বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন (BPSC)

পিএসসি'র অধীন বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে সহকারী প্রোগ্রামার/ সহকারী রক্ষণাবেক্ষণ প্রকৌশলী পদে নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৬।

পদের নাম: সহকারী প্রোগ্রামার (৯ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (69)

a দোক্‌খো
b দোক্‌খু
c দক্‌খো
d দক্‌কো
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দোক্‌খো ১. কেন সঠিক: - 'দক্ষ' শব্দের সঠিক উচ্চারণ হলো দোক্‌খো। প্রমিত বাংলা উচ্চারণ রীতি অনুযায়ী যুক্তবর্ণের সঠিক প্রয়োগের ফলে এই উচ্চারণ নির্ধারিত হয়। - শব্দের আদিতে যুক্ত ব্যঞ্জন বা বিশেষ যুক্তবর্ণের প্রভাবে উচ্চারণ পরিবর্তিত হয়, এখানে 'ক্ষ' যুক্তবর্ণটি 'খ্ক্ব' বা 'ক্খ' এর মতো উচ্চারিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ধ্বনি, বর্ণ ও উচ্চারণ সংক্রান্ত ব্যাকরণিক নিয়মে 'ক্ষ' যুক্তবর্ণটি ক এবং ষ এর মিলনে গঠিত হলেও এর উচ্চারণ সাধারণত ক+খ (ক্‌খ) এর মতো হয়। - শব্দের শুরুতে বা মাঝে 'ক্ষ' থাকলে তা সকারান্ত বা ও-কারান্ত উচ্চারণের প্রভাবে পরিবর্তিত হয়ে অ বা ও কার গ্রহণ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লক্ষ্য ব্যাখ্যা: লক্ষ্য শব্দের উচ্চারণ লক্খো হয়, যা একই নিয়মে সাধিত। উদাহরণ ২: পক্ষ ব্যাখ্যা: পক্ষ শব্দের উচ্চারণ পক্খো হয়, যা দক্ষতা শব্দের উচ্চারণের সাথে মিল রাখে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দোক্‌খো — এই অপশনটি সঠিক এবং প্রমিত উচ্চারণ নিয়ম সমর্থন করে। B) দোক্‌খু — এই অপশনে শেষে উ-কার যুক্ত রয়েছে যা ভুল এবং প্রমিত উচ্চারণের সাথে মিলে না। C) দক্‌খো — এই অপশনে আ-কার বা ও-কারের পরিবর্তে অ-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক উচ্চারণ নয়। D) দক্‌কো — এই অপশনে যুক্তবর্ণের খ ধ্বনিটিকে ক ধ্বনিতে রূপান্তর করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। ৫ মনে রাখার টিপস: - ক্ষ যুক্ত শব্দের উচ্চারণ সাধারণত ক এবং খ এর মিশ্রণে হয় এবং শেষে ও-কার যুক্ত হয়। - দক্ষিণ বা দক্ষ জাতীয় শব্দ উচ্চারণের সময় খ এর উচ্চারণ স্পষ্ট রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় যুক্তবর্ণের উচ্চারণ প্রায়ই আসে। - প্রমিত বাংলা উচ্চারণ বিধি ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
a ভঙ্গুর
b অপদার্থ
c দুর্লভ বস্তু
d গলা ধাক্কা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অপদার্থ ১. কেন সঠিক: - 'আমড়া কাঠের ঢেঁকি' একটি প্রবাদপ্রতিম বাগধারা যার অর্থ অকর্মণ্য বা অপদার্থ ব্যক্তি। - ঢেঁকি কাঠের তৈরি হলেও আমড়া কাঠ দিয়ে তৈরি ঢেঁকি দিয়ে কোনো কাজ করা যায় না কারণ তা নরম ও ভঙ্গুর হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দসমষ্টি যা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ বা ভাবার্থ প্রকাশ করে। - এটি ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং কম কথায় মনের ভাব সুন্দরভাবে প্রকাশ করতে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অক্কা পাওয়া ব্যাখ্যা: এই বাগধারাটির আক্ষরিক অর্থ ভিন্ন হলেও এর বিশেষ অর্থ হলো মারা যাওয়া বা প্রয়াণ হওয়া। উদাহরণ ২: ইঁদুর কপালে ব্যাখ্যা: এই বাগধারাটির প্রচলিত অর্থ হলো অত্যন্ত হতভাগ্য বা যার ভাগ্যে ভালো কিছু জোটে না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভঙ্গুর — আমড়া কাঠের ঢেঁকি দেখতে শক্ত মনে হলেও এর মূল ভাব ভঙ্গুরতা নয়, বরং কাজের অযোগ্যতা বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়। B) অপদার্থ — এটি সঠিক কারণ এই বাগধারাটি সম্পূর্ণভাবে অকর্মণ্য বা অপদার্থ ব্যক্তিকে নির্দেশ করতে ব্যবহৃত হয়। C) দুর্লভ বস্তু — এই অর্থের জন্য 'হাড় কিপ্টে' বা 'আকাশ কুসুম' জাতীয় অন্য বাগধারা রয়েছে, আমড়া কাঠের ঢেঁকি নয়। D) গলা ধাক্কা — এটি একটি শারীরিক বা সামাজিক অবমাননাকর কাজের প্রকাশ, যা অকর্মণ্যতার সমার্থক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - আমড়া গাছ নরম হওয়ায় তা দিয়ে কাজের উপযোগী ঢেঁকি বানানো যায় না, তাই আমড়া কাঠের ঢেঁকি মানেই পুরোপুরি অপদার্থ। - অকর্মণ্য বোঝাতে বাংলা ভাষায় আকাশ কুসুম বা কচ্ছপের লোম জাতীয় শব্দের চেয়ে এই বিশেষ প্রবাদটি বেশি প্রচলিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই অপ্রচলিত বা রূপক অর্থে ব্যবহৃত বাগধারার অর্থ জানতে চাওয়া হয়। - এ ধরনের প্রশ্ন সমাধানের জন্য বাগধারার আক্ষরিক অর্থের চেয়ে তার ভাবার্থ বা প্রচলিত ব্যবহারের ওপর বেশি জোর দিতে হবে।
a গল্প
b উপন্যাস
c নাটক
d প্রবন্ধ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নাটক ১. কেন সঠিক: ডাকঘর একটি বিখ্যাত সাংকেতিক নাটক যার রচয়িতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। এই নাটকের মূল চরিত্র অমল মৃত্যু ও মুক্তির ভাবনার প্রতীক যার মাধ্যমে বিশ্বজনীন মানবাত্মার মুক্তির বাণী প্রকাশ করা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এই নাটকটি ১৯১২ সালে রচিত এবং প্রবাসী পত্রিকায় প্রকাশিত হয় যা পরে ইউরোপ ও অন্যান্য দেশে ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের এই রূপক বা সাংকেতিক নাটকে ছোট অমল চরিত্রের মধ্য দিয়ে মানুষের অজানাকে জানার চিরন্তন ব্যাকুলতা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রক্তকরবী ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আরেকটি বিখ্যাত সাংকেতিক নাটক যেখানে যান্ত্রিক সভ্যতার বিরুদ্ধে মানবতাবাদের জয়গান গাওয়া হয়েছে। উদাহরণ ২: রাজা ব্যাখ্যা: এটিও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত একটি রূপকধর্মী নাটক যা মানুষের অন্তরাত্মার ঈশ্বর সন্ধানের পটভূমিতে লেখা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গল্প — ডাকঘর কোনো ছোটগল্প নয় বরং এটি একটি পূর্ণাঙ্গ নাটক যার নির্দিষ্ট অঙ্ক ও দৃশ্য রয়েছে। B) উপন্যাস — ডাকঘর কোনো গদ্য উপন্যাস বা কাল্পনিক দীর্ঘ কাহিনী নয়, এটি মঞ্চায়ন উপযোগী একটি নাটক। D) প্রবন্ধ — ডাকঘর কোনো তাত্ত্বিক বা বিচারমূলক প্রবন্ধ নয়, এটি একটি রূপকধর্মী নাটক বা সাহিত্যকর্ম। ৫. মনে রাখার টিপস: রবীন্দ্রনাথের নাটক মনে রাখার সহজ কৌশল হলো ডাকঘর নাটকের অমল চরিত্রটি সবসময় ছোটদের মনে রাখা যা নাট্য সাহিত্য হিসেবে পরীক্ষণে আসে। সাংকেতিক বা রূপক নাটক বললেই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ডাকঘর, রাজা এবং রক্তকরবী নাটকের নাম মাথায় রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ডাকঘর নাটকটির রচয়িতা এবং এর নাট্যরূপ সম্পর্কে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। এই ধরনের নাটকে সাধারণত রূপক বা প্রতীকী অর্থ থাকে যা সাধারণ গল্পের চেয়ে আলাদা হিসেবে মনে রাখতে হবে।
a ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর
b শাহ মুহম্মদ সগীর
c চণ্ডীদাস
d ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর ১. কেন সঠিক: মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের সর্বশেষ প্রধান কবি হিসেবে ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরকে গণ্য করা হয়। তাঁর বিখ্যাত কাব্য অন্নদামঙ্গল মধ্যযুগের সমাপ্তি এবং আধুনিক যুগের সূচনার ঠিক আগের গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যকর্ম। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর নদীয়ার কৃষ্ণচন্দ্রের রাজসভার কবি ছিলেন এবং তাঁকে রায়গুণাকর উপাধিতে ভূষিত করা হয়। তাঁর অন্নদামঙ্গল কাব্যের বিদ্যাসুন্দর অংশটি সে সময় ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অন্নদামঙ্গল কাব্য ব্যাখ্যা: এটি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরের সবচেয়ে বিখ্যাত ও শ্রেষ্ঠ সাহিত্যকর্ম যা তিন অংশে বিভক্ত। উদাহরণ ২: সত্যনারায়ন পাঁচালী ব্যাখ্যা: এটিও ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরের একটি উল্লেখযোগ্য কাব্যরচনা যা মধ্যযুগের শেষভাগের নিদর্শন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি মধ্যযুগের শেষ কবি হিসেবে স্বীকৃত। B) শাহ মুহম্মদ সগীর — তিনি মধ্যযুগের প্রথম দিকের কবি এবং ইউসুফ জুলেখা কাব্যের রচয়িতা। C) চণ্ডীদাস — তিনি মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলীর অন্যতম প্রাচীন ও আদি কবি। D) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত — তিনি আধুনিক যুগের কবি এবং সংবাদ প্রভাকরের সম্পাদক ছিলেন। ৫ মনে রাখার টিপস: মধ্যযুগের শেষ কবি ভারতচন্দ্র এবং আধুনিক যুগের প্রথম কবি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত। পরীক্ষায় এই দুই কবির অবস্থান মনে রাখতে এই তুলনাটি বেশ কার্যকর। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মধ্যযুগের সময়সীমা সাধারণত ১২০১ থেকে ১৭৬০ বা ১৮০০ সাল পর্যন্ত ধরা হয়। ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরের ১৭৬০ সালের দিকে মহাপ্রয়াণ ঘটে যা মধ্যযুগের শেষ সীমাকে নির্দেশ করে।
a নারী
b অবরোধবাসিনী
c সংস্কৃতি-কথা
d সাঁঝের মায়া
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অবরোধবাসিনী ১. কেন সঠিক: - অবরোধবাসিনী হলো বাঙালি নারীবাদী লেখিকা বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন রচিত একটি বিখ্যাত ব্যঙ্গাত্মক উপন্যাস ও সমাজসংস্কারমূলক গ্রন্থ। - এই গ্রন্থে তৎকালীন মুসলিম সমাজের অন্তঃপুরের নারীদের ওপর চলা চরম পর্দা প্রথা ও অবমূল্যায়নকে হাস্যরস ও ব্যঙ্গাত্মক ঘটনার মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন ছিলেন বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম নারীবাদী সাহিত্যিক, প্রাবন্ধিক ও সমাজসংস্কারক। - তার জন্ম ১৮৮০ সালের ৯ ডিসেম্বর রংপুরের পায়রাবন্দ গ্রামে এবং মৃত্যু ১৯৩২ সালের ৯ ডিসেম্বর কলকাতায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুলতানার স্বপ্ন ব্যাখ্যা: এটি বেগম রোকেয়ার লেখা একটি বিখ্যাত ইংরেজি বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী যার বাংলা অনুবাদও রয়েছে। উদাহরণ ২: মতিচুর ব্যাখ্যা: এটি বেগম রোকেয়ার বিখ্যাত প্রবন্ধ সংকলন যা দুটি খণ্ডে প্রকাশিত হয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নারী — এটি বেগম রোকেয়ার কোনো স্বতন্ত্র গ্রন্থ নয়, বরং নারী জাগরণ তার রচনার মূল সুর হলেও অপশনটি এখানে প্রযোজ্য নয়। C) সংস্কৃতি-কথা — এটি প্রমথ চৌধুরীর একটি বিখ্যাত প্রবন্থগ্রন্থ, বেগম রোকেয়ার রচনা নয়। D) সাঁঝের মায়া — এটি আধুনিক যুগের প্রখ্যাত কবি জসীমউদ্দীনের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। ৫ মনে রাখার টিপস: বেগম রোকেয়ার প্রধান গ্রন্থগুলো মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো তার বিখ্যাত উপন্যাস অবরুদ্ধ জীবনের ওপর ভিত্তি করে রচিত যার নাম অবরোধবাসিনী। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বেগম রোকেয়ার রচনা থেকে প্রশ্ন আসে, তাই তার প্রবন্ধ, উপন্যাস ও গল্পগুলো ভালোভাবে পড়তে হবে।
a ধ্বনিতত্ত্ব
b রূপতত্ত্ব
c বাক্যতত্ত্ব
d অর্থতত্ত্ব
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ধ্বনিতত্ত্ব ১. কেন সঠিক: - 'Phonology' একটি ইংরেজি পরিভাষা যার বাংলা অর্থ ধ্বনিতত্ত্ব। - এটি ভাষা বিজ্ঞানের এমন একটি শাখা যেখানে মানব ভাষার ধ্বনিসমূহের উচ্চারণ, বৈশিষ্ট্য এবং বিন্যাস নিয়ে আলোচনা করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে ধ্বনিতত্ত্ব হলো ভাষা বিচারের মূল ভিত্তি যেখানে বর্ণ, ধ্বনি, নত্ব বিধান, ষত্ব বিধান এবং সন্ধি নিয়ে আলোচনা করা হয়। - বাংলা ব্যাকরণের প্রধান চারটি অংশের মধ্যে ধ্বনিতত্ত্ব অন্যতম প্রধান একটি শাখা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ধ্বনি পরিবর্তন ব্যাখ্যা: শব্দের মাঝে ধ্বনির পরিবর্তন বা লোপ পাওয়ার নিয়ম ধ্বনিতত্ত্বের আওতাধীন। উদাহরণ ২: যুক্তবর্ণ বিশ্লেষণ ব্যাখ্যা: কষ যুক্ত হয়ে যে নতুন ধ্বনি ও বর্ণ গঠিত হয় তা ধ্বনিতত্ত্বের আলোচনায় স্পষ্ট হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধ্বনিতত্ত্ব — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। B) রূপতত্ত্ব — রূপতত্ত্ব হলো ব্যাকরণের সেই শাখা যেখানে শব্দের গঠন, প্রত্যয় এবং উপসর্গ নিয়ে আলোচনা করা হয়। C) বাক্যতত্ত্ব — বাক্যতত্ত্ব হলো ব্যাকরণের সেই শাখা যেখানে বাক্যের পদবিন্যাস এবং বাক্য প্রকরণ নিয়ে আলোচনা করা হয়। D) অর্থতত্ত্ব — অর্থতত্ত্ব হলো ব্যাকরণের সেই শাখা যেখানে শব্দের উৎস, অর্থ এবং বাক্যের অর্থের রূপান্তর নিয়ে আলোচনা করা হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ফোনা শব্দের অর্থ শব্দ বা ধ্বনি, তাই ফোনোলজি অর্থ ধ্বনিতত্ত্ব মনে রাখা সহজ। - ব্যাকরণের শাখাগুলো ইংরেজি পরিভাষার সাথে মিলিয়ে পড়লে মনে রাখা সহজ হয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পারিভাষিক শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - ব্যাকরণের আলোচ্য বিষয়গুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্নের উত্তর দেওয়া সহজ হয়।
a দেবদাস
b পথের দাবী
c চরিত্রহীন
d গৃহদাহ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পথের দাবী ১. কেন সঠিক: - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'পথের দাবী' উপন্যাসটি ব্রিটিশবিরোধী রাজনীতির পটভূমিতে রচিত হওয়ায় ব্রিটিশ সরকার এটিকে বাজেয়াপ্ত করে। - ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে বিপ্লবীদের সংগ্রাম এবং দেশপ্রেম এই উপন্যাসের মূল বিষয়বস্তু হওয়ায় তৎকালীন সরকার একে বিপজ্জনক মনে করেছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় ও বাস্তবধর্মী ঔপন্যাসিক, যিনি সমাজের নানা অসঙ্গতি ও মানুষের মনস্তত্ত্ব তুলে ধরেছেন। - 'পথের দাবী' একটি রাজনৈতিক উপন্যাস, যার প্রধান চরিত্র সব্যসাচী মল্লিক একজন বিপ্লবী, যিনি ব্রিটিশ সরকারের বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রামে লিপ্ত ছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাজী নজরুল ইসলামের 'বিষের বাঁশি' কাব্যগ্রন্থটি ব্রিটিশ সরকার বাজেয়াপ্ত করেছিল। ব্যাখ্যা: এই কাব্যের বিদ্রোহী সুর ও ব্রিটিশবিরোধী কবিতার কারণে সরকার একে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। উদাহরণ ২: কাজী নজরুল ইসলামের 'ভাঙার গান' সংকলনটিও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল। ব্যাখ্যা: পরাধীনতার শৃঙ্খল ভাঙার আহ্বানের কারণে ব্রিটিশ প্রশাসন এই গ্রন্থটির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দেবদাস — এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত প্রেমের উপন্যাস, যা কোনো রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট না থাকায় ব্রিটিশ সরকার বাজেয়াপ্ত করেনি। B) পথের দাবী — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক বাজেয়াপ্ত হয়েছিল। C) চরিত্রহীন — এটি শরৎচন্দ্রের সমাজজীবনের পঙ্কিলতা ও নৈতিকতা নিয়ে লেখা একটি উপন্যাস, যা বাজেয়াপ্ত করা হয়নি। D) গৃহদাহ — এটি মানবমনের জটিল প্রেম ও দাম্পত্য সম্পর্ক নিয়ে রচিত একটি উপন্যাস, যা নিষিদ্ধ তালিকায় ছিল না। ৫ মনে রাখার টিপস: - শরৎচন্দ্রের নিষিদ্ধ বা বাজেয়াপ্ত উপন্যাসের নাম মনে রাখতে 'পথের দাবী' শব্দটি মনে রাখলেই চলবে, কারণ এটিই তাঁর একমাত্র বাজেয়াপ্ত উপন্যাস। - রাজনৈতিক উপন্যাসের ক্ষেত্রে ব্রিটিশ সরকারের নজর সবচেয়ে বেশি ছিল বিপ্লবীদের নিয়ে লেখা বইগুলোর ওপর। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোন উপন্যাসটি ব্রিটিশ সরকার বাজেয়াপ্ত করেছিল। - একই সঙ্গে নজরুলের বাজেয়াপ্ত গ্রন্থগুলোর নামও ভালোভাবে মনে রাখতে হবে, কারণ এগুলো থেকেও বারবার প্রশ্ন আসে।
a হিন্দু কলেজ
b সংস্কৃত কলেজ
c ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ
d কলিকাতা কলেজ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ ১. কেন সঠিক: বাংলা গদ্যের জন্ম ও বিকাশে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের ভূমিকা অপরিসীম। ১৮০০ সালে প্রতিষ্ঠার পর এই কলেজের পন্ডিতগণ শিক্ষার্থীদের বাংলা শেখানোর জন্য প্রাতিষ্ঠানিক ও প্রাঞ্জল গদ্যরীতি গড়ে তোলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১৮০০ সালের ৪ মে লর্ড ওয়েলেসলি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন এবং বাংলা বিভাগের প্রধান ছিলেন মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার। রামরাম বসু ও উইলিয়াম কেরী এই প্রতিষ্ঠানে গদ্যচর্চা করে আধুনিক বাংলা গদ্যের ভিত্তি স্থাপন করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাজা রামমোহন রায় ব্যাখ্যা: তিনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পরবর্তী সময়ে বাংলা গদ্যকে আরও গতিশীল ও পরিশীলিত করেন। উদাহরণ ২: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ব্যাখ্যা: তিনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের ছাত্র ও পন্ডিত ছিলেন এবং গদ্যের যতিচিহ্ন ও পঠনোপযোগী শৈলী নিশ্চিত করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হিন্দু কলেজ — এটি আধুনিক ইংরেজি শিক্ষা ও জ্ঞানবিজ্ঞানের প্রসারে ভূমিকা রাখলেও বাংলা গদ্যের সূচনায় সরাসরি কাজ করেনি। B) সংস্কৃত কলেজ — এটি মূলত সংস্কৃত শিক্ষা ও পন্ডিত তৈরির প্রতিষ্ঠান ছিল, বাংলা গদ্যের প্রাথমিক সূতিকাগার এটি নয়। C) ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ — এটি সঠিক উত্তর। D) কলিকাতা কলেজ — এটি মূল প্রশ্নটির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কোনো ঐতিহাসিক গদ্যচর্চার প্রধান প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: বাংলা গদ্যের জন্ম মানেই ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ এবং মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার বা উইলিয়াম কেরীর নাম মনে রাখতে হবে। ১৮০০ সালের এই প্রতিষ্ঠানটিই গদ্যকে পাঠ্যপুস্তকের রূপ দেয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে বাংলা গদ্যের প্রথম পাঠ্যপুস্তক কোন প্রতিষ্ঠান থেকে রচিত হয়। উত্তর হবে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ এবং এর প্রতিষ্ঠার সাল ১৮০০ মনে রাখা জরুরি।
a ১১টি
b ৯টি
c ৭টি
d ৫টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৭টি ১. কেন সঠিক: বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনি মোট সাতটি যা উচ্চারণের সময় অন্য কোনো ধ্বনির সাহায্য নেয় না। ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনি সাতটি এবং এই ৭টি ধ্বনি হলো অ, আ, ই, উ, এ, ও এবং অ্যা। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময় ফুসফুসতাড়িত বাতাস মুখগহ্বরে কোথাও কোনো বাধা না পেয়ে সরাসরি বের হয়ে আসে সেগুলোকে স্বরধ্বনি বলে। এর মধ্যে যে স্বরধ্বনিগুলোকে আর ভাঙা যায় না বা অন্য কোনো ধ্বনির মিশ্রণ ছাড়াই স্বাধীনভাবে উচ্চারিত হয় সেগুলোকে মৌলিক স্বরধ্বনি বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অ ধ্বনি। ব্যাখ্যা: এটি একটি মৌলিক স্বরধ্বনি যা উচ্চারণ করার সময় মুখের ভেতর কোনো বাধা পায় না। উদাহরণ ২: অ্যা ধ্বনি। ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষায় বহুল ব্যবহৃত একটি মৌলিক স্বরধ্বনি যা শব্দের শুরুতে বা মাঝে পাওয়া যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১১টি — এটি বাংলা বর্ণমালায় মোট স্বরবর্ণের সংখ্যা, মৌলিক স্বরধ্বনির সংখ্যা নয়। B) ৯টি — এটি ভুল সংখ্যা কারণ বাংলা ব্যাকরণে মৌলিক স্বরধ্বনি নয়টি নয়, সাতটি। D) ৫টি — এটি ইংরেজি ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনির সংখ্যা (এ, ই, আই, ও, ইউ), বাংলা ভাষায় নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: বর্ণমালা হলো এগারোটি কিন্তু মৌলিক স্বরধ্বনি হলো সাতটি। এই সংখ্যা দুটি মনে রাখার জন্য বাংলা বর্ণমালা ও ধ্বনির পার্থক্য খেয়াল রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ভাষায় মোট স্বরবর্ণ ১১টি হলেও মৌলিক স্বরধ্বনি ৭টি এবং কার বা সংক্ষিপ্ত রূপ ৬টি। এই তিনটি তথ্যের পার্থক্য প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভ্রান্তি তৈরি করে।
a ১৯০৫ সালে
b ১৯০৭ সালে
c ১৯০৯ সালে
d ১৯১১ সালে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯০৯ সালে ১. কেন সঠিক: - 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্যগ্রন্থটি ১৯০৯ সালে বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বৎবল্লভ বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরের কাঁটরা গ্রামের দেবেন্দ্রনারায়ন মুখোপাধ্যায়ের গোয়ালঘর থেকে আবিষ্কার করেন। - পুঁথি আবিষ্কারের পর বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে এটি ১৯১৬ সালে প্রকাশিত হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের প্রথম নিদর্শন এবং রাধা-কৃষ্ণের প্রেমভিত্তিক নাটকীয় কাব্য হলো শ্রীকৃষ্ণকীর্তন। - এর রচয়িতা বড়ু চণ্ডীদাস এবং এটি মূলত প্রাকৃত বাংলার মিশ্রণে রচিত একটি কথ্যরূপী কাব্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চর্যাপদ ১৯০৭ সালে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে আবিষ্কার করেন। ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন আবিষ্কারের সাল সম্পর্কিত একটি তথ্য, যা শ্রীকৃষ্ণকীর্তন আবিষ্কারের সাল থেকে আলাদা। উদাহরণ ২: ময়মনসিংহ গীতিকা দীনেশচন্দ্র সেন সংকলিত ও সম্পাদিত লোকসাহিত্যের এক অমূল্য সম্পদ যা ১৯২৩ সালে প্রকাশিত হয়। ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের বা লোকসাহিত্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার ও প্রকাশের সাল নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯০৫ সালে — এই সালে বঙ্গভঙ্গ কার্যকর হয়েছিল, যা বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে একটি রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা কিন্তু শ্রীকৃষ্ণকীর্তন আবিষ্কারের সাল নয়। B) ১৯০৭ সালে — এই সালে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপাল থেকে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেন, যা শ্রীকৃষ্ণকীর্তন আবিষ্কারের সাল নয়। D) ১৯১১ সালে — এই সালে বঙ্গভঙ্গ রদ করা হয় এবং সাহিত্য বা ইতিহাসের অন্য কিছু ঘটনা ঘটেছিল, তবে এটি শ্রীকৃষ্ণকীর্তন আবিষ্কারের সাল নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - চর্যাপদ আবিষ্কার ১৯০৭ সাল এবং তার দুই বছর পর অর্থাৎ ১৯০৯ সালে শ্রীকৃষ্ণকীর্তন আবিষ্কৃত হয়। - এভাবে সাল দুটি পাশাপাশি মনে রাখলে পরীক্ষার হলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মধ্যযুগের সাহিত্যের নিদর্শনগুলোর আবিষ্কারক ও আবিষ্কারের সাল খুব ভালো করে মুখস্থ রাখতে হবে। - প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় চর্যাপদ এবং শ্রীকৃষ্ণকীর্তন আবিষ্কারের সাল নিয়ে প্রশ্ন আসে।
a বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
b রামমোহন রায়
c ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
d উইলিয়াম কেরি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১. কেন সঠিক: বর্ণপরিচয় গ্রন্থটির রচয়িতা হলেন বাংলা গদ্যের জনক ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। শিশুদের বাংলা ভাষা শিক্ষাদানের উদ্দেশ্যে ঊনবিংশ শতাব্দীতে এই মৌলিক ও যুগান্তকারী পাঠ্যপুস্তকটি রচনা করা হয়েছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা গদ্যের পত্তন ও বিকাশে অসামান্য অবদান রেখে গেছেন। বর্ণপরিচয় গ্রন্থটি মূলত দুটি ভাগে ১৮৫৫ সালে প্রকাশিত হয়েছিল এবং এটি বাংলা শিক্ষার প্রসারে ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কথামালা ব্যাখ্যা: এটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত অপর একটি বিখ্যাত শিক্ষামূলক ও নৈতিক গ্রন্থ। উদাহরণ ২: সীতার বনবাস ব্যাখ্যা: এটি বিদ্যাসাগর মহাশয়ের অপর একটি শ্রেষ্ঠ সাহিত্যকর্ম যা বাল্মীকি রামায়ণের উত্তরকাণ্ড অবলম্বনে রচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি বাংলা উপন্যাসের জনক, বর্ণপরিচয় গ্রন্থের রচয়িতা নন। B) রামমোহন রায় — তিনি আধুনিক বাংলা গদ্যের প্রবক্তা হলেও বর্ণপরিচয় গ্রন্থটি তিনি লেখেননি। D) উইলিয়াম কেরি — তিনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পন্ডিত ও বাইবেলের অনুবাদক, এই গ্রন্থের রচয়িতা নন। ৫ মনে রাখার টিপস: শিশুদের বর্ণ শিক্ষার প্রথম নির্ভরযোগ্য বই বিদ্যাসাগর মহাশয়ের লেখা বর্ণপরিচয়। বিদ্যাসাগর নামটির সঙ্গে শিক্ষার বিস্তার এবং বর্ণপরিচয় গভীরভাবে যুক্ত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বর্ণপরিচয় গ্রন্থটি ১৮৫৫ সালে প্রথম প্রকাশিত হয় এবং এটি প্রাথমিক শিক্ষার ইতিহাসে একটি মাইলফলক। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত পাঠ্যপুস্তক ও এর রচয়িতা সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে।
a উপরোক্ত
b দূরবস্থা
c দুরাবস্থা
d শুধুমাত্র
