তর্জাতিক গেমস অনুষ্ঠিত হয় না।
C) ৪ বছর পর পর — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
D) ৫ বছর পর পর — পাঁচ বছরের ব্যবধানে এই গেমস আয়োজনের কোনো নিয়ম আন্তর্জাতিক ক্রীড়া সংস্থায় নেই।
মনে রাখার টিপস:
অলিম্পিক ও কমনওয়েলথ দুটি বড় ক্রীড়া আসরই সাধারণত চার বছর পর পর অনুষ্ঠিত হয়।
সঠিক উত্তর: B) সিয়েরালিওন
কেন সঠিক:
- পশ্চিম আফ্রিকার দেশ সিয়েরালিওন ২০০২ সালে বাংলা ভাষাকে তাদের দ্বিতীয় বা দাপ্তরিক ভাষার মর্যাদা প্রদান করে।
- জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনীতে বাংলাদেশির অবদানের প্রতি সম্মান জানাতে দেশটির তৎকালীন প্রেসিডেন্ট এই ঘোষণা দেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লাইবেরিয়া — এটি আফ্রিকার একটি দেশ হলেও বাংলা ভাষাকে দাপ্তরিক মর্যাদা দেয়নি।
B) সিয়েরালিওন — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ দেশটি বাংলা ভাষাকে দ্বিতীয় ভাষার স্বীকৃতি দিয়েছে।
C) পর্তুগাল — ইউরোপের এই দেশ বাংলা ভাষাকে দ্বিতীয় বা দাপ্তরিক ভাষার মর্যাদা দেয়নি।
D) কোনটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশন বি তে বিদ্যমান, তাই এটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
সিয়েরালিওন এবং শান্তি রক্ষা, এই দুটি শব্দ মনে রাখলেই দেশের নাম সহজে মনে পড়বে।
সঠিক উত্তর: D) ব্রাসেলস
কেন সঠিক:
- ব্রাসেলস হলো বেলজিয়ামের রাজধানী এবং এটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রশাসনিক কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে।
- ইউরোপীয় ইউনিয়নের বেশিরভাগ গুরুত্বপূর্ণ প্রাতিষ্ঠানিক কার্যালয় এই শহরে অবস্থিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্যারিস — এটি ফ্রান্সের রাজধানী এবং ইউনেস্কোর সদর দপ্তর, ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদর দপ্তর নয়।
B) লন্ডন — এটি যুক্তরাজ্যের রাজধানী, যা ব্রেক্সিটের পর ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্যও নয়।
C) রোম — এটি ইতালির রাজধানী এবং জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার সদর দপ্তর এখানে অবস্থিত।
D) ব্রাসেলস — এটি সঠিক উত্তর কারণ ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রধান কার্যালয় এখানেই অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
ইউরোপের প্রাণকেন্দ্র বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসেই ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদর দপ্তর অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: C) জনশুমারি ও গৃহ গণনা
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ২০২২ সালে অনুষ্ঠিত দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারির আনুষ্ঠানিক নাম পরিবর্তন করে জনশুমারি ও গৃহ গণনা নির্ধারণ করে।
- ঐতিহ্যগত পরিভাষা আধুনিকায়ন এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে 'আদমশুমারি' শব্দটির পরিবর্তে 'জনশুমারি' শব্দটি গ্রহণ করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জনসংখ্যাশুমারী ও গৃহ গণনা — এটি কাছাকাছি শব্দ হলেও সরকারিভাবে প্রবর্তিত সঠিক প্রশাসনিক নাম নয়।
B) লোকশুমারী ও গৃহ গণনা — এটি অতীতকালের ব্যবহৃত অনানুষ্ঠানিক পরিভাষা, যা বর্তমান প্রাতিষ্ঠানিক নামকরণের সঙ্গে মেলে না।
C) জনশুমারি ও গৃহ গণনা — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো কর্তৃক অনুমোদিত বর্তমান সরকারি নাম।
D) কোনটিই নয় — যেহেতু অপশন সি তে সঠিক উত্তর বিদ্যমান, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
আদমশুমারি শব্দটি পরিবর্তন করে আধুনিক ও প্রমিত বাংলা শব্দ হিসেবে জনশুমারি ও গৃহ গণনা নাম রাখা হয়েছে।
সঠিক উত্তর: D) A ও B উভয়ই
কেন সঠিক:
- ২০২১ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন ফিলিপাইনের মারিয়া রেসা এবং রাশিয়ার দিমিত্রি মুরাতভ।
- গণতন্ত্র ও দীর্ঘস্থায়ী শান্তির পূর্বশর্ত হিসেবে বাকস্বাধীনতা রক্ষায় তাদের অসামান্য অবদানের জন্য যৌথভাবে এই পুরস্কার প্রদান করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মারিয়া রেসা — তিনি একা নন, রাশিয়ার দিমিত্রি মুরাতভের সঙ্গে যৌথভাবে এই পুরস্কার পেয়েছিলেন।
B) দিমিত্রি মুরাতভ — তিনি একা নন, ফিলিপাইনের মারিয়া রেসার সঙ্গে যৌথভাবে এই পুরস্কার পেয়েছিলেন।
C) পিটার হ্যান্ডকে — তিনি ২০১৯ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেছিলেন, ২০২১ সালের শান্তিতে নোবেল বিজয়ী নন।
D) A ও B উভয়ই — মারিয়া রেসা ও দিমিত্রি মুরাতভ দুজনেই ২০২১ সালে যৌথভাবে শান্তিতে নোবেল পেয়েছেন।
মনে রাখার টিপস:
শান্তি পুরস্কারের ক্ষেত্রে মনে রাখুন, মারিয়া ও দিমিত্রি দুই দেশের দুই সাংবাদিক ২০২১ সালে যৌথভাবে নোবেল পান।
সঠিক উত্তর: C) ১৯৪৯
কেন সঠিক:
- জেনেভা কনভেনশন মূলত যুদ্ধাপরাধ এবং যুদ্ধাহত সৈনিক ও বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষার জন্য প্রণীত আন্তর্জাতিক মানবিক আইন।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহতার পর ১৯৪৯ সালে সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় এই কনভেনশনটি স্বাক্ষরিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৬৪ — এই সালে জেনেভা কনভেনশন স্বাক্ষরিত হয়নি, এটি ১৯৪৯ সালের ঐতিহাসিক চুক্তি।
B) ১৯৬৭ — এই সালটি জেনেভা কনভেনশন স্বাক্ষরের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
C) ১৯৪৯ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই জেনেভা কনভেনশনের বর্তমান চারটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
D) ১৯৫৪ — এই সালে জেনেভা কনভেনশন স্বাক্ষরিত হয়নি, এটি সাংস্কৃতিক সম্পদ সংরক্ষণের হেগ কনভেনশনের সাল।
মনে রাখার টিপস:
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হওয়ার চার বছর পর অর্থাৎ ১৯৪৯ সালে যুদ্ধকালীন মানবতা সুরক্ষায় জেনেভা কনভেনশন স্বাক্ষরিত হয়।
সঠিক উত্তর: B) শাপলা
কেন সঠিক:
- শাপলা বাংলাদেশের জাতীয় ফুল এবং এটি জাতীয় সংসদ ভবনের প্রতীক বা লোগো হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- সংসদ ভবনের স্থাপত্য নকশায় এবং প্রাতিষ্ঠানিক প্রতীকে পানির মধ্যে শাপলা ফুলের অবয়ব ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দোয়েল — দোয়েল বাংলাদেশের জাতীয় পাখি, তবে এটি জাতীয় সংসদের প্রতীক নয়।
B) শাপলা — এটি বাংলাদেশের জাতীয় ফুল এবং জাতীয় সংসদের প্রতীক।
C) পদ্মফুল — পদ্মফুল ভারতের জাতীয় ফুল, যা বাংলাদেশের সংসদের প্রতীক নয়।
D) বাঘ — রয়েল বেঙ্গল টাইগার বাংলাদেশের জাতীয় পশু, যা সংসদের প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয় না।
মনে রাখার টিপস:
সংসদে ফুল ফোটে, তাই জাতীয় সংসদের প্রতীক হলো জাতীয় ফুল শাপলা।
সঠিক উত্তর: C) ১৫
কেন সঠিক:
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ ৫টি স্থায়ী ও ১০টি অস্থায়ী সদস্য নিয়ে গঠিত।
- এই দুই প্রকার সদস্য মিলে নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য সংখ্যা ১৫ জন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৫ — এটি নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য দেশের সংখ্যা, মোট সদস্য সংখ্যা নয়।
B) ১০ — এটি নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য দেশের সংখ্যা, যা মোট সদস্য সংখ্যা নয়।
C) ১৫ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য সংখ্যা।
D) ২০ — এটি নিরাপত্তা পরিষদের কোনো নির্দিষ্ট সদস্য সংখ্যা নয়।
মনে রাখার টিপস:
স্থায়ী ৫ আর অস্থায়ী ১০ যোগ করলে ১৫ হয়, যা নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য সংখ্যা।
সঠিক উত্তর: B) ৩২টি
কেন সঠিক:
- কাতার বিশ্বকাপ ছিল ইতিহাসের শেষ টুর্নামেন্ট যেখানে ৩২টি দল অংশগ্রহণ করেছিল।
- পরবর্তী ২০২৬ বিশ্বকাপ থেকে দলের সংখ্যা বাড়িয়ে ৪৮টি করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৩০টি — এটি কোনো ফিফা বিশ্বকাপের দল সংখ্যা নয়, তাই এটি সঠিক নয়।
B) ৩২টি — এটি কাতার বিশ্বকাপ ২০২২ সালের অংশগ্রহণকারী দলের সঠিক সংখ্যা।
C) ৩৪টি — ফিফা বিশ্বকাপে কখনো ৩৪টি দল অংশগ্রহণ করেনি।
D) ২৮টি — এটি বিশ্বকাপের অংশগ্রহণকারী দেশের নির্ধারিত সংখ্যা নয়।
মনে রাখার টিপস:
২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপে ৩২টি দল অংশ নিয়েছিল, যেখানে সংখ্যাটি মনে রাখতে ৩২ সংখ্যাটি মাথায় রাখুন।
সঠিক উত্তর: C) সুইজারল্যান্ড
কেন সঠিক:
- সুইজারল্যান্ড একটি নিরপেক্ষ রাষ্ট্র এবং ঐতিহাসিককাল থেকেই তারা সামরিক জোটে যোগ দেয় না।
- ন্যাটো একটি সামরিক জোট হওয়ায় সুইজারল্যান্ড এর সদস্যপদ গ্রহণ করেনি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইতালি — এটি ন্যাটোর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য রাষ্ট্রগুলোর অন্যতম এবং বর্তমান সামরিক জোটের অংশ।
B) তুরস্ক — এটি ১৯৫২ সালে ন্যাটোর সদস্যপদ লাভ করে এবং জোটের একটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক অংশীদার।
C) সুইজারল্যান্ড — এটি তার চিরস্থায়ী নিরপেক্ষ নীতির কারণে ন্যাটোর সদস্য নয়।
D) ইংল্যান্ড — এটি ন্যাটোর অন্যতম প্রধান প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং সামরিক জোটের প্রভাবশালী অংশ।
মনে রাখার টিপস:
সুইজারল্যান্ডের নিরপেক্ষ নীতি মনে রাখলে সহজেই বোঝা যায় তারা কোনো সামরিক জোটে নেই।
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: D) হামিদুর রহমান
কেন সঠিক:
- ভাস্কর ও চিত্রশিল্পী হামিদুর রহমান ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের স্মরণে নির্মিত প্রথম কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের মূল নকশা তৈরি করেন।
- ১৯৫৬ সালে তাঁর নকশানুযায়ী শহীদ মিনারের নির্মাণকাজ শুরু হয় এবং এটি ১৯৫৭ সালে উদ্বোধন করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নিতুন কুন্ডু — তিনি একজন খ্যাতনামা চিত্রশিল্পী ও ভাস্কর হলেও কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের স্থপতি নন, তিনি বিখ্যাত অনেক ভাস্কর্যের স্রষ্টা।
B) শামীম শিকদার — তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলা ভাস্কর্যের স্থপতি, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সঙ্গে যুক্ত নন।
C) আমিনুল ইসলাম — তিনি দেশের একজন প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী ও আধুনিক শিল্পকলার প্রবক্তা, শহীদ মিনারের নকশার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নন।
D) হামিদুর রহমান — তিনি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের মূল নকশা প্রণয়নকারী প্রধান স্থপতি ও শিল্পী।