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দূরবস্থা ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত শব্দটির সঠিক গঠন হলো দূর যোগ অবস্থা, যা নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির মাধ্যমে সাধিত হয়েছে। - অবস্থা শব্দের অ এবং দূর উপসর্গের বিসর্গ মিলে আ কার হয়েছে এবং র-এর সাথে যুক্ত হয়ে দুর্বস্থা গঠিত না হয়ে দূরবস্থা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ব্যাকরণের সন্ধি প্রকরণ এবং শুদ্ধ বানান অংশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম। - সাধারণত বিসর্গ সন্ধির নিয়মে বিসর্গের পর অ থাকলে ওকার হয়, তবে নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির ক্ষেত্রে এই সাধারণ নিয়ম সবসময় মানা হয় না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অহংকার ব্যাখ্যা: অহম যোগ কার মিলে অহংকার শব্দটি গঠিত হয়, যা ব্যঞ্জনসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম অনুসরণ করে। উদাহরণ ২: পরস্পর ব্যাখ্যা: প্র যোগ পর মিলে পরস্পর গঠিত হয়, এটিও নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির একটি চমৎকার উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উপরোক্ত — এটি একটি ব্যাকরণগত ভুল শব্দ, কারণ সঠিক প্রমিত বানান হলো উপর্যুক্ত। B) দূরবস্থা — এটি একটি সঠিক বানান এবং নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী গঠিত শব্দ। C) দুরাবস্থা — এটি ভুল বানান কারণ দূরবস্থা শব্দের সাথে অতিরিক্ত আ কার যুক্ত করে এই রূপটি তৈরি করা হয়েছে যা প্রমিত বাংলায় গ্রহণযোগ্য নয়। D) শুধুমাত্র — এটি একটি বাহুল্য দোষযুক্ত শব্দ, কারণ শুধু বা মাত্র শব্দ দুটির যেকোনো একটি ব্যবহার করাই যথেষ্ট। ৫ মনে রাখার টিপস: - দূরবস্থা শব্দটিতে ব-এর সাথে কোনো আকার যুক্ত হবে না, এটি মনে রাখলেই পরীক্ষার হলে ভুল এড়ানো সম্ভব। - নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির শব্দগুলো সরাসরি মুখস্থ রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য সবচেয়ে ভালো কৌশল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই দূরবস্থা এবং দুরাবস্থা নিয়ে বিভ্রান্তিকর প্রশ্ন আসে, তাই মূল শব্দটি মনে রাখা জরুরি। - এই ধরনের বানান সংশোধনের ক্ষেত্রে বাংলা একাডেমির প্রমিত বানানরীতি অনুসরণ করতে হয়।
a দুর্নিবার
b অনিবার্য
c দুর্লভ
d দুর্দমনীয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অনিবার্য ১. কেন সঠিক: - যা নিবারণ বা নিবৃত্ত করা যায় না, তাকে এককথায় অনিবার্য বলা হয়। - এটি এমন একটি ঘটনা বা পরিস্থিতি যা কোনোভাবেই এড়ানো সম্ভব নয় বা আটকানো যায় না। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ব্যাকরণের বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ। - বড় একটি ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার জন্য এই নিয়মগুলো ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মৃত্যু অনিবার্য। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে মৃত্যুকে কোনোভাবেই এড়ানো যায় না বোঝাতে অনিবার্য শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: পরীক্ষার ফলাফল অনিবার্য সত্য। ব্যাখ্যা: ফলাফল যা আসবে তা আটকানো সম্ভব নয় বোঝাতে এখানে অনিবার্য শব্দটি প্রাসঙ্গিক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দুর্নিবার — যার নিবারণ বা দমন করা অত্যন্ত কঠিন, তাকে দুর্নিবার বলে। এটি যা একেবারে রোধ করা যায় না তার চেয়ে কিছুটা আলাদা। B) অনিবার্য — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ যা নিবারণ করা যায় না। C) দুর্লভ — যা সহজে লাভ করা যায় না বা পাওয়া যায় না, তাকে দুর্লভ বলে। এটি প্রাপ্তির সঙ্গে সম্পর্কিত। D) দুর্দমনীয় — যাকে দমন করা বা নিয়ন্ত্রণে রাখা কঠিন, তাকে দুর্দমনীয় বলে। এটি স্বভাব বা শক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ৫ মনে রাখার টিপস: - না-বোধক বাক্যে নিবারণ শব্দের সঙ্গে অন যুক্ত হয়ে অনিবার্য শব্দটি গঠিত হয়। - যা এড়ানো যায় না, তা-ই অনিবার্য মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য সংকোচন থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - দুর্নিবার এবং অনিবার্য শব্দ দুটির মধ্যে প্রায়ই পরীক্ষার্থীরা বিভ্রান্ত হয়, তাই এদের সুনির্দিষ্ট অর্থ মনে রাখা জরুরি।
a আবদুল হাকিম
b মাইকেল মধুসূদন দত্ত
c কাজী নজরুল ইসলাম
d জীবনানন্দ দাশ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আবদুল হাকিম ১. কেন সঠিক: - 'বঙ্গবাণী' কবিতার রচয়িতা মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি আবদুল হাকিম। - মধ্যযুগে রচিত এই কবিতায় মাতৃভাষার প্রতি কবির গভীর অনুরাগ ও স্বদেশপ্রেম প্রকাশ পেয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কবি আবদুল হাকিম সপ্তদশ শতকের মধ্যযুগের কবি, যিনি সন্দ্বীপের সুধারামপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। - তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'নূরনামনাসা' এবং মাতৃভাষার প্রতি তাঁর অকৃত্রিম ভক্তি বাংলা সাহিত্যে চিরস্মরণীয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'যবদেসী ভাষা কিবা বিদ্যা অপরূপ / সব বঙ্গে জোগান যে জুনায় মন কূপ' ব্যাখ্যা: এই পংক্তিতে কবি আবদুল হাকিম নিজ দেশের ভাষার প্রতি মানুষের যে উদাসীনতা, তার প্রতিবাদ করেছেন। উদাহরণ ২: 'যে সব বঙ্গেতে জন্মি হিংসে বঙ্গবাণী / সে সব কাহার জন্ম নির্ণয় ন জানি' ব্যাখ্যা: এই বিখ্যাত পংক্তিতে কবি মাতৃভাষাদ্বেষীদের তীব্র সমালোচনা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আবদুল হাকিম — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি 'বঙ্গবাণী' কবিতার রচয়িতা। B) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — তিনি আধুনিক যুগের কবি এবং তাঁর বিখ্যাত মহাকাব্য 'মেঘনাদবধ কাব্য'। C) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি আধুনিক যুগের বিদ্রোহী কবি এবং তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'অগ্নিবীণা'। D) জীবনানন্দ দাশ — তিনি আধুনিক যুগের রূপসী বাংলার কবি এবং তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'রূপসী বাংলা'। ৫ মনে রাখার টিপস: - মাতৃভাষার টানে মধ্যযুগে যিনি কলম ধরেছেন, তিনিই হলেন কবি আবদুল হাকিম। - 'বঙ্গবাণী' মানে বাংলার বাণী, আর এই বাণীর মূল সুর আবদুল হাকিমের কবিতায় পাওয়া যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্য ও মাতৃভাষার পক্ষে প্রথম জোরালো কণ্ঠস্বর হিসেবে কবি আবদুল হাকিমকে মনে রাখতে হবে। - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই কবিতা থেকে প্রতি বছরই প্রশ্ন আসে।
a উপমান কর্মধারয়
b সাধারণ কর্মধারয়
c উপমিত কর্মধারয়
d মধ্যপদলোপী কর্মধারয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) উপমান কর্মধারয় ১. কেন সঠিক: - 'ভ্রমরকালো' শব্দটির ব্যাসববাক্য হলো ভ্রমরের মতো কালো। এখানে ভ্রমর হলো সাধারণ বস্তু এবং কালো হলো সাধারণ গুণ। - উপমান কর্মধারয় সমাসে একটি বিশেষ্য পদের সাথে অন্য একটি সাধারণ গুণের তুলনা করা হয় এবং সাধারণ ধর্মবাচক পদটি উল্লেখ থাকে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে কর্মধারয় সমাসে উপমেয় পদটি উহ্য থাকে এবং উপমান পদের সাথে সাধারণ ধর্মবাচক পদের তুলনা বোঝায়, তাকে উপমান কর্মধারয় সমাস বলে। - এখানে ভ্রমর হলো উপমান বা যার সাথে তুলনা করা হয়েছে এবং কালো হলো সাধারণ ধর্ম বা গুণ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তুষারশুভ্র ব্যাখ্যা: এর ব্যাসববাক্য তুষারের মতো শুভ্র। এখানে তুষার উপমান এবং শুভ্র সাধারণ ধর্ম। উদাহরণ ২: বজ্রকঠিন ব্যাখ্যা: এর ব্যাসববাক্য বজ্রের মতো কঠিন। এখানে বজ্র উপমান এবং কঠিন সাধারণ ধর্ম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উপমান কর্মধারয় — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে উপমান পদের সাথে সাধারণ গুণের তুলনা করা হয়েছে এবং সাধারণ ধর্ম উপস্থিত আছে। B) সাধারণ কর্মধারয় — কর্মধারয় সমাসের এটি কোনো নির্দিষ্ট বা প্রচলিত শ্রেণি নয়। C) উপমিত কর্মধারয় — উপমিত কর্মধারয় সমাসে সাধারণ ধর্মবাচক পদ উল্লেখ থাকে না, কিন্তু এখানে 'কালো' সাধারণ ধর্মটি উল্লেখ আছে। D) মধ্যপদলোপী কর্মধারয় — মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাসে ব্যাসববাক্যের মধ্যের পদটি লোপ পায়, কিন্তু এখানে কোনো মধ্যপদ লোপ পায়নি। ৫. মনে রাখার টিপস: - ব্যাসববাক্যে যদি মতো শব্দটি থাকে এবং শেষের পদটি যদি কোনো সাধারণ গুণ বোঝায়, তবে তা সাধারণত উপমান কর্মধারয় সমাস হয়। - ভ্রমরের মতো কালো, তুষারের মতো শুভ্র - এগুলো সবই উপমান কর্মধারয়ের চমৎকার উদাহরণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপমান ও উপমিত কর্মধারয় সমাস থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - উপমানের ক্ষেত্রে সাধারণ ধর্মবাচক পদ বাক্যে উপস্থিত থাকে, আর উপমিতের ক্ষেত্রে সাধারণ ধর্ম উহ্য থাকে।
a মনন
b বুদ্ধি
c রুচি
d অলংকার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বুদ্ধি ১. কেন সঠিক: 'মতি' একটি সংস্কৃত শব্দ, যার মূল অর্থ ইচ্ছা, প্রজ্ঞা, চেতনা বা বুদ্ধি। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের সমার্থক শব্দ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে শব্দের মূল ভাব ও প্রচলিত প্রয়োগ বিবেচনা করতে হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: শব্দার্থের দিক থেকে 'মতি' শব্দটি মানুষের মানসিক শক্তি, চিন্তাশক্তি ও প্রজ্ঞাকে নির্দেশ করে। বাংলা ভাষায় অনেক সংস্কৃত তৎসম শব্দ বিশেষ অর্থে ব্যবহৃত হয় এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের শব্দের সঠিক অর্থ জানা আবশ্যক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তার মতিভ্রম ঘটেছে। ব্যাখ্যা: এখানে 'মতি' শব্দটি মানুষের চিন্তা বা বুদ্ধির সঠিক দিশা হারানো অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: সৎ মতে চলো। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে 'মতি' বা সৎ চিন্তা মানুষের জীবনকে সুন্দর করতে সাহায্য করে তা বোঝানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মনন — মনন শব্দের অর্থ চিন্তা বা ভাবনা, যা মতি শব্দের সরাসরি সমার্থক নয়। B) বুদ্ধি — এটি সঠিক উত্তর কারণ মতি ও বুদ্ধির ভাবার্থ প্রায় অভিন্ন। C) রুচি — রুচি শব্দের অর্থ পছন্দ বা আগ্রহ, যা বুদ্ধির সমার্থক নয়। D) অলংকার — অলংকার শব্দের অর্থ ভূষণ বা গহনা, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি বিষয়। ৫. মনে রাখার টিপস: মতিভ্রম শব্দটির কথা মনে রাখতে পারো, যার অর্থ বুদ্ধির ভ্রংশ বা ভুল চিন্তা। এর মাধ্যমে মতি ও বুদ্ধির সম্পর্ক সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সমার্থক শব্দ মুখস্থ করার পাশাপাশি বাক্যে তাদের প্রয়োগ খেয়াল রাখতে হবে। একই শব্দের ভিন্ন contexte ভিন্ন অর্থ হতে পারে।
a বিহারীলাল চক্রবর্তী
b রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
c সৈয়দ মুজতবা আলী
d প্রমথ চৌধুরী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রমথ চৌধুরী ১. কেন সঠিক: - বীরবল হলো বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক ও সাহিত্যিক প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম। - তিনি সবুজ পত্র পত্রিকার মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবর্তন করেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - প্রমথ চৌধুরী বাংলা সাহিত্যে বুদ্ধিবৃত্তিক প্রবন্ধ রচনার জনক হিসেবে পরিচিত। - তার বিখ্যাত দুটি প্রবন্ধগ্রন্থ হলো তেল চিপচিপে এবং বীরবলের হালখাতা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বনফুল ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম। উদাহরণ ২: টেকচাঁদ ঠাকুর ব্যাখ্যা: এটি উনিশ শতকের ঔপন্যাসিক প্যারিচাঁদ মিত্রের ছদ্মনাম, যার মাধ্যমে তিনি আলালের ঘরের দুলাল রচনা করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিহারীলাল চক্রবর্তী — ইনি ভোরের পাখি নামে পরিচিত হলেও বীরবল তার ছদ্মনাম নয়। B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — ইনি ভানুসিংহ ঠাকুর ছদ্মনামে পদাবলী লিখেছিলেন, বীরবল নয়। C) সৈয়দ মুজতবা আলী — ইনি দেশে বিদেশে রচয়িতা এবং মূল লেখক হিসেবে পরিচিত, বীরবল নন। D) প্রমথ চৌধুরী — এটি সঠিক উত্তর কারণ বীরবল তার নির্ধারিত ছদ্মনাম। ৫ মনে রাখার টিপস: প্রমথ চৌধুরীর প্রবন্ধ মানেই বীরবলের বুদ্ধিদীপ্ত প্রকাশ। ছদ্মনাম মনে রাখতে লেখকের নামের সঙ্গে সাহিত্যকর্ম মিলিয়ে পড়া ভালো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ছদ্মনাম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। বিখ্যাত লেখকদের ছদ্মনামগুলো ভালোভাবে মুখস্থ রাখা জরুরি।
a বিপজ্জনক
b ক্ষুদ্র
c অনিশ্চিত অস্তিত্ব
d ক্ষণস্থায়ী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অনিশ্চিত অস্তিত্ব ১. কেন সঠিক: নদীর পাড়ের গাছ বলতে এমন একটি অবস্থাকে বোঝায় যা যেকোনো মুহূর্তে ভেঙে পড়ে বা ধসে যেতে পারে। নদীর ভাঙনের মুখে থাকা এই গাছের যেমন কোনো স্থায়ী নিরাপত্তা বা নিশ্চয়তা থাকে না, তেমনি মানবজীবনে বা কোনো পরিস্থিতিতে যখন কোনো কিছুর স্থায়িত্ব বা টিকে থাকা সম্পূর্ণ অনিশ্চিত হয়ে পড়ে, তখন এই প্রবাদটি ব্যবহার করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার একটি ঐতিহ্যগত প্রবাদ ও প্রবচন। প্রবাদ ও প্রবচন হলো সমাজের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা, দর্শন ও পর্যবেক্ষণের ফল যা অত্যন্ত সংক্ষেপে গভীর অর্থ প্রকাশ করে। এর মাধ্যমে রূপক অর্থে মানুষের জীবনের ভঙ্গুরতা বা যেকোনো ব্যবস্থার চরম অনিশ্চয়তা ফুটিয়ে তোলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আকস্মিক ব্যবসায়ে ধস নামার পর থেকে তার অর্থনৈতিক অবস্থা এখন নদীর পাড়ের গাছের মতো হয়ে দাঁড়িয়েছে। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে ব্যক্তির অর্থনৈতিক স্থায়িত্বের চরম অনিশ্চয়তা বোঝাতে প্রবাদটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর দলটির বর্তমান অবস্থা নদীর পাড়ের গাছের মতো ঠুনকো ও অনিরাপদ। ব্যাখ্যা: এখানে রাজনৈতিক অবস্থানের অনিশ্চয়তা ও ঝুঁকির দিকটি ফুটিয়ে তুলতে এই প্রবাদটি প্রয়োগ করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিপজ্জনক — বিপজ্জনক অর্থ যেকোনো ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতিকে বোঝায়, কিন্তু এটি নদীর পাড়ের গাছের নির্দিষ্ট ভাঙনমুখী ও ঠুনকো অস্তিত্বের অনিশ্চয়তা প্রকাশ করে না। B) ক্ষুদ্র — ক্ষুদ্র অর্থ আয়তনে ছোট হওয়া বোঝায়, যা নদীর পাড়ের গাছের মূল ভাব অর্থাৎ অস্তিত্বের ঝুঁকির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) অনিশ্চিত অস্তিত্ব — এই অপশনটি সঠিক কারণ নদীর পাড়ের গাছের টিকে থাকার কোনো নিশ্চয়তা থাকে না এবং এটিই প্রবাদটির মূল রূপক অর্থ। D) ক্ষণস্থায়ী — ক্ষণস্থায়ী অর্থ যা খুব কম সময় স্থায়ী হয়, কিন্তু নদীর পাড়ের গাছটি স্থায়ী হতেও পারে যদি ভাঙন না ধরে, মূল বিষয় হলো এর টিকে থাকার অনিশ্চয়তা। ৫. মনে রাখার টিপস: নদীর পাড় বা তীর সবসময় ভাঙনের মুখে থাকে, তাই সেখানে থাকা গাছের শিকড় আলগা হয়ে যায় এবং তা যেকোনো মুহূর্তে নদীতে বিলীন হতে পারে। এই দৃশ্যটি মাথায় রাখলে সহজেই মনে রাখা যাবে যে এটি জীবনের বা কোনো কিছুর অনিশ্চিত অস্তিত্বকে নির্দেশ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবাদের রূপক অর্থ প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। এ ধরনের প্রশ্নের ক্ষেত্রে আক্ষরিক অর্থের চেয়ে অন্তর্নিহিত ভাব বা রূপক অর্থটি কী তা চিহ্নিত করার দক্ষতা থাকতে হবে।
a কপালকুণ্ডলা
b পথের পাঁচালী
c পুতুলনাচের ইতিকথা
d কবি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পথের পাঁচালী ১. কেন সঠিক: - আম আঁটির ভেঁপু রচনাটি বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিখ্যাত পথের পাঁচালী উপন্যাসের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও উল্লেখযোগ্য অংশ। - এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র অপু ও দুর্গার শৈশবের গ্রামীণ জীবন, কৈশোরের কৌতূহল এবং প্রকৃতির সঙ্গে তাদের মিতালি এই অংশের মূল বিষয়বস্তু। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এই প্রশ্নটি উপন্যাস, নাটক ও ছোটগল্প ক্যাটাগরির অন্তর্ভুক্ত। - পথের পাঁচালী বাংলা উপন্যাসের ইতিহাসে একটি যুগান্তকারী সৃষ্টি যা ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয় এবং এর লেখক মহান কথাসাহিত্যিক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মেঘনাদবধ কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের একটি মহাকাব্য যার সঙ্গে বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্যের ঐতিহ্য জড়িত। উদাহরণ ২: চোখের আলো ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি সুপরিচিত ছোটগল্প যা তার বৈচিত্র্যময় সৃষ্টির অন্যতম নিদর্শন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কপালকুণ্ডলা — বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি ঐতিহাসিক ও রোমান্টিক উপন্যাস যার সঙ্গে আম আঁটির ভেঁপুর কোনো সম্পর্ক নেই। B) পথের পাঁচালী — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিখ্যাত উপন্যাস। C) পুতুলনাচের ইতিকথা — এটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি মনস্তাত্ত্বিক ও সমাজবাস্তবতা নির্ভর উপন্যাস যার সঙ্গে এই রচনার সম্পর্ক নেই। D) কবি — এটি তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত উপন্যাস যার মূল বিষয়বস্তু গ্রামীণ কবি জীবন। ৫. মনে রাখার টিপস: - অপু ও দুর্গার আমের আঁটি দিয়ে ভেঁপু বাজানোর দৃশ্যটি বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের পথের পাঁচালী উপন্যাসের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রথম ও শ্রেষ্ঠ উপন্যাস হলো পথের পাঁচালী যা বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বারবার আসে। - লেখকের অন্যান্য বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে অপराजিত, অরণ্যকুহেলি ও ইছামতী বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
a আরেক ফাল্গুন
b রাইফেল রোটি আওরাত
c খোয়াবনামা
d ক্রীতদাসের হাসি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রাইফেল রোটি আওরাত ১. কেন সঠিক: - রাইফেল রোটি আওরাত বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস যা ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত। - লেখক আনোয়ার পাশা ইংরেজিতে এই উপন্যাসটি রচনা করেন এবং এটি বাঙালির আত্মত্যাগের প্রামাণিক দলিল। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শহীদ বুদ্ধিজীবী ও অধ্যাপক আনোয়ার পাশা ১৯৭ ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালেই এই উপন্যাসটি লেখেন। - উপন্যাসের নামকরণেই যুদ্ধের ভয়াবহতা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে যেখানে রাইফেল হলো ধ্বংসের প্রতীক এবং রোটি হলো জীবনের প্রতীক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আগুনের পরশমণি ব্যাখ্যা: এটি হুমায়ূন আহমেদ রচিত অত্যন্ত জনপ্রিয় আরেকটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস। উদাহরণ ২: একাত্তরের দিনগুলি ব্যাখ্যা: এটি জাহানারা ইমাম রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বিখ্যাত প্রামাণ্য গ্রন্থ ও ডায়েরি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আরেক ফাল্গুন — এটি শহীদ বুদ্ধিজীবী জহির রায়হান রচিত ভাষাভিত্তিক উপন্যাস যা বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত। B) রাইফেল রোটি আওরাত — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুলের অবকাশ নেই। C) খোয়াবনামা — এটি আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের উপন্যাস যার মূল বিষয় তেভাগা আন্দোলন। D) ক্রীতদাসের হাসি — এটি শহীদুল্লাহ কায়সার রচিত রাজনৈতিক ও মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস যা আইয়ুব খানের স্বৈরাচারের প্রতীকী প্রতিবাদ। ৫. মনে রাখার টিপস: - ইংরেজি ভাষায় রচিত প্রথম মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস হলো রাইফেল রোটি আওরাত। - এভাবে মনে রাখতে পারো যে বাঙালি বুদ্ধিজীবী আনোয়ার পাশা ইংরেজিতে এই উপন্যাস লিখে যুদ্ধের নির্মমতা তুলে ধরেছেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসের ক্ষেত্রে লেখক ও প্রকাশের সাল প্রায়ই বিসিএস পরীক্ষায় আসে। - বাংলা সাহিত্যে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম উপন্যাসের নাম এবং লেখকের পরিচয় ভালোভাবে মনে রাখবে।
a by chance
b very quickly
c in all circumstances
d abruptly
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) in all circumstances কেন সঠিক: - Through thick and thin একটি ইংরেজি ইডিয়ম, যার অর্থ হলো সব অবস্থাতে বা বিপদে-আপদে পাশে থাকা। - এটি মূলত জীবনের ভালো ও খারাপ উভয় পরিস্থিতিতেই অবিচল থাকার অবস্থাকে বোঝায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) by chance — এর অর্থ দৈবক্রমে বা হঠাৎ করে, যা এই ইডিয়মের অর্থের সঙ্গে মিলে না। B) very quickly — এর অর্থ খুব দ্রুত, যা পরিস্থিতির বৈচিত্র্য বা দীর্ঘস্থায়িত্ব প্রকাশ করে না। C) in all circumstances — এই অপশনটি সঠিক কারণ এর অর্থ হলো সব পরিস্থিতিতে বা সব অবস্থাতে। D) abruptly — এর অর্থ হঠাৎ করে বা আকস্মিক, যা এই ইডিয়মের অর্থের সম্পূর্ণ বিপরীত। মনে রাখার টিপস: Thick অর্থ ভালো সময় বা মোটা স্তর এবং thin অর্থ খারাপ সময় বা পাতলা স্তর। অর্থাৎ ভালো ও খারাপ সব পরিস্থিতিতেই এটি বোঝায়।
a check
b checked
c to check
d checking
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) checking কেন সঠিক: - Would you mind phrase-টির পর মূল verb-এর সঙ্গে ing যুক্ত হয়। - এই নিয়মানুযায়ী mind-এর পর check verb-টি checking রূপে ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) check — এটি verb-এর base form, যা mind-এর পর বসা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) checked — এটি verb-এর past form, যা mind-এর পর সরাসরি বসতে পারে না। C) to check — এটি infinitive form, যা Would you mind-এর নিয়ম অনুযায়ী এখানে প্রযোজ্য নয়। D) checking — এটি সঠিক উত্তর কারণ mind-এর পর verb-এর সঙ্গে ing যুক্ত হয়। মনে রাখার টিপস: Would you mind-এর পরে সর্বদা verb-এর সঙ্গে ing যুক্ত করতে হয়।
a away
b turn down
c in
d off
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) turn down কেন সঠিক: - 'Too...to' কাঠামোর বাক্যে সাধারণত নেতিবাচক বা না বোধক অর্থ প্রকাশ পায়। - 'Turn down' একটি ফ্রেঞ্চ ভার্ব যার অর্থ প্রত্যাখ্যান করা এবং প্রস্তাবটি এতটাই ভালো ছিল যে তা প্রত্যাখ্যান করা কঠিন ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) away — 'Too good to away' কোনো অর্থপূর্ণ ফ্রেজ বা ব্যাকরণগত গঠন তৈরি করে না। B) turn down — সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ প্রস্তাবটি প্রত্যাখ্যান করা। C) in — 'Too good to in' বাক্যটির সাথে কোনো অর্থপূর্ণ সংযোগ স্থাপন করে না। D) off — 'Too good to off' এই অংশটি কোনো সঠিক ফ্রেঞ্চ ভার্ব বা প্রিপজিশনাল ফ্রেজ গঠন করে না। মনে রাখার টিপস: 'Too...to' যুক্ত বাক্যে না বোধক অর্থ খুঁজতে হয় এবং ভালো কোনো প্রস্তাব ফিরিয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে 'turn down' ব্যবহার করা হয়।
a William Shakespeare
b William Wordsworth
c John Keats
d Robert Frost
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) John Keats কেন সঠিক: - "To Autumn" একটি বিখ্যাত রোমান্টিক কবিতা যার রচিয়তা হলেন বিখ্যাত ইংরেজি কবি জন কিটস। - এই কবিতাটি ১৮১৯ সালের সেপ্টেম্বর মাসে রচিত হয় এবং এটি তাঁর অন্যতম শ্রেষ্ঠ ওড বা ওড ক্যাটাগরির কবিতা হিসেবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) William Shakespeare — উইলিয়াম শেক্সপিয়র রেনেসাঁ যুগের বিখ্যাত নাট্যকার ও কবি ছিলেন, তিনি কোনো ওড ধারার কবিতা লেখেননি। B) William Wordsworth — উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ হলেন নেচার পোয়েট বা প্রকৃতির কবি, তবে "To Autumn" কবিতাটি তাঁর লেখা নয়। C) John Keats — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি এই বিখ্যাত কবিতাটির রচয়িতা। D) Robert Frost — রবার্ট ফ্রস্ট একজন বিংশ শতাব্দীর আধুনিক আমেরিকান কবি, যিনি এই ব্রিটিশ রোমান্টিক কবিতার সঙ্গে সম্পৃক্ত নন। মনে রাখার টিপস: কিটসের নামের সাথে অটাম বা শরৎকালের আদ্যক্ষরের মিল রেখে মনে রাখতে পারেন যে কেটসের শরৎ মানেই জন কিটস।
a hearing
b heard
c hear
d have heard
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) hearing কেন সঠিক: - বাক্যের 'look forward to' একটি ফ্রেজ, যার অর্থ অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করা এবং এর পরে জিরান্ড অর্থাৎ verb+ing বসে। - প্রিপজিশন 'to'-এর পর সাধারণত ভার্বের সাথে ing যুক্ত হয়, তাই 'hear'-এর সাথে 'ing' যুক্ত হয়ে সঠিক রূপটি হয়েছে 'hearing'। বাকি অপশন কেন ভুল: A) hearing — এটি সঠিক উত্তর কারণ ফ্রেজটির নিয়ম অনুযায়ী preposition 'to'-এর পর verb+ing বসেছে। B) heard — এটি পাস্ট ফর্ম, যা প্রিপজিশন 'to'-এর পর সরাসরি বসতে পারে না। C) hear — এটি ভার্বের বেজ ফর্ম, যা 'look forward to' এর মতো নির্দিষ্ট কিছু ফ্রেজের নিয়মের সাথে বেমানান। D) have heard — এটি পারফেক্ট টেন্সের রূপ, যা এই বাক্যের শূন্যস্থানে বকরণের নিয়মের সাথে মিলে না। মনে রাখার টিপস: বাক্যে 'look forward to' থাকলে চোখ বন্ধ করে verb-এর সাথে ing যুক্ত করে দেবে কারণ এটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
a rolled
b has rolled
c had rolled
d is rolling
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) had rolled কেন সঠিক: - 'as if' বা 'as though' এর আগের অংশ Past Tense হলে পরের অংশ Past Perfect Tense হয়। - মূল বাক্যের 'looked' অংশটি Past Tense হওয়ায় পরের অংশে Past Perfect Tense (had rolled) ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) rolled — এটি Simple Past Tense, যা 'as if' এর নিয়মের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় কারণ এর আগের অংশ Past Tense। B) has rolled — এটি Present Perfect Tense, যা মূল বাক্যের Past Tense (looked) এর সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। C) had rolled — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশন হিসেবে ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়। D) is rolling — এটি Present Continuous Tense, যা অতীতের ঘটনার সাথে ব্যবহারের নিয়ম লঙ্ঘন করে। মনে রাখার টিপস: 'as if' এর বামে Past থাকলে ডানে Past Perfect হয়, আর বামে Present থাকলে ডানে Past Indefinite হয়।
a She prefers dancing to singing.
b She prefers dancing than singing.
c She prefers dance than singing.