মনে রাখার টিপস:
শহীদ মিনারের নকশা করেছেন হামিদুর রহমান, এভাবে মনে রাখুন যে ভাষা শহীদদের স্মরণে চমৎকার (হামিদুর) নকশা করা হয়েছিল।
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: C) ৬ জন
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল গঠিত বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকারের মন্ত্রিসভার মোট সদস্য সংখ্যা ছিল ছয়জন।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে রাষ্ট্রপতি ও সৈয়দ নজরুল ইসলামকে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি করে এই মন্ত্রীপরিষদ গঠিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১০ জন — এটি ভুল তথ্য কারণ মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রিসভায় এত বেশি সদস্য ছিলেন না।
B) ৮ জন — এটি ভুল সংখ্যা, যা ঐতিহাসিক সত্যের সাথে মিলে না।
C) ৬ জন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই মন্ত্রীপরিষদে প্রধানমন্ত্রীসহ মোট মন্ত্রীর সংখ্যা ছিল ছয়জন।
D) ৪ জন — এটি ভুল কারণ চারজন শুধু মন্ত্রী পদের সংখ্যা নয়, সমগ্র মন্ত্রিসভার আকার ছয় সদস্যের ছিল।
মনে রাখার টিপস:
মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রিসভার সদস্য সংখ্যা মনে রাখতে সংখ্যাটি মনে রাখুন ছয়।
সঠিক উত্তর: A) ৪৬ তম
কেন সঠিক:
- জো বাইডেন আমেরিকার ২০২০ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জয়লাভ করে ২০২১ সালের ২০ জানুয়ারি দেশটির ৪৬তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন।
- ডেমোক্রেটিক পার্টির এই নেতা এর আগে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪৮তম উপরাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৪৬ তম — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেছিলেন।
B) ৪৪ তম — এটি ভুল কারণ ৪৪তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট ছিলেন বারাক ওহমা।
C) ৪৭ তম — এটি ভুল কারণ জো বাইডেনের পর ২০২৪ সালের নির্বাচনে জয়ী হয়ে ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী প্রেসিডেন্ট হন।
D) ৪৮ তম — এটি ভুল কারণ জো বাইডেন নিজেই তার রাজনৈতিক জীবনে যুক্তরাষ্ট্রের ৪৮তম উপরাষ্ট্রপতি ছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
জো বাইডেনের নামের শেষ অংশ এবং সংখ্যা মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন বাইডেন মানেই ছিয়াচল্লিশতম প্রেসিডেন্ট।
সঠিক উত্তর: A) ক্রিস গেইল
কেন সঠিক:
- ক্রিস গেইল আন্তর্জাতিক টি২০ ক্রিকেটের ইতিহাসে প্রথম সেঞ্চুরিয়ন এবং তিনি ২০০৭ সালের টি২০ বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে এই কীর্তি গড়েন।
- তিনি ওই ম্যাচে ৫৭ বলে ১১৭ রান করেছিলেন, যা আন্তর্জাতিক টি২০ ফরম্যাটের প্রথম শতক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ক্রিস গেইল — তিনি আন্তর্জাতিক টি২০ ক্রিকেটের প্রথম সেঞ্চুরিয়ন এবং এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
B) বিরাট কোহলী — তিনি ভারতের তারকা ব্যাটসম্যান হলেও টি২০ ক্রিকেটে প্রথম সেঞ্চুরিয়ন নন, তিনি অনেক পরে এই ফরম্যাটে সেঞ্চুরি করেন।
C) এ বি ডি ভিলিয়ার্স — তিনি দক্ষিণ আফ্রিকার মারকুটে ব্যাটসম্যান হলেও আন্তর্জাতিক টি২০ ক্রিকেটে প্রথম সেঞ্চুরিয়নের রেকর্ড তার নয়।
D) মার্টিন গাপটিল — তিনি নিউজিল্যান্ডের ওপেনার হলেও টি২০ ক্রিকেটে প্রথম শতক অর্জনের কৃতিত্ব তার নয়।
মনে রাখার টিপস:
টি২০ ক্রিকেটের প্রথম সেঞ্চুরির কথা মনে রাখতে ইউনিভার্স বস ক্রিস গেইলের নাম মনে রাখুন যিনি ২০০৭ বিশ্বকাপে প্রথম শতক হাঁকিয়েছিলেন।
সঠিক উত্তর: A) চীন
কেন সঠিক:
- চীন সাম্প্রতিক সময়ে বিশ্বের সবচেয়ে গভীর ও বৃহত্তম পাতাল ট্রেনের স্টেশন চালু করেছে।
- এই স্টেশনটি প্রকৌশল বিদ্যার এক অনন্য নিদর্শন যা যাতায়াত ব্যবস্থাকে আরও উন্নত করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চীন — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এই দেশটিই রেকর্ড গড় পাতাল স্টেশনটি নির্মাণ করেছে।
B) জাপান — জাপান উন্নত পাতাল ট্রেন ব্যবস্থার জন্য পরিচিত হলেও এই নির্দিষ্ট রেকর্ডটির অধিকারী নয়।
C) যুক্তরাজ্য — যুক্তরাজ্যের লন্ডন আন্ডারগ্রাউন্ড প্রাচীন হলেও এই নতুন ও গভীরতম স্টেশনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) ইতালি — ইতালি এই আধুনিক মেগা প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত নয়।
মনে রাখার টিপস:
গভীর ও বৃহত্তম পাতাল স্টেশন মানেই প্রযুক্তিতে এগিয়ে থাকা চীন দেশটিকে মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: D) ভার্জিনিয়া
কেন সঠিক:
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সদর দপ্তর পেন্টাগন দেশটির ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যের আর্লিংটন কাউন্টিতে অবস্থিত।
- এর স্থাপত্যশৈলী পঞ্চভুজাকৃতির এবং এটি বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম অফিস ভবন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নিউইয়র্ক — এটি যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান শহর ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র, প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর এখানে নয়।
B) ফ্লোরিডা — এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের একটি অঙ্গরাজ্য, যেখানে পেন্টাগন অবস্থিত নয়।
সি) শিকাগো — এটি ইলিনয় অঙ্গরাজ্যের একটি বিখ্যাত শহর, প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর পেন্টাগনের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
D) ভার্জিনিয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ পেন্টাগন এই অঙ্গরাজ্যের আর্লিংটনে অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
পেন্টাগন ভার্জিনিয়ায় অবস্থিত এটি মনে রাখতে প এবং ভ অক্ষর দুটি একসঙ্গে মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: C) 2021
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা লাভ করে, যার ৫০ বছর পূর্ণ হয় ২০২১ সালে।
- ১৯৭১ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত সময়কাল বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী হিসেবে উদযাপিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 2020 — এই বছরটি স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর বছর নয়, কারণ তখন স্বাধীনতার ৪৯ বছর পূর্ণ হয়েছিল।
B) 2022 — এই সালটি স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর পরবর্তী বছর, যখন দেশ স্বাধীনতার একান্নতম বছরে পদার্পণ করে।
C) 2021 — এটি সঠিক উত্তর, কারণ ১৯৭১ সালের স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্ণ হয়েছে এই সালে।
D) 2023 — এই সালটি সুবর্ণজয়ন্তীর পরের বছর, যা স্বাধীনতার বাষ্পীপূর্তি বা অন্য বর্ষের সঙ্গে সম্পর্কিত।
মনে রাখার টিপস:
স্বাধীনতার সাল ১৯৭১ এর সঙ্গে ৫০ যোগ করলেই সুবর্ণজয়ন্তীর বছর ২০২১ পাওয়া যায়।
সঠিক উত্তর: B) ৪১
কেন সঠিক:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের ৪১ অনুচ্ছেদে ধর্মীয় স্বাধীনতার অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে।
- এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রতিটি নাগরিকের যেকোনো ধর্ম অবলম্বন, পালন বা প্রচারের অধিকার রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২৩ — এটি রাষ্ট্রের সংস্কৃতির সংরক্ষণ ও উন্নয়নের সঙ্গে সম্পর্কিত, ধর্মীয় স্বাধীনতার সঙ্গে নয়।
B) ৪১ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই অনুচ্ছেদেই নাগরিকদের ধর্মীয় স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে।
C) ১২ — এটি ধর্মনিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতার নীতির সঙ্গে সম্পর্কিত হলেও নির্দিষ্ট অনুচ্ছেদ হিসেবে ৪১ সঠিক।
D) ৪৩ — এটি গৃহ ও যোগাযোগের নিরাপত্তার অধিকার সম্পর্কিত অনুচ্ছেদ, ধর্মীয় স্বাধীনতার নয়।
মনে রাখার টিপস:
সংবিধানের চার (৪) ও এক (১) মিলে হয় একচল্লিশ (৪১), যা আমাদের ধর্মের স্বাধীনতা নিশ্চিত করে।
সঠিক উত্তর: C) জোসেফ প্রিস্টলি
১. কেন সঠিক:
- ব্রিটিশ রসায়নবিদ জোসেফ প্রিস্টলি ১৭৭৪ সালে মার্কারিক অক্সাইডকে উত্তপ্ত করে অক্সিজেন গ্যাস আবিষ্কার করেন।
- তিনি এই গ্যাসের নাম দিয়েছিলেন ডিফ্লোজিস্টকেটেড এয়ার এবং এর দহন সহায়ক গুণাবলি আবিষ্কার করেন।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: অক্সিজেন হলো একটি বর্ণহীন, গন্ধহীন এবং স্বাদহীন মৌলিক গ্যাস যার রাসায়নিক প্রতীক ও এবং পারমাণবিক সংখ্যা ৮।
- কার্যপ্রণালি: প্রিস্টলি সূর্যের আলো ও উত্তরের সাহায্যে মার্কারিক অক্সাইডকে বিয়োজিত করে অক্সিজেন গ্যাস পৃথক করতে সক্ষম হন।
- বাস্তব প্রয়োগ: বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেনের উপস্থিতির কারণেই পৃথিবীতে জীবের শ্বাসকার্য এবং যেকোনো বস্তু পোড়ানো সম্ভব হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মানুষের শ্বাসক্রিয়া
ব্যাখ্যা: মানুষ ফুসফুসের মাধ্যমে বাতাস থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করে যা রক্তে মিশে শরীরের কোষে শক্তি উৎপাদনে সাহায্য করে।
উদাহরণ ২: মোমবাতি জ্বালানো
ব্যাখ্যা: খোলা বাতাসে মোমবাতি জ্বললেও কাচের গ্লাস চাপা দিলে অক্সিজেনের অভাবে তা নিভে যায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জর্জেস — জর্জেস ক্যভিয়ে বা অন্য কোনো বিজ্ঞানী অক্সিজেন আবিষ্কারের সঙ্গে যুক্ত নন।
B) ভ্যানহেলমেন্ট — তিনি উদ্ভিদতত্ত্ব ও গ্যাসের ধারণার ওপর কাজ করলেও অক্সিজেন আবিষ্কার করেননি।
C) জোসেফ প্রিস্টলি — ইনি অক্সিজেন গ্যাস প্রথম পরীক্ষাগারে সফলভাবে প্রস্তুত ও আবিষ্কার করেন।
D) ক্যাভেন্ডিস — হেনরি ক্যাভেন্ডিস হাইড্রোজেন গ্যাস আবিষ্কার করেছিলেন কিন্তু অক্সিজেন নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- প্রিস্টলি প্রদীপ জ্বেলে অক্সিজেন আবিষ্কার করলেন এই ছলে।
- অক্সিজেনের আদ্যক্ষর ও দিয়ে প্রিস্টলির পি মনে রাখতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- অক্সিজেন নামকরণ করেন ফরাসি রসায়নবিদ অ্যান্টোইন ল্যাভয়সিয়ে।
- একই প্রশ্ন থেকে ল্যাভয়সিয়ের নাম বা আবিষ্কারের সাল ১৭৭৪ সাল সংক্রান্ত প্রশ্নও পরীক্ষায় আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: D) সাইট্রিক এসিড
১. কেন সঠিক:
লেবু জাতীয় ফলে প্রচুর পরিমাণে সাইট্রিক এসিড থাকে যা এসিটিক বা অন্যান্য এসিড থেকে আলাদা।
এই জৈব এসিডটি লেবুর টক স্বাদের জন্য সরাসরি দায়ী এবং এটি উদ্ভিদদেহে প্রাকৃতিকভাবে উৎপাদিত হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: সাইট্রিক এসিড একটি দুর্বল জৈব এসিড যার রাসায়নিক সংকেত হলো C6H8O7।