d She prefers dancing over to sing.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) She prefers dancing to singing. কেন সঠিক: - prefer শব্দের পরে দুটি সমজাতীয় নাউন বা জেরান্ড তুলনা করার সময় মাঝে to প্রিপজিশন বসে। - dancing এবং singing উভয়ই Gerand হওয়ায় সঠিক তুলনার জন্য to ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) She prefers dancing to singing. — এটি সঠিক এবং প্রমিত ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী গঠিত। B) She prefers dancing than singing. — prefer শব্দের পরে than ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) She prefers dance than singing. — prefer এর পরে Gerand এর পরিবর্তে base form ব্যবহার করা এবং than বসানো দুটোই ভুল। D) She prefers dancing over to sing. — over to দুটি প্রিপজিশন একসাথে ব্যবহার করা এবং to এর পরে sing বসানো ভুল। মনে রাখার টিপস: prefer এর সাথে সবসময় to প্রিপজিশন বসে, than বসে না।
a Various
b variful
c variable
d varied
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) variful কেন সঠিক: - 'Vary' একটি ভার্ব, যার অর্থ পরিবর্তন করা। - 'variful' নামে ইংরেজিতে কোনো অর্থপূর্ণ বা গ্রহণযোগ্য অ্যাডজেক্টিভ বা বিশেষণ নেই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Various — এটি 'Vary' শব্দের একটি গ্রহণযোগ্য এবং বহুল ব্যবহৃত অ্যাডজেক্টিভ ফর্ম, যার অর্থ বিভিন্ন বা নানা রকম। B) variful — এটি একটি ভুল ও অগ্রহণযোগ্য শব্দ গঠন, ইংরেজিতে এই শব্দের কোনো অস্তিত্ব নেই। C) variable — এটি 'Vary' শব্দের একটি সঠিক অ্যাডজেক্টিভ ফর্ম, যার অর্থ পরিবর্তনশীল। D) varied — এটি 'Vary' শব্দের সঠিক পাস্ট পার্টিসিপল ও অ্যাডজেক্টিভ ফর্ম, যার অর্থ বৈচিত্র্যময়। মনে রাখার টিপস: 'Vary' শব্দের সঠিক অ্যাডজেক্টিভগুলো হলো various, variable এবং varied, তাই শেষে ful যুক্ত variful একটি সম্পূর্ণ ভুল শব্দ।
a with
b at
c along
d by
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) by কেন সঠিক: - Stand by একটি গ্রুপ ভার্ব বা ফ্রেজাল ভার্ব, যার অর্থ সমর্থন করা বা পাশে দাঁড়ানো। - এখানে বাবা-মা সবসময় সিদ্ধান্তের পক্ষে বা সমর্থনে আছেন বোঝাতে by preposition সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) with — Stand with অর্থ কারও পক্ষে দাঁড়ানো হলেও সিদ্ধান্ত বা মতামতের ক্ষেত্রে with বসে না। B) at — Stand at নির্দিষ্ট কোনো অবস্থানে দাঁড়িয়ে থাকা বোঝায়, যা সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে অর্থহীন। C) along — Stand along সাধারণত কোনো রেখা বা সীমানার পাশ দিয়ে দাঁড়ানো বোঝায়, যা এখানে অপ্রাসঙ্গিক। D) by — এটি সঠিক কারণ Stand by অর্থ সমর্থন করা বা সহযোগিতা করা। মনে রাখার টিপস: সিদ্ধান্ত বা বিপদে কাউকে সমর্থন করা বোঝালে Stand এর পরে সর্বদা by বসে।
a to
b of
c by
d in
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) of কেন সঠিক: - ইংরেজি ব্যাকরণে 'dream of' একটি নির্দিষ্ট ফ্রেস বা এপ্রোপ্রিয়েট প্রিপজিশন, যার অর্থ কোনো কিছু কল্পনা করা বা স্বপ্ন দেখা। - 'Dream' শব্দের পর সাধারণত 'of' প্রিপজিশন বসে এবং এরপরে ভার্ব থাকলে তার সাথে 'ing' যুক্ত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to — 'Dream' এর পর সাধারণত 'to' বসে না কারণ এটি সঠিক এপ্রোপ্রিয়েট প্রিপজিশন নয়। B) of — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। C) by — এটি উপায়ের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় এবং 'dream' এর সাথে মানানসই নয়। D) in — অবস্থানের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় যা এখানে অর্থবহ নয়। মনে রাখার টিপস: স্বপ্ন দেখার ক্ষেত্রে সবসময় 'dream of' ব্যবহার করবে, যেমন 'dream of success'।
a noun
b verb
c adjective
d adverb
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) adjective কেন সঠিক: - এখানে underlined শব্দ হলো disagreeable, যা বাক্যে man নামক noun-টিকে বিশেষিত বা তার দোষ-গুণ প্রকাশ করছে। - ইংরেজী ব্যাকরণ অনুযায়ী যে শব্দ কোনো noun বা pronoun-এর দোষ, গুণ, অবস্থা বা সংখ্যা প্রকাশ করে তাকে adjective বলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) noun — Karim বা man হলো noun, কিন্তু disagreeable শব্দটি noun-কে মডিফাই করছে বিধায় এটি noun নয়। B) verb — কোনো কাজের নাম বা কাজ করা বোঝায় না, তাই এটি verb হতে পারে না। C) adjective — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক হওয়ায় এটি এই প্রশ্নের ক্ষেত্রে ভুল নয়। D) adverb — এটি verb, adjective বা অন্য কোনো adverb-কে মডিফাই করেনি বরং noun-কে করেছে, তাই এটি adverb নয়। মনে রাখার টিপস: Noun বা Pronoun-এর ঠিক আগে বসে যখন তার দোষ বা গুণ বোঝায়, তখন সেই শব্দটি সাধারণত adjective হয়।
a Librarian
b architect
c curator
d Janitor
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) curator কেন সঠিক: - কিউরেটর (Curator) হলেন এমন একজন ব্যক্তি যিনি জাদুঘরের প্রদর্শনী এবং সংগ্রহশালার সামগ্রী রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচালনার দায়িত্বে থাকেন। - জাদুঘরের ঐতিহাসিক বা শিল্পকর্মের সঠিক যত্ন ও প্রদর্শন নিশ্চিত করাই তার মূল কাজ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Librarian — লাইব্রেরিয়ান বা গ্রন্থাগারিক হলেন এমন একজন ব্যক্তি যিনি পাঠাগার বা গ্রন্থাগারের বইপত্র রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচালনা করেন। B) architect — আর্কিটেক্ট বা স্থপতি হলেন এমন একজন ব্যক্তি যিনি ভবন বা স্থাপনার নকশা তৈরি করেন। C) curator — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে প্রযোজ্য নয়। D) Janitor — জেনিটর হলেন এমন একজন ব্যক্তি যিনি কোনো ভবন বা প্রতিষ্ঠানের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও রক্ষণাবেক্ষণের কাজ করেন। মনে রাখার টিপস: জাদুঘরের (Museum) দায়িত্বে যিনি থাকেন তিনি কিউরেটর (Curator) এবং লাইব্রেরির দায়িত্বে যিনি থাকেন তিনি লাইব্রেরিয়ান।
a mourners
b pallbearers
c grave diggers
d processioners
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) pallbearers কেন সঠিক: - 'Pallbearer' শব্দটির অর্থ জানাজায় বা সৎকারের সময় মৃতদেহ বহনকারী ব্যক্তি। - এটি মূলত কফিন বা কফিন রাখার চাদর ধরে বহন করার বিশেষ দায়িত্ব পালনকারী ব্যক্তিদের বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) mourners — এর অর্থ শোক প্রকাশকারী বা মাতমকারী ব্যক্তি, যারা অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় উপস্থিত থাকেন কিন্তু কফিন বহন করেন না। B) pallbearers — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যা কফিন বহনকারী ব্যক্তিদের সঠিকভাবে নির্দেশ করে। C) grave diggers — এর অর্থ কবর খননকারী, যারা মৃতদেহ কবর দেওয়ার জন্য মাটি কাটেন বা কবর প্রস্তুত করেন। D) processioners — এর অর্থ শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারী ব্যক্তি, যারা কোনো মিছিলে হাঁটেন কিন্তু নির্দিষ্টভাবে কফিন বহন করেন না। মনে রাখার টিপস: 'Pall' শব্দের অর্থ চাদর বা কফিনের ঢাকনা এবং 'bear' অর্থ বহন করা, যা থেকে কফিন বহনকারীকে 'pallbearer' বলা হয়।
a in
b on
c at
d up
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: C) at কেন সঠিক: - কোনো নির্দিষ্ট স্থান বা ভবনে অল্প সময়ের জন্য যাওয়া বা সাক্ষাৎ করার অর্থে call at ব্যবহৃত হয়। - এখানে ব্যাংক একটি নির্দিষ্ট স্থান বোঝানো হয়েছে, তাই সঠিক প্রিপজিশন হলো at। বাকি অপশন কেন ভুল: A) in — কোনো বড় এলাকা বা দেশের ভেতরে অবস্থান বোঝাতে in বসে, নির্দিষ্ট কোনো ভবনে ক্ষণস্থায়ী উপস্থিতির ক্ষেত্রে এটি অনুপযুক্ত। B) on — সাধারণত কোনো তলের ওপর স্পর্শ করে থাকা বা নির্দিষ্ট কোনো দিবসের পূর্বে প্রিপজিশন হিসেবে on বসে। D) up — call up অর্থ টেলিফোনে কারো সঙ্গে কথা বলা বা স্মরণ করা, যা এই বাক্যের অর্থ বা ব্যাংকে যাওয়ার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: নির্দিষ্ট কোনো ছোট স্থান বা ভবনে সাময়িক সাক্ষাতের জন্য call at এবং ব্যক্তির সঙ্গে দেখা করতে গেলে call on ব্যবহার করা হয়।
a Dirohea
b Diarrhoea
c Dirrohea
d Dirrhoea
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Diarrhoea কেন সঠিক: - বানানটিতে দুটি d, দুটি r এবং দুটি a রয়েছে যা সঠিক ইংরেজি বানানরীতি মেনে চলে। - চিকিৎসাবিজ্ঞান সংক্রান্ত এই শব্দটিতে ডাবল a এবং ডাবল h এর সঠিক বিন্যাস রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Dirohea — বানানটিতে প্রয়োজনীয় অক্ষর ও সঠিক স্বরবর্ণের বিন্যাস অনুপস্থিত রয়েছে। B) Diarrhoea — এটি পরীক্ষিত ও চিকিৎসাবিজ্ঞানসম্মতভাবে সম্পূর্ণ সঠিক বানান। C) Dirrohea — বানানটিতে r এবং a এর ভুল বিন্যাস রয়েছে যা সঠিক নয়। D) Dirrhoea — বানানটির প্রথম অংশে ভুল অক্ষর ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: শব্দটি মনে রাখতে এই সূত্রটি মাথায় রাখতে পারো, Di (দুইবার i নয়, একটি i) + arr + hoea।
a noun
b adverb
c adjective
d verb
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) adjective কেন সঠিক: - 'is' একটি linking verb এবং linking verb-এর পর সাধারণত complement হিসেবে Adjective বসে। - এখানে 'hereditary' শব্দটি Subject 'Depression' এর দোষ বা অবস্থা প্রকাশ করছে, যা Adjective-এর কাজ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) noun — Noun হলো কোনো কিছুর নাম, যা এখানে Depression নিজেই, তাই hereditary Noun হতে পারে না। B) adverb — Adverb সাধারণত verb, adjective বা অন্য adverb-কে modify করে, কিন্তু এখানে এটি subject-এর অবস্থা বোঝাচ্ছে। C) adjective — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি Subject-এর গুণ বা অবস্থা নির্দেশ করছে। D) verb — Verb হলো কোনো কাজ করা বোঝায়, কিন্তু hereditary কোনো কাজের নাম বা action বোঝায় না। মনে রাখার টিপস: Linking verb (am, is, are, was, were, become, remain) এর পরে সাধারণত Adjective বসে।
a in
b at
c on
d with
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) at কেন সঠিক: - কোনো বিষয়ে দক্ষতা বা পারদর্শিতা বোঝাতে Adjective 'good'-এর পর সঠিক Preposition হিসেবে 'at' ব্যবহৃত হয়। - এখানে খেলা বা বিষয়ে পটু বোঝাতে 'good at chess' নিয়ম অনুযায়ী সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) in — ভাষা বা এলাকার ক্ষেত্রে সাধারণত 'good in' ব্যবহার করা হয় না, তাই এটি ভুল। B) at — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি এখানে প্রযোজ্য। C) on — কোনো পৃষ্ঠার ওপর বা নির্দিষ্ট কোনো বিষয়ের ওপর বোঝাতে 'on' বসে, দক্ষতার ক্ষেত্রে নয়। D) with — কোনো বস্তু বা ব্যক্তির সঙ্গে বোঝাতে 'with' ব্যবহৃত হয়, কিন্তু দক্ষতার ক্ষেত্রে এটি বসে না। মনে রাখার টিপস: দক্ষতা বা পারদর্শিতা বোঝাতে 'good' শব্দের পর সব সময় 'at' প্রিপজিশন বসে।
a change
b has changed
c changed
d did change
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) changed কেন সঠিক: - বাক্যে It is high time বা It is time থাকলে এর পরের ক্লজটি পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্স হয়। - এখানে বন্ধনীর ভেତরের ভার্ব change-এর পাস্ট ফর্ম বসে বাক্যটিকে সঠিক গঠন দিতে হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) change — এটি ভার্বের প্রেজেন্ট ফর্ম, যা পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্সের নিয়মের সাথে সংগতিপূর্ণ নয়। B) has changed — এটি প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্স, যা It is high time কাঠামোর পরের ক্লজে ব্যবহার করা যায় না। C) changed — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্সের নিয়ম পূর্ণ করে। D) did change — পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্সের এফারমেটিভ বাক্যে অতিরিক্ত did ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। মনে রাখার টিপস: বাক্যে It is high time বা It is time দেখলে চোখ বন্ধ করে মূল ভার্বের পাস্ট ফর্ম (V2) বসিয়ে দেবে।
a observe
b memorise
c forget
d overlook
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) observe কেন সঠিক: - 'Commemorate' শব্দের অর্থ হলো কোনো স্মৃতি বা গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করা বা পালন করা। - 'Observe' শব্দের অর্থ কোনো উৎসব, দিবস বা নিয়ম শ্রদ্ধাভরে পালন করা, যা এখানে সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) observe — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ স্মরণ করা বা পালন করা। B) memorise — এর অর্থ মুখস্থ করা, যা কোনো ঘটনা পালন করার সমার্থক নয়। C) forget — এর অর্থ ভুলে যাওয়া, যা commemorate শব্দের বিপরীতার্থক। D) overlook — এর অর্থ উপেক্ষা করা বা চোখ এড়িয়ে যাওয়া, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: Commemorate শব্দটিতে মনে রাখার জন্য 'Memory' বা স্মৃতি কথাটি মাথায় রাখতে পারি, যা পালন করতে 'Observe' করা হয়।
a had failed
b fail
c would fail
d failed
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) failed কেন সঠিক: - No sooner had এর পরের অংশে Past Perfect Tense থাকলেও পরবর্তী ক্লজটিতে Past Indefinite Tense ব্যবহার করতে হয়। - প্রদত্ত বাক্যে প্রথম অংশ had run থাকায় পরবর্তী অংশে মূল Verb এর Past form অর্থাৎ failed বসবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) had failed — এখানে Past Perfect Tense ব্যবহার করা হয়েছে, যা নিয়ম অনুযায়ী No sooner had যুক্ত বাক্যের দ্বিতীয় অংশে বসে না। B) fail — এটি Verb এর Present form, যা Past Indefinite Tense এর নিয়ম অনুযায়ী সঠিক নয়। C) would fail — এটি Conditional Sentence এর নিয়মকে নির্দেশ করে, যা এই কাঠামোর সাথে সংগত নয়। D) failed — এটি Verb এর Past form এবং সঠিক নিয়ম অনুযায়ী এটিই বাক্যটির শূন্যস্থানে বসেছে। মনে রাখার টিপস: No sooner had এর পর V৩ থাকলে, পরবর্তী ক্লজে সবসময় V২ (Past Indefinite) ব্যবহার করতে হয়।
a ২৬ জুন, ১৯৪৫
b ২৪ অক্টোবর, ১৯৪৫
c ১০ ডিসেম্বর, ১৯৪৫
d ১৬ জানুয়ারি, ১৯৪৫
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৪ অক্টোবর, ১৯৪৫ কেন সঠিক: - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গঠিত জাতিসংঘ সনদ ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হয়। - এই দিনে সনদে স্বাক্ষরকারী সংখ্যাগরিষ্ঠ রাষ্ট্রগুলোর অনুসমর্থন সম্পন্ন হওয়ার মাধ্যমে জাতিসংঘ আনুষ্ঠানিকভাবে তার যাত্রা শুরু করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৬ জুন, ১৯৪৫ — এই তারিখে সানফ্রান্সিসকো সম্মেলনে জাতিসংঘ সনদে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষর করা হয়েছিল, কার্যকর হয়নি। B) ২৪ অক্টোবর, ১৯৪৫ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ এই দিনেই জাতিসংঘ সনদ কার্যকর হয় এবং জাতিসংঘ দিবস পালিত হয়। C) ১০ ডিসেম্বর, ১৯৪৫ — এই তারিখটি জাতিসংঘের সাথে সরাসরি যুক্ত নয়, তবে ১৯৪৮ সালের এই দিনে মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণাপত্র গৃহতি হয়। D) ১৬ জানুয়ারি, ১৯৪৫ — এই তারিখটি জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার ইতিহাসে কোনো প্রাতিষ্ঠানিক বা ঐতিহাসিক ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার মাসটি মনে রাখতে ২৪ অক্টোবর তারিখটি মনে রাখুন, কারণ এই দিনেই বিশ্বজুড়ে জাতিসংঘ দিবস পালন করা হয়।
a টরেন্টো, কানাডা
b আমস্টারডাম, নেদারল্যান্ডস
c লন্ডন, যুক্তরাজ্য
d নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র কেন সঠিক: - জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি বা UNDP-এর প্রধান কার্যালয় যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরে অবস্থিত। - ১৯৬৫ সালে প্রতিষ্ঠিত এই সংস্থাটি বিশ্বব্যাপী দারিদ্র্য বিমোচন ও টেকসই উন্নয়নে কাজ করে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) টরেন্টো, কানাডা — এটি কানাডার বৃহত্তম শহর ও আর্থিক কেন্দ্র হলেও UNDP-এর সদর দপ্তর এখানে অবস্থিত নয়। B) আমস্টারডাম, নেদারল্যান্ডস — এটি নেদারল্যান্ডসের রাজধানী ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, তবে এই আন্তর্জাতিক সংস্থার সদর দপ্তর হিসেবে এটি পরিচিত নয়। C) লন্ডন, যুক্তরাজ্য — এটি যুক্তরাজ্যের রাজধানী এবং এখানে অনেক আন্তর্জাতিক সংস্থার কার্যালয় থাকলেও UNDP-এর সদর দপ্তর এখানে নেই। D) নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই শহরেই UNDP-এর মূল প্রশাসনিক কার্যালয় অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: বিশ্বের বেশিরভাগ বড় আন্তর্জাতিক সংস্থা যেমন জাতিসংঘ ও UNDP-এর সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রেই অবস্থিত, যার প্রধান কেন্দ্র নিউইয়র্ক শহর।
a নিউইয়র্ক
b লন্ডন
c জেনেভা
d প্যারিস
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: A) নিউইয়র্ক কেন সঠিক: - ইউনিসেফ বা জাতিসংঘের শিশু তহবিল ১৯৪৬ সালের ১১ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর প্রধান কার্যালয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরে অবস্থিত। - শিশুদের অধিকার রক্ষা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পুষ্টির উন্নয়নে এই সংস্থাটি বিশ্বব্যাপী কাজ করে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিউইয়র্ক — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানেই ইউনিসেফের মূল সদর দপ্তর অবস্থিত। B) লন্ডন — এটি ভুল কারণ লন্ডন হলো আন্তর্জাতিক মার্সি কর্পস বা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের মতো সংস্থার কেন্দ্র, ইউনিসেফের নয়। C) জেনেভা — এটি ভুল কারণ জেনেভায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং আইএলও-র সদর দপ্তর রয়েছে, যা ইউনিসেফের সদর দপ্তর নয়। D) প্যারিস — এটি ভুল কারণ প্যারিসে ইউনেস্কোর সদর দপ্তর অবস্থিত, যা ইউনিসেফের সদর দপ্তর থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। মনে রাখার টিপস: শিশুরা (ইউএনআইসিইএফ) বড় শহরে (নিউইয়র্ক) বাস করতে পছন্দ করে, এই মনে রাখার কৌশল ব্যবহার করতে পারো।
a রাশিয়া
b সৌদি আরব
c মরক্কো
d স্পেন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সৌদি আরব কেন সঠিক: - ফিফা কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২০৩৪ সালের পুরুষ বিশ্বকাপ ফুটবলের একক আয়োজক দেশ হিসেবে সৌদি আরব নির্বাচিত হয়েছে। - ২০২৩ সালের শেষ দিকে একমাত্র প্রার্থী দেশ হিসেবে সৌদি আরব এই মেগা টুর্নামেন্টের আয়োজকস্বত্ব লাভ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাশিয়া — রাশিয়া ২০১৮ সালের ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবল সফলভাবে আয়োজন করেছিল, ২০৩৪ সালের জন্য নয়। B) সৌদি আরব — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং ২০৩৪ সালের ফিফা বিশ্বকাপের নির্ধারিত আয়োজক দেশ। C) মরক্কো — মরক্কো ২০৩০ সালের ফিফা বিশ্বকাপের যৌথ আয়োজক দেশের অংশ হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে, ২০৩৪ সালের নয়। D) স্পেন — স্পেন ২০৩০ সালের ফিফা বিশ্বকাপের মূল যৌথ আয়োজক দেশগুলোর একটি হিসেবে নির্ধারিত রয়েছে। মনে রাখার টিপস: বিশ শতকের শেষ ভাগে অর্থাৎ দুই হাজার চৌত্রিশ সালে মরুভূমির দেশ সৌদি আরবে বসবে ফিফা বিশ্বকাপের আসর।
a মঙ্গল
b বুধ
c বৃহস্পতি
d শুক্র
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মঙ্গল কেন সঠিক: - মঙ্গলের মাটিতে প্রচুর পরিমাণে আয়রন অক্সাইড বা লোহা মরচে থাকার কারণে গ্রহটিকে দূর থেকে লাল দেখায়। - বিজ্ঞানীদের মতে এই বিশেষ উপাদানের উপস্থিতির কারণেই গ্রহটির নামকরণ হয়েছে লাল গ্রহ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মঙ্গল — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর পৃষ্ঠে আয়রন অক্সাইডের আধিক্য রয়েছে। B) বুধ — এটি সূর্যের সবচেয়ে কাছের ছোট গ্রহ এবং এর রঙ ধূসর বা তামাটে, লাল নয়। C) বৃহস্পতি — এটি সৌরজগতের সবচেয়ে বড় গ্রহ এবং এটি মূলত গ্যাসীয় দানব যার প্রধান রঙ কমলা ও সাদা। D) শুক্র — এটি সৌরজগতের সবচেয়ে উজ্জ্বল গ্রহ এবং মেঘের আবরণে ঢাকা থাকার কারণে এটি হলুদ বা সাদা দেখায়। মনে রাখার টিপস: মঙ্গলের মাটিতে মরচে ধরা লোহার পরিমাণ বেশি থাকে বলেই একে লাল গ্রহ বলা হয়।
a তুরস্ক
b মেক্সিকো
c সিউল
d বার্লিন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) তুরস্ক কেন সঠিক: - জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত জাতিসংঘ কনভেনশন বা কপ (COP) এর ৩১তম সম্মেলন ২০২৬ সালে তুরস্কে অনুষ্ঠিত হওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। - বিশ্ব জলবায়ু সংকট মোকাবেলায় আন্তর্জাতিক কূটনীতি ও আলোচনার ক্ষেত্রে এই সম্মেলন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) তুরস্ক — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ ২০২৬ সালের কপ ৩১ সম্মেলন আয়োজনের জন্য দেশটি নির্ধারিত হয়েছে। B) মেক্সিকো — মেক্সিকো এই সম্মেলনের আয়োজক দেশ নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। C) সিউল — সিউল দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী হলেও এটি কপ ৩১ এর আয়োজক শহর বা দেশ নয়। D) বার্লিন — বার্লিন জার্মানির রাজধানী, তবে কপ ৩১ সম্মেলন আয়োজনের জন্য এটি নির্বাচিত হয়নি। মনে রাখার টিপস: জলবায়ু সম্মেলন কপ ৩১ মনে রাখতে তুর্কি পাখির নামের সঙ্গে মিলিয়ে তুরস্ক দেশকে মনে রাখতে পারেন।
a কানাডা
b ফ্রান্স
c পোল্যান্ড
d জার্মানি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জার্মানি কেন সঠিক: - জার্মানির শাসনব্যবস্থায় সরকার প্রধানকে চ্যান্সেলর বলা হয় এবং নির্বাহী ক্ষমতা তার হাতেই ন্যস্ত থাকে। - জার্মানির বর্তমান চ্যান্সেলর দেশটির সরকার পরিচালনা করেন এবং রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে প্রেসিডেন্ট থাকেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কানাডা — কানাডার সরকার প্রধানকে প্রধানমন্ত্রী বলা হয় এবং চ্যান্সেলর পদটি সেখানে নেই। B) ফ্রান্স — ফ্রান্সের সরকার প্রধানকে প্রধানমন্ত্রী বলা হয় এবং চ্যান্সেলর পদটি এই দেশের জন্য প্রযোজ্য নয়। C) পোল্যান্ড — পোল্যান্ডের সরকার প্রধান প্রধানমন্ত্রী নামে পরিচিত এবং চ্যান্সেলর তাদের প্রশাসনিক পদে নেই। D) জার্মানি — এই অপশনটি সঠিক কারণ জার্মানির চ্যান্সেলর দেশটির সরকার প্রধানের পদ। মনে রাখার টিপস: জার্মানির গাড়ি আর চ্যান্সেলর সারা বিশ্বে বিখ্যাত, তাই চ্যান্সেলর বললেই জার্মানি মনে রাখবে।
a পদ্মা
b যমুনা
c মেঘনা
d মহানন্দা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পদ্মা কেন সঠিক: - পদ্মা নদী ভারত থেকে বাংলাদেশে প্রবেশের পর দেশের প্রায় ৩০টির অধিক জেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। - বাংলাদেশের অন্যান্য প্রধান নদীর তুলনায় সর্বাধিক জেলার সাথে এই নদীর সরাসরি সংযোগ রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পদ্মা — এটি বাংলাদেশের সর্বাধিক জেলা দিয়ে প্রবাহিত প্রধান নদী। B) যমুনা — যমুনা নদী পদ্মার মতো এত বেশি জেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়নি। C) মেঘনা — মেঘনার অববাহিকা বড় হলেও এর সরাসরি প্রবাহের জেলা সংখ্যা পদ্মার চেয়ে কম। D) মহানন্দা — এটি তুলনামূলক ছোট একটি নদী এবং সীমিত কয়েকটি জেলা দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: পদ্মা নদী হলো বাংলাদেশের সর্বাধিক জেলা স্পর্শকারী বা প্রবাহিত নদী।
a আর্জেন্টিনা
b ব্রাজিল
c পেরু
d কলম্বিয়া
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ব্রাজিল কেন সঠিক: - আয়তন এবং জনসংখ্যার দিক থেকে ব্রাজিল দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের সবচেয়ে বড় দেশ। - দেশটির মোট আয়তন প্রায় ৮৫ লক্ষ বর্গকিলোমিটারের বেশি, যা মহাদেশটির প্রায় অর্ধেক অংশ জুড়ে অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আর্জেন্টিনা — এটি দক্ষিণ আমেরিকার দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। B) ব্রাজিল — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশনের কারণ প্রযোজ্য নয়। C) পেরু — এটি দক্ষিণ আমেরিকার পশ্চিম অংশের একটি মাঝারি আয়তনের দেশ, ব্রাজিলের তুলনায় অনেক ছোট। D) কলম্বিয়া — এটি দক্ষিণ আমেরিকার উত্তর-পশ্চিম অংশের একটি দেশ এবং আয়তনে ব্রাজিলের চেয়ে বেশ ছোট। মনে রাখার টিপস: দক্ষিণ আমেরিকায় পর্তুগিজভাষী দেশ ব্রাজিলই হলো সবচেয়ে বড় দেশ।
a জলবায়ু পরিবর্তন
b পারমাণবিক অস্ত্র নিরোধ
c মরুকরণ রোধ
d আন্তর্জাতিক নদীসমূহের পানির হিস্যা বণ্টন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জলবায়ু পরিবর্তন কেন সঠিক: - কিওটো প্রটোকল হলো জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত কাঠামোগোষ্ঠীর একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি। - এটি বায়ুমণ্ডলে গ্রিনহাউস গ্যাসের নির্গমন হ্রাস করার মাধ্যমে বৈশ্বিক উষ্ণতা রোধের উদ্দেশ্যে প্রণীত হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জলবায়ু পরিবর্তন — এটি সঠিক কারণ এই চুক্তিটি বিশ্বব্যাপী উষ্ণায়ন ও জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলার জন্য করা হয়েছিল। B) পারমাণবিক অস্ত্র নিরোধ — পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণের সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই, এর জন্য এনপিটি চুক্তি রয়েছে। C) মরুকরণ রোধ — মরুকরণ রোধের জন্য জাতিসংঘের আলাদা কনভেনশন বা ইউএনসিসিডি রয়েছে, কিওটো প্রটোকল নয়। D) আন্তর্জাতিক নদীসমূহের পানির হিস্যা বণ্টন — এটি সাধারণত আন্তঃসীমান্ত নদী চুক্তির আওতাভুক্ত বিষয়, যা জলবায়ু চুক্তির অন্তর্ভুক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: কিওটো প্রটোকল মানেই কিয়োটো শহরে স্বাক্ষরিত জলবায়ু সুরক্ষার ঐতিহাসিক চুক্তি।
a সুন্দরবন
b আমাজান রেইন ফরেস্ট
c বোরিয়াল বন
d কঙ্গো রেইন ফরেস্ট
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভূগোল ও পরিবেশ সঠিক উত্তর: B) আমাজান রেইন ফরেস্ট কেন সঠিক: - এই বিশাল বনাঞ্চল পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রচুর পরিমাণে অক্সিজেন সরবরাহ করে এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ করে। - বৈশ্বিক জলবায়ু নিয়ন্ত্রণ এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে এটি ফুসফুসের মতো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুন্দরবন — এটি বিশ্বের বৃহত্তম mangrove বন এবং উপকূলীয় অঞ্চলের রক্ষাকবচ হলেও পৃথিবীর ফুসফুস বলা হয় না। B) আমাজান রেইন ফরেস্ট — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর বিশাল অক্সিজেন উৎপাদনের ক্ষমতা একে পৃথিবীর ফুসফুস হিসেবে পরিচিত করেছে। C) বোরিয়াল বন — এটি উচ্চ অক্ষাংশের তাইগা বন নামে পরিচিত যা সাইবেরিয়া ও কানাডায় বিস্তৃত হলেও ফুসফুস বলা হয় না। D) কঙ্গো রেইন ফরেস্ট — এটি আফ্রিকার বৃহত্তম বন এবং বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অববাহিকা হলেও প্রধানত আমাজানকেই এই উপাধি দেওয়া হয়। মনে রাখার টিপস: বিশ্বের সবচেয়ে বড় বন আমাজান প্রচুর অক্সিজেন দেয় বলে একে পৃথিবীর ফুসফুস বলা হয়।
a তুভালু
b হাইতি
c ভ্যাটিকান সিটি
d নাউরু
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: C) ভ্যাটিকান সিটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর যাচাই: প্রদত্ত সঠিক উত্তর (D) নাউরু ভুল। প্রশ্নটিতে আয়তনে জাতিসংঘের ক্ষুদ্রতম সদস্য রাষ্ট্র জানতে চাওয়া হয়েছে, যা হলো ভ্যাটিকান সিটি। কেন সঠিক: - ভ্যাটিকান সিটি বিশ্বের এবং জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে আয়তনে সবচেয়ে ছোট, যার ক্ষেত্রফল মাত্র ০.৪৪ বর্গকিলোমিটার। - এটি একটি স্বাধীন রাষ্ট্র এবং জাতিসংঘের স্থায়ী পর্যবেক্ষক রাষ্ট্র হলেও এটি জাতিসংঘের পূর্ণ সদস্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) তুভালু — এটি ওশেনিয়া অঞ্চলের একটি দ্বীপ রাষ্ট্র এবং আয়তনে ভ্যাটিকান সিটির চেয়ে বড়, এর ক্ষেত্রফল ২৬ বর্গকিলোমিটার। B) হাইতি — এটি ক্যারিবীয় অঞ্চলের একটি দেশ এবং এর আয়তন ২৭ হাজার ৭৫০০ বর্গকিলোমিটার, যা ভ্যাটিকান সিটির তুলনায় অনেক বড়। C) ভ্যাটিকান সিটি — এটি আয়তনে জাতিসংঘের ক্ষুদ্রতম সদস্য রাষ্ট্র এবং এর ক্ষেত্রফল মাত্র ০.৪৪ বর্গকিলোমিটার। D) নাউরু — এটি বিশ্বের ক্ষুদ্রতম দ্বীপ প্রজাতন্ত্র হলেও এর আয়তন ২১ বর্গকিলোমিটার, যা ভ্যাটিকান সিটির চেয়ে বড়। মনে রাখার টিপস: বিশ্বের সবচেয়ে ছোট দেশ ভ্যাটিকান সিটি, যার আয়তন ১ বর্গকিলোমিটারেরও কম।
a শিশু
b উদ্বাস্তু
c অভিবাসী
d নারী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নারী কেন সঠিক: - CEDAW হলো জাতিসংঘ কর্তৃক ১৯৭৯ সালে গৃহিত নারীর বিরুদ্ধে সকল প্রকার বৈষম্য বিলোপ সনদ। - এই আন্তর্জাতিক সনদে আন্তর্জাতিকভাবে নারীদের সমান অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শিশু — শিশুদের অধিকার সুরক্ষার জন্য জাতিসংঘের আলাদা শিশু অধিকার সনদ রয়েছে, CEDAW নয়। B) উদ্বাস্তু — উদ্বাস্তুদের অধিকার ও সুরক্ষার জন্য আলাদা শরণার্থী বিষয়ক আন্তর্জাতিক কনভেনশন রয়েছে। C) অভিবাসী — অভিবাসী শ্রমিক ও তাদের পরিবারের অধিকার সুরক্ষার জন্য জাতিসংঘের আলাদা আন্তর্জাতিক কনভেনশন রয়েছে। D) নারী — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ সনদটি নারী অধিকার সংক্রান্ত। মনে রাখার টিপস: CEDAW নামের ইংরেজি শব্দগুলোর দিকে খেয়াল রাখলে বোঝা যায় এটি Women বা নারী অধিকার সম্পর্কিত সনদ।
a আয়ারল্যান্ড
b ভারত
c নেপাল
d বাংলাদেশ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বাংলাদেশ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ বে অব বেঙ্গল ইনিশিয়েটিভ ফর মাল্টি-সেক্টরাল টেকনিক্যাল অ্যান্ড ইকোনমিক কোঅপারেশনের বর্তমান সভাপতি বা চেয়ারপারসন দেশ। - সংস্থাটির শীর্ষ সম্মেলন আয়োজন এবং এর কার্যক্রম পরিচালনার নেতৃত্ব বর্তমানে বাংলাদেশের হাতে রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আয়ারল্যান্ড — এটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য দেশ এবং BIMSTEC মূলত দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক সংস্থা হওয়ায় এর সাথে সম্পর্কিত নয়। B) ভারত — ভারত BIMSTEC-এর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ও সদস্য রাষ্ট্র হলেও বর্তমানে সংস্থাটির চেয়ারপারসনের দায়িত্বে নেই। C) নেপাল — নেপাল অতীতে BIMSTEC-এর চেয়ারপারসনের দায়িত্ব পালন করেছে, তবে বর্তমান চেয়ারপারসন নয়। D) বাংলাদেশ — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাংলাদেশ বর্তমানে আনুষ্ঠানিকভাবে এই আঞ্চলিক সংস্থার চেয়ারপারসনের দায়িত্ব পালন করছে। মনে রাখার টিপস: বিমস্টেকের বর্তমান নেতৃত্ব বা চেয়ারপারসন মনে রাখতে 'বাংলাদেশ' শব্দটি মাথায় রাখুন, কারণ আন্তর্জাতিক এই সংস্থার বর্তমান সভাপতি আমাদের দেশ।
a সাঙ্গু
b কৈলাশটিলা
c মেঘনা
d তিতাস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) তিতাস কেন সঠিক: - মজুদ বিবেচনায় তিতাস গ্যাসক্ষেত্র বাংলাদেশের বৃহত্তম প্রাকৃতিক গ্যাসক্ষেত্র। - ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় অবস্থিত এই গ্যাসক্ষেত্রটি দেশের মোট গ্যাস সরবরাহের একটি বড় অংশ পূরণ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাঙ্গু — এটি বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত একটি অফশোর গ্যাসক্ষেত্র, যা দেশের সবচেয়ে বড় গ্যাসক্ষেত্র নয়। B) কৈলাশটিলা — এটি একটি বড় গ্যাসক্ষেত্র হলেও মজুদের দিক থেকে তিতাসের চেয়ে ছোট। C) মেঘনা — এটি অপেক্ষাকৃত ছোট একটি গ্যাসক্ষেত্র এবং মজুদের দিক থেকে শীর্ষস্থানে নেই। D) তিতাস — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়, এটি দেশের সর্বাধিক গ্যাস মজুদযুক্ত ক্ষেত্র। মনে রাখার টিপস: মজুদ বা উৎপাদনে সবার সেরা, তিতাস গ্যাসের নাম করো ত্বরা।
a পায়রা বন্দর
b মোংলা বন্দর
c চট্টগ্রাম বন্দর
d মাতারবাড়ি বন্দর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মোংলা বন্দর কেন সঠিক: - অবস্থানগত ও পণ্য হ্যান্ডলিংয়ের দিক থেকে চট্টগ্রাম বন্দরের পরেই মোংলা বন্দরের অবস্থান। - এটি পশুর নদীর তীরে অবস্থিত দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম ও ব্যস্ততম সমুদ্রবন্দর। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পায়রা বন্দর — এটি পটুয়াখালী জেলায় অবস্থিত দেশের তৃতীয় সমুদ্রবন্দর, দ্বিতীয় বৃহত্তম নয়। B) মোংলা বন্দর — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্রবন্দর। C) চট্টগ্রাম বন্দর — এটি বাংলাদেশের প্রধান ও বৃহত্তম সমুদ্রবন্দর, দ্বিতীয় নয়। D) মাতারবাড়ি বন্দর — এটি কক্সবাজারে অবস্থিত দেশের নবীনতম গভীর সমুদ্রবন্দর প্রকল্প। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের প্রধান বন্দর চট্টগ্রাম এবং এর পরেই দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে মোংলা বন্দর।
a উইনস্টন চার্চিল
b হ্যারল্ড ম্যাকমিলান
c অ্যাটলি ইডেন
d মার্গারেট থ্যাচার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) উইনস্টন চার্চিল কেন সঠিক: - উইনস্টন চার্চিল ১৯৪০ থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অধিকাংশ সময় তিনি মিত্রশক্তিকে নেতৃত্ব দেন। - তার দূরদর্শী নেতৃত্ব ও অটল মনোবল ব্রিটিশ জাতিকে যুদ্ধ জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) উইনস্টন চার্চিল — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য। B) হ্যারল্ড ম্যাকমিলান — তিনি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় প্রধানমন্ত্রী ছিলেন না, বরং তিনি ১৯৫৭ থেকে ১৯৬৩ সাল পর্যন্ত যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। C) অ্যাটলি ইডেন — এই নামে একক কোনো প্রধানমন্ত্রী ছিলেন না, এটি মূলত ক্লিমেন্ট অ্যাটলি এবং অ্যান্টনি ইডেন নামের দুজন আলাদা প্রধানমন্ত্রীকে বুঝায় যারা পরবর্তী সময়ে ক্ষমতায় এসেছিলেন। D) মার্গারেট থ্যাচার — তিনি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অনেক পরে ১৯৭৯ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত যুক্তরাজ্যের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। মনে রাখার টিপস: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জয় পেতে উইনস্টন চার্চিলের দৃঢ় নেতৃত্ব প্রয়োজন ছিল, তাই যুদ্ধের সময় তিনিই প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।
a 1971
b 1972
c 1973
d 1974
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯১৩ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালের সংবিধানে সংসদীয় গণতন্ত্র প্রবর্তিত হয় এবং ১৯৭৩ সালের ৭ই মার্চ প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। - এই নির্বাচনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ বিজয় লাভ করে সরকার গঠন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৭১ — এই সালে বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করে এবং মুক্তিযুদ্ধ পরিচালিত হয়, তাই এটি পার্লামেন্ট নির্বাচনের সাল নয়। B) ১৯৭২ — এই সালে বাংলাদেশের সংবিধান প্রণীত হয় এবং ১০ই জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু স্বাধীন দেশে প্রত্যাবর্তন করেন, কিন্তু প্রথম নির্বাচন হয়নি। D) ১৯৭৪ — এই সালে দেশে দুর্ভিক্ষ দেখা দেয় এবং বিশেষ ক্ষমতা আইন পাস হয়, যা প্রথম পার্লামেন্ট নির্বাচনের সাল নয়। মনে রাখার টিপস: স্বাধীনতার পরের বছর সংবিধান (১৯৭২) এবং তার ঠিক পরের বছর প্রথম নির্বাচন (১৯৭৩) অনুষ্ঠিত হয়।
a সম্মানিত ব্যক্তি
b রাষ্ট্রদূত পদমর্যাদার ব্যক্তি
c অগ্রহণযোগ্য ব্যক্তি
d মন্ত্রী পর্যায়ের ব্যক্তি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অগ্রহণযোগ্য ব্যক্তি কেন সঠিক: - ল্যাটিন ভাষার এই কূটনৈতিক শব্দগুচ্ছের শাব্দিক অর্থ অবাঞ্ছিত বা দেশে প্রবেশের অযোগ্য ব্যক্তি। - আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে কোনো দেশের সরকার কর্তৃক অন্য কোনো দেশের কূটনীতিককে এই ঘোষণা দিয়ে বহিষ্কার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সম্মানিত ব্যক্তি — এটি Persona-non-grata শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) রাষ্ট্রদূত পদমর্যাদার ব্যক্তি — সব রাষ্ট্রদূতকে এই নামে অভিহিত করা হয় না, কেবল অবাঞ্ছিত ঘোষিত ব্যক্তিরাই এর অন্তর্ভুক্ত। D) মন্ত্রী পর্যায়ের ব্যক্তি — এটি কোনো নির্দিষ্ট পদের নাম নয়, বরং কূটনীতিতে ব্যবহারের একটি বিশেষ অবস্থা। মনে রাখার টিপস: Persona অর্থ ব্যক্তি এবং Grata অর্থ গ্রহণযোগ্য, তাই সামনে Non যুক্ত হয়ে অগ্রহণযোগ্য ব্যক্তি বোঝায়।
a Uniform Resource Locator
b Uniform Resource Link
c Uniform Reference Link
d Uniform Record Locator
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Uniform Resource Locator ১. কেন সঠিক: - ইন্টারনেট বা ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবে থাকা যেকোনো ফাইলের নির্দিষ্ট ঠিকানা বা লোকেশন বোঝাতে এই পূর্ণরূপটি ব্যবহার করা হয়। - প্রটোকল, ডোমেইন নেম এবং ফাইলের পাথ একত্রে যুক্ত হয়ে একটি সম্পূর্ণ ইউআরএল তৈরি করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: ইন্টারনেট ব্রাউজারে কোনো ওয়েব পেজ বা রিসোর্স খুঁজে পাওয়ার ইউনিক বা অদ্বিতীয় ঠিকানাকে ইউআরএল বলা হয়। - কার্যপদ্ধতি: ব্রাউজারে ঠিকানা টাইপ করলে ডিএনএস সার্ভারের মাধ্যমে আইপি ঠিকানায় রূপান্তরিত হয়ে কাঙ্ক্ষিত সার্ভার থেকে ডেটা নিয়ে আসে। - ব্যবহার: ওয়েব ব্রাউজার ব্যবহার করে ইন্টারনেট থেকে যেকোনো তথ্য, ছবি বা ভিডিও দেখার জন্য এই ঠিকানা ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: https://www.example.com/index.html ব্যাখ্যা: এটি একটি পূর্ণাঙ্গ ইউআরএল যেখানে প্রটোকল, ডোমেইন এবং ফাইলের নাম একত্রে নির্দিষ্ট রিসোর্স নির্দেশ করে। উদাহরণ ২: http://www.bangladesh.gov.bd ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশ সরকারের অফিশিয়াল পোর্টাল চেনার জন্য ব্যবহৃত ইন্টারনেট ঠিকানা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Uniform Resource Locator — এটি সঠিক এবং পরীক্ষিত পূর্ণরূপ যা ইন্টারনেটে ব্যাপকভাবে স্বীকৃত। B) Uniform Resource Link — এই শব্দগুচ্ছটি কম্পিউটার নেটওয়ার্কে ইন্টারনেট ঠিকানা বোঝাতে কোনো প্রমিত পরিভাষা নয়। C) Uniform Reference Link — এটি কোনো সঠিক প্রযুক্তিগত বা দাপ্তরিক পূর্ণরূপ নির্দেশ করে না। D) Uniform Record Locator — এটি ডেটাবেজ রেকর্ডের সাথে সম্পর্কিত হতে পারে কিন্তু ওয়েব ঠিকানার ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ইউআরএল মানে হলো ইন্টারনেটের ঘরের ঠিকানা বা লোকেশন। - শেষের এল দিয়ে Locator মনে রাখবে যা মূলত লোকেশন বা অবস্থান নির্দেশ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ইন্টারনেটের বিভিন্ন সংক্ষিপ্ত রূপের পূর্ণরূপ প্রায়ই আসে। - এইচটিটিপি এবং ডোমেইন নেমের কাজ সম্পর্কে সম্যক ধারণা রাখা উচিত।
a Windows 11
b Mozilla Firefox
c iOS
d Linux
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Linux ১. কেন সঠিক: - লিনাক্স (Linux) একটি ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম, যার সোর্স কোড সবার জন্য উন্মুক্ত এবং এটি বিনামূল্যে পরিবর্তন ও পরিবর্ধন করা যায়। - জি পি এল (GPL - General Public License) লাইসেন্সের আওতায় এই অপারেটিং সিস্টেমের কোড ডাউনলোড করে ব্যবহারকারী নিজের প্রয়োজনমতো কাস্টমাইজ করতে পারেন। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম হলো এমন একটি সিস্টেম সফটওয়্যার যার সোর্স কোড জনসমক্ষে উন্মুক্ত থাকে এবং যে কেউ এটি দেখতে, পরিবর্তন করতে ও বিতরণ করতে পারে। - কার্যপদ্ধতি: এটি ব্যবহারকারী এবং কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারের মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করে এবং উন্মুক্ত কোডের কারণে ডেভেলপাররা এর ত্রুটি দ্রুত সংশোধন করতে পারেন। - ব্যবহার: সার্ভার, সুপার কম্পিউটার, এমবেডেড ডিভাইস এবং অ্যানড্রয়েড মোবাইল অপারেটিং সিস্টেমের ভিত্তি হিসেবে লিনাক্স ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: উবুন্টু (Ubuntu) ব্যাখ্যা: উবুন্টু হলো লিনাক্স কার্নেলের ওপর ভিত্তি করে তৈরি একটি জনপ্রিয় ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম যা সাধারণ ডেক্সটপ কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: রেড হ্যাট এন্টারপ্রাইজ লিনাক্স (RHEL) ব্যাখ্যা: এটি এন্টারপ্রাইজ বা প্রাতিষ্ঠানিক সার্ভার পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত একটি শক্তিশালী লিনাক্সভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Windows ১১ — এটি মাইক্রোসফটের একটি স্বত্বাধিকারী বা প্রোপ্রিটারি অপারেটিং সিস্টেম যার সোর্স কোড গোপন থাকে। B) Mozilla Firefox — এটি একটি ওপেন সোর্স ইন্টারনেট ব্রাউজার, কোনো অপারেটিং সিস্টেম নয়। C) iOS — এটি অ্যাপলের একটি স্বত্বাধিকারী মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম যার সোর্স কোড সাধারণের জন্য উন্মুক্ত নয়। D) Linux — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি একটি ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম। ৫. মনে রাখার টিপস: - উইন্ডোজ ও আইওএস হলো পেইড এবং প্রোপ্রাইটরি বা বন্ধ সোর্স সিস্টেম, আর লিনাক্স হলো ফ্রি এবং ওপেন সোর্স সিস্টেম। - লিনাক্সের লোগো হলো পেঙ্গুইন, যার নাম টুক্স। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমের জনক বা প্রবর্তক হলেন লিনুস টরভাল্ডস (Linus Torvalds)। - সকল অ্যানড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম লিনাক্স কার্নেলের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে।
a Parmanent
b External
c Volatile
d Optical
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Volatile ১. কেন সঠিক: RAM এর পূর্ণরূপ Random Access Memory এবং বাংলা অর্থ দৈবচয়নভিত্তিক স্মৃতি। এটি কম্পিউটারের মেইন মেমোরি বা প্রাইমারি মেমোরি হিসেবে কাজ করে। কম্পিউটার চালু থাকা অবস্থায় প্রসেসর যে ডেটা নিয়ে কাজ করে তা সাময়িকভাবে RAM এ জমা থাকে। বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলে বা কম্পিউটার বন্ধ করলে RAM এ থাকা সমস্ত ডেটা চিরতরে মুছে যায়, তাই একে উদ্বায়ী বা Volatile মেমোরি বলা হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: RAM হলো এক ধরনের উদ্বায়ী বা ক্ষণস্থায়ী অর্ধপরিবাহী মেমোরি যা প্রসেসরকে দ্রুত ডেটা সরবরাহ করতে সাহায্য করে। কার্যপদ্ধতি: প্রসেসর যখন কোনো সফটওয়্যার বা অ্যাপ্লিকেশন চালায়, তখন তা সেকেন্ডারি স্টোরেজ থেকে RAM এ লোড হয় এবং প্রসেসর সরাসরি RAM থেকে ডেটা নিয়ে দ্রুত কাজ সম্পন্ন করে। বৈশিষ্ট্য: এটি রিড ও রাইট উভয় সুবিধাই প্রদান করে এবং এর ডেটা অ্যাক্সেস টাইম খুবই কম বা দ্রুতগতির হয়। পার্থক্য: স্থায়ী মেমোরি যেমন হার্ড ডিস্ক বা ROM এ ডেটা আজীবন সংরক্ষিত থাকে, কিন্তু RAM এ ডেটা শুধু বিদ্যুৎ থাকা পর্যন্তই টিকে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাইক্রোসফট ওয়ার্ড এ কোনো নতুন ডকুমেন্ট লেখার সময় তা সাময়িকভাবে RAM এ জমা থাকে। ব্যাখ্যা: হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে গেলে বা কম্পিউটার ক্র্যাশ করলে সেভ না করা ডেটা হারিয়ে যায় কারণ তা RAM এ ছিল। উদাহরণ ২: স্মার্টফোনে অনেকগুলো অ্যাপ একসাথে ওপেন রাখলে ফোন দ্রুত কাজ করে যদি RAM বেশি থাকে। ব্যাখ্যা: ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যাপগুলো RAM এ সক্রিয় থাকে যাতে সুইচ করার সাথে সাথে তা চালু হতে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Parmanent — এটি সঠিক নয় কারণ পার্মানেন্ট বা স্থায়ী মেমোরি হলো ROM বা হার্ড ডিস্ক যেখানে বিদ্যুৎ ছাড়াও ডেটা সুরক্ষিত থাকে। B) External — এটি সঠিক নয় কারণ এক্সটার্নাল মেমোরি হলো পেনড্রাইভ বা এক্সটার্নাল হার্ড ডিস্ক যা কম্পিউটারের বাইরে যুক্ত থাকে। D) Optical — এটি সঠিক নয় কারণ অপটিক্যাল ডিস্ক হলো সিডি বা ডিভিডি যা লেজার লাইটের সাহায্যে ডেটা পড়ে ও লেখে। ৫. মনে রাখার টিপস: RAM হলো মেমোরির জগতের অতিথি পাখি, যতক্ষণ বিদ্যুৎ থাকে ততক্ষণ ডেটা ধরে রাখে। RAM এর পূর্ণরূপ হলো Random Access Memory। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটারের গতি অনেকাংশে RAM এর ধারণক্ষমতা ও গতির ওপর নির্ভর করে। RAM হলো রিড এবং রাইট মেমোরি, কিন্তু ROM হলো মূলত রিড অনলি মেমোরি।
a HDD
b SSD
c RAM
d DVD
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) RAM ১. কেন সঠিক: - RAM-এর পুরো নাম Random Access Memory এবং এটি কম্পিউটারের প্রাথমিক বা মূল মেমোরি হিসেবে কাজ করে। - প্রসেসর সরাসরি এই মেমোরি থেকে ডেটা পড়ে এবং লেখে, যা কম্পিউটারের কাজের গতি দ্রুত রাখতে সহায়তা করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: প্রাথমিক মেমোরি বা প্রাইমারি মেমোরি হলো এমন একটি মেমোরি যা সরাসরি সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিটের সাথে যোগাযোগ করে এবং চলমান ডেটা সাময়িকভাবে সংরক্ষণ করে। - কার্যপদ্ধতি: বিদ্যুৎ থাকা অবস্থায় এটি দ্রুত ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে কিন্তু কম্পিউটার বন্ধ করলে এর ভেতরের সব ডেটা মুছে যায়। - বৈশিষ্ট্য: এটি ভোলাটাইল বা অস্থায়ী মেমোরি এবং সেকেন্ডারি মেমোরির তুলনায় এর গতি অনেক বেশি। - ব্যবহার: কোনো সফটওয়্যার বা গেম চালু করলে তা প্রথমে সেকেন্ডারি স্টোরেজ থেকে এই মেমোরিতে লোড হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লেখার প্যাড ব্যাখ্যা: কাজের সময় হাতের কাছে নোট লিখে রাখা এবং কাজ শেষ হলে তা মুছে ফেলার মতো এটি বর্তমান কাজের তথ্য মনে রাখে। উদাহরণ ২: ব্রাউজারের ট্যাব ব্যাখ্যা: কম্পিউটারে একসঙ্গে একাধিক ব্রাউজার ট্যাব খোলা থাকলে তা এই মেমোরিতে জমা থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) HDD — এটি একটি সেকেন্ডারি মেমোরি বা স্থায়ী স্টোরেজ ডিভাইস, যা দীর্ঘস্থায়ী ডেটা সংরক্ষণের জন্য ব্যবহার করা হয়। B) SSD — এটিও একটি সেকেন্ডারি মেমোরি এবং স্টোরেজ ডিভাইস, যা ফ্ল্যাশ মেমোরি প্রযুক্তিতে কাজ করে। D) DVD — এটি একটি অপটিক্যাল ডিস্ক এবং সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস, যা মাল্টিমিডিয়া ফাইল সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - RAM হলো এমন একটি অস্থায়ী স্মৃতি যা কম্পিউটার বন্ধ করলেই সব ভুলে যায়। - প্রাথমিক মেমোরি বলতে সাধারণত প্রধান মেমোরি বা মেইন মেমোরিকে বোঝানো হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রাইমারি মেমোরি এবং সেকেন্ডারি মেমোরির পার্থক্য প্রায়ই আসে। - ভোলাটাইল বা অস্থায়ী মেমোরি হিসেবে RAM এবং নন-ভোলাটাইল বা স্থায়ী মেমোরি হিসেবে ROM পরিচিত।
a Python
b Java
c SQL
d C++
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) SQL ১. কেন সঠিক: SQL একটি ডিক্লোরেটিভ বা ঘোষণাভিত্তিক ডেটাবেজ ভাষা, যা অ্যালান টুরিংয়ের টুরিং মেশিন ধারণার অন্তর্ভুক্ত নয়। এটি ডেটা প্রসেসিংয়ের জন্য ব্যবহৃত হলেও সাধারণ প্রোগ্রামিং ভাষার মতো টুরিং সম্পূর্ণ (Turing complete) নয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: SQL-এর পূর্ণরূপ Structured Query Language। এটি একটি ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট ভাষা। কার্যপদ্ধতি: ব্যবহারকারী কী চায় তা ডেটাবেজকে নির্দেশ দেয়, কিন্তু কীভাবে ডেটা প্রসেসিং হবে তা নির্ধারণ করে না। ব্যবহার: ডেটাবেজ থেকে ডেটা খোঁজা, নতুন ডেটা যোগ করা এবং ডেটা আপডেট করার কাজে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: SELECT * FROM users; ব্যাখ্যা: এটি একটি এসকিউএল কোয়েরি যা ডেটাবেজ থেকে সমস্ত ইউজারের তথ্য ফিরিয়ে আনে। উদাহরণ ২: DELETE FROM students WHERE id = ১০; ব্যাখ্যা: এটি দিয়ে ডেটাবেজ থেকে নির্দিষ্ট শর্তের ভিত্তিতে ডেটা মুছে ফেলা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Python — এটি একটি জেনারেল পারপাস প্রোগ্রামিং ভাষা যা টুরিং সম্পূর্ণ। B) Java — এটি একটি অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং ভাষা যা টুরিং সম্পূর্ণ। D) C++ — এটি একটি শক্তিশালী প্রসিডিউরাল ও অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং ভাষা যা টুরিং সম্পূর্ণ। ৫ মনে রাখার টিপস: এসকিউএল হলো ডেটাবেজের ভাষা যা হিসাব-নিকাশ বা লজিক তৈরির জন্য তৈরি হয়নি। প্রোগ্রামিং ভাষাগুলো লুপ এবং কন্ডিশন ব্যবহার করে টুরিং সম্পূর্ণ হয় কিন্তু এসকিউএল তা করে না। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার সাইন্সে যে ভাষাগুলো লজিক এবং গণনার মাধ্যমে যেকোনো অ্যালগরিদম সমাধান করতে পারে তাকে টুরিং সম্পূর্ণ বলে। ডেটাবেজ কুয়েরি ভাষাগুলো সাধারণত নন-টুরিং মেশিন টাইপের হয়ে থাকে।
a Inverter
b Oscillator
c Rectifier
d Transformer
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Rectifier ১. কেন সঠিক: রেক্টিফায়ার এমন একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস যা অল্টারনেটিং কারেন্ট বা এসি কারেন্টকে ডাইরেক্ট কারেন্ট বা ডিসি কারেন্টে রূপান্তর করতে পারে। এসি কারেন্ট সময়ের সাথে দিক পরিবর্তন করে কিন্তু ডিসি কারেন্ট সবসময় একই দিকে প্রবাহিত হয়, আর রেক্টিফায়ার এই দিক পরিবর্তনশীল কারেন্টকে একমুখী করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: রেক্টিফায়ার হলো এমন একটি ডিভাইস যা দিক পরিবর্তনকারী বিদ্যুৎ প্রবাহকে একমুখী বিদ্যুৎ প্রবাহে রূপান্তর করে। কার্যপদ্ধতি: এটি সাধারণত ডায়োড ব্যবহার করে কাজ করে যা বিদ্যুৎকে কেবল এক দিকে প্রবাহিত হতে দেয় এবং বিপরীত দিকের প্রবাহকে বাধা দেয়। ব্যবহার: মোবাইল চার্জার, ল্যাপটপ অ্যাডাপ্টার এবং বিভিন্ন পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিটে এসি মেইন ভোল্টেজকে ডিসিতে রূপান্তর করতে এটি ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্মার্টফোনের চার্জার ব্যাখ্যা: বাড়ির দেয়ালের বৈদ্যুতিক সকেট থেকে আসা এসি কারেন্টকে চার্জার বাক্সের ভেতরের রেক্টিফায়ার ডিসি কারেন্টে রূপান্তর করে ফোন ব্যাটারিতে জমা করে। উদাহরণ ২: ল্যাপটপের পাওয়ার অ্যাডাপ্টার ব্যাখ্যা: অ্যাডাপ্টারের ভেতরের সার্কিট রেক্টিফায়ার ব্যবহার করে এসি বিদ্যুৎকে ডিসিতে পরিণত করে ল্যাপটপের মাদারবোর্ড ও ব্যাটারি সচল রাখে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Inverter — ইনভার্টার ডিসি কারেন্টকে এসি কারেন্টে রূপান্তর করে, যা এই প্রশ্নের উল্টো কাজ করে। B) Oscillator — অসসিলেটর হলো এমন একটি ইলেকট্রনিক সার্কিট যা ডিসি পাওয়ারকে পিরিয়ডিক এসি সিগন্যাল বা তরঙ্গে রূপান্তরিত করে। D) Transformer — ট্রান্সফরমার শুধু এসি ভোল্টেজের মান বাড়াতে বা কমাতে পারে, কিন্তু এসিকে ডিসিতে রূপান্তর করতে পারে না। ৫. মনে রাখার টিপস: AC থেকে DC বানায় Rectifier এবং এর উল্টো কাজ অর্থাৎ DC থেকে AC বানায় Inverter। রেডিও বা চার্জারের প্লাগ পয়েন্টে ডিসি পাওয়ার দরকার হলে সবসময় রেক্টিফায়ারের ভূমিকা মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটারের পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিট এসি কারেন্টকে বিভিন্ন মানের ডিসি ভোল্টেজে রূপান্তর করতে রেক্টিফায়ার ও ট্রান্সফরমার উভয়ই ব্যবহার করে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এসি থেকে ডিসি এবং ডিসি থেকে এসি রূপান্তরকারী ডিভাইসের নাম প্রায়ই আলাদাভাবে জানতে চাওয়া হয়।
a Ctrl+N
b Ctrl+Shift+N
c Alt+N
d Ctrl+Alt+N
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Ctrl+Shift+N ১. কেন সঠিক: উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে সরাসরি কিবোর্ড ব্যবহার করে খুব দ্রুত নতুন ফোল্ডার তৈরির জন্য Ctrl+Shift+N শর্টকাট কি ব্যবহার করা হয়। এই কমান্ড একসঙ্গে চাপলে মাউসের সাহায্য ছাড়াই ডেস্কটপে বা যেকোনো ফোল্ডারের ভেতরে নতুন ফোল্ডার তৈরি হয়ে যায়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: শর্টকাট কি হলো এক বা একাধিক কী-বোর্ডের বোতামের সমষ্টি যা ব্যবহারকারীকে মেন্যুতে প্রবেশ না করে দ্রুত কাজ করতে সাহায্য করে। কার্যপদ্ধতি: এই নির্দিষ্ট কম্বিনেশনটি উইন্ডোজ শেলকে নতুন ডিরেক্টরি তৈরির জন্য একটি সিস্টেম কল পাঠায়। ব্যবহার: কম্পিউটারে ফাইল ও ফোল্ডার দ্রুত সাজাতে এবং সময় বাঁচাতে প্রাত্যহিক কাজে এই শর্টকাট ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কম্পিউটারে কাজের সময় অনেকগুলো ছবি আলাদা করার জন্য ফোল্ডার প্রয়োজন হয়। ব্যাখ্যা: মাউসের রাইট ক্লিক করে নিউ ফোল্ডারে না গিয়ে এই শর্টকাট দিয়ে মুহূর্তেই ফোল্ডার বানানো যায়। উদাহরণ ২: প্রজেক্টের কাজের ফাইলগুলো একটি নির্দিষ্ট স্থানে গুছিয়ে রাখতে ফোল্ডার দরকার হয়। ব্যাখ্যা: কাজের গতি বাড়াতে এবং দক্ষতা অর্জনের জন্য পেশাদাররা এই কিবোর্ড শর্টকাট বেশি ব্যবহার করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Ctrl+N — এই শর্টকাটটি সাধারণত মাইক্রোসফট ওয়ার্ড বা ব্রাউজারে নতুন ডকুমেন্ট বা ট্যাব খোলার জন্য ব্যবহৃত হয়। B) Ctrl+Shift+N — এটি সঠিক উত্তর যা উইন্ডোজে নতুন ফোল্ডার তৈরি করে এবং ব্রাউজারে ইনকগনিটো উইন্ডো খোলে। C) Alt+N — এই শর্টকাটটি অনেক অ্যাপ্লিকেশনে রিবন ট্যাব বা ইনসার্ট মেনু সক্রিয় করতে ব্যবহৃত হয়। D) Ctrl+Alt+N — এটি উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে ফোল্ডার তৈরির কোনো নির্ধারিত বা স্ট্যান্ডার্ড শর্টকাট নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: নতুন ফোল্ডার বানানোর জন্য নিউ শব্দের প্রথম অক্ষর এন ব্যবহার করা হয়। সাধারণত নতুন ফাইল খুলতে শুধু কন্ট্রোল এন চাপে আর ফোল্ডার হলে শিফট যুক্ত করে কন্ট্রোল শিফট এন চাপতে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই উইন্ডোজ শর্টকাট কি থেকে প্রশ্ন আসে। নতুন ফোল্ডার তৈরির শর্টকাট এবং ব্রাউজারে প্রাইভেট ব্রাউজিং উইন্ডো খোলার শর্টকাট একই হয়ে থাকে।
a function
b define
c def
d func