কার্যপ্রণালি: লেবুর কোষে অবস্থিত ভ vacuoles অংশে এই এসিড জমা হয় এবং এর পিএইচ মান কম হওয়ার কারণে এটি টক স্বাদযুক্ত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কাগজি লেবু বা পাতি লেবু।
ব্যাখ্যা: এই লেবুগুলোতে সাইট্রিক এসিড থাকে যা ভিটামিন সি এর সাথে মিশून আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
উদাহরণ ২: কমলা লেবু বা মাল্টা।
ব্যাখ্যা: এগুলো লেবুর প্রজাতির ফল হওয়ায় এদের মধ্যেও সাইট্রিক এসিড প্রধান জৈব এসিড হিসেবে উপস্থিত থাকে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) টারটারিক এসিড — এটি প্রধানত তেঁতুল এবং কাঁচা আঙ্গুরে পাওয়া যায়, লেবুতে নয়।
B) এসিটিক এসিড — এটি ভিনেগারের মূল উপাদান যা ইথানল থেকে গাঁজন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তৈরি হয়।
C) ম্যালিক এসিড — এটি প্রধানত কাঁচা আপেল এবং নাশপাতিতে বেশি পরিমাণে পাওয়া যায়।
D) সাইট্রিক এসিড — এটি লেবু, কমলা এবং অন্যান্য সাইট্রাস জাতীয় ফলের প্রধান এসিড।
৫ মনে রাখার টিপস:
লেবু বা সাইট্রাস জাতীয় ফল থেকে সাইট্রিক এসিড মনে রাখা খুব সহজ।
লেবুর ইংরেজি নাম Lemon এবং সাইট্রাস ফলের শুরু C অক্ষর দিয়ে, তাই সাইট্রিক এসিড নামটি মনে রাখা সহজ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভিন্ন ফলে উপস্থিত এসিডের নাম প্রায়ই আসে।
একই রকম অন্য প্রশ্নে তেঁতুলে টারটারিক এসিড এবং ভিনেગারে এসিটিক এসিড থাকে—এই তথ্যগুলোও মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) 0.03
১. কেন সঠিক:
বায়ুমণ্ডলে কার্বন-ডাই-অক্সাইডের স্বাভাবিক পরিমাণ শতকরা শূন্য দশমিক শূন্য তিন ভাগ।
এটি উদ্ভিদের খাদ্য প্রস্তুত করার কাজে প্রধান ভূমিকা পালন করে এবং পৃথিবীর তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: বায়ুমণ্ডল হলো বিভিন্ন গ্যাসের মিশ্রণ যেখানে নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন প্রধান গ্যাস।
কার্বন-ডাই-অক্সাইড: এটি একটি ভারী গ্রিনহাউস গ্যাস যা সমগ্র বায়ুমণ্ডলের একটি ক্ষুদ্র অংশ দখল করে আছে।
বাস্তব প্রয়োগ: এই নির্দিষ্ট পরিমাণটি উদ্ভিদকুলের টিকে থাকা এবং গ্রিনহাউস প্রভাবের মাধ্যমে পৃথিবীর উষ্ণতা বজায় রাখার জন্য অত্যন্ত উপযুক্ত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়া
ব্যাখ্যা: উদ্ভিদ বায়ুমণ্ডল থেকে এই শূন্য দশমিক শূন্য তিন ভাগ কার্বন-ডাই-অক্সাইড গ্রহণ করে সূর্যের আলোর সাহায্যে খাদ্য তৈরি করে।
উদাহরণ ২: গ্রিনহাউস প্রভাব
ব্যাখ্যা: বায়ুমণ্ডলে এই গ্যাসের পরিমাণ নির্দিষ্ট থাকায় পৃথিবী অতিরিক্ত ঠান্ডা বা গরম হওয়া থেকে রক্ষা পায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 0.3 — এই মানটি বায়ুমণ্ডলের কার্বন-ডাই-অক্সাইডের পরিমাণের তুলনায় অনেক বেশি এবং এটি বৈজ্ঞানিক তথ্যের সাথে মিলে না।
B) 0.41 — বর্তমানে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে এই গ্যাস সামান্য বাড়লেও আদর্শ পাঠ্যবইয়ের প্রশ্ন অনুযায়ী এটি সঠিক নয়।
D) 0.8 — এই মানটি অত্যন্ত বেশি এবং এমন পরিমাণ বায়ুমণ্ডলে থাকলে গ্রহের তাপমাত্রা অসহনীয় হতো।
৫ মনে রাখার টিপস:
শূন্য দশমিক শূন্য তিন সংখ্যাটি মনে রাখলে বায়ুমণ্ডলের কার্বন-ডাই-অক্সাইডের সঠিক শতাংশ সহজে মনে রাখা যায়।
জীববিজ্ঞানের সালোকসংশ্লেষণ অধ্যায় পড়ার সময় এই গ্যাসটির শতকরা হার বারবার চর্চা করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বায়ুমণ্ডলে সবচেয়ে বেশি গ্যাস হলো নাইট্রোজেন যা প্রায় আটাত্তর শতাংশ।
এই ধরনের প্রশ্ন থেকে বায়ুমণ্ডলের অন্যান্য গ্যাস যেমন অক্সিজেন ও আর্গনের শতকরা হার থেকেও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: A) ডলফিন
১. কেন সঠিক:
- ডলফিন দেখতে মাছের মতো হলেও এটি মাছ নয়, বরং জলচর স্তন্যপায়ী প্রাণী।
- স্তন্যপায়ী প্রাণীর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এরা বাতাস থেকে অক্সিজেন নেওয়ার জন্য ফুসফুস ব্যবহার করে এবং সন্তান প্রসব করে মায়ের দুধ পান করায়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: যেসকল প্রাণী উষ্ণশোণিত, ফুসফুসের সাহায্যে শ্বাসকার্য চালায় এবং জন্মদানের পর মাতৃস্তন্যের দুগ্ধ পান করে তাদের স্তন্যপায়ী বলে।
- কার্যপ্রণালি: সামুদ্রিক স্তন্যপায়ী হওয়া সত্ত্বেও ডলফিনের ফুলকা থাকে না, তাই পানির উপরিভাগে এসে মাথার ওপরের ব্লোহোল বা ছিদ্র দিয়ে বাতাস গ্রহণ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নীল তিমি
ব্যাখ্যা: নীল তিমিও ডলফিনের মতো একটি বিশাল আকৃতির সামুদ্রিক স্তন্যপায়ী প্রাণী যা ফুসফুসের মাধ্যমে শ্বাস নেয়।
উদাহরণ ২: বাদুড়
ব্যাখ্যা: বাদুড় আকাশে ওড়ে কিন্তু এটি পাখি নয়, বরং স্তন্যপায়ী প্রাণী কারণ এটি সন্তান প্রসব করে এবং দুধ খাওয়ায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ডলফিন — এটি স্তন্যপায়ী প্রাণী হওয়ায় সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে।
B) হাঙ্গর — হাঙ্গর একটি তরুণাস্থিময় মাছ, যা ফুলকার সাহায্যে শ্বাস নেয় এবং ডিম পাড়ে।
C) ব্যাঙ — ব্যাঙ উভচর শ্রেণির প্রাণী, যা জীবনের শুরুতে পানিতে এবং পরবর্তীতে ডাঙ্গায় বাস করে।
D) ঈগল — ঈগল পাখি বা পক্ষী শ্রেণির প্রাণী, যা ডিম পাড়ে এবং ডানার সাহায্যে ওড়ে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- পানিতে থাকে কিন্তু মাছ নয় এমন প্রাণী হলো তিমি ও ডলফিন, এরা আসলে স্তন্যপায়ী।