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) def ১. কেন সঠিক: পাইথন প্রোগ্রামিং ভাষায় ব্যবহারকারী-সংজ্ঞায়িত ফাংশন তৈরি বা ডিফাইন করার জন্য def কিওয়ার্ডটি ব্যবহার করা হয়। এটি ডিফাইন শব্দের সংক্ষিপ্ত রূপ, যার মাধ্যমে পাইথনকে নির্দেশ দেওয়া হয় যে এরপর একটি নতুন ফাংশন ব্লক শুরু হতে যাচ্ছে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ফাংশন হলো নির্দিষ্ট কোনো কাজ সম্পাদনের জন্য লিখিত কোডের একটি সুনির্দিষ্ট ব্লক। কার্যপদ্ধতি: def কিওয়ার্ডের পর ফাংশনের নাম এবং বন্ধনী ব্যবহার করে কোড ব্লক লিখতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: def যোগফল(ক, খ): return ক + খ ব্যাখ্যা: এখানে def কিওয়ার্ড ব্যবহার করে যোগফল নামক একটি ফাংশন তৈরি করা হয়েছে যা দুটি সংখ্যা যোগ করতে পারে। উদাহরণ ২: def শুভেচ্ছা(): print(سلام) ব্যাখ্যা: এই কোডে def কিওয়ার্ডের সাহায্যে কোনো আর্গুমেন্ট ছাড়া একটি সাধারণ প্রিন্ট ফাংশন সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) function — পাইথনে ফাংশন লেখার জন্য এই কিওয়ার্ড ব্যবহার করা হয় না, জাভাস্ক্রিপ্ট বা পিএইচপি ভাষার ক্ষেত্রে এটি ব্যবহৃত হয়। B) define — এটি পাইথনের কোনো কিওয়ার্ড নয়, অন্য কিছু প্রোগ্রামিং ভাষা বা ম্যাক্রো তৈরিতে এটি ব্যবহৃত হতে পারে। D) func — এটি পাইথনের সংক্ষিপ্ত বা মূল কিওয়ার্ড নয়, তাই এটি দিয়ে ফাংশন ডিফাইন করা যায় না। ৫. মনে রাখার টিপস: পাইথনে ফাংশন লেখার সময় ডিফাইন বা define পুরোটা না লিখে শুধু def লিখতে হয়। ছোট্ট এই def কিওয়ার্ডটি মনে রাখলেই পাইথনের যেকোনো ফাংশন তৈরির প্রশ্ন সহজেই উত্তর করা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রোগ্রামিং ভাষার সিনট্যাক্স থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। পাইথনে লুপ লেখার জন্য for বা while এবং শর্তের জন্য if কিওয়ার্ড ব্যবহৃত হয়, এটিও জেনে রাখা ভালো।
a Google
b Microsoft
c Open AI
d Meta
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Open AI ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত উত্তরটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ ওপেনএআই (Open AI) একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গবেষণা ল্যাব যারা চ্যাটজিপিটি তৈরি করেছে। - এটি ২০২২ সালের নভেম্বরে বাজারে আসার পর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও জেনারেটিভ এআই জগতে বিপ্লব ঘটিয়েছে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: চ্যাটজিপিটি হলো লার্জ ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল ভিত্তিক একটি জেনারেটিভ এআই চ্যাটবট। - কার্যপদ্ধতি: এটি বিশাল পরিমাণ টেক্সট ডেটা বিশ্লেষণ করে মানুষের মতো সাবলীল ভাষায় প্রশ্নের উত্তর দিতে পারে। - ব্যবহার: কন্টেন্ট তৈরি, প্রোগ্রামিং কোড লেখা এবং গ্রাহক সেবায় এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: একজন শিক্ষার্থী তার পড়াশোনার কোনো জটিল বিষয় সহজে বোঝার জন্য চ্যাটজিপিটি ব্যবহার করে। ব্যাখ্যা: এটি মুহূর্তের মধ্যে জটিল ধারণাকে সহজ করে বুঝিয়ে দিতে পারে। উদাহরণ ২: একজন সফটওয়্যার ডেভেলপার কোডিং করার সময় ভুল ত্রুটি খোঁজার জন্য এটি ব্যবহার করে। ব্যাখ্যা: এটি কোডের লজিক বিশ্লেষণ করে দ্রুত সমাধান বা পরামর্শ দিতে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Google — এটি একটি টেক জায়ান্ট যারা জেমিনি এআই তৈরি করেছে, চ্যাটজিপিটি নয়। B) Microsoft — এটি ওপেনএআই এর অন্যতম প্রধান বিনিয়োগকারী ও অংশীদার হলেও এই চ্যাটবটটির মূল নির্মাতা নয়। D) Meta — এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও মেটাভার্স কোম্পানি যারা লাডা এআই মডেল তৈরি করেছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - জিপিটি মানে হলো জেনারেটিভ প্রি-ট্রেইন্ড ট্রান্সফর্মার যা একটি জনপ্রিয় ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল। - ওপেনএআই নামটি মনে রাখলেই চ্যাটজিপিটির আসল নির্মাতা প্রতিষ্ঠানকে চেনা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জনপ্রিয় এআই টুল এবং তাদের প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের নাম জানতে চাওয়া হয়। - ওপেনএআই প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ২০১৫ সালে এবং এর বর্তমান প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হলেন স্যাম অল্টম্যান।
a ==
b =
c !=
d <=
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) = ১. কেন সঠিক: C এবং C++ প্রোগ্রামিং ভাষায় কোনো চলকের মধ্যে মান সংরক্ষণ বা অ্যাসাইন করার জন্য অ্যাসাইনমেন্ট অপারেটর হিসেবে একটি মাত্র সমান চিহ্ন ব্যবহৃত হয়। এর মাধ্যমে ডানপাশের রাশির মান বা ফলাফল বামপাশের চলকে জমা করা হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: অ্যাসাইনমেন্ট অপারেটর হলো এমন একটি বিশেষ প্রতীক যার সাহায্যে প্রোগ্রামিং ভাষায় কোনো চলকে নির্দিষ্ট মান প্রদান করা হয়। কার্যপদ্ধতি: এই অপারেটর ডানপাশের এক্সপ্রেশনের মান মূল্যায়ন করে এবং বামপাশের ভেরিয়েবলে সেই মান লিখে দেয়। ব্যবহার: প্রোগ্রাম লেখার সময় চলকের মান নির্ধারণ বা পরিবর্তন করার জন্য এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: int x = ১০; ব্যাখ্যা: এখানে সমান চিহ্ন ব্যবহার করে x নামক পূর্ণসংখ্যা চলকে ১০ মানটি সংরক্ষণ করা হয়েছে। উদাহরণ ২: x = y + ৫; ব্যাখ্যা: এখানে y এর মানের সাথে ৫ যোগ করে প্রাপ্ত ফলাফল x চলকে অ্যাসাইন করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) == — এটি একটি রিলেশনাল বা তুলনা অপারেটর, যা দুটি মানের সমতা যাচাই করার জন্য ব্যবহৃত হয় এবং অ্যাসাইনমেন্টের জন্য নয়। B) = — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশন হিসেবে পুনরায় ব্যাখ্যা প্রয়োজন নেই। C) != — এটি নট ইকুয়াল বা অসমান অপারেটর, যা দুটি মান সমান কি না তা যাচাই করতে ব্যবহৃত হয়। D) <= — এটি লেস দ্যান অর ইকুয়াল টু অপারেটর, যা ছোট বা সমান কি না তা তুলনা করার জন্য ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: একটি সমান চিহ্ন মান বসানোর কাজ করে এবং দুটি সমান চিহ্ন দুটি জিনিসের তুলনা করার কাজ করে। প্রোগ্রামিংয়ে মান রাখতে একটি মাত্র সমান চিহ্ন ব্যবহার করতে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: অ্যাসাইনমেন্ট অপারেটর এবং কম্পারিজন অপারেটরের পার্থক্য প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। সমান চিহ্ন দেখে বিভ্রান্ত হওয়া যাবে না।

মোট প্রশ্ন (20)

a আরেক ফাল্গুন
b রাইফেল রোটি আওরাত
c খোয়াবনামা
d ক্রীতদাসের হাসি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রাইফেল রোটি আওরাত ১. কেন সঠিক: - রাইফেল রোটি আওরাত বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস যা ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত। - লেখক আনোয়ার পাশা ইংরেজিতে এই উপন্যাসটি রচনা করেন এবং এটি বাঙালির আত্মত্যাগের প্রামাণিক দলিল। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শহীদ বুদ্ধিজীবী ও অধ্যাপক আনোয়ার পাশা ১৯৭ ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালেই এই উপন্যাসটি লেখেন। - উপন্যাসের নামকরণেই যুদ্ধের ভয়াবহতা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে যেখানে রাইফেল হলো ধ্বংসের প্রতীক এবং রোটি হলো জীবনের প্রতীক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আগুনের পরশমণি ব্যাখ্যা: এটি হুমায়ূন আহমেদ রচিত অত্যন্ত জনপ্রিয় আরেকটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস। উদাহরণ ২: একাত্তরের দিনগুলি ব্যাখ্যা: এটি জাহানারা ইমাম রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বিখ্যাত প্রামাণ্য গ্রন্থ ও ডায়েরি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আরেক ফাল্গুন — এটি শহীদ বুদ্ধিজীবী জহির রায়হান রচিত ভাষাভিত্তিক উপন্যাস যা বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত। B) রাইফেল রোটি আওরাত — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুলের অবকাশ নেই। C) খোয়াবনামা — এটি আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের উপন্যাস যার মূল বিষয় তেভাগা আন্দোলন। D) ক্রীতদাসের হাসি — এটি শহীদুল্লাহ কায়সার রচিত রাজনৈতিক ও মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস যা আইয়ুব খানের স্বৈরাচারের প্রতীকী প্রতিবাদ। ৫. মনে রাখার টিপস: - ইংরেজি ভাষায় রচিত প্রথম মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস হলো রাইফেল রোটি আওরাত। - এভাবে মনে রাখতে পারো যে বাঙালি বুদ্ধিজীবী আনোয়ার পাশা ইংরেজিতে এই উপন্যাস লিখে যুদ্ধের নির্মমতা তুলে ধরেছেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসের ক্ষেত্রে লেখক ও প্রকাশের সাল প্রায়ই বিসিএস পরীক্ষায় আসে। - বাংলা সাহিত্যে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম উপন্যাসের নাম এবং লেখকের পরিচয় ভালোভাবে মনে রাখবে।
a গল্প
b উপন্যাস
c নাটক
d প্রবন্ধ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নাটক ১. কেন সঠিক: ডাকঘর একটি বিখ্যাত সাংকেতিক নাটক যার রচয়িতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। এই নাটকের মূল চরিত্র অমল মৃত্যু ও মুক্তির ভাবনার প্রতীক যার মাধ্যমে বিশ্বজনীন মানবাত্মার মুক্তির বাণী প্রকাশ করা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এই নাটকটি ১৯১২ সালে রচিত এবং প্রবাসী পত্রিকায় প্রকাশিত হয় যা পরে ইউরোপ ও অন্যান্য দেশে ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের এই রূপক বা সাংকেতিক নাটকে ছোট অমল চরিত্রের মধ্য দিয়ে মানুষের অজানাকে জানার চিরন্তন ব্যাকুলতা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রক্তকরবী ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আরেকটি বিখ্যাত সাংকেতিক নাটক যেখানে যান্ত্রিক সভ্যতার বিরুদ্ধে মানবতাবাদের জয়গান গাওয়া হয়েছে। উদাহরণ ২: রাজা ব্যাখ্যা: এটিও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত একটি রূপকধর্মী নাটক যা মানুষের অন্তরাত্মার ঈশ্বর সন্ধানের পটভূমিতে লেখা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গল্প — ডাকঘর কোনো ছোটগল্প নয় বরং এটি একটি পূর্ণাঙ্গ নাটক যার নির্দিষ্ট অঙ্ক ও দৃশ্য রয়েছে। B) উপন্যাস — ডাকঘর কোনো গদ্য উপন্যাস বা কাল্পনিক দীর্ঘ কাহিনী নয়, এটি মঞ্চায়ন উপযোগী একটি নাটক। D) প্রবন্ধ — ডাকঘর কোনো তাত্ত্বিক বা বিচারমূলক প্রবন্ধ নয়, এটি একটি রূপকধর্মী নাটক বা সাহিত্যকর্ম। ৫. মনে রাখার টিপস: রবীন্দ্রনাথের নাটক মনে রাখার সহজ কৌশল হলো ডাকঘর নাটকের অমল চরিত্রটি সবসময় ছোটদের মনে রাখা যা নাট্য সাহিত্য হিসেবে পরীক্ষণে আসে। সাংকেতিক বা রূপক নাটক বললেই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ডাকঘর, রাজা এবং রক্তকরবী নাটকের নাম মাথায় রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ডাকঘর নাটকটির রচয়িতা এবং এর নাট্যরূপ সম্পর্কে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। এই ধরনের নাটকে সাধারণত রূপক বা প্রতীকী অর্থ থাকে যা সাধারণ গল্পের চেয়ে আলাদা হিসেবে মনে রাখতে হবে।
a ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর
b শাহ মুহম্মদ সগীর
c চণ্ডীদাস
d ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর ১. কেন সঠিক: মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের সর্বশেষ প্রধান কবি হিসেবে ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরকে গণ্য করা হয়। তাঁর বিখ্যাত কাব্য অন্নদামঙ্গল মধ্যযুগের সমাপ্তি এবং আধুনিক যুগের সূচনার ঠিক আগের গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যকর্ম। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর নদীয়ার কৃষ্ণচন্দ্রের রাজসভার কবি ছিলেন এবং তাঁকে রায়গুণাকর উপাধিতে ভূষিত করা হয়। তাঁর অন্নদামঙ্গল কাব্যের বিদ্যাসুন্দর অংশটি সে সময় ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অন্নদামঙ্গল কাব্য ব্যাখ্যা: এটি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরের সবচেয়ে বিখ্যাত ও শ্রেষ্ঠ সাহিত্যকর্ম যা তিন অংশে বিভক্ত। উদাহরণ ২: সত্যনারায়ন পাঁচালী ব্যাখ্যা: এটিও ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরের একটি উল্লেখযোগ্য কাব্যরচনা যা মধ্যযুগের শেষভাগের নিদর্শন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি মধ্যযুগের শেষ কবি হিসেবে স্বীকৃত। B) শাহ মুহম্মদ সগীর — তিনি মধ্যযুগের প্রথম দিকের কবি এবং ইউসুফ জুলেখা কাব্যের রচয়িতা। C) চণ্ডীদাস — তিনি মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলীর অন্যতম প্রাচীন ও আদি কবি। D) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত — তিনি আধুনিক যুগের কবি এবং সংবাদ প্রভাকরের সম্পাদক ছিলেন। ৫ মনে রাখার টিপস: মধ্যযুগের শেষ কবি ভারতচন্দ্র এবং আধুনিক যুগের প্রথম কবি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত। পরীক্ষায় এই দুই কবির অবস্থান মনে রাখতে এই তুলনাটি বেশ কার্যকর। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মধ্যযুগের সময়সীমা সাধারণত ১২০১ থেকে ১৭৬০ বা ১৮০০ সাল পর্যন্ত ধরা হয়। ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরের ১৭৬০ সালের দিকে মহাপ্রয়াণ ঘটে যা মধ্যযুগের শেষ সীমাকে নির্দেশ করে।
a নারী
b অবরোধবাসিনী
c সংস্কৃতি-কথা
d সাঁঝের মায়া
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অবরোধবাসিনী ১. কেন সঠিক: - অবরোধবাসিনী হলো বাঙালি নারীবাদী লেখিকা বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন রচিত একটি বিখ্যাত ব্যঙ্গাত্মক উপন্যাস ও সমাজসংস্কারমূলক গ্রন্থ। - এই গ্রন্থে তৎকালীন মুসলিম সমাজের অন্তঃপুরের নারীদের ওপর চলা চরম পর্দা প্রথা ও অবমূল্যায়নকে হাস্যরস ও ব্যঙ্গাত্মক ঘটনার মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন ছিলেন বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম নারীবাদী সাহিত্যিক, প্রাবন্ধিক ও সমাজসংস্কারক। - তার জন্ম ১৮৮০ সালের ৯ ডিসেম্বর রংপুরের পায়রাবন্দ গ্রামে এবং মৃত্যু ১৯৩২ সালের ৯ ডিসেম্বর কলকাতায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুলতানার স্বপ্ন ব্যাখ্যা: এটি বেগম রোকেয়ার লেখা একটি বিখ্যাত ইংরেজি বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী যার বাংলা অনুবাদও রয়েছে। উদাহরণ ২: মতিচুর ব্যাখ্যা: এটি বেগম রোকেয়ার বিখ্যাত প্রবন্ধ সংকলন যা দুটি খণ্ডে প্রকাশিত হয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নারী — এটি বেগম রোকেয়ার কোনো স্বতন্ত্র গ্রন্থ নয়, বরং নারী জাগরণ তার রচনার মূল সুর হলেও অপশনটি এখানে প্রযোজ্য নয়। C) সংস্কৃতি-কথা — এটি প্রমথ চৌধুরীর একটি বিখ্যাত প্রবন্থগ্রন্থ, বেগম রোকেয়ার রচনা নয়। D) সাঁঝের মায়া — এটি আধুনিক যুগের প্রখ্যাত কবি জসীমউদ্দীনের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। ৫ মনে রাখার টিপস: বেগম রোকেয়ার প্রধান গ্রন্থগুলো মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো তার বিখ্যাত উপন্যাস অবরুদ্ধ জীবনের ওপর ভিত্তি করে রচিত যার নাম অবরোধবাসিনী। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বেগম রোকেয়ার রচনা থেকে প্রশ্ন আসে, তাই তার প্রবন্ধ, উপন্যাস ও গল্পগুলো ভালোভাবে পড়তে হবে।
a ধ্বনিতত্ত্ব
b রূপতত্ত্ব
c বাক্যতত্ত্ব
d অর্থতত্ত্ব
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ধ্বনিতত্ত্ব ১. কেন সঠিক: - 'Phonology' একটি ইংরেজি পরিভাষা যার বাংলা অর্থ ধ্বনিতত্ত্ব। - এটি ভাষা বিজ্ঞানের এমন একটি শাখা যেখানে মানব ভাষার ধ্বনিসমূহের উচ্চারণ, বৈশিষ্ট্য এবং বিন্যাস নিয়ে আলোচনা করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে ধ্বনিতত্ত্ব হলো ভাষা বিচারের মূল ভিত্তি যেখানে বর্ণ, ধ্বনি, নত্ব বিধান, ষত্ব বিধান এবং সন্ধি নিয়ে আলোচনা করা হয়। - বাংলা ব্যাকরণের প্রধান চারটি অংশের মধ্যে ধ্বনিতত্ত্ব অন্যতম প্রধান একটি শাখা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ধ্বনি পরিবর্তন ব্যাখ্যা: শব্দের মাঝে ধ্বনির পরিবর্তন বা লোপ পাওয়ার নিয়ম ধ্বনিতত্ত্বের আওতাধীন। উদাহরণ ২: যুক্তবর্ণ বিশ্লেষণ ব্যাখ্যা: কষ যুক্ত হয়ে যে নতুন ধ্বনি ও বর্ণ গঠিত হয় তা ধ্বনিতত্ত্বের আলোচনায় স্পষ্ট হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধ্বনিতত্ত্ব — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। B) রূপতত্ত্ব — রূপতত্ত্ব হলো ব্যাকরণের সেই শাখা যেখানে শব্দের গঠন, প্রত্যয় এবং উপসর্গ নিয়ে আলোচনা করা হয়। C) বাক্যতত্ত্ব — বাক্যতত্ত্ব হলো ব্যাকরণের সেই শাখা যেখানে বাক্যের পদবিন্যাস এবং বাক্য প্রকরণ নিয়ে আলোচনা করা হয়। D) অর্থতত্ত্ব — অর্থতত্ত্ব হলো ব্যাকরণের সেই শাখা যেখানে শব্দের উৎস, অর্থ এবং বাক্যের অর্থের রূপান্তর নিয়ে আলোচনা করা হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ফোনা শব্দের অর্থ শব্দ বা ধ্বনি, তাই ফোনোলজি অর্থ ধ্বনিতত্ত্ব মনে রাখা সহজ। - ব্যাকরণের শাখাগুলো ইংরেজি পরিভাষার সাথে মিলিয়ে পড়লে মনে রাখা সহজ হয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পারিভাষিক শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - ব্যাকরণের আলোচ্য বিষয়গুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্নের উত্তর দেওয়া সহজ হয়।
a দেবদাস
b পথের দাবী
c চরিত্রহীন
d গৃহদাহ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পথের দাবী ১. কেন সঠিক: - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'পথের দাবী' উপন্যাসটি ব্রিটিশবিরোধী রাজনীতির পটভূমিতে রচিত হওয়ায় ব্রিটিশ সরকার এটিকে বাজেয়াপ্ত করে। - ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে বিপ্লবীদের সংগ্রাম এবং দেশপ্রেম এই উপন্যাসের মূল বিষয়বস্তু হওয়ায় তৎকালীন সরকার একে বিপজ্জনক মনে করেছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় ও বাস্তবধর্মী ঔপন্যাসিক, যিনি সমাজের নানা অসঙ্গতি ও মানুষের মনস্তত্ত্ব তুলে ধরেছেন। - 'পথের দাবী' একটি রাজনৈতিক উপন্যাস, যার প্রধান চরিত্র সব্যসাচী মল্লিক একজন বিপ্লবী, যিনি ব্রিটিশ সরকারের বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রামে লিপ্ত ছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাজী নজরুল ইসলামের 'বিষের বাঁশি' কাব্যগ্রন্থটি ব্রিটিশ সরকার বাজেয়াপ্ত করেছিল। ব্যাখ্যা: এই কাব্যের বিদ্রোহী সুর ও ব্রিটিশবিরোধী কবিতার কারণে সরকার একে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। উদাহরণ ২: কাজী নজরুল ইসলামের 'ভাঙার গান' সংকলনটিও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল। ব্যাখ্যা: পরাধীনতার শৃঙ্খল ভাঙার আহ্বানের কারণে ব্রিটিশ প্রশাসন এই গ্রন্থটির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দেবদাস — এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত প্রেমের উপন্যাস, যা কোনো রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট না থাকায় ব্রিটিশ সরকার বাজেয়াপ্ত করেনি। B) পথের দাবী — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক বাজেয়াপ্ত হয়েছিল। C) চরিত্রহীন — এটি শরৎচন্দ্রের সমাজজীবনের পঙ্কিলতা ও নৈতিকতা নিয়ে লেখা একটি উপন্যাস, যা বাজেয়াপ্ত করা হয়নি। D) গৃহদাহ — এটি মানবমনের জটিল প্রেম ও দাম্পত্য সম্পর্ক নিয়ে রচিত একটি উপন্যাস, যা নিষিদ্ধ তালিকায় ছিল না। ৫ মনে রাখার টিপস: - শরৎচন্দ্রের নিষিদ্ধ বা বাজেয়াপ্ত উপন্যাসের নাম মনে রাখতে 'পথের দাবী' শব্দটি মনে রাখলেই চলবে, কারণ এটিই তাঁর একমাত্র বাজেয়াপ্ত উপন্যাস। - রাজনৈতিক উপন্যাসের ক্ষেত্রে ব্রিটিশ সরকারের নজর সবচেয়ে বেশি ছিল বিপ্লবীদের নিয়ে লেখা বইগুলোর ওপর। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোন উপন্যাসটি ব্রিটিশ সরকার বাজেয়াপ্ত করেছিল। - একই সঙ্গে নজরুলের বাজেয়াপ্ত গ্রন্থগুলোর নামও ভালোভাবে মনে রাখতে হবে, কারণ এগুলো থেকেও বারবার প্রশ্ন আসে।
a হিন্দু কলেজ
b সংস্কৃত কলেজ
c ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ
d কলিকাতা কলেজ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ ১. কেন সঠিক: বাংলা গদ্যের জন্ম ও বিকাশে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের ভূমিকা অপরিসীম। ১৮০০ সালে প্রতিষ্ঠার পর এই কলেজের পন্ডিতগণ শিক্ষার্থীদের বাংলা শেখানোর জন্য প্রাতিষ্ঠানিক ও প্রাঞ্জল গদ্যরীতি গড়ে তোলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১৮০০ সালের ৪ মে লর্ড ওয়েলেসলি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন এবং বাংলা বিভাগের প্রধান ছিলেন মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার। রামরাম বসু ও উইলিয়াম কেরী এই প্রতিষ্ঠানে গদ্যচর্চা করে আধুনিক বাংলা গদ্যের ভিত্তি স্থাপন করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাজা রামমোহন রায় ব্যাখ্যা: তিনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পরবর্তী সময়ে বাংলা গদ্যকে আরও গতিশীল ও পরিশীলিত করেন। উদাহরণ ২: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ব্যাখ্যা: তিনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের ছাত্র ও পন্ডিত ছিলেন এবং গদ্যের যতিচিহ্ন ও পঠনোপযোগী শৈলী নিশ্চিত করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হিন্দু কলেজ — এটি আধুনিক ইংরেজি শিক্ষা ও জ্ঞানবিজ্ঞানের প্রসারে ভূমিকা রাখলেও বাংলা গদ্যের সূচনায় সরাসরি কাজ করেনি। B) সংস্কৃত কলেজ — এটি মূলত সংস্কৃত শিক্ষা ও পন্ডিত তৈরির প্রতিষ্ঠান ছিল, বাংলা গদ্যের প্রাথমিক সূতিকাগার এটি নয়। C) ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ — এটি সঠিক উত্তর। D) কলিকাতা কলেজ — এটি মূল প্রশ্নটির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কোনো ঐতিহাসিক গদ্যচর্চার প্রধান প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: বাংলা গদ্যের জন্ম মানেই ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ এবং মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার বা উইলিয়াম কেরীর নাম মনে রাখতে হবে। ১৮০০ সালের এই প্রতিষ্ঠানটিই গদ্যকে পাঠ্যপুস্তকের রূপ দেয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে বাংলা গদ্যের প্রথম পাঠ্যপুস্তক কোন প্রতিষ্ঠান থেকে রচিত হয়। উত্তর হবে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ এবং এর প্রতিষ্ঠার সাল ১৮০০ মনে রাখা জরুরি।
a ১১টি
b ৯টি
c ৭টি
d ৫টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৭টি ১. কেন সঠিক: বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনি মোট সাতটি যা উচ্চারণের সময় অন্য কোনো ধ্বনির সাহায্য নেয় না। ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনি সাতটি এবং এই ৭টি ধ্বনি হলো অ, আ, ই, উ, এ, ও এবং অ্যা। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময় ফুসফুসতাড়িত বাতাস মুখগহ্বরে কোথাও কোনো বাধা না পেয়ে সরাসরি বের হয়ে আসে সেগুলোকে স্বরধ্বনি বলে। এর মধ্যে যে স্বরধ্বনিগুলোকে আর ভাঙা যায় না বা অন্য কোনো ধ্বনির মিশ্রণ ছাড়াই স্বাধীনভাবে উচ্চারিত হয় সেগুলোকে মৌলিক স্বরধ্বনি বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অ ধ্বনি। ব্যাখ্যা: এটি একটি মৌলিক স্বরধ্বনি যা উচ্চারণ করার সময় মুখের ভেতর কোনো বাধা পায় না। উদাহরণ ২: অ্যা ধ্বনি। ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষায় বহুল ব্যবহৃত একটি মৌলিক স্বরধ্বনি যা শব্দের শুরুতে বা মাঝে পাওয়া যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১১টি — এটি বাংলা বর্ণমালায় মোট স্বরবর্ণের সংখ্যা, মৌলিক স্বরধ্বনির সংখ্যা নয়। B) ৯টি — এটি ভুল সংখ্যা কারণ বাংলা ব্যাকরণে মৌলিক স্বরধ্বনি নয়টি নয়, সাতটি। D) ৫টি — এটি ইংরেজি ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনির সংখ্যা (এ, ই, আই, ও, ইউ), বাংলা ভাষায় নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: বর্ণমালা হলো এগারোটি কিন্তু মৌলিক স্বরধ্বনি হলো সাতটি। এই সংখ্যা দুটি মনে রাখার জন্য বাংলা বর্ণমালা ও ধ্বনির পার্থক্য খেয়াল রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ভাষায় মোট স্বরবর্ণ ১১টি হলেও মৌলিক স্বরধ্বনি ৭টি এবং কার বা সংক্ষিপ্ত রূপ ৬টি। এই তিনটি তথ্যের পার্থক্য প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভ্রান্তি তৈরি করে।
a ১৯০৫ সালে
b ১৯০৭ সালে
c ১৯০৯ সালে
d ১৯১১ সালে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯০৯ সালে ১. কেন সঠিক: - 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্যগ্রন্থটি ১৯০৯ সালে বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বৎবল্লভ বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরের কাঁটরা গ্রামের দেবেন্দ্রনারায়ন মুখোপাধ্যায়ের গোয়ালঘর থেকে আবিষ্কার করেন। - পুঁথি আবিষ্কারের পর বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে এটি ১৯১৬ সালে প্রকাশিত হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের প্রথম নিদর্শন এবং রাধা-কৃষ্ণের প্রেমভিত্তিক নাটকীয় কাব্য হলো শ্রীকৃষ্ণকীর্তন। - এর রচয়িতা বড়ু চণ্ডীদাস এবং এটি মূলত প্রাকৃত বাংলার মিশ্রণে রচিত একটি কথ্যরূপী কাব্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চর্যাপদ ১৯০৭ সালে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে আবিষ্কার করেন। ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন আবিষ্কারের সাল সম্পর্কিত একটি তথ্য, যা শ্রীকৃষ্ণকীর্তন আবিষ্কারের সাল থেকে আলাদা। উদাহরণ ২: ময়মনসিংহ গীতিকা দীনেশচন্দ্র সেন সংকলিত ও সম্পাদিত লোকসাহিত্যের এক অমূল্য সম্পদ যা ১৯২৩ সালে প্রকাশিত হয়। ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের বা লোকসাহিত্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার ও প্রকাশের সাল নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯০৫ সালে — এই সালে বঙ্গভঙ্গ কার্যকর হয়েছিল, যা বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে একটি রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা কিন্তু শ্রীকৃষ্ণকীর্তন আবিষ্কারের সাল নয়। B) ১৯০৭ সালে — এই সালে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপাল থেকে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেন, যা শ্রীকৃষ্ণকীর্তন আবিষ্কারের সাল নয়। D) ১৯১১ সালে — এই সালে বঙ্গভঙ্গ রদ করা হয় এবং সাহিত্য বা ইতিহাসের অন্য কিছু ঘটনা ঘটেছিল, তবে এটি শ্রীকৃষ্ণকীর্তন আবিষ্কারের সাল নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - চর্যাপদ আবিষ্কার ১৯০৭ সাল এবং তার দুই বছর পর অর্থাৎ ১৯০৯ সালে শ্রীকৃষ্ণকীর্তন আবিষ্কৃত হয়। - এভাবে সাল দুটি পাশাপাশি মনে রাখলে পরীক্ষার হলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মধ্যযুগের সাহিত্যের নিদর্শনগুলোর আবিষ্কারক ও আবিষ্কারের সাল খুব ভালো করে মুখস্থ রাখতে হবে। - প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় চর্যাপদ এবং শ্রীকৃষ্ণকীর্তন আবিষ্কারের সাল নিয়ে প্রশ্ন আসে।
a বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
b রামমোহন রায়
c ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
d উইলিয়াম কেরি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১. কেন সঠিক: বর্ণপরিচয় গ্রন্থটির রচয়িতা হলেন বাংলা গদ্যের জনক ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। শিশুদের বাংলা ভাষা শিক্ষাদানের উদ্দেশ্যে ঊনবিংশ শতাব্দীতে এই মৌলিক ও যুগান্তকারী পাঠ্যপুস্তকটি রচনা করা হয়েছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা গদ্যের পত্তন ও বিকাশে অসামান্য অবদান রেখে গেছেন। বর্ণপরিচয় গ্রন্থটি মূলত দুটি ভাগে ১৮৫৫ সালে প্রকাশিত হয়েছিল এবং এটি বাংলা শিক্ষার প্রসারে ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কথামালা ব্যাখ্যা: এটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত অপর একটি বিখ্যাত শিক্ষামূলক ও নৈতিক গ্রন্থ। উদাহরণ ২: সীতার বনবাস ব্যাখ্যা: এটি বিদ্যাসাগর মহাশয়ের অপর একটি শ্রেষ্ঠ সাহিত্যকর্ম যা বাল্মীকি রামায়ণের উত্তরকাণ্ড অবলম্বনে রচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি বাংলা উপন্যাসের জনক, বর্ণপরিচয় গ্রন্থের রচয়িতা নন। B) রামমোহন রায় — তিনি আধুনিক বাংলা গদ্যের প্রবক্তা হলেও বর্ণপরিচয় গ্রন্থটি তিনি লেখেননি। D) উইলিয়াম কেরি — তিনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পন্ডিত ও বাইবেলের অনুবাদক, এই গ্রন্থের রচয়িতা নন। ৫ মনে রাখার টিপস: শিশুদের বর্ণ শিক্ষার প্রথম নির্ভরযোগ্য বই বিদ্যাসাগর মহাশয়ের লেখা বর্ণপরিচয়। বিদ্যাসাগর নামটির সঙ্গে শিক্ষার বিস্তার এবং বর্ণপরিচয় গভীরভাবে যুক্ত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বর্ণপরিচয় গ্রন্থটি ১৮৫৫ সালে প্রথম প্রকাশিত হয় এবং এটি প্রাথমিক শিক্ষার ইতিহাসে একটি মাইলফলক। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত পাঠ্যপুস্তক ও এর রচয়িতা সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে।
a ভঙ্গুর
b অপদার্থ
c দুর্লভ বস্তু
d গলা ধাক্কা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অপদার্থ ১. কেন সঠিক: - 'আমড়া কাঠের ঢেঁকি' একটি প্রবাদপ্রতিম বাগধারা যার অর্থ অকর্মণ্য বা অপদার্থ ব্যক্তি। - ঢেঁকি কাঠের তৈরি হলেও আমড়া কাঠ দিয়ে তৈরি ঢেঁকি দিয়ে কোনো কাজ করা যায় না কারণ তা নরম ও ভঙ্গুর হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দসমষ্টি যা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ বা ভাবার্থ প্রকাশ করে। - এটি ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং কম কথায় মনের ভাব সুন্দরভাবে প্রকাশ করতে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অক্কা পাওয়া ব্যাখ্যা: এই বাগধারাটির আক্ষরিক অর্থ ভিন্ন হলেও এর বিশেষ অর্থ হলো মারা যাওয়া বা প্রয়াণ হওয়া। উদাহরণ ২: ইঁদুর কপালে ব্যাখ্যা: এই বাগধারাটির প্রচলিত অর্থ হলো অত্যন্ত হতভাগ্য বা যার ভাগ্যে ভালো কিছু জোটে না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভঙ্গুর — আমড়া কাঠের ঢেঁকি দেখতে শক্ত মনে হলেও এর মূল ভাব ভঙ্গুরতা নয়, বরং কাজের অযোগ্যতা বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়। B) অপদার্থ — এটি সঠিক কারণ এই বাগধারাটি সম্পূর্ণভাবে অকর্মণ্য বা অপদার্থ ব্যক্তিকে নির্দেশ করতে ব্যবহৃত হয়। C) দুর্লভ বস্তু — এই অর্থের জন্য 'হাড় কিপ্টে' বা 'আকাশ কুসুম' জাতীয় অন্য বাগধারা রয়েছে, আমড়া কাঠের ঢেঁকি নয়। D) গলা ধাক্কা — এটি একটি শারীরিক বা সামাজিক অবমাননাকর কাজের প্রকাশ, যা অকর্মণ্যতার সমার্থক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - আমড়া গাছ নরম হওয়ায় তা দিয়ে কাজের উপযোগী ঢেঁকি বানানো যায় না, তাই আমড়া কাঠের ঢেঁকি মানেই পুরোপুরি অপদার্থ। - অকর্মণ্য বোঝাতে বাংলা ভাষায় আকাশ কুসুম বা কচ্ছপের লোম জাতীয় শব্দের চেয়ে এই বিশেষ প্রবাদটি বেশি প্রচলিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই অপ্রচলিত বা রূপক অর্থে ব্যবহৃত বাগধারার অর্থ জানতে চাওয়া হয়। - এ ধরনের প্রশ্ন সমাধানের জন্য বাগধারার আক্ষরিক অর্থের চেয়ে তার ভাবার্থ বা প্রচলিত ব্যবহারের ওপর বেশি জোর দিতে হবে।
a উপরোক্ত
b দূরবস্থা
c দুরাবস্থা
d শুধুমাত্র
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দূরবস্থা ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত শব্দটির সঠিক গঠন হলো দূর যোগ অবস্থা, যা নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির মাধ্যমে সাধিত হয়েছে। - অবস্থা শব্দের অ এবং দূর উপসর্গের বিসর্গ মিলে আ কার হয়েছে এবং র-এর সাথে যুক্ত হয়ে দুর্বস্থা গঠিত না হয়ে দূরবস্থা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ব্যাকরণের সন্ধি প্রকরণ এবং শুদ্ধ বানান অংশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম। - সাধারণত বিসর্গ সন্ধির নিয়মে বিসর্গের পর অ থাকলে ওকার হয়, তবে নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির ক্ষেত্রে এই সাধারণ নিয়ম সবসময় মানা হয় না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অহংকার ব্যাখ্যা: অহম যোগ কার মিলে অহংকার শব্দটি গঠিত হয়, যা ব্যঞ্জনসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম অনুসরণ করে। উদাহরণ ২: পরস্পর ব্যাখ্যা: প্র যোগ পর মিলে পরস্পর গঠিত হয়, এটিও নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির একটি চমৎকার উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উপরোক্ত — এটি একটি ব্যাকরণগত ভুল শব্দ, কারণ সঠিক প্রমিত বানান হলো উপর্যুক্ত। B) দূরবস্থা — এটি একটি সঠিক বানান এবং নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী গঠিত শব্দ। C) দুরাবস্থা — এটি ভুল বানান কারণ দূরবস্থা শব্দের সাথে অতিরিক্ত আ কার যুক্ত করে এই রূপটি তৈরি করা হয়েছে যা প্রমিত বাংলায় গ্রহণযোগ্য নয়। D) শুধুমাত্র — এটি একটি বাহুল্য দোষযুক্ত শব্দ, কারণ শুধু বা মাত্র শব্দ দুটির যেকোনো একটি ব্যবহার করাই যথেষ্ট। ৫ মনে রাখার টিপস: - দূরবস্থা শব্দটিতে ব-এর সাথে কোনো আকার যুক্ত হবে না, এটি মনে রাখলেই পরীক্ষার হলে ভুল এড়ানো সম্ভব। - নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির শব্দগুলো সরাসরি মুখস্থ রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য সবচেয়ে ভালো কৌশল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই দূরবস্থা এবং দুরাবস্থা নিয়ে বিভ্রান্তিকর প্রশ্ন আসে, তাই মূল শব্দটি মনে রাখা জরুরি। - এই ধরনের বানান সংশোধনের ক্ষেত্রে বাংলা একাডেমির প্রমিত বানানরীতি অনুসরণ করতে হয়।
a দুর্নিবার
b অনিবার্য
c দুর্লভ
d দুর্দমনীয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অনিবার্য ১. কেন সঠিক: - যা নিবারণ বা নিবৃত্ত করা যায় না, তাকে এককথায় অনিবার্য বলা হয়। - এটি এমন একটি ঘটনা বা পরিস্থিতি যা কোনোভাবেই এড়ানো সম্ভব নয় বা আটকানো যায় না। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ব্যাকরণের বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ। - বড় একটি ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার জন্য এই নিয়মগুলো ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মৃত্যু অনিবার্য। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে মৃত্যুকে কোনোভাবেই এড়ানো যায় না বোঝাতে অনিবার্য শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: পরীক্ষার ফলাফল অনিবার্য সত্য। ব্যাখ্যা: ফলাফল যা আসবে তা আটকানো সম্ভব নয় বোঝাতে এখানে অনিবার্য শব্দটি প্রাসঙ্গিক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দুর্নিবার — যার নিবারণ বা দমন করা অত্যন্ত কঠিন, তাকে দুর্নিবার বলে। এটি যা একেবারে রোধ করা যায় না তার চেয়ে কিছুটা আলাদা। B) অনিবার্য — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ যা নিবারণ করা যায় না। C) দুর্লভ — যা সহজে লাভ করা যায় না বা পাওয়া যায় না, তাকে দুর্লভ বলে। এটি প্রাপ্তির সঙ্গে সম্পর্কিত। D) দুর্দমনীয় — যাকে দমন করা বা নিয়ন্ত্রণে রাখা কঠিন, তাকে দুর্দমনীয় বলে। এটি স্বভাব বা শক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ৫ মনে রাখার টিপস: - না-বোধক বাক্যে নিবারণ শব্দের সঙ্গে অন যুক্ত হয়ে অনিবার্য শব্দটি গঠিত হয়। - যা এড়ানো যায় না, তা-ই অনিবার্য মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য সংকোচন থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - দুর্নিবার এবং অনিবার্য শব্দ দুটির মধ্যে প্রায়ই পরীক্ষার্থীরা বিভ্রান্ত হয়, তাই এদের সুনির্দিষ্ট অর্থ মনে রাখা জরুরি।
a আবদুল হাকিম
b মাইকেল মধুসূদন দত্ত
c কাজী নজরুল ইসলাম
d জীবনানন্দ দাশ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আবদুল হাকিম ১. কেন সঠিক: - 'বঙ্গবাণী' কবিতার রচয়িতা মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি আবদুল হাকিম। - মধ্যযুগে রচিত এই কবিতায় মাতৃভাষার প্রতি কবির গভীর অনুরাগ ও স্বদেশপ্রেম প্রকাশ পেয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কবি আবদুল হাকিম সপ্তদশ শতকের মধ্যযুগের কবি, যিনি সন্দ্বীপের সুধারামপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। - তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'নূরনামনাসা' এবং মাতৃভাষার প্রতি তাঁর অকৃত্রিম ভক্তি বাংলা সাহিত্যে চিরস্মরণীয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'যবদেসী ভাষা কিবা বিদ্যা অপরূপ / সব বঙ্গে জোগান যে জুনায় মন কূপ' ব্যাখ্যা: এই পংক্তিতে কবি আবদুল হাকিম নিজ দেশের ভাষার প্রতি মানুষের যে উদাসীনতা, তার প্রতিবাদ করেছেন। উদাহরণ ২: 'যে সব বঙ্গেতে জন্মি হিংসে বঙ্গবাণী / সে সব কাহার জন্ম নির্ণয় ন জানি' ব্যাখ্যা: এই বিখ্যাত পংক্তিতে কবি মাতৃভাষাদ্বেষীদের তীব্র সমালোচনা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আবদুল হাকিম — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি 'বঙ্গবাণী' কবিতার রচয়িতা। B) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — তিনি আধুনিক যুগের কবি এবং তাঁর বিখ্যাত মহাকাব্য 'মেঘনাদবধ কাব্য'। C) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি আধুনিক যুগের বিদ্রোহী কবি এবং তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'অগ্নিবীণা'। D) জীবনানন্দ দাশ — তিনি আধুনিক যুগের রূপসী বাংলার কবি এবং তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'রূপসী বাংলা'। ৫ মনে রাখার টিপস: - মাতৃভাষার টানে মধ্যযুগে যিনি কলম ধরেছেন, তিনিই হলেন কবি আবদুল হাকিম। - 'বঙ্গবাণী' মানে বাংলার বাণী, আর এই বাণীর মূল সুর আবদুল হাকিমের কবিতায় পাওয়া যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্য ও মাতৃভাষার পক্ষে প্রথম জোরালো কণ্ঠস্বর হিসেবে কবি আবদুল হাকিমকে মনে রাখতে হবে। - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই কবিতা থেকে প্রতি বছরই প্রশ্ন আসে।
a উপমান কর্মধারয়
b সাধারণ কর্মধারয়
c উপমিত কর্মধারয়
d মধ্যপদলোপী কর্মধারয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) উপমান কর্মধারয় ১. কেন সঠিক: - 'ভ্রমরকালো' শব্দটির ব্যাসববাক্য হলো ভ্রমরের মতো কালো। এখানে ভ্রমর হলো সাধারণ বস্তু এবং কালো হলো সাধারণ গুণ। - উপমান কর্মধারয় সমাসে একটি বিশেষ্য পদের সাথে অন্য একটি সাধারণ গুণের তুলনা করা হয় এবং সাধারণ ধর্মবাচক পদটি উল্লেখ থাকে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে কর্মধারয় সমাসে উপমেয় পদটি উহ্য থাকে এবং উপমান পদের সাথে সাধারণ ধর্মবাচক পদের তুলনা বোঝায়, তাকে উপমান কর্মধারয় সমাস বলে। - এখানে ভ্রমর হলো উপমান বা যার সাথে তুলনা করা হয়েছে এবং কালো হলো সাধারণ ধর্ম বা গুণ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তুষারশুভ্র ব্যাখ্যা: এর ব্যাসববাক্য তুষারের মতো শুভ্র। এখানে তুষার উপমান এবং শুভ্র সাধারণ ধর্ম। উদাহরণ ২: বজ্রকঠিন ব্যাখ্যা: এর ব্যাসববাক্য বজ্রের মতো কঠিন। এখানে বজ্র উপমান এবং কঠিন সাধারণ ধর্ম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উপমান কর্মধারয় — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে উপমান পদের সাথে সাধারণ গুণের তুলনা করা হয়েছে এবং সাধারণ ধর্ম উপস্থিত আছে। B) সাধারণ কর্মধারয় — কর্মধারয় সমাসের এটি কোনো নির্দিষ্ট বা প্রচলিত শ্রেণি নয়। C) উপমিত কর্মধারয় — উপমিত কর্মধারয় সমাসে সাধারণ ধর্মবাচক পদ উল্লেখ থাকে না, কিন্তু এখানে 'কালো' সাধারণ ধর্মটি উল্লেখ আছে। D) মধ্যপদলোপী কর্মধারয় — মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাসে ব্যাসববাক্যের মধ্যের পদটি লোপ পায়, কিন্তু এখানে কোনো মধ্যপদ লোপ পায়নি। ৫. মনে রাখার টিপস: - ব্যাসববাক্যে যদি মতো শব্দটি থাকে এবং শেষের পদটি যদি কোনো সাধারণ গুণ বোঝায়, তবে তা সাধারণত উপমান কর্মধারয় সমাস হয়। - ভ্রমরের মতো কালো, তুষারের মতো শুভ্র - এগুলো সবই উপমান কর্মধারয়ের চমৎকার উদাহরণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপমান ও উপমিত কর্মধারয় সমাস থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - উপমানের ক্ষেত্রে সাধারণ ধর্মবাচক পদ বাক্যে উপস্থিত থাকে, আর উপমিতের ক্ষেত্রে সাধারণ ধর্ম উহ্য থাকে।
a মনন
b বুদ্ধি
c রুচি
d অলংকার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বুদ্ধি ১. কেন সঠিক: 'মতি' একটি সংস্কৃত শব্দ, যার মূল অর্থ ইচ্ছা, প্রজ্ঞা, চেতনা বা বুদ্ধি। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের সমার্থক শব্দ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে শব্দের মূল ভাব ও প্রচলিত প্রয়োগ বিবেচনা করতে হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: শব্দার্থের দিক থেকে 'মতি' শব্দটি মানুষের মানসিক শক্তি, চিন্তাশক্তি ও প্রজ্ঞাকে নির্দেশ করে। বাংলা ভাষায় অনেক সংস্কৃত তৎসম শব্দ বিশেষ অর্থে ব্যবহৃত হয় এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের শব্দের সঠিক অর্থ জানা আবশ্যক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তার মতিভ্রম ঘটেছে। ব্যাখ্যা: এখানে 'মতি' শব্দটি মানুষের চিন্তা বা বুদ্ধির সঠিক দিশা হারানো অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: সৎ মতে চলো। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে 'মতি' বা সৎ চিন্তা মানুষের জীবনকে সুন্দর করতে সাহায্য করে তা বোঝানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মনন — মনন শব্দের অর্থ চিন্তা বা ভাবনা, যা মতি শব্দের সরাসরি সমার্থক নয়। B) বুদ্ধি — এটি সঠিক উত্তর কারণ মতি ও বুদ্ধির ভাবার্থ প্রায় অভিন্ন। C) রুচি — রুচি শব্দের অর্থ পছন্দ বা আগ্রহ, যা বুদ্ধির সমার্থক নয়। D) অলংকার — অলংকার শব্দের অর্থ ভূষণ বা গহনা, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি বিষয়। ৫. মনে রাখার টিপস: মতিভ্রম শব্দটির কথা মনে রাখতে পারো, যার অর্থ বুদ্ধির ভ্রংশ বা ভুল চিন্তা। এর মাধ্যমে মতি ও বুদ্ধির সম্পর্ক সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সমার্থক শব্দ মুখস্থ করার পাশাপাশি বাক্যে তাদের প্রয়োগ খেয়াল রাখতে হবে। একই শব্দের ভিন্ন contexte ভিন্ন অর্থ হতে পারে।
a বিহারীলাল চক্রবর্তী
b রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
c সৈয়দ মুজতবা আলী
d প্রমথ চৌধুরী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রমথ চৌধুরী ১. কেন সঠিক: - বীরবল হলো বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক ও সাহিত্যিক প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম। - তিনি সবুজ পত্র পত্রিকার মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবর্তন করেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - প্রমথ চৌধুরী বাংলা সাহিত্যে বুদ্ধিবৃত্তিক প্রবন্ধ রচনার জনক হিসেবে পরিচিত। - তার বিখ্যাত দুটি প্রবন্ধগ্রন্থ হলো তেল চিপচিপে এবং বীরবলের হালখাতা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বনফুল ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম। উদাহরণ ২: টেকচাঁদ ঠাকুর ব্যাখ্যা: এটি উনিশ শতকের ঔপন্যাসিক প্যারিচাঁদ মিত্রের ছদ্মনাম, যার মাধ্যমে তিনি আলালের ঘরের দুলাল রচনা করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিহারীলাল চক্রবর্তী — ইনি ভোরের পাখি নামে পরিচিত হলেও বীরবল তার ছদ্মনাম নয়। B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — ইনি ভানুসিংহ ঠাকুর ছদ্মনামে পদাবলী লিখেছিলেন, বীরবল নয়। C) সৈয়দ মুজতবা আলী — ইনি দেশে বিদেশে রচয়িতা এবং মূল লেখক হিসেবে পরিচিত, বীরবল নন। D) প্রমথ চৌধুরী — এটি সঠিক উত্তর কারণ বীরবল তার নির্ধারিত ছদ্মনাম। ৫ মনে রাখার টিপস: প্রমথ চৌধুরীর প্রবন্ধ মানেই বীরবলের বুদ্ধিদীপ্ত প্রকাশ। ছদ্মনাম মনে রাখতে লেখকের নামের সঙ্গে সাহিত্যকর্ম মিলিয়ে পড়া ভালো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ছদ্মনাম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। বিখ্যাত লেখকদের ছদ্মনামগুলো ভালোভাবে মুখস্থ রাখা জরুরি।
a বিপজ্জনক
b ক্ষুদ্র
c অনিশ্চিত অস্তিত্ব
d ক্ষণস্থায়ী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অনিশ্চিত অস্তিত্ব ১. কেন সঠিক: নদীর পাড়ের গাছ বলতে এমন একটি অবস্থাকে বোঝায় যা যেকোনো মুহূর্তে ভেঙে পড়ে বা ধসে যেতে পারে। নদীর ভাঙনের মুখে থাকা এই গাছের যেমন কোনো স্থায়ী নিরাপত্তা বা নিশ্চয়তা থাকে না, তেমনি মানবজীবনে বা কোনো পরিস্থিতিতে যখন কোনো কিছুর স্থায়িত্ব বা টিকে থাকা সম্পূর্ণ অনিশ্চিত হয়ে পড়ে, তখন এই প্রবাদটি ব্যবহার করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার একটি ঐতিহ্যগত প্রবাদ ও প্রবচন। প্রবাদ ও প্রবচন হলো সমাজের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা, দর্শন ও পর্যবেক্ষণের ফল যা অত্যন্ত সংক্ষেপে গভীর অর্থ প্রকাশ করে। এর মাধ্যমে রূপক অর্থে মানুষের জীবনের ভঙ্গুরতা বা যেকোনো ব্যবস্থার চরম অনিশ্চয়তা ফুটিয়ে তোলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আকস্মিক ব্যবসায়ে ধস নামার পর থেকে তার অর্থনৈতিক অবস্থা এখন নদীর পাড়ের গাছের মতো হয়ে দাঁড়িয়েছে। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে ব্যক্তির অর্থনৈতিক স্থায়িত্বের চরম অনিশ্চয়তা বোঝাতে প্রবাদটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর দলটির বর্তমান অবস্থা নদীর পাড়ের গাছের মতো ঠুনকো ও অনিরাপদ। ব্যাখ্যা: এখানে রাজনৈতিক অবস্থানের অনিশ্চয়তা ও ঝুঁকির দিকটি ফুটিয়ে তুলতে এই প্রবাদটি প্রয়োগ করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিপজ্জনক — বিপজ্জনক অর্থ যেকোনো ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতিকে বোঝায়, কিন্তু এটি নদীর পাড়ের গাছের নির্দিষ্ট ভাঙনমুখী ও ঠুনকো অস্তিত্বের অনিশ্চয়তা প্রকাশ করে না। B) ক্ষুদ্র — ক্ষুদ্র অর্থ আয়তনে ছোট হওয়া বোঝায়, যা নদীর পাড়ের গাছের মূল ভাব অর্থাৎ অস্তিত্বের ঝুঁকির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) অনিশ্চিত অস্তিত্ব — এই অপশনটি সঠিক কারণ নদীর পাড়ের গাছের টিকে থাকার কোনো নিশ্চয়তা থাকে না এবং এটিই প্রবাদটির মূল রূপক অর্থ। D) ক্ষণস্থায়ী — ক্ষণস্থায়ী অর্থ যা খুব কম সময় স্থায়ী হয়, কিন্তু নদীর পাড়ের গাছটি স্থায়ী হতেও পারে যদি ভাঙন না ধরে, মূল বিষয় হলো এর টিকে থাকার অনিশ্চয়তা। ৫. মনে রাখার টিপস: নদীর পাড় বা তীর সবসময় ভাঙনের মুখে থাকে, তাই সেখানে থাকা গাছের শিকড় আলগা হয়ে যায় এবং তা যেকোনো মুহূর্তে নদীতে বিলীন হতে পারে। এই দৃশ্যটি মাথায় রাখলে সহজেই মনে রাখা যাবে যে এটি জীবনের বা কোনো কিছুর অনিশ্চিত অস্তিত্বকে নির্দেশ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবাদের রূপক অর্থ প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। এ ধরনের প্রশ্নের ক্ষেত্রে আক্ষরিক অর্থের চেয়ে অন্তর্নিহিত ভাব বা রূপক অর্থটি কী তা চিহ্নিত করার দক্ষতা থাকতে হবে।
a কপালকুণ্ডলা
b পথের পাঁচালী
c পুতুলনাচের ইতিকথা
d কবি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পথের পাঁচালী ১. কেন সঠিক: - আম আঁটির ভেঁপু রচনাটি বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিখ্যাত পথের পাঁচালী উপন্যাসের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও উল্লেখযোগ্য অংশ। - এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র অপু ও দুর্গার শৈশবের গ্রামীণ জীবন, কৈশোরের কৌতূহল এবং প্রকৃতির সঙ্গে তাদের মিতালি এই অংশের মূল বিষয়বস্তু। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এই প্রশ্নটি উপন্যাস, নাটক ও ছোটগল্প ক্যাটাগরির অন্তর্ভুক্ত। - পথের পাঁচালী বাংলা উপন্যাসের ইতিহাসে একটি যুগান্তকারী সৃষ্টি যা ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয় এবং এর লেখক মহান কথাসাহিত্যিক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মেঘনাদবধ কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের একটি মহাকাব্য যার সঙ্গে বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্যের ঐতিহ্য জড়িত। উদাহরণ ২: চোখের আলো ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি সুপরিচিত ছোটগল্প যা তার বৈচিত্র্যময় সৃষ্টির অন্যতম নিদর্শন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কপালকুণ্ডলা — বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি ঐতিহাসিক ও রোমান্টিক উপন্যাস যার সঙ্গে আম আঁটির ভেঁপুর কোনো সম্পর্ক নেই। B) পথের পাঁচালী — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিখ্যাত উপন্যাস। C) পুতুলনাচের ইতিকথা — এটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি মনস্তাত্ত্বিক ও সমাজবাস্তবতা নির্ভর উপন্যাস যার সঙ্গে এই রচনার সম্পর্ক নেই। D) কবি — এটি তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত উপন্যাস যার মূল বিষয়বস্তু গ্রামীণ কবি জীবন। ৫. মনে রাখার টিপস: - অপু ও দুর্গার আমের আঁটি দিয়ে ভেঁপু বাজানোর দৃশ্যটি বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের পথের পাঁচালী উপন্যাসের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রথম ও শ্রেষ্ঠ উপন্যাস হলো পথের পাঁচালী যা বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বারবার আসে। - লেখকের অন্যান্য বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে অপराजিত, অরণ্যকুহেলি ও ইছামতী বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
a দোক্‌খো
b দোক্‌খু
c দক্‌খো
d দক্‌কো
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দোক্‌খো ১. কেন সঠিক: - 'দক্ষ' শব্দের সঠিক উচ্চারণ হলো দোক্‌খো। প্রমিত বাংলা উচ্চারণ রীতি অনুযায়ী যুক্তবর্ণের সঠিক প্রয়োগের ফলে এই উচ্চারণ নির্ধারিত হয়। - শব্দের আদিতে যুক্ত ব্যঞ্জন বা বিশেষ যুক্তবর্ণের প্রভাবে উচ্চারণ পরিবর্তিত হয়, এখানে 'ক্ষ' যুক্তবর্ণটি 'খ্ক্ব' বা 'ক্খ' এর মতো উচ্চারিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ধ্বনি, বর্ণ ও উচ্চারণ সংক্রান্ত ব্যাকরণিক নিয়মে 'ক্ষ' যুক্তবর্ণটি ক এবং ষ এর মিলনে গঠিত হলেও এর উচ্চারণ সাধারণত ক+খ (ক্‌খ) এর মতো হয়। - শব্দের শুরুতে বা মাঝে 'ক্ষ' থাকলে তা সকারান্ত বা ও-কারান্ত উচ্চারণের প্রভাবে পরিবর্তিত হয়ে অ বা ও কার গ্রহণ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লক্ষ্য ব্যাখ্যা: লক্ষ্য শব্দের উচ্চারণ লক্খো হয়, যা একই নিয়মে সাধিত। উদাহরণ ২: পক্ষ ব্যাখ্যা: পক্ষ শব্দের উচ্চারণ পক্খো হয়, যা দক্ষতা শব্দের উচ্চারণের সাথে মিল রাখে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দোক্‌খো — এই অপশনটি সঠিক এবং প্রমিত উচ্চারণ নিয়ম সমর্থন করে। B) দোক্‌খু — এই অপশনে শেষে উ-কার যুক্ত রয়েছে যা ভুল এবং প্রমিত উচ্চারণের সাথে মিলে না। C) দক্‌খো — এই অপশনে আ-কার বা ও-কারের পরিবর্তে অ-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক উচ্চারণ নয়। D) দক্‌কো — এই অপশনে যুক্তবর্ণের খ ধ্বনিটিকে ক ধ্বনিতে রূপান্তর করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। ৫ মনে রাখার টিপস: - ক্ষ যুক্ত শব্দের উচ্চারণ সাধারণত ক এবং খ এর মিশ্রণে হয় এবং শেষে ও-কার যুক্ত হয়। - দক্ষিণ বা দক্ষ জাতীয় শব্দ উচ্চারণের সময় খ এর উচ্চারণ স্পষ্ট রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় যুক্তবর্ণের উচ্চারণ প্রায়ই আসে। - প্রমিত বাংলা উচ্চারণ বিধি ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।

মোট প্রশ্ন (20)

a by chance
b very quickly
c in all circumstances
d abruptly
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) in all circumstances কেন সঠিক: - Through thick and thin একটি ইংরেজি ইডিয়ম, যার অর্থ হলো সব অবস্থাতে বা বিপদে-আপদে পাশে থাকা। - এটি মূলত জীবনের ভালো ও খারাপ উভয় পরিস্থিতিতেই অবিচল থাকার অবস্থাকে বোঝায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) by chance — এর অর্থ দৈবক্রমে বা হঠাৎ করে, যা এই ইডিয়মের অর্থের সঙ্গে মিলে না। B) very quickly — এর অর্থ খুব দ্রুত, যা পরিস্থিতির বৈচিত্র্য বা দীর্ঘস্থায়িত্ব প্রকাশ করে না। C) in all circumstances — এই অপশনটি সঠিক কারণ এর অর্থ হলো সব পরিস্থিতিতে বা সব অবস্থাতে। D) abruptly — এর অর্থ হঠাৎ করে বা আকস্মিক, যা এই ইডিয়মের অর্থের সম্পূর্ণ বিপরীত। মনে রাখার টিপস: Thick অর্থ ভালো সময় বা মোটা স্তর এবং thin অর্থ খারাপ সময় বা পাতলা স্তর। অর্থাৎ ভালো ও খারাপ সব পরিস্থিতিতেই এটি বোঝায়।
a to
b of
c by
d in
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) of কেন সঠিক: - ইংরেজি ব্যাকরণে 'dream of' একটি নির্দিষ্ট ফ্রেস বা এপ্রোপ্রিয়েট প্রিপজিশন, যার অর্থ কোনো কিছু কল্পনা করা বা স্বপ্ন দেখা। - 'Dream' শব্দের পর সাধারণত 'of' প্রিপজিশন বসে এবং এরপরে ভার্ব থাকলে তার সাথে 'ing' যুক্ত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to — 'Dream' এর পর সাধারণত 'to' বসে না কারণ এটি সঠিক এপ্রোপ্রিয়েট প্রিপজিশন নয়। B) of — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। C) by — এটি উপায়ের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় এবং 'dream' এর সাথে মানানসই নয়। D) in — অবস্থানের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় যা এখানে অর্থবহ নয়। মনে রাখার টিপস: স্বপ্ন দেখার ক্ষেত্রে সবসময় 'dream of' ব্যবহার করবে, যেমন 'dream of success'।
a with
b at
c along
d by
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) by কেন সঠিক: - Stand by একটি গ্রুপ ভার্ব বা ফ্রেজাল ভার্ব, যার অর্থ সমর্থন করা বা পাশে দাঁড়ানো। - এখানে বাবা-মা সবসময় সিদ্ধান্তের পক্ষে বা সমর্থনে আছেন বোঝাতে by preposition সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) with — Stand with অর্থ কারও পক্ষে দাঁড়ানো হলেও সিদ্ধান্ত বা মতামতের ক্ষেত্রে with বসে না। B) at — Stand at নির্দিষ্ট কোনো অবস্থানে দাঁড়িয়ে থাকা বোঝায়, যা সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে অর্থহীন। C) along — Stand along সাধারণত কোনো রেখা বা সীমানার পাশ দিয়ে দাঁড়ানো বোঝায়, যা এখানে অপ্রাসঙ্গিক। D) by — এটি সঠিক কারণ Stand by অর্থ সমর্থন করা বা সহযোগিতা করা। মনে রাখার টিপস: সিদ্ধান্ত বা বিপদে কাউকে সমর্থন করা বোঝালে Stand এর পরে সর্বদা by বসে।
a Various
b variful
c variable
d varied
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) variful কেন সঠিক: - 'Vary' একটি ভার্ব, যার অর্থ পরিবর্তন করা। - 'variful' নামে ইংরেজিতে কোনো অর্থপূর্ণ বা গ্রহণযোগ্য অ্যাডজেক্টিভ বা বিশেষণ নেই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Various — এটি 'Vary' শব্দের একটি গ্রহণযোগ্য এবং বহুল ব্যবহৃত অ্যাডজেক্টিভ ফর্ম, যার অর্থ বিভিন্ন বা নানা রকম। B) variful — এটি একটি ভুল ও অগ্রহণযোগ্য শব্দ গঠন, ইংরেজিতে এই শব্দের কোনো অস্তিত্ব নেই। C) variable — এটি 'Vary' শব্দের একটি সঠিক অ্যাডজেক্টিভ ফর্ম, যার অর্থ পরিবর্তনশীল। D) varied — এটি 'Vary' শব্দের সঠিক পাস্ট পার্টিসিপল ও অ্যাডজেক্টিভ ফর্ম, যার অর্থ বৈচিত্র্যময়। মনে রাখার টিপস: 'Vary' শব্দের সঠিক অ্যাডজেক্টিভগুলো হলো various, variable এবং varied, তাই শেষে ful যুক্ত variful একটি সম্পূর্ণ ভুল শব্দ।
a She prefers dancing to singing.
b She prefers dancing than singing.
c She prefers dance than singing.