- ডলফিনের ফুলকা নেই বরং ফুসফুস আছে, তাই এটি পানিতে ডুবে গেলে মারা যায় এবং বাতাস নিতে উপরে আসে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ডলফিন কোন শ্রেণির প্রাণী এমন প্রশ্ন বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
- তিমি, ডলফিন এবং বাদুড় কোন শ্রেণির প্রাণী, তা ভালোভাবে মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: A) বোরন
১. কেন সঠিক:
- গাছে ফল ধরতে ও পাকতে দেরি হয় মূলত বোরন নামক উদ্ভিদের অপরিহার্য পুষ্টি উপাদানের অভাবে।
- বোরন উদ্ভিদের পরাগায়ন, ফুল ফোটা এবং ফল ধরার প্রক্রিয়া স্বাভাবিক রাখতে সরাসরি সাহায্য করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: উদ্ভিদের বৃদ্ধির জন্য বোরন একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা অতিপ্রয়োজনীয় লঘum পুষ্টি উপাদান।
- কার্যপ্রণালি: এটি উদ্ভিদের শর্করার স্থানান্তর, কোষ বিভাজন এবং পরাগরেণু উৎপাদনে প্রধান ভূমিকা পালন করে।
- কারণ ও ফলাফল: বোরনের অভাবে পরাগায়ন ব্যাহত হয়, ফুল ঝরে পড়ে এবং ফল ধরতে ও পাকতে অস্বাভাবিক দেরি হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সরিষা বা সূর্যমুখী খেঁতে বোরনের ঘাটতি দেখা দিলে ফুল আসে না এবং ফল বা বীজ গঠন বিঘ্নিত হয়।
ব্যাখ্যা: এর ফলে কৃষকরা আশানুরূপ ফলন পান না এবং ফসল পাকতে নির্ধারিত সময়ের চেয়ে বেশি সময় নেয়।
উদাহরণ ২: ফলবাগানে আম বা পেয়ারা গাছে বোরন প্রয়োগ করলে সময়মতো ফুল ও ফল আসে।
ব্যাখ্যা: এটি সঠিক সময়ে পুষ্টি সরবরাহ নিশ্চিত করে গাছের বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করে এবং ফল দ্রুত পাকার উপযোগী হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বোরন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অভাবে উদ্ভিদের প্রজনন প্রক্রিয়া ব্যাহত হয় এবং ফল ধরতে ও পাকতে দেরি হয়।
B) ফসফরাস — এই অপশন ভুল কারণ ফসফরাস উদ্ভিদের শিকড় বৃদ্ধিতে এবং শক্তি হস্তান্তরে সহায়তা করে।
C) ম্যাগনেসিয়াম — এই অপশন ভুল কারণ ম্যাগনেসিয়াম ক্লোরোফিলের মূল উপাদান এবং এটি সালোকসংশ্লেষণে মুখ্য ভূমিকা পালন করে।
D) সালফার — প্রশ্নে প্রদত্ত এই উত্তরটি বৈজ্ঞানিকভাবে সঠিক নয়, কারণ সালফার প্রধানত প্রোটিন ও অ্যামিনো এসিড তৈরিতে কাজ করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ফুল ও ফল ধরা সংক্রান্ত সমস্যা মানেই বোরনের অভাব হিসেবে মনে রাখতে হবে।
- উদ্ভিদ পুষ্টির মাইক্রোনিউট্রিয়েন্টগুলোর মধ্যে বোরন প্রজনন দশায় সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- উদ্ভিদের মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা লঘু পুষ্টি উপাদানের অভাবজনিত লক্ষণ থেকে প্রায়ই বিসিএস ও শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে।
- একই ধারণা থেকে অন্য প্রশ্ন আসতে পারে যে কোন উপাদানের অভাবে ফুলের পরাগরেণু অঙ্কুরোদগম ব্যাহত হয়।
সঠিক উত্তর: C) কানাডা
১. কেন সঠিক:
- কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে ভৌগোলিক আয়তনের দিক থেকে কানাডা সবচেয়ে বড় দেশ।
- উত্তর আমেরিকা মহাদেশের উত্তরভাগে অবস্থিত এই দেশটির মোট আয়তন প্রায় এক কোটি বর্গকিলোমিটারের বেশি।
২. ভৌগোলিক তথ্য:
- অবস্থান: উত্তর আমেরিকা মহাদেশের উত্তরাঞ্চলে অবস্থিত এবং এর উত্তরে আর্টিক মহাসাগর রয়েছে।
- বৈশিষ্ট্য: এটি বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ এবং কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে আয়তনে প্রথম স্থানে রয়েছে।
৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা:
উদাহরণ ১: রাশিয়া
ব্যাখ্যা: রাশিয়া বিশ্বের বৃহত্তম দেশ হলেও এটি কমনওয়েলথভুক্ত দেশ নয়, তাই কানাডা কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে শীর্ষস্থানে রয়েছে।
উদাহরণ ২: অস্ট্রেলিয়া
ব্যাখ্যা: অস্ট্রেলিয়া একটি মহাদেশীয় দেশ এবং কমনওয়েলথভুক্ত হলেও আয়তনে কানাডার চেয়ে ছোট।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অস্ট্রেলিয়া — এটি কমনওয়েলথভুক্ত একটি দেশ এবং ওশেনিয়া অঞ্চলের বৃহত্তম দেশ হলেও আয়তনে কানাডার চেয়ে অনেক ছোট।
B) ভারত — এটি দক্ষিণ এশিয়ার একটি বিশাল দেশ এবং কমনওয়েলথভুক্ত হলেও আয়তনের দিক থেকে কানাডার পরে অবস্থান করে।
C) কানাডা — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে সর্ববৃহৎ।
D) দক্ষিণ আফ্রিকা — এটি আফ্রিকান মহাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ কমনওয়েলথ দেশ কিন্তু আয়তনে কানাডার তুলনায় অনেক ক্ষুদ্র।
৫. মনে রাখার টিপস:
কমনওয়েলথভুক্ত বড় দেশগুলোর ক্ষেত্রে উত্তর আমেরিকার ঠাণ্ডা দেশ কানাডাকে সবার আগে মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিশ্বের বৃহত্তম দেশগুলোর আয়তন এবং কমনওয়েলথভুক্ত শীর্ষ দেশগুলো থেকে প্রায়ই বিসিএস ও ব্যাংক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: B) DP = TP / TA
১. কেন সঠিক:
জনসংখ্যার ঘনত্ব বলতে বোঝায় প্রতি একক এলাকায় কতজন মানুষ বসবাস করে। মোট জনসংখ্যাকে মোট ভূখণ্ডের ক্ষেত্রফল দিয়ে ভাগ করলে এই ঘনত্ব নির্ণয় করা যায়।
২. ভৌগোলিক তথ্য:
জনসংখ্যা ও জনবসতি: কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চলে মানুষের বসতি স্থাপনের তীব্রতা ও বিস্তৃতি নির্দেশ করে।