d She prefers dancing over to sing.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) She prefers dancing to singing. কেন সঠিক: - prefer শব্দের পরে দুটি সমজাতীয় নাউন বা জেরান্ড তুলনা করার সময় মাঝে to প্রিপজিশন বসে। - dancing এবং singing উভয়ই Gerand হওয়ায় সঠিক তুলনার জন্য to ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) She prefers dancing to singing. — এটি সঠিক এবং প্রমিত ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী গঠিত। B) She prefers dancing than singing. — prefer শব্দের পরে than ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) She prefers dance than singing. — prefer এর পরে Gerand এর পরিবর্তে base form ব্যবহার করা এবং than বসানো দুটোই ভুল। D) She prefers dancing over to sing. — over to দুটি প্রিপজিশন একসাথে ব্যবহার করা এবং to এর পরে sing বসানো ভুল। মনে রাখার টিপস: prefer এর সাথে সবসময় to প্রিপজিশন বসে, than বসে না।
a rolled
b has rolled
c had rolled
d is rolling
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) had rolled কেন সঠিক: - 'as if' বা 'as though' এর আগের অংশ Past Tense হলে পরের অংশ Past Perfect Tense হয়। - মূল বাক্যের 'looked' অংশটি Past Tense হওয়ায় পরের অংশে Past Perfect Tense (had rolled) ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) rolled — এটি Simple Past Tense, যা 'as if' এর নিয়মের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় কারণ এর আগের অংশ Past Tense। B) has rolled — এটি Present Perfect Tense, যা মূল বাক্যের Past Tense (looked) এর সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। C) had rolled — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশন হিসেবে ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়। D) is rolling — এটি Present Continuous Tense, যা অতীতের ঘটনার সাথে ব্যবহারের নিয়ম লঙ্ঘন করে। মনে রাখার টিপস: 'as if' এর বামে Past থাকলে ডানে Past Perfect হয়, আর বামে Present থাকলে ডানে Past Indefinite হয়।
a hearing
b heard
c hear
d have heard
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) hearing কেন সঠিক: - বাক্যের 'look forward to' একটি ফ্রেজ, যার অর্থ অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করা এবং এর পরে জিরান্ড অর্থাৎ verb+ing বসে। - প্রিপজিশন 'to'-এর পর সাধারণত ভার্বের সাথে ing যুক্ত হয়, তাই 'hear'-এর সাথে 'ing' যুক্ত হয়ে সঠিক রূপটি হয়েছে 'hearing'। বাকি অপশন কেন ভুল: A) hearing — এটি সঠিক উত্তর কারণ ফ্রেজটির নিয়ম অনুযায়ী preposition 'to'-এর পর verb+ing বসেছে। B) heard — এটি পাস্ট ফর্ম, যা প্রিপজিশন 'to'-এর পর সরাসরি বসতে পারে না। C) hear — এটি ভার্বের বেজ ফর্ম, যা 'look forward to' এর মতো নির্দিষ্ট কিছু ফ্রেজের নিয়মের সাথে বেমানান। D) have heard — এটি পারফেক্ট টেন্সের রূপ, যা এই বাক্যের শূন্যস্থানে বকরণের নিয়মের সাথে মিলে না। মনে রাখার টিপস: বাক্যে 'look forward to' থাকলে চোখ বন্ধ করে verb-এর সাথে ing যুক্ত করে দেবে কারণ এটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
a William Shakespeare
b William Wordsworth
c John Keats
d Robert Frost
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) John Keats কেন সঠিক: - "To Autumn" একটি বিখ্যাত রোমান্টিক কবিতা যার রচিয়তা হলেন বিখ্যাত ইংরেজি কবি জন কিটস। - এই কবিতাটি ১৮১৯ সালের সেপ্টেম্বর মাসে রচিত হয় এবং এটি তাঁর অন্যতম শ্রেষ্ঠ ওড বা ওড ক্যাটাগরির কবিতা হিসেবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) William Shakespeare — উইলিয়াম শেক্সপিয়র রেনেসাঁ যুগের বিখ্যাত নাট্যকার ও কবি ছিলেন, তিনি কোনো ওড ধারার কবিতা লেখেননি। B) William Wordsworth — উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ হলেন নেচার পোয়েট বা প্রকৃতির কবি, তবে "To Autumn" কবিতাটি তাঁর লেখা নয়। C) John Keats — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি এই বিখ্যাত কবিতাটির রচয়িতা। D) Robert Frost — রবার্ট ফ্রস্ট একজন বিংশ শতাব্দীর আধুনিক আমেরিকান কবি, যিনি এই ব্রিটিশ রোমান্টিক কবিতার সঙ্গে সম্পৃক্ত নন। মনে রাখার টিপস: কিটসের নামের সাথে অটাম বা শরৎকালের আদ্যক্ষরের মিল রেখে মনে রাখতে পারেন যে কেটসের শরৎ মানেই জন কিটস।
a away
b turn down
c in
d off
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) turn down কেন সঠিক: - 'Too...to' কাঠামোর বাক্যে সাধারণত নেতিবাচক বা না বোধক অর্থ প্রকাশ পায়। - 'Turn down' একটি ফ্রেঞ্চ ভার্ব যার অর্থ প্রত্যাখ্যান করা এবং প্রস্তাবটি এতটাই ভালো ছিল যে তা প্রত্যাখ্যান করা কঠিন ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) away — 'Too good to away' কোনো অর্থপূর্ণ ফ্রেজ বা ব্যাকরণগত গঠন তৈরি করে না। B) turn down — সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ প্রস্তাবটি প্রত্যাখ্যান করা। C) in — 'Too good to in' বাক্যটির সাথে কোনো অর্থপূর্ণ সংযোগ স্থাপন করে না। D) off — 'Too good to off' এই অংশটি কোনো সঠিক ফ্রেঞ্চ ভার্ব বা প্রিপজিশনাল ফ্রেজ গঠন করে না। মনে রাখার টিপস: 'Too...to' যুক্ত বাক্যে না বোধক অর্থ খুঁজতে হয় এবং ভালো কোনো প্রস্তাব ফিরিয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে 'turn down' ব্যবহার করা হয়।
a check
b checked
c to check
d checking
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) checking কেন সঠিক: - Would you mind phrase-টির পর মূল verb-এর সঙ্গে ing যুক্ত হয়। - এই নিয়মানুযায়ী mind-এর পর check verb-টি checking রূপে ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) check — এটি verb-এর base form, যা mind-এর পর বসা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) checked — এটি verb-এর past form, যা mind-এর পর সরাসরি বসতে পারে না। C) to check — এটি infinitive form, যা Would you mind-এর নিয়ম অনুযায়ী এখানে প্রযোজ্য নয়। D) checking — এটি সঠিক উত্তর কারণ mind-এর পর verb-এর সঙ্গে ing যুক্ত হয়। মনে রাখার টিপস: Would you mind-এর পরে সর্বদা verb-এর সঙ্গে ing যুক্ত করতে হয়।
a mourners
b pallbearers
c grave diggers
d processioners
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) pallbearers কেন সঠিক: - 'Pallbearer' শব্দটির অর্থ জানাজায় বা সৎকারের সময় মৃতদেহ বহনকারী ব্যক্তি। - এটি মূলত কফিন বা কফিন রাখার চাদর ধরে বহন করার বিশেষ দায়িত্ব পালনকারী ব্যক্তিদের বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) mourners — এর অর্থ শোক প্রকাশকারী বা মাতমকারী ব্যক্তি, যারা অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় উপস্থিত থাকেন কিন্তু কফিন বহন করেন না। B) pallbearers — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যা কফিন বহনকারী ব্যক্তিদের সঠিকভাবে নির্দেশ করে। C) grave diggers — এর অর্থ কবর খননকারী, যারা মৃতদেহ কবর দেওয়ার জন্য মাটি কাটেন বা কবর প্রস্তুত করেন। D) processioners — এর অর্থ শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারী ব্যক্তি, যারা কোনো মিছিলে হাঁটেন কিন্তু নির্দিষ্টভাবে কফিন বহন করেন না। মনে রাখার টিপস: 'Pall' শব্দের অর্থ চাদর বা কফিনের ঢাকনা এবং 'bear' অর্থ বহন করা, যা থেকে কফিন বহনকারীকে 'pallbearer' বলা হয়।
a Librarian
b architect
c curator
d Janitor
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) curator কেন সঠিক: - কিউরেটর (Curator) হলেন এমন একজন ব্যক্তি যিনি জাদুঘরের প্রদর্শনী এবং সংগ্রহশালার সামগ্রী রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচালনার দায়িত্বে থাকেন। - জাদুঘরের ঐতিহাসিক বা শিল্পকর্মের সঠিক যত্ন ও প্রদর্শন নিশ্চিত করাই তার মূল কাজ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Librarian — লাইব্রেরিয়ান বা গ্রন্থাগারিক হলেন এমন একজন ব্যক্তি যিনি পাঠাগার বা গ্রন্থাগারের বইপত্র রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচালনা করেন। B) architect — আর্কিটেক্ট বা স্থপতি হলেন এমন একজন ব্যক্তি যিনি ভবন বা স্থাপনার নকশা তৈরি করেন। C) curator — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে প্রযোজ্য নয়। D) Janitor — জেনিটর হলেন এমন একজন ব্যক্তি যিনি কোনো ভবন বা প্রতিষ্ঠানের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও রক্ষণাবেক্ষণের কাজ করেন। মনে রাখার টিপস: জাদুঘরের (Museum) দায়িত্বে যিনি থাকেন তিনি কিউরেটর (Curator) এবং লাইব্রেরির দায়িত্বে যিনি থাকেন তিনি লাইব্রেরিয়ান।
a noun
b verb
c adjective
d adverb
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) adjective কেন সঠিক: - এখানে underlined শব্দ হলো disagreeable, যা বাক্যে man নামক noun-টিকে বিশেষিত বা তার দোষ-গুণ প্রকাশ করছে। - ইংরেজী ব্যাকরণ অনুযায়ী যে শব্দ কোনো noun বা pronoun-এর দোষ, গুণ, অবস্থা বা সংখ্যা প্রকাশ করে তাকে adjective বলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) noun — Karim বা man হলো noun, কিন্তু disagreeable শব্দটি noun-কে মডিফাই করছে বিধায় এটি noun নয়। B) verb — কোনো কাজের নাম বা কাজ করা বোঝায় না, তাই এটি verb হতে পারে না। C) adjective — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক হওয়ায় এটি এই প্রশ্নের ক্ষেত্রে ভুল নয়। D) adverb — এটি verb, adjective বা অন্য কোনো adverb-কে মডিফাই করেনি বরং noun-কে করেছে, তাই এটি adverb নয়। মনে রাখার টিপস: Noun বা Pronoun-এর ঠিক আগে বসে যখন তার দোষ বা গুণ বোঝায়, তখন সেই শব্দটি সাধারণত adjective হয়।
a had failed
b fail
c would fail
d failed
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) failed কেন সঠিক: - No sooner had এর পরের অংশে Past Perfect Tense থাকলেও পরবর্তী ক্লজটিতে Past Indefinite Tense ব্যবহার করতে হয়। - প্রদত্ত বাক্যে প্রথম অংশ had run থাকায় পরবর্তী অংশে মূল Verb এর Past form অর্থাৎ failed বসবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) had failed — এখানে Past Perfect Tense ব্যবহার করা হয়েছে, যা নিয়ম অনুযায়ী No sooner had যুক্ত বাক্যের দ্বিতীয় অংশে বসে না। B) fail — এটি Verb এর Present form, যা Past Indefinite Tense এর নিয়ম অনুযায়ী সঠিক নয়। C) would fail — এটি Conditional Sentence এর নিয়মকে নির্দেশ করে, যা এই কাঠামোর সাথে সংগত নয়। D) failed — এটি Verb এর Past form এবং সঠিক নিয়ম অনুযায়ী এটিই বাক্যটির শূন্যস্থানে বসেছে। মনে রাখার টিপস: No sooner had এর পর V৩ থাকলে, পরবর্তী ক্লজে সবসময় V২ (Past Indefinite) ব্যবহার করতে হয়।
a observe
b memorise
c forget
d overlook
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) observe কেন সঠিক: - 'Commemorate' শব্দের অর্থ হলো কোনো স্মৃতি বা গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করা বা পালন করা। - 'Observe' শব্দের অর্থ কোনো উৎসব, দিবস বা নিয়ম শ্রদ্ধাভরে পালন করা, যা এখানে সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) observe — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ স্মরণ করা বা পালন করা। B) memorise — এর অর্থ মুখস্থ করা, যা কোনো ঘটনা পালন করার সমার্থক নয়। C) forget — এর অর্থ ভুলে যাওয়া, যা commemorate শব্দের বিপরীতার্থক। D) overlook — এর অর্থ উপেক্ষা করা বা চোখ এড়িয়ে যাওয়া, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: Commemorate শব্দটিতে মনে রাখার জন্য 'Memory' বা স্মৃতি কথাটি মাথায় রাখতে পারি, যা পালন করতে 'Observe' করা হয়।
a change
b has changed
c changed
d did change
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) changed কেন সঠিক: - বাক্যে It is high time বা It is time থাকলে এর পরের ক্লজটি পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্স হয়। - এখানে বন্ধনীর ভেତরের ভার্ব change-এর পাস্ট ফর্ম বসে বাক্যটিকে সঠিক গঠন দিতে হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) change — এটি ভার্বের প্রেজেন্ট ফর্ম, যা পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্সের নিয়মের সাথে সংগতিপূর্ণ নয়। B) has changed — এটি প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্স, যা It is high time কাঠামোর পরের ক্লজে ব্যবহার করা যায় না। C) changed — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্সের নিয়ম পূর্ণ করে। D) did change — পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্সের এফারমেটিভ বাক্যে অতিরিক্ত did ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। মনে রাখার টিপস: বাক্যে It is high time বা It is time দেখলে চোখ বন্ধ করে মূল ভার্বের পাস্ট ফর্ম (V2) বসিয়ে দেবে।
a in
b at
c on
d with
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) at কেন সঠিক: - কোনো বিষয়ে দক্ষতা বা পারদর্শিতা বোঝাতে Adjective 'good'-এর পর সঠিক Preposition হিসেবে 'at' ব্যবহৃত হয়। - এখানে খেলা বা বিষয়ে পটু বোঝাতে 'good at chess' নিয়ম অনুযায়ী সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) in — ভাষা বা এলাকার ক্ষেত্রে সাধারণত 'good in' ব্যবহার করা হয় না, তাই এটি ভুল। B) at — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি এখানে প্রযোজ্য। C) on — কোনো পৃষ্ঠার ওপর বা নির্দিষ্ট কোনো বিষয়ের ওপর বোঝাতে 'on' বসে, দক্ষতার ক্ষেত্রে নয়। D) with — কোনো বস্তু বা ব্যক্তির সঙ্গে বোঝাতে 'with' ব্যবহৃত হয়, কিন্তু দক্ষতার ক্ষেত্রে এটি বসে না। মনে রাখার টিপস: দক্ষতা বা পারদর্শিতা বোঝাতে 'good' শব্দের পর সব সময় 'at' প্রিপজিশন বসে।
a noun
b adverb
c adjective
d verb
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) adjective কেন সঠিক: - 'is' একটি linking verb এবং linking verb-এর পর সাধারণত complement হিসেবে Adjective বসে। - এখানে 'hereditary' শব্দটি Subject 'Depression' এর দোষ বা অবস্থা প্রকাশ করছে, যা Adjective-এর কাজ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) noun — Noun হলো কোনো কিছুর নাম, যা এখানে Depression নিজেই, তাই hereditary Noun হতে পারে না। B) adverb — Adverb সাধারণত verb, adjective বা অন্য adverb-কে modify করে, কিন্তু এখানে এটি subject-এর অবস্থা বোঝাচ্ছে। C) adjective — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি Subject-এর গুণ বা অবস্থা নির্দেশ করছে। D) verb — Verb হলো কোনো কাজ করা বোঝায়, কিন্তু hereditary কোনো কাজের নাম বা action বোঝায় না। মনে রাখার টিপস: Linking verb (am, is, are, was, were, become, remain) এর পরে সাধারণত Adjective বসে।
a Dirohea
b Diarrhoea
c Dirrohea
d Dirrhoea
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Diarrhoea কেন সঠিক: - বানানটিতে দুটি d, দুটি r এবং দুটি a রয়েছে যা সঠিক ইংরেজি বানানরীতি মেনে চলে। - চিকিৎসাবিজ্ঞান সংক্রান্ত এই শব্দটিতে ডাবল a এবং ডাবল h এর সঠিক বিন্যাস রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Dirohea — বানানটিতে প্রয়োজনীয় অক্ষর ও সঠিক স্বরবর্ণের বিন্যাস অনুপস্থিত রয়েছে। B) Diarrhoea — এটি পরীক্ষিত ও চিকিৎসাবিজ্ঞানসম্মতভাবে সম্পূর্ণ সঠিক বানান। C) Dirrohea — বানানটিতে r এবং a এর ভুল বিন্যাস রয়েছে যা সঠিক নয়। D) Dirrhoea — বানানটির প্রথম অংশে ভুল অক্ষর ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: শব্দটি মনে রাখতে এই সূত্রটি মাথায় রাখতে পারো, Di (দুইবার i নয়, একটি i) + arr + hoea।
a in
b on
c at
d up
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: C) at কেন সঠিক: - কোনো নির্দিষ্ট স্থান বা ভবনে অল্প সময়ের জন্য যাওয়া বা সাক্ষাৎ করার অর্থে call at ব্যবহৃত হয়। - এখানে ব্যাংক একটি নির্দিষ্ট স্থান বোঝানো হয়েছে, তাই সঠিক প্রিপজিশন হলো at। বাকি অপশন কেন ভুল: A) in — কোনো বড় এলাকা বা দেশের ভেতরে অবস্থান বোঝাতে in বসে, নির্দিষ্ট কোনো ভবনে ক্ষণস্থায়ী উপস্থিতির ক্ষেত্রে এটি অনুপযুক্ত। B) on — সাধারণত কোনো তলের ওপর স্পর্শ করে থাকা বা নির্দিষ্ট কোনো দিবসের পূর্বে প্রিপজিশন হিসেবে on বসে। D) up — call up অর্থ টেলিফোনে কারো সঙ্গে কথা বলা বা স্মরণ করা, যা এই বাক্যের অর্থ বা ব্যাংকে যাওয়ার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: নির্দিষ্ট কোনো ছোট স্থান বা ভবনে সাময়িক সাক্ষাতের জন্য call at এবং ব্যক্তির সঙ্গে দেখা করতে গেলে call on ব্যবহার করা হয়।

মোট প্রশ্ন (19)

a জলবায়ু পরিবর্তন
b পারমাণবিক অস্ত্র নিরোধ
c মরুকরণ রোধ
d আন্তর্জাতিক নদীসমূহের পানির হিস্যা বণ্টন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জলবায়ু পরিবর্তন কেন সঠিক: - কিওটো প্রটোকল হলো জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত কাঠামোগোষ্ঠীর একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি। - এটি বায়ুমণ্ডলে গ্রিনহাউস গ্যাসের নির্গমন হ্রাস করার মাধ্যমে বৈশ্বিক উষ্ণতা রোধের উদ্দেশ্যে প্রণীত হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জলবায়ু পরিবর্তন — এটি সঠিক কারণ এই চুক্তিটি বিশ্বব্যাপী উষ্ণায়ন ও জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলার জন্য করা হয়েছিল। B) পারমাণবিক অস্ত্র নিরোধ — পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণের সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই, এর জন্য এনপিটি চুক্তি রয়েছে। C) মরুকরণ রোধ — মরুকরণ রোধের জন্য জাতিসংঘের আলাদা কনভেনশন বা ইউএনসিসিডি রয়েছে, কিওটো প্রটোকল নয়। D) আন্তর্জাতিক নদীসমূহের পানির হিস্যা বণ্টন — এটি সাধারণত আন্তঃসীমান্ত নদী চুক্তির আওতাভুক্ত বিষয়, যা জলবায়ু চুক্তির অন্তর্ভুক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: কিওটো প্রটোকল মানেই কিয়োটো শহরে স্বাক্ষরিত জলবায়ু সুরক্ষার ঐতিহাসিক চুক্তি।
a ২৬ জুন, ১৯৪৫
b ২৪ অক্টোবর, ১৯৪৫
c ১০ ডিসেম্বর, ১৯৪৫
d ১৬ জানুয়ারি, ১৯৪৫
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৪ অক্টোবর, ১৯৪৫ কেন সঠিক: - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গঠিত জাতিসংঘ সনদ ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হয়। - এই দিনে সনদে স্বাক্ষরকারী সংখ্যাগরিষ্ঠ রাষ্ট্রগুলোর অনুসমর্থন সম্পন্ন হওয়ার মাধ্যমে জাতিসংঘ আনুষ্ঠানিকভাবে তার যাত্রা শুরু করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৬ জুন, ১৯৪৫ — এই তারিখে সানফ্রান্সিসকো সম্মেলনে জাতিসংঘ সনদে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষর করা হয়েছিল, কার্যকর হয়নি। B) ২৪ অক্টোবর, ১৯৪৫ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ এই দিনেই জাতিসংঘ সনদ কার্যকর হয় এবং জাতিসংঘ দিবস পালিত হয়। C) ১০ ডিসেম্বর, ১৯৪৫ — এই তারিখটি জাতিসংঘের সাথে সরাসরি যুক্ত নয়, তবে ১৯৪৮ সালের এই দিনে মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণাপত্র গৃহতি হয়। D) ১৬ জানুয়ারি, ১৯৪৫ — এই তারিখটি জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার ইতিহাসে কোনো প্রাতিষ্ঠানিক বা ঐতিহাসিক ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার মাসটি মনে রাখতে ২৪ অক্টোবর তারিখটি মনে রাখুন, কারণ এই দিনেই বিশ্বজুড়ে জাতিসংঘ দিবস পালন করা হয়।
a টরেন্টো, কানাডা
b আমস্টারডাম, নেদারল্যান্ডস
c লন্ডন, যুক্তরাজ্য
d নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র কেন সঠিক: - জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি বা UNDP-এর প্রধান কার্যালয় যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরে অবস্থিত। - ১৯৬৫ সালে প্রতিষ্ঠিত এই সংস্থাটি বিশ্বব্যাপী দারিদ্র্য বিমোচন ও টেকসই উন্নয়নে কাজ করে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) টরেন্টো, কানাডা — এটি কানাডার বৃহত্তম শহর ও আর্থিক কেন্দ্র হলেও UNDP-এর সদর দপ্তর এখানে অবস্থিত নয়। B) আমস্টারডাম, নেদারল্যান্ডস — এটি নেদারল্যান্ডসের রাজধানী ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, তবে এই আন্তর্জাতিক সংস্থার সদর দপ্তর হিসেবে এটি পরিচিত নয়। C) লন্ডন, যুক্তরাজ্য — এটি যুক্তরাজ্যের রাজধানী এবং এখানে অনেক আন্তর্জাতিক সংস্থার কার্যালয় থাকলেও UNDP-এর সদর দপ্তর এখানে নেই। D) নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই শহরেই UNDP-এর মূল প্রশাসনিক কার্যালয় অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: বিশ্বের বেশিরভাগ বড় আন্তর্জাতিক সংস্থা যেমন জাতিসংঘ ও UNDP-এর সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রেই অবস্থিত, যার প্রধান কেন্দ্র নিউইয়র্ক শহর।
a নিউইয়র্ক
b লন্ডন
c জেনেভা
d প্যারিস
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: A) নিউইয়র্ক কেন সঠিক: - ইউনিসেফ বা জাতিসংঘের শিশু তহবিল ১৯৪৬ সালের ১১ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর প্রধান কার্যালয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরে অবস্থিত। - শিশুদের অধিকার রক্ষা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পুষ্টির উন্নয়নে এই সংস্থাটি বিশ্বব্যাপী কাজ করে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিউইয়র্ক — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানেই ইউনিসেফের মূল সদর দপ্তর অবস্থিত। B) লন্ডন — এটি ভুল কারণ লন্ডন হলো আন্তর্জাতিক মার্সি কর্পস বা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের মতো সংস্থার কেন্দ্র, ইউনিসেফের নয়। C) জেনেভা — এটি ভুল কারণ জেনেভায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং আইএলও-র সদর দপ্তর রয়েছে, যা ইউনিসেফের সদর দপ্তর নয়। D) প্যারিস — এটি ভুল কারণ প্যারিসে ইউনেস্কোর সদর দপ্তর অবস্থিত, যা ইউনিসেফের সদর দপ্তর থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। মনে রাখার টিপস: শিশুরা (ইউএনআইসিইএফ) বড় শহরে (নিউইয়র্ক) বাস করতে পছন্দ করে, এই মনে রাখার কৌশল ব্যবহার করতে পারো।
a রাশিয়া
b সৌদি আরব
c মরক্কো
d স্পেন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সৌদি আরব কেন সঠিক: - ফিফা কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২০৩৪ সালের পুরুষ বিশ্বকাপ ফুটবলের একক আয়োজক দেশ হিসেবে সৌদি আরব নির্বাচিত হয়েছে। - ২০২৩ সালের শেষ দিকে একমাত্র প্রার্থী দেশ হিসেবে সৌদি আরব এই মেগা টুর্নামেন্টের আয়োজকস্বত্ব লাভ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাশিয়া — রাশিয়া ২০১৮ সালের ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবল সফলভাবে আয়োজন করেছিল, ২০৩৪ সালের জন্য নয়। B) সৌদি আরব — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং ২০৩৪ সালের ফিফা বিশ্বকাপের নির্ধারিত আয়োজক দেশ। C) মরক্কো — মরক্কো ২০৩০ সালের ফিফা বিশ্বকাপের যৌথ আয়োজক দেশের অংশ হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে, ২০৩৪ সালের নয়। D) স্পেন — স্পেন ২০৩০ সালের ফিফা বিশ্বকাপের মূল যৌথ আয়োজক দেশগুলোর একটি হিসেবে নির্ধারিত রয়েছে। মনে রাখার টিপস: বিশ শতকের শেষ ভাগে অর্থাৎ দুই হাজার চৌত্রিশ সালে মরুভূমির দেশ সৌদি আরবে বসবে ফিফা বিশ্বকাপের আসর।
a মঙ্গল
b বুধ
c বৃহস্পতি
d শুক্র
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মঙ্গল কেন সঠিক: - মঙ্গলের মাটিতে প্রচুর পরিমাণে আয়রন অক্সাইড বা লোহা মরচে থাকার কারণে গ্রহটিকে দূর থেকে লাল দেখায়। - বিজ্ঞানীদের মতে এই বিশেষ উপাদানের উপস্থিতির কারণেই গ্রহটির নামকরণ হয়েছে লাল গ্রহ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মঙ্গল — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর পৃষ্ঠে আয়রন অক্সাইডের আধিক্য রয়েছে। B) বুধ — এটি সূর্যের সবচেয়ে কাছের ছোট গ্রহ এবং এর রঙ ধূসর বা তামাটে, লাল নয়। C) বৃহস্পতি — এটি সৌরজগতের সবচেয়ে বড় গ্রহ এবং এটি মূলত গ্যাসীয় দানব যার প্রধান রঙ কমলা ও সাদা। D) শুক্র — এটি সৌরজগতের সবচেয়ে উজ্জ্বল গ্রহ এবং মেঘের আবরণে ঢাকা থাকার কারণে এটি হলুদ বা সাদা দেখায়। মনে রাখার টিপস: মঙ্গলের মাটিতে মরচে ধরা লোহার পরিমাণ বেশি থাকে বলেই একে লাল গ্রহ বলা হয়।
a তুরস্ক
b মেক্সিকো
c সিউল
d বার্লিন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) তুরস্ক কেন সঠিক: - জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত জাতিসংঘ কনভেনশন বা কপ (COP) এর ৩১তম সম্মেলন ২০২৬ সালে তুরস্কে অনুষ্ঠিত হওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। - বিশ্ব জলবায়ু সংকট মোকাবেলায় আন্তর্জাতিক কূটনীতি ও আলোচনার ক্ষেত্রে এই সম্মেলন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) তুরস্ক — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ ২০২৬ সালের কপ ৩১ সম্মেলন আয়োজনের জন্য দেশটি নির্ধারিত হয়েছে। B) মেক্সিকো — মেক্সিকো এই সম্মেলনের আয়োজক দেশ নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। C) সিউল — সিউল দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী হলেও এটি কপ ৩১ এর আয়োজক শহর বা দেশ নয়। D) বার্লিন — বার্লিন জার্মানির রাজধানী, তবে কপ ৩১ সম্মেলন আয়োজনের জন্য এটি নির্বাচিত হয়নি। মনে রাখার টিপস: জলবায়ু সম্মেলন কপ ৩১ মনে রাখতে তুর্কি পাখির নামের সঙ্গে মিলিয়ে তুরস্ক দেশকে মনে রাখতে পারেন।
a কানাডা
b ফ্রান্স
c পোল্যান্ড
d জার্মানি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জার্মানি কেন সঠিক: - জার্মানির শাসনব্যবস্থায় সরকার প্রধানকে চ্যান্সেলর বলা হয় এবং নির্বাহী ক্ষমতা তার হাতেই ন্যস্ত থাকে। - জার্মানির বর্তমান চ্যান্সেলর দেশটির সরকার পরিচালনা করেন এবং রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে প্রেসিডেন্ট থাকেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কানাডা — কানাডার সরকার প্রধানকে প্রধানমন্ত্রী বলা হয় এবং চ্যান্সেলর পদটি সেখানে নেই। B) ফ্রান্স — ফ্রান্সের সরকার প্রধানকে প্রধানমন্ত্রী বলা হয় এবং চ্যান্সেলর পদটি এই দেশের জন্য প্রযোজ্য নয়। C) পোল্যান্ড — পোল্যান্ডের সরকার প্রধান প্রধানমন্ত্রী নামে পরিচিত এবং চ্যান্সেলর তাদের প্রশাসনিক পদে নেই। D) জার্মানি — এই অপশনটি সঠিক কারণ জার্মানির চ্যান্সেলর দেশটির সরকার প্রধানের পদ। মনে রাখার টিপস: জার্মানির গাড়ি আর চ্যান্সেলর সারা বিশ্বে বিখ্যাত, তাই চ্যান্সেলর বললেই জার্মানি মনে রাখবে।
a পদ্মা
b যমুনা
c মেঘনা
d মহানন্দা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পদ্মা কেন সঠিক: - পদ্মা নদী ভারত থেকে বাংলাদেশে প্রবেশের পর দেশের প্রায় ৩০টির অধিক জেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। - বাংলাদেশের অন্যান্য প্রধান নদীর তুলনায় সর্বাধিক জেলার সাথে এই নদীর সরাসরি সংযোগ রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পদ্মা — এটি বাংলাদেশের সর্বাধিক জেলা দিয়ে প্রবাহিত প্রধান নদী। B) যমুনা — যমুনা নদী পদ্মার মতো এত বেশি জেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়নি। C) মেঘনা — মেঘনার অববাহিকা বড় হলেও এর সরাসরি প্রবাহের জেলা সংখ্যা পদ্মার চেয়ে কম। D) মহানন্দা — এটি তুলনামূলক ছোট একটি নদী এবং সীমিত কয়েকটি জেলা দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: পদ্মা নদী হলো বাংলাদেশের সর্বাধিক জেলা স্পর্শকারী বা প্রবাহিত নদী।
a আর্জেন্টিনা
b ব্রাজিল
c পেরু
d কলম্বিয়া
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ব্রাজিল কেন সঠিক: - আয়তন এবং জনসংখ্যার দিক থেকে ব্রাজিল দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের সবচেয়ে বড় দেশ। - দেশটির মোট আয়তন প্রায় ৮৫ লক্ষ বর্গকিলোমিটারের বেশি, যা মহাদেশটির প্রায় অর্ধেক অংশ জুড়ে অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আর্জেন্টিনা — এটি দক্ষিণ আমেরিকার দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। B) ব্রাজিল — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশনের কারণ প্রযোজ্য নয়। C) পেরু — এটি দক্ষিণ আমেরিকার পশ্চিম অংশের একটি মাঝারি আয়তনের দেশ, ব্রাজিলের তুলনায় অনেক ছোট। D) কলম্বিয়া — এটি দক্ষিণ আমেরিকার উত্তর-পশ্চিম অংশের একটি দেশ এবং আয়তনে ব্রাজিলের চেয়ে বেশ ছোট। মনে রাখার টিপস: দক্ষিণ আমেরিকায় পর্তুগিজভাষী দেশ ব্রাজিলই হলো সবচেয়ে বড় দেশ।
a 1971
b 1972
c 1973
d 1974
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯১৩ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালের সংবিধানে সংসদীয় গণতন্ত্র প্রবর্তিত হয় এবং ১৯৭৩ সালের ৭ই মার্চ প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। - এই নির্বাচনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ বিজয় লাভ করে সরকার গঠন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৭১ — এই সালে বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করে এবং মুক্তিযুদ্ধ পরিচালিত হয়, তাই এটি পার্লামেন্ট নির্বাচনের সাল নয়। B) ১৯৭২ — এই সালে বাংলাদেশের সংবিধান প্রণীত হয় এবং ১০ই জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু স্বাধীন দেশে প্রত্যাবর্তন করেন, কিন্তু প্রথম নির্বাচন হয়নি। D) ১৯৭৪ — এই সালে দেশে দুর্ভিক্ষ দেখা দেয় এবং বিশেষ ক্ষমতা আইন পাস হয়, যা প্রথম পার্লামেন্ট নির্বাচনের সাল নয়। মনে রাখার টিপস: স্বাধীনতার পরের বছর সংবিধান (১৯৭২) এবং তার ঠিক পরের বছর প্রথম নির্বাচন (১৯৭৩) অনুষ্ঠিত হয়।
a সম্মানিত ব্যক্তি
b রাষ্ট্রদূত পদমর্যাদার ব্যক্তি
c অগ্রহণযোগ্য ব্যক্তি
d মন্ত্রী পর্যায়ের ব্যক্তি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অগ্রহণযোগ্য ব্যক্তি কেন সঠিক: - ল্যাটিন ভাষার এই কূটনৈতিক শব্দগুচ্ছের শাব্দিক অর্থ অবাঞ্ছিত বা দেশে প্রবেশের অযোগ্য ব্যক্তি। - আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে কোনো দেশের সরকার কর্তৃক অন্য কোনো দেশের কূটনীতিককে এই ঘোষণা দিয়ে বহিষ্কার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সম্মানিত ব্যক্তি — এটি Persona-non-grata শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) রাষ্ট্রদূত পদমর্যাদার ব্যক্তি — সব রাষ্ট্রদূতকে এই নামে অভিহিত করা হয় না, কেবল অবাঞ্ছিত ঘোষিত ব্যক্তিরাই এর অন্তর্ভুক্ত। D) মন্ত্রী পর্যায়ের ব্যক্তি — এটি কোনো নির্দিষ্ট পদের নাম নয়, বরং কূটনীতিতে ব্যবহারের একটি বিশেষ অবস্থা। মনে রাখার টিপস: Persona অর্থ ব্যক্তি এবং Grata অর্থ গ্রহণযোগ্য, তাই সামনে Non যুক্ত হয়ে অগ্রহণযোগ্য ব্যক্তি বোঝায়।
a সুন্দরবন
b আমাজান রেইন ফরেস্ট
c বোরিয়াল বন
d কঙ্গো রেইন ফরেস্ট
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভূগোল ও পরিবেশ সঠিক উত্তর: B) আমাজান রেইন ফরেস্ট কেন সঠিক: - এই বিশাল বনাঞ্চল পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রচুর পরিমাণে অক্সিজেন সরবরাহ করে এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ করে। - বৈশ্বিক জলবায়ু নিয়ন্ত্রণ এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে এটি ফুসফুসের মতো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুন্দরবন — এটি বিশ্বের বৃহত্তম mangrove বন এবং উপকূলীয় অঞ্চলের রক্ষাকবচ হলেও পৃথিবীর ফুসফুস বলা হয় না। B) আমাজান রেইন ফরেস্ট — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর বিশাল অক্সিজেন উৎপাদনের ক্ষমতা একে পৃথিবীর ফুসফুস হিসেবে পরিচিত করেছে। C) বোরিয়াল বন — এটি উচ্চ অক্ষাংশের তাইগা বন নামে পরিচিত যা সাইবেরিয়া ও কানাডায় বিস্তৃত হলেও ফুসফুস বলা হয় না। D) কঙ্গো রেইন ফরেস্ট — এটি আফ্রিকার বৃহত্তম বন এবং বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অববাহিকা হলেও প্রধানত আমাজানকেই এই উপাধি দেওয়া হয়। মনে রাখার টিপস: বিশ্বের সবচেয়ে বড় বন আমাজান প্রচুর অক্সিজেন দেয় বলে একে পৃথিবীর ফুসফুস বলা হয়।
a তুভালু
b হাইতি
c ভ্যাটিকান সিটি
d নাউরু
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: C) ভ্যাটিকান সিটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর যাচাই: প্রদত্ত সঠিক উত্তর (D) নাউরু ভুল। প্রশ্নটিতে আয়তনে জাতিসংঘের ক্ষুদ্রতম সদস্য রাষ্ট্র জানতে চাওয়া হয়েছে, যা হলো ভ্যাটিকান সিটি। কেন সঠিক: - ভ্যাটিকান সিটি বিশ্বের এবং জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে আয়তনে সবচেয়ে ছোট, যার ক্ষেত্রফল মাত্র ০.৪৪ বর্গকিলোমিটার। - এটি একটি স্বাধীন রাষ্ট্র এবং জাতিসংঘের স্থায়ী পর্যবেক্ষক রাষ্ট্র হলেও এটি জাতিসংঘের পূর্ণ সদস্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) তুভালু — এটি ওশেনিয়া অঞ্চলের একটি দ্বীপ রাষ্ট্র এবং আয়তনে ভ্যাটিকান সিটির চেয়ে বড়, এর ক্ষেত্রফল ২৬ বর্গকিলোমিটার। B) হাইতি — এটি ক্যারিবীয় অঞ্চলের একটি দেশ এবং এর আয়তন ২৭ হাজার ৭৫০০ বর্গকিলোমিটার, যা ভ্যাটিকান সিটির তুলনায় অনেক বড়। C) ভ্যাটিকান সিটি — এটি আয়তনে জাতিসংঘের ক্ষুদ্রতম সদস্য রাষ্ট্র এবং এর ক্ষেত্রফল মাত্র ০.৪৪ বর্গকিলোমিটার। D) নাউরু — এটি বিশ্বের ক্ষুদ্রতম দ্বীপ প্রজাতন্ত্র হলেও এর আয়তন ২১ বর্গকিলোমিটার, যা ভ্যাটিকান সিটির চেয়ে বড়। মনে রাখার টিপস: বিশ্বের সবচেয়ে ছোট দেশ ভ্যাটিকান সিটি, যার আয়তন ১ বর্গকিলোমিটারেরও কম।
a শিশু
b উদ্বাস্তু
c অভিবাসী
d নারী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নারী কেন সঠিক: - CEDAW হলো জাতিসংঘ কর্তৃক ১৯৭৯ সালে গৃহিত নারীর বিরুদ্ধে সকল প্রকার বৈষম্য বিলোপ সনদ। - এই আন্তর্জাতিক সনদে আন্তর্জাতিকভাবে নারীদের সমান অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শিশু — শিশুদের অধিকার সুরক্ষার জন্য জাতিসংঘের আলাদা শিশু অধিকার সনদ রয়েছে, CEDAW নয়। B) উদ্বাস্তু — উদ্বাস্তুদের অধিকার ও সুরক্ষার জন্য আলাদা শরণার্থী বিষয়ক আন্তর্জাতিক কনভেনশন রয়েছে। C) অভিবাসী — অভিবাসী শ্রমিক ও তাদের পরিবারের অধিকার সুরক্ষার জন্য জাতিসংঘের আলাদা আন্তর্জাতিক কনভেনশন রয়েছে। D) নারী — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ সনদটি নারী অধিকার সংক্রান্ত। মনে রাখার টিপস: CEDAW নামের ইংরেজি শব্দগুলোর দিকে খেয়াল রাখলে বোঝা যায় এটি Women বা নারী অধিকার সম্পর্কিত সনদ।
a আয়ারল্যান্ড
b ভারত
c নেপাল
d বাংলাদেশ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বাংলাদেশ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ বে অব বেঙ্গল ইনিশিয়েটিভ ফর মাল্টি-সেক্টরাল টেকনিক্যাল অ্যান্ড ইকোনমিক কোঅপারেশনের বর্তমান সভাপতি বা চেয়ারপারসন দেশ। - সংস্থাটির শীর্ষ সম্মেলন আয়োজন এবং এর কার্যক্রম পরিচালনার নেতৃত্ব বর্তমানে বাংলাদেশের হাতে রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আয়ারল্যান্ড — এটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য দেশ এবং BIMSTEC মূলত দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক সংস্থা হওয়ায় এর সাথে সম্পর্কিত নয়। B) ভারত — ভারত BIMSTEC-এর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ও সদস্য রাষ্ট্র হলেও বর্তমানে সংস্থাটির চেয়ারপারসনের দায়িত্বে নেই। C) নেপাল — নেপাল অতীতে BIMSTEC-এর চেয়ারপারসনের দায়িত্ব পালন করেছে, তবে বর্তমান চেয়ারপারসন নয়। D) বাংলাদেশ — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাংলাদেশ বর্তমানে আনুষ্ঠানিকভাবে এই আঞ্চলিক সংস্থার চেয়ারপারসনের দায়িত্ব পালন করছে। মনে রাখার টিপস: বিমস্টেকের বর্তমান নেতৃত্ব বা চেয়ারপারসন মনে রাখতে 'বাংলাদেশ' শব্দটি মাথায় রাখুন, কারণ আন্তর্জাতিক এই সংস্থার বর্তমান সভাপতি আমাদের দেশ।
a সাঙ্গু
b কৈলাশটিলা
c মেঘনা
d তিতাস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) তিতাস কেন সঠিক: - মজুদ বিবেচনায় তিতাস গ্যাসক্ষেত্র বাংলাদেশের বৃহত্তম প্রাকৃতিক গ্যাসক্ষেত্র। - ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় অবস্থিত এই গ্যাসক্ষেত্রটি দেশের মোট গ্যাস সরবরাহের একটি বড় অংশ পূরণ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাঙ্গু — এটি বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত একটি অফশোর গ্যাসক্ষেত্র, যা দেশের সবচেয়ে বড় গ্যাসক্ষেত্র নয়। B) কৈলাশটিলা — এটি একটি বড় গ্যাসক্ষেত্র হলেও মজুদের দিক থেকে তিতাসের চেয়ে ছোট। C) মেঘনা — এটি অপেক্ষাকৃত ছোট একটি গ্যাসক্ষেত্র এবং মজুদের দিক থেকে শীর্ষস্থানে নেই। D) তিতাস — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়, এটি দেশের সর্বাধিক গ্যাস মজুদযুক্ত ক্ষেত্র। মনে রাখার টিপস: মজুদ বা উৎপাদনে সবার সেরা, তিতাস গ্যাসের নাম করো ত্বরা।
a পায়রা বন্দর
b মোংলা বন্দর
c চট্টগ্রাম বন্দর
d মাতারবাড়ি বন্দর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মোংলা বন্দর কেন সঠিক: - অবস্থানগত ও পণ্য হ্যান্ডলিংয়ের দিক থেকে চট্টগ্রাম বন্দরের পরেই মোংলা বন্দরের অবস্থান। - এটি পশুর নদীর তীরে অবস্থিত দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম ও ব্যস্ততম সমুদ্রবন্দর। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পায়রা বন্দর — এটি পটুয়াখালী জেলায় অবস্থিত দেশের তৃতীয় সমুদ্রবন্দর, দ্বিতীয় বৃহত্তম নয়। B) মোংলা বন্দর — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্রবন্দর। C) চট্টগ্রাম বন্দর — এটি বাংলাদেশের প্রধান ও বৃহত্তম সমুদ্রবন্দর, দ্বিতীয় নয়। D) মাতারবাড়ি বন্দর — এটি কক্সবাজারে অবস্থিত দেশের নবীনতম গভীর সমুদ্রবন্দর প্রকল্প। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের প্রধান বন্দর চট্টগ্রাম এবং এর পরেই দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে মোংলা বন্দর।
a উইনস্টন চার্চিল
b হ্যারল্ড ম্যাকমিলান
c অ্যাটলি ইডেন
d মার্গারেট থ্যাচার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) উইনস্টন চার্চিল কেন সঠিক: - উইনস্টন চার্চিল ১৯৪০ থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অধিকাংশ সময় তিনি মিত্রশক্তিকে নেতৃত্ব দেন। - তার দূরদর্শী নেতৃত্ব ও অটল মনোবল ব্রিটিশ জাতিকে যুদ্ধ জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) উইনস্টন চার্চিল — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য। B) হ্যারল্ড ম্যাকমিলান — তিনি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় প্রধানমন্ত্রী ছিলেন না, বরং তিনি ১৯৫৭ থেকে ১৯৬৩ সাল পর্যন্ত যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। C) অ্যাটলি ইডেন — এই নামে একক কোনো প্রধানমন্ত্রী ছিলেন না, এটি মূলত ক্লিমেন্ট অ্যাটলি এবং অ্যান্টনি ইডেন নামের দুজন আলাদা প্রধানমন্ত্রীকে বুঝায় যারা পরবর্তী সময়ে ক্ষমতায় এসেছিলেন। D) মার্গারেট থ্যাচার — তিনি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অনেক পরে ১৯৭৯ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত যুক্তরাজ্যের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। মনে রাখার টিপস: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জয় পেতে উইনস্টন চার্চিলের দৃঢ় নেতৃত্ব প্রয়োজন ছিল, তাই যুদ্ধের সময় তিনিই প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।

মোট প্রশ্ন (10)

a ==
b =
c !=
d <=
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) = ১. কেন সঠিক: C এবং C++ প্রোগ্রামিং ভাষায় কোনো চলকের মধ্যে মান সংরক্ষণ বা অ্যাসাইন করার জন্য অ্যাসাইনমেন্ট অপারেটর হিসেবে একটি মাত্র সমান চিহ্ন ব্যবহৃত হয়। এর মাধ্যমে ডানপাশের রাশির মান বা ফলাফল বামপাশের চলকে জমা করা হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: অ্যাসাইনমেন্ট অপারেটর হলো এমন একটি বিশেষ প্রতীক যার সাহায্যে প্রোগ্রামিং ভাষায় কোনো চলকে নির্দিষ্ট মান প্রদান করা হয়। কার্যপদ্ধতি: এই অপারেটর ডানপাশের এক্সপ্রেশনের মান মূল্যায়ন করে এবং বামপাশের ভেরিয়েবলে সেই মান লিখে দেয়। ব্যবহার: প্রোগ্রাম লেখার সময় চলকের মান নির্ধারণ বা পরিবর্তন করার জন্য এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: int x = ১০; ব্যাখ্যা: এখানে সমান চিহ্ন ব্যবহার করে x নামক পূর্ণসংখ্যা চলকে ১০ মানটি সংরক্ষণ করা হয়েছে। উদাহরণ ২: x = y + ৫; ব্যাখ্যা: এখানে y এর মানের সাথে ৫ যোগ করে প্রাপ্ত ফলাফল x চলকে অ্যাসাইন করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) == — এটি একটি রিলেশনাল বা তুলনা অপারেটর, যা দুটি মানের সমতা যাচাই করার জন্য ব্যবহৃত হয় এবং অ্যাসাইনমেন্টের জন্য নয়। B) = — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশন হিসেবে পুনরায় ব্যাখ্যা প্রয়োজন নেই। C) != — এটি নট ইকুয়াল বা অসমান অপারেটর, যা দুটি মান সমান কি না তা যাচাই করতে ব্যবহৃত হয়। D) <= — এটি লেস দ্যান অর ইকুয়াল টু অপারেটর, যা ছোট বা সমান কি না তা তুলনা করার জন্য ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: একটি সমান চিহ্ন মান বসানোর কাজ করে এবং দুটি সমান চিহ্ন দুটি জিনিসের তুলনা করার কাজ করে। প্রোগ্রামিংয়ে মান রাখতে একটি মাত্র সমান চিহ্ন ব্যবহার করতে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: অ্যাসাইনমেন্ট অপারেটর এবং কম্পারিজন অপারেটরের পার্থক্য প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। সমান চিহ্ন দেখে বিভ্রান্ত হওয়া যাবে না।
a Google
b Microsoft
c Open AI
d Meta
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Open AI ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত উত্তরটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ ওপেনএআই (Open AI) একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গবেষণা ল্যাব যারা চ্যাটজিপিটি তৈরি করেছে। - এটি ২০২২ সালের নভেম্বরে বাজারে আসার পর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও জেনারেটিভ এআই জগতে বিপ্লব ঘটিয়েছে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: চ্যাটজিপিটি হলো লার্জ ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল ভিত্তিক একটি জেনারেটিভ এআই চ্যাটবট। - কার্যপদ্ধতি: এটি বিশাল পরিমাণ টেক্সট ডেটা বিশ্লেষণ করে মানুষের মতো সাবলীল ভাষায় প্রশ্নের উত্তর দিতে পারে। - ব্যবহার: কন্টেন্ট তৈরি, প্রোগ্রামিং কোড লেখা এবং গ্রাহক সেবায় এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: একজন শিক্ষার্থী তার পড়াশোনার কোনো জটিল বিষয় সহজে বোঝার জন্য চ্যাটজিপিটি ব্যবহার করে। ব্যাখ্যা: এটি মুহূর্তের মধ্যে জটিল ধারণাকে সহজ করে বুঝিয়ে দিতে পারে। উদাহরণ ২: একজন সফটওয়্যার ডেভেলপার কোডিং করার সময় ভুল ত্রুটি খোঁজার জন্য এটি ব্যবহার করে। ব্যাখ্যা: এটি কোডের লজিক বিশ্লেষণ করে দ্রুত সমাধান বা পরামর্শ দিতে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Google — এটি একটি টেক জায়ান্ট যারা জেমিনি এআই তৈরি করেছে, চ্যাটজিপিটি নয়। B) Microsoft — এটি ওপেনএআই এর অন্যতম প্রধান বিনিয়োগকারী ও অংশীদার হলেও এই চ্যাটবটটির মূল নির্মাতা নয়। D) Meta — এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও মেটাভার্স কোম্পানি যারা লাডা এআই মডেল তৈরি করেছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - জিপিটি মানে হলো জেনারেটিভ প্রি-ট্রেইন্ড ট্রান্সফর্মার যা একটি জনপ্রিয় ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল। - ওপেনএআই নামটি মনে রাখলেই চ্যাটজিপিটির আসল নির্মাতা প্রতিষ্ঠানকে চেনা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জনপ্রিয় এআই টুল এবং তাদের প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের নাম জানতে চাওয়া হয়। - ওপেনএআই প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ২০১৫ সালে এবং এর বর্তমান প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হলেন স্যাম অল্টম্যান।
a function
b define
c def
d func
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) def ১. কেন সঠিক: পাইথন প্রোগ্রামিং ভাষায় ব্যবহারকারী-সংজ্ঞায়িত ফাংশন তৈরি বা ডিফাইন করার জন্য def কিওয়ার্ডটি ব্যবহার করা হয়। এটি ডিফাইন শব্দের সংক্ষিপ্ত রূপ, যার মাধ্যমে পাইথনকে নির্দেশ দেওয়া হয় যে এরপর একটি নতুন ফাংশন ব্লক শুরু হতে যাচ্ছে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ফাংশন হলো নির্দিষ্ট কোনো কাজ সম্পাদনের জন্য লিখিত কোডের একটি সুনির্দিষ্ট ব্লক। কার্যপদ্ধতি: def কিওয়ার্ডের পর ফাংশনের নাম এবং বন্ধনী ব্যবহার করে কোড ব্লক লিখতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: def যোগফল(ক, খ): return ক + খ ব্যাখ্যা: এখানে def কিওয়ার্ড ব্যবহার করে যোগফল নামক একটি ফাংশন তৈরি করা হয়েছে যা দুটি সংখ্যা যোগ করতে পারে। উদাহরণ ২: def শুভেচ্ছা(): print(سلام) ব্যাখ্যা: এই কোডে def কিওয়ার্ডের সাহায্যে কোনো আর্গুমেন্ট ছাড়া একটি সাধারণ প্রিন্ট ফাংশন সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) function — পাইথনে ফাংশন লেখার জন্য এই কিওয়ার্ড ব্যবহার করা হয় না, জাভাস্ক্রিপ্ট বা পিএইচপি ভাষার ক্ষেত্রে এটি ব্যবহৃত হয়। B) define — এটি পাইথনের কোনো কিওয়ার্ড নয়, অন্য কিছু প্রোগ্রামিং ভাষা বা ম্যাক্রো তৈরিতে এটি ব্যবহৃত হতে পারে। D) func — এটি পাইথনের সংক্ষিপ্ত বা মূল কিওয়ার্ড নয়, তাই এটি দিয়ে ফাংশন ডিফাইন করা যায় না। ৫. মনে রাখার টিপস: পাইথনে ফাংশন লেখার সময় ডিফাইন বা define পুরোটা না লিখে শুধু def লিখতে হয়। ছোট্ট এই def কিওয়ার্ডটি মনে রাখলেই পাইথনের যেকোনো ফাংশন তৈরির প্রশ্ন সহজেই উত্তর করা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রোগ্রামিং ভাষার সিনট্যাক্স থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। পাইথনে লুপ লেখার জন্য for বা while এবং শর্তের জন্য if কিওয়ার্ড ব্যবহৃত হয়, এটিও জেনে রাখা ভালো।
a Ctrl+N
b Ctrl+Shift+N
c Alt+N
d Ctrl+Alt+N
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Ctrl+Shift+N ১. কেন সঠিক: উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে সরাসরি কিবোর্ড ব্যবহার করে খুব দ্রুত নতুন ফোল্ডার তৈরির জন্য Ctrl+Shift+N শর্টকাট কি ব্যবহার করা হয়। এই কমান্ড একসঙ্গে চাপলে মাউসের সাহায্য ছাড়াই ডেস্কটপে বা যেকোনো ফোল্ডারের ভেতরে নতুন ফোল্ডার তৈরি হয়ে যায়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: শর্টকাট কি হলো এক বা একাধিক কী-বোর্ডের বোতামের সমষ্টি যা ব্যবহারকারীকে মেন্যুতে প্রবেশ না করে দ্রুত কাজ করতে সাহায্য করে। কার্যপদ্ধতি: এই নির্দিষ্ট কম্বিনেশনটি উইন্ডোজ শেলকে নতুন ডিরেক্টরি তৈরির জন্য একটি সিস্টেম কল পাঠায়। ব্যবহার: কম্পিউটারে ফাইল ও ফোল্ডার দ্রুত সাজাতে এবং সময় বাঁচাতে প্রাত্যহিক কাজে এই শর্টকাট ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কম্পিউটারে কাজের সময় অনেকগুলো ছবি আলাদা করার জন্য ফোল্ডার প্রয়োজন হয়। ব্যাখ্যা: মাউসের রাইট ক্লিক করে নিউ ফোল্ডারে না গিয়ে এই শর্টকাট দিয়ে মুহূর্তেই ফোল্ডার বানানো যায়। উদাহরণ ২: প্রজেক্টের কাজের ফাইলগুলো একটি নির্দিষ্ট স্থানে গুছিয়ে রাখতে ফোল্ডার দরকার হয়। ব্যাখ্যা: কাজের গতি বাড়াতে এবং দক্ষতা অর্জনের জন্য পেশাদাররা এই কিবোর্ড শর্টকাট বেশি ব্যবহার করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Ctrl+N — এই শর্টকাটটি সাধারণত মাইক্রোসফট ওয়ার্ড বা ব্রাউজারে নতুন ডকুমেন্ট বা ট্যাব খোলার জন্য ব্যবহৃত হয়। B) Ctrl+Shift+N — এটি সঠিক উত্তর যা উইন্ডোজে নতুন ফোল্ডার তৈরি করে এবং ব্রাউজারে ইনকগনিটো উইন্ডো খোলে। C) Alt+N — এই শর্টকাটটি অনেক অ্যাপ্লিকেশনে রিবন ট্যাব বা ইনসার্ট মেনু সক্রিয় করতে ব্যবহৃত হয়। D) Ctrl+Alt+N — এটি উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে ফোল্ডার তৈরির কোনো নির্ধারিত বা স্ট্যান্ডার্ড শর্টকাট নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: নতুন ফোল্ডার বানানোর জন্য নিউ শব্দের প্রথম অক্ষর এন ব্যবহার করা হয়। সাধারণত নতুন ফাইল খুলতে শুধু কন্ট্রোল এন চাপে আর ফোল্ডার হলে শিফট যুক্ত করে কন্ট্রোল শিফট এন চাপতে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই উইন্ডোজ শর্টকাট কি থেকে প্রশ্ন আসে। নতুন ফোল্ডার তৈরির শর্টকাট এবং ব্রাউজারে প্রাইভেট ব্রাউজিং উইন্ডো খোলার শর্টকাট একই হয়ে থাকে।
a Inverter
b Oscillator
c Rectifier
d Transformer
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Rectifier ১. কেন সঠিক: রেক্টিফায়ার এমন একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস যা অল্টারনেটিং কারেন্ট বা এসি কারেন্টকে ডাইরেক্ট কারেন্ট বা ডিসি কারেন্টে রূপান্তর করতে পারে। এসি কারেন্ট সময়ের সাথে দিক পরিবর্তন করে কিন্তু ডিসি কারেন্ট সবসময় একই দিকে প্রবাহিত হয়, আর রেক্টিফায়ার এই দিক পরিবর্তনশীল কারেন্টকে একমুখী করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: রেক্টিফায়ার হলো এমন একটি ডিভাইস যা দিক পরিবর্তনকারী বিদ্যুৎ প্রবাহকে একমুখী বিদ্যুৎ প্রবাহে রূপান্তর করে। কার্যপদ্ধতি: এটি সাধারণত ডায়োড ব্যবহার করে কাজ করে যা বিদ্যুৎকে কেবল এক দিকে প্রবাহিত হতে দেয় এবং বিপরীত দিকের প্রবাহকে বাধা দেয়। ব্যবহার: মোবাইল চার্জার, ল্যাপটপ অ্যাডাপ্টার এবং বিভিন্ন পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিটে এসি মেইন ভোল্টেজকে ডিসিতে রূপান্তর করতে এটি ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্মার্টফোনের চার্জার ব্যাখ্যা: বাড়ির দেয়ালের বৈদ্যুতিক সকেট থেকে আসা এসি কারেন্টকে চার্জার বাক্সের ভেতরের রেক্টিফায়ার ডিসি কারেন্টে রূপান্তর করে ফোন ব্যাটারিতে জমা করে। উদাহরণ ২: ল্যাপটপের পাওয়ার অ্যাডাপ্টার ব্যাখ্যা: অ্যাডাপ্টারের ভেতরের সার্কিট রেক্টিফায়ার ব্যবহার করে এসি বিদ্যুৎকে ডিসিতে পরিণত করে ল্যাপটপের মাদারবোর্ড ও ব্যাটারি সচল রাখে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Inverter — ইনভার্টার ডিসি কারেন্টকে এসি কারেন্টে রূপান্তর করে, যা এই প্রশ্নের উল্টো কাজ করে। B) Oscillator — অসসিলেটর হলো এমন একটি ইলেকট্রনিক সার্কিট যা ডিসি পাওয়ারকে পিরিয়ডিক এসি সিগন্যাল বা তরঙ্গে রূপান্তরিত করে। D) Transformer — ট্রান্সফরমার শুধু এসি ভোল্টেজের মান বাড়াতে বা কমাতে পারে, কিন্তু এসিকে ডিসিতে রূপান্তর করতে পারে না। ৫. মনে রাখার টিপস: AC থেকে DC বানায় Rectifier এবং এর উল্টো কাজ অর্থাৎ DC থেকে AC বানায় Inverter। রেডিও বা চার্জারের প্লাগ পয়েন্টে ডিসি পাওয়ার দরকার হলে সবসময় রেক্টিফায়ারের ভূমিকা মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটারের পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিট এসি কারেন্টকে বিভিন্ন মানের ডিসি ভোল্টেজে রূপান্তর করতে রেক্টিফায়ার ও ট্রান্সফরমার উভয়ই ব্যবহার করে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এসি থেকে ডিসি এবং ডিসি থেকে এসি রূপান্তরকারী ডিভাইসের নাম প্রায়ই আলাদাভাবে জানতে চাওয়া হয়।
a Python
b Java
c SQL
d C++
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) SQL ১. কেন সঠিক: SQL একটি ডিক্লোরেটিভ বা ঘোষণাভিত্তিক ডেটাবেজ ভাষা, যা অ্যালান টুরিংয়ের টুরিং মেশিন ধারণার অন্তর্ভুক্ত নয়। এটি ডেটা প্রসেসিংয়ের জন্য ব্যবহৃত হলেও সাধারণ প্রোগ্রামিং ভাষার মতো টুরিং সম্পূর্ণ (Turing complete) নয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: SQL-এর পূর্ণরূপ Structured Query Language। এটি একটি ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট ভাষা। কার্যপদ্ধতি: ব্যবহারকারী কী চায় তা ডেটাবেজকে নির্দেশ দেয়, কিন্তু কীভাবে ডেটা প্রসেসিং হবে তা নির্ধারণ করে না। ব্যবহার: ডেটাবেজ থেকে ডেটা খোঁজা, নতুন ডেটা যোগ করা এবং ডেটা আপডেট করার কাজে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: SELECT * FROM users; ব্যাখ্যা: এটি একটি এসকিউএল কোয়েরি যা ডেটাবেজ থেকে সমস্ত ইউজারের তথ্য ফিরিয়ে আনে। উদাহরণ ২: DELETE FROM students WHERE id = ১০; ব্যাখ্যা: এটি দিয়ে ডেটাবেজ থেকে নির্দিষ্ট শর্তের ভিত্তিতে ডেটা মুছে ফেলা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Python — এটি একটি জেনারেল পারপাস প্রোগ্রামিং ভাষা যা টুরিং সম্পূর্ণ। B) Java — এটি একটি অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং ভাষা যা টুরিং সম্পূর্ণ। D) C++ — এটি একটি শক্তিশালী প্রসিডিউরাল ও অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং ভাষা যা টুরিং সম্পূর্ণ। ৫ মনে রাখার টিপস: এসকিউএল হলো ডেটাবেজের ভাষা যা হিসাব-নিকাশ বা লজিক তৈরির জন্য তৈরি হয়নি। প্রোগ্রামিং ভাষাগুলো লুপ এবং কন্ডিশন ব্যবহার করে টুরিং সম্পূর্ণ হয় কিন্তু এসকিউএল তা করে না। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার সাইন্সে যে ভাষাগুলো লজিক এবং গণনার মাধ্যমে যেকোনো অ্যালগরিদম সমাধান করতে পারে তাকে টুরিং সম্পূর্ণ বলে। ডেটাবেজ কুয়েরি ভাষাগুলো সাধারণত নন-টুরিং মেশিন টাইপের হয়ে থাকে।
a HDD
b SSD
c RAM
d DVD
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) RAM ১. কেন সঠিক: - RAM-এর পুরো নাম Random Access Memory এবং এটি কম্পিউটারের প্রাথমিক বা মূল মেমোরি হিসেবে কাজ করে। - প্রসেসর সরাসরি এই মেমোরি থেকে ডেটা পড়ে এবং লেখে, যা কম্পিউটারের কাজের গতি দ্রুত রাখতে সহায়তা করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: প্রাথমিক মেমোরি বা প্রাইমারি মেমোরি হলো এমন একটি মেমোরি যা সরাসরি সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিটের সাথে যোগাযোগ করে এবং চলমান ডেটা সাময়িকভাবে সংরক্ষণ করে। - কার্যপদ্ধতি: বিদ্যুৎ থাকা অবস্থায় এটি দ্রুত ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে কিন্তু কম্পিউটার বন্ধ করলে এর ভেতরের সব ডেটা মুছে যায়। - বৈশিষ্ট্য: এটি ভোলাটাইল বা অস্থায়ী মেমোরি এবং সেকেন্ডারি মেমোরির তুলনায় এর গতি অনেক বেশি। - ব্যবহার: কোনো সফটওয়্যার বা গেম চালু করলে তা প্রথমে সেকেন্ডারি স্টোরেজ থেকে এই মেমোরিতে লোড হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লেখার প্যাড ব্যাখ্যা: কাজের সময় হাতের কাছে নোট লিখে রাখা এবং কাজ শেষ হলে তা মুছে ফেলার মতো এটি বর্তমান কাজের তথ্য মনে রাখে। উদাহরণ ২: ব্রাউজারের ট্যাব ব্যাখ্যা: কম্পিউটারে একসঙ্গে একাধিক ব্রাউজার ট্যাব খোলা থাকলে তা এই মেমোরিতে জমা থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) HDD — এটি একটি সেকেন্ডারি মেমোরি বা স্থায়ী স্টোরেজ ডিভাইস, যা দীর্ঘস্থায়ী ডেটা সংরক্ষণের জন্য ব্যবহার করা হয়। B) SSD — এটিও একটি সেকেন্ডারি মেমোরি এবং স্টোরেজ ডিভাইস, যা ফ্ল্যাশ মেমোরি প্রযুক্তিতে কাজ করে। D) DVD — এটি একটি অপটিক্যাল ডিস্ক এবং সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস, যা মাল্টিমিডিয়া ফাইল সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - RAM হলো এমন একটি অস্থায়ী স্মৃতি যা কম্পিউটার বন্ধ করলেই সব ভুলে যায়। - প্রাথমিক মেমোরি বলতে সাধারণত প্রধান মেমোরি বা মেইন মেমোরিকে বোঝানো হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রাইমারি মেমোরি এবং সেকেন্ডারি মেমোরির পার্থক্য প্রায়ই আসে। - ভোলাটাইল বা অস্থায়ী মেমোরি হিসেবে RAM এবং নন-ভোলাটাইল বা স্থায়ী মেমোরি হিসেবে ROM পরিচিত।
a Parmanent
b External
c Volatile
d Optical
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Volatile ১. কেন সঠিক: RAM এর পূর্ণরূপ Random Access Memory এবং বাংলা অর্থ দৈবচয়নভিত্তিক স্মৃতি। এটি কম্পিউটারের মেইন মেমোরি বা প্রাইমারি মেমোরি হিসেবে কাজ করে। কম্পিউটার চালু থাকা অবস্থায় প্রসেসর যে ডেটা নিয়ে কাজ করে তা সাময়িকভাবে RAM এ জমা থাকে। বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলে বা কম্পিউটার বন্ধ করলে RAM এ থাকা সমস্ত ডেটা চিরতরে মুছে যায়, তাই একে উদ্বায়ী বা Volatile মেমোরি বলা হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: RAM হলো এক ধরনের উদ্বায়ী বা ক্ষণস্থায়ী অর্ধপরিবাহী মেমোরি যা প্রসেসরকে দ্রুত ডেটা সরবরাহ করতে সাহায্য করে। কার্যপদ্ধতি: প্রসেসর যখন কোনো সফটওয়্যার বা অ্যাপ্লিকেশন চালায়, তখন তা সেকেন্ডারি স্টোরেজ থেকে RAM এ লোড হয় এবং প্রসেসর সরাসরি RAM থেকে ডেটা নিয়ে দ্রুত কাজ সম্পন্ন করে। বৈশিষ্ট্য: এটি রিড ও রাইট উভয় সুবিধাই প্রদান করে এবং এর ডেটা অ্যাক্সেস টাইম খুবই কম বা দ্রুতগতির হয়। পার্থক্য: স্থায়ী মেমোরি যেমন হার্ড ডিস্ক বা ROM এ ডেটা আজীবন সংরক্ষিত থাকে, কিন্তু RAM এ ডেটা শুধু বিদ্যুৎ থাকা পর্যন্তই টিকে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাইক্রোসফট ওয়ার্ড এ কোনো নতুন ডকুমেন্ট লেখার সময় তা সাময়িকভাবে RAM এ জমা থাকে। ব্যাখ্যা: হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে গেলে বা কম্পিউটার ক্র্যাশ করলে সেভ না করা ডেটা হারিয়ে যায় কারণ তা RAM এ ছিল। উদাহরণ ২: স্মার্টফোনে অনেকগুলো অ্যাপ একসাথে ওপেন রাখলে ফোন দ্রুত কাজ করে যদি RAM বেশি থাকে। ব্যাখ্যা: ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যাপগুলো RAM এ সক্রিয় থাকে যাতে সুইচ করার সাথে সাথে তা চালু হতে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Parmanent — এটি সঠিক নয় কারণ পার্মানেন্ট বা স্থায়ী মেমোরি হলো ROM বা হার্ড ডিস্ক যেখানে বিদ্যুৎ ছাড়াও ডেটা সুরক্ষিত থাকে। B) External — এটি সঠিক নয় কারণ এক্সটার্নাল মেমোরি হলো পেনড্রাইভ বা এক্সটার্নাল হার্ড ডিস্ক যা কম্পিউটারের বাইরে যুক্ত থাকে। D) Optical — এটি সঠিক নয় কারণ অপটিক্যাল ডিস্ক হলো সিডি বা ডিভিডি যা লেজার লাইটের সাহায্যে ডেটা পড়ে ও লেখে। ৫. মনে রাখার টিপস: RAM হলো মেমোরির জগতের অতিথি পাখি, যতক্ষণ বিদ্যুৎ থাকে ততক্ষণ ডেটা ধরে রাখে। RAM এর পূর্ণরূপ হলো Random Access Memory। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটারের গতি অনেকাংশে RAM এর ধারণক্ষমতা ও গতির ওপর নির্ভর করে। RAM হলো রিড এবং রাইট মেমোরি, কিন্তু ROM হলো মূলত রিড অনলি মেমোরি।
a Windows 11
b Mozilla Firefox
c iOS
d Linux
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Linux ১. কেন সঠিক: - লিনাক্স (Linux) একটি ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম, যার সোর্স কোড সবার জন্য উন্মুক্ত এবং এটি বিনামূল্যে পরিবর্তন ও পরিবর্ধন করা যায়। - জি পি এল (GPL - General Public License) লাইসেন্সের আওতায় এই অপারেটিং সিস্টেমের কোড ডাউনলোড করে ব্যবহারকারী নিজের প্রয়োজনমতো কাস্টমাইজ করতে পারেন। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম হলো এমন একটি সিস্টেম সফটওয়্যার যার সোর্স কোড জনসমক্ষে উন্মুক্ত থাকে এবং যে কেউ এটি দেখতে, পরিবর্তন করতে ও বিতরণ করতে পারে। - কার্যপদ্ধতি: এটি ব্যবহারকারী এবং কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারের মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করে এবং উন্মুক্ত কোডের কারণে ডেভেলপাররা এর ত্রুটি দ্রুত সংশোধন করতে পারেন। - ব্যবহার: সার্ভার, সুপার কম্পিউটার, এমবেডেড ডিভাইস এবং অ্যানড্রয়েড মোবাইল অপারেটিং সিস্টেমের ভিত্তি হিসেবে লিনাক্স ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: উবুন্টু (Ubuntu) ব্যাখ্যা: উবুন্টু হলো লিনাক্স কার্নেলের ওপর ভিত্তি করে তৈরি একটি জনপ্রিয় ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম যা সাধারণ ডেক্সটপ কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: রেড হ্যাট এন্টারপ্রাইজ লিনাক্স (RHEL) ব্যাখ্যা: এটি এন্টারপ্রাইজ বা প্রাতিষ্ঠানিক সার্ভার পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত একটি শক্তিশালী লিনাক্সভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Windows ১১ — এটি মাইক্রোসফটের একটি স্বত্বাধিকারী বা প্রোপ্রিটারি অপারেটিং সিস্টেম যার সোর্স কোড গোপন থাকে। B) Mozilla Firefox — এটি একটি ওপেন সোর্স ইন্টারনেট ব্রাউজার, কোনো অপারেটিং সিস্টেম নয়। C) iOS — এটি অ্যাপলের একটি স্বত্বাধিকারী মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম যার সোর্স কোড সাধারণের জন্য উন্মুক্ত নয়। D) Linux — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি একটি ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম। ৫. মনে রাখার টিপস: - উইন্ডোজ ও আইওএস হলো পেইড এবং প্রোপ্রাইটরি বা বন্ধ সোর্স সিস্টেম, আর লিনাক্স হলো ফ্রি এবং ওপেন সোর্স সিস্টেম। - লিনাক্সের লোগো হলো পেঙ্গুইন, যার নাম টুক্স। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমের জনক বা প্রবর্তক হলেন লিনুস টরভাল্ডস (Linus Torvalds)। - সকল অ্যানড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম লিনাক্স কার্নেলের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে।
a Uniform Resource Locator
b Uniform Resource Link
c Uniform Reference Link
d Uniform Record Locator
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Uniform Resource Locator ১. কেন সঠিক: - ইন্টারনেট বা ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবে থাকা যেকোনো ফাইলের নির্দিষ্ট ঠিকানা বা লোকেশন বোঝাতে এই পূর্ণরূপটি ব্যবহার করা হয়। - প্রটোকল, ডোমেইন নেম এবং ফাইলের পাথ একত্রে যুক্ত হয়ে একটি সম্পূর্ণ ইউআরএল তৈরি করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: ইন্টারনেট ব্রাউজারে কোনো ওয়েব পেজ বা রিসোর্স খুঁজে পাওয়ার ইউনিক বা অদ্বিতীয় ঠিকানাকে ইউআরএল বলা হয়। - কার্যপদ্ধতি: ব্রাউজারে ঠিকানা টাইপ করলে ডিএনএস সার্ভারের মাধ্যমে আইপি ঠিকানায় রূপান্তরিত হয়ে কাঙ্ক্ষিত সার্ভার থেকে ডেটা নিয়ে আসে। - ব্যবহার: ওয়েব ব্রাউজার ব্যবহার করে ইন্টারনেট থেকে যেকোনো তথ্য, ছবি বা ভিডিও দেখার জন্য এই ঠিকানা ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: https://www.example.com/index.html ব্যাখ্যা: এটি একটি পূর্ণাঙ্গ ইউআরএল যেখানে প্রটোকল, ডোমেইন এবং ফাইলের নাম একত্রে নির্দিষ্ট রিসোর্স নির্দেশ করে। উদাহরণ ২: http://www.bangladesh.gov.bd ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশ সরকারের অফিশিয়াল পোর্টাল চেনার জন্য ব্যবহৃত ইন্টারনেট ঠিকানা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Uniform Resource Locator — এটি সঠিক এবং পরীক্ষিত পূর্ণরূপ যা ইন্টারনেটে ব্যাপকভাবে স্বীকৃত। B) Uniform Resource Link — এই শব্দগুচ্ছটি কম্পিউটার নেটওয়ার্কে ইন্টারনেট ঠিকানা বোঝাতে কোনো প্রমিত পরিভাষা নয়। C) Uniform Reference Link — এটি কোনো সঠিক প্রযুক্তিগত বা দাপ্তরিক পূর্ণরূপ নির্দেশ করে না। D) Uniform Record Locator — এটি ডেটাবেজ রেকর্ডের সাথে সম্পর্কিত হতে পারে কিন্তু ওয়েব ঠিকানার ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ইউআরএল মানে হলো ইন্টারনেটের ঘরের ঠিকানা বা লোকেশন। - শেষের এল দিয়ে Locator মনে রাখবে যা মূলত লোকেশন বা অবস্থান নির্দেশ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ইন্টারনেটের বিভিন্ন সংক্ষিপ্ত রূপের পূর্ণরূপ প্রায়ই আসে। - এইচটিটিপি এবং ডোমেইন নেমের কাজ সম্পর্কে সম্যক ধারণা রাখা উচিত।