ক্ষেত্রফল ও ঘনত্ব: সাধারণত প্রতি বর্গকিলোমিটারে বসবাসরত মানুষের সংখ্যা হিসেবে জনঘনত্ব প্রকাশ করা হয়।
৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা:
উদাহরণ ১: বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা: বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যাকে দেশের মোট আয়তন দিয়ে ভাগ করে জনসংখ্যার ঘনত্ব বের করা হয়, যা বিশ্বে অন্যতম সর্বোচ্চ।
উদাহরণ ২: কানাডা
ব্যাখ্যা: কানাডার আয়তন বিশাল হলেও জনসংখ্যা তুলনামূলক কম হওয়ায় এর জনসংখ্যার ঘনত্ব অনেক কম।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) DP = TR / TP — এটি জনসংখ্যার ঘনত্বের সঠিক সূত্র নয় কারণ এখানে মোট রাজস্ব বা অন্য কোনো চলক ব্যবহার করা হয়েছে।
B) DP = TP / TA — এটি সঠিক কারণ মোট জনসংখ্যাকে মোট এলাকা দিয়ে ভাগ করা হয়েছে।
C) DP = TP / TR — এটি সঠিক নয় কারণ এখানে এলাকার পরিবর্তে অন্য কোনো পরিমাপ ব্যবহার করা হয়েছে।
D) DP = TD / TA — এটি জনসংখ্যার ঘনত্বের সূত্র নয় কারণ মোট দূরত্বের সঙ্গে এলাকার কোনো সরাসরি সম্পর্ক নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
ঘনত্ব বের করার সহজ নিয়ম হলো উপরে থাকবে মানুষ বা মোট জনসংখ্যা আর নিচে থাকবে এলাকা বা ক্ষেত্রফল। সংক্ষেপে টিপি ভাগ টিএ মনে রাখতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
জনসংখ্যার ঘনত্ব পরিমাপের একক হলো প্রতি বর্গকিলোমিটার। বিসিএস পরীক্ষায় এই সূত্র বা এর প্রয়োগ থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: C) ওয়েলিংটন
১. কেন সঠিক:
- ওয়েলিংটন নিউজিল্যান্ডের রাজধানী এবং এটি দেশের দ্বিতীয় সর্বাধিক জনবহুল শহราঞ্চল।
- এটি উত্তর দ্বীপের দক্ষিণ প্রান্তে কুক প্রণালির তীরে অত্যন্ত কৌশলগত ও মনোরম ভৌগোলিক অবস্থানে অবস্থিত।
২. ভৌগোলিক তথ্য:
- অবস্থান: ওশেনিয়া মহাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত নিউজিল্যান্ড দেশের উত্তর দ্বীপের দক্ষিণ প্রান্তে এই রাজধানী অবস্থিত।
- বৈশিষ্ট্য: এটি বিশ্বের অন্যতম দক্ষিণাঞ্চলীয় সার্বভৌম রাজধানী এবং প্রবল বাতাসের জন্য একে উইন্ডি ওয়েলিংটন বলা হয়।
৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা:
উদাহরণ ১: ক্যানবেরা
ব্যাখ্যা: অস্ট্রেলিয়ার রাজধানী ক্যানবেরা যেমন দেশের সবচেয়ে বড় শহর সিডনি বা মেলবোর্ন নয়, তেমনি নিউজিল্যান্ডের রাজধানী অকল্যান্ড না হয়ে ওয়েলিংটন হয়েছে।
উদাহরণ ২: ওয়াশিংটন ডিসি
ব্যাখ্যা: যুক্তরাষ্ট্র বা অস্ট্রেলিয়ার মতো নিউজিল্যান্ডেও বাণিজ্যিক রাজধানী এক শহর হলেও প্রশাসনিক রাজধানী আলাদা শহর হিসেবে গড়ে উঠেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অকল্যান্ড — এটি নিউজিল্যান্ডের বৃহত্তম শহর এবং প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র হলেও দেশের রাজধানী নয়।
B) আমস্টারডাম — এটি নেদারল্যান্ডসের রাজধানী, ওশেনিয়া অঞ্চলের দেশ নয়।
D) ম্যানিলা — এটি ফিলিপাইনের রাজধানী, যা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় অবস্থিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
অনেকে ভুল করে অকল্যান্ডকে নিউজিল্যান্ডের রাজধানী মনে করেন, কারণ এটি সবচেয়ে বড় শহর। মনে রাখবেন, যেমন অস্ট্রেলিয়ার রাজধানী সিডনি নয় ক্যানবেরা, তেমনি নিউজিল্যান্ডের রাজধানী অকল্যান্ড নয় ওয়েলিংটন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দেশ ও রাজধানীর ক্ষেত্রে বৃহত্তম শহর এবং রাজধানীর পার্থক্য নিয়ে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। নিউজিল্যান্ডের মুদ্রার নাম কি এবং এর প্রধান দুটি দ্বীপের নাম কী, তা জেনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: B) Eye
১. কেন সঠিক:
সিডর শব্দটি শ্রীলঙ্কার প্রস্তাবিত এবং এর অর্থ চোখ। ২০০৭ সালের ১৫ নভেম্বর বাংলাদেশে আঘাত হানা প্রলয়ঙ্কারী ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড়টির নামকরণ করা হয়েছিল এই শব্দানুসারে।
২. ভৌগোলিক তথ্য:
অবস্থান: বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চল এবং এর উপকূলবর্তী দেশ বিশেষ করে বাংলাদেশ ও ভারত।
বৈশিষ্ট্য: ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রের শান্ত ও মেঘমুক্ত অংশকে চোখ বা আই বলা হয়।
কারণ ও প্রভাব: ঘূর্ণিঝড়ের তীব্রতা ও বাতাসের ঘূর্ণন গতির কারণে এর কেন্দ্রস্থলে নিম্নচাপের সৃষ্টি হয় যা চোখের মতো দেখায়।
৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা:
উদাহরণ ১: ২০০৭ সালের ঘূর্ণিঝড় সিডর
ব্যাখ্যা: এই ঘূর্ণিঝড়টি সুন্দরবনের উপকлеূলে আঘাত হেনেছিল এবং এর নাম দিয়েছিল শ্রীলঙ্কা।
উদাহরণ ২: আইলা বা আম্পান
ব্যাখ্যা: এগুলিও বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হওয়া বিভিন্ন দেশের নামকৃত শক্তিশালী ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Cyclone — সাইক্লোন বা ঘূর্ণিঝড় হলো একটি আবহাওয়াজনিত প্রাকৃতিক দুর্যোগ যা এই শব্দের সরাসরি অর্থ নয়।
B) Eye — এটি সঠিক উত্তর কারণ সিডর শব্দের আক্ষরিক অর্থ চোখ।
C) Ear — এটি শরীরের একটি অঙ্গের নাম যার সাথে এই ঘূর্ণিঝড়ের কোনো সম্পর্ক নেই।
D) Wind — উইন্ড বা বাতাস হলো ঘূর্ণিঝড়ের একটি উপাদান কিন্তু সিডর শব্দের অর্থ বাতাস নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
সিডর মানে চোখ মনে রাখতে সি দিয়ে সাইক্লোন এবং চোখ বা আই এর কথা মাথায় রাখতে হবে। শ্রীলঙ্কা এই নামটি দিয়েছিল।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ঘূর্ণিঝড় সিডর কত সালে আঘাত হেনেছিল এবং সিডর শব্দের অর্থ কী তা বিসিএসসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণের উৎস সম্পর্কেও প্রশ্ন থাকতে পারে।
সঠিক উত্তর: D) ভারত ও নেপাল
১. কেন সঠিক:
- কালাপানি অঞ্চলটি ভারত ও নেপালের মধ্যে একটি বিতর্কিত ভূখণ্ড।
- নেপাল দাবি করে যে ১৯১৬ সালের সুগৌলী চুক্তি অনুযায়ী এই অঞ্চলের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত মহাকালী নদীই তাদের পশ্চিম সীমান্ত নির্ধারণ করে।
২. ভৌগোলিক তথ্য:
- অবস্থান: উত্তরাখণ্ড রাজ্যের কুমাওন অঞ্চলের পিথোরাগড় জেলায় অবস্থিত।
- বৈশিষ্ট্য: এটি হিমালয় পর্বতমালার কোলে অবস্থিত একটি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ উচ্চ পাহাড়ি এলাকা।
৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা:
উদাহরণ ১: লিপুলেখ পাস
ব্যাখ্যা: কালাপানি অঞ্চলের কাছাকাছি অবস্থিত এই গিরিপথটি ভারত, নেপাল ও তিব্বতের ত্রিসীমান্তে অবস্থিত হওয়ায় এর ভূরাজনৈতিক গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি।
উদাহরণ ২: সুগৌলী চুক্তি
ব্যাখ্যা: ১৮১৬ সালে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ও নেপালের মধ্যে স্বাক্ষরিত এই চুক্তি বর্তমান ভারত ও নেপালের সীমানা নির্ধারণের মূল ভিত্তি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পাকিস্তান ও চীন — এই দুই দেশের মধ্যে কালাপানি অঞ্চলটি অবস্থিত নয় এবং এটি তাদের সীমান্ত বিরোধের অন্তর্ভুক্ত নয়।
B) ভুটান ও ভারত — এই দুটি দেশের মধ্যে কালাপানি নিয়ে কোনো বিতর্ক নেই এবং ভৌগোলিকভাবে এটি অন্য অঞ্চলে অবস্থিত।
C) বাংলাদেশ ও ভারত — এই দুই দেশের মধ্যে স্থল সীমান্ত ও সমুদ্রসীমা সংক্রান্ত বিভিন্ন চুক্তি থাকলেও কালাপানি এর মধ্যে পড়ে না।
D) ভারত ও নেপাল — এই অপশনটি সঠিক কারণ এই দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যেই কালাপানি অঞ্চলের সার্বভৌমত্ব নিয়ে ভূরাজনৈতিক বিরোধ রয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- কালাপানি বিতর্ক মনে রাখতে নেপালের মানচিত্রের পশ্চিম সীমানা এবং ভারতের উত্তরাখণ্ডের পিথোরাগড় জেলার অবস্থান একসঙ্গে মনে রাখতে হবে।
- সুগৌলী চুক্তি এবং মহাকালী নদী এই বিরোধের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনৈতিক দ্বন্দ্ব এবং সীমান্ত সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে।
- মহাকালী নদী কোন দুই দেশের সীমান্ত নির্ধারণ করে, এই ধরনের প্রশ্নও এই তথ্য থেকে কমন পড়তে পারে।
সঠিক উত্তর: D) কর্ণফুলী
১. কেন সঠিক:
বাংলাদেশের একমাত্র কৃত্রিম হ্রদ কাপ্তাই হ্রদ তৈরির জন্য কর্ণফুলী নদীতে বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছিল।
১৯৫৯ সালে রাঙ্গামাটি জেলার কাপ্তাই নামক স্থানে এই বাঁধ নির্মাণের ফলে সৃষ্টি হয় সুবিশাল এই জলরাশি।
২. ভৌগোলিক তথ্য:
অবস্থান: রাঙ্গামাটি জেলায় অবস্থিত কর্ণফুলী নদীর ওপর এই কৃত্রিম হ্রদটি বিস্তৃত।
বৈশিষ্ট্য: এটি দেশের বৃহত্তম কৃত্রিম জলাধার এবং এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো জলবিদ্যুৎ উৎপাদন করা।
সংশ্লিষ্ট তথ্য: কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের মাধ্যমে এখান থেকে দেশের একটি বড় অংশে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়।
৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা:
উদাহরণ ১: তিব্বত থেকে উৎপন্ন হয়ে কর্ণফুলী নদী পার্বত্য চট্টগ্রাম হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
ব্যাখ্যা: এই নদীর গতিপথের মাঝেই কাপ্তাই নামক স্থানে বাঁধ দিয়ে কৃত্রিম হ্রদটি সৃষ্টি করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: কৃত্রিম হ্রদ হলো এমন জলাধার যা মানবসৃষ্ট বাঁধ বা খালের মাধ্যমে প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট নয় বরং তৈরি করা হয়।
ব্যাখ্যা: কাপ্তাই হ্রদ মানুষের তৈরি বাঁধের কারণে গঠিত হয়েছে বলে এটি কৃত্রিম হ্রদের উৎকৃষ্ট উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সাঙ্গু — এটি একটি প্রাকৃতিক নদী যা বান্দরবান ও চট্টগ্রাম অঞ্চলের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
B) তিস্তা — এটি একটি প্রধান নদী যা ভারত থেকে বাংলাদেশে প্রবেশ করে ব্রহ্মপুত্রের সঙ্গে মিলিত হয়েছে।
C) পদ্মা — এটি গঙ্গার প্রধান শাখা নদী যা বাংলাদেশের অন্যতম দীর্ঘ ও প্রধান নদী হিসেবে পরিচিত।
D) কর্ণফুলী — এই নদীর ওপর বাঁধ দিয়েই কাপ্তাই কৃত্রিম হ্রদ তৈরি করা হয়েছে এবং এটি সঠিক উত্তর।
৫. মনে রাখার টিপস:
কর্ণফুলী নদীর ক অক্ষর দিয়ে কাপ্তাই হ্রদ মনে রাখা সহজ হয়।
কৃত্রিম হ্রদ মানেই কাপ্তাই এবং নদী হলো কর্ণফুলী।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কাপ্তাই হ্রদ কোন জেলায় অবস্থিত এবং এটি কোন নদীর ওপর নির্মিত এই দুটি প্রশ্ন পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
একই ধারণা থেকে নদীর নাম, বাঁধের নাম এবং জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র সম্পর্কিত প্রশ্ন থাকতে পারে।
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)